সঠিক উত্তর: A) মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট
১. কেন সঠিক:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে এবং বিসর্গযুক্ত পদটি যেমন আছে তেমনি বসে।
- এখানে মনঃ শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং কষ্টের শুরুতে ক আছে, তাই বিসর্গ বহাল থেকে মনঃকষ্ট শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের সঙ্গে অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ধ্বনির মিলনে বিসর্গ লোপ পায় না।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে যদি ক, খ, প, ফ থাকে তবে বিসর্গের কোনো পরিবর্তন হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অহঃ + কার = অহংকার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকার কারণে বিসর্গ অপরিবর্তিত থেকে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাচঃ + পতি = বাচস্পতি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে প থাকার কারণে বিসর্গ অপরিবর্তিত থেকে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং সঠিক নিয়মে গঠিত হয়েছে।
B) চক্ষু+রোগ = চক্ষূরোগ — এই সন্ধিটি ভুল কারণ চক্ষু শব্দের সঙ্গে রোগ যুক্ত হলে চক্ষুরোগ হয়, দীর্ঘ উকার হয় না।
C) পরি + কার = পরিস্কার — পরি এবং কার মিলে পরিষ্কার হয়, মূর্ধন্য ষ হবে, দন্ত স হবে না।
D) ইতঃ + মধ্যে = ইতিমধ্যে — ইতঃ এবং মধ্যে মিলে ইতিমধ্যে হয়, ইতিমধ্যে শব্দটি ভুল বানান।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গের পরে ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ যেমন আছে তেমনই রেখে যোগ করে দেবে।
- মনঃকষ্ট, অহংকার, বাচস্পতি শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করলে এই নিয়ম মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- বিসর্গের পর ক বা প থাকলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে, এই মূল সূত্রটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ক্ষুধ্+ পিপাসা
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনবর্ণের পর ব্যঞ্জনবর্ণ যুক্ত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। এখানে পূর্বপদের অন্ত্যস্থ ব্যঞ্জনবর্ণ 'ধ্' এবং পরপদের আদি বর্ণ 'প' মিলে সন্ধি সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। পদের অন্তে অবস্থিত বর্গের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ণের পর যদি অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ধ্বনি থাকে, তবে পূর্ববর্ণটি সাধারণত তার বর্গের তৃতীয় বর্ণে রূপান্তরিত হয় অথবা নিয়মানুসারে পরিবর্তিত হয়। এখানে ক্ষুধ্ যোগ পিপাসা মিলে ক্ষুৎপিপাসা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎ + পথ = সৎপথ
ব্যাখ্যা: ত এর পর প থাকায় প্রথম পদ তার নিয়মে পরিবর্তিত হয়ে যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৎ + সম = তৎসম
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনের মাধ্যমে এই সন্ধি সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষুদ্ + পিপাসা — এখানে পূর্বপদে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে কারণ মূল শব্দ ক্ষুধা থেকে 'ধ্' আসে।
C) ক্ষুত্ + পিপাসা — এখানে খণ্ডত বা ত ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের উৎপত্তির নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
D) ক্ষুৎ + পিপাসা — এখানে বিসর্গ বা অতিরিক্ত খণ্ডত ব্যবহারের কারণে বানান ও নিয়ম সঠিক হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্ষুৎপিপাসা শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় মনে রাখতে হবে এর মূল উৎস ক্ষুধা শব্দ। তাই ক্ষুধ্ এর সঙ্গে পিপাসা যোগ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যতিক্রমী সন্ধিগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বানানরীতি মেনে সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় শব্দের মূল রূপ খেয়াল রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ক্+ষ+ন
১. কেন সঠিক:
'তীক্ষ্ণ' শব্দটিতে একটি যুক্তব্যঞ্জন রয়েছে যা মূলত তিনটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এই যুক্তবর্ণটি হলো ক্ষ্ন, যা ভাঙলে ক্, ষ এবং ন পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ তিনটি বর্ণ মিলে গঠিত হয়। ক্ষ্ন যুক্তবর্ণটি ক, ষ এবং ন এই তিনটি বর্ণ যোগে গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তীক্ষ্ণতর
ব্যাখ্যা: তীক্ষ্ণ শব্দের তুলনামূলক রূপ হলো তীক্ষ্ণতর।
উদাহরণ ২: তীক্ষ্ণতা
ব্যাখ্যা: তীক্ষ্ণ শব্দ থেকে গঠিত একটি বিশেষ্য পদ হলো তীক্ষ্ণতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্+ষ+ম — এই যুক্তবর্ণটি 'ক্ষ্ম' গঠন করে যা লক্ষ্মী শব্দে ব্যবহৃত হয় কিন্তু তীক্ষ্ণ শব্দে নেই।
B) ক্+ষ+ন — এই যুক্তবর্ণটি সঠিক এবং এটি তীক্ষ্ণ শব্দের যুক্তব্যঞ্জনের বিশ্লেষণ।
C) ক+হ+ণ — এই যুক্তবর্ণটি প্রমিত বাংলা বানানে ব্যবহৃত হয় না এবং এটি ভুল বিশ্লেষণ।
D) ক্+ষ+ণ — এই অপশনে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু তীক্ষ্ণ শব্দে দন্ত্য ন রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
তীক্ষ্ণ বানানটি লেখার সময় খেয়াল রাখবে যে ক্ষ এর নিচে ন যুক্ত হয়। ক্ষ্ন মানে ক্+ষ+ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তিনবর্ণের যুক্তবর্ণ যেমন ক্ষ্ন, ষ্ক্র, ঙক্ত ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন আসে। বানানের সঠিক রূপ মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নে প্রদত্ত চারটি বাগধারার মধ্যে প্রথম তিনটি বাগধারা কপট বা ভণ্ড সাধু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- একমাত্র ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির বাগধারাটি অতিশয় সত্যবাদী বা নিষ্কলুষ চরিত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা অর্থের দিক থেকে ব্যতিক্রম।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে।
- এই প্রশ্নটিতে শব্দার্থের মিল বা অমিলের ওপর ভিত্তি করে ব্যতিক্রম বা ভিন্নার্থক বাগধারাটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুম্ভীরাশ্রু
ব্যাখ্যা: কুম্ভীরাশ্রু অর্থ বোঝায় তীরের কান্না বা ভণ্ড কান্না, যা বিড়াল তপস্বী বা বক ধার্মিকের সমার্থক।
উদাহরণ ২: কাগভুষুন্ডি
ব্যাখ্যা: কাগভুষুন্ডি অর্থ দীর্ঘজীবী বা প্রাচীন ব্যক্তি, যা সাধারণ মানুষের বৈশিষ্ট্য থেকে ব্যতিক্রমধর্মী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিড়াল তপস্বী — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড সাধু, যা প্রশ্নের অন্যান্য ভণ্ড ভাবাপন্ন বাগধারার সঙ্গে মিলে যায় এবং ব্যতিক্রম নয়।
B) বক ধার্মিক — এই বাগধারাটির অর্থও বিড়াল তপস্বীর মতো ভণ্ড সাধু বা ঠগ ব্যক্তি, যা এখানে সঠিক উত্তরের দাবি মেটায় না।
C) ভিজে বিড়াল — এই বাগধারাটির অর্থও নাদুস-নুদুস বা কপট ভীরু কিংবা চালাক প্রকৃতির লোক, যা ভণ্ডমির একটি রূপ।
D) ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির — এটি ব্যতিক্রম কারণ এর অর্থ অত্যন্ত সৎ বা সত্যবাদী ব্যক্তি, যা ভণ্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিড়াল তপস্বী, বক ধার্মিক এবং ভিজে বিড়াল এই তিনটিই শঠতা বা ভণ্ডামি প্রকাশ করে।
- একমাত্র ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির হলো চরম সততার প্রতীক, তাই এটিই এই গুচ্ছের ব্যতিক্রম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বাগধারার ভেতর থেকে ব্যতিক্রম বা বিপরীতার্থক বাগধারা খুঁজে বের করতে বলা হয়।
- তাই বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) আড়ং,রঙ,মোরগ
কেন সঠিক:
প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে আড়ং শব্দটি দেশি শব্দ হিসেবে পরিচিত।
রঙ এবং মোরগ শব্দ দুটি যথাক্রমে ফার্সি এবং পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষা গঠনের সময় বিভিন্ন ভাষার শব্দ এখানে এসে মিশে গেছে।
এর ফলে দেশি এবং বিদেশি শব্দের এক অপূর্ব মিলন ঘটেছে এই শব্দগুচ্ছে।
যেমন আড়ং হলো দেশি শব্দ এবং মোরগ হলো বিদেশি শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পোশাক, পছন্দ, হিসাব — এই শব্দগুলো মূলত ফার্সি বা আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
B) আড়ং,রঙ,মোরগ — এখানে দেশি এবং বিভিন্ন বিদেশি শব্দের সংমিশ্রণ ঘটেছে যা সঠিক উত্তরের বৈশিষ্ট্য।
C) আলাদা, লোকসান, জেলা — এই শব্দগুলো তুর্কি এবং ফার্সি ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দ।
D) দোকান, শনাক্ত, নিশান — এই শব্দগুলোর অধিকাংশই ফার্সি বা আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বিভিন্ন জাতীয় শব্দগুচ্ছ বলতে মূলত দেশি ও নানা বিদেশি শব্দের মিশ্রণকে বোঝানো হয়।
তাই দেশি শব্দের সাথে ভিন্ন ভাষার শব্দ পেলেই সেটি সঠিক উত্তর হিসেবে ধরে নেবে।
সঠিক উত্তর: C) হাসান হাফিজুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- 'শোকার্ত তরবারি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান।
- এই কাব্যগ্রন্থে মূলত বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন প্রগতিশীল কবি, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক।
- তিনি অমর একুশে স্মারকগ্রন্থের প্রথম সম্পাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বিমুখ প্রান্তর'
ব্যাখ্যা: এটি হাসান হাফিজুর রহমানের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: 'একুশে ফেব্রুয়ারি'
ব্যাখ্যা: এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত প্রথম সংকলন, যা ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রকাশিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুর রহমান — শামসুর রহমান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি হলেও 'শোকার্ত তরবারি' তার কাব্যগ্রন্থ নয়। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে 'প্রার্থনা সুন্দরের তরে' ও 'রৌদ্র করোটিতে' উল্লেখযোগ্য।
B) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ বাংলা কবিতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার রচিত নয়। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'লোক লোকান্তর' ও 'সোনালী কাবিন'।
C) হাসান হাফিজুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এই কাব্যগ্রন্থটি তার সঙ্গেই সরাসরি সম্পর্কিত।
D) নির্মলেন্দু গুণ — নির্মলেন্দু গুণ আধুনিক বাংলা কবিতার একজন জনপ্রিয় কবি হলেও এটি তার কাব্যগ্রন্থ নয়। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'হুলিয়া' ও 'বাংলার মাটি বাংলার জল'।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হাসান হাফিজুর রহমানের নাম মনে রাখতে পারেন তার বিখ্যাত সম্পাদিত সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' এবং কাব্যগ্রন্থ 'শোকার্ত তরবারি'র মাধ্যমে।
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম তালিকাভুক্ত করে চর্চা করতে পারেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিভিন্ন কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) জাহান্নাম হইতে বিদায়
১. কেন সঠিক:
- জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, যা মহাকাব্যিক উপন্যাসের ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার প্রেক্ষাপটে রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
- তার এই উপন্যাসে বৃহৎ পরিসর বা মহাকাব্যিক পটভূমি না থেকে একটি বিশেষ পরিবারের সংকট ও বুদ্ধিজীবী সমাজের আত্মজাগরণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোসেফ ম্যাকলারেন রচিত উপন্যাসের মতো মহাকাব্যিক উপন্যাস বিশাল ঐতিহাসিক সময়কে ধারণ করে।
ব্যাখ্যা: মহাকাব্যিক উপন্যাসে একাধিক প্রজন্ম ও বিশাল ভূখণ্ডের সামগ্রিক জীবনচিত্র ফুটে ওঠে।
উদাহরণ ২: বরফ গলা নদী একটি সামাজিক উপন্যাস, মহাকাব্যিক নয়।
ব্যাখ্যা: এটি ক্ষুদ্র পরিসরের মানুষের জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস, যা দক্ষিণ বাংলার গ্রামীণ জনপদের বিশাল ক্যানভাসে রচিত।
B) গায়ত্রী সন্ধ্যা — এটি প্রমথনাথ বিশী রচিত একটি বৃহৎ পরিসরের মহাকাব্যিক উপন্যাস, যা একাধিক যুগের ইতিহাস তুলে ধরে।
C) আগুন পাখি — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত দেশভাগ ও এর পরবর্তী বিশাল পটভূমির ওপর লেখা একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস।
D) জাহান্নাম হইতে বিদায় — এটি মহাকাব্যিক উপন্যাস নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মহাকাব্যিক উপন্যাস মনে রাখতে শহীদুল্লাহ কায়সারের সংশপ্তক এবং হাসান আজিজুল হকের আগুন পাখি নাম দুটি মাথায় রাখবে।
- শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় একটি কালখণ্ড ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোট পরিসরের উপন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা।
- উপন্যাসের পটভূমি বৃহৎ না হলে তাকে মহাকাব্যিক উপন্যাস বলা যায় না।
সঠিক উত্তর: C) সওগাত
১. কেন সঠিক:
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা থেকে 'সওগাত' নামক মাসিক সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা শুরু করেন।
এই পত্রিকাটি বাংলা মুসলিম সাহিত্য সমাজের মনন বিকাশ এবং নারী লেখকদের মুক্তবুদ্ধি চর্চায় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জগতের এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব।
'সওগাত' পত্রিকার মাধ্যমেই কাজী নজরুল ইসলামসহ সে সময়ের অনেক প্রগতিশীল লেখক ও সাহিত্যিক পরিচিতি লাভ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সওগাত পত্রিকা
ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি এই পত্রিকার দ্বিতীয় বর্ষের সপ্তম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বেগম পত্রিকা
ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন নারীদের সাহিত্যচর্চাকে এগিয়ে নিতে ১৯৪৭ সালে এই সাপ্তাহিক পত্রিকাটিও প্রতিষ্ঠা ও সম্পাদনা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোসলেম ভারত — এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন নন।
B) প্রগতি — বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্তের সম্পাদনায় ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা ছিল এটি।
D) সমকাল — সিকান্দার আবু জাফরের সম্পাদনায় ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ও সওগাত একে অপরের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায় কারণ তিনি আজীবন এই পত্রিকার সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন।
নারীদের সাহিত্যচর্চার কথা মনে রাখলে সওগাত এবং বেগম পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তাঁর নাম সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে সওগাত পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী, যার উত্তর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন।
পত্রিকাভিত্তিক প্রশ্নগুলোতে সম্পাদক এবং প্রকাশের স্থান বা সাল ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) মা
১. কেন সঠিক:
- যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অর্থপূর্ণ ছোট অংশ পাওয়া যায় না এবং যা অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে অর্থ প্রকাশ করে, তাকে মৌলিক শব্দ বলে।
- মা শব্দটি একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং মৌলিক শব্দ, যাকে বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে একটি হলো মৌলিক শব্দ।
- গঠন বা উৎসের বিচারে মৌলিক শব্দগুলো স্বাধীনভাবে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে এবং এগুলোর কোনো প্রত্যয় বা সন্ধিজাত রূপ থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাত
ব্যাখ্যা: হাত শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।
উদাহরণ ২: বই
ব্যাখ্যা: বই শব্দটিও বিশ্লেষণযোগ্য নয় এবং এটি স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করায় মৌলিক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাঁশি — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা বাঁশ শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
B) মা — এটি একটি মৌলিক শব্দ, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
C) তৈল — এটি একটি তৎসম শব্দ, যা তিল শব্দের পরিবর্তনের মাধ্যমে বা সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে।
D) জলধি — এটি একটি সমাসবদ্ধ বা সাধিত শব্দ, যার অর্থ জল ধারণ করে যা অর্থাৎ সমুদ্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ছোট ও এক syllables বা এক অক্ষরের পরিচিত শব্দগুলো সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়ে থাকে।
- যেসব শব্দকে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে মৌলিক শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সাধিত শব্দ চেনার জন্য প্রত্যয়, উপসর্গ ও সমাস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মিশ্র বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
এখানে 'যে পরিশ্রম করে' অংশটি হলো আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'সেই সুখ লাভ করে' অংশটি হলো প্রধান খণ্ডবাক্য, যা সাপেক্ষ সর্বনাম দ্বারা সংযুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠনভেদে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা: সরল বাক্য, মিশ্র বা জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
মিশ্র বাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যদি-তবে, যখন-তখন ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড় ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি দেশের সেবা করেন, সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'যিনি দেশের সেবা করেন' আশ্রিত বাক্য এবং 'সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে' প্রধান বাক্য হওয়ায় এটি মিশ্র বাক্য।
উদাহরণ ২: যদি তুমি পড়াশোনা করো, তবে পরীক্ষায় পাস করবে।
ব্যাখ্যা: শর্ত বোঝালে এবং সাপেক্ষ অব্যয় যুক্ত থাকলে তা মিশ্র বাক্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত বাক্যটি সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে গঠিত মিশ্র বাক্যের নিয়ম মেনে চলে।
B) সরল বাক্য — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে।
C) যৌগিক বাক্য — দুটি বা তার বেশি স্বাধীন বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত হলে যৌগিক বাক্য হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ব্যাস বাক্য — সমাসবদ্ধ পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ বা বাক্য তৈরি করা হয় তাকে ব্যাস বাক্য বলে, এটি বাক্য প্রকরণের কোনো শ্রেণি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে যদি যে-সে, যিনি-তিনি, যদি-তবে, যা-তা এই ধরনের জোড়া শব্দ থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি মিশ্র বা জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সরল বাক্যে কোনো খণ্ডবাক্য থাকে না এবং যৌগিক বাক্যে স্বাধীন বাক্যগুলো সংযোগকারী অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার চেনা সবচেয়ে সহজ উপায়।
মিশ্র বাক্যে একটি অংশ অন্য অংশের ওপর অর্থের জন্য নির্ভরশীল থাকে, যা সরল বা যৌগিক বাক্যে দেখা যায় না।
সঠিক উত্তর: D) অর্বাচীন - আধুনিক
১. কেন সঠিক:
- বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে জোড়টির অর্থগত মিল না থাকায় এই অপশনটি ভুল এবং প্রশ্নানুসারে এটিই সঠিক উত্তর।
- অর্বাচীন শব্দের অর্থ প্রাচীন নয়, এর অর্থ নবীন, আধুনিক বা অপ্রবীণ, তাই এর বিপরীত শব্দ প্রাচীন হওয়া উচিত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত বা উল্টো।
- শব্দগুলোর উৎসের দিক খেয়াল রেখে তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম এবং বাংলা শব্দের বিপরীতে বাংলা শব্দ ব্যবহার করা প্রমিত নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্বাচীন - প্রাচীন
ব্যাখ্যা: অর্বাচীন শব্দের অর্থ অনুন্নত বা কম বয়সী, যার বিপরীতার্থক শব্দ প্রাচীন বা প্রবীণ।
উদাহরণ ২: আধুনিক - প্রাচীন
ব্যাখ্যা: আধুনিক শব্দের প্রকৃত বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রাচীন, কারণ আধুনিক ও অর্বাচীন সমার্থক শব্দ নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমৃত - গরল — অমৃত শব্দের অর্থ সুধা এবং গরল শব্দের অর্থ বিষ, যা পরস্পর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
B) তস্কর - সাধু — তস্কর শব্দের অর্থ চোর এবং সাধু শব্দের অর্থ সৎ ব্যক্তি, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
C) কৃশ - স্হূল — কৃশ শব্দের অর্থ রোগা বা ক্ষীণ এবং স্হূল শব্দের অর্থ মোটা, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
D) অর্বাচীন - আধুনিক — অর্বাচীন ও আধুনিক সমার্থক শব্দ হওয়ায় এই জোড়টি ভুল এবং এটিই উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অর্বাচীন শব্দের সঙ্গে প্রাচীন শব্দটি যুক্ত করবে, কারণ আধুনিক শব্দের বিপরীতও প্রাচীন হয়।
- সমার্থক শব্দগুলোকে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ভুলভাবে জোড় করা থেকে সতর্ক থাকবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়।
- শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ জানা থাকলে এই ধরনের ভুল সহজেই এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সম্প্রদানে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
- স্বত্ব ত্যাগ করে বা কোনো প্রতিদান বা আশা ছাড়া কাউকে কোনো কিছু দান করা বুঝালে তাকে সম্প্রদান কারক বলে।
- এখানে প্রিয়জনকে নিজের ভালোবেসে বা নিঃস্বার্থভাবে দান করার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি সম্প্রদান কারক।
- দেবতারে শব্দটিতে 'এ' বা 'য়' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা বাংলায় সপ্তমী বিভক্তির রূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সম্প্রদান কারক হলো যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান, সাহায্য বা ভক্তিভরে কিছু প্রদান করা হয়।
- ব্যাকরণবিদদের মতে, স্বত্ব ত্যাগ না করলে আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে অনেক সময় তা কর্মকারক হিসেবে গণ্য হয়, তবে ভক্তি বা দেবতাকে উৎসর্গ করার ক্ষেত্রে এটি সম্প্রদান কারক হিসেবেই বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে ভিখারিকে নিঃস্বার্থভাবে দান করা বোঝানো হয়েছে, যা সম্প্রদান কারকের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: অন্ধজনে দেহ আলো।
