প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৯ (শাপলা)।

পদের নাম: প্রধান শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

3. 'দংশন' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দম্ + শন ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ম্ ধ্বনির পর শ, ষ, স কিংবা হ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। - এখানে দম্ যোগ শন মিলে দংশন শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে ম্ স্থানে অনুস্বার বসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যা ম-কার জনিত সন্ধি নামে পরিচিত। - পদের অন্তস্থিত ম্ এর পর উষ্মবর্ণ বা অন্তঃস্থ বর্ণ থাকলে ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বারে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + সার = সংসার ব্যাখ্যা: ম্ এর পর স থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + বাদ = সংবাদ ব্যাখ্যা: ম্ এর পর ব থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দম্ + শন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) দম্ + সন — এখানে বানানের ভুল রয়েছে কারণ সঠিক শব্দে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। C) দম্ + ঘন — এখানে ঘ বর্ণ থাকার কারণে এই সন্ধিটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) দণ্ড + শন — দণ্ড আলাদা শব্দ হওয়ায় এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নিয়ম মেনে হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুস্বারযুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে অনুস্বারের জায়গায় ম্ এবং হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। - যেমন দংশন ভাঙলে দম্ এবং শন পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ম্-কার জনিত সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অনুস্বারযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে ম্ এবং হসন্ত দিয়ে সন্ধি বিচ্ছেদ চিন্তা করতে হবে।
8. 'দারিদ্র্য' কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিন্ধু হিন্দোল ১. কেন সঠিক: - 'দারিদ্র্য' কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী কবিতা। - এই কবিতায় কবি দরিদ্র মানুষের অবহেলিত জীবনযাত্রা এবং সমাজের নির্মম বৈষম্যের চিত্র অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে সাম্যবাদ ও দ্রোহের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ। - 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি, যেখানে নানা মাত্রিক চিন্তা ও দ্রোহের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির সাম্যবাদী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটানো একটি অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম প্রকাশিত এবং বাংলা কবিতার ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহী ও নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ হলেও এর মধ্যে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়। B) সিন্ধু হিন্দোল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই কাব্যগ্রন্থেই 'দারিদ্র্য' কবিতাটি স্থান পেয়েছে। C) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী ভাবধারার কাব্যগ্রন্থ হলেও এখানে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি নেই। D) নতুন চাঁদ — এটি অন্য কোনো প্রখ্যাত লেখকের বা নজরুলের ভিন্ন ধারার রচনা হতে পারে, যা এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখার জন্য 'সিন্ধু' ও 'হিন্দোল' শব্দের সঙ্গে 'দারিদ্র্য' কবিতার ভাব মিলিয়ে একটি ছোট সূত্র তৈরি করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতা ও কবির কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ কবিতার উৎস জেনে রাখা জরুরি।
9. 'পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল বিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।' পঙ্ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন অংশ?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুই বিঘা জমি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পঙ্ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'দুই বিঘা জমি' কবিতার অংশ। - মিথ্যা দেনার খতে সর্বস্বান্ত হয়ে বাস্তুভিটা হারানোর বেদনা এই পঙ্ক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - 'দুই বিঘা জমি' একটি বিখ্যাত আഖ্য়ানমূলক কবিতা যা সাধারণ কৃষকের প্রতি সমাজের শোষণের চিত্র তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুধু বিঘাকয়েক সন্তোষরণে ছিল মোর ভুঁই ব্যাখ্যা: এটিও 'দুই বিঘা জমি' কবিতার একটি বিখ্যাত চরণ যা উপেনের পৈত্রিক জমির পরিমাণ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: সপ্তপদী ঘুরে লভিনু যে কূল থাকিয়া মফস্বলে ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্য কবির রচনা যা জমি বা শেকড় হারানোর বেদনার সঙ্গে তুলনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরাতন ভৃত্য — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প যার মূল বিষয় লয়্যাল ভৃত্য গফুরের নিষ্ঠা। B) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে 'দুই বিঘা জমি' কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়। C) দুই বিঘা জমি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল পঙ্ক্তিটি এই কবিতার সঙ্গেই সম্পর্কিত। D) দিন শেষ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো প্রধান কবিতা বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভিটেমাটি বিক্রি, দেনার খত বা জমির কথা থাকলেই উত্তর হবে দুই বিঘা জমি কবিতা। - উপেনের দুঃখের কাহিনী মনে রাখলেই রবীন্দ্রনাথের এই কবিতা চিনে ফেলা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কবিতার চরণ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - কবিতার মূলভাব ও চরিত্রের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
12. 'সংক্ষিপ্ত' এর বিপরীত শব্দ কি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিস্তৃত ১. কেন সঠিক: - 'সংক্ষিপ্ত' শব্দের অর্থ ছোট বা যার পরিসর কম। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'বিস্তൃത' ব্যবহৃত হয় যার অর্থ ছড়ানো বা যার পরিসর অনেক বড়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও পরিধি বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের নিজস্ব বিপরীত শব্দ রয়েছে। - শব্দের উৎস ও অর্থের মিল রেখে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ব্যাখ্যা: এখানে সিলেবাস ছোট অর্থে সংক্ষিপ্ত শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বিস্তৃত এলাকা ব্যাখ্যা: এখানে এলাকা বড় বা ছড়ানো অর্থে বিস্তৃত শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চওড়া — চওড়া শব্দটি মূলত কোনো বস্তুর প্রস্থ বা প্রশস্ততা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সংক্ষিপ্ত শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। B) প্রসারিত — প্রসারিত শব্দটির অর্থ ছড়ানো হলেও এটি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে যেমন ডানা বা হাত প্রসারণের ক্ষেত্রে বেশি মানানসই। C) প্রশস্ত — প্রশস্ত শব্দটির অর্থ চওড়া বা উন্মুক্ত, যা সংকীর্ণ শব্দের বিপরীত হিসেবে উপযুক্ত হলেও সংক্ষিপ্ত শব্দের জন্য ততটা যথাযথ নয়। D) বিস্তৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সংক্ষিপ্ত বা ছোট পরিসরের ঠিক বিপরীত বড় বা ছড়ানো পরিসর বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংক্ষিপ্ত মানে যা ছোট, আর বিস্তৃত মানে যা বড় বা ছড়ানো। এই দুটি শব্দ বিপরীত অর্থে জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করতে হবে। পরীক্ষার হলে অপশনগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য খেয়াল করে সঠিক উত্তর বাছাই করতে হবে।
14. কোনটি 'কোকিল' শব্দের প্রতিশব্দ নয়?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরভৃৎ ১. কেন সঠিক: 'পরভৃৎ' শব্দটির অর্থ হলো অন্যের দ্বারা পৃত বা পালিত। কোকিল নিজের ডিম নিজে তা দেয় না, কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাক সেই ডিম ও ছানা লালন-পালন করে বলে কোকিলকে 'পরভৃৎ' বলা হয়। এখানে বানানগত সূক্ষ্ম পার্থক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ 'পরভৃত' (ত ছাড়া হসন্ত) এবং 'পরভৃৎ' (ৎ যুক্ত) দুটি আলাদা শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের বানান এবং তার অন্তর্নিহিত ব্যাকরণগত গঠন বা উৎপত্তির ইতিহাস জানা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাক শব্দের সমার্থক শব্দ হলো বায়স, কাঞ্চন, করকট ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এটি পাখির নাম এবং কোকিলের সঙ্গে এর সরাসরি биологический বা জৈবিক সম্পর্ক রয়েছে। উদাহরণ ২: পিক শব্দের অর্থ কোকিল বা কুকিল পাখির ডাক। ব্যাখ্যা: এটি কোকিলের অন্যতম প্রধান ও বহুল ব্যবহৃত প্রতিশব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিক — এটি কোকিল শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও সঠিক সমার্থক শব্দ। B) পরভৃত — এটি সঠিক বানানের ক্ষেত্রে কোকিলকে বোঝায়, তবে প্রশ্নে হসন্তহীন রূপটি চাওয়া হয়েছে। C) পরভৃৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট বানানটি অন্য অর্থ প্রকাশ করে বা ব্যাকরণগত দিক থেকে এই প্রশ্নে ভুল হিসেবে নির্দেশিত। D) বসন্তদূত — বসন্তে কোকিল ডাকে বলে একে বসন্তদূত বলা হয়, যা কোকিলের একটি বিখ্যাত প্রতিশব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: পরভৃত এবং পরভৃৎ বানানের পার্থক্য মনে রাখবে। কোকিলের ক্ষেত্রে হসন্তযুক্ত 'ৎ' হলো ব্যতিক্রমী এবং পরীক্ষার প্রধান ফাঁদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান এবং প্রতিশব্দ একই সঙ্গে যাচাই করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন করা হয়। সমার্থক শব্দ পড়ার সময় সূক্ষ্ম বানান পার্থক্যগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
15. 'তেলে ভাজা' কোন সমাস?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - তেলে ভাজা শব্দটির ব্যাসব্যাস হলো তেল দ্বারা ভাজা, যা সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। - এখানে পূর্বপদের সপ্তমী বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহারে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খেয়া পার = খেয়ায় পার ব্যাখ্যা: অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহারে এটি সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজে ব্যস্ত = কাজে ব্যস্ত ব্যাখ্যা: এখানে সপ্তমী বিভক্তির লোপ পেয়ে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, যা এই পদের গঠনে নেই। C) কর্মধারায় — কর্মধারায় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে হয়নি। D) তৎপুরুষ — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিভক্তি বা অনুসর্গ যেমন দ্বারা, দিয়া, থেকে, তে লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে মনে রাখবে। - ব্যাসবাক্যে অনুসর্গ বা বিভক্তির উপস্থিতি দেখে সমাস চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে তৎপুরুষ ও কর্মধারায় সমাসের পার্থক্য সহজে বোঝা যায়।
