সঠিক উত্তর: D) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালের দেশভাগের আগের ও পরের গ্রামীণ সমাজের দরিদ্র মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচিয়তা কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাক।
- এটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু
ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত এটি একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য রচিত কোনো নাটক নয়। এটি একটি দীর্ঘ গদ্যশিল্প তথা উপন্যাস।
B) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ বলতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তাত্ত্বিক বা মননশীল আলোচনা বোঝায়, যা এই উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) আত্মজীবনী — এটি কোনো লেখকের নিজের জীবনের কাহিনী বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়, বরং কাল্পনিক ও সমাজভিত্তিক কাহিনী।
D) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবু ইসহাক মানেই ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’।
- লেখকের নামের প্রথম অক্ষর এবং উপন্যাসের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের রচিয়তা প্রায়ই আসে।
- ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র জয়গুন।
সঠিক উত্তর: A) গাজীমিয়া
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেন ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক রচনা লেখার সময় 'গাজীমিয়া' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
- এই ছদ্মনামে তিনি সমাজের নানা অসঙ্গতি, কুসংস্কার ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র অথচ হাস্যরসাত্মক কৌতুকপূর্ণ সমালোচনা প্রকাশ করতেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি উনিশ শতকের মুসলিম সমাজের সংস্কার ও আধুনিকতার অগ্রদূত ছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু এবং সামাজিক নাটক ও প্রহসনের মধ্যে গাজীমিয়ার গদ্যরীতি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাজীমিয়ার বস্তানি
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনা যা তিনি 'গাজীমিয়া' ছদ্মনামে প্রকাশ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: উদাসীন পথিকের মনের কথা
ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র ও কৃষকদের দুর্দশা তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজীমিয়া — এটি মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
B) জরাসন্ধ — এটি কবি ও লেখক চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম, মীর মশাররফ হোসেনের নয়।
C) বনাঞ্চল — এটি কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিকের প্রধান বা পরিচিত ছদ্মনাম হিসেবে স্বীকৃত নয়।
D) ভ্রমর — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের একটি জনপ্রিয় নারী চরিত্রের নাম, ছদ্মনাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের নামের সঙ্গে 'ম' অক্ষর আছে এবং তাঁর ছদ্মনামের প্রথমেও 'গাজীমিয়া' শব্দটি বেশ ব্যতিক্রমী ও সহজে মনে রাখার মতো।
- ছদ্মনাম মনে রাখতে লেখকের প্রধান ব্যঙ্গাত্মক রচনার নাম এবং ছদ্মনাম একসঙ্গে জোড়া দিয়ে মুখস্থ রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- একই সঙ্গে অন্যান্য লেখকের ছদ্মনাম যেমন টেকচাঁদ ঠাকুর বা ভণিতাগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি পরিবর্তন ও শব্দ গঠনের নির্দিষ্ট ক্ষেত্র অনুযায়ী ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়গুলোকে প্রধানত ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থত্ত্বে ভাগ করা হয়।
- সন্ধি মূলত দুটি ধ্বনির মিলন নিয়ে কাজ করে এবং ধ্বনির পরিবর্তন বা মিলন সরাসরি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়, রূপতত্ত্বের নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রূপতত্ত্বে শব্দের গঠন, শব্দের মূল বা প্রকৃতি, প্রত্যয়, উপসর্গ, সমাস এবং পদের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনির উচ্চারণ, ধ্বনির পরিবর্তন, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান এবং সন্ধির মতো ধ্বনিগত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যালয় (বিদ্যা + আলয়)
ব্যাখ্যা: দুটি ধ্বনির মিলনে সন্ধি সাধিত হয়, যা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: চলন্ত (চল + অন্ত)
ব্যাখ্যা: প্রত্যয় সাধিত শব্দ যা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ এবং এটি বাক্যের পদগুলোকে সংক্ষিপ্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করে বিধায় রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
B) সন্ধি — সন্ধি ধ্বনির মিলন ঘলায় এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে এবং এটি রূপতত্ত্বের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।
D) কারক — বাক্যের সঙ্গে পদের সম্পর্ক এবং পদের রূপগত পরিবর্তন বোঝাতে কারক রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপতত্ত্ব মনে রাখতে শব্দ এবং পদের গঠন মাথায় রাখবে। ধ্বনির মিলন বা সন্ধি দেখলে তা ধ্বনিতত্ত্বে ফেলতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কিসের আলোচ্য বিষয়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ধ্বনিতত্ত্ব ও রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়গুলো ভালোভাবে আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আশ্চর্য
১. কেন সঠিক:
- আশ্চর্য শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, কারণ এটি সাধারণ কোনো সন্ধির নিয়মের মধ্যে পড়ে না।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি সাধিত না হয়ে প্রাকৃত বা প্রচলিত নিয়মে গঠিত শব্দই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সব শব্দ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না এবং প্রচলিত নিয়মে সাধিত হয়, তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
- আ + চর্য মিলে আশ্চর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে কোনো প্রচলিত ব্যঞ্জনসন্ধির সূত্র খাপ খায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১:স্পতি
ব্যাখ্যা: এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি শব্দ, যা দিব + পতি থেকে গঠিত হয়েছে এবং কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না।
উদাহরণ ২: পরস্পর
ব্যাখ্যা: পর + পর মিলে পরস্পর শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির আরেকটি বহুল প্রচলিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিষ্কার — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয়, বরং পরি + কার মিলে গঠিত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়মিত উদাহরণ।
B) সংস্কার — এটি সম্ + কার যোগে গঠিত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মিত নিয়মের অধীন, তাই নিপাতনে সিদ্ধ নয়।