ব্যাখ্যা: অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা দৃষ্টি দান করার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিদান চাওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় সপ্তমী — বাক্যটিতে কর্তা কোনো কাজ করছে তা প্রধান নয়, বরং যাকে দান করা হচ্ছে সেটিই মূল বিষয়।
B) কর্মে সপ্তমী — কর্মকারক হলো যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, কিন্তু এখানে স্বত্ব ত্যাগ করে দানের ভাব থাকায় এটি কর্ম নয়।
D) অপাদানে দ্বিতীয়া — অপাদান কারক থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয় পাওয়া বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিঃস্বার্থ দান, ভক্তিভরে অর্ঘ্য প্রদান বা কোনো প্রতিদান ছাড়া কিছু দিলে চোখ বুজে সম্প্রদান কারক দাগাবে।
- দেবতাকে বা নিঃস্বার্থভাবে কাউকে কিছু দেওয়া বোঝালে তা সর্বদা সম্প্রদান কারক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সম্প্রদান কারকের সবচেয়ে বড় শর্ত হলো স্বত্ব ত্যাগ বা নিঃস্বার্থভাবে প্রদান।
- পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে এবং এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার তরী কবিতার বিখ্যাত লাইন।
সঠিক উত্তর: B) কর্মে শূন্য
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার ওপর ক্রিয়া তার সম্পূর্ণ ফল গিয়ে পড়ে তাকে কর্মকারক বলে। এখানে কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিলো বাক্যে কুসুম কলি হলো কর্ম পদ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় তা শূন্য বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে এবং শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। এই বাক্যে কুসুম কলি হলো কর্মকারকের প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো।
ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার তাই এটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।
উদাহরণ ২: ফুল খোঁপায় গুঁজেছে।
ব্যাখ্যা: কী গুঁজেছে উত্তর ফুল তাই এটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় শূন্য — বাক্যে ফুটিলো ক্রিয়ার কাজটি কুসুম কলি নিজেই সম্পন্ন করছে না বরং কুসুম কলি ফুটছে তাই এটি কর্তা নয়।
B) কর্মে শূন্য — সঠিক উত্তর কারণ কুসুম কলি হলো কর্মকারক এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
C) করনে দ্বিতীয়া — করণ কারকের সাহায্যে বা মাধ্যমে বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম বা যন্ত্রের ব্যবহার নেই।
D) অপাদানে দ্বিতীয়া — অপাদান কারকে হতে বা থেকে বোঝায় এবং ত্যাত বা দূরত্ব প্রকাশ করে যা এখানে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। কর্মপদে কোনো বিভক্তি না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়ার সঙ্গে কী বা কাকে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। কর্মকারক চেনার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি সব সময় মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ঘরে বাইরে ও যোগাযোগ
১. কেন সঠিক:
- 'বিমলা' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের এবং 'কুমুদিনী' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- প্রশ্নটিতে দুটি উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্রগুলোর নাম উল্লেখ করে জানতে চাওয়া হয়েছে চরিত্র দুটি কোন উপন্যাসের অংশ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিকদের মধ্যে অন্যতম যিনি তার মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
- 'ঘরে বাইরে' (প্রকাশকাল ১৯১৬) উপন্যাসটি স্বদেশী আন্দোলন ও ত্রিকোণ প্রেমের পটভূমিতে রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- 'যোগাযোগ' (প্রকাশকাল ১৯২৯) উপন্যাসটি বনেদি ও উদীয়মান ধনী পরিবারের দ্বন্দ্ব এবং নারীর ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: চোখের বালি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মহেন্দ্র ও বিনোদিনী।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র বিনোদিনী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘরে বাইরে ও যোগাযোগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিমলা ঘরে বাইরে এবং কুমুদিনী যোগাযোগ উপন্যাসের চরিত্র।
B) চতুরঙ্গ ও যোগাযোগ — চতুরঙ্গ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শচীশ ও দামিনী, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ঘরে বাইরে ও শেষের কবিতা — শেষের কবিতা উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র লাবণ্য, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) চোখের বালি ও শেষের কবিতা — চোখের বালি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিনোদিনী ও আশা, তাই এই অপশনটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের নারী চরিত্র মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ঘরে বিমলা থাকে এবং যোগাযোগ হয় কুমুদিনীর সাথে।
- চরিত্রের নামের সাথে উপন্যাসের নাম জোড়া লাগিয়ে পড়লে পরীক্ষাসময়ে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সাহিত্য অংশের যেকোনো চরিত্রভিত্তিক উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয়
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটি শব্দগুচ্ছের মধ্যে অন্তত একটি করে বানান ভুল রয়েছে, যার ফলে কোনো অপশনই সম্পূর্ণ শুদ্ধ নয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শব্দের সঠিক বানান নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরীক্ষক যাচাই করে থাকেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য বর্ণ ও দন্ত্য বর্ণের ব্যবহার, ই-কার ও উ-কার এর সঠিক প্রয়োগ এবং রেফ এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব না হওয়ার নিয়মগুলো বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়মে অনেক তৎসম ও অতৎসম শব্দের বানানে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা সঠিকভাবে আত্মস্থ করতে হবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে দন্ত্য ন এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সান্ত্বনা বানানে কোনো মূর্ধন্য ব্যবহৃত হয় না, এটি ভুল ধারণা; বরং এখানে অনুস্বার ও ত এর নিচে ব ফলা যুক্ত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রুগ্ন, শিহরণ, বাল্মীকি — এই অপশনে রুগ্ন ও শিহরণ ঠিক থাকলেও বাল্মীকি বানান ভুল, কারণ বাল্মীকি বানানে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়।
B) অদ্যাবধি, তিরস্কার, ধরণ — এই অপশনে অদ্যাবধি ও তিরস্কার শুদ্ধ হলেও ধরণ বানান ভুল, প্রমিত বানানে ধরণ বানানটি মূর্ধন্য ন দিয়ে লিখতে হয় অর্থাৎ ধরণী বা ধরন।
C) দারুণ, দৈনতা, বৈচিত্র — এই অপশনে দারুণ শুদ্ধ হলেও দৈনতা অশুদ্ধ কারণ এর শুদ্ধ রূপ দীনতা এবং বৈচিত্র বানানটিও অসম্পূর্ণ, এর শুদ্ধ রূপ বৈচিত্র্য।
D) কোনটি নয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ A, B এবং C এর কোনোটিতেই সব শব্দ শুদ্ধ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বানান শেখার সময় তৎসম শব্দের মূল রূপ এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত নিয়মগুলো বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
- রেফ এর পরে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হয় না যেমন অর্জন, মূর্খ, এই নিয়মটি মনে রাখলে অনেক বানান ভুল হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একগুচ্ছ শব্দ দিয়ে শুদ্ধ বানান চাওয়া হলে প্রতিটি শব্দের বানান আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে।
- প্রমিত বানানরীতি এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত বানান পরিবর্তনের নিয়মগুলো ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রৈখিক
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি পরিভাষিক শব্দ 'Graphic' এর বাংলা সঠিক পরিভাষা হলো রৈখিক বা চিত্রসংক্রান্ত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা নির্ণয়ের জন্য শব্দার্থের গভীরতা ও প্রমিত রূপ জানা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যা বিশেষ কোনো ভাব, ধারণা বা ইংরেজি শব্দের পরিপূরক হিসেবে বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদ বা রূপান্তর করে এসব পারিভাষিক শব্দ তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Geography শব্দের পরিভাষা ভূগোল।
ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সার্বজনীন ও প্রমিত পারিভাষিক রূপ।
উদাহরণ ২: Constitution শব্দের পরিভাষা সংবিধান।
ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রীয় আইনের ক্ষেত্রে এটি সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য পারিভাষিক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নকশা — এটি সাধারণত Design শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।
B) রৈখিক — এটি সঠিক উত্তর এবং Graphic শব্দের পরিভাষা হিসেবে প্রমিত।
C) খসড়া — এটি Draft শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) অংকন — এটি Drawing শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ করার সময় ইংরেজি শব্দের মূল অর্থ এবং এর সাথে সম্পর্কিত বাংলা ক্ষেত্রটি মনে রাখবে।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য Design ও Graphic শব্দের বাংলা রূপ আলাদা করে চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পরিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত পরিভাষা অনুসরণ করলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) চাচা আপন প্রাণ বাঁচা
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবাদ 'Every man is for himself' এর ভাবানুবাদ হলো 'চাচা আপন প্রাণ বাঁচা'।
- এর মাধ্যমে মানুষের সহজাত আত্মকেন্দ্রিকতা ও বিপদের মুহূর্তে নিজের সুরক্ষাকে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়ার প্রবৃত্তি প্রকাশ পায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ ও প্রবচন।
- প্রবাদ হলো সমাজে প্রচলিত দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও জীবনদর্শনের সংক্ষিপ্ত ও শিল্পসম্মত প্রকাশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Barking dogs seldom bite.
ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা প্রবাদ হলো 'গর্জে ওঠলে বর্ষে না'।
উদাহরণ ২: Tit for tat.
ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা প্রবাদ হলো 'যেমন কর্ম তেমন ফল'।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় — এটি English প্রবাদ 'Where there is a will, there is a way' এর সঠিক বাংলা অনুবাদ।
B) চাচা আপন প্রাণ বাঁচা — এটিই প্রদত্ত ইংরেজি প্রবাদের সঠিক ভাবানুবাদ।
C) প্রত্যেকে আমরা পরের তরে — এটি কবি কামিনী রায়ের 'স্বাধীনতা' কবিতার বিখ্যাত চরণ এবং এর ভাবার্থ আলাদা।
D) সবার উপরে মানুষ সত্য — এটি চণ্ডীদাসের বিখ্যাত বাণী এবং মানবতাবাদের মূল সুর প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি বাক্যে প্রতিটা মানুষ নিজের জন্য কথাটি থাকলে বাংলায় বাঁচা সংক্রান্ত প্রবাদটি নির্বাচন করতে হবে।
- প্রবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্ব পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রবাদের বাংলা সঠিক অনুবাদ প্রায়ই আসে।
- প্রবাদ মুখস্থ না করে তার মূল ভাবার্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) দ্বিগু কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সম্যাস হয় এবং যার দ্বারা সমাহার বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- চৌরাস্তা শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো চার রাস্তার সমাহার, যা মিলন বা সমষ্টি বোঝানোর কারণে দ্বিগু কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হয়ে সম্পূর্ণ পদটি সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাস মূলত কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ, কারণ এতে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তেমাথা
ব্যাখ্যা: তিন মাথার সমাহার বোঝাতে এটি দ্বিগু সমাসের একটি নিখুঁত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: শতাব্দী
ব্যাখ্যা: শত অব্দের সমাহার বোঝাতে এই শব্দটি দ্বিগু সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিগু কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ চৌরাস্তা শব্দটি সমাহার অর্থে দ্বিগু সমাস গঠন করেছে।
B) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি — সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসে সমস্তপদটি অন্য কোনো পদকে বোঝায়, কিন্তু এখানে পদের নিজস্ব সমাহার অর্থ বজায় আছে।
C) অলুক বহুব্রীহি — অলুক বহুব্রীহিতে বিভক্তির লোপ পায় না, যা চৌরাস্তা শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) সমানাধকরণ বহুব্রীহি — সমানাধকরণ বহুব্রীহিতে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়, যা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাবাচক শব্দ + বিশেষ্য পদ + সমাহার বা সমষ্টি বুঝালে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে।
- বহু রাস্তার মিলন বুঝলেই তা দ্বিগু সমাসের আওতাভুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো শব্দ দেখলে প্রথমে দ্বিগু সমাস কি না তা যাচাই করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) অলুক বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক বহুব্রীহি সমাস বলে।
- কানে-কলম শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কানে কলম যার, এখানে কানে পদে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত আছে এবং সমস্তপদেও তা বহাল রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়।
- অলুক শব্দের অর্থ হলো লোপ না পাওয়া, অর্থাৎ বিভক্তির লোপ না পাওয়া অলুক সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গায়ে হলুদ
ব্যাখ্যা: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: হাতে খড়ি
ব্যাখ্যা: হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এখানেও হাতে পদের এ বিভক্তি লোপ পায়নি বলে এটি অলুক বহুব্রীহি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপপদ তৎপুরুষ — উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অলুক দ্বন্দ্ব — যে দ্বন্দ্ব সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে, কিন্তু এটি দ্বন্দ্ব সমাস নয়।
C) প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি — যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, ই ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয়ান্ত বলে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
D) অলুক বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে কানে পদের সপ্তমী বিভক্তি সমস্তপদেও অপরাজিত থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে যদি যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ থাকে এবং পূর্বপদে বিভক্তি অটুট থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে অলুক বহুব্রীহি দাগাবে।
- গায়ে, কানে, হাতে ইত্যাদি শব্দ দিয়ে শুরু হওয়া বহুব্রীহি সাধারণত অলুক বহুব্রীহি হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অলুক সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তি লোপ পাচ্ছে কি না, তা ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) প্রত্যক্ষ
১. কেন সঠিক:
অক্ষির অভিমুখে এককথায় প্রকাশ করলে প্রত্যক্ষ হয়। অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ বা দৃষ্টি, আর অভিমুখে অর্থ সামনে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এটি বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে - সমক্ষ
ব্যাখ্যা: চোখের সামনে কোনো ঘটনা ঘটলে তাকে সমক্ষ বলা হয়।
উদাহরণ ২: অক্ষির গোচরে - গোচরীভূত
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু দৃষ্টির সীমার মধ্যে আসাকে গোচরীভূত বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যক্ষ — এটি সঠিক কারণ অক্ষির অভিমুখে অর্থে এটিই ব্যবহার করা হয়।
B) পরোক্ষ — এর অর্থ চোখের আড়ালে বা সামনে নয় যা, তাই এটি ভুল।
C) সমক্ষ — এর অর্থ চোখের সামনে, যা অক্ষির অভিমুখে শব্দের কাছাকাছি হলেও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) চাক্ষুষ — এর অর্থ যা চাক্ষুষ বা চোখে দেখা গেছে, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অক্ষির অভিমুখে মানে চোখের সামনে সরাসরি উপস্থিত থাকা, যা প্রত্যক্ষ শব্দ দিয়ে বোঝায়। পরোক্ষ মানে আড়াল বা সামনে নয় এমন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে অক্ষি সংক্রান্ত শব্দগুলো প্রায়ই আসে। যেমন সমক্ষ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) No sooner had he graduated than he got a job
কেন সঠিক:
No sooner যুক্ত বাক্য গঠনে প্রথমে সাহায্যকারী verb হিসেবে had বসে এবং subject এর পর verb এর past participle রূপ হয়।
এছอกจาก বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটানোর জন্য when বা as এর বদলে সঠিক conjunction হিসেবে than ব্যবহৃত হয়।
এখানে প্রথম কাজটি শেষ হওয়া মাত্র দ্বিতীয় কাজটি ঘটেছিল বোঝাতে Past Indefinite ও Past Perfect Tense এর চমৎকার নিয়ম মানা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No sooner be graduted he got a job — এই অপশনে had এর পরিবর্তে be ব্যবহৃত হয়েছে এবং বাক্যে কোনো proper conjunction নেই।
B) No sooner had he graduated than he got a job — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Ni sooner had he graduated than he had got a job — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং দ্বিতীয় অংশে unnecessary past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে।
D) No sooner he had graduated he got a job — এখানে subject এর আগে had না বসিয়ে ভুলভাবে structure গঠন করা হয়েছে এবং than বাদ দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
No sooner থাকলে মনে রাখবে No sooner + had + subject + verb এর v৩ + than + subject + verb এর v২।
সঠিক উত্তর: C) Acuire (দ্রষ্টব্য: এটি মূলত Acquire বানান ভুল আকারে দেওয়া হয়েছে)
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত 'Acquisition' একটি নাউন এবং এর সঠিক ভার্ব রূপ হলো Acquire যার অর্থ অর্জন করা।
- প্রশ্নে Acuire বানানটিতে একটি c কম আছে, যা মূলত Acquire শব্দের সামান্য পরিবর্তিত রূপ হিসেবে সঠিক উত্তরের জন্য ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Acquiesce — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ নীরবে সম্মতি দেওয়া, কিন্তু এটি Acquisition শব্দের ভার্ব রূপ নয়।
B) Acquisition — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত মূল শব্দ যা নিজে একটি নাউন।
C) Acuire — বানান কিছুটা ভুল থাকলেও এটিই এখানে সঠিক উত্তরের অপশন হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) Aquifer — এটি একটি নাউন যার অর্থ ভূগর্ভস্থ জলাধার।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে tion বা sion দেখলে সাধারণত তা নাউন হয় এবং সেগুলোকে ভার্বে রূপান্তর করতে মূল শব্দটি মনে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Deferment
কেন সঠিক:
এখানে 'defer' একটি ক্রিয়া বা verb যার অর্থ স্থগিত রাখা। এর সাথে suffix যুক্ত করে বিশেষ্য বা noun তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Defer — এটি একটি verb বা ক্রিয়া শব্দ, প্রশ্ন চেয়েছে noun বা বিশেষ্য রূপ।
B) Deferment — এটি এই প্রশ্নের সঠিক noun বা বিশেষ্য রূপ।
C) Defferance — এটি বানান ভুল একটি শব্দ, সঠিক বানান deference।
D) Different — এটি একটি adjective বা বিশেষণ শব্দ, noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো verb এর শেষে ment যুক্ত করে সাধারণত noun বা বিশেষ্য তৈরি করা হয় যেমন defer থেকে deferment।
সঠিক উত্তর: A) Knowledgeable
কেন সঠিক:
Erudite শব্দটির অর্থ হলো অত্যন্ত পন্ডিত, জ্ঞানী বা শিক্ষাবান ব্যক্তি।
Knowledgeable শব্দের অর্থও হলো জ্ঞানী বা কোনো বিষয়ে গভীর জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি।
তাই এই দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Knowledgeable — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ জ্ঞানী।
B) Angry — এর অর্থ রাগী বা ক্রুদ্ধ, যা পন্ডিত শব্দের সাথে মেলে না।
C) Illiterate — এর অর্থ নিরক্ষর বা অশিক্ষিত, যা পন্ডিতের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Smart — এর অর্থ চটপটে বা পরিপাটি, যা গভীর জ্ঞানের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Erudite শব্দটির ভেতর Education বা শিক্ষার ভাব রয়েছে, তাই এর অর্থ জ্ঞানী বা Knowledgeable হবে।
সঠিক উত্তর: D) তোমার বাজে সঙ্গ এড়িয়ে চলা উচিত
কেন সঠিক:
এখানে প্রদত্ত বাক্যটির মূল ইডিওম বা বাগধারা হলো fight shy of যার অর্থ হলো কোনো কিছু এড়িয়ে চলা বা দূরে থাকা।
এছাড়া evil company শব্দের অর্থ হলো খারাপ বা বাজে সঙ্গ।
তাই বাক্যটির সঠিক অর্থ দাঁড়াচ্ছে তোমার বাজে সঙ্গ এড়িয়ে চলা উচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তোমার খারাপ সংস্থা থেকে দূরে থাকা উচিত — এখানে company শব্দের অর্থ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান ধরা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) তোমার খারাপ সংস্থার লোকদের সাথে মারামারি করা উচিত — এখানে fight শব্দের আক্ষরিক অর্থ মারামারি করা ধরা হয়েছে যা ভুল।
C) তোমার বাজে লোকদের সাথে মারামারি করা উচিত — এখানেও fight shy of বাগধারাটির সঠিক অর্থ না বুঝে মারামারি করা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
fight shy of একটি গুরুত্বপূর্ণ ইডিওম যার অর্থ লড়াই করা নয় বরং কোনো কিছু সচেতনভাবে এড়িয়ে চলা।
সঠিক উত্তর: A) Onomatopoeia
কেন সঠিক:
শব্দটির শুরুতে O-n-o আছে যা সঠিক বানান নির্দেশ করে।
মধ্যবর্তী অংশে m-a-t-o-p-o-e-i-a অংশটি সঠিকভাবে বিন্যস্ত আছে।