16. কোনটি 'অলুক দ্বন্দ্ব' সমাসের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘরে-বাইরে ১. কেন সঠিক: - যে দ্বন্দসমাসে ব্যাসবাক্যের উভয় পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দসমাস বলে। - ঘরে-বাইরে শব্দটিতে ঘর এবং বাইরে উভয় পদের সঙ্গেই বিভক্তি যুক্ত আছে এবং সমাস সাধনের পরও সেই বিভক্তিগুলো বহাল রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমাস অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। দ্বন্দসমাসে সংযোজক অব্যয় ও, এবং, বা লোপ পেয়ে উভয় পদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। - অলুক দ্বন্দসমাসে পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি বা অন্য কোনো বিভক্তি সমস্তপদেও অক্ষুণ্ণ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে-বিদেশে ব্যাখ্যা: দেশে ও বিদেশে এর ব্যাসবাক্য এবং এখানে দেশ ও বিদেশ উভয় পদের সঙ্গেই এ বিভক্তি বহাল থাকে। উদাহরণ ২: হাতে-কলমে ব্যাখ্যা: হাতে ও কলমে এর ব্যাসবাক্য এবং এখানে হাত ও কলম উভয় পদের সঙ্গেই এ বিভক্তি বহাল থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘরে-বাইরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পায়নি। B) ঘর-বাড়ি — এটি সাধারণ দ্বন্দসমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য ঘর ও বাড়ি এবং এখানে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। C) ভাই-বোন — এটি সাধারণ দ্বন্দসমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য ভাই ও বোন এবং এখানে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। D) আমার — এটি সর্বনাম পদ এবং এটি সমাসের কোনো উদাহরণই নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে দ্বন্দসমাসের পদগুলোতে এ, তে, য় ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং সমাসের পরেও তা দেখা যায়, চোখ বন্ধ করে তাকে অলুক দ্বন্দসমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলুক দ্বন্দসমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিভক্তিযুক্ত শব্দ দেখলেই অলুক সমাস মনে রাখবে।
18. 'সূর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটি কার লেখা?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবু ইসহাক ১. কেন সঠিক: - 'সূর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাক। - গ্রামীণ সমাজ জীবন, কুসংস্কার এবং দরিদ্র মানুষের টিকে থাকার লড়াই এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবু ইসহাক বাংলা কথাসাহিত্যে বিশেষ করে বাস্তবধর্মী উপন্যাসের জন্য পরিচিত। - ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটির ওপর ভিত্তি করে ১৯৭৯ সালে একই নামে একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মিত হয় যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। উদাহরণ ২: আবু ইসহাকের অন্য একটি বিখ্যাত উপন্যাস পদ্মার পলিদ্বীপ ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবন সংগ্রাম অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো পুতুল নাচের ইতিকথা ও পদ্মা নদীর মাঝি। B) কাজী আবদুল ওদুদ — ইনি মূলত বুদ্ধিবাদী প্রবন্ধকার ও গবেষক ছিলেন, কোনো উপন্যাস রচনার জন্য তিনি প্রধানত পরিচিত নন। C) শওকত ওসমান — ইনি বিখ্যাত উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি ও জননী রচনার জন্য পরিচিত, সূর্যদীঘল বাড়ি তাঁর লেখা নয়। D) আবু ইসহাক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাসের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাসের নাম এবং লেখক আবু ইসহাক মনে রাখতে ইসহাক সাহেবের একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও বিখ্যাত কাজ হিসেবে মনে রাখতে পারো। - বাংলা উপন্যাসে গ্রামীণ বাস্তবতার প্রথম সফল রূপায়ণ হিসেবে এই উপন্যাসটি পড়লে লেখককে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই উপন্যাসটির প্রকাশসাল ১৯৫৫ সাল যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র জয়গুন এবং তার বেঁচে থাকার লড়াই সম্পর্কে প্রশ্ন থাকতে পারে।
19. 'নদীর মাছ সুস্বাদু' বাক্যে নিম্নেরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 2 days ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'নদীর' শব্দের নিচে রেখা রয়েছে এবং এতে 'র' বা 'এর' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে যা ষষ্ঠী বিভক্তির রূপ। - নদী কোনো স্থান বা ক্ষেত্রকে নির্দেশ করছে যেখানে মাছ পাওয়া যায়, তাই এটি অধিকরণ কারক হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে এবং এতে সাধারণত সপ্তমী বা ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়। - সম্বন্ধ পদে সাধারণত ষষ্ঠী বিভক্তি হয়, তবে ক্ষেত্রবিশেষে তা আধার বা অধিকরণ কারক হিসেবেও গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুকুরে মাছ আছে ব্যাখ্যা: পুকুর একটি আধার বা স্থান হওয়ায় এটি অধিকরণে সপ্তমী কারক। উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে ব্যাখ্যা: বন একটি নির্দিষ্ট স্থান বা জঙ্গল বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় ষষ্ঠী — কর্তা বোঝাতে এই বাক্য গঠিত হয়নি কারণ নদী নিজে মাছ নয়। B) কর্মে ষষ্ঠী — যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা কর্ম নয়, এখানে নদী আধার। C) অপাদানে ষষ্ঠী — অপাদান কারকে বিচ্যুত, জাত বা ত্ত্রাসের ভাব থাকে যা এখানে নেই। D) অধিকরণে ষষ্ঠী — এটি সঠিক কারণ নদী মাছের আধার বা উৎস স্থান বোঝাচ্ছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উৎস বা আধার স্থান বোঝালে এবং তার সাথে র বা এর বিভক্তি থাকলে তা অধিকরণে ষষ্ঠী হয়। - স্থান বা ক্ষেত্র চিহ্নিত করে কারক নির্ণয় করা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস এবং বাক্যের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - আধার বোঝালে সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
20. 'I went there _ my bike' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - ব্যক্তিগত বাহন যেমন বাইক, সাইকেল বা ঘোড়ার পিঠে চড়ে ভ্রমণ বোঝাতে Preposition হিসেবে on ব্যবহৃত হয়। - শরীর উন্মুক্ত থাকে এবং চালক বা আরোহী বাহনের উপরে বসেন, এমন ক্ষেত্রে on বসানো ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ উন্মুক্ত ব্যক্তিগত বাহন বা বাইকের ক্ষেত্রে অন ব্যবহৃত হয়। B) upon — এটি সাধারণত গতিশীল অবস্থা বা কোনো কিছুর উপরে লাফে ওঠা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। C) in — চারপাশ ঘেরা বা বদ্ধ বাহন যেমন কার, ট্যাক্সি বা অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে ইন ব্যবহৃত হয়, বাইকের ক্ষেত্রে নয়। D) by — যাতায়াতের মাধ্যম বোঝাতে বাই ব্যবহার করা যায়, তবে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বা প্রোনাউনের আগে সরাসরি বাই বসে না (যেমন by my bike হয় না, by bike হয়)। মনে রাখার টিপস: উন্মুক্ত বাহন যেমন বাইক বা সাইকেলের ক্ষেত্রে on এবং বদ্ধ বাহন যেমন কার বা বাসের ক্ষেত্রে in ব্যবহার করতে হয়।
24. 'Brittle' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Fragile কেন সঠিক: - Brittle শব্দের অর্থ ভঙ্গুর বা সহজে ভেঙে যায় এমন, যার সঙ্গে Fragile শব্দের অর্থের হুবহু মিল রয়েছে। - এই দুটি শব্দই এমন বস্তুকে বোঝায় যা চাপ প্রয়োগ করলে খুব দ্রুত ভেঙে যায় বা চূর্ণবিচূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fragile - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থও ভঙ্গুর বা সহজে ভেঙে যাওয়ার যোগ্য। B) Soft - এই অপশনটি ভুল কারণ Soft শব্দের অর্থ নরম, যা ভঙ্গুরতার সমার্থক নয়। C) Strong - এই অপশনটি ভুল কারণ Strong শব্দের অর্থ শক্তিশালী বা মজবুত, যা ভঙ্গুরের বিপরীতার্থক। D) Hard - এই অপশনটি ভুল কারণ Hard শব্দের অর্থ কঠিন বা শক্ত, যা সহজে ভাঙে না। মনে রাখার টিপস: Brittle এবং Fragile উভয় শব্দ দিয়েই কাঁচের মতো সহজেই ভেঙে যায় এমন জিনিসকে বোঝানো হয়।
25. Honesty is the best policy এখানে 'honesty' শব্দটি-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abstract noun কেন সঠিক: - 'Honesty' শব্দ দ্বারা সততা নামক গুণকে বোঝানো হয়েছে, যা স্পর্শ করা যায় না কিন্তু অনুভব করা যায়। - যে নাউন দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় এবং যার কোনো বাহ্যিক আকৃতি বা দৃশ্যমান অস্তিত্ব নেই, তাকে Abstract noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝায় না। B) Common noun — এটি কোনো জাতীয় বা সাধারণ নাম নয়, কারণ সততা কোনো দৃশ্যমান বস্তু বা প্রাণীর শ্রেণি নয়। C) Collective noun — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় না, বরং একটি একক গুণ প্রকাশ করে। D) Abstract noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি অদৃশ্য গুণ বা ধারণার নাম। মনে রাখার টিপস: যেসব noun বা বিশেষ্য শুধু অনুভব করা যায় কিন্তু দেখা বা ছোঁয়া যায় না, যেমন সততা, দয়া বা শৈশব, সেগুলোই Abstract noun।
26. He sleeps a sound sleep এখানে 'sound' শব্দটি?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: - এখানে sleep হলো Noun এবং sound শব্দটি তার ঠিক আগে বসে Noun-টিকে মডিফাই করছে। - Noun-এর ঠিক আগে বসে তার দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করায় sound শব্দটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — Adverb হতে হলে শব্দটিকে কোনো Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb-কে modify করতে হতো, যা এখানে ঘটেনি। B) Adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি Noun-কে বিশেষিত করেছে। C) Noun — sound এখানে নিজে Noun নয় বরং পরের Noun-কে বিশেষিত করার কাজ করছে। D) Pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা sound শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো Noun-এর ঠিক আগে বসে যদি তার গভীরতা বা ধরন বোঝায়, তবে সেই শব্দটি Adjective হয়।
27. He told us all about the battle. এখানে about শব্দটি-
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Preposition কেন সঠিক: - এখানে about শব্দটি noun (the battle) এর পূর্বে বসে its relation বোঝাচ্ছে। - Preposition সাধারণত noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্যান্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pronoun — Pronoun হলো যা noun এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু about কোনো noun এর পরিবর্তে বসেনি। B) Adjective — Adjective হলো যা noun বা pronoun এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু about তা করছে না। C) Adverb — Adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, কিন্তু এখানে about তা করছে না। D) Preposition — প্রদত্ত উত্তর সঠিক কারণ এটি noun এর পূর্বে বসে সম্পর্ক প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: Noun বা pronoun এর আগে বসে যখন সম্পর্ক দেখায়, তখন সেটি Preposition হয়।
34. 'Come in, my friend', said I বাক্যটির Indirect speech হবে-
