বাংলাদেশ নৌবাহিনী

বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক/ নার্স/ ল্যাবরেটরি এটেনডেন্ট পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

1. 'Editor' এর পরিভাষা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্পাদক কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ Editor-এর বাংলা পরিভাষা হলো সম্পাদক যিনি কোনো পত্রিকা বা গ্রন্থ প্রকাশের দায়িত্বে থাকেন। - সংবাদপত্রে প্রকাশিত লেখার মান নিয়ন্ত্রণ ও প্রকাশের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তিকে সম্পাদক বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি পরিভাষাকে বাংলায় রূপান্তর করার সময় তার ভাবার্থ এবং পেশাগত অর্থ বিবেচনা করা হয়। - সাংবাদিকতা ও প্রকাশনা ক্ষেত্রে এই শব্দের সুনির্দিষ্ট প্রায়োগিক গুরুত্ব রয়েছে। - যেমন, দৈনিক খবরের কাগজের প্রধান দায়িত্বে যিনি থাকেন তাকে সম্পাদক বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পাদিত — এটি কোনো বিশেষ্য পদ নয় বরং Editor শব্দের ক্রিয়াবাচক রূপ বা কাজের ফল প্রকাশ করে। B) সংস্করণ — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Edition যা বই প্রকাশের ভিন্ন পর্যায় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) উপদেষ্টা — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Advisor যিনি কোনো বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন। D) সম্পাদক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি মূল পদের সঠিক রূপ। মনে রাখার টিপস: - সংবাদপত্র বা বইয়ের ক্ষেত্রে যিনি শেষ হাত দেন বা নেতৃত্ব দেন তিনি হলেন সম্পাদক। - Ed দিয়ে শুরু হওয়া শব্দটির সাথে পাদক যুক্ত করে সম্পাদক মনে রাখা সহজ।
2. 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি কোন কবির রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা ১৩২৯ সালের কার্তিক মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারোটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাহিত্য প্রসঙ্গ: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল যা রোমান্টিক ধারার বাইরে গিয়ে দেশপ্রেম ও দ্রোহের বাণী প্রচার করে। - উদাহরণ: এই কাব্যের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি আশির দশকের একজন বিশিষ্ট প্রতিবাদী কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো দ্যুলোক-চ্যুতিকা। - B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার কিশোর কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ছাড়পত্র। - D) ফররুখ আহমদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের ইসলামী পুনর্জাগরণের কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো সাত সাগরের মাঝি। মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবির প্রথম প্রতিবাদের অস্ত্র ছিল অগ্নিবীণা।
3. যে জমিতে ফসল হয় না?
Created 3 weeks ago | Updated 27 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঊষর ১. কেন সঠিক: যে জমিতে ফসল জন্মায় না বা লবণাক্ততার কারণে উর্বরতা নষ্ট হয়ে গেছে, তাকে এককথায় ঊষর বলা হয়। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যে জমিতে ফসল হয় না, যার সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত প্রকাশ হলো ঊষর ভূমি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বাক্যের অর্থকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো এককথায় প্রকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লবণাক্ততার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের কিছু জমি এখন ঊষর হয়ে পড়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ঊষর শব্দটি এমন জমিকে বোঝাচ্ছে যেখানে লবণের আধিক্যের কারণে কোনো ফসল জন্মে না। উদাহরণ ২: মরুভূমির বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কেবল ঊষর বালুচর দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে ঊষর শব্দটি দ্বারা উর্বরতাহীন ও ফসলহীন অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পতিত — পতিত বলতে এমন জমিকে বোঝায় যা উর্বর হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করা হয় না। B) অনুর্বর — অনুর্বর হলো উর্বর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, যা সাধারণভাবে উর্বরতা শক্তির অভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) বন্ধ্যা — বন্ধ্যা শব্দটি মূলত জীবজন্তু বা নারীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যাদের সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা নেই। D) ঊষর — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিশেষভাবে ফসল জন্মায় না এমন অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ঊষর শব্দের সাথে মরুভূমি বা লবণাক্ত মাটির সম্পর্ক মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ফসলহীন জমি মানেই ঊষর ভূমি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্য পার্থক্যের শব্দগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। পতিত ও ঊষর এই দুটি শব্দের সুক্ষ্ম পার্থক্য বুঝতে পারলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
5. 'রিক্সা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপানি ১. কেন সঠিক: 'রিক্সা' শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক শব্দ। জাপানি শব্দ 'জিনরিকশা' (Jinrikisha) সংক্ষেপিত হয়ে বাংলায় 'রিক্সা' বা 'রিকশায়' রূপ নিয়েছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো মানবচালিত গাড়ি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। বাংলা ভাষায় এমন কিছু বিদেশি শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন ভাষা থেকে সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে প্রবেশ করেছে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এগুলো প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হারিকিরি ব্যাখ্যা: এটি একটি জাপানি শব্দ, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উদাহরণ হিসেবে часто আসে। উদাহরণ ২: সুনামি ব্যাখ্যা: এটিও একটি জাপানি শব্দ, যা সমুদ্রের তলদেশের ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট ঢেউ বোঝাতে বাংলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনা — চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দ হলো চা, চিনি, লিচু ইত্যাদি, রিক্সা নয়। B) তুর্কী — তুর্কী ভাষা থেকে আগত শব্দ হলো দারোগা, তোপ, চাকু ইত্যাদি, রিক্সা নয়। C) জাপানি — এই অপশনটি সঠিক এবং জাপানি ভাষা থেকেই রিক্সা শব্দটি বাংলায় এসেছে। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে আগত শব্দ হলো কার্তুজ, কুপন, বুফে ইত্যাদি, রিক্সা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জাপানি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত শব্দ যেমন রিক্সা, সুনামি এবং হারিকিরি মনে রাখলে এই ধরনের বিদেশি শব্দ সহজে চিহ্নিত করা যায়। বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর উৎস ভাষা আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ, আরবি, ফার্সি, ইংরেজি এবং জাপানি শব্দ থেকে। শব্দগুলোর অর্থ ও উৎস ভালোমতো আয়ত্ব করলে এই টপিকের প্রশ্নগুলো ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
7. 'বাবাকে বড্ড ভয় পাই' নিম্নরেখ শব্দটির কারক ও বিভক্তি কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 28 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ২য়া ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ভয় পাওয়া অর্থে যা থেকে ভয় উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয়। - এখানে বাবা শব্দের সঙ্গে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে অপাদান কারক বুঝিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যা থেকে কিছু ভীত, রক্ষিত, উৎপন্ন, বিরত, নিবারিত, জাত বা বিশ্বত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - কর্মকারকের বিভক্তি দ্বিতীয় বা চতুর্থী হলেও, ভয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী অপাদান কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে পুলিশ ভয় পায়। ব্যাখ্যা: এখানে চোর থেকে ভয় উৎপন্ন হওয়ায় এটি অপাদানে দ্বিতীয় বিভক্তি। উদাহরণ ২: বিপদে মোরা রক্ষা করো। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষার ক্ষেত্রে এটি অপাদান কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ২য়া — কর্ম কারকের ক্ষেত্রে বিভক্তি দ্বিতীয় হলেও ভয়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। B) অপাদানে ২য়া — এটি সঠিক কারণ ভয়ের উৎপত্তিস্থল অপাদান কারক হয় এবং এখানে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। C) কর্মে ৪র্থী — চতুর্থী বিভক্তির ব্যবহার এখানে নেই এবং এটি কর্মকারকও নয়। D) অপাদানে ৭মী — এখানে সপ্তমী বিভক্তির কোনো চিহ্ন যেমন এ বা তে যুক্ত নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভয়, ভীতি বা আতঙ্ক বোঝালে সাধারণত অপাদান কারক হয়। - বাক্যে কাকে বা কি থেকে ভয় পাচ্ছ তা খুঁজলে অপাদান কারক পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় কারક নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ভীতি বা দূরত্বের শব্দগুলো খুব সাবধানে চিহ্নিত করতে হয়। - ভীত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালে কর্ম না ভেবে সবসময় অপাদান কারক হিসেবে ধরতে হবে।
9. 'চাঁদের হাট' বাগধারাটির অর্থ কী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রিয়জনদের সমাগম ১. কেন সঠিক: 'চাঁদের হাট' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ চাঁদের মেলা হলেও ভাবার্থ হলো আনন্দদায়ক পরিবেশে প্রিয়জন বা ঘনিষ্ঠজনদের একত্র হওয়া। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে এবং এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো যেখানে অনেক প্রিয় মানুষ একসঙ্গে মিলিত হন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীর্ঘদিন পর বিদেশ থেকে ভাই আসায় বাড়িতে যেন চাঁদের হাট বসেছে। ব্যাখ্যা: এখানে অনেক প্রিয় মানুষ একসঙ্গে মিলিত হওয়ার আনন্দ বোঝাতে চাঁদের হাট ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পারিবারিক মিলনমেলায় সবাই একত্রিত হলে চারপাশটা চাঁদের হাটে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে প্রিয়জনদের সমাগমের আনন্দ প্রকাশ করতে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণ্যমান্যদের সমাগম — এটি ভুল কারণ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের একত্র হওয়াকে চাঁদের হাট বলে না, এর জন্য অন্য উপযুক্ত শব্দ বা প্রবাদ রয়েছে। B) আত্মীয়দের সমাগম — এই অপশনটি কাছাকাছি হলেও শুধুমাত্র আত্মীয় বললেই সব প্রিয়জন বোঝায় না, তাই এটি সঠিক নয়। C) প্রিয়জনদের সমাগম — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাঁদের হাট মূলত প্রিয় ও ঘনিষ্ঠজনদের মিলনমেলা নির্দেশ করে। D) বন্ধুদের সমাগম — বন্ধুদের জমায়েত বোঝাতে আড্ডা বা বন্ধুদের মেলা বলা হয়, কিন্তু চাঁদের হাট বলতে শুধু বন্ধুদের বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: চাঁদ যেমন আকাশে অনেক আলো ও সৌন্দর্য নিয়ে একসঙ্গে থাকে, তেমনি প্রিয় মানুষেরাও একসঙ্গে মিলে চাঁদের হাট তৈরি করে। এইভাবে রূপক অর্থে আনন্দময় মিলনকে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের সময় শব্দের পেছনের অন্তর্নিহিত ভাবটি ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
10. কথাবার্তা, বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য কোন ভাষা উপযোগী?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চলিত ১. কেন সঠিক: চলিত রীতি মুখর ও জীবন্ত হওয়ায় কথোপকথন, বক্তৃতা এবং নাটকের সংলাপের জন্য এটি অত্যন্ত উপযোগী। এই ভাষা মানুষের দৈনন্দিন মুখ ও মনের ভাব প্রকাশের সবচেয়ে স্বাভাবিক মাধ্যম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার রূপ দুটি, যথা সাধু ও চলিত। চলিত রীতি পরিবর্তনশীল এবং যুগোপযোগী হওয়ায় সাহিত্য ও যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি কোথায় যাচ্ছো? ব্যাখ্যা: এটি চলিত রীতির বাক্য, যা কথোপকথনে স্বাভাবিক শোনায়। উদাহরণ ২: নাটকে চরিত্রগুলো চলিত ভাষায় কথা বলে। ব্যাখ্যা: নাটকের সংলাপ বাস্তবসম্মত করার জন্য চলিত রীতি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কথ্য ভাষার ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং সংলাপের উপযোগী। B) সাধু — সাধু রীতি কৃত্রিম, গম্ভীর ও লেখ্য রূপের জন্য উপযোগী হওয়ায় নাটকের সংলাপের জন্য অনুপযুক্ত। C) মিশ্র — সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়, যা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। D) উপজাতীয় — এটি নির্দিষ্ট কোনো ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা, যা সার্বজনীন সংলাপের জন্য উপযোগী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কথা বলা বা সংলাপ মানেই চলিত ভাষা। সাধু ভাষা হলো বইয়ের ভাষা এবং চলিত ভাষা হলো মুখের ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চলিত রীতির অপর নাম প্রমিত রীতি বা কথ্য ভাষা। পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
11. 'যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়' এর এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সর্বংসহা ১. কেন সঠিক: - 'যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়' বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো সর্বংসহা। - এখানে সর্বং শব্দের অর্থ সবকিছু এবং সহা শব্দের অর্থ সহ্যকারী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষেপণ বৃদ্ধি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে গাছ অন্য গাছকে পেঁচিয়ে বাঁচে ব্যাখ্যা: একে এককথায় পরজীবী বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বংসহা — এটি প্রশ্নের সঠিক চাহিদা পূরণ করে। B) সর্বসহকারী — এই শব্দটির দ্বারা কোনো বিশেষ এককথায় প্রকাশ বোঝায় না। C) সহনশীল — এর অর্থ যার সহ্য করার ক্ষমতা আছে, কিন্তু সব অত্যাচার সয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) সহ্যশীল — এটি কেবল সাধারণ সহ্য করার ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সর্বংসহা শব্দটিতে সব এবং সহা যুক্ত আছে, যার অর্থ সবকিছু সহ্য করতে পারে যে নারী। - পরীক্ষার জন্য এটি একটি নির্দিষ্ট লিঙ্গবাচক বা বিশেষ অর্থ বহনকারী শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে নারী বা প্রকৃতির বিশেষ গুণ বোঝাতে এই ধরনের শব্দ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
12. 'হাত' শব্দটি কোন শ্রেণির?
Created 3 weeks ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তদ্ভব কেন সঠিক: - 'হাত' শব্দটি সংস্কৃত শব্দ থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এসেছে। - প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার শব্দরূপ পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি তদ্ভব শব্দের রূপ নিয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ভব শব্দ হলো সেই সব শব্দ যার উৎস সংস্কৃত ভাষা, কিন্তু প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক রূপ ধারণ করেছে। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে এই ধরনের শব্দের গুরুত্ব অপরিসীম কারণ এগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শব্দ। - সংস্কৃতির 'হস্ত' শব্দ প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় 'হাত' রূপে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দেশি — যেসব শব্দ বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে তা দেশি শব্দ, কিন্তু 'হাত' আদি অস্ট্রিক ভাষা থেকে আসেনি। - B) তৎসম — যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলায় এসেছে তা তৎসম, কিন্তু 'হাত' সরাসরি আসেনি পরিবর্তিত হয়ে এসেছে। - C) তদ্ভব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। - D) বিদেশি — যেসব শব্দ বাংলা ভাষা বহির্ভূত অন্য কোনো বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে তা বিদেশি শব্দ, কিন্তু 'হাত' বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি। মনে রাখার টিপস: - হস্ত হলো সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ, আর এর পরিবর্তিত রূপ হাত হলো তদ্ভব শব্দ।
14. 'সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই' চরণটির রচয়িতা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই চরণটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত পদকর্তা চণ্ডীদাসের রচনা। - এই চরণের মাধ্যমে মানুষের মর্যাদাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান দেওয়া হয়েছে এবং মানবপ্রেমের মূল বাণী প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি ও অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে স্বীকৃত। - তাঁর পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের আড়ালে মূলত মানবাত্মার মিলন এবং মানবীয় অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সহজ মানুষের ভজন করিও মন। ব্যাখ্যা: এটি বাউল সাধক লালন সাঁইয়ের গান, যা চণ্ডীদাসের মানবতাবাদের মতোই মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরে। উদাহরণ ২: মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান। ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের এই পংক্তিতেও চণ্ডীদাসের মানববাদী দর্শনের আধুনিক প্রতিফলন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃন্দাবন দাস — ইনি চৈতন্যভাগবত গ্রন্থের রচয়িতা এবং বাংলা জীবনী সাহিত্যের অন্যতম প্রবীণ লেখক, তবে এই চরণের রচয়িতা নন। B) মুকুন্দ দাস — ইনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের একজন বিখ্যাত স্বদেশী পালাকার ও গায়ক ছিলেন, এই পংক্তির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং এটি অন্যান্য ভুল অপশনের মতো নয়। D) গোবিন্দ দাস — ইনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর একজন বিশিষ্ট পদকর্তা ও করচা লেখক, তবে এই বিখ্যাত চরণটি তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানবসত্য বা মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সংক্রান্ত বিখ্যাত বাণী পেলে মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসকে মনে রাখবে। - চণ্ডীদাস মানেই মানবপ্রেম এবং সবার উপর মানুষ সত্য এই কালজয়ী বাণী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিক উদ্ধৃতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিখ্যাত পংক্তি ও তার রচয়িতা মুখস্থ রাখা জরুরি। - মধ্যযুগের পদকর্তাদের মধ্যে মানবতাবাদ প্রচারের জন্য চণ্ডীদাসের নাম সবচেয়ে আগে আসে।
16. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - এই শব্দটির বানান গঠনে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে প্রথম উ-কার এবং শেষ উ-কার হ্রস্ব হয়। - মুমূর্ষু শব্দের অর্থ যা মরতে বসেছে বা মৃত্যুর কাছাকাছি উপনীত হয়েছে এমন ব্যক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের নিয়মানুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথমে হ্রস্ব উ, পরে দীর্ঘ উ এবং উ-এর সাথে রেফ যুক্ত হওয়ার পর হ্রস্ব উ ব্যবহৃত হয়। - সমাস বা প্রত্যয় সাধিত জটিল শব্দগুলোর ক্ষেত্রে প্রমিত বানানরীতি মেনে চলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ উ এর নির্দিষ্ট নিয়ম সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানানরূপ হওয়ায় এটিই উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) মুমুষু — এই বানানটিতে দীর্ঘ উ এবং রেফ বা সঠিক হ্রস্ব উ-এর বিন্যাস ভুল রয়েছে। C) মুমূরর্ষু — এই বানানে অতিরিক্ত দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মবহির্ভূত। D) মুমুষু — এই বানানে প্রয়োজনীয় হ্রস্ব ও দীর্ঘ উ-কারের সঠিক ক্রম রক্ষা করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে শুরুর উ ছোট, মাঝের উ বড় এবং শেষের উ আবার ছোট হয়। - অর্থাৎ হ্রস্ব উ, দীর্ঘ ঊ এবং হ্রস্ব উ এর এই ক্রমটি মনে রাখলেই বানান ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুমূর্ষু, শুশ্রূষা ও দারিদ্র্য বানানের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - হ্রস্ব উ ও দীর্ঘ ঊ এর সঠিক ব্যবহার আয়ত্ত করতে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম বারবার চর্চা করতে হবে।
18. 'নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম' কোন সমাস?