শব্দটির শেষে i-a যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ তৈরি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Onomatopoeia — এটি সঠিক বানান।
B) Onamatopoea — প্রথম অংশে a এবং শেষের দিকে বানান ভুল আছে।
C) Onamotopoeia — প্রথম দিকে o-n-o এর পরিবর্তে o-n-a ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Anomatopoeia — একদম শুরুতে O এর পরিবর্তে ভুলভাবে A ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে Onoma এবং topopoeia এই দুটি ভাগে ভাগ করে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) Feeling slightly ill
কেন সঠিক:
'Feeling under the weather' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ হলো কিছুটা অসুস্থ বা দুর্বল বোধ করা।
দৈনন্দিন কথোপকথনে শারীরিক অস্বস্তি প্রকাশ করতে এই বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Feeling very cold — এটি দিয়ে তীব্র ঠান্ডা অনুভব করা বোঝায়, কিন্তু এই ইডিওমের সাথে ঠান্ডার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) Traumatized — এর অর্থ মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত বা আতঙ্কিত হওয়া, যা শারীরিক অসুস্থতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) Showering sign of torture — এর অর্থ নির্যাতনের লক্ষণ প্রকাশ করা, যা এই সাধারণ ইডিওমের অর্থের সাথে একেবারেই মিলে না।
D) Feeling slightly ill — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি শারীরিক অসুস্থতার ভাবটিকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
খারাপ আবহাওয়ায় যেমন শরীর খারাপ লাগতে পারে, তেমনি 'under the weather' শুনলেই বুঝবে সামান্য অসুস্থতার কথা বলা হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: C) if I had known you
কেন সঠিক:
বাক্যটির প্রথম অংশে would have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল থাকায় এটি থার্ড কন্ডিশনাল নির্দেশ করে।
তাই নিয়মানুযায়ী অপর অংশে if + past perfect tense বসবে, যা অপশন সি তে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) if I have known you — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) if I knew you — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় সেকেন্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতো।
C) if I had known you — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) when I had known — এখানে কন্ডিশন বোঝাতে when এর পরিবর্তে if বসা উচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্যে would have থাকলে অপর অংশে সবসময় had + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) The kid likes watching cartoons and eating chocolate
কেন সঠিক:
বাক্যে and কনজাংশনের উভয় পাশে একই ধরনের Grammatical form বা Parallelism থাকতে হয়।
এখানে likes verb-এর পর gerund হিসেবে watching এবং eating উভয়ই সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এছাড়াও carton বানানটি ভুল ছিল যা সঠিক অপশনে cartoons করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A) — এখানে carton বানান ভুল এবং watching gerund-এর সাথে to eat infinitive ব্যবহার করায় parallelism নষ্ট হয়েছে।
B) B) — এখানে watching gerund-এর সাথে to eat infinitive ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে।
C) C) — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে বানান ও parallelism উভয় নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলা হয়েছে।
D) D) — এখানে chocolate-এর সাথে s যুক্ত করা হয়েছে যা অপ্রয়োজনীয় এবং নিয়ম বহির্ভূত।
মনে রাখার টিপস:
and দ্বারা দুটি শব্দ যুক্ত হলে উভয় দিকের Parts of speech সবসময় একই হতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) to speak
কেন সঠিক:
বাক্যে 'too' এবং 'to' এর ব্যবহার একটি খুব সাধারণ নিয়ম। 'Too... to' কাঠামোর অর্থ হলো এতই যে... করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) so they could not speak — 'too' এর সাথে 'so' ব্যবহার করলে বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়।
B) that they starter speaking — 'flabbergasted' শব্দের অর্থ হতবাক হওয়া, তাই কথা বলা শুরু করা অর্থসংগত নয়।
C) to speak — এটি সঠিক উত্তর।
D) to stop speaking — হতবাক হলে মানুষ কথা বন্ধ করে, কথা বলা থামানো বন্ধ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'too' থাকলে পরের অংশে সাধারণত 'to' এবং মূল verb এর base form বসে।
সঠিক উত্তর: B) one
কেন সঠিক:
- 'won' শব্দটির উচ্চারণ হলো ওয়ান, যা একই উচ্চারণ বিশিষ্ট শব্দ বা হোমোফোন।
- 'one' শব্দটির উচ্চারণও অবিকল ওয়ান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) own — এর উচ্চারণ ওউন, যা won শব্দের সঙ্গে মেলে না।
B) one — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার উচ্চারণ won শব্দের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।
C) on — এর উচ্চারণ অন, যা won শব্দের উচ্চারণের মতো নয়।
D) up — এর উচ্চারণ আপ, যা won শব্দের উচ্চারণের সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চারণ এক কিন্তু বানান ও অর্থ আলাদা এমন শব্দগুলোকে হোমোফোন বলে, যেমন won এবং one।
সঠিক উত্তর: D) With
কেন সঠিক:
বাক્યটির অর্থ হলো সুযোগের সাথে দায়িত্বও আসে। ইংরেজি প্রবচন বা সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছুর সাথে কোনো কিছু যুক্ত থাকা বোঝাতে with preposition ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) From — from অর্থ হইতে, যা সুযোগ থেকে দায়িত্ব আসার অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু প্রবচনের সাথে মিলে না।
B) Before — before অর্থ পূর্বে, যা সুযোগের আগে দায়িত্ব বোঝায় এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত।
C) Without — without অর্থ ছাড়া, যা সুযোগ ছাড়া দায়িত্ব বোঝায় এবং এটিও প্রবচনের ভাবের সাথে বিপরীত।
D) With — এটি সঠিক কারণ এটি সুযোগ এবং দায়িত্বের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সংযোগ খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সুযোগের সাথে দায়িত্ব আসে এই ভাবটি বোঝাতে সবসময় with preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Between
কেন সঠিক:
- বাক্যে দুটি নির্দিষ্ট সাল অর্থাৎ ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের উল্লেখ আছে এবং এদের মাঝে and যুক্ত হয়েছে।
- between এর পর সাধারণত noun বা noun phrase-এর মাঝে and বসে দুটি নির্দিষ্ট সময় বা জায়গাকে যুক্ত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) From — from-এর পর and না বসে সাধারণত to বসে (যেমন: from 2014 to 2019)।
B) Except — except অর্থ ব্যতিরেকে বা ছড়া, যা এখানে সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
C) Between — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Both — both-এর সাথে and বসে ঠিকই, তবে তা দুটি আলাদা বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এবং এখানে grammar মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে দুটি সময়ের মাঝে and দেখলে সাধারণত between বসাতে হয়, আর from দেখলে to খুঁজতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) had seen
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে অতীতের দুটি ঘটনার কথা বলা হয়েছে যার মধ্যে একটি অন্যটিরও আগের ঘটনা।
এই ধরনের অতীতকালের আগের ঘটনা বোঝাতে Past Perfect Tense ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will have seen — এটি Future Perfect Tense নির্দেশ করে যা অতীতের ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) had seen — এটি সঠিক কারণ এটি Past Perfect Tense গঠন করে।
C) would have seen — এটি Conditional Sentence এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) must have seen — এটি বর্তমান বা অতীতের অনুমান বোঝায় কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট সময়ের আগের ঘটনা বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, সেখানে Past Perfect Tense এবং যেটি পরে ঘটেছিল, সেখানে Past Indefinite Tense বসে।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
European শব্দের শুরুতে 'E' থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ বাংলা 'ইউ' এর মতো হয়। তাই vowel হওয়া সত্ত্বেও এর আগে an না বসে a বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ consonant sound এর পূর্বে a বসে।
B) an — এটি ভুল কারণ vowel sound না থাকলে an বসে না।
C) the — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করে কোনো ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে বোঝায়নি।
D) no article — এটি ভুল কারণ countable singular noun এর পূর্বে article বসাতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শুরুতে vowel থাকলেও যদি তার উচ্চারণ consonant এর মতো হয়, তবে তার আগে a বসে।
সঠিক উত্তর: খ) combine
কেন সঠিক:
Segregate শব্দটির বাংলা অর্থ হলো আলাদা করা বা পৃথক করা।
এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে combine শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ একত্রিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) isolate — এই শব্দটির অর্থ আলাদা করা, যা মূল শব্দের সমার্থক বা সমার্থক শব্দ।
খ) combine — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ একত্রিত করা।
গ) ঘ) divide এবং sever — এই শব্দ দুটির অর্থ যথাক্রমে ভাগ করা এবং কেটে আলাদা করা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Segregate মানে পৃথক করা আর Combine মানে একসাথে করা।
সঠিক উত্তর: D) would like to
কেন সঠিক:
সৌজন্যমূলকভাবে কোনো কিছু চাওয়ার জন্য বা কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করার জন্য would like to ব্যবহার করা হয়।
এখানে বক্তা ম্যানেজারের সাথে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন।
তাই এই শূন্যস্থানে would like to বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) am intersted to — ইংরেজিতে interested শব্দের পরে preposition হিসেবে to বসে না, with বা in বসে তাই এটি ভুল।
B) wish I can — wish এর পরে can ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয়।
C) like to — এটি সরাসরি ব্যবহার করলে বাক্যটিতে কাঙ্ক্ষিত সৌজন্য প্রকাশ পায় না।
D) would like to — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যটিকে সম্পূর্ণ ও সুন্দর করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও বিনীতভাবে কিছু চাইতে হলে বা ইচ্ছা প্রকাশ করতে চাইলে সবসময় would like ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) were being followed
কেন সঠিক:
বাক્યটির অর্থ দাঁড়ায় আমাদের পেছনে কেউ হাঁটছিল এবং আমাদের অনুসরণ করা হচ্ছিল। এখানে আমরা নিজে কাউকে অনুসরণ করছিলাম না, বরং আমাদের অনুসরণ করা হচ্ছিল তাই প্যাসিভ ভয়েস হবে।
অতীতকালের চলমান ঘটনা বোঝাতে পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের প্যাসিভ গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
সাবজেক্ট উই এর পরে ওয়্যার বিং এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were following — এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস হওয়ায় এর অর্থ দাঁড়ায় আমরা অন্য কাউকে অনুসরণ করছিলাম যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) were being followed — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) were followed — এটি সিম্পল পাস্ট টেন্সের প্যাসিভ, যা চলমান বা কন্টিনিউয়াস ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
D) have been followed by somebody — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের প্যাসিভ, যা মূল বাক্যের পাস্ট টেন্সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের সাবজেক্ট নিজে কাজ না করে যদি অন্যের কাজের শিকার হয়, তবে সেটি প্যাসিভ ভয়েস হয় এবং টেন্স অনুযায়ী বিং যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Have you had
কেন সঠিক:
বাক্যে yet শব্দটি থাকলে সাধারণত Present Perfect tense ব্যবহার করতে হয়।
এখানে দুপুরের খাবার খাওয়া বোঝাতে have verb এর Past Participle রূপ had বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Do you have — এটি Present Indefinite tense হওয়ায় yet যুক্ত বাক্যের সাথে বসে না।
B) Have you — এখানে মূল verb বা Past Participle না থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
C) Have you had — এটি সঠিক কারণ এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) Did you have — এটি Past Indefinite tense হওয়ায় বর্তমানের ফল বোঝাতে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yet থাকলে Present Perfect tense হয় এবং খাওয়া অর্থে have এর জায়গায় had বসে।
সঠিক উত্তর: A) She disguised lest she should be recognised
কেন সঠিক:
'Disguise' একটি reflexive verb হওয়ায় এর পর একটি reflexive pronoun যেমন 'herself' বসা বাধ্যতামূলক।
এছাড়াও 'lest' conjunction এর পর সাধারণত 'should' ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এই অপশনে 'herself' এবং 'should' দুটি নিয়মই সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
B) এই অপশনে 'herself' থাকলেও 'should' ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে গেছে।
C) এই অপশনে 'can' ব্যবহার করা হয়েছে যা 'lest' এর সাথে সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) এই অপশনে 'lest' এর পরে উপযুক্ত modal verb ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'lest' থাকলে তার পরে সর্বদা 'should' বসে এবং 'disguise' verb এর পর সবসময় reflexive pronoun বসে।
সঠিক উত্তর: B) ৪ hours
প্রদত্ত তথ্য:
মেশিন এ দ্বারা খালি পাত্রটি পূর্ণ হতে সময় লাগে ৫ hours
মেশিন বি দ্বারা খালি পাত্রটি পূর্ণ হতে সময় লাগে ১০ hours
মেশিন সি দ্বারা পূর্ণ পাত্রটি খালি হতে সময় লাগে ২০ hours
ধরি,
সম্পূর্ণ পাত্রটির ধারণক্ষমতা = ২০ অংশ
অতএব,
মেশিন এ এক ঘণ্টায় পূর্ণ করে = ২০ ÷ ৫ = ৪ অংশ
মেশিন বি এক ঘণ্টায় পূর্ণ করে = ২০ ÷ ১০ = ২ অংশ
মেশিন সি এক ঘণ্টায় খালি করে = ২০ ÷ ২০ = ১ অংশ
সুতরাং,
তিনটি মেশিন একসঙ্গে কাজ করলে এক ঘণ্টায় পূর্ণ হয় = ৪ + ২ − ১ = ৫ অংশ
উত্তর: পাত্রটি সম্পূর্ণ পূর্ণ হতে সময় লাগবে ২০ ÷ ৫ = ৪ hours
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
a বর্গ − b বর্গ = ২০
a − b = ৫
ধরি,
a বর্গ − b বর্গ এর সূত্র প্রয়োগ করি
(a + b) × (a − b) = ২০
অতএব,
(a + b) × ৫ = ২০
a + b = ২০ ÷ ৫
সুতরাং,
a + b = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) ৮০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণ = x + y = ৫
দ্বিতীয় সমীকরণ = x + ৪y = ৪
ধরি,
রাশিটি = ৪x^২ + ২০xy + ১৬y^২
অতএব,
রাশিটি থেকে ৪ কমন নিয়ে পাই,
৪ (x^২ + ৫xy + ৪y^২)
সুতরাং,
উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই,
৪ (x + y) (x + ৪y)
উত্তর:
মান বসিয়ে পাই, ৪ × ৫ × ৪ = ৮০
সঠিক উত্তর: C) Syed Ali Ahsan
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক সম্পর্কিত প্রশ্ন
এখানে সঠিক ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করতে হবে
ধরি,
অনুবাদক হিসেবে কাজ করেছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ
অতএব,
সঠিক ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করে পাওয়া যায়
এই অনুবাদ সম্পন্ন করেছিলেন সৈয়দ আলী আহসান
সুতরাং,
সঠিক বিকল্প হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে সি নম্বর অপশন
উত্তর: Syed Ali Ahsan
সঠিক উত্তর: C) ৩৮sec
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ২২০ মিটার
টানেলের দৈর্ঘ্য = ২৬০ মিটার
ট্রেনের গতিবেগ = ৪৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা
ধরি,
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + টানেলের দৈর্ঘ্য
মোট দূরত্ব = ২২০ মিটার + ২৬০ মিটার = ৪৮০ মিটার
অতএব,
ট্রেনের গতিবেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে প্রকাশ করতে হবে
গতিবেগ = ৪৫ × ১০০০ মিটার ÷ ৩৬০০ সেকেন্ড = ১২.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড
সুতরাং,
সময় বের করতে হবে মোট দূরত্বকে গতিবেগ দিয়ে ভাগ করে
সময় = ৪৮০ মিটার ÷ ১২.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড = ৩৮.৪ সেকেন্ড বা প্রায় ৩৮ সেকেন্ড
উত্তর: ৩৮sec
সঠিক উত্তর: D) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৩গুন x এর বর্গ + a গুন x + a + ৩
এটি x + ২ দ্বারা বিভাজ্য
ধরি,
বহুপদী রাশিটি f(x) = ৩গুন x এর বর্গ + a গুন x + a + ৩
ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে x + ২ = ০ থেকে পাই x = −২
অতএব,
f(−২) = ৩গুন (−২) এর বর্গ + a গুন (−২) + a + ৩ = ০
f(−২) = ৩গুন ৪ − ২a + a + ৩ = ০
f(−২) = ১২ − a + ৩ = ০
সুতরাং,
১৫ − a = ০
a = ১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: C) ১০:৩
প্রদত্ত তথ্য:
৫ বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ছিল ৫:১
২ বছর পরে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ হবে
ধরি,
৫ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল ক বছর
৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল ৫ক বছর
অতএব,
বর্তমানে পুত্রের বয়স = ক + ৫ বছর
বর্তমানে পিতার বয়স = ৫ক + ৫ বছর
২ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ক + ৫ + ২ = ক + ৭ বছর
২ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৫ক + ৫ + ২ = ৫ক + ৭ বছর
শর্তমতে,
৫ক + ৭ = ৩ × (ক + ৭)
৫ক + ৭ = ৩ক + ২১
সুতরাং,
৫ক − ৩ক = ২১ − ৭
২ক = ১৪
ক = ৭
উত্তর: বর্তমান বয়সের অনুপাত = (৫ × ৭ + ৫) : (৭ + ৫) = ৪০ : ১২ = ১০:৩
সঠিক উত্তর: A) ৭৮
প্রদত্ত তথ্য:
শ্রেণিকক্ষে মোট মানুষের সংখ্যা = ২২৪ জন
শিক্ষক, প্রশাসক ও পরিদর্শকের মোট সংখ্যা = ১ + ১ + ৩০ = ৩২ জন
ধরি,
ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত = ১৩ : ১৯
অতএব,
শিক্ষক, প্রশাসক ও পরিদর্শক বাদ দিলে ক্লাসে মোট শিক্ষার্থী থাকে = ২২৪ − ৩২ = ১৯২ জন
ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাতের যোগফল = ১৩ + ১৯ = ৩২
সুতরাং,
ছাত্রের সংখ্যা = ১৯২ × (১৩ ÷ ৩২) = ৭৮ জন
উত্তর: ৭৮
সঠিক উত্তর: B) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
গসাগু বা H.S.C = ১২
লসাগু বা L.C.M = ২৮৮
একটি সংখ্যা = ৯৬
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু
অতএব,
৯৬ × ক = ১২ × ২৮৮
৯৬ × ক = ৩৪৫৬
সুতরাং,
ক = ৩৪৫৬ ÷ ৯৬
ক = ৩৬
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: A) ২÷৩
প্রদত্ত তথ্য:
একটি ছক্কা একবার নিক্ষেপ করা হলো
ছক্কার মোট সম্ভাব্য ফলাফল সংখ্যা হলো ছয়টি
ধরি,
বিজোড় সংখ্যা আসার সেট = ১, ৩, ৫
চারের কম সংখ্যা আসার সেট = ১, ২, ৩
শর্ত অনুযায়ী অনুকূল ফলাফলগুলোর সেট = ১, ২, ৩, ৫
অতএব,
অনুকূল ফলাফলের মোট সংখ্যা = ৪
মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৬
সুতরাং,
নির্ণেয় সম্ভাবনা = ৪÷৬ = ২÷৩
উত্তর: ২÷৩
সঠিক উত্তর: C) ৮ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
১২ জন পুরুষের কাজটি শেষ করতে সময় লাগে = ২৪ দিন
১২ জন নারীর কাজটি শেষ করতে সময় লাগে = ১২ দিন
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ একক ধরে নিই
অতএব,
১ জন পুরুষ ১ দিনে করে = ১ ÷ (১২ × ২৪) অংশ
১ জন নারী ১ দিনে করে = ১ ÷ (১২ × ১২) অংশ
সুতরাং,
১২ জন পুরুষ ও ১২ জন নারী একত্রে ১ দিনে করে = (১ ÷ ২৪) + (১ ÷ ১২) অংশ
উভয়ে একত্রে ১ দিনে করতে পারে = (১ + ২) ÷ ২৪ = ৩ ÷ ২৪ অংশ = ১ ÷ ৮ অংশ
উত্তর: ৮ দিন
সঠিক উত্তর: C) ২.৫ hours
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাক দুটির মধ্যবর্তী দূরত্ব = ৩০০ কিমি
ট্রাক এ এর গতিবেগ = ৭০ কিমি প্রতি ঘণ্টা
ট্রাক বি এর গতিবেগ = ৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা
ধরি,
বিপরীত দিক থেকে আসার কারণে তাদের আপেক্ষিক গতিবেগ যোগ হবে
অতএব,
ট্রাক দুটির মোট আপেক্ষিক গতিবেগ = ৭০ + ৫০ = ১২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা
সুতরাং,
মিলনের সময় = মোট দূরত্ব ÷ আপেক্ষিক গতিবেগ
উত্তর: ৩০০ ÷ ১২০ = ২.৫ hours
সঠিক উত্তর: C) ১৩৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো দশ হাজারের কম হতে হবে এবং আট ও আঠারো উভয়ের গুণিতক হতে হবে।
ধরি,
আট ও আঠারোর লসাগু বের করতে হবে।
অতএব,
আট ও আঠারোর লসাগু হলো বাহাত্তর।
সুতরাং,
দশ হাজারের মধ্যে বাহাত্তরের কতটি গুণিতক আছে তা নির্ণয় করতে হবে।
উত্তর: ১০০০০ কে ৭২ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ১৩৮ হয়।
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
বিলবোর্ডটি থেকে দূরত্ব = ৪০ মিটার
উন্নতির কোণ = ৩০ ডিগ্রি
ধরি,
বিলবোর্ডের উচ্চতা = এইচ মিটার
অতএব,
ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী
ট্যান ৩০ ডিগ্রি = লম্ব ÷ ভূমি
ট্যান ৩০ ডিগ্রি = এইচ ÷ ৪০
সুতরাং,
১ ÷ রুট ওভার ৩ = এইচ ÷ ৪০
এইচ = ৪০ ÷ রুট ওভার ৩
উত্তর: ২০ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ৫÷৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি ছক্কা এক সাথে নিক্ষেপ করা হলো
ধরি,
দুটি ছক্কা একসাথে নিক্ষেপ করলে মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৩৬টি
অতএব,
ছক্কা দুটিতে প্রাপ্ত অঙ্কের যোগফল ছয় হওয়ার অনুকূল ঘটনাগুলো হলো:
(১, ৫), (৫, ১), (২, ৪), (৪, ২) এবং (৩, ৩)
সুতরাং,
অনুকূল ফলাফলের মোট সংখ্যা = ৫টি
উত্তর: ৫÷৩৬
সঠিক উত্তর: C) ৫মি
প্রদত্ত তথ্য:
দেয়ালটি ভূমির সাথে লম্বভাবে আছে।
মইয়ের তলা দেয়ালের তলা থেকে দূরত্ব = ৪ মিটার।
ধরি,
মইয়ের উপরের প্রান্তের উচ্চতা = ৩ মিটার।
মইয়ের দৈর্ঘ্য হলো সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ।
অতিভুজ নির্ণয়ের জন্য পিথাগোরাসের উপপাদ্য ব্যবহার করতে হবে।
অতএব,
অতিভুজ স্কয়ার = (ভূমির দূরত্ব স্কয়ার) + (উচ্চতা স্কয়ার)
অতিভুজ স্কয়ার = (৪ × ৪) + (৩ × ৩)
অতিভুজ স্কয়ার = ১৬ + ৯ = ২৫
সুতরাং,
মইয়ের দৈর্ঘ্য = √২৫ = ৫ মিটার
উত্তর: ৫মি
সঠিক উত্তর: C) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