D) ষড়ানন — এটি ষট্ + আনন যোগে গঠিত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মিত নিয়মের অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে না, তাই এগুলো বারবার চর্চা করে মনে রাখতে হবে।
- আ + চর্য মিলে আশ্চর্য হয়, এই ব্যতিক্রমী গঠনটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ব্যতিক্রমী শব্দগুলো থেকে।
- নিয়মবহির্ভূত শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) ৬ টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ছয়টি।
এই বর্ণগুলো লেখার সময় কাগজের ওপরের অংশে কোনো মাত্রা বা রেখা ট টানতে হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে যার মধ্যে স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ অন্তর্ভুক্ত।
ব্যঞ্জনবর্ণের মোট সংখ্যা fচল্লিশটি এবং এর মধ্যে পূর্ণমাত্রা অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণ নির্ধারিত আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ যা লেখার সময় উপরে মাত্রা থাকে না।
উদাহরণ ২: ঙ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ যা লেখার সময় উপরে কোনো মাত্রা বসে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ টি - এটি ভুল কারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে আটটি মাত্রাহীন বর্ণ নেই।
B) ৬ টি - এটি সঠিক এবং এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রাহীন বর্ণের আসল হিসাবের সাথে মিলে যায়।
C) ১১ টি - এটি ভুল কারণ এগারো হলো মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা।
D) ৭ টি - এটি ভুল কারণ সাতটি মাত্রাহীন বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো এ ও ঔ এবং ঙ ঞ ৎ অনুস্বর বিসর্গ চন্দ্রবিন্দু।
স্বরে অ থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত মোট মাত্রাহীন বর্ণ দশটি যার মধ্যে ব্যঞ্জনবর্ণ হলো ছয়টি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে পূর্ণমাত্রা অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রা ছাব্বিশটি অর্ধমাত্রা সাতটি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ছয়টি।
সঠিক উত্তর: B) ফারসি
১. কেন সঠিক:
- 'পেশকার' একটি বিদেশি শব্দ যা মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফারসি শব্দগুলো প্রধানত প্রশাসনিক, আদালত, ভূমি ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে জড়িত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দভাণ্ডারকে উৎসের ভিত্তিতে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো আমাদের প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় বোঝাতে বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চশমা
ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি শব্দ যা চোখে পরার চশমা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এটি সঠিক নয় কারণ 'পেশকার' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আসেনি।
B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর।
C) তুর্কি — এটি সঠিক নয় কারণ 'পেশকার' তুর্কি ভাষার শব্দ নয়।
D) ফরাসি — এটি সঠিক নয় কারণ এটি ফরাসি শব্দ নয়, ফারসি শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আদালতের বিভিন্ন পদবি ও কাজের নাম যেমন পেশকার, নাজির, পেয়াদা সাধারণত ফারসি ভাষার শব্দ হয়ে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) মেধা + বিন্
১. কেন সঠিক:
মেধাবী শব্দটি গঠিত হয়েছে মেধা বিশেষ্য পদের সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যোগে।
বিন্ প্রত্যয়টি মূলত তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বিশেষ বোঝাতে বা অধিকারী অর্থে বিশেষণ পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের পরে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন গুণ বা ভাব বোঝায়, তখন তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
মেধা শব্দের অন্তস্থিত আ এর সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মেধাবী শব্দটি সিদ্ধ হয়েছে এবং এটি একটি তদ্ধিতান্ত বিশেষণ পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তেজ + বিন্ = তেjasবী
ব্যাখ্যা: তেজ শব্দের সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তেজস্বী বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মায়া + বিন্ = মায়াবী
ব্যাখ্যা: মায়া শব্দের সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মায়াবী বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেধা + ই — ই প্রত্যয় যোগে মেধাবী গঠিত হয় না কারণ এটি সঠিক তদ্ধিত প্রত্যয় নয়।
B) মেধা + ঈ — দীর্ঘ ঈ প্রত্যয় যোগে শব্দটি সাধিত হয় না এবং এটি ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) মেধা + বিন্ — এটি সঠিক কারণ মেধা শব্দের সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মেধাবী হয়।
D) মেধা + বান — বান প্রত্যয় যুক্ত হলে মেধাবান হতে পারে কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে মূল সংস্কৃত নিয়মে বিন্ প্রত্যয়সিদ্ধ রূপটি বেশি প্রমিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বান এবং বিন্ দুটিই অধিকারী অর্থে তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
শব্দের শেষে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা দীর্ঘ ঈ কারান্ত রূপ লাভ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয়ের শব্দ গঠনে বান এবং বিন্ এর ব্যবহার খুব আসে।
সংস্কৃত নিয়ম অনুসারে অন্তস্থিত অ বা আ এর পরে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হলে ব এর স্থানে ম এবং ঈ কার যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) একগুঁয়ে
কেন সঠিক:
- ‘নেই আঁকড়া’ বাগধারাটির আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ হলো অত্যন্ত জেদি বা একগুঁয়ে স্বভাবের ব্যক্তি।
- যিনি সহজে কারো কথা শুনতে চান না এবং নিজের জেদে অটল থাকেন, তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বিশিষ্টার্থক বাগধারা, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
- যেমন: ছেলেটির সাথে কোনো বিষয়ে কথা বলা বৃথা, কারণ সে ভীষণ নেই আঁকড়া স্বভাবের।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সখ্যতা — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘সখ্যতা’ শব্দের অর্থ ভাব বা বন্ধুত্ব, যা ‘নেই আঁকড়া’ এর বিপরীত।
- B) একগুঁয়ে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) দ্বন্দ্ব — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘দ্বন্দ্ব’ অর্থ ঝগড়া বা বিরোধ, যা এই বাগধারার অর্থের সাথে মেলে না।
- D) রগচটা — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘রগচটা’ অর্থ অল্পতেই রেগে যায় যে, কিন্তু ‘নেই আঁকড়া’ হলো জেদি।
মনে রাখার টিপস:
- ‘নেই আঁকড়া’ মানে যার জেদ কমানো যায় না বা যে সহজে নমে না, অর্থাৎ সে একগুঁয়ে।
সঠিক উত্তর: খ) ন্যূনতম
কেন সঠিক:
১. শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়গত রূপ হলো নু + নতম, যা সন্ধি ও নিয়মের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়।
২. বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে মূর্ধন্য ন এর সাথে য-ফলা এবং যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে ই-কার বা উ-কারের পর অন্তস্থ য থাকলে তা অনেক সময় দ্বিত্ব বা জ ফলা রূপ নেয়।
২. এখানে কোনো সাহিত্য প্রসঙ্গ নেই, এটি সম্পূর্ণ বাংলা বানান ও শব্দের উৎসের ওপর নির্ভরশীল একটি ব্যাকরণগত নিয়ম।
৩. যেমন একই নিয়মে সৃষ্ট অন্যান্য শুদ্ধ বানানগুলো হলো পুণ্য, কন্যা এবং অন্যান্য সমগোত্রীয় শব্দসমূহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) নুনতম — এই বানানে দীর্ঘ বা হ্রস্ব স্বরের নিয়ম এবং যুক্তবর্ণের গঠনে ভুল রয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়।
গ) নুন্যাতম — এখানে মূল শব্দের শুরুর অংশে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে এবং য-ফলার প্রয়োগ সঠিক নয়।
ঘ) নুন্যতম — এই বানানে ন এর সাথে জ ফলা যুক্ত করার সময় বানান গঠনের মূল নিয়মটি মানা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১. ন্যূনতম বানানটি লেখার সময় সবসময় মনে রাখবেন যে প্রথমে হ্রস্ব উ-কার এবং ন-এর নিচে হসন্ত বা জ-ফলা হবে।
২. শব্দটি বারবার লিখে অভ্যাস করলে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।
সঠিক উত্তর: D) বন
১. কেন সঠিক:
- ‘অটবি’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হলো গভীর বন, অরণ্য বা জঙ্গল।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে এই শব্দের ব্যবহার বেশ দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে বন বোঝাতে বিভিন্ন তৎসম ও তদ্ভব শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কানন
ব্যাখ্যা: কানন শব্দের অর্থও বন বা অরণ্য, যা অটবি শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বিপিন
ব্যাখ্যা: বিপিন হলো বনের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদী — নদীর সমার্থক শব্দ হলো তটিনী, স্রোতস্বিনী বা তরঙ্গিণী, যা অটবি শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) স্থির — স্থির শব্দের অর্থ অচল বা অবিচল, যার সঙ্গে বনের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কুল — কুল শব্দের অর্থ বংশ বা নদীর তীর, যা বনের সমার্থক শব্দ নয়।
D) বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ অটবি শব্দের সরাসরি অর্থ হলো বন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অটবি মানে অরণ্য বা বন, এই কথাটি মনে রাখতে অটবি ও অরণ্য শব্দদুটি একসাথে মিলিয়ে পড়তে পারো।
- বনের অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন কানন, বিপিন, গহন একসাথে মনে রাখলে পরীক্ষায় সুবিধা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের অর্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- কঠিন বা কম পরিচিত শব্দের সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: C) One of my sisters is a nurse.
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে 'One of' এর পরে সবসময় plural noun বসে।
তাই 'sister' না হয়ে 'sisters' সঠিক হয়েছে।
এখানে মূল Subject হলো 'One', যা singular।
তাই verb হিসেবে 'are' এর বদলে singular verb 'is' বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One of my sisters are a nurse — এখানে subject 'One' singular হওয়া সত্ত্বেও verb 'are' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
B) One of my sister is a nurse — এখানে 'One of' এর পরে noun টিকে singular অর্থাৎ 'sister' রাখা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী plural হওয়ার কথা ছিল।
D) One of my sister are a nurse — এখানে noun singular এবং verb plural উভয় ভুল একসাথে করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে 'One of' থাকলে noun হবে plural কিন্তু verb হবে singular।
সঠিক উত্তর: A) By whom were you taught French?
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে থাকা 'Who' পরিবর্তিত হয়ে 'By whom' হয় এবং এটি প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় সাহায্যকারী verb 'were' subject 'you' এর পূর্বে বসেছে।
বাক্যটিতে দুটি object থাকায় যেকোনো একটিকে subject করা যায় এবং অপর object টি অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
B) B) By whom you were taught French? — এখানে subject এর পূর্বে সাহায্যকারী verb বসেনি যা প্রশ্নবোধক গঠনের নিয়ম লঙ্ঘন করে।
C) C) By whom French was taught you? — এখানে verb এর পর object বসানোর গঠনে ভুল রয়েছে এবং প্রশ্নবোধক বাক্য গঠন হয়নি।
D) D) French was taught you by whom? — এটি assertive বাক্যের গঠন এবং প্রশ্নবোধক নিয়ম অনুযায়ী 'By whom' বাক্যের শুরুতে বসা উচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
Whoযুক্ত active voice কে passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb subject এর আগে বসবে।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
বাক্যটির অর্থ হলো শিক্ষoral কোনো সহজ পথ নেই।
এখানে road শব্দের পরে সবসময় নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে to ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে সঠিক নয়।
B) for — এটি বিনিময় বা উদ্দেশ্য বোঝায় কিন্তু এই বাক্যের সাথে অর্থ মেলে না।
C) by — এটি মাধ্যম বোঝাতে বসে যা এই নির্দিষ্ট idioms এর সাথে খাটে না।
D) to — এটি সঠিক কারণ road to learning একটি নির্দিষ্ট প্রিপজিশনাল ফ্রেজ।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুর দিকে বা প্রতি পথ বোঝাতে road শব্দের পরে সবসময় to প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: A) off
কেন সঠিক:
১. off প্রিপজিশনটি কোনো স্থান বা বস্তু থেকে নিচে পড়ে যাওয়া বা দূরে সরে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করে।
বিড়ালটি চেয়ারের উপর থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েছে বোঝাতে এখানে off ব্যবহার করা হয়েছে।
২. কোনো পৃষ্ঠ বা বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে off সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ।
৩. এটি গতির দিক পরিবর্তনের একটি সঠিক প্রিপজিশন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) out — out সাধারণত কোনো আবদ্ধ স্থান যেমন রুম বা বাক্সের ভেতর থেকে বাইরে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) from — from উৎস বা কোথা থেকে শুরু হয়েছে তা নির্দেশ করে, কিন্তু উপর থেকে নিচে পড়ার ক্ষেত্রে এটি কম মানানসই।
D) on — on প্রিপজিশনটি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান করা বোঝায়, কিন্তু এখানে গতিশীলভাবে নিচে নামার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুর উপর থেকে নিচে লাফিয়ে পড়া বা সরে যাওয়া বোঝালে সবসময় off প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) The tree has not yet borne fruit.
