বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসি'র অধীন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬

পদের নাম: প্রশাসনিক কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

1. Epic শব্দের পরিভাষা কী?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাকাব্য ১. কেন সঠিক: Epic শব্দের পরিভাষা হলো মহাকাব্য, যা মূলত বিশাল আকৃতির এক ধরনের পদ্যে রচিত বর্ণনামূলক দীর্ঘ কবিতাকে বোঝায়। এই জাতীয় কাব্যে কোনো বীরপুরুষের গৌরবময় জীবনগাথা বা জাতির কোনো ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক বীরত্বপূর্ণ ঘটনার বিশাল পরিসরে শিল্পসম্মত প্রকাশ ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকাব্য হলো সাহিত্যের একটি প্রাচীন ও ধ্রুপদী রূপ, যাতে দেব-দেবী ও মানুষের সংমিশ্রণে এক বিশাল কর্মযজ্ঞের পরিস্ফুটন ঘটে। বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য প্রথম সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ আধুনিক মহাকাব্য হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। উদাহরণ ২: মহাশ্মশান ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ রচিত মহাশ্মশান বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত মহাকাব্য, যার পটভূমি ছিল পানিপদের তৃতীয় যুদ্ধ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিংবদন্তি — কিংবদন্তি বলতে কোনো ঐতিহাসিক বা লোকজ চরিত্রকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা প্রচলিত জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী গল্পকে বোঝায়, যা Epic শব্দের সরাসরি পরিভাষা নয়। B) পুরাণ — পুরাণ হলো প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক কথামালার সংকলন, যা মূলত গদ্য বা পদ্যে রচিত ধর্মীয় ও সামাজিক উপাখ্যান। D) বিস্ময়কর কাহিনি — বিস্ময়কর কাহিনি একটি সাধারণ বর্ণনামূলক শব্দগুচ্ছ মাত্র, যা সাহিত্যিক পরিভাষার আওতাভুক্ত কোনো নির্দিষ্ট শিল্পরূপ নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্য পড়ার সময় মনে রাখবে যে হোমরের ইলিয়াড বা ভার্জিলের ইনিড হলো ক্লাসিক্যাল Epic বা মহাকাব্য। বাংলায় Epic শব্দ দেখলে সব সময় মহাকাব্য পরিভাষাটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ইংরেজি সাহিত্যিক পদের বাংলা রূপ মুখস্থ রাখতে হবে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি মেনে রচিত হয়েছে।
6. 'সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'সঞ্চিতা' হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রামাণিক কবিতা সংকলন। - ১৯২৮ সালে এই সংকলনটি প্রকাশিত হয় এবং কবি এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিশ শতকের অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতকার যিনি বাংলা কাব্যে বিদ্রোহের সুর নিয়ে আসেন। - 'সঞ্চিতা' গ্রন্থে তাঁর প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, কামাল পাশা, ওমর ফারুক প্রভৃতি বিখ্যাত কবিতা সংকলিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সঞ্চয়ন' ব্যাখ্যা: এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত গান ও কবিতার সংকলন। উদাহরণ ২: 'সঞ্চয়িতা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা নিয়ে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথে ঠাকুরের কবিতা সংকলনের নাম 'সঞ্চয়িতা', 'সঞ্চিতা' নয়। C) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'বনলতা সেন' ও 'রূপসী বাংলা'। D) জসীমউদ্দীন — জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম 'নকশী কাঁথার মাঠ' ও 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট'। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতায় অন্তরে 'য়' আছে, আর নজরুলের সঞ্চিতায় কোনো 'য়' নেই। - এভাবে ছোট পার্থক্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সঞ্চিতা প্রকাশিত হয় ১৯২৮ সালে এবং এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়। - বাংলা সাহিত্য থেকে বিভিন্ন কাব্য সংকলন ও তার রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
11. কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১ ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি ও বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী তারিখ লেখার সময় বার, মাস, দিন এবং সালের মধ্যে নির্দিষ্ট নিয়মে কমা ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত অপশন ডি তে ২৬ মার্চ এবং ১৯৭১ সালের মাঝে কোনো কমা ব্যবহার করা হয়নি, যা বিরামচিহ্নের ব্যবহার বিধির পরিপন্থী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন বা জ্যোতিচিহ্ন অধ্যায়ে তারিখ ও স্থানের নামকরণে কমার সঠিক ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষামুখী ব্যাকরণগত নিয়ম। - বাক্যে বা লেখায় স্থান এবং তারিখ পাশাপাশি এলে স্থান ও তারিখের বিভিন্ন অংশের মাঝে স্পষ্টতা রক্ষার জন্য কমা বা পাদচ্ছেদ চিহ্ন বসাতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ ব্যাখ্যা: এখানে স্থানের নামের পর এবং তারিখ ও সালের মাঝে যথাযথভাবে কমা ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: খুলনা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ ব্যাখ্যা: এই বাক্যে স্থান এবং তারিখের উপাদানগুলো ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম মেনে বিরামচিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্চ ২৬, ১৯৭১ — এই অপশনে মাস, দিন এবং সালের বিন্যাস ও কমার ব্যবহার সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ — এই অপশনে দিন, মাস এবং সালের মাঝে নিয়মানুযায়ী কমা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ — এই অপশনে স্থান, দিন, মাস ও সালের ক্রম এবং কমার ব্যবহার নির্ভুল। D) চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এই অপশনে তারিখ ও সালের মাঝে প্রয়োজনীয় কমা না দেওয়ায় এটি সঠিক বিরামচিহ্ন ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: তারিখ লেখার সময় দিন ও সালের মাঝখানে কমা বসবে এবং স্থান বা বার থাকলে তার পরেও কমা দিতে হবে। শর্টকাট হিসেবে মনে রাখবে স্থান, দিন, মাস, সাল লেখার সময় প্রতি অংশের মাঝখানে কমা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জ্যোতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই কমার ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করা উচিত। একই নিয়মে স্থান ও তারিখ সম্পর্কিত অন্যান্য বাক্য শুদ্ধকরণের প্রশ্নগুলো সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
12. 'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন'
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাটক ১. কেন সঠিক: - জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক নাটক। - এই নাটকটির রচিয়তা হলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যসাহিত্যে পরীক্ষামূলক ও ঐতিহ্যবাহী নাট্যধারার প্রবর্তক। - ১৯৭৪ সালে রচিত এই নাটকটিতে তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতীকী অর্থে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকা ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত ও প্রশংসিত নাটক। উদাহরণ ২: কেরামত মঙ্গল ব্যাখ্যা: এটিও সেলিম আল দীনের রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — এটি সঠিক উত্তর কারণ জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন একটি নাটক। B) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয়, কারণ এর গঠনশৈলী নাটকীয় সংলাপ ও দৃশ্যনির্ভর। C) গল্প — এটি ছোটগল্প নয়, এটি মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী নাটক হিসেবে রচিত। D) রম্যরচনা — এটি রম্যরচনা বা হাস্যরসাত্মক প্রবন্ধ নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক বার্তা সংবলিত নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: - জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন নাটকের রচয়িতা সেলিম আল দীন, এভাবে মনে রাখতে পারো যে সেলিমের বেলুন ও জন্ডিস নাটক আকারে প্রকাশিত হয়েছে। - নাটকের নাম দেখলেই নাট্যকার সেলিম আল দীনের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিম আল দীনের নাটক প্রায়ই আসে। - নাটক, উপন্যাস এবং ছোটগল্পের পার্থক্য ভালোভাবে জেনে রাখা পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি।
13. ধাতু চিহ্ন বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √ ১. কেন সঠিক: - ধাতু চিহ্ন বোঝাতে বর্গমূল বা রুট চিহ্ন ব্যবহার করা হয় যা বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ামূল বা ধাতু নির্দেশ করতে অপরিহার্য। - ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয় এবং এর পূর্বে এই বিশেষ চিহ্ন বসিয়ে ধাতু বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয় যা শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে মৌলিক একক হিসেবে কাজ করে। - বাংলা ভাষায় ধাতু মূলত তিন প্রকার যথা সংস্কৃত ধাতু, প্রাকৃত থেকে আগত ধাতু এবং বিদেশি ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √পড় ব্যাখ্যা: পড় হলো পড়ার ধাতু এবং এর পূর্বে রুট চিহ্ন ব্যবহার করে এটি যে ধাতু তা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: √চল ব্যাখ্যা: চল হলো চলার ধাতু এবং ব্যাকরণগতভাবে এর মূল রূপ বোঝাতে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) > — এই চিহ্নটি গণিতে বৃহত্তর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বোঝাতে এর কোনো ব্যবহার নেই। B) < — এই চিহ্নটি গণিতে ক্ষুদ্রতর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ধাতু নির্দেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) — এই চিহ্নটি যৌক্তিক পরিণতি বা ইমপ্লাইজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা ব্যাকরণের ধাতু চিহ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) √ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ামূল বা ধাতু বোঝাতে এই রুট চিহ্ন নির্দিষ্টভাবে ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গণিতের রুট বা বর্গমূলের চিহ্ন যেমন কোনো সংখ্যার মূল বোঝায়, তেমনই বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ার মূল বা ধাতু বোঝাতে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন আসে তাই ক্রিয়ার মূল চেনার জন্য এই চিহ্নটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
15. 'বাজার শেষ করে বাড়ি' - বাক্যটিতে কোন গুণের অভাব রয়েছে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়নি এবং শ্রোতার আরও কিছু শোনার ইচ্ছা বা বাকি থাকে। - 'বাজার শেষ করে বাড়ি' শোনার পর প্রশ্ন জাগে বাড়ি গিয়ে কী করল, যা আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকা আবশ্যক, যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। - বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র পৃথিবীর ব্যাখ্যা: এই অংশ শোনার পর শ্রোতার মনে জানার ইচ্ছা জাগে চন্দ্র পৃথিবীর কী, তাই এটি আকাঙ্ক্ষার অভাবের উদাহরণ। উদাহরণ ২: কাল আমি ঢাকা ব্যাখ্যা: এই বাক্যটি শোনার পর শ্রোতার মনে শোনার আকাঙ্ক্ষা থাকে যে ঢাকায় কী করব, যা অসম্পূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যোগ্যতা — পদের অর্থের সংগতি ও ভাবগত মিলবন্ধন হলো যোগ্যতা, যা এখানে অনুপস্থিত নয়। C) আসত্তি — পদের পর পদ সাজিয়ে লেখার যে শৃঙ্খলা, তা এই বাক্যে ঠিক আছে। D) মাধুর্য — বাক্যের সৌন্দর্য বা আনন্দের প্রকাশ হলো মাধুর্য, যা ব্যাকরণের প্রধান তিনটি গুণের মধ্যে সরাসরি পড়ে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের অংশ শোনার পর যদি মনে প্রশ্ন জাগে আর কী, তবে বুঝতে হবে সেখানে আকাঙ্ক্ষার অভাব রয়েছে। - অসম্পূর্ণ বাক্য দেখলেই আকাঙ্ক্ষাকে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - পদগুলোর বিন্যাস ঠিক কিন্তু অর্থ বা ভাব অসম্পূর্ণ থাকলে তা মূলত আকাঙ্ক্ষার ঘাটতি নির্দেশ করে।
16. 'আফতাব' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অর্ক ১. কেন সঠিক: 'আফতাব' একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ সূর্য। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'অর্ক' শব্দটির অর্থও সূর্য, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার থেকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই সব ভিন্ন রূপের শব্দ যা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সমার্থক শব্দগুলো মূলত তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে এসেছে। 'আফতাব' হলো একটি বিদেশি শব্দ (ফারসি), আর এর প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে বিভিন্ন তৎসম শব্দ যেমন অর্ক, রবি, ভাস্কর, দিবাকর ইত্যাদি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: তপন ব্যাখ্যা: তাপ উৎপন্ন করে বলে সূর্যকে তপন বলা হয়, যা আফতাব বা অর্ক শব্দের অন্যতম প্রমিত সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। B) রাতুল — রাতুল শব্দের অর্থ লাল বা রক্তিম, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। C) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র বা মহাসাগর, যা জল ধারণ করে এমন উৎস বোঝায়। D) অর্ক — অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য, যা আফতাব শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে এখানে নির্দেশিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে 'রবীন্দ্রনাথের' নাম এবং প্রকৃতির উপাদানের সাথে মেলাতে পারো। অর্ক, রবি, তপন, ভাস্কর, দিবাকর, ভানু ও আফতাব—সবগুলোর মূল অর্থই সূর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ বা তৎসম শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে বিদেশি শব্দ জিজ্ঞাসা করা হয়। এ ধরনের প্রশ্নে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করে সঠিক অপশনটি নির্বাচন করতে হয়।
17. বাংলা লিপির উৎস-
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাহ্মী লিপি ১. কেন সঠিক: প্রাচীন ভারতীয় লিপি ব্রাহ্মী লিপি থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা লিপির উৎপত্তি হয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহৃত ব্রাহ্মী লিপি মূলত উত্তর ও দক্ষিণ এই দুই ভাগে বিভক্ত হয় এবং উত্তর ভারতীয় শাখা থেকে বাংলা লিপির সৃষ্টি হয়। ২. ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস: বাংলা ভাষা ও লিপি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে আসেনি, বরং প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার স্তর ভেদ করে বাংলা লিপির রূপান্তর ঘটেছে। ভারতের প্রাচীনতম লিপি হলো ব্রাহ্মী লিপি, যা ডানদিক থেকে বামে লেখার খরোষ্টি লিপির বিপরীতে বাম দিক থেকে ডানে লেখার রীতি অনুসরণ করত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মী লিপির উত্তরী শাখা থেকে বাংলা লিপির পাশাপাশি দেবনাগরী লিপিরও বিকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি ব্যাখ্যা: পূর্ব ভারতীয় ব্রাহ্মী লিপি থেকে বাংলা লিপির সাথে ওড়িয়া ও অসমীয়া লিপিরও উদ্ভব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃতি লিপি — সংস্কৃত কোনো লিপির নাম নয়, এটি একটি ভাষা যার নিজস্ব কোনো লিপি নেই এবং এটি সাধারণত দেবনাগরী লিপিতে লেখা হয়। B) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর। C) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক এবং এর সাথে বাংলা বা ভারতীয় লিপিমালার কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক গোত্রের এবং ডান দিক থেকে বামে লেখা হয়, যা বাংলা লিপির উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্রাহ্মী লিপি হলো সকল ভারতীয় লিপির মূল উৎস। বাংলা লিপিকে মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে আমাদের বর্ণমালার মূল শেকড় হলো প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা বংশের এবং বাংলা লিপি ব্রাহ্মী লিপির বিবর্তিত রূপ।
