বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে স্টোর কিপার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: স্টোর কিপার (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a ফারসি
b আরবি
c পর্তুগিজ
d ফরাসি
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবি ১. কেন সঠিক: ঘূর্ণিঝড় রিমাল একটি আরবি শব্দ যার অর্থ বালি বা মরুভূমির বালি। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে আঘাত হানা এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করেছে ওমান। ২. শব্দের উৎস ও সাধারণ জ্ঞান ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বলতে কোনো শব্দ কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে তা বোঝায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার দেওয়া নামকরণের উৎস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমফান ব্যাখ্যা: আমফান একটি থাই শব্দ যার অর্থ আকাশ। এটি ২০২০ সালে বঙ্গোপসাগরে আঘাত হেনেছিল এবং এর নামকরণ করেছিল থাইল্যান্ড। উদাহরণ ২: তেজ ব্যাখ্যা: তেজ একটি হিন্দি শব্দ যার অর্থ আলো বা দীপ্তি। এটি ২০২৩ সালে আরব সাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি ঘূর্ণিঝড় যার নামকরণ করেছিল ভারত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বহু শব্দ এলেও রিমাল ফারসি শব্দ নয়। এটি ওমানের প্রস্তাবিত আরবি শব্দ। B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রিমাল আরবি ভাষার শব্দ এবং এর অর্থ বালুচর বা বালি। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, জানালা ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে। রিমাল পর্তুগিজ শব্দ নয়। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, বুর্জোয়া ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে। রিমাল ফরাসি শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রিমাল শব্দের শুরুতে র অক্ষর আছে এবং আরব দেশের নামকরণে এই শব্দটি এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ওমান দেশের ভাষা আরবি হওয়ায় রিমাল নামটি আরবি ভাষা থেকে নেওয়া হয়েছে বলে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নাম এবং কোন দেশ নামকরণ করেছে তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান এবং বাংলা ভাষা অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঝড়ের নামগুলোর উৎস ভাষা ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বুদ্ধিজীবী
b বুদ্ধিজীবি
c বুদ্ধিজীবী
d বুদ্ধিজীবি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধিজীবী ১. কেন সঠিক: বুদ্ধিজীবী শব্দটিতে জীবী প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে যা দীর্ঘ ঈকার যুক্ত। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঈ (ঈ) ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় যোগে শব্দ গঠনের সময় জীবী প্রত্যয়টি দীর্ঘ ঈকারান্ত হয়। জীব ধাতু বা জীবন অর্থে এই প্রত্যয়টি শব্দের শেষে বসে বিশেষ বা পেশাজীবী শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইনজীবী ব্যাখ্যা: আইন + জীবী, এখানেও জীবী প্রত্যয় থাকায় দীর্ঘ ঈকার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চাকুরিজীবী ব্যাখ্যা: চাকরি + জীবী, এটিও একই নিয়মে দীর্ঘ ঈকারান্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধিজীবী — এটি সঠিক বানান কারণ এতে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে। B) বুদ্ধিজীবি — এই অপশনে হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। C) বুদ্ধিজীবী — এটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি এবং বানান সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে। D) বুদ্ধিজীবি — এই অপশনটিতেও ভুল বানানে হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: জীবী বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈকার হয়, যেমন বুদ্ধিজীবী বা আইনজীবী। হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করলে বানান ভুল হবে বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবী প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই আসে। একই নিয়মে চাকরিজীবী, শ্রমজীবী এবং গৃহজীবী বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d যৌগিক বাক্য
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং যা কোনো খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল নয়, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে তুমি হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং ব্যর্থ হয়েছ হলো সমাপিকা ক্রিয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনভেদে বাক্য তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। সরল বাক্যে একাধিক পদ থাকতে পারে কিন্তু ক্রিয়ার ভাব প্রকাশে কোনো জটিলতা বা একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘে ঢাকা সূর্য দেখে আমরা বাড়ি ফিরলাম। ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া ফিরলাম আছে। উদাহরণ ২: পরিশ্রমে সফল হওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে এবং এটি সরল বাক্যের কাঠামোগত নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। B) জটিল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই। C) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ মিশ্র বাক্য ও জটিল বাক্য মূলত একই এবং এই বাক্যে তেমন কোনো যৌগিক গঠন নেই। D) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য এবং ও কিন্তু কিংবা দ্বারা যুক্ত থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া পেলে চোখ বন্ধ করে সরল বাক্য দাগাবে। জটিল বাক্যে যিনি সে যিনি তা এ জাতীয় জোড়া শব্দ থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ক্রিয়ার সংখ্যা গুনে বাক্য চেনার অভ্যাস করতে হবে।
a প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ
b উপমা, অলংকার
c উদ্দেশ্য, বিধেয়
d সাধু, চলিত
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উদ্দেশ্য, বিধেয় ১. কেন সঠিক: একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যের গঠন অনুসারে বাক্যকে প্রধানত দুটি অংশে ভাগ করা হয়। বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তা হলো উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তা হলো বিধেয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের যে অংশে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নাম উল্লেখ করে তার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য বলে। আর উদ্দেশ্যের উদ্দেশ্যে যা কিছু বলা বা বর্ণনা করা হয় তাকে বিধেয় বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম স্কুলে যায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে রহিম হলো উদ্দেশ্য এবং স্কুলে যায় হলো বিধেয়। উদাহরণ ২: সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সূর্য হলো উদ্দেশ্য এবং পূর্ব দিকে ওঠে হলো বিধেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ — এটি কাব্যের গুণ বা রীতির সঙ্গে সম্পর্কিত, বাক্যের কাঠামোগত অংশ নয়। B) উপমা, অলংকার — এটি কাব্য বা সাহিত্যের সৌন্দর্য বর্ধনের উপাদান, বাক্যের অংশ নয়। D) সাধু, চলিত — এটি বাংলা ভাষার রূপ বা রীতির প্রকারভেদ, বাক্যের অংশের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্য গঠনের মূল দুটি স্তম্ভ হলো উদ্দেশ্য এবং বিধেয়। কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে উদ্দেশ্য পাওয়া যায় এবং কী বা কেমন করে দিয়ে প্রশ্ন করলে বিধেয় পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য প্রকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের মূল অংশ কয়টি এবং কী কী, তা মনে রাখা জরুরি।
a কর্তৃবাচ্য
b কর্মবাচ্য
c ভাববাচ্য
d কোনোটিই নয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাববাচ্য ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং কর্তা বা কর্মের প্রাধান্য থাকে না, তাকে ভাববাচ্য বলে। - ‘কোথায় থাকা হয়’ বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট কর্তাকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়নি এবং এখানে কর্মও নেই, বরং ক্রিয়ার ভাব বা কাজটিই প্রধান হয়ে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ভাববাচ্যে সাধারণত ক্রিয়াপদটি অন্য পুরুষ (প্রধানত প্রথম বা তৃতীয় পুরুষ) এবং নামপুরুষের একবচন হয়। - এ ধরনের বাক্যে কর্তায় ষষ্ঠী, সপ্তমী বা প্রথমা বিভক্তি হতে পারে এবং ক্রিয়ার অর্থই সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার যাওয়া হবে না। ব্যাখ্যা: এখানে যাওয়ার ভাব বা কাজটি প্রধান এবং কোনো নির্দিষ্ট কর্ম নেই, তাই এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: এ ঠান্ডায় বাইরে ঘুমানো যায় না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ঘুমানোর অক্ষমতার ভাবটি প্রকাশিত হয়েছে, যা ভাববাচ্যের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃবাচ্য — কর্তৃবাচ্যে বাক্যে কর্তার প্রাধান্য থাকে এবং ক্রিয়াপদ কর্তার পুরুষ অনুযায়ী গঠিত হয়, যা এই বাক্যে নেই। B) কর্মবাচ্য — কর্মবাচ্যে কর্মের প্রাধান্য থাকে এবং বাক্যে একটি স্পষ্ট কর্মপদ থাকে, কিন্তু ‘কোথায় থাকা হয়’ বাক্যে কোনো কর্ম নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে কর্তা উহ্য থাকে বা গৌণ হয় এবং ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি প্রধান হয়, চোখ বন্ধ করে তাকে ভাববাচ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাববাচ্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বাক্যের ক্রিয়াপদটি নামপুরুষের একবচনে আছে কি না এবং তাতে কোনো কর্ম আছে কি না তা দেখা।
a রাজর্ষি
b নীলকণ্ঠ
c অহিমনকুল
d গ্রামান্তর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অহিমনকুল ১. কেন সঠিক: অহি ও নকুল অর্থাৎ সাপ ও বেজি পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ হওয়ায় এটি দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে। দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে সাধারণত ও, এবং, আর সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে দুটি পদেরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সংযোগ বোঝাতে ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতা = মাতাপিত ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি বিশেষ্য পদ মিলে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জমা ও খরচ = জমাকখরচ ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ যোগেও দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হতে পারে, যা এই উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজর্ষি — এটি কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য রাজা যিনি ঋষি। B) নীলকণ্ঠ — এটি বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য নীল কণ্ঠ যার। C) অহিমনকুল — এটি দ্বন্দ্ব সমাস এবং সঠিক উত্তর। D) গ্রামান্তর — এটি নিত্য সমাস, যার ব্যাসবাক্য অন্য গ্রাম। ৫. মনে রাখার টিপস: দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের সমান গুরুত্ব থাকে এবং সাধারণত মাঝখানে ও, এবং, আর বসে। বিপরীতার্থক শব্দ যেমন অহি ও নকুল মিললেও তা দ্বন্দ্ব সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ এবং বিপরীতার্থক শব্দের দ্বন্দ্ব প্রায়ই আসে। নিত্য সমাসের সঙ্গে দ্বন্দ্ব সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a লৌহময়
b পেঁচানো
c দুর্বোধ্য
d বাজে
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লৌহময় ১. কেন সঠিক: - অয়োময় শব্দের সঠিক অর্থ হলো লৌহময় বা লোহা দ্বারা তৈরি। এখানে অয়স্ শব্দের অর্থ লোহা এবং ময় প্রত্যয়টি কোনো কিছুর উপাদান বা ব্যাপকতা বোঝাতে যুক্ত হয়েছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও প্রত্যয়ভিত্তিক প্রশ্নগুলোর উত্তর নির্ভুল করতে মূল শব্দের উৎস জানা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ময় প্রত্যয়টি সাধারণত উপাদান বা আধিক্য বোঝাতে তৎসম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। - অয়স্ যোগ ময় মিলে অয়োময় গঠিত হয়, যার অর্থ লোহানির্মিত বা লোহাঘটিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃন্ময় ব্যাখ্যা: মৃৎ যোগ ময় মিলে মৃন্ময় হয়, যার অর্থ মাটি দিয়ে তৈরি বা মৃত্তিকাময়। উদাহরণ ২: দারুময় ব্যাখ্যা: দারু যোগ ময় মিলে দারুময় হয়, যার অর্থ কাঠ দিয়ে তৈরি বা কাষ্ঠময়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহময় — এটি সঠিক উত্তর কারণ অয়োময় শব্দের অর্থ লোহা দিয়ে তৈরি। B) পেঁচানো — এটি ভুল কারণ পেঁচানো বলতে কুটিল বা প্যাচযুক্ত কিছু বোঝায়, যা অয়োময় শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) দুর্বোধ্য — এটি ভুল কারণ দুর্বোধ্য শব্দের অর্থ যা সহজে বোঝা যায় না, অয়োময় এর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) বাজে — এটি ভুল কারণ বাজে শব্দের অর্থ খারাপ বা মূল্যহীন, যা অয়োময় শব্দের ভাবার্থ প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অয়স্ শব্দের অর্থ লোহা বা আয়রন, তাই অয়োময় দেখলে লোহা বা লৌহময় অর্থ মনে রাখবে। - ময় প্রত্যয়টি উপাদান বা তৈরি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন স্বর্ণময় বা দারুময়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। - মূল সংস্কৃত শব্দ চেনার মাধ্যমে এ ধরনের শব্দের অর্থ সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a প্রত্যুষ
b উষা
c নিশি
d প্রদোষ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রদোষ কেন সঠিক: - প্রদোষ শব্দের অর্থ হলো দিনের শেষ ভাগ অর্থাৎ সন্ধ্যা। - বাংলা অভিধান অনুযায়ী প্রদোষ ও সন্ধ্যা সমার্থক শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় একই অর্থের বিভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। - সন্ধ্যার সময় আকাশে প্রথম তারা ওঠার আগের মুহূর্তকে প্রদোষ বলা হয়। - প্রদোষ কাল বলতে সাধারণত সন্ধ্যার প্রারম্ভিক সময়কে বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রত্যুষ — এই শব্দের অর্থ সকাল বা ভোরের সময়। - B) উষা — এই শব্দের অর্থ সূর্য ওঠার আগের লাল আভা বা ভোর। - C) নিশি — এই শব্দের অর্থ গভীর রাত। মনে রাখার টিপস: - প্রদোষ মানে হলো প্রদীপের আলো জ্বালানোর সময় অর্থাৎ সন্ধ্যা।
a বিজয়ী
b বিচ্যুতি
c পরাজিত
d বর্জিত
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিজয়ী ১. কেন সঠিক: বিজিত শব্দের অর্থ যাকে জয় করা হয়েছে অর্থাৎ পরাজিত বা পরাধীন। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে বিজয়ী শব্দ যার অর্থ যে জয় লাভ করেছে। বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বিজিত এর বিপরীত শব্দ বিজয়ী হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ এবং অর্থের বিপরীত ধারা বিবেচনা করে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারিত হয়। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কৃত প্রত্যয় সাধিত শব্দের বিপরীত শব্দ গঠনে অর্থের বিপরীত ভাবটি ফুটিয়ে তুলতে হয়। এখানে বিজিত একটি বিশেষণ পদ যার বিপরীত শব্দ হিসেবে বিজয়ী বিশেষণ পদটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদয় এবং অস্ত ব্যাখ্যা: উদয় শব্দের অর্থ সূর্য ওঠা এবং অস্ত শব্দের অর্থ সূর্য ডোবা যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন এবং আধুনিক ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ খুব পুরোনো এবং আধুনিক শব্দের অর্থ বর্তমানকালের যা পরস্পর বিপরীতার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয়ী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) বিচ্যুতি — এর অর্থ পথভ্রষ্ট হওয়া বা স্থানচ্যুত হওয়া যা বিজিত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) পরাজিত — এর অর্থ হেরে যাওয়া যা বিজিত শব্দের সমার্থক শব্দ কিন্তু বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) বর্জিত — এর অর্থ পরিত্যক্ত বা বাদ দেওয়া যা বিজিত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে যথাযথ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজীত মানে যাকে জয় করা হয়েছে আর বিজয়ী মানে যে জয় করেছে এই ভাবটি মনে রাখলে ভুল হবে না। বি দিয়ে শুরু হওয়া বিজিত শব্দের বিপরীত খুঁজতে জয় বা বিজয় সংক্রান্ত শব্দ বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ এবং তার বিপরীত ভাবটি অনুধাবন করতে হবে।
a আবুল ফজল
b আবু জাফর শামসুদ্দীন
c শওকত ওসমান
d সত্যেন সেন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শওকত ওসমান ১. কেন সঠিক: - 'ক্রীতদাসের হাসি' একটি প্রতীকী উপন্যাস যার রচয়িতা শওকত ওসমান। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসন ও তৎকালীন পাকিস্তানি একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রগতিশীল কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাসের জন্য খ্যাত। - 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসে বাকের নামক চরিত্রে তেরাজ শাহের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের অবদমিত প্রতিবাদের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত ওসমানের অপর বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী'। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামবাংলার অবক্ষয় ও মানুষের জীবনসংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি বাস্তবধর্মী উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের আরেকটি ঐতিহাসিক উপন্যাস 'পদার্পণ'। ব্যাখ্যা: এটিও লেখকের রাজনৈতিক সচেতনতা ও ইতিহাস আশ্রিত রচনার একটি অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল ফজল — তিনি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক হলেও 'ক্রীতদাসের হাসি' তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'চৌচির'। B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা তিনি নন, তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'পদ্মা মেঘনা যমুনা'। C) শওকত ওসমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য এবং সঠিক। D) সত্যেন সেন — তিনি প্রগতিশীল ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই বিশেষ উপন্যাসের লেখক অন্যজন, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'পাপের সন্তান'। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রীতদাস মুক্ত করতে বা হাসাতে হলে শওকত লাগে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ক্রীতদাসের হাসি শওকত ওসমানের সৃষ্টি। - ঔপন্যাসিক শওকত ওসমানের প্রতীকী উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতীকী উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্মগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a চুরি করা
b সেবা করা
c অপরাধ করা
d নষ্ট করা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চুরি করা ১. কেন সঠিক: - চক্ষুদান করা একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো আত্মসাৎ করা বা চুরি করা। - সাধারণ অর্থে চোখের দান বোঝানো হলেও, বাংলা ভাষায় এটি বিশেষ অর্থে চুরির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবকে আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাজারে যাওয়ার পথে লোকটির পকেট থেকে মানিব্যাগটি কেউ চক্ষুদান করল। ব্যাখ্যা: এখানে চক্ষুদান করা বলতে পকেটমার কর্তৃক মানিব্যাগ চুরি করা বা আত্মসাৎ করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: রাতে গোদামের তালা ভেঙে সমস্ত চাল চক্ষুদান করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গুদাম থেকে চাল চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ করতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুরি করা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি চক্ষুদান করা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ। B) সেবা করা — সেবা করা অর্থ যত্ন নেওয়া, যা চক্ষুদান করা বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) অপরাধ করা — অপরাধ করা একটি ব্যাপক শব্দ যা সব ধরনের অন্যায়কে বোঝায়, নির্দিষ্ট করে চুরি বা এই বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে না। D) নষ্ট করা — নষ্ট করা অর্থ ধ্বংস করা বা অপচয় করা, যা চুরি করা বা এই বাগধারার অর্থের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখ বন্ধ করে কোনো কিছু নিয়ে যাওয়া বা আত্মসাৎ করা মানেই হলো চক্ষুদান করা। - আভিধানিক অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষ অর্থ মনে রাখার মাধ্যমে এটি আয়ত্ত করা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন কিছু বাগধারা আসে যার আভিধানিক অর্থ ও ভাবার্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়। - বিভ্রান্তিকর অপশন এড়াতে বাগধারার প্রমিত অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a ছায়ানট
b অগ্নিবীণা
c পদাবলী
d দোলনচাঁপা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদাবলী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে পদাবলী কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। - পদাবলী মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলি বা শাক্ত পদাবলি সাহিত্যকে বোঝায়, যা বিদ্যাপতি বা চণ্ডীদাসের মতো প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের দ্বারা রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যসংকলন যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বিপ্লবী কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই অপশনটি নজরুলের রচনা হওয়ায় সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না। B) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং নজরুলের রচনা বিধায় এটিও সঠিক উত্তর নয়। C) পদাবলী — এটি মধ্যযুগের গীতিসাহিত্য ধারা, যা কাজী নজরুল ইসলামের কোনো রচনা নয় এবং তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক ভাবধারার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি নজরুলের রচনা হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগুলো মনে রাখার কৌশল হলো অগ্নিবীণা, দোলনচাঁপা, ছায়ানট ও বিষের বাঁশি এগুলো সবই নজরুলের কাব্য, আর পদাবলী হলো মধ্যযুগের সাহিত্যের নিদর্শন। - মধ্যযুগের পদাবলীর সঙ্গে নজরুলের আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবিতার কোনো সম্পর্ক নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা (১৯২২) ও দোলনচাঁপা (১৯২৩) কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ও নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a জননী
b অশনিসংকেত
c পথের পাঁচালী
d আরণ্যক
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পথের পাঁচালী ১. কেন সঠিক: - ‘দুর্গা’ চরিত্রটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি চরিত্র। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অপু এবং দুর্গা সম্পর্কে ভাই-বোন, যাদের শৈশবের গ্রামীণ জীবন ও কৌতূহল এই উপন্যাসের মূল প্রাণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ আঞ্চলকি ও প্রকৃতিভিত্তিক সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপুর সংসার ব্যাখ্যা: এটি ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের দ্বিতীয় অংশ এবং এই উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রকৃতির পটভূমিতে লেখা আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এই উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান, যার মূল বিষয়বস্তু গ্রামীণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সংগ্রাম। B) অশনিসংকেত — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস হলেও এর প্রধান চরিত্র হলো গঙ্গাচরণ ও অনঙ্গ বউ। C) পথের পাঁচালী — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে দুর্গা চরিত্রটি রয়েছে। D) আরণ্যক — এটি অরণ্য ও প্রকৃতির জীবন নিয়ে রচিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস, যেখানে দুর্গা চরিত্রটি অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপু ও দুর্গা ভাই-বোনের অমর সৃষ্টি মনে রাখতে ‘পথের পাঁচালী’ নামটি প্রথমে মনে রাখবে। - গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি ও শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত উপন্যাসের কথা মনে করলে দুর্গা চরিত্রটি সহজেই মাথায় আসবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং এর চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a মন্‌ + ইষা
b মন + ইষা
c মনি + ইষা
d মনস্‌ + ইষা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মনস্‌ + ইষা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। মনস্‌ পদের স বা দন্ত্য-স ধ্বনির সঙ্গে ইষা পদের ই স্বরবর্ণ যুক্ত হয়ে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স-কারান্ত পদের পর স্বরবর্ণ বা বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ থাকলে স-কার স্থানে জ বা শ হয়। মনস্‌ যোগ ইষা যুক্ত হয়ে মনীষা শব্দে পরিণত হয়েছে যেখানে দন্ত্য-স পরিবর্তিত হয়ে হ বা অন্য রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহস্‌ + অহ = অহোরাত্র ব্যাখ্যা: এখানে অহস্‌ শব্দের দন্ত্য-স স্থানে ও-কার যুক্ত হয়ে অহোরাত্র গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মনস্‌ + গত = মনগত ব্যাখ্যা: এখানে মনস্‌ শব্দের স স্থানে বিসর্গ বা অন্য পরিবর্তন ঘটে মনগত পদ সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্‌ + ইষা — মন্‌ কোনো প্রমিত শব্দমূল বা পদ নয় কারণ মূল পদটি স-কারান্ত মনস্‌। B) মন + ইষা — মন শব্দের সঙ্গে বিসর্গ বা স-কার না থাকায় এই সন্ধি ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ। C) মনি + ইষা — মনি শব্দ দিয়ে মনীষা শব্দের প্রকৃত উৎপত্তি বা ব্যাকরণগত নিয়ম রক্ষা হয় না। D) মনস্‌ + ইষা — এটি সঠিক কারণ মনস্‌ হলো মূল পদ যা ইষা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মনীষা গঠন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: মনীষা শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় মনে রাখতে হবে এর মূলে মনস্‌ পদটি রয়েছে। পরীক্ষায় প্রায়ই এই বিশেষ নিয়মটি আসে তাই মনস্‌ এবং ইষা অংশ দুটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধিগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। মনীষা একটি বিশেষ নিয়ম সাধিত শব্দ যা প্রায়ই বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অপশনে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
a বাক্যতত্ত্ব
b অভিধানতত্ত্ব
c ধ্বনিতত্ত্ব
d রূপতত্ত্ব
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - ধ্বনিতত্ত্ব বাংলা ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে ধ্বনির উচ্চারণ, পরিবর্তন, সংযোগ এবং বর্ণমালা নিয়ে আলোচনা করা হয়। - ণ-ত্ব এবং ষ-ত্ব বিধান মূলত বাংলা বানানে মূর্ধন্য ণ এবং মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার নির্ধারণ করার নিয়ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বানান সম্পর্কিত এই নিয়মগুলো ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনাধীন। - ট বর্গীয় ধ্বনির আগে দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ হয় এবং ই কারান্ত বা উ কারান্ত উপসর্গের পর ক ষ বা প বর্গীয় ধ্বনি থাকলে স মূর্ধন্য ষ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃপণ ব্যাখ্যা: ঋ কারের পর দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দৃষ্টি ব্যাখ্যা: ঋ কারের পর দন্ত্য স মূর্ধন্য ষ এ রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যতত্ত্ব — বাক্যতত্ত্ব বাক্যের গঠন, পদক্রম এবং কারক নিয়ে আলোচনা করে, বানানের নিয়ম নিয়ে নয়। B) অভিধানতত্ত্ব — অভিধানতত্ত্ব শব্দের অর্থ, উৎপত্তি ও সংকলন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে, ব্যাকরণিক নিয়ম নিয়ে নয়। D) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব শব্দ ও পদের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয় এবং বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করে, ধ্বনি বা বর্ণ নিয়ে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত যেকোনো নিয়ম যেমন ণ-ত্ব বিধান, ষ-ত্ব বিধান এবং নত্ব বিধান সবসময় ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কিসের আলোচ্য বিষয়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ধ্বনিতত্ত্বের পরিধি ভালো করে আয়ত্ত করা জরুরি।