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Addressing him as my friend, I told him to go in কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচে সম্বোধন থাকলে নারেশনের নিয়মানুযায়ী Reporting verb-এর শুরুতে Addressing হিসেবে যোগ করতে হয়। - রিপোর্টের ভেতরের 'come' শব্দটি দূরত্ব বা বক্তার অবস্থানের পরিবর্তনের কারণে ইনডাইরেক্ট করার সময় 'go' তে রূপান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Addressing him as my friend, I told him to go in — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী সকল পরিবর্তন সঠিকভাবে করা হয়েছে। B) Addressing him as my friend, I asked him to go in — এটি ভুল কারণ মূল বাক্যটি assertive sentence, তাই reporting verb 'asked' হবে না। C) Addressing him as my friend, I have said him to go in — এটি ভুল কারণ রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে 'have said' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) Addressing him as my friend, I told him to come in — এটি ভুল কারণ ইনডাইরেক্ট নারেশনে 'come' অপরিবর্তিত রেখে 'go' করতে হয়। মনে রাখার টিপস: নারেশনে সম্বোধন থাকলে Addressing দিয়ে শুরু করতে হয় এবং ইনডাইরেক্ট করার সময় 'come' থাকলে তা সাধারণত 'go' তে পরিবর্তিত হয়।
35. 'It has to be done by me' বাক্যটির সঠিক পরিবর্তিত Voice হবে-
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I have to do it কেন সঠিক: - প্রদত্ত Passive Voice-টিতে 'has to be done' ব্যবহার করা হয়েছে, যার Active রূপের ক্ষেত্রে 'has to' অথবা 'have to' বসবে। - সাবজেক্ট 'I' প্রথম পুরুষের বহুবচন বা উত্তম পুরুষ হওয়ায় এর সঙ্গে 'have to' বসে এবং মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I must do it — এখানে 'must' modal verb থাকার কারণে তা 'has to' যুক্ত Passive বাক্যের সঠিক Active রূপ নয়। B) I should do it — এখানে 'should' modal verb ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রদত্ত বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) I must have done it — এটি একটি Perfect modal-এর বাক্য, যা মূল বাক্যের Simple obligation প্রকাশ করে না। D) I have to do it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: Passive বাক্যে have to বা has to থাকলে Active করার সময় সাবজেক্ট অনুযায়ী have to বা has to রেখে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হয়।
37. কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Heterogeneous কেন সঠিক: - বানানটিতে সঠিক উপসর্গ ও প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে Hetero এর সাথে geneous যুক্ত হয়েছে। - শব্দটির সঠিক উচ্চারণ এবং বানান রীতি ইংরেজি বানান গঠন পদ্ধতি সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Heterogeneous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ ভিন্নধর্মী বা অসমসত্ত্ব। B) Hetarogeneous — এটি ভুল বানান কারণ মাঝখানের e এর স্থানে a ব্যবহার করা হয়েছে। C) Hetrogeneous — এটি ভুল বানান কারণ heteroo অংশের মাঝখান থেকে একটি e বাদ দেওয়া হয়েছে। D) Heterangcous — এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান এবং এর শেষাংশ বানান বিধির পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: Hetero শব্দটির সাথে geneous যুক্ত করে Heterogeneous বানানটি মনে রাখতে হবে।
38. The police dispersed the crowd. এখানে 'crowd' শব্দটি কোন প্রকারের 'noun'?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collective কেন সঠিক: - 'crowd' শব্দটি একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়, যারা একত্রিত হয়ে একটি দল বা জনতা হিসেবে কাজ করে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিগত নামকে Collective Noun বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নামকে Proper Noun বলে, কিন্তু 'crowদ' কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়। B) Common — একই শ্রেণির সাধারণ নামকে Common Noun বলে, যা এখানে একটি সম্পূর্ণ জনসমষ্টি বা দল বোঝাচ্ছে। D) Abstract — যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না কেবল অনুভব করা যায় তাকে Abstract Noun বলে, কিন্তু জনতা বা crowd দৃশ্যমান। মনে রাখার টিপস: একত্রিত মানুষের দল, যেমন crowd বা team দেখলে চোখ বন্ধ করে Collective Noun দাগাবে।
42. a - 1/a = 5 রুট 3 হলে, a² + 1/a² = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৭ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৫√৩ ধরি, a² + (১ ÷ a²) এর মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, (a − (১ ÷ a))² = (৫√৩)² এখানে বর্গ করলে পাই, a² − ২(a)(১ ÷ a) + (১ ÷ a²) = ২৫ × ৩ সুতরাং, a² − ২ + (১ ÷ a²) = ৭৫ উত্তর: a² + (১ ÷ a²) = ৭৫ + ২ = ৭৭
43. ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র প্রত্যেক মধ্যমাকে কোন অনুপাতে অন্তর্বিভক্ত করে?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ঃ ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের একটি মধ্যমা শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর ওপর অঙ্কিত হয় ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা একটি বিন্দুতে ছেদ করে যাকে ভরকেন্দ্র বলে ধরি, ত্রিভুজের একটি শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর দূরত্ব হলো একটি সম্পূর্ণ মধ্যমা ভরকেন্দ্র এই মধ্যমাকে শীর্ষবিন্দুর দিক থেকে বিভক্ত করে অতএব, শীর্ষবিন্দু থেকে ভরকেন্দ্রের দূরত্ব হলো প্রথম অংশ ভরকেন্দ্র থেকে মধ্যবিন্দুর দূরত্ব হলো দ্বিতীয় অংশ সুতরাং, এই দুটি অংশের অনুপাত হলো দুই অনুপাত এক উত্তর: ২ ঃ ১
45. ৪০ গ্যালন অকটেন মিশ্রিত পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৩:১। এতে আর কত অকটেন মেশালে পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৫:২ হবে?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ গ্যালন প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৪০ গ্যালন পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত = ৩ : ১ ধরি, পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ক গ্যালন অকটেনের পরিমাণ = ১ক গ্যালন অতএব, ৩ক + ১ক = ৪০ ৪ক = ৪০ ক = ১০ সুতরাং, পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ × ১০ = ৩০ গ্যালন অকটেনের পরিমাণ = ১ × ১০ = ১০ গ্যালন নতুন অনুপাত ৫ : ২ করতে হলে, (৩০ ÷ (১০ + খ)) = (৫ ÷ ২) ৫(১০ + খ) = ৬০ উত্তর: খ = ২ গ্যালন
46. একজন পুরুষ ও একজন মহিলা পুরস্কারের ১,০০০ টাকা ১:৪ অনুপাতে ভাগ করে। মহিলা তার অংশের টাকা নিজের, তার মা ও তার মেয়ের মধ্যে ২:১:১ অনুপাতে ভাগ করলে মেয়ে কত টাকা পাবে?
Created 2 days ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট পুরস্কারের টাকা = ১০০০ টাকা পুরুষ ও মহিলার টাকার অনুপাত = ১:৪ মহিলা, মা ও মেয়ের টাকার অনুপাত = ২:১:১ ধরি, পুরুষ পেল = ১ক টাকা মহিলা পেল = ৪ক টাকা অতএব, ১ক + ৪ক = ১০০০ ৫ক = ১০০০ ক = ২০০ সুতরাং, মহিলার প্রাপ্ত টাকা = ৪ × ২০০ = ৮০০ টাকা উত্তর: মহিলা, মা ও মেয়ের অনুপাত যোগ করলে হয় = ২ + ১ + ১ = ৪ মেয়ের অংশ = ৮০০ টাকার (১ ÷ ৪ অংশ) = ২০০ টাকা
50. একজন বিক্রেতা একটি জিনিস ৬৫ টাকায় বিক্রি করে ৩০% লাভ করেন। জিনিসটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রিয়মূল্য = ৬৫ টাকা লাভের হার = ৩০% ধরি, জিনিসটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ৩০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৩০ = ১৩০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১৩০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১৩০ টাকা বিক্রয়মূল্য ৬৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৬৫) ÷ ১৩০ = ৫০ টাকা উত্তর: ৫০ টাকা
51. (০.২ × ০.০২ × ০.০০২) / (০.০১ × ০.০৮) এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০২ প্রدত্ত তথ্য: লব = ০.২ × ০.০২ × ০.০০২ হর = ০.০১ × ০.০৮ ধরি, লবের দশমিক তুলে পাই = (২ ÷ ১০) × (২ ÷ ১০০) × (২ ÷ ১০০০) হরের দশমিক তুলে পাই = (১ ÷ ১০০) × (৮ ÷ ১০০) অতএব, লব = ৮ ÷ ১০০০০০০ হর = ৮ ÷ ১০০০০ সুতরাং, মান = (৮ ÷ ১০০০০০০) ÷ (৮ ÷ ১০০০০) উত্তর: ০.০২
59. 3x² - 7x - 6 এর উৎপাদক-
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (3x + 2)(x - 3) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩x² − ৭x − ৬ ধরি, মধ্যপদকে ভাঙাতে হবে এমন দুটি সংখ্যায় যাদের গুণফল হবে প্রথম ও শেষ পদের গুণফলের সমান এবং যোগফল হবে মাঝের পদের সমান অতএব, ৩x² − ৯x + ২x − ৬ ৩x(x − ৩) + ২(x − ৩) সুতরাং, (3x + 2)(x − 3) উত্তর: B) (3x + 2)(x - 3)
60. তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে কবে পাস করা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৬ কেন সঠিক: - সপ্তম জাতীয় সংসদে ত্রয়েদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনগত রূপ লাভ করে। - এই আইনের মাধ্যমেই ১৯৯১ সালের অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাকে সাংবিধানিক ও স্থায়ী রূপ দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ — এই সালে তীব্র গণ আন্দোলনের মুখে এরশাদ সরকারের পতন ঘটে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা তৈরি হয়, কোনো আইন পাস হয়নি। B) ১৯৯১ — এই সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে এবং ত্রয়োদশ সংশোধনী আসার আগেই সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি চালু হয়। C) ১৯৯৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী আইন পাস করা হয়। D) ১৯৯৭ — এই সালে আইনটি পাস হয়নি, বরং ১৯৯৬ সালের আইন অনুযায়ী তৎকালীন রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৯১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও আইন পাস হয় তার পাঁচ বছর পর ১৯৯৬ সালে।
67. বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী কি ছিল?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিপাহী কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক বাহিনীর সিপাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই চা বাগান এলাকায় সম্মুখযুদ্ধে তিনি শহীদ হন এবং তাকে সিপাহী পদবীতেই বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাবিলদার — এটি সিপাহী পদের চেয়ে উচ্চতর একটি সামরিক পদবী, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) সিপাহী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে তার মূল সামরিক পদবী ছিল সিপাহী। C) ল্যান্স নায়েক — এটিও একটি সামরিক পদবী, যা বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও হামিদুর রহমানের জন্য সঠিক নয়। D) ক্যাপ্টেন — এটি কমিশনপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার পদবী, যা সাধারণ সিপাহী হামিদুর রহমানের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে কম বয়সে শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান পদবীর দিক থেকেও ছিলেন কনিষ্ঠতম, তার পদবী ছিল সিপাহী।
