সঠিক উত্তর: B) জীবনানন্দ দাশ
কেন সঠিক:
১. জীবনানন্দ দাশ বাংলা কবিতায় আধুনিকতার এক অনন্য রূপকার যিনি অন্ধকার বা তিমির নাশ করার কথা বলেছেন।
২. তাঁর কবিতায় গভীর অন্ধকার তথা হতাশা পেরিয়ে আশার আলোর সন্ধান পাওয়ার এক অনন্য প্রকাশ দেখা যায়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবির কাব্যিক পরিচিতি সম্পর্কিত একটি সাহিত্যিক প্রশ্ন।
২. বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে বাংলা কবিতার নির্জনতম কবি এবং তিমির হননের কবি হিসেবে বিশেষভাবে চিহ্নিত করেছেন।
৩. তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোতে রূপসী বাংলার অন্ধকার রাত ভেদ করে এক নতুন ভোরের চেতনার প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত হলেও কোনো কবি নন।
B) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের এক জনপ্রিয় কথাশিল্পী বা ঔপন্যাসিক, কোনো কবি নন।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং সাম্য ও মুক্তির বাণী প্রচার করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
১. তিমির শব্দের অর্থ অন্ধকার আর এই অন্ধকার দূর করার কাব্যিক সাধনা করেছিলেন জীবনানন্দ দাশ।
২. আধুনিক কবিতার অন্ধকার বা অবসাদ কাটিয়ে যিনি আলোর পথ দেখিয়েছেন তিনিই তিমির হননের কবি।
সঠিক উত্তর: A) যে সন্ধি ব্যাকরণের কোন নিয়ম মানে না
১. কেন সঠিক:
- নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র অনুসরণ করে গঠিত হয় না।
- বাংলা ব্যাকরণে কিছু সন্ধি প্রচলিত নিয়মের বাইরে প্রাকৃত বা সাধারণ ব্যবহারের মাধ্যমে সিদ্ধ বা গৃহীত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সন্ধির সাধারণ নিয়ম হলো স্বরবর্ণে স্বরবর্ণে অথবা ব্যঞ্জনবর্ণে ব্যঞ্জনবর্ণে বা স্বরবর্ণে ব্যঞ্জনবর্ণে মিলন বা পরিবর্তন ঘটা।
- কিন্তু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি এই প্রচলিত ব্যাকরণগত নিয়ম বা সূত্র মানে না, তাই এগুলোকে মুখস্থ রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোষ্পদ = গো + পদ
ব্যাখ্যা: এখানে সাধারণ সন্ধির নিয়ম না মেনে গোষ্পদ শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরস্পর = পরি + পর
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ব্যাকরণের নিয়মিত সন্ধির নিয়ম অনুসৃত হয়নি, নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যে সন্ধি ব্যাকরণের কোন নিয়ম মানে না — এটি সঠিক কারণ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মেনে চলে না।
B) যে সন্ধির সকল নিয়ম মানে — এটি ভুল কারণ সকল নিয়ম মানলে তাকে সাধারণ সন্ধি বলা হতো, নিপাতনে সিদ্ধ বলা হতো না।
C) যে সন্ধি দুইটি ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু হয় — এটি ভুল কারণ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি উভয় প্রকারেরই হতে পারে।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ তে সঠিক উত্তরটি বিদ্যমান রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিপাতনে সিদ্ধ মানেই হলো ব্যতিক্রম যা কোনো নিয়ম মানে না।
- পরীক্ষার হলে এই ধরনের শব্দ দেখলে বুঝতে হবে এগুলো সরাসরি মুখস্থ করা রূপ থেকে এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- গোষ্পদ, পরস্পর, চষক, বৃহস্পতি, মনোহর প্রভৃতি শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কানাডা
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিদেশে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে কানাডা বিশেষভাবে স্মরণীয়। কানাডা প্রবাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষক মৌসুমী ভৌমিক বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে নজরুলের জীবন ও কর্মের ওপর চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।
কাজী নজরুল ইসলামের বহুমুখী প্রতিভা, বিদ্রোহী সত্তা এবং সাম্যবাদের বাণী শুধু বাংলাদেশ বা ভারতেই নয়, বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সংগীতজ্ঞ। বাংলা কবিতায় তার আবির্ভাব এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছিল যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্রোহ এবং প্রেমের অনন্য প্রকাশ ঘটেছিল।
তার সাহিত্যকর্ম যেমন অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী এবং ঝিঙেফুল বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে তেমনি তার জীবনসংগ্রাম বিশ্বজুড়ে শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা যা বাংলা সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যে দ্রোহের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: চল চল চল ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল।
ব্যাখ্যা: এটি আমাদের রণসংগীত যা কবির দেশপ্রেম ও জাগরণমূলক সৃষ্টির একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশে নজরুলকে নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রামাণ্যচিত্র বা নাটক নির্মিত হলেও বিশ্বমঞ্চে কানাডার চলচ্চিত্রটি একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে নজরুলের নানা অনুষ্ঠান ও চর্চা হলেও তাকে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রধান তথ্য এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ভারত — ভারতে নজরুল জন্ম ও কর্মের সঙ্গে জড়িত অনেক তথ্য ও প্রামাণ্যচিত্র থাকলেও নির্দিষ্ট এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে কানাডা নির্ধারিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যতিক্রমী তথ্যটি মনে রাখতে কানাডা নামটি আলাদাভাবে নোট করে রাখুন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নজরুলের বিস্তার মনে রাখলেই এই উত্তরটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনকাল, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং বিদ্রোহী কবিতার প্রকাশকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কবির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সংক্রান্ত এমন প্রশ্নগুলো সাধারণত বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় একটু ভিন্ন আঙ্গিকে আসে।
সঠিক উত্তর: D) শেষের কবিতা
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত এবং অন্যতম সেরা আধুনিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র অমিত রায় এবং লাবণ্যর মনস্তাত্ত্বিক প্রেমের সম্পর্ক এই উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
- শেষের কবিতা একটি গীতধর্মী উপন্যাস যেখানে প্রথাগত রোমান্টিকতার বাইরে গিয়ে আধুনিক মনস্তত্ত্বের প্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস যা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯০৩ সালে।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গীতিকবিতা সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়।
B) গীতাঞ্জলি — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
C) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী ও দার্শনিক নাটক, কোনো উপন্যাস নয়।
D) শেষের কবিতা — এটি সঠিক উপন্যাস হিসেবে চিহ্নিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শেষের কবিতা, চোখের আলো, যোগাযোগ ও গোরা নামের গ্রন্থগুলো উপন্যাস হিসেবে মনে রাখা।
কাব্য ও নাটকের তালিকা থেকে উপন্যাস আলাদা করার জন্য রচনার রূপ বা ধরণ সবসময় খেয়াল রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস, নাটক ও কাব্যগ্রন্থ মিলিয়ে প্রশ্ন আসে।
কোনটি কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরণের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ইতিহাসের একটি মীমাংসিত ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রথম নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম সর্বস্বীকৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চন্দ্রাবতী ছিলেন ষোল শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নারী কবি।
- তিনি ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার কটিয়াদী উপজেলার নেত্রাইল গ্রামের পত্নাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতা বিখ্যাত কবি দ্বিজ বংশিদাস, যিনি মনসামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা।
- চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রগতিশীল নারী কবি যিনি বাংলা ভাষায় রামায়ণ অনুবাদ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মলুয়া বা দস্যুকেনরাম পালা
ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতী রচিত এই পালাগুলো বাংলা লোকসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ এবং নারী হৃদয়ের বেদনা ও প্রতিবাদের অনন্য প্রকাশ।
উদাহরণ ২: রামায়ণ অনুবাদ
ব্যাখ্যা: সীতার বারোমাস্যা অংশটি যোগ করে তিনি রামায়ণের নারী কেন্দ্রিক দুঃখ কষ্টের এক মর্মস্পর্শী রূপ ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা নাটকের রচয়িতা — চন্দ্রাবতী নাটক রচনা করেননি, তিনি মধ্যযুগের কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন।
B) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
C) একটি কাব্যগ্রন্থ — চন্দ্রাবতী কোনো কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, বরং এটি একজন প্রখ্যাত কবির নাম।
D) বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা — বনলতা সেন আধুনিক যুগের কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের নারী কবি মানেই চন্দ্রাবতী এবং তার বিখ্যাত সৃষ্টি হলো রামায়ণের নারী কেন্দ্রিক রূপ ও মনসামঙ্গল পরিবারের ঐতিহ্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের নারী কবি সম্পর্কে প্রশ্ন এলে সাধারণত চন্দ্রাবতী বা খনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। চন্দ্রাবতীকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) জীমূতমন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- 'মেঘের ধ্বনি' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো 'জীমূতমন্দ্র'।
- এখানে 'জীমূতের' অর্থ মেঘ এবং 'মন্দ্র' অর্থ গম্ভীর শব্দ বা ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে মেঘের ডাক
ব্যাখ্যা: একে এককথায় জীমূতমন্দ্র বা গর্জন বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি
ব্যাখ্যা: এটিকে এককথায় অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীমূতমন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মেঘের গম্ভীর ধ্বনি।
B) মৃন্ময় — এটি ভুল অপশন কারণ মৃন্ময় শব্দের অর্থ মাটি দিয়ে তৈরি বা পার্থিব।
C) মানকি — এটি ভুল অপশন কারণ মানকি বলতে কোনো নির্দিষ্ট বা প্রচলিত বাক্য সংকোচন বোঝায় না।
D) কোনটাই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ তে সঠিক উত্তরটি বিদ্যমান রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীমূতের সাথে মন্দ্র শব্দ যুক্ত হলে তার মূল অর্থ হয় মেঘের গম্ভীর গর্জন বা ধ্বনি।
- পরীক্ষার হলে মেঘ শব্দ দেখলে জীমূত শব্দটি মনে রাখার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
- মেঘ সম্পর্কিত অন্যান্য এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
সঠিক উত্তর: D) কারক
১. কেন সঠিক:
বাক্যের মধ্যে অবস্থিত ক্রিয়া পদের সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক বা অন্বয় ঘটে, তাকে কারক বলে। কারক শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা ক্রিয়া সম্পন্ন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের সম্পর্ক বোঝাতে কারক ব্যবহৃত হয়। কারক প্রধানত ছয় প্রকার যথা কর্তকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদানকারক, অপাদানকারক ও অধিকরণকারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ধরেছে ক্রিয়া পদের সাথে গাছে পদের স্থানবাচক সম্পর্কের কারণে এটি অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: বাবাকে ভয় পাও কেন।
ব্যাখ্যা: এখানে ভয় পাও ক্রিয়া পদের সাথে বাবাকে পদের ভীতির উৎস বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুসর্গ — এটি এমন এক ধরণের অব্যয় পদ যা শব্দের পরে বসে কারক বা বিভক্তির কাজ প্রকাশ করে কিন্তু সরাসরি ক্রিয়ার সাথে পদের সম্পর্ক বোঝায় না।
B) প্রত্যয় — এটি শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত নতুন শব্দ গঠন করে কিন্তু ক্রিয়ার সাথে পদের সম্পর্ক নির্দেশ করে না।
C) বিভক্তি — এটি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদের রূপান্তর ঘটায়, তবে এটি নিজে সম্পর্ক না হয়ে সম্পর্ক establishing tool হিসেবে কাজ করে।
D) কারক — এটি সঠিক কারণ এটি ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের সামগ্রিক সম্পর্ক নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ক্রিয়া পদের সাথে কার সম্পর্ক তা জানতে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করতে হয় কে, কী, কাকে ইত্যাদি দিয়ে। ক্রিয়ার সাথে পদের এই সম্পর্কই হলো কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কারক নির্ণয় করতে হলে সর্বদা বাক্যটির মূল ক্রিয়া পদকে প্রশ্ন করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক কয় প্রকার বা বাক্যের কোন পদটি কোন কারক তা প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) সদ্যঃ+ জাত
১. কেন সঠিক:
- 'সদ্যোজাত' একটি বিশদ শব্দ যার সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সদ্যঃ যোগ জাত।
- এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের আওতাভুক্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিসর্গের পর অ কিংবা আ থাকলে বিসর্গ ও-কার হয় এবং পরবর্তী অ লোপ পায়।
- এখানে সদ্যঃ শব্দের বিসর্গের সঙ্গে জাত শব্দের জ যুক্ত হয়ে ও-কার গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্তঃ+ আত্ম = অন্তরাত্মা
ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অহঃ+ নিশি = অহর্নিশি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরিবর্তে রেফ বা র কার যুক্ত হওয়ার এটি একটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সদ্যো+ জাত — এভাবে কোনো ব্যাকরণসম্মত সন্ধি বিচ্ছেদ হয় না কারণ প্রথম অংশে বিসর্গ থাকা বাধ্যতামূলক।
B) সদ্যঃ+ জাত — এটি মূল প্রশ্নের সঠিক ও প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদ যা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে।
C) সদ্য+জাত — এখানে বিসর্গ চিহ্ন অনুপস্থিত থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম সমর্থন করে না।
D) সদ+জত — এই অপশনটির বানান এবং অংশ দুটি মূল শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ অর্থহীন ও অপ্রাসঙ্গিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে ও-কার দেখলে বিসর্গ ব্যবহার করার অভ্যাস রাখতে হবে।
- সদ্যো শব্দের স্থলে সবসময় সদ্যঃ লিখে তার সঙ্গে পরবর্তী পদ যোগ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- নিয়মের সঠিক প্রয়োগ জানলে এ ধরনের শব্দ খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) দশজনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা
১. কেন সঠিক:
- 'দশচক্রে ভগবান ভূত' একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদ-প্রবচন যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো দশজন মিলে কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে চক্রান্ত করলে সত্য বা ন্যায়কে অন্যায় বা অসত্যে পরিণত করা যায়।
- এখানে 'ভগবান' শব্দ দ্বারা পরম সত্য বা ন্যায়বিচারকে বোঝানো হয়েছে এবং 'ভূত' বলতে অস্বাভাবিক বা বিকৃত অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রবাদ-প্রবচন অংশের অন্তর্ভুক্ত।
- প্রবাদ-প্রবচন হলো সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও জীবনদর্শনের সংক্ষিপ্ত ও শিল্পসম্মত প্রকাশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন।
ব্যাখ্যা: অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সে ধরা পড়ে যায় এবং তার অন্যায় কাজের শাস্তি পেতেই হয়।
উদাহরণ ২: দশের লাঠি একের বোঝা।
ব্যাখ্যা: একা কোনো কাজ করা অত্যন্ত কঠিন ও ক্লান্তিকর হলেও দশজন মিলে একসাথে কাজ করলে তা খুব সহজেই সম্পন্ন করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একতাই শক্তি — এই অর্থটি 'দশের লাঠি একের বোঝা' বা 'একতাই বল' প্রবাদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও আলোচ্য প্রবাদের সঙ্গে মেলে না।
B) দশজনের চক্রান্তে ভগবান কে মিথ্যা প্রমান করা — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি হলেও প্রবাদের প্রকৃত রূপক অর্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
D) কোনটাই নয় — যেহেতু সি নম্বর অপশনটি পুরোপুরি সঠিক এবং বাক্যের ভাবের সঙ্গে মিলে যায়, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রবাদে 'দশচক্র' শব্দটির মাধ্যমে দশজনের ষড়যন্ত্র বা চক্রান্তকে বোঝানো হয়।
- যখনই দেখবে দশজন মিলে কিছু করছে, তখন তা সাধারণত চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ না বুঝে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা সামাজিক তাৎপর্য মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রাচীন
১. কেন সঠিক:
- 'অর্বাচীন' শব্দটির অর্থ হলো আধুনিক, নতুন বা অল্পবয়স্ক, যার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'প্রাচীন' অর্থাৎ পুরোনো বা প্রাচীনকালের।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এই জোড়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন দুটি শব্দকে বোঝায় যা পরস্পর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দ দিয়েই বিপরীত শব্দ নির্ণয় করার নিয়ম সাধারণত অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আধুনিক
ব্যাখ্যা: আধুনিক শব্দের বিপরীত শব্দ প্রাচীন, যা বর্তমান সময়ের পরিবর্তে অতীতের কালকে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: নবীন
ব্যাখ্যা: নবীন শব্দের বিপরীত শব্দ প্রবীণ, যা অর্বাচীন শব্দের সমার্থক ধারার বিপরীত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাচীন — বাচীন বলে বাংলা ভাষায় কোনো অর্থপূর্ণ প্রমিত শব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ নেই।
B) পুরাতন — পুরাতন শব্দটি চলতি বা তদ্ভব রূপ, তবে তৎসম অর্বাচীন শব্দের সঠিক বিপরীত তৎসম রূপ প্রাচীন।
C) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর।
D) কোনটাই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অর্বাচীন শব্দের প্রথম অক্ষর অ এবং প্রাচীন শব্দের প্রথম অক্ষর প্র মিলিয়ে অ-প্র এভাবে মনে রাখতে পারো।
- নতুন বা কাঁচা অর্থে অর্বাচীন আর পাকা বা পুরোনো অর্থে প্রাচীন মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দের অর্থ সঠিকভাবে জানা থাকলে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) কৃত বিদ্যা যার
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে সমাসবদ্ধ পদটি অন্য পদের অর্থ প্রকাশ করে।
- এখানে কৃত শব্দের অর্থ অর্জিত বা লাভ করা হয়েছে এবং বিদ্যা হলো জ্ঞান, এই দুটি মিলে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি বিদ্যা লাভ করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এর পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হয়ে একটি নতুন বিশেষ্য পদ গঠন করে।
- এই সমাসে সমস্তপদটি এমন এক ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যার মধ্যে নির্দিষ্ট গুণ বা বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রাপ্ত সংবাদ যে, প্রাপ্তসংবাদ
ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের নিয়মে গঠিত আরেকটি শব্দ যা কোনো নির্দিষ্ট তথ্যপ্রাপ্তি বোঝায়।
উদাহরণ ২: মৃত জীবিকা যার, মৃতজীবিকা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি নির্দিষ্ট অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃত যে বিদ্যা — এটি কর্মধারয় সমাসের গঠন কিন্তু প্রদত্ত শব্দটির অর্থ অন্য পদকে নির্দেশ করায় এটি ভুল।
B) কৃত বিদ্যা যার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বহুব্রীহি সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য।
