বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসি'র অধীন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

2. টি, টা, খানা, খানি ইত্যাদি-
Created 2 days ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদাশ্রিত নির্দেশক ১. কেন সঠিক: যেসব শব্দ বা প্রত্যয় কোনো পদের পরে যুক্ত হয়ে সেই পদটিকে নির্দিষ্ট করে বুঝিয়ে দেয়, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। প্রশ্নোক্ত টি, টা, খানা, খানি ইত্যাদি শব্দাংশ বিশেষ্য পদের পরে বসে নির্দিষ্টতা, অনিশ্চিয়তা বা পরিমাণ বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পদাশ্রিত নির্দেশক হলো এমন কিছু শব্দ বা প্রত্যয় যা মূলত পদের আশ্রয়ে বা পরে বসে বচন ও নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে টি, টা, খানা, খানি, টুকুটুকু, গুলোগুলো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও। ব্যাখ্যা: এখানে বই বিশেষ্যের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: কলমটা হারিয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: এখানে কলম বিশেষ্যের সাথে টা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি কলমকে নির্দেশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাশ্রিত নির্দেশক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টি, টা, খানা, খানি পদের পরে বসে নির্দিষ্টতা নির্দেশ করে। B) প্রকৃতি — প্রকৃতি হলো শব্দের মূল অংশ যা ব্যাকরণে শব্দ বা ধাতু গঠনে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। C) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দকে পদে পরিণত করে এবং কারক বোঝাতে সাহায্য করে, যা নির্দেশকের কাজ নয়। D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, যা পরে বসা নির্দেশক থেকে আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট করে বোঝাতে পদের শেষে যা বসে, সেটাই পদাশ্রিত নির্দেশক। টি, টা, খানা, খানি সবসময় পদের পরে বসে নির্দিষ্ট করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদাশ্রিত নির্দেশক সবসময় পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা প্রকাশ করে। একই নিয়মে গাছটি, খাতাখানা বা বইখানি জাতীয় প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে হয়।
4. 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' কার রচিত গ্রন্থ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: - 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' বাংলা গদ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আদি নিদর্শন এবং এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ। - সংস্কৃত ভাষার বেতালপঞ্চবিংশতি বা ভেতালভট্ট রচিত কাঠা থেকে মূল কাহিনীর সারসংক্ষেপ গ্রহণ করে তিনি এটি বাংলায় রূপান্তর করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি সাহিত্য থেকে অনেক গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করেন। - ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের গদ্যরীতির দুর্বলতা দূর করে বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল ও গতিশীল করতে তাঁর অবদান অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটকের কাহিনীর অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সীতার বনবাস ব্যাখ্যা: এটি বাল্মীকি রামায়ণের উত্তরকাণ্ডের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মৌলিক ও মার্জিত গদ্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের রচয়িতা এবং বাংলা গদ্যের অন্যতম রূপকার। B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলা গীতিকবিতার ভূয়সী প্রশংসিত কবি এবং ভোরের পাখি নামে পরিচিত, কোনো গদ্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। C) অক্ষয় কুমার দত্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও বিজ্ঞানী, তার বিখ্যাত গ্রন্থ চারুপাঠ ও পদার্থবিদ্যা। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন প্রখ্যাত সংবাদিক ও কবি, যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগর মানেই অনুবাদ ও সমাজসংস্কার। বেতাল পঞ্চবিংশতি এবং ভ্রান্তিবিলাস মনে রাখার জন্য বিদ্যাসাগরের অনুবাদের তালিকা আলাদা করে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই তার গদ্যগ্রন্থগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
5. 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' - কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১. কেন সঠিক: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত এবং বহুল প্রচলিত পঙ্‌ক্তি। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনির প্রার্থনা থেকে এই পঙ্‌ক্তিটি নেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং নদীয়া জেলার পেকুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - নদীয়া রাজদরবারের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি হিসেবে তিনি 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত হন এবং তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এই কাব্যের তিনটি অংশ রয়েছে, যথা অন্নপূর্ণামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ। উদাহরণ ২: নাগেন্দ্র ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ব্যাখ্যা: অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনির এই উক্তিটি মূলত তৎকালীন সাধারণ মানুষের পেটে-ভাতে বাঁচার চিরন্তন আকুতি প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি তাঁর রচিত নয়। B) কানাহরি দত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রারম্ভিক কবি এবং তাঁর রচিত পঙ্‌ক্তি এটি নয়। C) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — এই অপশনটি সঠিক কারণ পঙ্‌ক্তিটি তাঁরই অন্নদামঙ্গল কাব্যের অন্তর্গত। D) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুধে ভাতে বেঁচে থাকার প্রার্থনা করেছিল ঈশ্বরী পাটুনী আর তাঁর রচয়িতা হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। - মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্রের অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্য মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই পঙ্‌ক্তিটি কার এবং কোন কাব্যের তা প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের চরিত্র এবং তাদের বিখ্যাত উক্তিগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
8. কোনটি 'যোগরূঢ়' শব্দের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জলধি ১. কেন সঠিক: যোগরূঢ় শব্দ হলো সেই সমস্ত সাধিত শব্দ, যা সমাসবদ্ধ হয়ে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ না করে প্রাকৃতিকভাবে পদের অবয়ব অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। এখানে জলধি শব্দটির সাধারণ অর্থ জল ধারণ করে এমন যেকোনো বস্তু বা আধার, কিন্তু সমাসের নিয়মে এটি নির্দিষ্ট করে সমুদ্রকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগ চার প্রকার, যথা মৌলিক, সাধিত, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় শব্দ। যোগরূঢ় শব্দ মূলত বহুব্রীহি বা অন্য কোনো সমাসের সাহায্যে গঠিত হয় কিন্তু অর্থ নির্ধারণের সময় তা সমসমান পদের literal অর্থ বজায় না রেখে একটি বিশেষ অর্থ গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা, অর্থাৎ পঙ্কে উৎপন্ন যেকোনো কিছু বোঝাতে পারত, কিন্তু যোগরূঢ় নিয়মে এটি নির্দিষ্ট করে কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়। উদাহরণ ২: রাজপুত ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র যেকোনো রাজপুত্র হতে পারে, কিন্তু যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে এটি একটি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সমাস নিষ্পন্ন হয়ে বিশেষ অর্থ সমুদ্রকে প্রকাশ করে। B) হস্তী — এটি একটি রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ, যার উৎপত্তিগত অর্থ হাত আছে যার হলেও বর্তমানে এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট পশুকে বোঝায়। C) সন্দেশ — এটিও একটি রূঢ় শব্দ, যার সাধারণ অর্থ সংবাদ হলেও বর্তমানে এটি একটি মিষ্টি বিশেষকে বোঝায়। D) বাঁশি — এটি একটি মৌলিক শব্দ, যা কোনো সমাস বা প্রত্যয়ের সাহায্য ছাড়াই গঠিত হয়েছে এবং এর কোনো ভিন্ন বিশেষ অর্থ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: যোগরূঢ় শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো জলধি, পঙ্কজ, মহাযাত্রা এবং রাজপুত এই কয়েকটি শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করা কারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত এর মধ্য থেকেই প্রশ্ন বেশি আসে। যেসব সমাসবদ্ধ শব্দ সাধারণ অর্থের বদলে একটি নির্দিষ্ট ঐতিহ্যগত বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাদের চোখ বুজে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রূঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দের পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই উৎপত্তিগত অর্থ এবং প্রচলিত অর্থের ব্যবধান ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দের ব্যুৎপত্তি এবং তার বর্তমান প্রচলিত প্রমিত অর্থ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
10. 'বড়াই' কোন কাব্যের চরিত্র?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ১. কেন সঠিক: - বড়াই চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - এই কাব্যে বড়াই রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মধ্যস্থতাকারী বা ঘটকালির ভূমিকা পালন করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি প্রাক-চৈতন্য যুগের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্ব<bos>1ভাষার পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়াই বুড়ি ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলায় বড়াই একজন প্রবীণা নারী ও ঘটিয়ালি চরিত্র হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: রাধা ও কৃষ্ণ ব্যাখ্যা: বড়াই এই দুই প্রধান চরিত্রের প্রেমের সংযোগ ঘটাতে নানা কৌশলের আশ্রয় নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসামঙ্গল — মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র চাঁদ সওদাগর, লখিন্দর ও বেহুলা। B) চণ্ডীমঙ্গল — চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র কালকেতু, ফুল্লরা এবং ধনপতি ও খুল্লনা। C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এই অপশনটি সঠিক এবং বড়াই চরিত্রটি এই কাব্যেরই অংশ। D) পদ্মাবতী — পদ্মাবতী কাব্যের প্রধান চরিত্র রত্নসেন ও পদ্মাবতী। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বললেই রাধা, কৃষ্ণ এবং তাদের প্রেমের মধ্যস্থতাকারী বড়াই বুড়ির কথা মনে রাখবে। - মধ্যযুগের একমাত্র রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক নাটকীয় কাব্য হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্য ও চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বড়াই চরিত্রের মতো অন্যান্য কাব্যের গৌণ ও প্রধান চরিত্রগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
13. 'অগ্নিবীণা' কাব্যের কবিতা সংখ্যা-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ হলো 'অগ্নিবীণা'। - এই বিখ্যাত কাব্যটিতে মোট বারোটি কবিতা সংকলিত হয়েছে যা বাংলা কাব্য সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। - এই কাব্যের প্রথম কবিতা 'প্রলয়োল্লাস' এবং সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা 'বিদ্রোহী' বাংলা সাহিত্যকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রলয়োল্লাস' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটির মাধ্যমে বাংলা কবিতায় প্রথম শোষিত মানুষের মুক্তির আশায় আশু বিপ্লবের ডাক দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: 'বিদ্রোহী' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ব্যাখ্যা: এই কবিতা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলাম সারা বাংলায় বিদ্রোহী কবি হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যটিতে ঠিক বারোটি কবিতা রয়েছে এবং এর প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস ও শেষ কবিতা মোহম্মদ। B) ১৪ — এটি ভুল কারণ কোনো অপশন ভুল হলেও চৌদ্দ সংখ্যাটি এই কাব্যগ্রন্থের কবিতা সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মিলে না। C) ১৯ — এটি ভুল কারণ উনিশ সংখ্যাটি নজরুলের অন্য কোনো কাব্যগ্রন্থের কবিতা বা রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু অগ্নিবীণার ক্ষেত্রে নয়। D) ১৭ — এটি ভুল কারণ সতেরোটি কবিতা অগ্নিবীণা কাব্যে নেই, এটি অন্য কোনো কবির কাব্যগ্রন্থের কবিতা সংখ্যা হতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অগ্নিবীণা কাব্যের কবিতা সংখ্যা মনে রাখতে ১২ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - নজরুল প্রথম কাব্য প্রকাশ করেছিলেন ১৯২২ সালে এবং এতে মোট কবিতা ছিল বারোটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি যুগান্তরকারী এবং এটি উৎসর্গ করা হয়েছিল বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল, উৎসর্গ এবং প্রথম কবিতার নাম প্রায়ই আসে।
17. 'চতুরঙ্গ' গ্রন্থটি কার রচিত?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'চতুরঙ্গ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানুষের বিশ্বাস, নাস্তিকতা, মানবপ্রেম এবং জীবনদর্শনের গভীর জটিলতা তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক প্রাতঃস্মরণীয় প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর রচিত অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে যোগাযোগ, শেষের কবিতা, গোরা ও চোখের আলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গীতিধর্মী উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: গোরা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সর্ববৃহৎ এবং একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক রাজনৈতিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'চতুরঙ্গ' তাঁর রচিত উপন্যাস নয়। B) দীনবন্ধু ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যে এই নামে কোনো পরিচিত প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক বা সাহিত্যিক নেই। C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — ইনি বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত বিখ্যাত লেখক হলেও 'চতুরঙ্গ' তাঁর গ্রন্থ নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য চতুরঙ্গ, যোগাযোগ ও শেষের কবিতা একসাথে পড়তে পারো। - উপন্যাসের নাম 'চতুরঙ্গ' এবং এর রচয়িতাও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, এটি বারবার অনুশীলন করলে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উপন্যাসগুলোর প্রকাশকাল এবং প্রধান চরিত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