72. ভিটামিন-বি১ এর অভাবে কোন রোগ হয়?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেরিবেরি ১. কেন সঠিক: ভিটামিন বি১ বা থায়ামিনের অভাবে মানবদেহে বেরিবেরি রোগ হয়। এই রোগ স্নায়ুতন্ত্র ও হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: থায়ামিন বা ভিটামিন বি১ হলো একটি জলীয় দ্রবণীয় ভিটামিন যা শর্করা বিপাকে এবং শক্তি উৎপাদনে সরাসরি সাহায্য করে। কার্যপ্রণালি: খাদ্যে এই ভিটামিনের দীর্ঘস্থায়ী ঘাটতি থাকলে কোষগুলো প্রয়োজনীয় শক্তি পায় না, ফলে স্নায়ু ও পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পালিশ করা চালের ভাত খাওয়া। ব্যাখ্যা: চালের ওপরের খোসায় থায়ামিন থাকে, যা চাল অতিরিক্ত ছাঁটাই বা পালিশ করলে নষ্ট হয়ে যায় এবং বেরিবেরি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। উদাহরণ ২: মদ্যপানে আসক্ত ব্যক্তিদের স্নায়বিক দুর্বলতা। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ শরীর কর্তৃক ভিটামিন বি১ শোষণ বাধাগ্রস্ত করে, ফলে বেরিবেরি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিকেটস — ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের এই হাড়ের রোগ হয়। B) স্কার্ভি — ভিটামিন সি এর অভাবে মাড়ি থেকে রক্তপাত ঘটিত স্কার্ভি রোগ হয়। C) বেরিবেরি — এটি ভিটামিন বি১ এর অভাবে হওয়া সঠিক রোগ এবং এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। D) পেলেগ্রা — ভিটামিন বি৩ বা নিয়াসিনের অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়ে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন বি ওয়ান বা থায়ামিনের অভাবে বেরিবেরি হয়, এটি মনে রাখতে থায়ামিন ও বেরিবেরি শব্দের প্রথম অক্ষর বা ছন্দ মিলিয়ে পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ এবং রাসায়নিক নাম খুব প্রায়ই আসে। যেমন ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক অ্যাসিড।
73. 'শিমের বিচি' কোন ধরনের খাদ্য?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমিষ ১. কেন সঠিক: - শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ আমিষ বা প্রোটিন থাকে, যা শরীরের কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণে প্রধান ভূমিকা রাখে। - উদ্ভিজ্জ আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস হলো ডালজাতীয় খাদ্য এবং শিমের বিচি, যা দেহের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আমিষ বা প্রোটিন হলো কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত জটিল জৈব যৌগ, যার মূল একক অ্যামিনো এসিড। - কার্যপ্রণালি: শিমের বিচি পরিপাকতন্ত্রে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয় এবং রক্তে মিশে শরীরের বিভিন্ন টিস্যু মেরামত ও নতুন কোষ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুগ ডাল ও মসুর ডাল ব্যাখ্যা: ডালজাতীয় ফসলের মতো শিমের বিচিতেও প্রচুর আমিষ থাকে, যা মাংস বা মাছের বিকল্প উদ্ভিজ্জ আমিষের চাহিদা পূরণ করে। উদাহরণ ২: সয়াবিন ও বাদাম ব্যাখ্যা: উদ্ভিজ্জ আমিষের অন্যান্য উৎসের মতো শিমের বিচিও দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং হরমোন উৎপাদনে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিমের বিচিতে আমিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। B) শ্বেতসার — শ্বেতসার বা কার্বোহাইড্রেট প্রধানত ভাত, আলু ও আটা জাতীয় খাদ্যে পাওয়া যায়, শিমের বিচিতে এর পরিমাণ আমিষের তুলনায় কম। C) স্নেহ জাতীয় — স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য সয়াবিন তেল, সরিষার তেল ও মাখনে বেশি থাকে, শিমের বিচি প্রধানত প্রোটিনের উৎস। D) ভিটামিন — ভিটামিন ফলমূল ও শাকসবজিতে বেশি পাওয়া যায়, যা শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করে কিন্তু শিমের বিচি প্রধান ভিটামিনের উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিম ও ডালজাতীয় সমস্ত বীজই আমিষ বা প্রোটিনের খুব ভালো উৎস হিসেবে কাজ করে। - আমিষ মানেই দেহ গঠন, তাই বীজজাতীয় খাবার খেলেই শরীরের ক্ষয়পূরণ ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিজ্জ আমিষের প্রধান উৎস কী, তা বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ডাল, মটরশুঁটি এবং শিমের বিচি থেকে শরীর কোন পুষ্টি উপাদানটি সবচেয়ে বেশি পায়, এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত পরীক্ষাতে দেখা যায়।
75. যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদের বলা হয়-
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসোটোন ১. কেন সঠিক: - যেসব পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে কিন্তু ভর সংখ্যা ও প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন হয়, তাদের আইসোটোন বলা হয়। - প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এরা সম্পূর্ণ ভিন্ন মৌল হলেও এদের নিউটনের পরিমাণ একই থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো মৌলের ভর সংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়। - কারণ ও ফলাফল: নিউট্রন সংখ্যা সমান হওয়ায় এই পরমাণুগুলোর নিউক্লিয়াসের গঠনগত কিছু মিল থাকে, যদিও রাসায়নিক ধর্ম সম্পূর্ণ আলাদা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বোরনের একটি আইসোটোপ এবং কার্বনের একটি আইসোটোপ। ব্যাখ্যা: বোরন এগারো মৌলের প্রোটন সংখ্যা পাঁচ এবং ভর সংখ্যা এগারো, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা ছয়। কার্বন বারো মৌলের প্রোটন সংখ্যা ছয় এবং ভর সংখ্যা বারো, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা ছয়। উদাহরণ ২: ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়াম। ব্যাখ্যা: ক্যালসিয়াম চল্লিশ মৌলের প্রোটন সংখ্যা বিশ এবং পটাশিয়াম উনচল্লিশ মৌলের প্রোটন সংখ্যা উনিশ। উভয়েরই নিউট্রন সংখ্যা কুড়ি হওয়ায় এরা পরস্পর আইসোটোন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসোটোপ — যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ বলা হয়। B) আইসোটোন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে। C) আইসোবার — যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোবার বলা হয়। D) আইসোমার — যেসব পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা এবং ভর সংখ্যা একই কিন্তু তেজস্ক্রিয় শক্তিস্তর বা অভ্যন্তরীণ গঠন ভিন্ন, তাদের আইসোমার বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইসোটোনের শেষের দন্তন বর্ণটি দিয়ে নিউট্রন শব্দটিকে মনে রাখা যায়। - আইসোটোপের শেষের প বর্ণটি দিয়ে প্রোটন শব্দটিকে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভর সংখ্যা এবং পারমাণবিক সংখ্যা থেকে নিউট্রন বের করে আইসোটোন নির্ণয়ের অংক প্রায়ই আসে। - প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হলে তাকে আইসোটোপ বলা হয়, যা এই প্রশ্নের বিপরীত ধারণা।
77. আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় কাকে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার্লস ব্যাবেজ ১. কেন সঠিক: চার্লস ব্যাবেজকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় কারণ তিনি প্রথম যান্ত্রিক কম্পিউটারের ধারণা দেন। তার উদ্ভাবিত ডিফারেন্স ইঞ্জিন এবং অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন আজকের আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যিনি আধুনিক কম্পিউটারের কাঠামোগত নকশা ও যান্ত্রিক গণনার ধারণা প্রথম প্রবর্তন করেন তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়। কার্যপদ্ধতি: চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনে ইনপুট, প্রসেসর বা মিল, মেমোরি এবং আউটপুট ব্যবস্থা ছিল, যা আধুনিক কম্পিউটারের মূল নীতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন। ব্যাখ্যা: এই যন্ত্রটিতে প্রোগ্রাম সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল যা আধুনিক কম্পিউটারের মেমোরি ধারণার সঙ্গে মিলে যায়। উদাহরণ ২: আধুনিক ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: চার্লস ব্যাবেজের দেখানো ইনপুট, প্রসেস ও আউটপুট মডেলেই আজকের সকল কম্পিউটার কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্লস ব্যাবেজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি আধুনিক কম্পিউটারের জনক হিসেবে বিশ্বস্বীকৃত। B) ডঃ জন মাউসলি — তিনি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এনিয়াক এর অন্যতম প্রধান ডিজাইনার ছিলেন, কম্পিউটারের জনক নন। C) লিবনিৎস — তিনি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা স্টেপড রেকনার আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু কম্পিউটারের জনক নন। D) প্যাস্কেল — তিনি প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা প্যাস্কেলিন আবিষ্কার করেছিলেন, যা আধুনিক কম্পিউটার নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যাবেজ মানেই কম্পিউটারের জনক। নামটি মনে রাখতে ব্যাবেজ শব্দটি মাথায় রাখুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন এর নকশা তৈরি করেছিলেন। অ্যাডা লাভলেসকে বিশ্বের প্রথম প্রোগ্রামার বলা হয় যিনি চার্লস ব্যাবেজের যন্ত্রের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম লিখেছিলেন।
79. সুন্দরবনের কত শতাংশ বাংলাদেশ অংশে পড়েছে?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২ শতাংশ ১. কেন সঠিক: - সুন্দরবন হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় একক ম্যানগ্রোভ বন, যার ভৌগোলিক বিস্তার বাংলাদেশ ও ভারতজুড়ে অবস্থিত। - মোট সুন্দরবনের প্রায় ৬২ শতাংশ বা তার বেশি অংশ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় পড়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের অববাহিকায় গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর ত্রিকূল বদ্বীপ অঞ্চলে সুন্দরবন অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি জোয়ার-ভাটার প্লাবনভূমি এবং লবণাক্ত সহনশীল সুন্দরী, গেওয়া ও গরান গাছের জন্য বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সাতক্ষীরা জেলা ব্যাখ্যা: সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণ অংশ সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের অন্তর্ভুক্ত যা উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা করে। উদাহরণ ২: খুলনা জেলা ব্যাখ্যা: খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলা সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান সংরক্ষণের ক্ষেত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫৪ শতাংশ — এটি ভুল তথ্য কারণ বাংলাদেশ অংশের পরিমাণ এর চেয়ে বেশি। B) ৫৮ শতাংশ — এটি সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের সঠিক অনুপাত নয়। D) ৬৬ শতাংশ — এটি অতিরিক্ত অনুমাননির্ভর হিসাব যা প্রামাণ্য তথ্যের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের পরিমাণ ষাটের কোঠার কাছাকাছি অর্থাৎ প্রায় বাষ্পীয় বা ৬২ শতাংশ মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুন্দরবনের বাকি ৩৮ শতাংশ অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অবস্থিত। - সুন্দরবন ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
80. দক্ষ শিক্ষকের কি গুণ থাকা দরকার?