মোট মানুষের সংখ্যা = ৩৬
দাবা খেলে = ২০ জন
পোকার খেলে = ২৮ জন
ধরি,
মোট মানুষের সেট হলো সার্বিক সেট
অতএব,
দাবা ও পোকার খেলা মানুষের মোট সংখ্যা = ২০ + ২৮ = ৪৮ জন
সুতরাং,
উভয় খেলা খেলে এমন মানুষের সংখ্যা = ৪৮ − ৩৬ = ১২ জন
উত্তর: ১২
সঠিক উত্তর: D) wakes
কেন সঠিক:
- বাক্যে Every morning শব্দটির উপস্থিতি নিয়মিত অভ্যাস বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে, যা সাধারণ বর্তমান কাল বা Present Indefinite Tense নির্দেশ করে।
- subject হলো she, যা তৃতীয় পুরুষ একবচন (Third Person Singular Number) হওয়ায় মূল verb এর সঙ্গে s যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is waking — এটি Present Continuous Tense, যা নিয়মিত অভ্যাসের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) has woken — এটি Present Perfect Tense, যার সঙ্গে বর্তমানের কোনো সম্পন্ন কাজের সম্পর্ক থাকে, তাই এটি ভুল।
C) had woken — এটি Past Perfect Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার পূর্ববর্তী ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) wakes — এটি Present Indefinite Tense এবং subject এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে Every morning, Daily, Always ইত্যাদি শব্দ থাকলে সাধারণত Present Indefinite Tense হয় এবং subject Third Person Singular হলে verb এর সঙ্গে s বা es যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) SDG5
কেন সঠিক:
- এসডিজি পাঁচ নারী ও কন্যাশিশুর সমতা অর্জন এবং তাদের ক্ষমতায়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- এটি লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা এবং সব নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SDG5 - এটি নারী ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতা অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত যা সঠিক উত্তর।
B) SDG3 - এটি সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) SDG9 - এটি টেকসই শিল্পায়ন, উদ্ভাবন এবং উন্নত অবকাঠামো তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) SDG8 - এটি টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
পাঁচ আঙুল যেমন সমান নয়, তেমনি সমাজে নারী ও পুরুষের অসমতা দূর করতে এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে এসডিজি পাঁচ নম্বর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) Perseverance (উল্লেখ্য, প্রশ্নে বানানটি ভুল রয়েছে)
কেন সঠিক:
- এটি নাসা কর্তৃক প্রেরিত সর্বাধুনিক রোভার বা মার্স রোভার, যা ২০২০ সালের ৩০ জুলাই উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলের জেযেরো ক্রেটারে সফলভাবে অবতরণ করে এবং সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব অনুসন্ধানে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Superior — এটি নাসার কোনো মঙ্গল অভিযানের রোভার নয় এবং প্রশ্নানুসারে এটি ভুল অপশন।
B) Opportunity — এটি নাসার পূর্বের একটি মার্স রোভার, যা ২০০৪ সালে মঙ্গলে অবতরণ করেছিল এবং ২০২০ সালের আগেই এর কার্যক্রম শেষ হয়।
C) Perseverance — এটি সঠিক উত্তর, যদিও প্রশ্নে বানান ভুল হিসেবে Per severance লেখা হয়েছে।
D) Spirit — এটি ২০০৪ সালে মঙ্গলে পাঠানো নাসার আরেকটি প্রাচীন রোভার, যা ২০১১ সালে অকার্যকর হয়ে যায়।
মনে রাখার টিপস:
মঙ্গলে গবেষণার জন্য মানুষের চরম ধৈর্য বা Perseverance প্রয়োজন, যা দিয়ে সর্বাধুনিক রোভারটির নাম মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) Milan
কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ইতালির মিলান শহরের সান্তা মারিয়া ডেল্লে গ্রাৎসিয়ে গির্জার ভোজনকক্ষে এই দেওয়ালচিত্র এঁকেছিলেন।
- দ্য লাস্ট সাপার বা শেষ ভোজ হলো খ্রিস্টধর্মের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা দেওয়ালচিত্র হিসেবে মিলানে সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rome — এটি ইতালির রাজধানী হলেও লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির এই বিখ্যাত দেওয়ালচিত্রটি এখানে আঁকা হয়নি।
B) Milan — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
C) Venice — এটি ইতালির আরেকটি ঐতিহাসিক শহর হলেও এই বিখ্যাত চিত্রকর্মটির সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই।
D) Florence — এটি দ্য ভিঞ্চির জন্মস্থান ও কর্মক্ষেত্র হলেও দ্য লাস্ট সাপার চিত্রকর্মটি ফ্লোরেন্সে আঁকা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
মিলন থেকে মিলান মনে রাখবে, যিশু খ্রিস্ট তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে শেষ মিলনে মিলিত হয়েছিলেন মিলানের গির্জায়।
সঠিক উত্তর: C) Netherland
কেন সঠিক:
- নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিকভাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত দেশ।
- নেদারল্যান্ডস উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ হলেও এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Norway — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত একটি প্রধান দেশ হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়।
B) Sweden — এটিও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্যতম প্রধান দেশ হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়।
C) Netherland — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বাইরে অবস্থিত হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) Denmark — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ঐতিহ্যবাহী ও ভূরাজনৈতিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ প্রধানত তিনটি: নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক। নেদারল্যান্ডস এর বাইরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) SDG
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি বাস্তবায়নে অগ্রগতির জন্য জাতিসংঘের বিশেষ সম্মাননা লাভ করেছে।
- দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SDG — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের সফলতা বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।
B) Climate Change — জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ ভূমিকা রাখলেও এই প্রশ্নের মূল প্রেক্ষাপট জলবায়ু পুরস্কার ছিল না।
C) MDG — সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনেও বাংলাদেশ সফল হয়েছিল, তবে সাম্প্রতিক এই অর্জনের সঙ্গে এমডিজি সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) Women Empowerment — নারী ক্ষমতায়ন এসডিজির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এটি এই বিশেষ জাতিসংঘ পুরস্কারের প্রধান একক বিষয় ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক অর্জনের মূল চাবিকাঠি হলো এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন।
সঠিক উত্তর: D) facial identity and facial motion
কেন সঠিক:
- Concurrent two-factor identity verification একটি উন্নত বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি, যা একই সাথে মুখাবয়ব এবং মুখের নড়াচড়া যাচাই করে।
- এটি কেবল স্থির ছবি দিয়ে বায়োমেট্রিক্স নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার প্রতারণা রোধ করতে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) finger print and national identity - এটি সাধারণ বায়োমেট্রিক্স ও ডাটাবেজ প্রমাণের মিশ্রণ, যা এই বিশেষ প্রযুক্তির জন্য প্রযোজ্য নয়।
B) facial identity and finger print - মুখাবয়ব এবং আঙুলের ছাপ একসাথে যাচাই করা হয়, তবে এটি এই নির্দিষ্ট প্রযুক্তির সংজ্ঞার সাথে মেলে না।
C) eye sightedness and blood sample - চোখের দৃষ্টিশক্তি এবং রক্তের নমুনা চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়, যা এই প্রযুক্তির অংশ নয়।
D) facial identity and facial motion - মুখাবয়ব এবং মুখের নড়াচড়া একসাথে যাচাই করার মাধ্যমেই এই আধুনিক বায়োমেট্রিক্স সিস্টেম কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
Concurrent অর্থ যুগপৎ বা একসাথে, তাই ফেসিয়াল বা মুখের পরিচয় এবং মোশন বা নড়াচড়ার সংমিশ্রণই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
সঠিক উত্তর: C) Lake
কেন সঠিক:
- ডেড সি বা মৃত সাগর নাম সাগর হলেও এটি মূলত একটি লবণাক্ত হ্রদ, যা জর্ডান ও ইসরায়েল সীমান্তে অবস্থিত।
- এর চারপাশে স্থলভাগ বা বেষ্টনী রয়েছে এবং এটি কোনো উন্মুক্ত মহাসাগর বা সমুদ্রের অংশ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sea — এটি সমুদ্র নয় কারণ এর কোনো সরাসরি সংযোগ উন্মুক্ত মহাসাগর বা সমুদ্রের সাথে নেই।
B) River — এটি নদী নয় কারণ এর উৎপত্তি কোনো নদীপ্রবাহ থেকে হয়নি এবং এটি স্থিরাঞ্চলীয় জলাশয়।
C) Lake — এটি হ্রদ কারণ এটি স্থলবেষ্টিত একটি লবণাক্ত জলাশয়, যা হ্রদের ভৌগোলিক সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়।
D) Canal — এটি খাল নয় কারণ এটি মানুষের খনন করা কোনো কৃত্রিম জলপথ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নামে 'Sea' বা সাগর থাকলেও ডেড সি আসলে একটি হ্রদ, কারণ এটি চারপাশ থেকে স্থলবেষ্টিত।
সঠিক উত্তর: D) Karnafuli river tunnel
কেন সঠিক:
- কর্ণফুলী নদী টানেল বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণের ক্ষেত্রে চীনের সাংহাই শহরের আদলে ওয়ান সিটি টু টাউনস মডেল অনুসরণ করা হয়েছে।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রামের মূল শহরকে নদীর অপর তীরের আনোয়ারা উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করে শহরের পরিধি দুই তীরে সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pandma Bridge — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু, যা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
B) Metro Rail — এটি ঢাকার যানজট নিরসনে নির্মিত দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক দ্রুতগতির গণপরিবহন ব্যবস্থা।
C) Kuril Flyover — এটি রাজধানী ঢাকার কুড়িল এলাকায় যানজট কমানোর জন্য নির্মিত একটি বহুস্তর বিশিষ্ট উড়ালসড়ক।
D) Karnafuli river tunnel — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেল এবং ওয়ান সিটি টু টাউনস ধারণার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
মনে রাখার টিপস:
টানেল মানেই নদীর তলদেশ এবং ওয়ান সিটি টু টাউনস বলতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীকে দুই ভাগে শহর ছড়িয়ে দেওয়া বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) ১০
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- এর মধ্যে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর, যা সামুদ্রিক ও নদীবন্দরে অপারেশন পরিচালনার জন্য গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ — এটি কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা অঞ্চল নিয়ে গঠিত সাধারণ সেক্টর ছিল, নৌ সেক্টর নয়।
B) ৯ — এটি খুলনা ও বরিশাল অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি সাধারণ সেক্টর ছিল।
C) ১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ছিল নৌ সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
D) ১১ — এটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি সাধারণ সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
নৌবাহিনী পানিতে চলে এবং দশ (১০) সংখ্যাটির সাথে সামুদ্রিক বা জলপথের অভিযানের বিষয়টি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) Quarantine
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সারা বিশ্বে ঘরবন্দি ও সঙ্গনিরোধ বা কোয়ারেন্টাইন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
- কেমব্রিজ ডিকশনারি সে বছর এই শব্দটিকে মানুষের অনুসন্ধান এবং ব্যবহারের ভিত্তিতে বছরের সেরা শব্দ হিসেবে নির্বাচিত করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sanitizer — এটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ হলেও ২০২০ সালের জন্য কেমব্রিজ ডিকশনারির বর্ষসেরা শব্দ ছিল না।
B) Lockdown — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ কেমব্রিজ ডিকশনারি ২০২০ সালের জন্য এটিকে বর্ষসেরা ঘোষণা করেনি।
C) Quarantine — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কেমব্রিজ ডিকশনারি ২০২০ সালের জন্য এটিকে বর্ষসেরা শব্দ হিসেবে বেছে নিয়েছিল।
D) Pandemic — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে মহামারি ঘোষণা করলেও এটি কেমব্রিজের বর্ষসেরা শব্দ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
কোভিড মহামারির শুরুতে সবাই কোয়ারেন্টাইনে ছিল, তাই কেমব্রিজ ডিকশনারি ২০২০ সালে একেই বর্ষসেরা শব্দ নির্বাচিত করেছিল।
সঠিক উত্তর: A) ENIAC
কেন সঠিক:
- এটি বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার যা ১৯৪৬ সালে তৈরি করা হয়।
- এটি ভ্যাকুয়াম টিউব প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল এবং জটিল গণিত সমাধানে ব্যবহৃত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ENIAC — এটি বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) EDVAC — এটি বিশ্বের প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার, যা ENIAC-এর পরে তৈরি হয়।
C) UNIVAC — এটি প্রথম বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য উৎপাদিত কম্পিউটার, যা ENIAC-এর বেশ কিছুদিন পরে বাজারে আসে।
D) IBM — এটি একটি প্রযুক্তি নির্মাতা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, কোনো একক প্রথম কম্পিউটার নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম মনে রাখতে ইনিক (ENIAC) শব্দটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) A sentence
কেন সঠিক:
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে এফ-এইট ফাংশন কি তিনবার চাপলে একটি নির্দিষ্ট বাক্য বা সেন্টেন্স সিলেক্ট হয়।
- এটি মূলত এক্সটেন্ডেড সিলেকশন মোড সক্রিয় করে ডকুমেন্টের নির্দিষ্ট অংশ নির্বাচন করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A paragraph — এফ-এইট কি চারবার চাপলে একটি পূর্ণ প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদ সিলেক্ট হয়।
B) A sentence — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনবার চাপলে বাক্য সিলেক্ট হয়।
C) Entire document — এফ-এইট কি পাঁচবার চাপলে সম্পূর্ণ ডকুমেন্ট বা সমস্ত লেখা সিলেক্ট হয়।
D) A word — এফ-এইট কি দুইবার চাপলে একটি মাত্র শব্দ বা ওয়ার্ড সিলেক্ট হয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের ক্ষেত্রে দুইবার, বাক্যের ক্ষেত্রে তিনবার, প্যারাগ্রাফের ক্ষেত্রে চারবার এবং পুরো ডকুমেন্টের জন্য পাঁচবার এফ-এইট কি চাপতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) 109th
কেন সঠিক:
- এসডিজি ইনডেক্স ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ১০৯তম অবস্থানে ছিল।
- এসডিজি অর্জনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে ভালো অগ্রগতি অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 153th — এই অবস্থানে বাংলাদেশ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট দেশের এসডিজি ২০২০ এর র্যাংক ছিল না।
B) 109th — এটি এসডিজি ইনডেক্স ২০২০ এ বাংলাদেশের সঠিক অর্জিত অবস্থান।
C) 104th — এটি ২০২০ সালের সূচকে অন্য কোনো দেশের অবস্থান ছিল, বাংলাদেশের নয়।
D) 123th — এটি এই নির্দিষ্ট বছরের এসডিজির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
এসডিজি ইনডেক্স ২০২০ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৯তম, যেখানে সংখ্যা দুটি কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
সঠিক উত্তর: D) Barack Obama
কেন সঠিক:
- 'এ প্রমিসড ল্যান্ড' আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই বইটিতে তাঁর রাজনৈতিক জীবন এবং প্রেসিডেন্সির শুরুর বছরগুলোর বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Joe Biden — জো বাইডেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট হলেও তিনি এই বইটির লেখক নন।
B) Donald Trump — ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট হলেও তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেননি।
C) Bill Clinton — বিল ক্লিনটন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং তিনি অন্য গ্রন্থের লেখক, এটি তার নয়।
D) Barack Obama — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ওবামা মানেই 'প্রতিশ্রুতি বা প্রমিস', তাই 'এ প্রমিসড ল্যান্ড' বইটির লেখক বারাক ওবামা।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ও পরিবর্তনশীল। বিমসটেক-এর বর্তমান মহাসচিব (Secretary General) হলেন ইন্দ্র মনি পান্ডে (Indra Mani Pandey), যিনি ভারতের নাগরিক এবং ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তরটি নেই।
কেন সঠিক:
- বিমসটেক সচিবালয় ঢাকার গুলশানে অবস্থিত এবং এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন সুমিত নাকান্দালা।
- বর্তমান মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে ভুটানের তেনজিন লেকফেল-এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Tenzin Lekphell ( Bhutan) — তিনি বিমসটেক-এর প্রাক্তন মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান নন।
B) Saroj Chavanaviraj (Thailand) — তিনি বিমসটেক বা এর সচিবালয়ের এই পদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
C) Sumith Nakandala (Sri Lanka) — তিনি বিমসটেক-এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন।
D) M. Shohidul Islam ( Bangladesh) — তিনি বিমসটেক-এর চতুর্থ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বিমসটেক-এর বর্তমান মহাসচিব ভারতের ইন্দ্র মনি পান্ডে, যিনি ২০২৪ সালে দায়িত্ব নেন এবং এর সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) BRICS : Challenge of the time for young people
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ ব্রিকস যুব সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল যুবসমাজের ভূমিকা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা।
- এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে যুবসমাজকে বর্তমান সময়ের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BRICS : Challenge of the time for young people — এটি ২০২০ সালের সম্মেলনের সঠিক থিম হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
B) BRICS Youth Council for Skill Development — এটি দক্ষতা উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও ২০২০ সালের নির্দিষ্ট যুব সম্মেলনের মূল থিম ছিল না।
C) Youth: Power to enhance — এটি সাধারণ যুব ক্ষমতায়নের স্লোগান হলেও ২০২০ সালের ষষ্ঠ ব্রিকস যুব সম্মেলনের নির্ধারিত থিম নয়।
D) Youth as bridge for intea- BRICS Exchanges — এটি ব্রিকস দেশগুলোর মধ্যে যুব বিনিময়ের কথা বললেও ২০২০ সালের মূল প্রতিপাদ্য ছিল অন্যটি।
মনে রাখার টিপস:
২০২০ সালের যুব সম্মেলনের থিমে চ্যালেঞ্জ শব্দটির উল্লেখ ছিল, যা মনে রাখতে সাহায্য করবে।
সঠিক উত্তর: A) 1st
কেন সঠিক:
- বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় নারী ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শীর্ষস্থান বা প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
- শিক্ষায় অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং স্বাস্থ্য সূচকে উন্নতির কারণে বাংলাদেশ এই অবস্থান অর্জন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1st — এটি সঠিক উত্তর কারণ দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ লিঙ্গ বৈষম্য হ্রাসে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
B) 2nd — এই অপশনটি ভুল কারণ দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় নয়, বরং প্রথম স্থানে অবস্থান করছে।
C) 3rd — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় অবস্থানে নেই।
D) 4th — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
নারীর ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ সবসময় ১ নম্বরে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Syed Muazzem Ali
কেন সঠিক:
- সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ভারতে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার ছিলেন এবং ২০২০ সালে ভারত সরকার তাকে মরণোত্তর পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত করে।
- কূটনীতিতে অসামান্য অবদান এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকার জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Syed Mahammad Ali — তিনি এই সম্মাননা পাননি এবং তিনি প্রখ্যাত সাংবাদিক ছিলেন।
B) Syed Muazzem Ali — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
C) Runa Laila — তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী, তবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়নি।
D) Mostafijur Rahman — তিনি এই নির্দিষ্ট সম্মাননা পাননি।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মভূষণ ২০২০ পেয়েছেন ভারতের সাবেক হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী।
সঠিক উত্তর: B) Lalmonirhat
কেন সঠিক:
- তিনবিঘা করিডোর বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ও আঙ্গোরপোতা ছিটমহলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক ও ভৌগোলিক সংযোগস্থল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nilphamary — এটি একটি উত্তর জনপদের জেলা হলেও তিনবিঘা করিডোর এখানে অবস্থিত নয়।
B) Lalmonirhat — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনবিঘা করিডোর এই জেলায় অবস্থিত।
C) Dinajpur — এটি দেশের একটি উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং এর সঙ্গে তিনবিঘা করিডোরের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
D) Kurigram — এই জেলাটি তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অবস্থিত হলেও এখানে তিনবিঘা করিডোর নেই।
মনে রাখার টিপস:
লাল রঙ যেমন চোখে পড়ে, তেমনি লালমনিরহাটের তিনবিঘা করিডোর ভৌগোলিক মানচিত্রে অত্যন্ত আলোচিত একটি লাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।
