বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসি'র অধীন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পদের নাম: ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a আট প্রহর
b জ্বলন্ত প্রদীপ
c একমাত্র বংশধর
d দীপশিখা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একমাত্র বংশধর ১. কেন সঠিক: - 'শিবরাত্রির সলতে' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ একমাত্র বংশধর বা একমাত্র অবলম্বন। - শিবরাত্রির রাতে সারারাত প্রদীপ বা সলতে জ্বালিয়ে রাখা হয়, যেখানে সলতেটিই একমাত্র আলোর উৎস হয়ে থাকে। এই রূপক থেকেই পরিবারে বেঁচে থাকা একমাত্র সন্তান বা উত্তরাধিকারীকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. বাগধারা ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - লোকায়ত জীবন, সংস্কৃতি এবং উপমা থেকে বাংলা ভাষার বেশিরভাগ বাগধারা গড়ে উঠেছে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃদ্ধ বয়সে রহিমই তার বাবা-মায়ের একমাত্র শিবরাত্রির সলতে। ব্যাখ্যা: এখানে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের শেষ বয়সের একমাত্র অবলম্বন বা সন্তান বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বংশের প্রদীপ হিসেবে ওই একটি ছেলেই তাদের পরিবারের শিবরাত্রির সলতে। ব্যাখ্যা: বংশে আর কেউ বেঁচে নেই, কেবল ওই ছেলেই একমাত্র বংশধর—এই বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আট প্রহর — 'আট প্রহর' বাগধারাটির অর্থ সারাদিন বা সর্বদা, যা একমাত্র বংশধর অর্থ প্রকাশ করে না। B) জ্বলন্ত প্রদীপ — 'জ্বলন্ত প্রদীপ' আক্ষরিক অর্থ হলেও বাগধারার বিশেষ অর্থে এটি একমাত্র বংশধর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) দীপশিখা — 'দীপশিখা' দ্বারা প্রদীপের শিখাকে বোঝায়, যা প্রমিত অর্থে একমাত্র বংশধরের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিবরাত্রির দিনে যেমন একটিমাত্র সলতে জ্বালিয়ে সারা রাত আলো টিকিয়ে রাখা হয়, তেমনি পরিবারে বেঁচে থাকা একমাত্র সন্তানকেই বংশের আলো বা একমাত্র বংশধর মনে করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিবারিক সম্পর্ক বা একমাত্র অবলম্বন বোঝাতে এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারা প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। - বাগধারা মুখস্থ না করে তার পেছনের উৎসমূল ও রূপক অর্থ বুঝতে পারলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a ভারতচন্দ্র
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। মধ্যযুগের অন্তিম পর্ব এবং আধুনিক যুগের সূচনার মধ্যবর্তী সময়ে তিনি উভয় যুগের বৈশিষ্ট্যের সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণকে বোঝাতে এই উপাধি ব্যবহার করা হয়। তিনি প্রাচীন বা মধ্যযুগের ছান্দনিক ধারা ও বিষয়বস্তুর সঙ্গে আধুনিক যুগের স্বদেশের প্রীতি, সমাজ সচেতনতা ও সাময়িক সংবাদ পরিবেশনার মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে এই পত্রিকা সম্পাদনা শুরু করেন যা আধুনিক সাংবাদিকতার বিকাশ ঘটিয়েছে। উদাহরণ ২: কবিজীবনী ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের জীবনী নিয়ে তিনি প্রথম গবেষণামূলক ও সাহিত্যিক কাজ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং আধুনিক লিরিক কবিতার অগ্রদূত। D) মধুসূদন দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা এবং আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মাঝের সেতু বা সন্ধি গড়েন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। গুপ্ত অর্থ সংগুপ্ত বা সন্ধিযুক্ত হিসেবে এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। যুগসন্ধিক্ষণ মানে দুটি যুগের সংযোগস্থল।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বাংলা চলিত রীতির প্রবক্তা ও বিখ্যাত প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে 'সবুজ পত্র' পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। - প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাহিত্যপত্রিকা এবং তার সম্পাদক নির্ধারণ করা, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লেখা প্রবর্তনকারী এবং বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার রূপকার। - 'সবুজ পত্র' পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির সফল প্রয়োগ ঘটে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকায় তাঁর বহু রচনা প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বীরবলের হালখাতা' ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে তাঁর স্বাতন্ত্র্যমণ্ডিত কথ্যরীতির গদ্যশৈলী ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: 'তেল নুন লাকড়ি' ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর একটি জনপ্রিয় প্রবন্ধ সংকলন যা তাঁর রূঢ় বাস্তবধর্মী ও বুদ্ধিবৃত্তিক রচনার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং 'সোমপ্রকাশ' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি 'সবুজ পত্র' পত্রিকায় নিয়মিত ও প্রধান লেখক ছিলেন এবং তাঁর অনেক উপন্যাস এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়, কিন্তু এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বিখ্যাত বিদ্রোহী কবি এবং 'লাঙল' ও 'ধূমকেতু' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সবুজ পত্র'-এর সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। D) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'সবুজ পত্র' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবুজ পত্রের সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সবুজ পাতার মধ্যে বীরবল চৌধুরী ঘুরে বেড়ান (এখানে বীরবল তাঁর ছদ্মনাম)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'সবুজ পত্র' পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের মে মাসে এবং এটি বাংলা সাহিত্যে সবুজপত্র গোষ্ঠী বা সাবুজপত্র যুগ সৃষ্টি করেছিল। - এই ধরনের সাহিত্যপত্রিকা থেকে প্রশ্ন এলে পত্রিকার প্রকাশকাল এবং সম্পাদকের নাম একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a চর্যাপদ
b শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
c বৈষ্ণব পদাবলী
d মঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করে আছে। - ঐতিহাসিক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে ১৯০৭ সালে এর পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় অনুভূতির প্রকাশ। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি একটি সাহিত্যিক রচনা যা চর্যাপদের মতো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ধারার বাইরে আধুনিক যুগের একটি বিখ্যাত কবিতা। উদাহরণ ২: মৈমনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য নিদর্শন যা মধ্যযুগের না হলেও লোকায়ত বাংলার ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক দলিল। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস রচিত কাব্য, যা আদি নিদর্শন নয়। C) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা যা চর্যাপদের বহু পরে রচিত হয়। D) মঙ্গল কাব্য — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিশেষ এক শাখা যা দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বললে চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর নির্বাচন করবে কারণ এটি প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক। - আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং সাল ১৯০৭ মনে রাখলে এই সংক্রান্ত অনেক প্রশ্নের উত্তর সহজ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের স্থান এবং ভাষা নিয়ে বারবার প্রশ্ন আসে। - আদি নিদর্শন এবং মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন কোনটি, এই দুটি তথ্য আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a নিষিদ্ধ লোবান
b নেকড়ে অরণ্য
c বন্দী শিবির থেকে
d রাত্রিশেষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বন্দী শিবির থেকে ১. কেন সঠিক: - 'বন্দী শিবির থেকে' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। - কবি শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ এই কবিতাগুলো রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - ১৯৭১ সালের উত্তাল ও ভীতিপ্রদ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতাগুলো বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের চেতনাকে মূর্ত করে তুলেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমাকেই বলছি, হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা। উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা শামসুর রাহমানের একটি অনন্য সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। B) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হলেও কাব্যগ্রন্থ নয়। C) বন্দী শিবির থেকে — এটি সঠিক অপশন এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। D) রাত্রিশেষ — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি নাটক, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান মানেই বন্দি শিবির থেকে মুক্তির গান। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে কবির নাম ও কাব্যগ্রন্থের নামের যুগলবন্দী মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়। - রচনার ধরন বা Genre ভালোভাবে খেয়াল করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a নাটক
b উপন্যাস
c কাব্য
d দিনলিপি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দিনলিপি ১. কেন সঠিক: - কারাগারের রোজনামচা একটি ঐতিহাসিক দিনলিপি বা ডায়েরি গ্রন্থ যার লেখক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - রোজনামচা শব্দের অর্থ হলো প্রতিদিনের ঘটিত ঘটনার বিবরণ বা ডায়েরি লেখার খাতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থটির লেখক হলেন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - এটি বাংলা একাডেমি থেকে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর মুখবন্ধ লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা অপর একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়া চীন ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের দিনলিপিভিত্তিক আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — কারাগারের রোজনামচা কোনো কল্পকাহিনি বা মঞ্চে অভিনীত নাটক নয়, এটি বাস্তব জীবনের দিনলিপি। B) উপন্যাস — এটি কাল্পনিক কোনো ঘটনার ওপর রচিত উপন্যাস নয়, বরং বাস্তব জেলের ভেতরের দিনগুলোর সত্য বিবরণ। C) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে লেখা ঐতিহাসিক দলিলের ডায়েরি। D) দিনলিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বইটিতে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত জেলের ভেতরের দিনগুলোর ডায়েরি লিপিবদ্ধ রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের রোজনামচা শব্দটি দেখলেই মনে রাখতে হবে এটি একটি ডায়েরি বা দিনলিপি। - বঙ্গবন্ধুর লেখা বইগুলোর মধ্যে দিনলিপি হলো কারাগারের রোজনামচা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা মোট গ্রন্থ তিনটি যথা অসমাপ্ত আত্মজীবনী কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়া চীন। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসব গ্রন্থের নাম এবং প্রকাশকাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c কাজী ইমদাদুল হক
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'পথের দাবী' হলো বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যার রচয়িতা অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। উপন্যাসটির মূল সুর হলো দেশপ্রেম, বিপ্লববাদ এবং ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জগতে অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন কথাসাহিত্যিক যিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন। 'পথের দাবী' উপন্যাসটি প্রকাশের পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার এটি বাজেয়াপ্ত বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বিয়োগান্তক প্রণয় উপন্যাস। উদাহরণ ২: গৃহদাহ ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত মানবীয় সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন বরং প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঔপন্যাসিকই বিখ্যাত 'পথের দাবী' উপন্যাসটি রচনা করেছেন। C) কাজী ইমদাদুল হক — ইনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন বরং মুসলিম সমাজ সংস্কারের ওপর রচিত 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন বরং বাংলা উপন্যাসের আদিগুরু এবং 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের যে উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল অর্থাৎ যার পেছনে সরকারের অনেক দাবি ছিল, তা হলো পথের দাবী। বিপ্লবী চেতনা ও দেশপ্রেমের উপন্যাস মনে রাখলেই শরৎচন্দ্রের 'পথের দাবী' নামটি সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল যার উত্তর হলো 'পথের দাবী'। একই লেখকের অন্যান্য জনপ্রিয় উপন্যাসের নাম এবং চরিত্রগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a বিদ্যাপতি
b জ্ঞানদাস
c বৃন্দাবন দাস
d গোবিন্দ দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃন্দাবন দাস ১. কেন সঠিক: - 'চৈতন্য-ভাগবত' মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের ওপর রচিত প্রথম প্রামাণিক ও পূর্ণাঙ্গ বাংলা জীবনীগ্রন্থ। - বৃন্দাবন দাস ঠাকুর এই মহাকাব্যতুল্য গ্রন্থটি রচনা করেন এবং মহাপ্রভুর লীলার আদি কথক হিসেবে তাঁকে বাংলা সাহিত্যের বেদব্যাস বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বৃন্দাবন দাস ঠাকুর শ্রীচৈতন্যদেবের পার্ষদ শ্রী নিত্যানন্দ প্রভুর কৃপাধন্য ছিলেন এবং তিনি শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের অনেক প্রামাণিক তথ্য তাঁর রচনায় তুলে ধরেছেন। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য বিশেষ করে চৈতন্য-কেন্দ্রিক জীবনীসাহিত্যের ইতিহাসে এই গ্রন্থটি অত্যন্ত প্রামাণিক ও ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ব্যাখ্যা: এটি কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী রচিত শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের ওপর আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণিক জীবনীগ্রন্থ। উদাহরণ ২: চৈতন্যমঙ্গল ব্যাখ্যা: লোচন দাস ও জয়ানন্দ রচিত শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক অপর দুটি বিখ্যাত মধ্যযুগীয় কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যাপতি — তিনি মধ্যযুগের মৈথিলি কোকিল ও বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা, চৈতন্য-ভাগবত তাঁর রচিত নয়। B) জ্ঞানদাস — তিনি মধ্যযুগের প্রখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা ও কবি, তবে তিনি চৈতন্য-ভাগবত রচনা করেননি। C) বৃন্দাবন দাস — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চৈতন্য-ভাগবতের রচয়িতা। D) গোবিন্দ দাস — তিনি ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা এবং কড়চা রচয়িতা, চৈতন্য-ভাগবতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বৃন্দাবন মানেই কৃষ্ণ ও চৈতন্যলীলা, তাই চৈতন্যদেবের জীবনীগ্রন্থ চৈতন্য-ভাগবত লিখেছিলেন বৃন্দাবন দাস। - পদকর্তা ও জীবনীকারদের নাম গুলিয়ে না ফেলে চৈতন্য-ভাগবতের রচয়িতা হিসেবে বৃন্দাবন দাস নামটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের জীবনীসাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চৈতন্য-ভাগবতের রচয়িতা বৃন্দাবন দাস এবং চৈতন্যচরিতামৃতের রচয়িতা কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী, এই দুটি গ্রন্থ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a মাহবুব উল আলম
b আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবুল ফজল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: অমর একুশের প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারী' ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি সম্পাদনা করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। এই সংকলনটিতে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন লেখা ও কবিতা স্থান পেয়েছিল যা আমাদের জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও সাহিত্য সমালোচক। তার সম্পাদনায় প্রকাশিত 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলনটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম প্রামাণিক দলিল ও সাহিত্যের অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: আর্ত শব্দাবলী ব্যাখ্যা: এটি হাসান হাফিজুর রহমানের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে তার কবিপ্রতিভার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহবুব উল আলম — তিনি একজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও এই ঐতিহাসিক সংকলনটি তিনি সম্পাদনা করেননি। B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — তিনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত 'কোথায় সে স্বর্গ, কোথায় সে রাজ্য' ও 'মা গো ভাবছি গান' কবিতার রচয়িতা হলেও এই সংকলনের সম্পাদক নন। C) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি অমর একুশের প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সফলভাবে সম্পাদনা করেছিলেন। D) আবুল ফজল — তিনি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট সংকলন সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: একুশ মানেই প্রথম প্রকাশ এবং প্রথম প্রকাশের কাজটি করেছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। মনে রাখার সূত্র হলো একুশের প্রথম সংকলন সম্পাদনায় হাসান সাহেব সবার আগে ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারী' প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে। এই ধরনের সাহিত্যিক সংকলনের সম্পাদক ও প্রকাশের সাল প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a মানসী
b বীরাঙ্গনা
c চিন্তা তরঙ্গিনী
d কালের শাসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীরাঙ্গনা ১. কেন সঠিক: - বীরাঙ্গনা কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য এবং এর রচয়িতা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - প্রাচীন ও পৌরাণিক কাহিনীর ভিত্তিতে নারীর আত্মোপলব্ধি ও প্রেমবেদন এই কাব্যের মূল ভিত্তি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেট প্রবর্তন করে আধুনিকতার সূচনা করেন। - বীরাঙ্গনা কাব্যটি Ovid রচিত Heroides কাব্যের অনুসরণে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত একাদশটি পত্রাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানসী — মানসী কাব্যটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত এবং এর প্রকাশকাল ১৮৯০ সাল। B) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি পত্রকাব্য এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) চিন্তা তরঙ্গিনী — চিন্তা তরঙ্গিনী কাব্যটি কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। D) কালের শাসন — কালের শাসন নামে কোনো বিখ্যাত মৌলিক কাব্য বা সাহিত্যকর্ম মাইকেল মধুসূদন দত্তের নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং বীরাঙ্গনা হলো তাঁর রচিত একমাত্র পত্রকাব্য। - নারী চরিত্রের বিদ্রোহী রূপ দেখতে পেলেই তা মধুসূদনের বীরাঙ্গনা কাব্য বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে প্রথম পত্রকাব্য কোনটি এমন প্রশ্ন এলে উত্তর হবে বীরাঙ্গনা কাব্য। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a আহসান হাবীব
b শামসুর রাহমান
c হাসান আজিজুল হক
d আল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - 'বিধ্বস্ত নীলিমা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - এই কাব্যগ্রন্থে কবির স্বদেশের প্রতি অনুরাগ, সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নাগরিক জীবনের নানা অনুভূতি শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও সাংবাদিক। - ১৯২৯ সালের ২৩শে অক্টোবর পুরান ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী এই কবি নাগরিক জীবন, দ্রোহ ও প্রেমের কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রথমা' ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমান রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্যরীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: 'রৌদ্র করোটিতে' ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত ও মৌলিক কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহসান হাবীব — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'বিধ্বস্ত নীলিমা' কাব্যগ্রন্থটি তার রচনা নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'রাত্রি শেষ'। B) শামসুর রাহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি তার দীর্ঘ সাহিত্যিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। C) হাসান আজিজুল হক — ইনি মূলত একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ছোটগল্পকার ছিলেন, কোনো কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে তিনি পরিচিত নন। D) আল মাহমুদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি হলেও 'বিধ্বস্ত নীলিমা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'সোনালী কাবিন'। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য তার 'বিধ্বস্ত নীলিমা', 'রৌদ্র করোটিতে' ও 'প্রথমা' নামগুলো একত্রে বারবার চর্চা করতে পারো। - কবি শামসুর রাহমান আধুনিক নাগরিক চেতনার কবিতা লিখে অমর হয়ে আছেন, এই তথ্যটি তার সাহিত্যকর্ম চেনার সহজ উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি শামসুর রাহমানের জন্মসাল, পেশা এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a আহসান হাবীব
b ফররুখ আহমদ
c সৈয়দ শামসুল হক
d আল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আহসান হাবীব ১. কেন সঠিক: - 'ছায়াহরিণ' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি আহসান হাবীবের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যগ্রন্থে কবির নিভৃতচারী মনন, নাগরিক জীবনের নিঃসঙ্গতা এবং সৌন্দর্যচেতনার শৈল্পিক প্রকাশ ঘটেছে যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আহসান হাবীব আধুনিক বাংলা কাব্যাঙ্গনে নিভৃতচারী ও পরিচ্ছন্ন শিল্পবোধের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। - তাঁর কবিতায় মৃদু সুর, জীবনের গভীর অনুভব এবং মানবপ্রেমের নিপুণ অভিব্যক্তি লক্ষ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রাত্রিশেষ' ব্যাখ্যা: এটি আহসান হাবীবের রচিত আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' ব্যাখ্যা: এটিও কবি আহসান হাবীবের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যিক খ্যাতির অন্যতম ভিত্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহসান হাবীব - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিই 'ছায়াহরিণ' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা। B) ফররুখ আহমদ - তিনি পাকিস্তান আমলের অন্যতম প্রধান মুসলিম রেনেসাঁসের কবি হলেও 'ছায়াহরিণ' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'সাত সাগরের মাঝি'। C) সৈয়দ শামসুল হক - তিনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও 'ছায়াহরিণ' তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়, তাঁর কাব্য 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'। D) আল মাহমুদ - তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'ছায়াহরিণ' তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'সোনালী কাবিন'। ৫ মনে রাখার টিপস: - আহসান হাবীবের নাম মনে রাখার সাথে সাথে তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'ছায়াহরিণ' ও 'রাত্রিশেষ' একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - কবি আহসান হাবীব মানেই এক স্নিগ্ধ ও পরিশীলিত কাব্যভাষার অনন্য প্রতিচ্ছবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশিষ্ট কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবি ও কাব্যগ্রন্থের নাম পড়ার সময় লেখকের মূল ধারা বা স্বাতন্ত্র্য মনে রাখা জরুরি।
a ২০টি
b ২১টি
c ১৯টি
d ২৩টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ মোট বিশটি। এই উপসর্গগুলো তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ থেকেই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং তৎসম শব্দের আগেই সাধারণত ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বা শব্দাংশ মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায়, তাদের উপসর্গ বলে। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত যেমন তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র উপসর্গ যোগে প্রগতি শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ অগ্রগতি। ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ গতির পূর্বে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি উপসর্গ যোগে পরিভ্রমণ শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ চারপাশে ঘোরা। ব্যাখ্যা: এখানে ভ্রমণ শব্দের পূর্বে পরি উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা বিশটি। B) ২১টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় একুশটি তৎসম উপসর্গ নেই। C) ১৯টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ উনিশটি তৎসম উপসর্গ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। D) ২৩টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ তেইশটি কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গের সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশটি তৎসম উপসর্গ মনে রাখার একটি বিখ্যাত পংক্তি হলো প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি সু অভি প্রতি অপি। এই পংক্তিটি মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে সংখ্যাটি ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা ও বিদেশি উপসর্গের সংখ্যা থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি।
a সৈয়দ মুজতবা আলী
b অন্নদাশঙ্কর রায়
c আবুল ফজল
d জসিম উদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্নদাশঙ্কর রায় ১. কেন সঠিক: 'পথে প্রবাসে' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। প্রখ্যাত লেখক ও প্রাবন্ধিক অন্নদাশঙ্কর রায়ের লেখা এই গ্রন্থটিতে তাঁর বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: অন্নদাশঙ্কর রায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের এক অন্যতম বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও কবি। তিনি তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা এবং মননশীল রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাপানে ব্যাখ্যা: এটিও অন্নদাশঙ্কর রায়ের লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণসাহিত্য। উদাহরণ ২: সত্যসন্ধ ব্যাখ্যা: এটি অন্নদাশঙ্কর রায়ের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ মুজতবা আলী — সৈয়দ মুজতবা আলী বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি 'দেশে বিদেশে' লিখেছিলেন কিন্তু 'পথে প্রবাসে' তার গ্রন্থ নয়। B) অন্নদাশঙ্কর রায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'পথে প্রবাসে' গ্রন্থটি অন্নদাশঙ্কর রায়েরই রচনা। C) আবুল ফজল — আবুল ফজল একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই ভ্রমণগ্রন্থটি তার লেখা নয়। D) জসিম উদ্দীন — জসিম উদ্দীন মূলত পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তার রচনার ধরন সম্পূর্ণ ভিন্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: অন্নদাশঙ্কর রায়ের নাম মনে রাখলেই ভ্রমণসাহিত্যের ক্ষেত্রে 'পথে প্রবাসে' ও 'জাপানে' গ্রন্থদুটির কথা মাথায় রাখতে হবে। ভ্রমণ করতে ভালোবাসতেন বলেই তিনি সুন্দর ভ্রমণকাহিনি উপহার দিয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণকাহিনি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিখ্যাত লেখকদের ভ্রমণসাহিত্য আলাদা করে তালিকা করে পড়া উচিত।
a ছোটগল্প
b উপন্যাস
c কবিতা
d নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছোটগল্প ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের শাখাগুলোর মধ্যে ছোটগল্প হলো সবচেয়ে নবীন বা আধুনিকতম সংযোজন। ফরাসি ঔপন্যাসিক ও সমালোচক এডগার অ্যালান পো ছোটগল্পের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, ছোটগল্প এমন এক সাহিত্যকর্ম যা এক বৈঠকে পড়ে শেষ করা যায় এবং যার লক্ষ্য একক প্রভাব সৃষ্টি করা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের জনক বা সার্থক স্রষ্টা হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৮৯১ সালে সাধনা পত্রিকায় প্রকাশিত হৈমন্তী বা দেনাপাওনা কিংবা তারও আগে প্রকাশিত ভিক্ষারিণী গল্পের মাধ্যমে বাংলা ছোটগল্পের আধুনিক ধারার সূচনা ঘটে। বিশ্বসাহিত্যের প্রভাবে উনিশ শতকের শেষভাগে বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'একরাত্রি' একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। ব্যাখ্যা: এতে জীবনের এক আকস্মিক পরিবর্তন এবং ছোট পরিসরে গভীর মানবজীবনের উপলব্ধি প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: কথাসাহিত্যিক বনফুলের 'নির্দোষ' একটি অতি সংক্ষিপ্ত গল্প। ব্যাখ্যা: এটি ছোটগল্পের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য তথা সংক্ষিপ্ততা ও প্রতীকী ব্যঞ্জনাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা সাহিত্যের শাখাগুলোর মধ্যে এটি সর্বশেষে আত্মপ্রকাশ করেছে। B) উপন্যাস — এটি নাটক ও কবিতার বহু পরে এলেও ছোটগল্পের পূর্বে বাংলা সাহিত্যে এর সার্থক রূপ বিকাশ লাভ করেছিল। সি) কবিতা — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কারণ চর্যাপদ থেকেই কবিতার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের সূচনা হয়েছে। D) নাটক — এটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বিভিন্ন রূপ (যেমন যাত্রা ও পালাগান) হয়ে আধুনিক যুগে প্রবেশ করায় এটি আধুনিকতম শাখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কবিতা আর আধুনিকতম শাখা ছোটগল্প এটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে কবিতা শুরুতেই ছিল আর ছোটগল্প সবার শেষে এসে যুক্ত হয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে তাই প্রাচীন ও আধুনিক এই দুটি রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সার্থক ছোটগল্পকার মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রমথ চৌধুরী। বাংলা সাহিত্যের কালক্রম মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b কায়কোবাদ
