বাংলাদেশ ডাক বিভাগ

পোস্টমাস্টার জেনারেল এর কার্যালয়, খুলনা পোস্টাল অপারেটর/ মেইল অপারেটর/ টেকনিশিয়ান পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: পোস্টাল অপারেটর (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (134)

a পদাবলী
b গীতগোবিন্দ
c চর্যাপদ
d চৈতন্যজীবনী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যকর্ম যা চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত। এই সাহিত্যকর্মে রূপক ও ধাঁধার আশ্রয়ে সহজিয়া বৌদ্ধ সাধকদের আধ্যাত্মিক সাধনার কথা বলা হয়েছে যেখানে সান্ধ্যভাষার প্রয়োগ দেখা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা ছিল এমন এক সন্ধিক্ষণের ভাষা যা বাংলা ভাষার আদি রূপ প্রকাশ করে। মহাযানী বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ তাদের সাধনতত্ত্ব সাধারণের বোধগম্যের বাইরে রাখতে এবং গূঢ় অর্থ প্রকাশ করতে এই বিশেষ ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিল তরুবর পপঞ্চ বি ডালা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের এই পঙক্তিতে রূপকের মাধ্যমে মানবদেহ ও মনের জটিলতা বুঝাতে সান্ধ্যভাষার ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সুপারি লড়ই লোড়িত মোলা। ব্যাখ্যা: এখানেও সাধনপ্রণালীর গূঢ় রহস্য প্রকাশ করতে রূপকধর্মী সান্ধ্যভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাবলী — পদাবলী সাহিত্য মূলত মধ্যযুগের বৈষ্ণব বা শাক্ত পদাবলি নিয়ে গঠিত যেখানে ভক্তি ও প্রেমের প্রকাশ ঘটে এবং এটি সান্ধ্যভাষার জন্য পরিচিত নয়। B) গীতগোবিন্দ — গীতগোবিন্দ জয়দেব রচিত একটি সংস্কৃত কাব্য যা রাধা কৃষ্ণের প্রেমের লীলা নিয়ে রচিত এবং এর ভাষা সংস্কৃত। D) চৈতন্যজীবনী — চৈতন্যজীবনী সাহিত্য চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনভিত্তিক মধ্যযুগের রচনা যা সহজ বাংলা বা সংস্কৃত মিশ্রিত প্রমিত রূপে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যা ভাষা বা সান্ধ্যভাষা বললে সরাসরি চর্যাপদ মনে রাখতে হবে কারণ এটি বৌদ্ধ সহজিয়াদের গূঢ় ভাষা। আদি নিদর্শন চর্যাপদ মানেই সান্ধ্যভাষা এই সূত্রটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে পুথি আকারে আবিষ্কৃত হয়। বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে চর্যাপদ এবং এর ভাষার রূপ সম্পর্কিত তথ্য প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a যৌগিক ধ্বনি
b অক্ষর
c মৌলিক স্বরধ্বনি
d বর্ণ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষর ১. কেন সঠিক: নিশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বলা হয়। একটি অক্ষরের পুরো অংশটি এক ঝোঁকে বা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য বা শব্দের উচ্চারণের একক হলো অক্ষর যাকে ইংরেজিতে সিলেবল বলা হয়। অক্ষর মূলত দুই প্রকার যথা স্বরান্ত বা মুক্তাক্ষর এবং ব্যঞ্জনান্ত বা বদ্ধাক্ষর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত শব্দটি এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয় বিধায় এটি একটি অক্ষরযুক্ত শব্দ। এর মধ্যে কোনো অতিরিক্ত ভাগ নেই। ব্যাখ্যা: ভাত শব্দটি উচ্চারণ করলে একটি মাত্র ধাক্কা বা নিশ্বাসের প্রয়োজন হয়। উদাহরণ ২: কমলা শব্দটিতে দুটি অক্ষর রয়েছে যেমন ক ম লা। ব্যাখ্যা: এখানে ক ম এবং লা অংশগুলো আলাদাভাবে উচ্চারিত হয়ে একটি পূর্ণ শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক ধ্বনি — দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি স্বরধ্বনি উৎপন্ন হলে তাকে যৌগিক ধ্বনি বলে যা অক্ষরের সংজ্ঞা নয়। B) অক্ষর — এটি নিশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম। C) মৌলিক স্বরধ্বনি — বাংলায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি যা অন্য ধ্বনির সাহায্যে গঠিত হয় না এবং এটি অক্ষরের বিকল্প নয়। D) বর্ণ — ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয় কিন্তু উচ্চারিত রূপকে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিঃশ্বাসের কম সময়ে যা উচ্চারণ করি তা হলো অক্ষর। লেখার রূপ হলো বর্ণ আর উচ্চারণের একক হলো অক্ষর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ অধ্যায় থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। অক্ষর চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের উচ্চারণের ঝোঁক বা ধাক্কা গণনা করা।
a অর্ণব
b অর্ক
c প্রসূন
d পল্লব
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ক ১. কেন সঠিক: - অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য বা ভানু। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - সংস্কৃতে অর্ক শব্দের বিভিন্ন অর্থ থাকলেও বাংলায় এটি সাধারণত সূর্য অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক সংস্কৃত শব্দ তৎসম রূপে অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়। - সূর্য শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে দিবাকর, রবি, ভানু, ভাস্কর, তপন ও মার্তণ্ড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবি ব্যাখ্যা: রবি হলো সূর্য শব্দের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত একটি তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: ভাস্কর ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ যা আলো বা প্রভা ছড়ায়, অর্থাৎ এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। B) অর্ক — এটি সূর্যের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদা পূর্ণ করে। C) প্রসূন — প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) পল্লব — পল্লব শব্দের অর্থ নতুন পাতা বা কিশলয়। এটি উদ্ভিদ সংক্রান্ত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্ক এবং অর্ণব শব্দ দুটি দেখতে কাছাকাছি হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। - মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে অর্ক মানে সূর্য আর অর্ণব মানে সমুদ্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সূর্য, চাঁদ, সমুদ্র ও আকাশ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করা উচিত।
a বাতিল
b পালাবদল
c মামুলি
d নিরপেক্ষ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাতিল ১. কেন সঠিক: - 'Null and Void' একটি ইংরেজি আইনি পরিভাষা, যার বাংলা অর্থ হলো যা আইনগতভাবে অচল, অবৈধ বা বাতিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও আইনি কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত পারিভাষিক শব্দের সঠিক প্রয়োগ জানতে এই প্রশ্নটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র যেমন প্রশাসন, আইন, বিজ্ঞান বা সাহিত্যিক কাজে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ইংরেজি পরিভাষার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বা প্রচলিত প্রশাসনিক রূপটি বেশি গ্রহণীয় হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The agreement is null and void. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চুক্তিটি যে আর কার্যকর নেই তা বোঝাতে পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: His nomination was declared null and void. ব্যাখ্যা: প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে বোঝাতে পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতিল — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক পরিভাষা। B) পালাবদল — এটি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, আইনি বা প্রশাসনিক পরিভাষার ক্ষেত্রে উপযুক্ত নয়। C) মামুলি — এর অর্থ সাধারণ বা নগণ্য, যা আইনি বা দাপ্তরিক পরিভাষার সঙ্গে মেলে না। D) নিরপেক্ষ — এটি কোনো পক্ষপাত না করার অবস্থাকে বোঝায়, যা নাল অ্যান্ড ভয়েডের অর্থ প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাল এবং ভয়েড উভয় শব্দের অর্থই শূন্য বা নিষ্ক্রিয়। তাই কোনো চুক্তি বা দলিল যখন শূন্য বা অকার্যকর হয়ে যায়, তখন তাকে বাতিল বলা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইন ও প্রশাসন বিষয়ক ইংরেজি পরিভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই কমন লিগ্যাল টার্মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ১৮৬০
b ১৮৬১
c ১৮৬৫
d ১৮৬৭
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬১ ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করেন। তার শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হলো এই মহাকাব্যটি, যা রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি পত্রকাব্য যা ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ তিলোত্তমা সম্ভব প্রকাশিত হয়েছিল। B) ১৮৬১ — এই সালে মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় যা সঠিক উত্তর। C) ১৮৬৫ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ব্রজাঙ্গনা কাব্য প্রকাশিত হয়েছিল। D) ১৮৬৭ — এই সালে তার হেকটর বধ নামক গদ্য গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত ১৮৬০ সালে তিলোত্তমা সম্ভব এবং ঠিক পরের বছর ১৮৬১ সালে তার বিখ্যাত মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশ করেন। এভাবে সাল দুটি ক্রমানুসারে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য ও এর প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
b বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
c বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
d বাংলা সাহিত্যের কথা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলা সাহিত্যের কথা কেন সঠিক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র রচিত অত্যন্ত বিখ্যাত একটি ইতিহাস গ্রন্থ হলো বাংলা সাহিত্যের কথা। এই গ্রন্থটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য সম্পর্কে প্রামাণ্য তথ্য সরবরাহ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক। তাঁর এই গ্রন্থে চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের বিভিন্ন সাহিত্যকর্মের কালপঞ্জি ও মূল্যায়ন করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সূচনা কাল নির্ধারণে তাঁর গবেষণা এখনও অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এই গ্রন্থটির রচয়িতা ড. দীনেশচন্দ্র সেন। B) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস — এই গ্রন্থটি সুকুমার সেনের রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাস। C) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত — এই গ্রন্থটির লেখক ড. মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান। D) বাংলা সাহিত্যের কথা — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র নিজের লেখা বলেই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহ্‌ মানেই মুখে কথা, তাই তাঁর সাহিত্য ইতিহাসের নাম বাংলা সাহিত্যের কথা। দীনেশচন্দ্র সেনের ক্ষেত্রে ভাষা ও সাহিত্য যুক্ত থাকে, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a নিশিথিনী
b নিশীথ্যানী
c নিশিথীনি
d নিশীথিনী
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: - নিশীথ শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। - এই শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ গভীর রাত বা রজনী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার জানা আবশ্যক। - নিশীথ শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার এবং পরবর্তী প্রত্যয়েও রস ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়ে নিশীথিনী বানানটি প্রমিত রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনী বা রাতের একটি সমার্থক তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: এটিও নিশীথিনী বা রাত্রির সমার্থক একটি সংস্কৃত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথিনী — নিশিথ শব্দে রস ই-কার ব্যবহার করায় এই বানানটি ভুল হয়েছে কারণ মূল শব্দ নিশীথ দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত। B) নিশীথ্যানী — প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ভুলভাবে আকার ও ন-ফলা ব্যবহার করায় এই বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ হয়েছে। C) নিশিথীনি — প্রথম অংশে রস ই-কার এবং শেষ অংশে ভুল ই-কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) নিশীথিনী — এই বানানটি পুরোপুরি সঠিক কারণ এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও ব্যাকরণের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিশীথ শব্দটি মনে রাখলে তার পরের অংশ লেখা সহজ হয়। - নিশীথ শব্দের শেষে ইনি যুক্ত করার সময় প্রথম ই-কার রস এবং শেষ ই-কার দীর্ঘ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের প্রত্যয়জনিত বানান প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের বানান ঠিক রেখে প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
a ফার্সি
b তুর্কি
c পর্তুগিজ
d আরবি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি ১. কেন সঠিক: উজবুক একটি তুর্কি শব্দ। এর আক্ষরিক বা প্রচলিত অর্থ বোকা, নির্বোধ বা হঠকারী স্বভাবের মানুষ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে তুর্কি শব্দ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ, যা পুলিশ প্রশাসনের একটি পদের নাম হিসেবে বাংলায় বহুল ব্যবহৃত। উদাহরণ ২: কোমর ব্যাখ্যা: কোমর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি দৈহিক অঙ্গের নাম বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্সি — ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন পর্দা, চশমা, কিন্তু উজবুক ফার্সি শব্দ নয়। B) তুর্কি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনাড়ি, পাদ্রী শব্দগুলো এসেছে, উজবুক পর্তুগিজ শব্দ নয়। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আইন, কলম শব্দগুলো এসেছে, উজবুক আরবি শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তুর্কি শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো যে উজবুক নামের বোকা চরিত্রটি তুর্কি দেশের পটভূমিতে তৈরি। এভাবে উৎস সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তুর্কি শব্দ যেমন কাবুলিওয়ালা, তোপ, দারোগা এগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a সাপ্তাহিক
b পাক্ষিক
c বার্ষিক
d ত্রৈমাসিক
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ত্রৈমাসিক কেন সঠিক: - ইংরেজি Quarterly শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের চার ভাগের এক ভাগ সময়কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা পরিভাষা অনুযায়ী এক বছরের বারো মাসের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ তিন মাস সময়কে ত্রৈমাসিক বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি শব্দটির বাংলা পরিভাষা নির্ধারণের সময় শব্দমূল এবং উপসর্গ বা প্রত্যয়ের আক্ষরিক অর্থ বিবেচনা করা হয়। - এই ধরনের শব্দ অনুবাদ বা পরিভাষা তৈরির ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ পদের নিয়ম অনুসরণ করা হয়। - যেমন ইংরেজি Quarter শব্দের অর্থ চতুর্থ অংশ এবং Year শব্দের অর্থ বছর, যা মিলে ত্রৈমাসিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সাপ্তাহিক — এটি ইংরেজি Weekly শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ। - B) পাক্ষিক — এটি ইংরেজি Fortnightly শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ। - C) বার্ষিক — এটি ইংরেজি Annual শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ। - D) ত্রৈমাসিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Quarter শব্দের অর্থ চার ভাগের এক ভাগ এবং Year অর্থ বছর মনে রাখলে ত্রৈমাসিক অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
a শাহ মুহম্মদ সগীর
b সৈয়দ সুলতান
c মুহম্মদ খান
d আলাওল
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শাহ মুহম্মদ সগীর কেন সঠিক: - তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে স্বীকৃত। - সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি কাব্যচর্চা করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণে মুসলিম কবিদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ইউসুফ জলেখা ফারসি কাব্যের অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে। - উদাহরণস্বরূপ, ইউসুফ জলেখা কাব্যের মধ্য দিয়ে তিনি বাংলা ভাষার মাধুর্য রক্ষা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শাহ মুহম্মদ সগীর — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই লাইনটি প্রযোজ্য নয়। - B) সৈয়দ সুলতান — তিনি ষোড়শ শতাব্দীর কবি এবং নবীবংশ কাব্যের জন্য বিখ্যাত। - C) মুহম্মদ খান — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর কবি এবং মকতুল হুসেন তার বিখ্যাত কাব্য। - D) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের মধ্যে সবার আগে নাম আসে শাহ মুহম্মদ সগীরের।
a আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, বিধেয়
b আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
c যোগ্যতা, উদ্দেশ্য, বিধেয়
d কোনটিই নয়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা কেন সঠিক: - একটি সার্থক ও অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করতে হলে এই তিনটি গুণের উপস্থিতি অপরিহার্য। - এই তিনটি গুণের যেকোনো একটির অভাব হলে তা আর ব্যাকরণসম্মত বাক্য হিসেবে গণ্য হয় না। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণরূপে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা বা আগ্রহ। - আসত্তি হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য পদগুলোকে সঠিকভাবে সাজিয়ে লেখার নিয়ম বা নৈকট্য। - যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর অর্থের সংগতি এবং ভাবের মিল থাকার গুণ। - উদাহরণস্বরূপ, বর্ষার জলে প্লাবিত হয় মাঠ - এটি একটি সার্থক বাক্য যার মধ্যে এই তিনটি গুণই বিদ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, বিধেয় — বিধেয় বাক্যের অংশ হলেও বাক্যের তিনটি গুণের মধ্যে পড়ে না। - B) আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। - C) যোগ্যতা, উদ্দেশ্য, বিধেয় — উদ্দেশ্য এবং বিধেয় হলো বাক্যের অংশের নাম, বাক্যের গুণ নয়। - D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - আ আ য এই সূত্রটি মনে রাখলে বাক্যের তিনটি গুণ সহজে মনে রাখা যায়।
a জন + ইক
b জন + এক
c জটনে + এক
d জন + ঈক
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জন + এক ১. কেন সঠিক: - জনৈক শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো জন যোগ এক এবং এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - অ বা আ এর পর এ বা ঐকার থাকলে উভয় মিলে ঐকার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পর এ অথবা ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐকার হয়। - জন শব্দের শেষে অ এবং এক শব্দের শুরুতে এ মিলে ঐকার গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদা যোগ এব সমান সদৈব ব্যাখ্যা: আ এর পর এ যুক্ত হয়ে ঐকার গঠিত হওয়ার এটি একটি ধ্রুপদী ব্যাকরণগত উদাহরণ। উদাহরণ ২: মত যোগ এক্য সমান মতৈক্য ব্যাখ্যা: অ এর পর ঐকার যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠনের চমৎকার একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন + ইক — ইকার যুক্ত থাকার কারণে এটি সঠিক নিয়ম বা শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) জটনে + এক — জটনে কোনো মূল শব্দ নয় এবং সন্ধির মূল নিয়মের বাইরে অবস্থিত। D) জন + ঈক — দীর্ঘ ঈকার যুক্ত হওয়ার কারণে এটি ব্যাকরণসম্মত বা প্রমিত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুই মাত্রা বিশিষ্ট যৌথ স্বরসন্ধি চেনার জন্য মাঝখানের ঐকার বা ঔকার লক্ষ করতে হয়। - জনৈক শব্দের মাঝখানে ঐকার থাকায় এর ভাঙলে এক পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - হিতৈষী, পরমৈশ্বর্য ইত্যাদি শব্দ একই নিয়মে সাধিত হয় যা অনুশীলনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
a সংক্ষেপ করে
b বিস্তৃত করে
c অর্থপূর্ণ করে
d সবগুলো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপ করে ১. কেন সঠিক: সমাসের মূল কাজ হলো একাধিক পদকে একটি পদে পরিণত করে ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করা। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে আরও সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক পদের একপদ হওয়াকে সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত পদ সিংহাসন গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জয়া ও পতি = দম্পতি ব্যাখ্যা: একাধিক পদের মিলন ঘটিয়ে বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপ করে — এটি সমাসের মূল সংজ্ঞা ও ব্যাকরণগত প্রধান কাজ। B) বিস্তৃত করে — সমাস পদকে বিস্তৃত করে না, বরং একাধিক পদকে সংক্ষিপ্ত করে। C) অর্থপূর্ণ করে — শব্দ এমনিতেই অর্থপূর্ণ হয়, সমাসের প্রধান কাজ সংক্ষিপ্ত করা। D) সবগুলো — বাকি অপশনগুলো সঠিক না হওয়ায় এটিও গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সমাস মানেই সংক্ষিপ্ত করা। সমাস শব্দটি এসেছে সমাস ধাতুর সঙ্গে ঘঞ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাসের কাজ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে সমাসের ব্যাকরণগত কাজ হলো একাধিক পদকে একপদে পরিণত করা।
a সমক্ষ
b পরোক্ষ
c প্রত্যক্ষ
d নিরপেক্ষ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ ১. কেন সঠিক: অক্ষির সমীপের সংক্ষেপ হলো সমক্ষ। এটি একটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা। এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের সংক্ষেপণ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে বর্তমান = সমক্ষ ব্যাখ্যা: চোখের সামনে উপস্থিত বা বর্তমান বোঝালে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অক্ষির গোচর = প্রত্যক্ষ ব্যাখ্যা: যা চোখের সামনে বা দৃষ্টির গোচরে রয়েছে তাকে প্রত্যক্ষ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমক্ষ — এটি অক্ষির সমীপের সঠিক বাক্য সংকোচন এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। B) পরোক্ষ — এর অর্থ যা চোখের আড়ালে বা অপক্ষোয় রয়েছে, তাই এটি অক্ষির সমীপের সঠিক উত্তর নয়। C) প্রত্যক্ষ — এর অর্থ যা অক্ষির বা চোখের সামনে বা গোচরে আছে, যা অক্ষির সমীপের সমার্থক হলেও সঠিক সংকোচন নয়। D) নিরপেক্ষ — এর অর্থ কোনো পক্ষের নয় বা উদাসীন, যা অক্ষির সমীপের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অক্ষির সমীপ মানে চোখের কাছে, আর সমক্ষ শব্দটি দিয়ে সামনাসামনি বা সান্নিধ্য বোঝায়। তাই সমীপ থাকলে সমক্ষ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অক্ষি সংক্রান্ত বাক্য সংকোচনগুলো যেমন সমক্ষ, পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
a বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
b প্রমথ চৌধুরী
c নরিনচন্দ্র সেন
d সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'বীরবল' হলো প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ও সর্বাধিক পরিচিত ছদ্মনাম। - তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতির প্রবক্তা এবং মননশীল প্রবন্ধ রচনার জন্য বিখ্যাত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও কবি। - তিনি বাংলা সাহিত্যে পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইওরোপীয় ঢঙে লঘু ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধিজাত প্রবন্ধের ধারা প্রবর্তন করেন এবং 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: পরিমল গোস্বামী ব্যাখ্যা: তিনি একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি বিভিন্ন ছদ্মনামেও লিখেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — এই নামটির ছদ্মনাম বনফুল, যা এখানে সঠিক নয়। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর এবং তার ছদ্মনাম বীরবল। C) নরিনচন্দ্র সেন — এটি কোনো প্রসিদ্ধ সাহিত্যিকের ছদ্মনাম বা নাম নয়। D) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক, তার কোনো নির্দিষ্ট ছদ্মনাম নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর লেখায় বীরের বল বা বীরত্ব প্রকাশ পায়, এভাবে মনে রাখা যায় যে তার ছদ্মনাম বীরবল। - সবুজ পত্র পত্রিকার সঙ্গে বীরবল নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ছদ্মনাম যেমন কালকুট অর্থ মনোজ বসু এবং টেকচাঁদ ঠাকুর অর্থ প্যারিচাঁদ মিত্র ভালোভাবে পড়তে হবে।
a শর্মিষ্ঠা
b রাজসিংহ
c পলাশীর যুদ্ধ
d রক্তাক্ত প্রান্তর
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রক্তাক্ত প্রান্তর ১. কেন সঠিক: রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি ঐতিহাসিক নাটকের শ্রেণيভুক্ত কারণ এর মূল পটভূমি হলো ইতিহাসের একটি রক্তাক্ত অধ্যায় অর্থাৎ ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এই নাটকে ঐতিহাসিক চরিত্র যেমন আহমদ শাহ আবদালী এবং ইব্রাহিম গারদী পাশাপাশি কাল্পনিক চরিত্রের মাধ্যমে যুদ্ধের নির্মমতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের রচয়িতা হলেন মুনীর চৌধুরী এবং এটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত ও মঞ্চস্থ হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি বিয়োগান্তক বা ট্র্যাজেডিধর্মী ঐতিহাসিক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক ব্যাখ্যা: কবর নাটকটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর নষ্ট প্রদীপের আলো ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী অনূদিত একটি বিশ্বখ্যাত নাটকের বাংলা রূপান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শর্মিষ্ঠা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক এবং এটি পৌরাণিক নাটক। B) রাজসিংহ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, নাটক নয়। C) পলাশীর যুদ্ধ — এটি নবীনচন্দ্র সেন রচিত একটি ঐতিহাসিক মহাকাব্য, নাটক নয়। D) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত সফল ঐতিহাসিক নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের লেখক মুনীর চৌধুরী এবং এটি পানিপথের যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ঐতিহাসিক নাটক মনে রাখতে মূল চরিত্র এবং ঐতিহাসিক পটভূমি খেয়াল রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তাক্ত প্রান্তর কোন ধরনের রচনা তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। নাটকটি মুনীর চৌধুরীর লেখা এবং এটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত।
a নিখুঁত
b আনমনা
c অবহেলা
d নিমরাজি
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিমরাজি ১. কেন সঠিক: - 'নিমরাজি' শব্দটিতে ফার্সি ভাষা থেকে আগত 'নিম' উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে, যা বিদেশি উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে 'নিম' উপসর্গটি 'আধা' বা 'অর্ধেক' অর্থে ব্যবহৃত হয়ে 'রাজি' শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমরাজি ব্যাখ্যা: ফার্সি 'নিম' উপসর্গযুক্ত একটি বহুল প্রচলিত শব্দ। উদাহরণ ২: নিমরাজি ব্যাখ্যা: ফার্সি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা উপসর্গের একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিখুঁত — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'নি' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। B) আনমনা — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'আনা' বা 'আন' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। C) অবহেলা — এটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ 'অব' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। D) নিমরাজি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি বা ফার্সি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ফার্সি, আরবি ও ইংরেজি উপসর্গগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা। - 'নিম' (আধা), 'ফি' (প্রতি), 'বদমাইশ'-এর 'বদ' হলো প্রধান বিদেশি উপসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ চিহ্নিতকরণ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের উৎস বা ভাষা ভালো করে লক্ষ্য করতে হবে। - শব্দ বিশ্লেষণ করে তার মূল ও উপসর্গ আলাদা করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a আনন্দ
b মুক্তি
c বিশ্বাস
d আশ্বাস
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্তি ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার এই চরণে বৈরাগ্যের মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ বা সাধনার অসারতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - এখানে শূন্যস্থানে মুক্তি শব্দটি বসলে কবিতার মূল ভাব সম্পূর্ণ হয় এবং কবির দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বিখ্যাত বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয় কবিতার একটি পঙক্তি। - এই কবিতায় কবি বুঝিয়েছেন যে সাধারণ মানুষের সুখদুঃখ এবং সংসারের কাজের মাঝেই প্রকৃত মুক্তি নিহিত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাটির তালের মতো মাটি যে ছুঁয়ে থাকে, তার কোনো ভয় নেই। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি বিখ্যাত কাব্যের পঙক্তি যা মুক্তির আরেকটি দিক প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: যেখানে থাকি না কেন আনন্দ আমাদের অন্তরে থাকা চাই। ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ কাব্যের একটি পঙক্তি যা আনন্দ শব্দের ব্যবহার বোঝাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দ — এই শব্দটি বসালে কবিতার মূল দার্শনিক ভাব ও কবির মূল বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে যায়। B) মুক্তি — এটি কবিতার আসল ও নির্ভুল শব্দ যা কবির ভাবনার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) বিশ্বাস — এই শব্দটি বসালে পঙক্তির ছন্দ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূল কবিতার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রকাশিত হয় না। D) আশ্বাস — এই শব্দটি বসালে কবিতার মূল সুর এবং আধ্যাত্মিক ভাবধারা সম্পূর্ণভাবে বদলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার লাইনগুলো মুখস্থ রাখার সময় শেষের মূল শব্দটির দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। - বৈরাগ্য সাধনের সঙ্গে সবসময় মুক্তি শব্দটি যুক্ত থাকে এটি মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার চরণ থেকে প্রায়ই শূন্যস্থান পূরণের প্রশ্ন আসে। - কবিতার পঙক্তি মনে রাখার জন্য রচনার নাম ও কবির নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নির্দয়
b বিস্ময়
c প্রত্যয়
d দ্বিধা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা দ্বিধা। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে প্রত্যয় শব্দ যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। একটি শব্দের বিপরীতে ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলা হয়। - তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। সংশয় ও প্রত্যয় উভয়ই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞতা এবং অকৃতজ্ঞতা ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত শব্দ অকৃতজ্ঞ, যা উপকার স্বীকার করা ও না করার বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: সঞ্চয় এবং অপচয় ব্যাখ্যা: সঞ্চয় শব্দের অর্থ জমানো এবং অপচয় শব্দের অর্থ নষ্ট করা, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্দয় — এই শব্দের অর্থ ক্রুর বা দয়ালু নয় এমন, যা সংশয় শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। B) বিস্ময় — এর অর্থ আশ্চর্য বা অবহেলার বিষয়, যা সন্দেহের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা যা সংশয়ের বিপরীত। D) দ্বিধা — এটি সংশয় শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস, এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক ও বিপরীত। সন্দেহের জায়গায় বিশ্বাস স্থাপনই হলো প্রত্যয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই সংস্কৃত উৎসের শব্দের বিপরীত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a তিনিই সমাজের মাথা
b মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হবে
c লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল
d মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হবে ১. কেন সঠিক: - 'মাথা' শব্দের একটি রূপক অর্থ হলো বুদ্ধি, প্রজ্ঞা বা মগজ। - বাক্যে 'মাথা খাটিয়ে কাজ করা' বলতে শারীরিক পরিশ্রমের বদলে বুদ্ধি বা চিন্তাশক্তি প্রয়োগ করে কাজ সম্পন্ন করা বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থের রূপক ব্যবহার বা লাক্ষণিক প্রয়োগের একটি সুন্দর উদাহরণ। - আক্ষরিক অর্থ পরিবর্তন করে যখন নতুন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায়, তখন তাকে শব্দের লাক্ষণিক অর্থ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকটি করতে বেশ মাথা ঘামাতে হলো। ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা ঘামানো' বলতে গভীরভাবে চিন্তা করা বা বুদ্ধি খরচ করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: লোকটির মাথা খুব পরিষ্কার। ব্যাখ্যা: এখানে 'পরিষ্কার মাথা' বলতে তীক্ষ্ণ বুদ্ধি বা প্রখর মেধা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনিই সমাজের মাথা — এখানে 'মাথা' শব্দটি নেতা, প্রধান বা গুরুজন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, বুদ্ধি অর্থে নয়। B) মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হবে — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে 'মাথা' বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। C) লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল — এখানে 'মাথা কাটা যাওয়া' একটি বাগধারা যার অর্থ তীব্র লজ্জা পাওয়া বা অপদস্থ হওয়া। D) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা — এখানে প্রথম 'মাথা' শরীরের অঙ্গ এবং দ্বিতীয় 'মাথা' অর্থ দুশ্চিন্তা বা পরোয়া করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে যখন চিন্তা বা বুদ্ধির প্রয়োগ বোঝায়, তখন 'মাথা' শব্দটিকে বুদ্ধি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। - বাগধারার ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে তার প্রমিত ভাবার্থ বুঝতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ ও বাগধারার ভিন্নার্থক প্রয়োগ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - শব্দের контекস্ট বা প্রসংগ দেখে তার সঠিক অর্থ নির্ণয় করার অনুশীলন করতে হবে।
a চাঁদ
b সূর্য
c নক্ষত্র
d গগন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ ১. কেন সঠিক: তদ্ভব শব্দ হলো সেই শব্দ, যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। 'চাঁদ' শব্দটির উৎস হলো সংস্কৃত 'চন্দ্র', যা প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো তদ্ভব শব্দ। তদ্ভব শব্দের অর্থ হলো তা থেকে উদ্ভূত বা প্রাকৃতজাত শব্দ। সংস্কৃত শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে যে শব্দগুলো বিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত ব্যাখ্যা: সংস্কৃত শব্দ ভক্ত থেকে প্রাকৃত ভত্ত হয়ে পরবর্তীতে তদ্ভব শব্দ হিসেবে বাংলায় ভাত এসেছে। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: সংস্কৃত শব্দ হস্ত থেকে প্রাকৃত হথ হয়ে পরবর্তীতে তদ্ভব শব্দ হিসেবে বাংলায় হাত এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — এটি তদ্ভব শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত চন্দ্র থেকে বিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে বাংলায় এসেছে। B) সূর্য — এটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়া বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। C) নক্ষত্র — এটি তৎসম শব্দ কারণ এটি অপরিবর্তিত অবস্থায় সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। D) গগন — এটি তৎসম শব্দ কারণ এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি খাঁটি সংস্কৃত শব্দ বা তৎসম শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: তদ্ভব শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো, যে শব্দগুলো প্রাচীনকাল থেকে প্রাকৃত ভাষার রূপ বদল করে প্রাকৃতিকভাবে বিবর্তিত হয়ে বাংলায় প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোই তদ্ভব। তৎসম শব্দের রূপ অনেক বেশি কঠিন ও জটিল থাকে, আর তদ্ভব শব্দের রূপ তুলনামূলক সহজ ও সাবলীল হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a সোনার তরী
b জীবন বন্দনা
c বঙ্গভাষা
d ধন্যবাদ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গভাষা ১. কেন সঠিক: - বঙ্গভাষা কবিতাটি একটি সনেট বা চতুষ্পদী কবিতা। - এই কবিতার চরণ সংখ্যা চৌদ্দ এবং এতে প্রতি চরণে চৌদ্দ মাত্রার প্রবহমান স্বরবৃত্ত ছন্দ ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক। - চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের আট চরণ বিশিষ্ট প্রথম অংশকে অষ্টক এবং ছয় চরণ বিশিষ্ট দ্বিতীয় অংশকে ষট্ক বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত আরও একটি বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা। উদাহরণ ২: প্রবাসের বনফুল ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের সনেট বা চতুষ্পদী কবিতার একটি অনন্য উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি প্রতীকী ও দার্শনিক কবিতা যার চতুষ্পদী কাঠামোর সনেট বৈশিষ্ট্য নেই। B) জীবন বন্দনা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সাম্যবাদী চেতনার একটি বিখ্যাত কবিতা যা সনেট নয়। D) ধন্যবাদ — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো প্রমিত বা নির্দিষ্ট সাহিত্যিক অপশন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা সনেট বা চতুষ্পদী কবিতা মনে রাখতে মনে রাখবে মধু মানেই চৌদ্দ লাইন বা সনেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলায় প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - সনেট কবিতার লাইন সংখ্যা সবসময় চৌদ্দটি হয়।
a দ্বন্দ্ব
b বহুব্রীহি
c কর্মধারয়
d তৎপুরুষ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - লাঠালাঠি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই বা যুদ্ধ। - এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যেখানে একই পদের পারস্পরিক বোঝাপড়া বা ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ে মিলে কোনো ক্রিয়ার পারস্পরিক বিনিময় বা সংঘর্ষ বোঝায় তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে। - এই সমাসে সাধারণত আ প্রত্যয় যুক্ত হয়, যেমন লাঠালাঠি, হাতাহাতি, চুলোচুলি ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাতাহাতি ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই, এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের একটি ক্ল্যাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: কোলাকুলি ব্যাখ্যা: কোলে কোলে যে মিলন, যা ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর ব্যবহৃত হয়, যা এখানে নেই। B) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে একটি পদ বিশেষ্য এবং অন্যটি বিশেষণ হয় অথবা দুটিই বিশেষণ হতে পারে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু লাঠালাঠি অন্য অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পারস্পরিক বোঝাপড়া, মারামারি বা কাটাকাটি বোঝালে চোখ বন্ধ করে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস দাগাবে। - শব্দের শেষে আ বা ই ধ্বনি থাকলে তা ব্যতিহার বহুব্রীহি হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লাঠালাঠি, হাতাহাতি, চুলোচুলি শব্দগুলো ব্যতিহার বহুব্রীহির ক্ষেত্রে বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a অস্বীকার