সঠিক উত্তর: A) প্রত্যক্ষ
১. কেন সঠিক:
অক্ষির অভিমুখে এককথায় প্রকাশ করলে প্রত্যক্ষ হয়। অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ বা দৃষ্টি, আর অভিমুখে অর্থ সামনে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এটি বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে - সমক্ষ
ব্যাখ্যা: চোখের সামনে কোনো ঘটনা ঘটলে তাকে সমক্ষ বলা হয়।
উদাহরণ ২: অক্ষির গোচরে - গোচরীভূত
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু দৃষ্টির সীমার মধ্যে আসাকে গোচরীভূত বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যক্ষ — এটি সঠিক কারণ অক্ষির অভিমুখে অর্থে এটিই ব্যবহার করা হয়।
B) পরোক্ষ — এর অর্থ চোখের আড়ালে বা সামনে নয় যা, তাই এটি ভুল।
C) সমক্ষ — এর অর্থ চোখের সামনে, যা অক্ষির অভিমুখে শব্দের কাছাকাছি হলেও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) চাক্ষুষ — এর অর্থ যা চাক্ষুষ বা চোখে দেখা গেছে, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অক্ষির অভিমুখে মানে চোখের সামনে সরাসরি উপস্থিত থাকা, যা প্রত্যক্ষ শব্দ দিয়ে বোঝায়। পরোক্ষ মানে আড়াল বা সামনে নয় এমন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে অক্ষি সংক্রান্ত শব্দগুলো প্রায়ই আসে। যেমন সমক্ষ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ক্+ষ+ন
১. কেন সঠিক:
'তীক্ষ্ণ' শব্দটিতে একটি যুক্তব্যঞ্জন রয়েছে যা মূলত তিনটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এই যুক্তবর্ণটি হলো ক্ষ্ন, যা ভাঙলে ক্, ষ এবং ন পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ তিনটি বর্ণ মিলে গঠিত হয়। ক্ষ্ন যুক্তবর্ণটি ক, ষ এবং ন এই তিনটি বর্ণ যোগে গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তীক্ষ্ণতর
ব্যাখ্যা: তীক্ষ্ণ শব্দের তুলনামূলক রূপ হলো তীক্ষ্ণতর।
উদাহরণ ২: তীক্ষ্ণতা
ব্যাখ্যা: তীক্ষ্ণ শব্দ থেকে গঠিত একটি বিশেষ্য পদ হলো তীক্ষ্ণতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্+ষ+ম — এই যুক্তবর্ণটি 'ক্ষ্ম' গঠন করে যা লক্ষ্মী শব্দে ব্যবহৃত হয় কিন্তু তীক্ষ্ণ শব্দে নেই।
B) ক্+ষ+ন — এই যুক্তবর্ণটি সঠিক এবং এটি তীক্ষ্ণ শব্দের যুক্তব্যঞ্জনের বিশ্লেষণ।
C) ক+হ+ণ — এই যুক্তবর্ণটি প্রমিত বাংলা বানানে ব্যবহৃত হয় না এবং এটি ভুল বিশ্লেষণ।
D) ক্+ষ+ণ — এই অপশনে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু তীক্ষ্ণ শব্দে দন্ত্য ন রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
তীক্ষ্ণ বানানটি লেখার সময় খেয়াল রাখবে যে ক্ষ এর নিচে ন যুক্ত হয়। ক্ষ্ন মানে ক্+ষ+ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তিনবর্ণের যুক্তবর্ণ যেমন ক্ষ্ন, ষ্ক্র, ঙক্ত ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন আসে। বানানের সঠিক রূপ মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নে প্রদত্ত চারটি বাগধারার মধ্যে প্রথম তিনটি বাগধারা কপট বা ভণ্ড সাধু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- একমাত্র ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির বাগধারাটি অতিশয় সত্যবাদী বা নিষ্কলুষ চরিত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা অর্থের দিক থেকে ব্যতিক্রম।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে।
- এই প্রশ্নটিতে শব্দার্থের মিল বা অমিলের ওপর ভিত্তি করে ব্যতিক্রম বা ভিন্নার্থক বাগধারাটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুম্ভীরাশ্রু
ব্যাখ্যা: কুম্ভীরাশ্রু অর্থ বোঝায় তীরের কান্না বা ভণ্ড কান্না, যা বিড়াল তপস্বী বা বক ধার্মিকের সমার্থক।
উদাহরণ ২: কাগভুষুন্ডি
ব্যাখ্যা: কাগভুষুন্ডি অর্থ দীর্ঘজীবী বা প্রাচীন ব্যক্তি, যা সাধারণ মানুষের বৈশিষ্ট্য থেকে ব্যতিক্রমধর্মী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিড়াল তপস্বী — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড সাধু, যা প্রশ্নের অন্যান্য ভণ্ড ভাবাপন্ন বাগধারার সঙ্গে মিলে যায় এবং ব্যতিক্রম নয়।
B) বক ধার্মিক — এই বাগধারাটির অর্থও বিড়াল তপস্বীর মতো ভণ্ড সাধু বা ঠগ ব্যক্তি, যা এখানে সঠিক উত্তরের দাবি মেটায় না।
C) ভিজে বিড়াল — এই বাগধারাটির অর্থও নাদুস-নুদুস বা কপট ভীরু কিংবা চালাক প্রকৃতির লোক, যা ভণ্ডমির একটি রূপ।
D) ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির — এটি ব্যতিক্রম কারণ এর অর্থ অত্যন্ত সৎ বা সত্যবাদী ব্যক্তি, যা ভণ্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিড়াল তপস্বী, বক ধার্মিক এবং ভিজে বিড়াল এই তিনটিই শঠতা বা ভণ্ডামি প্রকাশ করে।
- একমাত্র ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির হলো চরম সততার প্রতীক, তাই এটিই এই গুচ্ছের ব্যতিক্রম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বাগধারার ভেতর থেকে ব্যতিক্রম বা বিপরীতার্থক বাগধারা খুঁজে বের করতে বলা হয়।
- তাই বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) আড়ং,রঙ,মোরগ
কেন সঠিক:
প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে আড়ং শব্দটি দেশি শব্দ হিসেবে পরিচিত।
রঙ এবং মোরগ শব্দ দুটি যথাক্রমে ফার্সি এবং পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষা গঠনের সময় বিভিন্ন ভাষার শব্দ এখানে এসে মিশে গেছে।
এর ফলে দেশি এবং বিদেশি শব্দের এক অপূর্ব মিলন ঘটেছে এই শব্দগুচ্ছে।
যেমন আড়ং হলো দেশি শব্দ এবং মোরগ হলো বিদেশি শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পোশাক, পছন্দ, হিসাব — এই শব্দগুলো মূলত ফার্সি বা আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
B) আড়ং,রঙ,মোরগ — এখানে দেশি এবং বিভিন্ন বিদেশি শব্দের সংমিশ্রণ ঘটেছে যা সঠিক উত্তরের বৈশিষ্ট্য।
C) আলাদা, লোকসান, জেলা — এই শব্দগুলো তুর্কি এবং ফার্সি ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দ।
D) দোকান, শনাক্ত, নিশান — এই শব্দগুলোর অধিকাংশই ফার্সি বা আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বিভিন্ন জাতীয় শব্দগুচ্ছ বলতে মূলত দেশি ও নানা বিদেশি শব্দের মিশ্রণকে বোঝানো হয়।
তাই দেশি শব্দের সাথে ভিন্ন ভাষার শব্দ পেলেই সেটি সঠিক উত্তর হিসেবে ধরে নেবে।
সঠিক উত্তর: C) হাসান হাফিজুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- 'শোকার্ত তরবারি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান।
- এই কাব্যগ্রন্থে মূলত বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন প্রগতিশীল কবি, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক।
- তিনি অমর একুশে স্মারকগ্রন্থের প্রথম সম্পাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বিমুখ প্রান্তর'
ব্যাখ্যা: এটি হাসান হাফিজুর রহমানের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: 'একুশে ফেব্রুয়ারি'
ব্যাখ্যা: এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত প্রথম সংকলন, যা ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রকাশিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুর রহমান — শামসুর রহমান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি হলেও 'শোকার্ত তরবারি' তার কাব্যগ্রন্থ নয়। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে 'প্রার্থনা সুন্দরের তরে' ও 'রৌদ্র করোটিতে' উল্লেখযোগ্য।
B) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ বাংলা কবিতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার রচিত নয়। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'লোক লোকান্তর' ও 'সোনালী কাবিন'।
C) হাসান হাফিজুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এই কাব্যগ্রন্থটি তার সঙ্গেই সরাসরি সম্পর্কিত।
D) নির্মলেন্দু গুণ — নির্মলেন্দু গুণ আধুনিক বাংলা কবিতার একজন জনপ্রিয় কবি হলেও এটি তার কাব্যগ্রন্থ নয়। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'হুলিয়া' ও 'বাংলার মাটি বাংলার জল'।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হাসান হাফিজুর রহমানের নাম মনে রাখতে পারেন তার বিখ্যাত সম্পাদিত সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' এবং কাব্যগ্রন্থ 'শোকার্ত তরবারি'র মাধ্যমে।
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম তালিকাভুক্ত করে চর্চা করতে পারেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিভিন্ন কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) জাহান্নাম হইতে বিদায়
১. কেন সঠিক:
- জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, যা মহাকাব্যিক উপন্যাসের ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার প্রেক্ষাপটে রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
- তার এই উপন্যাসে বৃহৎ পরিসর বা মহাকাব্যিক পটভূমি না থেকে একটি বিশেষ পরিবারের সংকট ও বুদ্ধিজীবী সমাজের আত্মজাগরণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোসেফ ম্যাকলারেন রচিত উপন্যাসের মতো মহাকাব্যিক উপন্যাস বিশাল ঐতিহাসিক সময়কে ধারণ করে।
ব্যাখ্যা: মহাকাব্যিক উপন্যাসে একাধিক প্রজন্ম ও বিশাল ভূখণ্ডের সামগ্রিক জীবনচিত্র ফুটে ওঠে।
উদাহরণ ২: বরফ গলা নদী একটি সামাজিক উপন্যাস, মহাকাব্যিক নয়।
ব্যাখ্যা: এটি ক্ষুদ্র পরিসরের মানুষের জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস, যা দক্ষিণ বাংলার গ্রামীণ জনপদের বিশাল ক্যানভাসে রচিত।
B) গায়ত্রী সন্ধ্যা — এটি প্রমথনাথ বিশী রচিত একটি বৃহৎ পরিসরের মহাকাব্যিক উপন্যাস, যা একাধিক যুগের ইতিহাস তুলে ধরে।
C) আগুন পাখি — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত দেশভাগ ও এর পরবর্তী বিশাল পটভূমির ওপর লেখা একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস।
D) জাহান্নাম হইতে বিদায় — এটি মহাকাব্যিক উপন্যাস নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মহাকাব্যিক উপন্যাস মনে রাখতে শহীদুল্লাহ কায়সারের সংশপ্তক এবং হাসান আজিজুল হকের আগুন পাখি নাম দুটি মাথায় রাখবে।
- শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় একটি কালখণ্ড ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোট পরিসরের উপন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা।
- উপন্যাসের পটভূমি বৃহৎ না হলে তাকে মহাকাব্যিক উপন্যাস বলা যায় না।
সঠিক উত্তর: C) সওগাত
১. কেন সঠিক:
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা থেকে 'সওগাত' নামক মাসিক সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা শুরু করেন।
এই পত্রিকাটি বাংলা মুসলিম সাহিত্য সমাজের মনন বিকাশ এবং নারী লেখকদের মুক্তবুদ্ধি চর্চায় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জগতের এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব।
'সওগাত' পত্রিকার মাধ্যমেই কাজী নজরুল ইসলামসহ সে সময়ের অনেক প্রগতিশীল লেখক ও সাহিত্যিক পরিচিতি লাভ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সওগাত পত্রিকা
ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি এই পত্রিকার দ্বিতীয় বর্ষের সপ্তম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বেগম পত্রিকা
ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন নারীদের সাহিত্যচর্চাকে এগিয়ে নিতে ১৯৪৭ সালে এই সাপ্তাহিক পত্রিকাটিও প্রতিষ্ঠা ও সম্পাদনা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোসলেম ভারত — এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন নন।
B) প্রগতি — বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্তের সম্পাদনায় ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা ছিল এটি।
D) সমকাল — সিকান্দার আবু জাফরের সম্পাদনায় ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ও সওগাত একে অপরের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায় কারণ তিনি আজীবন এই পত্রিকার সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন।
নারীদের সাহিত্যচর্চার কথা মনে রাখলে সওগাত এবং বেগম পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তাঁর নাম সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে সওগাত পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী, যার উত্তর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন।
পত্রিকাভিত্তিক প্রশ্নগুলোতে সম্পাদক এবং প্রকাশের স্থান বা সাল ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) মা
১. কেন সঠিক:
- যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অর্থপূর্ণ ছোট অংশ পাওয়া যায় না এবং যা অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে অর্থ প্রকাশ করে, তাকে মৌলিক শব্দ বলে।
- মা শব্দটি একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং মৌলিক শব্দ, যাকে বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে একটি হলো মৌলিক শব্দ।
- গঠন বা উৎসের বিচারে মৌলিক শব্দগুলো স্বাধীনভাবে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে এবং এগুলোর কোনো প্রত্যয় বা সন্ধিজাত রূপ থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাত
ব্যাখ্যা: হাত শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।
উদাহরণ ২: বই
ব্যাখ্যা: বই শব্দটিও বিশ্লেষণযোগ্য নয় এবং এটি স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করায় মৌলিক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাঁশি — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা বাঁশ শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
B) মা — এটি একটি মৌলিক শব্দ, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
C) তৈল — এটি একটি তৎসম শব্দ, যা তিল শব্দের পরিবর্তনের মাধ্যমে বা সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে।
D) জলধি — এটি একটি সমাসবদ্ধ বা সাধিত শব্দ, যার অর্থ জল ধারণ করে যা অর্থাৎ সমুদ্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ছোট ও এক syllables বা এক অক্ষরের পরিচিত শব্দগুলো সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়ে থাকে।
- যেসব শব্দকে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে মৌলিক শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সাধিত শব্দ চেনার জন্য প্রত্যয়, উপসর্গ ও সমাস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মিশ্র বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
এখানে 'যে পরিশ্রম করে' অংশটি হলো আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'সেই সুখ লাভ করে' অংশটি হলো প্রধান খণ্ডবাক্য, যা সাপেক্ষ সর্বনাম দ্বারা সংযুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠনভেদে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা: সরল বাক্য, মিশ্র বা জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
মিশ্র বাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যদি-তবে, যখন-তখন ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড় ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি দেশের সেবা করেন, সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'যিনি দেশের সেবা করেন' আশ্রিত বাক্য এবং 'সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে' প্রধান বাক্য হওয়ায় এটি মিশ্র বাক্য।
উদাহরণ ২: যদি তুমি পড়াশোনা করো, তবে পরীক্ষায় পাস করবে।
ব্যাখ্যা: শর্ত বোঝালে এবং সাপেক্ষ অব্যয় যুক্ত থাকলে তা মিশ্র বাক্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত বাক্যটি সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে গঠিত মিশ্র বাক্যের নিয়ম মেনে চলে।
B) সরল বাক্য — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে।
C) যৌগিক বাক্য — দুটি বা তার বেশি স্বাধীন বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত হলে যৌগিক বাক্য হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ব্যাস বাক্য — সমাসবদ্ধ পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ বা বাক্য তৈরি করা হয় তাকে ব্যাস বাক্য বলে, এটি বাক্য প্রকরণের কোনো শ্রেণি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে যদি যে-সে, যিনি-তিনি, যদি-তবে, যা-তা এই ধরনের জোড়া শব্দ থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি মিশ্র বা জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সরল বাক্যে কোনো খণ্ডবাক্য থাকে না এবং যৌগিক বাক্যে স্বাধীন বাক্যগুলো সংযোগকারী অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার চেনা সবচেয়ে সহজ উপায়।
মিশ্র বাক্যে একটি অংশ অন্য অংশের ওপর অর্থের জন্য নির্ভরশীল থাকে, যা সরল বা যৌগিক বাক্যে দেখা যায় না।
সঠিক উত্তর: D) অর্বাচীন - আধুনিক
১. কেন সঠিক:
- বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে জোড়টির অর্থগত মিল না থাকায় এই অপশনটি ভুল এবং প্রশ্নানুসারে এটিই সঠিক উত্তর।
- অর্বাচীন শব্দের অর্থ প্রাচীন নয়, এর অর্থ নবীন, আধুনিক বা অপ্রবীণ, তাই এর বিপরীত শব্দ প্রাচীন হওয়া উচিত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত বা উল্টো।
- শব্দগুলোর উৎসের দিক খেয়াল রেখে তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম এবং বাংলা শব্দের বিপরীতে বাংলা শব্দ ব্যবহার করা প্রমিত নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্বাচীন - প্রাচীন
ব্যাখ্যা: অর্বাচীন শব্দের অর্থ অনুন্নত বা কম বয়সী, যার বিপরীতার্থক শব্দ প্রাচীন বা প্রবীণ।
উদাহরণ ২: আধুনিক - প্রাচীন
ব্যাখ্যা: আধুনিক শব্দের প্রকৃত বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রাচীন, কারণ আধুনিক ও অর্বাচীন সমার্থক শব্দ নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমৃত - গরল — অমৃত শব্দের অর্থ সুধা এবং গরল শব্দের অর্থ বিষ, যা পরস্পর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
B) তস্কর - সাধু — তস্কর শব্দের অর্থ চোর এবং সাধু শব্দের অর্থ সৎ ব্যক্তি, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
C) কৃশ - স্হূল — কৃশ শব্দের অর্থ রোগা বা ক্ষীণ এবং স্হূল শব্দের অর্থ মোটা, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
D) অর্বাচীন - আধুনিক — অর্বাচীন ও আধুনিক সমার্থক শব্দ হওয়ায় এই জোড়টি ভুল এবং এটিই উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অর্বাচীন শব্দের সঙ্গে প্রাচীন শব্দটি যুক্ত করবে, কারণ আধুনিক শব্দের বিপরীতও প্রাচীন হয়।
- সমার্থক শব্দগুলোকে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ভুলভাবে জোড় করা থেকে সতর্ক থাকবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়।
- শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ জানা থাকলে এই ধরনের ভুল সহজেই এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ক্ষুধ্+ পিপাসা
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনবর্ণের পর ব্যঞ্জনবর্ণ যুক্ত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। এখানে পূর্বপদের অন্ত্যস্থ ব্যঞ্জনবর্ণ 'ধ্' এবং পরপদের আদি বর্ণ 'প' মিলে সন্ধি সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। পদের অন্তে অবস্থিত বর্গের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ণের পর যদি অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ধ্বনি থাকে, তবে পূর্ববর্ণটি সাধারণত তার বর্গের তৃতীয় বর্ণে রূপান্তরিত হয় অথবা নিয়মানুসারে পরিবর্তিত হয়। এখানে ক্ষুধ্ যোগ পিপাসা মিলে ক্ষুৎপিপাসা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎ + পথ = সৎপথ
ব্যাখ্যা: ত এর পর প থাকায় প্রথম পদ তার নিয়মে পরিবর্তিত হয়ে যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৎ + সম = তৎসম
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনের মাধ্যমে এই সন্ধি সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষুদ্ + পিপাসা — এখানে পূর্বপদে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে কারণ মূল শব্দ ক্ষুধা থেকে 'ধ্' আসে।
C) ক্ষুত্ + পিপাসা — এখানে খণ্ডত বা ত ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের উৎপত্তির নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
D) ক্ষুৎ + পিপাসা — এখানে বিসর্গ বা অতিরিক্ত খণ্ডত ব্যবহারের কারণে বানান ও নিয়ম সঠিক হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্ষুৎপিপাসা শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় মনে রাখতে হবে এর মূল উৎস ক্ষুধা শব্দ। তাই ক্ষুধ্ এর সঙ্গে পিপাসা যোগ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যতিক্রমী সন্ধিগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বানানরীতি মেনে সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় শব্দের মূল রূপ খেয়াল রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সম্প্রদানে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
- স্বত্ব ত্যাগ করে বা কোনো প্রতিদান বা আশা ছাড়া কাউকে কোনো কিছু দান করা বুঝালে তাকে সম্প্রদান কারক বলে।
- এখানে প্রিয়জনকে নিজের ভালোবেসে বা নিঃস্বার্থভাবে দান করার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি সম্প্রদান কারক।
- দেবতারে শব্দটিতে 'এ' বা 'য়' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা বাংলায় সপ্তমী বিভক্তির রূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সম্প্রদান কারক হলো যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান, সাহায্য বা ভক্তিভরে কিছু প্রদান করা হয়।
- ব্যাকরণবিদদের মতে, স্বত্ব ত্যাগ না করলে আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে অনেক সময় তা কর্মকারক হিসেবে গণ্য হয়, তবে ভক্তি বা দেবতাকে উৎসর্গ করার ক্ষেত্রে এটি সম্প্রদান কারক হিসেবেই বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে ভিখারিকে নিঃস্বার্থভাবে দান করা বোঝানো হয়েছে, যা সম্প্রদান কারকের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: অন্ধজনে দেহ আলো।
ব্যাখ্যা: অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা দৃষ্টি দান করার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিদান চাওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় সপ্তমী — বাক্যটিতে কর্তা কোনো কাজ করছে তা প্রধান নয়, বরং যাকে দান করা হচ্ছে সেটিই মূল বিষয়।
B) কর্মে সপ্তমী — কর্মকারক হলো যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, কিন্তু এখানে স্বত্ব ত্যাগ করে দানের ভাব থাকায় এটি কর্ম নয়।