c মীর মোশাররফ হোসেন
d আলাওল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক মহাকাব্য রচয়িতা হিসেবে পরিচিত এবং তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি বলা হয়। - বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করে তিনি এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি ও নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যের ক্ষেত্রেও প্রথম ট্র্যাজেডি নাটক পদ্মাবতী এবং প্রহসন একেই কি বলে সভ্যতা ও বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এতে তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ সফলভাবে ব্যবহার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য রচনা করে প্রথম মহাকবির মর্যাদা লাভ করেছেন। B) কায়কোবাদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট মহাকাব্য রচয়িতা হলেও প্রথম মহাকবি নন, তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশান। C) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধ রচনার জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে তাঁর বিষাদ সিন্ধু একটি জনপ্রিয় গদ্য উপন্যাস। D) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি, যিনি আরাকান রাজসভায় বসে পদ্মাবতী কাব্য অনুবাদ করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: মহাকাব্যের সাথে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম সরাসরি যুক্ত, তাই প্রথম মহাকবি বললে চোখ বন্ধ করে তাঁর নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হলো মেঘনাদবধ কাব্য এবং এর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
a আলাওল
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c মোহাম্মদ কবীর
d কাজী দৌলত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলাওল ১. কেন সঠিক: - পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি মহাকবি আলাওল। - এটি আরাকান রাজসভার প্রখ্যাত কবি আলাওলের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি। - পদ্মাবতী কাব্যটি মূলত হিন্দি ভাষার কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত কাব্যের ভাবানুবাদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটি মহাকবি আলাওলের রচিত অপর একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য। উদাহরণ ২: সপ্তপয়কর ব্যাখ্যা: ফার্সি কবি নিজামী গঞ্জবীর হস্তীবিহাদ অবলম্বনে আলাওল এই কাব্যটি রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম দিকের কবি এবং ইউসুফ জোলেখা কাব্যের রচয়িতা। C) মোহাম্মদ কবীর — তিনি মধুমালতী কাব্যের রচয়িতা যা মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান। D) কাজী দৌলত — তিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের প্রথমাংশের রচয়িতা এবং আলাওলের সমসাময়িক কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্মাবতী কাব্যের সঙ্গে আলাওল নামটি মনে রাখতে পদ্ম পাতার ওপর আলতা বা আলাওল এভাবে মিলিয়ে নিতে পারো। - মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে আলাওলের নাম সবার আগে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আরাকান রাজসভার কবি এবং তাদের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত কাব্য অবলম্বনে আলাওল পদ্মাবতী রচনা করেছেন এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a সুফিয়া কামাল
b রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
c জাহানারা ইমাম
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১. কেন সঠিক: সুলতানার স্বপ্ন বা সুলটানাস ড্রিম হলো বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ও কল্পবিজ্ঞানমূলক সাহিত্যকর্ম। এই গ্রন্থটি মূলত নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমাজের পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোর বিরুদ্ধে একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ও ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তার এই ইংরেজি ভাষায় রচিত 'সুলটানাস ড্রিম' গ্রন্থটি ১৯০৫ সালে মাদ্রাজ থেকে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেই এর বাংলা অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি ও সাহিত্যিক হলেও তিনি 'সুলতানার স্বপ্ন' রচনা করেননি। B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — এটি সঠিক উত্তর। C) জাহানারা ইমাম — জাহানারা ইমাম একজন কথাসাহিত্যিক ও শহীদ জননী হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। D) সেলিনা হোসেন — সেলিনা হোসেন সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তিনি 'সুলতানার স্বপ্ন' লেখেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: নারীবাদী ও স্বপ্ন নিয়ে কোনো সাহিত্যকর্ম থাকলে এবং সেটি বেগম রোকেয়ার হলে, তা মূলত নারী জাগরণের চিন্তা থেকে লেখা হয়েছে। রোকেয়া মানেই নারী জাগরণ এবং সুলতানার স্বপ্ন হলো তার সেই স্বপ্নের একটি কাল্পনিক রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ও মৃত্যু দিবস ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস হিসেবে পালিত হয়। তার রচিত 'সুলতানার স্বপ্ন' গ্রন্থটি ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম দিকের নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক রচনাগুলোর একটি।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b আবদুল গাফফার চৌধুরী
c গোলাম সারওয়ার
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোলাম সারওয়ার ১. কেন সঠিক: - 'আমার যত কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা বাংলাদেশের বরেণ্য সাংবাদিক ও কলামিস্ট গোলাম সারওয়ার। - এটি তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ বা স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ, যেখানে সমসাময়িক সমাজ ও রাজনীতির নানা কথা উঠে এসেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গোলাম সারওয়ার বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি দীর্ঘকাল সফলতার সঙ্গে দৈনিক সমকাল ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। - সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমৃত্যু সাংবাদিক ব্যাখ্যা: এটি গোলাম সারওয়ারের সাংবাদিকতা জীবন নিয়ে লেখা একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সংলাপে সমকাল ব্যাখ্যা: এটি গোলাম সারওয়ারের সম্পাদিত ও রচিত বিভিন্ন নিবন্ধের একটি সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক হলেও 'আমার যত কথা' গ্রন্থের লেখক নন, তিনি একাত্তরের দিনগুলি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত। B) আবদুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত ভাষা আন্দোলনের গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো এর রচয়িতা এবং প্রাবন্ধিক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। C) গোলাম সারওয়ার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই সাহিত্যকর্ম। D) সেলিনা হোসেন — তিনি বাংলাদেশের সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক হলেও এই প্রবন্ধ গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের কথা মনে রাখলেই তাঁর লেখা 'আমার যত কথা' গ্রন্থটির নাম সহজে মনে রাখা যাবে। - তাঁর নামের সঙ্গে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার সম্পর্ক গভীর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত সম্পাদক ও সাংবাদিকদের লেখা গ্রন্থ প্রায়ই আসে। - গোলাম সারওয়ারের পেশাগত জীবন এবং তাঁর সাংবাদিকতা বিষয়ক গ্রন্থগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a অগ্নিবীণা
b ব্যথার দান
c রাজবন্দীর জবানবন্দী
d যুগবাণী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যথার দান ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। এটি ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই নজরুল সাহিত্যের অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা হলেও প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্ম বা গ্রন্থ হলো ব্যথার দান গল্পগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাউণ্ডেলের আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ এবং এর প্রকাশকাল ১৯২৬ সাল। উদাহরণ ২: রিক্তের বেদন ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের তৃতীয় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ নয়। C) রাজবন্দীর জবানবন্দী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন ও রাজদ্রোহমূলক রচনা। D) যুগবাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্য হলো অগ্নিবীণা এবং প্রথম প্রকাশিত গদ্য বা গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। এই দুটি বিষয় পরীক্ষার সময় গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম প্রকাশিত কাব্য এবং প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। নজরুলের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ এবং তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর নাম বারবার চর্চা করতে হবে।
a মুমর্ষু
b মুমূর্ষু
c মুমূর্ষ
d মুমুর্ষু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - 'মুমূর্ষু' শব্দটির অর্থ হলো মরতে বসেছে এমন বা যার মৃত্যুর ইচ্ছা আছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শুরুতে উ-কার এবং মাঝখানে দীর্ঘূ-কার বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের নিয়ম অনুযায়ী 'মুমূর্ষু' শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার এবং শেষ বর্ণে হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়। - এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহুবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসা বানান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের গঠনে হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ ঊ-কার এর নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়। উদাহরণ ২: মুমূর্ষু অবস্থা ব্যাখ্যা: মৃতপ্রায় বা অন্তিম অবস্থাকে বোঝাতে এই শুদ্ধ বানানটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমর্ষু — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ-কার ভুল স্থানে বা অনুপস্থিত থাকায় বানানটি ভুল হয়েছে। B) মুমূর্ষু — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান। C) মুমূর্ষ — এই অপশনের শেষে হ্রস্ব উ-কার না থাকায় বানানটি অসম্পূর্ণ ও ভুল। D) মুমুর্ষু — এই অপশনে সব কটি উ-কার হ্রস্ব হওয়ায় তা বানানরীতির নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানে মনে রাখবে ছোট হাত, বড় হাত, ছোট হাত অর্থাৎ হ্রস্ব উ, দীর্ঘ ঊ এবং হ্রস্ব উ। - এই ক্রমানুসারে অক্ষর সাজালে বানান কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের জটিল বানান প্রায়ই আসে। - হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার ভালোভাবে অনুশীলন করলে এক মার্কস নিশ্চিত করা সম্ভব।
a কুলা
b ডাব
c চুলা
d চাবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাবি ১. কেন সঠিক: - চাবি একটি পর্তুগিজ শব্দ, তাই এটি দেশি শব্দ নয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে পর্তুগিজ শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - ভারতের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: ডাব ব্যাখ্যা: ডাব একটি খাঁটি দেশি শব্দ, যা গ্রামীণ জনপদে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলা - এটি একটি দেশি শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) ডাব - এটিও দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত, তাই এটি উত্তর হবে না। C) চুলা - এটিও দেশি শব্দের একটি প্রচলিত উদাহরণ। D) চাবি - এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগਤ বিদেশি শব্দ, তাই এটি দেশি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে চাবি, বালতি, তামাক, আনারস একত্রে পড়তে পারো। - দেশি শব্দ চেনার জন্য কুলা, ঢোল, চোঙা, ডাব শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ (যেমন পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দের উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে এসকল প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a ১৯১৩ সালে
b ১৯২০ সালে
c ১৯২৩ সালে
d ১৯২৪ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ সালে ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস নামে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: ডব্লিউ বি ইয়েট্স ব্যাখ্যা: তিনি সং অফারিংস কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত ভূমিকাটি লিখেছিলেন যা নোবেল প্রাপ্তিতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই বছরেই তিনি নোবেল পুরস্কার পান। B) ১৯২০ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে তিনি কোনো নোবেল পুরস্কার পাননি। C) ১৯২৩ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়। D) ১৯২৪ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে তিনি নোবেল পাননি। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৩ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন কারণ ১৯১৩ সাল নোবেল প্রাপ্তির বছর। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের সাল এবং নোবেল প্রাপ্তির সাল একই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সংবাদ পান। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী হিসেবে তাঁর নাম ও সাল জানতে চাওয়া হয়।
a দিন মজুর
b তোষামদকারী
c দীন মজুর
d গণ্যমান্য ব্যক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তোষামদকারী ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো 'খয়ের খাঁ' বাগধারাটির বিশেষ অর্থ তোষামদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। - মুঘল আমলে খয়ের খাওয়া বা খয়ের সরবরাহ করা ছিল আশ্রিত বা অনুগত ব্যক্তিদের কাজ, সেখান থেকেই এই অর্থের উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা পদগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় বাগধারা বাক্যকে আকর্ষণীয় ও সমৃদ্ধ করে এবং এর উৎপত্তি সাধারণত ইতিহাস, পৌরাণিক কাহিনি বা সমাজজীবন থেকে হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাহেবের সামনে সবসময় খয়ের খাঁ সেজে না থেকে নিজের মতামত দাও। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত প্রশংসা বা তোষামদ করার অর্থে খয়ের খাঁ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই দলটির নেতারা কেবল তোষামদকারী বা খয়ের খাঁ খোঁজে, সৎ পরামর্শদাতা নয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অন্ধ আনুগত্য বা চাটুকারিতা বোঝাতে খয়ের খাঁ প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিন মজুর — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো বাগধারার অর্থ নয়, বরং যারা দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করে তাদের বোঝায়। B) তোষামদকারী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই। C) দীন মজুর — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দরিদ্র বা কষ্টসাধ্য শ্রমজীবী মানুষকে নির্দেশ করে, যা খয়ের খাঁ এর সঙ্গে মেলে না। D) গণ্যমান্য ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ গণ্যমান্য বলতে সমাজের বিশিষ্ট বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বোঝায়, যা তোষামদের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - খয়ের খাঁ মানে যিনি কেবল খাই খাই করেন এবং বেঁচে থাকার জন্য মনিবের অতিরিক্ত প্রশংসা বা তোষামদ করেন। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে আশ্রিত ব্যক্তিরা মনিবের অনুগ্রহ পেতে অতিরিক্ত তোষামদ বা খয়ের খাঁ হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইতিহাস বা সমাজভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থটি মনে রাখতে হবে।
a ভানু
b নিশীথিনী
c কোমললতা
d রজনীকান্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রজনীকান্ত ১. কেন সঠিক: - 'রজনীকান্ত' শব্দের অর্থ রজনীর বা রাতের কান্ত অর্থাৎ পতি বা স্বামী, যা কবিতার ভাষায় চাঁদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ। - বাংলা সাহিত্যে এবং পদাবলীতে চাঁদ বোঝাতে শশধর, শশাঙ্ক, বিধু এবং রজনীকান্ত শব্দগুলো প্রীতার্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও রূপ ভিন্ন হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - রজনীকান্ত একটি তৎসম শব্দ, যা বহুব্রীহি সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়ে রাতের কান্ত বা চাঁদ অর্থে নির্দিষ্ট হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধাংশু ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থ যার অংশ বা কিরণ সুধা বা অমৃতময়, এটিও চাঁদের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: মৃগাঙ্ক ব্যাখ্যা: মৃগাঙ্ক হলো চাঁদের অপর একটি সমার্থক শব্দ, যার মধ্যে হরিণের পদের মতো বা সমরূপ চিহ্ন রয়েছে বলে কল্পনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভানু — ভানু শব্দের অর্থ সূর্য, যা চাঁদের বিপরীতার্থক বা ভিন্ন একটি জ্যোতিষ্ককে বোঝায়। B) নিশীথিনী — নিশীথিনী শব্দের অর্থ মধ্যরাত বা গভীর রাত, যা কোনোভাবেই চাঁদকে নির্দেশ করে না। C) কোমললতা — কোমললতা বলতে নরম বা সুকুমার কোনো লতাজাতীয় উদ্ভিদকে বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্নার্থক শব্দ। D) রজনীকান্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় চাঁদের সমার্থক হিসেবে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাতের রাণী হলো রজনী, আর রাতের কান্ত বা প্রিয় হলো রজনীকান্ত অর্থাৎ চাঁদ। - সূর্য যেমন দিনের বন্ধু বা ভানু, তেমনি রাত বা রজনীর কান্ত হলো চাঁদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চাঁদের সমার্থক হিসেবে চন্দ্র, শশী, মিতু, সুধাংশু, বিধু এবং রজনীকান্ত বারবার আসে। - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের আক্ষরিক ও কাব্যিক অর্থের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
a Acknowledgment
b Acknowledge-ment
c Aknowlegmen
d Acknowledgement
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Acknowledgement কেন সঠিক: - Acknowledge শব্দের শেষে ment প্রত্যয় যোগ করার সময় শেষের e তুলে না দিয়ে সরাসরি ment যুক্ত হয়। - ব্রিটিশ ও আমেরিকান উভয় বানানরীতিতেই Acknowledgement শব্দটি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acknowledgment — এটি মূলত আমেরিকান বানান, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Acknowledgement বেশি গ্রহণযোগ্য। B) Acknowledge-ment — এখানে মাঝখানে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে, যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। C) Aknowlegmen — এখানে বানানটিতে c এবং d বর্ণ বাদ পড়েছে এবং শেষের অংশ ভুল। D) Acknowledgement — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: Acknowledge শব্দের সঙ্গে শুধু ment যোগ করলেই সঠিক বানানটি পাওয়া যায়।
a Arnold
b Tennyson
c Dickens
d Browning
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Browning কেন সঠিক: - রবার্ট ব্রাউনিং ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের এমন একজন কবি যার কবিতায় জীবনের প্রতি গভীর আশাবাদ ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। - তার বিখ্যাত উক্তি সব ঠিক আছে ঈশ্বরের এই পৃথিবীতে যা এই যুগের আশাবাদী মনোভাবকে সবচেয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Arnold — ম্যাথিউ আর্নল্ড তার কবিতায় ভিক্টোরিয়ান যুগের সংশয় হতাশা ও বিশৃঙ্খলা তুলে ধরেছেন তাই তিনি আশাবাদী হিসেবে পরিচিত নন। B) Tennyson — লর্ড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি হলেও তার রচনায় বিষাদ সংশয় এবং আধুনিক বিজ্ঞান ও ধর্মের দ্বন্দ্ব বেশি ফুটে উঠেছে। C) Dickens — চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের ঔপন্যাসিক যিনি সমাজের নানা অনিয়ম ও দরিদ্র মানুষের কষ্ট ফুটিয়ে তুললেও তাকে নির্দিষ্টভাবে আশাবাদী কবি বলা হয় না। D) Browning — রবার্ট ব্রাউনিং তার সাহিত্যকর্মে জীবনের জয়গান ও অদম্য আশাবাদ প্রচার করার কারণে তাকে এই যুগের আশাবাদী কবি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ব্রাউনিং মানেই বুকভরা আশা সুতরাং ভিক্টোরিয়ান যুগের আশাবাদী কবি বললেই রবার্ট ব্রাউনিং নামটি মনে রাখবে।
a salty earth
b worthy persons
c evil person
d salted earch
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) worthy persons কেন সঠিক: - 'Salt of the earth' একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর আক্ষরিক অর্থ মাটির লবণ হলেও রূপক অর্থে অত্যন্ত সৎ, ভালো ও গুণী ব্যক্তিকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) salty earth — এটি বাগধারার রূপক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক অর্থ বোঝাচ্ছে যা ভুল। B) worthy persons — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাগধারার সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে। C) evil person — এটি 'salt of the earth' এর বিপরীত অর্থ বা খল ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। D) salted earch — এটি বানান ভুলযুক্ত একটি অপশন এবং এর কোনো গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: মাটির যেমন আসল সম্পদ লবণ, তেমনি সমাজের আসল সম্পদ হলো সৎ ও গুণী মানুষেরা।
a As she made a promise, she kept it.
b She made a promise so that she could keep it
c She not only made a promise but also kept it.
d She made a promise to keep
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) She not only made a promise but also kept it. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি সরল বাক্য (Simple Sentence) এবং এটিকে যৌগিক বাক্যে (Compound Sentence) রূপান্তর করতে বলা হয়েছে। - যৌগিক বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য থাকে এবং তা not only... but also দ্বারা যুক্ত হয়ে অর্থ অপরিবর্তিত রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) As she made a promise, she kept it. — এটি একটি জটিল বাক্য (Complex Sentence) কারণ এখানে As conjunction ব্যবহার করা হয়েছে। B) She made a promise so that she could keep it — এটি একটি জটিল বাক্য (Complex Sentence) কারণ এতে so that যুক্ত রয়েছে। C) She not only made a promise but also kept it. — এটি একটি যৌগিক বাক্য (Compound Sentence) এবং মূল বাক্যের সঠিক রূপান্তর। D) She made a promise to keep — এটি একটি সরল বাক্য (Simple Sentence) কারণ এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সরল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তরের সময় দুটি কাজ বোঝাতে not only... but also ব্যবহার করা হয়।
a beautiful
b beautify
c beautiness
d beautifully
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) beautify কেন সঠিক: - 'beauty' হলো একটি নাউন এবং এর ভার্ব রূপ হলো 'beautify', যার অর্থ সুন্দর করা। - শব্দের শেষে fy যুক্ত করে সাধারণত ভার্ব বা ক্রিয়া গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) beautiful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ সুন্দর। B) beautify — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি ভার্ব। C) beautiness — ইংরেজিতে এ ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা গঠন নেই। D) beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ সুন্দরভাবে। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ify বা en থাকলে সাধারণত তা ভার্ব হয়, যেমন beautify বা widen।
a visited
b will visit
c had visit
d would visit
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) would visit কেন সঠিক: - প্রধান ক্লজটি অতীত কালে (told) থাকায় নিয়ম অনুযায়ী পরের ক্লজটির verb-ও অতীত রূপ নেয়। - Direct Speech-এর future tense (shall বা will) indirect speech-এ পরিবর্তিত হয়ে যথাক্রমে should বা would হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) visited — এটি সাধারণ অতীত কাল, যা ভবিষ্যৎ নির্দেশক next month শব্দের সঙ্গে বাক্যের অর্থ মিলায় না। B) will visit — প্রধান ক্লজটি অতীত কালে থাকায় এখানে future indefinite tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) had visit — এটি একটি গঠনগত ত্রুটিপূর্ণ রূপ, কারণ had-এর পরে verb-এর past participle রূপ বসতে হয়। D) would visit — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নারেশনের নিয়ম অনুযায়ী past tense-এর পর will-এর পরিবর্তে would বসে। মনে রাখার টিপস: Principal clause অতীত কাল হলে পরের অংশে will-এর জায়গায় সবসময় would ব্যবহার করতে হয়।
a Personification
b Hyper bole
c Simile
d Allegory
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Simile কেন সঠিক: - এই বাক্যে 'as' ব্যবহার করে শিশু এবং সকালের মধ্যে সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। - দুটি ভিন্নধর্মী বস্তুর মধ্যে তুলনা করতে 'like' বা 'as' ব্যবহৃত হলে তাকে Simile বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Personification — এটি কোনো জড় বস্তুকে মানবগুণ বা মানবীয় আচরণে ভূষিত করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে নেই। B) Hyper bole — এটি কোনো কিছুকে অতিরিক্ত বাড়িয়ে বা কমিয়ে বলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, এখানে এমন কোনো অতিরঞ্জন নেই। C) Simile — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে 'as' এর মাধ্যমে সাদৃশ্য বোঝানো হয়েছে। D) Allegory — এটি একটি রূপকধর্মী গল্প বা আখ্যান যা প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি একটি সাধারণ প্রবাদবাক্য বা simile। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'like' বা 'as' দেখলে চোখ বন্ধ করে Simile দাগিয়ে দিন।
a by
b for
c of
d from
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) from কেন সঠিক: - অতিভোজন বা অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যুর ক্ষেত্রে 'die from' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - স্বাভাবিক রোগ, অনাহার বা বিষ প্রয়োগে মারা গেলে 'die of' হয়, কিন্তু অতিরিক্ত খাওয়া একটি বাহ্যিক কারণ হওয়ায় এখানে 'from' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — হিংস্রতা, আত্মহত্যা বা আত্মত্যাগের মাধ্যমে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে 'die by' ব্যবহৃত হয়, যা অতিরিক্ত খাওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বি) for — কোনো মহৎ উদ্দেশ্য বা দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জন দেওয়ার ক্ষেত্রে 'die for' ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) of — সাধারণ রোগ বা ক্ষিদে ও তৃষ্ণায় মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে 'die of' বসে, কিন্তু অতিভোজন বা অতিরিক্ত কাজের ক্ষেত্রে 'from' বসে। D) from — অতিরিক্ত খাওয়া একটি বাহ্যিক কারণ বা ফল বোঝাতে 'die from' সঠিক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: অভাব বা রোগে মারা গেলে 'of' এবং অতিরিক্ত খাওয়ার মতো অন্য কোনো কারণে মারা গেলে 'from' ব্যবহার করতে হয়।
a sagacious
b hostile
c calm
d angry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) calm কেন সঠিক: - 'Tranquil' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো শান্ত, স্নিগ্ধ বা থমথমে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'calm' শব্দটির অর্থও শান্ত, যা এর সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sagacious — এর অর্থ জ্ঞানী বা বিচক্ষণ, যা শান্ত অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) hostile — এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা অমিত্রসুলভ, যা শান্ত শব্দের বিপরীত। C) calm — সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ শান্ত বা স্থির। D) angry — এর অর্থ রাগান্বিত বা ক্ষুব্ধ, যা শান্ত অবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ট্রাংকুইল (Tranquil) ও কাম (Calm) উভয় শব্দের অর্থই শান্ত। মনে রাখতে পারেন, নদীতে কোনো ট্রলার বা লঞ্চ না চললে নদী শান্ত বা কাম থাকে।
a honesty
b sober
c new
d hostile
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) new কেন সঠিক: - 'Shabby' শব্দের অর্থ জীর্ণ, নোংরা, মলিন বা পুরনো। - এর সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিভ হলো 'new' যার অর্থ নতুন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) honesty — honesty হলো একটি নাউন যার অর্থ সততা, যা shabby শব্দের বিপরীত নয়। B) sober — sober শব্দের অর্থ শান্ত বা মদ্যপ নয় এমন, যা shabby শব্দের বিপরীতার্থক নয়। সি) new — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা shabby শব্দের বিপরীত। D) hostile — hostile শব্দের অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা shabby বা জীর্ণ অবস্থার বিপরীত নয়। মনে রাখার টিপস: Shabby অর্থ পুরনো ও জীর্ণ জিনিস, আর এর বিপরীত মনে রাখতে New বা নতুন কথাটি মাথায় রাখুন।
a Jonathan Swift
b Alexander Pope
c Joseph Addison
d Richard Steel
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: A) Jonathan Swift কেন সঠিক: - জোনাথান সুইফট তাঁর অসাধারণ বিদ্রূপাত্মক রচনা যেমন গাল্লিভার্স ট্রাভেলস এর মাধ্যমে মানব সমাজের ত্রুটি ও রাজনীতির কদর্য দিক তুলে ধরেছেন। - ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে বিদ্রূপ বা স্যাটায়ার রচনার ক্ষেত্রে তাঁর সমকক্ষ কাউকে পাওয়া যায় না, তাই তাঁকে সর্বকালের সেরা বিদ্রূপকার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jonathan Swift — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। B) Alexander Pope — তিনি মূলত তাঁর গদ্য ও পদ্যের রূপক এবং ক্লাসিক্যাল ধারার বিদ্রূপাত্মক রচনার জন্য পরিচিত হলেও শ্রেষ্ঠ বিদ্রূপকার নন। C) Joseph Addison — তিনি মূলত রম্যরচনা এবং সাময়িকপত্র সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত, প্রধানত বিদ্রূপকার হিসেবে পরিচিত নন। D) Richard Steel — তিনি জোসেফ এডিসনের সঙ্গে যৌথভাবে বিখ্যাত সাময়িকপত্র প্রকাশ করেছিলেন, বিদ্রূপাত্মক সাহিত্যের জন্য প্রধান নন। মনে রাখার টিপস: সুইফটের বিখ্যাত উপন্যাস গাল্লিভার্স ট্রাভেলস মনে রাখলেই বোঝা যায় তিনি ইংরেজি সাহিত্যের সেরা বিদ্রূপকার।
a The teacher said that thank, you my boys.