b মিথ্যা
c প্রলাপ
d অপসদালাপ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্বীকার ১. কেন সঠিক: 'অপলাপ' একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ কোনো কিছু লুকিয়ে রাখা, অস্বীকার করা বা গোপন করা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দটির প্রমিত অর্থ হিসেবে সাধারণত 'অস্বীকার' বা 'গোপন করা' বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানা থাকলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার চুরির কথাটি সে সম্পূর্ণ অপলাপ করল। ব্যাখ্যা: এখানে 'অপলাপ' শব্দটি কোনো সত্য ঘটনা বা অপরাধ অস্বীকার করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দোষ ঢাকতে সে নানা রকম অপলাপের আশ্রয় নিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সত্যকে গোপন করা বা অস্বীকার করার ভাব প্রকাশ করতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্বীকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অপলাপ শব্দের মূল অর্থ কোনো সত্য বা ঘটনা অস্বীকার করা। B) মিথ্যা — মিথ্যা বলতে অসত্য কোনো কিছু বোঝায়, যা অপলাপ শব্দের সরাসরি আভিধানিক অর্থ নয়। C) প্রলাপ — প্রলাপ অর্থ আবলতাবল বকা বা সামঞ্জস্যহীন কথা বলা, যা অপলাপ শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) অপসদালাপ — এটি একটি মনগড়া বা অপ্রচলিত শব্দ, যার কোনো প্রমিত আভিধানিক ভিত্তি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: অপলাপ শব্দের শুরুতে থাকা অপ উপসর্গটি অনেক সময় বিপরীত বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। অস্বীকার শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে 'অ' বর্ণ দিয়ে মনে রাখতে পারো যে অপলাপ মানেই অস্বীকার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে কাছাকাছি অর্থের শব্দ যেমন প্রলাপ এবং অপলাপের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। প্রলাপ হলো অর্থহীন কথা আর অপলাপ হলো কোনো কিছু অস্বীকার করা, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কপট ব্যক্তি
b ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
c হতভাগা
d মোসাহেব
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোসাহেব ১. কেন সঠিক: - 'ঢাকের কাঠি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। - সমাজে যারা নিজেদের স্বার্থে সবসময় প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রশংসা বা তেলবাজি করে বেড়ায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের ম্যানেজারের পেছনে সবসময় ঢাকের কাঠির মতো ঘুরে বেড়ায় ওই নতুন কর্মীটি। ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা চাটুকার অর্থে 'ঢাকের কাঠি' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য সে এখন নেতার ঢাকের কাঠি হয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মোসাহেব বা চামচা অর্থে বাগধারাটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপট ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ কপট ব্যক্তির জন্য 'গোমুখ্যি' বা 'বিড়াল তপস্বী' বাগধারা প্রযোজ্য। B) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক — এই অপশনটি ভুল কারণ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জন্য 'অহি-নকুল সম্পর্ক' বা 'ডুরে কুচো' উপযুক্ত নয়, বরং এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায়। C) হতভাগা — এই অপশনটি ভুল কারণ হতভাগা বা দুর্ভাগা বোঝাতে 'অগাধ জলের মাছ' বা 'ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো' ব্যবহার করা হয়। D) মোসাহেব — এই অপশনটি সঠিক কারণ মোসাহেব বা তোষামোদকারী ব্যক্তির সমার্থক হিসেবে 'ঢাকের কাঠি' ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঢাক বাজানোর সময় যেমন কাঠির সাহায্য নিতে হয় এবং কাঠি ছাড়া ঢাক বাজে না, তেমনি মোসাহেবরা শক্তিমানদের তোষামোদ করে চলে। - এই মিল থেকেই মোসাহেব বা চাটুকার বোঝাতে ঢাকের কাঠি বাগধারাটি মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব ও চরিত্রভিত্তিক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - তোষামোদকারী বা চাটুকার বোঝাতে 'চাটুকার', 'মোসাহেব' এবং 'ঢাকের কাঠি' সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a দোলনচাঁপা
b বিষের বাঁশী
c সাম্যবাদী
d অগ্নিবীণা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এর অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবিতাটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত। - ১৯২২ সালে প্রকাশিত অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে এটি স্থান পায় এবং বাংলা কাব্যাঙ্গনে অভূতপূর্ব আলোড়ন তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং এর মূল সুর বিপ্লব ও মুক্তির বার্তা। উদাহরণ ২: কামাল পাশা ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং এতে বীরত্ব ও ঐতিহাসিক পটভূমি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে বিদ্রোহী কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নেই। B) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিবাদী ও বিদ্রোহী চেতনার আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়। C) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রখ্যাত সাম্যবাদী চেতনার কাব্যগ্রন্থ কিন্তু এতে বিদ্রোহী কবিতা নেই। D) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে বিদ্রোহী কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্য অগ্নিবীণার প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিখ্যাত বিদ্রোহী। অগ্নি জ্বালিয়ে বিদ্রোহী কবি বাংলা সাহিত্যে প্রথম প্রবেশ করেছিলেন এভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্রোহী কবিতার প্রকাশকাল বা কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত তা প্রায়ই আসে। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং তার অন্তর্ভুক্ত বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a বাক্‌ + আড়ম্বর
b বাক্‌ + অম্বর
c বাগ + আড়ম্বর
d বাগ + অম্বর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক্‌ + আড়ম্বর কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে। - প্রথম পদের অন্তস্থিত ক-এর স্থানে গ হয়েছে এবং পরবর্তীতে স্বরবর্ণ যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বর্গের প্রথম ধ্বনির পর স্বরবর্ণ থাকলে প্রথম ধ্বনিটি সেই বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - এখানে ক বর্গের প্রথম ধ্বনি 'ক' এবং তার নিচে হসন্ত আছে, যা পরবর্তীতে তৃতীয় ধ্বনি 'গ'-তে পরিবর্তিত হয়। - যেমন বাক্‌ + দেবী = বাগ্দেবী। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বাক্‌ + আড়ম্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। - B) বাক্‌ + অম্বর — এখানে দ্বিতীয় অংশে অম্বর থাকায় অর্থ পরিবর্তিত হয়ে যায়, কারণ সঠিক শব্দটি আড়ম্বর। - C) বাগ + আড়ম্বর — প্রথম পদে বাগ-এ হসন্ত না থাকায় এবং গ ব্যবহারের কারণে নিয়ম অনুযায়ী এটি অসিদ্ধ। - D) বাগ + অম্বর — এখানে প্রথম পদে হসন্তহীন বাগ এবং দ্বিতীয় অংশে অম্বর থাকায় এটি ব্যাকরণসম্মত নয়। মনে রাখার টিপস: - বাগাড়ম্বর শব্দটি ভাঙলে সর্বদাই বাক্‌ এবং আড়ম্বর পাওয়া যায়।
a ২
b ৩
c ৪
d ৫
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় ছন্দ মূলত তিন প্রকার যথা স্বরবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত। প্রতিটি ছন্দের অন্তর্নিহিত নিয়ম ও লয় ভিন্ন হওয়ায় বাংলা prosody বা ছন্দবিজ্ঞানে এই তিনটি প্রধান ধারা স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা কবিতার ছন্দ মূলত স্বরবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত এই তিন ভাগে বিভক্ত। স্বরবৃত্ত ছন্দকে দলবৃত্ত বা তিলক ছন্দও বলা হয় যা মূলত ছড়ার ছন্দ নামে পরিচিত এবং এর মূল একক দল বা স্বরান্ত ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম পাতা জোড়া জোড়া মারব চাবুক চড়ব ঘোড়া। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ যেখানে দ্রুত লয় ও দলভিত্তিক বিন্যাস লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: এটি মাত্রাবৃত্ত বা স্বরবৃত্তের অন্য রূপের সঙ্গে সম্পর্কিত যা কবিতার ভাব ও লয়কে গম্ভীর করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — বাংলা ছন্দের মৌলিক প্রকার সংখ্যা দুই নয় কারণ মধ্যবর্তী মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বাদ পড়ে যায়। B) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ছন্দের প্রধান প্রকার তিনটি। C) ৪ — চারটি প্রধান ছন্দ প্রকার বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয় ফলে এই অপশনটি ভুল। D) ৫ — পাঁচটি ছন্দ প্রকারের কোনো ঐতিহাসিক বা তাত্ত্বিক ভিত্তি বাংলা ছন্দবিজ্ঞানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ছন্দের তিনটি প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো সমাক অর্থাৎ স্বরবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত। এই তিনটি নাম মুখস্থ রাখলে ছন্দ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ছন্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে তাই তিন প্রকার ছন্দের লয় ও বৈশিষ্ট্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। প্রতিটি ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য যেমন স্বরবৃত্তে দ্রুত লয় এবং অক্ষরবৃত্তে ধীর লয় মনে রাখা আবশ্যক।
a লোক সাহিত্য
b ডাক ও খনার বচন
c পুঁথি সাহিত্য
d রূপকথা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডাক ও খনার বচন ১. কেন সঠিক: - ডাক ও খনার বচন মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এমন এক অমূল্য সম্পদ যা মূলত কৃষি, আবহাওয়া এবং গ্রামীণ জীবনভিত্তিক প্রজ্ঞার ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই বচনগুলোতে কৃষিকাজের উপযুক্ত সময়, বীজ বপন, চাষাবাদ এবং ফলন সংক্রান্ত অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও পরীক্ষিত দিকনির্দেশনা থাকে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের প্রাক্-চৈতন্য যুগে বা তারও আগে মুখে মুখে প্রচলিত লোকায়ত জ্ঞান হিসেবে ডাক ও খনার বচন গড়ে ওঠে। - এটি কোনো একক কবির রচনা নয়, বরং গ্রামীণ জনপদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ফসল যা কৃষিকাজকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বল চাষ কর আষাঢ়ে, তবে ধান বাড়ে বাড়ে। ব্যাখ্যা: এই বচনে আষাঢ় মাসে চাষাবাদ করার মাধ্যমে কৃষিকাজ সফল করার সঠিক সময় নির্দেশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: খনার বচন মতে চাষ কর ভাই, ধানের অভাব কোনোকালে নাই। ব্যাখ্যা: এটি কৃষকদের সঠিক সময়ে জমি প্রস্তুত ও ফসল ফলানোর দিকনির্দেশনা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোক সাহিত্য — এটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয় যার মধ্যে রূপকথা, ছড়া ও ধাঁধা অন্তর্ভুক্ত থাকলেও সুনির্দিষ্টভাবে কৃষিকাজের জন্য উপযোগী নির্দেশ করে না। B) ডাক ও খনার বচন — এটি সঠিক উত্তর। C) পুঁথি সাহিত্য — এটি মূলত ধর্মীয় কাহিনী, পীর-পাঞ্জের ইতিহাস বা যুদ্ধভিত্তিক আখ্যান নিয়ে রচিত, কৃষিকাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) রূপকথা — এটি কাল্পনিক গল্পের ভাণ্ডার যা মনোরঞ্জনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কৃষিকাজের প্রায়োগিক জ্ঞানের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: কৃষি মানেই মাটি এবং মাটি ও ফসলের কথা বললেই মনে রাখবে খনা ও ডাকপুরুষের বচন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের লোকসাহিত্য ধারার অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন হলো এই বচনগুলো যা গ্রামীণ কৃষকদের আজও পথ দেখায়।
a অপেক্ষা
b অন্য
c চেয়ে
d জন্য
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্য ১. কেন সঠিক: অনুসর্গ হলো সেই সব অব্যয় শব্দ যা বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝাতে সাহায্য করে। অন্য শব্দটি কোনো অনুসর্গ নয়, এটি মূলত একটি বিশেষণ বা সর্বনাম পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় হলো এমন কিছু শব্দ যা স্বতন্ত্র পদ হিসেবে বা বিভক্তির মতো বাক্যে ব্যবহৃত হয়। অনুসর্গগুলো বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে দিক, কাল, স্থান, কারণ, তুলনা ইত্যাদি প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার অপেক্ষা সে ভালো জানে। ব্যাখ্যা: এখানে অপেক্ষা শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে তুলনামূলক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশের জন্য জীবন দাও। ব্যাখ্যা: এখানে জন্য শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপেক্ষা — এটি একটি পরিচিত অনুসর্গ যা সাধারণত তুলনা বা অপেক্ষা করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) অন্য — এটি কোনো অনুসর্গ নয়, এটি সাধারণত বিশেষণ বা সর্বনাম হিসেবে ভিন্ন বা অপর অর্থ প্রকাশ করে। C) চেয়ে — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অনুসর্গ যা তুলনামূলক বাক্যে ব্যবহৃত হয়। D) জন্য — এটি একটি অব্যয়জাত অনুসর্গ যা নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলো সাধারণত পদের পরে বসে এবং বিভক্তির কাজ করে। অপেক্ষা, চেয়ে, জন্য, মতো, ধরে, পানে এগুলো খুব পরিচিত অনুসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গ ও উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অনুসর্গগুলো সাধারণত স্বাধীন পদ হিসেবে বসে আর উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
a গুরুচণ্ডালী দোষ
b বাহুল্য দোষ
c দ্বিত্বজনিত ভুল
d বাচ্যজনিত দোষ
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গুরুচণ্ডালী দোষ ১. কেন সঠিক: - একই বাক্যে বা গদ্যরচনায় সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ ঘটলে তাকে ব্যাকরণের পরিভাষায় গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়। - গুরুচণ্ডালী হলো একটি মারাত্মক stylistic বা শৈলীগত ত্রুটি, যা লেখার সৌন্দর্য ও প্রমিত রূপ নষ্ট করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সাধু রীতিতে ক্রিয়ার ও সর্বনামের রূপ গুরুগম্ভীর হয়, আর চলিত রীতিতে তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়। - এই দুই ভিন্নরীতির শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করলে ভাষার স্বাভাবিক প্রবাহ ও মাধুর্য নষ্ট হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শব পোড়া ব্যাখ্যা: এখানে 'শব' হলো সাধু শব্দ এবং 'পোড়া' হলো চলিত শব্দ, যার সঠিক রূপ হলো মরা পোড়া অথবা শবদাহ। উদাহরণ ২: গরুর শকট ব্যাখ্যা: এখানে 'গরুর' হলো চলিত রূপ এবং 'শকট' হলো তৎসম বা সাধু শব্দ, যার সঠিক রূপ হলো গরুর গাড়ি অথবা গোশকট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুরুচণ্ডালী দোষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নটি সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ সংক্রান্ত। B) বাহুল্য দোষ — এটি একটি বাক্যশুদ্ধির ত্রুটি, যেখানে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয় কিন্তু এটি সাধু-চলিত মিশ্রণ নয়। C) দ্বিত্বজনিত ভুল — এটি শব্দের পুনরাবৃত্তি সংক্রান্ত ভুল, যা সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণকে নির্দেশ করে না। D) বাচ্যজনিত দোষ — এটি বাক্যের প্রকাশভঙ্গি বা বাচ্য পরিবর্তনের ত্রুটি, যা সাধু-চলিত রীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধু ও চলিত ভাষার মিলন মানেই হলো গুরুচণ্ডালী দোষ। - গুরুচণ্ডালী দোষ এড়াতে সর্বদা একটি নির্দিষ্ট রীতি মেনে বাক্য রচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি ও বাচনভঙ্গি থেকে এই প্রশ্নটি অত্যন্তFrequently আসে। - সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমেই গুরুচণ্ডালী দোষ দাগাতে হবে।
a অস্ট্রিক
b দ্রাবিড়
c কামরূপী
d ঝাড়খণ্ডী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রিক ১. কেন সঠিক: - বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর মূল ভাষা ছিল অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত, যা বাংলাদেশের প্রাচীনতম নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর প্রধান ভাষা হিসেবে স্বীকৃত। - ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে অস্ট্রিক ভাষার প্রচুর প্রভাব রয়েছে। ২. ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস: - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলার আদি জনগোষ্ঠী মূলত অস্ট্রিক বা নিষাদ জাতির বংশধর। - বাংলা ভাষার উৎপত্তিতে অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, ভাট ও ইন্দো-আর্য ভাষার সংমিশ্রণ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুডি ব্যাখ্যা: অস্ট্রিক ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যার অর্থ কোদাল। উদাহরণ ২: চুলা ব্যাখ্যা: রান্নার কাজে ব্যবহৃত এই শব্দটি অস্ট্রিক ভাষা পরিবার থেকে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের অন্তর্গত ছিল। B) দ্রাবিড় — দ্রাবিড় ভাষা পরিবার অস্ট্রিকের পরে দক্ষিণ ভারত ও কিছু অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করে, তবে এটি আদি জনগোষ্ঠীর প্রধান ভাষা নয়। C) কামরূপী — কামরূপী একটি প্রাচীন প্রাকৃত ভাষা বা উপভাষা, যা আসাম ও উত্তরবঙ্গের অঞ্চলে প্রচলিত ছিল এবং এটি আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা নয়। D) ঝাড়খণ্ডী — ঝাড়খণ্ডী কোনো প্রাচীন মূল ভাষা পরিবার নয়, এটি বর্তমান ঝাড়খণ্ড অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানীয় ভাষাকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলার আদি জনগোষ্ঠী অস্ট্রিক ভাষা বলত, এই তথ্যটি মনে রাখতে আদি শব্দটির সাথে অস্ট্রিক শব্দটি মিলিয়ে নিন। ভাষার ইতিহাস পড়ার সময় আদি জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সবসময় অস্ট্রিক নামটিকে প্রধান হিসেবে মনে রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস ও ভাষা সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই আসে। আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা অস্ট্রিক এবং পরবর্তীতে এর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য ভাষা মিশ্রিত হয়ে বাংলা ভাষার ভিত্তি তৈরি হয়েছে।
a প্রাদি
b অব্যয়ীভাব
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: 'হাভাতে' শব্দটি 'হা' (অভাব) উপসর্গের যোগে গঠিত একটি অব্যয়ীভাব সমাস। এখানে 'ভাত' শব্দের অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে এবং সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষণের অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। উপসর্গ এক ধরনের অব্যয়, তাই উপসর্গের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনেও অব্যয়ীভাব সমাস হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিখরচ — খরচের অভাব। ব্যাখ্যা: এটি 'নি' উপসর্গের যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সুসময় — ভালো সময়। ব্যাখ্যা: এটি সু উপসর্গের যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাসের অপর একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদি — প্রাদি সমাসের কোনো নির্দিষ্ট উদাহরণ এটি নয় কারণ প্র, পরা ইত্যাদি উপসর্গ যুক্ত হয়ে প্রাদি সমাস হয়। B) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে অব্যয় বা উপসর্গ যোগে পদের গঠন ও অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায়, কিন্তু 'হাভাতে' শব্দে অন্য পদের অর্থ প্রধান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হা, নি, বে, দু ইত্যাদি উপসর্গ বা অব্যয় যুক্ত শব্দ যদি অভাব বা অন্য কোনো ভাব প্রকাশ করে, তবে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। উপসর্গের অর্থ প্রধান থাকলে চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাস দাগাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। যেমন নিখরচ, হাভাতে, বেকার ইত্যাদি শব্দ ভালোভাবে অনুশীলন করা জরুরি।
a বর্ষ + ইক
b ব + ষিক
c বরষ + ইক
d বর্ষা + ষিক
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বর্ষ + ইক কেন সঠিক: - 'বার্ষিক' শব্দটির মূল বা প্রকৃতি হলো 'বর্ষ'। - এর সাথে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদের সাথে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। - শব্দের আদিতে অ বা আ থাকলে তা বৃদ্ধি পেয়ে আ হয়, যেমন বর্ষ থেকে বার্ষিক। - যেমন: বর্ষ + ইক সমান বার্ষিক, সপ্তাহ + ইক সমান সাপ্তাহিক। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বর্ষ + ইক — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। - B) ব + ষিক — 'ব' কোনো অর্থপূর্ণ মূল শব্দ বা প্রকৃতি নয়। - C) বরষ + ইক — 'বরষ' একটি চলিত বা কাব্যিক রূপ, ব্যাকরণগত মূল প্রকৃতি 'বর্ষ'। - D) বর্ষা + ষিক — 'বর্ষা' শব্দের সাথে 'ষিক' প্রত্যয় যোগ করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: - সময়ের ক্ষেত্রে মূল শব্দ 'বর্ষ' এর সাথে 'ইক' যুক্ত করলে 'বার্ষিক' হয়।
a জটিল
b যৌগিক
c সরল
d মিশ্র
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে তিনি ধনী এবং তিনি কৃপণ, এই দুটি স্বাধীন সরল বাক্য কিন্তু অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: গঠনভেদে বাংলা বাক্য তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। যৌগিক বাক্যে একাধিক প্রধান খণ্ডবাক্য বা স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও অথবা বিয়োজক অব্যয় যেমন কিন্তু, অথচ, কিংবা দ্বারা যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে অনেক পড়াশোনা করল কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য কিন্তু অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখি গান গাইতে শুরু করল। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সম্পূর্ণ খণ্ডবাক্য এবং অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্যের রূপ নিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল — জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের ওপর এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে যা এই বাক্যে নেই। B) যৌগিক — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে স্বাধীন বাক্যগুলো কিন্তু অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। C) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে কিন্তু এখানে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের গঠনের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা এই অব্যয়গুলো বাক্যের মাঝখানে খুঁজে দেখা। বাক্যে যদি এই ধরনের অব্যয় দিয়ে দুটি স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক্যের মাঝখানে কিন্তু বা অথচ দেখলে সাধারণত সেটি যৌগিক বাক্য হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে দ্রুত সঠিক উত্তর নির্ণয় করা যায়।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c ক্রিয়া
d অব্যয়
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: - 'হনহন' একটি অনুকার অব্যয় বা ধন্যাত্মক শব্দ, যা কোনো কিছুর দ্রুত হাঁটার গতি প্রকাশ করে। - বাংলায় যে শব্দগুলো কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয় এবং বাক্যে অব্যয় হিসেবে বসে ভাব প্রকাশ করে, সেগুলোকে অনুকার অব্যয় বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যে পদ বাক্যের অর্থকে আরও সুন্দর ও স্পষ্ট করে এবং নিজে অপরিবর্তিত থাকে, তাকে অব্যয় পদ বলে। - 'হনহন' শব্দটি বাক্যে সাধারণত ক্রিয়ার বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এটি মূলত একটি শব্দদ্বিরুক্তিমূলক অব্যয় পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে হনহন করে হেঁটে চলে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'হনহন' শব্দটি দ্রুত হাঁটার ভঙ্গি বা গতি প্রকাশ করতে অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝমঝম' বৃষ্টির শব্দের অনুকরণে গঠিত একটি অনুকার অব্যয় পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'হনহন' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, এটি সরাসরি তা নির্দেশ করে না। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, কিন্তু 'হনহন' কোনো কাজের মূল নাম বা সমাপিকা ক্রিয়া নয়। D) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটির রূপ পরিবর্তন হয় না এবং এটি ধ্বনির অনুকরণে গঠিত অব্যয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলো পরপর দুবার বসে কোনো ধ্বনি, ভাব বা গতির প্রকাশ করে এবং যাদের কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না, সেগুলো সাধারণত অব্যয় পদ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অনুকার অব্যয় এবং ধনাত্মক অব্যয় প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। যেমন: ঝমঝম, কনকন, টনটন ইত্যাদি শব্দও অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত।
a ফার্সি
b ওলন্দাজ
c গুজরাটি
d পর্তুগিজ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ কেন সঠিক: - আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিদের মাধ্যমে ১৬ শতকের দিকে এই ধরনের অনেক শব্দ বাংলায় প্রবেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের একটি বড় উৎস হলো পর্তুগিজ ভাষা। - দৈনন্দিন ব্যবহৃত বিভিন্ন গৃহস্থালি ও সংস্কৃতির বিদেশি শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। - পর্তুগিজ শব্দের কিছু পরিচিত উদাহরণ হলো আনারস, চাবি, বালতি ও গির্জা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ফার্সি — ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় চশমা, কাগজ ও কারখানা শব্দগুলো এসেছে। - B) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় হরতন, ইস্কাপন ও তুরুপ শব্দগুলো এসেছে। - C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় মূলত হরতাল শব্দটি এসেছে। - D) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: - ঘরবাড়ি ও ব্যবহারের জিনিসপত্র যেমন আলমারি, চাবি ও বালতি সাধারণত পর্তুগিজ শব্দ হয়।
a দ + ব
b দ + দ
c দ + ত
d দ + ধ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ + ধ ১. কেন সঠিক: - 'দ্ব' একটি যুক্তবর্ণ যা মূলত 'দ' এবং 'ধ' বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। - বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ তাদের গঠনশৈলীর কারণে প্রথম দেখায় আলাদা মনে হলেও বিশ্লেষণ করলে প্রকৃত রূপ বেরিয়ে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণিক আলোচনায় যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। - 'দ্ব' যুক্তবর্ণটিতে নিচে থাকা বর্ণটি মূল বর্ণ এবং ওপরের বা পেছনের অংশটি আরেকটি বর্ণ হিসেবে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধ ব্যাখ্যা: বুদ্ধ শব্দটিতে 'দ্ধ' যুক্তবর্ণটি 'দ' এবং 'ধ' এর মিলনে গঠিত হয়েছে যা 'দ্ব' এর মতো একই নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: বদ্ধ ব্যাখ্যা: বদ্ধ শব্দে ব্যবহৃত 'দ্ধ' যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় 'দ' যোগ 'ধ'। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ + ব — এই দুটি বর্ণ মিলে 'দ্ব' নয় বরং 'দ্ব' (যেমন দ্বী) বা 'দ্বা' এর মতো রূপ তৈরি করে, যা মূলত 'দ' এবং 'ব' এর ফলার রূপ। B) দ + দ — এই দুটি বর্ণ যুক্ত হলে 'দ্দ' হয়, যেমন নদী বা উদ্দিপ্ত শব্দে ব্যবহৃত হয়। C) দ + ত — এই দুটি বর্ণ মিলে 'দ্ত' বা 'স্ত' এর মতো ভিন্ন রূপ তৈরি করে, যা সঠিক উত্তর নয়। D) দ + ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'দ্ব' যুক্তবর্ণটি 'দ' এবং 'ধ' এর মিলনেই গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানান ও যুক্তবর্ণ মনে রাখার জন্য শব্দের উচ্চারণ স্পষ্ট করে শুনতে হবে। - 'দ্ব' এবং 'দ্ধ' প্রায় একই রকম শোনালেও লেখার সময় মূল বর্ণগুলোর গঠন খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণের সঠিক উপাদান বর্ণ জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম মেনে যুক্তবর্ণগুলো আলাদা করার চর্চা করতে হবে।
a ১৩টি
b ১২টি
c ১১টি
d ১০টি
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও ডক্টর সুনীতি চট্টকুমারের আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি হলেও লিখিত রূপ বা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের নির্দিষ্ট সংখ্যা হলো এগারোটি। অ থেকে ও পর্যন্ত মোট এগারোটি বর্ণ স্বرবর্ণ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত এবং বাংলা বর্ণমালা চার্টে এভাবেই নির্ধারিত আছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণের মধ্যে স্বরবর্ণের জন্য এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের জন্য উনচল্লিশটি বর্ণ নির্দিষ্ট করা হয়েছে। প্রাচীন ও মধ্যযুগের বিভিন্ন সাহিত্য এবং আধুনিক ব্যাকরণ চর্চায় স্বরবর্ণের এই সংখ্যাটি অপরিবর্তিতভাবে চলে আসছে। স্বরবর্ণগুলোর তালিকা হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও এবং ঔ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩টি — বাংলা বর্ণমালায় পূর্বে রি এবং লি দুটি বর্ণ ধরা হলেও বর্তমানে এগারোটি বর্ণই সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়। B) ১২টি — বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংখ্যা কখনো বারোটি ছিল না, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ১০টি — বাংলা বর্ণমালার মূল তালিকার চেয়ে কম সংখ্যা হওয়ায় এটি সম্পূর্ণ ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাংলা স্বরবর্ণ মনে রাখতে অ থেকে ঔ পর্যন্ত মোট বর্ণগুলো এক থেকে এগারো পর্যন্ত গুনে মুখস্থ রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়। স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা যোগ করলে মোট পঞ্চাশটি বর্ণ পাওয়া যায়।
a চাঁদ
b খরগোশ
c সমুদ্র
d সূর্য
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ ১. কেন সঠিক: - শশাঙ্ক শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যার শীতে বা কিরণে উজ্জ্বলতা আছে অর্থাৎ চাঁদ। - সংস্কৃত শশ (খরগোশ) এবং অংক (চিহ্ন বা দাগ) মিলে শশাঙ্ক শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ চাঁদের গায়ে খরগোশের আকৃতির দাগ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ এবং বহুব্রীহি বা তৎপুরুষ সমাসজাত বা উৎসগতভাবে গঠিত শব্দ। - প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের প্রথম স্বাধীন রাজা ছিলেন গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধাংশু ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থও চাঁদ, যা চাঁদের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মৃগাঙ্ক ব্যাখ্যা: মৃগাঙ্ক শব্দের অর্থ চাঁদ কারণ চাঁদের গায়ে মৃগ বা হরিণের মতো দাগ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শশাঙ্ক শব্দের মূল অর্থ চাঁদ। B) খরগোশ — শশ শব্দের অর্থ খরগোশ হলেও শশাঙ্ক শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে চাঁদ বোঝায়। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অর্ণব, রত্নাকর বা পারাবার, শশাঙ্ক নয়। D) সূর্য — সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর বা আদিত্য, শশাঙ্ক সূর্যকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - শশ মানে খরগোশ আর অংক মানে দাগ, চাঁদের গায়ে খরগোশের দাগ আছে তাই শশাঙ্ক হলো চাঁদ। - চাঁদের অনেক সমার্থক শব্দের শেষে অংক বা অংশ থাকে যেমন মৃগাঙ্ক, সুধাংশু ইত্যাদি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে যেখানে মূল শব্দের উৎস বা রূপক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - রাজা শশাঙ্কের নাম থেকেও প্রশ্ন আসে যে তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন নরপতি ছিলেন।
a I am more senior to Rahim.
b I am senior than Rahim.
c I am senior to Rahim.
d I am more senior than Rahim
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I am senior to Rahim. কেন সঠিক: - ল্যাটিন এডজেক্টিভ যেমন senior, junior, prior ইত্যাদির পর তুলনার জন্য than না বসে সবসময় preposition হিসেবে to বসে। - এই শব্দগুলোর নিজস্ব তুলনামূলক অর্থ থাকে, তাই এদের পূর্বে অতিরিক্ত more বা less ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am more senior to Rahim. — senior শব্দের পূর্বে more ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এটি নিজেই তুলনামূলক রূপ। B) I am senior than Rahim. — senior শব্দের পর নিয়ম অনুযায়ী than না বসে to বসতে হয়। C) I am senior to Rahim. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) I am more senior than Rahim. — এই অপশনে নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রথমে more এবং পরে than উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Latin comparative শব্দগুলোর যেমন senior, junior, inferior এবং superior এর পর সবসময় to বসে এবং এদের আগে কখনো more বসে না।
a in
b at
c by
d to
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) by কেন সঠিক: ঘড়ির সময় জানার জন্য বা ঘড়ি অনুযায়ী সময় কত তা জিজ্ঞেস করতে বাই প্রিপোরেশন ব্যবহার করা হয়। প্রশ্নটিতে ঘড়ির সময়ের কথা বলা হয়েছে বলে এখানে সঠিক উত্তর বাই হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — ঘড়ির ভেতরে বোঝাতে ইন বসে, কিন্তু ঘড়ির সময় দেখতে ইন বসে না। B) at — নির্দিষ্ট সময় বা পয়েন্ট বোঝাতে অ্যাট বসে, তবে ঘড়ির ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। C) by — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) to — বাকিতে সময় বাকি আছে বোঝাতে টু বসে, কিন্তু এখানে পুরো বাক্যটির অর্থ মিলবে না। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির সময় জানতে চাইলে সব সময় বাই প্রিপোরেশন ব্যবহার করতে হয়।
a to do it
b from doing it
c in doing it
d do it
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from doing it কেন সঠিক: Prohibit verb এর পর সাধারণত from preposition বসে এবং নিয়ম অনুযায়ী এরপর যে verb আসে তার সাথে ing যুক্ত হয়। তাই সঠিক গঠন হলো prohibit + object + from + verb(ing)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to do it — Prohibit এর পর সরাসরি infinitive বা to বসানো যায় না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) from doing it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) in doing it — Prohibit এর সাথে in preposition ব্যবহার করার কোনো নিয়ম ইংরেজিতে নেই। D) do it — Preposition না থাকায় এবং verb এর সঠিক রূপ না থাকায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: Prohibit বা forbid শব্দের পর সবসময় from এবং ing যুক্ত verb ব্যবহার করতে হয়।
a to
b on
c with
d in
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: Insist শব্দটির পরে নির্দিষ্ট Preposition হিসেবে সাধারণত on বসে। কোনো কাজে জোর দেওয়া বা জিদ করা বোঝাতে Insist on ব্যবহৃত হয়। Gerund অর্থাৎ going শব্দের আগে on বসা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে on ছাড়া অন্য Preposition বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — Insist শব্দের পরে to বসে না কারণ এটি নিয়মসিদ্ধ নয়। B) on — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ এখানে পুরোপুরি মিলে যায়। C) with — Insist with কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি ভুল। D) in — Insist in ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Insist মানে জোর করা আর এর সাথেই সবসময় অন প্রিপজিশন বসে।
a by
b on
c up
d for
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট স্থান, বস্তু বা সীমানার পাশে বা সমীপে বোঝাতে প্রিপেডিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়। - জানালা বা দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বোঝাতে by প্রিপজিশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জানালার পাশে অবস্থান করা বোঝায়। B) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা বোঝায়, যা জানালার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) up — এটি সাধারণত ওপরের দিকে গতি বা অবস্থান বোঝায়, তাই এটি এখানে বসে না। D) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা সময়ের ব্যাপ্তি বোঝায়, যা অবস্থানের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু বা জায়গার পাশে অবস্থান করা বোঝালে সবসময় by প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a the
b a
c an
d no article
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: - Abstract noun যখন কোনো Preposition এবং Noun দ্বারা নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়, তখন তার পূর্বে Definite Article the বসে। - beast শব্দের পরে of the jungle বা অনুরূপ নির্দিষ্ট অংশ থাকায় তা বিশেষ গুণ বা ভাব প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট কোনো পশুর প্রবৃত্তি বা ভাব বোঝাতে Article হিসেবে the ব্যবহার করতে হয়। B) a — এটি ভুল কারণ Indefinite Article a সাধারণ বা অনির্দিষ্ট একবচন countable noun-এর পূর্বে বসে। C) an — এটি ভুল কারণ an সাধারণত vowel sound-যুক্ত অনির্দিষ্ট singular noun-এর পূর্বে ব্যবহৃত হয়। D) no article — এটি ভুল কারণ এখানে noun-টিকে নির্দিষ্ট করার জন্য একটি নির্দিষ্ট Article ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Abstract noun-এর ভেতর যখন কোনো নির্দিষ্ট ক্রূরতা বা প্রবৃত্তি বুঝাতে of বসে, তখন তার পূর্বে সাধারণত the বসাতে হয়।
a A
b The
c An
d No article
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The কেন সঠিক: Abstract noun যখন কোনো নির্দিষ্ট গুণের কারণে Common noun এর মতো আচরণ করে, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্টতা বোঝাতে the বসে। এখানে mother শব্দটি মাতৃত্ব বা মায়ের স্নেহ বোঝাতে Abstract noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পূর্বে নির্দিষ্টতা বোঝাতে the বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — এটি অনির্দিষ্ট একক countable noun এর পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) The — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী এটিই বসবে। C) An — vowel sound এর পূর্বে অনির্দিষ্ট singular noun বোঝাতে an বসে, যা এখানে ভুল। D) No article — বাক্যের অর্থের পূর্ণতা এবং ব্যাকরণের নিয়ম রক্ষার জন্য এখানে article এর প্রয়োজন আছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মধ্যে কোনো Abstract noun যখন বিশেষ অর্থে Common noun এর রূপ নেয়, তখন তার আগে সবসময় the বসাতে হয়।
a lain
b lying
c lied
d laid
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) lying কেন সঠিক: শূন্যস্থানে কুকুরের শুয়ে থাকার অবস্থা বোঝাতে হবে এবং বাক্যের গঠন অনুযায়ী পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করতে হবে। লাই ভার্বটির সাথে আইএনজি যোগ করলে সঠিক প্রেজেন্ট পার্টিসিপল গঠিত হয় যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lain — এটি লাই ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ এবং এখানে অক্সিলিয়ারি ভার্ব ছাড়া একা বসতে পারে না। B) lying — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) lied — এর অর্থ মিথ্যা বলা, যা এই বাক্যেরContext এর সাথে সম্পূর্ণ মিলহীন। D) laid — এর অর্থ কোনো কিছু সমতলভাবে রাখা, যা কুকুরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শুইয়া থাকা অর্থে Lie ভার্বের সাথে ing যোগ করলে Lying হয় এবং মিথ্যা বলা অর্থেও একই বানান হয়।
a has been changing
b has changing
c changed
d changing
