সঠিক উত্তর: A) র
১. কেন সঠিক:
কারকপদে বা বাক্যে নামপদের সঙ্গে অন্য পদের সম্পর্ক বোঝাতে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বিভক্তি বলে।
সম্বন্ধপদে (ষষ্ঠী বিভক্তি) শব্দের সঙ্গে মূল বিভক্তি হিসেবে র এবং এর যুক্ত হয়, যার মধ্যে র হলো নিজস্ব বা খাঁটি বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে সম্বন্ধপদ হলো ষষ্ঠী বিভক্তির প্রয়োগ, যেখানে পদের সঙ্গে র, এর অথবা ক, কে যুক্ত হয়।
শব্দের শেষে স্বরবর্ণ থাকলে সাধারণত র যুক্ত হয় এবং ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে এর যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করিমের ভাই এসেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে করিম শব্দের সঙ্গে এর বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্বন্ধপদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমার বাড়ি যাব।
ব্যাখ্যা: এখানে আমি শব্দের সঙ্গে র বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্বন্ধপদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) র — এটি সম্বন্ধপদের নিজস্ব বা খাঁটি বিভক্তি হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত।
B) দ্বারা — এটি তৃতীয় কারক বা করণ কারকের অনুসর্গ বা বিভক্তি নির্দেশ করে।
C) এ — এটি সপ্তম কারক বা অধিকরণ কারকের বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) য় — এটিও সাধারণত সপ্তমী বিভক্তির রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সম্বন্ধপদের নিজস্ব বিভক্তি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সম্বন্ধপদের নিজস্ব বিভক্তি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ষষ্ঠী বিভক্তির রূপগুলো মনে রাখা।
র এবং এর হলো সম্বন্ধপদের প্রধান বিভক্তি, যার মধ্যে র হলো খাঁটি বাংলা বিভক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের সময় পদের রূপ দেখে বিভক্তি চিহ্নিত করতে হয়।
সম্বন্ধপদ বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত না হয়ে বিশেষ পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) বারি+ ঈশ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তর নির্ণয়ের মূল কারণ হলো স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ই-কার বা ঈ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়।
- এখানে বারি শব্দের অন্তে ই-কার এবং ঈশ শব্দের আদিতে ঈ-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- স্বরসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো হ্রস্ব ই বা দীর্ঘ ঈ এর পর হ্রস্ব ই বা দীর্ঘ ঈ থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ হয়।
- বারি শব্দের অর্থ পানি এবং ঈশ শব্দের অর্থ প্রভু, ফলে উভয় মিলে বারীশ বা সমুদ্র অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী + ইন্দ্র = ন্দীন্দ্র
ব্যাখ্যা: নদী শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারের পর ইন্দ্র শব্দের হ্রস্ব ই-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: পরি শব্দের হ্রস্ব ই-কারের পর ঈক্ষা শব্দের দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বারী+ ঈশ — বারী শব্দে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বানান নয়।
C) বারী+ ইশ — বারী বানান ভুল এবং ইশ শব্দে হ্রস্ব ই ব্যবহার করা হয়েছে।
D) বারি+ ইশ — ইশ শব্দে হ্রস্ব ই ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু ঈশ শব্দে দীর্ঘ ঈ হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর মতো বারি শব্দে হ্রস্ব ই এবং ঈশ্বরের মতো ঈশ শব্দে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করতে হয়।
- ই এবং ঈ মিলে সর্বদা দীর্ঘ ঈ হয় তা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ঈ-কারান্ত সন্ধি বিচ্ছেদ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল বানান ঠিক রেখে সন্ধি বিচ্ছেদ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) কর্তা, কর্ম, কৃয়া
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বাক্যের মূলত তিনটি প্রধান অংশ থাকে যা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে। এগুলো হলো কর্তা (যে কাজ করে), কর্ম (যাকে নিয়ে কাজ করা হয়) এবং ক্রিয়া (যা দ্বারা কাজ সম্পন্ন হয়)।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যের ব্যাকরণগত গঠনে বাক্যের মূল উপাদান হলো পদ। এর মধ্যে সমাপিকা ক্রিয়া বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ করে এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে কর্তা ও কর্ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম বই পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে রহিম হলো কর্তা, বই হলো কর্ম এবং পড়ে হলো ক্রিয়া।
উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে পাখি হলো কর্তা, আকাশে হলো অধিকরণ কারক এবং ওড়ে হলো ক্রিয়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস,উপসর্গ,প্রত্যয় — এগুলো শব্দ গঠন ও পদ তৈরির প্রক্রিয়া, বাক্যের প্রধান অংশ নয়।
B) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য — এগুলো ভাষা তৈরির একক বা পর্যায়ক্রম, বাক্যের ভেতরের অংশ নয়।
C) বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ — এগুলো পদের প্রকারভেদ, কিন্তু বাক্যের প্রধান অংশ কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যের প্রধান অংশ মনে রাখার জন্য ক ক ক অর্থাৎ কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া সূত্রটি মনে রাখতে পারো। এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য প্রকরণ অংশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের উপাদান বা অংশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়ার পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) কিছু লোক আছে অসহায় তাদের পাশে দাঁড়াও
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি সরল বাক্যে আছে কারণ এতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে। একে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে দুটি স্বাধীন বাক্যকে সংযোজক অব্যয় বা যোজক দ্বারা যুক্ত করতে হবে।
- সঠিক অপশনে দুটি খণ্ডবাক্য স্বাধীনভাবে অবস্থান করেছে এবং অর্থ পরিবর্তনের কোনো ঘটে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্য ও বাক্য রূপান্তর হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যের গঠনগত রূপ বদলানো হয়।
- সরল বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে এবং যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য এবং অথবা কিন্তু ইত্যাদি যোজক দ্বারা যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনীরা অনেক সময় গরিবদের অবহেলা করে। (সরল বাক্য)
ব্যাখ্যা: এটিকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়, অনেকেই ধনী কিন্তু তারা গরিবদের অবহেলা করে। এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য যোজক দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সে মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও পরীক্ষায় ফেল করল। (সরল বাক্য)
ব্যাখ্যা: এটিকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়, সে খুব মেধাবী কিন্তু সে পরীক্ষায় ফেল করল। এটি যৌগিক বাক্যের গঠন নিয়ম অনুসরণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যারা অসহায় তাদের পাশে দাঁড়াও — এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এতে যারা এবং তাদের সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে।
C) পাশে দাঁড়াতে হবে যারা কিনা অসহায় — এটিও একটি জটিল বাক্যের গঠন নির্দেশ করে, যা যৌগিক বাক্যের রূপান্তরের নিয়ম নয়।
D) অসহায়ের পাশে দাঁড়াবে এবং সাহায্য করবে — এটি যৌগিক বাক্য হলেও মূল বাক্যের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ নয় কারণ এখানে অতিরিক্ত সাহায্য করার কথা বলা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করার সময় দুটি স্বাধীন বাক্য তৈরি করে মাঝখানে এবং কিংবা কিন্তু বসাতে হয়।
- জটিল বাক্যের সাপেক্ষ সর্বনামগুলো যৌগিক বাক্যে ব্যবহার করা যায় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে অপশনের গঠন ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
- সরল থেকে যৌগিক করার সময় বাক্যের মূল অর্থ যেন অপরিবর্তিত থাকে সেদিকে নজর রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আনোয়ার পাশা
১. কেন সঠিক:
- 'রাইফেল রোটি আওরাত' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচিত প্রথম উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই উপন্যাসটি রচিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক দলিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে জুন মাসের মধ্যে এই উপন্যাসটি রচনা করেন।
- উপন্যাসের নামটিতে তিনটি ভাষার শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, যা তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও বহিরাগত রূপ ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রশীদ হায়দার রচিত 'খাঁচায়'
ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত 'জাহান্নাম হইতে বিদায়'
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসগুলোর অন্যতম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রখ্যাত উপন্যাস 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' ও 'আরেক ফাল্গুন' রচনা করেছেন, তবে 'রাইফেল রোটি আওরাত' তাঁর রচনা নয়।
B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি বাংলা উপন্যাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' অন্যতম, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — তিনি বাংলা কথাসাহিত্যের বরেণ্য লেখক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'চিলেকোঠার সেপাই' ও 'খোয়াবনামা', তবে 'রাইফেল রোটি আওরাত' তাঁর নয়।
D) আনোয়ার পাশা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস 'রাইফেল রোটি আওরাত' রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আনোয়ার পাশার লেখা অস্ত্র সংক্রান্ত উপন্যাসের নাম 'রাইফেল রোটি আওরাত' মনে রাখা যায় এভাবে যে, তিনি যুদ্ধের দিনগুলোতে এই অনন্য দলিলটি লিখেছিলেন।
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখতে নামের প্রথম অংশটি মাথায় রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাসের নাম ও রচয়িতা প্রায়ই আসে।
- একই সঙ্গে উপন্যাসটির রচনার সাল ও পটভূমি ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) পটপট
১. কেন সঠিক:
- পটপট একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ, যা কোনো কিছুর দ্রুত ভেঙে যাওয়ার বা ফুটার আওয়াজ প্রকাশ করে।
- এই শব্দটিতে একই শব্দ বা ধ্বনি পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে দ্বিত্ব গঠন করেছে এবং এটি মূলত কোনো শব্দ বা ধ্বনির অনুকৃতি বা অনুকার শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনি, জীবজন্তুর ডাক কিংবা কোনো কিছুর অনুকরণে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকার শব্দ বলে।
- এই ধরনের শব্দ যখন পরপর দুইবার উচ্চারিত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বা শব্দদ্বিত্ব বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খটখট
ব্যাখ্যা: এটি কাঠের বা শক্ত জিনিসের আঘাতের শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব।
উদাহরণ ২: ঝমঝম
ব্যাখ্যা: এটি বৃষ্টির পতনের শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চুপচাপ — এটি কোনো ধ্বনির অনুকরণ নয়, বরং এটি একটি ক্রিয়াবিশেষণ বা অবস্থা প্রকাশক শব্দদ্বিত্ব।
B) পটপট — সঠিক উত্তর, কারণ এটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের অন্তর্ভুক্ত।
C) উডু উডু — এটি কোনো ধ্বনির অনুকৃতি নয়, বরং মনের অবস্থা বা ভাব প্রকাশকারী দ্বিরুক্ত শব্দ।
D) টেকা টেকি — এটি শব্দের রূপান্তর বা পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝায়, ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আওয়াজ বা ধ্বনি বোঝালে তা ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হবে, যেমন পটপট, খটখট।
- অবস্থা বা ভাব বোঝালে তা সাধারণ শব্দদ্বিত্ব হবে, যেমন চুপচাপ, উডু উডু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব এবং ভাববাচক দ্বিরুক্তির মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- শব্দের উৎস ও অর্থ ভালো করে বুঝলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়
কেন সঠিক:
- 'না' শব্দটি বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করে নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করেছে।
- এটি এমন একটি শব্দ যা কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তিত বা রূপান্তরিত হয় না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদের কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, তাকে অব্যয় পদ বলে।
- বাক্যে না, হাঁ, আর, কিন্তু ইত্যাদি শব্দ সাধারণত অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: আমি ভাত খাব না। এখানে 'না' একটি অব্যয় পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিশেষণ — কারণ এটি বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ গুণ প্রকাশ করছে না।
- B) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشن ভুল নয়।
- C) ক্রিয়া বিশেষণ — কারণ এটি ক্রিয়ার সময় বা স্থান নির্দেশ করছে না, বরং সমাপিকা ক্রিয়ার সাথে বসে নিষেধ বা না বোধক অর্থ প্রকাশ করছে।
- D) অনুসর্গ — কারণ এটি কোনো শব্দের পরে বসে কারক বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
- না, নি, নাই ইত্যাদি শব্দ যখন বাক্যে অসম্মতি বা নেতিবাচকতা বোঝায়, তখন সেগুলো সাধারণত অব্যয় পদ হয়।
সঠিক উত্তর: A) লাউ
১. কেন সঠিক:
দ্বিস্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরধ্বনি হলো পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়ে যখন একটি একক স্বরধ্বনি বা স্বরবর্ণের মতো উচ্চারিত হয়। লাউ শব্দটিতে আ এবং উ পাশাপাশি যুক্ত হয়ে ঔ ধ্বনির মতো দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে পঁচিশটি। লিখিত রূপের দিক থেকে যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি হলো ঐ এবং ঔ। এছাড়া উচ্চারণের সময় আরও তেইশটি দ্বিস্বরধ্বনি পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাই
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে আ এবং ই মিলে দ্বিস্বরধ্বনি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মাউস
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে আ এবং উ মিলে দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাউ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে।
B) দিন — এই শব্দটিতে কোনো দ্বিস্বরধ্বনি নেই, এটি সাধারণ স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত।
C) বলি — এই শব্দটিতে কোনো দ্বিস্বরধ্বনি নেই, এখানে কেবল একক স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি রয়েছে।
D) ইতি — এই শব্দটিতে কোনো দ্বিস্বরধ্বনি নেই, এটি সাধারণ ই এবং অ স্বরধ্বনি দিয়ে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি হলো ঐ এবং ঔ। এছাড়া শব্দের মধ্যে দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে তাকে দ্বিস্বরধ্বনি বলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশটি এবং যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা দুটি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বিস্বরধ্বনি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের উচ্চারণ বিশ্লেষণ করে উত্তর বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) উরগ
১. কেন সঠিক:
- বুকে ভর দিয়ে চলে যে, তাকে এককথায় উরগ বলা হয়।
- এখানে উর অর্থ বুক এবং গ অর্থ গমনকারী বা চলে যে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে ওড়ে যে
ব্যাখ্যা: একে এককথায় খেচর বা বিহগ বলা হয়।
উদাহরণ ২: জলে চরে যে
ব্যাখ্যা: একে এককথায় জলচর বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুজগ — এর অর্থ সাপ, যা ভুজ বা বাহুর সাহায্যে চলে এবং এটি উরগ শব্দের সমার্থক হলেও নির্দিষ্ট মূল বাক্যের সঠিক প্রকাশ নয়।
B) তুরগ — এর অর্থ ঘোড়া, যা চার পায়ে দ্রুত চলে এবং বুকে ভর দিয়ে চলার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) বিহগ — এর অর্থ পাখি, যা আকাশে উড়ে বেড়ায় এবং এই শব্দের মূল অর্থ আকাশ দিয়ে গমন করে যে।
D) উরগ — সঠিক উত্তর, কারণ এর আক্ষরিক অর্থ বুকে ভর দিয়ে চলে যে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উর শব্দের অর্থ বুক এবং গ মানে গমন করা, তাই বুকে ভর দিয়ে চলে যে তা উরগ।
- সাপ বুকে ভর দিয়ে চলে বলে সাপকে উরগ বলা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবজন্তু ও তাদের চলাচলের ধরন সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- উরগ এবং ভুজগ শব্দ দুটি প্রায় কাছাকাছি মনে হলেও এদের ব্যুৎপত্তিগত অর্থে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) সায়ও্বশাসন
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে সায়ও্বশাসন বানানটি ভুল কারণ এতে বাংলা বানানরীতির নিয়ম লঙ্ঘন করে ত্রুটিপূর্ণ বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে।
- সঠিক বানান হলো স্বায়ত্তশাসন, যেখানে ত এর নিচে ব ফলা যুক্ত থাকে এবং ও কারের কোনো ব্যবহার হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দে নিয়ম মেনে সঠিক বর্ণগুচ্ছ ব্যবহার করতে হয়।
- স্বায়ত্তশাসন শব্দটি গঠিত হয়েছে স্বয়ং যোগ শাসন থেকে, যেখানে মাঝখানে ত এবং ব এর যুক্তরূপ বসে শব্দটির সঠিক রূপ নির্ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ শব্দ যেখানে ত-এর নিচে ব ফলা যুক্ত রয়েছে।
উদাহরণ ২: স্বয়ংসম্পূর্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও স্বয়ং উপসর্গের সঠিক প্রয়োগ এবং প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সায়ও্বশাসন — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এতে অপ্রাসঙ্গিক ও কার এবং ব-ফলার ভুল ব্যবহার রয়েছে।
B) সর্বস্বান্ত — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ সর্বস্ব যোগ অন্ত মিলে এই রূপটি গঠিত হয়েছে এবং এখানে ন্ত যুক্তবর্ণ সঠিক।
C) মুমূর্ষু — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ প্রথম উ-কার দীর্ঘ এবং দ্বিতীয় উ-কার হ্রস্ব নিয়মে লেখা হয়েছে।
D) শুশ্রূষা — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে তালব্য শ-এ উ-কার এবং মূর্ধন্য ষ-এ দীর্ঘ ঊ-কার প্রমিত নিয়ম মেনে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বায়ত্তশাসন বানানটি লেখার সময় মনে রাখতে হবে এর ভেতরে কোনো ও-কার নেই বরং ত-এর নিচে ব ফলা আছে।
- মুমূর্ষু ও শুশ্রূষা শব্দগুলোর বানান মনে রাখার জন্য উ-কার ও ঊ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- একই ধরনের জটিল ও তুলনামূলক কঠিন শব্দ যেমন সান্ত্বনা, দ্বন্দ্ব বা মুহূর্ত বানানগুলো মনোযোগ দিয়ে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ সমাসে
১. কেন সঠিক:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো পূর্বপদের সঙ্গে যুক্ত দ্বিতীয় থেকে সপ্তমী বিভক্তি সমস্তপদে গিয়ে লুপ্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কারক ও বিভক্তির ওপর ভিত্তি করে তৎপুরুষ সমাস সাধারণত নয় প্রকার হয়ে থাকে।
- যেমন, দ্বিতীয় তৎপুরুষ, তৃতীয় তৎপুরুষ, চতুর্থী তৎপুরুষ, পঞ্চমী তৎপুরুষ, ষষ্ঠী তৎপুরুষ, সপ্তমী তৎপুরুষ, নয় তৎপুরুষ, উপপদ তৎপুরুষ এবং গত বা গতানুগতিক তৎপুরুষ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ দুঃখ এর সঙ্গে দ্বিতীয় বিভক্তি কে লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মধু দ্বারা মাখা = মধুমাখা
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ মধু এর সঙ্গে তৃতীয় বিভক্তি দ্বারা লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলুক সমাসে — অলুক সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, বরং অপরিবর্তিত থাকে।
B) বহুব্রীহি সমাসে — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়।
C) কর্মধারায় সমাসে — কর্মধারায় সমাসে সাধারণত পদের বিভক্তি লোপ পাওয়ার বিষয়টি প্রধান আলোচনার বিষয় নয়।
D) তৎপুরুষ সমাসে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পাওয়ার বিষয়টি প্রধান শর্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে বিভক্তি লোপ পায় অর্থাৎ তুচ্ছ করে বিভক্তি ফেলে দেওয়া হয়।
- তৎপুরুষ মানেই বিভক্তি লোপ পাওয়া সমাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাসের নাম জানতে চাওয়া হয়, তাই ব্যাসবাক্যের বিভক্তি দেখে সমাস নির্ধারণ করতে হবে।
- পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেলেই চোখ বন্ধ করে তৎপুরুষ সমাস দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মিস্ত্রীর রাজা
১. কেন সঠিক:
- রাজমিস্ত্রি শব্দটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বিশেষ উদাহরণ যেখানে ব্যাসবাক্য হবে মিস্ত্রীর রাজা।
- সমস্ত পদে সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস হলেও এখানে পদের অর্থের উৎকর্ষ বা বিশেষত্ব বোঝাতে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
- রাজমিস্ত্রি শব্দের ক্ষেত্রে সব মিস্ত্রির মধ্যে যিনি শ্রেষ্ঠ বা প্রধান, তাকে বোঝাতে মিস্ত্রীর রাজা এভাবে ব্যাসবাক্য করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাইপাশ
ব্যাখ্যা: ছাই ও পাস এর সমার্থক মিলনে দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশসেবা
ব্যাখ্যা: দেশকে সেবা অর্থাৎ চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজার মিস্ত্রি — এই ব্যাসবাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ রাজমিস্ত্রি কোনো রাজার নিজস্ব মিস্ত্রি বোঝায় না।
B) রাজা যে মিস্ত্রি — এটি কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য হওয়ার কথা কিন্তু রাজমিস্ত্রি কর্মধারয় সমাস নয়।
D) মিস্ত্রি যার রাজা — এটি বহুব্রীহি সমাসের কাঠামোগত ব্যাসবাক্য যা এই পদের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শ্রেষ্ঠ বা প্রধান অর্থে তৎপুরুষ সমাস নির্ণয়ের সময় মূল বিশেষ্য পদটি আগে এবং রাজা শব্দটি পরে বসে।
- যেমন রাজপথ শব্দের ব্যাসবাক্য পথের রাজা হয়, তেমনি রাজমিস্ত্রি শব্দের ব্যাসবাক্য মিস্ত্রীর রাজা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- রাজপথ, রাজহাঁস এবং রাজমিস্ত্রি শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মারাঠি
১. কেন সঠিক:
- 'বর্গী' শব্দটি মারাঠি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে মারাঠা সওয়ারি বা অশ্বারোহী সেনারা বাংলায় আক্রমণ চালিয়ে looting চালাত, যাদের বর্গী বলা হতো।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি শব্দের মধ্যে মারাঠি শব্দ অন্যতম। মারাঠা জাতির নাম থেকেই বর্গী শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বর্গী এলো দেশে।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা লোকসাহিত্যে মারাঠা আক্রমণ বোঝাতে ব্যবহৃত একটি প্রবাদমূলক বাক্য।
উদাহরণ ২: বর্গী এলো গান।
ব্যাখ্যা: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত কবিতায় এই শব্দের ব্যবহার দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিংহলি — সিংহল শ্রীলঙ্কার প্রাচীন নাম হলেও এই ভাষা থেকে বর্গী শব্দটি বাংলায় আসেনি।
B) বর্মি — মায়ানমার বা বার্মার ভাষা বর্মি হলেও বর্গী শব্দের সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাগত সম্পর্ক নেই।
C) গুজরাটি — গুজরাট ভারতের একটি রাজ্য এবং এর ভাষা গুজরাটি হলেও বর্গী শব্দটি এই উৎস থেকে আসেনি।
D) মারাঠি — এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বর্গী মানে মারাঠা সেনা, তাই বর্গী শব্দটিও মারাঠি ভাষা থেকেই বাংলায় এসেছে। এভাবে ঐতিহাসিক চরিত্রের সঙ্গে ভাষার উৎস মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মারাঠি শব্দ মনে রাখার জন্য বর্গী শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) অর্বাচীন
১. কেন সঠিক:
প্রাচীন শব্দের অর্থ হলো খুব পুরানো, কালপ্রাচীন বা অতীতকালের কোনো কিছু।
এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো অর্বাচীন, যার অর্থ হলো আধুনিক, নতুন বা সাম্প্রতিককালের।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার ভাবকে স্পষ্ট ও জোরালো করা হয়।
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে শব্দের উৎসমূল ও অর্থের সামঞ্জস্য রক্ষা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ আজো আমাদের ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন শব্দটি অতীতকালের বা বহুকাল আগের অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: অর্বাচীন তরুণেরা অনেক সময় না বুঝে আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত নেয়।
ব্যাখ্যা: এখানে অর্বাচীন শব্দটি কমবয়সী বা আধুনিক যুগের অপরিপক্ব তরুণদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবীণ — প্রবীণ শব্দের অর্থ অভিজ্ঞ বা বয়োজ্যেষ্ঠ, যা প্রাচীন শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়।
B) নবীন — নবীন শব্দের অর্থ নতুন, তবে প্রাচীন শব্দের প্রচলিত ও সবচেয়ে নিখুঁত বিপরীতার্থক শব্দ হলো অর্বাচীন।
C) অর্বাচীন — এটি সঠিক উত্তর।
D) নতুন — নতুন শব্দটি মূলত পুরাতন শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন শব্দের সাথে অর্বাচীন শব্দটির একটি প্রমিত বিপরীত জোড় রয়েছে।
পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের সাথে অর্থের গভীরতা মিলিয়ে দেখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ ব্যবহার করা শ্রেয়।
প্রাচীন ও অর্বাচীন দুটিই তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ হওয়ায় এরা নিখুঁত বিপরীত জোড় গঠন করে।
সঠিক উত্তর: C) তোমাকে তোমার কর্মফল মানতেই হবে
১. কেন সঠিক:
- এই প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো যেমন বিছানা তুমি তৈরি করবে, তেমনি তার ওপর তোমাকে শুতে হবে। অর্থাৎ নিজের কাজের পরিণতি নিজেকেই ভোগ করতে হয়।
- কর্মফল বলতে বোঝায় মানুষের ভালো বা মন্দ কাজের ফল, যা তাকে অনিবার্যভাবে গ্রহণ করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ বা Proverb, যার আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ পরীক্ষার জন্য বেশি উপযোগী।
- প্রবাদ-প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের জনশ্রুতি বা অভিজ্ঞতার ফল যা রূপক অর্থে কোনো গভীর সত্য প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: As you sow, so you reap.
ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি প্রবাদটির বাংলা অর্থ হলো যেমন কর্ম তেমন ফল, যা আলোচ্য প্রবাদের সমার্থক।
উদাহরণ ২: Tit for tat.
ব্যাখ্যা: এর বাংলা অর্থ হলো যেমন কুকুর তেমন মুগুর, যা আরেকটি জনপ্রিয় প্রবাদের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তোমাকে একাকি ঘুমোতে হবে — এটি প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলেও এর কোনো গভীর ভাবার্থ বা রূপক অর্থ নেই।
B) তোমার নিজের জীবন নিজেকেই করতে হবে — এটি জীবনের দায়িত্বশীলতার কথা বললেও নির্দিষ্ট এই প্রবাদের ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
D) ধর্মের কল বাতাসে নড়ে — এটি একটি ভিন্ন প্রবাদ যার অর্থ সত্য আপনিই প্রকাশ পায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিছানা পাতার সঙ্গে শোয়ার সম্পর্ক থেকে মনে রাখবে যেমন কাজ করবে, তেমনই ফল পাবে।
- প্রবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা নৈতিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রবাদের সঠিক বাংলা ভাবানুবাদ প্রায়ই আসে।
- প্রবাদ মুখস্থ না করে তার মূল তাৎপর্য বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) দুর্বল জায়গা
১. কেন সঠিক:
- 'The heel of Achilles' একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ মারাত্মক দুর্বলতা বা গোপন দুর্বল জায়গা।
- গ্রিক পুরানের বীর একিলিসের শরীরের একমাত্র দুর্বল বা অরক্ষিত স্থান ছিল তার গোড়ালি, যা থেকেই এই বিশেষ অর্থ এসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি কোনো বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম নয়, বরং ইংরেজি থেকে আগত একটি আন্তর্জাতিক প্রবাদ বা রূপক অভিব্যক্তি যা বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিক উপকথার বীর একিলিসের মা থেটিস তাকে অমর করার জন্য পাতালের স্টাইক্স নদীতে ডুবিয়েছিলেন, কিন্তু গোড়ালি ধরে রাখায় সেই গোড়ালি পানিতে ভেজেনি এবং সেটিই তার একমাত্র মরণাস্ত্রের আঘাতের স্থান হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুর্নীতিই ওই রাজনৈতিক দলের একিলিসের হিল বা দুর্বল জায়গা।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দলটির প্রধান দুর্বল দিক বোঝাতে প্রবাদটির সফল প্রয়োগ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই তার জীবনের একিলিসের হিল হিসেবে দেখা দিল।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের চরিত্রের গোপন ও মারাত্মক দুর্বল দিক বোঝাতে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একিলিসের গোড়ালি — এটি শাব্দিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদের ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থ চাওয়া হয়, তাই এটি ভুল।
C) সবল অংশ — এটি 'দুর্বল জায়গা' প্রবাদের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল ভাবার্থের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
D) একিলিসের বীরত্ব — প্রবাদটি কোনো বীরত্ব প্রকাশ করে না, বরং অজেয় বীরের একমাত্র মারাত্মক দুর্বলতাকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একিলিসের শরীরের বাকি সব অংশ শক্তিশালী থাকলেও গোড়ালি ছিল অরক্ষিত, তাই গোড়ালি মানেই হলো যেকোনো শক্তিশালী ব্যক্তির বা বিষয়ের মূল দুর্বলতা।
- প্রবাদ দেখলে আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর রূপক বা ঐতিহাসিক পেছনের গল্পটি মনে রাখার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি প্রবাদ ও ইডিওমের সঠিক বাংলা ভাবার্থ বা অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রবাদের পেছনের পৌরাণিক বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অনুসর্গ
১. কেন সঠিক:
বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কারক বোঝাতে সাহায্য করে। অনুসর্গগুলো স্বাধীন পদ হিসেবে বসেও অনেক সময় বিভক্তির কাজ করে থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে শব্দকে বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে যুক্ত করে তাকে অনুসর্গ বলে। এগুলোকে কর্মপ্রবচনীয়ও বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেশের তরে জীবন দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে তরে শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বন থেকে বাঘ পালায়।
ব্যাখ্যা: এখানে থেকে অনুসর্গটি বিভক্তির ন্যায় কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বচনচিহ্ন — বচনচিহ্ন শব্দের সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এটি সরাসরি বিভক্তি হিসেবে কাজ করে না।
B) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে কিন্তু বিভক্তি হিসেবে কাজ করে না।
D) নির্দেশক — নির্দেশক নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু কারক বোঝাতে বিভক্তির কাজ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
অনুসর্গগুলো শব্দের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে। তাই অনুসর্গকে অনেক সময় বিভক্তির বিকল্প বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ ও বিভক্তির পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে। কারক নির্ণয়ের সময় অনুসর্গের ব্যবহার প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) তরুবরে
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে কাটিলা ক্রিয়াপদকে কোথায় বা কিসে অর্থে প্রশ্ন করা হলে শাল্মলী তরুবরে উত্তর আসে, যা বাক্যের কর্মকারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। কর্মকারক চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়াপদকে কী বা কাাকে দিয়ে প্রশ্ন করা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো।
ব্যাখ্যা: কাকে ডাকো প্রশ্নের উত্তরে ডাক্তার কর্মকারক।
উদাহরণ ২: ফুল তুলছি।
ব্যাখ্যা: কী তুলছি প্রশ্নের উত্তরে ফুল কর্মকারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুলদল — এটি করণ কারক কারণ ফুল দিয়ে কাটার মাধ্যম বোঝানো হয়েছে।
B) বিধি — এটি কর্তৃকারক কারণ বিধি বা সৃষ্টিকর্তা কাটার কাজটি করছেন।
C) কাটিলা — এটি বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়াপদ, কোনো কারক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কাকে বা কী দিয়ে প্রশ্ন করে কারক নির্ণয় করবে। মাধ্যম বোঝালে করণ এবং যাকে কেন্দ্র করে কাজ সম্পন্ন হয় তা কর্মকারক।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য বাক্যের অর্থ এবং ক্রিয়াপদের সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রস্তুতি নেওয়া
১. কেন সঠিক:
- 'আটঘাট বাঁধা' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ কোনো কাজের জন্য সর্বতোভাবে প্রস্তুত হওয়া।
- এখানে 'আটঘাট' শব্দটি দিয়ে কোনো কাজের সব দিক বা খুঁটিনাটি বিষয়কে শক্তপোক্ত করা বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব বা প্রকাশভঙ্গি প্রকাশ করে।
- এটি বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষার ভাবকে সংহত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষা শুরুর আগে সব পড়াশোনা শেষ করে আটঘাট বেঁধে নামতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে যেকোনো বড় কাজের আগে সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়ার অর্থে 'আটঘাট বেঁধে' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নতুন ব্যবসা শুরু করার আগে ব্যবসায়ীরা আটঘাট বেঁধে মাঠে নামে।
ব্যাখ্যা: ব্যবসায় ঝুঁকি এড়াতে সব প্রস্তুতি বা পরিকল্পনা সম্পন্ন করা বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রাসঙ্গিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘাটে নামা — এটি কোনো বাগধারা নয় এবং এর মাধ্যমে সার্বিক কোনো প্রস্তুতির ভাব প্রকাশ পায় না।
B) কাজে নামা — এটি কাজের একটি সাধারণ পর্যায়, কিন্তু 'আটঘাট বাঁধা' মূলত কাজটি শুরু করার আগের প্রস্তুতিকে বোঝায়।
C) সর্বনাশ করা — এর অর্থ কোনো ক্ষতিসাধন করা, যা 'আটঘাট বাঁধা' বাগধারার অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) প্রস্তুতি নেওয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার ভাব প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো কাজের আগে আটটি ঘাট বা রাস্তা শক্ত করে বেঁধে নেওয়া মানেই হলো কাজের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া।
- পরীক্ষার হলে এই ধরনের বাগধারা দেখলে কাজের আগের প্রস্তুতিমূলক অবস্থা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রস্তুতি বা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সংক্রান্ত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই রকম আরেকটি জনপ্রিয় বাগধারা হলো 'কোমর বাঁধা', যার অর্থও দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত হওয়া।
সঠিক উত্তর: C) gratefullness
কেন সঠিক:
শব্দটির শুরুতে 'grate' অংশটি ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ প্রশংসা বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। এর সাথে 'ful' এবং 'ness' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
বানানের নিয়ম অনুযায়ী 'ful' এবং 'ness' আলাদাভাবে যুক্ত হয়।
শব্দ গঠনের সঠিক গঠন এখানে বজায় রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) greatfulness — এখানে 'great' ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক মূল শব্দ নয় এবং বানানটি ভুল।
B) gratfullness — এখানে মূল শব্দে 'a' এর পর সঠিক অক্ষর রাখা হয়নি এবং বানানটি অসম্পূর্ণ।
C) gratefullness — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) greatfullness — এখানে 'great' লিখে ভুল মূল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে মূল শব্দ grate এর সাথে ful এবং ness আলাদা করে যোগ করে পড়বে।
সঠিক উত্তর: D) with
কেন সঠিক:
acquaintance শব্দের সাথে সাধারণত with preposition ব্যবহৃত হয়।
এর অর্থ হলো কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের সাথে পরিচিত হওয়া।
এখানে কবির সাথে বিখ্যাত লেখকদের পরিচয়ের কথা বলা হয়েছে।
তাই সঠিক উত্তর with হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — acquaintance শব্দের পরে সাধারণত to বসে না।
B) from — উৎস বোঝাতে from বসে যা এখানে সঠিক নয়।
C) by — মাধ্যম বোঝাতে by বসে কিন্তু এটি নিয়ম বহির্ভূত।
D) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিচয় বা পরিচিত হওয়া বোঝাতে acquaintance শব্দের পরে हमेशा with preposition বসে।
সঠিক উত্তর: B) Productive
কেন সঠিক:
Prolific শব্দটির অর্থ হলো ফলপ্রসূ, উর্বর বা অধিক উৎপাদনশীল।
Productive শব্দের অর্থও উৎপাদনশীল বা ফলপ্রসূ, যা Prolific শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
তাই অর্থের দিক থেকে Productive হলো Prolific এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Terrific — এর অর্থ দারুণ বা ভয়ানক, যা Prolific শব্দের সমার্থক নয়।
B) Productive — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) Sophistic — এর অর্থ জটিল বা কৃত্রিম, যা Prolific এর অর্থের সাথে মিল নেই।
D) Proactive — এর অর্থ উদ্যমী বা অগ্রগামী, যা Prolific বা ফলপ্রসূ বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
Prolific শব্দটিতে Pro আছে যার অর্থ সামনে এগোনো এবং Productive এর সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো বেশি উৎপাদন করা।
সঠিক উত্তর: B) Doing something instantaneously
কেন সঠিক:
'At the drop of a hat' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার অর্থ কোনো প্রকার বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু করা।
এই ইডিওমটি মূলত এমন পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যেখানে কোনো কাজ বিনা বাক্যে বা মুহূর্তের মধ্যে শুরু করা হয়।
সুতরাং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে কেবল অপশন বি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Doing something slowly — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রবাদটি ধীরে ধীরে কাজ করা বোঝায় না, বরং দ্রুত কাজ করা নির্দেশ করে।
B) Doing something instantaneously — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Doing something irrationally — এই অপশনটি ভুল কারণ অযৌক্তিক বা বোকামিপূর্ণ কাজ করা এই ইডিওমের মূল অর্থ নয়।
D) Doing something later — এই অপশনটি ভুল কারণ কাজটি পরে করা বোঝায় না, বরং মুহূর্তের মধ্যে করা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
টুপি খসে পড়ার পলক ফেলার আগেই কাজ শুরু করা, এই দৃশ্যটি মাথায় রাখলে মনে থাকবে এর অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু করা।
সঠিক উত্তর: D) Smartphones are consideres to be very cheap today
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে কোনো মূল verb না থাকায় সরাসরি passive করা যায় না।
তাই অর্থ ঠিক রাখতে to be যুক্ত করে passive രൂപ তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Smartphones are being very cheap today — এখানে continuous tense এর গঠন ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Smartphones can be very cheap today — এখানে modal auxiliary যুক্ত করে বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করা হয়েছে।
C) Smartphones are available at a cheap rate today — এটি অর্থ প্রকাশ করলেও সরাসরি passive রূপ নয়।
D) Smartphones are consideres to be very cheap today — এটি বাক্যের সঠিক passive রূপ গঠন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
adjective যুক্ত বাক্যে direct passive না হলে to be ব্যবহার করে passive করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) as ill luck would have it
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সে তার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল কিন্তু দুর্বভাগ্যবশত সে আবার ব্যর্থ হলো।
as ill luck would have it বাকধারাটির অর্থ দুর্ভাগ্যবশত যা শূন্যস্থানে perfectly মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as ill luck would have it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হবে।
B) at the bottom of — এর অর্থ কোনো কিছুর মূলে থাকা যা বাক্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) at a ston's throw — এর অর্থ খুব কাছাকাছি বা নিকট দূরত্বে যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
D) at the disposal of — এর অর্থ কারো সেবায় নিয়োজিত বা ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত থাকা।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের অর্থ যদি দুর্ভাগ্য বোঝায় তবে as ill luck would have it ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Desecration
কেন সঠিক:
'Sanctification' শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু পবিত্র করা বা পবিত্রতা রক্ষা করা। এর বিপরীত শব্দ হলো 'Desecration', যার অর্থ পবিত্রতা নষ্ট করা বা অবমাননা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Desecration — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পবিত্রতা নষ্ট করা বা অবমাননা করা।
B) Declaration — এর অর্থ ঘোষণা করা, যা পবিত্রকরণের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) Sanction — এর অর্থ অনুমোদন বা সম্মতি প্রদান করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Degradation — এর অর্থ অবনতি বা অবক্ষয়, যা সরাসরি পবিত্রতার বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Sanct- অংশটি পবিত্রতা বোঝায় এবং De- উপসর্গ যোগ করে এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) No sooner had he seen me than he ran away
কেন সঠিক:
As soon as as-sun-er যুক্ত বাক্যকে negative করার সময় No sooner had ব্যবহার করতে হয়।
এছাড়া subject এর পর verb এর past participle বসে এবং মাঝখানে than বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No sooner had he seen me he ran away — এই অপশনে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী than ব্যবহার করা হয়নি যা বাধ্যতামূলক।
B) No sooner had he seen me than he ran away — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে।
C) No sooner he saw me than he ran away — এখানে had এবং verb এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি।
D) He did not see me add he ran away — এটি মূল বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয় এবং negative করার ভুল নিয়ম।
মনে রাখার টিপস:
As soon as থাকলে No sooner had বসবে এবং মাঝখানে than হবে।
সঠিক উত্তর: A) broke
কেন সঠিক:
- বাক্যে last night উল্লেখ থাকায় এটি অতীত নির্দেশক সাধারণ অতীত কাল বা Past Indefinite Tense হবে।
- break verb-এর Past Form হলো broke, যা অতীতের ঘটনা বোঝাতে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) broke — এটি Past Indefinite Tense-এর সঠিক রূপ, যা গত রাতের ঘটনা প্রকাশের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত।
B) broken — এটি Past Participle রূপ, যা একা একা মূল verb হিসেবে Past Tense-এ বসতে পারে না।
C) had broken — এটি Past Perfect Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) was broken — এটি Passive Voice-এর গঠন, কিন্তু এখানে fire নিজেই কাজটি করায় বাক্যটি Active হবে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yesterday,ago,last night থাকলে verb-এর Past Form (V2) হয়।
সঠিক উত্তর: A) Father prayed that I might pass the exam
কেন সঠিক:
বক্তার ইচ্ছা বা প্রার্থনা বোঝাতে ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে reporting verb হিসেবে pray ব্যবহার করা হয় এবং conjunction হিসেবে that বসে।
এছাড়া রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স হওয়ায় রিপোর্টেড স্পিচে may এর পরিবর্তে might বসে এবং সাবজেক্টের পরে সঠিক ভার্বের বেইজ ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Father prayed that I might pass the exam — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি ন্যারেশনের সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে।
B) Father prayed for me that I may pay pass in the exam — এখানে may ব্যবহার করা হয়েছে যা পাস্ট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী might হওয়ার কথা ছিল।
C) Father said that I might pass the exam — এখানে প্রার্থনা বোঝাতে pray এর বদলে সাধারণ said ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ করে না।
D) Father prayed for me that I may passed the exam — এখানে may এর পরে verb এর পাস্ট ফর্ম passed ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
অপট্রেটিভ সেন্টেন্সে ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করে pray বা wish লিখতে হয় এবং may এর জায়গায় might বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) preposition
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে destination শব্দটির পূর্বে বসে arrived verb-এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
- এখানে শব্দ গুচ্ছের মাঝে থেকে সংযোগ বা সম্পর্ক বোঝানোর কারণে এটি preposition হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) preposition - প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।
B) adverb - এটি verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে না, তাই এটি adverb নয়।
C) noun - এটি কোনো নাম বা বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun নয়।
D) conjunction - এটি দুটি বাক্য বা শব্দগুচ্ছকে যুক্ত করছে না, তাই এটি conjunction নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝালে তাকে preposition বলে।
সঠিক উত্তর: B) quick
কেন সঠিক:
Instantaneous শব্দটির অর্থ হলো তাৎক্ষণিক বা যা খুব দ্রুত ঘটে।
quick শব্দটির অর্থ দ্রুত, যা এই শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক।
তাই অর্থের দিক থেকে quick হলো সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) gradual — এই শব্দটির অর্থ ধীরে ধীরে বা ক্রমান্বয়ে, যা তাৎক্ষণিক শব্দের বিপরীত।
B) quick — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) obedient — এই শব্দটির অর্থ বাধ্য, যা এই প্রশ্নের সাথে কোনোভাবে সম্পর্কিত নয়।
D) deceive — এই শব্দটির অর্থ প্রতারণা করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Instant থেকে Instantaneous শব্দটি এসেছে, যার অর্থ এক পলকে বা খুব দ্রুত ঘটে এমন কিছু।
সঠিক উত্তর: B) fled
কেন সঠিক:
বাক്യটির প্রথম অংশ saw দেখে বোঝা যায় ঘটনাটি অতীতের। As soon as যুক্ত বাক্যের উভয় অংশ সাধারণত একই কাল বা পাস্ট ইনডিফিনিট হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has fled — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীত নির্দেশক বাক্যের সাথে মিলে না।
B) fled — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স গঠন করে।
C) fleed — ইংরেজিতে flee শব্দের কোনো 'fleed' অতীত রূপ হয় না।
D) had fled — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
As soon as এর দুই পাশে সাধারণত পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স বসে।
সঠিক উত্তর: C) walking
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথমে while থাকলে এবং তার ঠিক পরেই verb বসলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
নিয়ম অনুযায়ী প্রথম clause এ subject না থাকলে while এর পরের verb এর সাথে ing বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) walk — verb এর base form while এর পরে সরাসরি বসে না।
B) walked — verb এর past form while এর পরে বসে বাক্যকে ভুল করে তোলে।
C) walking — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) walks — verb এর সাথে s যুক্ত হয়ে নিয়মের বাইরে চলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
While এর পরে সরাসরি verb থাকলে চোখ বন্ধ করে তার সাথে ing যোগ করবে।
সঠিক উত্তর: C) ase asked
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটির সাবজেক্ট হলো you এবং এখানে passive voice ব্যবহার করতে হবে। কারণ তুমি নিজেই নিজেকে জিজ্ঞেস করছ না, বরং তোমাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে।
Conditional sentence এর নিয়ম অনুযায়ী unless যুক্ত clause টি Present Indefinite Tense এ হবে।
তাই সঠিক উত্তর হবে are asked।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ask — এটি Active voice এবং Present Tense এ আছে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) were asked — এটি Past Tense এ আছে, কিন্তু বাক্যের প্রধান অংশ Present Tense এ থাকায় এটি ভুল।
C) ase asked — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