18. 'নবান্ন' শব্দটি কোন প্রক্রিয়ায় গঠিত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাস ১. কেন সঠিক: নবান্ন শব্দটি সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত একটি বহুব্রীহি সমাস। নব অর্থ নতুন এবং অন্ন অর্থ খাদ্য বা ভাত, যা মিলে নতুন ধান কাটা ও তা থেকে প্রস্তুত অন্ন খাওয়ার উৎসবকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাজবদ্ধ পদের দ্বারা কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায় এবং ব্যাসবাক্যের পদের অর্থ সরাসরি বজায় থাকে না, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। নবান্ন শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নতুন অন্ন যে সমাসের বা যে উৎসবের, এটি সমানাধিকার বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়হলুদ ব্যাখ্যা: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এটি একটি বহুব্রীহি সমাস। উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদের সিন্ধু রূপ, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ নবান্ন শব্দটির ব্যাসবাক্য ও অর্থের দিক থেকে এটি সমাস সাধিত শব্দ। B) সন্ধি — যদিও নব যুক্ত অন্ন মিলে নবান্ন হতে পারে, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ অর্থ প্রকাশের কারণে এটি সমাস হিসেবেই প্রধানত গণ্য হয়। C) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, যা নবান্ন শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, যা নবান্ন শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: নবান্ন একটি বিশেষ উৎসবের নাম বোঝালে তা সাধারণত সমাস হিসেবে গণ্য করতে হয়। নৃতাত্ত্বিক ও সামাজিক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে সমাস নির্ণয়ের নিয়মটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নবান্ন শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের একটি চমৎকার ও বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ প্রায়ই সমাস নির্ণয়ের জন্য আসে।
21. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: নিশীথিনী শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের মাধ্যমে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিশীথ শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিন এবং তার সঙ্গে স্ত্রীবাচক ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটিও রাত্রির সমার্থক একটি তৎসম শব্দ যার বানান দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত। উদাহরণ ২: রজনী ব্যাখ্যা: রাতের আরেকটি প্রতিশব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথিনী — ভুল বানানে প্রথম ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) নীশিথিনী — ভুল বানানে প্রথম অক্ষর দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে লেখা হয়েছে। D) নিশিথিনি — ভুল বানানে শেষের ন-এ হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিশীথ শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে, তাই এর থেকে আগਤ নিশীথিনী শব্দেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হবে। শব্দের মাঝের থ এবং শেষ অংশের দন্ত্য ন-এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ-কার বসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাতের সমার্থক শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে। তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে শেষের ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
22. 'রূপসী বাংলা'র কবি কে?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশকে মূলত বাংলার প্রকৃতি, রূপ ও বিষাদের কবি হিসেবে অভিহিত করা হয় এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা'-র কারণেই তাকে 'রূপসী বাংলা'র কবি বলা হয়। এই উপাধিটি তার কবিতার অনন্য বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে যেখানে বাংলার গ্রামীণ রূপ অত্যন্ত গভীরভাবে চিত্রিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং বাংলা সাহিত্যে নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত। তার 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি তার মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলা প্রকৃতির প্রতি তার অকৃত্রিম প্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ ও কবিতা যার মাধ্যমে তিনি বিশ্বসাহিত্যে পরিচিতি লাভ করেছেন। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার আধুনিক মননশীলতার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি তিরিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হলেও তাকে 'রূপসী বাংলা'র কবি বলা হয় না। B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি তিরিশের দশকের একজন প্রখ্যাত অমিত্রাক্ষর ছন্দের কবি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক কবিতার রচয়িতা। C) বিষ্ণু দে — তিনি একজন মার্ক্সবাদী চেতনার আধুনিক কবি ও প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তার রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের জন্য এই উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশ মানেই বাংলার রূপ, ধানসিঁড়ি নদী এবং বাংলার প্রকৃতি। তাই প্রকৃতির রূপ বর্ণনার সঙ্গে এই কবির নাম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন কবির উপাধি থেকে প্রশ্ন আসে। যেমন, পল্লীকবি জসীমউদ্দীন এবং স্বভাবকবি রামনিধি গুপ্ত।
27. 'The merchant of Venice' is written by-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Shakespeare কেন সঠিক: - 'The merchant of Venice' হলো বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত ট্রাজিকমেডি বা নাটক। - এটি মূলত অর্থ, বিচার এবং বন্ধুত্বের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে রচিত শেক্সপিয়ারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকটির রচয়িতা উইলিয়াম শেক্সপিয়ার। B) Milton — জন মিল্টন একজন মহাকবি ছিলেন, যার বিখ্যাত সৃষ্টি প্যারাডাইজ লস্ট, নাট্যকার হিসেবে তিনি পরিচিত নন। C) John Webster — জন ওয়েবস্টার একজন নাট্যকার হলেও তিনি এই নির্দিষ্ট নাটকটি রচনা করেননি। D) John Kyd — থমাস কিড একজন এলিজাবেথীয় নাট্যকার ছিলেন, যিনি স্প্যানিশ ট্র্যাজেডির জন্য পরিচিত এবং এই নাটকের সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ভেনিস শহরের বণিক বা মার্চেন্ট বললেই শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটকটির কথা মনে রাখবে।
28. A poem of fourteen line is called-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
30. NEC stands for-
Created 2 days ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) National Economic Council কেন সঠিক: - এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শব্দসংক্ষেপ যার পূর্ণরূপ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ। - এটি সরকারের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক নীত নির্ধারণী ও পরিকল্পনা অনুমোদনকারী সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Non Economic Currency — এটি কোনো বাস্তবসম্মত বা প্রচলিত অর্থনৈতিক পরিভাষা নয়। B) National Economic Council — এটি প্রশ্নানুসারে সম্পূর্ণ সঠিক এবং গ্রহণযোগ্য উত্তর। C) No exchange Currency — এটি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত শব্দসংক্ষেপ নয়। D) Never Ending Crisis — এটি সাধারণ কোনো অর্থনৈতিক বা দাপ্তরিক সংস্থার নাম নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: NEC এর প্রথম অক্ষর এন দিয়ে ন্যাশনাল, ই দিয়ে ইকোনমিক এবং সি দিয়ে কাউন্সিল মনে রাখতে হবে।
33. Fill in the gap: John is as cunning as ___
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
34. Fill in the gap: 'He is good ___ fishing'.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে প্রিপজিশন হিসেবে অ্যাট বসে। - মাছ ধরা বা অন্য কোনো কাজে পারদর্শী বোঝাতে ফিশিং শব্দের পূর্বে সঠিক প্রিপজিশনটি অ্যাট হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - এটি সাধারণত কোনো বড় স্থান, ক্ষেত্র বা বিষয়ের ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে, দক্ষতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) about - এটি কোনো বিষয় সম্পর্কে বা কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, পারদর্শিতা বোঝাতে নয়। C) at - এটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা, পারদর্শিতা বা নিপুণতা প্রকাশ করার জন্য সঠিক ও প্রমিত প্রিপজিশন। D) on - এটি কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ওপর ভিত্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বুঝাতে গুড শব্দের পরে সবসময় অ্যাট বসবে।
35. Which one is the plural number?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
36. 'Maiden Speech' means-
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) First Speech কেন সঠিক: - 'Maiden Speech' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো কারো জীবনের প্রথম বা আত্মপ্রকাশমূলক বক্তব্য। - পার্লামেন্ট বা কোনো আনুষ্ঠানিক সভায় একজন নতুন বক্তার প্রথম ভাষণকে এই বিশেষ নামে অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Final Speech — এটি শেষ ভাষণ বা বক্তব্য বোঝায়, যা maiden শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) First Speech — এটি সঠিক উত্তর কারণ maiden শব্দের অর্থ প্রথম এবং speech অর্থ বক্তব্য। সি) Important Speech — এটি যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য বোঝায়, যা প্রথম বক্তব্য বোঝাতে নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয় না। D) Last Speech — এটি শেষ বক্তব্য বোঝায়, যা প্রথম বক্তব্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তির জীবনে দেওয়া প্রথম বক্তব্যকেই Maiden Speech বলা হয়।
37. I water the garden. The underlined word is-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
38. A person who reads and thinks a lot is called-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Intellectual কেন সঠিক: - Intellectual শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যিনি পড়াশোনা এবং চিন্তাভাবনায় অত্যন্ত পারদর্শী। - প্রশ্নানুসারে যে ব্যক্তি প্রচুর পড়েন এবং চিন্তা করেন, তাকে এক কথায় Intellectual বা বুদ্ধিজীবী বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spiritual — এই অপশনটি ভুল কারণ Spiritual শব্দের অর্থ আধ্যাত্মিক, যা ধর্ম বা আত্মার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) Intellectual — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) Witty — এই অপশনটি ভুল কারণ Witty শব্দের অর্থ রসাত্মক বা চটপটে বুদ্ধিসম্পন্ন, যা পড়াশোনা বা চিন্তার গভীরতাকে বোঝায় না। D) Angry — এই অপশনটি ভুল কারণ Angry শব্দের অর্থ রাগান্বিত, যা মানুষের একটি আবেগময় মানসিক অবস্থাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Intellectual শব্দের ভেতরে Read বা পড়া এবং Think বা ভাবার মানসিকতা লুকিয়ে থাকে।
39. Identify the adjective of the word 'tax'.
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Taxable কেন সঠিক: - Tax শব্দের সঙ্গে able প্রত্যয় যুক্ত হয়ে adjective গঠিত হয়েছে যার অর্থ করযোগ্য। - এই শব্দটি বাক্যে noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taxable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি adjective যা কোনো বস্তুর কর দেওয়ার যোগ্য অবস্থাকে বোঝায়। B) Taxation — এটি noun কারণ এর শেষে tion যুক্ত আছে এবং এটি কর ধার্য করার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। C) Taxing — এটি verb-এর present participle বা adjective হতে পারে তবে এর অর্থ ক্লান্তিকর, যা tax শব্দের সরাসরি adjective রূপ নয়। D) Taxability — এটি noun কারণ এর শেষে ility যুক্ত আছে এবং এটি করযোগ্যতার অবস্থাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে শেষে able বা ible দেখলে সাধারণত সেটি adjective হয়।
40. What is the verb of 'Peace'?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
42. Who is the writer of 'The Good Earth'?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Pearl S. Buck কেন সঠিক: - পার্ল এস বাক মার্কিন ঔপন্যাসিক যিনি চীনদেশের গ্রামীণ জীবনের ওপর ভিত্তি করে 'দ্য গুড আর্থ' উপন্যাসটি লিখেছেন। - এই উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর ১৯৩২ সালে পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Virginia Wolf — তিনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ আধুনিকতাবাদী লেখক ছিলেন যিনি 'মিসেস ডালোওয়ে' উপন্যাসের জন্য পরিচিত। B) George Eliot — তিনি একজন ভিক্টোরিয়ান যুগের ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি 'মিডলমার্চ' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। C) Pearl S. Buck — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) Leo Tolstoy — তিনি একজন বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক ছিলেন যিনি 'ওয়ার অ্যান্ড পিস' উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ভালো মাটির পৃথিবী বা দ্য গুড আর্থ লেখার জন্য বাক বা পার্ল এস বাক চীনদেশের পটভূমিতে বিখ্যাত হয়েছেন।