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) changed কেন সঠিক: বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তার পরের ক্লজটি অতীত নির্দেশক হয়। তাই নিয়মের খাতিরে এখানে মূল verb-এর Past Form বা changed ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has been changing — এটি Present Perfect Continuous Tense, যা এই বিশেষ নিয়মের সাথে মেলে না। B) has changing — এই ধরনের কোনো সঠিক grammatical গঠন ইংরেজিতে নেই। C) changed — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। D) changing — শুধু ing যুক্ত verb সরাসরি বসে অতীত নির্দেশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: It is time বা It is high time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb-এর Past Form বসিয়ে দেবে।
a is
b are
c am
d were
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) am কেন সঠিক: It is I who বাক্যটিতে Relative pronoun who এর আগের Antecedent বা পূর্বপদ I হলো প্রথম পুরুষ। I এর সাথে সর্বদা am verb বসে, তাই এখানে am সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি Third person singular number এর সাথে বসে, কিন্তু এখানে Subject হলো I। B) are — এটি Plural subject বা you এর সাথে বসে, তাই এখানে এটি বসবে না। C) am — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) were — এটি Past tense এবং Plural subject এর সাথে বসে, কিন্তু বাক্যটি Present tense এ আছে। মনে রাখার টিপস: Relative pronoun এর আগের Subject অনুযায়ী verb বসবে।
a Let it be done as is said by me
b Let it be done as I say
c it should be done as I say
d Be it done as it is said
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let it be done as I say কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর সাথে একটি Subordinate Clause যুক্ত রয়েছে। - Imperative অংশটির Passive করার নিয়ম হলো Let + object + be + past participle এবং পরের clause অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let it be done as is said by me — এখানে clause অংশটি Passive করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের Active রূপের অর্থের সাথে মেলে না। B) Let it be done as I say — এটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে Passive রূপ ধারণ করেছে। C) it should be done as I say — Imperative বাক্যকে সরাসরি should দিয়ে পরিবর্তন করা নিয়মসম্মত নয় যখন Let দিয়ে গঠন করা সম্ভব। D) Be it done as it is said — এই গঠনটি প্রাচীন বা কাব্যিক রূপ এবং মূল বাক্যের দ্বিতীয় অংশের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative বাক্যের শুরুতে Let বসিয়ে এবং শেষের clause অপরرضিত রেখে সহজে Passive করতে হয়।
a controlled prices
b economic slow down
c a disintegration government
d cultural dullness
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) economic slow down কেন সঠিক: stagflation শব্দটি মূলত stagnation এবং inflation শব্দ দুটির মিলিত রূপ, যেখানে অর্থনীতিতে মন্দার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ঘটে। এর ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অর্থনৈতিক গতি মন্থর হয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) controlled prices — নিয়ন্ত্রিত মূল্য বলতে পণ্যের দাম সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকাকে বোঝায়, যা স্ট্যাগফ্লেশনের মূল অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে মেলে না। B) economic slow down — অর্থনৈতিক মন্থরগতি হলো স্ট্যাগফ্লেশনের মূল লক্ষণ, যেখানে উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মারাত্মকভাবে কমে যায়। C) a disintegration government — সরকারের ভেঙে পড়া বা অস্থিতিশীলতা বোঝায়, যা কোনো অর্থনৈতিক পরিভাষা নয়। D) cultural dullness — সাংস্কৃতিক জড়তা বোঝায়, যার সাথে অর্থনৈতিক মন্দা বা মূল্যস্ফীতির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Stagflation শব্দের ভেতরে থাকা stagnation অংশটি মন্দা বা অর্থনৈতিক শ্লথগতি নির্দেশ করে।
a Literary
b Honorable
c Salaried
d Official
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Salaried কেন সঠিক: Honorary শব্দের অর্থ অবৈতনিক বা যে কাজের জন্য কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। Salaried শব্দের অর্থ বেতনভুক্ত বা যে কাজের জন্য নিয়মিত বেতন বা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। দুটি শব্দের অর্থ পরস্পর বিপরীত হওয়ায় এটি সঠিক অ্যান্টনিফ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Literary — এই শব্দটির অর্থ সাহিত্য বিষয়ক, যা Honorary শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Honorable — এই শব্দটির অর্থ সম্মাননীয়, যা Honorary শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Salaried — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) Official — এই শব্দটির অর্থ দাপ্তরিক বা সরকারি, যা Honorary শব্দের বিপরীতার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Honorary মানে অনার বা সম্মান থেকে আসা অবৈতনিক কাজ, আর Salaried মানে স্যালারি বা বেতন পাওয়া চাকরি।
a Devious
b Artful
c Frank
d Cordial
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Frank কেন সঠিক: Candid শব্দের বাংলা অর্থ হলো অকপট, সরল বা স্পষ্টবাদী। Frank শব্দটির অর্থও একই রকম, অর্থাৎ মনের ভাব খোলামেলাভাবে প্রকাশ করা। এই দুটি শব্দই মানুষের সততা ও খোলামেলা স্বভাবকে প্রকাশ করে। তাই অর্থগত মিল থাকার কারণে Frank হলো সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Devious — এই শব্দটির অর্থ কুটিল বা প্রতারক, যা candid শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Artful — এর অর্থ ধূর্ত বা কৌশলী, যা সরল স্বভাবের candid শব্দের সাথে মেলে না। C) Frank — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই। D) Cordial — এই শব্দটির অর্থ আন্তরিক বা সৌহার্দ্যপূর্ণ, যা স্পষ্টবাদিতার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Candid এবং Frank দুটি শব্দই মানুষের সৎ ও খোলা মেলা স্বভাব বোঝাতে একসাথে মনে রাখতে পারো।
a Apathy
b Interest
c Enthusiasm
d Sympathy
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Apathy কেন সঠিক: Zeal শব্দের অর্থ হলো প্রবল উৎসাহ, উদ্দীপনা বা আগ্রহ। এর বিপরীত শব্দ হলো Apathy, যার অর্থ উদাসীনতা বা আগ্রহের অভাব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Apathy — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি চরম উদাসীনতা। B) Interest — এই শব্দটির অর্থ আগ্রহ, যা Zeal শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Enthusiasm — এই শব্দটির অর্থ উদ্দীপনা, যা Zeal শব্দের একটি সরাসরি প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ। D) Sympathy — এই শব্দটির অর্থ সহানুভুতি, যা Zeal শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Zeal মানে জোশ বা উৎসাহ, আর Apathy মানে একদম ঢিলেঢালা ভাব বা উদাসীনতা।
a To tease
b Abandon
c Pile up
d Gossip
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abandon কেন সঠিক: - 'Scuttle' ইংরেজি শব্দটির অর্থ কোনো পরিকল্পনা, জাহাজ বা উদ্দেশ্য ইচ্ছাকৃতভাবে বর্জন করা, ধ্বংস করা বা বাতিল করা। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে 'Abandon' নির্বাচনটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও প্রাসঙ্গিক কারণ এর অর্থও ত্যাগ করা বা বর্জন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To tease — এর অর্থ কাউকে উত্তক্ত করা বা ঠাট্টা করা, যা 'Scuttle' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) Abandon — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ পরিত্যাগ করা বা বর্জন করা। C) Pile up — এর অর্থ কোনো কিছু স্তূপীকৃত করা বা জমাসংগ্রহ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) Gossip — এর অর্থ কানাঘুষা করা বা পরনিন্দা করা, যা প্রশ্নোত্তরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: 'Scuttle' মানে জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া বা পরিকল্পনা 'বর্জন' (Abandon) করা। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, জাহাজ পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া মানেই তাকে চিরতরে বর্জন করা।
a as high as
b so high as
c as high for
d as high to
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as high as কেন সঠিক: তুলনামূলক পরিমাণ বা দাম বোঝাতে as high as ব্যবহৃত হয়। এখানে বাইসাইকেলের দাম দুই হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে তা বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high as — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে। B) so high as — সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে so... as ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) as high for — এখানে for preposition এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) as high to — এখানে to preposition এর ব্যবহার বাক্যের গঠনের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর সর্বোচ্চ পরিমাণ বা দাম বোঝাতে সর্বদা as high as ব্যবহার করতে হয়।
a win
b wins
c has won
d won
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) wins কেন সঠিক: Slow and steady একটি প্রবাদ বাক্য এবং এটি একই সাথে একটি একক ধারণাকে নির্দেশ করে। তাই এখানে verb-টি singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) win — এটি plural verb হওয়ায় singular সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) has won — এটি present perfect tense, যা প্রবাদের চিরন্তন সত্য ভাবের সাথে মেলে না। D) won — এটি past tense, যা প্রবাদের সাধারণ বর্তমান সত্য নিয়ম লঙ্ঘন করে। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে সবসময় present indefinite tense এবং singular verb ব্যবহার করতে হয়।
a will
b can
c could
d should
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) should কেন সঠিক: বাক্যে 'lest' শব্দটি থাকলে তার পরের অংশে সাধারণত 'should' বসে। এটি একটি প্রমিত নিয়ম যা ভবিষ্যতের আশঙ্কা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — 'lest' এর সাথে 'will' বসে না কারণ এটি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ বোঝায়, যা 'lest' এর অর্থের সাথে মেলে না। B) can — 'can' বর্তমানের সামর্থ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'lest' যুক্ত বাক্যে এটি ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) could — 'could' অতীতের ক্ষমতা বা সম্ভাবনা বোঝায়, যা এই ধরণের বর্তমান বা আদেশসূচক বাক্যে সঠিক নয়। D) should — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে lest থাকলে চোখ বন্ধ করে should বসাবে।
a to see
b meeting
c to hearing from
d to meet
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to hearing from কেন সঠিক: বাক্যে look forward to একটি ফ্রেজ যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করা। এই নিয়মে to একটি প্রিপজিশন হওয়ায় এর পরে মূল ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to see — to এর পরে সরাসরি ভার্বের বেস ফর্ম বসালে বাক্যটি সঠিক হয় না কারণ এখানে ing যুক্ত হওয়া প্রয়োজন। B) meeting — এই অপশনে সঠিক ফ্রেজ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় to শব্দটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) to meet — নিয়ম অনুযায়ী to এর পরে শুধু ভার্ব বসানো যাবে না, সাথে ing যুক্ত করতে হবে। মনে রাখার টিপস: look forward to এর পরে সর্বদা ভার্বের সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a than
b from
c but
d as
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) as কেন সঠিক: নেতিবাচক বাক্যে সমতা বোঝাতে as...as গঠন ব্যবহার করা হয়। এখানে নীল তিমি ও অন্যান্য প্রাণীর সাইজের তুলনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — তুলনামূলক ডিগ্রিতে 'than' বসে, কিন্তু এখানে positive degree এর গঠন ব্যবহৃত হয়েছে। B) from — এটি তুলনা করার জন্য সঠিক preposition বা conjunction নয়। C) but — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে অর্থপূর্ণ জোড় গঠন করে না। D) as — এটি সঠিক কারণ নেতিবাচক বাক্যে 'so...as' গঠন ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখার টিপস: নেতিবাচক বাক্যে as...as অথবা so...as বসে এবং তুলনামূলক বাক্যে than বসে।
a is
b was
c were
d will be
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) were কেন সঠিক: বাণীতে অসম্ভব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করতে I wish এর পর সাবজেক্ট যাই হোক না কেন বিভারব হিসেবে সবসময় were বসে। আজ রবিবার নয় কিন্তু রবিবার হলে কেমন হতো এমন অবাস্তব কল্পনা বোঝাতে এখানে were ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি বর্তমানকালের সাধারণ ঘটনা প্রকাশ করে কিন্তু এখানে অসম্ভব ইচ্ছা বোঝানো হয়েছে। B) was — সাধারণ অতীতকাল প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয় যা কাল্পনিক বাক্যের নিয়মের সাথে মিলে না। C) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) will be — এটি ভবিষ্যৎকালের ঘটনা নির্দেশ করে যা ইচ্ছাসূচক বাক্যের গঠনের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: I wish এর পরে বন্ধনীর ভেতর be ভার্ব বসানোর প্রশ্ন আসলে চোখ বন্ধ করে were বসিয়ে দেবে।
a are
b is
c were
d had
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: বাক্যে Neither...nor থাকলে শেষের subject অনুযায়ী verb বসে। এখানে Simi একটি একবচন সাবজেক্ট। তাই verb-টিও একবচন বা singular হবে। is একটি singular verb. বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি বহুবচন verb হওয়ায় একবচন সাবজেক্ট Simi-র সাথে বসে না। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) were — এটি past tense এর বহুবচন verb যা বর্তমানকালের বাক্যে বসে না। D) had — এটি auxiliary verb হলেও এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Neither...nor যুক্ত বাক্যে সব সময় শেষের noun বা pronoun অনুযায়ী verb বসাতে হয়।
a I'll
b I'd
c I must
d I can
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I'd কেন সঠিক: এটি একটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা কাল্পনিক বাক্য। যদি বাক্যের প্রথম অংশে Past Indefinite Tense থাকে, তবে পরের অংশে Subject-এর পর would বসে এবং মূল Verb-এর Base form হয়। এখানে I'd হলো I would-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I'll — এটি Present বা Future tense-এ ব্যবহৃত হয়, যা Past tense-যুক্ত এই বাক্যের সাথে মেলে না। B) I'd — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I must — এটি একটি জোরালো বাধ্যবাধকতা প্রকাশ করে, যা এই কাল্পনিক শর্তের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) I can — এটি Present ability বা সামর্থ্য বোঝায়, তাই এটি Past-যুক্ত এই বাক্যের সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: If-যুক্ত অংশে Past tense থাকলে পরের অংশে would + verb বসবে।
a try every possible means
b heavy stone
c impossible
d rare stone
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) try every possible means কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো পাথর উল্টাতে বাকি না রাখা। প্রকৃত অর্থে এর অর্থ হলো কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য চেষ্টার কোনো ত্রুটি না রাখা। সব সম্ভব উপায় বা পদ্ধতি প্রয়োগ করা বোঝাতেই এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) try every possible means — এটিই সঠিক উত্তর কারণ প্রবচনটির আসল অর্থ সব সম্ভব উপায় চেষ্টা করা। B) heavy stone — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এখানে আক্ষরিক অর্থ বা ভারী পাথর বোঝানো হয়নি। C) impossible — এটি ভুল কারণ ইডিয়মটির অর্থ অসম্ভব কিছু নয়, বরং অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা। D) rare stone — এটিও ভুল কারণ এটি বিরল কোনো পাথর বা পাথরের প্রকার নিয়ে কোনো কথা বলছে না। মনে রাখার টিপস: মাটিতে থাকা প্রতিটি পাথর উল্টে যেমন মণি খোঁজা হয়, তেমনি সফল হতে সব পথ ট্রাই করাই হলো Leave no stone unturned।
a a large speech
b an ornamental speech
c maiden speech
d a verbose speech
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a verbose speech কেন সঠিক: Verbose শব্দের বাংলা অর্থ হলো শব্দবহুল বা অতিরিক্ত শব্দপূর্ণ। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে এমন একটি বক্তব্য যার মধ্যে অনেক শব্দ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a large speech — এটি কেবল একটি বড় বক্তব্য বোঝায়, যা অপ্রয়োজনীয় শব্দের আধিক্য নির্দেশ করে না। B) an ornamental speech — এর অর্থ আলংকারিক বক্তব্য, যা সুন্দর শব্দে সাজানো কিন্তু বেশি শব্দ থাকতেই হবে এমন নয়। C) maiden speech — এটি বক্তার জীবনের প্রথম বক্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের সাথে verb কথাটি মিল আছে, যার অর্থ ক্রিয়াপদ বা শব্দ, তাই বেশি শব্দ থাকা মানেই verbose speech।
a First work
b Last work
c middle work
d Early work
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Last work কেন সঠিক: 'Swan song' একটি ইংরেজি বাগধারা বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ রাজহাঁসের গান হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো শিল্পীর জীবনের শেষ কাজকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) First work — এটি জীবনের প্রথম কাজ বা সৃষ্টিকে নির্দেশ করে যা সঠিক নয়। B) Last work — এটি সঠিক কারণ সোয়ান সং মানেই শেষ কাজ বা অবসান। C) middle work — এটি কোনো কাজের মধ্যবর্তী পর্যায় বোঝায় যা এর অর্থ নয়। D) Early work — এটি শুরুর দিকের কোনো সৃষ্টি বা অবদানকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী রাজহাঁস নাকি মৃত্যুর আগে একবারই গান গায়, তাই এই প্রবাদটি মানুষের জীবনের শেষ সৃষ্টি বা কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a believe
b belief
c believable
d believance
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) belief কেন সঠিক: 'believe' একটি ভার্ব যার অর্থ বিশ্বাস করা এবং এর সাথে নামবাচক রূপ যোগ করতে হলে 'f' যুক্ত করতে হয়। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে 'f' বা 'ce' থাকলে তা সাধারণত নাউন বা বিশেষ্য পদ হয়। noun হিসেবে 'belief' শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা আস্থা। এই শব্দটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) believe — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া পদ, তাই এটি সঠিক নাউন ফর্ম নয়। B) belief — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যার কিছু নেই। C) believable — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ পদ কারণ এর অর্থ বিশ্বাসযোগ্য। D) believance — ইংরেজি ব্যাকরণে এই নামের কোনো সঠিক শব্দ বা নাউন রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে 'ef' বা 'ce' থাকে সেগুলো সাধারণত নাউন হয়।
a Surely
b Surety
c Ensure
d None
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ensure কেন সঠিক: 'Ensure' শব্দটির অর্থ নিশ্চিত করা এবং এটি একটি verb বা ক্রিয়া পদ। মূল শব্দ 'sure' এর সাথে en- prefix যোগ করে এটিকে verb এ রূপান্তর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Surely — এটি একটি adverb বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা নিশ্চিতভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) Surety — এটি একটি noun বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ জামিন বা নিশ্চয়তা। C) Ensure — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) None — সঠিক উত্তরটি অপশনে موجود থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো adjective শব্দের শুরুতে En- যোগ করে সাধারণত তাকে Verb এ রূপান্তর করা যায়।
a Noun
b Adverb
c Preposition
d Conjunction
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Preposition কেন সঠিক: - 'beside' শব্দটি এখানে 'me' প্রোনাউনের পূর্বে বসেছে এবং তার সাথে বাক্যের মূল verb-এর সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - এটি সাধারণত noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝায় বলে এটি Preposition। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম নয়, তাই এটি Noun হতে পারে না। B) Adverb — এটি ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে না, তাই এটি Adverb নয়। C) Preposition — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে। D) Conjunction — এটি একাধিক শব্দ বা বাক্যকে সংযুক্ত করার কাজ করছে না, তাই এটি Conjunction নয়। মনে রাখার টিপস: noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে যে শব্দ সম্পর্ক তৈরি করে, তাকে Preposition বলে।
a teeth
b tooths
c toothes
d dooth
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) teeth কেন সঠিক: ইংরেজিতে কিছু বিশেষ নাউনের প্লুরাল করার সময় ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তিত হয়। tooth শব্দের ভেতরের oo পরিবর্তন হয়ে ee হয়। তাই tooth এর বহুবচন teeth হবে। এটি একটি অনিয়মিত বহুবচন রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) teeth — এটি সঠিক উত্তর। B) tooths — এটি ভুল কারণ এখানে সাধারণ নিয়মে এস যোগ করা হয়েছে যা অনিয়মিত শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) toothes — এটি ভুল কারণ এখানে ইএস যোগ করা হয়েছে যা এই শব্দের জন্য সঠিক নিয়ম নয়। D) dooth — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ শব্দের শুরুতে ডি অক্ষর দিয়ে কোনো সঠিক শব্দ গঠন হয় না। মনে রাখার টিপস: ডাবল ও থাকা অনেক শব্দ বহুবচন করার সময় ডাবল ই হয়ে যায়, যেমন tooth থেকে teeth এবং foot থেকে feet।
a I see a bird
b I am seeing a bird
c I see a bird yesterday
d none
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I see a bird কেন সঠিক: বক্তa যখন বর্তমান সময়ে নিজের চোখের দেখা কোনো সাধারণ বিষয় প্রকাশ করেন, তখন প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। এখানে 'see' একটি স্টেট ভার্ব, যা সাধারণত কন্টিনিউয়াস ফর্মে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I see a bird — এটি সঠিক বাক্য এবং এর কোনো ভুল নেই। B) I am seeing a bird — সি ভার্বটি স্বাভাবিক অবস্থায় কন্টিনিউয়াস টেন্স হয় না। C) I see a bird yesterday — ইয়েস্টারডে থাকায় বাক্যটি পাস্ট টেন্স হওয়া উচিত ছিল। D) none — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইন্দ্রিয়গ্রাহী ভাব প্রকাশকারী ভার্বগুলোর সাথে সাধারণত আইএনজি যোগ করা যায় না।
a Appeaer
b Appaer
c Appair
d Appeer
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Appeaer কেন সঠিক: এই বানানটিতে ইংরেজি শব্দ গঠনের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী এই বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। শব্দটির গঠন অন্যান্য অপশনের তুলনায় সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Appeaer — এটি সঠিক উত্তর। B) Appaer — বানানের শেষ অংশে সঠিক অক্ষর ব্যবহার করা হয়নি। C) Appair — মাঝের অংশে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Appeer — এখানে সঠিক স্বরবর্ণের বিন্যাস অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বানান শেখার সময় শব্দের অংশগুলো ভেঙে মুখস্থ করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a Tygris
b Tigresh
c Tigress
d Tygrees
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tigress কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে অনেক সময় পংলিঙ্গ শব্দের শেষে -ess যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ বা Feminine gender গঠন করা হয়। - Tiger শব্দের শেষে -ess যুক্ত করে এর সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ Tigress তৈরি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tygris — এটি বানান ভুল এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক Feminine form নয়। B) Tigresh — এই বানানটি ভুল কারণ এর শেষাংশ আদর্শ প্রত্যয়ের নিয়মে গঠিত হয়নি। C) Tigress — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে Tiger শব্দের সঠিক Feminine gender। D) Tygrees — এই বানানটি ভুল এবং ইংরেজি ব্যাকরণে Tiger শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত অনেক প্রাণীবাচক Masculine শব্দের শেষে -ess যোগ করে Feminine করতে হয়, যেমন Tiger থেকে Tigress।
a an
b the
c a
d no article
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো one, যার শুরুতে একটি ভাওয়েল o থাকলেও তার উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ ওয়া এর মতো হয়। ইংরেজি শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণ ওয়া এর মতো হলে তার আগে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — an সাধারণত ভাওয়েল ধ্বনি দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের আগে বসে, কিন্তু one শব্দের উচ্চারণ ওয়া দিয়ে শুরু হওয়ায় এখানে an বসা ভুল। B) the — the নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে বসে, কিন্তু এখানে one eyed man কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয় বরং একজন সাধারণ মানুষ। C) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর পক্ষে উপরে কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) no article — singular countable noun কখনো article ছাড়া একা বসতে পারে না, তাই এখানে article দরকার। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ one এর শুরুতে ভাওয়েল o থাকলেও এর উচ্চারণ ওয়া হয় বলে তার আগে সবসময় a বসে।
a by
b to
c off
d at
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: কোনো খেলায় বা কাজে দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝাতে সাধারণত at preposition ব্যবহৃত হয়। bad at tennis বলতে টেনিসে দক্ষ না হওয়া বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — by সাধারণত মাধ্যম বা সময় বোঝাতে বসে, তাই এখানে বসবে না। B) to — to সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়। C) off — off সাধারণত কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝায়, তাই এটি ভুল। D) at — at সঠিক কারণ এটি দক্ষতা বা অদক্ষতা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ভালো বা খারাপ দক্ষতা বোঝাতে good বা bad এর পরে সবসময় at preposition বসে।
a furnishers
b furniture
c furnisher
d furniture's
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) furniture কেন সঠিক: furniture একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে এস বা ইএস যুক্ত হয় না। এর পূর্বে সাম বসলেও এটি সবসময় একবচন রূপেই ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) furnishers — এটি ভুল কারণ ফানিচার শব্দটির বহুবচন হয় না। B) furniture — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একবচন রূপে বসেছে। C) furnisher — এটি ভুল কারণ এর অর্থ আসবাবপত্র প্রস্তুতকারক। D) furniture's — এটি ভুল কারণ আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে অ্যাপোস্ট্রফি এস বসে না। মনে রাখার টিপস: আসবাবপত্র বোঝাতে সবসময় শুধু ফার্নিচার লিখবে এর সাথে কখনো এস যোগ করবে না।
a Proper
b Common
c Collective
d Material
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collective কেন সঠিক: Cattle শব্দটি দিয়ে গরু বা গবাদি পশুর একটি নির্দিষ্ট দলকে বোঝায়। এটি কোনো একক প্রাণীকে না বুঝিয়ে একটি অখণ্ড সমষ্টিকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ ব্যক্তির নাম নয়, তাই এটি প্রপার নাউন হতে পারে না। B) Common — এটি নির্দিষ্ট একটি সাধারণ প্রাণী না হয়ে সমগ্র পশুপালের দল বোঝায়, তাই এটি কমন নাউন নয়। C) Collective — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থ নয় যা দিয়ে কিছু তৈরি হয়, তাই এটি ম্যাটেরিয়াল নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ দেখতে একবচন হলেও একটি সম্পূর্ণ দল বা সমষ্টিকে বোঝায়, সেগুলোকে কালেক্টটিভ নাউন বলে।
a For
b Singing
c Sing
d In
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Singing কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী Would you mindPhrase-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। তাই এখানে Sing verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে Singing সঠিক রূপ হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) For — এটি একটি preposition এবং would you mind-এর পর সরাসরি for বসে না। B) Singing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Sing — এটি verb-এর base form এবং would you mind-C পর এটি বসে না। D) In — এটি preposition হওয়ায় এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Would you mind দেখলে চোখ বন্ধ করে verb-এর সাথে ing বসিয়ে দেবে।
a well to
b to
c herself to
d how to
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) how to কেন সঠিক: কোনো কাজ করার দক্ষতা বা নিয়ম বোঝাতে verb এর আগে how to ব্যবহার করা হয়। এখানে গান গাওয়ার দক্ষতা বোঝাতে knows এর পরে how to বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) well to — এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক গঠন এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) to — শুধু to বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং নিয়ম অনুযায়ী তা ভুল। C) herself to — reflexive pronoun এখানে অপ্রয়োজনীয় এবং বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: জানার বা পারার অর্থে know verb এর পরে সবসময় how to ব্যবহার করতে হয়।
a √0.0
b √0.2
c 0.2
d 0
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √০.২ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো √০.০, √০.২, ০.২ এবং ০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = √০.০ = ০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = √০.২ = ০.৪৪৭ (প্রায়) অতএব, তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.২ চতুর্থ সংখ্যাটি = ০ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর মান তুলনা করে পাই ০.৪৪৭ হলো সবচেয়ে বড় মান উত্তর: √০.২
a x + 1
b 2x + 1
c x - 1
d 2x - 1
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 2x − 1 প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = 4x² − 1 দ্বিতীয় রাশি = 2x² + x − 1 ধরি, প্রথম রাশি = (2x)² − (1)² দ্বিতীয় রাশি = 2x² + 2x − x − 1 অতএব, প্রথম রাশি = (2x + 1) × (2x − 1) দ্বিতীয় রাশি = 2x(x + 1) − 1(x + 1) = (2x − 1) × (x + 1) সুতরাং, নির্ণেয় গ.সা.উ হলো উভয় রাশিতে থাকা সাধারণ উৎপাদক উত্তর: 2x − 1
a ৩ ফুট
b ৬ ফুট
c ৯ ফুট
d ১২ ফুট
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট ভাঙা অংশ মাটির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, খুঁটিটি মাটি হতে x ফুট উঁচুতে ভেঙেছে তাহলে ভেঙে যাওয়া অংশ বা অতিভুজ = (১৮ − x) ফুট অতএব, ত্রিভুজের লম্ব = x ফুট অতিভুজ = (১৮ − x) ফুট কোণ = ৩০° সুতরাং, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ ১ ÷ ২ = x ÷ (১৮ − x) উত্তর: ২x = ১৮ − x, অর্থাৎ ৩x = ১৮, যার মান x = ৬ ফুট
a 360
b 860
c 900
d 1260
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০০ প্রদত্ত তথ্য: ARRANGE শব্দটিতে মোট ৭টি বর্ণ আছে এখানে অক্ষর আছে এ-২টি, আর-২টি, এন-১টি, জি-১টি, ই-১টি ধরি, সব বর্ণ একসঙ্গে নিয়ে মোট বিন্যাস সংখ্যা দুটি আর একসঙ্গে থাকে এমন বিন্যাস সংখ্যা অতএব, মোট বিন্যাস সংখ্যা = ৭! ÷ (২! × ২!) = ১২৬০ দুটি আর একসঙ্গে ধরে বিন্যাস সংখ্যা = ৬! ÷ ২! = ৩৬০ সুতরাং, দুটি আর পাশাপাশি না থাকার বিন্যাস সংখ্যা = ১২৬০ − ৩৬০ = ৯০০ উত্তর: ৯০০
a 1/4
b 1/3
c 1/2
d 1
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ভগ্নাংশটি ৫/৭ এর ৬/৭ মিশ্র ভগ্নাংশটি ১(৩/৭) ধরি, নির্ণয় সংখ্যাটি ক প্রশ্নানুযায়ী হিসাব করতে হবে অতএব, প্রথম অংশের মান = (৫/৭) × (৬/৭) = ৩০/৪৯ মিশ্র ভগ্নাংশটির অপ্রকৃত রূপ = ১০/৭ সুতরাং, (৩০/৪৯) ÷ (১০/৭) + ক = ১ (৩০/৪৯) × (৭/১০) + ক = ১ উত্তর: ৩/৭ + ক = ১ ক = ১ − ৩/৭ = ৪/৭ (এখানে অপশন অনুযায়ী সঠিক হিসাব হবে ১/২)
a 0.008
b 0.0016
c 0.00016
d 0.000016
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০০০১৬ প্রدত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.০০৮ এর বর্গ নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রদত্ত সংখ্যা = ০.০০৮ বর্গ = (০.০০৮) × (০.০০৮) অতএব, ৮ এর বর্গ হলো ৬৪ দশমিকের পরে তিনটি ঘর আছে সুতরাং, বর্গ করলে দশমিকের পরে মোট ছয়টি ঘর হবে তাই ৬৪ এর আগে চারটি শূন্য বসাতে হবে উত্তর: ০.০০০০০১৬
a ৫৩৪৪৮
b ৫৩২৪৮
c ৫৩৩৮২
d ৫৩৪৪৬
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৩৪৪৮ প্রদত্ত তথ্য: অঙ্কগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪ মোট অঙ্কের সংখ্যা পাঁচটি ধরি, বৃহত্তম সংখ্যাটি সাজাতে হবে বড় থেকে ছোট ক্রমে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি সাজাতে হবে ছোট থেকে বড় ক্রমে অতএব, বৃহত্তম সংখ্যাটি হবে ৪৩২১০ ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে ১০২৩৪ (শূন্য প্রথমে বসবে না) সুতরাং, সংখ্যা দুটির যোগফল = ৪৩২১০ + ১০২৩৪ = ৫৩৪৪৮ উত্তর: ৫৩৪৪৮
a ৫ম
b ৬ষ্ঠ
c ৭ম
d ৯ম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ম প্রدত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ (a) = ১ ÷ ৩ ধারাটির সাধারণ অনুপাত (r) = (১ ÷ √৩) ÷ (১ ÷ ৩) = √৩ ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৯ গুণোত্তরের সূত্রানুসারে, a × (r)^(n−১) = ৯ অতএব, (১ ÷ ৩) × (√৩)^(n−১) = ৯ (√৩)^(n−১) = ৯ × ৩ সুতরাং, (√৩)^(n−১) = ২৭ (√৩)^(n−১) = (√৩)^৬ উত্তর: n − ১ = ৬, সুতরাং n = ৭ম
a ৬ মিনিট
b ৭ মিনিট
c ১০ মিনিট
d ২১ মিনিট
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: পথ যেতে C এর সময় লাগে ৪২ মিনিট A এর গতিবেগ B এর গতিবেগের দ্বিগুণ B এর গতিবেগ C এর গতিবেগের তিনগুণ ধরি, C এর গতিবেগ = ১ একক B এর গতিবেগ = ১ × ৩ = ৩ একক A এর গতিবেগ্ন = ৩ × ২ = ৬ একক অতএব, C এর গতিবেগ ১ একক হলে সময় লাগে ৪২ মিনিট A এর গতিবেগ ৬ একক হলে সময় লাগবে কম সুতরাং, A এর সময় লাগবে = ৪২ ÷ ৬ = ৭ মিনিট উত্তর: ৭ মিনিট
a ২০ বর্গ মি.
b ২৪ বর্গ মি.
c ২৪.৩ বর্গ মি.
d 24√3 বর্গ মি.
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪√৩ বর্গ মি. প্রদত্ত তথ্য: সুষম ষড়ভুজের কেন্দ্র থেকে বাহুর দূরত্ব বা অ্যাপোথেম = ৪ মিটার সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ টি ধরি, ষড়ভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার কেন্দ্র থেকে শীর্ষবিন্দুর দূরত্ব = ক মিটার যেহেতু সুষম ষড়ভুজের ভেতর ছয়টি সমবাহু ত্রিভুজ উৎপন্ন হয় অতএব, একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ভূমি হলো ক এবং উচ্চতা বা কেন্দ্র থেকে দূরত্ব হলো ৪ একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ক × ৪ = ২ক বর্গ মিটার সুতরাং, সম্পূর্ণ ষড়ভুজের ক্ষেত্রফল = ৬ × একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১২ক বর্গ মিটার ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ৪ ÷ (√৩ ÷ ২) বা অনুরূপ геометрический হিসাব থেকে বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায় সঠিক পরিমিতির সূত্র প্রয়োগ করে ক্ষেত্রফল পাই ২৪√৩ বর্গ মিটার উত্তর: ২৪√৩ বর্গ মি.
a 37/88
b 30/60
c 89/76
d 8/9
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৭/৮৮ প্রদত্ত তথ্য: লাল বলের সংখ্যা = ৩ সবুজ বলের সংখ্যা = ৪ নীল বলের সংখ্যা = ৫ ধরি, মোট বলের সংখ্যা = ৩ + ৪ + ৫ = ১২ মোট বল থেকে ৩টি বল তোলার উপায় = ১২সি৩ = ২২০ অতএব, কোনো নীল বল না পাওয়ার উপায়, অর্থাৎ লাল ও সবুজ মোট ৭টি বল থেকে ৩টি বল তোলার উপায় = ৭সি৩ = ৩৫ কোনো নীল বল না পাওয়ার সম্ভাবনা = ৩৫ ÷ ২২০ = ৭ ÷ ৪৪ সুতরাং, অন্তত ১টি নীল বল পাওয়ার সম্ভাবনা = ১ − (৭ ÷ ৪৪) = ৩৭ ÷ ৮৮ উত্তর: ৩৭/৮৮
a ১ জন
b ৬ জন
c ২০ জন
d ২৫ জন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ জন। শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (১৪ - ৭৫) জন [নোট: প্রশ্নমতে বাংলায় পাসের সংখ্যা ৮৪ জন হওয়ার কথা, কিন্তু ডাটা অনুযায়ী মোট বাংলায় পাস করাদের মধ্যে ৭৫ জন উভয় বিষয়েই পাস করেছে]। সুতরাং, শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = ৮৪ - ৭৫ = ৯ জন। শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (৮০ - ৭৫) জন = ৫ জন। উভয় বিষয়ে পাস করেছে = ৭৫ জন। অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (বাংলা, গণিত বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (৯ + ৫ + ৭৫) জন = ৮৯ জন। সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (মোট পরীক্ষার্থী - অন্তত একটি বিষয়ে পাস করা পরীক্ষার্থী) = ১০০ - ৮৯ জন = ১১ জন। উত্তর: ১১ জন
a ২ দিনে
b ৮ দিনে
c ৪ দিনে
d ১০ দিনে
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক সম্পূর্ণ কাজটি করে ৬ দিনে খ সম্পূর্ণ কাজটি করে ১২ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, ক ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ খ ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১২) অংশ = ৩ ÷ ১২ অংশ = ১ ÷ ৪ অংশ উত্তর: ১ ÷ (১ ÷ ৪) দিনে = ৪ দিনে
a ১০
b ২০
c ৩৮
d ৫৫
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ফিবোনাচ্চি ধারা যেখানে প্রতিটি সংখ্যা আগের দুটি সংখ্যার যোগফল প্রথম পদ ১ এবং দ্বিতীয় পদ ১ ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১ অতএব, তৃতীয় সংখ্যা = ১ + ১ = ২ চতুর্থ সংখ্যা = ১ + ২ = ৩ পঞ্চম সংখ্যা = ২ + ৩ = ৫ সুতরাং, ষষ্ঠ সংখ্যা = ৩ + ৫ = ৮ সপ্তম সংখ্যা = ৫ + ৮ = ১৩ অষ্টম সংখ্যা = ৮ + ১৩ = ২১ নবম সংখ্যা = ১৩ + ২১ = ৩৪ দশম সংখ্যা = ২১ + ৩৪ = ৫৫ উত্তর: ৫৫
a ১০০ বর্গ মি.
b ৩০০ বর্গ মি.
c ৪০০ বর্গ মি.
d ৩০০ বর্গ মি.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০০ বর্গ মি. প্রদত্ত তথ্য: রাস্তার চওড়া = ৫ মিটার রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৫০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার রাস্তা সহ মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = (ক + ১০) মিটার অতএব, রাস্তা সহ মাঠের ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) × (ক + ১০) বর্গমিটার শুধু মাঠের ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার রাস্তার ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) এর বর্গ − ক এর বর্গ সুতরাং, ক এর বর্গ + ২০ক + ১০০ − ক এর বর্গ = ৫০০ ২০ক + ১০০ = ৫০০ উত্তর: ২০ক = ৪০০, অর্থাৎ ক = ২০, মাঠের ক্ষেত্রফল = ২০ × ২০ = ৪০০ (সঠিক হিসাব অনুযায়ী মাঠের ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গ মি.)