Created 2 days ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহের সৃষ্টি করা কেন সঠিক: - একজন দক্ষ শিক্ষকের প্রধান কাজ হলো শিক্ষণ প্রক্রিয়াকে আনন্দদায়ক করে তোলা, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজে থেকেই শেখার আগ্রহ পায়। - শিক্ষার্থীর মধ্যে পঠনস্পৃহা জাগিয়ে তুললে তা তাদের দীর্ঘস্থায়ী জ্ঞানার্জনে সাহায্য করে এবং মুখস্থ করার প্রবণতা কমায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহের সৃষ্টি করা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আগ্রহ সৃষ্টি হলে শিখন স্থায়ী ও কার্যকর হয়। B) শিক্ষার্থীদের কাজে ব্যস্ত রাখা — শিক্ষার্থীদের শুধু ব্যস্ত রাখলেই গভীর শিখন নিশ্চিত হয় না, কাজের মান ও উদ্দেশ্য গুরুত্বপূর্ণ। C) শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় পাসে সাহায্য করা — এটি শিক্ষকতার একটি অংশ মাত্র, কিন্তু প্রকৃত দক্ষ শিক্ষক কেবল পাশের জন্য নয় বরং সার্বিক জ্ঞানার্জনে সাহায্য করেন। D) শ্রেণিকক্ষ শান্ত রাখা — শ্রেণিকক্ষ শান্ত থাকলেই ভালো পড়াশোনা হয় না, বরং ফলপ্রসূ মিথস্ক্রিয়া ও আগ্রহই শিক্ষার মূল ভিত্তি। মনে রাখার টিপস: শিক্ষণ মানে শুধু পড়ানো নয়, শিক্ষার্থীর মনে শেখার আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া।

মোট প্রশ্ন (19)

1. 'সূর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটি কার লেখা?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবু ইসহাক ১. কেন সঠিক: - 'সূর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাক। - গ্রামীণ সমাজ জীবন, কুসংস্কার এবং দরিদ্র মানুষের টিকে থাকার লড়াই এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবু ইসহাক বাংলা কথাসাহিত্যে বিশেষ করে বাস্তবধর্মী উপন্যাসের জন্য পরিচিত। - ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটির ওপর ভিত্তি করে ১৯৭৯ সালে একই নামে একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মিত হয় যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। উদাহরণ ২: আবু ইসহাকের অন্য একটি বিখ্যাত উপন্যাস পদ্মার পলিদ্বীপ ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবন সংগ্রাম অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো পুতুল নাচের ইতিকথা ও পদ্মা নদীর মাঝি। B) কাজী আবদুল ওদুদ — ইনি মূলত বুদ্ধিবাদী প্রবন্ধকার ও গবেষক ছিলেন, কোনো উপন্যাস রচনার জন্য তিনি প্রধানত পরিচিত নন। C) শওকত ওসমান — ইনি বিখ্যাত উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি ও জননী রচনার জন্য পরিচিত, সূর্যদীঘল বাড়ি তাঁর লেখা নয়। D) আবু ইসহাক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাসের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাসের নাম এবং লেখক আবু ইসহাক মনে রাখতে ইসহাক সাহেবের একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও বিখ্যাত কাজ হিসেবে মনে রাখতে পারো। - বাংলা উপন্যাসে গ্রামীণ বাস্তবতার প্রথম সফল রূপায়ণ হিসেবে এই উপন্যাসটি পড়লে লেখককে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই উপন্যাসটির প্রকাশসাল ১৯৫৫ সাল যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র জয়গুন এবং তার বেঁচে থাকার লড়াই সম্পর্কে প্রশ্ন থাকতে পারে।
3. 'দংশন' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দম্ + শন ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ম্ ধ্বনির পর শ, ষ, স কিংবা হ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। - এখানে দম্ যোগ শন মিলে দংশন শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে ম্ স্থানে অনুস্বার বসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যা ম-কার জনিত সন্ধি নামে পরিচিত। - পদের অন্তস্থিত ম্ এর পর উষ্মবর্ণ বা অন্তঃস্থ বর্ণ থাকলে ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বারে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + সার = সংসার ব্যাখ্যা: ম্ এর পর স থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + বাদ = সংবাদ ব্যাখ্যা: ম্ এর পর ব থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দম্ + শন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) দম্ + সন — এখানে বানানের ভুল রয়েছে কারণ সঠিক শব্দে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। C) দম্ + ঘন — এখানে ঘ বর্ণ থাকার কারণে এই সন্ধিটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) দণ্ড + শন — দণ্ড আলাদা শব্দ হওয়ায় এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নিয়ম মেনে হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুস্বারযুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে অনুস্বারের জায়গায় ম্ এবং হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। - যেমন দংশন ভাঙলে দম্ এবং শন পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ম্-কার জনিত সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অনুস্বারযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে ম্ এবং হসন্ত দিয়ে সন্ধি বিচ্ছেদ চিন্তা করতে হবে।
8. 'দারিদ্র্য' কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিন্ধু হিন্দোল ১. কেন সঠিক: - 'দারিদ্র্য' কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী কবিতা। - এই কবিতায় কবি দরিদ্র মানুষের অবহেলিত জীবনযাত্রা এবং সমাজের নির্মম বৈষম্যের চিত্র অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে সাম্যবাদ ও দ্রোহের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ। - 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি, যেখানে নানা মাত্রিক চিন্তা ও দ্রোহের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির সাম্যবাদী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটানো একটি অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম প্রকাশিত এবং বাংলা কবিতার ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহী ও নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ হলেও এর মধ্যে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়। B) সিন্ধু হিন্দোল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই কাব্যগ্রন্থেই 'দারিদ্র্য' কবিতাটি স্থান পেয়েছে। C) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী ভাবধারার কাব্যগ্রন্থ হলেও এখানে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি নেই। D) নতুন চাঁদ — এটি অন্য কোনো প্রখ্যাত লেখকের বা নজরুলের ভিন্ন ধারার রচনা হতে পারে, যা এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখার জন্য 'সিন্ধু' ও 'হিন্দোল' শব্দের সঙ্গে 'দারিদ্র্য' কবিতার ভাব মিলিয়ে একটি ছোট সূত্র তৈরি করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতা ও কবির কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ কবিতার উৎস জেনে রাখা জরুরি।
9. 'পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল বিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।' পঙ্ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন অংশ?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুই বিঘা জমি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পঙ্ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'দুই বিঘা জমি' কবিতার অংশ। - মিথ্যা দেনার খতে সর্বস্বান্ত হয়ে বাস্তুভিটা হারানোর বেদনা এই পঙ্ক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - 'দুই বিঘা জমি' একটি বিখ্যাত আഖ্য়ানমূলক কবিতা যা সাধারণ কৃষকের প্রতি সমাজের শোষণের চিত্র তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুধু বিঘাকয়েক সন্তোষরণে ছিল মোর ভুঁই ব্যাখ্যা: এটিও 'দুই বিঘা জমি' কবিতার একটি বিখ্যাত চরণ যা উপেনের পৈত্রিক জমির পরিমাণ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: সপ্তপদী ঘুরে লভিনু যে কূল থাকিয়া মফস্বলে ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্য কবির রচনা যা জমি বা শেকড় হারানোর বেদনার সঙ্গে তুলনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরাতন ভৃত্য — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প যার মূল বিষয় লয়্যাল ভৃত্য গফুরের নিষ্ঠা। B) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে 'দুই বিঘা জমি' কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়। C) দুই বিঘা জমি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল পঙ্ক্তিটি এই কবিতার সঙ্গেই সম্পর্কিত। D) দিন শেষ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো প্রধান কবিতা বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভিটেমাটি বিক্রি, দেনার খত বা জমির কথা থাকলেই উত্তর হবে দুই বিঘা জমি কবিতা। - উপেনের দুঃখের কাহিনী মনে রাখলেই রবীন্দ্রনাথের এই কবিতা চিনে ফেলা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কবিতার চরণ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - কবিতার মূলভাব ও চরিত্রের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
11. 'সংক্ষিপ্ত' এর বিপরীত শব্দ কি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিস্তৃত ১. কেন সঠিক: - 'সংক্ষিপ্ত' শব্দের অর্থ ছোট বা যার পরিসর কম। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'বিস্তൃത' ব্যবহৃত হয় যার অর্থ ছড়ানো বা যার পরিসর অনেক বড়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও পরিধি বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের নিজস্ব বিপরীত শব্দ রয়েছে। - শব্দের উৎস ও অর্থের মিল রেখে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ব্যাখ্যা: এখানে সিলেবাস ছোট অর্থে সংক্ষিপ্ত শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বিস্তৃত এলাকা ব্যাখ্যা: এখানে এলাকা বড় বা ছড়ানো অর্থে বিস্তৃত শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চওড়া — চওড়া শব্দটি মূলত কোনো বস্তুর প্রস্থ বা প্রশস্ততা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সংক্ষিপ্ত শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। B) প্রসারিত — প্রসারিত শব্দটির অর্থ ছড়ানো হলেও এটি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে যেমন ডানা বা হাত প্রসারণের ক্ষেত্রে বেশি মানানসই। C) প্রশস্ত — প্রশস্ত শব্দটির অর্থ চওড়া বা উন্মুক্ত, যা সংকীর্ণ শব্দের বিপরীত হিসেবে উপযুক্ত হলেও সংক্ষিপ্ত শব্দের জন্য ততটা যথাযথ নয়। D) বিস্তৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সংক্ষিপ্ত বা ছোট পরিসরের ঠিক বিপরীত বড় বা ছড়ানো পরিসর বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংক্ষিপ্ত মানে যা ছোট, আর বিস্তৃত মানে যা বড় বা ছড়ানো। এই দুটি শব্দ বিপরীত অর্থে জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করতে হবে। পরীক্ষার হলে অপশনগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য খেয়াল করে সঠিক উত্তর বাছাই করতে হবে।