b The teacher told the boys and thanked them.
c The boys were thanked by the teacher.
d The teacher thanked the boys.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The teacher thanked the boys. কেন সঠিক: - ডিরেক্ট স্পিচ বা প্রত্যক্ষ উক্তিতে 'Thank you' থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় Subject-এর পরে মূল verb হিসেবে thank-এর পাস্ট টেন্স thanked বসে। - স্পিচে থাকা অবজেক্ট (boys) এখানে thanked-এর পর সরাসরি অবজেক্ট হিসেবে বসে এবং অতিরিক্ত কোনো conjunction বা reporting verb লাগে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The teacher said that thank, you my boys. — এখানে ব্যাকরণগত নিয়ম না মেনে ভুলভাবে দাড়ি ও কমা ব্যবহার করা হয়েছে এবং সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়নি। B) The teacher told the boys and thanked them. — এই বাক্যে 'told' এবং 'thanked' একসাথে ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন অপ্রয়োজনীয়ভাবে জটিল ও ভুল হয়েছে। C) The boys were thanked by the teacher. — এটি ন্যারেকশন পরিবর্তন না করে বাক্যটিকে প্যাসিভ ভয়েস করা হয়েছে, যা ইনডাইরেক্ট ন্যারেকশনের সঠিক নিয়ম নয়। D) The teacher thanked the boys. — এটি ন্যারেকশনের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং অর্থপূর্ণ পরিবর্তন। মনে রাখার টিপস: ডাইরেক্ট স্পিচে 'Thank you' থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় Subject + thanked + Direct Object এই স্ট্রাকচারটি মনে রাখবে।
a Phonetics
b Pedagogy
c Ethics
d Biology
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Pedagogy কেন সঠিক: - Pedagogy শব্দটি মূলত শিক্ষাদান পদ্ধতি, কৌশল এবং বিজ্ঞানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - এটি শিক্ষার্থীদের বয়স ও মানসিকতা অনুযায়ী শিক্ষা প্রদানের সঠিক উপায় নিয়ে আলোচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phonetics — এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা ধ্বনি বা উচ্চারণ নিয়ে আলোচনা করে, শিক্ষাদান পদ্ধতি নয়। B) Pedagogy — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) Ethics — এটি দর্শনশাস্ত্রের এমন একটি শাখা যা নৈতিকতা, ভালো-মন্দ এবং মানব আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। D) Biology — এটি বিজ্ঞানের একটি শাখা যা জীববিদ্যা, উদ্ভিদ এবং প্রাণীর জীবন নিয়ে গবেষণা করে। মনে রাখার টিপস: Pedagogy শব্দটির ভেতরে শিক্ষা বা পাঠদানের বিজ্ঞান লুকিয়ে আছে, যা শিক্ষক নিবন্ধনে প্রায়ই আসে।
a humane
b modesty
c humble
d disgrace
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) disgrace কেন সঠিক: - 'Humiliation' শব্দের বাংলা অর্থ হলো অপমান, লজ্জা বা অবমাননা। - 'Disgrace' শব্দটির অর্থও সম্মানহানি, লজ্জা বা কলঙ্ক, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) humane — এর অর্থ দয়ালু বা মানবীয়, যা মূল শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) modesty — এর অর্থ বিনয় বা শালীনতা, যা অপমান বা লজ্জার বিপরীতার্থক। C) humble — এর অর্থ বিনম্রি বা নম্র, যা একটি বিশেষণ এবং ভিন্নার্থক শব্দ। D) disgrace — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ অপমান বা অসম্মান। মনে রাখার টিপস: Humiliation এবং disgrace দুটি শব্দই সম্মান হারানোর সাথে সম্পর্কিত, তাই এরা সমার্থক।
a such
b this
c any
d either
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) any কেন সঠিক: - Indefinite Pronoun নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ না করে অনির্দিষ্টভাবে বুঝায়। - any শব্দ1 কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দিষ্ট না করে সাধারণ অর্থে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) such — এটি মূলত demonstrative বা relative pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, অনির্দিষ্ট সর্বনাম নয়। B) this — এটি একটি demonstrative pronoun যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। C) any — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি অনির্দিষ্ট সর্বনাম হিসেবে কাজ করে। D) either — এটি একটি distributive pronoun যা দুইটির মধ্যে যেকোনো একটিকে পৃথকভাবে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেই pronoun কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর পরিবর্তে অনির্দিষ্টভাবে বসে, তাকে Indefinite Pronoun বলে এবং any এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
a Not only I went
b I not only but
c Not only I but also my brother
d I only but not my brother
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Not only I but also my brother কেন সঠিক: - Not only but also যুক্ত বাক্যে দুটি Subject থাকলে দ্বিতীয় Subject অনুসারে Verb নির্ধারিত হয়। - এখানে দ্বিতীয় Subject হলো my brother, যা Third Person Singular হওয়ায় verb এর নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Not only I went — এখানে but also অংশটি না থাকায় কাঠামোটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I not only but — এই গঠনটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের পরিপন্থী। C) Not only I but also my brother — এটি সঠিক উত্তর। D) I only but not my brother — এটি সঠিক Correlative conjunction এর নিয়ম অনুসরণ করে না। মনে রাখার টিপস: Not only but also যুক্ত বাক্যে verb সব সময় কাছের Subject বা দ্বিতীয় Subject অনুযায়ী বসে।
a Collective
b Material
c Common
d Abstract
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abstract কেন সঠিক: - 'Bravery' শব্দটি দ্বারা বীরত্ব বা সাহসিকতা গুণকে বোঝায়, যা দেখা বা স্পর্শ করা যায় না, শুধু অনুভব করা যায়। - যে নাউন দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় এবং যার বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই, তাকে Abstract Noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Collective — Collective Noun হলো কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি, কিন্তু bravery কোনো সমষ্টি বোঝায় না। B) Material — Material Noun দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়, কিন্তু bravery কোনো উপাদান নয়। C) Common — Common Noun দ্বারা কোনো একজাতীয় সাধারণ নাম বোঝায়, কিন্তু bravery কোনো সাধারণ ব্যক্তি বা বস্তুর নাম নয়। D) Abstract — এটি সঠিক উত্তর কারণ bravery একটি গুণবাচক নাম। মনে রাখার টিপস: যে নাউনগুলোকে দেখা বা ছোঁয়া যায় না, শুধু মন দিয়ে অনুভব করা যায় বা যার গুণ বোঝায়, তাকে Abstract Noun বলে।
a at
b upon
c very
d out
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) very কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'quickly' একটি অ্যাডভার্ব এবং তার তীব্রতা বা মাত্রা বাড়াতে আরেকটি অ্যাডভার্ব 'very' ব্যবহার করা হয়েছে। - একটি অ্যাডভার্ব অন্য কোনো অ্যাডভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা ভার্বকে মডিফাই করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি একটি প্রিপজিশন, যা অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করতে পারে না এবং এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। B) upon — এটি একটি প্রিপজিশন, যা এই শূন্যস্থানে বসে অন্য কোনো শব্দের সাথে সঠিক ব্যাকরণগত সম্পর্ক তৈরি করে না। C) very — এটি একটি অ্যাডভার্ব এবং সঠিক উত্তর, যা 'quickly' অ্যাডভার্বটিকে সফলভাবে মডিফাই করেছে। D) out — এটি সাধারণত প্রিপজিশন বা অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এখানে এই প্রেক্ষাপটে অর্থপূর্ণ বা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অ্যাডভার্বের মাত্রা বা তীব্রতা বাড়াতে তার আগে সাধারণত 'very' বা এই জাতীয় অ্যাডভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a I was surprised by his comment.
b I was surprised at his comment.
c I was surprised for his comment.
d I was surprised to his comment.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I was surprised at his comment. কেন সঠিক: - Active বাক্যের Subject (his comment) Passive করার সময় Object (me) এর পূর্বে by না বসে at বসে। - Surprise, shock, alarm ইত্যাদি শব্দের পর সাধারণত at preposition ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was surprised by his comment. — এখানে by preposition ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাধারণত ব্যক্তিবাচক Subject এর ক্ষেত্রে বসে। B) I was surprised at his comment. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ surprise এর সাথে উপযুক্ত preposition হিসেবে at বসে। C) I was surprised for his comment. — এখানে for preposition এর ব্যবহার grammatically সঠিক ও প্রাসঙ্গিক নয়। D) I was surprised to his comment. — এখানে to preposition বসানো হয়েছে, যা এই বাক্যের গঠনে ভুল। মনে রাখার টিপস: Surprise, shock, please ইত্যাদি verb এর Passive রুপে by এর পরিবর্তে সাধারণত at বসে।
a His conduct admits no excuse.
b His conduct admits of no excuse.
c His conduct admits to no excuse.
d His conduct admits on no excuse.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) His conduct admits of no excuse. কেন সঠিক: - 'Admit of' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছুর অবকাশ রাখা বা সুযোগ দেওয়া। - এখানে আচরণটির কোনো ক্ষমা বা অজুহাতের অবকাশ নেই বোঝাতে 'admits of no excuse' সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) His conduct admits no excuse. — এখানে 'admits' এর পর প্রয়োজনীয় প্রিপজিশন 'of' ব্যবহার করা হয়নি, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) His conduct admits of no excuse. — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত গঠন, কারণ এখানে 'admits of' প্রিপজিশনটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। C) His conduct admits to no excuse. — 'Admit to' অর্থ স্বীকার করা, যা এখানে অর্থ ও প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) His conduct admits on no excuse. — 'Admit on' বলে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি প্রিপজিশন বা গ্রুপ ভার্ব নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো সুযোগ বা অবকাশ নেই বোঝাতে Admit শব্দের পর সবসময় প্রিপজিশন হিসেবে of বসে।
a an attractive
b object of dispute
c a valuable object
d disagreement
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) object of dispute কেন সঠিক: - 'Apple of discord' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম বা প্রবাদ, যার শাব্দিক অর্থ বিবাদের আপেল এবং ভাবার্থ বিরোধ বা ঝগড়ার মূল কারণ। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'object of dispute' ঠিক এই ভাবার্থটি প্রকাশ করে, যা বিবাদের বস্তু বা বিষয়কে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an attractive — এটি দ্বারা কোনো আকর্ষণীয় বস্তুকে বোঝায়, যা এই ইডিওমের ঝগড়ার কারণ বা বিরোধের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) object of dispute — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিবাদের বস্তু বা বিরোধের বিষয়, যা মূল প্রবাদের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) a valuable object — এটি কোনো মূল্যবান বস্তুকে বোঝায়, কিন্তু প্রবাদটি মূল্যের দিক না বুঝিয়ে ঝগড়ার বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে। D) disagreement — এটি কেবল অমত বা মতবিরোধ বোঝায়, কিন্তু ইডিওমটি মতবিরোধের বস্তুকে বা কারণকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: আপেল নিয়ে ঝগড়ার পৌরাণিক কাহিনীর কথা মনে রাখলে খুব সহজেই মনে রাখা যায় যে 'Apple of discord' মানেই হলো বিরোধ বা ঝগড়ার মূল বস্তু।
a He refrained to take any drastic action.
b He refrained on taking any drastic action.
c He refrained in taking any drastic action.
d He refrained from taking any drastic action.
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) He refrained from taking any drastic action. কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী refrain একটি উপযুক্ত প্রিপোজিশন হিসেবে from গ্রহণ করে। - প্রিপোজিশনের পর ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়, যা taking শব্দের মাধ্যমে সঠিকভাবে পূরণ হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He refrained to take any drastic action. — refrained শব্দের পর প্রিপোজিশন হিসেবে to বসে না, তাই এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He refrained on taking any drastic action. — refrained এর সাথে on প্রিপোজিশন ব্যবহার করা যায় না, সঠিক প্রিপোজিশন হলো from। C) He refrained in taking any drastic action. — refrain এর পরে in প্রিপোজিশন বসালে অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম সঠিক হয় না। D) He refrained from taking any drastic action. — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে সঠিক প্রিপোজিশন from এবং gerund ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Refrain শব্দটির সাথে সব সময় from প্রিপোজিশন বসে এবং তার পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a memorandum
b memorandums
c memorandumes
d memoranda
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) memoranda কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষায় যে সকল শব্দের শেষে -um থাকে, তাদের বহুবচন করার সময় -um তুলে দিয়ে শেষে -a যোগ করতে হয়। - memorandum শব্দটির শেষ অংশ -um পরিবর্তন হয়ে -a যুক্ত হয়ে memoranda রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) memorandum — এটি এই শব্দের একবচন রূপ, তাই বহুবচন হিসেবে এটি সঠিক নয়। B) memorandums — এটি আধুনিক ইংরেজিতে ব্যবহৃত হলেও ল্যাটিন ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ভুল বহুবচন। C) memorandumes — ইংরেজিতে এই ধরনের বানান বা বহুবচন গঠনের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। D) memoranda — এটি সঠিক ল্যাটিন বহুবচন রূপ এবং প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দে um থাকলে a হয়, যেমন- datum থেকে data এবং memorandum থেকে memoranda।
a more
b much
c less
d last
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) much কেন সঠিক: - much হলো Adjective-এর Positive degree, যার Comparative form হলো more এবং Superlative form হলো most। - এটি মূলত পরিমাণ বোঝাতে Positive degree হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো তুলনামূলক রূপ থাকে না যতক্ষণ না এর পরিবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) more — এটি much বা many এর Comparative degree, তাই এটি Positive degree নয়। B) much — এটি নিজেই একটি Positive degree এবং এর Comparative হলো more। C) less — এটি little এর Comparative degree, তাই এটি Positive degree নয়। D) last — এটি একটি Superlative degree বা Ordinal number এর রূপ, তাই এটি Positive degree নয়। মনে রাখার টিপস: Degree পরিবর্তনের রূপগুলো মনে রাখবে যেমন, much এর Comparative হলো more এবং Superlative হলো most।
a than
b when
c after
d just
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) than কেন সঠিক: - No sooner had এর পর সাধারণত Past Perfect tense এবং পরবর্তী অংশে Past Indefinite tense বসে। - এই নিয়মে দুটি ঘটনার অব্যবহিত পূর্বাপর বোঝাতে প্রথম অংশের সাথে সংযোগ করার জন্য than ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — এটি সঠিক উত্তর কারণ No sooner এর সাথে সর্বদা than যুক্ত হয়। B) when — এটি ভুল কারণ when সাধারণত Scarcely বা Hardly এর সাথে বসে। C) after — এটি ভুল কারণ এটি এই বিশেষ Structure এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) just — এটি ভুল কারণ এটি এখানে বাক্যকে grammatically সঠিক করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে চোখ বন্ধ করে than এবং Scarcely বা Hardly থাকলে when বসাতে হয়।
a অবাস্তব ও অসমান
b বাস্তব ও অনুমান
c বাস্তব ও অসমান
d বাস্তব ও সমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাস্তব ও অসমান প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x² − 3x + 2 = 0 ধরি, সমীকরণের আদর্শ রূপ ax² + bx + c = 0 এখানে a = ১, b = −3 এবং c = ২ অতএব, সমীকরণের নিশ্চয়ক বা ডিস্ক্রিমিন্যান্ট হলো b² − 4ac এখানে মান বসিয়ে পাই, (−3)² − 4 × ১ × ২ সুতরাং, হিসাব করে পাই ৯ − ৮ = ১ উত্তর: যেহেতু নিশ্চয়কের মান শূন্যের চেয়ে বড়, তাই মূল দুটি বাস্তব ও অসমান হবে
a 2
b -2
c 46024
d -0.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) -2 প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর রাশিটি হলো log2 (১ ÷ ৪) ধরি, log2 (১ ÷ ৪) = x অতএব, ২ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ ৪ সুতরাং, ২ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ (২ এর পাওয়ার ২) উত্তর: -২
a ৫/২
b ৪/৩
c ২/৫
d ৩/৪
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫/২ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশের লব ও হরের সমষ্টি ৭ ভগ্নাংশের লব ও হরের অন্তরফল ৩ ধরি, ভগ্নাংশটির লব = ক ভগ্নাংশটির হর = খ অতএব, ক + খ = ৭ ক − খ = ৩ সুতরাং, দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১০, অর্থাৎ ক = ৫ ক এর মান বসিয়ে পাই, ৫ + খ = ৭, অর্থাৎ খ = ২ উত্তর: ৫÷২
a 1/2
b 2√2
c 1
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২√২ প্রদত্ত তথ্য: x২ − ২x − ১ = ০ ধরি, সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করি x − ২ − (১ ÷ x) = ০ অতএব, x − (১ ÷ x) = ২ x + (১ ÷ x) এর হোল স্কয়ার = (x − (১ ÷ x)) এর হোল স্কয়ার + ৪ সুতরাং, (x + (১ ÷ x)) এর হোল স্কয়ার = (২) এর হোল স্কয়ার + ৪ (x + (১ ÷ x)) এর হোল স্কয়ার = ৪ + ৪ = ৮ উত্তর: x + ১ ÷ x = √৮ = ২√২
a 21
b 41
c 31
d 51
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩১ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ২, ৩, ৫ এবং ৬ প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ১ ধরি, সংখ্যাটি হবে ২, ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু এবং ১ এর যোগফল অতএব, ২, ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু হলো ৩০ সুতরাং, নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ৩০ + ১ = ৩১ উত্তর: ৩১
a 45°
b 54°
c 40°
d 36°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় ৪ টা ৩০ মিনিট ঘণ্টার কাঁটা ১২ ঘণ্টায় ঘোরে ৩৬০° ধরি, ১ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৩০° ৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ১৫° অতএব, ৪ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ১২০° মোট ঘুরেছে ১২০° + ১৫° = ১৩৫০° সুতরাং, মিনিটের কাঁটা ৩০ মিনিটে ঘোরে ১৮০° কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ = ১৮০° − ১৩৫০° = ৪৫° উত্তর: ৪৫°
a x > -4
b x > 4
c x < -4
d x < 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x > -4 প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো x − ১১ < ৪x + ১ ধরি, x যুক্ত পদগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে নিতে হবে অতএব, x − ৪x < ১ + ১১ সুতরাং, −৩x < ১২ উত্তর: x > −৪
a Q = {1, 3, 9}
b Q = {1, 3}
c Q = {3, 9, 18}
d Q = {3, 9}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Q = 1, 3, 9 প্রদত্ত তথ্য: Q সেটটি ৯ এর সকল গুণনীয়ক নিয়ে গঠিত ধরি, সংখ্যাটি ৯ অতএব, ১ দিয়ে ৯ কে ভাগ করলে মিলে যায় এবং ভাগফল ৯ হয় ৩ দিয়ে ৯ কে ভাগ করলে মিলে যায় এবং ভাগফল ৩ হয় সুতরাং, ৯ কে বিভাজ্য করে এমন সংখ্যাগুলো হলো ১, ৩ এবং ৯ উত্তর: Q = 1, 3, 9
a ৮,৫০০ টাকা
b ৮,০০০ টাকা
c ৫,৮০০ টাকা
d ৮,৩০০ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮,৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: রহিমের বেতন ৩০% বৃদ্ধি পেয়েছে বর্তমান বেতন ১১,০৫০ টাকা ধরি, পূর্বে তার বেতন ছিল ক টাকা বেতন বৃদ্ধি পায় = ক এর ৩০% বর্তমান বেতন = ক + (ক এর ৩০% ÷ ১০০) অতএব, বর্তমান বেতন = ক + (৩০ক ÷ ১০০) বর্তমান বেতন = (১০০ক + ৩০ক) ÷ ১০০ বর্তমান বেতন = ১৩০ক ÷ ১০০ সুতরাং, ১৩০ক ÷ ১০০ = ১১,০৫০ ক = (১১,০৫০ × ১০০) ÷ ১৩০ উত্তর: ৮,৫০০ টাকা
a ১/৫
b ১/২
c ২/৩
d ১/১০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/১০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ভগ্নাংশের গুণফল = ৫ ÷ ৩৮ এদের একটি ভগ্নাংশ = ১৯ ÷ ২৫ ধরি, অপর ভগ্নাংশটি ক অতএব, ক × (১৯ ÷ ২৫) = ৫ ÷ ৩৮ সুতরাং, ক = (৫ ÷ ৩৮) ÷ (১৯ ÷ ২৫) ক = (৫ ÷ ৩৮) × (২৫ ÷ ১৯) উত্তর: ১ ÷ ১০
a 48°
b 42°
c 24°
d 84°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২° প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের একটি কোণ = ৯৬° ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° ধরি, ত্রিভুজের অপর দুটি সমান কোণের প্রতিটি = ক° অতএব, প্রথম কোণ + দ্বিতীয় কোণ + তৃতীয় কোণ = ১৮০° ৯৬° + ক° + ক° = ১৮০° ৯৬° + ২ক° = ১৮০° সুতরাং, ২ক° = ১৮০° − ৯৬° ২ক° = ৮৪° ক° = ৮৪° ÷ ২ = ৪২° উত্তর: ৪২°
a ba
b b + a
c 10ab
d 10b + a
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০b + a প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির একক স্থানীয় অংক = a সংখ্যাটির দশক স্থানীয় অংক = b ধরি, একক স্থানীয় অংকের মান = a দশক স্থানীয় অংকের মান = b × ১০ অতএব, দশক স্থানীয় অংকের স্থানীয় মান = ১০b একক স্থানীয় অংকের স্থানীয় মান = a সুতরাং, নির্ণেয় সংখ্যাটি = দশক স্থানীয় অংকের মান + একক স্থানীয় অংকের মান উত্তর: ১০b + a
a {x ∈ R : x ≠ 1}
b R - {3/2}
c R - {1, -1}
d {1}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x ∈ R : x ≠ 1 প্রدত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = (x + 3) ÷ (x − 1) ধরি, অপেক্ষকটি সংজ্ঞায়িত হবে যখন হর শূন্য হবে না অর্থাৎ x − 1 নট ইকুয়াল ০ অতএব, x নট ইকুয়াল ১ সুতরাং, বাস্তব সংখ্যার সেট থেকে ১ বাদ যাবে উত্তর: x ∈ R : x ≠ 1
a 0
b 1
c অনির্ণেয়
d 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনির্ণেয় প্রদত্ত তথ্য: এখানে শূন্যকে শূন্য দ্বারা ভাগ করার একটি গাণিতিক সমস্যা দেওয়া হয়েছে যার কোনো নির্দিষ্ট মান বা ফল নেই ধরি, শূন্যকে শূন্য দ্বারা ভাগের ফলাফল একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা ক অতএব, ক এর সাথে শূন্য গুণ করলে শূন্য পাওয়া যায় যা যেকোনো সংখ্যার জন্যই সত্য হতে পারে সুতরাং, নির্দিষ্ট কোনো উত্তর না থাকায় একে কোনো নির্দিষ্ট মানে পৌঁছানো যায় না উত্তর: অনির্ণেয়
a ৮%
b ৮.২৫%
c ৮.৫%
d ৮.৬%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮.৫% প্রদত্ত তথ্য: আসল, প = ১৫০০০ টাকা বার্ষিক সুদ, স = ১২৭৫ টাকা সময়, ন = ১ বছর ধরি, বার্ষিক সুদের হার = র % অতএব, আমরা জানি, স = (প × ন × র) ÷ ১০০ ১২৭৫ = (১৫০০০ × ১ × র) ÷ ১০০ সুতরাং, ১২৭৫ = ১৫০ × র র = ১২৭৫ ÷ ১৫০ উত্তর: ৮.৫%
a x = 4
b y = 4
c x + y = 4
d x - y = 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x = 4 প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণসমূহের বিভিন্ন রূপ দেওয়া আছে অপশনগুলোতে সরলরেখার সমীকরণ উল্লেখ করা হয়েছে ধরি, y অক্ষের সমান্তরাল রেখার উপর যেকোনো বিন্দুর ভুজ সর্বদা ধ্রুবক হয় এই ধ্রুবক মানটি নির্দিষ্ট একটি সংখ্যা নির্দেশ করে অতএব, সমীকরণে x এর মান একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা ৪ হলে তা y অক্ষের সমান্তরাল হয় y এর মান ৪ হলে রেখাটি x অক্ষের সমান্তরাল হয় সুতরাং, x = 4 সমীকরণটি y অক্ষের সমান্তরাল রেখা নির্দেশ করে উত্তর: x = 4
a 25
b 15
c 5
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ঘনমূলের ভেতরে ১২৫ গুণ ৯ ধরি, প্রদত্ত রাশিটি = ঘনমূল (১২৫ গুণ ৯) অতএব, ১২৫ এর ঘনমূল হলো ৫ কারণ ৫ গুণ ৫ গুণ ৫ সমান ১২৫ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশিটির মান দাঁড়ায় ৫ গুণ ঘনমূল ৯ উত্তর: ৫ গুণ ঘনমূল ৯
a xᵖ
b xᵐ
c x¹
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ᵐⁿ√(xᵐ ÷ xⁿ) × ⁿˡ√(xⁿ ÷ xˡ) × ˡᵐ√(xˡ ÷ xᵐ) ধরি, প্রথম অংশ = ᵐⁿ√(xᵐ ÷ xⁿ) দ্বিতীয় অংশ = ⁿˡ√(xⁿ ÷ xˡ) তৃতীয় অংশ = ˡᵐ√(xˡ ÷ xᵐ) অতএব, প্রথম অংশের মান = (x^(m − n))^(১ ÷ mn) দ্বিতীয় অংশের মান = (x^(n − l))^(১ ÷ nl) তৃতীয় অংশের মান = (x^(l − m))^(১ ÷ lm) সুতরাং, সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে পাই x^((m − n) ÷ mn) × x^((n − l) ÷ nl) × x^((l − m) ÷ lm) উত্তর: ১
a x + 2
b x - 3
c x + 1
d x - 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x২ − x − ২ ধরি, f(x) = x২ − x − ২ অতএব, মিডল টার্ম বা মধ্যপদ বিভাজন করে পাই f(x) = x২ − ২x + x − ২ সুতরাং, f(x) = x(x − ২) + ১(x − ২) f(x) = (x + ১)(x − ২) উত্তর: x + ১
a 2
b 3
c 4
d 9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩^(x + ৪) = ৩ × ৯^x ধরি, ৯ কে লেখা যায় ৩ এর বর্গ অর্থাৎ ৩^২ সমীকরণের ডানপক্ষে ৯ এর পরিবর্তে ৩^২ বসালাম অতএব, সমীকরণটি দাঁড়ায় ৩^(x + ৪) = ৩ × (৩^২)^x ডানপক্ষের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী এটি হয় ৩ × ৩^(২x) সুতরাং, ৩^(x + ৪) = ৩^(১ + ২x) উভয়পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দিয়ে পাই x + ৪ = ১ + ২x উত্তর: x এর মান ৩
a ১/৪
b ১/২
c ৩/৪
d ১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি মুদ্রা একসাথে নিক্ষেপ করা হলো মুদ্রা দুটিতে হেড আসার ঘটনা বিবেচনা করতে হবে ধরি, প্রথম মুদ্রার সম্ভাব্য ফলাফল = ২ টি (এইচ বা টি) দ্বিতীয় মুদ্রার সম্ভাব্য ফলাফল = ২ টি (এইচ বা টি) অতএব, মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ২ × ২ = ৪ টি সম্ভাব্য ফলাফলগুলো হলো, (এইচ, এইচ), (এইচ, টি), (টি, এইচ), (টি, টি) সুতরাং, দুটি মুদ্রাতেই এইচ আসার অনুকূল ঘটনা = ১ টি নির্ণেয় সম্ভাবনা = ১ ÷ ৪ উত্তর: ১/৪
a (3x - 2)(x + 6)
b (3x - 2)(x - 6)
c (x - 6)(3x + 2)
d 3(x - 6)(x - 2)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (x − ৬)(3x + ২) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩x² − ১৬x − ১২ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ ১৬x কে এমনভাবে ভাঙতে হবে যেন তাদের গুণফল প্রথম ও শেষ পদের গুণফলের সমান হয় অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল = ৩x² × (−১২) = −৩৬x² মধ্যপদ ভাঙার অংশ দুটি হলো −১৮x এবং +২x সুতরাং, ৩x² − ১৮x + ২x − ১২ উত্তর: ৩x(x − ৬) + ২(x − ৬) = (x − ৬)(3x + ২)
a ৩৭.৫ কি.মি/ঘণ্টা
b ৩৫.৭ কি.মি/ঘণ্টা
c ৩৫ কি.মি/ঘণ্টা
d ৩৭ কি.মি/ঘণ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৭.৫ কি.মি/ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা ও সিলেটের দূরত্ব = ৩০০ কি.মি. ট্রেন ছাড়ার সময় = সকাল ৬ টা ট্রেন পৌঁছানোর সময় = দুপুর ২ টা ধরি, মোট সময় = সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ২ টা মোট সময় = ৮ ঘণ্টা অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩০০ কি.মি. অতএব, ট্রেনের গতিবেগ = দূরত্ব ÷ সময় ট্রেনের গতিবেগ = ৩০০ ÷ ৮ ট্রেনের গতিবেগ = ৩৭.৫ সুতরাং, ট্রেনের নির্ণেয় গতিবেগ = ৩৭.৫ কি.মি/ঘণ্টা উত্তর: ৩৭.৫ কি.মি/ঘণ্টা
