বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

পিএসসি'র অধীন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে শ্রম পরিদর্শক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: শ্রম পরিদর্শক (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a চোখের বালি
b ভ্রান্তিবিলাস
c শেষের কবিতা
d ঘরে - বাইরে
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভ্রান্তিবিলাস ১. কেন সঠিক: ভ্রান্তিবিলাস বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। এটি মূলত মহাকবি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের দ্য কমেডি অফ এররস নাটকের একটি বাংলা গদ্যানুবাদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভ্রান্তিবিলাস গ্রন্থটির রচয়িতা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটক অবলম্বনে ১৮৬৯ সালে এই গ্রন্থটি রচনা ও প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেক্সপিয়রের নাটক ব্যাখ্যা: ভ্রান্তিবিলাস প্রকাশের মাধ্যমে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ইংরেজি সাহিত্যকে বাংলাভাষীদের কাছে পরিচিত করার ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখেন। উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাসের মূল উৎস ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত কমেডি নাটক দ্য কমেডি অফ এররস এর বাংলা রূপান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চোখের বালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান চরিত্র বিনোদিনী। B) ভ্রান্তিবিলাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয়, বরং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত অনুবাদ গ্রন্থ। C) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। D) ঘরে - বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি স্বদেশী আন্দোলন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চোখের বালি, শেষের কবিতা ও ঘরে বাইরে একসাথে মনে রাখতে পারো। আর ভ্রান্তিবিলাস দেখলে বুঝতে হবে এটি বিদ্যাসাগরের অনুবাদ কর্ম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অনুবাদ গ্রন্থ বা অন্য লেখকের বিখ্যাত বই রবীন্দ্রনাথের নামে চালিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাই মূল লেখকের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a প্রমথ চৌধুরী
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c মহাদেব সাহা
d বনফুল
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং এর মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার প্রবর্তন করেন। - ১৯১৪ সালের মে মাসে বাংলা ১৩২১ সালের বৈশাখে এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা গদ্যে সাধু রীতির পরিবর্তে চলিত রীতির ব্যবহারে বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রাবন্ধিক এবং বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে তিনি লেখালেখি করতেন। - সবুজপত্র পত্রিকার মুখপত্র হিসেবে চলিত ভাষার পক্ষে বলিষ্ঠ অবস্থান নেন প্রমথ চৌধুরী এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ বহু প্রথিতযশা লেখক এতে লেখালেখি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম, যার নামে তিনি সবুজপত্র পত্রিকায় বিভিন্ন মননশীল প্রবন্ধ রচনা করতেন। উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি ভিন্ন ধারার সংযোজন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — ইনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক এবং বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তিনি মূলত চরিত্রহীন ও দেবদাস উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। C) মহাদেব সাহা — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক, যিনি সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) বনফুল — ইনি প্রমথ চৌধুরীর সমসাময়িক বা পরবর্তীকালের প্রখ্যাত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যিনি সবুজপত্র সম্পাদনা করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরীকে মনে রাখতে সবুজ পাতার মাঝে প্রমথ চৌধুরীর বীরবল রূপটি কল্পনা করতে পারো। - বাংলা চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী আর তার মুখপত্র সবুজপত্র, এভাবে দুটি তথ্য একসাথে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদক সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে পত্রিকার নাম, সম্পাদকের নাম এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a নাপ্পি
b লাশ
c লিচু
d রিকশা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিচু ১. কেন সঠিক: - লিচু একটি চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দ, যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের একটি অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি ভাষা থেকে যে শব্দগুলো সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। - চীনা ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খুব কম শব্দই এসেছে এবং সেগুলোর মধ্যে লিচু একটি প্রধান উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চা ব্যাখ্যা: চা একটি চীনা শব্দ যা আমাদের পানীয় হিসেবে বহুল পরিচিত। উদাহরণ ২: চিনি ব্যাখ্যা: চিনি শব্দটিও চীনা ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাপ্পি — এটি একটি বিদেশি শব্দ হলেও তা চীনা ভাষা থেকে আসেনি, বরং এটি অন্য ভাষার শব্দ। B) লাশ — লাশ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে, চীনা ভাষা থেকে নয়। D) রিকশা — রিকশা একটি জাপানি শব্দ, যা চীনা ভাষার অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চীনা শব্দ মনে রাখার জন্য চা ও লিচুর জুড়ি মেলা ভার। - এই দুটি শব্দ দিয়েই অধিকাংশ পরীক্ষায় চীনা শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন কমন পড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন ভাষা থেকে কোন শব্দগুলো এসেছে, তা ছক আকারে পড়লে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a মতিচুর
b চরিত্রহীন
c পদ্মরাগ
d অবরোধবাসিনী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চরিত্রহীন কেন সঠিক: ১. চরিত্রহীন উপন্যাসটির রচয়িতা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন নন, বরং এটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অমর সৃষ্টি। ২. বেগম রোকেয়া নারীজাগরণ ও সমাজ সংস্কারমূলক সাহিত্য রচনা করলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সাহিত্যিক সম্পৃক্ততা নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর বাস্তবধর্মী উপন্যাস ও সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ২. চরিত্রহীন উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের জটিল পারিবারিক সম্পর্ক ও নৈতিকতার চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে শ্রীকান্ত, গৃহদাহ ও দেবদাস বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মতিচুর — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। B) চরিত্রহীন — এটি রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন রচিত গ্রন্থ নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হবে। C) পদ্মরাগ — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন রচিত একটি সুপরিচিত উপন্যাস ও আদর্শ নারীর প্রতিকৃতিমূলক গ্রন্থ। D) অবরোধবাসিনী — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন রচিত পর্দাপ্রথা ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটি ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ। মনে রাখার টিপস: ১. বেগম রোকেয়ার প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো মতিচুরের লাড্ডু খেয়ে অবরোধবাসিনী পদ্মরাগ দেখতে গেল। ২. শরৎচন্দ্রের উপন্যাসগুলোর সাথে রোকেয়ার রচনা গুলিয়ে ফেলা যাবে না কারণ তাদের লেখার বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা।
a উপন্যাস
b কাব্যগ্রন্থ
c গল্পগ্রন্থ
d জীবনী গ্রন্থ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের দারিদ্র্য, মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম এবং নৈতিকতার দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি সফলভাবে বেশ কিছু উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনা করেছেন। - মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত প্রথম পত্রোপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ মৃত্যুক্ষুধা একটি দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস। B) কাব্যগ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে রচিত উপন্যাস। C) গল্পগ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ছোটগল্পের সংকলন নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। D) জীবনী গ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কারও জীবনচরিত বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের উপন্যাসের সংখ্যা কম। প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের উপন্যাসগুলোর নাম বারবার আসে। তাই তার উপন্যাস তিনটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a ফুসফুস
b স্বরযন্ত্র
c আলজিভ
d খাদ্যনালী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খাদ্যনালী ১. কেন সঠিক: - বাক-প্রত্যঙ্গ হলো মানুষের শরীরের সেই অঙ্গসমূহ যা ধ্বনি তৈরিতে বা কথা বলতে সরাসরি সাহায্য করে। - খাদ্যনালী পরিপাকতন্ত্রের অংশ এবং এটি মুখ থেকে পাকস্থলীতে খাবার পৌঁছে দেয়, ধ্বনি উৎপাদনে এর কোনো ভূমিকা নেই। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই টপিকটি বাংলা উচ্চারণের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। - ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস মুখগহ্বরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গের সাহায্যে বাধা পেয়ে ধ্বনি হিসেবে বাইরে বেরিয়ে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কণ্ঠনালী বা স্বরযন্ত্র ব্যাখ্যা: স্বরযন্ত্র ফুসফুস থেকে আসা বাতাসে কম্পন সৃষ্টি করে ধ্বনি তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয়। উদাহরণ ২: জিহ্বা ও ওষ্ঠ ব্যাখ্যা: জিহ্বা এবং ওষ্ঠ মুখগহ্বরের প্রধান বাক-প্রত্যঙ্গ হিসেবে বিভিন্ন স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুসফুস — এটি বাক-প্রত্যঙ্গ কারণ ফুসফুস থেকে ধ্বনি তৈরির প্রাথমিক বায়ুপ্রবাহ বা শক্তির জোগান আসে। B) স্বরযন্ত্র — এটি বাক-প্রত্যঙ্গ কারণ এখানে স্বরতন্ত্রী থাকে যা বাতাসকে কম্পিত করে স্বরধ্বনির সৃষ্টি করে। C) আলজিভ — এটি বাক-প্রত্যঙ্গ কারণ মুখগহ্বরের এই অংশটি বাতাসকে নাক বা মুখের দিকে চালিত করতে সাহায্য করে। D) খাদ্যনালী — এটি বাক-প্রত্যঙ্গ নয় কারণ এটি পরিপাকতন্ত্রের অংশ যা খাবার পরিপাকে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের খাবার খাওয়ার নালী বা খাদ্যনালী কখনো কথা বলার সময় ধ্বনি তৈরিতে কাজ করে না। - মুখের ভেতরে এবং গলার যে অঙ্গগুলো বাতাস নিয়ন্ত্রণ করে, কেবল সেগুলোকে বাক-প্রত্যঙ্গ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক-প্রত্যঙ্গের মধ্যে ফুসফুস, স্বরযন্ত্র, আলজিভ, জিহ্বা, দাঁত, ওষ্ঠ এবং নাসিকা গহ্বর অন্যতম প্রধান। - এই ধরনের প্রশ্নে পরিপাক বা শ্বসনতন্ত্রের বাইরের অংশগুলো অপশন হিসেবে বেশি থাকে।
a স্বর্ণকুমারী দেবী
b সারদা দেবী
c প্রতিভা বসু
d চন্দ্রাবতী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চন্দ্রাবতী ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতী সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। - ষোড়শ শতাব্দীতে ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার পাটুয়ারী গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্যিক ধারা বা মর্মান্তিক গীতিকাব্যের সূচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রাবতীর পিতা বিখ্যাত কবি দ্বিজ বংশীদাস মনসা মঙ্গল কাব্য রচনা করেন এবং তাঁর অনুপ্রেরণায় চন্দ্রাবতী রামায়ণ অনুবাদে হাত দেন। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনিই প্রথম নারী যিনি স্বরচিত ও অনূদিত কাব্যের মাধ্যমে নিজস্ব সাহিত্যিক স্বকীয়তা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত পালা বা গীতিকাব্য। উদাহরণ ২: রামায়ণ ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতী নারীদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাংলা ভাষায় প্রথম রামায়ণ রচনা করেন যা তাঁর প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বর্ণকুমারী দেবী — ইনি আধুনিক যুগের লেখক এবং উনিশ শতকের নারী সাহিত্যিক ও নাট্যকার। B) সারদা দেবী — ইনি শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সহধর্মিণী ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব, কোনো কবি নন। C) প্রতিভা বসু — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার। D) চন্দ্রাবতী — মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হওয়ার কারণে এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের চন্দ্রের আলো দিয়ে বাংলা সাহিত্যের নারীদের কাব্যচর্চা শুরু হয়েছিল এভাবে মনে রাখবে। - চন্দ্রাবতী মানেই মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের নারী কবি সম্পর্কিত প্রশ্নে প্রায়ই চন্দ্রাবতীর নাম আসে। - মধ্যযুগের একমাত্র নারী কবি হিসেবেও অনেক সময় তাঁর নাম পরীক্ষাসমূহে জানতে চাওয়া হয়।
a অগ্নিসাক্ষী
b চিলেকোঠার সেপাই
c আগুনপাখি
d আরেক ফাল্গুন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আরেক ফাল্গুন কেন সঠিক: - এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদদের স্মৃতি। - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রামাণ্য উপন্যাস। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়ীতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান। - উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের কর্মীদের কারাবাস, সংগ্রাম এবং শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশের বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - উপন্যাসের নাম থেকেই বোঝা যায় এটি বসন্ত তথা ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারিকে নির্দেশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অগ্নিসাক্ষী — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উপন্যাস। - B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ঊনসত্তরের গণঅভুথান ভিত্তিক উপন্যাস। - C) আগুনপাখি — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত দেশভাগ ও দেশভাগের আগের সমাজ জীবনভিত্তিক উপন্যাস। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - ফাল্গুন মাস আসে ফেব্রুয়ারিতে, আর ভাষা আন্দোলন হয়েছিল একুশে ফেব্রুয়ারি ফাল্গুন মাসেই।
a গ্রাম
b দোকান
c বাড়ি
d প্রাসাদ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাড়ি ১. কেন সঠিক: নিকেতন শব্দটির সাধারণ ও প্রমিত অর্থ হলো বাড়ি, ঘর, আবাসস্থল বা আলয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি তৎসম শব্দ। বাংলা শব্দভান্ডারে নিকেতন একটি বহুল ব্যবহৃত বিশেষ্য পদ যা মানুষের বসবাসের স্থায়ী স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছায়াঘেরা নিকেতন। ব্যাখ্যা: এখানে নিকেতন শব্দটি মানুষের বসবাসের ঘর বা বাড়িকে নির্দেশ করছে। উদাহরণ ২: শান্তি নিকেতন। ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের নামে নিকেতন শব্দটি শান্তির আবাস বা আশ্রম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম — গ্রাম অর্থ জনপদ বা পল্লী, যা নিকেতন শব্দের অর্থ নয়। B) দোকান — দোকান অর্থ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, যা নিকেতন শব্দের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) বাড়ি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) প্রাসাদ — প্রাসাদ অর্থ রাজবাড়ি বা বিশাল ইমারত, যা সব ধরনের বাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নিকেতন মানে ঘর বা বাড়ি। রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন থেকে মনে রাখতে পারেন এর অর্থ শান্তির আবাস বা বাড়ি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গৃহ, আলয়, নিকেতন, ও নিলয় প্রায় সমার্থক শব্দ হিসেবে আসে। এই শব্দগুলোর মূল অর্থ বাড়ি বা আবাসস্থল।
a অভিলাষ
b সাধ
c আর্জি
d অভিপ্রায়
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আর্জি ১. কেন সঠিক: - 'আর্জি' শব্দটির অর্থ আবেদন, প্রার্থনা বা নিবেদন, যা 'ইচ্ছা' শব্দের সমার্থক নয়। - প্রশ্নটিতে কোনটি 'ইচ্ছা' শব্দের প্রতিশব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই ভিন্নার্থক শব্দটিই সঠিক উত্তর। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো একই অর্থ প্রকাশ করে সেগুলোকে সমার্থক শব্দ বা একার্থক শব্দ বলা হয়। - 'ইচ্ছা' শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো স্পৃহা, বাঞ্ছা, অভিলাষ, সাধ, অভিপ্রায় ও ইচ্ছা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মনের সাধ পূর্ণ হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সাধ' শব্দটি 'ইচ্ছা' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তার অভিপ্রায় ভালো ছিল না। ব্যাখ্যা: এখানে 'অভিপ্রায়' শব্দটি মনের ইচ্ছা বা মতলব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিলাষ — এটি 'ইচ্ছা' শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) সাধ — এটি মনের আনন্দ বা 'ইচ্ছা' বোঝাতে ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) আর্জি — এটি আবেদন বা নিবেদন বোঝায়, যার সাথে 'ইচ্ছা' শব্দের সরাসরি মিল নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) অভিপ্রায় — এটি মনোভাব বা 'ইচ্ছা' শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবেদন বা দরখাস্ত বোঝাতে 'আর্জি' ব্যবহার করা হয়, যা মনের ভাব বা ইচ্ছার সমার্থক নয়। - সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে ছন্দে ছন্দে মুখস্থ করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে বাংলা একাডেমির প্রমিত অভিধান অনুসরণ করা উচিত।
a মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
b দেবেশ রায়
c হাসান আজিজুল হক
d অদ্বৈত মল্লবর্মন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অদ্বৈত মল্লবর্মন ১. কেন সঠিক: - 'তিতাস একটি নদীর নাম' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কালজয়ী উপন্যাস এবং এর রচয়িতা অদ্বৈত মল্লবর্মন। - এই উপন্যাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, সুখ, দুঃখ ও সংগ্রাম নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অদ্বৈত মল্লবর্মন ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি মূলত নদীপাড়ের মানুষের জীবন নিয়ে লিখে গেছেন। - তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসটি তাঁর জীবদ্দশায় গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হতে পারেনি এবং তাঁর মৃত্যুর পর এটি প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা নদীকেন্দ্রিক অপর একটি বিশ্বমানের বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস। উদাহরণ ২: দিবারাত্রির কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি 'পদ্মা নদীর মাঝি' ও 'পুতুলনাচের ইতিকথা' উপন্যাসের লেখক হলেও 'তিতাস একটি নদীর নাম' তাঁর রচিত নয়। B) দেবেশ রায় — ইনি একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি 'তিস্তাপুরাণের দালান' ও 'মফস্বলে দিনরাত্রি'র মতো বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন। C) হাসান আজিজুল হক — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসহিত্যিক ও ছোটগল্পকার যিনি 'আগুনপাখি' উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। D) অদ্বৈত মল্লবর্মন — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই অনন্য উপন্যাসটির একমাত্র রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - তিতাস নদীর নাম শুনলেই মনে রাখবে জেলে বা মালো সম্প্রদায়ের কষ্টের কথা এবং এর স্রষ্টা হলেন অদ্বৈত মল্লবর্মন। - নদীর নাম দিয়ে উপন্যাস মনে রাখার সময় অদ্বৈত মল্লবর্মন ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম যেন গুলিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই লেখকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি। - তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কিশোর এবং এটি মূলত মালো সম্প্রদায়ের অবক্ষয় ও জীবনের ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c কালীপ্রসন্ন সিংহ
d ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থল বা সন্ধিক্ষণ হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কাব্যসাধনাকে চিহ্নিত করা হয়। তাঁর কবিতায় মধ্যযুগের সাহিত্যের অবসান এবং আধুনিক যুগের সূচনার লক্ষণ একসঙ্গে প্রকাশ পাওয়ায় তাঁকে যুগ সন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি এবং সাংবাদিক যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। তাঁর কাব্যে প্রাচীন ধারার পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দের ব্যবহার থাকলেও সমসাময়িক সমাজচিত্র ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বহু অবহেলিত প্রাচীন কবির জীবনী ও সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করেন। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে তাঁর সাহিত্যগুরু বলে স্বীকার করেছিলেন। ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের বাস্তবধর্মী জীবনদর্শন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত, কোনো যুগ সন্ধিক্ষণের কবি নন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। C) কালীপ্রসন্ন সিংহ — তিনি কলকাতার সমাজের চিত্র নিয়ে হুতোম প্যাঁচার নকশা লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মধ্য ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থলের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নামের সাথে যুগসন্ধিক্ষণ কথাটি মনে রাখতে গুপ্ত ও গুঞ্জন শব্দ দুটি মাথায় রাখতে পারো, যেখানে তিনি পুরনো ও নতুন ধারার গুঞ্জন তৈরি করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগ সন্ধিক্ষণের কবি কে, এই প্রশ্নটি বারবার আসে। তাই ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম এবং তাঁর সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে
b চর্যাপদীতিকায়
c শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে
d পালাগানে
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারা এবং কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কালজয়ী সৃষ্টি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডে ফুলরার বারোমাস্যার বিশদ উল্লেখ পাওয়া যায়। - বারোমাস্যা বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ কাব্যরূপ যেখানে বছরের বারোটি মাসের বিভিন্ন ঋতুতে নারী চরিত্রের সুখ দুঃখ এবং প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কবিকঙ্কন উপাধিতে ভূষিত হন এবং তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি বাংলার সামাজিক ইতিহাসের এক অনন্য দলিল হিসেবে সমাদৃত। - ফুলরার বারোমাস্যা অংশে ব্যাধ কালকেতুর স্ত্রী ফুলরা তীব্র শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষার প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে কিভাবে কষ্টকর জীবনযাপন করেন এবং তাঁর স্বামী কালকেতুর কাছে নিজের চরম দুঃখের চিত্র তুলে ধরেন তা বর্ণিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রধান শাখা হলো চণ্ডীমঙ্গল যা দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল এবং এর দুটি ভাগ আখেটিক খণ্ড ও বণিক খণ্ড। উদাহরণ ২: কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর সহজ সরল ভাষা ও বাস্তবধর্মী জীবনচিত্রের জন্য বাংলা সাহিত্যে কবিকঙ্কন উপাধিতে পরিচিত লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালকেতুর স্ত্রী ফুলরার দুঃখকষ্ট ও বারো মাসের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের বর্ণনা এখানেই পাওয়া যায়। B) চর্যাপদীতিকায় — এই অপশনটি ভুল কারণ চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন যেখানে কোনো বারোমাস্যার উল্লেখ নেই। C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে — এই অপশনটি ভুল কারণ বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এই কাব্যে রাধার বারোমাস্যা ও হতাশার চিত্র থাকলেও ফুলরার কোনো অস্তিত্ব নেই। D) পালাগানে — এই অপশনটি ভুল কারণ পালাগান লোকসাহিত্যের অংশ হলেও মূল প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট একটি মধ্যযুগীয় মঙ্গলকাব্যের চরিত্রের কথা বলা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফুলরা নামটি মনে রাখলেই কালকেতু এবং মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কথা মনে আসবে। - মধ্যযুগের কাব্যে নারীর দুঃখের রূপায়ণ হিসেবে ফুলরার বারোমাস্যা অত্যন্ত বিখ্যাত একটি সাহিত্যিক উপাদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে ফুলরা চরিত্রটি কোন কাব্যের বা কার স্ত্রী। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য এবং এর বিভিন্ন খণ্ড ও চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অপচয়
b বাবুয়ানা
c শঠ
d অনিষ্ট করা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অপচয় ১. কেন সঠিক: 'নয়-ছয়' একটি অতি পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ অপচয় বা অযথা খরচ করা। কোনো কিছু খুব সহজে বা অবহেলায় উড়িয়ে দেওয়া বা নষ্ট করা অর্থে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা পদসমষ্টি, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় বাগধারার ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এতগুলো টাকা এভাবে নয়-ছয় করা তোমার একদম ঠিক হয়নি। ব্যাখ্যা: এখানে টাকা অবহেলায় খরচ করা বা অপচয় করার অর্থে 'নয়-ছয়' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পৈতৃক সম্পত্তিগুলো এভাবে নয়-ছয় করে সে আজ সর্বস্বান্ত। ব্যাখ্যা: সম্পত্তিগুলো অযথা খরচ করে বা নষ্ট করে ফেলার অর্থ বোঝাতে এখানে 'নয়-ছয়' প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপচয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'নয়-ছয়' বাগধারার প্রমিত অর্থ অপচয় করা। B) বাবুয়ানা — এই অপশনটি ভুল কারণ বাবুয়ানা অর্থ বিলাসী জীবনযাপন বা বাবুর্য়ানি ভাব, যা নয়-ছয় এর সঙ্গে মেলে না। C) শঠ — এই অপশনটি ভুল কারণ শঠ অর্থ প্রতারক বা ধূর্ত ব্যক্তি, যা অপচয়ের সমার্থক নয়। D) অনিষ্ট করা — এই অপশনটি ভুল কারণ অনিষ্ট করা অর্থ ক্ষতি করা, যা নয়-ছয় এর নির্দিষ্ট অর্থকে প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: হাতে থাকা টাকা বা সম্পদ অযথা খরচ করে ছিনিমিনি খেলা বা নষ্ট করা মানেই হলো টাকার নয়-ছয় করা। পরীক্ষায় এই প্রশ্ন আসলে অপচয় বা নষ্ট করার সঙ্গে সম্পর্কিত অপশনটি বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই অর্থভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। অর্থ ও প্রসঙ্গের মিল রেখে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a রামমোহন রায়
b বসন্তরঞ্জন রায়
c চণ্ডীদাস
d দ্বিজ চণ্ডীদাস
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বসন্তরঞ্জন রায় ১. কেন সঠিক: - বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বলভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার কাঁটরা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কার করেন। - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তাঁর সম্পাদনায় এই প্রাচীন নিদর্শনটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক একটি পণাত্মক কাব্য। - এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি পুথি, যা মূলত নাট্যধর্মী সংলাপের মাধ্যমে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য বা পদ সংকলন, যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটি দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত বাংলা লোকসাহিত্যের একটি বিখ্যাত পালা গান সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামমোহন রায় — তিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ ও সমাজসংস্কারক, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) চণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস নামে পরিচিত, তবে তিনি আবিষ্কারক নন। D) দ্বিজ চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের একজন কবি, যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার করেছেন বসন্তরঞ্জন রায়, এভাবে মনে রাখতে পারো যে বসন্তকালে পুরনো পুথি আবিষ্কৃত হয়েছিল। আবিষ্কারক ও সম্পাদকের নাম মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে কৌশল তৈরি করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য কোন যুগ সম্পর্কিত এবং এর আবিষ্কারক কে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একইভাবে অন্যান্য প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্য এবং তাদের আবিষ্কারকদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a গুণক
b গুণিনী
c গুণক
d গুণিনি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুণিনী ১. কেন সঠিক: - গুণী শব্দের পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে ইন প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে। - গুণী শব্দের অর্থ গুণবান বা জ্ঞানী ব্যক্তি, যার স্ত্রীলিঙ্গ গুণিনী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু তৎসম শব্দের পুংলিঙ্গবাচক শব্দের অন্তে ইন প্রত্যয়ান্ত থাকলে স্ত্রীলিঙ্গ করার সময় ঈ-কার যুক্ত হয়। - গুণী শব্দের মূল শব্দ গুণিন, যার সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গুণিনী গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তেজস্বী ব্যাখ্যা: তেজস্বী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ তেজস্বিনী, যা একই নিয়মে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অভিমানী ব্যাখ্যা: অভিমানী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ অভিমানিনী, যেখানে ইন প্রত্যয়ান্ত শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুণক — গুণক শব্দটি গুণী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ নয়, এটি অন্য শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) গুণিনী — এটি সঠিক উত্তর। C) গুণক — অপশনে পুনরাবৃত্তি রয়েছে এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ নয়। D) গুণিনি — এখানে বানানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইন প্রত্যয়ান্ত পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। - গুণী থেকে গুণিনী এবং তেজস্বী থেকে তেজস্বিনী এই নিয়মের অন্তভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তন প্রায়ই আসে। - বানানের শুদ্ধতা রক্ষার জন্য দীর্ঘ ঈ-কারের ব্যবহার মনে রাখা জরুরি।
a মনসুর বয়াতী
b দ্বিজ চণ্ডীদাস
c দ্বিজ কানাই
d দ্বিজ বংশীদাস
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিজ কানাই ১. কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় ও শ্রেষ্ঠ পালা 'মহুয়া'র রচয়িতা হলেন কবি দ্বিজ কানাই। - ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত 'ময়মনসিংহ গীতিকা' গ্রন্থে এই পালাটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'মহুয়া' পালাটি বাঙালি লোকসাহিত্যের এক অমর প্রেমের ট্র্যাজেডি এবং এটি নেত্রকোণা অঞ্চলের সুসং দুর্গাপুরের কংস নদীর পাড়ের পটভূমিতে রচিত। - দ্বিজ কানাই ছিলেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের একজন প্রতিভাবান লোককবি যিনি এই করুণ প্রেমের কাহিনিটি লোকগাথারূপে রূপদান করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা ব্যাখ্যা: এই পালার প্রধান দুটি চরিত্র হলো নদের চাঁদ ও মহুয়া, যাদের প্রেম ও ত্যাগের কাহিনি লোকসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি বিখ্যাত পালা যার রচয়িতা চন্দ্রকুমার দে অথবা দ্বিজ ঈশান, যা লোকসাহিত্যের আরেকটি ট্র্যাজেডি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসুর বয়াতী — মনসুর বয়াতী ময়মনসিংহ গীতিকার 'দেওয়ানা মদিনা' পালার রচয়িতা, 'মহুয়া'র নন। B) দ্বিজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা পদাবলীর সঙ্গে যুক্ত একজন বিশিষ্ট কবি, ময়মনসিংহ গীতিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) দ্বিজ কানাই — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। D) দ্বিজ বংশীদাস — দ্বিজ বংশীদাস মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম বিখ্যাত রচয়িতা চণ্ডীদাসের পিতা, তিনি ময়মনসিংহ গীতিকা লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহুয়া মানেই কানাই, এভাবে মনে রাখতে পারো যে মহুয়া পালার লেখক কানাই। - ময়মনসিংহ গীতিকার প্রথম ও প্রধান পালাগুলোর রচয়িতাদের নাম আলাদাভাবে তালিকা করে মুখস্থ রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক ও বিভিন্ন পালার রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে। - ড. দীনেশচন্দ্র সেন ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ময়মনসিংহ গীতিকা' প্রকাশ করেন, এই তথ্যটিও মনে রাখা জরুরি।
a আকাংখা
b আকাঙ্ক্ষা
c আকাঙ্কা
d আকাংক্ষা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা কেন সঠিক: ১. এই শব্দটিতে যুক্তবর্ণ হিসেবে উ এবং ক ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা বানান নিয়মে সঠিক ধরা হয়। ২. এর শেষে ক্ষ বর্ণটি থাকার কারণে এটি প্রমিত বানান রীতি সম্পূর্ণভাবে মেনে চলে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী ক বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে উ ব্যবহৃত হয়। ২. আকাঙ্ক্ষা শব্দের অর্থ কোনো কিছু পাওয়ার তীব্র ইচ্ছা বা প্রহর। ৩. যেমন, মানুষের মনের গভীর আকাঙ্ক্ষা কখনো বৃথা যায় না যদি পরিশ্রম করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাংখা — এই বানানে উ এর পরিবর্তে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) আকাঙ্ক্ষা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রমিত বানান। C) আকাঙ্কা — এই বানানে সঠিক যুক্তবর্ণ ব্যবহার করা হয়নি এবং ক্ষ এর পরিবর্তে ক লেখা হয়েছে। D) আকাংক্ষা — এই বানানে উ এবং অনুস্বারের ভুল প্রয়োগ রয়েছে যা বানানটিকে সম্পূর্ণ ভুল করেছে। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখবে এই শব্দটিতে প্রথমে উ এবং পরে ক্ষ যুক্ত থাকে। ২. বানানের সময় অনুস্বার এড়িয়ে উ ব্যবহার করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a সংবাদ প্রভাকর
b শিখা
c কালি - কলম
d বঙ্গদর্শন
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিখা ১. কেন সঠিক: - শিখা পত্রিকার মুখবন্ধে লেখা থাকত জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। এই স্লোগানটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মূল দর্শনকে প্রকাশ করে। - ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের মুখপত্র হিসেবে শিখা পত্রিকা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান প্রচারক হিসেবে কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় গঠিত হয় এবং এর পেছনে আবুল হুসেন ও কাজী মোতাহের হোসেনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। - শিখা পত্রিকার প্রথম প্রকাশ ১৯২৭ সালে এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল ফজল, যদিও পরে বুদ্ধদেব বসু ও কাজী মোতাহের হোসেন এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী মোতাহের হোসেন সম্পাদিত পত্রিকা শিখা। ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকাটি মুক্তবুদ্ধি চর্চায় অনন্য অবদান রাখে। উদাহরণ ২: আবুল হুসেনের সমাজ সংস্কারমূলক প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য সমাজের লেখকরা সমাজের গোঁড়ামি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা এবং এর সঙ্গে মুসলিম সাহিত্য সমাজের কোনো সম্পর্ক নেই। B) শিখা — এটি সঠিক উত্তর এবং মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। C) কালি - কলম — এটি বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক সাহিত্যপত্র যা বুদ্ধদেব বসু ও শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রকাশিত হয়। D) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বিখ্যাত সাহিত্যপত্র যা বাংলা উপন্যাসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সমাজ মানেই বুদ্ধির মুক্তি আর বুদ্ধির মুক্তি মানেই শিখা জ্বালানো। - শিখা পত্রিকার বিখ্যাত বাণী জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনকে মনে করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মুসলিম সাহিত্য সমাজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মুখপত্র কোনটি। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান মুখপত্র হিসেবে শিখা পত্রিকার নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a of
b to
c from
d than
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: ল্যাটিন তুলনামূলক বিশেষণ হিসেবে senior শব্দের পরে সর্বদা to বসে। এখানে তুলনা করার জন্য than ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — senior শব্দের পরে of বসে না। B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) from — senior শব্দের সাথে from ব্যবহার হয় না। D) than — ল্যাটিন comparative গুলোর পরে than বসে না। মনে রাখার টিপস: Senior, junior, superior, inferior ইত্যাদি শব্দের পরে সবসময় to বসে।
a Incorrect
b Vague
c Biased
d Dull
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Vague কেন সঠিক: ambiguous শব্দটির অর্থ এমন কিছু যা পরিষ্কার নয় এবং যার একাধিক অর্থ হতে পারে। তাই Vague বা অস্পষ্ট শব্দটির সাথে এর অর্থের পুরোপুরি মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Incorrect — Incorrect অর্থ ভুল, যা অস্পষ্টতার সমার্থক নয়। B) Vague — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Biased — Biased অর্থ পক্ষপাতদুষ্ট, যা শব্দের মূল অর্থের সাথে মিলে না। D) Dull — Dull অর্থ নিরাসক্ত বা বোকা, যা প্রশ্নের সাথে সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: Ambiguous শুনলেই মনে রাখবে এটি এমন একটি গোলমেলে কথা যা পরিষ্কার বোঝা যায় না বা যার অর্থ অস্পষ্ট।
a Let telling
b whether
c let alone
d where as
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) let alone কেন সঠিক: - 'Let alone' একটি ফ্রেজ যা অসম্ভাব্য বা আরও কঠিন কোনো বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ হলো 'তা তো দূরের কথা' বা 'ভাবাই যায় না'। - প্রদত্ত বাক্যে নাম বলতে না পারার চেয়ে ঠিকানা জানা আরও দূরের বা কঠিন বিষয় বোঝাতে এই ফ্রেজটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let telling — ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ let-এর পর সাধারণত verb-এর বেস ফর্ম বসে, ing যুক্ত রূপ বসে না। B) whether — এটি একটি কনজাংশন যা সন্দেহ বা বিকল্প বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের অর্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) let alone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) where as — এটি সাধারণত দুটি বিপরীত বিষয়ের তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ছোট বা সহজ কাজ অসম্ভব হলে তার চেয়ে বড় বা কঠিন কাজের ক্ষেত্রে 'তা তো দূরের কথা' অর্থে 'let alone' ব্যবহার করতে হয়।
a media
b oasis
c crises
d data
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) oasis কেন সঠিক: শব্দটির শেষে es আছে যা দেখে অনেকেই একে বহুবচন মনে করেন কিন্তু এটি একটি একবচন নাউন। এর বহুবচন রূপ হলো oases যেখানে e এর পরিবর্তে i বসে। এটি সাধারণত মরুভূমির উর্বর স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি ইংরেজি ভাষার একটি ব্যতিক্রমী বিদেশি শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) media — এটি medium শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ মাধ্যম। B) oasis — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ এবং এর বহুবচন হলো oases। C) crises — এটি crisis শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ সংকটসমূহ। D) data — এটি datum শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ উপাত্তসমূহ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক লাতিন শব্দের শেষে a বা is থাকলে সেগুলো একবচন হয় এবং um বা es থাকলে বহুবচন হয়।
a his
b her
c it's
d its
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) its কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণে শিশু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে লিঙ্গ নির্দিষ্ট না থাকলে তার পরিবর্তে neutral gender হিসেবে its ব্যবহার করা হয়। এখানে baby শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ছেলে বা মেয়ে শিশু নয়, তাই possessive pronoun হিসেবে its সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) his — এটি পুংলিঙ্গবাচক possessive pronoun, যা baby শব্দের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। B) her — এটি স্ত্রীলিঙ্গবাচক possessive pronoun, যা জন্মগতভাবে নির্দিষ্ট gender ছাড়া ব্যবহার করা যায় না। C) it's — এটি it is বা it has এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা এখানে মালিকানা বোঝাতে বসে না। মনে রাখার টিপস: শিশু বা পশুপাখির ক্ষেত্রে যখন লিঙ্গ জানা থাকে না, তখন মালিকানা বোঝাতে সবসময় its ব্যবহার করবে।
a Friendly
b Angry
c Unfriendly
d Cruel
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Unfriendly কেন সঠিক: Hostile শব্দটির বাংলা অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা অমায়িক। Unfriendly শব্দটির অর্থও অমায়িক বা বন্ধুবৎসল নয়, যা Hostile শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা Hostile শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা Hostile এর সাথে কিছুটা মিললেও সঠিক সমার্থক শব্দ নয়। C) Unfriendly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) Cruel — এর অর্থ নিষ্ঠুর, যা Hostile শব্দের মূল ভাব শত্রুভাবাপন্ন এর সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায় না। মনে রাখার টিপস: Hostile শব্দের শুরুতে H আছে এবং Unfriendly শব্দের শুরুতে U আছে, এভাবে শত্রুতাপূর্ণ আচরণ মনে রাখা যায়।
a Did football was played by you?
b Did football play by you?
c Had football been played by you?
d Was football played by you?