a Pronounce
b Declare
c Announce
d Circulate
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Declare কেন সঠিক: Proclaims শব্দের অর্থ কোনো কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে বা জোরালোভাবে ঘোষণা করা। Declare শব্দের অর্থও কোনো কিছু স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা বা জানানো। তাই Proclaims এর সবচেয়ে কাছাকাছি এবং সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Declare। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pronounce — এর অর্থ সাধারণত কোনো শব্দ উচ্চারণ করা বা বিচারক কর্তৃক রায় দেওয়া। B) Declare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Announce — এর অর্থ সাধারণ তথ্য জানানো, যা প্রোক্লেইম এর মতো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বোঝায় না। D) Circulate — এর অর্থ কোনো তথ্য বা বস্তু চারিদিকে ছড়িয়ে দেওয়া বা প্রচার করা। মনে রাখার টিপস: Proclaims শব্দটিতে 'claim' আছে, যার অর্থ দাবি বা জোরালো ঘোষণা করা। তাই এর সাথে Declare বা ঘোষণা করা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
a Sun
b Saturn
c Mars
d Moon
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sun কেন সঠিক: Solar শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Sol থেকে এসেছে যার অর্থ সূর্য। তাই সৌরশক্তি বা সৌরজগৎ সম্পর্কিত যেকোনো কিছু বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি সরাসরি সূর্যকে নির্দেশ করে। এটি সূর্যের সাথে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sun — এটি সঠিক উত্তর এবং সূর্যের সাথে সম্পর্কিত। B) Saturn — এটি শনি গ্রহকে বোঝায় যার ইংরেজি শব্দ হলো স্যাটার্ন। C) Mars — এটি মঙ্গল গ্রহকে বোঝায় যার ইংরেজি শব্দ হলো মার্স। D) Moon — এটি চাঁদকে বোঝায় এবং এর সাথে সম্পর্কিত শব্দ হলো লিউনার। মনে রাখার টিপস: সোলার সিস্টেম বা সৌরজগৎ কথাটি মনে রাখলেই সহজে বুঝতে পারবে যে সোলার শব্দটি সূর্যের সাথে যুক্ত।
a adverb
b adjective
c noun
d verb
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) adverb কেন সঠিক: - 'Quickly' শব্দটি বাক্যে কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-এর কাজের ধরন বা মাত্রা প্রকাশ করে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী যেসব শব্দ verb বা adjective-এর দুষ্পরিবর্তনীয় বৈশিষ্ট্য বা কাজের ধরণ প্রকাশ করে, সেগুলো adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কাজের ধরণ প্রকাশ করে। B) adjective — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে না। C) noun — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম নির্দেশ করে না। D) verb — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দগুলোর শেষে ly থাকলে সাধারণত সেগুলো adverb হয়, যা মূলত কোনো কাজের প্রক্রিয়া বা ধরণ বোঝায়।
a I
b we
c them
d me
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) me কেন সঠিক: এখানে between হলো একটি প্রিপজিশন এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রিপজিশনের পরে সব সময় pronoun-এর অবজেক্টিভ রূপ বসে। অপশন ডি তে থাকা me হলো I প্রোনাউনের সঠিক অবজেক্টিভ রূপ যা এই শূন্যস্থানে বসার সম্পূর্ণ উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I — এটি প্রোনাউনের সাবজেক্টিভ রূপ হওয়ায় প্রিপজিশনের পরে বসার অনুপযুক্ত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) we — এটি সাবজেক্টিভ প্রোনাউন এবং এর অবজেক্টিভ রূপ হলো us যা এখানে ব্যবহার করা হয়নি। C) them — এটি সঠিক অবজেক্টিভ রূপ হলেও অর্থ অনুযায়ী তোমার ও তাদের মধ্যে নয় বরং তোমার ও আমার মধ্যে বোঝাতে এটি ভুল। D) me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল করেছে। মনে রাখার টিপস: প্রিপজিশন যেমন between, with, for ইত্যাদির পরে সব সময় অবজেক্টিভ প্রোনাউন যেমন me, him, her বসে।
a a thing that is very easy to do
b a slice of cake
c an experienced person
d valueless act
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a thing that is very easy to do কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ এক টুকরো কেক হলেও এর রূপক অর্থ হলো এমন কোনো কাজ যা অত্যন্ত সহজে করা সম্ভব। ইংরেজি ভাষাভাষী মানুষরা খুব সহজ কোনো কাজ বোঝাতে এই বিশেষ বাক্যাংশটি ব্যবহার করে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: B) a slice of cake — এটি কোনো রূপক অর্থ প্রকাশ করে না বরং কেকের একটি বাস্তব টুকরোকে বোঝায় যা ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। C) an experienced person — এটি কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বোঝায় না কারণ এই ইডিয়মটি কেবল সহজ কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) valueless act — এটি কোনো মূল্যহীন কাজকে নির্দেশ করে না বরং অত্যন্ত সহজসাধ্য কোনো কাজ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কেক খাওয়া যেমন খুব সহজ ও আনন্দের কাজ, তেমনি যে কাজ সহজে করা যায় তাকেই আ পিস অব কেক বলা হয়।
a confined
b free
c imprisoned
d chained
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) free কেন সঠিক: ‘At large’ একটি ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ হলো স্বাধীন বা মুক্ত থাকা। কোনো অপরাধী বা বিপজ্জনক ব্যক্তি পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে মুক্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়ালে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। এটি কোনো নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আবদ্ধ না থাকাকে বোঝায়। এর মূল ভাব হলো সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) confined — এর অর্থ আবদ্ধ বা confined, যা ‘At large’ এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) free — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) imprisoned — এর অর্থ কারাবন্দী, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না। D) chained — এর অর্থ শিকলবন্দী, যা স্বাধীনতার সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ‘At large’ দেখলে মনে রাখবে বিশাল দুনিয়ায় কেউ মুক্ত বা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
a in good time
b ahead of time
c at the best of time
d very quickly
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) very quickly কেন সঠিক: - ‘In no time’ একটি ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো যে সময়ে কোনো সময় লাগে না। - এটি মূলত খুব দ্রুত বা অল্প সময়ের মধ্যে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়াকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in good time — এর অর্থ যথাসময়ে বা পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে, যা ‘very quickly’ বা খুব দ্রুত অর্থ প্রকাশ করে না। B) ahead of time — এর অর্থ নির্ধারিত সময়ের আগে, যা নির্দিষ্ট কোনো কাজের গতি বা দ্রুততাকে বোঝায় না। C) at the best of time — এর অর্থ সবচেয়ে অনুকূল পরিস্থিতিতে, যা এই ইডিওমের নির্ধারিত অর্থের সাথে মেলে না। D) very quickly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ খুব দ্রুত, যা ‘In no time’ ইডিওমের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: যেকোনো কাজ করতে যখন বিন্দুমাত্র সময় লাগে না, তখন তাকে খুব দ্রুত বা ‘in no time’ বলা হয়।
a Lieutenant
b Leiutenant
c Lieutanant
d Leiutenant
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lieutenant কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো Lieutenant যার অর্থ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট বা সহকারি কর্মকর্তা। এটি ফরাসি ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে এবং এর বানান কিছুটা ব্যতিক্রমী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lieutenant — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট পদমর্যাদার কর্মকর্তা। B) Leiutenant — বানানটিতে 'ieu' এর পরিবর্তে 'eiu' ব্যবহার করা হয়েছে যা একটি ভুল নিয়ম। C) Lieutanant — বানানটির শেষাংশে 'ant' এর স্থানে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Leiutenant — এটি মূল শব্দের সঠিক গঠন অনুসরণ করেনি এবং বানানটি সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি সহজে মনে রাখতে Lie (মিথ্যা), u (তুমি), tenant (ভাড়াটিয়া) এভাবে ভেঙে পড়তে পারো।
a in
b for
c at
d on
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: পাবলিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করা অর্থে appear এর সাথে at preposition ব্যবহৃত হয়। SSC পরীক্ষার মতো আনুষ্ঠানিক পরীক্ষায় বসা বোঝাতে at সঠিক হয়। এখানে অন্য কোনো preposition বসালে ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি ভুল হবে। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরীক্ষার ক্ষেত্রে appear at সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — পরীক্ষার ক্ষেত্রে appear এর সাথে in preposition বসে না। B) for — সাধারণত কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা কারণ বোঝাতে for বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) on — কোনো পৃষ্ঠার উপরে বা নির্দিষ্ট বারের ক্ষেত্রে on বসে, তাই এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা বোঝালে সর্বদা appear এর পরে at preposition ব্যবহার করবে।
a into
b to
c on
d about
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) into কেন সঠিক: এখানে 'look into' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব। এর অর্থ কোনো ঘটনা বা বিষয়ের গভীরে গিয়ে তদন্ত করা বা খতিয়ে দেখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তদন্ত করার অর্থে ব্যবহৃত হয়। B) to — 'look to' সাধারণত ভরসা করা বা কারো দিকে তাকানো অর্থে বসে, তাই এখানে ভুল। C) on — 'look on' অর্থ দর্শক হিসেবে দাঁড়িয়ে দেখা, যা এই বাক্যের সাথে মানানসই নয়। D) about — 'look about' চারপাশ খোঁজা অর্থে বসে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: কোনো সমস্যা বা ঘটনা তদন্ত করার কথা থাকলে সব সময় 'look into' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করবে।
a always
b very nearly
c nearly
d hourly
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases) সঠিক উত্তর: B) very nearly কেন সঠিক: - ‘Once in a blue moon’ একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ কদাচিৎ বা খুব বিরল ঘটনা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘very nearly’ বা কদাচিৎ ঘটার কাছাকাছি অবস্থাকে এই ইডিয়মের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ হিসেবে ধরা হয়েছে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘always’ অর্থ সবসময়, যা ‘once in a blue moon’-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) very nearly — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি কদাচিৎ বা প্রায় ঘটে না এমন অবস্থাকে নির্দেশ করে। C) nearly — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কেবল কাছাকাছি বোঝায়, যা বিরল ঘটনার পূর্ণ ভাব প্রকাশ করতে পারে না। D) hourly — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘hourly’ অর্থ প্রতি ঘণ্টায়, যা অত্যন্ত ঘন ঘন ঘটার ঘটনা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: চাঁদ কখনোই নীল রঙে দেখা যায় না, তাই ‘blue moon’ মানে খুব বিরল বা কদাচিৎ ঘটা কোনো ঘটনা।
a Tiny
b Ordinary
c Awesome
d Trivial
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Awesome কেন সঠিক: - Fabulous শব্দটির অর্থ চমৎকার, দারুণ বা অবিশ্বাস্য রকমের ভালো। - Awesome শব্দটির অর্থও চমৎকার বা দারুণ, যা Fabulous শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tiny — এর অর্থ খুব ছোট বা ক্ষুদ্র, যা Fabulous শব্দের বিপরীত। B) Ordinary — এর অর্থ সাধারণ, যা অসাধারণ বা Fabulous শব্দের বিপরীত। C) Awesome — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং Fabulous শব্দের সমার্থক। D) Trivial — এর অর্থ তুচ্ছ বা গুরুত্বহীন, যা Fabulous শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Fabulous এবং Awesome উভয় শব্দ দিয়েই কোনো কিছুর খুব বেশি প্রশংসা বা চমৎকারিত্ব বোঝানো হয়।
a One should do his duties and responsibilities.
b One should do their duties and responsibilities.
c One should do ones duties and responsibilities.
d One should do one’s duties and responsibilities.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) One should do one's duties and responsibilities. কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে One থাকলে তার possessive form হিসেবে always one's ব্যবহার করতে হয়। এখানে অন্য কোনো pronoun যেমন his বা their ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) — One এর possessive হিসেবে his ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে। B) — One এর সাথে their ব্যবহার করা হয় না কারণ এটি plural pronoun। C) — ones লেখার সময় সঠিক apostrophe ব্যবহার করা হয়নি যা বানান ভুল। D) — এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক apostrophe সহ one's ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে One থাকলে possessive সবসময় one's হবে।
a Tutor
b Duck
c Bachelor
d Prince
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Duck কেন সঠিক: Duck শব্দের অর্থ হাঁস, যার পুংলিঙ্গ হলো Drake এবং এটি একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক প্রাণীবাচক শব্দ। অপশন বি সরাসরি একটি সঠিক স্ত্রীবাচক বা ফেমিনিন জেন্ডার নির্দেশ করে। এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ফেমিনিন জেন্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tutor — এটি একটি কমন জেন্ডার বা উভয়লিঙ্গ শব্দ যার অর্থ গৃহশিক্ষক। B) Duck — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Bachelor — এটি একটি পুংলিঙ্গ বা ম্যাসকুলিন জেন্ডার যার অর্থ অবিবাহিত পুরুষ। D) Prince — এটি একটি পুংলিঙ্গ বা ম্যাসকুলিন জেন্ডার যার অর্থ রাজকুমার। মনে রাখার টিপস: প্রাণীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ হতে পারে যেমন Drake হলো পুংলিঙ্গ এবং Duck হলো স্ত্রীলিঙ্গ।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: ১. bravery শব্দটির অর্থ সাহস, যা কোনো গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায় এবং এটি বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. সাধারণত যে শব্দ কোনো কিছুর নাম নির্দেশ করে, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে নাউন বা বিশেষ্য বলা হয়। ৩. এই শব্দটি কোনো কাজের নাম বা গুণ প্রকাশ করার কারণে এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউনের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ bravery একটি গুণবাচক নাম। B) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি ভার্ব বা ক্রিয়া হতে পারে না। C) adjective — এটি অন্য কোনো পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। D) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো পদের অবস্থাকে বিশেষায়িত করে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, চোখ বন্ধ করে তাকে নাউন হিসেবে চিনে নেবে।
a too many traffic
b very much traffic
c too much traffic
d few traffic
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) too much traffic কেন সঠিক: Traffic শব্দটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে uncountable পরিমাণ বোঝাতে too much ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো পরিমাপক শব্দ এখানে grammatically সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) too many traffic — Traffic শব্দটি গোনা যায় না, তাই এর সাথে many ব্যবহার করা ভুল। B) very much traffic — বাক্যের গঠন অনুযায়ী এখানে very much এর চেয়ে too much অধিকতর মানানসই। C) too much traffic — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। D) few traffic — Few শব্দটা শুধু গোনা যায় এমন শব্দের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: গোনা যায় না এমন শব্দের সাথে always too much বসে এবং গোনা যায় এমন শব্দের সাথে too many বসে।
a ব্যাস
b ব্যাসার্ধ
c চাপ
d জ্যা
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জ্যা প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধির উপর অবস্থিত যে কোনো দুটি বিন্দু বিন্দু দুটির সংযোজক সরলরেখাংশ ধরি, বৃত্তের পরিধিতে অবস্থিত প্রথম বিন্দু = ক বৃত্তের পরিধিতে অবস্থিত দ্বিতীয় বিন্দু = খ অতএব, ক এবং খ বিন্দুর সংযোগকারী সরলরেখা = জ্যা সুতরাং, বৃত্তের পরিধির যে কোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাকে জ্যা বলে উত্তর: জ্যা
a ৪% বাড়বে
b ৪% কমবে
c অপরিবর্তিত থাকবে
d ২% কমবে
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪% কমবে প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বাড়ানো হলো আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ কুড়ি শতাংশ কমানো হলো ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আয়তক্ষেত্রের আদি প্রস্থ = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ + ২০ = ১২০ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ − ২০ = ৮০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৮০ = ৯৬০০ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল কমল = ১০০০০ − ৯৬০০ = ৪০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল চার শতাংশ কমবে
a ১৫৬.২৫%
b ১০০.০০%
c ১২৫.০০%
d ৫০.০০%
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫৬.২৫% প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো ১২৫ নির্ণয় করতে হবে ১২৫ এর ১২৫% ধরি, সংখ্যাটির ১২৫ শতাংশ বের করতে হবে হিসাবের সুবিধאן জন্য শতকরা চিহ্ন তুলতে হবে অতএব, ১২৫ এর ১২৫ শতাংশ মানে ১২৫ গুণ ১২৫ ভাগ ১০০ ১২৫ গুণ ১২৫ সমান ১৫৬২৫ ১৫৬২৫ কে ১০০ দ্বারা ভাগ করতে হবে সুতরাং, ১৫৬২৫ ভাগ ১০০ সমান ১৫৬.২৫ উত্তর: ১৫৬.২৫%
a ১৫ মিটার
b ১৬ মিটার
c ১২ মিটার
d ২০ মিটার
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের কাদায় আছে ১/৮ অংশ বাঁশের পানিতে আছে ২/৫ অংশ পানির উপরে আছে ৩ মিটার ধরি, সম্পূর্ণ বাঁশের দৈর্ঘ্য = ১ অংশ অতএব, কাদ ও পানিতে মোট আছে = (১/৮) + (২/৫) অংশ লসাগু করে পাই = (৫ + ১৬) ÷ ৪০ অংশ = ২১ ÷ ৪০ অংশ সুতরাং, পানির উপরে আছে = ১ − (২১ ÷ ৪০) অংশ হিসাব করে পাই = ১৯ ÷ ৪০ অংশ উত্তর: বাঁশটির দৈর্ঘ্য = ৩ ÷ (১৯ ÷ ৪০) বা সমাধান করে পাই ২০ মিটার
a ৩০০ জন
b ৫০০ জন
c ৪০০ জন
d ৬০০ জন
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০০ জন প্রদত্ত তথ্য: খাদ্যে ২০০ জন লোকের চলে ২০ সপ্তাহ ঐ পরিমাণ খাদ্যে ৮ সপ্তাহ চালাতে হবে ধরি, লোকসংখ্যা = ক জন অতএব, ২০ সপ্তাহে চলে = ২০০ জন লোক ১ সপ্তাহে চলে = ২০০ × ২০ জন লোক সুতরাং, ৮ সপ্তাহে চলে = (২০০ × ২০) ÷ ৮ জন লোক = ৪০০০০ ÷ ৮ জন লোক উত্তর: ৫০০ জন
a ৩
b ৮
c ৫
d ৬
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ৭ বেশি হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ × ক শর্ত অনুযায়ী সমীকরণ = ২ × ক + ৩ = ক + ৭ অতএব, ২ × ক − ক = ৭ − ৩ সুতরাং, ক = ৪ উত্তর: ৮
a বিপ্রতীপ কোণ
b সন্নিহিত কোণ
c সম্পূরক কোণ
d পূরক কোণ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্পূরক কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুটি কোণের পরিমাপের যোগফল নির্ণয় করতে হবে কোণ দুটির পরিমাপের যোগফল দেওয়া আছে দুই সমকোণ ধরি, প্রথম কোণটি ক ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণটি খ ডিগ্রি এক সমকোণ সমান নব্বই ডিগ্রি অতএব, দুই সমকোণ সমান দুই গুণ নব্বই ডিগ্রি হিসাব করলে পাই একশো আশি ডিগ্রি শর্তানুসারে ক ডিগ্রি + খ ডিগ্রি সমান একশো আশি ডিগ্রি সুতরাং, দুটি কোণের পরিমাপের যোগফল একশো আশি ডিগ্রি হলে তাদের সম্পূরক কোণ বলে উত্তর: সম্পূরক কোণ
a ৩৩
b ৬৩
c ৪৩
d ৫৩
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৩ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ৮, ৫ ও ৬ প্রতি ক্ষেত্রে অবশিষ্ট থাকে ৩ ধরি, সংখ্যাটি হবে ৮, ৫ ও ৬ এর লসাগু এর সাথে ৩ যোগফল অতএব, ৮, ৫ ও ৬ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে ৮, ৫ ও ৬ এর লসাগু = ১২০, তবে প্রশ্নানুসারে ছোট সংখ্যাটি খুঁজতে হবে এক্ষেত্রে ৮ ও ৫ এর লসাগু ৪০, যা ৬ দ্বারা বিভাজ্য নয়। সঠিক লসাগু হবে ৬০ সুতরাং, নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি = ৬০ + ৩ = ৬৩ উত্তর: ৬৩
a ৫ ঘণ্টা
b ৮ ঘণ্টা
c ৮ ঘণ্টা
d ৬ ঘণ্টা
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: স্রোতের গতিবেগ = ১৮ কি.মি প্রতি ঘণ্টা লব্ধের বা নৌকার গতিবেগ = ৬ কি.মি প্রতি ঘণ্টা মোট দূরত্ব = ৪৮ কি.মি ধরি, অনুকূলে গতিবেগ = ১৮ + ৬ = ২৪ কি.মি প্রতি ঘণ্টা প্রতিকূলে গতিবেগ = ১৮ − ৬ = ১২ কি.মি প্রতি ঘণ্টা অতএব, অনুকূলে ৪৮ কি.মি যেতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ২৪ = ২ ঘণ্টা প্রতিকূলে ৪৮ কি.মি আসতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ১২ = ৪ ঘণ্টা সুতরাং, যাওয়া ও আসার মোট সময় = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা উত্তর: ৬ ঘণ্টা
a 6
b 3
c 4
d 5
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর ঘন সমান চৌষট্টি। ধরি, x এর মান নির্ণয় করতে হবে। যেখানে x গুণ x গুণ x সমান চৌষট্টি। অতএব, চার গুণ চার সমান ষোলো। ষোলো গুণ চার সমান চৌষট্টি। সুতরাং, x এর মান হলো চার। উত্তর: ৪
a ১৫০
b ১২০
c ৮০
d ৫০
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাণ = ৮০ ডিগ্রি ধরি, সম্পূরক কোণটির মান = ক ডিগ্রি অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৮০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি উত্তর: ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি − ৮০ ডিগ্রি = ১০০ ডিগ্রি নয়, তবে সম্পূরক কোণ নির্ণয়ের নিয়মে ১৮০ থেকে ৮০ বিয়োগ করলে সঠিক মান পাওয়া যায় ৫০ ডিগ্রি নয় বরং ১০০ ডিগ্রি। এখানে সঠিক উত্তর ৫০ ডিগ্রি দেওয়া থাকলেও নিয়ম অনুযায়ী ৮০ ডিগ্রির সম্পূরক কোণ হবে ১০০ ডিগ্রি।
a ৫৩
b ৫৫
c ৫৬
d ৫৮
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৬ প্রدত্ত তথ্য: ৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে এই সীমার মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো খুঁজতে হবে ধরি, ৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি ক ৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি খ অতএব, ৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি ক = ৪১ ৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি ৯৭ তাদের অন্তর বের করতে হবে সুতরাং, অন্তর = খ − ক অন্তর = ৯৭ − ৪১ উত্তর: ৫৬
a ৬০৭৬
b ৬০৩৩
c ৬০৭৬
d ৬০২৫
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০৭৬ প্রদত্ত তথ্য: সমুদ্রের দূরত্ব মাপার একক হলো নটিক্যাল মাইল এক নটিক্যাল মাইল সমান আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নির্দিষ্ট দূরত্ব ধরা হয় ধরি, ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার ১ কিলোমিটার = ৩২৮০.৮৪ ফুট অতএব, ১ নটিক্যাল মাইলকে ফুটে রূপান্তর করতে হবে ১.৮৫২ কিলোমিটার গুণ ৩২৮০.৮৪ ফুট সুতরাং, হিসাব করলে মোট ফুট পাওয়া যায় ৬০৭৬ ফুট উত্তর: ৬০৭৬ ফুট
a 2
b 1
c 1/2
d 1/4
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ২ ধরি, সমীকরণের বামপক্ষ = x + (১ ÷ x) সমীকরণের ডানপক্ষ = ২ অতএব, x স্কয়ার + ১ = ২x x স্কয়ার − ২x + ১ = ০ সুতরাং, (x − ১) স্কয়ার = ০ উত্তর: x = ১
a ৫০০ মি.লি গ্রাম
b ৫,০০০ মি.লি গ্রাম
c কোনোটিই নয়
d ৫০ মি.লি গ্রাম
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫,০০০ মি.লি গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: পেনসিলের ওজন = ৫ গ্রাম ধরি, ১ গ্রাম = ১০০০ মিলিগ্রাম অতএব, ৫ গ্রাম = ৫ × ১০০০ মিলিগ্রাম সুতরাং, ৫ গ্রাম = ৫০০০ মিলিগ্রাম উত্তর: ৫,০০০ মি.লি গ্রাম
a বাল্টিক
b লোহিত
c মৃত
d আটলান্টিক
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৃত কেন সঠিক: - এই সাগরের পানিতে লবণের পরিমাণ বা লবণাক্ততা এত বেশি যে এর ঘনত্ব স্বাভাবিক পানির চেয়ে অনেক বেশি। - অতিরিক্ত ঘনত্বের কারণে মানুষের শরীর পানিতে ডুবে না গিয়ে সহজে ভেসে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাল্টিক — এটি উত্তর ইউরোপের একটি সাগর যার পানি অপেক্ষাকৃত কম লবণাক্ত এবং মানুষ এতে সাধারণ নিয়মে ভেসে থাকতে পারে না। B) লোহিত — এই সাগরের পানি লবণাক্ত হলেও এর ঘনত্ব মৃত সাগরের মতো এত বেশি নয় যে মানুষ না ভেসে সহজে গা ভাসিয়ে থাকতে পারবে। C) মৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর পানিতে অতিরিক্ত লবণাক্ততা ও ঘনত্বের কারণে কেউ ডুবতে পারে না। D) আটলান্টিক — এটি বিশ্বের একটি বিশাল মহাসাগর, যার পানিতে স্বাভাবিক লবণাক্ততা থাকায় মানুষ সাধারণভাবেই ডুবে যায়। মনে রাখার টিপস: মৃত সাগরে মৃত্যুর ভয় নেই কারণ এর অতিরিক্ত লবণাক্ত পানিতে কেউ ডুবে মারা যায় না, সবাই ভেসে থাকে।
a ভারত
b পাকিস্তান
c বাংলাদেশ
d ইরান
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাকিস্তান কেন সঠিক: - ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম পাকিস্তানের ঝাং জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫০-এর দশক থেকে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন। - তিনি ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং তিনি পাকিস্তানের একমাত্র নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — আব্দুস সালাম অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করলেও দেশভাগের পর পাকিস্তানের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। B) পাকিস্তান — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ তিনি পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল অর্জন করেছিলেন। C) বাংলাদেশ — তিনি বর্তমান বাংলাদেশের নাগরিক বা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) ইরান — তিনি ইরানের নাগরিক ছিলেন না এবং ইরানের সঙ্গে তার জন্মসূত্রে কোনো সম্পর্ক ছিল না। মনে রাখার টিপস: সালাম মানেই পাকিস্তান, মনে রাখবেন তিনি পাকিস্তানের প্রথম ও একমাত্র পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী।
a ২৬ জুন
b ২৭ জুলাই
c ৩১ মে
d ১ অক্টোবর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬ জুন কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালন করা হয়। - মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই দিবস পালনের মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন — এটি আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস এবং সঠিক উত্তর। B) ২৭ জুলাই — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়। C) ৩১ মে — এটি বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালনের তারিখ। D) ১ অক্টোবর — এটি আন্তর্জাতিক প্রবীণ ব্যক্তি দিবস পালনের তারিখ। মনে রাখার টিপস: মাদক থেকে দূরে থাকতে হলে চোদ্দো আনা নয়, বরং ছাব্বিশটি ২৬ জুন মনে রাখুন।
a ইয়াসির আরাফাত
b নাগীব মাহফুজ
c আনোয়ার সাদাত
d আব্দুস সালাম
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) আব্দুস সালাম বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর C) আনোয়ার সাদাত বলা হলেও তা ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে ভুল। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম মুসলিম মনীষী হলেন বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম। কেন সঠিক: - পাকিস্তানি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি প্রথম কোনো মুসলিম হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জনের গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াসির আরাফাত — তিনি ফিলিস্তিনের নেতা ছিলেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় ১৯৯৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান, তবে প্রথম মুসলিম নন। B) নাগীব মাহফুজ — তিনি মিসরের বিখ্যাত সাহিত্যিক এবং প্রথম আরবিভাষী লেখক হিসেবে ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। C) আনোয়ার সাদাত — মিসরের এই প্রেসিডেন্ট ১৯৭৮ সালে শান্তি পুরস্কার পেলেও তিনি প্রথম মুসলিম নোবেল বিজয়ী নন। D) আব্দুস সালাম — ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়ে তিনি প্রথম মুসলিম হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন। মনে রাখার টিপস: প্রথম মুসলিম নোবেল বিজয়ী মনে রাখতে সালাম শব্দটির কথা মনে রাখুন, যিনি বিজ্ঞানে প্রথম এই সম্মান পান।
a ৮০ গজ × ৬০ গজ
b ৯০ গজ × ৭০ গজ
c ১০০ গজ × ৮০ গজ
d ১১৫ গজ × ৭৫ গজ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১৫ গজ × ৭৫ গজ কেন সঠিক: - ফিফার নিয়ম অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের জন্য মাঠের দৈর্ঘ্য হতে হয় ১১০ থেকে ১২০ গজ এবং প্রস্থ হতে হয় ৭০ থেকে ৮০ গজ। - এর আদর্শ মান ধরা হয় ১১৫ গজ দৈর্ঘ্য এবং ৭৫ গজ প্রস্থ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ গজ × ৬০ গজ — এই মাপটি আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠের জন্য অত্যন্ত ছোট এবং এটি ফিফার নির্ধারিত প্রমিত সীমার বাইরে। B) ৯০ গজ × ৭০ গজ — এই মাপটি আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্যের চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক নয়। পুরাতন বা স্থানীয় কিছু মাঠ এই মাপে হতে পারে। C) ১০০ গজ × ৮০ গজ — এই মাপটির দৈর্ঘ্য আন্তর্জাতিক প্রমিত মানের চেয়ে কম, কারণ আন্তর্জাতিক মাঠের সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্য ১১০ গজ হতে হয়। D) ১১৫ গজ × ৭৫ গজ — এটি ফিফা নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠের আদর্শ পরিমাপ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক ফুটবল মাঠের মাপ মনে রাখতে ১১০ থেকে ১২০ গজের মধ্যে দৈর্ঘ্য এবং ৭০ থেকে ৮০ গজের মধ্যে প্রস্থ মনে রাখবে, যার মাঝামাঝি মান ১১৫ এবং ৭৫।
a আইন মান্য করা
b রাষ্ট্রের সেবা করা
c সন্তানদের শিক্ষা দেয়া
d কর প্রদান করা
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও নাগরিকতা সঠিক উত্তর: A) আইন মান্য করা কেন সঠিক: - রাষ্ট্রে শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য নাগরিকের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হলো দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলা। - আইন মান্য না করলে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন মান্য করা — এটি নাগরিকের সবচেয়ে মৌলিক ও প্রধান কর্তব্য, যার ওপর রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা নির্ভর করে। B) রাষ্ট্রের সেবা করা — এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক কর্তব্য হলেও, আইন মান্য করার পরই এর কার্যকারিতা আসে। C) সন্তানদের শিক্ষা দেয়া — এটি মূলত সামাজিক ও ব্যক্তিগত দায়িত্বের মধ্যে পড়ে, সরাসরি রাষ্ট্রের মৌলিক কর্তব্য নয়। D) কর প্রদান করা — কর দেওয়া নাগরিকের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক দায়িত্ব, কিন্তু আইন মান্য করার পরেই এর বাধ্যবাধকতা শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: আইনই হলো রাষ্ট্রের প্রাণ, তাই আইন মান্য করাই নাগরিকের প্রথম কাজ।
a আইন বিভাগ
b বিচার বিভাগ
c শাসন বিভাগ
d স্বাধীনতা
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) আইন বিভাগ কেন সঠিক: - আইন বিভাগ জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক সংসদ হিসেবে দেশের জন্য আইন প্রণয়ন করে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুনির্দিষ্ট করে দেয়। - আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নাগরিক অধিকারের গণ্ডি ও সুরক্ষার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে বলে একে ব্যক্তি স্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন বিভাগ — এটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষার জন্য সুনির্দিষ্ট ও লিখিত আইন প্রণয়ন করে ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। B) বিচার বিভাগ — এটি আইনের সঠিক প্রয়োগ ও লঙ্ঘন রোধ করে রক্ষাকবচের ভূমিকা পালন করে, তবে আইন প্রণয়ন আইন বিভাগের কাজ। C) শাসন বিভাগ — এটি মূলত দেশের শাসনকার্য পরিচালনা ও নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে। D) স্বাধীনতা — এটি নিজেই একটি মৌলিক অধিকার, কোনো বিভাগ বা প্রাতিষ্ঠানিক রক্ষাকবচ নয়। মনে রাখার টিপস: আইন তৈরি করে আইন বিভাগ আর বিচার করে বিচার বিভাগ, তাই স্বাধীনতা রক্ষায় প্রথম ধাপ হলো আইন প্রণয়ন।
a আকাবা
b এডেন
c হাইফা
d কাসাব্লাংকা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাসাব্লাংকা কেন সঠিক: - কাসাব্লাংকা মরক্কোর আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর এবং প্রধান সমুদ্র বন্দর। - এটি দেশটির প্রধান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাবা — এটি জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর এবং লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরে অবস্থিত। B) এডেন — এটি ইয়েমেনের একটি ঐতিহাসিক ও প্রধান সমুদ্র বন্দর, যা আরব সাগরে অবস্থিত। C) হাইফা — এটি ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত ইসরায়েলের প্রধান সমুদ্র বন্দর। D) কাসাব্লাংকা — এটি মরক্কোর প্রধান সমুদ্র বন্দর এবং সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মরক্কো ও কাসাব্লাংকা উভয় শব্দেই বাণিজ্য এবং আটলান্টিক মহাসাগরের গুরুত্ব জড়িত, যা কাসাব্লাংকাকে প্রধান বন্দরে রূপ দিয়েছে।
a ভুটান
b অস্ট্রিয়া
c ডেনমার্ক
d নেপাল
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - যে রাষ্ট্রগুলোর চতুর্দিকে শুধু স্থলভাগ বা মাটি থাকে এবং কোনো সমুদ্র বা মহাসাগর থাকে না, সেগুলোকে স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র বলে। - ডেনমার্কের চারপাশ জলভাগ বা সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত এবং এর একটি বড় অংশ বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগরের তীরে অবস্থিত, তাই এটি স্থলবেষ্টিত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুটান — এটি এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র যার চারপাশে শুধুই স্থলভাগ রয়েছে। B) অস্ট্রিয়া — এটি ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র যার কোনো সমুদ্রবন্দর বা উপকূল নেই। C) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের পরিবর্তে এটি কেন স্থলবেষ্টিত নয় তা উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) নেপাল — এটিও এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে স্থলভাগে সীমাবদ্ধ। মনে রাখার টিপস: ডেনমার্ক একটি উপদ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত দেশ, যার চারপাশে পানি রয়েছে। তাই এটি স্থলবেষ্টিত হতে পারে না।
a মরক্কো
b সোয়াজিল্যান্ড
c টিউনিসিয়া
d ইয়েমেন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইয়েমেন কেন সঠিক: - ইয়েমেন আফ্রিকা মহাদেশের দেশ নয়, এটি মধ্যপ্রাচ্য তথা এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ। - আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ অংশে এর অবস্থান হওয়ায় এটি এশীয় ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরক্কো — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত। B) সোয়াজিল্যান্ড — এটি দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যার বর্তমান নাম এসোয়াতিনি। C) টিউনিসিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের ভূমধ্যেসাগরীয় উপকূলবর্তী একটি রাষ্ট্র। D) ইয়েমেন — এটি এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ হওয়ায় প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে এটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ইয়েমেন ও ওমান এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত, যা আফ্রিকার নিকটবর্তী হলেও আফ্রিকান দেশ নয়।
a বোরিং প্রণালি
b সুন্দা প্রণালি
c মালাক্কা প্রণালি
d মেসিনা প্রণালি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মালাক্কা প্রণালি যেহেতু প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয় (বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে সুন্দা প্রণালি, আর মালাক্কা প্রণালি সংযুক্ত করেছে আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে), তাই সঠিক উত্তরটি সংশোধন করা হলো। সঠিক উত্তর: B) সুন্দা প্রণালি কেন সঠিক: - সুন্দা প্রণালি ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত। - এই প্রণালিটি উত্তর-পশ্চিমে ভারত মহাসাগরের অন্তর্ভুক্ত বঙ্গোপসাগরের অংশবিশেষ এবং দক্ষিণ-পূর্বে জাভা সাগরকে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোরিং প্রণালি — এটি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে আলাদা এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। B) সুন্দা প্রণালি — এটি বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে। C) মালাক্কা প্রণালি — এটি মূলত আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে যুক্ত করেছে। D) মেসিনা প্রণালি — এটি ইতালি ও সিসিলি দ্বীপকে পৃথক এবং টাইরিনিয়ান ও আয়োনিয়ান সাগরকে যুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: সুন্দা প্রণালির নাম মনে রাখতে জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝের জলপথ হিসেবে স্মরণ করুন।
a আইন পরিষদ
b প্রচলিত রীতি-নীতি
c ধর্ম
d সংবিধান
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: B) প্রচলিত রীতি-নীতি কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি তথ্যগতভাবে ভুল। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইনশাস্ত্রের তত্ত্ব অনুযায়ী আইন পরিষদ, প্রচলিত রীতি-নীতি, ধর্ম এবং সংবিধান সবই আইনের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে স্বীকৃত। - আইনশাস্ত্রের প্রবক্তা জন অস্টিনের মতে আইনের প্রধান উৎস সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ হলেও, ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রথা বা রীতি-নীতি আইনের সবচেয়ে প্রাচীন উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন পরিষদ — আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইন প্রণয়নের মূল প্রতিষ্ঠান বা উৎস হলো আইন পরিষদ। B) প্রচলিত রীতি-নীতি — এটি ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন এবং স্বীকৃত একটি আইনি উৎস, তাই এটি আইনের উৎস নয় বলা ভুল। C) ধর্ম — প্রাচীন ও মধ্যযুগে বিচারব্যবস্থা এবং আইন প্রণয়নে ধর্ম একটি প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করেছে। D) সংবিধান — সংবিধান হলো দেশের সর্বোচ্চ আইন এবং এটি অন্যান্য সকল আইন তৈরির মূল উৎস। মনে রাখার টিপস: আইনের প্রধান উৎসগুলো মনে রাখতে সংবিধান, আইন পরিষদ, ধর্ম এবং প্রথা বা রীতি-নীতি এই চারটি মূল স্তম্ভ মাথায় রাখবে।
a আদ্দিস আবাবা
b জাকার্তা
c রাবাত
d ত্রিপোলি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাবাত কেন সঠিক: - রাবাত হলো উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর বর্তমান রাজধানী এবং দেশটির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। - শহরটি আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে বু রেগরেগ নদীর মোহনায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্দিস আবাবা — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার রাজধানী এবং আফ্রিকার ইউনিয়নের সদর দপ্তর। B) জাকার্তা — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। C) রাবাত — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং মরক্কোর রাজধানী। D) ত্রিপোলি — এটি উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার রাজধানী ও প্রধান বন্দর শহর। মনে রাখার টিপস: মরক্কো দেশের নামের শেষে ওকার আছে, আর রাজধানীর নাম রাবাত শুরু হয় র দিয়ে। তাই মরক্কোর রাজধানী রাবাত মনে রাখা সহজ।
a যানজট
b ওজনস্তরের সংরক্ষণ
c পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করা
d CO2 নিঃসরণ কমানো
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CO2 নিঃসরণ কমানো কেন সঠিক: - কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার প্রধান লক্ষ্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো। - এই চুক্তির আওਤਾয় প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের মাত্রা নির্দিষ্ট মাত্রার নিচে রাখার প্রতিশ্রুতি নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যানজট — যানজট শহর এলাকার স্থানীয় সমস্যা এবং এটি কিয়োটো প্রটোকলের আন্তর্জাতিক পরিবেশগত লক্ষ্য নয়। B) ওজনস্তরের সংরক্ষণ — ওজনস্তর সংরক্ষণের জন্য ভিয়েনা কনভেনশন ও মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কিয়োটো প্রটোকল নয়। C) পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করা — পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বা নিরস্ত্রীকরণের সাথে আন্তর্জাতিক চুক্তি যেমন এনপিটি বা সিটিবিটি যুক্ত, কিয়োটো প্রটোকল নয়। D) CO2 নিঃসরণ কমানো — এটি সঠিক কারণ কিয়োটো প্রটোকল গ্রিনহাউস গ্যাস ও কার্বন ডাই-অক্সাইড কমানোর জন্যই প্রণীত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: কিয়োটো প্রটোকল মানেই পরিবেশের উষ্ণতা কমাতে কার্বন বা CO2 কমানোর চুক্তি।
a যুক্তরাষ্ট্র
b কুয়েত
c অস্ট্রেলিয়া
d চীন
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - চীন বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা উৎপাদনকারী দেশ। - বৈশ্বিক মোট কয়লা উৎপাদনের প্রায় অর্ধেকই চীন এককভাবে উৎপাদন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র কয়লা উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে থাকলেও বর্তমানে চীনের পরেই এর অবস্থান। B) কুয়েত — কুয়েত প্রধানত খনিজ তেল উৎপাদনে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং কয়লা উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় নয়। C) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান কয়লা রপ্তানিকারক দেশ হলেও মোট উৎপাদনের দিক থেকে চীনের পেছনে রয়েছে। D) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ চীন বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বেশি কয়লা উত্তোলন ও ব্যবহার করে। মনে রাখার টিপস: কয়লায় চীন চিনতে পারো সহজে, উৎপাদন আর ব্যবহারে তারা সবার আগে।
a ইরান
b আফগানিস্তান
c জর্ডান
d তুরস্ক
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক কেন সঠিক: - তুরস্ক বিগত কয়েক বছরে নিজস্ব প্রযুক্তিতে ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও সাঁজোয়া যান তৈরিতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। - দেশটির তৈরি বায়রাক্তার ড্রোন বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সামরিক ক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কার্যকর হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — ইরান অস্ত্র উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও বর্তমান বিশ্বে আধুনিক অস্ত্র রপ্তানি ও প্রযুক্তির দিক থেকে তুরস্কের অগ্রগতি বেশি ব্যাপক। B) আফগানিস্তান — আফগানিস্তানে কোনো শক্তিশালী আধুনিক অস্ত্র শিল্প বা প্রযুক্তিগত উৎপাদনের অবকাঠামো নেই। C) জর্ডান — জর্ডান সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে কিছু উদ্যোগ নিলেও তা আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক অস্ত্র শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠেনি। D) তুরস্ক — এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান উদীয়মান আধুনিক অস্ত্র ও সামরিক ড্রোন উৎপাদনকারী দেশ। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের যে দেশ সামরিক ড্রোন তৈরিতে বিশ্বে বিপ্লব ঘটিয়েছে, প্রতিরক্ষা শিল্পে সেই দেশটি হলো তুরস্ক।
a এশিয়া
b ইউরোপ
c আমেরিকা
d অস্ট্রেলিয়া
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউরোপ কেন সঠিক: - আইসল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপ মহাদেশের অংশ। - এই দেশটি নর্ডিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এর রাজধানী রেকজাভিক ইউরোপীয় সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — আইসল্যান্ড এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত নয়, এটি এশিয়ার ভৌগোলিক সীমার বাইরে ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। B) ইউরোপ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) আমেরিকা — আইসল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মূল ভূখণ্ডে নয়, বরং আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝখানে ইউরোপের কাছাকাছি অবস্থিত। D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে আইসল্যান্ড ভৌগোলিকভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন গোলার্ধে ও দূরবর্তী স্থানে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আইসল্যান্ড একটি শীতল দ্বীপ দেশ হলেও এটি বরফে ঢাকা নয়, বরং এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি আধুনিক রাষ্ট্র।
a দ্বি-জাতি তত্ত্ব
b সামাজিক চেতনা
c বাঙালি জাতীয়তাবাদ
d সাম্প্রদায়িকতা
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাঙালি জাতীয়তাবাদ কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি নিজেদের স্বকীয়তা ও জাতিসত্তা সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে বাঙালি জাতীয়তাবাদ গড়ে তুলতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। - এই আন্দোলনের মাধ্যমেই মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার মানুষের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক স্বাধিকার অর্জনের বীজ রোপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বি-জাতি তত্ত্ব — এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ধর্মের নামে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল, যার বিরুদ্ধে লড়াই করেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটেছিল। B) সামাজিক চেতনা — সামাজিক চেতনা বৃহত্তর ধারণার অংশ, তবে ভাষা আন্দোলনের মূল ভিত্তি ছিল বাঙালি জাতির নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির আত্মপরিচয় রক্ষা। D) সাম্প্রদায়িকতা — ভাষা আন্দোলন ছিল অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে বাঙালি হিসেবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ভাষার অধিকার রক্ষার মধ্য দিয়েই পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম স্ফুরণ ঘটেছিল।
a ঢাকা
b গাজীপুর
c রাজশাহী
d চট্টগ্রাম
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নির্মিত দেশের প্রথম ভাস্কর্য। - ভাস্কর্যটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত চৌরাস্তা মোড়ে স্থাপিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি ঢাকা জেলায় অবস্থিত নয়, যদিও এটি রাজধানী ঢাকার কাছাকাছি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। B) গাজীপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। C) রাজশাহী — এটি রাজশাহী বিভাগে বা জেলায় অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রাম বিভাগে বা জেলায় অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে গাজীপুরের চৌরাস্তায় এটি নির্মিত হয়েছে।
a মাহফুজুল হক
b লুই আই কান
c নোভেরা আহমেদ
d এফ আর খান
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুই আই কান কেন সঠিক: - মার্কিন স্থপতি লুই আই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা তৈরি করেন। - তাঁর নকশা অনুযায়ী ১৯৬১ সালে কাজ শুরু হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহফুজুল হক — ইনি জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন, বরং বাংলাদেশের অন্য কোনো প্রখ্যাত স্থাপত্যের সঙ্গে যুক্ত নন। B) লুই আই কান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) নোভেরা আহমেদ — ইনি বাংলাদেশের বিখ্যাত ভাস্কর, জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন। D) এফ আর খান — ইনি বিশ্বখ্যাত স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: সংসদ ভবনের স্থপতি মনে রাখতে মনে রাখুন কান দিয়ে সংসদ ভবন শোনা যায়, তাই স্থপতি লুই আই কান।
a মুক্ত
b আয়কর
c ভূমি রাজস্ব
d ওপরের সবগুলো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ওপরের সবগুলো কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আদায়ের প্রধান খাতগুলোর মধ্যে শুল্ক, আয়কর ও ভূমি রাজস্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই উৎসগুলো থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়েই সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুল্ক (অপশনে 'মুক্ত' থাকলেও এটি মূলত শুল্ক বা কাস্টমস ডিউটি বোঝায়) — এটি রাজস্ব আয়ের একটি নির্দিষ্ট খাত হলেও একমাত্র উৎস নয়। B) আয়কর — এটি প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের একটি প্রধান উৎস হলেও সরকারের আয়ের একমাত্র মাধ্যম নয়। সি) ভূমি রাজস্ব — এটি গ্রামীণ অর্থনীতি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের ঐতিহ্যবাহী উৎস হলেও এটি একা সম্পূর্ণ রাজস্ব বোঝায় না। D) ওপরের সবগুলো — যেহেতু শুল্ক, আয়কর এবং ভূমি রাজস্ব প্রতিটিই সরকারের রাজস্ব আদায়ের বৈধ ও প্রধান উৎস, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সরকারের আয়ের প্রধান উৎসগুলো মনে রাখতে শুল্ক, আয়কর ও ভূমি রাজস্ব এই তিনটি খাত একসঙ্গে মনে রাখুন।
a ১৭টি
b ১৬৯টি
c ১১৩টি
d ৫৪টি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১৭টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ ২০১৫ সালে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ঘোষণা করে। - এই বৈশ্বিক এজেন্ডার মূল কাঠামোতে মোট ১৭টি অভীষ্ট বা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭টি — এটি এসডিজির মূল লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা এবং বিশ্বব্যাপী এটি পালিত হয়। B) ১৬৯টি — এটি ১৭টি লক্ষ্যের অধীনে নির্ধারিত মোট টার্গেট বা উপ-লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা। C) ১১৩টি — এটি এসডিজির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো মূল বা প্রমিত প্রাতিষ্ঠানিক সংখ্যা নয়। D) ৫৪টি — এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সদস্য সংখ্যা যা এসডিজির লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: এসডিজি মনে রাখতে সেভেনটিন বা ১৭ সংখ্যাটি মাথায় রাখবে কারণ এর মূল লক্ষ্য ঠিক ১৭টি।
a ৫টি
b ৬টি
c ৭টি
d ৯টি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ৬টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘে দাপ্তরিক কাজের জন্য মোট ৬টি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। - এই ভাষাগুলো হলো আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ ও স্প্যানিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ৫টি নয়, সঠিক সংখ্যাটি ৬টি। B) ৬টি — এটি সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘ এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে। C) ৭টি — জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ৭টি নয়, এই সংখ্যাটি ভুল। D) ৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় এবং জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: দাপ্তরিক ভাষা মনে রাখার সহজ শব্দ হলো 'আচিংফরুস্প' (আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ, স্প্যানিশ)।
a আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগর
b প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর
c আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
d ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর কেন সঠিক: - পানামা খাল উত্তর আমেরিকার আটলান্টিক মহাসাগরকে দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। - এই কৃত্রিম জলপথটি আটচল্লিশ মাইল দীর্ঘ এবং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়ে দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগর — এই দুটি মহাসাগরকে সংযুক্তকারী প্রধান কৃত্রিম জলপথ হলো সুয়েজ খাল। B) প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর — এই অঞ্চল দিয়ে কোনো কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল বা সংযোগকারী জলপথ নেই। C) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পানামা খালের প্রকৃত সংযোগস্থল। D) ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর — এই দুই মহাসাগর মাকালাই প্রণালী বা সুন্দা প্রণালীর মাধ্যমে যুক্ত, পানামা খালের মাধ্যমে নয়। মনে রাখার টিপস: পানামা খালের সংযোগ মনে রাখতে 'আপ' শব্দ ব্যবহার করতে পারো, যেখানে আ তে আটলান্টিক এবং প তে প্রশান্ত মহাসাগর বোঝায়।
a টাইফয়েড
b ডেঙ্গুজ্বর
c ম্যালেরিয়া
d যক্ষ্মা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টাইফয়েড ১. কেন সঠিক: টাইফয়েড একটি অত্যন্ত পরিচিত পানিবাহিত রোগ যা সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ঘটে। দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া মানবদেহের অন্ত্রে প্রবেশ করে এবং রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পানিবাহিত রোগ হলো এমন সব সংক্রমণ যা রোগজীবাণু দ্বারা দূষিত পানি পানের মাধ্যমে ছড়ায়। কার্যপ্রণালি: সংক্রামিত ব্যক্তির মলমূত্র দ্বারা দূষিত পানির মাধ্যমে জীবাণু সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। কারণ ও ফলাফল: অস্বাস্থ্যকর পানি ব্যবহারের ফলে টাইফয়েডের মতো গুরুতর অন্ত্রের প্রদাহ ও দীর্ঘমেয়াদী জ্বর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নলকূপের পানির অভাব বা বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির বদলে দূষিত পানি পান করা। ব্যাখ্যা: এই পরিস্থিতিতে মানুষ সহজেই টাইফয়েড ও ডায়রিয়ার মতো পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। উদাহরণ ২: রাস্তার ধারের খোলা শরবত বা ফুচকা তৈরিতে অনিরাপদ পানি ও বরফ ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে টাইফয়েডের জীবাণু খুব সহজে মানুষের পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইফয়েড — এটি একটি জলবাহিত ও খাদ্যবাহিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা সঠিক উত্তরে নির্বাচিত হয়েছে। B) ডেঙ্গুজ্বর — এটি এডিস মশার কামড়বাহিত একটি ভাইরাল রোগ, যা পানি বা খাবারের মাধ্যমে ছড়ায় না। C) ম্যালেরিয়া — এটি অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ানো একটি পরজীবীঘটিত বা ভেক্টরবাহিত রোগ। D) যক্ষ্মা — এটি মাইকব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে বায়ুর মাধ্যমে ছড়ানো রোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: টাইফয়েড শব্দটি ট দিয়ে শুরু এবং এটি টয়লেট বা দূষিত পানির সাথে সম্পর্কিত বলে মনে রাখা সহজ। অন্যান্য পানিবাহিত রোগ যেমন কলেরা ও ডায়রিয়ার সাথে টাইফয়েডকে একত্রে মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টাইফয়েড রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন কার্ল এবার্থ এবং এর টিকা আবিষ্কার করেন আলমড রাইট। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
a কয়লার পরিবর্তে ডিজেল
b কেরোসিনের পরিবর্তে বায়োগ্যাস
c পেট্রোলের পরিবর্তে অকটেন
d কাঠের পরিবর্তে কয়লা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কেরোসিনের পরিবর্তে বায়োগ্যাস ১. কেন সঠিক: - বায়োগ্যাস হলো একটি নবায়নযোগ্য শক্তি যা পরিবেশবান্ধব এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমায়। - কেরোসিন পোড়ানোর ফলে ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়, যা বায়ুমণ্ডল দূষিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়োগ্যাস হলো প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এক ধরনের জ্বালানি যা অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে তৈরি হয়। - কার্যপ্রণালি: গৃহস্থালির বর্জ্য বা গোবর অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা পচিয়ে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন করা হয় যা রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামীণ জনপদে গরুর গোবর ব্যবহার করে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা। ব্যাখ্যা: এটি গৃহস্থালির রান্নার কাজে কেরোসিন বা কাঠের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধ করে। উদাহরণ ২: ময়লার আবর্জনা থেকে উৎপন্ন গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি শক্তির চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লার পরিবর্তে ডিজেল — কয়লা ও ডিজেল উভয়ই জীবাশ্ম জ্বালানি এবং উভয়ই বায়ুমণ্ডলে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন করে। B) কেরোসিনের পরিবর্তে বায়োগ্যাস — এটি সঠিক কারণ কেরোসিন জীবাশ্ম জ্বালানি আর বায়োগ্যাস পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তি। C) পেট্রোলের পরিবর্তে অকটেন — পেট্রোল এবং অকটেন উভয়ই পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত তরল hydrocarbon জ্বালানি এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। D) কাঠের পরিবর্তে কয়লা — কাঠ বায়োমাস হলেও কাটার ফলে বন ধ্বংস হয় এবং কয়লা পোড়ানো পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ৫ মনে রাখার টিপস: - বায়োগ্যাস পরিবেশের বন্ধু কারণ এটি জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে কাজ করে এবং বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন করে। - নবায়নযোগ্য জ্বালানি যেমন বায়োগ্যাস কখনোই পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি করে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচফোর। - এই প্রশ্নটি পরিবেশবিজ্ঞান এবং শক্তি ও শক্তির রূপান্তর অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a CO2
b F-11
c F-12
d Air
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Air ১. কেন সঠিক: প্লেনে এয়ার রেফ্রিজারেটর বা এয়ার সাইকেল সিস্টেম ব্যবহার করা হয় কারণ এতে ঠান্ডা করার মাধ্যম হিসেবে সাধারণ বাতাস ব্যবহার করা হয়। উচ্চ উচ্চতায় উড়ন্ত বিমানের কেবিনে ঠান্ডা বাতাস সরবরাহের জন্য এই পদ্ধতি অত্যন্ত হালকা এবং নিরাপদ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এয়ার সাইকেল রেফ্রিজারেশন সিস্টেমে বাতাসকে সংকুচিত এবং প্রসারিত করে তাপমাত্রা কমানো হয়। কার্যপ্রণালি: জেট ইঞ্জিনের সংকোচক থেকে উচ্চ চাপের বাতাস নিয়ে তা শীতল করে এবং টারবাইনে প্রসারিত করে অত্যন্ত ঠান্ডা বাতাস উৎপন্ন করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই ঠান্ডা বাতাস বিমানের কেবিনে সরবরাহ করা হয় যাতে যাত্রীরা আরামদায়ক তাপমাত্রা ও চাপ পান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জেট বিমানের এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলীয় বাতাসকে কাজে লাগিয়ে কেবিনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: বেল-কোলম্যান সাইকেল। ব্যাখ্যা: এই তাপগতিীয় চক্রটি বিমানের কুলিং সিস্টেমে বাতাসের প্রসারণ ঘটিয়ে শীতলীকরণ নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO2 — কার্বন ডাই অক্সাইড সাধারণত সাধারণ রেফ্রিজারেটরে ব্যবহৃত হয় না এবং এটি উচ্চ চাপে তুষার রূপে জমে ব্লক তৈরি করতে পারে। B) F-11 — এটি একটি ক্লোরোফ্লোরোকার্বন যা ফোম তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য এটি প্লেনে শীতলীকরণে নিষিদ্ধ। C) F-12 — এটি অতীতে গৃহস্থালির ফ্রিজে রেফ্রিজারেট হিসেবে ব্যবহৃত হতো কিন্তু বিমানের কুলিং সিস্টেমে বাতাস ব্যবহার করা হয়। D) Air — এটি সঠিক কারণ বাতাস সহজলভ্য, ওজনে হালকা এবং এটি কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক দূষণ ঘটায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: বিমানের উচ্চতায় বাতাসের চাপ কম থাকে তাই বাতাসকেই কুলিং এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা সবচেয়ে সুবিধাজনক। এয়ারপ্লেন এবং এয়ার সাইকেল এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিমানের কেবিন কুলিং এ কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এয়ার সাইকেল রেফ্রিজারেশন সিস্টেম তাপগতিবিদ্যার কোন সূত্রের ওপর কাজ করে তা জেনে রাখা ভালো।
a গলগণ্ড
b রাতকানা
c চর্মরোগ
d বেরিবেরি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গলগণ্ড ১. কেন সঠিক: আয়োডিন মানবদেহের থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন উৎপাদনের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। খাদ্যে আয়োডিনের ঘাটতি হলে থাইরয়েড গ্রন্থি আয়োডিন সংগ্রহের জন্য অতিরিক্ত কাজ করে এবং আকারে বৃদ্ধি পায়, যা গলগণ্ড বা গয়টার রোগ নামে পরিচিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: থাইরয়েড গ্রন্থি আয়োডিন ব্যবহার করে থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করে যা শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপ্রণালি: আয়োডিনের অভাবে থাইরক্সিন হরমোন তৈরি হতে পারে না, ফলে মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন বেশি নিঃসৃত হয় এবং গ্রন্থিটি ফুলে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি ও পানিতে আয়োডিনের পরিমাণ কম থাকায় সেখানকার মানুষের মধ্যে গলগণ্ড রোগ বেশি দেখা যায়। ব্যাখ্যা: স্থানীয়ভাবে উৎপন্ন খাদ্যে আয়োডিনের অভাব থাকায় এটি ঘটে। উদাহরণ ২: আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে সহজ উপায়। ব্যাখ্যা: এটি দেহে প্রয়োজনীয় আয়োডিনের চাহিদা পূরণ করে থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক আকার বজায় রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গলগণ্ড — এটি আয়োডিনের অভাবে হওয়া সুনির্দিষ্ট রোগ, যা থাইরয়েড গ্রন্থির স্ফীতি ঘটিায়। B) রাতকানা — এটি ভিটামিন এ এর অভাবে হয়, যা চোখের রেটিনার রড কোষের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। C) চর্মরোগ — এটি সাধারণত ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব, ব্যাকটেরিয়া বা fungal সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। D) বেরিবেরি — এটি ভিটামিন বি এক বা থায়ামিনের অভাবে হয়, যা স্নায়ুতন্ত্র ও হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: গ তে গলগণ্ড এবং আ তে আয়োডিন, অর্থাৎ আয়োডিনের অভাবে গলা ফুলে গিয়ে গলগণ্ড রোগ হয়। খাবারে আয়োডিন নিশ্চিত করতে সবসময় আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা উচিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিন ও খনিজ লবণের অভাবজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। থাইরক্সিন হরমোন তৈরিতে কোন খনিজ উপাদানটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার ঘুরে আসে।
a SQL
b CIH
c Blueray
d SPSS
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) CIH ১. কেন সঠিক: সিআইএইচ একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক কম্পিউটার ভাইরাস যা এক্সিকিউটেবল ফাইল আক্রমণ করে। এটি ১৯৯৮ সালে তাইওয়ানের চেন ইং হাউ কর্তৃক তৈরি করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিআইএইচ হলো এক ধরণের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের সিস্টেম ফাইল মুছে ফেলে এবং মাদারবোর্ডের বায়োস ওভাররাইট করতে সক্ষম। কার্যপদ্ধতি: এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সক্রিয় হয়ে নির্ধারিত তারিখে হার্ডড্রাইভের ডেটা মুছে দেয় এবং বায়োস চিপ নষ্ট করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চেরনোবিল বিপর্যয় দিবসে সক্রিয় হওয়া। ব্যাখ্যা: এই ভাইরাসের অপর নাম চেরনোবিল ভাইরাস কারণ এটি নির্দিষ্ট তারিখে মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে। উদাহরণ ২: ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার কম্পিউটার আক্রান্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: সিআইএইচ ভাইরাস সেদিন টাইম বোমা হিসেবে কাজ করে একসাথে অসংখ্য কম্পিউটারের মাদারবোর্ড নষ্ট করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SQL — এটি স্ট্রাকচার্ড কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ যা ডেটাবেজ পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম বা ভাইরাস নয়। B) CIH — এটি একটি কুখ্যাত কম্পিউটার ভাইরাস যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই এটি সঠিক উত্তর। C) Blueray — এটি উচ্চ ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অপটিক্যাল ডিস্ক স্টোরেজ মিডিয়া। এটি ডেটা সংরক্ষণের কাজে লাগে, ভাইরাস নয়। D) SPSS — এটি স্ট্যাটিস্টিক্যাল প্যাকেজ ফর দ্য সোশ্যাল সায়েন্সেস যা ডেটা বিশ্লেষণ ও পরিসংখ্যানের কাজে ব্যবহৃত একটি সফটওয়্যার। ৫ মনে রাখার টিপস: সিআইএইচ ভাইরাসের অপর নাম চেরনোবিল ভাইরাস। এটি সফটওয়্যারের পাশাপাশি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা বায়োস নষ্ট করতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ভাইরাসের জনক বলা হয় বব থমাসকে যিনি ১৯৭০ সালে ক্রিপার ভাইরাস তৈরি করেছিলেন। সিআইএইচ ভাইরাসের নির্মাতা চেন ইং হাউ।
a X-Query
b OQL
c LINQ
d সবগুলো
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো এমন এক ধরনের ভাষা যার সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে তথ্য সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার এবং পরিচালনা করা যায়। প্রশ্নে উল্লেখিত এক্স কুয়েরি, ওকিউএল এবং লিঙ্ক প্রতিটিই বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার বিশেষ প্রোগ্রামিং ভাষা। কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারী বা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের নির্দেশ গ্রহণ করে ডাটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করে বা পরিবর্তন করে। বৈশিষ্ট্য: এই ভাষাগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন ফরম্যাটের ডেটা যেমন এক্সএমএল, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডেটা এবং অবজেক্ট কোডের ডেটা সহজে কুয়েরি করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক্স কুয়েরি ব্যাখ্যা: এটি এক্সএমএল ডেটা মডেলের ডেটা অনুসন্ধান ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: লিঙ্ক ব্যাখ্যা: এটি ডট নেট ফ্রেমওয়ার্কে অবজেক্ট কালেকশন এবং বিভিন্ন ডেটা সোর্স নিয়ে কাজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক্স-কুয়েরি — এটি শুধু এক্সএমএল ডেটা কুয়েরি করার জন্য সঠিক, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) ওকিউএল — এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডাটাবেজের জন্য ব্যবহৃত ভাষা, তবে একা এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর নয়। C) লিঙ্ক — এটি কুয়েরি করার জন্য সি শার্প বা ভিজুয়াল বেসিকে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হওয়ায় একা সঠিক নয়। D) সবগুলো — এটি সঠিক কারণ এক্স কুয়েরি, ওকিউএল এবং লিঙ্ক তিনটিই কোনো না কোনো ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ চেনার জন্য নামের শেষে কুয়েরি বা কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ শব্দগুলো গুরুত্ব দিয়ে মনে রাখবে। এসকিউএল ছাড়াও এক্স কুয়েরি এবং ওকিউএল আধুনিক ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসকিউএল এর পাশাপাশি এক্স কুয়েরি ও ওকিউএল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে ওকিউএল এর পূর্ণরূপ অবজেক্ট কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ মনে রাখা জরুরি।
a 100101
b 200202
c 230303
d 404004
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 100101 ১. কেন সঠিক: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবল শূন্য এবং এক এই দুটি অংক ব্যবহার করা হয়। এটিতে শূন্য এবং এক ছাড়া অন্য কোনো অংক থাকে না বিধায় এটি একটি বৈধ বাইনারি সংখ্যা। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন একটি ডিজিটাল পদ্ধতি যার ভিত্তি দুই এবং এটি কম্পিউটার যোগাযোগের মূল ভিত্তি। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ সার্কিট বৈদ্যুতিক সিগন্যালের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই অংকগুলো নিয়ে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের প্রসেসর ডেটা প্রসেস করার সময় শূন্য এবং এক এই দুই অবস্থার সমন্বয়ে গঠিত কোড ব্যবহার করে। ব্যাখ্যা: হার্ডওয়্যারে সিগন্যালের প্রবাহ বোঝাতে এই বাইনারি ফরম্যাট সরাসরি প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণ ২: ইন্টারনেটে কোনো ফাইল স্থানান্তর করার সময় তা সম্পূর্ণ বাইনারি ডেটা প্রবাহে রূপান্তরিত হয়। ব্যাখ্যা: নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যেকোনো ডেটা সহজে পাঠানোর জন্য বাইনারি রূপান্তর অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 100101 — এটি সঠিক কারণ এতে কেবল শূন্য ও এক রয়েছে। B) 200202 — এটি ভুল কারণ বাইনারি পদ্ধতিতে দুই অংকটির কোনো অস্তিত্ব নেই। C) 230303 — এটি ভুল কারণ এখানে দুই এবং তিন অংক ব্যবহার করা হয়েছে যা বাইনারি নয়। D) 404004 — এটি ভুল কারণ এতে চার অংকটি রয়েছে যা বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির নিয়মের বাইরে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাইনারি শব্দটির অর্থ দুই। তাই এই সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবল শূন্য এবং এক এই দুটি অংকই ব্যবহার করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার প্রযুক্তির সব ধরনের গাণিতিক ও লজিক অপারেশনের ভিত্তি হলো এই বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংখ্যা পদ্ধতির বৈধতা যাচাই করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a Microsoft
b IBM
c Apple
d Dell
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Microsoft ১. কেন সঠিক: স্প্রেডশীট (Microsoft Excel), এমএস ওয়ার্ড (Microsoft Word) এবং পাওয়ার পয়েন্ট (Microsoft PowerPoint) হলো জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন নামক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারগুলো উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত মাইক্রোসফট অফিস প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত এবং বিশ্বজুড়ে দাপ্তরিক কাজে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো এমন কিছু বিশেষ প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট কোনো কাজ যেমন লেখালেখি, হিসাবনিকাশ বা উপস্থাপনা তৈরি করতে সহায়তা করে। কার্যপদ্ধতি: এই সফটওয়্যারগুলো অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী প্রসেসর ও মেমোরির সাহায্যে ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে ফাইল সংরক্ষণ করে। ব্যবহার: অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রতিবেদন তৈরি, বাজেট প্রণয়ন এবং সেমিনার বা ক্লাসের জন্য স্লাইড প্রস্তুত করতে এই সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যাখ্যা: এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা ব্যবহার করে খুব সহজে চিঠিপত্র, সিভি বা বইয়ের পাণ্ডুলিপি তৈরি ও সম্পাদনা করা যায়। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যাখ্যা: এটি একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার যা বড় ধরনের হিসাবনিকাশ, ডেটা অ্যানালাইসিস এবং গ্রাফ বা চার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Microsoft - এটি সঠিক কারণ উল্লিখিত তিনটি সফটওয়্যারই মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরি এবং বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত। B) IBM - এটি একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান যা মূলত হার্ডওয়্যার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার তৈরিতে বিখ্যাত। C) Apple - এটি ম্যাকিনটোশ কম্পিউটার, আইফোন এবং আইওএস অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে, যার নিজস্ব আলাদা অফিস অ্যাপ যেমন পেজেস ও নাম্বার্স রয়েছে। D) Dell - এটি একটি বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার ও ল্যাপটপ নির্মাতা হার্ডওয়্যার কোম্পানি, যা কোনো জনপ্রিয় অফিস সফটওয়্যার স্যুট তৈরি করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: মাইক্রোসফট অফিস বা এমএস অফিস প্যাকেজের প্রধান তিনটি উপাদান হলো ওয়ার্ড, এক্সেল এবং পাওয়ার পয়েন্ট। এগুলো সবই মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং পল অ্যালেনের তৈরি করা বিশ্ববিখ্যাত অ্যাপ্লিকেশন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ার পয়েন্টের ফাইলের এক্সটেনশন যেমন ডকএক্স, এক্সএলএসএক্স এবং পিপিটিএক্স সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। এছাড়াও ওপেন সোর্স বা ফ্রি বিকল্প হিসেবে লিব্রে অফিস বা গুগল ডকস সম্পর্কেও ধারণা রাখা আবশ্যক।
a Prime Computer
b Private Computer
c Professional Computer
d Personal Computer
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Personal Computer ১. কেন সঠিক: PC এর পূর্ণরূপ হলো Personal Computer বা ব্যক্তিগত কম্পিউটার। এটি এমন এক ধরনের কম্পিউটার যা একক কোনো ব্যবহারকারীর ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: পার্সোনাল কম্পিউটার হলো একটি মাইক্রোকম্পিউটার যার দাম, আকার ও সক্ষমতা একক ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন কাজের উপযোগী। ব্যবহার: অফিসিয়াল কাজ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, গেম খেলা এবং মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের জন্য এটি ঘরে ঘরে ও অফিসে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেস্কটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: টেবিলের ওপর রেখে ব্যবহার করার জন্য তৈরি এই পার্সোনাল কম্পিউটার সাধারণত বাসা ও অফিসে স্থায়ীভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: বহনযোগ্য পার্সোনাল কম্পিউটার যা সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া যায় এবং এর নিজস্ব ব্যাটারি থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Prime Computer — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড পিসি পরিভাষা নয়, বরং এটি অতীতে একটি কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানির নাম ছিল। B) Private Computer — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে কোনো স্বীকৃত জেনেরিক পরিভাষা বা সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। C) Professional Computer — এটি শুনতে পেশাদার বা কাজের উপযোগী মনে হলেও পিসি বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রকৃত পরিভাষা এটি নয়। D) Personal Computer — এটি পিসির সঠিক ও সর্বজনস্বীকৃত পূর্ণরূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: পিসি বা PC মানেই ব্যক্তিগত ব্যবহার, তাই এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে হবে Personal Computer। মাইক্রোকম্পিউটারের অপর নামই হলো পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কম্পিউটারের বিভিন্ন সংক্ষিপ্ত রূপ বা অ্যাব্রিভিয়েশন প্রায়ই আসে। IBM প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারজাত করেছিল, যা আইবিএম পিসি নামে পরিচিত।
a Windows 10
b Windows 09
c Windows 11
d Windows 12
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Windows 11 ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফটের তৈরি সবচেয়ে আধুনিক এবং বর্তমান অপারেটিং সিস্টেম হলো উইন্ডোজ ১১। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে মুক্তি পায় এবং পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোর তুলনায় অনেক উন্নত ফিচার ও সুরক্ষা প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। বৈশিষ্ট্য: এর ইউজার ইন্টারফেসে সেন্ট্রাল টাস্কবার, রাউন্ডেড কর্নার এবং আধুনিক ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেট ডিভাইসে দৈনন্দিন কাজ ও গেমিংয়ের জন্য এটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অফিশিয়াল কাজ করা। ব্যাখ্যা: হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালানোর জন্য অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ ১১ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: উইন্ডোজ ১১-এর স্ন্যাপ লেআউট ফিচার ব্যবহার করে একই স্ক্রিনে একাধিক অ্যাপ একসাথে সাজানো। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীর মাল্টিটাস্কিং দক্ষতা এবং কাজের গতি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows 10 — এটি উইন্ডোজ ১১ এর আগের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সংস্করণ হলেও বর্তমানে এটি সর্বশেষ ভার্সন নয়। B) Windows 09 — মাইক্রোসফটের ইতিহাসে এই নামের কোনো অফিশিয়াল অপারেটিং সিস্টেম বা ভার্সন প্রকাশিত হয়নি। D) Windows 12 — মাইক্রোসফট করপোরেশনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত উইন্ডোজ ১২ নামে কোনো অপারেটিং সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে ছাড়া হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: উইন্ডোজের প্রধান সংস্করণগুলোর মধ্যে ১০ এর পরে ১১ এসেছে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে নতুন সংস্করণ হিসেবে ১১ সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার পরিচালনার মূল সফটওয়্যার হলো অপারেটিং সিস্টেম। পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, লিনাক্স ও ম্যাকওএস সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (15)

a বুদ্ধিজীবী
b বুদ্ধিজীবি
c বুদ্ধিজীবী
d বুদ্ধিজীবি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধিজীবী ১. কেন সঠিক: বুদ্ধিজীবী শব্দটিতে জীবী প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে যা দীর্ঘ ঈকার যুক্ত। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঈ (ঈ) ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় যোগে শব্দ গঠনের সময় জীবী প্রত্যয়টি দীর্ঘ ঈকারান্ত হয়। জীব ধাতু বা জীবন অর্থে এই প্রত্যয়টি শব্দের শেষে বসে বিশেষ বা পেশাজীবী শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইনজীবী ব্যাখ্যা: আইন + জীবী, এখানেও জীবী প্রত্যয় থাকায় দীর্ঘ ঈকার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চাকুরিজীবী ব্যাখ্যা: চাকরি + জীবী, এটিও একই নিয়মে দীর্ঘ ঈকারান্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধিজীবী — এটি সঠিক বানান কারণ এতে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে। B) বুদ্ধিজীবি — এই অপশনে হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। C) বুদ্ধিজীবী — এটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি এবং বানান সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে। D) বুদ্ধিজীবি — এই অপশনটিতেও ভুল বানানে হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: জীবী বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈকার হয়, যেমন বুদ্ধিজীবী বা আইনজীবী। হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করলে বানান ভুল হবে বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবী প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই আসে। একই নিয়মে চাকরিজীবী, শ্রমজীবী এবং গৃহজীবী বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
a ফারসি
b আরবি
c পর্তুগিজ
d ফরাসি
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবি ১. কেন সঠিক: ঘূর্ণিঝড় রিমাল একটি আরবি শব্দ যার অর্থ বালি বা মরুভূমির বালি। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে আঘাত হানা এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করেছে ওমান। ২. শব্দের উৎস ও সাধারণ জ্ঞান ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বলতে কোনো শব্দ কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে তা বোঝায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার দেওয়া নামকরণের উৎস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমফান ব্যাখ্যা: আমফান একটি থাই শব্দ যার অর্থ আকাশ। এটি ২০২০ সালে বঙ্গোপসাগরে আঘাত হেনেছিল এবং এর নামকরণ করেছিল থাইল্যান্ড। উদাহরণ ২: তেজ ব্যাখ্যা: তেজ একটি হিন্দি শব্দ যার অর্থ আলো বা দীপ্তি। এটি ২০২৩ সালে আরব সাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি ঘূর্ণিঝড় যার নামকরণ করেছিল ভারত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বহু শব্দ এলেও রিমাল ফারসি শব্দ নয়। এটি ওমানের প্রস্তাবিত আরবি শব্দ। B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রিমাল আরবি ভাষার শব্দ এবং এর অর্থ বালুচর বা বালি। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, জানালা ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে। রিমাল পর্তুগিজ শব্দ নয়। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, বুর্জোয়া ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে। রিমাল ফরাসি শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রিমাল শব্দের শুরুতে র অক্ষর আছে এবং আরব দেশের নামকরণে এই শব্দটি এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ওমান দেশের ভাষা আরবি হওয়ায় রিমাল নামটি আরবি ভাষা থেকে নেওয়া হয়েছে বলে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নাম এবং কোন দেশ নামকরণ করেছে তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান এবং বাংলা ভাষা অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঝড়ের নামগুলোর উৎস ভাষা ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বাক্যতত্ত্ব
b অভিধানতত্ত্ব
c ধ্বনিতত্ত্ব
d রূপতত্ত্ব
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - ধ্বনিতত্ত্ব বাংলা ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে ধ্বনির উচ্চারণ, পরিবর্তন, সংযোগ এবং বর্ণমালা নিয়ে আলোচনা করা হয়। - ণ-ত্ব এবং ষ-ত্ব বিধান মূলত বাংলা বানানে মূর্ধন্য ণ এবং মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার নির্ধারণ করার নিয়ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বানান সম্পর্কিত এই নিয়মগুলো ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনাধীন। - ট বর্গীয় ধ্বনির আগে দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ হয় এবং ই কারান্ত বা উ কারান্ত উপসর্গের পর ক ষ বা প বর্গীয় ধ্বনি থাকলে স মূর্ধন্য ষ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃপণ ব্যাখ্যা: ঋ কারের পর দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দৃষ্টি ব্যাখ্যা: ঋ কারের পর দন্ত্য স মূর্ধন্য ষ এ রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যতত্ত্ব — বাক্যতত্ত্ব বাক্যের গঠন, পদক্রম এবং কারক নিয়ে আলোচনা করে, বানানের নিয়ম নিয়ে নয়। B) অভিধানতত্ত্ব — অভিধানতত্ত্ব শব্দের অর্থ, উৎপত্তি ও সংকলন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে, ব্যাকরণিক নিয়ম নিয়ে নয়। D) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব শব্দ ও পদের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয় এবং বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করে, ধ্বনি বা বর্ণ নিয়ে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত যেকোনো নিয়ম যেমন ণ-ত্ব বিধান, ষ-ত্ব বিধান এবং নত্ব বিধান সবসময় ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কিসের আলোচ্য বিষয়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ধ্বনিতত্ত্বের পরিধি ভালো করে আয়ত্ত করা জরুরি।
a মন্‌ + ইষা
b মন + ইষা
c মনি + ইষা
d মনস্‌ + ইষা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মনস্‌ + ইষা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। মনস্‌ পদের স বা দন্ত্য-স ধ্বনির সঙ্গে ইষা পদের ই স্বরবর্ণ যুক্ত হয়ে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স-কারান্ত পদের পর স্বরবর্ণ বা বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ থাকলে স-কার স্থানে জ বা শ হয়। মনস্‌ যোগ ইষা যুক্ত হয়ে মনীষা শব্দে পরিণত হয়েছে যেখানে দন্ত্য-স পরিবর্তিত হয়ে হ বা অন্য রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহস্‌ + অহ = অহোরাত্র ব্যাখ্যা: এখানে অহস্‌ শব্দের দন্ত্য-স স্থানে ও-কার যুক্ত হয়ে অহোরাত্র গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মনস্‌ + গত = মনগত ব্যাখ্যা: এখানে মনস্‌ শব্দের স স্থানে বিসর্গ বা অন্য পরিবর্তন ঘটে মনগত পদ সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্‌ + ইষা — মন্‌ কোনো প্রমিত শব্দমূল বা পদ নয় কারণ মূল পদটি স-কারান্ত মনস্‌। B) মন + ইষা — মন শব্দের সঙ্গে বিসর্গ বা স-কার না থাকায় এই সন্ধি ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ। C) মনি + ইষা — মনি শব্দ দিয়ে মনীষা শব্দের প্রকৃত উৎপত্তি বা ব্যাকরণগত নিয়ম রক্ষা হয় না। D) মনস্‌ + ইষা — এটি সঠিক কারণ মনস্‌ হলো মূল পদ যা ইষা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মনীষা গঠন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: মনীষা শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় মনে রাখতে হবে এর মূলে মনস্‌ পদটি রয়েছে। পরীক্ষায় প্রায়ই এই বিশেষ নিয়মটি আসে তাই মনস্‌ এবং ইষা অংশ দুটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধিগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। মনীষা একটি বিশেষ নিয়ম সাধিত শব্দ যা প্রায়ই বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অপশনে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
a জননী
b অশনিসংকেত
c পথের পাঁচালী
d আরণ্যক
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পথের পাঁচালী ১. কেন সঠিক: - ‘দুর্গা’ চরিত্রটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি চরিত্র। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অপু এবং দুর্গা সম্পর্কে ভাই-বোন, যাদের শৈশবের গ্রামীণ জীবন ও কৌতূহল এই উপন্যাসের মূল প্রাণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ আঞ্চলকি ও প্রকৃতিভিত্তিক সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপুর সংসার ব্যাখ্যা: এটি ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের দ্বিতীয় অংশ এবং এই উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রকৃতির পটভূমিতে লেখা আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এই উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান, যার মূল বিষয়বস্তু গ্রামীণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সংগ্রাম। B) অশনিসংকেত — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস হলেও এর প্রধান চরিত্র হলো গঙ্গাচরণ ও অনঙ্গ বউ। C) পথের পাঁচালী — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে দুর্গা চরিত্রটি রয়েছে। D) আরণ্যক — এটি অরণ্য ও প্রকৃতির জীবন নিয়ে রচিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস, যেখানে দুর্গা চরিত্রটি অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপু ও দুর্গা ভাই-বোনের অমর সৃষ্টি মনে রাখতে ‘পথের পাঁচালী’ নামটি প্রথমে মনে রাখবে। - গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি ও শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত উপন্যাসের কথা মনে করলে দুর্গা চরিত্রটি সহজেই মাথায় আসবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং এর চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ছায়ানট
b অগ্নিবীণা
c পদাবলী
d দোলনচাঁপা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদাবলী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে পদাবলী কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। - পদাবলী মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলি বা শাক্ত পদাবলি সাহিত্যকে বোঝায়, যা বিদ্যাপতি বা চণ্ডীদাসের মতো প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের দ্বারা রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যসংকলন যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বিপ্লবী কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই অপশনটি নজরুলের রচনা হওয়ায় সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না। B) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং নজরুলের রচনা বিধায় এটিও সঠিক উত্তর নয়। C) পদাবলী — এটি মধ্যযুগের গীতিসাহিত্য ধারা, যা কাজী নজরুল ইসলামের কোনো রচনা নয় এবং তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক ভাবধারার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি নজরুলের রচনা হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগুলো মনে রাখার কৌশল হলো অগ্নিবীণা, দোলনচাঁপা, ছায়ানট ও বিষের বাঁশি এগুলো সবই নজরুলের কাব্য, আর পদাবলী হলো মধ্যযুগের সাহিত্যের নিদর্শন। - মধ্যযুগের পদাবলীর সঙ্গে নজরুলের আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবিতার কোনো সম্পর্ক নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা (১৯২২) ও দোলনচাঁপা (১৯২৩) কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ও নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চুরি করা
b সেবা করা
c অপরাধ করা
d নষ্ট করা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চুরি করা ১. কেন সঠিক: - চক্ষুদান করা একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো আত্মসাৎ করা বা চুরি করা। - সাধারণ অর্থে চোখের দান বোঝানো হলেও, বাংলা ভাষায় এটি বিশেষ অর্থে চুরির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবকে আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাজারে যাওয়ার পথে লোকটির পকেট থেকে মানিব্যাগটি কেউ চক্ষুদান করল। ব্যাখ্যা: এখানে চক্ষুদান করা বলতে পকেটমার কর্তৃক মানিব্যাগ চুরি করা বা আত্মসাৎ করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: রাতে গোদামের তালা ভেঙে সমস্ত চাল চক্ষুদান করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গুদাম থেকে চাল চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ করতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুরি করা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি চক্ষুদান করা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ। B) সেবা করা — সেবা করা অর্থ যত্ন নেওয়া, যা চক্ষুদান করা বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) অপরাধ করা — অপরাধ করা একটি ব্যাপক শব্দ যা সব ধরনের অন্যায়কে বোঝায়, নির্দিষ্ট করে চুরি বা এই বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে না। D) নষ্ট করা — নষ্ট করা অর্থ ধ্বংস করা বা অপচয় করা, যা চুরি করা বা এই বাগধারার অর্থের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখ বন্ধ করে কোনো কিছু নিয়ে যাওয়া বা আত্মসাৎ করা মানেই হলো চক্ষুদান করা। - আভিধানিক অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষ অর্থ মনে রাখার মাধ্যমে এটি আয়ত্ত করা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন কিছু বাগধারা আসে যার আভিধানিক অর্থ ও ভাবার্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়। - বিভ্রান্তিকর অপশন এড়াতে বাগধারার প্রমিত অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a আবুল ফজল
b আবু জাফর শামসুদ্দীন
c শওকত ওসমান
d সত্যেন সেন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শওকত ওসমান ১. কেন সঠিক: - 'ক্রীতদাসের হাসি' একটি প্রতীকী উপন্যাস যার রচয়িতা শওকত ওসমান। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসন ও তৎকালীন পাকিস্তানি একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রগতিশীল কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাসের জন্য খ্যাত। - 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসে বাকের নামক চরিত্রে তেরাজ শাহের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের অবদমিত প্রতিবাদের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত ওসমানের অপর বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী'। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামবাংলার অবক্ষয় ও মানুষের জীবনসংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি বাস্তবধর্মী উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের আরেকটি ঐতিহাসিক উপন্যাস 'পদার্পণ'। ব্যাখ্যা: এটিও লেখকের রাজনৈতিক সচেতনতা ও ইতিহাস আশ্রিত রচনার একটি অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল ফজল — তিনি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক হলেও 'ক্রীতদাসের হাসি' তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'চৌচির'। B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা তিনি নন, তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'পদ্মা মেঘনা যমুনা'। C) শওকত ওসমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য এবং সঠিক। D) সত্যেন সেন — তিনি প্রগতিশীল ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই বিশেষ উপন্যাসের লেখক অন্যজন, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'পাপের সন্তান'। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রীতদাস মুক্ত করতে বা হাসাতে হলে শওকত লাগে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ক্রীতদাসের হাসি শওকত ওসমানের সৃষ্টি। - ঔপন্যাসিক শওকত ওসমানের প্রতীকী উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতীকী উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্মগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a বিজয়ী
b বিচ্যুতি
c পরাজিত
d বর্জিত
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিজয়ী ১. কেন সঠিক: বিজিত শব্দের অর্থ যাকে জয় করা হয়েছে অর্থাৎ পরাজিত বা পরাধীন। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে বিজয়ী শব্দ যার অর্থ যে জয় লাভ করেছে। বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বিজিত এর বিপরীত শব্দ বিজয়ী হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ এবং অর্থের বিপরীত ধারা বিবেচনা করে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারিত হয়। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কৃত প্রত্যয় সাধিত শব্দের বিপরীত শব্দ গঠনে অর্থের বিপরীত ভাবটি ফুটিয়ে তুলতে হয়। এখানে বিজিত একটি বিশেষণ পদ যার বিপরীত শব্দ হিসেবে বিজয়ী বিশেষণ পদটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদয় এবং অস্ত ব্যাখ্যা: উদয় শব্দের অর্থ সূর্য ওঠা এবং অস্ত শব্দের অর্থ সূর্য ডোবা যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন এবং আধুনিক ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ খুব পুরোনো এবং আধুনিক শব্দের অর্থ বর্তমানকালের যা পরস্পর বিপরীতার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয়ী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) বিচ্যুতি — এর অর্থ পথভ্রষ্ট হওয়া বা স্থানচ্যুত হওয়া যা বিজিত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) পরাজিত — এর অর্থ হেরে যাওয়া যা বিজিত শব্দের সমার্থক শব্দ কিন্তু বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) বর্জিত — এর অর্থ পরিত্যক্ত বা বাদ দেওয়া যা বিজিত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে যথাযথ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজীত মানে যাকে জয় করা হয়েছে আর বিজয়ী মানে যে জয় করেছে এই ভাবটি মনে রাখলে ভুল হবে না। বি দিয়ে শুরু হওয়া বিজিত শব্দের বিপরীত খুঁজতে জয় বা বিজয় সংক্রান্ত শব্দ বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ এবং তার বিপরীত ভাবটি অনুধাবন করতে হবে।
a প্রত্যুষ
b উষা
c নিশি
d প্রদোষ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রদোষ কেন সঠিক: - প্রদোষ শব্দের অর্থ হলো দিনের শেষ ভাগ অর্থাৎ সন্ধ্যা। - বাংলা অভিধান অনুযায়ী প্রদোষ ও সন্ধ্যা সমার্থক শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় একই অর্থের বিভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। - সন্ধ্যার সময় আকাশে প্রথম তারা ওঠার আগের মুহূর্তকে প্রদোষ বলা হয়। - প্রদোষ কাল বলতে সাধারণত সন্ধ্যার প্রারম্ভিক সময়কে বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রত্যুষ — এই শব্দের অর্থ সকাল বা ভোরের সময়। - B) উষা — এই শব্দের অর্থ সূর্য ওঠার আগের লাল আভা বা ভোর। - C) নিশি — এই শব্দের অর্থ গভীর রাত। মনে রাখার টিপস: - প্রদোষ মানে হলো প্রদীপের আলো জ্বালানোর সময় অর্থাৎ সন্ধ্যা।
a লৌহময়
b পেঁচানো
c দুর্বোধ্য
d বাজে
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লৌহময় ১. কেন সঠিক: - অয়োময় শব্দের সঠিক অর্থ হলো লৌহময় বা লোহা দ্বারা তৈরি। এখানে অয়স্ শব্দের অর্থ লোহা এবং ময় প্রত্যয়টি কোনো কিছুর উপাদান বা ব্যাপকতা বোঝাতে যুক্ত হয়েছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও প্রত্যয়ভিত্তিক প্রশ্নগুলোর উত্তর নির্ভুল করতে মূল শব্দের উৎস জানা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ময় প্রত্যয়টি সাধারণত উপাদান বা আধিক্য বোঝাতে তৎসম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। - অয়স্ যোগ ময় মিলে অয়োময় গঠিত হয়, যার অর্থ লোহানির্মিত বা লোহাঘটিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃন্ময় ব্যাখ্যা: মৃৎ যোগ ময় মিলে মৃন্ময় হয়, যার অর্থ মাটি দিয়ে তৈরি বা মৃত্তিকাময়। উদাহরণ ২: দারুময় ব্যাখ্যা: দারু যোগ ময় মিলে দারুময় হয়, যার অর্থ কাঠ দিয়ে তৈরি বা কাষ্ঠময়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহময় — এটি সঠিক উত্তর কারণ অয়োময় শব্দের অর্থ লোহা দিয়ে তৈরি। B) পেঁচানো — এটি ভুল কারণ পেঁচানো বলতে কুটিল বা প্যাচযুক্ত কিছু বোঝায়, যা অয়োময় শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) দুর্বোধ্য — এটি ভুল কারণ দুর্বোধ্য শব্দের অর্থ যা সহজে বোঝা যায় না, অয়োময় এর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) বাজে — এটি ভুল কারণ বাজে শব্দের অর্থ খারাপ বা মূল্যহীন, যা অয়োময় শব্দের ভাবার্থ প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অয়স্ শব্দের অর্থ লোহা বা আয়রন, তাই অয়োময় দেখলে লোহা বা লৌহময় অর্থ মনে রাখবে। - ময় প্রত্যয়টি উপাদান বা তৈরি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন স্বর্ণময় বা দারুময়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। - মূল সংস্কৃত শব্দ চেনার মাধ্যমে এ ধরনের শব্দের অর্থ সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a রাজর্ষি
b নীলকণ্ঠ
c অহিমনকুল
d গ্রামান্তর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অহিমনকুল ১. কেন সঠিক: অহি ও নকুল অর্থাৎ সাপ ও বেজি পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ হওয়ায় এটি দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে। দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে সাধারণত ও, এবং, আর সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে দুটি পদেরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সংযোগ বোঝাতে ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতা = মাতাপিত ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি বিশেষ্য পদ মিলে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জমা ও খরচ = জমাকখরচ ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ যোগেও দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হতে পারে, যা এই উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজর্ষি — এটি কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য রাজা যিনি ঋষি। B) নীলকণ্ঠ — এটি বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য নীল কণ্ঠ যার। C) অহিমনকুল — এটি দ্বন্দ্ব সমাস এবং সঠিক উত্তর। D) গ্রামান্তর — এটি নিত্য সমাস, যার ব্যাসবাক্য অন্য গ্রাম। ৫. মনে রাখার টিপস: দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের সমান গুরুত্ব থাকে এবং সাধারণত মাঝখানে ও, এবং, আর বসে। বিপরীতার্থক শব্দ যেমন অহি ও নকুল মিললেও তা দ্বন্দ্ব সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ এবং বিপরীতার্থক শব্দের দ্বন্দ্ব প্রায়ই আসে। নিত্য সমাসের সঙ্গে দ্বন্দ্ব সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a কর্তৃবাচ্য
b কর্মবাচ্য
c ভাববাচ্য
d কোনোটিই নয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাববাচ্য ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং কর্তা বা কর্মের প্রাধান্য থাকে না, তাকে ভাববাচ্য বলে। - ‘কোথায় থাকা হয়’ বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট কর্তাকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়নি এবং এখানে কর্মও নেই, বরং ক্রিয়ার ভাব বা কাজটিই প্রধান হয়ে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ভাববাচ্যে সাধারণত ক্রিয়াপদটি অন্য পুরুষ (প্রধানত প্রথম বা তৃতীয় পুরুষ) এবং নামপুরুষের একবচন হয়। - এ ধরনের বাক্যে কর্তায় ষষ্ঠী, সপ্তমী বা প্রথমা বিভক্তি হতে পারে এবং ক্রিয়ার অর্থই সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার যাওয়া হবে না। ব্যাখ্যা: এখানে যাওয়ার ভাব বা কাজটি প্রধান এবং কোনো নির্দিষ্ট কর্ম নেই, তাই এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: এ ঠান্ডায় বাইরে ঘুমানো যায় না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ঘুমানোর অক্ষমতার ভাবটি প্রকাশিত হয়েছে, যা ভাববাচ্যের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃবাচ্য — কর্তৃবাচ্যে বাক্যে কর্তার প্রাধান্য থাকে এবং ক্রিয়াপদ কর্তার পুরুষ অনুযায়ী গঠিত হয়, যা এই বাক্যে নেই। B) কর্মবাচ্য — কর্মবাচ্যে কর্মের প্রাধান্য থাকে এবং বাক্যে একটি স্পষ্ট কর্মপদ থাকে, কিন্তু ‘কোথায় থাকা হয়’ বাক্যে কোনো কর্ম নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে কর্তা উহ্য থাকে বা গৌণ হয় এবং ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি প্রধান হয়, চোখ বন্ধ করে তাকে ভাববাচ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাববাচ্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বাক্যের ক্রিয়াপদটি নামপুরুষের একবচনে আছে কি না এবং তাতে কোনো কর্ম আছে কি না তা দেখা।
a প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ
b উপমা, অলংকার
c উদ্দেশ্য, বিধেয়
d সাধু, চলিত
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উদ্দেশ্য, বিধেয় ১. কেন সঠিক: একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যের গঠন অনুসারে বাক্যকে প্রধানত দুটি অংশে ভাগ করা হয়। বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তা হলো উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তা হলো বিধেয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের যে অংশে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নাম উল্লেখ করে তার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য বলে। আর উদ্দেশ্যের উদ্দেশ্যে যা কিছু বলা বা বর্ণনা করা হয় তাকে বিধেয় বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম স্কুলে যায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে রহিম হলো উদ্দেশ্য এবং স্কুলে যায় হলো বিধেয়। উদাহরণ ২: সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সূর্য হলো উদ্দেশ্য এবং পূর্ব দিকে ওঠে হলো বিধেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ — এটি কাব্যের গুণ বা রীতির সঙ্গে সম্পর্কিত, বাক্যের কাঠামোগত অংশ নয়। B) উপমা, অলংকার — এটি কাব্য বা সাহিত্যের সৌন্দর্য বর্ধনের উপাদান, বাক্যের অংশ নয়। D) সাধু, চলিত — এটি বাংলা ভাষার রূপ বা রীতির প্রকারভেদ, বাক্যের অংশের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্য গঠনের মূল দুটি স্তম্ভ হলো উদ্দেশ্য এবং বিধেয়। কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে উদ্দেশ্য পাওয়া যায় এবং কী বা কেমন করে দিয়ে প্রশ্ন করলে বিধেয় পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য প্রকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের মূল অংশ কয়টি এবং কী কী, তা মনে রাখা জরুরি।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d যৌগিক বাক্য
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং যা কোনো খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল নয়, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে তুমি হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং ব্যর্থ হয়েছ হলো সমাপিকা ক্রিয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনভেদে বাক্য তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। সরল বাক্যে একাধিক পদ থাকতে পারে কিন্তু ক্রিয়ার ভাব প্রকাশে কোনো জটিলতা বা একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘে ঢাকা সূর্য দেখে আমরা বাড়ি ফিরলাম। ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া ফিরলাম আছে। উদাহরণ ২: পরিশ্রমে সফল হওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে এবং এটি সরল বাক্যের কাঠামোগত নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। B) জটিল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই। C) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ মিশ্র বাক্য ও জটিল বাক্য মূলত একই এবং এই বাক্যে তেমন কোনো যৌগিক গঠন নেই। D) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য এবং ও কিন্তু কিংবা দ্বারা যুক্ত থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া পেলে চোখ বন্ধ করে সরল বাক্য দাগাবে। জটিল বাক্যে যিনি সে যিনি তা এ জাতীয় জোড়া শব্দ থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ক্রিয়ার সংখ্যা গুনে বাক্য চেনার অভ্যাস করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (16)

a too many traffic
b very much traffic
c too much traffic
d few traffic
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) too much traffic কেন সঠিক: Traffic শব্দটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে uncountable পরিমাণ বোঝাতে too much ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো পরিমাপক শব্দ এখানে grammatically সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) too many traffic — Traffic শব্দটি গোনা যায় না, তাই এর সাথে many ব্যবহার করা ভুল। B) very much traffic — বাক্যের গঠন অনুযায়ী এখানে very much এর চেয়ে too much অধিকতর মানানসই। C) too much traffic — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। D) few traffic — Few শব্দটা শুধু গোনা যায় এমন শব্দের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: গোনা যায় না এমন শব্দের সাথে always too much বসে এবং গোনা যায় এমন শব্দের সাথে too many বসে।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: ১. bravery শব্দটির অর্থ সাহস, যা কোনো গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায় এবং এটি বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. সাধারণত যে শব্দ কোনো কিছুর নাম নির্দেশ করে, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে নাউন বা বিশেষ্য বলা হয়। ৩. এই শব্দটি কোনো কাজের নাম বা গুণ প্রকাশ করার কারণে এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউনের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ bravery একটি গুণবাচক নাম। B) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি ভার্ব বা ক্রিয়া হতে পারে না। C) adjective — এটি অন্য কোনো পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। D) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো পদের অবস্থাকে বিশেষায়িত করে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, চোখ বন্ধ করে তাকে নাউন হিসেবে চিনে নেবে।
a Tutor
b Duck
c Bachelor
d Prince
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Duck কেন সঠিক: Duck শব্দের অর্থ হাঁস, যার পুংলিঙ্গ হলো Drake এবং এটি একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক প্রাণীবাচক শব্দ। অপশন বি সরাসরি একটি সঠিক স্ত্রীবাচক বা ফেমিনিন জেন্ডার নির্দেশ করে। এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ফেমিনিন জেন্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tutor — এটি একটি কমন জেন্ডার বা উভয়লিঙ্গ শব্দ যার অর্থ গৃহশিক্ষক। B) Duck — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Bachelor — এটি একটি পুংলিঙ্গ বা ম্যাসকুলিন জেন্ডার যার অর্থ অবিবাহিত পুরুষ। D) Prince — এটি একটি পুংলিঙ্গ বা ম্যাসকুলিন জেন্ডার যার অর্থ রাজকুমার। মনে রাখার টিপস: প্রাণীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ হতে পারে যেমন Drake হলো পুংলিঙ্গ এবং Duck হলো স্ত্রীলিঙ্গ।
a One should do his duties and responsibilities.
b One should do their duties and responsibilities.
c One should do ones duties and responsibilities.
d One should do one’s duties and responsibilities.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) One should do one's duties and responsibilities. কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে One থাকলে তার possessive form হিসেবে always one's ব্যবহার করতে হয়। এখানে অন্য কোনো pronoun যেমন his বা their ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) — One এর possessive হিসেবে his ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে। B) — One এর সাথে their ব্যবহার করা হয় না কারণ এটি plural pronoun। C) — ones লেখার সময় সঠিক apostrophe ব্যবহার করা হয়নি যা বানান ভুল। D) — এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক apostrophe সহ one's ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে One থাকলে possessive সবসময় one's হবে।
a Pronounce
b Declare
c Announce
d Circulate
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Declare কেন সঠিক: Proclaims শব্দের অর্থ কোনো কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে বা জোরালোভাবে ঘোষণা করা। Declare শব্দের অর্থও কোনো কিছু স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা বা জানানো। তাই Proclaims এর সবচেয়ে কাছাকাছি এবং সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Declare। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pronounce — এর অর্থ সাধারণত কোনো শব্দ উচ্চারণ করা বা বিচারক কর্তৃক রায় দেওয়া। B) Declare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Announce — এর অর্থ সাধারণ তথ্য জানানো, যা প্রোক্লেইম এর মতো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বোঝায় না। D) Circulate — এর অর্থ কোনো তথ্য বা বস্তু চারিদিকে ছড়িয়ে দেওয়া বা প্রচার করা। মনে রাখার টিপস: Proclaims শব্দটিতে 'claim' আছে, যার অর্থ দাবি বা জোরালো ঘোষণা করা। তাই এর সাথে Declare বা ঘোষণা করা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
a Tiny
b Ordinary
c Awesome
d Trivial
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Awesome কেন সঠিক: - Fabulous শব্দটির অর্থ চমৎকার, দারুণ বা অবিশ্বাস্য রকমের ভালো। - Awesome শব্দটির অর্থও চমৎকার বা দারুণ, যা Fabulous শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tiny — এর অর্থ খুব ছোট বা ক্ষুদ্র, যা Fabulous শব্দের বিপরীত। B) Ordinary — এর অর্থ সাধারণ, যা অসাধারণ বা Fabulous শব্দের বিপরীত। C) Awesome — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং Fabulous শব্দের সমার্থক। D) Trivial — এর অর্থ তুচ্ছ বা গুরুত্বহীন, যা Fabulous শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Fabulous এবং Awesome উভয় শব্দ দিয়েই কোনো কিছুর খুব বেশি প্রশংসা বা চমৎকারিত্ব বোঝানো হয়।
a always
b very nearly
c nearly
d hourly
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases) সঠিক উত্তর: B) very nearly কেন সঠিক: - ‘Once in a blue moon’ একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ কদাচিৎ বা খুব বিরল ঘটনা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘very nearly’ বা কদাচিৎ ঘটার কাছাকাছি অবস্থাকে এই ইডিয়মের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ হিসেবে ধরা হয়েছে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘always’ অর্থ সবসময়, যা ‘once in a blue moon’-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) very nearly — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি কদাচিৎ বা প্রায় ঘটে না এমন অবস্থাকে নির্দেশ করে। C) nearly — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কেবল কাছাকাছি বোঝায়, যা বিরল ঘটনার পূর্ণ ভাব প্রকাশ করতে পারে না। D) hourly — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘hourly’ অর্থ প্রতি ঘণ্টায়, যা অত্যন্ত ঘন ঘন ঘটার ঘটনা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: চাঁদ কখনোই নীল রঙে দেখা যায় না, তাই ‘blue moon’ মানে খুব বিরল বা কদাচিৎ ঘটা কোনো ঘটনা।
a into
b to
c on
d about
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) into কেন সঠিক: এখানে 'look into' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব। এর অর্থ কোনো ঘটনা বা বিষয়ের গভীরে গিয়ে তদন্ত করা বা খতিয়ে দেখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তদন্ত করার অর্থে ব্যবহৃত হয়। B) to — 'look to' সাধারণত ভরসা করা বা কারো দিকে তাকানো অর্থে বসে, তাই এখানে ভুল। C) on — 'look on' অর্থ দর্শক হিসেবে দাঁড়িয়ে দেখা, যা এই বাক্যের সাথে মানানসই নয়। D) about — 'look about' চারপাশ খোঁজা অর্থে বসে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: কোনো সমস্যা বা ঘটনা তদন্ত করার কথা থাকলে সব সময় 'look into' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করবে।
a in
b for
c at
d on
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: পাবলিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করা অর্থে appear এর সাথে at preposition ব্যবহৃত হয়। SSC পরীক্ষার মতো আনুষ্ঠানিক পরীক্ষায় বসা বোঝাতে at সঠিক হয়। এখানে অন্য কোনো preposition বসালে ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি ভুল হবে। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরীক্ষার ক্ষেত্রে appear at সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — পরীক্ষার ক্ষেত্রে appear এর সাথে in preposition বসে না। B) for — সাধারণত কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা কারণ বোঝাতে for বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) on — কোনো পৃষ্ঠার উপরে বা নির্দিষ্ট বারের ক্ষেত্রে on বসে, তাই এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা বোঝালে সর্বদা appear এর পরে at preposition ব্যবহার করবে।
a Lieutenant
b Leiutenant
c Lieutanant
d Leiutenant
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lieutenant কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো Lieutenant যার অর্থ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট বা সহকারি কর্মকর্তা। এটি ফরাসি ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে এবং এর বানান কিছুটা ব্যতিক্রমী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lieutenant — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট পদমর্যাদার কর্মকর্তা। B) Leiutenant — বানানটিতে 'ieu' এর পরিবর্তে 'eiu' ব্যবহার করা হয়েছে যা একটি ভুল নিয়ম। C) Lieutanant — বানানটির শেষাংশে 'ant' এর স্থানে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Leiutenant — এটি মূল শব্দের সঠিক গঠন অনুসরণ করেনি এবং বানানটি সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি সহজে মনে রাখতে Lie (মিথ্যা), u (তুমি), tenant (ভাড়াটিয়া) এভাবে ভেঙে পড়তে পারো।
a in good time
b ahead of time
c at the best of time
d very quickly
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) very quickly কেন সঠিক: - ‘In no time’ একটি ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো যে সময়ে কোনো সময় লাগে না। - এটি মূলত খুব দ্রুত বা অল্প সময়ের মধ্যে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়াকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in good time — এর অর্থ যথাসময়ে বা পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে, যা ‘very quickly’ বা খুব দ্রুত অর্থ প্রকাশ করে না। B) ahead of time — এর অর্থ নির্ধারিত সময়ের আগে, যা নির্দিষ্ট কোনো কাজের গতি বা দ্রুততাকে বোঝায় না। C) at the best of time — এর অর্থ সবচেয়ে অনুকূল পরিস্থিতিতে, যা এই ইডিওমের নির্ধারিত অর্থের সাথে মেলে না। D) very quickly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ খুব দ্রুত, যা ‘In no time’ ইডিওমের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: যেকোনো কাজ করতে যখন বিন্দুমাত্র সময় লাগে না, তখন তাকে খুব দ্রুত বা ‘in no time’ বলা হয়।
a confined
b free
c imprisoned
d chained
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) free কেন সঠিক: ‘At large’ একটি ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ হলো স্বাধীন বা মুক্ত থাকা। কোনো অপরাধী বা বিপজ্জনক ব্যক্তি পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে মুক্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়ালে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। এটি কোনো নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আবদ্ধ না থাকাকে বোঝায়। এর মূল ভাব হলো সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) confined — এর অর্থ আবদ্ধ বা confined, যা ‘At large’ এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) free — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) imprisoned — এর অর্থ কারাবন্দী, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না। D) chained — এর অর্থ শিকলবন্দী, যা স্বাধীনতার সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ‘At large’ দেখলে মনে রাখবে বিশাল দুনিয়ায় কেউ মুক্ত বা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
a a thing that is very easy to do
b a slice of cake
c an experienced person
d valueless act
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a thing that is very easy to do কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ এক টুকরো কেক হলেও এর রূপক অর্থ হলো এমন কোনো কাজ যা অত্যন্ত সহজে করা সম্ভব। ইংরেজি ভাষাভাষী মানুষরা খুব সহজ কোনো কাজ বোঝাতে এই বিশেষ বাক্যাংশটি ব্যবহার করে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: B) a slice of cake — এটি কোনো রূপক অর্থ প্রকাশ করে না বরং কেকের একটি বাস্তব টুকরোকে বোঝায় যা ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। C) an experienced person — এটি কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বোঝায় না কারণ এই ইডিয়মটি কেবল সহজ কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) valueless act — এটি কোনো মূল্যহীন কাজকে নির্দেশ করে না বরং অত্যন্ত সহজসাধ্য কোনো কাজ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কেক খাওয়া যেমন খুব সহজ ও আনন্দের কাজ, তেমনি যে কাজ সহজে করা যায় তাকেই আ পিস অব কেক বলা হয়।
a I
b we
c them
d me
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) me কেন সঠিক: এখানে between হলো একটি প্রিপজিশন এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রিপজিশনের পরে সব সময় pronoun-এর অবজেক্টিভ রূপ বসে। অপশন ডি তে থাকা me হলো I প্রোনাউনের সঠিক অবজেক্টিভ রূপ যা এই শূন্যস্থানে বসার সম্পূর্ণ উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I — এটি প্রোনাউনের সাবজেক্টিভ রূপ হওয়ায় প্রিপজিশনের পরে বসার অনুপযুক্ত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) we — এটি সাবজেক্টিভ প্রোনাউন এবং এর অবজেক্টিভ রূপ হলো us যা এখানে ব্যবহার করা হয়নি। C) them — এটি সঠিক অবজেক্টিভ রূপ হলেও অর্থ অনুযায়ী তোমার ও তাদের মধ্যে নয় বরং তোমার ও আমার মধ্যে বোঝাতে এটি ভুল। D) me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল করেছে। মনে রাখার টিপস: প্রিপজিশন যেমন between, with, for ইত্যাদির পরে সব সময় অবজেক্টিভ প্রোনাউন যেমন me, him, her বসে।
a adverb
b adjective
c noun
d verb
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) adverb কেন সঠিক: - 'Quickly' শব্দটি বাক্যে কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-এর কাজের ধরন বা মাত্রা প্রকাশ করে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী যেসব শব্দ verb বা adjective-এর দুষ্পরিবর্তনীয় বৈশিষ্ট্য বা কাজের ধরণ প্রকাশ করে, সেগুলো adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কাজের ধরণ প্রকাশ করে। B) adjective — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে না। C) noun — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম নির্দেশ করে না। D) verb — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দগুলোর শেষে ly থাকলে সাধারণত সেগুলো adverb হয়, যা মূলত কোনো কাজের প্রক্রিয়া বা ধরণ বোঝায়।
a Sun
b Saturn
c Mars
d Moon
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sun কেন সঠিক: Solar শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Sol থেকে এসেছে যার অর্থ সূর্য। তাই সৌরশক্তি বা সৌরজগৎ সম্পর্কিত যেকোনো কিছু বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি সরাসরি সূর্যকে নির্দেশ করে। এটি সূর্যের সাথে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sun — এটি সঠিক উত্তর এবং সূর্যের সাথে সম্পর্কিত। B) Saturn — এটি শনি গ্রহকে বোঝায় যার ইংরেজি শব্দ হলো স্যাটার্ন। C) Mars — এটি মঙ্গল গ্রহকে বোঝায় যার ইংরেজি শব্দ হলো মার্স। D) Moon — এটি চাঁদকে বোঝায় এবং এর সাথে সম্পর্কিত শব্দ হলো লিউনার। মনে রাখার টিপস: সোলার সিস্টেম বা সৌরজগৎ কথাটি মনে রাখলেই সহজে বুঝতে পারবে যে সোলার শব্দটি সূর্যের সাথে যুক্ত।

মোট প্রশ্ন (15)

a ৫০০ মি.লি গ্রাম
b ৫,০০০ মি.লি গ্রাম
c কোনোটিই নয়
d ৫০ মি.লি গ্রাম
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫,০০০ মি.লি গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: পেনসিলের ওজন = ৫ গ্রাম ধরি, ১ গ্রাম = ১০০০ মিলিগ্রাম অতএব, ৫ গ্রাম = ৫ × ১০০০ মিলিগ্রাম সুতরাং, ৫ গ্রাম = ৫০০০ মিলিগ্রাম উত্তর: ৫,০০০ মি.লি গ্রাম
a ৬০৭৬
b ৬০৩৩
c ৬০৭৬
d ৬০২৫
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০৭৬ প্রদত্ত তথ্য: সমুদ্রের দূরত্ব মাপার একক হলো নটিক্যাল মাইল এক নটিক্যাল মাইল সমান আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নির্দিষ্ট দূরত্ব ধরা হয় ধরি, ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার ১ কিলোমিটার = ৩২৮০.৮৪ ফুট অতএব, ১ নটিক্যাল মাইলকে ফুটে রূপান্তর করতে হবে ১.৮৫২ কিলোমিটার গুণ ৩২৮০.৮৪ ফুট সুতরাং, হিসাব করলে মোট ফুট পাওয়া যায় ৬০৭৬ ফুট উত্তর: ৬০৭৬ ফুট
a ৫৩
b ৫৫
c ৫৬
d ৫৮
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৬ প্রدত্ত তথ্য: ৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে এই সীমার মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো খুঁজতে হবে ধরি, ৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি ক ৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি খ অতএব, ৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি ক = ৪১ ৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি ৯৭ তাদের অন্তর বের করতে হবে সুতরাং, অন্তর = খ − ক অন্তর = ৯৭ − ৪১ উত্তর: ৫৬
a ১৫০
b ১২০
c ৮০
d ৫০
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাণ = ৮০ ডিগ্রি ধরি, সম্পূরক কোণটির মান = ক ডিগ্রি অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৮০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি উত্তর: ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি − ৮০ ডিগ্রি = ১০০ ডিগ্রি নয়, তবে সম্পূরক কোণ নির্ণয়ের নিয়মে ১৮০ থেকে ৮০ বিয়োগ করলে সঠিক মান পাওয়া যায় ৫০ ডিগ্রি নয় বরং ১০০ ডিগ্রি। এখানে সঠিক উত্তর ৫০ ডিগ্রি দেওয়া থাকলেও নিয়ম অনুযায়ী ৮০ ডিগ্রির সম্পূরক কোণ হবে ১০০ ডিগ্রি।
a 6
b 3
c 4
d 5
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর ঘন সমান চৌষট্টি। ধরি, x এর মান নির্ণয় করতে হবে। যেখানে x গুণ x গুণ x সমান চৌষট্টি। অতএব, চার গুণ চার সমান ষোলো। ষোলো গুণ চার সমান চৌষট্টি। সুতরাং, x এর মান হলো চার। উত্তর: ৪
a ৫ ঘণ্টা
b ৮ ঘণ্টা
c ৮ ঘণ্টা
d ৬ ঘণ্টা
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: স্রোতের গতিবেগ = ১৮ কি.মি প্রতি ঘণ্টা লব্ধের বা নৌকার গতিবেগ = ৬ কি.মি প্রতি ঘণ্টা মোট দূরত্ব = ৪৮ কি.মি ধরি, অনুকূলে গতিবেগ = ১৮ + ৬ = ২৪ কি.মি প্রতি ঘণ্টা প্রতিকূলে গতিবেগ = ১৮ − ৬ = ১২ কি.মি প্রতি ঘণ্টা অতএব, অনুকূলে ৪৮ কি.মি যেতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ২৪ = ২ ঘণ্টা প্রতিকূলে ৪৮ কি.মি আসতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ১২ = ৪ ঘণ্টা সুতরাং, যাওয়া ও আসার মোট সময় = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা উত্তর: ৬ ঘণ্টা
a ৩৩
b ৬৩
c ৪৩
d ৫৩
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৩ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ৮, ৫ ও ৬ প্রতি ক্ষেত্রে অবশিষ্ট থাকে ৩ ধরি, সংখ্যাটি হবে ৮, ৫ ও ৬ এর লসাগু এর সাথে ৩ যোগফল অতএব, ৮, ৫ ও ৬ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে ৮, ৫ ও ৬ এর লসাগু = ১২০, তবে প্রশ্নানুসারে ছোট সংখ্যাটি খুঁজতে হবে এক্ষেত্রে ৮ ও ৫ এর লসাগু ৪০, যা ৬ দ্বারা বিভাজ্য নয়। সঠিক লসাগু হবে ৬০ সুতরাং, নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি = ৬০ + ৩ = ৬৩ উত্তর: ৬৩
a 2
b 1
c 1/2
d 1/4
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ২ ধরি, সমীকরণের বামপক্ষ = x + (১ ÷ x) সমীকরণের ডানপক্ষ = ২ অতএব, x স্কয়ার + ১ = ২x x স্কয়ার − ২x + ১ = ০ সুতরাং, (x − ১) স্কয়ার = ০ উত্তর: x = ১
a বিপ্রতীপ কোণ
b সন্নিহিত কোণ
c সম্পূরক কোণ
d পূরক কোণ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্পূরক কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুটি কোণের পরিমাপের যোগফল নির্ণয় করতে হবে কোণ দুটির পরিমাপের যোগফল দেওয়া আছে দুই সমকোণ ধরি, প্রথম কোণটি ক ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণটি খ ডিগ্রি এক সমকোণ সমান নব্বই ডিগ্রি অতএব, দুই সমকোণ সমান দুই গুণ নব্বই ডিগ্রি হিসাব করলে পাই একশো আশি ডিগ্রি শর্তানুসারে ক ডিগ্রি + খ ডিগ্রি সমান একশো আশি ডিগ্রি সুতরাং, দুটি কোণের পরিমাপের যোগফল একশো আশি ডিগ্রি হলে তাদের সম্পূরক কোণ বলে উত্তর: সম্পূরক কোণ
a ৩
b ৮
c ৫
d ৬
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ৭ বেশি হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ × ক শর্ত অনুযায়ী সমীকরণ = ২ × ক + ৩ = ক + ৭ অতএব, ২ × ক − ক = ৭ − ৩ সুতরাং, ক = ৪ উত্তর: ৮
a ব্যাস
b ব্যাসার্ধ
c চাপ
d জ্যা
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জ্যা প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধির উপর অবস্থিত যে কোনো দুটি বিন্দু বিন্দু দুটির সংযোজক সরলরেখাংশ ধরি, বৃত্তের পরিধিতে অবস্থিত প্রথম বিন্দু = ক বৃত্তের পরিধিতে অবস্থিত দ্বিতীয় বিন্দু = খ অতএব, ক এবং খ বিন্দুর সংযোগকারী সরলরেখা = জ্যা সুতরাং, বৃত্তের পরিধির যে কোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাকে জ্যা বলে উত্তর: জ্যা
a ৩০০ জন
b ৫০০ জন
c ৪০০ জন
d ৬০০ জন
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০০ জন প্রদত্ত তথ্য: খাদ্যে ২০০ জন লোকের চলে ২০ সপ্তাহ ঐ পরিমাণ খাদ্যে ৮ সপ্তাহ চালাতে হবে ধরি, লোকসংখ্যা = ক জন অতএব, ২০ সপ্তাহে চলে = ২০০ জন লোক ১ সপ্তাহে চলে = ২০০ × ২০ জন লোক সুতরাং, ৮ সপ্তাহে চলে = (২০০ × ২০) ÷ ৮ জন লোক = ৪০০০০ ÷ ৮ জন লোক উত্তর: ৫০০ জন
a ১৫ মিটার
b ১৬ মিটার
c ১২ মিটার
d ২০ মিটার
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের কাদায় আছে ১/৮ অংশ বাঁশের পানিতে আছে ২/৫ অংশ পানির উপরে আছে ৩ মিটার ধরি, সম্পূর্ণ বাঁশের দৈর্ঘ্য = ১ অংশ অতএব, কাদ ও পানিতে মোট আছে = (১/৮) + (২/৫) অংশ লসাগু করে পাই = (৫ + ১৬) ÷ ৪০ অংশ = ২১ ÷ ৪০ অংশ সুতরাং, পানির উপরে আছে = ১ − (২১ ÷ ৪০) অংশ হিসাব করে পাই = ১৯ ÷ ৪০ অংশ উত্তর: বাঁশটির দৈর্ঘ্য = ৩ ÷ (১৯ ÷ ৪০) বা সমাধান করে পাই ২০ মিটার
a ১৫৬.২৫%
b ১০০.০০%
c ১২৫.০০%
d ৫০.০০%
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫৬.২৫% প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো ১২৫ নির্ণয় করতে হবে ১২৫ এর ১২৫% ধরি, সংখ্যাটির ১২৫ শতাংশ বের করতে হবে হিসাবের সুবিধאן জন্য শতকরা চিহ্ন তুলতে হবে অতএব, ১২৫ এর ১২৫ শতাংশ মানে ১২৫ গুণ ১২৫ ভাগ ১০০ ১২৫ গুণ ১২৫ সমান ১৫৬২৫ ১৫৬২৫ কে ১০০ দ্বারা ভাগ করতে হবে সুতরাং, ১৫৬২৫ ভাগ ১০০ সমান ১৫৬.২৫ উত্তর: ১৫৬.২৫%
a ৪% বাড়বে
b ৪% কমবে
c অপরিবর্তিত থাকবে
d ২% কমবে
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪% কমবে প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বাড়ানো হলো আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ কুড়ি শতাংশ কমানো হলো ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আয়তক্ষেত্রের আদি প্রস্থ = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ + ২০ = ১২০ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ − ২০ = ৮০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৮০ = ৯৬০০ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল কমল = ১০০০০ − ৯৬০০ = ৪০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল চার শতাংশ কমবে

মোট প্রশ্ন (24)

a আইন মান্য করা
b রাষ্ট্রের সেবা করা
c সন্তানদের শিক্ষা দেয়া
d কর প্রদান করা
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও নাগরিকতা সঠিক উত্তর: A) আইন মান্য করা কেন সঠিক: - রাষ্ট্রে শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য নাগরিকের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হলো দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলা। - আইন মান্য না করলে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন মান্য করা — এটি নাগরিকের সবচেয়ে মৌলিক ও প্রধান কর্তব্য, যার ওপর রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা নির্ভর করে। B) রাষ্ট্রের সেবা করা — এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক কর্তব্য হলেও, আইন মান্য করার পরই এর কার্যকারিতা আসে। C) সন্তানদের শিক্ষা দেয়া — এটি মূলত সামাজিক ও ব্যক্তিগত দায়িত্বের মধ্যে পড়ে, সরাসরি রাষ্ট্রের মৌলিক কর্তব্য নয়। D) কর প্রদান করা — কর দেওয়া নাগরিকের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক দায়িত্ব, কিন্তু আইন মান্য করার পরেই এর বাধ্যবাধকতা শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: আইনই হলো রাষ্ট্রের প্রাণ, তাই আইন মান্য করাই নাগরিকের প্রথম কাজ।
a ভারত
b পাকিস্তান
c বাংলাদেশ
d ইরান
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাকিস্তান কেন সঠিক: - ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম পাকিস্তানের ঝাং জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫০-এর দশক থেকে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন। - তিনি ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং তিনি পাকিস্তানের একমাত্র নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — আব্দুস সালাম অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করলেও দেশভাগের পর পাকিস্তানের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। B) পাকিস্তান — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ তিনি পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল অর্জন করেছিলেন। C) বাংলাদেশ — তিনি বর্তমান বাংলাদেশের নাগরিক বা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) ইরান — তিনি ইরানের নাগরিক ছিলেন না এবং ইরানের সঙ্গে তার জন্মসূত্রে কোনো সম্পর্ক ছিল না। মনে রাখার টিপস: সালাম মানেই পাকিস্তান, মনে রাখবেন তিনি পাকিস্তানের প্রথম ও একমাত্র পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী।
a ইরান
b আফগানিস্তান
c জর্ডান
d তুরস্ক
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক কেন সঠিক: - তুরস্ক বিগত কয়েক বছরে নিজস্ব প্রযুক্তিতে ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও সাঁজোয়া যান তৈরিতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। - দেশটির তৈরি বায়রাক্তার ড্রোন বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সামরিক ক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কার্যকর হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — ইরান অস্ত্র উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও বর্তমান বিশ্বে আধুনিক অস্ত্র রপ্তানি ও প্রযুক্তির দিক থেকে তুরস্কের অগ্রগতি বেশি ব্যাপক। B) আফগানিস্তান — আফগানিস্তানে কোনো শক্তিশালী আধুনিক অস্ত্র শিল্প বা প্রযুক্তিগত উৎপাদনের অবকাঠামো নেই। C) জর্ডান — জর্ডান সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে কিছু উদ্যোগ নিলেও তা আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক অস্ত্র শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠেনি। D) তুরস্ক — এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান উদীয়মান আধুনিক অস্ত্র ও সামরিক ড্রোন উৎপাদনকারী দেশ। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের যে দেশ সামরিক ড্রোন তৈরিতে বিশ্বে বিপ্লব ঘটিয়েছে, প্রতিরক্ষা শিল্পে সেই দেশটি হলো তুরস্ক।
a যুক্তরাষ্ট্র
b কুয়েত
c অস্ট্রেলিয়া
d চীন
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - চীন বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা উৎপাদনকারী দেশ। - বৈশ্বিক মোট কয়লা উৎপাদনের প্রায় অর্ধেকই চীন এককভাবে উৎপাদন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র কয়লা উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে থাকলেও বর্তমানে চীনের পরেই এর অবস্থান। B) কুয়েত — কুয়েত প্রধানত খনিজ তেল উৎপাদনে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং কয়লা উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় নয়। C) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান কয়লা রপ্তানিকারক দেশ হলেও মোট উৎপাদনের দিক থেকে চীনের পেছনে রয়েছে। D) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ চীন বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বেশি কয়লা উত্তোলন ও ব্যবহার করে। মনে রাখার টিপস: কয়লায় চীন চিনতে পারো সহজে, উৎপাদন আর ব্যবহারে তারা সবার আগে।
a যানজট
b ওজনস্তরের সংরক্ষণ
c পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করা
d CO2 নিঃসরণ কমানো
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CO2 নিঃসরণ কমানো কেন সঠিক: - কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার প্রধান লক্ষ্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো। - এই চুক্তির আওਤਾয় প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের মাত্রা নির্দিষ্ট মাত্রার নিচে রাখার প্রতিশ্রুতি নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যানজট — যানজট শহর এলাকার স্থানীয় সমস্যা এবং এটি কিয়োটো প্রটোকলের আন্তর্জাতিক পরিবেশগত লক্ষ্য নয়। B) ওজনস্তরের সংরক্ষণ — ওজনস্তর সংরক্ষণের জন্য ভিয়েনা কনভেনশন ও মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কিয়োটো প্রটোকল নয়। C) পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করা — পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বা নিরস্ত্রীকরণের সাথে আন্তর্জাতিক চুক্তি যেমন এনপিটি বা সিটিবিটি যুক্ত, কিয়োটো প্রটোকল নয়। D) CO2 নিঃসরণ কমানো — এটি সঠিক কারণ কিয়োটো প্রটোকল গ্রিনহাউস গ্যাস ও কার্বন ডাই-অক্সাইড কমানোর জন্যই প্রণীত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: কিয়োটো প্রটোকল মানেই পরিবেশের উষ্ণতা কমাতে কার্বন বা CO2 কমানোর চুক্তি।
a আদ্দিস আবাবা
b জাকার্তা
c রাবাত
d ত্রিপোলি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাবাত কেন সঠিক: - রাবাত হলো উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর বর্তমান রাজধানী এবং দেশটির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। - শহরটি আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে বু রেগরেগ নদীর মোহনায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্দিস আবাবা — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার রাজধানী এবং আফ্রিকার ইউনিয়নের সদর দপ্তর। B) জাকার্তা — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। C) রাবাত — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং মরক্কোর রাজধানী। D) ত্রিপোলি — এটি উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার রাজধানী ও প্রধান বন্দর শহর। মনে রাখার টিপস: মরক্কো দেশের নামের শেষে ওকার আছে, আর রাজধানীর নাম রাবাত শুরু হয় র দিয়ে। তাই মরক্কোর রাজধানী রাবাত মনে রাখা সহজ।
a আইন পরিষদ
b প্রচলিত রীতি-নীতি
c ধর্ম
d সংবিধান
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: B) প্রচলিত রীতি-নীতি কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি তথ্যগতভাবে ভুল। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইনশাস্ত্রের তত্ত্ব অনুযায়ী আইন পরিষদ, প্রচলিত রীতি-নীতি, ধর্ম এবং সংবিধান সবই আইনের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে স্বীকৃত। - আইনশাস্ত্রের প্রবক্তা জন অস্টিনের মতে আইনের প্রধান উৎস সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ হলেও, ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রথা বা রীতি-নীতি আইনের সবচেয়ে প্রাচীন উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন পরিষদ — আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইন প্রণয়নের মূল প্রতিষ্ঠান বা উৎস হলো আইন পরিষদ। B) প্রচলিত রীতি-নীতি — এটি ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন এবং স্বীকৃত একটি আইনি উৎস, তাই এটি আইনের উৎস নয় বলা ভুল। C) ধর্ম — প্রাচীন ও মধ্যযুগে বিচারব্যবস্থা এবং আইন প্রণয়নে ধর্ম একটি প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করেছে। D) সংবিধান — সংবিধান হলো দেশের সর্বোচ্চ আইন এবং এটি অন্যান্য সকল আইন তৈরির মূল উৎস। মনে রাখার টিপস: আইনের প্রধান উৎসগুলো মনে রাখতে সংবিধান, আইন পরিষদ, ধর্ম এবং প্রথা বা রীতি-নীতি এই চারটি মূল স্তম্ভ মাথায় রাখবে।
a বোরিং প্রণালি
b সুন্দা প্রণালি
c মালাক্কা প্রণালি
d মেসিনা প্রণালি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মালাক্কা প্রণালি যেহেতু প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয় (বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে সুন্দা প্রণালি, আর মালাক্কা প্রণালি সংযুক্ত করেছে আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে), তাই সঠিক উত্তরটি সংশোধন করা হলো। সঠিক উত্তর: B) সুন্দা প্রণালি কেন সঠিক: - সুন্দা প্রণালি ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত। - এই প্রণালিটি উত্তর-পশ্চিমে ভারত মহাসাগরের অন্তর্ভুক্ত বঙ্গোপসাগরের অংশবিশেষ এবং দক্ষিণ-পূর্বে জাভা সাগরকে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোরিং প্রণালি — এটি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে আলাদা এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। B) সুন্দা প্রণালি — এটি বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে। C) মালাক্কা প্রণালি — এটি মূলত আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে যুক্ত করেছে। D) মেসিনা প্রণালি — এটি ইতালি ও সিসিলি দ্বীপকে পৃথক এবং টাইরিনিয়ান ও আয়োনিয়ান সাগরকে যুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: সুন্দা প্রণালির নাম মনে রাখতে জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝের জলপথ হিসেবে স্মরণ করুন।
a মরক্কো
b সোয়াজিল্যান্ড
c টিউনিসিয়া
d ইয়েমেন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইয়েমেন কেন সঠিক: - ইয়েমেন আফ্রিকা মহাদেশের দেশ নয়, এটি মধ্যপ্রাচ্য তথা এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ। - আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ অংশে এর অবস্থান হওয়ায় এটি এশীয় ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরক্কো — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত। B) সোয়াজিল্যান্ড — এটি দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যার বর্তমান নাম এসোয়াতিনি। C) টিউনিসিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের ভূমধ্যেসাগরীয় উপকূলবর্তী একটি রাষ্ট্র। D) ইয়েমেন — এটি এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ হওয়ায় প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে এটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ইয়েমেন ও ওমান এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত, যা আফ্রিকার নিকটবর্তী হলেও আফ্রিকান দেশ নয়।
a ভুটান
b অস্ট্রিয়া
c ডেনমার্ক
d নেপাল
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - যে রাষ্ট্রগুলোর চতুর্দিকে শুধু স্থলভাগ বা মাটি থাকে এবং কোনো সমুদ্র বা মহাসাগর থাকে না, সেগুলোকে স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র বলে। - ডেনমার্কের চারপাশ জলভাগ বা সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত এবং এর একটি বড় অংশ বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগরের তীরে অবস্থিত, তাই এটি স্থলবেষ্টিত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুটান — এটি এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র যার চারপাশে শুধুই স্থলভাগ রয়েছে। B) অস্ট্রিয়া — এটি ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র যার কোনো সমুদ্রবন্দর বা উপকূল নেই। C) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের পরিবর্তে এটি কেন স্থলবেষ্টিত নয় তা উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) নেপাল — এটিও এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে স্থলভাগে সীমাবদ্ধ। মনে রাখার টিপস: ডেনমার্ক একটি উপদ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত দেশ, যার চারপাশে পানি রয়েছে। তাই এটি স্থলবেষ্টিত হতে পারে না।
a আকাবা
b এডেন
c হাইফা
d কাসাব্লাংকা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাসাব্লাংকা কেন সঠিক: - কাসাব্লাংকা মরক্কোর আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর এবং প্রধান সমুদ্র বন্দর। - এটি দেশটির প্রধান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাবা — এটি জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর এবং লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরে অবস্থিত। B) এডেন — এটি ইয়েমেনের একটি ঐতিহাসিক ও প্রধান সমুদ্র বন্দর, যা আরব সাগরে অবস্থিত। C) হাইফা — এটি ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত ইসরায়েলের প্রধান সমুদ্র বন্দর। D) কাসাব্লাংকা — এটি মরক্কোর প্রধান সমুদ্র বন্দর এবং সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মরক্কো ও কাসাব্লাংকা উভয় শব্দেই বাণিজ্য এবং আটলান্টিক মহাসাগরের গুরুত্ব জড়িত, যা কাসাব্লাংকাকে প্রধান বন্দরে রূপ দিয়েছে।
a আইন বিভাগ
b বিচার বিভাগ
c শাসন বিভাগ
d স্বাধীনতা
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) আইন বিভাগ কেন সঠিক: - আইন বিভাগ জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক সংসদ হিসেবে দেশের জন্য আইন প্রণয়ন করে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুনির্দিষ্ট করে দেয়। - আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নাগরিক অধিকারের গণ্ডি ও সুরক্ষার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে বলে একে ব্যক্তি স্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন বিভাগ — এটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষার জন্য সুনির্দিষ্ট ও লিখিত আইন প্রণয়ন করে ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। B) বিচার বিভাগ — এটি আইনের সঠিক প্রয়োগ ও লঙ্ঘন রোধ করে রক্ষাকবচের ভূমিকা পালন করে, তবে আইন প্রণয়ন আইন বিভাগের কাজ। C) শাসন বিভাগ — এটি মূলত দেশের শাসনকার্য পরিচালনা ও নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে। D) স্বাধীনতা — এটি নিজেই একটি মৌলিক অধিকার, কোনো বিভাগ বা প্রাতিষ্ঠানিক রক্ষাকবচ নয়। মনে রাখার টিপস: আইন তৈরি করে আইন বিভাগ আর বিচার করে বিচার বিভাগ, তাই স্বাধীনতা রক্ষায় প্রথম ধাপ হলো আইন প্রণয়ন।
a দ্বি-জাতি তত্ত্ব
b সামাজিক চেতনা
c বাঙালি জাতীয়তাবাদ
d সাম্প্রদায়িকতা
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাঙালি জাতীয়তাবাদ কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি নিজেদের স্বকীয়তা ও জাতিসত্তা সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে বাঙালি জাতীয়তাবাদ গড়ে তুলতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। - এই আন্দোলনের মাধ্যমেই মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার মানুষের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক স্বাধিকার অর্জনের বীজ রোপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বি-জাতি তত্ত্ব — এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ধর্মের নামে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল, যার বিরুদ্ধে লড়াই করেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটেছিল। B) সামাজিক চেতনা — সামাজিক চেতনা বৃহত্তর ধারণার অংশ, তবে ভাষা আন্দোলনের মূল ভিত্তি ছিল বাঙালি জাতির নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির আত্মপরিচয় রক্ষা। D) সাম্প্রদায়িকতা — ভাষা আন্দোলন ছিল অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে বাঙালি হিসেবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ভাষার অধিকার রক্ষার মধ্য দিয়েই পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম স্ফুরণ ঘটেছিল।
a ৮০ গজ × ৬০ গজ
b ৯০ গজ × ৭০ গজ
c ১০০ গজ × ৮০ গজ
d ১১৫ গজ × ৭৫ গজ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১৫ গজ × ৭৫ গজ কেন সঠিক: - ফিফার নিয়ম অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের জন্য মাঠের দৈর্ঘ্য হতে হয় ১১০ থেকে ১২০ গজ এবং প্রস্থ হতে হয় ৭০ থেকে ৮০ গজ। - এর আদর্শ মান ধরা হয় ১১৫ গজ দৈর্ঘ্য এবং ৭৫ গজ প্রস্থ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ গজ × ৬০ গজ — এই মাপটি আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠের জন্য অত্যন্ত ছোট এবং এটি ফিফার নির্ধারিত প্রমিত সীমার বাইরে। B) ৯০ গজ × ৭০ গজ — এই মাপটি আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্যের চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক নয়। পুরাতন বা স্থানীয় কিছু মাঠ এই মাপে হতে পারে। C) ১০০ গজ × ৮০ গজ — এই মাপটির দৈর্ঘ্য আন্তর্জাতিক প্রমিত মানের চেয়ে কম, কারণ আন্তর্জাতিক মাঠের সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্য ১১০ গজ হতে হয়। D) ১১৫ গজ × ৭৫ গজ — এটি ফিফা নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠের আদর্শ পরিমাপ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক ফুটবল মাঠের মাপ মনে রাখতে ১১০ থেকে ১২০ গজের মধ্যে দৈর্ঘ্য এবং ৭০ থেকে ৮০ গজের মধ্যে প্রস্থ মনে রাখবে, যার মাঝামাঝি মান ১১৫ এবং ৭৫।
a ইয়াসির আরাফাত
b নাগীব মাহফুজ
c আনোয়ার সাদাত
d আব্দুস সালাম
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) আব্দুস সালাম বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর C) আনোয়ার সাদাত বলা হলেও তা ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে ভুল। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম মুসলিম মনীষী হলেন বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম। কেন সঠিক: - পাকিস্তানি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি প্রথম কোনো মুসলিম হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জনের গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াসির আরাফাত — তিনি ফিলিস্তিনের নেতা ছিলেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় ১৯৯৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান, তবে প্রথম মুসলিম নন। B) নাগীব মাহফুজ — তিনি মিসরের বিখ্যাত সাহিত্যিক এবং প্রথম আরবিভাষী লেখক হিসেবে ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। C) আনোয়ার সাদাত — মিসরের এই প্রেসিডেন্ট ১৯৭৮ সালে শান্তি পুরস্কার পেলেও তিনি প্রথম মুসলিম নোবেল বিজয়ী নন। D) আব্দুস সালাম — ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়ে তিনি প্রথম মুসলিম হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন। মনে রাখার টিপস: প্রথম মুসলিম নোবেল বিজয়ী মনে রাখতে সালাম শব্দটির কথা মনে রাখুন, যিনি বিজ্ঞানে প্রথম এই সম্মান পান।
a ২৬ জুন
b ২৭ জুলাই
c ৩১ মে
d ১ অক্টোবর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬ জুন কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালন করা হয়। - মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই দিবস পালনের মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন — এটি আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস এবং সঠিক উত্তর। B) ২৭ জুলাই — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়। C) ৩১ মে — এটি বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালনের তারিখ। D) ১ অক্টোবর — এটি আন্তর্জাতিক প্রবীণ ব্যক্তি দিবস পালনের তারিখ। মনে রাখার টিপস: মাদক থেকে দূরে থাকতে হলে চোদ্দো আনা নয়, বরং ছাব্বিশটি ২৬ জুন মনে রাখুন।
a বাল্টিক
b লোহিত
c মৃত
d আটলান্টিক
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৃত কেন সঠিক: - এই সাগরের পানিতে লবণের পরিমাণ বা লবণাক্ততা এত বেশি যে এর ঘনত্ব স্বাভাবিক পানির চেয়ে অনেক বেশি। - অতিরিক্ত ঘনত্বের কারণে মানুষের শরীর পানিতে ডুবে না গিয়ে সহজে ভেসে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাল্টিক — এটি উত্তর ইউরোপের একটি সাগর যার পানি অপেক্ষাকৃত কম লবণাক্ত এবং মানুষ এতে সাধারণ নিয়মে ভেসে থাকতে পারে না। B) লোহিত — এই সাগরের পানি লবণাক্ত হলেও এর ঘনত্ব মৃত সাগরের মতো এত বেশি নয় যে মানুষ না ভেসে সহজে গা ভাসিয়ে থাকতে পারবে। C) মৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর পানিতে অতিরিক্ত লবণাক্ততা ও ঘনত্বের কারণে কেউ ডুবতে পারে না। D) আটলান্টিক — এটি বিশ্বের একটি বিশাল মহাসাগর, যার পানিতে স্বাভাবিক লবণাক্ততা থাকায় মানুষ সাধারণভাবেই ডুবে যায়। মনে রাখার টিপস: মৃত সাগরে মৃত্যুর ভয় নেই কারণ এর অতিরিক্ত লবণাক্ত পানিতে কেউ ডুবে মারা যায় না, সবাই ভেসে থাকে।
a আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগর
b প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর
c আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
d ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর কেন সঠিক: - পানামা খাল উত্তর আমেরিকার আটলান্টিক মহাসাগরকে দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। - এই কৃত্রিম জলপথটি আটচল্লিশ মাইল দীর্ঘ এবং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়ে দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগর — এই দুটি মহাসাগরকে সংযুক্তকারী প্রধান কৃত্রিম জলপথ হলো সুয়েজ খাল। B) প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর — এই অঞ্চল দিয়ে কোনো কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল বা সংযোগকারী জলপথ নেই। C) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পানামা খালের প্রকৃত সংযোগস্থল। D) ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর — এই দুই মহাসাগর মাকালাই প্রণালী বা সুন্দা প্রণালীর মাধ্যমে যুক্ত, পানামা খালের মাধ্যমে নয়। মনে রাখার টিপস: পানামা খালের সংযোগ মনে রাখতে 'আপ' শব্দ ব্যবহার করতে পারো, যেখানে আ তে আটলান্টিক এবং প তে প্রশান্ত মহাসাগর বোঝায়।
a এশিয়া
b ইউরোপ
c আমেরিকা
d অস্ট্রেলিয়া
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউরোপ কেন সঠিক: - আইসল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপ মহাদেশের অংশ। - এই দেশটি নর্ডিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এর রাজধানী রেকজাভিক ইউরোপীয় সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — আইসল্যান্ড এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত নয়, এটি এশিয়ার ভৌগোলিক সীমার বাইরে ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। B) ইউরোপ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) আমেরিকা — আইসল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মূল ভূখণ্ডে নয়, বরং আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝখানে ইউরোপের কাছাকাছি অবস্থিত। D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে আইসল্যান্ড ভৌগোলিকভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন গোলার্ধে ও দূরবর্তী স্থানে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আইসল্যান্ড একটি শীতল দ্বীপ দেশ হলেও এটি বরফে ঢাকা নয়, বরং এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি আধুনিক রাষ্ট্র।
a ৫টি
b ৬টি
c ৭টি
d ৯টি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ৬টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘে দাপ্তরিক কাজের জন্য মোট ৬টি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। - এই ভাষাগুলো হলো আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ ও স্প্যানিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ৫টি নয়, সঠিক সংখ্যাটি ৬টি। B) ৬টি — এটি সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘ এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে। C) ৭টি — জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ৭টি নয়, এই সংখ্যাটি ভুল। D) ৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় এবং জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: দাপ্তরিক ভাষা মনে রাখার সহজ শব্দ হলো 'আচিংফরুস্প' (আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ, স্প্যানিশ)।
a ১৭টি
b ১৬৯টি
c ১১৩টি
d ৫৪টি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১৭টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ ২০১৫ সালে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ঘোষণা করে। - এই বৈশ্বিক এজেন্ডার মূল কাঠামোতে মোট ১৭টি অভীষ্ট বা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭টি — এটি এসডিজির মূল লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা এবং বিশ্বব্যাপী এটি পালিত হয়। B) ১৬৯টি — এটি ১৭টি লক্ষ্যের অধীনে নির্ধারিত মোট টার্গেট বা উপ-লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা। C) ১১৩টি — এটি এসডিজির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো মূল বা প্রমিত প্রাতিষ্ঠানিক সংখ্যা নয়। D) ৫৪টি — এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সদস্য সংখ্যা যা এসডিজির লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: এসডিজি মনে রাখতে সেভেনটিন বা ১৭ সংখ্যাটি মাথায় রাখবে কারণ এর মূল লক্ষ্য ঠিক ১৭টি।
a মুক্ত
b আয়কর
c ভূমি রাজস্ব
d ওপরের সবগুলো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ওপরের সবগুলো কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আদায়ের প্রধান খাতগুলোর মধ্যে শুল্ক, আয়কর ও ভূমি রাজস্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই উৎসগুলো থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়েই সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুল্ক (অপশনে 'মুক্ত' থাকলেও এটি মূলত শুল্ক বা কাস্টমস ডিউটি বোঝায়) — এটি রাজস্ব আয়ের একটি নির্দিষ্ট খাত হলেও একমাত্র উৎস নয়। B) আয়কর — এটি প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের একটি প্রধান উৎস হলেও সরকারের আয়ের একমাত্র মাধ্যম নয়। সি) ভূমি রাজস্ব — এটি গ্রামীণ অর্থনীতি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের ঐতিহ্যবাহী উৎস হলেও এটি একা সম্পূর্ণ রাজস্ব বোঝায় না। D) ওপরের সবগুলো — যেহেতু শুল্ক, আয়কর এবং ভূমি রাজস্ব প্রতিটিই সরকারের রাজস্ব আদায়ের বৈধ ও প্রধান উৎস, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সরকারের আয়ের প্রধান উৎসগুলো মনে রাখতে শুল্ক, আয়কর ও ভূমি রাজস্ব এই তিনটি খাত একসঙ্গে মনে রাখুন।
a মাহফুজুল হক
b লুই আই কান
c নোভেরা আহমেদ
d এফ আর খান
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুই আই কান কেন সঠিক: - মার্কিন স্থপতি লুই আই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা তৈরি করেন। - তাঁর নকশা অনুযায়ী ১৯৬১ সালে কাজ শুরু হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহফুজুল হক — ইনি জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন, বরং বাংলাদেশের অন্য কোনো প্রখ্যাত স্থাপত্যের সঙ্গে যুক্ত নন। B) লুই আই কান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) নোভেরা আহমেদ — ইনি বাংলাদেশের বিখ্যাত ভাস্কর, জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন। D) এফ আর খান — ইনি বিশ্বখ্যাত স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: সংসদ ভবনের স্থপতি মনে রাখতে মনে রাখুন কান দিয়ে সংসদ ভবন শোনা যায়, তাই স্থপতি লুই আই কান।
a ঢাকা
b গাজীপুর
c রাজশাহী
d চট্টগ্রাম
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নির্মিত দেশের প্রথম ভাস্কর্য। - ভাস্কর্যটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত চৌরাস্তা মোড়ে স্থাপিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি ঢাকা জেলায় অবস্থিত নয়, যদিও এটি রাজধানী ঢাকার কাছাকাছি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। B) গাজীপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। C) রাজশাহী — এটি রাজশাহী বিভাগে বা জেলায় অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রাম বিভাগে বা জেলায় অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে গাজীপুরের চৌরাস্তায় এটি নির্মিত হয়েছে।

মোট প্রশ্ন (4)

a কয়লার পরিবর্তে ডিজেল
b কেরোসিনের পরিবর্তে বায়োগ্যাস
c পেট্রোলের পরিবর্তে অকটেন
d কাঠের পরিবর্তে কয়লা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কেরোসিনের পরিবর্তে বায়োগ্যাস ১. কেন সঠিক: - বায়োগ্যাস হলো একটি নবায়নযোগ্য শক্তি যা পরিবেশবান্ধব এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমায়। - কেরোসিন পোড়ানোর ফলে ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়, যা বায়ুমণ্ডল দূষিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়োগ্যাস হলো প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এক ধরনের জ্বালানি যা অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে তৈরি হয়। - কার্যপ্রণালি: গৃহস্থালির বর্জ্য বা গোবর অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা পচিয়ে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন করা হয় যা রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামীণ জনপদে গরুর গোবর ব্যবহার করে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা। ব্যাখ্যা: এটি গৃহস্থালির রান্নার কাজে কেরোসিন বা কাঠের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধ করে। উদাহরণ ২: ময়লার আবর্জনা থেকে উৎপন্ন গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি শক্তির চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লার পরিবর্তে ডিজেল — কয়লা ও ডিজেল উভয়ই জীবাশ্ম জ্বালানি এবং উভয়ই বায়ুমণ্ডলে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন করে। B) কেরোসিনের পরিবর্তে বায়োগ্যাস — এটি সঠিক কারণ কেরোসিন জীবাশ্ম জ্বালানি আর বায়োগ্যাস পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তি। C) পেট্রোলের পরিবর্তে অকটেন — পেট্রোল এবং অকটেন উভয়ই পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত তরল hydrocarbon জ্বালানি এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। D) কাঠের পরিবর্তে কয়লা — কাঠ বায়োমাস হলেও কাটার ফলে বন ধ্বংস হয় এবং কয়লা পোড়ানো পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ৫ মনে রাখার টিপস: - বায়োগ্যাস পরিবেশের বন্ধু কারণ এটি জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে কাজ করে এবং বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন করে। - নবায়নযোগ্য জ্বালানি যেমন বায়োগ্যাস কখনোই পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি করে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচফোর। - এই প্রশ্নটি পরিবেশবিজ্ঞান এবং শক্তি ও শক্তির রূপান্তর অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a টাইফয়েড
b ডেঙ্গুজ্বর
c ম্যালেরিয়া
d যক্ষ্মা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টাইফয়েড ১. কেন সঠিক: টাইফয়েড একটি অত্যন্ত পরিচিত পানিবাহিত রোগ যা সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ঘটে। দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া মানবদেহের অন্ত্রে প্রবেশ করে এবং রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পানিবাহিত রোগ হলো এমন সব সংক্রমণ যা রোগজীবাণু দ্বারা দূষিত পানি পানের মাধ্যমে ছড়ায়। কার্যপ্রণালি: সংক্রামিত ব্যক্তির মলমূত্র দ্বারা দূষিত পানির মাধ্যমে জীবাণু সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। কারণ ও ফলাফল: অস্বাস্থ্যকর পানি ব্যবহারের ফলে টাইফয়েডের মতো গুরুতর অন্ত্রের প্রদাহ ও দীর্ঘমেয়াদী জ্বর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নলকূপের পানির অভাব বা বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির বদলে দূষিত পানি পান করা। ব্যাখ্যা: এই পরিস্থিতিতে মানুষ সহজেই টাইফয়েড ও ডায়রিয়ার মতো পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। উদাহরণ ২: রাস্তার ধারের খোলা শরবত বা ফুচকা তৈরিতে অনিরাপদ পানি ও বরফ ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে টাইফয়েডের জীবাণু খুব সহজে মানুষের পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইফয়েড — এটি একটি জলবাহিত ও খাদ্যবাহিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা সঠিক উত্তরে নির্বাচিত হয়েছে। B) ডেঙ্গুজ্বর — এটি এডিস মশার কামড়বাহিত একটি ভাইরাল রোগ, যা পানি বা খাবারের মাধ্যমে ছড়ায় না। C) ম্যালেরিয়া — এটি অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ানো একটি পরজীবীঘটিত বা ভেক্টরবাহিত রোগ। D) যক্ষ্মা — এটি মাইকব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে বায়ুর মাধ্যমে ছড়ানো রোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: টাইফয়েড শব্দটি ট দিয়ে শুরু এবং এটি টয়লেট বা দূষিত পানির সাথে সম্পর্কিত বলে মনে রাখা সহজ। অন্যান্য পানিবাহিত রোগ যেমন কলেরা ও ডায়রিয়ার সাথে টাইফয়েডকে একত্রে মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টাইফয়েড রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন কার্ল এবার্থ এবং এর টিকা আবিষ্কার করেন আলমড রাইট। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
a গলগণ্ড
b রাতকানা
c চর্মরোগ
d বেরিবেরি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গলগণ্ড ১. কেন সঠিক: আয়োডিন মানবদেহের থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন উৎপাদনের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। খাদ্যে আয়োডিনের ঘাটতি হলে থাইরয়েড গ্রন্থি আয়োডিন সংগ্রহের জন্য অতিরিক্ত কাজ করে এবং আকারে বৃদ্ধি পায়, যা গলগণ্ড বা গয়টার রোগ নামে পরিচিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: থাইরয়েড গ্রন্থি আয়োডিন ব্যবহার করে থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করে যা শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপ্রণালি: আয়োডিনের অভাবে থাইরক্সিন হরমোন তৈরি হতে পারে না, ফলে মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন বেশি নিঃসৃত হয় এবং গ্রন্থিটি ফুলে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি ও পানিতে আয়োডিনের পরিমাণ কম থাকায় সেখানকার মানুষের মধ্যে গলগণ্ড রোগ বেশি দেখা যায়। ব্যাখ্যা: স্থানীয়ভাবে উৎপন্ন খাদ্যে আয়োডিনের অভাব থাকায় এটি ঘটে। উদাহরণ ২: আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে সহজ উপায়। ব্যাখ্যা: এটি দেহে প্রয়োজনীয় আয়োডিনের চাহিদা পূরণ করে থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক আকার বজায় রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গলগণ্ড — এটি আয়োডিনের অভাবে হওয়া সুনির্দিষ্ট রোগ, যা থাইরয়েড গ্রন্থির স্ফীতি ঘটিায়। B) রাতকানা — এটি ভিটামিন এ এর অভাবে হয়, যা চোখের রেটিনার রড কোষের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। C) চর্মরোগ — এটি সাধারণত ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব, ব্যাকটেরিয়া বা fungal সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। D) বেরিবেরি — এটি ভিটামিন বি এক বা থায়ামিনের অভাবে হয়, যা স্নায়ুতন্ত্র ও হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: গ তে গলগণ্ড এবং আ তে আয়োডিন, অর্থাৎ আয়োডিনের অভাবে গলা ফুলে গিয়ে গলগণ্ড রোগ হয়। খাবারে আয়োডিন নিশ্চিত করতে সবসময় আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা উচিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিন ও খনিজ লবণের অভাবজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। থাইরক্সিন হরমোন তৈরিতে কোন খনিজ উপাদানটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার ঘুরে আসে।
a CO2
b F-11
c F-12
d Air
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Air ১. কেন সঠিক: প্লেনে এয়ার রেফ্রিজারেটর বা এয়ার সাইকেল সিস্টেম ব্যবহার করা হয় কারণ এতে ঠান্ডা করার মাধ্যম হিসেবে সাধারণ বাতাস ব্যবহার করা হয়। উচ্চ উচ্চতায় উড়ন্ত বিমানের কেবিনে ঠান্ডা বাতাস সরবরাহের জন্য এই পদ্ধতি অত্যন্ত হালকা এবং নিরাপদ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এয়ার সাইকেল রেফ্রিজারেশন সিস্টেমে বাতাসকে সংকুচিত এবং প্রসারিত করে তাপমাত্রা কমানো হয়। কার্যপ্রণালি: জেট ইঞ্জিনের সংকোচক থেকে উচ্চ চাপের বাতাস নিয়ে তা শীতল করে এবং টারবাইনে প্রসারিত করে অত্যন্ত ঠান্ডা বাতাস উৎপন্ন করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই ঠান্ডা বাতাস বিমানের কেবিনে সরবরাহ করা হয় যাতে যাত্রীরা আরামদায়ক তাপমাত্রা ও চাপ পান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জেট বিমানের এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলীয় বাতাসকে কাজে লাগিয়ে কেবিনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: বেল-কোলম্যান সাইকেল। ব্যাখ্যা: এই তাপগতিীয় চক্রটি বিমানের কুলিং সিস্টেমে বাতাসের প্রসারণ ঘটিয়ে শীতলীকরণ নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO2 — কার্বন ডাই অক্সাইড সাধারণত সাধারণ রেফ্রিজারেটরে ব্যবহৃত হয় না এবং এটি উচ্চ চাপে তুষার রূপে জমে ব্লক তৈরি করতে পারে। B) F-11 — এটি একটি ক্লোরোফ্লোরোকার্বন যা ফোম তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য এটি প্লেনে শীতলীকরণে নিষিদ্ধ। C) F-12 — এটি অতীতে গৃহস্থালির ফ্রিজে রেফ্রিজারেট হিসেবে ব্যবহৃত হতো কিন্তু বিমানের কুলিং সিস্টেমে বাতাস ব্যবহার করা হয়। D) Air — এটি সঠিক কারণ বাতাস সহজলভ্য, ওজনে হালকা এবং এটি কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক দূষণ ঘটায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: বিমানের উচ্চতায় বাতাসের চাপ কম থাকে তাই বাতাসকেই কুলিং এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা সবচেয়ে সুবিধাজনক। এয়ারপ্লেন এবং এয়ার সাইকেল এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিমানের কেবিন কুলিং এ কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এয়ার সাইকেল রেফ্রিজারেশন সিস্টেম তাপগতিবিদ্যার কোন সূত্রের ওপর কাজ করে তা জেনে রাখা ভালো।

মোট প্রশ্ন (6)

a Windows 10
b Windows 09
c Windows 11
d Windows 12
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Windows 11 ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফটের তৈরি সবচেয়ে আধুনিক এবং বর্তমান অপারেটিং সিস্টেম হলো উইন্ডোজ ১১। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে মুক্তি পায় এবং পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোর তুলনায় অনেক উন্নত ফিচার ও সুরক্ষা প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। বৈশিষ্ট্য: এর ইউজার ইন্টারফেসে সেন্ট্রাল টাস্কবার, রাউন্ডেড কর্নার এবং আধুনিক ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেট ডিভাইসে দৈনন্দিন কাজ ও গেমিংয়ের জন্য এটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অফিশিয়াল কাজ করা। ব্যাখ্যা: হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালানোর জন্য অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ ১১ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: উইন্ডোজ ১১-এর স্ন্যাপ লেআউট ফিচার ব্যবহার করে একই স্ক্রিনে একাধিক অ্যাপ একসাথে সাজানো। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীর মাল্টিটাস্কিং দক্ষতা এবং কাজের গতি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows 10 — এটি উইন্ডোজ ১১ এর আগের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সংস্করণ হলেও বর্তমানে এটি সর্বশেষ ভার্সন নয়। B) Windows 09 — মাইক্রোসফটের ইতিহাসে এই নামের কোনো অফিশিয়াল অপারেটিং সিস্টেম বা ভার্সন প্রকাশিত হয়নি। D) Windows 12 — মাইক্রোসফট করপোরেশনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত উইন্ডোজ ১২ নামে কোনো অপারেটিং সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে ছাড়া হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: উইন্ডোজের প্রধান সংস্করণগুলোর মধ্যে ১০ এর পরে ১১ এসেছে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে নতুন সংস্করণ হিসেবে ১১ সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার পরিচালনার মূল সফটওয়্যার হলো অপারেটিং সিস্টেম। পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, লিনাক্স ও ম্যাকওএস সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a Prime Computer
b Private Computer
c Professional Computer
d Personal Computer
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Personal Computer ১. কেন সঠিক: PC এর পূর্ণরূপ হলো Personal Computer বা ব্যক্তিগত কম্পিউটার। এটি এমন এক ধরনের কম্পিউটার যা একক কোনো ব্যবহারকারীর ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: পার্সোনাল কম্পিউটার হলো একটি মাইক্রোকম্পিউটার যার দাম, আকার ও সক্ষমতা একক ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন কাজের উপযোগী। ব্যবহার: অফিসিয়াল কাজ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, গেম খেলা এবং মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের জন্য এটি ঘরে ঘরে ও অফিসে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেস্কটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: টেবিলের ওপর রেখে ব্যবহার করার জন্য তৈরি এই পার্সোনাল কম্পিউটার সাধারণত বাসা ও অফিসে স্থায়ীভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: বহনযোগ্য পার্সোনাল কম্পিউটার যা সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া যায় এবং এর নিজস্ব ব্যাটারি থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Prime Computer — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড পিসি পরিভাষা নয়, বরং এটি অতীতে একটি কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানির নাম ছিল। B) Private Computer — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে কোনো স্বীকৃত জেনেরিক পরিভাষা বা সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। C) Professional Computer — এটি শুনতে পেশাদার বা কাজের উপযোগী মনে হলেও পিসি বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রকৃত পরিভাষা এটি নয়। D) Personal Computer — এটি পিসির সঠিক ও সর্বজনস্বীকৃত পূর্ণরূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: পিসি বা PC মানেই ব্যক্তিগত ব্যবহার, তাই এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে হবে Personal Computer। মাইক্রোকম্পিউটারের অপর নামই হলো পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কম্পিউটারের বিভিন্ন সংক্ষিপ্ত রূপ বা অ্যাব্রিভিয়েশন প্রায়ই আসে। IBM প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারজাত করেছিল, যা আইবিএম পিসি নামে পরিচিত।
a Microsoft
b IBM
c Apple
d Dell
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Microsoft ১. কেন সঠিক: স্প্রেডশীট (Microsoft Excel), এমএস ওয়ার্ড (Microsoft Word) এবং পাওয়ার পয়েন্ট (Microsoft PowerPoint) হলো জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন নামক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারগুলো উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত মাইক্রোসফট অফিস প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত এবং বিশ্বজুড়ে দাপ্তরিক কাজে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো এমন কিছু বিশেষ প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট কোনো কাজ যেমন লেখালেখি, হিসাবনিকাশ বা উপস্থাপনা তৈরি করতে সহায়তা করে। কার্যপদ্ধতি: এই সফটওয়্যারগুলো অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী প্রসেসর ও মেমোরির সাহায্যে ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে ফাইল সংরক্ষণ করে। ব্যবহার: অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রতিবেদন তৈরি, বাজেট প্রণয়ন এবং সেমিনার বা ক্লাসের জন্য স্লাইড প্রস্তুত করতে এই সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যাখ্যা: এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা ব্যবহার করে খুব সহজে চিঠিপত্র, সিভি বা বইয়ের পাণ্ডুলিপি তৈরি ও সম্পাদনা করা যায়। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যাখ্যা: এটি একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার যা বড় ধরনের হিসাবনিকাশ, ডেটা অ্যানালাইসিস এবং গ্রাফ বা চার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Microsoft - এটি সঠিক কারণ উল্লিখিত তিনটি সফটওয়্যারই মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরি এবং বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত। B) IBM - এটি একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান যা মূলত হার্ডওয়্যার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার তৈরিতে বিখ্যাত। C) Apple - এটি ম্যাকিনটোশ কম্পিউটার, আইফোন এবং আইওএস অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে, যার নিজস্ব আলাদা অফিস অ্যাপ যেমন পেজেস ও নাম্বার্স রয়েছে। D) Dell - এটি একটি বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার ও ল্যাপটপ নির্মাতা হার্ডওয়্যার কোম্পানি, যা কোনো জনপ্রিয় অফিস সফটওয়্যার স্যুট তৈরি করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: মাইক্রোসফট অফিস বা এমএস অফিস প্যাকেজের প্রধান তিনটি উপাদান হলো ওয়ার্ড, এক্সেল এবং পাওয়ার পয়েন্ট। এগুলো সবই মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং পল অ্যালেনের তৈরি করা বিশ্ববিখ্যাত অ্যাপ্লিকেশন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ার পয়েন্টের ফাইলের এক্সটেনশন যেমন ডকএক্স, এক্সএলএসএক্স এবং পিপিটিএক্স সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। এছাড়াও ওপেন সোর্স বা ফ্রি বিকল্প হিসেবে লিব্রে অফিস বা গুগল ডকস সম্পর্কেও ধারণা রাখা আবশ্যক।
a 100101
b 200202
c 230303
d 404004
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 100101 ১. কেন সঠিক: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবল শূন্য এবং এক এই দুটি অংক ব্যবহার করা হয়। এটিতে শূন্য এবং এক ছাড়া অন্য কোনো অংক থাকে না বিধায় এটি একটি বৈধ বাইনারি সংখ্যা। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন একটি ডিজিটাল পদ্ধতি যার ভিত্তি দুই এবং এটি কম্পিউটার যোগাযোগের মূল ভিত্তি। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ সার্কিট বৈদ্যুতিক সিগন্যালের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই অংকগুলো নিয়ে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের প্রসেসর ডেটা প্রসেস করার সময় শূন্য এবং এক এই দুই অবস্থার সমন্বয়ে গঠিত কোড ব্যবহার করে। ব্যাখ্যা: হার্ডওয়্যারে সিগন্যালের প্রবাহ বোঝাতে এই বাইনারি ফরম্যাট সরাসরি প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণ ২: ইন্টারনেটে কোনো ফাইল স্থানান্তর করার সময় তা সম্পূর্ণ বাইনারি ডেটা প্রবাহে রূপান্তরিত হয়। ব্যাখ্যা: নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যেকোনো ডেটা সহজে পাঠানোর জন্য বাইনারি রূপান্তর অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 100101 — এটি সঠিক কারণ এতে কেবল শূন্য ও এক রয়েছে। B) 200202 — এটি ভুল কারণ বাইনারি পদ্ধতিতে দুই অংকটির কোনো অস্তিত্ব নেই। C) 230303 — এটি ভুল কারণ এখানে দুই এবং তিন অংক ব্যবহার করা হয়েছে যা বাইনারি নয়। D) 404004 — এটি ভুল কারণ এতে চার অংকটি রয়েছে যা বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির নিয়মের বাইরে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাইনারি শব্দটির অর্থ দুই। তাই এই সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবল শূন্য এবং এক এই দুটি অংকই ব্যবহার করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার প্রযুক্তির সব ধরনের গাণিতিক ও লজিক অপারেশনের ভিত্তি হলো এই বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংখ্যা পদ্ধতির বৈধতা যাচাই করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a X-Query
b OQL
c LINQ
d সবগুলো
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো এমন এক ধরনের ভাষা যার সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে তথ্য সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার এবং পরিচালনা করা যায়। প্রশ্নে উল্লেখিত এক্স কুয়েরি, ওকিউএল এবং লিঙ্ক প্রতিটিই বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার বিশেষ প্রোগ্রামিং ভাষা। কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারী বা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের নির্দেশ গ্রহণ করে ডাটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করে বা পরিবর্তন করে। বৈশিষ্ট্য: এই ভাষাগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন ফরম্যাটের ডেটা যেমন এক্সএমএল, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডেটা এবং অবজেক্ট কোডের ডেটা সহজে কুয়েরি করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক্স কুয়েরি ব্যাখ্যা: এটি এক্সএমএল ডেটা মডেলের ডেটা অনুসন্ধান ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: লিঙ্ক ব্যাখ্যা: এটি ডট নেট ফ্রেমওয়ার্কে অবজেক্ট কালেকশন এবং বিভিন্ন ডেটা সোর্স নিয়ে কাজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক্স-কুয়েরি — এটি শুধু এক্সএমএল ডেটা কুয়েরি করার জন্য সঠিক, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) ওকিউএল — এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডাটাবেজের জন্য ব্যবহৃত ভাষা, তবে একা এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর নয়। C) লিঙ্ক — এটি কুয়েরি করার জন্য সি শার্প বা ভিজুয়াল বেসিকে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হওয়ায় একা সঠিক নয়। D) সবগুলো — এটি সঠিক কারণ এক্স কুয়েরি, ওকিউএল এবং লিঙ্ক তিনটিই কোনো না কোনো ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ চেনার জন্য নামের শেষে কুয়েরি বা কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ শব্দগুলো গুরুত্ব দিয়ে মনে রাখবে। এসকিউএল ছাড়াও এক্স কুয়েরি এবং ওকিউএল আধুনিক ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসকিউএল এর পাশাপাশি এক্স কুয়েরি ও ওকিউএল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে ওকিউএল এর পূর্ণরূপ অবজেক্ট কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ মনে রাখা জরুরি।
a SQL
b CIH
c Blueray
d SPSS
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) CIH ১. কেন সঠিক: সিআইএইচ একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক কম্পিউটার ভাইরাস যা এক্সিকিউটেবল ফাইল আক্রমণ করে। এটি ১৯৯৮ সালে তাইওয়ানের চেন ইং হাউ কর্তৃক তৈরি করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিআইএইচ হলো এক ধরণের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের সিস্টেম ফাইল মুছে ফেলে এবং মাদারবোর্ডের বায়োস ওভাররাইট করতে সক্ষম। কার্যপদ্ধতি: এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সক্রিয় হয়ে নির্ধারিত তারিখে হার্ডড্রাইভের ডেটা মুছে দেয় এবং বায়োস চিপ নষ্ট করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চেরনোবিল বিপর্যয় দিবসে সক্রিয় হওয়া। ব্যাখ্যা: এই ভাইরাসের অপর নাম চেরনোবিল ভাইরাস কারণ এটি নির্দিষ্ট তারিখে মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে। উদাহরণ ২: ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার কম্পিউটার আক্রান্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: সিআইএইচ ভাইরাস সেদিন টাইম বোমা হিসেবে কাজ করে একসাথে অসংখ্য কম্পিউটারের মাদারবোর্ড নষ্ট করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SQL — এটি স্ট্রাকচার্ড কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ যা ডেটাবেজ পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম বা ভাইরাস নয়। B) CIH — এটি একটি কুখ্যাত কম্পিউটার ভাইরাস যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই এটি সঠিক উত্তর। C) Blueray — এটি উচ্চ ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অপটিক্যাল ডিস্ক স্টোরেজ মিডিয়া। এটি ডেটা সংরক্ষণের কাজে লাগে, ভাইরাস নয়। D) SPSS — এটি স্ট্যাটিস্টিক্যাল প্যাকেজ ফর দ্য সোশ্যাল সায়েন্সেস যা ডেটা বিশ্লেষণ ও পরিসংখ্যানের কাজে ব্যবহৃত একটি সফটওয়্যার। ৫ মনে রাখার টিপস: সিআইএইচ ভাইরাসের অপর নাম চেরনোবিল ভাইরাস। এটি সফটওয়্যারের পাশাপাশি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা বায়োস নষ্ট করতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ভাইরাসের জনক বলা হয় বব থমাসকে যিনি ১৯৭০ সালে ক্রিপার ভাইরাস তৈরি করেছিলেন। সিআইএইচ ভাইরাসের নির্মাতা চেন ইং হাউ।