a 5
b 6
c 10
d 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b = ৩ এবং ab = ১ ধরি, রাশিটি হলো a² − ab + b² অতএব, সূত্র সাজিয়ে পাই, (a + b)² − ۳ab সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ৩² − (۳ × ۱) = ۹ − ۳ = ۶ উত্তর: ৬
a 2/3
b 1/2
c 5/4
d 1/√3
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/√৩ প্রদত্ত তথ্য: cosec(৯০° − θ) = ২/√৩ ধরি, cosec অনুপাতের সূত্র অনুসারে sec(θ) = ২/√৩ যেহেতু sec(θ) এর বিপরীত cos(θ), তাই cos(θ) = √৩/২ অতএব, ত্রিকোণমিতির মান থেকে আমরা পাই θ = ৩০° আমরা জানি tan(θ) এর মান বের করতে হবে সুতরাং, tan(৩০°) এর মান নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ১/√৩
a মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
b মন্ত্রীপরিষদ সচিব
c মহামান্য রাষ্ট্রপতি
d আইন মন্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহামান্য রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। - রাষ্ট্রপতির জারি করা অধ্যাদেশের আইনগত ক্ষমতা সংসদের প্রণীত আইনের মতোই কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী দেশের নির্বাহী প্রধান হলেও সংবিধান অনুযায়ী তাঁর অধ্যাদেশ জারি করার কোনো সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই। B) মন্ত্রীপরিষদ সচিব — মন্ত্রীপরিষদ সচিব হলেন মন্ত্রিপরিষদের প্রশাসনিক প্রধান এবং তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন, আইন প্রণয়ন করেন না। C) মহামান্য রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) আইন মন্ত্রী — আইন মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং তিনি আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখলেও অধ্যাদেশ জারি করার এখতিয়ার তাঁর নেই। মনে রাখার টিপস: আইন তৈরি করেন সংসদ সদস্যগণ, কিন্তু সংসদ না থাকলে আইন সদৃশ অধ্যাদেশ জারি করেন কেবল রাষ্ট্রপতি।
a ফল বন্দর
b প্রাচীন পুরাকীর্তি
c ব্যবসা কেন্দ্র
d পাহাড়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাচীন পুরাকীর্তি কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির প্রাচীনতম রাজধানী ও পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ঐতিহাসিক স্থান। - এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন আমলের বহু প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফল বন্দর — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা বর্তমানের ফল কেনাবেচার বন্দর হিসেবে পরিচিত নয়। C) ব্যবসা কেন্দ্র — এটি প্রাচীনকালে প্রশাসনিক ও জনবসতি কেন্দ্র ছিল, আধুনিক অর্থে প্রধান কোনো ব্যবসা কেন্দ্র নয়। D) পাহাড় — মহাস্থানগড় কোনো প্রাকৃতিক পাহাড় নয়, এটি প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষের ওপর গড়ে ওঠা উঁচু টিলা বা গড়। মনে রাখার টিপস: মহাস্থানগড় মানেই প্রাচীন ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
a জাপান
b চীন
c রাশিয়া
d যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য। - চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স এই পাঁচটি দেশ ভেটো ক্ষমতার অধিকারী স্থায়ী সদস্য এবং জাপান এর অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ এবং এর সদস্য হলেও নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়। B) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের একটি এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। C) রাশিয়া — এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরসূরি হিসেবে নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র। D) যুক্তরাজ্য — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের অন্যতম। মনে রাখার টিপস: স্থায়ী পাঁচ দেশ মনে রাখার সহজ শব্দ গুচ্ছ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স।
a ব্রিটেন
b জার্মানী
c ফ্রান্স
d ইতালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফ্রান্স কেন সঠিক: - নেপোলিয়ান বোনাপার্ট ১৭৬৯ সালের ১৫ আগস্ট ফ্রান্সের অধীন কর্সিকা দ্বীপের আজাক্সিও শহরে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ফরাসি বিপ্লবের সময় সামরিক বাহিনীতে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে ফ্রান্সের সম্রাট ও সামরিক শাসক হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — ব্রিটেন বা যুক্তরাজ্য নেপোলিয়নের জন্মস্থান বা দেশ নয়, বরং তাঁর অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক শত্রু ছিল। B) জার্মানী — জার্মানি নেপোলিয়নের জন্মভূমি নয়, যদিও তাঁর বিজয়াভিয়ানার সময় এই অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে তিনি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। C) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ফ্রান্সের সম্রাট এবং সে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বিখ্যাত রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। D) ইতালি — ইতালি নেপোলিয়নের জন্মস্থান নয়, তবে তাঁর পৈত্রিক শেকড় ইতালীয় বংশোদ্ভূত ছিল এবং তিনি ইতালির কিছু অংশ শাসন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: নেপোলিয়ান বোনাপার্টের নামের শেষ অংশ এবং ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস দুটিই ফরাসি সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, এভাবে মনে রাখা যায়।
a ভারত
b সোভিয়েত ইউনিয়ন
c ভুটান
d ব্রিটেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুটান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে। - ভারতের পূর্বে ভুটান স্বীকৃতি দিলেও ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভুটানের কয়েক ঘণ্টা পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভুটানের স্বীকৃতির কয়েক ঘণ্টা পরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় বলে এটি প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ নয়। B) সোভিয়েত ইউনিয়ন — মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিলেও তারা ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের প্রথম দিকে স্বীকৃতি দেয়নি। D) ব্রিটেন — ব্রিটেন বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দিয়েছিল অনেক পরে, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের শেষে বা ১৯৭২ সালে। মনে রাখার টিপস: ছোট দেশ ভুটান সবার আগে মন জয় করে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
a ব্রিটেন
b ইতালি
c নেদারল্যান্ড
d পোল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেদারল্যান্ড কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) নেদারল্যান্ডের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত। - এটি যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার মতো গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — এটি যুক্তরাজ্যের অংশ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এখানে অবস্থিত নয়। B) ইতালি — এটি একটি ইউরোপীয় দেশ হলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এখানে অবস্থিত নয়। C) নেদারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের দ্য হেগ শহরে আদালতটি অবস্থিত। D) পোল্যান্ড — এটি একটি ইউরোপীয় দেশ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদর দপ্তর এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ঠিকানা মনে রাখতে দ্য হেগ শহরের নাম মনে রাখুন, যা নেদারল্যান্ডে অবস্থিত।
a উপজেলা
b জেলা প্রশাসন
c স্থানীয় সরকার
d বন অধিদপ্তর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপজেলা কেন সঠিক: - উপজেলা পরিষদ বাংলাদেশের সংবিধান ও স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী গঠিত একটি আনুষ্ঠানিক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। - এটি একটি নির্দিষ্ট এলাকার স্থানীয় প্রশাসন পরিচালনা, উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং জনসেবা নিশ্চিত করার ক্ষমতা রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপজেলা — এটি সরাসরি একটি নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইন দ্বারা স্বীকৃত। B) জেলা প্রশাসন — এটি কেন্দ্রীয় সরকারের মাঠ প্রশাসনের অংশ এবং সরাসরি নির্বাচিত স্থানীয় সরকার নয়। C) স্থানীয় সরকার — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রশাসনিক একক বা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং সামগ্রিক প্রশাসনিক ব্যবস্থার একটি সাধারণ ধারণা। D) বন অধিদপ্তর — এটি সরকারের একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিশেষায়িত বিভাগ বা অধিদপ্তর। মনে রাখার টিপস: গ্রাম, উপজেলা, জেলা ও সিটি কর্পোরেশন হলো স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তর, যার মধ্যে উপজেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।
a তাজউদ্দীন আহমদ
b সৈয়দ নজরুল ইসলাম
c ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
d বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার) উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব সফলভাবে পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন। C) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — তিনি একই সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপতি হলেও পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকায় দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। মনে রাখার টিপস: অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম আর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
a আবু ওসমান চৌধুরী
b মেজর রফিকুল ইসলাম
c মেজর খালেদ মোশাররফ
d মেজর আবু তাহের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেজর খালেদ মোশাররফ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং মেলাঘর ছিল ২ নং সেক্টরের প্রধান কার্যালয়। - মেজর খালেদ মোশাররফ এই সেক্টরের প্রথম কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে মেজর এ টি এম হায়দার তাকে সহায়তা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবু ওসমান চৌধুরী — তিনি ১৯৭১ সালে ৮ নং সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) মেজর রফিকুল ইসলাম — তিনি ১৯৭১ সালে ১ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) মেজর খালেদ মোশাররফ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়। D) মেজর আবু তাহের — তিনি ১৯৭১ সালে ১১ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন এবং পরবর্তীতে আহত হয়ে একটি পা হারান। মনে রাখার টিপস: দুই নম্বর ঘরের জানালায় খালেদ মোশাররফ দাঁড়িয়ে আছেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন দুই নং সেক্টর মানেই খালেদ মোশাররফ।
a চট্টগ্রাম
b খুলনা
c ঢাকা
d বরিশাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা শহরে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনার জন্য ক্র্যাক প্ল্যাটুন গঠিত হয়েছিল। - এটি ছিল সেক্টর দুই এর অধীনে পরিচালিত একটি বিশেষ গেরিলা দল, যারা রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন সফল অপারেশন পরিচালনা করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি প্রধানত সেক্টর এক এর অধীন এলাকা ছিল এবং এখানে এম আর চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিরোধ যুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল, ক্র্যাক প্ল্যাটুন এখানে ছিল না। B) খুলনা — এটি নয় নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত একটি যুদ্ধাঞ্চল ছিল, যেখানে সুন্দরবনভিত্তিক নৌ ও স্থল কমান্ডোরা কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। D) বরিশাল — এটি দশ নম্বর সেক্টরের নৌ কমান্ডো এবং নয় নম্বর সেক্টরের অধীন একটি জলপথভিত্তিক অঞ্চল ছিল, যেখানে ক্র্যাক প্লাটুনের কার্যক্রম ছিল না। মনে রাখার টিপস: ক্র্যাক প্ল্যাটুন মানেই রাজধানী ঢাকা, যা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে ঢাকায় গেরিলা হামলা চালিয়েছিল।
a চাঁপাইনবাবগঞ্জ
b সিলেট
c লালবাগ
d বাগেরহাট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাগেরহাট কেন সঠিক: - ষাট গম্বুজ মসজিদটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহাসিক জেলা বাগেরহাটে অবস্থিত। - এটি পনেরো শতকে খান জাহান আলী কর্তৃক নির্মিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক মসজিদ ও ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত জেলা যেখানে ছোট সোনা মসজিদ ও দারাসাব মসজিদের মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে। B) সিলেট — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলা যেখানে হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহ পরানের মাজার শরিফ অবস্থিত। C) লালবাগ — এটি ঢাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক এলাকা যেখানে মোঘল আমlর লালবাগ কেল্লা অবস্থিত। D) বাগেরহাট — এটি সঠিক উত্তর কারণ ষাট গম্বুজ মসজিদ এই অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ষাট গম্বুজ মসজিদ মানেই বাগেরহাটের খান জাহান আলীর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থাপত্য।
a ১ম
b ২য়
c ৩য়
d ৪র্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২য় কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। - এই মূলনীতিগুলো দেশের আইন প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ম — এই অংশে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা, রাষ্ট্রের মূলনীতি ও সীমানা সংক্রান্ত বিষয়গুলো ১ থেকে ৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে। B) ২য় — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধানের এই অংশে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণিত হয়েছে। C) ৩য় — এই অংশে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে। D) ৪র্থ — এই অংশে নির্বাহী বিভাগ এবং রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিপরিষদ সংক্রান্ত বিধানাবলি বর্ণিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: প্রথম ভাগে রাষ্ট্র গঠিত হয়, দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ঠিক হয় এবং তৃতীয় ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার দেওয়া হয়।
a ৬৯ জন
b ৭ জন
c ১৭ জন
d ৪২৯ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও সাহসিকতার জন্য সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। - মুক্তিযুদ্ধে অসীম bravery প্রদর্শনকারী এই ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬৯ জন — এটি বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা, বীরশ্রেষ্ঠের সংখ্যা নয়। B) ৭ জন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ১৭ জন — এটি বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা। D) ৪২৯ জন — এটি বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের খেতাবগুলোর সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ৭, ১৭, ৬৮, ৪২৬ (বীরশ্রেষ্ঠ ৭, বীরউত্তম ১৭, বীরবিক্রম ৬৮, বীরপ্রতীক ৪২৬ - সংশোধিত বা প্রমিত সংখ্যা অনুযায়ী)।
a বেলজিয়াম
b ফ্রান্স
c জার্মানী
d তুরস্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেলজিয়াম কেন সঠিক: - ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। - সামরিক ও রাজনৈতিক এই জোটের প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় এখানেই পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ন্যাটোর প্রধান কার্যালয় এই দেশের ব্রাসেলস শহরে অবস্থিত। B) ফ্রান্স — ফ্রান্স ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হলেও এর সামরিক কমান্ড সদর দপ্তর বেলজিয়ামে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। C) জার্মানী — জার্মানি ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র হলেও এখানে এই সংস্থার কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর নেই। D) তুরস্ক — তুরস্ক ন্যাটো জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশ হলেও এর সদর দপ্তর এই দেশে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ন্যাটোর সদর দপ্তর ব্রাসেলসে অবস্থিত, এটি মনে রাখতে বেলজিয়ামের চকোলেটের কথা স্মরণ করতে পারেন।
a জেলা জজ
b চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
c জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
d দায়রা জজ
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কেন সঠিক: - ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। - সাধারণত জেলার জেলা প্রশাসক বা ডিসি পদাধিকারবলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা জজ — এটি বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ জেলা পর্যায়ের পদ, যার অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ কাজ করেন না। B) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট — এটি বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেসির প্রধান, যার অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ কাজ করেন না। C) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) দায়রা জজ — এটি জেলা আদালতের বিচারিক পদ, যার সাথে নির্বাহী প্রশাসনের সরাসরি অধীনতার সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: নির্বাহী ক্ষমতা ডিসি বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে থাকে, তাই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও তাঁর অধীনেই কাজ করেন।
a বিল গেটস
b মার্ক জুকারবার্গ
c মার্ক টোফেন
d স্টিভ জবস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মার্ক জুকারবার্গ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটির ধরন হলো প্রযুক্তি-সম্পর্কিত আবিষ্কার, উদ্ভাবক, প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। মার্ক জুকারবার্গ ২০০৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়িনকালে ফেয়ার নামক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি প্রতিষ্ঠা করেন যা পরবর্তীতে ফেস বুক নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফেস বুক হলো বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম। কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজের প্রোফাইল তৈরি, বন্ধু সংযোজন, ছবি ও ভিডিও আদান-প্রদান এবং বার্তা পাঠানোর সুযোগ দেয়। ব্যবহার: এটি ব্যক্তিগত যোগাযোগ রক্ষা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রচার, পণ্যের বিপণন এবং বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্ধু ও আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ ব্যাখ্যা: প্রবাসে থাকা কোনো পরিবারের সদস্যের সাথে ভিডিও কল করা বা বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে দূরত্ব কমিয়ে আনা। উদাহরণ ২: অনলাইন ব্যবসায়িক পেজ ব্যাখ্যা: কোনো উদ্যোক্তা ফেস বুকে একটি পেজ খুলে তার হাতের তৈরি পোশাক বা খাবার সারা দেশের ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল গেটস — তিনি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট করপোরেশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং ফেস বুকের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। B) মার্ক জুকারবার্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ফেস বুকের প্রধান প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। C) মার্ক টোফেন — এই নামে কোনো বিখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বা ফেস বুকের সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি নেই। D) স্টিভ জবস — তিনি অ্যাপল কোম্পানির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং আইফোন বা ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের উন্নয়নের সাথে যুক্ত ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: ম দিয়ে মেটা এবং ম দিয়ে মার্ক জুকারবার্গ মনে রাখতে পারো, কারণ ফেস বুকের মূল কোম্পানির বর্তমান নাম মেটা এবং এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফেস বুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি এবং এর বর্তমান মূল কোম্পানির নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস, ইনকরপোরেটেড।
a World wide work
b Work wait web
c World way work
d World wide web
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) World wide web ১. কেন সঠিক: - ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হলো ইন্টারনেটে থাকা বিভিন্ন ওয়েব পেজ এবং ডকুমেন্টের একটি বিশাল সমাহার। - এটি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাক্সেসযোগ্য ওয়েব পেজগুলোর একটি গ্লোবাল সিস্টেম। - কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজারের মাধ্যমে ইউআরএল ব্যবহার করে সার্ভার থেকে হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট বা ওয়েব পেজ ব্যবহারকারীর ডিভাইসে লোড করা হয়। - ব্যবহার: বিশ্বব্যাপী তথ্য খোঁজা, ব্রাউজিং, অনলাইন শপিং এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের প্রধান মাধ্যম হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগলে কোনো তথ্য খোঁজা। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী কোনো ব্রাউজারে প্রবেশ করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমে নির্দিষ্ট তথ্য বা ওয়েব পেজ খুঁজে পান। উদাহরণ ২: ইউটিউবে ভিডিও দেখা। ব্যাখ্যা: ওয়েব ঠিকানার সাহায্যে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সার্ভার থেকে ভিডিও ডেটা ব্যবহারকারীর ডিভাইসে স্ট্রিম করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) World wide work — এটি কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয় এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। B) Work wait web — এটি সম্পূর্ণ অর্থহীন শব্দগুচ্ছ এবং এর সঙ্গে ইন্টারনেট প্রযুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। C) World way work — এটি একটি ভুল শব্দবিন্যাস যার সঙ্গে ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ বা ইন্টারনেট প্রযুক্তির কোনো মিল নেই। D) World wide web — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এই প্রযুক্তির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পূর্ণরূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ মানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এটি মনে রাখতে ডব্লিউ দিয়ে শুরু হওয়া তিনটি ইংরেজি শব্দ মনে রাখতে হবে। - ইন্টারনেট এবং ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ একই জিনিস নয়, ইন্টারনেট হলো অবকাঠামো আর ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ হলো তার ওপর চলা তথ্য ভান্ডার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বা উদ্ভাবক হলেন টিম বার্নার্স লি। - এই প্রযুক্তিটি প্রথম প্রকাশিত হয় উনবিশশো নব্বই সালে।
a রিওডি জেনেরিও
b রোম
c মাদ্রিদ
d কারাকাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কারাকাস ১. কেন সঠিক: - কারাকাস হলো দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলে অবস্থিত তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি আন্দিজ পর্বতমালার একটি উপত্যকায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় নয়শত মিটার উঁচুতে অবস্থিত হওয়ায় এর জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ভেনেজুয়েলার উত্তরাংশে, ক্যারিবিয়ান সাগরের উপকূলের কাছাকাছি একটি পাহাড়ি উপত্যকায় এটি অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি দেশটির প্রধান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং এর প্রধান বিমানবন্দরও এখানে অবস্থিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বোগোটা ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আমেরিকার আরেকটি দেশ কলম্বিয়ার রাজধানী এবং এটিও আন্দিজ পর্বতমালায় উঁচুতে অবস্থিত। উদাহরণ ২: সান্তিয়াগো ব্যাখ্যা: এটি চিলির রাজধানী এবং এটিও পাহাড়ি উপত্যকায় অবস্থিত একটি প্রধান ল্যাটিন আমেরিকান শহর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিওডি জেনেরিও — এটি ভেনেজুয়েলার রাজধানী নয়, বরং এটি ব্রাজিলের একটি বিখ্যাত উপকূলীয় শহর ও সাবেক রাজধানী। B) রোম — এটি ইউরোপের দেশ ইতালির রাজধানী এবং এটি ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত। C) মাদ্রিদ — এটি ইউরোপের দেশ স্পেনের রাজধানী এবং এটি আইবেরিয়ান উপদ্বীপের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। D) কারাকাস — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী এবং সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভেনেজুয়েলা নামের সাথে কারাকাস নামের ছন্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর দিকের দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী হলো কারাকাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বgeography থেকে দেশ ও রাজধানীর নাম প্রায়ই আসে। - দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর রাজধানী ও মুদ্রার নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
a নেপাল
b লিবিয়া
c আফগানিস্তান
d শ্রীলংকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীলংকা ১. কেন সঠিক: - দ্বীপ হলো এমন একটি ভূখণ্ড যার চারপাশ জলরাশি দ্বারা সম্পূর্ণভাবে বেষ্টিত থাকে। শ্রীলংকা একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র যার চারদিকে ভারত মহাসাগর অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে ভারত মহাসাগরে ভারতের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র যার পূর্ব নাম ছিল সিলন এবং এর কোনো স্থল সীমান্ত নেই। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: - উদাহরণ ১: গ্রিনল্যান্ড - ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ যা উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত। - উদাহরণ ২: মাদাগাস্কার - ব্যাখ্যা: এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি বিশাল দ্বীপ রাষ্ট্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যার চারদিকে স্থলভাগ রয়েছে। B) লিবিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ যার উত্তরে ভূমধ্যসাগর এবং বাকি দিকগুলো স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত। C) আফগানিস্তান — এটি এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যা কোনো সাগর বা মহাসাগরের সাথে যুক্ত নয়। D) শ্রীলংকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চারদিক থেকে জলরাশি দ্বারা বেষ্টিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বীপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো চারপাশে পানি এবং মাঝে স্থলভাগ। শ্রীলংকার চারপাশেই সমুদ্রের জলরাশি রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্থলবেষ্টিত দেশ এবং দ্বীপ রাষ্ট্র সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - একই ধারণা থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ বা সবচেয়ে বড় দ্বীপ রাষ্ট্র কোনটি, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a আফগানিস্তান
b ইন্দোনেশিয়া
c ইরান