D) অপাদানে দ্বিতীয়া — অপাদান কারক থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয় পাওয়া বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিঃস্বার্থ দান, ভক্তিভরে অর্ঘ্য প্রদান বা কোনো প্রতিদান ছাড়া কিছু দিলে চোখ বুজে সম্প্রদান কারক দাগাবে।
- দেবতাকে বা নিঃস্বার্থভাবে কাউকে কিছু দেওয়া বোঝালে তা সর্বদা সম্প্রদান কারক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সম্প্রদান কারকের সবচেয়ে বড় শর্ত হলো স্বত্ব ত্যাগ বা নিঃস্বার্থভাবে প্রদান।
- পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে এবং এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার তরী কবিতার বিখ্যাত লাইন।
সঠিক উত্তর: B) কর্মে শূন্য
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার ওপর ক্রিয়া তার সম্পূর্ণ ফল গিয়ে পড়ে তাকে কর্মকারক বলে। এখানে কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিলো বাক্যে কুসুম কলি হলো কর্ম পদ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় তা শূন্য বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে এবং শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। এই বাক্যে কুসুম কলি হলো কর্মকারকের প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো।
ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার তাই এটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।
উদাহরণ ২: ফুল খোঁপায় গুঁজেছে।
ব্যাখ্যা: কী গুঁজেছে উত্তর ফুল তাই এটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় শূন্য — বাক্যে ফুটিলো ক্রিয়ার কাজটি কুসুম কলি নিজেই সম্পন্ন করছে না বরং কুসুম কলি ফুটছে তাই এটি কর্তা নয়।
B) কর্মে শূন্য — সঠিক উত্তর কারণ কুসুম কলি হলো কর্মকারক এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
C) করনে দ্বিতীয়া — করণ কারকের সাহায্যে বা মাধ্যমে বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম বা যন্ত্রের ব্যবহার নেই।
D) অপাদানে দ্বিতীয়া — অপাদান কারকে হতে বা থেকে বোঝায় এবং ত্যাত বা দূরত্ব প্রকাশ করে যা এখানে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। কর্মপদে কোনো বিভক্তি না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়ার সঙ্গে কী বা কাকে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। কর্মকারক চেনার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি সব সময় মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ঘরে বাইরে ও যোগাযোগ
১. কেন সঠিক:
- 'বিমলা' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের এবং 'কুমুদিনী' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- প্রশ্নটিতে দুটি উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্রগুলোর নাম উল্লেখ করে জানতে চাওয়া হয়েছে চরিত্র দুটি কোন উপন্যাসের অংশ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিকদের মধ্যে অন্যতম যিনি তার মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
- 'ঘরে বাইরে' (প্রকাশকাল ১৯১৬) উপন্যাসটি স্বদেশী আন্দোলন ও ত্রিকোণ প্রেমের পটভূমিতে রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- 'যোগাযোগ' (প্রকাশকাল ১৯২৯) উপন্যাসটি বনেদি ও উদীয়মান ধনী পরিবারের দ্বন্দ্ব এবং নারীর ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: চোখের বালি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মহেন্দ্র ও বিনোদিনী।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র বিনোদিনী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘরে বাইরে ও যোগাযোগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিমলা ঘরে বাইরে এবং কুমুদিনী যোগাযোগ উপন্যাসের চরিত্র।
B) চতুরঙ্গ ও যোগাযোগ — চতুরঙ্গ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শচীশ ও দামিনী, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ঘরে বাইরে ও শেষের কবিতা — শেষের কবিতা উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র লাবণ্য, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) চোখের বালি ও শেষের কবিতা — চোখের বালি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিনোদিনী ও আশা, তাই এই অপশনটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের নারী চরিত্র মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ঘরে বিমলা থাকে এবং যোগাযোগ হয় কুমুদিনীর সাথে।
- চরিত্রের নামের সাথে উপন্যাসের নাম জোড়া লাগিয়ে পড়লে পরীক্ষাসময়ে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সাহিত্য অংশের যেকোনো চরিত্রভিত্তিক উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয়
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটি শব্দগুচ্ছের মধ্যে অন্তত একটি করে বানান ভুল রয়েছে, যার ফলে কোনো অপশনই সম্পূর্ণ শুদ্ধ নয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শব্দের সঠিক বানান নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরীক্ষক যাচাই করে থাকেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য বর্ণ ও দন্ত্য বর্ণের ব্যবহার, ই-কার ও উ-কার এর সঠিক প্রয়োগ এবং রেফ এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব না হওয়ার নিয়মগুলো বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়মে অনেক তৎসম ও অতৎসম শব্দের বানানে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা সঠিকভাবে আত্মস্থ করতে হবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে দন্ত্য ন এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সান্ত্বনা বানানে কোনো মূর্ধন্য ব্যবহৃত হয় না, এটি ভুল ধারণা; বরং এখানে অনুস্বার ও ত এর নিচে ব ফলা যুক্ত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রুগ্ন, শিহরণ, বাল্মীকি — এই অপশনে রুগ্ন ও শিহরণ ঠিক থাকলেও বাল্মীকি বানান ভুল, কারণ বাল্মীকি বানানে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়।
B) অদ্যাবধি, তিরস্কার, ধরণ — এই অপশনে অদ্যাবধি ও তিরস্কার শুদ্ধ হলেও ধরণ বানান ভুল, প্রমিত বানানে ধরণ বানানটি মূর্ধন্য ন দিয়ে লিখতে হয় অর্থাৎ ধরণী বা ধরন।
C) দারুণ, দৈনতা, বৈচিত্র — এই অপশনে দারুণ শুদ্ধ হলেও দৈনতা অশুদ্ধ কারণ এর শুদ্ধ রূপ দীনতা এবং বৈচিত্র বানানটিও অসম্পূর্ণ, এর শুদ্ধ রূপ বৈচিত্র্য।
D) কোনটি নয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ A, B এবং C এর কোনোটিতেই সব শব্দ শুদ্ধ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বানান শেখার সময় তৎসম শব্দের মূল রূপ এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত নিয়মগুলো বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
- রেফ এর পরে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হয় না যেমন অর্জন, মূর্খ, এই নিয়মটি মনে রাখলে অনেক বানান ভুল হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একগুচ্ছ শব্দ দিয়ে শুদ্ধ বানান চাওয়া হলে প্রতিটি শব্দের বানান আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে।
- প্রমিত বানানরীতি এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত বানান পরিবর্তনের নিয়মগুলো ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রৈখিক
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি পরিভাষিক শব্দ 'Graphic' এর বাংলা সঠিক পরিভাষা হলো রৈখিক বা চিত্রসংক্রান্ত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা নির্ণয়ের জন্য শব্দার্থের গভীরতা ও প্রমিত রূপ জানা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যা বিশেষ কোনো ভাব, ধারণা বা ইংরেজি শব্দের পরিপূরক হিসেবে বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদ বা রূপান্তর করে এসব পারিভাষিক শব্দ তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Geography শব্দের পরিভাষা ভূগোল।
ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সার্বজনীন ও প্রমিত পারিভাষিক রূপ।
উদাহরণ ২: Constitution শব্দের পরিভাষা সংবিধান।
ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রীয় আইনের ক্ষেত্রে এটি সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য পারিভাষিক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নকশা — এটি সাধারণত Design শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।
B) রৈখিক — এটি সঠিক উত্তর এবং Graphic শব্দের পরিভাষা হিসেবে প্রমিত।
C) খসড়া — এটি Draft শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) অংকন — এটি Drawing শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ করার সময় ইংরেজি শব্দের মূল অর্থ এবং এর সাথে সম্পর্কিত বাংলা ক্ষেত্রটি মনে রাখবে।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য Design ও Graphic শব্দের বাংলা রূপ আলাদা করে চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পরিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত পরিভাষা অনুসরণ করলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) চাচা আপন প্রাণ বাঁচা
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবাদ 'Every man is for himself' এর ভাবানুবাদ হলো 'চাচা আপন প্রাণ বাঁচা'।
- এর মাধ্যমে মানুষের সহজাত আত্মকেন্দ্রিকতা ও বিপদের মুহূর্তে নিজের সুরক্ষাকে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়ার প্রবৃত্তি প্রকাশ পায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ ও প্রবচন।
- প্রবাদ হলো সমাজে প্রচলিত দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও জীবনদর্শনের সংক্ষিপ্ত ও শিল্পসম্মত প্রকাশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Barking dogs seldom bite.
ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা প্রবাদ হলো 'গর্জে ওঠলে বর্ষে না'।
উদাহরণ ২: Tit for tat.
ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা প্রবাদ হলো 'যেমন কর্ম তেমন ফল'।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় — এটি English প্রবাদ 'Where there is a will, there is a way' এর সঠিক বাংলা অনুবাদ।
B) চাচা আপন প্রাণ বাঁচা — এটিই প্রদত্ত ইংরেজি প্রবাদের সঠিক ভাবানুবাদ।
C) প্রত্যেকে আমরা পরের তরে — এটি কবি কামিনী রায়ের 'স্বাধীনতা' কবিতার বিখ্যাত চরণ এবং এর ভাবার্থ আলাদা।
D) সবার উপরে মানুষ সত্য — এটি চণ্ডীদাসের বিখ্যাত বাণী এবং মানবতাবাদের মূল সুর প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি বাক্যে প্রতিটা মানুষ নিজের জন্য কথাটি থাকলে বাংলায় বাঁচা সংক্রান্ত প্রবাদটি নির্বাচন করতে হবে।
- প্রবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্ব পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রবাদের বাংলা সঠিক অনুবাদ প্রায়ই আসে।
- প্রবাদ মুখস্থ না করে তার মূল ভাবার্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) দ্বিগু কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সম্যাস হয় এবং যার দ্বারা সমাহার বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- চৌরাস্তা শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো চার রাস্তার সমাহার, যা মিলন বা সমষ্টি বোঝানোর কারণে দ্বিগু কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হয়ে সম্পূর্ণ পদটি সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাস মূলত কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ, কারণ এতে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তেমাথা
ব্যাখ্যা: তিন মাথার সমাহার বোঝাতে এটি দ্বিগু সমাসের একটি নিখুঁত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: শতাব্দী
ব্যাখ্যা: শত অব্দের সমাহার বোঝাতে এই শব্দটি দ্বিগু সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিগু কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ চৌরাস্তা শব্দটি সমাহার অর্থে দ্বিগু সমাস গঠন করেছে।
B) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি — সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসে সমস্তপদটি অন্য কোনো পদকে বোঝায়, কিন্তু এখানে পদের নিজস্ব সমাহার অর্থ বজায় আছে।
C) অলুক বহুব্রীহি — অলুক বহুব্রীহিতে বিভক্তির লোপ পায় না, যা চৌরাস্তা শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) সমানাধকরণ বহুব্রীহি — সমানাধকরণ বহুব্রীহিতে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়, যা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাবাচক শব্দ + বিশেষ্য পদ + সমাহার বা সমষ্টি বুঝালে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে।
- বহু রাস্তার মিলন বুঝলেই তা দ্বিগু সমাসের আওতাভুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো শব্দ দেখলে প্রথমে দ্বিগু সমাস কি না তা যাচাই করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) অলুক বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক বহুব্রীহি সমাস বলে।
- কানে-কলম শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কানে কলম যার, এখানে কানে পদে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত আছে এবং সমস্তপদেও তা বহাল রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়।
- অলুক শব্দের অর্থ হলো লোপ না পাওয়া, অর্থাৎ বিভক্তির লোপ না পাওয়া অলুক সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গায়ে হলুদ
ব্যাখ্যা: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: হাতে খড়ি
ব্যাখ্যা: হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এখানেও হাতে পদের এ বিভক্তি লোপ পায়নি বলে এটি অলুক বহুব্রীহি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপপদ তৎপুরুষ — উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অলুক দ্বন্দ্ব — যে দ্বন্দ্ব সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে, কিন্তু এটি দ্বন্দ্ব সমাস নয়।
C) প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি — যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, ই ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয়ান্ত বলে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
D) অলুক বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে কানে পদের সপ্তমী বিভক্তি সমস্তপদেও অপরাজিত থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে যদি যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ থাকে এবং পূর্বপদে বিভক্তি অটুট থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে অলুক বহুব্রীহি দাগাবে।
- গায়ে, কানে, হাতে ইত্যাদি শব্দ দিয়ে শুরু হওয়া বহুব্রীহি সাধারণত অলুক বহুব্রীহি হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অলুক সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তি লোপ পাচ্ছে কি না, তা ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট
১. কেন সঠিক:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে এবং বিসর্গযুক্ত পদটি যেমন আছে তেমনি বসে।
- এখানে মনঃ শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং কষ্টের শুরুতে ক আছে, তাই বিসর্গ বহাল থেকে মনঃকষ্ট শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের সঙ্গে অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ধ্বনির মিলনে বিসর্গ লোপ পায় না।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে যদি ক, খ, প, ফ থাকে তবে বিসর্গের কোনো পরিবর্তন হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অহঃ + কার = অহংকার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকার কারণে বিসর্গ অপরিবর্তিত থেকে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাচঃ + পতি = বাচস্পতি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে প থাকার কারণে বিসর্গ অপরিবর্তিত থেকে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং সঠিক নিয়মে গঠিত হয়েছে।
B) চক্ষু+রোগ = চক্ষূরোগ — এই সন্ধিটি ভুল কারণ চক্ষু শব্দের সঙ্গে রোগ যুক্ত হলে চক্ষুরোগ হয়, দীর্ঘ উকার হয় না।
C) পরি + কার = পরিস্কার — পরি এবং কার মিলে পরিষ্কার হয়, মূর্ধন্য ষ হবে, দন্ত স হবে না।
D) ইতঃ + মধ্যে = ইতিমধ্যে — ইতঃ এবং মধ্যে মিলে ইতিমধ্যে হয়, ইতিমধ্যে শব্দটি ভুল বানান।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গের পরে ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ যেমন আছে তেমনই রেখে যোগ করে দেবে।
- মনঃকষ্ট, অহংকার, বাচস্পতি শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করলে এই নিয়ম মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- বিসর্গের পর ক বা প থাকলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে, এই মূল সূত্রটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) She disguised lest she should be recognised
কেন সঠিক:
'Disguise' একটি reflexive verb হওয়ায় এর পর একটি reflexive pronoun যেমন 'herself' বসা বাধ্যতামূলক।
এছাড়াও 'lest' conjunction এর পর সাধারণত 'should' ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এই অপশনে 'herself' এবং 'should' দুটি নিয়মই সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
B) এই অপশনে 'herself' থাকলেও 'should' ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে গেছে।
C) এই অপশনে 'can' ব্যবহার করা হয়েছে যা 'lest' এর সাথে সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) এই অপশনে 'lest' এর পরে উপযুক্ত modal verb ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'lest' থাকলে তার পরে সর্বদা 'should' বসে এবং 'disguise' verb এর পর সবসময় reflexive pronoun বসে।
সঠিক উত্তর: C) The kid likes watching cartoons and eating chocolate
কেন সঠিক:
বাক্যে and কনজাংশনের উভয় পাশে একই ধরনের Grammatical form বা Parallelism থাকতে হয়।
এখানে likes verb-এর পর gerund হিসেবে watching এবং eating উভয়ই সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এছাড়াও carton বানানটি ভুল ছিল যা সঠিক অপশনে cartoons করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A) — এখানে carton বানান ভুল এবং watching gerund-এর সাথে to eat infinitive ব্যবহার করায় parallelism নষ্ট হয়েছে।
B) B) — এখানে watching gerund-এর সাথে to eat infinitive ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে।
C) C) — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে বানান ও parallelism উভয় নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলা হয়েছে।
D) D) — এখানে chocolate-এর সাথে s যুক্ত করা হয়েছে যা অপ্রয়োজনীয় এবং নিয়ম বহির্ভূত।
মনে রাখার টিপস:
and দ্বারা দুটি শব্দ যুক্ত হলে উভয় দিকের Parts of speech সবসময় একই হতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) if I had known you
কেন সঠিক:
বাক্যটির প্রথম অংশে would have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল থাকায় এটি থার্ড কন্ডিশনাল নির্দেশ করে।
তাই নিয়মানুযায়ী অপর অংশে if + past perfect tense বসবে, যা অপশন সি তে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) if I have known you — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) if I knew you — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় সেকেন্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতো।
C) if I had known you — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) when I had known — এখানে কন্ডিশন বোঝাতে when এর পরিবর্তে if বসা উচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্যে would have থাকলে অপর অংশে সবসময় had + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) Feeling slightly ill
কেন সঠিক:
'Feeling under the weather' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ হলো কিছুটা অসুস্থ বা দুর্বল বোধ করা।
দৈনন্দিন কথোপকথনে শারীরিক অস্বস্তি প্রকাশ করতে এই বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Feeling very cold — এটি দিয়ে তীব্র ঠান্ডা অনুভব করা বোঝায়, কিন্তু এই ইডিওমের সাথে ঠান্ডার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) Traumatized — এর অর্থ মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত বা আতঙ্কিত হওয়া, যা শারীরিক অসুস্থতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) Showering sign of torture — এর অর্থ নির্যাতনের লক্ষণ প্রকাশ করা, যা এই সাধারণ ইডিওমের অর্থের সাথে একেবারেই মিলে না।
D) Feeling slightly ill — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি শারীরিক অসুস্থতার ভাবটিকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
খারাপ আবহাওয়ায় যেমন শরীর খারাপ লাগতে পারে, তেমনি 'under the weather' শুনলেই বুঝবে সামান্য অসুস্থতার কথা বলা হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: A) Onomatopoeia
কেন সঠিক:
শব্দটির শুরুতে O-n-o আছে যা সঠিক বানান নির্দেশ করে।
মধ্যবর্তী অংশে m-a-t-o-p-o-e-i-a অংশটি সঠিকভাবে বিন্যস্ত আছে।
শব্দটির শেষে i-a যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ তৈরি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Onomatopoeia — এটি সঠিক বানান।
B) Onamatopoea — প্রথম অংশে a এবং শেষের দিকে বানান ভুল আছে।
C) Onamotopoeia — প্রথম দিকে o-n-o এর পরিবর্তে o-n-a ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Anomatopoeia — একদম শুরুতে O এর পরিবর্তে ভুলভাবে A ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে Onoma এবং topopoeia এই দুটি ভাগে ভাগ করে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) তোমার বাজে সঙ্গ এড়িয়ে চলা উচিত
কেন সঠিক:
এখানে প্রদত্ত বাক্যটির মূল ইডিওম বা বাগধারা হলো fight shy of যার অর্থ হলো কোনো কিছু এড়িয়ে চলা বা দূরে থাকা।
এছাড়া evil company শব্দের অর্থ হলো খারাপ বা বাজে সঙ্গ।