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Was football played by you? কেন সঠিক: - এটি Past Indefinite Tense-এর Interrogative Sentence, তাই Passive করার সময় subject-এর পূর্বে Was বা Were বসে। - মূল verb-এর Past Participle (played) হয় এবং subject-এর পূর্বে Be verb বসিয়ে বাক্যটিকে প্রশ্নবোধক করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Did football was played by you? — Did এবং was একসঙ্গে বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Did football play by you? — এটি passive form নয় এবং play verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি। C) Had football been played by you? — এটি Past Perfect Tense-এর passive form, যা প্রদত্ত প্রশ্নের Tense-এর সাথে মেলে না। D) Was football played by you? — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Past Indefinite Tense-এর Interrogative sentence-কে passive করার সময় Did-এর পরিবর্তে Was বা Were বসবে এবং মূল verb-এর V3 হবে।
a that
b who
c what
d why
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) that কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগের শব্দটি একটি বস্তু (book) হওয়ায় এখানে Relative Pronoun হিসেবে 'that' বসবে। বস্তunun ক্ষেত্রে 'that' বা 'which' ব্যবহার করা হয়। বাক্যের দ্বিতীয় অংশটি প্রথম অংশের বইটিকে নির্দিষ্ট করছে। নির্দিষ্ট কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে সাধারণত 'that' ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that — এটি সঠিক উত্তর। B) who — এটি মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, কিন্তু এখানে বস্তু বোঝানো হয়েছে। C) what — এর আগে কোনো পূর্বপদ বা antecedent থাকে না, তাই এটি এখানে বসবে না। D) why — এটি কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বস্তুর ক্ষেত্রে Relative Pronoun হিসেবে 'that' বা 'which' ব্যবহার করতে হয়।
a used to
b fall a victim to
c cease to
d belong to
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) used to কেন সঠিক: বাক্যটিতে অতীতের অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে যা এখন আর হয় না। এই ধরনের দীর্ঘস্থায়ী অতীতের অভ্যাস বোঝাতে used to ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) used to — এটি সঠিক উত্তর। B) fall a victim to — এর অর্থ কোনো কিছুর শিকারে পরিণত হওয়া, যা এখানে অর্থহীন। C) cease to — এর অর্থ কোনো কিছু বন্ধ করা, যা শূন্যস্থানে বসে না। D) belong to — এর অর্থ অধিকারভুক্ত হওয়া, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। মনে রাখার টিপস: অতীতের নিয়মিত অভ্যাসের কথা বলতে blank এর পরে verb এর base form থাকলে used to বসবে।
a Copious
b Precious
c Genius
d Prevalent
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Genius কেন সঠিক: - Genius শব্দটি একটি নাউন, যার অর্থ প্রতিভা বা প্রতিভাধর ব্যক্তি। - প্রশ্নানুসারে কোনটি অ্যাডজেক্টিভ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর Genius। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Copious — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ প্রচুর বা পর্যাপ্ত। B) Precious — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ মূল্যবান বা বহুমূল্য। C) Genius — এটি একটি নাউন, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) Prevalent — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ প্রচলিত বা ব্যাপক। মনে রাখার টিপস: Genius অর্থ মেধা বা প্রতিভা যা নাউন, আর বাকি তিনটি শব্দের শেষে ous suffix থাকায় এগুলো অ্যাডজেক্টিভ।
a over
b on
c at
d for
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কাউকে নিয়ে উপহাস করা বা ঠাট্টা করা বোঝাতে laugh এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে at বসে। - গরিবদের নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়, এমন অর্থ প্রকাশ করতেই এখানে at preposition ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) over — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর দিয়ে বা উচ্চতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থসংগত নয়। B) on — এটি সাধারণত কোনো পৃষ্ঠের ওপর বা স্পর্শ করে আছে এমন অবস্থা বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। C) at — এটি সঠিক উত্তর, কারণ laugh এর সাথে at যুক্ত হয়ে উপহাস করা অর্থ প্রকাশ করে। D) for — এটি সাধারণত কারণ, উদ্দেশ্য বা বিনিময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে সঠিক অর্থ দেয় না। মনে রাখার টিপস: কাউকে নিয়ে হাসাহাসি বা ঠাট্টা করা বোঝালে সবসময় laugh verb-এর পর at preposition ব্যবহার করতে হয়।
a Word
b Water
c Pen
d Immaculate
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Immaculate কেন সঠিক: Immaculate শব্দটি কেবল একটি বিশেষণ বা adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অর্থ নির্ভেজাল বা নিখুঁত। এটি কখনো বাক্য বা বাক্যাংশে ক্রিয়াপদ বা verb হিসেবে কাজ করতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Word — এই নাউনটি কোনো বার্তা পাঠানো অর্থে verb হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। B) Water — এই নাউনটি গাছে পানি দেওয়া অর্থে verb হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। C) Pen — এই নাউনটি কলম দিয়ে লেখা অর্থে verb হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। D) Immaculate — এটি কেবল adjective হিসেবে বসে এবং এর কোনো verb রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলোর কোনো কাজ করা বোঝায় না এবং যা শুধু গুণ প্রকাশ করে, তা সাধারণত verb হতে পারে না।
a Adjective
b Interjection
c Adverb
d Preposition
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adverb কেন সঠিক: - এখানে 'no' শব্দটি একটি Adjective-কে (more) মডিফাই করছে, যা Adverb-এর কাজ। - 'no more' একটি বাক্যাংশে 'no' তীব্রতা প্রকাশকারী Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে না। B) Interjection — এটি দ্বারা কোনো হঠাৎ আবেগ প্রকাশ পাচ্ছে না। C) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'no' একটি Adjective-কে মডিফাই করেছে। D) Preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে সম্পর্ক স্থাপন করেনি। মনে রাখার টিপস: Comparative ডিগ্রির পূর্বে 'no' বসলে তা Adverb হিসেবে কাজ করে।
a দেউলিয়া
b নিশান
c ব্যাংক হার
d ব্যাংক হুন্ডি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেউলিয়া কেন সঠিক: ইংরেজি শব্দ 'Bankrupt' এর বাংলা পারিভাষিক বা অফিশিয়াল অর্থ হলো দেউলিয়া, যা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে অক্ষমতাকে বোঝায়। অর্থনৈতিক ও আইনি পরিভাষায় আর্থিক দিক থেকে সর্বস্বান্ত হওয়া বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি সঠিকভাবে আইনি অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেউলিয়া — এটি সঠিক উত্তর। B) নিশান — এই শব্দটির সাথে ব্যাংকিং বা আর্থিক লেনদেনের কোনো সম্পর্ক নেই। C) ব্যাংক হার — এটি সুদের হারের সাথে সম্পর্কিত একটি ভিন্ন অর্থ বহন করে। D) ব্যাংক হুন্ডি — এটি টাকা প্রেরণের একটি মাধ্যমকে বোঝায়, যা মূল শব্দের অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: ব্যাংক থেকে টাকা শেষ হয়ে গেলে মানুষ যেমন সর্বস্বান্ত বা দেউলিয়া হয়ে যায়, তেমনি 'Bankrupt' মানেই দেউলিয়া।
a to
b for
c on
d at
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - Insist শব্দের পর সাধারণত উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে on বসে এবং এরপরে কোনো ভার্ব থাকলে তার সাথে ing যুক্ত হয়। - He insisted on going there বাক্যটির অর্থ সে সেখানে যাওয়ার ব্যাপারে জোর করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — Insist শব্দের সাথে ব্যাকরণগত নিয়মে to প্রিপজিশন ব্যবহার করা যায় না। B) for — এই বাক্যের ক্ষেত্রে for প্রিপজিশন বসালে তা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) on — এটি সঠিক প্রিপজিশন এবং এই বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে বোঝাতে at বসে, যা এই বাক্যের গঠনে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Insist শব্দের সাথে সবসময় on প্রিপজিশন বসে এবং তারপরে জিরান্ড অর্থাৎ ing যুক্ত ভার্ব হয়।
a Verb
b Present Participle
c Noun
d Adverb
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Noun কেন সঠিক: ১. মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যের শুরুতে বসে যখন কোনো কাজের নাম বোঝায়, তখন তা Gerund বা Noun হিসেবে কাজ করে। এখানে angling একটি শখের নাম বোঝাচ্ছে। ২. এটি বাক্যের subject হিসেবে বসেছে এবং যেকোনো noun বা pronoun ই subject হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verb — এটি কোনো কাজ করার সরাসরি নির্দেশ করছে না, বরং শখের নাম বোঝাচ্ছে। B) Present Participle — এটি কোনো noun কে বিশেষিত করছে না বা adjective এর কাজ করছে না। D) Adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে modify করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি Subject এর কাজ করে এবং তার নাম বোঝায়, তবে তা Noun বা Gerund হয়।
a a
b an
c the
d no article
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - 'honest' শব্দটির শুরুতে 'h' থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ স্বরবর্ণের মতো (ও-নস্ট) হয়। - শব্দের শুরুতে ভাওয়েল সাউন্ড বা স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকলে তার পূর্বে 'an' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — শব্দের শুরুতে কনসোনেন্ট সাউন্ড বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকলে 'a' বসে, কিন্তু এখানে ভাওয়েল সাউন্ড রয়েছে। B) an — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'honest' শব্দের উচ্চারণটি ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু হয়েছে। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তিকে বোঝাতে 'the' বসে, কিন্তু এখানে অনির্দিষ্ট একজন সৎ মানুষকে বোঝানো হয়েছে। D) no article — একবচন কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে আর্টিকেল বসানো বাধ্যতামূলক, তাই এখানে কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হবে। মনে রাখার টিপস: বানান বা অক্ষর যাই থাকুক না কেন, উচ্চারণের সময় যদি স্বরবর্ণের মতো শোনায়, তবে তার আগে 'an' বসবে।
a to
b with
c against
d for
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for কেন সঠিক: কোনো ক্ষতির জন্য কাউকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া বোঝালে compensate verb-er পরে for preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে loss বা ক্ষতির বিষয়টি উল্লেখ থাকায় সঠিক preposition হিসেবে for বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির আগে to বসতে পারে, কিন্তু ক্ষতির কারণ বোঝাতে to বসে না। B) with — ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বা কোনো উপাদানের সাথে with ব্যবহৃত হয় না। C) against — বিরোধ বা সুরক্ষার ক্ষেত্রে against বসে, যা এখানে অর্থসংগত নয়। মনে রাখার টিপস: ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ বোঝালে compensate-এর পরে সবসময় for বসে।
a is
b are
c were
d have
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: - বাক্যে Each শব্দটি থাকলে তা সর্বদা সিঙ্গुलर বা একবচন হিসেবে গণ্য হয়। - Subject একবচন হওয়ায় এর পরবর্তী Verb-ও সর্বদা singular (is) হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ Subject singular হওয়ায় singular verb ব্যবহৃত হয়েছে। B) are — এটি ভুল কারণ are একটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। C) were — এটি ভুল কারণ were একটি past plural verb, যা present tense ও singular subject-এর নিয়মবিরোধী। D) have — এটি ভুল কারণ have একটি plural verb, যা Each-এর মতো singular subject-এর সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: Each, Every, Everyone থাকলে চোখ বন্ধ করে singular verb বসাবে।
a Gulliver's travels are a famous book.
b Gullivers' travels is a famous book.
c Gulliver's Travels is a famous book.
d Gulliver's Travel's is a famous book.
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gulliver's Travels is a famous book. কেন সঠিক: গালিভার্স ট্রাভেলস একটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম এবং বইটির নির্দিষ্ট নাম হওয়ায় এর শেষে সিঙ্গুলার ভার্ব ইজ বসে। বইটির মূল নামের বানানটি হলো ট্রাভেলস, যা পরিবর্তন করা যায় না। নামের শুরুতে অ্যাপোস্ট্রোফি এস ব্যবহার করে মালিকানা বা নির্দিষ্টকরণ বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gulliver's travels are a famous book — এখানে ট্রাভেলস একটি একক বইয়ের নাম হওয়া সত্ত্বেও প্লুরাল ভার্ব আর ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল। B) Gullivers' travels is a famous book — এখানে গালিভার নামের শেষে অ্যাপোস্ট্রোফি দেওয়া হয়েছে যা সঠিক নামটির গঠন নষ্ট করেছে। C) Gulliver's Travels is a famous book — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) Gulliver's Travel's is a famous book — এখানে ট্রাভেল শব্দের পরেও অতিরিক্ত অ্যাপোস্ট্রোফি এস যুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো একক বই, সিনেমা বা দেশের নামের শেষে এস থাকলেও তা একটিমাত্র বস্তু বোঝায় এবং এরপরে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a Programe
b Pogramme
c Programce
d Programme
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Programme কেন সঠিক: এটি ব্রিটিশ বানান রীতি অনুসারে সম্পূর্ণ সঠিক বানান। এই শব্দটির শেষে -mme যুক্ত থাকে যা এর আদর্শ গঠন নিশ্চিত করে। এটি আমাদের দেশে দাপ্তরিক ও শিক্ষাগত কাজে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Programe — এর শেষে একটি অক্ষর কম থাকার কারণে বানানটি সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। B) Pogramme — এখানে মাঝের 'r' অক্ষরটি বাদ পড়ার কারণে এটি ভুল বানানে পরিণত হয়েছে। C) Programce — বানানের শেষে অপ্রয়োজনীয় 'ce' যুক্ত করার কারণে এটি ভুল হয়েছে। D) Programme — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ব্রিটিশ ইংরেজি বানানে শেষে 'mme' থাকে, যেমন- Programme এবং British শব্দগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
a c + b
b a + b
c ac
d c - b
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) c − b প্রদত্ত তথ্য: a, b এবং c তিনটি সংখ্যা সমান্তর ধারা গঠন করে ধরি, ধারার প্রথম পদ = a ধারার দ্বিতীয় পদ = b ধারার তৃতীয় পদ = c অতএব, সমান্তর ধারার নিয়ম অনুযায়ী দ্বিতীয় পদ থেকে প্রথম পদ বিয়োগ করলে যে মান পাওয়া যায় তৃতীয় পদ থেকে দ্বিতীয় পদ বিয়োগ করলেও একই মান পাওয়া যায় সুতরাং, b − a হলো প্রথম সাধারণ অন্তর c − b হলো দ্বিতীয় সাধারণ অন্তর উত্তর: c − b
a xˣ + 1
b xˣ · ln x
c xˣ · (1 + ln x)
d x^(x-1)
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) xˣ · (1 + ln x) প্রدত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো y = xˣ এখানে চলকের উপরে চলক রয়েছে ধরি, y = xˣ উভয় পক্ষে প্রাকৃতিক লগারিদম নিয়ে পাই, ln y = x · ln x এখন x এর সাপেক্ষে অন্তরীকরণ করি অতএব, বামপক্ষে পাই, (1 ÷ y) · (dy ÷ dx) ডানপক্ষে গুণের সূত্র প্রয়োগ করি, প্রথম পদ স্থির রেখে দ্বিতীয় পডের অন্তরীকরণ এবং দ্বিতীয় পদ স্থির রেখে প্রথম পডের অন্তরীকরণ হিসab করে পাই, (1 ÷ y) · (dy ÷ dx) = (x · (1 ÷ x)) + ln x সুতরাং, (1 ÷ y) · (dy ÷ dx) = 1 + ln x dy ÷ dx = y · (1 + ln x) উত্তর: xˣ · (1 + ln x)
a ৫০০
b ৪২০
c ৬৬০
d ৪১০
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৬০ প্রদত্ত তথ্য: চাকার পরিধি = ৮ ফুট ১ মাইল = ৫২৮০ ফুট ধরি, চাকাটিকে মোট ঘুরতে হবে = ক বার অতএব, ১ বার ঘুরে চাকাটি অতিক্রম করে = ৮ ফুট ক বার ঘুরে চাকাটি অতিক্রম করে = ক × ৮ ফুট সুতরাং, ক × ৮ = ৫২৮০ উত্তর: ক = ৫২৮০ ÷ ৮ = ৬৬০ বার
a 1/11
b 3/31
c 2/21
d 0.02
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০২ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১ ÷ ১১ = ০.০৯ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩ ÷ ৩১ = ০.০৯৬ তৃতীয় সংখ্যা = ২ ÷ ২১ = ০.০৯৫ অতএব, প্রথম সংখ্যাটির দশমিক রূপ = ০.০৯ দ্বিতীয় সংখ্যাটির দশমিক রূপ = ০.০৯৬ তৃতীয় সংখ্যাটির দশমিক রূপ = ০.০৯৫ সুতরাং, চতুর্থ সংখ্যাটি হলো ০.০২ যা অন্যগুলোর চেয়ে ছোট উত্তর: D) ০.০২
a ln(ln x)
b ln x
c 1 / ln x
d ln(x²)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ln(ln x) প্রদত্ত তথ্য: সমাকলন করতে হবে ∫ dx ÷ (x × ln x) এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, ln x = z সুতরাং (১ ÷ x) × dx = dz অতএব, প্রদত্ত সমাকলনটি পরিবর্তিত হয় ∫ (dz ÷ z) রূপে সুতরাং, ∫ (dz ÷ z) এর মান হলো ln(z) + c উত্তর: ln(ln x)
a ২৮
b ২৬
c ৩০
d ২০
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ প্রদত্ত তথ্য: ৫টি সংখ্যার গড় = ১৮ একটি সংখ্যা বাদ দিলে সংখ্যা থাকে = ৪টি এবং নতুন গড় = ১৬ ধরি, ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫ × ১৮ = ৯০ ৪টি সংখ্যার সমষ্টি = ৪ × ১৬ = ৬৪ অতএব, বাদ দেওয়া সংখ্যাটি বের করতে হবে ৫টি সংখ্যার সমষ্টি থেকে ৪টি সংখ্যার সমষ্টি বিয়োগ করে সুতরাং, বাদ দেওয়া সংখ্যাটি = ৯০ − ৬৪ = ২৬ উত্তর: ২৬
a 45√5
b 47√6
c 46
d 46√5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৬√৫ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a = √৬ + √৫ ধরি, ১÷a = ১ ÷ (√৬ + √৫) হরকে বিপরীত রাশি দিয়ে গুণ করে পাই, ১÷a = √৬ − √৫ অতএব, a + (১÷a) = (√৬ + √৫) + (√৬ − √৫) = ২√৬ এবং a − (১÷a) = (√৬ + √৫) − (√৬ − √৫) = ২√৫ সুতরাং, প্রদত্ত রাশি = a³ − (১÷a³) = (a − ১÷a)³ + ৩ × (a − ১÷a) উত্তর: (২√৫)³ + ৩ × (২√৫) = ৪০√৫ + ৬√৫ = ৪৬√৫
a সমকোণী
b সূক্ষ্মকোণী
c স্থূলকোণী
d সমবাহু
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ৩, ৪ এবং ৫ একক ধরি, ত্রিভুজের প্রথম বাহু = ৩ ত্রিভুজের দ্বিতীয় বাহু = ৪ ত্রিভুজের তৃতীয় বাহু বা অতিভুজ = ৫ অতএব, প্রথম বাহুর বর্গ = ৩ × ৩ = ৯ দ্বিতীয় বাহুর বর্গ = ৪ × ৪ = ১৬ তৃতীয় বাহুর বর্গ = ৫ × ৫ = ২৫ সুতরাং, প্রথম বর্গ + দ্বিতীয় বর্গ = ৯ + ১৬ = ২৫ যা তৃতীয় বর্গের সমান উত্তর: সমকোণী ত্রিভুজ
a ৫০০০
b ৪৫০
c ৭০০
d ৬০০
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০০ প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজিতে পাস করেছে ৭০% এবং বাংলায় পাস করেছে ৮০% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে ১০% এবং উভয় বিষয়ে পাস করেছে ৩৬০ জন ধরি, মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০% অতএব, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে ১০%, তাই পাস করেছে = ১০০% − ১০% = ৯০% অন্তত একটি বিষয়ে পাস করেছে মোট শিক্ষার্থীর ৯০% সুতরাং, শুধু ইংরেজিতে পাস + শুধু বাংলায় পাস + উভয় বিষয়ে পাস = ৯০% ইংরেজিতে ফেল করল ৩০% এবং বাংলায় ফেল করল ২০% উত্তর: উভয় বিষয়ে পাস করেছে ৭০% + ৮০% − ৯০% = ৬০% অতএব, ৬০% এর মান ৩৬০ জন হলে, মোট শিক্ষার্থী হবে ৬০০ জন
a ৫
b ৬
c ১১
d ১
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x² − 5x + 6 = 0 ধরি, সমীকরণটির দুটি মূল হলো p এবং q অতএব, সমীকরণের আদর্শ রূপ ax² + bx + c = 0 এর সাথে তুলনা করে পাই এখানে a = ১, b = −৫ এবং c = ৬ সুতরাং, মূলদ্বয়ের যোগফল নির্ণয়ের সূত্র হলো (−b ÷ a) উত্তর: ৫
a ৮০.০০%
b ৯.০০%
c ১০.০০%
d ১২.০০%
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২.০০% প্রদত্ত তথ্য: কলমের ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা কলমের বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা ধরি, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ৫৬ টাকা − ৫০ টাকা অতএব, লাভ = ৬ টাকা ক্রয়মূল্য ৫০ টাকায় লাভ হয় ৬ টাকা ক্রয়মূল্য ১ টাকায় লাভ হয় (৬ ÷ ৫০) টাকা সুতরাং, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকায় লাভ হয় (৬ × ১০০) ÷ ৫০ টাকা লাভ হলো ১২ টাকা উত্তর: ১২.০০%
a 2 < x < 3
b -3 < x < -2
c x < 2
d x < 3
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ < x < ৩ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো x^২ − ৫x + ৬ < ০ ধরি, দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x^২ − ৫x + ৬ = ০ উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x − ২)(x − ৩) = ০ তাহলে মূলদ্বয় হলো x = ২ এবং x = ৩ অতএব, ছোট মূল হলো ২ বড় মূল হলো ৩ সুতরাং, অসমতার নিয়ম অনুযায়ী ছোট ও বড় মূলের মধ্যবর্তী মানই হবে সমাধান উত্তর: ২ < x < ৩
a 1
b 0
c √2
d -1.414213562
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে tan থিটা = ১ ধরি, থিটা কোণের মান = ৪৫ ডিগ্রি cos এর ক্ষেত্রে ঋণাত্মক কোণ দূর করলে পাই cos(-থিটা) = cos(থিটা) অতএব, sin(৪৫ ডিগ্রি) এর মান = ১ ÷ √২ cos(৪৫ ডিগ্রি) এর মান = ১ ÷ √২ সুতরাং, sin থিটা − cos(-থিটা) = (১ ÷ √২) − (১ ÷ √২) = ০ উত্তর: ০
a ১০.৭৫
b ১১
c ১১.২
d ১১.৫
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১.২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম চালানে ইটের সংখ্যা = ৬০০টি এবং প্রতি ইটের দাম = ১২ টাকা দ্বিতীয় চালানে ইটের সংখ্যা = ৪০০টি এবং প্রতি ইটের দাম = ১০ টাকা ধরি, প্রথম চালানের মোট দাম = ৬০০ × ১২ = ৭২০০ টাকা দ্বিতীয় চালানের মোট দাম = ৪০০ × ১০ = ৪০০০ টাকা অতএব, ইটের মোট সংখ্যা = ৬০০ + ৪০০ = ১০০০টি ইটের মোট দাম = ৭২০০ + ৪০০০ = ১১২০০ টাকা সুতরাং, প্রতি ইটের গড় মূল্য = ১১২০০ ÷ ১০০০ = ১১.২ টাকা উত্তর: ১১.২
a ভৈরব
b নারায়ণগঞ্জ
c চাঁদপুর
d বরিশাল
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নারায়ণগঞ্জ কেন সঠিক: - নারায়ণগঞ্জ বন্দরটি শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - আয়তন, বাণিজ্য এবং পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম ও busiest নদীবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভৈরব — এটি মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি পুরোনো নদী বন্দর হলেও এটি দেশের বৃহত্তম নদীবন্দর নয়। B) নারায়ণগঞ্জ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দেশের বৃহত্তম নদীবন্দর হিসেবে স্বীকৃত। C) চাঁদপুর — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী বন্দর ও মোহনা হলেও আকার ও বাণিজ্যিক গুরুত্বের দিক থেকে বৃহত্তম নয়। D) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রধান নদীবন্দর হলেও সামগ্রিক দিক থেকে নারায়ণগঞ্জের পরেই এর স্থান। মনে রাখার টিপস: নারায়ণগঞ্জকে পাট শিল্পের জন্য নদী বন্দর হিসেবে চেনা যায়, তাই বড় বন্দর মানেই নারায়ণগঞ্জ।
a লেবানন
b মিশর
c আফগানিস্তান
d আলজেরিয়া
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আফগানিস্তান কেন সঠিক: - আফগানিস্তান একটি সম্পূর্ণ ভূবেষ্টিত বা স্থলবেষ্টিত দেশ, যার চারপাশে অন্যান্য দেশ রয়েছে কিন্তু কোনো সমুদ্র উপকূল বা বন্দর নেই। - এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এর সমুদ্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেবানন — এটি ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত একটি দেশ এবং এর সমুদ্র বন্দর রয়েছে। B) মিশর — এর উত্তরে ভূমধ্যসাগর এবং পূর্বে লোহিত সাগর রয়েছে, তাই এর সমুদ্র বন্দর রয়েছে। C) আফগানিস্তান — এটি একটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং এর কোনো সমুদ্র বন্দর নেই। D) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত দেশ এবং এর সমুদ্র বন্দর রয়েছে। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের নামের শুরুতে আ আছে এবং এটি চারপাশ দিয়ে স্থলবেষ্টিত, তাই এর কোনো সমুদ্র বা বন্দর নেই।
a জাপান
b নিউজিল্যান্ড
c আলাস্কা
d অস্ট্রেলিয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - অস্ট্রেলিয়া একই সঙ্গে একটি স্বাধীন দেশ এবং বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মহাদেশ হিসেবে পরিচিত। - ভৌগোলিক ও ভূখণ্ডের দিক থেকে এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের প্রধান এবং বৃহত্তম ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, কোনো মহাদেশ নয়। B) নিউজিল্যান্ড — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, মহাদেশের মর্যাদা পায়নি। C) আলাস্কা — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য, যা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত। D) অস্ট্রেলিয়া — এটি নিজেই একটি স্বতন্ত্র মহাদেশ ও দেশ হিসেবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: যেহেতু অস্ট্রেলিয়া দ্বীপ মহাদেশ নামে পরিচিত, তাই মনে রাখবে এটি এমন এক দেশ যা নিজেই একটি সম্পূর্ণ মহাদেশ।
a দ্বিতীয়
b তৃতীয়
c চতুর্থ
d পঞ্চম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিতীয় কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। - চীন এই তালিকার প্রথম অবস্থানে রয়েছে এবং বাংলাদেশ প্রধানত পোশাক খাত থেকে বড় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় — একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) তৃতীয় — চীন ও বাংলাদেশের পর এই অবস্থানটি অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তাই এটি ভুল। C) চতুর্থ — বাংলাদেশ অনেক আগেই এই অবস্থান অতিক্রম করে দ্বিতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে, তাই এটি ভুল। D) পঞ্চম — এই অবস্থানটি তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বর্তমান বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ের সাথে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: পোশাক রপ্তানিতে চীন প্রথম আর বাংলাদেশ দ্বিতীয়।
a UNDP
b UN
c IMF
d ILO
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) UN কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রণীত এবং অনুমোদিত বৈশ্বিক কর্মসূচি। - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি এসডিজির উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং জাতিসংঘভুক্ত এই সংস্থাটি এসডিজি বাস্তবায়নে দেশগুলোকে সহায়তা করে। B) UN — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘই বিশ্বব্যাপী এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্ব অর্থনীতির রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করে, এসডিজি উদ্ভাবক নয়। D) ILO — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এবং শ্রম অধিকার নিয়ে কাজ করে, সামগ্রিক এসডিজি উদ্ভাবন করেনি। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সব দেশের উন্নয়নের জন্য বড় লক্ষ্য বা এসডিজি তৈরি করেছে বিশ্ব সংস্থা জাতিসংঘ।
a যশোর
b বগুড়া
c কুমিল্লা
d ঢাকা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সামরিক জাদুঘরটি রাজধানী ঢাকার বিজয় সরণিতে অবস্থিত। - বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে সামরিক জাদুঘর অবস্থিত নয়। B) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যেখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক জাদুঘর বা অন্যান্য সেনানিবাস থাকলেও মূল সামরিক জাদুঘর এখানে নেই। C) কুমিল্লা — এটি ঐতিহাসিক স্থান ও সেনানিবাসের জন্য পরিচিত হলেও প্রধান সামরিক জাদুঘর এখানে অবস্থিত নয়। D) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সামরিক জাদুঘরটি এই জেলার বিজয় সরণিতে প্রতিষ্ঠিত। মনে রাখার টিপস: রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মনে রাখতে মাথায় রাখুন, দেশের প্রধান সামরিক জাদুঘর ঢাকার বিজয় সরণিতে অবস্থিত।
a একটি দেশের নাম
b একটি সাগরের নাম
c ভারতের একটি দ্বীপ
d দ্বীপ সমষ্টির নাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বীপ সমষ্টির নাম কেন সঠিক: - ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনো একক দেশ নয়, এটি ক্যারিবীয় সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যবর্তী অসংখ্য ছোট বড় দ্বীপের একটি সমষ্টি। - এই অঞ্চলের মধ্যে কিউবা, জ্যামাইকা, হাইতিসহ বহু দ্বীপ রাষ্ট্র ও অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি দেশের নাম — ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনো সার্বভৌম একক দেশ নয়, এটি অনেকগুলো দেশ ও অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত একটি দ্বীপ অঞ্চল। B) একটি সাগরের নাম — এটি কোনো সাগর নয়, বরং ক্যারিবীয় সাগর অঞ্চলে অবস্থিত বিভিন্ন দ্বীপের একটি ভৌগোলিক এলাকা। C) ভারতের একটি দ্বীপ — এটি ভারতের কোনো অংশ নয়, এটি আমেরিকা মহাদেশের উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। D) দ্বীপ সমষ্টির নাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বহু দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল। মনে রাখার টিপস: নামে 'ইন্ডিজ' থাকলেও এটি ভারত নয়, ক্যারিবীয় সাগরের দ্বীপপুঞ্জ।
a ২ টাকা
b ১০ টাকা
c ৫০ টাকা
d ১০০ টাকা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থায় ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েন হলো সরকারি নোট, যা অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দ্বারা ইস্যু করা হয়। - ১০ টাকা এবং তার চেয়ে বড় মানের সকল নোট হলো ব্যাংক নোট, যা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক নয়, বরং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সরকারি নোট। B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি অনুমোদিত ব্যাংক নোট। C) ৫০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি অনুমোদিত ব্যাংক নোট। D) ১০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি অনুমোদিত ব্যাংক নোট। মনে রাখার টিপস: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট বা কয়েন হলো সরকারি নোট এবং বাকি সব বড় নোট হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক নোট।
a রেড ক্রিসেন্টের
b পরিবার পরিকল্পনা সমিতির
c মা ও শিশু স্বাস্থ্যের
d সকল ধরণের সামাজিক সেবার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মা ও শিশু স্বাস্থ্যের কেন সঠিক: - সূর্যের হাসি লোগোটি বাংলাদেশে মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ সেবা প্রচারের জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী মা ও শিশুর হাসিমুখ এবং সুস্থ জীবনের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেড ক্রিসেন্টের — রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব প্রতীক হলো লাল ক্রোস বা লাল অর্ধচন্দ্র, সূর্যের হাসি নয়। B) পরিবার পরিকল্পনা সমিতির — পরিবার পরিকল্পনা সমিতি সেবা প্রদান করলেও এই লোগোটি বিশেষভাবে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবার প্রতীক। D) সকল ধরণের সামাজিক সেবার — এটি কোনো সাধারণ সামাজিক সেবার প্রতীক নয়, বরং নির্দিষ্টভাবে স্বাস্থ্য খাতের লোগো। মনে রাখার টিপস: সূর্য মানে আলো এবং জীবন, তাই সূর্যের হাসি মানেই সুস্থ মা ও শিশুর জীবনের প্রতীক।
a C
b H
c Cl
d Na
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Na ১. কেন সঠিক: সোডিয়াম একটি মৌলিক পদার্থ যার পারমাণবিক সংখ্যা ১১ এবং এর ভর সংখ্যা ২৩। প্রকৃতিতে সোডিয়ামের কোনো স্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ পাওয়া যায় না, এটি একমাত্র সোডিয়াম-২৩ রূপেই থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোটোপ বলে। আইসোটোপ না থাকার অর্থ হলো সেই মৌলের প্রকৃতিতে কেবল একটি নির্দিষ্ট পরমাণুই বিদ্যমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে, যেমন কার্বন-১২, কার্বন-১৩ এবং কার্বন-১৪। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের বয়স নির্ধারণে এবং প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় কার্বনের আইসোটোপ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে, যেমন প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম। ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেনের এই আইসোটোপগুলোর নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর আলাদা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) C — কার্বনের একাধিক আইসোটোপ যেমন কার্বন-১২ ও কার্বন-১৪ প্রকৃতিতে বিদ্যমান থাকায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) H — হাইড্রোজেনের প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম নামের তিনটি পরিচিত আইসোটোপ রয়েছে। C) Cl — ক্লোরিনের ক্লোরিন-৩৫ এবং ক্লোরিন-৩৭ নামক দুটি প্রধান স্থিতিশীল আইসোটোপ আছে। D) Na — সোডিয়ামের কোনো প্রাকৃতিক আইসোটোপ নেই, তাই এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: একক মৌল বা মনোisotopic মৌলগুলো মনে রাখার জন্য সোডিয়াম, ফ্লুরিন ও সোনার কথা স্মরণ করতে পারো। সোডিয়ামের শুধু একটাই রূপ আছে, তাই এর আইসোটোপ নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রকৃতিতে প্রাপ্ত প্রায় একুশটি মৌলের কোনো প্রাকৃতিক আইসোটোপ নেই, যাদের মনোisotopic মৌল বলা হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোন মৌলের আইসোটোপ আছে বা নেই তা জানতে চাওয়া হয়।
a ওহম
b কুলম্ব
c জুল
d ফ্যারাডে
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুলম্ব ১. কেন সঠিক: বৈজ্ঞানিকভাবে তড়িৎ আধান বা চার্জের আন্তর্জাতিক একক হলো কুলম্ব। ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী শার্ল অগুস্তাঁ দ্য কুলম্বের নামানুসারে এই এককের নামকরণ করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ এক সেকেন্ড সময় ধরে প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ চার্জ প্রবাহিত হয়, তাকে এক কুলম্ব বলে। বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের ব্যাটারিতে চার্জের পরিমাণ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-ঘণ্টা এককে মাপা হলেও এর মূল বৈজ্ঞানিক একক কুলম্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাথার চুলে প্লাস্টিকের চিরুনি ঘষে কাগজের টুকরার কাছে ধরলে টুকরাগুলো আকৃষ্ট হয়। ব্যাখ্যা: ঘর্ষণের ফলে চিরুনিতে স্থির বৈদ্যুতিক চার্জ বা কুলম্ব আধানের সৃষ্টি হয় যা হালকা বস্তুকে আকর্ষণ করে। উদাহরণ ২: মেঘের মধ্যে ঘর্ষণের ফলে বজ্রপাত হয়। ব্যাখ্যা: মেঘে প্রচুর পরিমাণে বৈদ্যুতিক চার্জ বা কুলম্ব জমা হওয়ার ফলে বিশাল স্ফুলিঙ্গ বা বজ্রপাতের সৃষ্টি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওহম — এটি বৈদ্যুতিক রোধ পরিমাপের এসআই একক, চার্জের একক নয়। B) কুলম্ব — এটি তড়িৎ আধান বা চার্জ পরিমাপের সঠিক ও আন্তর্জাতিক একক। C) জুল — এটি কাজ, শক্তি এবং তাপশক্তি পরিমাপের এসআই একক। D) ফ্যারাডে — এটি তড়িৎ ধারণক্ষমতা বা ধারকত্ব পরিমাপের একক অথবা তড়িৎ রসায়নে চার্জের একটি বৃহৎ পরিমাপক। ৫ মনে রাখার টিপস: চার্জ বা আধান পরিমাপ করতে ফরাসি বিজ্ঞানী কুলম্বের অবদান সবচেয়ে বেশি তাই চার্জের একক কুলম্ব। আধানের প্রথম অক্ষর আ এবং কুলম্বের ক মিলিয়ে এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসআই একক থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যেমন, তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার এবং বিভব পার্থক্যের একক ভোল্ট, এই বিষয়গুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ১-১০০ μm
b ১-১০০০ μm
c ১-১০০ nm
d ১-১০০০ nm
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১-১০০ nm ১. কেন সঠিক: - ন্যানোপ্রযুক্তি বা ন্যানো সায়েন্সের সংজ্ঞা অনুযায়ী ন্যানোবস্তুর মাত্রা ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এই নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে পদার্থের কোয়ান্টাম বলবিদ্যার প্রভাব শুরু হয় এবং ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মে আমূল পরিবর্তন ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ন্যানোবস্তু হলো এমন ক্ষুদ্র কণা যার অন্তত একটি মাত্রা ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে থাকে এবং যা সাধারণ স্থূল পদার্থের তুলনায় সম্পূর্ণ নতুন ও অনন্য বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে উন্নত সানস্ক্রিন, শক্তিশালী ব্যাটারি, জলরোধী কাপড় এবং আধুনিক ক্যানসার প্রতিষেধক ওষুধ তৈরি করা হচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বন ন্যানোটিউব ব্যাখ্যা: এটি ন্যানোবস্তুর একটি চমৎকার উদাহরণ যা স্টিলের চেয়ে বহু গুণ শক্তিশালী কিন্তু ওজনে অত্যন্ত হালকা এবং এটি ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ন্যানো গোল্ড পার্টিকল ব্যাখ্যা: সোনার এই ক্ষুদ্র কণাগুলোর আকার পরিবর্তনের কারণে এদের রঙ সোনা থেকে লাল বা নীল বর্ণে পরিবর্তিত হয় যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে বায়োসেন্সর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১-১০০ μm — মাইক্রোমিটার বা মাইক্রন মাপের কণা ন্যানোবস্তু নয়, কারণ মাইক্রোমিটার ন্যানোমিটারের চেয়ে এক হাজার গুণ বড় এবং এটি সাধারণ মাইক্রোস্কোপেই দেখা যায়। B) ১-১০০০ μm — এই মাপের কণাগুলো মূলত খালি চোখে দৃশ্যমান ধূলিকণা বা কোষের আকারের সাথে তুলনীয়, যা ন্যানো প্রযুক্তির সীমার বাইরে অবস্থিত। C) ১-১০০ nm — এটি ন্যানোবস্তুর সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড যা কণার আকার নির্দেশ করে। D) ১-১০০০ nm — এই পরিমাপটি আংশিকভাবে সঠিক হলেও আধুনিক ন্যানো সায়েন্সে ন্যানোবস্তুর সর্বসম্মত ঊর্ধ্বসীমা ১০০ ন্যানোমিটার হিসেবে নির্ধারিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন্যানো শব্দের অর্থ হলো এক বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ, তাই ন্যানোবস্তুর আকার মনে রাখতে ১ থেকে ১০০ সংখ্যা এবং ন্যানোমিটার এককটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ন্যানো প্রযুক্তির জনক রিচার্ড ফাইনম্যানকে ধরা হয় এবং ন্যানো টেকনোলজি শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন নরানি তানিগুচি। এই টপিক থেকে বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় ন্যানো কণার আকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a H2
b O2
c CO2
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় ১. কেন সঠিক: - প্রকৃতিতে কোনো গ্যাসই শতভাগ আদর্শ গ্যাস নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক। - আদর্শ গ্যাসের সংজ্ঞা কেবল তাত্ত্বিকভাবে প্রযোজ্য, বাস্তব গ্যাসগুলো উচ্চচাপে ও নিম্নতাপমাত্রায় আদর্শ আচরণ থেকে বিচ্যুত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে গ্যাসসমূহ তাপমাত্রা ও চাপের সকল অবস্থায় বয়েল ও চার্লসের সূত্র এবং আদর্শ গ্যাস সমীকরণ নিখুঁতভাবে মেনে চলে, তাদের আদর্শ গ্যাস বলে। - সূত্র বা তত্ত্ব: আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে সমীকরণটি হলো পিভি সমান সমান এনআরটি, যেখানে পি হলো চাপ, ভি হলো আয়তন, এন হলো মোলের সংখ্যা, আর হলো গ্যাস ধ্রুবক এবং টি হলো পরম তাপমাত্রা। - কারণ ও ফলাফল: বাস্তব গ্যাসের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বিদ্যমান থাকে এবং অণুগুলোর নিজস্ব প্রকৃত আয়তন থাকে, যার কারণে তারা আদর্শ আচরণ থেকে সরে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড্রোজেন গ্যাস ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন একটি বাস্তব গ্যাস এবং সাধারণ অবস্থায় এটি আদর্শ গ্যাসের কাছাকাছি আচরণ করলেও উচ্চচাপে এটি আদর্শ আচরণ থেকে সরে আসে। উদাহরণ ২: অক্সিজেন গ্যাস ব্যাখ্যা: অক্সিজেন গ্যাস বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান একটি বাস্তব গ্যাস, যার অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ বল থাকায় এটি আদর্শ গ্যাসের শর্ত পুরোপুরি পূরণ করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) H2 — এটি একটি বাস্তব গ্যাস, কারণ এর অণুগুলোর নির্দিষ্ট আয়তন ও আকর্ষণ বল আছে এবং এটি আদর্শ গ্যাসের শর্ত পুরোপুরি মানে না। B) O2 — এটি একটি বাস্তব গ্যাস, কারণ উচ্চচাপ ও নিম্নতাপমাত্রায় এটি আদর্শ আচরণ থেকে বিচ্যুত হয়। C) CO2 — এটি একটি বাস্তব গ্যাস, যা অন্য যেকোনো গ্যাসের চেয়ে সহজে তরলীভূত হয় এবং আদর্শ গ্যাসের সূত্র মেনে চলে না। D) কোনটিই নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই আদর্শ গ্যাস নয়, তাই এই উত্তরটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে প্রকৃতিতে কোনো পারফেক্ট বা আদর্শ গ্যাস নেই, সব গ্যাসই হলো বাস্তব গ্যাস। - বাস্তব গ্যাস কেবল উচ্চ তাপমাত্রায় ও নিম্ন চাপে আদর্শ গ্যাসের মতো আচরণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাস আদর্শ গ্যাসের কাছাকাছি, তখন উত্তর হবে হিলিয়াম বা হাইড্রোজেন। - মনে রাখবে আদর্শ গ্যাস সমীকরণে পিভি সমান সমান এনআরটি ব্যবহৃত হয়।
a 311V
b 220V
c 200V
d 140V
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩১১V ১. কেন সঠিক: সাপ্লাই লাইনের ভোল্টেজ হলো মূল মান বা আরএমএস (RMS) মান, আর সর্বোচ্চ মান বা পিক মান হলো তার রুট ওভার টু গুণ। ২x২২০ ভোল্টের সাথে ১.৪১৪ গুণ করলে প্রায় ৩১১ ভোল্ট পাওয়া যায় যা এর শীর্ষ বিন্দু নির্দেশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এসি (AC) বা পরিবর্তী প্রবাহের মান সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয় এবং এর সর্বোচ্চ বিন্দুকে পিক মান বা শীর্ষ মান বলে। সূত্র: পিক মান সমান রুট ওভার টু গুণ আরএমএস মান। কার্যপ্রণালি: এসি জেনারেটরে কুণ্ডলী ঘোরার সময় সাইন তরঙ্গ তৈরি হয় এবং এর সর্বোচ্চ বিস্তার হলো পিক মান। বাস্তব প্রয়োগ: বাড়ির বৈদ্যতিক যন্ত্রের সুরক্ষায় ইনসুলেশন বা অন্তরক তৈরির সময় এই পিক মান হিসাব করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের বাসাবাড়ির ২২০V এসি লাইন। ব্যাখ্যা: এটি আরএমএস মান হলেও এর পিক বা সর্বোচ্চ ভোল্টেজ আসলে ৩১১V পর্যন্ত পৌঁছায়। উদাহরণ ২: মোবাইল বা ল্যাপটপের চার্জার অ্যাডাপ্টার। ব্যাখ্যা: ভেতরের সার্কিট এই উচ্চ পিক ভোল্টেজ সহ্য করার জন্যই বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১১V — এটি সঠিক কারণ এটি ২২০V এর সাথে ১.৪১৪ গুণ করে পাওয়া সর্বোচ্চ বা পিক মান। B) ২২ওV — এটি ভুল কারণ এটি হলো সাপ্লাই লাইনের কার্যকর বা আরএমএস (RMS) মান, পিক মান নয়। C) ২০০V — এটি ভুল কারণ এটি ২২০V এসি লাইনের কোনো নির্দিষ্ট হিসাবের মান বা পিক মান নির্দেশ করে না। D) ১৪০V — এটি ভুল কারণ এই মানের সাথে এসি লাইনের মূল মানের কোনো গাণিতিক সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: পিক মান বের করতে হলে ঘরের সাধারণ ভোল্টেজকে ১.৪১৪ দিয়ে গুণ করতে হয়। এসি লাইনের ক্ষেত্রে কার্যকর মান সবসময় পিক মানের চেয়ে কম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষার জন্য এসি কারেন্টের আরএমএস মান ও পিক মানের সম্পর্ক খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্ন আসতে পারে যে পিক ভোল্টেজ দেওয়া থাকলে আরএমএস মান কত হবে।