কেন সঠিক:
- গাছ ফল ধরা অর্থে 'bear fruit' বা 'produce fruit' ব্যবহৃত হয় এবং এখানে কাজটি সবে শেষ হয়েছে বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
- 'bear' verb-এর Past Participle রূপ হলো 'borne', যার অর্থ বহন করা বা প্রসব করা অথবা ফল ধারণ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) There is no fruit in the tree. — গাছের ক্ষেত্রে প্রিপজিশন 'in' না হয়ে 'on' হওয়ার কারণে এই অপশনটি ভুল।
B) The tree has not born fruit yet. — এখানে 'born' শব্দের অর্থ জন্মদান করা, যা গাছের ক্ষেত্রে সঠিক নয়; সঠিক রূপটি হলো 'borne'।
C) Still the tree without fruit. — এটি কোনো পূর্ণাঙ্গ বাক্য নয় কারণ এতে কোনো সমাপিকা ক্রিয়া বা Verb নেই।
D) The tree has not yet borne fruit. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং বর্তমান নিখুঁত কালের নিয়ম মেনে তৈরি।
মনে রাখার টিপস:
গাছে ফল ধরার ইংরেজি করতে 'bear' verb-এর Past Participle রূপ 'borne' ব্যবহার করতে হয় এবং প্রিপজিশন হিসেবে 'on the tree' লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) contemptible
কেন সঠিক:
contempt শব্দটির সাথে ible যুক্ত হয়ে সঠিক adjective গঠিত হয় যার অর্থ অবজ্ঞার যোগ্য। এটি বাক্যে noun এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) contemptive — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থবহ ও গ্রহণযোগ্য শব্দ বা adjective নেই।
B) contemptable — বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে able প্রত্যয় যুক্ত করা ভুল এবং এটি সঠিক শব্দ নয়।
C) contemplation — এই শব্দটির শেষে tion থাকার কারণে এটি একটি noun বা বিশেষ্য পদ।
D) contemptible — এটি সঠিক adjective হওয়ার কারণে এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
contempt শব্দের শেষে ible যোগ করে adjective বানাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) It has been drizzling since morning.
কেন সঠিক:
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি ড্রিজল (drizzle) হওয়ায় সঠিক শব্দ হিসেবে ড্রিজলিং ব্যবহার করা হয়েছে। অতীতে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজের ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনউয়াস টেন্স বসে।
নির্দিষ্ট সময় থেকে বোঝালে সিন্স (since) ব্যবহৃত হয়।
সকাল থেকে বৃষ্টি বোঝাতে সিন্স মর্নিং (since morning) সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক।
B) রেইনিং (raining) ব্যবহার করা হয়েছে যা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সঠিক ইংরেজি নয় এবং সিন্স (since) এর পরিবর্তে ভুলভাবে্রম (from) দেওয়া হয়েছে।
C) রেইনিং (raining) শব্দটির মাধ্যমে ভারী বৃষ্টি বোঝানো হয়েছে এবং ফ্রম (from) ব্যবহারের নিয়মটি এখানে সঠিক নয়।
D) টেন্সের নিয়ম ভুল করে এখানে প্রেজেন্ট কন্টিনউয়াস টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় চলা কাজের জন্য ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি ড্রিজল (drizzle) এবং নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু হওয়া কাজের ক্ষেত্রে সিন্স (since) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: খ) Overcome
কেন সঠিক:
Get over একটিPhrase যার অর্থ কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া বা কাটিয়ে ওঠা।
Overcome শব্দটির অর্থও কোনো বাধা বা সংকট সফলভাবে পার হয়ে জয়ী হওয়া।
তাই এই দুটি শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Disclose — এর অর্থ প্রকাশ করা বা ফাঁস করা, যা Get over এর অর্থের সাথে মেলে না।
খ) Overcome — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
গ) Proceed — এর অর্থ সামনে এগিয়ে যাওয়া বা কাজ চালিয়ে যাওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
ঘ) Send — এর অর্থ পাঠানো, যা এই বাক্যে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
Get over মানে কোনো কিছু পার হয়ে যাওয়া এবং Overcome মানেও জয় করা, তাই এই দুটি সমার্থক হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) would
কেন সঠিক:
বাকটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা অবাস্তব কল্পনা প্রকাশ করছে।
তাই ইফ ক্লাজে পাস্ট টেন্স থাকলে প্রধান ক্লাজে উড বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) may — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে পাস্ট সাবজাংক্টিভ রূপ প্রয়োজন।
B) will — এটি প্রথম কন্ডিশনালে ভবিষ্যতের নিশ্চিত ঘটনা বোঝাতে বসে যা অবাস্তব কল্পনার সাথে মেলে না।
C) shall — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল প্রকাশ করে যা এই ধরনের কাল্পনিক বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ ক্লাজে ওয়ার থাকলে প্রধান ক্লাজে উড এবং ভার্বের বেজ ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: D) Draft
কেন সঠিক:
‘Draw up’ একটিPhrasal verb যার অর্থ কোনো কিছু লিখিতভাবে প্রস্তুত করা বা খসড়া তৈরি করা।
ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা দলিল লেখার ক্ষেত্রে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়।
এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো ড্রাফট বা খসড়া তৈরি করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Interpret — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো কোনো কিছুর ব্যাখ্যা করা বা অর্থ উদ্ধার করা।
B) Finish — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো কোনো কাজ সমাপ্ত করা বা শেষ করা।
C) Final — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি বিশেষণ যা চূড়ান্ত বা শেষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
আইনি দলিল বা চিঠি লেখার সময় আমরা খসড়া বা ড্রাফট তৈরি করি, তাই ড্র শব্দটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন Draw up মানে খসড়া তৈরি করা।
সঠিক উত্তর: A) ২০০
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ২৫০০ বর্গমিটার
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
ক এর উপর বর্গ = ২৫০০
ক = √২৫০০
সুতরাং,
ক = ৫০ মিটার
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ৫০ মিটার
উত্তর: ২০০ মিটার
সঠিক উত্তর: C) √৩
