সঠিক উত্তর: A) ভারতচন্দ্র
১. কেন সঠিক:
মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। বাংলা মধ্যযুগের সমাপ্তি এবং আধুনিক যুগের সূচনালগ্নে তিনি রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে আবির্ভূত হন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর নদিয়া জেলার পেপড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজসভায়শালী হন। তার বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ ও অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ কীর্তি যা মধ্যযুগের শেষ ভাগে রচিত মঙ্গলকাব্যের শেষ ঐতিহ্য বহন করে।
উদাহরণ ২: সত্যনারায়ন কথা
ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্রের আরেকটি ছোট আকারের কাব্য যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার অন্য একটি নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতচন্দ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত।
B) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি যুগের বা শুরুর দিকের কবি, শেষ কবি নন।
C) বিজয় গুপ্ত — বিজয় গুপ্ত পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত কবি যিনি মধ্যযুগের প্রথমার্ধের অন্তর্ভুক্ত।
D) কানাহরি দত্ত — কানাহরি দত্ত মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রাচীন কবি, তিনি মধ্যযুগের শেষের কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের শেষ সূর্য ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর, এভাবে মনে রাখতে পারো। মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটেছে তার হাতেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রাজকবি ছিলেন এবং মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাকে রায়গুণাকর উপাধি দিয়েছিলেন। মধ্যযুগের কালসীমা সাধারণত ১২০১ থেকে ১৭৬০ বা ১৮০১ সাল পর্যন্ত ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা।
১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া বিদ্রোহী চেতনার প্রকাশ ঘটে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে যার শুরুতেই প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতাটি বিদ্রোহী।
এটি যুগান্তকারী একটি সাহিত্যকর্ম যা তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তরুণ সমাজকে দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা যা ধ্বংসের মাঝেই নতুন সৃষ্টির বার্তা বহন করে।
উদাহরণ ২: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: এই কবিতার মাধ্যমেই কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্বজুড়ে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক প্রকাশিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর।
C) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী গান ও কবিতার সংকলন, তবে প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) ভাঙার গান — এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সঙ্গীত ও কবিতাগ্রন্থ, যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রথম কাব্য মানেই আগুনের মতো তেজদীপ্ত অগ্নিবীণা।
প্রথম প্রকাশের সাল মনে রাখতে ১৯২২ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ও প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বাঁধন হারা এবং প্রথম গল্প প্রবাসীর বন্ধু।
সঠিক উত্তর: C) আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের প্রাথমিক ও মধ্যবর্তী পর্যায়ের সত্য ঘটনা ও স্মৃতিচারণের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি প্রামাণিক দলিল।
- গ্রন্থটি কোনো কাল্পনিক গল্প বা উপন্যাস নয়, বরং লেখকের নিজের হাতের লেখা ডায়েরির পাতার ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত একটি বাস্তবধর্মী আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশ্লিষ্ট লেখক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট শাহাদাতবরণ করেন।
- রচনা বা সাহিত্যকর্মের পরিচিতি হিসেবে গ্রন্থটি ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে যা পরবর্তীতে পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরেকটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও দিনলিপিনির্ভর গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত একটি প্রামাণিক ভ্রমণ ও আত্মজীবনীমূলক রচনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — উপন্যাস হলো লেখকের কল্পনার আশ্রয়ে রচিত কাল্পনিক বা অর্ধ-বাস্তব কাহিনীর গদ্যরূপ, যা এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) প্রবন্ধ গ্রন্থ — প্রবন্ধ হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক ও তাত্ত্বিক আলোচনা, যা ব্যক্তিগত জীবনীর বর্ণনার সঙ্গে সম্পূর্ণ মেলে না।
C) আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নটির দাবির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) নাটক — নাটক হলো মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী সংলাপনির্ভর দৃশ্যকাব্য, যা এই জীবনচরিতের রূপের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলো মনে রাখতে খেয়াল রাখবে যে তার নামযুক্ত প্রধান তিনটি বই হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে। মূল পাঠ্য বা প্রামাণিক তথ্য ভালোভাবে জানলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) শেষের কবিতা
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য সেন এবং এর সাহিত্যিক রূপ ও কাব্যিক ভাষা একে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক, কবি ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- শেষের কবিতা উপন্যাসের ধরন মূলত মনস্তাত্ত্বিক ও কাব্যধর্মী যেখানে প্রথাগত উপন্যাসের ধারা ভেঙে নতুন এক আধুনিক শলীর রূপ দেওয়া হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমাজ ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের ওপর রচিত একটি প্রখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেমেসিস — এটি একটি বিখ্যাত নাটক যা নাট্যকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কর্তৃক রচিত হয়েছে।
B) শেষের কবিতা — এটি একটি উপন্যাস এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
C) পদ্মাবতী — এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল কর্তৃক অনূদিত ও রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
D) নবান্ন — এটি নাট্যকার বিজন ভট্টাচার্য কর্তৃক রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি আসলে একটি উপন্যাস।
- উপন্যাস মনে রাখার জন্য অমিত রায় ও লাবণ্য সেন চরিত্রের নামটি মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বিভ্রান্ত করার জন্য কাব্যিক নামের উপন্যাস বা নাটক জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে রচনার প্রকৃত রূপ বা জাঁকজমক না বুঝে লেখকের পুরো সাহিত্যকর্মের ধরন খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) উৎ + যোগ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত্ বা দ্ এর পর জ বা ঝ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে জ হয়।
উদ্যোগ শব্দের ক্ষেত্রে উৎ পদের ত্ত্ব বা ত্ ধ্বনির পর জ ধ্বনি থাকায় ত্ পরিবর্তিত হয়ে জ বা জ্জ হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে বর্গের প্রথম ধ্বনির পর তৃতীয় বা চতুর্থ ধ্বনি থাকলে প্রথম ধ্বনিটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিপদ্ + জাল = বিপজ্জাল
ব্যাখ্যা: এখানে ত্ বা দ্ এর পর জ থাকার কারণে দ্ স্থানে জ যুক্ত হয়ে বিপজ্জাল গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সৎ + জন = সজ্জন
ব্যাখ্যা: এখানে ত্ এর পর জ থাকার কারণে ত্ পরিবর্তিত হয়ে জ এ পরিণত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদ + যোগ — বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এখানে উৎ উপসর্গ ব্যবহার না করে উদ লেখা হয়েছে যা ভুল।
C) উদ্যোগ + গ — সম্পূর্ণ শব্দটিকে ভেঙে ভুলভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে যা কোনো সন্ধির নিয়মের মধ্যে পড়ে না।
D) উত + যোগ — এখানে উৎ এর পরিবর্তে খণ্ড ত এর নিচে হসন্ত না দিয়ে উত লেখা হয়েছে যা বানান ও নিয়ম বহির্ভূত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ত্ বা দ্ এর সাথে জ যোগ হলে সর্বদা জ্জ বা জ উৎপন্ন হয়।
উদ্যোগ শব্দে জ্জ দেখে উৎ যোগ যোগ মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খণ্ড ত বা উৎ উপসর্গ চেনার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ইউসুফ জোলেখা
১. কেন সঠিক:
- ইউসুফ জোলেখা মহাকবি শাহ মুহম্মদ সগর রচিত একটি বিখ্যাত মধ্যযুগের কাব্য, যা সপ্তদশ শতাব্দীতে রচিত হয়।
- মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল এই গ্রন্থটি রচনা করেননি, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। তাঁর প্রধান ও অমর সৃষ্টি হলো পদ্মাবতী, যা মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত।
- তোহফা এবং হপ্তপয়কর আলাওলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি মৌলিক ও অনুবাদধর্মী সাহিত্যকর্ম, যা তাঁর পাণ্ডিত্য ও কবিত্বশক্তির পরিচয় বহন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: এটি দৌলত কাজী রচিত মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত কাব্য, যা পরে আলাওল অসমাপ্ত অংশ সম্পন্ন করেন।
উদাহরণ ২: সিকান্দারনামা
ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ, যা ফারসি কাব্য অবলম্বনে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউসুফ জোলেখা — এটি শাহ মুহম্মদ সগর রচিত কাব্য, তাই এটি আলাওলের রচিত নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) তোহফা — এটি আলাওল কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও ধর্মীয় কাব্য।
C) পদ্মাবতী — এটি কবি আলাওলের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক পরিচিত মহাকাব্যের মতো সাহিত্যকর্ম।
D) হপ্তপয়কর — এটি মধ্যযুগের পারস্যের কবি নিজামী গঞ্জবীর কাব্য অবলম্বনে আলাওল কর্তৃক রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আলাওলের প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো তোহফা, পদ্মাবতী ও হপ্তপয়কর তাঁর অমর সৃষ্টি, আর ইউসুফ জোলেখা লিখেছেন শাহ মুহম্মদ সগর।
- মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের মধ্যে আলাওলের সাহিত্যকর্মের তালিকাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাঁদের বিখ্যাত গ্রন্থের নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- বিশেষ করে আলাওল, দৌলত কাজী ও সৈয়দ সুলতানের রচনাগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
- রাজের পুত্র অর্থাৎ রাজার পুত্র এখানে সমাসবদ্ধ হয়ে রাজপুত্র বা রাজপুত হয়েছে।
- সমাস করার সময় পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন র, এর) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
- এখানে রাজার পুত্র শব্দ দুটিতে সম্বন্ধ পদে ষষ্ঠী বিভক্তি (এর) যুক্ত আছে, যা ব্যাসবাক্যে স্পষ্ট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চায়ের বাগান = চায়ের বাগান বা চা-বাগান।
ব্যাখ্যা: এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের সেবা = দেশসেবা।
ব্যাখ্যা: এখানে দেশের পদের র বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত তুলনা বা বিশেষ্য-বিশেষণের সম্পর্ক থাকে, যা এখানে নেই।
C) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রম্পট প্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে পরপদের অর্থ প্রধান।
D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যে যদি র বা এর বিভক্তি থাকে এবং সমস্ত পদে তা লোপ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে।
- রাজার পুত্র, ছাগলের দুধ—এগুলো দেখলেই ষষ্ঠী তৎপুরুষ মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পাওয়া।
- একই নিয়মে বিলাত ফেরত, ছাত্রাবাস, রাজপথ—এগুলোও ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: C) সিংহ
১. কেন সঠিক:
মৃগরাজ শব্দের অর্থ হলো সিংহ। মৃগ শব্দের সাধারণ অর্থ হরিণ হলেও, সমাস বা শব্দার্থের বিচারে মৃগরাজ বলতে পশুদের রাজাকে অর্থাৎ সিংহকে বোঝানো হয়।
২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ:
এটি একটি বিশেষ অর্থবাচক শব্দ বা সমার্থক শব্দ। ব্যাকরণের নিয়মে পশুর রাজা অর্থে সিংহকে মৃগরাজ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কেশরী
ব্যাখ্যা: কেশরী শব্দের অর্থ সিংহ, যা মৃগরাজ শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বনরাজ
ব্যাখ্যা: বনের রাজা অর্থে বনরাজ শব্দটিও অনেক সময় সিংহকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বানর — বানর একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী হলেও মৃগরাজ শব্দের অর্থ বানর নয়।
B) হাতি — হাতি বৃহত্তম স্থলচর প্রাণী, তবে এটি মৃগরাজ শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
C) সিংহ — এটি সঠিক উত্তর।
D) হরিণ — মৃগ শব্দের অর্থ হরিণ হলেও মৃগরাজ বলতে হরিণকে বোঝায় না, বরং হরিণ শিকার করে বলে সিংহকে মৃগরাজ বলা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৃগ অর্থ হরিণ এবং রাজ অর্থ রাজা। হরিণদের ওপর যে রাজা বা শাসন করে অর্থাৎ বনের রাজা সিংহ, এভাবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পশুর রাজাকে কী বলা হয়, তা মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধদেব বসু
১. কেন সঠিক:
বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশের কবিতায় আধুনিক বাংলা কবিতার নাগরিক মনন, নিঃসঙ্গতা ও বিষণ্নতার সুর প্রথম স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করেন।
তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে প্রকৃতির পটভূমিতে মানুষের একান্ত অন্তর্জগতের বিষাদময় প্রকাশ হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে 'নির্জনতার কবি' বলে আখ্যায়িত করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি ও লেখক।
তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি রূপসী বাংলা হিসেবে উঠে এলেও তার ভেতরে কাজ করেছে এক গভীর existential crisis বা অস্তিত্বসংকট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা, যা তার নির্জন ও ক্লান্তিহীন পথিকের থিম বহন করে।
উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুললেও এর মধ্যে কবির অন্তহীন নিঃসঙ্গতা ও দেশপ্রেমের গভীর নির্জনতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধদেব বসু — এটি সঠিক উত্তর।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ জীবনানন্দ দাশকে চিত্ররূপময় কবি বলে অভিহিত করেছিলেন, নির্জনতার কবি বলেননি।
C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বুদ্ধিজীবী ও যুক্তিবাদী ধারার কবি ছিলেন, তিনি জীবনানন্দকে এই উপাধি দেননি।
D) বিষ্ণু দে — বিষ্ণু দে মার্ক্সীয় চেতনার কবি ছিলেন, তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতার মূল্যায়ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বুদ্ধদেব বসু বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা আনতে সচেষ্ট ছিলেন এবং তিনি জীবনানন্দ দাশের নিঃসঙ্গ সুরটি প্রথম ধরতে পেরে মনে রেখেছিলেন।
তাই আধুনিকতার প্রচারক বুদ্ধদেব বসু হলেন সেই ব্যক্তি যিনি জীবনানন্দ দাশকে নির্জনতার কবি বলেছেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের উপাধি বা কে কাকে কী বলেছেন তা প্রায়ই আসে।
যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশকে চিত্ররূপময় কবি বলেছেন আর বুদ্ধদেব বসু তাকে নির্জনতার কবি বলেছেন।
সঠিক উত্তর: D) চলাকালে
১. কেন সঠিক:
- চলাকালে পদটি একটি বিশেষ প্রত্যয়সাধিত শব্দ যেখানে কাল শব্দের সঙ্গে বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একই বাক্যে সমার্থক শব্দের পুনরাবৃত্তি দোষ বা বাহুল্য দোষ ঘটে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বাহুল্য দোষ বা শব্দার্থের দ্বিরুক্তি একটি মারাত্মক ত্রুটি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- কাল বা সময়বাচক শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত সময় বা কাল যুক্ত করা ব্যাকরণগত দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যোদয়ের সময়
ব্যাখ্যা: সূর্যোদয় শব্দের অর্থ সূর্যের উদয় হওয়া, তাই এর সঙ্গে অতিরিক্ত সময় শব্দ ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ।
উদাহরণ ২: শ্রবণকালে
ব্যাখ্যা: শোনার সময় বোঝাতে কেবল শ্রবণকালে ব্যবহার করলেই অর্থ পরিষ্কার হয়, অতিরিক্ত সময় লেখার প্রয়োজন নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলাকালীন সময়ে — চলাকালীন এবং সময় দুটি শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করায় এখানে দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ ঘটেছে।
B) চলাকালিন সময়ে — এই অপশনে বানানের ভুল থাকার পাশাপাশি অতিরিক্ত সময় শব্দ যুক্ত হয়ে বাহুল্য দোষ সৃষ্টি হয়েছে।
C) চলাকালের সময়ে — চলাকালের এবং সময়ে পদ দুটি একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণের নিয়মে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
D) চলাকালে — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এতে কোনো অতিরিক্ত বাহুল্য বা শব্দের পুনরাবৃত্তি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কালিন বা কালীন যুক্ত শব্দের পর কখনো সময় বা কাল শব্দটি বসবে না কারণ কালিন শব্দের অর্থই হলো নির্দিষ্ট সময়।
- সমার্থক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার এড়িয়ে চললে এই ধরনের ভুল থেকে সহজে মুক্ত থাকা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে তাই শব্দার্থের পুনরাবৃত্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
- প্রমিত বাংলা বানানে কালীন বানানে মূর্ধন্য ন ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে অতিরিক্ত সময় যোগ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) লুই পা
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদের আদি বা প্রথম কবি হলেন লুই পা। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে এটি প্রমাণ করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
লুই পা চর্যাপদের সবচেয়ে প্রাচীন পদকর্তা হিসেবে স্বীকৃত। ড. শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের কাল সপ্তম শতাব্দী এবং লুই পা রচিত পদটি চর্যাপদের প্রথম পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি লুই পার রচনা। এর মূল বিষয়বস্তু হলো সাধনভজন ও সহজিয়া তত্ত্ব।
ব্যাখ্যা: এই পদটি দিয়েই চর্যাপদের সংকলন শুরু হয়েছে এবং এতে বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের মৌলিক কথাই প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: লুই পার পদের প্রারম্ভিক চরণ হলো কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল।
ব্যাখ্যা: এই চরণটিতে মানবদেহকে একটি গাছের সঙ্গে তুলনা করে রূপক অর্থে সাধনপদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুই পা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ও ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে তিনি চর্যাপদের প্রথম কবি।
B) শবর পা — তিনি চর্যাপদের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেও আদি কবি নন।
C) ভূসুক পা — তিনি চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি তবে তিনি আদি কবি নন।
D) কাহ্ন পা — তিনি চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কবি তবে প্রথম কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের প্রথম বা আদি কবি মনে রাখার জন্য ল অক্ষরটি মনে রাখতে পারো। লুই পার ল দিয়েই চর্যাপদের সূচনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এর মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের প্রথম কবি এবং মোট পদের সংখ্যা প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'ভানুসিংহ' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম। মাত্র বারো বছর বয়সে তিনি এই ছদ্মনামে কবিতা লেখা শুরু করেছিলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৈশোরে বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের পদাবলী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ব্রজবুলি ভাষায় কিছু পদ রচনা করেন। তিনি ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনাম ব্যবহার করে এই পদগুলো রচনা করেছিলেন যা পরবর্তীতে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেখানে তার ছদ্মনাম ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মরমী কবি লালন শাহ
ব্যাখ্যা: অনেক সাহিত্যিক ও বাউল সাধক তাদের লেখার ক্ষেত্রে বা পরিচয়ে ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন যেমন রবীন্দ্রনাথ ভানুসিংহ ব্যবহার করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাশিল্পী হলেও ভানুসিংহ তার ছদ্মনাম নয়।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং ইনি কৌতুকমূলক লেখায় কমলাকান্ত মুদি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও ভানুসিংহ তার ছদ্মনাম নয়।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে কবিতা লিখেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের ভানুসিংহ নামটির সঙ্গে ভানু বা সূর্য শব্দটিকে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। সূর্যের আলো যেমন বিশ্বকে আলোকিত করে, তেমনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যও বাংলা সাহিত্যকে আলোকিত করেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম বা ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী কার রচনা। এই ধরনের সাহিত্যিক ছদ্মনামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) শওকত আলী
১. কেন সঠিক:
'প্রদোষে প্রাকৃতজন' একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শওকত আলী।
প্রদোষ অর্থ সন্ধ্যা বা গোধূলি এবং প্রাকৃতজন অর্থ সাধারণ মানুষ, এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু সেন আমলের সামন্তপ্রথা ও সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শওকত আলী বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি মূলত ইতিহাসাশ్రয়ী ও সমাজসচেতন উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
তাঁর রচিত 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাসটি বাংলা ঐতিহাসিক উপন্যাসের ধারায় একটি অনন্য সংযোজন হিসেবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শওকত আলী রচিত 'দক্ষিণায়নের দিন' উপন্যাসটি তাঁর আরেকটি বিখ্যাত ত্রয়ী উপন্যাসের প্রথম খণ্ড।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সাহিত্যকর্মের পরিধি ও ঐতিহাসিক উপন্যাসের ধারাকে বুঝতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: শওকত আলী রচিত 'ওয়ারिसा' উপন্যাসটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম হিসেবে বেশ পরিচিত।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি লেখকের ঐতিহাসিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিম আল দিন — ইনি মূলত বিশিষ্ট নাট্যকার ও গবেষক ছিলেন, কোনো ঐতিহাসিক উপন্যাস রচয়িতা হিসেবে নন।
B) সৈয়দ শামসুল হক — ইনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাসের রচয়িতা নন।
C) শওকত ওসমান — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' তাঁর লেখা নয়, বরং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'কৃতদাসের হাসি'।
D) শওকত আলী — ইনি এই উপন্যাসের প্রকৃত রচয়িতা বিধায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধ্যা বা প্রদোষে সাধারণ বা প্রাকৃত মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন ঔপন্যাসিক শওকত আলী।
নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো প্রদোষ মানে সন্ধ্যা আর প্রাকৃত মানে সাধারণ জনতা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন 'উত্তরে কালপুরুষ' সম্পর্কে ধারণা রাখবে।
অন্যান্য লেখকের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যাবে।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- নয়নচারা গল্পটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
- এই গল্পে গ্রামীণ সমাজজীবনের মনস্তত্ত্ব এবং মানুষের জীবনসংগ্রাম অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ আধুনিক বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক যিনি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক রচনার জন্য বিখ্যাত।
- নয়নচারা তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থ যা ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ জীবনের নানা রূপের চিত্রায়ন রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত একটি বিশ্বমানের মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও নয়নচারা তাঁর রচিত গল্প নয়।
B) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও নয়নচারা তাঁর কোনো ছোটগল্প নয়।
C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — ইনিই এই গল্পের সঠিক রচয়িতা এবং তাঁর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থের নামও নয়নচারা।
D) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক হলেও নয়নচারা গল্পের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ওয়ালীউল্লাহর একমাত্র ছোটগল্প গ্রন্থ নয়নচারা মনে রাখতে ওয়ালীউল্লাহ ও নয়নচারা শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ হিসেবে এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জন্ম ১৯২২ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭১ সালে।
তাঁর রচিত নাটক বহিপীর এবং উপন্যাস লালসালু বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) কাপালিকুণ্ডলা
১. কেন সঠিক:
- 'পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ' উক্তিটি বাংলা উপন্যাসের আদিগুরু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস 'কপালকুণ্ডলা' থেকে নেওয়া হয়েছে।
- সপ্তর্ষি নদীর চরে ঘোর অন্ধকার রাতে পথ হারানো নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে এই বিখ্যাত সংলাপটি কপালকুণ্ডলা উচ্চারণ করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত।
- ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত 'কপালকুণ্ডলা' একটি রোমান্টিক উপন্যাস যার মূল পটভূমি সমুদ্রসৈকত ও কাপালিকদের রহস্যময় জীবন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমতা না থাকলেই ধর্মনাশ হয় না।
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও দার্শনিক তাৎপর্যপূর্ণ সংলাপ।
উদাহরণ ২: দিবসের শেষে আর একটি দিন ফুরাইল।
ব্যাখ্যা: এটিও একই উপন্যাসের প্রকৃতি বন্দনা এবং মানবজীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব প্রকাশকারী একটি বিখ্যাত উদ্ধৃতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবকুমার — নবকুমার কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র এবং সে নিজে পথ হারিয়েছিল, এই উক্তিটি তার নয়।
B) শ্রীকান্ত — শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত আত্মজৈবনিক উপন্যাস 'শ্রীকান্ত' এর কেন্দ্রীয় চরিত্র, যার সাথে এই উক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কাপালিকুণ্ডলা — এটি সঠিক উত্তর। কারণ এই বিখ্যাত সংলাপটি উপন্যাসটির নারী চরিত্র কপালকুণ্ডলার মুখেই মানানসইভাবে উচ্চারিত হয়েছিল।
D) কুমুদিনী — কুমুদিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাসের একটি প্রধান নারী চরিত্র, যা বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো পথ হারালেই মনে রাখবে কপালকুণ্ডলা আর নবকুমারের কথা।
- উক্তিটির মধ্যে পথিক ও পথ হারানোর বিষয়টি কপালকুণ্ডলার চরিত্রকে বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও বিখ্যাত চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের বিভিন্ন উক্তি ও চরিত্র চিহ্নিতকরণ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকান্তের উইল
১. কেন সঠিক:
- রোহিণী হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস 'কৃষ্ণকান্তের উইল'-এর একটি অত্যন্ত নাটকীয় ও ট্র্যাজিক নারী চরিত্র।
- এই উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র গোবিন্দলালের সঙ্গে রোহিণীর অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক এবং তার পরিণতির মধ্য দিয়ে উপন্যাসের মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত।
- 'কৃষ্ণকান্তের উইল' ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে মানবমনের লোভ, পরকীয়া প্রেম এবং তার ধ্বংসাত্মক পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনী
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যার প্রধান নারী চরিত্র সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনী।
উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের চরিত্র কপালকুণ্ডলা ও নবকুমার
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি রোমান্সধর্মী উপন্যাস যার কেন্দ্রীয় চরিত্র কপালকুণ্ডলা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষবৃক্ষ - এই উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র কুন্দনন্দিনী ও সূর্যমুখী, রোহিণী নয়।
B) গৃহদাহ - এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র মহিম, সুরেশ ও অচলা।
D) রাজর্ষি - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র গোবিন্দমাণিক্য ও ত্রিপুরা রাজ্যের ঘটনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের নারী চরিত্র মনে রাখার জন্য লেখকের নাম এবং উপন্যাসের নাম জোড়ায় পড়তে হবে।
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাস বললেই রোহিণী এবং গোবিন্দলালের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' এবং প্রথম বাংলা সার্থক সামাজিক উপন্যাস 'বিষবৃক্ষ'।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মুনীর চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'কবর' নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি এই বিখ্যাত একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন।
- নাটকটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমনপীড়নের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ হিসেবে বাংলা নাট্যসাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং ভাষাসৈনিক। ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণকারী এই বুদ্ধিজীবী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আলবদরের হাতে শহিদ হন।
- 'কবর' নাটকটি প্রথম মঞ্চায়িত হয় ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের দ্বারা এবং এটি বাংলা প্রতিবাদী নাট্যধারার একটি মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রক্তকবরী
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকী নাটক, যার নামের সঙ্গে 'কবর' শব্দের মিল থাকলেও এর বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা।
উদাহরণ ২: মানুষের মন
ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরীর অনূদিত বা অন্যান্য সাহিত্যকর্মের মতো এটিও বাংলা সাহিত্যের নাট্যশালায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদুল্লা কায়সার — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও 'কবর' নাটকের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো সারেং বউ।
B) জহির রায়হান — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও কথাসাহিত্যিক, তার বিখ্যাত উপন্যাস বরফ গলা নদী, তবে তিনি 'কবর' নাটক লেখেননি।
C) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) নুরুল মোমেন — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও তার বিখ্যাত নাটক নেপথ্যের নায়ক, 'কবর' নাটকটি তার লেখা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের উত্তাল সময়ে কারাগারে বসে নাটক লিখেছেন মুনীর চৌধুরী। মনে রাখার কৌশল হলো ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে কারাগারের ভেতরের 'কবর' রচনা করেছিলেন মুনীর চৌধুরী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, তা প্রায়ই আসে। মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ও 'চিঠি' নাটকগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) বরিশাল
১. কেন সঠিক:
- কবি বেগম সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার (বর্তমান বরিশাল জেলা) শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মস্থান সংক্রান্ত এই তথ্যটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী কবি, সাহিত্যিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, কেয়ার কাঁটা ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যা: এটি বেগম সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: একা এবং কয়েকজন
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — কুমিল্লা কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং শচীন দেব বর্মণের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত হলেও বেগম সুফিয়া কামালের জন্মস্থান নয়।
B) বরিশাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
C) খুলনা — খুলনা অঞ্চলের সঙ্গে প্রখ্যাত সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মস্থান যুক্ত, সুফিয়া কামালের জন্মস্থান নয়।
D) ঢাকা — ঢাকা তাঁর কর্মজীবন এবং জীবনের দীর্ঘ সময় কাটানোর স্থান হলেও তাঁর জন্মস্থান এখানে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুফিয়া কামালের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো তিনি বরিশালের বাকেরগঞ্জের মেয়ে ছিলেন।
- তাঁর নামের সঙ্গে বরিশালের শায়েস্তাবাদ এলাকাটি বিশেষভাবে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব কমন।
- কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং তাঁদের ডাকনাম বা উপাধিগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গীতাঞ্জলি
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
গীতাঞ্জলি শব্দটিতে অঞ্জলি অংশটি যুক্ত হওয়ার কারণে শেষের ই-কার হ্রস্ব ই অর্থাৎ ই-কার হবে, দীর্ঘ ঈ-কার হবে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত যেসব শব্দে অঞ্জলি প্রত্যয় যুক্ত থাকে, সেগুলোর শেষে সর্বদা ই-কার বা হ্রস্ব ই ব্যবহৃত হয়।
এই নিয়মের কারণে গীতাঞ্জলি শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত ভুল হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রদ্ধাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: শ্রদ্ধা শব্দের সাথে অঞ্জলি যুক্ত হয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে শেষের ই-কার হ্রস্ব ই হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুষ্পাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: পুষ্প শব্দের সাথে অঞ্জলি যুক্ত হয়ে পুষ্পাঞ্জলি গঠিত হয়েছে এবং নিয়মানুযায়ী এখানেও হ্রস্ব ই-কার বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গীতাঞ্জলী — শেষের অংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল।
B) গীতাঞ্জলি — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এই রূপটি সর্বজনগ্রাহ্য।
C) গীতান্জলী — মধ্যাহ্ন ন এবং দীর্ঘ ঈ-কার উভয় ভুল থাকার কারণে এই অপশনটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
D) গীতান্জলি — মূর্ত বা দন্ত ন এর বদলে মধ্যাহ্ন ন ব্যবহারের কারণে এই বানানটিও ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
অঞ্জলি যুক্ত সকল শব্দের শেষেই হ্রস্ব ই-কার বা ই হবে।
শ্রদ্ধাঞ্জলি, গীতাঞ্জলি বা পুষ্পাঞ্জলি—সব ক্ষেত্রেই শেষের ই-কার ছোট ই হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঞ্জলি প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে।
এই নিয়মটি মনে রাখলে অঞ্জলি সংক্রান্ত যেকোনো শুদ্ধ বানান সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: প্রদ্ত্ত তথ্যে অসংগতি রয়েছে। এখানে প্রশ্ন ও প্রদত্ত সঠিক উত্তরে মারাত্মক ভুল রয়েছে। 'কূজন' (দীর্ঘ উ-কার যুক্ত) শব্দের সঠিক অর্থ 'পাখির মধুর ডাক'। অন্যদিকে 'কুজন' (হ্রস্ব উ-কার যুক্ত) শব্দের অর্থ 'খারাপ লোক' বা 'কুৎসিত জন'। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নে সাধারণত সঠিক উত্তর হবে 'পাখির ডাক'। কিন্তু প্রদত্ত উত্তর 'খারাপ লোক' দেওয়ায় এটি মূলত 'কুজন' শব্দের অর্থ নির্দেশ করেছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী দীর্ঘ উ-কার ও হ্রস্ব উ-কার ভেদে শব্দের অর্থে এই মৌলিক পার্থক্য ঘটে।
১. কেন সঠিক:
- কূজন শব্দের দীর্ঘ উ-কার নির্দেশ করে কাকলি বা পাখির কলরব, যা প্রকৃতি ও সাহিত্যের অত্যন্ত পরিচিত একটি শব্দ।
- কুজন শব্দের হ্রস্ব উ-কার নির্দেশ করে কু বা খারাপ জন অর্থাৎ দুষ্ট প্রকৃতির মানুষ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দের অর্থ ও বানান রূপভেদে অর্থের পরিবর্তন বাংলা শব্দভাণ্ডারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের কারণে উচ্চারণে ভিন্নতা না থাকলেও অর্থে আকাশচুম্বী তফাত হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুজন সংঘ ত্যাগ করো।
ব্যাখ্যা: এখানে কুজন অর্থ খারাপ লোক বা অসৎ সঙ্গ বোঝাতে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সকালে পাখির কূজন শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে কূজন অর্থ পাখির ডাক বোঝাতে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খারাপ লোক — এটি কুজন শব্দের অর্থ, কিন্তু কূজন শব্দের অর্থ হলো পাখির ডাক।
B) ছোট লোক — এটি কোনো প্রমিত শব্দার্থ নয় এবং কূজন বা কুজন কোনোটির সঙ্গেই এটি সরাসরি মেলে না।
C) পাখির ডাক — এটিই মূলত কূজন শব্দের সঠিক অর্থ, যা এখানে সঠিক অপশন হওয়া উচিত ছিল।
D) এতর বিশেষ — এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক অপশন এবং এর সঙ্গে প্রশ্নের কোনো মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দীর্ঘ উ-কার থাকলে আকাশে ওড়া পাখির ডাক মনে রাখতে পারো।
- হ্রস্ব উ-কার থাকলে কু বা খারাপ লোক মনে রাখা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বানানের সামান্য হ্রস্ব ও দীর্ঘ রূপ পরিবর্তনের ফলে শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।
- পরীক্ষার হলে কুজন ও কূজন শব্দ দুটি সাবধানে খেয়াল করে উত্তর করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে সার্থক রূপদান করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬৬ সালে ফ্রাঁসের ভার্সাই নগরীতে প্রবাস জীবনযাপনকালে চতুর্দশপদী কবিতাবলী রচনা করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন যা সার্থক সনেটের মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট।
উদাহরণ ২: বঙ্গভাষা কবিতা
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা ও সনেট আঙ্গিকের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদী রচনার জন্য বিখ্যাত, সনেটের প্রবর্তক নন।
C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি হিসেবে পরিচিত এবং মূলত গীতি কবিতার জন্য বিখ্যাত, সনেট প্রবর্তক নন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সনেট রচনা করলেও এর প্রবর্তক নন, মধুসূদন দত্তের পরে সনেট ধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধু খেলেই মনে আসে সনেট, মধু মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এভাবে খুব সহজেই সনেটের প্রবর্তককে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সনেটের জনক বা প্রবর্তক সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাংলা সনেটের মূল বৈশিষ্ট্য হলো চৌদ্দটি চরণ ও সুনির্দিষ্ট মিলবিন্যাস।
সঠিক উত্তর: C) পাবক
১. কেন সঠিক:
- পাবক শব্দটির অর্থ আগুন বা অগ্নি। এটি অগ্নি শব্দের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে এই শব্দের ব্যবহার বেশ frecuente বা নিয়মিত দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও অর্থের দিক থেকে একই বা কাছাকাছি ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ভাণ্ডারে অগ্নির অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বহ্নি
ব্যাখ্যা: বহ্নি শব্দটি অগ্নি শব্দের অপর একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: হুতাশন
ব্যাখ্যা: হুতাশন শব্দের অর্থও আগুন, যা অগ্নির সমার্থক হিসেবে কাব্যে ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনিল — অনিল শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আগুনের সমার্থক নয়।
B) সমীরণ — সমীরণ শব্দের অর্থ বাতাস বা সমীর, এটি বায়ুর সমার্থক শব্দ।
D) ভানু — ভানু শব্দের অর্থ সূর্য, এটি আলোর দেবতা বা সূর্যের সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অগ্নি শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পাবক, বহ্নি, হুতাশন, অনল ও কৃশানু শব্দগুলো একসঙ্গে একটি ছন্দে মুখস্থ করা।
- বাতাসের সমার্থক (অনিল, সমীরণ) ও আগুনের সমার্থক (পাবক, অনল) শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করতে একসঙ্গে অপশনে দেওয়া হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি ও বায়ু শব্দের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই বিপরীতার্থক বা কাছাকাছি অপশন দিয়ে কনফিউজ করা হয়।
- তাই পরীক্ষার হলে অনল (আগুন) এবং অনিল (বাতাস) এর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করে উত্তর করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
- 'ব্যাকরণ' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি তৎসম শব্দ।
- শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা বা বিশেষ ব্যুৎপত্তি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে শাস্ত্রে ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন, প্রকৃতি ও পারস্পরিক সম্পর্কের নিয়ম শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে আলোচিত হয় তাকে ব্যাকরণ বলে।
- সংস্কৃত 'বি' এবং 'আ' উপসর্গের পর 'কৃ' ধাতুর সঙ্গে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ব্যাকরণ শব্দ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ
ব্যাখ্যা: এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটিও সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — ব্যাকরণ শব্দটি বাংলা ভাষার নিজস্ব কোনো শব্দ নয়, এটি সংস্কৃত থেকে আগত।
B) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে ব্যাকরণ শব্দটি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেনি।
D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে ব্যাকরণ শব্দটি ধার করা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বেশিরভাগ প্রাতিষ্ঠানিক ও শাস্ত্রীয় পরিভাষা যেমন ব্যাকরণ, ভূগোল, ইতিহাস সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে।
- মনে রাখবে বিজ্ঞান ও শাস্ত্রীয় শব্দের উৎস সাধারণত সংস্কৃত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ব্যাকরণ শব্দটির ব্যাসববাক্য ও প্রত্যয় নির্ণয় পরীক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৭ সালে
১. কেন সঠিক:
- 'শিখা' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালের মার্চ মাসে ঢাকা থেকে।
- এই পত্রিকার মূল স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'শিখা' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক ছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ, যা ১৯২৬ সালে ঢাকায় গঠিত হয়।
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল হোসেন এবং পরবর্তীতে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে এটি ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা: তিনি 'শিখা' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রথিতযশা লেখক ছিলেন।
উদাহরণ ২: কাজী আবদুল ওদুদ
ব্যাখ্যা: তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন প্রধান সংগঠক এবং 'শিখা' পত্রিকার সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৫ সালে — এই সালে 'শিখা' পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজেরও আগের বছর।
B) ১৯২৭ সালে — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
C) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়েছিল, যা 'শিখা' প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ১৯৬৪ সালে — এটি অনেক পরের সাল, এই সময়ে 'শিখা' পত্রিকার কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠিত হয় ১৯২৬ সালে এবং এর মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকা প্রকাশিত হয় ঠিক তার পরের বছর অর্থাৎ ১৯২৭ সালে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও 'শিখা' পত্রিকার প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগানটি কার লেখা, এই প্রশ্নটিও একই টপিক থেকে অনেকবার এসেছে।
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রকার
১. কেন সঠিক:
গঠন বা গঠনরীতি অনুসারে বাংলা বাক্য মূলত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। পদের বিন্যাস এবং বাক্যের আশ্রিত বা স্বাধীন হওয়ার বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বাক্যকে এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগে একটি মাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে। একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য নির্ভর করলে তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে এবং দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত হলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হওয়ায় অন্ধকার দূর হলো।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
উদাহরণ ২: যিনি পরিশ্রম করেন, তিনিই সুখ লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনাম জোড়া ব্যবহৃত হয়েছে এবং একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির ওপর নির্ভরশীল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ প্রকার — বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ দুই প্রকার নয়, কারণ সরল, জটিল ও যৌগিক এই তিনটি প্রধান রূপ রয়েছে।
B) ৩ প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকারেই বিভক্ত।
C) ৪ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে গঠন অনুসারে বাক্য চার প্রকার হওয়ার কোনো ভিত্তি নেই।
D) ৫ প্রকার — ৫ প্রকার মূলত অর্থের দিক থেকে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ, গঠন অনুসারে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
গঠন অনুযায়ী বাক্যের প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো সরল, জটিল ও যৌগিক এই তিনটি শব্দ মনে রাখা। সংক্ষেপে একে স-জ-য সূত্র হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গঠন এবং অর্থ ভেদে বাক্যের প্রকার নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। মনে রাখবে গঠনগতভাবে ৩ প্রকার হলেও অর্থের বা ভাবের দিক থেকে বাক্য ৫ প্রকার।
সঠিক উত্তর: D) I have lost my watch.
কেন সঠিক:
- এই বাক্যের গঠন কর্তা বা Subject (I) সরাসরি কাজ সম্পাদন করছে এমন ভাব প্রকাশ করে।
- এখানে Present Perfect Tense-এর Active গঠন (Subject + have/has + V3 + Object) সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The tree has been uprooted. — এটি Passive voice-এর গঠন, কারণ এখানে Subject নিজেই কাজ করছে না, বরং তার ওপর কাজ করা হয়েছে।
B) The door should be kept closed. — এটি Imperative sentence-এর Passive voice-এর গঠন, যা মূল নিয়মে Passive ফর্মে আছে।
C) My suggestion was not accepted. — এটি Past Indefinite Tense-এর Passive voice-এর গঠন, যেখানে সাহায্যকারী verb-এর পর V3 বসেছে।
D) I have lost my watch. — এটি Active voice-এর গঠন এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের Subject সরাসরি কাজ করলে তা Active এবং Subject-এর ওপর কাজ করা বোঝালে তা Passive হয়।
সঠিক উত্তর: D) adverb
কেন সঠিক:
- এখানে 'very' শব্দটি 'beautiful' নামক adjective-কে মডিফাই করেছে।
- Adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করায় 'very' একটি adverb হিসেবে গণ্য হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি noun বা pronoun-কে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে 'very' শব্দটি beautiful-কে মডিফাই করছে।
B) verb — এটি বাক্যের কাজ বোঝায়, কিন্তু 'very' কোনো কাজের নাম বা অবস্থা নির্দেশ করছে না।
C) pronoun — এটি noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু 'very' কোনো noun-এর বদলি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
D) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি adjective-কে মডিফাই করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো adjective বা অন্য adverb-এর মাত্রা বা তীব্রতা বাড়াতে তার আগে যে word বসে, তাকে adverb বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) none of these
কেন সঠিক:
- 'Knowledge is power' প্রখ্যাত উক্তিটি মূলত দার্শনিক ও বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস বেকনের।
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে ফ্রান্সিস বেকনের নাম না থাকায় সঠিক উত্তর হবে ডি তথা কাউকেও নির্দেশ করছে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Disraele — বেনজামিন ডিসরােলি ব্রিটিশ রাজনীতিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যার এই বিখ্যাত উক্তিটির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
B) Hobbes — থমাস হবস্ একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ছিলেন যিনি রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে কাজ করেছেন, তবে এই উক্তির প্রবক্তা নন।
C) Socrates — সক্রেটিস গ্রিক দার্শনিক ছিলেন, যাঁর উক্তি এবং এই প্রবাদটির উৎস সম্পূর্ণ ভিন্ন।
D) none of these — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক ব্যক্তি ফ্রান্সিস বেকন উপস্থিত না থাকায় এই অপশনটিই সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
জ্ঞানই শক্তি বা নলেজ ইজ পাওয়ার উক্তিটি মনে রাখতে এফ বেকন বা ফ্রান্সিস বেকনের নাম মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) befriend
কেন সঠিক:
- Noun শব্দের পূর্বে be উপসর্গ যুক্ত করে verb এ রূপান্তর করা হয়েছে।
- friend হলো Noun এবং এর verb রূপ হলো befriend যার অর্থ বন্ধুত্ব করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) befriend — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি friend শব্দের সঠিক verb রূপ।
B) enfriend — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক কোনো শব্দ বা গঠন নয়।
C) defriend — এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, friend শব্দের মূল verb রূপ নয়।
D) friendly — এটি Adjective যার অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন, তাই এটি verb হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun এর পূর্বে be যোগ করে verb গঠন করা যায়, যেমন friend থেকে befriend।
সঠিক উত্তর: A) Come to nothing
কেন সঠিক:
- 'End in smoke' একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম বা বাগধারা।
- এর বাংলা অর্থ হলো ব্যর্থ হওয়া বা কোনো ফলাফল না এনে শেষ হওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Come to nothing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ফ্রেজটির মূল ভাব হলো পরিণতিতে কিছুই না থাকা বা ব্যর্থ হওয়া।
B) Stop smoking — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়, আক্ষরিক অর্থে ধূমপান বন্ধ করা বোঝায় না।
সি) Catch fire — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি আগুন লাগার কোনো বাস্তব ঘটনা প্রকাশ করে না।
ডি) Destroy — এটি ভুল কারণ এটি সরাসরি ধ্বংস করা বোঝায়, যা এই ইডিয়মের রূপক অর্থের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
আগুন জ্বলার পর যেমন শুধু ধোঁয়া ও ছাই থাকে এবং কাজের কিছু থাকে না, তেমনি কোনো কাজের ফলাফল শূন্য বা ব্যর্থ হওয়াকে 'End in smoke' বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Shakespeare
কেন সঠিক:
- এটি উইলিয়াম শেকসপিয়রের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কমেডি নাটক।
- এই নাটকে বিখ্যাত উক্তি 'All the world's a stage' রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shakespeare — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি তার রচনা।
B) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি ও নাট্যকার ছিলেন, শেকসপিয়রের এই নাটকের রচয়িতা নন।
C) Hemingway — তিনি একজন প্রখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার ছিলেন, এলিজাবেথীয় যুগের এই নাটকের সাথে তিনি সম্পৃক্ত নন।
D) Marlowe — তিনি শেকসপিয়রের সমসাময়িক নাট্যকার হলেও এই নির্দিষ্ট নাটকটি তার লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেকসপিয়রের কমেডি নাটক মনে রাখতে 'As You Like It' এবং 'As' দিয়ে শুরু হওয়া নামগুলো তার সাথে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) No sooner had I reached the station than the train left.
কেন সঠিক:
- No sooner-এর পর Past Indefinite Tense-এর পরিবর্তে Past Perfect Tense ব্যবহৃত হয় এবং Subject-এর পূর্বে Auxiliary Verb (had) বসে।
- এই কাঠামোর দ্বিতীয় অংশে when বা then নয়, বরং বাধ্যতামূলকভাবে than বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No sooner had I reached the station than the train left. — এটি সঠিক বাক্য কারণ এতে সঠিক গঠন এবং সংযোগকারী শব্দ than ব্যবহার করা হয়েছে।
B) No sooner had I reached the station had then the train left. — এই অপশনে অতিরিক্ত had এবং then দুটি শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) No sooner I reached the station than the train left. — এখানে No sooner-এর পর নিয়ম অনুযায়ী auxiliary verb (had) এবং past participle ব্যবহার করা হয়নি।
D) No sooner had I reached the station when the train left. — No sooner-এর সঙ্গে সংযোগকারী হিসেবে when বসে না, কারণ when ব্যবহৃত হয় Scarcely বা Hardly-এর ক্ষেত্রে।
মনে রাখার টিপস:
No sooner-এর সঙ্গে সবসময় had এবং than বসে, আর Hardly বা Scarcely-এর সঙ্গে when বসে।
সঠিক উত্তর: D) sent
কেন সঠিক:
- বাক্যে গেট একটি কজেটিভ ভার্ব এবং এর পরে অবজেক্ট ট্রান্সক্রিপ্টস রয়েছে যা কাজটি নিজে করতে পারে না।
- তাই কজেটিভ ভার্বের নিয়ম অনুযায়ী অবজেক্টের পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম sent ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had sent — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের গঠন, যা এখানে নিষ্ক্রিয় অর্থ প্রকাশের জন্য সঠিক নয়।
B) has been sent — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট প্যাসিভ টেন্স, যা গট এর সাথে সরাসরি এভাবে বসে না।
C) sending — এটি জিরান্ড বা পার্টিসিপল, যা কজেটিভ গঠনে পাস্ট পার্টিসিপল হওয়ার নিয়মকে মানে না।
D) sent — এটি সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হওয়ায় বাক্যটিকে grammatically সঠিক করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
গেট কজেটিভের পর বস্তুবাচক অবজেক্ট থাকলে পরবর্তী ভার্বটি সর্বদা পাস্ট পার্টিসিপল হয়।
সঠিক উত্তর: C) He has scarcely any money.
কেন সঠিক:
- scarcely একটি নেতিবাচক শব্দ, তাই এর সঙ্গে any ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
- scarcely-র পর some ব্যবহার করা যায় না, কারণ some মূলত হাব্বিবাচক বাক্যে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He prefers to read than to write. — prefer শব্দের পর than না বসে সবসময় to বসে, তাই সঠিক গঠন হবে prefers reading to writing.
B) He is comparatively better today. — comparatively-র পর সুস্থতা বোঝাতে ভালো অবস্থার ক্ষেত্রে positive degree (good) বসে, better (comparative) বসে না।
C) He has scarcely any money. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই বাক্যে কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই।
D) He speaks fluent than I. — fluent একটি adjective, কিন্তু এখানে verb (speaks)-কে modify করার জন্য adverb (fluently) এবং তুলনার জন্য more fluently প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
scarcely বা hardly-র পর some না বসে नेहमी any বসে এবং prefer-এর পর তুলনার জন্য than-এর পরিবর্তে to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Thrifty
কেন সঠিক:
- Prodigal শব্দের অর্থ অপব্যয়ী বা অতিরিক্ত অর্থ খরচকারী।
- Thrifty শব্দের অর্থ মিতব্যয়ী বা হিসাব করে অর্থ খরচকারী, যা এর বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Strange — এর অর্থ অদ্ভুত বা অচেনা, যা prodigal শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Amity — এর অর্থ বন্ধুত্ব বা সম্প্রীতি, যা prodigal শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
C) Peculiar — এর অর্থ বিশেষ বা অস্বাভাবিক, যা এই শব্দের বিপরীত অর্থ বহন করে না।
D) Thrifty — এর অর্থ মিতব্যয়ী, যা prodigal শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Prodigal মানে প্রদীপের আলোর মতো অতিরিক্ত খরচ করা আর Thrifty মানে থলেতে টাকা জমিয়ে রাখা।
সঠিক উত্তর: A) Keats
কেন সঠিক:
- জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবিদের মধ্যে বয়সের দিক থেকে সবচেয়ে কনিষ্ঠ ছিলেন।
- তিনি ১৭৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র ২৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Keats — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি রোমান্টিক যুগের কবিদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) Colevidge — স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ ১৭৭২ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা কিটসের চেয়ে অনেক আগে।
C) Byron — লর্ড বায়রন ১৭৮৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি কিটসের চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন।
D) Shelley — পার্সি বিশ শেলি ১৭৯২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি কিটসের চেয়ে প্রায় তিন বছরের বড় ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক কবিদের মধ্যে কিটস সবচেয়ে কম বয়সে মারা যান এবং বয়সের দিক থেকেও তিনি সবার ছোট ছিলেন।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: সি) Without standing here you will die.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং 'and' দ্বারা যুক্ত Compound sentence-এর মতো অর্থ প্রকাশ করে।
- Imperative Sentence-এ আদেশ বা শর্ত বোঝাতে Simple sentence করার সময় সাধারণত 'Without + gerund' ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
এ) Stand here so that you can die. — এটি একটি Complex sentence, কারণ এতে 'so that' কনজাংশন যুক্ত রয়েছে।
বি) As you stand here you will die. — এটিও একটি Complex sentence, কারণ এতে 'As' কনজাংশন ব্যবহার করা হয়েছে।
সি) Without standing here you will die. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক Simple sentence-এর গঠন মেনে চলেছে।
ডি) Stand here only to die. — এটি Simple sentence হলেও মূল বাক্যের অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Imperative বাক্যে 'and' থাকলে Simple করার সময় 'Without + verb-ing' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) poem
কেন সঠিক:
- 'The Waste Land' হলো বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধুনিকতাবাদী দীর্ঘ কবিতা।
- নোবেলজয়ী কবি টি এস এলিয়ট ১৯২২ সালে এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা ও প্রকাশ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয়, কারণ এতে কোনো কাল্পনিক গদ্যের গল্প বা চরিত্রভিত্তিক দীর্ঘ কথাসাহিত্য নেই।
B) poem — এটি সঠিক কারণ এটি একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা।
C) drama — এটি কোনো নাটক বা মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী সংলাপভিত্তিক দৃশ্যকাব্য নয়।
D) movie — এটি কোনো চলচ্চিত্র বা দৃশ্যকাব্য নয়, এটি মুদ্রতি একটি সাহিত্যকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
টি এস এলিয়টের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'The Waste Land' মনে রাখতে এলিয়ট ও কবিতার নাম একসাথে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) The old man cursed the flood.