C) কৃত যে বিদ্য — এই অপশনে বিদ্য শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ কারণ সঠিক রূপটি হবে বিদ্যা।
D) কৃত হয়েছে যার বিদ্যা — এই বাক্যটি সমাসের সংক্ষিপ্ত রীতি এবং প্রমিত ব্যাসবাক্য গঠনের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাঁদের শব্দ থাকবে এবং সমস্তপদটি অন্য কাউকে বোঝাবে।
- কৃতবিদ্য শব্দের অর্থ যার বিদ্যা অর্জিত হয়েছে অর্থাৎ যিনি শিক্ষিত ব্যক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই এই ধরনের শব্দভিত্তিক প্রশ্ন আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং সমাসের প্রকারভেদ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) লবণাক্ত
১. কেন সঠিক:
- বিশেষ্য পদ 'লবণ' শব্দের সঙ্গে 'ক্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ 'লবণাক্ত' গঠিত হয়েছে।
- বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশকারী পদকে বিশেষণ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বিশেষ্য শব্দে প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ পদে রূপান্তর করা হয়।
- এখানে 'লবণ' বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে তার গুণ বা স্বাদ বোঝাতে বিশেষণ তৈরি করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্ক + ইল = পঙ্কিল
ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ 'পঙ্ক' থেকে 'পঙ্কিল' বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জগৎ + ইক = জাগতিক
ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ 'জগৎ' থেকে 'জাগতিক' বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবণাক্ত — এটি সঠিক বিশেষণ পদ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) নুন — এটি 'লবণ' শব্দের একটি সমার্থক বা তদ্ভব রূপ, তবে এটি বিশেষ্য পদ, বিশেষণ নয়।
C) লাবণ্য — এটি 'লবণ' শব্দ থেকে আগত একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, কোনো বিশেষণ নয়।
D) ললিত — এটি একটি আলাদা বিশেষণ পদ যার অর্থ সুন্দর বা মনোরম, লবণ শব্দের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বস্তুর স্বাদ বা অবস্থা বোঝাতে মূল বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে 'াক্ত' বা 'ইল' প্রত্যয় যুক্ত করে সহজে বিশেষণ পদ তৈরি করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে, তাই শব্দ গঠনে প্রত্যয়ের ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) হতভাগ্য
১. কেন সঠিক:
- 'আট কপালে' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ দুর্ভাগ্য বা যার কপাল মন্দ।
- মানুষের কপালে ভালো ভাগ্য লেখা নেই বোঝাতে এবং চরম দুর্ভাগ্য প্রকাশ করতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা তাদের আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- শব্দগুলো আলাদাভাবে দেখলে এক অর্থ দেয়, কিন্তু একত্রে মিলিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন ও প্রতীকী অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি বা বোকামির ফল, যা জীবনের নানা ক্ষেত্রে ভুল কাজের পরিণতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে
ব্যাখ্যা: এর অর্থ অত্যন্ত মন্দভাগ্য বা যার ভাগ্য কখনো ভালো হয় না, যা 'আট কপালে' বাগধারার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্দ মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ 'আট কপালে' বাগধারাটি মানুষের চরিত্রের মন্দ দিক প্রকাশ করে না, বরং মানুষের দুর্ভাগ্যের অবস্থাকে নির্দেশ করে।
B) খারাপ মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ নৈতিকভাবে খারাপ চরিত্র বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয় না, এটি মানুষের ভাগ্য বা কপালকে বোঝায়।
C) উন মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় মানুষের কমতি বা অপরিপূর্ণতা বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয় না এবং এটি নির্দিষ্ট কোনো বাগধারার অর্থ নয়।
D) হতভাগ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির মাধ্যমে এমন একজন মানুষকে বোঝানো হয় যার ভাগ্য অত্যন্ত খারাপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কপাল শব্দটির সাথে দুর্ভাগ্য যুক্ত করে এই বাগধারাটি মনে রাখা যায়, কারণ যার কপাল আট ভাগে বিভক্ত তার ভাগ্যও ভাঙাচোরা বা খারাপ।
- কপাল বা ভাগ্য সংক্রান্ত অন্যান্য বাগধারা যেমন পোড়াকপাল বা মন্দভাগ্য এর সাথে মিলিয়ে পড়া সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাগ্য বা দুর্ভাগ্য বোঝাতে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে।
- 'আট কপালে', 'ইঁদুর কপালে' এবং 'অর্ধচন্দ্র' জাতীয় বাগধারাগুলোর আভিধানিক ও ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) নৈর্ঝত
১. কেন সঠিক:
- নৈর্ঝত শব্দটির সঠিক বানান গঠনে রেফ এবং ঝ-ফলা বা যুক্তবর্ণের সঠিক প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ঝ এর পূর্বে র-ফলা (রেফ) যুক্ত হয়ে এই বিশেষ শব্দটি গঠিত হয় যার অর্থ নির্ঝরসংক্রান্ত বা ঝরনাজাত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণে রেফ (র-ফলা) এর ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অধ্যায়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী রেফ-এর পরে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হয় না এবং যুক্তবর্ণের সঠিক বিন্যাস রক্ষা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মূর্ছনা
ব্যাখ্যা: রেফ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক যুক্তবর্ণ বিন্যাসের আরেকটি আদর্শ উদাহরণ এটি।
উদাহরণ ২: তর্জনী
ব্যাখ্যা: এখানেও রেফ এবং জ-ফলার সঠিক অবস্থান প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী নিশ্চিত করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নৈঝত — এই অপশনটিতে প্রয়োজনীয় রেফ বর্ণটি অনুপস্থিত থাকায় বানানটি সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে।
B) নৈঝিত — এই অপশনটিতে অতিরিক্ত ই-কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ হয়েছে।
C) নৈর্ঝত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য।
D) নৈহৃত — এই অপশনটিতে ঝ এর পরিবর্তে হ বর্ণ ব্যবহার করায় মূল শব্দের অর্থ ও বানান বদলে গেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঝরনা বা নির্ঝর শব্দটির সঙ্গে সম্পর্কিত এই বানানটি মনে রাখতে এর মূল উচ্চারণ ও র-ফলার অবস্থান খেয়াল রাখতে হবে।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়াতে ঝ এর ওপর রেফ এবং ত যুক্ত হওয়ার গঠনটি বারবার লিখে অনুশীলন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রেফযুক্ত জটিল বানানগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রমিত বানান মুখস্থের চেয়ে গঠন মনে রাখা ভালো।
- একই নিয়মে অন্যান্য কঠিন যুক্তবর্ণের বানানগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো বানানশুদ্ধি প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- উক্তিটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনীর প্রার্থনা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- বাংলা সাহিত্য এই পঙক্তিটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এটি বাঙালির চিরন্তন শান্তিময় জীবনের প্রতীক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং নদীয়া জেলার পেঁটুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি হিসেবে তিনি খেতাব পান এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল তিন খণ্ডে বিভক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরী পাটুনীর এই বিখ্যাত প্রার্থনার লাইনটি অভাবমুক্ত ও সুখী জীবনের প্রতীক।
উদাহরণ ২: নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়।
ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায় গুণপকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদতুল্য লাইন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের কবি হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তাঁর রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের নয়।
B) ভারতচন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) আলাওল — আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেছেন কিন্তু এই উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।
D) দৌলত কাজী — দৌলত কাজী আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র ঈশ্বরী পাটুনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে দুধে ভাতে থাকার এই বর চেয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্যের বিখ্যাত চরিত্র ও পঙক্তি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ভারতচন্দ্রকে নাগরিক কবি বা অষ্টাদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চাশের মন্বন্তর
১. কেন সঠিক:
- 'নেমেছিস' নাটকে মূলত বাংলা ১৩৫০ সনের পঞ্চাশের মন্বন্তরের ভয়াবহ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- সেকালের গ্রামীণ মানুষের হাহাকার ও খাদ্যাভাব এই নাটকের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পঞ্চাশের মন্বন্তর বাংলা সাহিত্যে একটি বড় ঐতিহাসিক পটভূমি এবং এর ওপর বহু নাটক ও উপন্যাস রচিত হয়েছে।
- এই মন্বন্তরের নির্মম বাস্তবতা শিল্পসাহিত্যে দারুণভাবে প্রভাব ফেলেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুকান্ত ভট্টাচার্যের আকাল কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় পঞ্চাশের মন্বন্তরের দুর্ভিক্ষের ভয়াল রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের মন্বন্তর বিষয়ক রচনা।
ব্যাখ্যা: এটিও সেকালের মানবজীবনের চরম দুর্দশাকে তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ — এটি আন্তর্জাতিক একটি যুদ্ধ এবং এই নাটকের বিষয়বস্তু এটি নয়।
C) বাহান্নর ভাষা আন্দোলন — এটি বাঙালি জাতির ভাষাকেন্দ্রিক সংগ্রাম এবং এই নাটকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রাম এবং এই নাটকের পটভূমি এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পঞ্চাশের মন্বন্তর মানেই মানুষের চরম খাদ্যাভাব ও হাহাকার।
- ঐতিহাসিক এই পটভূমির নাটক মনে রাখতে সালটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যে ঐতিহাসিক পটভূমিভিত্তিক নাটকগুলোর নাম ও প্রেক্ষাপট ভালোভাবে পড়তে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়ার আধার অর্থাৎ স্থান, কাল বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে।
- এখানে পুকুর হলো মাছ থাকার স্থান বা আধার।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার স্থান, কাল বা ভাবকে অধিকরণ কারক বলে।
- স্থানবাচক অধিকরণকে স্থানাধিকরণ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বনে হলো বাঘ থাকার স্থান, তাই এটি অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: সকাল হলো সূর্য ওঠার সময়, তাই এটি কালাধিকরণ বা অধিকরণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, ভীত বা উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে নেই।
B) অধিকরণ কারক — এটি সঠিক উত্তর কারণ পুকুর হলো মাছ থাকার স্থান।
C) করণ কারক — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ কারক বলে, এখানে পুকুর কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয়।
D) কর্তৃকারক — যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে তাকে কর্তা বলে, এখানে মাছ মাছের কাজ করছে না বরং পুকুরে মাছের অবস্থান বোঝাচ্ছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই অধিকরণ কারক।
- স্থান বা সময় বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্থান বা আধার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বাক্যের মূল ক্রিয়াকে কোথায় বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বন্দী শিবির থেকে
১. কেন সঠিক:
- বন্দী শিবির থেকে হলো কবি শামসুর রাহমানের লেখা একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির বীরত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি যিনি বাংলাদেশের নাগরিক জীবনের নান্দনিক রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আত্মগোপনে থেকে তিনি এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো রচনা করেছিলেন যা বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি অমর কবিতা যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যচর্চায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
উদাহরণ ২: স্মৃতিচিহ্ন
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল পঠিত কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) বন্দী শিবির থেকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) আমি বীরাঙ্গনা বলছি — এটি নীলিমা ইব্রাহিম রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমানের নামের সাথে বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে বন্দিদশা থেকে মুক্তির আকুতি শব্দটি মাথায় রাখবে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য কবি শামসুর রাহমানের নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, নাটক ও কাব্যগ্রন্থের নাম আলাদা করতে বলা হয়।
- রচনার ধরন বা জেনর ভালো করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) পাণিনি
১. কেন সঠিক:
পাণিনি হলেন বিশ্বের প্রাচীনতম ও সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ যিনি সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন। তাঁর রচিত মহাগ্রন্থ অষ্টাধ্যায়ী প্রাচীন ভারতের বৈয়াকরণিক ঐতিহ্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থে ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের অত্যন্ত নিখুঁত ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ রয়েছে। ব্যাকরণ শাস্ত্রে তাঁর অবদান অতুলনীয় হওয়ায় তাঁকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী
ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকরণ শাস্ত্রের ইতিহাসে প্রথম ও সবচেয়ে নিখুঁত নিয়মভিত্তিক ব্যাকরণ গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সংস্কৃত ভাষা
ব্যাখ্যা: পাণিনি এই প্রাচীন ভাষার ওপর গভীর গবেষণা করে এর ব্যাকরণকে সুশৃঙ্খল রূপ দেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক ও শিক্ষাবিদ হলেও বিশ্বখ্যাত ব্যাকরণবিদ হিসেবে পাণিনি সর্বাধিক পরিচিত।
B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, ব্যাকরণবিদ নন।
C) পাণিনি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী গ্রহণযোগ্য।
D) ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ বলতে সাধারণত পাণিনিকেই বোঝানো হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ বললেই প্রাচীন ভারতের বৈয়াকরণ পাণিনির নাম মনে রাখতে হবে। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ অষ্টাধ্যায়ী এই তথ্য মনে রাখতে সবচেয়ে বড় সহায়ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব সাহিত্যের বা প্রাচীন ইতিহাসের বিখ্যাত বৈয়াকরণবিদ সম্পর্কে প্রশ্ন আসলে পাণিনির নাম এবং তাঁর অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) simplify
কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে simplification noun টির verb রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে।
simplify শব্দটির শেষে ify যুক্ত থাকায় এটি একটি verb হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) simply — এটি একটি adverb, তাই এটি সঠিক verb নয়।
B) simple — এটি একটি adjective, তাই এটি verb হতে পারে না।
C) simplify — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি ভুল হিসেবে গণ্য হবে না।
D) similar — এটি একটি ভিন্ন অর্থবহ adjective, যার অর্থ সদৃশ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে fy বা ify থাকলে সাধারণত সেটি verb হয়।
সঠিক উত্তর: B) tolerate
কেন সঠিক:
'Put up with' একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ দিয়ে এর মূল ভাব বোঝা যায় না।
এর আসল অর্থ হলো কোনো কিছু সহ্য করা বা মেনে নেওয়া, যা 'tolerate' শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
তাই প্রদত্ত বাক্য বা প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন বি নির্বাচন করা হয়েছে।
এই বাগধারাটি প্রায়ই কঠিন পরিস্থিতি বা অপছন্দের কোনো বিষয় মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stay together — এর অর্থ একত্রে থাকা, যা 'put up with' বাগধারার সহ্য করার অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং এর অর্থ সহ্য করা।
C) keep trust — এর অর্থ বিশ্বাস রক্ষা করা বা ভরসা রাখা, যা এই বাগধারার সাথে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) protect — এর অর্থ রক্ষা করা বা পাহারা দেওয়া, যা সহ্য করা বা মেনে নেওয়ার ধারণার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিরক্তিকর পরিস্থিতি যখন তুমি হাসিমুখে সহ্য করো, তখন মনে রাখবে তুমি আসলে 'put up with' করছ।
সঠিক উত্তর: B) The story is pleasant to read
কেন সঠিক:
কোনো কাজ করতে কেমন লাগে তা বোঝাতে Subject-এর পর Adjective এবং তার সাথে to যুক্ত verb-এর base form বসে। এই নিয়م অনুসারেই গল্পটি পড়তে মজা অর্থ the story is pleasant to read সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reading of the story is pleasant — এখানে structure টি অপ্রাকৃতিক এবং ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) The story is pleasant of reading — Adjective-এর পর of বসে না, বরং নিয়ম অনুযায়ী infinitive (to read) বসে।
D) The story is pleasant to be read — বাক্যটি passive voice করায় অর্থের পরিবর্তন ঘটে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু করতে ভালো লাগলে Sub + is/am/are + pleasant/easy/difficult + to + verb-এর present form হয়।
সঠিক উত্তর: C) সব্যসাচী
কেন সঠিক:
- Ambidexter শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যে ব্যক্তি তার ডান ও বাম উভয় হাত সমান দক্ষতায় ব্যবহার করতে পারে।
- বাংলা পরিভাষায় দুই হাতে সমান পারদর্শী বা সব্যসাচী ব্যক্তিকে বোঝাতে এই ইংরেজি শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুবোধ — এই শব্দের অর্থ শান্ত, ভদ্র বা অনুগত, যা দুই হাত ব্যবহারের দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) পন্ডিত — এই শব্দের অর্থ জ্ঞানী বা বিদ্বান ব্যক্তি, যা কোনো বিশেষ শারীরিক দক্ষতার সমার্থক নয়।
C) সব্যসাচী — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ যিনি দুই হাত সমানভাবে কাজে লাগাতে পারেন।
D) কঠোর — এই শব্দের অর্থ নির্মম বা কঠিন, যা মানুষের কর্মদক্ষতা বা হাত ব্যবহারের ক্ষমতার নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Ambi শব্দের অর্থ উভয় এবং Dexter শব্দের অর্থ দক্ষ, তাই উভয় হাতে দক্ষ অর্থাৎ সব্যসাচী।
সঠিক উত্তর: B) Optative
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে মহান আল্লাহর কাছে বাংলাদেশের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে। যে সেন্টেন্সে কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝায়, তাকে অপটেইভ সেন্টেন্স বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive — যে বাক্য দ্বারা সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা প্রকাশ করা হয়, তাকে অ্যাসারটিভ সেন্টেন্স বলে। কিন্তু এই বাক্যে কোনো সাধারণ বিবৃতি দেওয়া হয়নি বরং প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়েছে।
B) Optative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশন ভুল নয়।
C) Imperative — যে বাক্য দ্বারা আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায়, তাকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে। কিন্তু এই বাক্যে কোনো আদেশ বা অনুরোধ করা হয়নি।