43. Early rising is conductive ___ health.
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: - English Grammatical Rule অনুযায়ী Conductive শব্দটির পর সাধারণত preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়। - এর অর্থ হলো উপকারী বা সাহায্যকারী, যা স্বাস্থ্য বা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — এই বাক্যের ক্ষেত্রে for preposition ব্যবহার করলে অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। B) to — এটি সঠিক কারণ Conductive এর সাথে Fixed Preposition হিসেবে to বসে। C) of — এখানে of ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন ও অর্থ পরিবর্তিত হয়ে যায় যা সঠিক নয়। D) on — on preposition বসালে বাক্যের নির্ধারিত অর্থ প্রকাশ পায় না। মনে রাখার টিপস: Conductive শব্দের সাথে সব সময় to preposition বসে, যেমন Conductive to health।
44. What is the sound made by a goat?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bleating কেন সঠিক: - ছাগল বা ভেড়ার ডাককে ইংরেজিতে Bleating বা ম্যা ম্যা শব্দ বলা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ইংরেজি অংশে বিভিন্ন প্রাণীর ডাক সংক্রান্ত প্রশ্নে এটি একটি অত্যন্ত কমন শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hooting — এটি মূলত পেঁচার ডাক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, তাই ছাগলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Cooing — এটি পায়রা বা ঘুঘুর ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ছাগলের ডাকের সঙ্গে মেলে না। C) Squeaking — এটি ইঁদুর বা কোনো কিছুর কিচিরমিচির বা তীক্ষ্ণ শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Bleating — এটি ছাগলের ডাক বোঝানোর জন্য সম্পূর্ণ সঠিক এবং নির্দিষ্ট শব্দ। মনে রাখার টিপস: ছাগল ও ভেড়া বি-তে (B) শুরু হয় এবং এদের ডাকও বি-দিয়ে (Bleating) শুরু হয়।
48. Who is an essayist?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
50. What is the meaning of 'diehard'?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A strong supporter কেন সঠিক: - Diehard শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো মতাদর্শ, দল বা নীতির প্রতি অত্যন্ত দৃঢ় ও পরিবর্তনহীনভাবে অনুগত। - এই শব্দটির আভিধানিক ও প্রায়োগিক অর্থ হলো প্রবল সমর্থক বা একরোখা মতাবলম্বী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A dead soul — এটি দ্বারা একটি মৃত আত্মাকে বোঝায়, যা রাজনৈতিক বা আদর্শগত সমর্থনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন। B) A weak supporter — এটি Diehard শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এর অর্থ একজন দুর্বল বা অনিচ্ছুক সমর্থক। C) A strong supporter — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং Diehard শব্দের অর্থের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়। D) A dead cow — এটি একটি আক্ষরিক ও অবাস্তব অর্থ নির্দেশ করে, যার সঙ্গে মানুষের রাজনৈতিক বা আদর্শগত সমর্থনের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Die (মরে যাওয়া) সত্ত্বেও যে হার মানে না এবং শেষ পর্যন্ত সমর্থন বজায় রাখে, তিনিই হলেন Diehard বা প্রবল সমর্থক।
51. sinA = 2/3 হলে cosA = কত?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √৫/৩ প্রদত্ত তথ্য: sinA = ২/৩ আমরা জানি, sin এর বর্গ A + cos এর বর্গ A = ১ মান বসিয়ে পাই, (২/৩) এর বর্গ + cos এর বর্গ A = ১ ৪/৯ + cos এর বর্গ A = ১ অতএব, cos এর বর্গ A = ১ − ৪/৯ cos এর বর্গ A = (৯ − ৪)/৯ = ৫/৯ সুতরাং, cosA = √(৫/৯) উত্তর: √৫/৩
53. (0.15 × 10ᵖ) / (0.3 × 10𝑞) = 5 × 10⁷ হলে p - q = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত সমীকরণটি হলো (০.১৫ × ১০^p) ÷ (০.৩ × ১০^q) = ৫ × ১০^৭ ধরি, সমীকরণটির বামপক্ষ হলো (০.১৫ ÷ ০.৩) × (১০^p ÷ ১০^q) অতএব, ০.১৫ কে ০.৩ দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যায় ০.৫ সুতরাং, ০.৫ × ১০^(p − q) = ৫ × ১০^৭ উত্তর: p − q = ৮
54. পিতা ও ২ সন্তানের বয়সের গড় ৩৭ বছর। পিতা, মাতা ও ঐ ২ সন্তানের বয়সের গড় ৩৬ বছর। মাতার বয়স কত বছর?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩৭ বছর পিতা, মাতা ও ঐ দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩৬ বছর ধরি, পিতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর পিতা, মাতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ৩৬ × ৪ = ১৪৪ বছর অতএব, মাতা ও পিতা এবং দুই সন্তানের বয়সের সমষ্টি = ১৪৪ বছর পিতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ১১১ বছর সুতরাং, মাতার বয়স = ১৪৪ − ১১১ = ৩৩ বছর উত্তর: ৩৩ বছর
58. যথাক্রমে x এবং y একক দৈর্ঘ্য ও প্রস্থবিশিষ্ট একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 96 একক। যদি আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ হয়, তবে কোনটি সঠিক?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x + y = 48 প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য = x একক প্রস্থ = y একক পরিসীমা = ৯৬ একক ধরি, আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) দৈর্ঘ্য = ২ × প্রস্থ বা x = ২y অতএব, শর্তমতে, ২ × (x + y) = ৯৬ x + y = ৯৬ ÷ ২ সুতরাং, x + y = ৪৮ উত্তর: B) x + y = 48
61. 128, 64, 32, ....... ধারাটির ৮মে পদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ = ১২৮ ধারাটির সাধারণ অনুপাত = ৬৪ ÷ ১২৮ = ১ ÷ ২ ধরি, ধারাটির প্রথম পদ a = ১২৮ সাধারণ অনুপাত r = ১ ÷ ২ অতএব, গুণোত্তরমালার n-তম পদের সূত্র হলো a গুণ r এর পাওয়ার (n − ১) এখানে পদ সংখ্যা n = ৮ সুতরাং, অষ্টম পদ = ১২৮ গুণ (১ ÷ ২) এর পাওয়ার (৮ − ১) অষ্টম পদ = ১২৮ গুণ (১ ÷ ১২৮) = ১ উত্তর: ১
64. 5% বৃদ্ধিতে x এর বর্ধিত মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x(1 + 1/20) প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো x সংখ্যাটির মান বৃদ্ধি পায় ৫% ধরি, মূল সংখ্যা = x বৃদ্ধির পরিমাণ = x এর ৫% অতএব, বৃদ্ধির পরিমাণ = x × (৫ ÷ ১০০) কাটাকাটি করে পাই, x × (১ ÷ ২০) বর্ধিত মান নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, বর্ধিত মান = x + x × (১ ÷ ২০) কমন নিলে পাই, x(১ + ১ ÷ ২০) উত্তর: x(১ + ১ ÷ ২০)
66. 52টি তাসের একটি প্যাকেট হতে একটি তাস তোলা হলো। তাসটি টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/১৩ প্রদত্ত তথ্য: তাসের প্যাকেটে মোট তাস থাকে ৫২টি টেক্কা থাকে ৪টি ধরি, মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৫২ অনুকূল ফলাফল = ৪ অতএব, টেক্কা তোলার অনুকূল ফলাফল চার মোট তাসের সংখ্যা বা সমতুল্য মান বাহান্ন সুতরাং, সম্ভাবনার সূত্র অনুযায়ী ভাগ করতে হবে উত্তর: ৪ ÷ ৫২ = ১/১৩
67. প্রথম দশটি বিজোড় সংখ্যার যোগফল কত?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ প্রدত্ত তথ্য: প্রথম দশটি বিজোড় সংখ্যা হলো ১, ৩, ৫, ৭, ৯, ১১, ১৩, ১৫, ১৭ এবং ১৯ ধরি, প্রথম বিজোড় সংখ্যা = ১ দশম বিজোড় সংখ্যা = ১৯ অতএব, বিজোড় সংখ্যার যোগফলের সূত্র হলো এন গুণ এন এখানে এন এর মান হলো দশ সুতরাং, ১০ × ১০ = ১০০ উত্তর: ১০০
69. কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির মোট পরিমাণ হবে-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়। ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একইভাবে বর্ধিত করলে মোট তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়। ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ। ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে (১৮০° − ক), (১৮০° − খ) এবং (১৮০° − গ)। অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ সুতরাং, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ) তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = ৫৪০° − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০° − ১৮০° = ৩৬০°
70. কোনো সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ 135° হলে এর বাহুর সংখ্যা কত?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৩৫° ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ক অন্তঃকোণ ও বহিঃকোণের সমষ্টি = ১৮০° অতএব, প্রতিটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ১৩৫° = ৪৫° বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০° সুতরাং, বাহুর সংখ্যা (ক) = ৩৬০° ÷ ৪৫° উত্তর: ৮
72. x² - (p + q)x + pq = 0 এর সমাধান কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (p, q) প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x^2 − (p + q)x + pq = ০ ধরি, সমীকরণটির উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, x^2 − px − qx + pq = ০ সুতরাং, x(x − p) − q(x − p) = ০ উত্তর: (x − p)(x − q) = ০, যার সমাধান p এবং q
73. 400- এর log 4; ভিত্তি কত?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
76. বাংলাদেশের GDP এর প্রধান খাত-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেবাখাত কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদনে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা খাত হলো সেবাখাত, যার অবদান অর্ধেকের বেশি। - আধুনিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, পরিবহন এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রমের সম্প্রসারণের ফলে এই খাতটি প্রধান অবস্থান ধরে রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেবাখাত — বাংলাদেশের জিডিপিতে বর্তমানে সর্বোচ্চ অবদান রাখায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) কৃষিখাত — একসময়ে প্রধান খাত হলেও বর্তমান অর্থনীতিতে এর অবদান দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে। C) শিল্পখাত — জিডিপিতে এই খাতের অবদান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেলেও এটি এখনো সেবাখাতের পরেই অবস্থান করছে। D) অন্যান্য — প্রদত্ত অপশনগুলোর বাইরে এটি কোনো স্বতন্ত্র ও প্রধান খাত হিসেবে গণ্য হয় না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন সেবা খাতের ওপর বেশি নির্ভরশীল, যা জিডিপির উৎপাদনে প্রথম স্থান অধিকার করে আছে।
78. 'শ্বেত হস্তীর দেশ'-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডে রাজপরিবারের কাছে সাদা হাতি অত্যন্ত পবিত্র ও সৌভাগ্যের প্রতীক বলে বিবেচিত হয়। - প্রাচীনকালে থাইল্যান্ডের রাজারা তাদের ক্ষমতা ও ঐশ্বর্যের প্রতীক হিসেবে সাদা হাতি লালনপালন করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটিতে প্রচুর সাদা হাতি দেখা যায়। B) সিঙ্গাপুর — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি উন্নত দ্বীপ রাষ্ট্র, যা শ্বেত হস্তীর দেশ নামে পরিচিত নয়। C) কাপুচিয়া — বর্তমান কম্বোডিয়াকে অতীতে কাপুচিয়া বলা হতো, এটি শ্বেত হস্তীর দেশ নয়। D) ইন্দোনেশিয়া — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি বিশাল দ্বীপরাষ্ট্র, যা মশলার দেশ হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের রাজারা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে সাদা হাতি পুষতেন বলে থাইল্যান্ডকে শ্বেত হস্তীর দেশ বলা হয়।
79. কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য অমর্ত্য সেন নোবেল পুরস্কার পান?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কল্যাণ অর্থনীতি কেন সঠিক: - অমর্ত্য সেন দারিদ্র্য, দুর্ভিক্ষ এবং মানুষের কল্যাণ নিয়ে কাজ করে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। - তার এই গবেষণা সমাজকল্যাণ অর্থনীতি এবং সামাজিক পছন্দ তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা অর্থনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নয়ন অর্থনীতি — অমর্ত্য সেন উন্নয়ন অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তাকে প্রধানত কল্যাণ অর্থনীতি ও দারিদ্র্য বিষয়ক গবেষণার জন্য নোবেল দেওয়া হয়। B) কল্যাণ অর্থনীতি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্ব — এটি বাণিজ্য বা মুক্তবাজার অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা অমর্ত্য সেনের নোবেল প্রাপ্তির মূল ক্ষেত্র নয়। D) মজুরি তত্ত্ব — এটি শ্রমবাজার এবং শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা অমর্ত্য সেনের মূল নোবেল অর্জনের বিষয় ছিল না। মনে রাখার টিপস: অমর্ত্য সেন মানেই মানুষের কল্যাণ, তাই মনে রাখবেন তিনি কল্যাণ অর্থনীতির জন্য নোবেল পেয়েছেন।
81. বাংলায় নববর্ষ ১লা বৈশাখ চালু করেন-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্রাট আকবর কেন সঠিক: - সম্রাট আকবর কৃষকদের খাজনা আদায় সহজ করতে এবং ফসলের সঠিক সময়ে কর সংগ্রহ করতে বাংলা সন ও নববর্ষ চালু করেন। - ঐতিহাসিকদের মতে, তাঁর রাজত্বকালের ৯৮৪ হিজরি সনে (১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দ) জ্যোতির্বিজ্ঞানী আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজীর সহায়তায় বাংলা সনের প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতান ছিলেন যিনি সোনারগাঁ শাসন করতেন, বাংলা নববর্ষ চালুর সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। B) ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলা জয় করে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ নামে প্রথম স্বাধীন সুলতান হন, কিন্তু তিনি বাংলা সন চালু করেননি। C) সম্রাট আকবর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক। D) শের শাহ — তিনি সুর সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কারক হলেও বাংলা সন তাঁর সময়ে চালু হয়নি। মনে রাখার টিপস: আকবর মানেই বাংলা সন, ফসলি সন চালু করতে যিনি ছিলেন মন।
82. চন্দ্র অবতরণকারী প্রথম মানুষ-
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিল আর্মস্ট্রং কেন সঠিক: - তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপোলো ১১ মহাকাশযানের মাধ্যমে প্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠে পদার্পণ করেন। - চাঁদের মাটিতে পা রাখার পর তিনি ঐতিহাসিক এই ঘোষণা দেন যে এটি মানুষের একটি ছোট পদক্ষেপ কিন্তু মানবজাতির জন্য এক বিশাল উল্লম্ফন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যাগারিন — ইউরি গ্যাগারিন মহাকাশে ভ্রমণকারী প্রথম মানব হলেও তিনি চাঁদে অবতরণ করেননি। B) রিচার্ড এনড্রিন — ইনি চন্দ্র অবতরণকারী কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন এবং এই নামের কোনো মহাকাশচারী চাঁদে যাননি। C) জন প্লেইন — ইনি চন্দ্র অভিযানের সঙ্গে যুক্ত কোনো পরিচিত মহাকাশচারী নন। D) নিল আর্মস্ট্রং — ইনিই প্রথম মানুষ যিনি সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: চাঁদে প্রথম পা রাখেন নিল, তাই নামের আদ্যক্ষর মনে রাখুন নীল আকাশে প্রথম চাঁদে নিল।
84. বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতার দেশ-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেসোপটেমিয়া কেন সঠিক: - টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা মেসোপটেমিয়া সভ্যতা বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত। - খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় চার হাজার অব্দে এখানে সুমেরীয় সভ্যতার হাত ধরে বিশ্বের প্রথম নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রীস — এটি একটি প্রাচীন ইউরোপীয় সভ্যতা হলেও মেসোপটেমিয়ার মতো বিশ্বের প্রথম প্রাচীন সভ্যতা নয়। B) মেসোপটেমিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা। C) রোম — রোমান সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার অনেক পরে খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতকে ইতালিতে গড়ে ওঠে। D) ভারত — প্রাচীন ভারতীয় বা সিন্ধু সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার সমসাময়িক হলেও প্রথম প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে মেসোপটেমিয়াকেই ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: নদীর তীরে প্রথম সভ্যতা গড়ে ওঠে, তাই টাইগ্রিস-ইউফ্রেটিসের তীরবর্তী মেসোপটেমিয়া হলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।
85. সোনালী আঁশের দেশ-
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে পাট উৎপাদিত হয় এবং একসময় পাট ছিল দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। - পাটের সোনালী রঙ ও দেশের অর্থনীতিতে এর গুরুত্বের কারণে বাংলাদেশকে সোনালী আঁশের দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বিশ্বের অন্যতম পাট উৎপাদনকারী দেশ হলেও একে সোনালী আঁশের দেশ বলা হয় না। B) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, পাট বা সোনালী আঁশের সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। C) পাকিস্তান — পাকিস্তান একসময় বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পাট চাষের প্রধান অঞ্চল ছিল পূর্ব পাকিস্তান বা বর্তমান বাংলাদেশ। D) বাংলাদেশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাট উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও পাট শব্দ দুটি মনে রাখলেই সোনালী আঁশের দেশের সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যাবে।
86. পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া কেন সঠিক: - আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। - বিশ্বের মোট স্থলভাগের প্রায় ৩০ শতাংশ এবং জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ এই মহাদেশে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ, তাই এটি সঠিক নয়। B) ইউরেশিয়া — এটি মূলত এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের সম্মিলিত ভূখণ্ড, আলাদাভাবে কোনো একক স্বতন্ত্র মহাদেশ নয়। C) এশিয়া — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) উত্তর আমেরিকা — এটি আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ, তাই এটি এই প্রশ্নের উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের মহাদেশগুলোর আয়তন মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আউআউউ (আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা বা অন্য বিন্যাস), তবে এশিয়া সবসময় প্রথম স্থানে থাকে।
87. হোক্কাইডো দ্বীপ কোথায়?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাপানে কেন সঠিক: - হোক্কাইডো হলো জাপানের চারটি প্রধান দ্বীপের মধ্যে আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং সর্বউত্তরের দ্বীপ। - জাপানের বিখ্যাত সাপ্পোরো শহরটি এই দ্বীপেই অবস্থিত এবং এটি শীতল জলবায়ুর জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনে — চীন দেশের প্রধান ভূখণ্ডে হোক্কাইডো দ্বীপ অবস্থিত নয়, এটি জাপানের ভূগোলের অংশ। B) জাপানে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) ফিলিপাইনে — ফিলিপাইন একটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও হোক্কাইডো দ্বীপটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র হলেও হোক্কাইডো দ্বীপটি জাপানে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: জাপানের উত্তরে হোক্কাইডো এবং দক্ষিণে কিউশু দ্বীপ অবস্থিত।
88. বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ পার্ক-
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক বা অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস পার্ক। - মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীর তীরে এই বিশেষায়িত শিল্পনগরী স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় — এটি সঠিক কারণ দেশের প্রথম ওষুধ পার্ক এখানেই অবস্থিত। B) গাজীপুরের কালিয়াকেড়ে — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে দেশের প্রথম হাইটেক পার্ক বা সিলিকন সিটি অবস্থিত। C) সাভারের কোনাবাড়ীতে — এটি সঠিক নয় কারণ এই এলাকায় সাভার চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত। D) ময়মনসিংহের ভালুকায় — এটি সঠিক নয় কারণ ভালুকায় অনেক ব্যক্তিগত কারখানা থাকলেও কোনো সরকারি ওষুধ পার্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ওষুধ পার্কের প্রথম অক্ষর ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া মনে রাখুন এভাবে: ওষুধে 'ম' থাকলে স্থানটিও 'ম' দিয়ে শুরু মুন্সীগঞ্জ।
89. শিল্প বিপ্লব কোন দেশে প্রথম শুরু হয়?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে ইংল্যান্ডে পর্যাপ্ত কয়লা ও লোহার খনিজ মজুত থাকার কারণে প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে। - এ সময় ঔপনিবেশিক বাজার ও পুঁজির আধিপত্য ইংল্যান্ডকে শিল্পায়নে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এগিয়ে রেখেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে প্রথম আধুনিক শিল্পায়নের সূচনা হয়েছিল। B) জার্মানি — এটি পরবর্তী সময়ে শিল্পায়নে দ্রুত উন্নতি লাভ করলেও প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূতিকাগার ছিল না। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে শিল্প উৎপাদনে এগিয়ে আসে, তবে বিপ্লবের সূচনার দিক থেকে ইংল্যান্ডের পরেই এর অবস্থান। D) ফ্রান্স — রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিপ্লবের কারণে ফ্রান্সে শিল্পায়ন ইংল্যান্ডের তুলনায় বিলম্বে শুরু হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: শিল্প বিপ্লবের মূল চাবিকাঠি হলো কয়লা এবং বাষ্পীয় ইঞ্জিন, যা প্রথম সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছিল ইংল্যান্ডে।
92. মধ্যপ্রাচ্যের কোন মুসলমান দেশ সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে ইরাকই সর্বপ্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — সৌদি আরব ১৯৭৬ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ নয়। B) ইরাক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। C) কুয়েত — কুয়েত ১৯৭৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। D) UAE — সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৭৪ সালের ১০ মার্চ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ মনে রাখতে ইরাকের 'ই' দিয়ে 'প্রথম' কথাটি মনে রাখতে পারেন।
93. প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল-
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রবাসী সরকারের মূল কার্যক্রম ও প্রশাসনিক সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড থেকে পরিচালিত হতো। - এই ভবন থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় সরকার পরিচালনা, সেক্টর বিন্যাস এবং কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা — এটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মূল সদর দপ্তর বা সচিবালয় ছিল। B) মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় — এটি প্রবাসী সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান ছিল, যাকে মুজিবনগর বলা হয়, সদর দপ্তর ছিল না। C) নয়াদিল্লিতে — এটি ভারতের রাজধানী এবং তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক সমর্থনের কেন্দ্র হলেও প্রবাসী সরকারের সদর দপ্তর ছিল না। D) আগরতলা — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় সীমান্ত এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিবির ও যোগাযোগের কেন্দ্র ছিল, কিন্তু প্রবাসী সরকারের সদর দপ্তর ছিল না। মনে রাখার টিপস: শপথ নিয়েছি মেহেরপুরে, দেশ চালিয়েছি কলকাতার থিয়েটার রোডে।
95. ১৯৫৪ সালের পূর্বে বাংলার প্রাদেশিক নির্বাচনের ২১ দফায় ১ম দফা ছিল-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক একুশ দফার ইশতেহারে ভাষা আন্দোলনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মাজার নির্মাণ এবং বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিটি একুশ দফার প্রথম দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া — এটি ২১ দফার প্রথম দফা হওয়ায় সঠিক। B) সকল রাজবন্দীর মুক্তিদাবি — এটি একুশ দফার একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলেও প্রথম দফা ছিল না। C) পূর্ব বাংলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ — এটি কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি পরবর্তী দফা। D) পশ্চিম পাকিস্তানের সম্পদের উপর বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠা — এটি অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণের দাবি হলেও প্রথম দফা ছিল না। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত নির্বাচন ছিল ১৯৫৪ সাল, তাই একুশ দফার শুরুতেই ছিল বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবি।
96. লাহোর প্রস্তাব ১৯৪০ এর মূল বিষয় ছিল-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রিটিশ ভারতের মুসলমান সংখ্যা গরিষ্ঠদের নিয়ে একটি দেশ গঠন করা কেন সঠিক: - ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে এ কে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। - এই প্রস্তাবে ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব অঞ্চলের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলোকে নিয়ে এক বা একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটিশ ভারতের মুসলমান সংখ্যা গরিষ্ঠদের নিয়ে একটি দেশ গঠন করা — এটি সঠিক কারণ লাহোর প্রস্তাবে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোর স্বায়ত্তশাসন ও সার্বভৌমত্ব চাওয়া হয়েছিল। B) শুধুমাত্র একটি মুসলিম দেশ গঠন করা — এটি ভুল কারণ প্রস্তাবে একটি নয়, বরং একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্রের কথা বলা হয়েছিল। C) একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা — এটি ভুল কারণ লাহোর প্রস্তাবে কোনো নির্দিষ্ট ইসলামী রাষ্ট্র বা ধর্মীয় শাসনের কথা বলা হয়নি, বরং ভৌগোলিক সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি ছিল। D) শুধুমাত্র একটি স্বাধীন দেশ গঠন করা — এটি অতি সাধারণ ও অসম্পূর্ণ একটি উক্তি যা প্রস্তাবের মূল চেতনা মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের বিষয়টি প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: লাহোর প্রস্তাব মানেই হলো ব্রিটিশ ভারতের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ঐতিহাসিক দাবি।
98. বাংলায় '৭৬-এর মন্বন্তর' এর সময়কাল-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৭০ প্রদত্ত তথ্য: বাংলা সনের সাল = ১১৭৬ বঙ্গাব্দ ইংরেজি সনের সাল নির্ণয় করতে হবে ধরি, বাংলা সন থেকে ইংরেজি সাল পেতে ৫৯৩ বছর যোগ করতে হয় অথবা ইংরেজি সাল থেকে ৫৯৩ বছর বিয়োগ করলে বাংলা সন পাওয়া যায় অতএব, ১১৭৬ যোগ ৫৯৩ করলে ১৭৬৯ খ্রিস্টাব্দ হয় কিন্তু এই মন্বন্তরটি বাংলা ১১৭৬ সনের ইংরেজি ১৭৭০ সালের শুরু থেকেই প্রভাব বিস্তার করেছিল সুতরাং, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ১৭৭০ সালে সংঘটিত হয়েছিল উত্তর: ১৭৭০
99. কোন মুঘল সম্রাট তার শাসনকালে বাংলার প্রতিষ্ঠা লাভে ব্যর্থ হয়েছিলেন?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট হুমায়ুন কেন সঠিক: - সম্রাট হুমায়ুন তার শাসনকালে বারবার অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ ও প্রতিপক্ষের আক্রমণের শিকার হন। - শের শাহ সুরির কাছে পরাজিত হয়ে তিনি ভারতে ক্ষমতা হারালে বাংলায় স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট হুমায়ুন — তিনি বাংলার শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হন কারণ তিনি শের শাহ সুরির কাছে পরাজিত হয়ে দীর্ঘদিন নির্বাসনে ছিলেন। B) সম্রাট আওরঙ্গজেব — তার সেনাপতি শায়েস্তা খাঁ ও মীর জুমলা বাংলার সুবেদার হয়ে সফলভাবে অঞ্চলটি মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে নিয়ে আসেন। সি) সম্রাট জাহাঙ্গীর — তার শাসনামলে সুবেদার ইসলাম খাঁ চিশতি বাংলার বারো ভূঁইয়াদের দমন করে পুরো বাংলায় মুঘল আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। ডি) সম্রাট আকবর — তার আমলেই জেনারেল মানসিংহ ও অন্যান্য সেনাপতিদের মাধ্যমে বাংলার বড় একটি অংশ মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত করা হয়। মনে রাখার টিপস: হুমায়ুন মানেই যুদ্ধ ও পলায়ন, তাই বাংলায় তিনি থিতু হতে পারেননি।

মোট প্রশ্ন (25)