Created 3 weeks ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয় সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পদের সৃষ্টি হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে নীল বিশেষণ পদের সঙ্গে পদ্ম বিশেষ্য পদের কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত একটি পদ বিশেষ্য এবং অন্য পদটি বিশেষণ হয় অথবা দুটিই বিশেষণ বা দুটিই বিশেষ্য হতে পারে। এই সমাসে পরপদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচা যে আম = কাঁচআম ব্যাখ্যা: এখানে কাঁচা বিশেষণ পদের সঙ্গে আম বিশেষ্য পদের কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: মহান যে নবী = মহানবি ব্যাখ্যা: এখানে মহান বিশেষণ পদের সঙ্গে নবী বিশেষ্য পদের কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু সমাস — দ্বিগু সমাসে সমাহার বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে নেই। B) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের যে সমাস হয়, তা প্রাদি সমাস। C) বহুব্রীহি সমাস — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি যে বা যিনি থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাবে। বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের মিলনে এটি গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রঙের নাম বা বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন থাকলে প্রায়শই কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন কৃষ্ণ যে সর্প = কৃষ্ণসর্প।
20. Man cannot live alone. Which part of speech is 'alone'?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ঘ) Adverb কেন সঠিক: এখানে 'alone' শব্দটি বাক্যের শেষে বসে 'live' ভার্বটিকে মডিফাই বা বিশেষিত করছে। কোনো শব্দ বাক্যের ক্রিয়াকে কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝালে তা Adverb হয়। বাক্যে এটি একা থাকার অবস্থা প্রকাশ করছে। তাই এটি Adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Noun হতে পারে না। খ) Pronoun — এটি কোনো Noun এর পরিবর্তে বসেনি, তাই এটি Pronoun নয়। গ) ঘ) Verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Verb হতে পারে না। ঘ) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভার্বকে বিশেষিত করেছে। মনে রাখার টিপস: ভার্বকে কীভাবে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যে শব্দ পাওয়া যায়, সাধারণত সেটাই Adverb হয়।
21. Which one of the following words is noun?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Acceptance কেন সঠিক: যে শব্দ কোনো ব্যক্তি, বস্তু, ধারণা বা গুণের নাম বোঝায় তাকে নাউন বলা হয়। Acceptance শব্দটি কোনো কাজের সম্মতি বা গ্রহণের নাম বোঝায় বিধায় এটি নাউন। এই শব্দের শেষে ance প্রত্যয় যুক্ত আছে যা ইংরেজি ব্যাকরণে নাউন চেনার একটি প্রধান উপায়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Slowly — এটি একটি অ্যাডভার্ব কারণ এটি কোনো কাজ কীভাবে সম্পন্ন হয় তা নির্দেশ করে। খ) Acceptance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। গ) Alas — এটি একটি ইন্টারজেকশন কারণ এটি মনের দুঃখ বা আবেগ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ঘ) Good — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে tion, sion, ment, ance, ence ইত্যাদি যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়।
22. Which one is feminine gender.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bitch কেন সঠিক: - Bitch শব্দটির অর্থ হলো কুকুরী বা স্ত্রী কুকুর। - এটি ব্যাকরণে সরাসরি স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine gender নির্দেশ করে। - Dog শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হিসেবে Bitch ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) Ram — এটি পুরুষ ভেড়া বা masculine gender বোঝায়। - B) Bitch — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে বিশ্লেষণ প্রযোজ্য নয়। - C) Horse — এটি সাধারণত পুরুষ ঘোড়া বা সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয় যার স্ত্রীলিঙ্গ Mare। - D) Prince — এটি রাজকুমার যা masculine gender এবং এর স্ত্রীলিঙ্গ Princess। মনে রাখার টিপস: - পশুপাখির ক্ষেত্রে পুরুষ ও স্ত্রীবাচক শব্দ আলাদা হয়, যেমন Dog এর স্ত্রীলিঙ্গ Bitch।
23. He lives ______ comfortable life.
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: এখানে comfortable শব্দটির শুরুতে consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ রয়েছে। তাই এর পূর্বে indefinite article হিসেবে a বসেছে। বাক্যটিতে একটি সাধারণ ও আরামদায়ক জীবনযাপনের কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ জীবন বোঝায়নি বলে the বসেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এটি নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ জীবন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে সাধারণ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। B) with — এটি একটি preposition এবং এখানে অর্থপূর্ণ কোনো সম্পর্ক তৈরি করতে পারছে না। C) a — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) an — comfortable শব্দটির প্রথম অক্ষর c হওয়ায় তার উচ্চারণ vowel sound বা স্বরবর্ণের মতো নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে consonant sound থাকলে তার আগে a বসে এবং vowel sound থাকলে an বসে।
24. কোন বাক্যটি শুদ্ধ-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) This is a unique opportunity কেন সঠিক: unique শব্দটি একটি চরম বা absolute adjective যার অর্থ যার সমতুল্য কিছু নেই। তাই এর আগে most বা more বসানোর কোনো প্রয়োজন হয় না এবং বাক্যটি শুদ্ধ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) This is a most unique opportunity — unique শব্দের আগে most ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) This is a in quest opportunity — in quest একটি ভুল শব্দগুচ্ছ যা এখানে অর্থহীন। C) This is a most uniquest opportunity — uniquest এবং most একসাথে ব্যবহার করা দ্বিগুণ ভুল। D) This is a unique opportunity — কোনো অতিরিক্ত শব্দ ছাড়াই এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য। মনে রাখার টিপস: unique, perfect, extreme ইত্যাদি শব্দের আগে never most বা more বসবে না।
25. It ______ raining since morning.
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) has been কেন সঠিক: বাক্যে since morning থাকায় এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হয়েছে। Subject থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় এখানে has been বসবে। বৃষ্টি এখনও চলছে বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has been — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) had been — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স, তাই বর্তমানের সাথে মিলছে না। C) was — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, তাই since morning এর সাথে বসে না। D) were — এটি পাস্ট টেন্স এবং plural সাবজেক্টের জন্য, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for থাকলে এবং সময় উল্লেখ থাকলে has been বা have been ব্যবহার করতে হয়।
26. I would rather die ______
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) than beg কেন সঠিক: বাক্যে would rather থাকলে এর সাথে than বসে। এটি একটি নির্দিষ্ট তুলনামূলক গঠন যা পছন্দ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। than এর পরে সরাসরি verb এর বেস ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to beg — would rather এর সাথে to বসে না। তাই এই অপশনটি ভুল। B) for beg — এখানে for এর ব্যবহার grammatically সঠিক নয়। তাই এটি ভুল। C) than beg — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to against — এই গঠনটি সম্পূর্ণ অর্থহীন ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: would rather দেখলেই বাক্যে than এবং verb এর প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হবে।
27. I wish I ______ a queen.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: - বাক্যে I wish থাকলে এবং এর পরে be verb ব্যবহারের প্রয়োজন হলে সাবজেক্ট singular হলেও সবসময় were বসে। - এটি অসম্ভব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করার একটি সাবজাংক্টিভ মুড, যা অতীতের অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — প্রথম পুরুষের পর was বসা সাধারণ নিয়মে ঠিক হলেও, Subjunctive Mood-এর নিয়মে I wish-এর পরে সব সময় were বসে। B) were — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশের নিয়মে I wish-এর পরে সবসময় were ব্যবহৃত হয়। C) had — এখানে অধিকার বা অন্য কোনো অবস্থা বোঝাচ্ছে না, বরং রাজ হওয়ার কাল্পনিক অবস্থা বোঝাতে be verb প্রয়োজন। D) are — এটি বর্তমানকালের plural verb, যা past subjunctive mood-এর নিয়ম এবং বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে I wish থাকলেই চোখ বন্ধ করে were বসিয়ে দেবে, কারণ কাল্পনিক ইচ্ছায় কখনো was বসে না।
28. Rice is sold cheap
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Passive voice কেন সঠিক: বাক্যটির অর্থ হলো চাল সস্তায় বিক্রি হয়। এখানে চাল নিজে বিক্রি করে না, বরং অন্য কেউ তাকে বিক্রি করে। কর্তা নিষ্ক্রিয় থাকার কারণে এটি মূলত একটি কওয়াসি প্যাসিভ ভয়েস বা আংশিক প্যাসিভ বাক্য। বাক্যের গঠন এবং অর্থ বিবেচনা করলে এটি একটি প্যাসিভ ভয়েস হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Active voice — এই বাক্যে কর্তা নিজেই কাজ করছে না, তাই এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস হতে পারে না। B) Passive voice — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটি প্যাসিভ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। C) Both — বাক্যটি একই সাথে দুটি ভয়েস হতে পারে না, তাই এটি ভুল। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যেসব বাক্যে বস্তু নিজে কাজ করতে পারে না এবং অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়, সেগুলোর অর্থ প্যাসিভ ভয়েসের মতো হয়।
29. I can't remember ______.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) what his name is কেন সঠিক: - জটিল বাক্যে (Complex sentence) প্রিন্সিপাল ক্লজ এবং সাব-অর্ডিনেট ক্লজ সংযুক্ত করতে ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড ব্যবহৃত হলে তার পরের অংশ সাবজেক্ট ও ভার্বের সাধারণ অর্ডারে বসে। - এখানে প্রথম অংশ প্রিন্সিপাল ক্লজ (I can not remember) হওয়ার পর ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড what-এর পর সাবজেক্ট his name এবং সবশেষে ভার্ব is বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) what is his name — এটি ডব্লিউএইচ ওয়ার্ডের পর সরাসরি ভার্ব এবং সাবজেক্ট বসিয়েছে, যা স্টেটমেন্টের ভেতরে ব্যবহার করার নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) his name is what — এটি বাক্যগঠনের নিয়ম অনুযায়ী ভুল কারণ ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড বাক্যের মাঝে বসে এভাবে শেষে অবজেক্ট হিসেবে বসে না। C) what his name is — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের ভেতরে সঠিক সাবজেক্ট ও ভার্বের ক্রম বজায় রেখেছে। D) is what his name — এই অপশনের গঠন সম্পূর্ণ ব্যাকরণবিরুদ্ধ কারণ ভার্ব দিয়ে শুরু করে মাঝখানে এমন বিন্যাস হয় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মাঝে প্রশ্নবোধক শব্দ ব্যবহার করলে প্রথমে ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড, পরে সাবজেক্ট এবং সবার শেষে ভার্ব বসে।
30. ঢাকা কি জন্য বিখ্যাত? এর ইংরেজি অনুবাদ-
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What is Dhaka famous for? কেন সঠিক: - কোনো বিষয় বা বস্তুর কারণ জানতে What দিয়ে প্রশ্ন শুরু করতে হয় এবং শেষে যথাযথ Preposition (for) ব্যবহার করতে হয়। - Interrogative Sentence-এ Subject-এর আগে সাহায্যকারী verb (is) বসানোর নিয়ম রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What is Dhaka famous for? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে সঠিক গঠন ও Preposition ব্যবহৃত হয়েছে। B) Why Dhaka is famous? — এটি ভুল, কারণ এখানে Subject (Dhaka)-এর আগে সাহায্যকারী verb বসেনি এবং বিখ্যাত হওয়ার ক্ষেত্রে Why-এর চেয়ে What...for ব্যবহার করা অধিকতর গ্রহণযোগ্য। C) What Dhaka is famous for? — এটি ভুল, কারণ এতে কোনো সাহায্যকারী verb নেই, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠনকে অসম্পূর্ণ করেছে। D) For what Dhaka is famous? — এটি ভুল, কারণ আধুনিক ইংরেজিতে Preposition বাক্যের শুরুতে না রেখে শেষে রাখার নিয়মই বেশি প্রচলিত ও স্বাভাবিক। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু কি জন্য বিখ্যাত তা জানতে ইংরেজিতে What দিয়ে শুরু করে শেষে for বসাতে হয় এবং সাহায্যকারী verb সাবজেক্টের আগে বসে।
31. What is the synonym of 'Competent'?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Capable কেন সঠিক: Competent শব্দের অর্থ দক্ষ বা যোগ্য, যা একই সাথে কাজের ক্ষমতা বোঝায়। Capable শব্দটির অর্থও সক্ষম বা দক্ষ, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। উভয় শব্দই কোনো নির্দিষ্ট কাজ সফলভাবে করার সামর্থ্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Capable — এটি সঠিক উত্তর এবং মূল শব্দের সমার্থক। B) Discrete — এর অর্থ আলাদা বা বিচ্ছিন্ন, যা Competent শব্দের সাথে মিলে না। C) Circumspect — এর অর্থ সতর্ক বা পরিদর্শী, যা যোগ্যতার সমার্থক নয়। D) Prudent — এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী, যা দক্ষতা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Competent শব্দটির প্রথম অংশ Com এবং Capable শব্দটির শুরু Cap প্রায় একই ধরনের পজিটিভ দক্ষতা নির্দেশ করে।
32. 'It is a long story' এর সঠিক অনুবাদ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সে অনেক কথা কেন সঠিক: ১. 'It is a long story' একটি প্রবাদতুল্য বা ভাবানুবাদমূলক ইংরেজি বাক্য। এর মূল অর্থ বোঝাতে বাংলায় 'সে অনেক কথা' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। ২. বাক্যের ভাব বা অর্থ ঠিক রাখতে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে এমন সুন্দর ভাবানুবাদ বেশি উপযোগী। ৩. দৈনন্দিন কথোপকথনে দীর্ঘ কোনো বিষয় সংক্ষেপে বোঝাতে এই অনুবাদটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইহা একটি লম্বা গল্প — এটি শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ হলেও ভাবার্থ প্রকাশ করতে পারেনি। B) সে অনেক কথা — এটি সঠিক উত্তর। C) ইহা হয় একটি লম্বা কথা — এখানে 'হয়' শব্দের ব্যবহার অপ্রাসঙ্গিক এবং বাক্যটি শুনতে বেমানান লাগে। D) ইহা হয় একটি দীর্ঘ গল্প — আক্ষরিক অনুবাদ হলেও মুখের ভাষার স্বাভাবিক সৌন্দর্য এখানে নষ্ট হয়ে গেছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি idioms বা ভাবানুবাদমূলক বাক্যগুলোর ক্ষেত্রে হুবহু শব্দার্থ না খুঁজে মূল ভাবটি বুঝতে হবে।
33. Choose the correct sentence
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The rich are not always happy কেন সঠিক: - Adjective-এর পূর্বে definite article (The) বসলে তা পুরো একটি শ্রেণীকে বোঝায় এবং তা প্লুরাল হিসেবে গণ্য হয়। - The rich দ্বারা ধনী শ্রেণীকে বোঝানো হয়েছে, তাই এর পর plural verb (are) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rich is not always happy — Adjective-এর পূর্বে the না বস0লে তা noun হিসেবে কাজ করে না এবং singular verb ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) The rich is not always happy — The rich plural noun phrase হওয়ায় এর সাথে singular verb (is) বসতে পারে না। C) The rich are not always happy — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Riches are not always happy — Riches শব্দের অর্থ সম্পদ, যা এখানে অর্থপূর্ণ বা ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: The-এর সাথে Adjective বসলে সেটি প্লুরাল সাবজেক্ট হয়, তাই এর সাথে সবসময় plural verb বসে।
34. Choose the correct spelling
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Accelerate কেন সঠিক: বানানটিতে প্রথমে 'Ac' এবং পরে 'c' ও 'e' এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। এখানে 'lerate' অংশটি সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। সঠিক বানান গঠনের নিয়ম অনুযায়ী এটি গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accilerate — এখানে 'e' এর বদলে ভুলভাবে 'i' ব্যবহার করা হয়েছে। B) Accelerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) Accellerate — এখানে অতিরিক্ত একটি 'l' ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) Accelaret — এখানে শেষ অংশে 'a' এবং 'e' এর অবস্থান উলלোটা পালটা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে 'Ac' লিখে 'celerate' অংশটি আলাদা করে মুখস্ত করতে পারো।
35. In black and white means
Created 3 weeks ago | Updated 44 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) In Writing কেন সঠিক: ইংরেজী ইডিওম 'In black and white' এর অর্থ হলো লিখিতভাবে বা দলিলে কিছু থাকা। সাদা কাগজে কালো কালির লেখা চুক্তি বা দলিলকে এটি নির্দেশ করে। তাই কথ্য কথার বদলে লিখিত প্রমাণ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি পুরোপুরি লিখিত রূপকে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — শূন্য বলতে কোনো সংখ্যা বোঝায় যার সাথে এই ইডিওমের অর্থের কোনো মিল নেই। B) In Writing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Temporary — এর অর্থ অস্থায়ী, যা লিখিত দলিলের স্থায়ী প্রকৃতির বিপরীত। D) Verbally — এর অর্থ মৌখিকভাবে, অথচ এই ইডিওমটি লিখিত রূপ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সাদা কাগজে কালো কালিতে কিছু লেখা থাকলে তা যেমন স্থায়ী ও লিখিত প্রমাণ হয়, তেমনি 'In black and white' বললেই লিখিত দলিল বা চুক্তি মনে রাখবে।
36. Wisdom means
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রজ্ঞা কেন সঠিক: 'Wisdom' শব্দের প্রকৃত ও গভীর অর্থ হলো প্রজ্ঞা বা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে লব্ধ উচ্চতর বোঝাপড়া। এটি শুধু তথ্য জানা নয়, বরং সঠিক বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করার ক্ষমতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্ঞা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি 'Wisdom' এর সবচেয়েClosest ও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) জ্ঞান — 'Knowledge' শব্দের অর্থ হলো জ্ঞান, যা কোনো বিষয় সম্পর্কে তথ্য বা ধারণাকে বোঝায়। C) বুদ্ধি — 'Intelligence' শব্দের অর্থ হলো বুদ্ধি বা কোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানের মানসিক ক্ষমতা। D) মেধা — 'Talent' বা 'Intellect' শব্দের অর্থ হলো মেধা, যা বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে প্রতিভাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান মানে শুধু বই পড়া বা তথ্য জমা করা, আর প্রজ্ঞা হলো সেই জ্ঞান দিয়ে জীবনকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করা।
37. He has been ill ______ Friday last.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: বাক্যে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং শুক্রবার একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় নির্দেশ করছে। নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা বারের নাম উল্লেখ থাকলে তার পূর্বে since বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সাধারণত future বা general time-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট থেকে শুরু বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের জন্য উপযুক্ত নয়। C) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের নামের আগে বসে, কিন্তু নির্দিষ্ট সময় থেকে কাজ চলছে এমন বোঝালে since ব্যবহার করতে হয়। D) in — এটি সাধারণত মাস, বছর বা ঋতুর নামের আগে বসে, তাই এখানে Friday last এর পূর্বে এটি বসবে না। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো বারের নাম, তারিখ বা সালের নাম থাকলে since এবং দীর্ঘ সময়কাল বোঝালে for বসে।
38. I trusted him ______ money.
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: ট্রাস্ট বা বিশ্বাস করে কারো কাছে কোনো কিছু জমা রাখা বোঝাতে ট্রাস্ট সামথিং উইথ সামওয়ান বা ট্রাস্ট সামওয়ান উইথ সামথিং গঠন ব্যবহার করা হয়। এখানে টাকা বা বস্তু বিশ্বাসের সাথে দায়িত্বে দেওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে উইথ ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো প্রিপজিশন এই অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্যে বোঝাতে ফর বসে, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ফ্রম বসে, যা বিশ্বাসের সাথে অর্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) in — ভেতরে বা বিশ্বাসের স্থান বোঝাতে ইন বসে, তবে টাকার সাথে ট্রাস্টের পরে ইন বসে না। মনে রাখার টিপস: কাউকে কোনো মূল্যবান জিনিস বা টাকা বিশ্বাসের সাথে দায়িত্বে দিলে ট্রাস্ট শব্দের পরে সবসময় উইথ প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
39. I am sure ______ my success.
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - নিশ্চিত বা দৃঢ় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে adjective যেমন sure, certain এর পর preposition হিসেবে অবিকল of ব্যবহৃত হয়। - এই নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী I am sure of my success বাক্যটি grammatically সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সাধারণত উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে বসে, যা sure এর সঙ্গে সঠিক collocation গঠন করে না। B) with — এটি সাধারণত মাধ্যম বা সঙ্গী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা নিশ্চিত হওয়ার অর্থে এখানে বসে না। C) of — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী sure এর পর সবসময় অবিকল of বসে। D) in — এটি সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতরে বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: Sure শব্দের পর সাধারণত অবিকল of বসে, তাই sure of একসঙ্গে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল।
40. Which of the following words is not plural?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) News কেন সঠিক: News শব্দটির শেষে এস থাকলেও এটি কোনো বহুবচন নয়। এটি একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন যা সবসময় একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Feet — এটি Foot শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ পাগুলো। B) Lice — এটি Louse শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ উকুনগুলো। C) News — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি একবচন শব্দ। D) Men — এটি Man শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ মানুষেরা। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে এস থাকে কিন্তু তারা একবচন হয়, যেমন নিউজ বা ফিজিক্স, তাদের চিনে রাখা জরুরি।
41. ৪৮ সংখ্যাটি কোন সংখ্যার ৮০%?
