সঠিক উত্তর: B) অধিকরণে সপ্তমী
কেন সঠিক:
- 'সর্বাঙ্গে' শব্দের অর্থ সমস্ত অঙ্গে বা শরীরে, যা একটি স্থান বা ক্ষেত্র বোঝায়।
- স্থান বা ক্ষেত্র বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলা হয়।
- শব্দের শেষে এ, য়ে, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়।
- যেমন বনে বা বনেতে বাস করে বাঘ, এখানে বনে অধিকরণে সপ্তমী কারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অধিকরণে তৃতীয়া — কারণ অধিকরণ কারকে এ বা তে বিভক্তি যুক্ত হয়, দ্বারা বা কর্তৃক বা দিয়া বিভক্তি যুক্ত হয় না।
- C) কর্তায় সপ্তমী — কারণ এখানে বাক্যটির মূল কর্তা 'সর্বাঙ্গে' নয়, বরং এটি ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে।
- D) অপাদানে তৃতীয়া — কারণ অপাদান কারকে বিচ্যুত, জাত, ভয় বা রক্ষিত হওয়া বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
- কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তাতে যদি এ বা তে বিভক্তি থাকে, তবে তা সাধারণত অধিকরণে সপ্তমী হয়।
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়, এখানে বাড়ি হলো স্থান বা আধার এবং এর সাথে হতে বা থেকে অনুসর্গ যুক্ত আছে যা পঞ্চমী বিভক্তি নির্দেশ করে।
- স্থান বা আধার বোঝালেও যদি সেখান থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, বিরত, গৃহীত, জাত, রক্ষিত বা দূরীভূত হওয়া বোঝায়, তবে তা অধিকরণ কারক না হয়ে ব্যাকরণের নিয়মে অপাদান কারক হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়াকে কোথায় বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে স্থান বা সময় পাওয়া যায় তাকে সাধারণত অধিকরণ কারক বলে।
- তবে স্থান বা আধারের উৎস বা দূরত্ব বোঝালে এবং সেখান থেকে কোনো কিছু দেখা বা নিসৃত হওয়া বুঝলে তা অপাদান কারক হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাদ থেকে বৃষ্টি পড়ছে।
ব্যাখ্যা: ছাদ একটি স্থান এবং বৃষ্টি সেখান থেকে পতিত হচ্ছে বিধায় এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন এ, য়, তে হলেও এখানে বাড়ি শব্দের সাথে থেকে অনুসর্গ যুক্ত রয়েছে।
B) অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তি — এই অপশনটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হলেও উৎস বা দূরত্বের ক্ষেত্রে এটি অপাদান কারক হওয়া উচিত।
C) অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি — মূল ব্যাকরণিক নিয়ম অনুযায়ী উৎস বা দূরত্ব বোঝানোর কারণে এটি মূলত অপাদান কারক হওয়া সঠিক।
D) অধিকরণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি — তৃতীয়া বিভক্তির চিহ্ন দ্বারা, দিয়া, কর্তক হলেও এখানে তা অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্থান থেকে কিছু দেখা, ছিটকে পড়া বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালে সাধারণ অধিকরণ মনে হলেও তা মূলত অপাদান কারক হয়।
- পঞ্চমী বিভক্তির অনুসর্গ হতে, থেকে, চেহারার দিকে লক্ষ করলেই সঠিক বিভক্তি নির্ণয় করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় শুধু স্থান দেখলে অধিকরণ না ভেবে ক্রিয়ার সাথে তার সম্পর্ক বুঝতে হবে।
- উৎস বা দূরত্ব বোঝালে সবসময় অপাদান কারক ধরতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শাশুড়ী
১. কেন সঠিক:
- 'শ্বশু' একটি প্রাচীন বা তৎসম শব্দ যার অর্থ শাশুড়ী বা স্বামীর বা স্ত্রীর মাতা।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত বা বিশেষ শব্দার্থ থেকে প্রশ্ন আসে, যার সঠিক অর্থ জানা থাকলে নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ রয়েছে যার উৎস বিশ্লেষণ করলে নির্দিষ্ট আত্মীয় বা সম্পর্কের পরিচয় পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্বশুর
ব্যাখ্যা: এটি 'শ্বশু' শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত আরেকটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার অর্থ স্বামীর বা স্ত্রীর পিতা।
উদাহরণ ২: জামাতা
ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিভাষিক বা তৎসম শব্দ যার অর্থ মেয়ের স্বামী বা জামাই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাড়িগোঁফ — এটি মুখের লোম বা শ্মশ্রু অর্থে ব্যবহৃত হয়, 'শ্বশু' শব্দের অর্থ এটি নয়।
B) অশ্র — এর অর্থ চোখের জল বা ল্যাক্রিমাল ফ্লুইড, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে মেলে না।
C) শাশুড়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'শ্বশু' শব্দের প্রচলিত অর্থ হলো স্বামীর বা স্ত্রীর মাতা।
D) শশুর — এটি বানানরীতির দিক থেকে ভিন্ন এবং এটি স্বামীর বা স্ত্রীর পিতাকে বোঝায়, তাই সরাসরি এই শব্দের সঠিক অর্থ শাশুড়ী হবে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শ্বশু মানে শাশুড়ী আর শ্বশুর মানে স্বামী বা স্ত্রীর পিতা, এই মিল মাথায় রাখলে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
- পরীক্ষার্থের সুবিধার্থে শব্দের প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এ ধরনের শব্দার্থভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক বা বিসিএস পরীক্ষায় এক নম্বরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রমিত বানান ও সঠিক অর্থ আয়ত্ত করতে বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসরণ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) মশারি
১. কেন সঠিক:
দ্রুত উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের মাঝের কোনো স্বরধ্বনি অনেক সময় লোপ পায়, একে মধ্যস্বরলোপ বা অপিনিহিতির বিপরীত প্রক্রিয়া বা বিষমীকরণ বলা চলে। মশারি শব্দটি মূলত এসেছে মশারী থেকে, যেখানে মাঝের 'আ' ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় বাদ পড়ে গেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
পদ বা শব্দের মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনি লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে মধ্যস্বরলোপ বা সম্প্রকর্ষ বলা হয়। দ্রুত উচ্চারণের প্রবণতা থেকে অনেক সময় এই ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বসতি থেকে বস্তি। এখানে মধ্যবর্তী 'অ' স্বরধ্বনি লোপ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: জানালা থেকে জানলা। এখানে মধ্যবর্তী স্বরধ্বনি 'আ' লোপ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাদর — এটি কোনো মধ্যস্বরলোপের উদাহরণ নয়, এটি একটি মৌলিক বা প্রচলিত তৎসম বা তদ্ভব শব্দ। এখানে কোনো স্বরধ্বনি লোপ পাওয়ার ঘটনা ঘটেনি।
B) গামছা — এটি গামছা বা গামছা জাতীয় শব্দ, যা সরাসরি ব্যবহৃত হয় এবং মধ্যস্বরলোপের কোনো পরিবর্তন এখানে ঘটেনি।
D) লুঙ্গি — এটি একটি বিদেশি শব্দ (বর্মি ভাষা থেকে আগত), যা অবিকৃতভাবে বাংলায় ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এর মধ্যে মধ্যস্বরলোপ ঘটেনি।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দ উচ্চারণের সময় যদি মাঝের কোনো স্বরধ্বনি গায়েব হয়ে যায় তবে তা মধ্যস্বরলোপ। জানালা থেকে জানলা মনে রাখলে এই নিয়মটি সহজেই আয়ত্ত করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসে। মধ্যস্বরলোপ এবং আদি বা অন্ত্যস্বরলোপের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে শব্দগুলো উচ্চারণ করে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সর্বভূমি + ষ্ণ
১. কেন সঠিক:
সার্বভৌম শব্দটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি বিশেষ শব্দ যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
এখানে সর্বভূমি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আদি স্বরের বৃদ্ধি এবং প্রত্যয়ান্ত রূপ হিসেবে সার্বভৌম শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণের তদ্ধিত প্রত্যয় বিধান অনুযায়ী শব্দগঠনের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে এবং প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী + ষ্ণ = পার্থিব
ব্যাখ্যা: পৃথিবী শব্দের আদি স্বর ঋ এর স্থানে আর এবং প্রত্যয় যোগে পার্থিব শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সুন্দর + ষ্ণ = সৌন্দৰ্য
ব্যাখ্যা: সুন্দর শব্দের আদি স্বর উ এর স্থানে ও এবং প্রত্যয় যোগে সৌন্দর্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার্বভৌম — এটি প্রশ্ন প্রদত্ত মূল শব্দ, কোনো সন্ধি বা প্রত্যয় বিভাজন নয়।
B) সর্বভূমি + যঃ — এটি কোনো সঠিক প্রত্যয় সাধিত রূপ বা নিয়ম নয়।
C) সার্বভৌম + ম + সর্বভূমি — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং অগঠিত একটি শব্দগুচ্ছ।
D) সর্বভূমি + ষ্ণ — এটি ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্রত্যয় বিশ্লেষণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
ষ্ণ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ চেনার জন্য শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন খেয়াল রাখতে হবে।
সর্বভূমি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হলেই সার্বভৌম শব্দটি পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় থেকে প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন আসে।
আদি স্বরের বৃদ্ধি যেমন অ বা আ থাকলে আ, ই বা ঈ থাকলে ঐ, উ বা ঊ থাকলে ঔ হয়—এই নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) প্রকৃতি
১. কেন সঠিক:
শব্দ ও ধাতুর মূলকে প্রকৃতি বলা হয়। ব্যাকরণ অনুযায়ী যা বিভক্তিহীন শব্দ বা ক্রিয়া মূল, তা-ই প্রকৃতি হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রকৃতি হলো শব্দ বা ক্রিয়ার মূল রূপ। শব্দ বা ক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগের মৌলিক অংশই হলো প্রকৃতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চল + আ = চলা। এখানে চল হলো প্রকৃতি।
ব্যাখ্যা: চল হলো ক্রিয়ার মূল বা ধাতু, যা এক ধরনের প্রকৃতি।
উদাহরণ ২: ফুল + এর = ফুলের। এখানে ফুল হলো প্রকৃতি।
ব্যাখ্যা: ফুল হলো শব্দের মূল বা প্রাতিপদিক, যা নামপ্রকৃতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, যা শব্দ বা ধাতুর মূল নয়।
B) প্রকৃতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদ গঠনকারী বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি হলো বিভক্তি, মূল নয়।
D) ধাতু — এটি কেবল ক্রিয়ামূল, কিন্তু শব্দমূল এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দ এবং ধাতুর মূল হলো প্রকৃতি, আর প্রত্যয় বা বিভক্তি হলো তার শাখা। মূল গাছ যেমন প্রকৃতি, তেমনি শব্দ বা ধাতুর মূলও প্রকৃতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রকৃতি প্রধানত দুই প্রকার, যথা নামপ্রকৃতি এবং ধাতু বা ক্রিয়াপদ প্রকৃতি। এই মৌলিক ধারণা থেকে বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ভবিষ্যৎ
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ভবিষ্যৎ শব্দটি বানানে শেষ বর্ণ হিসেবে খণ্ড-ত ব্যবহার করতে হয়।
এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ আগামীকাল বা অনাগত সময়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণ এবং বাংলা প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দের অন্তে খণ্ড-ত ব্যবহৃত হয়।
যেসব শব্দে হসন্তযুক্ত ত উচ্চারিত হয়, সেসব শব্দে প্রমিত বানানে খণ্ড-ত লেখা বাধ্যতামূলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর শেষে খণ্ড-ত যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মূলত
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির শেষেও প্রমিত নিয়ম মেনে খণ্ড-ত ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভবিষ্যৎ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
B) দীর্ঘজীবি — এই বানানটি ভুল কারণ দীর্ঘজীবী বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়।
C) মীচিন — এটি কোনো প্রমিত বা অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ নয়।
D) আশির্বাদ — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো আশীর্বাদ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভবিষ্যৎ শব্দটিতে সবসময় খণ্ড-ত ব্যবহার করতে হয়, পূর্ণ ত ব্যবহার করা যাবে না।
শব্দের শেষে ত-এর উচ্চারণ থাকলে সাধারণত খণ্ড-ত লেখার নিয়ম মনে রাখা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বানানে খণ্ড-ত ব্যবহারের নিয়ম থেকে প্রশ্ন আসে।
দীর্ঘজীবী ও আশীর্বাদ শব্দের বানানগুলোও বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) দুই বিঘা জমি
১. কেন সঠিক:
- এই চরণদ্বয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'দুই বিঘা জমি' কবিতার অংশ।
- এখানে সমাজের ধনী ও ক্ষমতাশালীদের লোভ এবং গরিব মানুষের অসহায়ত্বের চিরন্তন চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক।
- 'দুই বিঘা জমি' কবিতাটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি দীর্ঘ narrative কবিতা যা সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রামের কথা বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'প্রাণ' কবিতার চরণ যা তাঁর কাব্যচেতনার বহিঃপ্রকাশ।
উদাহরণ ২: কনকচাঁপার পাতা ঝরে ঝরে পড়ে অতি নিরাপদে।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলার একটি সুপরিচিত কাব্যিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরাতন ভৃত্য — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প, কোনো কবিতা নয়।
B) দুই বিঘা জমি — এটি সঠিক উত্তর এবং উদ্দীপকের চরণটি এই কবিতা থেকেই সংগৃহীত হয়েছে।
C) নিষ্ফল উপহার — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশেষ কবিতা হলেও এই পংক্তিটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) দেবতার গ্রাস — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতা যার বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জমিদার ও উপেনের গরিব হওয়ার গল্প মনে রাখলেই 'দুই বিঘা জমি' কবিতার এই বিখ্যাত লাইনটি চিনে ফেলা সহজ।
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সামাজিক বৈষম্যমূলক কবিতার লাইন মনে রাখতে গরিবের ওপর জুলুমের বিষয়টি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা থেকে প্রায়ই বিখ্যাত লাইন তুলে প্রশ্ন করা হয়।
- কবিতাগুলোর নাম এবং মূলভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) পুরাঘটিত বর্তমান
১. কেন সঠিক:
যে ক্রিয়া কিছুক্ষণ আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল বা রেশ বর্তমানেও বিদ্যমান থাকে, তাকে বাংলা ব্যাকরণে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলা হয়।
এখানে কাজের সমাপ্তি বোঝানোর পাশাপাশি বর্তমান কালের সঙ্গে তার একটি সংযোগ বা ফলাফল স্পষ্ট থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বর্তমান কালের যে শ্রেণিবিভাগে কাজ শেষ হলেও তার ফল বর্তমান থাকে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান বা প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স বলা হয়।
বাক্যের ক্রিয়া পদের সঙ্গে বাংলা ক্রিয়ার রূপ গঠনে চসি, ছে, ছেন, য়াছি, য়াছ, য়াছেন ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি ভাত খেয়েছি।
ব্যাখ্যা: ভাত খাওয়ার কাজটি কিছুক্ষণ আগে শেষ হয়েছে এবং তার তৃপ্তি বা পেট ভরা থাকার ফল বর্তমানেও রয়েছে।
উদাহরণ ২: সে মাত্র স্টেশনে পৌঁছেছে।
ব্যাখ্যা: পৌঁছানোর কাজটি এইমাত্র সম্পন্ন হয়েছে এবং সে বর্তমানে স্টেশনেই রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘটমান বর্তমান — যে কাজ বর্তমানে চলছে বা ঘটছে বোঝায়, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে। তাই এটি সঠিক নয়।
B) পুরাঘটিত বর্তমান — এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক কারণ এটি কাজের সমাপ্তি ও ফলের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
C) নিত্যবৃত্ত অতীত — যে কাজ অতীতে নিয়মিত বা সচরাচর ঘটত বোঝাত, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে। তাই এটি সঠিক নয়।
D) সাধারণ অতীত — যে কাজ অতীতে সাধারণভাবেই ঘটেছিল এবং যার ফল বর্তমানে নেই, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে। তাই এটি সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পুরাঘটিত বর্তমান মনে রাখার সহজ উপায় হলো কাজটি শেষ, কিন্তু তার ফল বা রেশ এখনো শেষ হয়নি।
বাংলায় সাধু বা চলিত রূপের ক্রিয়াপদে করিয়াছি বা করেছি জাতীয় শব্দ দেখলে এটি সহজেই চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার শেষের রূপ ও তার ফল বিবেচনা করতে হয়।
কাজ শেষ কিন্তু রেশ বর্তমান থাকলে সবসময় তা পুরাঘটিত বর্তমান কাল হিসেবে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুদ্রার্থে
১. কেন সঠিক:
- মূল শব্দের সঙ্গে বিশেষ তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন কোনো ছোট বা ক্ষুদ্র বস্তুর বোঝায়, তখন তাকে ক্ষুদ্রার্থক স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
- মাটি শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাটিকা শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি ছোট মাটি বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুসারে বিশেষ্য শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করে শব্দের অর্থে পরিবর্তন আনা হয়।
- ইকা প্রত্যয়টি সাধারণত ক্ষুদ্রতা, অবহেলা বা স্নেহ বোঝাতে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুস্তিকা
ব্যাখ্যা: পুস্তক শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র বই বা পুস্তিকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মালিকা
ব্যাখ্যা: মালা শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ছোট মালা বা হার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদৃশ্য অর্থে — সাদৃশ্য বোঝাতে অন্য ধরনের প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যাসার্থে — ব্যাস বা বিস্তার বোঝাতে এই শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয় না।
D) বৃহদার্থে — বৃহদার্থ বোঝাতে সাধারণত বড় বা দীর্ঘার্থক প্রত্যয় যুক্ত হয়, যা ক্ষুদ্রার্থের বিপরীত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইকা প্রত্যয়যুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত ক্ষুদ্র বা ছোট বস্তু বোঝায় তা মনে রাখবে।
- পুস্তিকা বা মাটিকা শব্দগুলো ছোট আকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয়ের ব্যবহার থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অন্তে ইকা প্রত্যয় থাকলে তা সাধারণত ক্ষুদ্রার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে সপ্তমী
কেন সঠিক:
- ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলে, তাই এটি উৎস বা বিচ্যুতির অর্থ প্রকাশ করছে।
- শব্দের শেষে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অপকারক কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহিত, উৎপন্ন বা তত্রাচ বোঝায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- এ, তে, য় ইত্যাদি বর্ণ শব্দের সাথে যুক্ত হলে সপ্তমী বিভক্তি হয়।