18. 'ইনকিলাব' শব্দের অর্থ-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিপ্লব ১. কেন সঠিক: - ইনকিলাব একটি আরবি শব্দ যার শাব্দিক ও পরিভাষিক অর্থ হলো বিপ্লব বা পতন ও পরিবর্তন। - এটি সাধারণত কোনো পুরাতন বা বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তীব্র ও সফল গণঅভ্যুত্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ: - বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে যার মধ্যে আরবি ও ফারসি শব্দ অন্যতম। - ইনকিলাব শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর ভাবার্থ রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিবর্তন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইনকিলাব জিন্দাবাদ ব্যাখ্যা: এই স্লোগানের অর্থ বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক, যেখানে ইনকিলাব শব্দটি বিপ্লব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঐতিহাসিক ইনকিলাব মঞ্চ ব্যাখ্যা: বিভিন্ন সামাজিক বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ধরনের নামে ইনকিলাব শব্দটির বিপ্লব অর্থটি প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্দোলন — আন্দোলন শব্দের অর্থ কোনো দাবি আদায়ের বা প্রতিবাদের প্রক্রিয়া, যা ইনকিলাব শব্দের সরাসরি প্রতিশব্দ নয়। B) সন্ত্রাস — সন্ত্রাস শব্দের অর্থ আতঙ্ক বা ভীতি সৃষ্টি করা, যার সাথে বিপ্লব বা ইনকিলাবের কোনো মিল নেই। C) বিপ্লব — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইনকিলাব শব্দের অর্থ বিপ্লব। D) চিরন্তন — চিরন্তন শব্দের অর্থ যা সবসময় ছিল এবং থাকবে, যা ইনকিলাব শব্দের অর্থের বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানটি স্মরণ রাখলেই এর অর্থ বিপ্লব বিষয়টি সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। তাই পরিচিত বিদেশি শব্দগুলোর সঠিক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
19. কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিভীষিকা ১. কেন সঠিক: - বিভীষিকা বানানটিতে প্রথমে রস ই-কার, মধ্যাহ্ন-ণ-এর পরিবর্তে ন, দীর্ঘ ஈ-কার এবং ষ-এর পর রস ই-কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি অতৎসম শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ষ-এর ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের রূপ নির্ধারণ করা হয়। - এই শব্দটিতে সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে বিভীষিকা বানানে প্রথম ও শেষ বর্ণে ই-কার এবং মাঝের বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ও ষ যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথম ও শেষ বর্ণে হ্রস্ব উ-কার বসে। উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটির শেষাংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভীষীকা — ভুল বানানের কারণ এতে শেষাংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। B) বিভীষিকা — এটি সঠিক উত্তর। C) বীভিষিকা — ভুল বানানের কারণ এর শুরুতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। D) বীভিষীকা — ভুল বানানের কারণ এর শুরু ও শেষ উভয় স্থানেই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিভীষিকা বানানটি মনে রাখতে প্রথম ও শেষ অংশে হ্রস্ব ই-কার এবং মাঝের অংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয় এটি মাথায় রাখবে। - ষ-এর সঙ্গে সবসময় রস ই-কার যুক্ত হয় এবং ভ-এর ওপর দীর্ঘ ঈ-কার বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার এসেছে। - একই রকম অন্যান্য শুদ্ধ বানান যেমন পিপীলিকা ও মরীচিকা ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
20. 'চাচ্চা কাহিনী' গ্রন্থের লেখক কে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মুজতবা আলী ১. কেন সঠিক: 'চাচ্চা কাহিনী' গ্রন্থটির রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলী। এই গ্রন্থটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রম্য রচনা, যেখানে হাস্যরস ও প্রীতিকর উপায়ে বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি রম্যলেখক, পণ্ডিত ও ভ্রমণকাহিনীকার। তাঁর রচনাশৈলীতে গভীর পাণ্ডিত্যের সঙ্গে লঘু মেজাজের অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে বিদেশে ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী। উদাহরণ ২: পঞ্চতন্ত্র ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'চাচ্চা কাহিনী' তাঁর লেখা নয়। B) সৈয়দ মুজতবা আলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত রম্য রচনা। C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি মূলত মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার উপন্যাস রচনার জন্য বিখ্যাত, তাঁর গ্রন্থ এটি নয়। D) শওকত ওসমান — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: চাচ্চা শব্দটির সঙ্গে মুজতবা আলীর রম্য রচনার শৈলী মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। রম্য রচনার রাজা সৈয়দ মুজতবা আলী লিখেছিলেন চাচ্চা কাহিনী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য রচনা ও ভ্রমণকাহিনী বারবার আসে। তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন দেশে বিদেশে ও জলে ছায়া ভালো করে পড়ে রাখবে।
21. বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০১-১৮০০ খ্রিঃ ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় এবং মধ্যযুগ তার মধ্যে অন্যতম। ড. সুকুমার সেন ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সময়কাল ১২০১ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের কালকে প্রাচীনযুগ, মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগ এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য এবং এই যুগটি মূলত পদ্য বা কাব্যনির্ভর ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের শুরুর দিকের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত। উদাহরণ ২: মঙ্গলকাব্যের যুগ ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের একটি বড় অংশজুড়ে মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গলসহ বিভিন্ন মঙ্গলকাব্য রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯০১-১২০০ খ্রিঃ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের অন্তর্ভুক্ত। B) ১২০১-১৩৫০ খ্রিঃ — এই সময়কালটি মধ্যযুগের সম্পূর্ণ সময়কে নির্দেশ করে না, বরং এটি মধ্যযুগের অন্ধাকার যুগের কাছাকাছি সময়। D) ১৫০১-১৯০০ খ্রিঃ — এই সময়সীমাটি ঐতিহাসিকভাবে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সঠিক পরিধি সমর্থন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন যুগ শুরু থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এবং মধ্য যুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মনে রাখা সহজ। আঠারো শতকের শেষ পর্যন্ত মধ্যযুগের ব্যাপ্তি ধরা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের কাল বিভাজন থেকে প্রশ্ন আসে। প্রাচীন, মধ্য এবং আধুনিক যুগের সময়কাল মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক।
23. 'শশাঙ্ক' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ-
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শশ + অঙ্ক ১. কেন সঠিক: - শশাঙ্ক শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো শশ যোগ অঙ্ক। এখানে পূর্বপদের অন্তস্থিত অ এবং পরপদের আদি অ মিলে আ হয়েছে। - শশ শব্দের অর্থ খরগোশ এবং অঙ্ক শব্দের অর্থ দাগ বা চিহ্ন। চাঁদের গায়ে খরগোশের মতো কালো দাগ আছে বলে চাঁদকে শশাঙ্ক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি স্বরসন্ধির একটি নিয়ম। অ কিম্বা আ এর পর অ কিম্বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। - শশ শব্দের অন্তে অ এবং অঙ্ক শব্দের আদিতে অ রয়েছে, যা মিলে আ গঠিত হয়েছে এবং শশ যোগ অঙ্ক সমান শশাঙ্ক হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে হিম শব্দের অন্তস্থিত অ এবং আলয় শব্দের আদি আ মিলে আ হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা যোগ আশয় সমান মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা শব্দের অন্তস্থিত আ এবং আশয় শব্দের আদি আ মিলে আ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশ + অঙ্ক — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি সাধিত হয়েছে এবং শশাঙ্ক শব্দ গঠন করেছে। B) শস + অঙ্গ — এখানে শস ও অঙ্গ শব্দের বানান এবং অর্থের দিক থেকে সঠিক সন্ধি নিয়ম মানেনি। C) শশা + অঙ্গ — এখানে শশা শব্দটির কোনো ব্যাকরণগত মূল রূপ নেই এবং এটি নিয়মবহির্ভূত। D) শসা + অঙ্ক — শসা একটি ফলবাচক শব্দ এবং এর সঙ্গে অঙ্ক যুক্ত হয়ে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী শশাঙ্ক হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের অপর নাম শশাঙ্ক মনে রাখতে শশ অর্থাৎ খরগোশ এবং অঙ্ক অর্থাৎ দাগ কথাটি মাথায় রাখবে। - স্বরসন্ধির অ যোগ অ সমান আ নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে করতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্রের সমার্থক শব্দ হিসেবে শশাঙ্ক শব্দটি প্রায়ই আসে। - সন্ধি নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং মূল রূপ জানা থাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
26. Five miles ___ a long distance.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
29. 'Quorum' fits best with the meaning.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) required number কেন সঠিক: - কোরাম একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ কোনো সভা বা কমিটির বৈধতা পাওয়ার জন্য উপস্থিত সদস্যদের ন্যূনতম বা প্রয়োজনীয় সংখ্যা। - কোনো সভার কার্যক্রম আইনগতভাবে শুরু বা বহাল রাখার জন্য এই নির্দিষ্ট সংখ্যার সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) required number — এটি সঠিক কারণ কোরাম বলতে সভার বৈধতার জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম সদস্য সংখ্যাকে বোঝায়। B) allowed number — এটি ভুল কারণ এটি অনুমোদিত বা সর্বোচ্চ সংখ্যা বোঝায়, যা কোরামের সংজ্ঞার সাথে মিলে না। C) number — এটি ভুল কারণ এটি যেকোনো সাধারণ সংখ্যা বোঝায়, যেখানে কোরাম একটি নির্দিষ্ট ন্যূনতম সংখ্যা নির্দেশ করে। D) additional number — এটি ভুল কারণ এটি অতিরিক্ত বা বাড়তি সংখ্যা বোঝায়, যা সভার পূর্বশর্ত বা কোরাম নয়। মনে রাখার টিপস: কোরাম শব্দ দেখলে মনে রাখবে সভা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় বা বাধ্যতামূলক সদস্য সংখ্যা।
31. 'Whom did she accuse?' Choose the right passive voice.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Who was accused by her? কেন সঠিক: - interrogative pronoun whom যুক্ত active voice কে passive করার সময় whom এর পরিবর্তে শুরুতে who বসে। - বাক্যটি past indefinite tense এ থাকায় tense অনুযায়ী auxiliary verb হিসেবে was এবং মূল verb এর past participle రూప বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who was accused by her? — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। B) Who had been accused by her? — প্রদত্ত বাক্যটি past indefinite tense এ আছে, কিন্তু এটি past perfect tense এর গঠন নির্দেশ করে। C) Who was being accused by her? — এটি past continuous tense এর গঠন, যা মূল বাক্যের tense এর সাথে মিলে না। D) Who has been accused by her? — এটি present perfect tense এর গঠন, যা মূল বাক্যের past indefinite tense কে প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Active voice এ whom থাকলে passive voice এ শুরুতে who বসে এবং tense অনুযায়ী am is are অথবা was were বসে।
32. Which one is correct?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Here he comes কেন সঠিক: - 'Here' বা 'There' দিয়ে কোনো বাক্য শুরু হলে এবং সাবজেক্ট যদি কোনো প্রোনাউন হয়, তবে ইনভার্শন বা উল্টো নিয়ম প্রযোজ্য হয় না। - অর্থাৎ, সাবজেক্ট প্রোনাউন (he) ہونے پر ভার্ব সাবজেক্টের পরে বসে, তাই সঠিক গঠন হলো Here he comes। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Here come he — এখানে সাবজেক্ট he প্রোনাউন হওয়া সত্ত্বেও ভার্ব আগে এবং সাবজেক্ট পরে দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Here comes he — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও, 'Here' দিয়ে শুরু বাক্যে সাবজেক্ট প্রোনাউন হলে ভার্ব সাবজেক্টের পরে বসে, তাই এটি সঠিক বাক্য গঠন নয়। C) Here he comes — এটি সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত বাক্য, যেখানে প্রোনাউন সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসেছে। D) Here come Alians. — এখানে আলিয়ান্স শব্দটি বহুবচন নাউন হলেও বানানে ভুল আছে (Aliens হবে) এবং সাবজেক্ট নাউন হলে ইনভার্শন নিয়ম প্রযোজ্য হলেও বানান ত্রুটির কারণে এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Here বা There থাকলে সাবজেক্ট নাউন হলে ভার্ব আগে আসে (Here comes the bus), কিন্তু সাবজেক্ট প্রোনাউন হলে সাবজেক্ট আগে এবং ভার্ব পরে বসে (Here it comes)।
34. Come on, it's time to go home. Here 'home' is a/ an-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverb কেন সঠিক: - এখানে 'home' শব্দটি 'go' ভার্বটিকে মডিফাই করেছে এবং কোথায় যেতে হবে তার স্থান নির্দেশ করেছে। - ভার্বকে স্থান বা কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা মূলত Adverb of Place হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না, বরং ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করছে। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝাচ্ছে না। C) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ভার্বের স্থান নির্দেশক হিসেবে কাজ করেছে। D) pronoun — এটি কোনো noun-এর পরিবর্তে বসেনি, তাই এটি pronoun হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: go বা come জাতীয় verb-এর ঠিক পরে কোনো Preposition ছাড়া home বসলে তা সবসময় Adverb হয়।
35. 'A mental illness in which somebody has a strong desire, which they cannot control to steal things' is expressed by-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) kleptomania কেন সঠিক: - প্রশ্নে এমন একটি মানসিক রোগের কথা বলা হয়েছে যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির মধ্যে জিনিসপত্র চুরির তীব্র ও অপ্রতিরোধ্য ইচ্ছা কাজ করে। - চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই বিশেষ মানসিক অবস্থাকে ক্লিপ্টোমেনিয়া বা চুরির বাতিক বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) insomnia — এটি নিদ্রাহীনতা বা অপর্যাপ্ত ঘুমের সমস্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা চুরির বাতিকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) kleptomania — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হলো চুরির তীব্র বা অপ্রতিরোধ্য মানসিক রোগ। C) anemia — এটি রক্তস্বল্পতা বা দেহে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিজনিত শারীরিক অবস্থাকে বোঝায়। D) amnesia — এটি স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া বা স্মৃতিভ্রম সংক্রান্ত একটি স্নায়বিক সমস্যা। মনে রাখার টিপস: মোনিয়া বা ম্যানিয়া শব্দাংশটি কোনো বিশেষ মানসিক বা আচরণগত আসক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
37. 'Out and Out' means-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
38. Class : Student-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Team : Player কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে শব্দের জোড়ার মধ্যে সমষ্টি এবং তার সদস্যের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে। - অনেকগুলো স্টুডেন্ট নিয়ে যেমন একটি ক্লাস গঠিত হয়, তেমনি অনেকগুলো প্লেয়ার নিয়ে একটি টিম গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Team : Player — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সমষ্টি এবং উপাদানের সম্পর্ক পুরোপুরি মিলে যায়। B) Meeting : Teacher — এখানে মিটিং এবং শিক্ষকের সম্পর্ক ক্লাস এবং স্টুডেন্টের মতো সমষ্টি ও উপাদানের সম্পর্ক নয়। C) Common : Ordinary — এখানে দুটি শব্দ একে অপরের সমার্থক বা পরিপূরক, যা গঠনগত সম্পর্কের সঙ্গে মেলে না। D) Bird : Beast — এখানে দুটি ভিন্ন শ্রেণীর প্রাণী বোঝানো হয়েছে, যার সাথে সমষ্টি বা সদস্যের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দের জোড়া মেলানোর সময় সমষ্টি এবং তার একক সদস্যের সম্পর্কটি খেয়াল রাখবে।
39. Fill in the blank: Turjo ___ the tree with an axe.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Appropriate Preposition / Group Verb) সঠিক উত্তর: A) cut down কেন সঠিক: - 'Cut down' একটি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু কেটে মাটিতে ফেলে দেওয়া। - গাছ বা এই জাতীয় বস্তু কুঠার বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলা বোঝাতে 'cut down' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cut down — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। B) cut off — এর অর্থ কোনো অংশ কেটে বিচ্ছিন্ন করা, যা সম্পূর্ণ গাছ কাটার ক্ষেত্রে বসে না। C) cut out — এর অর্থ কোনো বস্তু থেকে কোনো অংশ কেটে বাদ দেওয়া বা প্রস্তুত করা। D) cut in — এর অর্থ কথার মাঝে বাধা দেওয়া বা হঠাৎ ঢুকে পড়া, যা গাছের ক্ষেত্রে অসম্ভব। মনে রাখার টিপস: গাছ বা ভারী কিছু কুঠার দিয়ে কেটে মাটিতে নামিয়ে ফেলা বোঝালে 'cut down' ব্যবহার করতে হয়।