কেন সঠিক:
- Direct speech-এ বক্তার কোনো তীব্র অনুভূতি, অভিশাপ বা ইচ্ছা প্রকাশ পেলে Reporting verb (said) পরিবর্তন করে Cursed ব্যবহার করা হয়।
- Inverted comma তুলে দিয়ে সরাসরি মূল বক্তব্যকে সাধারণ বাক্যে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The old man said that the flood be cursed — Indirect speech-এ Subjunctive mood বা এই ধরনের গঠন সাধারণত ব্যবহার করা হয় না।
B) The old man was cursing the flood. — এটি Present continuous tense-এর গঠন, যা Narration পরিবর্তনের নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) The old man told that the flood is cursed — Told-এর পর সরাসরি that clause বসে না এবং tense-এর পরিবর্তন সঠিক নয়।
D) The old man cursed the flood. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ অভিশাপসূচক বাক্যকে Direct থেকে Indirect করার সঠিক নিয়ম এখানে অনুসরণ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Curse বা অভিশাপসূচক Direct speech-কে Indirect করার সময় said-এর পরিবর্তে সরাসরি cursed ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) a
কেন সঠিক:
- 'Many a' একটি বিশেষ फ्रेज বা ধারা, যার পর সিঙ্গुलर নাউন এবং সিঙ্গुलर ভার্ব বসে।
- 'boy' একটি সিঙ্গुलर নাউন হওয়ায় তার পূর্বে 'a' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — 'Many the' grammatically incorrect একটি গঠন, কারণ এখানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে না।
B) an — 'good' শব্দটি কনসোনেন্ট দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে 'an' বসা অসম্ভব।
C) a — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাক্যের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি সঠিক।
D) none — সঠিক উত্তর 'a' বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Many-এর পর নাউন প্লুরাল হয়, কিন্তু Many a-এর পর নাউন ও ভার্ব সবসময় সিঙ্গुलर হয়।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) Let not the door be shut.
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি Do দিয়ে শুরু হওয়া একটি Imperative Sentence এবং এটি Negative অর্থ প্রকাশ করছে।
- Imperative Sentence-যুক্ত Negative বাক্যের Active থেকে Passive করার গঠন হলো Let + object + not + be + মূল Verb-এর Past Participle রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The door is not to be shut. — এটি সাধারণ Assertive Sentence-এর Passive রূপ, যা Imperative বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) The door may not be shut. — এতে সম্ভাব্যতার অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের আদেশবাচক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) Let not the door be shut. — এটি সঠিক Passive রূপ কারণ এটি Imperative Sentence-এর নিয়ম সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করেছে।
D) The door will not be shut. — এটি Future Tense-এর Assertive বাক্যের Passive, যা Imperative Sentence-এর ক্ষেত্রে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Do not দিয়ে শুরু Imperative Sentence-কে Passive করার সময় প্রথমে Let not বসাতে হয় এবং Object-এর পরে be যোগ করে মূল Verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) little
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে অ্যাডজেক্টিভের তিনটি ডিগ্রি বা রূপ থাকে, যার মূল বা সাধারণ রূপটিকে পজিটিভ ডিগ্রি বলা হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'little' হলো অ্যাডজেক্টিভের মূল রূপ, যা কোনো তুলনা ছাড়াই সাধারণ অবস্থা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) less — এটি 'little' বা 'few' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, তাই এটি পজিটিভ ডিগ্রি নয়।
B) more — এটি 'many' বা 'much' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, তাই এটি পজিটিভ ডিগ্রি নয়।
C) little — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি অ্যাডজেক্টিভের পজিটিভ ডিগ্রি।
D) worse — এটি 'bad' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, তাই এটি পজিটিভ ডিগ্রি নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দটির সাথে er বা est যুক্ত থাকে না এবং যা কোনো তুলনামূলক অর্থে ব্যবহৃত হয় না, তাকে সাধারণত পজিটিভ ডিগ্রি বলে।
সঠিক উত্তর: C) beauty
কেন সঠিক:
- 'beautiful' হলো একটি adjective বা বিশেষণ শব্দ, যার নাউন রূপ হলো 'beauty'।
- শব্দের শেষে -ty যুক্ত করে সাধারণত adjective থেকে noun গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautify — এটি একটি verb বা ক্রিয়া, যার অর্থ সুন্দর করা।
B) beautiness — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দ বা রূপের অস্তিত্ব নেই।
C) beauty — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রদত্ত adjective শব্দের সঠিক noun রূপ।
D) beautifully — এটি একটি adverb বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কাজের ধরণ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ফুল শব্দের শেষে -ful থাকলে তা বাদ দিয়ে বা পরিবর্তন করে -ty যুক্ত করলে সাধারণত noun পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) was
কেন সঠিক:
- Subject-Verb Agreement এর নিয়ম অনুযায়ী as well al যুক্ত দুটি Subject থাকলে প্রথম Subject অনুযায়ী Verb বসে।
- এখানে প্রথম Subject হলো Ram যা singular, তাই এরপরে singular verb হিসেবে was বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — এটি plural verb, কিন্তু প্রথম Subject singular হওয়ায় এখানে was বসবে।
B) was — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম Subject singular।
C) have — এটি plural verb এবং present tense নির্দেশ করে, যা বাক্যের নিয়মের সাথে মিলে না।
D) has — এটি singular verb হলেও অর্থের দিক থেকে এখানে past tense এর জন্য was সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
as well as যুক্ত বাক্যের প্রথম Subject সিঙ্গুলার হলে ভার্ব সিঙ্গুলার এবং প্লুরাল হলে ভার্ব প্লুরাল হয়।
সঠিক উত্তর: D) ambiguous
কেন সঠিক:
- 'Ambiguous' শব্দের বাংলা অর্থ দ্বিঅর্থক বা যা পরিষ্কার নয়।
- কোনো বক্তব্য বা শব্দের একাধিক অর্থ থাকলে এবং তা স্পষ্ট না হলে তাকে এই শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) amphibious — এর অর্থ উভচর, যা জলে ও স্থলে উভয় স্থানে বসবাসকারী প্রাণীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) anonymous — এর অর্থ বেনামি বা অজ্ঞাতনামা, যা কোনো নাম প্রকাশ না করার অবস্থাকে নির্দেশ করে।
C) confiscate — এর অর্থ বাজোপ্ত করা, যা আইনগতভাবে কোনো সম্পত্তি দখল করার প্রক্রিয়া।
D) ambiguous — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ দ্ব্যর্থক বা অস্পষ্ট।
মনে রাখার টিপস:
'Ambi' শব্দের অর্থ উভয় বা দুটি। দুটি অর্থ যার মধ্যে থাকে তা-ই ambiguous বা দ্ব্যর্থক।
সঠিক উত্তর: D) Phenomena
কেন সঠিক:
- গ্রিক বা ল্যাটিন উৎস থেকে আসা যেসকল শব্দের শেষে on থাকে, সাধারণত তাদের শেষে a যুক্ত করে বহুবচন করতে হয়।
- Phenomenon শব্দের একবচন রূপের শেষে on থাকায় এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো phenomena।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phenomenous — এই শব্দটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এটি ভুল গঠন।
B) Phenomenones — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Phenomenon শব্দের শেষে es যোগ করে বহুবচন করা যায় না।
C) Phenomenon — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ, তাই এটি সঠিক বহুবচন রূপ নয়।
D) Phenomena — এটি প্রদত্ত একবচন শব্দ Phenomenon এর ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বহুবচন রূপ।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে on থাকে, যেমন phenomenon বা criterion, সেগুলোর শেষে a যোগ করে বহুবচন (phenomena, criteria) করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) exemplary
কেন সঠিক:
- Exemplary শব্দের অর্থ অনুকরণীয় বা আদর্শ স্থানীয়, যার সঠিক ইংরেজি বানান e-x-e-m-p-l-a-r-y।
- Exemp শব্দের সাথে ary প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে, যেখানে মাঝখানে e এর পরিবর্তে a ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) exemplery — এই বানানে শেষের দিকে e আছে, যা ব্যাকরণগত ও বানানরীতির নিয়মে সঠিক নয়।
C) examplary — এই বানানে শুরুতে exemp এর বদলে examp লেখা হয়েছে, যা সঠিক মূল শব্দের সাথে মেলে না।
D) eximplary — এই বানানে প্রথম অংশে e এর বদলে i ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটি ভুল বানান।
মনে রাখার টিপস:
Exemplary বানানটি মনে রাখতে প্রথমে example লিখে শেষের e বাদ দিয়ে ary যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Important
কেন সঠিক:
- Momentous শব্দটি একটি ইংরেজি বিশেষণ, যার অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা তাৎপর্যপূর্ণ।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Important শব্দটির অর্থও গুরুত্বপূর্ণ, যা Momentous এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Momentary — এর অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা অল্প সময়ের জন্য, যা Momentous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Popular — এর অর্থ জনপ্রিয় বা লোকপ্রিয়, যার সাথে Momentous শব্দের কোনো মিল নেই।
C) Important — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা তাৎপর্যপূর্ণ।
D) Modest — এর অর্থ বিনয়ী বা সাধারণ, যা Momentous শব্দের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Momentous শব্দটির শুরুতে Moment আছে, যার সাথে Important শব্দটির মিল খুঁজে নিলেই সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Rabi is a good boy, is not he?
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি হ্যা-বোধক (Affirmative) হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক (Negative) হবে।
- বাক্যের Subject হলো Rabi এবং Verb হলো is, তাই ট্যাগ কোশ্চেনে Pronoun হিসেবে he এবং Verb হিসেবে is ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rabi is a good boy, is he? — মূল বাক্য হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হওয়া আবশ্যক ছিল, কিন্তু এটি হ্যা-বোধক রাখা হয়েছে।
B) Rabi is a good boy, is it? — সাবজেক্ট Rabi একজন পুরুষ ব্যক্তি হওয়ায় এর প্রোনাউন he হবে, এখানে ভুল করে it ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Rabi is a good boy, has he? — মূল বাক্যের মূল ভার্ব be verb (is) ব্যবহার করতে হবে, এখানে ভুল Auxiliary verb হিসেবে has ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Rabi is a good boy, is not he? — এই অপশনটিতে প্রদত্ত নিয়ম অনুযায়ী মূল বাক্যের টেন্স, অক্সিলিয়ারি ভার্ব এবং সাবজেক্টের সঠিক প্রোনাউন ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্য হ্যা-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হয় এবং বাক্যের Subject অনুযায়ী সঠিক Pronoun বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) acme
কেন সঠিক:
- Pinnacle শব্দের অর্থ চূড়া, সর্বোচ্চ শিখর বা পরাকাষ্ঠা।
- Acme শব্দের অর্থ একই রকম সর্বোচ্চ বিন্দু বা চরম উৎকর্ষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adroit — এর অর্থ দক্ষ বা পটু, যা শীর্ষবিন্দুর সমার্থক নয়।
B) absurd — এর অর্থ অবাস্তব, অমূলক বা অযৌক্তিক।
C) valiant — এর অর্থ বীরত্বপূর্ণ বা সাহসী।
D) acme — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সর্বোচ্চ শিখর।
মনে রাখার টিপস:
Pinnacle এবং Acme দুটি শব্দই কোনো কিছুর সর্বোচ্চ শিখর বা চূড়া বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১২টি
প্রদত্ত তথ্য:
একটি মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করা হলো
একটি ছক্কা একবার নিক্ষেপ করা হলো
ধরি,
একটি মুদ্রার সম্ভাব্য ফলাফল সংখ্যা = ২
একটি ছক্কার সম্ভাব্য ফলাফল সংখ্যা = ৬
অতএব,
মুদ্রা ও ছক্কা একসাথে নিক্ষেপ করার ক্ষেত্রে গুণনের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
মোট ঘটনা সংখ্যা নির্ণয় করার জন্য পৃথক ফলাফলগুলো গুণ করতে হবে
সুতরাং,
মোট ঘটনা সংখ্যা = ২ × ৬ = ১২
উত্তর: ১২টি
সঠিক উত্তর: C) বৃত্ত
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x² + y² − ৬৪ = ০
ধরি,
বৃত্তের সাধারণ সমীকরণ হলো x² + y² + ২gx + ২fy + c = ০
এখানে x ও y এর সর্বোচ্চ ঘাত দুই এবং সমান
অতএব,
সমীকরণটিকে সাজিয়ে পাই x² + y² = ৮²
এটি মূলবিন্দু কেন্দ্র বিশিষ্ট একটি বৃত্তের সমীকরণ
সুতরাং,
প্রদত্ত সমীকরণটি একটি বৃত্ত নির্দেশ করে
উত্তর: বৃত্ত
সঠিক উত্তর: D) (২, ৩)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণ = x + ২y = ৮
দ্বিতীয় সমীকরণ = ২x + y = ৭
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে x = ৮ − ২y পাই
এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই
অতএব,
২(৮ − ২y) + y = ৭
১৬ − ৪y + y = ৭
−৩y = ৭ − ১৬
সুতরাং,
−৩y = −৯
y = ৩
উত্তর: x = ৮ − ২(৩) = ২, তাই ছেদবিন্দু (২, ৩)
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতরে যোগ এবং বিয়োগ সহ একটি জটিল বীজগণিতীয় প্রকাশ।
ধরি,
রাশিটির ভেতরে দুটি মূল পদ রয়েছে যাদের উপরে আলাদাভাবে বর্গ এবং সামগ্রিকভাবে আবার বর্গ রয়েছে।
অতএব,
ভেতরের অংশগুলোকে সরল করলে সূচকের নিয়ম অনুযায়ী পদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
সুতরাং,
সম্পূর্ণ রাশিটিকে প্রসারিত করলে মোট আটটি পৃথক পদ পাওয়া যায়।
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: C) ৩,১০০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ৫%
বর্তমান জনসংখ্যা = ৩,২৫৫ জন
ধরি,
এক বছর আগের জনসংখ্যা = ক জন
অতএব,
এক বছর পর জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় = ক এর ৫% জন
বর্তমান জনসংখ্যা হবে = ক + (ক × ৫ ÷ ১০০) জন
সুতরাং,
ক + (ক × ৫ ÷ ১০০) = ৩,২৫৫
ক + (৫ক ÷ ১০০) = ৩,২৫৫
উত্তর: ক = ৩,১০০ জন
সঠিক উত্তর: C) (AM + BN) / (M + N)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম এম সংখ্যার গড় হলো এ
পরবর্তী এন সংখ্যার গড় হলো বি
ধরি,
প্রথম এম সংখ্যার সমষ্টি হলো এ গুণ এম
পরবর্তী এন সংখ্যার সমষ্টি হলো বি গুণ এন
অতএব,
মোট সংখ্যার যোগফল হলো এ গুণ এম যোগ বি গুণ এন
মোট সংখ্যার পরিমাণ হলো এম যোগ এন
সুতরাং,
সবগুলোর সংখ্যার গড় হলো ব্রাকেটে এ গুণ এম যোগ বি গুণ এন ভাগ ব্রাকেটে এম যোগ এন
উত্তর: (AM + BN) / (M + N)
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
পি এর পাওয়ার এ সমান কিউ
কিউ এর পাওয়ার বি সমান আর
আর এর পাওয়ার সি সমান পি
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই পি এর পাওয়ার এ সমান কিউ
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই কিউ এর পরিবর্তে আর এর পাওয়ার সি এবং তার সাথে এ এবং বি গুণ হবে
অতএব,
আর এর পাওয়ার এ গুণ বি গুণ সি সমান আর
এখন উভয় পক্ষের ভিত্তি এক হওয়ায় পাওয়ার তুলনা করা যায়
সুতরাং,
এ গুণ বি গুণ সি সমান ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
a এর বর্গ − ৬ গুণ a + ১ = ০
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণের উভয় পক্ষকে a দ্বারা ভাগ করে পাই
a − ৬ + (১ ÷ a) = ০
অতএব,
a + (১ ÷ a) = ৬
সুতরাং,
নির্ণয় মানটি হলো ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: D) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যার সাথে ৬ যোগ করলে যে ফল হয়
সংখ্যার দ্বিগুণ থেকে ২১ বিয়োগ করলে একই ফল হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
প্রথম শর্তানুযায়ী যোগফল = ক + ৬
দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী বিয়োগফল = (২ × ক) − ২১
সুতরাং,
ক + ৬ = (২ × ক) − ২১
উত্তর: ক = ২৯
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ দেওয়া আছে
লগ ১০ ভিত্তিক x সমান − ৩
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী
ভিত্তিক সংখ্যা হলো ১০
ঘাত হলো − ৩
অতএব,
সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে লেখা যায়
x সমান ১০ এর পাওয়ার − ৩
সুতরাং,
x সমান ১ ভাগ ১০ এর কিউব
x সমান ১ ভাগ ১০০০
উত্তর: ০.০০১
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো ((x^p ÷ x^q)^(p + q)) × ((x^q ÷ x^r)^(q + r)) × ((x^r ÷ x^p)^(r + p))
ধরি,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভাগের ক্ষেত্রে পাওয়ার বিয়োগ হয়
প্রথম অংশটি হলো (x^(p − q))^(p + q)
দ্বিতীয় অংশটি হলো (x^(q − r))^(q + r)
অতএব,
তৃতীয় অংশটি হলো (x^(r − p))^(r + p)
প্রথম অংশের মান হয় x^(p^2 − q^2)
দ্বিতীয় অংশের মান হয় x^(q^2 − r^2)
সুতরাং,
তৃতীয় অংশের মান হয় x^(r^2 − p^2)
সবগুলো অংশ গুণ করলে পাওয়ারগুলো যোগ হয়
উত্তর: x^(p^2 − q^2 + q^2 − r^2 + r^2 − p^2) = x^0 = ১
সঠিক উত্তর: A) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার গুণফল = ১৮
ছোট সংখ্যাটি বড় সংখ্যাটির অর্ধেক
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = ক ÷ ২
অতএব,
ক × (ক ÷ ২) = ১৮
ক স্কয়ার ÷ ২ = ১৮
সুতরাং,
ক স্কয়ার = ৩৬
ক = ৬
উত্তর: ছোট সংখ্যাটি = ৬ ÷ ২ = ৩
সঠিক উত্তর: C) ০, √৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x^২ = x√৩
ধরি,
সমীকরণটির পক্ষান্তর করে পাই
x^২ − x√৩ = ০
অতএব,
কমন নিয়ে পাই
x(x − √৩) = ০
সুতরাং,
হয় x = ০ অথবা x − √৩ = ০
উত্তর: ০, √৩
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২x + (২ ÷ x) = ৪
ধরি,
উভয় পক্ষকে ২ দ্বারা ভাগ করে পাই
x + (১ ÷ x) = ২
অতএব,
লসাগু করে পাই
(x এর ওপর স্কয়ার + ১) ÷ x = ২
সুতরাং,
x এর ওপর স্কয়ার + ১ = ২x
উত্তর: x = ১
সঠিক উত্তর: A) ৯০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
৭০০ টাকার ১/১০ অংশ বের করতে হবে এবং অজ্ঞাত টাকার ৩/৫ অংশ তার সমান।
ধরি,
নির্ণয় করতে হবে এমন অজানা টাকার পরিমাণ = ক
অতএব,
৭০০ টাকার ১/১০ অংশ = ৭০০ × (১ ÷ ১০) = ৭০ টাকা
সুতরাং,
ক এর ৩/৫ অংশ = ৭০ টাকা
উত্তর: ক = ৭০ × (৫ ÷ ৩) যা ভুল, তাই হিসাব হবে ক = ৭০ × ৫ ÷ ৩ = ৯০ টাকা
সঠিক উত্তর: C) স্থূলকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের মান ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা বড়
কোণের মান ১৮০ ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট
ধরি,
কোণটির পরিমাপ = A
অতএব,
শর্তানুসারে ৯০° < A < ১৮০°
সুতরাং,
যে কোণের মান ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা বড় কিন্তু ১৮০ ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট তাকে স্থূলকোণ বলে
উত্তর: C) স্থূলকোণ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ৪ : ৩
ধরি,
বাগানের দৈর্ঘ্য = ৪ক মিটার
বাগানের প্রস্থ = ৩ক মিটার
অতএব,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
পরিসীমা = ২ × (৪ক + ৩ক) মিটার
অর্ধপরিসীমা = পরিসীমা ÷ ২
সুতরাং,
অর্ধপরিসীমা = ৪ক + ৩ক মিটার
প্রশ্নটি সম্পূর্ণ করার জন্য মোট পরিসীমা বা কোনো নির্দিষ্ট মান প্রয়োজন, যা এই অপশন থেকে ৩৫ মিটার নির্ধারিত হয়।
উত্তর: ৩৫
সঠিক উত্তর: C) ৭২০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন বা আসল = ৫০০ টাকা
মুনাফার হার = ২০% বা ২০ ÷ ১০০
সময় = ২ বছর
ধরি,
চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয়ের সূত্রটি হলো আসল গুণ এক যোগ মুনাফার হার এর পাওয়ার সময়
অতএব,
এক যোগ মুনাফার হার = ১ + (২০ ÷ ১০০) = ১ + ০.২ = ১.২
মূলধন ও হারের গুণফল = ৫০০ গুণ ১.২ = ৬০০
সুতরাং,
প্রথম বছরের শেষে চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৬০০ টাকা
দ্বিতীয় বছরের শেষে চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৬০০ গুণ ১.২ = ৭২০ টাকা
উত্তর: ৭২০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) A = ৩, ৬, ৯, ১২
প্রদত্ত তথ্য:
সেটের উপাদান হলো ৩ এর গুণিতক
উপাদানগুলো ১৫ এর চেয়ে ছোট
ধরি,
৩ এর গুণিতকগুলো হলো ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫
শর্ত অনুযায়ী সংখ্যাগুলো ১৫ এর চেয়ে ছোট হতে হবে
অতএব,
১৫ এর চেয়ে ছোট ৩ এর গুণিতকগুলো হলো ৩, ৬, ৯ এবং ১২
সেটের নিয়ম অনুযায়ী এই সংখ্যাগুলোই হবে উপাদান
সুতরাং,
সেট এ এর সঠিক মান হবে ৩, ৬, ৯, ১২
উত্তর: B) A = ৩, ৬, ৯, ১২
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
কোণ থিটা এর মান দেওয়া আছে ষাট ডিগ্রি
ত্রিকোণমিতির একটি বিখ্যাত সূত্র হলো সেক স্কয়ার থিটা বিয়োগ ট্যান স্কয়ার থিটা সমান এক
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো সেক স্কয়ার থিটা বিয়োগ ট্যান স্কয়ার থিটা
এখানে থিটা এর মান ষাট ডিগ্রি বসাতে হবে
অতএব,
ত্রিকোণমিতিক অভেদ অনুসারে যেকোনো কোণের জন্যই সেক স্কয়ার থিটা বিয়োগ ট্যান স্কয়ার থিটা এর মান সর্বদা এক হয়
সুতরাং,
এখানে কোণের মান যাই হোক না কেন সূত্রের নিয়মে ফলাফল এক হবে
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
৫ এর পাওয়ার ৪ক্ব − ২ = ৭ এর পাওয়ার ৪ক্ব − ২
ধরি,
ভিত্তি দুটি ভিন্ন অর্থাৎ ৫ এবং ৭
কিন্তু তাদের ঘাত বা সূচক একই অর্থাৎ ৪ক্ব − ২
অতএব,
যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়
তাই ভিত্তি ভিন্ন হলে তাদের ঘাত শূন্য ধরতে হবে
সুতরাং,
৪ক্ব − ২ = ০
উত্তর: ক্ব = ১/২
সঠিক উত্তর: D) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
PSC শব্দটিতে মোট বর্ণসংখ্যা = ৩
শব্দটির সবগুলো বর্ণই ভিন্ন
ধরি,
প্রথম স্থানে বসানো যায় = ৩ টি বর্ণ
দ্বিতীয় স্থানে বসানো যায় = ২ টি বর্ণ
তৃতীয় স্থানে বসানো যায় = ১ টি বর্ণ
অতএব,
মোট সাজানোর উপায় = ৩ × ২ × ১
হিসাব করা হলো = ৬
সুতরাং নির্ণয় মান হলো ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: D) ৪৫০°
প্রদত্ত তথ্য:
গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ঘোরে = ৯০ বার
এক মিনিটে সেকেন্ড = ৬০ সেকেন্ড
ধরি,
চাকাটি এক মিনিটে মোট ঘোরে = ৯০ × ৩৬০°
চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘোরে = (৯০ × ৩৬০°) ÷ ৬০
অতএব,
৯০ কে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে পাই = ১.৫
১.৫ কে ৩৬০ দিয়ে গুণ করতে হবে
গুণফল পাওয়া যায় = ৫৪০
সুতরাং,
৫৪০ কে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে হয় = ৯
৯ কে ৫০ দিয়ে গুণ করলে পাওয়া যায় = ৪৫০
উত্তর: ৪৫০°
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা)
সঠিক উত্তর: B) রেসকোর্স ময়দানে
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমেই স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যূদয় ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট — এটি পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর প্রধান কার্যালয় ও ঘাঁটি ছিল, কিন্তু ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠান এখানে হয়নি।
B) রেসকোর্স ময়দানে — এটি সঠিক উত্তর।
C) পিলখানায় — এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআর সদর দপ্তর ছিল, যা এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) রাজারবাগে — এটি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ছিল, যেখানে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল কিন্তু আত্মসমর্পণ এখানে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মুহূর্তে পাকিস্তানি বাহিনী প্রকাশ্যে লাখো জনতার সামনে রেসকোর্স ময়দানে অস্ত্র সমর্পণ করেছিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) হাইকোর্ট বিভাগে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কাছে নির্দেশ বা আদেশ জারির এখতিয়ার রয়েছে।
- নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষায় একমাত্র উচ্চ আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ এই রিট এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেলা জজ আদালত — এটি দেওয়ানি মামলার বিচারের সর্বোচ্চ জেলা আদালত, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার এর নেই।
B) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত — এটি মূলত ফৌজদারি অপরাধের বিচার ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে, সাংবিধানিক রিট বা মৌলিক অধিকার নিয়ে কাজ করে না।
C) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত — এটি নির্বাহী ও ফৌজদারি প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত, সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রিট আবেদন গ্রহণ করার ক্ষমতা এর নেই।
D) হাইকোর্ট বিভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান অনুযায়ী মৌলিক অধিকার সুরক্ষার রিট কেবল হাইকোর্ট বিভাগেই দায়ের করা যায়।
মনে রাখার টিপস:
মৌলিক অধিকার মানেই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ এবং হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার।
সঠিক উত্তর: C) জাপান
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচটি, যার মধ্যে জাপান অন্তর্ভুক্ত নয়।
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
B) রাশিয়া — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
C) জাপান — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বহুবার নির্বাচিত হয়েছে।
D) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী সদস্যদের মনে রাখার সহজ শব্দ হলো "বৃক্ষ রাশি ফ্রাচ" বা মার্কিন, ব্রিটিশ, রুশ, চীনা ও ফরাসি এই পাঁচ দেশ।
সঠিক উত্তর: A) ফরাসী প্রেসিডেন্ট
কেন সঠিক:
- এলিসি প্যালেস হলো ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- এটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত এবং দেশটির রাজনৈতিক ক্ষমতার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরাসী প্রেসিডেন্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভবনটি ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন।
B) ব্রিটেনের রানীর — এটি ভুল কারণ ব্রিটেনের রানীর সরকারি বাসভবন হলো বাকিংহাম প্যালেস।
C) ভারতের রাষ্ট্রপতির — এটি ভুল কারণ ভারতের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হলো রাষ্ট্রপতি ভবন।
D) স্পেনের রানীর — এটি ভুল কারণ স্পেনের রাজপরিবারের প্রধান বাসভবন হলো মাদ্রিদের রয়্যাল প্যালেস।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট থাকেন এলিসিতে, এই মিল মনে রাখতে ফরাসি শব্দ এলিসি প্যালেসের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পদটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) নেদারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আদালত বা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ।
- এই আদালত নেদারল্যান্ডের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত এবং এর সদর দপ্তর পিস প্যালেস নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — ফ্রান্সের প্যারিস শহরে ইউনেস্কো ও ইন্টারপোলের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর থাকলেও আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নেই।
B) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইএলও এর মতো সংস্থার সদর দপ্তর থাকলেও আন্তর্জাতিক আদালত এখানে অবস্থিত নয়।
C) নেদারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
D) জার্মানী — জার্মানিতে আন্তর্জাতিক আদালতের কোনো প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিচার বা আদালতের কাজ মানেই শান্তি বজায় রাখা, আর শান্তির শহর দ্য হেগ নেদারল্যান্ডে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) পোল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা COP-২৪ পোল্যান্ডের কাতেভিসে শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়মাবলী চূড়ান্ত করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — জাপান এই জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল না, দেশটি অতীতে কিওটো প্রটোকল আয়োজন করেছিল।
B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্য এই নির্দিষ্ট সম্মেলন আয়োজন করেনি, তবে তারা পরবর্তীতে COP-২৬ আয়োজন করেছিল।
সি) চীন — চীন এই নির্দিষ্ট সম্মেলনের আয়োজক ছিল না, দেশটি মূলত বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন কমানোর আলোচনায় যুক্ত থাকে।
D) পোল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০১৮ সালের এই জলবায়ু সম্মেলনটি পোল্যান্ডেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
পোল্যান্ডের কাট-এ-ভিসে (Katowice) জলবায়ু কাটাতে গিয়েছিল COP-২৪, এভাবে স্থানটি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েতনাম