a λ/4
b λ/2
c λ
d 2λ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) λ ১. কেন সঠিক: - তরঙ্গের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ একটি তরঙ্গচক্র সম্পন্ন হলে দশা পরিবর্তন হয় দুই পাই এবং অতিক্রান্ত দূরত্ব হয় এক তরঙ্গদৈর্ঘ্য। - নির্দিষ্ট দুটি বিন্দুর মধ্যে এই দশা পার্থক্য এবং পথ পার্থকের মধ্যে সরাসরি সমানুপাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো তরঙ্গের দুটি বিন্দুর কৌণিক দূরত্বের পার্থক্য হলো দশা পার্থক্য এবং রৈখিক দূরত্বের পার্থক্য হলো পথ পার্থক্য। - সূত্র: পথ পার্থক্য সমান সমান তরঙ্গদৈর্ঘ্য গুণন দশা পার্থক্য ভাগ দুই পাই। - কার্যপ্রণালি: দুই পাই দশা পার্থক্যের জন্য পথ পার্থক্য হয় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সমান অর্থাৎ ল্যামডা। - বাস্তব প্রয়োগ: শব্দ তরঙ্গ বা আলো তরঙ্গের ব্যতিচার এবং অপাবর্তন গবেষণায় এই সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুকুরে পাথর ফেললে পানির ঢেউ তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: একটি পুর্ণ তরঙ্গ শৃঙ্গ থেকে পরবর্তী শৃঙ্গের দূরত্ব হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং এদের দশা পার্থক্য দুই পাই। উদাহরণ ২: গিটারের তারে সুর তোলার সময় তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: তারের কম্পনের ফলে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য তৈরি হয় যেখানে দশা ও পথ পার্থক্যের নির্দিষ্ট অনুপাত বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) λ/4 — এটি চার ভাগের এক ভাগ তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্দেশ করে যার দশা পার্থক্য পাই ভাগ দুই এর সমান। B) λ/2 — এটি অর্ধেক তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্দেশ করে যার দশা পার্থক্য পাই এর সমান। C) λ — এটি সম্পূর্ণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্দেশ করে যার দশা পার্থক্য দুই পাই এর সমান। D) 2λ — এটি দুটি পূর্ণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্দেশ করে যার দশা পার্থক্য চার পাই এর সমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুই পাই দশার জন্য পথ পার্থক্য হলো এক ল্যামডা। - দশা পার্থক্য অর্ধেক হলে পথ পার্থক্যও অর্ধেক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তরঙ্গ সংক্রান্ত গাণিতিক সমস্যার জন্য এই সূত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - দশা পার্থক্যের মান পরিবর্তন করে পথ পার্থক্য নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a ক্ষারীয়
b অম্লীয়
c উভধর্মী
d নিরপেক্ষ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্ষারীয় ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম কার্বনেট একটি সবল ক্ষার এবং দুর্বল অম্লের সমন্বয়ে গঠিত লবণ হওয়ায় এর জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়। - জলে দ্রবীভূত হওয়ার পর এটি আদ্রবিশ্লেষিত হয়ে হাইড্রোক্সাইড আয়ন উৎপন্ন করে যা দ্রবণকে ক্ষারীয় করে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: লবণের জলীয় বিশ্লেষণে সবল অংশ তার প্রভাব দেখায়, তাই সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড সবল হওয়ায় দ্রবণ ক্ষারীয় হয়। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: সোডিয়াম কার্বনেট জলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং কার্বনিক অ্যাসিড উৎপন্ন করে। - কারণ ও ফলাফল: উৎপন্ন সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড সবল ক্ষার হওয়ায় দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়নের আধিক্য ঘটে এবং পিএইচ মান সাতের বেশি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপড় কাচার সোডার জলীয় দ্রবণ ব্যাখ্যা: কাপড় কাচার সোডা হলো সোডিয়াম কার্বনেট, যার জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাস কাগজকে নীল করে। উদাহরণ ২: বেকিং সোডার জলীয় দ্রবণ ব্যাখ্যা: সোডিয়াম বাইকার্বনেট দ্রবণেও একই প্রক্রিয়ায় সামান্য ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় যা অ্যান্টাসিড হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষারীয় — এটি সঠিক কারণ সোডিয়াম কার্বনেট জলে হাইড্রোলিসিস প্রক্রিয়ায় ক্ষারীয় ধর্ম প্রদর্শন করে। B) অম্লীয় — এটি ভুল কারণ অম্লীয় দ্রবণ তৈরি হতে হলে সবল অ্যাসিড ও দুর্বল ক্ষারের লবণ প্রয়োজন হয়। C) উভধর্মী — এটি ভুল কারণ উভধর্মী পদার্থ অ্যাসিড ও ক্ষার উভয়ের সঙ্গেই বিক্রিয়া করে, যেমন অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড। D) নিরপেক্ষ — এটি ভুল কারণ নিরপেক্ষ লবণ হলো সবল অ্যাসিড ও সবল ক্ষারের সমন্বয়ে গঠিত সোডিয়াম ক্লোরাইড। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবল ক্ষার ও দুর্বল অম্লের লবণ সর্বদা ক্ষারীয় হয়, এই সূত্র মনে রাখলে যেকোনো লবণের প্রকৃতি সহজে নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লবণের আদ্রবিশ্লেষণ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে অম্লীয় বা ক্ষারীয় প্রকৃতির কোনটি হবে। - সোডিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক নাম ও সংকেত সংক্রান্ত প্রশ্নও বিভিন্ন চাকরিতে বারবার আসে।
a জারণ - বিজারণ
b জারণ
c বিজারণ
d কোনটিই নয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিজারণ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বিক্রিয়ায় ফেরিক আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিরপেক্ষ বা কম আধানযুক্ত আয়রনে পরিণত হয়েছে। - রসায়নের নিয়ম অনুযায়ী কোনো পরমাণু বা আয়ন কর্তৃক ইলেকট্রন গ্রহণের প্রক্রিয়াকে বিজারণ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইলেকট্রন গ্রহণ করার প্রক্রিয়া হলো বিজারণ এবং ইলেকট্রন বর্জন করার প্রক্রিয়া হলো জারণ। - কার্যপ্রণালি: এখানে ফেরিক আয়নে তিনটি ধনাত্মক আধান আছে, যা তিনটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান শূন্য করে লোহায় পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লোরিন গ্যাস ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হওয়া একটি বিজারণ বিক্রিয়া। ব্যাখ্যা: এখানে ক্লোরিন পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করায় একে বিজারণ প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়। উদাহরণ ২: কপারের দ্বি-ধনাত্মক আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতব কপারে পরিণত হওয়া বিজারণের উদাহরণ। ব্যাখ্যা: কপার আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিরপেক্ষ ধাতুতে রূপান্তরিত হয় যা বিজারণের ফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জারণ - বিজারণ — এই বিক্রিয়ায় কেবল ইলেকট্রন গ্রহণ ঘটেছে, তাই একে কেবল বিজারণ বলা হয়, যুগপৎ জারণ-বিজারণ নয়। B) জারণ — জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন বর্জিত হয়, কিন্তু এখানে ইলেকট্রন গৃহীত হয়েছে। C) বিজারণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ইলেকট্রন গ্রহণের মাধ্যমে বিজারণ ঘটে চলেছে। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনের তালিকায় উপস্থিত থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজারণ মানে ঋণাত্মক আধান বা ইলেকট্রন বৃদ্ধি পাওয়া এবং জারণ মানে ইলেকট্রন কমে যাওয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জারণ ও বিজারণ বিক্রিয়া শনাক্ত করতে বলা হয়, তাই ইলেকট্রন আদান-প্রদান ভালোভাবে মনে রাখবে।
a উৎপাদ বাড়বে
b উৎপাদ কমবে
c উৎপাদ এর উপর কোন প্রভাব পড়বে না
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: বি) উৎপাদ কমবে প্রদত্ত তথ্য: বিক্রিয়াটি হলো তিন মোল হাইড্রোজেন এবং এক মোল নাইট্রোজেন বিক্রিয়া করে দুই মোল অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে বিক্রিয়কের দিকে মোট মোল সংখ্যা চার এবং উৎপাদের দিকে মোট মোল সংখ্যা দুই ধরি, চাপ বাড়ানো হলে সাম্যাবস্থা সেই দিকে সরে যায় যেদিকে মোলের সংখ্যা কম থাকে চাপ কমানো হলে সাম্যাবস্থা সেই দিকে সরে যায় যেদিকে মোলের সংখ্যা বেশি থাকে অতএব, এই বিক্রিয়ায় উৎপাদের দিকে মোলের সংখ্যা কম এবং বিক্রিয়কের দিকে মোলের সংখ্যা বেশি তাই চাপ প্রয়োগ করলে বিক্রিয়া কম মোলের দিকে অর্থাৎ উৎপাদের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে সুতরাং, প্রশ্নানুসারে শুধু চাপের প্রভাবের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে সামগ্রিক বিবেচনায় উৎপাদ হ্রাসের ঘটনা ঘটে উত্তর: উৎপাদ কমবে
a ২০ জুন
b ২১ জুন
c ২২ জুন
d ২৭ জুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ জুন ১. কেন সঠিক: উত্তর গোলার্ধে ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই দিনে উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পৃথিবীর নিজ অক্ষের ওপর ৬৬.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে থেকে সূর্যের চারপাশে প্রদক্ষিণ করার কারণে এই ঋতু পরিবর্তন ঘটে। কার্যপ্রণালি: ২১ জুন তারিখে পৃথিবী এমন অবস্থানে থাকে যেখানে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে থাকে। কারণ ও ফলাফল: সূর্যের আলো উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে, ফলে দিন বড় হয় এবং তাপ বেশি অনুভূত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই দিনটি উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালীন সংক্রান্তি বা সামার সল্টিস নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশে দিনের বেলা দীর্ঘ হওয়া এবং রাতের বেলা ছোট হওয়া। ব্যাখ্যা: ২১ জুনের কাছাকাছি সময়ে সূর্যরশ্মি দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করার কারণে এই ঘটনা ঘটে। উদাহরণ ২: উত্তর মেরু অঞ্চলে ২১ জুনের আশেপাশে টানা ২৪ ঘণ্টা দিন থাকা বা সূর্য না ডোবা। ব্যাখ্যা: পৃথিবীর অক্ষের হেলে থাকার কারণে উত্তর মেরু এই সময় সম্পূর্ণভাবে সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জুন — এই তারিখে সূর্যের বার্ষিক গতিপথের হিসাব অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে সর্বমোট দীর্ঘতম দিন হয় না। B) ২১ জুন — এটি বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধের বছরের দীর্ঘতম দিন এবং দক্ষিণ গোলার্ধের ক্ষুদ্রতম দিন। C) ২২ জুন — এই তারিখের মধ্যে সূর্যের উত্তরমুখী গতি শেষ হয়ে দক্ষিণমুখী যাত্রা শুরু হয়, তবে এটি দীর্ঘতম দিন নয়। D) ২৭ জুন — জুন মাসের এই তারিখে পৃথিবীর অপসূর বা অনুসুর সংক্রান্ত জ্যোতির্বিজ্ঞানগত কোনো বিশেষ দীর্ঘতম দিনের ঘটনা ঘটে না। ৫ মনে রাখার টিপস: জুন মাসের একুশ তারিখ মনে রাখুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন হিসেবে। সংক্রান্তি শব্দটি মনে রাখলে গ্রীষ্ম ও শীতকালের বড়-ছোট দিনের হিসাব গুলিয়ে যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বছরের সবচেয়ে ছোট দিন কোনটি, এই প্রশ্ন এলে উত্তর হবে একুশ ডিসেম্বর। বিষুব বা ইকুয়নক্স এবং সংক্রান্তি বা সল্টিস সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a 9.8 m/s²
b 0
c অসীম
d মান নির্ণয়ের জন্য আরও তথ্যের প্রয়োজন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ ১. কেন সঠিক: মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের সংজ্ঞানুসারে, কোনো বস্তুর দূরত্ব অসীম হলে সেখানে মহাকর্ষীয় বল বা অভিকর্ষজ ত্বরণের কার্যকারিতা থাকে না। পৃথিবী থেকে অসীম দূরত্বে পৃথিবীর মহাকর্ষীয় প্রভাব বা আকর্ষণ বল সম্পূর্ণভাবে শূন্য হয়ে যায়, ফলে সেখানে g এর মান শূন্য হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) হলো পৃথিবীর আকর্ষণে ভূ-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার। সূত্র বা তত্ত্ব: নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী, g = (G × M) ÷ (R স্কয়ার), যেখানে G হলো মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, M হলো পৃথিবীর ভর এবং R হলো পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্ব। কারণ ও ফলাফল: দূরত্ব (R) এর মান অসীম হলে কোনো সংখ্যাকে অসীম দ্বারা ভাগ করলে তার ফল শূন্য হয়, তাই g এর মানও শূন্য হয়। বাস্তব প্রয়োগ: মহাকাশযানের কৃত্রিম উপগ্রহ যখন পৃথিবীর মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের বাইরে চলে যায়, তখন সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ থাকে না বললেই চলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যে নভোচারীদের ভেসে বেড়ানো। ব্যাখ্যা: পৃথিবী থেকে অনেক দূরে মহাকর্ষীয় টান না থাকায় নভোচারীরা ওজনহীনতা অনুভব করেন এবং ভেসে থাকেন। উদাহরণ ২: দুটি চুম্বকের বিপরীত মেরু অনেক দূরে সরিয়ে নেওয়া। ব্যাখ্যা: দূরত্ব বেশি হলে চুম্বকের আকর্ষণ যেমন কমে যায়, তেমনি পৃথিবীর দূরত্ব অসীম হলে মহাকর্ষ বল শূন্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯.৮ মিটার প্রতি সেকেন্ড স্কয়ার — এটি পৃথিবী পৃষ্ঠে বা তার কাছাকাছি অবস্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের আদর্শ মান, অসীম দূরত্বে নয়। B) ০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অসীম দূরত্বে পৃথিবীর মহাকর্ষীয় বল এবং ত্বরণ কার্যকর থাকে না। C) অসীম — এটি ভুল কারণ দূরত্ব বাড়লে মহাকর্ষ বল ও ত্বরণ কমে যায়, বাড়ে না। D) মান নির্ণয়ের জন্য আরও তথ্যের প্রয়োজন — এটি ভুল কারণ মহাকর্ষের সার্বজনীন সূত্র থেকেই অসীম দূরত্বে g এর মান নিশ্চিতভাবে শূন্য বলা যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: দূরত্ব যত বেশি বাড়বে, মহাকর্ষীয় টান ও g এর মান তত কমবে। দূরত্ব যখন একদম অসীম, তখন g এর মানও একেবারে শূন্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বা গভীরে গেলে g এর মান কমে যায়। বিষুব অঞ্চলে g এর মান সবচেয়ে কম এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হয়।
a কাঁচ
b সিলিকন
c অ্যালুমিনিয়াম
d জার্মেনিয়াম
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যালুমিনিয়াম ১. কেন সঠিক: - অ্যালুমিনিয়াম একটি ধাতু হওয়ায় এর পরমাণুর শেষ কক্ষপথে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। - এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো পরমাণুর ভেতর স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারে বলেই এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে প্রবাহিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে, তাকে পরিবাহী বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: ধাতুর পরমাণুগুলোর মধ্যে ধাতব বন্ধন থাকে, যেখানে ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট কোনো পরমাণুর সাথে আবদ্ধ না থেকে পুরো ধাতুর মধ্যে মেঘের মতো ঘুরে বেড়ায়। - বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক তার, ট্রান্সফরমার এবং রান্নার তৈজসপত্রে তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য অ্যালুমিনিয়াম ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওভারহেড বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য বিদ্যুতের খুঁটির তারে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয় কারণ এটি হালকা এবং এর মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন সহজে চলাচল করে। উদাহরণ ২: রান্নার অ্যালুমিনিয়াম কড়াই ব্যাখ্যা: চুলার তাপ অ্যালুমিনিয়াম পাত্রের মধ্য দিয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং খাবার দ্রুত রান্না হয় কারণ এর মুক্ত ইলেকট্রন তাপ শক্তি দ্রুত পরিবহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁচ — কাঁচ একটি ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় বরং এটি একটি কুপরিবাহী বা অন্তরক, কারণ এতে কোনো মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। B) সিলিকন — সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী, এর মধ্য দিয়ে সাধারণ অবস্থায় ইলেকট্রন মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে না, বিশেষ অবস্থা বা ডোপিং এর প্রয়োজন হয়। C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি সুপরিবাহী ধাতু যার মধ্যে প্রচুর মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। D) জার্মেনিয়াম — জার্মেনিয়ামও সিলিকনের মতো একটি অর্ধপরিবাহী, যার তড়িৎ পরিবাহিতা পরিবাহী ও কুপরিবহীর মাঝামাঝি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধাতু মানেই বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং মুক্ত ইলেকট্রনের খেলা। অ্যালুমিনিয়াম একটি ধাতু, তাই এর মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন মুক্তভাবে চলাচল করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন পদার্থটি বিদ্যুৎ পরিবাহী বা অর্ধপরিবাহী। পরিবাহী হিসেবে ধাতু এবং অর্ধপরিবাহী হিসেবে সিলিকন ও জার্মেনিয়াম মনে রাখা জরুরি।
a ট্রপোস্ফেয়ার
b স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার
c মেসোস্ফেয়ার
d থার্মোস্ফেয়ার
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলের প্রায় ১৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতার মধ্যে ওজোন গ্যাসের স্তর বা ওজোন পরিমণ্ডল অবস্থান করে। স্ট্র্যাটোস্ফেয়ারে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে অক্সিজেন অণু ওজোন গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ওজোন গ্যাস অক্সিজেনের একটি রূপভেদ যার রাসায়নিক সংকেত ও থ্রি। কার্যপ্রণালি: সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ওজোন গ্যাস শোষণ করে পৃথিবীকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের আলোয় চামড়ার ক্যানসার রোধে ওজোন স্তর ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। ব্যাখ্যা: এটি অতিবেগুনি রশ্মিকে আটকে দিয়ে মানবদেহকে মারাত্মক ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: রেফ্রিজারেটরে ব্যবহৃত সিএফসি গ্যাস ওজোন স্তর ধ্বংস করে। ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলে গিয়ে ওজোন অণুকে ভেঙে দেয় এবং স্তর ক্ষয় করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোস্ফেয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর যেখানে মেঘ, বৃষ্টি ও ঝড়ঝাপ্টা হয় এবং আবহাওয়া গঠিত হয়। B) স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ওজোন গ্যাসের মূল ঘনত্ব পাওয়া যায়। C) মেসোস্ফেয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তর যেখানে উল্কাপিণ্ড পুড়ে ছাই হয়। D) থার্মোস্ফেয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের উচ্চতম স্তর যেখানে রেডিও তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর স্ট্র্যাটোস্ফেয়ারে থাকে এটি মনে রাখতে এস দিয়ে স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার এবং এস দিয়ে সেফটি বা সুরক্ষা শব্দটি মনে রাখতে পারো। স্ট্র্যাটোস্ফেয়ারকে শান্ত মণ্ডলও বলা হয় কারণ এখানে ঝড়বৃষ্টি হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায় তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী প্রধান উপাদান হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি।
a CnH2n
b CnH2n+2
c CnH2n-2
d CnHn
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CnH2n-2 ১. কেন সঠিক: - অ্যালকাইন হলো অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন যাতে কার্বন কার্বন ত্রিবন্ধন থাকে। - এই ত্রিবন্ধন থাকার কারণে সাধারণ অ্যালকেনের তুলনায় হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা চারটি কম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যালকাইন হলো কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত এমন একধরনের জৈব যৌগ যা অসম্পৃক্ত শ্রেণিভুক্ত। - রাসায়নিক গঠন: এদের অণুতে অন্তত একটি কার্বন কার্বন ত্রিবন্ধন বিদ্যমান থাকে এবং কার্বন পরমাণুগুলো সরল বা শাখায়িত শিকলে যুক্ত থাকে। - সাধারণ সংকেত: কোনো অ্যালকাইন অণুতে কার্বন পরমাণুর সংখ্যা যদি n হয়, তবে হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা হয় দুই গুণ অপেক্ষা দুইটি কম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইথাইন বা অ্যাসিটিলিন ব্যাখ্যা: এটি সবচেয়ে সরল অ্যালকাইন যার সংকেত C2H2 এবং এখানে কার্বন পরমাণু সংখ্যা দুই হওয়ায় হাইড্রোজেনের সংখ্যা দুই গুণ অপেক্ষা দুই কম হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রোপাইন ব্যাখ্যা: এটি তিন কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকাইন যার সংকেত C3H4 এবং এটি অ্যালকাইন পরিবারের সাধারণ সংকেতকে সঠিকভাবে মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CnH2n — এই সংকেতটি অ্যালকিন বা সাইক্লোঅ্যালকেনের জন্য প্রযোজ্য যেখানে দ্বিবন্ধন বা বলয় থাকে। B) CnH2n+2 — এই সংকেতটি অ্যালকেন বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনের জন্য প্রযোজ্য যেখানে একক বন্ধন থাকে। C) CnH2n-2 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অ্যালকাইনের সাধারণ সংকেতকে নির্দেশ করে। D) CnHn — এটি কোনো নির্দিষ্ট হাইড্রোকার্বন শ্রেণির সাধারণ সংকেত নয় বরং এটি মূলত পলিন বা অ্যারোমাটিক যৌগের অনুপাত হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ্যালকেন মানে প্লাস দুই, অ্যালকিন মানে সমান এবং অ্যালকাইন মানে মাইনাস দুই মনে রাখবে। - কার্বনের সংখ্যার দ্বিগুণ করে অ্যালকেনের জন্য দুই যোগ, অ্যালকিনের জন্য কিছু না করে এবং অ্যালকাইনের জন্য দুই বিয়োগ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অ্যালকাইন শ্রেণীর প্রথম সদস্যের নাম ইথাইন এবং এর বাণিজ্যিক নাম অ্যাসিটিলিন। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাইড্রোকার্বনের সাধারণ সংকেত নির্ণয়ের জন্য প্রায়ই আসে।
a দ্রুতি ও বেগ
b বেগ ও ত্বরণ
c দ্রুতি ও দূরত্ব
d সরণ ও দ্রুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্রুতি ও দূরত্ব ১. কেন সঠিক: - দ্রুতি এবং দূরত্ব উভয় রাশির মান প্রকাশ করার জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়, কোনো দিকের প্রয়োজন হয় না। - পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় যে সমস্ত ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করার জন্য কেবল মানের প্রয়োজন হয়, দিকের কোনো প্রয়োজন হয় না, তাদেরকে স্কেলার রাশি বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভৌত রাশিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা স্কেলার রাশি বা দিকহীন রাশি এবং ভেক্টর রাশি বা দিকযুক্ত রাশি। - কার্যপ্রণালি: কোনো বস্তুর অবস্থান পরিবর্তনের পরিমাণ হলো দূরত্ব এবং একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্ব হলো দ্রুতি, যার উভয়েই দিকনির্দেশ করে না। - বাস্তব প্রয়োগ: কোনো গাড়ি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে চলছে বলা হলে তা দ্রুতি, এবং গাড়িটি ১০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে বলা হলে তা দূরত্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি বস্তু ৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করল। ব্যাখ্যা: এখানে শুধুমাত্র পথের দৈর্ঘ্য বা মান প্রকাশ করা হয়েছে, তাই দূরত্ব একটি স্কেলার রাশি। উদাহরণ ২: একটি লোক প্রতি সেকেন্ডে ২ মিটার দ্রুতিতে দৌড়াচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে গতির হার বোঝানো হয়েছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো দিক উল্লেখ করা হয়নি, তাই দ্রুতি একটি স্কেলার রাশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রুতি ও বেগ — দ্রুতি স্কেলার রাশি হলেও বেগ একটি ভেক্টর রাশি কারণ বেগের নির্দিষ্ট দিক আছে। B) বেগ ও ত্বরণ — বেগ এবং ত্বরণ উভয় রাশিরই মান ও দিক উভয়ই আছে, তাই এরা ভেক্টর রাশি। C) দ্রুতি ও দূরত্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জোড়ার দুটি রাশিই স্কেলার রাশি। D) সরণ ও দ্রুতি — দ্রুতি স্কেলার রাশি হলেও সরণ হলো একটি নির্দিষ্ট দিকে অবস্থানের পরিবর্তন, তাই সরণ ভেক্টর রাশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্কেলার রাশি মনে রাখার কৌশল হলো দূরত্বের ধারণা মাথায় রাখা, দূরত্ব ও দ্রুতি দুটিতেই দিকের কোনো বালাই নেই। - সরণ ও বেগ শব্দগুলোর সাথে দিক জড়িত থাকে, তাই এরা কখনোই স্কেলার হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই স্কেলার ও ভেক্টর রাশির উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে, যেমন কাজ, শক্তি, ক্ষমতা হলো স্কেলার রাশি এবং বল, ওজন, ত্বরণ হলো ভেক্টর রাশি। - এই প্রশ্নটি থেকে ভৌত রাশির মৌলিক পার্থক্য এবং তাদের একক সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a 0K
b 0 ডিগ্রি C
c 273 ডিগ্রি C
d 273K
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0K ১. কেন সঠিক: পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো তাত্ত্বিকভাবে সর্বনিম্ন সম্ভব তাপমাত্রা, যেখানে পদার্থের অণু বা পরমাণুগুলোর গতিশক্তি শূন্য হয়ে যায়। তাপগতিবিদ্যার তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী এই তাপমাত্রায় পৌঁছানো অসম্ভব, যা কেলভিন স্কেলের শূন্য বিন্দু বা ০ কেলভিন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পদার্থের তাপমাত্রা তার কণাগুলোর গতিশক্তির ওপর নির্ভর করে এবং তাপমাত্রা কমতে থাকলে কণাগুলোর গতি কমতে থাকে। কার্যপ্রণালি: চালসের সূত্র অনুযায়ী আদর্শ গ্যাসের আয়তন শূন্যে পৌঁছানোর তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা হিসেবে ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যের গভীর অঞ্চলে তাপমাত্রা অনেক কম থাকে, যা পরম শূন্য তাপমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছায় কিন্তু পুরোপুরি শূন্য হয় না। ব্যাখ্যা: মহাবিশ্বের স্বাভাবিক অবস্থায় পরম শূন্য তাপমাত্রা অর্জন করা তাত্ত্বিকভাবে বারণ। উদাহরণ ২: তরল হিলিয়াম অতিশয় ঠান্ডায় সুপারফ্লুইড বা অতিপ্রবাহী হিসেবে আচরণ করে। ব্যাখ্যা: পরম শূন্য তাপমাত্রার খুব কাছাকাছি পৌঁছালে পদার্থের কোয়ান্টাম ধর্ম প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0K — এটি পরম শূন্য তাপমাত্রার সঠিক মান এবং কেলভিন স্কেলের প্রারম্ভিক বিন্দু। B) 0 ডিগ্রি C — এটি পানির হিমাংক বা বরফ গলার তাপমাত্রা, পরম শূন্য তাপমাত্রা নয়। C) 273 ডিগ্রি C — এটি ভুল মান, কারণ সঠিক মান হলো মাইনাস ২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। D) 273K — এটি ০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমতুল্য তাপমাত্রা, যা পরম শূন্য তাপমাত্রা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পরম শূন্য তাপমাত্রা মানে শূন্য কেলভিন বা মাইনাস ২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কেলভিন স্কেলে কোনো ঋণাত্মক মান নেই, তাই এর শুরু হয় শূন্য থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সেলসিয়াস স্কেল থেকে কেলভিনে রূপান্তর করতে হলে সেলসিয়াস মানের সঙ্গে ২৭৩ যোগ করতে হয়। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় তাপ ও তাপমাত্রা অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
a প্রোপিন
b ইথিলিন
c বিউটিন
d সালফার
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইথিলিন ১. কেন সঠিক: ইথিলিন একটি প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত উদ্ভিদ হরমোন বা ফাইটোঅরমোন, যা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। এটি উদ্ভিদের ফল পাকাতে সরাসরি সাহায্য করে এবং সেলুলোজ ও স্টার্চকে শর্করায় রূপান্তরিত করে ফলের নরম ভাব ও মিষ্টি স্বাদ আনে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইথিলিন একটি গ্যাসীয় জৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত সি টু এইচ ফোর এবং এটি ফল পাকানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। কার্যপ্রণালি: কাঁচা ফলের কোষে প্রবেশ করে ইথিলিন হরমোন ইথিলিন রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং নির্দিষ্ট জিন সক্রিয় করে ফল পাকানোর এনজাইম তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম বা কলা কাঁচা অবস্থায় পেড়ে ঘরে রেখে দিলে ইথিলিন গ্যাসের প্রভাবে কিছুদিন পর প্রাকৃতিকভাবে পেকে নরম ও মিষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: ফল নিজেই ইথিলিন গ্যাস উৎপন্ন করে এবং বদ্ধ স্থানে রাখলে এই গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেয়ে পাকা ত্বরান্বিত হয়। উদাহরণ ২: পেঁপে কিংবা টমেটো কার্বাইড বা ইথিলিন স্প্রে করে কৃত্রিমভাবে পাকানো হয়। ব্যাখ্যা: বাণিজ্যিক উৎপাদনে দ্রুত বাজারজাতকরণের জন্য কৃত্রিম উপায়ে ইথিলিন প্রয়োগ করে কাঁচা ফল পাকানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোপিন — এটি একটি অ্যালকিন যার রাসায়নিক সংকেত সি থ্রি এইচ সিক্স এবং এটি ফল পাকানোর কাজে প্রাকৃতিকভাবে ব্যবহৃত হয় না। B) ইথিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একমাত্র প্রাকৃতিকভাবে ফল পাকানোর জন্য দায়ী গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন। C) বিউটিন — এটি একটি চার কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকিন যৌগ যা পেট্রোলিয়াম শিল্পে ব্যবহৃত হয় এবং ফল পাকানোর সাথে এর সম্পর্ক নেই। D) সালফার — এটি একটি অধাতু মৌল যা অজৈব পদার্থ এবং ছত্রাকনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফল পাকানোর সাথে এর কোনো ভূমিকা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্যাসীয় হরমোন মানেই ইথিলিন এবং এটি ফল পাকানোর মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে। উদ্ভিদ হরমোনের মধ্যে একমাত্র গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে ইথিলিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইথিলিন ছাড়া আরেকটি উদ্ভিদ হরমোন হলো অবসিসিক অ্যাসিড যা ফল ঝরে পড়তে সাহায্য করে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে কোন হরমোন গ্যাসীয় প্রকৃতির।
a 273
b 273.16K
c 273.15K
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 273.16K ১. কেন সঠিক: পানির ত্রৈবিন্দু হলো এমন একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপ, যেখানে পানির তিনটি অবস্থা অর্থাৎ বরফ, তরল পানি ও জলীয় বাষ্প একই সঙ্গে তাপীয় সাম্যাবস্থায় অবস্থান করে। আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে তাপমাত্রা পরিমাপের ক্ষেত্রে এই সুনির্দিষ্ট মানটিকে আদর্শ ধরে কেলভিন স্কেল নির্ধারণ করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ত্রৈবিন্দু হলো পদার্থের সেই অবস্থা যেখানে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থা যুগপৎভাবে coexist করে। কার্যপ্রণালি: নির্দিষ্ট চাপে (০.০০৬০৩ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ) এবং শূন্য দশমিক শূন্য এক ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই বিশেষ অবস্থাটি পরীক্ষাগারে তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রৈবিন্দু সেলে বিশুদ্ধ পানি রেখে তাপমাত্রা ও চাপ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে বরফ, পানি ও বাষ্প একসাথে থাকে। ব্যাখ্যা: এটি নিখুঁত তাপমাত্রা মাপার জন্য একটি স্থির প্রাকৃতিক মান হিসেবে সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: থার্মোমিটার ক্যালিব্রেশন বা পরিমাপক যন্ত্রের ত্রুটি সংশোধনে পানির ত্রৈবিন্দু ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি ধ্রুবক মান হওয়ায় বিজ্ঞান ও শিল্প কারখানায় নির্ভুল পরিমাপের জন্য অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 273 — এটি সঠিক নয় কারণ এটি কেবল সাধারণ বরফ জমার তাপমাত্রা বোঝায়, সুনির্দিষ্ট ত্রৈবিন্দুর দশমিকের অংশ বাদ পড়ে গেছে। B) 273.16K — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পানির ত্রৈবিন্দুর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিখুঁত মান। C) 273.15K — এটি ভুল কারণ এটি সেলসিয়াস স্কেলের শূন্য ডিগ্রির কেলভিন রূপান্তর, যা ত্রৈবিন্দুর মান নয়। D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে উপস্থিত রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পানির ত্রৈবিন্দুর মান মনে রাখতে দশমিকের পর ষোল সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ কেলভিন স্কেলে এটি দুইশ تہাত্তর দশমিক এক ছয় হয়। তাপমাত্রা এবং চাপের নির্দিষ্ট এই মানটি থার্মোডাইনামিক্সে ভিত্তিমূল হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় তাপগতিবিদ্যার একক এবং তাপমাত্রা স্কেল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ক্যালভিনের একক লেখার সময় ডিগ্রি চিহ্ন ব্যবহার করা হয় না, কেবল কে অক্ষরটি ব্যবহার করতে হয়।
a NaOH
b KMnO4
c HCl
d K2Cr2O7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) K2Cr2O7 ১. কেন সঠিক: পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট একটি আদর্শ বা প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এর ওজন নির্ভুলভাবে মাপা যায় এবং এটি বায়ুর উপাদান দ্বারা সহজে আক্রান্ত হয় না। এটি দীর্ঘ সময় ধরে তার গঠন ও বিশুদ্ধতা বজায় রাখতে পারে বলে টাইট্রেশন পরীক্ষায় প্রমাণ দ্রবণ তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে পদার্থগুলোর নির্দিষ্ট বিশুদ্ধতা থাকে, বায়ুর সংস্পর্শে সহজে পরিবর্তিত হয় না এবং যার প্রমাণ দ্রবণ সরাসরি তৈরি করা যায়, তাকে প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। কার্যপ্রণালি: রাসায়নিক বিশ্লেষণে কোনো অজানা দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়ের সময় এই পদার্থ দিয়ে তৈরি নিখুঁত ঘনমাত্রার দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাবরেটরিতে অক্সালিক এসিড ব্যবহার করে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের ঘনমাত্রা নির্ণয় করা হয়। ব্যাখ্যা: এখানে অক্সালিক এসিড একটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: আয়োডিমিতি titration প্রক্রিয়ায় পটাশিয়াম বাইহাইড্রেট বা পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে জারক পদার্থের সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) NaOH - সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড একটি গৌণ স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এটি বায়ুর জলীয় বাষ্প ও কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে ওজন পরিবর্তন করে। B) KMnO4 - পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট একটি গৌণ স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এটি আলো ও বায়ুর সংস্পর্শে ধীরে ধীরে বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়। C) HCl - হাইড্রোক্লোরিক এসিড একটি গৌণ স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এর গাঢ় দ্রবণ উদ্বায়ী প্রকৃতির হওয়ায় এর সঠিক ঘনত্ব স্থির থাকে না। D) K2Cr2O7 - পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট একটি সঠিক প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ যা সব শর্ত পূরণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখবে যেগুলোতে Na বা তীব্র উদ্বায়ী এসিড থাকে না, বরং পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট বা অক্সালিক এসিড থাকে। এগুলো বায়ুর সাথে সহজে বিক্রিয়া করে না বলে এদের মান শতভাগ নিখুঁত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাথমিক ও গৌণ স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট কেন প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড নয়, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a 4
b 6
c 8
d 12
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ১. কেন সঠিক: - বেনজিনের অণুতে মোট তিনটি দ্বিবন্ধন থাকে এবং প্রতিটি দ্বিবন্ধনে দুটি করে পাই ইলেকট্রন থাকে। - এই পাই ইলেকট্রনগুলো পুরো রিংজুড়ে মুক্তভাবে সঞ্চারণশীল থাকে, যা অণুকে বিশেষ স্থায়িত্ব দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বেনজিন একটি芳香族 যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত C৬H৬ এবং এর গঠন একটি সমতলীয় ষড়ভুজাকার রিং। - কার্যপ্রণালি: বেনজিনের প্রতিটি কার্বন পরমাণু এসপি২ সংকরায়ন ঘটায় এবং অসংকরিত পি অরবিটালগুলো পাশাপাশি অধিক্রমণ করে পাই মেঘ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেনজিন রিংয়ের ডিলাকালাইজেশন বা সঞ্চারণশীলতা ব্যাখ্যা: পাই ইলেকট্রনগুলোর এই মেঘের মতো অবস্থানের কারণে বেনজিন খুব সহজে সংযোজন বিক্রিয়া দেয় না, বরং প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া দেয়। উদাহরণ ২: ইথিন বা অ্যালকিনের পাই ইলেকট্রন ব্যাখ্যা: ইথিনে মাত্র একটি দ্বিবন্ধন থাকায় পাই ইলেকট্রন সংখ্যা দুই, যা বেনজিনের সঙ্গে এর পার্থক্যের ভিত্তি তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ — এই সংখ্যাটি কোনো সাধারণ জৈব যৌগের পাই ইলেকট্রন বা বেনজিনের কাঠামোর সঙ্গে মিলে না। B) ৬ — এটি সঠিক কারণ বেনজিনের তিনটি পাই বন্ধনে মোট ছয়টি ইলেকট্রন সঞ্চারণশীল অবস্থায় থাকে। C) ৮ — এই সংখ্যাটি সাধারণত কোনো অসম্পৃক্ত চাক্রিক যৌগের সাধারণ পাই ইলেকট্রন সংখ্যার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) ১২ — এই সংখ্যাটি বেনজিনের সিগমা ইলেকট্রন বা মোট ভ্যালেন্সি ইলেকট্রনের হিসাবের সঙ্গে বিভ্রান্তিকর হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেনজিনে কার্বন পরমাণু ছয়টি এবং দ্বিবন্ধন তিনটি, তাই দ্বিবন্ধনের সংখ্যাকে দুই দিয়ে গুণ করলে পাই ইলেকট্রন সংখ্যা ছয় পাওয়া যায়। - হাকেলের সূত্র অনুসারে ৪n + ২ নিয়ম মেনে চললে পাই ইলেকট্রন সংখ্যা ছয় হয় যেখানে n এর মান এক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অ্যারোমেটিক যৌগ ও বেনজিনের গঠন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বেনজিনের কার্বন-কার্বন বন্ড দূরত্ব এবং পাই ইলেকট্রনের সঞ্চারণশীলতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a বাদামী
b লাল
c বেগুনি
d কমলা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাল ১. কেন সঠিক: - লাল রঙটি আলোর ক্ষেত্রে একটি প্রাথমিক বর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয় যা অন্য কোনো বর্ণের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না। - মানব চোখের কোণ কোষগুলোর নির্দিষ্ট সংবেদনশীলতার কারণে এই বর্ণগুলো মৌলিক হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন বর্ণ তৈরি করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে বর্ণগুলো নিজেদের মধ্যে মিশ্রিত হয়ে বা অন্য কোনো বর্ণের মিশ্রণ থেকে তৈরি হয় না এবং যাদের বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য বর্ণ তৈরি করা যায়, তাদেরকে মৌলিক বর্ণ বলে। - কার্যপ্রণালি: আলোর ক্ষেত্রে লাল, সবুজ এবং নীল এই তিনটি বর্ণকে প্রাথমিক বর্ণ বলা হয়, কারণ এই তিনটি বর্ণ বিভিন্ন অনুপাতে যোগ করে দৃশ্যমান বর্ণালীর প্রায় যেকোনো বর্ণ তৈরি করা সম্ভব। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার স্ক্রিন এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে পিক্সেল হিসেবে লাল, সবুজ এবং নীল আলোর মিশ্রণ ব্যবহার করে সম্পূর্ণ রঙিন চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেলিভিশনের স্ক্রিন বা মনিটর। ব্যাখ্যা: একটি রঙিন মনিটরের প্রতিটি পিক্সেলে লাল, সবুজ এবং নীল সাব-পিক্সেল থাকে, যার তীব্রতা পরিবর্তন করে চোখ হাজার হাজার ভিন্ন বর্ণ দেখতে পায়। উদাহরণ ২: রংধনু বা প্রিজমের আলোর বিচ্ছুরণ। ব্যাখ্যা: সূর্যের সাদা আলোকে প্রিজমের মধ্য দিয়ে ফেললে তা বিভক্ত হয়ে বর্ণালী গঠন করে, যেখানে লাল একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে আলাদাভাবে অবস্থান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাদামী — বাদামী কোনো প্রাথমিক বর্ণ নয়, এটি মূলত লাল, হলুদ এবং কালো বা অন্যান্য বর্ণের নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণের মাধ্যমে তৈরি একটি যৌগিক বর্ণ। B) লাল — এটি আলোর ক্ষেত্রে একটি সঠিক প্রাথমিক বর্ণ, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। C) বেগুনি — বেগুনি একটি যৌগিক বর্ণ যা নীল এবং লাল আলোর মিশ্রণে বা আলোর বর্ণালীর একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য হিসেবে উৎপাদিত হয়। D) কমলা — কমলা বর্ণটি লাল এবং হলুদ বর্ণের মিশ্রণে তৈরি হয়, যা চিত্রকলায় বা আলোর ক্ষেত্রে একটি গৌণ বা মিশ্র বর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলোর প্রাথমিক বর্ণ মনে রাখার জন্য 'রসবুনি' বা লাল, সবুজ, নীল এই তিনটি শব্দ মনে রাখতে পারো। - মৌলিক বর্ণগুলো নিজে থেকেই পূর্ণাঙ্গ, অন্য কারও সাহায্য ছাড়াই এরা বিদ্যমান থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর প্রাথমিক বর্ণ এবং প্রিন্টিং বা রঞ্জক পদার্থের প্রাথমিক বর্ণ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আলোর প্রাথমিক বর্ণ হলো লাল, সবুজ, নীল এবং রঞ্জক পদার্থের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বর্ণ হলো সিয়ান, ম্যাজেন্টা ও হলুদ।
a 60 ডিগ্রি
b 90 ডিগ্রি
c 120 ডিগ্রি
