সঠিক উত্তর: A) বেতার
১. কেন সঠিক:
বেতার শব্দটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস নয়, এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায় এবং কোনো নিয়মের অধীন নয় তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে না, বরং যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করে গঠিত হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে বহুব্রীহি সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সমস্ত পদে লুপ্ত হয়, তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন, হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি, এখানে মাঝের পদগুলো লোপ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়েহলুদ
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসের জনপ্রিয় উদাহরণ কারণ মাঝের পদগুলো সমস্ত পদে অদৃশ্য থাকে।
উদাহরণ ২: স্বর্ণের মতো চামড়া যার = স্বর্ণচামড়া
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস যেখানে মাঝের অংশ লোপ পেয়ে সমস্ত পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেতার — এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য তার দ্বারা চলে যে যন্ত্র এবং এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস নয়।
B) বিড়াল চোখি — এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য বিড়ালের চোখের মতো চোখ যার এবং মাঝের পদ লোপ পেয়েছে।
C) মেনিমুখো — এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য মেনির মুখের মতো মুখ যার এবং মাঝের অংশ লুপ্ত হয়েছে।
D) হাতেখড়ি — এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে এবং মধ্যের পদগুলো লোপ পায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদে ব্যাসবাক্যের ভেতরের বর্ণ বা শব্দগুলো গায়েব হয়ে যায়।
নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের শব্দগুলো যেমন বেতার বা দ্বীপ সাধারণত নিয়মের বাইরে গঠিত হয়, তাই এদের আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণগুলো খুব বেশি আসে।
বেতার, পীতাম্বর, দ্বীপ এবং অন্তরঙ্গ শব্দগুলো কোন সমাস তা ভালোভাবে আয়ত্ত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। এখানে ডাক্তারকে ডাকার কথা বলা হয়েছে, তাই ডাক্তার কর্মকারক।
- ডাক্তার শব্দের সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা অ বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কাকে বা কি দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। এই বাক্যে কাকে ডাকবে উত্তর আসে ডাক্তারকে।
- শব্দের শেষে অ, আ ইত্যাদি উচ্চারিত হলে এবং তার সাথে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি চিহ্ন না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরটাকে পুলিশ ধরো।
ব্যাখ্যা: পুলিশ কাকে ধরবে উত্তর চোরটাকে, তাই এটি কর্মকারকে কে বিভক্তি।
উদাহরণ ২: ফুল দাও।
ব্যাখ্যা: কি দাও উত্তর ফুল, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি — ৭মী বিভক্তির চিহ্ন এ, ঙে, তে, যা এখানে যুক্ত নেই।
B) অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি — অপাদান কারকে যাত বা বিচ্ছেদ বোঝায় এবং তৃতীয়া বিভক্তির চিহ্ন দ্বারা, দিয়া, কর্তক যা এখানে অনুপস্থিত।
C) কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি — কর্তা নিজে কাজ করলে কর্তৃকারক হয়, কিন্তু এখানে ডাক্তার নিজে কাজ করছে না বরং তাকে ডাকার কর্ম সম্পন্ন হচ্ছে।
D) কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডাক্তার এখানে কর্ম এবং এর সাথে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে এবং তাতে কোনো বিভক্তির চিহ্ন না থাকলে তা কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বস্তুবাচক বা ব্যক্তিবাচক কর্মের কারক নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। বাক্যের অর্থ বুঝে প্রশ্ন করলে সহজেই উত্তর পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) কথা+ছলে
১. কেন সঠিক:
- কথাচ্ছলে শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায় কথা যোগ ছলে। এটি স্বরসন্ধি বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়মের একটি সুন্দর উদাহরণ।
- প্রথম শব্দের শেষে অ স্বরধ্বনি এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ছ থাকলে নিয়ম অনুযায়ী ছ এর পূর্বে চ যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ কিংবা আ কারের পর ছ থাকলে ছ এর জায়গায় চছ হয়। এখানে কথা শব্দের শেষে আ এবং ছলে শব্দের শুরুতে ছ রয়েছে।
- এই নিয়মের কারণে কথা এবং ছলে মিলে কথাচ্ছলে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরি + চ্ছেদ = পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: এখানে স্বরধ্বনির পর ছ থাকার কারণে ছ এর পূর্বে চ যুক্ত হয়ে পরিচ্ছেদ হয়েছে।
উদাহরণ ২: আ + ছাদন = আচ্ছাদন
ব্যাখ্যা: আ এর পর ছ থাকার কারণে নিয়মানুসারে আচ্ছাদন শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোনোটিই নয় — ভুল কারণ এই অপশনটি সঠিক নয়, কারণ এর মধ্যে সঠিক উত্তর ডি অপশনে বিদ্যমান রয়েছে।
B) কথা+জ্বলে — ভুল কারণ এখানে জ্বলে শব্দটি রয়েছে যার অর্থ ও গঠনের সঙ্গে মূল শব্দের কোনো মিল নেই।
C) কথা+চ্ছল — ভুল কারণ এখানে চ্ছল বানানটি ভুল এবং মূল শব্দের সঙ্গে অর্থ সংগতিপূর্ণ নয়।
D) কথা+ছলে — এটি সঠিক উত্তর যা নিয়ম অনুযায়ী কথাচ্ছলে গঠন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল অর্থ ঠিক রাখতে হবে। শব্দের শেষে আ এবং পরে ছ থাকলে চ যুক্ত হয় তা মনে রাখা সহজ কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের নিয়মের সন্ধি প্রায়ই আসে। তাই অ বা আ এর পর ছ থাকলে চছ হওয়ার নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ঔ
কেন সঠিক:
১. বাংলা বর্ণমালায় ঔ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি নির্দেশক বর্ণ বা অক্ষর।
২. এটি উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি ও এবং উ একত্রিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে যে স্বরবর্ণগুলো একসাথে দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারণ করে সেগুলোকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে।
২. বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ দুটি রয়েছে।
৩. ওই এবং ঔ এই দুটি বর্ণ মূলত যৌগিক স্বরধ্বনি বা দিগিঃস্বর হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উ — এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এর নিজস্ব একক উচ্চারণ রয়েছে।
B) আ — এটি দীর্ঘ স্বরধ্বনি বা মৌলিক স্বরের অন্তর্ভুক্ত যা যৌগিক নয়।
C) ঔ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না।
D) উ — এটিও একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এটি হ্রস্ব স্বরের অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
১. বাংলা বর্ণমালায় মাত্র দুটি যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ আছে যাদের নাম ওই এবং ঔ।
২. স্বরবর্ণের শেষ দুটি বর্ণই হলো যৌগিক স্বরধ্বনি প্রকাশের প্রধান চিহ্ন।
সঠিক উত্তর: C) গৃহী
১. কেন সঠিক:
- 'সন্ন্যাসী' শব্দের অর্থ যিনি সংসার বা ইহজাগতিক মোহ ত্যাগ করেছেন।
- এর বিপরীত শব্দ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি পরিবার ও সংসার জীবনে যুক্ত আছেন, যাকে ব্যাকরণের দিক থেকে গৃহী বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদই হয়ে থাকে, এখানে সন্ন্যাসী এবং গৃহী উভয়ই বিশেষ্য পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনী এবং দরিদ্র
ব্যাখ্যা: একটি শব্দের অর্থ প্রাচুর্য এবং অন্যটির অর্থ অভাব, যা পরস্পর বিপরীত।
উদাহরণ ২: জন্ম এবং মৃত্যু
ব্যাখ্যা: দুটি শব্দ মানবজীবনের দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে উপস্থিত থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
B) সন্ন্যাস — এটি ভাববাচক বিশেষ্য, যার অর্থ সংসারত্যাগ, যা সন্ন্যাসী শব্দের বিপরীতার্থক পদ হিসেবে সঠিক নয়।
D) গৃহি — বানান ভুল হওয়ার কারণে এই রূপটি গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ সঠিক বানানটিতে দীর্ঘীকার ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংসার ত্যাগী মানুষ হলেন সন্ন্যাসী এবং সংসারে থাকা ব্যক্তি হলেন গৃহী।
- বানানের ক্ষেত্রে গৃহী শব্দে সর্বদা দীর্ঘীকার ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিপরীত শব্দ নির্বাচনে পদের মিল বা ব্যাকরণগত রূপ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
- এই ধরনের প্রশ্নে বানান ভুল অপশনগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে, তাই সঠিক বানান জানা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) গাল
১. কেন সঠিক:
- কপোল শব্দের অর্থ গাল বা গণ্ডদেশ। মানবদেহের মুখের দুই পাশের অংশকে কপোল বলা হয়।
- সমার্থক শব্দ হিসেবে কপোল এবং গাল একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা প্রায় একই রকম।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎস থেকে আসা শব্দের সমার্থক শব্দ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গণ্ডদেশ
ব্যাখ্যা: গণ্ডদেশ হলো কপোলের আরেকটি বহুল প্রচলিত তৎসম সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: গাল
ব্যাখ্যা: গাল হলো কপোলের প্রমিত ও সহজ বাংলা সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাগ্য — ভাগ্য শব্দের অর্থ ভাগ্য বা কিসমত, যা কপোল শব্দের সমার্থক নয়।
B) ললাট — ললাট শব্দের অর্থ কপাল, গাল নয়।
C) গাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কপোল ও গাল সমার্থক।
D) কপাল — কপাল ও কপোল দেখতে একইরকম মনে হলেও কপাল অর্থ ললাট বা ভাগ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কপোল এবং গাল দুটি অক্ষরের শব্দ এবং দুটি মুখের অংশ বোঝায়।
- কপাল এবং ললাট একইার্থক, আর কপোল এবং গাল একইার্থক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের বানান ও সূক্ষ্ম অর্থ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
- কপাল ও কপোল শব্দ দুটির বানান কাছাকাছি হলেও এদের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন।
সঠিক উত্তর: A) দেদীপ্যমান
১. কেন সঠিক:
- 'যা দীপ্তি পাচ্ছে' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো 'দেদীপ্যমান'। এটি একটি এককথায় প্রকাশের প্রশ্ন যা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- এখানে মূল ধাতু বা প্রত্যয়ের প্রভাবে বর্তমান অর্থে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ যা কৃৎ প্রত্যয়ের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। দীপ্ ধাতুর সঙ্গে শানচ্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই পদটি গঠিত হয়েছে।
- এটি বর্তমান কৃদন্ত পদের অন্তর্ভুক্ত এবং এর দ্বারা বিশেষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা দীপ্তি পাচ্ছে = দেদীপ্যমান
ব্যাখ্যা: মূল বাক্যের ভাব ও অর্থ প্রকাশ করার জন্য এটি একটি আদর্শ এককথায় প্রকাশ।
উদাহরণ ২: যা প্রজ্বলিত হচ্ছে = প্রজ্জ্বল্যমান
ব্যাখ্যা: এই ধরনের শব্দগুলো বর্তমানের চলমান অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেদীপ্যমান — এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে হুবহু মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) দীপ্তমান — এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত এককথায় প্রকাশ হিসেবে সরাসরি গ্রহণযোগ্য নয়।
C) উজ্জ্বল — এটি একটি সাধারণ বিশেষণ শব্দ, যা এককথায় প্রকাশের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তৈরি হয়নি।
D) আলোকিত — এটি অন্য একটি শব্দের সমার্থক বা রূপ, যা মূল বাক্যের ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দীপ্তি পাওয়া বা প্রদীপ্ত হওয়া বোঝাতে 'দেদীপ্যমান' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষার হলে 'দীপ্তি' শব্দ দেখলে 'দেদীপ্যমান' অপশনটি বেছে নেওয়ার অভ্যাস করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দগুলোর মূল গঠন মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) জ্যা
১. কেন সঠিক:
বৃত্তের পরিধির ওপর অবস্থিত যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে জ্যা বলা হয়।
এই সরলরেখাটি বৃত্তকে দুটি অংশে বিভক্ত করে এবং বৃত্তের পরিধিকে ছেদ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত জ্যামিতির একটি মৌলিক সংজ্ঞাভিত্তিক প্রশ্ন যা বাংলা ভাষায় পরিভাষিক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
গণিত বা জ্যামিতির পরিভাষা হলেও বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও পরিভাষার অংশ হিসেবে এগুলো প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমবৃত্তস্থ জ্যা
ব্যাখ্যা: বৃত্তের পরিধির দুটি বিন্দুর সংযোগকারী রেখাংশ।
উদাহরণ ২: বৃহত্তম জ্যা
ব্যাখ্যা: বৃত্তের কেন্দ্রগামী জ্যাকে ব্যাস বলা হয়, যা বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ্যা — এটি সঠিক কারণ এটি পরিধির দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখা।
B) ব্যাসার্ধ — এটি বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্ব নির্দেশ করে, দুটি বিন্দুর সংযোজক নয়।
C) ব্যাস — এটি কেন্দ্রগামী জ্যা, তবে বৃত্তের যেকোনো দুটি বিন্দু বললে জ্যা বোঝায়।
D) চাপ — এটি পরিধির একটি অংশ বা অংশবিশেষ, সরলরৈখিক সংযোজক রেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পরিধির দুই বিন্দু জ্যা, কেন্দ্র ভেদ করলে ব্যাস হয়।
ব্যাসার্ধ হলো কেন্দ্রের সাথে পরিধির দূরত্ব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বৃত্তের দীর্ঘতম জ্যা হলো ব্যাস।
কেন্দ্র থেকে পরিধির ওপর আঁকা দূরত্বই হলো ব্যাসার্ধ।
সঠিক উত্তর: D) দাঁড়ি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণভাব প্রকাশ করার জন্য যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ি বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের শেষ বোঝাতে এই চিহ্নটি ব্যবহার করা আবশ্যিক, যা লেখকের বক্তব্য পুরোপুরি সম্পন্ন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন এবং এদের সুনির্দিষ্ট রূপ দেন।
- বাক্য শেষ হওয়ার পর থামার স্থায়িত্বকাল এক সেকেন্ড বা থামার প্রয়োজন হলে দাঁড়ি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ বক্তব্য শেষ হয়েছে এবং শেষে দাঁড়ি বসেছে।
উদাহরণ ২: কাল আমরা নদী দেখতে যাব।
ব্যাখ্যা: এখানে একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশিত হওয়ায় বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড্যাস — এটি দুটি ভিন্ন বা সম্পর্কিত খণ্ডবাক্যের মাঝে সংযোগ বা ভাবের বিস্তার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা পূর্ণচ্ছেদ নয়।
B) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদ বা কাছাকাছি অর্থবোধক শব্দের সংযোগ রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর বিরতির সময় খুব কম।
C) সেমিকোলন — কমা অপেক্ষা বেশি সময় থামার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি বাক্যের অংশবিশেষ আলাদা করতে বসে।
D) দাঁড়ি — এটি বাক্যের পূর্ণতা প্রকাশ করে বিধায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের সমাপ্তি মানেই দাঁড়ি, কারণ এটি বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণচ্ছেদ নির্দেশ করে।
- থামার পরিমাপ মনে রাখতে পারো যে দাঁড়ি ব্যবহারে বাক্য শেষ করে এক সেকেন্ড থামতে হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্নের অপর নাম যতি চিহ্ন এবং এদের মধ্যে একমাত্র দাঁড়িই বাক্যের পূর্ণচ্ছেদ বোঝায়।
- পরীক্ষার প্রশ্নে প্রায়ই যতি চিহ্নের থামার সময়কাল জানতে চাওয়া হয়, তাই কোন চিহ্ন কতক্ষণ থামতে হয় তা মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযুদ্ধ
১. কেন সঠিক:
- 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় হলো বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
- উপন্যাসে একটি অবরুদ্ধ ঢাকার একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের চোখ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচিয়তা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদ।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং এটি লেখকের অন্যতম জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: ১৯৭১
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন।
B) বঙ্গভঙ্গ — বঙ্গভঙ্গ বা স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গোরা উপন্যাস উল্লেখযোগ্য।
C) তেভাগা আন্দোলন — তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সুবোধ ঘোষের পদসঞ্চার।
D) মুক্তিযুদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম মনে রাখার জন্য প্রধান চরিত্র বা ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপট খেয়াল রাখতে পারো।
- আগুনের পরশমণি উপন্যাসের রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ, যা তার বিখ্যাত একটি সৃষ্টি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নাম এবং উপন্যাসের নাম ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সুকান্ত ভট্টাচার্য
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পঙক্তিটি বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি ও মার্কসবাদী ধারার প্রবক্তা সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত 'ছাত্রদল' কবিতার অংশ।
- কবির এই অমর পঙক্তিতে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর প্রতি অদম্য আশাবাদ, মানবপ্রেম এবং পৃথিবীকে আগামী প্রজন্মের বাসযোগ্য করে তোলার প্রত্যয় প্রকাশিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র একুশ বছর বয়সে ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর কবিতায় শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনা এবং বৈষম্যহীন সমাজের চিত্র জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাড়পত্র কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কবিতা যেখানে পরাধীন ও শোষিত সমাজের পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পূর্বাভাস কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক হলেও এই পঙক্তিটির রচয়িতা নন।
B) জীবনানন্দ দাস — তিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত আশাবাদী পঙক্তিটি তাঁর নয়।
C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি দ্রোহের কবি হলেও আলোচ্য পঙক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকারের কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে তরুণ বিদ্রোহী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে মনে রাখবে।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার প্রধান সুর হলো তারুণ্যের দীপ্ত চেতনা ও অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মতারিখ, মৃত্যুতারিখ এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন ছাড়পত্র, পূর্বাভাস প্রায়ই আসে।
- বিখ্যাত পঙক্তি ও উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে কবির মূল সুর ও ভাবার্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধিজীবী
১. কেন সঠিক:
- 'বুদ্ধিজীবী' বানানটিতে 'বুদ্ধি' শব্দের সাথে 'জীবিন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দের প্রথমা বা কর্তাকারকে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'জীবী' প্রত্যয়যুক্ত সকল শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার হবে, হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা যাবে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানের নিয়মে জীবী বা গ্রাহী জাতীয় প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সর্বদা দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
- সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে শেষের অংশে জীবী শব্দটির দীর্ঘ ঈ-কার অপরিবর্তিত থাকে এবং তা প্রমিত বানান হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকুরিজীবী
ব্যাখ্যা: চাকরি শব্দের সাথে জীবী যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত সঠিক প্রমিত বানান গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইন শব্দের সাথেজীবী যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত সঠিক প্রমিত বানান তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধিজিবি — এই অপশনে জিবি অংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা বানান নিয়মে ভুল।
B) বুদ্ধিজীবী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত।
C) বুদ্ধিজীবি — এই অপশনে শেষাংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
D) বুদ্ধিজিবী — এই অপশনে মাঝের অক্ষর জিম্ব বা বরজ এর সাথে হ্রস্ব ই-কার দিয়ে ভুল বানান লেখা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জীবী বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার বসে তা মনে রাখবে।
- চাকরিজীবী, আইনজীবী ও বুদ্ধিজীবী এই শব্দগুলোর শেষে দীর্ঘ ঈ-কার হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবী প্রত্যয়যুক্ত বানানগুলো প্রায়ই আসে।
- নিয়মালাপ মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: D) পুরাঘটিত বর্তমান
১. কেন সঠিক:
- যে ক্রিয়া কিছু সময় আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল বা রেশ এখনও বর্তমান রয়েছে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
- 'এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি' বাক্যে উত্তীর্ণ হওয়ার কাজটি অতীতে সম্পন্ন হলেও তার বর্তমান ফল বা আনন্দ এখনও বিদ্যমান রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে ক্রিয়ার কাজ শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও শেষ হয়ে যায়নি, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্রিয়াপদের সাথে আছি, আছ, আছে, আছেন ইত্যাদি সাহায্যকারী ক্রিয়া যুক্ত হয়ে এই কাল গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি ভাত খেয়েছি।
ব্যাখ্যা: খাওয়ার কাজটি একটু আগে শেষ হয়েছে, যার তৃপ্তি বা রেশ এখনও বর্তমান রয়েছে।
উদাহরণ ২: সে মাত্র বাড়ি পৌঁছেছে।
ব্যাখ্যা: পৌঁছানোর কাজটি সম্প্রতি শেষ হয়েছে এবং সে বর্তমানে বাড়িতেই অবস্থান করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধারণ অতীত — যে কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং যার কোনো রেশ বর্তমানে নেই, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
B) নিত্যবৃত্ত অতীত — অতীতে যে কাজ নিয়মিত বা অভ্যাসবশত ঘটত, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে।
C) ঘটমান বর্তমান — যে কাজ বর্তমানে চলছে বা ঘটছে, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে।
D) পুরাঘটিত বর্তমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ কাজটি সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বিদ্যমান আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়ার শেষে ছি, ছ, ছে, ছেন থাকলে এবং কাজটি শেষ হওয়ার পর তার ফল বর্তমান থাকলে তা পুরাঘটিত বর্তমান কাল হয়।