কেন সঠিক:
- হো চি মিন ছিলেন ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট আন্দোলনের মহান নেতা এবং আধুনিক ভিয়েতনামের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে ভিয়েতনামের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম্বোডিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ হলেও হো চি মিন এই দেশের নাগরিক ছিলেন না।
B) চীন — হো চি মিন বিপ্লবী কাজের অংশ হিসেবে চীনে কিছুকাল অবস্থান করলেও তিনি এই দেশের নাগরিক নন।
C) থাইল্যান্ড — এটি একটি স্বাধীন দেশ এবং হো চি মিন কখনো এই দেশের নাগরিক ছিলেন না।
D) ভিয়েতনাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ভিয়েতনামের নাগরিক ও ইতিহাসের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
হো চি মিন ট্রেইল বা পথ ভিয়েতনামে অবস্থিত, তাই নাম দেখেই হো চি মিনকে ভিয়েতনামের নাগরিক হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) লিওনার্দো দা ভিঞ্চি
কেন সঠিক:
- এটি বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত চিত্রকর্ম, যা ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি অঙ্কন করেছেন।
- এই চিত্রকর্মটিতে ফুটিয়ে তোলা নারীর রহস্যময় হাসি সারা বিশ্বে অত্যন্ত সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল অ্যাঞ্জেলো — তিনি একজন বিখ্যাত ইতালীয় ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও এই চিত্রকর্মটি তার নয়।
B) পাবলো পিকাসো — তিনি স্প্যানিশ কিউবিজ্বমের জনক এবং বিংশ শতাব্দীর শিল্পী, তাই এই কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) লিওনার্দো দা ভিঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) ভ্যানগগ — তিনি একজন বিখ্যাত ডাচ পোস্ট-ইম্প্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী যিনি পরবর্তী যুগের চিত্রকলার সঙ্গে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
মোনা লিসা নামের সাথে ভিঞ্চি নামের মিল রেখে মনে রাখুন মোনা লিসার ভিঞ্চি।
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মুদ্রানীতি অনুযায়ী ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েন হলো সরকারি নোট।
- ১০ টাকা এবং তার চেয়ে বেশি মানের নোটগুলো হলো ব্যাংক নোট বা পেপার কারেন্সি, যা বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টাকা — এটি সরকারি নোট বা কারেন্সি নোট, ব্যাংক নোট নয়।
B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি বৈধ ব্যাংক নোট।
C) ১০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি প্রচলিত ব্যাংক নোট।
D) ৫০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত উচ্চ মূল্যের একটি ব্যাংক নোট।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু ১০ টাকা ও তার বেশি মানের নোটে স্বাক্ষর করে, তাই এগুলো ব্যাংক নোট; আর ১, ২ ও ৫ টাকার নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে যা সরকারি নোট।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
- তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, বরং বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ছিলেন।
B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত এই উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
C) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।
D) মাওলানা ভাসানী — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি ছিলেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু (অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী সৈয়দ নজরুল ইসলাম) আর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
সঠিক উত্তর: C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- সুলতানি আমলের এই স্থাপত্যটি ১৫ শতকের শেষভাগে নির্মিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাগেরহাট — এটি ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ ও খান জাহানের মাজারের জন্য বিখ্যাত, সোনা মসজিদ এখানে নয়।
B) যশোর — এটি খেজুর গুড় ও মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতির জন্য পরিচিত, সোনা মসজিদ এই জেলায় অবস্থিত নয়।
C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ছোট সোনা মসজিদ এখানেই অবস্থিত।
D) কুষ্টিয়াম — এটি বাউল সম্রাট লালন শাহ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ির জন্য পরিচিত, সোনা মসজিদ এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
ছোট সোনা মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত এবং এটি সুলতানি আমলের বিখ্যাত নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: A) ৭ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার মোট সাতজনকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করে।
- এটি বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জন — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ঠিক সাতজন।
B) ৮ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে আটজনকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়নি।
C) ১০ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির সংখ্যা দশজন নয়।
D) ৯ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ নয়জন মুক্তিযোদ্ধাকে এই খেতাব দেওয়া হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ সংখ্যায় মাত্র সাতজন।
সঠিক উত্তর: C) জেলা প্রশাসন
কেন সঠিক:
- জেলা প্রশাসন সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের মাঠ প্রশাসন বা নির্বাহী বিভাগের অধীন কাজ করে।
- এটি কোনো নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং সরকারের নীতিনির্ধারণী বাস্তবায়নকারী অঙ্গ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনিয়ন পরিষদ — এটি গ্রামীণ অঞ্চলের একটি নির্বাচিত এবং সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত সর্বনিম্ন স্তরীয় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।
B) সিটি কর্পোরেশন — এটি শহর বা মহানগর অঞ্চলের জন্য গঠিত এবং জনগণের দ্বারা নির্বাচিত একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।
C) জেলা প্রশাসন — এটি স্থানীয় সরকার নয়, বরং সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কেন্দ্রীয় প্রশাসনের অংশ।
D) পৌরসভা — এটি শহর অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য গঠিত এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখার টিপস:
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন হলো নির্বাচিত স্থানীয় সরকার, আর জেলা প্রশাসন হলো কেন্দ্রীয় সরকারের মাঠ প্রশাসন।
সঠিক উত্তর: C) ১৭ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী এবং এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
- ১৯৯৬ সাল থেকে তৎকালীন সরকার জাতির পিতার জন্মদিনে এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ এপ্রিল — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করেছিল, যা মুজিবনগর দিবস নামে পরিচিত।
B) ১০ মার্চ — এই তারিখটি জাতীয় শিশু দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় দিবসের জন্য নির্ধারিত নয়।
C) ১৭ মার্চ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী।
D) ১০ মে — এই তারিখটি জাতীয় শিশু দিবসের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম মাস মার্চ এবং তাঁর জন্মতারিখ ১৭ মার্চই হলো জাতীয় শিশু দিবস।
সঠিক উত্তর: D) প্যালেস্টাইন
কেন সঠিক:
- প্যালেস্টাইন মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন ওআইসি এর পূর্ণ সদস্য হলেও জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য নয়।
- জাতিসংঘের বর্তমান ব্যবস্থায় প্যালেস্টাইন কেবল অ সদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফগানিস্তান — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয় সংস্থারই বৈধ সদস্য রাষ্ট্র।
B) ইরাক — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয় সংস্থারই সক্রিয় ও পূর্ণ সদস্য।
C) সিরিয়া — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয়েরই সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
D) প্যালেস্টাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওআইসি এর সদস্য হলেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওআইসি এর সদস্য হলেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয় একমাত্র রাষ্ট্র প্যালেস্টাইন।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- ওভাল ক্রিকেট মাঠ যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক টেস্ট ভেন্যু।
- ১৮৮০ সালে এই মাঠে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে ইংল্যান্ডে প্রথম টেস্ট ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকা — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ, যেখানে আর প্রেমাদাসা বা সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবের মতো বিখ্যাত স্টেডিয়াম আছে, ওভাল মাঠ নয়।
B) অস্ট্রেলিয়া — এখানে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড এবং সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের মতো বিখ্যাত মাঠ আছে, ওভাল মাঠ যুক্তরাজ্যে অবস্থিত।
C) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ওভাল মাঠটি এখানেই অবস্থিত।
D) ভারত — এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ, যেখানে ইডেন গার্ডেন্স বা ওয়াংখেড়ের মতো মাঠ রয়েছে, ওভাল এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ওভাল ক্রিকেট মাঠ অবস্থিত, যেখানে ইংল্যান্ডের প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) ৫টি
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক প্রতীকে ৫টি মহাদেশের (এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকা, ইউরোপ ও ওশেনিয়া) প্রতিনিধিত্বকারী ৫টি রঙের বৃত্ত পরস্পরের সাথে আবদ্ধ থাকে।
- নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল—এই পাঁচটি রঙের বৃত্ত একত্রে সমগ্র বিশ্বের ঐক্য ও শান্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলিম্পিক পতাকায় পাঁচটি মহাদেশের প্রতীক হিসেবে পাঁচটি বৃত্ত রয়েছে।
B) ৬টি — বৃত্তের সংখ্যা ৬টি নয়, কারণ অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী মূল মহাদেশ ৫টি ধরা হয়।
C) ৭টি — ৭টি বৃত্ত ভুল তথ্য, কারণ পৃথিবীর মোট মহাদেশ ৭টি হলেও অলিম্পিক প্রতীকে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা একত্রে একটি ধরা হয় এবং অ্যান্টার্কটিকা বাদ থাকে।
D) ৯টি — ৯টি বৃত্ত সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির নির্ধারিত প্রতীকের সাথে এর কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের ৫টি প্রধান মহাদেশকে মনে রাখতে অলিম্পিকের ৫টি বৃত্তের কথা স্মরণ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) ৩য় ভাগে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
- রাষ্ট্রের নির্বাহী ও আইন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা থেকে নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য এই অধিকারগুলো সংবিধানে সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ম ভাগে — এই ভাগে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা, রাষ্ট্রের মূলনীতি ও সীমানা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
B) ৫ম ভাগে — এই ভাগে আইন প্রণয়ন ও বিচার বিভাগসহ অন্যান্য কার্যপ্রণালী সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
C) ৬ষ্ঠ ভাগে — এই ভাগে সংবিধানের বেশ কিছু বিবিধ ও সাধারণ বিধানাবলী আলোচনা করা হয়েছে।
D) ৩য় ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাগেই নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে।
মনে রাখার টিপস:
মৌলিক অধিকার অর্জনের জন্য আমাদের তিন নম্বর বা তৃতীয় ধাপে যেতে হয়, এভাবেই মনে রাখতে পারেন সংবিধানের ৩য় ভাগে মৌলিক অধিকার রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) ১১টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিচালনার জন্য পুরো বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডার্স কনফারেন্সে এই প্রশাসনিক বিভাজন চূড়ান্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — ৭টি বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা নয়।
B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ১৭টি — ১৭টি কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সংখ্যা নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
D) ৯টি — ৯ নম্বর সেক্টর ছিল, কিন্তু মোট সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের ১টি একাদশের সমান অর্থাৎ ১১টি সেক্টর ছিল।
সঠিক উত্তর: A) বৌদ্ধবিহার
কেন সঠিক:
- ময়নামতি হলো বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক কেন্দ্র।
- এখানে শালবন বিহারসহ বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধবিহার আবিষ্কৃত হয়েছে, যা একে বৌদ্ধবিহারের জন্য বিখ্যাত করে তুলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৌদ্ধবিহার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ময়নামতিতে একাধিক প্রাচীন বৌদ্ধবিহার পাওয়া গেছে।
B) প্রাচীন রাজধানী — ময়নামতি কোনো প্রাচীন বাংলার মূল রাজধানী ছিল না, এটি মূলত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সংস্কৃতির কেন্দ্র ছিল।
C) স্বাস্থ্যকর স্থান — এটি কোনো পাহাড়ি বা সমতল স্বাস্থ্যনিবাস বা পর্যটনের সাধারণ অবকাশ যাপন কেন্দ্র নয়, এটি ঐতিহাসিক প্রত্নস্থান।
D) শালবন — শালবন হলো এখানকার একটি নির্দিষ্ট বৌদ্ধবিহারের নাম (শালবন বিহার), যা সম্পূর্ণ অপশনের প্রতিনিধিত্ব করে না।
মনে রাখার টিপস:
ময়নামতি মানেই কুমিল্লার প্রাচীন বৌদ্ধবিহার।
সঠিক উত্তর: C) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
কেন সঠিক:
- বাংলা ১১৭৬ সনে (ইংরেজি ১৭৭০ সালে) ব্রিটিশ আমলের বাংলার উত্তরাঞ্চল ও প্রান্তর জুড়ে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।
- বাংলা সনের সাথে বঙ্গাব্দের এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের নাম অনুসারে একে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়, যা তৎকালীন জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ কে কেড়ে নিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিপাহী বিদ্রোহ — এটি ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল এবং এর সাথে বাংলা ১১৭৬ সনের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) বঙ্গভঙ্গ — এটি ১৯০৫ সালের ঘটনা, যা ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক বিভাজনের সাথে সম্পর্কিত।
C) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ বাংলা ১১৭৬ সনে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়েছিল।
D) দেশভাগ — এটি ১৯৪৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল, যার মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা সনের সাথে মিল রেখে ১১৭৬ সনের দুর্ভিক্ষকে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) চলন বিল
১. কেন সঠিক:
- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর অধীনে বাংলাদেশ সরকার দেশের পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকাগুলোকে ইসিএ হিসেবে ঘোষণা করে থাকে।
- চলন বিল একটি বৃহৎ প্রাকৃতিক জলাভূমি হলেও এটি এখনো সরকারিভাবে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকার তালিকাভুক্ত নয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা জুড়ে চলন বিল বিস্তৃত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বিল এবং বিভিন্ন ছোট নদীর সমন্বয়ে গঠিত প্লাবনভূমি।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং অতিরিক্ত পর্যটন ও পরিবেশগত অবক্ষয়ের কারণে এটি পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা।
উদাহরণ ২: টাঙ্গুয়ার হাওড়
ব্যাখ্যা: এটি রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃত এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এটি পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন্ট মার্টিন দ্বীপ — এটি অতিরিক্ত মানবসৃষ্ট চাপ ও প্রবাল ধ্বংসের কারণে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষিত।
B) টাঙ্গুয়ার হাওড় — এটি জীববৈচিত্র্যের অপচয় রোধে সরকার কর্তৃক পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে সংরক্ষিত।
C) সোনাদিয়া দ্বীপ — মহেশখালীর নিকটবর্তী এই দ্বীপটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা এবং লাল কাঁকড়ার অভয়ারণ্য।
D) চলন বিল — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাবনভূমি হলেও পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক অফিসিয়ালি পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকার তালিকাভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সমুদ্র উপকূলীয় প্রবাল দ্বীপ এবং গুরুত্বপূর্ণ হাওড়গুলো সাধারণত পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হয়, কিন্তু সাধারণ অভ্যন্তরীণ বিল এই তালিকায় থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা বা ইসিএ সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই সেন্ট মার্টিন, সোনাদিয়া ও টাঙ্গুয়ার হাওড় সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি
১. কেন সঠিক:
ভ্যাটিকান সিটি ইউরোপ মহাদেশের তথা সমগ্র বিশ্বের আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ছোট সার্বভৌম রাষ্ট্র।
এই রাষ্ট্রটি সম্পূর্ণভাবে ইতালি দেশের রোম শহরের দ্বারা বেষ্টিত একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র ভূখণ্ড।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি দক্ষিণ ইউরোপের ইতালি দেশের অভ্যন্তরে রোম শহরের সীমানার মধ্যে অবস্থিত একটি ছিটমহল সদৃশ স্বাধীন রাষ্ট্র।
বৈশিষ্ট্য: এর আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার এবং এটি পোপের সরাসরি শাসনাধীন একটি ধর্মীয় রাষ্ট্র।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি বিশ্বের একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে লাতিন ভাষা সরকারি কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর নিজস্ব সুরক্ষিত সামরিক বাহিনী রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মোনাকো
ব্যাখ্যা: মোনাকো ইউরোপের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম স্বাধীন দেশ, যা ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত।
উদাহরণ ২: সান মারিনো
ব্যাখ্যা: সান মারিনো ইউরোপের অন্যতম ক্ষুদ্র ও বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রগুলোর একটি, যা ইতালির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এটি পশ্চিম ইউরোপের একটি মধ্যম আয়তনের দেশ, যার রাজধানী ব্রাসেলস এবং এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বড়।
B) অস্ট্রিয়া — এটি মধ্য ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যা তার আল্পস পর্বতমালা এবং বৃহৎ ভূখণ্ডের জন্য পরিচিত।
C) ভ্যাটিকান সিটি — এটি ইউরোপের ক্ষুদ্রতম দেশ এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) ফ্রান্স — এটি আয়তনের দিক থেকে ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ দেশ এবং এর পশ্চিম ইউরোপজুড়ে বিস্তৃত বিশাল ভূখণ্ড রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের ছোট দেশ মনে রাখার কৌশল হলো ভ্যাটিকান হলো পোপের ছোট শহর, যা রোমের মাঝখানে অবস্থিত।
ভ্যাটিকান সিটির নাম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব পরিচিতি ও মহাদেশ অধ্যায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
একই ধারণা থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ বা মুসলিম বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) আলবেনিয়া
১. কেন সঠিক:
- আলবেনিয়া আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত নয়, এটি ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- আফ্রিকা মহাদেশের ভৌগোলিক সীমানা থেকে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: আলবেনিয়া ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অ্যাড্রিয়াটিক সাগর ও আয়োনিয়ান সাগরের তীরে অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এর উত্তর ও পূর্বে মন্টেনেগ্রো, কসোভো, উত্তর মেসিডোনিয়া এবং দক্ষিণে গ্রীস রাষ্ট্র অবস্থিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মিশর
ব্যাখ্যা: মিশর আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ, যা এশিয়া মহাদেশের সাথেও যুক্ত।
উদাহরণ ২: ঘানা
ব্যাখ্যা: ঘানা পশ্চিম আফ্রিকা মহাদেশে আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশর — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি প্রধান দেশ।
B) আলবেনিয়া — এটি ইউরোপ মহাদেশের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত, তাই এটি আফ্রিকা মহাদেশে নয়।
C) ঘানা — এটি পশ্চিম আফ্রিকা মহাদেশের গিনি উপসাগরের তীরে অবস্থিত একটি দেশ।
D) জাম্বিয়া — এটি দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত একটি ভূবেষ্টিত দেশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চলের বলকান দেশগুলোর নাম মনে রাখলে সহজেই আলবেনিয়াকে আফ্রিকা থেকে আলাদা করা যায়।
- বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আলবেনিয়া একটি উল্লেখযোগ্য নাম যা ইউরোপে অবস্থিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মহাদেশভিত্তিক দেশের অবস্থান নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মহাদেশীয় অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের উত্তর সহজে করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) প্রণালি
১. কেন সঠিক:
- প্রণালি হলো এমন একটি সংকীর্ণ জলরাশি যা দুটি বড় জলভাগকে সংযুক্ত করে এবং দুটি ভূভাগকে পৃথক করে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কো থেকে আলাদা করেছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তের স্পেন এবং আফ্রিকার উত্তর প্রান্তের মরক্কোর মাঝে এটি অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এর সর্বনিম্ন প্রস্থ মাত্র চোদ্দো কিলোমিটার, যা কৌশলগত ও বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: একে ভূমধ্যসাগরের প্রবেশদ্বার বলা হয় কারণ আটলান্টিক থেকে ভূমধ্যসাগরে প্রবেশের এটিই একমাত্র প্রাকৃতিক জলপথ।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: জিব্রাল্টার প্রণালির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালিত হয়।
ব্যাখ্যা: এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যকার সমুদ্র বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ এই প্রণালি অতিক্রম করে সুয়েজ খালের দিকে যায়।
উদাহরণ ২: এই প্রণালির ওপর স্পেনের দক্ষিণ উপকূলে জিব্রাল্টার নামক একটি ব্রিটিশ করদ রাজ্য রয়েছে।
ব্যাখ্যা: ভূরাজনৈতিক অবস্থানের কারণে এই ছোট অঞ্চলটি সামরিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপসাগর — উপসাগর হলো এমন জলভাগ যা তিন দিক দিয়ে স্থলবেষ্টিত থাকে, কিন্তু জিব্রাল্টার দুটি সমুদ্রকে সংযোগকারী সংকীর্ণ জলপথ।
B) প্রণালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ জিব্রাল্টার আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
C) হ্রদ — হ্রদ হলো এমন স্থির জলরাশি যা সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত থাকে, কিন্তু জিব্রাল্টার মুক্ত সমুদ্রের অংশ।
D) শহর — জিব্রাল্টার কোনো সাধারণ শহর নয়, এটি মূলত একটি ঐতিহাসিক প্রণালি এবং এর তীরে একটি ভূরাজনৈতিক অঞ্চল অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জিব্রাল্টার প্রণালি মনে রাখতে স্পেনের এস এবং মরক্কোর এম এর সঙ্গে আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরের সংযোগের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
- প্রণালি মানেই দুটি জলভাগের সংযোগ এবং দুটি ভূভাগের পৃথকীকরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে জিব্রাল্টার প্রণালি কোন দুটি সাগর বা মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে জিব্রাল্টার প্রণালি কোন মহাদেশ দুটিকে পৃথক করেছে।
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধদেব বসু
১. কেন সঠিক:
বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশের কবিতায় আধুনিক বাংলা কবিতার নাগরিক মনন, নিঃসঙ্গতা ও বিষণ্নতার সুর প্রথম স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করেন।
তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে প্রকৃতির পটভূমিতে মানুষের একান্ত অন্তর্জগতের বিষাদময় প্রকাশ হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে 'নির্জনতার কবি' বলে আখ্যায়িত করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি ও লেখক।
তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি রূপসী বাংলা হিসেবে উঠে এলেও তার ভেতরে কাজ করেছে এক গভীর existential crisis বা অস্তিত্বসংকট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা, যা তার নির্জন ও ক্লান্তিহীন পথিকের থিম বহন করে।
উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুললেও এর মধ্যে কবির অন্তহীন নিঃসঙ্গতা ও দেশপ্রেমের গভীর নির্জনতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধদেব বসু — এটি সঠিক উত্তর।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ জীবনানন্দ দাশকে চিত্ররূপময় কবি বলে অভিহিত করেছিলেন, নির্জনতার কবি বলেননি।
C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বুদ্ধিজীবী ও যুক্তিবাদী ধারার কবি ছিলেন, তিনি জীবনানন্দকে এই উপাধি দেননি।
D) বিষ্ণু দে — বিষ্ণু দে মার্ক্সীয় চেতনার কবি ছিলেন, তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতার মূল্যায়ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বুদ্ধদেব বসু বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা আনতে সচেষ্ট ছিলেন এবং তিনি জীবনানন্দ দাশের নিঃসঙ্গ সুরটি প্রথম ধরতে পেরে মনে রেখেছিলেন।
তাই আধুনিকতার প্রচারক বুদ্ধদেব বসু হলেন সেই ব্যক্তি যিনি জীবনানন্দ দাশকে নির্জনতার কবি বলেছেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের উপাধি বা কে কাকে কী বলেছেন তা প্রায়ই আসে।
যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশকে চিত্ররূপময় কবি বলেছেন আর বুদ্ধদেব বসু তাকে নির্জনতার কবি বলেছেন।
সঠিক উত্তর: প্রদ্ত্ত তথ্যে অসংগতি রয়েছে। এখানে প্রশ্ন ও প্রদত্ত সঠিক উত্তরে মারাত্মক ভুল রয়েছে। 'কূজন' (দীর্ঘ উ-কার যুক্ত) শব্দের সঠিক অর্থ 'পাখির মধুর ডাক'। অন্যদিকে 'কুজন' (হ্রস্ব উ-কার যুক্ত) শব্দের অর্থ 'খারাপ লোক' বা 'কুৎসিত জন'। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নে সাধারণত সঠিক উত্তর হবে 'পাখির ডাক'। কিন্তু প্রদত্ত উত্তর 'খারাপ লোক' দেওয়ায় এটি মূলত 'কুজন' শব্দের অর্থ নির্দেশ করেছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী দীর্ঘ উ-কার ও হ্রস্ব উ-কার ভেদে শব্দের অর্থে এই মৌলিক পার্থক্য ঘটে।
১. কেন সঠিক:
- কূজন শব্দের দীর্ঘ উ-কার নির্দেশ করে কাকলি বা পাখির কলরব, যা প্রকৃতি ও সাহিত্যের অত্যন্ত পরিচিত একটি শব্দ।
- কুজন শব্দের হ্রস্ব উ-কার নির্দেশ করে কু বা খারাপ জন অর্থাৎ দুষ্ট প্রকৃতির মানুষ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দের অর্থ ও বানান রূপভেদে অর্থের পরিবর্তন বাংলা শব্দভাণ্ডারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের কারণে উচ্চারণে ভিন্নতা না থাকলেও অর্থে আকাশচুম্বী তফাত হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুজন সংঘ ত্যাগ করো।
ব্যাখ্যা: এখানে কুজন অর্থ খারাপ লোক বা অসৎ সঙ্গ বোঝাতে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সকালে পাখির কূজন শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে কূজন অর্থ পাখির ডাক বোঝাতে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খারাপ লোক — এটি কুজন শব্দের অর্থ, কিন্তু কূজন শব্দের অর্থ হলো পাখির ডাক।
B) ছোট লোক — এটি কোনো প্রমিত শব্দার্থ নয় এবং কূজন বা কুজন কোনোটির সঙ্গেই এটি সরাসরি মেলে না।
C) পাখির ডাক — এটিই মূলত কূজন শব্দের সঠিক অর্থ, যা এখানে সঠিক অপশন হওয়া উচিত ছিল।
D) এতর বিশেষ — এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক অপশন এবং এর সঙ্গে প্রশ্নের কোনো মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দীর্ঘ উ-কার থাকলে আকাশে ওড়া পাখির ডাক মনে রাখতে পারো।
- হ্রস্ব উ-কার থাকলে কু বা খারাপ লোক মনে রাখা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বানানের সামান্য হ্রস্ব ও দীর্ঘ রূপ পরিবর্তনের ফলে শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।