D) Exclamatory — যে বাক্য দ্বারা মনের আকস্মিক আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করা হয়, তাকে এক্সক্লামেটরি সেন্টেন্স বলে। কিন্তু এই বাক্যে কোনো আবেগ প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝায় এবং সাধারণত May দিয়ে শুরু হয়, তাকে অপটেইভ সেন্টেন্স বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) A brother or sister
কেন সঠিক:
sibling শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি একই বাবা-মার সন্তান। তাই এটি ভাই অথবা বোন উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a brother — এটি শুধু ভাই বোঝায়, কিন্তুsibling দ্বারা ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝানো হয়।
B) a sister — এটি শুধু বোন বোঝায়, কিন্তুsibling দ্বারা ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝানো হয়।
C) A brother or sister — এটি সঠিক কারণ sibling বলতে ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝায়।
D) an infant — এর অর্থ নবজাতক, যা sibling শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
sibling মনে রাখতে বাংলা ভাই-বোন কথাটি একসাথে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) playing
কেন সঠিক:
- 'Give up' একটি phrasal verb যার অর্থ কোনো অভ্যাস বা কাজ চিরতরে ত্যাগ করা।
- phrasal verb-এর পর সাধারণত verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে gerund হয়, তাই এখানে playing সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to play — infinitive হওয়ায় এটি phrasal verb-এর পরের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) of playing — preposition 'of' অতিরিক্ত হওয়ায় এখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই।
C) play — verb-এর base form সরাসরি preposition বা phrasal verb-এর পর বসে না।
D) playing — এটি gerund হিসেবে সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে এবং প্রদত্ত উত্তর সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
mind, give up, stop, enjoy ইত্যাদি verb-এর পর সবসময় verb+ing বা gerund বসে।
সঠিক উত্তর: D) have to pay
কেন সঠিক:
বাক্যের সাবজেক্ট অল সিটিজেনস নিজেই ট্যাক্স প্রদান করার কাজটি করতে পারে, তাই বাক্যটি অ্যাক্টিভ ভয়েসে হবে।
বাধ্যবাধকতা বোঝাতে প্রেজেন্ট টেন্সে হ্যাভ টু ব্যবহার করা হয় এবং এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) should be paid — এটি প্যাসিভ ফর্ম, কিন্তু সাবজেক্ট নিজে কাজ করায় বাক্যটি অ্যাক্টিভ হওয়া দরকার।
B) must be paid — এটিও প্যাসিভ ফর্ম এবং এখানেও প্যাসিভ স্ট্রাকচার ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।
C) would be paid — এটি পাস্ট কন্ডিশনাল এবং প্যাসিভ ফর্ম, যা বর্তমানের সাধারণ নিয়মের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট নিজে কাজ করলে ভার্ব অ্যাক্টিভ হয় আর অন্যের দ্বারা কাজ করালে প্যাসিভ হয়।
সঠিক উত্তর: B) He has received the letter when I meet him
কেন সঠিক:
প্রথম অংশ Present Perfect Tense এ থাকলে এবং পরের অংশ Present Indefinite Tense এ হলে বাক্যটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
এখানে কাজ সম্পন্ন হওয়ার ভাব বোঝাতে Present Tense এর সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He receices the later when I meet him — এখানে receices বানান ভুল এবং Present Tense এর গঠন সঠিক নয়।
B) He has received the letter when I meet him — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) He had received the letter before I met him — এখানে Past Perfect এর সাথে Past Indefinite ব্যবহার করায় এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।
D) He had receives the letter when I have made him — এখানে had এর সাথে receives ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের Tense এর মিল দেখতে হবে এবং সঠিক বানান ও গঠন মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: খ) lad
কেন সঠিক:
lad শব্দটির অর্থ হলো কিশোর বা বালক। এটি ব্যাকরণে পুংলিঙ্গ বা masculine gender নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) mare — এটি horse শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine form যার অর্থ হলো ঘোড়ী।
খ) lad — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি পুংলিঙ্গ বা masculine word।
গ) pillow — এটি একটি জড় বস্তু তাই এটি neuter gender বা ক্লীবলিঙ্গ।
ঘ) pony — এটি ছোট জাতের ঘোড়া বোঝায় যা সাধারণত common gender হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ক্ষেত্রে ছেলে বোঝালে পুংলিঙ্গ এবং মেয়ে বোঝালে স্ত্রীলিঙ্গ হয়।
সঠিক উত্তর: D) habituate
কেন সঠিক:
habituate শব্দটির অর্থ অভ্যস্ত করানো, যা একটি কাজ সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া বোঝায় এবং এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া।
প্রদত্ত প্রশ্নে 'habit' নাউনের সঠিক ভার্ব রূপ চাওয়া হয়েছে এবং habituate ঠিক সেই কাজটি করে।
এটি বাক্যে সরাসরি মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
শব্দটির শেষে ate প্রত্যয় যুক্ত থাকায় এটি নিশ্চিতভাবে একটি ভার্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) habitable — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ বাসযোগ্য।
B) habitation — এটি একটি নাউন যার অর্থ বাসস্থান বা বসবাস।
C) habitual — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ অভ্যাগত বা নিয়মিত।
D) habituate — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি ভার্ব।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শব্দের শেষে ate বা en থাকলে সাধারণত তা ভার্ব হয়, যেমন habituate।
সঠিক উত্তর: C) everyone must do his duty
কেন সঠিক:
everyone শব্দটি singular indefinite pronoun হওয়ায় এর পরবর্তী possessive pronoun হিসেবে his ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ ক্ষেত্রে gender নির্দিষ্ট না থাকলে masculine pronoun হিসেবে his ব্যবহার করা হয়।
আধুনিক ব্যবহারে some people their ব্যবহার করলেও ঐতিহ্যগত নিয়মে his ব্যবহারই সবচেয়ে নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) everyone must do its duty — its সাধারণত প্রাণহীন বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, মানুষের ক্ষেত্রে নয়।
B) everyone must do one's duty — one থাকলে one's হতো, কিন্তু everyone এর ক্ষেত্রে one's ব্যবহার করা আধুনিক নিয়মে বেমানান।
D) everyone must do every one's duty — বাক্যটিতে every one's বারবার ব্যবহার করায় অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং অর্থ নষ্ট হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
everyone বা everybody থাকলে সাধারণত possessive pronoun হিসেবে his ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) neither
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে দুজন ভাইয়ের কথা বলা হয়েছে এবং তাদের সততা না থাকার অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে।
তাই দুটি নেতিবাচক বিষয়ের মধ্যে বেছে নিতে neither ব্যবহৃত হয়।
দুইটি জিনিসের মধ্যে কাউকেই না বোঝালে neither বসে।
এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) neither — এটি সঠিক উত্তর।
B) either — এটি দুটি জিনিসের মধ্যে যেকোনো একটিকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) both — এটি দুজনকে একত্রে বোঝায়, কিন্তু পরের অংশে সততা নেই বলা হয়েছে তাই এটি ভুল।
D) not one — এটি সাধারণত অনেকগুলোর মধ্যে একটিও না বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
দুইটি ব্যক্তির মধ্যে কাউকেই না বোঝালে সবসময় neither ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) between
কেন সঠিক:
ইংরেজি grammar এর নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো কিছু কেবল দুজন ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া বোঝায়, তখন prepositions এর মধ্যে strictly 'between' ব্যবহার করতে হয়। এখানে টাকার পরিমাণ দুজন বালকের মধ্যে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — সাধারণত কোনো কিছুর ওপরে বা স্পর্শ না করে ঝুলে থাকা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
B) in between — এটি সঠিক English idiom বা preposition নয় এবং এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
C) around — এর অর্থ চারপাশ বা কোনো পরিধি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) between — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
দুজন বোঝালে always 'between' বসবে এবং দুইয়ের অধিক বোঝালে 'among' ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Rising
কেন সঠিক:
শেয়ার বাজারে bull market বা ষাঁড়ের বাজার বলতে শেয়ারের মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়।
বিনিয়োগকারীদের আশাবাদী মানসিকতার কারণে এই বাজারে শেয়ারের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকে।
অর্থনীতির ভাষায় এটি বাজারে চাঙ্গা ভাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Falling — শেয়ারের দাম কমে যাওয়াকে bear market বলা হয়, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে মেলে না।
B) Rising — এটি সঠিক কারণ bull market-এ শেয়ারের দাম সবসময় বৃদ্ধি পায়।
C) Moving — এটি একটি সাধারণ গতি বোঝায়, যা নির্দিষ্টভাবে শেয়ারের দাম বাড়ার অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Static — এর অর্থ স্থির থাকা, কিন্তু bull market-এ শেয়ারের দাম স্থির থাকে না বরং বাড়ে।
মনে রাখার টিপস:
ষাঁড় বা bull সবসময় তার শিং দিয়ে ওপরের দিকে আঘাত করে, তাই মনে রাখবে bull market মানেই শেয়ারের দাম ওপরের দিকে বা Rising হয়।
সঠিক উত্তর: D) I went there and asked for a help
কেন সঠিক:
compound sentence এ দুটি independent clause থাকে যা and দ্বারা যুক্ত হয়। এখানে দুটি কাজ বোঝাতে past tense ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I when there and asking for a help — বানান ভুল এবং verb এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি।
B) I went there so that I can ask for a help — এটি একটি complex sentence, compound নয়।
C) I went there for asking a help — এটি একটি simple sentence, compound নয়।
D) I went there and asked for a help — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
simple sentence এর infinitive অংশকে and দিয়ে যুক্ত করে past tense এ রূপান্তর করলেই compound sentence পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) The boss advised the employees not to waste their time
কেন সঠিক:
- রিপোর্টেড स्पीচটি নেতিবাচক Imperative Sentence হওয়ায় রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তিত হয়ে advised হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমা তুলে not to বসেছে।
- অবজেক্টের পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী your পরিবর্তন হয়ে their হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The boss advised the employees not to waste their time — এটি সঠিক কারণ এতে সব নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
B) The boss asked the employees not to waste their time — বাক্যে উপদেশ বা পরামর্শ বোঝাতে ask-এর চেয়ে advise অধিকতর উপযুক্ত।
C) The Boss ordered the employees don't waste their time — রিপোর্টেড অংশে to-এর পরে সরাসরি don't বসায় ব্যাকরণগত ভুল রয়েছে।
D) The boss forbed the employees not to waste their time — forbid নিজেই একটি নেতিবাচক শব্দ, তাই এর সাথে অতিরিক্ত not ব্যবহার করা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ আদেশ বা উপদেশ বোঝালে forbid ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রে infinitive-এর আগে not বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) study of earthquakes
কেন সঠিক:
গ্রিক শব্দ seismos শব্দের অর্থ ভূমিকম্প এবং logia শব্দের অর্থ অধ্যয়ন করা।
এই দুটি শব্দ মিলে ভূমিকম্প সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) study of snakes — সাপের অধ্যয়নকে অফিওলজি বলা হয়।
B) study of disease — রোগের অধ্যয়নকে প্যাথলজি বলা হয়।
C) study of earthquakes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) study of broken hills — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নের বিষয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
Seismo শব্দটির সাথে ভূমিকম্প বা কম্পন শব্দটির মিল খুঁজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Philanthropy
কেন সঠিক:
Philanthropy শব্দের অর্থ মানবপ্রেম বা মানুষের কল্যাণ সাধনের প্রবৃত্তি।
এটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের কাজকে বোঝায়।
তাই প্রশ্নানুসারে 'Love for mankind' এর সঠিক প্রকাশ হলো Philanthropy।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Androphile — এর অর্থ পুরুষপ্রেমিক বা পুরুষদের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ।
B) Philanthropy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) Phylogeny — এর অর্থ জীব প্রজাতির উদ্ভব ও বিবর্তন প্রক্রিয়া।
D) none of above — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে موجود রয়েছে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Philo শব্দের অর্থ ভালোবাসা এবং anthropos শব্দের অর্থ মানুষ, তাই দুটি মিলে হয় মানবপ্রেম।
সঠিক উত্তর: C) ৫০৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের ধারা
প্রথম সংখ্যা = ১
শেষ সংখ্যা = ১০০
ধরি,
পদের সংখ্যা = ১০০
প্রথম পদ = ১
শেষ পদ = ১০০
অতএব,
সমষ্টির সূত্র = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × পদের সংখ্যা ÷ ২
মান বসিয়ে পাই = (১ + ১০০) × ১০০ ÷ ২
হিসাব করে পাই = ১০১ × ১০০ ÷ ২
সুতরাং,
কাটাকাটি করে পাই = ১০১ × ৫০
গুণফল = ৫০৫০
উত্তর: ৫০৫০
সঠিক উত্তর: A) ১২৫০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
গ্রামের মোট লোকসংখ্যা = ৫০০০
মহিলার হার = ২৫%
ধরি,
মোট লোকসংখ্যা = ১০০%
অতএব,
১০০ জনের মধ্যে মহিলা = ২৫ জন
সুতরাং,
৫০০০ জনের মধ্যে মহিলা = ৫০০০ × ২৫ ÷ ১০০ = ১২৫০ জন
উত্তর: ১২৫০ জন
সঠিক উত্তর: A) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সাধারণ চতুর্ভুজ দেওয়া আছে যার চারটি বাহু এবং চারটি কোণ আছে।
ধরি,
চতুর্ভুজটির কর্ণ বরাবর দুটি ত্রিভুজে বিভক্ত করা হলো।
প্রতিটি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি হলো ১৮০°।
অতএব,
দুটি ত্রিভুজের মোট কোণের সংখ্যা হলো দুই গুণ ১৮০°।
সুতরাং,
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ১৮০° × ২ = ৩৬০°
উত্তর: ৩৬০°
সঠিক উত্তর: A) ৪৫ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য = ৩০০ টাকা
লাভের হার = ১৫%
ধরি,
১০০ টাকায় লাভ হয় ১৫ টাকা
অতএব,
১ টাকায় লাভ হয় ১৫ ÷ ১০০ টাকা
সুতরাং,
৩০০ টাকায় লাভ হয় (১৫ × ৩০০) ÷ ১০০ টাকা = ৪৫ টাকা
উত্তর: ৪৫ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ১০৫ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
৩ জনের বয়সের গড় = ৩৫ বছর
মানুষের মোট সংখ্যা = ৩ জন
ধরি,
৩ জনের বয়সের সমষ্টি = ক বছর
অতএব,
গড়ের সূত্র অনুযায়ী, বয়সসমূহের সমষ্টি ÷ মানুষের সংখ্যা = গড়
অর্থাৎ ক ÷ ৩ = ৩৫
সুতরাং,
ক = ৩৫ × ৩
ক = ১০৫
উত্তর: ১০৫ বছর
সঠিক উত্তর: A) সেন্টিমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
দৈর্ঘ্য পরিমাপের বিভিন্ন একক দেওয়া আছে
নির্ণয় করতে হবে সিজিএস পদ্ধতি অনুযায়ী একক
ধরি,
সিজিএস পদ্ধতির পূর্ণরূপ হলো সেন্টিমিটার গ্রাম সেকেন্ড
অতএব,
এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার
ভর পরিমাপের একক গ্রাম
সুতরাং,
সময় পরিমাপের একক সেকেন্ড
উত্তর: সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: D) ১২৫°
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাণ = ৫৫°
ধরি,
অজানা সম্পূরক কোণটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
আমরা জানি, দুটি কোণের যোগফল ১৮০ ডিগ্রি হলে তারা পরস্পরের সম্পূরক কোণ হয়
সুতরাং,
ক + ৫৫° = ১৮০°
উত্তর: ১২৫°
সঠিক উত্তর: A) বর্গ
প্রদত্ত তথ্য:
চতুর্ভুজের চারটি কোণ সম্পর্কে বলা হয়েছে
প্রতিটি কোণের পরিমাপ ৯০°
ধরি,
চতুর্ভুজের কোণগুলো যথাক্রমে ক, খ, গ এবং ঘ
ক = খ = গ = ঘ = ৯০°
অতএব,
চার কোণের সমষ্টি = ৯০° + ৯০° + ৯০° + ৯০°
চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০°
সুতরাং,
যে চতুর্ভুজের চারটি কোণ সমকোণ বা ৯০° তাকে বর্গ বলা হয়
উত্তর: A) বর্গ
সঠিক উত্তর: A) ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ
প্রদত্ত তথ্য:
এটি সাধারণ পাটিগণিতের একটি মৌলিক সূত্র
যা ভাগ অংকের ক্ষেত্রে সবসময় প্রযোজ্য হয়
ধরি,
কোনো সংখ্যাকে কোনো ভাজক দিয়ে ভাগ করা হলে
সেখানে একটি ভাগফল এবং একটি ভাগশেষ পাওয়া যায়
অতএব,
ভাজককে ভাগফল দিয়ে গুণ করতে হয়
এবং সেই গুণের সাথে ভাগশেষ যোগ করতে হয়
সুতরাং,
এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে মূল সংখ্যাটি অর্থাৎ ভাজ্য পাওয়া যায়
উত্তর: ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ
সঠিক উত্তর: B) ৬৯
প্রদত্ত তথ্য:
৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাসমূহ বিবেচনা করতে হবে।
ধরি,
৪০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি = ৪১
৪০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি = ৯৭
অতএব,
মৌলিক সংখ্যা দুটির যোগফল = ৪১ + ৯৭ = ১৩৮
সুতরাং,
মৌলিক সংখ্যা দুটির গড় = ১৩৮ ÷ ২ = ৬৯
উত্তর: ৬৯
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজাকার ভূমির দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার
ত্রিভুজটির উচ্চতা = ৪ মিটার
ধরি,
ভূমি (b) = ৩ মিটার
উচ্চতা (h) = ৪ মিটার
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
মান বসিয়ে পাই = (১ ÷ ২) × ৩ × ৪
হিসাব করে পাই = ১২ ÷ ২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ৬ বর্গমিটার
উত্তর: ৬ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: D) কোনটাই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
মোটর গাড়ি ৮০ কিলোমিটার যায় ১০ লিটার ডিজেল দিয়ে
ধরি,
১ কিলোমিটার পথ যেতে ডিজেল লাগে ১০ ÷ ৮০ লিটার
অতএব,
১ কিলোমিটার পথ যেতে ডিজেল লাগে ১ ÷ ৮ লিটার
সুতরাং,
১০ কিলোমিটার পথ যেতে ডিজেল লাগে ১০ × (১ ÷ ৮) লিটার
উত্তর: ১.২৫ লিটার
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত = ২ : ৩
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
সংখ্যা দুটির গসাগু = ক
অতএব,
ক = ৪
প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যাটি ৮ এবং বড় সংখ্যাটি ১২
উত্তর: ১২
সঠিক উত্তর: D) ৪ নভেম্বর ১৯৪৬
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কোর সংবিধান কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে ৪ নভেম্বর ১৯৪৬ সালে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- লন্ডনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সম্মেলনে ২০টি দেশ এর সংবিধান অনুমোদন করার পর এই প্রতিষ্ঠার তারিখ নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ নভেম্বর ১৯৪৬ — এই তারিখে ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ।
B) ৩ নভেম্বর ১৯৪৬ — এই তারিখেও ইউনেস্কোর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটেনি।
C) ২ নভেম্বর ১৯৪৬ — এটি ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ নয়।
D) ৪ নভেম্বর ১৯৪৬ — এটি ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠার সঠিক ও ঐতিহাসিক তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৬ সালের নভেম্বর মাসের ৪ তারিখে ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে সংখ্যাটি ৪ এবং মাসটি ১১।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সংবিধান