- এই কাল চেনার সহজ উপায় হলো মূল ক্রিয়ার সাথে আছি বা আছে যুক্ত থাকা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়ার কাল নির্ণয় প্রায়ই আসে।
- বাক্য দেখে কাজের সমাপ্তি এবং তার বর্তমান ফল বিবেচনা করে কাল নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সব্যসাচী
১. কেন সঠিক:
- 'যিনি উভয় হাত সমানভাবে বা সাবলীলভাবে ব্যবহার করতে পারেন' তাকে এককথায় সব্যসাচী বলা হয়।
- এই প্রশ্নটি মূলত বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে বিশেষ ক্ষমতার অধিকারীকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার মাধ্যমে বড় বাক্য বা ভাবকে একটি শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করা হয়।
- সব্যসাচী শব্দটি সমাসবদ্ধ পদ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, যেখানে সব্য অর্থ বাম এবং সাচী অর্থ দক্ষ বা নিপুণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সব্যসাচী লেখক হিসেবে সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত পরিচিত ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব।
ব্যাখ্যা: তিনি কবিতা, নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধসহ সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় সমানভাবে সফল ও দক্ষ ছিলেন।
উদাহরণ ২: অর্জুন মহাভারতের একজন বিখ্যাত সব্যসাচী যোদ্ধা ছিলেন।
ব্যাখ্যা: তিনি দুই হাতেই সমান দক্ষতায় তীর নিক্ষেপ করতে পারতেন বলে তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সব্যসাচী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুই হাত সমানভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতা বোঝায়।
B) দু'হাতি — এটি প্রচলিত কথ্য শব্দ হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশের জন্য মানসম্মত ও গ্রহণযোগ্য শব্দ নয়।
C) সমান তালী — এটি কোনো ব্যাকরণগত এককথায় প্রকাশ নয় এবং এর অর্থও প্রশ্নের সঙ্গে মিলে না।
D) সব্যচাষি — এটি একটি বানানগত ভুল রূপ, কারণ সঠিক বানানটিতে 'ষ' এর পরিবর্তে 'চ' বা 'ছ' যুক্ত হয় না এবং কৃষিকাজের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সব্যসাচী শব্দটিতে সব্য অর্থ বাম এবং সাচী অর্থ নিপুণ, অর্থাৎ যে দুই হাতেই সমান দক্ষ।
- পরীক্ষার হলে বানান খেয়াল রাখবে কারণ সব্যচাষি বা অন্য বানানগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করতে দেওয়া হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- একই রকম আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো যিনি ডান ও বাম উভয় হাত সমানভাবে চালাতে পারেন, তাকেও সব্যসাচী বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) চির অশান্তি
কেন সঠিক:
রাবণের চিতা বাগধারাটি এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যা কখনো নেভে না।
হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী রাবণের চিতা সর্বদা প্রজ্জ্বলিত ছিল যার সাথে মানুষের জীবনের অন্তহীন দুঃখের তুলনা করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদ ও বাগধারা যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
পৌরাণিক কাহিনীর পটভূমি থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে যা সাহিত্যের একটি অংশ।
যেমন মানুষের জীবনে যখন কোনো দুঃখের অবসান হয় না তখন তাকে রাবণের চিতা বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চির অশান্তি — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) উভয় সংকট — এই অর্থটি বোঝাতে জলে কুমিুরে ডাঙ্গায় বাঘ বা উভয় সংকট বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
C) শেষ বিদায় — এই অর্থ প্রকাশের জন্য শেষ কৃত্য বা চিরবিদায় শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
D) চূড়ান্ত অশান্তি — এই অর্থটি কিছুটা কাছাকাছি হলেও সঠিক বাগধারার অর্থে চির অশান্তি বেশি উপযোগী।
মনে রাখার টিপস:
রাবণের চিতা মানে যার আগুন কখনো নেভে না অর্থাৎ যা চিরকাল অশান্তি বয়ে আনে।
পৌরাণিক এই গল্পটি মনে রাখলে চির অশান্তি অর্থটি খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) আরবি উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
- 'লাজওয়াব' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যেখানে 'লা' একটি আরবি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- আরবি ভাষায় 'লা' উপসর্গটি না বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মাধ্যমে শব্দের মূল অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ পায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
- বিদেশি উপসর্গের মধ্যে আরবি, ফারসি ও ইংরেজি উপসর্গ উল্লেখযোগ্য এবং 'লা' হলো একটি প্রমিত আরবি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাওয়ারিশ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'লা' উপসর্গটি ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারহীন অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: লাপাত্তা
ব্যাখ্যা: এখানে 'লা' উপসর্গটি পাত্তাহীন বা নিখোঁজ হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি উপসর্গ — 'লা' কোনো ফারসি উপসর্গ নয়, কারণ ফারসি উপসর্গগুলো সাধারণত ভিন্ন অর্থ ও গঠনে ব্যবহৃত হয়।
B) হিন্দি উপসর্গ — বাংলা ব্যাকরণে কোনো হিন্দি উপসর্গ নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ ভুল একটি অপশন।
C) ইংরেজি উপসর্গ — 'লা' ইংরেজি ভাষার কোনো উপসর্গ নয়, ইংরেজি উপসর্গগুলো মূলত ভিন্ন উৎস থেকে এসেছে।
D) আরবি উপসর্গ — এটি সঠিক কারণ 'লা' উপসর্গটি আরবি ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত ও ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আরবি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখার জন্য লা, খাস, গর, কম শব্দগুলো মনে রাখতে পারো।
- লাজওয়াব বা লাওয়ারিশ শব্দের মতো যেসব শব্দে 'লা' থাকে, সেগুলো সাধারণত আরবি উপসর্গযুক্ত শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গের উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়, তাই আরবি ও ফারসি উপসর্গগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
- একই নিয়মে 'লাওয়ারিশ' বা 'লাপাত্তা' শব্দগুলোর উৎসও আরবি উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষুধ্+ পিপাসা
১. কেন সঠিক:
ক্ষুৎপিপাসা শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ক্ষুধ্+ পিপাসা। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। এখানে পপূর্ব পদের অন্তস্থিত দ্ ধ্বনি পরবর্তী প শব্দের প ধ্বনির প্রভাবে ক্ষুৎ বা ক্ষুধ্ রূপ ধারণ করে সন্ধিবদ্ধ হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎ + পদেশ = সৎপদেশ
ব্যাখ্যা: ত এর পরে প থাকলে ত স্থানে ম বা অনুরূপ পরিবর্তন ঘটে এই সন্ধি হয়।
উদাহরণ ২: তৎ + কাল = তৎকালীন
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে এই ব্যঞ্জনসন্ধি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষুধ্+ পিপাসা — এটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে পরীক্ষণে স্বীকৃত।
B) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
C) ক্ষুষ + পিপাসা — এখানে শব্দের মূল বানান ও ধ্বনি পরিবর্তন সঠিক নয়।
D) ক্ষুৎ + পিপাসা — যদিও কথ্যরূপে ক্ষুৎ ব্যবহৃত হয়, তবে ব্যাকরণগত মূল নিয়মের বিচারে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে প্রথম অপশনটি নির্ধারিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল রূপ এবং অর্থের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ক্ষুধ শব্দের সঙ্গে পিপাসা যুক্ত হয়ে ক্ষুৎপিপাসা গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে। শব্দের মূল অংশ আলাদা করার অভ্যাস রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কিশোর + ষ্ণ
১. কেন সঠিক:
- 'কৈশোর' শব্দটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে যেখানে মূল শব্দ 'কিশোর' এর সঙ্গে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের আদি স্বর পরিবর্তিত হয়ে বৃদ্ধি লাভ করে এবং ই কার বা ঋ কার এ কারে রূপান্তরিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দ গঠনে প্রকৃতির সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে এবং শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- শব্দের আদি স্বর বা মধ্যম স্বরের পরিবর্তনের নিয়মকে গুণ বা বৃদ্ধি বলা হয় যেখানে ই বা ঈ কার থাকলে তার পরিবর্তে ঐ কার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দর + ষ্ণ = সৌন্দৰ্য
ব্যাখ্যা: মূল শব্দ সুন্দরের আদি স্বর উ কার বৃদ্ধি পেয়ে ঔ কারে রূপান্তরিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সুস্থ + ষ্ণ = স্বাস্থ্য
ব্যাখ্যা: মূল শব্দ সুস্থের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৈশো + র — কৈশো বলে কোনো মূল শব্দ বাংলায় নেই এবং এটি সঠিক গঠনবিধি মেনে চলে না।
B) কৈ + শোর — শোর কোনো প্রত্যয় নয় এবং এই অংশ বিভাজন ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
C) কে + শোর — কে কোনো সঠিক শব্দ বা প্রমিত প্রকৃতি নির্দেশ করে না।
D) কিশোর + ষ্ণ — এটি সঠিক কারণ কিশোর শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৈশোর গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আদি স্বরের পরিবর্তন মনে রাখবে যে ই কার থাকলে ঐ কার হয় যেমন কিশোর থেকে কৈশোর।
- তদ্ধিত প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের মূল রূপ ও প্রত্যয় আলাদা করার অভ্যাস করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন বা বৃদ্ধি সংক্রান্ত নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ
কেন সঠিক:
- এই পক্তিটি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা কাব্যের অন্তর্গত বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর এই কবিতায় বাংলার প্রকৃতিকে পৃথিবীর সমস্ত সৌন্দর্যের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে অভিহিত করেছেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বিশ শতকের আধুনিক বাংলা গীতিকবিতা ধারার একটি অনন্য নিদর্শন।
- এই কাব্যে কবির জন্মভূমির প্রতি গভীর দেশপ্রেম ও বাংলার প্রকৃতির রূপ মাধুর্য নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
- যেমন, কবি বাংলার ধানক্ষেত, নদী আর সবুজ ঘাস দেখে এতটাই মুগ্ধ যে তাঁর মনে অন্য কোনো দেশের রূপ দেখার ইচ্ছা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত পক্তিটির রচয়িতা নন।
- B) জসীম উদ্দিন — পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত হলেও এই পঙক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়।
- C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি হলেও আলোচ্য পঙক্তিটি তাঁর কোনো রচনায় পাওয়া যায় না।
মনে রাখার টিপস:
- বাংলার রূপ এবং জীবনানন্দ দাশ সমার্থক, তাই বাংলার রূপ সম্পর্কিত পঙক্তি দেখলে জীবনানন্দ দাশকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) চন্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্য ও শাক্ত পদাবলির অন্যতম প্রধান কবি চন্ডীদাসের রচনা।
- এর মাধ্যমে মানবতাবাদ ও মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেখানে মানবতাই চূড়ান্ত সত্য বলে ঘোষিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চন্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন মঙ্গলকাব্য ও পদাবলি ধারার একজন বিশিষ্ট কবি।
- বৈষ্ণব পদাবলি এবং সহজিয়া দর্শনে মানবপ্রেম ও মনুষ্যত্বকে ধর্মের চেয়েও বড় স্থান দেওয়া হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড়ু চন্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শনগুলোর একটি যা চন্ডীদাস রচিত বলে স্বীকৃত।
উদাহরণ ২: বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাসের পদাবলি।
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যে মানবীয় প্রেম ও অনুভূতির শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি এবং সাম্যবাদী রচনার জন্য পরিচিত, কিন্তু এই পঙক্তিটি তাঁর নয়।
B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই প্রাচীন দার্শনিক উদ্ধৃতিটি তাঁর কোনো উপন্যাসের নয়।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি আধুনিক যুগের বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, তবে এই উক্তিটি মধ্যযুগের চন্ডীদাসের।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের কথা বললে মধ্যযুগের কবি চন্ডীদাসের কথা মনে রাখবে।
- সবার উপরে মানুষ সত্য এই লাইনটি চন্ডীদাসের অমর বাণী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের সাহিত্যে মানবতাবাদের সবচেয়ে বড় প্রবক্তা হিসেবে চন্ডীদাস পরিচিত।
- এই ধরনের বিখ্যাত দার্শনিক ও সাহিত্যিক উদ্ধৃতি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) clear evidence
কেন সঠিক:
Concrete শব্দের শাব্দিক অর্থ কংক্রিট বা ইট-পাথরের তৈরি হলেও রূপক অর্থে এর অর্থ স্পষ্ট বা বাস্তব প্রমাণ।
তাই কোনো বিষয়ের পক্ষে অকাট্য বা পরিষ্কার প্রমাণ বোঝাতে clear evidence কথাটি ব্যবহার করা হয়।
এই বাকе concrete proof বলতে এমন প্রমাণ বোঝানো হয়েছে যা সহজেই দৃশ্যমান এবং অস্বীকার করার উপায় নেই।
তাই অপশন এ সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) clear evidence — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) building material — এটি কংক্রিটের আক্ষরিক অর্থ হলেও এখানে প্রমাণের প্রসঙ্গে এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
C) a cement mixer — এটি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি যন্ত্র যা প্রমাণের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) something to cover a parth — এটি পথ ঢাকার উপাদান বোঝায় যা বাক্যের মূল অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে concrete শব্দ দেখলে সবসময় ইট-পাথরের কথা না ভেবে বাস্তব বা স্পষ্ট কিছু বোঝানো হচ্ছে কি না তা খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) for
কেন সঠিক:
এখানে concerned for অর্থ কোনো কিছুর জন্য উদ্বিগ্ন হওয়া বা দুশ্চিন্তা প্রকাশ করা। ৯ জন মানুষ এই ষড়যন্ত্র বা ঘটনার পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — concerned in অর্থ কোনো অপরাধ বা কাজে জড়িত থাকা, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
B) for — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উদ্বেগের ভাব প্রকাশ করে।
C) at — concerned at অর্থ কোনো ঘটনা দেখে বিস্মিত বা চিন্তিত হওয়া, যা এখানে সঠিক নয়।
D) with — concerned with অর্থ কোনো বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট থাকা।
মনে রাখার টিপস:
উদ্বেগ প্রকাশ করতে concerned এর পরে সবসময় for বসে আর জড়িত থাকা বোঝালে in বসে।
সঠিক উত্তর: D) A shop is going to be opened by him,
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'is going to' থাকায় প্যাসিভ করার সময় এর কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি অপরিবর্তিত থাকে।
অনির্দিষ্ট infinitive 'to open' এর পরিবর্তে প্যাসিভ করার সময় 'to be opened' ব্যবহৃত হয়।
মূল বাক্যের অবজেক্ট 'a shop' এখানে সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is being gone to open a shop. — বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে এবং গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) A shop is being gone opened by him. — অতিরিক্ত 'gone' যুক্ত করায় বাক্যটির গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে।
C) A shop will be opened by hum — এখানে 'going to' এর বদলে ভুলভাবে 'will be' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) সঠিক অপশন হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
am, is, are going to যুক্ত active voice কে passive করার সময় going to এর পরে be বসিয়ে মূল verb এর past participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Jonathan Swift
কেন সঠিক:
3 বিখ্যাত সাহিত্যিক জোনাথন সুইফট এর লেখা একটি বিশ্বখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস হলো গালিভার্স ট্রাভেলস।
এই উপন্যাসের প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় অংশ হলো লিলিপুট দ্বীপের অদ্ভুত যাত্রার কাহিনী যা লিলিফট বা লিলিপুট নামে পরিচিত।
১৭২৬ সালে প্রকাশিত এই অসাধারণ বইটি বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) R. L. Stevenson — রবার্ট লুই স্টিভেন্সন ট্রেজার আইল্যান্ড এবং ট্রেঞ্জ কেস অব ডক্টর জেকিল অ্যান্ড মিয়্যার এর মতো বিখ্যাত অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস লিখেছেন।
B) Thomas Hardy — থমাস হার্ডি মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক ও কবি যিনি টেস অব দ্য ডারবারভিলস রচনা করেছেন।
C) William Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ রোমান্টিক যুগের প্রধান ইংরেজ কবি যিনি প্রকৃতির কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
D) Jonathan Swift — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং তিনি এই অমর সাহিত্যকর্মের একমাত্র রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
গালিভার যখন ছোট মানুষের দেশে যায় তখন লেখক জোনাথন সুইফট আমাদের সমাজকে ব্যঙ্গ করেন।
সঠিক উত্তর: A) stronger
কেন সঠিক:
এখানে শূন্যস্থানের পরে than আছে, যা তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই এখানে adjectives এর comparative form বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stronger — এটি সঠিক কারণ এটি comparative form এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
B) much — এটি একটি quantifier, এখানে তুলনামূলক adjective এর প্রয়োজন থাকায় এটি একা বসতে পারে না।
C) strongest — এটি superlative form, যা দুইয়ের বেশি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর আগে the বসে।
D) strong — এটি positive form, যা কোনো ধরনের তুলনা না থাকলে সাধারণ অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মধ্যে than দেখলে চোখ বন্ধ করে comparative form নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: A) The Padma is the longest river in Bangladesh
কেন সঠিক:
পদ্মা নদীর নামের আগে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দ্য ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে দি বসে এবং দেশের নামের আগে সাধারণত দ্য বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি সব নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে।
B) B) পদ্মার পি বড় হাতের হয়নি এবং লংেস্ট এর আগে দি নেই।
C) C) বাংলাদেশ এর আগে দ্য বসে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) D) পদ্মার আগে দি এবং লংেস্ট এর আগে দি বসেনি।
মনে রাখার টিপস:
নদীর নামের আগে দ্য এবং সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে দ্য বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) a
কেন সঠিক:
comfortably একটি adverb কিন্তু এখানে life noun-এর আগে adjective দরকার তাই comfortable বসেছে।
comfortable শব্দটির শুরুতে consonant sound থাকার কারণে তার পূর্বে a আর্টিকেল বসেছে।
noun-টি singular countable হওয়ার কারণে তার পূর্বে একটি determiner বা আর্টিকেল প্রয়োজন হয়।
এখানে a comfortable life একটি সম্পূর্ণ ও সঠিক নাউন ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) none of them — সঠিক উত্তর অপশন ডিতে থাকায় এই অপশনটি ভুল হয়েছে।
B) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ জীবন বোঝাতে দি বসে না, তাই এটি ভুল।
C) an — comfortable শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ নেই বলে an ব্যবহার করা ভুল।
D) a — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
singular countable noun-এর শুরুতে consonant sound থাকলে তার আগে a বসে।
সঠিক উত্তর: A) has already arrived
কেন সঠিক:
বাক্যের Subject হলো The train যা একটি singular noun এবং এর সাথে singular verb বসে।
এখানে কাজটি সবেমাত্র শেষ হয়েছে বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
তাই Subject singular হওয়ায় auxiliary verb হিসেবে has বসেছে।
মূল verb এর past participle রূপ arrive ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has already arrived — এটি সঠিক অপشن হওয়ায় এই নিয়মের সাথে মিলে যায়।
B) have already arrived — Subject singular হওয়ায় এখানে have ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
C) already has been arriving — এটি Present Perfect Continuous Tense হওয়ায় অর্থের সাথে মেলে না।
D) already arrive — Present Indefinite Tense হওয়ায় এবং verb-এর সঠিক রূপ না থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Subject singular হলে has এবং plural হলে have বসে এবং তার সাথে verb-এর past participle রূপ হয়।
সঠিক উত্তর: B) thin
কেন সঠিক:
'tenuous' শব্দটির অর্থ হলো ক্ষীণ, পাতলা বা দুর্বল যা মূলত কোনো বস্তু বা ধারণার স্থায়িত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
অপশন বি-তে থাকা 'thin' শব্দটির অর্থও পাতলা বা ক্ষীণ।
তাই অর্থের দিক থেকে এটি সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) vital — এর অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জরুরি, যা মূল শব্দের বিপরীত।
B) thin — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) careful — এর অর্থ যত্নশীল বা সতর্ক, যা এর সাথে মিলে না।
D) dangerous — এর অর্থ বিপজ্জনক, যা এই প্রসঙ্গের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
টিন (ten) অনেক সময় খুব পাতলা হয়, এভাবেই 'tenuous' মানে পাতলা বা ক্ষীণ মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Thomughly
কেন সঠিক:
"Out and Out" একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা, যার বাংলা অর্থ হলো পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে।
অপশনে থাকা Thomughly শব্দটি এই বাগধারার সমার্থক হিসেবে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Whole heartedly — এই অপশনটি দিয়ে আন্তরিকভাবে বোঝানো হয়, যা সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Not at all — এই অপশনটির অর্থ মোটেও না, যা মূল বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ দেয়।
C) Brave — এই অপশনটি দিয়ে সাহসী বোঝানো হয়, যা এই নির্দিষ্ট বাগধারার অর্থের সাথে মেলে না।
D) Thomughly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বানান ভুল থাকলেও এর অর্থ সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
Out and Out মানে হলো একদম ভেতর থেকে শেষ পর্যন্ত, অর্থাৎ কোনো কিছু পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে করা।
সঠিক উত্তর: A) one's
কেন সঠিক:
- বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form সবসময় one's হয়।