তাই বাক্যটির সঠিক অর্থ দাঁড়াচ্ছে তোমার বাজে সঙ্গ এড়িয়ে চলা উচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তোমার খারাপ সংস্থা থেকে দূরে থাকা উচিত — এখানে company শব্দের অর্থ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান ধরা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) তোমার খারাপ সংস্থার লোকদের সাথে মারামারি করা উচিত — এখানে fight শব্দের আক্ষরিক অর্থ মারামারি করা ধরা হয়েছে যা ভুল।
C) তোমার বাজে লোকদের সাথে মারামারি করা উচিত — এখানেও fight shy of বাগধারাটির সঠিক অর্থ না বুঝে মারামারি করা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
fight shy of একটি গুরুত্বপূর্ণ ইডিওম যার অর্থ লড়াই করা নয় বরং কোনো কিছু সচেতনভাবে এড়িয়ে চলা।
সঠিক উত্তর: A) Knowledgeable
কেন সঠিক:
Erudite শব্দটির অর্থ হলো অত্যন্ত পন্ডিত, জ্ঞানী বা শিক্ষাবান ব্যক্তি।
Knowledgeable শব্দের অর্থও হলো জ্ঞানী বা কোনো বিষয়ে গভীর জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি।
তাই এই দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Knowledgeable — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ জ্ঞানী।
B) Angry — এর অর্থ রাগী বা ক্রুদ্ধ, যা পন্ডিত শব্দের সাথে মেলে না।
C) Illiterate — এর অর্থ নিরক্ষর বা অশিক্ষিত, যা পন্ডিতের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Smart — এর অর্থ চটপটে বা পরিপাটি, যা গভীর জ্ঞানের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Erudite শব্দটির ভেতর Education বা শিক্ষার ভাব রয়েছে, তাই এর অর্থ জ্ঞানী বা Knowledgeable হবে।
সঠিক উত্তর: B) Deferment
কেন সঠিক:
এখানে 'defer' একটি ক্রিয়া বা verb যার অর্থ স্থগিত রাখা। এর সাথে suffix যুক্ত করে বিশেষ্য বা noun তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Defer — এটি একটি verb বা ক্রিয়া শব্দ, প্রশ্ন চেয়েছে noun বা বিশেষ্য রূপ।
B) Deferment — এটি এই প্রশ্নের সঠিক noun বা বিশেষ্য রূপ।
C) Defferance — এটি বানান ভুল একটি শব্দ, সঠিক বানান deference।
D) Different — এটি একটি adjective বা বিশেষণ শব্দ, noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো verb এর শেষে ment যুক্ত করে সাধারণত noun বা বিশেষ্য তৈরি করা হয় যেমন defer থেকে deferment।
সঠিক উত্তর: C) Acuire (দ্রষ্টব্য: এটি মূলত Acquire বানান ভুল আকারে দেওয়া হয়েছে)
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত 'Acquisition' একটি নাউন এবং এর সঠিক ভার্ব রূপ হলো Acquire যার অর্থ অর্জন করা।
- প্রশ্নে Acuire বানানটিতে একটি c কম আছে, যা মূলত Acquire শব্দের সামান্য পরিবর্তিত রূপ হিসেবে সঠিক উত্তরের জন্য ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Acquiesce — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ নীরবে সম্মতি দেওয়া, কিন্তু এটি Acquisition শব্দের ভার্ব রূপ নয়।
B) Acquisition — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত মূল শব্দ যা নিজে একটি নাউন।
C) Acuire — বানান কিছুটা ভুল থাকলেও এটিই এখানে সঠিক উত্তরের অপশন হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) Aquifer — এটি একটি নাউন যার অর্থ ভূগর্ভস্থ জলাধার।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে tion বা sion দেখলে সাধারণত তা নাউন হয় এবং সেগুলোকে ভার্বে রূপান্তর করতে মূল শব্দটি মনে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) No sooner had he graduated than he got a job
কেন সঠিক:
No sooner যুক্ত বাক্য গঠনে প্রথমে সাহায্যকারী verb হিসেবে had বসে এবং subject এর পর verb এর past participle রূপ হয়।
এছอกจาก বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটানোর জন্য when বা as এর বদলে সঠিক conjunction হিসেবে than ব্যবহৃত হয়।
এখানে প্রথম কাজটি শেষ হওয়া মাত্র দ্বিতীয় কাজটি ঘটেছিল বোঝাতে Past Indefinite ও Past Perfect Tense এর চমৎকার নিয়ম মানা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No sooner be graduted he got a job — এই অপশনে had এর পরিবর্তে be ব্যবহৃত হয়েছে এবং বাক্যে কোনো proper conjunction নেই।
B) No sooner had he graduated than he got a job — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Ni sooner had he graduated than he had got a job — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং দ্বিতীয় অংশে unnecessary past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে।
D) No sooner he had graduated he got a job — এখানে subject এর আগে had না বসিয়ে ভুলভাবে structure গঠন করা হয়েছে এবং than বাদ দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
No sooner থাকলে মনে রাখবে No sooner + had + subject + verb এর v৩ + than + subject + verb এর v২।
সঠিক উত্তর: D) With
কেন সঠিক:
বাক્યটির অর্থ হলো সুযোগের সাথে দায়িত্বও আসে। ইংরেজি প্রবচন বা সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছুর সাথে কোনো কিছু যুক্ত থাকা বোঝাতে with preposition ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) From — from অর্থ হইতে, যা সুযোগ থেকে দায়িত্ব আসার অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু প্রবচনের সাথে মিলে না।
B) Before — before অর্থ পূর্বে, যা সুযোগের আগে দায়িত্ব বোঝায় এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত।
C) Without — without অর্থ ছাড়া, যা সুযোগ ছাড়া দায়িত্ব বোঝায় এবং এটিও প্রবচনের ভাবের সাথে বিপরীত।
D) With — এটি সঠিক কারণ এটি সুযোগ এবং দায়িত্বের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সংযোগ খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সুযোগের সাথে দায়িত্ব আসে এই ভাবটি বোঝাতে সবসময় with preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) one
কেন সঠিক:
- 'won' শব্দটির উচ্চারণ হলো ওয়ান, যা একই উচ্চারণ বিশিষ্ট শব্দ বা হোমোফোন।
- 'one' শব্দটির উচ্চারণও অবিকল ওয়ান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) own — এর উচ্চারণ ওউন, যা won শব্দের সঙ্গে মেলে না।
B) one — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার উচ্চারণ won শব্দের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।
C) on — এর উচ্চারণ অন, যা won শব্দের উচ্চারণের মতো নয়।
D) up — এর উচ্চারণ আপ, যা won শব্দের উচ্চারণের সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চারণ এক কিন্তু বানান ও অর্থ আলাদা এমন শব্দগুলোকে হোমোফোন বলে, যেমন won এবং one।
সঠিক উত্তর: C) Have you had
কেন সঠিক:
বাক্যে yet শব্দটি থাকলে সাধারণত Present Perfect tense ব্যবহার করতে হয়।
এখানে দুপুরের খাবার খাওয়া বোঝাতে have verb এর Past Participle রূপ had বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Do you have — এটি Present Indefinite tense হওয়ায় yet যুক্ত বাক্যের সাথে বসে না।
B) Have you — এখানে মূল verb বা Past Participle না থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
C) Have you had — এটি সঠিক কারণ এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) Did you have — এটি Past Indefinite tense হওয়ায় বর্তমানের ফল বোঝাতে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yet থাকলে Present Perfect tense হয় এবং খাওয়া অর্থে have এর জায়গায় had বসে।
সঠিক উত্তর: B) were being followed
কেন সঠিক:
বাক્યটির অর্থ দাঁড়ায় আমাদের পেছনে কেউ হাঁটছিল এবং আমাদের অনুসরণ করা হচ্ছিল। এখানে আমরা নিজে কাউকে অনুসরণ করছিলাম না, বরং আমাদের অনুসরণ করা হচ্ছিল তাই প্যাসিভ ভয়েস হবে।
অতীতকালের চলমান ঘটনা বোঝাতে পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের প্যাসিভ গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
সাবজেক্ট উই এর পরে ওয়্যার বিং এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were following — এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস হওয়ায় এর অর্থ দাঁড়ায় আমরা অন্য কাউকে অনুসরণ করছিলাম যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) were being followed — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) were followed — এটি সিম্পল পাস্ট টেন্সের প্যাসিভ, যা চলমান বা কন্টিনিউয়াস ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
D) have been followed by somebody — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের প্যাসিভ, যা মূল বাক্যের পাস্ট টেন্সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের সাবজেক্ট নিজে কাজ না করে যদি অন্যের কাজের শিকার হয়, তবে সেটি প্যাসিভ ভয়েস হয় এবং টেন্স অনুযায়ী বিং যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) would like to
কেন সঠিক:
সৌজন্যমূলকভাবে কোনো কিছু চাওয়ার জন্য বা কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করার জন্য would like to ব্যবহার করা হয়।
এখানে বক্তা ম্যানেজারের সাথে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন।
তাই এই শূন্যস্থানে would like to বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) am intersted to — ইংরেজিতে interested শব্দের পরে preposition হিসেবে to বসে না, with বা in বসে তাই এটি ভুল।
B) wish I can — wish এর পরে can ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয়।
C) like to — এটি সরাসরি ব্যবহার করলে বাক্যটিতে কাঙ্ক্ষিত সৌজন্য প্রকাশ পায় না।
D) would like to — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যটিকে সম্পূর্ণ ও সুন্দর করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও বিনীতভাবে কিছু চাইতে হলে বা ইচ্ছা প্রকাশ করতে চাইলে সবসময় would like ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) to speak
কেন সঠিক:
বাক্যে 'too' এবং 'to' এর ব্যবহার একটি খুব সাধারণ নিয়ম। 'Too... to' কাঠামোর অর্থ হলো এতই যে... করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) so they could not speak — 'too' এর সাথে 'so' ব্যবহার করলে বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়।
B) that they starter speaking — 'flabbergasted' শব্দের অর্থ হতবাক হওয়া, তাই কথা বলা শুরু করা অর্থসংগত নয়।
C) to speak — এটি সঠিক উত্তর।
D) to stop speaking — হতবাক হলে মানুষ কথা বন্ধ করে, কথা বলা থামানো বন্ধ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'too' থাকলে পরের অংশে সাধারণত 'to' এবং মূল verb এর base form বসে।
সঠিক উত্তর: খ) combine
কেন সঠিক:
Segregate শব্দটির বাংলা অর্থ হলো আলাদা করা বা পৃথক করা।
এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে combine শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ একত্রিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) isolate — এই শব্দটির অর্থ আলাদা করা, যা মূল শব্দের সমার্থক বা সমার্থক শব্দ।
খ) combine — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ একত্রিত করা।
গ) ঘ) divide এবং sever — এই শব্দ দুটির অর্থ যথাক্রমে ভাগ করা এবং কেটে আলাদা করা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Segregate মানে পৃথক করা আর Combine মানে একসাথে করা।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
European শব্দের শুরুতে 'E' থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ বাংলা 'ইউ' এর মতো হয়। তাই vowel হওয়া সত্ত্বেও এর আগে an না বসে a বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ consonant sound এর পূর্বে a বসে।
B) an — এটি ভুল কারণ vowel sound না থাকলে an বসে না।
C) the — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করে কোনো ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে বোঝায়নি।
D) no article — এটি ভুল কারণ countable singular noun এর পূর্বে article বসাতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শুরুতে vowel থাকলেও যদি তার উচ্চারণ consonant এর মতো হয়, তবে তার আগে a বসে।
সঠিক উত্তর: B) had seen
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে অতীতের দুটি ঘটনার কথা বলা হয়েছে যার মধ্যে একটি অন্যটিরও আগের ঘটনা।
এই ধরনের অতীতকালের আগের ঘটনা বোঝাতে Past Perfect Tense ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will have seen — এটি Future Perfect Tense নির্দেশ করে যা অতীতের ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) had seen — এটি সঠিক কারণ এটি Past Perfect Tense গঠন করে।
C) would have seen — এটি Conditional Sentence এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) must have seen — এটি বর্তমান বা অতীতের অনুমান বোঝায় কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট সময়ের আগের ঘটনা বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, সেখানে Past Perfect Tense এবং যেটি পরে ঘটেছিল, সেখানে Past Indefinite Tense বসে।
সঠিক উত্তর: C) Between
কেন সঠিক:
- বাক্যে দুটি নির্দিষ্ট সাল অর্থাৎ ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের উল্লেখ আছে এবং এদের মাঝে and যুক্ত হয়েছে।
- between এর পর সাধারণত noun বা noun phrase-এর মাঝে and বসে দুটি নির্দিষ্ট সময় বা জায়গাকে যুক্ত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) From — from-এর পর and না বসে সাধারণত to বসে (যেমন: from 2014 to 2019)।
B) Except — except অর্থ ব্যতিরেকে বা ছড়া, যা এখানে সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
C) Between — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Both — both-এর সাথে and বসে ঠিকই, তবে তা দুটি আলাদা বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এবং এখানে grammar মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে দুটি সময়ের মাঝে and দেখলে সাধারণত between বসাতে হয়, আর from দেখলে to খুঁজতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৩৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো দশ হাজারের কম হতে হবে এবং আট ও আঠারো উভয়ের গুণিতক হতে হবে।
ধরি,
আট ও আঠারোর লসাগু বের করতে হবে।
অতএব,
আট ও আঠারোর লসাগু হলো বাহাত্তর।
সুতরাং,
দশ হাজারের মধ্যে বাহাত্তরের কতটি গুণিতক আছে তা নির্ণয় করতে হবে।
উত্তর: ১০০০০ কে ৭২ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ১৩৮ হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
a বর্গ − b বর্গ = ২০
a − b = ৫
ধরি,
a বর্গ − b বর্গ এর সূত্র প্রয়োগ করি
(a + b) × (a − b) = ২০
অতএব,
(a + b) × ৫ = ২০
a + b = ২০ ÷ ৫
সুতরাং,
a + b = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) ৮০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণ = x + y = ৫
দ্বিতীয় সমীকরণ = x + ৪y = ৪
ধরি,
রাশিটি = ৪x^২ + ২০xy + ১৬y^২
অতএব,
রাশিটি থেকে ৪ কমন নিয়ে পাই,
৪ (x^২ + ৫xy + ৪y^২)
সুতরাং,
উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই,
৪ (x + y) (x + ৪y)
উত্তর:
মান বসিয়ে পাই, ৪ × ৫ × ৪ = ৮০
সঠিক উত্তর: C) Syed Ali Ahsan
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক সম্পর্কিত প্রশ্ন
এখানে সঠিক ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করতে হবে
ধরি,
অনুবাদক হিসেবে কাজ করেছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ
অতএব,
সঠিক ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করে পাওয়া যায়
এই অনুবাদ সম্পন্ন করেছিলেন সৈয়দ আলী আহসান
সুতরাং,
সঠিক বিকল্প হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে সি নম্বর অপশন
উত্তর: Syed Ali Ahsan
সঠিক উত্তর: C) ৩৮sec
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ২২০ মিটার
টানেলের দৈর্ঘ্য = ২৬০ মিটার
ট্রেনের গতিবেগ = ৪৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা
ধরি,
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + টানেলের দৈর্ঘ্য
মোট দূরত্ব = ২২০ মিটার + ২৬০ মিটার = ৪৮০ মিটার
অতএব,
ট্রেনের গতিবেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে প্রকাশ করতে হবে
গতিবেগ = ৪৫ × ১০০০ মিটার ÷ ৩৬০০ সেকেন্ড = ১২.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড
সুতরাং,
সময় বের করতে হবে মোট দূরত্বকে গতিবেগ দিয়ে ভাগ করে
সময় = ৪৮০ মিটার ÷ ১২.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড = ৩৮.৪ সেকেন্ড বা প্রায় ৩৮ সেকেন্ড
উত্তর: ৩৮sec
সঠিক উত্তর: D) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৩গুন x এর বর্গ + a গুন x + a + ৩
এটি x + ২ দ্বারা বিভাজ্য
ধরি,
বহুপদী রাশিটি f(x) = ৩গুন x এর বর্গ + a গুন x + a + ৩
ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে x + ২ = ০ থেকে পাই x = −২
অতএব,
f(−২) = ৩গুন (−২) এর বর্গ + a গুন (−২) + a + ৩ = ০
f(−২) = ৩গুন ৪ − ২a + a + ৩ = ০
f(−২) = ১২ − a + ৩ = ০
সুতরাং,
১৫ − a = ০
a = ১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: C) ১০:৩
প্রদত্ত তথ্য:
৫ বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ছিল ৫:১
২ বছর পরে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ হবে
ধরি,
৫ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল ক বছর
৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল ৫ক বছর
অতএব,
বর্তমানে পুত্রের বয়স = ক + ৫ বছর
বর্তমানে পিতার বয়স = ৫ক + ৫ বছর
২ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ক + ৫ + ২ = ক + ৭ বছর
২ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৫ক + ৫ + ২ = ৫ক + ৭ বছর
শর্তমতে,
৫ক + ৭ = ৩ × (ক + ৭)
৫ক + ৭ = ৩ক + ২১
সুতরাং,
৫ক − ৩ক = ২১ − ৭
২ক = ১৪
ক = ৭
উত্তর: বর্তমান বয়সের অনুপাত = (৫ × ৭ + ৫) : (৭ + ৫) = ৪০ : ১২ = ১০:৩
সঠিক উত্তর: A) ৭৮
প্রদত্ত তথ্য:
শ্রেণিকক্ষে মোট মানুষের সংখ্যা = ২২৪ জন
শিক্ষক, প্রশাসক ও পরিদর্শকের মোট সংখ্যা = ১ + ১ + ৩০ = ৩২ জন
ধরি,
ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত = ১৩ : ১৯
অতএব,
শিক্ষক, প্রশাসক ও পরিদর্শক বাদ দিলে ক্লাসে মোট শিক্ষার্থী থাকে = ২২৪ − ৩২ = ১৯২ জন
ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাতের যোগফল = ১৩ + ১৯ = ৩২
সুতরাং,
ছাত্রের সংখ্যা = ১৯২ × (১৩ ÷ ৩২) = ৭৮ জন
উত্তর: ৭৮
সঠিক উত্তর: B) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
গসাগু বা H.S.C = ১২
লসাগু বা L.C.M = ২৮৮
একটি সংখ্যা = ৯৬
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু
অতএব,
৯৬ × ক = ১২ × ২৮৮
৯৬ × ক = ৩৪৫৬
সুতরাং,
ক = ৩৪৫৬ ÷ ৯৬
ক = ৩৬
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: B) ৪ hours
প্রদত্ত তথ্য:
মেশিন এ দ্বারা খালি পাত্রটি পূর্ণ হতে সময় লাগে ৫ hours
মেশিন বি দ্বারা খালি পাত্রটি পূর্ণ হতে সময় লাগে ১০ hours
মেশিন সি দ্বারা পূর্ণ পাত্রটি খালি হতে সময় লাগে ২০ hours
ধরি,
সম্পূর্ণ পাত্রটির ধারণক্ষমতা = ২০ অংশ
অতএব,
মেশিন এ এক ঘণ্টায় পূর্ণ করে = ২০ ÷ ৫ = ৪ অংশ
মেশিন বি এক ঘণ্টায় পূর্ণ করে = ২০ ÷ ১০ = ২ অংশ
মেশিন সি এক ঘণ্টায় খালি করে = ২০ ÷ ২০ = ১ অংশ
সুতরাং,
তিনটি মেশিন একসঙ্গে কাজ করলে এক ঘণ্টায় পূর্ণ হয় = ৪ + ২ − ১ = ৫ অংশ
উত্তর: পাত্রটি সম্পূর্ণ পূর্ণ হতে সময় লাগবে ২০ ÷ ৫ = ৪ hours
সঠিক উত্তর: A) ২÷৩
প্রদত্ত তথ্য:
একটি ছক্কা একবার নিক্ষেপ করা হলো
ছক্কার মোট সম্ভাব্য ফলাফল সংখ্যা হলো ছয়টি
ধরি,
বিজোড় সংখ্যা আসার সেট = ১, ৩, ৫
চারের কম সংখ্যা আসার সেট = ১, ২, ৩
শর্ত অনুযায়ী অনুকূল ফলাফলগুলোর সেট = ১, ২, ৩, ৫
অতএব,
অনুকূল ফলাফলের মোট সংখ্যা = ৪
মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৬
সুতরাং,
নির্ণেয় সম্ভাবনা = ৪÷৬ = ২÷৩
উত্তর: ২÷৩
সঠিক উত্তর: C) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
মোট মানুষের সংখ্যা = ৩৬
দাবা খেলে = ২০ জন
পোকার খেলে = ২৮ জন
ধরি,
মোট মানুষের সেট হলো সার্বিক সেট
অতএব,
দাবা ও পোকার খেলা মানুষের মোট সংখ্যা = ২০ + ২৮ = ৪৮ জন
সুতরাং,
উভয় খেলা খেলে এমন মানুষের সংখ্যা = ৪৮ − ৩৬ = ১২ জন
উত্তর: ১২
সঠিক উত্তর: C) ৫মি
প্রদত্ত তথ্য:
দেয়ালটি ভূমির সাথে লম্বভাবে আছে।
মইয়ের তলা দেয়ালের তলা থেকে দূরত্ব = ৪ মিটার।
ধরি,
মইয়ের উপরের প্রান্তের উচ্চতা = ৩ মিটার।
মইয়ের দৈর্ঘ্য হলো সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ।
অতিভুজ নির্ণয়ের জন্য পিথাগোরাসের উপপাদ্য ব্যবহার করতে হবে।
অতএব,
অতিভুজ স্কয়ার = (ভূমির দূরত্ব স্কয়ার) + (উচ্চতা স্কয়ার)
অতিভুজ স্কয়ার = (৪ × ৪) + (৩ × ৩)
অতিভুজ স্কয়ার = ১৬ + ৯ = ২৫
সুতরাং,
মইয়ের দৈর্ঘ্য = √২৫ = ৫ মিটার
উত্তর: ৫মি
সঠিক উত্তর: A) ৫÷৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি ছক্কা এক সাথে নিক্ষেপ করা হলো
ধরি,
দুটি ছক্কা একসাথে নিক্ষেপ করলে মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৩৬টি
অতএব,
ছক্কা দুটিতে প্রাপ্ত অঙ্কের যোগফল ছয় হওয়ার অনুকূল ঘটনাগুলো হলো:
(১, ৫), (৫, ১), (২, ৪), (৪, ২) এবং (৩, ৩)
সুতরাং,
অনুকূল ফলাফলের মোট সংখ্যা = ৫টি
উত্তর: ৫÷৩৬
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
বিলবোর্ডটি থেকে দূরত্ব = ৪০ মিটার
উন্নতির কোণ = ৩০ ডিগ্রি
ধরি,
বিলবোর্ডের উচ্চতা = এইচ মিটার
অতএব,
ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী
ট্যান ৩০ ডিগ্রি = লম্ব ÷ ভূমি
ট্যান ৩০ ডিগ্রি = এইচ ÷ ৪০
সুতরাং,
১ ÷ রুট ওভার ৩ = এইচ ÷ ৪০
এইচ = ৪০ ÷ রুট ওভার ৩
উত্তর: ২০ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৮ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
১২ জন পুরুষের কাজটি শেষ করতে সময় লাগে = ২৪ দিন
১২ জন নারীর কাজটি শেষ করতে সময় লাগে = ১২ দিন
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ একক ধরে নিই
অতএব,
১ জন পুরুষ ১ দিনে করে = ১ ÷ (১২ × ২৪) অংশ
১ জন নারী ১ দিনে করে = ১ ÷ (১২ × ১২) অংশ
সুতরাং,
১২ জন পুরুষ ও ১২ জন নারী একত্রে ১ দিনে করে = (১ ÷ ২৪) + (১ ÷ ১২) অংশ
উভয়ে একত্রে ১ দিনে করতে পারে = (১ + ২) ÷ ২৪ = ৩ ÷ ২৪ অংশ = ১ ÷ ৮ অংশ
উত্তর: ৮ দিন
সঠিক উত্তর: C) ২.৫ hours
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাক দুটির মধ্যবর্তী দূরত্ব = ৩০০ কিমি
ট্রাক এ এর গতিবেগ = ৭০ কিমি প্রতি ঘণ্টা
ট্রাক বি এর গতিবেগ = ৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা
ধরি,
বিপরীত দিক থেকে আসার কারণে তাদের আপেক্ষিক গতিবেগ যোগ হবে