d 180 ডিগ্রি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯০ ডিগ্রি ১. কেন সঠিক: বিজ্ঞানের ভাষায় কাজ তখনই সম্পন্ন হয় যখন কোনো বস্তুর ওপর বল প্রয়োগের ফলে বস্তুটির সরণ ঘটে। বল এবং সরণ একই দিকে না থেকে পরস্পরের লম্ব বা ৯০ ডিগ্রি কোণে থাকলে বলের কোনো উপাংশ সরণের দিকে থাকে না, তাই কাজের পরিমাণ শূন্য হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কাজ হলো প্রযুক্ত বল এবং বলের দিকে সরণের উপাংশের গুণফল। সূত্র/তত্ত্ব: কাজের সাধারণ সূত্রটি হলো ডব্লিউ সমান এফ এস কস থিটা, যেখানে ডব্লিউ হলো কাজ, এফ হলো বল, এস হলো সরণ এবং থিটা হলো বল ও সরণের মধ্যবর্তী কোণ। কার্যপ্রণালি: এখানে থিটার মান ৯০ ডিগ্রি বসালে কস ৯০ ডিগ্রির মান শূন্য হয়, ফলে কাজের সম্পূর্ণ হিসাবটি শূন্য হয়ে যায়। বাস্তব প্রয়োগ: কোনো ব্যক্তি মাথায় ভারী বোঝা নিয়ে সমতল ভূমিতে হাঁটলে তার ওপর প্রয়োগ করা অভিকর্ষ বল এবং সরণের দিক পরস্পরের লম্ব হওয়ায় পদার্থবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কোনো কাজ হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন কুলি মাথায় ভারী বাক্স নিয়ে সমতল রাস্তায় হেঁটে যাওয়া। ব্যাখ্যা: কুলি বস্তুটির ওপর খাড়া উপরের দিকে বল প্রয়োগ করে কিন্তু বস্তুটির সরণ ঘটে সামনের দিকে, তাই বল ও সরণের মধ্যবর্তী কোণ হয় ৯০ ডিগ্রি এবং কাজের মান শূন্য। উদাহরণ ২: সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর বৃত্তাকার কক্ষপথে ঘোরা। ব্যাখ্যা: সূর্য পৃথিবীর ওপর মহাকর্ষ বল টানে কেন্দ্রের দিকে আর পৃথিবীর সরণ ঘটে স্পর্শক বরাবর, ফলে এদের মধ্যবর্তী কোণ ৯০ ডিগ্রি হওয়ায় মহাকর্ষ বল দ্বারা কাজের পরিমাণ শূন্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬০ ডিগ্রি — এই কোণে বল প্রয়োগ করলে বলের একটি নির্দিষ্ট উপাংশ সরণের দিকে কাজ করে, তাই কাজের মান ধনাত্মক হয় এবং তা শূন্য হয় না। B) ৯০ ডিগ্রি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বল ও সরণ লম্বভাবে থাকলে কাজের হিসাব শূন্য আসে। C) ১২০ ডিগ্রি — এই কোণে বল ও সরণ পরস্পরের বিপরীতমুখী ধারার কাছাকাছি থাকে, ফলে কাজ ঋণাত্মক হয় কিন্তু শূন্য হয় না। D) ১৮০ ডিগ্রি — এই কোণে বল ও সরণ সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে কাজ করে, যা সর্বাধিক ঋণাত্মক কাজ নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় ৯০ মানেই লম্ব বা সমকোণ, আর কস ৯০ এর মান শূন্য হওয়ায় কাজও শূন্য হয়। কাজ শূন্য হওয়ার জন্য শুধু মনে রাখতে হবে বল আর সরণ একে অপরের দিকে হাত ধরাধরি করে না থেকে লম্বভাবে অবস্থান করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই কাজের মান শূন্য হওয়ার শর্ত হিসেবে আসে। কাজের মান কখন সর্বোচ্চ হয় তা জানতে চাইলে বল ও সরণের মধ্যবর্তী কোণ শূন্য ডিগ্রি হতে হবে এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a ভার্নিয়ার ধ্রুবকের কোন একক নেই
b স্ক্রু-গজের পিচের একক মিটার
c একক ভেক্টরের একক থাকে না
d আলোকবর্ষ সময়ের একক প্রকাশ করে না, দূরত্ব একক প্রকাশ করে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভার্নিয়ার ধ্রুবকের কোন একক নেই ১. কেন সঠিক: ভার্নিয়ার ধ্রুবক হলো প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম এক ভাগের মান এবং ভার্নিয়ার স্কেলের মোট ভাগের সংখ্যার অনুপাত। একই জাতীয় দুটি রাশির অনুপাত হওয়ায় ভার্নিয়ার ধ্রুবকের কোনো একক থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভার্নিয়ার ধ্রুবক (Vernier Constant) হলো এমন একটি মান যার সাহায্যে পরিমাপের নির্ভুলতা বাড়ানো হয়। সূত্র: ভার্নিয়ার ধ্রুবক ভি সি সমান এক এস মাইনাস এক ভি ভাগ এন, যেখানে এস হলো প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম ভাগের মান এবং এন হলো ভার্নিয়ার স্কেলের ভাগসংখ্যা। কার্যপ্রণালি: স্লাইড ক্যালিপার্স বা স্ক্রু-গজ ব্যবহারের সময় প্রধান স্কেল পাঠ এবং ভার্নিয়ার সমপাতন গুণ করে সঠিক পরিমাপ বের করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: পরীক্ষাগারে কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা গোলকের ব্যাস নিখুঁতভাবে মাপতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্লাইড ক্যালিপার্সের সাহায্যে একটি ছোট গোলকের ব্যাস মাপা। ব্যাখ্যা: এখানে প্রধান স্কেল পাঠের সঙ্গে ভার্নিয়ার ধ্রুবক ও ভার্নিয়ার সমপাতনের গুণফল যোগ করে সঠিক মান পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: তুলাযন্ত্রের সাহায্যে সুনির্দিষ্ট ভর মাপা। ব্যাখ্যা: ভর বা পরিমাপের বিভিন্ন অনুপাতে একক বর্জিত ধ্রুবক হিসাবের ক্ষেত্রে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভার্নিয়ার ধ্রুবকের কোন একক নেই — এই বিবৃতিটি বৈজ্ঞানিকভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। B) স্ক্রু-গজের পিচের একক মিটার — স্ক্রু-গজের পিচ হলো স্ক্রুটি এক সম্পূর্ণ ঘূর্ণনে যত দূরত্ব অতিক্রম করে এবং দূরত্বের এস আই একক হলো মিটার। C) একক ভেক্টরের একক থাকে না — কোনো ভেক্টরকে তার মান দিয়ে ভাগ করে একক ভেক্টর পাওয়া যায়, তাই এটি মানহীন ও এককহীন একটি দিক নির্দেশক রাশি। D) আলোকবর্ষ সময়ের একক প্রকাশ করে না, দূরত্ব একক প্রকাশ করে — আলোকবর্ষ হলো আলো এক বছরে নির্वात মাধ্যমে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তার পরিমাপ, এটি দূরত্বের একক। ৫. মনে রাখার টিপস: অনুপাত বা ধ্রুবক জাতীয় রাশির সাধারণত কোনো একক থাকে না কারণ সমজাতীয় রাশির কাটাকাটি ঘটে। ভার্নিয়ার ধ্রুবক মনে রাখতে শুধু অনুপাতের বিষয়টি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভার্নিয়ার ধ্রুবকের মান স্লাইড ক্যালিপার্সের ক্ষেত্রে সাধারণত শূন্য দশমিক এক মিলিমিটার হয়ে থাকে। একই রকম প্রশ্ন হিসেবে আলোকবর্ষ বা পার্সেক কোন রাশির একক, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a টিউব লাইট
b নিওন লাইট
c সবগুলোতেই
d নক্ষত্রের ভেতরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সবগুলোতেই ১. কেন সঠিক: - প্লাজমা হলো পদার্থের চতুর্থ অবস্থা যেখানে গ্যাসীয় পরমাণুগুলো আয়নিত হয়ে মুক্ত ইলেকট্রন ও ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। - প্রদত্ত সবগুলো ক্ষেত্রেই প্লাজমা অবস্থা বিদ্যমান থাকায় এই উত্তরটি সঠিক হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্লাজমা হলো উচ্চ তাপমাত্রায় বা তড়িৎক্ষেত্রের প্রভাবে আয়নিত গ্যাসের সমষ্টি যা বিদ্যুৎ পরিবাহী। - কার্যপ্রণালি: টিউব লাইট ও নিয়ন লাইটের ভেতরে বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে গ্যাসকে আয়নিত করে প্লাজমা তৈরি করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রের অভ্যন্তরে প্রচণ্ড তাপে পরমাণু ভেঙে প্লাজমা সৃষ্টি হয় এবং এটি মহাবিশ্বের মোট পদার্থের শতকরা নিরানব্বই ভাগ জুড়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্লুরোসেন্ট বা টিউব লাইট জ্বালানো। ব্যাখ্যা: এর ভেতরের পারদ বাষ্প তড়িৎ প্রবাহের কারণে আয়নিত হয়ে প্লাজমা গঠন করে আলো ছড়ায়। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে নক্ষত্রের দীপ্তি। ব্যাখ্যা: নক্ষত্রের অন্দরে প্লাজমা অবস্থার কারণেই পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটে এবং প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিউব লাইট — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোতেও প্লাজমা পাওয়া যায় বলে এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) নিয়ন লাইট — এটি প্লাজমা প্রদর্শন করলেও এককভাবে সঠিক উত্তর হতে পারে না কারণ বাকিগুলোও সঠিক। C) সবগুলোতেই — এই অপশনটিতে টিউব লাইট, নিয়ন লাইট ও নক্ষত্রের ভেতর প্লাজমা পাওয়ার বিষয়টি একসঙ্গে সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। D) নক্ষত্রের ভেতরে — এটি সঠিক হলেও টিউব লাইট ও নিয়ন লাইটেও প্লাজমা থাকে, তাই শুধু এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদার্থের চারটি অবস্থার মধ্যে চতুর্থ অবস্থা প্লাজমা আমাদের টিউব লাইট, নিয়ন সাইনবোর্ড এবং মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোতে ব্যাপকভাবে দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি পদার্থবিজ্ঞানের পদার্থ ও শক্তি অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্লাজমা হলো পদার্থের চতুর্থ অবস্থা।
a 10⁻¹²
b 10⁻⁹
c 10⁹
d 10¹²
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০⁻¹² ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে (SI Unit) কোনো রাশির একক ছোট বা বড় করার জন্য উপসর্গ বা প্রিফিক্স ব্যবহার করা হয়। - পিকো হলো একটি ছোট একক নির্দেশক উপসর্গ, যা মূল এককের দশের ঋণাত্মক ঘাত হিসেবে প্রকাশিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মেট্রিক পদ্ধতিতে কোনো এককের ক্ষুদ্রতম মান প্রকাশের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে কিছু আদর্শ উপসর্গ নির্ধারিত আছে। - কার্যপ্রণালি: পিকো বলতে মূল এককের এক ট্রিলিয়ন ভাগের এক ভাগ বা এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগকে বোঝানো হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান এবং ইলেকট্রনিক্সে অতিক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য, ভর বা সময়ের পরিমাপে পিকো একক বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফাইবার অপটিক ক্যাবলে ডেটা স্থানান্তরের সময় আলোর গতি হিসাব করতে পিকো সেকেন্ড ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত অল্প সময় যেমন সেকেন্ডের দশ লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ইলেকট্রনিক সার্কিটে ব্যবহৃত মাইক্রোচিপের ক্যাপাসিটরের মান পিকো ফ্যারাডে মাপা হয়। ব্যাখ্যা: অতিক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক ধারণক্ষমতা প্রকাশ করার জন্য এই ক্ষুদ্র পরিমাপ পদ্ধতি অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০⁻¹² — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে এক পিকো সমান দশের ওপর ঋণাত্মক বারো পাওয়ার বা দশের বারো ইনভার্স। B) ১০⁻⁹ — এটি ভুল অপশন কারণ দশের ওপর ঋণাত্মক নয় পাওয়ার বা দশের নয় ইনভার্স হলো ন্যানো নামক উপসর্গ। C) ১০⁹ — এটি ভুল অপশন কারণ দশের ওপর ধনাত্মক নয় পাওয়ার বা দশের নয় হলো গিগা নামক বড় একক নির্দেশক উপসর্গ। D) ১০¹² — এটি ভুল অপশন কারণ দশের ওপর ধনাত্মক বারো পাওয়ার বা দশের বারো হলো টেরা নামক বড় একক নির্দেশক উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋণাত্মক ঘাতের ছোট উপসর্গগুলোর ক্রম মনে রাখতে পারো এভাবে: মিলি দশের মাইনাস তিন, মাইক্রো মাইনাস ছয়, ন্যানো মাইনাস নয় এবং পিকো মাইনাস বারো। - প্রতি ধাপে তিন করে ঘাত বৃদ্ধি পায়, যা পিকো এককের ক্ষেত্রে বারো পর্যন্ত পৌঁছায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ন্যানো, পিকো, ফেক্টো এবং গিগা, টেরা সম্পর্কে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে এক ন্যানোমিটার বা এক মাইক্রোমিটার সমান কত মিটার, তাই সবগুলোর মান ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a একটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস
b একটি তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা
c একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
d একটি ঋণাত্মক কণা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস ১. কেন সঠিক: - আলফা কণা হলো মূলত একটি দ্বি-ধনাত্মক হিলিয়াম আয়ন, যার মধ্যে দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন থাকে। - ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে এটি হিলিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সমতুল্য হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে নির্গত এক ধরনের ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা হলো আলফা কণা। - রাসায়নিক প্রতীক: একে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং এর ভরসংখ্যা চার ও পারমাণবিক সংখ্যা দুই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরেনিয়াম-২৩৮ মৌল আলফা কণা বিকিরণ করে থোরিয়াম-২৩৪ এ রূপান্তরিত হয়। ব্যাখ্যা: তেজস্ক্রিয় ক্ষয় প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণু স্থিতিশীল হতে আলফা কণা নির্গত করে। উদাহরণ ২: স্মোক ডিটেক্টরে বা ধোঁয়া শনাক্তকারী যন্ত্রে সামান্য পরিমাণ আমেরিসিয়াম-২৪১ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই যন্ত্রে আলফা কণা বায়ুকে আয়নিত করে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে, যা ধোঁয়া প্রবেশ করলে বাধাগ্রস্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস — হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস হলো কেবল একটি প্রোটন, যা প্রোটন কণা হিসেবে পরিচিত এবং আলফা কণা নয়। B) একটি তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা — তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা হলো নিউট্রন, কিন্তু আলফা কণা একটি ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা। D) একটি ঋণাত্মক কণা — ঋণাত্মক কণা হলো ইলেকট্রন বা বিটা কণা, কিন্তু আলফা কণা ধনাত্মক আধানযুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: আলফা কণা মানেই হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের সমতুল্য যার ভর চার এবং আধান প্লাস দুই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তেজস্ক্রিয় বিকিরণের মধ্যে আলফা কণার ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম কিন্তু আয়ন করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। এই টপিক থেকে বিসিএস পরীক্ষায় আলফা কণা ও বিটা কণার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a 32
b 50
c 18
d 82
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০ ১. কেন সঠিক: - পরমাণুর যেকোনো শক্তিস্তরে ইলেকট্রন ধারণ করার সর্বোচ্চ ক্ষমতা নির্ণয় করা হয় বোর মডেলের একটি নির্দিষ্ট সূত্রের মাধ্যমে। - এখানে ৫ম শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে, তাই সূত্রের এন এর মান ৫ বসিয়ে হিসাব করলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে বা কক্ষপথে ঘোরে এবং প্রতিটি স্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নির্দিষ্ট। - সূত্র: কোনো শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই গুণ এন স্কয়ার, যেখানে এন হলো শক্তিস্তর বা প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা। - কার্যপ্রণালি: ৫ম শক্তিস্তরের জন্য এন এর মান ৫ হলে, পাঁচ এর বর্গ হলো পঁচিশ এবং তার সঙ্গে দুই গুণ করলে ফলাফল হয় পঞ্চাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম শক্তিস্তর বা কে শেলে সর্বোচ্চ দুটি ইলেকট্রন থাকতে পারে কারণ এক এর বর্গ এক এবং তার সঙ্গে দুই গুণ করলে দুই হয়। ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম পরমাণুর প্রথম স্তরের ধারণক্ষমতা এই নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: তৃতীয় শক্তিস্তর বা এম শেলে সর্বোচ্চ আঠারোটি ইলেকট্রন থাকতে পারে কারণ তিন এর বর্গ নয় এবং তার সঙ্গে দুই গুণ করলে আঠারো হয়। ব্যাখ্যা: সোডিয়াম বা ক্লোরিনের মতো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে এই স্তরের পূর্ণতা লক্ষ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩২ — এটি চতুর্থ শক্তিস্তর বা এন শেলের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নির্দেশ করে যেখানে এন এর মান চার। B) ৫০ — এটি পঞ্চম শক্তিস্তর বা ও শেলের সঠিক ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা যা মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ১৮ — এটি তৃতীয় শক্তিস্তর বা এম শেলের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নির্দেশ করে যেখানে এন এর মান তিন। D) ৮২ — এটি তাত্ত্বিকভাবে উচ্চতর স্তরের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে তবে সাধারণ পরমাণুর ক্ষেত্রে এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রধান শক্তিস্তরের সাধারণ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা বের করার সহজ নিয়ম হলো প্রধান শক্তিস্তরের নম্বরকে বর্গ করে দুই দিয়ে গুণ করা। যেমন পঞ্চম স্তরের জন্য পাঁচ এর বর্গ পঁচিশ গুণ দুই সমান পঞ্চাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম চারটি শক্তিস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা অর্থাৎ দুই, আট, আঠারো এবং বত্রিশ সংখ্যাগুলো সরাসরি জানতে চাওয়া হয়। কখনো কখনো নির্দিষ্ট শক্তিস্তরের উপস্তর বা অরবিটালের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্নও এখান থেকে ঘুরিয়ে আসতে পারে।
a Yahoo
b Facebook
c DOS
d Windows
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Yahoo ১. কেন সঠিক: ইয়াহু (Yahoo) একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন এবং ওয়েব পোর্টাল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট থেকে তথ্য খুঁজে পেতে সহায়তা করে। এটি মূলত একটি তথ্য খোঁজার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে যেখানে কিওয়ার্ড লিখে প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট বা তথ্য অনুসন্ধান করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার বা ওয়েবভিত্তিক সিস্টেম যা ইন্টারনেটে থাকা কোটি কোটি ওয়েবপেজ থেকে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুঁজে বের করে। কার্যপদ্ধতি: সার্চ ইঞ্জিন ওয়েব ক্রলার বা স্পাইডার ব্যবহার করে ইন্টারনেটের তথ্য সংগ্রহ ও ইনডেক্স করে রাখে এবং ব্যবহারকারী সার্চ বক্সে কিছু লিখলে তার সঙ্গে মিল রেখে ফলাফল প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল (Google) ব্যাখ্যা: গুগল বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন তথ্য খুঁজতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বিং (Bing) ব্যাখ্যা: বিং হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির একটি সুপরিচিত সার্চ ইঞ্জিন যা ইয়াহুর মতোই ইন্টারনেট থেকে তথ্য অনুসন্ধানের কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yahoo — এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Facebook — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (Social Media Platform) যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে। C) DOS — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, এর পূর্ণরূপ ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম (Disk Operating System) এবং এটি একটি কমান্ড-লাইনভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। D) Windows — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেসভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)। ৫. মনে রাখার টিপস: সার্চ ইঞ্জিন চেনার সহজ উপায় হলো যেসব ওয়েবসাইটে তথ্য খোঁজার জন্য সার্চ বক্স থাকে এবং ফলাফল হিসেবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লিংক দেখায়, যেমন- Yahoo, Google, Bing. অন্যদিকে Facebook হলো সোশ্যাল সাইট এবং DOS ও Windows হলো অপারেটিং সিস্টেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ইয়াহু (Yahoo) ১৯৯৪ সালে জেরি ইয়াং এবং ডেভিড ফাইলো কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
a আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
b ইন্টারনেট অব থিংস
c রোবোটিক্স
d সবক'টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবক'টি ১. কেন সঠিক: চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা Industry 4.0 মূলত ডিজিটাল, শারীরিক এবং জৈবিক প্রযুক্তির সমন্বয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্টারনেট অব থিংস এবং রোবোটিক্স সবই এই বিপ্লবের মূল ভিত্তি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হলো এমন একটি যুগ যেখানে অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যমে উৎপাদন ও সেবা খাত পরিচালিত হয়। কার্যপদ্ধতি: সেন্সর, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং স্মার্ট অ্যালগরিদমের মাধ্যমে ডিভাইসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বৈশিষ্ট্য: এটি মানব শ্রমের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দ্রুত, নির্ভুল ও বুদ্ধিমান উৎপাদন নিশ্চিত করে। ব্যবহার: স্মার্ট ফ্যাক্টরি, স্বয়ংক্রিয় যান এবং আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্ট হোম সিস্টেম ব্যাখ্যা: ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরের লাইট, এসি এবং ফ্রিজ একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। উদাহরণ ২: চালকবিহীন গাড়ি ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সেন্সর ব্যবহার করে গাড়ি নিজেই রাস্তা চেনে এবং গতি নিয়ন্ত্রণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। B) ইন্টারনেট অব থিংস — এটি সঠিক কিন্তু একা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সম্পূর্ণ চিত্র প্রকাশ করে না। C) রোবোটিক্স — এটি সঠিক হলেও একা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের একমাত্র উপাদান নয়। D) সবক'টি — এই অপশনে থাকা প্রতিটি প্রযুক্তিই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অপরিহার্য অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মানেই স্মার্ট প্রযুক্তি। AI, IoT এবং Robotics হলো এর তিনটি প্রধান স্তম্ভ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ধারণার প্রবক্তা ক্লাউড শোয়াব। এই বিপ্লব সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেমের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়।
a Sign-magnitude
b 1's Complement
c 2's Complement
d কোনটিই নয়
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2's Complement ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য এবং বাইনারি বিয়োগের কাজ সহজে সম্পন্ন করার জন্য টু'স কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি সর্বাধুনিক ও সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে শূন্যের জন্য একটিমাত্র নির্দিষ্ট মান থাকে এবং এটি অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিটের সার্কিট ডিজাইন সহজ করে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: টু'স কমপ্লিমেন্ট হলো কোনো বাইনারি সংখ্যার ওয়ানস কমপ্লিমেন্টের সাথে ১ যোগ করে প্রাপ্ত মান, যা ঋণাত্মক সংখ্যাকে নির্দেশ করে। কার্যপদ্ধতি: প্রথমে ধনাত্মক সংখ্যার বাইনারি রূপের সব বিট উল্টিয়ে ওয়ানস কমপ্লিমেন্ট বের করা হয় এবং তার সাথে ১ যোগ করে টু'স কমপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়। ব্যবহার: আধুনিক কম্পিউটারের সিপিইউ এবং মেমোরিতে পূর্ণসংখ্যার সাইন বিটসহ মান সংরক্ষণের জন্য এটি অপরিহার্যভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্লাস ৫ এর বাইনারি ০০০০০১০১ হলে, তার টু'স কমপ্লিমেন্ট হবে মাইনাস ৫ বা ১১১১১০১১। ব্যাখ্যা: এই পদ্ধতিতে পজিটিভ ও নেগেটিভ মানের মধ্যে যোগের মাধ্যমে খুব সহজেই বিয়োগের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারের প্রসেসর যখন দুটি সংখ্যার বিয়োগ করে, তখন সেগুলোকে যোগের মাধ্যমে সমাধান করে। ব্যাখ্যা: টু'স কমপ্লিমেন্ট ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ সার্কিট বা এএলইউর নকশা অত্যন্ত সরল ও দ্রুতগতির হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sign-magnitude — এটি ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের প্রাথমিক পদ্ধতি হলেও এতে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক শূন্যের সমস্যা রয়েছে এবং হিসাব জটিল হয়। B) 1's Complement — এই পদ্ধতিতে শূন্যের দুটি ভিন্ন রূপ থাকে এবং বাইনারি যোগের সময় অতিরিক্ত ১ যোগ করার ঝামেলা থাকে। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা মানেই টু'স কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি মনে রাখবে। ওয়ানস কমপ্লিমেন্ট বের করার পর তার সাথে ১ যোগ করলেই টু'স কমপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে সাইন বিটসহ পূর্ণসংখ্যা সংরক্ষণের জন্য টু'স কমপ্লিমেন্ট সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই টপিক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a মনিটর
b প্রিন্টার
c কী-বোর্ড
d কোনটিই নয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কী-বোর্ড ১. কেন সঠিক: - কী-বোর্ড একটি প্রধান ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটার সিস্টেমে ডেটা বা নির্দেশ প্রদান করতে পারে। - এই ডিভাইসের সাহায্যে অক্ষর, সংখ্যা এবং বিভিন্ন কমান্ড লিখে কম্পিউটারের ভেতরে তথ্য পাঠানো হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যন্ত্র যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে কম্পিউটারের বোধগম্য বাইনারি কোডে রূপান্তর করে প্রসেসিংয়ের জন্য পাঠায়। - কার্যপদ্ধতি: কী-বোর্ডের কোনো বোতাম বা কি চাপলে একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট পুশ হয়ে নির্দিষ্ট সিগন্যাল তৈরি করে এবং তা প্রসেসরে পাঠায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ইউএসবি কী-বোর্ড। ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারে লেখালেখি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের বিল্ট-ইন কী-বোর্ড। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে এবং ব্যবহারকারীর টাইপ করা নির্দেশ কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে প্রবেশ করায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা প্রসেসিংয়ের পর ফলাফল পর্দায় প্রদর্শন করে এবং কোনো ইনপুট গ্রহণ করে না। B) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের ভেতরের সফটকপিকে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ডকপি রূপ দেয়। D) কোনটিই নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সি অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইন মানে ভেতরে এবং আউট মানে বাইরে। যে ডিভাইসগুলো দিয়ে তথ্য ভেতরে পাঠানো হয় তা ইনপুট এবং যা বাইরে প্রকাশ করে তা আউটপুট। - মনিটর ও প্রিন্টার সবসময় ফলাফল দেখায় বা দেয়, তাই এরা আউটপুট ডিভাইস আর কী-বোর্ড নির্দেশ নেয়, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রায় সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - মাউস, স্ক্যানার ও জয়স্টিক অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ।
a Compact Disk
b Compact Disc
c Central Drive
d Crystal Drive
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Compact Disc ১. কেন সঠিক: - সিডি (CD) বা কমপ্যাক্ট ডিস্ক হলো একটি অপটিক্যাল বা আলোকীয় স্টোরেজ ডিভাইস যা ডেটা সংরক্ষণ করতে লেজার রশ্মি ব্যবহার করে। - শিল্প মানদণ্ডে সিডি বোঝাতে Disc বানানটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে অডিও বা স্টোরেজ মিডিয়ার ক্ষেত্রে এই বানান প্রমিত হিসেবে গণ্য হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কমপ্যাক্ট ডিস্ক হলো ডিজিটাল অডিও এবং কম্পিউটার ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি পলি কার্বনেট ডিস্ক বিশেষ। - কার্যপদ্ধতি: এর পৃষ্ঠে থাকা ক্ষুদ্র পিট ও ল্যান্ড অংশগুলো লেজার রশ্মির সাহায্যে রিড বা পড়া হয় এবং ডেটা প্রসেস করা হয়। - বৈশিষ্ট্য: এর ধারণক্ষমতা সাধারণত ৭০০ মেগাবাইট হয়ে থাকে এবং এটি ডেটা রিড-অনলি বা রিড-রাইট উভয় মোডে কাজ করতে পারে। - ব্যবহার: মূলত গান শোনা, সফটওয়্যার ইনস্টল করা এবং ছোট আকারের ব্যাকআপ রাখার কাজে এটি বহুল ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজের পুরনো অপারেটিং সিস্টেম সিডি। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার জন্য এই অপটিক্যাল ডিস্কের ভেতরে ডেটা সংরক্ষিত থাকত। উদাহরণ ২: অডিও অ্যালবামের মিউজিক সিডি। ব্যাখ্যা: গাড়ির মিউজিক প্লেয়ারে গান শোনার জন্য এই ডিস্ক ব্যবহার করা হয়, যা ডিজিটাল সিগন্যাল রিড করে শব্দ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compact Disk — কম্পিউটার প্রযুক্তিতে সাধারণত অপটিক্যাল স্টোরেজ মাধ্যম বোঝাতে Disc বানানটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে, তাই Disk বানানটি এখানে প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নয়। B) Compact Disc — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত পূর্ণরূপ যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী গৃহীত হয়েছে। C) Central Drive — এটি সিডির কোনো পূর্ণরূপ নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল শব্দগুচ্ছ। D) Crystal Drive — ক্রিস্টাল ড্রাইভ নামে কোনো জনপ্রিয় বা স্বীকৃত স্টোরেজ প্রযুক্তি বা সিডির পূর্ণরূপ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিডির পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অডিও বা স্টোরেজ মিডিয়ার ক্ষেত্রে Disc বানান ব্যবহার করা হয় এবং হার্ডডিস্কের ক্ষেত্রে Disk ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্ট্যান্ডার্ড সিডির ধারণক্ষমতা সাধারণত ৭০০ মেগাবাইট বা প্রায় ৮০ মিনিট অডিও হয়ে থাকে। - অপটিক্যাল ডিস্ক প্রযুক্তিতে ডেটা পড়ার জন্য লেজার ডায়োড ব্যবহার করা হয়।
a HUB (হাব)
b Bridge
c Gateway
d PAN
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) HUB (হাব) ১. কেন সঠিক: - হাব হলো একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসকে একসঙ্গে যুক্ত করে। - এটি মূলত একটি মাল্টিপোর্ট রিপিটার হিসেবে কাজ করে, কারণ এর দুই বা ততোধিক পোর্ট থাকে এবং এটি সিগন্যাল রিসিভ করে সব পোর্টে ব্রডকাস্ট করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: হাব হলো একটি সেন্ট্রাল ডিভাইস যা স্টার টপোলজিতে একাধিক নোডকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি কোনো নির্দিষ্ট পোর্টের ঠিকানা চেনে না, তাই একটি পোর্ট থেকে ডেটা পেলে তা অন্য সব পোর্টে পাঠিয়ে দেয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি ওএসআই মডেলের ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে এবং এতে কোনো ইন্টেলিজেন্স বা ডেটা ফিল্টারিং ক্ষমতা থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসরুমের মাইক সিস্টেম ব্যাখ্যা: শিক্ষক মাইক্রোফোনে কথা বললে তা যেমন রুমের সব লাউডস্পিকারে শোনা যায়, হাব ঠিক তেমনি একটি ডিভাইস থেকে ডেটা পেলেই সব ডিভাইসে তা ছড়িয়ে দেয়। উদাহরণ ২: একটি ছোট অফিসের লোকাল নেটওয়ার্ক ব্যাখ্যা: অফিসে পাঁচটি কম্পিউটারকে একটি হাবের সাথে যুক্ত করলে তারা সহজেই একে অপরের সাথে ফিজিক্যালি সংযুক্ত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HUB (হাব) — এটি দুই বা ততোধিক পোর্টবিশিষ্ট ডিভাইস যা রিপিটারের বর্ধিত রূপ হিসেবে কাজ করে এবং সঠিক উত্তর। B) Bridge — ব্রিজ হলো দুই বা ততোধিক ল্যানকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত একটি ডিভাইস, যা ডেটা প্যাকেট ফিল্টার করতে পারে। C) Gateway — গেটওয়ে হলো ভিন্ন প্রোটোকলযুক্ত দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্ককে যুক্ত করার একটি জটিল নেটওয়ার্কিং ডিভাইস। D) PAN — প্যান হলো পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক, যা কোনো ডিভাইস নয় বরং একটি ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র নেটওয়ার্কের পরিধি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধারণ রিপিটারের পোর্ট থাকে দুটি, আর দুই বা ততোধিক পোর্টযুক্ত রিপিটারকে হাব বলা হয়। - হাব মানেই ব্রডকাস্ট, এটি সবার মাঝে ডেটা ছড়িয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হাব ওএসআই মডেলের প্রথম স্তর বা ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নেটওয়ার্কিং ডিভাইসগুলোর লেয়ার ও কাজ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a দিল্লি
b ক্যালিফোর্নিয়া
c সিলিকন ভ্যালি
d অটোয়া
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিলিকন ভ্যালি ১. কেন সঠিক: সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, সফটওয়্যার নির্মাতা এবং স্টার্টআপগুলোর প্রধান কার্যালয় এখানে থাকার কারণে একে প্রযুক্তির রাজধানী বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিলিকন ভ্যালি হলো এমন একটি ভৌগোলিক অঞ্চল যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। ব্যবহার: অ্যাপল, গুগল, মেটা এবং ইন্টেলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্ভাবন ও গবেষণার মূল কেন্দ্র হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাপল এবং গুগল ব্যাখ্যা: এই বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্ম ও প্রধান কার্যালয় সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত হওয়ায় এটি প্রযুক্তির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ব্যাখ্যা: নতুন প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো এখানে সহজেই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বা বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা লাভ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র, বিশ্বের প্রযুক্তির প্রধান শহর হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত নয়। B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি একটি বড় অঙ্গরাজ্য যার একটি নির্দিষ্ট অংশ হলো সিলিকন ভ্যালি, তাই সমগ্র অঙ্গরাজ্যকে সরাসরি প্রযুক্তির শহর বলা যায় না। D) অটোয়া — এটি কানাডার রাজধানী এবং প্রশাসনিক শহর, বিশ্ব প্রযুক্তির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে এটি সিলিকন ভ্যালির সমকক্ষ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রযুক্তির শহর বললে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত সিলিকন ভ্যালিকে মনে রাখবে। সিলিকন চিপ বা মাইক্রোপ্রসেসরের নাম থেকেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের আইটি বা তথ্যপ্রযুক্তির রাজধানী বলা হয় সিলিকন ভ্যালিকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রযুক্তিগত ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a মাউস
b প্লটার
c স্ক্যানার
d সবক'টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লটার ১. কেন সঠিক: প্লটার একটি বিশেষায়িত আউটপুট ডিভাইস যা সাধারণত বড় আকারের গ্রাফিক্স, স্থাপত্য নকশা, ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং এবং ব্যানার প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কম্পিউটারের নির্দেশ অনুযায়ী কাগজের ওপর নিখুঁত এবং উচ্চমানের ভেক্টর গ্রাফিক্স বা লাইন ড্রয়িং তৈরি করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্লটার হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস যা পেন বা কালির সাহায্যে কাগজের ওপর নিখুঁত ও দ্বিমাত্রিক বা ত্রিমাত্রিক রেখাচিত্র অঙ্কন করে। কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণ প্রিন্টারের মতো ডট বা পিক্সেল প্রিন্ট না করে কাগজের ওপর কলম বা কাটার সুইভেল মুভমেন্টের মাধ্যমে অবিচ্ছিন্ন রেখা টানে। বৈশিষ্ট্য: এটি অত্যন্ত বড় মাপের কাগজে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে প্রিন্ট করতে সক্ষম এবং ভেক্টর ডেটা নিয়ে কাজ করে। ব্যবহার: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ব্লুপ্রিন্ট, ক্যাড (CAD) ডিজাইন, এবং বড় বিজ্ঞাপন ও হোর্ডিং তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্থাপত্য নকশা ব্যাখ্যা: একজন স্থপতি যখন একটি বহুতল ভবনের বিশাল ব্লুপ্রিন্ট বা নিখুঁত নকশা প্রিন্ট করতে চান, তখন প্লটার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: বিজ্ঞাপন শিল্প ব্যাখ্যা: রাস্তার ধারের বড় ফ্লেক্স ব্যানার বা ফেস্টুন তৈরির কাজে প্রিন্টিং প্রেস বা সাইন মেকিংয়ে প্লটার অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারে নির্দেশ বা ডেটা প্রবেশ করানো হয়। B) প্লটার — এটি সঠিক উত্তর। C) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কাগজের ছবি বা ডকুমেন্ট কম্পিউটারে ডিজিটাল রূপান্তর করা হয়। D) সবক'টি — যেহেতু মাউস ও স্ক্যানার ইনপুট ডিভাইস, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: ইনপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে কম্পিউটারকে তথ্য দেওয়া হয় যেমন মাউস ও স্ক্যানার। আউটপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে ফলাফল দেখা বা পাওয়া যায় যেমন প্লটার ও মনিটর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইস থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। প্লটার এবং সাধারণ প্রিন্টারের মূল পার্থক্য হলো প্লটার ভেক্টর গ্রাফিক্সের জন্য এবং বড় আকারের কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
a সি
b সি++
c অ্যান্ড্রয়েড
d প্যাসকেল
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যান্ড্রয়েড ১. কেন সঠিক: - অ্যান্ড্রয়েড কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, এটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি একটি বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। - প্রোগ্রামিং ভাষা হলো কিছু নিয়মের সমষ্টি যার মাধ্যমে কম্পিউটারের জন্য নির্দেশমালা বা সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ভাষা হলো এক ধরনের কৃত্রিম ভাষা যা কম্পিউটার বা অন্যান্য যন্ত্রকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: প্রোগ্রামাররা নির্দিষ্ট সিনট্যাক্স বা ব্যাকরণ মেনে কোড লেখেন যা পরবর্তীতে কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে মেশিন কোডে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সি ভাষা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত জেনারেল পারপাস প্রোগ্রামিং ভাষা যা সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: প্যাসকেল ব্যাখ্যা: এটি একটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত শিক্ষামূলক কাজে ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সি — এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শক্তিশালী স্ট্রাকচারড প্রোগ্রামিং ভাষা। B) সি++ — এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি উন্নত প্রোগ্রামিং ভাষা। C) অ্যান্ড্রয়েড — এটি প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং এটি লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। D) প্যাসকেল — এটি নিকলাউস ওয়ার্থ কর্তৃক ডেভেলপ করা একটি শিক্ষাভিত্তিক প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং ভাষা। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রোগ্রামিং ভাষা চেনার সহজ উপায় হলো ভাষাগুলোর নামের শেষে সাধারণত প্লাস প্লাস, শার্প কিংবা প্যাসকেল, পাইথন, জাভা ইত্যাদি শব্দ থাকে। - অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, লিনাক্স ও অ্যান্ড্রয়েড কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি মূলত গুগল কর্তৃক পরিচালিত হয় এবং এটি ওপেন সোর্স প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফটওয়্যার ও প্রোগ্রামিং ভাষার পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a Yahoo
b Apple
c দারাজ
d গুগল
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গুগল ১. কেন সঠিক: ইউটিউব (YouTube) বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। গুগল প্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সালে ইউটিউব কিনে নেয় এবং বর্তমানে এটি গু글ের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইউটিউব হলো একটি অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের ভিডিও আপলোড, দেখা, লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করার সুযোগ দেয়। কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লাউড সার্ভারের মাধ্যমে ভিডিও স্ট্রিমিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারীর আপলোড করা ভিডিও ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য ডিভাইসে প্রদর্শিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে ইউটিউব অ্যাপ ব্যবহার করে শিক্ষামূলক বা বিনোদনমূলক ভিডিও দেখা। ব্যাখ্যা: এটি গুগলের সার্ভার থেকে ইন্টারনেট ডেটা স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে ইউজারের স্ক্রিনে ভিডিও প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: কোনো ক্রিয়েটর কর্তৃক ইউটিউব চ্যানেলে নতুন ভিডিও আপলোড করা। ব্যাখ্যা: আপলোড করার পর ভিডিওটি গুগলের ডেটাসেন্টারে জমা হয় এবং বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yahoo — ইয়াহু একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ও ওয়েব পোর্টাল হলেও এটি ইউটিউবের মালিকানা প্রতিষ্ঠান নয়। B) Apple — অ্যাপল আইফোন, ম্যাকবুক ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে, কিন্তু ইউটিউবের মালিকানাধীন নয়। C) দারাজ — দারাজ একটি ই-কমার্স বা অনলাইন কেনাকাটার প্ল্যাটফর্ম, এর সঙ্গে ভিডিও শেয়ারিং সাইটের মালিকানার কোনো সম্পর্ক নেই। D) গুগল — গুগল হলো ইউটিউবের মূল স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান, যা ২০০৬ সালে এটি অধিগ্রহণ করেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: ভিডিও দেখার জনপ্রিয় মাধ্যম ইউটিউব এবং সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল ওয়ান ফ্যামিলির অংশ। মনে রাখতে হবে যে সার্চ জায়ান্ট গুগল ২০০৬ সালে ইউটিউব কিনে নিয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউটিউব প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে এবং গুগলের কাছে বিক্রি হয় ২০০৬ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জনপ্রিয় টেক জায়ান্টগুলোর অধিগ্রহণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (19)

a মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
b দেবেশ রায়
c হাসান আজিজুল হক
d অদ্বৈত মল্লবর্মন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অদ্বৈত মল্লবর্মন ১. কেন সঠিক: - 'তিতাস একটি নদীর নাম' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কালজয়ী উপন্যাস এবং এর রচয়িতা অদ্বৈত মল্লবর্মন। - এই উপন্যাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, সুখ, দুঃখ ও সংগ্রাম নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অদ্বৈত মল্লবর্মন ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি মূলত নদীপাড়ের মানুষের জীবন নিয়ে লিখে গেছেন। - তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসটি তাঁর জীবদ্দশায় গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হতে পারেনি এবং তাঁর মৃত্যুর পর এটি প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা নদীকেন্দ্রিক অপর একটি বিশ্বমানের বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস। উদাহরণ ২: দিবারাত্রির কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি 'পদ্মা নদীর মাঝি' ও 'পুতুলনাচের ইতিকথা' উপন্যাসের লেখক হলেও 'তিতাস একটি নদীর নাম' তাঁর রচিত নয়। B) দেবেশ রায় — ইনি একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি 'তিস্তাপুরাণের দালান' ও 'মফস্বলে দিনরাত্রি'র মতো বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন। C) হাসান আজিজুল হক — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসহিত্যিক ও ছোটগল্পকার যিনি 'আগুনপাখি' উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। D) অদ্বৈত মল্লবর্মন — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই অনন্য উপন্যাসটির একমাত্র রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - তিতাস নদীর নাম শুনলেই মনে রাখবে জেলে বা মালো সম্প্রদায়ের কষ্টের কথা এবং এর স্রষ্টা হলেন অদ্বৈত মল্লবর্মন। - নদীর নাম দিয়ে উপন্যাস মনে রাখার সময় অদ্বৈত মল্লবর্মন ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম যেন গুলিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই লেখকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি। - তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কিশোর এবং এটি মূলত মালো সম্প্রদায়ের অবক্ষয় ও জীবনের ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত।
a প্রমথ চৌধুরী