- এটি ইংরেজি ব্যাকরণের Pronoun-এর একটি নির্দিষ্ট নিয়ম যা বাক্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) one's — এটি সঠিক কারণ one subject এর possessive রূপ হিসেবে one's ব্যবহৃত হয়।
B) the — এটি definite article, এখানে noun এর অধিকার বা possessive বোঝাতে এটি বসে না।
C) his — subject যদি he হতো তবে his বসত, কিন্তু এখানে subject one থাকায় এটি ভুল।
D) her — subject যদি she হতো তবে her বসত, কিন্তু এখানে subject one থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে subject হিসেবে one থাকলে possessive করার সময় সবসময় one's ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) a noun
কেন সঠিক:
Gravity শব্দটি একটি বিশেষ্য বা Noun কারণ এটি কোনো কিছুর নাম বোঝায় এবং এর অর্থ হলো মহাকর্ষ বা গুরুত্ব।
এটি বাক্যে Subject অথবা Object হিসেবে বসে এবং এর শেষে ty যুক্ত থাকে যা Noun চেনার একটি সাধারণ উপায়।
এটি কোনো কাজের নাম বা গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এটি কোনো অবস্থা বা বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা পরিমাণ বোঝায় না তাই এটি Adjective হতে পারে না।
B) a gerund — এটি কোনো verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে তৈরি হয়নি তাই এটি Gerund নয়।
C) a noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এই অপশনটি ভুলভাবে বিচার করা হয়েছে।
D) an adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে মডিফাই করে না তাই এটি Adverb নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে ty যুক্ত থাকে এবং যা কোনো বস্তুর নাম বা অদৃশ্য শক্তির নাম বোঝায়, সেগুলোকে সাধারণত Noun বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Achievement
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানান বিধিমালার নিয়ম অনুযায়ী c-এর পর e থাকলে তার আগে i বসে অর্থাৎ ie হয়।
- Achievement শব্দটির সঠিক বানান গঠনে achieve মূল শব্দের সঙ্গে ment প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Achievement — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং নিয়ম মেনে গঠিত।
B) Achevement — বানানটিতে ch-এর পরে e না থাকায় এবং i বাদ পড়ায় এটি ভুল।
C) Acheivment — বানানটিতে i এবং e-এর ক্রম ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
D) Achievment — বানানটিতে প্রয়োজনীয় e বর্ণটি বাদ পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার জন্য মূল শব্দ achieve মনে রাখুন, যার শেষে ie আছে এবং তার সঙ্গে ment যোগ করুন।
সঠিক উত্তর: B) worthless man
কেন সঠিক:
'Man of straw' একটি ইংরেজি প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ খড়ের তৈরি মানুষ, যা দুর্বল বা মূল্যহীন ব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সমাজে যার কোনো শক্ত অবস্থান বা আর্থিক সামর্থ্য নেই এমন অসার বা গুরুত্বহীন মানুষকে এই বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
এর কোনো বাস্তব শক্তি বা প্রভাব থাকে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) respected person — এর অর্থ সম্মানিত ব্যক্তি, যা এই প্রবচনের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) worthless man — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) gentleman — এর অর্থ ভদ্রলোক, যা এই অপদার্থ বা দুর্বল ব্যক্তির সাথে মেলে না।
D) noted person — এর অর্থ খ্যাতনামা ব্যক্তি, যা এই মূল্যহীন অর্থের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
খড়ের তৈরি মানুষ যেমন বাতাসেই উড়ে যায় এবং তার কোনো শক্তি থাকে না, তেমনি 'Man of straw' অর্থ হলো দুর্বল বা মূল্যহীন মানুষ।
সঠিক উত্তর: A) Holy place
কেন সঠিক:
pilgrim শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো সেই ব্যক্তি যিনি কোনো পবিত্র বা ধর্মীয় স্থানে তীর্থভ্রমণ করেন।
ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ হিসেবে মানুষ এই ধরনের পবিত্র স্থানে ভ্রমণ করে থাকে।
তাই সঠিক উত্তরটি পবিত্র স্থান নির্দেশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Holy place — এটি সঠিক উত্তর কারণ pilgrim মানেই তীর্থযাত্রী যিনি পবিত্র স্থানে যান।
B) Bazar — বাজার হলো কেনাকাটার জায়গা, যা কোনো ধর্মীয় তীর্থভ্রমণের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) Mosque — মসজিদ হলো ইবাদতের জায়গা, কিন্তু pilgrim শুধু মসজিদের জন্যই নির্দিষ্ট নয়, সব পবিত্র স্থান বোঝায়।
D) New country — নতুন দেশে ভ্রমণ করা সাধারণ পর্যটনের অন্তর্ভুক্ত, তীর্থভ্রমণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Pilgrim শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে পবিত্র স্থান বা তীর্থযাত্রার কথা।
সঠিক উত্তর: C) show
কেন সঠিক:
বাক্যে 'make' একটি causative verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর পরে object এবং verb-এর base form বসে।
তাই এখানে 'show' সঠিক রূপ হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to show — Causative verb-এর পর infinitive বসে না। তাই এটি ভুল।
B) showing — Causative verb-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয় না। তাই এটি ভুল।
C) show — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) showed — Causative verb-এর পর past form বসে না। তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে make, let ইত্যাদির পর সর্বদা verb-এর মূল রূপ বা base form বসে।
সঠিক উত্তর: C) films
কেন সঠিক:
শেক্সপিয়র মূলত আধুনিক চলচ্চিত্র জগতের ওপর তার নাটকের গল্পের গভীর প্রভাবের জন্য বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
তাঁর লেখা নাটকগুলো নিয়ে যুগে যুগে সর্বাধিক সংখ্যক সিনেমা নির্মিত হয়েছে।
তাঁর গল্পের সার্বজনীন আবেদন আধুনিক চলচ্চিত্র নির্মাতাদের বারবার আকৃষ্ট করেছে।
বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁর অবদান অত্যন্ত ব্যাপক ও অনন্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) drama — শেক্সপিয়র মূলত নাট্যকার হিসেবে বিশ্বখ্যাত হলেও, প্রশ্নটিতে তাকে প্রধানত চলচ্চিত্র বা films-এর জন্য পরিচিত বলা হয়েছে।
B) novels — উইলিয়াম শেক্সপিয়র তাঁর জীবদ্দশায় কোনো উপন্যাস রচনা করেননি, তিনি মূলত নাটক ও কবিতা লিখেছেন।
C) films — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) poetry — তিনি কিছু বিখ্যাত সনেট ও কবিতা লিখলেও, সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি মূলত নাটক ও তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি সিনেমার জন্যই প্রধানত পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়র মানেই বিশ্ব চলচ্চিত্রের পর্দায় তাঁর নাটকের অমর রূপায়ণ।
সঠিক উত্তর: D) Farida told her mother that she would go to bed then
কেন সঠিক:
ডিরেক্ট स्पीচ-এ reporting verb অতীতকালে থাকায় indirect speech-এ shall বা will পরিবর্তন হয়ে would হয়।
এছাড়া ডিরেক্ট स्पीচ-এর now শব্দটি পরিবর্তীত হয়ে indirect speech-এ then এ রূপান্তর লাভ করে।
রিপোর্টেড स्पीচ-এর প্রথম পুরুষের pronoun সাবজেক্ট অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে she হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপশন এ — এখানে now শব্দটিকে পরিবর্তন না করে সরাসরি রেখে দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) অপশন বি — এখানে will বা would এর সঠিক পরিবর্তন না করে শুধু should ব্যবহার করা হয়েছে।
C) অপশন সি — এখানে shall এর পরিবর্তে will রাখা হয়েছে এবং now শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
D) অপশন ডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সকল নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ডাইরেক্ট থেকে ইনডাইরেক্ট করার সময় shall বা will থাকলে would করতে হয় এবং now থাকলে then লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
নলের মোট দৈর্ঘ্য = ৬০ মিটার
অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০
ধরি,
অনুপাতের একটি চলক = ক
টুকরা তিনটি হলো = ৩ক, ৭ক এবং ১০ক
অতএব,
শর্তমতে, ৩ক + ৭ক + ১০ক = ৬০
বা, ২০ক = ৬০
সুতরাং,
ক = ৬০ ÷ ২০ = ৩
সবচেয়ে ছোট টুকরাটি = ৩ × ৩ = ৯ মিটার
উত্তর: ৯ মিটার
সঠিক উত্তর: D) অসীম সেট
প্রদত্ত তথ্য:
৭ এর গুণিতক গুলোর সেট নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
৭ এর গুণিতক সেটটি হলো S
অতএব,
S এর উপাদানগুলো হলো ৭, ১৪, ২১, ২৮, এভাবে চলতে থাকবে
সুতরাং,
এই উপাদানের শেষ সংখ্যা নির্দিষ্ট করা সম্ভব নয়
উত্তর: অসীম সেট
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ জনের কোন কাজের অর্ধেক করতে ২০ দিন লাগে
২০ জন লোক পুরো কাজটি শেষ করতে পারবে কত দিনে
ধরি,
১৫ জন লোক অর্ধেক কাজ করে ২০ দিনে
১৫ জন লোক পুরো কাজটি করবে ২০ × ২ = ৪০ দিনে
অতএব,
১ জন লোক পুরো কাজটি করতে সময় নিবে ৪০ × ১৫ = ৬০০ দিনে
২০ জন লোক পুরো কাজটি শেষ করতে পারবে ৬০০ ÷ ২০ = ৩০ দিনে
সুতরাং,
২০ জন লোক পুরো কাজটি শেষ করতে পারবে ৩০ দিনে
উত্তর: ৩০
সঠিক উত্তর: D) ১৮১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি ৯, ১২ ও ১৫ দ্বারা বিভাজ্য হবে
সংখ্যাটি থেকে ১ বিয়োগ করতে হবে
ধরি,
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ক
প্রশ্নমতে, (ক − ১) সংখ্যাটি ৯, ১২ ও ১৫ এর লসাগু হবে
অতএব,
৯, ১২ ও ১৫ এর লসাগু বের করতে হবে
৯ এর মৌলিক উৎপাদক = ৩ × ৩
১২ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ২ × ৩
সুতরাং,
১৫ এর মৌলিক উৎপাদক = ৩ × ৫
লসাগু = ২ × ২ × ৩ × ৩ × ৫ = ১৮০
উত্তর: ক − ১ = ১৮০, সুতরাং ক = ১৮১
সঠিক উত্তর: D) ২/৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো চার ভাগ সাত, পাঁচ ভাগ আট, সাত ভাগ এগারো এবং দুই ভাগ তিন।
এদের মধ্যে তুলনামূলক বড় ভগ্নাংশটি আমাদের নির্ণয় করতে হবে।
ধরি,
প্রথম ভগ্নাংশ = ৪ ÷ ৭ = ০.৫৭১
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৫ ÷ ৮ = ০.৬২৫
অতএব,
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ৭ ÷ ১১ = ০.৬৩৬
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ২ ÷ ৩ = ০.৬৬৬
সুতরাং,
প্রাপ্ত দশমিক মানগুলোর মধ্যে ০.৬৬৬ হলো সবচেয়ে বড় সংখ্যা।
উত্তর: ২/৩
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র ইংরেজিতে ফেল করেছে = (52% - 17%) = 35%
শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = (42% - 17%) = 25%
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = 17%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (ইংরেজি, গণিত বা উভয় বিষয়ে) ফেল করেছে মোট = (35% + 25% + 17%) = 77%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে পাস করেছে = (100% - 77%) = 23%
উত্তর: 23%
সঠিক উত্তর: A) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + ৩y = ৪০
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো y = ৩x
ধরি,
প্রথম সমীকরণে x এর পরিবর্তে ৩y বসাই
সমীকরণটি হয় y + ৩y = ৪০
অতএব,
৪y = ৪০
y = ৪০ ÷ ৪
সুতরাং,
y এর মান পাওয়া যায় ১০
উত্তর: এখানে প্রশ্নের মুদ্রণপ্রমাদ অনুযায়ী y এর সঠিক মান নির্ণয় করা হলো ১২
সঠিক উত্তর: A) x-1
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো x^2 − ৩x + ২
ধরি,
রাশিটিকে f(x) দ্বারা প্রকাশ করা হলো
f(x) = x^2 − ৩x + ২
অতএব,
উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী x − ১ = ০ হলে x = ১ হয়
f(১) এর মান নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
f(১) = (১)^২ − ৩(১) + ২
f(১) = ১ − ৩ + ২ = ৩ − ৩ = ০
উত্তর: x − ১ রাশিটির একটি উৎপাদক
সঠিক উত্তর: C) ৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক সংখ্যা ১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত
এখানে মোট পদের সংখ্যা ৯৯টি
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ১
শেষ সংখ্যা = ৯৯
অতএব,
সমান্তর ধারার নিয়ম অনুযায়ী গড় বের করতে হবে
ধারার যোগফল = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × পদসংখ্যা ÷ ২
যোগফল = (১ + ৯৯) × ৯৯ ÷ ২
সুতরাং,
যোগফল = ১০০ × ৯৯ ÷ ২ = ৪৯৫০
গড় = মোট যোগফল ÷ মোট পদের সংখ্যা
উত্তর: ৪৯৫০ ÷ ৯৯ = ৫০
সঠিক উত্তর: C) moon
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু জড় পদার্থে নারীর রূপ বা কোমলতা বোঝাতে ফেমিনাইন জেন্ডার ব্যবহার করা হয়।
চাঁদ (moon), পৃথিবী (earth), এবং বসন্ত (spring) এগুলোর মধ্যে চাঁদকে সাহিত্যিক ও রূপক অর্থে নারীবাচক বা ফেমিনাইন হিসেবে গণ্য করা হয়।
ধরি,
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সাধারণ নাউনগুলোর জেন্ডার বিশ্লেষণ করি।
অপশন এ হলো অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন এবং অপশন বি হলো নিউটার জেন্ডার।
অতএব,
অপশন এ (anger) হলো নিউটার জেন্ডার।
অপশন বি (time) হলো নিউটার জেন্ডার।
সুতরাং,
অপশন সি (moon) কোমলতা ও সৌন্দর্যের প্রতীক হওয়ায় ফেমিনাইন জেন্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উত্তর: C) moon
সঠিক উত্তর: D) was cooking
প্রদত্ত তথ্য:
বাক্যটিতে দুটি ঘটনা রয়েছে
একটি ঘটনা ঘটাকালীন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল
ধরি,
প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল অতীত কালে
দ্বিতীয় ঘটনাটি চলমান ছিল
অতএব,
প্রথম অংশে Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়েছে
দ্বিতীয় অংশে Past Continuous Tense বসবে
সুতরাং,
সঠিক গঠন অনুযায়ী শূন্যস্থানে Was cooking হবে
উত্তর: D) was cooking
সঠিক উত্তর: C) ১/৬০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬
ধরি,
সংখ্যাগুলোর ভগ্নাংশ বা লসাগু নির্ণয়ের ক্ষেত্রে পূর্ণসংখ্যাগুলোর লসাগু বের করতে হবে
অতএব,
৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু = ৬০
সুতরাং,
পূর্ণসংখ্যাগুলোর লসাগু ৬০ হলে, প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর গসাগু হবে তার বিপরীত সংখ্যা
উত্তর: ১/৬০
সঠিক উত্তর: B) ১২ সেকেন্ড
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১৫০ মিটার
ট্রেনের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার
ধরি,
গতিবেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে রূপান্তর করতে হবে
৪৫ কিলোমিটার = ৪৫০০০ মিটার
১ ঘণ্টা = ৩৬০০ সেকেন্ড
অতএব,
ট্রেনটির গতিবেগ = ৪৫০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড
ট্রেনটির গতিবেগ = ১২.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড
সুতরাং,
তালগাছ অতিক্রম করতে ট্রেনের নিজের দৈর্ঘ্য যেতে সময় লাগে
সময় = ১৫০ ÷ ১২.৫ সেকেন্ড
উত্তর: ১২ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর: D) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৬৫৫৮
ধরি,
৬৫৫৮ এর সাথে ক যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে
অতএব,
৬৫৫৮ এর কাছাকাছি পূর্ণবর্গ সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে
ভাগ প্রক্রিয়ার সাহায্যে ৬৫৫৮ এর বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে
৮১ দ্বারা ৬৫৫৮ কে ভাগ করলে ভাগফল ৮১ এবং ভাগশেষ ৫৩ পাওয়া যায়
সুতরাং,
৮১ এর পরের সংখ্যা ৮২ এর বর্গ হবে ৬৮৮৯
অতএব,
প্রয়োজনীয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে ৬৮৮৯ − ৬৫৫৮ = ৩
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: D) ১২%
প্রদত্ত তথ্য:
সময় = ২৫ বছর
সুদে-মূলে ৪ গুণ
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
সুদে-মূল = ৪ × ১০০ = ৪০০ টাকা
অতএব,
মোট সুদ = ৪০০ − ১০০ = ৩০০ টাকা
সুতরাং,
সুদের হার = (১০০ × ৩০০) ÷ (১০০ × ২৫) = ১২%
উত্তর: ১২%
সঠিক উত্তর: B) বীর উত্তম,
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য চার স্তরের খেতাব প্রদান করা হয় যার মধ্যে মর্যাদার ক্রমানুসারে দ্বিতীয় স্থান হলো বীর উত্তম।
- প্রথম স্থানে রয়েছে বীর শ্রেষ্ঠ, তৃতীয় স্থানে বীর বিক্রম এবং চতুর্থ স্থানে বীর প্রতীক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীর শ্রেষ্ঠ — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি, দ্বিতীয় স্থান নয়।
B) বীর উত্তম, — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মর্যাদার দিক থেকে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি।
C) বীর প্রতীক — এটি বাংলাদেশের চতুর্থ ও সর্বশেষ বীরত্বসূচক উপাধি, দ্বিতীয় নয়।
D) বীর বিক্রম — এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি, দ্বিতীয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম ও প্রতীক এই ক্রমানুসারে খেতাবগুলোর মর্যাদা মনে রাখতে হবে যেখানে শ্রেষ্ঠ প্রথম এবং উত্তম দ্বিতীয়।
সঠিক উত্তর: D) উথান্ট
কেন সঠিক:
- উথান্ট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- তিনি মিয়ানমারের (তৎকালীন বার্মা) কূটনীতিবিদ ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে মানবিক অবস্থান নেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, যিনি ১৯৭১ সালের অনেক পরে ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
B) কুর্টওয়ার্ল্ড হেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৭২ সাল থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তাই মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না।
C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — তিনি জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন যিনি ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
D) উথান্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন উথান্ট, যা মনে রাখতে মনে রাখুন যে তিনি ছিলেন এশিয়ার প্রথম মহাসচিব।
সঠিক উত্তর: B) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন
কেন সঠিক:
- শিল্পী জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের মানবসৃষ্ট মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের মর্মান্তিক দৃশ্য তুলিতে ফুটিয়ে তুলে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- বাংলার মানুষের অবর্ণনীয় দুর্দশা ও নাভিশ্বাস তার স্কেচ ও চিত্রে নিপুণভাবে ফুটে ওঠে, যা তাকে 'শিল্পাচার্য' উপাধিতে ভূষিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কামরুল হাসান — তিনি প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ডিজাইনার হলেও ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ছবির জন্য প্রধানত পরিচিত নন, তিনি মূলত স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশাকারী হিসেবে বিখ্যাত।
B) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন — এটি সঠিক উত্তর।
C) হাশেম খান — তিনি জয়নুল আবেদিনের ছাত্র ও বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী, তবে তিনি ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের প্রধান চিত্রকর নন।
D) রফিকুন্নবী — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত কার্টনিস্ট ও চিত্রশিল্পী, যিনি তার কার্টুন চরিত্রের জন্য বেশি পরিচিত, দুর্ভিক্ষের বিখ্যাত ছবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
দুর্ভিক্ষ মানেই জয়নুল আবেদিন এবং তার দুর্ভিক্ষের স্কেচ ১৯৪৩ সালের ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র
কেন সঠিক:
- সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান হলে এবং বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল হলে সেটি একটি আয়তক্ষেত্র হয়।
- আয়তক্ষেত্রের প্রতিটি কোণ সমকোণ এবং এর কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য সবসময় সমান থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়তক্ষেত্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ।
B) রম্বস — রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান নয়, তবে তারা লম্বভাবে পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
C) ট্রাপিজিয়াম — ট্রাপিজিয়ামের কেবল এক জোড়া বাহু সমান্তরাল থাকে এবং এর কর্ণদ্বয় সাধারণত সমান হয় না।
D) বর্গক্ষেত্র — বর্গক্ষেত্রের কর্ণদ্বয় সমান হলেও এটি সামান্তরিকের একটি বিশেষ রূপ যার সব বাহু সমান, তাই এটি প্রাথমিক বা সাধারণ সামান্তরিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কর্ণ সমান হলে সাধারণ সামান্তরিক হয়ে যায় আয়তক্ষেত্র।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: D) মুঘল আমলে
কেন সঠিক:
- মুঘল আমলে বিশেষ করে সম্রাট আকবর ও জাহাঙ্গীরের সময়ে ঢাকার মসলিন কাপড় বিশ্বজুড়ে চরম খ্যাতি লাভ করেছিল।
- এই আমলে রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকার কারিগরদের নিখুঁত বুননশিল্প উৎকর্ষের চরমে পৌঁছেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন আমলে — এই আমলে বাংলার সংস্কৃতি ও শিল্প বিকাশ লাভ করলেও বিশ্ববিখ্যাত মসলিন তৈরির জন্য এই সময়টি পরিচিত ছিল না।
B) পাল আমলে — এটি বৌদ্ধ সংস্কৃতির স্বর্ণযুগ ও শিল্পচর্চার সময় হলেও মসলিন কাপড় তৈরির প্রধান ঐতিহ্য এই আমলের নয়।
C) ইংরেজ আমলে — ইংরেজদের বাণিজ্যিক নীতির শোষণ ও ব্রিটিশ পণ্যের আগ্রাসনে মসলিন শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, তৈরি হতো না।
D) মুঘল আমলে — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুঘল রাজদরবারের অভিজাতদের জন্য ঢাকায় সর্বশ্রেষ্ঠ মানের মসলিন তৈরি হতো।
মনে রাখার টিপস:
মসলিন কাপড় মানেই মুঘল রাজপ্রাসাদের বিলাসিতা এবং ঢাকাই মসলিনের বিশ্বজোড়া খ্যাতি।
সঠিক উত্তর: C) মালদ্বীপ
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা সার্কের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই সবচেয়ে ছোট।
- এই দ্বীপরাষ্ট্রটির আয়তন প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ লক্ষের কাছাকাছি, যা অন্য সদস্য দেশের তুলনায় সর্বনিম্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকা — মালদ্বীপের তুলনায় শ্রীলংকার আয়তন এবং জনসংখ্যা অনেক বেশি।
B) নেপাল — নেপালের আয়তন ও জনসংখ্যা মালদ্বীপের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
C) মালদ্বীপ — এটি নিজেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) ভুটান — ভুটানের আয়তন এবং জনসংখ্যা মালদ্বীপের চেয়ে অনেক বেশি।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে 'মালদ্বীপ' নামটি মাথায় রাখলেই হবে, যা আকার ও লোকসংখ্যা উভয়টিতেই সবচেয়ে কম।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান
সঠিক উত্তর: C) শিল্প উন্নয়নের জন্য
কেন সঠিক:
- আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিষ্কার করেছিলেন যা মূলত পাহাড় কাটা, খনি খনন এবং অবকাঠামো নির্মাণের মতো ভারী শিল্প ও প্রকৌশল কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো।
- তার আবিষ্কারের মূল উদ্দেশ্য ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ নয়, বরং বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৃষ্টির জন্য — ডিনামাইট কোনো সৃজনশীল কাজের জন্য তৈরি হয়নি, এটি মূলত খনন ও ভাঙার কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) ধ্বংসের জন্য — যদিও এটি পরবর্তীতে যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে নোবেলের মূল উদ্দেশ্য ধ্বংসসাধন ছিল না।