সঠিক উত্তর: C) ৯৩ হাজার যুদ্ধ বন্দীর বিচার
কেন সঠিক:
- ১৯৭৩ সালে প্রণীত সংবিধানের প্রথম সংশোধনী আনা হয়েছিল মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দীদের বিচার নিশ্চিত করার জন্য।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অনুচ্ছেদ ৪৭ এর ক যুক্ত করা হয়, যা যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মৌলিক অধিকার স্থগিত করার বিধান দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জরুরী অবস্থা ঘোষণা — সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে নয়, বরং জরুরি অবস্থার বিধান মূল সংবিধানেই (১৪১ক অনুচ্ছেদ) ১৯৭৪ সালের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছিল।
B) মহিলাদের সংসদে আসন সংরক্ষণ — সংবিধানে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের বিধান একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে, তবে এটি প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য ছিল না।
D) সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা — দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট মূল সংবিধানের মাধ্যমেই ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কোনো সংশোধনীর মাধ্যমে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম সংশোধনী মানেই একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তানি বন্দীদের বিচারের আইনগত পথ তৈরি করা।
সঠিক উত্তর: D) নেলসন ম্যান্ডেলা
কেন সঠিক:
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন এবং অহিংস নীতির জন্য তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
- মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আজীবন বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেনেথ কাউন্ডা — তিনি জামিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং দেশটির স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন।
B) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান আমেরিকানদের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন।
C) মোয়াম্মার গাদ্দাফি — তিনি লিবিয়ার দীর্ঘকালীন সামরিক শাসক ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
D) নেলসন ম্যান্ডেলা — তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা এবং তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার ম্যান্ডেলা আর ভারতের গান্ধী উভয়ই অহিংস আন্দোলনের প্রতীক।
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ডিসেম্বর ২০১৪
কেন সঠিক:
- পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর শুরু হয়।
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় পিলারে পাইলিং ও কাজের উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিসেম্বর ২০১৪ — এটি মূল নির্মাণকাজ উদ্বোধনের সঠিক সময়।
B) ডিসেম্বর ২০১৫ — এই সময়ে মূল সেতুর পাইলিং ও কাজের গতি বৃদ্ধি পেয়েছিল কিন্তু উদ্বোধনের সাল এটি নয়।
C) মার্চ ২০১৪ — এই সময়ে নদীশাসনের কাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
D) এপ্রিল ২০১৪ — এই সময়ে প্রকল্পের মূল সেতু নির্মাণের জন্য নদীশাসন কাজের বাস্তবায়ন শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর কাজ বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে (২০১৪ সাল) শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) ৪২ টি
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর মূল সেতুতে পিলারের মোট সংখ্যা হলো ৪২ টি।
- নদীর পানির নিচে প্রতিটি পিলারে সুরক্ষার জন্য পাইলিং করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫২ টি — এটি ভুল কারণ ৫২ টি হলো সেতুর মোট স্প্যানের সংখ্যা, পিলারের সংখ্যা নয়।
B) ৪২ টি — এটি সঠিক উত্তর।
সি) ৬০ টি — এটি ভুল কারণ ৬০ সংখ্যাটি সেতুর পাইলিং বা অন্য কোনো মূল কাঠামোর সাথে মিলে না।
ডি) ৩২ টি — এটি ভুল কারণ ৩২ সংখ্যাটি সেতুর পিলার বা স্প্যানের কোনো সঠিক হিসাব নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর পিলার হলো বিয়ের বয়সের মতো ৪২ টি এবং স্প্যান হলো ৫২ টি।
সঠিক উত্তর: B) ১৮ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস পালন করা হয়।
- ২০২০ সালের সরকার এই দিনটিকে ক জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০২১ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তা পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ নভেম্বর — এই দিনটি ঐতিহাসিক সিপাহী ও জনতা বিপ্লব দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা শেখ রাসেল দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৮ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) ২০ অক্টোবর — এই তারিখে কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক নির্ধারিত দিবস নেই যা শেখ রাসেল দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) ১৫ আগস্ট — এই দিনটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
শেখ রাসেলের জন্ম মাস অক্টোবর এবং তারিখ আঠারো, তাই মনে রাখবে আঠারো অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস।
সঠিক উত্তর: B) ১৪ বছর
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান আমলে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে জীবনের বিভিন্ন সময়ে দীর্ঘ সময় কারাবাস করেন।
- ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, তিনি পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের মধ্যে প্রায় ৪৬৮২ দিন অর্থাৎ প্রায় ১৪ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ বছর — এটি সঠিক নয় কারণ ঐতিহাসিক হিসাব অনুযায়ী তাঁর কারাবাসের মোট সময়কাল ১২ বছরের চেয়ে বেশি ছিল।
B) ১৪ বছর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি পাকিস্তান আমলে সামগ্রিকভাবে প্রায় ১৪ বছর কারাবাস করেছিলেন।
C) ১০ বছর — এটি সঠিক নয় কারণ তাঁর কারাবাসের মেয়াদ ১০ বছরের বেশি ছিল।
D) ৮ বছর — এটি সঠিক নয় কারণ পাকিস্তানের বিভিন্ন কারাগারে তাঁর মোট বন্দী জীবন ৮ বছরের চেয়ে অনেক বেশি ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর কারাজীবন মনে রাখতে চব্বিশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রায় চোদ্দো বছর কারাগার কেটেছে, এই তথ্যটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) জার্মানির বিমান সংস্থা
কেন সঠিক:
- লুফথানসা হলো জার্মানির পতাকা বহনকারী বৃহত্তম বিমান সংস্থা বা ফ্ল্যাগ ক্যারিয়ার।
- এর প্রধান কার্যালয় জার্মানির কোলন শহরে অবস্থিত এবং এর মূল কেন্দ্র ফ্রাংকফুর্ট বিমানবন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইজারল্যান্ডএর বিমান সংস্থা — সুইজারল্যান্ডের প্রধান বিমান সংস্থার নাম সুইস ইন্টারন্যাশনাল এয়ার লাইন্স, লুফথানসা নয়।
B) লিবিয়ার বিমান সংস্থা — লিবিয়ার জাতীয় বিমান সংস্থার নাম লিবিয়ান এয়ারলাইন্স, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
C) স্পেনের বিমান সংস্থা — স্পেনের জাতীয় বিমান সংস্থার নাম ইবেরিয়া, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) জার্মানির বিমান সংস্থা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লুফথানসা জার্মানির প্রধান বাণিজ্যিক বিমান পরিবহন সংস্থা।
মনে রাখার টিপস:
জার্মানিতে উৎপাদিত বিখ্যাত জিনিস যেমন গাড়ি বা বিমান বিশ্বজুড়ে পরিচিত, আর লুফথানসা হলো জার্মানির বিখ্যাত বিমান সংস্থা।
সঠিক উত্তর: B) গেরিলা সংস্থা
কেন সঠিক:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর হলো একটি ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গেরিলা ও সন্ত্রাসী সংগঠন, যা ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটি ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিক গেমসে ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদদের বন্দী ও হত্যার ঘটনার সঙ্গে বিশেষভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি গোয়েন্দা সংস্থা — ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর কোনো রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ছিল না, এটি মূলত ফিলিস্তিনি চরমপন্থী একটি সশস্ত্র দল।
B) গেরিলা সংস্থা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সশস্ত্র অপারেশন পরিচালনাকারী একটি গোপন গেরিলা সংগঠন হিসেবে পরিচিত ছিল।
C) রাজনৈতিক সংগঠন — যদিও এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল, কিন্তু এর মূল কার্যক্রম ও পরিচয় রাজনৈতিক দলের মতো উন্মুক্ত বা প্রাতিষ্ঠানিক ছিল না।
D) একটি সংবাদ সংস্থা — এটি কোনো গণমাধ্যম বা সংবাদ মাধ্যম নয়, বরং অত্যন্ত গোপনীয় ও সহিংস কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি দল।
মনে রাখার টিপস:
সেপ্টেম্বর মাসে ফিলিস্তিনিদের ওপর জর্ডানের সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ নিতে এই গেরিলা সংস্থা গঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) বীর প্রতীক
কেন সঠিক:
- ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করার জন্য সাহসিকতার পরিচয় দেন।
- তার এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীর উত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি, যা ক্যাপ্টেন সিতারা বেগমকে দেওয়া হয়নি।
B) বীর প্রতীক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা মুক্তিযুদ্ধে নারী বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মাত্র দুজন নারীর একজন।
C) বীরাঙ্গনা — এটি কোনো রাষ্ট্রীয় বীরত্বসূচক খেতাব নয়, বরং এটি ১৯৭১ সালের নির্যাতিত নারীদের জন্য ব্যবহৃত একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নারী মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব মনে রাখতে মনে রাখুন, খেতাবপ্রাপ্ত দুই নারী বীর প্রতীক হলেন ডা. ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি।
সঠিক উত্তর: C) অ্যান্তেনিও গুতেরেস
কেন সঠিক:
- তিনি ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি জাতিসংঘের নবম মহাসচিব এবং পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. বুট্রোস ঘালী — তিনি মিশরের কূটনীতিক এবং জাতিসংঘের ষষ্ঠ মহাসচিব ছিলেন।
B) কফি আনান — তিনি ঘানার নাগরিক এবং জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন।
C) অ্যান্তেনিও গুতেরেস — তিনি বর্তমান মহাসচিব হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) বান ki মুন — তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক এবং জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান মহাসচিব গুতেরেসকে মনে রাখতে নামের শেষে থাকা 'স' অক্ষরটি স্মরণ রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগদান করা হয়।
- সাংবিধানিক এই পদটির স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে রাষ্ট্রপতি সরাসরি এই নিয়োগ প্রদান করে থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ অঙ্গ, যা সাংবিধানিক পদে সরাসরি নিয়োগ দেয় না।
B) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান হলেও সাংবিধানিকভাবে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককে নিয়োগদানের ক্ষমতা তার নেই।
C) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ সংবিধান অনুযায়ী তিনিই এই পদে নিয়োগদান করেন।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে সাধারণত রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন, যার মধ্যে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদটিও অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) দার্জিলিং
কেন সঠিক:
- টাইগার হিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং শহরের কাছে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র।
- এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা শৃঙ্গ এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখার জন্য পর্যটকরা ভিড় করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এটি একটি স্বাধীন দেশ, যার সাথে টাইগার হিলের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
B) দার্জিলিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ টাইগার হিল এখানেই অবস্থিত।
C) জেরুজালেম — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক শহর, যা ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত।
D) কাশ্মীর — এটি ভারতের একটি পাহাড়ি অঞ্চল, যা এর ভূস্বর্গখ্যাত উপত্যকার জন্য পরিচিত হলেও টাইগার হিল এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
দার্জিলিং চায়ের বিখ্যাত অঞ্চলের সাথেই টাইগার হিলের অবস্থান, যা সূর্যোদয়ের জন্য পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) ১০ নম্বর সেক্টর
কেন সঠিক:
- ১০ নম্বর সেক্টরটি গঠিত হয়েছিল শুধু নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলে নদীমাতৃক গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য।
- এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক হেডকোয়ার্টার বা ভূখণ্ড ছিল না এবং এটি ছিল সাবমেরিনার ও নৌ-কমান্ডোদের নিয়ে গঠিত একমাত্র বিশেষ সেক্টর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ নম্বর সেক্টর — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদী পর্যন্ত নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা নিয়ে গঠিত নিয়মিত সেক্টর ছিল।
B) ১০ নম্বর সেক্টর — এটি নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলে অপারেশনের জন্য নির্ধারিত একমাত্র নো সেক্টর হিসেবে সঠিক উত্তর।
C) ৩ নম্বর সেক্টর — এটি হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সেক্টর ছিল।
D) ৫ নম্বর সেক্টর — এটি মূলত সিলেটের সীমান্ত অঞ্চল ও দুর্গাপুর এলাকা নিয়ে গঠিত একটি সাধারণ স্থল সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্র ও নৌপথ মানেই জল, আর জল মানেই শূন্য (০) থাকতে পারে। এভাবে 'নো সেক্টর' বা ১০ নম্বর সেক্টর মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) ইতালির নাগরিক
কেন সঠিক:
- ফাদার মারিও ভেরেনজি ছিলেন একজন ইতালীয় মিশনারি ও ক্যাথলিক ধর্মযাজক।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি মানবতার সেবা করতে গিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক — ফাদার মারিও ভেরেনজি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন না, কারণ তিনি ইউরোপের একটি দেশের অধিবাসী ছিলেন।
B) ফ্রান্সের নাগরিক — তিনি ফ্রান্সের নাগরিক ছিলেন না, তার জন্মস্থান ছিল ইতালি।
C) ব্রিটিশ নাগরিক — তিনি যুক্তরাজ্যের বা ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন না, ইতালিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
D) ইতালির নাগরিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইতালি থেকে এসে বাংলাদেশে ধর্মপ্রচার ও মানবসেবায় নিয়োজিত ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
মারিও নামটি ইতালীয় সংস্কৃতির সাথে বেশি মেলে, এভাবে মনে রাখতে পারেন ফাদার মারিও ছিলেন ইতালির নাগরিক।
সঠিক উত্তর: A) ৬০ হাজার যাত্রী
কেন সঠিক:
- ঢাকা মেট্রোরেল বা এমআরটি লাইন ছয় প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী প্রতি ঘণ্টায় উভয় দিক থেকে প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করার পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে।
- আধুনিক ও দ্রুতগতির এই গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢাকার যানজট নিরসনে এবং বিপুল পরিমাণ যাত্রীর দৈনিক যাতায়াত নিশ্চিত করতে এই ক্ষমতায় পরিকল্পিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০ হাজার যাত্রী — এটি মেট্রোরেলের প্রতি ঘণ্টার সঠিক যাত্রী ধারণ ক্ষমতা, যা প্রকল্পের ডিজাইন এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত।
B) ৪০ হাজার যাত্রী — এই সংখ্যাটি মেট্রোরেলের প্রকৃত নকশাকৃত প্রতি ঘণ্টার যাত্রী ধারণ ক্ষমতার চেয়ে কম, তাই এটি ভুল।
C) ৭০ হাজার যাত্রী — এই সংখ্যাটি এমআরটি লাইন ছয় প্রকল্পের নকশার ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি, যা সঠিক নয়।
D) ৩০ হাজার যাত্রী — এই সংখ্যাটি মেট্রোরেলের প্রতি ঘণ্টার যাত্রী ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক এবং এটি বাস্তবসম্মত ধারণ ক্ষমতার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
মেট্রোরেলের গতি ও সামর্থ্য অনেক বেশি, তাই প্রতি ঘণ্টায় এর যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ষাট হাজার জন।
সঠিক উত্তর: B) ওজোন স্তর রক্ষা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি
কেন সঠিক:
- এটি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান যেমন ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি উৎপাদন ও ব্যবহার কমানোর জন্য প্রণীত একটি বৈশ্বিক পরিবেশ চুক্তি।
- এই চুক্তিটি ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভ্যাট সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি — ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর জাতীয় রাজস্ব নীতির অংশ, আন্তর্জাতিক পরিবেশ চুক্তির নয়।
B) ওজোন স্তর রক্ষা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি — এটি সঠিক কারণ মন্ট্রিল প্রোটোকল সরাসরি ওজোন স্তর সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত।
C) যুদ্ধবিরতি কল্পে প্রণীত আন্তর্জাতিক চুক্তি — এটি সামরিক বা ভূরাজনৈতিক শান্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, সম্পূর্ণ পরিবেশগত চুক্তি।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মন্ট্রিয়ল হলো কানাডার একটি শহরের নাম, যেখানে পরিবেশ রক্ষার জন্য ওজোন স্তর নিয়ে ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মূল আসামি ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- এই মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার্জেন্ট জহুরুল হক — তিনি এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ও কারাবন্দী আসামি ছিলেন, তবে মামলার প্রধান আসামি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন, কিন্তু আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি ছিলেন না।
C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ঐতিহাসিক সত্যের সঙ্গে মিলে যায়।
D) তাজউদ্দিন আহমেদ — তিনি মামলার সঙ্গে সরাসরি অভিযুক্ত আসামি হিসেবে যুক্ত ছিলেন না, তিনি ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক।
মনে রাখার টিপস:
আগরতলা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন বঙ্গবন্ধু, যার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মিথ্যা অভিযোগ এনেছিল পাকিস্তান সরকার।
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ ও জাপান
কেন সঠিক:
- মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-৬) প্রকল্পে প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা ঋণ প্রদান করেছে।
- এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয়ের একটি বড় অংশ জাপান সরকারের সহজ শর্তের ঋণ এবং বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে সম্পন্ন হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ ও এডিবি — এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক মেট্রোরেলের প্রধান অর্থায়নকারী নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) বাংলাদেশ ও চীন — চীন বাংলাদেশের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করলেও মেট্রোরেলের অর্থায়নে যুক্ত নয়।
C) বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংক — বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুসহ অন্যান্য প্রকল্পে অর্থায়ন করলেও মেট্রোরেল প্রকল্পে প্রধান অর্থায়নকারী নয়।
D) বাংলাদেশ ও জাপান — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাপান মেট্রোরেল প্রকল্পে ঋণ সহায়তা প্রদান করেছে।
মনে রাখার টিপস:
মেট্রোরেল প্রকল্পে জাপানের সাহায্য রয়েছে, তাই জাপান ও বাংলাদেশ মিলেই এই আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।