Created 3 weeks ago | Updated 29 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য (Given): - ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক - ক এর ৮০ শতাংশ হলো ৪৮ ব্যবহৃত সূত্র: - শতাংশের হিসাব বা শতকরা নির্ণয়ের সূত্র ধাপে ধাপে সমাধান: - Step ১: প্রশ্নানুসারে লেখা যায়, ক এর ৮০% = ৪৮ - Step ২: বা, ক × (৮০ ÷ ১০০) = ৪৮ - Step ৩: বা, ক = (৪৮ × ১০০) ÷ ৮০ - Step ৪: বা, ক = ৪৮০০ ÷ ৮০ - Step ৫: সুতরাং, ক = ৬০ যাচাই (Verification): - ৬০ এর ৮০% হলো (৬০ × ৮০) ÷ ১০০ = ৪৮00 ÷ ১০০ = ৪৮, যা প্রদত্ত তথ্যের সাথে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - অপশন A (৫০) — কারণ ৫০ এর ৮০% হলো ৪০, যা ৪৮ এর সমান নয়। - অপশন C (৭০) — কারণ ৭০ এর ৮০% হলো ৫৬, যা ৪৮ এর সমান নয়। - অপশন D (৮০) — কারণ ৮০ এর ৮০% হলো ৬৪, যা ৪৮ এর সমান নয়। শর্টকাট টিপস: - কোনো সংখ্যার শতকরা মান দেওয়া থাকলে, সংখ্যাটিকে ১০০ দিয়ে গুণ এবং শতকরা হার দিয়ে ভাগ করলেই মূল সংখ্যাটি পাওয়া যায়।
42. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ। আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ১,২৫০ বর্গমিটার হলে এর দৈর্ঘ্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ ক্ষেত্রফল হলো এক হাজার দুইশত পঞ্চাশ বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার ক্ষেত্রফল = ২ক২ বর্গমিটার সুতরাং, ২ক২ = ১২৫০ ক২ = ৬২৫ উত্তর: ক = ২৫, তাই দৈর্ঘ্য = ৫০ মিটার
43. x - 1/x = 1 হলে, x³ - 1/x³ এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = ১ ধরি, a = x b = ১ ÷ x তাহলে, a − b = ১ অতএব, আমরা জানি, a³ − b³ = (a − b)³ + ৩ab(a − b) এখানে a ও b বসালে পাই, x³ − (১ ÷ x³) = x − (১ ÷ x)³ + ৩ × x × (১ ÷ x) × x − (১ ÷ x) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ১³ + ৩ × ১ = ১ + ৩ = ৪ উত্তর: ৪
44. একটি চতুর্ভুজের চারটি বাহুর বিপরীত দুটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান। একে বলে -
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চারটি বাহুর বিপরীত দুটি বাহু সমান্তরাল বিপরীত দুটি বাহু অসমান ধরি, চতুর্ভুজটির সমান্তরাল বাহু দুটি ক এবং খ অসমান বাহু দুটি গ এবং ঘ অতএব, ট্রাপিজিয়ামের সংজ্ঞানুযায়ী বিপরীত বাহু একজোড়া সমান্তরাল হয় অন্যান্য বাহু দুটি অসমান থাকে সুতরাং, এই শর্তগুলো কেবল ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য উত্তর: ট্রাপিজিয়াম
45. ৯০° কোণের সম্পূরক কোণ কত ডিগ্রি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: কোণটির পরিমাণ = ৯০° সম্পূরক কোণ নির্ণয় করতে হবে ধরি, অজানা সম্পূরক কোণটি = ক ডিগ্রি অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ৯০° + ক = ১৮০° উত্তর: ৯০°
46. ৮, ৮, ১৩, ১৯, ২৬, —— ধারাটির ৭ম পদ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 26 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৮, ৮, ১৩, ১৯, ২৬ পদগুলোর মধ্যকার পার্থক্য: দ্বিতীয় পদ ৮ − প্রথম পদ ৮ = ০ তৃতীয় পদ ১৩ − দ্বিতীয় পদ ৮ = ৫ পার্থক্যগুলোর নতুন ধারা: ০, ৫, ৬, ৭ অতএব, পঞ্চম ও ষষ্ঠ পদের পার্থক্য হবে ৮ ষষ্ঠ পদ ২৬ + ৭ = ৩৩ সুতরাং, সপ্তম পদ ৩৩ + ১০ = ৪৩ উত্তর: ৪৩
47. a + b = 2, ab = 1 হয়, তবে a ও b এর মান যথাক্রমে-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: দেওয়া আছে, a + b = 2 ... (১) ab = 1 ... (২) আমরা জানি, (a - b)² = (a + b)² - 4ab বা, (a - b)² = (2)² - 4(1) বা, (a - b)² = 4 - 4 বা, (a - b)² = 0 বা, a - b = 0 ... (৩) এখন, (১) ও (৩) নম্বর সমীকরণ যোগ করে পাই: (a + b) + (a - b) = 2 + 0 বা, 2a = 2 বা, a = 1 (১) নম্বর সমীকরণে a = 1 বসিয়ে পাই: 1 + b = 2 বা, b = 2 - 1 বা, b = 1 সুতরাং, a = 1 এবং b = 1। উত্তর: 1, 1
48. একটি সরলরেখার উপর লম্ব অঙ্কন করলে কয়টি সমকোণ পাওয়া যায়?
Created 3 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২টি প্রদত্ত তথ্য: একটি সরলরেখা দেওয়া আছে যার উপর একটি লম্ব অঙ্কন করতে হবে ধরি, সরলরেখাটি একটি সমতল ভূমি নির্দেশ করে লম্বটি ওই ভূমির উপর লম্বভাবে দাঁড়িয়ে আছে অতএব, লম্বটি সরলরেখার সাথে মিলিত হয়ে দুটি কোণ উৎপন্ন করে উৎপন্ন কোণ দুটি পরস্পরের সমান হয় সুতরাং, প্রতিটি কোণের পরিমাপ নব্বই ডিগ্রি হয় উত্তর: ২টি
49. লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ১৮ কি. মি. ও ৬ কি. মি.। নদীপথে ৪৮ কি. মি. অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে সময় লাগবে-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: দেওয়া আছে, লঞ্চের গতিবেগ = ১৮ কি.মি./ঘণ্টা স্রোতের গতিবেগ = ৬ কি.মি./ঘণ্টা স্রোতের অনুকূলে কার্যকর গতিবেগ = (১৮ + ৬) কি.মি./ঘণ্টা = ২৪ কি.মি./ঘণ্টা স্রোতের প্রতিকূলে কার্যকর গতিবেগ = (১৮ - ৬) কি.মি./ঘণ্টা = ১২ কি.মি./ঘণ্টা নদীপথে মোট দূরত্ব = ৪৮ কি.মি. স্রোতের অনুকূলে ৪৮ কি.মি. যেতে সময় লাগে = (৪৮ / ২৪) ঘণ্টা = ২ ঘণ্টা স্রোতের প্রতিকূলে ৪৮ কি.মি. ফিরে আসতে সময় লাগে = (৪৮ / ১২) ঘণ্টা = ৪ ঘণ্টা অতএব, যাওয়া এবং ফিরে আসতে মোট সময় লাগবে = (২ + ৪) ঘণ্টা = ৬ ঘণ্টা। উত্তর: ৬ ঘণ্টা
50. দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু ও ল.সা.গু যথাক্রমে ২ ও ৩৬০। একটি সংখ্যা ১০ হলে অপর সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 55 seconds ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গ.সা.গু = ২ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ১০ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = তাদের গ.সা.গু × ল.সা.গু অতএব, ১০ × ক = ২ × ৩৬০ ১০ × ক = ৭২শ ক = ৭২শ ÷ ১০ সুতরাং, ক = ৭২ উত্তর: ৭২
51. ৬ ফুট দীর্ঘ বাঁশের ৪ ফুট দীর্ঘ ছায়া হয়। একই সময়ে একটি গাছের ছায়া ৬৪ ফুট লম্বা। গাছটির উচ্চতা কত ফুট?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৬ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের দৈর্ঘ্য = ৬ ফুট বাঁশের ছায়ার দৈর্ঘ্য = ৪ ফুট গাছের ছায়ার দৈর্ঘ্য = ৬৪ ফুট ধরি, গাছের উচ্চতা = ক ফুট অতএব, বাঁশের দৈর্ঘ্য ÷ বাঁশের ছায়ার দৈর্ঘ্য = গাছের উচ্চতা ÷ গাছের ছায়ার দৈর্ঘ্য ৬ ÷ ৪ = ক ÷ ৬৪ সুতরাং, ৪ × ক = ৬ × ৬৪ ৪ × ক = ৩৮৪ উত্তর: ক = ৩৮৪ ÷ ৪ = ৯৬ ফুট
52. ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, —— পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: প্রদত্ত ধারাটি হলো: ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, ...... পার্থক্য বা বৃদ্ধি বিশ্লেষণ করে পাই: ১১ - ৮ = ৩ ১৭ - ১১ = ৬ (অর্থাৎ, ৩ × ২) ২৯ - ১৭ = ১২ (অর্থাৎ, ৬ × ২) ৫৩ - ২৯ = ২৪ (অর্থাৎ, ১২ × ২) দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি পদের মধ্যবর্তী পার্থক্য পূর্ববর্তী পার্থক্যের দ্বিগুণ করে বাড়ছে। অতএব, পরবর্তী পার্থক্যের পরিমাণ হবে = ২৪ × ২ = ৪৮। সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে = ৫৩ + ৪৮ = ১০১। [বিকল্প নিয়ম: প্রতিটি পদকে ২ দিয়ে গুণ করে ৫ বিয়োগ করলে পরের পদ পাওয়া যায়। যেমন: (৮ × ২) - ৫ = ১১; (১১ × ২) - ৫ = ১৭; (১৭ × ২) - ৫ = ২৯; (২৯ × ২) - ৫ = ৫৩; অতএব (৫৩ × ২) - ৫ = ১০৬ - ৫ = ১০১] উত্তর: ১০১
53. প্রথম ১০টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি হলো ১ শেষ বিজোড় সংখ্যাটি হলো ১৯ ধরি, বিজোড় সংখ্যার মোট পরিমাণ হলো ১০ প্রথম বিজোড় সংখ্যা এবং শেষ বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ১৯ = ২০ অতএব, জোড়ার সংখ্যা = ১০ ÷ ২ = ৫ প্রতিটি জোড়ার যোগফল = ২০ সুতরাং, মোট যোগফল = ৫ × ২০ = ১০০ উত্তর: ১০০
54. x + y = 12 এবং x - y = 2 হলে, xy এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল = ১২ দুটি রাশির বিয়োগফল = ২ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y অতএব, x + y = ১২ x − y = ২ সুতরাং, xy এর সূত্র প্রয়োগ করে পাই (১২ ÷ ২) এর স্কয়ার − (১২ − ২ ÷ ২) এর স্কয়ার উত্তর: ৩৫
55. ০.৫ × ০.০২ = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৫ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২ ধরি, সংখ্যা দুটি গুণ করতে হবে অতএব, দশমিক বাদ দিয়ে সংখ্যা দুটি গুণ করলে পাই ৫ × ২ = ১০ সুতরাং, মোট তিন ঘর আগে দশমিক বসবে কারণ ০.৫ এ এক ঘর এবং ০.০২ এ দুই ঘর আছে উত্তর: ০.০১
56. ভুটানের রাজধানী-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) থিম্পু কেন সঠিক: - থিম্পু হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের বর্তমান রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এই শহরটি ভুটানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। - ভুটানের রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম এবং প্রধান সরকারি দপ্তরসমূহ এই শহরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কাঠমান্ডু — এটি নেপালের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর। - B) ইয়য়াঙ্গুন — এটি মিয়ানমারের একটি প্রধান শহর এবং সাবেক রাজধানী। - C) থিম্পু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। - D) হ্যানয় — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের রাজধানী। মনে রাখার টিপস: - হিমালয়ের কোলে অবস্থিত ছোট দেশ ভুটানের নামের সাথেই থিম্পু নামটি মনে রাখা সহজ।
57. নদী ছাড়া মহানন্দা কী?
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আম কেন সঠিক: - মহানন্দা নদী ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে উৎপাদিত এক জনপ্রিয় আমের নাম। - এটি মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু আমের জাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আম — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের একটি বিখ্যাত আমের নাম যা নদী হিসেবেও পরিচিত। B) কলা — কলা বাংলাদেশের অন্যতম ফল হলেও মহানন্দা নামে কোনো জনপ্রিয় কলার জাত নেই। C) সরিষা — এটি তেলবীজ ফসল হলেও মহানন্দা নামে কোনো পরিচিত সরিষার জাত নেই। D) তুলা — তুলা একটি অর্থকরী ফসল হলেও মহানন্দা এর কোনো জাত বা পরিচিত নাম নয়। মনে রাখার টিপস: মহানদীর পাশাপাশি মহানন্দা হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি মিষ্টি আমের নাম।
59. বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় কবে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাসভিত্তিক প্রশ্ন সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। B) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে। C) ১২ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে তাজউদ্দীন আহমদ জাতির উদ্দেশে বেতার ভাষণ দেন, যা সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। D) ২৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি যা প্রথম সরকার গঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণের তারিখ ১৭ এপ্রিল এভাবে মনে রাখবে।
62. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের কয়টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কৌশলগত কারণে মোট ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। - সেক্টরগুলো ছাড়াও পরিচালনার সুবিধার জন্য সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি ভুল কারণ ৭ হলো সেক্টরের সংখ্যা নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধে গঠিত নিয়মিত বাহিনীর ব্রিগেড বা ফোর্স যেমন জেড ফোর্স, এস ফোর্স এবং কে ফোর্সের সংখ্যা। B) ৯টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সেক্টর ৯টি থাকলেও পরবর্তীতে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চল নিয়ে ১০ নম্বর সেক্টর এবং নৌবাহিনীর জন্য ১১ নম্বর সেক্টর যোগ করে মোট সেক্টর ১১টি করা হয়। C) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র দেশকে কৌশলগত কারণে ঠিক ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। D) ১৩টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে ১৩টি সেক্টর ছিল না, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন যা সাধারণত সেক্টর ও সাব-সেক্টরের সংখ্যার সাথে মিলিয়ে তৈরি করা হয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর মনে রাখতে ১ এবং ১ অর্থাৎ জোড়া সংখ্যা ১১ মনে রাখতে পারেন, কারণ বাংলাদেশ ১১ জন সেক্টর কমান্ডারের অধীনে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
63. আইন ও শালিশ কেন্দ্র কি ধরনের সংস্থা?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানবাধিকার কেন সঠিক: - আইন ও শালিশ কেন্দ্র (ASK) বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও আইনি সহায়তা প্রদানকারী বেসরকারি সংস্থা। - এটি দেশের মানুষের আইনি অধিকার রক্ষা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক — এটি কোনো আর্থিক লেনদেন, ব্যবসা বা ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। B) মানবাধিকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মানবাধিকার সুরক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। C) ধর্মীয় — এটি কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম প্রচার বা ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান নয়। D) খেলাধুলা — এটি কোনো ধরনের খেলাধুলা সংক্রান্ত পরিচালনা বা ক্রীড়া সংস্থা নয়। মনে রাখার টিপস: আইন ও শালিশ কেন্দ্রের সংক্ষিপ্ত রূপ আসক (ASK) মনে রাখলে এটি যে আইনগত অধিকার ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।
66. বাংলাদেশের ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ও ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী নাগরিকের ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। - ১৮ বছর পূর্ণ হলে একজন নাগরিক সাবালক হিসেবে গণ্য হন এবং দেশের জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বয়সে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজন নাগরিক ভোটাধিকার লাভ করেন। B) ১৯ — এটি ভুল কারণ আইন অনুযায়ী ভোটার হওয়ার জন্য ১৯ বছর বয়সের প্রয়োজন হয় না, এক বছর আগেই ১৮ বছর বয়সে ভোটার হওয়া যায়। C) ১৫ — এটি ভুল কারণ ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শিশু বা কিশোর হিসেবে গণ্য করা হয়, ভোটাধিকার প্রাপ্তির বয়স এটি নয়। D) ১৬ — এটি ভুল কারণ ১৬ বছর বয়সে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার তালিকাভুক্তির কোনো আইনি বিধান বাংলাদেশে নেই। মনে রাখার টিপস: ভোটার হওয়ার বয়স মনে রাখার সহজ উপায় হলো সাবালক হওয়ার ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর ধরা হয়।
67. গণতন্ত্রের ধারণা উৎসারিত হয় প্রথম কোন দেশে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাচীন গ্রিস কেন সঠিক: - গণতন্ত্র শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক শব্দ ডেমোক্রেসিয়া থেকে, যার অর্থ জনগণের শাসন। - খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে এথেন্স নগররাষ্ট্রে বিশ্বের প্রথম প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চালু হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য আধুনিক সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্মভূমি হলেও গণতন্ত্রের ধারণাটি সেখানে প্রথম উদ্ভূত হয়নি। B) প্রাচীন গ্রিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) প্রাচীন রোম — প্রাচীন রোমে গণতন্ত্রের পরিবর্তে মূলত প্রজাতন্ত্র এবং অভিজাততন্ত্র প্রচলিত ছিল। D) প্রাচীন ভারত — প্রাচীন ভারতে কিছু গণরাজ্য থাকলেও আধুনিক অর্থে গণতন্ত্রের সার্বজনীন ধারণাটি প্রথম গ্রিসে বিকশিত হয়। মনে রাখার টিপস: গ্রিসের এথেন্স নগররাষ্ট্রকে গণতন্ত্রের জন্মস্থান বলা হয়, তাই গণতন্ত্রের উৎস বললেই গ্রিস মনে রাখতে হবে।
68. বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি -
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এককেন্দ্রিক কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। - এখানে স্থানীয় সরকারগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ থেকে কাজ করে এবং আলাদা কোনো প্রাদেশিক সরকার নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এককেন্দ্রিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। B) যুক্তরাষ্ট্রীয় — এই ব্যবস্থায় একাধিক প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য থাকে, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) রাজতন্ত্র — এই ব্যবস্থায় রাজা বা রানী রাষ্ট্রপ্রধান হন, কিন্তু বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতন্ত্রী দেশ। D) রাষ্ট্রপতি শাসিত — বাংলাদেশ সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা অনুসরণ করে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র, কারণ এখানে কোনো প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য নেই এবং সব ক্ষমতা কেন্দ্র থেকেই পরিচালিত হয়।
69. বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক কে?