- গাছ থেকে পাতা পড়ে, এখানে গাছ থেকে হলো অপাদান কারকের উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অপাদানে সপ্তমী — এটিই সঠিক উত্তর, বাক্যের উৎস অর্থ এখানে প্রকাশ পেয়েছে।
- B) অধিকরণে সপ্তমী — এখানে কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না, তাই এটি ভুল।
- C) কর্তায় দ্বিতীয়া — ঝিনুক কোনো কাজ করছে না এবং দ্বিতীয়া বিভক্তিও এখানে নেই।
- D) কর্মে দ্বিতীয়া — যাকে আশ্রয় করে কর্ম সম্পাদিত হয় তা কর্ম কারক নয় এবং বিভক্তিও ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
- কোথা থেকে উৎপন্ন বা বিচ্যুত বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- এ বা তে যোগ থাকলে সপ্তমী বিভক্তি ধরতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অবচেতন
১. কেন সঠিক:
- Subconscious শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অবচেতন, যা মনস্তত্ত্ব ও দর্শনের একটি বহুল ব্যবহৃত পরিভাষা।
- এটি আমাদের চেতনার ঠিক নিচের স্তরকে নির্দেশ করে, যেখানে এমন স্মৃতি বা ভাব জমা থাকে যা তাৎক্ষণিকভাবে মনে না থাকলেও প্রয়োজনে মনে করা সম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য ভাষা থেকে বাংলায় সফলভাবে রূপান্তর করা হয়।
- ইংরেজি পরিভাষার ভাব ও অর্থ ঠিক রেখে বাংলা একাডেমি এবং প্রমিত রীতি অনুসরণ করে এসব শব্দের প্রাতিষ্ঠানিক বাংলা রূপ নির্ধারণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Unconscious
ব্যাখ্যা: Unconscious শব্দটির সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অচেত্ন বা অচেতন, যা চেতনার সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি বোঝায়।
উদাহরণ ২: Conscious
ব্যাখ্যা: Conscious শব্দটির সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো চেতন বা সচেতন, যা সজাগ অবস্থা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবচেতন — এটি Subconscious শব্দের সঠিক এবং পরীক্ষিত বাংলা পারিভাষিক রূপ।
B) চেতনাহীন — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Unconscious বা Senseless হয়।
C) চেতনা প্রবাহ — এই শব্দটির সঠিক ইংরেজি পরিভাষা হলো Stream of consciousness।
D) অর্ধচেতন — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হিসেবে Semi-conscious বা Half-conscious ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Sub শব্দের অর্থ নিচে এবং conscious অর্থ চেতন, তাই মিলিয়ে মনে রাখবে Subconscious অর্থ অবচেতন।
- ইংরেজি পরিভাষা শেখার সময় মূল শব্দের উপসর্গ বা অংশগুলো আলাদা করে বাংলা রূপের সঙ্গে মেলালে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মনোবিজ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি শব্দের পরিভাষা প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর তালিকা আলাদা করে চর্চা করবে।
- একই রকম দেখতে পরিভাষাগুলোর সুনির্দিষ্ট তফাত বুঝতে শব্দের মূল উৎস ও ভাবার্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অস্থির মানব মন
১. কেন সঠিক:
- 'মন না মতি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার মাধ্যমে মানুষের মনের চরম চঞ্চলতা ও পরিবর্তনের অবস্থাকে বোঝানো হয়।
- মানুষের মন স্থির থাকে না, ক্ষণে ক্ষণে তার চিন্তা ও ইচ্ছা পরিবর্তিত হয়, এই সার্বজনীন সত্যটিই এই বাগধারার মূল ভাব।
২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের মন বড়ই অদ্ভুত, আজ এক কথা বলে তো কাল অন্য কথা, একেই বলে মন না মতি।
ব্যাখ্যা: মানুষের মনের এই পরিবর্তনশীল ও অস্থির প্রকৃতি বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাজনীতিতে নেতাদের অবস্থান নদীর বাঁকের মতো, তাদের মন না মতি বোঝা বড় দায়।
ব্যাখ্যা: এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অনিশ্চিত ও ঘনঘন মত বদলানোর স্বভাবকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অরজা — এই অপশনটির কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রাসঙ্গিক ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই এবং এটি কোনো পরিচিত বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে না।
B) অপদার্থ — অপদার্থ বলতে কোনো অযোগ্য বা কাজের নয় এমন বস্ত্ত বা ব্যক্তিকে বোঝায়, যা অস্থির মনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
C) মূল্যবান — মূল্যবান শব্দের অর্থ যা অত্যন্ত দামি বা যার অনেক মূল্য আছে, যা মানুষের মনের অস্থিরতা বোঝাতে সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত।
D) অস্থির মানব মন — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'মন না মতি' বাগধারাটি মানুষের মনের পরিবর্তনশীল অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মন স্থির থাকে না বা মতিভ্রম হয়, এমন অবস্থা মনে রাখলেই 'অস্থির মানব মন' উত্তরটি সহজে বের করা সম্ভব।
- মন এবং মতি শব্দ দুটি মানুষের চিন্তা ও ইচ্ছার পরিবর্তনশীলতা নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব ও মনের অবস্থাভিত্তিক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারা পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থ না ভেবে তার প্রচ্ছন্ন ভাবার্থ বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আমার যাওয়া হবে না
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি প্রধান হয়ে উঠেছে এবং কর্তাটি গৌণ বা বিভক্তিযুক্ত হয়েছে।
- ভাববাচ্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার অর্থই এখানে প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে কর্তার প্রাধান্য না থেকে ক্রিয়ার ভাব বা অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং কর্তাটি ষষ্ঠী বা তৃতীয়ী বিভক্তিযুক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
- ভাববাচ্যের ক্রিয়াপদ সবসময় নামপুরুষের একবচন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার দ্বারা এ কাজ হবে না
ব্যাখ্যা: এখানে কর্তার সাথে দ্বারা বিভক্তি যুক্ত হয়ে ভাববাচ্য গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: আমাকে আজ রাতেই রওনা হতে হবে
ব্যাখ্যা: এখানেও কর্তায় বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার ভাবকে প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাকে গ্রামে যেতে হবে — এটি কর্মবাচ্য বা পচবাচ্যের উদাহরণ হতে পারে যেখানে কর্তার ওপর বাধ্যবাধকতা আছে কিন্তু সরাসরি ভাববাচ্যের প্রমিত রূপ নয়।
B) আমার যাওয়া হবে না — এটি সঠিক উত্তর।
C) সে গ্রামে যাবে — এটি কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ কারণ এখানে কর্তা সরাসরি প্রধান এবং ক্রিয়াপদ কর্তার পুরুষ অনুযায়ী হয়েছে।
D) ছুটি হলে ঘণ্টা বাজে — এটি ভাববাচ্যের নয়, বরং সাধারণ কর্তৃবাচ্য বা নিরপেক্ষ কর্তাভিত্তিক বাক্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভাববাচ্যের বাক্যে সাধারণত কর্তা বা সর্বনামের সাথে আমার, তোমার, তার ইত্যাদি ষষ্ঠী বিভক্তি বা দ্বারা, কর্তৃক অনুসর্গ থাকে।
- ক্রিয়ার পদটি দেখে বুঝতে হবে কাজটি সম্পন্ন করার চেয়ে ভাবের প্রকাশটাই এখানে মুখ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে।
- কর্তৃবাচ্য থেকে ভাববাচ্যে রূপান্তরের সময় কর্তার সাথে বিভক্তি যোগ করতে হয় এবং ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) সম + বিধান
কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম এর পর ব থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়।
সম পদের ম এবং বিধান পদের ব মিলে এখানে সংবিধান গঠিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত যা পরিবর্তনশীল রূপ নির্দেশ করে।
ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দ তৈরি হয়।
যেমন সম যোগ বাদ সমান সংবাদ এবং সম যোগ তাপ সমান সন্তাপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সং + বিধান — এখানে প্রথম অংশে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক সন্ধির নিয়ম মেনে চলে না।
B) সম+ ধান — এখানে বিধান শব্দের পরিবর্তে ধান ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অর্থ পরিবর্তন করে দেয়।
C) সং+ অবিধান — এখানে অবিধান শব্দটি মূল শব্দের সাথে মেলে না এবং ভুল নিয়মে গঠিত হয়েছে।
D) সম + বিধান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলে।
মনে রাখার টিপস:
ম এর সাথে ব যুক্ত থাকলে ম এর পরিবর্তে অনুস্বার বসবে।
সম উপসর্গের সাথে মূল শব্দ যুক্ত করার সময় এই নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ১৮২৯ সালে
১. কেন সঠিক:
সতীদাহ প্রথা ছিল প্রাচীন ভারতীয় হিন্দু সমাজের একটি কুসংস্কার, যার মাধ্যমে মৃত স্বামীর চিতার সঙ্গে জীবন্ত বিধবা স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারা হতো।
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ৪ই ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে আইন পাস করে সতীদাহ প্রথা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও অপরাধ ঘোষণা করেন।
২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা:
বাংলার নবজাগরণ ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের ইতিহাসে সতীদাহ প্রথা বিলোপ একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
এই প্রথা বিলুপ্তির পেছনে রাজা রামমোহন রায়ের অসামান্য অবদান ছিল, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে এর বিরুদ্ধে জনমত গঠন ও আন্দোলন পরিচালনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিধবা বিবাহ আইন ১৮৫৬
ব্যাখ্যা: সমাজ সংস্কারের ধারাবাহিকতায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।
উদাহরণ ২: নারী শিক্ষা বিস্তার ১৮৪৯
ব্যাখ্যা: সমাজে নারীর অধিকার ও শিক্ষা প্রসারের জন্য ১৮৪৯ সালে বেথুন স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭২৯ সালে — এটি সঠিক ঐতিহাসিক সাল নয় এবং এই সময়ে এ ধরনের কোনো সংস্কার আইন পাস হয়নি।
B) ১৮৩০ সালে — সতীদাহ প্রথা বিলোপের আইন পাস হয় ১৮২৯ সালে, তাই ১৮৩০ সাল সঠিক নয়।
C) ১৮৩৯ সালে — এই সালে সতীদাহ প্রথা বিলোপ করা হয়নি, এটি ভুল ঐতিহাসিক তথ্য।
D) ১৮২৯ সালে — এই সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক আইন পাস করে সতীদাহ প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সতীদাহ প্রথা বিলোপের সাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১৮২৯ সাল মনে রাখা এবং এর মূল নায়ক হিসেবে রাজা রামমোহন রায় ও লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংকের নাম মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সতীদাহ প্রথা কবে বিলুপ্ত হয় এবং কোন গভর্নর জেনারেল এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
উত্তর হবে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক এবং সালটি হলো ১৮২৯ সাল।
সঠিক উত্তর: A) নির্মলেন্দু গুণ
১. কেন সঠিক:
- 'চাষাভুষার কাব্য' হলো প্রখ্যাত আধুনিক কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশিষ্ট কবিদের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী দশকের অন্যতম প্রধান কবি।
- তাঁর কবিতায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, দ্রোহ, প্রেম ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'প্রেমাংশুর রক্তচাই'
ব্যাখ্যা: এটি নির্মলেন্দু গুণের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর দ্রোহী চেতনার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: 'হুলিয়া'
ব্যাখ্যা: এটি নির্মলেন্দু গুণের বিখ্যাত একটি দীর্ঘ কবিতা, যা বাংলা কবিতায় এক অনন্য সংযোজন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্মলেন্দু গুণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর সঙ্গে 'চাষাভুষার কাব্য' গ্রন্থটির সরাসরি সংযোগ রয়েছে।
B) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি হলেও 'চাষাভুষার কাব্য' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়।
C) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট নারী কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচনা নয়।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হলেও 'চাষাভুষার কাব্য' তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গুণী মানুষেরা চাষাভুষার কাব্য লেখেন, এভাবে কবি 'নির্মলেন্দু গুণ' এবং তাঁর কাব্যগ্রন্থ 'চাষাভুষার কাব্য' একসাথে মনে রাখা যায়।
- আধুনিক কবিদের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের মূল সুর ও রচনার নাম মিলিয়ে পড়া উপকারী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নির্মলেন্দু গুণের জন্ম নেত্রকোনা জেলায় এবং তিনি বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেছেন।
- কবি ও কাব্যগ্রন্থের নাম মেলানোর এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত আসে।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষণপ্রভা
১. কেন সঠিক:
- যার জ্যোতি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, তাকে এককথায় ক্ষণপ্রভা বলা হয়।
- এই বাক্যাংশটি মূলত বিদ্যুৎ বা বিজলির স্বল্পস্থায়ী আলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
- একাধিক পদ বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষণস্থায়ী
ব্যাখ্যা: যা অল্পকাল স্থায়ী হয়, তাকে ক্ষণস্থায়ী বলা হয়।
উদাহরণ ২: ক্ষণভঙ্গুর
ব্যাখ্যা: যা অল্প সময়েই ভেঙে বা নষ্ট হয়ে যায়, তাকে ক্ষণভঙ্গুর বলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষণপ্রভা — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ স্বল্পস্থায়ী জ্যোতি বা বিদ্যুৎ।
B) রগ — এটি পেশা, ধমনী বা জোরালো টান অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার জ্যোতির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ক্ষণস্থায়ী জ্যোতি — এটি সমার্থক হলেও এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রমিত শব্দ হিসেবে ক্ষণপ্রভা বেশি উপযোগী।
D) অনুসূয়া — এটি একটি নাম এবং এর অর্থ যার কোনো অসূয়া বা ঈর্ষা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্ষণ অর্থ অল্প সময় এবং প্রভা অর্থ আলো বা জ্যোতি।
- স্বল্পস্থায়ী আলোকে মনে রাখতে ক্ষণপ্রভা শব্দটি বিজলির সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিদ্যুতের সমার্থক শব্দগুলোর এককথায় প্রকাশের রূপগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া ইত্যাদিকে
কেন সঠিক:
লোকসাহিত্যের মূল ভিত্তি হলো মৌখিক ঐতিহ্য যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মুখে মুখে টিকে থাকে।
এতে গ্রামীণ মানুষের সুখ দুঃখ, আশা আকাঙ্ক্ষা এবং সংস্কৃতির সহজ প্রকাশ ঘটে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
লোকসাহিত্য হলো এমন এক সাহিত্য যার কোনো একক লেখক বা রচয়িতা থাকে না।
এটি মূলত সমাজের সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সৃষ্টি যা সময়ের পরিক্রমায় পরিবর্তিত হয়।
এর জনপ্রিয় কিছু রূপ হলো রূপকথা, প্রবাদ প্রবচন, ধাঁধা এবং লোকগীতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রামের অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকদের সৃষ্ট রচনাকে — লোকসাহিত্য কেবল অশিক্ষিত মানুষের সৃষ্টি নয়, এতে সমাজের সুপ্ত মেধার প্রকাশ ঘটে।
B) লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া ইত্যাদিকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) গ্রামীণ নরনারীর প্রণয় সংবলিত উপাখ্যানকে — এটি লোকসাহিত্যের একটি নির্দিষ্ট অংশ হতে পারে, কিন্তু সমগ্র লোকসাহিত্যের সঠিক সংজ্ঞা নয়।
D) জনশ্রুতিমূলক বিষয় — জনশ্রুতি লোকসাহিত্যের একটি উপাদান মাত্র, কিন্তু এর পরিধি আরও অনেক বেশি ব্যাপক।
মনে রাখার টিপস:
মুখে মুখে যা ফেরে, সেটাই লোকসাহিত্য হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) সমষ্টি
১. কেন সঠিক:
- ব্যষ্টি শব্দের অর্থ একক ব্যক্তি বা স্বতন্ত্র সত্তা।
- এর বিপরীত অর্থ হলো অনেক কিছুর একত্র মিলন বা সম্মিলিত রূপ, যা সমষ্টি শব্দ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করা হয়।
- এখানে ব্যষ্টি বা একক সত্তার বিপরীতে সামগ্রিক বা সমষ্টিগত অর্থ বোঝাতে সমষ্টি শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যষ্টি জীবন বনাম সমষ্টি জীবন।
ব্যাখ্যা: এখানে একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন বনাম সমাজের আটপৌরে সম্মিলিত জীবনকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যষ্টি অর্থনীতি বনাম সমষ্টি অর্থনীতি।
ব্যাখ্যা: অর্থনীতিতে একক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হিসাবকে ব্যষ্টি এবং পুরো দেশের অর্থনীতিকে সমষ্টি বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৃষ্টি — এই শব্দটির মূল অর্থ কোনো কিছু তৈরি করা।
এর বিপরীতার্থক শব্দ ধ্বংস বা প্রলয় হয়।
B) বৃদ্ধ — এই শব্দটির অর্থ বয়স বেশি হয়েছে এমন ব্যক্তি।
এর বিপরীতার্থক শব্দ তরুণ বা যুবক হয়।
C) বৃদ্ধি — এই শব্দটির অর্থ কোনো কিছুর পরিমাণ বা মান বাড়া।
এর বিপরীতার্থক শব্দ হ্রাস বা কমা হয়।
D) সমষ্টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একক বা ব্যষ্টির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্যষ্টি মানে একটি বিন্দু এবং সমষ্টি মানে পুরো বৃত্ত।
- এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি বের করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে একক বনাম সামগ্রিক ধারণার প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে পারলে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) The wounded man was being helped by some children
কেন সঠিক:
Active voice টি Past Continuous Tense এ থাকায়, Passive voice করার সময় object এর পরে was being বসাতে হবে এবং মূল verb এর past participle রূপ বসাতে হবে।
এখানে subject হিসেবে the wounded man আসার পরে সঠিক সাহায্যকারী verb বসেছে এবং by some children দ্বারা agent যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The wounded man was to be heped by some children — এখানে Past Continuous Tense এর নিয়ম না মেনে infinitival passive ব্যবহার করা হয়েছে এবং বানান ভুল রয়েছে।
B) The wounded man was helped by some children — এটি Past Indefinite Tense এর passive রূপ, যা মূল বাক্যের continuous tense এর অর্থ প্রকাশ করে না।
C) The wounded man was helping some children — এটি passive form নয়, বরং এটি একটি ভুল active structure যা অর্থ পরিবর্তন করে দেয়।
D) The wounded man was being helped by some children — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Continuous tense এর passive করার সময় am, is, are, was, weren এর সাথে being যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) would rather
কেন সঠিক:
বাক্যে তুলনামূলক পছন্দ বা দুটি খারাপ অবস্থার মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে would rather ব্যবহার করা হয়। এর গঠন হলো would rather + verb + than।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rather — একা বসলে তার আগে would বা অন্য কোনো সাহায্যকারী ক্রিয়া থাকতে হয়।
B) would rather — এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের শূন্যস্থানে বসেছে।
C) would better — এমন কোনো গঠন ইংরেজিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
D) better — এটি ভালো বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে grammar এর নিয়ম মানে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে than থাকলে এবং দুটি কাজের মধ্যে তুলনা বোঝালে শূন্যস্থানে চোখ বন্ধ করে would rather বসাবে।
সঠিক উত্তর: C) Humorous
কেন সঠিক:
এই শব্দটির সঠিক বানানে হিউমার (humour) শব্দের সাথে শুধু ওএস (ous) যুক্ত হয়।
তাই মূল বানানের পরিবর্তন এড়াতে এই রূপটি মানসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Humurious — এই বানানে আই (i) অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Humorious — এখানে ওআর (or) এর পরিবর্তে ওআরআই (ori) ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
C) Humorous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) Humourius — এই বানানে ইউ (u) এর পরে আই (i) এবং ওএস (ous) একসাথে ভুলভাবে বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
হিউমার (humour) লিখে শেষের ইউ (u) বাদ দিয়ে শুধু ওএস (ous) বসালে সঠিক বানান পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) was cutting down
কেন সঠিক:
বাকyটির প্রথম অংশ When I saw the gardener দেখে বোঝা যায় এটি অতীতের ঘটনা।
তাই পরের অংশেও অতীতের ধারাবাহিক কাজ বোঝাতে Past Continuous Tense ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is cutting down — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে মেলে না।
B) cut down — এটি Simple Past Tense, যা চলমান কাজ বোঝাতে পারে না।
C) will be cutting down — এটি Future Continuous Tense, যা অতীতের সাথে অসংগতিপূর্ণ।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
When-যুক্ত বাক্যের এক অংশ Past Simple হলে অন্য অংশ সাধারণত Past Continuous হয়।
সঠিক উত্তর: A) The basic facts about sex
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ যার মাধ্যমে প্রজনন ও যৌনতা সম্পর্কিত প্রাথমিক জ্ঞান বোঝানো হয়। সাধারণত অভিভাবকদের পক্ষ থেকে শিশুদের এই বিষয়ে সহজভাবে ধারণা দিতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The basic facts about sex — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) The bird's eye view — এর অর্থ ওপর থেকে কোনো কিছুর সামগ্রিক বা সংক্ষিপ্ত দৃশ্য দেখা, যা মূল প্রবাদের সাথে মেলে না।
C) The birds and bees are good workers — এটি পাখির ও মৌমাছির কাজের দক্ষতার কথা বলে, যা সম্পূর্ণ শাব্দিক এবং প্রবাদের আসল অর্থ প্রকাশ করে না।
D) The relation between the birds and bees — এটি পাখি ও মৌমাছির মধ্যকার বাস্ত্তসংস্থানের সম্পর্ক বোঝায়, কিন্তু এটি কোনো প্রচলিত বাগধারা বা ইডিয়ম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাখি ও মৌমাছির জীবনচক্রের মতো প্রকৃতির সরল সত্য এবং প্রজনন জ্ঞান বোঝাতে এই প্রবাদটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
absorbed শব্দের সাথে সাধারণত সঠিক preposition হিসেবে in বসে।
এটি মগ্ন থাকা বা গভীরভাবে চিন্তা করা অর্থ প্রকাশ করে।
এখানে deep thought এর সাথে in preposition0 সবচেয়ে মানানসই।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সে গভীর চিন্তায় মগ্ন ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বসেছে।
B) to — এটি absorbed শব্দের পরে বসে না এবং অর্থের সাথে মেলে না।
C) on — এটি নির্দিষ্ট কোনো উপরিভাগ বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
D) for — এটি উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
absorbed এর পরে সবসময় in বসে এটি মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) obscure
কেন সঠিক:
'Famous' শব্দটির অর্থ বিখ্যাত বা যার সুপরিচিতি আছে। এর বিপরীত অর্থ হলো অজানা বা অস্পষ্ট।
অস্পষ্ট বা কম পরিচিত বোঝাতে 'obscure' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
তাই এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obscure — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ অস্পষ্ট বা অজানা।
B) extra ordinary — এর অর্থ অসাধারণ যা বিখ্যাত শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) frugal — এর অর্থ মিতব্যয়ী বা যে কম খরচ করে।
D) careful — এর অর্থ সতর্ক বা সাবধান।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত মানুষের জীবন সবাই জানে, কিন্তু অস্পষ্ট বা obscure কিছু সবার চোখের আড়ালে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Participle
কেন সঠিক:
rolling শব্দটি এখানে stone নাউনের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
এটি একই সাথে ভার্ব এবং অ্যাডজেক্টিভের কাজ করায় এটিকে পার্টিসিপল বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Verbal noun — এটি ভার্ব থেকে তৈরি হয়ে শুধু নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি অ্যাডজেক্টিভের কাজ করেছে।
B) Participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপশনগুলো ভুল হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) Adjective — এটি মূলত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল, যা বাক্যে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করলেও এর সঠিক ব্যাকরণগত নাম পার্টিসিপল।
D) Gerund — এটি ভার্ব ও নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে শব্দটি নাউনের কাজ না করে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ing যুক্ত শব্দ যদি নাউনের দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করে এবং অ্যাডজেক্টিভের কাজ করে, তবে তা প্রেজেন্ট পার্টিসিপল হয়।
সঠিক উত্তর: A) in case
কেন সঠিক:
এখানে প্রথম বাক্যাংশের সাথে দ্বিতীয় বাক্যাংশের ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে।
ভবিষ্যতের কোনো ঘটনার আশঙ্কায় কোনো সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিতে ইন কেস ব্যবহার করা হয়।
তাই বৃষ্টির আশঙ্কায় ছাতা সাথে রাখার ক্ষেত্রে এই ফ্রেজটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
এটি মূলত আগের কাজের পেছনের কারণ বা সতর্কতা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in case — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
B) unless — এর অর্থ যদি না, যা বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত ও ভুল হয়।
C) incase of — এটি একটি ভুল বানান এবং এর পর সাধারণত নাউন ফ্রেজ বসে।
D) if — এর অর্থ যদি, যা বসালে ভবিষ্যতের আশঙ্কার অর্থ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
মনে রাখার টিপস:
ভবিষ্যতের কোনো সম্ভাব্য বিপদ বা বৃষ্টির মতো ঘটনার কথা ভেবে আগে থেকেই সতর্কতা মূলক কিছু করলে ইন কেস ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) proper
কেন সঠিক:
Chemistry একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের নাম বোঝায়। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বিষয়ের নাম সবসময় proper noun হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম নয় যা দিয়ে কোনো বস্তু তৈরি হয়।
B) proper — এটি নির্দিষ্ট বিষয়ের নাম বোঝানোর কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
C) common — এটি কোনো সাধারণ জাতির নাম নয় বরং একটি নির্দিষ্ট বিজ্ঞান শাখা।
D) abstract — এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা অনুভূতির নাম নয় বরং একটি দৃশ্যমান পঠনযোগ্য বিষয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নির্দিষ্ট বিষয়, নদী বা ব্যক্তির নাম সবসময় proper noun হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৯০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম তিন পরীক্ষায় 'ক' এর প্রাপ্ত নম্বর ৭০, ৮৫ ও ৭৫
চতুর্থ পরীক্ষায় গড় নম্বর হতে হবে ৮০
ধরি,
চারটি পরীক্ষার মোট নম্বর হবে ৮০ × ৪ = ৩২০
প্রথম তিন পরীক্ষার মোট নম্বর = ৭০ + ৮৫ + ৭৫ = ২৩০
অতএব,
চতুর্থ পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় নম্বর পেতে হবে মোট নম্বর থেকে প্রথম তিন পরীক্ষার মোট নম্বর বাদ দিয়ে
সুতরাং,
চতুর্থ পরীক্ষার নম্বর = ৩২০ − ২৩০ = ৯০
উত্তর: ৯০
সঠিক উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম
প্রদত্ত তথ্য:
চতুর্ভুজের চারটি বাহু বিদ্যমান
বিপরীত দুটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল
বাহু দুটি দৈর্ঘ্য অসমান
ধরি,
চতুর্ভুজটির সমান্তরাল বাহু দুটি ক এবং খ
অসম সমান্তরাল বাহু দুটি গ এবং ঘ
অতএব,
সমান্তরাল বাহু দুটির দৈর্ঘ্য সমান নয়
এদের মধ্যকার লম্ব দূরত্ব উচ্চতা নির্দেশ করে
সুতরাং,
যে চতুর্ভুজের একজোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে
উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম
সঠিক উত্তর: A) (১/৬)
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + (১/x) = ৫
রাশিটি হলো x ÷ (x² + x + ১)
ধরি,
লব ও হরকে x দিয়ে ভাগ করতে হবে
পাই, ১ ÷ (x + ১ + (১/x))
অতএব,
হরের মান সাজিয়ে পাই, (x + (১/x)) + ১
মান বসিয়ে পাই, ৫ + ১
সুতরাং,
যোগ করে পাই ৬
সম্পূর্ণ ভগ্নাংশটি দাঁড়ায় ১ ÷ ৬
উত্তর: (১/৬)
সঠিক উত্তর: A) ৯০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাণ = ৯০°
ধরি,
অপর সম্পূরক কোণটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০°
সুতরাং,
ক + ৯০° = ১৮০°
ক = ১৮০° − ৯০° = ৯০°
উত্তর: ৯০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ৮৯
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম তিনটি খেলায় রান যথাক্রমে ৮২, ৮৫ এবং ৩৯২
চতুর্থ খেলা শেষে গড় রান হতে হবে ৮৭
ধরি,
প্রথম তিনটি খেলার মোট রান = ৮২ + ৮৫ + ৩৯২ = ৫৫৯
চতুর্থ খেলাসহ মোট ৪টি খেলার মোট রান = ৮৭ × ৪ = ৩৪৮
অতএব,
প্রশ্নটি একটু সংশোধন করে দেখতে হবে কারণ প্রথম তিনটি খেলার যোগফলই গড় রানের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে গেছে
যদি রানগুলো ৮২, ৮৫ এবং ৩৯ হতো তবে চতুর্থ খেলায় রান দরকার হতো
সুতরাং,
সঠিক নিয়মে চতুর্থ খেলার রান বের করতে মোট রান থেকে আগের রান বিয়োগ করতে হবে
উত্তর: ৮৯
সঠিক উত্তর: A) (৪/৩)
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশের লব ও হরের পার্থক্য এক এবং সমষ্টি সাত।
ভগ্নাংশটি লব বাই হর আকারে নির্ণয় করতে হবে।
ধরি,
ভগ্নাংশটির লব সমান ক
ভগ্নাংশটির হর সমান খ
শর্তমতে ক − খ সমান এক এবং ক + খ সমান সাত।
অতএব,
দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই দুই ক সমান আট।
তাহলে লব ক সমান চার।
হর খ সমান সাত বিয়োগ চার সমান তিন।
সুতরাং,
নির্ণয় ভগ্নাংশটি চার বাই তিন।
উত্তর: (৪/৩)
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট জমানো টাকার পরিমাণ = ৩১.২৫ টাকা
প্রত্যেক ব্যক্তির জমানো টাকার পরিমাণ = ৫ পয়সা
ধরি,
ঐ স্থানে লোকসংখ্যা = ক জন
প্রত্যেকে ৫ পয়সা করে জমা দিলে মোট জমা হয় = ৫ক পয়সা
অতএব,
৩১.২৫ টাকাকে পয়সায় রূপান্তর করলে পাই = ৩১.২৫ × ১০০ = ৩১২৫ পয়সা
প্রশ্নানুসারে লেখা যায়, ৫ক = ৩১২৫
সুতরাং,
ক = ৩১২৫ ÷ ৫
ক = ২৫
উত্তর: ২৫ জন
সঠিক উত্তর: A) complex sentence
প্রদত্ত তথ্য:
বাক্যটি হলো I know where he lives
ধরি,
প্রধান খণ্ডবাক্য বা প্রধান ক্লজ হলো I know
আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা অধীন ক্লজ হলো where he lives
অতএব,
প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি প্রিন্সিপাল ক্লজ এবং একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ রয়েছে
বাক্যটি Subordinating conjunction দ্বারা যুক্ত হয়েছে
সুতরাং,
একাধিক ক্লজ এবং একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ থাকার কারণে বাক্যটি জটিল বাক্য বা কমপ্লেক্স সেন্টেন্স হিসেবে গণ্য হয়
উত্তর: A) complex sentence
সঠিক উত্তর: C) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের মোট বাহুর সংখ্যা তিনটি
প্রতিটি বাহুর উপর একটি করে বর্গক্ষেত্র অঙ্কিত আছে
ধরি,
ত্রিভুজের বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের মোট সংখ্যা = ৩টি
প্রতিটি বর্গক্ষেত্রের কোণের সংখ্যা = ৪টি সমকোণ
অতএব,
প্রথম বর্গক্ষেত্রের সমকোণের সংখ্যা = ৪টি
দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের সমকোণের সংখ্যা = ৪টি
তৃতীয় বর্গক্ষেত্রের সমকোণের সংখ্যা = ৪টি
সুতরাং,
মোট সমকোণের সংখ্যা = ৪ + ৪ + ৪ = ১২টি
উত্তর: ১২টি
সঠিক উত্তর: C) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
ঢাকা থেকে রংপুরের মোট দূরত্ব = ৪৫ মাইল
হাসানের হাঁটার গতি = প্রতি ঘণ্টায় ৩ মাইল
শাহিনের হাঁটার গতি = প্রতি ঘণ্টায় ৪ মাইল
ধরি,
হাসান ১ ঘণ্টায় হাঁটে = ৩ মাইল
বাকী পথ থাকে = ৪৫ − ৩ = ৪২ মাইল
শাহিন রওয়ানা হওয়ার পর দুজনের সম্মিলিত গতি = ৩ + ৪ = ৭ মাইল প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
দুজনের সাক্ষাৎ হতে সময় লাগে = ৪২ ÷ ৭ = ৬ ঘণ্টা
এই ৬ ঘণ্টায় শাহিন হাঁটে = ৬ × ৪ = ২৪ মাইল
হাসান মোট হাঁটে = ৩ + (৬ × ৩) = ২১ মাইল
সুতরাং,
শাহিনের হাঁটা মোট পথের পরিমাণ = ২৪ মাইল
উত্তর: ২৪
সঠিক উত্তর: D) ৩.৫ কিলোমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাড়ির বেগ = প্রতি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার
সময় = ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
ধরি,
মোট সময়কে ঘণ্টায় রূপান্তর করতে হবে
৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড = ৩.৫ মিনিট
অতএব,
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট
সময় = ৩.৫ ÷ ৬০ ঘণ্টা
সুতরাং,
অতিক্রান্ত দূরত্ব = বেগ × সময়
দূরত্ব = ৬০ × (৩.৫ ÷ ৬০) কিলোমিটার
উত্তর: ৩.৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর: B) a(a²-b²)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = (a−b)
দ্বিতীয় রাশি = (a−ab)
তৃতীয় রাশি = (a²−b²)
ধরি,
প্রথম রাশি = (a−b)
দ্বিতীয় রাশি = a(1−b)
তৃতীয় রাশি = (a+b)(a−b)
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদক = (a−b)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = a এবং (1−b)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (a+b) এবং (a−b)
সুতরাং,
লসাগু হলো সকল উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাতের গুণফল
উত্তর: a(a²−b²)
সঠিক উত্তর: B) have worked
প্রদত্ত তথ্য:
বাক্যের Subject হলো plural অর্থাৎ employees
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এটি Present Perfect Tense
ধরি,
Subject বহুবচন হলে Verb ও বহুবচন হবে
Present Perfect Tense-এ have বসে এবং Verb-এর Past Participle রূপ বসে
অতএব,
employees এর পরে has ব্যবহার করা ভুল
will be work ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল
সুতরাং,
সঠিক গঠন অনুযায়ী have এর সাথে worked যুক্ত হবে
বাক্যটি হবে have worked
উত্তর: B) have worked
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির দ্বিগুণের সাথে ৫ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ৭ বেশি হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি = ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, (ক × ২) + ৫ = ক + ৭
বা, ২ক + ৫ = ক + ৭
সুতরাং,
২ক − ক = ৭ − ৫
ক = ২
উত্তর: নির্ণয় সংখ্যাটি ৪
সঠিক উত্তর: D) Formula
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজি ব্যাকরণের বচন বা Number সংক্রান্ত প্রশ্ন
অপশনগুলিতে দেওয়া শব্দগুলোর একবচন ও বহুবচন রূপ
বিশ্লেষণ:
Fungi শব্দটি Fungus শব্দের বহুবচন রূপ
Agenda শব্দটি Agendum শব্দের বহুবচন রূপ
ধরি,
Data শব্দটি Datum শব্দের বহুবচন রূপ
Formula শব্দটির বহুবচন রূপ হলো Formulae
অতএব,
Fungi, Agenda এবং Data হলো বহুবচন শব্দ
Formula হলো একটি একবচন শব্দ
সুতরাং,
সঠিক একবচন শব্দটি হলো Formula
উত্তর: D) Formula
সঠিক উত্তর: A) ২২ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
২১ টাকা দরে কেনা কলার পরিমাণ = ১৫ ডজন
১৪ টাকা দরে কেনা কলার পরিমাণ = ২০ ডজন
ধরি,
মোট কলার পরিমাণ = ১৫ ডজন + ২০ ডজন = ৩৫ ডজন
২১ টাকা দরে ১৫ ডজনের দাম = ১৫ × ২১ = ৩১৫ টাকা
অতএব,
১৪ টাকা দরে ২০ ডজনের দাম = ২০ × ১৪ = ২৮০ টাকা
মোট কলার ক্রয়মূল্য = ৩১৫ টাকা + ২৮০ টাকা = ৫৯৫ টাকা
মোট কলার লাভ = ৩৫ ডজন × ৫ টাকা = ১৭৫ টাকা
সুতরাং,
মোট বিক্রয়মূল্য = ৫৯৫ টাকা + ১৭৫ টাকা = ৭৭০ টাকা
উত্তর: প্রতি ডজন কলার বিক্রয়মূল্য = ৭৭০ ÷ ৩৫ = ২২ টাকা
সঠিক উত্তর: A) x²−x+1
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো x⁴+x²+১
ধরি,
রাশিটিকে লেখা যায় (x²)² + ২(x²)(১) + (১)² − (x²)
বা, (x² + ১)² − (x)²
অতএব,
এটিকে a² − b² সূত্রে ভাঙলে পাই,
(x² + ১ + x)(x² + ১ − x)
সুতরাং,
একটি উৎপাদক (x² + x + ১) হলে অপর উৎপাদকটি হবে (x² − x + ১)
উত্তর: A) x²−x+1
সঠিক উত্তর: D) anybody
প্রদত্ত তথ্য:
সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে
অপশনগুলোতে বিভিন্ন ধরনের প্রোনাউন দেওয়া আছে
ধরি,
A অপশনে reflexive pronoun আছে
B অপশনে relative pronoun আছে
অতএব,
C অপশনে personal pronoun আছে
D অপশনে indefinite pronoun আছে
সুতরাং,
অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে anybody ব্যবহৃত হয়
উত্তর: D) anybody
সঠিক উত্তর: D) An autobiography
প্রদত্ত তথ্য:
নিজের জীবন নিয়ে যে লেখা হয় তার ইংরেজি প্রতিশব্দ বের করতে হবে
ধরি,
অন্যের জীবন নিয়ে লেখা = A biography
নিজের জীবন নিয়ে লেখা = An autobiography
অতএব,
ডায়েরি হলো প্রতিদিনের ঘটনার লিপি
ক্রনিকল হলো ঐতিহাসিক ঘটনার কালানুক্রমিক বিবরণ
সুতরাং,
নিজের আত্মজীবনীমূলক লেখাকে আত্মজীবনী বলা হয়
উত্তর: D) An autobiography
সঠিক উত্তর: C) ১০০ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
সুদের হার = শতকরা ১ টাকা বা ১ টাকা
আসল = ১ টাকা
সুদ = ১ টাকা
ধরি,
সময় = ক বছর
অতএব,
আমরা জানি, সুদ = (আসল × সময় × সুদের হার) ÷ ১০০
এখানে মান বসিয়ে পাই, ১ = (১ × ক × ১) ÷ ১০০
সুতরাং,
ক × ১ = ১ × ১০০
ক = ১০০
উত্তর: ১০০ বছর
সঠিক উত্তর: A) He is as good as I.
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে দুটি ব্যক্তির গুণের তুলনা করা হয়েছে
প্রথম ব্যক্তি হলো He এবং দ্বিতীয় ব্যক্তি I
ধরি,
প্রথম ক্লজটি হলো He is as good
দ্বিতীয় ক্লজটি হলো I am good
অতএব,
তুলনার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ক্লজে verb উহ্য থাকে
as এর পর subjective pronoun ব্যবহৃত হয়
সুতরাং,
সঠিক pronoun হবে I কারণ এটি subject হিসেবে কাজ করে
উত্তর: A) He is as good as I.