সঠিক উত্তর: B) কৃত বিদ্যা যার
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে সমাসবদ্ধ পদটি অন্য পদের অর্থ প্রকাশ করে।
- এখানে কৃত শব্দের অর্থ অর্জিত বা লাভ করা হয়েছে এবং বিদ্যা হলো জ্ঞান, এই দুটি মিলে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি বিদ্যা লাভ করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এর পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হয়ে একটি নতুন বিশেষ্য পদ গঠন করে।
- এই সমাসে সমস্তপদটি এমন এক ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যার মধ্যে নির্দিষ্ট গুণ বা বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রাপ্ত সংবাদ যে, প্রাপ্তসংবাদ
ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের নিয়মে গঠিত আরেকটি শব্দ যা কোনো নির্দিষ্ট তথ্যপ্রাপ্তি বোঝায়।
উদাহরণ ২: মৃত জীবিকা যার, মৃতজীবিকা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি নির্দিষ্ট অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃত যে বিদ্যা — এটি কর্মধারয় সমাসের গঠন কিন্তু প্রদত্ত শব্দটির অর্থ অন্য পদকে নির্দেশ করায় এটি ভুল।
B) কৃত বিদ্যা যার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বহুব্রীহি সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য।
C) কৃত যে বিদ্য — এই অপশনে বিদ্য শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ কারণ সঠিক রূপটি হবে বিদ্যা।
D) কৃত হয়েছে যার বিদ্যা — এই বাক্যটি সমাসের সংক্ষিপ্ত রীতি এবং প্রমিত ব্যাসবাক্য গঠনের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাঁদের শব্দ থাকবে এবং সমস্তপদটি অন্য কাউকে বোঝাবে।
- কৃতবিদ্য শব্দের অর্থ যার বিদ্যা অর্জিত হয়েছে অর্থাৎ যিনি শিক্ষিত ব্যক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই এই ধরনের শব্দভিত্তিক প্রশ্ন আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং সমাসের প্রকারভেদ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কানাডা
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিদেশে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে কানাডা বিশেষভাবে স্মরণীয়। কানাডা প্রবাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষক মৌসুমী ভৌমিক বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে নজরুলের জীবন ও কর্মের ওপর চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।
কাজী নজরুল ইসলামের বহুমুখী প্রতিভা, বিদ্রোহী সত্তা এবং সাম্যবাদের বাণী শুধু বাংলাদেশ বা ভারতেই নয়, বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সংগীতজ্ঞ। বাংলা কবিতায় তার আবির্ভাব এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছিল যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্রোহ এবং প্রেমের অনন্য প্রকাশ ঘটেছিল।
তার সাহিত্যকর্ম যেমন অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী এবং ঝিঙেফুল বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে তেমনি তার জীবনসংগ্রাম বিশ্বজুড়ে শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা যা বাংলা সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যে দ্রোহের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: চল চল চল ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল।
ব্যাখ্যা: এটি আমাদের রণসংগীত যা কবির দেশপ্রেম ও জাগরণমূলক সৃষ্টির একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশে নজরুলকে নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রামাণ্যচিত্র বা নাটক নির্মিত হলেও বিশ্বমঞ্চে কানাডার চলচ্চিত্রটি একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে নজরুলের নানা অনুষ্ঠান ও চর্চা হলেও তাকে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রধান তথ্য এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ভারত — ভারতে নজরুল জন্ম ও কর্মের সঙ্গে জড়িত অনেক তথ্য ও প্রামাণ্যচিত্র থাকলেও নির্দিষ্ট এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে কানাডা নির্ধারিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যতিক্রমী তথ্যটি মনে রাখতে কানাডা নামটি আলাদাভাবে নোট করে রাখুন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নজরুলের বিস্তার মনে রাখলেই এই উত্তরটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনকাল, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং বিদ্রোহী কবিতার প্রকাশকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কবির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সংক্রান্ত এমন প্রশ্নগুলো সাধারণত বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় একটু ভিন্ন আঙ্গিকে আসে।
সঠিক উত্তর: D) শেষের কবিতা
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত এবং অন্যতম সেরা আধুনিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র অমিত রায় এবং লাবণ্যর মনস্তাত্ত্বিক প্রেমের সম্পর্ক এই উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
- শেষের কবিতা একটি গীতধর্মী উপন্যাস যেখানে প্রথাগত রোমান্টিকতার বাইরে গিয়ে আধুনিক মনস্তত্ত্বের প্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস যা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯০৩ সালে।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গীতিকবিতা সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়।
B) গীতাঞ্জলি — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
C) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী ও দার্শনিক নাটক, কোনো উপন্যাস নয়।
D) শেষের কবিতা — এটি সঠিক উপন্যাস হিসেবে চিহ্নিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শেষের কবিতা, চোখের আলো, যোগাযোগ ও গোরা নামের গ্রন্থগুলো উপন্যাস হিসেবে মনে রাখা।
কাব্য ও নাটকের তালিকা থেকে উপন্যাস আলাদা করার জন্য রচনার রূপ বা ধরণ সবসময় খেয়াল রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস, নাটক ও কাব্যগ্রন্থ মিলিয়ে প্রশ্ন আসে।
কোনটি কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরণের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ইতিহাসের একটি মীমাংসিত ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রথম নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম সর্বস্বীকৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চন্দ্রাবতী ছিলেন ষোল শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নারী কবি।
- তিনি ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার কটিয়াদী উপজেলার নেত্রাইল গ্রামের পত্নাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতা বিখ্যাত কবি দ্বিজ বংশিদাস, যিনি মনসামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা।
- চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রগতিশীল নারী কবি যিনি বাংলা ভাষায় রামায়ণ অনুবাদ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মলুয়া বা দস্যুকেনরাম পালা
ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতী রচিত এই পালাগুলো বাংলা লোকসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ এবং নারী হৃদয়ের বেদনা ও প্রতিবাদের অনন্য প্রকাশ।
উদাহরণ ২: রামায়ণ অনুবাদ
ব্যাখ্যা: সীতার বারোমাস্যা অংশটি যোগ করে তিনি রামায়ণের নারী কেন্দ্রিক দুঃখ কষ্টের এক মর্মস্পর্শী রূপ ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা নাটকের রচয়িতা — চন্দ্রাবতী নাটক রচনা করেননি, তিনি মধ্যযুগের কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন।
B) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
C) একটি কাব্যগ্রন্থ — চন্দ্রাবতী কোনো কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, বরং এটি একজন প্রখ্যাত কবির নাম।
D) বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা — বনলতা সেন আধুনিক যুগের কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের নারী কবি মানেই চন্দ্রাবতী এবং তার বিখ্যাত সৃষ্টি হলো রামায়ণের নারী কেন্দ্রিক রূপ ও মনসামঙ্গল পরিবারের ঐতিহ্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের নারী কবি সম্পর্কে প্রশ্ন এলে সাধারণত চন্দ্রাবতী বা খনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। চন্দ্রাবতীকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) জীমূতমন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- 'মেঘের ধ্বনি' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো 'জীমূতমন্দ্র'।
- এখানে 'জীমূতের' অর্থ মেঘ এবং 'মন্দ্র' অর্থ গম্ভীর শব্দ বা ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে মেঘের ডাক
ব্যাখ্যা: একে এককথায় জীমূতমন্দ্র বা গর্জন বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি
ব্যাখ্যা: এটিকে এককথায় অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীমূতমন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মেঘের গম্ভীর ধ্বনি।
B) মৃন্ময় — এটি ভুল অপশন কারণ মৃন্ময় শব্দের অর্থ মাটি দিয়ে তৈরি বা পার্থিব।
C) মানকি — এটি ভুল অপশন কারণ মানকি বলতে কোনো নির্দিষ্ট বা প্রচলিত বাক্য সংকোচন বোঝায় না।
D) কোনটাই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ তে সঠিক উত্তরটি বিদ্যমান রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীমূতের সাথে মন্দ্র শব্দ যুক্ত হলে তার মূল অর্থ হয় মেঘের গম্ভীর গর্জন বা ধ্বনি।
- পরীক্ষার হলে মেঘ শব্দ দেখলে জীমূত শব্দটি মনে রাখার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
- মেঘ সম্পর্কিত অন্যান্য এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
সঠিক উত্তর: D) কারক
১. কেন সঠিক:
বাক্যের মধ্যে অবস্থিত ক্রিয়া পদের সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক বা অন্বয় ঘটে, তাকে কারক বলে। কারক শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা ক্রিয়া সম্পন্ন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের সম্পর্ক বোঝাতে কারক ব্যবহৃত হয়। কারক প্রধানত ছয় প্রকার যথা কর্তকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদানকারক, অপাদানকারক ও অধিকরণকারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ধরেছে ক্রিয়া পদের সাথে গাছে পদের স্থানবাচক সম্পর্কের কারণে এটি অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: বাবাকে ভয় পাও কেন।
ব্যাখ্যা: এখানে ভয় পাও ক্রিয়া পদের সাথে বাবাকে পদের ভীতির উৎস বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুসর্গ — এটি এমন এক ধরণের অব্যয় পদ যা শব্দের পরে বসে কারক বা বিভক্তির কাজ প্রকাশ করে কিন্তু সরাসরি ক্রিয়ার সাথে পদের সম্পর্ক বোঝায় না।
B) প্রত্যয় — এটি শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত নতুন শব্দ গঠন করে কিন্তু ক্রিয়ার সাথে পদের সম্পর্ক নির্দেশ করে না।
C) বিভক্তি — এটি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদের রূপান্তর ঘটায়, তবে এটি নিজে সম্পর্ক না হয়ে সম্পর্ক establishing tool হিসেবে কাজ করে।
D) কারক — এটি সঠিক কারণ এটি ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের সামগ্রিক সম্পর্ক নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ক্রিয়া পদের সাথে কার সম্পর্ক তা জানতে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করতে হয় কে, কী, কাকে ইত্যাদি দিয়ে। ক্রিয়ার সাথে পদের এই সম্পর্কই হলো কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কারক নির্ণয় করতে হলে সর্বদা বাক্যটির মূল ক্রিয়া পদকে প্রশ্ন করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক কয় প্রকার বা বাক্যের কোন পদটি কোন কারক তা প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) সদ্যঃ+ জাত
১. কেন সঠিক:
- 'সদ্যোজাত' একটি বিশদ শব্দ যার সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সদ্যঃ যোগ জাত।
- এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের আওতাভুক্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিসর্গের পর অ কিংবা আ থাকলে বিসর্গ ও-কার হয় এবং পরবর্তী অ লোপ পায়।
- এখানে সদ্যঃ শব্দের বিসর্গের সঙ্গে জাত শব্দের জ যুক্ত হয়ে ও-কার গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্তঃ+ আত্ম = অন্তরাত্মা
ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অহঃ+ নিশি = অহর্নিশি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরিবর্তে রেফ বা র কার যুক্ত হওয়ার এটি একটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সদ্যো+ জাত — এভাবে কোনো ব্যাকরণসম্মত সন্ধি বিচ্ছেদ হয় না কারণ প্রথম অংশে বিসর্গ থাকা বাধ্যতামূলক।
B) সদ্যঃ+ জাত — এটি মূল প্রশ্নের সঠিক ও প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদ যা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে।
C) সদ্য+জাত — এখানে বিসর্গ চিহ্ন অনুপস্থিত থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম সমর্থন করে না।
D) সদ+জত — এই অপশনটির বানান এবং অংশ দুটি মূল শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ অর্থহীন ও অপ্রাসঙ্গিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে ও-কার দেখলে বিসর্গ ব্যবহার করার অভ্যাস রাখতে হবে।
- সদ্যো শব্দের স্থলে সবসময় সদ্যঃ লিখে তার সঙ্গে পরবর্তী পদ যোগ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- নিয়মের সঠিক প্রয়োগ জানলে এ ধরনের শব্দ খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) দশজনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা
১. কেন সঠিক:
- 'দশচক্রে ভগবান ভূত' একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদ-প্রবচন যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো দশজন মিলে কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে চক্রান্ত করলে সত্য বা ন্যায়কে অন্যায় বা অসত্যে পরিণত করা যায়।
- এখানে 'ভগবান' শব্দ দ্বারা পরম সত্য বা ন্যায়বিচারকে বোঝানো হয়েছে এবং 'ভূত' বলতে অস্বাভাবিক বা বিকৃত অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রবাদ-প্রবচন অংশের অন্তর্ভুক্ত।
- প্রবাদ-প্রবচন হলো সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও জীবনদর্শনের সংক্ষিপ্ত ও শিল্পসম্মত প্রকাশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন।
ব্যাখ্যা: অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সে ধরা পড়ে যায় এবং তার অন্যায় কাজের শাস্তি পেতেই হয়।
উদাহরণ ২: দশের লাঠি একের বোঝা।
ব্যাখ্যা: একা কোনো কাজ করা অত্যন্ত কঠিন ও ক্লান্তিকর হলেও দশজন মিলে একসাথে কাজ করলে তা খুব সহজেই সম্পন্ন করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একতাই শক্তি — এই অর্থটি 'দশের লাঠি একের বোঝা' বা 'একতাই বল' প্রবাদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও আলোচ্য প্রবাদের সঙ্গে মেলে না।
B) দশজনের চক্রান্তে ভগবান কে মিথ্যা প্রমান করা — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি হলেও প্রবাদের প্রকৃত রূপক অর্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
D) কোনটাই নয় — যেহেতু সি নম্বর অপশনটি পুরোপুরি সঠিক এবং বাক্যের ভাবের সঙ্গে মিলে যায়, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রবাদে 'দশচক্র' শব্দটির মাধ্যমে দশজনের ষড়যন্ত্র বা চক্রান্তকে বোঝানো হয়।
- যখনই দেখবে দশজন মিলে কিছু করছে, তখন তা সাধারণত চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ না বুঝে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা সামাজিক তাৎপর্য মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রাচীন
১. কেন সঠিক:
- 'অর্বাচীন' শব্দটির অর্থ হলো আধুনিক, নতুন বা অল্পবয়স্ক, যার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'প্রাচীন' অর্থাৎ পুরোনো বা প্রাচীনকালের।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এই জোড়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন দুটি শব্দকে বোঝায় যা পরস্পর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দ দিয়েই বিপরীত শব্দ নির্ণয় করার নিয়ম সাধারণত অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আধুনিক
ব্যাখ্যা: আধুনিক শব্দের বিপরীত শব্দ প্রাচীন, যা বর্তমান সময়ের পরিবর্তে অতীতের কালকে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: নবীন
ব্যাখ্যা: নবীন শব্দের বিপরীত শব্দ প্রবীণ, যা অর্বাচীন শব্দের সমার্থক ধারার বিপরীত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাচীন — বাচীন বলে বাংলা ভাষায় কোনো অর্থপূর্ণ প্রমিত শব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ নেই।
B) পুরাতন — পুরাতন শব্দটি চলতি বা তদ্ভব রূপ, তবে তৎসম অর্বাচীন শব্দের সঠিক বিপরীত তৎসম রূপ প্রাচীন।
C) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর।
D) কোনটাই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অর্বাচীন শব্দের প্রথম অক্ষর অ এবং প্রাচীন শব্দের প্রথম অক্ষর প্র মিলিয়ে অ-প্র এভাবে মনে রাখতে পারো।
- নতুন বা কাঁচা অর্থে অর্বাচীন আর পাকা বা পুরোনো অর্থে প্রাচীন মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দের অর্থ সঠিকভাবে জানা থাকলে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) পাণিনি
১. কেন সঠিক:
পাণিনি হলেন বিশ্বের প্রাচীনতম ও সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ যিনি সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন। তাঁর রচিত মহাগ্রন্থ অষ্টাধ্যায়ী প্রাচীন ভারতের বৈয়াকরণিক ঐতিহ্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থে ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের অত্যন্ত নিখুঁত ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ রয়েছে। ব্যাকরণ শাস্ত্রে তাঁর অবদান অতুলনীয় হওয়ায় তাঁকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী
ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকরণ শাস্ত্রের ইতিহাসে প্রথম ও সবচেয়ে নিখুঁত নিয়মভিত্তিক ব্যাকরণ গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সংস্কৃত ভাষা
ব্যাখ্যা: পাণিনি এই প্রাচীন ভাষার ওপর গভীর গবেষণা করে এর ব্যাকরণকে সুশৃঙ্খল রূপ দেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক ও শিক্ষাবিদ হলেও বিশ্বখ্যাত ব্যাকরণবিদ হিসেবে পাণিনি সর্বাধিক পরিচিত।
B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, ব্যাকরণবিদ নন।
C) পাণিনি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী গ্রহণযোগ্য।
D) ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ বলতে সাধারণত পাণিনিকেই বোঝানো হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ বললেই প্রাচীন ভারতের বৈয়াকরণ পাণিনির নাম মনে রাখতে হবে। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ অষ্টাধ্যায়ী এই তথ্য মনে রাখতে সবচেয়ে বড় সহায়ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব সাহিত্যের বা প্রাচীন ইতিহাসের বিখ্যাত বৈয়াকরণবিদ সম্পর্কে প্রশ্ন আসলে পাণিনির নাম এবং তাঁর অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) যে সন্ধি ব্যাকরণের কোন নিয়ম মানে না
১. কেন সঠিক:
- নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র অনুসরণ করে গঠিত হয় না।
- বাংলা ব্যাকরণে কিছু সন্ধি প্রচলিত নিয়মের বাইরে প্রাকৃত বা সাধারণ ব্যবহারের মাধ্যমে সিদ্ধ বা গৃহীত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সন্ধির সাধারণ নিয়ম হলো স্বরবর্ণে স্বরবর্ণে অথবা ব্যঞ্জনবর্ণে ব্যঞ্জনবর্ণে বা স্বরবর্ণে ব্যঞ্জনবর্ণে মিলন বা পরিবর্তন ঘটা।
- কিন্তু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি এই প্রচলিত ব্যাকরণগত নিয়ম বা সূত্র মানে না, তাই এগুলোকে মুখস্থ রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোষ্পদ = গো + পদ