d মিশর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিশর ১. কেন সঠিক: মিশর একটি আন্তঃমহাদেশীয় দেশ হলেও এর মূল ভূখণ্ড ও বেশিরভাগ অংশ আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণ অবস্থিত। তাই ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক উভয় দিক থেকেই মিশরকে প্রধানত আফ্রিকান দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: আফ্রিকার উত্তর-পূর্ব কোণে এবং এশিয়ার সিনাই উপদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত। বৈশিষ্ট্য: মিশরের সিনাই উপদ্বীপ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত হলেও এর মূল অংশ আফ্রিকায়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: আফ্রিকা ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় মিশরকে আন্তঃমহাদেশীয় দেশ বলা হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সুয়েজ খাল ব্যাখ্যা: সুয়েজ খাল মিশরেই অবস্থিত যা ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে এবং আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে আলাদা করেছে। উদাহরণ ২: সিনাই উপদ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি মিশরের একমাত্র অংশ যা এশিয়া মহাদেশের ভূগোলের সঙ্গে যুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগানিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়া বা মধ্য এশিয়ার একটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত দেশ যা এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত। B) ইন্দোনেশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা সম্পূর্ণরূপে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। C) ইরান — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ যা এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত। D) মিশর — এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত দেশ, যদিও এর একটি ছোট অংশ এশিয়ায় রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা ও এশিয়ার মাঝে সুয়েজ খাল এবং সিনাই উপদ্বীপ রয়েছে, যার মাধ্যমে মিশর আফ্রিকা ও এশিয়াকে সংযুক্ত করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তঃমহাদেশীয় দেশগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন দেশ দুটি মহাদেশে বিস্তৃত, যেমন তুরস্ক বা রাশিয়া।
a আমাজন
b নীল নদ
c ইয়াংসিকিয়াং
d যমুনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইয়াংসিকিয়াং ১. কেন সঠিক: - ইয়াংসিকিয়াং নদী এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম এবং বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৩০০ কিলোমিটার। - এই নদীটি চীনের তিব্বত মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে পূর্ব চীন সাগরে পতিত হয়েছে এবং এটি চীনের অর্থনীতি ও যোগাযোগের প্রধান ধমনী। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: চীন, এশিয়া মহাদেশ। - বৈশিষ্ট্য: এটি সম্পূর্ণভাবে একটি দেশের মধ্যে প্রবাহিত বিশ্বের দীর্ঘতম নদী এবং এর অববাহিকায় চীনের বিশাল জনসংখ্যা ও কৃষি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: থ্রি গর্জেস ড্যাম ব্যাখ্যা: ইয়াংসিকিয়াং নদীর ওপর নির্মিত এই বাঁধটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, যা নদীটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: সাংহাই বন্দর ব্যাখ্যা: এই নদীর মোহনায় অবস্থিত সাংহাই বন্দর বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বন্দর, যা এই নদীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমাজন — এটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নয় বরং পানিপ্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী। B) নীল নদ — এটি আফ্রিকায় অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদী, তবে এটি এশিয়ায় অবস্থিত নয়। D) যমুনা — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের একটি প্রধান নদী, তবে এটি এশিয়ার দীর্ঘতম নদী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - এশিয়ার দীর্ঘ নামের নদী ইয়াংসিকিয়াং হলো এশিয়ার দীর্ঘতম নদী। - বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীল নদ হলেও এশিয়ার ক্ষেত্রে ইয়াংসিকিয়াং নাম yaad রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্ব ও মহাদেশীয় দীর্ঘতম নদীর নাম জানতে চাওয়া হয়। - একই ধারণা থেকে বিশ্বের দীর্ঘতম নদী বা চীনের দীর্ঘতম নদী সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a মিশর
b পানামা
c গ্রীস
d ব্রাজিল
ব্যাখ্যাঃ
**বিশেষ নোট:** প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে "C) গ্রীস" উল্লেখ করা থাকলেও, ভৌগোলিক তথ্য অনুযায়ী সুয়েজ খালের সঠিক অবস্থান মিশরে। তাই বিশেষজ্ঞ শিক্ষক হিসেবে সঠিক উত্তরটি সংশোধন করে "মিশর" নির্ধারণ করা হলো। সঠিক উত্তর: A) মিশর ১. কেন সঠিক: - সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক জলপথ, যা ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। - এই খালটি ভূমধ্যসাগর থেকে লোহিত সাগরে যাওয়ার পথ উন্মুক্ত করার মাধ্যমে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সামুদ্রিক বাণিজ্য দূরত্ব নাটকীয়ভাবে কমিয়ে দিয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: সুয়েজ খাল সম্পূর্ণরূপে মিশরে অবস্থিত এবং এটি এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের ভৌগোলিক সীমানারেখাও নির্দেশ করে। - বৈশিষ্ট্য: ১৮৬৯ সালে চালু হওয়া এই খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৯৩ কিলোমিটার এবং এটি কোনো প্রকার জলকপাট বা লক ছাড়া নির্মিত বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ খাল। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৫৬ সালে মিশর সরকার সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করলে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে এবং সুয়েজ সংকট সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: লন্ডন থেকে মুম্বাইগামী সমুদ্রজাহাজ ব্যাখ্যা: সুয়েজ খাল ব্যবহারের ফলে জাহাজগুলোকে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে কেপ অব গুড হোপ হয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না, যা প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার পথ কমায়। উদাহরণ ২: বৈশ্বিক বাণিজ্যের রুট ব্যাখ্যা: বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ এই খালের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — এই অপশনটি সঠিক কারণ সুয়েজ খাল মিশরের ভূখণ্ডের ওপর নির্মিত এবং এটি দেশটির সার্বভৌম নিয়ন্ত্রনাধীন। B) পানামা — এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার সংযোগস্থলে অবস্থিত পানামা খালের দেশ, সুয়েজ খালের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) গ্রীস — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ এবং বলকান উপদ্বীপের দক্ষিণাংশে অবস্থিত, সুয়েজ খালের সঙ্গে এর ভৌগোলিক কোনো সংযোগ নেই। D) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ, যা সুয়েজ খাল থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুয়েজ খাল মানেই আফ্রিকা ও এশিয়ার সংযোগকারী দেশ মিশর, আর পানামা খাল মানে আমেরিকা মহাদেশের পানামা। - সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে, যা মিশরের অর্থনীতি ও ভূরাজনীতির প্রাণকেন্দ্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে বা কোন দেশে অবস্থিত। - কৃত্রিম খাল হিসেবে সুয়েজ খালের অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার
b পর্যটন
c রামসা সাইট
d নদী বন্দর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার ১. কেন সঠিক: হালদা নদী হলো এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিকভাবে জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে ডিম ছাড়া প্রধান নদী। এখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ জাতীয় কার্পজাতীয় মাছি প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে এবং এই কারণে একে দেশের মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার বলা হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: নদীটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম জেলার খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা থেকে উৎপন্ন হয়ে ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান ও চট্টগ্রাম শহরের পাশ দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে। বৈশিষ্ট্য: এটি একটি তীব্র জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত নদী এবং এর আঁকাবাঁকা গতিপথ ও বিশেষ ভৌগোলিক পরিবেশ মাছের ডিম ছাড়ার জন্য অনুকূল আবহাওয়া তৈরি করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পদ্মাসেতু এলাকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ অবকাঠামো হলেও প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননের জন্য হালদার মতো বিখ্যাত নয়। উদাহরণ ২: সুন্দরবন অঞ্চল ব্যাখ্যা: এটি জীববৈচিত্র্য ও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের জন্য বিখ্যাত হলেও কার্পজাতীয় মাছের মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার - এটি সঠিক কারণ হালদা নদী থেকে সংগৃহীত ডিম থেকেই দেশের অধিকাংশ মাছের পোনা উৎপাদিত হয়। B) পর্যটন - হালদা নদী পর্যটনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত কোনো প্রধান পর্যটন কেন্দ্র বা আকর্ষণ নয়। C) রামসা সাইট - রামসা সাইট হলো আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি, যার মধ্যে সুন্দরবনের অংশবিশেষ ও টাঙ্গুয়ার হাওড় অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু হালদা রামসা সাইট নয়। D) নদী বন্দর - হালদা নদী বাণিজ্যিকভাবে কোনো প্রধান অভ্যন্তরীণ নদী বন্দর বা টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: হালদা মানেই মাছের মা এবং ডিম ছাড়ার স্থান। মনে রাখবে হালদা নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননের একমাত্র জীবন্ত গবেষণাগার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। হালদা নদী কোন নদীর উপনদী বা কোথায় পতিত হয়েছে, এই সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a হাকালুকি হাওড়
b মারজাত বাঁওড়
c টাঙ্গুয়ার হাওড়
d সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টাঙ্গুয়ার হাওড় ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক রামসার কনভেনশনের আওতায় বাংলাদেশের দুটি জলাভূমিকে রামসার সাইট হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে যার মধ্যে টাঙ্গুয়ার হাওড় অন্যতম। এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলজ ecosystems রক্ষায় আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি এবং মাছ ও পরিযায়ী পাখির এক বিশাল অভয়াশ্রম। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সুন্দরবন ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট যা বিশ্ব ঐতিহ্যের পাশাপাশি রামসার কনভেনশনের তালিকাভুক্ত। উদাহরণ ২: হাকালুকি হাওড় ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি তবে আনুষ্ঠানিকভাবে রামসার সাইটের মর্যাদাপ্রাপ্ত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাকালুকি হাওড় — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওড় হলেও বর্তমানে আনুষ্ঠানিক রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত নয়। B) মারজাত বাঁওড় — এটি ঝিনাইদহ জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁওড় যা রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। C) টাঙ্গুয়ার হাওড় — এটি আন্তর্জাতিক রামসার কনভেনশনের তালিকাভুক্ত বাংলাদেশের একটি স্বীকৃত জলাভূমি। D) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের অংশ হলেও রামসার সাইট নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে রামসার সাইট মাত্র দুটি অর্থাৎ সুন্দরবন এবং টাঙ্গুয়ার হাওড়। সুন্দরবন উপকূলীয় আর টাঙ্গুয়ার হাওড় হাওড় অঞ্চলের একমাত্র প্রতিনিধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টাঙ্গুয়ার হাওড় কোন জেলায় অবস্থিত এবং এটি কত সালে রামসার সাইট হয়, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই প্রশ্নটি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ৬,৫১৪ কিমি
b ৪,১৫৬ কিমি
c ৩,০১৫ কিমি
d ৭১৬ কিমি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪,১৫৬ কিমি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৪,১৫৬ কিলোমিটার বা প্রায় ৪,০৯৬ কিলোমিটার বিভিন্ন দাপ্তরিক রেকর্ডে উল্লেখ থাকে। - এটি বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ স্থলসীমান্ত এবং ভারতের সঙ্গে কোনো একক দেশের সীমান্তগুলোর মধ্যে দীর্ঘতম। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত, যা তিন দিক থেকে ভারতকে ঘিরে রেখেছে। - বৈশিষ্ট্য: এই সীমান্তটি মূলত সমতল ভূমি, নদীমাতৃক এলাকা এবং পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে জটিলভাবে বিস্তৃত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এই সীমান্তে ছিটমহল বিনিময় ২০১৫ সালের ১ আগস্ট সম্পাদিত হয়, যা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সঙ্গে। উদাহরণ ২: আসাম রাজ্য ব্যাখ্যা: উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম রাজ্যও বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত ভাগ করে নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬,৫১৪ কিমি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় এবং এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত দূরত্বের সঙ্গে মেলে না। B) ৪,১৫৬ কিমি — এটি সঠিক উত্তর এবং দুই দেশের স্থলসীমান্তের দাপ্তরিক দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে। C) ৩,০১৫ কিমি — এই সংখ্যাটি ভুল এবং এটি অন্য কোনো দেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য নির্দেশ করতে পারে। D) ৭১৬ কিমি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে, যা ভারতের সীমান্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার জন্য সংখ্যাটি মনে রাখুন চার-এক-পাচ-ছয়। - বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ৪ হাজার, মিয়ানমার সীমান্ত ৭ শ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে মিয়ানমারের সীমান্ত দৈর্ঘ্য বা ভারতের কোন রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত বেশি, তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (25)

a মানসী
b বীরাঙ্গনা
c চিন্তা তরঙ্গিনী
d কালের শাসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীরাঙ্গনা ১. কেন সঠিক: - বীরাঙ্গনা কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য এবং এর রচয়িতা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - প্রাচীন ও পৌরাণিক কাহিনীর ভিত্তিতে নারীর আত্মোপলব্ধি ও প্রেমবেদন এই কাব্যের মূল ভিত্তি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেট প্রবর্তন করে আধুনিকতার সূচনা করেন। - বীরাঙ্গনা কাব্যটি Ovid রচিত Heroides কাব্যের অনুসরণে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত একাদশটি পত্রাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানসী — মানসী কাব্যটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত এবং এর প্রকাশকাল ১৮৯০ সাল। B) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি পত্রকাব্য এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) চিন্তা তরঙ্গিনী — চিন্তা তরঙ্গিনী কাব্যটি কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। D) কালের শাসন — কালের শাসন নামে কোনো বিখ্যাত মৌলিক কাব্য বা সাহিত্যকর্ম মাইকেল মধুসূদন দত্তের নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং বীরাঙ্গনা হলো তাঁর রচিত একমাত্র পত্রকাব্য। - নারী চরিত্রের বিদ্রোহী রূপ দেখতে পেলেই তা মধুসূদনের বীরাঙ্গনা কাব্য বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে প্রথম পত্রকাব্য কোনটি এমন প্রশ্ন এলে উত্তর হবে বীরাঙ্গনা কাব্য। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a আট প্রহর
b জ্বলন্ত প্রদীপ
c একমাত্র বংশধর
d দীপশিখা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একমাত্র বংশধর ১. কেন সঠিক: - 'শিবরাত্রির সলতে' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ একমাত্র বংশধর বা একমাত্র অবলম্বন। - শিবরাত্রির রাতে সারারাত প্রদীপ বা সলতে জ্বালিয়ে রাখা হয়, যেখানে সলতেটিই একমাত্র আলোর উৎস হয়ে থাকে। এই রূপক থেকেই পরিবারে বেঁচে থাকা একমাত্র সন্তান বা উত্তরাধিকারীকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. বাগধারা ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - লোকায়ত জীবন, সংস্কৃতি এবং উপমা থেকে বাংলা ভাষার বেশিরভাগ বাগধারা গড়ে উঠেছে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃদ্ধ বয়সে রহিমই তার বাবা-মায়ের একমাত্র শিবরাত্রির সলতে। ব্যাখ্যা: এখানে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের শেষ বয়সের একমাত্র অবলম্বন বা সন্তান বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বংশের প্রদীপ হিসেবে ওই একটি ছেলেই তাদের পরিবারের শিবরাত্রির সলতে। ব্যাখ্যা: বংশে আর কেউ বেঁচে নেই, কেবল ওই ছেলেই একমাত্র বংশধর—এই বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আট প্রহর — 'আট প্রহর' বাগধারাটির অর্থ সারাদিন বা সর্বদা, যা একমাত্র বংশধর অর্থ প্রকাশ করে না। B) জ্বলন্ত প্রদীপ — 'জ্বলন্ত প্রদীপ' আক্ষরিক অর্থ হলেও বাগধারার বিশেষ অর্থে এটি একমাত্র বংশধর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) দীপশিখা — 'দীপশিখা' দ্বারা প্রদীপের শিখাকে বোঝায়, যা প্রমিত অর্থে একমাত্র বংশধরের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিবরাত্রির দিনে যেমন একটিমাত্র সলতে জ্বালিয়ে সারা রাত আলো টিকিয়ে রাখা হয়, তেমনি পরিবারে বেঁচে থাকা একমাত্র সন্তানকেই বংশের আলো বা একমাত্র বংশধর মনে করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিবারিক সম্পর্ক বা একমাত্র অবলম্বন বোঝাতে এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারা প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। - বাগধারা মুখস্থ না করে তার পেছনের উৎসমূল ও রূপক অর্থ বুঝতে পারলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a ১৯১৩ সালে
b ১৯২০ সালে
c ১৯২৩ সালে
d ১৯২৪ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ সালে ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস নামে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: ডব্লিউ বি ইয়েট্স ব্যাখ্যা: তিনি সং অফারিংস কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত ভূমিকাটি লিখেছিলেন যা নোবেল প্রাপ্তিতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই বছরেই তিনি নোবেল পুরস্কার পান। B) ১৯২০ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে তিনি কোনো নোবেল পুরস্কার পাননি। C) ১৯২৩ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়। D) ১৯২৪ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে তিনি নোবেল পাননি। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৩ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন কারণ ১৯১৩ সাল নোবেল প্রাপ্তির বছর। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের সাল এবং নোবেল প্রাপ্তির সাল একই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সংবাদ পান। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী হিসেবে তাঁর নাম ও সাল জানতে চাওয়া হয়।
a ভারতচন্দ্র
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। মধ্যযুগের অন্তিম পর্ব এবং আধুনিক যুগের সূচনার মধ্যবর্তী সময়ে তিনি উভয় যুগের বৈশিষ্ট্যের সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণকে বোঝাতে এই উপাধি ব্যবহার করা হয়। তিনি প্রাচীন বা মধ্যযুগের ছান্দনিক ধারা ও বিষয়বস্তুর সঙ্গে আধুনিক যুগের স্বদেশের প্রীতি, সমাজ সচেতনতা ও সাময়িক সংবাদ পরিবেশনার মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে এই পত্রিকা সম্পাদনা শুরু করেন যা আধুনিক সাংবাদিকতার বিকাশ ঘটিয়েছে। উদাহরণ ২: কবিজীবনী ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের জীবনী নিয়ে তিনি প্রথম গবেষণামূলক ও সাহিত্যিক কাজ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং আধুনিক লিরিক কবিতার অগ্রদূত। D) মধুসূদন দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা এবং আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মাঝের সেতু বা সন্ধি গড়েন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। গুপ্ত অর্থ সংগুপ্ত বা সন্ধিযুক্ত হিসেবে এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। যুগসন্ধিক্ষণ মানে দুটি যুগের সংযোগস্থল।
a বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c কাজী ইমদাদুল হক
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'পথের দাবী' হলো বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যার রচয়িতা অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। উপন্যাসটির মূল সুর হলো দেশপ্রেম, বিপ্লববাদ এবং ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জগতে অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন কথাসাহিত্যিক যিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন। 'পথের দাবী' উপন্যাসটি প্রকাশের পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার এটি বাজেয়াপ্ত বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বিয়োগান্তক প্রণয় উপন্যাস। উদাহরণ ২: গৃহদাহ ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত মানবীয় সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন বরং প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঔপন্যাসিকই বিখ্যাত 'পথের দাবী' উপন্যাসটি রচনা করেছেন। C) কাজী ইমদাদুল হক — ইনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন বরং মুসলিম সমাজ সংস্কারের ওপর রচিত 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন বরং বাংলা উপন্যাসের আদিগুরু এবং 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের যে উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল অর্থাৎ যার পেছনে সরকারের অনেক দাবি ছিল, তা হলো পথের দাবী। বিপ্লবী চেতনা ও দেশপ্রেমের উপন্যাস মনে রাখলেই শরৎচন্দ্রের 'পথের দাবী' নামটি সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল যার উত্তর হলো 'পথের দাবী'। একই লেখকের অন্যান্য জনপ্রিয় উপন্যাসের নাম এবং চরিত্রগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a নিষিদ্ধ লোবান
b নেকড়ে অরণ্য
c বন্দী শিবির থেকে
d রাত্রিশেষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বন্দী শিবির থেকে ১. কেন সঠিক: - 'বন্দী শিবির থেকে' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। - কবি শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ এই কবিতাগুলো রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - ১৯৭১ সালের উত্তাল ও ভীতিপ্রদ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতাগুলো বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের চেতনাকে মূর্ত করে তুলেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমাকেই বলছি, হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা। উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা শামসুর রাহমানের একটি অনন্য সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। B) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হলেও কাব্যগ্রন্থ নয়। C) বন্দী শিবির থেকে — এটি সঠিক অপশন এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। D) রাত্রিশেষ — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি নাটক, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান মানেই বন্দি শিবির থেকে মুক্তির গান। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে কবির নাম ও কাব্যগ্রন্থের নামের যুগলবন্দী মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়। - রচনার ধরন বা Genre ভালোভাবে খেয়াল করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a নাটক
b উপন্যাস
c কাব্য
d দিনলিপি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দিনলিপি ১. কেন সঠিক: - কারাগারের রোজনামচা একটি ঐতিহাসিক দিনলিপি বা ডায়েরি গ্রন্থ যার লেখক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - রোজনামচা শব্দের অর্থ হলো প্রতিদিনের ঘটিত ঘটনার বিবরণ বা ডায়েরি লেখার খাতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থটির লেখক হলেন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - এটি বাংলা একাডেমি থেকে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর মুখবন্ধ লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা অপর একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়া চীন ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের দিনলিপিভিত্তিক আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — কারাগারের রোজনামচা কোনো কল্পকাহিনি বা মঞ্চে অভিনীত নাটক নয়, এটি বাস্তব জীবনের দিনলিপি। B) উপন্যাস — এটি কাল্পনিক কোনো ঘটনার ওপর রচিত উপন্যাস নয়, বরং বাস্তব জেলের ভেতরের দিনগুলোর সত্য বিবরণ। C) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে লেখা ঐতিহাসিক দলিলের ডায়েরি। D) দিনলিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বইটিতে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত জেলের ভেতরের দিনগুলোর ডায়েরি লিপিবদ্ধ রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের রোজনামচা শব্দটি দেখলেই মনে রাখতে হবে এটি একটি ডায়েরি বা দিনলিপি। - বঙ্গবন্ধুর লেখা বইগুলোর মধ্যে দিনলিপি হলো কারাগারের রোজনামচা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা মোট গ্রন্থ তিনটি যথা অসমাপ্ত আত্মজীবনী কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়া চীন। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসব গ্রন্থের নাম এবং প্রকাশকাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a আহসান হাবীব
b শামসুর রাহমান
c হাসান আজিজুল হক
d আল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - 'বিধ্বস্ত নীলিমা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - এই কাব্যগ্রন্থে কবির স্বদেশের প্রতি অনুরাগ, সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নাগরিক জীবনের নানা অনুভূতি শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও সাংবাদিক। - ১৯২৯ সালের ২৩শে অক্টোবর পুরান ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী এই কবি নাগরিক জীবন, দ্রোহ ও প্রেমের কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রথমা' ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমান রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্যরীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: 'রৌদ্র করোটিতে' ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত ও মৌলিক কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহসান হাবীব — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'বিধ্বস্ত নীলিমা' কাব্যগ্রন্থটি তার রচনা নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'রাত্রি শেষ'। B) শামসুর রাহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি তার দীর্ঘ সাহিত্যিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। C) হাসান আজিজুল হক — ইনি মূলত একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ছোটগল্পকার ছিলেন, কোনো কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে তিনি পরিচিত নন। D) আল মাহমুদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি হলেও 'বিধ্বস্ত নীলিমা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'সোনালী কাবিন'। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য তার 'বিধ্বস্ত নীলিমা', 'রৌদ্র করোটিতে' ও 'প্রথমা' নামগুলো একত্রে বারবার চর্চা করতে পারো। - কবি শামসুর রাহমান আধুনিক নাগরিক চেতনার কবিতা লিখে অমর হয়ে আছেন, এই তথ্যটি তার সাহিত্যকর্ম চেনার সহজ উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি শামসুর রাহমানের জন্মসাল, পেশা এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a ছোটগল্প