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে সমীকরণ x^৪ − x^২ + ১ = ০
এখান থেকে পাই x^৪ + ১ = x^২
ধরি,
উভয় পক্ষকে x^২ দিয়ে ভাগ করি
তাহলে পাই x^২ + (১ ÷ x^২) = ১
এখন বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করি
অতএব,
(x + ১ ÷ x)^২ − ২ = ১
(x + ১ ÷ x)^২ = ১ + ২
সুতরাং,
(x + ১ ÷ x)^২ = ৩
উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই (x + ১ ÷ x) = √৩
উত্তর: √৩
সঠিক উত্তর: B) ২৮
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন লোক কাজের অর্ধেক করে ৭ দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১
কাজের অর্ধেক = ১ ÷ ২ = অংশ
অতএব,
১০ জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারে = ৭ × ২ = ১৪ দিনে
সুতরাং,
১ জন লোক ঐ কাজটি করতে পারে = ১৪ × ১০ = ১৪০ দিনে
উত্তর: ৫ জন লোক ঐ কাজটি করতে পারে = ১৪০ ÷ ৫ = ২৮ দিনে
সঠিক উত্তর: C) ১.২৫
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করা হলো ৫০%
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১ একক
আদি ক্ষেত্রফল = ১ × ১ = ১ বর্গ একক
অতএব,
বাহুর দৈর্ঘ্য ৫০% বৃদ্ধিতে নতুন দৈর্ঘ্য = ১ + (১ এর ৫০%) = ১ + ০.৫ = ১.৫ একক
নতুন ক্ষেত্রফল = ১.৫ × ১.৫ = ২.২৫ বর্গ একক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ২.২৫ − ১ = ১.২৫ বর্গ একক
উত্তর: ১.২৫
সঠিক উত্তর: A) ১৩২০
প্রদত্ত তথ্য:
৩ টি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ৩৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২
অতএব,
x + (x + ১) + (x + ২) = ৩৩
৩x + ৩ = ৩৩
সুতরাং,
৩x = ৩০
x = ১০
উত্তর: ১০ × ১১ × ১২ = ১৩২০
সঠিক উত্তর: C) শায়েস্তা খান
কেন সঠিক:
- সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই কেল্লার নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- ঐতিহাসিক এই দুর্গটির আদি নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ, যা পরবর্তীতে লালবাগ কেল্লা নামে পরিচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খান — তিনি ১৬১০ সালে ঢাকাকে প্রথম বাংলার রাজধানী স্থাপন করেছিলেন, লালবাগ কেল্লা নির্মাণ করেননি।
B) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবাদার ছিলেন, তবে লালবাগ কেল্লা নির্মাণের সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই।
C) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) টিপু সুলতান — তিনি মাইসোরের শাসক ছিলেন, ঢাকার লালবাগ কেল্লার সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
লালবাগ কেল্লার সাথে 'শায়েস্তা খান' ও 'শহীদ বেদীর' স্মৃতি জড়িত, তাই মনে রাখুন শায়েস্তা খানের আমলেই কেল্লার ভেতরে বিখ্যাত পরী বিবীর মাজার নির্মিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ১৮২৯
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং ৪ ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে ১৭ নম্বর রেগুলেশন জারি করে সতীদাহ প্রথা বাতিল করেন।
- রাজা রামমোহন রায় এই অমানবিক প্রথা বন্ধের আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮১৯ — এই সালে সতীদাহ প্রথা বাতিল করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৮০৯ — এই সালে সতীদাহ প্রথা রহিত হয়নি, এটি ভুল অপশন।
C) ১৮৪৯ — এই সালের সঙ্গে সতীদাহ প্রথা রহিতের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
D) ১৮২৯ — এই সালেই আইনগতভাবে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সতীদাহ প্রথা বন্ধ হয় ১৮২৯ সালে, যা মনে রাখতে রাজা রামমোহন রায় ও লর্ড বেন্টিংয়ের নাম এবং ১৭ নম্বর আইনের কথা মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) লোহাগড়া, চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ওপর হাতি চলাচলের নিরাপদ পথ নিশ্চিত করার জন্য দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস নির্মাণ করা হয়েছে।
- বন্যহাতির নিয়মিত চলাচলের পথ বা করিডোর রক্ষা করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনায় হাতির প্রাণহানি রোধ করতে এই ওভারপাস তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোহাগড়া, চট্টগ্রাম — এটি দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাসের সঠিক অবস্থান এবং এটি সঠিক উত্তর।
B) কাপ্তাই, রাঙামাটি — এটি পাহাড়ি এলাকা ও পর্যটন কেন্দ্র হলেও এখানে দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস অবস্থিত নয়।
C) লাংলোকল, বান্দরবান — এটি সীমান্ত এলাকার একটি স্থান হলেও এলিফ্যান্ট ওভারপাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) উখিয়া, কক্সবাজার — এটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পর্যটনের জন্য পরিচিত হলেও এখানে এলিফ্যান্ট ওভারপাস নেই।
মনে রাখার টিপস:
হাতির চলাচলের রাস্তা বা করিডোর নিরাপদ রাখতে চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়ায় দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস তৈরি করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) পাবনা
কেন সঠিক:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র যা রাশিয়া ও ভারতের সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিরাজগঞ্জ — এটি যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি জেলা যেখানে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প অবস্থিত নয়।
B) কুষ্টিয়া — এটি পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত একটি জেলা হলেও রূপপুর প্রকল্প এর ভূখণ্ডের মধ্যে পড়ে না।
C) নাটোর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা যা রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের ভৌগোলিক অবস্থানের বাইরে অবস্থিত।
D) পাবনা — এটি সেই নির্দিষ্ট জেলা যেখানে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা পাড়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ইরান
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকাল থেকেই বর্তমান ইরান দেশটি পারস্য সাম্রাজ্য ও পারস্য সভ্যতা হিসেবে পরিচিত ছিল।
- ১৯৩৫ সালে দেশটির তৎকালীন শাসক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্যের পরিবর্তে ইরান নামটি ব্যবহারের অনুরোধ জানান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়েমেন — এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক দেশ, যা প্রাচীন পারস্যের অংশ ছিল না।
B) ইরাক — এটি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার ভূমি এবং পারস্য সাম্রাজ্যের প্রতিবেশী অঞ্চল ছিল, কিন্তু নিজে পারস্য নামে পরিচিত ছিল না।
C) ইরান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রাচীন দেশ এবং ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত, যা পারস্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
পারস্য ও ইরান একই দেশ বোঝায়, যেখানে ১৯৩৫ সালে নামটি পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ময়মনসিংহ
কেন সঠিক:
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের স্মৃতি সংরක්ෂಣের জন্য ১৯৭৫ সালে ময়মনসিংহ শহরে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে এই সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এখানে শিল্পীর বিখ্যাত চিত্রকর্ম ও ব্যক্তিগত ব্যবহার্য বিভিন্ন দুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালাটি এখানেই অবস্থিত।
B) ঢাকা — এখানে জয়নুল আবেদিনের নামে কোনো সংগ্রহশালা নেই, যদিও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও চারুকলা ইনস্টিটিউট ঢাকায় অবস্থিত।
C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে জয়নুল আবেদিনের সংগ্রহশালা নেই, এটি মূলত ময়মনসিংহের একটি বিখ্যাত সাংস্কৃতিক স্থাপন।
D) নড়াইল — নড়াইল এসএম সুলতানের জন্মস্থান এবং সেখানে সুলতান সংগ্রহশালা আছে, জয়নুল আবেদিনের সংগ্রহশালা নেই।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পী জয়নুল আবেদিনের জন্ম ময়মনসিংহের কেন্দুয়ার কদমফুলিয়া গ্রামে, তাই তাঁর নামে সংগ্রহশালাটিও ময়মনসিংহেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) সৌদআরব
কেন সঠিক:
- সৌদি আরবের ভূখণ্ডে কোনো স্থায়ী বা প্রাকৃতিক নদী নেই, যা এটিকে বিশ্বের বৃহত্তম নদীবিহীন দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে।
- চরম শুষ্ক জলবায়ু এবং মরুভূমি অঞ্চলের কারণে এখানে কোনো স্থায়ী নদী প্রবাহ গড়ে ওঠেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিরিয়া — এর ওপর দিয়ে ইউফ্রেটিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ নদী প্রবাহিত হয়েছে, তাই এটি নদীবিহীন দেশ নয়।
B) মিশর — নীল নদ মিশরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এটি মিশরের সভ্যতা ও জীবনযাত্রার প্রধান ভিত্তি।
C) সৌদআরব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ইরাক — টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় এই দেশ অবস্থিত, তাই এটি নদীহীন দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিপ্রধান দেশ সৌদি আরব হলো সেই দেশ, যার সমগ্র ভূখণ্ডে কোনো নদী নেই।
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- রাশিয়ার মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এগারো শতাংশ।
- এটি একই সঙ্গে এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে এর আয়তন সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ এবং এর আয়তন রাশিয়ার চেয়ে কম।
বিভাগ: সাধারণ জ্ঞান ও ভূগোল
B) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
বিভাগ: সাধারণ জ্ঞান ও ভূগোল
C) যুক্তরাষ্ট্র — আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের তৃতীয় বা চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং রাশিয়ার তুলনায় অনেক ছোট।
বিভাগ: সাধারণ জ্ঞান ও ভূগোল
D) চীন — এশিয়ার বৃহত্তম দেশ হলেও আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ।
বিভাগ: সাধারণ জ্ঞান ও ভূগোল
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বড় দেশগুলোর ক্রম মনে রাখতে 'রকউচ' শব্দটি ব্যবহার করতে পারো, যেখানে 'র' দিয়ে রাশিয়া বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: D) 1988
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ শুরু করে।
- প্রথম থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বিশ্বশান্তি রক্ষায় অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1979 — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ শুরু করেনি, এটি ভুল সাল।
B) 1982 — এই সালটি বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা বাহিনীর কার্যক্রম শুরুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) 1985 — এই সালে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠানো শুরু করেনি।
D) 1988 — এটি সঠিক সাল, কারণ এই বছর থেকে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ শুরু করে।
মনে রাখার টিপস:
আশির দশকের শেষ বছর অর্থাৎ ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে যাত্রা শুরু করে।
সঠিক উত্তর: A) ৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর ১ অনুযায়ী সংবিধানের মূলনীতি মোট চারটি।
- এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা ঠিক চারটি।
B) ৭ — এই অপশনটি ভুল কারণ ৭টি কোনো মূলনীতি বা মৌলিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
C) ৫ — এই অপশনটি ভুল কারণ সংবিধানে ৫টি মূলনীতি নেই।
D) ৬ — এই অপশনটি ভুল কারণ সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা ৬টি নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের মূলনীতি মনে রাখার সহজ শব্দ হলো নাসাগাদ (না=জাতীয়তাবাদ, সা=সমাজতন্ত্র, গা=গণতন্ত্র, ধ=ধর্মনিরপেক্ষতা)।
সঠিক উত্তর: C) UGC
কেন সঠিক:
- UGC-এর পূর্ণরূপ হলো University Grants Commission বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, যা বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণকারী সর্বোচ্চ সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে দেশের উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণের জন্য এই স্বাধীন প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) UCG — এটি সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয়, বরং বর্ণগুলোর ভুল বিন্যাস।
B) CGU — এই নামের কোনো সরকারি শিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে নেই।
C) UGC — এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঠিক ও স্বীকৃত সংক্ষিপ্ত রূপ।
D) CUG — এটি সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয় এবং এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
