প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (79)

a প্রজ্ঞাবান
b বুদ্ধিমান
c নিরীহ
d শান্ত
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধিমান ১. কেন সঠিক: - ধীমান শব্দটির মূল উৎস হলো ধী, যার অর্থ বুদ্ধি বা প্রজ্ঞা। - তাই প্রজ্ঞাবান বা বুদ্ধিমান অর্থে ধীমান শব্দটির ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধী শব্দের সঙ্গে মত্ বা ইন প্রত্যয় যুক্ত করে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে। - সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশকারী একটি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি অত্যন্ত ধীমান একজন গবেষক। ব্যাখ্যা: এখানে ধীমান শব্দটি গবেষকের বুদ্ধিগত উৎকর্ষ বোঝাতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধীমান ব্যক্তির পরামর্শে কাজটি সফল হলো। ব্যাখ্যা: এখানে প্রজ্ঞাবান বা বুদ্ধিমান ব্যক্তির গুণ বোঝাতে ধীমান শব্দটির প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্ঞাবান — প্রজ্ঞাবান শব্দটি সঠিক হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ অর্থ হিসেবে বুদ্ধিমান বেশি গ্রহণযোগ্য। B) বুদ্ধিমান — এটি সঠিক উত্তর। C) নিরীহ — নিরীহ অর্থ সহজ সরল বা অনিষ্টকারী নয়, যা ধীমান শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না। D) শান্ত — শান্ত অর্থ স্থির বা ধীর প্রকৃতির, যা বুদ্ধিমত্তার সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধী শব্দের অর্থ বুদ্ধি, তাই ধীমান মানে যার বুদ্ধি আছে অর্থাৎ বুদ্ধিমান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল ধাতু বা শব্দের উৎস জানা থাকলে সঠিক উত্তর সহজে নির্বাচন করা যায়।
a হতভাগ্য
b ক্ষুধার্ত
c রোগা
d দরিদ্র
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হতভাগ্য কেন সঠিক: - 'হাড় হাভাতে' বাগধারাটির মূল ভাব হলো চরম দুর্ভাগ্য বা কপালপোড়া অবস্থা। - সমাজে অত্যন্ত হতভাগ্য ও ভাগ্যহত মানুষকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - এই বাগধারাটিতে মানুষের চরম ও সর্বগ্রাসী অভাব বা দুর্ভাগ্যের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - যেমন: যে ব্যক্তির জীবনে সুখের মুখ দেখা নেই এবং প্রতি পদক্ষেপে কেবল বঞ্চনা জোটে, তাকেই হাড় হাভাতে বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) হতভাগ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মূল বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থ বহন করে। - B) ক্ষুধার্ত — এই অর্থটি আক্ষরিক হলেও বাগধারার রূপক অর্থে এটি প্রধান নয়। - C) রোগা — শারীরিক দুর্বলতা বা ক্ষয় বোঝাতে এই বাগধারাটি সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। - D) দরিদ্র — আর্থিক অভাব বোঝালেও সার্বিক দুর্ভাগ্যের পরিধি এর চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। মনে রাখার টিপস: - হাভাতে মানে যার সবকিছু হারিয়ে গেছে, আর হাড় হাভাতে মানে যার একেবারে চরম দুর্ভাগ্য বা হতভাগ্য দশা।
a সৈন্য
b প্রিয়
c মানুষ
d টেবিল
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানুষ ১. কেন সঠিক: যেসব বিশেষ্য পদ পুরুষ বা স্ত্রী কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গকে না বুঝিয়ে উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে উভয়লিঙ্গ বাচক শব্দ বলে। মানুষ শব্দটি পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝায় বিধায় এটি উভয়লিঙ্গ বাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে জীববাচক কিছু শব্দের পুরুষ ও স্ত্রীবাচক আলাদা রূপ থাকে, যেমন নর ও নারী। কিন্তু কিছু শব্দ জন্মগতভাবেই এমন যে তা নর বা নারী উভয়কে সমানভাবে নির্দেশ করে, যা উভয়লিঙ্গ নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিশু ব্যাখ্যা: শিশু শব্দটি ছেলে বা মেয়ে উভয় শিশুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সন্তান ব্যাখ্যা: সন্তান বলতে পুত্র বা কন্যা উভয়কেই বোঝানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈন্য — এটি ক্লীবলিঙ্গ বা সমষ্টিবাচক শব্দ, যা কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না বরং একটি সমষ্টিকে বোঝায়। B) প্রিয় — এটি মূলত বিশেষণ পদ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো প্রিয়া। D) টেবিল — এটি অচেতন পদার্থ হওয়ায় এটি ক্লীবলিঙ্গ বা অপ্রাণীবাচক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দিয়ে পুরুষ বা নারী আলাদা করা যায় না, যেমন মানুষ, শিশু, সন্তান, পাখি, সেগুলো উভয়লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীববাচক উভয়লিঙ্গ শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রাত্যহিক জীবনের পরিচিত শব্দগুলোর লিঙ্গভেদ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a সৈয়দ শামসুল হক
b হুমায়ূন আহমেদ
c সেলিনা হোসেন
d হুমায়ুন আজাদ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: 'অনীল বাগচীর একদিন' উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং মধ্যবিত্ত জীবনের মনস্তত্ত্ব এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আবির্ভূত বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক। তাঁর বিখ্যাত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের পটভূমিতে লেখা হুমায়ূন আহমেদের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো আগুনের পরশমণি। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি সাধারণ পরিবারের সংগ্রাম ও আবেগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: হুমায়ূন আহমেদের রচিত ময়ূরাক্ষী একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে তাঁর সৃষ্টিশীল গদ্যশৈলী এবং মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসটির রচয়িতা নন। B) হুমায়ূন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর নাম সরাসরি জড়িত। C) সেলিনা হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। D) হুমায়ুন আজাদ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক ও লেখক হলেও এই উপন্যাসটির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখতে অনীল বাগচীর একদিন এবং আগুনের পরশমণি নাম দুটি একসঙ্গে পড়তে পারো। এটি পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে সাহায্য করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নন্দিত নরকে, জোছনা ও জননীর গল্প এবং শ্যামল ছায়া তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
a দাঁড়ি
b কমা
c কোন চিহ্নই নয়
d সেমিকোলন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমা ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যে কাউকে সম্বোধন বা আহ্বান করলে তার ঠিক পরেই কমা চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। - সম্বোধন পদটি বাক্যের অন্য অংশ থেকে আলাদা করার জন্য এই যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের নিয়ম নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যে বক্তা যার উদ্দেশ্যে কথা বলেন বা যাকে ডেকে কিছু বলেন, তাকে সম্বোধন পদ বলে। - লেখার সময় পাঠকের সহজে বুঝতে পারার জন্য সম্বোধন পদের পর কমা বসানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে রহিম হলো সম্বোধন পদ এবং এর ঠিক পরেই কমা ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়েরা আমার, আজ আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। ব্যাখ্যা: এখানে ভাইয়েরা আমার হলো সম্বোধন পদ যার পর কমা বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাঁড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সম্বোধনের পর নয়। B) কমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সম্বোধনের পর কমা বসে। C) কোন চিহ্নই নয় — এই ধারণাটি ভুল কারণ সম্বোধনের পর যতিচিহ্ন হিসেবে কমা বসল নিয়মসিদ্ধ। D) সেমিকোলন — এটি কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য বসে, সম্বোধনের পর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাকেও ডাকলে বা সম্বোধন করলে সাথে সাথে একটু থামতে হয়, তাই লেখার সময় সেখানে কমা দিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - চিঠিপত্র বা আবেদনের শুরুতে যেমন প্রিয় বন্ধু, লেখার পরও কমা ব্যবহার করা হয়।
a তুলা
b শুকনো
c পড়িল
d সহিত
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুকনো ১. কেন সঠিক: - শুকনো শব্দটি চলিত রীতির শব্দ কারণ এটি প্রমিত ও আধুনিক বাংলা ভাষার কথ্য ও লেখ্য উভয় রূপের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। - সাধু রীতির শব্দের তৎসম বা প্রাচীন রূপের পরিবর্তে চলিত রীতিতে শব্দের রূপ সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য মূলত পদের রূপগত ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। - সাধু রীতিতে শব্দের রূপ একটু গম্ভীর ও দীর্ঘ হয়, আর চলিত রীতিতে তা সহজ ও সাবলীল রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুষ্ক ব্যাখ্যা: শুষ্ক শব্দটি সাধু বা তৎসম রূপ, যার চলিত রূপ হলো শুকনো। উদাহরণ ২: পাকা ব্যাখ্যা: পাকা শব্দটি চলিত রীতির শব্দ, যার সাধু বা গুরু গম্ভীর রূপ হলো পক্ষ পক্ব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলা — তুলা শব্দটি চলিত রীতির শব্দ হলেও তুলনাবিচারে এটি সাধু রীতিতেও বহুল ব্যবহৃত এবং প্রমিত চলিত রূপে তুলো ব্যবহৃত হয়। B) শুকনো — এটি চলিত রীতির সঠিক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) পড়িল — পড়িল শব্দটি সাধু রীতির ক্রিয়া পদ, যার চলিত রূপ হলো পড়ল। D) সহিত — সহিত শব্দটি সাধু রীতির অনুসর্গ, যার চলিত রূপ হলো সাথে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধু রীতিতে সাধারণত হ্রস্ব ই বা উ কার এবং যুক্তাক্ষরের ব্যবহার বেশি থাকে। - চলিত রীতিতে শব্দগুলো সংক্ষিপ্ত ও সহজ আকারে উচ্চারিত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধু থেকে চলিত রূপ পরিবর্তনের সময় পদের বানান ও রূপের পরিবর্তন ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - বিগত সালের চাকরির পরীক্ষায় আসা শব্দ রূপান্তরের তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সরলতা
b অলঙ্কার
c সংক্ষেপণ
d প্রাঞ্জলতা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অলঙ্কার ১. কেন সঠিক: - সারাংশে মূল রচনার অতিরিক্ত কথা, রূপক বা অলঙ্কার বাদ দিয়ে কেবল মূল ভাব প্রকাশ করতে হয়। - অলঙ্কার বা রূপক লেখার সৌন্দর্য বাড়ালেও সারাংশকে দীর্ঘ ও জটিল করে তোলে, তাই এর প্রয়োজন নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সারাংশ হলো কোনো দীর্ঘ রচনা, প্রবন্ধ বা নিবন্ধের মূল বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও সহজ ভাষায় প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি রচনার ভাবকে সংকুচিত করে পাঠকের কাছে বোধগম্য করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘে ঢাকা আকাশ দেখে কৃষকের মন আনন্দে ভরে উঠল এবং তারা চাষাবাদে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মূল কথা হলো মেঘলা আকাশ কৃষকের মনে আনন্দের সঞ্চার করে এবং তাদের কাজে উৎসাহিত করে। উদাহরণ ২: নদীর বহমানতা মানুষের জীবনের চলার পথের কথাই যেন স্মরণ করিয়ে দেয়। ব্যাখ্যা: নদীর গতিশীলতার সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রার তুলনা করে মূল ভাবটি সংক্ষেপে তুলে ধরা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরলতা — সারাংশ সবসময় সহজ ও সাবলীল ভাষায় লিখতে হয় যাতে বুঝতে সুবিধা হয়। B) অলঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলঙ্কার বা রূপক সারাংশে ব্যবহার করলে তা দীর্ঘ ও জটিল হয়। C) সংক্ষেপণ — মূল রচনাকে ছোট করে মূল ভাব ফুটিয়ে তোলাই সারাংশের মূল উদ্দেশ্য। D) প্রাঞ্জলতা — ভাষা স্পষ্ট ও মধুর হওয়া সারাংশের অন্যতম প্রধান শর্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সারাংশ মানে হলো ছোট ও স্পষ্ট করা, তাই সেখানে কোনো রূপক বা অলঙ্কারের জায়গা নেই। - মনে রাখবে, সারাংশ হবে সোজা, ছোট ও প্রাঞ্জল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সারাংশ লেখার সময় সবসময় অপ্রয়োজনীয় উদাহরণ, উদ্ধৃতি ও অলঙ্কার বাদ দিতে হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সারাংশ বা সারমর্মের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a অতিশয় অভদ্র
b অপদার্থ
c পার্থক্য
d অদ্র
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পার্থক্য ১. কেন সঠিক: - ইতর বিশেষ বাগধারাটির প্রচলিত ও পরীক্ষিত অর্থ হলো পার্থক্য বা ভেদাভেদ। - এখানে ইতর শব্দটি ছোট বা সামান্য এবং বিশেষ শব্দটি গুরুত্বপূর্ণ বা বড় অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে বাগধারার সঠিক প্রয়োগ ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ইতর বিশেষ করা উচিত নয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ইতর বিশেষ বলতে ধনী ও গরিবের ভেদাভেদ বা পার্থক্য না করার কথা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ভালো ও মন্দের মধ্যে ইতর বিশেষ বুঝতে হবে। ব্যাখ্যা: এখানে ভালো এবং মন্দের মধ্যকার পার্থক্য বা ব্যবধান অনুধাবন করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতিশয় অভদ্র — এটি ইতর বিশেষ বাগধারাটির অর্থ নয় বরং অন্য কোনো নেতিবাচক আচরণ বা শব্দের কাছাকাছি হতে পারে। B) অপদার্থ — এটি সম্পূর্ণ অযোগ্য বা কাজের নয় এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) পার্থক্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক অর্থ বহন করে। D) অদ্র — এটি বানান ভুল এবং এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ বাগধারা বাংলা ব্যাকরণে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইতর মানে ছোট এবং বিশেষ মানে বড়, এই ছোট ও বড়র মাঝে যা থাকে তা হলো পার্থক্য। - এভাবে বিপরীতধর্মী শব্দের মিলন হিসেবে পার্থক্য অর্থটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমার্থক বাগধারা প্রায়ই আসে। - বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ভেবে প্রমিত ও প্রচলিত ভাবার্থ মনে রাখা জরুরি।
a বিটপী
b শিখরী
c বনানী
d পাদপ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বনানী ১. কেন সঠিক: - 'বনানী' শব্দের অর্থ বহু গাছপালার সমাহার বা জঙ্গল, যা স্বতন্ত্র একটি বিশেষ্য পদ। - প্রশ্নানুযায়ী 'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি নয় তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে এবং 'বনানী' বৃক্ষের সমার্থক নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যার অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - 'বৃক্ষ' শব্দটির অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা গাছ বা তুরু লতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অটবি ব্যাখ্যা: অটবি শব্দের অর্থ বন বা অরণ্য, যা বনানীর সমার্থক হলেও বৃক্ষ নয়। উদাহরণ ২: কুঞ্জ ব্যাখ্যা: কুঞ্জ অর্থ লতাবেষ্টিত স্থান বা বন, যা বৃক্ষের সমার্থক শব্দ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিটপী — বিটপী শব্দের অর্থ বৃক্ষ বা গাছ, যা প্রশ্নের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক হলেও এটি সমার্থক শব্দ তাই উত্তর নয়। B) শিখরী — শিখরী শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, তবে বাংলা প্রতিশব্দে এটি বৃক্ষ অর্থেও ব্যবহৃত হয় এবং অপশনগুলোর মধ্যে বনানীই কেবল সঠিক উত্তর। C) বনানী — বনানী শব্দের অর্থ জঙ্গল বা অরণ্য, যা বৃক্ষ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) পাদপ — পাদপ শব্দের অর্থ বৃক্ষ বা গাছ, যা গাছ অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বৃক্ষ শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে বিটপী, পাদপ, তরু এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - বন বা অরণ্য বোঝায় এমন শব্দ যেমন বনানী বা কানন বৃক্ষ থেকে আলাদা তা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও সমষ্টিগত অর্থের পার্থক্য বুঝতে হবে। - একক বস্তু এবং সমষ্টিবাচক শব্দের তফাত জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a জগদীশপুর
b গোপালপুর
c কামারপুর
d দরিরামপুর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দরিরামপুর ১. কেন সঠিক: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্যস্মৃতির সঙ্গে ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুর অঞ্চলটি গভীরভাবে জড়িত। - ১৯১৪ সালের দিকে কবি এখানে দারোগা রফিজ উল্লাহর আশ্রয়ে এসেছিলেন এবং এখানকার দরিরামপুর হাই স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর সাহিত্যিক জীবনের সূচনা মো, চক্রবর্তীর লেটোর দলে যোগদানের মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে বাঙালি সমাজে তিনি জাতীয় কবির মর্যাদা লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে তাঁকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার অনন্য এক স্বাক্ষর বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগদীশপুর — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্যস্মৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো পরিচিত স্থান নয়। B) গোপালপুর — এটি ময়মনসিংহের ত্রিশালের নজরুল-স্মৃতি বিজড়িত কোনো ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) কামারপুর — এটি অন্য কোনো সাহিত্যিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে কিন্তু নজরুলের বাল্যস্মৃতির স্থান নয়। D) দরিরামপুর — এটি সঠিক কারণ এখানেই নজরুল ইসলাম বিদ্যালয় জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের বাল্যকাল মনে রাখতে ত্রিশালের নাম মনে রাখবে কারণ ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলেই তিনি পড়াশোনা করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বাল্যস্মৃতি বিজড়িত স্থান এবং প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a বক
b ময়ূর
c কবুতর
d কোকিল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবুতর ১. কেন সঠিক: - কপোত শব্দটির আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো কবুতর বা পারাবত। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এটি গৃহপালিত পাখি হিসেবে বহুল পরিচিত এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো কপোতী। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে সরাসরি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - শব্দভাণ্ডারের দিক থেকে এটি বিশেষ্য পদ এবং পাখিবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত কবিতা কপোতাক্ষ নদ। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কপোতাক্ষ নদের নামকরণের সঙ্গে কপোত বা কবুতরের কোনো সরাসরি সম্পর্ক না থাকলেও কপোত শব্দটি পাখি অর্থে প্রাচীনকাল থেকেই পরিচিত। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসে কপোত ও কপোতী পাখির মৃদু গুঞ্জনের উল্লেখ পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক রচনায় প্রেমিক-প্রেমিকার ভাব প্রকাশে কপোত বা কবুতর জুটির প্রতীকী ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বক — বক একটি ভিন্ন জাতের জলচর পাখি এবং এর সমার্থক শব্দ হলো ববক বা বলাকা। B) ময়ূর — ময়ূর একটি আলাদা এবং বড় আকারের সৌন্দর্যমণ্ডিত পাখি যার সমার্থক শব্দ শিখী বা বারহি। D) কোকিল — কোকিল একটি পরভৃত পাখি যা তার মিষ্টি ডাকের জন্য পরিচিত এবং এর সমার্থক শব্দ পিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - কপোত মানেই কবুতর এটি মনে রাখতে ক এবং ক দিয়ে শুরু শব্দ দুটি মেলাতে পারো। - এর স্ত্রীবাচক শব্দ কপোতী দিয়েও বাংলা সাহিত্যে অনেক রূপক তৈরি হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পাখির নাম বা তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের শব্দার্থ মুখস্থ রাখার চেয়ে পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা বাক্যে ব্যবহারের মাধ্যমে মনে রাখা বেশি সহজ।
a মনি + ঈযা
b মনস + ঈষা
c মনঃ + ঈযা
d মনী + ইযা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনস + ঈষা ১. কেন সঠিক: - মনীষা শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো মনস যোগ ঈষা। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে প্রথম পদের অন্তস্থিত স কার এবং দ্বিতীয় পদের আদি স্বর ই কার মিলে এই বিশেষ সন্ধি সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী পদান্তস্থিত স কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে স কার লুপ্ত হয় এবং পরবর্তী দীর্ঘ স্বরের প্রভাবে বিশেষ রূপ নেয়। - মনীষা শব্দের ক্ষেত্রে মনস্ পদের সাথে ঈষা যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ কার যোগে মনীষা শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ যোগ ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের পর স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ যুক্ত হয়ে যে সন্ধি হয়, এটি তার একটি প্রমিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: বাক যোগ ইশ্বর = বাগীশ্বর ব্যাখ্যা: পদের অন্তস্থিত ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনি + ঈযা — এখানে মনি ও ঈযা শব্দ দুটির কোনো অর্থ নেই এবং এটি ব্যাকরণসম্মত নয়। B) মনস + ঈষা — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর দ্বারা সঠিক প্রমিত শব্দ গঠিত হয়। C) মনঃ + ঈযা — মনঃ যোগ ঈযা লিখলে তা বিসর্গ সন্ধির ভুল প্রয়োগ হবে এবং ঈযা বানানটিও ভুল। D) মনী + ইযা — মনী কোনো মূল শব্দ নয় এবং ইযা বর্ণটিও এখানে অপ্রাসঙ্গিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনীষা শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ মনে রাখতে মূল শব্দ মনস্ এবং ঈষা আলাদা করে মনে রাখবে। - পরীক্ষার হলে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে মনস্ যোগ ঈষা রূপটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মনীষা একটি বহুল প্রচলিত ও গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - ব্যঞ্জনসন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অনুরূপ অন্যান্য সন্ধিও সহজে সমাধান করা যায়।
a লাফ প্রদান করল
b লাফ দিল
c লক্ষ দিল
d ঘ. লম্ফ প্রদান করল