D) will ask — unless যুক্ত clause এ Future Tense ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
Unless যুক্ত clause এ সাধারণত Present Indefinite Tense বসে এবং অর্থ অনুযায়ী Passive voice হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) I got the work done by him
কেন সঠিক:
এটি একটি Causative verb এর বাক্য যেখানে Get এর পর বস্তুবচক কর্ম থাকলে পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
এছাড়া এখানে কাজটি অন্যের দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে বোঝাতে by him ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I got the work done by him — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
B) I got the work doing by him — গেট এর পর ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত ফর্ম সরাসরি বসে না।
C) I got the work been done by him — এখানে অতিরিক্ত বিন ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে।
D) I got the work are doing by him — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব এবং আইএনজি একসাথে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Causative verb এ get এর পরে বস্তু থাকলে মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: A) I, you and Shuma are guilty
কেন সঠিক:
সাধারণত বাক্যে একাধিক ভিন্ন পুরুষের pronoun থাকলে তাদের সাজানোর নিয়ম হলো দুই, তিন, এক অর্থাৎ প্রথমে দ্বিতীয় পুরুষ, পরে তৃতীয় পুরুষ এবং শেষে প্রথম পুরুষ বসে। কিন্তু বাক্যটিতে দোষ স্বীকার করার কথা বলা হয়েছে তাই নিয়মটি উল্টে গিয়ে এক, দুই, তিন অর্থাৎ প্রথমে প্রথম পুরুষ, পরে দ্বিতীয় পুরুষ এবং শেষে তৃতীয় পুরুষ বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I, you and Shuma are guilty — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে সঠিক ক্রম অর্থাৎ এক, দুই, তিন অনুসরণ করা হয়েছে এবং plural verb ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Shuma, you and I are guilty — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে তিন, দুই, এক ক্রমে pronoun সাজানো হয়েছে যা কেবল সাধু কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) Shuma, I and you are guilty — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে pronoun সাজানোর কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম মানা হয়নি।
D) I, you and Shuma is guilty — এই অপশনটি ভুল কারণ একাধিক ব্যক্তি বা pronoun একসাথে থাকলে verb সর্বদা plural অর্থাৎ are হয় কিন্তু এখানে is ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ভালো কাজের ক্ষেত্রে দুই, তিন, এক এবং দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে এক, দুই, তিন ক্রমে pronoun সাজাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) it is you who are responsible for this
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'It is... who' গঠন ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে relative pronoun 'who' তার পূর্ববর্তী antecedent 'you' কে নির্দেশ করে।
তাই 'who' এর পরের verb টি antecedent 'you' এর সাথে পদাশ্রয়ী হয়ে plural verb 'are' গ্রহণ করেছে এবং সঠিক adjective 'responsible' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) it is you who is responsible for this — এখানে 'who' এর পরে singular verb 'is' ব্যবহার করা হয়েছে যা grammatically ভুল কারণ antecedent হলো 'you'।
B) it is you who are responsible for this — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে subject 'you' এর সাথে সঠিক plural verb 'are' এবং adjective ব্যবহৃত হয়েছে।
C) it is you who are respond for his — এখানে 'responsible' এর পরিবর্তে ভুল শব্দ 'respond' এবং possessive pronoun 'his' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) it is you who respons for this — এখানে verb এর সঠিক form ব্যবহার করা হয়নি এবং বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
It is এর পরে কোনো pronoun থাকলে who এর পরের verbটি সেই pronoun অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) The
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে বোঝানো — বক্তা ও শ্রোতা উভয়েই সামনের মানুষটিকে চেনেন তাই নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসেছে।
বিশেষ পরিস্থিতি — মানুষের ঠিক পরেই যখন অবস্থান বা পরিচয় নির্দিষ্ট করা হয় তখন the বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A — এটি অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট মানুষকে নির্দেশ করা হয়েছে।
B) The — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) An — এটি ভাওয়েল ধ্বনি দিয়ে শুরু অনির্দিষ্ট শব্দের আগে বসে যা এখানে মিলছে না।
D) No article — শূন্য আর্টিকেল বসালে বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে নির্দিষ্ট করে নির্দেশ করলে তার আগে সবসময় the বসে।
সঠিক উত্তর: A) the
কেন সঠিক:
দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা বোঝাতে তুলনামূলক ডিগ্রির আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে। এখানে রূপা ও তার বোনের মধ্যে তুলনা করায় taller এর পূর্বে নির্দিষ্ট করে 'the' বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) a — এটি অনির্দিষ্ট একবচন বোঝাতে বসে, যা নির্দিষ্ট তুলনার ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী বসে না।
C) an — এটি স্বরবর্ণের উচ্চারণের আগে বসে, যা এই শূন্যস্থানের নিয়মের সাথে মেলে না।
D) No article — এখানে দুই বোনের মধ্যে নির্দিষ্ট তুলনা থাকায় আর্টিকেল ছাড়া রাখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
দুই জনের মধ্যে তুলনা বা অফ দ্য টু (of the two) থাকলে কম্পারেটিভ ডিগ্রির আগে সবসময় দি (the) বসে।
সঠিক উত্তর: B) ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার গসাগু = ১৫
দুটি সংখ্যার লসাগু = ৪২০
একটি সংখ্যা = ১০৫
ধরি,
অন্য সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু
অতএব,
১০৫ × ক = ১৫ × ৪২০
১০৫ × ক = ৬৩০০
সুতরাং,
ক = ৬৩০০ ÷ ১০৫
উত্তর: ৬০
সঠিক উত্তর: C) ৭ ঘন্টা
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন পুরুষ কাজ করে ১৪ দিনে, প্রতিদিন ৬ ঘন্টা
১২ জন পুরুষ কাজ করবে ১০ দিনে, প্রতিদিন কত ঘন্টা
ধরি,
প্রয়োজনীয় দৈনিক কাজের সময় = ক ঘন্টা
অতএব,
মোট কাজের পরিমাণ = ১০ জন × ৬ ঘন্টা × ১৪ দিন
মোট কাজের পরিমাণ = ১২ জন × ক ঘন্টা × ১০ দিন
সুতরাং,
১২ × ১০ × ক = ১০ × ৬ × ১৪
উত্তর: ক = ৭ ঘন্টা
সঠিক উত্তর: B) ২৪ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটিটি ভেঙে ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০°
ভেঙে যাওয়া অংশের দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার
ধরি,
সম্পূর্ণ খুঁটির দৈর্ঘ্য = ভাঙ্গা অংশ + খাড়া অংশ
খাড়া অংশের উচ্চতা = লম্ব
ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য = অতিভুজ = ১৬ মিটার
অতএব,
ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ
sin(৩০°) এর মান ১ ÷ ২
সুতরাং লম্ব ÷ ১৬ = ১ ÷ ২
সুতরাং,
লম্ব = ১৬ ÷ ২ = ৮ মিটার
খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ভাঙ্গা অংশ + লম্ব = ১৬ + ৮ = ২৪ মিটার
উত্তর: ২৪ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৩০ ঘন্টা
প্রদত্ত তথ্য:
পাইপ A এবং B একত্রে ট্যাঙ্কটি পূরণ করতে পারে ১২ ঘন্টায়।
পাইপ A এর ট্যাঙ্কটি একা পূরণ করতে যত সময় লাগে, পাইপ B এর তার চেয়ে ১০ ঘন্টা বেশি সময় লাগে।
ধরি,
পাইপ A এর সময় লাগে = x ঘন্টা
তাহলে পাইপ B এর সময় লাগে = x + ১০ ঘন্টা
অতএব,
১ ঘন্টায় পাইপ A পূর্ণ করে = ১ ÷ x অংশ
১ ঘন্টায় পাইপ B পূর্ণ করেইন = ১ ÷ (x + ১০) অংশ
সুতরাং,
প্রশ্নানুসারে, (১ ÷ x) + (১ ÷ (x + ১০)) = ১ ÷ ১২
এখান থেকে সমাধান করে পাই, x = ২০ ঘন্টা
উত্তর: ২০ + ১০ = ৩০ ঘন্টা
সঠিক উত্তর: D) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির বিপরীত সংখ্যা থেকে সংখ্যাটি বিয়োগ করতে হবে
বিয়োগফল সংখ্যাটির তিন গুণ হবে
ধরি,
অজানা বাস্তব সংখ্যাটি = x
সংখ্যাটির বিপরীত সংখ্যা = ১ ÷ x
অতএব,
শর্তানুসারে সমীকরণটি লেখা যায়
(১ ÷ x) − x = ৩ × x
(১ ÷ x) = ৩ × x + x
সুতরাং,
(১ ÷ x) = ৪ × x
৪ × (x এর ওপর স্কয়ার) = ১
উত্তর: x = ১ ÷ ২
সঠিক উত্তর: D) ৫√২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ মিটার
ধরি,
ত্রিভুজের সমান বাহু দুটি হলো ক = ৫ মিটার এবং খ = ৫ মিটার
ত্রিভুজের অতিভুজটি হলো গ
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে পাই গ এর ওপর বর্গ = ক এর ওপর বর্গ + খ এর ওপর বর্গ
গ এর ওপর বর্গ = ৫ এর ওপর বর্গ + ৫ এর ওপর বর্গ
গ এর ওপর বর্গ = ২৫ + ২৫ = ৫০
সুতরাং,
গ = √৫০
গ = √(২৫ × ২) = ৫√২
উত্তর: ৫√২ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
৬ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা কাজ শেষ করে ৬ দিনে
৪ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা কাজ শেষ করে ৮ দিনে
ধরি,
১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ম
১ জন মহিলার ১ দিনের কাজ = ফ
অতএব,
৬ দিয়ে গুণ করে পাই, ৩৬ জন পুরুষ + ৩০ জন মহিলা = ১ (সম্পূর্ণ কাজ)
৮ দিয়ে গুণ করে পাই, ৩২ জন পুরুষ + ৪০ জন মহিলা = ১ (সম্পূর্ণ কাজ)
সুতরাং,
৩৬ জন পুরুষ + ৩০ জন মহিলা = ৩২ জন পুরুষ + ৪০ জন মহিলা
হিসাব করে পাই, ৪ জন পুরুষ = ১০ জন মহিলা, অর্থাৎ ২ জন পুরুষ = ৫ জন মহিলা
অতএব,
৬ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলার জায়গায় লেখা যায়, ৬ জন পুরুষ + ২ জন পুরুষ = ৮ জন পুরুষ
৮ জন পুরুষ কাজটি করে ৬ দিনে, তবে ১ জন পুরুষ কাজটি করে ৬ × ৮ = ৪৮ দিনে
সুতরাং,
৮ জন পুরুষ এবং ২০ জন মহিলা মানে ৮ জন পুরুষ + ৮ জন পুরুষ = ১৬ জন পুরুষ
৪৮ ÷ ১৬ = ৩ দিনে কাজটি শেষ করবে
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: B) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্য থেকে বিজোড় সংখ্যাগুলো নিয়ে একটি ধারা তৈরি করতে হবে
ধরি,
১ হতে ২০ পর্যন্ত বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো ১, ৩, ৫, এভাবে ১৯ পর্যন্ত
মোট বিজোড় সংখ্যার পরিমাণ = ১০টি
অতএব,
বিজোড় সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয়ের সূত্র হলো প্রথম পদ যোগ শেষ পদ গুণ পদের সংখ্যা ভাগ ২
এখানে প্রথম পদ ১ এবং শেষ পদ ১৯
সুতরাং,
সমষ্টি = (১ + ১৯) × ১০ ÷ ২ = ১০০
গড় = সমষ্টি ভাগ পদের সংখ্যা = ১০০ ÷ ১০ = ১০
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: B) P−C
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য = C টাকা
বিক্রয়মূল্য = P টাকা
ধরি,
পণ্যটি কেনার পর বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে
এখানে P এর মান C এর চেয়ে বেশি
অতএব,
মুনাফা বের করতে হলে বিক্রয়মূল্য থেকে ক্রয়মূল্য বাদ দিতে হবে
অর্থাৎ লাভ সমান বিক্রয়মূল্য বিয়োগ ক্রয়মূল্য
এখানে হিসাবটি হবে P থেকে C বিয়োগ
সুতরাং,
মুনাফা = P − C
উত্তর: P − C
সঠিক উত্তর: C) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৫:৬
ধরি,
ক্রয়মূল্য = ৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য = ৬ টাকা
অতএব,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
লাভ = ৬ − ৫ = ১ টাকা
সুতরাং,
লাভের হার = (১ ÷ ৫) × ১০০%
উত্তর: ২০%
সঠিক উত্তর: C) ৪:৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮:২৭
ধরি,
প্রথম গোলকের ব্যাসার্ধ = আর১ এবং দ্বিতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = আর২
প্রথম গোলকের আয়তন = চার বাই তিন গুণ পাই গুণ আর১ এর কিউব
দ্বিতীয় গোলকের আয়তন = চার বাই তিন গুণ পাই গুণ আর২ এর কিউব
অতএব,
প্রথম গোলকের আয়তন ভাগ দ্বিতীয় গোলকের আয়তন = আট ভাগ সাতাশ
আর১ এর কিউব ভাগ আর২ এর কিউব = আট ভাগ সাতাশ
আর১ ভাগ আর২ = দুই ভাগ তিন
সুতরাং,
প্রথম গোলকের ক্ষেত্রফল ভাগ দ্বিতীয় গোলকের ক্ষেত্রফল = চার গুণ পাই গুণ আর১ স্কয়ার ভাগ চার গুণ পাই গুণ আর২ স্কয়ার
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = আর১ স্কয়ার ভাগ আর২ স্কয়ার = দুই স্কয়ার ভাগ তিন স্কয়ার = চার ভাগ নয়
উত্তর: ৪:৯
সঠিক উত্তর: C) ২০মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৪০ মিটার
অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০
ধরি,
অনুপাতের সাধারণ রাশি = ক
প্রথম অংশ = ৩ক
দ্বিতীয় অংশ = ৭ক
তৃতীয় অংশ = ১০ক
অতএব,
শর্তমতে, ৩ক + ৭ক + ১০ক = ৪০
অর্থাৎ, ২০ক = ৪০
ক এর মান = ২
সুতরাং,
দীর্ঘতম অংশটি = ১০ × ২ = ২০ মিটার
উত্তর: ২০মিটার
সঠিক উত্তর: B) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
তিন সদস্যের একটি বিতর্ক দলের সদস্যের গড় বয়স ২৪ বছর
কোনো সদস্যের বয়স ২১ বছরের নিচে নয়
ধরি,
তিনজন সদস্যের বয়স ক, খ এবং গ
অতএব,
তিন সদস্যের বয়সের সমষ্টি = ২৪ × ৩ = ৭২ বছর
একজনের সর্বোচ্চ বয়স বের করতে হলে বাকি দুজনের বয়স সর্বনিম্ন হতে হবে
সুতরাং,
বাকি দুই সদস্যের সর্বনিম্ন বয়স ২১ বছর করে হলে মোট বয়স = ২১ + ২১ = ৪২ বছর
উত্তর: ৭২ − ৪২ = ৩০ বছর
সঠিক উত্তর: B) ২৫ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ জন লোকের গড় বয়স ২৯ বছর
দুজনের গড় বয়স ৫৫ বছর
ধরি,
১৫ জন লোকের মোট বয়স = ১৫ × ২৯ = ৪৩৫ বছর
দুজনের মোট বয়স = ২ × ৫৫ = ১১০ বছর
অতএব,
বাকি ১৩ জনের মোট বয়স = ৪৩৫ − ১১০ = ৩২৫ বছর
সুতরাং,
বাকি ১৩ জনের গড় বয়স = ৩২৫ ÷ ১৩ = ২৫ বছর
উত্তর: ২৫ বছর
সঠিক উত্তর: D) কর্কটক্রান্তি রেখা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বা কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই রেখার কারণে বাংলাদেশে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু পরিলক্ষিত হয় এবং তীব্র রোদ ও গরম অনুভূত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষুব রেখা — এটি ০ ডিগ্রি অক্ষাংশ এবং এটি পৃথিবীর মধ্যভাগ দিয়ে গেছে, বাংলাদেশ এর উত্তরে অবস্থিত।
B) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা — এটি ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা রেখা এবং এটি প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে কল্পিত হয়েছে।
C) মকরক্রান্তি রেখা — এটি ২৩.৫ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ এবং এটি দক্ষিণ গোলার্ধের ওপর দিয়ে গিয়েছে।
D) কর্কটক্রান্তি রেখা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বাংলাদেশের মধ্য অঞ্চলের ওপর দিয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থিত, যার মান ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ।
সঠিক উত্তর: D) গ্রন্থ
কেন সঠিক:
- 'এ ডটার্স টেল' (A Daughter's Tale) মূলত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানার জীবনের ওপর নির্মিত কোনো চলচ্চিত্র নয়। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা একটি বিখ্যাত স্মৃতিকথা বা গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে শেখ হাসিনার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাদের পারিবারিক জীবন ও সংগ্রামের নানা দিক ফুটে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলচ্চিত্র — এটি কোনো সিনেমা বা চলচ্চিত্র নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) নাটক — এটি মঞ্চ বা টেলিভিশনের জন্য রচিত কোনো নাটক নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) গান — এটি কোনো সংগীত বা গানের অ্যালবাম নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) গ্রন্থ — এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রচিত একটি বিখ্যাত বই বা গ্রন্থ, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
ডটার্স টেল মানে মেয়ের গল্প, আর এটি শেখ হাসিনা কর্তৃক রচিত একটি বই বা গ্রন্থ।
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও সংবাদপত্রের ইতিহাস
প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র হলো সমাচার দর্পণ, কিন্তু প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র বা বাংলার প্রথম সংবাদপত্র হলো হিকি বেঙ্গল গেজেট। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র বা সাময়িকপত্র হিসেবে 'সমাচার দর্পণ'কেই সাধারণত সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: D) সমাচার দর্পণ
কেন সঠিক:
- সমাচার দর্পণ ১৮১৮ সালের ২৩ মে শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত হয় এবং এটিই প্রথম বাংলা ভাষার সংবাদপত্র।
- এটি মূলত সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল এবং এর সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আজাদ — এটি ব্রিটিশ ভারতের একটি ঐতিহাসিক দৈনিক পত্রিকা যা পরবর্তীতে পাকিস্তান আমলেও প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু এটি প্রথম বাংলা সংবাদপত্র নয়।
B) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত একটি বিখ্যাত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা, যা প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালে।
C) বেঙ্গল গেজেট — এটি জেমস অগাস্টাস হিকি কর্তৃক ১৭৮০ সালে প্রকাশিত ভারতের তথা উপমহাদেশের প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, বাংলা ভাষার নয়।
D) সমাচার দর্পণ — এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা ভাষার সংবাদপত্র হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র দর্পণের মতো সত্য প্রকাশ করত, তাই মনে রাখুন প্রথম বাংলা সংবাদপত্র সমাচার দর্পণ।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- এটি একটি ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তি যা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গঠিত হয়েছে।
- চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান — এটি এই জোটে নেই, কারণ এটি পশ্চিমা দেশগুলোর একটি সামরিক অংশীদারিত্ব।
B) জাপান, যুক্তরাষ্ট, অস্ট্রেলিয়া, ভারত — এই চারটি দেশ নিয়ে কোয়াড (QUAD) জোট গঠিত, যা AUKUS নয়।
C) যুক্তরাষ্ট, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই জোটের সদস্য দেশ।
D) অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ভারত — ভারত এই জোটের সদস্য নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
AUKUS নামের প্রথম অক্ষরগুলো মনে রাখুন: AU তে অস্ট্রেলিয়া, UK তে যুক্তরাজ্য এবং US তে যুক্তরাষ্ট্র।
সঠিক উত্তর: A) ১০
কেন সঠিক:
- অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস বা আসিয়ানের বর্তমান প্রতিষ্ঠিত সদস্য রাষ্ট্র ১০টি।
- ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে এই আঞ্চলিক জোটটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জোটে বর্তমানে ১০টি স্বাধীন রাষ্ট্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
B) ১১ — এটি ভুল কারণ পূর্ব তিমুর এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আসিয়ানের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করেনি।
C) ১২ — এটি ভুল কারণ আসিয়ানের সদস্য সংখ্যা কখনো ১২টি ছিল না।
D) ১৩ — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত কোনো দেশ এই জোটের সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ানের সদস্য দেশ দশটি মনে রাখতে দশ শব্দটির প্রথম অক্ষর দ দিয়ে দশটি দেশ বা ১০ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) কেনেডি স্পেস সেন্টার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ২০১৮ সালের ১১ মে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে এই উপগ্রহটি মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল এবং এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট ক্লাবের সদস্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস লঞ্চ সেন্টার — এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত একটি রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হলেও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এখান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়নি।
B) স্টেনিস স্পেস সেন্টার — এটি মূলত নাসা-র রকেট ইঞ্জিন পরীক্ষার প্রধান কেন্দ্র এবং এটি মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত, যেখান থেকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয় না।
C) জন্সন স্পেস সেন্টার — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টনে অবস্থিত মানববাহী মহাকাশযান পরিচালনা ও নভোচারী প্রশিক্ষণের প্রধান কেন্দ্র।
D) কেনেডি স্পেস সেন্টার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই ফ্যালকন-৯ রকেটের সাহায্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টারে গিয়েই আমাদের প্রথম বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাশূন্যের পথে যাত্রা শুরু করেছিল।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩০
কেন সঠিক:
- ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম আসর বসেছিল।
- উরুগুয়ে দল ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৯৬ — এই সালে আধুনিক অলিম্পিক গেমসের প্রথম আসর গ্রিসের এথেন্সে অনুষ্ঠিত হয়, ফুটবল বিশ্বকাপ নয়।
B) ১৯১৪ — এই সালটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনার বছর হিসেবে পরিচিত, ফুটবল বিশ্বকাপের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৩০ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সালেই উরুগুয়েতে প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
D) ১৯৭০ — এই সালে মেক্সিকোতে ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়, যা ব্রাজিলের তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের বছর।
মনে রাখার টিপস:
১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ হয় এবং স্বাগতিক দেশই চ্যাম্পিয়ন হয়।
সঠিক উত্তর: A) ইউনাইটেড রাশিয়া
কেন সঠিক:
- ভ্লাদিমের পুতিন বর্তমান রাশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং তিনি ইউনাইটেড রাশিয়া দলের শীর্ষ নেতা।
- এই দলটি বর্তমানে রাশিয়ার পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে এবং দেশটির রাজনীতিতে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনাইটেড রাশিয়া — এটি বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমের পুতিনের রাজনৈতিক দল এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) ন্যাশনাল ইউনাইটেড ফ্রন্ট — এটি রাশিয়ার মূল ধারার কোনো প্রধান রাজনৈতিক দল বা পুতিনের দল নয়।
C) কমিউনিস্ট পার্টি — এটি রাশিয়ার একটি পুরোনো বিরোধী রাজনৈতিক দল হলেও পুতিনের দল নয়।
D) ন্যাশনাল ফ্রন্ট — এটি মূলত ফ্রান্সসহ অন্যান্য দেশের রাজনৈতিক দলের নাম, রাশিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার পুতিন সবসময় রাশিয়াকে ইউনাইটেড বা ঐক্যবদ্ধ রাখতে চান, তাই তার দলের নাম ইউনাইটেড রাশিয়া।
সঠিক উত্তর: C) ৩টি
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা তিনটি।
- বিমানবন্দরগুলো হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু রয়েছে।