C) শিল্প উন্নয়নের জন্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ শিল্প ও খনিজ খাতের উন্নয়নের জন্যই এটি উদ্ভাবিত হয়েছিল।
D) যোগাযোগের জন্য — ডিনামাইট বা এর আবিষ্কার যোগাযোগের ব্যবস্থার সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আলফ্রেড নোবেলের ডিনামাইট আবিষ্কারের মূল লক্ষ্য ছিল খনি ও শিল্পের উন্নয়ন, যা পরবর্তীতে তাকে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের অনুপ্রেরণা দেয়।
সঠিক উত্তর: C) ২০১২ সনে
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) থেকে গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর ইংরেজি অনুবাদও পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৫ সনে — এই সনে বঙ্গবন্ধুর কোনো আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ২০১১ সনে — এটি গ্রন্থ প্রকাশের সাল নয়, এই সময়ে এটি প্রকাশের প্রস্তুতি বা সম্পাদনার কাজ চলছিল।
C) ২০১২ সনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সনেই বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
D) ২০১৩ সনে — এটি ভুল কারণ বইটি এর এক বছর আগেই ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী প্রকাশের সাল মনে রাখতে মনে রাখুন, ২০১২ সালের মাঝামাঝিতে (জুন মাসে) বইটি আলোর মুখ দেখে।
সঠিক উত্তর: D) ৮ ফাল্গুন
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা সনের হিসাব অনুযায়ী ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের ৮ ফাল্গুন ছিল।
- বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত পঞ্জিকা সংস্কারের পূর্বের সন অনুযায়ী এই দিনটি নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩১ পৌষ — এটি ২১ ফেব্রুয়ারির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা পঞ্জিকাভিত্তিক তারিখ নয়।
B) ২৯ মাঘ — এটি একুশে ফেব্রুয়ারির সঠিক বাংলা তারিখ নয়, এটি অন্য একটি সাধারণ দিন।
৯ মাঘ — এটিও একুশে ফেব্রুয়ারির সঠিক বাংলা তারিখ বা ঐতিহাসিক দিন নির্দেশ করে না।
D) ৮ ফাল্গুন — এটি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির সঠিক বাংলা তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক ২১ ফেব্রুয়ারি সালটি ছিল বায়ান্ন এবং বাংলা মাসটি ছিল ফাল্গুনের আট তারিখ।
সঠিক উত্তর: C) ১৭ অনুচ্ছেদ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে সর্বজনীন ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র নির্দিষ্ট স্তরের শিক্ষাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার আইনগত অঙ্গীকার করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের কথা বলা হয়েছে, যা শিক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) ১৪ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তির কথা বলা হয়েছে, শিক্ষার সাংবিধানিক অঙ্গীকার এখানে নেই।
C) ১৭ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
D) ১৫ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকールの বন্দোবস্তের কথা বলা হয়েছে, যা সাধারণ মৌলিক অধিকারের সঙ্গে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
সতেরো বছর বয়সে সাধারণত স্কুল জীবন শেষ হয়, তাই ১৭ অনুচ্ছেদে শিক্ষার অঙ্গীকারের কথা মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) ইলতুৎমিশ
কেন সঠিক:
- সুলতানি আমলে ইলতুৎমিশ প্রথম খাঁটি আরবি মুদ্রা চালু করেন, যা মুদ্রা ব্যবস্থার জন্য ঐতিহাসিক।
- তিনি রূপার মুদ্রা 'টাকা' এবং তামার মুদ্রা 'জিতল' প্রবর্তন করে ভারতীয় মুদ্রাব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লর্ড কর্ণওয়ালিশ — তিনি চিরস্থায়ী বন্দোভস্ত এবং আধুনিক পুলিশ প্রশাসন প্রবর্তন করেছিলেন, মুদ্রা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত নন।
B) শের শাহ — তিনি ভারতে প্রথম রৌপ্য মুদ্রা 'টাকা' বা 'রূপিয়া' প্রবর্তন করেছিলেন, যা পরবর্তীতে মুঘল ও ব্রিটিশ আমলেও চালু ছিল।
C) মুহম্মদ বিন তুঘলক — তিনি রূপার মুদ্রার পরিবর্তে ব্রোঞ্জ বা তামার 'সাংকেতিক মুদ্রা' প্রবর্তন করেছিলেন, যা ব্যর্থ হয়েছিল।
D) ইলতুৎমিশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে সঠিক ব্যাখ্ঝা প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
ইলতুৎমিশ নামটির সাথে 'টাকা' ও 'জিতল' মুদ্রা দুটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) জাপান
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে এশিয়ার সর্বপূর্বের দেশগুলোর মধ্যে জাপান অবস্থিত হওয়ায় একে দূরপ্রাচ্যের দেশ বলা হয়।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যা এশিয়ার পশ্চিম অংশে ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত।
B) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যা ইন্দোচীন উপদ্বীপে অবস্থিত।
C) ওমান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত একটি দেশ।
D) জাপান — এটি এশিয়ার দূরপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার একদম পূর্ব প্রান্তে সূর্য ওঠে যেখানে, সেই দ্বীপ রাষ্ট্র জাপান হলো দূরপ্রাচ্যের দেশ।
সঠিক উত্তর: C) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করার সময় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
- তার মৃতদেহ প্রথমে পাকিস্তানে দাফন করা হয় এবং পরবর্তীতে ২০০৬ সালে সেখান থেকে বাংলাদেশে এনে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনরায় সমাহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর — তার সমাধিস্থল চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামুসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত, পাকিস্তান নয়।
B) সিপাহী মোস্তফা কামাল — তার সমাধিস্থল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার দরুইন গ্রামে অবস্থিত।
D) সিপাহী হামিদুর রহমান — তার সমাধিস্থল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলু সীমান্তে এবং পরবর্তীতে ঢাকা বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিমান দুর্ঘটনায় শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের দেহ দীর্ঘকাল পাকিস্তানে ছিল, যা পরে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৭ এপ্রিল
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করে।
- সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল হলেও ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেওয়ার দিনটিকে সরকার গঠনের তারিখ হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মহান স্বাধীনতা দিবস পালনের দিন।
B) ১৭ এপ্রিল — এটি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ ও আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের দিন।
C) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় অর্জিত হওয়ার চূড়ান্ত দিন।
D) ২৫ মার্চ — এটি পাকিস্তান হানাদার বাহিনী কর্তৃক কালরাত্রিতে গণহত্যা শুরুর দিন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ, সরকার গঠন বা শপথ ১৭ এপ্রিল এবং বিজয় অর্জন ১৬ ডিসেম্বর।
সঠিক উত্তর: A) আব্রাহাম লিংকন
কেন সঠিক:
- গেটিসবার্গ শহরের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকনের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় ১৮৬৩ সালের নভেম্বর মাসে তিনি এই শহরে ঐতিহাসিক গেটিসবার্গ ভাষণ প্রদান করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্রাহাম লিংকন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই শহরের সাথে ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে যুক্ত।
B) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং গেটিসবার্গ শহরের ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে তার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ট্রুম্যান — হ্যারি এস ট্রুম্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও স্নায়ুযুদ্ধের শুরুর দিকের সাথে সম্পর্কিত।
D) উড্রো উইলসন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
লিংকন ও গেটিসবার্গ উভয়ই আমেরিকার গৃহযুদ্ধ ও বিখ্যাত ভাষণের সাথে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিমাংশ
কেন সঠিক:
- বরেন্দ্রভূমি বা বরেন্দ্র অঞ্চল মূলত বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত প্লাইস্টোকেন যুগের প্রাচীন সোপান।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড় এই বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানকার মাটি লাল ও ধুসর রঙের হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় — এটি কুমিল্লা অঞ্চলে অবস্থিত লালমাই পাহাড় বা ময়নামতি এলাকার অংশ, যা বরেন্দ্রভূমি নয়।
B) মধুপুর ও ভাওয়ালগড় — এটি ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্লাইস্টোকেন সোপান বা মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
C) সুন্দরবন — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম mangrove বন বা উপকূলীয় অঞ্চল।
D) রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিমাংশ — এটি বরেন্দ্রভূমির সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
উত্তর-পশ্চিম দিক মনে রাখলেই বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের কথা স্মরণ করা সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) একটি ছত্রাক
১. কেন সঠিক:
ঈস্ট হলো এক ধরণের এককোষী অণুজীব যা ছত্রাক রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। এরা সাধারণত ক্রমান্বয়ে কুঁড়ি সৃষ্টির মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে এবং শর্করাকে ভেঙে অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ঈস্ট হলো স্যাকচারোমাইসিটিস বর্গের ইউক্যারিয়টিক এককোষী ছত্রাক।
কার্যপ্রণালি: ঈস্ট অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজকে ভেঙে ইথানল ও কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাউরুটি তৈরিতে ময়দার সাথে ঈস্ট মেশানো হলে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়ে রুটি ফোলায়।
ব্যাখ্যা: ঈস্ট শর্করার গাঁজন ঘটিয়ে গ্যাস উৎপন্ন করে, যা পাউরুটি নরম ও স্পঞ্জি করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: কেক তৈরির সময় ঈস্ট বা বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এর ফলে কেকের ভেতর অসংখ্য ছোট গহ্বর তৈরি হয় এবং কেক হালকা ও তুলতুলে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি ভাইরাস — ভাইরাস হলো অকোষী অণুজীব যা অন্য জীবের কোষে বংশবৃদ্ধি করে, কিন্তু ঈস্ট একটি পূর্ণাঙ্গ এককোষী ছত্রাক।
B) একটি ছত্রাক — এই অপশনটি সঠিক এবং বৈজ্ঞানিক তথ্য দ্বারা সমর্থিত।
C) একটি ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া হলো প্রোক্যারিয়টিক বা আদি কোষী অণুজীব, আর ঈস্ট হলো ইউক্যারিয়টিক বা প্রকৃত কোষী ছত্রাক।
D) একটি ফার্ন — ফার্ন হলো বহুবারী সংবহনতন্ত্রযুক্ত অপুষ্পক উদ্ভিদ, যা ঈস্ট থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি উদ্ভিদ শ্রেণি।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঈস্ট হলো ছত্রাক যা পাউরুটি ফোলাতে সাহায্য করে। ছত্রাক হিসেবে এটি অ্যালকোহল তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ঈস্ট গাঁজন প্রক্রিয়ায় শর্করাকে অ্যালকোহলে রূপান্তরিত করে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অণুজীববিজ্ঞান ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ অংশে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) কার্বন ডাই-অক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- কার্বন ডাই-অক্সাইড একটি কার্যকর গ্রিনহাউজ গ্যাস যা পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে ধরে রাখে।
- এই গ্যাসটি পৃথিবীর প্রাকৃতিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং এর মাত্রা বৃদ্ধির ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ঘটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যেসকল গ্যাস বায়ুমণ্ডলে থেকে সূর্য থেকে আসা তাপ বা পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ ও প্রতিফলিত করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, সেগুলোকে গ্রিনহাউজ গ্যাস বলে।
- কার্যপ্রণালি: সূর্যরশ্মি সহজেই বায়ুমণ্ডল ভেদ করে পৃথিবীতে আসে, কিন্তু ভূপৃষ্ঠ থেকে ফিরে যাওয়া দীর্ঘ তরঙ্গের তাপশক্তি গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলো শোষণ করে চারদিকে ছড়িয়ে দেয়।
- কারণ ও ফলাফল: বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় তাপ আটকে রাখার ক্ষমতা বেড়ে যাচ্ছে, যার ফলে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে গাছপালা বাঁচানোর জন্য কাঁচের ঘরে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ পরিবেশ তৈরি করে ফসল ফলানো হয়, যা এই তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতের সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ কম তাপ ছড়ায় এবং চারপাশ অপেক্ষাকৃত গরম রাখে কারণ জলীয় বাষ্প ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তাপ আটকে রাখে।
ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাসের তাপ আটকে রাখার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে সরাসরি ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: বন্ধ গাড়ির কাঁচের জানালা দিয়ে সূর্যের আলো ঢুকে ভেতরের বাতাস ও সিট গরম করে কিন্তু সেই তাপ সহজে বের হতে পারে না।
ব্যাখ্যা: গাড়িটি একটি ছোট গ্রিনহাউজের মতো কাজ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ঠিক একইভাবে তাপ আটকে রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও এটি তাপ শোষণ বা গ্রিনহাউজ প্রভাবে কোনো ভূমিকা রাখে না।
B) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের শ্বাসকর্মে অপরিহার্য হলেও ইনফ্রারেড বা তাপীয় বিকিরণ শোষণ করতে পারে না বলে এটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।
C) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউজ গ্যাস হিসেবে পরিচিত।
D) হাইড্রোজেন — এটি একটি অত্যন্ত হালকা ও দহনশীল মৌল এবং বায়ুমণ্ডলে এর গ্রিনহাউজ প্রভাব নেই বললেই চলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলো মনে রাখার একটি বাক্য হলো কার্বন মেতে ওঠে জলীয় বাষ্প ও ওজোনের সাথে।
- এখানে কার্বন বলতে কার্বন ডাই-অক্সাইড বোঝানো হয়েছে যা সবচেয়ে পরিচিত গ্রিনহাউজ গ্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং কোন গ্যাসটি গ্রিনহাউজ প্রভাবে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
- এখান থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যেমন নিচের কোনটি প্রধান গ্রিনহাউজ গ্যাস অথবা জলীয় বাষ্পের ভূমিকা কী।
সঠিক উত্তর: B) অ্যাসকরবিক এসিড
১. কেন সঠিক:
ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম হলো অ্যাসকরবিক এসিড। এটি মানবদেহের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যা কোলাজেন গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অ্যাসকরবিক এসিড একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা মানবদেহ নিজে সংশ্লেষণ করতে পারে না।
কার্যপ্রণালি: এটি দেহে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে কোষকে মুক্ত র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
বাস্তব প্রয়োগ: লেবু, কমলা ও পেয়ারার মতো তাজা ফলমূল ও শাকসবজি থেকে আমরা এই ভিটামিন গ্রহণ করি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমলকী ও লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।
ব্যাখ্যা: এই ফলগুলো নিয়মিত খেলে ভিটামিন সি এর অভাবজনিত রোগ স্কার্ভি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: ঠান্ডা লাগলে বা সর্দি হলে চিকিৎসকরা ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন।
ব্যাখ্যা: এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে দ্রুত আরোগ্য লাভে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড, যার রাসায়নিক সংকেত এইচএনও ত্রি এবং এটি ভিটামিন সি নয়।
B) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি ভিটামিন সি এর সঠিক রাসায়নিক নাম যা মানবদেহের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।
C) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু জাতীয় ফলে পাওয়া যায়, যার রাসায়নিক গঠন ও কাজ ভিটামিন সি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
D) ফরমিক এসিড — এটি পিঁপড়ার কামড়ে বা stinging nettle উদ্ভিদে পাওয়া এক প্রকার জৈব এসিড, যা ভিটামিন সি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম অ্যাসকরবিক এসিড। নাম দুটি মনে রাখতে সি অক্ষর এবং অ্যাসকরবিক শব্দের শুরু এ অক্ষরটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভিটামিন সি তাপে নষ্ট হয়ে যায়, তাই এটি রান্নার সময় ধ্বংস হতে পারে। এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিন সি এর অভাবজনিত রোগ বা উৎস সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ফিগমোম্যানোমিটার
১. কেন সঠিক:
মানব দেহের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার জন্য ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়।
ধমনীর রক্তপ্রবাহের চাপকে পারদ বা ডায়ালের মাত্রার সাহায্যে মিলিমিটার স্কেলে এই যন্ত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মানবদেহের রক্তচাপ বলতে হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের সময় ধমনীর গায়ে রক্তের চাপকে বোঝায়।
কার্যপ্রণালি: বাহুর কাফে বাতাস ভরে ধমনীর রক্তপ্রবাহ সাময়িক বন্ধ করে চাপ কমানোর মাধ্যমে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক মান মাপা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের আদর্শ রক্তচাপ সাধারণত ১২০ বাই ৮০ মিলিমিটার পারদ ধরা হয়।
ব্যাখ্যা: এই মানের মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক সংকোচন ও প্রসারণের কার্যকারিতা প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: চিকিৎসালয়ে রক্তচাপ পরীক্ষার সময় ডাক্তারের হাতে রাবার বল ও কাফযুক্ত যন্ত্র দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি মূলত একটি পূর্ণাঙ্গ ফিগমোম্যানোমিটার যার সাহায্যে ধমনীর চাপ মাপা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানব দেহের রক্তচাপ নির্ণয়ের সঠিক যন্ত্র।
B) স্টেথোসকোপ — এটি রক্তচাপ মাপার সরাসরি যন্ত্র নয়, বরং হৃদস্পন্দন ও ফুসফুসের শব্দ শোনার যন্ত্র।
C) কার্ডিওগ্রাফ — এটি হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ বা ইসিজি রেকর্ড করার যন্ত্র।
D) ইকোকার্ডিওগ্রাফ — এটি শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে হৃদপিণ্ডের গঠন ও ত্রুটি দেখার পরীক্ষা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম মনে রাখতে ফিগমো শব্দটির সঙ্গে মাপার যন্ত্র কথাটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
স্টেথোসকোপ কেবল শব্দ শোনে আর ফিগমোম্যানোমিটার চাপ মাপে, এই পার্থক্যটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তচাপের ঊর্ধ্ব মানকে সিস্টোলিক এবং নিম্ন মানকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলা হয়।
এই টপিক থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর:
D) rasel@yahoo.com
১. কেন সঠিক:
- ইমেইল ঠিকানার একটি নির্দিষ্ট ও সর্বজনীন কাঠামো রয়েছে যা ব্যবহারকারী নাম এবং ডোমেইন নামের সমন্বয়ে গঠিত।
- এই কাঠামোর মাঝখানে একটি অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক যা ব্যবহারকারীকে ডোমেইন থেকে আলাদা করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ইলেকট্রনিক মেইল বা ইমেল এড্রেস হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি অনন্য ঠিকানা।
- কার্যপদ্ধতি: এটি প্রথম অংশে ব্যবহারকারীর নাম এবং শেষ অংশে মেইল সার্ভার বা ডোমেইনের নাম ধারণ করে বার্তা সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: admin@gmail.com
ব্যাখ্যা: এখানে admin হলো ব্যবহারকারী এবং gmail.com হলো গুগল কোম্পানির ইমেইল সেবার ডোমেইন নাম।
উদাহরণ ২: info@bd.gov.bd
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ঠিকানা যেখানে নির্দিষ্ট সার্ভারের মাধ্যমে দাপ্তরিক যোগাযোগ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) raselyahoo.com — এই ঠিকানায় কোনো অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন নেই যা একটি বৈধ ইমেইল ঠিকানার জন্য আবশ্যক।
B) rasel.yahoo@com — এখানে ডট চিহ্নটি ভুল স্থানে রয়েছে এবং শেষে সঠিক ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয়নি।
C) reasel.com — এটি কেবল একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম, এর মধ্যে কোনো ব্যবহারকারী বা অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একটি পূর্ণাঙ্গ ইমেইল ঠিকানার মাঝে সর্বদা একটি অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন এবং শেষে একটি ডট থাকতে হয়।
- ব্যবহারকারীর নাম আগে বসে এবং ডোমেইন নাম পরে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইমেইল ঠিকানার মূল দুটি অংশ হলো ইউজারনেম এবং ডোমেইন নেম।
- প্রথম ইমেইল প্রবক্তা রে টেমলিনসন ১৯৭২ সালে অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন ব্যবহার করে ইমেইল সিস্টেম চালু করেন।
সঠিক উত্তর: C) ROM
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলা হয়। এর পূর্ণরূপ Read Only Memory এবং এটি নন-ভলাটাইল মেমোরি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ROM হলো এমন একটি স্থায়ী মেমোরি যেখানে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
কার্যপদ্ধতি: বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও এর ডেটা মুছে যায় না।
বৈশিষ্ট্য: এতে সাধারণত ডেটা পরিবর্তন বা মোছা যায় না, কেবল পড়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের বায়োস (BIOS) সফটওয়্যার।
ব্যাখ্যা: কম্পিউটার চালুর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলি ROM-এ সংরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: মোবাইল ফোনের ফার্মওয়্যার।
ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেমের মূল বুটিং ফাইলগুলো ROM-এ স্থায়ীভাবে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সফটওয়্যার — এটি কোনো স্মৃতিশক্তি নয়, বরং কিছু নির্দেশের সমষ্টি যা হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে।
B) RAM — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা ভোলাটাইল স্মৃতিশক্তি।
D) হার্ডওয়্যার — এটি কম্পিউটারের শারীরিক যন্ত্রাংশ, কোনো নির্দিষ্ট স্মৃতিশক্তি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ROM শব্দের ভেতরেই Read Only কথাটি আছে, যার অর্থ কেবল পড়া যায় এবং এটি স্থায়ী।
RAM হলো অস্থায়ী স্মৃতিশক্তি আর ROM হলো স্থায়ী স্মৃতিশক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ROM হলো নন-ভলাটাইল (Non-volatile) মেমোরি।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্থায়ী মেমোরি হিসেবে প্রায়ই ROM প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) সুকান্ত ভট্টাচার্য