a (3 - x)
b (5 - x)
c (7 - x)
d (9 - x)
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (৫ − x) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩৫ − ২x − x² রাশিটির একটি উৎপাদক হলো (৭ + x) ধরি, অপর উৎপাদকটি হলো (a − x) রাশিটির ধ্রুবক পদ হলো ৩৫ অতএব, উৎপাদক দুটির ধ্রুবক পদের গুণফল রাশিটির ধ্রুবক পদের সমান হবে অর্থাৎ, ৭ × a = ৩৫ সুতরাং, a এর মান হবে ৩৫ ÷ ৭ = ৫ উত্তর: (৫ − x)
a ১৫০টি
b ১৮০টি
c ২০০টি
d ২৪০টি
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০টি প্রদত্ত তথ্য: কলার বিক্রির শতকরা পরিমাণ = ৪০% অবিক্রিত কলার পরিমাণ = ১০ ডজন ধরি, মোট কলার সংখ্যা = ১০০% অবিক্রিত কলার শতকরা পরিমাণ = ১০০% − ৪০% = ৬০% অতএব, ডজন থেকে সংখ্যায় রূপান্তর = ১০ × ১২ = ১২০টি কলা শর্তমতে, মোট কলার ৬০% = ১২০টি সুতরাং, মোট কলার সংখ্যা = (১২০ × ১০০) ÷ ৬০ = ২০০টি উত্তর: ২০০টি
a ৮০
b ৮০
c ১০০
d ১২০
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের একটি কোণ = ৮০ ডিগ্রি ধরি, সামান্তরিকের প্রথম কোণটি = ক সামান্তরিকের বিপরীত কোণটি = খ অতএব, সামান্তরিকের বিপরীত কোণদ্বয় পরস্পর সমান হয়। তাই প্রথম কোণ এবং বিপরীত কোণ দুটি সমান হবে। সুতরাং, বিপরীত কোণটি = ৮০ ডিগ্রি উত্তর: ৮০ ডিগ্রি
a ৬০.০০%
b ৫০.০০%
c ৬৯.০০%
d ৭০.০০%
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৯.০০% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ৩০% ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহু = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, ৩০% বৃদ্ধিতে নতুন বাহু = ১০০ + ৩০ = ১৩০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১৩০ × ১৩০ = ১৬৯০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = ১৬৯০০ − ১০০০০ = ৬৯০০ বর্গ একক সুতরাং, শতকরা ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = (৬৯০০ ÷ ১০০০০) × ১০০% উত্তর: ৬৯.০০%
a ১৪৪
b ১৮০
c ২৮০
d ২৬৪
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬৪ প্রদত্ত তথ্য: কোণকের ভূমি বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৬ সেন্টিমিটার কোণকের উচ্চতা = ৭ সেন্টিমিটার ধরি, কোণকের ব্যাসার্ধ r = ৬ সেন্টিমিটার কোণকের উচ্চতা h = ৭ সেন্টিমিটার পাই এর মান = ২২ ভাগ ৭ অতএব, কোণকের আয়তনের সূত্র = এক তৃতীয়াংশ গুণ পাই গুণ ব্যাসার্ধের স্কয়ার গুণ উচ্চতা আয়তন = (১ ÷ ৩) গুণ (২২ ÷ ৭) গুণ (৬ গুণ ৬) গুণ ৭ মান বসিয়ে পাই = (১ ÷ ৩) গুণ (২২ ÷ ৭) গুণ ৩৬ গুণ ৭ সুতরাং, ৭ এবং ৭ কাটা যায়, ৩৬ কে ৩ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১২ বাকি থাকে ২২ গুণ ১২ উত্তর: ২৬৪ ঘন সেন্টিমিটার
a ৪
b ৮
c ১৬
d ২০
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: করিমের বর্তমান বয়স ১২ বছর করিমের বয়স মানিকের বয়সের তিনগুণ ধরি, মানিকের বর্তমান বয়স = ১২ ÷ ৩ = ৪ বছর করিম ও মানিকের বয়সের পার্থক্য = ১২ − ৪ = ৮ বছর ক বছর পর করিমের বয়স মানিকের বয়সের দ্বিগুণ হবে অতএব, ক বছর পর করিমের বয়স হবে = ১২ + ক ক বছর পর মানিকের বয়স হবে = ৪ + ক সুতরাং, ১২ + ক = ২ × (৪ + ক) ১২ + ক = ৮ + ২ক উত্তর: ক = ১৬ বছর বয়সে করিমের বয়স মানিকের বয়সের দ্বিগুণ হবে
a ৭২ টাকা
b ৮০ টাকা
c ৮৪ টাকা
d ১০০ টাকা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৭২০ টাকা সুদের হার (r) = ৫ টাকা বা ৫ শতাংশ সময় (n) = ২ বছর ৪ মাস ধরি, সময়কে বছরে রূপান্তর করতে হবে ৪ মাস = ৪ ÷ ১২ বছর = ১ ÷ ৩ বছর অতএব, মোট সময় (n) = ২ + (১ ÷ ৩) বছর = ৭ ÷ ৩ বছর আমরা জানি, সুদ (I) = (P × n × r) ÷ ১০০ এখানে মান বসিয়ে পাই, I = (৭২০ × (৭ ÷ ৩) × ৫) ÷ ১০০ সুতরাং, I = (৭২০ × ৭ × ৫) ÷ (৩ × ১০০) I = ২৫২০০ ÷ ৩০০ = ৮৪ উত্তর: ৮৪ টাকা
a ১ ভরি
b ১২ গ্রাম
c ৬ গ্রাম
d ৪ গ্রাম
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: গহনার মোট ওজন = ১৬ গ্রাম সোনা ও তামার অনুপাত = ৩ : ১ ধরি, সোনার পরিমাণ = ৩ক গ্রাম তামার পরিমাণ = ১ক গ্রাম অতএব, ৩ক + ১ক = ১৬ ৪ক = ১৬ ক = ৪ সুতরাং, বর্তমান সোনার পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ গ্রাম বর্তমান তামার পরিমাণ = ১ × ৪ = ৪ গ্রাম উত্তর: নতুন অনুপাত ৪ : ১ করতে সোনা মেশাতে হবে = ৪ গ্রাম
a ১০৫
b ১৫৫
c ২০০
d ২৪০
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০৫ প্রদত্ত তথ্য: সভায় মোট লোকসংখ্যা = ১৫ জন প্রত্যেকে একে অপরের সাথে একবার করমর্দন করে ধরি, করমর্দনের মোট সংখ্যা বের করতে হবে সমাবেশ বা কম্বিনেশনের সূত্র ব্যবহার করে ১৫ জন লোক থেকে যেকোনো ২ জনকে নির্বাচন করতে হবে কারণ একটি করমর্দনে দুজন লোক প্রয়োজন হয় অতএব, গণিত সূত্র অনুযায়ী হিসাব হবে ১৫ গুণ ১৪ ভাগ ২ উপরে ১৫ গুণ ১৪ গুণ করলে হয় ২১০ নিচে হর হিসেবে থাকে ২ সুতরাং, ২১০ কে ২ দিয়ে ভাগ করলে ফলাফল হয় ১০৫ উত্তর: ১০৫
a ৯০
b ৮৫
c ৭৫
d ৫০
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: সময়টি হলো সকাল আটটা ত্রিশ মিনিট ধরি, ঘণ্টার কাঁটা বারো ঘণ্টায় ঘোরে তিনশো ষাট ডিগ্রি মিনিটের কাঁটা ষাট মিনিটে ঘোরে তিনশো ষাট ডিগ্রি অতএব, ঘণ্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে ঘোরে আধা ডিগ্রি মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে ঘোরে ছয় ডিগ্রি সুতরাং, আটটা ত্রিশ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা অতিক্রম করে দুইশো পঁচিশ ডিগ্রি আটটা ত্রিশ মিনিটে মিনিটের কাঁটা অতিক্রম করে একশো আশি ডিগ্রি উত্তর: দুইশো পঁচিশ ডিগ্রি বিয়োগ একশো আশি ডিগ্রি সমান পঁচাত্তর ডিগ্রি
a সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
b বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
c সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
d অর্থ মন্ত্রণালয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী জোরদার করার কাজ করে। - এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে টিসিবি বা ওএমএস কার্যক্রমের বাইরে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে বিধায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দায়িত্বে রয়েছে। B) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্য এবং টিসিবির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করে। C) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় দেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করে। D) অর্থ মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব নীতি ও সার্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে থাকে। মনে রাখার টিপস: পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, তাই ফ্যামিলি কার্ডও এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
a ফার্নেস অয়েল
b পেট্রোল
c ডিজেল
d কেরোসিন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডিজেল কেন সঠিক: - বাংলাদেশে আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি কারণ এটি দেশের পরিবহন খাত, কৃষি সেচ পাম্প এবং শিল্প কারখানার জেনারেটরে প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - দেশের সামগ্রিক জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগই ডিজেল আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্নেস অয়েল — এটি মূলত বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ভারী শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয়, যা ডিজেলের মতো সর্বস্তরে ও পরিমাণে ব্যবহৃত হয় না। B) পেট্রোল — এটি প্রধানত ব্যক্তিগত হালকা মোটরযান ও মোটরসাইকেলে ব্যবহৃত হয়, যার সামগ্রিক ব্যবহার ডিজেলের তুলনায় অনেক কম। D) কেরোসিন — এটি গ্রামাঞ্চলে কুপি ও রান্নার কাজে একসময় ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এর ব্যবহার ও আমদানির পরিমাণ খুবই সীমিত। মনে রাখার টিপস: যানবাহন ও কৃষিকাজে সবচেয়ে বেশি চলে ডিজেল, তাই আমদানিতেও এটি শীর্ষে।
a আন্তর্জাতিক আদালত
b অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
c সাধারণ পরিষদ
d নিরাপত্তা পরিষদ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিরাপত্তা পরিষদ কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের যেকোনো একটির নেতিবাচক ভোট বা ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে। - এই ভেটো ক্ষমতার ফলে স্থায়ী সদস্যগণ যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাব আটকে দিতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক আদালত — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারীয় অঙ্গ এবং এখানে বিচারকগণের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় প্রদান করা হয়, কোনো ভেটো ক্ষমতা নেই। B) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ — এটি অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে এবং এখানে সিদ্ধান্ত সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে গৃহীত হয়। C) সাধারণ পরিষদ — এটি জাতিসংঘের প্রধান নীতিনির্ধারক সভা যেখানে প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের একটি করে ভোট থাকে এবং ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগের বিধান নেই। D) নিরাপত্তা পরিষদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং একমাত্র এখানেই স্থায়ী সদস্যগণের ভেটো প্রদানের ক্ষমতা সংরক্ষিত আছে। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা আছে, যা অন্য কোনো সংস্থায় নেই।
a মালদ্বীপ
b সিঙ্গাপুর
c নেপাল
d থাইল্যান্ড
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিঙ্গাপুর কেন সঠিক: - এই দেশটিতে প্রচুর সবুজ গাছপালা, উদ্যান এবং কঠোর পরিচ্ছন্নতার জন্য বিশ্বজুড়ে এটি পরিচিত। - আধুনিক নগর উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের অনন্য মডেল হিসেবে একে এশিয়ার গার্ডেন সিটি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা সমুদ্র সৈকত ও প্রবাল দ্বীপের জন্য বিখ্যাত, গার্ডেন সিটি নয়। B) সিঙ্গাপুর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। C) নেপাল — এটি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত একটি পাহাড়ি ও স্থলবেষ্টিত দেশ, যা গার্ডেন সিটি নামে পরিচিত নয়। D) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ যা তার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও মন্দিরের জন্য পরিচিত, গার্ডেন সিটি নয়। মনে রাখার টিপস: সবুজ বাগান ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার শহর মানেই সিঙ্গাপুর।
a কংগ্রেস
b নেসেট
c মজলিস
d ডায়েট
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের জাতীয় আইনসভার নাম ডায়েট, যা দেশটির সর্বোচ্চ নীত নির্ধারণী ও আইন প্রণয়নকারী অঙ্গ। - এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, যার নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ এবং উচ্চকক্ষ সভা কক্ষ নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম, তাই জাপানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) নেসেট — এটি ইসরায়েলের আইনসভার নাম, জাপানের পার্লামেন্টের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) মজলিস — এটি ইরান বা মালদ্বীপসহ কয়েকটি মুসলিম দেশের পার্লামেন্টের সাধারণ নাম, জাপানের নয়। D) ডায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের সঠিক ও নির্দিষ্ট নাম। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা খাদ্য বা ডায়েট নিয়ে খুব সচেতন, তাই তাদের পার্লামেন্টের নামও ডায়েট।
a চীন
b যুক্তরাজ্য
c জাপান
d কোনটি নয়
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যের কোনো একক বা সংকলিত লিখিত সংবিধান নেই। - ঐতিহাসিক সনদ, প্রথা, আদালত ও সংসদের আইনই দেশটির সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি একটি লিখিত সংবিধান দ্বারা পরিচালিত সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। B) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো একক লিখিত সংবিধান নেই। C) জাপান — দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৭ সালে প্রণীত দেশটির একটি লিখিত সংবিধান রয়েছে। D) কোনটি নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের সংবিধান প্রথাভিত্তিক, তাই এটি অলিখিত।
a রাজশাহী
b নওগাঁ
c গাজীপুর
d কুমিল্লা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুমিল্লা কেন সঠিক: - আনন্দ বিহার কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। - এটি অষ্টম শতাব্দীতে দেব রাজবংশের রাজা শ্রীভবদেব দ্বারা নির্মিত হয়েছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলে সোমপুর মহাবিহার বা ঐতিহাসিক পুণ্ড্রবর্ধনের নিদর্শন রয়েছে, আনন্দ বিহার এখানে অবস্থিত নয়। B) নওগাঁ — নওগাঁ জেলায় বিখ্যাত সোমপুর মহাবিহার অবস্থিত, যা আনন্দ বিহারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) গাজীপুর — গাজীপুরে কোনো প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার বা আনন্দ বিহারের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নেই। D) কুমিল্লা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আনন্দ বিহার কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: কুমিল্লায় ময়নামতির প্রাচীন বিহারগুলো মনে রাখতে আনন্দময় ময়নামতি কথাটি মনে রাখতে পারেন।
a রাজনৈতিক মঞ্চ
b মুক্ত মঞ্চ
c বাণিজ্যিক ভবন
d নাট্যশালা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাণিজ্যিক ভবন কেন সঠিক: - ওয়াটারগেট কমপ্লেক্স হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক ভবন ও আবাসন প্রকল্প। - এই ভবনে ১৯৭২ সালে রাজনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তির ঘটনা ঘটেছিল, যা বিশ্বজুড়ে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনৈতিক মঞ্চ — এটি কোনো রাজনৈতিক দল বা মঞ্চের নাম নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট স্থাপত্য ও ভৌগোলিক অবস্থান। B) মুক্ত মঞ্চ — এটি উন্মুক্ত কোনো সাংস্কৃতিক বা জনসভার স্থান নয়, বরং একটি বিশাল বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবন। C) বাণিজ্যিক ভবন — এটি সঠিক, কারণ ওয়াটারগেট হলো অফিস, হোটেল ও অ্যাপার্টমেন্ট সমন্বিত একটি বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবন কমপ্লেক্স। D) নাট্যশালা — এটি কোনো নাটক প্রদর্শনের স্থান বা থিয়েটার নয়, যদিও এর ভেতরে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সাথে একটি ভবনের নাম জড়িত, তাই এটি মূলত একটি বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবন কমপ্লেক্স।
a ইয়েমেন
b সোমালিয়া
c জাপান
d লিবিয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়েমেন কেন সঠিক: - হুথি হলো ইয়েমেনের একটি শিয়া জায়েদি সশস্ত্র গোষ্ঠী যারা দেশটির উত্তরাঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করেছে। - এরা বর্তমানে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে এবং লোহিত সাগর অঞ্চলে ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়েমেন - এটি সঠিক উত্তর কারণ হুথি গোষ্ঠী এই দেশেরই একটি সশস্ত্র রাজনৈতিক ও সামরিক আন্দোলন। B) সোমালিয়া - এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ, যেখানে আল শাবাব নামক সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় আছে, হুথি নয়। C) জাপান - এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এখানে কোনো হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী নেই। D) লিবিয়া - এটি উত্তর আফ্রিকার দেশ, যা গৃহযুদ্ধ ও বিভিন্ন মিলিশিয়া দ্বারা বিভক্ত, তবে হুথি এখানে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হলো হুথি, যা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বেশ আলোচিত।
a কাতার ও বাহরাইন
b সৌদি আরব ও ইয়েমেন
c ইরান ও ওমান
d ইরান ও কুয়েত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরান ও ওমান কেন সঠিক: - হরমুজ প্রণালিটি পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে। - এর উত্তর উপকূলে ইরান এবং দক্ষিণ উপকূলে ওমান অবস্থিত হওয়ায় এটি ভৌগোলিকভাবে দেশ দুটিকে পৃথক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাতার ও বাহরাইন — বাহরাইন প্রণালি এই দেশ দুটিকে পৃথক করেছে, হরমুজ প্রণালি নয়। B) সৌদি আরব ও ইয়েমেন — এরা একে অপরের স্থল সীমান্ত দ্বারা যুক্ত, কোনো প্রণালি দ্বারা নয়। C) ইরান ও ওমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) ইরান ও কুয়েত — এই দেশ দুটি পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত হলেও হরমুজ প্রণালি এদের পৃথক করেনি। মনে রাখার টিপস: হরমুজ প্রণালি মনে রাখতে ই-ও (ইরান-ওমান) সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a হাজাছড়া
b সাজেক ভ্যালি
c মম্তপ বনবিহার
d পেদা টিংটিং
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাজেক ভ্যালি কেন সঠিক: - সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি উপত্যকা, যা মেঘের রাজ্যের জন্য বিখ্যাত। - পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত হওয়ায় এবং চারপাশ মেঘে ঢাকা থাকার কারণে ভৌগোলিক অবস্থানের জন্য একে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাজাছড়া — এটি রাঙামাটির একটি জনপ্রিয় জলপ্রপাত বা ঝরনা, যা ছাদ বা উপত্যকা নয়। B) সাজেক ভ্যালি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। C) মম্তপ বনবিহার — এটি রাঙামাটিতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার, যা কোনো প্রাকৃতিক উপত্যকা বা ছাদ বোঝায় না। D) পেদা টিংটিং — এটি কাপ্তাই হ্রদের মাঝখানে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন দ্বীপ ও রেস্তোরাঁ। মনে রাখার টিপস: সাজেকের উঁচু পাহাড় মানেই মেঘের ছাদ, তাই এটি রাঙামাটির ছাদ নামে পরিচিত।
a নোয়াখালী
b চট্টগ্রাম
c কুমিল্লা
d ভোলা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নোয়াখালী কেন সঠিক: - ভাসানচর প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার আওতাধীন একটি দ্বীপ। - দ্বীপটি মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত হলেও এর মূল ভূখণ্ড নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নোয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভাসানচর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অংশ। B) চট্টগ্রাম — এটি ভুল কারণ ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে এটি চট্টগ্রাম বিভাগের অধীনে হলেও চট্টগ্রাম জেলার অংশ নয়। C) কুমিল্লা — এটি ভুল কারণ কুমিল্লা একটি ভিন্ন জেলা এবং এর সাথে ভাসানচরের কোনো প্রশাসনিক বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) ভোলা — এটি ভুল কারণ ভোলা একটি আলাদা দ্বীপ জেলা এবং ভাসানচর ভোলার সীমানার বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ভাসানচর দেখতে সাগরে হলেও এর প্রশাসনিক অভিভাবক নোয়াখালীর হাতিয়া।
a আইন
b সমাজ
c ধর্ম
d প্রতিবেশী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমাজ কেন সঠিক: - সমাজ মানুষের আচরণের ওপর সামাজিক নিয়ম ও অনুশাসনের মাধ্যমে নৈতিক বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। - সামাজিক মূল্যবোধ ও প্রথার কারণেই মানুষ অন্যের কল্যাণ ও সমাজসেবামূলক কাজ করতে নৈতিকভাবে বাধ্য থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন — আইন মূলত মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি অমান্য করলে শাস্তির বিধান থাকে, যা নৈতিক বাধ্যবাধকতার চেয়ে আইনি বাধ্যবাধকতা। B) সমাজ — সমাজ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে নৈতিক দায়িত্ব ও সমাজসেবামূলক কাজের অনুমোদন ও বাধ্যবাধকতা তৈরি করে। C) ধর্ম — ধর্ম মানুষকে নৈতিকতা শেখালেও সমাজসেবামূলক কাজের সার্বজনীন সামাজিক বাধ্যবাধকতা নির্ধারণের প্রধান ক্ষেত্র সমাজ। D) প্রতিবেশী — প্রতিবেশী সমাজের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু এককভাবে পুরো সমাজের জন্য নৈতিক বাধ্যবাধকতা আরোপ করার ক্ষমতা প্রতিবেশীর নেই। মনে রাখার টিপস: সমাজসেবামূলক কাজ মানেই সমাজের সাথে সম্পর্কিত, তাই নৈতিক বাধ্যবাধকতার উৎস হলো সমাজ।
a বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
b জনগণের সজাগ দৃষ্টি
c গণতন্ত্র
d আইন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আইন কেন সঠিক: - আইন হলো নাগরিকের অধিকার সুরক্ষার মূল ভিত্তি, যা সরকারের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে এবং ব্যক্তির স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। - আইনের শাসন না থাকলে রাষ্ট্রে স্বেচ্ছাচারিতা বৃদ্ধি পায় এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা — এটি নাগরিক অধিকার রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, বিচার বিভাগ মূলত আইন প্রয়োগ ও বিচারকার্য পরিচালনা করে থাকে। B) জনগণের সজাগ দৃষ্টি — এটি নাগরিক অধিকার রক্ষায় সহায়ক শক্তি হলেও, লিখিত আইন ছাড়া কেবল সচেতনতা নাগরিকদের আইনি সুরক্ষা দিতে পারে না। C) গণতন্ত্র — এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি পদ্ধতি মাত্র, যা নাগরিক অধিকারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে কিন্তু সরাসরি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে না। D) আইন — এটি সরাসরি নাগরিক অধিকার নির্ধারণ করে এবং লঙ্ঘিত হলে প্রতিকারের আইনি বিধান নিশ্চিত করে। মনে রাখার টিপস: নাগরিক অধিকার রক্ষার সবচেয়ে শক্তিশালী ঢাল হলো আইন, কারণ আইনই নির্ধারণ করে কার কী অধিকার আছে।
a চীন
b জাপান
c ভারত
d দক্ষিণ কোরিয়া
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাপান কেন সঠিক: - ২০২৬ সালের ২০তম এশিয়ান গেমস জাপানের আইচি ও নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত হওয়ার নির্ধারিত তারিখ রয়েছে। - অলিম্পিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এশিয়ার এই বৃহত্তম ক্রীড়া আসর জাপানে আয়োজিত হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন এশিয়ান গেমসের ২০২৬ সালের স্বাগতিক দেশ নয়, দেশটি এর আগে ২০২৩ সালের ১৯তম এশিয়ান গেমস সফলভাবে আয়োজন করেছিল। B) জাপান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ২০২৬ সালের ২০তম এশিয়ান গেমসের নির্ধারিত আয়োজক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। C) ভারত — ভারত ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমসের স্বাগতিক দেশ নয়, দেশটি অতীতে ১৯৫১ ও ১৯৮২ সালে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল। D) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমসের আয়োজক নয়, দেশটি ২০১৪ সালে সর্বশেষ এই গেমস আয়োজন করেছিল। মনে রাখার টিপস: জাপানের নাগোয়া শহরে দুই ও ছয়ে ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হবে।
a মোনাকো
b পালাউ
c টুভালু
d নাউরু
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাউরু কেন সঠিক: - নাউরু বিশ্বের একমাত্র স্বাধীন রাষ্ট্র যার কোনো নির্দিষ্ট রাজধানী শহর নেই। - দেশটির ইয়ারেন জেলা সরকারিভাবে দেশের প্রশাসনিক কাজের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এটি কোনো রাজধানী শহর নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোনাকো — মোনাকোর রাজধানী হলো মোনাকো সিটি, যা দেশটির একটি বিখ্যাত প্রশাসনিক অঞ্চল। B) পালাউ — পালাউয়ের রাজধানীর নাম হলো এনগেরুলমুড, যা মেলিকিউক রাজ্যে অবস্থিত। C) টুভালু — টুভালুর রাজধানী হলো ফুনাফুটি, যা দেশটির প্রধান প্রশাসনিক ও জনবহুল আটলান। D) নাউরু — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: নাউরু একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র, যার কোনো রাজধানী নেই এবং ইয়ারেন এর প্রধান জেলা।
a টোকিও
b ঢাকা
c জাকার্তা
d বেইজিং
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) টোকিও কেন সঠিক: - জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নগর গবেষণা সংস্থার সাম্প্রতিক জনমিতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী জাপানের রাজধানী টোকিও বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মেগাসিটি। - টোকিও মহানগর অঞ্চলে জনসংখ্যা প্রায় তিন কোটি ৭০ লক্ষের বেশি, যা একে বিশ্বের শীর্ষ মেগাসিটির স্থান দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোকিও — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যাযুক্ত মেগাসিটি হিসেবে স্বীকৃত। B) ঢাকা — এটি বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ ও দ্রুত বর্ধনশীল মেগাসিটি হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে টোকিওর পরে অবস্থান করে। C) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী ও একটি মেগাসিটি, তবে জনসংখ্যার দিক থেকে টোকিওর চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। D) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী ও বিশাল জনবহুল শহর হলেও টোকিওর তুলনায় এর মোট মহানগর জনসংখ্যা কম। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের শীর্ষ মেগাসিটি মনে রাখতে টোকিও শব্দটি মনে রাখুন, কারণ জনবহুল এই জাপানি শহরটি দীর্ঘকাল ধরে তালিকার শীর্ষে রয়েছে।
a সদরঘাট
b জিঞ্জিরা
c শরীয়তপুর
d চাঁদপুর
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সদরঘাট কেন সঠিক: - বাকল্যান্ড বাঁধ বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকার সদরঘাটে অবস্থিত। - এটি ১৮৬৪ সালে নির্মিত হয় এবং এটি ঢাকার একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থাপনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সদরঘাট — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাকল্যান্ড বাঁধ এখানেই অবস্থিত। B) জিঞ্জিরা — এটি বুড়িগঙ্গা নদীর অপর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক এলাকা হলেও এখানে বাকল্যান্ড বাঁধ নেই। C) শরীয়তপুর — এটি একটি দক্ষিণ অঞ্চলের জেলা যেখানে এই বাঁধ অবস্থিত নয়। D) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর এলাকা হলেও এখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাকল্যান্ড বাঁধ সদরঘাটে বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত, এটি সহজে মনে রাখতে সদরঘাট ও বুড়িগঙ্গা নদীর নাম একসঙ্গে স্মরণ করুন।
a নিউইয়র্ক
b ক্যালিফোর্নিয়া
c লন্ডন
d জেনেভা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্যালিফোর্নিয়া কেন সঠিক: - স্পেস এক্স মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের হাতহর্ন শহরে এর সদর দপ্তর পরিচালনা করে। - এটি বিখ্যাত উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শীর্ষস্থানীয় মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হলেও স্পেস এক্সের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঙ্গরাজ্যের হাতহর্নে প্রতিষ্ঠানটির মূল কার্যালয় রয়েছে। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে স্পেস এক্সের কোনো সদর দপ্তর নেই। D) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি আন্তর্জাতিক শহর, যা এই মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ইলন মাস্কের স্পেস এক্স রকেটের মূল কারখানা ও সদর দপ্তর আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত।
a আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
b লোহার দেওয়াল
c বর্ণশালা
d নিরস্ত্রীকরণ
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন সঠিক: - এটি ইসরায়েলের তৈরি একটি অত্যাধুনিক মোবাইল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম যা স্বল্পপাল্লার রকেট ও মর্টারের শেল প্রতিহত করে। - রাডার ও ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের সাহায্যে এটি শূন্যে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি সামরিক প্রযুক্তির নাম। B) লোহার দেওয়াল — এটি কোনো আক্ষরিক অর্থে কংক্রিট বা লোহার দেওয়াল নয়, বরং এটি একটি ইলেকট্রনিক ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। C) বর্ণশালা — এটি কোনো রঙের ঘর বা চিত্রশালা নয়, এটি মূলত সামরিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। D) নিরস্ত্রীকরণ — এর অর্থ অস্ত্র কমানো বা সংকুচিত করা, কিন্তু আয়রন ডোম নিজেই একটি শক্তিশালী সামরিক অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। মনে রাখার টিপস: আয়রন ডোম নামের শেষে ডোম বা গম্বুজ শব্দ রয়েছে, যা আকাশ ঢেকে রাখার বা সুরক্ষার প্রতীক হিসেবে মনে রাখা যায়।
a ডোমরা
b পায়রা
c আখাউড়া
d বুড়িমারী
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পায়রা কেন সঠিক: - পায়রা হলো বাংলাদেশের একটি সমুদ্র বন্দর, যা পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত। - এটি স্থল বন্দর নয়, তাই এটি জলপথ বা সমুদ্র বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডোমরা — এটি লালমনিরহাট জেলার একটি স্থল বন্দর। B) পায়রা — এটি সমুদ্র বন্দর হওয়ায় স্থল বন্দর নয়। C) আখাউড়া — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থল বন্দর। D) বুড়িমারী — এটি লালমনিরহাট জেলার একটি স্থল বন্দর। মনে রাখার টিপস: পায়রা ও মোংলা হলো সমুদ্র বন্দর, আর আখাউড়া ও বুড়িমারী হলো স্থল বন্দর।
a রাঙামাটি
b বান্দরবান
c কক্সবাজার
d কুমিল্লা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙামাটি কেন সঠিক: - রাঙামাটি জেলার সাথে ভারতের মিজোরাম রাজ্য এবং মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। - বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার দুটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংযুক্ত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর সাথে দুটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। B) বান্দরবান — এই অপশনের সাথে শুধু ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত থাকলেও এটি দুটি দেশের সীমান্তযুক্ত জেলা নয়। C) কক্সবাজার — এই অপশনটি ভুল কারণ এর সাথে শুধুমাত্র মিয়ানমার দেশের সীমান্ত রয়েছে। D) কুমিল্লা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর সাথে শুধুমাত্র ভারতের সীমান্ত রয়েছে, কোনো দ্বিতীয় দেশের সীমান্ত নেই। মনে রাখার টিপস: রাঙামাটির ইংরেজী নামের প্রথম অক্ষর আর দিয়ে মনে রাখতে পারো দুই দেশের সাথে এর রয়েছে বর্ডার।
a জো বাইডেন
b কমলা হ্যারিস
c হিলারি ক্লিনটন
d কোনটিই নয়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) কমলা হ্যারিস কেন সঠিক: - ২০২৪ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ছিলেন কমলা হ্যারিস। - এই নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জো বাইডেন — তিনি প্রাথমিকভাবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হলেও পরবর্তীতে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। B) কমলা হ্যারিস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাইডেনের পরিবর্তে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান প্রার্থী হন এবং ট্রাম্পের মুখোমুখি হন। C) হিলারি ক্লিনটন — তিনি ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে নন। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের বিপরীতে ছিলেন ডেমোক্রেটিক নেত্রী কমলা হ্যারিস।
a মায়ানমার
b উত্তর কোরিয়া
c আফগানিস্তান
d রাশিয়া
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আফগানিস্তান কেন সঠিক: - আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর তালেবান সরকার দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে এবং ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে। - এই নীতির অংশ হিসেবে দেশটিতে সব ধরনের বিদেশি মুদ্রার লেনদেন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং এখানে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত হলেও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়। B) উত্তর কোরিয়া — এটি একটি কঠোর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রित অর্থনীতি হলেও সম্প্রতি বিদেশি মুদ্রা নিষিদ্ধ করার এই আলোচিত ঘটনা এখানে ঘটেনি। C) আফগানিস্তান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। ডি) রাশিয়া — পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়া উল্টো তাদের তেল ও গ্যাস বিক্রির ক্ষেত্রে রুবল বা নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে। মনে রাখার টিপস: যেই রাষ্ট্রে তালেবান সরকার ক্ষমতায় এসে দেশীয় মুদ্রাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে, সেটি হলো আফগানিস্তান।
a আটলান্টিক মহাসাগর
b প্রশান্ত মহাসাগর
c ভারত মহাসাগর
d লোহিত মহাসাগর
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আটলান্টিক মহাসাগর কেন সঠিক: - ১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল টাইটানিক জাহাজটি তার প্রথম যাত্রায় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে একটি হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা খায়। - আঘাতের পর জাহাজটি ডুবে যায় এবং এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক মহাসাগর - এটি সঠিক উত্তর কারণ জাহাজটি এই মহাসাগরেই ডুবেছিল। B) প্রশান্ত মহাসাগর - এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর হলেও টাইটানিক এখানে ডুবে যায়নি। C) ভারত মহাসাগর - এটি দক্ষিণ এশিয়ার দক্ষিণে অবস্থিত এবং টাইটানিক দুর্ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) লোহিত মহাসাগর - এটি আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী একটি সমুদ্র, যেখানে এই দুর্ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: টাইটানিক জাহাজটি বরফের স্তূপ বা হিমশৈলের ধাক্কায় আটলান্টিক মহাসাগরের অতল গভীরে হারিয়ে যায়।
a নিউরন
b কোষ
c ক্রোমোজোম
d টিস্যু
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোষ ১. কেন সঠিক: - কোষ হলো জীবের গঠনগত এবং কার্যগত একক কারণ সকল জীব এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত এবং কোষের ভেতরেই জীবনের সব জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। - কোষের ভেতর শক্তি উৎপাদন, বিপাক এবং বংশগতির ধারা বজায় রাখার মতো সব জীবন প্রক্রিয়া একসঙ্গে কাজ করে জীবনকে টিকিয়ে রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবদেহের গঠন ও কাজের একক হলো কোষ, যা বৈজ্ঞানিকভাবে রবার্ট হুক প্রথম আবিষ্কার করেন। - কার্যপ্রণালি: কোষের ভেতর থাকা অঙ্গাণুগুলো সুনির্দিষ্ট নিয়মে কাজ করে জীবদেহকে সচল ও পুষ্ট রাখে। - বাস্তব প্রয়োগ: মানুষের ত্বক বা উদ্ভিদের পাতা কোটি কোটি কোষের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে বহিরাগত আঘাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যামিবা এককোষী প্রাণী। ব্যাখ্যা: একটিমাত্র কোষ দিয়েই অ্যামিবা তার খাদ্য গ্রহণ, শ্বসন এবং প্রজননসহ সব কাজ সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: মানুষের রক্তকণিকা বহুকোষী জীবের অংশ। ব্যাখ্যা: লোহিত রক্তকণিকা কোষে হিমোগ্লোবিন থাকে যা সারা দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে এবং জীবন রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউরন — নিউরন হলো স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক, যা উদ্দীপনা পরিবহন করে কিন্তু সমগ্র জীবের মৌলিক একক নয়। B) কোষ — এই অপশনটি সঠিক এবং জীববিজ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে এটি সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত। C) ক্রোমোজোম — ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহনকারী সূত্রাকার অংশ, এটি কোষের অঙ্গাণু মাত্র। D) টিস্যু — টিস্যু হলো একই উৎস থেকে উৎপন্ন কিছু কোষের সমষ্টি, যা কোষের চেয়ে উচ্চতর গঠনের স্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীব মানেই কোষ। কোষ ছাড়া কোনো জীবন গঠিত হতে পারে না, তাই এটিই মৌলিক একক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কোষ আবিষ্কার করেন রবার্ট হুক এবং জীবদেহের কোষ নিয়ে পড়াশোনাকে সাইটোলজি বলা হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a রিকেটস
b বেরিবেরি
c রাতকানা
d স্কার্ভি
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাতকানা ১. কেন সঠিক: ভিটামিন 'এ' এর অভাবে চোখের রড কোষের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, যার ফলে কম আলোতে বা রাতে দেখতে সমস্যা হয়। এই অবস্থাকে রাতকানা বা নিকটালোপিয়া বলা হয়, যা মানবদেহের পুষ্টিহীনতার একটি পরিচিত লক্ষণ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন 'এ' হলো একটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা চোখের দৃষ্টিশক্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। কার্যপ্রণালি: আমাদের চোখের রেটিনায় রড কোষ রোডপসিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি করে, যা ভিটামিন 'এ' এর সাহায্যে কম আলোতে দেখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাজর এবং মিষ্টি আলু ভিটামিন 'এ' বা বেটা-ক্যারোটিনের চমৎকার উৎস। ব্যাখ্যা: এগুলো নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন 'এ' এর চাহিদা পূরণ হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। উদাহরণ ২: ছোট মাছ এবং কলিজা প্রাণীজ উৎসের ভিটামিন 'এ' এর প্রধান উৎস। ব্যাখ্যা: এই খাবারগুলো চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিকেটস — এটি ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে হয়, যা শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল করে তোলে। B) বেরিবেরি — এটি ভিটামিন 'বি ১' বা থায়ামিনের অভাবে হয়, যা স্নায়ুতন্ত্র ও হৃৎপিণ্ডের সমস্যা তৈরি করে। C) রাতকানা — এটি সঠিক উত্তর এবং ভিটামিন 'এ' এর অভাবজনিত রোগ। D) স্কার্ভি — এটি ভিটামিন 'সি' এর অভাবে হয়, যার প্রধান লক্ষণ মাড়ি থেকে রক্তপাত। ৫ মনে রাখার টিপস: চোখের দৃষ্টির সাথে ভিটামিন 'এ' এর সম্পর্ক মনে রাখতে 'এ' ফর আই বা চোখ মনে রাখতে পারেন। ভিটামিন 'এ' এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই কমন একটি প্রশ্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন 'এ' এর রাসায়নিক নাম হলো রেটিনল। একই রকম প্রশ্ন আসতে পারে যে ভিটামিন 'এ' কোন ধরনের ভিটামিন, সেক্ষেত্রে উত্তর হবে এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন।
a হৃৎপিণ্ডে
b গলায়
c ফুসফুসে
d নাকে
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফুসফুসে ১. কেন সঠিক: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি মারাত্মক সংক্রমণ যা মূলত ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাইকে আক্রান্ত করে। সংক্রমণের ফলে বায়ুথলিগুলোতে পুঁজ বা তরল পদার্থ জমে যায়, যা অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের স্বাভাবিক গ্যাসীয় বিনিময় ব্যাহত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউমোনিয়া একটি প্রদাহজনিত রোগ যা প্রধানত স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিয়া নামক ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের কারণে ঘটে। কার্যপ্রণালি: জীবাণু শ্বাসনালী দিয়ে প্রবেশ করে সরাসরি ফুসফুসের ক্ষুদ্রতম একক অ্যালভিওলাইতে পৌঁছায় এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি করে রোগ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঠান্ডা লাগার পর তীব্র কাশি এবং শ্বাসকষ্ট হওয়া নিউমোনিয়ার লক্ষণ। ব্যাখ্যা: ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় ফুসফুস পর্যাপ্ত অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না, ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। উদাহরণ ২: বয়স্ক ব্যক্তি বা শিশুদের শীতকালে ফুসফুসে ইনফেকশন হওয়া। ব্যাখ্যা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকায় এদের ফুসফুস খুব দ্রুত জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃৎপিণ্ডে — হৃৎপিণ্ড রক্ত পাম্প করার অঙ্গ, নিউমোনিয়া এখানে হয় না, হৃৎপিণ্ডে মায়োকার্ডাইটিস বা হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। B) গলায় — গলায় টনসিল বা ফ্যারিনজাইটিস রোগ হয়, এটি ফুসফুসের রোগ নিউমোনিয়ার অংশ নয়। C) ফুসফুসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া সরাসরি ফুসফুসকে আক্রমণ করে। D) নাকে — নাকে সর্দি বা সাইনুসাইটিস হতে পারে, যা ফুসফুসের নিউমোনিয়া রোগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: নিউমোনিয়া শব্দের প্রথম অংশ নিউমো নির্দেশ করে বায়ু বা ফুসফুসকে। ফুসফুসের অপর নাম ফুসফুসীয় বা পালমোনারি, তাই নিউমোনিয়া মানেই ফুসফুসের প্রদাহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউমোনিয়া সৃষ্টিকারী প্রধান ব্যাকটেরিয়ার নাম স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিয়া। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহের রোগ ও সংশ্লিষ্ট অঙ্গ হিসেবে আসে।
a Certified Copy
b Carbon Copy
c Collected Copy
d Carbon Certified
