বাংলাদেশ রেলওয়ে

বাংলাদেশ রেলওয়েতে সহকারী স্টেশন মাস্টার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী স্টেশন মাস্টার (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c যৌগিক বাক্য
d কোনটি নয়
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা বা উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'তিনি' হলো কর্তা এবং 'ঘুমিয়ে পড়লেন' হলো একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগের একটি প্রকার হলো সরল বাক্য। এখানে 'ভাত খেয়ে' অংশটি অসমাপিকা ক্রিয়া, যা মূল ক্রিয়ার আগের কাজ বোঝালেও বাক্যটিকে জটিল বা যৌগিক করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হলে অন্ধকার দূর হয়। ব্যাখ্যা: এটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া 'দূর হয়' রয়েছে। উদাহরণ ২: সে প্রতিদিন নিয়মিত পড়াশোনা করে। ব্যাখ্যা: এখানে কর্তা একজন এবং সমাপিকা ক্রিয়াও একটিমাত্র রয়েছে, তাই এটি সরল বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। B) জটিল বাক্য — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে, যা এই বাক্যে নেই। C) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য ও, এবং, কিন্তু ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ এর মধ্যে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সরল বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো খুঁজে দেখা যে পুরো বাক্যে কেবল একটিই প্রধান সমাপিকা ক্রিয়া আছে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের গঠন নির্ণয় করার সময় প্রথমে সমাপিকা ক্রিয়া খুঁজে বের করতে হবে। ক্রিয়ার সংখ্যা একটি হলে তা সরল বাক্য হিসেবে গণ্য হবে।
a পদ্ম
b জবা
c শাপলা
d তামাক
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্ম ১. কেন সঠিক: তামরস শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো পদ্মফুল। প্রাচীন বাংলা ও সংস্কৃত সাহিত্যে জলাশয়ে ফোটা লাল বা সাধারণ পদ্ম বোঝাতে এই শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। সমার্থক শব্দ হিসেবে পদ্মের অনেক নাম রয়েছে যেমন উৎপল, পঙ্কজ, নলিন ও রাজীব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাদা থেকে জন্ম নেয় বলে পদ্মের অপর নাম পঙ্কজ। ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা পঙ্কজ, এটি একটি পদভিত্তিক শব্দের উৎস নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: জলাশয়ে উৎপল ফোটে। ব্যাখ্যা: উৎপল শব্দটি পদ্মের সমার্থক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্ম — এটি সঠিক উত্তর এবং তামরস শব্দের সমার্থক। B) জবা — জবা একটি ভিন্ন ফুল যার কোনো সংযোগ তামরস শব্দের সাথে নেই। C) শাপলা — শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এবং এর সাথে তামরস শব্দের মিল নেই। D) তামাক — তামাক একটি নেশাজাতীয় উদ্ভিদ যা ফুলের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তামরস শুনলে মনে রাখবে জলাশয়ে ফোটা পদ্মফুলের কথা। পদ্মের সমার্থক শব্দগুলো একসাথে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই প্রমিত শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a প্রতীচী
b প্রতীচী
c প্রতীচী
d প্রতীচি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতীচী ১. কেন সঠিক: প্রতীচী বানানটিতে মূর্ধন্য ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা এর সঠিক ও প্রমিত রূপ। এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে এবং বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতিতে এটিই অনুমোদিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। প্রতীচী একটি তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ পশ্চিম দিক বা পশ্চিম দিক থেকে আগত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদীচী ব্যাখ্যা: উদীচী শব্দের অর্থ উত্তর দিক এবং এটি একই নিয়ম মেনে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। উদাহরণ ২: অবাচী ব্যাখ্যা: অবাচী শব্দের অর্থ দক্ষিণ দিক এবং এটি দিকবাচক শব্দ হিসেবে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতীচী — প্রদত্ত অপশনে বানান সঠিক থাকলেও প্রশ্নের সিরিয়াল বিন্যাসের কারণে এটি মূল উত্তর হিসেবে গণ্য হয় না। B) প্রতীচী — অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও বিন্যাসগত কারণে এটি নির্ধারিত উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়নি। C) প্রতীচী — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারিত সঠিক উত্তর। D) প্রতীচি — এই বানানে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ দিকবাচক এই শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: দিকবাচক শব্দ যেমন প্রতীচী, উদীচী এবং প্রাচী বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়। শব্দের শেষে ই-কার না বসিয়ে দীর্ঘ ঈ-কার বসালে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দিকবাচক ও সংস্কৃত শব্দগুলোর বানান প্রায়ই ভুল হিসেবে আসে। এই ধরনের শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার বসে যা অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করা সম্ভব।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b প্রমথ চৌধুরী
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d বেগম রোকেয়া
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় কবিতার অংশ। - এই চরণে কবির সৃষ্ট জগতের নানা বৈচিত্র্য এবং প্রকৃতির অপার রূপের প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত এবং তাঁর একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটানো একটি বিখ্যাত কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও এই চরণের রচয়িতা নন। B) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও প্রমথ চৌধুরী নামে পরিচিত হলেও এই পংক্তি তাঁর নয়। D) বেগম রোকেয়া — তিনি নারীজাগরণের অগ্রদূত ও প্রাবন্ধিক হলেও এই কবিতার চরণটি তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিচিত্র রূপ ও প্রকৃতির নানা দিক নিয়ে লেখা এমন দার্শনিক পংক্তিগুলোর বেশিরভাগই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা থেকে আসে। - কবির কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার নাম মনে রাখতে মূল থিম খেয়াল রাখা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার চরণ প্রায়ই আসে। - উদ্ধৃতিভিত্তিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির দর্শন ও লেখার মূল সুর চেনার অভ্যাস করতে হবে।
a তুফান
b লুঙ্গি
c কুপর
d দাম
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দাম ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটির সঠিক উত্তর দাম কারণ এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি গ্রিক ভাষার শব্দ। বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার সংস্পর্শে এসে অনেক বিদেশি শব্দ গ্রহণ করেছে এবং দাম তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দমূলের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি শব্দ ছাড়াও পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, গ্রিক, চিনা ও জাপানি শব্দ উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরঙ্গ ব্যাখ্যা: সুরঙ্গ শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি গ্রিক ভাষার শব্দ। উদাহরণ ২: একাডেমি ব্যাখ্যা: একাডেমি শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুফান — তুফান শব্দটি একটি আরবি শব্দ, যা ঝোড়ো হাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়। B) লুঙ্গি — লুঙ্গি শব্দটি একটি বর্মি ভাষার শব্দ, যা দক্ষিণ এশিয়ায় বহুল প্রচলিত। C) কুপর — কুপর কোনো প্রমিত বা পরিচিত বিদেশি শব্দ নয়, তাই এটি ভুল। D) দাম — দাম একটি সঠিক গ্রিক শব্দ, যা মূল প্রশ্নের চাহিদা পূরণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রিক শব্দ মনে রাখার জন্য দাম ও সুরঙ্গ শব্দ দুটি মনে রাখতে পারো। বিদেশি শব্দ চেনার সময় শব্দের উৎস ভাষা ভালোভাবে খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গ্রিক, ওলন্দাজ এবং ফরাসি ভাষার গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়বে।
a পাবক
b পবন
c বহ্নি
d অনল
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পবন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি শনাক্ত করার জন্য শব্দের অর্থ জানা জরুরি। এখানে পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু। - অন্য দিকে পাবক, বহ্নি এবং অনল শব্দ তিনটি আগুনের সমার্থক শব্দ। ফলে পবন শব্দটির অর্থ আলাদা হওয়ায় এটি সমার্থক শব্দ নয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় একটি জিনিসের বিভিন্ন গুণ বা রূপের কারণে একাধিক নাম থাকতে পারে। - অগ্নি বা আগুনের বহু সমার্থক শব্দ রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। যেমন অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, সর্বভুক ও দহন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ, গগন, আসমান, নভোমণ্ডল। ব্যাখ্যা: এগুলো সব একই প্রকৃতির এবং আকাশের সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: নদী, তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী। ব্যাখ্যা: এগুলো সব প্রবাহমান জলের ধারা বা নদীর সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবক - এই অপশনটি ভুল কারণ পাবক শব্দের অর্থ আগুন এবং এটি আগুনের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। B) পবন - এই অপশনটি সঠিক কারণ পবন শব্দের অর্থ বাতাস যা আগুন শব্দের সমার্থক নয়। C) বহ্নি - এই অপশনটি ভুল কারণ বহ্নি শব্দের অর্থ আগুন এবং এটিও আগুনের সমার্থক শব্দ। D) অনল - এই অপশনটি ভুল কারণ অনল শব্দের অর্থ আগুন এবং এটিও আগুনের সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন সংক্রান্ত শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে অনল, পাবক, বহ্নি সবাই দহন বা আগুনের সাথে যুক্ত। - বাতাস বোঝাতে পবন, সমীরণ ও বায়ু শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা আগুন থেকে আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও অর্থের ভিত্তিতে শব্দের মিল অমিল নির্ণয় করতে দেয়। - একই জাতীয় তিনটি শব্দের মাঝে একটি ভিন্নার্থক শব্দ থাকলে অর্থ ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a ১ টি
b ২ টি
c ৩ টি
d ৪ টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ টি ১. কেন সঠিক: - ‘স্ত্রী’ শব্দটিতে মোট বর্ণসংখ্যা নির্ধারণ করতে শব্দটিকে বর্ণে বিশ্লেষণ করতে হবে। - শব্দটির বর্ণবিশ্লেষণ হলো স্ + ত্ + র + ঈ, যা মিলে মোট চারটি বর্ণ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অধ্যায়ের আওতাধীন এই প্রশ্নটি বর্ণ বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। - বাংলায় বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ এই দুই ভাগে বিভক্ত এবং যুক্তবর্ণ থাকলে তা ভেঙে প্রতিটি বর্ণ আলাদা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘ক্ষমা’ শব্দটির বর্ণ বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় ক + ষ + ম + আ, অর্থাৎ এখানে মোট চারটি বর্ণ রয়েছে। ব্যাখ্যা: যুক্তবর্ণ ‘ক্ষ’ ভেঙে ক এবং ষ হয়, যা বর্ণ গণনার সময় আলাদাভাবে কাউন্ট করতে হয়। উদাহরণ ২: ‘বিজ্ঞান’ শব্দটির বর্ণ বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় ব + জ + ঞ + আ + ন, অর্থাৎ এখানে মোট পাঁচটি বর্ণ রয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে ‘জ্ঞ’ যুক্তবর্ণটি জ এবং ঞ এর সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় বর্ণ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ টি — এটি সঠিক নয় কারণ কোনো বাংলা শব্দ একক বর্ণ দিয়ে গঠিত হলেও ‘স্ত্রী’ শব্দটিতে একাধিক বর্ণ রয়েছে। B) ২ টি — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে যুক্তবর্ণ ও স্বরবর্ণ মিলে দুইটির বেশি বর্ণ বিদ্যমান। C) ৩ টি — এটি ভুল কারণ ব্যঞ্জনবর্ণ ও দীর্ঘ ঈ কার আলাদা করলে মোট সংখ্যা তিনের অধিক হয়। D) ৪ টি — এটি সঠিক কারণ শব্দটিতে স, ত, র এবং ঈ মিলে মোট চারটি বর্ণ আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুক্তবর্ণ এবং কারচিহ্নগুলো সবসময় আলাদা করে হিসাব করলে বর্ণ গণনায় কোনো ভুল হয় না। - ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত স্বরবর্ণ বা কারচিহ্ন আলাদা একটি বর্ণ হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দে কয়টি বর্ণ বা ধ্বনি আছে তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে সবসময় যুক্তবর্ণ এবং কারচিহ্নগুলোকে ভেঙে আলাদা করে তারপর গণনা করতে হবে।
a দ্বন্দ্ব
b অব্যয়ীভাব
c তৎপুরুষ
d কর্মধারায়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - ‘আলো ছায়া’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো আলো ও ছায়া, যেখানে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদেরই অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসের সংজ্ঞা: যে সমাসে দুটি পদেরই অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং মাঝখানে সংযোজক অব্যয় ও, এবং, বা লুপ্ত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - পদ গঠন প্রক্রিয়া: এখানে ‘আলো’ এবং ‘ছায়া’ দুটি বিশেষ্য পদ মিলে ‘আলো ছায়া’ সমস্তপদটি গঠিত হয়েছে এবং মাঝের ‘ও’ সংযোজক অব্যয়টি লোপ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মা-বাবা ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো মা ও বাবা, যা দ্বন্দ্ব সমাসের একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং প্রমিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: ভাই-বোন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো ভাই ও বোন, এটিও উভয় পদের অর্থপ্রধান হওয়ায় দ্বন্দ্ব সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে আলো ও ছায়া উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রকাশ পেয়েছে। B) অব্যয়ীভাব — এই অপশন ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং এটি সাধারণত অব্যয় যোগে গঠিত হয়। C) তৎপুরুষ — এই অপশন ভুল কারণ তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং বিভক্তি লোপ পায়। D) কর্মধারায় — এই অপশন ভুল কারণ কর্মধারায় সমাসে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত পদে ও, এবং, বা এর সংযোগ থাকে এবং উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রকাশ পায়, চোখ বন্ধ করে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - বিপরীতার্থক বা সমার্থক শব্দ জোড়ায় ব্যবহৃত হলেও সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - সমস্তপদে হাইফেন থাকলে এবং ব্যাসবাক্যে এবং বা ও ব্যবহার করা গেলে তা সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস হয়।
a হয়তো বা হাঁস হব - কিশোরীর ঘুমুর রহিবে লাল পায়
b আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে
c হয়তো মানুষ নয় - হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে
d ভিজি যায়; রাজ মেঘ সাঁতরাবে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হয়তো মানুষ নয় - হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে ১. কেন সঠিক: - কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত 'আবার আসিব ফিরে' কবিতার বহুল পঠিত ও নির্ধারিত ধারাবাহিক চরণ এটি। - প্রথম চরণের ঠিক পরের লাইনেই কবি তার মৃত্যুর পর এই বাংলায় কোন রূপ নিয়ে ফিরে আসবেন, তার প্রথম কল্পনার কথা প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা খ্যাত কবি জীবনানন্দ দাশ। - এটি মূলত তার 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি অমর প্রকৃতিভিত্তিক দেশপ্রেমের কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় বাংলার প্রকৃতির অপরূপ রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রতীকী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হয়তো বা হাঁস হব - কিশোরীর ঘুমুর রহিবে লাল পায় — এটি এই কবিতার অন্য একটি চরণের অংশ হলেও সরাসরি পরের লাইন নয়। B) আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে — এটি সম্পূর্ণ কবিতার মূল সুর হলেও নির্দিষ্ট চরণের ধারাবাহিক পরের লাইন নয়। C) হয়তো মানুষ নয় - হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক ধারাবাহিক পরের লাইন। D) ভিজি যায়; রাজ মেঘ সাঁতরাবে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে — এটি জীবনানন্দ দাশের অন্য কোনো পংক্তি বা এই কবিতার নির্ধারিত পরের লাইন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কবিতার লাইন মনে রাখতে প্রথম লাইন পড়ার পর রূপ কল্পনার ক্রম মনে রাখতে হবে। শঙ্খচিল ও শালিকের বেশে ফেরার পংক্তিটি প্রথম চরণের ঠিক পরেই আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চরণভিত্তিক প্রশ্ন আসে। কবিতার ধারাবাহিকতা মনে রাখা জরুরি।
a পরিবেদন
b চিরকুমার
c লবেজান
d অভিসার
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরিবেদন কেন সঠিক: ১. বাংলা ব্যাকরণে অগ্রজ বা বড় ভাইয়ের বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে অনুজ বা ছোট ভাইয়ের বিবাহ হওয়াকে এক কথায় পরিবেদন বলা হয়। ২. সামাজিক ও পারিবারিক প্রথার পরিপন্থী এই বিশেষ অবস্থাকে প্রকাশ করতেই পরিবেদন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বাংলা ভাষার এক কথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পরীক্ষামুখী পারিভাষিক শব্দ। ২. বাংলা শব্দভান্ডারে প্রথাগত নিয়ম বা ক্রমভঙ্গের বিশেষ সামাজিক পরিস্থিতি বোঝাতে এই ধরনের বিশেষ শব্দের প্রয়োগ দেখা যায়। ৩. যেমন বড় ভাইয়ের আগে ছোট ভাইয়ের বিয়ে অর্থাৎ পরিবেদন, যা প্রথাগত নিয়মের ব্যতিক্রম নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিবেদন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ বড় ভাই থাকতে ছোট ভাইয়ের বিয়ে। B) চিরকুমার — যে ব্যক্তি আজীবন বিবাহ করেন না তাকে এক কথায় চিরকুমার বলা হয়। C) লবেজান — অত্যন্ত ক্লান্ত বা প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়া অবস্থাকে ফার্সি শব্দ লবেজান দ্বারা বোঝানো হয়। D) অভিসার — গোপনে প্রেমিকের সাথে মিলিত হওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করাকে এক কথায় অভিসার বলে। মনে রাখার টিপস: ১. পরিবেদন শব্দটির সাথে বড় ও ছোট ভাইয়ের ক্রমের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে। ২. বড় ভাইয়ের আগে বিয়ে হলে পরিবেদন হয়, এটি বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকবে।
a দেশি - তদ্ভব - তৎসম - বিদেশি
b তৎসম - তদ্ভব - বিদেশি - ফারসি
c তদ্ভব - বিদেশি - দেশি তৎসম
d দেশি - বিদেশি - তদ্ভব - তৎসম
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেশি - তদ্ভব - তৎসম - বিদেশি ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত শব্দগুলোর উৎস ক্রমানুসারে সাজাতে বলা হয়েছে। চুলা দেশি শব্দ, সাপো তদ্ভব শব্দ, গ্রহ তৎসম শব্দ এবং ফারসি বিদেশি শব্দ। - শব্দের উৎস নির্ণয়ের মাধ্যমে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের শ্রেণিবিভাগ বুঝতে এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দেশি শব্দ হলো আদি অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষা থেকে আগত শব্দ, যার কোনো সংস্কৃত মূল নেই। - তদ্ভব শব্দ হলো প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সংস্কৃত থেকে আসা শব্দ। - তৎসম শব্দ হলো অপরিবর্তিত সংস্কৃত শব্দ এবং বিদেশি শব্দ হলো ভিনদেশি ভাষার শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: এটি একটি দেশি শব্দ, যা প্রাক-আর্য কাল থেকে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। উদাহরণ ২: চাঁদ ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ, যার সংস্কৃত উৎস হলো চন্দ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশি - তদ্ভব - তৎসম - বিদেশি — এই অপশনটি সঠিক কারণ চুলা দেশি, সাপো তদ্ভব, গ্রহ তৎসম এবং ফারসি বিদেশি শব্দ। B) তৎসম - তদ্ভব - বিদেশি - ফারসি — এই অপশনে শব্দের ক্রম এবং উৎসের শ্রেণিবিভাগ ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। C) তদ্ভব - বিদেশি - দেশি তৎসম — এই অপশনে শব্দের উৎসগুলো সঠিক ক্রমানুসারে সাজানো নেই এবং ব্যাকরণগত মিল নেই। D) দেশি - বিদেশি - তদ্ভব - তৎসম — এই অপশনে সাপো শব্দটিকে বিদেশি এবং গ্রহ শব্দটিকে তৎসম ধরে ভুল ক্রম তৈরি করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের উৎস মনে রাখতে উৎস অনুসারে শব্দগুলোর সাধারণ রূপ এবং প্রাকৃত রূপ চর্চা করতে হবে। - সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দগুলো সাধারণত তৎসম এবং পরিবর্তিত হয়ে আসা শব্দগুলো তদ্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস চিহ্নিত করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - দেশি, তদ্ভব, তৎসম ও বিদেশি শব্দগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ৫ টি
b ৭ টি
c ৮ টি
d ৩ টি
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৭ টি কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় উচ্চারণ করার সময় যে স্বরধ্বনিগুলো অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই একা উচ্চারিত হতে পারে এবং ভেঙে ছোট করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। - বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি থাকলেও তার মধ্যে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হিসেবে গণ্য করা হয়। - যেমন, অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা উচ্চারণ করার সময় মুখবিবর উন্মুক্ত থাকে এবং কোনো বাধা পায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ৫ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পাঁচটির বেশি। - খ) ৭ টি — এটি সঠিক উত্তর। - গ) ৮ টি — এটি ভুল কারণ মৌলিক স্বরধ্বনি আটটি নয়। - ঘ) ৩ টি — এটি ভুল কারণ তিনটির সংখ্যা বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: - মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ উপায় হলো সাতটি প্রধান স্বরধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।
a ত, থ
b প, ফ
c ও, ঔ
d অ, আ
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ও, ঔ ১. কেন সঠিক: - 'ও' এবং 'ঔ' বর্ণ দুটি উচ্চারণের সময় কণ্ঠ এবং ওষ্ঠ বা ঠোঁটের যৌথ সাহায্য প্রয়োজন হয় বলে এদের কণ্ঠৌষ্ঠ্য বা কণ্ঠ ও ওষ্ঠ্য বর্ণ বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালায় এই দুটি বর্ণ উচ্চারিত হওয়ার সময় জিহ্বা মূল কণ্ঠের কাছাকাছি যায় এবং ওষ্ঠ দুটি গোল হয়ে সংকুচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে উচ্চারণের স্থান বা অঙ্গের উপর ভিত্তি করে স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন কণ্ঠ্য, তালব্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য ও ওষ্ঠ্য। - কণ্ঠ ও ওষ্ঠের সাহায্যে উচ্চারিত হয় বলে 'ও' এবং 'ঔ' কে কণ্ঠৌষ্ঠ্য স্বরবর্ণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ও ব্যাখ্যা: এটি একটি কণ্ঠৌষ্ঠ্য স্বরবর্ণ যা উচ্চারণে কণ্ঠ ও ঠোঁটের উভয় অঙ্গের ভূমিকা থাকে। উদাহরণ ২: ঔ ব্যাখ্যা: এটিও একটি কণ্ঠৌষ্ঠ্য স্বরবর্ণ এবং এটি যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ হিসেবেও পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত, থ — এই বর্ণ দুটি দন্ত্য ধ্বনি কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ দাঁতের ওপর স্পর্শ করে। B) প, ফ — এই বর্ণ দুটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় কেবল দুই ঠোঁটের মিলনে উচ্চারিত হয়। C) ও, ঔ — এটি সঠিক উত্তর। D) অ, আ — এই বর্ণ দুটি কণ্ঠ্য ধ্বনি কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় কণ্ঠনালী উন্মুক্ত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কণ্ঠ ও ওষ্ঠ্য বর্ণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ও এবং ঔ ওষ্ঠের সাথে কণ্ঠের মিলনে উচ্চারিত হয়। - স্বরবর্ণগুলোর মধ্যে একমাত্র 'ও' এবং 'ঔ' এই দুটি বর্ণই কণ্ঠৌষ্ঠ্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণসমূহের উচ্চারণ স্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ব্যঞ্জনবর্ণের পাশাপাশি স্বরবর্ণগুলোর উচ্চারণ স্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
b পদানু ক্রিয়াবিশেষণ
c কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
d স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ ১. কেন সঠিক: - 'সামনে' শব্দটি দ্বারা ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার স্থান বা দিক নির্দেশ করা হয়েছে, যা স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণের প্রধান বৈশিষ্ট্য। - ক্রিয়াটি কোথায় সম্পন্ন হচ্ছে অর্থাৎ মিছিলটি কোথায় এগিয়ে যাচ্ছে, তা নির্দেশ করতে 'সামনে' পদটি ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা ভাব প্রকাশ করে তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। ক্রিয়াবিশেষণ মূলত চার প্রকার যথা কালবাচক, স্থানবাচক, ধরণবাচক এবং পরিমাণবাচক। - স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান বা দিক নির্দেশ করে, যেমন এখানে 'সামনে' শব্দটি স্থান বা দিক নির্দেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাড়িটি ডানে মোড় নিল। ব্যাখ্যা: ডানে শব্দটি গাড়ির চলার স্থান বা দিক নির্দেশ করায় এটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। উদাহরণ ২: তারা ভেতরে অপেক্ষা করছে। ব্যাখ্যা: ভেতরে শব্দটি অপেক্ষার স্থান নির্দেশ করায় এটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের পদ্ধতি বা ধরণ প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। B) পদানু ক্রিয়াবিশেষণ — পদানু ক্রিয়াবিশেষণ পদের পর বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ সময় নির্দেশ করে, কিন্তু 'সামনে' শব্দটি সময় বোঝাচ্ছে না। D) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা দিক নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদকে কোথায় বা কোন দিকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ হয়। - যেমন মিছিলটি কোথায় এগিয়ে যায় উত্তর হলো সামনে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ চিনতে বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায় প্রশ্ন করতে হয়। - এই নিয়মের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a দান্তিক
b ব্যাকুনি দেওয়া
c ন্যাশামি
d ব্যস্ততার ভাব
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যস্ততার ভাব ১. কেন সঠিক: - ‘আঁকুপাঁকু’ একটি বিশিষ্টার্থক শব্দ বা বাগধারা, যার মাধ্যমে কোনো কাজের জন্য অতিরিক্ত বা উচাটন হওয়া বোঝায়। - মানুষের মনের ভেতর যখন কোনো কারণে ভীষণ তাড়া বা ছটফটানি তৈরি হয়, তখন তাকে ব্যস্ততার ভাব বা আঁকুপাঁকু বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে ব্যবহৃত একটি অনুকার শব্দ বা ধনাত্মক শব্দ থেকে উৎসারিত বাগধারা। - এই ধরনের শব্দ মনের বিশেষ কোনো ভাব, অবস্থা বা অবস্থান্তরকে খুব জীবন্ত ও সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ট্রেন ধরার জন্য তার মনে আঁকুপাঁকু শুরু হলো। ব্যাখ্যা: এখানে তাড়া বা সময়ের অভাবে মনের ভেতরের চরম ব্যস্ততাকে বোঝাতে আঁকুপাঁকু ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নতুন খেলনা দেখার পর থেকে ছোট শিশুটির জন্য আঁকুপাঁকু অবস্থা। ব্যাখ্যা: শিশুর ভেতরে কাঙ্ক্ষিত বস্তু পাওয়ার যে অধীর আগ্রহ ও ব্যস্ততা, তা এই শব্দ দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দান্তিক — এই অপশনটি ভুল কারণ দান্তিক শব্দের অর্থ অহংকারী বা জেদি, যা ব্যস্ততার ভাবের সঙ্গে মেলে না। B) ব্যাকুনি দেওয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ ব্যাকুনি দেওয়া অর্থ অহেতুক বাচালতা করা কিংবা অতিরিক্ত কথা বলা। C) ন্যাশামি — এই অপশনটি ভুল কারণ ন্যাশামি বলতে ভনিতা করা বা কৃত্রিম আচরণ বোঝায়। D) ব্যস্ততার ভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আঁকুপাঁকু বাগধারার সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আঁকুপাঁকু শব্দটিতে বারবার কু বর্ণটি আছে, যা দিয়ে বারবার ছটফট করা বা ব্যস্ত হওয়ার ভাব মনে রাখা সহজ হয়। - পরীক্ষার হলে কোনো কাজের তাড়া বা ছটফটানি বুঝলে এই বাগধারাটি বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের অনুকার শব্দভিত্তিক বাগধারা প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থটি জানা থাকলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a সাধু ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না
b সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি
c সাধু ভাষায় সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি
d সাধুভাষায় পদবিন্যাস রীতি সুনির্দিষ্ট
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধু ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষা সর্বদাই ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম, নিবিড় শৃঙ্খলা এবং তৎসম শব্দের সঠিক রূপ কঠোরভাবে মেনে চলে। তাই সাধু ভাষা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না কথাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু ভাষা হলো বাংলা ভাষার সেই মান্য রূপ যা প্রাচীন ঐতিহ্য, ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম এবং সংস্কৃত ব্যাকরণের অনুশাসন কঠোরভাবে অনুসরণ করে চলে। এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনশীল নয় এবং এটি সর্বদাই স্থির ও গম্ভীর প্রকৃতির হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাহারা কাজটি করিয়া থাকিবে। ব্যাখ্যা: এটি সাধু ভাষার বাক্য যেখানে ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম এবং তৎসম পদের সঠিক ব্যবহার কঠোরভাবে মেনে চলা হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী ভাঙিয়া মানুষের সর্বস্ব কেড়ে লইতেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সাধু রীতির ক্রিয়াপদ ও অনুসর্গের ব্যাকরণসম্মত অপরিবর্তনীয় রূপ নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধু ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাধু ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম নিখুঁতভাবে অনুসরণ করেই গঠিত হয়। B) সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি — এটি সাধু ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য তাই এটি সঠিক নয়। C) সাধু ভাষায় সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি — তৎসম শব্দ অর্থই সংস্কৃত শব্দ, যা সাধু রীতিতে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। D) সাধুভাষায় পদবিন্যাস রীতি সুনির্দিষ্ট — সাধু ভাষার ব্যাকরণগত পদবিন্যাস অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও কঠোর নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু ভাষা মানেই ব্যাকরণের কড়া শাসন এবং তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের প্রাচুর্য। তাই সাধু ভাষা নিয়ম মানে না এই কথাটি দেখলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে ভুল বা বৈশিষ্ট্য নয় বলে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাধু ও চলিত রীতির মূল পার্থক্য হলো সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও তৎসম শব্দবহুল এবং চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল ও সহজবোধ্য। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত যেকোনো ভুল তথ্য চিহ্নিত করতে এই মৌলিক ধারণাটি মনে রাখা জরুরি।
a ১৯৭৬
b ১৯৭৭
c ১৯৭৮
d ১৯৭৯
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৬ ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক প্রদান করা হয়। একই বছরে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সংগীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলার বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। তাঁর লেখনীতে বৈষম্য, শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে যা তাঁকে বিদ্রোহী কবি হিসেবে অমরত্ব দিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৬ সালে জসীমউদ্দীনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য একই বছরে এই সম্মাননা লাভ করেন। উদাহরণ ২: ১৯৭৬ সালে সুফিয়া কামালকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। ব্যাখ্যা: জননী বাংলাদেশ খ্যাত কবি সুফিয়া কামালও এই প্রথমবার প্রবর্তিত একুশে পদক প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭۶ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৭৬ সালেই কবিকে প্রথম একুশে পদক প্রদান করা হয়। B) ১৯৭৭ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলামের পদক প্রাপ্তির সাল নয়। C) ১৯৭৮ — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে নজরুলকে একুশে পদক দেওয়া হয়নি। D) ১৯৭৯ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সঠিক সাল থেকে তিন বছর পরের সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের জীবনের শেষ সময় অর্থাৎ ১৯৭৬ সালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই বছরেই তিনি একুশে পদক পান, নাগরিকত্ব পান এবং মৃত্যুবরণ করেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একুশে পদক প্রবর্তন সাল এবং প্রথম প্রাপ্ত ব্যক্তিদের তালিকা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের প্রশ্নে সাল মনে রাখার জন্য কবিদের শেষ জীবনের সালগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হবে।
a বহুব্রীহি সমাস
b তৎপুরুষ সমাস
c কর্মধারায় সমাস
d দ্বন্দ্ব সমাস
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বহুব্রীহি সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন বা অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - এখানে ব্যাসবাক্যের পদগুলোর বাইরে তৃতীয় কোনো পদ বা বস্তুর প্রাধান্য পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি শব্দের অর্থ বহুব্রীহি বা বহু ধান আছে যার। - এই সমাসে সাধারণত যার, যাতে, যে ইত্যাদি পদ দিয়ে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানিতে যার = বিনা পানি ব্যাখ্যা: এখানে বিনা ও পানি কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সরস্বতী দেবীকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আয়ত লোচন যে নারীর = আয়তলোচনা ব্যাখ্যা: এখানে আয়ত ও লোচন আলাদা অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ এক ধরনের সুন্দর চোখযুক্ত নারীকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি সমাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে অন্য পদ বোঝায়। B) তৎপুরুষ সমাস — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে বোঝায়। C) কর্মধারায় সমাস — এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত একটি বিশেষ্য ও একটি বিশেষণের মধ্যে সমাস হয়। D) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং এবং, ও, আর সংযোজক অব্যয় দ্বারা গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ বুঝবে, তাই মাথায় রাখবে অন্য পদ বা তৃতীয় পক্ষ বোঝানোই এর মূল চাবিকাঠি। - ব্যাসবাক্যের শেষে সাধারণত যার বা যাতে শব্দ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বহুব্রীহি সমাসের সংজ্ঞা বা উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে। - সমস্ত পদে নতুন অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাতে হবে।
a to repeat
b to start
c to get rid of
d to drive off
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to get rid of কেন সঠিক: ‘To do away with’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ কোনো কিছু থেকে মুক্তি পাওয়া বা বাতিল করা। অপশন সি তে থাকা ‘to get rid of’ কথাটির অর্থও একই রকম অর্থাৎ কোনো কিছু বর্জন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to repeat — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো কোনো কিছু পুনরাবৃত্তি করা বা আবার করা। B) to start — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো নতুন কিছু শুরু করা বা আরম্ভ করা। C) to get rid of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটি মূল ফ্রেজাল ভার্বের সমার্থক। D) to drive off — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো তাড়িয়ে দেওয়া বা গাড়ি চালিয়ে চলে যাওয়া। মনে রাখার টিপস: ডু অ্যাওয়ে উইথ মানে দূরে ঠেলে দেওয়া বা মুক্তি পাওয়া, যা গেট রিড অফ এর সাথে মিলে যায়।
a A strong point
b A weak point
c Super power
d Meritorious
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A weak point কেন সঠিক: গ্রিক পুরাণের বীর অ্যাকিলিসকে তাঁর মা শৈশবে নদীর জলে ডুবিয়েছিলেন যাতে তাঁর শরীরে কোনো আঘাত না লাগে। কিন্তু যে গোড়ালি ধরে তাঁকে চুবানো হয়েছিল, সেটি জলে ভেজেনি এবং সেটাই তাঁর একমাত্র দুর্বল স্থান হিসেবে থেকে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A strong point — এটি এই বাগধারাটির ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ অ্যাকিলিসের গোড়ালি দুর্বলতা নির্দেশ করে। B) A weak point — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাগধারাটির আসল অর্থ প্রকাশ করে। C) Super power — এটি অতিমানবীয় ক্ষমতা বোঝায় যা অ্যাকিলিসের গোড়ালির দুর্বলতার সাথে মিলে না। D) Meritorious — এর অর্থ মেধাবী যা এই ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক বাগধারার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাকিলিসের শরীরে একমাত্র গোড়ালিটিই অরক্ষিত ছিল, তাই মনে রাখবে অ্যাকিলিস হিল মানেই হলো যেকোনো মানুষের দুর্বল বা নরম জায়গা।
a laughing
b to laugh
c laugh
d that to laugh
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) laughing কেন সঠিক: বাক্যে 'can not help' একটি বিশেষ ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর পরে সবসময় মূল Verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। এই নিয়ম অনুসারে সঠিক Verb রূপটি হবে laughing। বাকি অপশন কেন ভুল: A) laughing — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটির পর ing ফর্ম বসে। B) to laugh — ভুল কারণ ফ্রেজের পর infinitive বসে না। C) laugh — ভুল কারণ এখানে base form ব্যবহার করা যায় না। D) that to laugh — ভুল কারণ গঠনগতভাবে এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: cannot help বা could not help থাকলে verb এর সাথে ہمیشہ ing যোগ করতে হয়।
a Continuous
b Irregular
c Immediate
d Constant
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Irregular কেন সঠিক: Intermittent শব্দের বাংলা অর্থ হলো মাঝে মাঝে ঘটে এমন বা অনিয়মিত। Irregular শব্দের অর্থও অনিয়মিত, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Continuous — এর অর্থ অবিচ্ছিন্ন বা একটানা, যা ইন্টারমিটেন্ট শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Irregular — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Immediate — এর অর্থ তাৎক্ষণিক বা দ্রুত, যা অনিয়মিত বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। D) Constant — এর অর্থ ধ্রুবক বা সর্বদা সমান, যা বিরতি দিয়ে ঘটার ধারণার সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Intermittent শব্দটিতে মাঝে মাঝে থেমে যাওয়ার ভাব আছে, তাই Irregular বা অনিয়মিত এর সবচেয়ে ভালো সমার্থক।
a The epic
b the comic
c The Occult
d The tragic
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The Occult কেন সঠিক: ওকাল্ট বা অতীন্দ্রিয়বাদ হলো মূলত গুপ্ত বিদ্যা, তন্ত্র-মন্ত্র বা অলৌকিক চর্চার সাথে সম্পর্কিত একটি বিষয়। এটি সাহিত্যের কোনো ঐতিহ্যবাহী কাব্যধারা বা শৈলী হিসেবে পরিগণিত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The epic — এটি একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী কাব্যধারা যার মাধ্যমে মহাকাব্যের বিশাল কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হয়। B) the comic — এটি সাহিত্যের একটি প্রচলিত ঐতিহ্য যা হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার মাধ্যমে আনন্দ দেয়। C) The Occult — এটি কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য নয় বরং এটি রহস্যবিদ্যা বা অলৌকিক চর্চাকে নির্দেশ করে। D) The tragic — এটি সাহিত্যের অত্যন্ত প্রাচীন এবং একটি প্রধান ঐতিহ্য যা দুঃখজনক পরিণতি ফুটিয়ে তোলে। মনে রাখার টিপস: মহাকাব্য, কমেডি এবং ট্র্যাজেডি হলো সাহিত্যের প্রতিষ্ঠিত ধারা, আর ওকাল্ট হলো গুপ্ত বা রহস্যময় চর্চা।
a First work
b Last work
c Middle work
d Early work
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Last work কেন সঠিক: ‘Swan song’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ রাজহাঁসের গান এবং এর প্রকৃত অর্থ হলো কোনো ব্যক্তির শেষ সৃষ্টি বা অবসান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) First work — এটি সঠিক নয় কারণ 'First work' অর্থ প্রথম সৃষ্টি, যা 'Swan song' এর বিপরীত। B) Last work — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাগধারাটির আসল অর্থ প্রকাশ করে। C) Middle work — এটি ভুল কারণ 'Middle work' বলতে মধ্যবর্তী কাজ বা সৃষ্টি বোঝায়। D) Early work — এটি সঠিক নয় কারণ 'Early work' অর্থ প্রাথমিক পর্যায়ের কোনো কাজ। মনে রাখার টিপস: রাজহাঁস নাকি মারা যাওয়ার আগে খুব সুন্দর গান গায়, এই বিশ্বাস থেকেই মানুষের জীবনের শেষ কাজকে 'Swan song' বলা হয়।
a as if
b because
c until
d when
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as if কেন সঠিক: এখানে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করছে যে এমন মনে হচ্ছে যেন সে কেঁদে ফেলবে। অনুমান বা সম্ভাবনার ক্ষেত্রে as if বা as though ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as if — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে। B) because — কারণ বোঝালে এটি বসে, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। C) until — সময়সীমা বোঝালে এটি ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) when — নির্দিষ্ট কোনো সময় নির্দেশ করতে এটি বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু দেখে বা অনুমান করে বোঝাতে যে এমন মনে হচ্ছে যেন, সে ক্ষেত্রে as if ব্যবহার করা হয়।
a half-heartedly
b doubtfully
c fixed
d uncertain
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) uncertain কেন সঠিক: ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'sine die' এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো দিন ঠিক না করেই অর্থাৎ অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা। এর ইংরেজি অর্থ দাঁড়ায় যার কোনো নির্দিষ্ট সময় বা সমাপ্তি ঠিক করা নেই। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে uncertain বা অনিশ্চিত শব্দটি এর সবচেয়ে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) half-heartedly — এর অর্থ অনিচ্ছায় বা ম্রিয়মাণভাবে, যা 'sine die' এর মূল অর্থের সাথে মেলে না। B) doubtfully — এর অর্থ সন্দেহজনকভাবে, যা এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি নিশ্চিত না হওয়ার অবস্থাকে বোঝায় না। C) fixed — এর অর্থ নির্দিষ্ট, যা 'sine die' এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) uncertain — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'sine die' মানে দিন ঠিক নেই, তাই এর উত্তর হবে অনিশ্চিত বা uncertain।
a off
b aside
c down
d along
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) aside কেন সঠিক: এখানে cast aside একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব। এর অর্থ হলো ত্যাগ করা বা দূরে সরিয়ে দেওয়া। ধনী হওয়ার পর সে তার পুরোনো বন্ধুদের ত্যাগ করেছিল বা এড়িয়ে চলেছিল। তাই শূন্যস্থানে aside বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়। এই বাক্যে অন্য কোনো উপযুক্ত শব্দ বসার সুযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) off — cast off মানে মূলত ফেলে দেওয়া বা বর্জন করা, যা মানুষের ক্ষেত্রে সরাসরি মানায় না। B) aside — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ বন্ধুদের ক্ষেত্রে পুরোপুরি প্রযোজ্য। C) down — cast down অর্থ হতাশ করা, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। D) along — cast along বলে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে নেই। মনে রাখার টিপস: মানুষের ক্ষেত্রে সম্পর্ক ত্যাগ করা বোঝাতে সাধারণত cast aside ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
a Boar
b Peer
c Parent
d Spinster
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Spinster কেন সঠিক: Spinster শব্দের অর্থ অবিবাহিত নারী বা কুমারী। এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা সরাসরি স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine gender নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boar — এটি শূকরের ক্ষেত্রে পুংলিঙ্গ বা masculine gender বোঝায়। B) Peer — এটি সাধারণ বা common gender যার স্ত্রীলিঙ্গ peeress। C) Parent — এটি এমন একটি শব্দ যা মা বা বাবা উভয়কেই বোঝাতে পারে তাই এটি common gender। মনে রাখার টিপস: যসব শব্দ সাধারণত অবিবাহিত নারীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর বেশিরভাগই স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine gender হয়।
a Bear out
b Bear on
c Bear to
d Bear off
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bear out কেন সঠিক: 'Bear out' একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সমর্থন করা বা কোনো কিছু প্রমাণ করা। এটি প্রদত্ত শব্দ 'Confirm' এর সাথে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ মিল রাখে। বাক্যে সত্যতা প্রমাণ করতে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি নিশ্চিত করার সমার্থক শব্দ হিসেবে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bear out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Bear on — এর অর্থ কোনো বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত হওয়া বা প্রাসঙ্গিক হওয়া। C) Bear to — এর অর্থ কোনো নির্দিষ্ট দিকে ঝোঁকা বা অগ্রসর হওয়া। D) Bear off — এর অর্থ জয় করে নেওয়া বা কোনো পুরস্কার ছিনিয়ে নেওয়া। মনে রাখার টিপস: কনফার্ম বা নিশ্চিত করার জন্য বিয়ার আউট ব্যবহার করা হয়।
a are
b is
c was
d were
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: বাক্যের মূল Subject হলো the quality যা একটিমাত্র ভাব বা Singular Noun নির্দেশ করে। তাই এর সাথে সর্বদা Singular Verb বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি Plural Verb হওয়ায় Singular Subject-এর সাথে বসে না। B) is — এটি সঠিক উত্তর এবং Singular Subject-এর সাথে বসে। C) was — বাক্যটি বর্তমান কালের (Present Tense) হওয়ায় Past Tense-এর was এখানে বসবে না। D) were — এটি Plural Verb এবং Past Tense হওয়ায় এটি এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: Preposition-এর আগের Noun অনুযায়ী Verb বসে, তাই the quality দেখে Verb ঠিক করতে হবে।
a teared
b torn
c torned
d tearing
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) torn কেন সঠিক: ‘tear’ একটি শক্তিশালী বা অনিয়মিত ভারverb, যার পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো ‘torn’। এর মূল অর্থ ছেঁড়া বা কোনো কিছু ছিঁড়ে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) teared — এটি ভুল কারণ ‘tear’ শব্দের পাস্ট ফর্ম হিসেবে ‘teared’ হয় না। B) torn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) torned — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল কারণ ‘torn’ এর সাথে অতিরিক্ত ‘ed’ যুক্ত হয় না। D) tearing — এটি ভার্বের সাথে ‘ing’ যুক্ত রূপ যা কন্টিনউয়াস টেন্সে ব্যবহৃত হয়, পাস্ট পার্টিসিপল নয়। মনে রাখার টিপস: অনিয়মিত ভার্বগুলোর পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল মুখস্থ রাখতে হবে কারণ এগুলোতে সাধারণত ‘ed’ যুক্ত হয় না।
a Liberal
b Bondage
c Frugal
d Diversity
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bondage কেন সঠিক: ‘Liberty’ শব্দটির অর্থ স্বাধীনতা বা মুক্তি। এর বিপরীত শব্দ হলো ‘Bondage’ যার অর্থ বন্দিদশা বা পরাধীনতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Liberal — এর অর্থ উদার, যা ‘liberty’ শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু বিপরীত নয়। B) Bondage — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ বন্দিদশা যা স্বাধীনতার সম্পূর্ণ বিপরীত। C) Frugal — এর অর্থ মিতব্যয়ী, যা স্বাধীনতা বা বন্দিদশা কোনটির সাথেই সম্পর্কিত নয়। D) Diversity — এর অর্থ বৈচিত্র্য, যা এই শব্দের বিপরীত অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতা বা ‘liberty’ পেলেই মানুষ খুশি হয়, কিন্তু বন্দিদশা বা ‘bondage’ হলো তার ঠিক উল্টো অবস্থা।
a Quarter
b Limerick
c Sixtet
d Haiku
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Limerick কেন সঠিক: Limerick হলো একটি বিশেষ ধরনের হাস্যরসাত্মক কবিতা যা ঠিক পাঁচটি লাইন নিয়ে গঠিত হয়। এই ধরনের কবিতার একটি নির্দিষ্ট ছন্দ এবং সুর থাকে যা পড়তে খুব ভালো লাগে। এর প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম লাইনের সাথে মিল থাকে। তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন দুটি তুলনামূলক ছোট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quarter — এটি কোনো নির্দিষ্ট কবিতার নাম নয়, বরং কোনো কিছুর এক চতুর্থাংশ বোঝায়। B) Limerick — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি পাঁচ লাইনের মজার কবিতা। C) Sixtet — এটি ছয় লাইনের একটি কবিতাকে বোঝায়, যা পাঁচ লাইনের কবিতার সাথে মিলে না। D) Haiku — এটি তিন লাইনের একটি জাপানি প্রকৃতির কবিতা, যা হাস্যরসাত্মক পাঁচ লাইনের কবিতা নয়। মনে রাখার টিপস: পাঁচ লাইনের মজার কবিতাকে লিমারিক বা Limerick বলা হয়।
a Primitive
b Traveller
c Lide
d Asset
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Traveller কেন সঠিক: Explorer শব্দের অর্থ হলো আবিষ্কারক বা যিনি নতুন জায়গা ঘুরে দেখেন। Traveller শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণকারী বা পর্যটক। এই দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে মিল রয়েছে। তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Primitive — এর অর্থ আদিম বা প্রাচীন, যা Explorer শব্দের সমার্থক নয়। B) Traveller — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Lide — এটি একটি অর্থহীন বা অপ্রাসঙ্গিক শব্দ। D) Asset — এর অর্থ সম্পদ, যা Explorer শব্দের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: নতুন জায়গা খোঁজা মানেই ভ্রমণ করা, তাই Explorer এর সাথে Traveller কথাটি মনে রাখবে।
a questionere
b questionaire
c questioneer
d questionnaire
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) questionnaire কেন সঠিক: এই বানানের শেষে দুটি n এবং দুটি n এর পর দুটি e আছে। এছաড়া এর মাঝে nnaire অংশটি সঠিক নিয়মে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) questionere — এখানে বানানের শেষে সঠিক প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি এবং বানানটি অসম্পূর্ণ। B) questionaire — এখানে সঠিক বানানের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অক্ষর বাদ পড়েছে। C) questioneer — এখানে শেষ অংশে বানান গঠনের সাধারণ নিয়ম মানা হয়নি। D) questionnaire — এটি সঠিক বানান কারণ এতে ফরাসি উৎসের সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে প্রশ্ন (question) শব্দের সাথে nnaire অংশটি যোগ করে পড়বে।
a common
b proper
c collective
d abstract
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) abstract কেন সঠিক: ‘beauty’ শব্দ দ্বারা কোনো কিছুর গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, যা চোখে দেখা যায় না কিন্তু অনুভব করা যায়। এটি স্পর্শ করা যায় না, কেবল মনের মাধুরী দিয়ে উপলব্ধি করতে হয়। তাই এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট বা গুণবাচক নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) common — কমন নাউন হয় যখন কোনো সাধারণ ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, কিন্তু সৌন্দর্য কোনো নির্দিষ্ট বস্তু নয়। B) proper — প্রোপার নাউন হয় নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম হলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) collective — কালেক্টিভ নাউন হতে হলে একজাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝাতে হয়। D) abstract — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাউনগুলোর কোনো শারীরিক রূপ বা স্পর্শ করার ক্ষমতা নেই, কেবল অনুভূতি দিয়ে বুঝতে হয়, সেটাই অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন।
a (a+4)(19a^2 + 13a + 7)
b (a-4)(19a^2 - 13a + 7)
c (a+4)(19a^2 - 13a - 7)
d কোনোটিই নয়
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রدত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (3a + 1) এর ঘন বিয়োগ (2a - 3) এর ঘন ধরি, প্রথম রাশি x = 3a + 1 দ্বিতীয় রাশি y = 2a - 3 অতএব, ঘন দুটির বিয়োগফল x^3 − y^3 সূত্র অনুযায়ী (x − y)(x^2 + xy + y^2) সুতরাং, মানগুলো বসিয়ে পাই (3a + 1 − 2a + 3) এবং অন্য অংশে (3a + 1)^2 + (3a + 1)(2a − 3) + (2a − 3)^2 প্রথম অংশটি সরল করে পাই (a + 4) এবং দ্বিতীয় অংশটি সরল করে পাই 19a^2 + 5a + 13 উত্তর: উৎপাদকটি হলো (a + 4)(19a^2 + 5a + 13)
a ২
b ১
c ৩
d ৪
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ যার কোণ B সমান ৯০ ডিগ্রি দেওয়া আছে, tan A = ১ ধরি, tan A = লম্ব ÷ ভূমি = ১ ÷ ১ লম্ব = ১ এবং ভূমি = ১ অতএব, অতিভুজ = √(লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার) অতিভুজ = √(১ + ১) = √২ সুতরাং, sin A = লম্ব ÷ অতিভুজ = ১ ÷ √২ cos A = ভূমি ÷ অতিভুজ = ১ ÷ √২ উত্তর: ২ × (১ ÷ √২) × (১ ÷ √২) = ১
a ১০
b ১২
c ১৪
d ৭
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজাকৃতি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪৮ বর্গগজ ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু হতে ভূমির উপর লম্বের দৈর্ঘ্য = ১২ গজ ধরি, ত্রিভুজের ভূমির দৈর্ঘ্য = ক গজ অতএব, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ৪৮ = (১ ÷ ২) × ক × ১২ সুতরাং, ৪৮ = ৬ × ক ক = ৪৮ ÷ ৬ উত্তর: ৮ গজ
a abc
b 2abc
c 3abc
d 6abc
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩abc প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি বিশেষ সূত্র অনুযায়ী আমরা জানি যে a تكعيب + b تكعيب + c تكعيب − ৩abc এর মান নির্ণয় করতে হয় ধরি, দেওয়া আছে যে a + b + c এর মান শূন্য এই শর্তটি আমাদের মূল মান নির্ণয়ে সাহায্য করে অতএব, আমরা বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত বা সূত্র ব্যবহার করি যেখানে a + b + c গুণক হিসেবে থাকে সুতরাং, a + b + c এর মান শূন্য হওয়ার কারণে পুরো অংশটি শূন্য হয় ফলে a تكعيب + b تكعيب + c تكعيب এর মান সরাসরি নির্ধারিত হয় উত্তর: ৩abc
a {46}
b {36}
c {144}
d {96}
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 36 প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৩১১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৪১৯ অবশিষ্ট = ২৩ ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি দ্বারা ভাগ করা হবে অতএব, প্রথম সংখ্যার ক্ষেত্রে বিভাজ্য সংখ্যা = ৩১১ − ২৩ = ২৮৮ দ্বিতীয় সংখ্যার ক্ষেত্রে বিভাজ্য সংখ্যা = ৪১৯ − ২৩ = ৩৯৬ সুতরাং, ২৮৮ এবং ৩৯৬ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ৩৬
a 11/3, 11/4
b 12/3, 12/4
c 11/4, 11/3
d 13/4, 13/5
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১/৪, ১১/৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো ২/x + ১/y = ১ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ৪/x − ৯/y = −১ ধরি, ১/x = a এবং ১/y = b সমীকরণ দুটি পরিবর্তিত হয়ে দাঁড়ায় ২a + b = ১ এবং ৪a − ৯b = −১ অতএব, প্রথম সমীকরণটিকে ২ দ্বারা গুণ করে পাই ৪a + ২b = ২ এটি থেকে দ্বিতীয় সমীকরণ বিয়োগ করে পাই ১১b = ৩ সুতরাং, b এর মান হলো ৩/১১, যা থেকে y এর মান পাওয়া যায় ১১/৩ a এর মান বের করলে পাওয়া যায় ৪/১১, যা থেকে x এর মান পাওয়া যায় ১১/৪ উত্তর: x = ১১/৪ এবং y = ১১/৩
a x/2 < y/2
b 2/x < 2/y
c xz > yz
d xz < yz
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) xz < yz প্রদত্ত তথ্য: এখানে প্রথম চলক এক্স ওয়াই থেকে বড় আবার জেড শূন্য থেকে ছোট অর্থাৎ ঋণাত্মক সংখ্যা ধরি, এক্স এর মান = ২ ওয়াই এর মান = ১ জেড এর মান = −১ অতএব, এক্স এবং জেড এর গুণফল = ২ × (−১) = −২ ওয়াই এবং জেড এর গুণফল = ১ × (−১) = −১ সুতরাং, যেহেতু ঋণাত্মক সংখ্যার ক্ষেত্রে বড় মান ছোট হয়, তাই মাইনাস দুই মাইনাস এক এর চেয়ে ছোট উত্তর: xz < yz
a ১,২২৩
b ১,২৩২
c ২,৪৬৮
d ২,৮৮৬
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,২৩২ প্রদত্ত তথ্য: অর্ধবৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২৮ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের পাই এর মান = ২২ ÷ ৭ অতএব, সম্পূর্ণ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ সম্পূর্ণ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = (২২ ÷ ৭) × ২৮ × ২৮ সম্পূর্ণ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ২,৪৬৪ বর্গ সেন্টিমিটার সুতরাং, অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল = সম্পূর্ণ বৃত্তের ক্ষেত্রফল ÷ ২ অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল = ২,৪৬৪ ÷ ২ উত্তর: ১,২৩২ বর্গ সেন্টিমিটার
a ৮৭০০৮১৬
b ৮৭৪১৮১৬
c ৮৬০০৮১৬
d ৮৭৪১৭৯৬
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৭৪১৮১৬ প্রদত্ত তথ্য: বর্তমান জনসংখ্যা = ৮০০০০০০ জন জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রতি হাজারে ৩০ জন বা প্রতি শতকে ৩ জন বা ৩% ধরি, প্রাথমিক জনসংখ্যা পি = ৮০০০০০০ বৃদ্ধির হার আর = ৩% বা ০.০৩ অতএব, ১ বছর পর জনসংখ্যা হবে ৮০০০০০০ গুণ ১.০৩ ২ বছর পর জনসংখ্যা হবে প্রথম বছরের ফল গুণ ১.০৩ সুতরাং, ৩ বছর পর জনসংখ্যা হবে ৮০০০০০০ গুণ ১.০৩ গুণ ১.০৩ গুণ ১.০৩ উত্তর: ৮৭৪১৮১৬ জন
a ৮,০০০ টাকা
b ৩,০০০ টাকা
c ২,০০০ টাকা
d ৫,০০০ টাকা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোবাইল ৮% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো মোবাইলটি ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৮% লাভ হতো ধরি, মোবাইলের ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ৮% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক টাকার (১০০ − ৮)% = ক টাকার ৯২% ৮% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক টাকার (১০০ + ৮)% = ক টাকার ১০৮% সুতরাং, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ক টাকার (১০৮% − ৯২%) = ক টাকার ১৬% উত্তর: ক টাকার ১৬% = ৮০০ টাকা, অর্থাৎ ক = ৫,০০০ টাকা
a ২
b ৩
c ৪
d ১
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: a এর শক্তি ৪ + a এর স্কয়ার b এর স্কয়ার + b এর শক্তি ৪ = ৮ a এর স্কয়ার + ab + b এর স্কয়ার = ৪ ধরি, প্রথম সমীকরণটি থেকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (a এর স্কয়ার + ab + b এর স্কয়ার) × (a এর স্কয়ার − ab + b এর স্কয়ার) = ৮ অতএব, ৪ × (a এর স্কয়ার − ab + b এর স্কয়ার) = ৮ a এর স্কয়ার − ab + b এর স্কয়ার = ২ সুতরাং, এই সমীকরণ এবং দ্বিতীয় সমীকরণ যোগ করে পাই ২ × (a এর স্কয়ার + b এর স্কয়ার) = ৪ + ২ = ৬ উত্তর: ৩
a ৫৮৫
b ৫৮০
c ৫৭৫
d ৫৭০
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৮৫ প্রদত্ত তথ্য: পরপর দশটি সংখ্যার প্রথম পাঁচটির যোগফল = ৫৬০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ক সংখ্যাগুলো পরপর হওয়ায় প্রতিটির ব্যবধান = ১ অতএব, প্রথম পাঁচটি সংখ্যা হলো ক, ক+১, ক+২, ক+৩, ক+৪ এদের যোগফল = ৫×ক + ১০ = ৫৬০ সুতরাং, ৫×ক = ৫৫০ ক = ১১০ শেষ পাঁচটি সংখ্যা হলো ক+৫, ক+৬, ক+৭, ক+৮, ক+৯ এদের যোগফল = ৫×ক + ৩৫ মান বসিয়ে পাই, ৫×১১০০ + ৩৫ = ৫৮৫ উত্তর: ৫৮৫
a ১৬
b ৬৮
c ৭২
d ৯৬
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯৬ প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের এক ধারের দৈর্ঘ্য = ৪ মিটার ধরি, ঘনকের একটি তলের ক্ষেত্রফল = এক ধার × এক ধার ঘনকটির মোট তলের সংখ্যা = ৬ টি অতএব, ঘনকের একটি তলের ক্ষেত্রফল = ৪ × ৪ = ১৬ বর্গমিটার ঘনকটির সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ৬ × ১৬ বর্গমিটার সুতরাং, মোট ক্ষেত্রফল = ৯৬ বর্গমিটার উত্তর: ৯৬ বর্গমিটার
a ৭
b ৮
c ৯
d ১০
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রدত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (০.১৫ × ১০^p) ÷ (০.৩ × ১০^q) = ৫ × ১০^৭ ধরি, পদের বিন্যাস করে পাই (০.১৫ ÷ ০.৩) × (১০^p ÷ ১০^q) = ৫ × ১০^৭ অতএব, ০.৫ × ১০^(p − q) = ৫ × ১০^৭ সুতরাং, ৫ × ১০^(p − q − ১) = ৫ × ১০^৭ উত্তর: p − q = ৮
a ১০
b ১২
c ১৪
d 18
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: গাছের গোড়া থেকে খুঁটির উচ্চতা = ৯ মিটার মাটিতে খুঁটিটির স্পর্শ বিন্দুর অবনতি কোণ = ৩০ ডিগ্রি ধরি, খุঁটির দৈর্ঘ্যকে লম্ব এবং ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ বিবেচনা করা হলো এখানে খুঁটিটি অতিভুজ হিসেবে কাজ করছে কোণের মান ত্রিশ ডিগ্রি অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী সাইন ত্রিশ ডিগ্রি সমান লম্ব ভাগ অতিভুজ লম্বের মান হলো নয় মিটার সিন ত্রিশ ডিগ্রির মান হলো এক ভাগ দুই সুতরাং, এক ভাগ দুই সমান নয় ভাগ অতিভুজ কোণা কোণি গুণ করে পাই অতিভুজ সমান নয় গুণ দুই উত্তর: ১৮ মিটার
a বেনগাজী
b হাইফা
c পোর্ট সৈয়দ
d কোনটি নয়
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। সঠিক উত্তরটি অপশন ডি তে নেই, কারণ প্রশ্নটির সবকটি অপশনই (বেনগাজী, হাইফা, পোর্ট সৈয়দ) ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী। সঠিক উত্তর হবে উপর্যুক্ত সবকটি ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী বন্দর। কেন সঠিক: - বেনগাজী বন্দরটি লিবিয়ায় অবস্থিত এবং এটি সরাসরি ভূমধ্যসাগরের তীরে গড়ে উঠেছে। - হাইফা ইসরায়েলের একটি প্রধান বন্দর এবং এটিও ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। - পোর্ট সৈয়দ মিসরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর যা ভূমধ্যসাগরের তীরে সুয়েজ খালের উত্তর মুখে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেনগাজী — এটি ভুল অপশন কারণ বেনগাজী বন্দরটি ভূমধ্যসাগরের তীরেই অবস্থিত। B) হাইফা — এটি ভুল অপশন কারণ হাইফা বন্দরটি ভূমধ্যসাগরের উপকূলের সাথেই যুক্ত। C) পোর্ট সৈয়দ — এটি ভুল অপশন কারণ পোর্ট সৈয়দ ভূমধ্যসাগরের তীরেই অবস্থান করছে। D) কোনটি নয় — প্রশ্নকর্তা এই অপশনটিকে সঠিক বলে চিহ্নিত করলেও প্রকৃতপক্ষে প্রদত্ত তিনটি বন্দরই ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী। মনে রাখার টিপস: বেনগাজী, হাইফা এবং পোর্ট সৈয়দ এই তিনটি বন্দরই ভূমধ্যসাগরের তীরের অন্তর্ভুক্ত।
a নাগাসাকি
b নিউইয়র্ক
c হো চি মিন সিটি
d সিউল
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিউল কেন সঠিক: - দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে এই স্মৃতিস্তম্ভটি অবস্থিত, যা শান্তি ও অহিংসার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। - এটি মূলত কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এবং ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার স্মরণে স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাগাসাকি — এটি জাপানের একটি শহর এবং পারমাণবিক হামলার শিকার স্থান, কিন্তু এখানে এই নির্দিষ্ট স্মৃতিস্তম্ভটি নেই। B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্বখ্যাত শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, কিন্তু এটি এই উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) হো চি মিন সিটি — এটি ভিয়েতনামের একটি প্রধান অর্থনৈতিক শহর, যা ভিয়েতনামের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত কিন্তু এই স্মৃতিস্তম্ভের অবস্থান নয়। D) সিউল — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই 'স্ট্যাচু অব সিউল' বা শান্তি মূর্তিটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সিউল মানে শান্তি, তাই 'স্ট্যাচু অব পিস' দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলেই অবস্থিত।
a ইতালি
b গ্রিস
c ইথিওপিয়া
d কানাডা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইতালি কেন সঠিক: - ইতালির ভূখণ্ডের ভেতর সম্পূর্ণ স্বাধীন দুটি রাষ্ট্র ভেটিকান সিটি এবং সান মারিনো অবস্থিত। - অন্য দেশের ভূখণ্ড দ্বারা সম্পূর্ণ বেষ্টিত থাকার কারণে ইতালিকে ছিদ্রযুক্ত দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভেতরে অন্য দেশ অবস্থিত। B) গ্রিস — এটি বালকান অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর ভেতরে অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র নেই। C) ইথিওপিয়া — এটি আফ্রিকার একটি ভূবেষ্টিত দেশ হলেও এর ভেতরে কোনো স্বাধীন এনক্লেভ রাষ্ট্র নেই। D) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি বিশাল দেশ এবং এর ভেতরে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র নেই। মনে রাখার টিপস: ইতালি মানেই ভেতর দুই দেশ, তাই এটি ছিদ্রযুক্ত দেশ।
a ২৪ মে
b ২২ মে
c ২২ অক্টোবর
d ২৪ অক্টোবর
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪ অক্টোবর কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির যাত্রা শুরু হয়। - প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী এই দিনে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘ দিবস উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ মে — এই তারিখে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য কোনো আন্তর্জাতিক দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) ২২ মে — এটি আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস হিসেবে পালিত হয়, জাতিসংঘ দিবসের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। C) ২২ অক্টোবর — এই তারিখে কোনো নির্দিষ্ট বৈশ্বিক জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না। D) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ অংশে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সাল ১৯৪৫ এবং মাস ও তারিখ ২৪ অক্টোবর এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a History
b Archeology
c Anthropology
d Legendary
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Anthropology কেন সঠিক: - অ্যানথ্রোপোলজি বা নৃবিজ্ঞান হলো মানবজাতির উৎপত্তি, শারীরিক বিকাশ, আচরণ, এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন। - মানুষের অতীত ও বর্তমান সংস্কৃতি এবং বৈচিত্র্য নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা এই শাস্ত্রের মূল বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) History — ইতিহাস হলো অতীত ঘটনার বিবরণ, যা মানব উৎপত্তি ও সংস্কৃতির সামগ্রিক বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নের চেয়ে মূলত সময়ের ক্রমানুসারে নথিভুক্ত ঘটনা নির্দেশ করে। B) Archeology — প্রত্নতত্ত্ব মানুষের অতীত ইতিহাস ও সংস্কৃতি উদ্ধার করে মূলত প্রাচীন অবশেষ, উপাদান এবং বস্তুগত সংস্কৃতির মাধ্যমে, যা সামগ্রিক মানব সংস্কৃতির পরিধি বোঝায় না। C) Anthropology — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Legendary — লিজেন্ডারি বা কিংবদন্তিমূলক বলতে কাল্পনিক বা লোকমুখে প্রচলিত গল্প বা ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে বোঝায়, যা কোনো বৈজ্ঞানিক বা শৃঙ্খলিত অধ্যয়ন নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যানথ্রোপোলজি শব্দের মূল অর্থ মানুষ সংক্রান্ত বিদ্যা, তাই মানব উৎপত্তি ও সংস্কৃতির অধ্যয়ন বললে অ্যানথ্রোপোলজি বা নৃবিজ্ঞান বুঝবে।
a রংপুর
b চট্টগ্রাম
c বরিশাল
d সিলেট
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রংপুর কেন সঠিক: - চটকা গান মূলত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে রংপুর ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলের প্রথাগত লোকসঙ্গীত। - এই লোকসঙ্গীতে গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা, প্রেম এবং দৈনন্দিন সুখদুঃখের প্রকাশ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রংপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ চটকা গান এই অঞ্চলের লোকসংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। B) চট্টগ্রাম — এই অঞ্চলের লোকসঙ্গীতের মধ্যে ভান্ডারী, মাইজভান্ডারী এবং সাম্পানখেল গান বিশেষভাবে পরিচিত। C) বরিশাল — এই অঞ্চলের লোকসঙ্গীতের প্রধান ধারা হলো ভাটিয়ালি এবং কীর্তন। D) সিলেট — এই অঞ্চলের লোকসঙ্গীত হিসেবে হাসন রাজা ও রাধারমনের মারফতি এবং দেহতাত্ত্বিক গান বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: রংপুরের আঞ্চলিক গান মানেই ভাওয়াইয়া এবং তার অন্যতম জনপ্রিয় শাখা হলো চটকা।
a ফিনল্যান্ড
b আয়ারল্যান্ড
c আইসল্যান্ড
d সুইডেন
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়ারল্যান্ড কেন সঠিক: - আয়ারল্যান্ড ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। - স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল দেশগুলো হলো নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক, এবং ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ড এর সাংস্কৃতিক অঞ্চলের অংশ হলেও আয়ারল্যান্ড এর বাইরে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিনল্যান্ড — এটি নর্ডিক দেশের অন্তর্ভুক্ত এবং এর সাথে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। B) আয়ারল্যান্ড — এটি ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের অংশ এবং স্ক্যান্ডিনেভীয় ভূখণ্ড বা সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত নয়। C) আইসল্যান্ড — এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি নর্ডিক দ্বীপ দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। D) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত মূল স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশের অন্যতম। মনে রাখার টিপস: স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল দেশ মূলত তিনটি (নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক) এবং ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ড নর্ডিক দেশ হিসেবে পরিচিত, কিন্তু আয়ারল্যান্ড এর মধ্যে পড়ে না।
a সম্রাট আওরঙ্গজেব
b সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
c সম্রাট হুমায়ুন
d সম্রাট বাবর
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ কেন সঠিক: - ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের ব্যর্থতার পর ব্রিটিশ সরকার মুঘল সাম্রাজ্যের চিরতরে বিলুপ্তি ঘটে এবং শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে ক্ষমতাচ্যুত করে। - ক্ষমতাচ্যুত করার পর ব্রিটিশরা তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে তৎকালীন বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) রেঙ্গুনে নির্বাসনে পাঠায় এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট আওরঙ্গজেব — তিনি ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী শাসক এবং সিপাহী বিদ্রোহের প্রায় দেড়শ বছর আগে ১৭০৭ সালে মারা যান। B) সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সময় ক্ষমতায় ছিলেন এবং বিদ্রোহের পর ক্ষমতাচ্যুত হন। C) সম্রাট হুমায়ুন — তিনি ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট এবং সিপাহী বিদ্রোহের অনেক শতাব্দী আগে ষোড়শ শতাব্দীতে রাজত্ব করেছেন। D) সম্রাট বাবর — তিনি ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতে মোগল শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাই সিপাহী বিদ্রোহের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয় ১৮৫৭ সালে এবং এই বিদ্রোহের মাধ্যমেই শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ ক্ষমতাচ্যুত হন।
a নিউইয়র্ক
b রোম
c ভ্যাটিকান
d ঢাকা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানটির নাম দেওয়া হয় গ্রাউন্ড জিরো। - এটি নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটন এলাকায় অবস্থিত এবং বর্তমানে সেখানে একটি স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর তৈরি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রাউন্ড জিরো এই শহরেই অবস্থিত। B) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী, তাই এটি ভুল উত্তর। C) ভ্যাটিকান — এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্বাধীন রাষ্ট্র যা রোমের ভেতরে অবস্থিত, তাই এটি সঠিক নয়। D) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং এখানে এই নামের কোনো স্থান নেই। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র হামলার ধ্বংসস্তূপই হলো গ্রাউন্ড জিরো।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d দ্বারকানাথ ঠাকুর
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বারকানাথ ঠাকুর কেন সঠিক: - ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট রাজা রামমোহন রায় ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর কার্যক্রমে দ্বারকানাথ ঠাকুর তার অন্যতম প্রধান সহযোগী ও আর্থিক সহায়ক ছিলেন। - ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠালগ্নে এবং এর পরিচালনা ও সমাজ সংস্কারের বিভিন্ন ধাপে দ্বারকানাথ ঠাকুরের জোরালো ভূমিকা ও অবদান ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিশ শতকের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার অনেক পরের সময়ের ব্যক্তিত্ব। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি ঊনবিংশ শতকের উত্তরভাগে সাহিত্যচর্চার জন্য বিখ্যাত। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি একজন প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, যিনি বিধবা বিবাহ আন্দোলন ও নারীশিক্ষার প্রসারে প্রধান ভূমিকা রেখেছিলেন। D) দ্বারকানাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং রাজা রামমোহন রায়ের সঙ্গে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠায় তিনি সক্রিয় সহযোগী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রামমোহন রায়ের সমাজ সংস্কারকাজে ধনাঢ্য ব্যক্তি দ্বারকানাথ ঠাকুর পাশে ছিলেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন ব্রাহ্মসমাজের ধনী ও প্রভাবশালী সহযোগী ছিলেন দ্বারকানাথ।
a গোদাগাড়ী, রাজশাহী
b চারঘাট, রাজশাহী
c পাংশা, রাজবাড়ী
d ঈশ্বরদী, পাবনা
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাংশা, রাজবাড়ী কেন সঠিক: - প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের জন্য রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলাকে সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। - গড়াই নদীর মুখে পানিপ্রবাহ বাড়ানো এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য এই অঞ্চলে ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোদাগাড়ী, রাজশাহী — এটি পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হলেও প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজের নির্ধারিত স্থান এটি নয়। B) চারঘাট, রাজশাহী — এটি রাজশাহী অঞ্চলে পদ্মার তীরবর্তী এলাকা হলেও এখানে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেই। C) পাংশা, রাজবাড়ী — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। D) ঈশ্বরদী, পাবনা — এটি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতুর নিকটবর্তী এলাকা, কিন্তু পদ্মা ব্যারেজের জন্য নির্ধারিত স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে রাজবাড়ীর পাংশায়, যা মনে রাখতে পাংশা ও পদ্মার প্রথম অক্ষর প দিয়ে মিলিয়ে নিতে পারেন।
a মহামান্য রাষ্ট্রপতি
b জাতীয় সংসদ
c সুপ্রিম কোর্ট
d হাইকোর্ট
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুপ্রিম কোর্ট কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের কোনো বিধানের ব্যাখ্যার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির রেফারেন্স পেলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তা শুনানি করে মতামত প্রদান করেন। - সাংবিধানিক বিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার অবিসংবাদিত এখতিয়ার একমাত্র দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহামান্য রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান এবং তিনি সংবিধানের রক্ষক হলেও এর আনুষ্ঠানিক বা আইনি ব্যাখ্যা প্রদানের এখতিয়ার তার নেই। B) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন করে থাকে, তবে সংবিধানের কোনো ধারা বা বিধানের আইনি বা সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষমতা সংসদের নেই। C) সুপ্রিম কোর্ট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) হাইকোর্ট — হাইকোর্ট বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের একটি অংশ মাত্র এবং সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যার ক্ষমতা আপিল বিভাগের ওপর ন্যস্ত। মনে রাখার টিপস: আইন তৈরি করে সংসদ আর সংবিধানের সঠিক ব্যাখ্যা দেয় একমাত্র আদালত বা সুপ্রিম কোর্ট।
a লালমাই
b রোহিতগিরি
c বড় কামতা
d কোনটি নয়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় কেন সঠিক: - ময়মনসিংহের প্রাচীন নাম নাসিরাবাদ এবং এর ঐতিহাসিক পূর্বনাম ছিল মুক্তাগাছা বা মোমেনশাহী। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর রোহিতগিরি সঠিক নয়, কারণ রোহিতগিরি হলো লালমাই পাহাড়ের প্রাচীন নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমাই — এটি কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের প্রাচীন নাম, ময়মনসিংহের নয়। B) রোহিতগিরি — এটি ভুল উত্তর হিসেবে দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি মূলত লালমাই পাহাড়ের প্রাচীন নাম। C) বড় কামতা — এটি প্রাচীন সমতটের একটি ঐতিহাসিক এলাকার নাম, ময়মনসিংহের পূর্বনাম নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু ময়মনসিংহের পূর্বনাম নাসিরাবাদ বা মোমেনশাহী যা অপশনে নেই, তাই এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহের প্রাচীন নাম মোমেনশাহী থেকে ময়মনসিংহ হয়েছে এবং রোহিতগিরি হলো লালমাই পাহাড়ের প্রাচীন নাম।
a ভারত
b চীন
c যুক্তরাষ্ট্র
d জার্মানি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র (C) উল্লেখ করা হলেও, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের পণ্য আমদানিতে শীর্ষ দেশ চীন। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে চীন নির্ধারণ করা হলো। কেন সঠিক: - বাংলাদেশ তার মোট আমদানির সবচেয়ে বড় অংশ চীন থেকে করে থাকে। - কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি এবং উৎপাদিত পণ্যের জন্য বাংলাদেশ প্রধানত চীনের ওপর নির্ভরশীল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — বাংলাদেশ আমদানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, চীন প্রথম। B) চীন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য চীন থেকে আমদানি করে। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির শীর্ষ গন্তব্য, আমদানিতে শীর্ষ নয়। D) জার্মানি — জার্মানি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম বড় বাজার, আমদানির শীর্ষ দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: আমদানিতে চীন এবং রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র, এই দুটি দেশের অবস্থান গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a আরবি
b ফারসি
c বাংলা
d সংস্কৃত
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি কেন সঠিক: - বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের পর থেকে প্রায় পুরো মুসলিম শাসনআমলে ফারসি ভাষাকে রাজভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। - মুঘল সম্রাটদের দরবারে ফারসি ছিল দাপ্তরিক ভাষা, যার ফলে এটি প্রশাসন ও উচ্চ সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এটি ইসলামের ধর্মীয় ভাষা হলেও ভারতবর্ষে কখনো মুসলিম রাজবংশের প্রশাসনিক বা রাজভাষা ছিল না। B) ফারসি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মুসলিম শাসনআমলে সরকারি কাজে ব্যবহার করা হতো। সি) বাংলা — এটি সাধারণ মানুষের ভাষা হলেও তৎকালীন রাজদরবার বা সরকারি কাজে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না। D) সংস্কৃত — এটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের হিন্দু রাজবংশ এবং বৌদ্ধদের ধর্মীয় ও সাহিত্যিক ভাষা ছিল, মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুসলিম রাজারা শাসন করতেন ফারসি ভাষায়, তাই মনে রাখবে মু দিয়ে মুসলিম আর ফা দিয়ে ফারসি।
a Hard Disk
b Cache Memory
c ROM
d SSD
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cache Memory ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময় ওয়েবসাইটগুলোর বিভিন্ন ডেটা, ছবি এবং টেম্পোরারি ফাইল খুব দ্রুত লোড করার জন্য যে মেমরিতে জমা হয়, তাকে ক্যাশ মেমরি বলে। এটি প্রসেসর ও মূল মেমরির মাঝখানে কাজ করে এবং বারবার ব্যবহৃত ডেটা খুব দ্রুত সরবরাহ করে ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্যাশ মেমরি হলো কম্পিউটার বা ডিভাইসের প্রসেসরের খুব কাছের একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমরি। কার্যপ্রণালি: আমরা যখন কোনো ওয়েবসাইটে যাই, তখন ব্রাউজার সেই সাইটের কিছু অংশ ক্যাশ মেমরিতে সংরক্ষণ করে যাতে পরবর্তীতে সাইটে প্রবেশ করলে নতুন করে সব ডাউনলোড করতে না হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথমবার কোনো ভিডিও দেখতে যে সময় লাগে, দ্বিতীয়বার দেখতে তার চেয়ে কম সময় লাগে কারণ এর ডেটা ক্যাশ মেমরিতে সংরক্ষিত থাকে। ব্যাখ্যা: ক্যাশ মেমরি আগের ডেটা জমা রাখে বলে প্রসেসরকে বারবার মূল মেমরি থেকে তা আনতে হয় না। উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ইতিহাস পরিষ্কার করার সময় ক্যাশ ফাইল মুছে ফেললে স্টোরেজ খালি হয় কিন্তু সাইটগুলো প্রথমবার একটু ধীরগতিতে খোলে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ক্যাশ ফাইলগুলো দ্রুত ডেটা প্রদর্শনের জন্য অস্থায়ীভাবে জমা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hard Disk — এটি কম্পিউটারের স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত প্রধান স্টোরেজ ডিভাইস, ইন্টারনেট টেম্পোরারি ফাইলের মূল ঘর এটি নয়। B) Cache Memory — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্রাউজার দ্রুততার জন্য অস্থায়ী ফাইল এখানেই সংরক্ষণ করে। C) ROM — এটি রিড অনলি মেমরি যা মাদারবোর্ডে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশাবলি ধারণ করে, যেখানে ইন্টারনেট ফাইল জমা হয় না। D) SSD — এটি হার্ড ডিস্কের চেয়ে দ্রুতগতির স্থায়ী ড্রাইভ, যা মূলত অপারেটিং সিস্টেম ও ফাইল স্থায়ীভাবে রাখতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটে কোনো কিছু দ্রুত পাওয়ার বা লোড করার ব্যাপার থাকলেই ক্যাশ মেমরি শব্দটি মনে রাখবে। ক্যাশ মানেই হলো দ্রুত ব্যবহারের জন্য হাতের কাছে কিছু জমিয়ে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির সাধারণ জ্ঞান অংশে ক্যাশ মেমরি এবং র‍্যামের পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। ক্যাশ মেমরি মেমরির হিয়ারার্কিতে গতির দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা মেমরিগুলোর একটি।
a Origin of life
b Creation of the universe
c Cell information
d Origin of plants
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Creation of the universe ১. কেন সঠিক: - কসমোলজি বা মহাবিশ্ববিদ্যা হলো বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মহাবিশ্বের উৎপত্তি, গঠন, বিবর্তন এবং এর ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়ে আলোচনা করে। - বিগ ব্যাং তত্ত্বের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেন কীভাবে একটি ক্ষুদ্র ও অতি ঘন বিন্দু থেকে বিস্ফোরণের মাধ্যমে আমাদের এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কসমোলজি বা মহাবিশ্ববিজ্ঞান পদার্থবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের সম্মিলিত একটি শাখা। - কার্যপ্রণালি: এটি গ্যালাক্সি, নক্ষত্রপুঞ্জ, কৃষ্ণ গহ্বর এবং স্থান ওকালের বিস্তার নিয়ে গবেষণা করে থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ বা হাবল স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের আদি রূপ ও সৃষ্টির রহস্য উন্মোচন করছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব। ব্যাখ্যা: আজ থেকে প্রায় তেরো শত কোটি বছর পূর্বে এক মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা কসমোলজির প্রধান আলোচ্য বিষয়। উদাহরণ ২: গ্যালাক্সির সম্প্রসারণ। ব্যাখ্যা: এডউইন হাবল প্রমাণ করেছিলেন যে মহাবিশ্বের গ্যালাক্সিগুলো একে অপর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যা মহাবিশ্বের সৃষ্টির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Origin of life — এটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা প্রাণের উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করে, একে বায়োজেনেসিস বলা হয়। B) Creation of the universe — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও গঠন বোঝায়। C) Cell information — এটি কোষবিদ্যা বা সাইটোলজি, যা কোষের গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করে। D) Origin of plants — এটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের একটি শাখা যা উদ্ভিদের বিবর্তন ও উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কসমস শব্দের অর্থ মহাবিশ্ব এবং লজি শব্দের অর্থ জ্ঞান, তাই কসমোলজি মানে মহাবিশ্ব সম্পর্কিত জ্ঞান। - জ্যোতির্বিজ্ঞান মহাকাশের বস্তু নিয়ে আর কসমোলজি পুরো মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও বিবর্তন নিয়ে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখার বিভিন্ন ইংরেজি টার্মের অর্থ প্রায়ই আসে। - বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জর্জ ল্যমেত্র এবং কসমোলজি শব্দটির সঙ্গে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
a তামা ও লোহা
b তামা ও টিন
c টিন ও দস্তা
d লোহা ও দস্তা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও টিন ১. কেন সঠিক: ব্রোঞ্জ হলো একটি ঐতিহ্যবাহী সংকর ধাতু যা মূলত তামা এবং টিনের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। তামার সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে টিন মেশানোর ফলে এর কাঠিন্য, স্থায়িত্ব এবং ঘর্ষণ সহ্য করার ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ। কার্যপ্রণালি: বিশুদ্ধ ধাতু সাধারণত নরম হয়, কিন্তু অন্য ধাতু মেশালে তার কেলাসের গঠন পরিবর্তিত হয় যা ধাতুর প্রসারণ ও নমনীয়তা কমিয়ে দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: ব্রোঞ্জের তৈরি মূর্তি, মুদ্রা, এবং বেয়ারিং তৈরিতে এই সংকর ধাতু ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন আমলের তামা ও টিনের তৈরি ব্রোঞ্জ মুদ্রা। ব্যাখ্যা: এই মুদ্রাগুলো শত শত বছর ধরে টিকে আছে কারণ সংকর ধাতু সহজে জং ধরে নষ্ট হয় না। উদাহরণ ২: ব্রোঞ্জ বা কাঁসার থালা-বাসন। ব্যাখ্যা: এগুলো দেখতে সুন্দর এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত টেকসই ও নিরাপদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও লোহা — এই মিশ্রণটি বাণিজ্যিকভাবে সাধারণ সংকর ধাতু হিসেবে বহুল ব্যবহৃত নয় এবং লোহা সহজে জং ধরে। B) তামা ও টিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তামা ও টিনের নির্দিষ্ট মিশ্রণেই ব্রোঞ্জ তৈরি হয়। C) টিন ও দস্তা — টিন ও দস্তার মিশ্রণে সাধারণত সোল্ডার বা অন্য নিম্ন গলনাঙ্কের ধাতু তৈরি হয়। D) লোহা ও দস্তা — লোহা ও দস্তার মিশ্রণকে গ্যালভানাইজিং বলা হয় যা লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেওয়ার কাজে লাগে। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্রোঞ্জ বানাতে টিন লাগে এটি মনে রাখতে 'ব্রোঞ্জ ও টিন' শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো। তামা হলো এর মূল উপাদান এবং এর সাথে টিন যোগ করলে ব্রোঞ্জ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তামার সাথে দস্তা মেশালে পিতল তৈরি হয় আর টিন মেশালে ব্রোঞ্জ তৈরি হয়। এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a 0° C
b 100° C
c -100° C
d -78.5° C
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −৭৮.৫° C ১. কেন সঠিক: কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তরল অবস্থায় না এসে সরাসরি কঠিন ড্রাই আইসে পরিণত হয়। এই বিশেষ প্রক্রিয়াটিকে অধঃপাতন বলা হয়, যার বিপরীত প্রক্রিয়া হলো ঊর্ধ্বপাতন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পদার্থের এমন একটি অবস্থা পরিবর্তন যেখানে গ্যাসীয় পদার্থ তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি কঠিনে রূপান্তরিত হয়। কার্যপ্রণালি: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসকে প্রচণ্ড ঠান্ডা করলে এটি সরাসরি কঠিন শুষ্ক বরফে রূপান্তরিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্যদ্রব্য পরিবহনের সময় ঠান্ডা রাখতে ড্রাই আইস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিনেমা হলে বা মঞ্চ নাটকে কৃত্রিম ধোঁয়া তৈরির জন্য ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ড্রাই আইস বাতাসে উন্মুক্ত করলে এটি গলে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসীয় কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত হয় এবং ঘন কুয়াশার সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: আইসক্রিম বিক্রেতারা দীর্ঘ সময় আইসক্রিম জমাট রাখতে এটি ব্যবহার করেন। ব্যাখ্যা: ড্রাই আইসের তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকায় এটি বরফের চেয়ে বেশি সময় ধরে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০° C — এই তাপমাত্রায় সাধারণ পানি বরফে পরিণত হয়, কার্বন ডাই অক্সাইড ড্রাই আইসে পরিণত হয় না। B) ১০০° C — এই তাপমাত্রায় সাধারণ পানি ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে পরিণত হয়। C) −১০০° C — এই তাপমাত্রা কার্বন ডাই অক্সাইডের ড্রাই আইস হওয়ার নির্দিষ্ট বিন্দুর চেয়ে অনেক বেশি ঠান্ডা। D) −৭৮.৫° C — এটি কার্বন ডাই অক্সাইডের কঠিন অবস্থা অর্জনের সঠিক এবং সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রা। ৫ মনে রাখার টিপস: ড্রাই আইসের তাপমাত্রা মনে রাখতে আশি থেকে দেড় কম অর্থাৎ মাইনাস আটাত্তর দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস এভাবে মনে রাখা যায়। সাধারণ বরফের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি হলেও ড্রাই আইস অনেক বেশি ঠান্ডা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সাধারণ বিজ্ঞান এবং রসায়ন উভয় অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। পরীক্ষায় প্রায়ই সরাসরি প্রশ্ন আসে যে ড্রাই আইসের রাসায়নিক নাম কী, যার উত্তর হলো কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড।

মোট প্রশ্ন (18)

a দ্বন্দ্ব
b অব্যয়ীভাব
c তৎপুরুষ
d কর্মধারায়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - ‘আলো ছায়া’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো আলো ও ছায়া, যেখানে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদেরই অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসের সংজ্ঞা: যে সমাসে দুটি পদেরই অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং মাঝখানে সংযোজক অব্যয় ও, এবং, বা লুপ্ত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - পদ গঠন প্রক্রিয়া: এখানে ‘আলো’ এবং ‘ছায়া’ দুটি বিশেষ্য পদ মিলে ‘আলো ছায়া’ সমস্তপদটি গঠিত হয়েছে এবং মাঝের ‘ও’ সংযোজক অব্যয়টি লোপ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মা-বাবা ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো মা ও বাবা, যা দ্বন্দ্ব সমাসের একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং প্রমিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: ভাই-বোন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো ভাই ও বোন, এটিও উভয় পদের অর্থপ্রধান হওয়ায় দ্বন্দ্ব সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে আলো ও ছায়া উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রকাশ পেয়েছে। B) অব্যয়ীভাব — এই অপশন ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং এটি সাধারণত অব্যয় যোগে গঠিত হয়। C) তৎপুরুষ — এই অপশন ভুল কারণ তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং বিভক্তি লোপ পায়। D) কর্মধারায় — এই অপশন ভুল কারণ কর্মধারায় সমাসে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত পদে ও, এবং, বা এর সংযোগ থাকে এবং উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রকাশ পায়, চোখ বন্ধ করে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - বিপরীতার্থক বা সমার্থক শব্দ জোড়ায় ব্যবহৃত হলেও সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - সমস্তপদে হাইফেন থাকলে এবং ব্যাসবাক্যে এবং বা ও ব্যবহার করা গেলে তা সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস হয়।
a ১৯৭৬
b ১৯৭৭
c ১৯৭৮
d ১৯৭৯
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৬ ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক প্রদান করা হয়। একই বছরে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সংগীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলার বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। তাঁর লেখনীতে বৈষম্য, শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে যা তাঁকে বিদ্রোহী কবি হিসেবে অমরত্ব দিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৬ সালে জসীমউদ্দীনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য একই বছরে এই সম্মাননা লাভ করেন। উদাহরণ ২: ১৯৭৬ সালে সুফিয়া কামালকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। ব্যাখ্যা: জননী বাংলাদেশ খ্যাত কবি সুফিয়া কামালও এই প্রথমবার প্রবর্তিত একুশে পদক প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭۶ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৭৬ সালেই কবিকে প্রথম একুশে পদক প্রদান করা হয়। B) ১৯৭৭ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলামের পদক প্রাপ্তির সাল নয়। C) ১৯৭৮ — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে নজরুলকে একুশে পদক দেওয়া হয়নি। D) ১৯৭৯ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সঠিক সাল থেকে তিন বছর পরের সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের জীবনের শেষ সময় অর্থাৎ ১৯৭৬ সালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই বছরেই তিনি একুশে পদক পান, নাগরিকত্ব পান এবং মৃত্যুবরণ করেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একুশে পদক প্রবর্তন সাল এবং প্রথম প্রাপ্ত ব্যক্তিদের তালিকা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের প্রশ্নে সাল মনে রাখার জন্য কবিদের শেষ জীবনের সালগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হবে।
a পরিবেদন
b চিরকুমার
c লবেজান
d অভিসার
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরিবেদন কেন সঠিক: ১. বাংলা ব্যাকরণে অগ্রজ বা বড় ভাইয়ের বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে অনুজ বা ছোট ভাইয়ের বিবাহ হওয়াকে এক কথায় পরিবেদন বলা হয়। ২. সামাজিক ও পারিবারিক প্রথার পরিপন্থী এই বিশেষ অবস্থাকে প্রকাশ করতেই পরিবেদন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বাংলা ভাষার এক কথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পরীক্ষামুখী পারিভাষিক শব্দ। ২. বাংলা শব্দভান্ডারে প্রথাগত নিয়ম বা ক্রমভঙ্গের বিশেষ সামাজিক পরিস্থিতি বোঝাতে এই ধরনের বিশেষ শব্দের প্রয়োগ দেখা যায়। ৩. যেমন বড় ভাইয়ের আগে ছোট ভাইয়ের বিয়ে অর্থাৎ পরিবেদন, যা প্রথাগত নিয়মের ব্যতিক্রম নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিবেদন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ বড় ভাই থাকতে ছোট ভাইয়ের বিয়ে। B) চিরকুমার — যে ব্যক্তি আজীবন বিবাহ করেন না তাকে এক কথায় চিরকুমার বলা হয়। C) লবেজান — অত্যন্ত ক্লান্ত বা প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়া অবস্থাকে ফার্সি শব্দ লবেজান দ্বারা বোঝানো হয়। D) অভিসার — গোপনে প্রেমিকের সাথে মিলিত হওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করাকে এক কথায় অভিসার বলে। মনে রাখার টিপস: ১. পরিবেদন শব্দটির সাথে বড় ও ছোট ভাইয়ের ক্রমের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে। ২. বড় ভাইয়ের আগে বিয়ে হলে পরিবেদন হয়, এটি বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকবে।
a পাবক
b পবন
c বহ্নি
d অনল
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পবন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি শনাক্ত করার জন্য শব্দের অর্থ জানা জরুরি। এখানে পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু। - অন্য দিকে পাবক, বহ্নি এবং অনল শব্দ তিনটি আগুনের সমার্থক শব্দ। ফলে পবন শব্দটির অর্থ আলাদা হওয়ায় এটি সমার্থক শব্দ নয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় একটি জিনিসের বিভিন্ন গুণ বা রূপের কারণে একাধিক নাম থাকতে পারে। - অগ্নি বা আগুনের বহু সমার্থক শব্দ রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। যেমন অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, সর্বভুক ও দহন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ, গগন, আসমান, নভোমণ্ডল। ব্যাখ্যা: এগুলো সব একই প্রকৃতির এবং আকাশের সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: নদী, তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী। ব্যাখ্যা: এগুলো সব প্রবাহমান জলের ধারা বা নদীর সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবক - এই অপশনটি ভুল কারণ পাবক শব্দের অর্থ আগুন এবং এটি আগুনের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। B) পবন - এই অপশনটি সঠিক কারণ পবন শব্দের অর্থ বাতাস যা আগুন শব্দের সমার্থক নয়। C) বহ্নি - এই অপশনটি ভুল কারণ বহ্নি শব্দের অর্থ আগুন এবং এটিও আগুনের সমার্থক শব্দ। D) অনল - এই অপশনটি ভুল কারণ অনল শব্দের অর্থ আগুন এবং এটিও আগুনের সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন সংক্রান্ত শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে অনল, পাবক, বহ্নি সবাই দহন বা আগুনের সাথে যুক্ত। - বাতাস বোঝাতে পবন, সমীরণ ও বায়ু শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা আগুন থেকে আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও অর্থের ভিত্তিতে শব্দের মিল অমিল নির্ণয় করতে দেয়। - একই জাতীয় তিনটি শব্দের মাঝে একটি ভিন্নার্থক শব্দ থাকলে অর্থ ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a দেশি - তদ্ভব - তৎসম - বিদেশি
b তৎসম - তদ্ভব - বিদেশি - ফারসি
c তদ্ভব - বিদেশি - দেশি তৎসম
d দেশি - বিদেশি - তদ্ভব - তৎসম
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেশি - তদ্ভব - তৎসম - বিদেশি ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত শব্দগুলোর উৎস ক্রমানুসারে সাজাতে বলা হয়েছে। চুলা দেশি শব্দ, সাপো তদ্ভব শব্দ, গ্রহ তৎসম শব্দ এবং ফারসি বিদেশি শব্দ। - শব্দের উৎস নির্ণয়ের মাধ্যমে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের শ্রেণিবিভাগ বুঝতে এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দেশি শব্দ হলো আদি অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষা থেকে আগত শব্দ, যার কোনো সংস্কৃত মূল নেই। - তদ্ভব শব্দ হলো প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সংস্কৃত থেকে আসা শব্দ। - তৎসম শব্দ হলো অপরিবর্তিত সংস্কৃত শব্দ এবং বিদেশি শব্দ হলো ভিনদেশি ভাষার শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: এটি একটি দেশি শব্দ, যা প্রাক-আর্য কাল থেকে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। উদাহরণ ২: চাঁদ ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ, যার সংস্কৃত উৎস হলো চন্দ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশি - তদ্ভব - তৎসম - বিদেশি — এই অপশনটি সঠিক কারণ চুলা দেশি, সাপো তদ্ভব, গ্রহ তৎসম এবং ফারসি বিদেশি শব্দ। B) তৎসম - তদ্ভব - বিদেশি - ফারসি — এই অপশনে শব্দের ক্রম এবং উৎসের শ্রেণিবিভাগ ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। C) তদ্ভব - বিদেশি - দেশি তৎসম — এই অপশনে শব্দের উৎসগুলো সঠিক ক্রমানুসারে সাজানো নেই এবং ব্যাকরণগত মিল নেই। D) দেশি - বিদেশি - তদ্ভব - তৎসম — এই অপশনে সাপো শব্দটিকে বিদেশি এবং গ্রহ শব্দটিকে তৎসম ধরে ভুল ক্রম তৈরি করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের উৎস মনে রাখতে উৎস অনুসারে শব্দগুলোর সাধারণ রূপ এবং প্রাকৃত রূপ চর্চা করতে হবে। - সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দগুলো সাধারণত তৎসম এবং পরিবর্তিত হয়ে আসা শব্দগুলো তদ্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস চিহ্নিত করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - দেশি, তদ্ভব, তৎসম ও বিদেশি শব্দগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সাধু ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না
b সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি
c সাধু ভাষায় সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি
d সাধুভাষায় পদবিন্যাস রীতি সুনির্দিষ্ট
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধু ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষা সর্বদাই ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম, নিবিড় শৃঙ্খলা এবং তৎসম শব্দের সঠিক রূপ কঠোরভাবে মেনে চলে। তাই সাধু ভাষা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না কথাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু ভাষা হলো বাংলা ভাষার সেই মান্য রূপ যা প্রাচীন ঐতিহ্য, ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম এবং সংস্কৃত ব্যাকরণের অনুশাসন কঠোরভাবে অনুসরণ করে চলে। এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনশীল নয় এবং এটি সর্বদাই স্থির ও গম্ভীর প্রকৃতির হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাহারা কাজটি করিয়া থাকিবে। ব্যাখ্যা: এটি সাধু ভাষার বাক্য যেখানে ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম এবং তৎসম পদের সঠিক ব্যবহার কঠোরভাবে মেনে চলা হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী ভাঙিয়া মানুষের সর্বস্ব কেড়ে লইতেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সাধু রীতির ক্রিয়াপদ ও অনুসর্গের ব্যাকরণসম্মত অপরিবর্তনীয় রূপ নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধু ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাধু ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম নিখুঁতভাবে অনুসরণ করেই গঠিত হয়। B) সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি — এটি সাধু ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য তাই এটি সঠিক নয়। C) সাধু ভাষায় সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি — তৎসম শব্দ অর্থই সংস্কৃত শব্দ, যা সাধু রীতিতে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। D) সাধুভাষায় পদবিন্যাস রীতি সুনির্দিষ্ট — সাধু ভাষার ব্যাকরণগত পদবিন্যাস অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও কঠোর নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু ভাষা মানেই ব্যাকরণের কড়া শাসন এবং তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের প্রাচুর্য। তাই সাধু ভাষা নিয়ম মানে না এই কথাটি দেখলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে ভুল বা বৈশিষ্ট্য নয় বলে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাধু ও চলিত রীতির মূল পার্থক্য হলো সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও তৎসম শব্দবহুল এবং চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল ও সহজবোধ্য। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত যেকোনো ভুল তথ্য চিহ্নিত করতে এই মৌলিক ধারণাটি মনে রাখা জরুরি।
a বহুব্রীহি সমাস
b তৎপুরুষ সমাস
c কর্মধারায় সমাস
d দ্বন্দ্ব সমাস
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বহুব্রীহি সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন বা অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - এখানে ব্যাসবাক্যের পদগুলোর বাইরে তৃতীয় কোনো পদ বা বস্তুর প্রাধান্য পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি শব্দের অর্থ বহুব্রীহি বা বহু ধান আছে যার। - এই সমাসে সাধারণত যার, যাতে, যে ইত্যাদি পদ দিয়ে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানিতে যার = বিনা পানি ব্যাখ্যা: এখানে বিনা ও পানি কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সরস্বতী দেবীকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আয়ত লোচন যে নারীর = আয়তলোচনা ব্যাখ্যা: এখানে আয়ত ও লোচন আলাদা অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ এক ধরনের সুন্দর চোখযুক্ত নারীকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি সমাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে অন্য পদ বোঝায়। B) তৎপুরুষ সমাস — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে বোঝায়। C) কর্মধারায় সমাস — এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত একটি বিশেষ্য ও একটি বিশেষণের মধ্যে সমাস হয়। D) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং এবং, ও, আর সংযোজক অব্যয় দ্বারা গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ বুঝবে, তাই মাথায় রাখবে অন্য পদ বা তৃতীয় পক্ষ বোঝানোই এর মূল চাবিকাঠি। - ব্যাসবাক্যের শেষে সাধারণত যার বা যাতে শব্দ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বহুব্রীহি সমাসের সংজ্ঞা বা উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে। - সমস্ত পদে নতুন অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাতে হবে।
a দান্তিক
b ব্যাকুনি দেওয়া
c ন্যাশামি
d ব্যস্ততার ভাব
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যস্ততার ভাব ১. কেন সঠিক: - ‘আঁকুপাঁকু’ একটি বিশিষ্টার্থক শব্দ বা বাগধারা, যার মাধ্যমে কোনো কাজের জন্য অতিরিক্ত বা উচাটন হওয়া বোঝায়। - মানুষের মনের ভেতর যখন কোনো কারণে ভীষণ তাড়া বা ছটফটানি তৈরি হয়, তখন তাকে ব্যস্ততার ভাব বা আঁকুপাঁকু বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে ব্যবহৃত একটি অনুকার শব্দ বা ধনাত্মক শব্দ থেকে উৎসারিত বাগধারা। - এই ধরনের শব্দ মনের বিশেষ কোনো ভাব, অবস্থা বা অবস্থান্তরকে খুব জীবন্ত ও সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ট্রেন ধরার জন্য তার মনে আঁকুপাঁকু শুরু হলো। ব্যাখ্যা: এখানে তাড়া বা সময়ের অভাবে মনের ভেতরের চরম ব্যস্ততাকে বোঝাতে আঁকুপাঁকু ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নতুন খেলনা দেখার পর থেকে ছোট শিশুটির জন্য আঁকুপাঁকু অবস্থা। ব্যাখ্যা: শিশুর ভেতরে কাঙ্ক্ষিত বস্তু পাওয়ার যে অধীর আগ্রহ ও ব্যস্ততা, তা এই শব্দ দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দান্তিক — এই অপশনটি ভুল কারণ দান্তিক শব্দের অর্থ অহংকারী বা জেদি, যা ব্যস্ততার ভাবের সঙ্গে মেলে না। B) ব্যাকুনি দেওয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ ব্যাকুনি দেওয়া অর্থ অহেতুক বাচালতা করা কিংবা অতিরিক্ত কথা বলা। C) ন্যাশামি — এই অপশনটি ভুল কারণ ন্যাশামি বলতে ভনিতা করা বা কৃত্রিম আচরণ বোঝায়। D) ব্যস্ততার ভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আঁকুপাঁকু বাগধারার সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আঁকুপাঁকু শব্দটিতে বারবার কু বর্ণটি আছে, যা দিয়ে বারবার ছটফট করা বা ব্যস্ত হওয়ার ভাব মনে রাখা সহজ হয়। - পরীক্ষার হলে কোনো কাজের তাড়া বা ছটফটানি বুঝলে এই বাগধারাটি বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের অনুকার শব্দভিত্তিক বাগধারা প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থটি জানা থাকলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a ত, থ
b প, ফ
c ও, ঔ
d অ, আ
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ও, ঔ ১. কেন সঠিক: - 'ও' এবং 'ঔ' বর্ণ দুটি উচ্চারণের সময় কণ্ঠ এবং ওষ্ঠ বা ঠোঁটের যৌথ সাহায্য প্রয়োজন হয় বলে এদের কণ্ঠৌষ্ঠ্য বা কণ্ঠ ও ওষ্ঠ্য বর্ণ বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালায় এই দুটি বর্ণ উচ্চারিত হওয়ার সময় জিহ্বা মূল কণ্ঠের কাছাকাছি যায় এবং ওষ্ঠ দুটি গোল হয়ে সংকুচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে উচ্চারণের স্থান বা অঙ্গের উপর ভিত্তি করে স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন কণ্ঠ্য, তালব্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য ও ওষ্ঠ্য। - কণ্ঠ ও ওষ্ঠের সাহায্যে উচ্চারিত হয় বলে 'ও' এবং 'ঔ' কে কণ্ঠৌষ্ঠ্য স্বরবর্ণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ও ব্যাখ্যা: এটি একটি কণ্ঠৌষ্ঠ্য স্বরবর্ণ যা উচ্চারণে কণ্ঠ ও ঠোঁটের উভয় অঙ্গের ভূমিকা থাকে। উদাহরণ ২: ঔ ব্যাখ্যা: এটিও একটি কণ্ঠৌষ্ঠ্য স্বরবর্ণ এবং এটি যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ হিসেবেও পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত, থ — এই বর্ণ দুটি দন্ত্য ধ্বনি কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ দাঁতের ওপর স্পর্শ করে। B) প, ফ — এই বর্ণ দুটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় কেবল দুই ঠোঁটের মিলনে উচ্চারিত হয়। C) ও, ঔ — এটি সঠিক উত্তর। D) অ, আ — এই বর্ণ দুটি কণ্ঠ্য ধ্বনি কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় কণ্ঠনালী উন্মুক্ত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কণ্ঠ ও ওষ্ঠ্য বর্ণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ও এবং ঔ ওষ্ঠের সাথে কণ্ঠের মিলনে উচ্চারিত হয়। - স্বরবর্ণগুলোর মধ্যে একমাত্র 'ও' এবং 'ঔ' এই দুটি বর্ণই কণ্ঠৌষ্ঠ্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণসমূহের উচ্চারণ স্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ব্যঞ্জনবর্ণের পাশাপাশি স্বরবর্ণগুলোর উচ্চারণ স্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
b পদানু ক্রিয়াবিশেষণ
c কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
d স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ ১. কেন সঠিক: - 'সামনে' শব্দটি দ্বারা ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার স্থান বা দিক নির্দেশ করা হয়েছে, যা স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণের প্রধান বৈশিষ্ট্য। - ক্রিয়াটি কোথায় সম্পন্ন হচ্ছে অর্থাৎ মিছিলটি কোথায় এগিয়ে যাচ্ছে, তা নির্দেশ করতে 'সামনে' পদটি ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা ভাব প্রকাশ করে তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। ক্রিয়াবিশেষণ মূলত চার প্রকার যথা কালবাচক, স্থানবাচক, ধরণবাচক এবং পরিমাণবাচক। - স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান বা দিক নির্দেশ করে, যেমন এখানে 'সামনে' শব্দটি স্থান বা দিক নির্দেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাড়িটি ডানে মোড় নিল। ব্যাখ্যা: ডানে শব্দটি গাড়ির চলার স্থান বা দিক নির্দেশ করায় এটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। উদাহরণ ২: তারা ভেতরে অপেক্ষা করছে। ব্যাখ্যা: ভেতরে শব্দটি অপেক্ষার স্থান নির্দেশ করায় এটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের পদ্ধতি বা ধরণ প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। B) পদানু ক্রিয়াবিশেষণ — পদানু ক্রিয়াবিশেষণ পদের পর বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ সময় নির্দেশ করে, কিন্তু 'সামনে' শব্দটি সময় বোঝাচ্ছে না। D) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা দিক নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদকে কোথায় বা কোন দিকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ হয়। - যেমন মিছিলটি কোথায় এগিয়ে যায় উত্তর হলো সামনে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ চিনতে বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায় প্রশ্ন করতে হয়। - এই নিয়মের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ১ টি
b ২ টি
c ৩ টি
d ৪ টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ টি ১. কেন সঠিক: - ‘স্ত্রী’ শব্দটিতে মোট বর্ণসংখ্যা নির্ধারণ করতে শব্দটিকে বর্ণে বিশ্লেষণ করতে হবে। - শব্দটির বর্ণবিশ্লেষণ হলো স্ + ত্ + র + ঈ, যা মিলে মোট চারটি বর্ণ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অধ্যায়ের আওতাধীন এই প্রশ্নটি বর্ণ বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। - বাংলায় বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ এই দুই ভাগে বিভক্ত এবং যুক্তবর্ণ থাকলে তা ভেঙে প্রতিটি বর্ণ আলাদা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘ক্ষমা’ শব্দটির বর্ণ বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় ক + ষ + ম + আ, অর্থাৎ এখানে মোট চারটি বর্ণ রয়েছে। ব্যাখ্যা: যুক্তবর্ণ ‘ক্ষ’ ভেঙে ক এবং ষ হয়, যা বর্ণ গণনার সময় আলাদাভাবে কাউন্ট করতে হয়। উদাহরণ ২: ‘বিজ্ঞান’ শব্দটির বর্ণ বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় ব + জ + ঞ + আ + ন, অর্থাৎ এখানে মোট পাঁচটি বর্ণ রয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে ‘জ্ঞ’ যুক্তবর্ণটি জ এবং ঞ এর সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় বর্ণ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ টি — এটি সঠিক নয় কারণ কোনো বাংলা শব্দ একক বর্ণ দিয়ে গঠিত হলেও ‘স্ত্রী’ শব্দটিতে একাধিক বর্ণ রয়েছে। B) ২ টি — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে যুক্তবর্ণ ও স্বরবর্ণ মিলে দুইটির বেশি বর্ণ বিদ্যমান। C) ৩ টি — এটি ভুল কারণ ব্যঞ্জনবর্ণ ও দীর্ঘ ঈ কার আলাদা করলে মোট সংখ্যা তিনের অধিক হয়। D) ৪ টি — এটি সঠিক কারণ শব্দটিতে স, ত, র এবং ঈ মিলে মোট চারটি বর্ণ আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুক্তবর্ণ এবং কারচিহ্নগুলো সবসময় আলাদা করে হিসাব করলে বর্ণ গণনায় কোনো ভুল হয় না। - ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত স্বরবর্ণ বা কারচিহ্ন আলাদা একটি বর্ণ হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দে কয়টি বর্ণ বা ধ্বনি আছে তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে সবসময় যুক্তবর্ণ এবং কারচিহ্নগুলোকে ভেঙে আলাদা করে তারপর গণনা করতে হবে।
a তুফান
b লুঙ্গি
c কুপর
d দাম
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দাম ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটির সঠিক উত্তর দাম কারণ এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি গ্রিক ভাষার শব্দ। বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার সংস্পর্শে এসে অনেক বিদেশি শব্দ গ্রহণ করেছে এবং দাম তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দমূলের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি শব্দ ছাড়াও পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, গ্রিক, চিনা ও জাপানি শব্দ উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরঙ্গ ব্যাখ্যা: সুরঙ্গ শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি গ্রিক ভাষার শব্দ। উদাহরণ ২: একাডেমি ব্যাখ্যা: একাডেমি শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুফান — তুফান শব্দটি একটি আরবি শব্দ, যা ঝোড়ো হাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়। B) লুঙ্গি — লুঙ্গি শব্দটি একটি বর্মি ভাষার শব্দ, যা দক্ষিণ এশিয়ায় বহুল প্রচলিত। C) কুপর — কুপর কোনো প্রমিত বা পরিচিত বিদেশি শব্দ নয়, তাই এটি ভুল। D) দাম — দাম একটি সঠিক গ্রিক শব্দ, যা মূল প্রশ্নের চাহিদা পূরণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রিক শব্দ মনে রাখার জন্য দাম ও সুরঙ্গ শব্দ দুটি মনে রাখতে পারো। বিদেশি শব্দ চেনার সময় শব্দের উৎস ভাষা ভালোভাবে খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গ্রিক, ওলন্দাজ এবং ফরাসি ভাষার গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়বে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b প্রমথ চৌধুরী
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d বেগম রোকেয়া
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় কবিতার অংশ। - এই চরণে কবির সৃষ্ট জগতের নানা বৈচিত্র্য এবং প্রকৃতির অপার রূপের প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত এবং তাঁর একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটানো একটি বিখ্যাত কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও এই চরণের রচয়িতা নন। B) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও প্রমথ চৌধুরী নামে পরিচিত হলেও এই পংক্তি তাঁর নয়। D) বেগম রোকেয়া — তিনি নারীজাগরণের অগ্রদূত ও প্রাবন্ধিক হলেও এই কবিতার চরণটি তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিচিত্র রূপ ও প্রকৃতির নানা দিক নিয়ে লেখা এমন দার্শনিক পংক্তিগুলোর বেশিরভাগই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা থেকে আসে। - কবির কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার নাম মনে রাখতে মূল থিম খেয়াল রাখা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার চরণ প্রায়ই আসে। - উদ্ধৃতিভিত্তিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির দর্শন ও লেখার মূল সুর চেনার অভ্যাস করতে হবে।
a প্রতীচী
b প্রতীচী
c প্রতীচী
d প্রতীচি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতীচী ১. কেন সঠিক: প্রতীচী বানানটিতে মূর্ধন্য ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা এর সঠিক ও প্রমিত রূপ। এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে এবং বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতিতে এটিই অনুমোদিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। প্রতীচী একটি তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ পশ্চিম দিক বা পশ্চিম দিক থেকে আগত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদীচী ব্যাখ্যা: উদীচী শব্দের অর্থ উত্তর দিক এবং এটি একই নিয়ম মেনে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। উদাহরণ ২: অবাচী ব্যাখ্যা: অবাচী শব্দের অর্থ দক্ষিণ দিক এবং এটি দিকবাচক শব্দ হিসেবে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতীচী — প্রদত্ত অপশনে বানান সঠিক থাকলেও প্রশ্নের সিরিয়াল বিন্যাসের কারণে এটি মূল উত্তর হিসেবে গণ্য হয় না। B) প্রতীচী — অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও বিন্যাসগত কারণে এটি নির্ধারিত উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়নি। C) প্রতীচী — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারিত সঠিক উত্তর। D) প্রতীচি — এই বানানে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ দিকবাচক এই শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: দিকবাচক শব্দ যেমন প্রতীচী, উদীচী এবং প্রাচী বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়। শব্দের শেষে ই-কার না বসিয়ে দীর্ঘ ঈ-কার বসালে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দিকবাচক ও সংস্কৃত শব্দগুলোর বানান প্রায়ই ভুল হিসেবে আসে। এই ধরনের শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার বসে যা অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করা সম্ভব।
a পদ্ম
b জবা
c শাপলা
d তামাক
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্ম ১. কেন সঠিক: তামরস শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো পদ্মফুল। প্রাচীন বাংলা ও সংস্কৃত সাহিত্যে জলাশয়ে ফোটা লাল বা সাধারণ পদ্ম বোঝাতে এই শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। সমার্থক শব্দ হিসেবে পদ্মের অনেক নাম রয়েছে যেমন উৎপল, পঙ্কজ, নলিন ও রাজীব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাদা থেকে জন্ম নেয় বলে পদ্মের অপর নাম পঙ্কজ। ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা পঙ্কজ, এটি একটি পদভিত্তিক শব্দের উৎস নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: জলাশয়ে উৎপল ফোটে। ব্যাখ্যা: উৎপল শব্দটি পদ্মের সমার্থক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্ম — এটি সঠিক উত্তর এবং তামরস শব্দের সমার্থক। B) জবা — জবা একটি ভিন্ন ফুল যার কোনো সংযোগ তামরস শব্দের সাথে নেই। C) শাপলা — শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এবং এর সাথে তামরস শব্দের মিল নেই। D) তামাক — তামাক একটি নেশাজাতীয় উদ্ভিদ যা ফুলের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তামরস শুনলে মনে রাখবে জলাশয়ে ফোটা পদ্মফুলের কথা। পদ্মের সমার্থক শব্দগুলো একসাথে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই প্রমিত শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a হয়তো বা হাঁস হব - কিশোরীর ঘুমুর রহিবে লাল পায়
b আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে
c হয়তো মানুষ নয় - হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে
d ভিজি যায়; রাজ মেঘ সাঁতরাবে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হয়তো মানুষ নয় - হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে ১. কেন সঠিক: - কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত 'আবার আসিব ফিরে' কবিতার বহুল পঠিত ও নির্ধারিত ধারাবাহিক চরণ এটি। - প্রথম চরণের ঠিক পরের লাইনেই কবি তার মৃত্যুর পর এই বাংলায় কোন রূপ নিয়ে ফিরে আসবেন, তার প্রথম কল্পনার কথা প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা খ্যাত কবি জীবনানন্দ দাশ। - এটি মূলত তার 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি অমর প্রকৃতিভিত্তিক দেশপ্রেমের কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় বাংলার প্রকৃতির অপরূপ রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রতীকী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হয়তো বা হাঁস হব - কিশোরীর ঘুমুর রহিবে লাল পায় — এটি এই কবিতার অন্য একটি চরণের অংশ হলেও সরাসরি পরের লাইন নয়। B) আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে — এটি সম্পূর্ণ কবিতার মূল সুর হলেও নির্দিষ্ট চরণের ধারাবাহিক পরের লাইন নয়। C) হয়তো মানুষ নয় - হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক ধারাবাহিক পরের লাইন। D) ভিজি যায়; রাজ মেঘ সাঁতরাবে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে — এটি জীবনানন্দ দাশের অন্য কোনো পংক্তি বা এই কবিতার নির্ধারিত পরের লাইন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কবিতার লাইন মনে রাখতে প্রথম লাইন পড়ার পর রূপ কল্পনার ক্রম মনে রাখতে হবে। শঙ্খচিল ও শালিকের বেশে ফেরার পংক্তিটি প্রথম চরণের ঠিক পরেই আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চরণভিত্তিক প্রশ্ন আসে। কবিতার ধারাবাহিকতা মনে রাখা জরুরি।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c যৌগিক বাক্য
d কোনটি নয়
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা বা উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'তিনি' হলো কর্তা এবং 'ঘুমিয়ে পড়লেন' হলো একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগের একটি প্রকার হলো সরল বাক্য। এখানে 'ভাত খেয়ে' অংশটি অসমাপিকা ক্রিয়া, যা মূল ক্রিয়ার আগের কাজ বোঝালেও বাক্যটিকে জটিল বা যৌগিক করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হলে অন্ধকার দূর হয়। ব্যাখ্যা: এটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া 'দূর হয়' রয়েছে। উদাহরণ ২: সে প্রতিদিন নিয়মিত পড়াশোনা করে। ব্যাখ্যা: এখানে কর্তা একজন এবং সমাপিকা ক্রিয়াও একটিমাত্র রয়েছে, তাই এটি সরল বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। B) জটিল বাক্য — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে, যা এই বাক্যে নেই। C) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য ও, এবং, কিন্তু ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ এর মধ্যে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সরল বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো খুঁজে দেখা যে পুরো বাক্যে কেবল একটিই প্রধান সমাপিকা ক্রিয়া আছে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের গঠন নির্ণয় করার সময় প্রথমে সমাপিকা ক্রিয়া খুঁজে বের করতে হবে। ক্রিয়ার সংখ্যা একটি হলে তা সরল বাক্য হিসেবে গণ্য হবে।
a ৫ টি
b ৭ টি
c ৮ টি
d ৩ টি
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৭ টি কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় উচ্চারণ করার সময় যে স্বরধ্বনিগুলো অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই একা উচ্চারিত হতে পারে এবং ভেঙে ছোট করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। - বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি থাকলেও তার মধ্যে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হিসেবে গণ্য করা হয়। - যেমন, অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা উচ্চারণ করার সময় মুখবিবর উন্মুক্ত থাকে এবং কোনো বাধা পায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ৫ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পাঁচটির বেশি। - খ) ৭ টি — এটি সঠিক উত্তর। - গ) ৮ টি — এটি ভুল কারণ মৌলিক স্বরধ্বনি আটটি নয়। - ঘ) ৩ টি — এটি ভুল কারণ তিনটির সংখ্যা বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: - মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ উপায় হলো সাতটি প্রধান স্বরধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।

মোট প্রশ্ন (18)

a Continuous
b Irregular
c Immediate
d Constant
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Irregular কেন সঠিক: Intermittent শব্দের বাংলা অর্থ হলো মাঝে মাঝে ঘটে এমন বা অনিয়মিত। Irregular শব্দের অর্থও অনিয়মিত, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Continuous — এর অর্থ অবিচ্ছিন্ন বা একটানা, যা ইন্টারমিটেন্ট শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Irregular — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Immediate — এর অর্থ তাৎক্ষণিক বা দ্রুত, যা অনিয়মিত বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। D) Constant — এর অর্থ ধ্রুবক বা সর্বদা সমান, যা বিরতি দিয়ে ঘটার ধারণার সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Intermittent শব্দটিতে মাঝে মাঝে থেমে যাওয়ার ভাব আছে, তাই Irregular বা অনিয়মিত এর সবচেয়ে ভালো সমার্থক।
a Boar
b Peer
c Parent
d Spinster
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Spinster কেন সঠিক: Spinster শব্দের অর্থ অবিবাহিত নারী বা কুমারী। এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা সরাসরি স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine gender নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boar — এটি শূকরের ক্ষেত্রে পুংলিঙ্গ বা masculine gender বোঝায়। B) Peer — এটি সাধারণ বা common gender যার স্ত্রীলিঙ্গ peeress। C) Parent — এটি এমন একটি শব্দ যা মা বা বাবা উভয়কেই বোঝাতে পারে তাই এটি common gender। মনে রাখার টিপস: যসব শব্দ সাধারণত অবিবাহিত নারীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর বেশিরভাগই স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine gender হয়।
a Liberal
b Bondage
c Frugal
d Diversity
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bondage কেন সঠিক: ‘Liberty’ শব্দটির অর্থ স্বাধীনতা বা মুক্তি। এর বিপরীত শব্দ হলো ‘Bondage’ যার অর্থ বন্দিদশা বা পরাধীনতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Liberal — এর অর্থ উদার, যা ‘liberty’ শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু বিপরীত নয়। B) Bondage — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ বন্দিদশা যা স্বাধীনতার সম্পূর্ণ বিপরীত। C) Frugal — এর অর্থ মিতব্যয়ী, যা স্বাধীনতা বা বন্দিদশা কোনটির সাথেই সম্পর্কিত নয়। D) Diversity — এর অর্থ বৈচিত্র্য, যা এই শব্দের বিপরীত অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতা বা ‘liberty’ পেলেই মানুষ খুশি হয়, কিন্তু বন্দিদশা বা ‘bondage’ হলো তার ঠিক উল্টো অবস্থা।
a to repeat
b to start
c to get rid of
d to drive off
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to get rid of কেন সঠিক: ‘To do away with’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ কোনো কিছু থেকে মুক্তি পাওয়া বা বাতিল করা। অপশন সি তে থাকা ‘to get rid of’ কথাটির অর্থও একই রকম অর্থাৎ কোনো কিছু বর্জন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to repeat — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো কোনো কিছু পুনরাবৃত্তি করা বা আবার করা। B) to start — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো নতুন কিছু শুরু করা বা আরম্ভ করা। C) to get rid of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটি মূল ফ্রেজাল ভার্বের সমার্থক। D) to drive off — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো তাড়িয়ে দেওয়া বা গাড়ি চালিয়ে চলে যাওয়া। মনে রাখার টিপস: ডু অ্যাওয়ে উইথ মানে দূরে ঠেলে দেওয়া বা মুক্তি পাওয়া, যা গেট রিড অফ এর সাথে মিলে যায়।
a as if
b because
c until
d when
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as if কেন সঠিক: এখানে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করছে যে এমন মনে হচ্ছে যেন সে কেঁদে ফেলবে। অনুমান বা সম্ভাবনার ক্ষেত্রে as if বা as though ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as if — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে। B) because — কারণ বোঝালে এটি বসে, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। C) until — সময়সীমা বোঝালে এটি ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) when — নির্দিষ্ট কোনো সময় নির্দেশ করতে এটি বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু দেখে বা অনুমান করে বোঝাতে যে এমন মনে হচ্ছে যেন, সে ক্ষেত্রে as if ব্যবহার করা হয়।
a The epic
b the comic
c The Occult
d The tragic
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The Occult কেন সঠিক: ওকাল্ট বা অতীন্দ্রিয়বাদ হলো মূলত গুপ্ত বিদ্যা, তন্ত্র-মন্ত্র বা অলৌকিক চর্চার সাথে সম্পর্কিত একটি বিষয়। এটি সাহিত্যের কোনো ঐতিহ্যবাহী কাব্যধারা বা শৈলী হিসেবে পরিগণিত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The epic — এটি একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী কাব্যধারা যার মাধ্যমে মহাকাব্যের বিশাল কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হয়। B) the comic — এটি সাহিত্যের একটি প্রচলিত ঐতিহ্য যা হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার মাধ্যমে আনন্দ দেয়। C) The Occult — এটি কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য নয় বরং এটি রহস্যবিদ্যা বা অলৌকিক চর্চাকে নির্দেশ করে। D) The tragic — এটি সাহিত্যের অত্যন্ত প্রাচীন এবং একটি প্রধান ঐতিহ্য যা দুঃখজনক পরিণতি ফুটিয়ে তোলে। মনে রাখার টিপস: মহাকাব্য, কমেডি এবং ট্র্যাজেডি হলো সাহিত্যের প্রতিষ্ঠিত ধারা, আর ওকাল্ট হলো গুপ্ত বা রহস্যময় চর্চা।
a First work
b Last work
c Middle work
d Early work
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Last work কেন সঠিক: ‘Swan song’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ রাজহাঁসের গান এবং এর প্রকৃত অর্থ হলো কোনো ব্যক্তির শেষ সৃষ্টি বা অবসান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) First work — এটি সঠিক নয় কারণ 'First work' অর্থ প্রথম সৃষ্টি, যা 'Swan song' এর বিপরীত। B) Last work — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাগধারাটির আসল অর্থ প্রকাশ করে। C) Middle work — এটি ভুল কারণ 'Middle work' বলতে মধ্যবর্তী কাজ বা সৃষ্টি বোঝায়। D) Early work — এটি সঠিক নয় কারণ 'Early work' অর্থ প্রাথমিক পর্যায়ের কোনো কাজ। মনে রাখার টিপস: রাজহাঁস নাকি মারা যাওয়ার আগে খুব সুন্দর গান গায়, এই বিশ্বাস থেকেই মানুষের জীবনের শেষ কাজকে 'Swan song' বলা হয়।
a laughing
b to laugh
c laugh
d that to laugh
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) laughing কেন সঠিক: বাক্যে 'can not help' একটি বিশেষ ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর পরে সবসময় মূল Verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। এই নিয়ম অনুসারে সঠিক Verb রূপটি হবে laughing। বাকি অপশন কেন ভুল: A) laughing — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটির পর ing ফর্ম বসে। B) to laugh — ভুল কারণ ফ্রেজের পর infinitive বসে না। C) laugh — ভুল কারণ এখানে base form ব্যবহার করা যায় না। D) that to laugh — ভুল কারণ গঠনগতভাবে এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: cannot help বা could not help থাকলে verb এর সাথে ہمیشہ ing যোগ করতে হয়।
a A strong point
b A weak point
c Super power
d Meritorious
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A weak point কেন সঠিক: গ্রিক পুরাণের বীর অ্যাকিলিসকে তাঁর মা শৈশবে নদীর জলে ডুবিয়েছিলেন যাতে তাঁর শরীরে কোনো আঘাত না লাগে। কিন্তু যে গোড়ালি ধরে তাঁকে চুবানো হয়েছিল, সেটি জলে ভেজেনি এবং সেটাই তাঁর একমাত্র দুর্বল স্থান হিসেবে থেকে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A strong point — এটি এই বাগধারাটির ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ অ্যাকিলিসের গোড়ালি দুর্বলতা নির্দেশ করে। B) A weak point — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাগধারাটির আসল অর্থ প্রকাশ করে। C) Super power — এটি অতিমানবীয় ক্ষমতা বোঝায় যা অ্যাকিলিসের গোড়ালির দুর্বলতার সাথে মিলে না। D) Meritorious — এর অর্থ মেধাবী যা এই ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক বাগধারার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাকিলিসের শরীরে একমাত্র গোড়ালিটিই অরক্ষিত ছিল, তাই মনে রাখবে অ্যাকিলিস হিল মানেই হলো যেকোনো মানুষের দুর্বল বা নরম জায়গা।
a off
b aside
c down
d along
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) aside কেন সঠিক: এখানে cast aside একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব। এর অর্থ হলো ত্যাগ করা বা দূরে সরিয়ে দেওয়া। ধনী হওয়ার পর সে তার পুরোনো বন্ধুদের ত্যাগ করেছিল বা এড়িয়ে চলেছিল। তাই শূন্যস্থানে aside বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়। এই বাক্যে অন্য কোনো উপযুক্ত শব্দ বসার সুযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) off — cast off মানে মূলত ফেলে দেওয়া বা বর্জন করা, যা মানুষের ক্ষেত্রে সরাসরি মানায় না। B) aside — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ বন্ধুদের ক্ষেত্রে পুরোপুরি প্রযোজ্য। C) down — cast down অর্থ হতাশ করা, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। D) along — cast along বলে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে নেই। মনে রাখার টিপস: মানুষের ক্ষেত্রে সম্পর্ক ত্যাগ করা বোঝাতে সাধারণত cast aside ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
a common
b proper
c collective
d abstract
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) abstract কেন সঠিক: ‘beauty’ শব্দ দ্বারা কোনো কিছুর গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, যা চোখে দেখা যায় না কিন্তু অনুভব করা যায়। এটি স্পর্শ করা যায় না, কেবল মনের মাধুরী দিয়ে উপলব্ধি করতে হয়। তাই এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট বা গুণবাচক নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) common — কমন নাউন হয় যখন কোনো সাধারণ ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, কিন্তু সৌন্দর্য কোনো নির্দিষ্ট বস্তু নয়। B) proper — প্রোপার নাউন হয় নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম হলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) collective — কালেক্টিভ নাউন হতে হলে একজাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝাতে হয়। D) abstract — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাউনগুলোর কোনো শারীরিক রূপ বা স্পর্শ করার ক্ষমতা নেই, কেবল অনুভূতি দিয়ে বুঝতে হয়, সেটাই অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন।
a questionere
b questionaire
c questioneer
d questionnaire
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) questionnaire কেন সঠিক: এই বানানের শেষে দুটি n এবং দুটি n এর পর দুটি e আছে। এছաড়া এর মাঝে nnaire অংশটি সঠিক নিয়মে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) questionere — এখানে বানানের শেষে সঠিক প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি এবং বানানটি অসম্পূর্ণ। B) questionaire — এখানে সঠিক বানানের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অক্ষর বাদ পড়েছে। C) questioneer — এখানে শেষ অংশে বানান গঠনের সাধারণ নিয়ম মানা হয়নি। D) questionnaire — এটি সঠিক বানান কারণ এতে ফরাসি উৎসের সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে প্রশ্ন (question) শব্দের সাথে nnaire অংশটি যোগ করে পড়বে।
a Primitive
b Traveller
c Lide
d Asset
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Traveller কেন সঠিক: Explorer শব্দের অর্থ হলো আবিষ্কারক বা যিনি নতুন জায়গা ঘুরে দেখেন। Traveller শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণকারী বা পর্যটক। এই দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে মিল রয়েছে। তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Primitive — এর অর্থ আদিম বা প্রাচীন, যা Explorer শব্দের সমার্থক নয়। B) Traveller — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Lide — এটি একটি অর্থহীন বা অপ্রাসঙ্গিক শব্দ। D) Asset — এর অর্থ সম্পদ, যা Explorer শব্দের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: নতুন জায়গা খোঁজা মানেই ভ্রমণ করা, তাই Explorer এর সাথে Traveller কথাটি মনে রাখবে।
a Quarter
b Limerick
c Sixtet
d Haiku
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Limerick কেন সঠিক: Limerick হলো একটি বিশেষ ধরনের হাস্যরসাত্মক কবিতা যা ঠিক পাঁচটি লাইন নিয়ে গঠিত হয়। এই ধরনের কবিতার একটি নির্দিষ্ট ছন্দ এবং সুর থাকে যা পড়তে খুব ভালো লাগে। এর প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম লাইনের সাথে মিল থাকে। তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন দুটি তুলনামূলক ছোট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quarter — এটি কোনো নির্দিষ্ট কবিতার নাম নয়, বরং কোনো কিছুর এক চতুর্থাংশ বোঝায়। B) Limerick — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি পাঁচ লাইনের মজার কবিতা। C) Sixtet — এটি ছয় লাইনের একটি কবিতাকে বোঝায়, যা পাঁচ লাইনের কবিতার সাথে মিলে না। D) Haiku — এটি তিন লাইনের একটি জাপানি প্রকৃতির কবিতা, যা হাস্যরসাত্মক পাঁচ লাইনের কবিতা নয়। মনে রাখার টিপস: পাঁচ লাইনের মজার কবিতাকে লিমারিক বা Limerick বলা হয়।
a half-heartedly
b doubtfully
c fixed
d uncertain
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) uncertain কেন সঠিক: ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'sine die' এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো দিন ঠিক না করেই অর্থাৎ অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা। এর ইংরেজি অর্থ দাঁড়ায় যার কোনো নির্দিষ্ট সময় বা সমাপ্তি ঠিক করা নেই। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে uncertain বা অনিশ্চিত শব্দটি এর সবচেয়ে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) half-heartedly — এর অর্থ অনিচ্ছায় বা ম্রিয়মাণভাবে, যা 'sine die' এর মূল অর্থের সাথে মেলে না। B) doubtfully — এর অর্থ সন্দেহজনকভাবে, যা এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি নিশ্চিত না হওয়ার অবস্থাকে বোঝায় না। C) fixed — এর অর্থ নির্দিষ্ট, যা 'sine die' এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) uncertain — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'sine die' মানে দিন ঠিক নেই, তাই এর উত্তর হবে অনিশ্চিত বা uncertain।
a teared
b torn
c torned
d tearing
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) torn কেন সঠিক: ‘tear’ একটি শক্তিশালী বা অনিয়মিত ভারverb, যার পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো ‘torn’। এর মূল অর্থ ছেঁড়া বা কোনো কিছু ছিঁড়ে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) teared — এটি ভুল কারণ ‘tear’ শব্দের পাস্ট ফর্ম হিসেবে ‘teared’ হয় না। B) torn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) torned — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল কারণ ‘torn’ এর সাথে অতিরিক্ত ‘ed’ যুক্ত হয় না। D) tearing — এটি ভার্বের সাথে ‘ing’ যুক্ত রূপ যা কন্টিনউয়াস টেন্সে ব্যবহৃত হয়, পাস্ট পার্টিসিপল নয়। মনে রাখার টিপস: অনিয়মিত ভার্বগুলোর পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল মুখস্থ রাখতে হবে কারণ এগুলোতে সাধারণত ‘ed’ যুক্ত হয় না।
a are
b is
c was
d were
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: বাক্যের মূল Subject হলো the quality যা একটিমাত্র ভাব বা Singular Noun নির্দেশ করে। তাই এর সাথে সর্বদা Singular Verb বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি Plural Verb হওয়ায় Singular Subject-এর সাথে বসে না। B) is — এটি সঠিক উত্তর এবং Singular Subject-এর সাথে বসে। C) was — বাক্যটি বর্তমান কালের (Present Tense) হওয়ায় Past Tense-এর was এখানে বসবে না। D) were — এটি Plural Verb এবং Past Tense হওয়ায় এটি এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: Preposition-এর আগের Noun অনুযায়ী Verb বসে, তাই the quality দেখে Verb ঠিক করতে হবে।
a Bear out
b Bear on
c Bear to
d Bear off
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bear out কেন সঠিক: 'Bear out' একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সমর্থন করা বা কোনো কিছু প্রমাণ করা। এটি প্রদত্ত শব্দ 'Confirm' এর সাথে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ মিল রাখে। বাক্যে সত্যতা প্রমাণ করতে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি নিশ্চিত করার সমার্থক শব্দ হিসেবে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bear out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Bear on — এর অর্থ কোনো বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত হওয়া বা প্রাসঙ্গিক হওয়া। C) Bear to — এর অর্থ কোনো নির্দিষ্ট দিকে ঝোঁকা বা অগ্রসর হওয়া। D) Bear off — এর অর্থ জয় করে নেওয়া বা কোনো পুরস্কার ছিনিয়ে নেওয়া। মনে রাখার টিপস: কনফার্ম বা নিশ্চিত করার জন্য বিয়ার আউট ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

a ৮৭০০৮১৬
b ৮৭৪১৮১৬
c ৮৬০০৮১৬
d ৮৭৪১৭৯৬
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৭৪১৮১৬ প্রদত্ত তথ্য: বর্তমান জনসংখ্যা = ৮০০০০০০ জন জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রতি হাজারে ৩০ জন বা প্রতি শতকে ৩ জন বা ৩% ধরি, প্রাথমিক জনসংখ্যা পি = ৮০০০০০০ বৃদ্ধির হার আর = ৩% বা ০.০৩ অতএব, ১ বছর পর জনসংখ্যা হবে ৮০০০০০০ গুণ ১.০৩ ২ বছর পর জনসংখ্যা হবে প্রথম বছরের ফল গুণ ১.০৩ সুতরাং, ৩ বছর পর জনসংখ্যা হবে ৮০০০০০০ গুণ ১.০৩ গুণ ১.০৩ গুণ ১.০৩ উত্তর: ৮৭৪১৮১৬ জন
a ৫৮৫
b ৫৮০
c ৫৭৫
d ৫৭০
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৮৫ প্রদত্ত তথ্য: পরপর দশটি সংখ্যার প্রথম পাঁচটির যোগফল = ৫৬০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ক সংখ্যাগুলো পরপর হওয়ায় প্রতিটির ব্যবধান = ১ অতএব, প্রথম পাঁচটি সংখ্যা হলো ক, ক+১, ক+২, ক+৩, ক+৪ এদের যোগফল = ৫×ক + ১০ = ৫৬০ সুতরাং, ৫×ক = ৫৫০ ক = ১১০ শেষ পাঁচটি সংখ্যা হলো ক+৫, ক+৬, ক+৭, ক+৮, ক+৯ এদের যোগফল = ৫×ক + ৩৫ মান বসিয়ে পাই, ৫×১১০০ + ৩৫ = ৫৮৫ উত্তর: ৫৮৫
a ১০
b ১২
c ১৪
d 18
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: গাছের গোড়া থেকে খুঁটির উচ্চতা = ৯ মিটার মাটিতে খুঁটিটির স্পর্শ বিন্দুর অবনতি কোণ = ৩০ ডিগ্রি ধরি, খุঁটির দৈর্ঘ্যকে লম্ব এবং ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ বিবেচনা করা হলো এখানে খুঁটিটি অতিভুজ হিসেবে কাজ করছে কোণের মান ত্রিশ ডিগ্রি অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী সাইন ত্রিশ ডিগ্রি সমান লম্ব ভাগ অতিভুজ লম্বের মান হলো নয় মিটার সিন ত্রিশ ডিগ্রির মান হলো এক ভাগ দুই সুতরাং, এক ভাগ দুই সমান নয় ভাগ অতিভুজ কোণা কোণি গুণ করে পাই অতিভুজ সমান নয় গুণ দুই উত্তর: ১৮ মিটার
a ৭
b ৮
c ৯
d ১০
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রدত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (০.১৫ × ১০^p) ÷ (০.৩ × ১০^q) = ৫ × ১০^৭ ধরি, পদের বিন্যাস করে পাই (০.১৫ ÷ ০.৩) × (১০^p ÷ ১০^q) = ৫ × ১০^৭ অতএব, ০.৫ × ১০^(p − q) = ৫ × ১০^৭ সুতরাং, ৫ × ১০^(p − q − ১) = ৫ × ১০^৭ উত্তর: p − q = ৮
a ১৬
b ৬৮
c ৭২
d ৯৬
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯৬ প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের এক ধারের দৈর্ঘ্য = ৪ মিটার ধরি, ঘনকের একটি তলের ক্ষেত্রফল = এক ধার × এক ধার ঘনকটির মোট তলের সংখ্যা = ৬ টি অতএব, ঘনকের একটি তলের ক্ষেত্রফল = ৪ × ৪ = ১৬ বর্গমিটার ঘনকটির সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ৬ × ১৬ বর্গমিটার সুতরাং, মোট ক্ষেত্রফল = ৯৬ বর্গমিটার উত্তর: ৯৬ বর্গমিটার
a ২
b ৩
c ৪
d ১
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: a এর শক্তি ৪ + a এর স্কয়ার b এর স্কয়ার + b এর শক্তি ৪ = ৮ a এর স্কয়ার + ab + b এর স্কয়ার = ৪ ধরি, প্রথম সমীকরণটি থেকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (a এর স্কয়ার + ab + b এর স্কয়ার) × (a এর স্কয়ার − ab + b এর স্কয়ার) = ৮ অতএব, ৪ × (a এর স্কয়ার − ab + b এর স্কয়ার) = ৮ a এর স্কয়ার − ab + b এর স্কয়ার = ২ সুতরাং, এই সমীকরণ এবং দ্বিতীয় সমীকরণ যোগ করে পাই ২ × (a এর স্কয়ার + b এর স্কয়ার) = ৪ + ২ = ৬ উত্তর: ৩
a ৮,০০০ টাকা
b ৩,০০০ টাকা
c ২,০০০ টাকা
d ৫,০০০ টাকা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোবাইল ৮% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো মোবাইলটি ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৮% লাভ হতো ধরি, মোবাইলের ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ৮% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক টাকার (১০০ − ৮)% = ক টাকার ৯২% ৮% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক টাকার (১০০ + ৮)% = ক টাকার ১০৮% সুতরাং, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ক টাকার (১০৮% − ৯২%) = ক টাকার ১৬% উত্তর: ক টাকার ১৬% = ৮০০ টাকা, অর্থাৎ ক = ৫,০০০ টাকা
a 11/3, 11/4
b 12/3, 12/4
c 11/4, 11/3
d 13/4, 13/5
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১/৪, ১১/৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো ২/x + ১/y = ১ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ৪/x − ৯/y = −১ ধরি, ১/x = a এবং ১/y = b সমীকরণ দুটি পরিবর্তিত হয়ে দাঁড়ায় ২a + b = ১ এবং ৪a − ৯b = −১ অতএব, প্রথম সমীকরণটিকে ২ দ্বারা গুণ করে পাই ৪a + ২b = ২ এটি থেকে দ্বিতীয় সমীকরণ বিয়োগ করে পাই ১১b = ৩ সুতরাং, b এর মান হলো ৩/১১, যা থেকে y এর মান পাওয়া যায় ১১/৩ a এর মান বের করলে পাওয়া যায় ৪/১১, যা থেকে x এর মান পাওয়া যায় ১১/৪ উত্তর: x = ১১/৪ এবং y = ১১/৩
a ২
b ১
c ৩
d ৪
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ যার কোণ B সমান ৯০ ডিগ্রি দেওয়া আছে, tan A = ১ ধরি, tan A = লম্ব ÷ ভূমি = ১ ÷ ১ লম্ব = ১ এবং ভূমি = ১ অতএব, অতিভুজ = √(লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার) অতিভুজ = √(১ + ১) = √২ সুতরাং, sin A = লম্ব ÷ অতিভুজ = ১ ÷ √২ cos A = ভূমি ÷ অতিভুজ = ১ ÷ √২ উত্তর: ২ × (১ ÷ √২) × (১ ÷ √২) = ১
a abc
b 2abc
c 3abc
d 6abc
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩abc প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি বিশেষ সূত্র অনুযায়ী আমরা জানি যে a تكعيب + b تكعيب + c تكعيب − ৩abc এর মান নির্ণয় করতে হয় ধরি, দেওয়া আছে যে a + b + c এর মান শূন্য এই শর্তটি আমাদের মূল মান নির্ণয়ে সাহায্য করে অতএব, আমরা বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত বা সূত্র ব্যবহার করি যেখানে a + b + c গুণক হিসেবে থাকে সুতরাং, a + b + c এর মান শূন্য হওয়ার কারণে পুরো অংশটি শূন্য হয় ফলে a تكعيب + b تكعيب + c تكعيب এর মান সরাসরি নির্ধারিত হয় উত্তর: ৩abc
a (a+4)(19a^2 + 13a + 7)
b (a-4)(19a^2 - 13a + 7)
c (a+4)(19a^2 - 13a - 7)
d কোনোটিই নয়
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রدত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (3a + 1) এর ঘন বিয়োগ (2a - 3) এর ঘন ধরি, প্রথম রাশি x = 3a + 1 দ্বিতীয় রাশি y = 2a - 3 অতএব, ঘন দুটির বিয়োগফল x^3 − y^3 সূত্র অনুযায়ী (x − y)(x^2 + xy + y^2) সুতরাং, মানগুলো বসিয়ে পাই (3a + 1 − 2a + 3) এবং অন্য অংশে (3a + 1)^2 + (3a + 1)(2a − 3) + (2a − 3)^2 প্রথম অংশটি সরল করে পাই (a + 4) এবং দ্বিতীয় অংশটি সরল করে পাই 19a^2 + 5a + 13 উত্তর: উৎপাদকটি হলো (a + 4)(19a^2 + 5a + 13)
a ১০
b ১২
c ১৪
d ৭
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজাকৃতি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪৮ বর্গগজ ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু হতে ভূমির উপর লম্বের দৈর্ঘ্য = ১২ গজ ধরি, ত্রিভুজের ভূমির দৈর্ঘ্য = ক গজ অতএব, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ৪৮ = (১ ÷ ২) × ক × ১২ সুতরাং, ৪৮ = ৬ × ক ক = ৪৮ ÷ ৬ উত্তর: ৮ গজ
a {46}
b {36}
c {144}
d {96}
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 36 প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৩১১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৪১৯ অবশিষ্ট = ২৩ ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি দ্বারা ভাগ করা হবে অতএব, প্রথম সংখ্যার ক্ষেত্রে বিভাজ্য সংখ্যা = ৩১১ − ২৩ = ২৮৮ দ্বিতীয় সংখ্যার ক্ষেত্রে বিভাজ্য সংখ্যা = ৪১৯ − ২৩ = ৩৯৬ সুতরাং, ২৮৮ এবং ৩৯৬ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ৩৬
a x/2 < y/2
b 2/x < 2/y
c xz > yz
d xz < yz
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) xz < yz প্রদত্ত তথ্য: এখানে প্রথম চলক এক্স ওয়াই থেকে বড় আবার জেড শূন্য থেকে ছোট অর্থাৎ ঋণাত্মক সংখ্যা ধরি, এক্স এর মান = ২ ওয়াই এর মান = ১ জেড এর মান = −১ অতএব, এক্স এবং জেড এর গুণফল = ২ × (−১) = −২ ওয়াই এবং জেড এর গুণফল = ১ × (−১) = −১ সুতরাং, যেহেতু ঋণাত্মক সংখ্যার ক্ষেত্রে বড় মান ছোট হয়, তাই মাইনাস দুই মাইনাস এক এর চেয়ে ছোট উত্তর: xz < yz
a ১,২২৩
b ১,২৩২
c ২,৪৬৮
d ২,৮৮৬
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,২৩২ প্রদত্ত তথ্য: অর্ধবৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২৮ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের পাই এর মান = ২২ ÷ ৭ অতএব, সম্পূর্ণ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ সম্পূর্ণ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = (২২ ÷ ৭) × ২৮ × ২৮ সম্পূর্ণ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ২,৪৬৪ বর্গ সেন্টিমিটার সুতরাং, অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল = সম্পূর্ণ বৃত্তের ক্ষেত্রফল ÷ ২ অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল = ২,৪৬৪ ÷ ২ উত্তর: ১,২৩২ বর্গ সেন্টিমিটার

মোট প্রশ্ন (15)

a নাগাসাকি
b নিউইয়র্ক
c হো চি মিন সিটি
d সিউল
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিউল কেন সঠিক: - দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে এই স্মৃতিস্তম্ভটি অবস্থিত, যা শান্তি ও অহিংসার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। - এটি মূলত কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এবং ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার স্মরণে স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাগাসাকি — এটি জাপানের একটি শহর এবং পারমাণবিক হামলার শিকার স্থান, কিন্তু এখানে এই নির্দিষ্ট স্মৃতিস্তম্ভটি নেই। B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্বখ্যাত শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, কিন্তু এটি এই উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) হো চি মিন সিটি — এটি ভিয়েতনামের একটি প্রধান অর্থনৈতিক শহর, যা ভিয়েতনামের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত কিন্তু এই স্মৃতিস্তম্ভের অবস্থান নয়। D) সিউল — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই 'স্ট্যাচু অব সিউল' বা শান্তি মূর্তিটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সিউল মানে শান্তি, তাই 'স্ট্যাচু অব পিস' দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলেই অবস্থিত।
a ২৪ মে
b ২২ মে
c ২২ অক্টোবর
d ২৪ অক্টোবর
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪ অক্টোবর কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির যাত্রা শুরু হয়। - প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী এই দিনে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘ দিবস উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ মে — এই তারিখে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য কোনো আন্তর্জাতিক দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) ২২ মে — এটি আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস হিসেবে পালিত হয়, জাতিসংঘ দিবসের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। C) ২২ অক্টোবর — এই তারিখে কোনো নির্দিষ্ট বৈশ্বিক জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না। D) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ অংশে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সাল ১৯৪৫ এবং মাস ও তারিখ ২৪ অক্টোবর এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a ফিনল্যান্ড
b আয়ারল্যান্ড
c আইসল্যান্ড
d সুইডেন
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়ারল্যান্ড কেন সঠিক: - আয়ারল্যান্ড ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। - স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল দেশগুলো হলো নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক, এবং ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ড এর সাংস্কৃতিক অঞ্চলের অংশ হলেও আয়ারল্যান্ড এর বাইরে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিনল্যান্ড — এটি নর্ডিক দেশের অন্তর্ভুক্ত এবং এর সাথে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। B) আয়ারল্যান্ড — এটি ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের অংশ এবং স্ক্যান্ডিনেভীয় ভূখণ্ড বা সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত নয়। C) আইসল্যান্ড — এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি নর্ডিক দ্বীপ দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। D) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত মূল স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশের অন্যতম। মনে রাখার টিপস: স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল দেশ মূলত তিনটি (নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক) এবং ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ড নর্ডিক দেশ হিসেবে পরিচিত, কিন্তু আয়ারল্যান্ড এর মধ্যে পড়ে না।
a নিউইয়র্ক
b রোম
c ভ্যাটিকান
d ঢাকা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানটির নাম দেওয়া হয় গ্রাউন্ড জিরো। - এটি নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটন এলাকায় অবস্থিত এবং বর্তমানে সেখানে একটি স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর তৈরি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রাউন্ড জিরো এই শহরেই অবস্থিত। B) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী, তাই এটি ভুল উত্তর। C) ভ্যাটিকান — এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্বাধীন রাষ্ট্র যা রোমের ভেতরে অবস্থিত, তাই এটি সঠিক নয়। D) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং এখানে এই নামের কোনো স্থান নেই। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র হামলার ধ্বংসস্তূপই হলো গ্রাউন্ড জিরো।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d দ্বারকানাথ ঠাকুর
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বারকানাথ ঠাকুর কেন সঠিক: - ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট রাজা রামমোহন রায় ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর কার্যক্রমে দ্বারকানাথ ঠাকুর তার অন্যতম প্রধান সহযোগী ও আর্থিক সহায়ক ছিলেন। - ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠালগ্নে এবং এর পরিচালনা ও সমাজ সংস্কারের বিভিন্ন ধাপে দ্বারকানাথ ঠাকুরের জোরালো ভূমিকা ও অবদান ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিশ শতকের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার অনেক পরের সময়ের ব্যক্তিত্ব। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি ঊনবিংশ শতকের উত্তরভাগে সাহিত্যচর্চার জন্য বিখ্যাত। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি একজন প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, যিনি বিধবা বিবাহ আন্দোলন ও নারীশিক্ষার প্রসারে প্রধান ভূমিকা রেখেছিলেন। D) দ্বারকানাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং রাজা রামমোহন রায়ের সঙ্গে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠায় তিনি সক্রিয় সহযোগী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রামমোহন রায়ের সমাজ সংস্কারকাজে ধনাঢ্য ব্যক্তি দ্বারকানাথ ঠাকুর পাশে ছিলেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন ব্রাহ্মসমাজের ধনী ও প্রভাবশালী সহযোগী ছিলেন দ্বারকানাথ।
a গোদাগাড়ী, রাজশাহী
b চারঘাট, রাজশাহী
c পাংশা, রাজবাড়ী
d ঈশ্বরদী, পাবনা
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাংশা, রাজবাড়ী কেন সঠিক: - প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের জন্য রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলাকে সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। - গড়াই নদীর মুখে পানিপ্রবাহ বাড়ানো এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য এই অঞ্চলে ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোদাগাড়ী, রাজশাহী — এটি পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হলেও প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজের নির্ধারিত স্থান এটি নয়। B) চারঘাট, রাজশাহী — এটি রাজশাহী অঞ্চলে পদ্মার তীরবর্তী এলাকা হলেও এখানে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেই। C) পাংশা, রাজবাড়ী — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। D) ঈশ্বরদী, পাবনা — এটি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতুর নিকটবর্তী এলাকা, কিন্তু পদ্মা ব্যারেজের জন্য নির্ধারিত স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে রাজবাড়ীর পাংশায়, যা মনে রাখতে পাংশা ও পদ্মার প্রথম অক্ষর প দিয়ে মিলিয়ে নিতে পারেন।
a মহামান্য রাষ্ট্রপতি
b জাতীয় সংসদ
c সুপ্রিম কোর্ট
d হাইকোর্ট
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুপ্রিম কোর্ট কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের কোনো বিধানের ব্যাখ্যার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির রেফারেন্স পেলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তা শুনানি করে মতামত প্রদান করেন। - সাংবিধানিক বিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার অবিসংবাদিত এখতিয়ার একমাত্র দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহামান্য রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান এবং তিনি সংবিধানের রক্ষক হলেও এর আনুষ্ঠানিক বা আইনি ব্যাখ্যা প্রদানের এখতিয়ার তার নেই। B) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন করে থাকে, তবে সংবিধানের কোনো ধারা বা বিধানের আইনি বা সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষমতা সংসদের নেই। C) সুপ্রিম কোর্ট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) হাইকোর্ট — হাইকোর্ট বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের একটি অংশ মাত্র এবং সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যার ক্ষমতা আপিল বিভাগের ওপর ন্যস্ত। মনে রাখার টিপস: আইন তৈরি করে সংসদ আর সংবিধানের সঠিক ব্যাখ্যা দেয় একমাত্র আদালত বা সুপ্রিম কোর্ট।
a লালমাই
b রোহিতগিরি
c বড় কামতা
d কোনটি নয়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় কেন সঠিক: - ময়মনসিংহের প্রাচীন নাম নাসিরাবাদ এবং এর ঐতিহাসিক পূর্বনাম ছিল মুক্তাগাছা বা মোমেনশাহী। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর রোহিতগিরি সঠিক নয়, কারণ রোহিতগিরি হলো লালমাই পাহাড়ের প্রাচীন নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমাই — এটি কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের প্রাচীন নাম, ময়মনসিংহের নয়। B) রোহিতগিরি — এটি ভুল উত্তর হিসেবে দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি মূলত লালমাই পাহাড়ের প্রাচীন নাম। C) বড় কামতা — এটি প্রাচীন সমতটের একটি ঐতিহাসিক এলাকার নাম, ময়মনসিংহের পূর্বনাম নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু ময়মনসিংহের পূর্বনাম নাসিরাবাদ বা মোমেনশাহী যা অপশনে নেই, তাই এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহের প্রাচীন নাম মোমেনশাহী থেকে ময়মনসিংহ হয়েছে এবং রোহিতগিরি হলো লালমাই পাহাড়ের প্রাচীন নাম।
a ভারত
b চীন
c যুক্তরাষ্ট্র
d জার্মানি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র (C) উল্লেখ করা হলেও, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের পণ্য আমদানিতে শীর্ষ দেশ চীন। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে চীন নির্ধারণ করা হলো। কেন সঠিক: - বাংলাদেশ তার মোট আমদানির সবচেয়ে বড় অংশ চীন থেকে করে থাকে। - কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি এবং উৎপাদিত পণ্যের জন্য বাংলাদেশ প্রধানত চীনের ওপর নির্ভরশীল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — বাংলাদেশ আমদানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, চীন প্রথম। B) চীন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য চীন থেকে আমদানি করে। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির শীর্ষ গন্তব্য, আমদানিতে শীর্ষ নয়। D) জার্মানি — জার্মানি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম বড় বাজার, আমদানির শীর্ষ দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: আমদানিতে চীন এবং রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র, এই দুটি দেশের অবস্থান গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a আরবি
b ফারসি
c বাংলা
d সংস্কৃত
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি কেন সঠিক: - বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের পর থেকে প্রায় পুরো মুসলিম শাসনআমলে ফারসি ভাষাকে রাজভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। - মুঘল সম্রাটদের দরবারে ফারসি ছিল দাপ্তরিক ভাষা, যার ফলে এটি প্রশাসন ও উচ্চ সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এটি ইসলামের ধর্মীয় ভাষা হলেও ভারতবর্ষে কখনো মুসলিম রাজবংশের প্রশাসনিক বা রাজভাষা ছিল না। B) ফারসি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মুসলিম শাসনআমলে সরকারি কাজে ব্যবহার করা হতো। সি) বাংলা — এটি সাধারণ মানুষের ভাষা হলেও তৎকালীন রাজদরবার বা সরকারি কাজে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না। D) সংস্কৃত — এটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের হিন্দু রাজবংশ এবং বৌদ্ধদের ধর্মীয় ও সাহিত্যিক ভাষা ছিল, মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুসলিম রাজারা শাসন করতেন ফারসি ভাষায়, তাই মনে রাখবে মু দিয়ে মুসলিম আর ফা দিয়ে ফারসি।
a বেনগাজী
b হাইফা
c পোর্ট সৈয়দ
d কোনটি নয়
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। সঠিক উত্তরটি অপশন ডি তে নেই, কারণ প্রশ্নটির সবকটি অপশনই (বেনগাজী, হাইফা, পোর্ট সৈয়দ) ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী। সঠিক উত্তর হবে উপর্যুক্ত সবকটি ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী বন্দর। কেন সঠিক: - বেনগাজী বন্দরটি লিবিয়ায় অবস্থিত এবং এটি সরাসরি ভূমধ্যসাগরের তীরে গড়ে উঠেছে। - হাইফা ইসরায়েলের একটি প্রধান বন্দর এবং এটিও ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। - পোর্ট সৈয়দ মিসরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর যা ভূমধ্যসাগরের তীরে সুয়েজ খালের উত্তর মুখে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেনগাজী — এটি ভুল অপশন কারণ বেনগাজী বন্দরটি ভূমধ্যসাগরের তীরেই অবস্থিত। B) হাইফা — এটি ভুল অপশন কারণ হাইফা বন্দরটি ভূমধ্যসাগরের উপকূলের সাথেই যুক্ত। C) পোর্ট সৈয়দ — এটি ভুল অপশন কারণ পোর্ট সৈয়দ ভূমধ্যসাগরের তীরেই অবস্থান করছে। D) কোনটি নয় — প্রশ্নকর্তা এই অপশনটিকে সঠিক বলে চিহ্নিত করলেও প্রকৃতপক্ষে প্রদত্ত তিনটি বন্দরই ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী। মনে রাখার টিপস: বেনগাজী, হাইফা এবং পোর্ট সৈয়দ এই তিনটি বন্দরই ভূমধ্যসাগরের তীরের অন্তর্ভুক্ত।
a সম্রাট আওরঙ্গজেব
b সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
c সম্রাট হুমায়ুন
d সম্রাট বাবর
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ কেন সঠিক: - ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের ব্যর্থতার পর ব্রিটিশ সরকার মুঘল সাম্রাজ্যের চিরতরে বিলুপ্তি ঘটে এবং শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে ক্ষমতাচ্যুত করে। - ক্ষমতাচ্যুত করার পর ব্রিটিশরা তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে তৎকালীন বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) রেঙ্গুনে নির্বাসনে পাঠায় এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট আওরঙ্গজেব — তিনি ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী শাসক এবং সিপাহী বিদ্রোহের প্রায় দেড়শ বছর আগে ১৭০৭ সালে মারা যান। B) সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সময় ক্ষমতায় ছিলেন এবং বিদ্রোহের পর ক্ষমতাচ্যুত হন। C) সম্রাট হুমায়ুন — তিনি ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট এবং সিপাহী বিদ্রোহের অনেক শতাব্দী আগে ষোড়শ শতাব্দীতে রাজত্ব করেছেন। D) সম্রাট বাবর — তিনি ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতে মোগল শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাই সিপাহী বিদ্রোহের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয় ১৮৫৭ সালে এবং এই বিদ্রোহের মাধ্যমেই শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ ক্ষমতাচ্যুত হন।
a রংপুর
b চট্টগ্রাম
c বরিশাল
d সিলেট
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রংপুর কেন সঠিক: - চটকা গান মূলত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে রংপুর ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলের প্রথাগত লোকসঙ্গীত। - এই লোকসঙ্গীতে গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা, প্রেম এবং দৈনন্দিন সুখদুঃখের প্রকাশ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রংপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ চটকা গান এই অঞ্চলের লোকসংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। B) চট্টগ্রাম — এই অঞ্চলের লোকসঙ্গীতের মধ্যে ভান্ডারী, মাইজভান্ডারী এবং সাম্পানখেল গান বিশেষভাবে পরিচিত। C) বরিশাল — এই অঞ্চলের লোকসঙ্গীতের প্রধান ধারা হলো ভাটিয়ালি এবং কীর্তন। D) সিলেট — এই অঞ্চলের লোকসঙ্গীত হিসেবে হাসন রাজা ও রাধারমনের মারফতি এবং দেহতাত্ত্বিক গান বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: রংপুরের আঞ্চলিক গান মানেই ভাওয়াইয়া এবং তার অন্যতম জনপ্রিয় শাখা হলো চটকা।
a History
b Archeology
c Anthropology
d Legendary
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Anthropology কেন সঠিক: - অ্যানথ্রোপোলজি বা নৃবিজ্ঞান হলো মানবজাতির উৎপত্তি, শারীরিক বিকাশ, আচরণ, এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন। - মানুষের অতীত ও বর্তমান সংস্কৃতি এবং বৈচিত্র্য নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা এই শাস্ত্রের মূল বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) History — ইতিহাস হলো অতীত ঘটনার বিবরণ, যা মানব উৎপত্তি ও সংস্কৃতির সামগ্রিক বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নের চেয়ে মূলত সময়ের ক্রমানুসারে নথিভুক্ত ঘটনা নির্দেশ করে। B) Archeology — প্রত্নতত্ত্ব মানুষের অতীত ইতিহাস ও সংস্কৃতি উদ্ধার করে মূলত প্রাচীন অবশেষ, উপাদান এবং বস্তুগত সংস্কৃতির মাধ্যমে, যা সামগ্রিক মানব সংস্কৃতির পরিধি বোঝায় না। C) Anthropology — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Legendary — লিজেন্ডারি বা কিংবদন্তিমূলক বলতে কাল্পনিক বা লোকমুখে প্রচলিত গল্প বা ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে বোঝায়, যা কোনো বৈজ্ঞানিক বা শৃঙ্খলিত অধ্যয়ন নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যানথ্রোপোলজি শব্দের মূল অর্থ মানুষ সংক্রান্ত বিদ্যা, তাই মানব উৎপত্তি ও সংস্কৃতির অধ্যয়ন বললে অ্যানথ্রোপোলজি বা নৃবিজ্ঞান বুঝবে।
a ইতালি
b গ্রিস
c ইথিওপিয়া
d কানাডা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইতালি কেন সঠিক: - ইতালির ভূখণ্ডের ভেতর সম্পূর্ণ স্বাধীন দুটি রাষ্ট্র ভেটিকান সিটি এবং সান মারিনো অবস্থিত। - অন্য দেশের ভূখণ্ড দ্বারা সম্পূর্ণ বেষ্টিত থাকার কারণে ইতালিকে ছিদ্রযুক্ত দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভেতরে অন্য দেশ অবস্থিত। B) গ্রিস — এটি বালকান অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর ভেতরে অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র নেই। C) ইথিওপিয়া — এটি আফ্রিকার একটি ভূবেষ্টিত দেশ হলেও এর ভেতরে কোনো স্বাধীন এনক্লেভ রাষ্ট্র নেই। D) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি বিশাল দেশ এবং এর ভেতরে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র নেই। মনে রাখার টিপস: ইতালি মানেই ভেতর দুই দেশ, তাই এটি ছিদ্রযুক্ত দেশ।

মোট প্রশ্ন (4)

a 0° C
b 100° C
c -100° C
d -78.5° C
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −৭৮.৫° C ১. কেন সঠিক: কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তরল অবস্থায় না এসে সরাসরি কঠিন ড্রাই আইসে পরিণত হয়। এই বিশেষ প্রক্রিয়াটিকে অধঃপাতন বলা হয়, যার বিপরীত প্রক্রিয়া হলো ঊর্ধ্বপাতন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পদার্থের এমন একটি অবস্থা পরিবর্তন যেখানে গ্যাসীয় পদার্থ তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি কঠিনে রূপান্তরিত হয়। কার্যপ্রণালি: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসকে প্রচণ্ড ঠান্ডা করলে এটি সরাসরি কঠিন শুষ্ক বরফে রূপান্তরিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্যদ্রব্য পরিবহনের সময় ঠান্ডা রাখতে ড্রাই আইস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিনেমা হলে বা মঞ্চ নাটকে কৃত্রিম ধোঁয়া তৈরির জন্য ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ড্রাই আইস বাতাসে উন্মুক্ত করলে এটি গলে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসীয় কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত হয় এবং ঘন কুয়াশার সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: আইসক্রিম বিক্রেতারা দীর্ঘ সময় আইসক্রিম জমাট রাখতে এটি ব্যবহার করেন। ব্যাখ্যা: ড্রাই আইসের তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকায় এটি বরফের চেয়ে বেশি সময় ধরে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০° C — এই তাপমাত্রায় সাধারণ পানি বরফে পরিণত হয়, কার্বন ডাই অক্সাইড ড্রাই আইসে পরিণত হয় না। B) ১০০° C — এই তাপমাত্রায় সাধারণ পানি ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে পরিণত হয়। C) −১০০° C — এই তাপমাত্রা কার্বন ডাই অক্সাইডের ড্রাই আইস হওয়ার নির্দিষ্ট বিন্দুর চেয়ে অনেক বেশি ঠান্ডা। D) −৭৮.৫° C — এটি কার্বন ডাই অক্সাইডের কঠিন অবস্থা অর্জনের সঠিক এবং সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রা। ৫ মনে রাখার টিপস: ড্রাই আইসের তাপমাত্রা মনে রাখতে আশি থেকে দেড় কম অর্থাৎ মাইনাস আটাত্তর দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস এভাবে মনে রাখা যায়। সাধারণ বরফের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি হলেও ড্রাই আইস অনেক বেশি ঠান্ডা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সাধারণ বিজ্ঞান এবং রসায়ন উভয় অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। পরীক্ষায় প্রায়ই সরাসরি প্রশ্ন আসে যে ড্রাই আইসের রাসায়নিক নাম কী, যার উত্তর হলো কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড।
a Origin of life
b Creation of the universe
c Cell information
d Origin of plants
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Creation of the universe ১. কেন সঠিক: - কসমোলজি বা মহাবিশ্ববিদ্যা হলো বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মহাবিশ্বের উৎপত্তি, গঠন, বিবর্তন এবং এর ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়ে আলোচনা করে। - বিগ ব্যাং তত্ত্বের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেন কীভাবে একটি ক্ষুদ্র ও অতি ঘন বিন্দু থেকে বিস্ফোরণের মাধ্যমে আমাদের এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কসমোলজি বা মহাবিশ্ববিজ্ঞান পদার্থবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের সম্মিলিত একটি শাখা। - কার্যপ্রণালি: এটি গ্যালাক্সি, নক্ষত্রপুঞ্জ, কৃষ্ণ গহ্বর এবং স্থান ওকালের বিস্তার নিয়ে গবেষণা করে থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ বা হাবল স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের আদি রূপ ও সৃষ্টির রহস্য উন্মোচন করছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব। ব্যাখ্যা: আজ থেকে প্রায় তেরো শত কোটি বছর পূর্বে এক মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা কসমোলজির প্রধান আলোচ্য বিষয়। উদাহরণ ২: গ্যালাক্সির সম্প্রসারণ। ব্যাখ্যা: এডউইন হাবল প্রমাণ করেছিলেন যে মহাবিশ্বের গ্যালাক্সিগুলো একে অপর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যা মহাবিশ্বের সৃষ্টির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Origin of life — এটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা প্রাণের উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করে, একে বায়োজেনেসিস বলা হয়। B) Creation of the universe — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও গঠন বোঝায়। C) Cell information — এটি কোষবিদ্যা বা সাইটোলজি, যা কোষের গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করে। D) Origin of plants — এটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের একটি শাখা যা উদ্ভিদের বিবর্তন ও উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কসমস শব্দের অর্থ মহাবিশ্ব এবং লজি শব্দের অর্থ জ্ঞান, তাই কসমোলজি মানে মহাবিশ্ব সম্পর্কিত জ্ঞান। - জ্যোতির্বিজ্ঞান মহাকাশের বস্তু নিয়ে আর কসমোলজি পুরো মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও বিবর্তন নিয়ে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখার বিভিন্ন ইংরেজি টার্মের অর্থ প্রায়ই আসে। - বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জর্জ ল্যমেত্র এবং কসমোলজি শব্দটির সঙ্গে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
a তামা ও লোহা
b তামা ও টিন
c টিন ও দস্তা
d লোহা ও দস্তা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও টিন ১. কেন সঠিক: ব্রোঞ্জ হলো একটি ঐতিহ্যবাহী সংকর ধাতু যা মূলত তামা এবং টিনের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। তামার সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে টিন মেশানোর ফলে এর কাঠিন্য, স্থায়িত্ব এবং ঘর্ষণ সহ্য করার ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ। কার্যপ্রণালি: বিশুদ্ধ ধাতু সাধারণত নরম হয়, কিন্তু অন্য ধাতু মেশালে তার কেলাসের গঠন পরিবর্তিত হয় যা ধাতুর প্রসারণ ও নমনীয়তা কমিয়ে দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: ব্রোঞ্জের তৈরি মূর্তি, মুদ্রা, এবং বেয়ারিং তৈরিতে এই সংকর ধাতু ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন আমলের তামা ও টিনের তৈরি ব্রোঞ্জ মুদ্রা। ব্যাখ্যা: এই মুদ্রাগুলো শত শত বছর ধরে টিকে আছে কারণ সংকর ধাতু সহজে জং ধরে নষ্ট হয় না। উদাহরণ ২: ব্রোঞ্জ বা কাঁসার থালা-বাসন। ব্যাখ্যা: এগুলো দেখতে সুন্দর এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত টেকসই ও নিরাপদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও লোহা — এই মিশ্রণটি বাণিজ্যিকভাবে সাধারণ সংকর ধাতু হিসেবে বহুল ব্যবহৃত নয় এবং লোহা সহজে জং ধরে। B) তামা ও টিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তামা ও টিনের নির্দিষ্ট মিশ্রণেই ব্রোঞ্জ তৈরি হয়। C) টিন ও দস্তা — টিন ও দস্তার মিশ্রণে সাধারণত সোল্ডার বা অন্য নিম্ন গলনাঙ্কের ধাতু তৈরি হয়। D) লোহা ও দস্তা — লোহা ও দস্তার মিশ্রণকে গ্যালভানাইজিং বলা হয় যা লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেওয়ার কাজে লাগে। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্রোঞ্জ বানাতে টিন লাগে এটি মনে রাখতে 'ব্রোঞ্জ ও টিন' শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো। তামা হলো এর মূল উপাদান এবং এর সাথে টিন যোগ করলে ব্রোঞ্জ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তামার সাথে দস্তা মেশালে পিতল তৈরি হয় আর টিন মেশালে ব্রোঞ্জ তৈরি হয়। এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Hard Disk
b Cache Memory
c ROM
d SSD
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cache Memory ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময় ওয়েবসাইটগুলোর বিভিন্ন ডেটা, ছবি এবং টেম্পোরারি ফাইল খুব দ্রুত লোড করার জন্য যে মেমরিতে জমা হয়, তাকে ক্যাশ মেমরি বলে। এটি প্রসেসর ও মূল মেমরির মাঝখানে কাজ করে এবং বারবার ব্যবহৃত ডেটা খুব দ্রুত সরবরাহ করে ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্যাশ মেমরি হলো কম্পিউটার বা ডিভাইসের প্রসেসরের খুব কাছের একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমরি। কার্যপ্রণালি: আমরা যখন কোনো ওয়েবসাইটে যাই, তখন ব্রাউজার সেই সাইটের কিছু অংশ ক্যাশ মেমরিতে সংরক্ষণ করে যাতে পরবর্তীতে সাইটে প্রবেশ করলে নতুন করে সব ডাউনলোড করতে না হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথমবার কোনো ভিডিও দেখতে যে সময় লাগে, দ্বিতীয়বার দেখতে তার চেয়ে কম সময় লাগে কারণ এর ডেটা ক্যাশ মেমরিতে সংরক্ষিত থাকে। ব্যাখ্যা: ক্যাশ মেমরি আগের ডেটা জমা রাখে বলে প্রসেসরকে বারবার মূল মেমরি থেকে তা আনতে হয় না। উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ইতিহাস পরিষ্কার করার সময় ক্যাশ ফাইল মুছে ফেললে স্টোরেজ খালি হয় কিন্তু সাইটগুলো প্রথমবার একটু ধীরগতিতে খোলে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ক্যাশ ফাইলগুলো দ্রুত ডেটা প্রদর্শনের জন্য অস্থায়ীভাবে জমা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hard Disk — এটি কম্পিউটারের স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত প্রধান স্টোরেজ ডিভাইস, ইন্টারনেট টেম্পোরারি ফাইলের মূল ঘর এটি নয়। B) Cache Memory — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্রাউজার দ্রুততার জন্য অস্থায়ী ফাইল এখানেই সংরক্ষণ করে। C) ROM — এটি রিড অনলি মেমরি যা মাদারবোর্ডে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশাবলি ধারণ করে, যেখানে ইন্টারনেট ফাইল জমা হয় না। D) SSD — এটি হার্ড ডিস্কের চেয়ে দ্রুতগতির স্থায়ী ড্রাইভ, যা মূলত অপারেটিং সিস্টেম ও ফাইল স্থায়ীভাবে রাখতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটে কোনো কিছু দ্রুত পাওয়ার বা লোড করার ব্যাপার থাকলেই ক্যাশ মেমরি শব্দটি মনে রাখবে। ক্যাশ মানেই হলো দ্রুত ব্যবহারের জন্য হাতের কাছে কিছু জমিয়ে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির সাধারণ জ্ঞান অংশে ক্যাশ মেমরি এবং র‍্যামের পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। ক্যাশ মেমরি মেমরির হিয়ারার্কিতে গতির দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা মেমরিগুলোর একটি।