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c মহাদেব সাহা
d বনফুল
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং এর মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার প্রবর্তন করেন। - ১৯১৪ সালের মে মাসে বাংলা ১৩২১ সালের বৈশাখে এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা গদ্যে সাধু রীতির পরিবর্তে চলিত রীতির ব্যবহারে বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রাবন্ধিক এবং বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে তিনি লেখালেখি করতেন। - সবুজপত্র পত্রিকার মুখপত্র হিসেবে চলিত ভাষার পক্ষে বলিষ্ঠ অবস্থান নেন প্রমথ চৌধুরী এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ বহু প্রথিতযশা লেখক এতে লেখালেখি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম, যার নামে তিনি সবুজপত্র পত্রিকায় বিভিন্ন মননশীল প্রবন্ধ রচনা করতেন। উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি ভিন্ন ধারার সংযোজন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — ইনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক এবং বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তিনি মূলত চরিত্রহীন ও দেবদাস উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। C) মহাদেব সাহা — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক, যিনি সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) বনফুল — ইনি প্রমথ চৌধুরীর সমসাময়িক বা পরবর্তীকালের প্রখ্যাত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যিনি সবুজপত্র সম্পাদনা করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরীকে মনে রাখতে সবুজ পাতার মাঝে প্রমথ চৌধুরীর বীরবল রূপটি কল্পনা করতে পারো। - বাংলা চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী আর তার মুখপত্র সবুজপত্র, এভাবে দুটি তথ্য একসাথে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদক সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে পত্রিকার নাম, সম্পাদকের নাম এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a মতিচুর
b চরিত্রহীন
c পদ্মরাগ
d অবরোধবাসিনী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চরিত্রহীন কেন সঠিক: ১. চরিত্রহীন উপন্যাসটির রচয়িতা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন নন, বরং এটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অমর সৃষ্টি। ২. বেগম রোকেয়া নারীজাগরণ ও সমাজ সংস্কারমূলক সাহিত্য রচনা করলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সাহিত্যিক সম্পৃক্ততা নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর বাস্তবধর্মী উপন্যাস ও সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ২. চরিত্রহীন উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের জটিল পারিবারিক সম্পর্ক ও নৈতিকতার চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে শ্রীকান্ত, গৃহদাহ ও দেবদাস বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মতিচুর — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। B) চরিত্রহীন — এটি রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন রচিত গ্রন্থ নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হবে। C) পদ্মরাগ — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন রচিত একটি সুপরিচিত উপন্যাস ও আদর্শ নারীর প্রতিকৃতিমূলক গ্রন্থ। D) অবরোধবাসিনী — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন রচিত পর্দাপ্রথা ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটি ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ। মনে রাখার টিপস: ১. বেগম রোকেয়ার প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো মতিচুরের লাড্ডু খেয়ে অবরোধবাসিনী পদ্মরাগ দেখতে গেল। ২. শরৎচন্দ্রের উপন্যাসগুলোর সাথে রোকেয়ার রচনা গুলিয়ে ফেলা যাবে না কারণ তাদের লেখার বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা।
a নাপ্পি
b লাশ
c লিচু
d রিকশা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিচু ১. কেন সঠিক: - লিচু একটি চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দ, যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের একটি অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি ভাষা থেকে যে শব্দগুলো সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। - চীনা ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খুব কম শব্দই এসেছে এবং সেগুলোর মধ্যে লিচু একটি প্রধান উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চা ব্যাখ্যা: চা একটি চীনা শব্দ যা আমাদের পানীয় হিসেবে বহুল পরিচিত। উদাহরণ ২: চিনি ব্যাখ্যা: চিনি শব্দটিও চীনা ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাপ্পি — এটি একটি বিদেশি শব্দ হলেও তা চীনা ভাষা থেকে আসেনি, বরং এটি অন্য ভাষার শব্দ। B) লাশ — লাশ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে, চীনা ভাষা থেকে নয়। D) রিকশা — রিকশা একটি জাপানি শব্দ, যা চীনা ভাষার অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চীনা শব্দ মনে রাখার জন্য চা ও লিচুর জুড়ি মেলা ভার। - এই দুটি শব্দ দিয়েই অধিকাংশ পরীক্ষায় চীনা শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন কমন পড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন ভাষা থেকে কোন শব্দগুলো এসেছে, তা ছক আকারে পড়লে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a চোখের বালি
b ভ্রান্তিবিলাস
c শেষের কবিতা
d ঘরে - বাইরে
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভ্রান্তিবিলাস ১. কেন সঠিক: ভ্রান্তিবিলাস বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। এটি মূলত মহাকবি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের দ্য কমেডি অফ এররস নাটকের একটি বাংলা গদ্যানুবাদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভ্রান্তিবিলাস গ্রন্থটির রচয়িতা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটক অবলম্বনে ১৮৬৯ সালে এই গ্রন্থটি রচনা ও প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেক্সপিয়রের নাটক ব্যাখ্যা: ভ্রান্তিবিলাস প্রকাশের মাধ্যমে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ইংরেজি সাহিত্যকে বাংলাভাষীদের কাছে পরিচিত করার ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখেন। উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাসের মূল উৎস ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত কমেডি নাটক দ্য কমেডি অফ এররস এর বাংলা রূপান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চোখের বালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান চরিত্র বিনোদিনী। B) ভ্রান্তিবিলাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয়, বরং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত অনুবাদ গ্রন্থ। C) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। D) ঘরে - বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি স্বদেশী আন্দোলন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চোখের বালি, শেষের কবিতা ও ঘরে বাইরে একসাথে মনে রাখতে পারো। আর ভ্রান্তিবিলাস দেখলে বুঝতে হবে এটি বিদ্যাসাগরের অনুবাদ কর্ম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অনুবাদ গ্রন্থ বা অন্য লেখকের বিখ্যাত বই রবীন্দ্রনাথের নামে চালিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাই মূল লেখকের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a উপন্যাস
b কাব্যগ্রন্থ
c গল্পগ্রন্থ
d জীবনী গ্রন্থ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের দারিদ্র্য, মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম এবং নৈতিকতার দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি সফলভাবে বেশ কিছু উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনা করেছেন। - মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত প্রথম পত্রোপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ মৃত্যুক্ষুধা একটি দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস। B) কাব্যগ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে রচিত উপন্যাস। C) গল্পগ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ছোটগল্পের সংকলন নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। D) জীবনী গ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কারও জীবনচরিত বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের উপন্যাসের সংখ্যা কম। প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের উপন্যাসগুলোর নাম বারবার আসে। তাই তার উপন্যাস তিনটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a স্বর্ণকুমারী দেবী
b সারদা দেবী
c প্রতিভা বসু
d চন্দ্রাবতী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চন্দ্রাবতী ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতী সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। - ষোড়শ শতাব্দীতে ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার পাটুয়ারী গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্যিক ধারা বা মর্মান্তিক গীতিকাব্যের সূচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রাবতীর পিতা বিখ্যাত কবি দ্বিজ বংশীদাস মনসা মঙ্গল কাব্য রচনা করেন এবং তাঁর অনুপ্রেরণায় চন্দ্রাবতী রামায়ণ অনুবাদে হাত দেন। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনিই প্রথম নারী যিনি স্বরচিত ও অনূদিত কাব্যের মাধ্যমে নিজস্ব সাহিত্যিক স্বকীয়তা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত পালা বা গীতিকাব্য। উদাহরণ ২: রামায়ণ ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতী নারীদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাংলা ভাষায় প্রথম রামায়ণ রচনা করেন যা তাঁর প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বর্ণকুমারী দেবী — ইনি আধুনিক যুগের লেখক এবং উনিশ শতকের নারী সাহিত্যিক ও নাট্যকার। B) সারদা দেবী — ইনি শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সহধর্মিণী ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব, কোনো কবি নন। C) প্রতিভা বসু — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার। D) চন্দ্রাবতী — মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হওয়ার কারণে এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের চন্দ্রের আলো দিয়ে বাংলা সাহিত্যের নারীদের কাব্যচর্চা শুরু হয়েছিল এভাবে মনে রাখবে। - চন্দ্রাবতী মানেই মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের নারী কবি সম্পর্কিত প্রশ্নে প্রায়ই চন্দ্রাবতীর নাম আসে। - মধ্যযুগের একমাত্র নারী কবি হিসেবেও অনেক সময় তাঁর নাম পরীক্ষাসমূহে জানতে চাওয়া হয়।
a গুণক
b গুণিনী
c গুণক
d গুণিনি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুণিনী ১. কেন সঠিক: - গুণী শব্দের পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে ইন প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে। - গুণী শব্দের অর্থ গুণবান বা জ্ঞানী ব্যক্তি, যার স্ত্রীলিঙ্গ গুণিনী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু তৎসম শব্দের পুংলিঙ্গবাচক শব্দের অন্তে ইন প্রত্যয়ান্ত থাকলে স্ত্রীলিঙ্গ করার সময় ঈ-কার যুক্ত হয়। - গুণী শব্দের মূল শব্দ গুণিন, যার সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গুণিনী গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তেজস্বী ব্যাখ্যা: তেজস্বী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ তেজস্বিনী, যা একই নিয়মে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অভিমানী ব্যাখ্যা: অভিমানী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ অভিমানিনী, যেখানে ইন প্রত্যয়ান্ত শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুণক — গুণক শব্দটি গুণী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ নয়, এটি অন্য শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) গুণিনী — এটি সঠিক উত্তর। C) গুণক — অপশনে পুনরাবৃত্তি রয়েছে এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ নয়। D) গুণিনি — এখানে বানানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইন প্রত্যয়ান্ত পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। - গুণী থেকে গুণিনী এবং তেজস্বী থেকে তেজস্বিনী এই নিয়মের অন্তভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তন প্রায়ই আসে। - বানানের শুদ্ধতা রক্ষার জন্য দীর্ঘ ঈ-কারের ব্যবহার মনে রাখা জরুরি।
a মনসুর বয়াতী
b দ্বিজ চণ্ডীদাস
c দ্বিজ কানাই
d দ্বিজ বংশীদাস
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিজ কানাই ১. কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় ও শ্রেষ্ঠ পালা 'মহুয়া'র রচয়িতা হলেন কবি দ্বিজ কানাই। - ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত 'ময়মনসিংহ গীতিকা' গ্রন্থে এই পালাটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'মহুয়া' পালাটি বাঙালি লোকসাহিত্যের এক অমর প্রেমের ট্র্যাজেডি এবং এটি নেত্রকোণা অঞ্চলের সুসং দুর্গাপুরের কংস নদীর পাড়ের পটভূমিতে রচিত। - দ্বিজ কানাই ছিলেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের একজন প্রতিভাবান লোককবি যিনি এই করুণ প্রেমের কাহিনিটি লোকগাথারূপে রূপদান করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা ব্যাখ্যা: এই পালার প্রধান দুটি চরিত্র হলো নদের চাঁদ ও মহুয়া, যাদের প্রেম ও ত্যাগের কাহিনি লোকসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি বিখ্যাত পালা যার রচয়িতা চন্দ্রকুমার দে অথবা দ্বিজ ঈশান, যা লোকসাহিত্যের আরেকটি ট্র্যাজেডি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসুর বয়াতী — মনসুর বয়াতী ময়মনসিংহ গীতিকার 'দেওয়ানা মদিনা' পালার রচয়িতা, 'মহুয়া'র নন। B) দ্বিজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা পদাবলীর সঙ্গে যুক্ত একজন বিশিষ্ট কবি, ময়মনসিংহ গীতিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) দ্বিজ কানাই — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। D) দ্বিজ বংশীদাস — দ্বিজ বংশীদাস মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম বিখ্যাত রচয়িতা চণ্ডীদাসের পিতা, তিনি ময়মনসিংহ গীতিকা লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহুয়া মানেই কানাই, এভাবে মনে রাখতে পারো যে মহুয়া পালার লেখক কানাই। - ময়মনসিংহ গীতিকার প্রথম ও প্রধান পালাগুলোর রচয়িতাদের নাম আলাদাভাবে তালিকা করে মুখস্থ রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক ও বিভিন্ন পালার রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে। - ড. দীনেশচন্দ্র সেন ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ময়মনসিংহ গীতিকা' প্রকাশ করেন, এই তথ্যটিও মনে রাখা জরুরি।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c কালীপ্রসন্ন সিংহ
d ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থল বা সন্ধিক্ষণ হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কাব্যসাধনাকে চিহ্নিত করা হয়। তাঁর কবিতায় মধ্যযুগের সাহিত্যের অবসান এবং আধুনিক যুগের সূচনার লক্ষণ একসঙ্গে প্রকাশ পাওয়ায় তাঁকে যুগ সন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি এবং সাংবাদিক যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। তাঁর কাব্যে প্রাচীন ধারার পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দের ব্যবহার থাকলেও সমসাময়িক সমাজচিত্র ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বহু অবহেলিত প্রাচীন কবির জীবনী ও সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করেন। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে তাঁর সাহিত্যগুরু বলে স্বীকার করেছিলেন। ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের বাস্তবধর্মী জীবনদর্শন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত, কোনো যুগ সন্ধিক্ষণের কবি নন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। C) কালীপ্রসন্ন সিংহ — তিনি কলকাতার সমাজের চিত্র নিয়ে হুতোম প্যাঁচার নকশা লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মধ্য ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থলের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নামের সাথে যুগসন্ধিক্ষণ কথাটি মনে রাখতে গুপ্ত ও গুঞ্জন শব্দ দুটি মাথায় রাখতে পারো, যেখানে তিনি পুরনো ও নতুন ধারার গুঞ্জন তৈরি করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগ সন্ধিক্ষণের কবি কে, এই প্রশ্নটি বারবার আসে। তাই ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম এবং তাঁর সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সংবাদ প্রভাকর
b শিখা
c কালি - কলম
d বঙ্গদর্শন
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিখা ১. কেন সঠিক: - শিখা পত্রিকার মুখবন্ধে লেখা থাকত জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। এই স্লোগানটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মূল দর্শনকে প্রকাশ করে। - ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের মুখপত্র হিসেবে শিখা পত্রিকা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান প্রচারক হিসেবে কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় গঠিত হয় এবং এর পেছনে আবুল হুসেন ও কাজী মোতাহের হোসেনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। - শিখা পত্রিকার প্রথম প্রকাশ ১৯২৭ সালে এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল ফজল, যদিও পরে বুদ্ধদেব বসু ও কাজী মোতাহের হোসেন এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী মোতাহের হোসেন সম্পাদিত পত্রিকা শিখা। ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকাটি মুক্তবুদ্ধি চর্চায় অনন্য অবদান রাখে। উদাহরণ ২: আবুল হুসেনের সমাজ সংস্কারমূলক প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য সমাজের লেখকরা সমাজের গোঁড়ামি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা এবং এর সঙ্গে মুসলিম সাহিত্য সমাজের কোনো সম্পর্ক নেই। B) শিখা — এটি সঠিক উত্তর এবং মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। C) কালি - কলম — এটি বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক সাহিত্যপত্র যা বুদ্ধদেব বসু ও শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রকাশিত হয়। D) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বিখ্যাত সাহিত্যপত্র যা বাংলা উপন্যাসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সমাজ মানেই বুদ্ধির মুক্তি আর বুদ্ধির মুক্তি মানেই শিখা জ্বালানো। - শিখা পত্রিকার বিখ্যাত বাণী জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনকে মনে করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মুসলিম সাহিত্য সমাজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মুখপত্র কোনটি। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান মুখপত্র হিসেবে শিখা পত্রিকার নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a অভিলাষ
b সাধ
c আর্জি
d অভিপ্রায়
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আর্জি ১. কেন সঠিক: - 'আর্জি' শব্দটির অর্থ আবেদন, প্রার্থনা বা নিবেদন, যা 'ইচ্ছা' শব্দের সমার্থক নয়। - প্রশ্নটিতে কোনটি 'ইচ্ছা' শব্দের প্রতিশব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই ভিন্নার্থক শব্দটিই সঠিক উত্তর। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো একই অর্থ প্রকাশ করে সেগুলোকে সমার্থক শব্দ বা একার্থক শব্দ বলা হয়। - 'ইচ্ছা' শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো স্পৃহা, বাঞ্ছা, অভিলাষ, সাধ, অভিপ্রায় ও ইচ্ছা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মনের সাধ পূর্ণ হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সাধ' শব্দটি 'ইচ্ছা' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তার অভিপ্রায় ভালো ছিল না। ব্যাখ্যা: এখানে 'অভিপ্রায়' শব্দটি মনের ইচ্ছা বা মতলব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিলাষ — এটি 'ইচ্ছা' শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) সাধ — এটি মনের আনন্দ বা 'ইচ্ছা' বোঝাতে ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) আর্জি — এটি আবেদন বা নিবেদন বোঝায়, যার সাথে 'ইচ্ছা' শব্দের সরাসরি মিল নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) অভিপ্রায় — এটি মনোভাব বা 'ইচ্ছা' শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবেদন বা দরখাস্ত বোঝাতে 'আর্জি' ব্যবহার করা হয়, যা মনের ভাব বা ইচ্ছার সমার্থক নয়। - সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে ছন্দে ছন্দে মুখস্থ করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে বাংলা একাডেমির প্রমিত অভিধান অনুসরণ করা উচিত।
a অগ্নিসাক্ষী
b চিলেকোঠার সেপাই
c আগুনপাখি
d আরেক ফাল্গুন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আরেক ফাল্গুন কেন সঠিক: - এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদদের স্মৃতি। - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রামাণ্য উপন্যাস। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়ীতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান। - উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের কর্মীদের কারাবাস, সংগ্রাম এবং শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশের বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - উপন্যাসের নাম থেকেই বোঝা যায় এটি বসন্ত তথা ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারিকে নির্দেশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অগ্নিসাক্ষী — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উপন্যাস। - B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ঊনসত্তরের গণঅভুথান ভিত্তিক উপন্যাস। - C) আগুনপাখি — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত দেশভাগ ও দেশভাগের আগের সমাজ জীবনভিত্তিক উপন্যাস। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - ফাল্গুন মাস আসে ফেব্রুয়ারিতে, আর ভাষা আন্দোলন হয়েছিল একুশে ফেব্রুয়ারি ফাল্গুন মাসেই।
a গ্রাম
b দোকান
c বাড়ি
d প্রাসাদ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাড়ি ১. কেন সঠিক: নিকেতন শব্দটির সাধারণ ও প্রমিত অর্থ হলো বাড়ি, ঘর, আবাসস্থল বা আলয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি তৎসম শব্দ। বাংলা শব্দভান্ডারে নিকেতন একটি বহুল ব্যবহৃত বিশেষ্য পদ যা মানুষের বসবাসের স্থায়ী স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছায়াঘেরা নিকেতন। ব্যাখ্যা: এখানে নিকেতন শব্দটি মানুষের বসবাসের ঘর বা বাড়িকে নির্দেশ করছে। উদাহরণ ২: শান্তি নিকেতন। ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের নামে নিকেতন শব্দটি শান্তির আবাস বা আশ্রম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম — গ্রাম অর্থ জনপদ বা পল্লী, যা নিকেতন শব্দের অর্থ নয়। B) দোকান — দোকান অর্থ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, যা নিকেতন শব্দের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) বাড়ি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) প্রাসাদ — প্রাসাদ অর্থ রাজবাড়ি বা বিশাল ইমারত, যা সব ধরনের বাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নিকেতন মানে ঘর বা বাড়ি। রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন থেকে মনে রাখতে পারেন এর অর্থ শান্তির আবাস বা বাড়ি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গৃহ, আলয়, নিকেতন, ও নিলয় প্রায় সমার্থক শব্দ হিসেবে আসে। এই শব্দগুলোর মূল অর্থ বাড়ি বা আবাসস্থল।
a চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে
b চর্যাপদীতিকায়
c শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে
d পালাগানে
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারা এবং কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কালজয়ী সৃষ্টি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডে ফুলরার বারোমাস্যার বিশদ উল্লেখ পাওয়া যায়। - বারোমাস্যা বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ কাব্যরূপ যেখানে বছরের বারোটি মাসের বিভিন্ন ঋতুতে নারী চরিত্রের সুখ দুঃখ এবং প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কবিকঙ্কন উপাধিতে ভূষিত হন এবং তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি বাংলার সামাজিক ইতিহাসের এক অনন্য দলিল হিসেবে সমাদৃত। - ফুলরার বারোমাস্যা অংশে ব্যাধ কালকেতুর স্ত্রী ফুলরা তীব্র শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষার প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে কিভাবে কষ্টকর জীবনযাপন করেন এবং তাঁর স্বামী কালকেতুর কাছে নিজের চরম দুঃখের চিত্র তুলে ধরেন তা বর্ণিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রধান শাখা হলো চণ্ডীমঙ্গল যা দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল এবং এর দুটি ভাগ আখেটিক খণ্ড ও বণিক খণ্ড। উদাহরণ ২: কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর সহজ সরল ভাষা ও বাস্তবধর্মী জীবনচিত্রের জন্য বাংলা সাহিত্যে কবিকঙ্কন উপাধিতে পরিচিত লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালকেতুর স্ত্রী ফুলরার দুঃখকষ্ট ও বারো মাসের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের বর্ণনা এখানেই পাওয়া যায়। B) চর্যাপদীতিকায় — এই অপশনটি ভুল কারণ চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন যেখানে কোনো বারোমাস্যার উল্লেখ নেই। C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে — এই অপশনটি ভুল কারণ বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এই কাব্যে রাধার বারোমাস্যা ও হতাশার চিত্র থাকলেও ফুলরার কোনো অস্তিত্ব নেই। D) পালাগানে — এই অপশনটি ভুল কারণ পালাগান লোকসাহিত্যের অংশ হলেও মূল প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট একটি মধ্যযুগীয় মঙ্গলকাব্যের চরিত্রের কথা বলা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফুলরা নামটি মনে রাখলেই কালকেতু এবং মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কথা মনে আসবে। - মধ্যযুগের কাব্যে নারীর দুঃখের রূপায়ণ হিসেবে ফুলরার বারোমাস্যা অত্যন্ত বিখ্যাত একটি সাহিত্যিক উপাদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে ফুলরা চরিত্রটি কোন কাব্যের বা কার স্ত্রী। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য এবং এর বিভিন্ন খণ্ড ও চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অপচয়
b বাবুয়ানা
c শঠ
d অনিষ্ট করা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অপচয় ১. কেন সঠিক: 'নয়-ছয়' একটি অতি পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ অপচয় বা অযথা খরচ করা। কোনো কিছু খুব সহজে বা অবহেলায় উড়িয়ে দেওয়া বা নষ্ট করা অর্থে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা পদসমষ্টি, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় বাগধারার ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এতগুলো টাকা এভাবে নয়-ছয় করা তোমার একদম ঠিক হয়নি। ব্যাখ্যা: এখানে টাকা অবহেলায় খরচ করা বা অপচয় করার অর্থে 'নয়-ছয়' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পৈতৃক সম্পত্তিগুলো এভাবে নয়-ছয় করে সে আজ সর্বস্বান্ত। ব্যাখ্যা: সম্পত্তিগুলো অযথা খরচ করে বা নষ্ট করে ফেলার অর্থ বোঝাতে এখানে 'নয়-ছয়' প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপচয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'নয়-ছয়' বাগধারার প্রমিত অর্থ অপচয় করা। B) বাবুয়ানা — এই অপশনটি ভুল কারণ বাবুয়ানা অর্থ বিলাসী জীবনযাপন বা বাবুর্য়ানি ভাব, যা নয়-ছয় এর সঙ্গে মেলে না। C) শঠ — এই অপশনটি ভুল কারণ শঠ অর্থ প্রতারক বা ধূর্ত ব্যক্তি, যা অপচয়ের সমার্থক নয়। D) অনিষ্ট করা — এই অপশনটি ভুল কারণ অনিষ্ট করা অর্থ ক্ষতি করা, যা নয়-ছয় এর নির্দিষ্ট অর্থকে প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: হাতে থাকা টাকা বা সম্পদ অযথা খরচ করে ছিনিমিনি খেলা বা নষ্ট করা মানেই হলো টাকার নয়-ছয় করা। পরীক্ষায় এই প্রশ্ন আসলে অপচয় বা নষ্ট করার সঙ্গে সম্পর্কিত অপশনটি বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই অর্থভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। অর্থ ও প্রসঙ্গের মিল রেখে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a ফুসফুস
b স্বরযন্ত্র
c আলজিভ
d খাদ্যনালী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খাদ্যনালী ১. কেন সঠিক: - বাক-প্রত্যঙ্গ হলো মানুষের শরীরের সেই অঙ্গসমূহ যা ধ্বনি তৈরিতে বা কথা বলতে সরাসরি সাহায্য করে। - খাদ্যনালী পরিপাকতন্ত্রের অংশ এবং এটি মুখ থেকে পাকস্থলীতে খাবার পৌঁছে দেয়, ধ্বনি উৎপাদনে এর কোনো ভূমিকা নেই। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই টপিকটি বাংলা উচ্চারণের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। - ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস মুখগহ্বরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গের সাহায্যে বাধা পেয়ে ধ্বনি হিসেবে বাইরে বেরিয়ে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কণ্ঠনালী বা স্বরযন্ত্র ব্যাখ্যা: স্বরযন্ত্র ফুসফুস থেকে আসা বাতাসে কম্পন সৃষ্টি করে ধ্বনি তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয়। উদাহরণ ২: জিহ্বা ও ওষ্ঠ ব্যাখ্যা: জিহ্বা এবং ওষ্ঠ মুখগহ্বরের প্রধান বাক-প্রত্যঙ্গ হিসেবে বিভিন্ন স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুসফুস — এটি বাক-প্রত্যঙ্গ কারণ ফুসফুস থেকে ধ্বনি তৈরির প্রাথমিক বায়ুপ্রবাহ বা শক্তির জোগান আসে। B) স্বরযন্ত্র — এটি বাক-প্রত্যঙ্গ কারণ এখানে স্বরতন্ত্রী থাকে যা বাতাসকে কম্পিত করে স্বরধ্বনির সৃষ্টি করে। C) আলজিভ — এটি বাক-প্রত্যঙ্গ কারণ মুখগহ্বরের এই অংশটি বাতাসকে নাক বা মুখের দিকে চালিত করতে সাহায্য করে। D) খাদ্যনালী — এটি বাক-প্রত্যঙ্গ নয় কারণ এটি পরিপাকতন্ত্রের অংশ যা খাবার পরিপাকে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের খাবার খাওয়ার নালী বা খাদ্যনালী কখনো কথা বলার সময় ধ্বনি তৈরিতে কাজ করে না। - মুখের ভেতরে এবং গলার যে অঙ্গগুলো বাতাস নিয়ন্ত্রণ করে, কেবল সেগুলোকে বাক-প্রত্যঙ্গ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক-প্রত্যঙ্গের মধ্যে ফুসফুস, স্বরযন্ত্র, আলজিভ, জিহ্বা, দাঁত, ওষ্ঠ এবং নাসিকা গহ্বর অন্যতম প্রধান। - এই ধরনের প্রশ্নে পরিপাক বা শ্বসনতন্ত্রের বাইরের অংশগুলো অপশন হিসেবে বেশি থাকে।
a রামমোহন রায়
b বসন্তরঞ্জন রায়
c চণ্ডীদাস
d দ্বিজ চণ্ডীদাস
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বসন্তরঞ্জন রায় ১. কেন সঠিক: - বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বলভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার কাঁটরা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কার করেন। - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তাঁর সম্পাদনায় এই প্রাচীন নিদর্শনটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক একটি পণাত্মক কাব্য। - এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি পুথি, যা মূলত নাট্যধর্মী সংলাপের মাধ্যমে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য বা পদ সংকলন, যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটি দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত বাংলা লোকসাহিত্যের একটি বিখ্যাত পালা গান সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামমোহন রায় — তিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ ও সমাজসংস্কারক, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) চণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস নামে পরিচিত, তবে তিনি আবিষ্কারক নন। D) দ্বিজ চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের একজন কবি, যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার করেছেন বসন্তরঞ্জন রায়, এভাবে মনে রাখতে পারো যে বসন্তকালে পুরনো পুথি আবিষ্কৃত হয়েছিল। আবিষ্কারক ও সম্পাদকের নাম মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে কৌশল তৈরি করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য কোন যুগ সম্পর্কিত এবং এর আবিষ্কারক কে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একইভাবে অন্যান্য প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্য এবং তাদের আবিষ্কারকদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আকাংখা
b আকাঙ্ক্ষা
c আকাঙ্কা
d আকাংক্ষা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা কেন সঠিক: ১. এই শব্দটিতে যুক্তবর্ণ হিসেবে উ এবং ক ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা বানান নিয়মে সঠিক ধরা হয়। ২. এর শেষে ক্ষ বর্ণটি থাকার কারণে এটি প্রমিত বানান রীতি সম্পূর্ণভাবে মেনে চলে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী ক বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে উ ব্যবহৃত হয়। ২. আকাঙ্ক্ষা শব্দের অর্থ কোনো কিছু পাওয়ার তীব্র ইচ্ছা বা প্রহর। ৩. যেমন, মানুষের মনের গভীর আকাঙ্ক্ষা কখনো বৃথা যায় না যদি পরিশ্রম করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাংখা — এই বানানে উ এর পরিবর্তে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) আকাঙ্ক্ষা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রমিত বানান। C) আকাঙ্কা — এই বানানে সঠিক যুক্তবর্ণ ব্যবহার করা হয়নি এবং ক্ষ এর পরিবর্তে ক লেখা হয়েছে। D) আকাংক্ষা — এই বানানে উ এবং অনুস্বারের ভুল প্রয়োগ রয়েছে যা বানানটিকে সম্পূর্ণ ভুল করেছে। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখবে এই শব্দটিতে প্রথমে উ এবং পরে ক্ষ যুক্ত থাকে। ২. বানানের সময় অনুস্বার এড়িয়ে উ ব্যবহার করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

মোট প্রশ্ন (21)

a that
b who
c what
d why
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) that কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগের শব্দটি একটি বস্তু (book) হওয়ায় এখানে Relative Pronoun হিসেবে 'that' বসবে। বস্তunun ক্ষেত্রে 'that' বা 'which' ব্যবহার করা হয়। বাক্যের দ্বিতীয় অংশটি প্রথম অংশের বইটিকে নির্দিষ্ট করছে। নির্দিষ্ট কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে সাধারণত 'that' ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that — এটি সঠিক উত্তর। B) who — এটি মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, কিন্তু এখানে বস্তু বোঝানো হয়েছে। C) what — এর আগে কোনো পূর্বপদ বা antecedent থাকে না, তাই এটি এখানে বসবে না। D) why — এটি কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বস্তুর ক্ষেত্রে Relative Pronoun হিসেবে 'that' বা 'which' ব্যবহার করতে হয়।
a Gulliver's travels are a famous book.
b Gullivers' travels is a famous book.
c Gulliver's Travels is a famous book.
d Gulliver's Travel's is a famous book.
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gulliver's Travels is a famous book. কেন সঠিক: গালিভার্স ট্রাভেলস একটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম এবং বইটির নির্দিষ্ট নাম হওয়ায় এর শেষে সিঙ্গুলার ভার্ব ইজ বসে। বইটির মূল নামের বানানটি হলো ট্রাভেলস, যা পরিবর্তন করা যায় না। নামের শুরুতে অ্যাপোস্ট্রোফি এস ব্যবহার করে মালিকানা বা নির্দিষ্টকরণ বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gulliver's travels are a famous book — এখানে ট্রাভেলস একটি একক বইয়ের নাম হওয়া সত্ত্বেও প্লুরাল ভার্ব আর ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল। B) Gullivers' travels is a famous book — এখানে গালিভার নামের শেষে অ্যাপোস্ট্রোফি দেওয়া হয়েছে যা সঠিক নামটির গঠন নষ্ট করেছে। C) Gulliver's Travels is a famous book — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) Gulliver's Travel's is a famous book — এখানে ট্রাভেল শব্দের পরেও অতিরিক্ত অ্যাপোস্ট্রোফি এস যুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো একক বই, সিনেমা বা দেশের নামের শেষে এস থাকলেও তা একটিমাত্র বস্তু বোঝায় এবং এরপরে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a is
b are
c were
d have
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: - বাক্যে Each শব্দটি থাকলে তা সর্বদা সিঙ্গुलर বা একবচন হিসেবে গণ্য হয়। - Subject একবচন হওয়ায় এর পরবর্তী Verb-ও সর্বদা singular (is) হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ Subject singular হওয়ায় singular verb ব্যবহৃত হয়েছে। B) are — এটি ভুল কারণ are একটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। C) were — এটি ভুল কারণ were একটি past plural verb, যা present tense ও singular subject-এর নিয়মবিরোধী। D) have — এটি ভুল কারণ have একটি plural verb, যা Each-এর মতো singular subject-এর সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: Each, Every, Everyone থাকলে চোখ বন্ধ করে singular verb বসাবে।
a a
b an
c the
d no article
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - 'honest' শব্দটির শুরুতে 'h' থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ স্বরবর্ণের মতো (ও-নস্ট) হয়। - শব্দের শুরুতে ভাওয়েল সাউন্ড বা স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকলে তার পূর্বে 'an' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — শব্দের শুরুতে কনসোনেন্ট সাউন্ড বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকলে 'a' বসে, কিন্তু এখানে ভাওয়েল সাউন্ড রয়েছে। B) an — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'honest' শব্দের উচ্চারণটি ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু হয়েছে। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তিকে বোঝাতে 'the' বসে, কিন্তু এখানে অনির্দিষ্ট একজন সৎ মানুষকে বোঝানো হয়েছে। D) no article — একবচন কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে আর্টিকেল বসানো বাধ্যতামূলক, তাই এখানে কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হবে। মনে রাখার টিপস: বানান বা অক্ষর যাই থাকুক না কেন, উচ্চারণের সময় যদি স্বরবর্ণের মতো শোনায়, তবে তার আগে 'an' বসবে।
a to
b with
c against
d for
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for কেন সঠিক: কোনো ক্ষতির জন্য কাউকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া বোঝালে compensate verb-er পরে for preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে loss বা ক্ষতির বিষয়টি উল্লেখ থাকায় সঠিক preposition হিসেবে for বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির আগে to বসতে পারে, কিন্তু ক্ষতির কারণ বোঝাতে to বসে না। B) with — ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বা কোনো উপাদানের সাথে with ব্যবহৃত হয় না। C) against — বিরোধ বা সুরক্ষার ক্ষেত্রে against বসে, যা এখানে অর্থসংগত নয়। মনে রাখার টিপস: ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ বোঝালে compensate-এর পরে সবসময় for বসে।
a Programe
b Pogramme
c Programce
d Programme
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Programme কেন সঠিক: এটি ব্রিটিশ বানান রীতি অনুসারে সম্পূর্ণ সঠিক বানান। এই শব্দটির শেষে -mme যুক্ত থাকে যা এর আদর্শ গঠন নিশ্চিত করে। এটি আমাদের দেশে দাপ্তরিক ও শিক্ষাগত কাজে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Programe — এর শেষে একটি অক্ষর কম থাকার কারণে বানানটি সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। B) Pogramme — এখানে মাঝের 'r' অক্ষরটি বাদ পড়ার কারণে এটি ভুল বানানে পরিণত হয়েছে। C) Programce — বানানের শেষে অপ্রয়োজনীয় 'ce' যুক্ত করার কারণে এটি ভুল হয়েছে। D) Programme — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ব্রিটিশ ইংরেজি বানানে শেষে 'mme' থাকে, যেমন- Programme এবং British শব্দগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
a Verb
b Present Participle
c Noun
d Adverb
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Noun কেন সঠিক: ১. মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যের শুরুতে বসে যখন কোনো কাজের নাম বোঝায়, তখন তা Gerund বা Noun হিসেবে কাজ করে। এখানে angling একটি শখের নাম বোঝাচ্ছে। ২. এটি বাক্যের subject হিসেবে বসেছে এবং যেকোনো noun বা pronoun ই subject হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verb — এটি কোনো কাজ করার সরাসরি নির্দেশ করছে না, বরং শখের নাম বোঝাচ্ছে। B) Present Participle — এটি কোনো noun কে বিশেষিত করছে না বা adjective এর কাজ করছে না। D) Adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে modify করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি Subject এর কাজ করে এবং তার নাম বোঝায়, তবে তা Noun বা Gerund হয়।
a Copious
b Precious
c Genius
d Prevalent
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Genius কেন সঠিক: - Genius শব্দটি একটি নাউন, যার অর্থ প্রতিভা বা প্রতিভাধর ব্যক্তি। - প্রশ্নানুসারে কোনটি অ্যাডজেক্টিভ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর Genius। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Copious — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ প্রচুর বা পর্যাপ্ত। B) Precious — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ মূল্যবান বা বহুমূল্য। C) Genius — এটি একটি নাউন, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) Prevalent — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ প্রচলিত বা ব্যাপক। মনে রাখার টিপস: Genius অর্থ মেধা বা প্রতিভা যা নাউন, আর বাকি তিনটি শব্দের শেষে ous suffix থাকায় এগুলো অ্যাডজেক্টিভ।
a Did football was played by you?
b Did football play by you?
c Had football been played by you?
d Was football played by you?