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ই-মেইলের ক্ষেত্রে CC-এর পূর্ণরূপ হলো Carbon Copy। এই ফিল্ড ব্যবহার করে মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে ই-মেইলের একটি অনুলিপি পাঠানো যায় এবং প্রাপকরা সবাই দেখতে পান কার কার কাছে মেইলটি পাঠানো হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: CC হলো ই-মেইলের একটি অপশন যার মাধ্যমে মূল প্রাপক ছাড়াও একই বার্তা অন্য কারো কাছে দৃশ্যমানভাবে পাঠানো সম্ভব। কার্যপদ্ধতি: মেইল পাঠানোর সময় মূল প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা 'To' ফিল্ডে এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ঠিকানা 'CC' ফিল্ডে লিখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের প্রধান ব্যবস্থাপক কোনো নির্দেশিকা শাখা প্রধানকে পাঠাতে পারেন এবং একই নির্দেশিকা অবগতির জন্য বিভাগের সব সহকর্মীকে CC-তে রাখতে পারেন। ব্যাখ্যা: এর ফলে শাখা প্রধান বুঝতে পারেন যে অন্যরাও এই বার্তাটি সম্পর্কে অবগত আছেন। উদাহরণ ২: কোনো প্রজেক্টের অগ্রগতি রিপোর্ট ক্লায়েন্টকে পাঠানোর সময় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে CC-তে রাখা হয়। ব্যাখ্যা: এতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত কোনো পদক্ষেপ না নিয়েও পুরো যোগাযোগ প্রক্রিয়াটির তদারকি করতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Certified Copy — এই শব্দগুচ্ছটি দালিলিক বা আইনি নথির ক্ষেত্রে সত্যয়িত অনুলিপির অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ইলেকট্রনিক মেইলে প্রচলিত নয়। B) Carbon Copy — এটি সঠিক কারণ টাইপরাইটারের যুগে কার্বন পেপার ব্যবহার করে যেভাবে অবিকল অনুলিপি তৈরি করা হতো, ই-মেইলে এর ডিজিটাল রূপই হলো এই CC। C) Collected Copy — এই ধরনের কোনো কারিগরি পরিভাষা ই-মেইলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। D) Carbon Certified — এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন শব্দগুচ্ছ, যার কোনো বাস্তব প্রযুক্তিগত অস্তিত্ব নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: পুরোনো দিনের কার্বন পেপারের কথা মনে রাখলেই CC-এর আসল অর্থ অর্থাৎ Carbon Copy খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-মেইলে দৃশ্যমান অনুলিপির জন্য যেমন CC ব্যবহার করা হয়, তেমনি গোপন বা অদৃশ্য অনুলিপির জন্য BCC বা Blind Carbon Copy ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

মোট প্রশ্ন (40)

a গুরুচণ্ডালী দোষ
b বাহুল্য দোষ
c দ্বিত্বজনিত ভুল
d বাচ্যজনিত দোষ
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গুরুচণ্ডালী দোষ ১. কেন সঠিক: - একই বাক্যে বা গদ্যরচনায় সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ ঘটলে তাকে ব্যাকরণের পরিভাষায় গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়। - গুরুচণ্ডালী হলো একটি মারাত্মক stylistic বা শৈলীগত ত্রুটি, যা লেখার সৌন্দর্য ও প্রমিত রূপ নষ্ট করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সাধু রীতিতে ক্রিয়ার ও সর্বনামের রূপ গুরুগম্ভীর হয়, আর চলিত রীতিতে তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়। - এই দুই ভিন্নরীতির শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করলে ভাষার স্বাভাবিক প্রবাহ ও মাধুর্য নষ্ট হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শব পোড়া ব্যাখ্যা: এখানে 'শব' হলো সাধু শব্দ এবং 'পোড়া' হলো চলিত শব্দ, যার সঠিক রূপ হলো মরা পোড়া অথবা শবদাহ। উদাহরণ ২: গরুর শকট ব্যাখ্যা: এখানে 'গরুর' হলো চলিত রূপ এবং 'শকট' হলো তৎসম বা সাধু শব্দ, যার সঠিক রূপ হলো গরুর গাড়ি অথবা গোশকট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুরুচণ্ডালী দোষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নটি সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ সংক্রান্ত। B) বাহুল্য দোষ — এটি একটি বাক্যশুদ্ধির ত্রুটি, যেখানে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয় কিন্তু এটি সাধু-চলিত মিশ্রণ নয়। C) দ্বিত্বজনিত ভুল — এটি শব্দের পুনরাবৃত্তি সংক্রান্ত ভুল, যা সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণকে নির্দেশ করে না। D) বাচ্যজনিত দোষ — এটি বাক্যের প্রকাশভঙ্গি বা বাচ্য পরিবর্তনের ত্রুটি, যা সাধু-চলিত রীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধু ও চলিত ভাষার মিলন মানেই হলো গুরুচণ্ডালী দোষ। - গুরুচণ্ডালী দোষ এড়াতে সর্বদা একটি নির্দিষ্ট রীতি মেনে বাক্য রচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি ও বাচনভঙ্গি থেকে এই প্রশ্নটি অত্যন্তFrequently আসে। - সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমেই গুরুচণ্ডালী দোষ দাগাতে হবে।
a সোনার তরী
b জীবন বন্দনা
c বঙ্গভাষা
d ধন্যবাদ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গভাষা ১. কেন সঠিক: - বঙ্গভাষা কবিতাটি একটি সনেট বা চতুষ্পদী কবিতা। - এই কবিতার চরণ সংখ্যা চৌদ্দ এবং এতে প্রতি চরণে চৌদ্দ মাত্রার প্রবহমান স্বরবৃত্ত ছন্দ ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক। - চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের আট চরণ বিশিষ্ট প্রথম অংশকে অষ্টক এবং ছয় চরণ বিশিষ্ট দ্বিতীয় অংশকে ষট্ক বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত আরও একটি বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা। উদাহরণ ২: প্রবাসের বনফুল ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের সনেট বা চতুষ্পদী কবিতার একটি অনন্য উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি প্রতীকী ও দার্শনিক কবিতা যার চতুষ্পদী কাঠামোর সনেট বৈশিষ্ট্য নেই। B) জীবন বন্দনা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সাম্যবাদী চেতনার একটি বিখ্যাত কবিতা যা সনেট নয়। D) ধন্যবাদ — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো প্রমিত বা নির্দিষ্ট সাহিত্যিক অপশন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা সনেট বা চতুষ্পদী কবিতা মনে রাখতে মনে রাখবে মধু মানেই চৌদ্দ লাইন বা সনেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলায় প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - সনেট কবিতার লাইন সংখ্যা সবসময় চৌদ্দটি হয়।
a দ্বন্দ্ব
b বহুব্রীহি
c কর্মধারয়
d তৎপুরুষ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - লাঠালাঠি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই বা যুদ্ধ। - এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যেখানে একই পদের পারস্পরিক বোঝাপড়া বা ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ে মিলে কোনো ক্রিয়ার পারস্পরিক বিনিময় বা সংঘর্ষ বোঝায় তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে। - এই সমাসে সাধারণত আ প্রত্যয় যুক্ত হয়, যেমন লাঠালাঠি, হাতাহাতি, চুলোচুলি ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাতাহাতি ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই, এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের একটি ক্ল্যাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: কোলাকুলি ব্যাখ্যা: কোলে কোলে যে মিলন, যা ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর ব্যবহৃত হয়, যা এখানে নেই। B) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে একটি পদ বিশেষ্য এবং অন্যটি বিশেষণ হয় অথবা দুটিই বিশেষণ হতে পারে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু লাঠালাঠি অন্য অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পারস্পরিক বোঝাপড়া, মারামারি বা কাটাকাটি বোঝালে চোখ বন্ধ করে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস দাগাবে। - শব্দের শেষে আ বা ই ধ্বনি থাকলে তা ব্যতিহার বহুব্রীহি হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লাঠালাঠি, হাতাহাতি, চুলোচুলি শব্দগুলো ব্যতিহার বহুব্রীহির ক্ষেত্রে বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a অস্বীকার
b মিথ্যা
c প্রলাপ
d অপসদালাপ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্বীকার ১. কেন সঠিক: 'অপলাপ' একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ কোনো কিছু লুকিয়ে রাখা, অস্বীকার করা বা গোপন করা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দটির প্রমিত অর্থ হিসেবে সাধারণত 'অস্বীকার' বা 'গোপন করা' বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানা থাকলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার চুরির কথাটি সে সম্পূর্ণ অপলাপ করল। ব্যাখ্যা: এখানে 'অপলাপ' শব্দটি কোনো সত্য ঘটনা বা অপরাধ অস্বীকার করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দোষ ঢাকতে সে নানা রকম অপলাপের আশ্রয় নিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সত্যকে গোপন করা বা অস্বীকার করার ভাব প্রকাশ করতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্বীকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অপলাপ শব্দের মূল অর্থ কোনো সত্য বা ঘটনা অস্বীকার করা। B) মিথ্যা — মিথ্যা বলতে অসত্য কোনো কিছু বোঝায়, যা অপলাপ শব্দের সরাসরি আভিধানিক অর্থ নয়। C) প্রলাপ — প্রলাপ অর্থ আবলতাবল বকা বা সামঞ্জস্যহীন কথা বলা, যা অপলাপ শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) অপসদালাপ — এটি একটি মনগড়া বা অপ্রচলিত শব্দ, যার কোনো প্রমিত আভিধানিক ভিত্তি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: অপলাপ শব্দের শুরুতে থাকা অপ উপসর্গটি অনেক সময় বিপরীত বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। অস্বীকার শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে 'অ' বর্ণ দিয়ে মনে রাখতে পারো যে অপলাপ মানেই অস্বীকার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে কাছাকাছি অর্থের শব্দ যেমন প্রলাপ এবং অপলাপের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। প্রলাপ হলো অর্থহীন কথা আর অপলাপ হলো কোনো কিছু অস্বীকার করা, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কপট ব্যক্তি
b ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
c হতভাগা
d মোসাহেব
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোসাহেব ১. কেন সঠিক: - 'ঢাকের কাঠি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। - সমাজে যারা নিজেদের স্বার্থে সবসময় প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রশংসা বা তেলবাজি করে বেড়ায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের ম্যানেজারের পেছনে সবসময় ঢাকের কাঠির মতো ঘুরে বেড়ায় ওই নতুন কর্মীটি। ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা চাটুকার অর্থে 'ঢাকের কাঠি' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য সে এখন নেতার ঢাকের কাঠি হয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মোসাহেব বা চামচা অর্থে বাগধারাটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপট ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ কপট ব্যক্তির জন্য 'গোমুখ্যি' বা 'বিড়াল তপস্বী' বাগধারা প্রযোজ্য। B) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক — এই অপশনটি ভুল কারণ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জন্য 'অহি-নকুল সম্পর্ক' বা 'ডুরে কুচো' উপযুক্ত নয়, বরং এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায়। C) হতভাগা — এই অপশনটি ভুল কারণ হতভাগা বা দুর্ভাগা বোঝাতে 'অগাধ জলের মাছ' বা 'ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো' ব্যবহার করা হয়। D) মোসাহেব — এই অপশনটি সঠিক কারণ মোসাহেব বা তোষামোদকারী ব্যক্তির সমার্থক হিসেবে 'ঢাকের কাঠি' ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঢাক বাজানোর সময় যেমন কাঠির সাহায্য নিতে হয় এবং কাঠি ছাড়া ঢাক বাজে না, তেমনি মোসাহেবরা শক্তিমানদের তোষামোদ করে চলে। - এই মিল থেকেই মোসাহেব বা চাটুকার বোঝাতে ঢাকের কাঠি বাগধারাটি মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব ও চরিত্রভিত্তিক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - তোষামোদকারী বা চাটুকার বোঝাতে 'চাটুকার', 'মোসাহেব' এবং 'ঢাকের কাঠি' সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a দোলনচাঁপা
b বিষের বাঁশী
c সাম্যবাদী
d অগ্নিবীণা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এর অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবিতাটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত। - ১৯২২ সালে প্রকাশিত অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে এটি স্থান পায় এবং বাংলা কাব্যাঙ্গনে অভূতপূর্ব আলোড়ন তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং এর মূল সুর বিপ্লব ও মুক্তির বার্তা। উদাহরণ ২: কামাল পাশা ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং এতে বীরত্ব ও ঐতিহাসিক পটভূমি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে বিদ্রোহী কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নেই। B) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিবাদী ও বিদ্রোহী চেতনার আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়। C) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রখ্যাত সাম্যবাদী চেতনার কাব্যগ্রন্থ কিন্তু এতে বিদ্রোহী কবিতা নেই। D) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে বিদ্রোহী কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্য অগ্নিবীণার প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিখ্যাত বিদ্রোহী। অগ্নি জ্বালিয়ে বিদ্রোহী কবি বাংলা সাহিত্যে প্রথম প্রবেশ করেছিলেন এভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্রোহী কবিতার প্রকাশকাল বা কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত তা প্রায়ই আসে। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং তার অন্তর্ভুক্ত বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a বাক্‌ + আড়ম্বর
b বাক্‌ + অম্বর
c বাগ + আড়ম্বর
d বাগ + অম্বর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক্‌ + আড়ম্বর কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে। - প্রথম পদের অন্তস্থিত ক-এর স্থানে গ হয়েছে এবং পরবর্তীতে স্বরবর্ণ যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বর্গের প্রথম ধ্বনির পর স্বরবর্ণ থাকলে প্রথম ধ্বনিটি সেই বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - এখানে ক বর্গের প্রথম ধ্বনি 'ক' এবং তার নিচে হসন্ত আছে, যা পরবর্তীতে তৃতীয় ধ্বনি 'গ'-তে পরিবর্তিত হয়। - যেমন বাক্‌ + দেবী = বাগ্দেবী। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বাক্‌ + আড়ম্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। - B) বাক্‌ + অম্বর — এখানে দ্বিতীয় অংশে অম্বর থাকায় অর্থ পরিবর্তিত হয়ে যায়, কারণ সঠিক শব্দটি আড়ম্বর। - C) বাগ + আড়ম্বর — প্রথম পদে বাগ-এ হসন্ত না থাকায় এবং গ ব্যবহারের কারণে নিয়ম অনুযায়ী এটি অসিদ্ধ। - D) বাগ + অম্বর — এখানে প্রথম পদে হসন্তহীন বাগ এবং দ্বিতীয় অংশে অম্বর থাকায় এটি ব্যাকরণসম্মত নয়। মনে রাখার টিপস: - বাগাড়ম্বর শব্দটি ভাঙলে সর্বদাই বাক্‌ এবং আড়ম্বর পাওয়া যায়।
a ২
b ৩
c ৪
d ৫
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় ছন্দ মূলত তিন প্রকার যথা স্বরবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত। প্রতিটি ছন্দের অন্তর্নিহিত নিয়ম ও লয় ভিন্ন হওয়ায় বাংলা prosody বা ছন্দবিজ্ঞানে এই তিনটি প্রধান ধারা স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা কবিতার ছন্দ মূলত স্বরবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত এই তিন ভাগে বিভক্ত। স্বরবৃত্ত ছন্দকে দলবৃত্ত বা তিলক ছন্দও বলা হয় যা মূলত ছড়ার ছন্দ নামে পরিচিত এবং এর মূল একক দল বা স্বরান্ত ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম পাতা জোড়া জোড়া মারব চাবুক চড়ব ঘোড়া। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ যেখানে দ্রুত লয় ও দলভিত্তিক বিন্যাস লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: এটি মাত্রাবৃত্ত বা স্বরবৃত্তের অন্য রূপের সঙ্গে সম্পর্কিত যা কবিতার ভাব ও লয়কে গম্ভীর করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — বাংলা ছন্দের মৌলিক প্রকার সংখ্যা দুই নয় কারণ মধ্যবর্তী মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বাদ পড়ে যায়। B) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ছন্দের প্রধান প্রকার তিনটি। C) ৪ — চারটি প্রধান ছন্দ প্রকার বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয় ফলে এই অপশনটি ভুল। D) ৫ — পাঁচটি ছন্দ প্রকারের কোনো ঐতিহাসিক বা তাত্ত্বিক ভিত্তি বাংলা ছন্দবিজ্ঞানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ছন্দের তিনটি প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো সমাক অর্থাৎ স্বরবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত। এই তিনটি নাম মুখস্থ রাখলে ছন্দ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ছন্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে তাই তিন প্রকার ছন্দের লয় ও বৈশিষ্ট্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। প্রতিটি ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য যেমন স্বরবৃত্তে দ্রুত লয় এবং অক্ষরবৃত্তে ধীর লয় মনে রাখা আবশ্যক।
a লোক সাহিত্য
b ডাক ও খনার বচন
c পুঁথি সাহিত্য
d রূপকথা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডাক ও খনার বচন ১. কেন সঠিক: - ডাক ও খনার বচন মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এমন এক অমূল্য সম্পদ যা মূলত কৃষি, আবহাওয়া এবং গ্রামীণ জীবনভিত্তিক প্রজ্ঞার ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই বচনগুলোতে কৃষিকাজের উপযুক্ত সময়, বীজ বপন, চাষাবাদ এবং ফলন সংক্রান্ত অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও পরীক্ষিত দিকনির্দেশনা থাকে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের প্রাক্-চৈতন্য যুগে বা তারও আগে মুখে মুখে প্রচলিত লোকায়ত জ্ঞান হিসেবে ডাক ও খনার বচন গড়ে ওঠে। - এটি কোনো একক কবির রচনা নয়, বরং গ্রামীণ জনপদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ফসল যা কৃষিকাজকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বল চাষ কর আষাঢ়ে, তবে ধান বাড়ে বাড়ে। ব্যাখ্যা: এই বচনে আষাঢ় মাসে চাষাবাদ করার মাধ্যমে কৃষিকাজ সফল করার সঠিক সময় নির্দেশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: খনার বচন মতে চাষ কর ভাই, ধানের অভাব কোনোকালে নাই। ব্যাখ্যা: এটি কৃষকদের সঠিক সময়ে জমি প্রস্তুত ও ফসল ফলানোর দিকনির্দেশনা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোক সাহিত্য — এটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয় যার মধ্যে রূপকথা, ছড়া ও ধাঁধা অন্তর্ভুক্ত থাকলেও সুনির্দিষ্টভাবে কৃষিকাজের জন্য উপযোগী নির্দেশ করে না। B) ডাক ও খনার বচন — এটি সঠিক উত্তর। C) পুঁথি সাহিত্য — এটি মূলত ধর্মীয় কাহিনী, পীর-পাঞ্জের ইতিহাস বা যুদ্ধভিত্তিক আখ্যান নিয়ে রচিত, কৃষিকাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) রূপকথা — এটি কাল্পনিক গল্পের ভাণ্ডার যা মনোরঞ্জনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কৃষিকাজের প্রায়োগিক জ্ঞানের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: কৃষি মানেই মাটি এবং মাটি ও ফসলের কথা বললেই মনে রাখবে খনা ও ডাকপুরুষের বচন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের লোকসাহিত্য ধারার অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন হলো এই বচনগুলো যা গ্রামীণ কৃষকদের আজও পথ দেখায়।
a অপেক্ষা
b অন্য
c চেয়ে
d জন্য
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্য ১. কেন সঠিক: অনুসর্গ হলো সেই সব অব্যয় শব্দ যা বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝাতে সাহায্য করে। অন্য শব্দটি কোনো অনুসর্গ নয়, এটি মূলত একটি বিশেষণ বা সর্বনাম পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় হলো এমন কিছু শব্দ যা স্বতন্ত্র পদ হিসেবে বা বিভক্তির মতো বাক্যে ব্যবহৃত হয়। অনুসর্গগুলো বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে দিক, কাল, স্থান, কারণ, তুলনা ইত্যাদি প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার অপেক্ষা সে ভালো জানে। ব্যাখ্যা: এখানে অপেক্ষা শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে তুলনামূলক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশের জন্য জীবন দাও। ব্যাখ্যা: এখানে জন্য শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপেক্ষা — এটি একটি পরিচিত অনুসর্গ যা সাধারণত তুলনা বা অপেক্ষা করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) অন্য — এটি কোনো অনুসর্গ নয়, এটি সাধারণত বিশেষণ বা সর্বনাম হিসেবে ভিন্ন বা অপর অর্থ প্রকাশ করে। C) চেয়ে — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অনুসর্গ যা তুলনামূলক বাক্যে ব্যবহৃত হয়। D) জন্য — এটি একটি অব্যয়জাত অনুসর্গ যা নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলো সাধারণত পদের পরে বসে এবং বিভক্তির কাজ করে। অপেক্ষা, চেয়ে, জন্য, মতো, ধরে, পানে এগুলো খুব পরিচিত অনুসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গ ও উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অনুসর্গগুলো সাধারণত স্বাধীন পদ হিসেবে বসে আর উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
a চাঁদ
b সূর্য
c নক্ষত্র
d গগন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ ১. কেন সঠিক: তদ্ভব শব্দ হলো সেই শব্দ, যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। 'চাঁদ' শব্দটির উৎস হলো সংস্কৃত 'চন্দ্র', যা প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো তদ্ভব শব্দ। তদ্ভব শব্দের অর্থ হলো তা থেকে উদ্ভূত বা প্রাকৃতজাত শব্দ। সংস্কৃত শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে যে শব্দগুলো বিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত ব্যাখ্যা: সংস্কৃত শব্দ ভক্ত থেকে প্রাকৃত ভত্ত হয়ে পরবর্তীতে তদ্ভব শব্দ হিসেবে বাংলায় ভাত এসেছে। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: সংস্কৃত শব্দ হস্ত থেকে প্রাকৃত হথ হয়ে পরবর্তীতে তদ্ভব শব্দ হিসেবে বাংলায় হাত এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — এটি তদ্ভব শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত চন্দ্র থেকে বিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে বাংলায় এসেছে। B) সূর্য — এটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়া বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। C) নক্ষত্র — এটি তৎসম শব্দ কারণ এটি অপরিবর্তিত অবস্থায় সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। D) গগন — এটি তৎসম শব্দ কারণ এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি খাঁটি সংস্কৃত শব্দ বা তৎসম শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: তদ্ভব শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো, যে শব্দগুলো প্রাচীনকাল থেকে প্রাকৃত ভাষার রূপ বদল করে প্রাকৃতিকভাবে বিবর্তিত হয়ে বাংলায় প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোই তদ্ভব। তৎসম শব্দের রূপ অনেক বেশি কঠিন ও জটিল থাকে, আর তদ্ভব শব্দের রূপ তুলনামূলক সহজ ও সাবলীল হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a অস্ট্রিক
b দ্রাবিড়
c কামরূপী
d ঝাড়খণ্ডী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রিক ১. কেন সঠিক: - বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর মূল ভাষা ছিল অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত, যা বাংলাদেশের প্রাচীনতম নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর প্রধান ভাষা হিসেবে স্বীকৃত। - ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে অস্ট্রিক ভাষার প্রচুর প্রভাব রয়েছে। ২. ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস: - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলার আদি জনগোষ্ঠী মূলত অস্ট্রিক বা নিষাদ জাতির বংশধর। - বাংলা ভাষার উৎপত্তিতে অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, ভাট ও ইন্দো-আর্য ভাষার সংমিশ্রণ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুডি ব্যাখ্যা: অস্ট্রিক ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যার অর্থ কোদাল। উদাহরণ ২: চুলা ব্যাখ্যা: রান্নার কাজে ব্যবহৃত এই শব্দটি অস্ট্রিক ভাষা পরিবার থেকে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের অন্তর্গত ছিল। B) দ্রাবিড় — দ্রাবিড় ভাষা পরিবার অস্ট্রিকের পরে দক্ষিণ ভারত ও কিছু অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করে, তবে এটি আদি জনগোষ্ঠীর প্রধান ভাষা নয়। C) কামরূপী — কামরূপী একটি প্রাচীন প্রাকৃত ভাষা বা উপভাষা, যা আসাম ও উত্তরবঙ্গের অঞ্চলে প্রচলিত ছিল এবং এটি আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা নয়। D) ঝাড়খণ্ডী — ঝাড়খণ্ডী কোনো প্রাচীন মূল ভাষা পরিবার নয়, এটি বর্তমান ঝাড়খণ্ড অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানীয় ভাষাকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলার আদি জনগোষ্ঠী অস্ট্রিক ভাষা বলত, এই তথ্যটি মনে রাখতে আদি শব্দটির সাথে অস্ট্রিক শব্দটি মিলিয়ে নিন। ভাষার ইতিহাস পড়ার সময় আদি জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সবসময় অস্ট্রিক নামটিকে প্রধান হিসেবে মনে রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস ও ভাষা সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই আসে। আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা অস্ট্রিক এবং পরবর্তীতে এর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য ভাষা মিশ্রিত হয়ে বাংলা ভাষার ভিত্তি তৈরি হয়েছে।
a প্রাদি
b অব্যয়ীভাব
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: 'হাভাতে' শব্দটি 'হা' (অভাব) উপসর্গের যোগে গঠিত একটি অব্যয়ীভাব সমাস। এখানে 'ভাত' শব্দের অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে এবং সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষণের অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। উপসর্গ এক ধরনের অব্যয়, তাই উপসর্গের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনেও অব্যয়ীভাব সমাস হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিখরচ — খরচের অভাব। ব্যাখ্যা: এটি 'নি' উপসর্গের যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সুসময় — ভালো সময়। ব্যাখ্যা: এটি সু উপসর্গের যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাসের অপর একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদি — প্রাদি সমাসের কোনো নির্দিষ্ট উদাহরণ এটি নয় কারণ প্র, পরা ইত্যাদি উপসর্গ যুক্ত হয়ে প্রাদি সমাস হয়। B) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে অব্যয় বা উপসর্গ যোগে পদের গঠন ও অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায়, কিন্তু 'হাভাতে' শব্দে অন্য পদের অর্থ প্রধান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হা, নি, বে, দু ইত্যাদি উপসর্গ বা অব্যয় যুক্ত শব্দ যদি অভাব বা অন্য কোনো ভাব প্রকাশ করে, তবে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। উপসর্গের অর্থ প্রধান থাকলে চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাস দাগাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। যেমন নিখরচ, হাভাতে, বেকার ইত্যাদি শব্দ ভালোভাবে অনুশীলন করা জরুরি।
a বর্ষ + ইক
b ব + ষিক
c বরষ + ইক
d বর্ষা + ষিক
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বর্ষ + ইক কেন সঠিক: - 'বার্ষিক' শব্দটির মূল বা প্রকৃতি হলো 'বর্ষ'। - এর সাথে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদের সাথে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। - শব্দের আদিতে অ বা আ থাকলে তা বৃদ্ধি পেয়ে আ হয়, যেমন বর্ষ থেকে বার্ষিক। - যেমন: বর্ষ + ইক সমান বার্ষিক, সপ্তাহ + ইক সমান সাপ্তাহিক। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বর্ষ + ইক — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। - B) ব + ষিক — 'ব' কোনো অর্থপূর্ণ মূল শব্দ বা প্রকৃতি নয়। - C) বরষ + ইক — 'বরষ' একটি চলিত বা কাব্যিক রূপ, ব্যাকরণগত মূল প্রকৃতি 'বর্ষ'। - D) বর্ষা + ষিক — 'বর্ষা' শব্দের সাথে 'ষিক' প্রত্যয় যোগ করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: - সময়ের ক্ষেত্রে মূল শব্দ 'বর্ষ' এর সাথে 'ইক' যুক্ত করলে 'বার্ষিক' হয়।
a জটিল
b যৌগিক
c সরল
d মিশ্র
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে তিনি ধনী এবং তিনি কৃপণ, এই দুটি স্বাধীন সরল বাক্য কিন্তু অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: গঠনভেদে বাংলা বাক্য তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। যৌগিক বাক্যে একাধিক প্রধান খণ্ডবাক্য বা স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও অথবা বিয়োজক অব্যয় যেমন কিন্তু, অথচ, কিংবা দ্বারা যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে অনেক পড়াশোনা করল কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য কিন্তু অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখি গান গাইতে শুরু করল। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সম্পূর্ণ খণ্ডবাক্য এবং অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্যের রূপ নিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল — জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের ওপর এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে যা এই বাক্যে নেই। B) যৌগিক — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে স্বাধীন বাক্যগুলো কিন্তু অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। C) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে কিন্তু এখানে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের গঠনের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা এই অব্যয়গুলো বাক্যের মাঝখানে খুঁজে দেখা। বাক্যে যদি এই ধরনের অব্যয় দিয়ে দুটি স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক্যের মাঝখানে কিন্তু বা অথচ দেখলে সাধারণত সেটি যৌগিক বাক্য হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে দ্রুত সঠিক উত্তর নির্ণয় করা যায়।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c ক্রিয়া
d অব্যয়
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: - 'হনহন' একটি অনুকার অব্যয় বা ধন্যাত্মক শব্দ, যা কোনো কিছুর দ্রুত হাঁটার গতি প্রকাশ করে। - বাংলায় যে শব্দগুলো কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয় এবং বাক্যে অব্যয় হিসেবে বসে ভাব প্রকাশ করে, সেগুলোকে অনুকার অব্যয় বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যে পদ বাক্যের অর্থকে আরও সুন্দর ও স্পষ্ট করে এবং নিজে অপরিবর্তিত থাকে, তাকে অব্যয় পদ বলে। - 'হনহন' শব্দটি বাক্যে সাধারণত ক্রিয়ার বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এটি মূলত একটি শব্দদ্বিরুক্তিমূলক অব্যয় পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে হনহন করে হেঁটে চলে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'হনহন' শব্দটি দ্রুত হাঁটার ভঙ্গি বা গতি প্রকাশ করতে অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝমঝম' বৃষ্টির শব্দের অনুকরণে গঠিত একটি অনুকার অব্যয় পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'হনহন' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, এটি সরাসরি তা নির্দেশ করে না। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, কিন্তু 'হনহন' কোনো কাজের মূল নাম বা সমাপিকা ক্রিয়া নয়। D) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটির রূপ পরিবর্তন হয় না এবং এটি ধ্বনির অনুকরণে গঠিত অব্যয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলো পরপর দুবার বসে কোনো ধ্বনি, ভাব বা গতির প্রকাশ করে এবং যাদের কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না, সেগুলো সাধারণত অব্যয় পদ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অনুকার অব্যয় এবং ধনাত্মক অব্যয় প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। যেমন: ঝমঝম, কনকন, টনটন ইত্যাদি শব্দও অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত।
a ফার্সি
b ওলন্দাজ
c গুজরাটি
d পর্তুগিজ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ কেন সঠিক: - আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিদের মাধ্যমে ১৬ শতকের দিকে এই ধরনের অনেক শব্দ বাংলায় প্রবেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের একটি বড় উৎস হলো পর্তুগিজ ভাষা। - দৈনন্দিন ব্যবহৃত বিভিন্ন গৃহস্থালি ও সংস্কৃতির বিদেশি শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। - পর্তুগিজ শব্দের কিছু পরিচিত উদাহরণ হলো আনারস, চাবি, বালতি ও গির্জা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ফার্সি — ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় চশমা, কাগজ ও কারখানা শব্দগুলো এসেছে। - B) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় হরতন, ইস্কাপন ও তুরুপ শব্দগুলো এসেছে। - C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় মূলত হরতাল শব্দটি এসেছে। - D) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: - ঘরবাড়ি ও ব্যবহারের জিনিসপত্র যেমন আলমারি, চাবি ও বালতি সাধারণত পর্তুগিজ শব্দ হয়।
a দ + ব
b দ + দ
c দ + ত
d দ + ধ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ + ধ ১. কেন সঠিক: - 'দ্ব' একটি যুক্তবর্ণ যা মূলত 'দ' এবং 'ধ' বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। - বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ তাদের গঠনশৈলীর কারণে প্রথম দেখায় আলাদা মনে হলেও বিশ্লেষণ করলে প্রকৃত রূপ বেরিয়ে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণিক আলোচনায় যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। - 'দ্ব' যুক্তবর্ণটিতে নিচে থাকা বর্ণটি মূল বর্ণ এবং ওপরের বা পেছনের অংশটি আরেকটি বর্ণ হিসেবে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধ ব্যাখ্যা: বুদ্ধ শব্দটিতে 'দ্ধ' যুক্তবর্ণটি 'দ' এবং 'ধ' এর মিলনে গঠিত হয়েছে যা 'দ্ব' এর মতো একই নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: বদ্ধ ব্যাখ্যা: বদ্ধ শব্দে ব্যবহৃত 'দ্ধ' যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় 'দ' যোগ 'ধ'। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ + ব — এই দুটি বর্ণ মিলে 'দ্ব' নয় বরং 'দ্ব' (যেমন দ্বী) বা 'দ্বা' এর মতো রূপ তৈরি করে, যা মূলত 'দ' এবং 'ব' এর ফলার রূপ। B) দ + দ — এই দুটি বর্ণ যুক্ত হলে 'দ্দ' হয়, যেমন নদী বা উদ্দিপ্ত শব্দে ব্যবহৃত হয়। C) দ + ত — এই দুটি বর্ণ মিলে 'দ্ত' বা 'স্ত' এর মতো ভিন্ন রূপ তৈরি করে, যা সঠিক উত্তর নয়। D) দ + ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'দ্ব' যুক্তবর্ণটি 'দ' এবং 'ধ' এর মিলনেই গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানান ও যুক্তবর্ণ মনে রাখার জন্য শব্দের উচ্চারণ স্পষ্ট করে শুনতে হবে। - 'দ্ব' এবং 'দ্ধ' প্রায় একই রকম শোনালেও লেখার সময় মূল বর্ণগুলোর গঠন খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণের সঠিক উপাদান বর্ণ জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম মেনে যুক্তবর্ণগুলো আলাদা করার চর্চা করতে হবে।
a ১৩টি
b ১২টি
c ১১টি
d ১০টি
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও ডক্টর সুনীতি চট্টকুমারের আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি হলেও লিখিত রূপ বা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের নির্দিষ্ট সংখ্যা হলো এগারোটি। অ থেকে ও পর্যন্ত মোট এগারোটি বর্ণ স্বرবর্ণ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত এবং বাংলা বর্ণমালা চার্টে এভাবেই নির্ধারিত আছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণের মধ্যে স্বরবর্ণের জন্য এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের জন্য উনচল্লিশটি বর্ণ নির্দিষ্ট করা হয়েছে। প্রাচীন ও মধ্যযুগের বিভিন্ন সাহিত্য এবং আধুনিক ব্যাকরণ চর্চায় স্বরবর্ণের এই সংখ্যাটি অপরিবর্তিতভাবে চলে আসছে। স্বরবর্ণগুলোর তালিকা হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও এবং ঔ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩টি — বাংলা বর্ণমালায় পূর্বে রি এবং লি দুটি বর্ণ ধরা হলেও বর্তমানে এগারোটি বর্ণই সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়। B) ১২টি — বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংখ্যা কখনো বারোটি ছিল না, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ১০টি — বাংলা বর্ণমালার মূল তালিকার চেয়ে কম সংখ্যা হওয়ায় এটি সম্পূর্ণ ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাংলা স্বরবর্ণ মনে রাখতে অ থেকে ঔ পর্যন্ত মোট বর্ণগুলো এক থেকে এগারো পর্যন্ত গুনে মুখস্থ রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়। স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা যোগ করলে মোট পঞ্চাশটি বর্ণ পাওয়া যায়।
a চাঁদ
b খরগোশ
c সমুদ্র
d সূর্য
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ ১. কেন সঠিক: - শশাঙ্ক শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যার শীতে বা কিরণে উজ্জ্বলতা আছে অর্থাৎ চাঁদ। - সংস্কৃত শশ (খরগোশ) এবং অংক (চিহ্ন বা দাগ) মিলে শশাঙ্ক শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ চাঁদের গায়ে খরগোশের আকৃতির দাগ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ এবং বহুব্রীহি বা তৎপুরুষ সমাসজাত বা উৎসগতভাবে গঠিত শব্দ। - প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের প্রথম স্বাধীন রাজা ছিলেন গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধাংশু ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থও চাঁদ, যা চাঁদের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মৃগাঙ্ক ব্যাখ্যা: মৃগাঙ্ক শব্দের অর্থ চাঁদ কারণ চাঁদের গায়ে মৃগ বা হরিণের মতো দাগ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শশাঙ্ক শব্দের মূল অর্থ চাঁদ। B) খরগোশ — শশ শব্দের অর্থ খরগোশ হলেও শশাঙ্ক শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে চাঁদ বোঝায়। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অর্ণব, রত্নাকর বা পারাবার, শশাঙ্ক নয়। D) সূর্য — সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর বা আদিত্য, শশাঙ্ক সূর্যকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - শশ মানে খরগোশ আর অংক মানে দাগ, চাঁদের গায়ে খরগোশের দাগ আছে তাই শশাঙ্ক হলো চাঁদ। - চাঁদের অনেক সমার্থক শব্দের শেষে অংক বা অংশ থাকে যেমন মৃগাঙ্ক, সুধাংশু ইত্যাদি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে যেখানে মূল শব্দের উৎস বা রূপক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - রাজা শশাঙ্কের নাম থেকেও প্রশ্ন আসে যে তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন নরপতি ছিলেন।
a আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, বিধেয়
b আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
c যোগ্যতা, উদ্দেশ্য, বিধেয়
d কোনটিই নয়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা কেন সঠিক: - একটি সার্থক ও অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করতে হলে এই তিনটি গুণের উপস্থিতি অপরিহার্য। - এই তিনটি গুণের যেকোনো একটির অভাব হলে তা আর ব্যাকরণসম্মত বাক্য হিসেবে গণ্য হয় না। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণরূপে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা বা আগ্রহ। - আসত্তি হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য পদগুলোকে সঠিকভাবে সাজিয়ে লেখার নিয়ম বা নৈকট্য। - যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর অর্থের সংগতি এবং ভাবের মিল থাকার গুণ। - উদাহরণস্বরূপ, বর্ষার জলে প্লাবিত হয় মাঠ - এটি একটি সার্থক বাক্য যার মধ্যে এই তিনটি গুণই বিদ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, বিধেয় — বিধেয় বাক্যের অংশ হলেও বাক্যের তিনটি গুণের মধ্যে পড়ে না। - B) আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। - C) যোগ্যতা, উদ্দেশ্য, বিধেয় — উদ্দেশ্য এবং বিধেয় হলো বাক্যের অংশের নাম, বাক্যের গুণ নয়। - D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - আ আ য এই সূত্রটি মনে রাখলে বাক্যের তিনটি গুণ সহজে মনে রাখা যায়।