Created 3 weeks ago | Updated 53 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুপ্রিম কোর্ট কেন সঠিক: সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর মৌলিক বিধান রক্ষা করার চূড়ান্ত দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত থাকে। রাষ্ট্রীয় কোনো আইন সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল করার ক্ষমতা এই আদালতের রয়েছে। এটি বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ স্তর হিসেবে কাজ করে। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সুপ্রিম কোর্ট অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা এবং এর কাজ নতুন আইন তৈরি করা বা সংশোধন করা। B) শাসন বিভাগ — এই বিভাগের কাজ হলো আইন প্রয়োগ করা এবং দেশ পরিচালনা করা। C) সুপ্রিম কোর্ট — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) আইন মন্ত্রণালয় — এটি সরকারের একটি প্রশাসনিক বিভাগ যা আইনি প্রক্রিয়া ও বিচার ব্যবস্থাকে সহায়তা করে। মনে রাখার টিপস: আইন তৈরি করে সংসদ আর সেই আইন সংবিধানসম্মত কি না তা রক্ষা করে সুপ্রিম কোর্ট।
72. কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
Created 3 weeks ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাগরে ১. কেন সঠিক: সাগরের পানিতে প্রচুর পরিমাণে লবণ এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ দ্রবীভূত থাকে, যার ফলে এর ঘনত্ব পুকুর, খাল বা নদীর পানির চেয়ে বেশি হয়। ঘন পানির প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা বেশি হওয়ায় মানবদেহ সহজে পানিতে ভেসে থাকে এবং সাঁতার কাটা সহজ হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্লবতা হলো তরল পদার্থের সেই ঊর্ধ্বমুখী বল যা কোনো বস্তুকে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। সূত্র বা তত্ত্ব: আর্কিমিডিসের সূত্র অনুসারে, কোনো বস্তুকে তরলে সম্পূর্ণ বা আংশিক ডোবালে তরলটি বস্তু কর্তৃক অপসারিত তরলের ওজনের সমান ঊর্ধ্বমুখী বল প্রয়োগ করে। কার্যপ্রণালি: সাগরের পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ায় সমপরিমাণ পানি অপসারিত হলে বেশি প্লবতা বল পাওয়া যায়, যা সাঁতারুর শরীরের ওজন সহজে সামলায়। বাস্তব প্রয়োগ: মৃত সাগরে লবণের পরিমাণ এত বেশি যে মানুষের শরীর নিজে থেকেই পানির ওপর ভেসে থাকে, সেখানে সাঁতার কাটা অত্যন্ত সহজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেড সি বা মৃত সাগরে মানুষ না সাঁতারেও চিৎ হয়ে শুয়ে খবরের কাগজ পড়তে পারে। ব্যাখ্যা: মৃত সাগরের পানির ঘনত্ব এতটাই বেশি যে এর প্লবতা মানুষের শরীরের ওজনের চেয়ে বেশি বল প্রয়োগ করে। উদাহরণ ২: ভারী লবণাক্ত পানিতে ডিম ছেড়ে দিলে তা ভেসে থাকে কিন্তু সাধারণ টিউবওয়েলের পানিতে ডিম ডুবে যায়। ব্যাখ্যা: পানির ঘনত্ব বাড়ার কারণে প্লবতা বৃদ্ধি পায় যা বস্তুকে সহজে ভাসাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরে — পুকুরের পানি মিষ্টি এবং এতে লবণের পরিমাণ কম থাকায় ঘনত্ব কম এবং প্লবতা কম হয়। B) খালে — খালের পানির প্রবাহমানতা থাকে এবং এর ঘনত্ব কম হওয়ায় সাঁতার কাটতে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। C) নদীতে — নদীর পানি সাধু পানি হওয়ায় এর ঘনত্ব সাগরের পানির তুলনায় কম এবং সাঁতার কাটা তুলনামূলক কঠিন। D) সাগরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাগরের পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: সাগর মানে লবণ বেশি, লবণে ঘনত্ব বাড়ে, ঘনত্ব বাড়লে প্লবতা বাড়ে আর সাঁতার কাটা সহজ হয়। মনে রাখবেন, পানির ঘনত্ব বেশি মানেই সাঁতার কাটার সুবিধা বেশি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তরলের ঘনত্ব এবং প্লবতার সম্পর্ক থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায় প্রশ্ন আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, সাধু পানির ডিম কেন সাগরের পানিতে ভাসে।
73. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ-
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভোলা কেন সঠিক: ১. এই দ্বীপটি মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে গঠিত হয়েছে এবং এর আয়তন অন্যান্য দ্বীপের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। ২. প্রশাসনিকভাবে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা এবং মূল ভূখণ্ড থেকে নদী দ্বারা পৃথক একটি বিশাল দ্বীপ অঞ্চল। ভৌগোলিক তথ্য: ১. ভোলা দ্বীপটি বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর আয়তন প্রায় তিন হাজার চারশ তিন বর্গকিলোমিটার। ২. এটি দেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা যা নদী ও সাগরের মোহনায় অত্যন্ত কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। ৩. এই দ্বীপে প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি পানির নারিকেল উৎপাদিত হয় বলে একে নারিকেলের দ্বীপ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি বড় দ্বীপ হলেও এর আয়তন ও ভূখণ্ড ভোলার চেয়ে অনেক ছোট। B) ভোলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল প্রশ্ন নির্দেশিত সঠিক দ্বীপ। C) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর আয়তন মাত্র আট বর্গকিলোমিটারের মতো। D) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম জেলার একটি প্রাচীন দ্বীপ এবং এর আয়তন ভোলার তুলনায় বেশ কম। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বড় দ্বীপ মনে রাখতে ভোলা শব্দটির সাথে বিশাল আকৃতির তুলনা করতে পারো। বাংলাদেশের জেলাগুলোর মধ্যে একমাত্র দ্বীপ জেলা হিসেবে ভোলা নামটি সহজে মনে রাখা যায়।
74. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম কী?
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাজিংডং কেন সঠিক: - তাজিংডং পাহাড় বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং এটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত। - এই শৃঙ্গের উচ্চতা প্রায় এক হাজার দুইশ আশি মিটার যা একে অন্যান্য পাহাড়ের চেয়ে উঁচু করে তুলেছে। ভৌগোলিক তথ্য: - তাজিংডং বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি দেশের দক্ষিণ-পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চলের অংশ। - এই অঞ্চলটি মূলত ব্যাথোলিথ বা প্রাচীন শিলা দ্বারা গঠিত এবং এর চারপাশ গভীর অরণ্যে ঘেরা। - সাধারণ পরিমাপ অনুযায়ী এর উচ্চতা প্রায় চার হাজার একশ ষাট ফুটের বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাজিংডং — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এবং এর উচ্চতা বাকি সব পাহাড়ের চেয়ে বেশি। B) কেওক্রাডং — এটি একসময় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মনে করা হলেও বর্তমানে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত। C) লালমাই পাহাড় — এটি কুমিল্লার কাছে অবস্থিত একটি নিচু ও প্রাচীন পলিগঠিত লাল রঙের ভূমিও এটি অনেক খাটো। D) গারো পাহাড় — এটি ময়মনসিংহ ও শেরপুর অঞ্চলে অবস্থিত একটি মাঝারি উচ্চতার পাহাড়ি এলাকা। মনে রাখার টিপস: - তা দিয়ে তাজিংডং এবং তা দিয়ে সর্বোচ্চ মনে রাখবে কারণ তাজিংডং হলো বাংলাদেশের ছাদ। - কেওক্রাডং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হলেও তাজিংডং তার চেয়ে কিছুটা উঁচুতে অবস্থিত।
75. বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মা কেন সঠিক: ১. হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে গঙ্গা নদী নামে ভারতে প্রবেশের পর পদ্মা নাম নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এটি দেশের প্রধান নদী। ২. দৈর্ঘ্য ও অববাহিকার বিস্তৃতির দিক বিবেচনা করে ভৌগোলিকভাবে এটিকে বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী হিসেবে গণ্য করা হয়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এই নদীটি ভারতের উত্তরাঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় দুই হাজার পাঁচশ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ২. এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একটি প্রধান জলপথ। ৩. গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলিত অববাহিকak কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই নদী ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিশাল পরিমাণ পানি প্রবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপਸ਼ਨটি ভুল নয় বরং এটিই বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী। B) মেঘনা — এটি দেশের প্রশস্ততম নদী হলেও দৈর্ঘ্যর দিক থেকে এটি পদ্মার চেয়ে তুলনামূলকভাবে ছোট। C) যমুনা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও গভীর নদী হলেও সামগ্রিক দৈর্ঘ্যর বিচারে পদ্মার পরেই এর অবস্থান। D) সুরমা — এটি মূলত সিলেট অঞ্চলের প্রধান নদী এবং এর দৈর্ঘ্য ও অববাহিকার বিস্তার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। মনে রাখার টিপস: পদ্মা হলো আমাদের দেশের প্রধান ও দীর্ঘতম নদী, যা গঙ্গা নদীরই মূল শাখা হিসেবে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে।
76. 'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কোথায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরে কেন সঠিক: ১. এটি বঙ্গোপসাগরের একটি সাবমেরিন ক্যানিয়ন বা সমুদ্রের তলদেশের গভীর খাত। ২. সুন্দরবনের দক্ষিণে এবং বঙ্গোপসাগরের মধ্যভাগে এর অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি বাংলাদেশের সুন্দরবন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণভাগে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক খাত। ২. এটি সমুদ্রের তলদেশে অবস্থিত একটি গভীর পরিখা যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। ৩. বিজ্ঞানীদের মতে, প্রাচীনকালে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পলল অবক্ষেপের মাধ্যমে এই খাতটি সৃষ্টি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যমুনা নদীতে — এটি একটি বড় নদ যা বাংলাদেশে প্রবাহিত হয় কিন্তু এখানে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নেই। B) মেঘনায় — এটি একটি প্রধান নদী অববাহিকা যা বঙ্গোপসাগরে মিশেছে তবে এই খাতটি নদীতে অবস্থিত নয়। C) বঙ্গোপসাগরে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অপশন প্রযোজ্য নয়। D) প্রশান্ত মহাসাগরে — এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাসাগর এবং এই নির্দিষ্ট খাতটি এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ১. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মানে অতলস্পর্শী খাত এবং এটি বঙ্গোপসাগরের বুকেই অবস্থান করে। ২. সুন্দরবনের সাথে বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলের দক্ষিণ দিকে তাকালেই এই খাতের কথা মনে রাখতে হবে।
77. বাংলাদেশের প্রথম টানেল কোন কোন নদীর তলদেশে নির্মিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণফুলী কেন সঠিক: ১. এই টানেলটি বাংলাদেশের প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে তৈরি সুড়ঙ্গ পথ, যা চট্টগ্রাম শহরে কর্ণফুলী নদীর দুই তীরকে যুক্ত করেছে। ২. নদীর তলদেশের পলিমাটি ভেদ করে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এই সুড়ঙ্গ পথটি সফলভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর মোহনার কাছে অবস্থিত এবং এর মূল দৈর্ঘ্য তিন দশমিক চার তিন কিলোমিটার। ২. এটি কেবল বাংলাদেশের নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদী তলদেশের সুড়ঙ্গ পথ বা রিভার টানেল হিসেবে বিশেষ মর্যাদা পেয়েছে। ৩. এর মাধ্যমে এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং ঢাকা ও কক্সবাজারের দূরত্ব কমেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — পদ্মা নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলেও এর তলদেশে কোনো সুড়ঙ্গ পথ বা টানেল তৈরি করা হয়নি। B) রূপসা — রূপসা নদীর ওপর সেতু আছে, তবে এর তলদেশে যাতায়াতের জন্য কোনো টানেল বা সুড়ঙ্গ পথ নির্মিত হয়নি। C) কর্ণফুলী — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কোনো নদী বা ভুল তথ্য বিবেচনা করা হয়েছে। D) গোমতী — গোমতী নদীর ওপর সেতু রয়েছে, কিন্তু এই নদীর তলদেশে কোনো সুড়ঙ্গ পথ বা টানেল নির্মাণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১. প্রথম টানেল মানেই চট্টগ্রাম শহরের বিখ্যাত কর্ণফুলী নদীর নিচে নির্মিত বঙ্গবন্ধু টানেল। ২. কর্ণফুলী নদীর নাম মনে রাখলেই বাংলাদেশের প্রথম সুড়ঙ্গ পথের সঠিক উত্তরটি সহজে মনে রাখা যাবে।
78. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চগড় কেন সঠিক: - পঞ্চগড় বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা। - এই জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা দেশের একদম শেষ উত্তর সীমানায় অবস্থিত। ভৌগোলিক তথ্য: - পঞ্চগড় জেলা রংপুর বিভাগের অধীনে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ঠিক উত্তর সীমান্তে অবস্থিত। - এই জেলার উত্তরে হিমালয় পর্বতমালার কাছাকাছি হওয়ায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। - বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এই জেলায় অবস্থিত যা দেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও সর্বউত্তরে অবস্থিত নয়। - B) পঞ্চগড় — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই অপশনটি ভুল নয়। - C) দিনাজপুর — এটি পঞ্চগড়ের দক্ষিণে অবস্থিত একটি জেলা। - D) কুড়িগ্রাম — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জেলা। মনে রাখার টিপস: - পঞ্চগড় হলো বাংলাদেশের উত্তর মাথার মুকুট।
79. বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?
Created 3 weeks ago | Updated 28 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: ১. সেন্টমার্টিন দ্বীপটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা প্রবাল প্রাচীর দিয়ে গঠিত। ২. এই দ্বীপটির চারপাশের সামুদ্রিক পরিবেশ প্রবাল জন্মানোর জন্য পুরোপুরি উপযোগী। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। ২. এই দ্বীপটির আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার এবং এর চারপাশ পরিষ্কার নীল জলে ঘেরা। ৩. এখানে প্রবাল, শৈবাল এবং সামুদ্রিক কাছিমের প্রজনন ক্ষেত্র দেখতে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুমদ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি চর যা মূলত মেঘনা নদীর পলি জমে গঠিত হয়েছে। B) সেন্টমার্টিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে অন্য কোনো দ্বীপ বোঝানো হয়নি। C) হাতিয়া — এটি মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত একটি নদীমাতৃক দ্বীপ উপজেলা যা পলি দ্বারা গঠিত। D) সন্দ্বীপ — এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত চট্টগ্রাম জেলার একটি প্রাচীন পলিগঠিত দ্বীপ। মনে রাখার টিপস: প্রবাল শব্দটির সাথে সেন্টমার্টিন নামটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
80. বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বান্দরবান কেন সঠিক: বান্দরবান বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল বা পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে জুম চাষের জন্য উপযুক্ত পাহাড়ি ঢাল ও অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান। পাহাড়ি উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষেরা তাদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ঐতিহ্যগতভাবে এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকে। ভৌগোলিক তথ্য: বান্দরবান বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত একটি পাহাড়ি জেলা, যার আয়তন চার হাজার চারশত সাতান্ন বর্গকিলোমিটার। এই অঞ্চলে উঁচু-নিচু পাহাড়, গভীর জঙ্গল এবং পাহাড়ি নদী জুম চাষের জন্য ভৌগোলিক বৈচিত্র্য প্রদান করে। এখানে মূলত ধান, ভুট্টা, তুলা এবং বিভিন্ন প্রকার শাকসবজির চাষ জুম পদ্ধতিতে করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পাহাড়ি অঞ্চল এবং এখানে জুম চাষ করা হয়। B) ময়মনসিংহ — এই এলাকাটি মূলত সমতল ও প্লাবনভূমি হওয়ায় এখানে পাহাড়ি জুম চাষের পরিবেশ নেই। C) রাজশাহী — এটি বরেন্দ্রভূমি ও সমতল অঞ্চলভুক্ত হওয়ায় এখানে জুম চাষ করা সম্ভব নয়। D) রংপুর — এই অঞ্চলটি তিস্তা নদীর অববাহিকা ও সমতল হওয়ায় এখানে ঐতিহ্যগত জুম চাষ হয় না। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ি এলাকা মানেই জুম চাষ এবং বাংলাদেশের পাহাড়ি জেলাগুলোর মধ্যে বান্দরবান অন্যতম প্রধান স্থান।

মোট প্রশ্ন (19)

1. 'যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়' এর এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সর্বংসহা ১. কেন সঠিক: - 'যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়' বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো সর্বংসহা। - এখানে সর্বং শব্দের অর্থ সবকিছু এবং সহা শব্দের অর্থ সহ্যকারী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষেপণ বৃদ্ধি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে গাছ অন্য গাছকে পেঁচিয়ে বাঁচে ব্যাখ্যা: একে এককথায় পরজীবী বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বংসহা — এটি প্রশ্নের সঠিক চাহিদা পূরণ করে। B) সর্বসহকারী — এই শব্দটির দ্বারা কোনো বিশেষ এককথায় প্রকাশ বোঝায় না। C) সহনশীল — এর অর্থ যার সহ্য করার ক্ষমতা আছে, কিন্তু সব অত্যাচার সয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) সহ্যশীল — এটি কেবল সাধারণ সহ্য করার ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সর্বংসহা শব্দটিতে সব এবং সহা যুক্ত আছে, যার অর্থ সবকিছু সহ্য করতে পারে যে নারী। - পরীক্ষার জন্য এটি একটি নির্দিষ্ট লিঙ্গবাচক বা বিশেষ অর্থ বহনকারী শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে নারী বা প্রকৃতির বিশেষ গুণ বোঝাতে এই ধরনের শব্দ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
2. 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি কোন কবির রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা ১৩২৯ সালের কার্তিক মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারোটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাহিত্য প্রসঙ্গ: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল যা রোমান্টিক ধারার বাইরে গিয়ে দেশপ্রেম ও দ্রোহের বাণী প্রচার করে। - উদাহরণ: এই কাব্যের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি আশির দশকের একজন বিশিষ্ট প্রতিবাদী কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো দ্যুলোক-চ্যুতিকা। - B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার কিশোর কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ছাড়পত্র। - D) ফররুখ আহমদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের ইসলামী পুনর্জাগরণের কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো সাত সাগরের মাঝি। মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবির প্রথম প্রতিবাদের অস্ত্র ছিল অগ্নিবীণা।
3. যে জমিতে ফসল হয় না?