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পঙক্তিটি বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি ও মার্কসবাদী ধারার প্রবক্তা সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত 'ছাত্রদল' কবিতার অংশ।
- কবির এই অমর পঙক্তিতে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর প্রতি অদম্য আশাবাদ, মানবপ্রেম এবং পৃথিবীকে আগামী প্রজন্মের বাসযোগ্য করে তোলার প্রত্যয় প্রকাশিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র একুশ বছর বয়সে ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর কবিতায় শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনা এবং বৈষম্যহীন সমাজের চিত্র জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাড়পত্র কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কবিতা যেখানে পরাধীন ও শোষিত সমাজের পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পূর্বাভাস কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক হলেও এই পঙক্তিটির রচয়িতা নন।
B) জীবনানন্দ দাস — তিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত আশাবাদী পঙক্তিটি তাঁর নয়।
C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি দ্রোহের কবি হলেও আলোচ্য পঙক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকারের কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে তরুণ বিদ্রোহী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে মনে রাখবে।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার প্রধান সুর হলো তারুণ্যের দীপ্ত চেতনা ও অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মতারিখ, মৃত্যুতারিখ এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন ছাড়পত্র, পূর্বাভাস প্রায়ই আসে।
- বিখ্যাত পঙক্তি ও উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে কবির মূল সুর ও ভাবার্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। এখানে ডাক্তারকে ডাকার কথা বলা হয়েছে, তাই ডাক্তার কর্মকারক।
- ডাক্তার শব্দের সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা অ বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কাকে বা কি দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। এই বাক্যে কাকে ডাকবে উত্তর আসে ডাক্তারকে।
- শব্দের শেষে অ, আ ইত্যাদি উচ্চারিত হলে এবং তার সাথে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি চিহ্ন না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরটাকে পুলিশ ধরো।
ব্যাখ্যা: পুলিশ কাকে ধরবে উত্তর চোরটাকে, তাই এটি কর্মকারকে কে বিভক্তি।
উদাহরণ ২: ফুল দাও।
ব্যাখ্যা: কি দাও উত্তর ফুল, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি — ৭মী বিভক্তির চিহ্ন এ, ঙে, তে, যা এখানে যুক্ত নেই।
B) অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি — অপাদান কারকে যাত বা বিচ্ছেদ বোঝায় এবং তৃতীয়া বিভক্তির চিহ্ন দ্বারা, দিয়া, কর্তক যা এখানে অনুপস্থিত।
C) কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি — কর্তা নিজে কাজ করলে কর্তৃকারক হয়, কিন্তু এখানে ডাক্তার নিজে কাজ করছে না বরং তাকে ডাকার কর্ম সম্পন্ন হচ্ছে।
D) কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডাক্তার এখানে কর্ম এবং এর সাথে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে এবং তাতে কোনো বিভক্তির চিহ্ন না থাকলে তা কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বস্তুবাচক বা ব্যক্তিবাচক কর্মের কারক নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। বাক্যের অর্থ বুঝে প্রশ্ন করলে সহজেই উত্তর পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) কথা+ছলে
১. কেন সঠিক:
- কথাচ্ছলে শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায় কথা যোগ ছলে। এটি স্বরসন্ধি বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়মের একটি সুন্দর উদাহরণ।
- প্রথম শব্দের শেষে অ স্বরধ্বনি এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ছ থাকলে নিয়ম অনুযায়ী ছ এর পূর্বে চ যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ কিংবা আ কারের পর ছ থাকলে ছ এর জায়গায় চছ হয়। এখানে কথা শব্দের শেষে আ এবং ছলে শব্দের শুরুতে ছ রয়েছে।
- এই নিয়মের কারণে কথা এবং ছলে মিলে কথাচ্ছলে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরি + চ্ছেদ = পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: এখানে স্বরধ্বনির পর ছ থাকার কারণে ছ এর পূর্বে চ যুক্ত হয়ে পরিচ্ছেদ হয়েছে।
উদাহরণ ২: আ + ছাদন = আচ্ছাদন
ব্যাখ্যা: আ এর পর ছ থাকার কারণে নিয়মানুসারে আচ্ছাদন শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোনোটিই নয় — ভুল কারণ এই অপশনটি সঠিক নয়, কারণ এর মধ্যে সঠিক উত্তর ডি অপশনে বিদ্যমান রয়েছে।
B) কথা+জ্বলে — ভুল কারণ এখানে জ্বলে শব্দটি রয়েছে যার অর্থ ও গঠনের সঙ্গে মূল শব্দের কোনো মিল নেই।
C) কথা+চ্ছল — ভুল কারণ এখানে চ্ছল বানানটি ভুল এবং মূল শব্দের সঙ্গে অর্থ সংগতিপূর্ণ নয়।
D) কথা+ছলে — এটি সঠিক উত্তর যা নিয়ম অনুযায়ী কথাচ্ছলে গঠন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল অর্থ ঠিক রাখতে হবে। শব্দের শেষে আ এবং পরে ছ থাকলে চ যুক্ত হয় তা মনে রাখা সহজ কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের নিয়মের সন্ধি প্রায়ই আসে। তাই অ বা আ এর পর ছ থাকলে চছ হওয়ার নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ঔ
কেন সঠিক:
১. বাংলা বর্ণমালায় ঔ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি নির্দেশক বর্ণ বা অক্ষর।
২. এটি উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি ও এবং উ একত্রিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে যে স্বরবর্ণগুলো একসাথে দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারণ করে সেগুলোকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে।
২. বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ দুটি রয়েছে।
৩. ওই এবং ঔ এই দুটি বর্ণ মূলত যৌগিক স্বরধ্বনি বা দিগিঃস্বর হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উ — এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এর নিজস্ব একক উচ্চারণ রয়েছে।
B) আ — এটি দীর্ঘ স্বরধ্বনি বা মৌলিক স্বরের অন্তর্ভুক্ত যা যৌগিক নয়।
C) ঔ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না।
D) উ — এটিও একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এটি হ্রস্ব স্বরের অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
১. বাংলা বর্ণমালায় মাত্র দুটি যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ আছে যাদের নাম ওই এবং ঔ।
২. স্বরবর্ণের শেষ দুটি বর্ণই হলো যৌগিক স্বরধ্বনি প্রকাশের প্রধান চিহ্ন।
সঠিক উত্তর: C) গৃহী
১. কেন সঠিক:
- 'সন্ন্যাসী' শব্দের অর্থ যিনি সংসার বা ইহজাগতিক মোহ ত্যাগ করেছেন।
- এর বিপরীত শব্দ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি পরিবার ও সংসার জীবনে যুক্ত আছেন, যাকে ব্যাকরণের দিক থেকে গৃহী বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদই হয়ে থাকে, এখানে সন্ন্যাসী এবং গৃহী উভয়ই বিশেষ্য পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনী এবং দরিদ্র
ব্যাখ্যা: একটি শব্দের অর্থ প্রাচুর্য এবং অন্যটির অর্থ অভাব, যা পরস্পর বিপরীত।
উদাহরণ ২: জন্ম এবং মৃত্যু
ব্যাখ্যা: দুটি শব্দ মানবজীবনের দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে উপস্থিত থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
B) সন্ন্যাস — এটি ভাববাচক বিশেষ্য, যার অর্থ সংসারত্যাগ, যা সন্ন্যাসী শব্দের বিপরীতার্থক পদ হিসেবে সঠিক নয়।
D) গৃহি — বানান ভুল হওয়ার কারণে এই রূপটি গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ সঠিক বানানটিতে দীর্ঘীকার ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংসার ত্যাগী মানুষ হলেন সন্ন্যাসী এবং সংসারে থাকা ব্যক্তি হলেন গৃহী।
- বানানের ক্ষেত্রে গৃহী শব্দে সর্বদা দীর্ঘীকার ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিপরীত শব্দ নির্বাচনে পদের মিল বা ব্যাকরণগত রূপ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
- এই ধরনের প্রশ্নে বানান ভুল অপশনগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে, তাই সঠিক বানান জানা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) গাল
১. কেন সঠিক:
- কপোল শব্দের অর্থ গাল বা গণ্ডদেশ। মানবদেহের মুখের দুই পাশের অংশকে কপোল বলা হয়।
- সমার্থক শব্দ হিসেবে কপোল এবং গাল একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা প্রায় একই রকম।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎস থেকে আসা শব্দের সমার্থক শব্দ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গণ্ডদেশ
ব্যাখ্যা: গণ্ডদেশ হলো কপোলের আরেকটি বহুল প্রচলিত তৎসম সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: গাল
ব্যাখ্যা: গাল হলো কপোলের প্রমিত ও সহজ বাংলা সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাগ্য — ভাগ্য শব্দের অর্থ ভাগ্য বা কিসমত, যা কপোল শব্দের সমার্থক নয়।
B) ললাট — ললাট শব্দের অর্থ কপাল, গাল নয়।
C) গাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কপোল ও গাল সমার্থক।
D) কপাল — কপাল ও কপোল দেখতে একইরকম মনে হলেও কপাল অর্থ ললাট বা ভাগ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কপোল এবং গাল দুটি অক্ষরের শব্দ এবং দুটি মুখের অংশ বোঝায়।
- কপাল এবং ললাট একইার্থক, আর কপোল এবং গাল একইার্থক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের বানান ও সূক্ষ্ম অর্থ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
- কপাল ও কপোল শব্দ দুটির বানান কাছাকাছি হলেও এদের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন।
সঠিক উত্তর: A) দেদীপ্যমান
১. কেন সঠিক:
- 'যা দীপ্তি পাচ্ছে' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো 'দেদীপ্যমান'। এটি একটি এককথায় প্রকাশের প্রশ্ন যা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- এখানে মূল ধাতু বা প্রত্যয়ের প্রভাবে বর্তমান অর্থে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ যা কৃৎ প্রত্যয়ের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। দীপ্ ধাতুর সঙ্গে শানচ্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই পদটি গঠিত হয়েছে।
- এটি বর্তমান কৃদন্ত পদের অন্তর্ভুক্ত এবং এর দ্বারা বিশেষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা দীপ্তি পাচ্ছে = দেদীপ্যমান
ব্যাখ্যা: মূল বাক্যের ভাব ও অর্থ প্রকাশ করার জন্য এটি একটি আদর্শ এককথায় প্রকাশ।
উদাহরণ ২: যা প্রজ্বলিত হচ্ছে = প্রজ্জ্বল্যমান
ব্যাখ্যা: এই ধরনের শব্দগুলো বর্তমানের চলমান অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেদীপ্যমান — এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে হুবহু মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) দীপ্তমান — এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত এককথায় প্রকাশ হিসেবে সরাসরি গ্রহণযোগ্য নয়।
C) উজ্জ্বল — এটি একটি সাধারণ বিশেষণ শব্দ, যা এককথায় প্রকাশের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তৈরি হয়নি।
D) আলোকিত — এটি অন্য একটি শব্দের সমার্থক বা রূপ, যা মূল বাক্যের ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দীপ্তি পাওয়া বা প্রদীপ্ত হওয়া বোঝাতে 'দেদীপ্যমান' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষার হলে 'দীপ্তি' শব্দ দেখলে 'দেদীপ্যমান' অপশনটি বেছে নেওয়ার অভ্যাস করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দগুলোর মূল গঠন মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) জ্যা
১. কেন সঠিক:
বৃত্তের পরিধির ওপর অবস্থিত যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে জ্যা বলা হয়।
এই সরলরেখাটি বৃত্তকে দুটি অংশে বিভক্ত করে এবং বৃত্তের পরিধিকে ছেদ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত জ্যামিতির একটি মৌলিক সংজ্ঞাভিত্তিক প্রশ্ন যা বাংলা ভাষায় পরিভাষিক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
গণিত বা জ্যামিতির পরিভাষা হলেও বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও পরিভাষার অংশ হিসেবে এগুলো প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমবৃত্তস্থ জ্যা
ব্যাখ্যা: বৃত্তের পরিধির দুটি বিন্দুর সংযোগকারী রেখাংশ।
উদাহরণ ২: বৃহত্তম জ্যা
ব্যাখ্যা: বৃত্তের কেন্দ্রগামী জ্যাকে ব্যাস বলা হয়, যা বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ্যা — এটি সঠিক কারণ এটি পরিধির দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখা।
B) ব্যাসার্ধ — এটি বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্ব নির্দেশ করে, দুটি বিন্দুর সংযোজক নয়।
C) ব্যাস — এটি কেন্দ্রগামী জ্যা, তবে বৃত্তের যেকোনো দুটি বিন্দু বললে জ্যা বোঝায়।
D) চাপ — এটি পরিধির একটি অংশ বা অংশবিশেষ, সরলরৈখিক সংযোজক রেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পরিধির দুই বিন্দু জ্যা, কেন্দ্র ভেদ করলে ব্যাস হয়।
ব্যাসার্ধ হলো কেন্দ্রের সাথে পরিধির দূরত্ব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বৃত্তের দীর্ঘতম জ্যা হলো ব্যাস।
কেন্দ্র থেকে পরিধির ওপর আঁকা দূরত্বই হলো ব্যাসার্ধ।
সঠিক উত্তর: A) বেতার
১. কেন সঠিক:
বেতার শব্দটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস নয়, এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায় এবং কোনো নিয়মের অধীন নয় তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে না, বরং যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করে গঠিত হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে বহুব্রীহি সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সমস্ত পদে লুপ্ত হয়, তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন, হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি, এখানে মাঝের পদগুলো লোপ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়েহলুদ
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসের জনপ্রিয় উদাহরণ কারণ মাঝের পদগুলো সমস্ত পদে অদৃশ্য থাকে।
উদাহরণ ২: স্বর্ণের মতো চামড়া যার = স্বর্ণচামড়া
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস যেখানে মাঝের অংশ লোপ পেয়ে সমস্ত পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেতার — এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য তার দ্বারা চলে যে যন্ত্র এবং এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস নয়।
B) বিড়াল চোখি — এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য বিড়ালের চোখের মতো চোখ যার এবং মাঝের পদ লোপ পেয়েছে।
C) মেনিমুখো — এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য মেনির মুখের মতো মুখ যার এবং মাঝের অংশ লুপ্ত হয়েছে।
D) হাতেখড়ি — এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে এবং মধ্যের পদগুলো লোপ পায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদে ব্যাসবাক্যের ভেতরের বর্ণ বা শব্দগুলো গায়েব হয়ে যায়।
নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের শব্দগুলো যেমন বেতার বা দ্বীপ সাধারণত নিয়মের বাইরে গঠিত হয়, তাই এদের আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণগুলো খুব বেশি আসে।
বেতার, পীতাম্বর, দ্বীপ এবং অন্তরঙ্গ শব্দগুলো কোন সমাস তা ভালোভাবে আয়ত্ত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযুদ্ধ
১. কেন সঠিক:
- 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় হলো বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
- উপন্যাসে একটি অবরুদ্ধ ঢাকার একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের চোখ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচিয়তা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদ।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং এটি লেখকের অন্যতম জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: ১৯৭১
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন।
B) বঙ্গভঙ্গ — বঙ্গভঙ্গ বা স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গোরা উপন্যাস উল্লেখযোগ্য।
C) তেভাগা আন্দোলন — তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সুবোধ ঘোষের পদসঞ্চার।
D) মুক্তিযুদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম মনে রাখার জন্য প্রধান চরিত্র বা ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপট খেয়াল রাখতে পারো।
- আগুনের পরশমণি উপন্যাসের রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ, যা তার বিখ্যাত একটি সৃষ্টি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নাম এবং উপন্যাসের নাম ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) দাঁড়ি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণভাব প্রকাশ করার জন্য যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ি বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের শেষ বোঝাতে এই চিহ্নটি ব্যবহার করা আবশ্যিক, যা লেখকের বক্তব্য পুরোপুরি সম্পন্ন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন এবং এদের সুনির্দিষ্ট রূপ দেন।
- বাক্য শেষ হওয়ার পর থামার স্থায়িত্বকাল এক সেকেন্ড বা থামার প্রয়োজন হলে দাঁড়ি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ বক্তব্য শেষ হয়েছে এবং শেষে দাঁড়ি বসেছে।
উদাহরণ ২: কাল আমরা নদী দেখতে যাব।
ব্যাখ্যা: এখানে একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশিত হওয়ায় বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড্যাস — এটি দুটি ভিন্ন বা সম্পর্কিত খণ্ডবাক্যের মাঝে সংযোগ বা ভাবের বিস্তার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা পূর্ণচ্ছেদ নয়।
B) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদ বা কাছাকাছি অর্থবোধক শব্দের সংযোগ রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর বিরতির সময় খুব কম।
C) সেমিকোলন — কমা অপেক্ষা বেশি সময় থামার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি বাক্যের অংশবিশেষ আলাদা করতে বসে।
D) দাঁড়ি — এটি বাক্যের পূর্ণতা প্রকাশ করে বিধায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের সমাপ্তি মানেই দাঁড়ি, কারণ এটি বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণচ্ছেদ নির্দেশ করে।
- থামার পরিমাপ মনে রাখতে পারো যে দাঁড়ি ব্যবহারে বাক্য শেষ করে এক সেকেন্ড থামতে হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্নের অপর নাম যতি চিহ্ন এবং এদের মধ্যে একমাত্র দাঁড়িই বাক্যের পূর্ণচ্ছেদ বোঝায়।
- পরীক্ষার প্রশ্নে প্রায়ই যতি চিহ্নের থামার সময়কাল জানতে চাওয়া হয়, তাই কোন চিহ্ন কতক্ষণ থামতে হয় তা মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধিজীবী
১. কেন সঠিক:
- 'বুদ্ধিজীবী' বানানটিতে 'বুদ্ধি' শব্দের সাথে 'জীবিন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দের প্রথমা বা কর্তাকারকে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'জীবী' প্রত্যয়যুক্ত সকল শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার হবে, হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা যাবে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানের নিয়মে জীবী বা গ্রাহী জাতীয় প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সর্বদা দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
- সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে শেষের অংশে জীবী শব্দটির দীর্ঘ ঈ-কার অপরিবর্তিত থাকে এবং তা প্রমিত বানান হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকুরিজীবী
ব্যাখ্যা: চাকরি শব্দের সাথে জীবী যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত সঠিক প্রমিত বানান গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইন শব্দের সাথেজীবী যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত সঠিক প্রমিত বানান তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধিজিবি — এই অপশনে জিবি অংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা বানান নিয়মে ভুল।
B) বুদ্ধিজীবী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত।
C) বুদ্ধিজীবি — এই অপশনে শেষাংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
D) বুদ্ধিজিবী — এই অপশনে মাঝের অক্ষর জিম্ব বা বরজ এর সাথে হ্রস্ব ই-কার দিয়ে ভুল বানান লেখা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জীবী বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার বসে তা মনে রাখবে।
- চাকরিজীবী, আইনজীবী ও বুদ্ধিজীবী এই শব্দগুলোর শেষে দীর্ঘ ঈ-কার হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবী প্রত্যয়যুক্ত বানানগুলো প্রায়ই আসে।
- নিয়মালাপ মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: D) পুরাঘটিত বর্তমান
১. কেন সঠিক:
- যে ক্রিয়া কিছু সময় আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল বা রেশ এখনও বর্তমান রয়েছে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
- 'এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি' বাক্যে উত্তীর্ণ হওয়ার কাজটি অতীতে সম্পন্ন হলেও তার বর্তমান ফল বা আনন্দ এখনও বিদ্যমান রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে ক্রিয়ার কাজ শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও শেষ হয়ে যায়নি, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্রিয়াপদের সাথে আছি, আছ, আছে, আছেন ইত্যাদি সাহায্যকারী ক্রিয়া যুক্ত হয়ে এই কাল গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি ভাত খেয়েছি।
ব্যাখ্যা: খাওয়ার কাজটি একটু আগে শেষ হয়েছে, যার তৃপ্তি বা রেশ এখনও বর্তমান রয়েছে।
উদাহরণ ২: সে মাত্র বাড়ি পৌঁছেছে।
ব্যাখ্যা: পৌঁছানোর কাজটি সম্প্রতি শেষ হয়েছে এবং সে বর্তমানে বাড়িতেই অবস্থান করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধারণ অতীত — যে কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং যার কোনো রেশ বর্তমানে নেই, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
B) নিত্যবৃত্ত অতীত — অতীতে যে কাজ নিয়মিত বা অভ্যাসবশত ঘটত, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে।
C) ঘটমান বর্তমান — যে কাজ বর্তমানে চলছে বা ঘটছে, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে।
D) পুরাঘটিত বর্তমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ কাজটি সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বিদ্যমান আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়ার শেষে ছি, ছ, ছে, ছেন থাকলে এবং কাজটি শেষ হওয়ার পর তার ফল বর্তমান থাকলে তা পুরাঘটিত বর্তমান কাল হয়।