b উপন্যাস
c কবিতা
d নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছোটগল্প ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের শাখাগুলোর মধ্যে ছোটগল্প হলো সবচেয়ে নবীন বা আধুনিকতম সংযোজন। ফরাসি ঔপন্যাসিক ও সমালোচক এডগার অ্যালান পো ছোটগল্পের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, ছোটগল্প এমন এক সাহিত্যকর্ম যা এক বৈঠকে পড়ে শেষ করা যায় এবং যার লক্ষ্য একক প্রভাব সৃষ্টি করা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের জনক বা সার্থক স্রষ্টা হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৮৯১ সালে সাধনা পত্রিকায় প্রকাশিত হৈমন্তী বা দেনাপাওনা কিংবা তারও আগে প্রকাশিত ভিক্ষারিণী গল্পের মাধ্যমে বাংলা ছোটগল্পের আধুনিক ধারার সূচনা ঘটে। বিশ্বসাহিত্যের প্রভাবে উনিশ শতকের শেষভাগে বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'একরাত্রি' একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। ব্যাখ্যা: এতে জীবনের এক আকস্মিক পরিবর্তন এবং ছোট পরিসরে গভীর মানবজীবনের উপলব্ধি প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: কথাসাহিত্যিক বনফুলের 'নির্দোষ' একটি অতি সংক্ষিপ্ত গল্প। ব্যাখ্যা: এটি ছোটগল্পের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য তথা সংক্ষিপ্ততা ও প্রতীকী ব্যঞ্জনাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা সাহিত্যের শাখাগুলোর মধ্যে এটি সর্বশেষে আত্মপ্রকাশ করেছে। B) উপন্যাস — এটি নাটক ও কবিতার বহু পরে এলেও ছোটগল্পের পূর্বে বাংলা সাহিত্যে এর সার্থক রূপ বিকাশ লাভ করেছিল। সি) কবিতা — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কারণ চর্যাপদ থেকেই কবিতার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের সূচনা হয়েছে। D) নাটক — এটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বিভিন্ন রূপ (যেমন যাত্রা ও পালাগান) হয়ে আধুনিক যুগে প্রবেশ করায় এটি আধুনিকতম শাখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কবিতা আর আধুনিকতম শাখা ছোটগল্প এটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে কবিতা শুরুতেই ছিল আর ছোটগল্প সবার শেষে এসে যুক্ত হয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে তাই প্রাচীন ও আধুনিক এই দুটি রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সার্থক ছোটগল্পকার মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রমথ চৌধুরী। বাংলা সাহিত্যের কালক্রম মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b আবদুল গাফফার চৌধুরী
c গোলাম সারওয়ার
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোলাম সারওয়ার ১. কেন সঠিক: - 'আমার যত কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা বাংলাদেশের বরেণ্য সাংবাদিক ও কলামিস্ট গোলাম সারওয়ার। - এটি তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ বা স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ, যেখানে সমসাময়িক সমাজ ও রাজনীতির নানা কথা উঠে এসেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গোলাম সারওয়ার বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি দীর্ঘকাল সফলতার সঙ্গে দৈনিক সমকাল ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। - সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমৃত্যু সাংবাদিক ব্যাখ্যা: এটি গোলাম সারওয়ারের সাংবাদিকতা জীবন নিয়ে লেখা একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সংলাপে সমকাল ব্যাখ্যা: এটি গোলাম সারওয়ারের সম্পাদিত ও রচিত বিভিন্ন নিবন্ধের একটি সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক হলেও 'আমার যত কথা' গ্রন্থের লেখক নন, তিনি একাত্তরের দিনগুলি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত। B) আবদুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত ভাষা আন্দোলনের গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো এর রচয়িতা এবং প্রাবন্ধিক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। C) গোলাম সারওয়ার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই সাহিত্যকর্ম। D) সেলিনা হোসেন — তিনি বাংলাদেশের সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক হলেও এই প্রবন্ধ গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের কথা মনে রাখলেই তাঁর লেখা 'আমার যত কথা' গ্রন্থটির নাম সহজে মনে রাখা যাবে। - তাঁর নামের সঙ্গে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার সম্পর্ক গভীর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত সম্পাদক ও সাংবাদিকদের লেখা গ্রন্থ প্রায়ই আসে। - গোলাম সারওয়ারের পেশাগত জীবন এবং তাঁর সাংবাদিকতা বিষয়ক গ্রন্থগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কুলা
b ডাব
c চুলা
d চাবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাবি ১. কেন সঠিক: - চাবি একটি পর্তুগিজ শব্দ, তাই এটি দেশি শব্দ নয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে পর্তুগিজ শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - ভারতের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: ডাব ব্যাখ্যা: ডাব একটি খাঁটি দেশি শব্দ, যা গ্রামীণ জনপদে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলা - এটি একটি দেশি শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) ডাব - এটিও দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত, তাই এটি উত্তর হবে না। C) চুলা - এটিও দেশি শব্দের একটি প্রচলিত উদাহরণ। D) চাবি - এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগਤ বিদেশি শব্দ, তাই এটি দেশি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে চাবি, বালতি, তামাক, আনারস একত্রে পড়তে পারো। - দেশি শব্দ চেনার জন্য কুলা, ঢোল, চোঙা, ডাব শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ (যেমন পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দের উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে এসকল প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a আলাওল
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c মোহাম্মদ কবীর
d কাজী দৌলত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলাওল ১. কেন সঠিক: - পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি মহাকবি আলাওল। - এটি আরাকান রাজসভার প্রখ্যাত কবি আলাওলের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি। - পদ্মাবতী কাব্যটি মূলত হিন্দি ভাষার কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত কাব্যের ভাবানুবাদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটি মহাকবি আলাওলের রচিত অপর একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য। উদাহরণ ২: সপ্তপয়কর ব্যাখ্যা: ফার্সি কবি নিজামী গঞ্জবীর হস্তীবিহাদ অবলম্বনে আলাওল এই কাব্যটি রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম দিকের কবি এবং ইউসুফ জোলেখা কাব্যের রচয়িতা। C) মোহাম্মদ কবীর — তিনি মধুমালতী কাব্যের রচয়িতা যা মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান। D) কাজী দৌলত — তিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের প্রথমাংশের রচয়িতা এবং আলাওলের সমসাময়িক কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্মাবতী কাব্যের সঙ্গে আলাওল নামটি মনে রাখতে পদ্ম পাতার ওপর আলতা বা আলাওল এভাবে মিলিয়ে নিতে পারো। - মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে আলাওলের নাম সবার আগে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আরাকান রাজসভার কবি এবং তাদের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত কাব্য অবলম্বনে আলাওল পদ্মাবতী রচনা করেছেন এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a ২০টি
b ২১টি
c ১৯টি
d ২৩টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ মোট বিশটি। এই উপসর্গগুলো তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ থেকেই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং তৎসম শব্দের আগেই সাধারণত ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বা শব্দাংশ মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায়, তাদের উপসর্গ বলে। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত যেমন তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র উপসর্গ যোগে প্রগতি শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ অগ্রগতি। ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ গতির পূর্বে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি উপসর্গ যোগে পরিভ্রমণ শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ চারপাশে ঘোরা। ব্যাখ্যা: এখানে ভ্রমণ শব্দের পূর্বে পরি উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা বিশটি। B) ২১টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় একুশটি তৎসম উপসর্গ নেই। C) ১৯টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ উনিশটি তৎসম উপসর্গ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। D) ২৩টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ তেইশটি কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গের সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশটি তৎসম উপসর্গ মনে রাখার একটি বিখ্যাত পংক্তি হলো প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি সু অভি প্রতি অপি। এই পংক্তিটি মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে সংখ্যাটি ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা ও বিদেশি উপসর্গের সংখ্যা থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি।
a সুফিয়া কামাল
b রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
c জাহানারা ইমাম
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১. কেন সঠিক: সুলতানার স্বপ্ন বা সুলটানাস ড্রিম হলো বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ও কল্পবিজ্ঞানমূলক সাহিত্যকর্ম। এই গ্রন্থটি মূলত নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমাজের পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোর বিরুদ্ধে একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ও ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তার এই ইংরেজি ভাষায় রচিত 'সুলটানাস ড্রিম' গ্রন্থটি ১৯০৫ সালে মাদ্রাজ থেকে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেই এর বাংলা অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি ও সাহিত্যিক হলেও তিনি 'সুলতানার স্বপ্ন' রচনা করেননি। B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — এটি সঠিক উত্তর। C) জাহানারা ইমাম — জাহানারা ইমাম একজন কথাসাহিত্যিক ও শহীদ জননী হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। D) সেলিনা হোসেন — সেলিনা হোসেন সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তিনি 'সুলতানার স্বপ্ন' লেখেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: নারীবাদী ও স্বপ্ন নিয়ে কোনো সাহিত্যকর্ম থাকলে এবং সেটি বেগম রোকেয়ার হলে, তা মূলত নারী জাগরণের চিন্তা থেকে লেখা হয়েছে। রোকেয়া মানেই নারী জাগরণ এবং সুলতানার স্বপ্ন হলো তার সেই স্বপ্নের একটি কাল্পনিক রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ও মৃত্যু দিবস ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস হিসেবে পালিত হয়। তার রচিত 'সুলতানার স্বপ্ন' গ্রন্থটি ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম দিকের নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক রচনাগুলোর একটি।
a বিদ্যাপতি
b জ্ঞানদাস
c বৃন্দাবন দাস
d গোবিন্দ দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃন্দাবন দাস ১. কেন সঠিক: - 'চৈতন্য-ভাগবত' মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের ওপর রচিত প্রথম প্রামাণিক ও পূর্ণাঙ্গ বাংলা জীবনীগ্রন্থ। - বৃন্দাবন দাস ঠাকুর এই মহাকাব্যতুল্য গ্রন্থটি রচনা করেন এবং মহাপ্রভুর লীলার আদি কথক হিসেবে তাঁকে বাংলা সাহিত্যের বেদব্যাস বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বৃন্দাবন দাস ঠাকুর শ্রীচৈতন্যদেবের পার্ষদ শ্রী নিত্যানন্দ প্রভুর কৃপাধন্য ছিলেন এবং তিনি শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের অনেক প্রামাণিক তথ্য তাঁর রচনায় তুলে ধরেছেন। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য বিশেষ করে চৈতন্য-কেন্দ্রিক জীবনীসাহিত্যের ইতিহাসে এই গ্রন্থটি অত্যন্ত প্রামাণিক ও ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ব্যাখ্যা: এটি কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী রচিত শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের ওপর আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণিক জীবনীগ্রন্থ। উদাহরণ ২: চৈতন্যমঙ্গল ব্যাখ্যা: লোচন দাস ও জয়ানন্দ রচিত শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক অপর দুটি বিখ্যাত মধ্যযুগীয় কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যাপতি — তিনি মধ্যযুগের মৈথিলি কোকিল ও বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা, চৈতন্য-ভাগবত তাঁর রচিত নয়। B) জ্ঞানদাস — তিনি মধ্যযুগের প্রখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা ও কবি, তবে তিনি চৈতন্য-ভাগবত রচনা করেননি। C) বৃন্দাবন দাস — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চৈতন্য-ভাগবতের রচয়িতা। D) গোবিন্দ দাস — তিনি ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা এবং কড়চা রচয়িতা, চৈতন্য-ভাগবতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বৃন্দাবন মানেই কৃষ্ণ ও চৈতন্যলীলা, তাই চৈতন্যদেবের জীবনীগ্রন্থ চৈতন্য-ভাগবত লিখেছিলেন বৃন্দাবন দাস। - পদকর্তা ও জীবনীকারদের নাম গুলিয়ে না ফেলে চৈতন্য-ভাগবতের রচয়িতা হিসেবে বৃন্দাবন দাস নামটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের জীবনীসাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চৈতন্য-ভাগবতের রচয়িতা বৃন্দাবন দাস এবং চৈতন্যচরিতামৃতের রচয়িতা কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী, এই দুটি গ্রন্থ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a চর্যাপদ
b শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
c বৈষ্ণব পদাবলী
d মঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করে আছে। - ঐতিহাসিক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে ১৯০৭ সালে এর পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় অনুভূতির প্রকাশ। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি একটি সাহিত্যিক রচনা যা চর্যাপদের মতো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ধারার বাইরে আধুনিক যুগের একটি বিখ্যাত কবিতা। উদাহরণ ২: মৈমনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য নিদর্শন যা মধ্যযুগের না হলেও লোকায়ত বাংলার ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক দলিল। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস রচিত কাব্য, যা আদি নিদর্শন নয়। C) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা যা চর্যাপদের বহু পরে রচিত হয়। D) মঙ্গল কাব্য — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিশেষ এক শাখা যা দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বললে চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর নির্বাচন করবে কারণ এটি প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক। - আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং সাল ১৯০৭ মনে রাখলে এই সংক্রান্ত অনেক প্রশ্নের উত্তর সহজ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের স্থান এবং ভাষা নিয়ে বারবার প্রশ্ন আসে। - আদি নিদর্শন এবং মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন কোনটি, এই দুটি তথ্য আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বাংলা চলিত রীতির প্রবক্তা ও বিখ্যাত প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে 'সবুজ পত্র' পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। - প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাহিত্যপত্রিকা এবং তার সম্পাদক নির্ধারণ করা, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লেখা প্রবর্তনকারী এবং বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার রূপকার। - 'সবুজ পত্র' পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির সফল প্রয়োগ ঘটে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকায় তাঁর বহু রচনা প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বীরবলের হালখাতা' ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে তাঁর স্বাতন্ত্র্যমণ্ডিত কথ্যরীতির গদ্যশৈলী ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: 'তেল নুন লাকড়ি' ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর একটি জনপ্রিয় প্রবন্ধ সংকলন যা তাঁর রূঢ় বাস্তবধর্মী ও বুদ্ধিবৃত্তিক রচনার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং 'সোমপ্রকাশ' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি 'সবুজ পত্র' পত্রিকায় নিয়মিত ও প্রধান লেখক ছিলেন এবং তাঁর অনেক উপন্যাস এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়, কিন্তু এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বিখ্যাত বিদ্রোহী কবি এবং 'লাঙল' ও 'ধূমকেতু' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সবুজ পত্র'-এর সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। D) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'সবুজ পত্র' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবুজ পত্রের সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সবুজ পাতার মধ্যে বীরবল চৌধুরী ঘুরে বেড়ান (এখানে বীরবল তাঁর ছদ্মনাম)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'সবুজ পত্র' পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের মে মাসে এবং এটি বাংলা সাহিত্যে সবুজপত্র গোষ্ঠী বা সাবুজপত্র যুগ সৃষ্টি করেছিল। - এই ধরনের সাহিত্যপত্রিকা থেকে প্রশ্ন এলে পত্রিকার প্রকাশকাল এবং সম্পাদকের নাম একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a মাহবুব উল আলম
b আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবুল ফজল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: অমর একুশের প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারী' ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি সম্পাদনা করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। এই সংকলনটিতে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন লেখা ও কবিতা স্থান পেয়েছিল যা আমাদের জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও সাহিত্য সমালোচক। তার সম্পাদনায় প্রকাশিত 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলনটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম প্রামাণিক দলিল ও সাহিত্যের অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: আর্ত শব্দাবলী ব্যাখ্যা: এটি হাসান হাফিজুর রহমানের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে তার কবিপ্রতিভার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহবুব উল আলম — তিনি একজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও এই ঐতিহাসিক সংকলনটি তিনি সম্পাদনা করেননি। B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — তিনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত 'কোথায় সে স্বর্গ, কোথায় সে রাজ্য' ও 'মা গো ভাবছি গান' কবিতার রচয়িতা হলেও এই সংকলনের সম্পাদক নন। C) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি অমর একুশের প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সফলভাবে সম্পাদনা করেছিলেন। D) আবুল ফজল — তিনি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট সংকলন সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: একুশ মানেই প্রথম প্রকাশ এবং প্রথম প্রকাশের কাজটি করেছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। মনে রাখার সূত্র হলো একুশের প্রথম সংকলন সম্পাদনায় হাসান সাহেব সবার আগে ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারী' প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে। এই ধরনের সাহিত্যিক সংকলনের সম্পাদক ও প্রকাশের সাল প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a আহসান হাবীব
b ফররুখ আহমদ
c সৈয়দ শামসুল হক
d আল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আহসান হাবীব ১. কেন সঠিক: - 'ছায়াহরিণ' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি আহসান হাবীবের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যগ্রন্থে কবির নিভৃতচারী মনন, নাগরিক জীবনের নিঃসঙ্গতা এবং সৌন্দর্যচেতনার শৈল্পিক প্রকাশ ঘটেছে যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আহসান হাবীব আধুনিক বাংলা কাব্যাঙ্গনে নিভৃতচারী ও পরিচ্ছন্ন শিল্পবোধের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। - তাঁর কবিতায় মৃদু সুর, জীবনের গভীর অনুভব এবং মানবপ্রেমের নিপুণ অভিব্যক্তি লক্ষ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রাত্রিশেষ' ব্যাখ্যা: এটি আহসান হাবীবের রচিত আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' ব্যাখ্যা: এটিও কবি আহসান হাবীবের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যিক খ্যাতির অন্যতম ভিত্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহসান হাবীব - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিই 'ছায়াহরিণ' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা। B) ফররুখ আহমদ - তিনি পাকিস্তান আমলের অন্যতম প্রধান মুসলিম রেনেসাঁসের কবি হলেও 'ছায়াহরিণ' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'সাত সাগরের মাঝি'। C) সৈয়দ শামসুল হক - তিনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও 'ছায়াহরিণ' তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়, তাঁর কাব্য 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'। D) আল মাহমুদ - তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'ছায়াহরিণ' তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'সোনালী কাবিন'। ৫ মনে রাখার টিপস: - আহসান হাবীবের নাম মনে রাখার সাথে সাথে তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'ছায়াহরিণ' ও 'রাত্রিশেষ' একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - কবি আহসান হাবীব মানেই এক স্নিগ্ধ ও পরিশীলিত কাব্যভাষার অনন্য প্রতিচ্ছবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশিষ্ট কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবি ও কাব্যগ্রন্থের নাম পড়ার সময় লেখকের মূল ধারা বা স্বাতন্ত্র্য মনে রাখা জরুরি।
a সৈয়দ মুজতবা আলী
b অন্নদাশঙ্কর রায়
c আবুল ফজল
d জসিম উদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্নদাশঙ্কর রায় ১. কেন সঠিক: 'পথে প্রবাসে' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। প্রখ্যাত লেখক ও প্রাবন্ধিক অন্নদাশঙ্কর রায়ের লেখা এই গ্রন্থটিতে তাঁর বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: অন্নদাশঙ্কর রায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের এক অন্যতম বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও কবি। তিনি তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা এবং মননশীল রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাপানে ব্যাখ্যা: এটিও অন্নদাশঙ্কর রায়ের লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণসাহিত্য। উদাহরণ ২: সত্যসন্ধ ব্যাখ্যা: এটি অন্নদাশঙ্কর রায়ের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ মুজতবা আলী — সৈয়দ মুজতবা আলী বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি 'দেশে বিদেশে' লিখেছিলেন কিন্তু 'পথে প্রবাসে' তার গ্রন্থ নয়। B) অন্নদাশঙ্কর রায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'পথে প্রবাসে' গ্রন্থটি অন্নদাশঙ্কর রায়েরই রচনা। C) আবুল ফজল — আবুল ফজল একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই ভ্রমণগ্রন্থটি তার লেখা নয়। D) জসিম উদ্দীন — জসিম উদ্দীন মূলত পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তার রচনার ধরন সম্পূর্ণ ভিন্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: অন্নদাশঙ্কর রায়ের নাম মনে রাখলেই ভ্রমণসাহিত্যের ক্ষেত্রে 'পথে প্রবাসে' ও 'জাপানে' গ্রন্থদুটির কথা মাথায় রাখতে হবে। ভ্রমণ করতে ভালোবাসতেন বলেই তিনি সুন্দর ভ্রমণকাহিনি উপহার দিয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণকাহিনি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিখ্যাত লেখকদের ভ্রমণসাহিত্য আলাদা করে তালিকা করে পড়া উচিত।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b কায়কোবাদ
c মীর মোশাররফ হোসেন
d আলাওল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক মহাকাব্য রচয়িতা হিসেবে পরিচিত এবং তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি বলা হয়। - বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করে তিনি এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি ও নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যের ক্ষেত্রেও প্রথম ট্র্যাজেডি নাটক পদ্মাবতী এবং প্রহসন একেই কি বলে সভ্যতা ও বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এতে তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ সফলভাবে ব্যবহার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য রচনা করে প্রথম মহাকবির মর্যাদা লাভ করেছেন। B) কায়কোবাদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট মহাকাব্য রচয়িতা হলেও প্রথম মহাকবি নন, তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশান। C) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধ রচনার জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে তাঁর বিষাদ সিন্ধু একটি জনপ্রিয় গদ্য উপন্যাস। D) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি, যিনি আরাকান রাজসভায় বসে পদ্মাবতী কাব্য অনুবাদ করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: মহাকাব্যের সাথে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম সরাসরি যুক্ত, তাই প্রথম মহাকবি বললে চোখ বন্ধ করে তাঁর নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হলো মেঘনাদবধ কাব্য এবং এর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
a অগ্নিবীণা
b ব্যথার দান
c রাজবন্দীর জবানবন্দী