B) ২টি — অতীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা দুটি থাকলেও বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে তিনটি হয়েছে।
C) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কার্যকর রয়েছে।
D) ৪টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে চারটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নেই, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণের কাজ চলছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মনে রাখতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের প্রধান তিনটি বিমানবন্দরকে একসঙ্গে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) SDG Progress Award
কেন সঠিক:
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় জাতিসংঘের এসডিজি অর্জনে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
- আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকা ও সাফল্য এই পুরস্কার অর্জনে সহায়তা করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SDG Progress Award — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে।
B) MDG Progress Award — এটি ভিন্ন একটি পুরস্কার যা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি অর্জনে সফলতার জন্য ২০১৩ সালে প্রদান করা হয়েছিল, যা বর্তমান প্রশ্নের প্রেক্ষাপটের সাথে মেলে না।
C) নারীর ক্ষমতায়ন — এটি সামগ্রিক নীতির অংশ হলেও জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সরাসরি এই নামে কোনো নির্দিষ্ট প্রধান অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়নি।
D) দারিদ্র্য বিমোচন — এটি সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলেও জাতিসংঘ কর্তৃক প্রদত্ত নির্দিষ্ট অ্যাওয়ার্ডের মূল শিরোনামটি ছিল এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড।
মনে রাখার টিপস:
শেখ হাসিনার শাসনামলে জাতিসংঘ থেকে প্রাপ্ত প্রধান সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হলো এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৭ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রায় দুইশত বছরের ব্রিটিশ শাসনের সমাপ্তি ঘটে ভারতীয় স্বাধীনতা আইন ১৯৪৭ পাসের মাধ্যমে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৭ সালে — এটি ব্রিটিশ শাসনের অবসানের সাল নয়, এটি স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের আগের একটি সাধারণ বছর।
B) ১৯৭১ সালে — এই সালে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে, কিন্তু ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটেছিল এর বহু আগে।
setC) ১৯৫২ সালে — এই সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার দাবিতে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।
D) ১৯৪৭ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার সূর্য ওঠে ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে, আর ব্রিটিশরা বিদায় নেয় দুইশত বছরের শাসন শেষে।
সঠিক উত্তর: C) কমলা হ্যারিস
কেন সঠিক:
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী, কৃষ্ণাঙ্গ ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের রানিং মেট হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ২০২১ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিলারি ক্লিংটন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হলেও কখনো ভাইস প্রেসিডেন্ট হননি।
B) কন্ডেলিৎসা রাইস — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট নন।
C) কমলা হ্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা অসংগতি নেই।
D) ন্যান্সি পেলোসি — তিনি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের (House of Representatives) প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্টের নামের শুরুতে কে আছে, কমলা হ্যারিসের নামের শুরুতেও কে আছে।
সঠিক উত্তর: C) আটটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে পরিকল্পনা কমিশন এ পর্যন্ত মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- সর্বশেষ পরিকল্পনাটি ছিল অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, যার মেয়াদ ছিল ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছয়টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ছয়টির বেশি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
B) সাতটি — সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার পর আরও পরিকল্পনা গ্রহণ করায় এই সংখ্যাটি বর্তমান তথ্যের সাথে মেলে না।
C) আটটি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ইতিহাসে এ পর্যন্ত আটটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
D) নয়টি — বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের প্রণীত পরিকল্পনার সংখ্যা আটটি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা কমিশন মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৬.১৫ কিলোমিটার
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য ৯.৮৩ কিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬.১০ কিলোমিটার — এটি ভুল কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬.১০ কিলোমিটার নয়, এর চেয়ে সামান্য বেশি।
B) ৬.৫ কিলোমিটার — এটি ভুল কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬.৫ কিলোমিটার বা সাড়ে ছয় কিলোমিটার নয়।
C) ৬.৮ কিলোমিটার — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্যকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে না।
D) ৬.১৫ কিলোমিটার — এটি সঠিক কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ঠিক ৬.১৫ কিলোমিটার।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে এটি ৬ কিলোমিটারের সামান্য বেশি, অর্থাৎ ৬.১৫ কিলোমিটার।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: A) চারটি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য মোট চারটি বিভাগ গঠিত হয়েছিল।
- এই বিভাগ চারটি ছিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং খুলনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চারটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে এই চারটি বিভাগই বিদ্যমান ছিল।
B) পাঁচটি — ১৯৭১ সালে বা ঠিক তার পরপরই পাঁচটি বিভাগ ছিল না, এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
C) ছয়টি — পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বিভাগের সংখ্যা ছয়টি করা হয়েছিল, যা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছিল না।
D) তিনটি — স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগের সংখ্যা তিনটি ছিল না, বরং তার বেশি অর্থাৎ চারটি ছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর ঢাকার চারপাশে ছিল মাত্র তিনটি বিভাগ, অর্থাৎ ঢাকা সহ মোট চারটি বিভাগ (ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা)।
সঠিক উত্তর: C) পূর্ব জার্মানি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পূর্ব জার্মানি সবার আগে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পূর্ব জার্মানি স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়ারল্যান্ড — এটি কোনো সমাজতান্ত্রিক দেশ নয় এবং এটি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম সারির দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) বুলগেরিয়া — এটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হলেও পূর্ব জার্মানির পরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
D) সোভিয়েত ইউনিয়ন — এটি প্রধান সমাজতান্ত্রিক মহাশক্তি হলেও পূর্ব জার্মানির পরে, ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
মনে রাখার টিপস:
সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে জার্মানির পূর্বাংশ বা পূর্ব জার্মানি সবার আগে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
১. কেন সঠিক:
- তাপ ইঞ্জিনের মূল কাজ হলো তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা।
- এতে জ্বালানি পুড়িয়ে তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয় এবং তা দিয়ে পিস্টন বা টারবাইন ঘুরিয়ে যান্ত্রিক কাজ পাওয়া যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাপ ইঞ্জিন এমন একটি চক্রাকার যন্ত্র যা তাপকে কাজে পরিণত করে এবং অবশিষ্ট তাপ পরিবেশে বর্জন করে।
- কার্যপ্রণালি: ইঞ্জিন উচ্চ তাপমাত্রা উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে, তার কিছু অংশ যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে এবং বাকি অংশ নিম্ন তাপমাত্রার সিঙ্কে ফেলে দেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: গাড়ির ইঞ্জিন এবং কয়লা বা গ্যাসের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের টারবাইন এই নীতির ওপর কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টিম ইঞ্জিন বা বাষ্পীয় ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করা হয়, যা পিস্টন চালিয়ে যান্ত্রিক শক্তি উৎপন্ন করে।
উদাহরণ ২: পেট্রোল ও ডিজেল চালিত মোটর গাড়ির ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: জ্বালানি দহনের মাধ্যমে উৎপন্ন তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে গাড়িকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যান্ত্রিক শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তর — এটি তাপ ইঞ্জিনের কাজের উল্টো প্রক্রিয়া, যা ব্রেক কষার সময় ঘর্ষণের মাধ্যমে ঘটে।
B) তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর — এটি সঠিক, কারণ তাপ ইঞ্জিন ঠিক এই কাজটিই সম্পন্ন করে।
C) বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর — এটি বৈদ্যুতিক মোটরের কাজ, তাপ ইঞ্জিনের কাজ নয়।
D) তাপ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর — এটি থার্মোইলেকট্রিক ডিভাইস বা বিশেষ জেনারেটরের কাজ, যা সরাসরি তাপ থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাপ ইঞ্জিন মানেই তাপ থেকে যান্ত্রিক গতি বা কাজ পাওয়া।
- ইঞ্জিনের কাজ গাড়ি চালানো বা পিস্টন ঘোরানো, যা এক ধরনের যান্ত্রিক শক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- থার্মোডিনামিক্স বা তাপগতিবিদ্যার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র থেকে তাপ ইঞ্জিনের দক্ষতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
- তাপ ইঞ্জিনের দক্ষতা কখনো শতভাগ হতে পারে না, এটি কার্নো চক্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
সঠিক উত্তর:
A) Random Access Memory
১. কেন সঠিক:
- RAM হলো কম্পিউটারের মূল মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি, যা প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা সরবরাহ করে।
- এটি ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি, যার অর্থ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এর সব ডেটা মুছে যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: RAM বা Random Access Memory হলো এমন একটি মেমোরি যেখানে যেকোনো লোকেশন থেকে সরাসরি এবং সমান সময়ে ডেটা পড়া ও লেখা যায়।
- কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় চলমান অ্যাপ্লিকেশনের নির্দেশাবলি ও ডেটা সাময়িকভাবে এতে সংরক্ষিত থাকে এবং সিপিইউ প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় সুবিধাই দেয় এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস স্পিড হার্ডডিস্কের তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত হয়।
- ব্যবহার: কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার রান করার সময় এটি প্রধান মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- পার্থক্য: ROM হলো স্থায়ী মেমোরি যেখানে ডেটা অপরিবর্তিত থাকে, পক্ষান্তরে RAM হলো অস্থায়ী যা কেবল বিদ্যুৎ থাকা পর্যন্ত ডেটা ধরে রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুঠোফোনে একাধিক অ্যাপ একসঙ্গে চালু রাখা।
ব্যাখ্যা: RAM বেশি থাকলে মুঠোফোন বা কম্পিউটার স্লো না হয়ে একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাপ বা গেম স্মুথলি চালাতে পারে।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারে কোনো কাজ সেভ না করে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে তা হারিয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: RAM অস্থায়ী হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে এর ভেতরের সব ডেটা চিরতরে মুছে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Random Access Memory — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি RAM এর পূর্ণরূপ এবং এর কার্যপদ্ধতি নির্দেশ করে।
B) Read Only Memory — এটি ভুল কারণ এটি ROM-এর পূর্ণরূপ যা স্থায়ী মেমোরি এবং কেবল পড়া যায়।
C) Random Adaptive Mamory — এটি ভুল কারণ মেমোরির নামকরণে এডাপ্টিভ বা অভিযোজিত শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
D) Readable Memory — এটি ভুল কারণ এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার মেমোরির প্রচলিত পূর্ণরূপ বা নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- RAM মানে রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি, যা ভোলাটাইল বা অস্থায়ী।
- ROM মানে রিড অনলি মেমোরি, যা নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- RAM হলো ভোলাটাইল মেমোরি আর ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- পরীক্ষায় প্রায়ই RAM ও ROM এর পূর্ণরূপ এবং মেমোরির ধরন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
D) Local Area Networking
১. কেন সঠিক:
- LAN শব্দটির পূর্ণরূপ হলো Local Area Network, তবে প্রশ্ন ও অপশনের প্রেক্ষাপটে Local Area Networking সঠিক নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে।
- এটি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমার মধ্যে কম্পিউটারগুলোকে নিজেদের মধ্যে সংযুক্ত করার প্রযুক্তি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: Local Area Network বা ল্যান হলো একটি সীমিত এলাকার মধ্যে, যেমন একটি রুম, অফিস ভবন বা স্কুল ক্যাম্পাসের মধ্যে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর সংযোগ ব্যবস্থা।
- কার্যপদ্ধতি: এই নেটওয়ার্কে তারযুক্ত ক্যাবল বা ওয়াইফাই প্রযুক্তির মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করা হয় এবং কেন্দ্রীয় সার্ভারের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইস যুক্ত থাকে।
- বৈশিষ্ট্য: এর ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক বেশি হয় এবং বাইরের ইন্টারনেটের ওপর সরাসরি নির্ভর করতে হয় না।
- ব্যবহার: অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রিন্টার শেয়ার করা, ফাইল আদান-প্রদান করা এবং স্থানীয় ডেটাবেজ ব্যবহারের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব।
ব্যাখ্যা: ল্যাবের প্রতিটি কম্পিউটার একটি সুইচ বা হাবের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং সবাই মিলে একটি প্রিন্টার ব্যবহার করতে পারে।
উদাহরণ ২: ব্যাংকের শাখা অফিস।
ব্যাখ্যা: ব্যাংকের ভেতরের সমস্ত কম্পিউটার একটি স্থানীয় নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকে যাতে কর্মীরা দ্রুত গ্রাহকের তথ্য আদান-প্রদান করতে পারেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Local Action Network — এই নামের কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি নেই।
B) Local Apple Network — এটি কোনো সাধারণ নেটওয়ার্কিং পরিভাষা নয়, বরং অ্যাপল কোম্পানির ডিভাইসের সঙ্গে বিভ্রান্তিকরভাবে যুক্ত করা হয়েছে।
C) Locak Action Network — বানান ভুল এবং এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের কোনো বৈধ নাম নয়।
D) Local Area Networking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সীমিত এলাকার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থাকে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেটওয়ার্কের পরিধি মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অংশ যেমন Local, Metropolitan, Wide মনে রাখতে হবে।
- LAN মানে ঘরের ভেতর বা নির্দিষ্ট ভবনের ভেতরের ছোট নেটওয়ার্ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভৌগোলিক বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রধানত তিন প্রকার, যথা LAN, MAN এবং WAN।
- ডেটা স্থানান্তরের গতির দিক থেকে LAN সবচেয়ে দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
সঠিক উত্তর:
C) সমুদ্রের সম্পদ নির্ভর অর্থনীতির সাথে
১. কেন সঠিক:
ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি মূলত সমুদ্রের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রেখে সামুদ্রিক সম্পদ টেকসই উপায়ে আহরণ ও ব্যবহারের অর্থনীতিকে বোঝায়।
এটি সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, খনিজ সম্পদ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সামুদ্রিক পর্যটন উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ব্লু ইকোনমি হলো সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবহার করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উন্নত জীবনযাত্রা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির দীর্ঘমেয়াদি কৌশল।
কার্যপদ্ধতি: এটি সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে তেল, গ্যাস, মৎস্য ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ আহরণ করে।
ব্যবহার: উপকূলীয় দেশগুলোতে সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য বিমোচন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গোপসাগর থেকে টুনা মাছ আহরণ।
ব্যাখ্যা: এটি সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ নির্ভর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের একটি বাস্তব উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের তলদেশ থেকে গ্যাস ও খনিজ সম্পদ উত্তোলন।
ব্যাখ্যা: এটি সমুদ্রের অজীবজ সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি চাহিদা পূরণের প্রক্রিয়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমুদ্র মাছ এর ব্যবসা এর সাথে — এটি ব্লু ইকোনমির একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সমগ্র অর্থনীতির পরিধিকে বোঝায় না।
B) সমুদ্র গবেষণার সাথে — সামুদ্রিক গবেষণা ব্লু ইকোনমির সহায়তাকারী বিষয়, সরাসরি সম্পূর্ণ অর্থনীতি নয়।
D) সমুদ্র ভবনের সাথে — সমুদ্র ভবন বলতে কোনো সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক খাত বোঝায় না এবং এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্লু বা নীল রঙ সমুদ্রের প্রতীক, তাই ব্লু ইকোনমি মানেই সমুদ্রকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।
সমুদ্রের তলদেশ থেকে উপকূল পর্যন্ত সব ধরনের সম্পদ রক্ষা ও ব্যবহারই এর মূল লক্ষ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের মোট অর্থনীতির একটি বড় অংশ ব্লু ইকোনমি বা সমুদ্র অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি পরিবেশগত অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়ন অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ সমাসে
১. কেন সঠিক:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো পূর্বপদের সঙ্গে যুক্ত দ্বিতীয় থেকে সপ্তমী বিভক্তি সমস্তপদে গিয়ে লুপ্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কারক ও বিভক্তির ওপর ভিত্তি করে তৎপুরুষ সমাস সাধারণত নয় প্রকার হয়ে থাকে।
- যেমন, দ্বিতীয় তৎপুরুষ, তৃতীয় তৎপুরুষ, চতুর্থী তৎপুরুষ, পঞ্চমী তৎপুরুষ, ষষ্ঠী তৎপুরুষ, সপ্তমী তৎপুরুষ, নয় তৎপুরুষ, উপপদ তৎপুরুষ এবং গত বা গতানুগতিক তৎপুরুষ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ দুঃখ এর সঙ্গে দ্বিতীয় বিভক্তি কে লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মধু দ্বারা মাখা = মধুমাখা
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ মধু এর সঙ্গে তৃতীয় বিভক্তি দ্বারা লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলুক সমাসে — অলুক সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, বরং অপরিবর্তিত থাকে।
B) বহুব্রীহি সমাসে — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়।
C) কর্মধারায় সমাসে — কর্মধারায় সমাসে সাধারণত পদের বিভক্তি লোপ পাওয়ার বিষয়টি প্রধান আলোচনার বিষয় নয়।
D) তৎপুরুষ সমাসে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পাওয়ার বিষয়টি প্রধান শর্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে বিভক্তি লোপ পায় অর্থাৎ তুচ্ছ করে বিভক্তি ফেলে দেওয়া হয়।
- তৎপুরুষ মানেই বিভক্তি লোপ পাওয়া সমাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাসের নাম জানতে চাওয়া হয়, তাই ব্যাসবাক্যের বিভক্তি দেখে সমাস নির্ধারণ করতে হবে।
- পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেলেই চোখ বন্ধ করে তৎপুরুষ সমাস দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কর্তা, কর্ম, কৃয়া
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বাক্যের মূলত তিনটি প্রধান অংশ থাকে যা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে। এগুলো হলো কর্তা (যে কাজ করে), কর্ম (যাকে নিয়ে কাজ করা হয়) এবং ক্রিয়া (যা দ্বারা কাজ সম্পন্ন হয়)।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যের ব্যাকরণগত গঠনে বাক্যের মূল উপাদান হলো পদ। এর মধ্যে সমাপিকা ক্রিয়া বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ করে এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে কর্তা ও কর্ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম বই পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে রহিম হলো কর্তা, বই হলো কর্ম এবং পড়ে হলো ক্রিয়া।
উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে পাখি হলো কর্তা, আকাশে হলো অধিকরণ কারক এবং ওড়ে হলো ক্রিয়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস,উপসর্গ,প্রত্যয় — এগুলো শব্দ গঠন ও পদ তৈরির প্রক্রিয়া, বাক্যের প্রধান অংশ নয়।
B) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য — এগুলো ভাষা তৈরির একক বা পর্যায়ক্রম, বাক্যের ভেতরের অংশ নয়।
C) বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ — এগুলো পদের প্রকারভেদ, কিন্তু বাক্যের প্রধান অংশ কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যের প্রধান অংশ মনে রাখার জন্য ক ক ক অর্থাৎ কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া সূত্রটি মনে রাখতে পারো। এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য প্রকরণ অংশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের উপাদান বা অংশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়ার পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) কিছু লোক আছে অসহায় তাদের পাশে দাঁড়াও