1. 'অগ্নিবীণা' কাব্যের কবিতা সংখ্যা-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ হলো 'অগ্নিবীণা'। - এই বিখ্যাত কাব্যটিতে মোট বারোটি কবিতা সংকলিত হয়েছে যা বাংলা কাব্য সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। - এই কাব্যের প্রথম কবিতা 'প্রলয়োল্লাস' এবং সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা 'বিদ্রোহী' বাংলা সাহিত্যকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রলয়োল্লাস' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটির মাধ্যমে বাংলা কবিতায় প্রথম শোষিত মানুষের মুক্তির আশায় আশু বিপ্লবের ডাক দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: 'বিদ্রোহী' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ব্যাখ্যা: এই কবিতা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলাম সারা বাংলায় বিদ্রোহী কবি হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যটিতে ঠিক বারোটি কবিতা রয়েছে এবং এর প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস ও শেষ কবিতা মোহম্মদ। B) ১৪ — এটি ভুল কারণ কোনো অপশন ভুল হলেও চৌদ্দ সংখ্যাটি এই কাব্যগ্রন্থের কবিতা সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মিলে না। C) ১৯ — এটি ভুল কারণ উনিশ সংখ্যাটি নজরুলের অন্য কোনো কাব্যগ্রন্থের কবিতা বা রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু অগ্নিবীণার ক্ষেত্রে নয়। D) ১৭ — এটি ভুল কারণ সতেরোটি কবিতা অগ্নিবীণা কাব্যে নেই, এটি অন্য কোনো কবির কাব্যগ্রন্থের কবিতা সংখ্যা হতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অগ্নিবীণা কাব্যের কবিতা সংখ্যা মনে রাখতে ১২ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - নজরুল প্রথম কাব্য প্রকাশ করেছিলেন ১৯২২ সালে এবং এতে মোট কবিতা ছিল বারোটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি যুগান্তরকারী এবং এটি উৎসর্গ করা হয়েছিল বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল, উৎসর্গ এবং প্রথম কবিতার নাম প্রায়ই আসে।
3. টি, টা, খানা, খানি ইত্যাদি-
Created 2 days ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদাশ্রিত নির্দেশক ১. কেন সঠিক: যেসব শব্দ বা প্রত্যয় কোনো পদের পরে যুক্ত হয়ে সেই পদটিকে নির্দিষ্ট করে বুঝিয়ে দেয়, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। প্রশ্নোক্ত টি, টা, খানা, খানি ইত্যাদি শব্দাংশ বিশেষ্য পদের পরে বসে নির্দিষ্টতা, অনিশ্চিয়তা বা পরিমাণ বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পদাশ্রিত নির্দেশক হলো এমন কিছু শব্দ বা প্রত্যয় যা মূলত পদের আশ্রয়ে বা পরে বসে বচন ও নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে টি, টা, খানা, খানি, টুকুটুকু, গুলোগুলো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও। ব্যাখ্যা: এখানে বই বিশেষ্যের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: কলমটা হারিয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: এখানে কলম বিশেষ্যের সাথে টা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি কলমকে নির্দেশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাশ্রিত নির্দেশক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টি, টা, খানা, খানি পদের পরে বসে নির্দিষ্টতা নির্দেশ করে। B) প্রকৃতি — প্রকৃতি হলো শব্দের মূল অংশ যা ব্যাকরণে শব্দ বা ধাতু গঠনে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। C) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দকে পদে পরিণত করে এবং কারক বোঝাতে সাহায্য করে, যা নির্দেশকের কাজ নয়। D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, যা পরে বসা নির্দেশক থেকে আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট করে বোঝাতে পদের শেষে যা বসে, সেটাই পদাশ্রিত নির্দেশক। টি, টা, খানা, খানি সবসময় পদের পরে বসে নির্দিষ্ট করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদাশ্রিত নির্দেশক সবসময় পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা প্রকাশ করে। একই নিয়মে গাছটি, খাতাখানা বা বইখানি জাতীয় প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে হয়।
5. 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' কার রচিত গ্রন্থ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: - 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' বাংলা গদ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আদি নিদর্শন এবং এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ। - সংস্কৃত ভাষার বেতালপঞ্চবিংশতি বা ভেতালভট্ট রচিত কাঠা থেকে মূল কাহিনীর সারসংক্ষেপ গ্রহণ করে তিনি এটি বাংলায় রূপান্তর করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি সাহিত্য থেকে অনেক গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করেন। - ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের গদ্যরীতির দুর্বলতা দূর করে বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল ও গতিশীল করতে তাঁর অবদান অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটকের কাহিনীর অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সীতার বনবাস ব্যাখ্যা: এটি বাল্মীকি রামায়ণের উত্তরকাণ্ডের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মৌলিক ও মার্জিত গদ্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের রচয়িতা এবং বাংলা গদ্যের অন্যতম রূপকার। B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলা গীতিকবিতার ভূয়সী প্রশংসিত কবি এবং ভোরের পাখি নামে পরিচিত, কোনো গদ্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। C) অক্ষয় কুমার দত্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও বিজ্ঞানী, তার বিখ্যাত গ্রন্থ চারুপাঠ ও পদার্থবিদ্যা। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন প্রখ্যাত সংবাদিক ও কবি, যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগর মানেই অনুবাদ ও সমাজসংস্কার। বেতাল পঞ্চবিংশতি এবং ভ্রান্তিবিলাস মনে রাখার জন্য বিদ্যাসাগরের অনুবাদের তালিকা আলাদা করে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই তার গদ্যগ্রন্থগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
6. 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' - কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১. কেন সঠিক: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত এবং বহুল প্রচলিত পঙ্‌ক্তি। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনির প্রার্থনা থেকে এই পঙ্‌ক্তিটি নেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং নদীয়া জেলার পেকুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - নদীয়া রাজদরবারের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি হিসেবে তিনি 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত হন এবং তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এই কাব্যের তিনটি অংশ রয়েছে, যথা অন্নপূর্ণামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ। উদাহরণ ২: নাগেন্দ্র ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ব্যাখ্যা: অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনির এই উক্তিটি মূলত তৎকালীন সাধারণ মানুষের পেটে-ভাতে বাঁচার চিরন্তন আকুতি প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি তাঁর রচিত নয়। B) কানাহরি দত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রারম্ভিক কবি এবং তাঁর রচিত পঙ্‌ক্তি এটি নয়। C) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — এই অপশনটি সঠিক কারণ পঙ্‌ক্তিটি তাঁরই অন্নদামঙ্গল কাব্যের অন্তর্গত। D) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুধে ভাতে বেঁচে থাকার প্রার্থনা করেছিল ঈশ্বরী পাটুনী আর তাঁর রচয়িতা হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। - মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্রের অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্য মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই পঙ্‌ক্তিটি কার এবং কোন কাব্যের তা প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের চরিত্র এবং তাদের বিখ্যাত উক্তিগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
9. কোনটি 'যোগরূঢ়' শব্দের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জলধি ১. কেন সঠিক: যোগরূঢ় শব্দ হলো সেই সমস্ত সাধিত শব্দ, যা সমাসবদ্ধ হয়ে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ না করে প্রাকৃতিকভাবে পদের অবয়ব অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। এখানে জলধি শব্দটির সাধারণ অর্থ জল ধারণ করে এমন যেকোনো বস্তু বা আধার, কিন্তু সমাসের নিয়মে এটি নির্দিষ্ট করে সমুদ্রকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগ চার প্রকার, যথা মৌলিক, সাধিত, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় শব্দ। যোগরূঢ় শব্দ মূলত বহুব্রীহি বা অন্য কোনো সমাসের সাহায্যে গঠিত হয় কিন্তু অর্থ নির্ধারণের সময় তা সমসমান পদের literal অর্থ বজায় না রেখে একটি বিশেষ অর্থ গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা, অর্থাৎ পঙ্কে উৎপন্ন যেকোনো কিছু বোঝাতে পারত, কিন্তু যোগরূঢ় নিয়মে এটি নির্দিষ্ট করে কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়। উদাহরণ ২: রাজপুত ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র যেকোনো রাজপুত্র হতে পারে, কিন্তু যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে এটি একটি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সমাস নিষ্পন্ন হয়ে বিশেষ অর্থ সমুদ্রকে প্রকাশ করে। B) হস্তী — এটি একটি রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ, যার উৎপত্তিগত অর্থ হাত আছে যার হলেও বর্তমানে এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট পশুকে বোঝায়। C) সন্দেশ — এটিও একটি রূঢ় শব্দ, যার সাধারণ অর্থ সংবাদ হলেও বর্তমানে এটি একটি মিষ্টি বিশেষকে বোঝায়। D) বাঁশি — এটি একটি মৌলিক শব্দ, যা কোনো সমাস বা প্রত্যয়ের সাহায্য ছাড়াই গঠিত হয়েছে এবং এর কোনো ভিন্ন বিশেষ অর্থ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: যোগরূঢ় শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো জলধি, পঙ্কজ, মহাযাত্রা এবং রাজপুত এই কয়েকটি শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করা কারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত এর মধ্য থেকেই প্রশ্ন বেশি আসে। যেসব সমাসবদ্ধ শব্দ সাধারণ অর্থের বদলে একটি নির্দিষ্ট ঐতিহ্যগত বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাদের চোখ বুজে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রূঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দের পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই উৎপত্তিগত অর্থ এবং প্রচলিত অর্থের ব্যবধান ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দের ব্যুৎপত্তি এবং তার বর্তমান প্রচলিত প্রমিত অর্থ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
11. 'বড়াই' কোন কাব্যের চরিত্র?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ১. কেন সঠিক: - বড়াই চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - এই কাব্যে বড়াই রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মধ্যস্থতাকারী বা ঘটকালির ভূমিকা পালন করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি প্রাক-চৈতন্য যুগের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্ব<bos>1ভাষার পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়াই বুড়ি ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলায় বড়াই একজন প্রবীণা নারী ও ঘটিয়ালি চরিত্র হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: রাধা ও কৃষ্ণ ব্যাখ্যা: বড়াই এই দুই প্রধান চরিত্রের প্রেমের সংযোগ ঘটাতে নানা কৌশলের আশ্রয় নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসামঙ্গল — মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র চাঁদ সওদাগর, লখিন্দর ও বেহুলা। B) চণ্ডীমঙ্গল — চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র কালকেতু, ফুল্লরা এবং ধনপতি ও খুল্লনা। C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এই অপশনটি সঠিক এবং বড়াই চরিত্রটি এই কাব্যেরই অংশ। D) পদ্মাবতী — পদ্মাবতী কাব্যের প্রধান চরিত্র রত্নসেন ও পদ্মাবতী। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বললেই রাধা, কৃষ্ণ এবং তাদের প্রেমের মধ্যস্থতাকারী বড়াই বুড়ির কথা মনে রাখবে। - মধ্যযুগের একমাত্র রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক নাটকীয় কাব্য হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্য ও চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বড়াই চরিত্রের মতো অন্যান্য কাব্যের গৌণ ও প্রধান চরিত্রগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
18. 'চতুরঙ্গ' গ্রন্থটি কার রচিত?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'চতুরঙ্গ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানুষের বিশ্বাস, নাস্তিকতা, মানবপ্রেম এবং জীবনদর্শনের গভীর জটিলতা তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক প্রাতঃস্মরণীয় প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর রচিত অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে যোগাযোগ, শেষের কবিতা, গোরা ও চোখের আলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গীতিধর্মী উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: গোরা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সর্ববৃহৎ এবং একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক রাজনৈতিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'চতুরঙ্গ' তাঁর রচিত উপন্যাস নয়। B) দীনবন্ধু ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যে এই নামে কোনো পরিচিত প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক বা সাহিত্যিক নেই। C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — ইনি বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত বিখ্যাত লেখক হলেও 'চতুরঙ্গ' তাঁর গ্রন্থ নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য চতুরঙ্গ, যোগাযোগ ও শেষের কবিতা একসাথে পড়তে পারো। - উপন্যাসের নাম 'চতুরঙ্গ' এবং এর রচয়িতাও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, এটি বারবার অনুশীলন করলে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উপন্যাসগুলোর প্রকাশকাল এবং প্রধান চরিত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