d যুগবাণী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যথার দান ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। এটি ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই নজরুল সাহিত্যের অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা হলেও প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্ম বা গ্রন্থ হলো ব্যথার দান গল্পগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাউণ্ডেলের আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ এবং এর প্রকাশকাল ১৯২৬ সাল। উদাহরণ ২: রিক্তের বেদন ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের তৃতীয় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ নয়। C) রাজবন্দীর জবানবন্দী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন ও রাজদ্রোহমূলক রচনা। D) যুগবাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্য হলো অগ্নিবীণা এবং প্রথম প্রকাশিত গদ্য বা গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। এই দুটি বিষয় পরীক্ষার সময় গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম প্রকাশিত কাব্য এবং প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। নজরুলের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ এবং তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর নাম বারবার চর্চা করতে হবে।
a মুমর্ষু
b মুমূর্ষু
c মুমূর্ষ
d মুমুর্ষু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - 'মুমূর্ষু' শব্দটির অর্থ হলো মরতে বসেছে এমন বা যার মৃত্যুর ইচ্ছা আছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শুরুতে উ-কার এবং মাঝখানে দীর্ঘূ-কার বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের নিয়ম অনুযায়ী 'মুমূর্ষু' শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার এবং শেষ বর্ণে হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়। - এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহুবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসা বানান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের গঠনে হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ ঊ-কার এর নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়। উদাহরণ ২: মুমূর্ষু অবস্থা ব্যাখ্যা: মৃতপ্রায় বা অন্তিম অবস্থাকে বোঝাতে এই শুদ্ধ বানানটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমর্ষু — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ-কার ভুল স্থানে বা অনুপস্থিত থাকায় বানানটি ভুল হয়েছে। B) মুমূর্ষু — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান। C) মুমূর্ষ — এই অপশনের শেষে হ্রস্ব উ-কার না থাকায় বানানটি অসম্পূর্ণ ও ভুল। D) মুমুর্ষু — এই অপশনে সব কটি উ-কার হ্রস্ব হওয়ায় তা বানানরীতির নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানে মনে রাখবে ছোট হাত, বড় হাত, ছোট হাত অর্থাৎ হ্রস্ব উ, দীর্ঘ ঊ এবং হ্রস্ব উ। - এই ক্রমানুসারে অক্ষর সাজালে বানান কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের জটিল বানান প্রায়ই আসে। - হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার ভালোভাবে অনুশীলন করলে এক মার্কস নিশ্চিত করা সম্ভব।
a দিন মজুর
b তোষামদকারী
c দীন মজুর
d গণ্যমান্য ব্যক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তোষামদকারী ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো 'খয়ের খাঁ' বাগধারাটির বিশেষ অর্থ তোষামদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। - মুঘল আমলে খয়ের খাওয়া বা খয়ের সরবরাহ করা ছিল আশ্রিত বা অনুগত ব্যক্তিদের কাজ, সেখান থেকেই এই অর্থের উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা পদগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় বাগধারা বাক্যকে আকর্ষণীয় ও সমৃদ্ধ করে এবং এর উৎপত্তি সাধারণত ইতিহাস, পৌরাণিক কাহিনি বা সমাজজীবন থেকে হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাহেবের সামনে সবসময় খয়ের খাঁ সেজে না থেকে নিজের মতামত দাও। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত প্রশংসা বা তোষামদ করার অর্থে খয়ের খাঁ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই দলটির নেতারা কেবল তোষামদকারী বা খয়ের খাঁ খোঁজে, সৎ পরামর্শদাতা নয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অন্ধ আনুগত্য বা চাটুকারিতা বোঝাতে খয়ের খাঁ প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিন মজুর — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো বাগধারার অর্থ নয়, বরং যারা দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করে তাদের বোঝায়। B) তোষামদকারী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই। C) দীন মজুর — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দরিদ্র বা কষ্টসাধ্য শ্রমজীবী মানুষকে নির্দেশ করে, যা খয়ের খাঁ এর সঙ্গে মেলে না। D) গণ্যমান্য ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ গণ্যমান্য বলতে সমাজের বিশিষ্ট বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বোঝায়, যা তোষামদের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - খয়ের খাঁ মানে যিনি কেবল খাই খাই করেন এবং বেঁচে থাকার জন্য মনিবের অতিরিক্ত প্রশংসা বা তোষামদ করেন। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে আশ্রিত ব্যক্তিরা মনিবের অনুগ্রহ পেতে অতিরিক্ত তোষামদ বা খয়ের খাঁ হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইতিহাস বা সমাজভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থটি মনে রাখতে হবে।
a ভানু
b নিশীথিনী
c কোমললতা
d রজনীকান্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রজনীকান্ত ১. কেন সঠিক: - 'রজনীকান্ত' শব্দের অর্থ রজনীর বা রাতের কান্ত অর্থাৎ পতি বা স্বামী, যা কবিতার ভাষায় চাঁদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ। - বাংলা সাহিত্যে এবং পদাবলীতে চাঁদ বোঝাতে শশধর, শশাঙ্ক, বিধু এবং রজনীকান্ত শব্দগুলো প্রীতার্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও রূপ ভিন্ন হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - রজনীকান্ত একটি তৎসম শব্দ, যা বহুব্রীহি সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়ে রাতের কান্ত বা চাঁদ অর্থে নির্দিষ্ট হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধাংশু ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থ যার অংশ বা কিরণ সুধা বা অমৃতময়, এটিও চাঁদের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: মৃগাঙ্ক ব্যাখ্যা: মৃগাঙ্ক হলো চাঁদের অপর একটি সমার্থক শব্দ, যার মধ্যে হরিণের পদের মতো বা সমরূপ চিহ্ন রয়েছে বলে কল্পনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভানু — ভানু শব্দের অর্থ সূর্য, যা চাঁদের বিপরীতার্থক বা ভিন্ন একটি জ্যোতিষ্ককে বোঝায়। B) নিশীথিনী — নিশীথিনী শব্দের অর্থ মধ্যরাত বা গভীর রাত, যা কোনোভাবেই চাঁদকে নির্দেশ করে না। C) কোমললতা — কোমললতা বলতে নরম বা সুকুমার কোনো লতাজাতীয় উদ্ভিদকে বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্নার্থক শব্দ। D) রজনীকান্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় চাঁদের সমার্থক হিসেবে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাতের রাণী হলো রজনী, আর রাতের কান্ত বা প্রিয় হলো রজনীকান্ত অর্থাৎ চাঁদ। - সূর্য যেমন দিনের বন্ধু বা ভানু, তেমনি রাত বা রজনীর কান্ত হলো চাঁদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চাঁদের সমার্থক হিসেবে চন্দ্র, শশী, মিতু, সুধাংশু, বিধু এবং রজনীকান্ত বারবার আসে। - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের আক্ষরিক ও কাব্যিক অর্থের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a visited
b will visit
c had visit
d would visit
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) would visit কেন সঠিক: - প্রধান ক্লজটি অতীত কালে (told) থাকায় নিয়ম অনুযায়ী পরের ক্লজটির verb-ও অতীত রূপ নেয়। - Direct Speech-এর future tense (shall বা will) indirect speech-এ পরিবর্তিত হয়ে যথাক্রমে should বা would হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) visited — এটি সাধারণ অতীত কাল, যা ভবিষ্যৎ নির্দেশক next month শব্দের সঙ্গে বাক্যের অর্থ মিলায় না। B) will visit — প্রধান ক্লজটি অতীত কালে থাকায় এখানে future indefinite tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) had visit — এটি একটি গঠনগত ত্রুটিপূর্ণ রূপ, কারণ had-এর পরে verb-এর past participle রূপ বসতে হয়। D) would visit — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নারেশনের নিয়ম অনুযায়ী past tense-এর পর will-এর পরিবর্তে would বসে। মনে রাখার টিপস: Principal clause অতীত কাল হলে পরের অংশে will-এর জায়গায় সবসময় would ব্যবহার করতে হয়।
a at
b upon
c very
d out
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) very কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'quickly' একটি অ্যাডভার্ব এবং তার তীব্রতা বা মাত্রা বাড়াতে আরেকটি অ্যাডভার্ব 'very' ব্যবহার করা হয়েছে। - একটি অ্যাডভার্ব অন্য কোনো অ্যাডভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা ভার্বকে মডিফাই করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি একটি প্রিপজিশন, যা অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করতে পারে না এবং এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। B) upon — এটি একটি প্রিপজিশন, যা এই শূন্যস্থানে বসে অন্য কোনো শব্দের সাথে সঠিক ব্যাকরণগত সম্পর্ক তৈরি করে না। C) very — এটি একটি অ্যাডভার্ব এবং সঠিক উত্তর, যা 'quickly' অ্যাডভার্বটিকে সফলভাবে মডিফাই করেছে। D) out — এটি সাধারণত প্রিপজিশন বা অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এখানে এই প্রেক্ষাপটে অর্থপূর্ণ বা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অ্যাডভার্বের মাত্রা বা তীব্রতা বাড়াতে তার আগে সাধারণত 'very' বা এই জাতীয় অ্যাডভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a Collective
b Material
c Common
d Abstract
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abstract কেন সঠিক: - 'Bravery' শব্দটি দ্বারা বীরত্ব বা সাহসিকতা গুণকে বোঝায়, যা দেখা বা স্পর্শ করা যায় না, শুধু অনুভব করা যায়। - যে নাউন দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় এবং যার বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই, তাকে Abstract Noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Collective — Collective Noun হলো কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি, কিন্তু bravery কোনো সমষ্টি বোঝায় না। B) Material — Material Noun দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়, কিন্তু bravery কোনো উপাদান নয়। C) Common — Common Noun দ্বারা কোনো একজাতীয় সাধারণ নাম বোঝায়, কিন্তু bravery কোনো সাধারণ ব্যক্তি বা বস্তুর নাম নয়। D) Abstract — এটি সঠিক উত্তর কারণ bravery একটি গুণবাচক নাম। মনে রাখার টিপস: যে নাউনগুলোকে দেখা বা ছোঁয়া যায় না, শুধু মন দিয়ে অনুভব করা যায় বা যার গুণ বোঝায়, তাকে Abstract Noun বলে।
a Not only I went
b I not only but
c Not only I but also my brother
d I only but not my brother
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Not only I but also my brother কেন সঠিক: - Not only but also যুক্ত বাক্যে দুটি Subject থাকলে দ্বিতীয় Subject অনুসারে Verb নির্ধারিত হয়। - এখানে দ্বিতীয় Subject হলো my brother, যা Third Person Singular হওয়ায় verb এর নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Not only I went — এখানে but also অংশটি না থাকায় কাঠামোটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I not only but — এই গঠনটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের পরিপন্থী। C) Not only I but also my brother — এটি সঠিক উত্তর। D) I only but not my brother — এটি সঠিক Correlative conjunction এর নিয়ম অনুসরণ করে না। মনে রাখার টিপস: Not only but also যুক্ত বাক্যে verb সব সময় কাছের Subject বা দ্বিতীয় Subject অনুযায়ী বসে।
a such
b this
c any
d either
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) any কেন সঠিক: - Indefinite Pronoun নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ না করে অনির্দিষ্টভাবে বুঝায়। - any শব্দ1 কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দিষ্ট না করে সাধারণ অর্থে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) such — এটি মূলত demonstrative বা relative pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, অনির্দিষ্ট সর্বনাম নয়। B) this — এটি একটি demonstrative pronoun যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। C) any — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি অনির্দিষ্ট সর্বনাম হিসেবে কাজ করে। D) either — এটি একটি distributive pronoun যা দুইটির মধ্যে যেকোনো একটিকে পৃথকভাবে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেই pronoun কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর পরিবর্তে অনির্দিষ্টভাবে বসে, তাকে Indefinite Pronoun বলে এবং any এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
a humane
b modesty
c humble
d disgrace
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) disgrace কেন সঠিক: - 'Humiliation' শব্দের বাংলা অর্থ হলো অপমান, লজ্জা বা অবমাননা। - 'Disgrace' শব্দটির অর্থও সম্মানহানি, লজ্জা বা কলঙ্ক, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) humane — এর অর্থ দয়ালু বা মানবীয়, যা মূল শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) modesty — এর অর্থ বিনয় বা শালীনতা, যা অপমান বা লজ্জার বিপরীতার্থক। C) humble — এর অর্থ বিনম্রি বা নম্র, যা একটি বিশেষণ এবং ভিন্নার্থক শব্দ। D) disgrace — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ অপমান বা অসম্মান। মনে রাখার টিপস: Humiliation এবং disgrace দুটি শব্দই সম্মান হারানোর সাথে সম্পর্কিত, তাই এরা সমার্থক।
a Phonetics
b Pedagogy
c Ethics
d Biology
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Pedagogy কেন সঠিক: - Pedagogy শব্দটি মূলত শিক্ষাদান পদ্ধতি, কৌশল এবং বিজ্ঞানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - এটি শিক্ষার্থীদের বয়স ও মানসিকতা অনুযায়ী শিক্ষা প্রদানের সঠিক উপায় নিয়ে আলোচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phonetics — এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা ধ্বনি বা উচ্চারণ নিয়ে আলোচনা করে, শিক্ষাদান পদ্ধতি নয়। B) Pedagogy — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) Ethics — এটি দর্শনশাস্ত্রের এমন একটি শাখা যা নৈতিকতা, ভালো-মন্দ এবং মানব আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। D) Biology — এটি বিজ্ঞানের একটি শাখা যা জীববিদ্যা, উদ্ভিদ এবং প্রাণীর জীবন নিয়ে গবেষণা করে। মনে রাখার টিপস: Pedagogy শব্দটির ভেতরে শিক্ষা বা পাঠদানের বিজ্ঞান লুকিয়ে আছে, যা শিক্ষক নিবন্ধনে প্রায়ই আসে।
a The teacher said that thank, you my boys.
b The teacher told the boys and thanked them.
c The boys were thanked by the teacher.
d The teacher thanked the boys.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The teacher thanked the boys. কেন সঠিক: - ডিরেক্ট স্পিচ বা প্রত্যক্ষ উক্তিতে 'Thank you' থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় Subject-এর পরে মূল verb হিসেবে thank-এর পাস্ট টেন্স thanked বসে। - স্পিচে থাকা অবজেক্ট (boys) এখানে thanked-এর পর সরাসরি অবজেক্ট হিসেবে বসে এবং অতিরিক্ত কোনো conjunction বা reporting verb লাগে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The teacher said that thank, you my boys. — এখানে ব্যাকরণগত নিয়ম না মেনে ভুলভাবে দাড়ি ও কমা ব্যবহার করা হয়েছে এবং সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়নি। B) The teacher told the boys and thanked them. — এই বাক্যে 'told' এবং 'thanked' একসাথে ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন অপ্রয়োজনীয়ভাবে জটিল ও ভুল হয়েছে। C) The boys were thanked by the teacher. — এটি ন্যারেকশন পরিবর্তন না করে বাক্যটিকে প্যাসিভ ভয়েস করা হয়েছে, যা ইনডাইরেক্ট ন্যারেকশনের সঠিক নিয়ম নয়। D) The teacher thanked the boys. — এটি ন্যারেকশনের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং অর্থপূর্ণ পরিবর্তন। মনে রাখার টিপস: ডাইরেক্ট স্পিচে 'Thank you' থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় Subject + thanked + Direct Object এই স্ট্রাকচারটি মনে রাখবে।
a Jonathan Swift
b Alexander Pope
c Joseph Addison
d Richard Steel
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: A) Jonathan Swift কেন সঠিক: - জোনাথান সুইফট তাঁর অসাধারণ বিদ্রূপাত্মক রচনা যেমন গাল্লিভার্স ট্রাভেলস এর মাধ্যমে মানব সমাজের ত্রুটি ও রাজনীতির কদর্য দিক তুলে ধরেছেন। - ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে বিদ্রূপ বা স্যাটায়ার রচনার ক্ষেত্রে তাঁর সমকক্ষ কাউকে পাওয়া যায় না, তাই তাঁকে সর্বকালের সেরা বিদ্রূপকার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jonathan Swift — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। B) Alexander Pope — তিনি মূলত তাঁর গদ্য ও পদ্যের রূপক এবং ক্লাসিক্যাল ধারার বিদ্রূপাত্মক রচনার জন্য পরিচিত হলেও শ্রেষ্ঠ বিদ্রূপকার নন। C) Joseph Addison — তিনি মূলত রম্যরচনা এবং সাময়িকপত্র সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত, প্রধানত বিদ্রূপকার হিসেবে পরিচিত নন। D) Richard Steel — তিনি জোসেফ এডিসনের সঙ্গে যৌথভাবে বিখ্যাত সাময়িকপত্র প্রকাশ করেছিলেন, বিদ্রূপাত্মক সাহিত্যের জন্য প্রধান নন। মনে রাখার টিপস: সুইফটের বিখ্যাত উপন্যাস গাল্লিভার্স ট্রাভেলস মনে রাখলেই বোঝা যায় তিনি ইংরেজি সাহিত্যের সেরা বিদ্রূপকার।
a honesty
b sober
c new
d hostile
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) new কেন সঠিক: - 'Shabby' শব্দের অর্থ জীর্ণ, নোংরা, মলিন বা পুরনো। - এর সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিভ হলো 'new' যার অর্থ নতুন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) honesty — honesty হলো একটি নাউন যার অর্থ সততা, যা shabby শব্দের বিপরীত নয়। B) sober — sober শব্দের অর্থ শান্ত বা মদ্যপ নয় এমন, যা shabby শব্দের বিপরীতার্থক নয়। সি) new — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা shabby শব্দের বিপরীত। D) hostile — hostile শব্দের অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা shabby বা জীর্ণ অবস্থার বিপরীত নয়। মনে রাখার টিপস: Shabby অর্থ পুরনো ও জীর্ণ জিনিস, আর এর বিপরীত মনে রাখতে New বা নতুন কথাটি মাথায় রাখুন।
a sagacious
b hostile
c calm
d angry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) calm কেন সঠিক: - 'Tranquil' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো শান্ত, স্নিগ্ধ বা থমথমে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'calm' শব্দটির অর্থও শান্ত, যা এর সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sagacious — এর অর্থ জ্ঞানী বা বিচক্ষণ, যা শান্ত অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) hostile — এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা অমিত্রসুলভ, যা শান্ত শব্দের বিপরীত। C) calm — সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ শান্ত বা স্থির। D) angry — এর অর্থ রাগান্বিত বা ক্ষুব্ধ, যা শান্ত অবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ট্রাংকুইল (Tranquil) ও কাম (Calm) উভয় শব্দের অর্থই শান্ত। মনে রাখতে পারেন, নদীতে কোনো ট্রলার বা লঞ্চ না চললে নদী শান্ত বা কাম থাকে।
a Acknowledgment
b Acknowledge-ment
c Aknowlegmen
d Acknowledgement
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Acknowledgement কেন সঠিক: - Acknowledge শব্দের শেষে ment প্রত্যয় যোগ করার সময় শেষের e তুলে না দিয়ে সরাসরি ment যুক্ত হয়। - ব্রিটিশ ও আমেরিকান উভয় বানানরীতিতেই Acknowledgement শব্দটি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acknowledgment — এটি মূলত আমেরিকান বানান, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Acknowledgement বেশি গ্রহণযোগ্য। B) Acknowledge-ment — এখানে মাঝখানে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে, যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। C) Aknowlegmen — এখানে বানানটিতে c এবং d বর্ণ বাদ পড়েছে এবং শেষের অংশ ভুল। D) Acknowledgement — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: Acknowledge শব্দের সঙ্গে শুধু ment যোগ করলেই সঠিক বানানটি পাওয়া যায়।
a Personification
b Hyper bole
c Simile
d Allegory
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Simile কেন সঠিক: - এই বাক্যে 'as' ব্যবহার করে শিশু এবং সকালের মধ্যে সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। - দুটি ভিন্নধর্মী বস্তুর মধ্যে তুলনা করতে 'like' বা 'as' ব্যবহৃত হলে তাকে Simile বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Personification — এটি কোনো জড় বস্তুকে মানবগুণ বা মানবীয় আচরণে ভূষিত করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে নেই। B) Hyper bole — এটি কোনো কিছুকে অতিরিক্ত বাড়িয়ে বা কমিয়ে বলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, এখানে এমন কোনো অতিরঞ্জন নেই। C) Simile — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে 'as' এর মাধ্যমে সাদৃশ্য বোঝানো হয়েছে। D) Allegory — এটি একটি রূপকধর্মী গল্প বা আখ্যান যা প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি একটি সাধারণ প্রবাদবাক্য বা simile। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'like' বা 'as' দেখলে চোখ বন্ধ করে Simile দাগিয়ে দিন।
a than
b when
c after
d just
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) than কেন সঠিক: - No sooner had এর পর সাধারণত Past Perfect tense এবং পরবর্তী অংশে Past Indefinite tense বসে। - এই নিয়মে দুটি ঘটনার অব্যবহিত পূর্বাপর বোঝাতে প্রথম অংশের সাথে সংযোগ করার জন্য than ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — এটি সঠিক উত্তর কারণ No sooner এর সাথে সর্বদা than যুক্ত হয়। B) when — এটি ভুল কারণ when সাধারণত Scarcely বা Hardly এর সাথে বসে। C) after — এটি ভুল কারণ এটি এই বিশেষ Structure এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) just — এটি ভুল কারণ এটি এখানে বাক্যকে grammatically সঠিক করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে চোখ বন্ধ করে than এবং Scarcely বা Hardly থাকলে when বসাতে হয়।
a beautiful
b beautify
c beautiness
d beautifully
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) beautify কেন সঠিক: - 'beauty' হলো একটি নাউন এবং এর ভার্ব রূপ হলো 'beautify', যার অর্থ সুন্দর করা। - শব্দের শেষে fy যুক্ত করে সাধারণত ভার্ব বা ক্রিয়া গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) beautiful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ সুন্দর। B) beautify — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি ভার্ব। C) beautiness — ইংরেজিতে এ ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা গঠন নেই। D) beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ সুন্দরভাবে। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ify বা en থাকলে সাধারণত তা ভার্ব হয়, যেমন beautify বা widen।
a salty earth
b worthy persons
c evil person
d salted earch
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) worthy persons কেন সঠিক: - 'Salt of the earth' একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর আক্ষরিক অর্থ মাটির লবণ হলেও রূপক অর্থে অত্যন্ত সৎ, ভালো ও গুণী ব্যক্তিকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) salty earth — এটি বাগধারার রূপক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক অর্থ বোঝাচ্ছে যা ভুল। B) worthy persons — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাগধারার সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে। C) evil person — এটি 'salt of the earth' এর বিপরীত অর্থ বা খল ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। D) salted earch — এটি বানান ভুলযুক্ত একটি অপশন এবং এর কোনো গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: মাটির যেমন আসল সম্পদ লবণ, তেমনি সমাজের আসল সম্পদ হলো সৎ ও গুণী মানুষেরা।
a Arnold
b Tennyson
c Dickens
d Browning
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Browning কেন সঠিক: - রবার্ট ব্রাউনিং ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের এমন একজন কবি যার কবিতায় জীবনের প্রতি গভীর আশাবাদ ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। - তার বিখ্যাত উক্তি সব ঠিক আছে ঈশ্বরের এই পৃথিবীতে যা এই যুগের আশাবাদী মনোভাবকে সবচেয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Arnold — ম্যাথিউ আর্নল্ড তার কবিতায় ভিক্টোরিয়ান যুগের সংশয় হতাশা ও বিশৃঙ্খলা তুলে ধরেছেন তাই তিনি আশাবাদী হিসেবে পরিচিত নন। B) Tennyson — লর্ড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি হলেও তার রচনায় বিষাদ সংশয় এবং আধুনিক বিজ্ঞান ও ধর্মের দ্বন্দ্ব বেশি ফুটে উঠেছে। C) Dickens — চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের ঔপন্যাসিক যিনি সমাজের নানা অনিয়ম ও দরিদ্র মানুষের কষ্ট ফুটিয়ে তুললেও তাকে নির্দিষ্টভাবে আশাবাদী কবি বলা হয় না। D) Browning — রবার্ট ব্রাউনিং তার সাহিত্যকর্মে জীবনের জয়গান ও অদম্য আশাবাদ প্রচার করার কারণে তাকে এই যুগের আশাবাদী কবি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ব্রাউনিং মানেই বুকভরা আশা সুতরাং ভিক্টোরিয়ান যুগের আশাবাদী কবি বললেই রবার্ট ব্রাউনিং নামটি মনে রাখবে।
a by
b for
c of
d from
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) from কেন সঠিক: - অতিভোজন বা অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যুর ক্ষেত্রে 'die from' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - স্বাভাবিক রোগ, অনাহার বা বিষ প্রয়োগে মারা গেলে 'die of' হয়, কিন্তু অতিরিক্ত খাওয়া একটি বাহ্যিক কারণ হওয়ায় এখানে 'from' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — হিংস্রতা, আত্মহত্যা বা আত্মত্যাগের মাধ্যমে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে 'die by' ব্যবহৃত হয়, যা অতিরিক্ত খাওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বি) for — কোনো মহৎ উদ্দেশ্য বা দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জন দেওয়ার ক্ষেত্রে 'die for' ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) of — সাধারণ রোগ বা ক্ষিদে ও তৃষ্ণায় মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে 'die of' বসে, কিন্তু অতিভোজন বা অতিরিক্ত কাজের ক্ষেত্রে 'from' বসে। D) from — অতিরিক্ত খাওয়া একটি বাহ্যিক কারণ বা ফল বোঝাতে 'die from' সঠিক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: অভাব বা রোগে মারা গেলে 'of' এবং অতিরিক্ত খাওয়ার মতো অন্য কোনো কারণে মারা গেলে 'from' ব্যবহার করতে হয়।
a As she made a promise, she kept it.