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Was football played by you? কেন সঠিক: - এটি Past Indefinite Tense-এর Interrogative Sentence, তাই Passive করার সময় subject-এর পূর্বে Was বা Were বসে। - মূল verb-এর Past Participle (played) হয় এবং subject-এর পূর্বে Be verb বসিয়ে বাক্যটিকে প্রশ্নবোধক করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Did football was played by you? — Did এবং was একসঙ্গে বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Did football play by you? — এটি passive form নয় এবং play verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি। C) Had football been played by you? — এটি Past Perfect Tense-এর passive form, যা প্রদত্ত প্রশ্নের Tense-এর সাথে মেলে না। D) Was football played by you? — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Past Indefinite Tense-এর Interrogative sentence-কে passive করার সময় Did-এর পরিবর্তে Was বা Were বসবে এবং মূল verb-এর V3 হবে।
a media
b oasis
c crises
d data
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) oasis কেন সঠিক: শব্দটির শেষে es আছে যা দেখে অনেকেই একে বহুবচন মনে করেন কিন্তু এটি একটি একবচন নাউন। এর বহুবচন রূপ হলো oases যেখানে e এর পরিবর্তে i বসে। এটি সাধারণত মরুভূমির উর্বর স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি ইংরেজি ভাষার একটি ব্যতিক্রমী বিদেশি শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) media — এটি medium শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ মাধ্যম। B) oasis — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ এবং এর বহুবচন হলো oases। C) crises — এটি crisis শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ সংকটসমূহ। D) data — এটি datum শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ উপাত্তসমূহ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক লাতিন শব্দের শেষে a বা is থাকলে সেগুলো একবচন হয় এবং um বা es থাকলে বহুবচন হয়।
a used to
b fall a victim to
c cease to
d belong to
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) used to কেন সঠিক: বাক্যটিতে অতীতের অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে যা এখন আর হয় না। এই ধরনের দীর্ঘস্থায়ী অতীতের অভ্যাস বোঝাতে used to ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) used to — এটি সঠিক উত্তর। B) fall a victim to — এর অর্থ কোনো কিছুর শিকারে পরিণত হওয়া, যা এখানে অর্থহীন। C) cease to — এর অর্থ কোনো কিছু বন্ধ করা, যা শূন্যস্থানে বসে না। D) belong to — এর অর্থ অধিকারভুক্ত হওয়া, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। মনে রাখার টিপস: অতীতের নিয়মিত অভ্যাসের কথা বলতে blank এর পরে verb এর base form থাকলে used to বসবে।
a over
b on
c at
d for
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কাউকে নিয়ে উপহাস করা বা ঠাট্টা করা বোঝাতে laugh এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে at বসে। - গরিবদের নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়, এমন অর্থ প্রকাশ করতেই এখানে at preposition ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) over — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর দিয়ে বা উচ্চতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থসংগত নয়। B) on — এটি সাধারণত কোনো পৃষ্ঠের ওপর বা স্পর্শ করে আছে এমন অবস্থা বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। C) at — এটি সঠিক উত্তর, কারণ laugh এর সাথে at যুক্ত হয়ে উপহাস করা অর্থ প্রকাশ করে। D) for — এটি সাধারণত কারণ, উদ্দেশ্য বা বিনিময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে সঠিক অর্থ দেয় না। মনে রাখার টিপস: কাউকে নিয়ে হাসাহাসি বা ঠাট্টা করা বোঝালে সবসময় laugh verb-এর পর at preposition ব্যবহার করতে হয়।
a Friendly
b Angry
c Unfriendly
d Cruel
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Unfriendly কেন সঠিক: Hostile শব্দটির বাংলা অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা অমায়িক। Unfriendly শব্দটির অর্থও অমায়িক বা বন্ধুবৎসল নয়, যা Hostile শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা Hostile শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা Hostile এর সাথে কিছুটা মিললেও সঠিক সমার্থক শব্দ নয়। C) Unfriendly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) Cruel — এর অর্থ নিষ্ঠুর, যা Hostile শব্দের মূল ভাব শত্রুভাবাপন্ন এর সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায় না। মনে রাখার টিপস: Hostile শব্দের শুরুতে H আছে এবং Unfriendly শব্দের শুরুতে U আছে, এভাবে শত্রুতাপূর্ণ আচরণ মনে রাখা যায়।
a Let telling
b whether
c let alone
d where as
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) let alone কেন সঠিক: - 'Let alone' একটি ফ্রেজ যা অসম্ভাব্য বা আরও কঠিন কোনো বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ হলো 'তা তো দূরের কথা' বা 'ভাবাই যায় না'। - প্রদত্ত বাক্যে নাম বলতে না পারার চেয়ে ঠিকানা জানা আরও দূরের বা কঠিন বিষয় বোঝাতে এই ফ্রেজটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let telling — ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ let-এর পর সাধারণত verb-এর বেস ফর্ম বসে, ing যুক্ত রূপ বসে না। B) whether — এটি একটি কনজাংশন যা সন্দেহ বা বিকল্প বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের অর্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) let alone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) where as — এটি সাধারণত দুটি বিপরীত বিষয়ের তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ছোট বা সহজ কাজ অসম্ভব হলে তার চেয়ে বড় বা কঠিন কাজের ক্ষেত্রে 'তা তো দূরের কথা' অর্থে 'let alone' ব্যবহার করতে হয়।
a of
b to
c from
d than
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: ল্যাটিন তুলনামূলক বিশেষণ হিসেবে senior শব্দের পরে সর্বদা to বসে। এখানে তুলনা করার জন্য than ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — senior শব্দের পরে of বসে না। B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) from — senior শব্দের সাথে from ব্যবহার হয় না। D) than — ল্যাটিন comparative গুলোর পরে than বসে না। মনে রাখার টিপস: Senior, junior, superior, inferior ইত্যাদি শব্দের পরে সবসময় to বসে।
a his
b her
c it's
d its
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) its কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণে শিশু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে লিঙ্গ নির্দিষ্ট না থাকলে তার পরিবর্তে neutral gender হিসেবে its ব্যবহার করা হয়। এখানে baby শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ছেলে বা মেয়ে শিশু নয়, তাই possessive pronoun হিসেবে its সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) his — এটি পুংলিঙ্গবাচক possessive pronoun, যা baby শব্দের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। B) her — এটি স্ত্রীলিঙ্গবাচক possessive pronoun, যা জন্মগতভাবে নির্দিষ্ট gender ছাড়া ব্যবহার করা যায় না। C) it's — এটি it is বা it has এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা এখানে মালিকানা বোঝাতে বসে না। মনে রাখার টিপস: শিশু বা পশুপাখির ক্ষেত্রে যখন লিঙ্গ জানা থাকে না, তখন মালিকানা বোঝাতে সবসময় its ব্যবহার করবে।
a Incorrect
b Vague
c Biased
d Dull
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Vague কেন সঠিক: ambiguous শব্দটির অর্থ এমন কিছু যা পরিষ্কার নয় এবং যার একাধিক অর্থ হতে পারে। তাই Vague বা অস্পষ্ট শব্দটির সাথে এর অর্থের পুরোপুরি মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Incorrect — Incorrect অর্থ ভুল, যা অস্পষ্টতার সমার্থক নয়। B) Vague — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Biased — Biased অর্থ পক্ষপাতদুষ্ট, যা শব্দের মূল অর্থের সাথে মিলে না। D) Dull — Dull অর্থ নিরাসক্ত বা বোকা, যা প্রশ্নের সাথে সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: Ambiguous শুনলেই মনে রাখবে এটি এমন একটি গোলমেলে কথা যা পরিষ্কার বোঝা যায় না বা যার অর্থ অস্পষ্ট।
a Adjective
b Interjection
c Adverb
d Preposition
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adverb কেন সঠিক: - এখানে 'no' শব্দটি একটি Adjective-কে (more) মডিফাই করছে, যা Adverb-এর কাজ। - 'no more' একটি বাক্যাংশে 'no' তীব্রতা প্রকাশকারী Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে না। B) Interjection — এটি দ্বারা কোনো হঠাৎ আবেগ প্রকাশ পাচ্ছে না। C) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'no' একটি Adjective-কে মডিফাই করেছে। D) Preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে সম্পর্ক স্থাপন করেনি। মনে রাখার টিপস: Comparative ডিগ্রির পূর্বে 'no' বসলে তা Adverb হিসেবে কাজ করে।
a দেউলিয়া
b নিশান
c ব্যাংক হার
d ব্যাংক হুন্ডি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেউলিয়া কেন সঠিক: ইংরেজি শব্দ 'Bankrupt' এর বাংলা পারিভাষিক বা অফিশিয়াল অর্থ হলো দেউলিয়া, যা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে অক্ষমতাকে বোঝায়। অর্থনৈতিক ও আইনি পরিভাষায় আর্থিক দিক থেকে সর্বস্বান্ত হওয়া বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি সঠিকভাবে আইনি অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেউলিয়া — এটি সঠিক উত্তর। B) নিশান — এই শব্দটির সাথে ব্যাংকিং বা আর্থিক লেনদেনের কোনো সম্পর্ক নেই। C) ব্যাংক হার — এটি সুদের হারের সাথে সম্পর্কিত একটি ভিন্ন অর্থ বহন করে। D) ব্যাংক হুন্ডি — এটি টাকা প্রেরণের একটি মাধ্যমকে বোঝায়, যা মূল শব্দের অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: ব্যাংক থেকে টাকা শেষ হয়ে গেলে মানুষ যেমন সর্বস্বান্ত বা দেউলিয়া হয়ে যায়, তেমনি 'Bankrupt' মানেই দেউলিয়া।
a to
b for
c on
d at
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - Insist শব্দের পর সাধারণত উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে on বসে এবং এরপরে কোনো ভার্ব থাকলে তার সাথে ing যুক্ত হয়। - He insisted on going there বাক্যটির অর্থ সে সেখানে যাওয়ার ব্যাপারে জোর করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — Insist শব্দের সাথে ব্যাকরণগত নিয়মে to প্রিপজিশন ব্যবহার করা যায় না। B) for — এই বাক্যের ক্ষেত্রে for প্রিপজিশন বসালে তা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) on — এটি সঠিক প্রিপজিশন এবং এই বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে বোঝাতে at বসে, যা এই বাক্যের গঠনে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Insist শব্দের সাথে সবসময় on প্রিপজিশন বসে এবং তারপরে জিরান্ড অর্থাৎ ing যুক্ত ভার্ব হয়।
a Word
b Water
c Pen
d Immaculate
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Immaculate কেন সঠিক: Immaculate শব্দটি কেবল একটি বিশেষণ বা adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অর্থ নির্ভেজাল বা নিখুঁত। এটি কখনো বাক্য বা বাক্যাংশে ক্রিয়াপদ বা verb হিসেবে কাজ করতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Word — এই নাউনটি কোনো বার্তা পাঠানো অর্থে verb হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। B) Water — এই নাউনটি গাছে পানি দেওয়া অর্থে verb হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। C) Pen — এই নাউনটি কলম দিয়ে লেখা অর্থে verb হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। D) Immaculate — এটি কেবল adjective হিসেবে বসে এবং এর কোনো verb রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলোর কোনো কাজ করা বোঝায় না এবং যা শুধু গুণ প্রকাশ করে, তা সাধারণত verb হতে পারে না।

মোট প্রশ্ন (14)

a ১০.৭৫
b ১১
c ১১.২
d ১১.৫
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১.২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম চালানে ইটের সংখ্যা = ৬০০টি এবং প্রতি ইটের দাম = ১২ টাকা দ্বিতীয় চালানে ইটের সংখ্যা = ৪০০টি এবং প্রতি ইটের দাম = ১০ টাকা ধরি, প্রথম চালানের মোট দাম = ৬০০ × ১২ = ৭২০০ টাকা দ্বিতীয় চালানের মোট দাম = ৪০০ × ১০ = ৪০০০ টাকা অতএব, ইটের মোট সংখ্যা = ৬০০ + ৪০০ = ১০০০টি ইটের মোট দাম = ৭২০০ + ৪০০০ = ১১২০০ টাকা সুতরাং, প্রতি ইটের গড় মূল্য = ১১২০০ ÷ ১০০০ = ১১.২ টাকা উত্তর: ১১.২
a 2 < x < 3
b -3 < x < -2
c x < 2
d x < 3
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ < x < ৩ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো x^২ − ৫x + ৬ < ০ ধরি, দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x^২ − ৫x + ৬ = ০ উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x − ২)(x − ৩) = ০ তাহলে মূলদ্বয় হলো x = ২ এবং x = ৩ অতএব, ছোট মূল হলো ২ বড় মূল হলো ৩ সুতরাং, অসমতার নিয়ম অনুযায়ী ছোট ও বড় মূলের মধ্যবর্তী মানই হবে সমাধান উত্তর: ২ < x < ৩
a ৫০০০
b ৪৫০
c ৭০০
d ৬০০
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০০ প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজিতে পাস করেছে ৭০% এবং বাংলায় পাস করেছে ৮০% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে ১০% এবং উভয় বিষয়ে পাস করেছে ৩৬০ জন ধরি, মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০% অতএব, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে ১০%, তাই পাস করেছে = ১০০% − ১০% = ৯০% অন্তত একটি বিষয়ে পাস করেছে মোট শিক্ষার্থীর ৯০% সুতরাং, শুধু ইংরেজিতে পাস + শুধু বাংলায় পাস + উভয় বিষয়ে পাস = ৯০% ইংরেজিতে ফেল করল ৩০% এবং বাংলায় ফেল করল ২০% উত্তর: উভয় বিষয়ে পাস করেছে ৭০% + ৮০% − ৯০% = ৬০% অতএব, ৬০% এর মান ৩৬০ জন হলে, মোট শিক্ষার্থী হবে ৬০০ জন
a ৮০.০০%
b ৯.০০%
c ১০.০০%
d ১২.০০%
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২.০০% প্রদত্ত তথ্য: কলমের ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা কলমের বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা ধরি, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ৫৬ টাকা − ৫০ টাকা অতএব, লাভ = ৬ টাকা ক্রয়মূল্য ৫০ টাকায় লাভ হয় ৬ টাকা ক্রয়মূল্য ১ টাকায় লাভ হয় (৬ ÷ ৫০) টাকা সুতরাং, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকায় লাভ হয় (৬ × ১০০) ÷ ৫০ টাকা লাভ হলো ১২ টাকা উত্তর: ১২.০০%
a ৫
b ৬
c ১১
d ১
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x² − 5x + 6 = 0 ধরি, সমীকরণটির দুটি মূল হলো p এবং q অতএব, সমীকরণের আদর্শ রূপ ax² + bx + c = 0 এর সাথে তুলনা করে পাই এখানে a = ১, b = −৫ এবং c = ৬ সুতরাং, মূলদ্বয়ের যোগফল নির্ণয়ের সূত্র হলো (−b ÷ a) উত্তর: ৫
a 1
b 0
c √2
d -1.414213562
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে tan থিটা = ১ ধরি, থিটা কোণের মান = ৪৫ ডিগ্রি cos এর ক্ষেত্রে ঋণাত্মক কোণ দূর করলে পাই cos(-থিটা) = cos(থিটা) অতএব, sin(৪৫ ডিগ্রি) এর মান = ১ ÷ √২ cos(৪৫ ডিগ্রি) এর মান = ১ ÷ √২ সুতরাং, sin থিটা − cos(-থিটা) = (১ ÷ √২) − (১ ÷ √২) = ০ উত্তর: ০
a ২৮
b ২৬
c ৩০
d ২০
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ প্রদত্ত তথ্য: ৫টি সংখ্যার গড় = ১৮ একটি সংখ্যা বাদ দিলে সংখ্যা থাকে = ৪টি এবং নতুন গড় = ১৬ ধরি, ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫ × ১৮ = ৯০ ৪টি সংখ্যার সমষ্টি = ৪ × ১৬ = ৬৪ অতএব, বাদ দেওয়া সংখ্যাটি বের করতে হবে ৫টি সংখ্যার সমষ্টি থেকে ৪টি সংখ্যার সমষ্টি বিয়োগ করে সুতরাং, বাদ দেওয়া সংখ্যাটি = ৯০ − ৬৪ = ২৬ উত্তর: ২৬
a ln(ln x)
b ln x
c 1 / ln x
d ln(x²)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ln(ln x) প্রদত্ত তথ্য: সমাকলন করতে হবে ∫ dx ÷ (x × ln x) এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, ln x = z সুতরাং (১ ÷ x) × dx = dz অতএব, প্রদত্ত সমাকলনটি পরিবর্তিত হয় ∫ (dz ÷ z) রূপে সুতরাং, ∫ (dz ÷ z) এর মান হলো ln(z) + c উত্তর: ln(ln x)
a xˣ + 1
b xˣ · ln x
c xˣ · (1 + ln x)
d x^(x-1)
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) xˣ · (1 + ln x) প্রدত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো y = xˣ এখানে চলকের উপরে চলক রয়েছে ধরি, y = xˣ উভয় পক্ষে প্রাকৃতিক লগারিদম নিয়ে পাই, ln y = x · ln x এখন x এর সাপেক্ষে অন্তরীকরণ করি অতএব, বামপক্ষে পাই, (1 ÷ y) · (dy ÷ dx) ডানপক্ষে গুণের সূত্র প্রয়োগ করি, প্রথম পদ স্থির রেখে দ্বিতীয় পডের অন্তরীকরণ এবং দ্বিতীয় পদ স্থির রেখে প্রথম পডের অন্তরীকরণ হিসab করে পাই, (1 ÷ y) · (dy ÷ dx) = (x · (1 ÷ x)) + ln x সুতরাং, (1 ÷ y) · (dy ÷ dx) = 1 + ln x dy ÷ dx = y · (1 + ln x) উত্তর: xˣ · (1 + ln x)
a ৫০০
b ৪২০
c ৬৬০
d ৪১০
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৬০ প্রদত্ত তথ্য: চাকার পরিধি = ৮ ফুট ১ মাইল = ৫২৮০ ফুট ধরি, চাকাটিকে মোট ঘুরতে হবে = ক বার অতএব, ১ বার ঘুরে চাকাটি অতিক্রম করে = ৮ ফুট ক বার ঘুরে চাকাটি অতিক্রম করে = ক × ৮ ফুট সুতরাং, ক × ৮ = ৫২৮০ উত্তর: ক = ৫২৮০ ÷ ৮ = ৬৬০ বার
a 1/11
b 3/31
c 2/21
d 0.02
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০২ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১ ÷ ১১ = ০.০৯ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩ ÷ ৩১ = ০.০৯৬ তৃতীয় সংখ্যা = ২ ÷ ২১ = ০.০৯৫ অতএব, প্রথম সংখ্যাটির দশমিক রূপ = ০.০৯ দ্বিতীয় সংখ্যাটির দশমিক রূপ = ০.০৯৬ তৃতীয় সংখ্যাটির দশমিক রূপ = ০.০৯৫ সুতরাং, চতুর্থ সংখ্যাটি হলো ০.০২ যা অন্যগুলোর চেয়ে ছোট উত্তর: D) ০.০২
a 45√5
b 47√6
c 46
d 46√5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৬√৫ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a = √৬ + √৫ ধরি, ১÷a = ১ ÷ (√৬ + √৫) হরকে বিপরীত রাশি দিয়ে গুণ করে পাই, ১÷a = √৬ − √৫ অতএব, a + (১÷a) = (√৬ + √৫) + (√৬ − √৫) = ২√৬ এবং a − (১÷a) = (√৬ + √৫) − (√৬ − √৫) = ২√৫ সুতরাং, প্রদত্ত রাশি = a³ − (১÷a³) = (a − ১÷a)³ + ৩ × (a − ১÷a) উত্তর: (২√৫)³ + ৩ × (২√৫) = ৪০√৫ + ৬√৫ = ৪৬√৫
a সমকোণী
b সূক্ষ্মকোণী
c স্থূলকোণী
d সমবাহু
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ৩, ৪ এবং ৫ একক ধরি, ত্রিভুজের প্রথম বাহু = ৩ ত্রিভুজের দ্বিতীয় বাহু = ৪ ত্রিভুজের তৃতীয় বাহু বা অতিভুজ = ৫ অতএব, প্রথম বাহুর বর্গ = ৩ × ৩ = ৯ দ্বিতীয় বাহুর বর্গ = ৪ × ৪ = ১৬ তৃতীয় বাহুর বর্গ = ৫ × ৫ = ২৫ সুতরাং, প্রথম বর্গ + দ্বিতীয় বর্গ = ৯ + ১৬ = ২৫ যা তৃতীয় বর্গের সমান উত্তর: সমকোণী ত্রিভুজ
a c + b
b a + b
c ac
d c - b
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) c − b প্রদত্ত তথ্য: a, b এবং c তিনটি সংখ্যা সমান্তর ধারা গঠন করে ধরি, ধারার প্রথম পদ = a ধারার দ্বিতীয় পদ = b ধারার তৃতীয় পদ = c অতএব, সমান্তর ধারার নিয়ম অনুযায়ী দ্বিতীয় পদ থেকে প্রথম পদ বিয়োগ করলে যে মান পাওয়া যায় তৃতীয় পদ থেকে দ্বিতীয় পদ বিয়োগ করলেও একই মান পাওয়া যায় সুতরাং, b − a হলো প্রথম সাধারণ অন্তর c − b হলো দ্বিতীয় সাধারণ অন্তর উত্তর: c − b

মোট প্রশ্ন (9)

a একটি দেশের নাম
b একটি সাগরের নাম
c ভারতের একটি দ্বীপ
d দ্বীপ সমষ্টির নাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বীপ সমষ্টির নাম কেন সঠিক: - ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনো একক দেশ নয়, এটি ক্যারিবীয় সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যবর্তী অসংখ্য ছোট বড় দ্বীপের একটি সমষ্টি। - এই অঞ্চলের মধ্যে কিউবা, জ্যামাইকা, হাইতিসহ বহু দ্বীপ রাষ্ট্র ও অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি দেশের নাম — ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনো সার্বভৌম একক দেশ নয়, এটি অনেকগুলো দেশ ও অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত একটি দ্বীপ অঞ্চল। B) একটি সাগরের নাম — এটি কোনো সাগর নয়, বরং ক্যারিবীয় সাগর অঞ্চলে অবস্থিত বিভিন্ন দ্বীপের একটি ভৌগোলিক এলাকা। C) ভারতের একটি দ্বীপ — এটি ভারতের কোনো অংশ নয়, এটি আমেরিকা মহাদেশের উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। D) দ্বীপ সমষ্টির নাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বহু দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল। মনে রাখার টিপস: নামে 'ইন্ডিজ' থাকলেও এটি ভারত নয়, ক্যারিবীয় সাগরের দ্বীপপুঞ্জ।
a লেবানন
b মিশর
c আফগানিস্তান
d আলজেরিয়া
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আফগানিস্তান কেন সঠিক: - আফগানিস্তান একটি সম্পূর্ণ ভূবেষ্টিত বা স্থলবেষ্টিত দেশ, যার চারপাশে অন্যান্য দেশ রয়েছে কিন্তু কোনো সমুদ্র উপকূল বা বন্দর নেই। - এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এর সমুদ্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেবানন — এটি ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত একটি দেশ এবং এর সমুদ্র বন্দর রয়েছে। B) মিশর — এর উত্তরে ভূমধ্যসাগর এবং পূর্বে লোহিত সাগর রয়েছে, তাই এর সমুদ্র বন্দর রয়েছে। C) আফগানিস্তান — এটি একটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং এর কোনো সমুদ্র বন্দর নেই। D) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত দেশ এবং এর সমুদ্র বন্দর রয়েছে। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের নামের শুরুতে আ আছে এবং এটি চারপাশ দিয়ে স্থলবেষ্টিত, তাই এর কোনো সমুদ্র বা বন্দর নেই।
a UNDP
b UN
c IMF
d ILO
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) UN কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রণীত এবং অনুমোদিত বৈশ্বিক কর্মসূচি। - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি এসডিজির উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং জাতিসংঘভুক্ত এই সংস্থাটি এসডিজি বাস্তবায়নে দেশগুলোকে সহায়তা করে। B) UN — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘই বিশ্বব্যাপী এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্ব অর্থনীতির রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করে, এসডিজি উদ্ভাবক নয়। D) ILO — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এবং শ্রম অধিকার নিয়ে কাজ করে, সামগ্রিক এসডিজি উদ্ভাবন করেনি। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সব দেশের উন্নয়নের জন্য বড় লক্ষ্য বা এসডিজি তৈরি করেছে বিশ্ব সংস্থা জাতিসংঘ।
a যশোর
b বগুড়া
c কুমিল্লা
d ঢাকা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সামরিক জাদুঘরটি রাজধানী ঢাকার বিজয় সরণিতে অবস্থিত। - বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে সামরিক জাদুঘর অবস্থিত নয়। B) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যেখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক জাদুঘর বা অন্যান্য সেনানিবাস থাকলেও মূল সামরিক জাদুঘর এখানে নেই। C) কুমিল্লা — এটি ঐতিহাসিক স্থান ও সেনানিবাসের জন্য পরিচিত হলেও প্রধান সামরিক জাদুঘর এখানে অবস্থিত নয়। D) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সামরিক জাদুঘরটি এই জেলার বিজয় সরণিতে প্রতিষ্ঠিত। মনে রাখার টিপস: রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মনে রাখতে মাথায় রাখুন, দেশের প্রধান সামরিক জাদুঘর ঢাকার বিজয় সরণিতে অবস্থিত।
a জাপান
b নিউজিল্যান্ড
c আলাস্কা
d অস্ট্রেলিয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - অস্ট্রেলিয়া একই সঙ্গে একটি স্বাধীন দেশ এবং বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মহাদেশ হিসেবে পরিচিত। - ভৌগোলিক ও ভূখণ্ডের দিক থেকে এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের প্রধান এবং বৃহত্তম ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, কোনো মহাদেশ নয়। B) নিউজিল্যান্ড — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, মহাদেশের মর্যাদা পায়নি। C) আলাস্কা — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য, যা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত। D) অস্ট্রেলিয়া — এটি নিজেই একটি স্বতন্ত্র মহাদেশ ও দেশ হিসেবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: যেহেতু অস্ট্রেলিয়া দ্বীপ মহাদেশ নামে পরিচিত, তাই মনে রাখবে এটি এমন এক দেশ যা নিজেই একটি সম্পূর্ণ মহাদেশ।
a দ্বিতীয়
b তৃতীয়
c চতুর্থ
d পঞ্চম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিতীয় কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। - চীন এই তালিকার প্রথম অবস্থানে রয়েছে এবং বাংলাদেশ প্রধানত পোশাক খাত থেকে বড় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় — একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) তৃতীয় — চীন ও বাংলাদেশের পর এই অবস্থানটি অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তাই এটি ভুল। C) চতুর্থ — বাংলাদেশ অনেক আগেই এই অবস্থান অতিক্রম করে দ্বিতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে, তাই এটি ভুল। D) পঞ্চম — এই অবস্থানটি তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বর্তমান বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ের সাথে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: পোশাক রপ্তানিতে চীন প্রথম আর বাংলাদেশ দ্বিতীয়।
a ভৈরব
b নারায়ণগঞ্জ
c চাঁদপুর
d বরিশাল
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নারায়ণগঞ্জ কেন সঠিক: - নারায়ণগঞ্জ বন্দরটি শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - আয়তন, বাণিজ্য এবং পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম ও busiest নদীবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভৈরব — এটি মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি পুরোনো নদী বন্দর হলেও এটি দেশের বৃহত্তম নদীবন্দর নয়। B) নারায়ণগঞ্জ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দেশের বৃহত্তম নদীবন্দর হিসেবে স্বীকৃত। C) চাঁদপুর — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী বন্দর ও মোহনা হলেও আকার ও বাণিজ্যিক গুরুত্বের দিক থেকে বৃহত্তম নয়। D) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রধান নদীবন্দর হলেও সামগ্রিক দিক থেকে নারায়ণগঞ্জের পরেই এর স্থান। মনে রাখার টিপস: নারায়ণগঞ্জকে পাট শিল্পের জন্য নদী বন্দর হিসেবে চেনা যায়, তাই বড় বন্দর মানেই নারায়ণগঞ্জ।
a রেড ক্রিসেন্টের
b পরিবার পরিকল্পনা সমিতির
c মা ও শিশু স্বাস্থ্যের
d সকল ধরণের সামাজিক সেবার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মা ও শিশু স্বাস্থ্যের কেন সঠিক: - সূর্যের হাসি লোগোটি বাংলাদেশে মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ সেবা প্রচারের জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী মা ও শিশুর হাসিমুখ এবং সুস্থ জীবনের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেড ক্রিসেন্টের — রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব প্রতীক হলো লাল ক্রোস বা লাল অর্ধচন্দ্র, সূর্যের হাসি নয়। B) পরিবার পরিকল্পনা সমিতির — পরিবার পরিকল্পনা সমিতি সেবা প্রদান করলেও এই লোগোটি বিশেষভাবে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবার প্রতীক। D) সকল ধরণের সামাজিক সেবার — এটি কোনো সাধারণ সামাজিক সেবার প্রতীক নয়, বরং নির্দিষ্টভাবে স্বাস্থ্য খাতের লোগো। মনে রাখার টিপস: সূর্য মানে আলো এবং জীবন, তাই সূর্যের হাসি মানেই সুস্থ মা ও শিশুর জীবনের প্রতীক।
a ২ টাকা
b ১০ টাকা
c ৫০ টাকা
d ১০০ টাকা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থায় ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েন হলো সরকারি নোট, যা অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দ্বারা ইস্যু করা হয়। - ১০ টাকা এবং তার চেয়ে বড় মানের সকল নোট হলো ব্যাংক নোট, যা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক নয়, বরং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সরকারি নোট। B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি অনুমোদিত ব্যাংক নোট। C) ৫০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি অনুমোদিত ব্যাংক নোট। D) ১০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি অনুমোদিত ব্যাংক নোট। মনে রাখার টিপস: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট বা কয়েন হলো সরকারি নোট এবং বাকি সব বড় নোট হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক নোট।

মোট প্রশ্ন (27)

a ভার্নিয়ার ধ্রুবকের কোন একক নেই
b স্ক্রু-গজের পিচের একক মিটার
c একক ভেক্টরের একক থাকে না
d আলোকবর্ষ সময়ের একক প্রকাশ করে না, দূরত্ব একক প্রকাশ করে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভার্নিয়ার ধ্রুবকের কোন একক নেই ১. কেন সঠিক: ভার্নিয়ার ধ্রুবক হলো প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম এক ভাগের মান এবং ভার্নিয়ার স্কেলের মোট ভাগের সংখ্যার অনুপাত। একই জাতীয় দুটি রাশির অনুপাত হওয়ায় ভার্নিয়ার ধ্রুবকের কোনো একক থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভার্নিয়ার ধ্রুবক (Vernier Constant) হলো এমন একটি মান যার সাহায্যে পরিমাপের নির্ভুলতা বাড়ানো হয়। সূত্র: ভার্নিয়ার ধ্রুবক ভি সি সমান এক এস মাইনাস এক ভি ভাগ এন, যেখানে এস হলো প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম ভাগের মান এবং এন হলো ভার্নিয়ার স্কেলের ভাগসংখ্যা। কার্যপ্রণালি: স্লাইড ক্যালিপার্স বা স্ক্রু-গজ ব্যবহারের সময় প্রধান স্কেল পাঠ এবং ভার্নিয়ার সমপাতন গুণ করে সঠিক পরিমাপ বের করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: পরীক্ষাগারে কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা গোলকের ব্যাস নিখুঁতভাবে মাপতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্লাইড ক্যালিপার্সের সাহায্যে একটি ছোট গোলকের ব্যাস মাপা। ব্যাখ্যা: এখানে প্রধান স্কেল পাঠের সঙ্গে ভার্নিয়ার ধ্রুবক ও ভার্নিয়ার সমপাতনের গুণফল যোগ করে সঠিক মান পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: তুলাযন্ত্রের সাহায্যে সুনির্দিষ্ট ভর মাপা। ব্যাখ্যা: ভর বা পরিমাপের বিভিন্ন অনুপাতে একক বর্জিত ধ্রুবক হিসাবের ক্ষেত্রে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভার্নিয়ার ধ্রুবকের কোন একক নেই — এই বিবৃতিটি বৈজ্ঞানিকভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। B) স্ক্রু-গজের পিচের একক মিটার — স্ক্রু-গজের পিচ হলো স্ক্রুটি এক সম্পূর্ণ ঘূর্ণনে যত দূরত্ব অতিক্রম করে এবং দূরত্বের এস আই একক হলো মিটার। C) একক ভেক্টরের একক থাকে না — কোনো ভেক্টরকে তার মান দিয়ে ভাগ করে একক ভেক্টর পাওয়া যায়, তাই এটি মানহীন ও এককহীন একটি দিক নির্দেশক রাশি। D) আলোকবর্ষ সময়ের একক প্রকাশ করে না, দূরত্ব একক প্রকাশ করে — আলোকবর্ষ হলো আলো এক বছরে নির্वात মাধ্যমে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তার পরিমাপ, এটি দূরত্বের একক। ৫. মনে রাখার টিপস: অনুপাত বা ধ্রুবক জাতীয় রাশির সাধারণত কোনো একক থাকে না কারণ সমজাতীয় রাশির কাটাকাটি ঘটে। ভার্নিয়ার ধ্রুবক মনে রাখতে শুধু অনুপাতের বিষয়টি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভার্নিয়ার ধ্রুবকের মান স্লাইড ক্যালিপার্সের ক্ষেত্রে সাধারণত শূন্য দশমিক এক মিলিমিটার হয়ে থাকে। একই রকম প্রশ্ন হিসেবে আলোকবর্ষ বা পার্সেক কোন রাশির একক, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a 311V
b 220V
c 200V
d 140V
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩১১V ১. কেন সঠিক: সাপ্লাই লাইনের ভোল্টেজ হলো মূল মান বা আরএমএস (RMS) মান, আর সর্বোচ্চ মান বা পিক মান হলো তার রুট ওভার টু গুণ। ২x২২০ ভোল্টের সাথে ১.৪১৪ গুণ করলে প্রায় ৩১১ ভোল্ট পাওয়া যায় যা এর শীর্ষ বিন্দু নির্দেশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এসি (AC) বা পরিবর্তী প্রবাহের মান সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয় এবং এর সর্বোচ্চ বিন্দুকে পিক মান বা শীর্ষ মান বলে। সূত্র: পিক মান সমান রুট ওভার টু গুণ আরএমএস মান। কার্যপ্রণালি: এসি জেনারেটরে কুণ্ডলী ঘোরার সময় সাইন তরঙ্গ তৈরি হয় এবং এর সর্বোচ্চ বিস্তার হলো পিক মান। বাস্তব প্রয়োগ: বাড়ির বৈদ্যতিক যন্ত্রের সুরক্ষায় ইনসুলেশন বা অন্তরক তৈরির সময় এই পিক মান হিসাব করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের বাসাবাড়ির ২২০V এসি লাইন। ব্যাখ্যা: এটি আরএমএস মান হলেও এর পিক বা সর্বোচ্চ ভোল্টেজ আসলে ৩১১V পর্যন্ত পৌঁছায়। উদাহরণ ২: মোবাইল বা ল্যাপটপের চার্জার অ্যাডাপ্টার। ব্যাখ্যা: ভেতরের সার্কিট এই উচ্চ পিক ভোল্টেজ সহ্য করার জন্যই বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১১V — এটি সঠিক কারণ এটি ২২০V এর সাথে ১.৪১৪ গুণ করে পাওয়া সর্বোচ্চ বা পিক মান। B) ২২ওV — এটি ভুল কারণ এটি হলো সাপ্লাই লাইনের কার্যকর বা আরএমএস (RMS) মান, পিক মান নয়। C) ২০০V — এটি ভুল কারণ এটি ২২০V এসি লাইনের কোনো নির্দিষ্ট হিসাবের মান বা পিক মান নির্দেশ করে না। D) ১৪০V — এটি ভুল কারণ এই মানের সাথে এসি লাইনের মূল মানের কোনো গাণিতিক সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: পিক মান বের করতে হলে ঘরের সাধারণ ভোল্টেজকে ১.৪১৪ দিয়ে গুণ করতে হয়। এসি লাইনের ক্ষেত্রে কার্যকর মান সবসময় পিক মানের চেয়ে কম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষার জন্য এসি কারেন্টের আরএমএস মান ও পিক মানের সম্পর্ক খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্ন আসতে পারে যে পিক ভোল্টেজ দেওয়া থাকলে আরএমএস মান কত হবে।
a ১-১০০ μm
b ১-১০০০ μm
c ১-১০০ nm
d ১-১০০০ nm
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১-১০০ nm ১. কেন সঠিক: - ন্যানোপ্রযুক্তি বা ন্যানো সায়েন্সের সংজ্ঞা অনুযায়ী ন্যানোবস্তুর মাত্রা ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এই নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে পদার্থের কোয়ান্টাম বলবিদ্যার প্রভাব শুরু হয় এবং ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মে আমূল পরিবর্তন ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ন্যানোবস্তু হলো এমন ক্ষুদ্র কণা যার অন্তত একটি মাত্রা ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে থাকে এবং যা সাধারণ স্থূল পদার্থের তুলনায় সম্পূর্ণ নতুন ও অনন্য বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে উন্নত সানস্ক্রিন, শক্তিশালী ব্যাটারি, জলরোধী কাপড় এবং আধুনিক ক্যানসার প্রতিষেধক ওষুধ তৈরি করা হচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বন ন্যানোটিউব ব্যাখ্যা: এটি ন্যানোবস্তুর একটি চমৎকার উদাহরণ যা স্টিলের চেয়ে বহু গুণ শক্তিশালী কিন্তু ওজনে অত্যন্ত হালকা এবং এটি ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ন্যানো গোল্ড পার্টিকল ব্যাখ্যা: সোনার এই ক্ষুদ্র কণাগুলোর আকার পরিবর্তনের কারণে এদের রঙ সোনা থেকে লাল বা নীল বর্ণে পরিবর্তিত হয় যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে বায়োসেন্সর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১-১০০ μm — মাইক্রোমিটার বা মাইক্রন মাপের কণা ন্যানোবস্তু নয়, কারণ মাইক্রোমিটার ন্যানোমিটারের চেয়ে এক হাজার গুণ বড় এবং এটি সাধারণ মাইক্রোস্কোপেই দেখা যায়। B) ১-১০০০ μm — এই মাপের কণাগুলো মূলত খালি চোখে দৃশ্যমান ধূলিকণা বা কোষের আকারের সাথে তুলনীয়, যা ন্যানো প্রযুক্তির সীমার বাইরে অবস্থিত। C) ১-১০০ nm — এটি ন্যানোবস্তুর সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড যা কণার আকার নির্দেশ করে। D) ১-১০০০ nm — এই পরিমাপটি আংশিকভাবে সঠিক হলেও আধুনিক ন্যানো সায়েন্সে ন্যানোবস্তুর সর্বসম্মত ঊর্ধ্বসীমা ১০০ ন্যানোমিটার হিসেবে নির্ধারিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন্যানো শব্দের অর্থ হলো এক বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ, তাই ন্যানোবস্তুর আকার মনে রাখতে ১ থেকে ১০০ সংখ্যা এবং ন্যানোমিটার এককটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ন্যানো প্রযুক্তির জনক রিচার্ড ফাইনম্যানকে ধরা হয় এবং ন্যানো টেকনোলজি শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন নরানি তানিগুচি। এই টপিক থেকে বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় ন্যানো কণার আকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a C
b H
c Cl
d Na
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Na ১. কেন সঠিক: সোডিয়াম একটি মৌলিক পদার্থ যার পারমাণবিক সংখ্যা ১১ এবং এর ভর সংখ্যা ২৩। প্রকৃতিতে সোডিয়ামের কোনো স্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ পাওয়া যায় না, এটি একমাত্র সোডিয়াম-২৩ রূপেই থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোটোপ বলে। আইসোটোপ না থাকার অর্থ হলো সেই মৌলের প্রকৃতিতে কেবল একটি নির্দিষ্ট পরমাণুই বিদ্যমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে, যেমন কার্বন-১২, কার্বন-১৩ এবং কার্বন-১৪। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের বয়স নির্ধারণে এবং প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় কার্বনের আইসোটোপ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে, যেমন প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম। ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেনের এই আইসোটোপগুলোর নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর আলাদা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) C — কার্বনের একাধিক আইসোটোপ যেমন কার্বন-১২ ও কার্বন-১৪ প্রকৃতিতে বিদ্যমান থাকায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) H — হাইড্রোজেনের প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম নামের তিনটি পরিচিত আইসোটোপ রয়েছে। C) Cl — ক্লোরিনের ক্লোরিন-৩৫ এবং ক্লোরিন-৩৭ নামক দুটি প্রধান স্থিতিশীল আইসোটোপ আছে। D) Na — সোডিয়ামের কোনো প্রাকৃতিক আইসোটোপ নেই, তাই এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: একক মৌল বা মনোisotopic মৌলগুলো মনে রাখার জন্য সোডিয়াম, ফ্লুরিন ও সোনার কথা স্মরণ করতে পারো। সোডিয়ামের শুধু একটাই রূপ আছে, তাই এর আইসোটোপ নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রকৃতিতে প্রাপ্ত প্রায় একুশটি মৌলের কোনো প্রাকৃতিক আইসোটোপ নেই, যাদের মনোisotopic মৌল বলা হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোন মৌলের আইসোটোপ আছে বা নেই তা জানতে চাওয়া হয়।
a ওহম
b কুলম্ব
c জুল
d ফ্যারাডে
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুলম্ব ১. কেন সঠিক: বৈজ্ঞানিকভাবে তড়িৎ আধান বা চার্জের আন্তর্জাতিক একক হলো কুলম্ব। ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী শার্ল অগুস্তাঁ দ্য কুলম্বের নামানুসারে এই এককের নামকরণ করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ এক সেকেন্ড সময় ধরে প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ চার্জ প্রবাহিত হয়, তাকে এক কুলম্ব বলে। বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের ব্যাটারিতে চার্জের পরিমাণ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-ঘণ্টা এককে মাপা হলেও এর মূল বৈজ্ঞানিক একক কুলম্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাথার চুলে প্লাস্টিকের চিরুনি ঘষে কাগজের টুকরার কাছে ধরলে টুকরাগুলো আকৃষ্ট হয়। ব্যাখ্যা: ঘর্ষণের ফলে চিরুনিতে স্থির বৈদ্যুতিক চার্জ বা কুলম্ব আধানের সৃষ্টি হয় যা হালকা বস্তুকে আকর্ষণ করে। উদাহরণ ২: মেঘের মধ্যে ঘর্ষণের ফলে বজ্রপাত হয়। ব্যাখ্যা: মেঘে প্রচুর পরিমাণে বৈদ্যুতিক চার্জ বা কুলম্ব জমা হওয়ার ফলে বিশাল স্ফুলিঙ্গ বা বজ্রপাতের সৃষ্টি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওহম — এটি বৈদ্যুতিক রোধ পরিমাপের এসআই একক, চার্জের একক নয়। B) কুলম্ব — এটি তড়িৎ আধান বা চার্জ পরিমাপের সঠিক ও আন্তর্জাতিক একক। C) জুল — এটি কাজ, শক্তি এবং তাপশক্তি পরিমাপের এসআই একক। D) ফ্যারাডে — এটি তড়িৎ ধারণক্ষমতা বা ধারকত্ব পরিমাপের একক অথবা তড়িৎ রসায়নে চার্জের একটি বৃহৎ পরিমাপক। ৫ মনে রাখার টিপস: চার্জ বা আধান পরিমাপ করতে ফরাসি বিজ্ঞানী কুলম্বের অবদান সবচেয়ে বেশি তাই চার্জের একক কুলম্ব। আধানের প্রথম অক্ষর আ এবং কুলম্বের ক মিলিয়ে এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসআই একক থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যেমন, তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার এবং বিভব পার্থক্যের একক ভোল্ট, এই বিষয়গুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a H2