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি সরল বাক্যে আছে কারণ এতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে। একে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে দুটি স্বাধীন বাক্যকে সংযোজক অব্যয় বা যোজক দ্বারা যুক্ত করতে হবে।
- সঠিক অপশনে দুটি খণ্ডবাক্য স্বাধীনভাবে অবস্থান করেছে এবং অর্থ পরিবর্তনের কোনো ঘটে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্য ও বাক্য রূপান্তর হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যের গঠনগত রূপ বদলানো হয়।
- সরল বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে এবং যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য এবং অথবা কিন্তু ইত্যাদি যোজক দ্বারা যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনীরা অনেক সময় গরিবদের অবহেলা করে। (সরল বাক্য)
ব্যাখ্যা: এটিকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়, অনেকেই ধনী কিন্তু তারা গরিবদের অবহেলা করে। এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য যোজক দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সে মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও পরীক্ষায় ফেল করল। (সরল বাক্য)
ব্যাখ্যা: এটিকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়, সে খুব মেধাবী কিন্তু সে পরীক্ষায় ফেল করল। এটি যৌগিক বাক্যের গঠন নিয়ম অনুসরণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যারা অসহায় তাদের পাশে দাঁড়াও — এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এতে যারা এবং তাদের সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে।
C) পাশে দাঁড়াতে হবে যারা কিনা অসহায় — এটিও একটি জটিল বাক্যের গঠন নির্দেশ করে, যা যৌগিক বাক্যের রূপান্তরের নিয়ম নয়।
D) অসহায়ের পাশে দাঁড়াবে এবং সাহায্য করবে — এটি যৌগিক বাক্য হলেও মূল বাক্যের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ নয় কারণ এখানে অতিরিক্ত সাহায্য করার কথা বলা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করার সময় দুটি স্বাধীন বাক্য তৈরি করে মাঝখানে এবং কিংবা কিন্তু বসাতে হয়।
- জটিল বাক্যের সাপেক্ষ সর্বনামগুলো যৌগিক বাক্যে ব্যবহার করা যায় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে অপশনের গঠন ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
- সরল থেকে যৌগিক করার সময় বাক্যের মূল অর্থ যেন অপরিবর্তিত থাকে সেদিকে নজর রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আনোয়ার পাশা
১. কেন সঠিক:
- 'রাইফেল রোটি আওরাত' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচিত প্রথম উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই উপন্যাসটি রচিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক দলিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে জুন মাসের মধ্যে এই উপন্যাসটি রচনা করেন।
- উপন্যাসের নামটিতে তিনটি ভাষার শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, যা তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও বহিরাগত রূপ ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রশীদ হায়দার রচিত 'খাঁচায়'
ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত 'জাহান্নাম হইতে বিদায়'
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসগুলোর অন্যতম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রখ্যাত উপন্যাস 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' ও 'আরেক ফাল্গুন' রচনা করেছেন, তবে 'রাইফেল রোটি আওরাত' তাঁর রচনা নয়।
B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি বাংলা উপন্যাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' অন্যতম, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — তিনি বাংলা কথাসাহিত্যের বরেণ্য লেখক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'চিলেকোঠার সেপাই' ও 'খোয়াবনামা', তবে 'রাইফেল রোটি আওরাত' তাঁর নয়।
D) আনোয়ার পাশা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস 'রাইফেল রোটি আওরাত' রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আনোয়ার পাশার লেখা অস্ত্র সংক্রান্ত উপন্যাসের নাম 'রাইফেল রোটি আওরাত' মনে রাখা যায় এভাবে যে, তিনি যুদ্ধের দিনগুলোতে এই অনন্য দলিলটি লিখেছিলেন।
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখতে নামের প্রথম অংশটি মাথায় রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাসের নাম ও রচয়িতা প্রায়ই আসে।
- একই সঙ্গে উপন্যাসটির রচনার সাল ও পটভূমি ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) পটপট
১. কেন সঠিক:
- পটপট একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ, যা কোনো কিছুর দ্রুত ভেঙে যাওয়ার বা ফুটার আওয়াজ প্রকাশ করে।
- এই শব্দটিতে একই শব্দ বা ধ্বনি পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে দ্বিত্ব গঠন করেছে এবং এটি মূলত কোনো শব্দ বা ধ্বনির অনুকৃতি বা অনুকার শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনি, জীবজন্তুর ডাক কিংবা কোনো কিছুর অনুকরণে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকার শব্দ বলে।
- এই ধরনের শব্দ যখন পরপর দুইবার উচ্চারিত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বা শব্দদ্বিত্ব বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খটখট
ব্যাখ্যা: এটি কাঠের বা শক্ত জিনিসের আঘাতের শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব।
উদাহরণ ২: ঝমঝম
ব্যাখ্যা: এটি বৃষ্টির পতনের শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চুপচাপ — এটি কোনো ধ্বনির অনুকরণ নয়, বরং এটি একটি ক্রিয়াবিশেষণ বা অবস্থা প্রকাশক শব্দদ্বিত্ব।
B) পটপট — সঠিক উত্তর, কারণ এটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের অন্তর্ভুক্ত।
C) উডু উডু — এটি কোনো ধ্বনির অনুকৃতি নয়, বরং মনের অবস্থা বা ভাব প্রকাশকারী দ্বিরুক্ত শব্দ।
D) টেকা টেকি — এটি শব্দের রূপান্তর বা পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝায়, ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আওয়াজ বা ধ্বনি বোঝালে তা ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হবে, যেমন পটপট, খটখট।
- অবস্থা বা ভাব বোঝালে তা সাধারণ শব্দদ্বিত্ব হবে, যেমন চুপচাপ, উডু উডু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব এবং ভাববাচক দ্বিরুক্তির মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- শব্দের উৎস ও অর্থ ভালো করে বুঝলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়
কেন সঠিক:
- 'না' শব্দটি বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করে নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করেছে।
- এটি এমন একটি শব্দ যা কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তিত বা রূপান্তরিত হয় না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদের কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, তাকে অব্যয় পদ বলে।
- বাক্যে না, হাঁ, আর, কিন্তু ইত্যাদি শব্দ সাধারণত অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: আমি ভাত খাব না। এখানে 'না' একটি অব্যয় পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিশেষণ — কারণ এটি বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ গুণ প্রকাশ করছে না।
- B) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشن ভুল নয়।
- C) ক্রিয়া বিশেষণ — কারণ এটি ক্রিয়ার সময় বা স্থান নির্দেশ করছে না, বরং সমাপিকা ক্রিয়ার সাথে বসে নিষেধ বা না বোধক অর্থ প্রকাশ করছে।
- D) অনুসর্গ — কারণ এটি কোনো শব্দের পরে বসে কারক বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
- না, নি, নাই ইত্যাদি শব্দ যখন বাক্যে অসম্মতি বা নেতিবাচকতা বোঝায়, তখন সেগুলো সাধারণত অব্যয় পদ হয়।
সঠিক উত্তর: A) লাউ
১. কেন সঠিক:
দ্বিস্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরধ্বনি হলো পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়ে যখন একটি একক স্বরধ্বনি বা স্বরবর্ণের মতো উচ্চারিত হয়। লাউ শব্দটিতে আ এবং উ পাশাপাশি যুক্ত হয়ে ঔ ধ্বনির মতো দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে পঁচিশটি। লিখিত রূপের দিক থেকে যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি হলো ঐ এবং ঔ। এছাড়া উচ্চারণের সময় আরও তেইশটি দ্বিস্বরধ্বনি পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাই
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে আ এবং ই মিলে দ্বিস্বরধ্বনি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মাউস
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে আ এবং উ মিলে দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাউ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে।
B) দিন — এই শব্দটিতে কোনো দ্বিস্বরধ্বনি নেই, এটি সাধারণ স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত।
C) বলি — এই শব্দটিতে কোনো দ্বিস্বরধ্বনি নেই, এখানে কেবল একক স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি রয়েছে।
D) ইতি — এই শব্দটিতে কোনো দ্বিস্বরধ্বনি নেই, এটি সাধারণ ই এবং অ স্বরধ্বনি দিয়ে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি হলো ঐ এবং ঔ। এছাড়া শব্দের মধ্যে দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে তাকে দ্বিস্বরধ্বনি বলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশটি এবং যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা দুটি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বিস্বরধ্বনি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের উচ্চারণ বিশ্লেষণ করে উত্তর বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) উরগ
১. কেন সঠিক:
- বুকে ভর দিয়ে চলে যে, তাকে এককথায় উরগ বলা হয়।
- এখানে উর অর্থ বুক এবং গ অর্থ গমনকারী বা চলে যে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে ওড়ে যে
ব্যাখ্যা: একে এককথায় খেচর বা বিহগ বলা হয়।
উদাহরণ ২: জলে চরে যে
ব্যাখ্যা: একে এককথায় জলচর বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুজগ — এর অর্থ সাপ, যা ভুজ বা বাহুর সাহায্যে চলে এবং এটি উরগ শব্দের সমার্থক হলেও নির্দিষ্ট মূল বাক্যের সঠিক প্রকাশ নয়।
B) তুরগ — এর অর্থ ঘোড়া, যা চার পায়ে দ্রুত চলে এবং বুকে ভর দিয়ে চলার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) বিহগ — এর অর্থ পাখি, যা আকাশে উড়ে বেড়ায় এবং এই শব্দের মূল অর্থ আকাশ দিয়ে গমন করে যে।
D) উরগ — সঠিক উত্তর, কারণ এর আক্ষরিক অর্থ বুকে ভর দিয়ে চলে যে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উর শব্দের অর্থ বুক এবং গ মানে গমন করা, তাই বুকে ভর দিয়ে চলে যে তা উরগ।
- সাপ বুকে ভর দিয়ে চলে বলে সাপকে উরগ বলা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবজন্তু ও তাদের চলাচলের ধরন সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- উরগ এবং ভুজগ শব্দ দুটি প্রায় কাছাকাছি মনে হলেও এদের ব্যুৎপত্তিগত অর্থে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) সায়ও্বশাসন
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে সায়ও্বশাসন বানানটি ভুল কারণ এতে বাংলা বানানরীতির নিয়ম লঙ্ঘন করে ত্রুটিপূর্ণ বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে।
- সঠিক বানান হলো স্বায়ত্তশাসন, যেখানে ত এর নিচে ব ফলা যুক্ত থাকে এবং ও কারের কোনো ব্যবহার হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দে নিয়ম মেনে সঠিক বর্ণগুচ্ছ ব্যবহার করতে হয়।
- স্বায়ত্তশাসন শব্দটি গঠিত হয়েছে স্বয়ং যোগ শাসন থেকে, যেখানে মাঝখানে ত এবং ব এর যুক্তরূপ বসে শব্দটির সঠিক রূপ নির্ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ শব্দ যেখানে ত-এর নিচে ব ফলা যুক্ত রয়েছে।
উদাহরণ ২: স্বয়ংসম্পূর্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও স্বয়ং উপসর্গের সঠিক প্রয়োগ এবং প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সায়ও্বশাসন — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এতে অপ্রাসঙ্গিক ও কার এবং ব-ফলার ভুল ব্যবহার রয়েছে।
B) সর্বস্বান্ত — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ সর্বস্ব যোগ অন্ত মিলে এই রূপটি গঠিত হয়েছে এবং এখানে ন্ত যুক্তবর্ণ সঠিক।
C) মুমূর্ষু — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ প্রথম উ-কার দীর্ঘ এবং দ্বিতীয় উ-কার হ্রস্ব নিয়মে লেখা হয়েছে।
D) শুশ্রূষা — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে তালব্য শ-এ উ-কার এবং মূর্ধন্য ষ-এ দীর্ঘ ঊ-কার প্রমিত নিয়ম মেনে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বায়ত্তশাসন বানানটি লেখার সময় মনে রাখতে হবে এর ভেতরে কোনো ও-কার নেই বরং ত-এর নিচে ব ফলা আছে।
- মুমূর্ষু ও শুশ্রূষা শব্দগুলোর বানান মনে রাখার জন্য উ-কার ও ঊ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- একই ধরনের জটিল ও তুলনামূলক কঠিন শব্দ যেমন সান্ত্বনা, দ্বন্দ্ব বা মুহূর্ত বানানগুলো মনোযোগ দিয়ে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রস্তুতি নেওয়া
১. কেন সঠিক:
- 'আটঘাট বাঁধা' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ কোনো কাজের জন্য সর্বতোভাবে প্রস্তুত হওয়া।
- এখানে 'আটঘাট' শব্দটি দিয়ে কোনো কাজের সব দিক বা খুঁটিনাটি বিষয়কে শক্তপোক্ত করা বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব বা প্রকাশভঙ্গি প্রকাশ করে।
- এটি বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষার ভাবকে সংহত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষা শুরুর আগে সব পড়াশোনা শেষ করে আটঘাট বেঁধে নামতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে যেকোনো বড় কাজের আগে সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়ার অর্থে 'আটঘাট বেঁধে' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নতুন ব্যবসা শুরু করার আগে ব্যবসায়ীরা আটঘাট বেঁধে মাঠে নামে।
ব্যাখ্যা: ব্যবসায় ঝুঁকি এড়াতে সব প্রস্তুতি বা পরিকল্পনা সম্পন্ন করা বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রাসঙ্গিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘাটে নামা — এটি কোনো বাগধারা নয় এবং এর মাধ্যমে সার্বিক কোনো প্রস্তুতির ভাব প্রকাশ পায় না।
B) কাজে নামা — এটি কাজের একটি সাধারণ পর্যায়, কিন্তু 'আটঘাট বাঁধা' মূলত কাজটি শুরু করার আগের প্রস্তুতিকে বোঝায়।
C) সর্বনাশ করা — এর অর্থ কোনো ক্ষতিসাধন করা, যা 'আটঘাট বাঁধা' বাগধারার অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) প্রস্তুতি নেওয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার ভাব প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো কাজের আগে আটটি ঘাট বা রাস্তা শক্ত করে বেঁধে নেওয়া মানেই হলো কাজের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া।
- পরীক্ষার হলে এই ধরনের বাগধারা দেখলে কাজের আগের প্রস্তুতিমূলক অবস্থা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রস্তুতি বা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সংক্রান্ত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই রকম আরেকটি জনপ্রিয় বাগধারা হলো 'কোমর বাঁধা', যার অর্থও দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) বারি+ ঈশ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তর নির্ণয়ের মূল কারণ হলো স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ই-কার বা ঈ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়।
- এখানে বারি শব্দের অন্তে ই-কার এবং ঈশ শব্দের আদিতে ঈ-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- স্বরসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো হ্রস্ব ই বা দীর্ঘ ঈ এর পর হ্রস্ব ই বা দীর্ঘ ঈ থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ হয়।
- বারি শব্দের অর্থ পানি এবং ঈশ শব্দের অর্থ প্রভু, ফলে উভয় মিলে বারীশ বা সমুদ্র অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী + ইন্দ্র = ন্দীন্দ্র
ব্যাখ্যা: নদী শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারের পর ইন্দ্র শব্দের হ্রস্ব ই-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: পরি শব্দের হ্রস্ব ই-কারের পর ঈক্ষা শব্দের দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বারী+ ঈশ — বারী শব্দে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বানান নয়।
C) বারী+ ইশ — বারী বানান ভুল এবং ইশ শব্দে হ্রস্ব ই ব্যবহার করা হয়েছে।
D) বারি+ ইশ — ইশ শব্দে হ্রস্ব ই ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু ঈশ শব্দে দীর্ঘ ঈ হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর মতো বারি শব্দে হ্রস্ব ই এবং ঈশ্বরের মতো ঈশ শব্দে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করতে হয়।
- ই এবং ঈ মিলে সর্বদা দীর্ঘ ঈ হয় তা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ঈ-কারান্ত সন্ধি বিচ্ছেদ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল বানান ঠিক রেখে সন্ধি বিচ্ছেদ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) মিস্ত্রীর রাজা
১. কেন সঠিক:
- রাজমিস্ত্রি শব্দটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বিশেষ উদাহরণ যেখানে ব্যাসবাক্য হবে মিস্ত্রীর রাজা।
- সমস্ত পদে সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস হলেও এখানে পদের অর্থের উৎকর্ষ বা বিশেষত্ব বোঝাতে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
- রাজমিস্ত্রি শব্দের ক্ষেত্রে সব মিস্ত্রির মধ্যে যিনি শ্রেষ্ঠ বা প্রধান, তাকে বোঝাতে মিস্ত্রীর রাজা এভাবে ব্যাসবাক্য করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাইপাশ
ব্যাখ্যা: ছাই ও পাস এর সমার্থক মিলনে দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশসেবা
ব্যাখ্যা: দেশকে সেবা অর্থাৎ চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজার মিস্ত্রি — এই ব্যাসবাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ রাজমিস্ত্রি কোনো রাজার নিজস্ব মিস্ত্রি বোঝায় না।
B) রাজা যে মিস্ত্রি — এটি কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য হওয়ার কথা কিন্তু রাজমিস্ত্রি কর্মধারয় সমাস নয়।
D) মিস্ত্রি যার রাজা — এটি বহুব্রীহি সমাসের কাঠামোগত ব্যাসবাক্য যা এই পদের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শ্রেষ্ঠ বা প্রধান অর্থে তৎপুরুষ সমাস নির্ণয়ের সময় মূল বিশেষ্য পদটি আগে এবং রাজা শব্দটি পরে বসে।
- যেমন রাজপথ শব্দের ব্যাসবাক্য পথের রাজা হয়, তেমনি রাজমিস্ত্রি শব্দের ব্যাসবাক্য মিস্ত্রীর রাজা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- রাজপথ, রাজহাঁস এবং রাজমিস্ত্রি শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মারাঠি
১. কেন সঠিক:
- 'বর্গী' শব্দটি মারাঠি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে মারাঠা সওয়ারি বা অশ্বারোহী সেনারা বাংলায় আক্রমণ চালিয়ে looting চালাত, যাদের বর্গী বলা হতো।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি শব্দের মধ্যে মারাঠি শব্দ অন্যতম। মারাঠা জাতির নাম থেকেই বর্গী শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বর্গী এলো দেশে।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা লোকসাহিত্যে মারাঠা আক্রমণ বোঝাতে ব্যবহৃত একটি প্রবাদমূলক বাক্য।
উদাহরণ ২: বর্গী এলো গান।
ব্যাখ্যা: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত কবিতায় এই শব্দের ব্যবহার দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিংহলি — সিংহল শ্রীলঙ্কার প্রাচীন নাম হলেও এই ভাষা থেকে বর্গী শব্দটি বাংলায় আসেনি।
B) বর্মি — মায়ানমার বা বার্মার ভাষা বর্মি হলেও বর্গী শব্দের সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাগত সম্পর্ক নেই।
C) গুজরাটি — গুজরাট ভারতের একটি রাজ্য এবং এর ভাষা গুজরাটি হলেও বর্গী শব্দটি এই উৎস থেকে আসেনি।
D) মারাঠি — এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বর্গী মানে মারাঠা সেনা, তাই বর্গী শব্দটিও মারাঠি ভাষা থেকেই বাংলায় এসেছে। এভাবে ঐতিহাসিক চরিত্রের সঙ্গে ভাষার উৎস মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মারাঠি শব্দ মনে রাখার জন্য বর্গী শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) অর্বাচীন
১. কেন সঠিক:
প্রাচীন শব্দের অর্থ হলো খুব পুরানো, কালপ্রাচীন বা অতীতকালের কোনো কিছু।
এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো অর্বাচীন, যার অর্থ হলো আধুনিক, নতুন বা সাম্প্রতিককালের।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার ভাবকে স্পষ্ট ও জোরালো করা হয়।
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে শব্দের উৎসমূল ও অর্থের সামঞ্জস্য রক্ষা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ আজো আমাদের ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন শব্দটি অতীতকালের বা বহুকাল আগের অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: অর্বাচীন তরুণেরা অনেক সময় না বুঝে আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত নেয়।
ব্যাখ্যা: এখানে অর্বাচীন শব্দটি কমবয়সী বা আধুনিক যুগের অপরিপক্ব তরুণদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবীণ — প্রবীণ শব্দের অর্থ অভিজ্ঞ বা বয়োজ্যেষ্ঠ, যা প্রাচীন শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়।
B) নবীন — নবীন শব্দের অর্থ নতুন, তবে প্রাচীন শব্দের প্রচলিত ও সবচেয়ে নিখুঁত বিপরীতার্থক শব্দ হলো অর্বাচীন।
C) অর্বাচীন — এটি সঠিক উত্তর।
D) নতুন — নতুন শব্দটি মূলত পুরাতন শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন শব্দের সাথে অর্বাচীন শব্দটির একটি প্রমিত বিপরীত জোড় রয়েছে।
পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের সাথে অর্থের গভীরতা মিলিয়ে দেখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ ব্যবহার করা শ্রেয়।
প্রাচীন ও অর্বাচীন দুটিই তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ হওয়ায় এরা নিখুঁত বিপরীত জোড় গঠন করে।
সঠিক উত্তর: C) তোমাকে তোমার কর্মফল মানতেই হবে
১. কেন সঠিক:
- এই প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো যেমন বিছানা তুমি তৈরি করবে, তেমনি তার ওপর তোমাকে শুতে হবে। অর্থাৎ নিজের কাজের পরিণতি নিজেকেই ভোগ করতে হয়।
- কর্মফল বলতে বোঝায় মানুষের ভালো বা মন্দ কাজের ফল, যা তাকে অনিবার্যভাবে গ্রহণ করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ বা Proverb, যার আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ পরীক্ষার জন্য বেশি উপযোগী।
- প্রবাদ-প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের জনশ্রুতি বা অভিজ্ঞতার ফল যা রূপক অর্থে কোনো গভীর সত্য প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: As you sow, so you reap.
ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি প্রবাদটির বাংলা অর্থ হলো যেমন কর্ম তেমন ফল, যা আলোচ্য প্রবাদের সমার্থক।
উদাহরণ ২: Tit for tat.
ব্যাখ্যা: এর বাংলা অর্থ হলো যেমন কুকুর তেমন মুগুর, যা আরেকটি জনপ্রিয় প্রবাদের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তোমাকে একাকি ঘুমোতে হবে — এটি প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলেও এর কোনো গভীর ভাবার্থ বা রূপক অর্থ নেই।
B) তোমার নিজের জীবন নিজেকেই করতে হবে — এটি জীবনের দায়িত্বশীলতার কথা বললেও নির্দিষ্ট এই প্রবাদের ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
D) ধর্মের কল বাতাসে নড়ে — এটি একটি ভিন্ন প্রবাদ যার অর্থ সত্য আপনিই প্রকাশ পায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিছানা পাতার সঙ্গে শোয়ার সম্পর্ক থেকে মনে রাখবে যেমন কাজ করবে, তেমনই ফল পাবে।
- প্রবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা নৈতিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রবাদের সঠিক বাংলা ভাবানুবাদ প্রায়ই আসে।
- প্রবাদ মুখস্থ না করে তার মূল তাৎপর্য বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) দুর্বল জায়গা
১. কেন সঠিক:
- 'The heel of Achilles' একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ মারাত্মক দুর্বলতা বা গোপন দুর্বল জায়গা।
- গ্রিক পুরানের বীর একিলিসের শরীরের একমাত্র দুর্বল বা অরক্ষিত স্থান ছিল তার গোড়ালি, যা থেকেই এই বিশেষ অর্থ এসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি কোনো বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম নয়, বরং ইংরেজি থেকে আগত একটি আন্তর্জাতিক প্রবাদ বা রূপক অভিব্যক্তি যা বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিক উপকথার বীর একিলিসের মা থেটিস তাকে অমর করার জন্য পাতালের স্টাইক্স নদীতে ডুবিয়েছিলেন, কিন্তু গোড়ালি ধরে রাখায় সেই গোড়ালি পানিতে ভেজেনি এবং সেটিই তার একমাত্র মরণাস্ত্রের আঘাতের স্থান হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুর্নীতিই ওই রাজনৈতিক দলের একিলিসের হিল বা দুর্বল জায়গা।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দলটির প্রধান দুর্বল দিক বোঝাতে প্রবাদটির সফল প্রয়োগ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই তার জীবনের একিলিসের হিল হিসেবে দেখা দিল।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের চরিত্রের গোপন ও মারাত্মক দুর্বল দিক বোঝাতে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একিলিসের গোড়ালি — এটি শাব্দিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদের ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থ চাওয়া হয়, তাই এটি ভুল।
C) সবল অংশ — এটি 'দুর্বল জায়গা' প্রবাদের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল ভাবার্থের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
D) একিলিসের বীরত্ব — প্রবাদটি কোনো বীরত্ব প্রকাশ করে না, বরং অজেয় বীরের একমাত্র মারাত্মক দুর্বলতাকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একিলিসের শরীরের বাকি সব অংশ শক্তিশালী থাকলেও গোড়ালি ছিল অরক্ষিত, তাই গোড়ালি মানেই হলো যেকোনো শক্তিশালী ব্যক্তির বা বিষয়ের মূল দুর্বলতা।
- প্রবাদ দেখলে আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর রূপক বা ঐতিহাসিক পেছনের গল্পটি মনে রাখার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি প্রবাদ ও ইডিওমের সঠিক বাংলা ভাবার্থ বা অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রবাদের পেছনের পৌরাণিক বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অনুসর্গ
১. কেন সঠিক:
বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কারক বোঝাতে সাহায্য করে। অনুসর্গগুলো স্বাধীন পদ হিসেবে বসেও অনেক সময় বিভক্তির কাজ করে থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে শব্দকে বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে যুক্ত করে তাকে অনুসর্গ বলে। এগুলোকে কর্মপ্রবচনীয়ও বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেশের তরে জীবন দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে তরে শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বন থেকে বাঘ পালায়।
ব্যাখ্যা: এখানে থেকে অনুসর্গটি বিভক্তির ন্যায় কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বচনচিহ্ন — বচনচিহ্ন শব্দের সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এটি সরাসরি বিভক্তি হিসেবে কাজ করে না।
B) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে কিন্তু বিভক্তি হিসেবে কাজ করে না।
D) নির্দেশক — নির্দেশক নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু কারক বোঝাতে বিভক্তির কাজ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
অনুসর্গগুলো শব্দের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে। তাই অনুসর্গকে অনেক সময় বিভক্তির বিকল্প বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ ও বিভক্তির পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে। কারক নির্ণয়ের সময় অনুসর্গের ব্যবহার প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) তরুবরে
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে কাটিলা ক্রিয়াপদকে কোথায় বা কিসে অর্থে প্রশ্ন করা হলে শাল্মলী তরুবরে উত্তর আসে, যা বাক্যের কর্মকারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। কর্মকারক চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়াপদকে কী বা কাাকে দিয়ে প্রশ্ন করা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো।
ব্যাখ্যা: কাকে ডাকো প্রশ্নের উত্তরে ডাক্তার কর্মকারক।
উদাহরণ ২: ফুল তুলছি।
ব্যাখ্যা: কী তুলছি প্রশ্নের উত্তরে ফুল কর্মকারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুলদল — এটি করণ কারক কারণ ফুল দিয়ে কাটার মাধ্যম বোঝানো হয়েছে।
B) বিধি — এটি কর্তৃকারক কারণ বিধি বা সৃষ্টিকর্তা কাটার কাজটি করছেন।
C) কাটিলা — এটি বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়াপদ, কোনো কারক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কাকে বা কী দিয়ে প্রশ্ন করে কারক নির্ণয় করবে। মাধ্যম বোঝালে করণ এবং যাকে কেন্দ্র করে কাজ সম্পন্ন হয় তা কর্মকারক।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য বাক্যের অর্থ এবং ক্রিয়াপদের সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) র
১. কেন সঠিক:
কারকপদে বা বাক্যে নামপদের সঙ্গে অন্য পদের সম্পর্ক বোঝাতে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বিভক্তি বলে।
সম্বন্ধপদে (ষষ্ঠী বিভক্তি) শব্দের সঙ্গে মূল বিভক্তি হিসেবে র এবং এর যুক্ত হয়, যার মধ্যে র হলো নিজস্ব বা খাঁটি বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে সম্বন্ধপদ হলো ষষ্ঠী বিভক্তির প্রয়োগ, যেখানে পদের সঙ্গে র, এর অথবা ক, কে যুক্ত হয়।
শব্দের শেষে স্বরবর্ণ থাকলে সাধারণত র যুক্ত হয় এবং ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে এর যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করিমের ভাই এসেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে করিম শব্দের সঙ্গে এর বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্বন্ধপদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমার বাড়ি যাব।
ব্যাখ্যা: এখানে আমি শব্দের সঙ্গে র বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্বন্ধপদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) র — এটি সম্বন্ধপদের নিজস্ব বা খাঁটি বিভক্তি হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত।
B) দ্বারা — এটি তৃতীয় কারক বা করণ কারকের অনুসর্গ বা বিভক্তি নির্দেশ করে।
C) এ — এটি সপ্তম কারক বা অধিকরণ কারকের বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) য় — এটিও সাধারণত সপ্তমী বিভক্তির রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সম্বন্ধপদের নিজস্ব বিভক্তি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সম্বন্ধপদের নিজস্ব বিভক্তি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ষষ্ঠী বিভক্তির রূপগুলো মনে রাখা।
র এবং এর হলো সম্বন্ধপদের প্রধান বিভক্তি, যার মধ্যে র হলো খাঁটি বাংলা বিভক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের সময় পদের রূপ দেখে বিভক্তি চিহ্নিত করতে হয়।
সম্বন্ধপদ বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত না হয়ে বিশেষ পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: C) gratefullness
কেন সঠিক:
শব্দটির শুরুতে 'grate' অংশটি ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ প্রশংসা বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। এর সাথে 'ful' এবং 'ness' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
বানানের নিয়ম অনুযায়ী 'ful' এবং 'ness' আলাদাভাবে যুক্ত হয়।
শব্দ গঠনের সঠিক গঠন এখানে বজায় রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) greatfulness — এখানে 'great' ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক মূল শব্দ নয় এবং বানানটি ভুল।
B) gratfullness — এখানে মূল শব্দে 'a' এর পর সঠিক অক্ষর রাখা হয়নি এবং বানানটি অসম্পূর্ণ।
C) gratefullness — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) greatfullness — এখানে 'great' লিখে ভুল মূল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে মূল শব্দ grate এর সাথে ful এবং ness আলাদা করে যোগ করে পড়বে।
সঠিক উত্তর: A) Father prayed that I might pass the exam
কেন সঠিক:
বক্তার ইচ্ছা বা প্রার্থনা বোঝাতে ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে reporting verb হিসেবে pray ব্যবহার করা হয় এবং conjunction হিসেবে that বসে।
এছাড়া রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স হওয়ায় রিপোর্টেড স্পিচে may এর পরিবর্তে might বসে এবং সাবজেক্টের পরে সঠিক ভার্বের বেইজ ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Father prayed that I might pass the exam — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি ন্যারেশনের সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে।
B) Father prayed for me that I may pay pass in the exam — এখানে may ব্যবহার করা হয়েছে যা পাস্ট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী might হওয়ার কথা ছিল।
C) Father said that I might pass the exam — এখানে প্রার্থনা বোঝাতে pray এর বদলে সাধারণ said ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ করে না।
D) Father prayed for me that I may passed the exam — এখানে may এর পরে verb এর পাস্ট ফর্ম passed ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
অপট্রেটিভ সেন্টেন্সে ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করে pray বা wish লিখতে হয় এবং may এর জায়গায় might বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) broke
কেন সঠিক:
- বাক্যে last night উল্লেখ থাকায় এটি অতীত নির্দেশক সাধারণ অতীত কাল বা Past Indefinite Tense হবে।
- break verb-এর Past Form হলো broke, যা অতীতের ঘটনা বোঝাতে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) broke — এটি Past Indefinite Tense-এর সঠিক রূপ, যা গত রাতের ঘটনা প্রকাশের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত।
B) broken — এটি Past Participle রূপ, যা একা একা মূল verb হিসেবে Past Tense-এ বসতে পারে না।
C) had broken — এটি Past Perfect Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) was broken — এটি Passive Voice-এর গঠন, কিন্তু এখানে fire নিজেই কাজটি করায় বাক্যটি Active হবে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yesterday,ago,last night থাকলে verb-এর Past Form (V2) হয়।
সঠিক উত্তর: B) No sooner had he seen me than he ran away
কেন সঠিক:
As soon as as-sun-er যুক্ত বাক্যকে negative করার সময় No sooner had ব্যবহার করতে হয়।
এছাড়া subject এর পর verb এর past participle বসে এবং মাঝখানে than বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No sooner had he seen me he ran away — এই অপশনে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী than ব্যবহার করা হয়নি যা বাধ্যতামূলক।
B) No sooner had he seen me than he ran away — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে।
C) No sooner he saw me than he ran away — এখানে had এবং verb এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি।
D) He did not see me add he ran away — এটি মূল বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয় এবং negative করার ভুল নিয়ম।
মনে রাখার টিপস:
As soon as থাকলে No sooner had বসবে এবং মাঝখানে than হবে।
সঠিক উত্তর: A) Desecration
কেন সঠিক:
'Sanctification' শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু পবিত্র করা বা পবিত্রতা রক্ষা করা। এর বিপরীত শব্দ হলো 'Desecration', যার অর্থ পবিত্রতা নষ্ট করা বা অবমাননা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Desecration — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পবিত্রতা নষ্ট করা বা অবমাননা করা।
B) Declaration — এর অর্থ ঘোষণা করা, যা পবিত্রকরণের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) Sanction — এর অর্থ অনুমোদন বা সম্মতি প্রদান করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Degradation — এর অর্থ অবনতি বা অবক্ষয়, যা সরাসরি পবিত্রতার বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Sanct- অংশটি পবিত্রতা বোঝায় এবং De- উপসর্গ যোগ করে এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) as ill luck would have it
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সে তার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল কিন্তু দুর্বভাগ্যবশত সে আবার ব্যর্থ হলো।
as ill luck would have it বাকধারাটির অর্থ দুর্ভাগ্যবশত যা শূন্যস্থানে perfectly মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as ill luck would have it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হবে।
B) at the bottom of — এর অর্থ কোনো কিছুর মূলে থাকা যা বাক্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) at a ston's throw — এর অর্থ খুব কাছাকাছি বা নিকট দূরত্বে যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
D) at the disposal of — এর অর্থ কারো সেবায় নিয়োজিত বা ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত থাকা।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের অর্থ যদি দুর্ভাগ্য বোঝায় তবে as ill luck would have it ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Smartphones are consideres to be very cheap today
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে কোনো মূল verb না থাকায় সরাসরি passive করা যায় না।
তাই অর্থ ঠিক রাখতে to be যুক্ত করে passive രൂപ তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Smartphones are being very cheap today — এখানে continuous tense এর গঠন ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Smartphones can be very cheap today — এখানে modal auxiliary যুক্ত করে বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করা হয়েছে।
C) Smartphones are available at a cheap rate today — এটি অর্থ প্রকাশ করলেও সরাসরি passive রূপ নয়।
D) Smartphones are consideres to be very cheap today — এটি বাক্যের সঠিক passive রূপ গঠন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
adjective যুক্ত বাক্যে direct passive না হলে to be ব্যবহার করে passive করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Doing something instantaneously
কেন সঠিক:
'At the drop of a hat' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার অর্থ কোনো প্রকার বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু করা।
এই ইডিওমটি মূলত এমন পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যেখানে কোনো কাজ বিনা বাক্যে বা মুহূর্তের মধ্যে শুরু করা হয়।
সুতরাং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে কেবল অপশন বি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Doing something slowly — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রবাদটি ধীরে ধীরে কাজ করা বোঝায় না, বরং দ্রুত কাজ করা নির্দেশ করে।
B) Doing something instantaneously — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Doing something irrationally — এই অপশনটি ভুল কারণ অযৌক্তিক বা বোকামিপূর্ণ কাজ করা এই ইডিওমের মূল অর্থ নয়।
D) Doing something later — এই অপশনটি ভুল কারণ কাজটি পরে করা বোঝায় না, বরং মুহূর্তের মধ্যে করা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
টুপি খসে পড়ার পলক ফেলার আগেই কাজ শুরু করা, এই দৃশ্যটি মাথায় রাখলে মনে থাকবে এর অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু করা।
সঠিক উত্তর: B) Productive
কেন সঠিক:
Prolific শব্দটির অর্থ হলো ফলপ্রসূ, উর্বর বা অধিক উৎপাদনশীল।
Productive শব্দের অর্থও উৎপাদনশীল বা ফলপ্রসূ, যা Prolific শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
তাই অর্থের দিক থেকে Productive হলো Prolific এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Terrific — এর অর্থ দারুণ বা ভয়ানক, যা Prolific শব্দের সমার্থক নয়।
B) Productive — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) Sophistic — এর অর্থ জটিল বা কৃত্রিম, যা Prolific এর অর্থের সাথে মিল নেই।
D) Proactive — এর অর্থ উদ্যমী বা অগ্রগামী, যা Prolific বা ফলপ্রসূ বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
Prolific শব্দটিতে Pro আছে যার অর্থ সামনে এগোনো এবং Productive এর সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো বেশি উৎপাদন করা।
সঠিক উত্তর: D) with
কেন সঠিক:
acquaintance শব্দের সাথে সাধারণত with preposition ব্যবহৃত হয়।
এর অর্থ হলো কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের সাথে পরিচিত হওয়া।
এখানে কবির সাথে বিখ্যাত লেখকদের পরিচয়ের কথা বলা হয়েছে।
তাই সঠিক উত্তর with হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — acquaintance শব্দের পরে সাধারণত to বসে না।
B) from — উৎস বোঝাতে from বসে যা এখানে সঠিক নয়।
C) by — মাধ্যম বোঝাতে by বসে কিন্তু এটি নিয়ম বহির্ভূত।
D) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিচয় বা পরিচিত হওয়া বোঝাতে acquaintance শব্দের পরে हमेशा with preposition বসে।
সঠিক উত্তর: B) fled
কেন সঠিক:
বাক്യটির প্রথম অংশ saw দেখে বোঝা যায় ঘটনাটি অতীতের। As soon as যুক্ত বাক্যের উভয় অংশ সাধারণত একই কাল বা পাস্ট ইনডিফিনিট হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has fled — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীত নির্দেশক বাক্যের সাথে মিলে না।
B) fled — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স গঠন করে।
C) fleed — ইংরেজিতে flee শব্দের কোনো 'fleed' অতীত রূপ হয় না।
D) had fled — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
As soon as এর দুই পাশে সাধারণত পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স বসে।
সঠিক উত্তর: B) quick
কেন সঠিক:
Instantaneous শব্দটির অর্থ হলো তাৎক্ষণিক বা যা খুব দ্রুত ঘটে।
quick শব্দটির অর্থ দ্রুত, যা এই শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক।
তাই অর্থের দিক থেকে quick হলো সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) gradual — এই শব্দটির অর্থ ধীরে ধীরে বা ক্রমান্বয়ে, যা তাৎক্ষণিক শব্দের বিপরীত।
B) quick — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) obedient — এই শব্দটির অর্থ বাধ্য, যা এই প্রশ্নের সাথে কোনোভাবে সম্পর্কিত নয়।
D) deceive — এই শব্দটির অর্থ প্রতারণা করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Instant থেকে Instantaneous শব্দটি এসেছে, যার অর্থ এক পলকে বা খুব দ্রুত ঘটে এমন কিছু।
সঠিক উত্তর: A) preposition
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে destination শব্দটির পূর্বে বসে arrived verb-এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
- এখানে শব্দ গুচ্ছের মাঝে থেকে সংযোগ বা সম্পর্ক বোঝানোর কারণে এটি preposition হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) preposition - প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।
B) adverb - এটি verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে না, তাই এটি adverb নয়।
C) noun - এটি কোনো নাম বা বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun নয়।
D) conjunction - এটি দুটি বাক্য বা শব্দগুচ্ছকে যুক্ত করছে না, তাই এটি conjunction নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝালে তাকে preposition বলে।
সঠিক উত্তর: A) the
কেন সঠিক:
দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা বোঝাতে তুলনামূলক ডিগ্রির আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে। এখানে রূপা ও তার বোনের মধ্যে তুলনা করায় taller এর পূর্বে নির্দিষ্ট করে 'the' বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) a — এটি অনির্দিষ্ট একবচন বোঝাতে বসে, যা নির্দিষ্ট তুলনার ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী বসে না।