b She made a promise so that she could keep it
c She not only made a promise but also kept it.
d She made a promise to keep
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) She not only made a promise but also kept it. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি সরল বাক্য (Simple Sentence) এবং এটিকে যৌগিক বাক্যে (Compound Sentence) রূপান্তর করতে বলা হয়েছে। - যৌগিক বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য থাকে এবং তা not only... but also দ্বারা যুক্ত হয়ে অর্থ অপরিবর্তিত রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) As she made a promise, she kept it. — এটি একটি জটিল বাক্য (Complex Sentence) কারণ এখানে As conjunction ব্যবহার করা হয়েছে। B) She made a promise so that she could keep it — এটি একটি জটিল বাক্য (Complex Sentence) কারণ এতে so that যুক্ত রয়েছে। C) She not only made a promise but also kept it. — এটি একটি যৌগিক বাক্য (Compound Sentence) এবং মূল বাক্যের সঠিক রূপান্তর। D) She made a promise to keep — এটি একটি সরল বাক্য (Simple Sentence) কারণ এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সরল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তরের সময় দুটি কাজ বোঝাতে not only... but also ব্যবহার করা হয়।
a more
b much
c less
d last
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) much কেন সঠিক: - much হলো Adjective-এর Positive degree, যার Comparative form হলো more এবং Superlative form হলো most। - এটি মূলত পরিমাণ বোঝাতে Positive degree হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো তুলনামূলক রূপ থাকে না যতক্ষণ না এর পরিবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) more — এটি much বা many এর Comparative degree, তাই এটি Positive degree নয়। B) much — এটি নিজেই একটি Positive degree এবং এর Comparative হলো more। C) less — এটি little এর Comparative degree, তাই এটি Positive degree নয়। D) last — এটি একটি Superlative degree বা Ordinal number এর রূপ, তাই এটি Positive degree নয়। মনে রাখার টিপস: Degree পরিবর্তনের রূপগুলো মনে রাখবে যেমন, much এর Comparative হলো more এবং Superlative হলো most।
a memorandum
b memorandums
c memorandumes
d memoranda
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) memoranda কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষায় যে সকল শব্দের শেষে -um থাকে, তাদের বহুবচন করার সময় -um তুলে দিয়ে শেষে -a যোগ করতে হয়। - memorandum শব্দটির শেষ অংশ -um পরিবর্তন হয়ে -a যুক্ত হয়ে memoranda রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) memorandum — এটি এই শব্দের একবচন রূপ, তাই বহুবচন হিসেবে এটি সঠিক নয়। B) memorandums — এটি আধুনিক ইংরেজিতে ব্যবহৃত হলেও ল্যাটিন ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ভুল বহুবচন। C) memorandumes — ইংরেজিতে এই ধরনের বানান বা বহুবচন গঠনের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। D) memoranda — এটি সঠিক ল্যাটিন বহুবচন রূপ এবং প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দে um থাকলে a হয়, যেমন- datum থেকে data এবং memorandum থেকে memoranda।
a I was surprised by his comment.
b I was surprised at his comment.
c I was surprised for his comment.
d I was surprised to his comment.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I was surprised at his comment. কেন সঠিক: - Active বাক্যের Subject (his comment) Passive করার সময় Object (me) এর পূর্বে by না বসে at বসে। - Surprise, shock, alarm ইত্যাদি শব্দের পর সাধারণত at preposition ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was surprised by his comment. — এখানে by preposition ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাধারণত ব্যক্তিবাচক Subject এর ক্ষেত্রে বসে। B) I was surprised at his comment. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ surprise এর সাথে উপযুক্ত preposition হিসেবে at বসে। C) I was surprised for his comment. — এখানে for preposition এর ব্যবহার grammatically সঠিক ও প্রাসঙ্গিক নয়। D) I was surprised to his comment. — এখানে to preposition বসানো হয়েছে, যা এই বাক্যের গঠনে ভুল। মনে রাখার টিপস: Surprise, shock, please ইত্যাদি verb এর Passive রুপে by এর পরিবর্তে সাধারণত at বসে।
a He refrained to take any drastic action.
b He refrained on taking any drastic action.
c He refrained in taking any drastic action.
d He refrained from taking any drastic action.
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) He refrained from taking any drastic action. কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী refrain একটি উপযুক্ত প্রিপোজিশন হিসেবে from গ্রহণ করে। - প্রিপোজিশনের পর ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়, যা taking শব্দের মাধ্যমে সঠিকভাবে পূরণ হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He refrained to take any drastic action. — refrained শব্দের পর প্রিপোজিশন হিসেবে to বসে না, তাই এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He refrained on taking any drastic action. — refrained এর সাথে on প্রিপোজিশন ব্যবহার করা যায় না, সঠিক প্রিপোজিশন হলো from। C) He refrained in taking any drastic action. — refrain এর পরে in প্রিপোজিশন বসালে অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম সঠিক হয় না। D) He refrained from taking any drastic action. — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে সঠিক প্রিপোজিশন from এবং gerund ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Refrain শব্দটির সাথে সব সময় from প্রিপোজিশন বসে এবং তার পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a His conduct admits no excuse.
b His conduct admits of no excuse.
c His conduct admits to no excuse.
d His conduct admits on no excuse.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) His conduct admits of no excuse. কেন সঠিক: - 'Admit of' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছুর অবকাশ রাখা বা সুযোগ দেওয়া। - এখানে আচরণটির কোনো ক্ষমা বা অজুহাতের অবকাশ নেই বোঝাতে 'admits of no excuse' সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) His conduct admits no excuse. — এখানে 'admits' এর পর প্রয়োজনীয় প্রিপজিশন 'of' ব্যবহার করা হয়নি, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) His conduct admits of no excuse. — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত গঠন, কারণ এখানে 'admits of' প্রিপজিশনটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। C) His conduct admits to no excuse. — 'Admit to' অর্থ স্বীকার করা, যা এখানে অর্থ ও প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) His conduct admits on no excuse. — 'Admit on' বলে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি প্রিপজিশন বা গ্রুপ ভার্ব নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো সুযোগ বা অবকাশ নেই বোঝাতে Admit শব্দের পর সবসময় প্রিপজিশন হিসেবে of বসে।
a an attractive
b object of dispute
c a valuable object
d disagreement
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) object of dispute কেন সঠিক: - 'Apple of discord' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম বা প্রবাদ, যার শাব্দিক অর্থ বিবাদের আপেল এবং ভাবার্থ বিরোধ বা ঝগড়ার মূল কারণ। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'object of dispute' ঠিক এই ভাবার্থটি প্রকাশ করে, যা বিবাদের বস্তু বা বিষয়কে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an attractive — এটি দ্বারা কোনো আকর্ষণীয় বস্তুকে বোঝায়, যা এই ইডিওমের ঝগড়ার কারণ বা বিরোধের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) object of dispute — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিবাদের বস্তু বা বিরোধের বিষয়, যা মূল প্রবাদের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) a valuable object — এটি কোনো মূল্যবান বস্তুকে বোঝায়, কিন্তু প্রবাদটি মূল্যের দিক না বুঝিয়ে ঝগড়ার বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে। D) disagreement — এটি কেবল অমত বা মতবিরোধ বোঝায়, কিন্তু ইডিওমটি মতবিরোধের বস্তুকে বা কারণকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: আপেল নিয়ে ঝগড়ার পৌরাণিক কাহিনীর কথা মনে রাখলে খুব সহজেই মনে রাখা যায় যে 'Apple of discord' মানেই হলো বিরোধ বা ঝগড়ার মূল বস্তু।

মোট প্রশ্ন (25)

a x = 4
b y = 4
c x + y = 4
d x - y = 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x = 4 প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণসমূহের বিভিন্ন রূপ দেওয়া আছে অপশনগুলোতে সরলরেখার সমীকরণ উল্লেখ করা হয়েছে ধরি, y অক্ষের সমান্তরাল রেখার উপর যেকোনো বিন্দুর ভুজ সর্বদা ধ্রুবক হয় এই ধ্রুবক মানটি নির্দিষ্ট একটি সংখ্যা নির্দেশ করে অতএব, সমীকরণে x এর মান একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা ৪ হলে তা y অক্ষের সমান্তরাল হয় y এর মান ৪ হলে রেখাটি x অক্ষের সমান্তরাল হয় সুতরাং, x = 4 সমীকরণটি y অক্ষের সমান্তরাল রেখা নির্দেশ করে উত্তর: x = 4
a 2/3
b 1/2
c 5/4
d 1/√3
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/√৩ প্রদত্ত তথ্য: cosec(৯০° − θ) = ২/√৩ ধরি, cosec অনুপাতের সূত্র অনুসারে sec(θ) = ২/√৩ যেহেতু sec(θ) এর বিপরীত cos(θ), তাই cos(θ) = √৩/২ অতএব, ত্রিকোণমিতির মান থেকে আমরা পাই θ = ৩০° আমরা জানি tan(θ) এর মান বের করতে হবে সুতরাং, tan(৩০°) এর মান নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ১/√৩
a 5
b 6
c 10
d 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b = ৩ এবং ab = ১ ধরি, রাশিটি হলো a² − ab + b² অতএব, সূত্র সাজিয়ে পাই, (a + b)² − ۳ab সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ৩² − (۳ × ۱) = ۹ − ۳ = ۶ উত্তর: ৬
a ১/৪
b ১/২
c ৩/৪
d ১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি মুদ্রা একসাথে নিক্ষেপ করা হলো মুদ্রা দুটিতে হেড আসার ঘটনা বিবেচনা করতে হবে ধরি, প্রথম মুদ্রার সম্ভাব্য ফলাফল = ২ টি (এইচ বা টি) দ্বিতীয় মুদ্রার সম্ভাব্য ফলাফল = ২ টি (এইচ বা টি) অতএব, মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ২ × ২ = ৪ টি সম্ভাব্য ফলাফলগুলো হলো, (এইচ, এইচ), (এইচ, টি), (টি, এইচ), (টি, টি) সুতরাং, দুটি মুদ্রাতেই এইচ আসার অনুকূল ঘটনা = ১ টি নির্ণেয় সম্ভাবনা = ১ ÷ ৪ উত্তর: ১/৪
a (3x - 2)(x + 6)
b (3x - 2)(x - 6)
c (x - 6)(3x + 2)
d 3(x - 6)(x - 2)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (x − ৬)(3x + ২) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩x² − ১৬x − ১২ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ ১৬x কে এমনভাবে ভাঙতে হবে যেন তাদের গুণফল প্রথম ও শেষ পদের গুণফলের সমান হয় অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল = ৩x² × (−১২) = −৩৬x² মধ্যপদ ভাঙার অংশ দুটি হলো −১৮x এবং +২x সুতরাং, ৩x² − ১৮x + ২x − ১২ উত্তর: ৩x(x − ৬) + ২(x − ৬) = (x − ৬)(3x + ২)
a ba
b b + a
c 10ab
d 10b + a
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০b + a প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির একক স্থানীয় অংক = a সংখ্যাটির দশক স্থানীয় অংক = b ধরি, একক স্থানীয় অংকের মান = a দশক স্থানীয় অংকের মান = b × ১০ অতএব, দশক স্থানীয় অংকের স্থানীয় মান = ১০b একক স্থানীয় অংকের স্থানীয় মান = a সুতরাং, নির্ণেয় সংখ্যাটি = দশক স্থানীয় অংকের মান + একক স্থানীয় অংকের মান উত্তর: ১০b + a
a ১/৫
b ১/২
c ২/৩
d ১/১০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/১০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ভগ্নাংশের গুণফল = ৫ ÷ ৩৮ এদের একটি ভগ্নাংশ = ১৯ ÷ ২৫ ধরি, অপর ভগ্নাংশটি ক অতএব, ক × (১৯ ÷ ২৫) = ৫ ÷ ৩৮ সুতরাং, ক = (৫ ÷ ৩৮) ÷ (১৯ ÷ ২৫) ক = (৫ ÷ ৩৮) × (২৫ ÷ ১৯) উত্তর: ১ ÷ ১০
a 45°
b 54°
c 40°
d 36°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় ৪ টা ৩০ মিনিট ঘণ্টার কাঁটা ১২ ঘণ্টায় ঘোরে ৩৬০° ধরি, ১ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৩০° ৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ১৫° অতএব, ৪ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ১২০° মোট ঘুরেছে ১২০° + ১৫° = ১৩৫০° সুতরাং, মিনিটের কাঁটা ৩০ মিনিটে ঘোরে ১৮০° কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ = ১৮০° − ১৩৫০° = ৪৫° উত্তর: ৪৫°
a 1/2
b 2√2
c 1
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২√২ প্রদত্ত তথ্য: x২ − ২x − ১ = ০ ধরি, সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করি x − ২ − (১ ÷ x) = ০ অতএব, x − (১ ÷ x) = ২ x + (১ ÷ x) এর হোল স্কয়ার = (x − (১ ÷ x)) এর হোল স্কয়ার + ৪ সুতরাং, (x + (১ ÷ x)) এর হোল স্কয়ার = (২) এর হোল স্কয়ার + ৪ (x + (১ ÷ x)) এর হোল স্কয়ার = ৪ + ৪ = ৮ উত্তর: x + ১ ÷ x = √৮ = ২√২
a 21
b 41
c 31
d 51
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩১ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ২, ৩, ৫ এবং ৬ প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ১ ধরি, সংখ্যাটি হবে ২, ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু এবং ১ এর যোগফল অতএব, ২, ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু হলো ৩০ সুতরাং, নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ৩০ + ১ = ৩১ উত্তর: ৩১
a Q = {1, 3, 9}
b Q = {1, 3}
c Q = {3, 9, 18}
d Q = {3, 9}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Q = 1, 3, 9 প্রদত্ত তথ্য: Q সেটটি ৯ এর সকল গুণনীয়ক নিয়ে গঠিত ধরি, সংখ্যাটি ৯ অতএব, ১ দিয়ে ৯ কে ভাগ করলে মিলে যায় এবং ভাগফল ৯ হয় ৩ দিয়ে ৯ কে ভাগ করলে মিলে যায় এবং ভাগফল ৩ হয় সুতরাং, ৯ কে বিভাজ্য করে এমন সংখ্যাগুলো হলো ১, ৩ এবং ৯ উত্তর: Q = 1, 3, 9
a 48°
b 42°
c 24°
d 84°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২° প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের একটি কোণ = ৯৬° ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° ধরি, ত্রিভুজের অপর দুটি সমান কোণের প্রতিটি = ক° অতএব, প্রথম কোণ + দ্বিতীয় কোণ + তৃতীয় কোণ = ১৮০° ৯৬° + ক° + ক° = ১৮০° ৯৬° + ২ক° = ১৮০° সুতরাং, ২ক° = ১৮০° − ৯৬° ২ক° = ৮৪° ক° = ৮৪° ÷ ২ = ৪২° উত্তর: ৪২°
a {x ∈ R : x ≠ 1}
b R - {3/2}
c R - {1, -1}
d {1}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x ∈ R : x ≠ 1 প্রدত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = (x + 3) ÷ (x − 1) ধরি, অপেক্ষকটি সংজ্ঞায়িত হবে যখন হর শূন্য হবে না অর্থাৎ x − 1 নট ইকুয়াল ০ অতএব, x নট ইকুয়াল ১ সুতরাং, বাস্তব সংখ্যার সেট থেকে ১ বাদ যাবে উত্তর: x ∈ R : x ≠ 1
a ৮%
b ৮.২৫%
c ৮.৫%
d ৮.৬%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮.৫% প্রদত্ত তথ্য: আসল, প = ১৫০০০ টাকা বার্ষিক সুদ, স = ১২৭৫ টাকা সময়, ন = ১ বছর ধরি, বার্ষিক সুদের হার = র % অতএব, আমরা জানি, স = (প × ন × র) ÷ ১০০ ১২৭৫ = (১৫০০০ × ১ × র) ÷ ১০০ সুতরাং, ১২৭৫ = ১৫০ × র র = ১২৭৫ ÷ ১৫০ উত্তর: ৮.৫%
a 25
b 15
c 5
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ঘনমূলের ভেতরে ১২৫ গুণ ৯ ধরি, প্রদত্ত রাশিটি = ঘনমূল (১২৫ গুণ ৯) অতএব, ১২৫ এর ঘনমূল হলো ৫ কারণ ৫ গুণ ৫ গুণ ৫ সমান ১২৫ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশিটির মান দাঁড়ায় ৫ গুণ ঘনমূল ৯ উত্তর: ৫ গুণ ঘনমূল ৯
a xᵖ
b xᵐ
c x¹
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ᵐⁿ√(xᵐ ÷ xⁿ) × ⁿˡ√(xⁿ ÷ xˡ) × ˡᵐ√(xˡ ÷ xᵐ) ধরি, প্রথম অংশ = ᵐⁿ√(xᵐ ÷ xⁿ) দ্বিতীয় অংশ = ⁿˡ√(xⁿ ÷ xˡ) তৃতীয় অংশ = ˡᵐ√(xˡ ÷ xᵐ) অতএব, প্রথম অংশের মান = (x^(m − n))^(১ ÷ mn) দ্বিতীয় অংশের মান = (x^(n − l))^(১ ÷ nl) তৃতীয় অংশের মান = (x^(l − m))^(১ ÷ lm) সুতরাং, সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে পাই x^((m − n) ÷ mn) × x^((n − l) ÷ nl) × x^((l − m) ÷ lm) উত্তর: ১
a 2
b -2
c 46024
d -0.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) -2 প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর রাশিটি হলো log2 (১ ÷ ৪) ধরি, log2 (১ ÷ ৪) = x অতএব, ২ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ ৪ সুতরাং, ২ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ (২ এর পাওয়ার ২) উত্তর: -২
a ৫/২
b ৪/৩
c ২/৫
d ৩/৪
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫/২ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশের লব ও হরের সমষ্টি ৭ ভগ্নাংশের লব ও হরের অন্তরফল ৩ ধরি, ভগ্নাংশটির লব = ক ভগ্নাংশটির হর = খ অতএব, ক + খ = ৭ ক − খ = ৩ সুতরাং, দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১০, অর্থাৎ ক = ৫ ক এর মান বসিয়ে পাই, ৫ + খ = ৭, অর্থাৎ খ = ২ উত্তর: ৫÷২
a ৩৭.৫ কি.মি/ঘণ্টা
b ৩৫.৭ কি.মি/ঘণ্টা
c ৩৫ কি.মি/ঘণ্টা
d ৩৭ কি.মি/ঘণ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৭.৫ কি.মি/ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা ও সিলেটের দূরত্ব = ৩০০ কি.মি. ট্রেন ছাড়ার সময় = সকাল ৬ টা ট্রেন পৌঁছানোর সময় = দুপুর ২ টা ধরি, মোট সময় = সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ২ টা মোট সময় = ৮ ঘণ্টা অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩০০ কি.মি. অতএব, ট্রেনের গতিবেগ = দূরত্ব ÷ সময় ট্রেনের গতিবেগ = ৩০০ ÷ ৮ ট্রেনের গতিবেগ = ৩৭.৫ সুতরাং, ট্রেনের নির্ণেয় গতিবেগ = ৩৭.৫ কি.মি/ঘণ্টা উত্তর: ৩৭.৫ কি.মি/ঘণ্টা
a 2
b 3
c 4
d 9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩^(x + ৪) = ৩ × ৯^x ধরি, ৯ কে লেখা যায় ৩ এর বর্গ অর্থাৎ ৩^২ সমীকরণের ডানপক্ষে ৯ এর পরিবর্তে ৩^২ বসালাম অতএব, সমীকরণটি দাঁড়ায় ৩^(x + ৪) = ৩ × (৩^২)^x ডানপক্ষের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী এটি হয় ৩ × ৩^(২x) সুতরাং, ৩^(x + ৪) = ৩^(১ + ২x) উভয়পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দিয়ে পাই x + ৪ = ১ + ২x উত্তর: x এর মান ৩
a x + 2
b x - 3
c x + 1
d x - 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x২ − x − ২ ধরি, f(x) = x২ − x − ২ অতএব, মিডল টার্ম বা মধ্যপদ বিভাজন করে পাই f(x) = x২ − ২x + x − ২ সুতরাং, f(x) = x(x − ২) + ১(x − ২) f(x) = (x + ১)(x − ২) উত্তর: x + ১
a 0
b 1
c অনির্ণেয়
d 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনির্ণেয় প্রদত্ত তথ্য: এখানে শূন্যকে শূন্য দ্বারা ভাগ করার একটি গাণিতিক সমস্যা দেওয়া হয়েছে যার কোনো নির্দিষ্ট মান বা ফল নেই ধরি, শূন্যকে শূন্য দ্বারা ভাগের ফলাফল একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা ক অতএব, ক এর সাথে শূন্য গুণ করলে শূন্য পাওয়া যায় যা যেকোনো সংখ্যার জন্যই সত্য হতে পারে সুতরাং, নির্দিষ্ট কোনো উত্তর না থাকায় একে কোনো নির্দিষ্ট মানে পৌঁছানো যায় না উত্তর: অনির্ণেয়
a অবাস্তব ও অসমান
b বাস্তব ও অনুমান
c বাস্তব ও অসমান
d বাস্তব ও সমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাস্তব ও অসমান প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x² − 3x + 2 = 0 ধরি, সমীকরণের আদর্শ রূপ ax² + bx + c = 0 এখানে a = ১, b = −3 এবং c = ২ অতএব, সমীকরণের নিশ্চয়ক বা ডিস্ক্রিমিন্যান্ট হলো b² − 4ac এখানে মান বসিয়ে পাই, (−3)² − 4 × ১ × ২ সুতরাং, হিসাব করে পাই ৯ − ৮ = ১ উত্তর: যেহেতু নিশ্চয়কের মান শূন্যের চেয়ে বড়, তাই মূল দুটি বাস্তব ও অসমান হবে
a x > -4
b x > 4
c x < -4
d x < 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x > -4 প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো x − ১১ < ৪x + ১ ধরি, x যুক্ত পদগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে নিতে হবে অতএব, x − ৪x < ১ + ১১ সুতরাং, −৩x < ১২ উত্তর: x > −৪
a ৮,৫০০ টাকা
b ৮,০০০ টাকা
c ৫,৮০০ টাকা
d ৮,৩০০ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮,৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: রহিমের বেতন ৩০% বৃদ্ধি পেয়েছে বর্তমান বেতন ১১,০৫০ টাকা ধরি, পূর্বে তার বেতন ছিল ক টাকা বেতন বৃদ্ধি পায় = ক এর ৩০% বর্তমান বেতন = ক + (ক এর ৩০% ÷ ১০০) অতএব, বর্তমান বেতন = ক + (৩০ক ÷ ১০০) বর্তমান বেতন = (১০০ক + ৩০ক) ÷ ১০০ বর্তমান বেতন = ১৩০ক ÷ ১০০ সুতরাং, ১৩০ক ÷ ১০০ = ১১,০৫০ ক = (১১,০৫০ × ১০০) ÷ ১৩০ উত্তর: ৮,৫০০ টাকা