University Grants Commission-এর প্রথম অক্ষরগুলো সাজালে UGC হয়, যার মাঝের অক্ষরটি হলো G এবং দুই পাশে থাকে U ও C।
সঠিক উত্তর: C) মালদ্বীপ
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ।
- এর মোট আয়তন প্রায় তিনশত বর্গকিলোমিটার এবং এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুটান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট দেশ হলেও মালদ্বীপের তুলনায় আয়তনে অনেক বড়।
B) ব্রুনাই — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ছোট ও তেলসমৃদ্ধ দেশ, তবে মালদ্বীপের চেয়ে এর আয়তন বেশি।
C) মালদ্বীপ — এটি নিজেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা প্রযোজ্য নয়।
D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং মালদ্বীপের তুলনায় এর ভূখণ্ড ও আয়তন বেশ বড়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মালদ্বীপ কথাটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৫৭
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ আমলে সিপাহী বিদ্রোহের বছর অর্থাৎ ১৮৫৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা বা পেপার কারেন্সি চালু করা হয়।
- তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কাগজের নোট চালুর মাধ্যমে মুদ্রা ব্যবস্থায় আধুনিকীকরণ শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৯০ — এই সালের সঙ্গে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালুর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
B) ১৮৫৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু হয়।
C) ১৮৫৫ — এই সালে কাগজের মুদ্রা চালু হয়নি, এটি ভুল সাল।
D) ১৮৪৫ — এই সালটি মুদ্রা চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিপাহী বিদ্রোহের বছর অর্থাৎ ১৮৫৭ সালে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের নোট বা মুদ্রা চালু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৭
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার পক্ষে এই ঘোষণা দেন।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর এই ঐতিহাসিক বেলফোর ঘোষণা প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩৯ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং বেলফোর ঘোষণার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) ১৯১৭ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ব্রিটিশ সরকারের ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির সাল।
C) ১৯৪৮ — এই সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু বেলফোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল এর অনেক আগে।
D) ১৯১৮ — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়, যা বেলফোর ঘোষণার পরের বছর।
মনে রাখার টিপস:
বেলফোর ঘোষণার সাল মনে রাখতে ১৯১৭ সালের শেষ অঙ্ক দুটি (১৭) মনে রাখতে পারেন, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষের কাছাকাছি সময়।
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল এবং ১৯৫৭ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ব্রিটিশ প্রভাব বিস্তারের অংশ হিসেবে মালয় উপদ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চল ব্রিটিশ শাসনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্তুগাল — পর্তুগাল মালয়েশিয়ার মালাক্কা দখল করেছিল ষোড়শ শতাব্দীতে বাণিজ্যক উদ্দেশ্যে, কিন্তু সমগ্র মালয়েশিয়া তাদের উপনিবেশ ছিল না।
B) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ পুরো মালয়েশিয়া ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল।
C) স্পেন — স্পেন প্রধানত ফিলিপাইন শাসন করেছে, মালয়েশিয়ার উপনিবেশ স্থাপনের সঙ্গে তাদের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ ছিল না।
D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবে মালয়েশিয়ায় শাসন প্রতিষ্ঠা করেনি।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিটিশরা ক্রিকেট খেলে এবং একসময় পুরো মালয়েশিয়া তাদের উপনিবেশ ছিল, তাই মালয়েশিয়া মানেই যুক্তরাজ্য।
সঠিক উত্তর: B) ইকুয়েডর
কেন সঠিক:
- এই দেশটির ওপর দিয়ে বিষুবরেখা অতিক্রম করেছে, যাকে স্পেনীয় ভাষায় ইকুয়েডর বলা হয়।
- ভৌগোলিক এই রেখার নামানুসারেই দেশটির নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং এর নামকরণের ইতিহাস ভিন্ন উৎস থেকে এসেছে।
B) ইকুয়েডর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ইয়েমেন — এটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত একটি দেশ এবং এর নাম ভৌগোলিক রেখার ওপর ভিত্তি করে রাখা হয়নি।
D) কোনটিই না — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইকুয়েডর শব্দটির অর্থ বিষুবরেখা, তাই বিষুবরেখার নামানুসারেই দেশটি ইকুয়েডর নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) লর্ড মাউন্টব্যাটন
কেন সঠিক:
- তিনি ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ভারতের শাসনাবসান হলে তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লর্ড মাউন্টব্যাটন — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
B) লর্ড বেন্টিংক — তিনি ১৮৩৩ থেকে ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন, শেষ ভাইসরয় নন।
C) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করার জন্য পরিচিত এবং তিনি ১৮৯৯ থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত ভাইসরয় ছিলেন।
D) লর্ড ওয়াভেল — তিনি লর্ড মাউন্টভাটনের ঠিক আগের ভাইসরয় ছিলেন এবং ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের শেষ ভাইসরয় হিসেবে মাউন্টব্যাটনের হাত ধরেই ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হয়।
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- অস্ট্রেলিয়ায় আইন অনুযায়ী ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী সকল যোগ্য নাগরিকের জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করা বাধ্যতামূলক।
- নির্বাচনে ভোট না দিলে উপযুক্ত কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে বা জরিমানা প্রদান করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভোটদান আইনত বাধ্যতামূলক।
B) নিউজিল্যান্ড — এখানকার নাগরিকদের ভোটদান বাধ্যতামূলক নয়, এটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক।