a যৌগিক ধ্বনি
b অক্ষর
c মৌলিক স্বরধ্বনি
d বর্ণ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষর ১. কেন সঠিক: নিশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বলা হয়। একটি অক্ষরের পুরো অংশটি এক ঝোঁকে বা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য বা শব্দের উচ্চারণের একক হলো অক্ষর যাকে ইংরেজিতে সিলেবল বলা হয়। অক্ষর মূলত দুই প্রকার যথা স্বরান্ত বা মুক্তাক্ষর এবং ব্যঞ্জনান্ত বা বদ্ধাক্ষর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত শব্দটি এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয় বিধায় এটি একটি অক্ষরযুক্ত শব্দ। এর মধ্যে কোনো অতিরিক্ত ভাগ নেই। ব্যাখ্যা: ভাত শব্দটি উচ্চারণ করলে একটি মাত্র ধাক্কা বা নিশ্বাসের প্রয়োজন হয়। উদাহরণ ২: কমলা শব্দটিতে দুটি অক্ষর রয়েছে যেমন ক ম লা। ব্যাখ্যা: এখানে ক ম এবং লা অংশগুলো আলাদাভাবে উচ্চারিত হয়ে একটি পূর্ণ শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক ধ্বনি — দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি স্বরধ্বনি উৎপন্ন হলে তাকে যৌগিক ধ্বনি বলে যা অক্ষরের সংজ্ঞা নয়। B) অক্ষর — এটি নিশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম। C) মৌলিক স্বরধ্বনি — বাংলায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি যা অন্য ধ্বনির সাহায্যে গঠিত হয় না এবং এটি অক্ষরের বিকল্প নয়। D) বর্ণ — ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয় কিন্তু উচ্চারিত রূপকে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিঃশ্বাসের কম সময়ে যা উচ্চারণ করি তা হলো অক্ষর। লেখার রূপ হলো বর্ণ আর উচ্চারণের একক হলো অক্ষর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ অধ্যায় থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। অক্ষর চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের উচ্চারণের ঝোঁক বা ধাক্কা গণনা করা।
a অর্ণব
b অর্ক
c প্রসূন
d পল্লব
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ক ১. কেন সঠিক: - অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য বা ভানু। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - সংস্কৃতে অর্ক শব্দের বিভিন্ন অর্থ থাকলেও বাংলায় এটি সাধারণত সূর্য অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক সংস্কৃত শব্দ তৎসম রূপে অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়। - সূর্য শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে দিবাকর, রবি, ভানু, ভাস্কর, তপন ও মার্তণ্ড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবি ব্যাখ্যা: রবি হলো সূর্য শব্দের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত একটি তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: ভাস্কর ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ যা আলো বা প্রভা ছড়ায়, অর্থাৎ এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। B) অর্ক — এটি সূর্যের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদা পূর্ণ করে। C) প্রসূন — প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) পল্লব — পল্লব শব্দের অর্থ নতুন পাতা বা কিশলয়। এটি উদ্ভিদ সংক্রান্ত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্ক এবং অর্ণব শব্দ দুটি দেখতে কাছাকাছি হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। - মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে অর্ক মানে সূর্য আর অর্ণব মানে সমুদ্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সূর্য, চাঁদ, সমুদ্র ও আকাশ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করা উচিত।
a বাতিল
b পালাবদল
c মামুলি
d নিরপেক্ষ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাতিল ১. কেন সঠিক: - 'Null and Void' একটি ইংরেজি আইনি পরিভাষা, যার বাংলা অর্থ হলো যা আইনগতভাবে অচল, অবৈধ বা বাতিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও আইনি কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত পারিভাষিক শব্দের সঠিক প্রয়োগ জানতে এই প্রশ্নটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র যেমন প্রশাসন, আইন, বিজ্ঞান বা সাহিত্যিক কাজে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ইংরেজি পরিভাষার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বা প্রচলিত প্রশাসনিক রূপটি বেশি গ্রহণীয় হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The agreement is null and void. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চুক্তিটি যে আর কার্যকর নেই তা বোঝাতে পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: His nomination was declared null and void. ব্যাখ্যা: প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে বোঝাতে পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতিল — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক পরিভাষা। B) পালাবদল — এটি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, আইনি বা প্রশাসনিক পরিভাষার ক্ষেত্রে উপযুক্ত নয়। C) মামুলি — এর অর্থ সাধারণ বা নগণ্য, যা আইনি বা দাপ্তরিক পরিভাষার সঙ্গে মেলে না। D) নিরপেক্ষ — এটি কোনো পক্ষপাত না করার অবস্থাকে বোঝায়, যা নাল অ্যান্ড ভয়েডের অর্থ প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাল এবং ভয়েড উভয় শব্দের অর্থই শূন্য বা নিষ্ক্রিয়। তাই কোনো চুক্তি বা দলিল যখন শূন্য বা অকার্যকর হয়ে যায়, তখন তাকে বাতিল বলা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইন ও প্রশাসন বিষয়ক ইংরেজি পরিভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই কমন লিগ্যাল টার্মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ১৮৬০
b ১৮৬১
c ১৮৬৫
d ১৮৬৭
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬১ ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করেন। তার শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হলো এই মহাকাব্যটি, যা রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি পত্রকাব্য যা ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ তিলোত্তমা সম্ভব প্রকাশিত হয়েছিল। B) ১৮৬১ — এই সালে মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় যা সঠিক উত্তর। C) ১৮৬৫ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ব্রজাঙ্গনা কাব্য প্রকাশিত হয়েছিল। D) ১৮৬৭ — এই সালে তার হেকটর বধ নামক গদ্য গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত ১৮৬০ সালে তিলোত্তমা সম্ভব এবং ঠিক পরের বছর ১৮৬১ সালে তার বিখ্যাত মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশ করেন। এভাবে সাল দুটি ক্রমানুসারে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য ও এর প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
b বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
c বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
d বাংলা সাহিত্যের কথা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলা সাহিত্যের কথা কেন সঠিক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র রচিত অত্যন্ত বিখ্যাত একটি ইতিহাস গ্রন্থ হলো বাংলা সাহিত্যের কথা। এই গ্রন্থটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য সম্পর্কে প্রামাণ্য তথ্য সরবরাহ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক। তাঁর এই গ্রন্থে চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের বিভিন্ন সাহিত্যকর্মের কালপঞ্জি ও মূল্যায়ন করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সূচনা কাল নির্ধারণে তাঁর গবেষণা এখনও অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এই গ্রন্থটির রচয়িতা ড. দীনেশচন্দ্র সেন। B) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস — এই গ্রন্থটি সুকুমার সেনের রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাস। C) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত — এই গ্রন্থটির লেখক ড. মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান। D) বাংলা সাহিত্যের কথা — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র নিজের লেখা বলেই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহ্‌ মানেই মুখে কথা, তাই তাঁর সাহিত্য ইতিহাসের নাম বাংলা সাহিত্যের কথা। দীনেশচন্দ্র সেনের ক্ষেত্রে ভাষা ও সাহিত্য যুক্ত থাকে, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a নিশিথিনী
b নিশীথ্যানী
c নিশিথীনি
d নিশীথিনী
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: - নিশীথ শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। - এই শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ গভীর রাত বা রজনী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার জানা আবশ্যক। - নিশীথ শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার এবং পরবর্তী প্রত্যয়েও রস ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়ে নিশীথিনী বানানটি প্রমিত রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনী বা রাতের একটি সমার্থক তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: এটিও নিশীথিনী বা রাত্রির সমার্থক একটি সংস্কৃত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথিনী — নিশিথ শব্দে রস ই-কার ব্যবহার করায় এই বানানটি ভুল হয়েছে কারণ মূল শব্দ নিশীথ দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত। B) নিশীথ্যানী — প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ভুলভাবে আকার ও ন-ফলা ব্যবহার করায় এই বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ হয়েছে। C) নিশিথীনি — প্রথম অংশে রস ই-কার এবং শেষ অংশে ভুল ই-কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) নিশীথিনী — এই বানানটি পুরোপুরি সঠিক কারণ এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও ব্যাকরণের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিশীথ শব্দটি মনে রাখলে তার পরের অংশ লেখা সহজ হয়। - নিশীথ শব্দের শেষে ইনি যুক্ত করার সময় প্রথম ই-কার রস এবং শেষ ই-কার দীর্ঘ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের প্রত্যয়জনিত বানান প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের বানান ঠিক রেখে প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
a ফার্সি
b তুর্কি
c পর্তুগিজ
d আরবি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি ১. কেন সঠিক: উজবুক একটি তুর্কি শব্দ। এর আক্ষরিক বা প্রচলিত অর্থ বোকা, নির্বোধ বা হঠকারী স্বভাবের মানুষ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে তুর্কি শব্দ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ, যা পুলিশ প্রশাসনের একটি পদের নাম হিসেবে বাংলায় বহুল ব্যবহৃত। উদাহরণ ২: কোমর ব্যাখ্যা: কোমর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি দৈহিক অঙ্গের নাম বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্সি — ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন পর্দা, চশমা, কিন্তু উজবুক ফার্সি শব্দ নয়। B) তুর্কি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনাড়ি, পাদ্রী শব্দগুলো এসেছে, উজবুক পর্তুগিজ শব্দ নয়। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আইন, কলম শব্দগুলো এসেছে, উজবুক আরবি শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তুর্কি শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো যে উজবুক নামের বোকা চরিত্রটি তুর্কি দেশের পটভূমিতে তৈরি। এভাবে উৎস সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তুর্কি শব্দ যেমন কাবুলিওয়ালা, তোপ, দারোগা এগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a সাপ্তাহিক
b পাক্ষিক
c বার্ষিক
d ত্রৈমাসিক
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ত্রৈমাসিক কেন সঠিক: - ইংরেজি Quarterly শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের চার ভাগের এক ভাগ সময়কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা পরিভাষা অনুযায়ী এক বছরের বারো মাসের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ তিন মাস সময়কে ত্রৈমাসিক বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি শব্দটির বাংলা পরিভাষা নির্ধারণের সময় শব্দমূল এবং উপসর্গ বা প্রত্যয়ের আক্ষরিক অর্থ বিবেচনা করা হয়। - এই ধরনের শব্দ অনুবাদ বা পরিভাষা তৈরির ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ পদের নিয়ম অনুসরণ করা হয়। - যেমন ইংরেজি Quarter শব্দের অর্থ চতুর্থ অংশ এবং Year শব্দের অর্থ বছর, যা মিলে ত্রৈমাসিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সাপ্তাহিক — এটি ইংরেজি Weekly শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ। - B) পাক্ষিক — এটি ইংরেজি Fortnightly শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ। - C) বার্ষিক — এটি ইংরেজি Annual শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ। - D) ত্রৈমাসিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Quarter শব্দের অর্থ চার ভাগের এক ভাগ এবং Year অর্থ বছর মনে রাখলে ত্রৈমাসিক অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
a শাহ মুহম্মদ সগীর
b সৈয়দ সুলতান
c মুহম্মদ খান
d আলাওল
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শাহ মুহম্মদ সগীর কেন সঠিক: - তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে স্বীকৃত। - সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি কাব্যচর্চা করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণে মুসলিম কবিদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ইউসুফ জলেখা ফারসি কাব্যের অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে। - উদাহরণস্বরূপ, ইউসুফ জলেখা কাব্যের মধ্য দিয়ে তিনি বাংলা ভাষার মাধুর্য রক্ষা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শাহ মুহম্মদ সগীর — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই লাইনটি প্রযোজ্য নয়। - B) সৈয়দ সুলতান — তিনি ষোড়শ শতাব্দীর কবি এবং নবীবংশ কাব্যের জন্য বিখ্যাত। - C) মুহম্মদ খান — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর কবি এবং মকতুল হুসেন তার বিখ্যাত কাব্য। - D) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের মধ্যে সবার আগে নাম আসে শাহ মুহম্মদ সগীরের।
a পদাবলী
b গীতগোবিন্দ
c চর্যাপদ
d চৈতন্যজীবনী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যকর্ম যা চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত। এই সাহিত্যকর্মে রূপক ও ধাঁধার আশ্রয়ে সহজিয়া বৌদ্ধ সাধকদের আধ্যাত্মিক সাধনার কথা বলা হয়েছে যেখানে সান্ধ্যভাষার প্রয়োগ দেখা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা ছিল এমন এক সন্ধিক্ষণের ভাষা যা বাংলা ভাষার আদি রূপ প্রকাশ করে। মহাযানী বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ তাদের সাধনতত্ত্ব সাধারণের বোধগম্যের বাইরে রাখতে এবং গূঢ় অর্থ প্রকাশ করতে এই বিশেষ ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিল তরুবর পপঞ্চ বি ডালা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের এই পঙক্তিতে রূপকের মাধ্যমে মানবদেহ ও মনের জটিলতা বুঝাতে সান্ধ্যভাষার ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সুপারি লড়ই লোড়িত মোলা। ব্যাখ্যা: এখানেও সাধনপ্রণালীর গূঢ় রহস্য প্রকাশ করতে রূপকধর্মী সান্ধ্যভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাবলী — পদাবলী সাহিত্য মূলত মধ্যযুগের বৈষ্ণব বা শাক্ত পদাবলি নিয়ে গঠিত যেখানে ভক্তি ও প্রেমের প্রকাশ ঘটে এবং এটি সান্ধ্যভাষার জন্য পরিচিত নয়। B) গীতগোবিন্দ — গীতগোবিন্দ জয়দেব রচিত একটি সংস্কৃত কাব্য যা রাধা কৃষ্ণের প্রেমের লীলা নিয়ে রচিত এবং এর ভাষা সংস্কৃত। D) চৈতন্যজীবনী — চৈতন্যজীবনী সাহিত্য চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনভিত্তিক মধ্যযুগের রচনা যা সহজ বাংলা বা সংস্কৃত মিশ্রিত প্রমিত রূপে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যা ভাষা বা সান্ধ্যভাষা বললে সরাসরি চর্যাপদ মনে রাখতে হবে কারণ এটি বৌদ্ধ সহজিয়াদের গূঢ় ভাষা। আদি নিদর্শন চর্যাপদ মানেই সান্ধ্যভাষা এই সূত্রটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে পুথি আকারে আবিষ্কৃত হয়। বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে চর্যাপদ এবং এর ভাষার রূপ সম্পর্কিত তথ্য প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a জন + ইক
b জন + এক
c জটনে + এক
d জন + ঈক
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জন + এক ১. কেন সঠিক: - জনৈক শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো জন যোগ এক এবং এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - অ বা আ এর পর এ বা ঐকার থাকলে উভয় মিলে ঐকার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পর এ অথবা ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐকার হয়। - জন শব্দের শেষে অ এবং এক শব্দের শুরুতে এ মিলে ঐকার গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদা যোগ এব সমান সদৈব ব্যাখ্যা: আ এর পর এ যুক্ত হয়ে ঐকার গঠিত হওয়ার এটি একটি ধ্রুপদী ব্যাকরণগত উদাহরণ। উদাহরণ ২: মত যোগ এক্য সমান মতৈক্য ব্যাখ্যা: অ এর পর ঐকার যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠনের চমৎকার একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন + ইক — ইকার যুক্ত থাকার কারণে এটি সঠিক নিয়ম বা শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) জটনে + এক — জটনে কোনো মূল শব্দ নয় এবং সন্ধির মূল নিয়মের বাইরে অবস্থিত। D) জন + ঈক — দীর্ঘ ঈকার যুক্ত হওয়ার কারণে এটি ব্যাকরণসম্মত বা প্রমিত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুই মাত্রা বিশিষ্ট যৌথ স্বরসন্ধি চেনার জন্য মাঝখানের ঐকার বা ঔকার লক্ষ করতে হয়। - জনৈক শব্দের মাঝখানে ঐকার থাকায় এর ভাঙলে এক পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - হিতৈষী, পরমৈশ্বর্য ইত্যাদি শব্দ একই নিয়মে সাধিত হয় যা অনুশীলনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
a সংক্ষেপ করে
b বিস্তৃত করে
c অর্থপূর্ণ করে
d সবগুলো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপ করে ১. কেন সঠিক: সমাসের মূল কাজ হলো একাধিক পদকে একটি পদে পরিণত করে ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করা। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে আরও সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক পদের একপদ হওয়াকে সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত পদ সিংহাসন গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জয়া ও পতি = দম্পতি ব্যাখ্যা: একাধিক পদের মিলন ঘটিয়ে বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপ করে — এটি সমাসের মূল সংজ্ঞা ও ব্যাকরণগত প্রধান কাজ। B) বিস্তৃত করে — সমাস পদকে বিস্তৃত করে না, বরং একাধিক পদকে সংক্ষিপ্ত করে। C) অর্থপূর্ণ করে — শব্দ এমনিতেই অর্থপূর্ণ হয়, সমাসের প্রধান কাজ সংক্ষিপ্ত করা। D) সবগুলো — বাকি অপশনগুলো সঠিক না হওয়ায় এটিও গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সমাস মানেই সংক্ষিপ্ত করা। সমাস শব্দটি এসেছে সমাস ধাতুর সঙ্গে ঘঞ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাসের কাজ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে সমাসের ব্যাকরণগত কাজ হলো একাধিক পদকে একপদে পরিণত করা।
a সমক্ষ
b পরোক্ষ
c প্রত্যক্ষ
d নিরপেক্ষ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ ১. কেন সঠিক: অক্ষির সমীপের সংক্ষেপ হলো সমক্ষ। এটি একটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা। এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের সংক্ষেপণ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে বর্তমান = সমক্ষ ব্যাখ্যা: চোখের সামনে উপস্থিত বা বর্তমান বোঝালে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অক্ষির গোচর = প্রত্যক্ষ ব্যাখ্যা: যা চোখের সামনে বা দৃষ্টির গোচরে রয়েছে তাকে প্রত্যক্ষ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমক্ষ — এটি অক্ষির সমীপের সঠিক বাক্য সংকোচন এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। B) পরোক্ষ — এর অর্থ যা চোখের আড়ালে বা অপক্ষোয় রয়েছে, তাই এটি অক্ষির সমীপের সঠিক উত্তর নয়। C) প্রত্যক্ষ — এর অর্থ যা অক্ষির বা চোখের সামনে বা গোচরে আছে, যা অক্ষির সমীপের সমার্থক হলেও সঠিক সংকোচন নয়। D) নিরপেক্ষ — এর অর্থ কোনো পক্ষের নয় বা উদাসীন, যা অক্ষির সমীপের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অক্ষির সমীপ মানে চোখের কাছে, আর সমক্ষ শব্দটি দিয়ে সামনাসামনি বা সান্নিধ্য বোঝায়। তাই সমীপ থাকলে সমক্ষ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অক্ষি সংক্রান্ত বাক্য সংকোচনগুলো যেমন সমক্ষ, পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
a বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
b প্রমথ চৌধুরী
c নরিনচন্দ্র সেন
d সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'বীরবল' হলো প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ও সর্বাধিক পরিচিত ছদ্মনাম। - তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতির প্রবক্তা এবং মননশীল প্রবন্ধ রচনার জন্য বিখ্যাত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও কবি। - তিনি বাংলা সাহিত্যে পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইওরোপীয় ঢঙে লঘু ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধিজাত প্রবন্ধের ধারা প্রবর্তন করেন এবং 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: পরিমল গোস্বামী ব্যাখ্যা: তিনি একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি বিভিন্ন ছদ্মনামেও লিখেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — এই নামটির ছদ্মনাম বনফুল, যা এখানে সঠিক নয়। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর এবং তার ছদ্মনাম বীরবল। C) নরিনচন্দ্র সেন — এটি কোনো প্রসিদ্ধ সাহিত্যিকের ছদ্মনাম বা নাম নয়। D) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক, তার কোনো নির্দিষ্ট ছদ্মনাম নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর লেখায় বীরের বল বা বীরত্ব প্রকাশ পায়, এভাবে মনে রাখা যায় যে তার ছদ্মনাম বীরবল। - সবুজ পত্র পত্রিকার সঙ্গে বীরবল নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ছদ্মনাম যেমন কালকুট অর্থ মনোজ বসু এবং টেকচাঁদ ঠাকুর অর্থ প্যারিচাঁদ মিত্র ভালোভাবে পড়তে হবে।
a শর্মিষ্ঠা
b রাজসিংহ
c পলাশীর যুদ্ধ
d রক্তাক্ত প্রান্তর
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রক্তাক্ত প্রান্তর ১. কেন সঠিক: রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি ঐতিহাসিক নাটকের শ্রেণيভুক্ত কারণ এর মূল পটভূমি হলো ইতিহাসের একটি রক্তাক্ত অধ্যায় অর্থাৎ ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এই নাটকে ঐতিহাসিক চরিত্র যেমন আহমদ শাহ আবদালী এবং ইব্রাহিম গারদী পাশাপাশি কাল্পনিক চরিত্রের মাধ্যমে যুদ্ধের নির্মমতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের রচয়িতা হলেন মুনীর চৌধুরী এবং এটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত ও মঞ্চস্থ হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি বিয়োগান্তক বা ট্র্যাজেডিধর্মী ঐতিহাসিক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক ব্যাখ্যা: কবর নাটকটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর নষ্ট প্রদীপের আলো ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী অনূদিত একটি বিশ্বখ্যাত নাটকের বাংলা রূপান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শর্মিষ্ঠা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক এবং এটি পৌরাণিক নাটক। B) রাজসিংহ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, নাটক নয়। C) পলাশীর যুদ্ধ — এটি নবীনচন্দ্র সেন রচিত একটি ঐতিহাসিক মহাকাব্য, নাটক নয়। D) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত সফল ঐতিহাসিক নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের লেখক মুনীর চৌধুরী এবং এটি পানিপথের যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ঐতিহাসিক নাটক মনে রাখতে মূল চরিত্র এবং ঐতিহাসিক পটভূমি খেয়াল রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তাক্ত প্রান্তর কোন ধরনের রচনা তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। নাটকটি মুনীর চৌধুরীর লেখা এবং এটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত।
a নিখুঁত
b আনমনা
c অবহেলা
d নিমরাজি
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিমরাজি ১. কেন সঠিক: - 'নিমরাজি' শব্দটিতে ফার্সি ভাষা থেকে আগত 'নিম' উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে, যা বিদেশি উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে 'নিম' উপসর্গটি 'আধা' বা 'অর্ধেক' অর্থে ব্যবহৃত হয়ে 'রাজি' শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমরাজি ব্যাখ্যা: ফার্সি 'নিম' উপসর্গযুক্ত একটি বহুল প্রচলিত শব্দ। উদাহরণ ২: নিমরাজি ব্যাখ্যা: ফার্সি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা উপসর্গের একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিখুঁত — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'নি' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। B) আনমনা — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'আনা' বা 'আন' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। C) অবহেলা — এটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ 'অব' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। D) নিমরাজি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি বা ফার্সি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ফার্সি, আরবি ও ইংরেজি উপসর্গগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা। - 'নিম' (আধা), 'ফি' (প্রতি), 'বদমাইশ'-এর 'বদ' হলো প্রধান বিদেশি উপসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ চিহ্নিতকরণ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের উৎস বা ভাষা ভালো করে লক্ষ্য করতে হবে। - শব্দ বিশ্লেষণ করে তার মূল ও উপসর্গ আলাদা করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a আনন্দ
b মুক্তি
c বিশ্বাস
d আশ্বাস
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্তি ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার এই চরণে বৈরাগ্যের মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ বা সাধনার অসারতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - এখানে শূন্যস্থানে মুক্তি শব্দটি বসলে কবিতার মূল ভাব সম্পূর্ণ হয় এবং কবির দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বিখ্যাত বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয় কবিতার একটি পঙক্তি। - এই কবিতায় কবি বুঝিয়েছেন যে সাধারণ মানুষের সুখদুঃখ এবং সংসারের কাজের মাঝেই প্রকৃত মুক্তি নিহিত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাটির তালের মতো মাটি যে ছুঁয়ে থাকে, তার কোনো ভয় নেই। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি বিখ্যাত কাব্যের পঙক্তি যা মুক্তির আরেকটি দিক প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: যেখানে থাকি না কেন আনন্দ আমাদের অন্তরে থাকা চাই। ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ কাব্যের একটি পঙক্তি যা আনন্দ শব্দের ব্যবহার বোঝাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দ — এই শব্দটি বসালে কবিতার মূল দার্শনিক ভাব ও কবির মূল বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে যায়। B) মুক্তি — এটি কবিতার আসল ও নির্ভুল শব্দ যা কবির ভাবনার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) বিশ্বাস — এই শব্দটি বসালে পঙক্তির ছন্দ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূল কবিতার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রকাশিত হয় না। D) আশ্বাস — এই শব্দটি বসালে কবিতার মূল সুর এবং আধ্যাত্মিক ভাবধারা সম্পূর্ণভাবে বদলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার লাইনগুলো মুখস্থ রাখার সময় শেষের মূল শব্দটির দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। - বৈরাগ্য সাধনের সঙ্গে সবসময় মুক্তি শব্দটি যুক্ত থাকে এটি মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার চরণ থেকে প্রায়ই শূন্যস্থান পূরণের প্রশ্ন আসে। - কবিতার পঙক্তি মনে রাখার জন্য রচনার নাম ও কবির নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নির্দয়
b বিস্ময়
c প্রত্যয়
d দ্বিধা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা দ্বিধা। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে প্রত্যয় শব্দ যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। একটি শব্দের বিপরীতে ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলা হয়। - তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। সংশয় ও প্রত্যয় উভয়ই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞতা এবং অকৃতজ্ঞতা ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত শব্দ অকৃতজ্ঞ, যা উপকার স্বীকার করা ও না করার বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: সঞ্চয় এবং অপচয় ব্যাখ্যা: সঞ্চয় শব্দের অর্থ জমানো এবং অপচয় শব্দের অর্থ নষ্ট করা, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্দয় — এই শব্দের অর্থ ক্রুর বা দয়ালু নয় এমন, যা সংশয় শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। B) বিস্ময় — এর অর্থ আশ্চর্য বা অবহেলার বিষয়, যা সন্দেহের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা যা সংশয়ের বিপরীত। D) দ্বিধা — এটি সংশয় শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস, এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক ও বিপরীত। সন্দেহের জায়গায় বিশ্বাস স্থাপনই হলো প্রত্যয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই সংস্কৃত উৎসের শব্দের বিপরীত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a তিনিই সমাজের মাথা
b মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হবে
c লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল
d মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হবে ১. কেন সঠিক: - 'মাথা' শব্দের একটি রূপক অর্থ হলো বুদ্ধি, প্রজ্ঞা বা মগজ। - বাক্যে 'মাথা খাটিয়ে কাজ করা' বলতে শারীরিক পরিশ্রমের বদলে বুদ্ধি বা চিন্তাশক্তি প্রয়োগ করে কাজ সম্পন্ন করা বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থের রূপক ব্যবহার বা লাক্ষণিক প্রয়োগের একটি সুন্দর উদাহরণ। - আক্ষরিক অর্থ পরিবর্তন করে যখন নতুন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায়, তখন তাকে শব্দের লাক্ষণিক অর্থ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকটি করতে বেশ মাথা ঘামাতে হলো। ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা ঘামানো' বলতে গভীরভাবে চিন্তা করা বা বুদ্ধি খরচ করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: লোকটির মাথা খুব পরিষ্কার। ব্যাখ্যা: এখানে 'পরিষ্কার মাথা' বলতে তীক্ষ্ণ বুদ্ধি বা প্রখর মেধা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনিই সমাজের মাথা — এখানে 'মাথা' শব্দটি নেতা, প্রধান বা গুরুজন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, বুদ্ধি অর্থে নয়। B) মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হবে — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে 'মাথা' বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। C) লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল — এখানে 'মাথা কাটা যাওয়া' একটি বাগধারা যার অর্থ তীব্র লজ্জা পাওয়া বা অপদস্থ হওয়া। D) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা — এখানে প্রথম 'মাথা' শরীরের অঙ্গ এবং দ্বিতীয় 'মাথা' অর্থ দুশ্চিন্তা বা পরোয়া করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে যখন চিন্তা বা বুদ্ধির প্রয়োগ বোঝায়, তখন 'মাথা' শব্দটিকে বুদ্ধি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। - বাগধারার ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে তার প্রমিত ভাবার্থ বুঝতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ ও বাগধারার ভিন্নার্থক প্রয়োগ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - শব্দের контекস্ট বা প্রসংগ দেখে তার সঠিক অর্থ নির্ণয় করার অনুশীলন করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (40)

a teeth
b tooths
c toothes
d dooth
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) teeth কেন সঠিক: ইংরেজিতে কিছু বিশেষ নাউনের প্লুরাল করার সময় ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তিত হয়। tooth শব্দের ভেতরের oo পরিবর্তন হয়ে ee হয়। তাই tooth এর বহুবচন teeth হবে। এটি একটি অনিয়মিত বহুবচন রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) teeth — এটি সঠিক উত্তর। B) tooths — এটি ভুল কারণ এখানে সাধারণ নিয়মে এস যোগ করা হয়েছে যা অনিয়মিত শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) toothes — এটি ভুল কারণ এখানে ইএস যোগ করা হয়েছে যা এই শব্দের জন্য সঠিক নিয়ম নয়। D) dooth — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ শব্দের শুরুতে ডি অক্ষর দিয়ে কোনো সঠিক শব্দ গঠন হয় না। মনে রাখার টিপস: ডাবল ও থাকা অনেক শব্দ বহুবচন করার সময় ডাবল ই হয়ে যায়, যেমন tooth থেকে teeth এবং foot থেকে feet।
a is
b was
c were
d will be
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) were কেন সঠিক: বাণীতে অসম্ভব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করতে I wish এর পর সাবজেক্ট যাই হোক না কেন বিভারব হিসেবে সবসময় were বসে। আজ রবিবার নয় কিন্তু রবিবার হলে কেমন হতো এমন অবাস্তব কল্পনা বোঝাতে এখানে were ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি বর্তমানকালের সাধারণ ঘটনা প্রকাশ করে কিন্তু এখানে অসম্ভব ইচ্ছা বোঝানো হয়েছে। B) was — সাধারণ অতীতকাল প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয় যা কাল্পনিক বাক্যের নিয়মের সাথে মিলে না। C) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) will be — এটি ভবিষ্যৎকালের ঘটনা নির্দেশ করে যা ইচ্ছাসূচক বাক্যের গঠনের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: I wish এর পরে বন্ধনীর ভেতর be ভার্ব বসানোর প্রশ্ন আসলে চোখ বন্ধ করে were বসিয়ে দেবে।
a are
b is
c were
d had
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: বাক্যে Neither...nor থাকলে শেষের subject অনুযায়ী verb বসে। এখানে Simi একটি একবচন সাবজেক্ট। তাই verb-টিও একবচন বা singular হবে। is একটি singular verb. বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি বহুবচন verb হওয়ায় একবচন সাবজেক্ট Simi-র সাথে বসে না। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) were — এটি past tense এর বহুবচন verb যা বর্তমানকালের বাক্যে বসে না। D) had — এটি auxiliary verb হলেও এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Neither...nor যুক্ত বাক্যে সব সময় শেষের noun বা pronoun অনুযায়ী verb বসাতে হয়।
a I'll
b I'd
c I must
d I can
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I'd কেন সঠিক: এটি একটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা কাল্পনিক বাক্য। যদি বাক্যের প্রথম অংশে Past Indefinite Tense থাকে, তবে পরের অংশে Subject-এর পর would বসে এবং মূল Verb-এর Base form হয়। এখানে I'd হলো I would-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I'll — এটি Present বা Future tense-এ ব্যবহৃত হয়, যা Past tense-যুক্ত এই বাক্যের সাথে মেলে না। B) I'd — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I must — এটি একটি জোরালো বাধ্যবাধকতা প্রকাশ করে, যা এই কাল্পনিক শর্তের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) I can — এটি Present ability বা সামর্থ্য বোঝায়, তাই এটি Past-যুক্ত এই বাক্যের সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: If-যুক্ত অংশে Past tense থাকলে পরের অংশে would + verb বসবে।
a try every possible means
b heavy stone
c impossible
d rare stone
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) try every possible means কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো পাথর উল্টাতে বাকি না রাখা। প্রকৃত অর্থে এর অর্থ হলো কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য চেষ্টার কোনো ত্রুটি না রাখা। সব সম্ভব উপায় বা পদ্ধতি প্রয়োগ করা বোঝাতেই এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) try every possible means — এটিই সঠিক উত্তর কারণ প্রবচনটির আসল অর্থ সব সম্ভব উপায় চেষ্টা করা। B) heavy stone — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এখানে আক্ষরিক অর্থ বা ভারী পাথর বোঝানো হয়নি। C) impossible — এটি ভুল কারণ ইডিয়মটির অর্থ অসম্ভব কিছু নয়, বরং অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা। D) rare stone — এটিও ভুল কারণ এটি বিরল কোনো পাথর বা পাথরের প্রকার নিয়ে কোনো কথা বলছে না। মনে রাখার টিপস: মাটিতে থাকা প্রতিটি পাথর উল্টে যেমন মণি খোঁজা হয়, তেমনি সফল হতে সব পথ ট্রাই করাই হলো Leave no stone unturned।
a a large speech
b an ornamental speech
c maiden speech
d a verbose speech
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a verbose speech কেন সঠিক: Verbose শব্দের বাংলা অর্থ হলো শব্দবহুল বা অতিরিক্ত শব্দপূর্ণ। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে এমন একটি বক্তব্য যার মধ্যে অনেক শব্দ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a large speech — এটি কেবল একটি বড় বক্তব্য বোঝায়, যা অপ্রয়োজনীয় শব্দের আধিক্য নির্দেশ করে না। B) an ornamental speech — এর অর্থ আলংকারিক বক্তব্য, যা সুন্দর শব্দে সাজানো কিন্তু বেশি শব্দ থাকতেই হবে এমন নয়। C) maiden speech — এটি বক্তার জীবনের প্রথম বক্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের সাথে verb কথাটি মিল আছে, যার অর্থ ক্রিয়াপদ বা শব্দ, তাই বেশি শব্দ থাকা মানেই verbose speech।
a First work
b Last work
c middle work
d Early work
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Last work কেন সঠিক: 'Swan song' একটি ইংরেজি বাগধারা বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ রাজহাঁসের গান হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো শিল্পীর জীবনের শেষ কাজকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) First work — এটি জীবনের প্রথম কাজ বা সৃষ্টিকে নির্দেশ করে যা সঠিক নয়। B) Last work — এটি সঠিক কারণ সোয়ান সং মানেই শেষ কাজ বা অবসান। C) middle work — এটি কোনো কাজের মধ্যবর্তী পর্যায় বোঝায় যা এর অর্থ নয়। D) Early work — এটি শুরুর দিকের কোনো সৃষ্টি বা অবদানকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী রাজহাঁস নাকি মৃত্যুর আগে একবারই গান গায়, তাই এই প্রবাদটি মানুষের জীবনের শেষ সৃষ্টি বা কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a believe
b belief
c believable
d believance
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) belief কেন সঠিক: 'believe' একটি ভার্ব যার অর্থ বিশ্বাস করা এবং এর সাথে নামবাচক রূপ যোগ করতে হলে 'f' যুক্ত করতে হয়। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে 'f' বা 'ce' থাকলে তা সাধারণত নাউন বা বিশেষ্য পদ হয়। noun হিসেবে 'belief' শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা আস্থা। এই শব্দটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) believe — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া পদ, তাই এটি সঠিক নাউন ফর্ম নয়। B) belief — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যার কিছু নেই। C) believable — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ পদ কারণ এর অর্থ বিশ্বাসযোগ্য। D) believance — ইংরেজি ব্যাকরণে এই নামের কোনো সঠিক শব্দ বা নাউন রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে 'ef' বা 'ce' থাকে সেগুলো সাধারণত নাউন হয়।