ব্যাখ্যা: এখানে সাধারণ সন্ধির নিয়ম না মেনে গোষ্পদ শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরস্পর = পরি + পর
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ব্যাকরণের নিয়মিত সন্ধির নিয়ম অনুসৃত হয়নি, নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যে সন্ধি ব্যাকরণের কোন নিয়ম মানে না — এটি সঠিক কারণ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মেনে চলে না।
B) যে সন্ধির সকল নিয়ম মানে — এটি ভুল কারণ সকল নিয়ম মানলে তাকে সাধারণ সন্ধি বলা হতো, নিপাতনে সিদ্ধ বলা হতো না।
C) যে সন্ধি দুইটি ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু হয় — এটি ভুল কারণ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি উভয় প্রকারেরই হতে পারে।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ তে সঠিক উত্তরটি বিদ্যমান রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিপাতনে সিদ্ধ মানেই হলো ব্যতিক্রম যা কোনো নিয়ম মানে না।
- পরীক্ষার হলে এই ধরনের শব্দ দেখলে বুঝতে হবে এগুলো সরাসরি মুখস্থ করা রূপ থেকে এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- গোষ্পদ, পরস্পর, চষক, বৃহস্পতি, মনোহর প্রভৃতি শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) লবণাক্ত
১. কেন সঠিক:
- বিশেষ্য পদ 'লবণ' শব্দের সঙ্গে 'ক্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ 'লবণাক্ত' গঠিত হয়েছে।
- বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশকারী পদকে বিশেষণ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বিশেষ্য শব্দে প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ পদে রূপান্তর করা হয়।
- এখানে 'লবণ' বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে তার গুণ বা স্বাদ বোঝাতে বিশেষণ তৈরি করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্ক + ইল = পঙ্কিল
ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ 'পঙ্ক' থেকে 'পঙ্কিল' বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জগৎ + ইক = জাগতিক
ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ 'জগৎ' থেকে 'জাগতিক' বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবণাক্ত — এটি সঠিক বিশেষণ পদ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) নুন — এটি 'লবণ' শব্দের একটি সমার্থক বা তদ্ভব রূপ, তবে এটি বিশেষ্য পদ, বিশেষণ নয়।
C) লাবণ্য — এটি 'লবণ' শব্দ থেকে আগত একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, কোনো বিশেষণ নয়।
D) ললিত — এটি একটি আলাদা বিশেষণ পদ যার অর্থ সুন্দর বা মনোরম, লবণ শব্দের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বস্তুর স্বাদ বা অবস্থা বোঝাতে মূল বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে 'াক্ত' বা 'ইল' প্রত্যয় যুক্ত করে সহজে বিশেষণ পদ তৈরি করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে, তাই শব্দ গঠনে প্রত্যয়ের ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) হতভাগ্য
১. কেন সঠিক:
- 'আট কপালে' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ দুর্ভাগ্য বা যার কপাল মন্দ।
- মানুষের কপালে ভালো ভাগ্য লেখা নেই বোঝাতে এবং চরম দুর্ভাগ্য প্রকাশ করতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা তাদের আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- শব্দগুলো আলাদাভাবে দেখলে এক অর্থ দেয়, কিন্তু একত্রে মিলিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন ও প্রতীকী অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি বা বোকামির ফল, যা জীবনের নানা ক্ষেত্রে ভুল কাজের পরিণতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে
ব্যাখ্যা: এর অর্থ অত্যন্ত মন্দভাগ্য বা যার ভাগ্য কখনো ভালো হয় না, যা 'আট কপালে' বাগধারার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্দ মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ 'আট কপালে' বাগধারাটি মানুষের চরিত্রের মন্দ দিক প্রকাশ করে না, বরং মানুষের দুর্ভাগ্যের অবস্থাকে নির্দেশ করে।
B) খারাপ মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ নৈতিকভাবে খারাপ চরিত্র বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয় না, এটি মানুষের ভাগ্য বা কপালকে বোঝায়।
C) উন মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় মানুষের কমতি বা অপরিপূর্ণতা বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয় না এবং এটি নির্দিষ্ট কোনো বাগধারার অর্থ নয়।
D) হতভাগ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির মাধ্যমে এমন একজন মানুষকে বোঝানো হয় যার ভাগ্য অত্যন্ত খারাপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কপাল শব্দটির সাথে দুর্ভাগ্য যুক্ত করে এই বাগধারাটি মনে রাখা যায়, কারণ যার কপাল আট ভাগে বিভক্ত তার ভাগ্যও ভাঙাচোরা বা খারাপ।
- কপাল বা ভাগ্য সংক্রান্ত অন্যান্য বাগধারা যেমন পোড়াকপাল বা মন্দভাগ্য এর সাথে মিলিয়ে পড়া সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাগ্য বা দুর্ভাগ্য বোঝাতে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে।
- 'আট কপালে', 'ইঁদুর কপালে' এবং 'অর্ধচন্দ্র' জাতীয় বাগধারাগুলোর আভিধানিক ও ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) নৈর্ঝত
১. কেন সঠিক:
- নৈর্ঝত শব্দটির সঠিক বানান গঠনে রেফ এবং ঝ-ফলা বা যুক্তবর্ণের সঠিক প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ঝ এর পূর্বে র-ফলা (রেফ) যুক্ত হয়ে এই বিশেষ শব্দটি গঠিত হয় যার অর্থ নির্ঝরসংক্রান্ত বা ঝরনাজাত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণে রেফ (র-ফলা) এর ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অধ্যায়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী রেফ-এর পরে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হয় না এবং যুক্তবর্ণের সঠিক বিন্যাস রক্ষা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মূর্ছনা
ব্যাখ্যা: রেফ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক যুক্তবর্ণ বিন্যাসের আরেকটি আদর্শ উদাহরণ এটি।
উদাহরণ ২: তর্জনী
ব্যাখ্যা: এখানেও রেফ এবং জ-ফলার সঠিক অবস্থান প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী নিশ্চিত করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নৈঝত — এই অপশনটিতে প্রয়োজনীয় রেফ বর্ণটি অনুপস্থিত থাকায় বানানটি সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে।
B) নৈঝিত — এই অপশনটিতে অতিরিক্ত ই-কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ হয়েছে।
C) নৈর্ঝত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য।
D) নৈহৃত — এই অপশনটিতে ঝ এর পরিবর্তে হ বর্ণ ব্যবহার করায় মূল শব্দের অর্থ ও বানান বদলে গেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঝরনা বা নির্ঝর শব্দটির সঙ্গে সম্পর্কিত এই বানানটি মনে রাখতে এর মূল উচ্চারণ ও র-ফলার অবস্থান খেয়াল রাখতে হবে।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়াতে ঝ এর ওপর রেফ এবং ত যুক্ত হওয়ার গঠনটি বারবার লিখে অনুশীলন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রেফযুক্ত জটিল বানানগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রমিত বানান মুখস্থের চেয়ে গঠন মনে রাখা ভালো।
- একই নিয়মে অন্যান্য কঠিন যুক্তবর্ণের বানানগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো বানানশুদ্ধি প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- উক্তিটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনীর প্রার্থনা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- বাংলা সাহিত্য এই পঙক্তিটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এটি বাঙালির চিরন্তন শান্তিময় জীবনের প্রতীক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং নদীয়া জেলার পেঁটুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি হিসেবে তিনি খেতাব পান এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল তিন খণ্ডে বিভক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরী পাটুনীর এই বিখ্যাত প্রার্থনার লাইনটি অভাবমুক্ত ও সুখী জীবনের প্রতীক।
উদাহরণ ২: নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়।
ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায় গুণপকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদতুল্য লাইন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের কবি হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তাঁর রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের নয়।
B) ভারতচন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) আলাওল — আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেছেন কিন্তু এই উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।
D) দৌলত কাজী — দৌলত কাজী আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র ঈশ্বরী পাটুনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে দুধে ভাতে থাকার এই বর চেয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্যের বিখ্যাত চরিত্র ও পঙক্তি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ভারতচন্দ্রকে নাগরিক কবি বা অষ্টাদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চাশের মন্বন্তর
১. কেন সঠিক:
- 'নেমেছিস' নাটকে মূলত বাংলা ১৩৫০ সনের পঞ্চাশের মন্বন্তরের ভয়াবহ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- সেকালের গ্রামীণ মানুষের হাহাকার ও খাদ্যাভাব এই নাটকের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পঞ্চাশের মন্বন্তর বাংলা সাহিত্যে একটি বড় ঐতিহাসিক পটভূমি এবং এর ওপর বহু নাটক ও উপন্যাস রচিত হয়েছে।
- এই মন্বন্তরের নির্মম বাস্তবতা শিল্পসাহিত্যে দারুণভাবে প্রভাব ফেলেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুকান্ত ভট্টাচার্যের আকাল কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় পঞ্চাশের মন্বন্তরের দুর্ভিক্ষের ভয়াল রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের মন্বন্তর বিষয়ক রচনা।
ব্যাখ্যা: এটিও সেকালের মানবজীবনের চরম দুর্দশাকে তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ — এটি আন্তর্জাতিক একটি যুদ্ধ এবং এই নাটকের বিষয়বস্তু এটি নয়।
C) বাহান্নর ভাষা আন্দোলন — এটি বাঙালি জাতির ভাষাকেন্দ্রিক সংগ্রাম এবং এই নাটকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রাম এবং এই নাটকের পটভূমি এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পঞ্চাশের মন্বন্তর মানেই মানুষের চরম খাদ্যাভাব ও হাহাকার।
- ঐতিহাসিক এই পটভূমির নাটক মনে রাখতে সালটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যে ঐতিহাসিক পটভূমিভিত্তিক নাটকগুলোর নাম ও প্রেক্ষাপট ভালোভাবে পড়তে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়ার আধার অর্থাৎ স্থান, কাল বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে।
- এখানে পুকুর হলো মাছ থাকার স্থান বা আধার।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার স্থান, কাল বা ভাবকে অধিকরণ কারক বলে।
- স্থানবাচক অধিকরণকে স্থানাধিকরণ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বনে হলো বাঘ থাকার স্থান, তাই এটি অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: সকাল হলো সূর্য ওঠার সময়, তাই এটি কালাধিকরণ বা অধিকরণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, ভীত বা উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে নেই।
B) অধিকরণ কারক — এটি সঠিক উত্তর কারণ পুকুর হলো মাছ থাকার স্থান।
C) করণ কারক — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ কারক বলে, এখানে পুকুর কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয়।
D) কর্তৃকারক — যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে তাকে কর্তা বলে, এখানে মাছ মাছের কাজ করছে না বরং পুকুরে মাছের অবস্থান বোঝাচ্ছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই অধিকরণ কারক।
- স্থান বা সময় বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্থান বা আধার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বাক্যের মূল ক্রিয়াকে কোথায় বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বন্দী শিবির থেকে
১. কেন সঠিক:
- বন্দী শিবির থেকে হলো কবি শামসুর রাহমানের লেখা একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির বীরত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি যিনি বাংলাদেশের নাগরিক জীবনের নান্দনিক রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আত্মগোপনে থেকে তিনি এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো রচনা করেছিলেন যা বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি অমর কবিতা যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যচর্চায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
উদাহরণ ২: স্মৃতিচিহ্ন
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল পঠিত কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) বন্দী শিবির থেকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) আমি বীরাঙ্গনা বলছি — এটি নীলিমা ইব্রাহিম রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমানের নামের সাথে বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে বন্দিদশা থেকে মুক্তির আকুতি শব্দটি মাথায় রাখবে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য কবি শামসুর রাহমানের নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, নাটক ও কাব্যগ্রন্থের নাম আলাদা করতে বলা হয়।
- রচনার ধরন বা জেনর ভালো করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) জীবনানন্দ দাশ
কেন সঠিক:
১. জীবনানন্দ দাশ বাংলা কবিতায় আধুনিকতার এক অনন্য রূপকার যিনি অন্ধকার বা তিমির নাশ করার কথা বলেছেন।
২. তাঁর কবিতায় গভীর অন্ধকার তথা হতাশা পেরিয়ে আশার আলোর সন্ধান পাওয়ার এক অনন্য প্রকাশ দেখা যায়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবির কাব্যিক পরিচিতি সম্পর্কিত একটি সাহিত্যিক প্রশ্ন।
২. বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে বাংলা কবিতার নির্জনতম কবি এবং তিমির হননের কবি হিসেবে বিশেষভাবে চিহ্নিত করেছেন।
৩. তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোতে রূপসী বাংলার অন্ধকার রাত ভেদ করে এক নতুন ভোরের চেতনার প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত হলেও কোনো কবি নন।
B) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের এক জনপ্রিয় কথাশিল্পী বা ঔপন্যাসিক, কোনো কবি নন।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং সাম্য ও মুক্তির বাণী প্রচার করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
১. তিমির শব্দের অর্থ অন্ধকার আর এই অন্ধকার দূর করার কাব্যিক সাধনা করেছিলেন জীবনানন্দ দাশ।
২. আধুনিক কবিতার অন্ধকার বা অবসাদ কাটিয়ে যিনি আলোর পথ দেখিয়েছেন তিনিই তিমির হননের কবি।
সঠিক উত্তর: D) habituate
কেন সঠিক:
habituate শব্দটির অর্থ অভ্যস্ত করানো, যা একটি কাজ সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া বোঝায় এবং এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া।
প্রদত্ত প্রশ্নে 'habit' নাউনের সঠিক ভার্ব রূপ চাওয়া হয়েছে এবং habituate ঠিক সেই কাজটি করে।
এটি বাক্যে সরাসরি মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
শব্দটির শেষে ate প্রত্যয় যুক্ত থাকায় এটি নিশ্চিতভাবে একটি ভার্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) habitable — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ বাসযোগ্য।
B) habitation — এটি একটি নাউন যার অর্থ বাসস্থান বা বসবাস।
C) habitual — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ অভ্যাগত বা নিয়মিত।
D) habituate — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি ভার্ব।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শব্দের শেষে ate বা en থাকলে সাধারণত তা ভার্ব হয়, যেমন habituate।
সঠিক উত্তর: B) He has received the letter when I meet him
কেন সঠিক:
প্রথম অংশ Present Perfect Tense এ থাকলে এবং পরের অংশ Present Indefinite Tense এ হলে বাক্যটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
এখানে কাজ সম্পন্ন হওয়ার ভাব বোঝাতে Present Tense এর সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He receices the later when I meet him — এখানে receices বানান ভুল এবং Present Tense এর গঠন সঠিক নয়।
B) He has received the letter when I meet him — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) He had received the letter before I met him — এখানে Past Perfect এর সাথে Past Indefinite ব্যবহার করায় এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।
D) He had receives the letter when I have made him — এখানে had এর সাথে receives ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের Tense এর মিল দেখতে হবে এবং সঠিক বানান ও গঠন মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) have to pay
কেন সঠিক:
বাক্যের সাবজেক্ট অল সিটিজেনস নিজেই ট্যাক্স প্রদান করার কাজটি করতে পারে, তাই বাক্যটি অ্যাক্টিভ ভয়েসে হবে।
বাধ্যবাধকতা বোঝাতে প্রেজেন্ট টেন্সে হ্যাভ টু ব্যবহার করা হয় এবং এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) should be paid — এটি প্যাসিভ ফর্ম, কিন্তু সাবজেক্ট নিজে কাজ করায় বাক্যটি অ্যাক্টিভ হওয়া দরকার।
B) must be paid — এটিও প্যাসিভ ফর্ম এবং এখানেও প্যাসিভ স্ট্রাকচার ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।
C) would be paid — এটি পাস্ট কন্ডিশনাল এবং প্যাসিভ ফর্ম, যা বর্তমানের সাধারণ নিয়মের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট নিজে কাজ করলে ভার্ব অ্যাক্টিভ হয় আর অন্যের দ্বারা কাজ করালে প্যাসিভ হয়।
সঠিক উত্তর: D) playing
কেন সঠিক:
- 'Give up' একটি phrasal verb যার অর্থ কোনো অভ্যাস বা কাজ চিরতরে ত্যাগ করা।
- phrasal verb-এর পর সাধারণত verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে gerund হয়, তাই এখানে playing সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to play — infinitive হওয়ায় এটি phrasal verb-এর পরের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) of playing — preposition 'of' অতিরিক্ত হওয়ায় এখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই।
C) play — verb-এর base form সরাসরি preposition বা phrasal verb-এর পর বসে না।
D) playing — এটি gerund হিসেবে সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে এবং প্রদত্ত উত্তর সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
mind, give up, stop, enjoy ইত্যাদি verb-এর পর সবসময় verb+ing বা gerund বসে।
সঠিক উত্তর: C) A brother or sister
কেন সঠিক:
sibling শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি একই বাবা-মার সন্তান। তাই এটি ভাই অথবা বোন উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a brother — এটি শুধু ভাই বোঝায়, কিন্তুsibling দ্বারা ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝানো হয়।
B) a sister — এটি শুধু বোন বোঝায়, কিন্তুsibling দ্বারা ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝানো হয়।
C) A brother or sister — এটি সঠিক কারণ sibling বলতে ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝায়।
D) an infant — এর অর্থ নবজাতক, যা sibling শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
sibling মনে রাখতে বাংলা ভাই-বোন কথাটি একসাথে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Optative
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে মহান আল্লাহর কাছে বাংলাদেশের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে। যে সেন্টেন্সে কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝায়, তাকে অপটেইভ সেন্টেন্স বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive — যে বাক্য দ্বারা সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা প্রকাশ করা হয়, তাকে অ্যাসারটিভ সেন্টেন্স বলে। কিন্তু এই বাক্যে কোনো সাধারণ বিবৃতি দেওয়া হয়নি বরং প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়েছে।
B) Optative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশন ভুল নয়।
C) Imperative — যে বাক্য দ্বারা আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায়, তাকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে। কিন্তু এই বাক্যে কোনো আদেশ বা অনুরোধ করা হয়নি।
D) Exclamatory — যে বাক্য দ্বারা মনের আকস্মিক আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করা হয়, তাকে এক্সক্লামেটরি সেন্টেন্স বলে। কিন্তু এই বাক্যে কোনো আবেগ প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝায় এবং সাধারণত May দিয়ে শুরু হয়, তাকে অপটেইভ সেন্টেন্স বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) সব্যসাচী
কেন সঠিক:
- Ambidexter শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যে ব্যক্তি তার ডান ও বাম উভয় হাত সমান দক্ষতায় ব্যবহার করতে পারে।
- বাংলা পরিভাষায় দুই হাতে সমান পারদর্শী বা সব্যসাচী ব্যক্তিকে বোঝাতে এই ইংরেজি শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুবোধ — এই শব্দের অর্থ শান্ত, ভদ্র বা অনুগত, যা দুই হাত ব্যবহারের দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) পন্ডিত — এই শব্দের অর্থ জ্ঞানী বা বিদ্বান ব্যক্তি, যা কোনো বিশেষ শারীরিক দক্ষতার সমার্থক নয়।
C) সব্যসাচী — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ যিনি দুই হাত সমানভাবে কাজে লাগাতে পারেন।
D) কঠোর — এই শব্দের অর্থ নির্মম বা কঠিন, যা মানুষের কর্মদক্ষতা বা হাত ব্যবহারের ক্ষমতার নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Ambi শব্দের অর্থ উভয় এবং Dexter শব্দের অর্থ দক্ষ, তাই উভয় হাতে দক্ষ অর্থাৎ সব্যসাচী।
সঠিক উত্তর: B) The story is pleasant to read
কেন সঠিক:
কোনো কাজ করতে কেমন লাগে তা বোঝাতে Subject-এর পর Adjective এবং তার সাথে to যুক্ত verb-এর base form বসে। এই নিয়م অনুসারেই গল্পটি পড়তে মজা অর্থ the story is pleasant to read সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reading of the story is pleasant — এখানে structure টি অপ্রাকৃতিক এবং ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) The story is pleasant of reading — Adjective-এর পর of বসে না, বরং নিয়ম অনুযায়ী infinitive (to read) বসে।
D) The story is pleasant to be read — বাক্যটি passive voice করায় অর্থের পরিবর্তন ঘটে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু করতে ভালো লাগলে Sub + is/am/are + pleasant/easy/difficult + to + verb-এর present form হয়।
সঠিক উত্তর: B) tolerate
কেন সঠিক:
'Put up with' একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ দিয়ে এর মূল ভাব বোঝা যায় না।
এর আসল অর্থ হলো কোনো কিছু সহ্য করা বা মেনে নেওয়া, যা 'tolerate' শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
তাই প্রদত্ত বাক্য বা প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন বি নির্বাচন করা হয়েছে।
এই বাগধারাটি প্রায়ই কঠিন পরিস্থিতি বা অপছন্দের কোনো বিষয় মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stay together — এর অর্থ একত্রে থাকা, যা 'put up with' বাগধারার সহ্য করার অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং এর অর্থ সহ্য করা।
C) keep trust — এর অর্থ বিশ্বাস রক্ষা করা বা ভরসা রাখা, যা এই বাগধারার সাথে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) protect — এর অর্থ রক্ষা করা বা পাহারা দেওয়া, যা সহ্য করা বা মেনে নেওয়ার ধারণার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিরক্তিকর পরিস্থিতি যখন তুমি হাসিমুখে সহ্য করো, তখন মনে রাখবে তুমি আসলে 'put up with' করছ।
সঠিক উত্তর: C) simplify
কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে simplification noun টির verb রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে।
simplify শব্দটির শেষে ify যুক্ত থাকায় এটি একটি verb হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) simply — এটি একটি adverb, তাই এটি সঠিক verb নয়।
B) simple — এটি একটি adjective, তাই এটি verb হতে পারে না।
C) simplify — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি ভুল হিসেবে গণ্য হবে না।
D) similar — এটি একটি ভিন্ন অর্থবহ adjective, যার অর্থ সদৃশ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে fy বা ify থাকলে সাধারণত সেটি verb হয়।
সঠিক উত্তর: C) everyone must do his duty
কেন সঠিক:
everyone শব্দটি singular indefinite pronoun হওয়ায় এর পরবর্তী possessive pronoun হিসেবে his ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ ক্ষেত্রে gender নির্দিষ্ট না থাকলে masculine pronoun হিসেবে his ব্যবহার করা হয়।
আধুনিক ব্যবহারে some people their ব্যবহার করলেও ঐতিহ্যগত নিয়মে his ব্যবহারই সবচেয়ে নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) everyone must do its duty — its সাধারণত প্রাণহীন বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, মানুষের ক্ষেত্রে নয়।
B) everyone must do one's duty — one থাকলে one's হতো, কিন্তু everyone এর ক্ষেত্রে one's ব্যবহার করা আধুনিক নিয়মে বেমানান।
D) everyone must do every one's duty — বাক্যটিতে every one's বারবার ব্যবহার করায় অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং অর্থ নষ্ট হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
everyone বা everybody থাকলে সাধারণত possessive pronoun হিসেবে his ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: খ) lad
কেন সঠিক:
lad শব্দটির অর্থ হলো কিশোর বা বালক। এটি ব্যাকরণে পুংলিঙ্গ বা masculine gender নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) mare — এটি horse শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine form যার অর্থ হলো ঘোড়ী।
খ) lad — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি পুংলিঙ্গ বা masculine word।
গ) pillow — এটি একটি জড় বস্তু তাই এটি neuter gender বা ক্লীবলিঙ্গ।
ঘ) pony — এটি ছোট জাতের ঘোড়া বোঝায় যা সাধারণত common gender হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ক্ষেত্রে ছেলে বোঝালে পুংলিঙ্গ এবং মেয়ে বোঝালে স্ত্রীলিঙ্গ হয়।
সঠিক উত্তর: B) Philanthropy
কেন সঠিক:
Philanthropy শব্দের অর্থ মানবপ্রেম বা মানুষের কল্যাণ সাধনের প্রবৃত্তি।
এটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের কাজকে বোঝায়।
তাই প্রশ্নানুসারে 'Love for mankind' এর সঠিক প্রকাশ হলো Philanthropy।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Androphile — এর অর্থ পুরুষপ্রেমিক বা পুরুষদের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ।
B) Philanthropy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) Phylogeny — এর অর্থ জীব প্রজাতির উদ্ভব ও বিবর্তন প্রক্রিয়া।
D) none of above — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে موجود রয়েছে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Philo শব্দের অর্থ ভালোবাসা এবং anthropos শব্দের অর্থ মানুষ, তাই দুটি মিলে হয় মানবপ্রেম।
সঠিক উত্তর: C) study of earthquakes
কেন সঠিক:
গ্রিক শব্দ seismos শব্দের অর্থ ভূমিকম্প এবং logia শব্দের অর্থ অধ্যয়ন করা।
এই দুটি শব্দ মিলে ভূমিকম্প সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) study of snakes — সাপের অধ্যয়নকে অফিওলজি বলা হয়।
B) study of disease — রোগের অধ্যয়নকে প্যাথলজি বলা হয়।
C) study of earthquakes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) study of broken hills — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নের বিষয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
Seismo শব্দটির সাথে ভূমিকম্প বা কম্পন শব্দটির মিল খুঁজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) The boss advised the employees not to waste their time
কেন সঠিক:
- রিপোর্টেড स्पीচটি নেতিবাচক Imperative Sentence হওয়ায় রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তিত হয়ে advised হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমা তুলে not to বসেছে।
- অবজেক্টের পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী your পরিবর্তন হয়ে their হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The boss advised the employees not to waste their time — এটি সঠিক কারণ এতে সব নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
B) The boss asked the employees not to waste their time — বাক্যে উপদেশ বা পরামর্শ বোঝাতে ask-এর চেয়ে advise অধিকতর উপযুক্ত।
C) The Boss ordered the employees don't waste their time — রিপোর্টেড অংশে to-এর পরে সরাসরি don't বসায় ব্যাকরণগত ভুল রয়েছে।
D) The boss forbed the employees not to waste their time — forbid নিজেই একটি নেতিবাচক শব্দ, তাই এর সাথে অতিরিক্ত not ব্যবহার করা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ আদেশ বা উপদেশ বোঝালে forbid ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রে infinitive-এর আগে not বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) I went there and asked for a help
কেন সঠিক:
compound sentence এ দুটি independent clause থাকে যা and দ্বারা যুক্ত হয়। এখানে দুটি কাজ বোঝাতে past tense ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I when there and asking for a help — বানান ভুল এবং verb এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি।
B) I went there so that I can ask for a help — এটি একটি complex sentence, compound নয়।
C) I went there for asking a help — এটি একটি simple sentence, compound নয়।
D) I went there and asked for a help — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
simple sentence এর infinitive অংশকে and দিয়ে যুক্ত করে past tense এ রূপান্তর করলেই compound sentence পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) Rising
কেন সঠিক:
শেয়ার বাজারে bull market বা ষাঁড়ের বাজার বলতে শেয়ারের মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়।
বিনিয়োগকারীদের আশাবাদী মানসিকতার কারণে এই বাজারে শেয়ারের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকে।
অর্থনীতির ভাষায় এটি বাজারে চাঙ্গা ভাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Falling — শেয়ারের দাম কমে যাওয়াকে bear market বলা হয়, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে মেলে না।
B) Rising — এটি সঠিক কারণ bull market-এ শেয়ারের দাম সবসময় বৃদ্ধি পায়।
C) Moving — এটি একটি সাধারণ গতি বোঝায়, যা নির্দিষ্টভাবে শেয়ারের দাম বাড়ার অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Static — এর অর্থ স্থির থাকা, কিন্তু bull market-এ শেয়ারের দাম স্থির থাকে না বরং বাড়ে।
মনে রাখার টিপস:
ষাঁড় বা bull সবসময় তার শিং দিয়ে ওপরের দিকে আঘাত করে, তাই মনে রাখবে bull market মানেই শেয়ারের দাম ওপরের দিকে বা Rising হয়।
সঠিক উত্তর: D) between
কেন সঠিক:
ইংরেজি grammar এর নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো কিছু কেবল দুজন ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া বোঝায়, তখন prepositions এর মধ্যে strictly 'between' ব্যবহার করতে হয়। এখানে টাকার পরিমাণ দুজন বালকের মধ্যে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — সাধারণত কোনো কিছুর ওপরে বা স্পর্শ না করে ঝুলে থাকা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
B) in between — এটি সঠিক English idiom বা preposition নয় এবং এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
C) around — এর অর্থ চারপাশ বা কোনো পরিধি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) between — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
দুজন বোঝালে always 'between' বসবে এবং দুইয়ের অধিক বোঝালে 'among' ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) neither
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে দুজন ভাইয়ের কথা বলা হয়েছে এবং তাদের সততা না থাকার অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে।
তাই দুটি নেতিবাচক বিষয়ের মধ্যে বেছে নিতে neither ব্যবহৃত হয়।
দুইটি জিনিসের মধ্যে কাউকেই না বোঝালে neither বসে।
এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) neither — এটি সঠিক উত্তর।
B) either — এটি দুটি জিনিসের মধ্যে যেকোনো একটিকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) both — এটি দুজনকে একত্রে বোঝায়, কিন্তু পরের অংশে সততা নেই বলা হয়েছে তাই এটি ভুল।
D) not one — এটি সাধারণত অনেকগুলোর মধ্যে একটিও না বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
দুইটি ব্যক্তির মধ্যে কাউকেই না বোঝালে সবসময় neither ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) কোনটাই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
মোটর গাড়ি ৮০ কিলোমিটার যায় ১০ লিটার ডিজেল দিয়ে
ধরি,
১ কিলোমিটার পথ যেতে ডিজেল লাগে ১০ ÷ ৮০ লিটার
অতএব,
১ কিলোমিটার পথ যেতে ডিজেল লাগে ১ ÷ ৮ লিটার
সুতরাং,
১০ কিলোমিটার পথ যেতে ডিজেল লাগে ১০ × (১ ÷ ৮) লিটার
উত্তর: ১.২৫ লিটার
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজাকার ভূমির দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার
ত্রিভুজটির উচ্চতা = ৪ মিটার
ধরি,
ভূমি (b) = ৩ মিটার
উচ্চতা (h) = ৪ মিটার
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
মান বসিয়ে পাই = (১ ÷ ২) × ৩ × ৪
হিসাব করে পাই = ১২ ÷ ২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ৬ বর্গমিটার
উত্তর: ৬ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: B) ৬৯
প্রদত্ত তথ্য:
৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাসমূহ বিবেচনা করতে হবে।
ধরি,
৪০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি = ৪১
৪০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি = ৯৭
অতএব,
মৌলিক সংখ্যা দুটির যোগফল = ৪১ + ৯৭ = ১৩৮
সুতরাং,
মৌলিক সংখ্যা দুটির গড় = ১৩৮ ÷ ২ = ৬৯
উত্তর: ৬৯
সঠিক উত্তর: A) ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ
প্রদত্ত তথ্য:
এটি সাধারণ পাটিগণিতের একটি মৌলিক সূত্র
যা ভাগ অংকের ক্ষেত্রে সবসময় প্রযোজ্য হয়
ধরি,
কোনো সংখ্যাকে কোনো ভাজক দিয়ে ভাগ করা হলে
সেখানে একটি ভাগফল এবং একটি ভাগশেষ পাওয়া যায়
অতএব,
ভাজককে ভাগফল দিয়ে গুণ করতে হয়
এবং সেই গুণের সাথে ভাগশেষ যোগ করতে হয়
সুতরাং,
এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে মূল সংখ্যাটি অর্থাৎ ভাজ্য পাওয়া যায়
উত্তর: ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ
সঠিক উত্তর: A) বর্গ
প্রদত্ত তথ্য:
চতুর্ভুজের চারটি কোণ সম্পর্কে বলা হয়েছে
প্রতিটি কোণের পরিমাপ ৯০°
ধরি,
চতুর্ভুজের কোণগুলো যথাক্রমে ক, খ, গ এবং ঘ
ক = খ = গ = ঘ = ৯০°
অতএব,
চার কোণের সমষ্টি = ৯০° + ৯০° + ৯০° + ৯০°
চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০°
সুতরাং,
যে চতুর্ভুজের চারটি কোণ সমকোণ বা ৯০° তাকে বর্গ বলা হয়
উত্তর: A) বর্গ
সঠিক উত্তর: D) ১২৫°
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাণ = ৫৫°
ধরি,
অজানা সম্পূরক কোণটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
আমরা জানি, দুটি কোণের যোগফল ১৮০ ডিগ্রি হলে তারা পরস্পরের সম্পূরক কোণ হয়
সুতরাং,
ক + ৫৫° = ১৮০°
উত্তর: ১২৫°
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত = ২ : ৩
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
সংখ্যা দুটির গসাগু = ক
অতএব,
ক = ৪
প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যাটি ৮ এবং বড় সংখ্যাটি ১২
উত্তর: ১২
সঠিক উত্তর: A) সেন্টিমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
দৈর্ঘ্য পরিমাপের বিভিন্ন একক দেওয়া আছে
নির্ণয় করতে হবে সিজিএস পদ্ধতি অনুযায়ী একক
ধরি,
সিজিএস পদ্ধতির পূর্ণরূপ হলো সেন্টিমিটার গ্রাম সেকেন্ড
অতএব,
এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার
ভর পরিমাপের একক গ্রাম
সুতরাং,
সময় পরিমাপের একক সেকেন্ড
উত্তর: সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: A) ১০৫ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
৩ জনের বয়সের গড় = ৩৫ বছর
মানুষের মোট সংখ্যা = ৩ জন
ধরি,
৩ জনের বয়সের সমষ্টি = ক বছর
অতএব,
গড়ের সূত্র অনুযায়ী, বয়সসমূহের সমষ্টি ÷ মানুষের সংখ্যা = গড়
অর্থাৎ ক ÷ ৩ = ৩৫
সুতরাং,
ক = ৩৫ × ৩
ক = ১০৫
উত্তর: ১০৫ বছর
সঠিক উত্তর: A) ৪৫ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য = ৩০০ টাকা
লাভের হার = ১৫%
ধরি,
১০০ টাকায় লাভ হয় ১৫ টাকা
অতএব,
১ টাকায় লাভ হয় ১৫ ÷ ১০০ টাকা
সুতরাং,
৩০০ টাকায় লাভ হয় (১৫ × ৩০০) ÷ ১০০ টাকা = ৪৫ টাকা
উত্তর: ৪৫ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সাধারণ চতুর্ভুজ দেওয়া আছে যার চারটি বাহু এবং চারটি কোণ আছে।
ধরি,
চতুর্ভুজটির কর্ণ বরাবর দুটি ত্রিভুজে বিভক্ত করা হলো।
প্রতিটি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি হলো ১৮০°।
অতএব,
দুটি ত্রিভুজের মোট কোণের সংখ্যা হলো দুই গুণ ১৮০°।
সুতরাং,
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ১৮০° × ২ = ৩৬০°
উত্তর: ৩৬০°
সঠিক উত্তর: A) ১২৫০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
গ্রামের মোট লোকসংখ্যা = ৫০০০
মহিলার হার = ২৫%
ধরি,
মোট লোকসংখ্যা = ১০০%
অতএব,
১০০ জনের মধ্যে মহিলা = ২৫ জন
সুতরাং,
৫০০০ জনের মধ্যে মহিলা = ৫০০০ × ২৫ ÷ ১০০ = ১২৫০ জন
উত্তর: ১২৫০ জন
সঠিক উত্তর: C) ৫০৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের ধারা
প্রথম সংখ্যা = ১
শেষ সংখ্যা = ১০০
ধরি,
পদের সংখ্যা = ১০০
প্রথম পদ = ১
শেষ পদ = ১০০
অতএব,
সমষ্টির সূত্র = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × পদের সংখ্যা ÷ ২
মান বসিয়ে পাই = (১ + ১০০) × ১০০ ÷ ২
হিসাব করে পাই = ১০১ × ১০০ ÷ ২
সুতরাং,
কাটাকাটি করে পাই = ১০১ × ৫০
গুণফল = ৫০৫০
উত্তর: ৫০৫০
সঠিক উত্তর: B) বীর প্রতীক
কেন সঠিক:
- ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করার জন্য সাহসিকতার পরিচয় দেন।
- তার এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীর উত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি, যা ক্যাপ্টেন সিতারা বেগমকে দেওয়া হয়নি।
B) বীর প্রতীক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা মুক্তিযুদ্ধে নারী বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মাত্র দুজন নারীর একজন।
C) বীরাঙ্গনা — এটি কোনো রাষ্ট্রীয় বীরত্বসূচক খেতাব নয়, বরং এটি ১৯৭১ সালের নির্যাতিত নারীদের জন্য ব্যবহৃত একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নারী মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব মনে রাখতে মনে রাখুন, খেতাবপ্রাপ্ত দুই নারী বীর প্রতীক হলেন ডা. ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি।
সঠিক উত্তর: D) ৪ নভেম্বর ১৯৪৬