C) an — এটি স্বরবর্ণের উচ্চারণের আগে বসে, যা এই শূন্যস্থানের নিয়মের সাথে মেলে না।
D) No article — এখানে দুই বোনের মধ্যে নির্দিষ্ট তুলনা থাকায় আর্টিকেল ছাড়া রাখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
দুই জনের মধ্যে তুলনা বা অফ দ্য টু (of the two) থাকলে কম্পারেটিভ ডিগ্রির আগে সবসময় দি (the) বসে।
সঠিক উত্তর: B) The
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে বোঝানো — বক্তা ও শ্রোতা উভয়েই সামনের মানুষটিকে চেনেন তাই নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসেছে।
বিশেষ পরিস্থিতি — মানুষের ঠিক পরেই যখন অবস্থান বা পরিচয় নির্দিষ্ট করা হয় তখন the বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A — এটি অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট মানুষকে নির্দেশ করা হয়েছে।
B) The — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) An — এটি ভাওয়েল ধ্বনি দিয়ে শুরু অনির্দিষ্ট শব্দের আগে বসে যা এখানে মিলছে না।
D) No article — শূন্য আর্টিকেল বসালে বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে নির্দিষ্ট করে নির্দেশ করলে তার আগে সবসময় the বসে।
সঠিক উত্তর: B) it is you who are responsible for this
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'It is... who' গঠন ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে relative pronoun 'who' তার পূর্ববর্তী antecedent 'you' কে নির্দেশ করে।
তাই 'who' এর পরের verb টি antecedent 'you' এর সাথে পদাশ্রয়ী হয়ে plural verb 'are' গ্রহণ করেছে এবং সঠিক adjective 'responsible' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) it is you who is responsible for this — এখানে 'who' এর পরে singular verb 'is' ব্যবহার করা হয়েছে যা grammatically ভুল কারণ antecedent হলো 'you'।
B) it is you who are responsible for this — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে subject 'you' এর সাথে সঠিক plural verb 'are' এবং adjective ব্যবহৃত হয়েছে।
C) it is you who are respond for his — এখানে 'responsible' এর পরিবর্তে ভুল শব্দ 'respond' এবং possessive pronoun 'his' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) it is you who respons for this — এখানে verb এর সঠিক form ব্যবহার করা হয়নি এবং বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
It is এর পরে কোনো pronoun থাকলে who এর পরের verbটি সেই pronoun অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) I, you and Shuma are guilty
কেন সঠিক:
সাধারণত বাক্যে একাধিক ভিন্ন পুরুষের pronoun থাকলে তাদের সাজানোর নিয়ম হলো দুই, তিন, এক অর্থাৎ প্রথমে দ্বিতীয় পুরুষ, পরে তৃতীয় পুরুষ এবং শেষে প্রথম পুরুষ বসে। কিন্তু বাক্যটিতে দোষ স্বীকার করার কথা বলা হয়েছে তাই নিয়মটি উল্টে গিয়ে এক, দুই, তিন অর্থাৎ প্রথমে প্রথম পুরুষ, পরে দ্বিতীয় পুরুষ এবং শেষে তৃতীয় পুরুষ বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I, you and Shuma are guilty — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে সঠিক ক্রম অর্থাৎ এক, দুই, তিন অনুসরণ করা হয়েছে এবং plural verb ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Shuma, you and I are guilty — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে তিন, দুই, এক ক্রমে pronoun সাজানো হয়েছে যা কেবল সাধু কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) Shuma, I and you are guilty — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে pronoun সাজানোর কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম মানা হয়নি।
D) I, you and Shuma is guilty — এই অপশনটি ভুল কারণ একাধিক ব্যক্তি বা pronoun একসাথে থাকলে verb সর্বদা plural অর্থাৎ are হয় কিন্তু এখানে is ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ভালো কাজের ক্ষেত্রে দুই, তিন, এক এবং দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে এক, দুই, তিন ক্রমে pronoun সাজাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) I got the work done by him
কেন সঠিক:
এটি একটি Causative verb এর বাক্য যেখানে Get এর পর বস্তুবচক কর্ম থাকলে পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
এছাড়া এখানে কাজটি অন্যের দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে বোঝাতে by him ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I got the work done by him — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
B) I got the work doing by him — গেট এর পর ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত ফর্ম সরাসরি বসে না।
C) I got the work been done by him — এখানে অতিরিক্ত বিন ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে।
D) I got the work are doing by him — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব এবং আইএনজি একসাথে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Causative verb এ get এর পরে বস্তু থাকলে মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: C) ase asked
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটির সাবজেক্ট হলো you এবং এখানে passive voice ব্যবহার করতে হবে। কারণ তুমি নিজেই নিজেকে জিজ্ঞেস করছ না, বরং তোমাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে।
Conditional sentence এর নিয়ম অনুযায়ী unless যুক্ত clause টি Present Indefinite Tense এ হবে।
তাই সঠিক উত্তর হবে are asked।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ask — এটি Active voice এবং Present Tense এ আছে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) were asked — এটি Past Tense এ আছে, কিন্তু বাক্যের প্রধান অংশ Present Tense এ থাকায় এটি ভুল।
C) ase asked — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
D) will ask — unless যুক্ত clause এ Future Tense ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
Unless যুক্ত clause এ সাধারণত Present Indefinite Tense বসে এবং অর্থ অনুযায়ী Passive voice হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) walking
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথমে while থাকলে এবং তার ঠিক পরেই verb বসলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
নিয়ম অনুযায়ী প্রথম clause এ subject না থাকলে while এর পরের verb এর সাথে ing বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) walk — verb এর base form while এর পরে সরাসরি বসে না।
B) walked — verb এর past form while এর পরে বসে বাক্যকে ভুল করে তোলে।
C) walking — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) walks — verb এর সাথে s যুক্ত হয়ে নিয়মের বাইরে চলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
While এর পরে সরাসরি verb থাকলে চোখ বন্ধ করে তার সাথে ing যোগ করবে।
সঠিক উত্তর: B) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
তিন সদস্যের একটি বিতর্ক দলের সদস্যের গড় বয়স ২৪ বছর
কোনো সদস্যের বয়স ২১ বছরের নিচে নয়
ধরি,
তিনজন সদস্যের বয়স ক, খ এবং গ
অতএব,
তিন সদস্যের বয়সের সমষ্টি = ২৪ × ৩ = ৭২ বছর
একজনের সর্বোচ্চ বয়স বের করতে হলে বাকি দুজনের বয়স সর্বনিম্ন হতে হবে
সুতরাং,
বাকি দুই সদস্যের সর্বনিম্ন বয়স ২১ বছর করে হলে মোট বয়স = ২১ + ২১ = ৪২ বছর
উত্তর: ৭২ − ৪২ = ৩০ বছর
সঠিক উত্তর: C) ২০মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৪০ মিটার
অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০
ধরি,
অনুপাতের সাধারণ রাশি = ক
প্রথম অংশ = ৩ক
দ্বিতীয় অংশ = ৭ক
তৃতীয় অংশ = ১০ক
অতএব,
শর্তমতে, ৩ক + ৭ক + ১০ক = ৪০
অর্থাৎ, ২০ক = ৪০
ক এর মান = ২
সুতরাং,
দীর্ঘতম অংশটি = ১০ × ২ = ২০ মিটার
উত্তর: ২০মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৪:৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮:২৭
ধরি,
প্রথম গোলকের ব্যাসার্ধ = আর১ এবং দ্বিতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = আর২
প্রথম গোলকের আয়তন = চার বাই তিন গুণ পাই গুণ আর১ এর কিউব
দ্বিতীয় গোলকের আয়তন = চার বাই তিন গুণ পাই গুণ আর২ এর কিউব
অতএব,
প্রথম গোলকের আয়তন ভাগ দ্বিতীয় গোলকের আয়তন = আট ভাগ সাতাশ
আর১ এর কিউব ভাগ আর২ এর কিউব = আট ভাগ সাতাশ
আর১ ভাগ আর২ = দুই ভাগ তিন
সুতরাং,
প্রথম গোলকের ক্ষেত্রফল ভাগ দ্বিতীয় গোলকের ক্ষেত্রফল = চার গুণ পাই গুণ আর১ স্কয়ার ভাগ চার গুণ পাই গুণ আর২ স্কয়ার
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = আর১ স্কয়ার ভাগ আর২ স্কয়ার = দুই স্কয়ার ভাগ তিন স্কয়ার = চার ভাগ নয়
উত্তর: ৪:৯
সঠিক উত্তর: C) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৫:৬
ধরি,
ক্রয়মূল্য = ৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য = ৬ টাকা
অতএব,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
লাভ = ৬ − ৫ = ১ টাকা
সুতরাং,
লাভের হার = (১ ÷ ৫) × ১০০%
উত্তর: ২০%
সঠিক উত্তর: B) P−C
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য = C টাকা
বিক্রয়মূল্য = P টাকা
ধরি,
পণ্যটি কেনার পর বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে
এখানে P এর মান C এর চেয়ে বেশি
অতএব,
মুনাফা বের করতে হলে বিক্রয়মূল্য থেকে ক্রয়মূল্য বাদ দিতে হবে
অর্থাৎ লাভ সমান বিক্রয়মূল্য বিয়োগ ক্রয়মূল্য
এখানে হিসাবটি হবে P থেকে C বিয়োগ
সুতরাং,
মুনাফা = P − C
উত্তর: P − C
সঠিক উত্তর: B) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্য থেকে বিজোড় সংখ্যাগুলো নিয়ে একটি ধারা তৈরি করতে হবে
ধরি,
১ হতে ২০ পর্যন্ত বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো ১, ৩, ৫, এভাবে ১৯ পর্যন্ত
মোট বিজোড় সংখ্যার পরিমাণ = ১০টি
অতএব,
বিজোড় সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয়ের সূত্র হলো প্রথম পদ যোগ শেষ পদ গুণ পদের সংখ্যা ভাগ ২
এখানে প্রথম পদ ১ এবং শেষ পদ ১৯
সুতরাং,
সমষ্টি = (১ + ১৯) × ১০ ÷ ২ = ১০০
গড় = সমষ্টি ভাগ পদের সংখ্যা = ১০০ ÷ ১০ = ১০
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: B) ২৫ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ জন লোকের গড় বয়স ২৯ বছর
দুজনের গড় বয়স ৫৫ বছর
ধরি,
১৫ জন লোকের মোট বয়স = ১৫ × ২৯ = ৪৩৫ বছর
দুজনের মোট বয়স = ২ × ৫৫ = ১১০ বছর
অতএব,
বাকি ১৩ জনের মোট বয়স = ৪৩৫ − ১১০ = ৩২৫ বছর
সুতরাং,
বাকি ১৩ জনের গড় বয়স = ৩২৫ ÷ ১৩ = ২৫ বছর
উত্তর: ২৫ বছর
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
৬ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা কাজ শেষ করে ৬ দিনে
৪ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা কাজ শেষ করে ৮ দিনে
ধরি,
১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ম
১ জন মহিলার ১ দিনের কাজ = ফ
অতএব,
৬ দিয়ে গুণ করে পাই, ৩৬ জন পুরুষ + ৩০ জন মহিলা = ১ (সম্পূর্ণ কাজ)
৮ দিয়ে গুণ করে পাই, ৩২ জন পুরুষ + ৪০ জন মহিলা = ১ (সম্পূর্ণ কাজ)
সুতরাং,
৩৬ জন পুরুষ + ৩০ জন মহিলা = ৩২ জন পুরুষ + ৪০ জন মহিলা
হিসাব করে পাই, ৪ জন পুরুষ = ১০ জন মহিলা, অর্থাৎ ২ জন পুরুষ = ৫ জন মহিলা
অতএব,
৬ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলার জায়গায় লেখা যায়, ৬ জন পুরুষ + ২ জন পুরুষ = ৮ জন পুরুষ
৮ জন পুরুষ কাজটি করে ৬ দিনে, তবে ১ জন পুরুষ কাজটি করে ৬ × ৮ = ৪৮ দিনে
সুতরাং,
৮ জন পুরুষ এবং ২০ জন মহিলা মানে ৮ জন পুরুষ + ৮ জন পুরুষ = ১৬ জন পুরুষ
৪৮ ÷ ১৬ = ৩ দিনে কাজটি শেষ করবে
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: D) ৫√২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ মিটার
ধরি,
ত্রিভুজের সমান বাহু দুটি হলো ক = ৫ মিটার এবং খ = ৫ মিটার
ত্রিভুজের অতিভুজটি হলো গ
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে পাই গ এর ওপর বর্গ = ক এর ওপর বর্গ + খ এর ওপর বর্গ
গ এর ওপর বর্গ = ৫ এর ওপর বর্গ + ৫ এর ওপর বর্গ
গ এর ওপর বর্গ = ২৫ + ২৫ = ৫০
সুতরাং,
গ = √৫০
গ = √(২৫ × ২) = ৫√২
উত্তর: ৫√২ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির বিপরীত সংখ্যা থেকে সংখ্যাটি বিয়োগ করতে হবে
বিয়োগফল সংখ্যাটির তিন গুণ হবে
ধরি,
অজানা বাস্তব সংখ্যাটি = x
সংখ্যাটির বিপরীত সংখ্যা = ১ ÷ x
অতএব,
শর্তানুসারে সমীকরণটি লেখা যায়
(১ ÷ x) − x = ৩ × x
(১ ÷ x) = ৩ × x + x
সুতরাং,
(১ ÷ x) = ৪ × x
৪ × (x এর ওপর স্কয়ার) = ১
উত্তর: x = ১ ÷ ২
সঠিক উত্তর: C) ৩০ ঘন্টা
প্রদত্ত তথ্য:
পাইপ A এবং B একত্রে ট্যাঙ্কটি পূরণ করতে পারে ১২ ঘন্টায়।
পাইপ A এর ট্যাঙ্কটি একা পূরণ করতে যত সময় লাগে, পাইপ B এর তার চেয়ে ১০ ঘন্টা বেশি সময় লাগে।
ধরি,
পাইপ A এর সময় লাগে = x ঘন্টা
তাহলে পাইপ B এর সময় লাগে = x + ১০ ঘন্টা
অতএব,
১ ঘন্টায় পাইপ A পূর্ণ করে = ১ ÷ x অংশ
১ ঘন্টায় পাইপ B পূর্ণ করেইন = ১ ÷ (x + ১০) অংশ
সুতরাং,
প্রশ্নানুসারে, (১ ÷ x) + (১ ÷ (x + ১০)) = ১ ÷ ১২
এখান থেকে সমাধান করে পাই, x = ২০ ঘন্টা
উত্তর: ২০ + ১০ = ৩০ ঘন্টা
সঠিক উত্তর: B) ২৪ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটিটি ভেঙে ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০°
ভেঙে যাওয়া অংশের দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার
ধরি,
সম্পূর্ণ খুঁটির দৈর্ঘ্য = ভাঙ্গা অংশ + খাড়া অংশ
খাড়া অংশের উচ্চতা = লম্ব
ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য = অতিভুজ = ১৬ মিটার
অতএব,
ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ
sin(৩০°) এর মান ১ ÷ ২
সুতরাং লম্ব ÷ ১৬ = ১ ÷ ২
সুতরাং,
লম্ব = ১৬ ÷ ২ = ৮ মিটার
খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ভাঙ্গা অংশ + লম্ব = ১৬ + ৮ = ২৪ মিটার
উত্তর: ২৪ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৭ ঘন্টা
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন পুরুষ কাজ করে ১৪ দিনে, প্রতিদিন ৬ ঘন্টা
১২ জন পুরুষ কাজ করবে ১০ দিনে, প্রতিদিন কত ঘন্টা
ধরি,
প্রয়োজনীয় দৈনিক কাজের সময় = ক ঘন্টা
অতএব,
মোট কাজের পরিমাণ = ১০ জন × ৬ ঘন্টা × ১৪ দিন
মোট কাজের পরিমাণ = ১২ জন × ক ঘন্টা × ১০ দিন
সুতরাং,
১২ × ১০ × ক = ১০ × ৬ × ১৪
উত্তর: ক = ৭ ঘন্টা
সঠিক উত্তর: B) ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার গসাগু = ১৫
দুটি সংখ্যার লসাগু = ৪২০
একটি সংখ্যা = ১০৫
ধরি,
অন্য সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু
অতএব,
১০৫ × ক = ১৫ × ৪২০
১০৫ × ক = ৬৩০০
সুতরাং,
ক = ৬৩০০ ÷ ১০৫
উত্তর: ৬০
সঠিক উত্তর: C) পূর্ব জার্মানি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পূর্ব জার্মানি সবার আগে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পূর্ব জার্মানি স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়ারল্যান্ড — এটি কোনো সমাজতান্ত্রিক দেশ নয় এবং এটি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম সারির দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) বুলগেরিয়া — এটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হলেও পূর্ব জার্মানির পরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
D) সোভিয়েত ইউনিয়ন — এটি প্রধান সমাজতান্ত্রিক মহাশক্তি হলেও পূর্ব জার্মানির পরে, ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
মনে রাখার টিপস:
সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে জার্মানির পূর্বাংশ বা পূর্ব জার্মানি সবার আগে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: A) চারটি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য মোট চারটি বিভাগ গঠিত হয়েছিল।
- এই বিভাগ চারটি ছিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং খুলনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চারটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে এই চারটি বিভাগই বিদ্যমান ছিল।
B) পাঁচটি — ১৯৭১ সালে বা ঠিক তার পরপরই পাঁচটি বিভাগ ছিল না, এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
C) ছয়টি — পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বিভাগের সংখ্যা ছয়টি করা হয়েছিল, যা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছিল না।
D) তিনটি — স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগের সংখ্যা তিনটি ছিল না, বরং তার বেশি অর্থাৎ চারটি ছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর ঢাকার চারপাশে ছিল মাত্র তিনটি বিভাগ, অর্থাৎ ঢাকা সহ মোট চারটি বিভাগ (ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা)।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৬.১৫ কিলোমিটার
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য ৯.৮৩ কিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬.১০ কিলোমিটার — এটি ভুল কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬.১০ কিলোমিটার নয়, এর চেয়ে সামান্য বেশি।
B) ৬.৫ কিলোমিটার — এটি ভুল কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬.৫ কিলোমিটার বা সাড়ে ছয় কিলোমিটার নয়।
C) ৬.৮ কিলোমিটার — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্যকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে না।
D) ৬.১৫ কিলোমিটার — এটি সঠিক কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ঠিক ৬.১৫ কিলোমিটার।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে এটি ৬ কিলোমিটারের সামান্য বেশি, অর্থাৎ ৬.১৫ কিলোমিটার।
সঠিক উত্তর: C) আটটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে পরিকল্পনা কমিশন এ পর্যন্ত মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- সর্বশেষ পরিকল্পনাটি ছিল অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, যার মেয়াদ ছিল ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছয়টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ছয়টির বেশি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
B) সাতটি — সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার পর আরও পরিকল্পনা গ্রহণ করায় এই সংখ্যাটি বর্তমান তথ্যের সাথে মেলে না।
C) আটটি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ইতিহাসে এ পর্যন্ত আটটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
D) নয়টি — বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের প্রণীত পরিকল্পনার সংখ্যা আটটি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা কমিশন মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) কমলা হ্যারিস
কেন সঠিক:
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী, কৃষ্ণাঙ্গ ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের রানিং মেট হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ২০২১ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিলারি ক্লিংটন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হলেও কখনো ভাইস প্রেসিডেন্ট হননি।
B) কন্ডেলিৎসা রাইস — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট নন।
C) কমলা হ্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা অসংগতি নেই।
D) ন্যান্সি পেলোসি — তিনি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের (House of Representatives) প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্টের নামের শুরুতে কে আছে, কমলা হ্যারিসের নামের শুরুতেও কে আছে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৭ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রায় দুইশত বছরের ব্রিটিশ শাসনের সমাপ্তি ঘটে ভারতীয় স্বাধীনতা আইন ১৯৪৭ পাসের মাধ্যমে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৭ সালে — এটি ব্রিটিশ শাসনের অবসানের সাল নয়, এটি স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের আগের একটি সাধারণ বছর।
B) ১৯৭১ সালে — এই সালে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে, কিন্তু ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটেছিল এর বহু আগে।
setC) ১৯৫২ সালে — এই সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার দাবিতে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।
D) ১৯৪৭ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার সূর্য ওঠে ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে, আর ব্রিটিশরা বিদায় নেয় দুইশত বছরের শাসন শেষে।
সঠিক উত্তর: D) কর্কটক্রান্তি রেখা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বা কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই রেখার কারণে বাংলাদেশে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু পরিলক্ষিত হয় এবং তীব্র রোদ ও গরম অনুভূত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষুব রেখা — এটি ০ ডিগ্রি অক্ষাংশ এবং এটি পৃথিবীর মধ্যভাগ দিয়ে গেছে, বাংলাদেশ এর উত্তরে অবস্থিত।
B) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা — এটি ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা রেখা এবং এটি প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে কল্পিত হয়েছে।
C) মকরক্রান্তি রেখা — এটি ২৩.৫ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ এবং এটি দক্ষিণ গোলার্ধের ওপর দিয়ে গিয়েছে।
D) কর্কটক্রান্তি রেখা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বাংলাদেশের মধ্য অঞ্চলের ওপর দিয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থিত, যার মান ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ।
সঠিক উত্তর: A) SDG Progress Award
কেন সঠিক:
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় জাতিসংঘের এসডিজি অর্জনে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
- আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকা ও সাফল্য এই পুরস্কার অর্জনে সহায়তা করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SDG Progress Award — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে।
B) MDG Progress Award — এটি ভিন্ন একটি পুরস্কার যা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি অর্জনে সফলতার জন্য ২০১৩ সালে প্রদান করা হয়েছিল, যা বর্তমান প্রশ্নের প্রেক্ষাপটের সাথে মেলে না।
C) নারীর ক্ষমতায়ন — এটি সামগ্রিক নীতির অংশ হলেও জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সরাসরি এই নামে কোনো নির্দিষ্ট প্রধান অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়নি।
D) দারিদ্র্য বিমোচন — এটি সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলেও জাতিসংঘ কর্তৃক প্রদত্ত নির্দিষ্ট অ্যাওয়ার্ডের মূল শিরোনামটি ছিল এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড।
মনে রাখার টিপস:
শেখ হাসিনার শাসনামলে জাতিসংঘ থেকে প্রাপ্ত প্রধান সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হলো এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড।
সঠিক উত্তর: C) ৩টি
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা তিনটি।
- বিমানবন্দরগুলো হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু রয়েছে।
B) ২টি — অতীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা দুটি থাকলেও বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে তিনটি হয়েছে।
C) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কার্যকর রয়েছে।
D) ৪টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে চারটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নেই, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণের কাজ চলছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মনে রাখতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের প্রধান তিনটি বিমানবন্দরকে একসঙ্গে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ইউনাইটেড রাশিয়া
কেন সঠিক:
- ভ্লাদিমের পুতিন বর্তমান রাশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং তিনি ইউনাইটেড রাশিয়া দলের শীর্ষ নেতা।
- এই দলটি বর্তমানে রাশিয়ার পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে এবং দেশটির রাজনীতিতে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনাইটেড রাশিয়া — এটি বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমের পুতিনের রাজনৈতিক দল এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) ন্যাশনাল ইউনাইটেড ফ্রন্ট — এটি রাশিয়ার মূল ধারার কোনো প্রধান রাজনৈতিক দল বা পুতিনের দল নয়।
C) কমিউনিস্ট পার্টি — এটি রাশিয়ার একটি পুরোনো বিরোধী রাজনৈতিক দল হলেও পুতিনের দল নয়।
D) ন্যাশনাল ফ্রন্ট — এটি মূলত ফ্রান্সসহ অন্যান্য দেশের রাজনৈতিক দলের নাম, রাশিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার পুতিন সবসময় রাশিয়াকে ইউনাইটেড বা ঐক্যবদ্ধ রাখতে চান, তাই তার দলের নাম ইউনাইটেড রাশিয়া।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩০
কেন সঠিক:
- ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম আসর বসেছিল।
- উরুগুয়ে দল ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৯৬ — এই সালে আধুনিক অলিম্পিক গেমসের প্রথম আসর গ্রিসের এথেন্সে অনুষ্ঠিত হয়, ফুটবল বিশ্বকাপ নয়।
B) ১৯১৪ — এই সালটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনার বছর হিসেবে পরিচিত, ফুটবল বিশ্বকাপের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৩০ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সালেই উরুগুয়েতে প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
D) ১৯৭০ — এই সালে মেক্সিকোতে ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়, যা ব্রাজিলের তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের বছর।
মনে রাখার টিপস:
১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ হয় এবং স্বাগতিক দেশই চ্যাম্পিয়ন হয়।
সঠিক উত্তর: D) কেনেডি স্পেস সেন্টার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ২০১৮ সালের ১১ মে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে এই উপগ্রহটি মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল এবং এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট ক্লাবের সদস্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস লঞ্চ সেন্টার — এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত একটি রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হলেও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এখান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়নি।
B) স্টেনিস স্পেস সেন্টার — এটি মূলত নাসা-র রকেট ইঞ্জিন পরীক্ষার প্রধান কেন্দ্র এবং এটি মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত, যেখান থেকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয় না।
C) জন্সন স্পেস সেন্টার — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টনে অবস্থিত মানববাহী মহাকাশযান পরিচালনা ও নভোচারী প্রশিক্ষণের প্রধান কেন্দ্র।
D) কেনেডি স্পেস সেন্টার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই ফ্যালকন-৯ রকেটের সাহায্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টারে গিয়েই আমাদের প্রথম বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাশূন্যের পথে যাত্রা শুরু করেছিল।
সঠিক উত্তর: A) ১০
কেন সঠিক:
- অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস বা আসিয়ানের বর্তমান প্রতিষ্ঠিত সদস্য রাষ্ট্র ১০টি।
- ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে এই আঞ্চলিক জোটটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জোটে বর্তমানে ১০টি স্বাধীন রাষ্ট্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
B) ১১ — এটি ভুল কারণ পূর্ব তিমুর এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আসিয়ানের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করেনি।
C) ১২ — এটি ভুল কারণ আসিয়ানের সদস্য সংখ্যা কখনো ১২টি ছিল না।
D) ১৩ — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত কোনো দেশ এই জোটের সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ানের সদস্য দেশ দশটি মনে রাখতে দশ শব্দটির প্রথম অক্ষর দ দিয়ে দশটি দেশ বা ১০ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- এটি একটি ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তি যা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গঠিত হয়েছে।
- চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান — এটি এই জোটে নেই, কারণ এটি পশ্চিমা দেশগুলোর একটি সামরিক অংশীদারিত্ব।
B) জাপান, যুক্তরাষ্ট, অস্ট্রেলিয়া, ভারত — এই চারটি দেশ নিয়ে কোয়াড (QUAD) জোট গঠিত, যা AUKUS নয়।
C) যুক্তরাষ্ট, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই জোটের সদস্য দেশ।
D) অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ভারত — ভারত এই জোটের সদস্য নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
AUKUS নামের প্রথম অক্ষরগুলো মনে রাখুন: AU তে অস্ট্রেলিয়া, UK তে যুক্তরাজ্য এবং US তে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও সংবাদপত্রের ইতিহাস
প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র হলো সমাচার দর্পণ, কিন্তু প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র বা বাংলার প্রথম সংবাদপত্র হলো হিকি বেঙ্গল গেজেট। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র বা সাময়িকপত্র হিসেবে 'সমাচার দর্পণ'কেই সাধারণত সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: D) সমাচার দর্পণ
কেন সঠিক:
- সমাচার দর্পণ ১৮১৮ সালের ২৩ মে শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত হয় এবং এটিই প্রথম বাংলা ভাষার সংবাদপত্র।
- এটি মূলত সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল এবং এর সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আজাদ — এটি ব্রিটিশ ভারতের একটি ঐতিহাসিক দৈনিক পত্রিকা যা পরবর্তীতে পাকিস্তান আমলেও প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু এটি প্রথম বাংলা সংবাদপত্র নয়।
B) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত একটি বিখ্যাত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা, যা প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালে।
C) বেঙ্গল গেজেট — এটি জেমস অগাস্টাস হিকি কর্তৃক ১৭৮০ সালে প্রকাশিত ভারতের তথা উপমহাদেশের প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, বাংলা ভাষার নয়।
D) সমাচার দর্পণ — এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা ভাষার সংবাদপত্র হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র দর্পণের মতো সত্য প্রকাশ করত, তাই মনে রাখুন প্রথম বাংলা সংবাদপত্র সমাচার দর্পণ।
সঠিক উত্তর: D) গ্রন্থ
কেন সঠিক:
- 'এ ডটার্স টেল' (A Daughter's Tale) মূলত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানার জীবনের ওপর নির্মিত কোনো চলচ্চিত্র নয়। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা একটি বিখ্যাত স্মৃতিকথা বা গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে শেখ হাসিনার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাদের পারিবারিক জীবন ও সংগ্রামের নানা দিক ফুটে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলচ্চিত্র — এটি কোনো সিনেমা বা চলচ্চিত্র নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) নাটক — এটি মঞ্চ বা টেলিভিশনের জন্য রচিত কোনো নাটক নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) গান — এটি কোনো সংগীত বা গানের অ্যালবাম নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) গ্রন্থ — এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রচিত একটি বিখ্যাত বই বা গ্রন্থ, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
ডটার্স টেল মানে মেয়ের গল্প, আর এটি শেখ হাসিনা কর্তৃক রচিত একটি বই বা গ্রন্থ।
সঠিক উত্তর: B) তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
১. কেন সঠিক:
- তাপ ইঞ্জিনের মূল কাজ হলো তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা।
- এতে জ্বালানি পুড়িয়ে তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয় এবং তা দিয়ে পিস্টন বা টারবাইন ঘুরিয়ে যান্ত্রিক কাজ পাওয়া যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাপ ইঞ্জিন এমন একটি চক্রাকার যন্ত্র যা তাপকে কাজে পরিণত করে এবং অবশিষ্ট তাপ পরিবেশে বর্জন করে।
- কার্যপ্রণালি: ইঞ্জিন উচ্চ তাপমাত্রা উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে, তার কিছু অংশ যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে এবং বাকি অংশ নিম্ন তাপমাত্রার সিঙ্কে ফেলে দেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: গাড়ির ইঞ্জিন এবং কয়লা বা গ্যাসের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের টারবাইন এই নীতির ওপর কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টিম ইঞ্জিন বা বাষ্পীয় ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করা হয়, যা পিস্টন চালিয়ে যান্ত্রিক শক্তি উৎপন্ন করে।
উদাহরণ ২: পেট্রোল ও ডিজেল চালিত মোটর গাড়ির ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: জ্বালানি দহনের মাধ্যমে উৎপন্ন তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে গাড়িকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যান্ত্রিক শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তর — এটি তাপ ইঞ্জিনের কাজের উল্টো প্রক্রিয়া, যা ব্রেক কষার সময় ঘর্ষণের মাধ্যমে ঘটে।
B) তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর — এটি সঠিক, কারণ তাপ ইঞ্জিন ঠিক এই কাজটিই সম্পন্ন করে।
C) বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর — এটি বৈদ্যুতিক মোটরের কাজ, তাপ ইঞ্জিনের কাজ নয়।
D) তাপ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর — এটি থার্মোইলেকট্রিক ডিভাইস বা বিশেষ জেনারেটরের কাজ, যা সরাসরি তাপ থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাপ ইঞ্জিন মানেই তাপ থেকে যান্ত্রিক গতি বা কাজ পাওয়া।
- ইঞ্জিনের কাজ গাড়ি চালানো বা পিস্টন ঘোরানো, যা এক ধরনের যান্ত্রিক শক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- থার্মোডিনামিক্স বা তাপগতিবিদ্যার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র থেকে তাপ ইঞ্জিনের দক্ষতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
- তাপ ইঞ্জিনের দক্ষতা কখনো শতভাগ হতে পারে না, এটি কার্নো চক্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
সঠিক উত্তর:
A) Random Access Memory
১. কেন সঠিক:
- RAM হলো কম্পিউটারের মূল মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি, যা প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা সরবরাহ করে।
- এটি ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি, যার অর্থ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এর সব ডেটা মুছে যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: RAM বা Random Access Memory হলো এমন একটি মেমোরি যেখানে যেকোনো লোকেশন থেকে সরাসরি এবং সমান সময়ে ডেটা পড়া ও লেখা যায়।
- কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় চলমান অ্যাপ্লিকেশনের নির্দেশাবলি ও ডেটা সাময়িকভাবে এতে সংরক্ষিত থাকে এবং সিপিইউ প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় সুবিধাই দেয় এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস স্পিড হার্ডডিস্কের তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত হয়।
- ব্যবহার: কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার রান করার সময় এটি প্রধান মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- পার্থক্য: ROM হলো স্থায়ী মেমোরি যেখানে ডেটা অপরিবর্তিত থাকে, পক্ষান্তরে RAM হলো অস্থায়ী যা কেবল বিদ্যুৎ থাকা পর্যন্ত ডেটা ধরে রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুঠোফোনে একাধিক অ্যাপ একসঙ্গে চালু রাখা।
ব্যাখ্যা: RAM বেশি থাকলে মুঠোফোন বা কম্পিউটার স্লো না হয়ে একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাপ বা গেম স্মুথলি চালাতে পারে।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারে কোনো কাজ সেভ না করে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে তা হারিয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: RAM অস্থায়ী হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে এর ভেতরের সব ডেটা চিরতরে মুছে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Random Access Memory — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি RAM এর পূর্ণরূপ এবং এর কার্যপদ্ধতি নির্দেশ করে।
B) Read Only Memory — এটি ভুল কারণ এটি ROM-এর পূর্ণরূপ যা স্থায়ী মেমোরি এবং কেবল পড়া যায়।
C) Random Adaptive Mamory — এটি ভুল কারণ মেমোরির নামকরণে এডাপ্টিভ বা অভিযোজিত শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
D) Readable Memory — এটি ভুল কারণ এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার মেমোরির প্রচলিত পূর্ণরূপ বা নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- RAM মানে রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি, যা ভোলাটাইল বা অস্থায়ী।
- ROM মানে রিড অনলি মেমোরি, যা নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- RAM হলো ভোলাটাইল মেমোরি আর ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- পরীক্ষায় প্রায়ই RAM ও ROM এর পূর্ণরূপ এবং মেমোরির ধরন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
D) Local Area Networking
১. কেন সঠিক:
- LAN শব্দটির পূর্ণরূপ হলো Local Area Network, তবে প্রশ্ন ও অপশনের প্রেক্ষাপটে Local Area Networking সঠিক নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে।
- এটি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমার মধ্যে কম্পিউটারগুলোকে নিজেদের মধ্যে সংযুক্ত করার প্রযুক্তি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: Local Area Network বা ল্যান হলো একটি সীমিত এলাকার মধ্যে, যেমন একটি রুম, অফিস ভবন বা স্কুল ক্যাম্পাসের মধ্যে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর সংযোগ ব্যবস্থা।
- কার্যপদ্ধতি: এই নেটওয়ার্কে তারযুক্ত ক্যাবল বা ওয়াইফাই প্রযুক্তির মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করা হয় এবং কেন্দ্রীয় সার্ভারের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইস যুক্ত থাকে।
- বৈশিষ্ট্য: এর ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক বেশি হয় এবং বাইরের ইন্টারনেটের ওপর সরাসরি নির্ভর করতে হয় না।
- ব্যবহার: অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রিন্টার শেয়ার করা, ফাইল আদান-প্রদান করা এবং স্থানীয় ডেটাবেজ ব্যবহারের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব।
ব্যাখ্যা: ল্যাবের প্রতিটি কম্পিউটার একটি সুইচ বা হাবের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং সবাই মিলে একটি প্রিন্টার ব্যবহার করতে পারে।
উদাহরণ ২: ব্যাংকের শাখা অফিস।
ব্যাখ্যা: ব্যাংকের ভেতরের সমস্ত কম্পিউটার একটি স্থানীয় নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকে যাতে কর্মীরা দ্রুত গ্রাহকের তথ্য আদান-প্রদান করতে পারেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Local Action Network — এই নামের কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি নেই।
B) Local Apple Network — এটি কোনো সাধারণ নেটওয়ার্কিং পরিভাষা নয়, বরং অ্যাপল কোম্পানির ডিভাইসের সঙ্গে বিভ্রান্তিকরভাবে যুক্ত করা হয়েছে।
C) Locak Action Network — বানান ভুল এবং এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের কোনো বৈধ নাম নয়।
D) Local Area Networking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সীমিত এলাকার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থাকে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেটওয়ার্কের পরিধি মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অংশ যেমন Local, Metropolitan, Wide মনে রাখতে হবে।
- LAN মানে ঘরের ভেতর বা নির্দিষ্ট ভবনের ভেতরের ছোট নেটওয়ার্ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভৌগোলিক বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রধানত তিন প্রকার, যথা LAN, MAN এবং WAN।
- ডেটা স্থানান্তরের গতির দিক থেকে LAN সবচেয়ে দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
সঠিক উত্তর:
C) সমুদ্রের সম্পদ নির্ভর অর্থনীতির সাথে
১. কেন সঠিক:
ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি মূলত সমুদ্রের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রেখে সামুদ্রিক সম্পদ টেকসই উপায়ে আহরণ ও ব্যবহারের অর্থনীতিকে বোঝায়।
এটি সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, খনিজ সম্পদ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সামুদ্রিক পর্যটন উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ব্লু ইকোনমি হলো সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবহার করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উন্নত জীবনযাত্রা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির দীর্ঘমেয়াদি কৌশল।
কার্যপদ্ধতি: এটি সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে তেল, গ্যাস, মৎস্য ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ আহরণ করে।
ব্যবহার: উপকূলীয় দেশগুলোতে সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য বিমোচন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গোপসাগর থেকে টুনা মাছ আহরণ।
ব্যাখ্যা: এটি সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ নির্ভর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের একটি বাস্তব উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের তলদেশ থেকে গ্যাস ও খনিজ সম্পদ উত্তোলন।
ব্যাখ্যা: এটি সমুদ্রের অজীবজ সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি চাহিদা পূরণের প্রক্রিয়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমুদ্র মাছ এর ব্যবসা এর সাথে — এটি ব্লু ইকোনমির একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সমগ্র অর্থনীতির পরিধিকে বোঝায় না।
B) সমুদ্র গবেষণার সাথে — সামুদ্রিক গবেষণা ব্লু ইকোনমির সহায়তাকারী বিষয়, সরাসরি সম্পূর্ণ অর্থনীতি নয়।
D) সমুদ্র ভবনের সাথে — সমুদ্র ভবন বলতে কোনো সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক খাত বোঝায় না এবং এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্লু বা নীল রঙ সমুদ্রের প্রতীক, তাই ব্লু ইকোনমি মানেই সমুদ্রকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।
সমুদ্রের তলদেশ থেকে উপকূল পর্যন্ত সব ধরনের সম্পদ রক্ষা ও ব্যবহারই এর মূল লক্ষ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের মোট অর্থনীতির একটি বড় অংশ ব্লু ইকোনমি বা সমুদ্র অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি পরিবেশগত অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়ন অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)