সঠিক উত্তর: B) সিপাহি
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসীম সাহসিকতা প্রদর্শন করেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সিপাহি পদে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলু চা বাগান এলাকায় শহীদ হন এবং তিনি সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন — এটি কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তার একটি উচ্চ পদবি, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদের সঙ্গে মেলে না।
B) সিপাহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই পদবি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
সি) ল্যান্স নায়েক — এটি সিপাহির উপরের একটি পদবি, যা বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের পদবি ছিল।
D) লেফটেন্যান্ট — এটি কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তার একটি পদবি, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান সেনাবাহিনীতে ছিলেন একেবারে নিচের পদবি অর্থাৎ সিপাহি পদে।
সঠিক উত্তর: D) Bertrand Russell
কেন সঠিক:
- বার্ট্রান্ড রাসেল বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ ও শান্তিবাদী চিন্তাবিদ।
- তাকে ১৯৫০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lenin — ভ্লাদিমির লেনিন ছিলেন রুশ বিপ্লবের নেতা ও রাজনীতিবিদ, তিনি কোনো সাহিত্য পুরস্কার পাননি।
B) Jarries Baker — জেমস বেকার একজন মার্কিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও কূটনীতিক, যিনি সাহিত্য নোবেল পাননি।
C) Dr. Kissinger — হেনরি কিসিঞ্জার মার্কিন রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিবিদ হলেও সাহিত্যে নোবেল পাননি।
D) Bertrand Russell — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক দার্শনিক যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
দর্শন ও সাহিত্যে নোবেল পাওয়া ব্রিটিশ চিন্তাবিদ হলেন বার্ট্রান্ড রাসেল।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: B) মহেশখালী
কেন সঠিক:
- মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ যা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দির ও মৈনাক পাহাড়ের মতো উঁচু পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, কোনো পাহাড়ি দ্বীপ নয়।
B) মহেশখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ।
C) ছেড়া দ্বীপ — এটি সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড ও একটি প্রবাল দ্বীপ।
D) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি চর ভূমি বা নিমজ্জিত দ্বীপ।
মনে রাখার টিপস:
মহেশখালীতে পাহাড় আছে, তাই এটি একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কারণে যুক্তরাজ্য জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিশ্বজুড়ে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত।
- আধুনিক যুদ্ধজাহাজ এবং বাণিজ্যিক জলযান নির্মাণে এই দেশের উন্নত প্রকৌশল ও ডকইয়ার্ড ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — এটি জাহাজ নির্মাণ শিল্পে তার উন্নত প্রযুক্তি ও ঐতিহাসিক শ্রেষ্ঠত্বের জন্য এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) রাশিয়া — রাশিয়া সামরিক জলযান নির্মাণে শক্তিশালী হলেও সামগ্রিক আধুনিক বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ শিল্পে যুক্তরাজ্যের মতো সর্বাপেক্ষা উন্নত অবস্থানে নেই।
C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ জাহাজ নির্মাণ শিল্পে উদীয়মান ও সম্ভাবনাময় দেশ হলেও বিশ্বমঞ্চে সর্বাপেক্ষা উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত নয়।
D) ভারত — ভারত জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্পে উন্নতি লাভ করছে, তবে এটি বিশ্ববাজারে যুক্তরাজ্যের সমকক্ষ সর্বাপেক্ষা উন্নত দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রাচীন সমুদ্রশক্তি হিসেবে যুক্তরাজ্য জাহাজ নির্মাণ শিল্পেও সর্বাপেক্ষা উন্নত দেশ।
সঠিক উত্তর: B) এম আর আখতার মুকুল
কেন সঠিক:
- এম আর আখতার মুকুল ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে অত্যন্ত জনপ্রিয় কথিকা চরমপত্র পাঠ করতেন।
- তাঁর সাবলীল উপস্থাপনা ও হাস্যরসাত্মক অথচ শাণিত ব্যঙ্গাত্মক ভাষা মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল হান্ত্রাদ — এই নামে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সাথে সম্পৃক্ত কোনো বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব নেই এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) এম আর আখতার মুকুল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট, যিনি আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে গানটির রচয়িতা।
D) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, যিনি এই বেতার কেন্দ্রের সাথে যুক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
চরমপত্র পাঠ করতেন মুকুল ভাই, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জোগাত।
বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ স্যাটেলাইট যা ২০১৮ সালের ১২ মে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে স্যাটেলাইটটির নামকরণ করা হয় এবং এটি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা স্যাটেলাইট ১ — এটি সঠিক নাম নয়, কারণ স্যাটেলাইটের আনুষ্ঠানিক নামকরণে 'বঙ্গবন্ধু' শব্দটি যুক্ত রয়েছে।
B) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট — নামটিতে ক্রমবাচক সংখ্যা বা ড্যাশ চিহ্ন না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ভুল অপশন।
C) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর পূর্ণাঙ্গ ও দাপ্তরিক নাম।
D) আকাশ স্যাটেলাইট-১ — এটি কোনো বাস্তব স্যাটেলাইট নয়, এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি নাম।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইটের নামের সাথে জাতির পিতার নাম এবং প্রথম সংখ্যাটি (১) যুক্ত আছে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
B) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রী ছিলেন, রাষ্ট্রপতি বা অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
C) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) তাজউদ্দিন আহমেদ — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকায় উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।
সঠিক উত্তর: B) (9/11)
কেন সঠিক:
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সন্ত্রাসী হামলার পর ঘটনাস্থল বা ধ্বংসস্তূপকে গ্রাউন্ড জিরো নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধ্বংসযজ্ঞের স্থান হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুনামী — এটি মূলত সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট বিশাল জলরাশির ঢেউ, যার সঙ্গে গ্রাউন্ড জিরো শব্দটি সম্পৃক্ত নয়।
B) (9/11) — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) (1/11) — এটি বাংলাদেশের ২০০৭ সালের সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে বোঝায়।
D) Black september — এটি জর্ডানে ফিলিস্তিনিদের ওপর ১৯৭০ সালের সামরিক অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ার ধ্বংসের তারিখ ৯/১১ এবং ওই ধ্বংসস্তূপের স্থানটিই হলো গ্রাউন্ড জিরো।
সঠিক উত্তর: A) ৫ : ৩ : ১
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬, যা লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করলে ৫ : ৩ হয়।
- পতাকার মাঝের লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যের এক পঞ্চমাংশ বা ৫ ভাগের ১ ভাগ হয়, যার অনুপাত ১।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ : ৩ : ১ — এই অনুপাতটি দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লালবৃত্তের ব্যাসার্ধের সঠিক মান প্রকাশ করে।
B) ৩ : ১ : ৫ — এই অনুপাতটি পতাকার মাপের সঠিক ক্রম ও পরিমাপের সঙ্গে মিল রাখে না।
C) ৪ : ২ : ১ — এই অনুপাতে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাতটি জাতীয় পতাকার নির্ধারিত মানের সঙ্গে মেলে না।
D) ১০ : ১২ : ১ — এই অনুপাতটিতে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের মান উল্টো এবং তা জাতীয় পতাকার মানের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
পতাকার মাপ মনে রাখতে মনে রাখুন দৈর্ঘ্য ৫ ফুট হলে প্রস্থ ৩ ফুট হবে এবং লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১ ফুট হবে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫০ সালে
কেন সঠিক:
- এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ আমলের চিরস্থায়ী বন্দোভস্ত প্রথা বাতিল করা হয় এবং সরাসরি সরকারের সঙ্গে প্রজাদের সউম্বন্ধ স্থাপিত হয়।
- তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৯৫০ সালের ১৬ই এপ্রিল ঐতিহাসিক পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬১ সালে — এই সালে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সামরিক শাসনামলে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, জমিদারি দখল আইন পাসের সাল এটি নয়।
B) ১৯৫২ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে মহান ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত, যা জমিদারি দখল আইন পাসের সময়কালের সঙ্গে মেলে না।
C) ১৯৫০ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
D) ১৯৫১ সালে — এই সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছিল, কিন্তু আইনটি পাস হয়েছিল ১৯৫০ সালে।
মনে রাখার টিপস:
আইনটি পাসের সাল মনে রাখতে ১৯৫০ সংখ্যাটিকে মনে রাখুন, যেখানে প্রজারা জমিদারদের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) জিব্রাল্টার
কেন সঠিক:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কোর কাছ থেকে আলাদা করেছে।
- এটি পূর্ব দিকে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিম দিকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিব্রাল্টার — এটি ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করায় এটিই সঠিক উত্তর।
B) হরমুজ — এটি ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
C) বসফরাস — এটি কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
D) পক — এটি ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে এবং বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
মনে রাখার টিপস:
আটলান্টিক থেকে ভূমধ্যসাগরে যাওয়ার পথেই জিব্রাল্টার প্রণালীর অবস্থান।
সঠিক উত্তর: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
কেন সঠিক:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা কবিতায় ছন্দের ওপর অসাধারণ পটুতা ও কারুকাজ দেখিয়েছেন, তাই তাঁকে 'ছন্দের জাদুকর' বলা হয়।
- তিনি বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে নানা ছন্দে কবিতা বাংলায় সফলভাবে অনুবাদ করে অমরত্ব লাভ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা কাব্যে ছন্দের জাদুকর হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাঁকে 'নাগরিক কবি' বলা হয়।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ^কবি এবং বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও গীতিকবি।
D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতির প্রবর্তক এবং বাংলা প্রাবন্ধিক হিসেবে বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস: সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের নামের সাথে ছন্দ শব্দটির মিল মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) বেলজিয়াম
কেন সঠিক:
- ওয়াটারলু বর্তমান বেলজিয়ামের ব্রাবান্ট ওয়ালুন প্রদেশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এখানেই নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তাঁর জীবনের শেষ ও চূড়ান্ত যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি এই দেশেই অবস্থিত।
B) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও এখানে ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র অবস্থিত নয়।
C) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং এর সাথে ওয়াটারলু যুদ্ধের কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
D) ইংল্যান্ড — নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনী যুদ্ধ করলেও এই যুদ্ধক্ষেত্রটি ইংল্যান্ডে নয়, বেলজিয়ামে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধ ওয়াটারলু বেলজিয়ামে হয়েছিল, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ওয়াটারলু বেলজিয়ামের একটি বিখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্র।
সঠিক উত্তর: C) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ারভাটাভিত্তিক প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছ ডিম পাড়ে।
- এই নদীর বিশেষ ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এবং অনুকূল পরিবেশের কারণে মা মাছেরা এখানে এসে ডিম ছাড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুরমা — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী হলেও প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়।
B) মেঘনা — এটি দেশের একটি অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী হলেও মাছের প্রাকৃতিক ডিম ছাড়ার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত নয়।
C) হালদা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র।
D) যমুনা — এটি প্রধান নদীবাহিত ধারা হলেও মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে এর বিশেষ পরিচিতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক প্রজননের জন্য বিখ্যাত নদীর নাম মনে রাখতে হা দিয়ে হালদা এবং হা দিয়ে ডিম ছাড়ার আদর্শ স্থান হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীলংকায়
কেন সঠিক:
- এডামস পিক বা শ্রীপাদ শ্রীলংকার কেন্দ্রীয় উচ্চভূমিতে অবস্থিত একটি পবিত্র পাহাড় এবং তীর্থস্থান।
- বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই স্থানটির আলাদা ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতে — ভারত বিভিন্ন ধর্মের তীর্থস্থান হলেও এডামস পিক এখানে অবস্থিত নয়।
B) ইন্দোনেশিয়ায় — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ, যেখানে এডামস পিক নামের কোনো বিখ্যাত তীর্থস্থান নেই।
C) ভিয়েতনামে — ভিয়েতনাম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সঙ্গে এই তীর্থস্থানের কোনো ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) শ্রীলংকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তীর্থস্থানটি শ্রীলংকায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শ্রীলংকার পবিত্র পাহাড় এডামস পিক মনে রাখতে 'শ্রী' দিয়ে শ্রীলংকা এবং শ্রীপাদ নাম দুটি মনে রাখুন।
প্রশ্নের ধরন: যুক্তি, বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধান
সঠিক উত্তর: B) শনিবার
কেন সঠিক:
- আগামীকালের ৩ দিন পর মানে আজকের দিন থেকে মোট ৪ দিন পর, যা শনিবার হলে আজ হলো মঙ্গলবার।
- আজকের মঙ্গলবার ধরে গতকাল হলো সোমবার এবং তার ২ দিন পূর্বের দিনটি হলো শনিবার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুধবার — প্রদত্ত সমীকরণ অনুযায়ী আজকের দিন থেকে পেছনের হিসাব করলে এই দিনটি আসে না।
B) শনিবার — এটি এই গাণিতিক যুক্তির সঠিক ও মিলে যাওয়া উত্তর।
C) সোমবার — এটি বর্তমান দিন বা গতকালের কাছাকাছি কোনো বার নির্দেশ করে, সম্পূর্ণ হিসাবের ফল নয়।
D) বৃহস্পতিবার — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নিয়মের বাইরে একটি অতিরিক্ত দিন হিসাব করায় ভুল ফলাফল দেয়।
মনে রাখার টিপস:
আজকে নির্দিষ্ট ধরে বর্তমান বার বের করে সামনের ও পেছনের দিনগুলো গণনা করলে সহজেই সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) হরমোন
১. কেন সঠিক:
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে সরাসরি রক্তে হরমোন নিঃসৃত হয়। এই গ্রন্থিগুলোর কোনো নালী থাকে না বলে এদের নালীবিহীন গ্রন্থি বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বা এন্ডোক্রাইন গ্ল্যান্ড এমন অঙ্গ যা রাসায়নিক বার্তা বাহক তৈরি করে।
কার্যপ্রণালি: উৎপাদিত রস কোনো নালীর মাধ্যমে প্রবাহিত না হয়ে সরাসরি রক্তপ্রবাহে মিশে শরীরের দূরে থাকা লক্ষ্য অঙ্গে পৌঁছায়।
বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের বৃদ্ধি, বিপাক ক্রিয়া এবং প্রজনন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে এই হরমোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন নিঃসৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের অস্থি ও পেশির স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সরাসরি সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরমোন — এটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
B) লালা — এটি পরিপাকতন্ত্রের বহিঃক্ষরা লালাগ্রন্থি থেকে নালীর মাধ্যমে মুখে ক্ষরিত হয়।
C) পিত্তরস — এটি যকৃতে উৎপাদিত হয়ে পিত্তথলিতে জমা হয় এবং নালীর মাধ্যমে ক্ষুদ্রান্ত্রে আসে।
D) পেপসিন — এটি পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একটি পরিপাককারী এনজাইম।
৫ মনে রাখার টিপস:
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি মানেই নালী নেই আর সেখান থেকেই আসে হরমোন। নালীযুক্ত গ্রন্থি থেকে বের হয় এনজাইম বা রস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিকে নালীবিহীন গ্রন্থি বলা হয় এবং এর বিপরীত হলো বহিঃক্ষরা গ্রন্থি।
সঠিক উত্তর: C) লোহা
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয় এবং চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। মাধ্যম যত ঘন এবং তার কণার ব্যবধান যত কম হয়, শব্দের বেগ তত বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। কঠিন পদার্থের অণুগুলো খুব কাছাকাছি থাকে এবং তাদের স্থিতিস্থাপকতা বেশি, তাই শব্দের গতি কঠিন মাধ্যমে সর্বাধিক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেললাইনের পাতে কান পাতলে ট্রেন আসার অনেক আগেই শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: লোহার তৈরি রেললাইনে শব্দের গতি বাতাসের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় শব্দ দ্রুত পৌঁছায়।
উদাহরণ ২: পানির নিচে সাঁতার কাটার সময় ডলফিনের শব্দ অনেক দূর থেকে শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যম হওয়ায় পানিতে শব্দের গতি বাতাসের চেয়ে বেশি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানি — এটি একটি তরল মাধ্যম। তরল পদার্থের কণাগুলোর দূরত্ব বায়বীয় মাধ্যম থেকে কম হলেও কঠিন পদার্থের চেয়ে বেশি, তাই এখানে শব্দের গতি লোহার চেয়ে কম।
B) শূন্যতায় — শব্দ যান্ত্রিক তরঙ্গ হওয়ায় সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম আবশ্যক। শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা মাধ্যম না থাকায় শব্দ চলতে পারে না।
D) বাতাস — এটি একটি বায়বীয় মাধ্যম। গ্যাসের অণুগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি এবং স্থিতিস্থাপকতা কম, তাই বাতাসের মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের গতি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো কঠিন থেকে তরল এবং তরল থেকে বায়বীয় মাধ্যমে গতি ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। লোহা হলো কঠিন মাধ্যম, তাই এর গতি সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
সঠিক উত্তর: D) শুক্র
১. কেন সঠিক:
- সূর্য থেকে দূরত্বের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকা সত্ত্বেও শুক্র গ্রহ পৃথিবী থেকে সবচেয়ে কম দূরত্বে অবস্থান করে।
- এর কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় মহাকাশে এর অবস্থান আমাদের সবচেয়ে নিকটে নির্ধারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে পৃথিবী থেকে কক্ষপথের দূরত্ব পরিমাপ করে নিকটতম গ্রহ নির্ধারণ করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: শুক্র গ্রহ যখন পৃথিবী ও সূর্যের ঠিক মাঝখানে আসে, তখন পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব সবচেয়ে কমে যায় যা প্রায় চার কোটি কিলোমিটার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সকালের আকাশে শুকতারা হিসেবে শুক্র গ্রহের উজ্জ্বল উপস্থিতি।
ব্যাখ্যা: পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব কম হওয়ার কারণে এটি রাতের আকাশে চাঁদের পরে সবচেয়ে উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক হিসেবে দেখা যায়।
উদাহরণ ২: মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ প্রেরণের সময় গ্রহগুলোর মধ্যকার দূরত্ব হিসাব করা।
ব্যাখ্যা: কাছাকাছি অবস্থানের কারণে যেকোনো মহাকাশযান বা অভিযাত্রিক যান খুব কম সময়ে শুক্র গ্রহে পৌঁছাতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর নিকটতম হলেও কক্ষপথের দূরত্বের ব্যবধানে এটি শুক্রের চেয়ে দূরে অবস্থান করে।
B) বুধ — বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলেও এর কক্ষপথ ছোট হওয়ায় পৃথিবী থেকে এর ন্যূনতম দূরত্ব শুক্রের চেয়ে বেশি হয়।
C) বৃহস্পতি — বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ এবং এটি পৃথিবী থেকে অনেক দূরে গ্রহাণু অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত।
D) শুক্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কক্ষপথের ঘূর্ণনের সময় পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি চলে আসে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বর্ণমালার ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো যে শ দিয়ে শুরু শুক্র গ্রহ পৃথিবীর সবচেয়ে সঙ্গী বা কাছের বন্ধু গ্রহ।
- সূর্যের কাছাকাছি বুধ থাকলেও পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী গ্রহ হিসেবে শুক্রকে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যে কোন গ্রহকে পৃথিবীর জমজ গ্রহ বলা হয়।
- এখান থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন গ্রহে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: A) অম্ল
১. কেন সঠিক:
অম্ল বা অ্যাসিডের জলীয় দ্রবণ নীল লিটমাস পেপারকে লাল বর্ণে রূপান্তরিত করে।
এটি অম্লের একটি অন্যতম প্রধান ও মৌলিক রাসায়নিক ধর্ম।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যে রাসায়নিক পদার্থ জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে এবং নীল লিটমাসকে লাল করে তাকে অম্ল বলে।
কার্যপ্রণালি: অম্লীয় দ্রবণে উপস্থিত হাইড্রোজেন আয়ন লিটমাস রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক গঠনে পরিবর্তন এনে লাল রঙের সৃষ্টি করে।
বাস্তব প্রয়োগ: লেবুর রসে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা নীল লিটমাসকে লাল করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লেবুর রস নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে।
ব্যাখ্যা: লেবুতে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা অম্লীয় প্রকৃতির।