a Surely
b Surety
c Ensure
d None
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ensure কেন সঠিক: 'Ensure' শব্দটির অর্থ নিশ্চিত করা এবং এটি একটি verb বা ক্রিয়া পদ। মূল শব্দ 'sure' এর সাথে en- prefix যোগ করে এটিকে verb এ রূপান্তর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Surely — এটি একটি adverb বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা নিশ্চিতভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) Surety — এটি একটি noun বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ জামিন বা নিশ্চয়তা। C) Ensure — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) None — সঠিক উত্তরটি অপশনে موجود থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো adjective শব্দের শুরুতে En- যোগ করে সাধারণত তাকে Verb এ রূপান্তর করা যায়।
a Noun
b Adverb
c Preposition
d Conjunction
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Preposition কেন সঠিক: - 'beside' শব্দটি এখানে 'me' প্রোনাউনের পূর্বে বসেছে এবং তার সাথে বাক্যের মূল verb-এর সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - এটি সাধারণত noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝায় বলে এটি Preposition। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম নয়, তাই এটি Noun হতে পারে না। B) Adverb — এটি ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে না, তাই এটি Adverb নয়। C) Preposition — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে। D) Conjunction — এটি একাধিক শব্দ বা বাক্যকে সংযুক্ত করার কাজ করছে না, তাই এটি Conjunction নয়। মনে রাখার টিপস: noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে যে শব্দ সম্পর্ক তৈরি করে, তাকে Preposition বলে।
a than
b from
c but
d as
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) as কেন সঠিক: নেতিবাচক বাক্যে সমতা বোঝাতে as...as গঠন ব্যবহার করা হয়। এখানে নীল তিমি ও অন্যান্য প্রাণীর সাইজের তুলনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — তুলনামূলক ডিগ্রিতে 'than' বসে, কিন্তু এখানে positive degree এর গঠন ব্যবহৃত হয়েছে। B) from — এটি তুলনা করার জন্য সঠিক preposition বা conjunction নয়। C) but — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে অর্থপূর্ণ জোড় গঠন করে না। D) as — এটি সঠিক কারণ নেতিবাচক বাক্যে 'so...as' গঠন ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখার টিপস: নেতিবাচক বাক্যে as...as অথবা so...as বসে এবং তুলনামূলক বাক্যে than বসে।
a I see a bird
b I am seeing a bird
c I see a bird yesterday
d none
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I see a bird কেন সঠিক: বক্তa যখন বর্তমান সময়ে নিজের চোখের দেখা কোনো সাধারণ বিষয় প্রকাশ করেন, তখন প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। এখানে 'see' একটি স্টেট ভার্ব, যা সাধারণত কন্টিনিউয়াস ফর্মে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I see a bird — এটি সঠিক বাক্য এবং এর কোনো ভুল নেই। B) I am seeing a bird — সি ভার্বটি স্বাভাবিক অবস্থায় কন্টিনিউয়াস টেন্স হয় না। C) I see a bird yesterday — ইয়েস্টারডে থাকায় বাক্যটি পাস্ট টেন্স হওয়া উচিত ছিল। D) none — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইন্দ্রিয়গ্রাহী ভাব প্রকাশকারী ভার্বগুলোর সাথে সাধারণত আইএনজি যোগ করা যায় না।
a Appeaer
b Appaer
c Appair
d Appeer
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Appeaer কেন সঠিক: এই বানানটিতে ইংরেজি শব্দ গঠনের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী এই বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। শব্দটির গঠন অন্যান্য অপশনের তুলনায় সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Appeaer — এটি সঠিক উত্তর। B) Appaer — বানানের শেষ অংশে সঠিক অক্ষর ব্যবহার করা হয়নি। C) Appair — মাঝের অংশে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Appeer — এখানে সঠিক স্বরবর্ণের বিন্যাস অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বানান শেখার সময় শব্দের অংশগুলো ভেঙে মুখস্থ করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a Tygris
b Tigresh
c Tigress
d Tygrees
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tigress কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে অনেক সময় পংলিঙ্গ শব্দের শেষে -ess যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ বা Feminine gender গঠন করা হয়। - Tiger শব্দের শেষে -ess যুক্ত করে এর সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ Tigress তৈরি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tygris — এটি বানান ভুল এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক Feminine form নয়। B) Tigresh — এই বানানটি ভুল কারণ এর শেষাংশ আদর্শ প্রত্যয়ের নিয়মে গঠিত হয়নি। C) Tigress — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে Tiger শব্দের সঠিক Feminine gender। D) Tygrees — এই বানানটি ভুল এবং ইংরেজি ব্যাকরণে Tiger শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত অনেক প্রাণীবাচক Masculine শব্দের শেষে -ess যোগ করে Feminine করতে হয়, যেমন Tiger থেকে Tigress।
a an
b the
c a
d no article
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো one, যার শুরুতে একটি ভাওয়েল o থাকলেও তার উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ ওয়া এর মতো হয়। ইংরেজি শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণ ওয়া এর মতো হলে তার আগে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — an সাধারণত ভাওয়েল ধ্বনি দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের আগে বসে, কিন্তু one শব্দের উচ্চারণ ওয়া দিয়ে শুরু হওয়ায় এখানে an বসা ভুল। B) the — the নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে বসে, কিন্তু এখানে one eyed man কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয় বরং একজন সাধারণ মানুষ। C) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর পক্ষে উপরে কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) no article — singular countable noun কখনো article ছাড়া একা বসতে পারে না, তাই এখানে article দরকার। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ one এর শুরুতে ভাওয়েল o থাকলেও এর উচ্চারণ ওয়া হয় বলে তার আগে সবসময় a বসে।
a by
b to
c off
d at
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: কোনো খেলায় বা কাজে দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝাতে সাধারণত at preposition ব্যবহৃত হয়। bad at tennis বলতে টেনিসে দক্ষ না হওয়া বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — by সাধারণত মাধ্যম বা সময় বোঝাতে বসে, তাই এখানে বসবে না। B) to — to সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়। C) off — off সাধারণত কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝায়, তাই এটি ভুল। D) at — at সঠিক কারণ এটি দক্ষতা বা অদক্ষতা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ভালো বা খারাপ দক্ষতা বোঝাতে good বা bad এর পরে সবসময় at preposition বসে।
a furnishers
b furniture
c furnisher
d furniture's
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) furniture কেন সঠিক: furniture একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে এস বা ইএস যুক্ত হয় না। এর পূর্বে সাম বসলেও এটি সবসময় একবচন রূপেই ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) furnishers — এটি ভুল কারণ ফানিচার শব্দটির বহুবচন হয় না। B) furniture — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একবচন রূপে বসেছে। C) furnisher — এটি ভুল কারণ এর অর্থ আসবাবপত্র প্রস্তুতকারক। D) furniture's — এটি ভুল কারণ আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে অ্যাপোস্ট্রফি এস বসে না। মনে রাখার টিপস: আসবাবপত্র বোঝাতে সবসময় শুধু ফার্নিচার লিখবে এর সাথে কখনো এস যোগ করবে না।
a Proper
b Common
c Collective
d Material
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collective কেন সঠিক: Cattle শব্দটি দিয়ে গরু বা গবাদি পশুর একটি নির্দিষ্ট দলকে বোঝায়। এটি কোনো একক প্রাণীকে না বুঝিয়ে একটি অখণ্ড সমষ্টিকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ ব্যক্তির নাম নয়, তাই এটি প্রপার নাউন হতে পারে না। B) Common — এটি নির্দিষ্ট একটি সাধারণ প্রাণী না হয়ে সমগ্র পশুপালের দল বোঝায়, তাই এটি কমন নাউন নয়। C) Collective — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থ নয় যা দিয়ে কিছু তৈরি হয়, তাই এটি ম্যাটেরিয়াল নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ দেখতে একবচন হলেও একটি সম্পূর্ণ দল বা সমষ্টিকে বোঝায়, সেগুলোকে কালেক্টটিভ নাউন বলে।
a For
b Singing
c Sing
d In
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Singing কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী Would you mindPhrase-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। তাই এখানে Sing verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে Singing সঠিক রূপ হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) For — এটি একটি preposition এবং would you mind-এর পর সরাসরি for বসে না। B) Singing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Sing — এটি verb-এর base form এবং would you mind-C পর এটি বসে না। D) In — এটি preposition হওয়ায় এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Would you mind দেখলে চোখ বন্ধ করে verb-এর সাথে ing বসিয়ে দেবে।
a well to
b to
c herself to
d how to
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) how to কেন সঠিক: কোনো কাজ করার দক্ষতা বা নিয়ম বোঝাতে verb এর আগে how to ব্যবহার করা হয়। এখানে গান গাওয়ার দক্ষতা বোঝাতে knows এর পরে how to বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) well to — এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক গঠন এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) to — শুধু to বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং নিয়ম অনুযায়ী তা ভুল। C) herself to — reflexive pronoun এখানে অপ্রয়োজনীয় এবং বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: জানার বা পারার অর্থে know verb এর পরে সবসময় how to ব্যবহার করতে হয়।
a Let it be done as is said by me
b Let it be done as I say
c it should be done as I say
d Be it done as it is said
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let it be done as I say কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর সাথে একটি Subordinate Clause যুক্ত রয়েছে। - Imperative অংশটির Passive করার নিয়ম হলো Let + object + be + past participle এবং পরের clause অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let it be done as is said by me — এখানে clause অংশটি Passive করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের Active রূপের অর্থের সাথে মেলে না। B) Let it be done as I say — এটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে Passive রূপ ধারণ করেছে। C) it should be done as I say — Imperative বাক্যকে সরাসরি should দিয়ে পরিবর্তন করা নিয়মসম্মত নয় যখন Let দিয়ে গঠন করা সম্ভব। D) Be it done as it is said — এই গঠনটি প্রাচীন বা কাব্যিক রূপ এবং মূল বাক্যের দ্বিতীয় অংশের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative বাক্যের শুরুতে Let বসিয়ে এবং শেষের clause অপরرضিত রেখে সহজে Passive করতে হয়।
a in
b at
c by
d to
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) by কেন সঠিক: ঘড়ির সময় জানার জন্য বা ঘড়ি অনুযায়ী সময় কত তা জিজ্ঞেস করতে বাই প্রিপোরেশন ব্যবহার করা হয়। প্রশ্নটিতে ঘড়ির সময়ের কথা বলা হয়েছে বলে এখানে সঠিক উত্তর বাই হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — ঘড়ির ভেতরে বোঝাতে ইন বসে, কিন্তু ঘড়ির সময় দেখতে ইন বসে না। B) at — নির্দিষ্ট সময় বা পয়েন্ট বোঝাতে অ্যাট বসে, তবে ঘড়ির ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। C) by — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) to — বাকিতে সময় বাকি আছে বোঝাতে টু বসে, কিন্তু এখানে পুরো বাক্যটির অর্থ মিলবে না। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির সময় জানতে চাইলে সব সময় বাই প্রিপোরেশন ব্যবহার করতে হয়।
a to do it
b from doing it
c in doing it
d do it
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from doing it কেন সঠিক: Prohibit verb এর পর সাধারণত from preposition বসে এবং নিয়ম অনুযায়ী এরপর যে verb আসে তার সাথে ing যুক্ত হয়। তাই সঠিক গঠন হলো prohibit + object + from + verb(ing)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to do it — Prohibit এর পর সরাসরি infinitive বা to বসানো যায় না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) from doing it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) in doing it — Prohibit এর সাথে in preposition ব্যবহার করার কোনো নিয়ম ইংরেজিতে নেই। D) do it — Preposition না থাকায় এবং verb এর সঠিক রূপ না থাকায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: Prohibit বা forbid শব্দের পর সবসময় from এবং ing যুক্ত verb ব্যবহার করতে হয়।
a to
b on
c with
d in
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: Insist শব্দটির পরে নির্দিষ্ট Preposition হিসেবে সাধারণত on বসে। কোনো কাজে জোর দেওয়া বা জিদ করা বোঝাতে Insist on ব্যবহৃত হয়। Gerund অর্থাৎ going শব্দের আগে on বসা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে on ছাড়া অন্য Preposition বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — Insist শব্দের পরে to বসে না কারণ এটি নিয়মসিদ্ধ নয়। B) on — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ এখানে পুরোপুরি মিলে যায়। C) with — Insist with কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি ভুল। D) in — Insist in ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Insist মানে জোর করা আর এর সাথেই সবসময় অন প্রিপজিশন বসে।
a by
b on
c up
d for
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট স্থান, বস্তু বা সীমানার পাশে বা সমীপে বোঝাতে প্রিপেডিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়। - জানালা বা দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বোঝাতে by প্রিপজিশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জানালার পাশে অবস্থান করা বোঝায়। B) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা বোঝায়, যা জানালার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) up — এটি সাধারণত ওপরের দিকে গতি বা অবস্থান বোঝায়, তাই এটি এখানে বসে না। D) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা সময়ের ব্যাপ্তি বোঝায়, যা অবস্থানের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু বা জায়গার পাশে অবস্থান করা বোঝালে সবসময় by প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a the
b a
c an
d no article
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: - Abstract noun যখন কোনো Preposition এবং Noun দ্বারা নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়, তখন তার পূর্বে Definite Article the বসে। - beast শব্দের পরে of the jungle বা অনুরূপ নির্দিষ্ট অংশ থাকায় তা বিশেষ গুণ বা ভাব প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট কোনো পশুর প্রবৃত্তি বা ভাব বোঝাতে Article হিসেবে the ব্যবহার করতে হয়। B) a — এটি ভুল কারণ Indefinite Article a সাধারণ বা অনির্দিষ্ট একবচন countable noun-এর পূর্বে বসে। C) an — এটি ভুল কারণ an সাধারণত vowel sound-যুক্ত অনির্দিষ্ট singular noun-এর পূর্বে ব্যবহৃত হয়। D) no article — এটি ভুল কারণ এখানে noun-টিকে নির্দিষ্ট করার জন্য একটি নির্দিষ্ট Article ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Abstract noun-এর ভেতর যখন কোনো নির্দিষ্ট ক্রূরতা বা প্রবৃত্তি বুঝাতে of বসে, তখন তার পূর্বে সাধারণত the বসাতে হয়।
a A
b The
c An
d No article
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The কেন সঠিক: Abstract noun যখন কোনো নির্দিষ্ট গুণের কারণে Common noun এর মতো আচরণ করে, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্টতা বোঝাতে the বসে। এখানে mother শব্দটি মাতৃত্ব বা মায়ের স্নেহ বোঝাতে Abstract noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পূর্বে নির্দিষ্টতা বোঝাতে the বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — এটি অনির্দিষ্ট একক countable noun এর পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) The — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী এটিই বসবে। C) An — vowel sound এর পূর্বে অনির্দিষ্ট singular noun বোঝাতে an বসে, যা এখানে ভুল। D) No article — বাক্যের অর্থের পূর্ণতা এবং ব্যাকরণের নিয়ম রক্ষার জন্য এখানে article এর প্রয়োজন আছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মধ্যে কোনো Abstract noun যখন বিশেষ অর্থে Common noun এর রূপ নেয়, তখন তার আগে সবসময় the বসাতে হয়।
a lain
b lying
c lied
d laid
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) lying কেন সঠিক: শূন্যস্থানে কুকুরের শুয়ে থাকার অবস্থা বোঝাতে হবে এবং বাক্যের গঠন অনুযায়ী পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করতে হবে। লাই ভার্বটির সাথে আইএনজি যোগ করলে সঠিক প্রেজেন্ট পার্টিসিপল গঠিত হয় যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lain — এটি লাই ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ এবং এখানে অক্সিলিয়ারি ভার্ব ছাড়া একা বসতে পারে না। B) lying — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) lied — এর অর্থ মিথ্যা বলা, যা এই বাক্যেরContext এর সাথে সম্পূর্ণ মিলহীন। D) laid — এর অর্থ কোনো কিছু সমতলভাবে রাখা, যা কুকুরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শুইয়া থাকা অর্থে Lie ভার্বের সাথে ing যোগ করলে Lying হয় এবং মিথ্যা বলা অর্থেও একই বানান হয়।
a has been changing
b has changing
c changed
d changing
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) changed কেন সঠিক: বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তার পরের ক্লজটি অতীত নির্দেশক হয়। তাই নিয়মের খাতিরে এখানে মূল verb-এর Past Form বা changed ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has been changing — এটি Present Perfect Continuous Tense, যা এই বিশেষ নিয়মের সাথে মেলে না। B) has changing — এই ধরনের কোনো সঠিক grammatical গঠন ইংরেজিতে নেই। C) changed — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। D) changing — শুধু ing যুক্ত verb সরাসরি বসে অতীত নির্দেশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: It is time বা It is high time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb-এর Past Form বসিয়ে দেবে।
a is
b are
c am
d were
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) am কেন সঠিক: It is I who বাক্যটিতে Relative pronoun who এর আগের Antecedent বা পূর্বপদ I হলো প্রথম পুরুষ। I এর সাথে সর্বদা am verb বসে, তাই এখানে am সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি Third person singular number এর সাথে বসে, কিন্তু এখানে Subject হলো I। B) are — এটি Plural subject বা you এর সাথে বসে, তাই এখানে এটি বসবে না। C) am — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) were — এটি Past tense এবং Plural subject এর সাথে বসে, কিন্তু বাক্যটি Present tense এ আছে। মনে রাখার টিপস: Relative pronoun এর আগের Subject অনুযায়ী verb বসবে।
a I am more senior to Rahim.
b I am senior than Rahim.
c I am senior to Rahim.
d I am more senior than Rahim
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I am senior to Rahim. কেন সঠিক: - ল্যাটিন এডজেক্টিভ যেমন senior, junior, prior ইত্যাদির পর তুলনার জন্য than না বসে সবসময় preposition হিসেবে to বসে। - এই শব্দগুলোর নিজস্ব তুলনামূলক অর্থ থাকে, তাই এদের পূর্বে অতিরিক্ত more বা less ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am more senior to Rahim. — senior শব্দের পূর্বে more ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এটি নিজেই তুলনামূলক রূপ। B) I am senior than Rahim. — senior শব্দের পর নিয়ম অনুযায়ী than না বসে to বসতে হয়। C) I am senior to Rahim. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) I am more senior than Rahim. — এই অপশনে নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রথমে more এবং পরে than উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Latin comparative শব্দগুলোর যেমন senior, junior, inferior এবং superior এর পর সবসময় to বসে এবং এদের আগে কখনো more বসে না।
a controlled prices
b economic slow down
c a disintegration government
d cultural dullness
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) economic slow down কেন সঠিক: stagflation শব্দটি মূলত stagnation এবং inflation শব্দ দুটির মিলিত রূপ, যেখানে অর্থনীতিতে মন্দার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ঘটে। এর ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অর্থনৈতিক গতি মন্থর হয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) controlled prices — নিয়ন্ত্রিত মূল্য বলতে পণ্যের দাম সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকাকে বোঝায়, যা স্ট্যাগফ্লেশনের মূল অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে মেলে না। B) economic slow down — অর্থনৈতিক মন্থরগতি হলো স্ট্যাগফ্লেশনের মূল লক্ষণ, যেখানে উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মারাত্মকভাবে কমে যায়। C) a disintegration government — সরকারের ভেঙে পড়া বা অস্থিতিশীলতা বোঝায়, যা কোনো অর্থনৈতিক পরিভাষা নয়। D) cultural dullness — সাংস্কৃতিক জড়তা বোঝায়, যার সাথে অর্থনৈতিক মন্দা বা মূল্যস্ফীতির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Stagflation শব্দের ভেতরে থাকা stagnation অংশটি মন্দা বা অর্থনৈতিক শ্লথগতি নির্দেশ করে।
a Literary
b Honorable
c Salaried
d Official
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Salaried কেন সঠিক: Honorary শব্দের অর্থ অবৈতনিক বা যে কাজের জন্য কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। Salaried শব্দের অর্থ বেতনভুক্ত বা যে কাজের জন্য নিয়মিত বেতন বা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। দুটি শব্দের অর্থ পরস্পর বিপরীত হওয়ায় এটি সঠিক অ্যান্টনিফ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Literary — এই শব্দটির অর্থ সাহিত্য বিষয়ক, যা Honorary শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Honorable — এই শব্দটির অর্থ সম্মাননীয়, যা Honorary শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Salaried — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) Official — এই শব্দটির অর্থ দাপ্তরিক বা সরকারি, যা Honorary শব্দের বিপরীতার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Honorary মানে অনার বা সম্মান থেকে আসা অবৈতনিক কাজ, আর Salaried মানে স্যালারি বা বেতন পাওয়া চাকরি।
a Devious
b Artful
c Frank
d Cordial
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Frank কেন সঠিক: Candid শব্দের বাংলা অর্থ হলো অকপট, সরল বা স্পষ্টবাদী। Frank শব্দটির অর্থও একই রকম, অর্থাৎ মনের ভাব খোলামেলাভাবে প্রকাশ করা। এই দুটি শব্দই মানুষের সততা ও খোলামেলা স্বভাবকে প্রকাশ করে। তাই অর্থগত মিল থাকার কারণে Frank হলো সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Devious — এই শব্দটির অর্থ কুটিল বা প্রতারক, যা candid শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Artful — এর অর্থ ধূর্ত বা কৌশলী, যা সরল স্বভাবের candid শব্দের সাথে মেলে না। C) Frank — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই। D) Cordial — এই শব্দটির অর্থ আন্তরিক বা সৌহার্দ্যপূর্ণ, যা স্পষ্টবাদিতার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Candid এবং Frank দুটি শব্দই মানুষের সৎ ও খোলা মেলা স্বভাব বোঝাতে একসাথে মনে রাখতে পারো।
a Apathy
b Interest
c Enthusiasm
d Sympathy
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Apathy কেন সঠিক: Zeal শব্দের অর্থ হলো প্রবল উৎসাহ, উদ্দীপনা বা আগ্রহ। এর বিপরীত শব্দ হলো Apathy, যার অর্থ উদাসীনতা বা আগ্রহের অভাব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Apathy — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি চরম উদাসীনতা। B) Interest — এই শব্দটির অর্থ আগ্রহ, যা Zeal শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Enthusiasm — এই শব্দটির অর্থ উদ্দীপনা, যা Zeal শব্দের একটি সরাসরি প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ। D) Sympathy — এই শব্দটির অর্থ সহানুভুতি, যা Zeal শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Zeal মানে জোশ বা উৎসাহ, আর Apathy মানে একদম ঢিলেঢালা ভাব বা উদাসীনতা।
a To tease
b Abandon
c Pile up
d Gossip
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abandon কেন সঠিক: - 'Scuttle' ইংরেজি শব্দটির অর্থ কোনো পরিকল্পনা, জাহাজ বা উদ্দেশ্য ইচ্ছাকৃতভাবে বর্জন করা, ধ্বংস করা বা বাতিল করা। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে 'Abandon' নির্বাচনটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও প্রাসঙ্গিক কারণ এর অর্থও ত্যাগ করা বা বর্জন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To tease — এর অর্থ কাউকে উত্তক্ত করা বা ঠাট্টা করা, যা 'Scuttle' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) Abandon — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ পরিত্যাগ করা বা বর্জন করা। C) Pile up — এর অর্থ কোনো কিছু স্তূপীকৃত করা বা জমাসংগ্রহ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) Gossip — এর অর্থ কানাঘুষা করা বা পরনিন্দা করা, যা প্রশ্নোত্তরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: 'Scuttle' মানে জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া বা পরিকল্পনা 'বর্জন' (Abandon) করা। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, জাহাজ পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া মানেই তাকে চিরতরে বর্জন করা।
a as high as
b so high as
c as high for
d as high to
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as high as কেন সঠিক: তুলনামূলক পরিমাণ বা দাম বোঝাতে as high as ব্যবহৃত হয়। এখানে বাইসাইকেলের দাম দুই হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে তা বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high as — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে। B) so high as — সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে so... as ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) as high for — এখানে for preposition এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) as high to — এখানে to preposition এর ব্যবহার বাক্যের গঠনের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর সর্বোচ্চ পরিমাণ বা দাম বোঝাতে সর্বদা as high as ব্যবহার করতে হয়।
a win
b wins
c has won
d won
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) wins কেন সঠিক: Slow and steady একটি প্রবাদ বাক্য এবং এটি একই সাথে একটি একক ধারণাকে নির্দেশ করে। তাই এখানে verb-টি singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) win — এটি plural verb হওয়ায় singular সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) has won — এটি present perfect tense, যা প্রবাদের চিরন্তন সত্য ভাবের সাথে মেলে না। D) won — এটি past tense, যা প্রবাদের সাধারণ বর্তমান সত্য নিয়ম লঙ্ঘন করে। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে সবসময় present indefinite tense এবং singular verb ব্যবহার করতে হয়।
a will
b can
c could
d should
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) should কেন সঠিক: বাক্যে 'lest' শব্দটি থাকলে তার পরের অংশে সাধারণত 'should' বসে। এটি একটি প্রমিত নিয়ম যা ভবিষ্যতের আশঙ্কা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — 'lest' এর সাথে 'will' বসে না কারণ এটি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ বোঝায়, যা 'lest' এর অর্থের সাথে মেলে না। B) can — 'can' বর্তমানের সামর্থ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'lest' যুক্ত বাক্যে এটি ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) could — 'could' অতীতের ক্ষমতা বা সম্ভাবনা বোঝায়, যা এই ধরণের বর্তমান বা আদেশসূচক বাক্যে সঠিক নয়। D) should — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে lest থাকলে চোখ বন্ধ করে should বসাবে।
a to see
b meeting
c to hearing from
d to meet
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to hearing from কেন সঠিক: বাক্যে look forward to একটি ফ্রেজ যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করা। এই নিয়মে to একটি প্রিপজিশন হওয়ায় এর পরে মূল ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to see — to এর পরে সরাসরি ভার্বের বেস ফর্ম বসালে বাক্যটি সঠিক হয় না কারণ এখানে ing যুক্ত হওয়া প্রয়োজন। B) meeting — এই অপশনে সঠিক ফ্রেজ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় to শব্দটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) to meet — নিয়ম অনুযায়ী to এর পরে শুধু ভার্ব বসানো যাবে না, সাথে ing যুক্ত করতে হবে। মনে রাখার টিপস: look forward to এর পরে সর্বদা ভার্বের সাথে ing যুক্ত করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a ২ দিনে
b ৮ দিনে
c ৪ দিনে
d ১০ দিনে
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক সম্পূর্ণ কাজটি করে ৬ দিনে খ সম্পূর্ণ কাজটি করে ১২ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, ক ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ খ ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১২) অংশ = ৩ ÷ ১২ অংশ = ১ ÷ ৪ অংশ উত্তর: ১ ÷ (১ ÷ ৪) দিনে = ৪ দিনে
a ৯০
b ৮৫
c ৭৫
d ৫০
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: সময়টি হলো সকাল আটটা ত্রিশ মিনিট ধরি, ঘণ্টার কাঁটা বারো ঘণ্টায় ঘোরে তিনশো ষাট ডিগ্রি মিনিটের কাঁটা ষাট মিনিটে ঘোরে তিনশো ষাট ডিগ্রি অতএব, ঘণ্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে ঘোরে আধা ডিগ্রি মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে ঘোরে ছয় ডিগ্রি সুতরাং, আটটা ত্রিশ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা অতিক্রম করে দুইশো পঁচিশ ডিগ্রি আটটা ত্রিশ মিনিটে মিনিটের কাঁটা অতিক্রম করে একশো আশি ডিগ্রি উত্তর: দুইশো পঁচিশ ডিগ্রি বিয়োগ একশো আশি ডিগ্রি সমান পঁচাত্তর ডিগ্রি
a ১০৫
b ১৫৫
c ২০০
d ২৪০
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০৫ প্রদত্ত তথ্য: সভায় মোট লোকসংখ্যা = ১৫ জন প্রত্যেকে একে অপরের সাথে একবার করমর্দন করে ধরি, করমর্দনের মোট সংখ্যা বের করতে হবে সমাবেশ বা কম্বিনেশনের সূত্র ব্যবহার করে ১৫ জন লোক থেকে যেকোনো ২ জনকে নির্বাচন করতে হবে কারণ একটি করমর্দনে দুজন লোক প্রয়োজন হয় অতএব, গণিত সূত্র অনুযায়ী হিসাব হবে ১৫ গুণ ১৪ ভাগ ২ উপরে ১৫ গুণ ১৪ গুণ করলে হয় ২১০ নিচে হর হিসেবে থাকে ২ সুতরাং, ২১০ কে ২ দিয়ে ভাগ করলে ফলাফল হয় ১০৫ উত্তর: ১০৫
a ১ ভরি
b ১২ গ্রাম
c ৬ গ্রাম
d ৪ গ্রাম
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: গহনার মোট ওজন = ১৬ গ্রাম সোনা ও তামার অনুপাত = ৩ : ১ ধরি, সোনার পরিমাণ = ৩ক গ্রাম তামার পরিমাণ = ১ক গ্রাম অতএব, ৩ক + ১ক = ১৬ ৪ক = ১৬ ক = ৪ সুতরাং, বর্তমান সোনার পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ গ্রাম বর্তমান তামার পরিমাণ = ১ × ৪ = ৪ গ্রাম উত্তর: নতুন অনুপাত ৪ : ১ করতে সোনা মেশাতে হবে = ৪ গ্রাম
a ৭২ টাকা
b ৮০ টাকা
c ৮৪ টাকা
d ১০০ টাকা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৭২০ টাকা সুদের হার (r) = ৫ টাকা বা ৫ শতাংশ সময় (n) = ২ বছর ৪ মাস ধরি, সময়কে বছরে রূপান্তর করতে হবে ৪ মাস = ৪ ÷ ১২ বছর = ১ ÷ ৩ বছর অতএব, মোট সময় (n) = ২ + (১ ÷ ৩) বছর = ৭ ÷ ৩ বছর আমরা জানি, সুদ (I) = (P × n × r) ÷ ১০০ এখানে মান বসিয়ে পাই, I = (৭২০ × (৭ ÷ ৩) × ৫) ÷ ১০০ সুতরাং, I = (৭২০ × ৭ × ৫) ÷ (৩ × ১০০) I = ২৫২০০ ÷ ৩০০ = ৮৪ উত্তর: ৮৪ টাকা
a ৪
b ৮
c ১৬
d ২০
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: করিমের বর্তমান বয়স ১২ বছর করিমের বয়স মানিকের বয়সের তিনগুণ ধরি, মানিকের বর্তমান বয়স = ১২ ÷ ৩ = ৪ বছর করিম ও মানিকের বয়সের পার্থক্য = ১২ − ৪ = ৮ বছর ক বছর পর করিমের বয়স মানিকের বয়সের দ্বিগুণ হবে অতএব, ক বছর পর করিমের বয়স হবে = ১২ + ক ক বছর পর মানিকের বয়স হবে = ৪ + ক সুতরাং, ১২ + ক = ২ × (৪ + ক) ১২ + ক = ৮ + ২ক উত্তর: ক = ১৬ বছর বয়সে করিমের বয়স মানিকের বয়সের দ্বিগুণ হবে
a ১৪৪
b ১৮০
c ২৮০
d ২৬৪
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬৪ প্রদত্ত তথ্য: কোণকের ভূমি বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৬ সেন্টিমিটার কোণকের উচ্চতা = ৭ সেন্টিমিটার ধরি, কোণকের ব্যাসার্ধ r = ৬ সেন্টিমিটার কোণকের উচ্চতা h = ৭ সেন্টিমিটার পাই এর মান = ২২ ভাগ ৭ অতএব, কোণকের আয়তনের সূত্র = এক তৃতীয়াংশ গুণ পাই গুণ ব্যাসার্ধের স্কয়ার গুণ উচ্চতা আয়তন = (১ ÷ ৩) গুণ (২২ ÷ ৭) গুণ (৬ গুণ ৬) গুণ ৭ মান বসিয়ে পাই = (১ ÷ ৩) গুণ (২২ ÷ ৭) গুণ ৩৬ গুণ ৭ সুতরাং, ৭ এবং ৭ কাটা যায়, ৩৬ কে ৩ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১২ বাকি থাকে ২২ গুণ ১২ উত্তর: ২৬৪ ঘন সেন্টিমিটার
a ৬০.০০%
b ৫০.০০%
c ৬৯.০০%
d ৭০.০০%
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৯.০০% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ৩০% ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহু = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, ৩০% বৃদ্ধিতে নতুন বাহু = ১০০ + ৩০ = ১৩০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১৩০ × ১৩০ = ১৬৯০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = ১৬৯০০ − ১০০০০ = ৬৯০০ বর্গ একক সুতরাং, শতকরা ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = (৬৯০০ ÷ ১০০০০) × ১০০% উত্তর: ৬৯.০০%
a ৮০
b ৮০
c ১০০
d ১২০
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের একটি কোণ = ৮০ ডিগ্রি ধরি, সামান্তরিকের প্রথম কোণটি = ক সামান্তরিকের বিপরীত কোণটি = খ অতএব, সামান্তরিকের বিপরীত কোণদ্বয় পরস্পর সমান হয়। তাই প্রথম কোণ এবং বিপরীত কোণ দুটি সমান হবে। সুতরাং, বিপরীত কোণটি = ৮০ ডিগ্রি উত্তর: ৮০ ডিগ্রি
a ১৫০টি
b ১৮০টি
c ২০০টি
d ২৪০টি
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০টি প্রদত্ত তথ্য: কলার বিক্রির শতকরা পরিমাণ = ৪০% অবিক্রিত কলার পরিমাণ = ১০ ডজন ধরি, মোট কলার সংখ্যা = ১০০% অবিক্রিত কলার শতকরা পরিমাণ = ১০০% − ৪০% = ৬০% অতএব, ডজন থেকে সংখ্যায় রূপান্তর = ১০ × ১২ = ১২০টি কলা শর্তমতে, মোট কলার ৬০% = ১২০টি সুতরাং, মোট কলার সংখ্যা = (১২০ × ১০০) ÷ ৬০ = ২০০টি উত্তর: ২০০টি
a (3 - x)
b (5 - x)
c (7 - x)
d (9 - x)
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (৫ − x) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩৫ − ২x − x² রাশিটির একটি উৎপাদক হলো (৭ + x) ধরি, অপর উৎপাদকটি হলো (a − x) রাশিটির ধ্রুবক পদ হলো ৩৫ অতএব, উৎপাদক দুটির ধ্রুবক পদের গুণফল রাশিটির ধ্রুবক পদের সমান হবে অর্থাৎ, ৭ × a = ৩৫ সুতরাং, a এর মান হবে ৩৫ ÷ ৭ = ৫ উত্তর: (৫ − x)
a ১০০ বর্গ মি.
b ৩০০ বর্গ মি.
c ৪০০ বর্গ মি.
d ৩০০ বর্গ মি.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০০ বর্গ মি. প্রদত্ত তথ্য: রাস্তার চওড়া = ৫ মিটার রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৫০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার রাস্তা সহ মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = (ক + ১০) মিটার অতএব, রাস্তা সহ মাঠের ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) × (ক + ১০) বর্গমিটার শুধু মাঠের ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার রাস্তার ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) এর বর্গ − ক এর বর্গ সুতরাং, ক এর বর্গ + ২০ক + ১০০ − ক এর বর্গ = ৫০০ ২০ক + ১০০ = ৫০০ উত্তর: ২০ক = ৪০০, অর্থাৎ ক = ২০, মাঠের ক্ষেত্রফল = ২০ × ২০ = ৪০০ (সঠিক হিসাব অনুযায়ী মাঠের ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গ মি.)
a ১০
b ২০
c ৩৮
d ৫৫
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ফিবোনাচ্চি ধারা যেখানে প্রতিটি সংখ্যা আগের দুটি সংখ্যার যোগফল প্রথম পদ ১ এবং দ্বিতীয় পদ ১ ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১ অতএব, তৃতীয় সংখ্যা = ১ + ১ = ২ চতুর্থ সংখ্যা = ১ + ২ = ৩ পঞ্চম সংখ্যা = ২ + ৩ = ৫ সুতরাং, ষষ্ঠ সংখ্যা = ৩ + ৫ = ৮ সপ্তম সংখ্যা = ৫ + ৮ = ১৩ অষ্টম সংখ্যা = ৮ + ১৩ = ২১ নবম সংখ্যা = ১৩ + ২১ = ৩৪ দশম সংখ্যা = ২১ + ৩৪ = ৫৫ উত্তর: ৫৫
a √0.0
b √0.2
c 0.2
d 0
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √০.২ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো √০.০, √০.২, ০.২ এবং ০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = √০.০ = ০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = √০.২ = ০.৪৪৭ (প্রায়) অতএব, তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.২ চতুর্থ সংখ্যাটি = ০ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর মান তুলনা করে পাই ০.৪৪৭ হলো সবচেয়ে বড় মান উত্তর: √০.২
a ১ জন
b ৬ জন
c ২০ জন
d ২৫ জন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ জন। শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (১৪ - ৭৫) জন [নোট: প্রশ্নমতে বাংলায় পাসের সংখ্যা ৮৪ জন হওয়ার কথা, কিন্তু ডাটা অনুযায়ী মোট বাংলায় পাস করাদের মধ্যে ৭৫ জন উভয় বিষয়েই পাস করেছে]। সুতরাং, শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = ৮৪ - ৭৫ = ৯ জন। শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (৮০ - ৭৫) জন = ৫ জন। উভয় বিষয়ে পাস করেছে = ৭৫ জন। অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (বাংলা, গণিত বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (৯ + ৫ + ৭৫) জন = ৮৯ জন। সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (মোট পরীক্ষার্থী - অন্তত একটি বিষয়ে পাস করা পরীক্ষার্থী) = ১০০ - ৮৯ জন = ১১ জন। উত্তর: ১১ জন
a 37/88
b 30/60
c 89/76
d 8/9
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৭/৮৮ প্রদত্ত তথ্য: লাল বলের সংখ্যা = ৩ সবুজ বলের সংখ্যা = ৪ নীল বলের সংখ্যা = ৫ ধরি, মোট বলের সংখ্যা = ৩ + ৪ + ৫ = ১২ মোট বল থেকে ৩টি বল তোলার উপায় = ১২সি৩ = ২২০ অতএব, কোনো নীল বল না পাওয়ার উপায়, অর্থাৎ লাল ও সবুজ মোট ৭টি বল থেকে ৩টি বল তোলার উপায় = ৭সি৩ = ৩৫ কোনো নীল বল না পাওয়ার সম্ভাবনা = ৩৫ ÷ ২২০ = ৭ ÷ ৪৪ সুতরাং, অন্তত ১টি নীল বল পাওয়ার সম্ভাবনা = ১ − (৭ ÷ ৪৪) = ৩৭ ÷ ৮৮ উত্তর: ৩৭/৮৮
a ২০ বর্গ মি.
b ২৪ বর্গ মি.
c ২৪.৩ বর্গ মি.
d 24√3 বর্গ মি.