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কোর সংবিধান কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে ৪ নভেম্বর ১৯৪৬ সালে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- লন্ডনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সম্মেলনে ২০টি দেশ এর সংবিধান অনুমোদন করার পর এই প্রতিষ্ঠার তারিখ নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ নভেম্বর ১৯৪৬ — এই তারিখে ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ।
B) ৩ নভেম্বর ১৯৪৬ — এই তারিখেও ইউনেস্কোর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটেনি।
C) ২ নভেম্বর ১৯৪৬ — এটি ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ নয়।
D) ৪ নভেম্বর ১৯৪৬ — এটি ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠার সঠিক ও ঐতিহাসিক তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৬ সালের নভেম্বর মাসের ৪ তারিখে ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে সংখ্যাটি ৪ এবং মাসটি ১১।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সংবিধান
সঠিক উত্তর: C) ৯৩ হাজার যুদ্ধ বন্দীর বিচার
কেন সঠিক:
- ১৯৭৩ সালে প্রণীত সংবিধানের প্রথম সংশোধনী আনা হয়েছিল মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দীদের বিচার নিশ্চিত করার জন্য।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অনুচ্ছেদ ৪৭ এর ক যুক্ত করা হয়, যা যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মৌলিক অধিকার স্থগিত করার বিধান দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জরুরী অবস্থা ঘোষণা — সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে নয়, বরং জরুরি অবস্থার বিধান মূল সংবিধানেই (১৪১ক অনুচ্ছেদ) ১৯৭৪ সালের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছিল।
B) মহিলাদের সংসদে আসন সংরক্ষণ — সংবিধানে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের বিধান একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে, তবে এটি প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য ছিল না।
D) সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা — দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট মূল সংবিধানের মাধ্যমেই ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কোনো সংশোধনীর মাধ্যমে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম সংশোধনী মানেই একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তানি বন্দীদের বিচারের আইনগত পথ তৈরি করা।
সঠিক উত্তর: D) নেলসন ম্যান্ডেলা
কেন সঠিক:
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন এবং অহিংস নীতির জন্য তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
- মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আজীবন বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেনেথ কাউন্ডা — তিনি জামিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং দেশটির স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন।
B) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান আমেরিকানদের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন।
C) মোয়াম্মার গাদ্দাফি — তিনি লিবিয়ার দীর্ঘকালীন সামরিক শাসক ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
D) নেলসন ম্যান্ডেলা — তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা এবং তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার ম্যান্ডেলা আর ভারতের গান্ধী উভয়ই অহিংস আন্দোলনের প্রতীক।
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ডিসেম্বর ২০১৪
কেন সঠিক:
- পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর শুরু হয়।
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় পিলারে পাইলিং ও কাজের উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিসেম্বর ২০১৪ — এটি মূল নির্মাণকাজ উদ্বোধনের সঠিক সময়।
B) ডিসেম্বর ২০১৫ — এই সময়ে মূল সেতুর পাইলিং ও কাজের গতি বৃদ্ধি পেয়েছিল কিন্তু উদ্বোধনের সাল এটি নয়।
C) মার্চ ২০১৪ — এই সময়ে নদীশাসনের কাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
D) এপ্রিল ২০১৪ — এই সময়ে প্রকল্পের মূল সেতু নির্মাণের জন্য নদীশাসন কাজের বাস্তবায়ন শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর কাজ বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে (২০১৪ সাল) শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) ৪২ টি
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর মূল সেতুতে পিলারের মোট সংখ্যা হলো ৪২ টি।
- নদীর পানির নিচে প্রতিটি পিলারে সুরক্ষার জন্য পাইলিং করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫২ টি — এটি ভুল কারণ ৫২ টি হলো সেতুর মোট স্প্যানের সংখ্যা, পিলারের সংখ্যা নয়।
B) ৪২ টি — এটি সঠিক উত্তর।
সি) ৬০ টি — এটি ভুল কারণ ৬০ সংখ্যাটি সেতুর পাইলিং বা অন্য কোনো মূল কাঠামোর সাথে মিলে না।
ডি) ৩২ টি — এটি ভুল কারণ ৩২ সংখ্যাটি সেতুর পিলার বা স্প্যানের কোনো সঠিক হিসাব নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর পিলার হলো বিয়ের বয়সের মতো ৪২ টি এবং স্প্যান হলো ৫২ টি।
সঠিক উত্তর: B) ১৮ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস পালন করা হয়।
- ২০২০ সালের সরকার এই দিনটিকে ক জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০২১ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তা পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ নভেম্বর — এই দিনটি ঐতিহাসিক সিপাহী ও জনতা বিপ্লব দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা শেখ রাসেল দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৮ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) ২০ অক্টোবর — এই তারিখে কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক নির্ধারিত দিবস নেই যা শেখ রাসেল দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) ১৫ আগস্ট — এই দিনটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
শেখ রাসেলের জন্ম মাস অক্টোবর এবং তারিখ আঠারো, তাই মনে রাখবে আঠারো অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস।
সঠিক উত্তর: B) ১৪ বছর
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান আমলে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে জীবনের বিভিন্ন সময়ে দীর্ঘ সময় কারাবাস করেন।
- ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, তিনি পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের মধ্যে প্রায় ৪৬৮২ দিন অর্থাৎ প্রায় ১৪ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ বছর — এটি সঠিক নয় কারণ ঐতিহাসিক হিসাব অনুযায়ী তাঁর কারাবাসের মোট সময়কাল ১২ বছরের চেয়ে বেশি ছিল।
B) ১৪ বছর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি পাকিস্তান আমলে সামগ্রিকভাবে প্রায় ১৪ বছর কারাবাস করেছিলেন।
C) ১০ বছর — এটি সঠিক নয় কারণ তাঁর কারাবাসের মেয়াদ ১০ বছরের বেশি ছিল।
D) ৮ বছর — এটি সঠিক নয় কারণ পাকিস্তানের বিভিন্ন কারাগারে তাঁর মোট বন্দী জীবন ৮ বছরের চেয়ে অনেক বেশি ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর কারাজীবন মনে রাখতে চব্বিশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রায় চোদ্দো বছর কারাগার কেটেছে, এই তথ্যটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) জার্মানির বিমান সংস্থা
কেন সঠিক:
- লুফথানসা হলো জার্মানির পতাকা বহনকারী বৃহত্তম বিমান সংস্থা বা ফ্ল্যাগ ক্যারিয়ার।
- এর প্রধান কার্যালয় জার্মানির কোলন শহরে অবস্থিত এবং এর মূল কেন্দ্র ফ্রাংকফুর্ট বিমানবন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইজারল্যান্ডএর বিমান সংস্থা — সুইজারল্যান্ডের প্রধান বিমান সংস্থার নাম সুইস ইন্টারন্যাশনাল এয়ার লাইন্স, লুফথানসা নয়।
B) লিবিয়ার বিমান সংস্থা — লিবিয়ার জাতীয় বিমান সংস্থার নাম লিবিয়ান এয়ারলাইন্স, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
C) স্পেনের বিমান সংস্থা — স্পেনের জাতীয় বিমান সংস্থার নাম ইবেরিয়া, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) জার্মানির বিমান সংস্থা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লুফথানসা জার্মানির প্রধান বাণিজ্যিক বিমান পরিবহন সংস্থা।
মনে রাখার টিপস:
জার্মানিতে উৎপাদিত বিখ্যাত জিনিস যেমন গাড়ি বা বিমান বিশ্বজুড়ে পরিচিত, আর লুফথানসা হলো জার্মানির বিখ্যাত বিমান সংস্থা।
সঠিক উত্তর: B) গেরিলা সংস্থা
কেন সঠিক:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর হলো একটি ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গেরিলা ও সন্ত্রাসী সংগঠন, যা ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটি ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিক গেমসে ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদদের বন্দী ও হত্যার ঘটনার সঙ্গে বিশেষভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি গোয়েন্দা সংস্থা — ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর কোনো রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ছিল না, এটি মূলত ফিলিস্তিনি চরমপন্থী একটি সশস্ত্র দল।
B) গেরিলা সংস্থা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সশস্ত্র অপারেশন পরিচালনাকারী একটি গোপন গেরিলা সংগঠন হিসেবে পরিচিত ছিল।
C) রাজনৈতিক সংগঠন — যদিও এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল, কিন্তু এর মূল কার্যক্রম ও পরিচয় রাজনৈতিক দলের মতো উন্মুক্ত বা প্রাতিষ্ঠানিক ছিল না।
D) একটি সংবাদ সংস্থা — এটি কোনো গণমাধ্যম বা সংবাদ মাধ্যম নয়, বরং অত্যন্ত গোপনীয় ও সহিংস কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি দল।
মনে রাখার টিপস:
সেপ্টেম্বর মাসে ফিলিস্তিনিদের ওপর জর্ডানের সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ নিতে এই গেরিলা সংস্থা গঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ ও জাপান
কেন সঠিক:
- মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-৬) প্রকল্পে প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা ঋণ প্রদান করেছে।
- এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয়ের একটি বড় অংশ জাপান সরকারের সহজ শর্তের ঋণ এবং বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে সম্পন্ন হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ ও এডিবি — এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক মেট্রোরেলের প্রধান অর্থায়নকারী নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) বাংলাদেশ ও চীন — চীন বাংলাদেশের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করলেও মেট্রোরেলের অর্থায়নে যুক্ত নয়।
C) বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংক — বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুসহ অন্যান্য প্রকল্পে অর্থায়ন করলেও মেট্রোরেল প্রকল্পে প্রধান অর্থায়নকারী নয়।
D) বাংলাদেশ ও জাপান — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাপান মেট্রোরেল প্রকল্পে ঋণ সহায়তা প্রদান করেছে।
মনে রাখার টিপস:
মেট্রোরেল প্রকল্পে জাপানের সাহায্য রয়েছে, তাই জাপান ও বাংলাদেশ মিলেই এই আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।
সঠিক উত্তর: C) অ্যান্তেনিও গুতেরেস
কেন সঠিক:
- তিনি ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি জাতিসংঘের নবম মহাসচিব এবং পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. বুট্রোস ঘালী — তিনি মিশরের কূটনীতিক এবং জাতিসংঘের ষষ্ঠ মহাসচিব ছিলেন।
B) কফি আনান — তিনি ঘানার নাগরিক এবং জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন।
C) অ্যান্তেনিও গুতেরেস — তিনি বর্তমান মহাসচিব হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) বান ki মুন — তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক এবং জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান মহাসচিব গুতেরেসকে মনে রাখতে নামের শেষে থাকা 'স' অক্ষরটি স্মরণ রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগদান করা হয়।
- সাংবিধানিক এই পদটির স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে রাষ্ট্রপতি সরাসরি এই নিয়োগ প্রদান করে থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ অঙ্গ, যা সাংবিধানিক পদে সরাসরি নিয়োগ দেয় না।
B) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান হলেও সাংবিধানিকভাবে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককে নিয়োগদানের ক্ষমতা তার নেই।
C) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ সংবিধান অনুযায়ী তিনিই এই পদে নিয়োগদান করেন।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে সাধারণত রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন, যার মধ্যে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদটিও অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) দার্জিলিং
কেন সঠিক:
- টাইগার হিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং শহরের কাছে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র।
- এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা শৃঙ্গ এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখার জন্য পর্যটকরা ভিড় করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এটি একটি স্বাধীন দেশ, যার সাথে টাইগার হিলের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
B) দার্জিলিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ টাইগার হিল এখানেই অবস্থিত।
C) জেরুজালেম — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক শহর, যা ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত।
D) কাশ্মীর — এটি ভারতের একটি পাহাড়ি অঞ্চল, যা এর ভূস্বর্গখ্যাত উপত্যকার জন্য পরিচিত হলেও টাইগার হিল এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
দার্জিলিং চায়ের বিখ্যাত অঞ্চলের সাথেই টাইগার হিলের অবস্থান, যা সূর্যোদয়ের জন্য পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) ১০ নম্বর সেক্টর
কেন সঠিক:
- ১০ নম্বর সেক্টরটি গঠিত হয়েছিল শুধু নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলে নদীমাতৃক গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য।
- এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক হেডকোয়ার্টার বা ভূখণ্ড ছিল না এবং এটি ছিল সাবমেরিনার ও নৌ-কমান্ডোদের নিয়ে গঠিত একমাত্র বিশেষ সেক্টর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ নম্বর সেক্টর — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদী পর্যন্ত নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা নিয়ে গঠিত নিয়মিত সেক্টর ছিল।
B) ১০ নম্বর সেক্টর — এটি নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলে অপারেশনের জন্য নির্ধারিত একমাত্র নো সেক্টর হিসেবে সঠিক উত্তর।
C) ৩ নম্বর সেক্টর — এটি হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সেক্টর ছিল।
D) ৫ নম্বর সেক্টর — এটি মূলত সিলেটের সীমান্ত অঞ্চল ও দুর্গাপুর এলাকা নিয়ে গঠিত একটি সাধারণ স্থল সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্র ও নৌপথ মানেই জল, আর জল মানেই শূন্য (০) থাকতে পারে। এভাবে 'নো সেক্টর' বা ১০ নম্বর সেক্টর মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) ইতালির নাগরিক
কেন সঠিক:
- ফাদার মারিও ভেরেনজি ছিলেন একজন ইতালীয় মিশনারি ও ক্যাথলিক ধর্মযাজক।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি মানবতার সেবা করতে গিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক — ফাদার মারিও ভেরেনজি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন না, কারণ তিনি ইউরোপের একটি দেশের অধিবাসী ছিলেন।
B) ফ্রান্সের নাগরিক — তিনি ফ্রান্সের নাগরিক ছিলেন না, তার জন্মস্থান ছিল ইতালি।
C) ব্রিটিশ নাগরিক — তিনি যুক্তরাজ্যের বা ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন না, ইতালিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
D) ইতালির নাগরিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইতালি থেকে এসে বাংলাদেশে ধর্মপ্রচার ও মানবসেবায় নিয়োজিত ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
মারিও নামটি ইতালীয় সংস্কৃতির সাথে বেশি মেলে, এভাবে মনে রাখতে পারেন ফাদার মারিও ছিলেন ইতালির নাগরিক।
সঠিক উত্তর: A) ৬০ হাজার যাত্রী
কেন সঠিক:
- ঢাকা মেট্রোরেল বা এমআরটি লাইন ছয় প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী প্রতি ঘণ্টায় উভয় দিক থেকে প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করার পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে।
- আধুনিক ও দ্রুতগতির এই গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢাকার যানজট নিরসনে এবং বিপুল পরিমাণ যাত্রীর দৈনিক যাতায়াত নিশ্চিত করতে এই ক্ষমতায় পরিকল্পিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০ হাজার যাত্রী — এটি মেট্রোরেলের প্রতি ঘণ্টার সঠিক যাত্রী ধারণ ক্ষমতা, যা প্রকল্পের ডিজাইন এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত।
B) ৪০ হাজার যাত্রী — এই সংখ্যাটি মেট্রোরেলের প্রকৃত নকশাকৃত প্রতি ঘণ্টার যাত্রী ধারণ ক্ষমতার চেয়ে কম, তাই এটি ভুল।
C) ৭০ হাজার যাত্রী — এই সংখ্যাটি এমআরটি লাইন ছয় প্রকল্পের নকশার ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি, যা সঠিক নয়।
D) ৩০ হাজার যাত্রী — এই সংখ্যাটি মেট্রোরেলের প্রতি ঘণ্টার যাত্রী ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক এবং এটি বাস্তবসম্মত ধারণ ক্ষমতার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
মেট্রোরেলের গতি ও সামর্থ্য অনেক বেশি, তাই প্রতি ঘণ্টায় এর যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ষাট হাজার জন।
সঠিক উত্তর: B) ওজোন স্তর রক্ষা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি
কেন সঠিক:
- এটি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান যেমন ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি উৎপাদন ও ব্যবহার কমানোর জন্য প্রণীত একটি বৈশ্বিক পরিবেশ চুক্তি।
- এই চুক্তিটি ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভ্যাট সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি — ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর জাতীয় রাজস্ব নীতির অংশ, আন্তর্জাতিক পরিবেশ চুক্তির নয়।
B) ওজোন স্তর রক্ষা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি — এটি সঠিক কারণ মন্ট্রিল প্রোটোকল সরাসরি ওজোন স্তর সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত।
C) যুদ্ধবিরতি কল্পে প্রণীত আন্তর্জাতিক চুক্তি — এটি সামরিক বা ভূরাজনৈতিক শান্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, সম্পূর্ণ পরিবেশগত চুক্তি।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মন্ট্রিয়ল হলো কানাডার একটি শহরের নাম, যেখানে পরিবেশ রক্ষার জন্য ওজোন স্তর নিয়ে ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মূল আসামি ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- এই মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার্জেন্ট জহুরুল হক — তিনি এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ও কারাবন্দী আসামি ছিলেন, তবে মামলার প্রধান আসামি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন, কিন্তু আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি ছিলেন না।
C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ঐতিহাসিক সত্যের সঙ্গে মিলে যায়।
D) তাজউদ্দিন আহমেদ — তিনি মামলার সঙ্গে সরাসরি অভিযুক্ত আসামি হিসেবে যুক্ত ছিলেন না, তিনি ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক।
মনে রাখার টিপস:
আগরতলা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন বঙ্গবন্ধু, যার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মিথ্যা অভিযোগ এনেছিল পাকিস্তান সরকার।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)