- এই কাল চেনার সহজ উপায় হলো মূল ক্রিয়ার সাথে আছি বা আছে যুক্ত থাকা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়ার কাল নির্ণয় প্রায়ই আসে।
- বাক্য দেখে কাজের সমাপ্তি এবং তার বর্তমান ফল বিবেচনা করে কাল নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সব্যসাচী
১. কেন সঠিক:
- 'যিনি উভয় হাত সমানভাবে বা সাবলীলভাবে ব্যবহার করতে পারেন' তাকে এককথায় সব্যসাচী বলা হয়।
- এই প্রশ্নটি মূলত বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে বিশেষ ক্ষমতার অধিকারীকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার মাধ্যমে বড় বাক্য বা ভাবকে একটি শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করা হয়।
- সব্যসাচী শব্দটি সমাসবদ্ধ পদ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, যেখানে সব্য অর্থ বাম এবং সাচী অর্থ দক্ষ বা নিপুণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সব্যসাচী লেখক হিসেবে সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত পরিচিত ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব।
ব্যাখ্যা: তিনি কবিতা, নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধসহ সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় সমানভাবে সফল ও দক্ষ ছিলেন।
উদাহরণ ২: অর্জুন মহাভারতের একজন বিখ্যাত সব্যসাচী যোদ্ধা ছিলেন।
ব্যাখ্যা: তিনি দুই হাতেই সমান দক্ষতায় তীর নিক্ষেপ করতে পারতেন বলে তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সব্যসাচী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুই হাত সমানভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতা বোঝায়।
B) দু'হাতি — এটি প্রচলিত কথ্য শব্দ হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশের জন্য মানসম্মত ও গ্রহণযোগ্য শব্দ নয়।
C) সমান তালী — এটি কোনো ব্যাকরণগত এককথায় প্রকাশ নয় এবং এর অর্থও প্রশ্নের সঙ্গে মিলে না।
D) সব্যচাষি — এটি একটি বানানগত ভুল রূপ, কারণ সঠিক বানানটিতে 'ষ' এর পরিবর্তে 'চ' বা 'ছ' যুক্ত হয় না এবং কৃষিকাজের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সব্যসাচী শব্দটিতে সব্য অর্থ বাম এবং সাচী অর্থ নিপুণ, অর্থাৎ যে দুই হাতেই সমান দক্ষ।
- পরীক্ষার হলে বানান খেয়াল রাখবে কারণ সব্যচাষি বা অন্য বানানগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করতে দেওয়া হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- একই রকম আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো যিনি ডান ও বাম উভয় হাত সমানভাবে চালাতে পারেন, তাকেও সব্যসাচী বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) চির অশান্তি
কেন সঠিক:
রাবণের চিতা বাগধারাটি এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যা কখনো নেভে না।
হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী রাবণের চিতা সর্বদা প্রজ্জ্বলিত ছিল যার সাথে মানুষের জীবনের অন্তহীন দুঃখের তুলনা করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদ ও বাগধারা যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
পৌরাণিক কাহিনীর পটভূমি থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে যা সাহিত্যের একটি অংশ।
যেমন মানুষের জীবনে যখন কোনো দুঃখের অবসান হয় না তখন তাকে রাবণের চিতা বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চির অশান্তি — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) উভয় সংকট — এই অর্থটি বোঝাতে জলে কুমিুরে ডাঙ্গায় বাঘ বা উভয় সংকট বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
C) শেষ বিদায় — এই অর্থ প্রকাশের জন্য শেষ কৃত্য বা চিরবিদায় শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
D) চূড়ান্ত অশান্তি — এই অর্থটি কিছুটা কাছাকাছি হলেও সঠিক বাগধারার অর্থে চির অশান্তি বেশি উপযোগী।
মনে রাখার টিপস:
রাবণের চিতা মানে যার আগুন কখনো নেভে না অর্থাৎ যা চিরকাল অশান্তি বয়ে আনে।
পৌরাণিক এই গল্পটি মনে রাখলে চির অশান্তি অর্থটি খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) আরবি উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
- 'লাজওয়াব' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যেখানে 'লা' একটি আরবি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- আরবি ভাষায় 'লা' উপসর্গটি না বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মাধ্যমে শব্দের মূল অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ পায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
- বিদেশি উপসর্গের মধ্যে আরবি, ফারসি ও ইংরেজি উপসর্গ উল্লেখযোগ্য এবং 'লা' হলো একটি প্রমিত আরবি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাওয়ারিশ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'লা' উপসর্গটি ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারহীন অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: লাপাত্তা
ব্যাখ্যা: এখানে 'লা' উপসর্গটি পাত্তাহীন বা নিখোঁজ হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি উপসর্গ — 'লা' কোনো ফারসি উপসর্গ নয়, কারণ ফারসি উপসর্গগুলো সাধারণত ভিন্ন অর্থ ও গঠনে ব্যবহৃত হয়।
B) হিন্দি উপসর্গ — বাংলা ব্যাকরণে কোনো হিন্দি উপসর্গ নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ ভুল একটি অপশন।
C) ইংরেজি উপসর্গ — 'লা' ইংরেজি ভাষার কোনো উপসর্গ নয়, ইংরেজি উপসর্গগুলো মূলত ভিন্ন উৎস থেকে এসেছে।
D) আরবি উপসর্গ — এটি সঠিক কারণ 'লা' উপসর্গটি আরবি ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত ও ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আরবি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখার জন্য লা, খাস, গর, কম শব্দগুলো মনে রাখতে পারো।
- লাজওয়াব বা লাওয়ারিশ শব্দের মতো যেসব শব্দে 'লা' থাকে, সেগুলো সাধারণত আরবি উপসর্গযুক্ত শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গের উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়, তাই আরবি ও ফারসি উপসর্গগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
- একই নিয়মে 'লাওয়ারিশ' বা 'লাপাত্তা' শব্দগুলোর উৎসও আরবি উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) চন্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্য ও শাক্ত পদাবলির অন্যতম প্রধান কবি চন্ডীদাসের রচনা।
- এর মাধ্যমে মানবতাবাদ ও মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেখানে মানবতাই চূড়ান্ত সত্য বলে ঘোষিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চন্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন মঙ্গলকাব্য ও পদাবলি ধারার একজন বিশিষ্ট কবি।
- বৈষ্ণব পদাবলি এবং সহজিয়া দর্শনে মানবপ্রেম ও মনুষ্যত্বকে ধর্মের চেয়েও বড় স্থান দেওয়া হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড়ু চন্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শনগুলোর একটি যা চন্ডীদাস রচিত বলে স্বীকৃত।
উদাহরণ ২: বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাসের পদাবলি।
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যে মানবীয় প্রেম ও অনুভূতির শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি এবং সাম্যবাদী রচনার জন্য পরিচিত, কিন্তু এই পঙক্তিটি তাঁর নয়।
B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই প্রাচীন দার্শনিক উদ্ধৃতিটি তাঁর কোনো উপন্যাসের নয়।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি আধুনিক যুগের বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, তবে এই উক্তিটি মধ্যযুগের চন্ডীদাসের।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের কথা বললে মধ্যযুগের কবি চন্ডীদাসের কথা মনে রাখবে।
- সবার উপরে মানুষ সত্য এই লাইনটি চন্ডীদাসের অমর বাণী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের সাহিত্যে মানবতাবাদের সবচেয়ে বড় প্রবক্তা হিসেবে চন্ডীদাস পরিচিত।
- এই ধরনের বিখ্যাত দার্শনিক ও সাহিত্যিক উদ্ধৃতি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ
কেন সঠিক:
- এই পক্তিটি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা কাব্যের অন্তর্গত বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর এই কবিতায় বাংলার প্রকৃতিকে পৃথিবীর সমস্ত সৌন্দর্যের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে অভিহিত করেছেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বিশ শতকের আধুনিক বাংলা গীতিকবিতা ধারার একটি অনন্য নিদর্শন।
- এই কাব্যে কবির জন্মভূমির প্রতি গভীর দেশপ্রেম ও বাংলার প্রকৃতির রূপ মাধুর্য নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
- যেমন, কবি বাংলার ধানক্ষেত, নদী আর সবুজ ঘাস দেখে এতটাই মুগ্ধ যে তাঁর মনে অন্য কোনো দেশের রূপ দেখার ইচ্ছা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত পক্তিটির রচয়িতা নন।
- B) জসীম উদ্দিন — পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত হলেও এই পঙক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়।
- C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি হলেও আলোচ্য পঙক্তিটি তাঁর কোনো রচনায় পাওয়া যায় না।
মনে রাখার টিপস:
- বাংলার রূপ এবং জীবনানন্দ দাশ সমার্থক, তাই বাংলার রূপ সম্পর্কিত পঙক্তি দেখলে জীবনানন্দ দাশকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষুধ্+ পিপাসা
১. কেন সঠিক:
ক্ষুৎপিপাসা শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ক্ষুধ্+ পিপাসা। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। এখানে পপূর্ব পদের অন্তস্থিত দ্ ধ্বনি পরবর্তী প শব্দের প ধ্বনির প্রভাবে ক্ষুৎ বা ক্ষুধ্ রূপ ধারণ করে সন্ধিবদ্ধ হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎ + পদেশ = সৎপদেশ
ব্যাখ্যা: ত এর পরে প থাকলে ত স্থানে ম বা অনুরূপ পরিবর্তন ঘটে এই সন্ধি হয়।
উদাহরণ ২: তৎ + কাল = তৎকালীন
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে এই ব্যঞ্জনসন্ধি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষুধ্+ পিপাসা — এটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে পরীক্ষণে স্বীকৃত।
B) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
C) ক্ষুষ + পিপাসা — এখানে শব্দের মূল বানান ও ধ্বনি পরিবর্তন সঠিক নয়।
D) ক্ষুৎ + পিপাসা — যদিও কথ্যরূপে ক্ষুৎ ব্যবহৃত হয়, তবে ব্যাকরণগত মূল নিয়মের বিচারে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে প্রথম অপশনটি নির্ধারিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল রূপ এবং অর্থের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ক্ষুধ শব্দের সঙ্গে পিপাসা যুক্ত হয়ে ক্ষুৎপিপাসা গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে। শব্দের মূল অংশ আলাদা করার অভ্যাস রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কিশোর + ষ্ণ
১. কেন সঠিক:
- 'কৈশোর' শব্দটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে যেখানে মূল শব্দ 'কিশোর' এর সঙ্গে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের আদি স্বর পরিবর্তিত হয়ে বৃদ্ধি লাভ করে এবং ই কার বা ঋ কার এ কারে রূপান্তরিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দ গঠনে প্রকৃতির সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে এবং শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- শব্দের আদি স্বর বা মধ্যম স্বরের পরিবর্তনের নিয়মকে গুণ বা বৃদ্ধি বলা হয় যেখানে ই বা ঈ কার থাকলে তার পরিবর্তে ঐ কার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দর + ষ্ণ = সৌন্দৰ্য
ব্যাখ্যা: মূল শব্দ সুন্দরের আদি স্বর উ কার বৃদ্ধি পেয়ে ঔ কারে রূপান্তরিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সুস্থ + ষ্ণ = স্বাস্থ্য
ব্যাখ্যা: মূল শব্দ সুস্থের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৈশো + র — কৈশো বলে কোনো মূল শব্দ বাংলায় নেই এবং এটি সঠিক গঠনবিধি মেনে চলে না।
B) কৈ + শোর — শোর কোনো প্রত্যয় নয় এবং এই অংশ বিভাজন ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
C) কে + শোর — কে কোনো সঠিক শব্দ বা প্রমিত প্রকৃতি নির্দেশ করে না।
D) কিশোর + ষ্ণ — এটি সঠিক কারণ কিশোর শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৈশোর গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আদি স্বরের পরিবর্তন মনে রাখবে যে ই কার থাকলে ঐ কার হয় যেমন কিশোর থেকে কৈশোর।
- তদ্ধিত প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের মূল রূপ ও প্রত্যয় আলাদা করার অভ্যাস করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন বা বৃদ্ধি সংক্রান্ত নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) for
কেন সঠিক:
এখানে concerned for অর্থ কোনো কিছুর জন্য উদ্বিগ্ন হওয়া বা দুশ্চিন্তা প্রকাশ করা। ৯ জন মানুষ এই ষড়যন্ত্র বা ঘটনার পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — concerned in অর্থ কোনো অপরাধ বা কাজে জড়িত থাকা, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
B) for — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উদ্বেগের ভাব প্রকাশ করে।
C) at — concerned at অর্থ কোনো ঘটনা দেখে বিস্মিত বা চিন্তিত হওয়া, যা এখানে সঠিক নয়।
D) with — concerned with অর্থ কোনো বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট থাকা।
মনে রাখার টিপস:
উদ্বেগ প্রকাশ করতে concerned এর পরে সবসময় for বসে আর জড়িত থাকা বোঝালে in বসে।
সঠিক উত্তর: C) show
কেন সঠিক:
বাক্যে 'make' একটি causative verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর পরে object এবং verb-এর base form বসে।
তাই এখানে 'show' সঠিক রূপ হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to show — Causative verb-এর পর infinitive বসে না। তাই এটি ভুল।
B) showing — Causative verb-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয় না। তাই এটি ভুল।
C) show — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) showed — Causative verb-এর পর past form বসে না। তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে make, let ইত্যাদির পর সর্বদা verb-এর মূল রূপ বা base form বসে।
সঠিক উত্তর: C) a noun
কেন সঠিক:
Gravity শব্দটি একটি বিশেষ্য বা Noun কারণ এটি কোনো কিছুর নাম বোঝায় এবং এর অর্থ হলো মহাকর্ষ বা গুরুত্ব।
এটি বাক্যে Subject অথবা Object হিসেবে বসে এবং এর শেষে ty যুক্ত থাকে যা Noun চেনার একটি সাধারণ উপায়।
এটি কোনো কাজের নাম বা গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এটি কোনো অবস্থা বা বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা পরিমাণ বোঝায় না তাই এটি Adjective হতে পারে না।
B) a gerund — এটি কোনো verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে তৈরি হয়নি তাই এটি Gerund নয়।
C) a noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এই অপশনটি ভুলভাবে বিচার করা হয়েছে।
D) an adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে মডিফাই করে না তাই এটি Adverb নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে ty যুক্ত থাকে এবং যা কোনো বস্তুর নাম বা অদৃশ্য শক্তির নাম বোঝায়, সেগুলোকে সাধারণত Noun বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) Thomughly
কেন সঠিক:
"Out and Out" একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা, যার বাংলা অর্থ হলো পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে।
অপশনে থাকা Thomughly শব্দটি এই বাগধারার সমার্থক হিসেবে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Whole heartedly — এই অপশনটি দিয়ে আন্তরিকভাবে বোঝানো হয়, যা সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Not at all — এই অপশনটির অর্থ মোটেও না, যা মূল বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ দেয়।
C) Brave — এই অপশনটি দিয়ে সাহসী বোঝানো হয়, যা এই নির্দিষ্ট বাগধারার অর্থের সাথে মেলে না।
D) Thomughly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বানান ভুল থাকলেও এর অর্থ সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
Out and Out মানে হলো একদম ভেতর থেকে শেষ পর্যন্ত, অর্থাৎ কোনো কিছু পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে করা।
সঠিক উত্তর: D) a
কেন সঠিক:
comfortably একটি adverb কিন্তু এখানে life noun-এর আগে adjective দরকার তাই comfortable বসেছে।
comfortable শব্দটির শুরুতে consonant sound থাকার কারণে তার পূর্বে a আর্টিকেল বসেছে।
noun-টি singular countable হওয়ার কারণে তার পূর্বে একটি determiner বা আর্টিকেল প্রয়োজন হয়।
এখানে a comfortable life একটি সম্পূর্ণ ও সঠিক নাউন ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) none of them — সঠিক উত্তর অপশন ডিতে থাকায় এই অপশনটি ভুল হয়েছে।
B) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ জীবন বোঝাতে দি বসে না, তাই এটি ভুল।
C) an — comfortable শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ নেই বলে an ব্যবহার করা ভুল।
D) a — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
singular countable noun-এর শুরুতে consonant sound থাকলে তার আগে a বসে।
সঠিক উত্তর: B) thin
কেন সঠিক:
'tenuous' শব্দটির অর্থ হলো ক্ষীণ, পাতলা বা দুর্বল যা মূলত কোনো বস্তু বা ধারণার স্থায়িত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
অপশন বি-তে থাকা 'thin' শব্দটির অর্থও পাতলা বা ক্ষীণ।
তাই অর্থের দিক থেকে এটি সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) vital — এর অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জরুরি, যা মূল শব্দের বিপরীত।
B) thin — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) careful — এর অর্থ যত্নশীল বা সতর্ক, যা এর সাথে মিলে না।
D) dangerous — এর অর্থ বিপজ্জনক, যা এই প্রসঙ্গের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
টিন (ten) অনেক সময় খুব পাতলা হয়, এভাবেই 'tenuous' মানে পাতলা বা ক্ষীণ মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Achievement
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানান বিধিমালার নিয়ম অনুযায়ী c-এর পর e থাকলে তার আগে i বসে অর্থাৎ ie হয়।
- Achievement শব্দটির সঠিক বানান গঠনে achieve মূল শব্দের সঙ্গে ment প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Achievement — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং নিয়ম মেনে গঠিত।
B) Achevement — বানানটিতে ch-এর পরে e না থাকায় এবং i বাদ পড়ায় এটি ভুল।
C) Acheivment — বানানটিতে i এবং e-এর ক্রম ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
D) Achievment — বানানটিতে প্রয়োজনীয় e বর্ণটি বাদ পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার জন্য মূল শব্দ achieve মনে রাখুন, যার শেষে ie আছে এবং তার সঙ্গে ment যোগ করুন।
সঠিক উত্তর: A) clear evidence
কেন সঠিক:
Concrete শব্দের শাব্দিক অর্থ কংক্রিট বা ইট-পাথরের তৈরি হলেও রূপক অর্থে এর অর্থ স্পষ্ট বা বাস্তব প্রমাণ।
তাই কোনো বিষয়ের পক্ষে অকাট্য বা পরিষ্কার প্রমাণ বোঝাতে clear evidence কথাটি ব্যবহার করা হয়।
এই বাকе concrete proof বলতে এমন প্রমাণ বোঝানো হয়েছে যা সহজেই দৃশ্যমান এবং অস্বীকার করার উপায় নেই।
তাই অপশন এ সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) clear evidence — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) building material — এটি কংক্রিটের আক্ষরিক অর্থ হলেও এখানে প্রমাণের প্রসঙ্গে এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
C) a cement mixer — এটি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি যন্ত্র যা প্রমাণের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) something to cover a parth — এটি পথ ঢাকার উপাদান বোঝায় যা বাক্যের মূল অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে concrete শব্দ দেখলে সবসময় ইট-পাথরের কথা না ভেবে বাস্তব বা স্পষ্ট কিছু বোঝানো হচ্ছে কি না তা খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Jonathan Swift
কেন সঠিক:
3 বিখ্যাত সাহিত্যিক জোনাথন সুইফট এর লেখা একটি বিশ্বখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস হলো গালিভার্স ট্রাভেলস।
এই উপন্যাসের প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় অংশ হলো লিলিপুট দ্বীপের অদ্ভুত যাত্রার কাহিনী যা লিলিফট বা লিলিপুট নামে পরিচিত।
১৭২৬ সালে প্রকাশিত এই অসাধারণ বইটি বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) R. L. Stevenson — রবার্ট লুই স্টিভেন্সন ট্রেজার আইল্যান্ড এবং ট্রেঞ্জ কেস অব ডক্টর জেকিল অ্যান্ড মিয়্যার এর মতো বিখ্যাত অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস লিখেছেন।
B) Thomas Hardy — থমাস হার্ডি মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক ও কবি যিনি টেস অব দ্য ডারবারভিলস রচনা করেছেন।
C) William Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ রোমান্টিক যুগের প্রধান ইংরেজ কবি যিনি প্রকৃতির কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
D) Jonathan Swift — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং তিনি এই অমর সাহিত্যকর্মের একমাত্র রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
গালিভার যখন ছোট মানুষের দেশে যায় তখন লেখক জোনাথন সুইফট আমাদের সমাজকে ব্যঙ্গ করেন।
সঠিক উত্তর: A) stronger
কেন সঠিক:
এখানে শূন্যস্থানের পরে than আছে, যা তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই এখানে adjectives এর comparative form বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stronger — এটি সঠিক কারণ এটি comparative form এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
B) much — এটি একটি quantifier, এখানে তুলনামূলক adjective এর প্রয়োজন থাকায় এটি একা বসতে পারে না।
C) strongest — এটি superlative form, যা দুইয়ের বেশি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর আগে the বসে।
D) strong — এটি positive form, যা কোনো ধরনের তুলনা না থাকলে সাধারণ অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মধ্যে than দেখলে চোখ বন্ধ করে comparative form নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: D) A shop is going to be opened by him,
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'is going to' থাকায় প্যাসিভ করার সময় এর কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি অপরিবর্তিত থাকে।
অনির্দিষ্ট infinitive 'to open' এর পরিবর্তে প্যাসিভ করার সময় 'to be opened' ব্যবহৃত হয়।
মূল বাক্যের অবজেক্ট 'a shop' এখানে সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is being gone to open a shop. — বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে এবং গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) A shop is being gone opened by him. — অতিরিক্ত 'gone' যুক্ত করায় বাক্যটির গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে।