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাফ দিল ১. কেন সঠিক: সাধু রীতির ক্রিয়াপদ ও তৎসম শব্দগুচ্ছকে সহজ ও সাবলীল চলিত রূপে রূপান্তর করার নিয়মে 'লক্ষ-প্রদান করিল' বাক্যটির চলিত রূপ 'লাফ দিল' হয়েছে। এখানে 'লক্ষ' বা 'লম্ফ' শব্দের প্রচলিত ও সহজ চলিত রূপ হলো 'লাফ' এবং 'প্রদান করিল' এর চলিত রূপ হলো 'দিল'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত পার্থক্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সাধু রীতিতে ব্যবহৃত তৎসম ও গুরুগম্ভীর শব্দ চলিত রীতিতে অধিকতর সহজ, সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল রূপে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দর্শন করিল ব্যাখ্যা: সাধু রীতির এই ক্রিয়াপদটির চলিত রূপ হলো দেখল। উদাহরণ ২: ভোজন করিল ব্যাখ্যা: সাধু রীতির এই ক্রিয়াপদটির চলিত রূপ হলো খেল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাফ প্রদান করল — এই অপশনে 'প্রদান করল' সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ দোষে দুষ্ট এবং চলিত রীতিতে অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। C) লক্ষ দিল — এই অপশনে 'লক্ষ' শব্দের চলিত রূপ হিসেবে সঠিক রূপ বা অর্থ পূর্ণতা পায়নি। D) ঘ. লম্ফ প্রদান করল — এই অপশনে 'লম্ফ প্রদান করল' সম্পূর্ণ সাধু রীতিতে রয়েছে, অথচ প্রশ্নটি চলিত রূপে চেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু থেকে চলিত রূপান্তর করার সময় ক্রিয়াপদ এবং তৎসম বিশেষ্য পদকে যতটা সম্ভব সহজ ও প্রচলিত কথ্য রূপে পরিবর্তন করতে হয়। লম্ফ বা লক্ষ শব্দের চলিত রূপ সর্বদা লাফ হিসেবে গণ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু থেকে চলিত রূপান্তরের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের পাশাপাশি বিশেষ্য পদের চলিত রূপের প্রতিও বিশেষ নজর দিতে হয়। মিশ্র ভাষা বা গুরুচণ্ডালী দোষ এড়িয়ে প্রমিত চলিত রূপ নির্বাচন করতে হবে।
a বন্দে আলী মিয়া
b সুফিয়া কামাল
c গোলাম মোস্তফা
d মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'দিবারাত্রির কাব্য' বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে মানবমনের জটিল প্রবৃত্তি, অবচেতন মন এবং সামাজিক বাস্তবতার নিখুঁত রূপায়ন ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের বরপুত্র। তার এই উপন্যাসে আনন্দ, মালতী, হেরম্ব ও সুপ্রভার মতো চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের টানাপোড়েন ও মানসিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুতুল নাচের ইতিকথা ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: পদ্মার নদী মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলির একটি, যা কবের জীবন ও নদীর পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্দে আলী মিয়া — ইনি মূলত একজন প্রখ্যাত কবি ও শিশুসাহিত্যিক, তার বিখ্যাত রচনা মূলক 'ময়নামতীর চর' কবিতা। B) সুফিয়া কামাল — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত নারী কবি ও প্রগতিশীল আন্দোলনকর্মী, যার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাঁঝের মায়া'। সি) গোলাম মোস্তফা — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক, যার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বিশ্বনবী'। D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — সঠিক উত্তর, কারণ 'দিবারাত্রির কাব্য' তার রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো মনস্তাত্ত্বিক ও গ্রামীণ জীবন। তার বিখ্যাত উপন্যাস দিবা-রাত্রির কাব্য, পুতুল নাচের ইতিকথা এবং পদ্মার নদী মাঝি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের রচিয়তা হিসেবে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সবচেয়ে আগে মনে রাখতে হবে।
a কিছু
b স্বয়ং
c যে
d তাবৎ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যে ১. কেন সঠিক: যে শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্যকে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত করে এবং পরবর্তী খণ্ডবাক্যের পূর্ববর্তী বিশেষ্য বা সর্বনামকে নির্দেশ করে, তাই এটি সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম। এটি বাক্যের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করার পাশাপাশি অপর একটি পদের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে, যা সর্বনাম পদের সংযোগজ্ঞাপন বা সম্বন্ধবাচক রূপের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম পদকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণি। যে সর্বনাম পদ দুটি ভিন্ন বাক্য বা বাক্যাংশকে সংযুক্ত করে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করে, তাকে সংযোগজ্ঞাপন বা সম্বন্ধবাচক সর্বনাম বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে ভালো কাজ করে, সে সবার শ্রদ্ধা পায়। ব্যাখ্যা: এখানে 'যে' পদটি দুটি খণ্ডবাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। উদাহরণ ২: যা বলো তা আমি বিশ্বাস করি না। ব্যাখ্যা: এখানে 'যা' শব্দটি সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিছু — এটি অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে তাই এটি অনির্দিষ্টবাচক সর্বনাম। B) স্বয়ং — এটি আত্মবাচক সর্বনাম যা কর্তার ওপর জোর দিতে ব্যবহৃত হয়। C) যে — এটি সংযোগজ্ঞাপন সর্বনামের সঠিক উত্তর। D) তাবৎ — এটি সমস্ত বা সমগ্র অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম চেনার সহজ উপায় হলো এই পদগুলো সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয় যেমন যে-সে, যা-তা, যতো-ততো। বাক্যের শুরুতে এই পদগুলো দেখলে সহজেই সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম বা সম্বন্ধবাচক সর্বনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাক্যের মধ্যকার খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং জোড়ায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
a ষান্মাসিক
b সান্মাসিক
c ষান্নাসিক
d যান্মাসিক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ষান্মাসিক ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়েছে। - ষট যোগ মাস মিলে ষান্মাসিক শব্দটি গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনবর্ণের পর ষত্ববিধান ও সন্ধির নিয়ম অনুসারে ত বা দ এর পরে ম থাকলে তা পরিবর্তিত হয়। - এখানে ষট শব্দের ট স্থানে ণ এবং ম যুক্ত হয়ে ষান্মাসিক রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ষান্মাসিক পরীক্ষা ব্যাখ্যা: ছয় মাস অন্তর অনুষ্ঠিত পরীক্ষাকে ষান্মাসিক বলা হয়, যা এই সন্ধিযুক্ত শব্দের একটি সুন্দর প্রয়োগ। উদাহরণ ২: চিন্ময় ব্যাখ্যা: চিত যোগ ময় মিলে চিন্ময় হয়, যা ব্যঞ্জনসন্ধির আরেকটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষান্মাসিক - এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ সঠিক ও প্রমিত রূপ। B) সান্মাসিক - মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত স ব্যবহার করায় এটি বানান ভুল হিসেবে গণ্য হয়। C) ষান্নাসিক - মাঝে অতিরিক্ত ন যুক্ত করার কারণে এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। D) যান্মাসিক - ষ এর বদলে য ব্যবহার করায় এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাস যুক্ত শব্দে সবসময় মূর্ধন্য ষ এবং ণ ব্যবহার করতে হবে। - ষট যোগ মাস সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাও সহজে সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধিজাত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে। - ব্যঞ্জনসন্ধির পরিবর্তনের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করলে এই ভুলগুলো এড়ানো সম্ভব।
a নিশীথিনী
b নিশিথিনি
c নিশিথিনী
d নীশিথিনী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: নিশীথিনী শব্দের মূল শব্দ নিশীথ যার অর্থ মধ্যরাত বা গভীর রাত। এর সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রাত বা রাত্রি অর্থে নিশীথিনী শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার জানা জরুরি। নিশীথ শব্দের শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং পরবর্তী প্রত্যয়েও দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে নিশীথিনী বানানটি গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনী বা রাতের সমার্থক একটি তৎসম শব্দ যার বানানও প্রমিত রীতিতে নির্ধারিত। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: রাত বা নিশীথিনীর আরেকটি অর্থবোধক তৎসম শব্দ যা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশীথিনী — এটি সঠিক বানান এবং ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) নিশিথিনি — এই বানানে নিশিথ অংশে হ্রস্ব ই-কার এবং নি অংশেও হ্রস্ব ই-কার থাকায় এটি ভুল। C) নিশিথিনী — এই বানানে নিশিথ অংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) নীশিথিনী — এই বানানে নিশীথ অংশের শুরুতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিশীথ শব্দের বানান মনে রাখলে নিশীথিনী বানানটি সহজ হয় কারণ মূল শব্দের দীর্ঘ ঈ-কার অপরিবর্তিত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাতের সমার্থক শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে তাই নিশীথিনী ও এর সমার্থক শব্দের বানানগুলো বারবার চর্চা করা উচিত।
a তীর্থযাত্রী
b আগন্তুক
c অতিথি
d তিথিহীন
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতিথি ১. কেন সঠিক: - যার আগমনের কোনো নির্দিষ্ট তিথি বা সময় নেই, তাকে এককথায় অতিথি বলা হয়। - এটি মূলত বাক্যসংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যসংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো ঘটে নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অভূতপূর্ব বলা হয়, যা কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নদী মাতা যার ব্যাখ্যা: একে এককথায় নদমাতৃক বলা হয়, যা কোনো দেশের ভৌগোলিক অবস্থাকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তীর্থযাত্রী — যিনি পবিত্র তীর্থস্থান দর্শনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন, তাকে তীর্থযাত্রী বলা হয়। B) আগন্তুক — যিনি বাইরে থেকে আগমন করেছেন, তাকে আগন্তুক বলা হয় কিন্তু এর সঙ্গে নির্দিষ্ট তিথির কোনো সম্পর্ক নেই। C) অতিথি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যার আগমনের কোনো নির্দিষ্ট তিথি নেই। D) তিথিহীন — যার কোনো তিথি বা দিনক্ষণ নেই, তা সময় বা ক্ষণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু এটি বিশেষ অতিথির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অতিথিদের আসার কোনো নির্দিষ্ট দিন বা সময় থাকে না, তাই তিথি নেই যার তিনি অতিথি। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল শব্দটির অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে মেলানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এই ধরনের শব্দগুলোর অর্থ মনে রাখা জরুরি।
a ভয়
b বিস্ময়
c প্রত্যয়
d দ্বিধা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় কেন সঠিক: - সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা অমূলক শঙ্কা এবং প্রত্যয় শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা নিশ্চিত ধারণা। - অর্থগত দিক থেকে সংশয় ও প্রত্যয় পরস্পর বিপরীত ভাবের প্রকাশ ঘটায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ পদ বসে। - সংশয় একটি বিশেষ্য পদ এবং এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রত্যয় একটি উপযুক্ত বিশেষ্য পদ। - যেমন সংশয় শব্দটির ক্ষেত্রে প্রত্যয় ব্যবহার করে নিশ্চিত বিশ্বাস বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ভয় — ভয় শব্দের অর্থ আতঙ্ক, যা সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। - B) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া, যা সংশয়ের সঠিক বিপরীতার্থক নয়। - C) প্রত্যয় — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা সন্দেহ, যা সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। মনে রাখার টিপস: - সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস এই মিল মনে রাখলে উত্তর বের করা সহজ হয়।
a to
b on
c from
d in
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) from কেন সঠিক: discourage verb টির পরে সাধারণত from preposition ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হলো কোনো কাজ করা থেকে বিরত রাখা বা নিরুৎসাহিত করা। এই নিয়মে me এবং borrowing এর মাঝখানে from বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — discourage এর পরে to বসে না। এটি অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) on — discourage এর পরে on বসে না। এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) in — discourage এর পরে in বসে না। এটি নিয়মের বাইরে। মনে রাখার টিপস: discourage বা prevent verb এর পরে সবসময় from বসে এবং এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a Teacher
b Book
c Boy
d Madam
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Teacher কেন সঠিক: যেসব নাউন দিয়ে স্ত্রী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝানো হয়, তাকে কমন জেন্ডার বলে। Teacher শব্দটি দিয়ে পুরুষ ও নারী উভয় শিক্ষককেই বোঝানো যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Teacher — এটি সঠিক উত্তর। B) Book — এটি একটি বস্তুবাচক শব্দ যা ক্লীব লিঙ্গ বা নিউটার জেন্ডার। C) Boy — এটি দিয়ে কেবল পুরুষ বোঝায় তাই এটি পুংলিঙ্গ বা ম্যাসকুলিন জেন্ডার। D) Madam — এটি দিয়ে কেবল নারী বোঝায় তাই এটি স্ত্রীলিঙ্গ বা ফেমিনিন জেন্ডার। মনে রাখার টিপস: যে নাউন নারী বা পুরুষ দুপক্ষকেই বোঝায়, চোখ বন্ধ করে তাকে কমন জেন্ডার বলবে।
a for
b with
c to
d of
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) of কেন সঠিক: confident শব্দের পরে সাধারণত অবজেক্ট বা বিষয়ের পূর্বে অব preposition বসে। এখানে success একটি নাউন এবং এর আগে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী of ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — confident শব্দের পরে সাধারণ নিয়মে for preposition বসে না। B) with — confident with ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) to — confident to সাধারণত ইনফিনিটিভ verb এর আগে বসে, নাউনের আগে নয়। D) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Confident শব্দের পরে সবসময় অব প্রিপ্রোসিপশন বসে এটি মনে রাখবে।
a George Eliot
b Jane Austen
c Thomas Hardy
d Charles Dickens
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charles Dickens কেন সঠিক: এটি বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা লন্ডন ও প্যারিস শহরের পটভূমিতে রচিত। ফরাসি বিপ্লবের সময়কার সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা এতে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Eliot — তিনি সাইরাস মেনার এবং মিডলমার্চ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) Jane Austen — তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে প্রাইড অ্যান্ড প্রিযুডিস অন্যতম। C) Thomas Hardy — তিনি টেস অব দ্য ডি'উবারভিলস উপন্যাসের জন্য পরিচিত। D) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্স মানেই দুটি শহরের গল্প অর্থাৎ টেল অব টু সিটিজ।
a pronoun
b both noun and adjective
c noun
d adjective
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) both noun and adjective কেন সঠিক: শব্দটি কোনো বিশেষ মানুষের নাম বা জাতির নাম বোঝালে তখন তা নাউন হিসেবে কাজ করে। আবার কোনো কিছুর দোষ, গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করলে তখন তা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই দুই ধরনের ব্যবহারের জন্যই এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pronoun — এটি কোনো অবস্থাতেই প্রোনাউন বা সর্বনাম হতে পারে না কারণ এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসে না। B) both noun and adjective — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ শব্দটি একই সাথে নাউন ও অ্যাডজেক্টিভ উভয় হিসেবেই বসে। C) noun — এটি শুধু নাউন নয়, কারণ অনেক বাক্যে এটি অন্য কোনো নাউনের দোষ বা গুণও প্রকাশ করে থাকে। D) adjective — এটি শুধু অ্যাডজেক্টিভ নয়, কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা জাতির নাম হিসেবে একা একা নাউন হিসেবেও বসে। মনে রাখার টিপস: কোনো জাতির নাম যখন বাক্যে সরাসরি নাম বোঝায় তখন তা নাউন, আর যখন কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য বোঝায় তখন তা অ্যাডজেক্টিভ হয়।
a A child likes none but sweets.
b A child likes nothing but sweets.
c A child likes but sweets.
d A child likes not more sweets.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A child likes nothing but sweets. কেন সঠিক: মূল বাক্যে থাকা 'only' যদি কোনো বস্তু বা মিষ্টি জাতীয় কিছু নির্দেশ করে, তবে তার পরিবর্তে negative করার সময় 'nothing but' ব্যবহার করতে হয়। এখানে sweets একটি বস্তুবাচক শব্দ হওয়ায় সঠিক নিয়ম অনুযায়ী 'nothing but' বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A child likes none but sweets. — 'none but' মূলত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, কিন্তু sweets একটি বস্তু হওয়ায় এখানে এটি ভুল। B) A child likes nothing but sweets. — এটি সঠিক উত্তর। C) A child likes but sweets. — এই বাক্যে কোনো negative শব্দ যেমন not বা nothing ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি negative রূপ নয়। D) A child likes not more sweets. — 'not more' ব্যবহার করে negative করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয় এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'only' এর পরিবর্তে ব্যক্তি থাকলে 'none but' এবং বস্তু থাকলে 'nothing but' বসাতে হয়।
a a great deal of
b the number of
c many
d number of
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the number of কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের verb টি singular (is) হওয়ায় subject অবশ্যই singular হতে হবে। the number of ব্যবহার করলে subject singular হয় এবং তা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a great deal of — uncountable noun এর সাথে বসে, কিন্তু people হলো countable noun। B) the number of — এটি সঠিক কারণ এর পর plural noun এবং singular verb বসে। C) many — এটি countable noun এর সাথে বসলেও এর পরে verb সবসময় plural হয়। D) number of — এর পূর্বে article 'the' না থাকায় ব্যাকরণগতভাবে গঠনটি অসম্পূর্ণ ও ভুল। মনে রাখার টিপস: the number of এর পর plural noun থাকলেও verb singular হয় এবং a number of এর পর verb plural হয়।
a Dirohea
b Dirrohea
c Dirrhoea
d Diarrhoea
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Diarrhoea কেন সঠিক: শব্দটিতে ডায়ারিয়া বানান করার সময় শুরুতে Di ব্যবহার করতে হয় এবং মাঝে rrr ও শেষে hca থাকে। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি বানান পদ্ধতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dirohea — বানানে প্রয়োজনীয় অক্ষরগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি এবং বানানটি সম্পূর্ণ ভুল। B) Dirrohea — বানানের মাঝখানে অতিরিক্ত অক্ষর দেওয়া হয়েছে যা সঠিক নয়। C) Dirrhoea — বানানের মাঝখানে ভুল বিন্যাসে অক্ষরগুলো সাজানো হয়েছে। D) Diarrhoea — এটি সঠিক বানান এবং এর প্রতিটি অক্ষর ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। মনে রাখার টিপস: ডায়ারিয়া বানানটি মনে রাখার জন্য ডায়া (Dia) লিখে তারপর রিয়া (rrhoea) যোগ করতে পারো।
a discrete
b dull.
c insert
d contract
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) insert কেন সঠিক: Delete শব্দের অর্থ মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। Insert শব্দের অর্থ ভেতরে প্রবেশ করানো বা যুক্ত করা। তাই এরা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) discrete — এর অর্থ পৃথক বা আলাদা, যা delete শব্দের সঠিক বিপরীত নয়। B) dull — এর অর্থ নিস্তেজ বা বোরিং, যা delete শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) insert — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) contract — এর অর্থ সংকুচিত করা বা চুক্তি, যা delete শব্দের বিপরীত নয়। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারে কোনো লেখা বাদ দিতে Delete বাটন এবং নতুন কিছু ঢোকাতে Insert বাটন ব্যবহার করা হয়।
a nothing
b no one
c all
d none
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এবং একাধিক দোকানের মধ্য থেকে একটিও খোলা ছিল না বোঝাতে none ব্যবহার করা হয়েছে। of the থাকলে তার আগে none বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nothing — এটি বস্তুকে নির্দেশ করে এবং এখানে মানানসই নয়। B) no one — এটি কেবল মানুষকে নির্দেশ করে এবং দোকানের ক্ষেত্রে বসে না। C) all — এটি বসলে বাক্যটির অর্থের সাথে মিল হয় না। D) none — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: অফ দি এর আগে কাউন্টেবল বা আনকাউন্টেবল নাউনের ক্ষেত্রে নান ব্যবহার করতে হয়।
a Achievement
b Acheivement
c Acheivement
d Acheivement
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Achievement কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে ie এর পরিবর্তে ei নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। এটি ইংরেজি বানানের একটি মৌলিক ও বহুল ব্যবহৃত নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Achievement — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Acheivement — এখানে e এবং i এর অবস্থান ভুল রয়েছে। C) Acheivement — এটি বানানের নিয়মের সাথে মেলে না এবং ভুল। D) Acheivement — এখানেও একই বানানের ভুল পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: আই ই এর সাধারণ নিয়ম হলো সি এর পরে ই আই বসে কিন্তু এখানে তার ব্যতিক্রম হিসেবে সি ছাড়াই ই আই বসেছে।
a He said that I will do the work.
b He said that he could do the work.
c He said that he can do the work.
d He said that I could do the work.
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He said that he could do the work. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense (said) হওয়ায় রিপোর্টেড স্পীচ-এর Present tense পরিবর্তন হয়ে Past tense-এ রূপান্তরিত হয়েছে। - Direct speech-এর modal auxiliary 'can' পরিবর্তন হয়ে Indirect speech-এ 'could' এ পরিণত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said that I will do the work. — রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হওয়ায় 'will' অপরিবর্তিত রাখা এবং 'I' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He said that he could do the work. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে টেন্স ও পার্সন উভয় নিয়ম সঠিকভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। C) He said that he can do the work. — রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হওয়া সত্ত্বেও ভেতরের 'can' অপরাজিত বা পরিবর্তন না করায় এটি ভুল। D) He said that I could do the work. — 'can' কে 'could' করা হলেও প্রথম পার্সন 'I' কে নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন না করায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Direct Narration-এ can থাকলে Indirect Narration-এ সবসময় could হয় এবং রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হলে ভেتরের tense-ও পরিবর্তন করতে হয়।
a By whom this has been done?
b Whom did this?
c By whom was this done?
d Who has done this?