13. 'নদীর মাছ সুস্বাদু' বাক্যে নিম্নেরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 2 days ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'নদীর' শব্দের নিচে রেখা রয়েছে এবং এতে 'র' বা 'এর' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে যা ষষ্ঠী বিভক্তির রূপ। - নদী কোনো স্থান বা ক্ষেত্রকে নির্দেশ করছে যেখানে মাছ পাওয়া যায়, তাই এটি অধিকরণ কারক হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে এবং এতে সাধারণত সপ্তমী বা ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়। - সম্বন্ধ পদে সাধারণত ষষ্ঠী বিভক্তি হয়, তবে ক্ষেত্রবিশেষে তা আধার বা অধিকরণ কারক হিসেবেও গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুকুরে মাছ আছে ব্যাখ্যা: পুকুর একটি আধার বা স্থান হওয়ায় এটি অধিকরণে সপ্তমী কারক। উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে ব্যাখ্যা: বন একটি নির্দিষ্ট স্থান বা জঙ্গল বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় ষষ্ঠী — কর্তা বোঝাতে এই বাক্য গঠিত হয়নি কারণ নদী নিজে মাছ নয়। B) কর্মে ষষ্ঠী — যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা কর্ম নয়, এখানে নদী আধার। C) অপাদানে ষষ্ঠী — অপাদান কারকে বিচ্যুত, জাত বা ত্ত্রাসের ভাব থাকে যা এখানে নেই। D) অধিকরণে ষষ্ঠী — এটি সঠিক কারণ নদী মাছের আধার বা উৎস স্থান বোঝাচ্ছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উৎস বা আধার স্থান বোঝালে এবং তার সাথে র বা এর বিভক্তি থাকলে তা অধিকরণে ষষ্ঠী হয়। - স্থান বা ক্ষেত্র চিহ্নিত করে কারক নির্ণয় করা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস এবং বাক্যের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - আধার বোঝালে সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
15. কোনটি 'অলুক দ্বন্দ্ব' সমাসের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘরে-বাইরে ১. কেন সঠিক: - যে দ্বন্দসমাসে ব্যাসবাক্যের উভয় পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দসমাস বলে। - ঘরে-বাইরে শব্দটিতে ঘর এবং বাইরে উভয় পদের সঙ্গেই বিভক্তি যুক্ত আছে এবং সমাস সাধনের পরও সেই বিভক্তিগুলো বহাল রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমাস অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। দ্বন্দসমাসে সংযোজক অব্যয় ও, এবং, বা লোপ পেয়ে উভয় পদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। - অলুক দ্বন্দসমাসে পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি বা অন্য কোনো বিভক্তি সমস্তপদেও অক্ষুণ্ণ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে-বিদেশে ব্যাখ্যা: দেশে ও বিদেশে এর ব্যাসবাক্য এবং এখানে দেশ ও বিদেশ উভয় পদের সঙ্গেই এ বিভক্তি বহাল থাকে। উদাহরণ ২: হাতে-কলমে ব্যাখ্যা: হাতে ও কলমে এর ব্যাসবাক্য এবং এখানে হাত ও কলম উভয় পদের সঙ্গেই এ বিভক্তি বহাল থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘরে-বাইরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পায়নি। B) ঘর-বাড়ি — এটি সাধারণ দ্বন্দসমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য ঘর ও বাড়ি এবং এখানে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। C) ভাই-বোন — এটি সাধারণ দ্বন্দসমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য ভাই ও বোন এবং এখানে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। D) আমার — এটি সর্বনাম পদ এবং এটি সমাসের কোনো উদাহরণই নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে দ্বন্দসমাসের পদগুলোতে এ, তে, য় ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং সমাসের পরেও তা দেখা যায়, চোখ বন্ধ করে তাকে অলুক দ্বন্দসমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলুক দ্বন্দসমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিভক্তিযুক্ত শব্দ দেখলেই অলুক সমাস মনে রাখবে।
16. 'তেলে ভাজা' কোন সমাস?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - তেলে ভাজা শব্দটির ব্যাসব্যাস হলো তেল দ্বারা ভাজা, যা সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। - এখানে পূর্বপদের সপ্তমী বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহারে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খেয়া পার = খেয়ায় পার ব্যাখ্যা: অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহারে এটি সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজে ব্যস্ত = কাজে ব্যস্ত ব্যাখ্যা: এখানে সপ্তমী বিভক্তির লোপ পেয়ে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, যা এই পদের গঠনে নেই। C) কর্মধারায় — কর্মধারায় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে হয়নি। D) তৎপুরুষ — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিভক্তি বা অনুসর্গ যেমন দ্বারা, দিয়া, থেকে, তে লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে মনে রাখবে। - ব্যাসবাক্যে অনুসর্গ বা বিভক্তির উপস্থিতি দেখে সমাস চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে তৎপুরুষ ও কর্মধারায় সমাসের পার্থক্য সহজে বোঝা যায়।
17. কোনটি 'কোকিল' শব্দের প্রতিশব্দ নয়?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরভৃৎ ১. কেন সঠিক: 'পরভৃৎ' শব্দটির অর্থ হলো অন্যের দ্বারা পৃত বা পালিত। কোকিল নিজের ডিম নিজে তা দেয় না, কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাক সেই ডিম ও ছানা লালন-পালন করে বলে কোকিলকে 'পরভৃৎ' বলা হয়। এখানে বানানগত সূক্ষ্ম পার্থক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ 'পরভৃত' (ত ছাড়া হসন্ত) এবং 'পরভৃৎ' (ৎ যুক্ত) দুটি আলাদা শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের বানান এবং তার অন্তর্নিহিত ব্যাকরণগত গঠন বা উৎপত্তির ইতিহাস জানা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাক শব্দের সমার্থক শব্দ হলো বায়স, কাঞ্চন, করকট ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এটি পাখির নাম এবং কোকিলের সঙ্গে এর সরাসরি биологический বা জৈবিক সম্পর্ক রয়েছে। উদাহরণ ২: পিক শব্দের অর্থ কোকিল বা কুকিল পাখির ডাক। ব্যাখ্যা: এটি কোকিলের অন্যতম প্রধান ও বহুল ব্যবহৃত প্রতিশব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিক — এটি কোকিল শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও সঠিক সমার্থক শব্দ। B) পরভৃত — এটি সঠিক বানানের ক্ষেত্রে কোকিলকে বোঝায়, তবে প্রশ্নে হসন্তহীন রূপটি চাওয়া হয়েছে। C) পরভৃৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট বানানটি অন্য অর্থ প্রকাশ করে বা ব্যাকরণগত দিক থেকে এই প্রশ্নে ভুল হিসেবে নির্দেশিত। D) বসন্তদূত — বসন্তে কোকিল ডাকে বলে একে বসন্তদূত বলা হয়, যা কোকিলের একটি বিখ্যাত প্রতিশব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: পরভৃত এবং পরভৃৎ বানানের পার্থক্য মনে রাখবে। কোকিলের ক্ষেত্রে হসন্তযুক্ত 'ৎ' হলো ব্যতিক্রমী এবং পরীক্ষার প্রধান ফাঁদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান এবং প্রতিশব্দ একই সঙ্গে যাচাই করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন করা হয়। সমার্থক শব্দ পড়ার সময় সূক্ষ্ম বানান পার্থক্যগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

1. 'It has to be done by me' বাক্যটির সঠিক পরিবর্তিত Voice হবে-
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I have to do it কেন সঠিক: - প্রদত্ত Passive Voice-টিতে 'has to be done' ব্যবহার করা হয়েছে, যার Active রূপের ক্ষেত্রে 'has to' অথবা 'have to' বসবে। - সাবজেক্ট 'I' প্রথম পুরুষের বহুবচন বা উত্তম পুরুষ হওয়ায় এর সঙ্গে 'have to' বসে এবং মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I must do it — এখানে 'must' modal verb থাকার কারণে তা 'has to' যুক্ত Passive বাক্যের সঠিক Active রূপ নয়। B) I should do it — এখানে 'should' modal verb ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রদত্ত বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) I must have done it — এটি একটি Perfect modal-এর বাক্য, যা মূল বাক্যের Simple obligation প্রকাশ করে না। D) I have to do it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: Passive বাক্যে have to বা has to থাকলে Active করার সময় সাবজেক্ট অনুযায়ী have to বা has to রেখে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হয়।
2. Honesty is the best policy এখানে 'honesty' শব্দটি-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abstract noun কেন সঠিক: - 'Honesty' শব্দ দ্বারা সততা নামক গুণকে বোঝানো হয়েছে, যা স্পর্শ করা যায় না কিন্তু অনুভব করা যায়। - যে নাউন দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় এবং যার কোনো বাহ্যিক আকৃতি বা দৃশ্যমান অস্তিত্ব নেই, তাকে Abstract noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝায় না। B) Common noun — এটি কোনো জাতীয় বা সাধারণ নাম নয়, কারণ সততা কোনো দৃশ্যমান বস্তু বা প্রাণীর শ্রেণি নয়। C) Collective noun — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় না, বরং একটি একক গুণ প্রকাশ করে। D) Abstract noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি অদৃশ্য গুণ বা ধারণার নাম। মনে রাখার টিপস: যেসব noun বা বিশেষ্য শুধু অনুভব করা যায় কিন্তু দেখা বা ছোঁয়া যায় না, যেমন সততা, দয়া বা শৈশব, সেগুলোই Abstract noun।
3. He sleeps a sound sleep এখানে 'sound' শব্দটি?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: - এখানে sleep হলো Noun এবং sound শব্দটি তার ঠিক আগে বসে Noun-টিকে মডিফাই করছে। - Noun-এর ঠিক আগে বসে তার দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করায় sound শব্দটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — Adverb হতে হলে শব্দটিকে কোনো Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb-কে modify করতে হতো, যা এখানে ঘটেনি। B) Adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি Noun-কে বিশেষিত করেছে। C) Noun — sound এখানে নিজে Noun নয় বরং পরের Noun-কে বিশেষিত করার কাজ করছে। D) Pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা sound শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো Noun-এর ঠিক আগে বসে যদি তার গভীরতা বা ধরন বোঝায়, তবে সেই শব্দটি Adjective হয়।
4. He told us all about the battle. এখানে about শব্দটি-
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Preposition কেন সঠিক: - এখানে about শব্দটি noun (the battle) এর পূর্বে বসে its relation বোঝাচ্ছে। - Preposition সাধারণত noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্যান্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pronoun — Pronoun হলো যা noun এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু about কোনো noun এর পরিবর্তে বসেনি। B) Adjective — Adjective হলো যা noun বা pronoun এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু about তা করছে না। C) Adverb — Adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, কিন্তু এখানে about তা করছে না। D) Preposition — প্রদত্ত উত্তর সঠিক কারণ এটি noun এর পূর্বে বসে সম্পর্ক প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: Noun বা pronoun এর আগে বসে যখন সম্পর্ক দেখায়, তখন সেটি Preposition হয়।
8. কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Heterogeneous কেন সঠিক: - বানানটিতে সঠিক উপসর্গ ও প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে Hetero এর সাথে geneous যুক্ত হয়েছে। - শব্দটির সঠিক উচ্চারণ এবং বানান রীতি ইংরেজি বানান গঠন পদ্ধতি সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Heterogeneous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ ভিন্নধর্মী বা অসমসত্ত্ব। B) Hetarogeneous — এটি ভুল বানান কারণ মাঝখানের e এর স্থানে a ব্যবহার করা হয়েছে। C) Hetrogeneous — এটি ভুল বানান কারণ heteroo অংশের মাঝখান থেকে একটি e বাদ দেওয়া হয়েছে। D) Heterangcous — এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান এবং এর শেষাংশ বানান বিধির পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: Hetero শব্দটির সাথে geneous যুক্ত করে Heterogeneous বানানটি মনে রাখতে হবে।
9. The police dispersed the crowd. এখানে 'crowd' শব্দটি কোন প্রকারের 'noun'?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collective কেন সঠিক: - 'crowd' শব্দটি একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়, যারা একত্রিত হয়ে একটি দল বা জনতা হিসেবে কাজ করে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিগত নামকে Collective Noun বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নামকে Proper Noun বলে, কিন্তু 'crowদ' কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়। B) Common — একই শ্রেণির সাধারণ নামকে Common Noun বলে, যা এখানে একটি সম্পূর্ণ জনসমষ্টি বা দল বোঝাচ্ছে। D) Abstract — যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না কেবল অনুভব করা যায় তাকে Abstract Noun বলে, কিন্তু জনতা বা crowd দৃশ্যমান। মনে রাখার টিপস: একত্রিত মানুষের দল, যেমন crowd বা team দেখলে চোখ বন্ধ করে Collective Noun দাগাবে।
12. 'Come in, my friend', said I বাক্যটির Indirect speech হবে-
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Addressing him as my friend, I told him to go in কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচে সম্বোধন থাকলে নারেশনের নিয়মানুযায়ী Reporting verb-এর শুরুতে Addressing হিসেবে যোগ করতে হয়। - রিপোর্টের ভেতরের 'come' শব্দটি দূরত্ব বা বক্তার অবস্থানের পরিবর্তনের কারণে ইনডাইরেক্ট করার সময় 'go' তে রূপান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Addressing him as my friend, I told him to go in — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী সকল পরিবর্তন সঠিকভাবে করা হয়েছে। B) Addressing him as my friend, I asked him to go in — এটি ভুল কারণ মূল বাক্যটি assertive sentence, তাই reporting verb 'asked' হবে না। C) Addressing him as my friend, I have said him to go in — এটি ভুল কারণ রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে 'have said' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) Addressing him as my friend, I told him to come in — এটি ভুল কারণ ইনডাইরেক্ট নারেশনে 'come' অপরিবর্তিত রেখে 'go' করতে হয়। মনে রাখার টিপস: নারেশনে সম্বোধন থাকলে Addressing দিয়ে শুরু করতে হয় এবং ইনডাইরেক্ট করার সময় 'come' থাকলে তা সাধারণত 'go' তে পরিবর্তিত হয়।
16. 'I went there _ my bike' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - ব্যক্তিগত বাহন যেমন বাইক, সাইকেল বা ঘোড়ার পিঠে চড়ে ভ্রমণ বোঝাতে Preposition হিসেবে on ব্যবহৃত হয়। - শরীর উন্মুক্ত থাকে এবং চালক বা আরোহী বাহনের উপরে বসেন, এমন ক্ষেত্রে on বসানো ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ উন্মুক্ত ব্যক্তিগত বাহন বা বাইকের ক্ষেত্রে অন ব্যবহৃত হয়। B) upon — এটি সাধারণত গতিশীল অবস্থা বা কোনো কিছুর উপরে লাফে ওঠা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। C) in — চারপাশ ঘেরা বা বদ্ধ বাহন যেমন কার, ট্যাক্সি বা অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে ইন ব্যবহৃত হয়, বাইকের ক্ষেত্রে নয়। D) by — যাতায়াতের মাধ্যম বোঝাতে বাই ব্যবহার করা যায়, তবে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বা প্রোনাউনের আগে সরাসরি বাই বসে না (যেমন by my bike হয় না, by bike হয়)। মনে রাখার টিপস: উন্মুক্ত বাহন যেমন বাইক বা সাইকেলের ক্ষেত্রে on এবং বদ্ধ বাহন যেমন কার বা বাসের ক্ষেত্রে in ব্যবহার করতে হয়।
18. 'Brittle' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Fragile কেন সঠিক: - Brittle শব্দের অর্থ ভঙ্গুর বা সহজে ভেঙে যায় এমন, যার সঙ্গে Fragile শব্দের অর্থের হুবহু মিল রয়েছে। - এই দুটি শব্দই এমন বস্তুকে বোঝায় যা চাপ প্রয়োগ করলে খুব দ্রুত ভেঙে যায় বা চূর্ণবিচূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fragile - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থও ভঙ্গুর বা সহজে ভেঙে যাওয়ার যোগ্য। B) Soft - এই অপশনটি ভুল কারণ Soft শব্দের অর্থ নরম, যা ভঙ্গুরতার সমার্থক নয়। C) Strong - এই অপশনটি ভুল কারণ Strong শব্দের অর্থ শক্তিশালী বা মজবুত, যা ভঙ্গুরের বিপরীতার্থক। D) Hard - এই অপশনটি ভুল কারণ Hard শব্দের অর্থ কঠিন বা শক্ত, যা সহজে ভাঙে না। মনে রাখার টিপস: Brittle এবং Fragile উভয় শব্দ দিয়েই কাঁচের মতো সহজেই ভেঙে যায় এমন জিনিসকে বোঝানো হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

1. একজন পুরুষ ও একজন মহিলা পুরস্কারের ১,০০০ টাকা ১:৪ অনুপাতে ভাগ করে। মহিলা তার অংশের টাকা নিজের, তার মা ও তার মেয়ের মধ্যে ২:১:১ অনুপাতে ভাগ করলে মেয়ে কত টাকা পাবে?
Created 2 days ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট পুরস্কারের টাকা = ১০০০ টাকা পুরুষ ও মহিলার টাকার অনুপাত = ১:৪ মহিলা, মা ও মেয়ের টাকার অনুপাত = ২:১:১ ধরি, পুরুষ পেল = ১ক টাকা মহিলা পেল = ৪ক টাকা অতএব, ১ক + ৪ক = ১০০০ ৫ক = ১০০০ ক = ২০০ সুতরাং, মহিলার প্রাপ্ত টাকা = ৪ × ২০০ = ৮০০ টাকা উত্তর: মহিলা, মা ও মেয়ের অনুপাত যোগ করলে হয় = ২ + ১ + ১ = ৪ মেয়ের অংশ = ৮০০ টাকার (১ ÷ ৪ অংশ) = ২০০ টাকা
7. একজন বিক্রেতা একটি জিনিস ৬৫ টাকায় বিক্রি করে ৩০% লাভ করেন। জিনিসটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রিয়মূল্য = ৬৫ টাকা লাভের হার = ৩০% ধরি, জিনিসটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ৩০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৩০ = ১৩০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১৩০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১৩০ টাকা বিক্রয়মূল্য ৬৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৬৫) ÷ ১৩০ = ৫০ টাকা উত্তর: ৫০ টাকা
12. ৪০ গ্যালন অকটেন মিশ্রিত পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৩:১। এতে আর কত অকটেন মেশালে পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৫:২ হবে?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ গ্যালন প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৪০ গ্যালন পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত = ৩ : ১ ধরি, পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ক গ্যালন অকটেনের পরিমাণ = ১ক গ্যালন অতএব, ৩ক + ১ক = ৪০ ৪ক = ৪০ ক = ১০ সুতরাং, পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ × ১০ = ৩০ গ্যালন অকটেনের পরিমাণ = ১ × ১০ = ১০ গ্যালন নতুন অনুপাত ৫ : ২ করতে হলে, (৩০ ÷ (১০ + খ)) = (৫ ÷ ২) ৫(১০ + খ) = ৬০ উত্তর: খ = ২ গ্যালন
14. ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র প্রত্যেক মধ্যমাকে কোন অনুপাতে অন্তর্বিভক্ত করে?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ঃ ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের একটি মধ্যমা শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর ওপর অঙ্কিত হয় ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা একটি বিন্দুতে ছেদ করে যাকে ভরকেন্দ্র বলে ধরি, ত্রিভুজের একটি শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর দূরত্ব হলো একটি সম্পূর্ণ মধ্যমা ভরকেন্দ্র এই মধ্যমাকে শীর্ষবিন্দুর দিক থেকে বিভক্ত করে অতএব, শীর্ষবিন্দু থেকে ভরকেন্দ্রের দূরত্ব হলো প্রথম অংশ ভরকেন্দ্র থেকে মধ্যবিন্দুর দূরত্ব হলো দ্বিতীয় অংশ সুতরাং, এই দুটি অংশের অনুপাত হলো দুই অনুপাত এক উত্তর: ২ ঃ ১
15. a - 1/a = 5 রুট 3 হলে, a² + 1/a² = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৭ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৫√৩ ধরি, a² + (১ ÷ a²) এর মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, (a − (১ ÷ a))² = (৫√৩)² এখানে বর্গ করলে পাই, a² − ২(a)(১ ÷ a) + (১ ÷ a²) = ২৫ × ৩ সুতরাং, a² − ২ + (১ ÷ a²) = ৭৫ উত্তর: a² + (১ ÷ a²) = ৭৫ + ২ = ৭৭
17. 3x² - 7x - 6 এর উৎপাদক-
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (3x + 2)(x - 3) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩x² − ৭x − ৬ ধরি, মধ্যপদকে ভাঙাতে হবে এমন দুটি সংখ্যায় যাদের গুণফল হবে প্রথম ও শেষ পদের গুণফলের সমান এবং যোগফল হবে মাঝের পদের সমান অতএব, ৩x² − ৯x + ২x − ৬ ৩x(x − ৩) + ২(x − ৩) সুতরাং, (3x + 2)(x − 3) উত্তর: B) (3x + 2)(x - 3)
20. (০.২ × ০.০২ × ০.০০২) / (০.০১ × ০.০৮) এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০২ প্রدত্ত তথ্য: লব = ০.২ × ০.০২ × ০.০০২ হর = ০.০১ × ০.০৮ ধরি, লবের দশমিক তুলে পাই = (২ ÷ ১০) × (২ ÷ ১০০) × (২ ÷ ১০০০) হরের দশমিক তুলে পাই = (১ ÷ ১০০) × (৮ ÷ ১০০) অতএব, লব = ৮ ÷ ১০০০০০০ হর = ৮ ÷ ১০০০০ সুতরাং, মান = (৮ ÷ ১০০০০০০) ÷ (৮ ÷ ১০০০০) উত্তর: ০.০২

মোট প্রশ্ন (10)

5. তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে কবে পাস করা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৬ কেন সঠিক: - সপ্তম জাতীয় সংসদে ত্রয়েদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনগত রূপ লাভ করে। - এই আইনের মাধ্যমেই ১৯৯১ সালের অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাকে সাংবিধানিক ও স্থায়ী রূপ দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ — এই সালে তীব্র গণ আন্দোলনের মুখে এরশাদ সরকারের পতন ঘটে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা তৈরি হয়, কোনো আইন পাস হয়নি। B) ১৯৯১ — এই সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে এবং ত্রয়োদশ সংশোধনী আসার আগেই সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি চালু হয়। C) ১৯৯৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী আইন পাস করা হয়। D) ১৯৯৭ — এই সালে আইনটি পাস হয়নি, বরং ১৯৯৬ সালের আইন অনুযায়ী তৎকালীন রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৯১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও আইন পাস হয় তার পাঁচ বছর পর ১৯৯৬ সালে।
7. বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী কি ছিল?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিপাহী কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক বাহিনীর সিপাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই চা বাগান এলাকায় সম্মুখযুদ্ধে তিনি শহীদ হন এবং তাকে সিপাহী পদবীতেই বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাবিলদার — এটি সিপাহী পদের চেয়ে উচ্চতর একটি সামরিক পদবী, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) সিপাহী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে তার মূল সামরিক পদবী ছিল সিপাহী। C) ল্যান্স নায়েক — এটিও একটি সামরিক পদবী, যা বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও হামিদুর রহমানের জন্য সঠিক নয়। D) ক্যাপ্টেন — এটি কমিশনপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার পদবী, যা সাধারণ সিপাহী হামিদুর রহমানের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে কম বয়সে শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান পদবীর দিক থেকেও ছিলেন কনিষ্ঠতম, তার পদবী ছিল সিপাহী।