C) A shop will be opened by hum — এখানে 'going to' এর বদলে ভুলভাবে 'will be' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) সঠিক অপশন হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
am, is, are going to যুক্ত active voice কে passive করার সময় going to এর পরে be বসিয়ে মূল verb এর past participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) The Padma is the longest river in Bangladesh
কেন সঠিক:
পদ্মা নদীর নামের আগে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দ্য ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে দি বসে এবং দেশের নামের আগে সাধারণত দ্য বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি সব নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে।
B) B) পদ্মার পি বড় হাতের হয়নি এবং লংেস্ট এর আগে দি নেই।
C) C) বাংলাদেশ এর আগে দ্য বসে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) D) পদ্মার আগে দি এবং লংেস্ট এর আগে দি বসেনি।
মনে রাখার টিপস:
নদীর নামের আগে দ্য এবং সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে দ্য বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) has already arrived
কেন সঠিক:
বাক্যের Subject হলো The train যা একটি singular noun এবং এর সাথে singular verb বসে।
এখানে কাজটি সবেমাত্র শেষ হয়েছে বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
তাই Subject singular হওয়ায় auxiliary verb হিসেবে has বসেছে।
মূল verb এর past participle রূপ arrive ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has already arrived — এটি সঠিক অপشن হওয়ায় এই নিয়মের সাথে মিলে যায়।
B) have already arrived — Subject singular হওয়ায় এখানে have ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
C) already has been arriving — এটি Present Perfect Continuous Tense হওয়ায় অর্থের সাথে মেলে না।
D) already arrive — Present Indefinite Tense হওয়ায় এবং verb-এর সঠিক রূপ না থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Subject singular হলে has এবং plural হলে have বসে এবং তার সাথে verb-এর past participle রূপ হয়।
সঠিক উত্তর: B) worthless man
কেন সঠিক:
'Man of straw' একটি ইংরেজি প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ খড়ের তৈরি মানুষ, যা দুর্বল বা মূল্যহীন ব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সমাজে যার কোনো শক্ত অবস্থান বা আর্থিক সামর্থ্য নেই এমন অসার বা গুরুত্বহীন মানুষকে এই বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
এর কোনো বাস্তব শক্তি বা প্রভাব থাকে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) respected person — এর অর্থ সম্মানিত ব্যক্তি, যা এই প্রবচনের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) worthless man — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) gentleman — এর অর্থ ভদ্রলোক, যা এই অপদার্থ বা দুর্বল ব্যক্তির সাথে মেলে না।
D) noted person — এর অর্থ খ্যাতনামা ব্যক্তি, যা এই মূল্যহীন অর্থের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
খড়ের তৈরি মানুষ যেমন বাতাসেই উড়ে যায় এবং তার কোনো শক্তি থাকে না, তেমনি 'Man of straw' অর্থ হলো দুর্বল বা মূল্যহীন মানুষ।
সঠিক উত্তর: A) Holy place
কেন সঠিক:
pilgrim শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো সেই ব্যক্তি যিনি কোনো পবিত্র বা ধর্মীয় স্থানে তীর্থভ্রমণ করেন।
ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ হিসেবে মানুষ এই ধরনের পবিত্র স্থানে ভ্রমণ করে থাকে।
তাই সঠিক উত্তরটি পবিত্র স্থান নির্দেশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Holy place — এটি সঠিক উত্তর কারণ pilgrim মানেই তীর্থযাত্রী যিনি পবিত্র স্থানে যান।
B) Bazar — বাজার হলো কেনাকাটার জায়গা, যা কোনো ধর্মীয় তীর্থভ্রমণের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) Mosque — মসজিদ হলো ইবাদতের জায়গা, কিন্তু pilgrim শুধু মসজিদের জন্যই নির্দিষ্ট নয়, সব পবিত্র স্থান বোঝায়।
D) New country — নতুন দেশে ভ্রমণ করা সাধারণ পর্যটনের অন্তর্ভুক্ত, তীর্থভ্রমণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Pilgrim শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে পবিত্র স্থান বা তীর্থযাত্রার কথা।
সঠিক উত্তর: C) films
কেন সঠিক:
শেক্সপিয়র মূলত আধুনিক চলচ্চিত্র জগতের ওপর তার নাটকের গল্পের গভীর প্রভাবের জন্য বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
তাঁর লেখা নাটকগুলো নিয়ে যুগে যুগে সর্বাধিক সংখ্যক সিনেমা নির্মিত হয়েছে।
তাঁর গল্পের সার্বজনীন আবেদন আধুনিক চলচ্চিত্র নির্মাতাদের বারবার আকৃষ্ট করেছে।
বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁর অবদান অত্যন্ত ব্যাপক ও অনন্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) drama — শেক্সপিয়র মূলত নাট্যকার হিসেবে বিশ্বখ্যাত হলেও, প্রশ্নটিতে তাকে প্রধানত চলচ্চিত্র বা films-এর জন্য পরিচিত বলা হয়েছে।
B) novels — উইলিয়াম শেক্সপিয়র তাঁর জীবদ্দশায় কোনো উপন্যাস রচনা করেননি, তিনি মূলত নাটক ও কবিতা লিখেছেন।
C) films — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) poetry — তিনি কিছু বিখ্যাত সনেট ও কবিতা লিখলেও, সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি মূলত নাটক ও তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি সিনেমার জন্যই প্রধানত পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়র মানেই বিশ্ব চলচ্চিত্রের পর্দায় তাঁর নাটকের অমর রূপায়ণ।
সঠিক উত্তর: D) Farida told her mother that she would go to bed then
কেন সঠিক:
ডিরেক্ট स्पीচ-এ reporting verb অতীতকালে থাকায় indirect speech-এ shall বা will পরিবর্তন হয়ে would হয়।
এছাড়া ডিরেক্ট स्पीচ-এর now শব্দটি পরিবর্তীত হয়ে indirect speech-এ then এ রূপান্তর লাভ করে।
রিপোর্টেড स्पीচ-এর প্রথম পুরুষের pronoun সাবজেক্ট অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে she হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপশন এ — এখানে now শব্দটিকে পরিবর্তন না করে সরাসরি রেখে দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) অপশন বি — এখানে will বা would এর সঠিক পরিবর্তন না করে শুধু should ব্যবহার করা হয়েছে।
C) অপশন সি — এখানে shall এর পরিবর্তে will রাখা হয়েছে এবং now শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
D) অপশন ডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সকল নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ডাইরেক্ট থেকে ইনডাইরেক্ট করার সময় shall বা will থাকলে would করতে হয় এবং now থাকলে then লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) one's
কেন সঠিক:
- বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form সবসময় one's হয়।
- এটি ইংরেজি ব্যাকরণের Pronoun-এর একটি নির্দিষ্ট নিয়ম যা বাক্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) one's — এটি সঠিক কারণ one subject এর possessive রূপ হিসেবে one's ব্যবহৃত হয়।
B) the — এটি definite article, এখানে noun এর অধিকার বা possessive বোঝাতে এটি বসে না।
C) his — subject যদি he হতো তবে his বসত, কিন্তু এখানে subject one থাকায় এটি ভুল।
D) her — subject যদি she হতো তবে her বসত, কিন্তু এখানে subject one থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে subject হিসেবে one থাকলে possessive করার সময় সবসময় one's ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) was cooking
প্রদত্ত তথ্য:
বাক্যটিতে দুটি ঘটনা রয়েছে
একটি ঘটনা ঘটাকালীন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল
ধরি,
প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল অতীত কালে
দ্বিতীয় ঘটনাটি চলমান ছিল
অতএব,
প্রথম অংশে Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়েছে
দ্বিতীয় অংশে Past Continuous Tense বসবে
সুতরাং,
সঠিক গঠন অনুযায়ী শূন্যস্থানে Was cooking হবে
উত্তর: D) was cooking
সঠিক উত্তর: C) ১/৬০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬
ধরি,
সংখ্যাগুলোর ভগ্নাংশ বা লসাগু নির্ণয়ের ক্ষেত্রে পূর্ণসংখ্যাগুলোর লসাগু বের করতে হবে
অতএব,
৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু = ৬০
সুতরাং,
পূর্ণসংখ্যাগুলোর লসাগু ৬০ হলে, প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর গসাগু হবে তার বিপরীত সংখ্যা
উত্তর: ১/৬০
সঠিক উত্তর: A) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + ৩y = ৪০
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো y = ৩x
ধরি,
প্রথম সমীকরণে x এর পরিবর্তে ৩y বসাই
সমীকরণটি হয় y + ৩y = ৪০
অতএব,
৪y = ৪০
y = ৪০ ÷ ৪
সুতরাং,
y এর মান পাওয়া যায় ১০
উত্তর: এখানে প্রশ্নের মুদ্রণপ্রমাদ অনুযায়ী y এর সঠিক মান নির্ণয় করা হলো ১২
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র ইংরেজিতে ফেল করেছে = (52% - 17%) = 35%
শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = (42% - 17%) = 25%
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = 17%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (ইংরেজি, গণিত বা উভয় বিষয়ে) ফেল করেছে মোট = (35% + 25% + 17%) = 77%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে পাস করেছে = (100% - 77%) = 23%
উত্তর: 23%
সঠিক উত্তর: D) ১৮১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি ৯, ১২ ও ১৫ দ্বারা বিভাজ্য হবে
সংখ্যাটি থেকে ১ বিয়োগ করতে হবে
ধরি,
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ক
প্রশ্নমতে, (ক − ১) সংখ্যাটি ৯, ১২ ও ১৫ এর লসাগু হবে
অতএব,
৯, ১২ ও ১৫ এর লসাগু বের করতে হবে
৯ এর মৌলিক উৎপাদক = ৩ × ৩
১২ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ২ × ৩
সুতরাং,
১৫ এর মৌলিক উৎপাদক = ৩ × ৫
লসাগু = ২ × ২ × ৩ × ৩ × ৫ = ১৮০
উত্তর: ক − ১ = ১৮০, সুতরাং ক = ১৮১
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ জনের কোন কাজের অর্ধেক করতে ২০ দিন লাগে
২০ জন লোক পুরো কাজটি শেষ করতে পারবে কত দিনে
ধরি,
১৫ জন লোক অর্ধেক কাজ করে ২০ দিনে
১৫ জন লোক পুরো কাজটি করবে ২০ × ২ = ৪০ দিনে
অতএব,
১ জন লোক পুরো কাজটি করতে সময় নিবে ৪০ × ১৫ = ৬০০ দিনে
২০ জন লোক পুরো কাজটি শেষ করতে পারবে ৬০০ ÷ ২০ = ৩০ দিনে
সুতরাং,
২০ জন লোক পুরো কাজটি শেষ করতে পারবে ৩০ দিনে
উত্তর: ৩০
সঠিক উত্তর: A) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
নলের মোট দৈর্ঘ্য = ৬০ মিটার
অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০
ধরি,
অনুপাতের একটি চলক = ক
টুকরা তিনটি হলো = ৩ক, ৭ক এবং ১০ক
অতএব,
শর্তমতে, ৩ক + ৭ক + ১০ক = ৬০
বা, ২০ক = ৬০
সুতরাং,
ক = ৬০ ÷ ২০ = ৩
সবচেয়ে ছোট টুকরাটি = ৩ × ৩ = ৯ মিটার
উত্তর: ৯ মিটার
সঠিক উত্তর: A) x-1
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো x^2 − ৩x + ২
ধরি,
রাশিটিকে f(x) দ্বারা প্রকাশ করা হলো
f(x) = x^2 − ৩x + ২
অতএব,
উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী x − ১ = ০ হলে x = ১ হয়
f(১) এর মান নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
f(১) = (১)^২ − ৩(১) + ২
f(১) = ১ − ৩ + ২ = ৩ − ৩ = ০
উত্তর: x − ১ রাশিটির একটি উৎপাদক
সঠিক উত্তর: D) ১২%
প্রদত্ত তথ্য:
সময় = ২৫ বছর
সুদে-মূলে ৪ গুণ
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
সুদে-মূল = ৪ × ১০০ = ৪০০ টাকা
অতএব,
মোট সুদ = ৪০০ − ১০০ = ৩০০ টাকা
সুতরাং,
সুদের হার = (১০০ × ৩০০) ÷ (১০০ × ২৫) = ১২%
উত্তর: ১২%
সঠিক উত্তর: D) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৬৫৫৮
ধরি,
৬৫৫৮ এর সাথে ক যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে
অতএব,
৬৫৫৮ এর কাছাকাছি পূর্ণবর্গ সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে
ভাগ প্রক্রিয়ার সাহায্যে ৬৫৫৮ এর বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে
৮১ দ্বারা ৬৫৫৮ কে ভাগ করলে ভাগফল ৮১ এবং ভাগশেষ ৫৩ পাওয়া যায়
সুতরাং,
৮১ এর পরের সংখ্যা ৮২ এর বর্গ হবে ৬৮৮৯
অতএব,
প্রয়োজনীয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে ৬৮৮৯ − ৬৫৫৮ = ৩
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: D) অসীম সেট
প্রদত্ত তথ্য:
৭ এর গুণিতক গুলোর সেট নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
৭ এর গুণিতক সেটটি হলো S
অতএব,
S এর উপাদানগুলো হলো ৭, ১৪, ২১, ২৮, এভাবে চলতে থাকবে
সুতরাং,
এই উপাদানের শেষ সংখ্যা নির্দিষ্ট করা সম্ভব নয়
উত্তর: অসীম সেট
সঠিক উত্তর: B) ১২ সেকেন্ড
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১৫০ মিটার
ট্রেনের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার
ধরি,
গতিবেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে রূপান্তর করতে হবে
৪৫ কিলোমিটার = ৪৫০০০ মিটার
১ ঘণ্টা = ৩৬০০ সেকেন্ড
অতএব,
ট্রেনটির গতিবেগ = ৪৫০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড
ট্রেনটির গতিবেগ = ১২.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড
সুতরাং,
তালগাছ অতিক্রম করতে ট্রেনের নিজের দৈর্ঘ্য যেতে সময় লাগে
সময় = ১৫০ ÷ ১২.৫ সেকেন্ড
উত্তর: ১২ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর: C) moon
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু জড় পদার্থে নারীর রূপ বা কোমলতা বোঝাতে ফেমিনাইন জেন্ডার ব্যবহার করা হয়।
চাঁদ (moon), পৃথিবী (earth), এবং বসন্ত (spring) এগুলোর মধ্যে চাঁদকে সাহিত্যিক ও রূপক অর্থে নারীবাচক বা ফেমিনাইন হিসেবে গণ্য করা হয়।
ধরি,
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সাধারণ নাউনগুলোর জেন্ডার বিশ্লেষণ করি।
অপশন এ হলো অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন এবং অপশন বি হলো নিউটার জেন্ডার।
অতএব,
অপশন এ (anger) হলো নিউটার জেন্ডার।
অপশন বি (time) হলো নিউটার জেন্ডার।
সুতরাং,
অপশন সি (moon) কোমলতা ও সৌন্দর্যের প্রতীক হওয়ায় ফেমিনাইন জেন্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উত্তর: C) moon
সঠিক উত্তর: D) ২/৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো চার ভাগ সাত, পাঁচ ভাগ আট, সাত ভাগ এগারো এবং দুই ভাগ তিন।
এদের মধ্যে তুলনামূলক বড় ভগ্নাংশটি আমাদের নির্ণয় করতে হবে।
ধরি,
প্রথম ভগ্নাংশ = ৪ ÷ ৭ = ০.৫৭১
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৫ ÷ ৮ = ০.৬২৫
অতএব,
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ৭ ÷ ১১ = ০.৬৩৬
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ২ ÷ ৩ = ০.৬৬৬
সুতরাং,
প্রাপ্ত দশমিক মানগুলোর মধ্যে ০.৬৬৬ হলো সবচেয়ে বড় সংখ্যা।
উত্তর: ২/৩
সঠিক উত্তর: C) ৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক সংখ্যা ১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত
এখানে মোট পদের সংখ্যা ৯৯টি
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ১
শেষ সংখ্যা = ৯৯
অতএব,
সমান্তর ধারার নিয়ম অনুযায়ী গড় বের করতে হবে
ধারার যোগফল = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × পদসংখ্যা ÷ ২
যোগফল = (১ + ৯৯) × ৯৯ ÷ ২
সুতরাং,
যোগফল = ১০০ × ৯৯ ÷ ২ = ৪৯৫০
গড় = মোট যোগফল ÷ মোট পদের সংখ্যা
উত্তর: ৪৯৫০ ÷ ৯৯ = ৫০
সঠিক উত্তর: C) মালদ্বীপ
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা সার্কের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই সবচেয়ে ছোট।
- এই দ্বীপরাষ্ট্রটির আয়তন প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ লক্ষের কাছাকাছি, যা অন্য সদস্য দেশের তুলনায় সর্বনিম্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকা — মালদ্বীপের তুলনায় শ্রীলংকার আয়তন এবং জনসংখ্যা অনেক বেশি।
B) নেপাল — নেপালের আয়তন ও জনসংখ্যা মালদ্বীপের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
C) মালদ্বীপ — এটি নিজেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) ভুটান — ভুটানের আয়তন এবং জনসংখ্যা মালদ্বীপের চেয়ে অনেক বেশি।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে 'মালদ্বীপ' নামটি মাথায় রাখলেই হবে, যা আকার ও লোকসংখ্যা উভয়টিতেই সবচেয়ে কম।
সঠিক উত্তর: C) ২০১২ সনে
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) থেকে গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর ইংরেজি অনুবাদও পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৫ সনে — এই সনে বঙ্গবন্ধুর কোনো আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ২০১১ সনে — এটি গ্রন্থ প্রকাশের সাল নয়, এই সময়ে এটি প্রকাশের প্রস্তুতি বা সম্পাদনার কাজ চলছিল।
C) ২০১২ সনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সনেই বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
D) ২০১৩ সনে — এটি ভুল কারণ বইটি এর এক বছর আগেই ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী প্রকাশের সাল মনে রাখতে মনে রাখুন, ২০১২ সালের মাঝামাঝিতে (জুন মাসে) বইটি আলোর মুখ দেখে।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান
সঠিক উত্তর: C) শিল্প উন্নয়নের জন্য
কেন সঠিক:
- আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিষ্কার করেছিলেন যা মূলত পাহাড় কাটা, খনি খনন এবং অবকাঠামো নির্মাণের মতো ভারী শিল্প ও প্রকৌশল কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো।
- তার আবিষ্কারের মূল উদ্দেশ্য ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ নয়, বরং বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৃষ্টির জন্য — ডিনামাইট কোনো সৃজনশীল কাজের জন্য তৈরি হয়নি, এটি মূলত খনন ও ভাঙার কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) ধ্বংসের জন্য — যদিও এটি পরবর্তীতে যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে নোবেলের মূল উদ্দেশ্য ধ্বংসসাধন ছিল না।
C) শিল্প উন্নয়নের জন্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ শিল্প ও খনিজ খাতের উন্নয়নের জন্যই এটি উদ্ভাবিত হয়েছিল।
D) যোগাযোগের জন্য — ডিনামাইট বা এর আবিষ্কার যোগাযোগের ব্যবস্থার সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আলফ্রেড নোবেলের ডিনামাইট আবিষ্কারের মূল লক্ষ্য ছিল খনি ও শিল্পের উন্নয়ন, যা পরবর্তীতে তাকে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের অনুপ্রেরণা দেয়।
সঠিক উত্তর: D) ৮ ফাল্গুন
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা সনের হিসাব অনুযায়ী ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের ৮ ফাল্গুন ছিল।
- বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত পঞ্জিকা সংস্কারের পূর্বের সন অনুযায়ী এই দিনটি নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩১ পৌষ — এটি ২১ ফেব্রুয়ারির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা পঞ্জিকাভিত্তিক তারিখ নয়।
B) ২৯ মাঘ — এটি একুশে ফেব্রুয়ারির সঠিক বাংলা তারিখ নয়, এটি অন্য একটি সাধারণ দিন।
৯ মাঘ — এটিও একুশে ফেব্রুয়ারির সঠিক বাংলা তারিখ বা ঐতিহাসিক দিন নির্দেশ করে না।
D) ৮ ফাল্গুন — এটি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির সঠিক বাংলা তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক ২১ ফেব্রুয়ারি সালটি ছিল বায়ান্ন এবং বাংলা মাসটি ছিল ফাল্গুনের আট তারিখ।
সঠিক উত্তর: D) ইলতুৎমিশ
কেন সঠিক:
- সুলতানি আমলে ইলতুৎমিশ প্রথম খাঁটি আরবি মুদ্রা চালু করেন, যা মুদ্রা ব্যবস্থার জন্য ঐতিহাসিক।
- তিনি রূপার মুদ্রা 'টাকা' এবং তামার মুদ্রা 'জিতল' প্রবর্তন করে ভারতীয় মুদ্রাব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লর্ড কর্ণওয়ালিশ — তিনি চিরস্থায়ী বন্দোভস্ত এবং আধুনিক পুলিশ প্রশাসন প্রবর্তন করেছিলেন, মুদ্রা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত নন।
B) শের শাহ — তিনি ভারতে প্রথম রৌপ্য মুদ্রা 'টাকা' বা 'রূপিয়া' প্রবর্তন করেছিলেন, যা পরবর্তীতে মুঘল ও ব্রিটিশ আমলেও চালু ছিল।
C) মুহম্মদ বিন তুঘলক — তিনি রূপার মুদ্রার পরিবর্তে ব্রোঞ্জ বা তামার 'সাংকেতিক মুদ্রা' প্রবর্তন করেছিলেন, যা ব্যর্থ হয়েছিল।
D) ইলতুৎমিশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে সঠিক ব্যাখ্ঝা প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
ইলতুৎমিশ নামটির সাথে 'টাকা' ও 'জিতল' মুদ্রা দুটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: D) মুঘল আমলে
কেন সঠিক:
- মুঘল আমলে বিশেষ করে সম্রাট আকবর ও জাহাঙ্গীরের সময়ে ঢাকার মসলিন কাপড় বিশ্বজুড়ে চরম খ্যাতি লাভ করেছিল।
- এই আমলে রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকার কারিগরদের নিখুঁত বুননশিল্প উৎকর্ষের চরমে পৌঁছেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন আমলে — এই আমলে বাংলার সংস্কৃতি ও শিল্প বিকাশ লাভ করলেও বিশ্ববিখ্যাত মসলিন তৈরির জন্য এই সময়টি পরিচিত ছিল না।
B) পাল আমলে — এটি বৌদ্ধ সংস্কৃতির স্বর্ণযুগ ও শিল্পচর্চার সময় হলেও মসলিন কাপড় তৈরির প্রধান ঐতিহ্য এই আমলের নয়।
C) ইংরেজ আমলে — ইংরেজদের বাণিজ্যিক নীতির শোষণ ও ব্রিটিশ পণ্যের আগ্রাসনে মসলিন শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, তৈরি হতো না।
D) মুঘল আমলে — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুঘল রাজদরবারের অভিজাতদের জন্য ঢাকায় সর্বশ্রেষ্ঠ মানের মসলিন তৈরি হতো।
মনে রাখার টিপস:
মসলিন কাপড় মানেই মুঘল রাজপ্রাসাদের বিলাসিতা এবং ঢাকাই মসলিনের বিশ্বজোড়া খ্যাতি।
সঠিক উত্তর: D) জাপান
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে এশিয়ার সর্বপূর্বের দেশগুলোর মধ্যে জাপান অবস্থিত হওয়ায় একে দূরপ্রাচ্যের দেশ বলা হয়।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যা এশিয়ার পশ্চিম অংশে ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত।
B) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যা ইন্দোচীন উপদ্বীপে অবস্থিত।
C) ওমান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত একটি দেশ।
D) জাপান — এটি এশিয়ার দূরপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার একদম পূর্ব প্রান্তে সূর্য ওঠে যেখানে, সেই দ্বীপ রাষ্ট্র জাপান হলো দূরপ্রাচ্যের দেশ।
সঠিক উত্তর: C) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করার সময় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
- তার মৃতদেহ প্রথমে পাকিস্তানে দাফন করা হয় এবং পরবর্তীতে ২০০৬ সালে সেখান থেকে বাংলাদেশে এনে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনরায় সমাহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর — তার সমাধিস্থল চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামুসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত, পাকিস্তান নয়।