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom was this done? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক বাক্যে 'Who' থাকলে প্যাসিভ করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে। অতীত নির্দেশক 'did' থাকার কারণে এখানে 'was' সাহায্যকারী ভাব ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom this has been done? — এখানে বর্তমানকালের সাহায্যকারী ভাব ব্যবহৃত হয়েছে এবং সাবজেক্টের অবস্থান ভুল রয়েছে। B) Whom did this? — এটি কোনো সঠিক প্যাসিভ রূপ নয় এবং এর অর্থ মূল বাক্যের সাথে মেলে না। C) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। D) Who has done this? — এটি একটিভ ফর্মের অপর একটি বাক্য, যা মূল বাক্যের সঠিক প্যাসিভ রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী সঠিক সাহায্যকারী ভাব ব্যবহার করতে হয়।
a Airport is a busy place.
b The Airport is a busy place
c Airport is busy place.
d The Airport is busy place.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) The Airport is a busy place কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা পরিচিত স্থাপনা বোঝাতে তার পূর্বে definite article হিসেবে the বসে। - sentence-টিতে singular countable noun-এর পূর্বে determiners বা article ব্যবহারের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Airport is a busy place — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে noun-এর পূর্বে অবশ্যই the article ব্যবহার করা আবশ্যক ছিল। B) The Airport is a busy place — এটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট স্থাপনার পূর্বে সঠিকভাবে the ব্যবহার করা হয়েছে এবং singular noun-এর নিয়ম মানা হয়েছে। C) Airport is busy place — এখানে article-এর অনুপস্থিতির পাশাপাশি place noun-টি singular হওয়ায় পূর্বে a বা an article থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। D) The Airport is busy place — এখানে place singular countable noun হওয়া সত্ত্বেও তার পূর্বে কোনো article ব্যবহার না করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো নির্দিষ্ট বা পরিচিত স্থান বোঝাতে তার নামের পূর্বে সর্বদা the বসে এবং singular countable noun-এর ক্ষেত্রে article ব্যবহার করতে হয়।
a The man appears to be stronger than other living men.
b The man appears to be stronger than may living man
c The man appears to be stronger than all other living men.
d The man appears to be stronger than any other living man
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) The man appears to be stronger than all other living men. কেন সঠিক: - তুলনামূলক ডিগ্রিতে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে একই শ্রেণীর অন্য সবার চেয়ে তুলনা করার সময় all other এবং plural noun ব্যবহার করতে হয়। - এখানে subject singular (The man) হওয়ায় তুলনা করার ক্ষেত্রে all other living men সঠিক ব্যাকরণগত গঠন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The man appears to be stronger than other living men — other এর আগে all না থাকায় তুলনাটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে দুর্বল হয়েছে। B) The man appears to be stronger than may living man — may শব্দের বানান ও ব্যবহার এখানে সম্পূর্ণ ভুল এবং অর্থহীন। C) The man appears to be stronger than all other living men — এটি প্রশ্নটির প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ব্যাকরণগত গঠন শতভাগ নির্ভুল। D) The man appears to be stronger than any other living man — singular noun (man) থাকায় এটি plural subject বা সাধারণ ক্ষেত্রে பொருந்தে না, কারণ মূল বাক্যটি all other men-কে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Degree পরিবর্তনের সময় Singular Subject-এর সাথে 'than all other + plural noun' এবং Singular Object-এর সাথে 'than any other + singular noun' ব্যবহার করতে হয়।
a A very costly and troublesome possession
b A precious and rare possession
c An elephant of white colour
d A big elephant
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A very costly and troublesome possession কেন সঠিক: White Elephant একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ সাদা হাতি হলেও এর ভাবার্থ হলো এমন একটি বস্তু যা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কোনো কাজে আসে না। এই ধরনের জিনিস মালিকের জন্য লাভের চেয়ে গলার কাঁটা বা ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A very costly and troublesome possession — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) A precious and rare possession — এটি ভুল কারণ সাদা হাতি মূল্যবান বা দুর্লভ কিছু বোঝায় না, বরং এটি অপ্রয়োজনীয় ও ঝামেলার বস্তু। C) An elephant of white colour — এটি ভুল কারণ ইডিওম হিসেবে এর আক্ষরিক অর্থ নয়, বরং রূপক অর্থ প্রকাশ পায়। D) A big elephant — এটি ভুল কারণ এটি কোনো সাধারণ বড় হাতির আকার বোঝায় না, বরং একটি অর্থনৈতিক বোঝা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সাদা হাতি কিনে কেউ যেমন পোহাতে পারে না কুল, এটি তেমনি এক মহার্ঘ কিন্তু useless ভুল।
a were
b is
c have
d was
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was কেন সঠিক: subjects এর আগে যদি কেবল একটি article বা determiner বসে তবে তা একই ব্যক্তিকে বোঝায়। এই নিয়মে chairman এবং secretary একই ব্যক্তি হওয়ায় verb টি singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না। B) is — এটি present tense হওয়ায় last meeting এর সাপেক্ষে সঠিক নয়। C) have — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না। D) was — এটি সঠিক কারণ subject টি singular এবং বাক্যটি past tense এ আছে। মনে রাখার টিপস: Article একটি থাকলে একজন ব্যক্তি, আর দুটি থাকলে আলাদা ব্যক্তি বোঝায়।
a Someone
b Somebody
c Someday
d Something
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Someday কেন সঠিক: Someday শব্দটির অর্থ কোনো একদিন, যা বাক্যে সময়ের নির্দেশ করে। এটি সাধারণত বাক্যে সময় বা কাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি ক্রিয়ার সময় নির্দেশ করে। কোনো কাজ কখন সম্পন্ন হবে তা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাক্যে এটি অ্যাডভার্ব অফ টাইম হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Someone — এটি একটি প্রিয়াউন বা সর্বনাম কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝায়। B) Somebody — এটিও একটি প্রিয়াউন বা সর্বনাম যা কোনো অজানা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। C) Someday — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) Something — এটি একটি প্রিয়াউন যা কোনো অনির্দিষ্ট বস্তুকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো বাক্যে সময় নির্দেশ করে এবং কোনো কিছুর হওয়ার সময় বলে দেয়, সেগুলোকে সাধারণত অ্যাডভার্ব হিসেবে ধরা হয়।
a Assets
b Property
c Treasure
d Debt
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Assets কেন সঠিক: liability শব্দের অর্থ হলো কোনো ধরনের দায়িত্ব বা দেনা যা পরিশোধ করতে হয়। এর বিপরীত শব্দ হলো সম্পদ বা যা আমাদের মালিকানাধীন। assets শব্দটি ঠিক এই সম্পদের অর্থ প্রকাশ করে। তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assets — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Property — এই শব্দের অর্থ সম্পত্তি, যা liability শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) Treasure — এই শব্দের অর্থ মূল্যবান সম্পদ বা ধনরত্ন, যা liability শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। D) Debt — এই শব্দের অর্থ ঋণ, যা liability শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: দায় বা দেনা অর্থাৎ liability এর উল্টো শব্দ হলো সম্পদ অর্থাৎ assets।
a That shirt which he has bought is blue in colour.
b The shirt that which he bought is blue in colour.
c Which shirt he bought is blue in colour.
d The shirt which he bought is blue in colour.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The shirt which he bought is blue in colour. কেন সঠিক: এখানে antecedent বা পূর্বপদের ঠিক পরেই সঠিক relative pronoun বসানো হয়েছে। বাক্যটিতে অতিরিক্ত কোনো শব্দ বা শব্দের পুনরাবৃত্তি নেই এবং এটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। বাক্যটির গঠন ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) That shirt which — দুটি relative pronoun একসঙ্গে ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজন নেই। B) that which — এখানে দুটি relative pronoun পাশাপাশি ব্যবহার করে বাক্যটিকে ভুল করা হয়েছে। C) Which shirt he bought — বাক্যটিতে কোনো antecedent বা প্রধান noun না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ। D) The shirt which he bought — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে noun এর ঠিক পরেই সঠিক relative pronoun ব্যবহার করতে হয় এবং কখনোই দুটি relative pronoun একসঙ্গে লেখা যাবে না।
a 0.01
b 0.1
c 1.1
d 0.001
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: লব = ০.০০১ হর = (০.১ × ০.১) ধরি, প্রদত্ত রাশিটি একটি সাধারণ দশমিক ভগ্নাংশ অতএব, হরের সংখ্যা দুটির গুণফল হিসাব করতে হবে ০.১ × ০.১ = ০.০১ সুতরাং, লবকে হর দ্বারা ভাগ করতে হবে ০.০০১ ÷ ০.০১ = ০.১ উত্তর: ০.১
a ৩০০ জন
b ৫০০ জন
c ৪০০ জন
d ৬০০ জন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০০ জন প্রদত্ত তথ্য: ২০০ জন লোকের খাদ্য চলে ২০ সপ্তাহ ঐ পরিমাণ খাদ্য চলবে ৮ সপ্তাহ ধরি, লোকসংখ্যা = ক জন অতএব, কম সময়ে খাদ্য শেষ করতে হলে বেশি লোক লাগবে তাই এটি ব্যস্ত অনুপাত সুতরাং, ৮ সপ্তাহে চলে = ২০০ × ২০ জন উত্তর: (২০০ × ২০) ÷ ৮ = ৫০০ জন
a 0.05
b 0.06
c 0.1
d 0.12
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মূলধন = ৫০০ টাকা এবং সময় = ৪ বছর দ্বিতীয় মূলধন = ৬০০ টাকা এবং সময় = ৫ বছর ধরি, সুদের হার = r অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = (৫০০ × ৪ × r) ÷ ১০০ = ২০০০r ÷ ১০০ = ২০r দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = (৬০০ × ৫ × r) ÷ ১০০ = ৩০০০r ÷ ১০০ = ৩০r সুতরাং, ২০r + ৩০r = ৫০০ ৫০r = ৫০০ উত্তর: r = ৫০০ ÷ ৫০ = ১০ ÷ ১০০ = ০.১
a 210
b 220
c 230
d 260
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১০ প্রদত্ত তথ্য: বাগানে গাছের সারি সংখ্যা ৭, ১৪, ২১, ৩৫ এবং ৪২ প্রতিটি সারিতে সমান সংখ্যক গাছ লাগাতে হবে ধরি, মোট গাছের সংখ্যা হবে ৭, ১৪, ২১, ৩৫ এবং ৪২ এর লসাগু কারণ এই সংখ্যাগুলো দ্বারা মোট গাছকে নিঃশেষে ভাগ করা সম্ভব অতএব, ৭ এর মৌলিক উৎপাদক = ৭ ১৪ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ৭ ২১ এর মৌলিক উৎপাদক = ৩ × ৭ অতএব, ৩৫ এর মৌলিক উৎপাদক = ৫ × ৭ ৪২ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ৩ × ৭ সুতরাং, নির্ণেয় লসাগু = ২ × ৩ × ৫ × ৭ = ২১০ উত্তর: ২১০
a কোনটিই নয়
b ৪টি
c ৩টি
d ২টি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪টি প্রদত্ত তথ্য: ১ টাকায় ৫টি মার্বেল বিক্রয় করা হয় ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য হয় ৮৮ টাকা ধরি, ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১২ = ৮৮ টাকা অতএব, ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য হবে ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা ৮৮ টাকায় বিক্রয় করতে হবে ৫টি মার্বেল সুতরাং, ১ টাকায় বিক্রয় করতে হবে (৫ × ৮৮) ÷ ১১০ টি মার্বেল = ৪টি মার্বেল উত্তর: ৪টি
a 50
b 25
c 35
d 45
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: চাউলের মূল্য বৃদ্ধি পেল ২০% ৭৫০ টাকার ২০% = ১৫০ টাকা ধরি, ১ কেজি চালের পূর্বমূল্য ছিল ক টাকা বর্তমান মূল্য হলো ১.২০ ক টাকা অতএব, পূর্বের ৫ কেজির দাম = ৫ ক টাকা বর্তমানের ৫ কেজির দাম = ৬ ক টাকা সুতরাং, ৬ ক − ৫ ক = ১৫০ ক = ২৫ উত্তর: ২৫ টাকা
a 3000
b 2000
c 2500
d 2600
0 170 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০০ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকা = ৭৫০০ অনুপাত = ১:২:৩:৪:৫ ধরি, অনুপাতের রাশিগুলোর সমষ্টি = ১ + ২ + ৩ + ৪ + ১৫ = ১৫ ক্ষুদ্রতম অংশ = ১ ভাগ অতএব, বৃহত্তম অংশ = ৫ ভাগ ক্ষুদ্রতম অংশ = (৭৫০০ × ১) ÷ ১৫ = ৫০০ টাকা বৃহত্তম অংশ = (৭৫০০ × ৫) ÷ ১৫ = ২৫০০ টাকা সুতরাং, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য = ২৫০০ − ৫০০ = ২০০০ টাকা উত্তর: ২০০০
a 60.5
b 65.5
c 62.5
d 55.5
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২.৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ জন সকল শিক্ষার্থীর গড় নম্বর = ৭০ ছাত্রীর সংখ্যা = ৬০ জন এবং তাদের গড় নম্বর = ৭৫ ধরি, ছাত্রের সংখ্যা = ১০০ − ৬০ = ৪০ জন সকল শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = ১০০ × ৭০ = ৭০০০ ছাত্রীদের মোট নম্বর = ৬০ × ৭৫ = ৪৫০° অতএব, ছাত্রদের মোট নম্বর = ৭০০০ − ৪৫০ = ২৫০০ ছাত্রদের গড় নম্বর বের করতে হবে মোট নম্বরকে ছাত্র সংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে সুতরাং, ২৫০০ কে ৪০ দ্বারা ভাগ করলে পাই ২৫০০ ÷ ৪০ = ৬২.৫ উত্তর: ৬২.৫
a ১৫ মিটার
b ১৬ মিটার
c ১২ মিটার
d ২০ মিটার
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের ১/৫ অংশ কাঁদায় বাঁশের ৩/৫ অংশ পানিতে অবশিষ্ট ৩ মিটার পানির উপরে ধরি, মোট বাঁশের দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, কাঁদা ও পানিতে আছে = (ক/৫) + (৩ক/৫) মিটার লসাগু করে পাই = (ক + ৩ক)/৫ মিটার যোগ করে পাই = ৪ক/৫ মিটার সুতরাং, পানির উপরে আছে = ক − (৪ক/৫) মিটার বিয়োগ করে পাই = (৫ক − ৪ক)/৫ মিটার = ক/৫ মিটার উত্তর: ক/৫ = ৩ সুতরাং ক = ১৫ মিটার নয়, মোট দৈর্ঘ্য ২০ মিটার হবে।
a 200
b 250
c 100
d 150
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫০ প্রদত্ত তথ্য: পাস করেছে ৬০% পরীক্ষার্থী পাস করেনি বাকি পরীক্ষার্থীরা ধরি, মোট পরীক্ষার্থী = ১০০% অতএব, পাস করেনি এমন পরীক্ষার্থীর শতকরা হার = ১০০% − ৬০% = ৪০% মোট পাস না করা পরীক্ষার্থী = ১৫ জন + ৪৫ জন = ৬০ জন সুতরাং, ৪০% পরীক্ষার্থী সমান ৬০ জন উত্তর: মোট পরীক্ষার্থী = (৬০ × ১০০) ÷ ৪০ = ১৫০ জন
a 80
b 42
c 41
d 47
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪১ প্রদত্ত তথ্য: বাড়িটির উচ্চতা = ৪০ ফুট দেওয়াল থেকে মইয়ের দূরত্ব = ৯ ফুট ধরি, মইয়ের দৈর্ঘ্য অতিভুজ = ক ফুট লম্ব = ৪০ ফুট ভূমি = ৯ ফুট অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী ক এর বর্গ = লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গ ক এর বর্গ = (৪০ × ৪০) + (৯ × ৯) সুতরাং, ক এর বর্গ = ১৬০০ + ৮১ = ১৬৮১ মইয়ের দৈর্ঘ্য ক = √১৬৮১ = ৪১ উত্তর: ৪১ ফুট
a 5
b 8
c 3
d 6
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: মূল রাশিটি হলো ১ × (২ ÷ ৩) এর (১ ÷ ৫) ÷ (১ ÷ ৯) ধরি, প্রথম অংশটি হলো ১ × (২ ÷ ৩) দ্বিতীয় অংশটি হলো (১ ÷ ৫) ÷ (১ ÷ ৯) অতএব, প্রথম অংশের হিসাব = ২ ÷ ৩ দ্বিতীয় অংশের হিসাব = (১ ÷ ৫) × (৯ ÷ ১) = ৯ ÷ ৫ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশির মান = (২ ÷ ৩) এর (৯ ÷ ৫) উত্তর: (২ ÷ ৩) × (৯ ÷ ৫) = ৩
a 60
b 30
c 20
d 40
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল ১২৩ এবং বিয়োগফল ৮ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y অতএব, প্রথম শর্ত মতে x + y = ১২৩ দ্বিতীয় শর্ত মতে x − y = ৮ সুতরাং, আমরা জানি অনুসিদ্ধান্ত থেকে, xy এর মান বের করতে হবে উত্তর: ২০
a ভাগফলের সমান
b গড়ের সমান
c কোনোটিই নয়
d গুণফলের সমান
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার লসাগু এবং দুটি সংখ্যার গুণফল সংক্রান্ত সম্পর্ক যাচাই করতে হবে ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির লসাগু = ক × খ (যখন সংখ্যা দুটি সহমৌলিক) অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু এবং গসাগুর গুণফল = সংখ্যা দুটির গুণফল সাধারণ নিয়মে দুটি সংখ্যার লসাগু সবসময় সংখ্যা দুটির গুণফলের সমান হয় না সুতরাং, সংখ্যা দুটির লসাগু কেবল তখনই গুণফলের সমান হয় যখন সংখ্যা দুটি সহমৌলিক হয় সব ক্ষেত্রে লসাগু এবং গুণফল এক নয় উত্তর: C) কোনোটিই নয়
a 7p
b 8-7p
c 7p-8
d p-4
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 7p−8 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৭p² − p − ৪ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ বিভাজনের মাধ্যমে উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল হলো ৭ × (−৪) = −২৮p² এবং মাঝের পদটি হলো −p সুতরাং, ৭p² − p − ৪ = ৭p² − ৮p + ৭p − ৪ = p(৭p − ৮) + ১(৭p − ৮) = (৭p − ৮)(p + ১) উত্তর: ৭p − ৮
a 0
b 1
c 2
d 3
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে যে a বর্গ + (১ ÷ a বর্গ) = ২ আমাদের নির্ণয় করতে হবে a − (১ ÷ a) এর মান ধরি, a − (১ ÷ a) = x উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই অতএব, (a − (১ ÷ a)) এর বর্গ = x বর্গ a বর্গ − ২ গুণ a গুণ (১ ÷ a) + (১ ÷ a বর্গ) = x বর্গ a বর্গ + (১ ÷ a বর্গ) − ২ = x বর্গ সুতরাং, ২ − ২ = x বর্গ x বর্গ = ০ উত্তর: x = ০
a ২৮০°
b ২৯০°
c ৩৬০°
d ২৪০°
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহু রয়েছে এবং প্রতিটি বাহুকে এক দিকে বর্ধিত করলে একটি করে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়। ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণের পরিমাপ যথাক্রমে ক, খ এবং গ। ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাপ যথাক্রমে (১৮০° − ক), (১৮০° − খ) এবং (১৮০° − গ)। অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ সুতরাং, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ) = (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০° − ১৮০° = ৩৬০°
a ৪৬ টাকা
b ৪০ টাকা
c কোনোটিই নয়
d ৪৯ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: কলম ও বইয়ের মূল্যের সমষ্টি = ৯৫ টাকা কলমের মূল্য ১৫ টাকা বেশি এবং বইয়ের মূল্য ১৪ টাকা কম হলে নতুন মূল্য সমান হয় ধরি, কলমের মূল্য = ক টাকা এবং বইয়ের মূল্য = ব টাকা প্রথম শর্ত অনুযায়ী, ক + ব = ৯৫ অতএব, দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী, ক + ১৫ = ২ × (ব − ১৪) সমীকরণটি সমাধান করে পাই, ক + ১৫ = ২ব − ২৮ সুতরাং, ক এর মান বসিয়ে পাই, (৯৫ − ব) + ১৫ = ২ব − ২৮ সব সংখ্যা একপাশে নিয়ে পাই, ৩ব = ১৩৮, অর্থাৎ ব = ৪৬ উত্তর: বইটির মূল্য ৪৬ টাকা
a 36
b 9
c 16
d 25
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ১০ যোগ করতে হবে যোগফল ৪-এর বর্গ হতে হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক সংখ্যাটির বর্গমূল = √ক ৪-এর বর্গ = ৪ × ৪ = ১৬ অতএব, শর্তানুযায়ী, √ক + ১০ = ১৬ √ক = ১৬ − ১০ √ক = ৬ সুতরাং, ক = ৬ × ৬ ক = ৩৬ উত্তর: ৩৬
a নাটোর
b ঢাকা
c কুমিল্লা
d নওগাঁ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নওগাঁ কেন সঠিক: - কুসুম্বা মসজিদটি বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রাচীন মসজিদ। - সুলতানি আমলের শেষ পর্যায়ে শের শাহের শাসনামলে নির্মিত এই মসজিদটি বাংলার কষ্টিপাথরের কাজের জন্য বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটোর — নাটোর জেলায় উত্তরা গণভবন ও রানী ভবানীর রাজবাড়ি অবস্থিত হলেও কুসুম্বা মসজিদ এখানে নেই। B) ঢাকা — ঢাকা জেলায় তারা মসজিদ ও লালবাগ কেল্লা মসজিদ অবস্থিত, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। সি) কুমিল্লা — কুমিল্লা জেলায় ঐতিহাসিক শালবন বিহার ও ময়নামতি অবস্থিত, কুসুম্বা মসজিদ এখানে নয়। D) নওগাঁ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কুসুম্বা মসজিদটি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নওগাঁর মান্দায় কুসুম্বা, পাথর দিয়ে তৈরি সুন্দর এক শোভা।
a রংপুর
b রাজশাহী
c নাটোর
d বগুড়া
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটোর কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবন নাটোর জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজবাড়ি, যা পূর্বে নাটোর রাজবাড়ির উত্তরাংশ বা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। - বর্তমান এটি সরকারের উত্তরাঞ্চলের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রংপুর — রংপুর জেলায় তিস্তা ব্যারাজ ও কারমাইকেল কলেজ অবস্থিত হলেও উত্তরা গণভবন এখানে অবস্থিত নয়। B) রাজশাহী — রাজশাহী জেলায় বিখ্যাত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর অবস্থিত, উত্তরা গণভবন নয়। C) নাটোর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবন নাটোর জেলায় অবস্থিত। D) বগুড়া — বগুড়া জেলায় মহাস্থানগড় ও মমইনুল হক জাদুঘর অবস্থিত, উত্তরা গণভবন এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: নাটোরের কাঁচাগোল্লার পাশাপাশি ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবনও নাটোর জেলাকে বিখ্যাত করেছে।
a দিনাজপুর
b নীলফামারী
c কুড়িগ্রাম
d লালমনিরহাট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লালমনিরহাট কেন সঠিক: - দহগ্রাম-আঙ্গারপোতা বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত সবচেয়ে বড় ছিটমহল ছিল। - ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এটি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর — এটি একটি উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা হলেও এখানে দহগ্রাম ছিটমহল অবস্থিত নয়। B) নীলফামারী — এই জেলায় তিস্তা ব্যারাজ ও অন্যান্য ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম অবস্থিত নয়। C) কুড়িগ্রাম — এই জেলায় বেশ কিছু ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম ছিটমহল এখানে নেই। D) লালমনিরহাট — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ দহগ্রাম এই জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের মরিচ দিয়ে দহগ্রামের কাবাব বানাও, এভাবে মনে রাখলে লালমনিরহাট ও দহগ্রাম সহজেই মনে থাকবে।
a আঙ্গিনা মসজিদ
b লালবাগ কেল্লা
c কার্জন হল
d জাতীয় সংসদ ভবন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কার্জন হল কেন সঠিক: - কার্জন হলের নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯০৪ সালে এবং এটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয়। - তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামানুসারে এই ভবনের নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঙ্গিনা মসজিদ — এটি মধ্যযুগের সুলতানি আমলের স্থাপত্য, ব্রিটিশ আমলের নয়। B) লালবাগ কেল্লা — এটি মুঘল আমলের ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন, যা ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয়নি। C) কার্জন হল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) জাতীয় সংসদ ভবন — এটি আধুনিক আমলের স্থাপত্য, যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নির্মিত হয়। মনে রাখার টিপস: লর্ড কার্জন ছিলেন ব্রিটিশ ভাইসরয়, তাই তাঁর নামে তৈরি কার্জন হল নিশ্চিতভাবেই ব্রিটিশ আমলের স্থাপত্য।
a হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
b সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
c তিববতের মানস সরোবর
d লুসাই পাহাড়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল কেন সঠিক: - তিস্তা নদী ভারতের সিকিম রাজ্যের হিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সিকিমের পার্বত্য অঞ্চলেই এই নদীর উৎসস্থল অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ — এটি ভারতের প্রধান নদী গঙ্গার উৎপত্তিস্থল, তিস্তার নয়। B) সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিস্তা নদীর উৎপত্তিস্থল। C) তিববতের মানস সরোবর — এটি ব্রহ্মপুত্র, শতদ্রু এবং সিন্ধু নদের উৎপত্তিস্থল, তিস্তার নয়। D) লুসাই পাহাড় — এটি বাংলাদেশের কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: তিস্তা নদী পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নেমে এসেছে, তাই মনে রাখুন তিস্তার উৎস সিকিমের পাহাড়।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
b ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
c ২৫ মার্চ ১৯৭১
d ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজয় নিশ্চিত বুঝে দেশের খ্যাতিমান অধ্যাপক, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও শিল্পীদের ধরে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। - জাতির মেধাশূন্য করার এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের স্মরণে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। B) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই বুদ্ধিজীবীদের ওপর পরিকল্পিত গণহত্যা চালানো হয়েছিল। C) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই রাতে অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করে, যা বুদ্ধিজীবী হত্যার তারিখ নয়। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ চৌদ্দই ডিসেম্বর বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়ে বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।
a উঁচু গাছের নিচে
b গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে
c খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে
d উঁচু দেয়ালের কাছে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে কেন সঠিক: - বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎ পরিবাহী উঁচু বস্তু বা খোলা জায়গা থেকে দূরে থাকা নিরাপদ। - গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে থাকলে শরীরের উচ্চতা কমে যায় এবং বজ্রপাতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সর্বনিম্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উঁচু গাছের নিচে — উঁচু গাছে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে এবং গাছের নিচে দাঁড়ালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার তীব্র ঝুঁকি থাকে। B) গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি বজ্রপাত থেকে নিরাপদ থাকার বৈজ্ঞানিক ও নিরাপদ উপায়। C) খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে — খোলা মাঠে মানুষ নিজেই সবচেয়ে উঁচু বস্তু হয়ে দাঁড়ায়, ফলে সরাসরি বজ্রপাতের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল থাকে। D) উঁচু দেয়ালের কাছে — উঁচু দেওয়াল বা কাঠামো বজ্রপাত আকর্ষণ করতে পারে এবং এর কাছাকাছি থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: বজ্রপাতের সময় মনে রাখবে নিরাপদ থাকার তিন নিয়ম: উঁচু গাছ বা খোলা মাঠ পরিহার করো, গুহায় আশ্রয় নাও অথবা মাটিতে শুয়ে পড়ো।
a বীরপ্রতীক
b বীরশ্রেষ্ঠ
c বীরবিক্রম
d বীরউত্তম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীরশ্রেষ্ঠ কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য এই খেতাব প্রদান করা হয় এবং মোট ৭ জন বীরকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরপ্রতীক — এটি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য চতুর্থ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব, তাই এটি সর্বোচ্চ খেতাব নয়। B) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব। C) বীরবিক্রম — এটি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তৃতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব, তাই এটি সর্বোচ্চ নয়। D) বীরউত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব, তাই এটি প্রথম স্থানে নেই। মনে রাখার টিপস: শ্রেষ্ঠ মানেই সবার ওপরে, তাই মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ।
a সম্পূরক শুল্ক
b টোল ও লেভি
c বাণিজ্য শুল্ক
d মূল্য সংযোজন কর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টোল ও লেভি কেন সঠিক: - কর-বহির্ভূত রাজস্ব বলতে কর ছাড়া সরকারের অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত আয়কে বোঝায়, যার মধ্যে টোল ও লেভি অন্তর্ভুক্ত। - সেতু, সড়ক বা নির্দিষ্ট সেবামূলক কাজে সরকার টোল এবং বিভিন্ন খাতের লেভি থেকে এই আয় সংগ্রহ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পূরক শুল্ক — এটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত কর রাজস্বের অন্তর্ভুক্ত, যা কর-বহির্ভূত রাজস্ব নয়। B) টোল ও লেভি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্যান্য অপশনগুলোর তুলনায় কর-বহির্ভূত খাতের রাজস্ব হিসেবে গণ্য হয়। C) বাণিজ্য শুল্ক — এটি আমদানি ও রফতানির ওপর ধার্যকৃত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর রাজস্ব, তাই কর-বহির্ভূত নয়। D) মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট — এটি দেশের অন্যতম প্রধান পরোক্ষ কর রাজস্বের উৎস, যা কর-বহির্ভূত রাজস্বের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: কর মানে যা বাধ্যতামূলক দিতে হয় (যেমন ভ্যাট, শুল্ক), আর কর-বহির্ভূত হলো সেবা ব্যবহারের ফি বা টোল।
a বাংলা একাডেমি
b দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লি.
c মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর
d বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম প্রাচীন ও শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মূল উদ্যোক্তা ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা একাডেমি — এটি মূলত বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গবেষণা এবং প্রচারের সঙ্গে যুক্ত, বাংলাপিডিয়ার প্রধান উদ্যোক্তা নয়। B) দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লি. — এটি দেশের একটি অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা সংস্থা হলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মূল উদ্যোক্তা নয়। C) মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর — এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের সঙ্গে যুক্ত, বাংলাপিডিয়ার উদ্যোক্তা নয়। D) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোক্তা হিসেবে এটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: এশিয়া মহাদেশের জ্ঞানভাণ্ডার হিসেবে এশিয়াটিক সোসাইটি আমাদের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করেছে।
a মালাক্কা প্রণালী
b হরমুজ প্রণালী
c পক প্রণালী
d জিব্রাল্টার প্রণালী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পক প্রণালী কেন সঠিক: - পক প্রণালী ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলংকার উত্তর অংশের মধ্যে অবস্থিত। - এই প্রণালীটি বঙ্গোপসাগরকে পক উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালাক্কা প্রণালী — এটি মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত। B) হরমুজ প্রণালী — এটি ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত। C) পক প্রণালী — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য দেশের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়। D) জিব্রাল্টার প্রণালী — এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে। মনে রাখার টিপস: ভারত ও শ্রীলংকার শ্রীলংকার 'লঙ্কা' এবং পক প্রণালীর 'পক' মিলে মনে রাখতে পারেন লঙ্কা জয় করতে পক প্রণালী পার হতে হয়।
a ডব্লিউএইচও (WHO)
b ইউএনডিপি (UNDP)
c ইউনিসেফ (UNICEF)
d ইউনেসকো(UNESCO)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইউনেসকো (UNESCO) কেন সঠিক: - ইউনেসকো বিশ্বের সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন স্থানগুলোকে সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে। - এই সংস্থাটি ১৯৭২ সালে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ কনভেনশন গ্রহণ করে ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক স্থান তালিকাভুক্তকরণ শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডব্লিউএইচও (WHO) — এটি জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করে। B) ইউএনডিপি (UNDP) — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি, যা বিশ্বব্যাপী মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে। C) ইউনিসেফ (UNICEF) — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার রক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিয়ে কাজ করে। D) ইউনেসকো (UNESCO) — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারের পাশাপাশি বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা ঘোষণা করে থাকে। মনে রাখার টিপস: ইউনেসকো নামের মধ্যেই শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি জড়িত, তাই ঐতিহাসিক স্থান ও ঐতিহ্য রক্ষা করার দায়িত্বও তাদের।
a ৭টি
b ১০ টি
c ১১টি
d ৮টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সমগ্র বাংলাদেশকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - এছাড়া সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টর এবং ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি সেক্টর নয়, বরং ৭টি বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবের সংখ্যা। B) ১০ টি — এটি ভুল তথ্য কারণ সেক্টর সংখ্যা ১০টি ছিল না। C) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর যা উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) ৮টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ সেক্টর সংখ্যা ৮টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে এভাবে মনে রাখুন: ১টি দেশ স্বাধীন করতে ১১টি সেক্টর প্রয়োজন হয়েছিল।
a সুইডেন
b রাশিয়া
c জাপান
d যুক্তরাষ্ট্র
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া কেন সঠিক: - ইউক্রেন সংকটের কারণে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া অধিভুক্তির পর রাশিয়াকে জি-৮ জোট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়। - বর্তমানে এই জোটটি রাশিয়া ব্যতীত জি-৭ নামে পরিচিত এবং যুক্তরাষ্ট্র, জাপানসহ অন্যান্য প্রধান অর্থনীতিগুলো এর সদস্য হিসেবে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি জি-৮ জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) রাশিয়া — এটি অতীতে জি-৮ এর সদস্য ছিল, তবে বর্তমানে ২০১৪ সাল থেকে সদস্যপদ স্থগিত থাকায় এটিই সঠিক উত্তর। C) জাপান — এটি জি-৮ জোটের অন্যতম স্থায়ী প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটিও জি-৮ জোটের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: রাশিয়া জি-৮ এর সদস্য ছিল কিন্তু ক্রিমিয়া ইস্যুর কারণে ২০১৪ সালে বাদ পড়ার পর এটি এখন জি-৭ হয়েছে।
a হাঁস-মুরগী পালন
b রেশম চাষ
c মৎস্য চাষ
d মৌমাছি চাষ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৎস্য চাষ কেন সঠিক: - পিসি কালচার বা Pisciculture বলতে বিশেষভাবে মৎস্য চাষ ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করাকে বোঝায়। - এটি জলজ প্রাণী ব্যবস্থাপনার একটি অংশ যার মাধ্যমে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাছ চাষ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঁস-মুরগী পালন — হাঁস-মুরগি পালনকে পোল্ট্রি কালচার বলা হয়, তাই এটি পিসি কালচার নয়। B) রেশম চাষ — রেশম পোকা পালন ও রেশম উৎপাদনকে সেরিকালচার বলা হয়। C) মৎস্য চাষ — এটি পিসি কালচারের সঠিক সংজ্ঞা ও নির্দেশক। D) মৌমাছি চাষ — মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনকে এপিকালচার বলা হয়। মনে রাখার টিপস: পিসি শব্দের সাথে মাছের ইংরেজি শব্দ পিসেস এর মিল খুঁজে মনে রাখতে পারো পিসি কালচার মানে মৎস্য চাষ।
a আলজেরিয়া
b আলবেনিয়া
c নাইজেরিয়া
d তিউনেশিয়া
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলবেনিয়া কেন সঠিক: - আলবেনিয়া ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ, যা বলকান অঞ্চলে অবস্থিত। - আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলোর তালিকায় আলবেনিয়া অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর অংশের একটি রাষ্ট্র এবং আয়তনে মহাদেশটির বৃহত্তম দেশ। B) আলবেনিয়া — এটি ইউরোপ মহাদেশের বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র, যা আফ্রিকা মহাদেশের নয়। C) নাইজেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকা মহাদেশের একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। D) তিউনেশিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের দেশগুলোর নামের সাথে আফ্রিকার দেশের নাম মিলিয়ে ফেলবেন না, আলবেনিয়া হলো ইউরোপের বলকান অঞ্চলের দেশ।
a ক্লান্তিহীন
b অক্লান্তকর্মী
c অবিশ্রাম
d অক্লান্ত
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্লান্তকর্মী কেন সঠিক: - বাক্যাংশে ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করার গুণের কথা বলা হয়েছে এবং যে ব্যক্তি বা কর্মী ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করেন তাকে এককথায় অক্লান্তকর্মী বলা হয়। - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী ক্লান্তি নেই যার তাকে অক্লান্ত বলা হলেও কর্মের উল্লেখ থাকায় সঠিক উত্তর অক্লান্তকর্মী হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লান্তিহীন — এটি কেবল ক্লান্তি না থাকাকে বোঝায়, কিন্তু কর্ম বা কাজের কথাটি এর মধ্যে স্পষ্টভাবে যুক্ত নেই। B) অক্লান্তকর্মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্লান্তিহীন এবং কর্মী বা কাজের ভাব একসাথে প্রকাশ করে। C) অবিশ্রাম — এর অর্থ যা থেমে থাকে না বা বিশ্রামহীন, এটি ক্লান্তিহীন মানুষের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। D) অক্লান্ত — এর অর্থ যার ক্লান্তি নাই, তবে কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততার জন্য এটি সম্পূর্ণ পদ নয়। মনে রাখার টিপস: কর্মে যার ক্লান্তি নাই এখানে কর্ম শব্দটির উপস্থিতি থাকার কারণে উত্তর নির্বাচনে কর্মী শব্দটি যুক্ত হবে।
a ২০ জোড়া
b ২৪ জোড়া
c ৩৯ জোড়া
d ২৩ জোড়া
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৩ জোড়া ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের সাধারণ somatic কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬টি বা ২৩ জোড়া থাকে। - এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতির মূল উপাদান বা DNA এর ধারক। - কার্যপ্রণালি: পিতা ও মাতা থেকে প্রাপ্ত গ্যামেটের মাধ্যমে ক্রোমোজোমের এই ২৩ জোড়া জোড়া বা ডিপ্লয়েড অবস্থা গঠিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: বংশগত বৈশিষ্ট্য পিতা-মাতা থেকে সন্তানে স্থানান্তরিত হওয়া এবং মানবদেহের লিঙ্গ নির্ধারণ এই ক্রোমোজোমের মাধ্যমে ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের ডাউন সিনড্রোম রোগ ব্যাখ্যা: ২১ নম্বর ক্রোমোজোমে একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম যুক্ত হলে মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৭টি হয়, যা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। উদাহরণ ২: মানুষের সেক্স ক্রোমোজোম ব্যাখ্যা: ২৩ নম্বর জোড়াটি পুরুষে XY এবং নারীতে XX হয়ে মানবদেহের জন্মগত লিঙ্গ নির্ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জোড়া — মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা ২০ জোড়া বা ৪০টি নয়। B) ২৪ জোড়া — ২৪ জোড়া বা ৪৮টি ক্রোমোজোম শিম্পাঞ্জি বা অন্য কোনো প্রাণীর কোষে থাকতে পারে, মানুষের নয়। C) ৩৯ জোড়া — ৩৯ জোড়া বা ৭৮টি ক্রোমোজোম কুকুরের কোষে থাকে, মানুষের ক্ষেত্রে এটি ভুল। D) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক কোষে থাকা ক্রোমোজোমের সঠিক জোড়া সংখ্যা। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষের হাত ও পায়ের মোট আঙুলের সংখ্যা বা শরীরের সাধারণ হিসাবের সঙ্গে ২৩ জোড়া বা ৪৬ সংখ্যাটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানুষের দেহকোষে ডিপ্লয়েড বা টু এন সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে যার মান ৪৬টি বা ২৩ জোড়া। - জননকোষে বা হ্যাপলয়েড কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা ঠিক অর্ধেক অর্থাৎ ২৩টি থাকে।
a 0.8
b 0.5
c 0.46
d 0.55
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.46 ১. কেন সঠিক: ইউরিয়া একটি অতি পরিচিত নাইট্রোজেনযুক্ত রাসায়নিক সার যার মাধ্যমে মাটিতে উদ্ভিদের প্রধান খাদ্য উপাদান নাইট্রোজেন সরবরাহ করা হয়। বিশুদ্ধ ইউরিয়া যৌগের আণবিক সংকেতের ভর হিসাব করলে দেখা যায় এর প্রতি ১০০ গ্রামে নির্দিষ্ট অনুপাতে ৪৬ গ্রাম নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইউরিয়ার রাসায়নিক সংকেত CO(NH2)2 এবং এর আণবিক ভর ষাট। কার্যপ্রণালি: এই যৌগের মধ্যে দুটি অ্যামাইড মূলক থাকায় মোট নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা হিসেবে ছিয়াচল্লিশ ভাগ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃষিকাজে ধান চাষের সময় ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের পাতা ও শাখা-প্রশাখার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং সবুজ বর্ণ বজায় রাখে। উদাহরণ ২: ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগের পর এটি এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ সহজে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.8 — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক অনুপাতে ইউরিয়ার নাইট্রোজেনের পরিমাণ নির্দেশ করে না। B) 0.5 — এটি ভুল মান কারণ ইউরিয়াতে নাইট্রোজেনের শতকরা হার এর চেয়ে কম অর্থাৎ ছিয়াচল্লিশ ভাগ। C) 0.46 — এটি সঠিক কারণ শূন্য দশমিক চার ছয় বা শতকরা ছিয়াচল্লিশ ভাগ নাইট্রোজেন ইউরিয়া সারে থাকে। D) 0.55 — এটি ভুল মান যা ইউরিয়ার মূল রাসায়নিক গঠনের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া সারের নাইট্রোজেনের পরিমাণ মনে রাখতে চার ও ছয় সংখ্যা দুটি পাশাপাশি মনে রাখতে হবে। সংক্ষেপে ইউরিয়ার আণবিক ভর ষাট এবং নাইট্রোজেন ছিয়াচল্লিশ শতাংশ এই তথ্যটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি উদ্ভিদ পুষ্টি ও রাসায়নিক সারের উপাদান সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। অন্যান্য সারের যেমন টিএসপি বা এমওপি সারের উপাদান কতভাগ তা থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a টেলিভিশন লাইনের সংযোগ সাধন হয়
b বৈদ্যুতিক লাইনের সংযোগ সাধন হয়
c টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন হয়
d ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয় ১. কেন সঠিক: - মোডেম এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সংকেতে এবং অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। - এই রূপান্তরের মাধ্যমে কম্পিউটারকে টেলিফোন বা ক্যাবল লাইনের সাহায্যে সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: মোডেম শব্দের পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। এটি সিগন্যাল রূপান্তরের কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: মডুলেশন প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ায় অ্যানালগ সিগন্যালে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। - ব্যবহার: বাসা বা অফিসে ব্রডব্যান্ড বা ডায়াল-আপ ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য মোডেম অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: বাসায় ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য আইএসপি বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে যে লাইন আসে তা মোডেমের মাধ্যমে রাউটারে যুক্ত হয়ে কম্পিউটারে ইন্টারনেট সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: ফাইবার অপটিক বা ক্যাবল ইন্টারনেট ব্যাখ্যা: ক্যাবল ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে মোডেম সিগন্যাল ডিকোড করে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেলিভিশন লাইনের সংযোগ সাধন হয় — টেলিভিশন সংযোগের জন্য ক্যাবল বা ডিশ লাইন ব্যবহার করা হয়, মোডেম সরাসরি টেলিভিশন লাইনের জন্য নয়। B) বৈদ্যুতিক লাইনের সংযোগ সাধন হয় — বৈদ্যুতিক লাইন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য, ইন্টারনেট ডেটা আদান-প্রদানের জন্য মোডেম বিদ্যুৎ লাইন ব্যবহার করে না। C) টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন হয় — টেলিফোন লাইন মোডেমের মাধ্যমে যুক্ত হলেও মূল উদ্দেশ্য ইন্টারনেট বা ডেটা সংযোগ স্থাপন করা, শুধু কথা বলা নয়। D) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয় — মোডেমের প্রধান এবং চূড়ান্ত কাজ হলো কম্পিউটারে ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ স্থাপন করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - মোডেম মানেই মডুলেটর ও ডিমডুলেটর। - মোডেমের কাজ ডিজিটাল ও অ্যানালগ সিগন্যালের রূপান্তর ঘটিয়ে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মোডেম শব্দটি মডুলেটর ও ডিমডুলেটর শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। - এটি ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবেই কাজ করতে পারে।
a Central Processing Unit
b Central Power Unit
c Computer Processing Unit
d Computer Power Unit
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Central Processing Unit ১. কেন সঠিক: - CPU-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কারণ এটি সব নির্দেশ ও ডেটা প্রক্রিয়া করে। - এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা প্রসেস করে আউটপুট ডিভাইসে পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: CPU হলো কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসিং ইউনিট যা গাণিতিক, যৌক্তিক এবং নিয়ন্ত্রণমূলক কাজ পরিচালনা করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি মেমোরি থেকে নির্দেশ পড়ে, ডিকোড করে এবং গাণিতিক একক বা কন্ট্রোল ইউনিটের মাধ্যমে তা সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান অংশ হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট, কন্ট্রোল ইউনিট এবং রেজিস্টার মেমোরি। - ব্যবহার: পার্সোনাল কম্পিউটার, স্মার্টফোন, সার্ভার এবং প্রায় সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইসে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মস্তিষ্ক ব্যাখ্যা: মানুষের মস্তিষ্ক যেভাবে দেহের সব অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও চিন্তা পরিচালনা করে, CPU ঠিক তেমনি কম্পিউটারের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: ক্যালকুলেটর ব্যাখ্যা: ক্যালকুলেটরের ভেতরের ছোট প্রসেসরটি যেভাবে যোগ, বিয়োগ বা গুণ হিসাব করে, CPU একইভাবে জটিল গণনা সম্পন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Central Processing Unit — এটি সঠিক কারণ এটি সিএসইউ বা প্রসেসিং ইউনিটের প্রকৃত নাম। B) Central Power Unit — এটি ভুল কারণ কম্পিউটারে পাওয়ার সরবরাহের জন্য পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট বা পিএসইউ থাকে। C) Computer Processing Unit — এটি আংশিক শোনা গেলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক বা প্রমিত নাম নয়। D) Computer Power Unit — এটি ভুল কারণ কম্পিউটার শক্তিমত্তা বা পাওয়ার বোঝাতে এই পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সি মানে সেন্ট্রাল, পি মানে প্রসেসিং এবং ইউ মানে ইউনিট। - মনে রাখবে সিপিইউ হলো কম্পিউটারের হার্ট বা ব্রেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিপিইউ-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়। - সিপিইউ প্রধানত এএলইউ এবং সিইউ নিয়ে গঠিত।

মোট প্রশ্ন (19)

a দাঁড়ি
b কমা
c কোন চিহ্নই নয়
d সেমিকোলন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমা ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যে কাউকে সম্বোধন বা আহ্বান করলে তার ঠিক পরেই কমা চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। - সম্বোধন পদটি বাক্যের অন্য অংশ থেকে আলাদা করার জন্য এই যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের নিয়ম নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যে বক্তা যার উদ্দেশ্যে কথা বলেন বা যাকে ডেকে কিছু বলেন, তাকে সম্বোধন পদ বলে। - লেখার সময় পাঠকের সহজে বুঝতে পারার জন্য সম্বোধন পদের পর কমা বসানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে রহিম হলো সম্বোধন পদ এবং এর ঠিক পরেই কমা ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়েরা আমার, আজ আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। ব্যাখ্যা: এখানে ভাইয়েরা আমার হলো সম্বোধন পদ যার পর কমা বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাঁড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সম্বোধনের পর নয়। B) কমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সম্বোধনের পর কমা বসে। C) কোন চিহ্নই নয় — এই ধারণাটি ভুল কারণ সম্বোধনের পর যতিচিহ্ন হিসেবে কমা বসল নিয়মসিদ্ধ। D) সেমিকোলন — এটি কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য বসে, সম্বোধনের পর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাকেও ডাকলে বা সম্বোধন করলে সাথে সাথে একটু থামতে হয়, তাই লেখার সময় সেখানে কমা দিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - চিঠিপত্র বা আবেদনের শুরুতে যেমন প্রিয় বন্ধু, লেখার পরও কমা ব্যবহার করা হয়।
a ভয়
b বিস্ময়
c প্রত্যয়
d দ্বিধা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় কেন সঠিক: - সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা অমূলক শঙ্কা এবং প্রত্যয় শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা নিশ্চিত ধারণা। - অর্থগত দিক থেকে সংশয় ও প্রত্যয় পরস্পর বিপরীত ভাবের প্রকাশ ঘটায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ পদ বসে। - সংশয় একটি বিশেষ্য পদ এবং এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রত্যয় একটি উপযুক্ত বিশেষ্য পদ। - যেমন সংশয় শব্দটির ক্ষেত্রে প্রত্যয় ব্যবহার করে নিশ্চিত বিশ্বাস বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ভয় — ভয় শব্দের অর্থ আতঙ্ক, যা সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। - B) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া, যা সংশয়ের সঠিক বিপরীতার্থক নয়। - C) প্রত্যয় — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা সন্দেহ, যা সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। মনে রাখার টিপস: - সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস এই মিল মনে রাখলে উত্তর বের করা সহজ হয়।
a নিশীথিনী
b নিশিথিনি
c নিশিথিনী
d নীশিথিনী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: নিশীথিনী শব্দের মূল শব্দ নিশীথ যার অর্থ মধ্যরাত বা গভীর রাত। এর সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রাত বা রাত্রি অর্থে নিশীথিনী শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার জানা জরুরি। নিশীথ শব্দের শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং পরবর্তী প্রত্যয়েও দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে নিশীথিনী বানানটি গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনী বা রাতের সমার্থক একটি তৎসম শব্দ যার বানানও প্রমিত রীতিতে নির্ধারিত। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: রাত বা নিশীথিনীর আরেকটি অর্থবোধক তৎসম শব্দ যা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশীথিনী — এটি সঠিক বানান এবং ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) নিশিথিনি — এই বানানে নিশিথ অংশে হ্রস্ব ই-কার এবং নি অংশেও হ্রস্ব ই-কার থাকায় এটি ভুল। C) নিশিথিনী — এই বানানে নিশিথ অংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) নীশিথিনী — এই বানানে নিশীথ অংশের শুরুতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিশীথ শব্দের বানান মনে রাখলে নিশীথিনী বানানটি সহজ হয় কারণ মূল শব্দের দীর্ঘ ঈ-কার অপরিবর্তিত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাতের সমার্থক শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে তাই নিশীথিনী ও এর সমার্থক শব্দের বানানগুলো বারবার চর্চা করা উচিত।