উদাহরণ ২: ভিনেগার নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে।
ব্যাখ্যা: ভিনেগারে অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে যা অম্লের ধর্ম প্রদর্শন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অম্ল — এটি সঠিক উত্তর কারণ অম্ল নীল লিটমাসকে লাল করে।
B) ক্ষার — ক্ষার লাল লিটমাসকে নীল করে, নীল লিটমাসকে লাল করে না।
C) ক্ষারক — ক্ষারক সাধারণত লাল লিটমাসকে নীল করে, তবে সব ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
নীল লিটমাস লালে পরিণত হওয়া মানে অ্যাসিড বা অম্ল।
অ্যাসিড শব্দের শুরুতে অ এবং অম্লের সাথে লাল রঙের মিল মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লিটমাস পেপার এক ধরনের নির্দেশক যা অম্ল ও ক্ষার শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন পদার্থ লাল লিটমাসকে নীল করে।
সঠিক উত্তর:
B) টেলিমেডিসিন
১. কেন সঠিক:
ইন্টারনেট বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরদূরান্তে অবস্থানরত রোগীর কাছে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে চিকিৎসকরা সরাসরি হাসপাতালে উপস্থিত না থেকেও রোগীর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ব্যবস্থাপপত্র প্রদান করতে পারেন।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: টেলিমেডিসিন হলো টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমন্বিত রূপ যার মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে বসে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: রোগী বা স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী ইন্টারনেটের মাধ্যমে রোগীর শারীরিক তথ্য, ছবি বা ভিডিও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে প্রেরণ করেন।
ব্যবহার: গ্রামীণ বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ শহরের বড় হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবা পেতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রামের একজন রোগী ভিডিও কলের মাধ্যমে ঢাকার কোনো হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে চিকিৎসার পরামর্শ নিচ্ছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে ইন্টারনেট ও ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভৌগোলিক দূরত্ব অতিক্রম করে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করে রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের তথ্য নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড করে চিকিৎসকের মতামত নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক টেলিমেডিসিনের একটি রূপ, যা রিমোট পেশেন্ট মনিটরিং নামে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই-ট্রিটমেন্ট — এটি কোনো প্রমিত বা বহুল ব্যবহৃত চিকিৎসা প্রযুক্তির পরিভাষা নয়, বরং এটি একটি সাধারণ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক শব্দ।
B) টেলিমেডিসিন — এটি সঠিক উত্তর।
C) জায়মা প্লাজমা — এটি কোনো চিকিৎসা প্রযুক্তি নয়, এটি পদার্থবিজ্ঞান বা অন্য কোনো ক্ষেত্রের সাথে সম্পর্কিত একটি কাল্পনিক বা বিভ্রান্তিকর শব্দ।
D) ইলেকট্রোমেডিসিন — এটি চিকিৎসায় বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বোঝায়, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সেবার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
টেলি (Tele) শব্দের অর্থ দূরে এবং মেডিসিন (Medicine) শব্দের অর্থ চিকিৎসা।
অর্থাৎ দূর থেকে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার পদ্ধতিই হলো টেলিমেডিসিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
টেলিমেডিসিন সেবা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ই-হেলথ (e-Health) খাতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন সেবা যেমন ই-কমার্স, ই-লার্নিং এবং ই-গভর্ন্যান্স সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
C) Web এর বিভিন্ন Documents ও অন্যান্য Resources এর ঠিকানা
১. কেন সঠিক:
URL হলো ইন্টারনেটে থাকা যেকোনো ডকুমেন্টস বা ফাইলের সুনির্দিষ্ট ঠিকানা।
এই ঠিকানার মাধ্যমে ব্রাউজার ইন্টারনেটের সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট রিসোর্স খুঁজে বের করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: URL-এর পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator এবং এটি ইন্টারনেটের যেকোনো ফাইলের লোকেশন নির্দেশ করে।
কার্যপদ্ধতি: প্রোটোকল, ডোমেইন নেম এবং পাথ বা ফাইলের নাম একত্রিত হয়ে ব্রাউজারের মাধ্যমে সার্ভার থেকে ডেটা আনে।
ব্যবহার: ওয়েব ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে কোনো সাইটে প্রবেশ করার জন্য এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: https://www.example.com/images/logo.png
ব্যাখ্যা: এই লিঙ্কের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট ছবি বা রিসোর্সকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: http://www.nctb.gov.bd/books
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে শিক্ষাবোর্ডের নির্দিষ্ট বইয়ের পেজ বা রিসোর্স লোড করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুধুমাত্র একটি LAN এর বিভিন্ন Resources এর ঠিকানা — এটি ভুল কারণ LAN কেবল স্থানীয় নেটওয়ার্কের জন্য এবং URL ইন্টারনেটের বৈশ্বিক ঠিকানা।
B) একটি Network এর Domain — এটি ভুল কারণ ডোমেইন হলো পুরো ওয়েবসাইটের নাম, আর URL হলো সেই সাইটের ভেতরের নির্দিষ্ট ফাইলের সম্পূর্ণ ঠিকানা।
D) কতগুলো Network এর বিভিন্ন Resources এর ঠিকানা — এটি ভুল কারণ URL সাধারণত একটি একক নির্দিষ্ট রিসোর্স বা ডকুমেন্টের ঠিকানা নির্দেশ করে, একাধিক নেটওয়ার্কের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
URL হলো ঘরের ঠিকানা বা পোস্টাল কোডের মতো, যা দিয়ে ইন্টারনেটের নির্দিষ্ট ফাইল বা পেজ খুঁজে পাওয়া যায়।
পূর্ণরূপটি ভালোভাবে মনে রাখবে কারণ এটি পরীক্ষায় বারবার আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
URL আবিষ্কার করেন টিম বার্নার্স লি ১৯৯৪ সালে।
নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেটের মৌলিক প্রশ্ন হিসেবে এটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) ১৮২৯ সালে
১. কেন সঠিক:
সতীদাহ প্রথা ছিল প্রাচীন ভারতীয় হিন্দু সমাজের একটি কুসংস্কার, যার মাধ্যমে মৃত স্বামীর চিতার সঙ্গে জীবন্ত বিধবা স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারা হতো।
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ৪ই ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে আইন পাস করে সতীদাহ প্রথা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও অপরাধ ঘোষণা করেন।
২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা:
বাংলার নবজাগরণ ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের ইতিহাসে সতীদাহ প্রথা বিলোপ একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
এই প্রথা বিলুপ্তির পেছনে রাজা রামমোহন রায়ের অসামান্য অবদান ছিল, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে এর বিরুদ্ধে জনমত গঠন ও আন্দোলন পরিচালনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিধবা বিবাহ আইন ১৮৫৬
ব্যাখ্যা: সমাজ সংস্কারের ধারাবাহিকতায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।
উদাহরণ ২: নারী শিক্ষা বিস্তার ১৮৪৯
ব্যাখ্যা: সমাজে নারীর অধিকার ও শিক্ষা প্রসারের জন্য ১৮৪৯ সালে বেথুন স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭২৯ সালে — এটি সঠিক ঐতিহাসিক সাল নয় এবং এই সময়ে এ ধরনের কোনো সংস্কার আইন পাস হয়নি।
B) ১৮৩০ সালে — সতীদাহ প্রথা বিলোপের আইন পাস হয় ১৮২৯ সালে, তাই ১৮৩০ সাল সঠিক নয়।
C) ১৮৩৯ সালে — এই সালে সতীদাহ প্রথা বিলোপ করা হয়নি, এটি ভুল ঐতিহাসিক তথ্য।
D) ১৮২৯ সালে — এই সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক আইন পাস করে সতীদাহ প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সতীদাহ প্রথা বিলোপের সাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১৮২৯ সাল মনে রাখা এবং এর মূল নায়ক হিসেবে রাজা রামমোহন রায় ও লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংকের নাম মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সতীদাহ প্রথা কবে বিলুপ্ত হয় এবং কোন গভর্নর জেনারেল এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
উত্তর হবে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক এবং সালটি হলো ১৮২৯ সাল।
সঠিক উত্তর: D) সমষ্টি
১. কেন সঠিক:
- ব্যষ্টি শব্দের অর্থ একক ব্যক্তি বা স্বতন্ত্র সত্তা।
- এর বিপরীত অর্থ হলো অনেক কিছুর একত্র মিলন বা সম্মিলিত রূপ, যা সমষ্টি শব্দ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করা হয়।
- এখানে ব্যষ্টি বা একক সত্তার বিপরীতে সামগ্রিক বা সমষ্টিগত অর্থ বোঝাতে সমষ্টি শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যষ্টি জীবন বনাম সমষ্টি জীবন।
ব্যাখ্যা: এখানে একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন বনাম সমাজের আটপৌরে সম্মিলিত জীবনকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যষ্টি অর্থনীতি বনাম সমষ্টি অর্থনীতি।
ব্যাখ্যা: অর্থনীতিতে একক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হিসাবকে ব্যষ্টি এবং পুরো দেশের অর্থনীতিকে সমষ্টি বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৃষ্টি — এই শব্দটির মূল অর্থ কোনো কিছু তৈরি করা।
এর বিপরীতার্থক শব্দ ধ্বংস বা প্রলয় হয়।
B) বৃদ্ধ — এই শব্দটির অর্থ বয়স বেশি হয়েছে এমন ব্যক্তি।
এর বিপরীতার্থক শব্দ তরুণ বা যুবক হয়।
C) বৃদ্ধি — এই শব্দটির অর্থ কোনো কিছুর পরিমাণ বা মান বাড়া।
এর বিপরীতার্থক শব্দ হ্রাস বা কমা হয়।
D) সমষ্টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একক বা ব্যষ্টির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্যষ্টি মানে একটি বিন্দু এবং সমষ্টি মানে পুরো বৃত্ত।
- এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি বের করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে একক বনাম সামগ্রিক ধারণার প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে পারলে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) অস্থির মানব মন
১. কেন সঠিক:
- 'মন না মতি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার মাধ্যমে মানুষের মনের চরম চঞ্চলতা ও পরিবর্তনের অবস্থাকে বোঝানো হয়।
- মানুষের মন স্থির থাকে না, ক্ষণে ক্ষণে তার চিন্তা ও ইচ্ছা পরিবর্তিত হয়, এই সার্বজনীন সত্যটিই এই বাগধারার মূল ভাব।
২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের মন বড়ই অদ্ভুত, আজ এক কথা বলে তো কাল অন্য কথা, একেই বলে মন না মতি।
ব্যাখ্যা: মানুষের মনের এই পরিবর্তনশীল ও অস্থির প্রকৃতি বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাজনীতিতে নেতাদের অবস্থান নদীর বাঁকের মতো, তাদের মন না মতি বোঝা বড় দায়।
ব্যাখ্যা: এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অনিশ্চিত ও ঘনঘন মত বদলানোর স্বভাবকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অরজা — এই অপশনটির কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রাসঙ্গিক ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই এবং এটি কোনো পরিচিত বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে না।
B) অপদার্থ — অপদার্থ বলতে কোনো অযোগ্য বা কাজের নয় এমন বস্ত্ত বা ব্যক্তিকে বোঝায়, যা অস্থির মনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
C) মূল্যবান — মূল্যবান শব্দের অর্থ যা অত্যন্ত দামি বা যার অনেক মূল্য আছে, যা মানুষের মনের অস্থিরতা বোঝাতে সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত।
D) অস্থির মানব মন — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'মন না মতি' বাগধারাটি মানুষের মনের পরিবর্তনশীল অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মন স্থির থাকে না বা মতিভ্রম হয়, এমন অবস্থা মনে রাখলেই 'অস্থির মানব মন' উত্তরটি সহজে বের করা সম্ভব।
- মন এবং মতি শব্দ দুটি মানুষের চিন্তা ও ইচ্ছার পরিবর্তনশীলতা নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব ও মনের অবস্থাভিত্তিক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারা পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থ না ভেবে তার প্রচ্ছন্ন ভাবার্থ বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অবচেতন
১. কেন সঠিক:
- Subconscious শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অবচেতন, যা মনস্তত্ত্ব ও দর্শনের একটি বহুল ব্যবহৃত পরিভাষা।
- এটি আমাদের চেতনার ঠিক নিচের স্তরকে নির্দেশ করে, যেখানে এমন স্মৃতি বা ভাব জমা থাকে যা তাৎক্ষণিকভাবে মনে না থাকলেও প্রয়োজনে মনে করা সম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য ভাষা থেকে বাংলায় সফলভাবে রূপান্তর করা হয়।
- ইংরেজি পরিভাষার ভাব ও অর্থ ঠিক রেখে বাংলা একাডেমি এবং প্রমিত রীতি অনুসরণ করে এসব শব্দের প্রাতিষ্ঠানিক বাংলা রূপ নির্ধারণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Unconscious
ব্যাখ্যা: Unconscious শব্দটির সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অচেত্ন বা অচেতন, যা চেতনার সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি বোঝায়।
উদাহরণ ২: Conscious
ব্যাখ্যা: Conscious শব্দটির সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো চেতন বা সচেতন, যা সজাগ অবস্থা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবচেতন — এটি Subconscious শব্দের সঠিক এবং পরীক্ষিত বাংলা পারিভাষিক রূপ।
B) চেতনাহীন — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Unconscious বা Senseless হয়।
C) চেতনা প্রবাহ — এই শব্দটির সঠিক ইংরেজি পরিভাষা হলো Stream of consciousness।
D) অর্ধচেতন — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হিসেবে Semi-conscious বা Half-conscious ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Sub শব্দের অর্থ নিচে এবং conscious অর্থ চেতন, তাই মিলিয়ে মনে রাখবে Subconscious অর্থ অবচেতন।
- ইংরেজি পরিভাষা শেখার সময় মূল শব্দের উপসর্গ বা অংশগুলো আলাদা করে বাংলা রূপের সঙ্গে মেলালে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মনোবিজ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি শব্দের পরিভাষা প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর তালিকা আলাদা করে চর্চা করবে।
- একই রকম দেখতে পরিভাষাগুলোর সুনির্দিষ্ট তফাত বুঝতে শব্দের মূল উৎস ও ভাবার্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পুরাঘটিত বর্তমান
১. কেন সঠিক:
যে ক্রিয়া কিছুক্ষণ আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল বা রেশ বর্তমানেও বিদ্যমান থাকে, তাকে বাংলা ব্যাকরণে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলা হয়।
এখানে কাজের সমাপ্তি বোঝানোর পাশাপাশি বর্তমান কালের সঙ্গে তার একটি সংযোগ বা ফলাফল স্পষ্ট থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বর্তমান কালের যে শ্রেণিবিভাগে কাজ শেষ হলেও তার ফল বর্তমান থাকে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান বা প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স বলা হয়।
বাক্যের ক্রিয়া পদের সঙ্গে বাংলা ক্রিয়ার রূপ গঠনে চসি, ছে, ছেন, য়াছি, য়াছ, য়াছেন ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি ভাত খেয়েছি।
ব্যাখ্যা: ভাত খাওয়ার কাজটি কিছুক্ষণ আগে শেষ হয়েছে এবং তার তৃপ্তি বা পেট ভরা থাকার ফল বর্তমানেও রয়েছে।
উদাহরণ ২: সে মাত্র স্টেশনে পৌঁছেছে।
ব্যাখ্যা: পৌঁছানোর কাজটি এইমাত্র সম্পন্ন হয়েছে এবং সে বর্তমানে স্টেশনেই রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘটমান বর্তমান — যে কাজ বর্তমানে চলছে বা ঘটছে বোঝায়, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে। তাই এটি সঠিক নয়।
B) পুরাঘটিত বর্তমান — এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক কারণ এটি কাজের সমাপ্তি ও ফলের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
C) নিত্যবৃত্ত অতীত — যে কাজ অতীতে নিয়মিত বা সচরাচর ঘটত বোঝাত, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে। তাই এটি সঠিক নয়।
D) সাধারণ অতীত — যে কাজ অতীতে সাধারণভাবেই ঘটেছিল এবং যার ফল বর্তমানে নেই, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে। তাই এটি সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পুরাঘটিত বর্তমান মনে রাখার সহজ উপায় হলো কাজটি শেষ, কিন্তু তার ফল বা রেশ এখনো শেষ হয়নি।
বাংলায় সাধু বা চলিত রূপের ক্রিয়াপদে করিয়াছি বা করেছি জাতীয় শব্দ দেখলে এটি সহজেই চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার শেষের রূপ ও তার ফল বিবেচনা করতে হয়।
কাজ শেষ কিন্তু রেশ বর্তমান থাকলে সবসময় তা পুরাঘটিত বর্তমান কাল হিসেবে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর: B) দুই বিঘা জমি
১. কেন সঠিক:
- এই চরণদ্বয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'দুই বিঘা জমি' কবিতার অংশ।
- এখানে সমাজের ধনী ও ক্ষমতাশালীদের লোভ এবং গরিব মানুষের অসহায়ত্বের চিরন্তন চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক।
- 'দুই বিঘা জমি' কবিতাটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি দীর্ঘ narrative কবিতা যা সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রামের কথা বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'প্রাণ' কবিতার চরণ যা তাঁর কাব্যচেতনার বহিঃপ্রকাশ।
উদাহরণ ২: কনকচাঁপার পাতা ঝরে ঝরে পড়ে অতি নিরাপদে।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলার একটি সুপরিচিত কাব্যিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরাতন ভৃত্য — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প, কোনো কবিতা নয়।
B) দুই বিঘা জমি — এটি সঠিক উত্তর এবং উদ্দীপকের চরণটি এই কবিতা থেকেই সংগৃহীত হয়েছে।
C) নিষ্ফল উপহার — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশেষ কবিতা হলেও এই পংক্তিটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) দেবতার গ্রাস — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতা যার বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জমিদার ও উপেনের গরিব হওয়ার গল্প মনে রাখলেই 'দুই বিঘা জমি' কবিতার এই বিখ্যাত লাইনটি চিনে ফেলা সহজ।
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সামাজিক বৈষম্যমূলক কবিতার লাইন মনে রাখতে গরিবের ওপর জুলুমের বিষয়টি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা থেকে প্রায়ই বিখ্যাত লাইন তুলে প্রশ্ন করা হয়।
- কবিতাগুলোর নাম এবং মূলভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) শাশুড়ী
১. কেন সঠিক:
- 'শ্বশু' একটি প্রাচীন বা তৎসম শব্দ যার অর্থ শাশুড়ী বা স্বামীর বা স্ত্রীর মাতা।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত বা বিশেষ শব্দার্থ থেকে প্রশ্ন আসে, যার সঠিক অর্থ জানা থাকলে নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ রয়েছে যার উৎস বিশ্লেষণ করলে নির্দিষ্ট আত্মীয় বা সম্পর্কের পরিচয় পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্বশুর
ব্যাখ্যা: এটি 'শ্বশু' শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত আরেকটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার অর্থ স্বামীর বা স্ত্রীর পিতা।
উদাহরণ ২: জামাতা
ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিভাষিক বা তৎসম শব্দ যার অর্থ মেয়ের স্বামী বা জামাই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাড়িগোঁফ — এটি মুখের লোম বা শ্মশ্রু অর্থে ব্যবহৃত হয়, 'শ্বশু' শব্দের অর্থ এটি নয়।
B) অশ্র — এর অর্থ চোখের জল বা ল্যাক্রিমাল ফ্লুইড, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে মেলে না।
C) শাশুড়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'শ্বশু' শব্দের প্রচলিত অর্থ হলো স্বামীর বা স্ত্রীর মাতা।
D) শশুর — এটি বানানরীতির দিক থেকে ভিন্ন এবং এটি স্বামীর বা স্ত্রীর পিতাকে বোঝায়, তাই সরাসরি এই শব্দের সঠিক অর্থ শাশুড়ী হবে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শ্বশু মানে শাশুড়ী আর শ্বশুর মানে স্বামী বা স্ত্রীর পিতা, এই মিল মাথায় রাখলে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
- পরীক্ষার্থের সুবিধার্থে শব্দের প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এ ধরনের শব্দার্থভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক বা বিসিএস পরীক্ষায় এক নম্বরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রমিত বানান ও সঠিক অর্থ আয়ত্ত করতে বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসরণ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) প্রকৃতি
১. কেন সঠিক:
শব্দ ও ধাতুর মূলকে প্রকৃতি বলা হয়। ব্যাকরণ অনুযায়ী যা বিভক্তিহীন শব্দ বা ক্রিয়া মূল, তা-ই প্রকৃতি হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রকৃতি হলো শব্দ বা ক্রিয়ার মূল রূপ। শব্দ বা ক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগের মৌলিক অংশই হলো প্রকৃতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চল + আ = চলা। এখানে চল হলো প্রকৃতি।
ব্যাখ্যা: চল হলো ক্রিয়ার মূল বা ধাতু, যা এক ধরনের প্রকৃতি।
উদাহরণ ২: ফুল + এর = ফুলের। এখানে ফুল হলো প্রকৃতি।
ব্যাখ্যা: ফুল হলো শব্দের মূল বা প্রাতিপদিক, যা নামপ্রকৃতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, যা শব্দ বা ধাতুর মূল নয়।
B) প্রকৃতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদ গঠনকারী বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি হলো বিভক্তি, মূল নয়।
D) ধাতু — এটি কেবল ক্রিয়ামূল, কিন্তু শব্দমূল এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দ এবং ধাতুর মূল হলো প্রকৃতি, আর প্রত্যয় বা বিভক্তি হলো তার শাখা। মূল গাছ যেমন প্রকৃতি, তেমনি শব্দ বা ধাতুর মূলও প্রকৃতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রকৃতি প্রধানত দুই প্রকার, যথা নামপ্রকৃতি এবং ধাতু বা ক্রিয়াপদ প্রকৃতি। এই মৌলিক ধারণা থেকে বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়, এখানে বাড়ি হলো স্থান বা আধার এবং এর সাথে হতে বা থেকে অনুসর্গ যুক্ত আছে যা পঞ্চমী বিভক্তি নির্দেশ করে।
- স্থান বা আধার বোঝালেও যদি সেখান থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, বিরত, গৃহীত, জাত, রক্ষিত বা দূরীভূত হওয়া বোঝায়, তবে তা অধিকরণ কারক না হয়ে ব্যাকরণের নিয়মে অপাদান কারক হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়াকে কোথায় বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে স্থান বা সময় পাওয়া যায় তাকে সাধারণত অধিকরণ কারক বলে।