- পরীক্ষার হলে কুজন ও কূজন শব্দ দুটি সাবধানে খেয়াল করে উত্তর করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৭ সালে
১. কেন সঠিক:
- 'শিখা' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালের মার্চ মাসে ঢাকা থেকে।
- এই পত্রিকার মূল স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'শিখা' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক ছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ, যা ১৯২৬ সালে ঢাকায় গঠিত হয়।
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল হোসেন এবং পরবর্তীতে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে এটি ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা: তিনি 'শিখা' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রথিতযশা লেখক ছিলেন।
উদাহরণ ২: কাজী আবদুল ওদুদ
ব্যাখ্যা: তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন প্রধান সংগঠক এবং 'শিখা' পত্রিকার সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৫ সালে — এই সালে 'শিখা' পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজেরও আগের বছর।
B) ১৯২৭ সালে — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
C) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়েছিল, যা 'শিখা' প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ১৯৬৪ সালে — এটি অনেক পরের সাল, এই সময়ে 'শিখা' পত্রিকার কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠিত হয় ১৯২৬ সালে এবং এর মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকা প্রকাশিত হয় ঠিক তার পরের বছর অর্থাৎ ১৯২৭ সালে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও 'শিখা' পত্রিকার প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগানটি কার লেখা, এই প্রশ্নটিও একই টপিক থেকে অনেকবার এসেছে।
সঠিক উত্তর: A) ভারতচন্দ্র
১. কেন সঠিক:
মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। বাংলা মধ্যযুগের সমাপ্তি এবং আধুনিক যুগের সূচনালগ্নে তিনি রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে আবির্ভূত হন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর নদিয়া জেলার পেপড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজসভায়শালী হন। তার বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ ও অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ কীর্তি যা মধ্যযুগের শেষ ভাগে রচিত মঙ্গলকাব্যের শেষ ঐতিহ্য বহন করে।
উদাহরণ ২: সত্যনারায়ন কথা
ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্রের আরেকটি ছোট আকারের কাব্য যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার অন্য একটি নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতচন্দ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত।
B) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি যুগের বা শুরুর দিকের কবি, শেষ কবি নন।
C) বিজয় গুপ্ত — বিজয় গুপ্ত পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত কবি যিনি মধ্যযুগের প্রথমার্ধের অন্তর্ভুক্ত।
D) কানাহরি দত্ত — কানাহরি দত্ত মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রাচীন কবি, তিনি মধ্যযুগের শেষের কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের শেষ সূর্য ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর, এভাবে মনে রাখতে পারো। মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটেছে তার হাতেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রাজকবি ছিলেন এবং মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাকে রায়গুণাকর উপাধি দিয়েছিলেন। মধ্যযুগের কালসীমা সাধারণত ১২০১ থেকে ১৭৬০ বা ১৮০১ সাল পর্যন্ত ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
- রাজের পুত্র অর্থাৎ রাজার পুত্র এখানে সমাসবদ্ধ হয়ে রাজপুত্র বা রাজপুত হয়েছে।
- সমাস করার সময় পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন র, এর) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
- এখানে রাজার পুত্র শব্দ দুটিতে সম্বন্ধ পদে ষষ্ঠী বিভক্তি (এর) যুক্ত আছে, যা ব্যাসবাক্যে স্পষ্ট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চায়ের বাগান = চায়ের বাগান বা চা-বাগান।
ব্যাখ্যা: এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের সেবা = দেশসেবা।
ব্যাখ্যা: এখানে দেশের পদের র বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত তুলনা বা বিশেষ্য-বিশেষণের সম্পর্ক থাকে, যা এখানে নেই।
C) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রম্পট প্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে পরপদের অর্থ প্রধান।
D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যে যদি র বা এর বিভক্তি থাকে এবং সমস্ত পদে তা লোপ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে।
- রাজার পুত্র, ছাগলের দুধ—এগুলো দেখলেই ষষ্ঠী তৎপুরুষ মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পাওয়া।
- একই নিয়মে বিলাত ফেরত, ছাত্রাবাস, রাজপথ—এগুলোও ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) উৎ + যোগ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত্ বা দ্ এর পর জ বা ঝ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে জ হয়।
উদ্যোগ শব্দের ক্ষেত্রে উৎ পদের ত্ত্ব বা ত্ ধ্বনির পর জ ধ্বনি থাকায় ত্ পরিবর্তিত হয়ে জ বা জ্জ হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে বর্গের প্রথম ধ্বনির পর তৃতীয় বা চতুর্থ ধ্বনি থাকলে প্রথম ধ্বনিটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিপদ্ + জাল = বিপজ্জাল
ব্যাখ্যা: এখানে ত্ বা দ্ এর পর জ থাকার কারণে দ্ স্থানে জ যুক্ত হয়ে বিপজ্জাল গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সৎ + জন = সজ্জন
ব্যাখ্যা: এখানে ত্ এর পর জ থাকার কারণে ত্ পরিবর্তিত হয়ে জ এ পরিণত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদ + যোগ — বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এখানে উৎ উপসর্গ ব্যবহার না করে উদ লেখা হয়েছে যা ভুল।
C) উদ্যোগ + গ — সম্পূর্ণ শব্দটিকে ভেঙে ভুলভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে যা কোনো সন্ধির নিয়মের মধ্যে পড়ে না।
D) উত + যোগ — এখানে উৎ এর পরিবর্তে খণ্ড ত এর নিচে হসন্ত না দিয়ে উত লেখা হয়েছে যা বানান ও নিয়ম বহির্ভূত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ত্ বা দ্ এর সাথে জ যোগ হলে সর্বদা জ্জ বা জ উৎপন্ন হয়।
উদ্যোগ শব্দে জ্জ দেখে উৎ যোগ যোগ মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খণ্ড ত বা উৎ উপসর্গ চেনার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শেষের কবিতা
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য সেন এবং এর সাহিত্যিক রূপ ও কাব্যিক ভাষা একে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক, কবি ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- শেষের কবিতা উপন্যাসের ধরন মূলত মনস্তাত্ত্বিক ও কাব্যধর্মী যেখানে প্রথাগত উপন্যাসের ধারা ভেঙে নতুন এক আধুনিক শলীর রূপ দেওয়া হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমাজ ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের ওপর রচিত একটি প্রখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেমেসিস — এটি একটি বিখ্যাত নাটক যা নাট্যকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কর্তৃক রচিত হয়েছে।
B) শেষের কবিতা — এটি একটি উপন্যাস এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
C) পদ্মাবতী — এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল কর্তৃক অনূদিত ও রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
D) নবান্ন — এটি নাট্যকার বিজন ভট্টাচার্য কর্তৃক রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি আসলে একটি উপন্যাস।
- উপন্যাস মনে রাখার জন্য অমিত রায় ও লাবণ্য সেন চরিত্রের নামটি মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বিভ্রান্ত করার জন্য কাব্যিক নামের উপন্যাস বা নাটক জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে রচনার প্রকৃত রূপ বা জাঁকজমক না বুঝে লেখকের পুরো সাহিত্যকর্মের ধরন খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সিংহ
১. কেন সঠিক:
মৃগরাজ শব্দের অর্থ হলো সিংহ। মৃগ শব্দের সাধারণ অর্থ হরিণ হলেও, সমাস বা শব্দার্থের বিচারে মৃগরাজ বলতে পশুদের রাজাকে অর্থাৎ সিংহকে বোঝানো হয়।
২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ:
এটি একটি বিশেষ অর্থবাচক শব্দ বা সমার্থক শব্দ। ব্যাকরণের নিয়মে পশুর রাজা অর্থে সিংহকে মৃগরাজ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কেশরী
ব্যাখ্যা: কেশরী শব্দের অর্থ সিংহ, যা মৃগরাজ শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বনরাজ
ব্যাখ্যা: বনের রাজা অর্থে বনরাজ শব্দটিও অনেক সময় সিংহকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বানর — বানর একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী হলেও মৃগরাজ শব্দের অর্থ বানর নয়।
B) হাতি — হাতি বৃহত্তম স্থলচর প্রাণী, তবে এটি মৃগরাজ শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
C) সিংহ — এটি সঠিক উত্তর।
D) হরিণ — মৃগ শব্দের অর্থ হরিণ হলেও মৃগরাজ বলতে হরিণকে বোঝায় না, বরং হরিণ শিকার করে বলে সিংহকে মৃগরাজ বলা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৃগ অর্থ হরিণ এবং রাজ অর্থ রাজা। হরিণদের ওপর যে রাজা বা শাসন করে অর্থাৎ বনের রাজা সিংহ, এভাবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পশুর রাজাকে কী বলা হয়, তা মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রকার
১. কেন সঠিক:
গঠন বা গঠনরীতি অনুসারে বাংলা বাক্য মূলত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। পদের বিন্যাস এবং বাক্যের আশ্রিত বা স্বাধীন হওয়ার বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বাক্যকে এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগে একটি মাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে। একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য নির্ভর করলে তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে এবং দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত হলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হওয়ায় অন্ধকার দূর হলো।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
উদাহরণ ২: যিনি পরিশ্রম করেন, তিনিই সুখ লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনাম জোড়া ব্যবহৃত হয়েছে এবং একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির ওপর নির্ভরশীল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ প্রকার — বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ দুই প্রকার নয়, কারণ সরল, জটিল ও যৌগিক এই তিনটি প্রধান রূপ রয়েছে।
B) ৩ প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকারেই বিভক্ত।
C) ৪ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে গঠন অনুসারে বাক্য চার প্রকার হওয়ার কোনো ভিত্তি নেই।
D) ৫ প্রকার — ৫ প্রকার মূলত অর্থের দিক থেকে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ, গঠন অনুসারে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
গঠন অনুযায়ী বাক্যের প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো সরল, জটিল ও যৌগিক এই তিনটি শব্দ মনে রাখা। সংক্ষেপে একে স-জ-য সূত্র হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গঠন এবং অর্থ ভেদে বাক্যের প্রকার নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। মনে রাখবে গঠনগতভাবে ৩ প্রকার হলেও অর্থের বা ভাবের দিক থেকে বাক্য ৫ প্রকার।
সঠিক উত্তর: C) মুনীর চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'কবর' নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি এই বিখ্যাত একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন।
- নাটকটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমনপীড়নের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ হিসেবে বাংলা নাট্যসাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং ভাষাসৈনিক। ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণকারী এই বুদ্ধিজীবী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আলবদরের হাতে শহিদ হন।
- 'কবর' নাটকটি প্রথম মঞ্চায়িত হয় ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের দ্বারা এবং এটি বাংলা প্রতিবাদী নাট্যধারার একটি মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রক্তকবরী
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকী নাটক, যার নামের সঙ্গে 'কবর' শব্দের মিল থাকলেও এর বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা।
উদাহরণ ২: মানুষের মন
ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরীর অনূদিত বা অন্যান্য সাহিত্যকর্মের মতো এটিও বাংলা সাহিত্যের নাট্যশালায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদুল্লা কায়সার — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও 'কবর' নাটকের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো সারেং বউ।
B) জহির রায়হান — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও কথাসাহিত্যিক, তার বিখ্যাত উপন্যাস বরফ গলা নদী, তবে তিনি 'কবর' নাটক লেখেননি।
C) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) নুরুল মোমেন — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও তার বিখ্যাত নাটক নেপথ্যের নায়ক, 'কবর' নাটকটি তার লেখা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের উত্তাল সময়ে কারাগারে বসে নাটক লিখেছেন মুনীর চৌধুরী। মনে রাখার কৌশল হলো ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে কারাগারের ভেতরের 'কবর' রচনা করেছিলেন মুনীর চৌধুরী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, তা প্রায়ই আসে। মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ও 'চিঠি' নাটকগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে সার্থক রূপদান করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬৬ সালে ফ্রাঁসের ভার্সাই নগরীতে প্রবাস জীবনযাপনকালে চতুর্দশপদী কবিতাবলী রচনা করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন যা সার্থক সনেটের মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট।
উদাহরণ ২: বঙ্গভাষা কবিতা
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা ও সনেট আঙ্গিকের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদী রচনার জন্য বিখ্যাত, সনেটের প্রবর্তক নন।
C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি হিসেবে পরিচিত এবং মূলত গীতি কবিতার জন্য বিখ্যাত, সনেট প্রবর্তক নন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সনেট রচনা করলেও এর প্রবর্তক নন, মধুসূদন দত্তের পরে সনেট ধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধু খেলেই মনে আসে সনেট, মধু মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এভাবে খুব সহজেই সনেটের প্রবর্তককে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সনেটের জনক বা প্রবর্তক সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাংলা সনেটের মূল বৈশিষ্ট্য হলো চৌদ্দটি চরণ ও সুনির্দিষ্ট মিলবিন্যাস।
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
- 'ব্যাকরণ' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি তৎসম শব্দ।
- শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা বা বিশেষ ব্যুৎপত্তি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে শাস্ত্রে ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন, প্রকৃতি ও পারস্পরিক সম্পর্কের নিয়ম শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে আলোচিত হয় তাকে ব্যাকরণ বলে।
- সংস্কৃত 'বি' এবং 'আ' উপসর্গের পর 'কৃ' ধাতুর সঙ্গে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ব্যাকরণ শব্দ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ
ব্যাখ্যা: এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটিও সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — ব্যাকরণ শব্দটি বাংলা ভাষার নিজস্ব কোনো শব্দ নয়, এটি সংস্কৃত থেকে আগত।
B) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে ব্যাকরণ শব্দটি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেনি।
D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে ব্যাকরণ শব্দটি ধার করা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বেশিরভাগ প্রাতিষ্ঠানিক ও শাস্ত্রীয় পরিভাষা যেমন ব্যাকরণ, ভূগোল, ইতিহাস সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে।
- মনে রাখবে বিজ্ঞান ও শাস্ত্রীয় শব্দের উৎস সাধারণত সংস্কৃত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ব্যাকরণ শব্দটির ব্যাসববাক্য ও প্রত্যয় নির্ণয় পরীক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) চলাকালে
১. কেন সঠিক:
- চলাকালে পদটি একটি বিশেষ প্রত্যয়সাধিত শব্দ যেখানে কাল শব্দের সঙ্গে বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একই বাক্যে সমার্থক শব্দের পুনরাবৃত্তি দোষ বা বাহুল্য দোষ ঘটে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বাহুল্য দোষ বা শব্দার্থের দ্বিরুক্তি একটি মারাত্মক ত্রুটি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- কাল বা সময়বাচক শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত সময় বা কাল যুক্ত করা ব্যাকরণগত দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যোদয়ের সময়
ব্যাখ্যা: সূর্যোদয় শব্দের অর্থ সূর্যের উদয় হওয়া, তাই এর সঙ্গে অতিরিক্ত সময় শব্দ ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ।
উদাহরণ ২: শ্রবণকালে
ব্যাখ্যা: শোনার সময় বোঝাতে কেবল শ্রবণকালে ব্যবহার করলেই অর্থ পরিষ্কার হয়, অতিরিক্ত সময় লেখার প্রয়োজন নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলাকালীন সময়ে — চলাকালীন এবং সময় দুটি শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করায় এখানে দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ ঘটেছে।
B) চলাকালিন সময়ে — এই অপশনে বানানের ভুল থাকার পাশাপাশি অতিরিক্ত সময় শব্দ যুক্ত হয়ে বাহুল্য দোষ সৃষ্টি হয়েছে।
C) চলাকালের সময়ে — চলাকালের এবং সময়ে পদ দুটি একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণের নিয়মে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
D) চলাকালে — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এতে কোনো অতিরিক্ত বাহুল্য বা শব্দের পুনরাবৃত্তি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কালিন বা কালীন যুক্ত শব্দের পর কখনো সময় বা কাল শব্দটি বসবে না কারণ কালিন শব্দের অর্থই হলো নির্দিষ্ট সময়।
- সমার্থক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার এড়িয়ে চললে এই ধরনের ভুল থেকে সহজে মুক্ত থাকা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে তাই শব্দার্থের পুনরাবৃত্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
- প্রমিত বাংলা বানানে কালীন বানানে মূর্ধন্য ন ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে অতিরিক্ত সময় যোগ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গীতাঞ্জলি
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
গীতাঞ্জলি শব্দটিতে অঞ্জলি অংশটি যুক্ত হওয়ার কারণে শেষের ই-কার হ্রস্ব ই অর্থাৎ ই-কার হবে, দীর্ঘ ঈ-কার হবে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত যেসব শব্দে অঞ্জলি প্রত্যয় যুক্ত থাকে, সেগুলোর শেষে সর্বদা ই-কার বা হ্রস্ব ই ব্যবহৃত হয়।
এই নিয়মের কারণে গীতাঞ্জলি শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত ভুল হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রদ্ধাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: শ্রদ্ধা শব্দের সাথে অঞ্জলি যুক্ত হয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে শেষের ই-কার হ্রস্ব ই হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুষ্পাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: পুষ্প শব্দের সাথে অঞ্জলি যুক্ত হয়ে পুষ্পাঞ্জলি গঠিত হয়েছে এবং নিয়মানুযায়ী এখানেও হ্রস্ব ই-কার বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গীতাঞ্জলী — শেষের অংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল।
B) গীতাঞ্জলি — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এই রূপটি সর্বজনগ্রাহ্য।
C) গীতান্জলী — মধ্যাহ্ন ন এবং দীর্ঘ ঈ-কার উভয় ভুল থাকার কারণে এই অপশনটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
D) গীতান্জলি — মূর্ত বা দন্ত ন এর বদলে মধ্যাহ্ন ন ব্যবহারের কারণে এই বানানটিও ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
অঞ্জলি যুক্ত সকল শব্দের শেষেই হ্রস্ব ই-কার বা ই হবে।
শ্রদ্ধাঞ্জলি, গীতাঞ্জলি বা পুষ্পাঞ্জলি—সব ক্ষেত্রেই শেষের ই-কার ছোট ই হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঞ্জলি প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে।
এই নিয়মটি মনে রাখলে অঞ্জলি সংক্রান্ত যেকোনো শুদ্ধ বানান সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা।
১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া বিদ্রোহী চেতনার প্রকাশ ঘটে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে যার শুরুতেই প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতাটি বিদ্রোহী।
এটি যুগান্তকারী একটি সাহিত্যকর্ম যা তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তরুণ সমাজকে দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা যা ধ্বংসের মাঝেই নতুন সৃষ্টির বার্তা বহন করে।
উদাহরণ ২: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: এই কবিতার মাধ্যমেই কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্বজুড়ে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক প্রকাশিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর।
C) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী গান ও কবিতার সংকলন, তবে প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) ভাঙার গান — এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সঙ্গীত ও কবিতাগ্রন্থ, যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রথম কাব্য মানেই আগুনের মতো তেজদীপ্ত অগ্নিবীণা।
প্রথম প্রকাশের সাল মনে রাখতে ১৯২২ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ও প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বাঁধন হারা এবং প্রথম গল্প প্রবাসীর বন্ধু।
সঠিক উত্তর: C) আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের প্রাথমিক ও মধ্যবর্তী পর্যায়ের সত্য ঘটনা ও স্মৃতিচারণের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি প্রামাণিক দলিল।
- গ্রন্থটি কোনো কাল্পনিক গল্প বা উপন্যাস নয়, বরং লেখকের নিজের হাতের লেখা ডায়েরির পাতার ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত একটি বাস্তবধর্মী আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশ্লিষ্ট লেখক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট শাহাদাতবরণ করেন।
- রচনা বা সাহিত্যকর্মের পরিচিতি হিসেবে গ্রন্থটি ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে যা পরবর্তীতে পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরেকটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও দিনলিপিনির্ভর গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত একটি প্রামাণিক ভ্রমণ ও আত্মজীবনীমূলক রচনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — উপন্যাস হলো লেখকের কল্পনার আশ্রয়ে রচিত কাল্পনিক বা অর্ধ-বাস্তব কাহিনীর গদ্যরূপ, যা এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) প্রবন্ধ গ্রন্থ — প্রবন্ধ হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক ও তাত্ত্বিক আলোচনা, যা ব্যক্তিগত জীবনীর বর্ণনার সঙ্গে সম্পূর্ণ মেলে না।
C) আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নটির দাবির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) নাটক — নাটক হলো মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী সংলাপনির্ভর দৃশ্যকাব্য, যা এই জীবনচরিতের রূপের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলো মনে রাখতে খেয়াল রাখবে যে তার নামযুক্ত প্রধান তিনটি বই হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে। মূল পাঠ্য বা প্রামাণিক তথ্য ভালোভাবে জানলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ইউসুফ জোলেখা
১. কেন সঠিক:
- ইউসুফ জোলেখা মহাকবি শাহ মুহম্মদ সগর রচিত একটি বিখ্যাত মধ্যযুগের কাব্য, যা সপ্তদশ শতাব্দীতে রচিত হয়।
- মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল এই গ্রন্থটি রচনা করেননি, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। তাঁর প্রধান ও অমর সৃষ্টি হলো পদ্মাবতী, যা মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত।
- তোহফা এবং হপ্তপয়কর আলাওলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি মৌলিক ও অনুবাদধর্মী সাহিত্যকর্ম, যা তাঁর পাণ্ডিত্য ও কবিত্বশক্তির পরিচয় বহন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: এটি দৌলত কাজী রচিত মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত কাব্য, যা পরে আলাওল অসমাপ্ত অংশ সম্পন্ন করেন।
উদাহরণ ২: সিকান্দারনামা
ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ, যা ফারসি কাব্য অবলম্বনে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউসুফ জোলেখা — এটি শাহ মুহম্মদ সগর রচিত কাব্য, তাই এটি আলাওলের রচিত নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) তোহফা — এটি আলাওল কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও ধর্মীয় কাব্য।
C) পদ্মাবতী — এটি কবি আলাওলের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক পরিচিত মহাকাব্যের মতো সাহিত্যকর্ম।
D) হপ্তপয়কর — এটি মধ্যযুগের পারস্যের কবি নিজামী গঞ্জবীর কাব্য অবলম্বনে আলাওল কর্তৃক রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আলাওলের প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো তোহফা, পদ্মাবতী ও হপ্তপয়কর তাঁর অমর সৃষ্টি, আর ইউসুফ জোলেখা লিখেছেন শাহ মুহম্মদ সগর।
- মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের মধ্যে আলাওলের সাহিত্যকর্মের তালিকাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাঁদের বিখ্যাত গ্রন্থের নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- বিশেষ করে আলাওল, দৌলত কাজী ও সৈয়দ সুলতানের রচনাগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) লুই পা
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদের আদি বা প্রথম কবি হলেন লুই পা। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে এটি প্রমাণ করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
লুই পা চর্যাপদের সবচেয়ে প্রাচীন পদকর্তা হিসেবে স্বীকৃত। ড. শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের কাল সপ্তম শতাব্দী এবং লুই পা রচিত পদটি চর্যাপদের প্রথম পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি লুই পার রচনা। এর মূল বিষয়বস্তু হলো সাধনভজন ও সহজিয়া তত্ত্ব।
ব্যাখ্যা: এই পদটি দিয়েই চর্যাপদের সংকলন শুরু হয়েছে এবং এতে বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের মৌলিক কথাই প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: লুই পার পদের প্রারম্ভিক চরণ হলো কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল।
ব্যাখ্যা: এই চরণটিতে মানবদেহকে একটি গাছের সঙ্গে তুলনা করে রূপক অর্থে সাধনপদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুই পা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ও ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে তিনি চর্যাপদের প্রথম কবি।
B) শবর পা — তিনি চর্যাপদের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেও আদি কবি নন।
C) ভূসুক পা — তিনি চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি তবে তিনি আদি কবি নন।