Created 3 weeks ago | Updated 27 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঊষর ১. কেন সঠিক: যে জমিতে ফসল জন্মায় না বা লবণাক্ততার কারণে উর্বরতা নষ্ট হয়ে গেছে, তাকে এককথায় ঊষর বলা হয়। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যে জমিতে ফসল হয় না, যার সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত প্রকাশ হলো ঊষর ভূমি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বাক্যের অর্থকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো এককথায় প্রকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লবণাক্ততার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের কিছু জমি এখন ঊষর হয়ে পড়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ঊষর শব্দটি এমন জমিকে বোঝাচ্ছে যেখানে লবণের আধিক্যের কারণে কোনো ফসল জন্মে না। উদাহরণ ২: মরুভূমির বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কেবল ঊষর বালুচর দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে ঊষর শব্দটি দ্বারা উর্বরতাহীন ও ফসলহীন অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পতিত — পতিত বলতে এমন জমিকে বোঝায় যা উর্বর হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করা হয় না। B) অনুর্বর — অনুর্বর হলো উর্বর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, যা সাধারণভাবে উর্বরতা শক্তির অভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) বন্ধ্যা — বন্ধ্যা শব্দটি মূলত জীবজন্তু বা নারীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যাদের সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা নেই। D) ঊষর — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিশেষভাবে ফসল জন্মায় না এমন অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ঊষর শব্দের সাথে মরুভূমি বা লবণাক্ত মাটির সম্পর্ক মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ফসলহীন জমি মানেই ঊষর ভূমি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্য পার্থক্যের শব্দগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। পতিত ও ঊষর এই দুটি শব্দের সুক্ষ্ম পার্থক্য বুঝতে পারলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
5. 'রিক্সা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপানি ১. কেন সঠিক: 'রিক্সা' শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক শব্দ। জাপানি শব্দ 'জিনরিকশা' (Jinrikisha) সংক্ষেপিত হয়ে বাংলায় 'রিক্সা' বা 'রিকশায়' রূপ নিয়েছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো মানবচালিত গাড়ি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। বাংলা ভাষায় এমন কিছু বিদেশি শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন ভাষা থেকে সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে প্রবেশ করেছে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এগুলো প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হারিকিরি ব্যাখ্যা: এটি একটি জাপানি শব্দ, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উদাহরণ হিসেবে часто আসে। উদাহরণ ২: সুনামি ব্যাখ্যা: এটিও একটি জাপানি শব্দ, যা সমুদ্রের তলদেশের ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট ঢেউ বোঝাতে বাংলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনা — চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দ হলো চা, চিনি, লিচু ইত্যাদি, রিক্সা নয়। B) তুর্কী — তুর্কী ভাষা থেকে আগত শব্দ হলো দারোগা, তোপ, চাকু ইত্যাদি, রিক্সা নয়। C) জাপানি — এই অপশনটি সঠিক এবং জাপানি ভাষা থেকেই রিক্সা শব্দটি বাংলায় এসেছে। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে আগত শব্দ হলো কার্তুজ, কুপন, বুফে ইত্যাদি, রিক্সা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জাপানি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত শব্দ যেমন রিক্সা, সুনামি এবং হারিকিরি মনে রাখলে এই ধরনের বিদেশি শব্দ সহজে চিহ্নিত করা যায়। বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর উৎস ভাষা আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ, আরবি, ফার্সি, ইংরেজি এবং জাপানি শব্দ থেকে। শব্দগুলোর অর্থ ও উৎস ভালোমতো আয়ত্ব করলে এই টপিকের প্রশ্নগুলো ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
8. 'চাঁদের হাট' বাগধারাটির অর্থ কী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রিয়জনদের সমাগম ১. কেন সঠিক: 'চাঁদের হাট' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ চাঁদের মেলা হলেও ভাবার্থ হলো আনন্দদায়ক পরিবেশে প্রিয়জন বা ঘনিষ্ঠজনদের একত্র হওয়া। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে এবং এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো যেখানে অনেক প্রিয় মানুষ একসঙ্গে মিলিত হন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীর্ঘদিন পর বিদেশ থেকে ভাই আসায় বাড়িতে যেন চাঁদের হাট বসেছে। ব্যাখ্যা: এখানে অনেক প্রিয় মানুষ একসঙ্গে মিলিত হওয়ার আনন্দ বোঝাতে চাঁদের হাট ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পারিবারিক মিলনমেলায় সবাই একত্রিত হলে চারপাশটা চাঁদের হাটে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে প্রিয়জনদের সমাগমের আনন্দ প্রকাশ করতে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণ্যমান্যদের সমাগম — এটি ভুল কারণ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের একত্র হওয়াকে চাঁদের হাট বলে না, এর জন্য অন্য উপযুক্ত শব্দ বা প্রবাদ রয়েছে। B) আত্মীয়দের সমাগম — এই অপশনটি কাছাকাছি হলেও শুধুমাত্র আত্মীয় বললেই সব প্রিয়জন বোঝায় না, তাই এটি সঠিক নয়। C) প্রিয়জনদের সমাগম — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাঁদের হাট মূলত প্রিয় ও ঘনিষ্ঠজনদের মিলনমেলা নির্দেশ করে। D) বন্ধুদের সমাগম — বন্ধুদের জমায়েত বোঝাতে আড্ডা বা বন্ধুদের মেলা বলা হয়, কিন্তু চাঁদের হাট বলতে শুধু বন্ধুদের বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: চাঁদ যেমন আকাশে অনেক আলো ও সৌন্দর্য নিয়ে একসঙ্গে থাকে, তেমনি প্রিয় মানুষেরাও একসঙ্গে মিলে চাঁদের হাট তৈরি করে। এইভাবে রূপক অর্থে আনন্দময় মিলনকে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের সময় শব্দের পেছনের অন্তর্নিহিত ভাবটি ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
9. কথাবার্তা, বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য কোন ভাষা উপযোগী?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চলিত ১. কেন সঠিক: চলিত রীতি মুখর ও জীবন্ত হওয়ায় কথোপকথন, বক্তৃতা এবং নাটকের সংলাপের জন্য এটি অত্যন্ত উপযোগী। এই ভাষা মানুষের দৈনন্দিন মুখ ও মনের ভাব প্রকাশের সবচেয়ে স্বাভাবিক মাধ্যম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার রূপ দুটি, যথা সাধু ও চলিত। চলিত রীতি পরিবর্তনশীল এবং যুগোপযোগী হওয়ায় সাহিত্য ও যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি কোথায় যাচ্ছো? ব্যাখ্যা: এটি চলিত রীতির বাক্য, যা কথোপকথনে স্বাভাবিক শোনায়। উদাহরণ ২: নাটকে চরিত্রগুলো চলিত ভাষায় কথা বলে। ব্যাখ্যা: নাটকের সংলাপ বাস্তবসম্মত করার জন্য চলিত রীতি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কথ্য ভাষার ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং সংলাপের উপযোগী। B) সাধু — সাধু রীতি কৃত্রিম, গম্ভীর ও লেখ্য রূপের জন্য উপযোগী হওয়ায় নাটকের সংলাপের জন্য অনুপযুক্ত। C) মিশ্র — সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়, যা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। D) উপজাতীয় — এটি নির্দিষ্ট কোনো ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা, যা সার্বজনীন সংলাপের জন্য উপযোগী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কথা বলা বা সংলাপ মানেই চলিত ভাষা। সাধু ভাষা হলো বইয়ের ভাষা এবং চলিত ভাষা হলো মুখের ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চলিত রীতির অপর নাম প্রমিত রীতি বা কথ্য ভাষা। পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
11. 'বাবাকে বড্ড ভয় পাই' নিম্নরেখ শব্দটির কারক ও বিভক্তি কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 28 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ২য়া ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ভয় পাওয়া অর্থে যা থেকে ভয় উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয়। - এখানে বাবা শব্দের সঙ্গে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে অপাদান কারক বুঝিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যা থেকে কিছু ভীত, রক্ষিত, উৎপন্ন, বিরত, নিবারিত, জাত বা বিশ্বত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - কর্মকারকের বিভক্তি দ্বিতীয় বা চতুর্থী হলেও, ভয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী অপাদান কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে পুলিশ ভয় পায়। ব্যাখ্যা: এখানে চোর থেকে ভয় উৎপন্ন হওয়ায় এটি অপাদানে দ্বিতীয় বিভক্তি। উদাহরণ ২: বিপদে মোরা রক্ষা করো। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষার ক্ষেত্রে এটি অপাদান কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ২য়া — কর্ম কারকের ক্ষেত্রে বিভক্তি দ্বিতীয় হলেও ভয়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। B) অপাদানে ২য়া — এটি সঠিক কারণ ভয়ের উৎপত্তিস্থল অপাদান কারক হয় এবং এখানে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। C) কর্মে ৪র্থী — চতুর্থী বিভক্তির ব্যবহার এখানে নেই এবং এটি কর্মকারকও নয়। D) অপাদানে ৭মী — এখানে সপ্তমী বিভক্তির কোনো চিহ্ন যেমন এ বা তে যুক্ত নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভয়, ভীতি বা আতঙ্ক বোঝালে সাধারণত অপাদান কারক হয়। - বাক্যে কাকে বা কি থেকে ভয় পাচ্ছ তা খুঁজলে অপাদান কারক পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় কারક নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ভীতি বা দূরত্বের শব্দগুলো খুব সাবধানে চিহ্নিত করতে হয়। - ভীত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালে কর্ম না ভেবে সবসময় অপাদান কারক হিসেবে ধরতে হবে।
12. 'হাত' শব্দটি কোন শ্রেণির?
Created 3 weeks ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তদ্ভব কেন সঠিক: - 'হাত' শব্দটি সংস্কৃত শব্দ থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এসেছে। - প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার শব্দরূপ পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি তদ্ভব শব্দের রূপ নিয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ভব শব্দ হলো সেই সব শব্দ যার উৎস সংস্কৃত ভাষা, কিন্তু প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক রূপ ধারণ করেছে। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে এই ধরনের শব্দের গুরুত্ব অপরিসীম কারণ এগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শব্দ। - সংস্কৃতির 'হস্ত' শব্দ প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় 'হাত' রূপে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দেশি — যেসব শব্দ বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে তা দেশি শব্দ, কিন্তু 'হাত' আদি অস্ট্রিক ভাষা থেকে আসেনি। - B) তৎসম — যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলায় এসেছে তা তৎসম, কিন্তু 'হাত' সরাসরি আসেনি পরিবর্তিত হয়ে এসেছে। - C) তদ্ভব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। - D) বিদেশি — যেসব শব্দ বাংলা ভাষা বহির্ভূত অন্য কোনো বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে তা বিদেশি শব্দ, কিন্তু 'হাত' বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি। মনে রাখার টিপস: - হস্ত হলো সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ, আর এর পরিবর্তিত রূপ হাত হলো তদ্ভব শব্দ।
14. 'সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই' চরণটির রচয়িতা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই চরণটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত পদকর্তা চণ্ডীদাসের রচনা। - এই চরণের মাধ্যমে মানুষের মর্যাদাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান দেওয়া হয়েছে এবং মানবপ্রেমের মূল বাণী প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি ও অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে স্বীকৃত। - তাঁর পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের আড়ালে মূলত মানবাত্মার মিলন এবং মানবীয় অনুভূতির গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সহজ মানুষের ভজন করিও মন। ব্যাখ্যা: এটি বাউল সাধক লালন সাঁইয়ের গান, যা চণ্ডীদাসের মানবতাবাদের মতোই মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরে। উদাহরণ ২: মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান। ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের এই পংক্তিতেও চণ্ডীদাসের মানববাদী দর্শনের আধুনিক প্রতিফলন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃন্দাবন দাস — ইনি চৈতন্যভাগবত গ্রন্থের রচয়িতা এবং বাংলা জীবনী সাহিত্যের অন্যতম প্রবীণ লেখক, তবে এই চরণের রচয়িতা নন। B) মুকুন্দ দাস — ইনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের একজন বিখ্যাত স্বদেশী পালাকার ও গায়ক ছিলেন, এই পংক্তির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং এটি অন্যান্য ভুল অপশনের মতো নয়। D) গোবিন্দ দাস — ইনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর একজন বিশিষ্ট পদকর্তা ও করচা লেখক, তবে এই বিখ্যাত চরণটি তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানবসত্য বা মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সংক্রান্ত বিখ্যাত বাণী পেলে মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসকে মনে রাখবে। - চণ্ডীদাস মানেই মানবপ্রেম এবং সবার উপর মানুষ সত্য এই কালজয়ী বাণী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিক উদ্ধৃতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিখ্যাত পংক্তি ও তার রচয়িতা মুখস্থ রাখা জরুরি। - মধ্যযুগের পদকর্তাদের মধ্যে মানবতাবাদ প্রচারের জন্য চণ্ডীদাসের নাম সবচেয়ে আগে আসে।
16. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - এই শব্দটির বানান গঠনে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে প্রথম উ-কার এবং শেষ উ-কার হ্রস্ব হয়। - মুমূর্ষু শব্দের অর্থ যা মরতে বসেছে বা মৃত্যুর কাছাকাছি উপনীত হয়েছে এমন ব্যক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের নিয়মানুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথমে হ্রস্ব উ, পরে দীর্ঘ উ এবং উ-এর সাথে রেফ যুক্ত হওয়ার পর হ্রস্ব উ ব্যবহৃত হয়। - সমাস বা প্রত্যয় সাধিত জটিল শব্দগুলোর ক্ষেত্রে প্রমিত বানানরীতি মেনে চলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ উ এর নির্দিষ্ট নিয়ম সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানানরূপ হওয়ায় এটিই উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) মুমুষু — এই বানানটিতে দীর্ঘ উ এবং রেফ বা সঠিক হ্রস্ব উ-এর বিন্যাস ভুল রয়েছে। C) মুমূরর্ষু — এই বানানে অতিরিক্ত দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মবহির্ভূত। D) মুমুষু — এই বানানে প্রয়োজনীয় হ্রস্ব ও দীর্ঘ উ-কারের সঠিক ক্রম রক্ষা করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে শুরুর উ ছোট, মাঝের উ বড় এবং শেষের উ আবার ছোট হয়। - অর্থাৎ হ্রস্ব উ, দীর্ঘ ঊ এবং হ্রস্ব উ এর এই ক্রমটি মনে রাখলেই বানান ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুমূর্ষু, শুশ্রূষা ও দারিদ্র্য বানানের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - হ্রস্ব উ ও দীর্ঘ ঊ এর সঠিক ব্যবহার আয়ত্ত করতে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম বারবার চর্চা করতে হবে।
18. 'নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম' কোন সমাস?