a ষান্মাসিক
b সান্মাসিক
c ষান্নাসিক
d যান্মাসিক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ষান্মাসিক ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়েছে। - ষট যোগ মাস মিলে ষান্মাসিক শব্দটি গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনবর্ণের পর ষত্ববিধান ও সন্ধির নিয়ম অনুসারে ত বা দ এর পরে ম থাকলে তা পরিবর্তিত হয়। - এখানে ষট শব্দের ট স্থানে ণ এবং ম যুক্ত হয়ে ষান্মাসিক রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ষান্মাসিক পরীক্ষা ব্যাখ্যা: ছয় মাস অন্তর অনুষ্ঠিত পরীক্ষাকে ষান্মাসিক বলা হয়, যা এই সন্ধিযুক্ত শব্দের একটি সুন্দর প্রয়োগ। উদাহরণ ২: চিন্ময় ব্যাখ্যা: চিত যোগ ময় মিলে চিন্ময় হয়, যা ব্যঞ্জনসন্ধির আরেকটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষান্মাসিক - এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ সঠিক ও প্রমিত রূপ। B) সান্মাসিক - মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত স ব্যবহার করায় এটি বানান ভুল হিসেবে গণ্য হয়। C) ষান্নাসিক - মাঝে অতিরিক্ত ন যুক্ত করার কারণে এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। D) যান্মাসিক - ষ এর বদলে য ব্যবহার করায় এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাস যুক্ত শব্দে সবসময় মূর্ধন্য ষ এবং ণ ব্যবহার করতে হবে। - ষট যোগ মাস সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাও সহজে সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধিজাত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে। - ব্যঞ্জনসন্ধির পরিবর্তনের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করলে এই ভুলগুলো এড়ানো সম্ভব।
a তীর্থযাত্রী
b আগন্তুক
c অতিথি
d তিথিহীন
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতিথি ১. কেন সঠিক: - যার আগমনের কোনো নির্দিষ্ট তিথি বা সময় নেই, তাকে এককথায় অতিথি বলা হয়। - এটি মূলত বাক্যসংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যসংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো ঘটে নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অভূতপূর্ব বলা হয়, যা কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নদী মাতা যার ব্যাখ্যা: একে এককথায় নদমাতৃক বলা হয়, যা কোনো দেশের ভৌগোলিক অবস্থাকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তীর্থযাত্রী — যিনি পবিত্র তীর্থস্থান দর্শনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন, তাকে তীর্থযাত্রী বলা হয়। B) আগন্তুক — যিনি বাইরে থেকে আগমন করেছেন, তাকে আগন্তুক বলা হয় কিন্তু এর সঙ্গে নির্দিষ্ট তিথির কোনো সম্পর্ক নেই। C) অতিথি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যার আগমনের কোনো নির্দিষ্ট তিথি নেই। D) তিথিহীন — যার কোনো তিথি বা দিনক্ষণ নেই, তা সময় বা ক্ষণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু এটি বিশেষ অতিথির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অতিথিদের আসার কোনো নির্দিষ্ট দিন বা সময় থাকে না, তাই তিথি নেই যার তিনি অতিথি। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল শব্দটির অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে মেলানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এই ধরনের শব্দগুলোর অর্থ মনে রাখা জরুরি।
a কিছু
b স্বয়ং
c যে
d তাবৎ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যে ১. কেন সঠিক: যে শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্যকে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত করে এবং পরবর্তী খণ্ডবাক্যের পূর্ববর্তী বিশেষ্য বা সর্বনামকে নির্দেশ করে, তাই এটি সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম। এটি বাক্যের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করার পাশাপাশি অপর একটি পদের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে, যা সর্বনাম পদের সংযোগজ্ঞাপন বা সম্বন্ধবাচক রূপের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম পদকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণি। যে সর্বনাম পদ দুটি ভিন্ন বাক্য বা বাক্যাংশকে সংযুক্ত করে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করে, তাকে সংযোগজ্ঞাপন বা সম্বন্ধবাচক সর্বনাম বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে ভালো কাজ করে, সে সবার শ্রদ্ধা পায়। ব্যাখ্যা: এখানে 'যে' পদটি দুটি খণ্ডবাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। উদাহরণ ২: যা বলো তা আমি বিশ্বাস করি না। ব্যাখ্যা: এখানে 'যা' শব্দটি সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিছু — এটি অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে তাই এটি অনির্দিষ্টবাচক সর্বনাম। B) স্বয়ং — এটি আত্মবাচক সর্বনাম যা কর্তার ওপর জোর দিতে ব্যবহৃত হয়। C) যে — এটি সংযোগজ্ঞাপন সর্বনামের সঠিক উত্তর। D) তাবৎ — এটি সমস্ত বা সমগ্র অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম চেনার সহজ উপায় হলো এই পদগুলো সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয় যেমন যে-সে, যা-তা, যতো-ততো। বাক্যের শুরুতে এই পদগুলো দেখলে সহজেই সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংযোগজ্ঞাপন সর্বনাম বা সম্বন্ধবাচক সর্বনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাক্যের মধ্যকার খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং জোড়ায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
a বক
b ময়ূর
c কবুতর
d কোকিল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবুতর ১. কেন সঠিক: - কপোত শব্দটির আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো কবুতর বা পারাবত। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এটি গৃহপালিত পাখি হিসেবে বহুল পরিচিত এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো কপোতী। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে সরাসরি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - শব্দভাণ্ডারের দিক থেকে এটি বিশেষ্য পদ এবং পাখিবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত কবিতা কপোতাক্ষ নদ। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কপোতাক্ষ নদের নামকরণের সঙ্গে কপোত বা কবুতরের কোনো সরাসরি সম্পর্ক না থাকলেও কপোত শব্দটি পাখি অর্থে প্রাচীনকাল থেকেই পরিচিত। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসে কপোত ও কপোতী পাখির মৃদু গুঞ্জনের উল্লেখ পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক রচনায় প্রেমিক-প্রেমিকার ভাব প্রকাশে কপোত বা কবুতর জুটির প্রতীকী ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বক — বক একটি ভিন্ন জাতের জলচর পাখি এবং এর সমার্থক শব্দ হলো ববক বা বলাকা। B) ময়ূর — ময়ূর একটি আলাদা এবং বড় আকারের সৌন্দর্যমণ্ডিত পাখি যার সমার্থক শব্দ শিখী বা বারহি। D) কোকিল — কোকিল একটি পরভৃত পাখি যা তার মিষ্টি ডাকের জন্য পরিচিত এবং এর সমার্থক শব্দ পিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - কপোত মানেই কবুতর এটি মনে রাখতে ক এবং ক দিয়ে শুরু শব্দ দুটি মেলাতে পারো। - এর স্ত্রীবাচক শব্দ কপোতী দিয়েও বাংলা সাহিত্যে অনেক রূপক তৈরি হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পাখির নাম বা তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের শব্দার্থ মুখস্থ রাখার চেয়ে পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা বাক্যে ব্যবহারের মাধ্যমে মনে রাখা বেশি সহজ।
a হতভাগ্য
b ক্ষুধার্ত
c রোগা
d দরিদ্র
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হতভাগ্য কেন সঠিক: - 'হাড় হাভাতে' বাগধারাটির মূল ভাব হলো চরম দুর্ভাগ্য বা কপালপোড়া অবস্থা। - সমাজে অত্যন্ত হতভাগ্য ও ভাগ্যহত মানুষকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - এই বাগধারাটিতে মানুষের চরম ও সর্বগ্রাসী অভাব বা দুর্ভাগ্যের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - যেমন: যে ব্যক্তির জীবনে সুখের মুখ দেখা নেই এবং প্রতি পদক্ষেপে কেবল বঞ্চনা জোটে, তাকেই হাড় হাভাতে বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) হতভাগ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মূল বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থ বহন করে। - B) ক্ষুধার্ত — এই অর্থটি আক্ষরিক হলেও বাগধারার রূপক অর্থে এটি প্রধান নয়। - C) রোগা — শারীরিক দুর্বলতা বা ক্ষয় বোঝাতে এই বাগধারাটি সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। - D) দরিদ্র — আর্থিক অভাব বোঝালেও সার্বিক দুর্ভাগ্যের পরিধি এর চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। মনে রাখার টিপস: - হাভাতে মানে যার সবকিছু হারিয়ে গেছে, আর হাড় হাভাতে মানে যার একেবারে চরম দুর্ভাগ্য বা হতভাগ্য দশা।
a সৈন্য
b প্রিয়
c মানুষ
d টেবিল
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানুষ ১. কেন সঠিক: যেসব বিশেষ্য পদ পুরুষ বা স্ত্রী কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গকে না বুঝিয়ে উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে উভয়লিঙ্গ বাচক শব্দ বলে। মানুষ শব্দটি পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝায় বিধায় এটি উভয়লিঙ্গ বাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে জীববাচক কিছু শব্দের পুরুষ ও স্ত্রীবাচক আলাদা রূপ থাকে, যেমন নর ও নারী। কিন্তু কিছু শব্দ জন্মগতভাবেই এমন যে তা নর বা নারী উভয়কে সমানভাবে নির্দেশ করে, যা উভয়লিঙ্গ নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিশু ব্যাখ্যা: শিশু শব্দটি ছেলে বা মেয়ে উভয় শিশুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সন্তান ব্যাখ্যা: সন্তান বলতে পুত্র বা কন্যা উভয়কেই বোঝানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈন্য — এটি ক্লীবলিঙ্গ বা সমষ্টিবাচক শব্দ, যা কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না বরং একটি সমষ্টিকে বোঝায়। B) প্রিয় — এটি মূলত বিশেষণ পদ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো প্রিয়া। D) টেবিল — এটি অচেতন পদার্থ হওয়ায় এটি ক্লীবলিঙ্গ বা অপ্রাণীবাচক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দিয়ে পুরুষ বা নারী আলাদা করা যায় না, যেমন মানুষ, শিশু, সন্তান, পাখি, সেগুলো উভয়লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীববাচক উভয়লিঙ্গ শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রাত্যহিক জীবনের পরিচিত শব্দগুলোর লিঙ্গভেদ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a সৈয়দ শামসুল হক
b হুমায়ূন আহমেদ
c সেলিনা হোসেন
d হুমায়ুন আজাদ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: 'অনীল বাগচীর একদিন' উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং মধ্যবিত্ত জীবনের মনস্তত্ত্ব এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আবির্ভূত বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক। তাঁর বিখ্যাত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের পটভূমিতে লেখা হুমায়ূন আহমেদের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো আগুনের পরশমণি। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি সাধারণ পরিবারের সংগ্রাম ও আবেগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: হুমায়ূন আহমেদের রচিত ময়ূরাক্ষী একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে তাঁর সৃষ্টিশীল গদ্যশৈলী এবং মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসটির রচয়িতা নন। B) হুমায়ূন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর নাম সরাসরি জড়িত। C) সেলিনা হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। D) হুমায়ুন আজাদ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক ও লেখক হলেও এই উপন্যাসটির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখতে অনীল বাগচীর একদিন এবং আগুনের পরশমণি নাম দুটি একসঙ্গে পড়তে পারো। এটি পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে সাহায্য করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নন্দিত নরকে, জোছনা ও জননীর গল্প এবং শ্যামল ছায়া তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
a লাফ প্রদান করল
b লাফ দিল
c লক্ষ দিল
d ঘ. লম্ফ প্রদান করল
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাফ দিল ১. কেন সঠিক: সাধু রীতির ক্রিয়াপদ ও তৎসম শব্দগুচ্ছকে সহজ ও সাবলীল চলিত রূপে রূপান্তর করার নিয়মে 'লক্ষ-প্রদান করিল' বাক্যটির চলিত রূপ 'লাফ দিল' হয়েছে। এখানে 'লক্ষ' বা 'লম্ফ' শব্দের প্রচলিত ও সহজ চলিত রূপ হলো 'লাফ' এবং 'প্রদান করিল' এর চলিত রূপ হলো 'দিল'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত পার্থক্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সাধু রীতিতে ব্যবহৃত তৎসম ও গুরুগম্ভীর শব্দ চলিত রীতিতে অধিকতর সহজ, সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল রূপে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দর্শন করিল ব্যাখ্যা: সাধু রীতির এই ক্রিয়াপদটির চলিত রূপ হলো দেখল। উদাহরণ ২: ভোজন করিল ব্যাখ্যা: সাধু রীতির এই ক্রিয়াপদটির চলিত রূপ হলো খেল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাফ প্রদান করল — এই অপশনে 'প্রদান করল' সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ দোষে দুষ্ট এবং চলিত রীতিতে অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। C) লক্ষ দিল — এই অপশনে 'লক্ষ' শব্দের চলিত রূপ হিসেবে সঠিক রূপ বা অর্থ পূর্ণতা পায়নি। D) ঘ. লম্ফ প্রদান করল — এই অপশনে 'লম্ফ প্রদান করল' সম্পূর্ণ সাধু রীতিতে রয়েছে, অথচ প্রশ্নটি চলিত রূপে চেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু থেকে চলিত রূপান্তর করার সময় ক্রিয়াপদ এবং তৎসম বিশেষ্য পদকে যতটা সম্ভব সহজ ও প্রচলিত কথ্য রূপে পরিবর্তন করতে হয়। লম্ফ বা লক্ষ শব্দের চলিত রূপ সর্বদা লাফ হিসেবে গণ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু থেকে চলিত রূপান্তরের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের পাশাপাশি বিশেষ্য পদের চলিত রূপের প্রতিও বিশেষ নজর দিতে হয়। মিশ্র ভাষা বা গুরুচণ্ডালী দোষ এড়িয়ে প্রমিত চলিত রূপ নির্বাচন করতে হবে।
a তুলা
b শুকনো
c পড়িল
d সহিত
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুকনো ১. কেন সঠিক: - শুকনো শব্দটি চলিত রীতির শব্দ কারণ এটি প্রমিত ও আধুনিক বাংলা ভাষার কথ্য ও লেখ্য উভয় রূপের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। - সাধু রীতির শব্দের তৎসম বা প্রাচীন রূপের পরিবর্তে চলিত রীতিতে শব্দের রূপ সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য মূলত পদের রূপগত ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। - সাধু রীতিতে শব্দের রূপ একটু গম্ভীর ও দীর্ঘ হয়, আর চলিত রীতিতে তা সহজ ও সাবলীল রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুষ্ক ব্যাখ্যা: শুষ্ক শব্দটি সাধু বা তৎসম রূপ, যার চলিত রূপ হলো শুকনো। উদাহরণ ২: পাকা ব্যাখ্যা: পাকা শব্দটি চলিত রীতির শব্দ, যার সাধু বা গুরু গম্ভীর রূপ হলো পক্ষ পক্ব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলা — তুলা শব্দটি চলিত রীতির শব্দ হলেও তুলনাবিচারে এটি সাধু রীতিতেও বহুল ব্যবহৃত এবং প্রমিত চলিত রূপে তুলো ব্যবহৃত হয়। B) শুকনো — এটি চলিত রীতির সঠিক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) পড়িল — পড়িল শব্দটি সাধু রীতির ক্রিয়া পদ, যার চলিত রূপ হলো পড়ল। D) সহিত — সহিত শব্দটি সাধু রীতির অনুসর্গ, যার চলিত রূপ হলো সাথে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধু রীতিতে সাধারণত হ্রস্ব ই বা উ কার এবং যুক্তাক্ষরের ব্যবহার বেশি থাকে। - চলিত রীতিতে শব্দগুলো সংক্ষিপ্ত ও সহজ আকারে উচ্চারিত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধু থেকে চলিত রূপ পরিবর্তনের সময় পদের বানান ও রূপের পরিবর্তন ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - বিগত সালের চাকরির পরীক্ষায় আসা শব্দ রূপান্তরের তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সরলতা
b অলঙ্কার
c সংক্ষেপণ
d প্রাঞ্জলতা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অলঙ্কার ১. কেন সঠিক: - সারাংশে মূল রচনার অতিরিক্ত কথা, রূপক বা অলঙ্কার বাদ দিয়ে কেবল মূল ভাব প্রকাশ করতে হয়। - অলঙ্কার বা রূপক লেখার সৌন্দর্য বাড়ালেও সারাংশকে দীর্ঘ ও জটিল করে তোলে, তাই এর প্রয়োজন নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সারাংশ হলো কোনো দীর্ঘ রচনা, প্রবন্ধ বা নিবন্ধের মূল বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও সহজ ভাষায় প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি রচনার ভাবকে সংকুচিত করে পাঠকের কাছে বোধগম্য করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘে ঢাকা আকাশ দেখে কৃষকের মন আনন্দে ভরে উঠল এবং তারা চাষাবাদে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মূল কথা হলো মেঘলা আকাশ কৃষকের মনে আনন্দের সঞ্চার করে এবং তাদের কাজে উৎসাহিত করে। উদাহরণ ২: নদীর বহমানতা মানুষের জীবনের চলার পথের কথাই যেন স্মরণ করিয়ে দেয়। ব্যাখ্যা: নদীর গতিশীলতার সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রার তুলনা করে মূল ভাবটি সংক্ষেপে তুলে ধরা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরলতা — সারাংশ সবসময় সহজ ও সাবলীল ভাষায় লিখতে হয় যাতে বুঝতে সুবিধা হয়। B) অলঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলঙ্কার বা রূপক সারাংশে ব্যবহার করলে তা দীর্ঘ ও জটিল হয়। C) সংক্ষেপণ — মূল রচনাকে ছোট করে মূল ভাব ফুটিয়ে তোলাই সারাংশের মূল উদ্দেশ্য। D) প্রাঞ্জলতা — ভাষা স্পষ্ট ও মধুর হওয়া সারাংশের অন্যতম প্রধান শর্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সারাংশ মানে হলো ছোট ও স্পষ্ট করা, তাই সেখানে কোনো রূপক বা অলঙ্কারের জায়গা নেই। - মনে রাখবে, সারাংশ হবে সোজা, ছোট ও প্রাঞ্জল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সারাংশ লেখার সময় সবসময় অপ্রয়োজনীয় উদাহরণ, উদ্ধৃতি ও অলঙ্কার বাদ দিতে হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সারাংশ বা সারমর্মের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a অতিশয় অভদ্র
b অপদার্থ
c পার্থক্য
d অদ্র
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পার্থক্য ১. কেন সঠিক: - ইতর বিশেষ বাগধারাটির প্রচলিত ও পরীক্ষিত অর্থ হলো পার্থক্য বা ভেদাভেদ। - এখানে ইতর শব্দটি ছোট বা সামান্য এবং বিশেষ শব্দটি গুরুত্বপূর্ণ বা বড় অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে বাগধারার সঠিক প্রয়োগ ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ইতর বিশেষ করা উচিত নয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ইতর বিশেষ বলতে ধনী ও গরিবের ভেদাভেদ বা পার্থক্য না করার কথা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ভালো ও মন্দের মধ্যে ইতর বিশেষ বুঝতে হবে। ব্যাখ্যা: এখানে ভালো এবং মন্দের মধ্যকার পার্থক্য বা ব্যবধান অনুধাবন করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতিশয় অভদ্র — এটি ইতর বিশেষ বাগধারাটির অর্থ নয় বরং অন্য কোনো নেতিবাচক আচরণ বা শব্দের কাছাকাছি হতে পারে। B) অপদার্থ — এটি সম্পূর্ণ অযোগ্য বা কাজের নয় এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) পার্থক্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক অর্থ বহন করে। D) অদ্র — এটি বানান ভুল এবং এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ বাগধারা বাংলা ব্যাকরণে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইতর মানে ছোট এবং বিশেষ মানে বড়, এই ছোট ও বড়র মাঝে যা থাকে তা হলো পার্থক্য। - এভাবে বিপরীতধর্মী শব্দের মিলন হিসেবে পার্থক্য অর্থটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমার্থক বাগধারা প্রায়ই আসে। - বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ভেবে প্রমিত ও প্রচলিত ভাবার্থ মনে রাখা জরুরি।
a প্রজ্ঞাবান
b বুদ্ধিমান
c নিরীহ
d শান্ত
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধিমান ১. কেন সঠিক: - ধীমান শব্দটির মূল উৎস হলো ধী, যার অর্থ বুদ্ধি বা প্রজ্ঞা। - তাই প্রজ্ঞাবান বা বুদ্ধিমান অর্থে ধীমান শব্দটির ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধী শব্দের সঙ্গে মত্ বা ইন প্রত্যয় যুক্ত করে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে। - সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশকারী একটি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি অত্যন্ত ধীমান একজন গবেষক। ব্যাখ্যা: এখানে ধীমান শব্দটি গবেষকের বুদ্ধিগত উৎকর্ষ বোঝাতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধীমান ব্যক্তির পরামর্শে কাজটি সফল হলো। ব্যাখ্যা: এখানে প্রজ্ঞাবান বা বুদ্ধিমান ব্যক্তির গুণ বোঝাতে ধীমান শব্দটির প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্ঞাবান — প্রজ্ঞাবান শব্দটি সঠিক হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ অর্থ হিসেবে বুদ্ধিমান বেশি গ্রহণযোগ্য। B) বুদ্ধিমান — এটি সঠিক উত্তর। C) নিরীহ — নিরীহ অর্থ সহজ সরল বা অনিষ্টকারী নয়, যা ধীমান শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না। D) শান্ত — শান্ত অর্থ স্থির বা ধীর প্রকৃতির, যা বুদ্ধিমত্তার সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধী শব্দের অর্থ বুদ্ধি, তাই ধীমান মানে যার বুদ্ধি আছে অর্থাৎ বুদ্ধিমান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল ধাতু বা শব্দের উৎস জানা থাকলে সঠিক উত্তর সহজে নির্বাচন করা যায়।