D) কাহ্ন পা — তিনি চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কবি তবে প্রথম কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের প্রথম বা আদি কবি মনে রাখার জন্য ল অক্ষরটি মনে রাখতে পারো। লুই পার ল দিয়েই চর্যাপদের সূচনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এর মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের প্রথম কবি এবং মোট পদের সংখ্যা প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'ভানুসিংহ' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম। মাত্র বারো বছর বয়সে তিনি এই ছদ্মনামে কবিতা লেখা শুরু করেছিলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৈশোরে বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের পদাবলী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ব্রজবুলি ভাষায় কিছু পদ রচনা করেন। তিনি ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনাম ব্যবহার করে এই পদগুলো রচনা করেছিলেন যা পরবর্তীতে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেখানে তার ছদ্মনাম ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মরমী কবি লালন শাহ
ব্যাখ্যা: অনেক সাহিত্যিক ও বাউল সাধক তাদের লেখার ক্ষেত্রে বা পরিচয়ে ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন যেমন রবীন্দ্রনাথ ভানুসিংহ ব্যবহার করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাশিল্পী হলেও ভানুসিংহ তার ছদ্মনাম নয়।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং ইনি কৌতুকমূলক লেখায় কমলাকান্ত মুদি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও ভানুসিংহ তার ছদ্মনাম নয়।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে কবিতা লিখেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের ভানুসিংহ নামটির সঙ্গে ভানু বা সূর্য শব্দটিকে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। সূর্যের আলো যেমন বিশ্বকে আলোকিত করে, তেমনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যও বাংলা সাহিত্যকে আলোকিত করেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম বা ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী কার রচনা। এই ধরনের সাহিত্যিক ছদ্মনামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) শওকত আলী
১. কেন সঠিক:
'প্রদোষে প্রাকৃতজন' একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শওকত আলী।
প্রদোষ অর্থ সন্ধ্যা বা গোধূলি এবং প্রাকৃতজন অর্থ সাধারণ মানুষ, এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু সেন আমলের সামন্তপ্রথা ও সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শওকত আলী বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি মূলত ইতিহাসাশ్రয়ী ও সমাজসচেতন উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
তাঁর রচিত 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাসটি বাংলা ঐতিহাসিক উপন্যাসের ধারায় একটি অনন্য সংযোজন হিসেবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শওকত আলী রচিত 'দক্ষিণায়নের দিন' উপন্যাসটি তাঁর আরেকটি বিখ্যাত ত্রয়ী উপন্যাসের প্রথম খণ্ড।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সাহিত্যকর্মের পরিধি ও ঐতিহাসিক উপন্যাসের ধারাকে বুঝতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: শওকত আলী রচিত 'ওয়ারिसा' উপন্যাসটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম হিসেবে বেশ পরিচিত।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি লেখকের ঐতিহাসিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিম আল দিন — ইনি মূলত বিশিষ্ট নাট্যকার ও গবেষক ছিলেন, কোনো ঐতিহাসিক উপন্যাস রচয়িতা হিসেবে নন।
B) সৈয়দ শামসুল হক — ইনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাসের রচয়িতা নন।
C) শওকত ওসমান — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' তাঁর লেখা নয়, বরং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'কৃতদাসের হাসি'।
D) শওকত আলী — ইনি এই উপন্যাসের প্রকৃত রচয়িতা বিধায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধ্যা বা প্রদোষে সাধারণ বা প্রাকৃত মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন ঔপন্যাসিক শওকত আলী।
নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো প্রদোষ মানে সন্ধ্যা আর প্রাকৃত মানে সাধারণ জনতা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন 'উত্তরে কালপুরুষ' সম্পর্কে ধারণা রাখবে।
অন্যান্য লেখকের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যাবে।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- নয়নচারা গল্পটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
- এই গল্পে গ্রামীণ সমাজজীবনের মনস্তত্ত্ব এবং মানুষের জীবনসংগ্রাম অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ আধুনিক বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক যিনি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক রচনার জন্য বিখ্যাত।
- নয়নচারা তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থ যা ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ জীবনের নানা রূপের চিত্রায়ন রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত একটি বিশ্বমানের মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও নয়নচারা তাঁর রচিত গল্প নয়।
B) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও নয়নচারা তাঁর কোনো ছোটগল্প নয়।
C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — ইনিই এই গল্পের সঠিক রচয়িতা এবং তাঁর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থের নামও নয়নচারা।
D) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক হলেও নয়নচারা গল্পের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ওয়ালীউল্লাহর একমাত্র ছোটগল্প গ্রন্থ নয়নচারা মনে রাখতে ওয়ালীউল্লাহ ও নয়নচারা শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ হিসেবে এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জন্ম ১৯২২ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭১ সালে।
তাঁর রচিত নাটক বহিপীর এবং উপন্যাস লালসালু বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) কাপালিকুণ্ডলা
১. কেন সঠিক:
- 'পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ' উক্তিটি বাংলা উপন্যাসের আদিগুরু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস 'কপালকুণ্ডলা' থেকে নেওয়া হয়েছে।
- সপ্তর্ষি নদীর চরে ঘোর অন্ধকার রাতে পথ হারানো নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে এই বিখ্যাত সংলাপটি কপালকুণ্ডলা উচ্চারণ করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত।
- ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত 'কপালকুণ্ডলা' একটি রোমান্টিক উপন্যাস যার মূল পটভূমি সমুদ্রসৈকত ও কাপালিকদের রহস্যময় জীবন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমতা না থাকলেই ধর্মনাশ হয় না।
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও দার্শনিক তাৎপর্যপূর্ণ সংলাপ।
উদাহরণ ২: দিবসের শেষে আর একটি দিন ফুরাইল।
ব্যাখ্যা: এটিও একই উপন্যাসের প্রকৃতি বন্দনা এবং মানবজীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব প্রকাশকারী একটি বিখ্যাত উদ্ধৃতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবকুমার — নবকুমার কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র এবং সে নিজে পথ হারিয়েছিল, এই উক্তিটি তার নয়।
B) শ্রীকান্ত — শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত আত্মজৈবনিক উপন্যাস 'শ্রীকান্ত' এর কেন্দ্রীয় চরিত্র, যার সাথে এই উক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কাপালিকুণ্ডলা — এটি সঠিক উত্তর। কারণ এই বিখ্যাত সংলাপটি উপন্যাসটির নারী চরিত্র কপালকুণ্ডলার মুখেই মানানসইভাবে উচ্চারিত হয়েছিল।
D) কুমুদিনী — কুমুদিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাসের একটি প্রধান নারী চরিত্র, যা বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো পথ হারালেই মনে রাখবে কপালকুণ্ডলা আর নবকুমারের কথা।
- উক্তিটির মধ্যে পথিক ও পথ হারানোর বিষয়টি কপালকুণ্ডলার চরিত্রকে বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও বিখ্যাত চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের বিভিন্ন উক্তি ও চরিত্র চিহ্নিতকরণ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) পাবক
১. কেন সঠিক:
- পাবক শব্দটির অর্থ আগুন বা অগ্নি। এটি অগ্নি শব্দের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে এই শব্দের ব্যবহার বেশ frecuente বা নিয়মিত দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও অর্থের দিক থেকে একই বা কাছাকাছি ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ভাণ্ডারে অগ্নির অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বহ্নি
ব্যাখ্যা: বহ্নি শব্দটি অগ্নি শব্দের অপর একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: হুতাশন
ব্যাখ্যা: হুতাশন শব্দের অর্থও আগুন, যা অগ্নির সমার্থক হিসেবে কাব্যে ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনিল — অনিল শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আগুনের সমার্থক নয়।
B) সমীরণ — সমীরণ শব্দের অর্থ বাতাস বা সমীর, এটি বায়ুর সমার্থক শব্দ।
D) ভানু — ভানু শব্দের অর্থ সূর্য, এটি আলোর দেবতা বা সূর্যের সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অগ্নি শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পাবক, বহ্নি, হুতাশন, অনল ও কৃশানু শব্দগুলো একসঙ্গে একটি ছন্দে মুখস্থ করা।
- বাতাসের সমার্থক (অনিল, সমীরণ) ও আগুনের সমার্থক (পাবক, অনল) শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করতে একসঙ্গে অপশনে দেওয়া হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি ও বায়ু শব্দের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই বিপরীতার্থক বা কাছাকাছি অপশন দিয়ে কনফিউজ করা হয়।
- তাই পরীক্ষার হলে অনল (আগুন) এবং অনিল (বাতাস) এর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করে উত্তর করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকান্তের উইল
১. কেন সঠিক:
- রোহিণী হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস 'কৃষ্ণকান্তের উইল'-এর একটি অত্যন্ত নাটকীয় ও ট্র্যাজিক নারী চরিত্র।
- এই উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র গোবিন্দলালের সঙ্গে রোহিণীর অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক এবং তার পরিণতির মধ্য দিয়ে উপন্যাসের মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত।
- 'কৃষ্ণকান্তের উইল' ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে মানবমনের লোভ, পরকীয়া প্রেম এবং তার ধ্বংসাত্মক পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনী
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যার প্রধান নারী চরিত্র সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনী।
উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের চরিত্র কপালকুণ্ডলা ও নবকুমার
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি রোমান্সধর্মী উপন্যাস যার কেন্দ্রীয় চরিত্র কপালকুণ্ডলা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষবৃক্ষ - এই উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র কুন্দনন্দিনী ও সূর্যমুখী, রোহিণী নয়।
B) গৃহদাহ - এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র মহিম, সুরেশ ও অচলা।
D) রাজর্ষি - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র গোবিন্দমাণিক্য ও ত্রিপুরা রাজ্যের ঘটনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের নারী চরিত্র মনে রাখার জন্য লেখকের নাম এবং উপন্যাসের নাম জোড়ায় পড়তে হবে।
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাস বললেই রোহিণী এবং গোবিন্দলালের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' এবং প্রথম বাংলা সার্থক সামাজিক উপন্যাস 'বিষবৃক্ষ'।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বরিশাল
১. কেন সঠিক:
- কবি বেগম সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার (বর্তমান বরিশাল জেলা) শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মস্থান সংক্রান্ত এই তথ্যটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী কবি, সাহিত্যিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, কেয়ার কাঁটা ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যা: এটি বেগম সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: একা এবং কয়েকজন
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — কুমিল্লা কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং শচীন দেব বর্মণের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত হলেও বেগম সুফিয়া কামালের জন্মস্থান নয়।
B) বরিশাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
C) খুলনা — খুলনা অঞ্চলের সঙ্গে প্রখ্যাত সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মস্থান যুক্ত, সুফিয়া কামালের জন্মস্থান নয়।
D) ঢাকা — ঢাকা তাঁর কর্মজীবন এবং জীবনের দীর্ঘ সময় কাটানোর স্থান হলেও তাঁর জন্মস্থান এখানে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুফিয়া কামালের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো তিনি বরিশালের বাকেরগঞ্জের মেয়ে ছিলেন।
- তাঁর নামের সঙ্গে বরিশালের শায়েস্তাবাদ এলাকাটি বিশেষভাবে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব কমন।
- কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং তাঁদের ডাকনাম বা উপাধিগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) adverb
কেন সঠিক:
- এখানে 'very' শব্দটি 'beautiful' নামক adjective-কে মডিফাই করেছে।
- Adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করায় 'very' একটি adverb হিসেবে গণ্য হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি noun বা pronoun-কে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে 'very' শব্দটি beautiful-কে মডিফাই করছে।
B) verb — এটি বাক্যের কাজ বোঝায়, কিন্তু 'very' কোনো কাজের নাম বা অবস্থা নির্দেশ করছে না।
C) pronoun — এটি noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু 'very' কোনো noun-এর বদলি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
D) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি adjective-কে মডিফাই করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো adjective বা অন্য adverb-এর মাত্রা বা তীব্রতা বাড়াতে তার আগে যে word বসে, তাকে adverb বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) beauty
কেন সঠিক:
- 'beautiful' হলো একটি adjective বা বিশেষণ শব্দ, যার নাউন রূপ হলো 'beauty'।
- শব্দের শেষে -ty যুক্ত করে সাধারণত adjective থেকে noun গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautify — এটি একটি verb বা ক্রিয়া, যার অর্থ সুন্দর করা।
B) beautiness — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দ বা রূপের অস্তিত্ব নেই।
C) beauty — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রদত্ত adjective শব্দের সঠিক noun রূপ।
D) beautifully — এটি একটি adverb বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কাজের ধরণ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ফুল শব্দের শেষে -ful থাকলে তা বাদ দিয়ে বা পরিবর্তন করে -ty যুক্ত করলে সাধারণত noun পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) exemplary
কেন সঠিক:
- Exemplary শব্দের অর্থ অনুকরণীয় বা আদর্শ স্থানীয়, যার সঠিক ইংরেজি বানান e-x-e-m-p-l-a-r-y।
- Exemp শব্দের সাথে ary প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে, যেখানে মাঝখানে e এর পরিবর্তে a ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) exemplery — এই বানানে শেষের দিকে e আছে, যা ব্যাকরণগত ও বানানরীতির নিয়মে সঠিক নয়।
C) examplary — এই বানানে শুরুতে exemp এর বদলে examp লেখা হয়েছে, যা সঠিক মূল শব্দের সাথে মেলে না।
D) eximplary — এই বানানে প্রথম অংশে e এর বদলে i ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটি ভুল বানান।
মনে রাখার টিপস:
Exemplary বানানটি মনে রাখতে প্রথমে example লিখে শেষের e বাদ দিয়ে ary যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) acme
কেন সঠিক:
- Pinnacle শব্দের অর্থ চূড়া, সর্বোচ্চ শিখর বা পরাকাষ্ঠা।
- Acme শব্দের অর্থ একই রকম সর্বোচ্চ বিন্দু বা চরম উৎকর্ষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adroit — এর অর্থ দক্ষ বা পটু, যা শীর্ষবিন্দুর সমার্থক নয়।
B) absurd — এর অর্থ অবাস্তব, অমূলক বা অযৌক্তিক।
C) valiant — এর অর্থ বীরত্বপূর্ণ বা সাহসী।
D) acme — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সর্বোচ্চ শিখর।
মনে রাখার টিপস:
Pinnacle এবং Acme দুটি শব্দই কোনো কিছুর সর্বোচ্চ শিখর বা চূড়া বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ambiguous
কেন সঠিক:
- 'Ambiguous' শব্দের বাংলা অর্থ দ্বিঅর্থক বা যা পরিষ্কার নয়।
- কোনো বক্তব্য বা শব্দের একাধিক অর্থ থাকলে এবং তা স্পষ্ট না হলে তাকে এই শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) amphibious — এর অর্থ উভচর, যা জলে ও স্থলে উভয় স্থানে বসবাসকারী প্রাণীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) anonymous — এর অর্থ বেনামি বা অজ্ঞাতনামা, যা কোনো নাম প্রকাশ না করার অবস্থাকে নির্দেশ করে।
C) confiscate — এর অর্থ বাজোপ্ত করা, যা আইনগতভাবে কোনো সম্পত্তি দখল করার প্রক্রিয়া।
D) ambiguous — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ দ্ব্যর্থক বা অস্পষ্ট।
মনে রাখার টিপস:
'Ambi' শব্দের অর্থ উভয় বা দুটি। দুটি অর্থ যার মধ্যে থাকে তা-ই ambiguous বা দ্ব্যর্থক।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) Let not the door be shut.
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি Do দিয়ে শুরু হওয়া একটি Imperative Sentence এবং এটি Negative অর্থ প্রকাশ করছে।
- Imperative Sentence-যুক্ত Negative বাক্যের Active থেকে Passive করার গঠন হলো Let + object + not + be + মূল Verb-এর Past Participle রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The door is not to be shut. — এটি সাধারণ Assertive Sentence-এর Passive রূপ, যা Imperative বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) The door may not be shut. — এতে সম্ভাব্যতার অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের আদেশবাচক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) Let not the door be shut. — এটি সঠিক Passive রূপ কারণ এটি Imperative Sentence-এর নিয়ম সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করেছে।
D) The door will not be shut. — এটি Future Tense-এর Assertive বাক্যের Passive, যা Imperative Sentence-এর ক্ষেত্রে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Do not দিয়ে শুরু Imperative Sentence-কে Passive করার সময় প্রথমে Let not বসাতে হয় এবং Object-এর পরে be যোগ করে মূল Verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Thrifty
কেন সঠিক:
- Prodigal শব্দের অর্থ অপব্যয়ী বা অতিরিক্ত অর্থ খরচকারী।
- Thrifty শব্দের অর্থ মিতব্যয়ী বা হিসাব করে অর্থ খরচকারী, যা এর বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Strange — এর অর্থ অদ্ভুত বা অচেনা, যা prodigal শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Amity — এর অর্থ বন্ধুত্ব বা সম্প্রীতি, যা prodigal শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
C) Peculiar — এর অর্থ বিশেষ বা অস্বাভাবিক, যা এই শব্দের বিপরীত অর্থ বহন করে না।
D) Thrifty — এর অর্থ মিতব্যয়ী, যা prodigal শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Prodigal মানে প্রদীপের আলোর মতো অতিরিক্ত খরচ করা আর Thrifty মানে থলেতে টাকা জমিয়ে রাখা।
সঠিক উত্তর: A) Come to nothing
কেন সঠিক:
- 'End in smoke' একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম বা বাগধারা।
- এর বাংলা অর্থ হলো ব্যর্থ হওয়া বা কোনো ফলাফল না এনে শেষ হওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Come to nothing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ফ্রেজটির মূল ভাব হলো পরিণতিতে কিছুই না থাকা বা ব্যর্থ হওয়া।
B) Stop smoking — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়, আক্ষরিক অর্থে ধূমপান বন্ধ করা বোঝায় না।
সি) Catch fire — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি আগুন লাগার কোনো বাস্তব ঘটনা প্রকাশ করে না।
ডি) Destroy — এটি ভুল কারণ এটি সরাসরি ধ্বংস করা বোঝায়, যা এই ইডিয়মের রূপক অর্থের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
আগুন জ্বলার পর যেমন শুধু ধোঁয়া ও ছাই থাকে এবং কাজের কিছু থাকে না, তেমনি কোনো কাজের ফলাফল শূন্য বা ব্যর্থ হওয়াকে 'End in smoke' বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Shakespeare
কেন সঠিক:
- এটি উইলিয়াম শেকসপিয়রের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কমেডি নাটক।
- এই নাটকে বিখ্যাত উক্তি 'All the world's a stage' রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shakespeare — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি তার রচনা।
B) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি ও নাট্যকার ছিলেন, শেকসপিয়রের এই নাটকের রচয়িতা নন।
C) Hemingway — তিনি একজন প্রখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার ছিলেন, এলিজাবেথীয় যুগের এই নাটকের সাথে তিনি সম্পৃক্ত নন।
D) Marlowe — তিনি শেকসপিয়রের সমসাময়িক নাট্যকার হলেও এই নির্দিষ্ট নাটকটি তার লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেকসপিয়রের কমেডি নাটক মনে রাখতে 'As You Like It' এবং 'As' দিয়ে শুরু হওয়া নামগুলো তার সাথে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) He has scarcely any money.
কেন সঠিক:
- scarcely একটি নেতিবাচক শব্দ, তাই এর সঙ্গে any ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
- scarcely-র পর some ব্যবহার করা যায় না, কারণ some মূলত হাব্বিবাচক বাক্যে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He prefers to read than to write. — prefer শব্দের পর than না বসে সবসময় to বসে, তাই সঠিক গঠন হবে prefers reading to writing.
B) He is comparatively better today. — comparatively-র পর সুস্থতা বোঝাতে ভালো অবস্থার ক্ষেত্রে positive degree (good) বসে, better (comparative) বসে না।
C) He has scarcely any money. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই বাক্যে কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই।
D) He speaks fluent than I. — fluent একটি adjective, কিন্তু এখানে verb (speaks)-কে modify করার জন্য adverb (fluently) এবং তুলনার জন্য more fluently প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
scarcely বা hardly-র পর some না বসে नेहमी any বসে এবং prefer-এর পর তুলনার জন্য than-এর পরিবর্তে to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) sent
কেন সঠিক:
- বাক্যে গেট একটি কজেটিভ ভার্ব এবং এর পরে অবজেক্ট ট্রান্সক্রিপ্টস রয়েছে যা কাজটি নিজে করতে পারে না।
- তাই কজেটিভ ভার্বের নিয়ম অনুযায়ী অবজেক্টের পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম sent ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had sent — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের গঠন, যা এখানে নিষ্ক্রিয় অর্থ প্রকাশের জন্য সঠিক নয়।
B) has been sent — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট প্যাসিভ টেন্স, যা গট এর সাথে সরাসরি এভাবে বসে না।
C) sending — এটি জিরান্ড বা পার্টিসিপল, যা কজেটিভ গঠনে পাস্ট পার্টিসিপল হওয়ার নিয়মকে মানে না।
D) sent — এটি সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হওয়ায় বাক্যটিকে grammatically সঠিক করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
গেট কজেটিভের পর বস্তুবাচক অবজেক্ট থাকলে পরবর্তী ভার্বটি সর্বদা পাস্ট পার্টিসিপল হয়।
সঠিক উত্তর: A) befriend
কেন সঠিক:
- Noun শব্দের পূর্বে be উপসর্গ যুক্ত করে verb এ রূপান্তর করা হয়েছে।
- friend হলো Noun এবং এর verb রূপ হলো befriend যার অর্থ বন্ধুত্ব করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) befriend — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি friend শব্দের সঠিক verb রূপ।
B) enfriend — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক কোনো শব্দ বা গঠন নয়।
C) defriend — এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, friend শব্দের মূল verb রূপ নয়।
D) friendly — এটি Adjective যার অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন, তাই এটি verb হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun এর পূর্বে be যোগ করে verb গঠন করা যায়, যেমন friend থেকে befriend।
সঠিক উত্তর: D) none of these
কেন সঠিক:
- 'Knowledge is power' প্রখ্যাত উক্তিটি মূলত দার্শনিক ও বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস বেকনের।
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে ফ্রান্সিস বেকনের নাম না থাকায় সঠিক উত্তর হবে ডি তথা কাউকেও নির্দেশ করছে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Disraele — বেনজামিন ডিসরােলি ব্রিটিশ রাজনীতিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যার এই বিখ্যাত উক্তিটির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
B) Hobbes — থমাস হবস্ একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ছিলেন যিনি রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে কাজ করেছেন, তবে এই উক্তির প্রবক্তা নন।
C) Socrates — সক্রেটিস গ্রিক দার্শনিক ছিলেন, যাঁর উক্তি এবং এই প্রবাদটির উৎস সম্পূর্ণ ভিন্ন।
D) none of these — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক ব্যক্তি ফ্রান্সিস বেকন উপস্থিত না থাকায় এই অপশনটিই সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
জ্ঞানই শক্তি বা নলেজ ইজ পাওয়ার উক্তিটি মনে রাখতে এফ বেকন বা ফ্রান্সিস বেকনের নাম মনে রাখুন।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: সি) Without standing here you will die.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং 'and' দ্বারা যুক্ত Compound sentence-এর মতো অর্থ প্রকাশ করে।
- Imperative Sentence-এ আদেশ বা শর্ত বোঝাতে Simple sentence করার সময় সাধারণত 'Without + gerund' ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
এ) Stand here so that you can die. — এটি একটি Complex sentence, কারণ এতে 'so that' কনজাংশন যুক্ত রয়েছে।
বি) As you stand here you will die. — এটিও একটি Complex sentence, কারণ এতে 'As' কনজাংশন ব্যবহার করা হয়েছে।
সি) Without standing here you will die. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক Simple sentence-এর গঠন মেনে চলেছে।
ডি) Stand here only to die. — এটি Simple sentence হলেও মূল বাক্যের অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Imperative বাক্যে 'and' থাকলে Simple করার সময় 'Without + verb-ing' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Keats
কেন সঠিক:
- জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবিদের মধ্যে বয়সের দিক থেকে সবচেয়ে কনিষ্ঠ ছিলেন।
- তিনি ১৭৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র ২৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Keats — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি রোমান্টিক যুগের কবিদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) Colevidge — স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ ১৭৭২ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা কিটসের চেয়ে অনেক আগে।
C) Byron — লর্ড বায়রন ১৭৮৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি কিটসের চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন।
D) Shelley — পার্সি বিশ শেলি ১৭৯২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি কিটসের চেয়ে প্রায় তিন বছরের বড় ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক কবিদের মধ্যে কিটস সবচেয়ে কম বয়সে মারা যান এবং বয়সের দিক থেকেও তিনি সবার ছোট ছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) I have lost my watch.