Created 3 weeks ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয় সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পদের সৃষ্টি হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে নীল বিশেষণ পদের সঙ্গে পদ্ম বিশেষ্য পদের কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত একটি পদ বিশেষ্য এবং অন্য পদটি বিশেষণ হয় অথবা দুটিই বিশেষণ বা দুটিই বিশেষ্য হতে পারে। এই সমাসে পরপদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচা যে আম = কাঁচআম ব্যাখ্যা: এখানে কাঁচা বিশেষণ পদের সঙ্গে আম বিশেষ্য পদের কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: মহান যে নবী = মহানবি ব্যাখ্যা: এখানে মহান বিশেষণ পদের সঙ্গে নবী বিশেষ্য পদের কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু সমাস — দ্বিগু সমাসে সমাহার বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে নেই। B) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের যে সমাস হয়, তা প্রাদি সমাস। C) বহুব্রীহি সমাস — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি যে বা যিনি থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাবে। বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের মিলনে এটি গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রঙের নাম বা বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন থাকলে প্রায়শই কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন কৃষ্ণ যে সর্প = কৃষ্ণসর্প।
19. 'Editor' এর পরিভাষা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্পাদক কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ Editor-এর বাংলা পরিভাষা হলো সম্পাদক যিনি কোনো পত্রিকা বা গ্রন্থ প্রকাশের দায়িত্বে থাকেন। - সংবাদপত্রে প্রকাশিত লেখার মান নিয়ন্ত্রণ ও প্রকাশের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তিকে সম্পাদক বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি পরিভাষাকে বাংলায় রূপান্তর করার সময় তার ভাবার্থ এবং পেশাগত অর্থ বিবেচনা করা হয়। - সাংবাদিকতা ও প্রকাশনা ক্ষেত্রে এই শব্দের সুনির্দিষ্ট প্রায়োগিক গুরুত্ব রয়েছে। - যেমন, দৈনিক খবরের কাগজের প্রধান দায়িত্বে যিনি থাকেন তাকে সম্পাদক বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পাদিত — এটি কোনো বিশেষ্য পদ নয় বরং Editor শব্দের ক্রিয়াবাচক রূপ বা কাজের ফল প্রকাশ করে। B) সংস্করণ — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Edition যা বই প্রকাশের ভিন্ন পর্যায় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) উপদেষ্টা — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Advisor যিনি কোনো বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন। D) সম্পাদক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি মূল পদের সঠিক রূপ। মনে রাখার টিপস: - সংবাদপত্র বা বইয়ের ক্ষেত্রে যিনি শেষ হাত দেন বা নেতৃত্ব দেন তিনি হলেন সম্পাদক। - Ed দিয়ে শুরু হওয়া শব্দটির সাথে পাদক যুক্ত করে সম্পাদক মনে রাখা সহজ।

মোট প্রশ্ন (21)

1. Which of the following words is not plural?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) News কেন সঠিক: News শব্দটির শেষে এস থাকলেও এটি কোনো বহুবচন নয়। এটি একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন যা সবসময় একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Feet — এটি Foot শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ পাগুলো। B) Lice — এটি Louse শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ উকুনগুলো। C) News — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি একবচন শব্দ। D) Men — এটি Man শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ মানুষেরা। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে এস থাকে কিন্তু তারা একবচন হয়, যেমন নিউজ বা ফিজিক্স, তাদের চিনে রাখা জরুরি।
2. I can't remember ______.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) what his name is কেন সঠিক: - জটিল বাক্যে (Complex sentence) প্রিন্সিপাল ক্লজ এবং সাব-অর্ডিনেট ক্লজ সংযুক্ত করতে ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড ব্যবহৃত হলে তার পরের অংশ সাবজেক্ট ও ভার্বের সাধারণ অর্ডারে বসে। - এখানে প্রথম অংশ প্রিন্সিপাল ক্লজ (I can not remember) হওয়ার পর ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড what-এর পর সাবজেক্ট his name এবং সবশেষে ভার্ব is বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) what is his name — এটি ডব্লিউএইচ ওয়ার্ডের পর সরাসরি ভার্ব এবং সাবজেক্ট বসিয়েছে, যা স্টেটমেন্টের ভেতরে ব্যবহার করার নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) his name is what — এটি বাক্যগঠনের নিয়ম অনুযায়ী ভুল কারণ ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড বাক্যের মাঝে বসে এভাবে শেষে অবজেক্ট হিসেবে বসে না। C) what his name is — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের ভেতরে সঠিক সাবজেক্ট ও ভার্বের ক্রম বজায় রেখেছে। D) is what his name — এই অপশনের গঠন সম্পূর্ণ ব্যাকরণবিরুদ্ধ কারণ ভার্ব দিয়ে শুরু করে মাঝখানে এমন বিন্যাস হয় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মাঝে প্রশ্নবোধক শব্দ ব্যবহার করলে প্রথমে ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড, পরে সাবজেক্ট এবং সবার শেষে ভার্ব বসে।
3. Rice is sold cheap
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Passive voice কেন সঠিক: বাক্যটির অর্থ হলো চাল সস্তায় বিক্রি হয়। এখানে চাল নিজে বিক্রি করে না, বরং অন্য কেউ তাকে বিক্রি করে। কর্তা নিষ্ক্রিয় থাকার কারণে এটি মূলত একটি কওয়াসি প্যাসিভ ভয়েস বা আংশিক প্যাসিভ বাক্য। বাক্যের গঠন এবং অর্থ বিবেচনা করলে এটি একটি প্যাসিভ ভয়েস হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Active voice — এই বাক্যে কর্তা নিজেই কাজ করছে না, তাই এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস হতে পারে না। B) Passive voice — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটি প্যাসিভ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। C) Both — বাক্যটি একই সাথে দুটি ভয়েস হতে পারে না, তাই এটি ভুল। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যেসব বাক্যে বস্তু নিজে কাজ করতে পারে না এবং অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়, সেগুলোর অর্থ প্যাসিভ ভয়েসের মতো হয়।
4. I wish I ______ a queen.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: - বাক্যে I wish থাকলে এবং এর পরে be verb ব্যবহারের প্রয়োজন হলে সাবজেক্ট singular হলেও সবসময় were বসে। - এটি অসম্ভব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করার একটি সাবজাংক্টিভ মুড, যা অতীতের অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — প্রথম পুরুষের পর was বসা সাধারণ নিয়মে ঠিক হলেও, Subjunctive Mood-এর নিয়মে I wish-এর পরে সব সময় were বসে। B) were — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশের নিয়মে I wish-এর পরে সবসময় were ব্যবহৃত হয়। C) had — এখানে অধিকার বা অন্য কোনো অবস্থা বোঝাচ্ছে না, বরং রাজ হওয়ার কাল্পনিক অবস্থা বোঝাতে be verb প্রয়োজন। D) are — এটি বর্তমানকালের plural verb, যা past subjunctive mood-এর নিয়ম এবং বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে I wish থাকলেই চোখ বন্ধ করে were বসিয়ে দেবে, কারণ কাল্পনিক ইচ্ছায় কখনো was বসে না।
5. I would rather die ______
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) than beg কেন সঠিক: বাক্যে would rather থাকলে এর সাথে than বসে। এটি একটি নির্দিষ্ট তুলনামূলক গঠন যা পছন্দ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। than এর পরে সরাসরি verb এর বেস ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to beg — would rather এর সাথে to বসে না। তাই এই অপশনটি ভুল। B) for beg — এখানে for এর ব্যবহার grammatically সঠিক নয়। তাই এটি ভুল। C) than beg — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to against — এই গঠনটি সম্পূর্ণ অর্থহীন ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: would rather দেখলেই বাক্যে than এবং verb এর প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হবে।
6. It ______ raining since morning.
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) has been কেন সঠিক: বাক্যে since morning থাকায় এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হয়েছে। Subject থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় এখানে has been বসবে। বৃষ্টি এখনও চলছে বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has been — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) had been — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স, তাই বর্তমানের সাথে মিলছে না। C) was — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, তাই since morning এর সাথে বসে না। D) were — এটি পাস্ট টেন্স এবং plural সাবজেক্টের জন্য, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for থাকলে এবং সময় উল্লেখ থাকলে has been বা have been ব্যবহার করতে হয়।
7. কোন বাক্যটি শুদ্ধ-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) This is a unique opportunity কেন সঠিক: unique শব্দটি একটি চরম বা absolute adjective যার অর্থ যার সমতুল্য কিছু নেই। তাই এর আগে most বা more বসানোর কোনো প্রয়োজন হয় না এবং বাক্যটি শুদ্ধ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) This is a most unique opportunity — unique শব্দের আগে most ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) This is a in quest opportunity — in quest একটি ভুল শব্দগুচ্ছ যা এখানে অর্থহীন। C) This is a most uniquest opportunity — uniquest এবং most একসাথে ব্যবহার করা দ্বিগুণ ভুল। D) This is a unique opportunity — কোনো অতিরিক্ত শব্দ ছাড়াই এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য। মনে রাখার টিপস: unique, perfect, extreme ইত্যাদি শব্দের আগে never most বা more বসবে না।
8. He lives ______ comfortable life.
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: এখানে comfortable শব্দটির শুরুতে consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ রয়েছে। তাই এর পূর্বে indefinite article হিসেবে a বসেছে। বাক্যটিতে একটি সাধারণ ও আরামদায়ক জীবনযাপনের কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ জীবন বোঝায়নি বলে the বসেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এটি নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ জীবন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে সাধারণ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। B) with — এটি একটি preposition এবং এখানে অর্থপূর্ণ কোনো সম্পর্ক তৈরি করতে পারছে না। C) a — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) an — comfortable শব্দটির প্রথম অক্ষর c হওয়ায় তার উচ্চারণ vowel sound বা স্বরবর্ণের মতো নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে consonant sound থাকলে তার আগে a বসে এবং vowel sound থাকলে an বসে।
9. Which one is feminine gender.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bitch কেন সঠিক: - Bitch শব্দটির অর্থ হলো কুকুরী বা স্ত্রী কুকুর। - এটি ব্যাকরণে সরাসরি স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine gender নির্দেশ করে। - Dog শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হিসেবে Bitch ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) Ram — এটি পুরুষ ভেড়া বা masculine gender বোঝায়। - B) Bitch — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে বিশ্লেষণ প্রযোজ্য নয়। - C) Horse — এটি সাধারণত পুরুষ ঘোড়া বা সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয় যার স্ত্রীলিঙ্গ Mare। - D) Prince — এটি রাজকুমার যা masculine gender এবং এর স্ত্রীলিঙ্গ Princess। মনে রাখার টিপস: - পশুপাখির ক্ষেত্রে পুরুষ ও স্ত্রীবাচক শব্দ আলাদা হয়, যেমন Dog এর স্ত্রীলিঙ্গ Bitch।
10. Which one of the following words is noun?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Acceptance কেন সঠিক: যে শব্দ কোনো ব্যক্তি, বস্তু, ধারণা বা গুণের নাম বোঝায় তাকে নাউন বলা হয়। Acceptance শব্দটি কোনো কাজের সম্মতি বা গ্রহণের নাম বোঝায় বিধায় এটি নাউন। এই শব্দের শেষে ance প্রত্যয় যুক্ত আছে যা ইংরেজি ব্যাকরণে নাউন চেনার একটি প্রধান উপায়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Slowly — এটি একটি অ্যাডভার্ব কারণ এটি কোনো কাজ কীভাবে সম্পন্ন হয় তা নির্দেশ করে। খ) Acceptance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। গ) Alas — এটি একটি ইন্টারজেকশন কারণ এটি মনের দুঃখ বা আবেগ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ঘ) Good — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে tion, sion, ment, ance, ence ইত্যাদি যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়।
11. Man cannot live alone. Which part of speech is 'alone'?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ঘ) Adverb কেন সঠিক: এখানে 'alone' শব্দটি বাক্যের শেষে বসে 'live' ভার্বটিকে মডিফাই বা বিশেষিত করছে। কোনো শব্দ বাক্যের ক্রিয়াকে কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝালে তা Adverb হয়। বাক্যে এটি একা থাকার অবস্থা প্রকাশ করছে। তাই এটি Adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Noun হতে পারে না। খ) Pronoun — এটি কোনো Noun এর পরিবর্তে বসেনি, তাই এটি Pronoun নয়। গ) ঘ) Verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Verb হতে পারে না। ঘ) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভার্বকে বিশেষিত করেছে। মনে রাখার টিপস: ভার্বকে কীভাবে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যে শব্দ পাওয়া যায়, সাধারণত সেটাই Adverb হয়।
12. 'It is a long story' এর সঠিক অনুবাদ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সে অনেক কথা কেন সঠিক: ১. 'It is a long story' একটি প্রবাদতুল্য বা ভাবানুবাদমূলক ইংরেজি বাক্য। এর মূল অর্থ বোঝাতে বাংলায় 'সে অনেক কথা' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। ২. বাক্যের ভাব বা অর্থ ঠিক রাখতে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে এমন সুন্দর ভাবানুবাদ বেশি উপযোগী। ৩. দৈনন্দিন কথোপকথনে দীর্ঘ কোনো বিষয় সংক্ষেপে বোঝাতে এই অনুবাদটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইহা একটি লম্বা গল্প — এটি শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ হলেও ভাবার্থ প্রকাশ করতে পারেনি। B) সে অনেক কথা — এটি সঠিক উত্তর। C) ইহা হয় একটি লম্বা কথা — এখানে 'হয়' শব্দের ব্যবহার অপ্রাসঙ্গিক এবং বাক্যটি শুনতে বেমানান লাগে। D) ইহা হয় একটি দীর্ঘ গল্প — আক্ষরিক অনুবাদ হলেও মুখের ভাষার স্বাভাবিক সৌন্দর্য এখানে নষ্ট হয়ে গেছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি idioms বা ভাবানুবাদমূলক বাক্যগুলোর ক্ষেত্রে হুবহু শব্দার্থ না খুঁজে মূল ভাবটি বুঝতে হবে।
13. What is the synonym of 'Competent'?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Capable কেন সঠিক: Competent শব্দের অর্থ দক্ষ বা যোগ্য, যা একই সাথে কাজের ক্ষমতা বোঝায়। Capable শব্দটির অর্থও সক্ষম বা দক্ষ, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। উভয় শব্দই কোনো নির্দিষ্ট কাজ সফলভাবে করার সামর্থ্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Capable — এটি সঠিক উত্তর এবং মূল শব্দের সমার্থক। B) Discrete — এর অর্থ আলাদা বা বিচ্ছিন্ন, যা Competent শব্দের সাথে মিলে না। C) Circumspect — এর অর্থ সতর্ক বা পরিদর্শী, যা যোগ্যতার সমার্থক নয়। D) Prudent — এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী, যা দক্ষতা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Competent শব্দটির প্রথম অংশ Com এবং Capable শব্দটির শুরু Cap প্রায় একই ধরনের পজিটিভ দক্ষতা নির্দেশ করে।
14. I am sure ______ my success.
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - নিশ্চিত বা দৃঢ় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে adjective যেমন sure, certain এর পর preposition হিসেবে অবিকল of ব্যবহৃত হয়। - এই নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী I am sure of my success বাক্যটি grammatically সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সাধারণত উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে বসে, যা sure এর সঙ্গে সঠিক collocation গঠন করে না। B) with — এটি সাধারণত মাধ্যম বা সঙ্গী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা নিশ্চিত হওয়ার অর্থে এখানে বসে না। C) of — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী sure এর পর সবসময় অবিকল of বসে। D) in — এটি সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতরে বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: Sure শব্দের পর সাধারণত অবিকল of বসে, তাই sure of একসঙ্গে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল।
15. I trusted him ______ money.
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: ট্রাস্ট বা বিশ্বাস করে কারো কাছে কোনো কিছু জমা রাখা বোঝাতে ট্রাস্ট সামথিং উইথ সামওয়ান বা ট্রাস্ট সামওয়ান উইথ সামথিং গঠন ব্যবহার করা হয়। এখানে টাকা বা বস্তু বিশ্বাসের সাথে দায়িত্বে দেওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে উইথ ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো প্রিপজিশন এই অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্যে বোঝাতে ফর বসে, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ফ্রম বসে, যা বিশ্বাসের সাথে অর্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) in — ভেতরে বা বিশ্বাসের স্থান বোঝাতে ইন বসে, তবে টাকার সাথে ট্রাস্টের পরে ইন বসে না। মনে রাখার টিপস: কাউকে কোনো মূল্যবান জিনিস বা টাকা বিশ্বাসের সাথে দায়িত্বে দিলে ট্রাস্ট শব্দের পরে সবসময় উইথ প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
16. He has been ill ______ Friday last.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: বাক্যে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং শুক্রবার একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় নির্দেশ করছে। নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা বারের নাম উল্লেখ থাকলে তার পূর্বে since বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সাধারণত future বা general time-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট থেকে শুরু বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের জন্য উপযুক্ত নয়। C) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের নামের আগে বসে, কিন্তু নির্দিষ্ট সময় থেকে কাজ চলছে এমন বোঝালে since ব্যবহার করতে হয়। D) in — এটি সাধারণত মাস, বছর বা ঋতুর নামের আগে বসে, তাই এখানে Friday last এর পূর্বে এটি বসবে না। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো বারের নাম, তারিখ বা সালের নাম থাকলে since এবং দীর্ঘ সময়কাল বোঝালে for বসে।
17. ঢাকা কি জন্য বিখ্যাত? এর ইংরেজি অনুবাদ-
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What is Dhaka famous for? কেন সঠিক: - কোনো বিষয় বা বস্তুর কারণ জানতে What দিয়ে প্রশ্ন শুরু করতে হয় এবং শেষে যথাযথ Preposition (for) ব্যবহার করতে হয়। - Interrogative Sentence-এ Subject-এর আগে সাহায্যকারী verb (is) বসানোর নিয়ম রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What is Dhaka famous for? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে সঠিক গঠন ও Preposition ব্যবহৃত হয়েছে। B) Why Dhaka is famous? — এটি ভুল, কারণ এখানে Subject (Dhaka)-এর আগে সাহায্যকারী verb বসেনি এবং বিখ্যাত হওয়ার ক্ষেত্রে Why-এর চেয়ে What...for ব্যবহার করা অধিকতর গ্রহণযোগ্য। C) What Dhaka is famous for? — এটি ভুল, কারণ এতে কোনো সাহায্যকারী verb নেই, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠনকে অসম্পূর্ণ করেছে। D) For what Dhaka is famous? — এটি ভুল, কারণ আধুনিক ইংরেজিতে Preposition বাক্যের শুরুতে না রেখে শেষে রাখার নিয়মই বেশি প্রচলিত ও স্বাভাবিক। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু কি জন্য বিখ্যাত তা জানতে ইংরেজিতে What দিয়ে শুরু করে শেষে for বসাতে হয় এবং সাহায্যকারী verb সাবজেক্টের আগে বসে।
18. Wisdom means
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রজ্ঞা কেন সঠিক: 'Wisdom' শব্দের প্রকৃত ও গভীর অর্থ হলো প্রজ্ঞা বা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে লব্ধ উচ্চতর বোঝাপড়া। এটি শুধু তথ্য জানা নয়, বরং সঠিক বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করার ক্ষমতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্ঞা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি 'Wisdom' এর সবচেয়েClosest ও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) জ্ঞান — 'Knowledge' শব্দের অর্থ হলো জ্ঞান, যা কোনো বিষয় সম্পর্কে তথ্য বা ধারণাকে বোঝায়। C) বুদ্ধি — 'Intelligence' শব্দের অর্থ হলো বুদ্ধি বা কোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানের মানসিক ক্ষমতা। D) মেধা — 'Talent' বা 'Intellect' শব্দের অর্থ হলো মেধা, যা বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে প্রতিভাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান মানে শুধু বই পড়া বা তথ্য জমা করা, আর প্রজ্ঞা হলো সেই জ্ঞান দিয়ে জীবনকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করা।
19. In black and white means
Created 3 weeks ago | Updated 45 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) In Writing কেন সঠিক: ইংরেজী ইডিওম 'In black and white' এর অর্থ হলো লিখিতভাবে বা দলিলে কিছু থাকা। সাদা কাগজে কালো কালির লেখা চুক্তি বা দলিলকে এটি নির্দেশ করে। তাই কথ্য কথার বদলে লিখিত প্রমাণ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি পুরোপুরি লিখিত রূপকে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — শূন্য বলতে কোনো সংখ্যা বোঝায় যার সাথে এই ইডিওমের অর্থের কোনো মিল নেই। B) In Writing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Temporary — এর অর্থ অস্থায়ী, যা লিখিত দলিলের স্থায়ী প্রকৃতির বিপরীত। D) Verbally — এর অর্থ মৌখিকভাবে, অথচ এই ইডিওমটি লিখিত রূপ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সাদা কাগজে কালো কালিতে কিছু লেখা থাকলে তা যেমন স্থায়ী ও লিখিত প্রমাণ হয়, তেমনি 'In black and white' বললেই লিখিত দলিল বা চুক্তি মনে রাখবে।
20. Choose the correct spelling
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Accelerate কেন সঠিক: বানানটিতে প্রথমে 'Ac' এবং পরে 'c' ও 'e' এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। এখানে 'lerate' অংশটি সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। সঠিক বানান গঠনের নিয়ম অনুযায়ী এটি গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accilerate — এখানে 'e' এর বদলে ভুলভাবে 'i' ব্যবহার করা হয়েছে। B) Accelerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) Accellerate — এখানে অতিরিক্ত একটি 'l' ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) Accelaret — এখানে শেষ অংশে 'a' এবং 'e' এর অবস্থান উলלোটা পালটা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে 'Ac' লিখে 'celerate' অংশটি আলাদা করে মুখস্ত করতে পারো।
21. Choose the correct sentence
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The rich are not always happy কেন সঠিক: - Adjective-এর পূর্বে definite article (The) বসলে তা পুরো একটি শ্রেণীকে বোঝায় এবং তা প্লুরাল হিসেবে গণ্য হয়। - The rich দ্বারা ধনী শ্রেণীকে বোঝানো হয়েছে, তাই এর পর plural verb (are) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rich is not always happy — Adjective-এর পূর্বে the না বস0লে তা noun হিসেবে কাজ করে না এবং singular verb ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) The rich is not always happy — The rich plural noun phrase হওয়ায় এর সাথে singular verb (is) বসতে পারে না। C) The rich are not always happy — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Riches are not always happy — Riches শব্দের অর্থ সম্পদ, যা এখানে অর্থপূর্ণ বা ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: The-এর সাথে Adjective বসলে সেটি প্লুরাল সাবজেক্ট হয়, তাই এর সাথে সবসময় plural verb বসে।

মোট প্রশ্ন (15)

1. ৪৮ সংখ্যাটি কোন সংখ্যার ৮০%?