b O2
c CO2
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় ১. কেন সঠিক: - প্রকৃতিতে কোনো গ্যাসই শতভাগ আদর্শ গ্যাস নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক। - আদর্শ গ্যাসের সংজ্ঞা কেবল তাত্ত্বিকভাবে প্রযোজ্য, বাস্তব গ্যাসগুলো উচ্চচাপে ও নিম্নতাপমাত্রায় আদর্শ আচরণ থেকে বিচ্যুত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে গ্যাসসমূহ তাপমাত্রা ও চাপের সকল অবস্থায় বয়েল ও চার্লসের সূত্র এবং আদর্শ গ্যাস সমীকরণ নিখুঁতভাবে মেনে চলে, তাদের আদর্শ গ্যাস বলে। - সূত্র বা তত্ত্ব: আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে সমীকরণটি হলো পিভি সমান সমান এনআরটি, যেখানে পি হলো চাপ, ভি হলো আয়তন, এন হলো মোলের সংখ্যা, আর হলো গ্যাস ধ্রুবক এবং টি হলো পরম তাপমাত্রা। - কারণ ও ফলাফল: বাস্তব গ্যাসের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বিদ্যমান থাকে এবং অণুগুলোর নিজস্ব প্রকৃত আয়তন থাকে, যার কারণে তারা আদর্শ আচরণ থেকে সরে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড্রোজেন গ্যাস ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন একটি বাস্তব গ্যাস এবং সাধারণ অবস্থায় এটি আদর্শ গ্যাসের কাছাকাছি আচরণ করলেও উচ্চচাপে এটি আদর্শ আচরণ থেকে সরে আসে। উদাহরণ ২: অক্সিজেন গ্যাস ব্যাখ্যা: অক্সিজেন গ্যাস বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান একটি বাস্তব গ্যাস, যার অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ বল থাকায় এটি আদর্শ গ্যাসের শর্ত পুরোপুরি পূরণ করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) H2 — এটি একটি বাস্তব গ্যাস, কারণ এর অণুগুলোর নির্দিষ্ট আয়তন ও আকর্ষণ বল আছে এবং এটি আদর্শ গ্যাসের শর্ত পুরোপুরি মানে না। B) O2 — এটি একটি বাস্তব গ্যাস, কারণ উচ্চচাপ ও নিম্নতাপমাত্রায় এটি আদর্শ আচরণ থেকে বিচ্যুত হয়। C) CO2 — এটি একটি বাস্তব গ্যাস, যা অন্য যেকোনো গ্যাসের চেয়ে সহজে তরলীভূত হয় এবং আদর্শ গ্যাসের সূত্র মেনে চলে না। D) কোনটিই নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই আদর্শ গ্যাস নয়, তাই এই উত্তরটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে প্রকৃতিতে কোনো পারফেক্ট বা আদর্শ গ্যাস নেই, সব গ্যাসই হলো বাস্তব গ্যাস। - বাস্তব গ্যাস কেবল উচ্চ তাপমাত্রায় ও নিম্ন চাপে আদর্শ গ্যাসের মতো আচরণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাস আদর্শ গ্যাসের কাছাকাছি, তখন উত্তর হবে হিলিয়াম বা হাইড্রোজেন। - মনে রাখবে আদর্শ গ্যাস সমীকরণে পিভি সমান সমান এনআরটি ব্যবহৃত হয়।
a ক্ষারীয়
b অম্লীয়
c উভধর্মী
d নিরপেক্ষ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্ষারীয় ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম কার্বনেট একটি সবল ক্ষার এবং দুর্বল অম্লের সমন্বয়ে গঠিত লবণ হওয়ায় এর জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়। - জলে দ্রবীভূত হওয়ার পর এটি আদ্রবিশ্লেষিত হয়ে হাইড্রোক্সাইড আয়ন উৎপন্ন করে যা দ্রবণকে ক্ষারীয় করে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: লবণের জলীয় বিশ্লেষণে সবল অংশ তার প্রভাব দেখায়, তাই সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড সবল হওয়ায় দ্রবণ ক্ষারীয় হয়। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: সোডিয়াম কার্বনেট জলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং কার্বনিক অ্যাসিড উৎপন্ন করে। - কারণ ও ফলাফল: উৎপন্ন সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড সবল ক্ষার হওয়ায় দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়নের আধিক্য ঘটে এবং পিএইচ মান সাতের বেশি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপড় কাচার সোডার জলীয় দ্রবণ ব্যাখ্যা: কাপড় কাচার সোডা হলো সোডিয়াম কার্বনেট, যার জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাস কাগজকে নীল করে। উদাহরণ ২: বেকিং সোডার জলীয় দ্রবণ ব্যাখ্যা: সোডিয়াম বাইকার্বনেট দ্রবণেও একই প্রক্রিয়ায় সামান্য ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় যা অ্যান্টাসিড হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষারীয় — এটি সঠিক কারণ সোডিয়াম কার্বনেট জলে হাইড্রোলিসিস প্রক্রিয়ায় ক্ষারীয় ধর্ম প্রদর্শন করে। B) অম্লীয় — এটি ভুল কারণ অম্লীয় দ্রবণ তৈরি হতে হলে সবল অ্যাসিড ও দুর্বল ক্ষারের লবণ প্রয়োজন হয়। C) উভধর্মী — এটি ভুল কারণ উভধর্মী পদার্থ অ্যাসিড ও ক্ষার উভয়ের সঙ্গেই বিক্রিয়া করে, যেমন অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড। D) নিরপেক্ষ — এটি ভুল কারণ নিরপেক্ষ লবণ হলো সবল অ্যাসিড ও সবল ক্ষারের সমন্বয়ে গঠিত সোডিয়াম ক্লোরাইড। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবল ক্ষার ও দুর্বল অম্লের লবণ সর্বদা ক্ষারীয় হয়, এই সূত্র মনে রাখলে যেকোনো লবণের প্রকৃতি সহজে নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লবণের আদ্রবিশ্লেষণ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে অম্লীয় বা ক্ষারীয় প্রকৃতির কোনটি হবে। - সোডিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক নাম ও সংকেত সংক্রান্ত প্রশ্নও বিভিন্ন চাকরিতে বারবার আসে।
a ২০ জুন
b ২১ জুন
c ২২ জুন
d ২৭ জুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ জুন ১. কেন সঠিক: উত্তর গোলার্ধে ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই দিনে উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পৃথিবীর নিজ অক্ষের ওপর ৬৬.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে থেকে সূর্যের চারপাশে প্রদক্ষিণ করার কারণে এই ঋতু পরিবর্তন ঘটে। কার্যপ্রণালি: ২১ জুন তারিখে পৃথিবী এমন অবস্থানে থাকে যেখানে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে থাকে। কারণ ও ফলাফল: সূর্যের আলো উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে, ফলে দিন বড় হয় এবং তাপ বেশি অনুভূত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই দিনটি উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালীন সংক্রান্তি বা সামার সল্টিস নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশে দিনের বেলা দীর্ঘ হওয়া এবং রাতের বেলা ছোট হওয়া। ব্যাখ্যা: ২১ জুনের কাছাকাছি সময়ে সূর্যরশ্মি দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করার কারণে এই ঘটনা ঘটে। উদাহরণ ২: উত্তর মেরু অঞ্চলে ২১ জুনের আশেপাশে টানা ২৪ ঘণ্টা দিন থাকা বা সূর্য না ডোবা। ব্যাখ্যা: পৃথিবীর অক্ষের হেলে থাকার কারণে উত্তর মেরু এই সময় সম্পূর্ণভাবে সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জুন — এই তারিখে সূর্যের বার্ষিক গতিপথের হিসাব অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে সর্বমোট দীর্ঘতম দিন হয় না। B) ২১ জুন — এটি বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধের বছরের দীর্ঘতম দিন এবং দক্ষিণ গোলার্ধের ক্ষুদ্রতম দিন। C) ২২ জুন — এই তারিখের মধ্যে সূর্যের উত্তরমুখী গতি শেষ হয়ে দক্ষিণমুখী যাত্রা শুরু হয়, তবে এটি দীর্ঘতম দিন নয়। D) ২৭ জুন — জুন মাসের এই তারিখে পৃথিবীর অপসূর বা অনুসুর সংক্রান্ত জ্যোতির্বিজ্ঞানগত কোনো বিশেষ দীর্ঘতম দিনের ঘটনা ঘটে না। ৫ মনে রাখার টিপস: জুন মাসের একুশ তারিখ মনে রাখুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন হিসেবে। সংক্রান্তি শব্দটি মনে রাখলে গ্রীষ্ম ও শীতকালের বড়-ছোট দিনের হিসাব গুলিয়ে যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বছরের সবচেয়ে ছোট দিন কোনটি, এই প্রশ্ন এলে উত্তর হবে একুশ ডিসেম্বর। বিষুব বা ইকুয়নক্স এবং সংক্রান্তি বা সল্টিস সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a কাঁচ
b সিলিকন
c অ্যালুমিনিয়াম
d জার্মেনিয়াম
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যালুমিনিয়াম ১. কেন সঠিক: - অ্যালুমিনিয়াম একটি ধাতু হওয়ায় এর পরমাণুর শেষ কক্ষপথে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। - এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো পরমাণুর ভেতর স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারে বলেই এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে প্রবাহিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে, তাকে পরিবাহী বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: ধাতুর পরমাণুগুলোর মধ্যে ধাতব বন্ধন থাকে, যেখানে ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট কোনো পরমাণুর সাথে আবদ্ধ না থেকে পুরো ধাতুর মধ্যে মেঘের মতো ঘুরে বেড়ায়। - বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক তার, ট্রান্সফরমার এবং রান্নার তৈজসপত্রে তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য অ্যালুমিনিয়াম ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওভারহেড বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য বিদ্যুতের খুঁটির তারে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয় কারণ এটি হালকা এবং এর মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন সহজে চলাচল করে। উদাহরণ ২: রান্নার অ্যালুমিনিয়াম কড়াই ব্যাখ্যা: চুলার তাপ অ্যালুমিনিয়াম পাত্রের মধ্য দিয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং খাবার দ্রুত রান্না হয় কারণ এর মুক্ত ইলেকট্রন তাপ শক্তি দ্রুত পরিবহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁচ — কাঁচ একটি ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় বরং এটি একটি কুপরিবাহী বা অন্তরক, কারণ এতে কোনো মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। B) সিলিকন — সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী, এর মধ্য দিয়ে সাধারণ অবস্থায় ইলেকট্রন মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে না, বিশেষ অবস্থা বা ডোপিং এর প্রয়োজন হয়। C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি সুপরিবাহী ধাতু যার মধ্যে প্রচুর মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। D) জার্মেনিয়াম — জার্মেনিয়ামও সিলিকনের মতো একটি অর্ধপরিবাহী, যার তড়িৎ পরিবাহিতা পরিবাহী ও কুপরিবহীর মাঝামাঝি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধাতু মানেই বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং মুক্ত ইলেকট্রনের খেলা। অ্যালুমিনিয়াম একটি ধাতু, তাই এর মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন মুক্তভাবে চলাচল করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন পদার্থটি বিদ্যুৎ পরিবাহী বা অর্ধপরিবাহী। পরিবাহী হিসেবে ধাতু এবং অর্ধপরিবাহী হিসেবে সিলিকন ও জার্মেনিয়াম মনে রাখা জরুরি।
a ট্রপোস্ফেয়ার
b স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার
c মেসোস্ফেয়ার
d থার্মোস্ফেয়ার
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলের প্রায় ১৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতার মধ্যে ওজোন গ্যাসের স্তর বা ওজোন পরিমণ্ডল অবস্থান করে। স্ট্র্যাটোস্ফেয়ারে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে অক্সিজেন অণু ওজোন গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ওজোন গ্যাস অক্সিজেনের একটি রূপভেদ যার রাসায়নিক সংকেত ও থ্রি। কার্যপ্রণালি: সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ওজোন গ্যাস শোষণ করে পৃথিবীকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের আলোয় চামড়ার ক্যানসার রোধে ওজোন স্তর ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। ব্যাখ্যা: এটি অতিবেগুনি রশ্মিকে আটকে দিয়ে মানবদেহকে মারাত্মক ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: রেফ্রিজারেটরে ব্যবহৃত সিএফসি গ্যাস ওজোন স্তর ধ্বংস করে। ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলে গিয়ে ওজোন অণুকে ভেঙে দেয় এবং স্তর ক্ষয় করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোস্ফেয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর যেখানে মেঘ, বৃষ্টি ও ঝড়ঝাপ্টা হয় এবং আবহাওয়া গঠিত হয়। B) স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ওজোন গ্যাসের মূল ঘনত্ব পাওয়া যায়। C) মেসোস্ফেয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তর যেখানে উল্কাপিণ্ড পুড়ে ছাই হয়। D) থার্মোস্ফেয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের উচ্চতম স্তর যেখানে রেডিও তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর স্ট্র্যাটোস্ফেয়ারে থাকে এটি মনে রাখতে এস দিয়ে স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার এবং এস দিয়ে সেফটি বা সুরক্ষা শব্দটি মনে রাখতে পারো। স্ট্র্যাটোস্ফেয়ারকে শান্ত মণ্ডলও বলা হয় কারণ এখানে ঝড়বৃষ্টি হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায় তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী প্রধান উপাদান হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি।
a CnH2n
b CnH2n+2
c CnH2n-2
d CnHn
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CnH2n-2 ১. কেন সঠিক: - অ্যালকাইন হলো অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন যাতে কার্বন কার্বন ত্রিবন্ধন থাকে। - এই ত্রিবন্ধন থাকার কারণে সাধারণ অ্যালকেনের তুলনায় হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা চারটি কম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যালকাইন হলো কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত এমন একধরনের জৈব যৌগ যা অসম্পৃক্ত শ্রেণিভুক্ত। - রাসায়নিক গঠন: এদের অণুতে অন্তত একটি কার্বন কার্বন ত্রিবন্ধন বিদ্যমান থাকে এবং কার্বন পরমাণুগুলো সরল বা শাখায়িত শিকলে যুক্ত থাকে। - সাধারণ সংকেত: কোনো অ্যালকাইন অণুতে কার্বন পরমাণুর সংখ্যা যদি n হয়, তবে হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা হয় দুই গুণ অপেক্ষা দুইটি কম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইথাইন বা অ্যাসিটিলিন ব্যাখ্যা: এটি সবচেয়ে সরল অ্যালকাইন যার সংকেত C2H2 এবং এখানে কার্বন পরমাণু সংখ্যা দুই হওয়ায় হাইড্রোজেনের সংখ্যা দুই গুণ অপেক্ষা দুই কম হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রোপাইন ব্যাখ্যা: এটি তিন কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকাইন যার সংকেত C3H4 এবং এটি অ্যালকাইন পরিবারের সাধারণ সংকেতকে সঠিকভাবে মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CnH2n — এই সংকেতটি অ্যালকিন বা সাইক্লোঅ্যালকেনের জন্য প্রযোজ্য যেখানে দ্বিবন্ধন বা বলয় থাকে। B) CnH2n+2 — এই সংকেতটি অ্যালকেন বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনের জন্য প্রযোজ্য যেখানে একক বন্ধন থাকে। C) CnH2n-2 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অ্যালকাইনের সাধারণ সংকেতকে নির্দেশ করে। D) CnHn — এটি কোনো নির্দিষ্ট হাইড্রোকার্বন শ্রেণির সাধারণ সংকেত নয় বরং এটি মূলত পলিন বা অ্যারোমাটিক যৌগের অনুপাত হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ্যালকেন মানে প্লাস দুই, অ্যালকিন মানে সমান এবং অ্যালকাইন মানে মাইনাস দুই মনে রাখবে। - কার্বনের সংখ্যার দ্বিগুণ করে অ্যালকেনের জন্য দুই যোগ, অ্যালকিনের জন্য কিছু না করে এবং অ্যালকাইনের জন্য দুই বিয়োগ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অ্যালকাইন শ্রেণীর প্রথম সদস্যের নাম ইথাইন এবং এর বাণিজ্যিক নাম অ্যাসিটিলিন। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাইড্রোকার্বনের সাধারণ সংকেত নির্ণয়ের জন্য প্রায়ই আসে।
a 9.8 m/s²
b 0
c অসীম
d মান নির্ণয়ের জন্য আরও তথ্যের প্রয়োজন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ ১. কেন সঠিক: মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের সংজ্ঞানুসারে, কোনো বস্তুর দূরত্ব অসীম হলে সেখানে মহাকর্ষীয় বল বা অভিকর্ষজ ত্বরণের কার্যকারিতা থাকে না। পৃথিবী থেকে অসীম দূরত্বে পৃথিবীর মহাকর্ষীয় প্রভাব বা আকর্ষণ বল সম্পূর্ণভাবে শূন্য হয়ে যায়, ফলে সেখানে g এর মান শূন্য হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) হলো পৃথিবীর আকর্ষণে ভূ-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার। সূত্র বা তত্ত্ব: নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী, g = (G × M) ÷ (R স্কয়ার), যেখানে G হলো মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, M হলো পৃথিবীর ভর এবং R হলো পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্ব। কারণ ও ফলাফল: দূরত্ব (R) এর মান অসীম হলে কোনো সংখ্যাকে অসীম দ্বারা ভাগ করলে তার ফল শূন্য হয়, তাই g এর মানও শূন্য হয়। বাস্তব প্রয়োগ: মহাকাশযানের কৃত্রিম উপগ্রহ যখন পৃথিবীর মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের বাইরে চলে যায়, তখন সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ থাকে না বললেই চলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যে নভোচারীদের ভেসে বেড়ানো। ব্যাখ্যা: পৃথিবী থেকে অনেক দূরে মহাকর্ষীয় টান না থাকায় নভোচারীরা ওজনহীনতা অনুভব করেন এবং ভেসে থাকেন। উদাহরণ ২: দুটি চুম্বকের বিপরীত মেরু অনেক দূরে সরিয়ে নেওয়া। ব্যাখ্যা: দূরত্ব বেশি হলে চুম্বকের আকর্ষণ যেমন কমে যায়, তেমনি পৃথিবীর দূরত্ব অসীম হলে মহাকর্ষ বল শূন্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯.৮ মিটার প্রতি সেকেন্ড স্কয়ার — এটি পৃথিবী পৃষ্ঠে বা তার কাছাকাছি অবস্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের আদর্শ মান, অসীম দূরত্বে নয়। B) ০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অসীম দূরত্বে পৃথিবীর মহাকর্ষীয় বল এবং ত্বরণ কার্যকর থাকে না। C) অসীম — এটি ভুল কারণ দূরত্ব বাড়লে মহাকর্ষ বল ও ত্বরণ কমে যায়, বাড়ে না। D) মান নির্ণয়ের জন্য আরও তথ্যের প্রয়োজন — এটি ভুল কারণ মহাকর্ষের সার্বজনীন সূত্র থেকেই অসীম দূরত্বে g এর মান নিশ্চিতভাবে শূন্য বলা যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: দূরত্ব যত বেশি বাড়বে, মহাকর্ষীয় টান ও g এর মান তত কমবে। দূরত্ব যখন একদম অসীম, তখন g এর মানও একেবারে শূন্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বা গভীরে গেলে g এর মান কমে যায়। বিষুব অঞ্চলে g এর মান সবচেয়ে কম এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হয়।
a উৎপাদ বাড়বে
b উৎপাদ কমবে
c উৎপাদ এর উপর কোন প্রভাব পড়বে না
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: বি) উৎপাদ কমবে প্রদত্ত তথ্য: বিক্রিয়াটি হলো তিন মোল হাইড্রোজেন এবং এক মোল নাইট্রোজেন বিক্রিয়া করে দুই মোল অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে বিক্রিয়কের দিকে মোট মোল সংখ্যা চার এবং উৎপাদের দিকে মোট মোল সংখ্যা দুই ধরি, চাপ বাড়ানো হলে সাম্যাবস্থা সেই দিকে সরে যায় যেদিকে মোলের সংখ্যা কম থাকে চাপ কমানো হলে সাম্যাবস্থা সেই দিকে সরে যায় যেদিকে মোলের সংখ্যা বেশি থাকে অতএব, এই বিক্রিয়ায় উৎপাদের দিকে মোলের সংখ্যা কম এবং বিক্রিয়কের দিকে মোলের সংখ্যা বেশি তাই চাপ প্রয়োগ করলে বিক্রিয়া কম মোলের দিকে অর্থাৎ উৎপাদের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে সুতরাং, প্রশ্নানুসারে শুধু চাপের প্রভাবের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে সামগ্রিক বিবেচনায় উৎপাদ হ্রাসের ঘটনা ঘটে উত্তর: উৎপাদ কমবে
a λ/4
b λ/2
c λ
d 2λ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) λ ১. কেন সঠিক: - তরঙ্গের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ একটি তরঙ্গচক্র সম্পন্ন হলে দশা পরিবর্তন হয় দুই পাই এবং অতিক্রান্ত দূরত্ব হয় এক তরঙ্গদৈর্ঘ্য। - নির্দিষ্ট দুটি বিন্দুর মধ্যে এই দশা পার্থক্য এবং পথ পার্থকের মধ্যে সরাসরি সমানুপাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো তরঙ্গের দুটি বিন্দুর কৌণিক দূরত্বের পার্থক্য হলো দশা পার্থক্য এবং রৈখিক দূরত্বের পার্থক্য হলো পথ পার্থক্য। - সূত্র: পথ পার্থক্য সমান সমান তরঙ্গদৈর্ঘ্য গুণন দশা পার্থক্য ভাগ দুই পাই। - কার্যপ্রণালি: দুই পাই দশা পার্থক্যের জন্য পথ পার্থক্য হয় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সমান অর্থাৎ ল্যামডা। - বাস্তব প্রয়োগ: শব্দ তরঙ্গ বা আলো তরঙ্গের ব্যতিচার এবং অপাবর্তন গবেষণায় এই সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুকুরে পাথর ফেললে পানির ঢেউ তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: একটি পুর্ণ তরঙ্গ শৃঙ্গ থেকে পরবর্তী শৃঙ্গের দূরত্ব হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং এদের দশা পার্থক্য দুই পাই। উদাহরণ ২: গিটারের তারে সুর তোলার সময় তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: তারের কম্পনের ফলে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য তৈরি হয় যেখানে দশা ও পথ পার্থক্যের নির্দিষ্ট অনুপাত বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) λ/4 — এটি চার ভাগের এক ভাগ তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্দেশ করে যার দশা পার্থক্য পাই ভাগ দুই এর সমান। B) λ/2 — এটি অর্ধেক তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্দেশ করে যার দশা পার্থক্য পাই এর সমান। C) λ — এটি সম্পূর্ণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্দেশ করে যার দশা পার্থক্য দুই পাই এর সমান। D) 2λ — এটি দুটি পূর্ণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্দেশ করে যার দশা পার্থক্য চার পাই এর সমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুই পাই দশার জন্য পথ পার্থক্য হলো এক ল্যামডা। - দশা পার্থক্য অর্ধেক হলে পথ পার্থক্যও অর্ধেক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তরঙ্গ সংক্রান্ত গাণিতিক সমস্যার জন্য এই সূত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - দশা পার্থক্যের মান পরিবর্তন করে পথ পার্থক্য নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a জারণ - বিজারণ
b জারণ
c বিজারণ
d কোনটিই নয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিজারণ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বিক্রিয়ায় ফেরিক আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিরপেক্ষ বা কম আধানযুক্ত আয়রনে পরিণত হয়েছে। - রসায়নের নিয়ম অনুযায়ী কোনো পরমাণু বা আয়ন কর্তৃক ইলেকট্রন গ্রহণের প্রক্রিয়াকে বিজারণ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইলেকট্রন গ্রহণ করার প্রক্রিয়া হলো বিজারণ এবং ইলেকট্রন বর্জন করার প্রক্রিয়া হলো জারণ। - কার্যপ্রণালি: এখানে ফেরিক আয়নে তিনটি ধনাত্মক আধান আছে, যা তিনটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান শূন্য করে লোহায় পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লোরিন গ্যাস ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হওয়া একটি বিজারণ বিক্রিয়া। ব্যাখ্যা: এখানে ক্লোরিন পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করায় একে বিজারণ প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়। উদাহরণ ২: কপারের দ্বি-ধনাত্মক আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতব কপারে পরিণত হওয়া বিজারণের উদাহরণ। ব্যাখ্যা: কপার আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিরপেক্ষ ধাতুতে রূপান্তরিত হয় যা বিজারণের ফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জারণ - বিজারণ — এই বিক্রিয়ায় কেবল ইলেকট্রন গ্রহণ ঘটেছে, তাই একে কেবল বিজারণ বলা হয়, যুগপৎ জারণ-বিজারণ নয়। B) জারণ — জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন বর্জিত হয়, কিন্তু এখানে ইলেকট্রন গৃহীত হয়েছে। C) বিজারণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ইলেকট্রন গ্রহণের মাধ্যমে বিজারণ ঘটে চলেছে। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনের তালিকায় উপস্থিত থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজারণ মানে ঋণাত্মক আধান বা ইলেকট্রন বৃদ্ধি পাওয়া এবং জারণ মানে ইলেকট্রন কমে যাওয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জারণ ও বিজারণ বিক্রিয়া শনাক্ত করতে বলা হয়, তাই ইলেকট্রন আদান-প্রদান ভালোভাবে মনে রাখবে।
a 32
b 50
c 18
d 82
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০ ১. কেন সঠিক: - পরমাণুর যেকোনো শক্তিস্তরে ইলেকট্রন ধারণ করার সর্বোচ্চ ক্ষমতা নির্ণয় করা হয় বোর মডেলের একটি নির্দিষ্ট সূত্রের মাধ্যমে। - এখানে ৫ম শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে, তাই সূত্রের এন এর মান ৫ বসিয়ে হিসাব করলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে বা কক্ষপথে ঘোরে এবং প্রতিটি স্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নির্দিষ্ট। - সূত্র: কোনো শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই গুণ এন স্কয়ার, যেখানে এন হলো শক্তিস্তর বা প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা। - কার্যপ্রণালি: ৫ম শক্তিস্তরের জন্য এন এর মান ৫ হলে, পাঁচ এর বর্গ হলো পঁচিশ এবং তার সঙ্গে দুই গুণ করলে ফলাফল হয় পঞ্চাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম শক্তিস্তর বা কে শেলে সর্বোচ্চ দুটি ইলেকট্রন থাকতে পারে কারণ এক এর বর্গ এক এবং তার সঙ্গে দুই গুণ করলে দুই হয়। ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম পরমাণুর প্রথম স্তরের ধারণক্ষমতা এই নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: তৃতীয় শক্তিস্তর বা এম শেলে সর্বোচ্চ আঠারোটি ইলেকট্রন থাকতে পারে কারণ তিন এর বর্গ নয় এবং তার সঙ্গে দুই গুণ করলে আঠারো হয়। ব্যাখ্যা: সোডিয়াম বা ক্লোরিনের মতো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে এই স্তরের পূর্ণতা লক্ষ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩২ — এটি চতুর্থ শক্তিস্তর বা এন শেলের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নির্দেশ করে যেখানে এন এর মান চার। B) ৫০ — এটি পঞ্চম শক্তিস্তর বা ও শেলের সঠিক ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা যা মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ১৮ — এটি তৃতীয় শক্তিস্তর বা এম শেলের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নির্দেশ করে যেখানে এন এর মান তিন। D) ৮২ — এটি তাত্ত্বিকভাবে উচ্চতর স্তরের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে তবে সাধারণ পরমাণুর ক্ষেত্রে এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রধান শক্তিস্তরের সাধারণ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা বের করার সহজ নিয়ম হলো প্রধান শক্তিস্তরের নম্বরকে বর্গ করে দুই দিয়ে গুণ করা। যেমন পঞ্চম স্তরের জন্য পাঁচ এর বর্গ পঁচিশ গুণ দুই সমান পঞ্চাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম চারটি শক্তিস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা অর্থাৎ দুই, আট, আঠারো এবং বত্রিশ সংখ্যাগুলো সরাসরি জানতে চাওয়া হয়। কখনো কখনো নির্দিষ্ট শক্তিস্তরের উপস্তর বা অরবিটালের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্নও এখান থেকে ঘুরিয়ে আসতে পারে।
a একটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস
b একটি তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা
c একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
d একটি ঋণাত্মক কণা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস ১. কেন সঠিক: - আলফা কণা হলো মূলত একটি দ্বি-ধনাত্মক হিলিয়াম আয়ন, যার মধ্যে দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন থাকে। - ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে এটি হিলিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সমতুল্য হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে নির্গত এক ধরনের ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা হলো আলফা কণা। - রাসায়নিক প্রতীক: একে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং এর ভরসংখ্যা চার ও পারমাণবিক সংখ্যা দুই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরেনিয়াম-২৩৮ মৌল আলফা কণা বিকিরণ করে থোরিয়াম-২৩৪ এ রূপান্তরিত হয়। ব্যাখ্যা: তেজস্ক্রিয় ক্ষয় প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণু স্থিতিশীল হতে আলফা কণা নির্গত করে। উদাহরণ ২: স্মোক ডিটেক্টরে বা ধোঁয়া শনাক্তকারী যন্ত্রে সামান্য পরিমাণ আমেরিসিয়াম-২৪১ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই যন্ত্রে আলফা কণা বায়ুকে আয়নিত করে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে, যা ধোঁয়া প্রবেশ করলে বাধাগ্রস্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস — হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস হলো কেবল একটি প্রোটন, যা প্রোটন কণা হিসেবে পরিচিত এবং আলফা কণা নয়। B) একটি তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা — তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা হলো নিউট্রন, কিন্তু আলফা কণা একটি ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা। D) একটি ঋণাত্মক কণা — ঋণাত্মক কণা হলো ইলেকট্রন বা বিটা কণা, কিন্তু আলফা কণা ধনাত্মক আধানযুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: আলফা কণা মানেই হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের সমতুল্য যার ভর চার এবং আধান প্লাস দুই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তেজস্ক্রিয় বিকিরণের মধ্যে আলফা কণার ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম কিন্তু আয়ন করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। এই টপিক থেকে বিসিএস পরীক্ষায় আলফা কণা ও বিটা কণার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a 10⁻¹²
b 10⁻⁹
c 10⁹
d 10¹²
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০⁻¹² ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে (SI Unit) কোনো রাশির একক ছোট বা বড় করার জন্য উপসর্গ বা প্রিফিক্স ব্যবহার করা হয়। - পিকো হলো একটি ছোট একক নির্দেশক উপসর্গ, যা মূল এককের দশের ঋণাত্মক ঘাত হিসেবে প্রকাশিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মেট্রিক পদ্ধতিতে কোনো এককের ক্ষুদ্রতম মান প্রকাশের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে কিছু আদর্শ উপসর্গ নির্ধারিত আছে। - কার্যপ্রণালি: পিকো বলতে মূল এককের এক ট্রিলিয়ন ভাগের এক ভাগ বা এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগকে বোঝানো হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান এবং ইলেকট্রনিক্সে অতিক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য, ভর বা সময়ের পরিমাপে পিকো একক বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফাইবার অপটিক ক্যাবলে ডেটা স্থানান্তরের সময় আলোর গতি হিসাব করতে পিকো সেকেন্ড ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত অল্প সময় যেমন সেকেন্ডের দশ লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ইলেকট্রনিক সার্কিটে ব্যবহৃত মাইক্রোচিপের ক্যাপাসিটরের মান পিকো ফ্যারাডে মাপা হয়। ব্যাখ্যা: অতিক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক ধারণক্ষমতা প্রকাশ করার জন্য এই ক্ষুদ্র পরিমাপ পদ্ধতি অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০⁻¹² — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে এক পিকো সমান দশের ওপর ঋণাত্মক বারো পাওয়ার বা দশের বারো ইনভার্স। B) ১০⁻⁹ — এটি ভুল অপশন কারণ দশের ওপর ঋণাত্মক নয় পাওয়ার বা দশের নয় ইনভার্স হলো ন্যানো নামক উপসর্গ। C) ১০⁹ — এটি ভুল অপশন কারণ দশের ওপর ধনাত্মক নয় পাওয়ার বা দশের নয় হলো গিগা নামক বড় একক নির্দেশক উপসর্গ। D) ১০¹² — এটি ভুল অপশন কারণ দশের ওপর ধনাত্মক বারো পাওয়ার বা দশের বারো হলো টেরা নামক বড় একক নির্দেশক উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋণাত্মক ঘাতের ছোট উপসর্গগুলোর ক্রম মনে রাখতে পারো এভাবে: মিলি দশের মাইনাস তিন, মাইক্রো মাইনাস ছয়, ন্যানো মাইনাস নয় এবং পিকো মাইনাস বারো। - প্রতি ধাপে তিন করে ঘাত বৃদ্ধি পায়, যা পিকো এককের ক্ষেত্রে বারো পর্যন্ত পৌঁছায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ন্যানো, পিকো, ফেক্টো এবং গিগা, টেরা সম্পর্কে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে এক ন্যানোমিটার বা এক মাইক্রোমিটার সমান কত মিটার, তাই সবগুলোর মান ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a টিউব লাইট
b নিওন লাইট
c সবগুলোতেই
d নক্ষত্রের ভেতরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সবগুলোতেই ১. কেন সঠিক: - প্লাজমা হলো পদার্থের চতুর্থ অবস্থা যেখানে গ্যাসীয় পরমাণুগুলো আয়নিত হয়ে মুক্ত ইলেকট্রন ও ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। - প্রদত্ত সবগুলো ক্ষেত্রেই প্লাজমা অবস্থা বিদ্যমান থাকায় এই উত্তরটি সঠিক হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্লাজমা হলো উচ্চ তাপমাত্রায় বা তড়িৎক্ষেত্রের প্রভাবে আয়নিত গ্যাসের সমষ্টি যা বিদ্যুৎ পরিবাহী। - কার্যপ্রণালি: টিউব লাইট ও নিয়ন লাইটের ভেতরে বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে গ্যাসকে আয়নিত করে প্লাজমা তৈরি করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রের অভ্যন্তরে প্রচণ্ড তাপে পরমাণু ভেঙে প্লাজমা সৃষ্টি হয় এবং এটি মহাবিশ্বের মোট পদার্থের শতকরা নিরানব্বই ভাগ জুড়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্লুরোসেন্ট বা টিউব লাইট জ্বালানো। ব্যাখ্যা: এর ভেতরের পারদ বাষ্প তড়িৎ প্রবাহের কারণে আয়নিত হয়ে প্লাজমা গঠন করে আলো ছড়ায়। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে নক্ষত্রের দীপ্তি। ব্যাখ্যা: নক্ষত্রের অন্দরে প্লাজমা অবস্থার কারণেই পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটে এবং প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিউব লাইট — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোতেও প্লাজমা পাওয়া যায় বলে এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) নিয়ন লাইট — এটি প্লাজমা প্রদর্শন করলেও এককভাবে সঠিক উত্তর হতে পারে না কারণ বাকিগুলোও সঠিক। C) সবগুলোতেই — এই অপশনটিতে টিউব লাইট, নিয়ন লাইট ও নক্ষত্রের ভেতর প্লাজমা পাওয়ার বিষয়টি একসঙ্গে সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। D) নক্ষত্রের ভেতরে — এটি সঠিক হলেও টিউব লাইট ও নিয়ন লাইটেও প্লাজমা থাকে, তাই শুধু এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদার্থের চারটি অবস্থার মধ্যে চতুর্থ অবস্থা প্লাজমা আমাদের টিউব লাইট, নিয়ন সাইনবোর্ড এবং মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোতে ব্যাপকভাবে দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি পদার্থবিজ্ঞানের পদার্থ ও শক্তি অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্লাজমা হলো পদার্থের চতুর্থ অবস্থা।
a দ্রুতি ও বেগ
b বেগ ও ত্বরণ
c দ্রুতি ও দূরত্ব
d সরণ ও দ্রুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্রুতি ও দূরত্ব ১. কেন সঠিক: - দ্রুতি এবং দূরত্ব উভয় রাশির মান প্রকাশ করার জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়, কোনো দিকের প্রয়োজন হয় না। - পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় যে সমস্ত ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করার জন্য কেবল মানের প্রয়োজন হয়, দিকের কোনো প্রয়োজন হয় না, তাদেরকে স্কেলার রাশি বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভৌত রাশিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা স্কেলার রাশি বা দিকহীন রাশি এবং ভেক্টর রাশি বা দিকযুক্ত রাশি। - কার্যপ্রণালি: কোনো বস্তুর অবস্থান পরিবর্তনের পরিমাণ হলো দূরত্ব এবং একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্ব হলো দ্রুতি, যার উভয়েই দিকনির্দেশ করে না। - বাস্তব প্রয়োগ: কোনো গাড়ি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে চলছে বলা হলে তা দ্রুতি, এবং গাড়িটি ১০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে বলা হলে তা দূরত্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি বস্তু ৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করল। ব্যাখ্যা: এখানে শুধুমাত্র পথের দৈর্ঘ্য বা মান প্রকাশ করা হয়েছে, তাই দূরত্ব একটি স্কেলার রাশি। উদাহরণ ২: একটি লোক প্রতি সেকেন্ডে ২ মিটার দ্রুতিতে দৌড়াচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে গতির হার বোঝানো হয়েছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো দিক উল্লেখ করা হয়নি, তাই দ্রুতি একটি স্কেলার রাশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রুতি ও বেগ — দ্রুতি স্কেলার রাশি হলেও বেগ একটি ভেক্টর রাশি কারণ বেগের নির্দিষ্ট দিক আছে। B) বেগ ও ত্বরণ — বেগ এবং ত্বরণ উভয় রাশিরই মান ও দিক উভয়ই আছে, তাই এরা ভেক্টর রাশি। C) দ্রুতি ও দূরত্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জোড়ার দুটি রাশিই স্কেলার রাশি। D) সরণ ও দ্রুতি — দ্রুতি স্কেলার রাশি হলেও সরণ হলো একটি নির্দিষ্ট দিকে অবস্থানের পরিবর্তন, তাই সরণ ভেক্টর রাশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্কেলার রাশি মনে রাখার কৌশল হলো দূরত্বের ধারণা মাথায় রাখা, দূরত্ব ও দ্রুতি দুটিতেই দিকের কোনো বালাই নেই। - সরণ ও বেগ শব্দগুলোর সাথে দিক জড়িত থাকে, তাই এরা কখনোই স্কেলার হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই স্কেলার ও ভেক্টর রাশির উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে, যেমন কাজ, শক্তি, ক্ষমতা হলো স্কেলার রাশি এবং বল, ওজন, ত্বরণ হলো ভেক্টর রাশি। - এই প্রশ্নটি থেকে ভৌত রাশির মৌলিক পার্থক্য এবং তাদের একক সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a 60 ডিগ্রি
b 90 ডিগ্রি
c 120 ডিগ্রি
d 180 ডিগ্রি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯০ ডিগ্রি ১. কেন সঠিক: বিজ্ঞানের ভাষায় কাজ তখনই সম্পন্ন হয় যখন কোনো বস্তুর ওপর বল প্রয়োগের ফলে বস্তুটির সরণ ঘটে। বল এবং সরণ একই দিকে না থেকে পরস্পরের লম্ব বা ৯০ ডিগ্রি কোণে থাকলে বলের কোনো উপাংশ সরণের দিকে থাকে না, তাই কাজের পরিমাণ শূন্য হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কাজ হলো প্রযুক্ত বল এবং বলের দিকে সরণের উপাংশের গুণফল। সূত্র/তত্ত্ব: কাজের সাধারণ সূত্রটি হলো ডব্লিউ সমান এফ এস কস থিটা, যেখানে ডব্লিউ হলো কাজ, এফ হলো বল, এস হলো সরণ এবং থিটা হলো বল ও সরণের মধ্যবর্তী কোণ। কার্যপ্রণালি: এখানে থিটার মান ৯০ ডিগ্রি বসালে কস ৯০ ডিগ্রির মান শূন্য হয়, ফলে কাজের সম্পূর্ণ হিসাবটি শূন্য হয়ে যায়। বাস্তব প্রয়োগ: কোনো ব্যক্তি মাথায় ভারী বোঝা নিয়ে সমতল ভূমিতে হাঁটলে তার ওপর প্রয়োগ করা অভিকর্ষ বল এবং সরণের দিক পরস্পরের লম্ব হওয়ায় পদার্থবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কোনো কাজ হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন কুলি মাথায় ভারী বাক্স নিয়ে সমতল রাস্তায় হেঁটে যাওয়া। ব্যাখ্যা: কুলি বস্তুটির ওপর খাড়া উপরের দিকে বল প্রয়োগ করে কিন্তু বস্তুটির সরণ ঘটে সামনের দিকে, তাই বল ও সরণের মধ্যবর্তী কোণ হয় ৯০ ডিগ্রি এবং কাজের মান শূন্য। উদাহরণ ২: সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর বৃত্তাকার কক্ষপথে ঘোরা। ব্যাখ্যা: সূর্য পৃথিবীর ওপর মহাকর্ষ বল টানে কেন্দ্রের দিকে আর পৃথিবীর সরণ ঘটে স্পর্শক বরাবর, ফলে এদের মধ্যবর্তী কোণ ৯০ ডিগ্রি হওয়ায় মহাকর্ষ বল দ্বারা কাজের পরিমাণ শূন্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬০ ডিগ্রি — এই কোণে বল প্রয়োগ করলে বলের একটি নির্দিষ্ট উপাংশ সরণের দিকে কাজ করে, তাই কাজের মান ধনাত্মক হয় এবং তা শূন্য হয় না। B) ৯০ ডিগ্রি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বল ও সরণ লম্বভাবে থাকলে কাজের হিসাব শূন্য আসে। C) ১২০ ডিগ্রি — এই কোণে বল ও সরণ পরস্পরের বিপরীতমুখী ধারার কাছাকাছি থাকে, ফলে কাজ ঋণাত্মক হয় কিন্তু শূন্য হয় না। D) ১৮০ ডিগ্রি — এই কোণে বল ও সরণ সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে কাজ করে, যা সর্বাধিক ঋণাত্মক কাজ নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় ৯০ মানেই লম্ব বা সমকোণ, আর কস ৯০ এর মান শূন্য হওয়ায় কাজও শূন্য হয়। কাজ শূন্য হওয়ার জন্য শুধু মনে রাখতে হবে বল আর সরণ একে অপরের দিকে হাত ধরাধরি করে না থেকে লম্বভাবে অবস্থান করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই কাজের মান শূন্য হওয়ার শর্ত হিসেবে আসে। কাজের মান কখন সর্বোচ্চ হয় তা জানতে চাইলে বল ও সরণের মধ্যবর্তী কোণ শূন্য ডিগ্রি হতে হবে এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a বাদামী
b লাল
c বেগুনি