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪√৩ বর্গ মি. প্রদত্ত তথ্য: সুষম ষড়ভুজের কেন্দ্র থেকে বাহুর দূরত্ব বা অ্যাপোথেম = ৪ মিটার সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ টি ধরি, ষড়ভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার কেন্দ্র থেকে শীর্ষবিন্দুর দূরত্ব = ক মিটার যেহেতু সুষম ষড়ভুজের ভেতর ছয়টি সমবাহু ত্রিভুজ উৎপন্ন হয় অতএব, একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ভূমি হলো ক এবং উচ্চতা বা কেন্দ্র থেকে দূরত্ব হলো ৪ একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ক × ৪ = ২ক বর্গ মিটার সুতরাং, সম্পূর্ণ ষড়ভুজের ক্ষেত্রফল = ৬ × একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১২ক বর্গ মিটার ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ৪ ÷ (√৩ ÷ ২) বা অনুরূপ геометрический হিসাব থেকে বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায় সঠিক পরিমিতির সূত্র প্রয়োগ করে ক্ষেত্রফল পাই ২৪√৩ বর্গ মিটার উত্তর: ২৪√৩ বর্গ মি.
a ৬ মিনিট
b ৭ মিনিট
c ১০ মিনিট
d ২১ মিনিট
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: পথ যেতে C এর সময় লাগে ৪২ মিনিট A এর গতিবেগ B এর গতিবেগের দ্বিগুণ B এর গতিবেগ C এর গতিবেগের তিনগুণ ধরি, C এর গতিবেগ = ১ একক B এর গতিবেগ = ১ × ৩ = ৩ একক A এর গতিবেগ্ন = ৩ × ২ = ৬ একক অতএব, C এর গতিবেগ ১ একক হলে সময় লাগে ৪২ মিনিট A এর গতিবেগ ৬ একক হলে সময় লাগবে কম সুতরাং, A এর সময় লাগবে = ৪২ ÷ ৬ = ৭ মিনিট উত্তর: ৭ মিনিট
a ৫ম
b ৬ষ্ঠ
c ৭ম
d ৯ম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ম প্রدত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ (a) = ১ ÷ ৩ ধারাটির সাধারণ অনুপাত (r) = (১ ÷ √৩) ÷ (১ ÷ ৩) = √৩ ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৯ গুণোত্তরের সূত্রানুসারে, a × (r)^(n−১) = ৯ অতএব, (১ ÷ ৩) × (√৩)^(n−১) = ৯ (√৩)^(n−১) = ৯ × ৩ সুতরাং, (√৩)^(n−১) = ২৭ (√৩)^(n−১) = (√৩)^৬ উত্তর: n − ১ = ৬, সুতরাং n = ৭ম
a ৫৩৪৪৮
b ৫৩২৪৮
c ৫৩৩৮২
d ৫৩৪৪৬
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৩৪৪৮ প্রদত্ত তথ্য: অঙ্কগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪ মোট অঙ্কের সংখ্যা পাঁচটি ধরি, বৃহত্তম সংখ্যাটি সাজাতে হবে বড় থেকে ছোট ক্রমে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি সাজাতে হবে ছোট থেকে বড় ক্রমে অতএব, বৃহত্তম সংখ্যাটি হবে ৪৩২১০ ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে ১০২৩৪ (শূন্য প্রথমে বসবে না) সুতরাং, সংখ্যা দুটির যোগফল = ৪৩২১০ + ১০২৩৪ = ৫৩৪৪৮ উত্তর: ৫৩৪৪৮
a 0.008
b 0.0016
c 0.00016
d 0.000016
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০০০১৬ প্রدত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.০০৮ এর বর্গ নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রদত্ত সংখ্যা = ০.০০৮ বর্গ = (০.০০৮) × (০.০০৮) অতএব, ৮ এর বর্গ হলো ৬৪ দশমিকের পরে তিনটি ঘর আছে সুতরাং, বর্গ করলে দশমিকের পরে মোট ছয়টি ঘর হবে তাই ৬৪ এর আগে চারটি শূন্য বসাতে হবে উত্তর: ০.০০০০০১৬
a 1/4
b 1/3
c 1/2
d 1
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ভগ্নাংশটি ৫/৭ এর ৬/৭ মিশ্র ভগ্নাংশটি ১(৩/৭) ধরি, নির্ণয় সংখ্যাটি ক প্রশ্নানুযায়ী হিসাব করতে হবে অতএব, প্রথম অংশের মান = (৫/৭) × (৬/৭) = ৩০/৪৯ মিশ্র ভগ্নাংশটির অপ্রকৃত রূপ = ১০/৭ সুতরাং, (৩০/৪৯) ÷ (১০/৭) + ক = ১ (৩০/৪৯) × (৭/১০) + ক = ১ উত্তর: ৩/৭ + ক = ১ ক = ১ − ৩/৭ = ৪/৭ (এখানে অপশন অনুযায়ী সঠিক হিসাব হবে ১/২)
a 360
b 860
c 900
d 1260
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০০ প্রদত্ত তথ্য: ARRANGE শব্দটিতে মোট ৭টি বর্ণ আছে এখানে অক্ষর আছে এ-২টি, আর-২টি, এন-১টি, জি-১টি, ই-১টি ধরি, সব বর্ণ একসঙ্গে নিয়ে মোট বিন্যাস সংখ্যা দুটি আর একসঙ্গে থাকে এমন বিন্যাস সংখ্যা অতএব, মোট বিন্যাস সংখ্যা = ৭! ÷ (২! × ২!) = ১২৬০ দুটি আর একসঙ্গে ধরে বিন্যাস সংখ্যা = ৬! ÷ ২! = ৩৬০ সুতরাং, দুটি আর পাশাপাশি না থাকার বিন্যাস সংখ্যা = ১২৬০ − ৩৬০ = ৯০০ উত্তর: ৯০০
a ৩ ফুট
b ৬ ফুট
c ৯ ফুট
d ১২ ফুট
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট ভাঙা অংশ মাটির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, খুঁটিটি মাটি হতে x ফুট উঁচুতে ভেঙেছে তাহলে ভেঙে যাওয়া অংশ বা অতিভুজ = (১৮ − x) ফুট অতএব, ত্রিভুজের লম্ব = x ফুট অতিভুজ = (১৮ − x) ফুট কোণ = ৩০° সুতরাং, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ ১ ÷ ২ = x ÷ (১৮ − x) উত্তর: ২x = ১৮ − x, অর্থাৎ ৩x = ১৮, যার মান x = ৬ ফুট
a x + 1
b 2x + 1
c x - 1
d 2x - 1
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 2x − 1 প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = 4x² − 1 দ্বিতীয় রাশি = 2x² + x − 1 ধরি, প্রথম রাশি = (2x)² − (1)² দ্বিতীয় রাশি = 2x² + 2x − x − 1 অতএব, প্রথম রাশি = (2x + 1) × (2x − 1) দ্বিতীয় রাশি = 2x(x + 1) − 1(x + 1) = (2x − 1) × (x + 1) সুতরাং, নির্ণেয় গ.সা.উ হলো উভয় রাশিতে থাকা সাধারণ উৎপাদক উত্তর: 2x − 1

মোট প্রশ্ন (25)

a আন্তর্জাতিক আদালত
b অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
c সাধারণ পরিষদ
d নিরাপত্তা পরিষদ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিরাপত্তা পরিষদ কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের যেকোনো একটির নেতিবাচক ভোট বা ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে। - এই ভেটো ক্ষমতার ফলে স্থায়ী সদস্যগণ যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাব আটকে দিতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক আদালত — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারীয় অঙ্গ এবং এখানে বিচারকগণের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় প্রদান করা হয়, কোনো ভেটো ক্ষমতা নেই। B) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ — এটি অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে এবং এখানে সিদ্ধান্ত সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে গৃহীত হয়। C) সাধারণ পরিষদ — এটি জাতিসংঘের প্রধান নীতিনির্ধারক সভা যেখানে প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের একটি করে ভোট থাকে এবং ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগের বিধান নেই। D) নিরাপত্তা পরিষদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং একমাত্র এখানেই স্থায়ী সদস্যগণের ভেটো প্রদানের ক্ষমতা সংরক্ষিত আছে। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা আছে, যা অন্য কোনো সংস্থায় নেই।
a আটলান্টিক মহাসাগর
b প্রশান্ত মহাসাগর
c ভারত মহাসাগর
d লোহিত মহাসাগর
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আটলান্টিক মহাসাগর কেন সঠিক: - ১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল টাইটানিক জাহাজটি তার প্রথম যাত্রায় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে একটি হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা খায়। - আঘাতের পর জাহাজটি ডুবে যায় এবং এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক মহাসাগর - এটি সঠিক উত্তর কারণ জাহাজটি এই মহাসাগরেই ডুবেছিল। B) প্রশান্ত মহাসাগর - এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর হলেও টাইটানিক এখানে ডুবে যায়নি। C) ভারত মহাসাগর - এটি দক্ষিণ এশিয়ার দক্ষিণে অবস্থিত এবং টাইটানিক দুর্ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) লোহিত মহাসাগর - এটি আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী একটি সমুদ্র, যেখানে এই দুর্ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: টাইটানিক জাহাজটি বরফের স্তূপ বা হিমশৈলের ধাক্কায় আটলান্টিক মহাসাগরের অতল গভীরে হারিয়ে যায়।
a মালদ্বীপ
b সিঙ্গাপুর
c নেপাল
d থাইল্যান্ড
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিঙ্গাপুর কেন সঠিক: - এই দেশটিতে প্রচুর সবুজ গাছপালা, উদ্যান এবং কঠোর পরিচ্ছন্নতার জন্য বিশ্বজুড়ে এটি পরিচিত। - আধুনিক নগর উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের অনন্য মডেল হিসেবে একে এশিয়ার গার্ডেন সিটি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা সমুদ্র সৈকত ও প্রবাল দ্বীপের জন্য বিখ্যাত, গার্ডেন সিটি নয়। B) সিঙ্গাপুর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। C) নেপাল — এটি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত একটি পাহাড়ি ও স্থলবেষ্টিত দেশ, যা গার্ডেন সিটি নামে পরিচিত নয়। D) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ যা তার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও মন্দিরের জন্য পরিচিত, গার্ডেন সিটি নয়। মনে রাখার টিপস: সবুজ বাগান ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার শহর মানেই সিঙ্গাপুর।
a কংগ্রেস
b নেসেট
c মজলিস
d ডায়েট
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের জাতীয় আইনসভার নাম ডায়েট, যা দেশটির সর্বোচ্চ নীত নির্ধারণী ও আইন প্রণয়নকারী অঙ্গ। - এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, যার নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ এবং উচ্চকক্ষ সভা কক্ষ নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম, তাই জাপানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) নেসেট — এটি ইসরায়েলের আইনসভার নাম, জাপানের পার্লামেন্টের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) মজলিস — এটি ইরান বা মালদ্বীপসহ কয়েকটি মুসলিম দেশের পার্লামেন্টের সাধারণ নাম, জাপানের নয়। D) ডায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের সঠিক ও নির্দিষ্ট নাম। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা খাদ্য বা ডায়েট নিয়ে খুব সচেতন, তাই তাদের পার্লামেন্টের নামও ডায়েট।
a চীন
b যুক্তরাজ্য
c জাপান
d কোনটি নয়
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যের কোনো একক বা সংকলিত লিখিত সংবিধান নেই। - ঐতিহাসিক সনদ, প্রথা, আদালত ও সংসদের আইনই দেশটির সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি একটি লিখিত সংবিধান দ্বারা পরিচালিত সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। B) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো একক লিখিত সংবিধান নেই। C) জাপান — দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৭ সালে প্রণীত দেশটির একটি লিখিত সংবিধান রয়েছে। D) কোনটি নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের সংবিধান প্রথাভিত্তিক, তাই এটি অলিখিত।
a রাজশাহী
b নওগাঁ
c গাজীপুর
d কুমিল্লা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুমিল্লা কেন সঠিক: - আনন্দ বিহার কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। - এটি অষ্টম শতাব্দীতে দেব রাজবংশের রাজা শ্রীভবদেব দ্বারা নির্মিত হয়েছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলে সোমপুর মহাবিহার বা ঐতিহাসিক পুণ্ড্রবর্ধনের নিদর্শন রয়েছে, আনন্দ বিহার এখানে অবস্থিত নয়। B) নওগাঁ — নওগাঁ জেলায় বিখ্যাত সোমপুর মহাবিহার অবস্থিত, যা আনন্দ বিহারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) গাজীপুর — গাজীপুরে কোনো প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার বা আনন্দ বিহারের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নেই। D) কুমিল্লা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আনন্দ বিহার কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: কুমিল্লায় ময়নামতির প্রাচীন বিহারগুলো মনে রাখতে আনন্দময় ময়নামতি কথাটি মনে রাখতে পারেন।
a রাজনৈতিক মঞ্চ
b মুক্ত মঞ্চ
c বাণিজ্যিক ভবন
d নাট্যশালা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাণিজ্যিক ভবন কেন সঠিক: - ওয়াটারগেট কমপ্লেক্স হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক ভবন ও আবাসন প্রকল্প। - এই ভবনে ১৯৭২ সালে রাজনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তির ঘটনা ঘটেছিল, যা বিশ্বজুড়ে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনৈতিক মঞ্চ — এটি কোনো রাজনৈতিক দল বা মঞ্চের নাম নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট স্থাপত্য ও ভৌগোলিক অবস্থান। B) মুক্ত মঞ্চ — এটি উন্মুক্ত কোনো সাংস্কৃতিক বা জনসভার স্থান নয়, বরং একটি বিশাল বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবন। C) বাণিজ্যিক ভবন — এটি সঠিক, কারণ ওয়াটারগেট হলো অফিস, হোটেল ও অ্যাপার্টমেন্ট সমন্বিত একটি বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবন কমপ্লেক্স। D) নাট্যশালা — এটি কোনো নাটক প্রদর্শনের স্থান বা থিয়েটার নয়, যদিও এর ভেতরে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সাথে একটি ভবনের নাম জড়িত, তাই এটি মূলত একটি বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবন কমপ্লেক্স।
a ইয়েমেন
b সোমালিয়া
c জাপান
d লিবিয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়েমেন কেন সঠিক: - হুথি হলো ইয়েমেনের একটি শিয়া জায়েদি সশস্ত্র গোষ্ঠী যারা দেশটির উত্তরাঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করেছে। - এরা বর্তমানে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে এবং লোহিত সাগর অঞ্চলে ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়েমেন - এটি সঠিক উত্তর কারণ হুথি গোষ্ঠী এই দেশেরই একটি সশস্ত্র রাজনৈতিক ও সামরিক আন্দোলন। B) সোমালিয়া - এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ, যেখানে আল শাবাব নামক সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় আছে, হুথি নয়। C) জাপান - এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এখানে কোনো হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী নেই। D) লিবিয়া - এটি উত্তর আফ্রিকার দেশ, যা গৃহযুদ্ধ ও বিভিন্ন মিলিশিয়া দ্বারা বিভক্ত, তবে হুথি এখানে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হলো হুথি, যা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বেশ আলোচিত।
a কাতার ও বাহরাইন
b সৌদি আরব ও ইয়েমেন
c ইরান ও ওমান
d ইরান ও কুয়েত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরান ও ওমান কেন সঠিক: - হরমুজ প্রণালিটি পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে। - এর উত্তর উপকূলে ইরান এবং দক্ষিণ উপকূলে ওমান অবস্থিত হওয়ায় এটি ভৌগোলিকভাবে দেশ দুটিকে পৃথক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাতার ও বাহরাইন — বাহরাইন প্রণালি এই দেশ দুটিকে পৃথক করেছে, হরমুজ প্রণালি নয়। B) সৌদি আরব ও ইয়েমেন — এরা একে অপরের স্থল সীমান্ত দ্বারা যুক্ত, কোনো প্রণালি দ্বারা নয়। C) ইরান ও ওমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) ইরান ও কুয়েত — এই দেশ দুটি পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত হলেও হরমুজ প্রণালি এদের পৃথক করেনি। মনে রাখার টিপস: হরমুজ প্রণালি মনে রাখতে ই-ও (ইরান-ওমান) সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a হাজাছড়া
b সাজেক ভ্যালি
c মম্তপ বনবিহার
d পেদা টিংটিং
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাজেক ভ্যালি কেন সঠিক: - সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি উপত্যকা, যা মেঘের রাজ্যের জন্য বিখ্যাত। - পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত হওয়ায় এবং চারপাশ মেঘে ঢাকা থাকার কারণে ভৌগোলিক অবস্থানের জন্য একে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাজাছড়া — এটি রাঙামাটির একটি জনপ্রিয় জলপ্রপাত বা ঝরনা, যা ছাদ বা উপত্যকা নয়। B) সাজেক ভ্যালি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। C) মম্তপ বনবিহার — এটি রাঙামাটিতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার, যা কোনো প্রাকৃতিক উপত্যকা বা ছাদ বোঝায় না। D) পেদা টিংটিং — এটি কাপ্তাই হ্রদের মাঝখানে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন দ্বীপ ও রেস্তোরাঁ। মনে রাখার টিপস: সাজেকের উঁচু পাহাড় মানেই মেঘের ছাদ, তাই এটি রাঙামাটির ছাদ নামে পরিচিত।
a নোয়াখালী
b চট্টগ্রাম
c কুমিল্লা
d ভোলা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নোয়াখালী কেন সঠিক: - ভাসানচর প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার আওতাধীন একটি দ্বীপ। - দ্বীপটি মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত হলেও এর মূল ভূখণ্ড নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নোয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভাসানচর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অংশ। B) চট্টগ্রাম — এটি ভুল কারণ ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে এটি চট্টগ্রাম বিভাগের অধীনে হলেও চট্টগ্রাম জেলার অংশ নয়। C) কুমিল্লা — এটি ভুল কারণ কুমিল্লা একটি ভিন্ন জেলা এবং এর সাথে ভাসানচরের কোনো প্রশাসনিক বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) ভোলা — এটি ভুল কারণ ভোলা একটি আলাদা দ্বীপ জেলা এবং ভাসানচর ভোলার সীমানার বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ভাসানচর দেখতে সাগরে হলেও এর প্রশাসনিক অভিভাবক নোয়াখালীর হাতিয়া।
a আইন
b সমাজ
c ধর্ম
d প্রতিবেশী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমাজ কেন সঠিক: - সমাজ মানুষের আচরণের ওপর সামাজিক নিয়ম ও অনুশাসনের মাধ্যমে নৈতিক বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। - সামাজিক মূল্যবোধ ও প্রথার কারণেই মানুষ অন্যের কল্যাণ ও সমাজসেবামূলক কাজ করতে নৈতিকভাবে বাধ্য থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন — আইন মূলত মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি অমান্য করলে শাস্তির বিধান থাকে, যা নৈতিক বাধ্যবাধকতার চেয়ে আইনি বাধ্যবাধকতা। B) সমাজ — সমাজ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে নৈতিক দায়িত্ব ও সমাজসেবামূলক কাজের অনুমোদন ও বাধ্যবাধকতা তৈরি করে। C) ধর্ম — ধর্ম মানুষকে নৈতিকতা শেখালেও সমাজসেবামূলক কাজের সার্বজনীন সামাজিক বাধ্যবাধকতা নির্ধারণের প্রধান ক্ষেত্র সমাজ। D) প্রতিবেশী — প্রতিবেশী সমাজের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু এককভাবে পুরো সমাজের জন্য নৈতিক বাধ্যবাধকতা আরোপ করার ক্ষমতা প্রতিবেশীর নেই। মনে রাখার টিপস: সমাজসেবামূলক কাজ মানেই সমাজের সাথে সম্পর্কিত, তাই নৈতিক বাধ্যবাধকতার উৎস হলো সমাজ।
a বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
b জনগণের সজাগ দৃষ্টি
c গণতন্ত্র
d আইন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আইন কেন সঠিক: - আইন হলো নাগরিকের অধিকার সুরক্ষার মূল ভিত্তি, যা সরকারের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে এবং ব্যক্তির স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। - আইনের শাসন না থাকলে রাষ্ট্রে স্বেচ্ছাচারিতা বৃদ্ধি পায় এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা — এটি নাগরিক অধিকার রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, বিচার বিভাগ মূলত আইন প্রয়োগ ও বিচারকার্য পরিচালনা করে থাকে। B) জনগণের সজাগ দৃষ্টি — এটি নাগরিক অধিকার রক্ষায় সহায়ক শক্তি হলেও, লিখিত আইন ছাড়া কেবল সচেতনতা নাগরিকদের আইনি সুরক্ষা দিতে পারে না। C) গণতন্ত্র — এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি পদ্ধতি মাত্র, যা নাগরিক অধিকারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে কিন্তু সরাসরি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে না। D) আইন — এটি সরাসরি নাগরিক অধিকার নির্ধারণ করে এবং লঙ্ঘিত হলে প্রতিকারের আইনি বিধান নিশ্চিত করে। মনে রাখার টিপস: নাগরিক অধিকার রক্ষার সবচেয়ে শক্তিশালী ঢাল হলো আইন, কারণ আইনই নির্ধারণ করে কার কী অধিকার আছে।
a সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
b বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
c সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
d অর্থ মন্ত্রণালয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী জোরদার করার কাজ করে। - এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে টিসিবি বা ওএমএস কার্যক্রমের বাইরে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে বিধায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দায়িত্বে রয়েছে। B) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্য এবং টিসিবির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করে। C) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় দেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করে। D) অর্থ মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব নীতি ও সার্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে থাকে। মনে রাখার টিপস: পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, তাই ফ্যামিলি কার্ডও এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
a মোনাকো
b পালাউ
c টুভালু
d নাউরু
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাউরু কেন সঠিক: - নাউরু বিশ্বের একমাত্র স্বাধীন রাষ্ট্র যার কোনো নির্দিষ্ট রাজধানী শহর নেই। - দেশটির ইয়ারেন জেলা সরকারিভাবে দেশের প্রশাসনিক কাজের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এটি কোনো রাজধানী শহর নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোনাকো — মোনাকোর রাজধানী হলো মোনাকো সিটি, যা দেশটির একটি বিখ্যাত প্রশাসনিক অঞ্চল। B) পালাউ — পালাউয়ের রাজধানীর নাম হলো এনগেরুলমুড, যা মেলিকিউক রাজ্যে অবস্থিত। C) টুভালু — টুভালুর রাজধানী হলো ফুনাফুটি, যা দেশটির প্রধান প্রশাসনিক ও জনবহুল আটলান। D) নাউরু — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: নাউরু একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র, যার কোনো রাজধানী নেই এবং ইয়ারেন এর প্রধান জেলা।
a টোকিও
b ঢাকা
c জাকার্তা
d বেইজিং
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) টোকিও কেন সঠিক: - জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নগর গবেষণা সংস্থার সাম্প্রতিক জনমিতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী জাপানের রাজধানী টোকিও বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মেগাসিটি। - টোকিও মহানগর অঞ্চলে জনসংখ্যা প্রায় তিন কোটি ৭০ লক্ষের বেশি, যা একে বিশ্বের শীর্ষ মেগাসিটির স্থান দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোকিও — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যাযুক্ত মেগাসিটি হিসেবে স্বীকৃত। B) ঢাকা — এটি বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ ও দ্রুত বর্ধনশীল মেগাসিটি হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে টোকিওর পরে অবস্থান করে। C) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী ও একটি মেগাসিটি, তবে জনসংখ্যার দিক থেকে টোকিওর চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। D) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী ও বিশাল জনবহুল শহর হলেও টোকিওর তুলনায় এর মোট মহানগর জনসংখ্যা কম। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের শীর্ষ মেগাসিটি মনে রাখতে টোকিও শব্দটি মনে রাখুন, কারণ জনবহুল এই জাপানি শহরটি দীর্ঘকাল ধরে তালিকার শীর্ষে রয়েছে।
a সদরঘাট
b জিঞ্জিরা
c শরীয়তপুর
d চাঁদপুর
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সদরঘাট কেন সঠিক: - বাকল্যান্ড বাঁধ বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকার সদরঘাটে অবস্থিত। - এটি ১৮৬৪ সালে নির্মিত হয় এবং এটি ঢাকার একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থাপনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সদরঘাট — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাকল্যান্ড বাঁধ এখানেই অবস্থিত। B) জিঞ্জিরা — এটি বুড়িগঙ্গা নদীর অপর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক এলাকা হলেও এখানে বাকল্যান্ড বাঁধ নেই। C) শরীয়তপুর — এটি একটি দক্ষিণ অঞ্চলের জেলা যেখানে এই বাঁধ অবস্থিত নয়। D) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর এলাকা হলেও এখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাকল্যান্ড বাঁধ সদরঘাটে বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত, এটি সহজে মনে রাখতে সদরঘাট ও বুড়িগঙ্গা নদীর নাম একসঙ্গে স্মরণ করুন।
a নিউইয়র্ক
b ক্যালিফোর্নিয়া
c লন্ডন
d জেনেভা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্যালিফোর্নিয়া কেন সঠিক: - স্পেস এক্স মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের হাতহর্ন শহরে এর সদর দপ্তর পরিচালনা করে। - এটি বিখ্যাত উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শীর্ষস্থানীয় মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হলেও স্পেস এক্সের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঙ্গরাজ্যের হাতহর্নে প্রতিষ্ঠানটির মূল কার্যালয় রয়েছে। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে স্পেস এক্সের কোনো সদর দপ্তর নেই। D) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি আন্তর্জাতিক শহর, যা এই মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ইলন মাস্কের স্পেস এক্স রকেটের মূল কারখানা ও সদর দপ্তর আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত।
a আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
b লোহার দেওয়াল
c বর্ণশালা
d নিরস্ত্রীকরণ
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন সঠিক: - এটি ইসরায়েলের তৈরি একটি অত্যাধুনিক মোবাইল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম যা স্বল্পপাল্লার রকেট ও মর্টারের শেল প্রতিহত করে। - রাডার ও ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের সাহায্যে এটি শূন্যে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি সামরিক প্রযুক্তির নাম। B) লোহার দেওয়াল — এটি কোনো আক্ষরিক অর্থে কংক্রিট বা লোহার দেওয়াল নয়, বরং এটি একটি ইলেকট্রনিক ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। C) বর্ণশালা — এটি কোনো রঙের ঘর বা চিত্রশালা নয়, এটি মূলত সামরিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। D) নিরস্ত্রীকরণ — এর অর্থ অস্ত্র কমানো বা সংকুচিত করা, কিন্তু আয়রন ডোম নিজেই একটি শক্তিশালী সামরিক অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। মনে রাখার টিপস: আয়রন ডোম নামের শেষে ডোম বা গম্বুজ শব্দ রয়েছে, যা আকাশ ঢেকে রাখার বা সুরক্ষার প্রতীক হিসেবে মনে রাখা যায়।
a ডোমরা
b পায়রা
c আখাউড়া
d বুড়িমারী
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পায়রা কেন সঠিক: - পায়রা হলো বাংলাদেশের একটি সমুদ্র বন্দর, যা পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত। - এটি স্থল বন্দর নয়, তাই এটি জলপথ বা সমুদ্র বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডোমরা — এটি লালমনিরহাট জেলার একটি স্থল বন্দর। B) পায়রা — এটি সমুদ্র বন্দর হওয়ায় স্থল বন্দর নয়। C) আখাউড়া — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থল বন্দর। D) বুড়িমারী — এটি লালমনিরহাট জেলার একটি স্থল বন্দর। মনে রাখার টিপস: পায়রা ও মোংলা হলো সমুদ্র বন্দর, আর আখাউড়া ও বুড়িমারী হলো স্থল বন্দর।
a রাঙামাটি
b বান্দরবান
c কক্সবাজার
d কুমিল্লা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙামাটি কেন সঠিক: - রাঙামাটি জেলার সাথে ভারতের মিজোরাম রাজ্য এবং মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। - বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার দুটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংযুক্ত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর সাথে দুটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। B) বান্দরবান — এই অপশনের সাথে শুধু ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত থাকলেও এটি দুটি দেশের সীমান্তযুক্ত জেলা নয়। C) কক্সবাজার — এই অপশনটি ভুল কারণ এর সাথে শুধুমাত্র মিয়ানমার দেশের সীমান্ত রয়েছে। D) কুমিল্লা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর সাথে শুধুমাত্র ভারতের সীমান্ত রয়েছে, কোনো দ্বিতীয় দেশের সীমান্ত নেই। মনে রাখার টিপস: রাঙামাটির ইংরেজী নামের প্রথম অক্ষর আর দিয়ে মনে রাখতে পারো দুই দেশের সাথে এর রয়েছে বর্ডার।
a জো বাইডেন
b কমলা হ্যারিস
c হিলারি ক্লিনটন
d কোনটিই নয়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) কমলা হ্যারিস কেন সঠিক: - ২০২৪ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ছিলেন কমলা হ্যারিস। - এই নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জো বাইডেন — তিনি প্রাথমিকভাবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হলেও পরবর্তীতে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। B) কমলা হ্যারিস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাইডেনের পরিবর্তে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান প্রার্থী হন এবং ট্রাম্পের মুখোমুখি হন। C) হিলারি ক্লিনটন — তিনি ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে নন। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের বিপরীতে ছিলেন ডেমোক্রেটিক নেত্রী কমলা হ্যারিস।
a মায়ানমার
b উত্তর কোরিয়া
c আফগানিস্তান
d রাশিয়া
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আফগানিস্তান কেন সঠিক: - আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর তালেবান সরকার দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে এবং ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে। - এই নীতির অংশ হিসেবে দেশটিতে সব ধরনের বিদেশি মুদ্রার লেনদেন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং এখানে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত হলেও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়। B) উত্তর কোরিয়া — এটি একটি কঠোর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রित অর্থনীতি হলেও সম্প্রতি বিদেশি মুদ্রা নিষিদ্ধ করার এই আলোচিত ঘটনা এখানে ঘটেনি। C) আফগানিস্তান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। ডি) রাশিয়া — পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়া উল্টো তাদের তেল ও গ্যাস বিক্রির ক্ষেত্রে রুবল বা নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে। মনে রাখার টিপস: যেই রাষ্ট্রে তালেবান সরকার ক্ষমতায় এসে দেশীয় মুদ্রাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে, সেটি হলো আফগানিস্তান।
a চীন
b জাপান
c ভারত
d দক্ষিণ কোরিয়া
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাপান কেন সঠিক: - ২০২৬ সালের ২০তম এশিয়ান গেমস জাপানের আইচি ও নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত হওয়ার নির্ধারিত তারিখ রয়েছে। - অলিম্পিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এশিয়ার এই বৃহত্তম ক্রীড়া আসর জাপানে আয়োজিত হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন এশিয়ান গেমসের ২০২৬ সালের স্বাগতিক দেশ নয়, দেশটি এর আগে ২০২৩ সালের ১৯তম এশিয়ান গেমস সফলভাবে আয়োজন করেছিল। B) জাপান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ২০২৬ সালের ২০তম এশিয়ান গেমসের নির্ধারিত আয়োজক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। C) ভারত — ভারত ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমসের স্বাগতিক দেশ নয়, দেশটি অতীতে ১৯৫১ ও ১৯৮২ সালে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল। D) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমসের আয়োজক নয়, দেশটি ২০১৪ সালে সর্বশেষ এই গেমস আয়োজন করেছিল। মনে রাখার টিপস: জাপানের নাগোয়া শহরে দুই ও ছয়ে ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হবে।
a ফার্নেস অয়েল
b পেট্রোল
c ডিজেল
d কেরোসিন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডিজেল কেন সঠিক: - বাংলাদেশে আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি কারণ এটি দেশের পরিবহন খাত, কৃষি সেচ পাম্প এবং শিল্প কারখানার জেনারেটরে প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - দেশের সামগ্রিক জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগই ডিজেল আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্নেস অয়েল — এটি মূলত বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ভারী শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয়, যা ডিজেলের মতো সর্বস্তরে ও পরিমাণে ব্যবহৃত হয় না। B) পেট্রোল — এটি প্রধানত ব্যক্তিগত হালকা মোটরযান ও মোটরসাইকেলে ব্যবহৃত হয়, যার সামগ্রিক ব্যবহার ডিজেলের তুলনায় অনেক কম। D) কেরোসিন — এটি গ্রামাঞ্চলে কুপি ও রান্নার কাজে একসময় ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এর ব্যবহার ও আমদানির পরিমাণ খুবই সীমিত। মনে রাখার টিপস: যানবাহন ও কৃষিকাজে সবচেয়ে বেশি চলে ডিজেল, তাই আমদানিতেও এটি শীর্ষে।

মোট প্রশ্ন (3)

a হৃৎপিণ্ডে
b গলায়
c ফুসফুসে
d নাকে
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফুসফুসে ১. কেন সঠিক: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি মারাত্মক সংক্রমণ যা মূলত ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাইকে আক্রান্ত করে। সংক্রমণের ফলে বায়ুথলিগুলোতে পুঁজ বা তরল পদার্থ জমে যায়, যা অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের স্বাভাবিক গ্যাসীয় বিনিময় ব্যাহত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউমোনিয়া একটি প্রদাহজনিত রোগ যা প্রধানত স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিয়া নামক ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের কারণে ঘটে। কার্যপ্রণালি: জীবাণু শ্বাসনালী দিয়ে প্রবেশ করে সরাসরি ফুসফুসের ক্ষুদ্রতম একক অ্যালভিওলাইতে পৌঁছায় এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি করে রোগ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঠান্ডা লাগার পর তীব্র কাশি এবং শ্বাসকষ্ট হওয়া নিউমোনিয়ার লক্ষণ। ব্যাখ্যা: ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় ফুসফুস পর্যাপ্ত অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না, ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। উদাহরণ ২: বয়স্ক ব্যক্তি বা শিশুদের শীতকালে ফুসফুসে ইনফেকশন হওয়া। ব্যাখ্যা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকায় এদের ফুসফুস খুব দ্রুত জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃৎপিণ্ডে — হৃৎপিণ্ড রক্ত পাম্প করার অঙ্গ, নিউমোনিয়া এখানে হয় না, হৃৎপিণ্ডে মায়োকার্ডাইটিস বা হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। B) গলায় — গলায় টনসিল বা ফ্যারিনজাইটিস রোগ হয়, এটি ফুসফুসের রোগ নিউমোনিয়ার অংশ নয়। C) ফুসফুসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া সরাসরি ফুসফুসকে আক্রমণ করে। D) নাকে — নাকে সর্দি বা সাইনুসাইটিস হতে পারে, যা ফুসফুসের নিউমোনিয়া রোগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: নিউমোনিয়া শব্দের প্রথম অংশ নিউমো নির্দেশ করে বায়ু বা ফুসফুসকে। ফুসফুসের অপর নাম ফুসফুসীয় বা পালমোনারি, তাই নিউমোনিয়া মানেই ফুসফুসের প্রদাহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউমোনিয়া সৃষ্টিকারী প্রধান ব্যাকটেরিয়ার নাম স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিয়া। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহের রোগ ও সংশ্লিষ্ট অঙ্গ হিসেবে আসে।
a নিউরন
b কোষ
c ক্রোমোজোম
d টিস্যু
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোষ ১. কেন সঠিক: - কোষ হলো জীবের গঠনগত এবং কার্যগত একক কারণ সকল জীব এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত এবং কোষের ভেতরেই জীবনের সব জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। - কোষের ভেতর শক্তি উৎপাদন, বিপাক এবং বংশগতির ধারা বজায় রাখার মতো সব জীবন প্রক্রিয়া একসঙ্গে কাজ করে জীবনকে টিকিয়ে রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবদেহের গঠন ও কাজের একক হলো কোষ, যা বৈজ্ঞানিকভাবে রবার্ট হুক প্রথম আবিষ্কার করেন। - কার্যপ্রণালি: কোষের ভেতর থাকা অঙ্গাণুগুলো সুনির্দিষ্ট নিয়মে কাজ করে জীবদেহকে সচল ও পুষ্ট রাখে। - বাস্তব প্রয়োগ: মানুষের ত্বক বা উদ্ভিদের পাতা কোটি কোটি কোষের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে বহিরাগত আঘাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যামিবা এককোষী প্রাণী। ব্যাখ্যা: একটিমাত্র কোষ দিয়েই অ্যামিবা তার খাদ্য গ্রহণ, শ্বসন এবং প্রজননসহ সব কাজ সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: মানুষের রক্তকণিকা বহুকোষী জীবের অংশ। ব্যাখ্যা: লোহিত রক্তকণিকা কোষে হিমোগ্লোবিন থাকে যা সারা দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে এবং জীবন রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউরন — নিউরন হলো স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক, যা উদ্দীপনা পরিবহন করে কিন্তু সমগ্র জীবের মৌলিক একক নয়। B) কোষ — এই অপশনটি সঠিক এবং জীববিজ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে এটি সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত। C) ক্রোমোজোম — ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহনকারী সূত্রাকার অংশ, এটি কোষের অঙ্গাণু মাত্র। D) টিস্যু — টিস্যু হলো একই উৎস থেকে উৎপন্ন কিছু কোষের সমষ্টি, যা কোষের চেয়ে উচ্চতর গঠনের স্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীব মানেই কোষ। কোষ ছাড়া কোনো জীবন গঠিত হতে পারে না, তাই এটিই মৌলিক একক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কোষ আবিষ্কার করেন রবার্ট হুক এবং জীবদেহের কোষ নিয়ে পড়াশোনাকে সাইটোলজি বলা হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a রিকেটস
b বেরিবেরি
c রাতকানা
d স্কার্ভি
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাতকানা ১. কেন সঠিক: ভিটামিন 'এ' এর অভাবে চোখের রড কোষের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, যার ফলে কম আলোতে বা রাতে দেখতে সমস্যা হয়। এই অবস্থাকে রাতকানা বা নিকটালোপিয়া বলা হয়, যা মানবদেহের পুষ্টিহীনতার একটি পরিচিত লক্ষণ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন 'এ' হলো একটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা চোখের দৃষ্টিশক্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। কার্যপ্রণালি: আমাদের চোখের রেটিনায় রড কোষ রোডপসিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি করে, যা ভিটামিন 'এ' এর সাহায্যে কম আলোতে দেখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাজর এবং মিষ্টি আলু ভিটামিন 'এ' বা বেটা-ক্যারোটিনের চমৎকার উৎস। ব্যাখ্যা: এগুলো নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন 'এ' এর চাহিদা পূরণ হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। উদাহরণ ২: ছোট মাছ এবং কলিজা প্রাণীজ উৎসের ভিটামিন 'এ' এর প্রধান উৎস। ব্যাখ্যা: এই খাবারগুলো চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিকেটস — এটি ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে হয়, যা শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল করে তোলে। B) বেরিবেরি — এটি ভিটামিন 'বি ১' বা থায়ামিনের অভাবে হয়, যা স্নায়ুতন্ত্র ও হৃৎপিণ্ডের সমস্যা তৈরি করে। C) রাতকানা — এটি সঠিক উত্তর এবং ভিটামিন 'এ' এর অভাবজনিত রোগ। D) স্কার্ভি — এটি ভিটামিন 'সি' এর অভাবে হয়, যার প্রধান লক্ষণ মাড়ি থেকে রক্তপাত। ৫ মনে রাখার টিপস: চোখের দৃষ্টির সাথে ভিটামিন 'এ' এর সম্পর্ক মনে রাখতে 'এ' ফর আই বা চোখ মনে রাখতে পারেন। ভিটামিন 'এ' এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই কমন একটি প্রশ্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন 'এ' এর রাসায়নিক নাম হলো রেটিনল। একই রকম প্রশ্ন আসতে পারে যে ভিটামিন 'এ' কোন ধরনের ভিটামিন, সেক্ষেত্রে উত্তর হবে এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন।

মোট প্রশ্ন (1)

a Certified Copy
b Carbon Copy
c Collected Copy
d Carbon Certified
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ই-মেইলের ক্ষেত্রে CC-এর পূর্ণরূপ হলো Carbon Copy। এই ফিল্ড ব্যবহার করে মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে ই-মেইলের একটি অনুলিপি পাঠানো যায় এবং প্রাপকরা সবাই দেখতে পান কার কার কাছে মেইলটি পাঠানো হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: CC হলো ই-মেইলের একটি অপশন যার মাধ্যমে মূল প্রাপক ছাড়াও একই বার্তা অন্য কারো কাছে দৃশ্যমানভাবে পাঠানো সম্ভব। কার্যপদ্ধতি: মেইল পাঠানোর সময় মূল প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা 'To' ফিল্ডে এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ঠিকানা 'CC' ফিল্ডে লিখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের প্রধান ব্যবস্থাপক কোনো নির্দেশিকা শাখা প্রধানকে পাঠাতে পারেন এবং একই নির্দেশিকা অবগতির জন্য বিভাগের সব সহকর্মীকে CC-তে রাখতে পারেন। ব্যাখ্যা: এর ফলে শাখা প্রধান বুঝতে পারেন যে অন্যরাও এই বার্তাটি সম্পর্কে অবগত আছেন। উদাহরণ ২: কোনো প্রজেক্টের অগ্রগতি রিপোর্ট ক্লায়েন্টকে পাঠানোর সময় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে CC-তে রাখা হয়। ব্যাখ্যা: এতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত কোনো পদক্ষেপ না নিয়েও পুরো যোগাযোগ প্রক্রিয়াটির তদারকি করতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Certified Copy — এই শব্দগুচ্ছটি দালিলিক বা আইনি নথির ক্ষেত্রে সত্যয়িত অনুলিপির অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ইলেকট্রনিক মেইলে প্রচলিত নয়। B) Carbon Copy — এটি সঠিক কারণ টাইপরাইটারের যুগে কার্বন পেপার ব্যবহার করে যেভাবে অবিকল অনুলিপি তৈরি করা হতো, ই-মেইলে এর ডিজিটাল রূপই হলো এই CC। C) Collected Copy — এই ধরনের কোনো কারিগরি পরিভাষা ই-মেইলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। D) Carbon Certified — এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন শব্দগুচ্ছ, যার কোনো বাস্তব প্রযুক্তিগত অস্তিত্ব নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: পুরোনো দিনের কার্বন পেপারের কথা মনে রাখলেই CC-এর আসল অর্থ অর্থাৎ Carbon Copy খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-মেইলে দৃশ্যমান অনুলিপির জন্য যেমন CC ব্যবহার করা হয়, তেমনি গোপন বা অদৃশ্য অনুলিপির জন্য BCC বা Blind Carbon Copy ব্যবহার করা হয়ে থাকে।