মোট প্রশ্ন (7)

2. যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদের বলা হয়-
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসোটোন ১. কেন সঠিক: - যেসব পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে কিন্তু ভর সংখ্যা ও প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন হয়, তাদের আইসোটোন বলা হয়। - প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এরা সম্পূর্ণ ভিন্ন মৌল হলেও এদের নিউটনের পরিমাণ একই থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো মৌলের ভর সংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়। - কারণ ও ফলাফল: নিউট্রন সংখ্যা সমান হওয়ায় এই পরমাণুগুলোর নিউক্লিয়াসের গঠনগত কিছু মিল থাকে, যদিও রাসায়নিক ধর্ম সম্পূর্ণ আলাদা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বোরনের একটি আইসোটোপ এবং কার্বনের একটি আইসোটোপ। ব্যাখ্যা: বোরন এগারো মৌলের প্রোটন সংখ্যা পাঁচ এবং ভর সংখ্যা এগারো, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা ছয়। কার্বন বারো মৌলের প্রোটন সংখ্যা ছয় এবং ভর সংখ্যা বারো, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা ছয়। উদাহরণ ২: ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়াম। ব্যাখ্যা: ক্যালসিয়াম চল্লিশ মৌলের প্রোটন সংখ্যা বিশ এবং পটাশিয়াম উনচল্লিশ মৌলের প্রোটন সংখ্যা উনিশ। উভয়েরই নিউট্রন সংখ্যা কুড়ি হওয়ায় এরা পরস্পর আইসোটোন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসোটোপ — যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ বলা হয়। B) আইসোটোন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে। C) আইসোবার — যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোবার বলা হয়। D) আইসোমার — যেসব পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা এবং ভর সংখ্যা একই কিন্তু তেজস্ক্রিয় শক্তিস্তর বা অভ্যন্তরীণ গঠন ভিন্ন, তাদের আইসোমার বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইসোটোনের শেষের দন্তন বর্ণটি দিয়ে নিউট্রন শব্দটিকে মনে রাখা যায়। - আইসোটোপের শেষের প বর্ণটি দিয়ে প্রোটন শব্দটিকে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভর সংখ্যা এবং পারমাণবিক সংখ্যা থেকে নিউট্রন বের করে আইসোটোন নির্ণয়ের অংক প্রায়ই আসে। - প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হলে তাকে আইসোটোপ বলা হয়, যা এই প্রশ্নের বিপরীত ধারণা।
4. 'শিমের বিচি' কোন ধরনের খাদ্য?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমিষ ১. কেন সঠিক: - শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ আমিষ বা প্রোটিন থাকে, যা শরীরের কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণে প্রধান ভূমিকা রাখে। - উদ্ভিজ্জ আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস হলো ডালজাতীয় খাদ্য এবং শিমের বিচি, যা দেহের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আমিষ বা প্রোটিন হলো কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত জটিল জৈব যৌগ, যার মূল একক অ্যামিনো এসিড। - কার্যপ্রণালি: শিমের বিচি পরিপাকতন্ত্রে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয় এবং রক্তে মিশে শরীরের বিভিন্ন টিস্যু মেরামত ও নতুন কোষ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুগ ডাল ও মসুর ডাল ব্যাখ্যা: ডালজাতীয় ফসলের মতো শিমের বিচিতেও প্রচুর আমিষ থাকে, যা মাংস বা মাছের বিকল্প উদ্ভিজ্জ আমিষের চাহিদা পূরণ করে। উদাহরণ ২: সয়াবিন ও বাদাম ব্যাখ্যা: উদ্ভিজ্জ আমিষের অন্যান্য উৎসের মতো শিমের বিচিও দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং হরমোন উৎপাদনে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিমের বিচিতে আমিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। B) শ্বেতসার — শ্বেতসার বা কার্বোহাইড্রেট প্রধানত ভাত, আলু ও আটা জাতীয় খাদ্যে পাওয়া যায়, শিমের বিচিতে এর পরিমাণ আমিষের তুলনায় কম। C) স্নেহ জাতীয় — স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য সয়াবিন তেল, সরিষার তেল ও মাখনে বেশি থাকে, শিমের বিচি প্রধানত প্রোটিনের উৎস। D) ভিটামিন — ভিটামিন ফলমূল ও শাকসবজিতে বেশি পাওয়া যায়, যা শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করে কিন্তু শিমের বিচি প্রধান ভিটামিনের উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিম ও ডালজাতীয় সমস্ত বীজই আমিষ বা প্রোটিনের খুব ভালো উৎস হিসেবে কাজ করে। - আমিষ মানেই দেহ গঠন, তাই বীজজাতীয় খাবার খেলেই শরীরের ক্ষয়পূরণ ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিজ্জ আমিষের প্রধান উৎস কী, তা বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ডাল, মটরশুঁটি এবং শিমের বিচি থেকে শরীর কোন পুষ্টি উপাদানটি সবচেয়ে বেশি পায়, এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত পরীক্ষাতে দেখা যায়।
7. ভিটামিন-বি১ এর অভাবে কোন রোগ হয়?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেরিবেরি ১. কেন সঠিক: ভিটামিন বি১ বা থায়ামিনের অভাবে মানবদেহে বেরিবেরি রোগ হয়। এই রোগ স্নায়ুতন্ত্র ও হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: থায়ামিন বা ভিটামিন বি১ হলো একটি জলীয় দ্রবণীয় ভিটামিন যা শর্করা বিপাকে এবং শক্তি উৎপাদনে সরাসরি সাহায্য করে। কার্যপ্রণালি: খাদ্যে এই ভিটামিনের দীর্ঘস্থায়ী ঘাটতি থাকলে কোষগুলো প্রয়োজনীয় শক্তি পায় না, ফলে স্নায়ু ও পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পালিশ করা চালের ভাত খাওয়া। ব্যাখ্যা: চালের ওপরের খোসায় থায়ামিন থাকে, যা চাল অতিরিক্ত ছাঁটাই বা পালিশ করলে নষ্ট হয়ে যায় এবং বেরিবেরি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। উদাহরণ ২: মদ্যপানে আসক্ত ব্যক্তিদের স্নায়বিক দুর্বলতা। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ শরীর কর্তৃক ভিটামিন বি১ শোষণ বাধাগ্রস্ত করে, ফলে বেরিবেরি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিকেটস — ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের এই হাড়ের রোগ হয়। B) স্কার্ভি — ভিটামিন সি এর অভাবে মাড়ি থেকে রক্তপাত ঘটিত স্কার্ভি রোগ হয়। C) বেরিবেরি — এটি ভিটামিন বি১ এর অভাবে হওয়া সঠিক রোগ এবং এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। D) পেলেগ্রা — ভিটামিন বি৩ বা নিয়াসিনের অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়ে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন বি ওয়ান বা থায়ামিনের অভাবে বেরিবেরি হয়, এটি মনে রাখতে থায়ামিন ও বেরিবেরি শব্দের প্রথম অক্ষর বা ছন্দ মিলিয়ে পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ এবং রাসায়নিক নাম খুব প্রায়ই আসে। যেমন ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক অ্যাসিড।

মোট প্রশ্ন (1)

1. আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় কাকে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার্লস ব্যাবেজ ১. কেন সঠিক: চার্লস ব্যাবেজকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় কারণ তিনি প্রথম যান্ত্রিক কম্পিউটারের ধারণা দেন। তার উদ্ভাবিত ডিফারেন্স ইঞ্জিন এবং অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন আজকের আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যিনি আধুনিক কম্পিউটারের কাঠামোগত নকশা ও যান্ত্রিক গণনার ধারণা প্রথম প্রবর্তন করেন তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়। কার্যপদ্ধতি: চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনে ইনপুট, প্রসেসর বা মিল, মেমোরি এবং আউটপুট ব্যবস্থা ছিল, যা আধুনিক কম্পিউটারের মূল নীতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন। ব্যাখ্যা: এই যন্ত্রটিতে প্রোগ্রাম সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল যা আধুনিক কম্পিউটারের মেমোরি ধারণার সঙ্গে মিলে যায়। উদাহরণ ২: আধুনিক ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: চার্লস ব্যাবেজের দেখানো ইনপুট, প্রসেস ও আউটপুট মডেলেই আজকের সকল কম্পিউটার কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্লস ব্যাবেজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি আধুনিক কম্পিউটারের জনক হিসেবে বিশ্বস্বীকৃত। B) ডঃ জন মাউসলি — তিনি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এনিয়াক এর অন্যতম প্রধান ডিজাইনার ছিলেন, কম্পিউটারের জনক নন। C) লিবনিৎস — তিনি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা স্টেপড রেকনার আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু কম্পিউটারের জনক নন। D) প্যাস্কেল — তিনি প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা প্যাস্কেলিন আবিষ্কার করেছিলেন, যা আধুনিক কম্পিউটার নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যাবেজ মানেই কম্পিউটারের জনক। নামটি মনে রাখতে ব্যাবেজ শব্দটি মাথায় রাখুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন এর নকশা তৈরি করেছিলেন। অ্যাডা লাভলেসকে বিশ্বের প্রথম প্রোগ্রামার বলা হয় যিনি চার্লস ব্যাবেজের যন্ত্রের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম লিখেছিলেন।

মোট প্রশ্ন (2)

2. সুন্দরবনের কত শতাংশ বাংলাদেশ অংশে পড়েছে?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২ শতাংশ ১. কেন সঠিক: - সুন্দরবন হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় একক ম্যানগ্রোভ বন, যার ভৌগোলিক বিস্তার বাংলাদেশ ও ভারতজুড়ে অবস্থিত। - মোট সুন্দরবনের প্রায় ৬২ শতাংশ বা তার বেশি অংশ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় পড়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের অববাহিকায় গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর ত্রিকূল বদ্বীপ অঞ্চলে সুন্দরবন অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি জোয়ার-ভাটার প্লাবনভূমি এবং লবণাক্ত সহনশীল সুন্দরী, গেওয়া ও গরান গাছের জন্য বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সাতক্ষীরা জেলা ব্যাখ্যা: সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণ অংশ সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের অন্তর্ভুক্ত যা উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা করে। উদাহরণ ২: খুলনা জেলা ব্যাখ্যা: খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলা সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান সংরক্ষণের ক্ষেত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫৪ শতাংশ — এটি ভুল তথ্য কারণ বাংলাদেশ অংশের পরিমাণ এর চেয়ে বেশি। B) ৫৮ শতাংশ — এটি সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের সঠিক অনুপাত নয়। D) ৬৬ শতাংশ — এটি অতিরিক্ত অনুমাননির্ভর হিসাব যা প্রামাণ্য তথ্যের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের পরিমাণ ষাটের কোঠার কাছাকাছি অর্থাৎ প্রায় বাষ্পীয় বা ৬২ শতাংশ মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুন্দরবনের বাকি ৩৮ শতাংশ অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অবস্থিত। - সুন্দরবন ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।