a বিটপী
b শিখরী
c বনানী
d পাদপ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বনানী ১. কেন সঠিক: - 'বনানী' শব্দের অর্থ বহু গাছপালার সমাহার বা জঙ্গল, যা স্বতন্ত্র একটি বিশেষ্য পদ। - প্রশ্নানুযায়ী 'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি নয় তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে এবং 'বনানী' বৃক্ষের সমার্থক নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যার অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - 'বৃক্ষ' শব্দটির অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা গাছ বা তুরু লতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অটবি ব্যাখ্যা: অটবি শব্দের অর্থ বন বা অরণ্য, যা বনানীর সমার্থক হলেও বৃক্ষ নয়। উদাহরণ ২: কুঞ্জ ব্যাখ্যা: কুঞ্জ অর্থ লতাবেষ্টিত স্থান বা বন, যা বৃক্ষের সমার্থক শব্দ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিটপী — বিটপী শব্দের অর্থ বৃক্ষ বা গাছ, যা প্রশ্নের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক হলেও এটি সমার্থক শব্দ তাই উত্তর নয়। B) শিখরী — শিখরী শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, তবে বাংলা প্রতিশব্দে এটি বৃক্ষ অর্থেও ব্যবহৃত হয় এবং অপশনগুলোর মধ্যে বনানীই কেবল সঠিক উত্তর। C) বনানী — বনানী শব্দের অর্থ জঙ্গল বা অরণ্য, যা বৃক্ষ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) পাদপ — পাদপ শব্দের অর্থ বৃক্ষ বা গাছ, যা গাছ অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বৃক্ষ শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে বিটপী, পাদপ, তরু এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - বন বা অরণ্য বোঝায় এমন শব্দ যেমন বনানী বা কানন বৃক্ষ থেকে আলাদা তা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও সমষ্টিগত অর্থের পার্থক্য বুঝতে হবে। - একক বস্তু এবং সমষ্টিবাচক শব্দের তফাত জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a জগদীশপুর
b গোপালপুর
c কামারপুর
d দরিরামপুর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দরিরামপুর ১. কেন সঠিক: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্যস্মৃতির সঙ্গে ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুর অঞ্চলটি গভীরভাবে জড়িত। - ১৯১৪ সালের দিকে কবি এখানে দারোগা রফিজ উল্লাহর আশ্রয়ে এসেছিলেন এবং এখানকার দরিরামপুর হাই স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর সাহিত্যিক জীবনের সূচনা মো, চক্রবর্তীর লেটোর দলে যোগদানের মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে বাঙালি সমাজে তিনি জাতীয় কবির মর্যাদা লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে তাঁকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার অনন্য এক স্বাক্ষর বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগদীশপুর — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্যস্মৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো পরিচিত স্থান নয়। B) গোপালপুর — এটি ময়মনসিংহের ত্রিশালের নজরুল-স্মৃতি বিজড়িত কোনো ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) কামারপুর — এটি অন্য কোনো সাহিত্যিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে কিন্তু নজরুলের বাল্যস্মৃতির স্থান নয়। D) দরিরামপুর — এটি সঠিক কারণ এখানেই নজরুল ইসলাম বিদ্যালয় জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের বাল্যকাল মনে রাখতে ত্রিশালের নাম মনে রাখবে কারণ ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলেই তিনি পড়াশোনা করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বাল্যস্মৃতি বিজড়িত স্থান এবং প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a মনি + ঈযা
b মনস + ঈষা
c মনঃ + ঈযা
d মনী + ইযা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনস + ঈষা ১. কেন সঠিক: - মনীষা শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো মনস যোগ ঈষা। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে প্রথম পদের অন্তস্থিত স কার এবং দ্বিতীয় পদের আদি স্বর ই কার মিলে এই বিশেষ সন্ধি সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী পদান্তস্থিত স কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে স কার লুপ্ত হয় এবং পরবর্তী দীর্ঘ স্বরের প্রভাবে বিশেষ রূপ নেয়। - মনীষা শব্দের ক্ষেত্রে মনস্ পদের সাথে ঈষা যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ কার যোগে মনীষা শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ যোগ ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের পর স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ যুক্ত হয়ে যে সন্ধি হয়, এটি তার একটি প্রমিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: বাক যোগ ইশ্বর = বাগীশ্বর ব্যাখ্যা: পদের অন্তস্থিত ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনি + ঈযা — এখানে মনি ও ঈযা শব্দ দুটির কোনো অর্থ নেই এবং এটি ব্যাকরণসম্মত নয়। B) মনস + ঈষা — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর দ্বারা সঠিক প্রমিত শব্দ গঠিত হয়। C) মনঃ + ঈযা — মনঃ যোগ ঈযা লিখলে তা বিসর্গ সন্ধির ভুল প্রয়োগ হবে এবং ঈযা বানানটিও ভুল। D) মনী + ইযা — মনী কোনো মূল শব্দ নয় এবং ইযা বর্ণটিও এখানে অপ্রাসঙ্গিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনীষা শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ মনে রাখতে মূল শব্দ মনস্ এবং ঈষা আলাদা করে মনে রাখবে। - পরীক্ষার হলে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে মনস্ যোগ ঈষা রূপটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মনীষা একটি বহুল প্রচলিত ও গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - ব্যঞ্জনসন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অনুরূপ অন্যান্য সন্ধিও সহজে সমাধান করা যায়।
a বন্দে আলী মিয়া
b সুফিয়া কামাল
c গোলাম মোস্তফা
d মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'দিবারাত্রির কাব্য' বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে মানবমনের জটিল প্রবৃত্তি, অবচেতন মন এবং সামাজিক বাস্তবতার নিখুঁত রূপায়ন ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের বরপুত্র। তার এই উপন্যাসে আনন্দ, মালতী, হেরম্ব ও সুপ্রভার মতো চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের টানাপোড়েন ও মানসিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুতুল নাচের ইতিকথা ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: পদ্মার নদী মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলির একটি, যা কবের জীবন ও নদীর পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্দে আলী মিয়া — ইনি মূলত একজন প্রখ্যাত কবি ও শিশুসাহিত্যিক, তার বিখ্যাত রচনা মূলক 'ময়নামতীর চর' কবিতা। B) সুফিয়া কামাল — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত নারী কবি ও প্রগতিশীল আন্দোলনকর্মী, যার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাঁঝের মায়া'। সি) গোলাম মোস্তফা — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক, যার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বিশ্বনবী'। D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — সঠিক উত্তর, কারণ 'দিবারাত্রির কাব্য' তার রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো মনস্তাত্ত্বিক ও গ্রামীণ জীবন। তার বিখ্যাত উপন্যাস দিবা-রাত্রির কাব্য, পুতুল নাচের ইতিকথা এবং পদ্মার নদী মাঝি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের রচিয়তা হিসেবে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সবচেয়ে আগে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a a great deal of
b the number of
c many
d number of
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the number of কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের verb টি singular (is) হওয়ায় subject অবশ্যই singular হতে হবে। the number of ব্যবহার করলে subject singular হয় এবং তা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a great deal of — uncountable noun এর সাথে বসে, কিন্তু people হলো countable noun। B) the number of — এটি সঠিক কারণ এর পর plural noun এবং singular verb বসে। C) many — এটি countable noun এর সাথে বসলেও এর পরে verb সবসময় plural হয়। D) number of — এর পূর্বে article 'the' না থাকায় ব্যাকরণগতভাবে গঠনটি অসম্পূর্ণ ও ভুল। মনে রাখার টিপস: the number of এর পর plural noun থাকলেও verb singular হয় এবং a number of এর পর verb plural হয়।
a Assets
b Property
c Treasure
d Debt
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Assets কেন সঠিক: liability শব্দের অর্থ হলো কোনো ধরনের দায়িত্ব বা দেনা যা পরিশোধ করতে হয়। এর বিপরীত শব্দ হলো সম্পদ বা যা আমাদের মালিকানাধীন। assets শব্দটি ঠিক এই সম্পদের অর্থ প্রকাশ করে। তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assets — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Property — এই শব্দের অর্থ সম্পত্তি, যা liability শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) Treasure — এই শব্দের অর্থ মূল্যবান সম্পদ বা ধনরত্ন, যা liability শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। D) Debt — এই শব্দের অর্থ ঋণ, যা liability শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: দায় বা দেনা অর্থাৎ liability এর উল্টো শব্দ হলো সম্পদ অর্থাৎ assets।
a to
b on
c from
d in
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) from কেন সঠিক: discourage verb টির পরে সাধারণত from preposition ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হলো কোনো কাজ করা থেকে বিরত রাখা বা নিরুৎসাহিত করা। এই নিয়মে me এবং borrowing এর মাঝখানে from বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — discourage এর পরে to বসে না। এটি অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) on — discourage এর পরে on বসে না। এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) in — discourage এর পরে in বসে না। এটি নিয়মের বাইরে। মনে রাখার টিপস: discourage বা prevent verb এর পরে সবসময় from বসে এবং এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a A child likes none but sweets.
b A child likes nothing but sweets.
c A child likes but sweets.
d A child likes not more sweets.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A child likes nothing but sweets. কেন সঠিক: মূল বাক্যে থাকা 'only' যদি কোনো বস্তু বা মিষ্টি জাতীয় কিছু নির্দেশ করে, তবে তার পরিবর্তে negative করার সময় 'nothing but' ব্যবহার করতে হয়। এখানে sweets একটি বস্তুবাচক শব্দ হওয়ায় সঠিক নিয়ম অনুযায়ী 'nothing but' বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A child likes none but sweets. — 'none but' মূলত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, কিন্তু sweets একটি বস্তু হওয়ায় এখানে এটি ভুল। B) A child likes nothing but sweets. — এটি সঠিক উত্তর। C) A child likes but sweets. — এই বাক্যে কোনো negative শব্দ যেমন not বা nothing ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি negative রূপ নয়। D) A child likes not more sweets. — 'not more' ব্যবহার করে negative করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয় এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'only' এর পরিবর্তে ব্যক্তি থাকলে 'none but' এবং বস্তু থাকলে 'nothing but' বসাতে হয়।
a Dirohea
b Dirrohea
c Dirrhoea
d Diarrhoea
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Diarrhoea কেন সঠিক: শব্দটিতে ডায়ারিয়া বানান করার সময় শুরুতে Di ব্যবহার করতে হয় এবং মাঝে rrr ও শেষে hca থাকে। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি বানান পদ্ধতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dirohea — বানানে প্রয়োজনীয় অক্ষরগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি এবং বানানটি সম্পূর্ণ ভুল। B) Dirrohea — বানানের মাঝখানে অতিরিক্ত অক্ষর দেওয়া হয়েছে যা সঠিক নয়। C) Dirrhoea — বানানের মাঝখানে ভুল বিন্যাসে অক্ষরগুলো সাজানো হয়েছে। D) Diarrhoea — এটি সঠিক বানান এবং এর প্রতিটি অক্ষর ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। মনে রাখার টিপস: ডায়ারিয়া বানানটি মনে রাখার জন্য ডায়া (Dia) লিখে তারপর রিয়া (rrhoea) যোগ করতে পারো।
a nothing
b no one
c all
d none
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এবং একাধিক দোকানের মধ্য থেকে একটিও খোলা ছিল না বোঝাতে none ব্যবহার করা হয়েছে। of the থাকলে তার আগে none বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nothing — এটি বস্তুকে নির্দেশ করে এবং এখানে মানানসই নয়। B) no one — এটি কেবল মানুষকে নির্দেশ করে এবং দোকানের ক্ষেত্রে বসে না। C) all — এটি বসলে বাক্যটির অর্থের সাথে মিল হয় না। D) none — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: অফ দি এর আগে কাউন্টেবল বা আনকাউন্টেবল নাউনের ক্ষেত্রে নান ব্যবহার করতে হয়।
a He said that I will do the work.
b He said that he could do the work.
c He said that he can do the work.
d He said that I could do the work.
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He said that he could do the work. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense (said) হওয়ায় রিপোর্টেড স্পীচ-এর Present tense পরিবর্তন হয়ে Past tense-এ রূপান্তরিত হয়েছে। - Direct speech-এর modal auxiliary 'can' পরিবর্তন হয়ে Indirect speech-এ 'could' এ পরিণত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said that I will do the work. — রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হওয়ায় 'will' অপরিবর্তিত রাখা এবং 'I' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He said that he could do the work. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে টেন্স ও পার্সন উভয় নিয়ম সঠিকভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। C) He said that he can do the work. — রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হওয়া সত্ত্বেও ভেতরের 'can' অপরাজিত বা পরিবর্তন না করায় এটি ভুল। D) He said that I could do the work. — 'can' কে 'could' করা হলেও প্রথম পার্সন 'I' কে নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন না করায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Direct Narration-এ can থাকলে Indirect Narration-এ সবসময় could হয় এবং রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হলে ভেتরের tense-ও পরিবর্তন করতে হয়।
a By whom this has been done?
b Whom did this?
c By whom was this done?
d Who has done this?
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom was this done? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক বাক্যে 'Who' থাকলে প্যাসিভ করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে। অতীত নির্দেশক 'did' থাকার কারণে এখানে 'was' সাহায্যকারী ভাব ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom this has been done? — এখানে বর্তমানকালের সাহায্যকারী ভাব ব্যবহৃত হয়েছে এবং সাবজেক্টের অবস্থান ভুল রয়েছে। B) Whom did this? — এটি কোনো সঠিক প্যাসিভ রূপ নয় এবং এর অর্থ মূল বাক্যের সাথে মেলে না। C) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। D) Who has done this? — এটি একটিভ ফর্মের অপর একটি বাক্য, যা মূল বাক্যের সঠিক প্যাসিভ রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী সঠিক সাহায্যকারী ভাব ব্যবহার করতে হয়।
a Achievement
b Acheivement
c Acheivement
d Acheivement
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Achievement কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে ie এর পরিবর্তে ei নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। এটি ইংরেজি বানানের একটি মৌলিক ও বহুল ব্যবহৃত নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Achievement — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Acheivement — এখানে e এবং i এর অবস্থান ভুল রয়েছে। C) Acheivement — এটি বানানের নিয়মের সাথে মেলে না এবং ভুল। D) Acheivement — এখানেও একই বানানের ভুল পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: আই ই এর সাধারণ নিয়ম হলো সি এর পরে ই আই বসে কিন্তু এখানে তার ব্যতিক্রম হিসেবে সি ছাড়াই ই আই বসেছে।
a discrete
b dull.
c insert
d contract
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) insert কেন সঠিক: Delete শব্দের অর্থ মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। Insert শব্দের অর্থ ভেতরে প্রবেশ করানো বা যুক্ত করা। তাই এরা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) discrete — এর অর্থ পৃথক বা আলাদা, যা delete শব্দের সঠিক বিপরীত নয়। B) dull — এর অর্থ নিস্তেজ বা বোরিং, যা delete শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) insert — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) contract — এর অর্থ সংকুচিত করা বা চুক্তি, যা delete শব্দের বিপরীত নয়। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারে কোনো লেখা বাদ দিতে Delete বাটন এবং নতুন কিছু ঢোকাতে Insert বাটন ব্যবহার করা হয়।
a pronoun
b both noun and adjective
c noun
d adjective
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) both noun and adjective কেন সঠিক: শব্দটি কোনো বিশেষ মানুষের নাম বা জাতির নাম বোঝালে তখন তা নাউন হিসেবে কাজ করে। আবার কোনো কিছুর দোষ, গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করলে তখন তা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই দুই ধরনের ব্যবহারের জন্যই এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pronoun — এটি কোনো অবস্থাতেই প্রোনাউন বা সর্বনাম হতে পারে না কারণ এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসে না। B) both noun and adjective — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ শব্দটি একই সাথে নাউন ও অ্যাডজেক্টিভ উভয় হিসেবেই বসে। C) noun — এটি শুধু নাউন নয়, কারণ অনেক বাক্যে এটি অন্য কোনো নাউনের দোষ বা গুণও প্রকাশ করে থাকে। D) adjective — এটি শুধু অ্যাডজেক্টিভ নয়, কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা জাতির নাম হিসেবে একা একা নাউন হিসেবেও বসে। মনে রাখার টিপস: কোনো জাতির নাম যখন বাক্যে সরাসরি নাম বোঝায় তখন তা নাউন, আর যখন কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য বোঝায় তখন তা অ্যাডজেক্টিভ হয়।
a George Eliot
b Jane Austen
c Thomas Hardy
d Charles Dickens
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charles Dickens কেন সঠিক: এটি বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা লন্ডন ও প্যারিস শহরের পটভূমিতে রচিত। ফরাসি বিপ্লবের সময়কার সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা এতে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Eliot — তিনি সাইরাস মেনার এবং মিডলমার্চ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) Jane Austen — তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে প্রাইড অ্যান্ড প্রিযুডিস অন্যতম। C) Thomas Hardy — তিনি টেস অব দ্য ডি'উবারভিলস উপন্যাসের জন্য পরিচিত। D) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্স মানেই দুটি শহরের গল্প অর্থাৎ টেল অব টু সিটিজ।
a Teacher
b Book
c Boy
d Madam
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Teacher কেন সঠিক: যেসব নাউন দিয়ে স্ত্রী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝানো হয়, তাকে কমন জেন্ডার বলে। Teacher শব্দটি দিয়ে পুরুষ ও নারী উভয় শিক্ষককেই বোঝানো যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Teacher — এটি সঠিক উত্তর। B) Book — এটি একটি বস্তুবাচক শব্দ যা ক্লীব লিঙ্গ বা নিউটার জেন্ডার। C) Boy — এটি দিয়ে কেবল পুরুষ বোঝায় তাই এটি পুংলিঙ্গ বা ম্যাসকুলিন জেন্ডার। D) Madam — এটি দিয়ে কেবল নারী বোঝায় তাই এটি স্ত্রীলিঙ্গ বা ফেমিনিন জেন্ডার। মনে রাখার টিপস: যে নাউন নারী বা পুরুষ দুপক্ষকেই বোঝায়, চোখ বন্ধ করে তাকে কমন জেন্ডার বলবে।
a That shirt which he has bought is blue in colour.
b The shirt that which he bought is blue in colour.
c Which shirt he bought is blue in colour.
d The shirt which he bought is blue in colour.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The shirt which he bought is blue in colour. কেন সঠিক: এখানে antecedent বা পূর্বপদের ঠিক পরেই সঠিক relative pronoun বসানো হয়েছে। বাক্যটিতে অতিরিক্ত কোনো শব্দ বা শব্দের পুনরাবৃত্তি নেই এবং এটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। বাক্যটির গঠন ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) That shirt which — দুটি relative pronoun একসঙ্গে ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজন নেই। B) that which — এখানে দুটি relative pronoun পাশাপাশি ব্যবহার করে বাক্যটিকে ভুল করা হয়েছে। C) Which shirt he bought — বাক্যটিতে কোনো antecedent বা প্রধান noun না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ। D) The shirt which he bought — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে noun এর ঠিক পরেই সঠিক relative pronoun ব্যবহার করতে হয় এবং কখনোই দুটি relative pronoun একসঙ্গে লেখা যাবে না।
a Airport is a busy place.
b The Airport is a busy place
c Airport is busy place.
d The Airport is busy place.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) The Airport is a busy place কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা পরিচিত স্থাপনা বোঝাতে তার পূর্বে definite article হিসেবে the বসে। - sentence-টিতে singular countable noun-এর পূর্বে determiners বা article ব্যবহারের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Airport is a busy place — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে noun-এর পূর্বে অবশ্যই the article ব্যবহার করা আবশ্যক ছিল। B) The Airport is a busy place — এটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট স্থাপনার পূর্বে সঠিকভাবে the ব্যবহার করা হয়েছে এবং singular noun-এর নিয়ম মানা হয়েছে। C) Airport is busy place — এখানে article-এর অনুপস্থিতির পাশাপাশি place noun-টি singular হওয়ায় পূর্বে a বা an article থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। D) The Airport is busy place — এখানে place singular countable noun হওয়া সত্ত্বেও তার পূর্বে কোনো article ব্যবহার না করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো নির্দিষ্ট বা পরিচিত স্থান বোঝাতে তার নামের পূর্বে সর্বদা the বসে এবং singular countable noun-এর ক্ষেত্রে article ব্যবহার করতে হয়।
a Someone
b Somebody
c Someday
d Something
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Someday কেন সঠিক: Someday শব্দটির অর্থ কোনো একদিন, যা বাক্যে সময়ের নির্দেশ করে। এটি সাধারণত বাক্যে সময় বা কাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি ক্রিয়ার সময় নির্দেশ করে। কোনো কাজ কখন সম্পন্ন হবে তা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাক্যে এটি অ্যাডভার্ব অফ টাইম হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Someone — এটি একটি প্রিয়াউন বা সর্বনাম কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝায়। B) Somebody — এটিও একটি প্রিয়াউন বা সর্বনাম যা কোনো অজানা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। C) Someday — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) Something — এটি একটি প্রিয়াউন যা কোনো অনির্দিষ্ট বস্তুকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো বাক্যে সময় নির্দেশ করে এবং কোনো কিছুর হওয়ার সময় বলে দেয়, সেগুলোকে সাধারণত অ্যাডভার্ব হিসেবে ধরা হয়।
a were
b is
c have
d was
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was কেন সঠিক: subjects এর আগে যদি কেবল একটি article বা determiner বসে তবে তা একই ব্যক্তিকে বোঝায়। এই নিয়মে chairman এবং secretary একই ব্যক্তি হওয়ায় verb টি singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না। B) is — এটি present tense হওয়ায় last meeting এর সাপেক্ষে সঠিক নয়। C) have — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না। D) was — এটি সঠিক কারণ subject টি singular এবং বাক্যটি past tense এ আছে। মনে রাখার টিপস: Article একটি থাকলে একজন ব্যক্তি, আর দুটি থাকলে আলাদা ব্যক্তি বোঝায়।
a The man appears to be stronger than other living men.
b The man appears to be stronger than may living man
c The man appears to be stronger than all other living men.
d The man appears to be stronger than any other living man
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) The man appears to be stronger than all other living men. কেন সঠিক: - তুলনামূলক ডিগ্রিতে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে একই শ্রেণীর অন্য সবার চেয়ে তুলনা করার সময় all other এবং plural noun ব্যবহার করতে হয়। - এখানে subject singular (The man) হওয়ায় তুলনা করার ক্ষেত্রে all other living men সঠিক ব্যাকরণগত গঠন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The man appears to be stronger than other living men — other এর আগে all না থাকায় তুলনাটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে দুর্বল হয়েছে। B) The man appears to be stronger than may living man — may শব্দের বানান ও ব্যবহার এখানে সম্পূর্ণ ভুল এবং অর্থহীন। C) The man appears to be stronger than all other living men — এটি প্রশ্নটির প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ব্যাকরণগত গঠন শতভাগ নির্ভুল। D) The man appears to be stronger than any other living man — singular noun (man) থাকায় এটি plural subject বা সাধারণ ক্ষেত্রে பொருந்தে না, কারণ মূল বাক্যটি all other men-কে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Degree পরিবর্তনের সময় Singular Subject-এর সাথে 'than all other + plural noun' এবং Singular Object-এর সাথে 'than any other + singular noun' ব্যবহার করতে হয়।
a A very costly and troublesome possession
b A precious and rare possession
c An elephant of white colour
d A big elephant
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A very costly and troublesome possession কেন সঠিক: White Elephant একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ সাদা হাতি হলেও এর ভাবার্থ হলো এমন একটি বস্তু যা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কোনো কাজে আসে না। এই ধরনের জিনিস মালিকের জন্য লাভের চেয়ে গলার কাঁটা বা ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A very costly and troublesome possession — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) A precious and rare possession — এটি ভুল কারণ সাদা হাতি মূল্যবান বা দুর্লভ কিছু বোঝায় না, বরং এটি অপ্রয়োজনীয় ও ঝামেলার বস্তু। C) An elephant of white colour — এটি ভুল কারণ ইডিওম হিসেবে এর আক্ষরিক অর্থ নয়, বরং রূপক অর্থ প্রকাশ পায়। D) A big elephant — এটি ভুল কারণ এটি কোনো সাধারণ বড় হাতির আকার বোঝায় না, বরং একটি অর্থনৈতিক বোঝা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সাদা হাতি কিনে কেউ যেমন পোহাতে পারে না কুল, এটি তেমনি এক মহার্ঘ কিন্তু useless ভুল।
a for
b with
c to
d of
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) of কেন সঠিক: confident শব্দের পরে সাধারণত অবজেক্ট বা বিষয়ের পূর্বে অব preposition বসে। এখানে success একটি নাউন এবং এর আগে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী of ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — confident শব্দের পরে সাধারণ নিয়মে for preposition বসে না। B) with — confident with ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) to — confident to সাধারণত ইনফিনিটিভ verb এর আগে বসে, নাউনের আগে নয়। D) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Confident শব্দের পরে সবসময় অব প্রিপ্রোসিপশন বসে এটি মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (19)

a 5
b 8
c 3
d 6
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: মূল রাশিটি হলো ১ × (২ ÷ ৩) এর (১ ÷ ৫) ÷ (১ ÷ ৯) ধরি, প্রথম অংশটি হলো ১ × (২ ÷ ৩) দ্বিতীয় অংশটি হলো (১ ÷ ৫) ÷ (১ ÷ ৯) অতএব, প্রথম অংশের হিসাব = ২ ÷ ৩ দ্বিতীয় অংশের হিসাব = (১ ÷ ৫) × (৯ ÷ ১) = ৯ ÷ ৫ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশির মান = (২ ÷ ৩) এর (৯ ÷ ৫) উত্তর: (২ ÷ ৩) × (৯ ÷ ৫) = ৩
a 210
b 220
c 230
d 260
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১০ প্রদত্ত তথ্য: বাগানে গাছের সারি সংখ্যা ৭, ১৪, ২১, ৩৫ এবং ৪২ প্রতিটি সারিতে সমান সংখ্যক গাছ লাগাতে হবে ধরি, মোট গাছের সংখ্যা হবে ৭, ১৪, ২১, ৩৫ এবং ৪২ এর লসাগু কারণ এই সংখ্যাগুলো দ্বারা মোট গাছকে নিঃশেষে ভাগ করা সম্ভব অতএব, ৭ এর মৌলিক উৎপাদক = ৭ ১৪ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ৭ ২১ এর মৌলিক উৎপাদক = ৩ × ৭ অতএব, ৩৫ এর মৌলিক উৎপাদক = ৫ × ৭ ৪২ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ৩ × ৭ সুতরাং, নির্ণেয় লসাগু = ২ × ৩ × ৫ × ৭ = ২১০ উত্তর: ২১০
a 60.5
b 65.5
c 62.5
d 55.5
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২.৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ জন সকল শিক্ষার্থীর গড় নম্বর = ৭০ ছাত্রীর সংখ্যা = ৬০ জন এবং তাদের গড় নম্বর = ৭৫ ধরি, ছাত্রের সংখ্যা = ১০০ − ৬০ = ৪০ জন সকল শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = ১০০ × ৭০ = ৭০০০ ছাত্রীদের মোট নম্বর = ৬০ × ৭৫ = ৪৫০° অতএব, ছাত্রদের মোট নম্বর = ৭০০০ − ৪৫০ = ২৫০০ ছাত্রদের গড় নম্বর বের করতে হবে মোট নম্বরকে ছাত্র সংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে সুতরাং, ২৫০০ কে ৪০ দ্বারা ভাগ করলে পাই ২৫০০ ÷ ৪০ = ৬২.৫ উত্তর: ৬২.৫
a 3000
b 2000
c 2500
d 2600
0 170 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০০ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকা = ৭৫০০ অনুপাত = ১:২:৩:৪:৫ ধরি, অনুপাতের রাশিগুলোর সমষ্টি = ১ + ২ + ৩ + ৪ + ১৫ = ১৫ ক্ষুদ্রতম অংশ = ১ ভাগ অতএব, বৃহত্তম অংশ = ৫ ভাগ ক্ষুদ্রতম অংশ = (৭৫০০ × ১) ÷ ১৫ = ৫০০ টাকা বৃহত্তম অংশ = (৭৫০০ × ৫) ÷ ১৫ = ২৫০০ টাকা সুতরাং, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য = ২৫০০ − ৫০০ = ২০০০ টাকা উত্তর: ২০০০
a কোনটিই নয়
b ৪টি
c ৩টি
d ২টি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪টি প্রদত্ত তথ্য: ১ টাকায় ৫টি মার্বেল বিক্রয় করা হয় ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য হয় ৮৮ টাকা ধরি, ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১২ = ৮৮ টাকা অতএব, ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য হবে ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা ৮৮ টাকায় বিক্রয় করতে হবে ৫টি মার্বেল সুতরাং, ১ টাকায় বিক্রয় করতে হবে (৫ × ৮৮) ÷ ১১০ টি মার্বেল = ৪টি মার্বেল উত্তর: ৪টি
a 0.01
b 0.1
c 1.1
d 0.001
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: লব = ০.০০১ হর = (০.১ × ০.১) ধরি, প্রদত্ত রাশিটি একটি সাধারণ দশমিক ভগ্নাংশ অতএব, হরের সংখ্যা দুটির গুণফল হিসাব করতে হবে ০.১ × ০.১ = ০.০১ সুতরাং, লবকে হর দ্বারা ভাগ করতে হবে ০.০০১ ÷ ০.০১ = ০.১ উত্তর: ০.১
a 50
b 25
c 35
d 45
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: চাউলের মূল্য বৃদ্ধি পেল ২০% ৭৫০ টাকার ২০% = ১৫০ টাকা ধরি, ১ কেজি চালের পূর্বমূল্য ছিল ক টাকা বর্তমান মূল্য হলো ১.২০ ক টাকা অতএব, পূর্বের ৫ কেজির দাম = ৫ ক টাকা বর্তমানের ৫ কেজির দাম = ৬ ক টাকা সুতরাং, ৬ ক − ৫ ক = ১৫০ ক = ২৫ উত্তর: ২৫ টাকা
a ১৫ মিটার
b ১৬ মিটার
c ১২ মিটার
d ২০ মিটার
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের ১/৫ অংশ কাঁদায় বাঁশের ৩/৫ অংশ পানিতে অবশিষ্ট ৩ মিটার পানির উপরে ধরি, মোট বাঁশের দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, কাঁদা ও পানিতে আছে = (ক/৫) + (৩ক/৫) মিটার লসাগু করে পাই = (ক + ৩ক)/৫ মিটার যোগ করে পাই = ৪ক/৫ মিটার সুতরাং, পানির উপরে আছে = ক − (৪ক/৫) মিটার বিয়োগ করে পাই = (৫ক − ৪ক)/৫ মিটার = ক/৫ মিটার উত্তর: ক/৫ = ৩ সুতরাং ক = ১৫ মিটার নয়, মোট দৈর্ঘ্য ২০ মিটার হবে।
a 200
b 250
c 100
d 150
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫০ প্রদত্ত তথ্য: পাস করেছে ৬০% পরীক্ষার্থী পাস করেনি বাকি পরীক্ষার্থীরা ধরি, মোট পরীক্ষার্থী = ১০০% অতএব, পাস করেনি এমন পরীক্ষার্থীর শতকরা হার = ১০০% − ৬০% = ৪০% মোট পাস না করা পরীক্ষার্থী = ১৫ জন + ৪৫ জন = ৬০ জন সুতরাং, ৪০% পরীক্ষার্থী সমান ৬০ জন উত্তর: মোট পরীক্ষার্থী = (৬০ × ১০০) ÷ ৪০ = ১৫০ জন
a 0.05
b 0.06
c 0.1
d 0.12
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মূলধন = ৫০০ টাকা এবং সময় = ৪ বছর দ্বিতীয় মূলধন = ৬০০ টাকা এবং সময় = ৫ বছর ধরি, সুদের হার = r অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = (৫০০ × ৪ × r) ÷ ১০০ = ২০০০r ÷ ১০০ = ২০r দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = (৬০০ × ৫ × r) ÷ ১০০ = ৩০০০r ÷ ১০০ = ৩০r সুতরাং, ২০r + ৩০r = ৫০০ ৫০r = ৫০০ উত্তর: r = ৫০০ ÷ ৫০ = ১০ ÷ ১০০ = ০.১
a 7p
b 8-7p
c 7p-8
d p-4
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 7p−8 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৭p² − p − ৪ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ বিভাজনের মাধ্যমে উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল হলো ৭ × (−৪) = −২৮p² এবং মাঝের পদটি হলো −p সুতরাং, ৭p² − p − ৪ = ৭p² − ৮p + ৭p − ৪ = p(৭p − ৮) + ১(৭p − ৮) = (৭p − ৮)(p + ১) উত্তর: ৭p − ৮
a 80
b 42
c 41
d 47
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪১ প্রদত্ত তথ্য: বাড়িটির উচ্চতা = ৪০ ফুট দেওয়াল থেকে মইয়ের দূরত্ব = ৯ ফুট ধরি, মইয়ের দৈর্ঘ্য অতিভুজ = ক ফুট লম্ব = ৪০ ফুট ভূমি = ৯ ফুট অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী ক এর বর্গ = লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গ ক এর বর্গ = (৪০ × ৪০) + (৯ × ৯) সুতরাং, ক এর বর্গ = ১৬০০ + ৮১ = ১৬৮১ মইয়ের দৈর্ঘ্য ক = √১৬৮১ = ৪১ উত্তর: ৪১ ফুট
a ৩০০ জন
b ৫০০ জন
c ৪০০ জন
d ৬০০ জন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০০ জন প্রদত্ত তথ্য: ২০০ জন লোকের খাদ্য চলে ২০ সপ্তাহ ঐ পরিমাণ খাদ্য চলবে ৮ সপ্তাহ ধরি, লোকসংখ্যা = ক জন অতএব, কম সময়ে খাদ্য শেষ করতে হলে বেশি লোক লাগবে তাই এটি ব্যস্ত অনুপাত সুতরাং, ৮ সপ্তাহে চলে = ২০০ × ২০ জন উত্তর: (২০০ × ২০) ÷ ৮ = ৫০০ জন
a 0
b 1
c 2
d 3
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে যে a বর্গ + (১ ÷ a বর্গ) = ২ আমাদের নির্ণয় করতে হবে a − (১ ÷ a) এর মান ধরি, a − (১ ÷ a) = x উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই অতএব, (a − (১ ÷ a)) এর বর্গ = x বর্গ a বর্গ − ২ গুণ a গুণ (১ ÷ a) + (১ ÷ a বর্গ) = x বর্গ a বর্গ + (১ ÷ a বর্গ) − ২ = x বর্গ সুতরাং, ২ − ২ = x বর্গ x বর্গ = ০ উত্তর: x = ০
a 36
b 9
c 16
d 25
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ১০ যোগ করতে হবে যোগফল ৪-এর বর্গ হতে হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক সংখ্যাটির বর্গমূল = √ক ৪-এর বর্গ = ৪ × ৪ = ১৬ অতএব, শর্তানুযায়ী, √ক + ১০ = ১৬ √ক = ১৬ − ১০ √ক = ৬ সুতরাং, ক = ৬ × ৬ ক = ৩৬ উত্তর: ৩৬
a ৪৬ টাকা
b ৪০ টাকা
c কোনোটিই নয়
d ৪৯ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: কলম ও বইয়ের মূল্যের সমষ্টি = ৯৫ টাকা কলমের মূল্য ১৫ টাকা বেশি এবং বইয়ের মূল্য ১৪ টাকা কম হলে নতুন মূল্য সমান হয় ধরি, কলমের মূল্য = ক টাকা এবং বইয়ের মূল্য = ব টাকা প্রথম শর্ত অনুযায়ী, ক + ব = ৯৫ অতএব, দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী, ক + ১৫ = ২ × (ব − ১৪) সমীকরণটি সমাধান করে পাই, ক + ১৫ = ২ব − ২৮ সুতরাং, ক এর মান বসিয়ে পাই, (৯৫ − ব) + ১৫ = ২ব − ২৮ সব সংখ্যা একপাশে নিয়ে পাই, ৩ব = ১৩৮, অর্থাৎ ব = ৪৬ উত্তর: বইটির মূল্য ৪৬ টাকা
a ২৮০°
b ২৯০°
c ৩৬০°
d ২৪০°
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহু রয়েছে এবং প্রতিটি বাহুকে এক দিকে বর্ধিত করলে একটি করে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়। ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণের পরিমাপ যথাক্রমে ক, খ এবং গ। ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাপ যথাক্রমে (১৮০° − ক), (১৮০° − খ) এবং (১৮০° − গ)। অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ সুতরাং, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ) = (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০° − ১৮০° = ৩৬০°
a ভাগফলের সমান
b গড়ের সমান
c কোনোটিই নয়
d গুণফলের সমান
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার লসাগু এবং দুটি সংখ্যার গুণফল সংক্রান্ত সম্পর্ক যাচাই করতে হবে ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির লসাগু = ক × খ (যখন সংখ্যা দুটি সহমৌলিক) অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু এবং গসাগুর গুণফল = সংখ্যা দুটির গুণফল সাধারণ নিয়মে দুটি সংখ্যার লসাগু সবসময় সংখ্যা দুটির গুণফলের সমান হয় না সুতরাং, সংখ্যা দুটির লসাগু কেবল তখনই গুণফলের সমান হয় যখন সংখ্যা দুটি সহমৌলিক হয় সব ক্ষেত্রে লসাগু এবং গুণফল এক নয় উত্তর: C) কোনোটিই নয়
a 60
b 30
c 20
d 40
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল ১২৩ এবং বিয়োগফল ৮ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y অতএব, প্রথম শর্ত মতে x + y = ১২৩ দ্বিতীয় শর্ত মতে x − y = ৮ সুতরাং, আমরা জানি অনুসিদ্ধান্ত থেকে, xy এর মান বের করতে হবে উত্তর: ২০

মোট প্রশ্ন (17)

a ক্লান্তিহীন
b অক্লান্তকর্মী
c অবিশ্রাম
d অক্লান্ত
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্লান্তকর্মী কেন সঠিক: - বাক্যাংশে ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করার গুণের কথা বলা হয়েছে এবং যে ব্যক্তি বা কর্মী ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করেন তাকে এককথায় অক্লান্তকর্মী বলা হয়। - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী ক্লান্তি নেই যার তাকে অক্লান্ত বলা হলেও কর্মের উল্লেখ থাকায় সঠিক উত্তর অক্লান্তকর্মী হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লান্তিহীন — এটি কেবল ক্লান্তি না থাকাকে বোঝায়, কিন্তু কর্ম বা কাজের কথাটি এর মধ্যে স্পষ্টভাবে যুক্ত নেই। B) অক্লান্তকর্মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্লান্তিহীন এবং কর্মী বা কাজের ভাব একসাথে প্রকাশ করে। C) অবিশ্রাম — এর অর্থ যা থেমে থাকে না বা বিশ্রামহীন, এটি ক্লান্তিহীন মানুষের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। D) অক্লান্ত — এর অর্থ যার ক্লান্তি নাই, তবে কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততার জন্য এটি সম্পূর্ণ পদ নয়। মনে রাখার টিপস: কর্মে যার ক্লান্তি নাই এখানে কর্ম শব্দটির উপস্থিতি থাকার কারণে উত্তর নির্বাচনে কর্মী শব্দটি যুক্ত হবে।
a নাটোর
b ঢাকা
c কুমিল্লা
d নওগাঁ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নওগাঁ কেন সঠিক: - কুসুম্বা মসজিদটি বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রাচীন মসজিদ। - সুলতানি আমলের শেষ পর্যায়ে শের শাহের শাসনামলে নির্মিত এই মসজিদটি বাংলার কষ্টিপাথরের কাজের জন্য বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটোর — নাটোর জেলায় উত্তরা গণভবন ও রানী ভবানীর রাজবাড়ি অবস্থিত হলেও কুসুম্বা মসজিদ এখানে নেই। B) ঢাকা — ঢাকা জেলায় তারা মসজিদ ও লালবাগ কেল্লা মসজিদ অবস্থিত, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। সি) কুমিল্লা — কুমিল্লা জেলায় ঐতিহাসিক শালবন বিহার ও ময়নামতি অবস্থিত, কুসুম্বা মসজিদ এখানে নয়। D) নওগাঁ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কুসুম্বা মসজিদটি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নওগাঁর মান্দায় কুসুম্বা, পাথর দিয়ে তৈরি সুন্দর এক শোভা।
a রংপুর
b রাজশাহী
c নাটোর
d বগুড়া
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটোর কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবন নাটোর জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজবাড়ি, যা পূর্বে নাটোর রাজবাড়ির উত্তরাংশ বা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। - বর্তমান এটি সরকারের উত্তরাঞ্চলের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রংপুর — রংপুর জেলায় তিস্তা ব্যারাজ ও কারমাইকেল কলেজ অবস্থিত হলেও উত্তরা গণভবন এখানে অবস্থিত নয়। B) রাজশাহী — রাজশাহী জেলায় বিখ্যাত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর অবস্থিত, উত্তরা গণভবন নয়। C) নাটোর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবন নাটোর জেলায় অবস্থিত। D) বগুড়া — বগুড়া জেলায় মহাস্থানগড় ও মমইনুল হক জাদুঘর অবস্থিত, উত্তরা গণভবন এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: নাটোরের কাঁচাগোল্লার পাশাপাশি ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবনও নাটোর জেলাকে বিখ্যাত করেছে।
a উঁচু গাছের নিচে
b গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে
c খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে
d উঁচু দেয়ালের কাছে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে কেন সঠিক: - বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎ পরিবাহী উঁচু বস্তু বা খোলা জায়গা থেকে দূরে থাকা নিরাপদ। - গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে থাকলে শরীরের উচ্চতা কমে যায় এবং বজ্রপাতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সর্বনিম্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উঁচু গাছের নিচে — উঁচু গাছে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে এবং গাছের নিচে দাঁড়ালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার তীব্র ঝুঁকি থাকে। B) গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি বজ্রপাত থেকে নিরাপদ থাকার বৈজ্ঞানিক ও নিরাপদ উপায়। C) খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে — খোলা মাঠে মানুষ নিজেই সবচেয়ে উঁচু বস্তু হয়ে দাঁড়ায়, ফলে সরাসরি বজ্রপাতের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল থাকে। D) উঁচু দেয়ালের কাছে — উঁচু দেওয়াল বা কাঠামো বজ্রপাত আকর্ষণ করতে পারে এবং এর কাছাকাছি থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: বজ্রপাতের সময় মনে রাখবে নিরাপদ থাকার তিন নিয়ম: উঁচু গাছ বা খোলা মাঠ পরিহার করো, গুহায় আশ্রয় নাও অথবা মাটিতে শুয়ে পড়ো।
a বীরপ্রতীক
b বীরশ্রেষ্ঠ
c বীরবিক্রম
d বীরউত্তম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীরশ্রেষ্ঠ কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য এই খেতাব প্রদান করা হয় এবং মোট ৭ জন বীরকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরপ্রতীক — এটি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য চতুর্থ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব, তাই এটি সর্বোচ্চ খেতাব নয়। B) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব। C) বীরবিক্রম — এটি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তৃতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব, তাই এটি সর্বোচ্চ নয়। D) বীরউত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব, তাই এটি প্রথম স্থানে নেই। মনে রাখার টিপস: শ্রেষ্ঠ মানেই সবার ওপরে, তাই মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ।
a ৭টি
b ১০ টি
c ১১টি
d ৮টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সমগ্র বাংলাদেশকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - এছাড়া সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টর এবং ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি সেক্টর নয়, বরং ৭টি বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবের সংখ্যা। B) ১০ টি — এটি ভুল তথ্য কারণ সেক্টর সংখ্যা ১০টি ছিল না। C) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর যা উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) ৮টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ সেক্টর সংখ্যা ৮টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে এভাবে মনে রাখুন: ১টি দেশ স্বাধীন করতে ১১টি সেক্টর প্রয়োজন হয়েছিল।
a সুইডেন
b রাশিয়া
c জাপান
d যুক্তরাষ্ট্র
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া কেন সঠিক: - ইউক্রেন সংকটের কারণে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া অধিভুক্তির পর রাশিয়াকে জি-৮ জোট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়। - বর্তমানে এই জোটটি রাশিয়া ব্যতীত জি-৭ নামে পরিচিত এবং যুক্তরাষ্ট্র, জাপানসহ অন্যান্য প্রধান অর্থনীতিগুলো এর সদস্য হিসেবে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি জি-৮ জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) রাশিয়া — এটি অতীতে জি-৮ এর সদস্য ছিল, তবে বর্তমানে ২০১৪ সাল থেকে সদস্যপদ স্থগিত থাকায় এটিই সঠিক উত্তর। C) জাপান — এটি জি-৮ জোটের অন্যতম স্থায়ী প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটিও জি-৮ জোটের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: রাশিয়া জি-৮ এর সদস্য ছিল কিন্তু ক্রিমিয়া ইস্যুর কারণে ২০১৪ সালে বাদ পড়ার পর এটি এখন জি-৭ হয়েছে।
a হাঁস-মুরগী পালন
b রেশম চাষ
c মৎস্য চাষ
d মৌমাছি চাষ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৎস্য চাষ কেন সঠিক: - পিসি কালচার বা Pisciculture বলতে বিশেষভাবে মৎস্য চাষ ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করাকে বোঝায়। - এটি জলজ প্রাণী ব্যবস্থাপনার একটি অংশ যার মাধ্যমে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাছ চাষ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঁস-মুরগী পালন — হাঁস-মুরগি পালনকে পোল্ট্রি কালচার বলা হয়, তাই এটি পিসি কালচার নয়। B) রেশম চাষ — রেশম পোকা পালন ও রেশম উৎপাদনকে সেরিকালচার বলা হয়। C) মৎস্য চাষ — এটি পিসি কালচারের সঠিক সংজ্ঞা ও নির্দেশক। D) মৌমাছি চাষ — মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনকে এপিকালচার বলা হয়। মনে রাখার টিপস: পিসি শব্দের সাথে মাছের ইংরেজি শব্দ পিসেস এর মিল খুঁজে মনে রাখতে পারো পিসি কালচার মানে মৎস্য চাষ।
a আলজেরিয়া
b আলবেনিয়া
c নাইজেরিয়া
d তিউনেশিয়া
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলবেনিয়া কেন সঠিক: - আলবেনিয়া ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ, যা বলকান অঞ্চলে অবস্থিত। - আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলোর তালিকায় আলবেনিয়া অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর অংশের একটি রাষ্ট্র এবং আয়তনে মহাদেশটির বৃহত্তম দেশ। B) আলবেনিয়া — এটি ইউরোপ মহাদেশের বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র, যা আফ্রিকা মহাদেশের নয়। C) নাইজেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকা মহাদেশের একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। D) তিউনেশিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের দেশগুলোর নামের সাথে আফ্রিকার দেশের নাম মিলিয়ে ফেলবেন না, আলবেনিয়া হলো ইউরোপের বলকান অঞ্চলের দেশ।
a দিনাজপুর
b নীলফামারী
c কুড়িগ্রাম
d লালমনিরহাট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লালমনিরহাট কেন সঠিক: - দহগ্রাম-আঙ্গারপোতা বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত সবচেয়ে বড় ছিটমহল ছিল। - ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এটি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর — এটি একটি উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা হলেও এখানে দহগ্রাম ছিটমহল অবস্থিত নয়। B) নীলফামারী — এই জেলায় তিস্তা ব্যারাজ ও অন্যান্য ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম অবস্থিত নয়। C) কুড়িগ্রাম — এই জেলায় বেশ কিছু ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম ছিটমহল এখানে নেই। D) লালমনিরহাট — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ দহগ্রাম এই জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের মরিচ দিয়ে দহগ্রামের কাবাব বানাও, এভাবে মনে রাখলে লালমনিরহাট ও দহগ্রাম সহজেই মনে থাকবে।
a ডব্লিউএইচও (WHO)
b ইউএনডিপি (UNDP)
c ইউনিসেফ (UNICEF)
d ইউনেসকো(UNESCO)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইউনেসকো (UNESCO) কেন সঠিক: - ইউনেসকো বিশ্বের সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন স্থানগুলোকে সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে। - এই সংস্থাটি ১৯৭২ সালে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ কনভেনশন গ্রহণ করে ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক স্থান তালিকাভুক্তকরণ শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডব্লিউএইচও (WHO) — এটি জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করে। B) ইউএনডিপি (UNDP) — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি, যা বিশ্বব্যাপী মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে। C) ইউনিসেফ (UNICEF) — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার রক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিয়ে কাজ করে। D) ইউনেসকো (UNESCO) — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারের পাশাপাশি বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা ঘোষণা করে থাকে। মনে রাখার টিপস: ইউনেসকো নামের মধ্যেই শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি জড়িত, তাই ঐতিহাসিক স্থান ও ঐতিহ্য রক্ষা করার দায়িত্বও তাদের।
a মালাক্কা প্রণালী
b হরমুজ প্রণালী
c পক প্রণালী
d জিব্রাল্টার প্রণালী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পক প্রণালী কেন সঠিক: - পক প্রণালী ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলংকার উত্তর অংশের মধ্যে অবস্থিত। - এই প্রণালীটি বঙ্গোপসাগরকে পক উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালাক্কা প্রণালী — এটি মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত। B) হরমুজ প্রণালী — এটি ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত। C) পক প্রণালী — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য দেশের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়। D) জিব্রাল্টার প্রণালী — এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে। মনে রাখার টিপস: ভারত ও শ্রীলংকার শ্রীলংকার 'লঙ্কা' এবং পক প্রণালীর 'পক' মিলে মনে রাখতে পারেন লঙ্কা জয় করতে পক প্রণালী পার হতে হয়।
a বাংলা একাডেমি
b দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লি.
c মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর
d বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম প্রাচীন ও শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মূল উদ্যোক্তা ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা একাডেমি — এটি মূলত বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গবেষণা এবং প্রচারের সঙ্গে যুক্ত, বাংলাপিডিয়ার প্রধান উদ্যোক্তা নয়। B) দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লি. — এটি দেশের একটি অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা সংস্থা হলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মূল উদ্যোক্তা নয়। C) মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর — এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের সঙ্গে যুক্ত, বাংলাপিডিয়ার উদ্যোক্তা নয়। D) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোক্তা হিসেবে এটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: এশিয়া মহাদেশের জ্ঞানভাণ্ডার হিসেবে এশিয়াটিক সোসাইটি আমাদের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করেছে।
a সম্পূরক শুল্ক
b টোল ও লেভি
c বাণিজ্য শুল্ক
d মূল্য সংযোজন কর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টোল ও লেভি কেন সঠিক: - কর-বহির্ভূত রাজস্ব বলতে কর ছাড়া সরকারের অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত আয়কে বোঝায়, যার মধ্যে টোল ও লেভি অন্তর্ভুক্ত। - সেতু, সড়ক বা নির্দিষ্ট সেবামূলক কাজে সরকার টোল এবং বিভিন্ন খাতের লেভি থেকে এই আয় সংগ্রহ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পূরক শুল্ক — এটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত কর রাজস্বের অন্তর্ভুক্ত, যা কর-বহির্ভূত রাজস্ব নয়। B) টোল ও লেভি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্যান্য অপশনগুলোর তুলনায় কর-বহির্ভূত খাতের রাজস্ব হিসেবে গণ্য হয়। C) বাণিজ্য শুল্ক — এটি আমদানি ও রফতানির ওপর ধার্যকৃত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর রাজস্ব, তাই কর-বহির্ভূত নয়। D) মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট — এটি দেশের অন্যতম প্রধান পরোক্ষ কর রাজস্বের উৎস, যা কর-বহির্ভূত রাজস্বের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: কর মানে যা বাধ্যতামূলক দিতে হয় (যেমন ভ্যাট, শুল্ক), আর কর-বহির্ভূত হলো সেবা ব্যবহারের ফি বা টোল।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
b ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
c ২৫ মার্চ ১৯৭১
d ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজয় নিশ্চিত বুঝে দেশের খ্যাতিমান অধ্যাপক, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও শিল্পীদের ধরে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। - জাতির মেধাশূন্য করার এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের স্মরণে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। B) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই বুদ্ধিজীবীদের ওপর পরিকল্পিত গণহত্যা চালানো হয়েছিল। C) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই রাতে অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করে, যা বুদ্ধিজীবী হত্যার তারিখ নয়। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ চৌদ্দই ডিসেম্বর বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়ে বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।
a হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
b সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
c তিববতের মানস সরোবর
d লুসাই পাহাড়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল কেন সঠিক: - তিস্তা নদী ভারতের সিকিম রাজ্যের হিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সিকিমের পার্বত্য অঞ্চলেই এই নদীর উৎসস্থল অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ — এটি ভারতের প্রধান নদী গঙ্গার উৎপত্তিস্থল, তিস্তার নয়। B) সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিস্তা নদীর উৎপত্তিস্থল। C) তিববতের মানস সরোবর — এটি ব্রহ্মপুত্র, শতদ্রু এবং সিন্ধু নদের উৎপত্তিস্থল, তিস্তার নয়। D) লুসাই পাহাড় — এটি বাংলাদেশের কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: তিস্তা নদী পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নেমে এসেছে, তাই মনে রাখুন তিস্তার উৎস সিকিমের পাহাড়।
a আঙ্গিনা মসজিদ
b লালবাগ কেল্লা
c কার্জন হল
d জাতীয় সংসদ ভবন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কার্জন হল কেন সঠিক: - কার্জন হলের নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯০৪ সালে এবং এটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয়। - তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামানুসারে এই ভবনের নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঙ্গিনা মসজিদ — এটি মধ্যযুগের সুলতানি আমলের স্থাপত্য, ব্রিটিশ আমলের নয়। B) লালবাগ কেল্লা — এটি মুঘল আমলের ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন, যা ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয়নি। C) কার্জন হল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) জাতীয় সংসদ ভবন — এটি আধুনিক আমলের স্থাপত্য, যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নির্মিত হয়। মনে রাখার টিপস: লর্ড কার্জন ছিলেন ব্রিটিশ ভাইসরয়, তাই তাঁর নামে তৈরি কার্জন হল নিশ্চিতভাবেই ব্রিটিশ আমলের স্থাপত্য।

মোট প্রশ্ন (2)

a ২০ জোড়া
b ২৪ জোড়া
c ৩৯ জোড়া
d ২৩ জোড়া
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৩ জোড়া ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের সাধারণ somatic কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬টি বা ২৩ জোড়া থাকে। - এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতির মূল উপাদান বা DNA এর ধারক। - কার্যপ্রণালি: পিতা ও মাতা থেকে প্রাপ্ত গ্যামেটের মাধ্যমে ক্রোমোজোমের এই ২৩ জোড়া জোড়া বা ডিপ্লয়েড অবস্থা গঠিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: বংশগত বৈশিষ্ট্য পিতা-মাতা থেকে সন্তানে স্থানান্তরিত হওয়া এবং মানবদেহের লিঙ্গ নির্ধারণ এই ক্রোমোজোমের মাধ্যমে ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের ডাউন সিনড্রোম রোগ ব্যাখ্যা: ২১ নম্বর ক্রোমোজোমে একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম যুক্ত হলে মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৭টি হয়, যা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। উদাহরণ ২: মানুষের সেক্স ক্রোমোজোম ব্যাখ্যা: ২৩ নম্বর জোড়াটি পুরুষে XY এবং নারীতে XX হয়ে মানবদেহের জন্মগত লিঙ্গ নির্ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জোড়া — মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা ২০ জোড়া বা ৪০টি নয়। B) ২৪ জোড়া — ২৪ জোড়া বা ৪৮টি ক্রোমোজোম শিম্পাঞ্জি বা অন্য কোনো প্রাণীর কোষে থাকতে পারে, মানুষের নয়। C) ৩৯ জোড়া — ৩৯ জোড়া বা ৭৮টি ক্রোমোজোম কুকুরের কোষে থাকে, মানুষের ক্ষেত্রে এটি ভুল। D) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক কোষে থাকা ক্রোমোজোমের সঠিক জোড়া সংখ্যা। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষের হাত ও পায়ের মোট আঙুলের সংখ্যা বা শরীরের সাধারণ হিসাবের সঙ্গে ২৩ জোড়া বা ৪৬ সংখ্যাটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানুষের দেহকোষে ডিপ্লয়েড বা টু এন সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে যার মান ৪৬টি বা ২৩ জোড়া। - জননকোষে বা হ্যাপলয়েড কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা ঠিক অর্ধেক অর্থাৎ ২৩টি থাকে।
a 0.8
b 0.5
c 0.46
d 0.55
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.46 ১. কেন সঠিক: ইউরিয়া একটি অতি পরিচিত নাইট্রোজেনযুক্ত রাসায়নিক সার যার মাধ্যমে মাটিতে উদ্ভিদের প্রধান খাদ্য উপাদান নাইট্রোজেন সরবরাহ করা হয়। বিশুদ্ধ ইউরিয়া যৌগের আণবিক সংকেতের ভর হিসাব করলে দেখা যায় এর প্রতি ১০০ গ্রামে নির্দিষ্ট অনুপাতে ৪৬ গ্রাম নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইউরিয়ার রাসায়নিক সংকেত CO(NH2)2 এবং এর আণবিক ভর ষাট। কার্যপ্রণালি: এই যৌগের মধ্যে দুটি অ্যামাইড মূলক থাকায় মোট নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা হিসেবে ছিয়াচল্লিশ ভাগ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃষিকাজে ধান চাষের সময় ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের পাতা ও শাখা-প্রশাখার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং সবুজ বর্ণ বজায় রাখে। উদাহরণ ২: ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগের পর এটি এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ সহজে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.8 — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক অনুপাতে ইউরিয়ার নাইট্রোজেনের পরিমাণ নির্দেশ করে না। B) 0.5 — এটি ভুল মান কারণ ইউরিয়াতে নাইট্রোজেনের শতকরা হার এর চেয়ে কম অর্থাৎ ছিয়াচল্লিশ ভাগ। C) 0.46 — এটি সঠিক কারণ শূন্য দশমিক চার ছয় বা শতকরা ছিয়াচল্লিশ ভাগ নাইট্রোজেন ইউরিয়া সারে থাকে। D) 0.55 — এটি ভুল মান যা ইউরিয়ার মূল রাসায়নিক গঠনের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া সারের নাইট্রোজেনের পরিমাণ মনে রাখতে চার ও ছয় সংখ্যা দুটি পাশাপাশি মনে রাখতে হবে। সংক্ষেপে ইউরিয়ার আণবিক ভর ষাট এবং নাইট্রোজেন ছিয়াচল্লিশ শতাংশ এই তথ্যটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি উদ্ভিদ পুষ্টি ও রাসায়নিক সারের উপাদান সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। অন্যান্য সারের যেমন টিএসপি বা এমওপি সারের উপাদান কতভাগ তা থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (2)

a টেলিভিশন লাইনের সংযোগ সাধন হয়
b বৈদ্যুতিক লাইনের সংযোগ সাধন হয়
c টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন হয়
d ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয় ১. কেন সঠিক: - মোডেম এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সংকেতে এবং অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। - এই রূপান্তরের মাধ্যমে কম্পিউটারকে টেলিফোন বা ক্যাবল লাইনের সাহায্যে সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: মোডেম শব্দের পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। এটি সিগন্যাল রূপান্তরের কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: মডুলেশন প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ায় অ্যানালগ সিগন্যালে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। - ব্যবহার: বাসা বা অফিসে ব্রডব্যান্ড বা ডায়াল-আপ ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য মোডেম অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: বাসায় ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য আইএসপি বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে যে লাইন আসে তা মোডেমের মাধ্যমে রাউটারে যুক্ত হয়ে কম্পিউটারে ইন্টারনেট সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: ফাইবার অপটিক বা ক্যাবল ইন্টারনেট ব্যাখ্যা: ক্যাবল ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে মোডেম সিগন্যাল ডিকোড করে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেলিভিশন লাইনের সংযোগ সাধন হয় — টেলিভিশন সংযোগের জন্য ক্যাবল বা ডিশ লাইন ব্যবহার করা হয়, মোডেম সরাসরি টেলিভিশন লাইনের জন্য নয়। B) বৈদ্যুতিক লাইনের সংযোগ সাধন হয় — বৈদ্যুতিক লাইন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য, ইন্টারনেট ডেটা আদান-প্রদানের জন্য মোডেম বিদ্যুৎ লাইন ব্যবহার করে না। C) টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন হয় — টেলিফোন লাইন মোডেমের মাধ্যমে যুক্ত হলেও মূল উদ্দেশ্য ইন্টারনেট বা ডেটা সংযোগ স্থাপন করা, শুধু কথা বলা নয়। D) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয় — মোডেমের প্রধান এবং চূড়ান্ত কাজ হলো কম্পিউটারে ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ স্থাপন করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - মোডেম মানেই মডুলেটর ও ডিমডুলেটর। - মোডেমের কাজ ডিজিটাল ও অ্যানালগ সিগন্যালের রূপান্তর ঘটিয়ে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মোডেম শব্দটি মডুলেটর ও ডিমডুলেটর শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। - এটি ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবেই কাজ করতে পারে।
a Central Processing Unit
b Central Power Unit
c Computer Processing Unit
d Computer Power Unit
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Central Processing Unit ১. কেন সঠিক: - CPU-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কারণ এটি সব নির্দেশ ও ডেটা প্রক্রিয়া করে। - এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা প্রসেস করে আউটপুট ডিভাইসে পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: CPU হলো কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসিং ইউনিট যা গাণিতিক, যৌক্তিক এবং নিয়ন্ত্রণমূলক কাজ পরিচালনা করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি মেমোরি থেকে নির্দেশ পড়ে, ডিকোড করে এবং গাণিতিক একক বা কন্ট্রোল ইউনিটের মাধ্যমে তা সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান অংশ হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট, কন্ট্রোল ইউনিট এবং রেজিস্টার মেমোরি। - ব্যবহার: পার্সোনাল কম্পিউটার, স্মার্টফোন, সার্ভার এবং প্রায় সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইসে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মস্তিষ্ক ব্যাখ্যা: মানুষের মস্তিষ্ক যেভাবে দেহের সব অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও চিন্তা পরিচালনা করে, CPU ঠিক তেমনি কম্পিউটারের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: ক্যালকুলেটর ব্যাখ্যা: ক্যালকুলেটরের ভেতরের ছোট প্রসেসরটি যেভাবে যোগ, বিয়োগ বা গুণ হিসাব করে, CPU একইভাবে জটিল গণনা সম্পন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Central Processing Unit — এটি সঠিক কারণ এটি সিএসইউ বা প্রসেসিং ইউনিটের প্রকৃত নাম। B) Central Power Unit — এটি ভুল কারণ কম্পিউটারে পাওয়ার সরবরাহের জন্য পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট বা পিএসইউ থাকে। C) Computer Processing Unit — এটি আংশিক শোনা গেলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক বা প্রমিত নাম নয়। D) Computer Power Unit — এটি ভুল কারণ কম্পিউটার শক্তিমত্তা বা পাওয়ার বোঝাতে এই পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সি মানে সেন্ট্রাল, পি মানে প্রসেসিং এবং ইউ মানে ইউনিট। - মনে রাখবে সিপিইউ হলো কম্পিউটারের হার্ট বা ব্রেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিপিইউ-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়। - সিপিইউ প্রধানত এএলইউ এবং সিইউ নিয়ে গঠিত।