19. 'নবান্ন' শব্দটি কোন প্রক্রিয়ায় গঠিত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাস ১. কেন সঠিক: নবান্ন শব্দটি সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত একটি বহুব্রীহি সমাস। নব অর্থ নতুন এবং অন্ন অর্থ খাদ্য বা ভাত, যা মিলে নতুন ধান কাটা ও তা থেকে প্রস্তুত অন্ন খাওয়ার উৎসবকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাজবদ্ধ পদের দ্বারা কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায় এবং ব্যাসবাক্যের পদের অর্থ সরাসরি বজায় থাকে না, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। নবান্ন শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নতুন অন্ন যে সমাসের বা যে উৎসবের, এটি সমানাধিকার বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়হলুদ ব্যাখ্যা: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এটি একটি বহুব্রীহি সমাস। উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদের সিন্ধু রূপ, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ নবান্ন শব্দটির ব্যাসবাক্য ও অর্থের দিক থেকে এটি সমাস সাধিত শব্দ। B) সন্ধি — যদিও নব যুক্ত অন্ন মিলে নবান্ন হতে পারে, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ অর্থ প্রকাশের কারণে এটি সমাস হিসেবেই প্রধানত গণ্য হয়। C) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, যা নবান্ন শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, যা নবান্ন শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: নবান্ন একটি বিশেষ উৎসবের নাম বোঝালে তা সাধারণত সমাস হিসেবে গণ্য করতে হয়। নৃতাত্ত্বিক ও সামাজিক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে সমাস নির্ণয়ের নিয়মটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নবান্ন শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের একটি চমৎকার ও বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ প্রায়ই সমাস নির্ণয়ের জন্য আসে।
22. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: নিশীথিনী শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের মাধ্যমে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিশীথ শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিন এবং তার সঙ্গে স্ত্রীবাচক ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটিও রাত্রির সমার্থক একটি তৎসম শব্দ যার বানান দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত। উদাহরণ ২: রজনী ব্যাখ্যা: রাতের আরেকটি প্রতিশব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথিনী — ভুল বানানে প্রথম ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) নীশিথিনী — ভুল বানানে প্রথম অক্ষর দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে লেখা হয়েছে। D) নিশিথিনি — ভুল বানানে শেষের ন-এ হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিশীথ শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে, তাই এর থেকে আগਤ নিশীথিনী শব্দেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হবে। শব্দের মাঝের থ এবং শেষ অংশের দন্ত্য ন-এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ-কার বসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাতের সমার্থক শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে। তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে শেষের ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
23. 'রূপসী বাংলা'র কবি কে?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশকে মূলত বাংলার প্রকৃতি, রূপ ও বিষাদের কবি হিসেবে অভিহিত করা হয় এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা'-র কারণেই তাকে 'রূপসী বাংলা'র কবি বলা হয়। এই উপাধিটি তার কবিতার অনন্য বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে যেখানে বাংলার গ্রামীণ রূপ অত্যন্ত গভীরভাবে চিত্রিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং বাংলা সাহিত্যে নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত। তার 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি তার মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলা প্রকৃতির প্রতি তার অকৃত্রিম প্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ ও কবিতা যার মাধ্যমে তিনি বিশ্বসাহিত্যে পরিচিতি লাভ করেছেন। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার আধুনিক মননশীলতার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি তিরিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হলেও তাকে 'রূপসী বাংলা'র কবি বলা হয় না। B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি তিরিশের দশকের একজন প্রখ্যাত অমিত্রাক্ষর ছন্দের কবি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক কবিতার রচয়িতা। C) বিষ্ণু দে — তিনি একজন মার্ক্সবাদী চেতনার আধুনিক কবি ও প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তার রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের জন্য এই উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশ মানেই বাংলার রূপ, ধানসিঁড়ি নদী এবং বাংলার প্রকৃতি। তাই প্রকৃতির রূপ বর্ণনার সঙ্গে এই কবির নাম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন কবির উপাধি থেকে প্রশ্ন আসে। যেমন, পল্লীকবি জসীমউদ্দীন এবং স্বভাবকবি রামনিধি গুপ্ত।

মোট প্রশ্ন (25)

1. A person who reads and thinks a lot is called-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Intellectual কেন সঠিক: - Intellectual শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যিনি পড়াশোনা এবং চিন্তাভাবনায় অত্যন্ত পারদর্শী। - প্রশ্নানুসারে যে ব্যক্তি প্রচুর পড়েন এবং চিন্তা করেন, তাকে এক কথায় Intellectual বা বুদ্ধিজীবী বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spiritual — এই অপশনটি ভুল কারণ Spiritual শব্দের অর্থ আধ্যাত্মিক, যা ধর্ম বা আত্মার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) Intellectual — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) Witty — এই অপশনটি ভুল কারণ Witty শব্দের অর্থ রসাত্মক বা চটপটে বুদ্ধিসম্পন্ন, যা পড়াশোনা বা চিন্তার গভীরতাকে বোঝায় না। D) Angry — এই অপশনটি ভুল কারণ Angry শব্দের অর্থ রাগান্বিত, যা মানুষের একটি আবেগময় মানসিক অবস্থাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Intellectual শব্দের ভেতরে Read বা পড়া এবং Think বা ভাবার মানসিকতা লুকিয়ে থাকে।
2. Identify the adjective of the word 'tax'.
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Taxable কেন সঠিক: - Tax শব্দের সঙ্গে able প্রত্যয় যুক্ত হয়ে adjective গঠিত হয়েছে যার অর্থ করযোগ্য। - এই শব্দটি বাক্যে noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taxable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি adjective যা কোনো বস্তুর কর দেওয়ার যোগ্য অবস্থাকে বোঝায়। B) Taxation — এটি noun কারণ এর শেষে tion যুক্ত আছে এবং এটি কর ধার্য করার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। C) Taxing — এটি verb-এর present participle বা adjective হতে পারে তবে এর অর্থ ক্লান্তিকর, যা tax শব্দের সরাসরি adjective রূপ নয়। D) Taxability — এটি noun কারণ এর শেষে ility যুক্ত আছে এবং এটি করযোগ্যতার অবস্থাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে শেষে able বা ible দেখলে সাধারণত সেটি adjective হয়।
3. 'The merchant of Venice' is written by-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Shakespeare কেন সঠিক: - 'The merchant of Venice' হলো বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত ট্রাজিকমেডি বা নাটক। - এটি মূলত অর্থ, বিচার এবং বন্ধুত্বের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে রচিত শেক্সপিয়ারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকটির রচয়িতা উইলিয়াম শেক্সপিয়ার। B) Milton — জন মিল্টন একজন মহাকবি ছিলেন, যার বিখ্যাত সৃষ্টি প্যারাডাইজ লস্ট, নাট্যকার হিসেবে তিনি পরিচিত নন। C) John Webster — জন ওয়েবস্টার একজন নাট্যকার হলেও তিনি এই নির্দিষ্ট নাটকটি রচনা করেননি। D) John Kyd — থমাস কিড একজন এলিজাবেথীয় নাট্যকার ছিলেন, যিনি স্প্যানিশ ট্র্যাজেডির জন্য পরিচিত এবং এই নাটকের সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ভেনিস শহরের বণিক বা মার্চেন্ট বললেই শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটকটির কথা মনে রাখবে।
4. A poem of fourteen line is called-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
6. NEC stands for-
Created 2 days ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) National Economic Council কেন সঠিক: - এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শব্দসংক্ষেপ যার পূর্ণরূপ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ। - এটি সরকারের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক নীত নির্ধারণী ও পরিকল্পনা অনুমোদনকারী সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Non Economic Currency — এটি কোনো বাস্তবসম্মত বা প্রচলিত অর্থনৈতিক পরিভাষা নয়। B) National Economic Council — এটি প্রশ্নানুসারে সম্পূর্ণ সঠিক এবং গ্রহণযোগ্য উত্তর। C) No exchange Currency — এটি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত শব্দসংক্ষেপ নয়। D) Never Ending Crisis — এটি সাধারণ কোনো অর্থনৈতিক বা দাপ্তরিক সংস্থার নাম নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: NEC এর প্রথম অক্ষর এন দিয়ে ন্যাশনাল, ই দিয়ে ইকোনমিক এবং সি দিয়ে কাউন্সিল মনে রাখতে হবে।
9. Fill in the gap: John is as cunning as ___
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
10. Fill in the gap: 'He is good ___ fishing'.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে প্রিপজিশন হিসেবে অ্যাট বসে। - মাছ ধরা বা অন্য কোনো কাজে পারদর্শী বোঝাতে ফিশিং শব্দের পূর্বে সঠিক প্রিপজিশনটি অ্যাট হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - এটি সাধারণত কোনো বড় স্থান, ক্ষেত্র বা বিষয়ের ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে, দক্ষতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) about - এটি কোনো বিষয় সম্পর্কে বা কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, পারদর্শিতা বোঝাতে নয়। C) at - এটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা, পারদর্শিতা বা নিপুণতা প্রকাশ করার জন্য সঠিক ও প্রমিত প্রিপজিশন। D) on - এটি কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ওপর ভিত্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বুঝাতে গুড শব্দের পরে সবসময় অ্যাট বসবে।
11. Which one is the plural number?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
12. 'Maiden Speech' means-
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) First Speech কেন সঠিক: - 'Maiden Speech' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো কারো জীবনের প্রথম বা আত্মপ্রকাশমূলক বক্তব্য। - পার্লামেন্ট বা কোনো আনুষ্ঠানিক সভায় একজন নতুন বক্তার প্রথম ভাষণকে এই বিশেষ নামে অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Final Speech — এটি শেষ ভাষণ বা বক্তব্য বোঝায়, যা maiden শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) First Speech — এটি সঠিক উত্তর কারণ maiden শব্দের অর্থ প্রথম এবং speech অর্থ বক্তব্য। সি) Important Speech — এটি যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য বোঝায়, যা প্রথম বক্তব্য বোঝাতে নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয় না। D) Last Speech — এটি শেষ বক্তব্য বোঝায়, যা প্রথম বক্তব্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তির জীবনে দেওয়া প্রথম বক্তব্যকেই Maiden Speech বলা হয়।
13. I water the garden. The underlined word is-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
14. What is the meaning of 'diehard'?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A strong supporter কেন সঠিক: - Diehard শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো মতাদর্শ, দল বা নীতির প্রতি অত্যন্ত দৃঢ় ও পরিবর্তনহীনভাবে অনুগত। - এই শব্দটির আভিধানিক ও প্রায়োগিক অর্থ হলো প্রবল সমর্থক বা একরোখা মতাবলম্বী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A dead soul — এটি দ্বারা একটি মৃত আত্মাকে বোঝায়, যা রাজনৈতিক বা আদর্শগত সমর্থনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন। B) A weak supporter — এটি Diehard শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এর অর্থ একজন দুর্বল বা অনিচ্ছুক সমর্থক। C) A strong supporter — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং Diehard শব্দের অর্থের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়। D) A dead cow — এটি একটি আক্ষরিক ও অবাস্তব অর্থ নির্দেশ করে, যার সঙ্গে মানুষের রাজনৈতিক বা আদর্শগত সমর্থনের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Die (মরে যাওয়া) সত্ত্বেও যে হার মানে না এবং শেষ পর্যন্ত সমর্থন বজায় রাখে, তিনিই হলেন Diehard বা প্রবল সমর্থক।
16. What is the verb of 'Peace'?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
18. Who is the writer of 'The Good Earth'?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Pearl S. Buck কেন সঠিক: - পার্ল এস বাক মার্কিন ঔপন্যাসিক যিনি চীনদেশের গ্রামীণ জীবনের ওপর ভিত্তি করে 'দ্য গুড আর্থ' উপন্যাসটি লিখেছেন। - এই উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর ১৯৩২ সালে পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Virginia Wolf — তিনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ আধুনিকতাবাদী লেখক ছিলেন যিনি 'মিসেস ডালোওয়ে' উপন্যাসের জন্য পরিচিত। B) George Eliot — তিনি একজন ভিক্টোরিয়ান যুগের ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি 'মিডলমার্চ' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। C) Pearl S. Buck — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) Leo Tolstoy — তিনি একজন বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক ছিলেন যিনি 'ওয়ার অ্যান্ড পিস' উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ভালো মাটির পৃথিবী বা দ্য গুড আর্থ লেখার জন্য বাক বা পার্ল এস বাক চীনদেশের পটভূমিতে বিখ্যাত হয়েছেন।