অতএব,
ট্রাক দুটির মোট আপেক্ষিক গতিবেগ = ৭০ + ৫০ = ১২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা
সুতরাং,
মিলনের সময় = মোট দূরত্ব ÷ আপেক্ষিক গতিবেগ
উত্তর: ৩০০ ÷ ১২০ = ২.৫ hours
সঠিক উত্তর: C) ১০
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- এর মধ্যে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর, যা সামুদ্রিক ও নদীবন্দরে অপারেশন পরিচালনার জন্য গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ — এটি কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা অঞ্চল নিয়ে গঠিত সাধারণ সেক্টর ছিল, নৌ সেক্টর নয়।
B) ৯ — এটি খুলনা ও বরিশাল অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি সাধারণ সেক্টর ছিল।
C) ১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ছিল নৌ সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
D) ১১ — এটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি সাধারণ সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
নৌবাহিনী পানিতে চলে এবং দশ (১০) সংখ্যাটির সাথে সামুদ্রিক বা জলপথের অভিযানের বিষয়টি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) wakes
কেন সঠিক:
- বাক্যে Every morning শব্দটির উপস্থিতি নিয়মিত অভ্যাস বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে, যা সাধারণ বর্তমান কাল বা Present Indefinite Tense নির্দেশ করে।
- subject হলো she, যা তৃতীয় পুরুষ একবচন (Third Person Singular Number) হওয়ায় মূল verb এর সঙ্গে s যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is waking — এটি Present Continuous Tense, যা নিয়মিত অভ্যাসের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) has woken — এটি Present Perfect Tense, যার সঙ্গে বর্তমানের কোনো সম্পন্ন কাজের সম্পর্ক থাকে, তাই এটি ভুল।
C) had woken — এটি Past Perfect Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার পূর্ববর্তী ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) wakes — এটি Present Indefinite Tense এবং subject এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে Every morning, Daily, Always ইত্যাদি শব্দ থাকলে সাধারণত Present Indefinite Tense হয় এবং subject Third Person Singular হলে verb এর সঙ্গে s বা es যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) SDG5
কেন সঠিক:
- এসডিজি পাঁচ নারী ও কন্যাশিশুর সমতা অর্জন এবং তাদের ক্ষমতায়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- এটি লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা এবং সব নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SDG5 - এটি নারী ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতা অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত যা সঠিক উত্তর।
B) SDG3 - এটি সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) SDG9 - এটি টেকসই শিল্পায়ন, উদ্ভাবন এবং উন্নত অবকাঠামো তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) SDG8 - এটি টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
পাঁচ আঙুল যেমন সমান নয়, তেমনি সমাজে নারী ও পুরুষের অসমতা দূর করতে এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে এসডিজি পাঁচ নম্বর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) Perseverance (উল্লেখ্য, প্রশ্নে বানানটি ভুল রয়েছে)
কেন সঠিক:
- এটি নাসা কর্তৃক প্রেরিত সর্বাধুনিক রোভার বা মার্স রোভার, যা ২০২০ সালের ৩০ জুলাই উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলের জেযেরো ক্রেটারে সফলভাবে অবতরণ করে এবং সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব অনুসন্ধানে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Superior — এটি নাসার কোনো মঙ্গল অভিযানের রোভার নয় এবং প্রশ্নানুসারে এটি ভুল অপশন।
B) Opportunity — এটি নাসার পূর্বের একটি মার্স রোভার, যা ২০০৪ সালে মঙ্গলে অবতরণ করেছিল এবং ২০২০ সালের আগেই এর কার্যক্রম শেষ হয়।
C) Perseverance — এটি সঠিক উত্তর, যদিও প্রশ্নে বানান ভুল হিসেবে Per severance লেখা হয়েছে।
D) Spirit — এটি ২০০৪ সালে মঙ্গলে পাঠানো নাসার আরেকটি প্রাচীন রোভার, যা ২০১১ সালে অকার্যকর হয়ে যায়।
মনে রাখার টিপস:
মঙ্গলে গবেষণার জন্য মানুষের চরম ধৈর্য বা Perseverance প্রয়োজন, যা দিয়ে সর্বাধুনিক রোভারটির নাম মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) Milan
কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ইতালির মিলান শহরের সান্তা মারিয়া ডেল্লে গ্রাৎসিয়ে গির্জার ভোজনকক্ষে এই দেওয়ালচিত্র এঁকেছিলেন।
- দ্য লাস্ট সাপার বা শেষ ভোজ হলো খ্রিস্টধর্মের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা দেওয়ালচিত্র হিসেবে মিলানে সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rome — এটি ইতালির রাজধানী হলেও লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির এই বিখ্যাত দেওয়ালচিত্রটি এখানে আঁকা হয়নি।
B) Milan — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
C) Venice — এটি ইতালির আরেকটি ঐতিহাসিক শহর হলেও এই বিখ্যাত চিত্রকর্মটির সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই।
D) Florence — এটি দ্য ভিঞ্চির জন্মস্থান ও কর্মক্ষেত্র হলেও দ্য লাস্ট সাপার চিত্রকর্মটি ফ্লোরেন্সে আঁকা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
মিলন থেকে মিলান মনে রাখবে, যিশু খ্রিস্ট তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে শেষ মিলনে মিলিত হয়েছিলেন মিলানের গির্জায়।
সঠিক উত্তর: C) Netherland
কেন সঠিক:
- নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিকভাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত দেশ।
- নেদারল্যান্ডস উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ হলেও এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Norway — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত একটি প্রধান দেশ হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়।
B) Sweden — এটিও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্যতম প্রধান দেশ হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়।
C) Netherland — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বাইরে অবস্থিত হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) Denmark — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ঐতিহ্যবাহী ও ভূরাজনৈতিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ প্রধানত তিনটি: নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক। নেদারল্যান্ডস এর বাইরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) SDG
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি বাস্তবায়নে অগ্রগতির জন্য জাতিসংঘের বিশেষ সম্মাননা লাভ করেছে।
- দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SDG — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের সফলতা বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।
B) Climate Change — জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ ভূমিকা রাখলেও এই প্রশ্নের মূল প্রেক্ষাপট জলবায়ু পুরস্কার ছিল না।
C) MDG — সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনেও বাংলাদেশ সফল হয়েছিল, তবে সাম্প্রতিক এই অর্জনের সঙ্গে এমডিজি সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) Women Empowerment — নারী ক্ষমতায়ন এসডিজির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এটি এই বিশেষ জাতিসংঘ পুরস্কারের প্রধান একক বিষয় ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক অর্জনের মূল চাবিকাঠি হলো এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন।
সঠিক উত্তর: D) facial identity and facial motion
কেন সঠিক:
- Concurrent two-factor identity verification একটি উন্নত বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি, যা একই সাথে মুখাবয়ব এবং মুখের নড়াচড়া যাচাই করে।
- এটি কেবল স্থির ছবি দিয়ে বায়োমেট্রিক্স নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার প্রতারণা রোধ করতে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) finger print and national identity - এটি সাধারণ বায়োমেট্রিক্স ও ডাটাবেজ প্রমাণের মিশ্রণ, যা এই বিশেষ প্রযুক্তির জন্য প্রযোজ্য নয়।
B) facial identity and finger print - মুখাবয়ব এবং আঙুলের ছাপ একসাথে যাচাই করা হয়, তবে এটি এই নির্দিষ্ট প্রযুক্তির সংজ্ঞার সাথে মেলে না।
C) eye sightedness and blood sample - চোখের দৃষ্টিশক্তি এবং রক্তের নমুনা চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়, যা এই প্রযুক্তির অংশ নয়।
D) facial identity and facial motion - মুখাবয়ব এবং মুখের নড়াচড়া একসাথে যাচাই করার মাধ্যমেই এই আধুনিক বায়োমেট্রিক্স সিস্টেম কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
Concurrent অর্থ যুগপৎ বা একসাথে, তাই ফেসিয়াল বা মুখের পরিচয় এবং মোশন বা নড়াচড়ার সংমিশ্রণই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
সঠিক উত্তর: C) Lake
কেন সঠিক:
- ডেড সি বা মৃত সাগর নাম সাগর হলেও এটি মূলত একটি লবণাক্ত হ্রদ, যা জর্ডান ও ইসরায়েল সীমান্তে অবস্থিত।
- এর চারপাশে স্থলভাগ বা বেষ্টনী রয়েছে এবং এটি কোনো উন্মুক্ত মহাসাগর বা সমুদ্রের অংশ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sea — এটি সমুদ্র নয় কারণ এর কোনো সরাসরি সংযোগ উন্মুক্ত মহাসাগর বা সমুদ্রের সাথে নেই।
B) River — এটি নদী নয় কারণ এর উৎপত্তি কোনো নদীপ্রবাহ থেকে হয়নি এবং এটি স্থিরাঞ্চলীয় জলাশয়।
C) Lake — এটি হ্রদ কারণ এটি স্থলবেষ্টিত একটি লবণাক্ত জলাশয়, যা হ্রদের ভৌগোলিক সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়।
D) Canal — এটি খাল নয় কারণ এটি মানুষের খনন করা কোনো কৃত্রিম জলপথ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নামে 'Sea' বা সাগর থাকলেও ডেড সি আসলে একটি হ্রদ, কারণ এটি চারপাশ থেকে স্থলবেষ্টিত।
সঠিক উত্তর: D) Karnafuli river tunnel
কেন সঠিক:
- কর্ণফুলী নদী টানেল বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণের ক্ষেত্রে চীনের সাংহাই শহরের আদলে ওয়ান সিটি টু টাউনস মডেল অনুসরণ করা হয়েছে।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রামের মূল শহরকে নদীর অপর তীরের আনোয়ারা উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করে শহরের পরিধি দুই তীরে সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pandma Bridge — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু, যা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
B) Metro Rail — এটি ঢাকার যানজট নিরসনে নির্মিত দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক দ্রুতগতির গণপরিবহন ব্যবস্থা।
C) Kuril Flyover — এটি রাজধানী ঢাকার কুড়িল এলাকায় যানজট কমানোর জন্য নির্মিত একটি বহুস্তর বিশিষ্ট উড়ালসড়ক।
D) Karnafuli river tunnel — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেল এবং ওয়ান সিটি টু টাউনস ধারণার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
মনে রাখার টিপস:
টানেল মানেই নদীর তলদেশ এবং ওয়ান সিটি টু টাউনস বলতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীকে দুই ভাগে শহর ছড়িয়ে দেওয়া বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) Lalmonirhat
কেন সঠিক:
- তিনবিঘা করিডোর বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ও আঙ্গোরপোতা ছিটমহলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক ও ভৌগোলিক সংযোগস্থল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nilphamary — এটি একটি উত্তর জনপদের জেলা হলেও তিনবিঘা করিডোর এখানে অবস্থিত নয়।
B) Lalmonirhat — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনবিঘা করিডোর এই জেলায় অবস্থিত।
C) Dinajpur — এটি দেশের একটি উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং এর সঙ্গে তিনবিঘা করিডোরের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
D) Kurigram — এই জেলাটি তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অবস্থিত হলেও এখানে তিনবিঘা করিডোর নেই।
মনে রাখার টিপস:
লাল রঙ যেমন চোখে পড়ে, তেমনি লালমনিরহাটের তিনবিঘা করিডোর ভৌগোলিক মানচিত্রে অত্যন্ত আলোচিত একটি লাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।
সঠিক উত্তর: C) Quarantine
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সারা বিশ্বে ঘরবন্দি ও সঙ্গনিরোধ বা কোয়ারেন্টাইন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
- কেমব্রিজ ডিকশনারি সে বছর এই শব্দটিকে মানুষের অনুসন্ধান এবং ব্যবহারের ভিত্তিতে বছরের সেরা শব্দ হিসেবে নির্বাচিত করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sanitizer — এটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ হলেও ২০২০ সালের জন্য কেমব্রিজ ডিকশনারির বর্ষসেরা শব্দ ছিল না।
B) Lockdown — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ কেমব্রিজ ডিকশনারি ২০২০ সালের জন্য এটিকে বর্ষসেরা ঘোষণা করেনি।
C) Quarantine — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কেমব্রিজ ডিকশনারি ২০২০ সালের জন্য এটিকে বর্ষসেরা শব্দ হিসেবে বেছে নিয়েছিল।
D) Pandemic — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে মহামারি ঘোষণা করলেও এটি কেমব্রিজের বর্ষসেরা শব্দ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
কোভিড মহামারির শুরুতে সবাই কোয়ারেন্টাইনে ছিল, তাই কেমব্রিজ ডিকশনারি ২০২০ সালে একেই বর্ষসেরা শব্দ নির্বাচিত করেছিল।
সঠিক উত্তর: A) ENIAC
কেন সঠিক:
- এটি বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার যা ১৯৪৬ সালে তৈরি করা হয়।
- এটি ভ্যাকুয়াম টিউব প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল এবং জটিল গণিত সমাধানে ব্যবহৃত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ENIAC — এটি বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) EDVAC — এটি বিশ্বের প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার, যা ENIAC-এর পরে তৈরি হয়।
C) UNIVAC — এটি প্রথম বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য উৎপাদিত কম্পিউটার, যা ENIAC-এর বেশ কিছুদিন পরে বাজারে আসে।
D) IBM — এটি একটি প্রযুক্তি নির্মাতা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, কোনো একক প্রথম কম্পিউটার নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম মনে রাখতে ইনিক (ENIAC) শব্দটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) A sentence
কেন সঠিক:
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে এফ-এইট ফাংশন কি তিনবার চাপলে একটি নির্দিষ্ট বাক্য বা সেন্টেন্স সিলেক্ট হয়।
- এটি মূলত এক্সটেন্ডেড সিলেকশন মোড সক্রিয় করে ডকুমেন্টের নির্দিষ্ট অংশ নির্বাচন করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A paragraph — এফ-এইট কি চারবার চাপলে একটি পূর্ণ প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদ সিলেক্ট হয়।
B) A sentence — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনবার চাপলে বাক্য সিলেক্ট হয়।
C) Entire document — এফ-এইট কি পাঁচবার চাপলে সম্পূর্ণ ডকুমেন্ট বা সমস্ত লেখা সিলেক্ট হয়।
D) A word — এফ-এইট কি দুইবার চাপলে একটি মাত্র শব্দ বা ওয়ার্ড সিলেক্ট হয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের ক্ষেত্রে দুইবার, বাক্যের ক্ষেত্রে তিনবার, প্যারাগ্রাফের ক্ষেত্রে চারবার এবং পুরো ডকুমেন্টের জন্য পাঁচবার এফ-এইট কি চাপতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) 109th
কেন সঠিক:
- এসডিজি ইনডেক্স ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ১০৯তম অবস্থানে ছিল।
- এসডিজি অর্জনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে ভালো অগ্রগতি অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 153th — এই অবস্থানে বাংলাদেশ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট দেশের এসডিজি ২০২০ এর র্যাংক ছিল না।
B) 109th — এটি এসডিজি ইনডেক্স ২০২০ এ বাংলাদেশের সঠিক অর্জিত অবস্থান।
C) 104th — এটি ২০২০ সালের সূচকে অন্য কোনো দেশের অবস্থান ছিল, বাংলাদেশের নয়।
D) 123th — এটি এই নির্দিষ্ট বছরের এসডিজির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
এসডিজি ইনডেক্স ২০২০ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৯তম, যেখানে সংখ্যা দুটি কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
সঠিক উত্তর: D) Barack Obama
কেন সঠিক:
- 'এ প্রমিসড ল্যান্ড' আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই বইটিতে তাঁর রাজনৈতিক জীবন এবং প্রেসিডেন্সির শুরুর বছরগুলোর বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Joe Biden — জো বাইডেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট হলেও তিনি এই বইটির লেখক নন।
B) Donald Trump — ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট হলেও তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেননি।
C) Bill Clinton — বিল ক্লিনটন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং তিনি অন্য গ্রন্থের লেখক, এটি তার নয়।
D) Barack Obama — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ওবামা মানেই 'প্রতিশ্রুতি বা প্রমিস', তাই 'এ প্রমিসড ল্যান্ড' বইটির লেখক বারাক ওবামা।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ও পরিবর্তনশীল। বিমসটেক-এর বর্তমান মহাসচিব (Secretary General) হলেন ইন্দ্র মনি পান্ডে (Indra Mani Pandey), যিনি ভারতের নাগরিক এবং ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তরটি নেই।
কেন সঠিক:
- বিমসটেক সচিবালয় ঢাকার গুলশানে অবস্থিত এবং এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন সুমিত নাকান্দালা।
- বর্তমান মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে ভুটানের তেনজিন লেকফেল-এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Tenzin Lekphell ( Bhutan) — তিনি বিমসটেক-এর প্রাক্তন মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান নন।
B) Saroj Chavanaviraj (Thailand) — তিনি বিমসটেক বা এর সচিবালয়ের এই পদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
C) Sumith Nakandala (Sri Lanka) — তিনি বিমসটেক-এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন।
D) M. Shohidul Islam ( Bangladesh) — তিনি বিমসটেক-এর চতুর্থ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বিমসটেক-এর বর্তমান মহাসচিব ভারতের ইন্দ্র মনি পান্ডে, যিনি ২০২৪ সালে দায়িত্ব নেন এবং এর সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) BRICS : Challenge of the time for young people
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ ব্রিকস যুব সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল যুবসমাজের ভূমিকা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা।
- এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে যুবসমাজকে বর্তমান সময়ের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BRICS : Challenge of the time for young people — এটি ২০২০ সালের সম্মেলনের সঠিক থিম হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
B) BRICS Youth Council for Skill Development — এটি দক্ষতা উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও ২০২০ সালের নির্দিষ্ট যুব সম্মেলনের মূল থিম ছিল না।
C) Youth: Power to enhance — এটি সাধারণ যুব ক্ষমতায়নের স্লোগান হলেও ২০২০ সালের ষষ্ঠ ব্রিকস যুব সম্মেলনের নির্ধারিত থিম নয়।
D) Youth as bridge for intea- BRICS Exchanges — এটি ব্রিকস দেশগুলোর মধ্যে যুব বিনিময়ের কথা বললেও ২০২০ সালের মূল প্রতিপাদ্য ছিল অন্যটি।
মনে রাখার টিপস:
২০২০ সালের যুব সম্মেলনের থিমে চ্যালেঞ্জ শব্দটির উল্লেখ ছিল, যা মনে রাখতে সাহায্য করবে।
সঠিক উত্তর: A) 1st
কেন সঠিক:
- বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় নারী ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শীর্ষস্থান বা প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
- শিক্ষায় অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং স্বাস্থ্য সূচকে উন্নতির কারণে বাংলাদেশ এই অবস্থান অর্জন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1st — এটি সঠিক উত্তর কারণ দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ লিঙ্গ বৈষম্য হ্রাসে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
B) 2nd — এই অপশনটি ভুল কারণ দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় নয়, বরং প্রথম স্থানে অবস্থান করছে।
C) 3rd — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় অবস্থানে নেই।
D) 4th — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
নারীর ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ সবসময় ১ নম্বরে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Syed Muazzem Ali
কেন সঠিক:
- সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ভারতে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার ছিলেন এবং ২০২০ সালে ভারত সরকার তাকে মরণোত্তর পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত করে।
- কূটনীতিতে অসামান্য অবদান এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকার জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Syed Mahammad Ali — তিনি এই সম্মাননা পাননি এবং তিনি প্রখ্যাত সাংবাদিক ছিলেন।
B) Syed Muazzem Ali — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
C) Runa Laila — তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী, তবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়নি।
D) Mostafijur Rahman — তিনি এই নির্দিষ্ট সম্মাননা পাননি।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মভূষণ ২০২০ পেয়েছেন ভারতের সাবেক হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)