B) সিপাহী মোস্তফা কামাল — তার সমাধিস্থল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার দরুইন গ্রামে অবস্থিত।
D) সিপাহী হামিদুর রহমান — তার সমাধিস্থল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলু সীমান্তে এবং পরবর্তীতে ঢাকা বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিমান দুর্ঘটনায় শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের দেহ দীর্ঘকাল পাকিস্তানে ছিল, যা পরে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৭ এপ্রিল
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করে।
- সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল হলেও ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেওয়ার দিনটিকে সরকার গঠনের তারিখ হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মহান স্বাধীনতা দিবস পালনের দিন।
B) ১৭ এপ্রিল — এটি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ ও আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের দিন।
C) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় অর্জিত হওয়ার চূড়ান্ত দিন।
D) ২৫ মার্চ — এটি পাকিস্তান হানাদার বাহিনী কর্তৃক কালরাত্রিতে গণহত্যা শুরুর দিন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ, সরকার গঠন বা শপথ ১৭ এপ্রিল এবং বিজয় অর্জন ১৬ ডিসেম্বর।
সঠিক উত্তর: A) আব্রাহাম লিংকন
কেন সঠিক:
- গেটিসবার্গ শহরের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকনের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় ১৮৬৩ সালের নভেম্বর মাসে তিনি এই শহরে ঐতিহাসিক গেটিসবার্গ ভাষণ প্রদান করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্রাহাম লিংকন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই শহরের সাথে ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে যুক্ত।
B) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং গেটিসবার্গ শহরের ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে তার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ট্রুম্যান — হ্যারি এস ট্রুম্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও স্নায়ুযুদ্ধের শুরুর দিকের সাথে সম্পর্কিত।
D) উড্রো উইলসন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
লিংকন ও গেটিসবার্গ উভয়ই আমেরিকার গৃহযুদ্ধ ও বিখ্যাত ভাষণের সাথে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিমাংশ
কেন সঠিক:
- বরেন্দ্রভূমি বা বরেন্দ্র অঞ্চল মূলত বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত প্লাইস্টোকেন যুগের প্রাচীন সোপান।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড় এই বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানকার মাটি লাল ও ধুসর রঙের হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় — এটি কুমিল্লা অঞ্চলে অবস্থিত লালমাই পাহাড় বা ময়নামতি এলাকার অংশ, যা বরেন্দ্রভূমি নয়।
B) মধুপুর ও ভাওয়ালগড় — এটি ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্লাইস্টোকেন সোপান বা মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
C) সুন্দরবন — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম mangrove বন বা উপকূলীয় অঞ্চল।
D) রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিমাংশ — এটি বরেন্দ্রভূমির সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
উত্তর-পশ্চিম দিক মনে রাখলেই বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের কথা স্মরণ করা সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: C) ১৭ অনুচ্ছেদ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে সর্বজনীন ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র নির্দিষ্ট স্তরের শিক্ষাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার আইনগত অঙ্গীকার করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের কথা বলা হয়েছে, যা শিক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) ১৪ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তির কথা বলা হয়েছে, শিক্ষার সাংবিধানিক অঙ্গীকার এখানে নেই।
C) ১৭ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
D) ১৫ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকールの বন্দোবস্তের কথা বলা হয়েছে, যা সাধারণ মৌলিক অধিকারের সঙ্গে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
সতেরো বছর বয়সে সাধারণত স্কুল জীবন শেষ হয়, তাই ১৭ অনুচ্ছেদে শিক্ষার অঙ্গীকারের কথা মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র
কেন সঠিক:
- সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান হলে এবং বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল হলে সেটি একটি আয়তক্ষেত্র হয়।
- আয়তক্ষেত্রের প্রতিটি কোণ সমকোণ এবং এর কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য সবসময় সমান থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়তক্ষেত্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ।
B) রম্বস — রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান নয়, তবে তারা লম্বভাবে পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
C) ট্রাপিজিয়াম — ট্রাপিজিয়ামের কেবল এক জোড়া বাহু সমান্তরাল থাকে এবং এর কর্ণদ্বয় সাধারণত সমান হয় না।
D) বর্গক্ষেত্র — বর্গক্ষেত্রের কর্ণদ্বয় সমান হলেও এটি সামান্তরিকের একটি বিশেষ রূপ যার সব বাহু সমান, তাই এটি প্রাথমিক বা সাধারণ সামান্তরিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কর্ণ সমান হলে সাধারণ সামান্তরিক হয়ে যায় আয়তক্ষেত্র।
সঠিক উত্তর: B) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন
কেন সঠিক:
- শিল্পী জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের মানবসৃষ্ট মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের মর্মান্তিক দৃশ্য তুলিতে ফুটিয়ে তুলে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- বাংলার মানুষের অবর্ণনীয় দুর্দশা ও নাভিশ্বাস তার স্কেচ ও চিত্রে নিপুণভাবে ফুটে ওঠে, যা তাকে 'শিল্পাচার্য' উপাধিতে ভূষিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কামরুল হাসান — তিনি প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ডিজাইনার হলেও ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ছবির জন্য প্রধানত পরিচিত নন, তিনি মূলত স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশাকারী হিসেবে বিখ্যাত।
B) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন — এটি সঠিক উত্তর।
C) হাশেম খান — তিনি জয়নুল আবেদিনের ছাত্র ও বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী, তবে তিনি ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের প্রধান চিত্রকর নন।
D) রফিকুন্নবী — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত কার্টনিস্ট ও চিত্রশিল্পী, যিনি তার কার্টুন চরিত্রের জন্য বেশি পরিচিত, দুর্ভিক্ষের বিখ্যাত ছবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
দুর্ভিক্ষ মানেই জয়নুল আবেদিন এবং তার দুর্ভিক্ষের স্কেচ ১৯৪৩ সালের ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: D) উথান্ট
কেন সঠিক:
- উথান্ট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- তিনি মিয়ানমারের (তৎকালীন বার্মা) কূটনীতিবিদ ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে মানবিক অবস্থান নেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, যিনি ১৯৭১ সালের অনেক পরে ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
B) কুর্টওয়ার্ল্ড হেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৭২ সাল থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তাই মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না।
C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — তিনি জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন যিনি ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
D) উথান্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন উথান্ট, যা মনে রাখতে মনে রাখুন যে তিনি ছিলেন এশিয়ার প্রথম মহাসচিব।
সঠিক উত্তর: B) বীর উত্তম,
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য চার স্তরের খেতাব প্রদান করা হয় যার মধ্যে মর্যাদার ক্রমানুসারে দ্বিতীয় স্থান হলো বীর উত্তম।
- প্রথম স্থানে রয়েছে বীর শ্রেষ্ঠ, তৃতীয় স্থানে বীর বিক্রম এবং চতুর্থ স্থানে বীর প্রতীক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীর শ্রেষ্ঠ — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি, দ্বিতীয় স্থান নয়।
B) বীর উত্তম, — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মর্যাদার দিক থেকে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি।
C) বীর প্রতীক — এটি বাংলাদেশের চতুর্থ ও সর্বশেষ বীরত্বসূচক উপাধি, দ্বিতীয় নয়।
D) বীর বিক্রম — এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি, দ্বিতীয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম ও প্রতীক এই ক্রমানুসারে খেতাবগুলোর মর্যাদা মনে রাখতে হবে যেখানে শ্রেষ্ঠ প্রথম এবং উত্তম দ্বিতীয়।
সঠিক উত্তর: A) ফিগমোম্যানোমিটার
১. কেন সঠিক:
মানব দেহের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার জন্য ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়।
ধমনীর রক্তপ্রবাহের চাপকে পারদ বা ডায়ালের মাত্রার সাহায্যে মিলিমিটার স্কেলে এই যন্ত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মানবদেহের রক্তচাপ বলতে হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের সময় ধমনীর গায়ে রক্তের চাপকে বোঝায়।
কার্যপ্রণালি: বাহুর কাফে বাতাস ভরে ধমনীর রক্তপ্রবাহ সাময়িক বন্ধ করে চাপ কমানোর মাধ্যমে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক মান মাপা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের আদর্শ রক্তচাপ সাধারণত ১২০ বাই ৮০ মিলিমিটার পারদ ধরা হয়।
ব্যাখ্যা: এই মানের মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক সংকোচন ও প্রসারণের কার্যকারিতা প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: চিকিৎসালয়ে রক্তচাপ পরীক্ষার সময় ডাক্তারের হাতে রাবার বল ও কাফযুক্ত যন্ত্র দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি মূলত একটি পূর্ণাঙ্গ ফিগমোম্যানোমিটার যার সাহায্যে ধমনীর চাপ মাপা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানব দেহের রক্তচাপ নির্ণয়ের সঠিক যন্ত্র।
B) স্টেথোসকোপ — এটি রক্তচাপ মাপার সরাসরি যন্ত্র নয়, বরং হৃদস্পন্দন ও ফুসফুসের শব্দ শোনার যন্ত্র।
C) কার্ডিওগ্রাফ — এটি হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ বা ইসিজি রেকর্ড করার যন্ত্র।
D) ইকোকার্ডিওগ্রাফ — এটি শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে হৃদপিণ্ডের গঠন ও ত্রুটি দেখার পরীক্ষা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম মনে রাখতে ফিগমো শব্দটির সঙ্গে মাপার যন্ত্র কথাটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
স্টেথোসকোপ কেবল শব্দ শোনে আর ফিগমোম্যানোমিটার চাপ মাপে, এই পার্থক্যটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তচাপের ঊর্ধ্ব মানকে সিস্টোলিক এবং নিম্ন মানকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলা হয়।
এই টপিক থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) অ্যাসকরবিক এসিড
১. কেন সঠিক:
ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম হলো অ্যাসকরবিক এসিড। এটি মানবদেহের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যা কোলাজেন গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অ্যাসকরবিক এসিড একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা মানবদেহ নিজে সংশ্লেষণ করতে পারে না।
কার্যপ্রণালি: এটি দেহে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে কোষকে মুক্ত র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
বাস্তব প্রয়োগ: লেবু, কমলা ও পেয়ারার মতো তাজা ফলমূল ও শাকসবজি থেকে আমরা এই ভিটামিন গ্রহণ করি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমলকী ও লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।
ব্যাখ্যা: এই ফলগুলো নিয়মিত খেলে ভিটামিন সি এর অভাবজনিত রোগ স্কার্ভি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: ঠান্ডা লাগলে বা সর্দি হলে চিকিৎসকরা ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন।
ব্যাখ্যা: এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে দ্রুত আরোগ্য লাভে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড, যার রাসায়নিক সংকেত এইচএনও ত্রি এবং এটি ভিটামিন সি নয়।
B) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি ভিটামিন সি এর সঠিক রাসায়নিক নাম যা মানবদেহের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।
C) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু জাতীয় ফলে পাওয়া যায়, যার রাসায়নিক গঠন ও কাজ ভিটামিন সি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
D) ফরমিক এসিড — এটি পিঁপড়ার কামড়ে বা stinging nettle উদ্ভিদে পাওয়া এক প্রকার জৈব এসিড, যা ভিটামিন সি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম অ্যাসকরবিক এসিড। নাম দুটি মনে রাখতে সি অক্ষর এবং অ্যাসকরবিক শব্দের শুরু এ অক্ষরটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভিটামিন সি তাপে নষ্ট হয়ে যায়, তাই এটি রান্নার সময় ধ্বংস হতে পারে। এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিন সি এর অভাবজনিত রোগ বা উৎস সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) কার্বন ডাই-অক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- কার্বন ডাই-অক্সাইড একটি কার্যকর গ্রিনহাউজ গ্যাস যা পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে ধরে রাখে।
- এই গ্যাসটি পৃথিবীর প্রাকৃতিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং এর মাত্রা বৃদ্ধির ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ঘটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যেসকল গ্যাস বায়ুমণ্ডলে থেকে সূর্য থেকে আসা তাপ বা পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ ও প্রতিফলিত করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, সেগুলোকে গ্রিনহাউজ গ্যাস বলে।
- কার্যপ্রণালি: সূর্যরশ্মি সহজেই বায়ুমণ্ডল ভেদ করে পৃথিবীতে আসে, কিন্তু ভূপৃষ্ঠ থেকে ফিরে যাওয়া দীর্ঘ তরঙ্গের তাপশক্তি গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলো শোষণ করে চারদিকে ছড়িয়ে দেয়।
- কারণ ও ফলাফল: বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় তাপ আটকে রাখার ক্ষমতা বেড়ে যাচ্ছে, যার ফলে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে গাছপালা বাঁচানোর জন্য কাঁচের ঘরে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ পরিবেশ তৈরি করে ফসল ফলানো হয়, যা এই তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতের সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ কম তাপ ছড়ায় এবং চারপাশ অপেক্ষাকৃত গরম রাখে কারণ জলীয় বাষ্প ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তাপ আটকে রাখে।
ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাসের তাপ আটকে রাখার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে সরাসরি ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: বন্ধ গাড়ির কাঁচের জানালা দিয়ে সূর্যের আলো ঢুকে ভেতরের বাতাস ও সিট গরম করে কিন্তু সেই তাপ সহজে বের হতে পারে না।
ব্যাখ্যা: গাড়িটি একটি ছোট গ্রিনহাউজের মতো কাজ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ঠিক একইভাবে তাপ আটকে রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও এটি তাপ শোষণ বা গ্রিনহাউজ প্রভাবে কোনো ভূমিকা রাখে না।
B) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের শ্বাসকর্মে অপরিহার্য হলেও ইনফ্রারেড বা তাপীয় বিকিরণ শোষণ করতে পারে না বলে এটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।
C) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউজ গ্যাস হিসেবে পরিচিত।
D) হাইড্রোজেন — এটি একটি অত্যন্ত হালকা ও দহনশীল মৌল এবং বায়ুমণ্ডলে এর গ্রিনহাউজ প্রভাব নেই বললেই চলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলো মনে রাখার একটি বাক্য হলো কার্বন মেতে ওঠে জলীয় বাষ্প ও ওজোনের সাথে।
- এখানে কার্বন বলতে কার্বন ডাই-অক্সাইড বোঝানো হয়েছে যা সবচেয়ে পরিচিত গ্রিনহাউজ গ্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং কোন গ্যাসটি গ্রিনহাউজ প্রভাবে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
- এখান থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যেমন নিচের কোনটি প্রধান গ্রিনহাউজ গ্যাস অথবা জলীয় বাষ্পের ভূমিকা কী।
সঠিক উত্তর: B) একটি ছত্রাক
১. কেন সঠিক:
ঈস্ট হলো এক ধরণের এককোষী অণুজীব যা ছত্রাক রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। এরা সাধারণত ক্রমান্বয়ে কুঁড়ি সৃষ্টির মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে এবং শর্করাকে ভেঙে অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ঈস্ট হলো স্যাকচারোমাইসিটিস বর্গের ইউক্যারিয়টিক এককোষী ছত্রাক।
কার্যপ্রণালি: ঈস্ট অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজকে ভেঙে ইথানল ও কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাউরুটি তৈরিতে ময়দার সাথে ঈস্ট মেশানো হলে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়ে রুটি ফোলায়।
ব্যাখ্যা: ঈস্ট শর্করার গাঁজন ঘটিয়ে গ্যাস উৎপন্ন করে, যা পাউরুটি নরম ও স্পঞ্জি করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: কেক তৈরির সময় ঈস্ট বা বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এর ফলে কেকের ভেতর অসংখ্য ছোট গহ্বর তৈরি হয় এবং কেক হালকা ও তুলতুলে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি ভাইরাস — ভাইরাস হলো অকোষী অণুজীব যা অন্য জীবের কোষে বংশবৃদ্ধি করে, কিন্তু ঈস্ট একটি পূর্ণাঙ্গ এককোষী ছত্রাক।
B) একটি ছত্রাক — এই অপশনটি সঠিক এবং বৈজ্ঞানিক তথ্য দ্বারা সমর্থিত।
C) একটি ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া হলো প্রোক্যারিয়টিক বা আদি কোষী অণুজীব, আর ঈস্ট হলো ইউক্যারিয়টিক বা প্রকৃত কোষী ছত্রাক।
D) একটি ফার্ন — ফার্ন হলো বহুবারী সংবহনতন্ত্রযুক্ত অপুষ্পক উদ্ভিদ, যা ঈস্ট থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি উদ্ভিদ শ্রেণি।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঈস্ট হলো ছত্রাক যা পাউরুটি ফোলাতে সাহায্য করে। ছত্রাক হিসেবে এটি অ্যালকোহল তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ঈস্ট গাঁজন প্রক্রিয়ায় শর্করাকে অ্যালকোহলে রূপান্তরিত করে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অণুজীববিজ্ঞান ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ অংশে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর:
D) rasel@yahoo.com
১. কেন সঠিক:
- ইমেইল ঠিকানার একটি নির্দিষ্ট ও সর্বজনীন কাঠামো রয়েছে যা ব্যবহারকারী নাম এবং ডোমেইন নামের সমন্বয়ে গঠিত।
- এই কাঠামোর মাঝখানে একটি অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক যা ব্যবহারকারীকে ডোমেইন থেকে আলাদা করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ইলেকট্রনিক মেইল বা ইমেল এড্রেস হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি অনন্য ঠিকানা।
- কার্যপদ্ধতি: এটি প্রথম অংশে ব্যবহারকারীর নাম এবং শেষ অংশে মেইল সার্ভার বা ডোমেইনের নাম ধারণ করে বার্তা সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: admin@gmail.com
ব্যাখ্যা: এখানে admin হলো ব্যবহারকারী এবং gmail.com হলো গুগল কোম্পানির ইমেইল সেবার ডোমেইন নাম।
উদাহরণ ২: info@bd.gov.bd
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ঠিকানা যেখানে নির্দিষ্ট সার্ভারের মাধ্যমে দাপ্তরিক যোগাযোগ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) raselyahoo.com — এই ঠিকানায় কোনো অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন নেই যা একটি বৈধ ইমেইল ঠিকানার জন্য আবশ্যক।
B) rasel.yahoo@com — এখানে ডট চিহ্নটি ভুল স্থানে রয়েছে এবং শেষে সঠিক ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয়নি।
C) reasel.com — এটি কেবল একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম, এর মধ্যে কোনো ব্যবহারকারী বা অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একটি পূর্ণাঙ্গ ইমেইল ঠিকানার মাঝে সর্বদা একটি অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন এবং শেষে একটি ডট থাকতে হয়।
- ব্যবহারকারীর নাম আগে বসে এবং ডোমেইন নাম পরে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইমেইল ঠিকানার মূল দুটি অংশ হলো ইউজারনেম এবং ডোমেইন নেম।
- প্রথম ইমেইল প্রবক্তা রে টেমলিনসন ১৯৭২ সালে অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন ব্যবহার করে ইমেইল সিস্টেম চালু করেন।
সঠিক উত্তর: C) ROM
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলা হয়। এর পূর্ণরূপ Read Only Memory এবং এটি নন-ভলাটাইল মেমোরি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ROM হলো এমন একটি স্থায়ী মেমোরি যেখানে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
কার্যপদ্ধতি: বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও এর ডেটা মুছে যায় না।
বৈশিষ্ট্য: এতে সাধারণত ডেটা পরিবর্তন বা মোছা যায় না, কেবল পড়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের বায়োস (BIOS) সফটওয়্যার।
ব্যাখ্যা: কম্পিউটার চালুর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলি ROM-এ সংরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: মোবাইল ফোনের ফার্মওয়্যার।
ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেমের মূল বুটিং ফাইলগুলো ROM-এ স্থায়ীভাবে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সফটওয়্যার — এটি কোনো স্মৃতিশক্তি নয়, বরং কিছু নির্দেশের সমষ্টি যা হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে।
B) RAM — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা ভোলাটাইল স্মৃতিশক্তি।
D) হার্ডওয়্যার — এটি কম্পিউটারের শারীরিক যন্ত্রাংশ, কোনো নির্দিষ্ট স্মৃতিশক্তি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ROM শব্দের ভেতরেই Read Only কথাটি আছে, যার অর্থ কেবল পড়া যায় এবং এটি স্থায়ী।
RAM হলো অস্থায়ী স্মৃতিশক্তি আর ROM হলো স্থায়ী স্মৃতিশক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ROM হলো নন-ভলাটাইল (Non-volatile) মেমোরি।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্থায়ী মেমোরি হিসেবে প্রায়ই ROM প্রশ্ন আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)