d কমলা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাল ১. কেন সঠিক: - লাল রঙটি আলোর ক্ষেত্রে একটি প্রাথমিক বর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয় যা অন্য কোনো বর্ণের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না। - মানব চোখের কোণ কোষগুলোর নির্দিষ্ট সংবেদনশীলতার কারণে এই বর্ণগুলো মৌলিক হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন বর্ণ তৈরি করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে বর্ণগুলো নিজেদের মধ্যে মিশ্রিত হয়ে বা অন্য কোনো বর্ণের মিশ্রণ থেকে তৈরি হয় না এবং যাদের বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য বর্ণ তৈরি করা যায়, তাদেরকে মৌলিক বর্ণ বলে। - কার্যপ্রণালি: আলোর ক্ষেত্রে লাল, সবুজ এবং নীল এই তিনটি বর্ণকে প্রাথমিক বর্ণ বলা হয়, কারণ এই তিনটি বর্ণ বিভিন্ন অনুপাতে যোগ করে দৃশ্যমান বর্ণালীর প্রায় যেকোনো বর্ণ তৈরি করা সম্ভব। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার স্ক্রিন এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে পিক্সেল হিসেবে লাল, সবুজ এবং নীল আলোর মিশ্রণ ব্যবহার করে সম্পূর্ণ রঙিন চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেলিভিশনের স্ক্রিন বা মনিটর। ব্যাখ্যা: একটি রঙিন মনিটরের প্রতিটি পিক্সেলে লাল, সবুজ এবং নীল সাব-পিক্সেল থাকে, যার তীব্রতা পরিবর্তন করে চোখ হাজার হাজার ভিন্ন বর্ণ দেখতে পায়। উদাহরণ ২: রংধনু বা প্রিজমের আলোর বিচ্ছুরণ। ব্যাখ্যা: সূর্যের সাদা আলোকে প্রিজমের মধ্য দিয়ে ফেললে তা বিভক্ত হয়ে বর্ণালী গঠন করে, যেখানে লাল একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে আলাদাভাবে অবস্থান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাদামী — বাদামী কোনো প্রাথমিক বর্ণ নয়, এটি মূলত লাল, হলুদ এবং কালো বা অন্যান্য বর্ণের নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণের মাধ্যমে তৈরি একটি যৌগিক বর্ণ। B) লাল — এটি আলোর ক্ষেত্রে একটি সঠিক প্রাথমিক বর্ণ, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। C) বেগুনি — বেগুনি একটি যৌগিক বর্ণ যা নীল এবং লাল আলোর মিশ্রণে বা আলোর বর্ণালীর একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য হিসেবে উৎপাদিত হয়। D) কমলা — কমলা বর্ণটি লাল এবং হলুদ বর্ণের মিশ্রণে তৈরি হয়, যা চিত্রকলায় বা আলোর ক্ষেত্রে একটি গৌণ বা মিশ্র বর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলোর প্রাথমিক বর্ণ মনে রাখার জন্য 'রসবুনি' বা লাল, সবুজ, নীল এই তিনটি শব্দ মনে রাখতে পারো। - মৌলিক বর্ণগুলো নিজে থেকেই পূর্ণাঙ্গ, অন্য কারও সাহায্য ছাড়াই এরা বিদ্যমান থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর প্রাথমিক বর্ণ এবং প্রিন্টিং বা রঞ্জক পদার্থের প্রাথমিক বর্ণ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আলোর প্রাথমিক বর্ণ হলো লাল, সবুজ, নীল এবং রঞ্জক পদার্থের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বর্ণ হলো সিয়ান, ম্যাজেন্টা ও হলুদ।
a 4
b 6
c 8
d 12
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ১. কেন সঠিক: - বেনজিনের অণুতে মোট তিনটি দ্বিবন্ধন থাকে এবং প্রতিটি দ্বিবন্ধনে দুটি করে পাই ইলেকট্রন থাকে। - এই পাই ইলেকট্রনগুলো পুরো রিংজুড়ে মুক্তভাবে সঞ্চারণশীল থাকে, যা অণুকে বিশেষ স্থায়িত্ব দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বেনজিন একটি芳香族 যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত C৬H৬ এবং এর গঠন একটি সমতলীয় ষড়ভুজাকার রিং। - কার্যপ্রণালি: বেনজিনের প্রতিটি কার্বন পরমাণু এসপি২ সংকরায়ন ঘটায় এবং অসংকরিত পি অরবিটালগুলো পাশাপাশি অধিক্রমণ করে পাই মেঘ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেনজিন রিংয়ের ডিলাকালাইজেশন বা সঞ্চারণশীলতা ব্যাখ্যা: পাই ইলেকট্রনগুলোর এই মেঘের মতো অবস্থানের কারণে বেনজিন খুব সহজে সংযোজন বিক্রিয়া দেয় না, বরং প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া দেয়। উদাহরণ ২: ইথিন বা অ্যালকিনের পাই ইলেকট্রন ব্যাখ্যা: ইথিনে মাত্র একটি দ্বিবন্ধন থাকায় পাই ইলেকট্রন সংখ্যা দুই, যা বেনজিনের সঙ্গে এর পার্থক্যের ভিত্তি তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ — এই সংখ্যাটি কোনো সাধারণ জৈব যৌগের পাই ইলেকট্রন বা বেনজিনের কাঠামোর সঙ্গে মিলে না। B) ৬ — এটি সঠিক কারণ বেনজিনের তিনটি পাই বন্ধনে মোট ছয়টি ইলেকট্রন সঞ্চারণশীল অবস্থায় থাকে। C) ৮ — এই সংখ্যাটি সাধারণত কোনো অসম্পৃক্ত চাক্রিক যৌগের সাধারণ পাই ইলেকট্রন সংখ্যার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) ১২ — এই সংখ্যাটি বেনজিনের সিগমা ইলেকট্রন বা মোট ভ্যালেন্সি ইলেকট্রনের হিসাবের সঙ্গে বিভ্রান্তিকর হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেনজিনে কার্বন পরমাণু ছয়টি এবং দ্বিবন্ধন তিনটি, তাই দ্বিবন্ধনের সংখ্যাকে দুই দিয়ে গুণ করলে পাই ইলেকট্রন সংখ্যা ছয় পাওয়া যায়। - হাকেলের সূত্র অনুসারে ৪n + ২ নিয়ম মেনে চললে পাই ইলেকট্রন সংখ্যা ছয় হয় যেখানে n এর মান এক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অ্যারোমেটিক যৌগ ও বেনজিনের গঠন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বেনজিনের কার্বন-কার্বন বন্ড দূরত্ব এবং পাই ইলেকট্রনের সঞ্চারণশীলতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a NaOH
b KMnO4
c HCl
d K2Cr2O7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) K2Cr2O7 ১. কেন সঠিক: পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট একটি আদর্শ বা প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এর ওজন নির্ভুলভাবে মাপা যায় এবং এটি বায়ুর উপাদান দ্বারা সহজে আক্রান্ত হয় না। এটি দীর্ঘ সময় ধরে তার গঠন ও বিশুদ্ধতা বজায় রাখতে পারে বলে টাইট্রেশন পরীক্ষায় প্রমাণ দ্রবণ তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে পদার্থগুলোর নির্দিষ্ট বিশুদ্ধতা থাকে, বায়ুর সংস্পর্শে সহজে পরিবর্তিত হয় না এবং যার প্রমাণ দ্রবণ সরাসরি তৈরি করা যায়, তাকে প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। কার্যপ্রণালি: রাসায়নিক বিশ্লেষণে কোনো অজানা দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়ের সময় এই পদার্থ দিয়ে তৈরি নিখুঁত ঘনমাত্রার দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাবরেটরিতে অক্সালিক এসিড ব্যবহার করে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের ঘনমাত্রা নির্ণয় করা হয়। ব্যাখ্যা: এখানে অক্সালিক এসিড একটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: আয়োডিমিতি titration প্রক্রিয়ায় পটাশিয়াম বাইহাইড্রেট বা পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে জারক পদার্থের সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) NaOH - সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড একটি গৌণ স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এটি বায়ুর জলীয় বাষ্প ও কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে ওজন পরিবর্তন করে। B) KMnO4 - পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট একটি গৌণ স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এটি আলো ও বায়ুর সংস্পর্শে ধীরে ধীরে বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়। C) HCl - হাইড্রোক্লোরিক এসিড একটি গৌণ স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এর গাঢ় দ্রবণ উদ্বায়ী প্রকৃতির হওয়ায় এর সঠিক ঘনত্ব স্থির থাকে না। D) K2Cr2O7 - পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট একটি সঠিক প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ যা সব শর্ত পূরণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখবে যেগুলোতে Na বা তীব্র উদ্বায়ী এসিড থাকে না, বরং পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট বা অক্সালিক এসিড থাকে। এগুলো বায়ুর সাথে সহজে বিক্রিয়া করে না বলে এদের মান শতভাগ নিখুঁত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাথমিক ও গৌণ স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট কেন প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড নয়, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a 273
b 273.16K
c 273.15K
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 273.16K ১. কেন সঠিক: পানির ত্রৈবিন্দু হলো এমন একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপ, যেখানে পানির তিনটি অবস্থা অর্থাৎ বরফ, তরল পানি ও জলীয় বাষ্প একই সঙ্গে তাপীয় সাম্যাবস্থায় অবস্থান করে। আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে তাপমাত্রা পরিমাপের ক্ষেত্রে এই সুনির্দিষ্ট মানটিকে আদর্শ ধরে কেলভিন স্কেল নির্ধারণ করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ত্রৈবিন্দু হলো পদার্থের সেই অবস্থা যেখানে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থা যুগপৎভাবে coexist করে। কার্যপ্রণালি: নির্দিষ্ট চাপে (০.০০৬০৩ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ) এবং শূন্য দশমিক শূন্য এক ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই বিশেষ অবস্থাটি পরীক্ষাগারে তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রৈবিন্দু সেলে বিশুদ্ধ পানি রেখে তাপমাত্রা ও চাপ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে বরফ, পানি ও বাষ্প একসাথে থাকে। ব্যাখ্যা: এটি নিখুঁত তাপমাত্রা মাপার জন্য একটি স্থির প্রাকৃতিক মান হিসেবে সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: থার্মোমিটার ক্যালিব্রেশন বা পরিমাপক যন্ত্রের ত্রুটি সংশোধনে পানির ত্রৈবিন্দু ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি ধ্রুবক মান হওয়ায় বিজ্ঞান ও শিল্প কারখানায় নির্ভুল পরিমাপের জন্য অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 273 — এটি সঠিক নয় কারণ এটি কেবল সাধারণ বরফ জমার তাপমাত্রা বোঝায়, সুনির্দিষ্ট ত্রৈবিন্দুর দশমিকের অংশ বাদ পড়ে গেছে। B) 273.16K — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পানির ত্রৈবিন্দুর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিখুঁত মান। C) 273.15K — এটি ভুল কারণ এটি সেলসিয়াস স্কেলের শূন্য ডিগ্রির কেলভিন রূপান্তর, যা ত্রৈবিন্দুর মান নয়। D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে উপস্থিত রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পানির ত্রৈবিন্দুর মান মনে রাখতে দশমিকের পর ষোল সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ কেলভিন স্কেলে এটি দুইশ تہাত্তর দশমিক এক ছয় হয়। তাপমাত্রা এবং চাপের নির্দিষ্ট এই মানটি থার্মোডাইনামিক্সে ভিত্তিমূল হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় তাপগতিবিদ্যার একক এবং তাপমাত্রা স্কেল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ক্যালভিনের একক লেখার সময় ডিগ্রি চিহ্ন ব্যবহার করা হয় না, কেবল কে অক্ষরটি ব্যবহার করতে হয়।
a প্রোপিন
b ইথিলিন
c বিউটিন
d সালফার
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইথিলিন ১. কেন সঠিক: ইথিলিন একটি প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত উদ্ভিদ হরমোন বা ফাইটোঅরমোন, যা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। এটি উদ্ভিদের ফল পাকাতে সরাসরি সাহায্য করে এবং সেলুলোজ ও স্টার্চকে শর্করায় রূপান্তরিত করে ফলের নরম ভাব ও মিষ্টি স্বাদ আনে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইথিলিন একটি গ্যাসীয় জৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত সি টু এইচ ফোর এবং এটি ফল পাকানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। কার্যপ্রণালি: কাঁচা ফলের কোষে প্রবেশ করে ইথিলিন হরমোন ইথিলিন রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং নির্দিষ্ট জিন সক্রিয় করে ফল পাকানোর এনজাইম তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম বা কলা কাঁচা অবস্থায় পেড়ে ঘরে রেখে দিলে ইথিলিন গ্যাসের প্রভাবে কিছুদিন পর প্রাকৃতিকভাবে পেকে নরম ও মিষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: ফল নিজেই ইথিলিন গ্যাস উৎপন্ন করে এবং বদ্ধ স্থানে রাখলে এই গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেয়ে পাকা ত্বরান্বিত হয়। উদাহরণ ২: পেঁপে কিংবা টমেটো কার্বাইড বা ইথিলিন স্প্রে করে কৃত্রিমভাবে পাকানো হয়। ব্যাখ্যা: বাণিজ্যিক উৎপাদনে দ্রুত বাজারজাতকরণের জন্য কৃত্রিম উপায়ে ইথিলিন প্রয়োগ করে কাঁচা ফল পাকানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোপিন — এটি একটি অ্যালকিন যার রাসায়নিক সংকেত সি থ্রি এইচ সিক্স এবং এটি ফল পাকানোর কাজে প্রাকৃতিকভাবে ব্যবহৃত হয় না। B) ইথিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একমাত্র প্রাকৃতিকভাবে ফল পাকানোর জন্য দায়ী গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন। C) বিউটিন — এটি একটি চার কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকিন যৌগ যা পেট্রোলিয়াম শিল্পে ব্যবহৃত হয় এবং ফল পাকানোর সাথে এর সম্পর্ক নেই। D) সালফার — এটি একটি অধাতু মৌল যা অজৈব পদার্থ এবং ছত্রাকনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফল পাকানোর সাথে এর কোনো ভূমিকা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্যাসীয় হরমোন মানেই ইথিলিন এবং এটি ফল পাকানোর মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে। উদ্ভিদ হরমোনের মধ্যে একমাত্র গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে ইথিলিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইথিলিন ছাড়া আরেকটি উদ্ভিদ হরমোন হলো অবসিসিক অ্যাসিড যা ফল ঝরে পড়তে সাহায্য করে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে কোন হরমোন গ্যাসীয় প্রকৃতির।
a 0K
b 0 ডিগ্রি C
c 273 ডিগ্রি C
d 273K
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0K ১. কেন সঠিক: পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো তাত্ত্বিকভাবে সর্বনিম্ন সম্ভব তাপমাত্রা, যেখানে পদার্থের অণু বা পরমাণুগুলোর গতিশক্তি শূন্য হয়ে যায়। তাপগতিবিদ্যার তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী এই তাপমাত্রায় পৌঁছানো অসম্ভব, যা কেলভিন স্কেলের শূন্য বিন্দু বা ০ কেলভিন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পদার্থের তাপমাত্রা তার কণাগুলোর গতিশক্তির ওপর নির্ভর করে এবং তাপমাত্রা কমতে থাকলে কণাগুলোর গতি কমতে থাকে। কার্যপ্রণালি: চালসের সূত্র অনুযায়ী আদর্শ গ্যাসের আয়তন শূন্যে পৌঁছানোর তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা হিসেবে ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যের গভীর অঞ্চলে তাপমাত্রা অনেক কম থাকে, যা পরম শূন্য তাপমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছায় কিন্তু পুরোপুরি শূন্য হয় না। ব্যাখ্যা: মহাবিশ্বের স্বাভাবিক অবস্থায় পরম শূন্য তাপমাত্রা অর্জন করা তাত্ত্বিকভাবে বারণ। উদাহরণ ২: তরল হিলিয়াম অতিশয় ঠান্ডায় সুপারফ্লুইড বা অতিপ্রবাহী হিসেবে আচরণ করে। ব্যাখ্যা: পরম শূন্য তাপমাত্রার খুব কাছাকাছি পৌঁছালে পদার্থের কোয়ান্টাম ধর্ম প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0K — এটি পরম শূন্য তাপমাত্রার সঠিক মান এবং কেলভিন স্কেলের প্রারম্ভিক বিন্দু। B) 0 ডিগ্রি C — এটি পানির হিমাংক বা বরফ গলার তাপমাত্রা, পরম শূন্য তাপমাত্রা নয়। C) 273 ডিগ্রি C — এটি ভুল মান, কারণ সঠিক মান হলো মাইনাস ২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। D) 273K — এটি ০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমতুল্য তাপমাত্রা, যা পরম শূন্য তাপমাত্রা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পরম শূন্য তাপমাত্রা মানে শূন্য কেলভিন বা মাইনাস ২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কেলভিন স্কেলে কোনো ঋণাত্মক মান নেই, তাই এর শুরু হয় শূন্য থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সেলসিয়াস স্কেল থেকে কেলভিনে রূপান্তর করতে হলে সেলসিয়াস মানের সঙ্গে ২৭৩ যোগ করতে হয়। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় তাপ ও তাপমাত্রা অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (10)

a মনিটর
b প্রিন্টার
c কী-বোর্ড
d কোনটিই নয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কী-বোর্ড ১. কেন সঠিক: - কী-বোর্ড একটি প্রধান ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটার সিস্টেমে ডেটা বা নির্দেশ প্রদান করতে পারে। - এই ডিভাইসের সাহায্যে অক্ষর, সংখ্যা এবং বিভিন্ন কমান্ড লিখে কম্পিউটারের ভেতরে তথ্য পাঠানো হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যন্ত্র যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে কম্পিউটারের বোধগম্য বাইনারি কোডে রূপান্তর করে প্রসেসিংয়ের জন্য পাঠায়। - কার্যপদ্ধতি: কী-বোর্ডের কোনো বোতাম বা কি চাপলে একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট পুশ হয়ে নির্দিষ্ট সিগন্যাল তৈরি করে এবং তা প্রসেসরে পাঠায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ইউএসবি কী-বোর্ড। ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারে লেখালেখি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের বিল্ট-ইন কী-বোর্ড। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে এবং ব্যবহারকারীর টাইপ করা নির্দেশ কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে প্রবেশ করায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা প্রসেসিংয়ের পর ফলাফল পর্দায় প্রদর্শন করে এবং কোনো ইনপুট গ্রহণ করে না। B) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের ভেতরের সফটকপিকে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ডকপি রূপ দেয়। D) কোনটিই নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সি অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইন মানে ভেতরে এবং আউট মানে বাইরে। যে ডিভাইসগুলো দিয়ে তথ্য ভেতরে পাঠানো হয় তা ইনপুট এবং যা বাইরে প্রকাশ করে তা আউটপুট। - মনিটর ও প্রিন্টার সবসময় ফলাফল দেখায় বা দেয়, তাই এরা আউটপুট ডিভাইস আর কী-বোর্ড নির্দেশ নেয়, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রায় সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - মাউস, স্ক্যানার ও জয়স্টিক অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ।
a Yahoo
b Facebook
c DOS
d Windows
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Yahoo ১. কেন সঠিক: ইয়াহু (Yahoo) একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন এবং ওয়েব পোর্টাল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট থেকে তথ্য খুঁজে পেতে সহায়তা করে। এটি মূলত একটি তথ্য খোঁজার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে যেখানে কিওয়ার্ড লিখে প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট বা তথ্য অনুসন্ধান করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার বা ওয়েবভিত্তিক সিস্টেম যা ইন্টারনেটে থাকা কোটি কোটি ওয়েবপেজ থেকে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুঁজে বের করে। কার্যপদ্ধতি: সার্চ ইঞ্জিন ওয়েব ক্রলার বা স্পাইডার ব্যবহার করে ইন্টারনেটের তথ্য সংগ্রহ ও ইনডেক্স করে রাখে এবং ব্যবহারকারী সার্চ বক্সে কিছু লিখলে তার সঙ্গে মিল রেখে ফলাফল প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল (Google) ব্যাখ্যা: গুগল বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন তথ্য খুঁজতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বিং (Bing) ব্যাখ্যা: বিং হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির একটি সুপরিচিত সার্চ ইঞ্জিন যা ইয়াহুর মতোই ইন্টারনেট থেকে তথ্য অনুসন্ধানের কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yahoo — এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Facebook — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (Social Media Platform) যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে। C) DOS — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, এর পূর্ণরূপ ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম (Disk Operating System) এবং এটি একটি কমান্ড-লাইনভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। D) Windows — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেসভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)। ৫. মনে রাখার টিপস: সার্চ ইঞ্জিন চেনার সহজ উপায় হলো যেসব ওয়েবসাইটে তথ্য খোঁজার জন্য সার্চ বক্স থাকে এবং ফলাফল হিসেবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লিংক দেখায়, যেমন- Yahoo, Google, Bing. অন্যদিকে Facebook হলো সোশ্যাল সাইট এবং DOS ও Windows হলো অপারেটিং সিস্টেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ইয়াহু (Yahoo) ১৯৯৪ সালে জেরি ইয়াং এবং ডেভিড ফাইলো কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
a Compact Disk
b Compact Disc
c Central Drive
d Crystal Drive
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Compact Disc ১. কেন সঠিক: - সিডি (CD) বা কমপ্যাক্ট ডিস্ক হলো একটি অপটিক্যাল বা আলোকীয় স্টোরেজ ডিভাইস যা ডেটা সংরক্ষণ করতে লেজার রশ্মি ব্যবহার করে। - শিল্প মানদণ্ডে সিডি বোঝাতে Disc বানানটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে অডিও বা স্টোরেজ মিডিয়ার ক্ষেত্রে এই বানান প্রমিত হিসেবে গণ্য হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কমপ্যাক্ট ডিস্ক হলো ডিজিটাল অডিও এবং কম্পিউটার ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি পলি কার্বনেট ডিস্ক বিশেষ। - কার্যপদ্ধতি: এর পৃষ্ঠে থাকা ক্ষুদ্র পিট ও ল্যান্ড অংশগুলো লেজার রশ্মির সাহায্যে রিড বা পড়া হয় এবং ডেটা প্রসেস করা হয়। - বৈশিষ্ট্য: এর ধারণক্ষমতা সাধারণত ৭০০ মেগাবাইট হয়ে থাকে এবং এটি ডেটা রিড-অনলি বা রিড-রাইট উভয় মোডে কাজ করতে পারে। - ব্যবহার: মূলত গান শোনা, সফটওয়্যার ইনস্টল করা এবং ছোট আকারের ব্যাকআপ রাখার কাজে এটি বহুল ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজের পুরনো অপারেটিং সিস্টেম সিডি। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার জন্য এই অপটিক্যাল ডিস্কের ভেতরে ডেটা সংরক্ষিত থাকত। উদাহরণ ২: অডিও অ্যালবামের মিউজিক সিডি। ব্যাখ্যা: গাড়ির মিউজিক প্লেয়ারে গান শোনার জন্য এই ডিস্ক ব্যবহার করা হয়, যা ডিজিটাল সিগন্যাল রিড করে শব্দ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compact Disk — কম্পিউটার প্রযুক্তিতে সাধারণত অপটিক্যাল স্টোরেজ মাধ্যম বোঝাতে Disc বানানটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে, তাই Disk বানানটি এখানে প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নয়। B) Compact Disc — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত পূর্ণরূপ যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী গৃহীত হয়েছে। C) Central Drive — এটি সিডির কোনো পূর্ণরূপ নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল শব্দগুচ্ছ। D) Crystal Drive — ক্রিস্টাল ড্রাইভ নামে কোনো জনপ্রিয় বা স্বীকৃত স্টোরেজ প্রযুক্তি বা সিডির পূর্ণরূপ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিডির পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অডিও বা স্টোরেজ মিডিয়ার ক্ষেত্রে Disc বানান ব্যবহার করা হয় এবং হার্ডডিস্কের ক্ষেত্রে Disk ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্ট্যান্ডার্ড সিডির ধারণক্ষমতা সাধারণত ৭০০ মেগাবাইট বা প্রায় ৮০ মিনিট অডিও হয়ে থাকে। - অপটিক্যাল ডিস্ক প্রযুক্তিতে ডেটা পড়ার জন্য লেজার ডায়োড ব্যবহার করা হয়।
a HUB (হাব)
b Bridge
c Gateway
d PAN
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) HUB (হাব) ১. কেন সঠিক: - হাব হলো একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসকে একসঙ্গে যুক্ত করে। - এটি মূলত একটি মাল্টিপোর্ট রিপিটার হিসেবে কাজ করে, কারণ এর দুই বা ততোধিক পোর্ট থাকে এবং এটি সিগন্যাল রিসিভ করে সব পোর্টে ব্রডকাস্ট করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: হাব হলো একটি সেন্ট্রাল ডিভাইস যা স্টার টপোলজিতে একাধিক নোডকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি কোনো নির্দিষ্ট পোর্টের ঠিকানা চেনে না, তাই একটি পোর্ট থেকে ডেটা পেলে তা অন্য সব পোর্টে পাঠিয়ে দেয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি ওএসআই মডেলের ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে এবং এতে কোনো ইন্টেলিজেন্স বা ডেটা ফিল্টারিং ক্ষমতা থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসরুমের মাইক সিস্টেম ব্যাখ্যা: শিক্ষক মাইক্রোফোনে কথা বললে তা যেমন রুমের সব লাউডস্পিকারে শোনা যায়, হাব ঠিক তেমনি একটি ডিভাইস থেকে ডেটা পেলেই সব ডিভাইসে তা ছড়িয়ে দেয়। উদাহরণ ২: একটি ছোট অফিসের লোকাল নেটওয়ার্ক ব্যাখ্যা: অফিসে পাঁচটি কম্পিউটারকে একটি হাবের সাথে যুক্ত করলে তারা সহজেই একে অপরের সাথে ফিজিক্যালি সংযুক্ত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HUB (হাব) — এটি দুই বা ততোধিক পোর্টবিশিষ্ট ডিভাইস যা রিপিটারের বর্ধিত রূপ হিসেবে কাজ করে এবং সঠিক উত্তর। B) Bridge — ব্রিজ হলো দুই বা ততোধিক ল্যানকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত একটি ডিভাইস, যা ডেটা প্যাকেট ফিল্টার করতে পারে। C) Gateway — গেটওয়ে হলো ভিন্ন প্রোটোকলযুক্ত দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্ককে যুক্ত করার একটি জটিল নেটওয়ার্কিং ডিভাইস। D) PAN — প্যান হলো পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক, যা কোনো ডিভাইস নয় বরং একটি ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র নেটওয়ার্কের পরিধি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধারণ রিপিটারের পোর্ট থাকে দুটি, আর দুই বা ততোধিক পোর্টযুক্ত রিপিটারকে হাব বলা হয়। - হাব মানেই ব্রডকাস্ট, এটি সবার মাঝে ডেটা ছড়িয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হাব ওএসআই মডেলের প্রথম স্তর বা ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নেটওয়ার্কিং ডিভাইসগুলোর লেয়ার ও কাজ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a দিল্লি
b ক্যালিফোর্নিয়া
c সিলিকন ভ্যালি
d অটোয়া
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিলিকন ভ্যালি ১. কেন সঠিক: সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, সফটওয়্যার নির্মাতা এবং স্টার্টআপগুলোর প্রধান কার্যালয় এখানে থাকার কারণে একে প্রযুক্তির রাজধানী বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিলিকন ভ্যালি হলো এমন একটি ভৌগোলিক অঞ্চল যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। ব্যবহার: অ্যাপল, গুগল, মেটা এবং ইন্টেলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্ভাবন ও গবেষণার মূল কেন্দ্র হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাপল এবং গুগল ব্যাখ্যা: এই বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্ম ও প্রধান কার্যালয় সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত হওয়ায় এটি প্রযুক্তির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ব্যাখ্যা: নতুন প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো এখানে সহজেই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বা বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা লাভ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র, বিশ্বের প্রযুক্তির প্রধান শহর হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত নয়। B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি একটি বড় অঙ্গরাজ্য যার একটি নির্দিষ্ট অংশ হলো সিলিকন ভ্যালি, তাই সমগ্র অঙ্গরাজ্যকে সরাসরি প্রযুক্তির শহর বলা যায় না। D) অটোয়া — এটি কানাডার রাজধানী এবং প্রশাসনিক শহর, বিশ্ব প্রযুক্তির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে এটি সিলিকন ভ্যালির সমকক্ষ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রযুক্তির শহর বললে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত সিলিকন ভ্যালিকে মনে রাখবে। সিলিকন চিপ বা মাইক্রোপ্রসেসরের নাম থেকেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের আইটি বা তথ্যপ্রযুক্তির রাজধানী বলা হয় সিলিকন ভ্যালিকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রযুক্তিগত ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a মাউস
b প্লটার
c স্ক্যানার
d সবক'টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লটার ১. কেন সঠিক: প্লটার একটি বিশেষায়িত আউটপুট ডিভাইস যা সাধারণত বড় আকারের গ্রাফিক্স, স্থাপত্য নকশা, ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং এবং ব্যানার প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কম্পিউটারের নির্দেশ অনুযায়ী কাগজের ওপর নিখুঁত এবং উচ্চমানের ভেক্টর গ্রাফিক্স বা লাইন ড্রয়িং তৈরি করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্লটার হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস যা পেন বা কালির সাহায্যে কাগজের ওপর নিখুঁত ও দ্বিমাত্রিক বা ত্রিমাত্রিক রেখাচিত্র অঙ্কন করে। কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণ প্রিন্টারের মতো ডট বা পিক্সেল প্রিন্ট না করে কাগজের ওপর কলম বা কাটার সুইভেল মুভমেন্টের মাধ্যমে অবিচ্ছিন্ন রেখা টানে। বৈশিষ্ট্য: এটি অত্যন্ত বড় মাপের কাগজে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে প্রিন্ট করতে সক্ষম এবং ভেক্টর ডেটা নিয়ে কাজ করে। ব্যবহার: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ব্লুপ্রিন্ট, ক্যাড (CAD) ডিজাইন, এবং বড় বিজ্ঞাপন ও হোর্ডিং তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্থাপত্য নকশা ব্যাখ্যা: একজন স্থপতি যখন একটি বহুতল ভবনের বিশাল ব্লুপ্রিন্ট বা নিখুঁত নকশা প্রিন্ট করতে চান, তখন প্লটার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: বিজ্ঞাপন শিল্প ব্যাখ্যা: রাস্তার ধারের বড় ফ্লেক্স ব্যানার বা ফেস্টুন তৈরির কাজে প্রিন্টিং প্রেস বা সাইন মেকিংয়ে প্লটার অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারে নির্দেশ বা ডেটা প্রবেশ করানো হয়। B) প্লটার — এটি সঠিক উত্তর। C) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কাগজের ছবি বা ডকুমেন্ট কম্পিউটারে ডিজিটাল রূপান্তর করা হয়। D) সবক'টি — যেহেতু মাউস ও স্ক্যানার ইনপুট ডিভাইস, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: ইনপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে কম্পিউটারকে তথ্য দেওয়া হয় যেমন মাউস ও স্ক্যানার। আউটপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে ফলাফল দেখা বা পাওয়া যায় যেমন প্লটার ও মনিটর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইস থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। প্লটার এবং সাধারণ প্রিন্টারের মূল পার্থক্য হলো প্লটার ভেক্টর গ্রাফিক্সের জন্য এবং বড় আকারের কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
a আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
b ইন্টারনেট অব থিংস
c রোবোটিক্স
d সবক'টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবক'টি ১. কেন সঠিক: চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা Industry 4.0 মূলত ডিজিটাল, শারীরিক এবং জৈবিক প্রযুক্তির সমন্বয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্টারনেট অব থিংস এবং রোবোটিক্স সবই এই বিপ্লবের মূল ভিত্তি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হলো এমন একটি যুগ যেখানে অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যমে উৎপাদন ও সেবা খাত পরিচালিত হয়। কার্যপদ্ধতি: সেন্সর, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং স্মার্ট অ্যালগরিদমের মাধ্যমে ডিভাইসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বৈশিষ্ট্য: এটি মানব শ্রমের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দ্রুত, নির্ভুল ও বুদ্ধিমান উৎপাদন নিশ্চিত করে। ব্যবহার: স্মার্ট ফ্যাক্টরি, স্বয়ংক্রিয় যান এবং আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্ট হোম সিস্টেম ব্যাখ্যা: ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরের লাইট, এসি এবং ফ্রিজ একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। উদাহরণ ২: চালকবিহীন গাড়ি ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সেন্সর ব্যবহার করে গাড়ি নিজেই রাস্তা চেনে এবং গতি নিয়ন্ত্রণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। B) ইন্টারনেট অব থিংস — এটি সঠিক কিন্তু একা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সম্পূর্ণ চিত্র প্রকাশ করে না। C) রোবোটিক্স — এটি সঠিক হলেও একা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের একমাত্র উপাদান নয়। D) সবক'টি — এই অপশনে থাকা প্রতিটি প্রযুক্তিই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অপরিহার্য অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মানেই স্মার্ট প্রযুক্তি। AI, IoT এবং Robotics হলো এর তিনটি প্রধান স্তম্ভ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ধারণার প্রবক্তা ক্লাউড শোয়াব। এই বিপ্লব সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেমের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়।
a Sign-magnitude
b 1's Complement
c 2's Complement
d কোনটিই নয়
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2's Complement ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য এবং বাইনারি বিয়োগের কাজ সহজে সম্পন্ন করার জন্য টু'স কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি সর্বাধুনিক ও সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে শূন্যের জন্য একটিমাত্র নির্দিষ্ট মান থাকে এবং এটি অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিটের সার্কিট ডিজাইন সহজ করে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: টু'স কমপ্লিমেন্ট হলো কোনো বাইনারি সংখ্যার ওয়ানস কমপ্লিমেন্টের সাথে ১ যোগ করে প্রাপ্ত মান, যা ঋণাত্মক সংখ্যাকে নির্দেশ করে। কার্যপদ্ধতি: প্রথমে ধনাত্মক সংখ্যার বাইনারি রূপের সব বিট উল্টিয়ে ওয়ানস কমপ্লিমেন্ট বের করা হয় এবং তার সাথে ১ যোগ করে টু'স কমপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়। ব্যবহার: আধুনিক কম্পিউটারের সিপিইউ এবং মেমোরিতে পূর্ণসংখ্যার সাইন বিটসহ মান সংরক্ষণের জন্য এটি অপরিহার্যভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্লাস ৫ এর বাইনারি ০০০০০১০১ হলে, তার টু'স কমপ্লিমেন্ট হবে মাইনাস ৫ বা ১১১১১০১১। ব্যাখ্যা: এই পদ্ধতিতে পজিটিভ ও নেগেটিভ মানের মধ্যে যোগের মাধ্যমে খুব সহজেই বিয়োগের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারের প্রসেসর যখন দুটি সংখ্যার বিয়োগ করে, তখন সেগুলোকে যোগের মাধ্যমে সমাধান করে। ব্যাখ্যা: টু'স কমপ্লিমেন্ট ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ সার্কিট বা এএলইউর নকশা অত্যন্ত সরল ও দ্রুতগতির হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sign-magnitude — এটি ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের প্রাথমিক পদ্ধতি হলেও এতে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক শূন্যের সমস্যা রয়েছে এবং হিসাব জটিল হয়। B) 1's Complement — এই পদ্ধতিতে শূন্যের দুটি ভিন্ন রূপ থাকে এবং বাইনারি যোগের সময় অতিরিক্ত ১ যোগ করার ঝামেলা থাকে। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা মানেই টু'স কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি মনে রাখবে। ওয়ানস কমপ্লিমেন্ট বের করার পর তার সাথে ১ যোগ করলেই টু'স কমপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে সাইন বিটসহ পূর্ণসংখ্যা সংরক্ষণের জন্য টু'স কমপ্লিমেন্ট সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই টপিক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a Yahoo
b Apple
c দারাজ
d গুগল
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গুগল ১. কেন সঠিক: ইউটিউব (YouTube) বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। গুগল প্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সালে ইউটিউব কিনে নেয় এবং বর্তমানে এটি গু글ের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইউটিউব হলো একটি অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের ভিডিও আপলোড, দেখা, লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করার সুযোগ দেয়। কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লাউড সার্ভারের মাধ্যমে ভিডিও স্ট্রিমিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারীর আপলোড করা ভিডিও ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য ডিভাইসে প্রদর্শিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে ইউটিউব অ্যাপ ব্যবহার করে শিক্ষামূলক বা বিনোদনমূলক ভিডিও দেখা। ব্যাখ্যা: এটি গুগলের সার্ভার থেকে ইন্টারনেট ডেটা স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে ইউজারের স্ক্রিনে ভিডিও প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: কোনো ক্রিয়েটর কর্তৃক ইউটিউব চ্যানেলে নতুন ভিডিও আপলোড করা। ব্যাখ্যা: আপলোড করার পর ভিডিওটি গুগলের ডেটাসেন্টারে জমা হয় এবং বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yahoo — ইয়াহু একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ও ওয়েব পোর্টাল হলেও এটি ইউটিউবের মালিকানা প্রতিষ্ঠান নয়। B) Apple — অ্যাপল আইফোন, ম্যাকবুক ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে, কিন্তু ইউটিউবের মালিকানাধীন নয়। C) দারাজ — দারাজ একটি ই-কমার্স বা অনলাইন কেনাকাটার প্ল্যাটফর্ম, এর সঙ্গে ভিডিও শেয়ারিং সাইটের মালিকানার কোনো সম্পর্ক নেই। D) গুগল — গুগল হলো ইউটিউবের মূল স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান, যা ২০০৬ সালে এটি অধিগ্রহণ করেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: ভিডিও দেখার জনপ্রিয় মাধ্যম ইউটিউব এবং সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল ওয়ান ফ্যামিলির অংশ। মনে রাখতে হবে যে সার্চ জায়ান্ট গুগল ২০০৬ সালে ইউটিউব কিনে নিয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউটিউব প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে এবং গুগলের কাছে বিক্রি হয় ২০০৬ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জনপ্রিয় টেক জায়ান্টগুলোর অধিগ্রহণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a সি
b সি++
c অ্যান্ড্রয়েড
d প্যাসকেল
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যান্ড্রয়েড ১. কেন সঠিক: - অ্যান্ড্রয়েড কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, এটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি একটি বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। - প্রোগ্রামিং ভাষা হলো কিছু নিয়মের সমষ্টি যার মাধ্যমে কম্পিউটারের জন্য নির্দেশমালা বা সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ভাষা হলো এক ধরনের কৃত্রিম ভাষা যা কম্পিউটার বা অন্যান্য যন্ত্রকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: প্রোগ্রামাররা নির্দিষ্ট সিনট্যাক্স বা ব্যাকরণ মেনে কোড লেখেন যা পরবর্তীতে কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে মেশিন কোডে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সি ভাষা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত জেনারেল পারপাস প্রোগ্রামিং ভাষা যা সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: প্যাসকেল ব্যাখ্যা: এটি একটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত শিক্ষামূলক কাজে ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সি — এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শক্তিশালী স্ট্রাকচারড প্রোগ্রামিং ভাষা। B) সি++ — এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি উন্নত প্রোগ্রামিং ভাষা। C) অ্যান্ড্রয়েড — এটি প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং এটি লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। D) প্যাসকেল — এটি নিকলাউস ওয়ার্থ কর্তৃক ডেভেলপ করা একটি শিক্ষাভিত্তিক প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং ভাষা। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রোগ্রামিং ভাষা চেনার সহজ উপায় হলো ভাষাগুলোর নামের শেষে সাধারণত প্লাস প্লাস, শার্প কিংবা প্যাসকেল, পাইথন, জাভা ইত্যাদি শব্দ থাকে। - অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, লিনাক্স ও অ্যান্ড্রয়েড কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি মূলত গুগল কর্তৃক পরিচালিত হয় এবং এটি ওপেন সোর্স প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফটওয়্যার ও প্রোগ্রামিং ভাষার পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।