19. Early rising is conductive ___ health.
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: - English Grammatical Rule অনুযায়ী Conductive শব্দটির পর সাধারণত preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়। - এর অর্থ হলো উপকারী বা সাহায্যকারী, যা স্বাস্থ্য বা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — এই বাক্যের ক্ষেত্রে for preposition ব্যবহার করলে অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। B) to — এটি সঠিক কারণ Conductive এর সাথে Fixed Preposition হিসেবে to বসে। C) of — এখানে of ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন ও অর্থ পরিবর্তিত হয়ে যায় যা সঠিক নয়। D) on — on preposition বসালে বাক্যের নির্ধারিত অর্থ প্রকাশ পায় না। মনে রাখার টিপস: Conductive শব্দের সাথে সব সময় to preposition বসে, যেমন Conductive to health।
20. What is the sound made by a goat?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bleating কেন সঠিক: - ছাগল বা ভেড়ার ডাককে ইংরেজিতে Bleating বা ম্যা ম্যা শব্দ বলা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ইংরেজি অংশে বিভিন্ন প্রাণীর ডাক সংক্রান্ত প্রশ্নে এটি একটি অত্যন্ত কমন শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hooting — এটি মূলত পেঁচার ডাক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, তাই ছাগলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Cooing — এটি পায়রা বা ঘুঘুর ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ছাগলের ডাকের সঙ্গে মেলে না। C) Squeaking — এটি ইঁদুর বা কোনো কিছুর কিচিরমিচির বা তীক্ষ্ণ শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Bleating — এটি ছাগলের ডাক বোঝানোর জন্য সম্পূর্ণ সঠিক এবং নির্দিষ্ট শব্দ। মনে রাখার টিপস: ছাগল ও ভেড়া বি-তে (B) শুরু হয় এবং এদের ডাকও বি-দিয়ে (Bleating) শুরু হয়।
24. Who is an essayist?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

মোট প্রশ্ন (25)

2. 5% বৃদ্ধিতে x এর বর্ধিত মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x(1 + 1/20) প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো x সংখ্যাটির মান বৃদ্ধি পায় ৫% ধরি, মূল সংখ্যা = x বৃদ্ধির পরিমাণ = x এর ৫% অতএব, বৃদ্ধির পরিমাণ = x × (৫ ÷ ১০০) কাটাকাটি করে পাই, x × (১ ÷ ২০) বর্ধিত মান নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, বর্ধিত মান = x + x × (১ ÷ ২০) কমন নিলে পাই, x(১ + ১ ÷ ২০) উত্তর: x(১ + ১ ÷ ২০)
4. (0.15 × 10ᵖ) / (0.3 × 10𝑞) = 5 × 10⁷ হলে p - q = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত সমীকরণটি হলো (০.১৫ × ১০^p) ÷ (০.৩ × ১০^q) = ৫ × ১০^৭ ধরি, সমীকরণটির বামপক্ষ হলো (০.১৫ ÷ ০.৩) × (১০^p ÷ ১০^q) অতএব, ০.১৫ কে ০.৩ দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যায় ০.৫ সুতরাং, ০.৫ × ১০^(p − q) = ৫ × ১০^৭ উত্তর: p − q = ৮
5. পিতা ও ২ সন্তানের বয়সের গড় ৩৭ বছর। পিতা, মাতা ও ঐ ২ সন্তানের বয়সের গড় ৩৬ বছর। মাতার বয়স কত বছর?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩৭ বছর পিতা, মাতা ও ঐ দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩৬ বছর ধরি, পিতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর পিতা, মাতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ৩৬ × ৪ = ১৪৪ বছর অতএব, মাতা ও পিতা এবং দুই সন্তানের বয়সের সমষ্টি = ১৪৪ বছর পিতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ১১১ বছর সুতরাং, মাতার বয়স = ১৪৪ − ১১১ = ৩৩ বছর উত্তর: ৩৩ বছর
9. যথাক্রমে x এবং y একক দৈর্ঘ্য ও প্রস্থবিশিষ্ট একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 96 একক। যদি আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ হয়, তবে কোনটি সঠিক?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x + y = 48 প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য = x একক প্রস্থ = y একক পরিসীমা = ৯৬ একক ধরি, আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) দৈর্ঘ্য = ২ × প্রস্থ বা x = ২y অতএব, শর্তমতে, ২ × (x + y) = ৯৬ x + y = ৯৬ ÷ ২ সুতরাং, x + y = ৪৮ উত্তর: B) x + y = 48
12. 128, 64, 32, ....... ধারাটির ৮মে পদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ = ১২৮ ধারাটির সাধারণ অনুপাত = ৬৪ ÷ ১২৮ = ১ ÷ ২ ধরি, ধারাটির প্রথম পদ a = ১২৮ সাধারণ অনুপাত r = ১ ÷ ২ অতএব, গুণোত্তরমালার n-তম পদের সূত্র হলো a গুণ r এর পাওয়ার (n − ১) এখানে পদ সংখ্যা n = ৮ সুতরাং, অষ্টম পদ = ১২৮ গুণ (১ ÷ ২) এর পাওয়ার (৮ − ১) অষ্টম পদ = ১২৮ গুণ (১ ÷ ১২৮) = ১ উত্তর: ১
15. sinA = 2/3 হলে cosA = কত?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √৫/৩ প্রদত্ত তথ্য: sinA = ২/৩ আমরা জানি, sin এর বর্গ A + cos এর বর্গ A = ১ মান বসিয়ে পাই, (২/৩) এর বর্গ + cos এর বর্গ A = ১ ৪/৯ + cos এর বর্গ A = ১ অতএব, cos এর বর্গ A = ১ − ৪/৯ cos এর বর্গ A = (৯ − ৪)/৯ = ৫/৯ সুতরাং, cosA = √(৫/৯) উত্তর: √৫/৩
17. 52টি তাসের একটি প্যাকেট হতে একটি তাস তোলা হলো। তাসটি টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/১৩ প্রদত্ত তথ্য: তাসের প্যাকেটে মোট তাস থাকে ৫২টি টেক্কা থাকে ৪টি ধরি, মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৫২ অনুকূল ফলাফল = ৪ অতএব, টেক্কা তোলার অনুকূল ফলাফল চার মোট তাসের সংখ্যা বা সমতুল্য মান বাহান্ন সুতরাং, সম্ভাবনার সূত্র অনুযায়ী ভাগ করতে হবে উত্তর: ৪ ÷ ৫২ = ১/১৩
18. প্রথম দশটি বিজোড় সংখ্যার যোগফল কত?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ প্রدত্ত তথ্য: প্রথম দশটি বিজোড় সংখ্যা হলো ১, ৩, ৫, ৭, ৯, ১১, ১৩, ১৫, ১৭ এবং ১৯ ধরি, প্রথম বিজোড় সংখ্যা = ১ দশম বিজোড় সংখ্যা = ১৯ অতএব, বিজোড় সংখ্যার যোগফলের সূত্র হলো এন গুণ এন এখানে এন এর মান হলো দশ সুতরাং, ১০ × ১০ = ১০০ উত্তর: ১০০
20. কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির মোট পরিমাণ হবে-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়। ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একইভাবে বর্ধিত করলে মোট তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়। ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ। ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে (১৮০° − ক), (১৮০° − খ) এবং (১৮০° − গ)। অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ সুতরাং, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ) তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = ৫৪০° − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০° − ১৮০° = ৩৬০°
21. কোনো সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ 135° হলে এর বাহুর সংখ্যা কত?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৩৫° ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ক অন্তঃকোণ ও বহিঃকোণের সমষ্টি = ১৮০° অতএব, প্রতিটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ১৩৫° = ৪৫° বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০° সুতরাং, বাহুর সংখ্যা (ক) = ৩৬০° ÷ ৪৫° উত্তর: ৮
23. x² - (p + q)x + pq = 0 এর সমাধান কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (p, q) প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x^2 − (p + q)x + pq = ০ ধরি, সমীকরণটির উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, x^2 − px − qx + pq = ০ সুতরাং, x(x − p) − q(x − p) = ০ উত্তর: (x − p)(x − q) = ০, যার সমাধান p এবং q
24. 400- এর log 4; ভিত্তি কত?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

মোট প্রশ্ন (25)

1. বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ পার্ক-
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক বা অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস পার্ক। - মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীর তীরে এই বিশেষায়িত শিল্পনগরী স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় — এটি সঠিক কারণ দেশের প্রথম ওষুধ পার্ক এখানেই অবস্থিত। B) গাজীপুরের কালিয়াকেড়ে — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে দেশের প্রথম হাইটেক পার্ক বা সিলিকন সিটি অবস্থিত। C) সাভারের কোনাবাড়ীতে — এটি সঠিক নয় কারণ এই এলাকায় সাভার চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত। D) ময়মনসিংহের ভালুকায় — এটি সঠিক নয় কারণ ভালুকায় অনেক ব্যক্তিগত কারখানা থাকলেও কোনো সরকারি ওষুধ পার্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ওষুধ পার্কের প্রথম অক্ষর ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া মনে রাখুন এভাবে: ওষুধে 'ম' থাকলে স্থানটিও 'ম' দিয়ে শুরু মুন্সীগঞ্জ।
2. শিল্প বিপ্লব কোন দেশে প্রথম শুরু হয়?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে ইংল্যান্ডে পর্যাপ্ত কয়লা ও লোহার খনিজ মজুত থাকার কারণে প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে। - এ সময় ঔপনিবেশিক বাজার ও পুঁজির আধিপত্য ইংল্যান্ডকে শিল্পায়নে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এগিয়ে রেখেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে প্রথম আধুনিক শিল্পায়নের সূচনা হয়েছিল। B) জার্মানি — এটি পরবর্তী সময়ে শিল্পায়নে দ্রুত উন্নতি লাভ করলেও প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূতিকাগার ছিল না। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে শিল্প উৎপাদনে এগিয়ে আসে, তবে বিপ্লবের সূচনার দিক থেকে ইংল্যান্ডের পরেই এর অবস্থান। D) ফ্রান্স — রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিপ্লবের কারণে ফ্রান্সে শিল্পায়ন ইংল্যান্ডের তুলনায় বিলম্বে শুরু হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: শিল্প বিপ্লবের মূল চাবিকাঠি হলো কয়লা এবং বাষ্পীয় ইঞ্জিন, যা প্রথম সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছিল ইংল্যান্ডে।
4. 'শ্বেত হস্তীর দেশ'-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডে রাজপরিবারের কাছে সাদা হাতি অত্যন্ত পবিত্র ও সৌভাগ্যের প্রতীক বলে বিবেচিত হয়। - প্রাচীনকালে থাইল্যান্ডের রাজারা তাদের ক্ষমতা ও ঐশ্বর্যের প্রতীক হিসেবে সাদা হাতি লালনপালন করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটিতে প্রচুর সাদা হাতি দেখা যায়। B) সিঙ্গাপুর — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি উন্নত দ্বীপ রাষ্ট্র, যা শ্বেত হস্তীর দেশ নামে পরিচিত নয়। C) কাপুচিয়া — বর্তমান কম্বোডিয়াকে অতীতে কাপুচিয়া বলা হতো, এটি শ্বেত হস্তীর দেশ নয়। D) ইন্দোনেশিয়া — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি বিশাল দ্বীপরাষ্ট্র, যা মশলার দেশ হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের রাজারা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে সাদা হাতি পুষতেন বলে থাইল্যান্ডকে শ্বেত হস্তীর দেশ বলা হয়।
5. কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য অমর্ত্য সেন নোবেল পুরস্কার পান?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কল্যাণ অর্থনীতি কেন সঠিক: - অমর্ত্য সেন দারিদ্র্য, দুর্ভিক্ষ এবং মানুষের কল্যাণ নিয়ে কাজ করে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। - তার এই গবেষণা সমাজকল্যাণ অর্থনীতি এবং সামাজিক পছন্দ তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা অর্থনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নয়ন অর্থনীতি — অমর্ত্য সেন উন্নয়ন অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তাকে প্রধানত কল্যাণ অর্থনীতি ও দারিদ্র্য বিষয়ক গবেষণার জন্য নোবেল দেওয়া হয়। B) কল্যাণ অর্থনীতি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্ব — এটি বাণিজ্য বা মুক্তবাজার অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা অমর্ত্য সেনের নোবেল প্রাপ্তির মূল ক্ষেত্র নয়। D) মজুরি তত্ত্ব — এটি শ্রমবাজার এবং শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা অমর্ত্য সেনের মূল নোবেল অর্জনের বিষয় ছিল না। মনে রাখার টিপস: অমর্ত্য সেন মানেই মানুষের কল্যাণ, তাই মনে রাখবেন তিনি কল্যাণ অর্থনীতির জন্য নোবেল পেয়েছেন।
7. বাংলায় নববর্ষ ১লা বৈশাখ চালু করেন-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্রাট আকবর কেন সঠিক: - সম্রাট আকবর কৃষকদের খাজনা আদায় সহজ করতে এবং ফসলের সঠিক সময়ে কর সংগ্রহ করতে বাংলা সন ও নববর্ষ চালু করেন। - ঐতিহাসিকদের মতে, তাঁর রাজত্বকালের ৯৮৪ হিজরি সনে (১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দ) জ্যোতির্বিজ্ঞানী আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজীর সহায়তায় বাংলা সনের প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতান ছিলেন যিনি সোনারগাঁ শাসন করতেন, বাংলা নববর্ষ চালুর সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। B) ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলা জয় করে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ নামে প্রথম স্বাধীন সুলতান হন, কিন্তু তিনি বাংলা সন চালু করেননি। C) সম্রাট আকবর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক। D) শের শাহ — তিনি সুর সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কারক হলেও বাংলা সন তাঁর সময়ে চালু হয়নি। মনে রাখার টিপস: আকবর মানেই বাংলা সন, ফসলি সন চালু করতে যিনি ছিলেন মন।
8. চন্দ্র অবতরণকারী প্রথম মানুষ-
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিল আর্মস্ট্রং কেন সঠিক: - তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপোলো ১১ মহাকাশযানের মাধ্যমে প্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠে পদার্পণ করেন। - চাঁদের মাটিতে পা রাখার পর তিনি ঐতিহাসিক এই ঘোষণা দেন যে এটি মানুষের একটি ছোট পদক্ষেপ কিন্তু মানবজাতির জন্য এক বিশাল উল্লম্ফন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যাগারিন — ইউরি গ্যাগারিন মহাকাশে ভ্রমণকারী প্রথম মানব হলেও তিনি চাঁদে অবতরণ করেননি। B) রিচার্ড এনড্রিন — ইনি চন্দ্র অবতরণকারী কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন এবং এই নামের কোনো মহাকাশচারী চাঁদে যাননি। C) জন প্লেইন — ইনি চন্দ্র অভিযানের সঙ্গে যুক্ত কোনো পরিচিত মহাকাশচারী নন। D) নিল আর্মস্ট্রং — ইনিই প্রথম মানুষ যিনি সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: চাঁদে প্রথম পা রাখেন নিল, তাই নামের আদ্যক্ষর মনে রাখুন নীল আকাশে প্রথম চাঁদে নিল।
10. বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতার দেশ-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেসোপটেমিয়া কেন সঠিক: - টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা মেসোপটেমিয়া সভ্যতা বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত। - খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় চার হাজার অব্দে এখানে সুমেরীয় সভ্যতার হাত ধরে বিশ্বের প্রথম নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রীস — এটি একটি প্রাচীন ইউরোপীয় সভ্যতা হলেও মেসোপটেমিয়ার মতো বিশ্বের প্রথম প্রাচীন সভ্যতা নয়। B) মেসোপটেমিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা। C) রোম — রোমান সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার অনেক পরে খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতকে ইতালিতে গড়ে ওঠে। D) ভারত — প্রাচীন ভারতীয় বা সিন্ধু সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার সমসাময়িক হলেও প্রথম প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে মেসোপটেমিয়াকেই ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: নদীর তীরে প্রথম সভ্যতা গড়ে ওঠে, তাই টাইগ্রিস-ইউফ্রেটিসের তীরবর্তী মেসোপটেমিয়া হলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।
11. সোনালী আঁশের দেশ-
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে পাট উৎপাদিত হয় এবং একসময় পাট ছিল দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। - পাটের সোনালী রঙ ও দেশের অর্থনীতিতে এর গুরুত্বের কারণে বাংলাদেশকে সোনালী আঁশের দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বিশ্বের অন্যতম পাট উৎপাদনকারী দেশ হলেও একে সোনালী আঁশের দেশ বলা হয় না। B) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, পাট বা সোনালী আঁশের সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। C) পাকিস্তান — পাকিস্তান একসময় বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পাট চাষের প্রধান অঞ্চল ছিল পূর্ব পাকিস্তান বা বর্তমান বাংলাদেশ। D) বাংলাদেশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাট উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও পাট শব্দ দুটি মনে রাখলেই সোনালী আঁশের দেশের সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যাবে।
12. পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া কেন সঠিক: - আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। - বিশ্বের মোট স্থলভাগের প্রায় ৩০ শতাংশ এবং জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ এই মহাদেশে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ, তাই এটি সঠিক নয়। B) ইউরেশিয়া — এটি মূলত এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের সম্মিলিত ভূখণ্ড, আলাদাভাবে কোনো একক স্বতন্ত্র মহাদেশ নয়। C) এশিয়া — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) উত্তর আমেরিকা — এটি আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ, তাই এটি এই প্রশ্নের উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের মহাদেশগুলোর আয়তন মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আউআউউ (আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা বা অন্য বিন্যাস), তবে এশিয়া সবসময় প্রথম স্থানে থাকে।
13. হোক্কাইডো দ্বীপ কোথায়?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাপানে কেন সঠিক: - হোক্কাইডো হলো জাপানের চারটি প্রধান দ্বীপের মধ্যে আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং সর্বউত্তরের দ্বীপ। - জাপানের বিখ্যাত সাপ্পোরো শহরটি এই দ্বীপেই অবস্থিত এবং এটি শীতল জলবায়ুর জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনে — চীন দেশের প্রধান ভূখণ্ডে হোক্কাইডো দ্বীপ অবস্থিত নয়, এটি জাপানের ভূগোলের অংশ। B) জাপানে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) ফিলিপাইনে — ফিলিপাইন একটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও হোক্কাইডো দ্বীপটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র হলেও হোক্কাইডো দ্বীপটি জাপানে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: জাপানের উত্তরে হোক্কাইডো এবং দক্ষিণে কিউশু দ্বীপ অবস্থিত।
15. বাংলাদেশের GDP এর প্রধান খাত-
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেবাখাত কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদনে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা খাত হলো সেবাখাত, যার অবদান অর্ধেকের বেশি। - আধুনিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, পরিবহন এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রমের সম্প্রসারণের ফলে এই খাতটি প্রধান অবস্থান ধরে রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেবাখাত — বাংলাদেশের জিডিপিতে বর্তমানে সর্বোচ্চ অবদান রাখায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) কৃষিখাত — একসময়ে প্রধান খাত হলেও বর্তমান অর্থনীতিতে এর অবদান দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে। C) শিল্পখাত — জিডিপিতে এই খাতের অবদান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেলেও এটি এখনো সেবাখাতের পরেই অবস্থান করছে। D) অন্যান্য — প্রদত্ত অপশনগুলোর বাইরে এটি কোনো স্বতন্ত্র ও প্রধান খাত হিসেবে গণ্য হয় না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন সেবা খাতের ওপর বেশি নির্ভরশীল, যা জিডিপির উৎপাদনে প্রথম স্থান অধিকার করে আছে।
18. মধ্যপ্রাচ্যের কোন মুসলমান দেশ সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে ইরাকই সর্বপ্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — সৌদি আরব ১৯৭৬ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ নয়। B) ইরাক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। C) কুয়েত — কুয়েত ১৯৭৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। D) UAE — সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৭৪ সালের ১০ মার্চ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ মনে রাখতে ইরাকের 'ই' দিয়ে 'প্রথম' কথাটি মনে রাখতে পারেন।
19. প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল-
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রবাসী সরকারের মূল কার্যক্রম ও প্রশাসনিক সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড থেকে পরিচালিত হতো। - এই ভবন থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় সরকার পরিচালনা, সেক্টর বিন্যাস এবং কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা — এটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মূল সদর দপ্তর বা সচিবালয় ছিল। B) মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় — এটি প্রবাসী সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান ছিল, যাকে মুজিবনগর বলা হয়, সদর দপ্তর ছিল না। C) নয়াদিল্লিতে — এটি ভারতের রাজধানী এবং তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক সমর্থনের কেন্দ্র হলেও প্রবাসী সরকারের সদর দপ্তর ছিল না। D) আগরতলা — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় সীমান্ত এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিবির ও যোগাযোগের কেন্দ্র ছিল, কিন্তু প্রবাসী সরকারের সদর দপ্তর ছিল না। মনে রাখার টিপস: শপথ নিয়েছি মেহেরপুরে, দেশ চালিয়েছি কলকাতার থিয়েটার রোডে।
21. ১৯৫৪ সালের পূর্বে বাংলার প্রাদেশিক নির্বাচনের ২১ দফায় ১ম দফা ছিল-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক একুশ দফার ইশতেহারে ভাষা আন্দোলনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মাজার নির্মাণ এবং বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিটি একুশ দফার প্রথম দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া — এটি ২১ দফার প্রথম দফা হওয়ায় সঠিক। B) সকল রাজবন্দীর মুক্তিদাবি — এটি একুশ দফার একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলেও প্রথম দফা ছিল না। C) পূর্ব বাংলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ — এটি কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি পরবর্তী দফা। D) পশ্চিম পাকিস্তানের সম্পদের উপর বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠা — এটি অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণের দাবি হলেও প্রথম দফা ছিল না। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত নির্বাচন ছিল ১৯৫৪ সাল, তাই একুশ দফার শুরুতেই ছিল বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবি।
22. লাহোর প্রস্তাব ১৯৪০ এর মূল বিষয় ছিল-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রিটিশ ভারতের মুসলমান সংখ্যা গরিষ্ঠদের নিয়ে একটি দেশ গঠন করা কেন সঠিক: - ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে এ কে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। - এই প্রস্তাবে ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব অঞ্চলের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলোকে নিয়ে এক বা একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটিশ ভারতের মুসলমান সংখ্যা গরিষ্ঠদের নিয়ে একটি দেশ গঠন করা — এটি সঠিক কারণ লাহোর প্রস্তাবে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোর স্বায়ত্তশাসন ও সার্বভৌমত্ব চাওয়া হয়েছিল। B) শুধুমাত্র একটি মুসলিম দেশ গঠন করা — এটি ভুল কারণ প্রস্তাবে একটি নয়, বরং একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্রের কথা বলা হয়েছিল। C) একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা — এটি ভুল কারণ লাহোর প্রস্তাবে কোনো নির্দিষ্ট ইসলামী রাষ্ট্র বা ধর্মীয় শাসনের কথা বলা হয়নি, বরং ভৌগোলিক সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি ছিল। D) শুধুমাত্র একটি স্বাধীন দেশ গঠন করা — এটি অতি সাধারণ ও অসম্পূর্ণ একটি উক্তি যা প্রস্তাবের মূল চেতনা মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের বিষয়টি প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: লাহোর প্রস্তাব মানেই হলো ব্রিটিশ ভারতের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ঐতিহাসিক দাবি।
24. বাংলায় '৭৬-এর মন্বন্তর' এর সময়কাল-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৭০ প্রদত্ত তথ্য: বাংলা সনের সাল = ১১৭৬ বঙ্গাব্দ ইংরেজি সনের সাল নির্ণয় করতে হবে ধরি, বাংলা সন থেকে ইংরেজি সাল পেতে ৫৯৩ বছর যোগ করতে হয় অথবা ইংরেজি সাল থেকে ৫৯৩ বছর বিয়োগ করলে বাংলা সন পাওয়া যায় অতএব, ১১৭৬ যোগ ৫৯৩ করলে ১৭৬৯ খ্রিস্টাব্দ হয় কিন্তু এই মন্বন্তরটি বাংলা ১১৭৬ সনের ইংরেজি ১৭৭০ সালের শুরু থেকেই প্রভাব বিস্তার করেছিল সুতরাং, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ১৭৭০ সালে সংঘটিত হয়েছিল উত্তর: ১৭৭০
25. কোন মুঘল সম্রাট তার শাসনকালে বাংলার প্রতিষ্ঠা লাভে ব্যর্থ হয়েছিলেন?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট হুমায়ুন কেন সঠিক: - সম্রাট হুমায়ুন তার শাসনকালে বারবার অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ ও প্রতিপক্ষের আক্রমণের শিকার হন। - শের শাহ সুরির কাছে পরাজিত হয়ে তিনি ভারতে ক্ষমতা হারালে বাংলায় স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট হুমায়ুন — তিনি বাংলার শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হন কারণ তিনি শের শাহ সুরির কাছে পরাজিত হয়ে দীর্ঘদিন নির্বাসনে ছিলেন। B) সম্রাট আওরঙ্গজেব — তার সেনাপতি শায়েস্তা খাঁ ও মীর জুমলা বাংলার সুবেদার হয়ে সফলভাবে অঞ্চলটি মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে নিয়ে আসেন। সি) সম্রাট জাহাঙ্গীর — তার শাসনামলে সুবেদার ইসলাম খাঁ চিশতি বাংলার বারো ভূঁইয়াদের দমন করে পুরো বাংলায় মুঘল আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। ডি) সম্রাট আকবর — তার আমলেই জেনারেল মানসিংহ ও অন্যান্য সেনাপতিদের মাধ্যমে বাংলার বড় একটি অংশ মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত করা হয়। মনে রাখার টিপস: হুমায়ুন মানেই যুদ্ধ ও পলায়ন, তাই বাংলায় তিনি থিতু হতে পারেননি।