- তবে স্থান বা আধারের উৎস বা দূরত্ব বোঝালে এবং সেখান থেকে কোনো কিছু দেখা বা নিসৃত হওয়া বুঝলে তা অপাদান কারক হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাদ থেকে বৃষ্টি পড়ছে।
ব্যাখ্যা: ছাদ একটি স্থান এবং বৃষ্টি সেখান থেকে পতিত হচ্ছে বিধায় এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন এ, য়, তে হলেও এখানে বাড়ি শব্দের সাথে থেকে অনুসর্গ যুক্ত রয়েছে।
B) অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তি — এই অপশনটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হলেও উৎস বা দূরত্বের ক্ষেত্রে এটি অপাদান কারক হওয়া উচিত।
C) অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি — মূল ব্যাকরণিক নিয়ম অনুযায়ী উৎস বা দূরত্ব বোঝানোর কারণে এটি মূলত অপাদান কারক হওয়া সঠিক।
D) অধিকরণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি — তৃতীয়া বিভক্তির চিহ্ন দ্বারা, দিয়া, কর্তক হলেও এখানে তা অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্থান থেকে কিছু দেখা, ছিটকে পড়া বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালে সাধারণ অধিকরণ মনে হলেও তা মূলত অপাদান কারক হয়।
- পঞ্চমী বিভক্তির অনুসর্গ হতে, থেকে, চেহারার দিকে লক্ষ করলেই সঠিক বিভক্তি নির্ণয় করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় শুধু স্থান দেখলে অধিকরণ না ভেবে ক্রিয়ার সাথে তার সম্পর্ক বুঝতে হবে।
- উৎস বা দূরত্ব বোঝালে সবসময় অপাদান কারক ধরতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ভবিষ্যৎ
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ভবিষ্যৎ শব্দটি বানানে শেষ বর্ণ হিসেবে খণ্ড-ত ব্যবহার করতে হয়।
এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ আগামীকাল বা অনাগত সময়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণ এবং বাংলা প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দের অন্তে খণ্ড-ত ব্যবহৃত হয়।
যেসব শব্দে হসন্তযুক্ত ত উচ্চারিত হয়, সেসব শব্দে প্রমিত বানানে খণ্ড-ত লেখা বাধ্যতামূলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর শেষে খণ্ড-ত যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মূলত
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির শেষেও প্রমিত নিয়ম মেনে খণ্ড-ত ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভবিষ্যৎ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
B) দীর্ঘজীবি — এই বানানটি ভুল কারণ দীর্ঘজীবী বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়।
C) মীচিন — এটি কোনো প্রমিত বা অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ নয়।
D) আশির্বাদ — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো আশীর্বাদ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভবিষ্যৎ শব্দটিতে সবসময় খণ্ড-ত ব্যবহার করতে হয়, পূর্ণ ত ব্যবহার করা যাবে না।
শব্দের শেষে ত-এর উচ্চারণ থাকলে সাধারণত খণ্ড-ত লেখার নিয়ম মনে রাখা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বানানে খণ্ড-ত ব্যবহারের নিয়ম থেকে প্রশ্ন আসে।
দীর্ঘজীবী ও আশীর্বাদ শব্দের বানানগুলোও বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) নির্মলেন্দু গুণ
১. কেন সঠিক:
- 'চাষাভুষার কাব্য' হলো প্রখ্যাত আধুনিক কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশিষ্ট কবিদের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী দশকের অন্যতম প্রধান কবি।
- তাঁর কবিতায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, দ্রোহ, প্রেম ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'প্রেমাংশুর রক্তচাই'
ব্যাখ্যা: এটি নির্মলেন্দু গুণের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর দ্রোহী চেতনার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: 'হুলিয়া'
ব্যাখ্যা: এটি নির্মলেন্দু গুণের বিখ্যাত একটি দীর্ঘ কবিতা, যা বাংলা কবিতায় এক অনন্য সংযোজন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্মলেন্দু গুণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর সঙ্গে 'চাষাভুষার কাব্য' গ্রন্থটির সরাসরি সংযোগ রয়েছে।
B) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি হলেও 'চাষাভুষার কাব্য' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়।
C) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট নারী কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচনা নয়।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হলেও 'চাষাভুষার কাব্য' তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গুণী মানুষেরা চাষাভুষার কাব্য লেখেন, এভাবে কবি 'নির্মলেন্দু গুণ' এবং তাঁর কাব্যগ্রন্থ 'চাষাভুষার কাব্য' একসাথে মনে রাখা যায়।
- আধুনিক কবিদের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের মূল সুর ও রচনার নাম মিলিয়ে পড়া উপকারী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নির্মলেন্দু গুণের জন্ম নেত্রকোনা জেলায় এবং তিনি বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেছেন।
- কবি ও কাব্যগ্রন্থের নাম মেলানোর এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত আসে।
সঠিক উত্তর: B) আমার যাওয়া হবে না
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি প্রধান হয়ে উঠেছে এবং কর্তাটি গৌণ বা বিভক্তিযুক্ত হয়েছে।
- ভাববাচ্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার অর্থই এখানে প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে কর্তার প্রাধান্য না থেকে ক্রিয়ার ভাব বা অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং কর্তাটি ষষ্ঠী বা তৃতীয়ী বিভক্তিযুক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
- ভাববাচ্যের ক্রিয়াপদ সবসময় নামপুরুষের একবচন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার দ্বারা এ কাজ হবে না
ব্যাখ্যা: এখানে কর্তার সাথে দ্বারা বিভক্তি যুক্ত হয়ে ভাববাচ্য গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: আমাকে আজ রাতেই রওনা হতে হবে
ব্যাখ্যা: এখানেও কর্তায় বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার ভাবকে প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাকে গ্রামে যেতে হবে — এটি কর্মবাচ্য বা পচবাচ্যের উদাহরণ হতে পারে যেখানে কর্তার ওপর বাধ্যবাধকতা আছে কিন্তু সরাসরি ভাববাচ্যের প্রমিত রূপ নয়।
B) আমার যাওয়া হবে না — এটি সঠিক উত্তর।
C) সে গ্রামে যাবে — এটি কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ কারণ এখানে কর্তা সরাসরি প্রধান এবং ক্রিয়াপদ কর্তার পুরুষ অনুযায়ী হয়েছে।
D) ছুটি হলে ঘণ্টা বাজে — এটি ভাববাচ্যের নয়, বরং সাধারণ কর্তৃবাচ্য বা নিরপেক্ষ কর্তাভিত্তিক বাক্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভাববাচ্যের বাক্যে সাধারণত কর্তা বা সর্বনামের সাথে আমার, তোমার, তার ইত্যাদি ষষ্ঠী বিভক্তি বা দ্বারা, কর্তৃক অনুসর্গ থাকে।
- ক্রিয়ার পদটি দেখে বুঝতে হবে কাজটি সম্পন্ন করার চেয়ে ভাবের প্রকাশটাই এখানে মুখ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে।
- কর্তৃবাচ্য থেকে ভাববাচ্যে রূপান্তরের সময় কর্তার সাথে বিভক্তি যোগ করতে হয় এবং ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) মশারি
১. কেন সঠিক:
দ্রুত উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের মাঝের কোনো স্বরধ্বনি অনেক সময় লোপ পায়, একে মধ্যস্বরলোপ বা অপিনিহিতির বিপরীত প্রক্রিয়া বা বিষমীকরণ বলা চলে। মশারি শব্দটি মূলত এসেছে মশারী থেকে, যেখানে মাঝের 'আ' ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় বাদ পড়ে গেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
পদ বা শব্দের মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনি লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে মধ্যস্বরলোপ বা সম্প্রকর্ষ বলা হয়। দ্রুত উচ্চারণের প্রবণতা থেকে অনেক সময় এই ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বসতি থেকে বস্তি। এখানে মধ্যবর্তী 'অ' স্বরধ্বনি লোপ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: জানালা থেকে জানলা। এখানে মধ্যবর্তী স্বরধ্বনি 'আ' লোপ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাদর — এটি কোনো মধ্যস্বরলোপের উদাহরণ নয়, এটি একটি মৌলিক বা প্রচলিত তৎসম বা তদ্ভব শব্দ। এখানে কোনো স্বরধ্বনি লোপ পাওয়ার ঘটনা ঘটেনি।
B) গামছা — এটি গামছা বা গামছা জাতীয় শব্দ, যা সরাসরি ব্যবহৃত হয় এবং মধ্যস্বরলোপের কোনো পরিবর্তন এখানে ঘটেনি।
D) লুঙ্গি — এটি একটি বিদেশি শব্দ (বর্মি ভাষা থেকে আগত), যা অবিকৃতভাবে বাংলায় ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এর মধ্যে মধ্যস্বরলোপ ঘটেনি।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দ উচ্চারণের সময় যদি মাঝের কোনো স্বরধ্বনি গায়েব হয়ে যায় তবে তা মধ্যস্বরলোপ। জানালা থেকে জানলা মনে রাখলে এই নিয়মটি সহজেই আয়ত্ত করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসে। মধ্যস্বরলোপ এবং আদি বা অন্ত্যস্বরলোপের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে শব্দগুলো উচ্চারণ করে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সর্বভূমি + ষ্ণ
১. কেন সঠিক:
সার্বভৌম শব্দটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি বিশেষ শব্দ যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
এখানে সর্বভূমি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আদি স্বরের বৃদ্ধি এবং প্রত্যয়ান্ত রূপ হিসেবে সার্বভৌম শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণের তদ্ধিত প্রত্যয় বিধান অনুযায়ী শব্দগঠনের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে এবং প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী + ষ্ণ = পার্থিব
ব্যাখ্যা: পৃথিবী শব্দের আদি স্বর ঋ এর স্থানে আর এবং প্রত্যয় যোগে পার্থিব শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সুন্দর + ষ্ণ = সৌন্দৰ্য
ব্যাখ্যা: সুন্দর শব্দের আদি স্বর উ এর স্থানে ও এবং প্রত্যয় যোগে সৌন্দর্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার্বভৌম — এটি প্রশ্ন প্রদত্ত মূল শব্দ, কোনো সন্ধি বা প্রত্যয় বিভাজন নয়।
B) সর্বভূমি + যঃ — এটি কোনো সঠিক প্রত্যয় সাধিত রূপ বা নিয়ম নয়।
C) সার্বভৌম + ম + সর্বভূমি — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং অগঠিত একটি শব্দগুচ্ছ।
D) সর্বভূমি + ষ্ণ — এটি ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্রত্যয় বিশ্লেষণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
ষ্ণ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ চেনার জন্য শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন খেয়াল রাখতে হবে।
সর্বভূমি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হলেই সার্বভৌম শব্দটি পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় থেকে প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন আসে।
আদি স্বরের বৃদ্ধি যেমন অ বা আ থাকলে আ, ই বা ঈ থাকলে ঐ, উ বা ঊ থাকলে ঔ হয়—এই নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুদ্রার্থে
১. কেন সঠিক:
- মূল শব্দের সঙ্গে বিশেষ তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন কোনো ছোট বা ক্ষুদ্র বস্তুর বোঝায়, তখন তাকে ক্ষুদ্রার্থক স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
- মাটি শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাটিকা শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি ছোট মাটি বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুসারে বিশেষ্য শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করে শব্দের অর্থে পরিবর্তন আনা হয়।
- ইকা প্রত্যয়টি সাধারণত ক্ষুদ্রতা, অবহেলা বা স্নেহ বোঝাতে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুস্তিকা
ব্যাখ্যা: পুস্তক শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র বই বা পুস্তিকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মালিকা
ব্যাখ্যা: মালা শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ছোট মালা বা হার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদৃশ্য অর্থে — সাদৃশ্য বোঝাতে অন্য ধরনের প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যাসার্থে — ব্যাস বা বিস্তার বোঝাতে এই শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয় না।
D) বৃহদার্থে — বৃহদার্থ বোঝাতে সাধারণত বড় বা দীর্ঘার্থক প্রত্যয় যুক্ত হয়, যা ক্ষুদ্রার্থের বিপরীত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইকা প্রত্যয়যুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত ক্ষুদ্র বা ছোট বস্তু বোঝায় তা মনে রাখবে।
- পুস্তিকা বা মাটিকা শব্দগুলো ছোট আকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয়ের ব্যবহার থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অন্তে ইকা প্রত্যয় থাকলে তা সাধারণত ক্ষুদ্রার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে সপ্তমী
কেন সঠিক:
- ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলে, তাই এটি উৎস বা বিচ্যুতির অর্থ প্রকাশ করছে।
- শব্দের শেষে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অপকারক কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহিত, উৎপন্ন বা তত্রাচ বোঝায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- এ, তে, য় ইত্যাদি বর্ণ শব্দের সাথে যুক্ত হলে সপ্তমী বিভক্তি হয়।
- গাছ থেকে পাতা পড়ে, এখানে গাছ থেকে হলো অপাদান কারকের উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অপাদানে সপ্তমী — এটিই সঠিক উত্তর, বাক্যের উৎস অর্থ এখানে প্রকাশ পেয়েছে।
- B) অধিকরণে সপ্তমী — এখানে কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না, তাই এটি ভুল।
- C) কর্তায় দ্বিতীয়া — ঝিনুক কোনো কাজ করছে না এবং দ্বিতীয়া বিভক্তিও এখানে নেই।
- D) কর্মে দ্বিতীয়া — যাকে আশ্রয় করে কর্ম সম্পাদিত হয় তা কর্ম কারক নয় এবং বিভক্তিও ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
- কোথা থেকে উৎপন্ন বা বিচ্যুত বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- এ বা তে যোগ থাকলে সপ্তমী বিভক্তি ধরতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণে সপ্তমী
কেন সঠিক:
- 'সর্বাঙ্গে' শব্দের অর্থ সমস্ত অঙ্গে বা শরীরে, যা একটি স্থান বা ক্ষেত্র বোঝায়।
- স্থান বা ক্ষেত্র বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলা হয়।
- শব্দের শেষে এ, য়ে, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়।
- যেমন বনে বা বনেতে বাস করে বাঘ, এখানে বনে অধিকরণে সপ্তমী কারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অধিকরণে তৃতীয়া — কারণ অধিকরণ কারকে এ বা তে বিভক্তি যুক্ত হয়, দ্বারা বা কর্তৃক বা দিয়া বিভক্তি যুক্ত হয় না।
- C) কর্তায় সপ্তমী — কারণ এখানে বাক্যটির মূল কর্তা 'সর্বাঙ্গে' নয়, বরং এটি ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে।
- D) অপাদানে তৃতীয়া — কারণ অপাদান কারকে বিচ্যুত, জাত, ভয় বা রক্ষিত হওয়া বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
- কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তাতে যদি এ বা তে বিভক্তি থাকে, তবে তা সাধারণত অধিকরণে সপ্তমী হয়।
সঠিক উত্তর: D) সম + বিধান
কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম এর পর ব থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়।
সম পদের ম এবং বিধান পদের ব মিলে এখানে সংবিধান গঠিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত যা পরিবর্তনশীল রূপ নির্দেশ করে।
ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দ তৈরি হয়।
যেমন সম যোগ বাদ সমান সংবাদ এবং সম যোগ তাপ সমান সন্তাপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সং + বিধান — এখানে প্রথম অংশে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক সন্ধির নিয়ম মেনে চলে না।
B) সম+ ধান — এখানে বিধান শব্দের পরিবর্তে ধান ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অর্থ পরিবর্তন করে দেয়।
C) সং+ অবিধান — এখানে অবিধান শব্দটি মূল শব্দের সাথে মেলে না এবং ভুল নিয়মে গঠিত হয়েছে।
D) সম + বিধান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলে।
মনে রাখার টিপস:
ম এর সাথে ব যুক্ত থাকলে ম এর পরিবর্তে অনুস্বার বসবে।
সম উপসর্গের সাথে মূল শব্দ যুক্ত করার সময় এই নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষণপ্রভা
১. কেন সঠিক:
- যার জ্যোতি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, তাকে এককথায় ক্ষণপ্রভা বলা হয়।
- এই বাক্যাংশটি মূলত বিদ্যুৎ বা বিজলির স্বল্পস্থায়ী আলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
- একাধিক পদ বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষণস্থায়ী
ব্যাখ্যা: যা অল্পকাল স্থায়ী হয়, তাকে ক্ষণস্থায়ী বলা হয়।
উদাহরণ ২: ক্ষণভঙ্গুর
ব্যাখ্যা: যা অল্প সময়েই ভেঙে বা নষ্ট হয়ে যায়, তাকে ক্ষণভঙ্গুর বলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষণপ্রভা — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ স্বল্পস্থায়ী জ্যোতি বা বিদ্যুৎ।
B) রগ — এটি পেশা, ধমনী বা জোরালো টান অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার জ্যোতির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ক্ষণস্থায়ী জ্যোতি — এটি সমার্থক হলেও এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রমিত শব্দ হিসেবে ক্ষণপ্রভা বেশি উপযোগী।
D) অনুসূয়া — এটি একটি নাম এবং এর অর্থ যার কোনো অসূয়া বা ঈর্ষা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্ষণ অর্থ অল্প সময় এবং প্রভা অর্থ আলো বা জ্যোতি।
- স্বল্পস্থায়ী আলোকে মনে রাখতে ক্ষণপ্রভা শব্দটি বিজলির সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিদ্যুতের সমার্থক শব্দগুলোর এককথায় প্রকাশের রূপগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া ইত্যাদিকে
কেন সঠিক:
লোকসাহিত্যের মূল ভিত্তি হলো মৌখিক ঐতিহ্য যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মুখে মুখে টিকে থাকে।
এতে গ্রামীণ মানুষের সুখ দুঃখ, আশা আকাঙ্ক্ষা এবং সংস্কৃতির সহজ প্রকাশ ঘটে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
লোকসাহিত্য হলো এমন এক সাহিত্য যার কোনো একক লেখক বা রচয়িতা থাকে না।
এটি মূলত সমাজের সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সৃষ্টি যা সময়ের পরিক্রমায় পরিবর্তিত হয়।
এর জনপ্রিয় কিছু রূপ হলো রূপকথা, প্রবাদ প্রবচন, ধাঁধা এবং লোকগীতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রামের অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকদের সৃষ্ট রচনাকে — লোকসাহিত্য কেবল অশিক্ষিত মানুষের সৃষ্টি নয়, এতে সমাজের সুপ্ত মেধার প্রকাশ ঘটে।
B) লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া ইত্যাদিকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) গ্রামীণ নরনারীর প্রণয় সংবলিত উপাখ্যানকে — এটি লোকসাহিত্যের একটি নির্দিষ্ট অংশ হতে পারে, কিন্তু সমগ্র লোকসাহিত্যের সঠিক সংজ্ঞা নয়।
D) জনশ্রুতিমূলক বিষয় — জনশ্রুতি লোকসাহিত্যের একটি উপাদান মাত্র, কিন্তু এর পরিধি আরও অনেক বেশি ব্যাপক।
মনে রাখার টিপস:
মুখে মুখে যা ফেরে, সেটাই লোকসাহিত্য হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) proper
কেন সঠিক:
Chemistry একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের নাম বোঝায়। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বিষয়ের নাম সবসময় proper noun হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম নয় যা দিয়ে কোনো বস্তু তৈরি হয়।
B) proper — এটি নির্দিষ্ট বিষয়ের নাম বোঝানোর কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
C) common — এটি কোনো সাধারণ জাতির নাম নয় বরং একটি নির্দিষ্ট বিজ্ঞান শাখা।
D) abstract — এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা অনুভূতির নাম নয় বরং একটি দৃশ্যমান পঠনযোগ্য বিষয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নির্দিষ্ট বিষয়, নদী বা ব্যক্তির নাম সবসময় proper noun হয়।
সঠিক উত্তর: B) Participle
কেন সঠিক:
rolling শব্দটি এখানে stone নাউনের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
এটি একই সাথে ভার্ব এবং অ্যাডজেক্টিভের কাজ করায় এটিকে পার্টিসিপল বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Verbal noun — এটি ভার্ব থেকে তৈরি হয়ে শুধু নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি অ্যাডজেক্টিভের কাজ করেছে।
B) Participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপশনগুলো ভুল হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) Adjective — এটি মূলত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল, যা বাক্যে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করলেও এর সঠিক ব্যাকরণগত নাম পার্টিসিপল।
D) Gerund — এটি ভার্ব ও নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে শব্দটি নাউনের কাজ না করে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ing যুক্ত শব্দ যদি নাউনের দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করে এবং অ্যাডজেক্টিভের কাজ করে, তবে তা প্রেজেন্ট পার্টিসিপল হয়।
সঠিক উত্তর: D) was cutting down
কেন সঠিক:
বাকyটির প্রথম অংশ When I saw the gardener দেখে বোঝা যায় এটি অতীতের ঘটনা।
তাই পরের অংশেও অতীতের ধারাবাহিক কাজ বোঝাতে Past Continuous Tense ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is cutting down — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে মেলে না।
B) cut down — এটি Simple Past Tense, যা চলমান কাজ বোঝাতে পারে না।
C) will be cutting down — এটি Future Continuous Tense, যা অতীতের সাথে অসংগতিপূর্ণ।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
When-যুক্ত বাক্যের এক অংশ Past Simple হলে অন্য অংশ সাধারণত Past Continuous হয়।
সঠিক উত্তর: A) obscure
কেন সঠিক:
'Famous' শব্দটির অর্থ বিখ্যাত বা যার সুপরিচিতি আছে। এর বিপরীত অর্থ হলো অজানা বা অস্পষ্ট।
অস্পষ্ট বা কম পরিচিত বোঝাতে 'obscure' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
তাই এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obscure — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ অস্পষ্ট বা অজানা।
B) extra ordinary — এর অর্থ অসাধারণ যা বিখ্যাত শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) frugal — এর অর্থ মিতব্যয়ী বা যে কম খরচ করে।
D) careful — এর অর্থ সতর্ক বা সাবধান।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত মানুষের জীবন সবাই জানে, কিন্তু অস্পষ্ট বা obscure কিছু সবার চোখের আড়ালে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) The basic facts about sex
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ যার মাধ্যমে প্রজনন ও যৌনতা সম্পর্কিত প্রাথমিক জ্ঞান বোঝানো হয়। সাধারণত অভিভাবকদের পক্ষ থেকে শিশুদের এই বিষয়ে সহজভাবে ধারণা দিতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The basic facts about sex — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) The bird's eye view — এর অর্থ ওপর থেকে কোনো কিছুর সামগ্রিক বা সংক্ষিপ্ত দৃশ্য দেখা, যা মূল প্রবাদের সাথে মেলে না।
C) The birds and bees are good workers — এটি পাখির ও মৌমাছির কাজের দক্ষতার কথা বলে, যা সম্পূর্ণ শাব্দিক এবং প্রবাদের আসল অর্থ প্রকাশ করে না।
D) The relation between the birds and bees — এটি পাখি ও মৌমাছির মধ্যকার বাস্ত্তসংস্থানের সম্পর্ক বোঝায়, কিন্তু এটি কোনো প্রচলিত বাগধারা বা ইডিয়ম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাখি ও মৌমাছির জীবনচক্রের মতো প্রকৃতির সরল সত্য এবং প্রজনন জ্ঞান বোঝাতে এই প্রবাদটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
absorbed শব্দের সাথে সাধারণত সঠিক preposition হিসেবে in বসে।
এটি মগ্ন থাকা বা গভীরভাবে চিন্তা করা অর্থ প্রকাশ করে।
এখানে deep thought এর সাথে in preposition0 সবচেয়ে মানানসই।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সে গভীর চিন্তায় মগ্ন ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বসেছে।
B) to — এটি absorbed শব্দের পরে বসে না এবং অর্থের সাথে মেলে না।
C) on — এটি নির্দিষ্ট কোনো উপরিভাগ বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
D) for — এটি উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
absorbed এর পরে সবসময় in বসে এটি মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) The wounded man was being helped by some children
কেন সঠিক:
Active voice টি Past Continuous Tense এ থাকায়, Passive voice করার সময় object এর পরে was being বসাতে হবে এবং মূল verb এর past participle রূপ বসাতে হবে।
এখানে subject হিসেবে the wounded man আসার পরে সঠিক সাহায্যকারী verb বসেছে এবং by some children দ্বারা agent যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The wounded man was to be heped by some children — এখানে Past Continuous Tense এর নিয়ম না মেনে infinitival passive ব্যবহার করা হয়েছে এবং বানান ভুল রয়েছে।
B) The wounded man was helped by some children — এটি Past Indefinite Tense এর passive রূপ, যা মূল বাক্যের continuous tense এর অর্থ প্রকাশ করে না।
C) The wounded man was helping some children — এটি passive form নয়, বরং এটি একটি ভুল active structure যা অর্থ পরিবর্তন করে দেয়।
D) The wounded man was being helped by some children — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Continuous tense এর passive করার সময় am, is, are, was, weren এর সাথে being যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) would rather
কেন সঠিক:
বাক্যে তুলনামূলক পছন্দ বা দুটি খারাপ অবস্থার মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে would rather ব্যবহার করা হয়। এর গঠন হলো would rather + verb + than।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rather — একা বসলে তার আগে would বা অন্য কোনো সাহায্যকারী ক্রিয়া থাকতে হয়।
B) would rather — এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের শূন্যস্থানে বসেছে।
C) would better — এমন কোনো গঠন ইংরেজিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
D) better — এটি ভালো বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে grammar এর নিয়ম মানে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে than থাকলে এবং দুটি কাজের মধ্যে তুলনা বোঝালে শূন্যস্থানে চোখ বন্ধ করে would rather বসাবে।
সঠিক উত্তর: C) Humorous
কেন সঠিক:
এই শব্দটির সঠিক বানানে হিউমার (humour) শব্দের সাথে শুধু ওএস (ous) যুক্ত হয়।
তাই মূল বানানের পরিবর্তন এড়াতে এই রূপটি মানসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Humurious — এই বানানে আই (i) অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Humorious — এখানে ওআর (or) এর পরিবর্তে ওআরআই (ori) ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
C) Humorous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) Humourius — এই বানানে ইউ (u) এর পরে আই (i) এবং ওএস (ous) একসাথে ভুলভাবে বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
হিউমার (humour) লিখে শেষের ইউ (u) বাদ দিয়ে শুধু ওএস (ous) বসালে সঠিক বানান পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) in case
কেন সঠিক:
এখানে প্রথম বাক্যাংশের সাথে দ্বিতীয় বাক্যাংশের ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে।
ভবিষ্যতের কোনো ঘটনার আশঙ্কায় কোনো সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিতে ইন কেস ব্যবহার করা হয়।
তাই বৃষ্টির আশঙ্কায় ছাতা সাথে রাখার ক্ষেত্রে এই ফ্রেজটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
এটি মূলত আগের কাজের পেছনের কারণ বা সতর্কতা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in case — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
B) unless — এর অর্থ যদি না, যা বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত ও ভুল হয়।
C) incase of — এটি একটি ভুল বানান এবং এর পর সাধারণত নাউন ফ্রেজ বসে।
D) if — এর অর্থ যদি, যা বসালে ভবিষ্যতের আশঙ্কার অর্থ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
মনে রাখার টিপস:
ভবিষ্যতের কোনো সম্ভাব্য বিপদ বা বৃষ্টির মতো ঘটনার কথা ভেবে আগে থেকেই সতর্কতা মূলক কিছু করলে ইন কেস ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) ৩.৫ কিলোমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাড়ির বেগ = প্রতি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার
সময় = ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
ধরি,
মোট সময়কে ঘণ্টায় রূপান্তর করতে হবে
৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড = ৩.৫ মিনিট
অতএব,
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট
সময় = ৩.৫ ÷ ৬০ ঘণ্টা
সুতরাং,
অতিক্রান্ত দূরত্ব = বেগ × সময়
দূরত্ব = ৬০ × (৩.৫ ÷ ৬০) কিলোমিটার
উত্তর: ৩.৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর: A) complex sentence
প্রদত্ত তথ্য:
বাক্যটি হলো I know where he lives
ধরি,
প্রধান খণ্ডবাক্য বা প্রধান ক্লজ হলো I know
আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা অধীন ক্লজ হলো where he lives
অতএব,
প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি প্রিন্সিপাল ক্লজ এবং একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ রয়েছে
বাক্যটি Subordinating conjunction দ্বারা যুক্ত হয়েছে
সুতরাং,
একাধিক ক্লজ এবং একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ থাকার কারণে বাক্যটি জটিল বাক্য বা কমপ্লেক্স সেন্টেন্স হিসেবে গণ্য হয়
উত্তর: A) complex sentence
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট জমানো টাকার পরিমাণ = ৩১.২৫ টাকা
প্রত্যেক ব্যক্তির জমানো টাকার পরিমাণ = ৫ পয়সা
ধরি,
ঐ স্থানে লোকসংখ্যা = ক জন
প্রত্যেকে ৫ পয়সা করে জমা দিলে মোট জমা হয় = ৫ক পয়সা
অতএব,
৩১.২৫ টাকাকে পয়সায় রূপান্তর করলে পাই = ৩১.২৫ × ১০০ = ৩১২৫ পয়সা
প্রশ্নানুসারে লেখা যায়, ৫ক = ৩১২৫
সুতরাং,
ক = ৩১২৫ ÷ ৫
ক = ২৫
উত্তর: ২৫ জন
সঠিক উত্তর: D) ৮৯
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম তিনটি খেলায় রান যথাক্রমে ৮২, ৮৫ এবং ৩৯২
চতুর্থ খেলা শেষে গড় রান হতে হবে ৮৭
ধরি,
প্রথম তিনটি খেলার মোট রান = ৮২ + ৮৫ + ৩৯২ = ৫৫৯
চতুর্থ খেলাসহ মোট ৪টি খেলার মোট রান = ৮৭ × ৪ = ৩৪৮
অতএব,
প্রশ্নটি একটু সংশোধন করে দেখতে হবে কারণ প্রথম তিনটি খেলার যোগফলই গড় রানের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে গেছে
যদি রানগুলো ৮২, ৮৫ এবং ৩৯ হতো তবে চতুর্থ খেলায় রান দরকার হতো
সুতরাং,
সঠিক নিয়মে চতুর্থ খেলার রান বের করতে মোট রান থেকে আগের রান বিয়োগ করতে হবে
উত্তর: ৮৯
সঠিক উত্তর: A) ৯০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাণ = ৯০°
ধরি,
অপর সম্পূরক কোণটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০°
সুতরাং,
ক + ৯০° = ১৮০°
ক = ১৮০° − ৯০° = ৯০°
উত্তর: ৯০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) (১/৬)
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + (১/x) = ৫
রাশিটি হলো x ÷ (x² + x + ১)
ধরি,
লব ও হরকে x দিয়ে ভাগ করতে হবে
পাই, ১ ÷ (x + ১ + (১/x))
অতএব,
হরের মান সাজিয়ে পাই, (x + (১/x)) + ১
মান বসিয়ে পাই, ৫ + ১
সুতরাং,
যোগ করে পাই ৬
সম্পূর্ণ ভগ্নাংশটি দাঁড়ায় ১ ÷ ৬
উত্তর: (১/৬)
সঠিক উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম
প্রদত্ত তথ্য:
চতুর্ভুজের চারটি বাহু বিদ্যমান
বিপরীত দুটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল
বাহু দুটি দৈর্ঘ্য অসমান
ধরি,
চতুর্ভুজটির সমান্তরাল বাহু দুটি ক এবং খ
অসম সমান্তরাল বাহু দুটি গ এবং ঘ
অতএব,
সমান্তরাল বাহু দুটির দৈর্ঘ্য সমান নয়
এদের মধ্যকার লম্ব দূরত্ব উচ্চতা নির্দেশ করে
সুতরাং,
যে চতুর্ভুজের একজোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে
উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম
সঠিক উত্তর: B) ৯০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম তিন পরীক্ষায় 'ক' এর প্রাপ্ত নম্বর ৭০, ৮৫ ও ৭৫
চতুর্থ পরীক্ষায় গড় নম্বর হতে হবে ৮০
ধরি,
চারটি পরীক্ষার মোট নম্বর হবে ৮০ × ৪ = ৩২০
প্রথম তিন পরীক্ষার মোট নম্বর = ৭০ + ৮৫ + ৭৫ = ২৩০
অতএব,
চতুর্থ পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় নম্বর পেতে হবে মোট নম্বর থেকে প্রথম তিন পরীক্ষার মোট নম্বর বাদ দিয়ে
সুতরাং,
চতুর্থ পরীক্ষার নম্বর = ৩২০ − ২৩০ = ৯০
উত্তর: ৯০
সঠিক উত্তর: A) (৪/৩)
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশের লব ও হরের পার্থক্য এক এবং সমষ্টি সাত।
ভগ্নাংশটি লব বাই হর আকারে নির্ণয় করতে হবে।
ধরি,
ভগ্নাংশটির লব সমান ক
ভগ্নাংশটির হর সমান খ
শর্তমতে ক − খ সমান এক এবং ক + খ সমান সাত।
অতএব,
দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই দুই ক সমান আট।
তাহলে লব ক সমান চার।
হর খ সমান সাত বিয়োগ চার সমান তিন।
সুতরাং,
নির্ণয় ভগ্নাংশটি চার বাই তিন।
উত্তর: (৪/৩)
সঠিক উত্তর: C) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের মোট বাহুর সংখ্যা তিনটি
প্রতিটি বাহুর উপর একটি করে বর্গক্ষেত্র অঙ্কিত আছে
ধরি,
ত্রিভুজের বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের মোট সংখ্যা = ৩টি
প্রতিটি বর্গক্ষেত্রের কোণের সংখ্যা = ৪টি সমকোণ
অতএব,
প্রথম বর্গক্ষেত্রের সমকোণের সংখ্যা = ৪টি
দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের সমকোণের সংখ্যা = ৪টি
তৃতীয় বর্গক্ষেত্রের সমকোণের সংখ্যা = ৪টি
সুতরাং,
মোট সমকোণের সংখ্যা = ৪ + ৪ + ৪ = ১২টি
উত্তর: ১২টি
সঠিক উত্তর: C) ১০০ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
সুদের হার = শতকরা ১ টাকা বা ১ টাকা
আসল = ১ টাকা
সুদ = ১ টাকা
ধরি,
সময় = ক বছর
অতএব,
আমরা জানি, সুদ = (আসল × সময় × সুদের হার) ÷ ১০০
এখানে মান বসিয়ে পাই, ১ = (১ × ক × ১) ÷ ১০০
সুতরাং,
ক × ১ = ১ × ১০০
ক = ১০০
উত্তর: ১০০ বছর
সঠিক উত্তর: A) ২২ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
২১ টাকা দরে কেনা কলার পরিমাণ = ১৫ ডজন
১৪ টাকা দরে কেনা কলার পরিমাণ = ২০ ডজন
ধরি,
মোট কলার পরিমাণ = ১৫ ডজন + ২০ ডজন = ৩৫ ডজন
২১ টাকা দরে ১৫ ডজনের দাম = ১৫ × ২১ = ৩১৫ টাকা
অতএব,
১৪ টাকা দরে ২০ ডজনের দাম = ২০ × ১৪ = ২৮০ টাকা
মোট কলার ক্রয়মূল্য = ৩১৫ টাকা + ২৮০ টাকা = ৫৯৫ টাকা
মোট কলার লাভ = ৩৫ ডজন × ৫ টাকা = ১৭৫ টাকা
সুতরাং,
মোট বিক্রয়মূল্য = ৫৯৫ টাকা + ১৭৫ টাকা = ৭৭০ টাকা
উত্তর: প্রতি ডজন কলার বিক্রয়মূল্য = ৭৭০ ÷ ৩৫ = ২২ টাকা
সঠিক উত্তর: C) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
ঢাকা থেকে রংপুরের মোট দূরত্ব = ৪৫ মাইল
হাসানের হাঁটার গতি = প্রতি ঘণ্টায় ৩ মাইল
শাহিনের হাঁটার গতি = প্রতি ঘণ্টায় ৪ মাইল
ধরি,
হাসান ১ ঘণ্টায় হাঁটে = ৩ মাইল
বাকী পথ থাকে = ৪৫ − ৩ = ৪২ মাইল
শাহিন রওয়ানা হওয়ার পর দুজনের সম্মিলিত গতি = ৩ + ৪ = ৭ মাইল প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
দুজনের সাক্ষাৎ হতে সময় লাগে = ৪২ ÷ ৭ = ৬ ঘণ্টা
এই ৬ ঘণ্টায় শাহিন হাঁটে = ৬ × ৪ = ২৪ মাইল
হাসান মোট হাঁটে = ৩ + (৬ × ৩) = ২১ মাইল
সুতরাং,
শাহিনের হাঁটা মোট পথের পরিমাণ = ২৪ মাইল
উত্তর: ২৪
সঠিক উত্তর: A) He is as good as I.
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে দুটি ব্যক্তির গুণের তুলনা করা হয়েছে
প্রথম ব্যক্তি হলো He এবং দ্বিতীয় ব্যক্তি I
ধরি,
প্রথম ক্লজটি হলো He is as good
দ্বিতীয় ক্লজটি হলো I am good
অতএব,
তুলনার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ক্লজে verb উহ্য থাকে
as এর পর subjective pronoun ব্যবহৃত হয়
সুতরাং,
সঠিক pronoun হবে I কারণ এটি subject হিসেবে কাজ করে
উত্তর: A) He is as good as I.
সঠিক উত্তর: D) An autobiography
প্রদত্ত তথ্য:
নিজের জীবন নিয়ে যে লেখা হয় তার ইংরেজি প্রতিশব্দ বের করতে হবে
ধরি,
অন্যের জীবন নিয়ে লেখা = A biography
নিজের জীবন নিয়ে লেখা = An autobiography
অতএব,
ডায়েরি হলো প্রতিদিনের ঘটনার লিপি
ক্রনিকল হলো ঐতিহাসিক ঘটনার কালানুক্রমিক বিবরণ
সুতরাং,
নিজের আত্মজীবনীমূলক লেখাকে আত্মজীবনী বলা হয়
উত্তর: D) An autobiography
সঠিক উত্তর: D) anybody
প্রদত্ত তথ্য:
সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে
অপশনগুলোতে বিভিন্ন ধরনের প্রোনাউন দেওয়া আছে
ধরি,
A অপশনে reflexive pronoun আছে
B অপশনে relative pronoun আছে
অতএব,
C অপশনে personal pronoun আছে
D অপশনে indefinite pronoun আছে
সুতরাং,
অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে anybody ব্যবহৃত হয়
উত্তর: D) anybody
সঠিক উত্তর: A) x²−x+1
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো x⁴+x²+১
ধরি,
রাশিটিকে লেখা যায় (x²)² + ২(x²)(১) + (১)² − (x²)
বা, (x² + ১)² − (x)²
অতএব,
এটিকে a² − b² সূত্রে ভাঙলে পাই,
(x² + ১ + x)(x² + ১ − x)
সুতরাং,
একটি উৎপাদক (x² + x + ১) হলে অপর উৎপাদকটি হবে (x² − x + ১)
উত্তর: A) x²−x+1
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির দ্বিগুণের সাথে ৫ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ৭ বেশি হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি = ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, (ক × ২) + ৫ = ক + ৭
বা, ২ক + ৫ = ক + ৭
সুতরাং,
২ক − ক = ৭ − ৫
ক = ২
উত্তর: নির্ণয় সংখ্যাটি ৪
সঠিক উত্তর: B) a(a²-b²)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = (a−b)
দ্বিতীয় রাশি = (a−ab)
তৃতীয় রাশি = (a²−b²)
ধরি,
প্রথম রাশি = (a−b)
দ্বিতীয় রাশি = a(1−b)
তৃতীয় রাশি = (a+b)(a−b)
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদক = (a−b)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = a এবং (1−b)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (a+b) এবং (a−b)
সুতরাং,
লসাগু হলো সকল উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাতের গুণফল
উত্তর: a(a²−b²)
সঠিক উত্তর: B) have worked
প্রদত্ত তথ্য:
বাক্যের Subject হলো plural অর্থাৎ employees
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এটি Present Perfect Tense
ধরি,
Subject বহুবচন হলে Verb ও বহুবচন হবে
Present Perfect Tense-এ have বসে এবং Verb-এর Past Participle রূপ বসে
অতএব,
employees এর পরে has ব্যবহার করা ভুল
will be work ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল
সুতরাং,
সঠিক গঠন অনুযায়ী have এর সাথে worked যুক্ত হবে
বাক্যটি হবে have worked
উত্তর: B) have worked
সঠিক উত্তর: D) Formula
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজি ব্যাকরণের বচন বা Number সংক্রান্ত প্রশ্ন
অপশনগুলিতে দেওয়া শব্দগুলোর একবচন ও বহুবচন রূপ
বিশ্লেষণ:
Fungi শব্দটি Fungus শব্দের বহুবচন রূপ
Agenda শব্দটি Agendum শব্দের বহুবচন রূপ
ধরি,
Data শব্দটি Datum শব্দের বহুবচন রূপ
Formula শব্দটির বহুবচন রূপ হলো Formulae
অতএব,
Fungi, Agenda এবং Data হলো বহুবচন শব্দ
Formula হলো একটি একবচন শব্দ
সুতরাং,
সঠিক একবচন শব্দটি হলো Formula
উত্তর: D) Formula
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
B) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রী ছিলেন, রাষ্ট্রপতি বা অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
C) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) তাজউদ্দিন আহমেদ — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকায় উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।
সঠিক উত্তর: D) Bertrand Russell
কেন সঠিক:
- বার্ট্রান্ড রাসেল বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ ও শান্তিবাদী চিন্তাবিদ।
- তাকে ১৯৫০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lenin — ভ্লাদিমির লেনিন ছিলেন রুশ বিপ্লবের নেতা ও রাজনীতিবিদ, তিনি কোনো সাহিত্য পুরস্কার পাননি।
B) Jarries Baker — জেমস বেকার একজন মার্কিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও কূটনীতিক, যিনি সাহিত্য নোবেল পাননি।
C) Dr. Kissinger — হেনরি কিসিঞ্জার মার্কিন রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিবিদ হলেও সাহিত্যে নোবেল পাননি।
D) Bertrand Russell — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক দার্শনিক যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
দর্শন ও সাহিত্যে নোবেল পাওয়া ব্রিটিশ চিন্তাবিদ হলেন বার্ট্রান্ড রাসেল।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: B) মহেশখালী
কেন সঠিক:
- মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ যা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দির ও মৈনাক পাহাড়ের মতো উঁচু পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, কোনো পাহাড়ি দ্বীপ নয়।
B) মহেশখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ।
C) ছেড়া দ্বীপ — এটি সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড ও একটি প্রবাল দ্বীপ।
D) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি চর ভূমি বা নিমজ্জিত দ্বীপ।
মনে রাখার টিপস:
মহেশখালীতে পাহাড় আছে, তাই এটি একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ।
সঠিক উত্তর: B) এম আর আখতার মুকুল
কেন সঠিক:
- এম আর আখতার মুকুল ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে অত্যন্ত জনপ্রিয় কথিকা চরমপত্র পাঠ করতেন।
- তাঁর সাবলীল উপস্থাপনা ও হাস্যরসাত্মক অথচ শাণিত ব্যঙ্গাত্মক ভাষা মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল হান্ত্রাদ — এই নামে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সাথে সম্পৃক্ত কোনো বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব নেই এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) এম আর আখতার মুকুল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট, যিনি আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে গানটির রচয়িতা।
D) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, যিনি এই বেতার কেন্দ্রের সাথে যুক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
চরমপত্র পাঠ করতেন মুকুল ভাই, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জোগাত।
সঠিক উত্তর: B) (9/11)
কেন সঠিক:
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সন্ত্রাসী হামলার পর ঘটনাস্থল বা ধ্বংসস্তূপকে গ্রাউন্ড জিরো নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধ্বংসযজ্ঞের স্থান হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুনামী — এটি মূলত সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট বিশাল জলরাশির ঢেউ, যার সঙ্গে গ্রাউন্ড জিরো শব্দটি সম্পৃক্ত নয়।
B) (9/11) — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) (1/11) — এটি বাংলাদেশের ২০০৭ সালের সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে বোঝায়।
D) Black september — এটি জর্ডানে ফিলিস্তিনিদের ওপর ১৯৭০ সালের সামরিক অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ার ধ্বংসের তারিখ ৯/১১ এবং ওই ধ্বংসস্তূপের স্থানটিই হলো গ্রাউন্ড জিরো।
সঠিক উত্তর: A) ৫ : ৩ : ১
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬, যা লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করলে ৫ : ৩ হয়।
- পতাকার মাঝের লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যের এক পঞ্চমাংশ বা ৫ ভাগের ১ ভাগ হয়, যার অনুপাত ১।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ : ৩ : ১ — এই অনুপাতটি দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লালবৃত্তের ব্যাসার্ধের সঠিক মান প্রকাশ করে।
B) ৩ : ১ : ৫ — এই অনুপাতটি পতাকার মাপের সঠিক ক্রম ও পরিমাপের সঙ্গে মিল রাখে না।
C) ৪ : ২ : ১ — এই অনুপাতে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাতটি জাতীয় পতাকার নির্ধারিত মানের সঙ্গে মেলে না।
D) ১০ : ১২ : ১ — এই অনুপাতটিতে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের মান উল্টো এবং তা জাতীয় পতাকার মানের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
পতাকার মাপ মনে রাখতে মনে রাখুন দৈর্ঘ্য ৫ ফুট হলে প্রস্থ ৩ ফুট হবে এবং লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১ ফুট হবে।
সঠিক উত্তর: A) জিব্রাল্টার
কেন সঠিক:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কোর কাছ থেকে আলাদা করেছে।
- এটি পূর্ব দিকে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিম দিকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিব্রাল্টার — এটি ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করায় এটিই সঠিক উত্তর।
B) হরমুজ — এটি ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
C) বসফরাস — এটি কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
D) পক — এটি ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে এবং বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
মনে রাখার টিপস:
আটলান্টিক থেকে ভূমধ্যসাগরে যাওয়ার পথেই জিব্রাল্টার প্রণালীর অবস্থান।
সঠিক উত্তর: A) বেলজিয়াম
কেন সঠিক:
- ওয়াটারলু বর্তমান বেলজিয়ামের ব্রাবান্ট ওয়ালুন প্রদেশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এখানেই নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তাঁর জীবনের শেষ ও চূড়ান্ত যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি এই দেশেই অবস্থিত।
B) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও এখানে ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র অবস্থিত নয়।
C) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং এর সাথে ওয়াটারলু যুদ্ধের কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
D) ইংল্যান্ড — নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনী যুদ্ধ করলেও এই যুদ্ধক্ষেত্রটি ইংল্যান্ডে নয়, বেলজিয়ামে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধ ওয়াটারলু বেলজিয়ামে হয়েছিল, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ওয়াটারলু বেলজিয়ামের একটি বিখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্র।
সঠিক উত্তর: C) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ারভাটাভিত্তিক প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছ ডিম পাড়ে।
- এই নদীর বিশেষ ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এবং অনুকূল পরিবেশের কারণে মা মাছেরা এখানে এসে ডিম ছাড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুরমা — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী হলেও প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়।
B) মেঘনা — এটি দেশের একটি অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী হলেও মাছের প্রাকৃতিক ডিম ছাড়ার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত নয়।
C) হালদা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র।
D) যমুনা — এটি প্রধান নদীবাহিত ধারা হলেও মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে এর বিশেষ পরিচিতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক প্রজননের জন্য বিখ্যাত নদীর নাম মনে রাখতে হা দিয়ে হালদা এবং হা দিয়ে ডিম ছাড়ার আদর্শ স্থান হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীলংকায়
কেন সঠিক:
- এডামস পিক বা শ্রীপাদ শ্রীলংকার কেন্দ্রীয় উচ্চভূমিতে অবস্থিত একটি পবিত্র পাহাড় এবং তীর্থস্থান।
- বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই স্থানটির আলাদা ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতে — ভারত বিভিন্ন ধর্মের তীর্থস্থান হলেও এডামস পিক এখানে অবস্থিত নয়।
B) ইন্দোনেশিয়ায় — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ, যেখানে এডামস পিক নামের কোনো বিখ্যাত তীর্থস্থান নেই।
C) ভিয়েতনামে — ভিয়েতনাম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সঙ্গে এই তীর্থস্থানের কোনো ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) শ্রীলংকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তীর্থস্থানটি শ্রীলংকায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শ্রীলংকার পবিত্র পাহাড় এডামস পিক মনে রাখতে 'শ্রী' দিয়ে শ্রীলংকা এবং শ্রীপাদ নাম দুটি মনে রাখুন।
প্রশ্নের ধরন: যুক্তি, বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধান
সঠিক উত্তর: B) শনিবার
কেন সঠিক:
- আগামীকালের ৩ দিন পর মানে আজকের দিন থেকে মোট ৪ দিন পর, যা শনিবার হলে আজ হলো মঙ্গলবার।
- আজকের মঙ্গলবার ধরে গতকাল হলো সোমবার এবং তার ২ দিন পূর্বের দিনটি হলো শনিবার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুধবার — প্রদত্ত সমীকরণ অনুযায়ী আজকের দিন থেকে পেছনের হিসাব করলে এই দিনটি আসে না।
B) শনিবার — এটি এই গাণিতিক যুক্তির সঠিক ও মিলে যাওয়া উত্তর।
C) সোমবার — এটি বর্তমান দিন বা গতকালের কাছাকাছি কোনো বার নির্দেশ করে, সম্পূর্ণ হিসাবের ফল নয়।
D) বৃহস্পতিবার — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নিয়মের বাইরে একটি অতিরিক্ত দিন হিসাব করায় ভুল ফলাফল দেয়।
মনে রাখার টিপস:
আজকে নির্দিষ্ট ধরে বর্তমান বার বের করে সামনের ও পেছনের দিনগুলো গণনা করলে সহজেই সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
কেন সঠিক:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা কবিতায় ছন্দের ওপর অসাধারণ পটুতা ও কারুকাজ দেখিয়েছেন, তাই তাঁকে 'ছন্দের জাদুকর' বলা হয়।
- তিনি বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে নানা ছন্দে কবিতা বাংলায় সফলভাবে অনুবাদ করে অমরত্ব লাভ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা কাব্যে ছন্দের জাদুকর হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাঁকে 'নাগরিক কবি' বলা হয়।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ^কবি এবং বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও গীতিকবি।
D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতির প্রবর্তক এবং বাংলা প্রাবন্ধিক হিসেবে বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস: সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের নামের সাথে ছন্দ শব্দটির মিল মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫০ সালে
কেন সঠিক:
- এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ আমলের চিরস্থায়ী বন্দোভস্ত প্রথা বাতিল করা হয় এবং সরাসরি সরকারের সঙ্গে প্রজাদের সউম্বন্ধ স্থাপিত হয়।
- তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৯৫০ সালের ১৬ই এপ্রিল ঐতিহাসিক পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬১ সালে — এই সালে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সামরিক শাসনামলে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, জমিদারি দখল আইন পাসের সাল এটি নয়।
B) ১৯৫২ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে মহান ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত, যা জমিদারি দখল আইন পাসের সময়কালের সঙ্গে মেলে না।
C) ১৯৫০ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
D) ১৯৫১ সালে — এই সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছিল, কিন্তু আইনটি পাস হয়েছিল ১৯৫০ সালে।
মনে রাখার টিপস:
আইনটি পাসের সাল মনে রাখতে ১৯৫০ সংখ্যাটিকে মনে রাখুন, যেখানে প্রজারা জমিদারদের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল।
বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ স্যাটেলাইট যা ২০১৮ সালের ১২ মে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে স্যাটেলাইটটির নামকরণ করা হয় এবং এটি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা স্যাটেলাইট ১ — এটি সঠিক নাম নয়, কারণ স্যাটেলাইটের আনুষ্ঠানিক নামকরণে 'বঙ্গবন্ধু' শব্দটি যুক্ত রয়েছে।
B) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট — নামটিতে ক্রমবাচক সংখ্যা বা ড্যাশ চিহ্ন না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ভুল অপশন।
C) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর পূর্ণাঙ্গ ও দাপ্তরিক নাম।
D) আকাশ স্যাটেলাইট-১ — এটি কোনো বাস্তব স্যাটেলাইট নয়, এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি নাম।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইটের নামের সাথে জাতির পিতার নাম এবং প্রথম সংখ্যাটি (১) যুক্ত আছে।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কারণে যুক্তরাজ্য জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিশ্বজুড়ে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত।
- আধুনিক যুদ্ধজাহাজ এবং বাণিজ্যিক জলযান নির্মাণে এই দেশের উন্নত প্রকৌশল ও ডকইয়ার্ড ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — এটি জাহাজ নির্মাণ শিল্পে তার উন্নত প্রযুক্তি ও ঐতিহাসিক শ্রেষ্ঠত্বের জন্য এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) রাশিয়া — রাশিয়া সামরিক জলযান নির্মাণে শক্তিশালী হলেও সামগ্রিক আধুনিক বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ শিল্পে যুক্তরাজ্যের মতো সর্বাপেক্ষা উন্নত অবস্থানে নেই।
C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ জাহাজ নির্মাণ শিল্পে উদীয়মান ও সম্ভাবনাময় দেশ হলেও বিশ্বমঞ্চে সর্বাপেক্ষা উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত নয়।
D) ভারত — ভারত জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্পে উন্নতি লাভ করছে, তবে এটি বিশ্ববাজারে যুক্তরাজ্যের সমকক্ষ সর্বাপেক্ষা উন্নত দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রাচীন সমুদ্রশক্তি হিসেবে যুক্তরাজ্য জাহাজ নির্মাণ শিল্পেও সর্বাপেক্ষা উন্নত দেশ।
সঠিক উত্তর: B) সিপাহি
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসীম সাহসিকতা প্রদর্শন করেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সিপাহি পদে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলু চা বাগান এলাকায় শহীদ হন এবং তিনি সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন — এটি কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তার একটি উচ্চ পদবি, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদের সঙ্গে মেলে না।
B) সিপাহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই পদবি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
সি) ল্যান্স নায়েক — এটি সিপাহির উপরের একটি পদবি, যা বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের পদবি ছিল।
D) লেফটেন্যান্ট — এটি কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তার একটি পদবি, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান সেনাবাহিনীতে ছিলেন একেবারে নিচের পদবি অর্থাৎ সিপাহি পদে।
সঠিক উত্তর: A) হরমোন
১. কেন সঠিক:
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে সরাসরি রক্তে হরমোন নিঃসৃত হয়। এই গ্রন্থিগুলোর কোনো নালী থাকে না বলে এদের নালীবিহীন গ্রন্থি বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বা এন্ডোক্রাইন গ্ল্যান্ড এমন অঙ্গ যা রাসায়নিক বার্তা বাহক তৈরি করে।
কার্যপ্রণালি: উৎপাদিত রস কোনো নালীর মাধ্যমে প্রবাহিত না হয়ে সরাসরি রক্তপ্রবাহে মিশে শরীরের দূরে থাকা লক্ষ্য অঙ্গে পৌঁছায়।
বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের বৃদ্ধি, বিপাক ক্রিয়া এবং প্রজনন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে এই হরমোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন নিঃসৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের অস্থি ও পেশির স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সরাসরি সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরমোন — এটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
B) লালা — এটি পরিপাকতন্ত্রের বহিঃক্ষরা লালাগ্রন্থি থেকে নালীর মাধ্যমে মুখে ক্ষরিত হয়।
C) পিত্তরস — এটি যকৃতে উৎপাদিত হয়ে পিত্তথলিতে জমা হয় এবং নালীর মাধ্যমে ক্ষুদ্রান্ত্রে আসে।
D) পেপসিন — এটি পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একটি পরিপাককারী এনজাইম।
৫ মনে রাখার টিপস:
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি মানেই নালী নেই আর সেখান থেকেই আসে হরমোন। নালীযুক্ত গ্রন্থি থেকে বের হয় এনজাইম বা রস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিকে নালীবিহীন গ্রন্থি বলা হয় এবং এর বিপরীত হলো বহিঃক্ষরা গ্রন্থি।
সঠিক উত্তর: C) লোহা
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয় এবং চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। মাধ্যম যত ঘন এবং তার কণার ব্যবধান যত কম হয়, শব্দের বেগ তত বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। কঠিন পদার্থের অণুগুলো খুব কাছাকাছি থাকে এবং তাদের স্থিতিস্থাপকতা বেশি, তাই শব্দের গতি কঠিন মাধ্যমে সর্বাধিক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেললাইনের পাতে কান পাতলে ট্রেন আসার অনেক আগেই শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: লোহার তৈরি রেললাইনে শব্দের গতি বাতাসের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় শব্দ দ্রুত পৌঁছায়।
উদাহরণ ২: পানির নিচে সাঁতার কাটার সময় ডলফিনের শব্দ অনেক দূর থেকে শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যম হওয়ায় পানিতে শব্দের গতি বাতাসের চেয়ে বেশি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানি — এটি একটি তরল মাধ্যম। তরল পদার্থের কণাগুলোর দূরত্ব বায়বীয় মাধ্যম থেকে কম হলেও কঠিন পদার্থের চেয়ে বেশি, তাই এখানে শব্দের গতি লোহার চেয়ে কম।
B) শূন্যতায় — শব্দ যান্ত্রিক তরঙ্গ হওয়ায় সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম আবশ্যক। শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা মাধ্যম না থাকায় শব্দ চলতে পারে না।
D) বাতাস — এটি একটি বায়বীয় মাধ্যম। গ্যাসের অণুগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি এবং স্থিতিস্থাপকতা কম, তাই বাতাসের মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের গতি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো কঠিন থেকে তরল এবং তরল থেকে বায়বীয় মাধ্যমে গতি ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। লোহা হলো কঠিন মাধ্যম, তাই এর গতি সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
সঠিক উত্তর: D) শুক্র
১. কেন সঠিক:
- সূর্য থেকে দূরত্বের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকা সত্ত্বেও শুক্র গ্রহ পৃথিবী থেকে সবচেয়ে কম দূরত্বে অবস্থান করে।
- এর কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় মহাকাশে এর অবস্থান আমাদের সবচেয়ে নিকটে নির্ধারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে পৃথিবী থেকে কক্ষপথের দূরত্ব পরিমাপ করে নিকটতম গ্রহ নির্ধারণ করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: শুক্র গ্রহ যখন পৃথিবী ও সূর্যের ঠিক মাঝখানে আসে, তখন পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব সবচেয়ে কমে যায় যা প্রায় চার কোটি কিলোমিটার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সকালের আকাশে শুকতারা হিসেবে শুক্র গ্রহের উজ্জ্বল উপস্থিতি।
ব্যাখ্যা: পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব কম হওয়ার কারণে এটি রাতের আকাশে চাঁদের পরে সবচেয়ে উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক হিসেবে দেখা যায়।
উদাহরণ ২: মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ প্রেরণের সময় গ্রহগুলোর মধ্যকার দূরত্ব হিসাব করা।
ব্যাখ্যা: কাছাকাছি অবস্থানের কারণে যেকোনো মহাকাশযান বা অভিযাত্রিক যান খুব কম সময়ে শুক্র গ্রহে পৌঁছাতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর নিকটতম হলেও কক্ষপথের দূরত্বের ব্যবধানে এটি শুক্রের চেয়ে দূরে অবস্থান করে।
B) বুধ — বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলেও এর কক্ষপথ ছোট হওয়ায় পৃথিবী থেকে এর ন্যূনতম দূরত্ব শুক্রের চেয়ে বেশি হয়।
C) বৃহস্পতি — বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ এবং এটি পৃথিবী থেকে অনেক দূরে গ্রহাণু অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত।
D) শুক্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কক্ষপথের ঘূর্ণনের সময় পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি চলে আসে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বর্ণমালার ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো যে শ দিয়ে শুরু শুক্র গ্রহ পৃথিবীর সবচেয়ে সঙ্গী বা কাছের বন্ধু গ্রহ।
- সূর্যের কাছাকাছি বুধ থাকলেও পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী গ্রহ হিসেবে শুক্রকে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যে কোন গ্রহকে পৃথিবীর জমজ গ্রহ বলা হয়।
- এখান থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন গ্রহে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: A) অম্ল
১. কেন সঠিক:
অম্ল বা অ্যাসিডের জলীয় দ্রবণ নীল লিটমাস পেপারকে লাল বর্ণে রূপান্তরিত করে।
এটি অম্লের একটি অন্যতম প্রধান ও মৌলিক রাসায়নিক ধর্ম।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যে রাসায়নিক পদার্থ জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে এবং নীল লিটমাসকে লাল করে তাকে অম্ল বলে।
কার্যপ্রণালি: অম্লীয় দ্রবণে উপস্থিত হাইড্রোজেন আয়ন লিটমাস রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক গঠনে পরিবর্তন এনে লাল রঙের সৃষ্টি করে।
বাস্তব প্রয়োগ: লেবুর রসে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা নীল লিটমাসকে লাল করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লেবুর রস নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে।
ব্যাখ্যা: লেবুতে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা অম্লীয় প্রকৃতির।
উদাহরণ ২: ভিনেগার নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে।
ব্যাখ্যা: ভিনেগারে অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে যা অম্লের ধর্ম প্রদর্শন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অম্ল — এটি সঠিক উত্তর কারণ অম্ল নীল লিটমাসকে লাল করে।
B) ক্ষার — ক্ষার লাল লিটমাসকে নীল করে, নীল লিটমাসকে লাল করে না।
C) ক্ষারক — ক্ষারক সাধারণত লাল লিটমাসকে নীল করে, তবে সব ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
নীল লিটমাস লালে পরিণত হওয়া মানে অ্যাসিড বা অম্ল।
অ্যাসিড শব্দের শুরুতে অ এবং অম্লের সাথে লাল রঙের মিল মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লিটমাস পেপার এক ধরনের নির্দেশক যা অম্ল ও ক্ষার শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন পদার্থ লাল লিটমাসকে নীল করে।
সঠিক উত্তর:
C) Web এর বিভিন্ন Documents ও অন্যান্য Resources এর ঠিকানা
১. কেন সঠিক:
URL হলো ইন্টারনেটে থাকা যেকোনো ডকুমেন্টস বা ফাইলের সুনির্দিষ্ট ঠিকানা।
এই ঠিকানার মাধ্যমে ব্রাউজার ইন্টারনেটের সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট রিসোর্স খুঁজে বের করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: URL-এর পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator এবং এটি ইন্টারনেটের যেকোনো ফাইলের লোকেশন নির্দেশ করে।
কার্যপদ্ধতি: প্রোটোকল, ডোমেইন নেম এবং পাথ বা ফাইলের নাম একত্রিত হয়ে ব্রাউজারের মাধ্যমে সার্ভার থেকে ডেটা আনে।
ব্যবহার: ওয়েব ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে কোনো সাইটে প্রবেশ করার জন্য এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: https://www.example.com/images/logo.png
ব্যাখ্যা: এই লিঙ্কের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট ছবি বা রিসোর্সকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: http://www.nctb.gov.bd/books
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে শিক্ষাবোর্ডের নির্দিষ্ট বইয়ের পেজ বা রিসোর্স লোড করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুধুমাত্র একটি LAN এর বিভিন্ন Resources এর ঠিকানা — এটি ভুল কারণ LAN কেবল স্থানীয় নেটওয়ার্কের জন্য এবং URL ইন্টারনেটের বৈশ্বিক ঠিকানা।
B) একটি Network এর Domain — এটি ভুল কারণ ডোমেইন হলো পুরো ওয়েবসাইটের নাম, আর URL হলো সেই সাইটের ভেতরের নির্দিষ্ট ফাইলের সম্পূর্ণ ঠিকানা।
D) কতগুলো Network এর বিভিন্ন Resources এর ঠিকানা — এটি ভুল কারণ URL সাধারণত একটি একক নির্দিষ্ট রিসোর্স বা ডকুমেন্টের ঠিকানা নির্দেশ করে, একাধিক নেটওয়ার্কের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
URL হলো ঘরের ঠিকানা বা পোস্টাল কোডের মতো, যা দিয়ে ইন্টারনেটের নির্দিষ্ট ফাইল বা পেজ খুঁজে পাওয়া যায়।
পূর্ণরূপটি ভালোভাবে মনে রাখবে কারণ এটি পরীক্ষায় বারবার আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
URL আবিষ্কার করেন টিম বার্নার্স লি ১৯৯৪ সালে।
নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেটের মৌলিক প্রশ্ন হিসেবে এটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর:
B) টেলিমেডিসিন
১. কেন সঠিক:
ইন্টারনেট বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরদূরান্তে অবস্থানরত রোগীর কাছে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে চিকিৎসকরা সরাসরি হাসপাতালে উপস্থিত না থেকেও রোগীর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ব্যবস্থাপপত্র প্রদান করতে পারেন।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: টেলিমেডিসিন হলো টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমন্বিত রূপ যার মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে বসে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: রোগী বা স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী ইন্টারনেটের মাধ্যমে রোগীর শারীরিক তথ্য, ছবি বা ভিডিও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে প্রেরণ করেন।
ব্যবহার: গ্রামীণ বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ শহরের বড় হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবা পেতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রামের একজন রোগী ভিডিও কলের মাধ্যমে ঢাকার কোনো হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে চিকিৎসার পরামর্শ নিচ্ছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে ইন্টারনেট ও ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভৌগোলিক দূরত্ব অতিক্রম করে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করে রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের তথ্য নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড করে চিকিৎসকের মতামত নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক টেলিমেডিসিনের একটি রূপ, যা রিমোট পেশেন্ট মনিটরিং নামে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই-ট্রিটমেন্ট — এটি কোনো প্রমিত বা বহুল ব্যবহৃত চিকিৎসা প্রযুক্তির পরিভাষা নয়, বরং এটি একটি সাধারণ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক শব্দ।
B) টেলিমেডিসিন — এটি সঠিক উত্তর।
C) জায়মা প্লাজমা — এটি কোনো চিকিৎসা প্রযুক্তি নয়, এটি পদার্থবিজ্ঞান বা অন্য কোনো ক্ষেত্রের সাথে সম্পর্কিত একটি কাল্পনিক বা বিভ্রান্তিকর শব্দ।
D) ইলেকট্রোমেডিসিন — এটি চিকিৎসায় বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বোঝায়, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সেবার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
টেলি (Tele) শব্দের অর্থ দূরে এবং মেডিসিন (Medicine) শব্দের অর্থ চিকিৎসা।
অর্থাৎ দূর থেকে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার পদ্ধতিই হলো টেলিমেডিসিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
টেলিমেডিসিন সেবা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ই-হেলথ (e-Health) খাতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন সেবা যেমন ই-কমার্স, ই-লার্নিং এবং ই-গভর্ন্যান্স সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)