বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a পেতনি
b ভবিষ্যৎ
c ভীতু
d ভূত্য
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভবিষ্যৎ ১. কেন সঠিক: - ভূত শব্দের একটি বহুল প্রচলিত অর্থ হলো অতীত বা যা ঘটে গেছে। - এই অর্থে ভূতের বিপরীত বা প্রতিকূল ধারণাটি হলো ভবিষ্যৎ বা যা সামনে আসবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ এবং প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়। - বাংলা ভাষায় কালগত বা সময়বাচক অর্থে অতীত ও ভবিষ্যৎ একে অপরের বিপরীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতীত এবং ভবিষ্যৎ ব্যাখ্যা: এটি কালবাচক বিপরীত শব্দের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ যা সময়ের দুটি ভিন্ন দিক নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ব্যাখ্যা: বর্তমানের সাপেক্ষে ভবিষ্যৎ একটি বিপরীত বা পরবর্তী সময়কে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেতনি — এটি ভূত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) ভবিষ্যৎ — এটি সঠিক কারণ এটি ভূত বা অতীতের বিপরীত কাল নির্দেশ করে। C) ভীতু — এটি ভীতি বা ভয় পাওয়া সংক্রান্ত শব্দ, ভূত শব্দের বিপরীত নয়। D) ভূত্য — এর অর্থ চাকর বা ভৃত্য, যার সাথে ভূতের বিপরীত অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সময় বা কালবাচক শব্দ মনে রাখার জন্য অতীত ও ভবিষ্যতের জোড় মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল। - ভূত মানে যা অতীত, তাই এর বিপরীত হবে যা সামনে আসছে অর্থাৎ ভবিষ্যৎ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক বা রূপক শব্দের বিপরীতে আক্ষরিক বিপরীত শব্দ কোনটি তা ভালোভাবে যাচাই করতে হয়। - ভূত শব্দের দুটি অর্থ থাকতে পারে (অতীত কাল এবং অলৌকিক জীব), তবে বিপরীত শব্দ নির্ধারণের সময় মূল কালগত অর্থটি ধরতে হবে।
a পাঁচ
b সাত
c আট
d দশ
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আট ১. কেন সঠিক: পদ বিবেচনায় বাংলা ভাষায় পদ মূলত আট প্রকার। অর্থ বা বাক্যের মধ্যে ব্যবহারের দিক থেকে পদকে এই আটটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পদ প্রকরণ অনুযায়ী বাংলায় পদ আট প্রকার। এগুলো হলো বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয়, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদ। ঐতিহ্যবাহী ব্যাকরণে পদ পাঁচ প্রকার বলা হলেও আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে পদ আট প্রকার হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা একটি সুন্দর শহর। এখানে ঢাকা হলো বিশেষ্য পদ এবং সুন্দর হলো বিশেষণ পদ। ব্যাখ্যা: বাক্যের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের সঠিক ব্যবহার বোঝাতে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: সে প্রতিদিন সকালে দৌড়ায়। এখানে সে হলো সর্বনাম পদ এবং দৌড়ায় হলো ক্রিয়া পদ। ব্যাখ্যা: বাক্যে সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের অবস্থান ও কাজ পরিষ্কার করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচ — ঐতিহ্যবাহী ব্যাকরণ অনুসারে পদের সংখ্যা পাঁচ ধরা হলেও আধুনিক ও প্রমিত ব্যাকরণে তা সঠিক নয়। B) সাত — এই সংখ্যাটি বাংলা পদের শ্রেণিবিভাগের সঙ্গে কোনোভাবেই মিলে না। C) আট — এটি আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পদ বিচেনার সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা। D) দশ — পদ কখনো দশ প্রকার হতে পারে না, তাই এটি সম্পূর্ণ ভুল উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ আট প্রকার মনে রাখার জন্য বিশ্ব ও সাহিত্যের বিখ্যাত আট অক্ষরের কোনো সূত্র মনে রাখতে পারো। বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয়, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, সম্বন্ধ ও সম্বোধন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বা প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী উত্তর করতে হয়। তাই পদ আট প্রকার এটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a তুর্কি
b আরবি
c ফারসি
d পর্তুগিজ
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি ১. কেন সঠিক: 'চশমা' একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ চোখের চশমা বা উপনেত্র। বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং এর মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং বাংলা প্রমিত রীতিতে এগুলোর বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চোখে পরার মতো একটি বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কাগজ ব্যাখ্যা: এটিও একটি ফারসি শব্দ যা লেখার কাজে ব্যবহৃত উপাদান নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো দারোগা, চাকু, তোপ ইত্যাদি। চশমা তুর্কি শব্দ নয়। B) আরবি — আরবি ভাষার শব্দ হলো কলম, বই, আদালত ইত্যাদি। চশমা আরবি শব্দ নয়। C) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষার শব্দ হলো আনারস, আলমারি, চাবি ইত্যাদি। চশমা পর্তুগিজ শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অফিস আদালত ও পোশাক পরিচ্ছদ সংক্রান্ত অনেক শব্দ ফারসি থেকে এসেছে। চশমা তেমনি একটি দৈনন্দিন ব্যবহারের ফারসি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c তুর্কি
d আরবি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আরবি ১. কেন সঠিক: মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। প্রশাসনিক একক বোঝাতে এই শব্দটি বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলো মূলত ধর্ম, প্রশাসন, আইন এবং সংস্কৃতি সম্পর্কিত। মহকুমা শব্দটি প্রশাসনিক উৎস থেকে বাংলা শব্দভান্ডারে যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: তারিখ ব্যাখ্যা: এটিও একটি আরবি শব্দ যা দিন বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, গোডাউন ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ, দোকান ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি। C) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, চাকু, লাশ ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি। D) আরবি — মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রশাসন ও আদালতের সঙ্গে জড়িত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে এসেছে। মহকুমা যেহেতু একটি প্রশাসনিক এলাকা, তাই এটি আরবি শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a বিশেষ্য
b সর্বনাম
c বিশেষণ
d ক্রিয়া
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রিয়া ১. কেন সঠিক: নির্দেশক বা নির্দেশক স্থানীয় শব্দগুলো সাধারণত নির্দিষ্টতা বোঝাতে বিশেষ্য, সর্বনাম বা বিশেষণের সঙ্গে যুক্ত হয়। ক্রিয়া পদের সঙ্গে সরাসরি কোনো পদের নির্দেশনা বা নির্দেশক যুক্ত হয় না কারণ ক্রিয়া নিজেই একটি কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদের শ্রেণিবিভাগে বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ ও অব্যয় পদের সঙ্গে পদাশ্রিত নির্দেশক বা নির্দেশক স্থানীয় রূপ যুক্ত হতে পারে। ক্রিয়া পদের সঙ্গে কাল, পুরুষ ও বচনের বিভক্তি যুক্ত হয় কিন্তু কোনো স্বাধীন নির্দেশক বা পদাশ্রিত নির্দেশক যুক্ত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি টেবিলের ওপর রাখো। ব্যাখ্যা: এখানে বিশেষ্য পদ বই এর সঙ্গে টি নির্দেশক যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বুঝিয়েছে কিন্তু ক্রিয়া পদ রাখো এর সঙ্গে কোনো নির্দেশক যুক্ত হয়নি। উদাহরণ ২: সে লোকটি ভালো। ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনাম সে এবং বিশেষ্য লোক এর সঙ্গে টি নির্দেশক যুক্ত হয়েছে কিন্তু বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়া ভালো এর সঙ্গে কোনো নির্দেশক বসে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদের সঙ্গে টি, টা,টিখানি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যুক্ত হতে পারে তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) সর্বনাম — সর্বনাম পদের সঙ্গেও নির্দেশক বা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক শব্দ যুক্ত হতে পারে তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) বিশেষণ — বিশেষণ পদের সঙ্গেও নির্দেশক যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা প্রকাশ করতে পারে তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদের মূল কাজ ভাব বা কাজ প্রকাশ করা এবং এর সঙ্গে নির্দেশক যুক্ত হয় না তাই এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: নির্দেশক কেবল নামবাচক বা নামপদ যেমন বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে বসে। ক্রিয়া পদের সঙ্গে নির্দেশক বসে না এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদাশ্রিত নির্দেশক সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণের নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের সঙ্গে নির্দেশকের ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশ্ন এলে এই নিয়মটি প্রয়োগ করতে হবে।
a সংখ্যার ধারণা
b গণনার ধারণা
c ক্রমের ধারণার
d পরিমাপের ধারণা
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যার ধারণা ১. কেন সঠিক: বচন শব্দের আভিধানিক অর্থ সংখ্যা বা সংখ্যাবাচক ধারণা। ব্যাকরণে বচন বলতে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এক বা একাধিক সংখ্যাকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বচন দুই প্রকার, একবচন ও বহুবচন। বচনের মাধ্যমে কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি খোলো। ব্যাখ্যা: এখানে বইটি দ্বারা একটি নির্দিষ্ট বইকে বোঝানো হয়েছে, যা একবচনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: ছেলেরা খেলছে। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেরা দ্বারা একাধিক ছেলেকে বোঝানো হয়েছে, যা বহুবচনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক কারণ বচন সরাসরি সংখ্যা প্রকাশ করে। B) গণনার ধারণা — গণনা হলো হিসাব করার প্রক্রিয়া, কিন্তু বচন শুধু সংখ্যার অস্তিত্ব বোঝায়। C) ক্রমের ধারণার — ক্রম বলতে পর্যায় বা সিরিয়াল বোঝায়, যা বচনের কাজ নয়। D) পরিমাপের ধারণা — পরিমাপ বলতে ওজন বা পরিমাণ বোঝায়, যা বচনের আওতাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বচন মানে গণনা নয়, বচন মানেই সংখ্যা। এক বা বহু সংখ্যা বোঝাতেই বচন ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বচন শুধু বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিশেষণ বা অব্যয় পদে বচনের সরাসরি রূপভেদ হয় না।
a শব্দ
b শব্দমূল
c ধাতু
d ক্রিয়া বিভক্তি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধাতু ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। ক্রিয়াপদ গঠন করার সময় যে অবিভাজ্য মূল রূপটি থাকে, তার সঙ্গে কাল ও পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত করে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়াপদের উৎস হলো ধাতু। ধাতু তিন প্রকার যেমন সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু, দেশি ধাতু এবং বিদেশি ধাতু। যেমন পড় ধাতুটির সঙ্গে আ প্রত্যয় যোগ করে পড়া শব্দটি গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল ধাতু ব্যাখ্যা: চল হলো একটি মৌলিক ধাতু যার সঙ্গে ইতে বিভক্তি যোগ করে চলিতে বা চলতি পদ তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: কর্ ধাতু ব্যাখ্যা: কর্ হলো একটি সংস্কৃত ধাতু যা থেকে আধুনিক বাংলায় কর ধাতু হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে না বিভক্তি যোগ করে করোনা ক্রিয়া গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — শব্দ হলো যেকোনো অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি, যা কেবল ক্রিয়ার মূল অংশ নয় বরং সকল পদের সাধারণ উৎস। B) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রাতিপদিক হলো নামপদের মূল অংশ, কিন্তু ক্রিয়ার মূল অংশকে নির্দিষ্টভাবে ধাতু বলা হয়। D) ক্রিয়া বিভক্তি — ক্রিয়া বিভক্তি হলো সেই অংশ যা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে কাল ও পুরুষ নির্দেশ করে, মূল অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্রিয়ার মূল মানেই ধাতু মনে রাখবে কারণ ধাতু হলো সব ক্রিয়ার আদি উৎস। ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যোগ করলেই কেবল পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়া পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু ও প্রত্যয় সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। তাই ধাতু চেনার জন্য ক্রিয়াপদ থেকে বিভক্তি বাদ দিয়ে মূল অংশটি বের করার অভ্যাস করতে হবে।
a সত্য বলবে
b তোমার নাম কী?
c শিক্ষককে মান্য করো
d মানুষ হও
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তোমার নাম কী? ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে সরাসরি কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয়েছে, যা ক্রিয়ার নির্দেশক ভাবের প্রশ্নবাচক রূপ প্রকাশ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্রিয়ার যে রূপ দ্বারা কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয়, তা নির্দেশক ভাবের প্রশ্নবাচক নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার ভাব হলো বক্তার মনোভাব বা কার্য সম্পাদনের ধরণ, যা প্রধানত চার প্রকার যথা নির্দেশক, অনুজ্ঞা, সম্ভাবার্থক ও আকাঙ্ক্ষাবাচক। - নির্দেশক ভাব আবার বিবৃতিমূলক বা প্রশ্নবাচক হতে পারে এবং এটি নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি কোথায় যাও? ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশক ভাবের প্রশ্নবাচক বাক্য কারণ এর মাধ্যমে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হচ্ছে। উদাহরণ ২: সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশক ভাবের বিবৃতিমূলক বাক্য কারণ এর মাধ্যমে চিরন্তন সত্য প্রকাশ পাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্য বলবে — এটি অনুজ্ঞা ভাব প্রকাশ করে কারণ এটি আদেশ বা উপদেশ বোঝাচ্ছে। B) তোমার নাম কী? — এটি সঠিক উত্তর। C) শিক্ষককে মান্য করো — এটি অনুজ্ঞা ভাব প্রকাশ করে কারণ এর মাধ্যমে উপদেশ বোঝানো হয়েছে। D) মানুষ হও — এটি অনুজ্ঞা ভাব প্রকাশ করে কারণ এটি একটি অনুরোধ বা উপদেশমূলক বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে বলা হয় বা সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, সেটিই নির্দেশক ভাব। - আদেশ, নিষেধ বা উপদেশ বোঝালে তা নির্দেশক ভাব না হয়ে অনুজ্ঞা ভাব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যের অর্থ ও বক্তার মনোভাব বুঝে ক্রিয়ার ভাব নির্ণয় করতে হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাব পরিবর্তনের বা ভাব শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a দুটি
b তিনটি
c চারটি
d পাঁচটি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিনটি ১. কেন সঠিক: একটি সাধারণ বাক্যের প্রধান অংশ মূলত তিনটি। বাক্য গঠনের মূল ভিত্তি হলো উদ্দেশ্য, বিধেয় এবং সংযোজক বা ক্রিয়াপদ যা বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে পদের সাহায্যে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পায়। একটি সার্থক সাধারণ বাক্যের প্রধান অংশ তিনটি যথা উদ্দেশ্য, বিস্তারক বা প্রসারক এবং বিধেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম বই পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে রহিম হলো উদ্দেশ্য এবং বই পড়ছে হলো বিধেয় অংশ। উদাহরণ ২: ভালো ছাত্ররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে। ব্যাখ্যা: ভালো ছাত্ররা হলো উদ্দেশ্য অংশ এবং মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে হলো বিধেয় অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটি — ভুল কারণ ঐতিহ্যগত ও গঠনগতভাবে সাধারণ বাক্যের প্রধান অংশ দুটি বলা হলেও আধুনিক ব্যাকরণে উদ্দেশ্য ও বিধেয় ছাড়াও অতিরিক্ত অংশ থাকে বিধায় প্রধান অংশ তিনটি ধরা হয়। B) তিনটি — সঠিক কারণ বাক্যের গঠনবিশ্লেষণে উদ্দেশ্য, বিধেয় এবং এদের সম্পূরক অংশ মিলিয়ে প্রধান অংশ তিনটি হিসেবে গণ্য করা হয়। C) চারটি — ভুল কারণ সাধারণ বাক্যের প্রধান অংশ কখনো চারটি হতে পারে না, এটি ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে। D) পাঁচটি — ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের প্রধান অংশ হিসেবে পাঁচটি অংশ স্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের প্রধান অংশ মনে রাখার সহজ উপায় হলো একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যকে প্রথমে কে বা কারা এবং কী করছে এই দুটি ভাগে ভাগ করা এবং সহায়ক অংশ মিলিয়ে মোট সংখ্যা তিনটি মনে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য প্রকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বাক্যের অংশ এবং প্রকারভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই নিয়মে বাক্যের উপাদানগুলো চিহ্নিত করার অভ্যাস করতে হবে।
a বাক্যের অর্থ
b বাক্যের প্রকাশভঙ্গি
c বাক্যের ভাব
d বাক্যের প্রয়োগ
0 45 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাক্যের প্রকাশভঙ্গি ১. কেন সঠিক: - বাচ্য শব্দের অর্থ বাক্যের প্রকাশভঙ্গি বা বাক্যের বলার রীতি। ক্রিয়ার প্রকাশভঙ্গিকেই ব্যাকরণে বাচ্য বলা হয়। - এর মাধ্যমে বাক্যে কর্তা, কর্ম বা ভাবের কার প্রাধান্য রয়েছে তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কর্তা বা কর্মের সম্পর্ক কিংবা প্রকাশের ভঙ্গিকেই বাচ্য বলে। বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য মূলত চার প্রকার। - এগুলো হলো কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য এবং কর্মকর্তৃবাচ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি বই পড়ছি। ব্যাখ্যা: এটি কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ কারণ এখানে কর্তার প্রধান্য রয়েছে। উদাহরণ ২: আমার দ্বারা কাজটি করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি কর্মবাচ্যের উদাহরণ কারণ এখানে কর্মের প্রধান্য প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের অর্থ — বাক্যের অর্থ হলো সম্পূর্ণ বক্তব্যের তাৎপর্য, যা বাচ্য বোঝায় না। B) বাক্যের প্রকাশভঙ্গি — এটি সঠিক কারণ বাচ্য মূলত ক্রিয়ার প্রকাশভঙ্গি নির্দেশ করে। C) বাক্যের ভাব — বাক্যের ভাব বলতে মনের প্রকাশ বা মোড বোঝায়, যা সম্পূর্ণ বাচ্য নয়। D) বাক্যের প্রয়োগ — বাক্যের প্রয়োগ হলো শব্দের সঠিক ব্যবহার, বাচ্যের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাচ্য মানেই ভঙ্গিমা বা ঢং। কর্তা, কর্ম বা ভাবের কোন ঢঙে বাক্যটি প্রকাশিত হলো সেটাই বাচ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্যের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বাক্য দেখে কর্তা বা কর্মের প্রাধান্য চিহ্নিত করতে পারলে খুব সহজেই সঠিক বাচ্য নির্ণয় করা যায়।
a অক্কা পাওয়া
b তালকানা
c ডুব মারা
d ভরাডুবি
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্কা পাওয়া ১. কেন সঠিক: - ‘পটল তোলা’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ মারা যাওয়া বা মৃত্যুবরণ করা। - অপশন এ এর ‘অক্কা পাওয়া’ বাগধারাটির অর্থও মৃত্যুবরণ করা, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা তাদের নিজস্বLiteral বা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - এই ধরনের শব্দ বা বাক্যাংশ ভাষাটিকে আরও সুন্দর, জীবন্ত ও আকর্ষক করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল গুড়ুম ব্যাখ্যা: এর অর্থ অবাক হওয়া বা হম্বিতম্বি কমে যাওয়া, যা অবস্থার তীব্রতা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: উনপুরে ব্যাখ্যা: এর অর্থ অকর্মণ্য বা অপদার্থ ব্যক্তি, যা কোনো কাজের অযোগ্য কাউকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্কা পাওয়া — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য। B) তালকানা — এর অর্থ হিতাহিত জ্ঞানশূন্য বা উগ্র স্বভাবের হওয়া, যা মৃত্যুর সমার্থক নয়। C) ডুব মারা — এর অর্থ আত্মগোপন করা বা হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, যা মৃত্যুর সমার্থক নয়। D) ভরাডুবি — এর অর্থ সর্বनाश বা সম্পূর্ণ ব্যর্থতা বোঝায়, যা মৃত্যুর সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পটল তোলা এবং অক্কা পাওয়া দুটিই মৃত্যুর অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক বাগধারা। - পরীক্ষায় মৃত্যু অর্থে এলে এই দুটি জোড়া মনে রাখা নিরাপদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক বাগধারাগুলো একই ভাবের বিভিন্ন রূপ প্রকাশ করে। - এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের সাধারণ অর্থ না বুঝে ভেতরের ভাবার্থ বুঝতে হবে।
a খুব তৎক্ষণাৎ অর্থে
b নিতান্ত অলস অর্থে
c যার বড় গোঁফ আছে অর্থে
d চাটুকার অর্থে
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিতান্ত অলস অর্থে ১. কেন সঠিক: 'গোঁফ খেজুরে' একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ গোঁফে খেঁজুর আটকে থাকা হলেও, বিশেষ অর্থে এটি এমন অলস ব্যক্তিকে বোঝায় যে সামান্য পরিশ্রমেও অনিচ্ছুক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে ভিন্ন ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। এই বাগধারাটি বাঙালির সংস্কৃতিতে অতিরিক্ত নিষ্ক্রিয়তা ও কর্মবিমুখতা বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলস প্রকৃতির মানুষটিকে দিয়ে কোনো কাজ হবে না, সে আস্ত এক গোঁফ খেজুরে। ব্যাখ্যা: এখানে মানুষটির চরম কর্মবিমুখতা বোঝাতে 'গোঁফ খেজুরে' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাদিন কোনো কাজ না করে শুধু বসে থাকা গোঁফ খেজুরে স্বভাবের লক্ষণ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পরিশ্রম না করার অলস অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুব তৎক্ষণাৎ অর্থে — এটি সঠিক নয় কারণ বাগধারাটি দ্রুততা বা তাৎক্ষণিক কোনো কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) নিতান্ত অলস অর্থে — এটি সঠিক এবং বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) যার বড় গোঁফ আছে অর্থে — এটি ভুল কারণ বাগধারা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়, আক্ষরিক অর্থে নয়। D) চাটুকার অর্থে — এটি ভুল কারণ চাটুকারিতা বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন তোষামোদকারী বা বাকসর্বস্ব শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গোঁফে খেঁজুর পড়লে তা হাত দিয়ে নামাতেও যার আলস্য লাগে, সে-ই হলো গোঁফ খেজুরে অর্থাৎ নিতান্ত অলস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই আসে। শব্দার্থের আক্ষরিক রূপ না বুঝে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a অবনি
b দ্রুম
c শর্বরী
d মরুত্ব
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শর্বরী ১. কেন সঠিক: - শর্বরী শব্দের অর্থ রাত বা রাত্রি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে এই শব্দের ব্যবহার বেশ দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে। - রাত শব্দের অন্য কিছু পরিচিত প্রতিশব্দ হলো রাত্রি, রজনী, যামিনী ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রজনী ব্যাখ্যা: রজনী শব্দটি রাত শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: যামিনী কাব্যিক অর্থে রাত বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবনি — অবনি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা, যা রাত শব্দের সমার্থক নয়। B) দ্রুম — দ্রুম শব্দের অর্থ বৃক্ষ বা গাছ, যা রাতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) শর্বরী — এটি রাত শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ এবং প্রশ্নের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক উত্তর। D) মরুত্ব — মরুত্ব বলতে সাধারণত বাতাস বা বায়ুকে বোঝায়, যা রাত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শর্বরী শুনলে রাতে তারা ভরা আকাশের কথা মাথায় রাখতে পারো। - সংস্কৃত বা কাব্যিক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ আলাদা করে মুখস্থ রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। - পরীক্ষায় প্রায়ই পৃথিবী, গাছ ও রাতের প্রতিশব্দগুলো একসঙ্গে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়।
a নিশাকর
b অর্ণব
c আদিত্য
d সবিতা
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিশাকর ১. কেন সঠিক: - 'চাঁদ' শব্দের একটি অন্যতম অর্থ বা প্রতিশব্দ হলো নিশাকর। - নিশা শব্দের অর্থ রাত্রি এবং কর শব্দের অর্থ আলো বা উৎপাদক, অর্থাৎ যিনি রাতে আলো দেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ও তদ্ভব শব্দ থেকে অনেক প্রতিশব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শশধর ব্যাখ্যা: চাঁদের পিঠে শাসকের বা খরগোশের মতো দাগ থাকে বলে চাঁদকে শশধর বলা হয়। উদাহরণ ২: সুধাকর ব্যাখ্যা: সুধা বা অমৃত ধারণ করে বলে চাঁদকে সুধাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশাকর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চাঁদ। B) অর্ণব — এই শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা চাঁদের প্রতিশব্দ নয়। C) আদিত্য — এই শব্দের অর্থ সূর্য, যা চাঁদের প্রতিশব্দ নয়। D) সবিতা — এই শব্দের অর্থও সূর্য, যা চাঁদের প্রতিশব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাতের আকাশ বা নিশা সম্পর্কিত শব্দগুলো সাধারণত চাঁদের সমার্থক হয়। - সূর্যবাচক শব্দের সাথে চন্দ্রবাচক শব্দের পার্থক্য মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, নদী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দ বারবার আসে। - প্রতিশব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের মূল অর্থ বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
a বর্ণ
b বর্গ
c পদ
d শব্দ
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্গ ১. কেন সঠিক: বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দের সমষ্টি বা গুচ্ছকে ব্যাকরণের পরিভাষায় বর্গ বলা হয়। যখন কয়েকটি শব্দ মিলে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে এবং বাক্যের মধ্যে একটি পদের মতো কাজ করে, তখন তাকে শব্দবর্গ বা বর্গ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বর্গ হলো এমন কতগুলো শব্দের গুচ্ছ যা বাক্যে একত্রে অবস্থান করে এবং একক কোনো পদের ভূমিকা পালন করে। যেমন বিশেষ্য বর্গ বা ক্রিয়া বর্গ বাক্যের অর্থের গভীরতা বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাল রঙের ফুলটি খুব সুন্দর। ব্যাখ্যা: এখানে লাল রঙের ফুলটি একটি শব্দের গুচ্ছ যা বাক্যে বিশেষ্য বর্গের কাজ করেছে। উদাহরণ ২: সে খুব দ্রুত দৌড়াতে পারে। ব্যাখ্যা: এখানে খুব দ্রুত একটি শব্দের গুচ্ছ যা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — ভাষা লেখার মৌলিক প্রতীক বা ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয়, যা শব্দের চেয়েও ক্ষুদ্রতর একক। B) বর্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শব্দের গুচ্ছকে নির্দেশ করে। C) পদ — বাক্য ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দকে আলাদাভাবে পদ বলা হয়, এটি একাধিক শব্দের গুচ্ছ নয়। D) শব্দ — অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলা হয়, যা এককভাবে অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু শব্দের গুচ্ছকে বর্গ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: একাধিক শব্দ মিলে যখন গুচ্ছ তৈরি হয় এবং বাক্যে দলবদ্ধভাবে কাজ করে, তখন তাকে বর্গ বলে মনে রাখবে। বর্গের মূল কাজ শব্দের গুচ্ছ হিসেবে একত্রে অবস্থান করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ, পদ এবং বর্গের পার্থক্য প্রায়ই কনফিউশন তৈরি করে। শব্দ হলো একক, পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত শব্দ, আর বর্গ হলো শব্দের গুচ্ছ।
a A child does not like sweets.
b A child likes nothing but sweets.
c A child likes none but sweets.
d No one.
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A child likes nothing but sweets. কেন সঠিক: - Affirmative বাক্যে কেবল মাত্র ব্যক্তি বুঝাতে 'only'-এর পরিবর্তে 'none but' এবং বস্তু বুঝাতে 'nothing but' বসে। - 'sweets' একটি বস্তুবাচক শব্দ হওয়ায় এখানে 'only'-এর পরিবর্তে 'nothing but' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A child does not like sweets. — এটি অর্থের সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে ভুল বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) A child likes nothing but sweets. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক রূপান্তর। C) A child likes none but sweets. — 'sweets' বস্তু হওয়ায় এখানে 'none but' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) No one. — এটি একটি অসম্পূর্ণ বাক্য যা প্রদত্ত প্রশ্নটির নেতিবাচক রূপান্তর হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Affirmative বাক্যে বস্তুর ক্ষেত্রে only থাকলে Negative করার সময় only-এর বদলে nothing but বসাতে হয়।
a Very fat
b Ugly
c Tardy
d Obnoxious
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Very fat কেন সঠিক: Obese শব্দটি মূলত অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতাকে নির্দেশ করে। এটি মানুষের শারীরিক গঠনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মোটা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। Very fat অর্থ অতিরিক্ত মোটা, যা obese শব্দের সমার্থক। এই শব্দটি চিকিৎসা ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ওজনের জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Very fat — এটি সঠিক উত্তর এবং obese শব্দের সমার্থক। B) Ugly — এর অর্থ কুৎসিত, যা শারীরিক ওজনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Tardy — এর অর্থ বিলম্বিত বা মন্থর, যা সময়ের সাথে সম্পর্কিত। D) Obnoxious — এর অর্থ অত্যন্ত অপছন্দনীয় বা বিরক্তিকর, যা স্বভাবকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Obese শব্দটির ভেতরেই ওজনের আধিক্য বোঝানোর ইঙ্গিত থাকে, তাই very fat মনে রাখা সহজ।
a Printing
b Cooking
c Musical instrument
d Dress
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cooking কেন সঠিক: culinary শব্দটি মূলত রান্না বা খাদ্য প্রস্তুতি সংক্রান্ত কাজের সাথে জড়িত। এটি বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার তৈরি এবং রন্ধনশিল্পের সাথে সরাসরি যুক্ত। রন্ধনপ্রণালী বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Printing — এটি মুদ্রণ বা ছাপার কাজের সাথে সম্পর্কিত, রান্নার সাথে এর কোনো মিল নেই। B) Cooking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি রন্ধনশিল্প ও খাবার তৈরির সাথে যুক্ত। C) Musical instrument — এটি বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের সাথে সম্পর্কিত, যা খাদ্যের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Dress — এটি পোশাক বা পরিচ্ছদের সাথে সম্পর্কিত, যা রান্নার ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Kitchen এবং Culinary শব্দ দুটি একই বিষয় অর্থাৎ রান্নার সাথে জড়িত।
a To protect
b To terminate
c To tolerate
d To prevent
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) To tolerate কেন সঠিক: - 'Put up with' একটি পরিচিত গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সহ্য করা বা কোনো কিছু মেনে নেওয়া। - প্রদত্ত বাক্যে বক্তা তার আচরণ আর সহ্য করতে পারছে না বোঝাতে 'tolerate' শব্দটি ব্যবহার করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To protect — এর অর্থ সুরক্ষা করা, যা বাক্যের ভাব বা গ্রুপ ভার্বটির অর্থের সাথে মেলে না। B) To terminate — এর অর্থ সমাপ্ত করা বা বাতিল করা, যা সহ্য করার সমার্থক নয়। C) To tolerate — এটি 'put up with' এর সঠিক অর্থ হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। D) To prevent — এর অর্থ প্রতিরোধ করা, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Put up with' দেখলে মাথায় রাখবে এটি সহ্য করার ক্ষমতা বা ধৈর্য ধারণের সাথে সম্পৃক্ত, যার সোজা অর্থ 'tolerate'।
a Unanimity
b Contention
c Bickering
d Dispute
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Unanimity কেন সঠিক: - 'Controversy' শব্দের অর্থ বিতর্ক, মতবিরোধ বা বিবাদ। - 'Unanimity' শব্দের অর্থ সর্বসম্মত মত বা ঐকমত্য, যা বিতর্ক শব্দের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unanimity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Contention — এর অর্থ বিতর্ক বা প্রতিযোগিতা, যা controversy শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। C) Bickering — এর অর্থ তুচ্ছ বিষয়ে ঝগড়া বা বিবাদ, যা controversy শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। D) Dispute — এর অর্থ বিতর্ক বা বিরোধ, যা controversy শব্দের সিনোনিম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Controversy মানে বিতর্ক আর Unanimity মানে সবার মিল বা ঐকমত্য।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: Sibling শব্দটি ভাই এবং বোন উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি লিঙ্গ নির্দেশ করে যা পুরুষ বা স্ত্রী উভয়ই হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ যেমন brother বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝায়। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন sister বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝায়। C) Neuter — এটি জড় পদার্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling একজন রক্তসম্পর্কিত জীবন্ত মানুষকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই একসাথে বোঝায়, সেগুলোকেই Common gender বলা হয়।
a from giving up
b to give up
c in giving up
d diving up
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to give up কেন সঠিক: 'Advise' verb-এর পর object থাকলে পরবর্তী verb-এর সাথে infinitives অর্থাৎ to বঙে। এখানে পরামর্শ দেওয়ার কাজটি বোঝাতে 'give up' (বর্জন করা) verb-টির আগে to বসেছে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সে আমাকে ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from giving up — 'Advise'-এর পর সরাসরি from বসে gerund হয় না, তাই এটি ভুল। B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। C) in giving up — 'Advise'-এর পর in বসে gerund হয় না, তাই এটি ভুল। D) diving up — 'diving up' বলে কোনো সঠিক ইংরেজি বাকধারা বা ফ্রেজ নেই। মনে রাখার টিপস: Advise-এর পর সরাসরি ব্যক্তিবাচক object থাকলে infinitive (to + verb) বসে।
a Comfortable
b Useful
c Convenient
d Light
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Useful কেন সঠিক: Handy শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো যা কোনো কাজে সহজে ব্যবহার করা যায়। তাই অর্থগত দিক থেকে useful বা দরকারী শব্দটি এর সবচেয়ে সঠিক সমার্থক। কোনো কিছু হাতের কাছে পাওয়া এবং তা দিয়ে কাজ চালানো বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। এই কারণে handy এর মূল বাংলা অর্থ দাঁড়ায় উপকারী বা দরকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Comfortable — এই শব্দটির অর্থ আরামদায়ক, যা handy শব্দের মূল অর্থের সাথে সরাসরি মিলে না। B) Useful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Convenient — এর অর্থ সুবিধাজনক হলেও এটি handy শব্দের সবচেয়ে নিখুঁত সমার্থক নয়। D) Light — এই শব্দটির অর্থ হালকা, যা দিয়ে কাজের উপযোগিতা পুরোপুরি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Handy শব্দটি হ্যান্ড বা হাত থেকে এসেছে, অর্থাৎ যা হাতের কাছে থাকে এবং খুব কাজে লাগে।
a The French people
b The French Language
c The French manners
d The French society
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The French people কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো জাতির নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'The' বসালে তা পুরো জাতির সকল মানুষকে বোঝায়। এই নিয়মের কারণে 'The French' বলতে ফ্রান্সের সাধারণ জনগণকে নির্দেশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The French people — এটি সঠিক কারণ এটি পুরো জাতির মানুষকে নির্দেশ করে। B) The French Language — এটি ভুল কারণ ভাষার নামের আগে 'The' বসালে তা মানুষ বোঝায় না। C) The French manners — এটি ভুল কারণ এটি মানুষের আচার-আচরণকে বোঝায় যা এই প্রমিত নিয়মের বাইরে। D) The French society — এটি ভুল কারণ এটি নির্দিষ্ট কোনো সমাজকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: জাতির নামের আগে 'The' থাকলে সব সময় সেই দেশের সব মানুষকে বোঝায়।
a Placidity
b Apprehension
c Equanimity
d Composure
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Apprehension কেন সঠিক: ‘Fright’ শব্দটির অর্থ হলো ভয়, আতঙ্ক বা চরম শঙ্কা। ‘Apprehension’ শব্দের অর্থও ভীতি বা আশঙ্কা। তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক। এই কারণে অপশন বি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Placidity — এই শব্দটির অর্থ হলো প্রশান্তি বা শান্ত ভাব, যা ভয়ের বিপরীত। B) Apprehension — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) Equanimity — এই শব্দটির অর্থ হলো মনের স্থিরতা বা ধৈর্য। D) Composure — এই শব্দটির অর্থ হলো আত্মসংযম বা মানসিক শান্তভাব। মনে রাখার টিপস: ভয় পেলে মনে যে আশঙ্কা জাগে, তাকে অ্যাপপ্রিহেনশন বা ফ্রাইট বলা হয়।
a Lady Actor
b Actrine
c Actress
d Actres
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Actress কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দ Actor এর সাথে ess যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। তাই Actor শব্দের সঠিক feminine gender হলো Actress এবং এর বানানে অতিরিক্ত t থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lady Actor — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ Actor শব্দের নিজস্ব প্রচলিত স্ত্রীবাচক রূপ রয়েছে। B) Actrine — এই শব্দটি ভুল কারণ ইংরেজিতে ess প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়ম প্রচলিত আছে। D) Actres — এই বানানটি ভুল কারণ শব্দের শেষে একটি অতিরিক্ত s অক্ষর কম রয়েছে। মনে রাখার টিপস: অর বা ওর যুক্ত পুরুষবাচক শব্দের শেষে সাধারণত ess যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করতে হয়।
a Many years passed away since he had died.
b Many years passed away since he died.
c Many years passed away since he has died.
d Many years passed away since he had died.
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Many years passed away since he died. কেন সঠিক: 'Since' এর নিয়ম অনুযায়ী এর আগের অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। এখানে 'passed away' এবং 'died' উভয়ই পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রয়েছে। বাক্যের অর্থ ও গঠন উভয় দিক থেকেই এটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A) Many years passed away since he had died. - এখানে 'had died' পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী এটি ভুল। B) B) Many years passed away since he died. - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) C) Many years passed away since he has died. - এখানে 'has died' প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় বাক্যটির গঠন সঠিক হয়নি। D) D) Many years passed away since he had died. - অপশন এ এর মতো এখানেও ভুল টেন্স ব্যবহারের কারণে এটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: 'Since' এর বাম পাশে পাস্ট ইনডেফিনিট থাকলে ডান পাশেও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স বসাতে হয়।
a foots
b footes
c feet
d footes
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) feet কেন সঠিক: English ব্যাকরণে কিছু noun এর plural করার সময় vowel পরিবর্তন হয়। foot শব্দের ভেetর থাকা oo পরিবর্তিত হয়ে ee রূপ ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) foots — ইংরেজী ব্যাকরণে foot শব্দের সাথে সাধারণ নিয়মে s যোগ করে plural করা যায় না। এটি ভুল গঠন। B) footes — এই বানানে es যুক্ত করা হয়েছে যা অনিয়মিত plural এর নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। C) feet — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) footes — একই ভুল বানান অপশন বি এর মতো পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: foot এর মতো tooth শব্দটিরও plural করতে হলে oo এর জায়গায় ee বসিয়ে teeth করতে হয়।
a an
b a
c the
d not applicable
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) an কেন সঠিক: - M.B.B.S শব্দটির উচ্চারণ করার সময় শুরুতে স্বরবর্ণ এ (Em) এর উচ্চারণ আসে। - উচ্চারণের শুরুতে স্বরবর্ণের ধ্বনি থাকলে তার পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — সঠিক উত্তর কারণ এটি vowel sound এর নিয়ম অনুসারে বসেছে। B) a — consonant sound এর পূর্বে বসে, যা M.B.B.S এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) the — নির্দিষ্ট কোনো শব্দের পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি একটি সাধারণ পদবি। D) not applicable — এখানে আর্টিকেল বসানোর সুযোগ রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত রূপ বা Abbreviation পড়ার সময় উচ্চারণ যদি স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়, তবে তার পূর্বে সর্বদা an বসবে।
a to
b in
c after
d at
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: কোনো স্থির বস্তুর দিকে মনোযোগ দিয়ে তাকানো বোঝালে 'look' verb-টির পরে preposition হিসেবে 'at' বসে। এখানে ছবির দিকে তাকানোর কথা বলা হয়েছে তাই সঠিক preposition হবে 'at'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — 'Look to' সাধারণত ভবিষ্যতের কোনো আশার ক্ষেত্রে বা কারো দিকে মনোযোগ দেওয়ার জন্য বসে, ছবির ক্ষেত্রে নয়। B) in — 'Look in' সাধারণত কোনো ঘরের ভেতর উঁকি দেওয়া বা পরিদর্শন করার অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) after — 'Look after' এর অর্থ যত্ন নেওয়া, যা ছবির ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও স্থিরভাবে তাকানো বা দৃষ্টি নিবদ্ধ করা বোঝালে সবসময় look এর পরে at বসবে।
a 1/2 অংশ
b 3/8 অংশ
c 1/6 অংশ
d 2/3 অংশ
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৬ অংশ প্রدত্ত তথ্য: সময় দেওয়া আছে এক ঘণ্টা কুড়ি মিনিট মোট সময় দেওয়া আছে আট ঘণ্টা ধরি, এক ঘণ্টা সমান ষাট মিনিট অতএব, এক ঘণ্টা কুড়ি মিনিট সমান ষাট মিনিট যোগ কুড়ি মিনিট যোগফল হলো আশি মিনিট আট ঘণ্টা সমান আট গুণ ষাট মিনিট সমান চারশো আশি মিনিট সুতরাং, নির্ণয়ে অংশ হলো আশি ভাগ চারশো আশি কাটাকাটি করলে হয় এক ভাগ ছয় অংশ উত্তর: এক ভাগ ছয় অংশ
a আয়তক্ষেত্র
b রম্বস
c বর্গক্ষেত্র
d ট্রাপিজিয়াম
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান ধরি, ABCD একটি সামান্তরিক যেখানে কর্ণ AC সমান কর্ণ BD অতএব, সামান্তরিকের কোণগুলোর মান পরিবর্তিত হয়ে সমকোণে পরিণত হয় ফলে এর প্রতিটি কোণ নব্বই ডিগ্রি হয় সুতরাং, যে সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় সমান এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ তাকে আয়তক্ষেত্র বলে উত্তর: আয়তক্ষেত্র
a দৈর্ঘ্য × উচ্চতা
b দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
c 1/2 × দৈর্ঘ্য × উচ্চতা
d ভূমি × উচ্চতা
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে ধরি, সামান্তরিকের ভূমি = ক সামান্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করি সুতরাং, ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
a ৯
b ৮
c ৩
d ২
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো ৯, ৮, ৩ এবং ২ ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যার ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই অতএব, ৯ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১, ৩, ৯ ৮ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১, ২, ৪, ৮ সুতরাং, ৩ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১ এবং ৩ ২ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১ এবং ২ উত্তর: ২
a 5/6
b 2/5
c 2/6
d 3/7
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২/৬ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/৬, ২/৫, ২/৬ এবং ৩/৭ ধরি, ভগ্নাংশগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করা সহজ হবে অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ৫ ÷ ৬ = ০.৮৩৩ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ৫ = ০.৪ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ৬ = ০.৩৩৩ চতুর্থ ভগ্নাংশ = ৩ ÷ ৭ = ০.৪২৮ সুতরাং, প্রাপ্ত দশমিক মানগুলোর মধ্যে ০.৩৩৩ হলো সবচেয়ে ছোট উত্তর: C) ২/৬
a ৮০.০০%
b ২৫.০০%
c ৬০.০০%
d ৭৫.০০%
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৫.০০% প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ১২০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ১২০ − ৩০ = ৯০ জন সুতরাং, পাসের হার = (৯০ ÷ ১২০) × ১০০% উত্তর: ৭৫.০০%
a ৬০০ টাকা
b ৭০০ টাকা
c ৮০০ টাকা
d ৫০০ টাকা
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল = ৮০০০ টাকা সুদের হার = বার্ষিক ১৫% সময় = ৬ মাস বা আধা বছর ধরি, আসল পি = ৮০০০ টাকা বার্ষিক সুদের হার আর = ১৫% সময় এন = ৬ মাস বা ১÷২ বছর অতএব, ১ বছরের সুদ = ৮০০০ টাকার ১৫% ১ বছরের সুদ = ১২০০ টাকা সুতরাং, ৬ মাসের সুদ = ১২০০ টাকার অর্ধেক = ৬০০ টাকা উত্তর: ৬০০ টাকা
a a^2 - 2ab + b^2
b (a+b)(a-b)
c a^2 + 2ab - b^2
d (a-b)^2 + 2ab
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a^2 − 2ab + b^2 প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি সাধারণ বর্গ নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োজন যেখানে দুটি রাশির বিয়োগফলের বর্গ বের করতে বলা হয়েছে ধরি, প্রথম রাশিটি = a দ্বিতীয় রাশিটি = b অতএব, রাশি দুটির বিয়োগফল = a − b এই বিয়োগফলের বর্গ = (a − b) এর হোল স্কয়ার সুতরাং, বীজগণিতীয় নিয়ম অনুযায়ী এর বিস্তার হলো a স্কয়ার − 2ab + b স্কয়ার উত্তর: a^2 − 2ab + b^2
a 1
b (a^2 - b^2)(a^2 + b^2)
c (a+b)
d (a-b)
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a^২ − b^২ দ্বিতীয় রাশি = a^২ + b^২ ধরি, প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই = (a + b) × (a − b) দ্বিতীয় রাশি অপরিবর্তিত থাকে = (a^২ + b^২) অতএব, প্রথম রাশির উৎপাদকগুলি হলো (a + b) এবং (a − b) দ্বিতীয় রাশির কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই যা প্রথম রাশিতে আছে সুতরাং, রাশি দুটির মধ্যে কোনো সাধারণ গুণনীয়ক বা উৎপাদক নেই উত্তর: ১
a 2
b 0
c 12
d 1
0 44 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + ২y = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো xy = ২ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x = ৪ − ২y এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই অতএব, (৪ − ২y) × y = ২ ৪y − ২y^২ = ২ সুতরাং, ২y^২ − ৪y + ২ = ০ y^২ − ২y + ১ = ০ উত্তর: x এর মান হলো ২
a (a-b)^3
b (a+b)^2
c a^2 - b^2
d a^2 + b^2
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (a+b)^2 প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিমালা হলো (a-b)^2 + 4ab ধরি, প্রথম অংশ হলো (a-b) এর বর্গ দ্বিতীয় অংশ হলো 4ab অতএব, (a-b) এর বর্গ ভাঙালে পাওয়া যায় a^2 − 2ab + b^2 এর সাথে 4ab যোগ করতে হবে সুতরাং, a^2 − 2ab + b^2 + 4ab হিসাব করলে হয় a^2 + 2ab + b^2 উত্তর: (a+b)^2
a ২:০১
b ৩:০১
c ৪:০৩
d ৩:০২
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩:০১ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার যোগফল তাদের বিয়োগফলের দ্বিগুণ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ২ × (ক − খ) বা, ক + খ = ২ক − ২খ সুতরাং, ক = ৩খ উত্তর: ক : খ = ৩ : ১
a ১৮০°
b ৯০°
c ৩৬০°
d ২২০°
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের যেকোনো প্রকারভেদের ক্ষেত্রে তিন কোণের মানের সমষ্টি নির্দিষ্ট থাকে ধরি, ত্রিভুজের প্রথম কোণ = ৯০° ত্রিভুজের দ্বিতীয় কোণ = ক° ত্রিভুজের তৃতীয় কোণ = খ° অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = প্রথম কোণ + দ্বিতীয় কোণ + তৃতীয় কোণ জ্যামিতির নিয়ম অনুসারে যেকোনো ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০° হয় সুতরাং, ৯০° + ক° + খ° = ১৮০° উত্তর: ১৮০°
a ৫০°
b ২০°
c ৩০°
d ৮০°
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ সমকোণটির মান = ৯০° সমকোণের বিপরীত কোণ বা একটি সূক্ষ্মকোণ = ৫০° ধরি, ত্রিভুজের অপর সূক্ষ্মকোণটি = ক অতএব, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ৯০° + ৫০° + ক = ১৮০° উত্তর: ৮০°
a আয়তক্ষেত্র
b সামান্তরিক
c বর্গক্ষেত্র
d ট্রাপিজিয়াম
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চারটি বাহু রয়েছে বিপরীত দুটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল অন্য দুটি বিপরীত বাহু অসমান ধরি, চতুর্ভুজটির সমান্তরাল বাহু দুটি ক এবং খ অসমান বাহু দুটি গ এবং ঘ অতএব, সমান্তরাল বাহু জোড়ার মধ্যবর্তী দূরত্ব সমান নয় বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হওয়ায় এটি আয়ত বা সামান্তরিক নয় সুতরাং, যে চতুর্ভুজের এক জোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে উত্তর: ট্রাপিজিয়াম
a আমাজন
b নীলনদ
c হোয়াংহো
d গঙ্গা
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীলনদ কেন সঠিক: - নীলনদ আফ্রিকার ১১টি দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৬৫০ কিলোমিটার। - এটি প্রাচীনকাল থেকেই পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমাজন — এটি দক্ষিণ আমেরিকার নদী এবং পানির পরিমাণের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী হলেও দৈর্ঘ্য নীলনদের চেয়ে কম। B) নীলনদ — এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদী, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) হোয়াংহো — এটি চীনের একটি প্রধান নদী এবং একে পীত নদী বলা হয়, তবে এর দৈর্ঘ্য নীলনদের মতো বেশি নয়। D) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের একটি প্রধান নদী, তবে দৈর্ঘ্যের দিক থেকে এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নয়। মনে রাখার টিপস: দীর্ঘতম নদী মনে রাখতে নীল রং বা আকাশের দীর্ঘতার সঙ্গে তুলনা করতে পারো, যেমন নীল আকাশ যেমন অনেক লম্বা, তেমনি নীলনদও বিশ্বের দীর্ঘতম।
a ইয়াংসিকিয়াং
b ম্যাকেঞ্জি
c হোয়াংহো
d রো
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হোয়াংহো কেন সঠিক: - এই নদীটি ঘন ঘন গতিপথ পরিবর্তন করে এবং আকস্মিক ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। - অতীতে এই নদীর বন্যায় বহু মানুষের প্রাণহানি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় একে চীনের দুঃখ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াংসিকিয়াং — এটি এশিয়ার দীর্ঘতম নদী এবং চীনের প্রধান বাণিজ্যিক জলপথ, তাই এটি ধ্বংস বা দুঃখের প্রতীক নয়। B) ম্যাকেঞ্জি — এটি কানাডার দীর্ঘতম নদী এবং উত্তর আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যার সঙ্গে চীনের কোনো সম্পর্ক নেই। C) হোয়াংহো — এটি সঠিক উত্তর। D) রো — এটি ইতালির রাজধানী রোম শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত টাইবার নদীর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি নাম, যা চীনের কোনো নদী নয়। মনে রাখার টিপস: হোয়াংহো নদী মানেই হলুদ নদী এবং বারবার বন্যার কারণে এটি চীনের দুঃখ নামে পরিচিত।
a ১৯৭২ সালে
b ১৯৭৫ সালে
c ১৯৭৬ সালে
d ১৯৭৯ সালে
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭২ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন বা BIWTC ১৯৭২ সালের ১৩ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়। - যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনের জন্য রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই সংস্থাটি গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ সালে — এই সালটি সঠিক কারণ BIWTC এই সালেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৯৭৫ সালে — এই সালে BIWTC প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৯৭৬ সালে — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ এর অনেক আগেই সংস্থাটি গঠিত হয়। D) ১৯৭৯ সালে — এই অপশনটি সঠিক নয়, এটি BIWTC প্রতিষ্ঠার সাল নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই অর্থাৎ ১৯৭২ সালে BIWTC গঠিত হয়।
a ১২৩৫
b ১৪১৫
c ১৫৩০
d ১৫৪৮
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) ১৪১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং নদী গবেষকদের সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশে নদনদীর মোট সংখ্যা ১৪১৫টি। - নদীমাতৃক বাংলাদেশে শাখা নদী ও উপনদীসহ জালের মতো ছড়িয়ে থাকা প্রধান ও ক্ষুদ্র নদীগুলোর মোট প্রামাণ্য হিসাব এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৩৫ — এটি কোনো প্রামাণ্য বা সরকারি সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত নদীর সংখ্যা নয়। B) ১৪১৫ — এটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের নদীর সঠিক সংখ্যা। C) ১৫৩০ — এটি অতীতের কিছু অপ্রাতিষ্ঠানিক বা পুরনো জরিপের সংখ্যা যা বর্তমানের সঙ্গে মেলে না। D) ১৫৪৮ — এটিও নদীর সংখ্যা হিসেবে ভুল এবং কোনো নির্ভরযোগ্য দাপ্তরিক তথ্যে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, তাই নদীর সংখ্যাটিও মনে রাখতে হবে চার অঙ্কবিশিষ্ট চৌদ্দশ পনেরো বা ১৪১৫টি।
a কায়রো
b আলেকজান্দ্রিয়া
c খার্তুম
d মাদ্রিদ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কায়রো কেন সঠিক: - কায়রো হলো মিশরের রাজধানী যা বিখ্যাত নীল নদের তীরে অবস্থিত। - নীল নদ আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী এবং এর অববাহিকাতেই প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়রো — এটি নীল নদের তীরে অবস্থিত মিশরের রাজধানী এবং সঠিক উত্তর। B) আলেকজান্দ্রিয়া — এটি নীল নদের তীরে নয়, বরং ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত মিশরের একটি বন্দরনগরী। C) খার্তুম — এটি সুদানের রাজধানী এবং নীল নদের তীরে অবস্থিত হলেও প্রশ্নটি সাধারণত মিশরের রাজধানী কায়রোকে নির্দেশ করে, তবে খার্তুমও নীল নদের তীরে অবস্থিত এবং সুদান অংশে পড়ে। D) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং ইউরোপ মহাদেশের মানসা নদীর তীরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মিশরের পিরামিড দেখতে গেলে কায়রোতে নামতে হয়, আর কায়রো মানেই নীল নদ।
a কিয়েভ
b কোপেনহেগেন
c লুক্সেমবার্গ
d সুফিয়া
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কিয়েভ কেন সঠিক: - কিয়েভ হলো পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের রাজধানী এবং সবচেয়ে বড় শহর। - এটি নিপ্রো নদীর তীরে অবস্থিত এবং দেশটির রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিয়েভ — এটি ইউক্রেনের রাজধানী হওয়ায় এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর। B) কোপেনহেগেন — এটি ডেনমার্কের রাজধানী, তাই এটি ইউক্রেনের রাজধানী নয়। C) লুক্সেমবার্গ — এটি লুক্সেমবার্গ নামক ইউরোপীয় দেশের রাজধানী, ইউক্রেনের রাজধানী নয়। D) সুফিয়া — এটি কোনো দেশের রাজধানী নয়, তাই এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: ইউক্রেন শব্দের প্রথম অক্ষর উ এবং এর রাজধানী কিয়েভ শব্দের শুরু ক দিয়ে, মনে রাখতে পারেন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।
a ফ্রান্স
b ব্রিটেন
c রাশিয়া
d ইউক্রেন
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া কেন সঠিক: - রাশিয়া পৃথিবীর মোট ভূখণ্ডের প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ জুড়ে অবস্থিত যার আয়তন প্রায় এক কোটি সত্তর লক্ষ বর্গকিলোমিটার। - এর একটি বিশাল অংশ এশিয়া মহাদেশে এবং বাকি অংশ ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত হওয়ায় এটি ইউরোপের সর্ববৃহৎ দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও আয়তনে রাশিয়ার চেয়ে অনেক ছোট এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ দেশ। B) ব্রিটেন — এটি উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর আয়তন ও ভূখণ্ড রাশিয়ার তুলনায় অত্যন্ত ক্ষুদ্র। C) রাশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা বিশ্বের এবং ইউরোপের উভয় ক্ষেত্রেই আয়তনে বৃহত্তম দেশ। D) ইউক্রেন — এটি ইউরোপের একটি রাষ্ট্র হলেও এটি কেবল ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে বড়, রাশিয়া বা সমগ্র বিশ্বের বৃহত্তম নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের ও ইউরোপের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া, যার প্রথম অক্ষর র দিয়ে রাজত্ব বা বিশালতা মনে রাখা যায়।
a অষ্টম
b নবম
c দশম
d সপ্তম
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অষ্টম কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সর্বশেষ প্রাক্কলন ও বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে অষ্টম। - বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় সতেরো কোটি এবং ঘনত্বের দিক থেকে এটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় জনবহুল দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অষ্টম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ হিসেবে স্বীকৃত। B) নবম — অতীতে এই স্থানটি থাকলেও বর্তমান জনমিতি অনুযায়ী নবম অবস্থান সঠিক নয়। C) দশম — বাংলাদেশ অনেক আগেই দশম অবস্থান অতিক্রম করে অষ্টম স্থানে উন্নীত হয়েছে। D) সপ্তম — সপ্তম জনবহুল দেশ হিসেবে রাশিয়া বা মেক্সিকোর অবস্থান, বাংলাদেশ সপ্তম নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের জনবহুল দেশগুলোর মধ্যে আট নম্বরে আছে বাংলাদেশ, সংখ্যাটি মনে রাখতে আট ও বাংলাদেশ একসঙ্গে মিলিয়ে ভাবুন।
a গণতন্ত্র
b মূল্যবোধ
c আইনের শাসন
d আমলাতন্ত্র
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আইনের শাসন কেন সঠিক: - আইনের শাসন হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই আইনের চোখে সমান এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত হয়। - সুশাসনের বিশ্বস্বীকৃত মূল ভিত্তি বা স্তম্ভ হলো আইনের শাসন, যা ছাড়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণতন্ত্র — গণতন্ত্র সুশাসনের অন্যতম একটি মাধ্যম হলেও এটি একমাত্র মূল ভিত্তি নয়, কারণ আইনের শাসন ছাড়া গণতন্ত্রও স্বৈরাচারী হতে পারে। B) মূল্যবোধ — নৈতিক মূল্যবোধ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে, কিন্তু এটি সুশাসনের প্রশাসনিক ও আইনি মূল ভিত্তির সমার্থক নয়। C) আইনের শাসন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) আমলাতন্ত্র — আমলাতন্ত্র হলো শাসন পরিচালনার একটি মাধ্যম বা যন্ত্র মাত্র, সুশাসনের ভিত্তি নয়। মনে রাখার টিপস: সুশাসন শব্দটি শুনলেই মাথায় আনতে হবে আইনের শাসনকে, কারণ আইন না থাকলে সুশাসন টিকে থাকতে পারে না।
a প্রাকৃতিক গ্যাস
b চুনাপাথর
c কয়লা
d চীনামাটি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক গ্যাস কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ এবং এটি দেশের বাণিজ্যিক শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস। - বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালি কাজে এর ব্যবহার সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শক্তিতে এর অবদান সবচেয়ে বেশি। B) চুনাপাথর — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ হলেও দেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হিসেবে গ্যাসকে গণ্য করা হয়। C) কয়লা — দেশে কয়লার বেশ কিছু বড় খনি থাকলেও প্রধান খনিজ সম্পদ হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসই শীর্ষস্থানে রয়েছে। D) চীনামাটি — এটি সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হলেও পরিমাণে ও অর্থনৈতিক গুরুত্বে এটি প্রধান খনিজ সম্পদ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের শক্তি খাতের প্রধান চালিকাশক্তি হলো গ্যাস, তাই খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে গ্যাসের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
a ঢাকা
b ময়মনসিংহ
c কক্সবাজার
d গাজীপুর
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ জেলায় দেশের অন্যান্য গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় উৎপাদিত ক্ষমতা সবচেয়ে কম। - বিদ্যুৎ খাতের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী এই জেলায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বা প্রকল্পের পরিমাণ সর্বনিম্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা জেলায় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা এর উৎপাদন ময়মনসিংহের মতো সর্বনিম্ন নয়। B) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কক্সবাজার — কক্সবাজারে দেশের অন্যতম বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত, তাই এটি সর্বনিম্ন নয়। D) গাজীপুর — গাজীপুর জেলায় শিল্প ও অন্যান্য কারণে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উপস্থিতি ময়মনসিংহের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ম দিয়ে ময়মনসিংহকে সর্বনিম্ন হিসেবে মনে রাখবে।
a সৌদি আরব
b মালয়েশিয়া
c সংযুক্ত আরব আমিরাত
d কুয়েত
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৌদি আরব কেন সঠিক: - সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার এবং বিগত বছরগুলোতে এই দেশটিতেই সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মী কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গমন করেছে। - মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে তেল ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রচুর কর্মীর প্রয়োজন হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর সর্বাধিক জনশক্তি এই রাষ্ট্রে রপ্তানি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ থেকে সর্বাধিক সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক এই দেশে চাকরি নিয়ে যান। B) মালয়েশিয়া — এটি একটি বড় শ্রমবাজার হলেও সৌদি আরবের মতো সার্বিকভাবে সর্বোচ্চ পরিমাণ জনশক্তি বাংলাদেশ থেকে এখানে যায় না। C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এই দেশটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত থাকলেও এটি সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে নেই। D) কুয়েত — এটি বাংলাদেশের অন্যতম শ্রমবাজার হলেও এখানে যাওয়া কর্মীর সংখ্যা সৌদি আরবের তুলনামূলকভাবে বেশ কম। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বেশি মানুষ যেখানে কাজ করতে যায়, সেই সৌদি আরব থেকেই মাথায় রাখুন এস (সৌদি) দিয়ে সবচেয়ে সুপার বা সর্বোচ্চ জনশক্তি বোঝায়।
a হামিদুজ্জামান
b সৈয়দ মাইনুল ইসলাম
c স্থপতি নোভেরা আহমেদ
d স্থপতি মৃণাল হক
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মাইনুল ইসলাম কেন সঠিক: - স্থপতি সৈয়দ মাইনুল ইসলাম ১৯৭৮ সালে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন এবং তার নকশাতেই এই সৌধ নির্মিত হয়। - এই সৌধটি সাভারে অবস্থিত এবং এর মূল নকশাকে সাতটি ভিন্ন উচ্চতার ত্রিভুজাকৃতির বেষ্টনী দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাথে সরাসরি স্থপতি হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। B) সৈয়দ মাইনুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই নির্ধারিত স্থপতি। C) স্থপতি নোভেরা আহমেদ — তিনি দেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের একজন অগ্রপথিক হলেও জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি নন। D) স্থপতি মৃণাল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর যিনি অনেক ম্যুরাল ও ভাস্কর্য তৈরি করেছেন, তবে এই স্মৃতিসৌধের নকশাকারী নন। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের মাইনুল ইসলাম নামটিতে 'মাইনুল' শব্দটি মনে রাখলে সহজেই স্থপতিকে চেনা যায়।
a প্রধানমন্ত্রী
b রাষ্ট্রপতি
c প্রধান বিচারপতি
d বিচারপতি
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রধান বিচারপতি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর সুরক্ষা নিশ্চিত করার চূড়ান্ত দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান তথা প্রধান বিচারপতির উপর ন্যস্ত থাকে। - সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট কাজ করে এবং এর প্রধান হিসেবে প্রধান বিচারপতি এই দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং নির্বাহী বিভাগের প্রধান, সংবিধানের রক্ষাকর্তা নন। B) রাষ্ট্রপতি — তিনি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও সংবিধানের ব্যাখ্যাকারী বা রক্ষাকর্তা হিসেবে প্রধান বিচারপতিই মূল ভূমিকা পালন করেন। C) প্রধান বিচারপতি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) বিচারপতি — এটি সাধারণ পদবী, সুনির্দিষ্টভাবে প্রধান বিচারপতিই সংবিধানের রক্ষাকর্তা হিসেবে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের রক্ষাকর্তা মানে বিচারালয়ের শীর্ষ ব্যক্তি, তাই উত্তর হবে প্রধান বিচারপতি।
a ১৯৭৫ সালে
b ১৯৮৫ সালে
c ১৯৮৯ সালে
d ১৯৮৮ সালে
0 48 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৫ সালে কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক আনুষ্ঠানিকভাৰে ৮ ই ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - ঢাকার তেজগাঁয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের অংশগ্রহণে এই সংস্থাটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৫ সালে — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সার্ক গঠনের ১০ বছর আগের একটি কালীন সময়। B) ১৯৮৫ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। C) ১৯৮৯ সালে — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সার্ক প্রতিষ্ঠার চার বছর পরের একটি সাল। D) ১৯৮৮ সালে — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সার্কের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনের সাল। মনে রাখার টিপস: সার্ক প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ৮৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যার শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়।
a ব্রাউজার
b প্রোগ্রামিং ভাষা
c অপারেটিং সিস্টেম
d এন্টিভাইরাস
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপারেটিং সিস্টেম ১. কেন সঠিক: - উইন্ডোজ হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরিকৃত একটি জনপ্রিয় সিস্টেম সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম। - এটি কম্পিউটার ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার পরিচালনা করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি প্রসেসর, মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের কাজগুলো সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এর মাধ্যমে কম্পিউটারে ফাইল ব্যবস্থাপনা, মেমোরি ব্যবস্থাপনা এবং প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। - ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং সার্ভারে ব্যবহারকারী ইন্টারফেস হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১১ ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান সময়ের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত একটি গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেম। উদাহরণ ২: উবুন্টু লিনাক্স ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা ওপেন সোর্স প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাউজার — ব্রাউজার হলো ইন্টারনেট বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্রাউজ করার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম নয়। B) প্রোগ্রামিং ভাষা — প্রোগ্রামিং ভাষা হলো কোড লেখার মাধ্যম যার সাহায্যে সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) অপারেটিং সিস্টেম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উইন্ডোজ একটি অপারেটিং সিস্টেম। D) এন্টিভাইরাস — এন্টিভাইরাস হলো কম্পিউটারকে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস থেকে রক্ষা করার বিশেষ ধরনের নিরাপত্তা সফটওয়্যার। ৫ মনে রাখার টিপস: - উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাকওএস এগুলো হলো বিভিন্ন জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমের নাম। - হার্ডওয়্যারকে সচল রাখতে এবং কম্পিউটার চালাতে অপারেটিং সিস্টেমের বিকল্প নেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হলো মাইক্রোসফট এবং এর প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
a RAM
b ROM
c Cache
d Register
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ROM ১. কেন সঠিক: - ROM এর পূর্ণরূপ Read Only Memory এবং এটি কম্পিউটার মেমোরির একটি স্থায়ী বা অস্থিতিশীল মাধ্যম যা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও ডেটা মুছে ফেলে না। - মাদারবোর্ডে থাকা এই চিপটিতে কম্পিউটারের বায়োস বা বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে যা কম্পিউটার চালু করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ROM হলো এমন এক ধরনের প্রাইমারি মেমরি যেখানে প্রস্তুতকারক কর্তৃক স্থায়ীভাবে ডেটা বা নির্দেশাবলি লিখে দেওয়া হয় এবং ব্যবহারকারী সাধারণ অবস্থায় তা পরিবর্তন করতে পারে না। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার অন করার সাথে সাথে প্রসেসর এই মেমরির নির্দেশাবলি পড়ে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি নন-ভোলাটাইল মেমরি অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ভেতরের তথ্য কখনো হারিয়ে যায় না। - ব্যবহার: কম্পিউটারের বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম, প্রিন্টার ও রাউটারের ফার্মওয়্যার এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের স্থায়ী সফটওয়্যার সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার ব্যাখ্যা: মোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অপারেটিং সিস্টেমের মূল সফটওয়্যারটি ফোনের রম-এ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে যাতে ব্যবহারকারী চাইলেও তা সহজে মুছে ফেলতে না পারে। উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা ওয়াশিং মেশিন ব্যাখ্যা: এই গৃহস্থালি যন্ত্রগুলো কীভাবে কাজ করবে তার স্থায়ী নির্দেশাবলি মাইক্রোকন্ট্রোলারের রম-এ সংরক্ষণ করা থাকে যা যন্ত্র চালুর সময় কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি একটি ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমরি যা বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলে সমস্ত ডেটা মুছে ফেলে, তাই এটি স্থায়ী মেমরি নয়। B) ROM — এটি সঠিক উত্তর। C) Cache — এটি প্রসেসরের খুব দ্রুতগতির একটি অস্থায়ী মেমরি যা সিপিইউ এবং মূল মেমরির মধ্যকার দূরত্ব কমাতে কাজ করে। D) Register — এটি প্রসেসরের ভেতরের অতি ক্ষুদ্র এবং অত্যন্ত দ্রুতগতির অস্থায়ী ডেটা ধারণকারী স্থান যা গণনার কাজে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রম শব্দের শুরুতে আর মানে রিড অর্থাৎ শুধু পড়া যায় এবং শেষের এম মানে মেমরি। - বিদ্যুৎ গেলে ডেটা হারায় না মানেই তা পার্মানেন্ট বা স্থায়ী মেমরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - র‍্যাম হলো উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল মেমরি এবং রম হলো অবিনশ্বর বা নন-ভোলাটাইল মেমরি। - বিভিন্ন প্রতিযোগী পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়ায় কোন মেমরি কাজ করে।
a Portable Document Format
b Personal Data File
c Print Document File
d Public Document File
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Portable Document Format ১. কেন সঠিক: - PDF হলো একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফাইল ফরম্যাট যার পূর্ণরূপ Portable Document Format। - এটি অ্যাডোবি সিস্টেমস কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে যাতে যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে ফাইলের ফরম্যাটিং অপরিবর্তিত থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: PDF এমন একটি ফাইল ফরম্যাট যা টেক্সট, ছবি এবং গ্রাফিক্সের বিন্যাস ঠিক রেখে যেকোনো ডিভাইসে দেখতে ও প্রিন্ট করতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি মূল ফাইলের ফন্ট, লেআউট এবং ছবিগুলোকে একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমে আটকে রাখে ফলে ডিভাইস বদলালেও লেখা এদিক-সেদিক হয় না। - বৈশিষ্ট্য: এই ফরম্যাটের ফাইলগুলো রিড-অনলি মোডে থাকে এবং সহজে পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত করা যায়। - ব্যবহার: সরকারি ফরম, ডিজিটাল বই, ইনভয়েস এবং অফিশিয়াল সিভি আদান-প্রদান করার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরির আবেদন ফরম ব্যাখ্যা: অনলাইনে চাকরির আবেদন করার সময় পিডিএফ ফরম্যাটে ফাইল আপলোড করতে বলা হয় যাতে রিক্রুটাররা সঠিক বিন্যাসে দেখতে পান। উদাহরণ ২: ই-বুক বা ডিজিটাল বই ব্যাখ্যা: ইন্টারনেটে পড়াশোনার জন্য যে ই-বুক বা নোটস পাওয়া যায় তা সাধারণত পিডিএফ আকারে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Portable Document Format — এটি সঠিক কারণ পিডিএফ ফাইলের আসল পূর্ণরূপ এটিই। B) Personal Data File — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফাইল ফরম্যাটের নাম নয় এবং এটি ভুল তথ্য দেয়। C) Print Document File — এটিও কোনো স্বীকৃত ফাইল ফরম্যাটের পূর্ণরূপ নির্দেশ করে না। D) Public Document File — এটি সাধারণ কোনো নথি বোঝাতে অনানুষ্ঠানিক অর্থে ব্যবহার হলেও সঠিক প্রযুক্তিগত নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পিডিএফ ফাইল মানেই পোর্টেবল বা বহনযোগ্য ফরম্যাট যা সব ডিভাইসে সমানভাবে খোলা যায়। - নামের শুরুতেই Portable শব্দ আছে যা মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পিডিএফ ফরম্যাটটি ১৯৯৩ সালে অ্যাডোবি সিস্টেমস প্রথম প্রকাশ করে। - এই ফাইল পড়ার জন্য অ্যাডোবি অ্যাক্রোবাট রিডার সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
a ইন্টারনেট চালানো
b বিদ্যুৎ ব্যাকআপ দেওয়া
c স্ক্যান করা
d টাইপ করা
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যুৎ ব্যাকআপ দেওয়া ১. কেন সঠিক: - UPS-এর পূর্ণরূপ হলো Uninterruptible Power Supply, যার মাধ্যমে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস সচল রাখা হয়। - এটি ভেতরে থাকা রিচার্জেবল ব্যাটারির সাহায্যে তাৎক্ষণিকভাবে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, যাতে ডেটা নষ্ট না হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: UPS হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা মেইন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। - কার্যপদ্ধতি: বিদ্যুৎ থাকা অবস্থায় এটি ভেতরের ব্যাটারি চার্জ করে এবং বিদ্যুৎ চলে গেলে ইনভার্টারের মাধ্যমে ডিসি কারেন্টকে এসি কারেন্টে রূপান্তর করে ডিভাইস সচল রাখে। - ব্যবহার: ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার রুম এবং আইপিএস বা জেনারেটর চালু হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র সচল রাখতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসিয়াল কম্পিউটার কাজ ব্যাখ্যা: হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে সেভ না করা ফাইল বা ডকুমেন্টের কাজ সুরক্ষিত রাখতে UPS তাৎক্ষণিক ব্যাকআপ দেয়। উদাহরণ ২: সার্ভার নিরাপত্তা ব্যাখ্যা: ব্যাংক বা করপোরেট ডেটাসেন্টারের সার্ভার সুরক্ষিত রাখতে এটি ব্যবহার করা হয় যাতে আকস্মিক শাটডাউনে ডেটা করাপ্ট না হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারনেট চালানো — ইন্টারনেট সংযোগের জন্য মডেম বা রাউটার প্রয়োজন, যা লাইন চালিত হয়, ইউপিএস ইন্টারনেট সরবরাহ করে না। C) স্ক্যান করা — স্ক্যান করার কাজটি স্ক্যানার নামক ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যা ছবি বা নথি ডিজিটালাইজ করে। D) টাইপ করা — টাইপ করার কাজ মূলত কিবোর্ডের কাজ, যা ইউপিএস ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউপিএস মানেই বিদ্যুৎ ব্যাকআপ, যা কম্পিউটারকে হঠাৎ বন্ধ হওয়া থেকে রক্ষা করে। - এর পূর্ণরূপ Uninterruptible Power Supply ভালো করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই UPS-এর পূর্ণরূপ এবং এর মূল কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা পেরিফেরাল হিসেবে গণ্য হয় না বরং পাওয়ার ব্যাকআপ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
a মনিটর
b প্রিন্টার
c কী-বোর্ড
d স্পিকার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কী-বোর্ড ১. কেন সঠিক: কী-বোর্ড হলো একটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে ডেটা, নির্দেশ বা টেক্সট প্রবেশ করাতে পারেন। এর প্রধান কাজ হলো ব্যবহারকারীর হাতের আঙুলের চাপকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তর করে কম্পিউটারের প্রসেসরের কাছে পাঠানো। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার উপাদান যার সাহায্যে বাহ্যিক পৃথিবী থেকে ডেটা ও নির্দেশ কম্পিউটারের ভেতর পাঠানো হয়। কার্যপদ্ধতি: কী-বোর্ডের প্রতিটি কি বা বোতামের নিচে সার্কিট থাকে এবং কোনো বোতাম চাপলে সেই নির্দিষ্ট সার্কিট সংযোগ ঘটে এবং একটি বাইনারি কোড তৈরি হয়। ব্যবহার: কম্পিউটারে লেখালেখি করা, কমান্ড দেওয়া, গেম খেলা এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার পরিচালনার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যারে কোনো ডকুমেন্ট তৈরি করার সময় কিছু লেখার জন্য কী-বোর্ড ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী কী-বোর্ডের বোতাম চেপে কম্পিউটারে শব্দ বা বাক্য তৈরি করেন যা সরাসরি ইনপুট হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: পাসওয়ার্ড বা ইউজার আইডি লিখে কোনো অনলাইন অ্যাকাউন্টে লগইন করা। ব্যাখ্যা: এখানেও কী-বোর্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অক্ষর বা সংখ্যা কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি প্রসেসিং হওয়া ফলাফল বা দৃশ্য পর্দায় প্রদর্শন করে। B) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতরের সফটকপিকে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ডকপিতে রূপান্তর করে। C) কী-বোর্ড — এটি সঠিক উত্তর। D) স্পিকার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটার থেকে অডিও সিগন্যাল গ্রহণ করে শব্দ বা আওয়াজ বাইরে বের করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ইনপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে তথ্য ভেতরে দেওয়া হয় এবং আউটপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ পায়। কী-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার ও মাইক্রোফোন হলো প্রধান ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের পেরিফেরাল ডিভাইস থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। কোন ডিভাইসটি কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে তা মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
a মডেম
b স্ক্যানার
c প্রিন্টার
d ইউপিএস
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মডেম ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং টেলিফোন লাইনের অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করতে হয়। এই রূপান্তর কাজটি মডেমের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যা মূলত ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মডেম হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যার পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। কার্যপদ্ধতি: এটি প্রেরক প্রান্ত থেকে ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে মডুলেট করে এবং গ্রাহক প্রান্তে অ্যানালগ সিগন্যালকে আবার ডিজিটাল সিগন্যালে ডিমডুলেট করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রॉडব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত এডিএসএল বা ফাইবার অপটিক মডেম টেলিফোন লাইন থেকে আসা সিগন্যালকে কম্পিউটারের উপযোগী করে তোলে। উদাহরণ ২: ওয়্যারলেস রাউটার ও মডেমের সমন্বয় ব্যাখ্যা: বর্তমানের আধুনিক ওয়াই-ফাই রাউটারগুলোতে মডেম সংযুক্ত থাকে, যা মোবাইল ও ল্যাপটপে ইন্টারনেট সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মডেম — এটি ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য অপরিহার্য নেটওয়ার্কিং ডিভাইস। B) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের ছবি বা নথি ডিজিটাল কপিতে রূপান্তর করে। C) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস যা ডিজিটাল নথি কাগজে প্রিন্ট করতে ব্যবহৃত হয়। D) ইউপিএস — এর পূর্ণরূপ আনইন্টারাপ্টিবল পাওয়ার সাপ্লাই, যা বিদ্যুৎ চলে গেলে কম্পিউটার সচল রাখে। ৫. মনে রাখার টিপস: মডেম শব্দটির উৎপত্তি মডুলেটর শব্দের মো এবং ডিমডুলেটর শব্দের ডেম অংশ থেকে। কম্পিউটার বোঝে ডিজিটাল ভাষা আর টেলিফোন লাইন বোঝে অ্যানালগ ভাষা, এদের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করে মডেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মডেম ডেটা কমিউনিকেশনে সিগন্যাল রূপান্তরের কাজ করে। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ডিভাইসটি সিগন্যাল মডুলেশন ও ডিমডুলেশন উভয় কাজই করে।
a ডট মেট্রিক্স
b ইঙ্কজেট
c লেজার প্রিন্টার
d থার্মাল প্রিন্টার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লেজার প্রিন্টার ১. কেন সঠিক: লেজার প্রিন্টার হলো সবচেয়ে দ্রুতগতির আউটপুট ডিভাইস যা সাধারণত অফিস বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হয়। এটি লেজার বিম বা রশ্মির সাহায্যে পেপারে টোনার পাউডার পুড়িয়ে অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁত প্রিন্ট তৈরি করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: লেজার প্রিন্টার হলো এমন একটি নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যা লেজার প্রযুক্তির সাহায্যে উচ্চ গতিতে টেক্সট ও ছবি প্রিন্ট করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: ড্রামের ওপর লেজার রশ্মি ফেলে স্থির বিদ্যুৎ তৈরি করা হয় এবং টোনার পাউডার আকর্ষণ করে তা তাপে কাগজে স্থায়ী করা হয়। বৈশিষ্ট্য: এর প্রিন্ট রেজুলেশন অত্যন্ত বেশি এবং শব্দহীনভাবে বিপুল পরিমাণ পেপার খুব কম সময়ে প্রিন্ট করতে পারে। ব্যবহার: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, কর্পোরেট অফিস এবং গণহারে প্রিন্ট করার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রিন্ট ব্যাংকগুলোতে প্রতিদিন হাজার হাজার গ্রাহকের লেনদেনের বিবরণী দ্রুত প্রিন্ট করতে লেজার প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: অফিসিয়াল ডকুমেন্ট অফিসে জরুরি প্রতিবেদন বা চুক্তিপত্র দ্রুত ও স্পষ্টভাবে প্রিন্ট করার জন্য এটি প্রথম পছন্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডট মেট্রিক্স — এটি একটি স্লো-স্পিড ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যা পিন দিয়ে আঘাত করে প্রিন্ট করে এবং গতি অনেক কম। B) ইঙ্কজেট — এটি তরল কালি স্প্রে করে প্রিন্ট করে, যার গতি লেজার প্রিন্টারের তুলনায় যথেষ্ট ধীরগতির। C) লেজার প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে প্রচলিত প্রিন্টারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগতির। D) থার্মাল প্রিন্টার — এটি তাপের সাহায্যে বিশেষ কাগজে প্রিন্ট করে এবং প্রধানত পিওএস বা ক্যাশ মেমো প্রিন্টারে ব্যবহৃত হয়, এর গতি মাঝারি। ৫. মনে রাখার টিপস: লেজার রশ্মি আলোর গতিতে চলে, তাই লেজার প্রিন্টারও সবচেয়ে দ্রুত প্রিন্ট করে। অফিসিয়াল দ্রুত কাজের জন্য লেজার প্রিন্টার এবং রঙিন ছবির জন্য ইঙ্কজেট প্রিন্টার মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লেজার প্রিন্টারের গতি পরিমাপ করা হয় PPM বা পেজেস পার মিনিট এককে। ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার শব্দ করে কিন্তু নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যেমন লেজার প্রিন্টার শব্দহীনভাবে কাজ করে।
a আউটপুট
b স্টোরেজ
c ইনপুট
d মেমরি
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনপুট ১. কেন সঠিক: - মাউস একটি হার্ডওয়্যার পেরিফেরাল ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর হাত থেকে নির্দেশ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায়। - ব্যবহারকারী মাউস নড়াচড়া করলে বা ক্লিক করলে কম্পিউটারের সিপিইউ সেই সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং স্ক্রিনে কার্সার পরিচালনা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যা বাহ্যিক ডেটা বা নির্দেশ কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করাতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: মাউসের ভেতরে থাকা অপটিক্যাল সেন্সর বা লেজার টেবিলের পৃষ্ঠতল স্ক্যান করে গতি নির্ধারণ করে এবং ডেটা প্রসেসরের কাছে পাঠায়। - ব্যবহার: গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ব্রাউজিং এবং অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন উইন্ডো বা ফাইল পরিচালনা করার জন্য মাউস ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের স্ক্রিনে থাকা একটি ফোল্ডারে ডাবল ক্লিক করে তা ওপেন করা। ব্যাখ্যা: মাউসের বাম বোতামে চাপ দিয়ে ব্যবহারকারী কম্পিউটারকে নির্দেশ দেন যে নির্দিষ্ট ফাইলটি খুলতে হবে। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলে লেখালেখির সময় কার্সার নির্দিষ্ট স্থানে স্থাপন করা। ব্যাখ্যা: মাউস পয়েন্টার নির্দিষ্ট শব্দের ওপর নিয়ে ক্লিক করার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ইনপুট সিগন্যাল প্রদান করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউটপুট — আউটপুট ডিভাইস যেমন মনিটর বা প্রিন্টার কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল প্রদর্শন বা মুদ্রণ করে, কিন্তু মাউস তা করে না। B) স্টোরেজ — স্টোরেজ ডিভাইস যেমন হার্ড ডিস্ক বা পেনড্রাইভ দীর্ঘ সময় বা স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা মাউসের কাজ নয়। D) মেমরি — মেমরি যেমন র‍্যাম বা রম কম্পিউটারের অস্থায়ী বা স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করে কাজ পরিচালনা করে, যা মাউস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইনপুট ডিভাইসের সহজ তালিকা মনে রাখার উপায় হলো যা দিয়ে কম্পিউটারে লেখা, ক্লিক বা তথ্য পাঠানো হয়। - মাউস, কিবোর্ড, স্ক্যানার, জয়স্টিক এবং মাইক্রোফোন হলো প্রধান ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাউসের জনক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট ১৯৬৪ সালে প্রথম কাঠের তৈরি মাউস আবিষ্কার করেছিলেন। - অপটিক্যাল মাউসে আলোর প্রতিসরণ ব্যবহার করে গতি মাপা হয়।
a পেনড্রাইভ
b হার্ডডিস্ক
c মেমরি কার্ড
d র‍্যাম
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) র‍্যাম ১. কেন সঠিক: - র‍্যাম (RAM) বা র্যান্ডম এক্সেস মেমরি হলো কম্পিউটারের প্রাথমিক বা প্রাইমারি মেমরি যা শুধুমাত্র বর্তমান চলমান ডেটা ও নির্দেশাবলী অস্থায়ীভাবে ধরে রাখে। - বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে র‍্যামে থাকা সমস্ত ডেটা চিরতরে মুছে যায়, যা স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইসের ক্ষেত্রে ঘটে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: র‍্যাম (RAM - Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের একটি উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল মেমরি যা প্রসেসরের সরাসরি কাজের জন্য ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন চালায়, তখন তা হার্ডডিস্ক থেকে র‍্যামে নিয়ে আসে এবং দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় সুবিধা দেয় এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস স্পিড হার্ডডিস্কের তুলনায় অত্যন্ত দ্রুত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেখার প্যাড ব্যাখ্যা: একটি কাগজের প্যাডে আমরা পেন্সিল দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে লিখে আবার মুছে ফেলি, যা শুধু বর্তমান কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। র‍্যাম ঠিক একইভাবে কম্পিউটারের বর্তমান কাজের জন্য ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে। উদাহরণ ২: রান্নাঘরের কাজের টেবিল ব্যাখ্যা: রান্নার সময় মশলা ও তরিতরকারি যেমন হাতের কাছে কাজের টেবিলে রাখা হয়, তেমনি র‍্যামে চলমান প্রোগ্রামের ডেটা সাজানো থাকে। কাজ শেষ হলে টেবিল খালি করে ফেলতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেনড্রাইভ — এটি একটি ফ্ল্যাশ মেমরিভিত্তিক স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস যাতে দীর্ঘ সময়ের জন্য ডেটা সংরক্ষণ করা যায়। B) হার্ডডিস্ক — এটি একটি ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস যা বিশাল পরিমাণ ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। C) মেমরি কার্ড — এটি একটি পোর্টেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যা মোবাইল বা ক্যামেরায় ছবি ও ফাইল সংরক্ষণ করে। D) র‍্যাম — এটি কোনো স্টোরেজ ডিভাইস নয়, বরং এটি একটি অস্থায়ী ভোলাটাইল প্রাইমারি মেমরি। ৫. মনে রাখার টিপস: - র‍্যাম হলো মেমরি বা কার্যক্ষেত্র, আর হার্ডডিস্ক হলো স্টোরেজ বা গুদামঘর। - র‍্যাম ভোলাটাইল বা অস্থায়ী, তাই কম্পিউটার বন্ধ করলেই সব মুছে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - র‍্যামকে প্রধান মেমরি (Main Memory) বলা হয়। - প্রাথমিক মেমরি সরাসরি প্রসেসরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, যা সেকেন্ডারি স্টোরেজ পারে না।
a পিসি
b মাইক্রোকম্পিউটার
c আইবিএম
d মেইনফ্রেম
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইক্রোকম্পিউটার ১. কেন সঠিক: পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসির মূল চালিকাশক্তি হলো মাইক্রোপ্রসেসর বা সিপিইউ। এই কারণে কারিগরি ও গঠনগত দিক থেকে সব পার্সোনাল কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসরকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাকে মাইক্রোকম্পিউটার বলে। কার্যপদ্ধতি: এর ভেতরে থাকা মাইক্রোপ্রসেসর গাণিতিক ও যৌক্তিক নির্দেশগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল প্রদান করে। বৈশিষ্ট্য: আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য, দাম কম এবং একজন ব্যবহারকারী এটি এককভাবে পরিচালনা করতে পারেন। ব্যবহার: বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণার কাজে পার্সোনাল কম্পিউটার বা মাইক্রোকম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেক্সটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: ডেক্সটপ কম্পিউটার হলো মাইক্রোকম্পিউটারের সবচেয়ে পরিচিত রূপ যা আমরা ঘরে বা অফিসে ব্যবহার করি। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: ল্যাপটপ বা নোটবুক হলো বহনযোগ্য মাইক্রোকম্পিউটার যার ভেতর মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিসি — এটি পার্সোনাল কম্পিউটারের সংক্ষিপ্ত রূপ বা প্রচলিত নাম, কোনো কারিগরি বা প্রযুক্তিগত নাম নয়। C) আইবিএম — এটি একটি প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম, যা প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারে এনেছিল। D) মেইনফ্রেম — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বড় আকারের কম্পিউটার যা বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে বহু ব্যবহারকারী ব্যবহার করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: পার্সোনাল কম্পিউটার মানেই ব্যক্তিগত কম্পিউটার আর ব্যক্তিগত কম্পিউটার মানেই মাইক্রোকম্পিউটার। আইবিএম হলো নির্মাতা কোম্পানির নাম আর মাইক্রোকম্পিউটার হলো কম্পিউটারের প্রকৃত কারিগরি শ্রেণী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের আকার ও ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে একে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয় যথা মাইক্রো, মিনি, মেইনফ্রেম ও সুপার কম্পিউটার। ১৯৮১ সালে আইবিএম কোম্পানি প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি বাজারে নিয়ে আসে।
a ডাটাবেজ
b মুক্ত বিশ্বকোষ
c উন্মুক্ত সফটওয়্যার
d স্মার্টফোন
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্ত বিশ্বকোষ ১. কেন সঠিক: উইকিপিডিয়া হলো একটি অনলাইন ভিত্তিক মুক্ত বিশ্বকোষ যেখানে যে কেউ তথ্য যোগ ও সংশোধন করতে পারে। এটি ক্রাউড সোর্সিং প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এটি তথ্য আহরণ ও প্রচারের একটি বিশাল মাধ্যম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: উইকিপিডিয়া হলো ইন্টারনেটভিত্তিক একটি বহুভাষিক মুক্ত বিশ্বকোষ যা উইকি সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি উইকি প্রযুক্তির সাহায্যে কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারীরা ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি যেকোনো নিবন্ধ পড়তে এবং সম্পাদনা করতে পারে। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সহযোগিতামূলক সম্পাদনা ব্যবস্থা এবং এর বেশিরভাগ কন্টেন্ট বিনামূল্যে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকরা যেকোনো বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা ও তথ্য খোঁজার জন্য এটি ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা উইকিপিডিয়া ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার ব্যবহারকারীদের জন্য এটি একটি মুক্ত জ্ঞানভাণ্ডার যেখানে বিজ্ঞান, ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: উইকিপ্রজেক্ট ব্যাখ্যা: এটি উইকিপিডিয়ার বিভিন্ন নিবন্ধ উন্নত করার জন্য ব্যবহারকারীদের একটি সম্মিলিত কাজের প্ল্যাটফর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাটাবেজ — এটি কাঠামোগত উপাত্ত সংরক্ষণের সফটওয়্যার সিস্টেম, যা বিশ্বকোষের সমার্থক নয়। C) উন্মুক্ত সফটওয়্যার — এটি এমন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, উইকিপিডিয়া কোনো কম্পিউটার সফটওয়্যার নয়। D) স্মার্টফোন — এটি একটি মোবাইল ডিভাইস, যা দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যায় কিন্তু এটি কোনো তথ্যভাণ্ডার বা বিশ্বকোষ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উইকিপিডিয়া নামের প্রথম অংশ উইকি অর্থ দ্রুত, এবং পিডিয়া এসেছে বিশ্বকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া শব্দ থেকে। এটি কোনো একক ব্যক্তির সম্পত্তি নয়, বরং সারা বিশ্বের স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত অবদানে তৈরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উইকিপিডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন জিমি ওয়েলস এবং ল্যারি স্যাঙ্গার ২০০১ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে উইকিপিডিয়া কোন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যার উত্তর হলো উইকি প্রযুক্তি।
a MS Word
b MS Excel
c Word Star
d Latex
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) MS Excel ১. কেন সঠিক: - MS Excel হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি স্প্রেডশিট বা হিসাব নিকাশ করার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, কোনো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার নয়। - এটি মূলত ডেটা বিশ্লেষণ, টেবিল তৈরি, এবং গাণিতিক হিসাব-নিকাশের কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম যার সাহায্যে খুব সহজেই বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট, চিঠি, বা প্রবন্ধ লেখা, সম্পাদনা এবং ফরম্যাটিং করা যায়। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কিবোর্ডের মাধ্যমে টেক্সট ইনপুট করেন এবং সফটওয়্যারটি তা স্ক্রিনে প্রদর্শন করে এবং প্রিন্ট করার উপযোগী করে তোলে। - বৈশিষ্ট্য: বানান সংশোধন, ফন্ট পরিবর্তন, মার্জিন ঠিক করা এবং ছবি যুক্ত করার সুবিধা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যেখানে অফিশিয়াল প্রতিবেদন বা সিভি তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: গুগল ডক্স ব্যাখ্যা: এটি ক্লাউডভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং মাধ্যম যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একসাথে একাধিক ব্যক্তি সম্পাদনা করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) MS Word — এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) MS Excel — এটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা হিসাব-নিকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার নয়। C) Word Star — এটি ইতিহাসের অন্যতম প্রথম এবং প্রাচীন ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। D) Latex — এটি ডকুমেন্ট প্রস্তুতির একটি বিশেষ সিস্টেম যা মূলত বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক গবেষণাপত্র লেখার ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - এক্সেল শব্দটির সাথে হিসাব বা টেবিল এবং ওয়ার্ড শব্দটির সাথে লেখালেখি বা ডকুমেন্ট শব্দটি মনে রাখবে। - প্রসেসিং সফটওয়্যার চেনার উপায় হলো এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট এডিট করা যায় কি না তা দেখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেল ফাইলের এক্সটেনশন হলো ডট এক্সএলএসএক্স এবং ওয়ার্ড ফাইলের এক্সটেনশন হলো ডট ডিওসিএক্স। - পরীক্ষাতে প্রায়ই স্প্রেডশিট এবং ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের নাম আলাদা করতে বলা হয়।
a সফটওয়্যার
b ডাটা
c হার্ডওয়্যার
d ইউজার
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হার্ডওয়্যার ১. কেন সঠিক: কম্পিউটারের যে অংশগুলো ছোঁয়া যায়, দেখা যায় এবং মেকানিক্যালি বা শারীরিক ও ভৌতিকভাবে বিদ্যমান, সেগুলোকে হার্ডওয়্যার বলা হয়। তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য এই দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় যন্ত্রাংশগুলো সরাসরি কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটারের সকল ভৌতিক, দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। কার্যপদ্ধতি: এগুলো বিদ্যুৎ চালিত হয়ে বা যান্ত্রিক উপায়ে ব্যবহারকারীর দেওয়া নির্দেশ বা ইনপুট গ্রহণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণ শেষে আউটপুট প্রদান করে। বৈশিষ্ট্য: হার্ডওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালনা অসম্ভব এবং এটি ভৌত বা ফিজিক্যাল উপাদানে গঠিত। ব্যবহার: তথ্য ইনপুট, প্রসেসিং, স্টোরেজ এবং আউটপুট প্রদর্শনের কাজে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিবোর্ড এবং মাউস ব্যাখ্যা: এগুলো ইনপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর কমান্ড কম্পিউটারে পাঠাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মনিটর এবং প্রিন্টার ব্যাখ্যা: এগুলো আউটপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যা প্রক্রিয়াজাত উপাত্ত ব্যবহারকারীর চোখের সামনে দৃশ্যমান করে বা কাগজে ছাপায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সফটওয়্যার — এটি কোনো মেকানিক্যালি বা ভৌতিক ডিভাইস নয়, বরং কতগুলো নির্দেশ বা প্রোগ্রামের সমষ্টি যা হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে। B) ডাটা — এটি কাঁচামাল বা তথ্যের রূপ, যা কোনো মেকানিক্যাল ডিভাইস নয় বরং সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত হয়। D) ইউজার — ইউজার বা ব্যবহারকারী হলো সেই ব্যক্তি যিনি কম্পিউটার পরিচালনা করেন, এটি কোনো মেকানিক্যালি ডিভাইস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: যাকে হাত দিয়ে ধরা যায় এবং ফিজিক্যাল বডি থাকে, তা হার্ডওয়্যার। সফটওয়্যার হলো অদৃশ্য প্রাণ আর হার্ডওয়্যার হলো দৃশ্যমান দেহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোনটি স্পর্শ করা যায় এবং কোনটি অদৃশ্য।
a মাউস
b মনিটর
c সিপিউ
d উইন্ডোজ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উইন্ডোজ ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের যে অংশগুলো ছোঁয়া যায়, দেখা যায় এবং ভৌগোলিক অস্তিত্ব রয়েছে, সেগুলোকে হার্ডওয়্যার বলে। - উইন্ডোজ হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম বা সফটওয়্যার, যা দৃশ্যমান হলেও তা কোনো শারীরিক বা ছোঁয়া যায় এমন বস্তু নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সফটওয়্যার হলো কিছু নির্দেশমালা বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কীভাবে কাজ করতে হবে তা বলে দেয়। - কার্যপদ্ধতি: উইন্ডোজ ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন চালাতে সাহায্য করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি অদৃশ্য লজিক্যাল কোডের মাধ্যমে গঠিত এবং এর কোনো ওজন বা ভৌত রূপ নেই। - ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও ল্যাপটপে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস বা জিইউআই হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যার ব্যাখ্যা: এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে কম্পিউটারে লেখালেখির কাজ করা হয় এবং এটি হার্ডওয়্যার নয়। উদাহরণ ২: লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যাখ্যা: এটি উইন্ডোজের মতো আরেকটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার চালনায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস এবং কম্পিউটারের স্পর্শ করা যায় এমন একটি হার্ডওয়্যার। B) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস এবং এটিও দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য হার্ডওয়্যার। C) সিপিউ — এটি কম্পিউটারের মূল প্রসেসিং ইউনিট যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌত হার্ডওয়্যার ডিভাইস। D) উইন্ডোজ — এটি কোনো হার্ডওয়্যার নয়, বরং একটি সিস্টেম সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার হলো যা ধরা ছোঁয়া যায় এবং সফটওয়্যার হলো যা শুধু দেখা বা অনুভৱ করা যায় কিন্তু ধরা যায় না। - উইন্ডোজ, লিনাক্স, অ্যান্ড্রয়েড এগুলো হলো সফটওয়্যারের নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের সবচেয়ে ভালো উদাহরণ। - হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a আউটপুট ডিভাইস
b ইনপুট ডিভাইস
c কোর্ডিনেটিং ডিভাইস
d মিক্সড ডিভাইস
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইনপুট ডিভাইস ১. কেন সঠিক: স্ক্যানার একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি কোনো ভৌত বা কাগজের নথিপত্রকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রবেশ করায়। এটি অপটিক্যাল প্রযুক্তির মাধ্যমে কাগজের লেখা বা ছবি স্ক্যান করে কম্পিউটারের প্রসেসরের কাছে পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: স্ক্যানার হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা আলোক রশ্মির সাহায্যে ছবি বা টেক্সট রিড করে ডিজিটাল কম্পিউটারে পাঠায়। কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসের ল্যাম্প থেকে আলো নথির ওপর পড়ে এবং প্রতিফলিত আলো সেন্সরের মাধ্যমে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তরিত হয়। ব্যবহার: অফিস আদালতে কাগজের ডকুমেন্ট ডিজিটালাইজ করতে এবং ছবি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছবি বা পাসপোর্ট সাইজ ফটো স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: কাগজের ছবি স্ক্যানারে রাখলে তা কম্পিউটারের ফাইলে ডিজিটাল ছবি হিসেবে জমা হয়। উদাহরণ ২: অফিসিয়াল ডকুমেন্টস বা চুক্তিপত্র স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ডিজিটাল কপি বা পিডিএফ তৈরি করতে স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউটপুট ডিভাইস — এটি ভুল কারণ আউটপুট ডিভাইস ফলাফল প্রদর্শন করে, যেমন মনিটর বা প্রিন্টার, কিন্তু স্ক্যানার তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়। B) ইনপুট ডিভাইস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কম্পিউটারকে তথ্য প্রদান করার কাজটি সম্পন্ন করে। C) কোর্ডিনেটিং ডিভাইস — এটি ভুল কারণ কম্পিউটারে কোর্ডিনেটিং ডিভাইস বলে কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড হার্ডওয়্যার শ্রেণি নেই। D) মিক্সড ডিভাইস — এটি ভুল কারণ এটি একসঙ্গে ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করে না, এটি কেবল ইনপুট হিসেবে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনপুট ডিভাইসের নাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো যা দিয়ে কম্পিউটারে ডেটা পাঠানো হয়। স্ক্যানার দিয়ে কাগজ থেকে তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করানো হয় বলে এটি ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারে কাগজ বা ছবি ইনপুট দেওয়ার জন্য স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রায়শই ওএমআর (OMR) এবং ওसीआर (OCR) স্ক্যানারের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a বাইট
b DPI
c পিক্সেল
d Hartz
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাইট ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের মূল একক হলো বাইট। আটটি বিট মিলে এক বাইট গঠিত হয় যা একটি বর্ণ বা ক্যারেক্টার নির্দেশ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটার সিস্টেমে মেমোরির ধারণক্ষমতা বা ফাইলের আকার পরিমাপের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হলো বাইট। কার্যপদ্ধতি: এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে ০ এবং ১ এর সমন্বয়ে ডেটা প্রসেস ও সংরক্ষণ করে। ব্যবহার: কম্পিউটারের র‍্যাম, হার্ডডিস্ক এবং পেনড্রাইভের ধারণক্ষমতা গিগাবাইট বা টেরাবাইটে প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সাধারণ টেক্সট ফাইলের আকার ৫ কিলোবাইট হতে পারে। ব্যাখ্যা: কিলোবাইট হলো বাইটের একটি গুণিতক একক যা ছোট আকারের নথি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: একটি চলচ্চিত্রের ফাইল ৪ গিগাবাইট হতে পারে। ব্যাখ্যা: গিগাবাইট হলো বিশাল পরিমাণ বাইটের সমাহার যা মাল্টিমিডিয়া ফাইল সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাইট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মেমোরির ধারণক্ষমতা প্রকাশের একক। B) DPI — এটি ডটস পার ইঞ্চ এর সংক্ষিপ্ত রূপ যা প্রিন্টার বা স্ক্রিনের রেজুলেশন বা ঘনত্ব পরিমাপ করে। C) পিক্সেল — এটি পিকচার এলিমেন্ট এর সংক্ষিপ্ত রূপ যা ডিজিটাল ছবির ক্ষুদ্রতম একক। D) Hartz — এটি হার্জ এর বানান ভুল রূপ এবং সঠিক শব্দ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক পরিমাপের একক। ৫ মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের মেমোরি মানেই বাইট আর বিট হলো তার সবচেয়ে ছোট অংশ। ডেটা সংরক্ষণের হিসাব সবসময় বাইট কেন্দ্রিক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আট বিটে এক বাইট হয় এবং এক হাজার চব্বিশ বাইটে এক কিলোবাইট হয়। এই পরিমাপের ধারাটি চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Local Area Network
b Personal Area Network
c Virtual Private Network
d কোনটি নয়
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Personal Area Network ১. কেন সঠিক: - ব্লুটুথ একটি স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ব্যক্তিগত ব্যবহারের ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। - নেটওয়ার্ক কভারেজ এলাকার পরিধি সাধারণত ১০ মিটার বা ৩০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্যবহারকারীর নিজের কাছাকাছি থাকা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য গঠিত নেটওয়ার্কই প্যান। - কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ডিভাইসগুলোকে একে অপরের সাথে যুক্ত করে এবং তারের সংযোগ ছাড়াই ডেটা ট্রান্সফার করে। - বৈশিষ্ট্য: এর কভারেজ এলাকা খুবই ক্ষুদ্র, কম বিদ্যুৎ খরচ হয় এবং ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে। - ব্যবহার: মোবাইল থেকে কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো, ওয়্যারলেস হেডফোন ব্যবহার করা এবং স্মার্টওয়াচ কানেক্ট করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল থেকে ল্যাপটপে ছবি পাঠানো। ব্যাখ্যা: দুটি ব্যক্তিগত ডিভাইস খুব কাছাকাছি রেখে ব্লুটুথের মাধ্যমে তার ছাড়াই ফাইল আদান-প্রদান করা হয়। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে ওয়্যারলেস ইয়ারবাড যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ব্যক্তিগত বিনোদন বা কথা বলার জন্য ব্লুটুথ প্যান প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি অডিও ডিভাইস যুক্ত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Local Area Network — ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক একটি নির্দিষ্ট ভবন বা অফিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, যা ব্লুটুথের পরিসরের চেয়ে অনেক বড়। B) Personal Area Network — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্লুটুথ ব্যক্তিগত পরিসরের ডিভাইসের মধ্যেই ডেটা আদান-প্রদান করে। C) Virtual Private Network — ভিপিএন বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিরাপদ ও গোপনীয় চ্যানেল তৈরি করে, যা ব্লুটুথের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্যান মানে ব্যক্তিগত, যা আপনার নিজের ব্যবহৃত গ্যাজেটগুলোকে যুক্ত করে। - ব্লুটুথ শব্দটির পূর্ণরূপ বা নির্দিষ্ট কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই, এটি দশম শতকের ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথের নামানুਸার করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্লুটুথ আইইইই ৮০০২.১৫ স্ট্যান্ডার্ডের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রযুক্তি। - প্যানের আওতায় ব্লুটুথ ছাড়াও ইনফ্রারেড ও এনএফসি প্রযুক্তি কাজ করে।
a Google Chrome
b MS Windows
c Adobe Photoshop
d Zoom
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি প্রযুক্তিগতভাবে ভুল। সঠিক উত্তর হবে ওপেন সোর্স বা মুক্ত উৎসের সফটওয়্যার সম্পর্কিত সঠিক বিকল্পটি নির্বাচন করার ক্ষেত্রে অন্য কোনো অপশন বা এই প্রশ্নের সঠিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সাধারণত লিনাক্স বা মুক্ত সোর্স সফটওয়্যার যেমন ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার বোঝানো হয়। তবে এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে গুগল ক্রোম, অ্যাডোব ফটোশপ বা জুম কোনোটিই পুরোপুরি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নয়। ক্রোম ব্রাউজারের মূল ভিত্তি ক্রোমিয়াম ওপেন সোর্স হলেও ক্রোম নিজে প্রোপ্রিটারি। তাই এই প্রশ্নে সাধারণত মুক্ত সোর্স সফটওয়্যার হিসেবে গিম্প বা লিনাক্স জাতীয় অপশন থাকে। পরীক্ষামূলক ভুল সংশোধনের জন্য এখানে সঠিক উত্তর ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ধারণার ওপর ভিত্তি করে দিতে হবে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই নিখুঁত ওপেন সোর্স নয়, তবে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরটি ভুল থাকায় আমরা মূল ধারণার ব্যাখ্যা দিচ্ছি। ১. কেন সঠিক: ওপেন সোর্স সফটওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে এবং যে কেউ তা দেখতে, পরিবর্তন করতে ও পরিমার্জন করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলোতে যে সফটওয়্যারগুলো রয়েছে তার বেশিরভাগই প্রোপ্রিটারি বা বন্ধ উৎসের সফটওয়্যার যার কোড ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে সফটওয়্যারের সোর্স কোড সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে এবং বিনামূল্যে ব্যবহারের পাশাপাশি কোডের পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা যায় তাকে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বলে। কার্যপদ্ধতি: এর ডেভেলপাররা গিটহাব বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে কোড প্রকাশ করেন এবং বিশ্বজুড়ে প্রোগ্রামাররা মিলে এর ত্রুটি সংশোধন ও নতুন ফিচার যোগ করেন। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সোর্স কোডের সহজলভ্যতা, বিনামূল্যে ব্যবহার করার সুযোগ এবং বিক্রেতার ওপর নির্ভরতা কমানো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: লিনাক্স একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করে ব্যবহার করতে পারেন। উদাহরণ ২: ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার। ব্যাখ্যা এটি একটি মুক্ত সোর্স মাল্টিমিডিয়া প্লেয়ার যা বিনামূল্যে ডাউনলোড ও ব্যবহার করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google Chrome — এটি মূলত গুগলের একটি প্রোপ্রিটারি ওয়েব ব্রাউজার যার মূল ভিত্তি ক্রোমিয়াম ওপেন সোর্স হলেও ক্রোম নিজে পুরোপুরি উন্মুক্ত নয়। B) MS Windows — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি সম্পূর্ণ প্রোপ্রিটারি বা বন্ধ উৎসের অপারেটিং সিস্টেম যার কোড দেখার অনুমতি সাধারণের নেই। C) Adobe Photoshop — এটি অ্যাডোব কোম্পানির তৈরি একটি বাণিজ্যিক প্রোপ্রিটারি গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড গোপন থাকে। D) Zoom — এটি একটি ক্লাউড ভিত্তিক প্রোপ্রিটারি ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার যা ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট লাইসেন্স বা শর্ত মানতে হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মুক্ত সোর্স সফটওয়্যার চেনার উপায় হলো এর সোর্স কোড বিনামূল্যে পরিবর্তন ও বিতরণের স্বাধীনতা থাকা। প্রোপ্রিটারি সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য অর্থ প্রদান করতে হয় এবং এর কোড পরিবর্তন করা আইনত নিষিদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ওপেন সোর্স এবং প্রোপ্রিটারি সফটওয়্যারের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে। লিনাক্স, উবুন্টু, ফায়ারফক্স এবং ভিএলসি হলো বিখ্যাত কিছু ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের উদাহরণ।
a HDD
b Floppy Disk
c SSD
d SSHD
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) SSD ১. কেন সঠিক: - SSD বা সলিড স্টেট ড্রাইভ কোনো মেকানিক্যাল বা চলনক্ষম অংশ ব্যবহার করে না, বরং ফ্ল্যাশ মেমোরির মাধ্যমে বিদ্যুৎ গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে। - এতে ডেটা রিড ও রাইট করার জন্য কোনো ডিস্ক ঘুরতে হয় না, যা গতানুগতিক হার্ড ডিস্কের তুলনায় এর গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: SSD হলো একটি আধুনিক স্টোরেজ ডিভাইস যা ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এতে কোনো চলমান চুম্বকীয় ডিস্ক বা হেড থাকে না, ফলে মাইক্রোচিপের মাধ্যমে সরাসরি ডেটা রিড ও রাইট করা যায়। - বৈশিষ্ট্য: এর ডেটা ট্রান্সফার রেট অত্যন্ত দ্রুত, শব্দহীনভাবে কাজ করে এবং বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। - ব্যবহার: ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল এবং দ্রুতগতির কাজের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম বুট করা। ব্যাখ্যা: একটি ভালো মানের SSD যুক্ত কম্পিউটারে মাত্র দশ থেকে পনেরো সেকেন্ডের মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম চালু হয়ে যায়। উদাহরণ ২: ভারী সফটওয়্যার বা গেম লোড করা। ব্যাখ্যা: বড় সাইজের কোনো গ্রাফিক্স সফটওয়্যার বা গেম চালু করার সময় SSD খুব দ্রুত ডেটা প্রসেস করে কাজ সম্পন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HDD — এটি একটি মেকানিক্যাল ডিভাইস যাতে ঘুরন্ত ডিস্ক থাকে, ফলে এর ডেটা রিড ও রাইট গতি SSD-র তুলনায় অনেক কম। B) Floppy Disk — এটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং কম ধারণক্ষমতার একটি রিমুভেবল ম্যাগনেটিক ডিস্ক, যার গতি বর্তমান যুগের তুলনায় নগণ্য। D) SSHD — এটি মেকানিক্যাল হার্ড ডিস্ক এবং ছোট আকারের ফ্ল্যাশ মেমোরির একটি হাইব্রিড সংস্করণ, যা খাঁটি SSD-র মতো সর্বোচ্চ গতি দিতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive। - যে ডিভাইসে কোনো ঘোরার যন্ত্রাংশ নেই, সেটিই সবচেয়ে দ্রুতগতির স্টোরেজ ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বর্তমান প্রযুক্তির কম্পিউটার ও ল্যাপটপে অপারেটিং সিস্টেমের গতি বাড়ানোর জন্য HDD-র পরিবর্তে SSD ব্যবহারের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্টোরেজ ডিভাইসের গতির তুলনামূলক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a সুইচ
b হাব
c ব্রিজ
d রাউটার
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাউটার ১. কেন সঠিক: - রাউটার হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। - এটি ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে সবচেয়ে ভালো পথ নির্বাচন করে ডেটা পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রাউটার হলো লেয়ার থ্রি বা নেটওয়ার্ক লেয়ারের একটি ডিভাইস যা ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা প্যাকেটগুলোর গন্তব্য আইপি ঠিকানা বিশ্লেষণ করে রাউটিং টেবিলের সাহায্যে সবচেয়ে দ্রুততম ও নিরাপদ পথ নির্ধারণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি ডেটা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, ব্রডকাস্ট ডোমেন ছোট করে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করতে পারে। - ব্যবহার: বাসা বা অফিসের লোকাল নেটওয়ার্ককে বৈশ্বিক ইন্টারনেট বা ডব্লিউএএন এর সাথে যুক্ত করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসা থেকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং ব্যাখ্যা: আপনার ঘরের ওয়াইফাই রাউটারটি আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপের লোকাল নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করে। উদাহরণ ২: ব্যাংক শাখা ও প্রধান কার্যালয় সংযোগ ব্যাখ্যা: একটি ব্যাংকের বিভিন্ন জেলার শাখা কার্যালয়গুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ককে কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইচ — এটি একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের ভেতরে একাধিক ডিভাইসকে নিজেদের মধ্যে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারে না। B) হাব — এটি একটি সাধারণ ব্রডকাস্ট ডিভাইস যা একই নেটওয়ার্কের কম্পিউটারগুলোকে যুক্ত করে এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে পথ নির্ধারণ করতে পারে না। C) ব্রিজ — এটি মূলত একই প্রটোকল ব্যবহারকারী দুটি ভিন্ন ল্যান বা একই ল্যানের দুটি অংশকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা রাউটারের মতো ভিন্ন নেটওয়ার্কের জটিল পথ নির্ধারণ করতে পারে না। D) রাউটার — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে রুট বা পথ দেখায় বলেই এর নাম রাউটার। - ল্যানের ভেতরে সুইচ, আর ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে রাউটার কাজ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওএসআই মডেলের নেটওয়ার্ক লেয়ারে রাউটার কাজ করে। - আইপি অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট প্রটোকল অ্যাড্রেস নিয়ে রাউটার কাজ পরিচালনা করে।

মোট প্রশ্ন (15)

a পাঁচ
b সাত
c আট
d দশ
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আট ১. কেন সঠিক: পদ বিবেচনায় বাংলা ভাষায় পদ মূলত আট প্রকার। অর্থ বা বাক্যের মধ্যে ব্যবহারের দিক থেকে পদকে এই আটটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পদ প্রকরণ অনুযায়ী বাংলায় পদ আট প্রকার। এগুলো হলো বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয়, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদ। ঐতিহ্যবাহী ব্যাকরণে পদ পাঁচ প্রকার বলা হলেও আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে পদ আট প্রকার হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা একটি সুন্দর শহর। এখানে ঢাকা হলো বিশেষ্য পদ এবং সুন্দর হলো বিশেষণ পদ। ব্যাখ্যা: বাক্যের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের সঠিক ব্যবহার বোঝাতে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: সে প্রতিদিন সকালে দৌড়ায়। এখানে সে হলো সর্বনাম পদ এবং দৌড়ায় হলো ক্রিয়া পদ। ব্যাখ্যা: বাক্যে সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের অবস্থান ও কাজ পরিষ্কার করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচ — ঐতিহ্যবাহী ব্যাকরণ অনুসারে পদের সংখ্যা পাঁচ ধরা হলেও আধুনিক ও প্রমিত ব্যাকরণে তা সঠিক নয়। B) সাত — এই সংখ্যাটি বাংলা পদের শ্রেণিবিভাগের সঙ্গে কোনোভাবেই মিলে না। C) আট — এটি আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পদ বিচেনার সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা। D) দশ — পদ কখনো দশ প্রকার হতে পারে না, তাই এটি সম্পূর্ণ ভুল উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ আট প্রকার মনে রাখার জন্য বিশ্ব ও সাহিত্যের বিখ্যাত আট অক্ষরের কোনো সূত্র মনে রাখতে পারো। বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয়, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, সম্বন্ধ ও সম্বোধন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বা প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী উত্তর করতে হয়। তাই পদ আট প্রকার এটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a তুর্কি
b আরবি
c ফারসি
d পর্তুগিজ
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি ১. কেন সঠিক: 'চশমা' একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ চোখের চশমা বা উপনেত্র। বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং এর মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং বাংলা প্রমিত রীতিতে এগুলোর বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চোখে পরার মতো একটি বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কাগজ ব্যাখ্যা: এটিও একটি ফারসি শব্দ যা লেখার কাজে ব্যবহৃত উপাদান নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো দারোগা, চাকু, তোপ ইত্যাদি। চশমা তুর্কি শব্দ নয়। B) আরবি — আরবি ভাষার শব্দ হলো কলম, বই, আদালত ইত্যাদি। চশমা আরবি শব্দ নয়। C) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষার শব্দ হলো আনারস, আলমারি, চাবি ইত্যাদি। চশমা পর্তুগিজ শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অফিস আদালত ও পোশাক পরিচ্ছদ সংক্রান্ত অনেক শব্দ ফারসি থেকে এসেছে। চশমা তেমনি একটি দৈনন্দিন ব্যবহারের ফারসি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c তুর্কি
d আরবি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আরবি ১. কেন সঠিক: মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। প্রশাসনিক একক বোঝাতে এই শব্দটি বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলো মূলত ধর্ম, প্রশাসন, আইন এবং সংস্কৃতি সম্পর্কিত। মহকুমা শব্দটি প্রশাসনিক উৎস থেকে বাংলা শব্দভান্ডারে যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: তারিখ ব্যাখ্যা: এটিও একটি আরবি শব্দ যা দিন বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, গোডাউন ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ, দোকান ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি। C) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, চাকু, লাশ ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি। D) আরবি — মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রশাসন ও আদালতের সঙ্গে জড়িত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে এসেছে। মহকুমা যেহেতু একটি প্রশাসনিক এলাকা, তাই এটি আরবি শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a বিশেষ্য
b সর্বনাম
c বিশেষণ
d ক্রিয়া
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রিয়া ১. কেন সঠিক: নির্দেশক বা নির্দেশক স্থানীয় শব্দগুলো সাধারণত নির্দিষ্টতা বোঝাতে বিশেষ্য, সর্বনাম বা বিশেষণের সঙ্গে যুক্ত হয়। ক্রিয়া পদের সঙ্গে সরাসরি কোনো পদের নির্দেশনা বা নির্দেশক যুক্ত হয় না কারণ ক্রিয়া নিজেই একটি কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদের শ্রেণিবিভাগে বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ ও অব্যয় পদের সঙ্গে পদাশ্রিত নির্দেশক বা নির্দেশক স্থানীয় রূপ যুক্ত হতে পারে। ক্রিয়া পদের সঙ্গে কাল, পুরুষ ও বচনের বিভক্তি যুক্ত হয় কিন্তু কোনো স্বাধীন নির্দেশক বা পদাশ্রিত নির্দেশক যুক্ত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি টেবিলের ওপর রাখো। ব্যাখ্যা: এখানে বিশেষ্য পদ বই এর সঙ্গে টি নির্দেশক যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বুঝিয়েছে কিন্তু ক্রিয়া পদ রাখো এর সঙ্গে কোনো নির্দেশক যুক্ত হয়নি। উদাহরণ ২: সে লোকটি ভালো। ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনাম সে এবং বিশেষ্য লোক এর সঙ্গে টি নির্দেশক যুক্ত হয়েছে কিন্তু বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়া ভালো এর সঙ্গে কোনো নির্দেশক বসে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদের সঙ্গে টি, টা,টিখানি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যুক্ত হতে পারে তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) সর্বনাম — সর্বনাম পদের সঙ্গেও নির্দেশক বা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক শব্দ যুক্ত হতে পারে তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) বিশেষণ — বিশেষণ পদের সঙ্গেও নির্দেশক যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা প্রকাশ করতে পারে তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদের মূল কাজ ভাব বা কাজ প্রকাশ করা এবং এর সঙ্গে নির্দেশক যুক্ত হয় না তাই এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: নির্দেশক কেবল নামবাচক বা নামপদ যেমন বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে বসে। ক্রিয়া পদের সঙ্গে নির্দেশক বসে না এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদাশ্রিত নির্দেশক সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণের নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের সঙ্গে নির্দেশকের ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশ্ন এলে এই নিয়মটি প্রয়োগ করতে হবে।
a সংখ্যার ধারণা
b গণনার ধারণা
c ক্রমের ধারণার
d পরিমাপের ধারণা
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যার ধারণা ১. কেন সঠিক: বচন শব্দের আভিধানিক অর্থ সংখ্যা বা সংখ্যাবাচক ধারণা। ব্যাকরণে বচন বলতে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এক বা একাধিক সংখ্যাকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বচন দুই প্রকার, একবচন ও বহুবচন। বচনের মাধ্যমে কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি খোলো। ব্যাখ্যা: এখানে বইটি দ্বারা একটি নির্দিষ্ট বইকে বোঝানো হয়েছে, যা একবচনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: ছেলেরা খেলছে। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেরা দ্বারা একাধিক ছেলেকে বোঝানো হয়েছে, যা বহুবচনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক কারণ বচন সরাসরি সংখ্যা প্রকাশ করে। B) গণনার ধারণা — গণনা হলো হিসাব করার প্রক্রিয়া, কিন্তু বচন শুধু সংখ্যার অস্তিত্ব বোঝায়। C) ক্রমের ধারণার — ক্রম বলতে পর্যায় বা সিরিয়াল বোঝায়, যা বচনের কাজ নয়। D) পরিমাপের ধারণা — পরিমাপ বলতে ওজন বা পরিমাণ বোঝায়, যা বচনের আওতাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বচন মানে গণনা নয়, বচন মানেই সংখ্যা। এক বা বহু সংখ্যা বোঝাতেই বচন ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বচন শুধু বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিশেষণ বা অব্যয় পদে বচনের সরাসরি রূপভেদ হয় না।
a শব্দ
b শব্দমূল
c ধাতু
d ক্রিয়া বিভক্তি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধাতু ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। ক্রিয়াপদ গঠন করার সময় যে অবিভাজ্য মূল রূপটি থাকে, তার সঙ্গে কাল ও পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত করে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়াপদের উৎস হলো ধাতু। ধাতু তিন প্রকার যেমন সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু, দেশি ধাতু এবং বিদেশি ধাতু। যেমন পড় ধাতুটির সঙ্গে আ প্রত্যয় যোগ করে পড়া শব্দটি গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল ধাতু ব্যাখ্যা: চল হলো একটি মৌলিক ধাতু যার সঙ্গে ইতে বিভক্তি যোগ করে চলিতে বা চলতি পদ তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: কর্ ধাতু ব্যাখ্যা: কর্ হলো একটি সংস্কৃত ধাতু যা থেকে আধুনিক বাংলায় কর ধাতু হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে না বিভক্তি যোগ করে করোনা ক্রিয়া গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — শব্দ হলো যেকোনো অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি, যা কেবল ক্রিয়ার মূল অংশ নয় বরং সকল পদের সাধারণ উৎস। B) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রাতিপদিক হলো নামপদের মূল অংশ, কিন্তু ক্রিয়ার মূল অংশকে নির্দিষ্টভাবে ধাতু বলা হয়। D) ক্রিয়া বিভক্তি — ক্রিয়া বিভক্তি হলো সেই অংশ যা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে কাল ও পুরুষ নির্দেশ করে, মূল অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্রিয়ার মূল মানেই ধাতু মনে রাখবে কারণ ধাতু হলো সব ক্রিয়ার আদি উৎস। ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যোগ করলেই কেবল পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়া পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু ও প্রত্যয় সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। তাই ধাতু চেনার জন্য ক্রিয়াপদ থেকে বিভক্তি বাদ দিয়ে মূল অংশটি বের করার অভ্যাস করতে হবে।
a সত্য বলবে
b তোমার নাম কী?
c শিক্ষককে মান্য করো
d মানুষ হও
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তোমার নাম কী? ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে সরাসরি কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয়েছে, যা ক্রিয়ার নির্দেশক ভাবের প্রশ্নবাচক রূপ প্রকাশ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্রিয়ার যে রূপ দ্বারা কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয়, তা নির্দেশক ভাবের প্রশ্নবাচক নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার ভাব হলো বক্তার মনোভাব বা কার্য সম্পাদনের ধরণ, যা প্রধানত চার প্রকার যথা নির্দেশক, অনুজ্ঞা, সম্ভাবার্থক ও আকাঙ্ক্ষাবাচক। - নির্দেশক ভাব আবার বিবৃতিমূলক বা প্রশ্নবাচক হতে পারে এবং এটি নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি কোথায় যাও? ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশক ভাবের প্রশ্নবাচক বাক্য কারণ এর মাধ্যমে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হচ্ছে। উদাহরণ ২: সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশক ভাবের বিবৃতিমূলক বাক্য কারণ এর মাধ্যমে চিরন্তন সত্য প্রকাশ পাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্য বলবে — এটি অনুজ্ঞা ভাব প্রকাশ করে কারণ এটি আদেশ বা উপদেশ বোঝাচ্ছে। B) তোমার নাম কী? — এটি সঠিক উত্তর। C) শিক্ষককে মান্য করো — এটি অনুজ্ঞা ভাব প্রকাশ করে কারণ এর মাধ্যমে উপদেশ বোঝানো হয়েছে। D) মানুষ হও — এটি অনুজ্ঞা ভাব প্রকাশ করে কারণ এটি একটি অনুরোধ বা উপদেশমূলক বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে বলা হয় বা সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, সেটিই নির্দেশক ভাব। - আদেশ, নিষেধ বা উপদেশ বোঝালে তা নির্দেশক ভাব না হয়ে অনুজ্ঞা ভাব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যের অর্থ ও বক্তার মনোভাব বুঝে ক্রিয়ার ভাব নির্ণয় করতে হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাব পরিবর্তনের বা ভাব শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a বর্ণ
b বর্গ
c পদ
d শব্দ
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্গ ১. কেন সঠিক: বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দের সমষ্টি বা গুচ্ছকে ব্যাকরণের পরিভাষায় বর্গ বলা হয়। যখন কয়েকটি শব্দ মিলে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে এবং বাক্যের মধ্যে একটি পদের মতো কাজ করে, তখন তাকে শব্দবর্গ বা বর্গ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বর্গ হলো এমন কতগুলো শব্দের গুচ্ছ যা বাক্যে একত্রে অবস্থান করে এবং একক কোনো পদের ভূমিকা পালন করে। যেমন বিশেষ্য বর্গ বা ক্রিয়া বর্গ বাক্যের অর্থের গভীরতা বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাল রঙের ফুলটি খুব সুন্দর। ব্যাখ্যা: এখানে লাল রঙের ফুলটি একটি শব্দের গুচ্ছ যা বাক্যে বিশেষ্য বর্গের কাজ করেছে। উদাহরণ ২: সে খুব দ্রুত দৌড়াতে পারে। ব্যাখ্যা: এখানে খুব দ্রুত একটি শব্দের গুচ্ছ যা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — ভাষা লেখার মৌলিক প্রতীক বা ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয়, যা শব্দের চেয়েও ক্ষুদ্রতর একক। B) বর্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শব্দের গুচ্ছকে নির্দেশ করে। C) পদ — বাক্য ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দকে আলাদাভাবে পদ বলা হয়, এটি একাধিক শব্দের গুচ্ছ নয়। D) শব্দ — অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলা হয়, যা এককভাবে অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু শব্দের গুচ্ছকে বর্গ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: একাধিক শব্দ মিলে যখন গুচ্ছ তৈরি হয় এবং বাক্যে দলবদ্ধভাবে কাজ করে, তখন তাকে বর্গ বলে মনে রাখবে। বর্গের মূল কাজ শব্দের গুচ্ছ হিসেবে একত্রে অবস্থান করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ, পদ এবং বর্গের পার্থক্য প্রায়ই কনফিউশন তৈরি করে। শব্দ হলো একক, পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত শব্দ, আর বর্গ হলো শব্দের গুচ্ছ।
a দুটি
b তিনটি
c চারটি
d পাঁচটি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিনটি ১. কেন সঠিক: একটি সাধারণ বাক্যের প্রধান অংশ মূলত তিনটি। বাক্য গঠনের মূল ভিত্তি হলো উদ্দেশ্য, বিধেয় এবং সংযোজক বা ক্রিয়াপদ যা বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে পদের সাহায্যে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পায়। একটি সার্থক সাধারণ বাক্যের প্রধান অংশ তিনটি যথা উদ্দেশ্য, বিস্তারক বা প্রসারক এবং বিধেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম বই পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে রহিম হলো উদ্দেশ্য এবং বই পড়ছে হলো বিধেয় অংশ। উদাহরণ ২: ভালো ছাত্ররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে। ব্যাখ্যা: ভালো ছাত্ররা হলো উদ্দেশ্য অংশ এবং মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে হলো বিধেয় অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটি — ভুল কারণ ঐতিহ্যগত ও গঠনগতভাবে সাধারণ বাক্যের প্রধান অংশ দুটি বলা হলেও আধুনিক ব্যাকরণে উদ্দেশ্য ও বিধেয় ছাড়াও অতিরিক্ত অংশ থাকে বিধায় প্রধান অংশ তিনটি ধরা হয়। B) তিনটি — সঠিক কারণ বাক্যের গঠনবিশ্লেষণে উদ্দেশ্য, বিধেয় এবং এদের সম্পূরক অংশ মিলিয়ে প্রধান অংশ তিনটি হিসেবে গণ্য করা হয়। C) চারটি — ভুল কারণ সাধারণ বাক্যের প্রধান অংশ কখনো চারটি হতে পারে না, এটি ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে। D) পাঁচটি — ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের প্রধান অংশ হিসেবে পাঁচটি অংশ স্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের প্রধান অংশ মনে রাখার সহজ উপায় হলো একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যকে প্রথমে কে বা কারা এবং কী করছে এই দুটি ভাগে ভাগ করা এবং সহায়ক অংশ মিলিয়ে মোট সংখ্যা তিনটি মনে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য প্রকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বাক্যের অংশ এবং প্রকারভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই নিয়মে বাক্যের উপাদানগুলো চিহ্নিত করার অভ্যাস করতে হবে।
a বাক্যের অর্থ
b বাক্যের প্রকাশভঙ্গি
c বাক্যের ভাব
d বাক্যের প্রয়োগ
0 45 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাক্যের প্রকাশভঙ্গি ১. কেন সঠিক: - বাচ্য শব্দের অর্থ বাক্যের প্রকাশভঙ্গি বা বাক্যের বলার রীতি। ক্রিয়ার প্রকাশভঙ্গিকেই ব্যাকরণে বাচ্য বলা হয়। - এর মাধ্যমে বাক্যে কর্তা, কর্ম বা ভাবের কার প্রাধান্য রয়েছে তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কর্তা বা কর্মের সম্পর্ক কিংবা প্রকাশের ভঙ্গিকেই বাচ্য বলে। বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য মূলত চার প্রকার। - এগুলো হলো কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য এবং কর্মকর্তৃবাচ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি বই পড়ছি। ব্যাখ্যা: এটি কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ কারণ এখানে কর্তার প্রধান্য রয়েছে। উদাহরণ ২: আমার দ্বারা কাজটি করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি কর্মবাচ্যের উদাহরণ কারণ এখানে কর্মের প্রধান্য প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের অর্থ — বাক্যের অর্থ হলো সম্পূর্ণ বক্তব্যের তাৎপর্য, যা বাচ্য বোঝায় না। B) বাক্যের প্রকাশভঙ্গি — এটি সঠিক কারণ বাচ্য মূলত ক্রিয়ার প্রকাশভঙ্গি নির্দেশ করে। C) বাক্যের ভাব — বাক্যের ভাব বলতে মনের প্রকাশ বা মোড বোঝায়, যা সম্পূর্ণ বাচ্য নয়। D) বাক্যের প্রয়োগ — বাক্যের প্রয়োগ হলো শব্দের সঠিক ব্যবহার, বাচ্যের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাচ্য মানেই ভঙ্গিমা বা ঢং। কর্তা, কর্ম বা ভাবের কোন ঢঙে বাক্যটি প্রকাশিত হলো সেটাই বাচ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্যের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বাক্য দেখে কর্তা বা কর্মের প্রাধান্য চিহ্নিত করতে পারলে খুব সহজেই সঠিক বাচ্য নির্ণয় করা যায়।
a অক্কা পাওয়া
b তালকানা
c ডুব মারা
d ভরাডুবি
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্কা পাওয়া ১. কেন সঠিক: - ‘পটল তোলা’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ মারা যাওয়া বা মৃত্যুবরণ করা। - অপশন এ এর ‘অক্কা পাওয়া’ বাগধারাটির অর্থও মৃত্যুবরণ করা, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা তাদের নিজস্বLiteral বা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - এই ধরনের শব্দ বা বাক্যাংশ ভাষাটিকে আরও সুন্দর, জীবন্ত ও আকর্ষক করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল গুড়ুম ব্যাখ্যা: এর অর্থ অবাক হওয়া বা হম্বিতম্বি কমে যাওয়া, যা অবস্থার তীব্রতা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: উনপুরে ব্যাখ্যা: এর অর্থ অকর্মণ্য বা অপদার্থ ব্যক্তি, যা কোনো কাজের অযোগ্য কাউকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্কা পাওয়া — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য। B) তালকানা — এর অর্থ হিতাহিত জ্ঞানশূন্য বা উগ্র স্বভাবের হওয়া, যা মৃত্যুর সমার্থক নয়। C) ডুব মারা — এর অর্থ আত্মগোপন করা বা হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, যা মৃত্যুর সমার্থক নয়। D) ভরাডুবি — এর অর্থ সর্বनाश বা সম্পূর্ণ ব্যর্থতা বোঝায়, যা মৃত্যুর সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পটল তোলা এবং অক্কা পাওয়া দুটিই মৃত্যুর অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক বাগধারা। - পরীক্ষায় মৃত্যু অর্থে এলে এই দুটি জোড়া মনে রাখা নিরাপদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক বাগধারাগুলো একই ভাবের বিভিন্ন রূপ প্রকাশ করে। - এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের সাধারণ অর্থ না বুঝে ভেতরের ভাবার্থ বুঝতে হবে।
a খুব তৎক্ষণাৎ অর্থে
b নিতান্ত অলস অর্থে
c যার বড় গোঁফ আছে অর্থে
d চাটুকার অর্থে
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিতান্ত অলস অর্থে ১. কেন সঠিক: 'গোঁফ খেজুরে' একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ গোঁফে খেঁজুর আটকে থাকা হলেও, বিশেষ অর্থে এটি এমন অলস ব্যক্তিকে বোঝায় যে সামান্য পরিশ্রমেও অনিচ্ছুক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে ভিন্ন ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। এই বাগধারাটি বাঙালির সংস্কৃতিতে অতিরিক্ত নিষ্ক্রিয়তা ও কর্মবিমুখতা বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলস প্রকৃতির মানুষটিকে দিয়ে কোনো কাজ হবে না, সে আস্ত এক গোঁফ খেজুরে। ব্যাখ্যা: এখানে মানুষটির চরম কর্মবিমুখতা বোঝাতে 'গোঁফ খেজুরে' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাদিন কোনো কাজ না করে শুধু বসে থাকা গোঁফ খেজুরে স্বভাবের লক্ষণ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পরিশ্রম না করার অলস অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুব তৎক্ষণাৎ অর্থে — এটি সঠিক নয় কারণ বাগধারাটি দ্রুততা বা তাৎক্ষণিক কোনো কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) নিতান্ত অলস অর্থে — এটি সঠিক এবং বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) যার বড় গোঁফ আছে অর্থে — এটি ভুল কারণ বাগধারা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়, আক্ষরিক অর্থে নয়। D) চাটুকার অর্থে — এটি ভুল কারণ চাটুকারিতা বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন তোষামোদকারী বা বাকসর্বস্ব শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গোঁফে খেঁজুর পড়লে তা হাত দিয়ে নামাতেও যার আলস্য লাগে, সে-ই হলো গোঁফ খেজুরে অর্থাৎ নিতান্ত অলস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই আসে। শব্দার্থের আক্ষরিক রূপ না বুঝে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a অবনি
b দ্রুম
c শর্বরী
d মরুত্ব
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শর্বরী ১. কেন সঠিক: - শর্বরী শব্দের অর্থ রাত বা রাত্রি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে এই শব্দের ব্যবহার বেশ দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে। - রাত শব্দের অন্য কিছু পরিচিত প্রতিশব্দ হলো রাত্রি, রজনী, যামিনী ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রজনী ব্যাখ্যা: রজনী শব্দটি রাত শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: যামিনী কাব্যিক অর্থে রাত বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবনি — অবনি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা, যা রাত শব্দের সমার্থক নয়। B) দ্রুম — দ্রুম শব্দের অর্থ বৃক্ষ বা গাছ, যা রাতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) শর্বরী — এটি রাত শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ এবং প্রশ্নের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক উত্তর। D) মরুত্ব — মরুত্ব বলতে সাধারণত বাতাস বা বায়ুকে বোঝায়, যা রাত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শর্বরী শুনলে রাতে তারা ভরা আকাশের কথা মাথায় রাখতে পারো। - সংস্কৃত বা কাব্যিক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ আলাদা করে মুখস্থ রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। - পরীক্ষায় প্রায়ই পৃথিবী, গাছ ও রাতের প্রতিশব্দগুলো একসঙ্গে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়।
a নিশাকর
b অর্ণব
c আদিত্য
d সবিতা
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিশাকর ১. কেন সঠিক: - 'চাঁদ' শব্দের একটি অন্যতম অর্থ বা প্রতিশব্দ হলো নিশাকর। - নিশা শব্দের অর্থ রাত্রি এবং কর শব্দের অর্থ আলো বা উৎপাদক, অর্থাৎ যিনি রাতে আলো দেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ও তদ্ভব শব্দ থেকে অনেক প্রতিশব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শশধর ব্যাখ্যা: চাঁদের পিঠে শাসকের বা খরগোশের মতো দাগ থাকে বলে চাঁদকে শশধর বলা হয়। উদাহরণ ২: সুধাকর ব্যাখ্যা: সুধা বা অমৃত ধারণ করে বলে চাঁদকে সুধাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশাকর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চাঁদ। B) অর্ণব — এই শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা চাঁদের প্রতিশব্দ নয়। C) আদিত্য — এই শব্দের অর্থ সূর্য, যা চাঁদের প্রতিশব্দ নয়। D) সবিতা — এই শব্দের অর্থও সূর্য, যা চাঁদের প্রতিশব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাতের আকাশ বা নিশা সম্পর্কিত শব্দগুলো সাধারণত চাঁদের সমার্থক হয়। - সূর্যবাচক শব্দের সাথে চন্দ্রবাচক শব্দের পার্থক্য মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, নদী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দ বারবার আসে। - প্রতিশব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের মূল অর্থ বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
a পেতনি
b ভবিষ্যৎ
c ভীতু
d ভূত্য
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভবিষ্যৎ ১. কেন সঠিক: - ভূত শব্দের একটি বহুল প্রচলিত অর্থ হলো অতীত বা যা ঘটে গেছে। - এই অর্থে ভূতের বিপরীত বা প্রতিকূল ধারণাটি হলো ভবিষ্যৎ বা যা সামনে আসবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ এবং প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়। - বাংলা ভাষায় কালগত বা সময়বাচক অর্থে অতীত ও ভবিষ্যৎ একে অপরের বিপরীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতীত এবং ভবিষ্যৎ ব্যাখ্যা: এটি কালবাচক বিপরীত শব্দের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ যা সময়ের দুটি ভিন্ন দিক নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ব্যাখ্যা: বর্তমানের সাপেক্ষে ভবিষ্যৎ একটি বিপরীত বা পরবর্তী সময়কে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেতনি — এটি ভূত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) ভবিষ্যৎ — এটি সঠিক কারণ এটি ভূত বা অতীতের বিপরীত কাল নির্দেশ করে। C) ভীতু — এটি ভীতি বা ভয় পাওয়া সংক্রান্ত শব্দ, ভূত শব্দের বিপরীত নয়। D) ভূত্য — এর অর্থ চাকর বা ভৃত্য, যার সাথে ভূতের বিপরীত অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সময় বা কালবাচক শব্দ মনে রাখার জন্য অতীত ও ভবিষ্যতের জোড় মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল। - ভূত মানে যা অতীত, তাই এর বিপরীত হবে যা সামনে আসছে অর্থাৎ ভবিষ্যৎ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক বা রূপক শব্দের বিপরীতে আক্ষরিক বিপরীত শব্দ কোনটি তা ভালোভাবে যাচাই করতে হয়। - ভূত শব্দের দুটি অর্থ থাকতে পারে (অতীত কাল এবং অলৌকিক জীব), তবে বিপরীত শব্দ নির্ধারণের সময় মূল কালগত অর্থটি ধরতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

a to
b in
c after
d at
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: কোনো স্থির বস্তুর দিকে মনোযোগ দিয়ে তাকানো বোঝালে 'look' verb-টির পরে preposition হিসেবে 'at' বসে। এখানে ছবির দিকে তাকানোর কথা বলা হয়েছে তাই সঠিক preposition হবে 'at'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — 'Look to' সাধারণত ভবিষ্যতের কোনো আশার ক্ষেত্রে বা কারো দিকে মনোযোগ দেওয়ার জন্য বসে, ছবির ক্ষেত্রে নয়। B) in — 'Look in' সাধারণত কোনো ঘরের ভেতর উঁকি দেওয়া বা পরিদর্শন করার অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) after — 'Look after' এর অর্থ যত্ন নেওয়া, যা ছবির ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও স্থিরভাবে তাকানো বা দৃষ্টি নিবদ্ধ করা বোঝালে সবসময় look এর পরে at বসবে।
a an
b a
c the
d not applicable
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) an কেন সঠিক: - M.B.B.S শব্দটির উচ্চারণ করার সময় শুরুতে স্বরবর্ণ এ (Em) এর উচ্চারণ আসে। - উচ্চারণের শুরুতে স্বরবর্ণের ধ্বনি থাকলে তার পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — সঠিক উত্তর কারণ এটি vowel sound এর নিয়ম অনুসারে বসেছে। B) a — consonant sound এর পূর্বে বসে, যা M.B.B.S এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) the — নির্দিষ্ট কোনো শব্দের পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি একটি সাধারণ পদবি। D) not applicable — এখানে আর্টিকেল বসানোর সুযোগ রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত রূপ বা Abbreviation পড়ার সময় উচ্চারণ যদি স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়, তবে তার পূর্বে সর্বদা an বসবে।
a foots
b footes
c feet
d footes
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) feet কেন সঠিক: English ব্যাকরণে কিছু noun এর plural করার সময় vowel পরিবর্তন হয়। foot শব্দের ভেetর থাকা oo পরিবর্তিত হয়ে ee রূপ ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) foots — ইংরেজী ব্যাকরণে foot শব্দের সাথে সাধারণ নিয়মে s যোগ করে plural করা যায় না। এটি ভুল গঠন। B) footes — এই বানানে es যুক্ত করা হয়েছে যা অনিয়মিত plural এর নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। C) feet — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) footes — একই ভুল বানান অপশন বি এর মতো পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: foot এর মতো tooth শব্দটিরও plural করতে হলে oo এর জায়গায় ee বসিয়ে teeth করতে হয়।
a Many years passed away since he had died.
b Many years passed away since he died.
c Many years passed away since he has died.
d Many years passed away since he had died.
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Many years passed away since he died. কেন সঠিক: 'Since' এর নিয়ম অনুযায়ী এর আগের অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। এখানে 'passed away' এবং 'died' উভয়ই পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রয়েছে। বাক্যের অর্থ ও গঠন উভয় দিক থেকেই এটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A) Many years passed away since he had died. - এখানে 'had died' পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী এটি ভুল। B) B) Many years passed away since he died. - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) C) Many years passed away since he has died. - এখানে 'has died' প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় বাক্যটির গঠন সঠিক হয়নি। D) D) Many years passed away since he had died. - অপশন এ এর মতো এখানেও ভুল টেন্স ব্যবহারের কারণে এটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: 'Since' এর বাম পাশে পাস্ট ইনডেফিনিট থাকলে ডান পাশেও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স বসাতে হয়।
a A child does not like sweets.
b A child likes nothing but sweets.
c A child likes none but sweets.
d No one.
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A child likes nothing but sweets. কেন সঠিক: - Affirmative বাক্যে কেবল মাত্র ব্যক্তি বুঝাতে 'only'-এর পরিবর্তে 'none but' এবং বস্তু বুঝাতে 'nothing but' বসে। - 'sweets' একটি বস্তুবাচক শব্দ হওয়ায় এখানে 'only'-এর পরিবর্তে 'nothing but' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A child does not like sweets. — এটি অর্থের সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে ভুল বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) A child likes nothing but sweets. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক রূপান্তর। C) A child likes none but sweets. — 'sweets' বস্তু হওয়ায় এখানে 'none but' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) No one. — এটি একটি অসম্পূর্ণ বাক্য যা প্রদত্ত প্রশ্নটির নেতিবাচক রূপান্তর হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Affirmative বাক্যে বস্তুর ক্ষেত্রে only থাকলে Negative করার সময় only-এর বদলে nothing but বসাতে হয়।
a Lady Actor
b Actrine
c Actress
d Actres
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Actress কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দ Actor এর সাথে ess যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। তাই Actor শব্দের সঠিক feminine gender হলো Actress এবং এর বানানে অতিরিক্ত t থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lady Actor — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ Actor শব্দের নিজস্ব প্রচলিত স্ত্রীবাচক রূপ রয়েছে। B) Actrine — এই শব্দটি ভুল কারণ ইংরেজিতে ess প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়ম প্রচলিত আছে। D) Actres — এই বানানটি ভুল কারণ শব্দের শেষে একটি অতিরিক্ত s অক্ষর কম রয়েছে। মনে রাখার টিপস: অর বা ওর যুক্ত পুরুষবাচক শব্দের শেষে সাধারণত ess যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করতে হয়।
a Placidity
b Apprehension
c Equanimity
d Composure
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Apprehension কেন সঠিক: ‘Fright’ শব্দটির অর্থ হলো ভয়, আতঙ্ক বা চরম শঙ্কা। ‘Apprehension’ শব্দের অর্থও ভীতি বা আশঙ্কা। তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক। এই কারণে অপশন বি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Placidity — এই শব্দটির অর্থ হলো প্রশান্তি বা শান্ত ভাব, যা ভয়ের বিপরীত। B) Apprehension — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) Equanimity — এই শব্দটির অর্থ হলো মনের স্থিরতা বা ধৈর্য। D) Composure — এই শব্দটির অর্থ হলো আত্মসংযম বা মানসিক শান্তভাব। মনে রাখার টিপস: ভয় পেলে মনে যে আশঙ্কা জাগে, তাকে অ্যাপপ্রিহেনশন বা ফ্রাইট বলা হয়।
a The French people
b The French Language
c The French manners
d The French society
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The French people কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো জাতির নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'The' বসালে তা পুরো জাতির সকল মানুষকে বোঝায়। এই নিয়মের কারণে 'The French' বলতে ফ্রান্সের সাধারণ জনগণকে নির্দেশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The French people — এটি সঠিক কারণ এটি পুরো জাতির মানুষকে নির্দেশ করে। B) The French Language — এটি ভুল কারণ ভাষার নামের আগে 'The' বসালে তা মানুষ বোঝায় না। C) The French manners — এটি ভুল কারণ এটি মানুষের আচার-আচরণকে বোঝায় যা এই প্রমিত নিয়মের বাইরে। D) The French society — এটি ভুল কারণ এটি নির্দিষ্ট কোনো সমাজকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: জাতির নামের আগে 'The' থাকলে সব সময় সেই দেশের সব মানুষকে বোঝায়।
a Comfortable
b Useful
c Convenient
d Light
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Useful কেন সঠিক: Handy শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো যা কোনো কাজে সহজে ব্যবহার করা যায়। তাই অর্থগত দিক থেকে useful বা দরকারী শব্দটি এর সবচেয়ে সঠিক সমার্থক। কোনো কিছু হাতের কাছে পাওয়া এবং তা দিয়ে কাজ চালানো বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। এই কারণে handy এর মূল বাংলা অর্থ দাঁড়ায় উপকারী বা দরকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Comfortable — এই শব্দটির অর্থ আরামদায়ক, যা handy শব্দের মূল অর্থের সাথে সরাসরি মিলে না। B) Useful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Convenient — এর অর্থ সুবিধাজনক হলেও এটি handy শব্দের সবচেয়ে নিখুঁত সমার্থক নয়। D) Light — এই শব্দটির অর্থ হালকা, যা দিয়ে কাজের উপযোগিতা পুরোপুরি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Handy শব্দটি হ্যান্ড বা হাত থেকে এসেছে, অর্থাৎ যা হাতের কাছে থাকে এবং খুব কাজে লাগে।
a from giving up
b to give up
c in giving up
d diving up
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to give up কেন সঠিক: 'Advise' verb-এর পর object থাকলে পরবর্তী verb-এর সাথে infinitives অর্থাৎ to বঙে। এখানে পরামর্শ দেওয়ার কাজটি বোঝাতে 'give up' (বর্জন করা) verb-টির আগে to বসেছে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সে আমাকে ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from giving up — 'Advise'-এর পর সরাসরি from বসে gerund হয় না, তাই এটি ভুল। B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। C) in giving up — 'Advise'-এর পর in বসে gerund হয় না, তাই এটি ভুল। D) diving up — 'diving up' বলে কোনো সঠিক ইংরেজি বাকধারা বা ফ্রেজ নেই। মনে রাখার টিপস: Advise-এর পর সরাসরি ব্যক্তিবাচক object থাকলে infinitive (to + verb) বসে।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: Sibling শব্দটি ভাই এবং বোন উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি লিঙ্গ নির্দেশ করে যা পুরুষ বা স্ত্রী উভয়ই হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ যেমন brother বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝায়। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন sister বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝায়। C) Neuter — এটি জড় পদার্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling একজন রক্তসম্পর্কিত জীবন্ত মানুষকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই একসাথে বোঝায়, সেগুলোকেই Common gender বলা হয়।
a Unanimity
b Contention
c Bickering
d Dispute
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Unanimity কেন সঠিক: - 'Controversy' শব্দের অর্থ বিতর্ক, মতবিরোধ বা বিবাদ। - 'Unanimity' শব্দের অর্থ সর্বসম্মত মত বা ঐকমত্য, যা বিতর্ক শব্দের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unanimity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Contention — এর অর্থ বিতর্ক বা প্রতিযোগিতা, যা controversy শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। C) Bickering — এর অর্থ তুচ্ছ বিষয়ে ঝগড়া বা বিবাদ, যা controversy শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। D) Dispute — এর অর্থ বিতর্ক বা বিরোধ, যা controversy শব্দের সিনোনিম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Controversy মানে বিতর্ক আর Unanimity মানে সবার মিল বা ঐকমত্য।
a To protect
b To terminate
c To tolerate
d To prevent
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) To tolerate কেন সঠিক: - 'Put up with' একটি পরিচিত গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সহ্য করা বা কোনো কিছু মেনে নেওয়া। - প্রদত্ত বাক্যে বক্তা তার আচরণ আর সহ্য করতে পারছে না বোঝাতে 'tolerate' শব্দটি ব্যবহার করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To protect — এর অর্থ সুরক্ষা করা, যা বাক্যের ভাব বা গ্রুপ ভার্বটির অর্থের সাথে মেলে না। B) To terminate — এর অর্থ সমাপ্ত করা বা বাতিল করা, যা সহ্য করার সমার্থক নয়। C) To tolerate — এটি 'put up with' এর সঠিক অর্থ হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। D) To prevent — এর অর্থ প্রতিরোধ করা, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Put up with' দেখলে মাথায় রাখবে এটি সহ্য করার ক্ষমতা বা ধৈর্য ধারণের সাথে সম্পৃক্ত, যার সোজা অর্থ 'tolerate'।
a Printing
b Cooking
c Musical instrument
d Dress
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cooking কেন সঠিক: culinary শব্দটি মূলত রান্না বা খাদ্য প্রস্তুতি সংক্রান্ত কাজের সাথে জড়িত। এটি বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার তৈরি এবং রন্ধনশিল্পের সাথে সরাসরি যুক্ত। রন্ধনপ্রণালী বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Printing — এটি মুদ্রণ বা ছাপার কাজের সাথে সম্পর্কিত, রান্নার সাথে এর কোনো মিল নেই। B) Cooking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি রন্ধনশিল্প ও খাবার তৈরির সাথে যুক্ত। C) Musical instrument — এটি বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের সাথে সম্পর্কিত, যা খাদ্যের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Dress — এটি পোশাক বা পরিচ্ছদের সাথে সম্পর্কিত, যা রান্নার ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Kitchen এবং Culinary শব্দ দুটি একই বিষয় অর্থাৎ রান্নার সাথে জড়িত।
a Very fat
b Ugly
c Tardy
d Obnoxious
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Very fat কেন সঠিক: Obese শব্দটি মূলত অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতাকে নির্দেশ করে। এটি মানুষের শারীরিক গঠনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মোটা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। Very fat অর্থ অতিরিক্ত মোটা, যা obese শব্দের সমার্থক। এই শব্দটি চিকিৎসা ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ওজনের জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Very fat — এটি সঠিক উত্তর এবং obese শব্দের সমার্থক। B) Ugly — এর অর্থ কুৎসিত, যা শারীরিক ওজনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Tardy — এর অর্থ বিলম্বিত বা মন্থর, যা সময়ের সাথে সম্পর্কিত। D) Obnoxious — এর অর্থ অত্যন্ত অপছন্দনীয় বা বিরক্তিকর, যা স্বভাবকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Obese শব্দটির ভেতরেই ওজনের আধিক্য বোঝানোর ইঙ্গিত থাকে, তাই very fat মনে রাখা সহজ।

মোট প্রশ্ন (15)

a ৯
b ৮
c ৩
d ২
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো ৯, ৮, ৩ এবং ২ ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যার ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই অতএব, ৯ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১, ৩, ৯ ৮ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১, ২, ৪, ৮ সুতরাং, ৩ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১ এবং ৩ ২ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১ এবং ২ উত্তর: ২
a 1/2 অংশ
b 3/8 অংশ
c 1/6 অংশ
d 2/3 অংশ
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৬ অংশ প্রدত্ত তথ্য: সময় দেওয়া আছে এক ঘণ্টা কুড়ি মিনিট মোট সময় দেওয়া আছে আট ঘণ্টা ধরি, এক ঘণ্টা সমান ষাট মিনিট অতএব, এক ঘণ্টা কুড়ি মিনিট সমান ষাট মিনিট যোগ কুড়ি মিনিট যোগফল হলো আশি মিনিট আট ঘণ্টা সমান আট গুণ ষাট মিনিট সমান চারশো আশি মিনিট সুতরাং, নির্ণয়ে অংশ হলো আশি ভাগ চারশো আশি কাটাকাটি করলে হয় এক ভাগ ছয় অংশ উত্তর: এক ভাগ ছয় অংশ
a 5/6
b 2/5
c 2/6
d 3/7
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২/৬ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/৬, ২/৫, ২/৬ এবং ৩/৭ ধরি, ভগ্নাংশগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করা সহজ হবে অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ৫ ÷ ৬ = ০.৮৩৩ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ৫ = ০.৪ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ৬ = ০.৩৩৩ চতুর্থ ভগ্নাংশ = ৩ ÷ ৭ = ০.৪২৮ সুতরাং, প্রাপ্ত দশমিক মানগুলোর মধ্যে ০.৩৩৩ হলো সবচেয়ে ছোট উত্তর: C) ২/৬
a ৮০.০০%
b ২৫.০০%
c ৬০.০০%
d ৭৫.০০%
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৫.০০% প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ১২০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ১২০ − ৩০ = ৯০ জন সুতরাং, পাসের হার = (৯০ ÷ ১২০) × ১০০% উত্তর: ৭৫.০০%
a ৬০০ টাকা
b ৭০০ টাকা
c ৮০০ টাকা
d ৫০০ টাকা
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল = ৮০০০ টাকা সুদের হার = বার্ষিক ১৫% সময় = ৬ মাস বা আধা বছর ধরি, আসল পি = ৮০০০ টাকা বার্ষিক সুদের হার আর = ১৫% সময় এন = ৬ মাস বা ১÷২ বছর অতএব, ১ বছরের সুদ = ৮০০০ টাকার ১৫% ১ বছরের সুদ = ১২০০ টাকা সুতরাং, ৬ মাসের সুদ = ১২০০ টাকার অর্ধেক = ৬০০ টাকা উত্তর: ৬০০ টাকা
a a^2 - 2ab + b^2
b (a+b)(a-b)
c a^2 + 2ab - b^2
d (a-b)^2 + 2ab
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a^2 − 2ab + b^2 প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি সাধারণ বর্গ নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োজন যেখানে দুটি রাশির বিয়োগফলের বর্গ বের করতে বলা হয়েছে ধরি, প্রথম রাশিটি = a দ্বিতীয় রাশিটি = b অতএব, রাশি দুটির বিয়োগফল = a − b এই বিয়োগফলের বর্গ = (a − b) এর হোল স্কয়ার সুতরাং, বীজগণিতীয় নিয়ম অনুযায়ী এর বিস্তার হলো a স্কয়ার − 2ab + b স্কয়ার উত্তর: a^2 − 2ab + b^2
a 1
b (a^2 - b^2)(a^2 + b^2)
c (a+b)
d (a-b)
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a^২ − b^২ দ্বিতীয় রাশি = a^২ + b^২ ধরি, প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই = (a + b) × (a − b) দ্বিতীয় রাশি অপরিবর্তিত থাকে = (a^২ + b^২) অতএব, প্রথম রাশির উৎপাদকগুলি হলো (a + b) এবং (a − b) দ্বিতীয় রাশির কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই যা প্রথম রাশিতে আছে সুতরাং, রাশি দুটির মধ্যে কোনো সাধারণ গুণনীয়ক বা উৎপাদক নেই উত্তর: ১
a 2
b 0
c 12
d 1
0 44 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + ২y = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো xy = ২ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x = ৪ − ২y এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই অতএব, (৪ − ২y) × y = ২ ৪y − ২y^২ = ২ সুতরাং, ২y^২ − ৪y + ২ = ০ y^২ − ২y + ১ = ০ উত্তর: x এর মান হলো ২
a (a-b)^3
b (a+b)^2
c a^2 - b^2
d a^2 + b^2
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (a+b)^2 প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিমালা হলো (a-b)^2 + 4ab ধরি, প্রথম অংশ হলো (a-b) এর বর্গ দ্বিতীয় অংশ হলো 4ab অতএব, (a-b) এর বর্গ ভাঙালে পাওয়া যায় a^2 − 2ab + b^2 এর সাথে 4ab যোগ করতে হবে সুতরাং, a^2 − 2ab + b^2 + 4ab হিসাব করলে হয় a^2 + 2ab + b^2 উত্তর: (a+b)^2
a ২:০১
b ৩:০১
c ৪:০৩
d ৩:০২
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩:০১ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার যোগফল তাদের বিয়োগফলের দ্বিগুণ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ২ × (ক − খ) বা, ক + খ = ২ক − ২খ সুতরাং, ক = ৩খ উত্তর: ক : খ = ৩ : ১
a ১৮০°
b ৯০°
c ৩৬০°
d ২২০°
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের যেকোনো প্রকারভেদের ক্ষেত্রে তিন কোণের মানের সমষ্টি নির্দিষ্ট থাকে ধরি, ত্রিভুজের প্রথম কোণ = ৯০° ত্রিভুজের দ্বিতীয় কোণ = ক° ত্রিভুজের তৃতীয় কোণ = খ° অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = প্রথম কোণ + দ্বিতীয় কোণ + তৃতীয় কোণ জ্যামিতির নিয়ম অনুসারে যেকোনো ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০° হয় সুতরাং, ৯০° + ক° + খ° = ১৮০° উত্তর: ১৮০°
a ৫০°
b ২০°
c ৩০°
d ৮০°
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ সমকোণটির মান = ৯০° সমকোণের বিপরীত কোণ বা একটি সূক্ষ্মকোণ = ৫০° ধরি, ত্রিভুজের অপর সূক্ষ্মকোণটি = ক অতএব, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ৯০° + ৫০° + ক = ১৮০° উত্তর: ৮০°
a আয়তক্ষেত্র
b সামান্তরিক
c বর্গক্ষেত্র
d ট্রাপিজিয়াম
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চারটি বাহু রয়েছে বিপরীত দুটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল অন্য দুটি বিপরীত বাহু অসমান ধরি, চতুর্ভুজটির সমান্তরাল বাহু দুটি ক এবং খ অসমান বাহু দুটি গ এবং ঘ অতএব, সমান্তরাল বাহু জোড়ার মধ্যবর্তী দূরত্ব সমান নয় বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হওয়ায় এটি আয়ত বা সামান্তরিক নয় সুতরাং, যে চতুর্ভুজের এক জোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে উত্তর: ট্রাপিজিয়াম
a আয়তক্ষেত্র
b রম্বস
c বর্গক্ষেত্র
d ট্রাপিজিয়াম
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান ধরি, ABCD একটি সামান্তরিক যেখানে কর্ণ AC সমান কর্ণ BD অতএব, সামান্তরিকের কোণগুলোর মান পরিবর্তিত হয়ে সমকোণে পরিণত হয় ফলে এর প্রতিটি কোণ নব্বই ডিগ্রি হয় সুতরাং, যে সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় সমান এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ তাকে আয়তক্ষেত্র বলে উত্তর: আয়তক্ষেত্র
a দৈর্ঘ্য × উচ্চতা
b দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
c 1/2 × দৈর্ঘ্য × উচ্চতা
d ভূমি × উচ্চতা
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে ধরি, সামান্তরিকের ভূমি = ক সামান্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করি সুতরাং, ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা উত্তর: ভূমি × উচ্চতা

মোট প্রশ্ন (15)

a প্রধানমন্ত্রী
b রাষ্ট্রপতি
c প্রধান বিচারপতি
d বিচারপতি
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রধান বিচারপতি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর সুরক্ষা নিশ্চিত করার চূড়ান্ত দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান তথা প্রধান বিচারপতির উপর ন্যস্ত থাকে। - সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট কাজ করে এবং এর প্রধান হিসেবে প্রধান বিচারপতি এই দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং নির্বাহী বিভাগের প্রধান, সংবিধানের রক্ষাকর্তা নন। B) রাষ্ট্রপতি — তিনি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও সংবিধানের ব্যাখ্যাকারী বা রক্ষাকর্তা হিসেবে প্রধান বিচারপতিই মূল ভূমিকা পালন করেন। C) প্রধান বিচারপতি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) বিচারপতি — এটি সাধারণ পদবী, সুনির্দিষ্টভাবে প্রধান বিচারপতিই সংবিধানের রক্ষাকর্তা হিসেবে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের রক্ষাকর্তা মানে বিচারালয়ের শীর্ষ ব্যক্তি, তাই উত্তর হবে প্রধান বিচারপতি।
a হামিদুজ্জামান
b সৈয়দ মাইনুল ইসলাম
c স্থপতি নোভেরা আহমেদ
d স্থপতি মৃণাল হক
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মাইনুল ইসলাম কেন সঠিক: - স্থপতি সৈয়দ মাইনুল ইসলাম ১৯৭৮ সালে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন এবং তার নকশাতেই এই সৌধ নির্মিত হয়। - এই সৌধটি সাভারে অবস্থিত এবং এর মূল নকশাকে সাতটি ভিন্ন উচ্চতার ত্রিভুজাকৃতির বেষ্টনী দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাথে সরাসরি স্থপতি হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। B) সৈয়দ মাইনুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই নির্ধারিত স্থপতি। C) স্থপতি নোভেরা আহমেদ — তিনি দেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের একজন অগ্রপথিক হলেও জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি নন। D) স্থপতি মৃণাল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর যিনি অনেক ম্যুরাল ও ভাস্কর্য তৈরি করেছেন, তবে এই স্মৃতিসৌধের নকশাকারী নন। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের মাইনুল ইসলাম নামটিতে 'মাইনুল' শব্দটি মনে রাখলে সহজেই স্থপতিকে চেনা যায়।
a সৌদি আরব
b মালয়েশিয়া
c সংযুক্ত আরব আমিরাত
d কুয়েত
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৌদি আরব কেন সঠিক: - সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার এবং বিগত বছরগুলোতে এই দেশটিতেই সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মী কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গমন করেছে। - মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে তেল ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রচুর কর্মীর প্রয়োজন হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর সর্বাধিক জনশক্তি এই রাষ্ট্রে রপ্তানি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ থেকে সর্বাধিক সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক এই দেশে চাকরি নিয়ে যান। B) মালয়েশিয়া — এটি একটি বড় শ্রমবাজার হলেও সৌদি আরবের মতো সার্বিকভাবে সর্বোচ্চ পরিমাণ জনশক্তি বাংলাদেশ থেকে এখানে যায় না। C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এই দেশটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত থাকলেও এটি সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে নেই। D) কুয়েত — এটি বাংলাদেশের অন্যতম শ্রমবাজার হলেও এখানে যাওয়া কর্মীর সংখ্যা সৌদি আরবের তুলনামূলকভাবে বেশ কম। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বেশি মানুষ যেখানে কাজ করতে যায়, সেই সৌদি আরব থেকেই মাথায় রাখুন এস (সৌদি) দিয়ে সবচেয়ে সুপার বা সর্বোচ্চ জনশক্তি বোঝায়।
a ঢাকা
b ময়মনসিংহ
c কক্সবাজার
d গাজীপুর
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ জেলায় দেশের অন্যান্য গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় উৎপাদিত ক্ষমতা সবচেয়ে কম। - বিদ্যুৎ খাতের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী এই জেলায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বা প্রকল্পের পরিমাণ সর্বনিম্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা জেলায় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা এর উৎপাদন ময়মনসিংহের মতো সর্বনিম্ন নয়। B) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কক্সবাজার — কক্সবাজারে দেশের অন্যতম বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত, তাই এটি সর্বনিম্ন নয়। D) গাজীপুর — গাজীপুর জেলায় শিল্প ও অন্যান্য কারণে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উপস্থিতি ময়মনসিংহের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ম দিয়ে ময়মনসিংহকে সর্বনিম্ন হিসেবে মনে রাখবে।
a প্রাকৃতিক গ্যাস
b চুনাপাথর
c কয়লা
d চীনামাটি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক গ্যাস কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ এবং এটি দেশের বাণিজ্যিক শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস। - বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালি কাজে এর ব্যবহার সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শক্তিতে এর অবদান সবচেয়ে বেশি। B) চুনাপাথর — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ হলেও দেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হিসেবে গ্যাসকে গণ্য করা হয়। C) কয়লা — দেশে কয়লার বেশ কিছু বড় খনি থাকলেও প্রধান খনিজ সম্পদ হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসই শীর্ষস্থানে রয়েছে। D) চীনামাটি — এটি সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হলেও পরিমাণে ও অর্থনৈতিক গুরুত্বে এটি প্রধান খনিজ সম্পদ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের শক্তি খাতের প্রধান চালিকাশক্তি হলো গ্যাস, তাই খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে গ্যাসের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
a গণতন্ত্র
b মূল্যবোধ
c আইনের শাসন
d আমলাতন্ত্র
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আইনের শাসন কেন সঠিক: - আইনের শাসন হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই আইনের চোখে সমান এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত হয়। - সুশাসনের বিশ্বস্বীকৃত মূল ভিত্তি বা স্তম্ভ হলো আইনের শাসন, যা ছাড়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণতন্ত্র — গণতন্ত্র সুশাসনের অন্যতম একটি মাধ্যম হলেও এটি একমাত্র মূল ভিত্তি নয়, কারণ আইনের শাসন ছাড়া গণতন্ত্রও স্বৈরাচারী হতে পারে। B) মূল্যবোধ — নৈতিক মূল্যবোধ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে, কিন্তু এটি সুশাসনের প্রশাসনিক ও আইনি মূল ভিত্তির সমার্থক নয়। C) আইনের শাসন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) আমলাতন্ত্র — আমলাতন্ত্র হলো শাসন পরিচালনার একটি মাধ্যম বা যন্ত্র মাত্র, সুশাসনের ভিত্তি নয়। মনে রাখার টিপস: সুশাসন শব্দটি শুনলেই মাথায় আনতে হবে আইনের শাসনকে, কারণ আইন না থাকলে সুশাসন টিকে থাকতে পারে না।
a অষ্টম
b নবম
c দশম
d সপ্তম
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অষ্টম কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সর্বশেষ প্রাক্কলন ও বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে অষ্টম। - বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় সতেরো কোটি এবং ঘনত্বের দিক থেকে এটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় জনবহুল দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অষ্টম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ হিসেবে স্বীকৃত। B) নবম — অতীতে এই স্থানটি থাকলেও বর্তমান জনমিতি অনুযায়ী নবম অবস্থান সঠিক নয়। C) দশম — বাংলাদেশ অনেক আগেই দশম অবস্থান অতিক্রম করে অষ্টম স্থানে উন্নীত হয়েছে। D) সপ্তম — সপ্তম জনবহুল দেশ হিসেবে রাশিয়া বা মেক্সিকোর অবস্থান, বাংলাদেশ সপ্তম নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের জনবহুল দেশগুলোর মধ্যে আট নম্বরে আছে বাংলাদেশ, সংখ্যাটি মনে রাখতে আট ও বাংলাদেশ একসঙ্গে মিলিয়ে ভাবুন।
a ১৯৭৫ সালে
b ১৯৮৫ সালে
c ১৯৮৯ সালে
d ১৯৮৮ সালে
0 48 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৫ সালে কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক আনুষ্ঠানিকভাৰে ৮ ই ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - ঢাকার তেজগাঁয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের অংশগ্রহণে এই সংস্থাটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৫ সালে — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সার্ক গঠনের ১০ বছর আগের একটি কালীন সময়। B) ১৯৮৫ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। C) ১৯৮৯ সালে — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সার্ক প্রতিষ্ঠার চার বছর পরের একটি সাল। D) ১৯৮৮ সালে — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সার্কের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনের সাল। মনে রাখার টিপস: সার্ক প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ৮৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যার শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়।
a ফ্রান্স
b ব্রিটেন
c রাশিয়া
d ইউক্রেন
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া কেন সঠিক: - রাশিয়া পৃথিবীর মোট ভূখণ্ডের প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ জুড়ে অবস্থিত যার আয়তন প্রায় এক কোটি সত্তর লক্ষ বর্গকিলোমিটার। - এর একটি বিশাল অংশ এশিয়া মহাদেশে এবং বাকি অংশ ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত হওয়ায় এটি ইউরোপের সর্ববৃহৎ দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও আয়তনে রাশিয়ার চেয়ে অনেক ছোট এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ দেশ। B) ব্রিটেন — এটি উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর আয়তন ও ভূখণ্ড রাশিয়ার তুলনায় অত্যন্ত ক্ষুদ্র। C) রাশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা বিশ্বের এবং ইউরোপের উভয় ক্ষেত্রেই আয়তনে বৃহত্তম দেশ। D) ইউক্রেন — এটি ইউরোপের একটি রাষ্ট্র হলেও এটি কেবল ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে বড়, রাশিয়া বা সমগ্র বিশ্বের বৃহত্তম নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের ও ইউরোপের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া, যার প্রথম অক্ষর র দিয়ে রাজত্ব বা বিশালতা মনে রাখা যায়।
a কিয়েভ
b কোপেনহেগেন
c লুক্সেমবার্গ
d সুফিয়া
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কিয়েভ কেন সঠিক: - কিয়েভ হলো পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের রাজধানী এবং সবচেয়ে বড় শহর। - এটি নিপ্রো নদীর তীরে অবস্থিত এবং দেশটির রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিয়েভ — এটি ইউক্রেনের রাজধানী হওয়ায় এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর। B) কোপেনহেগেন — এটি ডেনমার্কের রাজধানী, তাই এটি ইউক্রেনের রাজধানী নয়। C) লুক্সেমবার্গ — এটি লুক্সেমবার্গ নামক ইউরোপীয় দেশের রাজধানী, ইউক্রেনের রাজধানী নয়। D) সুফিয়া — এটি কোনো দেশের রাজধানী নয়, তাই এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: ইউক্রেন শব্দের প্রথম অক্ষর উ এবং এর রাজধানী কিয়েভ শব্দের শুরু ক দিয়ে, মনে রাখতে পারেন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।
a কায়রো
b আলেকজান্দ্রিয়া
c খার্তুম
d মাদ্রিদ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কায়রো কেন সঠিক: - কায়রো হলো মিশরের রাজধানী যা বিখ্যাত নীল নদের তীরে অবস্থিত। - নীল নদ আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী এবং এর অববাহিকাতেই প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়রো — এটি নীল নদের তীরে অবস্থিত মিশরের রাজধানী এবং সঠিক উত্তর। B) আলেকজান্দ্রিয়া — এটি নীল নদের তীরে নয়, বরং ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত মিশরের একটি বন্দরনগরী। C) খার্তুম — এটি সুদানের রাজধানী এবং নীল নদের তীরে অবস্থিত হলেও প্রশ্নটি সাধারণত মিশরের রাজধানী কায়রোকে নির্দেশ করে, তবে খার্তুমও নীল নদের তীরে অবস্থিত এবং সুদান অংশে পড়ে। D) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং ইউরোপ মহাদেশের মানসা নদীর তীরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মিশরের পিরামিড দেখতে গেলে কায়রোতে নামতে হয়, আর কায়রো মানেই নীল নদ।
a ১২৩৫
b ১৪১৫
c ১৫৩০
d ১৫৪৮
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) ১৪১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং নদী গবেষকদের সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশে নদনদীর মোট সংখ্যা ১৪১৫টি। - নদীমাতৃক বাংলাদেশে শাখা নদী ও উপনদীসহ জালের মতো ছড়িয়ে থাকা প্রধান ও ক্ষুদ্র নদীগুলোর মোট প্রামাণ্য হিসাব এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৩৫ — এটি কোনো প্রামাণ্য বা সরকারি সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত নদীর সংখ্যা নয়। B) ১৪১৫ — এটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের নদীর সঠিক সংখ্যা। C) ১৫৩০ — এটি অতীতের কিছু অপ্রাতিষ্ঠানিক বা পুরনো জরিপের সংখ্যা যা বর্তমানের সঙ্গে মেলে না। D) ১৫৪৮ — এটিও নদীর সংখ্যা হিসেবে ভুল এবং কোনো নির্ভরযোগ্য দাপ্তরিক তথ্যে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, তাই নদীর সংখ্যাটিও মনে রাখতে হবে চার অঙ্কবিশিষ্ট চৌদ্দশ পনেরো বা ১৪১৫টি।
a ১৯৭২ সালে
b ১৯৭৫ সালে
c ১৯৭৬ সালে
d ১৯৭৯ সালে
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭২ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন বা BIWTC ১৯৭২ সালের ১৩ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়। - যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনের জন্য রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই সংস্থাটি গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ সালে — এই সালটি সঠিক কারণ BIWTC এই সালেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৯৭৫ সালে — এই সালে BIWTC প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৯৭৬ সালে — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ এর অনেক আগেই সংস্থাটি গঠিত হয়। D) ১৯৭৯ সালে — এই অপশনটি সঠিক নয়, এটি BIWTC প্রতিষ্ঠার সাল নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই অর্থাৎ ১৯৭২ সালে BIWTC গঠিত হয়।
a ইয়াংসিকিয়াং
b ম্যাকেঞ্জি
c হোয়াংহো
d রো
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হোয়াংহো কেন সঠিক: - এই নদীটি ঘন ঘন গতিপথ পরিবর্তন করে এবং আকস্মিক ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। - অতীতে এই নদীর বন্যায় বহু মানুষের প্রাণহানি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় একে চীনের দুঃখ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াংসিকিয়াং — এটি এশিয়ার দীর্ঘতম নদী এবং চীনের প্রধান বাণিজ্যিক জলপথ, তাই এটি ধ্বংস বা দুঃখের প্রতীক নয়। B) ম্যাকেঞ্জি — এটি কানাডার দীর্ঘতম নদী এবং উত্তর আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যার সঙ্গে চীনের কোনো সম্পর্ক নেই। C) হোয়াংহো — এটি সঠিক উত্তর। D) রো — এটি ইতালির রাজধানী রোম শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত টাইবার নদীর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি নাম, যা চীনের কোনো নদী নয়। মনে রাখার টিপস: হোয়াংহো নদী মানেই হলুদ নদী এবং বারবার বন্যার কারণে এটি চীনের দুঃখ নামে পরিচিত।
a আমাজন
b নীলনদ
c হোয়াংহো
d গঙ্গা
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীলনদ কেন সঠিক: - নীলনদ আফ্রিকার ১১টি দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৬৫০ কিলোমিটার। - এটি প্রাচীনকাল থেকেই পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমাজন — এটি দক্ষিণ আমেরিকার নদী এবং পানির পরিমাণের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী হলেও দৈর্ঘ্য নীলনদের চেয়ে কম। B) নীলনদ — এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদী, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) হোয়াংহো — এটি চীনের একটি প্রধান নদী এবং একে পীত নদী বলা হয়, তবে এর দৈর্ঘ্য নীলনদের মতো বেশি নয়। D) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের একটি প্রধান নদী, তবে দৈর্ঘ্যের দিক থেকে এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নয়। মনে রাখার টিপস: দীর্ঘতম নদী মনে রাখতে নীল রং বা আকাশের দীর্ঘতার সঙ্গে তুলনা করতে পারো, যেমন নীল আকাশ যেমন অনেক লম্বা, তেমনি নীলনদও বিশ্বের দীর্ঘতম।

মোট প্রশ্ন (20)

a ব্রাউজার
b প্রোগ্রামিং ভাষা
c অপারেটিং সিস্টেম
d এন্টিভাইরাস
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপারেটিং সিস্টেম ১. কেন সঠিক: - উইন্ডোজ হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরিকৃত একটি জনপ্রিয় সিস্টেম সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম। - এটি কম্পিউটার ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার পরিচালনা করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি প্রসেসর, মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের কাজগুলো সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এর মাধ্যমে কম্পিউটারে ফাইল ব্যবস্থাপনা, মেমোরি ব্যবস্থাপনা এবং প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। - ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং সার্ভারে ব্যবহারকারী ইন্টারফেস হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১১ ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান সময়ের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত একটি গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেম। উদাহরণ ২: উবুন্টু লিনাক্স ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা ওপেন সোর্স প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাউজার — ব্রাউজার হলো ইন্টারনেট বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্রাউজ করার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম নয়। B) প্রোগ্রামিং ভাষা — প্রোগ্রামিং ভাষা হলো কোড লেখার মাধ্যম যার সাহায্যে সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) অপারেটিং সিস্টেম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উইন্ডোজ একটি অপারেটিং সিস্টেম। D) এন্টিভাইরাস — এন্টিভাইরাস হলো কম্পিউটারকে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস থেকে রক্ষা করার বিশেষ ধরনের নিরাপত্তা সফটওয়্যার। ৫ মনে রাখার টিপস: - উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাকওএস এগুলো হলো বিভিন্ন জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমের নাম। - হার্ডওয়্যারকে সচল রাখতে এবং কম্পিউটার চালাতে অপারেটিং সিস্টেমের বিকল্প নেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হলো মাইক্রোসফট এবং এর প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
a RAM
b ROM
c Cache
d Register
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ROM ১. কেন সঠিক: - ROM এর পূর্ণরূপ Read Only Memory এবং এটি কম্পিউটার মেমোরির একটি স্থায়ী বা অস্থিতিশীল মাধ্যম যা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও ডেটা মুছে ফেলে না। - মাদারবোর্ডে থাকা এই চিপটিতে কম্পিউটারের বায়োস বা বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে যা কম্পিউটার চালু করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ROM হলো এমন এক ধরনের প্রাইমারি মেমরি যেখানে প্রস্তুতকারক কর্তৃক স্থায়ীভাবে ডেটা বা নির্দেশাবলি লিখে দেওয়া হয় এবং ব্যবহারকারী সাধারণ অবস্থায় তা পরিবর্তন করতে পারে না। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার অন করার সাথে সাথে প্রসেসর এই মেমরির নির্দেশাবলি পড়ে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি নন-ভোলাটাইল মেমরি অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ভেতরের তথ্য কখনো হারিয়ে যায় না। - ব্যবহার: কম্পিউটারের বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম, প্রিন্টার ও রাউটারের ফার্মওয়্যার এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের স্থায়ী সফটওয়্যার সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার ব্যাখ্যা: মোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অপারেটিং সিস্টেমের মূল সফটওয়্যারটি ফোনের রম-এ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে যাতে ব্যবহারকারী চাইলেও তা সহজে মুছে ফেলতে না পারে। উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা ওয়াশিং মেশিন ব্যাখ্যা: এই গৃহস্থালি যন্ত্রগুলো কীভাবে কাজ করবে তার স্থায়ী নির্দেশাবলি মাইক্রোকন্ট্রোলারের রম-এ সংরক্ষণ করা থাকে যা যন্ত্র চালুর সময় কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি একটি ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমরি যা বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলে সমস্ত ডেটা মুছে ফেলে, তাই এটি স্থায়ী মেমরি নয়। B) ROM — এটি সঠিক উত্তর। C) Cache — এটি প্রসেসরের খুব দ্রুতগতির একটি অস্থায়ী মেমরি যা সিপিইউ এবং মূল মেমরির মধ্যকার দূরত্ব কমাতে কাজ করে। D) Register — এটি প্রসেসরের ভেতরের অতি ক্ষুদ্র এবং অত্যন্ত দ্রুতগতির অস্থায়ী ডেটা ধারণকারী স্থান যা গণনার কাজে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রম শব্দের শুরুতে আর মানে রিড অর্থাৎ শুধু পড়া যায় এবং শেষের এম মানে মেমরি। - বিদ্যুৎ গেলে ডেটা হারায় না মানেই তা পার্মানেন্ট বা স্থায়ী মেমরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - র‍্যাম হলো উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল মেমরি এবং রম হলো অবিনশ্বর বা নন-ভোলাটাইল মেমরি। - বিভিন্ন প্রতিযোগী পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়ায় কোন মেমরি কাজ করে।
a পিসি
b মাইক্রোকম্পিউটার
c আইবিএম
d মেইনফ্রেম
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইক্রোকম্পিউটার ১. কেন সঠিক: পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসির মূল চালিকাশক্তি হলো মাইক্রোপ্রসেসর বা সিপিইউ। এই কারণে কারিগরি ও গঠনগত দিক থেকে সব পার্সোনাল কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসরকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাকে মাইক্রোকম্পিউটার বলে। কার্যপদ্ধতি: এর ভেতরে থাকা মাইক্রোপ্রসেসর গাণিতিক ও যৌক্তিক নির্দেশগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল প্রদান করে। বৈশিষ্ট্য: আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য, দাম কম এবং একজন ব্যবহারকারী এটি এককভাবে পরিচালনা করতে পারেন। ব্যবহার: বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণার কাজে পার্সোনাল কম্পিউটার বা মাইক্রোকম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেক্সটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: ডেক্সটপ কম্পিউটার হলো মাইক্রোকম্পিউটারের সবচেয়ে পরিচিত রূপ যা আমরা ঘরে বা অফিসে ব্যবহার করি। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ কম্পিউটার। ব্যাখ্যা: ল্যাপটপ বা নোটবুক হলো বহনযোগ্য মাইক্রোকম্পিউটার যার ভেতর মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিসি — এটি পার্সোনাল কম্পিউটারের সংক্ষিপ্ত রূপ বা প্রচলিত নাম, কোনো কারিগরি বা প্রযুক্তিগত নাম নয়। C) আইবিএম — এটি একটি প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম, যা প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারে এনেছিল। D) মেইনফ্রেম — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বড় আকারের কম্পিউটার যা বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে বহু ব্যবহারকারী ব্যবহার করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: পার্সোনাল কম্পিউটার মানেই ব্যক্তিগত কম্পিউটার আর ব্যক্তিগত কম্পিউটার মানেই মাইক্রোকম্পিউটার। আইবিএম হলো নির্মাতা কোম্পানির নাম আর মাইক্রোকম্পিউটার হলো কম্পিউটারের প্রকৃত কারিগরি শ্রেণী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের আকার ও ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে একে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয় যথা মাইক্রো, মিনি, মেইনফ্রেম ও সুপার কম্পিউটার। ১৯৮১ সালে আইবিএম কোম্পানি প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি বাজারে নিয়ে আসে।
a পেনড্রাইভ
b হার্ডডিস্ক
c মেমরি কার্ড
d র‍্যাম
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) র‍্যাম ১. কেন সঠিক: - র‍্যাম (RAM) বা র্যান্ডম এক্সেস মেমরি হলো কম্পিউটারের প্রাথমিক বা প্রাইমারি মেমরি যা শুধুমাত্র বর্তমান চলমান ডেটা ও নির্দেশাবলী অস্থায়ীভাবে ধরে রাখে। - বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে র‍্যামে থাকা সমস্ত ডেটা চিরতরে মুছে যায়, যা স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইসের ক্ষেত্রে ঘটে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: র‍্যাম (RAM - Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের একটি উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল মেমরি যা প্রসেসরের সরাসরি কাজের জন্য ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন চালায়, তখন তা হার্ডডিস্ক থেকে র‍্যামে নিয়ে আসে এবং দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় সুবিধা দেয় এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস স্পিড হার্ডডিস্কের তুলনায় অত্যন্ত দ্রুত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেখার প্যাড ব্যাখ্যা: একটি কাগজের প্যাডে আমরা পেন্সিল দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে লিখে আবার মুছে ফেলি, যা শুধু বর্তমান কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। র‍্যাম ঠিক একইভাবে কম্পিউটারের বর্তমান কাজের জন্য ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে। উদাহরণ ২: রান্নাঘরের কাজের টেবিল ব্যাখ্যা: রান্নার সময় মশলা ও তরিতরকারি যেমন হাতের কাছে কাজের টেবিলে রাখা হয়, তেমনি র‍্যামে চলমান প্রোগ্রামের ডেটা সাজানো থাকে। কাজ শেষ হলে টেবিল খালি করে ফেলতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেনড্রাইভ — এটি একটি ফ্ল্যাশ মেমরিভিত্তিক স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস যাতে দীর্ঘ সময়ের জন্য ডেটা সংরক্ষণ করা যায়। B) হার্ডডিস্ক — এটি একটি ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস যা বিশাল পরিমাণ ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। C) মেমরি কার্ড — এটি একটি পোর্টেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যা মোবাইল বা ক্যামেরায় ছবি ও ফাইল সংরক্ষণ করে। D) র‍্যাম — এটি কোনো স্টোরেজ ডিভাইস নয়, বরং এটি একটি অস্থায়ী ভোলাটাইল প্রাইমারি মেমরি। ৫. মনে রাখার টিপস: - র‍্যাম হলো মেমরি বা কার্যক্ষেত্র, আর হার্ডডিস্ক হলো স্টোরেজ বা গুদামঘর। - র‍্যাম ভোলাটাইল বা অস্থায়ী, তাই কম্পিউটার বন্ধ করলেই সব মুছে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - র‍্যামকে প্রধান মেমরি (Main Memory) বলা হয়। - প্রাথমিক মেমরি সরাসরি প্রসেসরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, যা সেকেন্ডারি স্টোরেজ পারে না।
a আউটপুট
b স্টোরেজ
c ইনপুট
d মেমরি
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনপুট ১. কেন সঠিক: - মাউস একটি হার্ডওয়্যার পেরিফেরাল ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর হাত থেকে নির্দেশ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায়। - ব্যবহারকারী মাউস নড়াচড়া করলে বা ক্লিক করলে কম্পিউটারের সিপিইউ সেই সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং স্ক্রিনে কার্সার পরিচালনা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যা বাহ্যিক ডেটা বা নির্দেশ কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করাতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: মাউসের ভেতরে থাকা অপটিক্যাল সেন্সর বা লেজার টেবিলের পৃষ্ঠতল স্ক্যান করে গতি নির্ধারণ করে এবং ডেটা প্রসেসরের কাছে পাঠায়। - ব্যবহার: গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ব্রাউজিং এবং অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন উইন্ডো বা ফাইল পরিচালনা করার জন্য মাউস ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের স্ক্রিনে থাকা একটি ফোল্ডারে ডাবল ক্লিক করে তা ওপেন করা। ব্যাখ্যা: মাউসের বাম বোতামে চাপ দিয়ে ব্যবহারকারী কম্পিউটারকে নির্দেশ দেন যে নির্দিষ্ট ফাইলটি খুলতে হবে। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলে লেখালেখির সময় কার্সার নির্দিষ্ট স্থানে স্থাপন করা। ব্যাখ্যা: মাউস পয়েন্টার নির্দিষ্ট শব্দের ওপর নিয়ে ক্লিক করার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ইনপুট সিগন্যাল প্রদান করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউটপুট — আউটপুট ডিভাইস যেমন মনিটর বা প্রিন্টার কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল প্রদর্শন বা মুদ্রণ করে, কিন্তু মাউস তা করে না। B) স্টোরেজ — স্টোরেজ ডিভাইস যেমন হার্ড ডিস্ক বা পেনড্রাইভ দীর্ঘ সময় বা স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা মাউসের কাজ নয়। D) মেমরি — মেমরি যেমন র‍্যাম বা রম কম্পিউটারের অস্থায়ী বা স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করে কাজ পরিচালনা করে, যা মাউস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইনপুট ডিভাইসের সহজ তালিকা মনে রাখার উপায় হলো যা দিয়ে কম্পিউটারে লেখা, ক্লিক বা তথ্য পাঠানো হয়। - মাউস, কিবোর্ড, স্ক্যানার, জয়স্টিক এবং মাইক্রোফোন হলো প্রধান ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাউসের জনক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট ১৯৬৪ সালে প্রথম কাঠের তৈরি মাউস আবিষ্কার করেছিলেন। - অপটিক্যাল মাউসে আলোর প্রতিসরণ ব্যবহার করে গতি মাপা হয়।
a ডট মেট্রিক্স
b ইঙ্কজেট
c লেজার প্রিন্টার
d থার্মাল প্রিন্টার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লেজার প্রিন্টার ১. কেন সঠিক: লেজার প্রিন্টার হলো সবচেয়ে দ্রুতগতির আউটপুট ডিভাইস যা সাধারণত অফিস বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হয়। এটি লেজার বিম বা রশ্মির সাহায্যে পেপারে টোনার পাউডার পুড়িয়ে অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁত প্রিন্ট তৈরি করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: লেজার প্রিন্টার হলো এমন একটি নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যা লেজার প্রযুক্তির সাহায্যে উচ্চ গতিতে টেক্সট ও ছবি প্রিন্ট করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: ড্রামের ওপর লেজার রশ্মি ফেলে স্থির বিদ্যুৎ তৈরি করা হয় এবং টোনার পাউডার আকর্ষণ করে তা তাপে কাগজে স্থায়ী করা হয়। বৈশিষ্ট্য: এর প্রিন্ট রেজুলেশন অত্যন্ত বেশি এবং শব্দহীনভাবে বিপুল পরিমাণ পেপার খুব কম সময়ে প্রিন্ট করতে পারে। ব্যবহার: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, কর্পোরেট অফিস এবং গণহারে প্রিন্ট করার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রিন্ট ব্যাংকগুলোতে প্রতিদিন হাজার হাজার গ্রাহকের লেনদেনের বিবরণী দ্রুত প্রিন্ট করতে লেজার প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: অফিসিয়াল ডকুমেন্ট অফিসে জরুরি প্রতিবেদন বা চুক্তিপত্র দ্রুত ও স্পষ্টভাবে প্রিন্ট করার জন্য এটি প্রথম পছন্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডট মেট্রিক্স — এটি একটি স্লো-স্পিড ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যা পিন দিয়ে আঘাত করে প্রিন্ট করে এবং গতি অনেক কম। B) ইঙ্কজেট — এটি তরল কালি স্প্রে করে প্রিন্ট করে, যার গতি লেজার প্রিন্টারের তুলনায় যথেষ্ট ধীরগতির। C) লেজার প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে প্রচলিত প্রিন্টারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগতির। D) থার্মাল প্রিন্টার — এটি তাপের সাহায্যে বিশেষ কাগজে প্রিন্ট করে এবং প্রধানত পিওএস বা ক্যাশ মেমো প্রিন্টারে ব্যবহৃত হয়, এর গতি মাঝারি। ৫. মনে রাখার টিপস: লেজার রশ্মি আলোর গতিতে চলে, তাই লেজার প্রিন্টারও সবচেয়ে দ্রুত প্রিন্ট করে। অফিসিয়াল দ্রুত কাজের জন্য লেজার প্রিন্টার এবং রঙিন ছবির জন্য ইঙ্কজেট প্রিন্টার মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লেজার প্রিন্টারের গতি পরিমাপ করা হয় PPM বা পেজেস পার মিনিট এককে। ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার শব্দ করে কিন্তু নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যেমন লেজার প্রিন্টার শব্দহীনভাবে কাজ করে।
a মডেম
b স্ক্যানার
c প্রিন্টার
d ইউপিএস
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মডেম ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং টেলিফোন লাইনের অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করতে হয়। এই রূপান্তর কাজটি মডেমের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যা মূলত ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মডেম হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যার পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। কার্যপদ্ধতি: এটি প্রেরক প্রান্ত থেকে ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে মডুলেট করে এবং গ্রাহক প্রান্তে অ্যানালগ সিগন্যালকে আবার ডিজিটাল সিগন্যালে ডিমডুলেট করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রॉडব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত এডিএসএল বা ফাইবার অপটিক মডেম টেলিফোন লাইন থেকে আসা সিগন্যালকে কম্পিউটারের উপযোগী করে তোলে। উদাহরণ ২: ওয়্যারলেস রাউটার ও মডেমের সমন্বয় ব্যাখ্যা: বর্তমানের আধুনিক ওয়াই-ফাই রাউটারগুলোতে মডেম সংযুক্ত থাকে, যা মোবাইল ও ল্যাপটপে ইন্টারনেট সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মডেম — এটি ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য অপরিহার্য নেটওয়ার্কিং ডিভাইস। B) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের ছবি বা নথি ডিজিটাল কপিতে রূপান্তর করে। C) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস যা ডিজিটাল নথি কাগজে প্রিন্ট করতে ব্যবহৃত হয়। D) ইউপিএস — এর পূর্ণরূপ আনইন্টারাপ্টিবল পাওয়ার সাপ্লাই, যা বিদ্যুৎ চলে গেলে কম্পিউটার সচল রাখে। ৫. মনে রাখার টিপস: মডেম শব্দটির উৎপত্তি মডুলেটর শব্দের মো এবং ডিমডুলেটর শব্দের ডেম অংশ থেকে। কম্পিউটার বোঝে ডিজিটাল ভাষা আর টেলিফোন লাইন বোঝে অ্যানালগ ভাষা, এদের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করে মডেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মডেম ডেটা কমিউনিকেশনে সিগন্যাল রূপান্তরের কাজ করে। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ডিভাইসটি সিগন্যাল মডুলেশন ও ডিমডুলেশন উভয় কাজই করে।
a মনিটর
b প্রিন্টার
c কী-বোর্ড
d স্পিকার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কী-বোর্ড ১. কেন সঠিক: কী-বোর্ড হলো একটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে ডেটা, নির্দেশ বা টেক্সট প্রবেশ করাতে পারেন। এর প্রধান কাজ হলো ব্যবহারকারীর হাতের আঙুলের চাপকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তর করে কম্পিউটারের প্রসেসরের কাছে পাঠানো। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার উপাদান যার সাহায্যে বাহ্যিক পৃথিবী থেকে ডেটা ও নির্দেশ কম্পিউটারের ভেতর পাঠানো হয়। কার্যপদ্ধতি: কী-বোর্ডের প্রতিটি কি বা বোতামের নিচে সার্কিট থাকে এবং কোনো বোতাম চাপলে সেই নির্দিষ্ট সার্কিট সংযোগ ঘটে এবং একটি বাইনারি কোড তৈরি হয়। ব্যবহার: কম্পিউটারে লেখালেখি করা, কমান্ড দেওয়া, গেম খেলা এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার পরিচালনার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যারে কোনো ডকুমেন্ট তৈরি করার সময় কিছু লেখার জন্য কী-বোর্ড ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী কী-বোর্ডের বোতাম চেপে কম্পিউটারে শব্দ বা বাক্য তৈরি করেন যা সরাসরি ইনপুট হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: পাসওয়ার্ড বা ইউজার আইডি লিখে কোনো অনলাইন অ্যাকাউন্টে লগইন করা। ব্যাখ্যা: এখানেও কী-বোর্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অক্ষর বা সংখ্যা কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি প্রসেসিং হওয়া ফলাফল বা দৃশ্য পর্দায় প্রদর্শন করে। B) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতরের সফটকপিকে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ডকপিতে রূপান্তর করে। C) কী-বোর্ড — এটি সঠিক উত্তর। D) স্পিকার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটার থেকে অডিও সিগন্যাল গ্রহণ করে শব্দ বা আওয়াজ বাইরে বের করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ইনপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে তথ্য ভেতরে দেওয়া হয় এবং আউটপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ পায়। কী-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার ও মাইক্রোফোন হলো প্রধান ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের পেরিফেরাল ডিভাইস থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। কোন ডিভাইসটি কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে তা মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
a ইন্টারনেট চালানো
b বিদ্যুৎ ব্যাকআপ দেওয়া
c স্ক্যান করা
d টাইপ করা
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যুৎ ব্যাকআপ দেওয়া ১. কেন সঠিক: - UPS-এর পূর্ণরূপ হলো Uninterruptible Power Supply, যার মাধ্যমে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস সচল রাখা হয়। - এটি ভেতরে থাকা রিচার্জেবল ব্যাটারির সাহায্যে তাৎক্ষণিকভাবে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, যাতে ডেটা নষ্ট না হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: UPS হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা মেইন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। - কার্যপদ্ধতি: বিদ্যুৎ থাকা অবস্থায় এটি ভেতরের ব্যাটারি চার্জ করে এবং বিদ্যুৎ চলে গেলে ইনভার্টারের মাধ্যমে ডিসি কারেন্টকে এসি কারেন্টে রূপান্তর করে ডিভাইস সচল রাখে। - ব্যবহার: ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার রুম এবং আইপিএস বা জেনারেটর চালু হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র সচল রাখতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসিয়াল কম্পিউটার কাজ ব্যাখ্যা: হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে সেভ না করা ফাইল বা ডকুমেন্টের কাজ সুরক্ষিত রাখতে UPS তাৎক্ষণিক ব্যাকআপ দেয়। উদাহরণ ২: সার্ভার নিরাপত্তা ব্যাখ্যা: ব্যাংক বা করপোরেট ডেটাসেন্টারের সার্ভার সুরক্ষিত রাখতে এটি ব্যবহার করা হয় যাতে আকস্মিক শাটডাউনে ডেটা করাপ্ট না হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারনেট চালানো — ইন্টারনেট সংযোগের জন্য মডেম বা রাউটার প্রয়োজন, যা লাইন চালিত হয়, ইউপিএস ইন্টারনেট সরবরাহ করে না। C) স্ক্যান করা — স্ক্যান করার কাজটি স্ক্যানার নামক ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যা ছবি বা নথি ডিজিটালাইজ করে। D) টাইপ করা — টাইপ করার কাজ মূলত কিবোর্ডের কাজ, যা ইউপিএস ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউপিএস মানেই বিদ্যুৎ ব্যাকআপ, যা কম্পিউটারকে হঠাৎ বন্ধ হওয়া থেকে রক্ষা করে। - এর পূর্ণরূপ Uninterruptible Power Supply ভালো করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই UPS-এর পূর্ণরূপ এবং এর মূল কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা পেরিফেরাল হিসেবে গণ্য হয় না বরং পাওয়ার ব্যাকআপ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
a Portable Document Format
b Personal Data File
c Print Document File
d Public Document File
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Portable Document Format ১. কেন সঠিক: - PDF হলো একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফাইল ফরম্যাট যার পূর্ণরূপ Portable Document Format। - এটি অ্যাডোবি সিস্টেমস কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে যাতে যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে ফাইলের ফরম্যাটিং অপরিবর্তিত থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: PDF এমন একটি ফাইল ফরম্যাট যা টেক্সট, ছবি এবং গ্রাফিক্সের বিন্যাস ঠিক রেখে যেকোনো ডিভাইসে দেখতে ও প্রিন্ট করতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি মূল ফাইলের ফন্ট, লেআউট এবং ছবিগুলোকে একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমে আটকে রাখে ফলে ডিভাইস বদলালেও লেখা এদিক-সেদিক হয় না। - বৈশিষ্ট্য: এই ফরম্যাটের ফাইলগুলো রিড-অনলি মোডে থাকে এবং সহজে পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত করা যায়। - ব্যবহার: সরকারি ফরম, ডিজিটাল বই, ইনভয়েস এবং অফিশিয়াল সিভি আদান-প্রদান করার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরির আবেদন ফরম ব্যাখ্যা: অনলাইনে চাকরির আবেদন করার সময় পিডিএফ ফরম্যাটে ফাইল আপলোড করতে বলা হয় যাতে রিক্রুটাররা সঠিক বিন্যাসে দেখতে পান। উদাহরণ ২: ই-বুক বা ডিজিটাল বই ব্যাখ্যা: ইন্টারনেটে পড়াশোনার জন্য যে ই-বুক বা নোটস পাওয়া যায় তা সাধারণত পিডিএফ আকারে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Portable Document Format — এটি সঠিক কারণ পিডিএফ ফাইলের আসল পূর্ণরূপ এটিই। B) Personal Data File — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফাইল ফরম্যাটের নাম নয় এবং এটি ভুল তথ্য দেয়। C) Print Document File — এটিও কোনো স্বীকৃত ফাইল ফরম্যাটের পূর্ণরূপ নির্দেশ করে না। D) Public Document File — এটি সাধারণ কোনো নথি বোঝাতে অনানুষ্ঠানিক অর্থে ব্যবহার হলেও সঠিক প্রযুক্তিগত নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পিডিএফ ফাইল মানেই পোর্টেবল বা বহনযোগ্য ফরম্যাট যা সব ডিভাইসে সমানভাবে খোলা যায়। - নামের শুরুতেই Portable শব্দ আছে যা মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পিডিএফ ফরম্যাটটি ১৯৯৩ সালে অ্যাডোবি সিস্টেমস প্রথম প্রকাশ করে। - এই ফাইল পড়ার জন্য অ্যাডোবি অ্যাক্রোবাট রিডার সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
a সুইচ
b হাব
c ব্রিজ
d রাউটার
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাউটার ১. কেন সঠিক: - রাউটার হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। - এটি ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে সবচেয়ে ভালো পথ নির্বাচন করে ডেটা পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রাউটার হলো লেয়ার থ্রি বা নেটওয়ার্ক লেয়ারের একটি ডিভাইস যা ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা প্যাকেটগুলোর গন্তব্য আইপি ঠিকানা বিশ্লেষণ করে রাউটিং টেবিলের সাহায্যে সবচেয়ে দ্রুততম ও নিরাপদ পথ নির্ধারণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি ডেটা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, ব্রডকাস্ট ডোমেন ছোট করে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করতে পারে। - ব্যবহার: বাসা বা অফিসের লোকাল নেটওয়ার্ককে বৈশ্বিক ইন্টারনেট বা ডব্লিউএএন এর সাথে যুক্ত করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসা থেকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং ব্যাখ্যা: আপনার ঘরের ওয়াইফাই রাউটারটি আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপের লোকাল নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করে। উদাহরণ ২: ব্যাংক শাখা ও প্রধান কার্যালয় সংযোগ ব্যাখ্যা: একটি ব্যাংকের বিভিন্ন জেলার শাখা কার্যালয়গুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ককে কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইচ — এটি একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের ভেতরে একাধিক ডিভাইসকে নিজেদের মধ্যে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারে না। B) হাব — এটি একটি সাধারণ ব্রডকাস্ট ডিভাইস যা একই নেটওয়ার্কের কম্পিউটারগুলোকে যুক্ত করে এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে পথ নির্ধারণ করতে পারে না। C) ব্রিজ — এটি মূলত একই প্রটোকল ব্যবহারকারী দুটি ভিন্ন ল্যান বা একই ল্যানের দুটি অংশকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা রাউটারের মতো ভিন্ন নেটওয়ার্কের জটিল পথ নির্ধারণ করতে পারে না। D) রাউটার — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে রুট বা পথ দেখায় বলেই এর নাম রাউটার। - ল্যানের ভেতরে সুইচ, আর ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে রাউটার কাজ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওএসআই মডেলের নেটওয়ার্ক লেয়ারে রাউটার কাজ করে। - আইপি অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট প্রটোকল অ্যাড্রেস নিয়ে রাউটার কাজ পরিচালনা করে।
a ডাটাবেজ
b মুক্ত বিশ্বকোষ
c উন্মুক্ত সফটওয়্যার
d স্মার্টফোন
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্ত বিশ্বকোষ ১. কেন সঠিক: উইকিপিডিয়া হলো একটি অনলাইন ভিত্তিক মুক্ত বিশ্বকোষ যেখানে যে কেউ তথ্য যোগ ও সংশোধন করতে পারে। এটি ক্রাউড সোর্সিং প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এটি তথ্য আহরণ ও প্রচারের একটি বিশাল মাধ্যম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: উইকিপিডিয়া হলো ইন্টারনেটভিত্তিক একটি বহুভাষিক মুক্ত বিশ্বকোষ যা উইকি সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি উইকি প্রযুক্তির সাহায্যে কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারীরা ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি যেকোনো নিবন্ধ পড়তে এবং সম্পাদনা করতে পারে। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সহযোগিতামূলক সম্পাদনা ব্যবস্থা এবং এর বেশিরভাগ কন্টেন্ট বিনামূল্যে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকরা যেকোনো বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা ও তথ্য খোঁজার জন্য এটি ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা উইকিপিডিয়া ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার ব্যবহারকারীদের জন্য এটি একটি মুক্ত জ্ঞানভাণ্ডার যেখানে বিজ্ঞান, ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: উইকিপ্রজেক্ট ব্যাখ্যা: এটি উইকিপিডিয়ার বিভিন্ন নিবন্ধ উন্নত করার জন্য ব্যবহারকারীদের একটি সম্মিলিত কাজের প্ল্যাটফর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাটাবেজ — এটি কাঠামোগত উপাত্ত সংরক্ষণের সফটওয়্যার সিস্টেম, যা বিশ্বকোষের সমার্থক নয়। C) উন্মুক্ত সফটওয়্যার — এটি এমন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, উইকিপিডিয়া কোনো কম্পিউটার সফটওয়্যার নয়। D) স্মার্টফোন — এটি একটি মোবাইল ডিভাইস, যা দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যায় কিন্তু এটি কোনো তথ্যভাণ্ডার বা বিশ্বকোষ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উইকিপিডিয়া নামের প্রথম অংশ উইকি অর্থ দ্রুত, এবং পিডিয়া এসেছে বিশ্বকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া শব্দ থেকে। এটি কোনো একক ব্যক্তির সম্পত্তি নয়, বরং সারা বিশ্বের স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত অবদানে তৈরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উইকিপিডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন জিমি ওয়েলস এবং ল্যারি স্যাঙ্গার ২০০১ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে উইকিপিডিয়া কোন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যার উত্তর হলো উইকি প্রযুক্তি।
a MS Word
b MS Excel
c Word Star
d Latex
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) MS Excel ১. কেন সঠিক: - MS Excel হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি স্প্রেডশিট বা হিসাব নিকাশ করার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, কোনো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার নয়। - এটি মূলত ডেটা বিশ্লেষণ, টেবিল তৈরি, এবং গাণিতিক হিসাব-নিকাশের কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম যার সাহায্যে খুব সহজেই বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট, চিঠি, বা প্রবন্ধ লেখা, সম্পাদনা এবং ফরম্যাটিং করা যায়। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কিবোর্ডের মাধ্যমে টেক্সট ইনপুট করেন এবং সফটওয়্যারটি তা স্ক্রিনে প্রদর্শন করে এবং প্রিন্ট করার উপযোগী করে তোলে। - বৈশিষ্ট্য: বানান সংশোধন, ফন্ট পরিবর্তন, মার্জিন ঠিক করা এবং ছবি যুক্ত করার সুবিধা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যেখানে অফিশিয়াল প্রতিবেদন বা সিভি তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: গুগল ডক্স ব্যাখ্যা: এটি ক্লাউডভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং মাধ্যম যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একসাথে একাধিক ব্যক্তি সম্পাদনা করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) MS Word — এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) MS Excel — এটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা হিসাব-নিকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার নয়। C) Word Star — এটি ইতিহাসের অন্যতম প্রথম এবং প্রাচীন ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। D) Latex — এটি ডকুমেন্ট প্রস্তুতির একটি বিশেষ সিস্টেম যা মূলত বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক গবেষণাপত্র লেখার ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - এক্সেল শব্দটির সাথে হিসাব বা টেবিল এবং ওয়ার্ড শব্দটির সাথে লেখালেখি বা ডকুমেন্ট শব্দটি মনে রাখবে। - প্রসেসিং সফটওয়্যার চেনার উপায় হলো এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট এডিট করা যায় কি না তা দেখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেল ফাইলের এক্সটেনশন হলো ডট এক্সএলএসএক্স এবং ওয়ার্ড ফাইলের এক্সটেনশন হলো ডট ডিওসিএক্স। - পরীক্ষাতে প্রায়ই স্প্রেডশিট এবং ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের নাম আলাদা করতে বলা হয়।
a সফটওয়্যার
b ডাটা
c হার্ডওয়্যার
d ইউজার
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হার্ডওয়্যার ১. কেন সঠিক: কম্পিউটারের যে অংশগুলো ছোঁয়া যায়, দেখা যায় এবং মেকানিক্যালি বা শারীরিক ও ভৌতিকভাবে বিদ্যমান, সেগুলোকে হার্ডওয়্যার বলা হয়। তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য এই দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় যন্ত্রাংশগুলো সরাসরি কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটারের সকল ভৌতিক, দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। কার্যপদ্ধতি: এগুলো বিদ্যুৎ চালিত হয়ে বা যান্ত্রিক উপায়ে ব্যবহারকারীর দেওয়া নির্দেশ বা ইনপুট গ্রহণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণ শেষে আউটপুট প্রদান করে। বৈশিষ্ট্য: হার্ডওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালনা অসম্ভব এবং এটি ভৌত বা ফিজিক্যাল উপাদানে গঠিত। ব্যবহার: তথ্য ইনপুট, প্রসেসিং, স্টোরেজ এবং আউটপুট প্রদর্শনের কাজে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিবোর্ড এবং মাউস ব্যাখ্যা: এগুলো ইনপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর কমান্ড কম্পিউটারে পাঠাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মনিটর এবং প্রিন্টার ব্যাখ্যা: এগুলো আউটপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যা প্রক্রিয়াজাত উপাত্ত ব্যবহারকারীর চোখের সামনে দৃশ্যমান করে বা কাগজে ছাপায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সফটওয়্যার — এটি কোনো মেকানিক্যালি বা ভৌতিক ডিভাইস নয়, বরং কতগুলো নির্দেশ বা প্রোগ্রামের সমষ্টি যা হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে। B) ডাটা — এটি কাঁচামাল বা তথ্যের রূপ, যা কোনো মেকানিক্যাল ডিভাইস নয় বরং সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত হয়। D) ইউজার — ইউজার বা ব্যবহারকারী হলো সেই ব্যক্তি যিনি কম্পিউটার পরিচালনা করেন, এটি কোনো মেকানিক্যালি ডিভাইস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: যাকে হাত দিয়ে ধরা যায় এবং ফিজিক্যাল বডি থাকে, তা হার্ডওয়্যার। সফটওয়্যার হলো অদৃশ্য প্রাণ আর হার্ডওয়্যার হলো দৃশ্যমান দেহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোনটি স্পর্শ করা যায় এবং কোনটি অদৃশ্য।
a মাউস
b মনিটর
c সিপিউ
d উইন্ডোজ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উইন্ডোজ ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের যে অংশগুলো ছোঁয়া যায়, দেখা যায় এবং ভৌগোলিক অস্তিত্ব রয়েছে, সেগুলোকে হার্ডওয়্যার বলে। - উইন্ডোজ হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম বা সফটওয়্যার, যা দৃশ্যমান হলেও তা কোনো শারীরিক বা ছোঁয়া যায় এমন বস্তু নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সফটওয়্যার হলো কিছু নির্দেশমালা বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কীভাবে কাজ করতে হবে তা বলে দেয়। - কার্যপদ্ধতি: উইন্ডোজ ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন চালাতে সাহায্য করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি অদৃশ্য লজিক্যাল কোডের মাধ্যমে গঠিত এবং এর কোনো ওজন বা ভৌত রূপ নেই। - ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও ল্যাপটপে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস বা জিইউআই হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যার ব্যাখ্যা: এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে কম্পিউটারে লেখালেখির কাজ করা হয় এবং এটি হার্ডওয়্যার নয়। উদাহরণ ২: লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যাখ্যা: এটি উইন্ডোজের মতো আরেকটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার চালনায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস এবং কম্পিউটারের স্পর্শ করা যায় এমন একটি হার্ডওয়্যার। B) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস এবং এটিও দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য হার্ডওয়্যার। C) সিপিউ — এটি কম্পিউটারের মূল প্রসেসিং ইউনিট যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌত হার্ডওয়্যার ডিভাইস। D) উইন্ডোজ — এটি কোনো হার্ডওয়্যার নয়, বরং একটি সিস্টেম সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার হলো যা ধরা ছোঁয়া যায় এবং সফটওয়্যার হলো যা শুধু দেখা বা অনুভৱ করা যায় কিন্তু ধরা যায় না। - উইন্ডোজ, লিনাক্স, অ্যান্ড্রয়েড এগুলো হলো সফটওয়্যারের নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের সবচেয়ে ভালো উদাহরণ। - হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a আউটপুট ডিভাইস
b ইনপুট ডিভাইস
c কোর্ডিনেটিং ডিভাইস
d মিক্সড ডিভাইস
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইনপুট ডিভাইস ১. কেন সঠিক: স্ক্যানার একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি কোনো ভৌত বা কাগজের নথিপত্রকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রবেশ করায়। এটি অপটিক্যাল প্রযুক্তির মাধ্যমে কাগজের লেখা বা ছবি স্ক্যান করে কম্পিউটারের প্রসেসরের কাছে পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: স্ক্যানার হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা আলোক রশ্মির সাহায্যে ছবি বা টেক্সট রিড করে ডিজিটাল কম্পিউটারে পাঠায়। কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসের ল্যাম্প থেকে আলো নথির ওপর পড়ে এবং প্রতিফলিত আলো সেন্সরের মাধ্যমে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তরিত হয়। ব্যবহার: অফিস আদালতে কাগজের ডকুমেন্ট ডিজিটালাইজ করতে এবং ছবি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছবি বা পাসপোর্ট সাইজ ফটো স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: কাগজের ছবি স্ক্যানারে রাখলে তা কম্পিউটারের ফাইলে ডিজিটাল ছবি হিসেবে জমা হয়। উদাহরণ ২: অফিসিয়াল ডকুমেন্টস বা চুক্তিপত্র স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ডিজিটাল কপি বা পিডিএফ তৈরি করতে স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউটপুট ডিভাইস — এটি ভুল কারণ আউটপুট ডিভাইস ফলাফল প্রদর্শন করে, যেমন মনিটর বা প্রিন্টার, কিন্তু স্ক্যানার তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়। B) ইনপুট ডিভাইস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কম্পিউটারকে তথ্য প্রদান করার কাজটি সম্পন্ন করে। C) কোর্ডিনেটিং ডিভাইস — এটি ভুল কারণ কম্পিউটারে কোর্ডিনেটিং ডিভাইস বলে কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড হার্ডওয়্যার শ্রেণি নেই। D) মিক্সড ডিভাইস — এটি ভুল কারণ এটি একসঙ্গে ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করে না, এটি কেবল ইনপুট হিসেবে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনপুট ডিভাইসের নাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো যা দিয়ে কম্পিউটারে ডেটা পাঠানো হয়। স্ক্যানার দিয়ে কাগজ থেকে তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করানো হয় বলে এটি ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারে কাগজ বা ছবি ইনপুট দেওয়ার জন্য স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রায়শই ওএমআর (OMR) এবং ওसीआर (OCR) স্ক্যানারের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a বাইট
b DPI
c পিক্সেল
d Hartz
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাইট ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের মূল একক হলো বাইট। আটটি বিট মিলে এক বাইট গঠিত হয় যা একটি বর্ণ বা ক্যারেক্টার নির্দেশ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটার সিস্টেমে মেমোরির ধারণক্ষমতা বা ফাইলের আকার পরিমাপের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হলো বাইট। কার্যপদ্ধতি: এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে ০ এবং ১ এর সমন্বয়ে ডেটা প্রসেস ও সংরক্ষণ করে। ব্যবহার: কম্পিউটারের র‍্যাম, হার্ডডিস্ক এবং পেনড্রাইভের ধারণক্ষমতা গিগাবাইট বা টেরাবাইটে প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সাধারণ টেক্সট ফাইলের আকার ৫ কিলোবাইট হতে পারে। ব্যাখ্যা: কিলোবাইট হলো বাইটের একটি গুণিতক একক যা ছোট আকারের নথি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: একটি চলচ্চিত্রের ফাইল ৪ গিগাবাইট হতে পারে। ব্যাখ্যা: গিগাবাইট হলো বিশাল পরিমাণ বাইটের সমাহার যা মাল্টিমিডিয়া ফাইল সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাইট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মেমোরির ধারণক্ষমতা প্রকাশের একক। B) DPI — এটি ডটস পার ইঞ্চ এর সংক্ষিপ্ত রূপ যা প্রিন্টার বা স্ক্রিনের রেজুলেশন বা ঘনত্ব পরিমাপ করে। C) পিক্সেল — এটি পিকচার এলিমেন্ট এর সংক্ষিপ্ত রূপ যা ডিজিটাল ছবির ক্ষুদ্রতম একক। D) Hartz — এটি হার্জ এর বানান ভুল রূপ এবং সঠিক শব্দ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক পরিমাপের একক। ৫ মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের মেমোরি মানেই বাইট আর বিট হলো তার সবচেয়ে ছোট অংশ। ডেটা সংরক্ষণের হিসাব সবসময় বাইট কেন্দ্রিক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আট বিটে এক বাইট হয় এবং এক হাজার চব্বিশ বাইটে এক কিলোবাইট হয়। এই পরিমাপের ধারাটি চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Local Area Network
b Personal Area Network
c Virtual Private Network
d কোনটি নয়
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Personal Area Network ১. কেন সঠিক: - ব্লুটুথ একটি স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ব্যক্তিগত ব্যবহারের ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। - নেটওয়ার্ক কভারেজ এলাকার পরিধি সাধারণত ১০ মিটার বা ৩০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্যবহারকারীর নিজের কাছাকাছি থাকা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য গঠিত নেটওয়ার্কই প্যান। - কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ডিভাইসগুলোকে একে অপরের সাথে যুক্ত করে এবং তারের সংযোগ ছাড়াই ডেটা ট্রান্সফার করে। - বৈশিষ্ট্য: এর কভারেজ এলাকা খুবই ক্ষুদ্র, কম বিদ্যুৎ খরচ হয় এবং ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে। - ব্যবহার: মোবাইল থেকে কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো, ওয়্যারলেস হেডফোন ব্যবহার করা এবং স্মার্টওয়াচ কানেক্ট করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল থেকে ল্যাপটপে ছবি পাঠানো। ব্যাখ্যা: দুটি ব্যক্তিগত ডিভাইস খুব কাছাকাছি রেখে ব্লুটুথের মাধ্যমে তার ছাড়াই ফাইল আদান-প্রদান করা হয়। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে ওয়্যারলেস ইয়ারবাড যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ব্যক্তিগত বিনোদন বা কথা বলার জন্য ব্লুটুথ প্যান প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি অডিও ডিভাইস যুক্ত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Local Area Network — ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক একটি নির্দিষ্ট ভবন বা অফিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, যা ব্লুটুথের পরিসরের চেয়ে অনেক বড়। B) Personal Area Network — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্লুটুথ ব্যক্তিগত পরিসরের ডিভাইসের মধ্যেই ডেটা আদান-প্রদান করে। C) Virtual Private Network — ভিপিএন বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিরাপদ ও গোপনীয় চ্যানেল তৈরি করে, যা ব্লুটুথের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্যান মানে ব্যক্তিগত, যা আপনার নিজের ব্যবহৃত গ্যাজেটগুলোকে যুক্ত করে। - ব্লুটুথ শব্দটির পূর্ণরূপ বা নির্দিষ্ট কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই, এটি দশম শতকের ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথের নামানুਸার করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্লুটুথ আইইইই ৮০০২.১৫ স্ট্যান্ডার্ডের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রযুক্তি। - প্যানের আওতায় ব্লুটুথ ছাড়াও ইনফ্রারেড ও এনএফসি প্রযুক্তি কাজ করে।
a Google Chrome
b MS Windows
c Adobe Photoshop
d Zoom
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি প্রযুক্তিগতভাবে ভুল। সঠিক উত্তর হবে ওপেন সোর্স বা মুক্ত উৎসের সফটওয়্যার সম্পর্কিত সঠিক বিকল্পটি নির্বাচন করার ক্ষেত্রে অন্য কোনো অপশন বা এই প্রশ্নের সঠিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সাধারণত লিনাক্স বা মুক্ত সোর্স সফটওয়্যার যেমন ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার বোঝানো হয়। তবে এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে গুগল ক্রোম, অ্যাডোব ফটোশপ বা জুম কোনোটিই পুরোপুরি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নয়। ক্রোম ব্রাউজারের মূল ভিত্তি ক্রোমিয়াম ওপেন সোর্স হলেও ক্রোম নিজে প্রোপ্রিটারি। তাই এই প্রশ্নে সাধারণত মুক্ত সোর্স সফটওয়্যার হিসেবে গিম্প বা লিনাক্স জাতীয় অপশন থাকে। পরীক্ষামূলক ভুল সংশোধনের জন্য এখানে সঠিক উত্তর ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ধারণার ওপর ভিত্তি করে দিতে হবে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই নিখুঁত ওপেন সোর্স নয়, তবে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরটি ভুল থাকায় আমরা মূল ধারণার ব্যাখ্যা দিচ্ছি। ১. কেন সঠিক: ওপেন সোর্স সফটওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে এবং যে কেউ তা দেখতে, পরিবর্তন করতে ও পরিমার্জন করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলোতে যে সফটওয়্যারগুলো রয়েছে তার বেশিরভাগই প্রোপ্রিটারি বা বন্ধ উৎসের সফটওয়্যার যার কোড ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে সফটওয়্যারের সোর্স কোড সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে এবং বিনামূল্যে ব্যবহারের পাশাপাশি কোডের পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা যায় তাকে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বলে। কার্যপদ্ধতি: এর ডেভেলপাররা গিটহাব বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে কোড প্রকাশ করেন এবং বিশ্বজুড়ে প্রোগ্রামাররা মিলে এর ত্রুটি সংশোধন ও নতুন ফিচার যোগ করেন। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সোর্স কোডের সহজলভ্যতা, বিনামূল্যে ব্যবহার করার সুযোগ এবং বিক্রেতার ওপর নির্ভরতা কমানো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: লিনাক্স একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করে ব্যবহার করতে পারেন। উদাহরণ ২: ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার। ব্যাখ্যা এটি একটি মুক্ত সোর্স মাল্টিমিডিয়া প্লেয়ার যা বিনামূল্যে ডাউনলোড ও ব্যবহার করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google Chrome — এটি মূলত গুগলের একটি প্রোপ্রিটারি ওয়েব ব্রাউজার যার মূল ভিত্তি ক্রোমিয়াম ওপেন সোর্স হলেও ক্রোম নিজে পুরোপুরি উন্মুক্ত নয়। B) MS Windows — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি সম্পূর্ণ প্রোপ্রিটারি বা বন্ধ উৎসের অপারেটিং সিস্টেম যার কোড দেখার অনুমতি সাধারণের নেই। C) Adobe Photoshop — এটি অ্যাডোব কোম্পানির তৈরি একটি বাণিজ্যিক প্রোপ্রিটারি গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড গোপন থাকে। D) Zoom — এটি একটি ক্লাউড ভিত্তিক প্রোপ্রিটারি ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার যা ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট লাইসেন্স বা শর্ত মানতে হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মুক্ত সোর্স সফটওয়্যার চেনার উপায় হলো এর সোর্স কোড বিনামূল্যে পরিবর্তন ও বিতরণের স্বাধীনতা থাকা। প্রোপ্রিটারি সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য অর্থ প্রদান করতে হয় এবং এর কোড পরিবর্তন করা আইনত নিষিদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ওপেন সোর্স এবং প্রোপ্রিটারি সফটওয়্যারের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে। লিনাক্স, উবুন্টু, ফায়ারফক্স এবং ভিএলসি হলো বিখ্যাত কিছু ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের উদাহরণ।
a HDD
b Floppy Disk
c SSD
d SSHD
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) SSD ১. কেন সঠিক: - SSD বা সলিড স্টেট ড্রাইভ কোনো মেকানিক্যাল বা চলনক্ষম অংশ ব্যবহার করে না, বরং ফ্ল্যাশ মেমোরির মাধ্যমে বিদ্যুৎ গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে। - এতে ডেটা রিড ও রাইট করার জন্য কোনো ডিস্ক ঘুরতে হয় না, যা গতানুগতিক হার্ড ডিস্কের তুলনায় এর গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: SSD হলো একটি আধুনিক স্টোরেজ ডিভাইস যা ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এতে কোনো চলমান চুম্বকীয় ডিস্ক বা হেড থাকে না, ফলে মাইক্রোচিপের মাধ্যমে সরাসরি ডেটা রিড ও রাইট করা যায়। - বৈশিষ্ট্য: এর ডেটা ট্রান্সফার রেট অত্যন্ত দ্রুত, শব্দহীনভাবে কাজ করে এবং বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। - ব্যবহার: ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল এবং দ্রুতগতির কাজের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম বুট করা। ব্যাখ্যা: একটি ভালো মানের SSD যুক্ত কম্পিউটারে মাত্র দশ থেকে পনেরো সেকেন্ডের মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম চালু হয়ে যায়। উদাহরণ ২: ভারী সফটওয়্যার বা গেম লোড করা। ব্যাখ্যা: বড় সাইজের কোনো গ্রাফিক্স সফটওয়্যার বা গেম চালু করার সময় SSD খুব দ্রুত ডেটা প্রসেস করে কাজ সম্পন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HDD — এটি একটি মেকানিক্যাল ডিভাইস যাতে ঘুরন্ত ডিস্ক থাকে, ফলে এর ডেটা রিড ও রাইট গতি SSD-র তুলনায় অনেক কম। B) Floppy Disk — এটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং কম ধারণক্ষমতার একটি রিমুভেবল ম্যাগনেটিক ডিস্ক, যার গতি বর্তমান যুগের তুলনায় নগণ্য। D) SSHD — এটি মেকানিক্যাল হার্ড ডিস্ক এবং ছোট আকারের ফ্ল্যাশ মেমোরির একটি হাইব্রিড সংস্করণ, যা খাঁটি SSD-র মতো সর্বোচ্চ গতি দিতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive। - যে ডিভাইসে কোনো ঘোরার যন্ত্রাংশ নেই, সেটিই সবচেয়ে দ্রুতগতির স্টোরেজ ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বর্তমান প্রযুক্তির কম্পিউটার ও ল্যাপটপে অপারেটিং সিস্টেমের গতি বাড়ানোর জন্য HDD-র পরিবর্তে SSD ব্যবহারের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্টোরেজ ডিভাইসের গতির তুলনামূলক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।