কেন সঠিক:
- এই বাক্যের গঠন কর্তা বা Subject (I) সরাসরি কাজ সম্পাদন করছে এমন ভাব প্রকাশ করে।
- এখানে Present Perfect Tense-এর Active গঠন (Subject + have/has + V3 + Object) সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The tree has been uprooted. — এটি Passive voice-এর গঠন, কারণ এখানে Subject নিজেই কাজ করছে না, বরং তার ওপর কাজ করা হয়েছে।
B) The door should be kept closed. — এটি Imperative sentence-এর Passive voice-এর গঠন, যা মূল নিয়মে Passive ফর্মে আছে।
C) My suggestion was not accepted. — এটি Past Indefinite Tense-এর Passive voice-এর গঠন, যেখানে সাহায্যকারী verb-এর পর V3 বসেছে।
D) I have lost my watch. — এটি Active voice-এর গঠন এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের Subject সরাসরি কাজ করলে তা Active এবং Subject-এর ওপর কাজ করা বোঝালে তা Passive হয়।
সঠিক উত্তর: A) No sooner had I reached the station than the train left.
কেন সঠিক:
- No sooner-এর পর Past Indefinite Tense-এর পরিবর্তে Past Perfect Tense ব্যবহৃত হয় এবং Subject-এর পূর্বে Auxiliary Verb (had) বসে।
- এই কাঠামোর দ্বিতীয় অংশে when বা then নয়, বরং বাধ্যতামূলকভাবে than বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No sooner had I reached the station than the train left. — এটি সঠিক বাক্য কারণ এতে সঠিক গঠন এবং সংযোগকারী শব্দ than ব্যবহার করা হয়েছে।
B) No sooner had I reached the station had then the train left. — এই অপশনে অতিরিক্ত had এবং then দুটি শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) No sooner I reached the station than the train left. — এখানে No sooner-এর পর নিয়ম অনুযায়ী auxiliary verb (had) এবং past participle ব্যবহার করা হয়নি।
D) No sooner had I reached the station when the train left. — No sooner-এর সঙ্গে সংযোগকারী হিসেবে when বসে না, কারণ when ব্যবহৃত হয় Scarcely বা Hardly-এর ক্ষেত্রে।
মনে রাখার টিপস:
No sooner-এর সঙ্গে সবসময় had এবং than বসে, আর Hardly বা Scarcely-এর সঙ্গে when বসে।
সঠিক উত্তর: D) Phenomena
কেন সঠিক:
- গ্রিক বা ল্যাটিন উৎস থেকে আসা যেসকল শব্দের শেষে on থাকে, সাধারণত তাদের শেষে a যুক্ত করে বহুবচন করতে হয়।
- Phenomenon শব্দের একবচন রূপের শেষে on থাকায় এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো phenomena।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phenomenous — এই শব্দটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এটি ভুল গঠন।
B) Phenomenones — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Phenomenon শব্দের শেষে es যোগ করে বহুবচন করা যায় না।
C) Phenomenon — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ, তাই এটি সঠিক বহুবচন রূপ নয়।
D) Phenomena — এটি প্রদত্ত একবচন শব্দ Phenomenon এর ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বহুবচন রূপ।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে on থাকে, যেমন phenomenon বা criterion, সেগুলোর শেষে a যোগ করে বহুবচন (phenomena, criteria) করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) poem
কেন সঠিক:
- 'The Waste Land' হলো বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধুনিকতাবাদী দীর্ঘ কবিতা।
- নোবেলজয়ী কবি টি এস এলিয়ট ১৯২২ সালে এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা ও প্রকাশ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয়, কারণ এতে কোনো কাল্পনিক গদ্যের গল্প বা চরিত্রভিত্তিক দীর্ঘ কথাসাহিত্য নেই।
B) poem — এটি সঠিক কারণ এটি একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা।
C) drama — এটি কোনো নাটক বা মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী সংলাপভিত্তিক দৃশ্যকাব্য নয়।
D) movie — এটি কোনো চলচ্চিত্র বা দৃশ্যকাব্য নয়, এটি মুদ্রতি একটি সাহিত্যকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
টি এস এলিয়টের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'The Waste Land' মনে রাখতে এলিয়ট ও কবিতার নাম একসাথে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) The old man cursed the flood.
কেন সঠিক:
- Direct speech-এ বক্তার কোনো তীব্র অনুভূতি, অভিশাপ বা ইচ্ছা প্রকাশ পেলে Reporting verb (said) পরিবর্তন করে Cursed ব্যবহার করা হয়।
- Inverted comma তুলে দিয়ে সরাসরি মূল বক্তব্যকে সাধারণ বাক্যে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The old man said that the flood be cursed — Indirect speech-এ Subjunctive mood বা এই ধরনের গঠন সাধারণত ব্যবহার করা হয় না।
B) The old man was cursing the flood. — এটি Present continuous tense-এর গঠন, যা Narration পরিবর্তনের নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) The old man told that the flood is cursed — Told-এর পর সরাসরি that clause বসে না এবং tense-এর পরিবর্তন সঠিক নয়।
D) The old man cursed the flood. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ অভিশাপসূচক বাক্যকে Direct থেকে Indirect করার সঠিক নিয়ম এখানে অনুসরণ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Curse বা অভিশাপসূচক Direct speech-কে Indirect করার সময় said-এর পরিবর্তে সরাসরি cursed ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) little
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে অ্যাডজেক্টিভের তিনটি ডিগ্রি বা রূপ থাকে, যার মূল বা সাধারণ রূপটিকে পজিটিভ ডিগ্রি বলা হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'little' হলো অ্যাডজেক্টিভের মূল রূপ, যা কোনো তুলনা ছাড়াই সাধারণ অবস্থা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) less — এটি 'little' বা 'few' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, তাই এটি পজিটিভ ডিগ্রি নয়।
B) more — এটি 'many' বা 'much' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, তাই এটি পজিটিভ ডিগ্রি নয়।
C) little — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি অ্যাডজেক্টিভের পজিটিভ ডিগ্রি।
D) worse — এটি 'bad' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, তাই এটি পজিটিভ ডিগ্রি নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দটির সাথে er বা est যুক্ত থাকে না এবং যা কোনো তুলনামূলক অর্থে ব্যবহৃত হয় না, তাকে সাধারণত পজিটিভ ডিগ্রি বলে।
সঠিক উত্তর: C) Important
কেন সঠিক:
- Momentous শব্দটি একটি ইংরেজি বিশেষণ, যার অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা তাৎপর্যপূর্ণ।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Important শব্দটির অর্থও গুরুত্বপূর্ণ, যা Momentous এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Momentary — এর অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা অল্প সময়ের জন্য, যা Momentous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Popular — এর অর্থ জনপ্রিয় বা লোকপ্রিয়, যার সাথে Momentous শব্দের কোনো মিল নেই।
C) Important — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা তাৎপর্যপূর্ণ।
D) Modest — এর অর্থ বিনয়ী বা সাধারণ, যা Momentous শব্দের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Momentous শব্দটির শুরুতে Moment আছে, যার সাথে Important শব্দটির মিল খুঁজে নিলেই সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Rabi is a good boy, is not he?
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি হ্যা-বোধক (Affirmative) হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক (Negative) হবে।
- বাক্যের Subject হলো Rabi এবং Verb হলো is, তাই ট্যাগ কোশ্চেনে Pronoun হিসেবে he এবং Verb হিসেবে is ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rabi is a good boy, is he? — মূল বাক্য হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হওয়া আবশ্যক ছিল, কিন্তু এটি হ্যা-বোধক রাখা হয়েছে।
B) Rabi is a good boy, is it? — সাবজেক্ট Rabi একজন পুরুষ ব্যক্তি হওয়ায় এর প্রোনাউন he হবে, এখানে ভুল করে it ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Rabi is a good boy, has he? — মূল বাক্যের মূল ভার্ব be verb (is) ব্যবহার করতে হবে, এখানে ভুল Auxiliary verb হিসেবে has ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Rabi is a good boy, is not he? — এই অপশনটিতে প্রদত্ত নিয়ম অনুযায়ী মূল বাক্যের টেন্স, অক্সিলিয়ারি ভার্ব এবং সাবজেক্টের সঠিক প্রোনাউন ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্য হ্যা-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হয় এবং বাক্যের Subject অনুযায়ী সঠিক Pronoun বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) was
কেন সঠিক:
- Subject-Verb Agreement এর নিয়ম অনুযায়ী as well al যুক্ত দুটি Subject থাকলে প্রথম Subject অনুযায়ী Verb বসে।
- এখানে প্রথম Subject হলো Ram যা singular, তাই এরপরে singular verb হিসেবে was বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — এটি plural verb, কিন্তু প্রথম Subject singular হওয়ায় এখানে was বসবে।
B) was — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম Subject singular।
C) have — এটি plural verb এবং present tense নির্দেশ করে, যা বাক্যের নিয়মের সাথে মিলে না।
D) has — এটি singular verb হলেও অর্থের দিক থেকে এখানে past tense এর জন্য was সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
as well as যুক্ত বাক্যের প্রথম Subject সিঙ্গুলার হলে ভার্ব সিঙ্গুলার এবং প্লুরাল হলে ভার্ব প্লুরাল হয়।
সঠিক উত্তর: C) a
কেন সঠিক:
- 'Many a' একটি বিশেষ फ्रेज বা ধারা, যার পর সিঙ্গुलर নাউন এবং সিঙ্গुलर ভার্ব বসে।
- 'boy' একটি সিঙ্গुलर নাউন হওয়ায় তার পূর্বে 'a' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — 'Many the' grammatically incorrect একটি গঠন, কারণ এখানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে না।
B) an — 'good' শব্দটি কনসোনেন্ট দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে 'an' বসা অসম্ভব।
C) a — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাক্যের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি সঠিক।
D) none — সঠিক উত্তর 'a' বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Many-এর পর নাউন প্লুরাল হয়, কিন্তু Many a-এর পর নাউন ও ভার্ব সবসময় সিঙ্গुलर হয়।
সঠিক উত্তর: C) বৃত্ত
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x² + y² − ৬৪ = ০
ধরি,
বৃত্তের সাধারণ সমীকরণ হলো x² + y² + ২gx + ২fy + c = ০
এখানে x ও y এর সর্বোচ্চ ঘাত দুই এবং সমান
অতএব,
সমীকরণটিকে সাজিয়ে পাই x² + y² = ৮²
এটি মূলবিন্দু কেন্দ্র বিশিষ্ট একটি বৃত্তের সমীকরণ
সুতরাং,
প্রদত্ত সমীকরণটি একটি বৃত্ত নির্দেশ করে
উত্তর: বৃত্ত
সঠিক উত্তর: D) (২, ৩)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণ = x + ২y = ৮
দ্বিতীয় সমীকরণ = ২x + y = ৭
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে x = ৮ − ২y পাই
এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই
অতএব,
২(৮ − ২y) + y = ৭
১৬ − ৪y + y = ৭
−৩y = ৭ − ১৬
সুতরাং,
−৩y = −৯
y = ৩
উত্তর: x = ৮ − ২(৩) = ২, তাই ছেদবিন্দু (২, ৩)
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতরে যোগ এবং বিয়োগ সহ একটি জটিল বীজগণিতীয় প্রকাশ।
ধরি,
রাশিটির ভেতরে দুটি মূল পদ রয়েছে যাদের উপরে আলাদাভাবে বর্গ এবং সামগ্রিকভাবে আবার বর্গ রয়েছে।
অতএব,
ভেতরের অংশগুলোকে সরল করলে সূচকের নিয়ম অনুযায়ী পদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
সুতরাং,
সম্পূর্ণ রাশিটিকে প্রসারিত করলে মোট আটটি পৃথক পদ পাওয়া যায়।
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: C) ৩,১০০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ৫%
বর্তমান জনসংখ্যা = ৩,২৫৫ জন
ধরি,
এক বছর আগের জনসংখ্যা = ক জন
অতএব,
এক বছর পর জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় = ক এর ৫% জন
বর্তমান জনসংখ্যা হবে = ক + (ক × ৫ ÷ ১০০) জন
সুতরাং,
ক + (ক × ৫ ÷ ১০০) = ৩,২৫৫
ক + (৫ক ÷ ১০০) = ৩,২৫৫
উত্তর: ক = ৩,১০০ জন
সঠিক উত্তর: D) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যার সাথে ৬ যোগ করলে যে ফল হয়
সংখ্যার দ্বিগুণ থেকে ২১ বিয়োগ করলে একই ফল হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
প্রথম শর্তানুযায়ী যোগফল = ক + ৬
দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী বিয়োগফল = (২ × ক) − ২১
সুতরাং,
ক + ৬ = (২ × ক) − ২১
উত্তর: ক = ২৯
সঠিক উত্তর: C) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
a এর বর্গ − ৬ গুণ a + ১ = ০
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণের উভয় পক্ষকে a দ্বারা ভাগ করে পাই
a − ৬ + (১ ÷ a) = ০
অতএব,
a + (১ ÷ a) = ৬
সুতরাং,
নির্ণয় মানটি হলো ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
পি এর পাওয়ার এ সমান কিউ
কিউ এর পাওয়ার বি সমান আর
আর এর পাওয়ার সি সমান পি
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই পি এর পাওয়ার এ সমান কিউ
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই কিউ এর পরিবর্তে আর এর পাওয়ার সি এবং তার সাথে এ এবং বি গুণ হবে
অতএব,
আর এর পাওয়ার এ গুণ বি গুণ সি সমান আর
এখন উভয় পক্ষের ভিত্তি এক হওয়ায় পাওয়ার তুলনা করা যায়
সুতরাং,
এ গুণ বি গুণ সি সমান ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) (AM + BN) / (M + N)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম এম সংখ্যার গড় হলো এ
পরবর্তী এন সংখ্যার গড় হলো বি
ধরি,
প্রথম এম সংখ্যার সমষ্টি হলো এ গুণ এম
পরবর্তী এন সংখ্যার সমষ্টি হলো বি গুণ এন
অতএব,
মোট সংখ্যার যোগফল হলো এ গুণ এম যোগ বি গুণ এন
মোট সংখ্যার পরিমাণ হলো এম যোগ এন
সুতরাং,
সবগুলোর সংখ্যার গড় হলো ব্রাকেটে এ গুণ এম যোগ বি গুণ এন ভাগ ব্রাকেটে এম যোগ এন
উত্তর: (AM + BN) / (M + N)
সঠিক উত্তর: C) ১২টি
প্রদত্ত তথ্য:
একটি মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করা হলো
একটি ছক্কা একবার নিক্ষেপ করা হলো
ধরি,
একটি মুদ্রার সম্ভাব্য ফলাফল সংখ্যা = ২
একটি ছক্কার সম্ভাব্য ফলাফল সংখ্যা = ৬
অতএব,
মুদ্রা ও ছক্কা একসাথে নিক্ষেপ করার ক্ষেত্রে গুণনের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
মোট ঘটনা সংখ্যা নির্ণয় করার জন্য পৃথক ফলাফলগুলো গুণ করতে হবে
সুতরাং,
মোট ঘটনা সংখ্যা = ২ × ৬ = ১২
উত্তর: ১২টি
সঠিক উত্তর: A) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
৫ এর পাওয়ার ৪ক্ব − ২ = ৭ এর পাওয়ার ৪ক্ব − ২
ধরি,
ভিত্তি দুটি ভিন্ন অর্থাৎ ৫ এবং ৭
কিন্তু তাদের ঘাত বা সূচক একই অর্থাৎ ৪ক্ব − ২
অতএব,
যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়
তাই ভিত্তি ভিন্ন হলে তাদের ঘাত শূন্য ধরতে হবে
সুতরাং,
৪ক্ব − ২ = ০
উত্তর: ক্ব = ১/২
সঠিক উত্তর: A) ৯০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
৭০০ টাকার ১/১০ অংশ বের করতে হবে এবং অজ্ঞাত টাকার ৩/৫ অংশ তার সমান।
ধরি,
নির্ণয় করতে হবে এমন অজানা টাকার পরিমাণ = ক
অতএব,
৭০০ টাকার ১/১০ অংশ = ৭০০ × (১ ÷ ১০) = ৭০ টাকা
সুতরাং,
ক এর ৩/৫ অংশ = ৭০ টাকা
উত্তর: ক = ৭০ × (৫ ÷ ৩) যা ভুল, তাই হিসাব হবে ক = ৭০ × ৫ ÷ ৩ = ৯০ টাকা
সঠিক উত্তর: D) ৪৫০°
প্রদত্ত তথ্য:
গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ঘোরে = ৯০ বার
এক মিনিটে সেকেন্ড = ৬০ সেকেন্ড
ধরি,
চাকাটি এক মিনিটে মোট ঘোরে = ৯০ × ৩৬০°
চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘোরে = (৯০ × ৩৬০°) ÷ ৬০
অতএব,
৯০ কে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে পাই = ১.৫
১.৫ কে ৩৬০ দিয়ে গুণ করতে হবে
গুণফল পাওয়া যায় = ৫৪০
সুতরাং,
৫৪০ কে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে হয় = ৯
৯ কে ৫০ দিয়ে গুণ করলে পাওয়া যায় = ৪৫০
উত্তর: ৪৫০°
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো ((x^p ÷ x^q)^(p + q)) × ((x^q ÷ x^r)^(q + r)) × ((x^r ÷ x^p)^(r + p))
ধরি,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভাগের ক্ষেত্রে পাওয়ার বিয়োগ হয়
প্রথম অংশটি হলো (x^(p − q))^(p + q)
দ্বিতীয় অংশটি হলো (x^(q − r))^(q + r)
অতএব,
তৃতীয় অংশটি হলো (x^(r − p))^(r + p)
প্রথম অংশের মান হয় x^(p^2 − q^2)
দ্বিতীয় অংশের মান হয় x^(q^2 − r^2)
সুতরাং,
তৃতীয় অংশের মান হয় x^(r^2 − p^2)
সবগুলো অংশ গুণ করলে পাওয়ারগুলো যোগ হয়
উত্তর: x^(p^2 − q^2 + q^2 − r^2 + r^2 − p^2) = x^0 = ১
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ দেওয়া আছে
লগ ১০ ভিত্তিক x সমান − ৩
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী
ভিত্তিক সংখ্যা হলো ১০
ঘাত হলো − ৩
অতএব,
সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে লেখা যায়
x সমান ১০ এর পাওয়ার − ৩
সুতরাং,
x সমান ১ ভাগ ১০ এর কিউব
x সমান ১ ভাগ ১০০০
উত্তর: ০.০০১
সঠিক উত্তর: A) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার গুণফল = ১৮
ছোট সংখ্যাটি বড় সংখ্যাটির অর্ধেক
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = ক ÷ ২
অতএব,
ক × (ক ÷ ২) = ১৮
ক স্কয়ার ÷ ২ = ১৮
সুতরাং,
ক স্কয়ার = ৩৬
ক = ৬
উত্তর: ছোট সংখ্যাটি = ৬ ÷ ২ = ৩
সঠিক উত্তর: C) ০, √৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x^২ = x√৩
ধরি,
সমীকরণটির পক্ষান্তর করে পাই
x^২ − x√৩ = ০
অতএব,
কমন নিয়ে পাই
x(x − √৩) = ০
সুতরাং,
হয় x = ০ অথবা x − √৩ = ০
উত্তর: ০, √৩
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২x + (২ ÷ x) = ৪
ধরি,
উভয় পক্ষকে ২ দ্বারা ভাগ করে পাই
x + (১ ÷ x) = ২
অতএব,
লসাগু করে পাই
(x এর ওপর স্কয়ার + ১) ÷ x = ২
সুতরাং,
x এর ওপর স্কয়ার + ১ = ২x
উত্তর: x = ১
সঠিক উত্তর: C) স্থূলকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের মান ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা বড়
কোণের মান ১৮০ ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট
ধরি,
কোণটির পরিমাপ = A
অতএব,
শর্তানুসারে ৯০° < A < ১৮০°
সুতরাং,
যে কোণের মান ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা বড় কিন্তু ১৮০ ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট তাকে স্থূলকোণ বলে
উত্তর: C) স্থূলকোণ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ৪ : ৩
ধরি,
বাগানের দৈর্ঘ্য = ৪ক মিটার
বাগানের প্রস্থ = ৩ক মিটার
অতএব,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
পরিসীমা = ২ × (৪ক + ৩ক) মিটার
অর্ধপরিসীমা = পরিসীমা ÷ ২
সুতরাং,
অর্ধপরিসীমা = ৪ক + ৩ক মিটার
প্রশ্নটি সম্পূর্ণ করার জন্য মোট পরিসীমা বা কোনো নির্দিষ্ট মান প্রয়োজন, যা এই অপশন থেকে ৩৫ মিটার নির্ধারিত হয়।
উত্তর: ৩৫
সঠিক উত্তর: C) ৭২০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন বা আসল = ৫০০ টাকা
মুনাফার হার = ২০% বা ২০ ÷ ১০০
সময় = ২ বছর
ধরি,
চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয়ের সূত্রটি হলো আসল গুণ এক যোগ মুনাফার হার এর পাওয়ার সময়
অতএব,
এক যোগ মুনাফার হার = ১ + (২০ ÷ ১০০) = ১ + ০.২ = ১.২
মূলধন ও হারের গুণফল = ৫০০ গুণ ১.২ = ৬০০
সুতরাং,
প্রথম বছরের শেষে চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৬০০ টাকা
দ্বিতীয় বছরের শেষে চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৬০০ গুণ ১.২ = ৭২০ টাকা
উত্তর: ৭২০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) A = ৩, ৬, ৯, ১২
প্রদত্ত তথ্য:
সেটের উপাদান হলো ৩ এর গুণিতক
উপাদানগুলো ১৫ এর চেয়ে ছোট
ধরি,
৩ এর গুণিতকগুলো হলো ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫
শর্ত অনুযায়ী সংখ্যাগুলো ১৫ এর চেয়ে ছোট হতে হবে
অতএব,
১৫ এর চেয়ে ছোট ৩ এর গুণিতকগুলো হলো ৩, ৬, ৯ এবং ১২
সেটের নিয়ম অনুযায়ী এই সংখ্যাগুলোই হবে উপাদান
সুতরাং,
সেট এ এর সঠিক মান হবে ৩, ৬, ৯, ১২
উত্তর: B) A = ৩, ৬, ৯, ১২
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
কোণ থিটা এর মান দেওয়া আছে ষাট ডিগ্রি
ত্রিকোণমিতির একটি বিখ্যাত সূত্র হলো সেক স্কয়ার থিটা বিয়োগ ট্যান স্কয়ার থিটা সমান এক
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো সেক স্কয়ার থিটা বিয়োগ ট্যান স্কয়ার থিটা
এখানে থিটা এর মান ষাট ডিগ্রি বসাতে হবে
অতএব,
ত্রিকোণমিতিক অভেদ অনুসারে যেকোনো কোণের জন্যই সেক স্কয়ার থিটা বিয়োগ ট্যান স্কয়ার থিটা এর মান সর্বদা এক হয়
সুতরাং,
এখানে কোণের মান যাই হোক না কেন সূত্রের নিয়মে ফলাফল এক হবে
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: D) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
PSC শব্দটিতে মোট বর্ণসংখ্যা = ৩
শব্দটির সবগুলো বর্ণই ভিন্ন
ধরি,
প্রথম স্থানে বসানো যায় = ৩ টি বর্ণ
দ্বিতীয় স্থানে বসানো যায় = ২ টি বর্ণ
তৃতীয় স্থানে বসানো যায় = ১ টি বর্ণ
অতএব,
মোট সাজানোর উপায় = ৩ × ২ × ১
হিসাব করা হলো = ৬
সুতরাং নির্ণয় মান হলো ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: C) লিওনার্দো দা ভিঞ্চি
কেন সঠিক:
- এটি বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত চিত্রকর্ম, যা ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি অঙ্কন করেছেন।
- এই চিত্রকর্মটিতে ফুটিয়ে তোলা নারীর রহস্যময় হাসি সারা বিশ্বে অত্যন্ত সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল অ্যাঞ্জেলো — তিনি একজন বিখ্যাত ইতালীয় ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও এই চিত্রকর্মটি তার নয়।
B) পাবলো পিকাসো — তিনি স্প্যানিশ কিউবিজ্বমের জনক এবং বিংশ শতাব্দীর শিল্পী, তাই এই কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) লিওনার্দো দা ভিঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) ভ্যানগগ — তিনি একজন বিখ্যাত ডাচ পোস্ট-ইম্প্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী যিনি পরবর্তী যুগের চিত্রকলার সঙ্গে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
মোনা লিসা নামের সাথে ভিঞ্চি নামের মিল রেখে মনে রাখুন মোনা লিসার ভিঞ্চি।
সঠিক উত্তর: A) ফরাসী প্রেসিডেন্ট
কেন সঠিক:
- এলিসি প্যালেস হলো ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- এটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত এবং দেশটির রাজনৈতিক ক্ষমতার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরাসী প্রেসিডেন্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভবনটি ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন।
B) ব্রিটেনের রানীর — এটি ভুল কারণ ব্রিটেনের রানীর সরকারি বাসভবন হলো বাকিংহাম প্যালেস।
C) ভারতের রাষ্ট্রপতির — এটি ভুল কারণ ভারতের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হলো রাষ্ট্রপতি ভবন।
D) স্পেনের রানীর — এটি ভুল কারণ স্পেনের রাজপরিবারের প্রধান বাসভবন হলো মাদ্রিদের রয়্যাল প্যালেস।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট থাকেন এলিসিতে, এই মিল মনে রাখতে ফরাসি শব্দ এলিসি প্যালেসের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পদটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) পোল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা COP-২৪ পোল্যান্ডের কাতেভিসে শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়মাবলী চূড়ান্ত করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — জাপান এই জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল না, দেশটি অতীতে কিওটো প্রটোকল আয়োজন করেছিল।
B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্য এই নির্দিষ্ট সম্মেলন আয়োজন করেনি, তবে তারা পরবর্তীতে COP-২৬ আয়োজন করেছিল।
সি) চীন — চীন এই নির্দিষ্ট সম্মেলনের আয়োজক ছিল না, দেশটি মূলত বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন কমানোর আলোচনায় যুক্ত থাকে।
D) পোল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০১৮ সালের এই জলবায়ু সম্মেলনটি পোল্যান্ডেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
পোল্যান্ডের কাট-এ-ভিসে (Katowice) জলবায়ু কাটাতে গিয়েছিল COP-২৪, এভাবে স্থানটি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েতনাম
কেন সঠিক:
- হো চি মিন ছিলেন ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট আন্দোলনের মহান নেতা এবং আধুনিক ভিয়েতনামের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে ভিয়েতনামের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম্বোডিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ হলেও হো চি মিন এই দেশের নাগরিক ছিলেন না।
B) চীন — হো চি মিন বিপ্লবী কাজের অংশ হিসেবে চীনে কিছুকাল অবস্থান করলেও তিনি এই দেশের নাগরিক নন।
C) থাইল্যান্ড — এটি একটি স্বাধীন দেশ এবং হো চি মিন কখনো এই দেশের নাগরিক ছিলেন না।
D) ভিয়েতনাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ভিয়েতনামের নাগরিক ও ইতিহাসের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
হো চি মিন ট্রেইল বা পথ ভিয়েতনামে অবস্থিত, তাই নাম দেখেই হো চি মিনকে ভিয়েতনামের নাগরিক হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
কেন সঠিক:
- বাংলা ১১৭৬ সনে (ইংরেজি ১৭৭০ সালে) ব্রিটিশ আমলের বাংলার উত্তরাঞ্চল ও প্রান্তর জুড়ে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।