Created 3 weeks ago | Updated 29 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য (Given): - ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক - ক এর ৮০ শতাংশ হলো ৪৮ ব্যবহৃত সূত্র: - শতাংশের হিসাব বা শতকরা নির্ণয়ের সূত্র ধাপে ধাপে সমাধান: - Step ১: প্রশ্নানুসারে লেখা যায়, ক এর ৮০% = ৪৮ - Step ২: বা, ক × (৮০ ÷ ১০০) = ৪৮ - Step ৩: বা, ক = (৪৮ × ১০০) ÷ ৮০ - Step ৪: বা, ক = ৪৮০০ ÷ ৮০ - Step ৫: সুতরাং, ক = ৬০ যাচাই (Verification): - ৬০ এর ৮০% হলো (৬০ × ৮০) ÷ ১০০ = ৪৮00 ÷ ১০০ = ৪৮, যা প্রদত্ত তথ্যের সাথে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - অপশন A (৫০) — কারণ ৫০ এর ৮০% হলো ৪০, যা ৪৮ এর সমান নয়। - অপশন C (৭০) — কারণ ৭০ এর ৮০% হলো ৫৬, যা ৪৮ এর সমান নয়। - অপশন D (৮০) — কারণ ৮০ এর ৮০% হলো ৬৪, যা ৪৮ এর সমান নয়। শর্টকাট টিপস: - কোনো সংখ্যার শতকরা মান দেওয়া থাকলে, সংখ্যাটিকে ১০০ দিয়ে গুণ এবং শতকরা হার দিয়ে ভাগ করলেই মূল সংখ্যাটি পাওয়া যায়।
2. x + y = 12 এবং x - y = 2 হলে, xy এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল = ১২ দুটি রাশির বিয়োগফল = ২ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y অতএব, x + y = ১২ x − y = ২ সুতরাং, xy এর সূত্র প্রয়োগ করে পাই (১২ ÷ ২) এর স্কয়ার − (১২ − ২ ÷ ২) এর স্কয়ার উত্তর: ৩৫
3. প্রথম ১০টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি হলো ১ শেষ বিজোড় সংখ্যাটি হলো ১৯ ধরি, বিজোড় সংখ্যার মোট পরিমাণ হলো ১০ প্রথম বিজোড় সংখ্যা এবং শেষ বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ১৯ = ২০ অতএব, জোড়ার সংখ্যা = ১০ ÷ ২ = ৫ প্রতিটি জোড়ার যোগফল = ২০ সুতরাং, মোট যোগফল = ৫ × ২০ = ১০০ উত্তর: ১০০
4. ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, —— পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: প্রদত্ত ধারাটি হলো: ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, ...... পার্থক্য বা বৃদ্ধি বিশ্লেষণ করে পাই: ১১ - ৮ = ৩ ১৭ - ১১ = ৬ (অর্থাৎ, ৩ × ২) ২৯ - ১৭ = ১২ (অর্থাৎ, ৬ × ২) ৫৩ - ২৯ = ২৪ (অর্থাৎ, ১২ × ২) দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি পদের মধ্যবর্তী পার্থক্য পূর্ববর্তী পার্থক্যের দ্বিগুণ করে বাড়ছে। অতএব, পরবর্তী পার্থক্যের পরিমাণ হবে = ২৪ × ২ = ৪৮। সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে = ৫৩ + ৪৮ = ১০১। [বিকল্প নিয়ম: প্রতিটি পদকে ২ দিয়ে গুণ করে ৫ বিয়োগ করলে পরের পদ পাওয়া যায়। যেমন: (৮ × ২) - ৫ = ১১; (১১ × ২) - ৫ = ১৭; (১৭ × ২) - ৫ = ২৯; (২৯ × ২) - ৫ = ৫৩; অতএব (৫৩ × ২) - ৫ = ১০৬ - ৫ = ১০১] উত্তর: ১০১
5. ৬ ফুট দীর্ঘ বাঁশের ৪ ফুট দীর্ঘ ছায়া হয়। একই সময়ে একটি গাছের ছায়া ৬৪ ফুট লম্বা। গাছটির উচ্চতা কত ফুট?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৬ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের দৈর্ঘ্য = ৬ ফুট বাঁশের ছায়ার দৈর্ঘ্য = ৪ ফুট গাছের ছায়ার দৈর্ঘ্য = ৬৪ ফুট ধরি, গাছের উচ্চতা = ক ফুট অতএব, বাঁশের দৈর্ঘ্য ÷ বাঁশের ছায়ার দৈর্ঘ্য = গাছের উচ্চতা ÷ গাছের ছায়ার দৈর্ঘ্য ৬ ÷ ৪ = ক ÷ ৬৪ সুতরাং, ৪ × ক = ৬ × ৬৪ ৪ × ক = ৩৮৪ উত্তর: ক = ৩৮৪ ÷ ৪ = ৯৬ ফুট
6. দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু ও ল.সা.গু যথাক্রমে ২ ও ৩৬০। একটি সংখ্যা ১০ হলে অপর সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 57 seconds ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গ.সা.গু = ২ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ১০ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = তাদের গ.সা.গু × ল.সা.গু অতএব, ১০ × ক = ২ × ৩৬০ ১০ × ক = ৭২শ ক = ৭২শ ÷ ১০ সুতরাং, ক = ৭২ উত্তর: ৭২
7. লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ১৮ কি. মি. ও ৬ কি. মি.। নদীপথে ৪৮ কি. মি. অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে সময় লাগবে-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: দেওয়া আছে, লঞ্চের গতিবেগ = ১৮ কি.মি./ঘণ্টা স্রোতের গতিবেগ = ৬ কি.মি./ঘণ্টা স্রোতের অনুকূলে কার্যকর গতিবেগ = (১৮ + ৬) কি.মি./ঘণ্টা = ২৪ কি.মি./ঘণ্টা স্রোতের প্রতিকূলে কার্যকর গতিবেগ = (১৮ - ৬) কি.মি./ঘণ্টা = ১২ কি.মি./ঘণ্টা নদীপথে মোট দূরত্ব = ৪৮ কি.মি. স্রোতের অনুকূলে ৪৮ কি.মি. যেতে সময় লাগে = (৪৮ / ২৪) ঘণ্টা = ২ ঘণ্টা স্রোতের প্রতিকূলে ৪৮ কি.মি. ফিরে আসতে সময় লাগে = (৪৮ / ১২) ঘণ্টা = ৪ ঘণ্টা অতএব, যাওয়া এবং ফিরে আসতে মোট সময় লাগবে = (২ + ৪) ঘণ্টা = ৬ ঘণ্টা। উত্তর: ৬ ঘণ্টা
8. ০.৫ × ০.০২ = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৫ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২ ধরি, সংখ্যা দুটি গুণ করতে হবে অতএব, দশমিক বাদ দিয়ে সংখ্যা দুটি গুণ করলে পাই ৫ × ২ = ১০ সুতরাং, মোট তিন ঘর আগে দশমিক বসবে কারণ ০.৫ এ এক ঘর এবং ০.০২ এ দুই ঘর আছে উত্তর: ০.০১
9. একটি সরলরেখার উপর লম্ব অঙ্কন করলে কয়টি সমকোণ পাওয়া যায়?
Created 3 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২টি প্রদত্ত তথ্য: একটি সরলরেখা দেওয়া আছে যার উপর একটি লম্ব অঙ্কন করতে হবে ধরি, সরলরেখাটি একটি সমতল ভূমি নির্দেশ করে লম্বটি ওই ভূমির উপর লম্বভাবে দাঁড়িয়ে আছে অতএব, লম্বটি সরলরেখার সাথে মিলিত হয়ে দুটি কোণ উৎপন্ন করে উৎপন্ন কোণ দুটি পরস্পরের সমান হয় সুতরাং, প্রতিটি কোণের পরিমাপ নব্বই ডিগ্রি হয় উত্তর: ২টি
10. a + b = 2, ab = 1 হয়, তবে a ও b এর মান যথাক্রমে-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: দেওয়া আছে, a + b = 2 ... (১) ab = 1 ... (২) আমরা জানি, (a - b)² = (a + b)² - 4ab বা, (a - b)² = (2)² - 4(1) বা, (a - b)² = 4 - 4 বা, (a - b)² = 0 বা, a - b = 0 ... (৩) এখন, (১) ও (৩) নম্বর সমীকরণ যোগ করে পাই: (a + b) + (a - b) = 2 + 0 বা, 2a = 2 বা, a = 1 (১) নম্বর সমীকরণে a = 1 বসিয়ে পাই: 1 + b = 2 বা, b = 2 - 1 বা, b = 1 সুতরাং, a = 1 এবং b = 1। উত্তর: 1, 1
11. ৮, ৮, ১৩, ১৯, ২৬, —— ধারাটির ৭ম পদ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 26 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৮, ৮, ১৩, ১৯, ২৬ পদগুলোর মধ্যকার পার্থক্য: দ্বিতীয় পদ ৮ − প্রথম পদ ৮ = ০ তৃতীয় পদ ১৩ − দ্বিতীয় পদ ৮ = ৫ পার্থক্যগুলোর নতুন ধারা: ০, ৫, ৬, ৭ অতএব, পঞ্চম ও ষষ্ঠ পদের পার্থক্য হবে ৮ ষষ্ঠ পদ ২৬ + ৭ = ৩৩ সুতরাং, সপ্তম পদ ৩৩ + ১০ = ৪৩ উত্তর: ৪৩
12. ৯০° কোণের সম্পূরক কোণ কত ডিগ্রি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: কোণটির পরিমাণ = ৯০° সম্পূরক কোণ নির্ণয় করতে হবে ধরি, অজানা সম্পূরক কোণটি = ক ডিগ্রি অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ৯০° + ক = ১৮০° উত্তর: ৯০°
13. একটি চতুর্ভুজের চারটি বাহুর বিপরীত দুটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান। একে বলে -
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চারটি বাহুর বিপরীত দুটি বাহু সমান্তরাল বিপরীত দুটি বাহু অসমান ধরি, চতুর্ভুজটির সমান্তরাল বাহু দুটি ক এবং খ অসমান বাহু দুটি গ এবং ঘ অতএব, ট্রাপিজিয়ামের সংজ্ঞানুযায়ী বিপরীত বাহু একজোড়া সমান্তরাল হয় অন্যান্য বাহু দুটি অসমান থাকে সুতরাং, এই শর্তগুলো কেবল ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য উত্তর: ট্রাপিজিয়াম
14. x - 1/x = 1 হলে, x³ - 1/x³ এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = ১ ধরি, a = x b = ১ ÷ x তাহলে, a − b = ১ অতএব, আমরা জানি, a³ − b³ = (a − b)³ + ৩ab(a − b) এখানে a ও b বসালে পাই, x³ − (১ ÷ x³) = x − (১ ÷ x)³ + ৩ × x × (১ ÷ x) × x − (১ ÷ x) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ১³ + ৩ × ১ = ১ + ৩ = ৪ উত্তর: ৪
15. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ। আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ১,২৫০ বর্গমিটার হলে এর দৈর্ঘ্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ ক্ষেত্রফল হলো এক হাজার দুইশত পঞ্চাশ বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার ক্ষেত্রফল = ২ক২ বর্গমিটার সুতরাং, ২ক২ = ১২৫০ ক২ = ৬২৫ উত্তর: ক = ২৫, তাই দৈর্ঘ্য = ৫০ মিটার

মোট প্রশ্ন (16)

3. বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক কে?
Created 3 weeks ago | Updated 53 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুপ্রিম কোর্ট কেন সঠিক: সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর মৌলিক বিধান রক্ষা করার চূড়ান্ত দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত থাকে। রাষ্ট্রীয় কোনো আইন সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল করার ক্ষমতা এই আদালতের রয়েছে। এটি বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ স্তর হিসেবে কাজ করে। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সুপ্রিম কোর্ট অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা এবং এর কাজ নতুন আইন তৈরি করা বা সংশোধন করা। B) শাসন বিভাগ — এই বিভাগের কাজ হলো আইন প্রয়োগ করা এবং দেশ পরিচালনা করা। C) সুপ্রিম কোর্ট — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) আইন মন্ত্রণালয় — এটি সরকারের একটি প্রশাসনিক বিভাগ যা আইনি প্রক্রিয়া ও বিচার ব্যবস্থাকে সহায়তা করে। মনে রাখার টিপস: আইন তৈরি করে সংসদ আর সেই আইন সংবিধানসম্মত কি না তা রক্ষা করে সুপ্রিম কোর্ট।
4. বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি -
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এককেন্দ্রিক কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। - এখানে স্থানীয় সরকারগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ থেকে কাজ করে এবং আলাদা কোনো প্রাদেশিক সরকার নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এককেন্দ্রিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। B) যুক্তরাষ্ট্রীয় — এই ব্যবস্থায় একাধিক প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য থাকে, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) রাজতন্ত্র — এই ব্যবস্থায় রাজা বা রানী রাষ্ট্রপ্রধান হন, কিন্তু বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতন্ত্রী দেশ। D) রাষ্ট্রপতি শাসিত — বাংলাদেশ সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা অনুসরণ করে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র, কারণ এখানে কোনো প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য নেই এবং সব ক্ষমতা কেন্দ্র থেকেই পরিচালিত হয়।
5. গণতন্ত্রের ধারণা উৎসারিত হয় প্রথম কোন দেশে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাচীন গ্রিস কেন সঠিক: - গণতন্ত্র শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক শব্দ ডেমোক্রেসিয়া থেকে, যার অর্থ জনগণের শাসন। - খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে এথেন্স নগররাষ্ট্রে বিশ্বের প্রথম প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চালু হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য আধুনিক সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্মভূমি হলেও গণতন্ত্রের ধারণাটি সেখানে প্রথম উদ্ভূত হয়নি। B) প্রাচীন গ্রিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) প্রাচীন রোম — প্রাচীন রোমে গণতন্ত্রের পরিবর্তে মূলত প্রজাতন্ত্র এবং অভিজাততন্ত্র প্রচলিত ছিল। D) প্রাচীন ভারত — প্রাচীন ভারতে কিছু গণরাজ্য থাকলেও আধুনিক অর্থে গণতন্ত্রের সার্বজনীন ধারণাটি প্রথম গ্রিসে বিকশিত হয়। মনে রাখার টিপস: গ্রিসের এথেন্স নগররাষ্ট্রকে গণতন্ত্রের জন্মস্থান বলা হয়, তাই গণতন্ত্রের উৎস বললেই গ্রিস মনে রাখতে হবে।
6. বাংলাদেশের ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ও ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী নাগরিকের ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। - ১৮ বছর পূর্ণ হলে একজন নাগরিক সাবালক হিসেবে গণ্য হন এবং দেশের জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বয়সে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজন নাগরিক ভোটাধিকার লাভ করেন। B) ১৯ — এটি ভুল কারণ আইন অনুযায়ী ভোটার হওয়ার জন্য ১৯ বছর বয়সের প্রয়োজন হয় না, এক বছর আগেই ১৮ বছর বয়সে ভোটার হওয়া যায়। C) ১৫ — এটি ভুল কারণ ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শিশু বা কিশোর হিসেবে গণ্য করা হয়, ভোটাধিকার প্রাপ্তির বয়স এটি নয়। D) ১৬ — এটি ভুল কারণ ১৬ বছর বয়সে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার তালিকাভুক্তির কোনো আইনি বিধান বাংলাদেশে নেই। মনে রাখার টিপস: ভোটার হওয়ার বয়স মনে রাখার সহজ উপায় হলো সাবালক হওয়ার ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর ধরা হয়।
9. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের কয়টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কৌশলগত কারণে মোট ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। - সেক্টরগুলো ছাড়াও পরিচালনার সুবিধার জন্য সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি ভুল কারণ ৭ হলো সেক্টরের সংখ্যা নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধে গঠিত নিয়মিত বাহিনীর ব্রিগেড বা ফোর্স যেমন জেড ফোর্স, এস ফোর্স এবং কে ফোর্সের সংখ্যা। B) ৯টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সেক্টর ৯টি থাকলেও পরবর্তীতে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চল নিয়ে ১০ নম্বর সেক্টর এবং নৌবাহিনীর জন্য ১১ নম্বর সেক্টর যোগ করে মোট সেক্টর ১১টি করা হয়। C) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র দেশকে কৌশলগত কারণে ঠিক ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। D) ১৩টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে ১৩টি সেক্টর ছিল না, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন যা সাধারণত সেক্টর ও সাব-সেক্টরের সংখ্যার সাথে মিলিয়ে তৈরি করা হয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর মনে রাখতে ১ এবং ১ অর্থাৎ জোড়া সংখ্যা ১১ মনে রাখতে পারেন, কারণ বাংলাদেশ ১১ জন সেক্টর কমান্ডারের অধীনে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
10. ভুটানের রাজধানী-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) থিম্পু কেন সঠিক: - থিম্পু হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের বর্তমান রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এই শহরটি ভুটানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। - ভুটানের রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম এবং প্রধান সরকারি দপ্তরসমূহ এই শহরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কাঠমান্ডু — এটি নেপালের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর। - B) ইয়য়াঙ্গুন — এটি মিয়ানমারের একটি প্রধান শহর এবং সাবেক রাজধানী। - C) থিম্পু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। - D) হ্যানয় — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের রাজধানী। মনে রাখার টিপস: - হিমালয়ের কোলে অবস্থিত ছোট দেশ ভুটানের নামের সাথেই থিম্পু নামটি মনে রাখা সহজ।
11. নদী ছাড়া মহানন্দা কী?