41. Choose the direct speech of the sentence: She told me to stand up.
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She said to me, "Stand up." কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় Indirect থেকে Direct করার সময় reporting verb হিসেবে said to ব্যবহার করতে হয়। - বক্তার মূল বক্তব্য আদেশসূচক হওয়ায় inverted comma-র ভেতরে মূল verb দিয়ে বাক্য শুরু হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She said, "Do stand up." — এই অপশনে বক্তার বক্তব্য জোর দেওয়ার জন্য Do ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে হুবহু মেলে না। B) She said to me, "Stand up." — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি মূল বাক্যের সঠিক Direct Speech রূপ প্রকাশ করে। C) She told, "Stand up." — এই অপশনে told-এর পর অবজেক্ট (me) অনুপস্থিত রয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) She said me, "Stand up." — এই অপশনে said-এর পর সরাসরি অবজেক্ট বসানো হয়েছে, যেখানে সঠিক নিয়ম হলো said to me লেখা। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence-এ told-কে তুলে দিয়ে said to লিখতে হয় এবং অবজেক্ট ঠিক রাখতে হয়।
43. The antonym of the word 'baddy'.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
45. Fill in the blanks: She aspires ___ a scientific career.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
46. 'Procession' is a ___ term.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) religious কেন সঠিক: - 'Procession' বা শোভাযাত্রা সাধারণত বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, পূজা বা আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। - বাংলা ও ইংরেজি উভয় সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে শব্দটির বহুল ব্যবহার ধর্মীয় অনুশাসন ও উৎসব উদযাপনের ক্ষেত্রে দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mythological — এটি পৌরাণিক বা কাল্পনিক কোনো বিষয় নির্দেশ করে না, কারণ প্রসেসন একটি বাস্তব সামাজিক ও ধর্মীয় চর্চা। B) religious — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি ধর্মীয় শোভাযাত্রা বা মিছিলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) political — রাজনৈতিক মিছিল বা শোভাযাত্রার ক্ষেত্রে সাধারণত 'rally' বা 'demonstration' শব্দটি বেশি উপযোগী। D) banking — ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে এই শব্দটির কোনো দূরতম সম্পর্ক বা আর্থিক লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় উৎসব বা মিছিলে শোভাযাত্রা থাকে, তাই প্রসেসন শব্দটি মূলত ধর্মীয় বা রিলিজিয়াস টার্ম হিসেবে মনে রাখতে হবে।
47. Choose the correct sentence.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Though he is strong, he is lazy কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Though বা Although যুক্ত ক্লজের পর Coordinating conjunction যেমন but ব্যবহার করা যায় না। - Though যুক্ত জটিল বাক্যের দুটি অংশের মাঝে শুধু কমা (,) বসিয়ে বাক্যটি সম্পন্ন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Though he is strong but he is lazy — Though এর সাথে but ব্যবহৃত হয় না কারণ দুটি একই অর্থে একই বাক্যে বসেredundancy তৈরি করে। B) Though he is strong, he is lazy — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এতে কমার সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে। C) Though he is strong, yet he is lazy — যদিও নিয়ম অনুযায়ী yet ব্যবহার করা যায়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Though এর সাথে কমা ব্যবহার করাই সবচেয়ে স্ট্যান্ডার্ড ও গ্রহণযোগ্য। D) Though he is strong or he is lazy — or conjunction টি এই বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ অসংগত ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Though বা Although থাকলে বাক্যের মাঝে but বসে না, কেবল কমা (,) বসে।
49. He advised me ___ smoking.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to give up কেন সঠিক: - Advise verb-টির পর Object থাকলে এরপর Infinitive বা to + verb ব্যবহৃত হয়। - Give up অর্থ বর্জন করা বা ত্যাগ করা, যা ধূমপান ছাড়ার ক্ষেত্রে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from giving up — Advise verb-এর পর সরাসরি from + gerund বসার নিয়ম ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) in giving up — Advise verb-এর পর in + gerund ব্যবহৃত হয় না। D) giving — Infinitive বা to না থাকায় এটি এখানে grammatically অসম্পূর্ণ ও ভুল। মনে রাখার টিপস: Advise-এর পর object থাকলে এরপর সরাসরি to + verb (infinitive) বসাতে হয়।
50. কোন সংখ্যার ৩৭% হ্রাস পেলে ৩/৮ হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫/৪২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির ৩৭% হ্রাসের পর অবশিষ্ট মান = ৩/৮ ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক ধরি, সংখ্যাটি থেকে তার ৩৭% বাদ দেওয়া হলো শর্তমতে, ক এর (১০০% − ৩৭%) = ৩/৮ অর্থাৎ, ক এর ৬৩% = ৩/৮ অতএব, ক × (৬৩ ÷ ১০০) = ৩/৮ ক × (৬৩ ÷ ১০০) = ৩/৮ ক = (৩ ÷ ৮) × (১০০ ÷ ৬৩) সুতরাং, ক = (৩ × ১০০) ÷ (৮ × ৬৩) ক = ৩০০ ÷ ৫০৪ লঘুিষ্ঠ করলে পাই, ক = ২৫ ÷ ৪২ উত্তর: ২৫/৪২
51. সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (√৩ / ৪) a² প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a ধরি, ত্রিভুজটির ভূমির দৈর্ঘ্য = a ত্রিভুজটির উচ্চতা = h অতএব, পিথারাসের উপপাদ্য অনুসারে উচ্চতা, h = (√৩ / ২) a সুতরাং, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ / ২) × ভূমি × উচ্চতা = (১ / ২) × a × ((√৩ / ২) a) উত্তর: (√৩ / ৪) a²
53. 0.01 × 0.01 = ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
54. 9ˣ⁺² = 81 হলে x = ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
55. A = 30° হলে (2 tan A) / tan² A = ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
56. log₅ ∛5 = ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
57. (a/b) + (b/a) = 6 হলে (a²/b²) + (b²/a²) + 2 এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, (a ÷ b) + (b ÷ a) = ৬ ধরি, (a ÷ b) = x এবং (b ÷ a) = y অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই, ((a ÷ b) + (b ÷ a)) বর্গ = (৬) বর্গ সুতরাং, (a স্কয়ার ÷ b স্কয়ার) + (b স্কয়ার ÷ a স্কয়ার) + ২ = ৩৬ উত্তর: ৩৬
58. log₂64 + log₂8 এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
66. ৯০ কোন সংখ্যার ৭৫%?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
67. x⁴ - 3x - 2 কে x + 1 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো f(x) = x^৪ − ৩x − ২ ভাজক হলো x + ১ ধরি, x + ১ = ০ সুতরাং x = −১ অতএব, ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে ভাগশেষ হবে f(−১) f(−১) = (−১)^৪ − ৩(−১) − ২ সুতরাং, f(−১) = ১ + ৩ − ২ f(−১) = ৪ − ২ = ২ উত্তর: ২
70. জাতিসংঘের পতাকায় কোন দুটি রং আছে?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) নীল ও সাদা কেন সঠিক: - জাতিসংঘের পতাকার মূল রঙ হালকা নীল এবং এর মধ্যস্থলে বিশ্ব মানচিত্রের লোগোটি সাদা রঙের। - ১৯৪৬ সালের অক্টোবর মাসে এই নকশাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল ও লাল — জাতিসংঘের পতাকায় লাল রঙের কোনো ব্যবহার নেই। B) নীল ও সাদা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) লাল ও সাদা — এই দুটি রঙ জাতিসংঘের পতাকার জন্য নির্ধারিত নয়। D) সবুজ ও সাদা — এই রঙের সংমিশ্রণ জাতিসংঘের পতাকায় ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: আকাশের মতো নীল পতাকায় শান্তির প্রতীক সাদা রঙের বিশ্বমানচিত্র আঁকা থাকে।
73. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০১৬ এর-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নভেম্বর কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী প্রতি চার বছর অন্তর নভেম্বর মাসের প্রথম সোমবারের পরের মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেপ্টেম্বর — এই মাসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কোনো সাংবিধানিক নিয়ম নেই। B) অক্টোবর — মার্কিন নির্বাচনী আইন অনুযায়ী এই মাসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় না। C) নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ মার্কিন নির্বাচন নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এই মাসেই অনুষ্ঠিত হয়। D) ডিসেম্বর — এই মাসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয় না, বরং এই সময়ে ইলেকটোরাল কলেজ ভোট প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: মার্কিন নির্বাচন মনে রাখতে মনে রাখুন এটি সাধারণত নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়।
75. ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি-
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জগদীপ ধনখড় কেন সঠিক: - জগদীপ ধনখড় ভারতের চতুর্দশ উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান। - তিনি ২০২২ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল কালাম — এপিজে আবুল কালাম ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি ছিলেন, উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। B) হামিদ আনসারী — তিনি ভারতের দ্বাদশ উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন, বর্তমান উপ-রাষ্ট্রপতি নন। C) ফারুক আব্দুল্লাহ — তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, উপ-রাষ্ট্রপতি নন। D) জগদীপ ধনখড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বর্তমান ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি। মনে রাখার টিপস: ধনীর ধন দিয়ে ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি পদটি দখল করেছেন জগদীপ ধনখড়।
78. মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রিংগিত কেন সঠিক: - মালয়েশিয়ার সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম রিংগিত। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম, মালয়েশিয়ার নয়। B) রিংগিত — এটি সঠিক উত্তর। C) ইয়েন — এটি জাপানের মুদ্রার নাম। D) দিনার — এটি কুয়েত ও জর্ডানসহ কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশের মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর এবং মুদ্রা রিংগিত।
82. বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি কেন সঠিক: - আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র। - এর মোট আয়তন মাত্র শূন্য দশমিক চার চার বর্গকিলোমিটার এবং এটি রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি একটি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র হলেও ভ্যাটিকান সিটির মতো বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ নয়। B) পাপুয়া নিউগিনি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি বড় দেশ এবং এর আয়তন অনেক বেশি। C) ভ্যাটিকান সিটি — এটি সঠিক উত্তর। D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি মাঝারি আকারের দেশ এবং এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: ভ্যাটিকান হলো পোপের নগরী, যা আয়তনে সবচেয়ে ছোট।
84. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের সেক্টরের সংখ্যা ছিল-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি ভৌগোলিক সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। - এই ১১টি সেক্টরের বাইরেও কিছু বিশেষ সাব-সেক্টর এবং গেরিলা বাহিনী গঠন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯টি — ৯টি সেক্টর সঠিক নয় কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না। B) ১০টি — ১০টি সেক্টর সঠিক নয় কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর এবং মোট সেক্টর ছিল ১১টি। C) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ১২টি — ১২টি সেক্টর সঠিক নয় কারণ মুক্তিযুদ্ধের মোট সেক্টর সংখ্যা ১২টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: এক এক মিলে হয় এগারো, মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরও ছিল ঠিক এগারোটি।
85. বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর ধারা ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। - যুদ্ধ ঘোষণা ব্যতীত দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেনাবাহিনী প্রধান — তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, কিন্তু সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নন। B) প্রতিরক্ষা মন্ত্রী — সাধারণত প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী এই দায়িত্ব পালন করেন, কিন্তু সাংবিধানিকভাবে তিনি সর্বাধিনায়ক নন। C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, কিন্তু সর্বাধিনায়ক পদটি রাষ্ট্রপতির। D) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং সংবিধানের বিধান অনুযায়ী প্রণীত। মনে রাখার টিপস: সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ব্যক্তি হিসেবে রাষ্ট্রপতির নাম মনে রাখুন এভাবে যে, রাষ্ট্রের প্রধানই হলেন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
86. ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্জনের জন্য ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। - বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ হিসেবে পরিচিত এই ছয় দফা আন্দোলন পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ প্রশস্ত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ কে ফজলুল হক — তিনি ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক এবং কৃষক প্রজাপার্টি ও যুক্তফ্রন্টের নেতা ছিলেন, কিন্তু ছয় দফা ঘোষণা করেননি। B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি প্রখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে ছয় দফা কর্মসূচির সঙ্গে তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল না। C) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) মাওলানা ভাসানী — তিনি একজন বিশিষ্ট বামপন্থী রাজনীতিবিদ ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির নেতা ছিলেন, কিন্তু ছয় দফা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা মানেই বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দাবি, যা ১৯৬৬ সালে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
90. বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষদের নিজস্ব বর্ণমালা ও ভাষা আছে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলোই কেন সঠিক: - বাংলাদেশের চাকমা, রাখাইন ও মনিপুরী এই তিনটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষেরই নিজস্ব কথ্য ভাষা এবং নিজস্ব বর্ণমালা বা লিপি রয়েছে। - এই জাতিগোষ্ঠীগুলো তাদের নিজ ভাষার বর্ণমালা টিকিয়ে রাখতে নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চা ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকমা — চাকমা নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও 'ওঝপাঠ' বা 'চাকমা' নামক নিজস্ব বর্ণমালা থাকলেও এই অপশনটি একা সঠিক নয় কারণ অন্য অপশনগুলোরও নিজস্ব বর্ণমালা আছে। B) রাখাইন — রাখাইন সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা এবং নিজস্ব বর্ণমালা বিদ্যমান রয়েছে, যা কেবল এই অপশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। C) মনিপুরী — মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা এবং 'মেইতেই লোকেন' নামক নিজস্ব প্রাচীন লিপি বা বর্ণমালা রয়েছে, যা অন্য অপশনের সাথে মিলে যায়। D) সবগুলোই — প্রদত্ত প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরই নিজস্ব বর্ণমালা ও ভাষা থাকায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের যেসব প্রধান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা রয়েছে, তাদের মধ্যে চাকমা, রাখাইন ও মনিপুরী সবাই অন্তর্ভুক্ত।
91. ক্যান্সার চিকিৎসায় কোনটি ব্যবহার করা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কেমোথেরাপি ১. কেন সঠিক: - কেমোথেরাপি হলো এমন এক ধরনের ওষুধভিত্তিক চিকিৎসা যা দ্রুত বিভাজনশীল ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস করে। - ক্যান্সার কোষে স্বাভাবিক কোষের চেয়ে দ্রুত বিভাজিত হওয়ার প্রবণতা থাকে এবং এই ওষুধ সেই প্রক্রিয়া থামিয়ে দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কেমোথেরাপি হলো ক্যানসার সেল বা টিউমার কোষ ধ্বংস করার রাসায়নিক প্রতিষেধক বা ঔষধি চিকিৎসা। - কার্যপ্রণালি: এই শক্তিশালী ওষুধগুলো রক্তের মাধ্যমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং শরীরের যেখানেই ক্যান্সার কোষ রয়েছে সেগুলোকে আক্রমণ করে। - কারণ ও ফলাফল: ক্যান্সার কোষগুলোর অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হওয়ার ক্ষমতা থাকে, কেমোথেরাপি সেই কোষগুলোর ডিএনএ নষ্ট করে তাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রেস্ট ক্যান্সারের চিকিৎসায় অপারেশন বা সার্জারির পর অবশিষ্ট ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে কেমোথেরাপি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যে কোনো সূক্ষ্ম ক্যান্সার কোষ শরীরে বেঁচে থেকে যেন পুনরায় রোগ ছড়াতে না পারে। উদাহরণ ২: ব্লাড ক্যান্সার বা লিম্ফোমার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি মূল চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: রক্তের মাধ্যমে সম্পূর্ণ শরীরে ওষুধ ছড়িয়ে পড়ায় এটি সারা শরীরে ছড়িয়ে থাকা রক্তকণিকার ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এমআরআই — এটি একটি রোগ নির্ণয় বা ইমেজিং পদ্ধতি, যার মাধ্যমে শরীরের ভেতরের অঙ্গের বিস্তারিত ছবি দেখা যায় কিন্তু এটি কোনো চিকিৎসা নয়। B) কেমোথেরাপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। C) এনজিওগ্রাফি — এটি হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে কোনো ব্লক বা জটিলতা আছে কি না তা পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) আল্ট্রাসোনোগ্রাফি — এটি উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে পেটের ভেতরের অঙ্গ বা গর্ভস্থ ভ্রূণ পরীক্ষার একটি ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক দিয়ে ক্যান্সার এবং ক দিয়ে কেমোথেরাপি মনে রাখলে পরীক্ষা হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি আলাদা করা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি এবং চিকিৎসার পদ্ধতি আলাদা করতে পারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রায়ই এমআরআই বা আল্ট্রাসোনোগ্রাফি কোন কাজে লাগে তা নিয়েও আলাদা প্রশ্ন আসতে পারে।
93. কোনটি সোয়াইন ফ্লু এর ভাইরাস?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) H₁N₁ ১. কেন সঠিক: - সোয়াইন ফ্লু হলো একটি সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রের রোগ যা ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট স্ট্রেন দ্বারা ছড়ায়। - এই ভাইরাসের গায়ে হিমোগ্লুটিনিন এবং নিউরামিনিডেস নামক প্রোটিন থাকে যার সংখ্যা ১ এবং ১ হওয়ায় একে H₁N₁ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞানের আওতায় ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস মূলত অর্থোমাইকসোভিরাইডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি আরএনএ ভাইরাস। - কার্যপ্রণালি: এই ভাইরাসটি মানুষের শ্বাসনালীর কোষে আক্রমণ করে এবং দ্রুত বংশবিস্তার করে রোগ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৯ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী ব্যাখ্যা: এই মহামারীটি H₁N₁ ভাইরাসের একটি নতুন রূপের কারণে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল। উদাহরণ ২: সাধারণ ঋতুভিত্তিক ফ্লু ব্যাখ্যা: সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের মধ্যেও বিভিন্ন মিউটেশন ঘটে এবং এটিও সোয়াইন ফ্লু এর মতো ড্রপলেট infections এর মাধ্যমে ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) H₂N₁ — এই বিন্যাসের কোনো প্রধান সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস প্রচলিত বা স্বীকৃত নয়। B) N₁H₁ — প্রতীকগুলোর সঠিক ক্রম হলো প্রথমে হিমোগ্লুটিনিন এবং পরে নিউরামিনিডেস, তাই এই ক্রমটি ভুল। C) H₁N₁ — এটি সোয়াইন ফ্লু সৃষ্টিকারী ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক স্ট্রেনের নাম। ডি) HN — এটি একটি অসম্পূর্ণ এবং ভুল বৈজ্ঞানিক সংকেত কারণ এতে প্রোটিনের নির্দিষ্ট উপাদানের সংখ্যা উল্লেখ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোয়াইন ফ্লু মনে রাখতে এসইউআইএন শব্দের সঙ্গে এইচ ওয়ান এন ওয়ান মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের নাম লেখার সময় সবসময় প্রথমে এইচ এবং পরে এন অক্ষর ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি সাধারণত রোগ জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ এবং অণুজীববিজ্ঞান অংশ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - এখান থেকে পাখির ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাস কোনটি, যেমন এইচ ৫ এন ১, তাও জেনে রাখা ভালো।
94. টিউব লাইটে সাধারণত কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আর্গন *(বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'নাইট্রোজেন' বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। টিউব লাইটে সাধারণত নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন এবং এর সাথে পারদ বাষ্প ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তরটি সংশোধন করে 'আর্গন' হিসেবে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো।)* ১. কেন সঠিক: - টিউব লাইটের ভেতর খুব কম চাপে আর্গন গ্যাস এবং সামান্য পরিমাণ পারদ বাষ্প ব্যবহার করা হয়। - আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হওয়ায় এটি বিদ্যুতের প্রবাহে সাহায্য করে এবং ফিলামেন্টের জীবনকাল বৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: টিউব লাইট বা ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্প হলো এক ধরনের গ্যাস ডিসচার্জ ল্যাম্প। - কার্যপ্রণালি: এর দুই প্রান্তের ইলেকট্রোডের মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে ভিতরের গ্যাস আয়নিত হয় এবং পারদ বাষ্প থেকে অতিবেগুনি রশ্মি উৎপন্ন হয়। - কারণ ও ফলাফল: এই অতিবেগুনি রশ্মি টিউবের গায়ে লাগানো ফসফরের স্তরে আঘাত করে দৃশ্যমান আলো তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্ব ব্যাখ্যা: টাংস্টেন ফিলামেন্ট যেন পুড়ে না যায়, সেজন্য সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরেও আর্গন বা নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নিয়ন সাইন বোর্ড ব্যাখ্যা: বিজ্ঞাপনের বোর্ডে গ্যাস ডিসচার্জের মাধ্যমে আলো তৈরির কাজে নিয়ন বা অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি অত্যন্ত দাহ্য এবং হালকা গ্যাস হওয়ায় টিউব লাইটে ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। B) আর্গন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং টিউব লাইটে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়। C) নিয়ন — এটি রঙিন আলোর বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ডে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ টিউব লাইটে নয়। D) নাইট্রোজেন — এটি মূলত নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, তবে টিউব লাইটের মূল কার্যকারিতায় আর্গন গ্যাসের ব্যবহার প্রধান। ৫. মনে রাখার টিপস: টিউব লাইটের মতো নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যায় সারণির আর্গন মৌলটিকে মনে রাখতে হবে। টিউব লাইটে সাধারণত আর্গন গ্যাস এবং পারদ বাষ্পের মিশ্রণ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টিউব লাইট বা ফ্লুরোসেন্ট বাল্বের আলোর উৎস হলো এর ভেতরের পারদ বাষ্প এবং ফসফরের প্রলেপ। এই প্রশ্নটি সাধারণ বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের আলো অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
95. সকল নেটওয়ার্কের জননী কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্টারনেট ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেটকে সকল নেটওয়ার্কের জননী বা নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলা হয় কারণ এটি সারা বিশ্বের শত শত কোটি ছোট-বড় নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে গড়ে উঠেছে। এটি ইন্টারনাল নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সারা বিশ্বের কম্পিউটারগুলোকে পরস্পর যোগাযোগ করতে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইন্টারনেট হলো গ্লোবাল বা বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের একটি বিশাল কাঠামো, যা টিসিপি বা আইপি প্রোটোকল সুইটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ডেটা ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে দ্রুত প্রেরণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কম্পিউটার ল্যাব তার নিজস্ব লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে লন্ডনের একটি সার্ভার থেকে গবেষণা ডেটা ডাউনলোড করছে। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট নামক বিশ্বজনীন কাঠামোর সহায়তা নিয়ে দূরবর্তী কোনো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। উদাহরণ ২: আপনার মোবাইল ফোনটি ওয়াইফাই বা মোবাইল ডেটা ব্যবহার করে ফেসবুক বা গুগল সার্ভার থেকে তথ্য আদান-প্রদান করছে। ব্যাখ্যা: এখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক বা আইএসপি ইন্টারনেট ব্যাকবোনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বৈশ্বিক তথ্যের ভাণ্ডারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে পাঠানো একটি বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমমাত্র, কোনো নেটওয়ার্কের ভিত্তি বা জননী নয়। B) ইন্টারনেট — এটি সঠিক উত্তর। C) মোবাইল — এটি ব্যক্তিগত যোগাযোগের একটি তারহীন টেলিযোগাযোগ মাধ্যম এবং ডিভাইস, যা নেটওয়ার্কের অংশ হলেও নিজেই নেটওয়ার্কের জননী নয়। D) টেলিফোন — এটি মূলত ভয়েস যোগাযোগের একটি ঐতিহ্যবাহী মাধ্যম, যা আধুনিক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের পূর্বসূরি হলেও বর্তমান ইন্টারনেটের সমার্থক বা জননী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট কথাটির অর্থ ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক বা বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক। সকল নেটওয়ার্কের জন্মদাতা বা জননী হিসেবে একে ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক মূলত চার প্রকার, যেমন ল্যান, ম্যান, ওয়্যান এবং প্যান। ইন্টারনেট হলো সবচেয়ে বড় ওয়ান বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের বাস্তব রূপ।
96. ক্যাসেটের ফিতার শব্দ রক্ষিত থাকে কী হিসাবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চুম্বক হিসেবে ১. কেন সঠিক: - ক্যাসেটের ফিতা বা ম্যাগনেটিক টেপ ডেটা সংরক্ষণের জন্য চুম্বকত্ব বা ম্যাগনেটিজম নীতি ব্যবহার করে। - এই ফিতার ওপর ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থের প্রলেপ থাকে যা চুম্বকীয়করণের মাধ্যমে শব্দ বা ডেটা সংরক্ষণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ম্যাগনেটিক টেপ হলো প্লাস্টিকের ফিতার ওপর চুম্বকীয় উপাদানের প্রলেপযুক্ত স্টোরেজ মাধ্যম। - কার্যপদ্ধতি: রেকর্ডিং হেডের মাধ্যমে তড়িৎ চৌম্বকীয় প্রভাবে ফিতার উপরিভাগে থাকা ছোট ছোট কণাগুলোকে নির্দিষ্ট দিকে চুম্বকায়িত করে শব্দ সংরক্ষণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অডিও ক্যাসেট প্লেয়ার ব্যাখ্যা: ক্যাসেট প্লেয়ারে টেপ ঘোরার সময় হেড চুম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তন করে গান বা কথা বাজায়। উদাহরণ ২: ভিডিও টেপ বা ভিএইচএস ব্যাখ্যা: একই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও সিগন্যাল ফিতার ওপর চুম্বকীয় রূপেই জমা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে — বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র সরাসরি ফিতায় দীর্ঘস্থায়ী শব্দ ধরে রাখে না, এটি চার্জ সংরক্ষণে কাজ করে। B) মেমোরিচিপ হিসেবে — মেমোরিচিপ হলো সেমিকন্ডাক্টর ভিত্তিক স্থায়ী বা অস্থায়ী বৈদ্যুতিক সার্কিট, যা ক্যাসেটে থাকে না। C) কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে — কার্বন মাইক্রোফোনে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি ক্যাসেটের ফিতায় শব্দ সংরক্ষণের প্রধান মাধ্যম নয়। D) চুম্বক হিসেবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্যাসেটের ফিতা চুম্বকীয়করণের মাধ্যমে শব্দ সংরক্ষণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্যাসেট মানেই ম্যাগনেটিক টেপ বা চুম্বকীয় ফিতা। - যেখানেই ফিতা বা ডিস্কের কথা থাকবে, ধরে নিতে হবে সেটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ম্যাগনেটিক টেপ হলো সিকোয়েনশিয়াল অ্যাক্সেস মেমোরির একটি ক্লাসিক উদাহরণ। - হার্ড ডিস্ক বা ফ্লপি ডিস্কেও চুম্বকীয় মাধ্যম ব্যবহার করা হয়।
97. 'RAM' means-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) random-access memory ১. কেন সঠিক: RAM-এর পূর্ণরূপ হলো random-access memory যার বাংলা অর্থ হলো দৈবচয়নভিত্তিক স্মৃতি। এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি হিসেবে কাজ করে এবং প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা সরবরাহ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: RAM হলো কম্পিউটারের এমন একটি অস্থায়ী মেমোরি যেখানে চলমান প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িক জমা থাকে। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় প্রসেসর সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং লেখে। বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ভোলাটাইল বা উবে যাওয়া মেমোরি যার অর্থ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এর ভেতরের সব ডেটা মুছে যায়। ব্যবহার: আমরা যখন কোনো সফটওয়্যার চালাই বা ব্রাউজারে ট্যাব খুলি, তখন তা RAM-এ জমা হয়। পার্থক্য: স্থায়ী মেমোরি যেমন হার্ডডিস্ক বা এসএসডি হলো নন-ভোলাটাইল, কিন্তু RAM হলো ভোলাটাইল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল ওপেন করা। ব্যাখ্যা: ফাইলটি খোলার সময় হার্ডডিস্ক থেকে RAM-এ চলে আসে যাতে প্রসেসর দ্রুত কাজ করতে পারে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে একাধিক অ্যাপ একসঙ্গে চালু রাখা। ব্যাখ্যা: ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা অ্যাপগুলো RAM-এ সক্রিয় থাকে বলেই আমরা দ্রুত এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে যেতে পারি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) random-access memory — এটি সঠিক পূর্ণরূপ এবং প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক। B) read and memorize — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ RAM মুখস্থ করার কোনো ডিভাইস নয়, এটি ডেটা রিড ও রাইট করে। C) reading and money — এটি সম্পূর্ণ হাস্যকর ও অর্থহীন অপশন যা মেমোরির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) real African monkey — এটি একটি কাল্পনিক ও প্রাণিসম্পর্কিত শব্দ যা কম্পিউটার প্রযুক্তির সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: RAM কথাটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এর পূর্ণরূপ মুখস্থ রাখা। মনে রাখবে RAM মানে হলো এমন স্মৃতি যেখানে যেকোনো স্থান থেকে সরাসরি বা দৈবচয়নে ডেটা পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার গতিশীল রাখতে RAM-এর ধারণক্ষমতা তথা গিগাবাইট বা জিবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই RAM ও ROM-এর পার্থক্য বা RAM কোন ধরনের মেমোরি (ভোলাটাইল কি না) তা জানতে চাওয়া হয়।
98. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের ভূমি উঁচু?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর অঞ্চল ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি প্রধানত সমতল হলেও উত্তর অঞ্চলের ভূমি বাকি অংশের তুলনায় উঁচু। এই অঞ্চলে প্লাইস্টোসিন চত্বরের বরেন্দ্রভূমি অবস্থিত, যা প্রাচীন আমলের লাল মাটি দিয়ে গঠিত এবং উচ্চতার কারণে এখানে সহজে বন্যা হয় না। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে এই উঁচু ভূখণ্ডটি বিস্তৃত। বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের মাটি সাধারণত লালচে এবং অম্লত্বযুক্ত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বরেন্দ্রভূমি। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের একটি প্রধান প্রাচীন ভূখণ্ড যা তুলনামূলক উঁচু। উদাহরণ ২: দিনাজপুর ও রংপুর জেলার উচ্চভূমি। ব্যাখ্যা: এই জেলাগুলোর ভূপ্রকৃতি সমতল হলেও সাধারণ প্লাবনভূমির চেয়ে কিছুটা উঁচুতে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ অঞ্চল — এই অঞ্চলটি তুলনামূলক নিচু এবং সমতল যা নদীমাতৃক বদ্বীপ অঞ্চলের অংশ। B) উত্তর অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয় বরং এটি উচ্চভূমির নির্দেশক। C) পূর্ব অঞ্চল — পূর্ব অঞ্চলে পাহাড় ও পাহাড়ি উপত্যকা রয়েছে, কিন্তু সাধারণ ভূপ্রকৃতির বিচারে সামগ্রিক উত্তর অঞ্চলের প্লাইস্টোসিন চত্বর বা বরেন্দ্রভূমি বিশেষভাবে উঁচু ভূমি হিসেবে পরিচিত। D) পশ্চিম অঞ্চল — পশ্চিম অঞ্চলের কিছু অংশ উত্তর অঞ্চলের বরেন্দ্রভূমির অন্তর্ভুক্ত হলেও সামগ্রिक পশ্চিম অঞ্চল বলতে বোঝায় দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় ও নিম্ন সমভূমি অঞ্চল। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মানচিত্রে উপরের দিক বা উত্তর দিকে তাকালে বরেন্দ্রভূমির মতো উঁচু চত্বর পাওয়া যায়। উত্তর মানেই উঁচু ভূমি এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। একই ধারণা থেকে পাহাড়ি অঞ্চল বা প্লাইস্টোসিন চত্বর সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
99. আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রধান কারণ কী?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ুপ্রবাহ ১. কেন সঠিক: বায়ুপ্রবাহ হলো বায়ুমণ্ডলের একটি গতিশীল প্রক্রিয়া যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে উষ্ণতা ও আর্দ্রতা বহন করে আবহাওয়া পরিবর্তন ঘটায়। বায়ুর এই গতির ফলেই উচ্চচাপ ও নিম্নচাপ অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, যা হঠাৎ করে তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার রূপ বদলায়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - বৈশিষ্ট্য: বায়ুর গতি এবং দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে আবহাওয়ার উপাদান যেমন তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও চাপ নিয়ন্ত্রিত হয়। - কারণ ও প্রভাব: পৃথিবীর তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় এবং এটি আবহাওয়াকে গতিশীল রাখে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কালবৈশাখী ঝড়ের সময় তীব্র বায়ুপ্রবাহের ফলে হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যায় এবং আবহাওয়া বদলে যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে দ্রুতগামী বায়ুপ্রবাহ আবহাওয়ায় তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আনতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: সামুদ্রিক বায়ু ও স্থলবায়ুর প্রবাহ উপকূলীয় অঞ্চলের আবহাওয়াকে দিনে ও রাতে দ্রুত পরিবর্তিত করে। ব্যাখ্যা: এই বায়ুপ্রবাহের আসা-যাওয়া উপকূলের তাপমাত্রাকে ওঠানামা করাতে সরাসরি প্রভাব ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃষ্টি — এটি আবহাওয়ার একটি ফল বা পরিণতি মাত্র, আবহাওয়া পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি বায়ুপ্রবাহ নয়। B) কুয়াশা — এটি বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হওয়ার একটি রূপ, যা আবহাওয়ার অবস্থা প্রকাশ করে কিন্তু কারণ নয়। C) বায়ুপ্রবাহ — এটি সঠিক উত্তর। D) মেঘ — এটি বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প জমার ফল, যা আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণ নয় বরং আবহাওয়ার একটি উপাদান। ৫. মনে রাখার টিপস: আবহাওয়া বদলায় কিসে, মনে রেখো বায়ুর দিশে। অর্থাৎ বায়ুর চলাচলই আবহাওয়া পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই এই ধরনের বিশ্লেষণমূলক প্রশ্ন আসে। বায়ুপ্রবাহ কীভাবে তাপ ও আর্দ্রতা পরিবহন করে, তা ভালো করে বুঝে রাখলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
100. সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুধ ১. কেন সঠিক: - বুধ হলো আমাদের সৌরজগতের সূর্য থেকে সবচেয়ে কম দূরত্বে অবস্থিত গ্রহ এবং এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের কক্ষপথে আবর্তিত হয়। - সূর্যের তীব্র মহাকর্ষীয় টানের কারণে এটি খুব কম সময়ে মাত্র আটাশ দিনে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে ফেলে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বুধ গ্রহটি সৌরজগতের কেন্দ্রভাগে অবস্থিত সূর্যের প্রথম গ্রহ হিসেবে তার কক্ষপথ বজায় রাখে। - বৈশিষ্ট্য: এই গ্রহের নিজস্ব কোনো বায়ুমণ্ডল এবং উপগ্রহ নেই, যার ফলে এর পৃষ্ঠে তাপ ধরে রাখার কোনো উপায় থাকে না। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বুধ গ্রহের উষ্ণতা ব্যাখ্যা: সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকার কারণে এর দিনের তাপমাত্রা অনেক বেশি হয়, আবার বায়ুমণ্ডল না থাকায় রাতের তাপমাত্রা তীব্রভাবে কমে যায়। উদাহরণ ২: বুধের কক্ষপথ ব্যাখ্যা: এটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করায় সূর্য থেকে এর দূরত্ব বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী সূর্য থেকে তৃতীয় অবস্থানে থাকা গ্রহ, তাই এটি সূর্যের নিকটতম গ্রহ নয়। B) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে চতুর্থ অবস্থানে অবস্থান করে এবং এটি পৃথিবীর বাইরের দিকে অবস্থিত। D) শুক্র — শুক্র গ্রহ সূর্য থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: সৌরজগতের গ্রহগুলোর ধারাবাহিক সিরিয়াল মনে রাখার সহজ উপায় হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল এভাবে ক্রমানুসারে সাজানো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে প্রথম গ্রহ কোনটি, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে সূর্যের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ কোনটি, এই ধরনের প্রশ্নও আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (25)

5. 'সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'সঞ্চিতা' হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রামাণিক কবিতা সংকলন। - ১৯২৮ সালে এই সংকলনটি প্রকাশিত হয় এবং কবি এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিশ শতকের অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতকার যিনি বাংলা কাব্যে বিদ্রোহের সুর নিয়ে আসেন। - 'সঞ্চিতা' গ্রন্থে তাঁর প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, কামাল পাশা, ওমর ফারুক প্রভৃতি বিখ্যাত কবিতা সংকলিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সঞ্চয়ন' ব্যাখ্যা: এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত গান ও কবিতার সংকলন। উদাহরণ ২: 'সঞ্চয়িতা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা নিয়ে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথে ঠাকুরের কবিতা সংকলনের নাম 'সঞ্চয়িতা', 'সঞ্চিতা' নয়। C) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'বনলতা সেন' ও 'রূপসী বাংলা'। D) জসীমউদ্দীন — জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম 'নকশী কাঁথার মাঠ' ও 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট'। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতায় অন্তরে 'য়' আছে, আর নজরুলের সঞ্চিতায় কোনো 'য়' নেই। - এভাবে ছোট পার্থক্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সঞ্চিতা প্রকাশিত হয় ১৯২৮ সালে এবং এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়। - বাংলা সাহিত্য থেকে বিভিন্ন কাব্য সংকলন ও তার রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
10. কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১ ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি ও বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী তারিখ লেখার সময় বার, মাস, দিন এবং সালের মধ্যে নির্দিষ্ট নিয়মে কমা ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত অপশন ডি তে ২৬ মার্চ এবং ১৯৭১ সালের মাঝে কোনো কমা ব্যবহার করা হয়নি, যা বিরামচিহ্নের ব্যবহার বিধির পরিপন্থী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন বা জ্যোতিচিহ্ন অধ্যায়ে তারিখ ও স্থানের নামকরণে কমার সঠিক ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষামুখী ব্যাকরণগত নিয়ম। - বাক্যে বা লেখায় স্থান এবং তারিখ পাশাপাশি এলে স্থান ও তারিখের বিভিন্ন অংশের মাঝে স্পষ্টতা রক্ষার জন্য কমা বা পাদচ্ছেদ চিহ্ন বসাতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ ব্যাখ্যা: এখানে স্থানের নামের পর এবং তারিখ ও সালের মাঝে যথাযথভাবে কমা ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: খুলনা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ ব্যাখ্যা: এই বাক্যে স্থান এবং তারিখের উপাদানগুলো ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম মেনে বিরামচিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্চ ২৬, ১৯৭১ — এই অপশনে মাস, দিন এবং সালের বিন্যাস ও কমার ব্যবহার সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ — এই অপশনে দিন, মাস এবং সালের মাঝে নিয়মানুযায়ী কমা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ — এই অপশনে স্থান, দিন, মাস ও সালের ক্রম এবং কমার ব্যবহার নির্ভুল। D) চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এই অপশনে তারিখ ও সালের মাঝে প্রয়োজনীয় কমা না দেওয়ায় এটি সঠিক বিরামচিহ্ন ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: তারিখ লেখার সময় দিন ও সালের মাঝখানে কমা বসবে এবং স্থান বা বার থাকলে তার পরেও কমা দিতে হবে। শর্টকাট হিসেবে মনে রাখবে স্থান, দিন, মাস, সাল লেখার সময় প্রতি অংশের মাঝখানে কমা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জ্যোতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই কমার ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করা উচিত। একই নিয়মে স্থান ও তারিখ সম্পর্কিত অন্যান্য বাক্য শুদ্ধকরণের প্রশ্নগুলো সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
11. 'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন'
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাটক ১. কেন সঠিক: - জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক নাটক। - এই নাটকটির রচিয়তা হলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যসাহিত্যে পরীক্ষামূলক ও ঐতিহ্যবাহী নাট্যধারার প্রবর্তক। - ১৯৭৪ সালে রচিত এই নাটকটিতে তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতীকী অর্থে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকা ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত ও প্রশংসিত নাটক। উদাহরণ ২: কেরামত মঙ্গল ব্যাখ্যা: এটিও সেলিম আল দীনের রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — এটি সঠিক উত্তর কারণ জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন একটি নাটক। B) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয়, কারণ এর গঠনশৈলী নাটকীয় সংলাপ ও দৃশ্যনির্ভর। C) গল্প — এটি ছোটগল্প নয়, এটি মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী নাটক হিসেবে রচিত। D) রম্যরচনা — এটি রম্যরচনা বা হাস্যরসাত্মক প্রবন্ধ নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক বার্তা সংবলিত নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: - জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন নাটকের রচয়িতা সেলিম আল দীন, এভাবে মনে রাখতে পারো যে সেলিমের বেলুন ও জন্ডিস নাটক আকারে প্রকাশিত হয়েছে। - নাটকের নাম দেখলেই নাট্যকার সেলিম আল দীনের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিম আল দীনের নাটক প্রায়ই আসে। - নাটক, উপন্যাস এবং ছোটগল্পের পার্থক্য ভালোভাবে জেনে রাখা পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি।
12. ধাতু চিহ্ন বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √ ১. কেন সঠিক: - ধাতু চিহ্ন বোঝাতে বর্গমূল বা রুট চিহ্ন ব্যবহার করা হয় যা বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ামূল বা ধাতু নির্দেশ করতে অপরিহার্য। - ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয় এবং এর পূর্বে এই বিশেষ চিহ্ন বসিয়ে ধাতু বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয় যা শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে মৌলিক একক হিসেবে কাজ করে। - বাংলা ভাষায় ধাতু মূলত তিন প্রকার যথা সংস্কৃত ধাতু, প্রাকৃত থেকে আগত ধাতু এবং বিদেশি ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √পড় ব্যাখ্যা: পড় হলো পড়ার ধাতু এবং এর পূর্বে রুট চিহ্ন ব্যবহার করে এটি যে ধাতু তা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: √চল ব্যাখ্যা: চল হলো চলার ধাতু এবং ব্যাকরণগতভাবে এর মূল রূপ বোঝাতে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) > — এই চিহ্নটি গণিতে বৃহত্তর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বোঝাতে এর কোনো ব্যবহার নেই। B) < — এই চিহ্নটি গণিতে ক্ষুদ্রতর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ধাতু নির্দেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) — এই চিহ্নটি যৌক্তিক পরিণতি বা ইমপ্লাইজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা ব্যাকরণের ধাতু চিহ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) √ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ামূল বা ধাতু বোঝাতে এই রুট চিহ্ন নির্দিষ্টভাবে ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গণিতের রুট বা বর্গমূলের চিহ্ন যেমন কোনো সংখ্যার মূল বোঝায়, তেমনই বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ার মূল বা ধাতু বোঝাতে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন আসে তাই ক্রিয়ার মূল চেনার জন্য এই চিহ্নটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
13. 'বাজার শেষ করে বাড়ি' - বাক্যটিতে কোন গুণের অভাব রয়েছে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়নি এবং শ্রোতার আরও কিছু শোনার ইচ্ছা বা বাকি থাকে। - 'বাজার শেষ করে বাড়ি' শোনার পর প্রশ্ন জাগে বাড়ি গিয়ে কী করল, যা আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকা আবশ্যক, যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। - বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র পৃথিবীর ব্যাখ্যা: এই অংশ শোনার পর শ্রোতার মনে জানার ইচ্ছা জাগে চন্দ্র পৃথিবীর কী, তাই এটি আকাঙ্ক্ষার অভাবের উদাহরণ। উদাহরণ ২: কাল আমি ঢাকা ব্যাখ্যা: এই বাক্যটি শোনার পর শ্রোতার মনে শোনার আকাঙ্ক্ষা থাকে যে ঢাকায় কী করব, যা অসম্পূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যোগ্যতা — পদের অর্থের সংগতি ও ভাবগত মিলবন্ধন হলো যোগ্যতা, যা এখানে অনুপস্থিত নয়। C) আসত্তি — পদের পর পদ সাজিয়ে লেখার যে শৃঙ্খলা, তা এই বাক্যে ঠিক আছে। D) মাধুর্য — বাক্যের সৌন্দর্য বা আনন্দের প্রকাশ হলো মাধুর্য, যা ব্যাকরণের প্রধান তিনটি গুণের মধ্যে সরাসরি পড়ে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের অংশ শোনার পর যদি মনে প্রশ্ন জাগে আর কী, তবে বুঝতে হবে সেখানে আকাঙ্ক্ষার অভাব রয়েছে। - অসম্পূর্ণ বাক্য দেখলেই আকাঙ্ক্ষাকে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - পদগুলোর বিন্যাস ঠিক কিন্তু অর্থ বা ভাব অসম্পূর্ণ থাকলে তা মূলত আকাঙ্ক্ষার ঘাটতি নির্দেশ করে।
17. 'শশাঙ্ক' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ-
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শশ + অঙ্ক ১. কেন সঠিক: - শশাঙ্ক শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো শশ যোগ অঙ্ক। এখানে পূর্বপদের অন্তস্থিত অ এবং পরপদের আদি অ মিলে আ হয়েছে। - শশ শব্দের অর্থ খরগোশ এবং অঙ্ক শব্দের অর্থ দাগ বা চিহ্ন। চাঁদের গায়ে খরগোশের মতো কালো দাগ আছে বলে চাঁদকে শশাঙ্ক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি স্বরসন্ধির একটি নিয়ম। অ কিম্বা আ এর পর অ কিম্বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। - শশ শব্দের অন্তে অ এবং অঙ্ক শব্দের আদিতে অ রয়েছে, যা মিলে আ গঠিত হয়েছে এবং শশ যোগ অঙ্ক সমান শশাঙ্ক হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে হিম শব্দের অন্তস্থিত অ এবং আলয় শব্দের আদি আ মিলে আ হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা যোগ আশয় সমান মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা শব্দের অন্তস্থিত আ এবং আশয় শব্দের আদি আ মিলে আ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশ + অঙ্ক — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি সাধিত হয়েছে এবং শশাঙ্ক শব্দ গঠন করেছে। B) শস + অঙ্গ — এখানে শস ও অঙ্গ শব্দের বানান এবং অর্থের দিক থেকে সঠিক সন্ধি নিয়ম মানেনি। C) শশা + অঙ্গ — এখানে শশা শব্দটির কোনো ব্যাকরণগত মূল রূপ নেই এবং এটি নিয়মবহির্ভূত। D) শসা + অঙ্ক — শসা একটি ফলবাচক শব্দ এবং এর সঙ্গে অঙ্ক যুক্ত হয়ে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী শশাঙ্ক হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের অপর নাম শশাঙ্ক মনে রাখতে শশ অর্থাৎ খরগোশ এবং অঙ্ক অর্থাৎ দাগ কথাটি মাথায় রাখবে। - স্বরসন্ধির অ যোগ অ সমান আ নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে করতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্রের সমার্থক শব্দ হিসেবে শশাঙ্ক শব্দটি প্রায়ই আসে। - সন্ধি নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং মূল রূপ জানা থাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
19. বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০১-১৮০০ খ্রিঃ ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় এবং মধ্যযুগ তার মধ্যে অন্যতম। ড. সুকুমার সেন ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সময়কাল ১২০১ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের কালকে প্রাচীনযুগ, মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগ এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য এবং এই যুগটি মূলত পদ্য বা কাব্যনির্ভর ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের শুরুর দিকের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত। উদাহরণ ২: মঙ্গলকাব্যের যুগ ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের একটি বড় অংশজুড়ে মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গলসহ বিভিন্ন মঙ্গলকাব্য রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯০১-১২০০ খ্রিঃ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের অন্তর্ভুক্ত। B) ১২০১-১৩৫০ খ্রিঃ — এই সময়কালটি মধ্যযুগের সম্পূর্ণ সময়কে নির্দেশ করে না, বরং এটি মধ্যযুগের অন্ধাকার যুগের কাছাকাছি সময়। D) ১৫০১-১৯০০ খ্রিঃ — এই সময়সীমাটি ঐতিহাসিকভাবে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সঠিক পরিধি সমর্থন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন যুগ শুরু থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এবং মধ্য যুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মনে রাখা সহজ। আঠারো শতকের শেষ পর্যন্ত মধ্যযুগের ব্যাপ্তি ধরা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের কাল বিভাজন থেকে প্রশ্ন আসে। প্রাচীন, মধ্য এবং আধুনিক যুগের সময়কাল মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক।
20. 'চাচ্চা কাহিনী' গ্রন্থের লেখক কে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মুজতবা আলী ১. কেন সঠিক: 'চাচ্চা কাহিনী' গ্রন্থটির রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলী। এই গ্রন্থটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রম্য রচনা, যেখানে হাস্যরস ও প্রীতিকর উপায়ে বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি রম্যলেখক, পণ্ডিত ও ভ্রমণকাহিনীকার। তাঁর রচনাশৈলীতে গভীর পাণ্ডিত্যের সঙ্গে লঘু মেজাজের অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে বিদেশে ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী। উদাহরণ ২: পঞ্চতন্ত্র ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'চাচ্চা কাহিনী' তাঁর লেখা নয়। B) সৈয়দ মুজতবা আলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত রম্য রচনা। C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি মূলত মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার উপন্যাস রচনার জন্য বিখ্যাত, তাঁর গ্রন্থ এটি নয়। D) শওকত ওসমান — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: চাচ্চা শব্দটির সঙ্গে মুজতবা আলীর রম্য রচনার শৈলী মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। রম্য রচনার রাজা সৈয়দ মুজতবা আলী লিখেছিলেন চাচ্চা কাহিনী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য রচনা ও ভ্রমণকাহিনী বারবার আসে। তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন দেশে বিদেশে ও জলে ছায়া ভালো করে পড়ে রাখবে।
21. কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিভীষিকা ১. কেন সঠিক: - বিভীষিকা বানানটিতে প্রথমে রস ই-কার, মধ্যাহ্ন-ণ-এর পরিবর্তে ন, দীর্ঘ ஈ-কার এবং ষ-এর পর রস ই-কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি অতৎসম শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ষ-এর ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের রূপ নির্ধারণ করা হয়। - এই শব্দটিতে সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে বিভীষিকা বানানে প্রথম ও শেষ বর্ণে ই-কার এবং মাঝের বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ও ষ যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথম ও শেষ বর্ণে হ্রস্ব উ-কার বসে। উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটির শেষাংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভীষীকা — ভুল বানানের কারণ এতে শেষাংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। B) বিভীষিকা — এটি সঠিক উত্তর। C) বীভিষিকা — ভুল বানানের কারণ এর শুরুতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। D) বীভিষীকা — ভুল বানানের কারণ এর শুরু ও শেষ উভয় স্থানেই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিভীষিকা বানানটি মনে রাখতে প্রথম ও শেষ অংশে হ্রস্ব ই-কার এবং মাঝের অংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয় এটি মাথায় রাখবে। - ষ-এর সঙ্গে সবসময় রস ই-কার যুক্ত হয় এবং ভ-এর ওপর দীর্ঘ ঈ-কার বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার এসেছে। - একই রকম অন্যান্য শুদ্ধ বানান যেমন পিপীলিকা ও মরীচিকা ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
22. 'ইনকিলাব' শব্দের অর্থ-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিপ্লব ১. কেন সঠিক: - ইনকিলাব একটি আরবি শব্দ যার শাব্দিক ও পরিভাষিক অর্থ হলো বিপ্লব বা পতন ও পরিবর্তন। - এটি সাধারণত কোনো পুরাতন বা বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তীব্র ও সফল গণঅভ্যুত্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ: - বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে যার মধ্যে আরবি ও ফারসি শব্দ অন্যতম। - ইনকিলাব শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর ভাবার্থ রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিবর্তন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইনকিলাব জিন্দাবাদ ব্যাখ্যা: এই স্লোগানের অর্থ বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক, যেখানে ইনকিলাব শব্দটি বিপ্লব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঐতিহাসিক ইনকিলাব মঞ্চ ব্যাখ্যা: বিভিন্ন সামাজিক বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ধরনের নামে ইনকিলাব শব্দটির বিপ্লব অর্থটি প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্দোলন — আন্দোলন শব্দের অর্থ কোনো দাবি আদায়ের বা প্রতিবাদের প্রক্রিয়া, যা ইনকিলাব শব্দের সরাসরি প্রতিশব্দ নয়। B) সন্ত্রাস — সন্ত্রাস শব্দের অর্থ আতঙ্ক বা ভীতি সৃষ্টি করা, যার সাথে বিপ্লব বা ইনকিলাবের কোনো মিল নেই। C) বিপ্লব — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইনকিলাব শব্দের অর্থ বিপ্লব। D) চিরন্তন — চিরন্তন শব্দের অর্থ যা সবসময় ছিল এবং থাকবে, যা ইনকিলাব শব্দের অর্থের বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানটি স্মরণ রাখলেই এর অর্থ বিপ্লব বিষয়টি সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। তাই পরিচিত বিদেশি শব্দগুলোর সঠিক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
23. বাংলা লিপির উৎস-
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাহ্মী লিপি ১. কেন সঠিক: প্রাচীন ভারতীয় লিপি ব্রাহ্মী লিপি থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা লিপির উৎপত্তি হয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহৃত ব্রাহ্মী লিপি মূলত উত্তর ও দক্ষিণ এই দুই ভাগে বিভক্ত হয় এবং উত্তর ভারতীয় শাখা থেকে বাংলা লিপির সৃষ্টি হয়। ২. ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস: বাংলা ভাষা ও লিপি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে আসেনি, বরং প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার স্তর ভেদ করে বাংলা লিপির রূপান্তর ঘটেছে। ভারতের প্রাচীনতম লিপি হলো ব্রাহ্মী লিপি, যা ডানদিক থেকে বামে লেখার খরোষ্টি লিপির বিপরীতে বাম দিক থেকে ডানে লেখার রীতি অনুসরণ করত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মী লিপির উত্তরী শাখা থেকে বাংলা লিপির পাশাপাশি দেবনাগরী লিপিরও বিকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি ব্যাখ্যা: পূর্ব ভারতীয় ব্রাহ্মী লিপি থেকে বাংলা লিপির সাথে ওড়িয়া ও অসমীয়া লিপিরও উদ্ভব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃতি লিপি — সংস্কৃত কোনো লিপির নাম নয়, এটি একটি ভাষা যার নিজস্ব কোনো লিপি নেই এবং এটি সাধারণত দেবনাগরী লিপিতে লেখা হয়। B) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর। C) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক এবং এর সাথে বাংলা বা ভারতীয় লিপিমালার কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক গোত্রের এবং ডান দিক থেকে বামে লেখা হয়, যা বাংলা লিপির উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্রাহ্মী লিপি হলো সকল ভারতীয় লিপির মূল উৎস। বাংলা লিপিকে মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে আমাদের বর্ণমালার মূল শেকড় হলো প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা বংশের এবং বাংলা লিপি ব্রাহ্মী লিপির বিবর্তিত রূপ।
24. 'আফতাব' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অর্ক ১. কেন সঠিক: 'আফতাব' একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ সূর্য। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'অর্ক' শব্দটির অর্থও সূর্য, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার থেকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই সব ভিন্ন রূপের শব্দ যা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সমার্থক শব্দগুলো মূলত তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে এসেছে। 'আফতাব' হলো একটি বিদেশি শব্দ (ফারসি), আর এর প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে বিভিন্ন তৎসম শব্দ যেমন অর্ক, রবি, ভাস্কর, দিবাকর ইত্যাদি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: তপন ব্যাখ্যা: তাপ উৎপন্ন করে বলে সূর্যকে তপন বলা হয়, যা আফতাব বা অর্ক শব্দের অন্যতম প্রমিত সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। B) রাতুল — রাতুল শব্দের অর্থ লাল বা রক্তিম, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। C) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র বা মহাসাগর, যা জল ধারণ করে এমন উৎস বোঝায়। D) অর্ক — অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য, যা আফতাব শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে এখানে নির্দেশিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে 'রবীন্দ্রনাথের' নাম এবং প্রকৃতির উপাদানের সাথে মেলাতে পারো। অর্ক, রবি, তপন, ভাস্কর, দিবাকর, ভানু ও আফতাব—সবগুলোর মূল অর্থই সূর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ বা তৎসম শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে বিদেশি শব্দ জিজ্ঞাসা করা হয়। এ ধরনের প্রশ্নে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করে সঠিক অপশনটি নির্বাচন করতে হয়।
25. Epic শব্দের পরিভাষা কী?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাকাব্য ১. কেন সঠিক: Epic শব্দের পরিভাষা হলো মহাকাব্য, যা মূলত বিশাল আকৃতির এক ধরনের পদ্যে রচিত বর্ণনামূলক দীর্ঘ কবিতাকে বোঝায়। এই জাতীয় কাব্যে কোনো বীরপুরুষের গৌরবময় জীবনগাথা বা জাতির কোনো ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক বীরত্বপূর্ণ ঘটনার বিশাল পরিসরে শিল্পসম্মত প্রকাশ ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকাব্য হলো সাহিত্যের একটি প্রাচীন ও ধ্রুপদী রূপ, যাতে দেব-দেবী ও মানুষের সংমিশ্রণে এক বিশাল কর্মযজ্ঞের পরিস্ফুটন ঘটে। বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য প্রথম সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ আধুনিক মহাকাব্য হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। উদাহরণ ২: মহাশ্মশান ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ রচিত মহাশ্মশান বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত মহাকাব্য, যার পটভূমি ছিল পানিপদের তৃতীয় যুদ্ধ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিংবদন্তি — কিংবদন্তি বলতে কোনো ঐতিহাসিক বা লোকজ চরিত্রকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা প্রচলিত জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী গল্পকে বোঝায়, যা Epic শব্দের সরাসরি পরিভাষা নয়। B) পুরাণ — পুরাণ হলো প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক কথামালার সংকলন, যা মূলত গদ্য বা পদ্যে রচিত ধর্মীয় ও সামাজিক উপাখ্যান। D) বিস্ময়কর কাহিনি — বিস্ময়কর কাহিনি একটি সাধারণ বর্ণনামূলক শব্দগুচ্ছ মাত্র, যা সাহিত্যিক পরিভাষার আওতাভুক্ত কোনো নির্দিষ্ট শিল্পরূপ নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্য পড়ার সময় মনে রাখবে যে হোমরের ইলিয়াড বা ভার্জিলের ইনিড হলো ক্লাসিক্যাল Epic বা মহাকাব্য। বাংলায় Epic শব্দ দেখলে সব সময় মহাকাব্য পরিভাষাটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ইংরেজি সাহিত্যিক পদের বাংলা রূপ মুখস্থ রাখতে হবে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি মেনে রচিত হয়েছে।

মোট প্রশ্ন (24)

1. Five miles ___ a long distance.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
2. 'Out and Out' means-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
4. 'A mental illness in which somebody has a strong desire, which they cannot control to steal things' is expressed by-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) kleptomania কেন সঠিক: - প্রশ্নে এমন একটি মানসিক রোগের কথা বলা হয়েছে যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির মধ্যে জিনিসপত্র চুরির তীব্র ও অপ্রতিরোধ্য ইচ্ছা কাজ করে। - চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই বিশেষ মানসিক অবস্থাকে ক্লিপ্টোমেনিয়া বা চুরির বাতিক বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) insomnia — এটি নিদ্রাহীনতা বা অপর্যাপ্ত ঘুমের সমস্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা চুরির বাতিকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) kleptomania — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হলো চুরির তীব্র বা অপ্রতিরোধ্য মানসিক রোগ। C) anemia — এটি রক্তস্বল্পতা বা দেহে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিজনিত শারীরিক অবস্থাকে বোঝায়। D) amnesia — এটি স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া বা স্মৃতিভ্রম সংক্রান্ত একটি স্নায়বিক সমস্যা। মনে রাখার টিপস: মোনিয়া বা ম্যানিয়া শব্দাংশটি কোনো বিশেষ মানসিক বা আচরণগত আসক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
5. Come on, it's time to go home. Here 'home' is a/ an-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverb কেন সঠিক: - এখানে 'home' শব্দটি 'go' ভার্বটিকে মডিফাই করেছে এবং কোথায় যেতে হবে তার স্থান নির্দেশ করেছে। - ভার্বকে স্থান বা কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা মূলত Adverb of Place হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না, বরং ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করছে। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝাচ্ছে না। C) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ভার্বের স্থান নির্দেশক হিসেবে কাজ করেছে। D) pronoun — এটি কোনো noun-এর পরিবর্তে বসেনি, তাই এটি pronoun হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: go বা come জাতীয় verb-এর ঠিক পরে কোনো Preposition ছাড়া home বসলে তা সবসময় Adverb হয়।
7. Which one is correct?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Here he comes কেন সঠিক: - 'Here' বা 'There' দিয়ে কোনো বাক্য শুরু হলে এবং সাবজেক্ট যদি কোনো প্রোনাউন হয়, তবে ইনভার্শন বা উল্টো নিয়ম প্রযোজ্য হয় না। - অর্থাৎ, সাবজেক্ট প্রোনাউন (he) ہونے پر ভার্ব সাবজেক্টের পরে বসে, তাই সঠিক গঠন হলো Here he comes। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Here come he — এখানে সাবজেক্ট he প্রোনাউন হওয়া সত্ত্বেও ভার্ব আগে এবং সাবজেক্ট পরে দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Here comes he — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও, 'Here' দিয়ে শুরু বাক্যে সাবজেক্ট প্রোনাউন হলে ভার্ব সাবজেক্টের পরে বসে, তাই এটি সঠিক বাক্য গঠন নয়। C) Here he comes — এটি সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত বাক্য, যেখানে প্রোনাউন সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসেছে। D) Here come Alians. — এখানে আলিয়ান্স শব্দটি বহুবচন নাউন হলেও বানানে ভুল আছে (Aliens হবে) এবং সাবজেক্ট নাউন হলে ইনভার্শন নিয়ম প্রযোজ্য হলেও বানান ত্রুটির কারণে এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Here বা There থাকলে সাবজেক্ট নাউন হলে ভার্ব আগে আসে (Here comes the bus), কিন্তু সাবজেক্ট প্রোনাউন হলে সাবজেক্ট আগে এবং ভার্ব পরে বসে (Here it comes)।
8. 'Whom did she accuse?' Choose the right passive voice.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Who was accused by her? কেন সঠিক: - interrogative pronoun whom যুক্ত active voice কে passive করার সময় whom এর পরিবর্তে শুরুতে who বসে। - বাক্যটি past indefinite tense এ থাকায় tense অনুযায়ী auxiliary verb হিসেবে was এবং মূল verb এর past participle రూప বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who was accused by her? — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। B) Who had been accused by her? — প্রদত্ত বাক্যটি past indefinite tense এ আছে, কিন্তু এটি past perfect tense এর গঠন নির্দেশ করে। C) Who was being accused by her? — এটি past continuous tense এর গঠন, যা মূল বাক্যের tense এর সাথে মিলে না। D) Who has been accused by her? — এটি present perfect tense এর গঠন, যা মূল বাক্যের past indefinite tense কে প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Active voice এ whom থাকলে passive voice এ শুরুতে who বসে এবং tense অনুযায়ী am is are অথবা was were বসে।
10. 'Quorum' fits best with the meaning.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) required number কেন সঠিক: - কোরাম একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ কোনো সভা বা কমিটির বৈধতা পাওয়ার জন্য উপস্থিত সদস্যদের ন্যূনতম বা প্রয়োজনীয় সংখ্যা। - কোনো সভার কার্যক্রম আইনগতভাবে শুরু বা বহাল রাখার জন্য এই নির্দিষ্ট সংখ্যার সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) required number — এটি সঠিক কারণ কোরাম বলতে সভার বৈধতার জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম সদস্য সংখ্যাকে বোঝায়। B) allowed number — এটি ভুল কারণ এটি অনুমোদিত বা সর্বোচ্চ সংখ্যা বোঝায়, যা কোরামের সংজ্ঞার সাথে মিলে না। C) number — এটি ভুল কারণ এটি যেকোনো সাধারণ সংখ্যা বোঝায়, যেখানে কোরাম একটি নির্দিষ্ট ন্যূনতম সংখ্যা নির্দেশ করে। D) additional number — এটি ভুল কারণ এটি অতিরিক্ত বা বাড়তি সংখ্যা বোঝায়, যা সভার পূর্বশর্ত বা কোরাম নয়। মনে রাখার টিপস: কোরাম শব্দ দেখলে মনে রাখবে সভা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় বা বাধ্যতামূলক সদস্য সংখ্যা।
14. He advised me ___ smoking.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to give up কেন সঠিক: - Advise verb-টির পর Object থাকলে এরপর Infinitive বা to + verb ব্যবহৃত হয়। - Give up অর্থ বর্জন করা বা ত্যাগ করা, যা ধূমপান ছাড়ার ক্ষেত্রে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from giving up — Advise verb-এর পর সরাসরি from + gerund বসার নিয়ম ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) in giving up — Advise verb-এর পর in + gerund ব্যবহৃত হয় না। D) giving — Infinitive বা to না থাকায় এটি এখানে grammatically অসম্পূর্ণ ও ভুল। মনে রাখার টিপস: Advise-এর পর object থাকলে এরপর সরাসরি to + verb (infinitive) বসাতে হয়।
15. Fill in the blank: Turjo ___ the tree with an axe.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Appropriate Preposition / Group Verb) সঠিক উত্তর: A) cut down কেন সঠিক: - 'Cut down' একটি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু কেটে মাটিতে ফেলে দেওয়া। - গাছ বা এই জাতীয় বস্তু কুঠার বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলা বোঝাতে 'cut down' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cut down — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। B) cut off — এর অর্থ কোনো অংশ কেটে বিচ্ছিন্ন করা, যা সম্পূর্ণ গাছ কাটার ক্ষেত্রে বসে না। C) cut out — এর অর্থ কোনো বস্তু থেকে কোনো অংশ কেটে বাদ দেওয়া বা প্রস্তুত করা। D) cut in — এর অর্থ কথার মাঝে বাধা দেওয়া বা হঠাৎ ঢুকে পড়া, যা গাছের ক্ষেত্রে অসম্ভব। মনে রাখার টিপস: গাছ বা ভারী কিছু কুঠার দিয়ে কেটে মাটিতে নামিয়ে ফেলা বোঝালে 'cut down' ব্যবহার করতে হয়।
17. Choose the correct sentence.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Though he is strong, he is lazy কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Though বা Although যুক্ত ক্লজের পর Coordinating conjunction যেমন but ব্যবহার করা যায় না। - Though যুক্ত জটিল বাক্যের দুটি অংশের মাঝে শুধু কমা (,) বসিয়ে বাক্যটি সম্পন্ন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Though he is strong but he is lazy — Though এর সাথে but ব্যবহৃত হয় না কারণ দুটি একই অর্থে একই বাক্যে বসেredundancy তৈরি করে। B) Though he is strong, he is lazy — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এতে কমার সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে। C) Though he is strong, yet he is lazy — যদিও নিয়ম অনুযায়ী yet ব্যবহার করা যায়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Though এর সাথে কমা ব্যবহার করাই সবচেয়ে স্ট্যান্ডার্ড ও গ্রহণযোগ্য। D) Though he is strong or he is lazy — or conjunction টি এই বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ অসংগত ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Though বা Although থাকলে বাক্যের মাঝে but বসে না, কেবল কমা (,) বসে।
18. 'Procession' is a ___ term.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) religious কেন সঠিক: - 'Procession' বা শোভাযাত্রা সাধারণত বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, পূজা বা আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। - বাংলা ও ইংরেজি উভয় সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে শব্দটির বহুল ব্যবহার ধর্মীয় অনুশাসন ও উৎসব উদযাপনের ক্ষেত্রে দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mythological — এটি পৌরাণিক বা কাল্পনিক কোনো বিষয় নির্দেশ করে না, কারণ প্রসেসন একটি বাস্তব সামাজিক ও ধর্মীয় চর্চা। B) religious — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি ধর্মীয় শোভাযাত্রা বা মিছিলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) political — রাজনৈতিক মিছিল বা শোভাযাত্রার ক্ষেত্রে সাধারণত 'rally' বা 'demonstration' শব্দটি বেশি উপযোগী। D) banking — ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে এই শব্দটির কোনো দূরতম সম্পর্ক বা আর্থিক লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় উৎসব বা মিছিলে শোভাযাত্রা থাকে, তাই প্রসেসন শব্দটি মূলত ধর্মীয় বা রিলিজিয়াস টার্ম হিসেবে মনে রাখতে হবে।
19. Fill in the blanks: She aspires ___ a scientific career.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
21. Class : Student-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Team : Player কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে শব্দের জোড়ার মধ্যে সমষ্টি এবং তার সদস্যের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে। - অনেকগুলো স্টুডেন্ট নিয়ে যেমন একটি ক্লাস গঠিত হয়, তেমনি অনেকগুলো প্লেয়ার নিয়ে একটি টিম গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Team : Player — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সমষ্টি এবং উপাদানের সম্পর্ক পুরোপুরি মিলে যায়। B) Meeting : Teacher — এখানে মিটিং এবং শিক্ষকের সম্পর্ক ক্লাস এবং স্টুডেন্টের মতো সমষ্টি ও উপাদানের সম্পর্ক নয়। C) Common : Ordinary — এখানে দুটি শব্দ একে অপরের সমার্থক বা পরিপূরক, যা গঠনগত সম্পর্কের সঙ্গে মেলে না। D) Bird : Beast — এখানে দুটি ভিন্ন শ্রেণীর প্রাণী বোঝানো হয়েছে, যার সাথে সমষ্টি বা সদস্যের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দের জোড়া মেলানোর সময় সমষ্টি এবং তার একক সদস্যের সম্পর্কটি খেয়াল রাখবে।
22. The antonym of the word 'baddy'.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
24. Choose the direct speech of the sentence: She told me to stand up.
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She said to me, "Stand up." কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় Indirect থেকে Direct করার সময় reporting verb হিসেবে said to ব্যবহার করতে হয়। - বক্তার মূল বক্তব্য আদেশসূচক হওয়ায় inverted comma-র ভেতরে মূল verb দিয়ে বাক্য শুরু হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She said, "Do stand up." — এই অপশনে বক্তার বক্তব্য জোর দেওয়ার জন্য Do ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে হুবহু মেলে না। B) She said to me, "Stand up." — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি মূল বাক্যের সঠিক Direct Speech রূপ প্রকাশ করে। C) She told, "Stand up." — এই অপশনে told-এর পর অবজেক্ট (me) অনুপস্থিত রয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) She said me, "Stand up." — এই অপশনে said-এর পর সরাসরি অবজেক্ট বসানো হয়েছে, যেখানে সঠিক নিয়ম হলো said to me লেখা। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence-এ told-কে তুলে দিয়ে said to লিখতে হয় এবং অবজেক্ট ঠিক রাখতে হয়।

মোট প্রশ্ন (19)

1. x⁴ - 3x - 2 কে x + 1 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো f(x) = x^৪ − ৩x − ২ ভাজক হলো x + ১ ধরি, x + ১ = ০ সুতরাং x = −১ অতএব, ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে ভাগশেষ হবে f(−১) f(−১) = (−১)^৪ − ৩(−১) − ২ সুতরাং, f(−১) = ১ + ৩ − ২ f(−১) = ৪ − ২ = ২ উত্তর: ২
2. সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (√৩ / ৪) a² প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a ধরি, ত্রিভুজটির ভূমির দৈর্ঘ্য = a ত্রিভুজটির উচ্চতা = h অতএব, পিথারাসের উপপাদ্য অনুসারে উচ্চতা, h = (√৩ / ২) a সুতরাং, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ / ২) × ভূমি × উচ্চতা = (১ / ২) × a × ((√৩ / ২) a) উত্তর: (√৩ / ৪) a²
4. 0.01 × 0.01 = ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
5. 9ˣ⁺² = 81 হলে x = ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
6. A = 30° হলে (2 tan A) / tan² A = ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
7. log₅ ∛5 = ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
8. (a/b) + (b/a) = 6 হলে (a²/b²) + (b²/a²) + 2 এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, (a ÷ b) + (b ÷ a) = ৬ ধরি, (a ÷ b) = x এবং (b ÷ a) = y অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই, ((a ÷ b) + (b ÷ a)) বর্গ = (৬) বর্গ সুতরাং, (a স্কয়ার ÷ b স্কয়ার) + (b স্কয়ার ÷ a স্কয়ার) + ২ = ৩৬ উত্তর: ৩৬
9. log₂64 + log₂8 এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
11. কোন সংখ্যার ৩৭% হ্রাস পেলে ৩/৮ হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫/৪২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির ৩৭% হ্রাসের পর অবশিষ্ট মান = ৩/৮ ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক ধরি, সংখ্যাটি থেকে তার ৩৭% বাদ দেওয়া হলো শর্তমতে, ক এর (১০০% − ৩৭%) = ৩/৮ অর্থাৎ, ক এর ৬৩% = ৩/৮ অতএব, ক × (৬৩ ÷ ১০০) = ৩/৮ ক × (৬৩ ÷ ১০০) = ৩/৮ ক = (৩ ÷ ৮) × (১০০ ÷ ৬৩) সুতরাং, ক = (৩ × ১০০) ÷ (৮ × ৬৩) ক = ৩০০ ÷ ৫০৪ লঘুিষ্ঠ করলে পাই, ক = ২৫ ÷ ৪২ উত্তর: ২৫/৪২
14. ৯০ কোন সংখ্যার ৭৫%?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

মোট প্রশ্ন (22)

1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০১৬ এর-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নভেম্বর কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী প্রতি চার বছর অন্তর নভেম্বর মাসের প্রথম সোমবারের পরের মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেপ্টেম্বর — এই মাসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কোনো সাংবিধানিক নিয়ম নেই। B) অক্টোবর — মার্কিন নির্বাচনী আইন অনুযায়ী এই মাসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় না। C) নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ মার্কিন নির্বাচন নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এই মাসেই অনুষ্ঠিত হয়। D) ডিসেম্বর — এই মাসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয় না, বরং এই সময়ে ইলেকটোরাল কলেজ ভোট প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: মার্কিন নির্বাচন মনে রাখতে মনে রাখুন এটি সাধারণত নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়।
2. জাতিসংঘের পতাকায় কোন দুটি রং আছে?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) নীল ও সাদা কেন সঠিক: - জাতিসংঘের পতাকার মূল রঙ হালকা নীল এবং এর মধ্যস্থলে বিশ্ব মানচিত্রের লোগোটি সাদা রঙের। - ১৯৪৬ সালের অক্টোবর মাসে এই নকশাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল ও লাল — জাতিসংঘের পতাকায় লাল রঙের কোনো ব্যবহার নেই। B) নীল ও সাদা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) লাল ও সাদা — এই দুটি রঙ জাতিসংঘের পতাকার জন্য নির্ধারিত নয়। D) সবুজ ও সাদা — এই রঙের সংমিশ্রণ জাতিসংঘের পতাকায় ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: আকাশের মতো নীল পতাকায় শান্তির প্রতীক সাদা রঙের বিশ্বমানচিত্র আঁকা থাকে।
4. বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি কেন সঠিক: - আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র। - এর মোট আয়তন মাত্র শূন্য দশমিক চার চার বর্গকিলোমিটার এবং এটি রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি একটি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র হলেও ভ্যাটিকান সিটির মতো বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ নয়। B) পাপুয়া নিউগিনি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি বড় দেশ এবং এর আয়তন অনেক বেশি। C) ভ্যাটিকান সিটি — এটি সঠিক উত্তর। D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি মাঝারি আকারের দেশ এবং এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: ভ্যাটিকান হলো পোপের নগরী, যা আয়তনে সবচেয়ে ছোট।
8. মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রিংগিত কেন সঠিক: - মালয়েশিয়ার সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম রিংগিত। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম, মালয়েশিয়ার নয়। B) রিংগিত — এটি সঠিক উত্তর। C) ইয়েন — এটি জাপানের মুদ্রার নাম। D) দিনার — এটি কুয়েত ও জর্ডানসহ কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশের মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর এবং মুদ্রা রিংগিত।
11. ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি-
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জগদীপ ধনখড় কেন সঠিক: - জগদীপ ধনখড় ভারতের চতুর্দশ উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান। - তিনি ২০২২ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল কালাম — এপিজে আবুল কালাম ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি ছিলেন, উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। B) হামিদ আনসারী — তিনি ভারতের দ্বাদশ উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন, বর্তমান উপ-রাষ্ট্রপতি নন। C) ফারুক আব্দুল্লাহ — তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, উপ-রাষ্ট্রপতি নন। D) জগদীপ ধনখড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বর্তমান ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি। মনে রাখার টিপস: ধনীর ধন দিয়ে ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি পদটি দখল করেছেন জগদীপ ধনখড়।
12. বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষদের নিজস্ব বর্ণমালা ও ভাষা আছে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলোই কেন সঠিক: - বাংলাদেশের চাকমা, রাখাইন ও মনিপুরী এই তিনটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষেরই নিজস্ব কথ্য ভাষা এবং নিজস্ব বর্ণমালা বা লিপি রয়েছে। - এই জাতিগোষ্ঠীগুলো তাদের নিজ ভাষার বর্ণমালা টিকিয়ে রাখতে নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চা ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকমা — চাকমা নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও 'ওঝপাঠ' বা 'চাকমা' নামক নিজস্ব বর্ণমালা থাকলেও এই অপশনটি একা সঠিক নয় কারণ অন্য অপশনগুলোরও নিজস্ব বর্ণমালা আছে। B) রাখাইন — রাখাইন সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা এবং নিজস্ব বর্ণমালা বিদ্যমান রয়েছে, যা কেবল এই অপশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। C) মনিপুরী — মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা এবং 'মেইতেই লোকেন' নামক নিজস্ব প্রাচীন লিপি বা বর্ণমালা রয়েছে, যা অন্য অপশনের সাথে মিলে যায়। D) সবগুলোই — প্রদত্ত প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরই নিজস্ব বর্ণমালা ও ভাষা থাকায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের যেসব প্রধান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা রয়েছে, তাদের মধ্যে চাকমা, রাখাইন ও মনিপুরী সবাই অন্তর্ভুক্ত।
18. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের সেক্টরের সংখ্যা ছিল-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি ভৌগোলিক সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। - এই ১১টি সেক্টরের বাইরেও কিছু বিশেষ সাব-সেক্টর এবং গেরিলা বাহিনী গঠন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯টি — ৯টি সেক্টর সঠিক নয় কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না। B) ১০টি — ১০টি সেক্টর সঠিক নয় কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর এবং মোট সেক্টর ছিল ১১টি। C) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ১২টি — ১২টি সেক্টর সঠিক নয় কারণ মুক্তিযুদ্ধের মোট সেক্টর সংখ্যা ১২টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: এক এক মিলে হয় এগারো, মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরও ছিল ঠিক এগারোটি।
19. বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর ধারা ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। - যুদ্ধ ঘোষণা ব্যতীত দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেনাবাহিনী প্রধান — তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, কিন্তু সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নন। B) প্রতিরক্ষা মন্ত্রী — সাধারণত প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী এই দায়িত্ব পালন করেন, কিন্তু সাংবিধানিকভাবে তিনি সর্বাধিনায়ক নন। C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, কিন্তু সর্বাধিনায়ক পদটি রাষ্ট্রপতির। D) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং সংবিধানের বিধান অনুযায়ী প্রণীত। মনে রাখার টিপস: সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ব্যক্তি হিসেবে রাষ্ট্রপতির নাম মনে রাখুন এভাবে যে, রাষ্ট্রের প্রধানই হলেন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
20. ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্জনের জন্য ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। - বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ হিসেবে পরিচিত এই ছয় দফা আন্দোলন পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ প্রশস্ত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ কে ফজলুল হক — তিনি ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক এবং কৃষক প্রজাপার্টি ও যুক্তফ্রন্টের নেতা ছিলেন, কিন্তু ছয় দফা ঘোষণা করেননি। B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি প্রখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে ছয় দফা কর্মসূচির সঙ্গে তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল না। C) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) মাওলানা ভাসানী — তিনি একজন বিশিষ্ট বামপন্থী রাজনীতিবিদ ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির নেতা ছিলেন, কিন্তু ছয় দফা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা মানেই বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দাবি, যা ১৯৬৬ সালে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।

মোট প্রশ্ন (4)

1. ক্যান্সার চিকিৎসায় কোনটি ব্যবহার করা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কেমোথেরাপি ১. কেন সঠিক: - কেমোথেরাপি হলো এমন এক ধরনের ওষুধভিত্তিক চিকিৎসা যা দ্রুত বিভাজনশীল ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস করে। - ক্যান্সার কোষে স্বাভাবিক কোষের চেয়ে দ্রুত বিভাজিত হওয়ার প্রবণতা থাকে এবং এই ওষুধ সেই প্রক্রিয়া থামিয়ে দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কেমোথেরাপি হলো ক্যানসার সেল বা টিউমার কোষ ধ্বংস করার রাসায়নিক প্রতিষেধক বা ঔষধি চিকিৎসা। - কার্যপ্রণালি: এই শক্তিশালী ওষুধগুলো রক্তের মাধ্যমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং শরীরের যেখানেই ক্যান্সার কোষ রয়েছে সেগুলোকে আক্রমণ করে। - কারণ ও ফলাফল: ক্যান্সার কোষগুলোর অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হওয়ার ক্ষমতা থাকে, কেমোথেরাপি সেই কোষগুলোর ডিএনএ নষ্ট করে তাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রেস্ট ক্যান্সারের চিকিৎসায় অপারেশন বা সার্জারির পর অবশিষ্ট ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে কেমোথেরাপি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যে কোনো সূক্ষ্ম ক্যান্সার কোষ শরীরে বেঁচে থেকে যেন পুনরায় রোগ ছড়াতে না পারে। উদাহরণ ২: ব্লাড ক্যান্সার বা লিম্ফোমার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি মূল চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: রক্তের মাধ্যমে সম্পূর্ণ শরীরে ওষুধ ছড়িয়ে পড়ায় এটি সারা শরীরে ছড়িয়ে থাকা রক্তকণিকার ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এমআরআই — এটি একটি রোগ নির্ণয় বা ইমেজিং পদ্ধতি, যার মাধ্যমে শরীরের ভেতরের অঙ্গের বিস্তারিত ছবি দেখা যায় কিন্তু এটি কোনো চিকিৎসা নয়। B) কেমোথেরাপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। C) এনজিওগ্রাফি — এটি হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে কোনো ব্লক বা জটিলতা আছে কি না তা পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) আল্ট্রাসোনোগ্রাফি — এটি উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে পেটের ভেতরের অঙ্গ বা গর্ভস্থ ভ্রূণ পরীক্ষার একটি ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক দিয়ে ক্যান্সার এবং ক দিয়ে কেমোথেরাপি মনে রাখলে পরীক্ষা হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি আলাদা করা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি এবং চিকিৎসার পদ্ধতি আলাদা করতে পারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রায়ই এমআরআই বা আল্ট্রাসোনোগ্রাফি কোন কাজে লাগে তা নিয়েও আলাদা প্রশ্ন আসতে পারে।
3. টিউব লাইটে সাধারণত কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আর্গন *(বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'নাইট্রোজেন' বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। টিউব লাইটে সাধারণত নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন এবং এর সাথে পারদ বাষ্প ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তরটি সংশোধন করে 'আর্গন' হিসেবে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো।)* ১. কেন সঠিক: - টিউব লাইটের ভেতর খুব কম চাপে আর্গন গ্যাস এবং সামান্য পরিমাণ পারদ বাষ্প ব্যবহার করা হয়। - আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হওয়ায় এটি বিদ্যুতের প্রবাহে সাহায্য করে এবং ফিলামেন্টের জীবনকাল বৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: টিউব লাইট বা ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্প হলো এক ধরনের গ্যাস ডিসচার্জ ল্যাম্প। - কার্যপ্রণালি: এর দুই প্রান্তের ইলেকট্রোডের মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে ভিতরের গ্যাস আয়নিত হয় এবং পারদ বাষ্প থেকে অতিবেগুনি রশ্মি উৎপন্ন হয়। - কারণ ও ফলাফল: এই অতিবেগুনি রশ্মি টিউবের গায়ে লাগানো ফসফরের স্তরে আঘাত করে দৃশ্যমান আলো তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্ব ব্যাখ্যা: টাংস্টেন ফিলামেন্ট যেন পুড়ে না যায়, সেজন্য সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরেও আর্গন বা নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নিয়ন সাইন বোর্ড ব্যাখ্যা: বিজ্ঞাপনের বোর্ডে গ্যাস ডিসচার্জের মাধ্যমে আলো তৈরির কাজে নিয়ন বা অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি অত্যন্ত দাহ্য এবং হালকা গ্যাস হওয়ায় টিউব লাইটে ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। B) আর্গন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং টিউব লাইটে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়। C) নিয়ন — এটি রঙিন আলোর বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ডে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ টিউব লাইটে নয়। D) নাইট্রোজেন — এটি মূলত নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, তবে টিউব লাইটের মূল কার্যকারিতায় আর্গন গ্যাসের ব্যবহার প্রধান। ৫. মনে রাখার টিপস: টিউব লাইটের মতো নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যায় সারণির আর্গন মৌলটিকে মনে রাখতে হবে। টিউব লাইটে সাধারণত আর্গন গ্যাস এবং পারদ বাষ্পের মিশ্রণ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টিউব লাইট বা ফ্লুরোসেন্ট বাল্বের আলোর উৎস হলো এর ভেতরের পারদ বাষ্প এবং ফসফরের প্রলেপ। এই প্রশ্নটি সাধারণ বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের আলো অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
4. কোনটি সোয়াইন ফ্লু এর ভাইরাস?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) H₁N₁ ১. কেন সঠিক: - সোয়াইন ফ্লু হলো একটি সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রের রোগ যা ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট স্ট্রেন দ্বারা ছড়ায়। - এই ভাইরাসের গায়ে হিমোগ্লুটিনিন এবং নিউরামিনিডেস নামক প্রোটিন থাকে যার সংখ্যা ১ এবং ১ হওয়ায় একে H₁N₁ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞানের আওতায় ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস মূলত অর্থোমাইকসোভিরাইডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি আরএনএ ভাইরাস। - কার্যপ্রণালি: এই ভাইরাসটি মানুষের শ্বাসনালীর কোষে আক্রমণ করে এবং দ্রুত বংশবিস্তার করে রোগ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৯ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী ব্যাখ্যা: এই মহামারীটি H₁N₁ ভাইরাসের একটি নতুন রূপের কারণে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল। উদাহরণ ২: সাধারণ ঋতুভিত্তিক ফ্লু ব্যাখ্যা: সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের মধ্যেও বিভিন্ন মিউটেশন ঘটে এবং এটিও সোয়াইন ফ্লু এর মতো ড্রপলেট infections এর মাধ্যমে ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) H₂N₁ — এই বিন্যাসের কোনো প্রধান সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস প্রচলিত বা স্বীকৃত নয়। B) N₁H₁ — প্রতীকগুলোর সঠিক ক্রম হলো প্রথমে হিমোগ্লুটিনিন এবং পরে নিউরামিনিডেস, তাই এই ক্রমটি ভুল। C) H₁N₁ — এটি সোয়াইন ফ্লু সৃষ্টিকারী ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক স্ট্রেনের নাম। ডি) HN — এটি একটি অসম্পূর্ণ এবং ভুল বৈজ্ঞানিক সংকেত কারণ এতে প্রোটিনের নির্দিষ্ট উপাদানের সংখ্যা উল্লেখ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোয়াইন ফ্লু মনে রাখতে এসইউআইএন শব্দের সঙ্গে এইচ ওয়ান এন ওয়ান মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের নাম লেখার সময় সবসময় প্রথমে এইচ এবং পরে এন অক্ষর ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি সাধারণত রোগ জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ এবং অণুজীববিজ্ঞান অংশ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - এখান থেকে পাখির ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাস কোনটি, যেমন এইচ ৫ এন ১, তাও জেনে রাখা ভালো।

মোট প্রশ্ন (3)

1. 'RAM' means-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) random-access memory ১. কেন সঠিক: RAM-এর পূর্ণরূপ হলো random-access memory যার বাংলা অর্থ হলো দৈবচয়নভিত্তিক স্মৃতি। এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি হিসেবে কাজ করে এবং প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা সরবরাহ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: RAM হলো কম্পিউটারের এমন একটি অস্থায়ী মেমোরি যেখানে চলমান প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িক জমা থাকে। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় প্রসেসর সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং লেখে। বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ভোলাটাইল বা উবে যাওয়া মেমোরি যার অর্থ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এর ভেতরের সব ডেটা মুছে যায়। ব্যবহার: আমরা যখন কোনো সফটওয়্যার চালাই বা ব্রাউজারে ট্যাব খুলি, তখন তা RAM-এ জমা হয়। পার্থক্য: স্থায়ী মেমোরি যেমন হার্ডডিস্ক বা এসএসডি হলো নন-ভোলাটাইল, কিন্তু RAM হলো ভোলাটাইল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল ওপেন করা। ব্যাখ্যা: ফাইলটি খোলার সময় হার্ডডিস্ক থেকে RAM-এ চলে আসে যাতে প্রসেসর দ্রুত কাজ করতে পারে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে একাধিক অ্যাপ একসঙ্গে চালু রাখা। ব্যাখ্যা: ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা অ্যাপগুলো RAM-এ সক্রিয় থাকে বলেই আমরা দ্রুত এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে যেতে পারি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) random-access memory — এটি সঠিক পূর্ণরূপ এবং প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক। B) read and memorize — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ RAM মুখস্থ করার কোনো ডিভাইস নয়, এটি ডেটা রিড ও রাইট করে। C) reading and money — এটি সম্পূর্ণ হাস্যকর ও অর্থহীন অপশন যা মেমোরির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) real African monkey — এটি একটি কাল্পনিক ও প্রাণিসম্পর্কিত শব্দ যা কম্পিউটার প্রযুক্তির সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: RAM কথাটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এর পূর্ণরূপ মুখস্থ রাখা। মনে রাখবে RAM মানে হলো এমন স্মৃতি যেখানে যেকোনো স্থান থেকে সরাসরি বা দৈবচয়নে ডেটা পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার গতিশীল রাখতে RAM-এর ধারণক্ষমতা তথা গিগাবাইট বা জিবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই RAM ও ROM-এর পার্থক্য বা RAM কোন ধরনের মেমোরি (ভোলাটাইল কি না) তা জানতে চাওয়া হয়।
2. সকল নেটওয়ার্কের জননী কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্টারনেট ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেটকে সকল নেটওয়ার্কের জননী বা নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলা হয় কারণ এটি সারা বিশ্বের শত শত কোটি ছোট-বড় নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে গড়ে উঠেছে। এটি ইন্টারনাল নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সারা বিশ্বের কম্পিউটারগুলোকে পরস্পর যোগাযোগ করতে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইন্টারনেট হলো গ্লোবাল বা বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের একটি বিশাল কাঠামো, যা টিসিপি বা আইপি প্রোটোকল সুইটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ডেটা ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে দ্রুত প্রেরণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কম্পিউটার ল্যাব তার নিজস্ব লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে লন্ডনের একটি সার্ভার থেকে গবেষণা ডেটা ডাউনলোড করছে। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট নামক বিশ্বজনীন কাঠামোর সহায়তা নিয়ে দূরবর্তী কোনো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। উদাহরণ ২: আপনার মোবাইল ফোনটি ওয়াইফাই বা মোবাইল ডেটা ব্যবহার করে ফেসবুক বা গুগল সার্ভার থেকে তথ্য আদান-প্রদান করছে। ব্যাখ্যা: এখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক বা আইএসপি ইন্টারনেট ব্যাকবোনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বৈশ্বিক তথ্যের ভাণ্ডারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে পাঠানো একটি বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমমাত্র, কোনো নেটওয়ার্কের ভিত্তি বা জননী নয়। B) ইন্টারনেট — এটি সঠিক উত্তর। C) মোবাইল — এটি ব্যক্তিগত যোগাযোগের একটি তারহীন টেলিযোগাযোগ মাধ্যম এবং ডিভাইস, যা নেটওয়ার্কের অংশ হলেও নিজেই নেটওয়ার্কের জননী নয়। D) টেলিফোন — এটি মূলত ভয়েস যোগাযোগের একটি ঐতিহ্যবাহী মাধ্যম, যা আধুনিক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের পূর্বসূরি হলেও বর্তমান ইন্টারনেটের সমার্থক বা জননী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট কথাটির অর্থ ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক বা বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক। সকল নেটওয়ার্কের জন্মদাতা বা জননী হিসেবে একে ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক মূলত চার প্রকার, যেমন ল্যান, ম্যান, ওয়্যান এবং প্যান। ইন্টারনেট হলো সবচেয়ে বড় ওয়ান বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের বাস্তব রূপ।
3. ক্যাসেটের ফিতার শব্দ রক্ষিত থাকে কী হিসাবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চুম্বক হিসেবে ১. কেন সঠিক: - ক্যাসেটের ফিতা বা ম্যাগনেটিক টেপ ডেটা সংরক্ষণের জন্য চুম্বকত্ব বা ম্যাগনেটিজম নীতি ব্যবহার করে। - এই ফিতার ওপর ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থের প্রলেপ থাকে যা চুম্বকীয়করণের মাধ্যমে শব্দ বা ডেটা সংরক্ষণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ম্যাগনেটিক টেপ হলো প্লাস্টিকের ফিতার ওপর চুম্বকীয় উপাদানের প্রলেপযুক্ত স্টোরেজ মাধ্যম। - কার্যপদ্ধতি: রেকর্ডিং হেডের মাধ্যমে তড়িৎ চৌম্বকীয় প্রভাবে ফিতার উপরিভাগে থাকা ছোট ছোট কণাগুলোকে নির্দিষ্ট দিকে চুম্বকায়িত করে শব্দ সংরক্ষণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অডিও ক্যাসেট প্লেয়ার ব্যাখ্যা: ক্যাসেট প্লেয়ারে টেপ ঘোরার সময় হেড চুম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তন করে গান বা কথা বাজায়। উদাহরণ ২: ভিডিও টেপ বা ভিএইচএস ব্যাখ্যা: একই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও সিগন্যাল ফিতার ওপর চুম্বকীয় রূপেই জমা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে — বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র সরাসরি ফিতায় দীর্ঘস্থায়ী শব্দ ধরে রাখে না, এটি চার্জ সংরক্ষণে কাজ করে। B) মেমোরিচিপ হিসেবে — মেমোরিচিপ হলো সেমিকন্ডাক্টর ভিত্তিক স্থায়ী বা অস্থায়ী বৈদ্যুতিক সার্কিট, যা ক্যাসেটে থাকে না। C) কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে — কার্বন মাইক্রোফোনে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি ক্যাসেটের ফিতায় শব্দ সংরক্ষণের প্রধান মাধ্যম নয়। D) চুম্বক হিসেবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্যাসেটের ফিতা চুম্বকীয়করণের মাধ্যমে শব্দ সংরক্ষণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্যাসেট মানেই ম্যাগনেটিক টেপ বা চুম্বকীয় ফিতা। - যেখানেই ফিতা বা ডিস্কের কথা থাকবে, ধরে নিতে হবে সেটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ম্যাগনেটিক টেপ হলো সিকোয়েনশিয়াল অ্যাক্সেস মেমোরির একটি ক্লাসিক উদাহরণ। - হার্ড ডিস্ক বা ফ্লপি ডিস্কেও চুম্বকীয় মাধ্যম ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (3)

1. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের ভূমি উঁচু?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর অঞ্চল ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি প্রধানত সমতল হলেও উত্তর অঞ্চলের ভূমি বাকি অংশের তুলনায় উঁচু। এই অঞ্চলে প্লাইস্টোসিন চত্বরের বরেন্দ্রভূমি অবস্থিত, যা প্রাচীন আমলের লাল মাটি দিয়ে গঠিত এবং উচ্চতার কারণে এখানে সহজে বন্যা হয় না। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে এই উঁচু ভূখণ্ডটি বিস্তৃত। বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের মাটি সাধারণত লালচে এবং অম্লত্বযুক্ত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বরেন্দ্রভূমি। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের একটি প্রধান প্রাচীন ভূখণ্ড যা তুলনামূলক উঁচু। উদাহরণ ২: দিনাজপুর ও রংপুর জেলার উচ্চভূমি। ব্যাখ্যা: এই জেলাগুলোর ভূপ্রকৃতি সমতল হলেও সাধারণ প্লাবনভূমির চেয়ে কিছুটা উঁচুতে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ অঞ্চল — এই অঞ্চলটি তুলনামূলক নিচু এবং সমতল যা নদীমাতৃক বদ্বীপ অঞ্চলের অংশ। B) উত্তর অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয় বরং এটি উচ্চভূমির নির্দেশক। C) পূর্ব অঞ্চল — পূর্ব অঞ্চলে পাহাড় ও পাহাড়ি উপত্যকা রয়েছে, কিন্তু সাধারণ ভূপ্রকৃতির বিচারে সামগ্রিক উত্তর অঞ্চলের প্লাইস্টোসিন চত্বর বা বরেন্দ্রভূমি বিশেষভাবে উঁচু ভূমি হিসেবে পরিচিত। D) পশ্চিম অঞ্চল — পশ্চিম অঞ্চলের কিছু অংশ উত্তর অঞ্চলের বরেন্দ্রভূমির অন্তর্ভুক্ত হলেও সামগ্রिक পশ্চিম অঞ্চল বলতে বোঝায় দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় ও নিম্ন সমভূমি অঞ্চল। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মানচিত্রে উপরের দিক বা উত্তর দিকে তাকালে বরেন্দ্রভূমির মতো উঁচু চত্বর পাওয়া যায়। উত্তর মানেই উঁচু ভূমি এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। একই ধারণা থেকে পাহাড়ি অঞ্চল বা প্লাইস্টোসিন চত্বর সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
2. সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুধ ১. কেন সঠিক: - বুধ হলো আমাদের সৌরজগতের সূর্য থেকে সবচেয়ে কম দূরত্বে অবস্থিত গ্রহ এবং এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের কক্ষপথে আবর্তিত হয়। - সূর্যের তীব্র মহাকর্ষীয় টানের কারণে এটি খুব কম সময়ে মাত্র আটাশ দিনে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে ফেলে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বুধ গ্রহটি সৌরজগতের কেন্দ্রভাগে অবস্থিত সূর্যের প্রথম গ্রহ হিসেবে তার কক্ষপথ বজায় রাখে। - বৈশিষ্ট্য: এই গ্রহের নিজস্ব কোনো বায়ুমণ্ডল এবং উপগ্রহ নেই, যার ফলে এর পৃষ্ঠে তাপ ধরে রাখার কোনো উপায় থাকে না। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বুধ গ্রহের উষ্ণতা ব্যাখ্যা: সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকার কারণে এর দিনের তাপমাত্রা অনেক বেশি হয়, আবার বায়ুমণ্ডল না থাকায় রাতের তাপমাত্রা তীব্রভাবে কমে যায়। উদাহরণ ২: বুধের কক্ষপথ ব্যাখ্যা: এটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করায় সূর্য থেকে এর দূরত্ব বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী সূর্য থেকে তৃতীয় অবস্থানে থাকা গ্রহ, তাই এটি সূর্যের নিকটতম গ্রহ নয়। B) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে চতুর্থ অবস্থানে অবস্থান করে এবং এটি পৃথিবীর বাইরের দিকে অবস্থিত। D) শুক্র — শুক্র গ্রহ সূর্য থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: সৌরজগতের গ্রহগুলোর ধারাবাহিক সিরিয়াল মনে রাখার সহজ উপায় হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল এভাবে ক্রমানুসারে সাজানো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে প্রথম গ্রহ কোনটি, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে সূর্যের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ কোনটি, এই ধরনের প্রশ্নও আসতে পারে।
3. আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রধান কারণ কী?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ুপ্রবাহ ১. কেন সঠিক: বায়ুপ্রবাহ হলো বায়ুমণ্ডলের একটি গতিশীল প্রক্রিয়া যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে উষ্ণতা ও আর্দ্রতা বহন করে আবহাওয়া পরিবর্তন ঘটায়। বায়ুর এই গতির ফলেই উচ্চচাপ ও নিম্নচাপ অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, যা হঠাৎ করে তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার রূপ বদলায়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - বৈশিষ্ট্য: বায়ুর গতি এবং দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে আবহাওয়ার উপাদান যেমন তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও চাপ নিয়ন্ত্রিত হয়। - কারণ ও প্রভাব: পৃথিবীর তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় এবং এটি আবহাওয়াকে গতিশীল রাখে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কালবৈশাখী ঝড়ের সময় তীব্র বায়ুপ্রবাহের ফলে হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যায় এবং আবহাওয়া বদলে যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে দ্রুতগামী বায়ুপ্রবাহ আবহাওয়ায় তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আনতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: সামুদ্রিক বায়ু ও স্থলবায়ুর প্রবাহ উপকূলীয় অঞ্চলের আবহাওয়াকে দিনে ও রাতে দ্রুত পরিবর্তিত করে। ব্যাখ্যা: এই বায়ুপ্রবাহের আসা-যাওয়া উপকূলের তাপমাত্রাকে ওঠানামা করাতে সরাসরি প্রভাব ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃষ্টি — এটি আবহাওয়ার একটি ফল বা পরিণতি মাত্র, আবহাওয়া পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি বায়ুপ্রবাহ নয়। B) কুয়াশা — এটি বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হওয়ার একটি রূপ, যা আবহাওয়ার অবস্থা প্রকাশ করে কিন্তু কারণ নয়। C) বায়ুপ্রবাহ — এটি সঠিক উত্তর। D) মেঘ — এটি বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প জমার ফল, যা আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণ নয় বরং আবহাওয়ার একটি উপাদান। ৫. মনে রাখার টিপস: আবহাওয়া বদলায় কিসে, মনে রেখো বায়ুর দিশে। অর্থাৎ বায়ুর চলাচলই আবহাওয়া পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই এই ধরনের বিশ্লেষণমূলক প্রশ্ন আসে। বায়ুপ্রবাহ কীভাবে তাপ ও আর্দ্রতা পরিবহন করে, তা ভালো করে বুঝে রাখলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হবে।