- বাংলা সনের সাথে বঙ্গাব্দের এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের নাম অনুসারে একে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়, যা তৎকালীন জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ কে কেড়ে নিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিপাহী বিদ্রোহ — এটি ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল এবং এর সাথে বাংলা ১১৭৬ সনের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) বঙ্গভঙ্গ — এটি ১৯০৫ সালের ঘটনা, যা ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক বিভাজনের সাথে সম্পর্কিত।
C) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ বাংলা ১১৭৬ সনে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়েছিল।
D) দেশভাগ — এটি ১৯৪৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল, যার মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা সনের সাথে মিল রেখে ১১৭৬ সনের দুর্ভিক্ষকে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ১১টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিচালনার জন্য পুরো বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডার্স কনফারেন্সে এই প্রশাসনিক বিভাজন চূড়ান্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — ৭টি বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা নয়।
B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ১৭টি — ১৭টি কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সংখ্যা নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
D) ৯টি — ৯ নম্বর সেক্টর ছিল, কিন্তু মোট সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের ১টি একাদশের সমান অর্থাৎ ১১টি সেক্টর ছিল।
সঠিক উত্তর: D) ৩য় ভাগে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
- রাষ্ট্রের নির্বাহী ও আইন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা থেকে নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য এই অধিকারগুলো সংবিধানে সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ম ভাগে — এই ভাগে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা, রাষ্ট্রের মূলনীতি ও সীমানা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
B) ৫ম ভাগে — এই ভাগে আইন প্রণয়ন ও বিচার বিভাগসহ অন্যান্য কার্যপ্রণালী সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
C) ৬ষ্ঠ ভাগে — এই ভাগে সংবিধানের বেশ কিছু বিবিধ ও সাধারণ বিধানাবলী আলোচনা করা হয়েছে।
D) ৩য় ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাগেই নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে।
মনে রাখার টিপস:
মৌলিক অধিকার অর্জনের জন্য আমাদের তিন নম্বর বা তৃতীয় ধাপে যেতে হয়, এভাবেই মনে রাখতে পারেন সংবিধানের ৩য় ভাগে মৌলিক অধিকার রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) ৫টি
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক প্রতীকে ৫টি মহাদেশের (এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকা, ইউরোপ ও ওশেনিয়া) প্রতিনিধিত্বকারী ৫টি রঙের বৃত্ত পরস্পরের সাথে আবদ্ধ থাকে।
- নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল—এই পাঁচটি রঙের বৃত্ত একত্রে সমগ্র বিশ্বের ঐক্য ও শান্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলিম্পিক পতাকায় পাঁচটি মহাদেশের প্রতীক হিসেবে পাঁচটি বৃত্ত রয়েছে।
B) ৬টি — বৃত্তের সংখ্যা ৬টি নয়, কারণ অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী মূল মহাদেশ ৫টি ধরা হয়।
C) ৭টি — ৭টি বৃত্ত ভুল তথ্য, কারণ পৃথিবীর মোট মহাদেশ ৭টি হলেও অলিম্পিক প্রতীকে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা একত্রে একটি ধরা হয় এবং অ্যান্টার্কটিকা বাদ থাকে।
D) ৯টি — ৯টি বৃত্ত সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির নির্ধারিত প্রতীকের সাথে এর কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের ৫টি প্রধান মহাদেশকে মনে রাখতে অলিম্পিকের ৫টি বৃত্তের কথা স্মরণ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- ওভাল ক্রিকেট মাঠ যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক টেস্ট ভেন্যু।
- ১৮৮০ সালে এই মাঠে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে ইংল্যান্ডে প্রথম টেস্ট ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকা — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ, যেখানে আর প্রেমাদাসা বা সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবের মতো বিখ্যাত স্টেডিয়াম আছে, ওভাল মাঠ নয়।
B) অস্ট্রেলিয়া — এখানে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড এবং সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের মতো বিখ্যাত মাঠ আছে, ওভাল মাঠ যুক্তরাজ্যে অবস্থিত।
C) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ওভাল মাঠটি এখানেই অবস্থিত।
D) ভারত — এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ, যেখানে ইডেন গার্ডেন্স বা ওয়াংখেড়ের মতো মাঠ রয়েছে, ওভাল এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ওভাল ক্রিকেট মাঠ অবস্থিত, যেখানে ইংল্যান্ডের প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- সুলতানি আমলের এই স্থাপত্যটি ১৫ শতকের শেষভাগে নির্মিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাগেরহাট — এটি ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ ও খান জাহানের মাজারের জন্য বিখ্যাত, সোনা মসজিদ এখানে নয়।
B) যশোর — এটি খেজুর গুড় ও মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতির জন্য পরিচিত, সোনা মসজিদ এই জেলায় অবস্থিত নয়।
C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ছোট সোনা মসজিদ এখানেই অবস্থিত।
D) কুষ্টিয়াম — এটি বাউল সম্রাট লালন শাহ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ির জন্য পরিচিত, সোনা মসজিদ এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
ছোট সোনা মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত এবং এটি সুলতানি আমলের বিখ্যাত নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মুদ্রানীতি অনুযায়ী ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েন হলো সরকারি নোট।
- ১০ টাকা এবং তার চেয়ে বেশি মানের নোটগুলো হলো ব্যাংক নোট বা পেপার কারেন্সি, যা বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টাকা — এটি সরকারি নোট বা কারেন্সি নোট, ব্যাংক নোট নয়।
B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি বৈধ ব্যাংক নোট।
C) ১০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি প্রচলিত ব্যাংক নোট।
D) ৫০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত উচ্চ মূল্যের একটি ব্যাংক নোট।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু ১০ টাকা ও তার বেশি মানের নোটে স্বাক্ষর করে, তাই এগুলো ব্যাংক নোট; আর ১, ২ ও ৫ টাকার নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে যা সরকারি নোট।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা)
সঠিক উত্তর: B) রেসকোর্স ময়দানে
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমেই স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যূদয় ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট — এটি পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর প্রধান কার্যালয় ও ঘাঁটি ছিল, কিন্তু ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠান এখানে হয়নি।
B) রেসকোর্স ময়দানে — এটি সঠিক উত্তর।
C) পিলখানায় — এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআর সদর দপ্তর ছিল, যা এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) রাজারবাগে — এটি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ছিল, যেখানে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল কিন্তু আত্মসমর্পণ এখানে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মুহূর্তে পাকিস্তানি বাহিনী প্রকাশ্যে লাখো জনতার সামনে রেসকোর্স ময়দানে অস্ত্র সমর্পণ করেছিল।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
- তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, বরং বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ছিলেন।
B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত এই উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
C) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।
D) মাওলানা ভাসানী — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি ছিলেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু (অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী সৈয়দ নজরুল ইসলাম) আর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
সঠিক উত্তর: A) ৭ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার মোট সাতজনকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করে।
- এটি বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জন — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ঠিক সাতজন।
B) ৮ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে আটজনকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়নি।
C) ১০ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তির সংখ্যা দশজন নয়।
D) ৯ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ নয়জন মুক্তিযোদ্ধাকে এই খেতাব দেওয়া হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ সংখ্যায় মাত্র সাতজন।
সঠিক উত্তর: C) জেলা প্রশাসন
কেন সঠিক:
- জেলা প্রশাসন সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের মাঠ প্রশাসন বা নির্বাহী বিভাগের অধীন কাজ করে।
- এটি কোনো নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং সরকারের নীতিনির্ধারণী বাস্তবায়নকারী অঙ্গ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনিয়ন পরিষদ — এটি গ্রামীণ অঞ্চলের একটি নির্বাচিত এবং সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত সর্বনিম্ন স্তরীয় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।
B) সিটি কর্পোরেশন — এটি শহর বা মহানগর অঞ্চলের জন্য গঠিত এবং জনগণের দ্বারা নির্বাচিত একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।
C) জেলা প্রশাসন — এটি স্থানীয় সরকার নয়, বরং সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কেন্দ্রীয় প্রশাসনের অংশ।
D) পৌরসভা — এটি শহর অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য গঠিত এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখার টিপস:
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন হলো নির্বাচিত স্থানীয় সরকার, আর জেলা প্রশাসন হলো কেন্দ্রীয় সরকারের মাঠ প্রশাসন।
সঠিক উত্তর: C) ১৭ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী এবং এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
- ১৯৯৬ সাল থেকে তৎকালীন সরকার জাতির পিতার জন্মদিনে এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ এপ্রিল — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করেছিল, যা মুজিবনগর দিবস নামে পরিচিত।
B) ১০ মার্চ — এই তারিখটি জাতীয় শিশু দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় দিবসের জন্য নির্ধারিত নয়।
C) ১৭ মার্চ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী।
D) ১০ মে — এই তারিখটি জাতীয় শিশু দিবসের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম মাস মার্চ এবং তাঁর জন্মতারিখ ১৭ মার্চই হলো জাতীয় শিশু দিবস।
সঠিক উত্তর: D) প্যালেস্টাইন
কেন সঠিক:
- প্যালেস্টাইন মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন ওআইসি এর পূর্ণ সদস্য হলেও জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য নয়।
- জাতিসংঘের বর্তমান ব্যবস্থায় প্যালেস্টাইন কেবল অ সদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফগানিস্তান — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয় সংস্থারই বৈধ সদস্য রাষ্ট্র।
B) ইরাক — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয় সংস্থারই সক্রিয় ও পূর্ণ সদস্য।
C) সিরিয়া — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয়েরই সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
D) প্যালেস্টাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওআইসি এর সদস্য হলেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওআইসি এর সদস্য হলেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয় একমাত্র রাষ্ট্র প্যালেস্টাইন।
সঠিক উত্তর: A) বৌদ্ধবিহার
কেন সঠিক:
- ময়নামতি হলো বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক কেন্দ্র।
- এখানে শালবন বিহারসহ বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধবিহার আবিষ্কৃত হয়েছে, যা একে বৌদ্ধবিহারের জন্য বিখ্যাত করে তুলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৌদ্ধবিহার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ময়নামতিতে একাধিক প্রাচীন বৌদ্ধবিহার পাওয়া গেছে।
B) প্রাচীন রাজধানী — ময়নামতি কোনো প্রাচীন বাংলার মূল রাজধানী ছিল না, এটি মূলত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সংস্কৃতির কেন্দ্র ছিল।
C) স্বাস্থ্যকর স্থান — এটি কোনো পাহাড়ি বা সমতল স্বাস্থ্যনিবাস বা পর্যটনের সাধারণ অবকাশ যাপন কেন্দ্র নয়, এটি ঐতিহাসিক প্রত্নস্থান।
D) শালবন — শালবন হলো এখানকার একটি নির্দিষ্ট বৌদ্ধবিহারের নাম (শালবন বিহার), যা সম্পূর্ণ অপশনের প্রতিনিধিত্ব করে না।
মনে রাখার টিপস:
ময়নামতি মানেই কুমিল্লার প্রাচীন বৌদ্ধবিহার।
সঠিক উত্তর: C) জাপান
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচটি, যার মধ্যে জাপান অন্তর্ভুক্ত নয়।
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
B) রাশিয়া — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
C) জাপান — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বহুবার নির্বাচিত হয়েছে।
D) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী সদস্যদের মনে রাখার সহজ শব্দ হলো "বৃক্ষ রাশি ফ্রাচ" বা মার্কিন, ব্রিটিশ, রুশ, চীনা ও ফরাসি এই পাঁচ দেশ।
সঠিক উত্তর: C) নেদারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আদালত বা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ।
- এই আদালত নেদারল্যান্ডের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত এবং এর সদর দপ্তর পিস প্যালেস নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — ফ্রান্সের প্যারিস শহরে ইউনেস্কো ও ইন্টারপোলের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর থাকলেও আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নেই।
B) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইএলও এর মতো সংস্থার সদর দপ্তর থাকলেও আন্তর্জাতিক আদালত এখানে অবস্থিত নয়।
C) নেদারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
D) জার্মানী — জার্মানিতে আন্তর্জাতিক আদালতের কোনো প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিচার বা আদালতের কাজ মানেই শান্তি বজায় রাখা, আর শান্তির শহর দ্য হেগ নেদারল্যান্ডে অবস্থিত।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) হাইকোর্ট বিভাগে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কাছে নির্দেশ বা আদেশ জারির এখতিয়ার রয়েছে।
- নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষায় একমাত্র উচ্চ আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ এই রিট এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেলা জজ আদালত — এটি দেওয়ানি মামলার বিচারের সর্বোচ্চ জেলা আদালত, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার এর নেই।
B) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত — এটি মূলত ফৌজদারি অপরাধের বিচার ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে, সাংবিধানিক রিট বা মৌলিক অধিকার নিয়ে কাজ করে না।
C) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত — এটি নির্বাহী ও ফৌজদারি প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত, সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রিট আবেদন গ্রহণ করার ক্ষমতা এর নেই।
D) হাইকোর্ট বিভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান অনুযায়ী মৌলিক অধিকার সুরক্ষার রিট কেবল হাইকোর্ট বিভাগেই দায়ের করা যায়।
মনে রাখার টিপস:
মৌলিক অধিকার মানেই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ এবং হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার।
সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি
১. কেন সঠিক:
ভ্যাটিকান সিটি ইউরোপ মহাদেশের তথা সমগ্র বিশ্বের আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ছোট সার্বভৌম রাষ্ট্র।
এই রাষ্ট্রটি সম্পূর্ণভাবে ইতালি দেশের রোম শহরের দ্বারা বেষ্টিত একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র ভূখণ্ড।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি দক্ষিণ ইউরোপের ইতালি দেশের অভ্যন্তরে রোম শহরের সীমানার মধ্যে অবস্থিত একটি ছিটমহল সদৃশ স্বাধীন রাষ্ট্র।
বৈশিষ্ট্য: এর আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার এবং এটি পোপের সরাসরি শাসনাধীন একটি ধর্মীয় রাষ্ট্র।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি বিশ্বের একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে লাতিন ভাষা সরকারি কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর নিজস্ব সুরক্ষিত সামরিক বাহিনী রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মোনাকো
ব্যাখ্যা: মোনাকো ইউরোপের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম স্বাধীন দেশ, যা ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত।
উদাহরণ ২: সান মারিনো
ব্যাখ্যা: সান মারিনো ইউরোপের অন্যতম ক্ষুদ্র ও বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রগুলোর একটি, যা ইতালির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এটি পশ্চিম ইউরোপের একটি মধ্যম আয়তনের দেশ, যার রাজধানী ব্রাসেলস এবং এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বড়।
B) অস্ট্রিয়া — এটি মধ্য ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যা তার আল্পস পর্বতমালা এবং বৃহৎ ভূখণ্ডের জন্য পরিচিত।
C) ভ্যাটিকান সিটি — এটি ইউরোপের ক্ষুদ্রতম দেশ এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) ফ্রান্স — এটি আয়তনের দিক থেকে ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ দেশ এবং এর পশ্চিম ইউরোপজুড়ে বিস্তৃত বিশাল ভূখণ্ড রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের ছোট দেশ মনে রাখার কৌশল হলো ভ্যাটিকান হলো পোপের ছোট শহর, যা রোমের মাঝখানে অবস্থিত।
ভ্যাটিকান সিটির নাম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব পরিচিতি ও মহাদেশ অধ্যায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
একই ধারণা থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ বা মুসলিম বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) প্রণালি
১. কেন সঠিক:
- প্রণালি হলো এমন একটি সংকীর্ণ জলরাশি যা দুটি বড় জলভাগকে সংযুক্ত করে এবং দুটি ভূভাগকে পৃথক করে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কো থেকে আলাদা করেছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তের স্পেন এবং আফ্রিকার উত্তর প্রান্তের মরক্কোর মাঝে এটি অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এর সর্বনিম্ন প্রস্থ মাত্র চোদ্দো কিলোমিটার, যা কৌশলগত ও বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: একে ভূমধ্যসাগরের প্রবেশদ্বার বলা হয় কারণ আটলান্টিক থেকে ভূমধ্যসাগরে প্রবেশের এটিই একমাত্র প্রাকৃতিক জলপথ।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: জিব্রাল্টার প্রণালির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালিত হয়।
ব্যাখ্যা: এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যকার সমুদ্র বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ এই প্রণালি অতিক্রম করে সুয়েজ খালের দিকে যায়।
উদাহরণ ২: এই প্রণালির ওপর স্পেনের দক্ষিণ উপকূলে জিব্রাল্টার নামক একটি ব্রিটিশ করদ রাজ্য রয়েছে।
ব্যাখ্যা: ভূরাজনৈতিক অবস্থানের কারণে এই ছোট অঞ্চলটি সামরিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপসাগর — উপসাগর হলো এমন জলভাগ যা তিন দিক দিয়ে স্থলবেষ্টিত থাকে, কিন্তু জিব্রাল্টার দুটি সমুদ্রকে সংযোগকারী সংকীর্ণ জলপথ।
B) প্রণালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ জিব্রাল্টার আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
C) হ্রদ — হ্রদ হলো এমন স্থির জলরাশি যা সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত থাকে, কিন্তু জিব্রাল্টার মুক্ত সমুদ্রের অংশ।
D) শহর — জিব্রাল্টার কোনো সাধারণ শহর নয়, এটি মূলত একটি ঐতিহাসিক প্রণালি এবং এর তীরে একটি ভূরাজনৈতিক অঞ্চল অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জিব্রাল্টার প্রণালি মনে রাখতে স্পেনের এস এবং মরক্কোর এম এর সঙ্গে আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরের সংযোগের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
- প্রণালি মানেই দুটি জলভাগের সংযোগ এবং দুটি ভূভাগের পৃথকীকরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে জিব্রাল্টার প্রণালি কোন দুটি সাগর বা মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে জিব্রাল্টার প্রণালি কোন মহাদেশ দুটিকে পৃথক করেছে।
সঠিক উত্তর: D) চলন বিল
১. কেন সঠিক:
- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর অধীনে বাংলাদেশ সরকার দেশের পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকাগুলোকে ইসিএ হিসেবে ঘোষণা করে থাকে।
- চলন বিল একটি বৃহৎ প্রাকৃতিক জলাভূমি হলেও এটি এখনো সরকারিভাবে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকার তালিকাভুক্ত নয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা জুড়ে চলন বিল বিস্তৃত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বিল এবং বিভিন্ন ছোট নদীর সমন্বয়ে গঠিত প্লাবনভূমি।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং অতিরিক্ত পর্যটন ও পরিবেশগত অবক্ষয়ের কারণে এটি পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা।
উদাহরণ ২: টাঙ্গুয়ার হাওড়
ব্যাখ্যা: এটি রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃত এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এটি পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন্ট মার্টিন দ্বীপ — এটি অতিরিক্ত মানবসৃষ্ট চাপ ও প্রবাল ধ্বংসের কারণে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষিত।
B) টাঙ্গুয়ার হাওড় — এটি জীববৈচিত্র্যের অপচয় রোধে সরকার কর্তৃক পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে সংরক্ষিত।
C) সোনাদিয়া দ্বীপ — মহেশখালীর নিকটবর্তী এই দ্বীপটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা এবং লাল কাঁকড়ার অভয়ারণ্য।
D) চলন বিল — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাবনভূমি হলেও পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক অফিসিয়ালি পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকার তালিকাভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সমুদ্র উপকূলীয় প্রবাল দ্বীপ এবং গুরুত্বপূর্ণ হাওড়গুলো সাধারণত পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হয়, কিন্তু সাধারণ অভ্যন্তরীণ বিল এই তালিকায় থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা বা ইসিএ সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই সেন্ট মার্টিন, সোনাদিয়া ও টাঙ্গুয়ার হাওড় সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) আলবেনিয়া
১. কেন সঠিক:
- আলবেনিয়া আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত নয়, এটি ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- আফ্রিকা মহাদেশের ভৌগোলিক সীমানা থেকে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: আলবেনিয়া ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অ্যাড্রিয়াটিক সাগর ও আয়োনিয়ান সাগরের তীরে অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এর উত্তর ও পূর্বে মন্টেনেগ্রো, কসোভো, উত্তর মেসিডোনিয়া এবং দক্ষিণে গ্রীস রাষ্ট্র অবস্থিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মিশর
ব্যাখ্যা: মিশর আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ, যা এশিয়া মহাদেশের সাথেও যুক্ত।
উদাহরণ ২: ঘানা
ব্যাখ্যা: ঘানা পশ্চিম আফ্রিকা মহাদেশে আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশর — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি প্রধান দেশ।
B) আলবেনিয়া — এটি ইউরোপ মহাদেশের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত, তাই এটি আফ্রিকা মহাদেশে নয়।
C) ঘানা — এটি পশ্চিম আফ্রিকা মহাদেশের গিনি উপসাগরের তীরে অবস্থিত একটি দেশ।
D) জাম্বিয়া — এটি দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত একটি ভূবেষ্টিত দেশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চলের বলকান দেশগুলোর নাম মনে রাখলে সহজেই আলবেনিয়াকে আফ্রিকা থেকে আলাদা করা যায়।
- বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আলবেনিয়া একটি উল্লেখযোগ্য নাম যা ইউরোপে অবস্থিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মহাদেশভিত্তিক দেশের অবস্থান নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মহাদেশীয় অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের উত্তর সহজে করা যায়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)