ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি ও বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী তারিখ লেখার সময় বার, মাস, দিন এবং সালের মধ্যে নির্দিষ্ট নিয়মে কমা ব্যবহার করতে হয়।
- প্রদত্ত অপশন ডি তে ২৬ মার্চ এবং ১৯৭১ সালের মাঝে কোনো কমা ব্যবহার করা হয়নি, যা বিরামচিহ্নের ব্যবহার বিধির পরিপন্থী।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন বা জ্যোতিচিহ্ন অধ্যায়ে তারিখ ও স্থানের নামকরণে কমার সঠিক ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষামুখী ব্যাকরণগত নিয়ম।
- বাক্যে বা লেখায় স্থান এবং তারিখ পাশাপাশি এলে স্থান ও তারিখের বিভিন্ন অংশের মাঝে স্পষ্টতা রক্ষার জন্য কমা বা পাদচ্ছেদ চিহ্ন বসাতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫
ব্যাখ্যা: এখানে স্থানের নামের পর এবং তারিখ ও সালের মাঝে যথাযথভাবে কমা ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: খুলনা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে স্থান এবং তারিখের উপাদানগুলো ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম মেনে বিরামচিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্চ ২৬, ১৯৭১ — এই অপশনে মাস, দিন এবং সালের বিন্যাস ও কমার ব্যবহার সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে।
B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ — এই অপশনে দিন, মাস এবং সালের মাঝে নিয়মানুযায়ী কমা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ — এই অপশনে স্থান, দিন, মাস ও সালের ক্রম এবং কমার ব্যবহার নির্ভুল।
D) চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এই অপশনে তারিখ ও সালের মাঝে প্রয়োজনীয় কমা না দেওয়ায় এটি সঠিক বিরামচিহ্ন ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
তারিখ লেখার সময় দিন ও সালের মাঝখানে কমা বসবে এবং স্থান বা বার থাকলে তার পরেও কমা দিতে হবে।
শর্টকাট হিসেবে মনে রাখবে স্থান, দিন, মাস, সাল লেখার সময় প্রতি অংশের মাঝখানে কমা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জ্যোতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই কমার ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
একই নিয়মে স্থান ও তারিখ সম্পর্কিত অন্যান্য বাক্য শুদ্ধকরণের প্রশ্নগুলো সহজেই সমাধান করা সম্ভব।