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আম কেন সঠিক: - মহানন্দা নদী ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে উৎপাদিত এক জনপ্রিয় আমের নাম। - এটি মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু আমের জাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আম — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের একটি বিখ্যাত আমের নাম যা নদী হিসেবেও পরিচিত। B) কলা — কলা বাংলাদেশের অন্যতম ফল হলেও মহানন্দা নামে কোনো জনপ্রিয় কলার জাত নেই। C) সরিষা — এটি তেলবীজ ফসল হলেও মহানন্দা নামে কোনো পরিচিত সরিষার জাত নেই। D) তুলা — তুলা একটি অর্থকরী ফসল হলেও মহানন্দা এর কোনো জাত বা পরিচিত নাম নয়। মনে রাখার টিপস: মহানদীর পাশাপাশি মহানন্দা হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি মিষ্টি আমের নাম।
13. বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় কবে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাসভিত্তিক প্রশ্ন সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। B) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে। C) ১২ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে তাজউদ্দীন আহমদ জাতির উদ্দেশে বেতার ভাষণ দেন, যা সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। D) ২৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি যা প্রথম সরকার গঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণের তারিখ ১৭ এপ্রিল এভাবে মনে রাখবে।
16. আইন ও শালিশ কেন্দ্র কি ধরনের সংস্থা?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানবাধিকার কেন সঠিক: - আইন ও শালিশ কেন্দ্র (ASK) বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও আইনি সহায়তা প্রদানকারী বেসরকারি সংস্থা। - এটি দেশের মানুষের আইনি অধিকার রক্ষা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক — এটি কোনো আর্থিক লেনদেন, ব্যবসা বা ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। B) মানবাধিকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মানবাধিকার সুরক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। C) ধর্মীয় — এটি কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম প্রচার বা ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান নয়। D) খেলাধুলা — এটি কোনো ধরনের খেলাধুলা সংক্রান্ত পরিচালনা বা ক্রীড়া সংস্থা নয়। মনে রাখার টিপস: আইন ও শালিশ কেন্দ্রের সংক্ষিপ্ত রূপ আসক (ASK) মনে রাখলে এটি যে আইনগত অধিকার ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।

মোট প্রশ্ন (1)

1. কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
Created 3 weeks ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাগরে ১. কেন সঠিক: সাগরের পানিতে প্রচুর পরিমাণে লবণ এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ দ্রবীভূত থাকে, যার ফলে এর ঘনত্ব পুকুর, খাল বা নদীর পানির চেয়ে বেশি হয়। ঘন পানির প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা বেশি হওয়ায় মানবদেহ সহজে পানিতে ভেসে থাকে এবং সাঁতার কাটা সহজ হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্লবতা হলো তরল পদার্থের সেই ঊর্ধ্বমুখী বল যা কোনো বস্তুকে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। সূত্র বা তত্ত্ব: আর্কিমিডিসের সূত্র অনুসারে, কোনো বস্তুকে তরলে সম্পূর্ণ বা আংশিক ডোবালে তরলটি বস্তু কর্তৃক অপসারিত তরলের ওজনের সমান ঊর্ধ্বমুখী বল প্রয়োগ করে। কার্যপ্রণালি: সাগরের পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ায় সমপরিমাণ পানি অপসারিত হলে বেশি প্লবতা বল পাওয়া যায়, যা সাঁতারুর শরীরের ওজন সহজে সামলায়। বাস্তব প্রয়োগ: মৃত সাগরে লবণের পরিমাণ এত বেশি যে মানুষের শরীর নিজে থেকেই পানির ওপর ভেসে থাকে, সেখানে সাঁতার কাটা অত্যন্ত সহজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেড সি বা মৃত সাগরে মানুষ না সাঁতারেও চিৎ হয়ে শুয়ে খবরের কাগজ পড়তে পারে। ব্যাখ্যা: মৃত সাগরের পানির ঘনত্ব এতটাই বেশি যে এর প্লবতা মানুষের শরীরের ওজনের চেয়ে বেশি বল প্রয়োগ করে। উদাহরণ ২: ভারী লবণাক্ত পানিতে ডিম ছেড়ে দিলে তা ভেসে থাকে কিন্তু সাধারণ টিউবওয়েলের পানিতে ডিম ডুবে যায়। ব্যাখ্যা: পানির ঘনত্ব বাড়ার কারণে প্লবতা বৃদ্ধি পায় যা বস্তুকে সহজে ভাসাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরে — পুকুরের পানি মিষ্টি এবং এতে লবণের পরিমাণ কম থাকায় ঘনত্ব কম এবং প্লবতা কম হয়। B) খালে — খালের পানির প্রবাহমানতা থাকে এবং এর ঘনত্ব কম হওয়ায় সাঁতার কাটতে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। C) নদীতে — নদীর পানি সাধু পানি হওয়ায় এর ঘনত্ব সাগরের পানির তুলনায় কম এবং সাঁতার কাটা তুলনামূলক কঠিন। D) সাগরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাগরের পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: সাগর মানে লবণ বেশি, লবণে ঘনত্ব বাড়ে, ঘনত্ব বাড়লে প্লবতা বাড়ে আর সাঁতার কাটা সহজ হয়। মনে রাখবেন, পানির ঘনত্ব বেশি মানেই সাঁতার কাটার সুবিধা বেশি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তরলের ঘনত্ব এবং প্লবতার সম্পর্ক থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায় প্রশ্ন আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, সাধু পানির ডিম কেন সাগরের পানিতে ভাসে।

মোট প্রশ্ন (8)

1. বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বান্দরবান কেন সঠিক: বান্দরবান বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল বা পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে জুম চাষের জন্য উপযুক্ত পাহাড়ি ঢাল ও অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান। পাহাড়ি উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষেরা তাদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ঐতিহ্যগতভাবে এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকে। ভৌগোলিক তথ্য: বান্দরবান বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত একটি পাহাড়ি জেলা, যার আয়তন চার হাজার চারশত সাতান্ন বর্গকিলোমিটার। এই অঞ্চলে উঁচু-নিচু পাহাড়, গভীর জঙ্গল এবং পাহাড়ি নদী জুম চাষের জন্য ভৌগোলিক বৈচিত্র্য প্রদান করে। এখানে মূলত ধান, ভুট্টা, তুলা এবং বিভিন্ন প্রকার শাকসবজির চাষ জুম পদ্ধতিতে করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পাহাড়ি অঞ্চল এবং এখানে জুম চাষ করা হয়। B) ময়মনসিংহ — এই এলাকাটি মূলত সমতল ও প্লাবনভূমি হওয়ায় এখানে পাহাড়ি জুম চাষের পরিবেশ নেই। C) রাজশাহী — এটি বরেন্দ্রভূমি ও সমতল অঞ্চলভুক্ত হওয়ায় এখানে জুম চাষ করা সম্ভব নয়। D) রংপুর — এই অঞ্চলটি তিস্তা নদীর অববাহিকা ও সমতল হওয়ায় এখানে ঐতিহ্যগত জুম চাষ হয় না। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ি এলাকা মানেই জুম চাষ এবং বাংলাদেশের পাহাড়ি জেলাগুলোর মধ্যে বান্দরবান অন্যতম প্রধান স্থান।
2. বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?
Created 3 weeks ago | Updated 28 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: ১. সেন্টমার্টিন দ্বীপটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা প্রবাল প্রাচীর দিয়ে গঠিত। ২. এই দ্বীপটির চারপাশের সামুদ্রিক পরিবেশ প্রবাল জন্মানোর জন্য পুরোপুরি উপযোগী। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। ২. এই দ্বীপটির আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার এবং এর চারপাশ পরিষ্কার নীল জলে ঘেরা। ৩. এখানে প্রবাল, শৈবাল এবং সামুদ্রিক কাছিমের প্রজনন ক্ষেত্র দেখতে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুমদ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি চর যা মূলত মেঘনা নদীর পলি জমে গঠিত হয়েছে। B) সেন্টমার্টিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে অন্য কোনো দ্বীপ বোঝানো হয়নি। C) হাতিয়া — এটি মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত একটি নদীমাতৃক দ্বীপ উপজেলা যা পলি দ্বারা গঠিত। D) সন্দ্বীপ — এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত চট্টগ্রাম জেলার একটি প্রাচীন পলিগঠিত দ্বীপ। মনে রাখার টিপস: প্রবাল শব্দটির সাথে সেন্টমার্টিন নামটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
3. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চগড় কেন সঠিক: - পঞ্চগড় বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা। - এই জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা দেশের একদম শেষ উত্তর সীমানায় অবস্থিত। ভৌগোলিক তথ্য: - পঞ্চগড় জেলা রংপুর বিভাগের অধীনে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ঠিক উত্তর সীমান্তে অবস্থিত। - এই জেলার উত্তরে হিমালয় পর্বতমালার কাছাকাছি হওয়ায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। - বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এই জেলায় অবস্থিত যা দেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও সর্বউত্তরে অবস্থিত নয়। - B) পঞ্চগড় — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই অপশনটি ভুল নয়। - C) দিনাজপুর — এটি পঞ্চগড়ের দক্ষিণে অবস্থিত একটি জেলা। - D) কুড়িগ্রাম — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জেলা। মনে রাখার টিপস: - পঞ্চগড় হলো বাংলাদেশের উত্তর মাথার মুকুট।
4. বাংলাদেশের প্রথম টানেল কোন কোন নদীর তলদেশে নির্মিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণফুলী কেন সঠিক: ১. এই টানেলটি বাংলাদেশের প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে তৈরি সুড়ঙ্গ পথ, যা চট্টগ্রাম শহরে কর্ণফুলী নদীর দুই তীরকে যুক্ত করেছে। ২. নদীর তলদেশের পলিমাটি ভেদ করে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এই সুড়ঙ্গ পথটি সফলভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর মোহনার কাছে অবস্থিত এবং এর মূল দৈর্ঘ্য তিন দশমিক চার তিন কিলোমিটার। ২. এটি কেবল বাংলাদেশের নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদী তলদেশের সুড়ঙ্গ পথ বা রিভার টানেল হিসেবে বিশেষ মর্যাদা পেয়েছে। ৩. এর মাধ্যমে এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং ঢাকা ও কক্সবাজারের দূরত্ব কমেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — পদ্মা নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলেও এর তলদেশে কোনো সুড়ঙ্গ পথ বা টানেল তৈরি করা হয়নি। B) রূপসা — রূপসা নদীর ওপর সেতু আছে, তবে এর তলদেশে যাতায়াতের জন্য কোনো টানেল বা সুড়ঙ্গ পথ নির্মিত হয়নি। C) কর্ণফুলী — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কোনো নদী বা ভুল তথ্য বিবেচনা করা হয়েছে। D) গোমতী — গোমতী নদীর ওপর সেতু রয়েছে, কিন্তু এই নদীর তলদেশে কোনো সুড়ঙ্গ পথ বা টানেল নির্মাণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১. প্রথম টানেল মানেই চট্টগ্রাম শহরের বিখ্যাত কর্ণফুলী নদীর নিচে নির্মিত বঙ্গবন্ধু টানেল। ২. কর্ণফুলী নদীর নাম মনে রাখলেই বাংলাদেশের প্রথম সুড়ঙ্গ পথের সঠিক উত্তরটি সহজে মনে রাখা যাবে।
5. 'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কোথায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরে কেন সঠিক: ১. এটি বঙ্গোপসাগরের একটি সাবমেরিন ক্যানিয়ন বা সমুদ্রের তলদেশের গভীর খাত। ২. সুন্দরবনের দক্ষিণে এবং বঙ্গোপসাগরের মধ্যভাগে এর অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি বাংলাদেশের সুন্দরবন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণভাগে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক খাত। ২. এটি সমুদ্রের তলদেশে অবস্থিত একটি গভীর পরিখা যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। ৩. বিজ্ঞানীদের মতে, প্রাচীনকালে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পলল অবক্ষেপের মাধ্যমে এই খাতটি সৃষ্টি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যমুনা নদীতে — এটি একটি বড় নদ যা বাংলাদেশে প্রবাহিত হয় কিন্তু এখানে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নেই। B) মেঘনায় — এটি একটি প্রধান নদী অববাহিকা যা বঙ্গোপসাগরে মিশেছে তবে এই খাতটি নদীতে অবস্থিত নয়। C) বঙ্গোপসাগরে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অপশন প্রযোজ্য নয়। D) প্রশান্ত মহাসাগরে — এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাসাগর এবং এই নির্দিষ্ট খাতটি এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ১. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মানে অতলস্পর্শী খাত এবং এটি বঙ্গোপসাগরের বুকেই অবস্থান করে। ২. সুন্দরবনের সাথে বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলের দক্ষিণ দিকে তাকালেই এই খাতের কথা মনে রাখতে হবে।
6. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম কী?
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাজিংডং কেন সঠিক: - তাজিংডং পাহাড় বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং এটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত। - এই শৃঙ্গের উচ্চতা প্রায় এক হাজার দুইশ আশি মিটার যা একে অন্যান্য পাহাড়ের চেয়ে উঁচু করে তুলেছে। ভৌগোলিক তথ্য: - তাজিংডং বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি দেশের দক্ষিণ-পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চলের অংশ। - এই অঞ্চলটি মূলত ব্যাথোলিথ বা প্রাচীন শিলা দ্বারা গঠিত এবং এর চারপাশ গভীর অরণ্যে ঘেরা। - সাধারণ পরিমাপ অনুযায়ী এর উচ্চতা প্রায় চার হাজার একশ ষাট ফুটের বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাজিংডং — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এবং এর উচ্চতা বাকি সব পাহাড়ের চেয়ে বেশি। B) কেওক্রাডং — এটি একসময় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মনে করা হলেও বর্তমানে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত। C) লালমাই পাহাড় — এটি কুমিল্লার কাছে অবস্থিত একটি নিচু ও প্রাচীন পলিগঠিত লাল রঙের ভূমিও এটি অনেক খাটো। D) গারো পাহাড় — এটি ময়মনসিংহ ও শেরপুর অঞ্চলে অবস্থিত একটি মাঝারি উচ্চতার পাহাড়ি এলাকা। মনে রাখার টিপস: - তা দিয়ে তাজিংডং এবং তা দিয়ে সর্বোচ্চ মনে রাখবে কারণ তাজিংডং হলো বাংলাদেশের ছাদ। - কেওক্রাডং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হলেও তাজিংডং তার চেয়ে কিছুটা উঁচুতে অবস্থিত।
7. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ-
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভোলা কেন সঠিক: ১. এই দ্বীপটি মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে গঠিত হয়েছে এবং এর আয়তন অন্যান্য দ্বীপের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। ২. প্রশাসনিকভাবে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা এবং মূল ভূখণ্ড থেকে নদী দ্বারা পৃথক একটি বিশাল দ্বীপ অঞ্চল। ভৌগোলিক তথ্য: ১. ভোলা দ্বীপটি বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর আয়তন প্রায় তিন হাজার চারশ তিন বর্গকিলোমিটার। ২. এটি দেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা যা নদী ও সাগরের মোহনায় অত্যন্ত কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। ৩. এই দ্বীপে প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি পানির নারিকেল উৎপাদিত হয় বলে একে নারিকেলের দ্বীপ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি বড় দ্বীপ হলেও এর আয়তন ও ভূখণ্ড ভোলার চেয়ে অনেক ছোট। B) ভোলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল প্রশ্ন নির্দেশিত সঠিক দ্বীপ। C) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর আয়তন মাত্র আট বর্গকিলোমিটারের মতো। D) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম জেলার একটি প্রাচীন দ্বীপ এবং এর আয়তন ভোলার তুলনায় বেশ কম। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বড় দ্বীপ মনে রাখতে ভোলা শব্দটির সাথে বিশাল আকৃতির তুলনা করতে পারো। বাংলাদেশের জেলাগুলোর মধ্যে একমাত্র দ্বীপ জেলা হিসেবে ভোলা নামটি সহজে মনে রাখা যায়।
8. বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মা কেন সঠিক: ১. হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে গঙ্গা নদী নামে ভারতে প্রবেশের পর পদ্মা নাম নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এটি দেশের প্রধান নদী। ২. দৈর্ঘ্য ও অববাহিকার বিস্তৃতির দিক বিবেচনা করে ভৌগোলিকভাবে এটিকে বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী হিসেবে গণ্য করা হয়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এই নদীটি ভারতের উত্তরাঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় দুই হাজার পাঁচশ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ২. এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একটি প্রধান জলপথ। ৩. গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলিত অববাহিকak কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই নদী ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিশাল পরিমাণ পানি প্রবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপਸ਼ਨটি ভুল নয় বরং এটিই বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী। B) মেঘনা — এটি দেশের প্রশস্ততম নদী হলেও দৈর্ঘ্যর দিক থেকে এটি পদ্মার চেয়ে তুলনামূলকভাবে ছোট। C) যমুনা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও গভীর নদী হলেও সামগ্রিক দৈর্ঘ্যর বিচারে পদ্মার পরেই এর অবস্থান। D) সুরমা — এটি মূলত সিলেট অঞ্চলের প্রধান নদী এবং এর দৈর্ঘ্য ও অববাহিকার বিস্তার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। মনে রাখার টিপস: পদ্মা হলো আমাদের দেশের প্রধান ও দীর্ঘতম নদী, যা গঙ্গা নদীরই মূল শাখা হিসেবে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে।