ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদাশ্রিত নির্দেশক
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দ বা প্রত্যয় কোনো পদের পরে যুক্ত হয়ে সেই পদটিকে নির্দিষ্ট করে বুঝিয়ে দেয়, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
প্রশ্নোক্ত টি, টা, খানা, খানি ইত্যাদি শব্দাংশ বিশেষ্য পদের পরে বসে নির্দিষ্টতা, অনিশ্চিয়তা বা পরিমাণ বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
পদাশ্রিত নির্দেশক হলো এমন কিছু শব্দ বা প্রত্যয় যা মূলত পদের আশ্রয়ে বা পরে বসে বচন ও নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে।
বাংলা ব্যাকরণে টি, টা, খানা, খানি, টুকুটুকু, গুলোগুলো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে বই বিশেষ্যের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: কলমটা হারিয়ে গেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কলম বিশেষ্যের সাথে টা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি কলমকে নির্দেশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদাশ্রিত নির্দেশক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টি, টা, খানা, খানি পদের পরে বসে নির্দিষ্টতা নির্দেশ করে।
B) প্রকৃতি — প্রকৃতি হলো শব্দের মূল অংশ যা ব্যাকরণে শব্দ বা ধাতু গঠনে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল।
C) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দকে পদে পরিণত করে এবং কারক বোঝাতে সাহায্য করে, যা নির্দেশকের কাজ নয়।
D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, যা পরে বসা নির্দেশক থেকে আলাদা।
৫ মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট করে বোঝাতে পদের শেষে যা বসে, সেটাই পদাশ্রিত নির্দেশক।
টি, টা, খানা, খানি সবসময় পদের পরে বসে নির্দিষ্ট করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পদাশ্রিত নির্দেশক সবসময় পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা প্রকাশ করে।
একই নিয়মে গাছটি, খাতাখানা বা বইখানি জাতীয় প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে হয়।