C) ইংল্যান্ড — যুক্তরাজ্যে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, নাগরিকরা ইচ্ছা করলে ভোটদান থেকে বিরত থাকতে পারেন।
D) সুইডেন — সুইডেনের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটাধিকার বাধ্যতামূলক নয়, নাগরিকের ব্যক্তিগত ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার ক্যাঙ্গারু যেমন লাফিয়ে চলে, তেমনি সেখানকার নাগরিকরাও আইন মেনে বাধ্যতামূলকভাবে ভোটকেন্দ্রে ছুটে চলে।
সঠিক উত্তর: C) প্যারিস
কেন সঠিক:
- বাস্তিল দুর্গ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক দুর্গ ও কারাগার।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ই জুলাই ফরাসি বিপ্লবের সময় সাধারণ জনগণ এই দুর্গ আক্রমণ ও ধ্বংস করে, যা ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত শহর, যেখানে বাস্তিল দুর্গ অবস্থিত নয়।
B) মন্টিয়েগো — এটি জ্যামাইকার একটি শহর, যা এই ঐতিহাসিক দুর্গটির অবস্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।
C) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী, যা ফ্রান্সের প্যারিস শহরে অবস্থিত এই দুর্গটির জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফরাসি বিপ্লবের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র যা প্রায় ১৭ হাজারেরও বেশি ছোট-বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এই দ্বীপগুলোর মধ্যে সুমাত্রা, জাভা, ও বোর্নিও প্রধান এবং এটি বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপসমৃদ্ধ দেশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম দেশ হলেও এটি দ্বীপরাষ্ট্র নয়, বরং একটি মূল ভূখণ্ডের বিশাল রাষ্ট্র।
B) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও এর দ্বীপের সংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম।
C) জাপান — এটি প্রায় চার হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, তবে দ্বীপের সংখ্যায় ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে পিছিয়ে।
D) ইন্দোনেশিয়া — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ নিয়ে গঠিত রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
ইন্দোনেশিয়া মানেই হাজার হাজার দ্বীপের দেশ, তাই দ্বীপ বেশি হলে উত্তর ইন্দোনেশিয়া হবে।
সঠিক উত্তর: C) ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটান বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০০৪ সালে সম্পূর্ণভাবে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি এবং প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ করে।
- এই দক্ষিণ এশীয় দেশীয় আইনটি তাদের জাতীয় সুখ নীতি এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার অংশ হিসেবে কঠোরভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও ধূমপানমুক্ত দেশের তালিকায় প্রথম নয়।
B) জাপান — এটি একটি উন্নত দেশ হলেও এখানে নির্দিষ্ট স্থানে ধূমপান করার নিয়ম রয়েছে, সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়।
C) ভুটান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় ধূমপানমুক্ত দেশের তালিকায় প্রথম হিসেবে গণ্য।
D) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এখানে ধূমপানের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা নেই।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ে ঘেরা শান্ত দেশ ভুটান তামাকমুক্ত হয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড়েই অবস্থিত।
- প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন এই নগরীটি করতোয়া নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল এবং পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রাচীন পুণ্ড্রনগর অবস্থিত।
B) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত এবং এটি পাল রাজবংশের নির্মিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত।
C) সোনারগাঁও — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন বাংলার মুসলিম শাসকদের রাজধানী ও বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান।
D) বিক্রমপুর — এটি বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন সেন ও চন্দ্র রাজবংশের রাজধানী ছিল।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রনগরের আদি নাম মনে রাখতে 'পু' দিয়ে পুণ্ড্র এবং 'ম' দিয়ে মহাস্থানগড় এভাবে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ইউরিয়া
কেন সঠিক:
- যমুনা সার কারখানা একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান যেখানে মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
- এই কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ যমুনা সার কারখানায় প্রধানত ইউরিয়া সারই উৎপাদিত হয়।
B) টি এস পি — এটি এক ধরণের ফসফরাসযুক্ত রাসায়নিক সার যা যমুনা সার কারখানায় উৎপাদিত হয় না।
C) এম পি — এটি পটাসিয়াম বা পটাশ সার, যা এই কারখানার উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) কম্পোস — এটি জৈব সার, যা কারখানায় উৎপাদিত রাসায়নিক ইউরিয়া সার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
যমুনা মানেই ইউরিয়া, কারণ এই কারখানাটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) 1990
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভক্ত হওয়া পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি ৩ অক্টোবর ১৯৯০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়।
- ঐতিহাসিক বার্লিন প্রাচীর পতনের পর জার্মানির reunification বা একত্রীকরণ সম্পন্ন হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1985 — এই সালে Mikhail Gorbachev সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতায় আসেন, যা জার্মানির একত্রীকরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) 1991 — এই সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায়, যা জার্মানি একত্র হওয়ার পরের ঘটনা।
C) 1992 — এই সালটি মাস্ট্রিচ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য পরিচিত, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) 1990 — এই সালে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের দশকে বিশ্বরাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসে, যার শুরুতেই ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি একত্রিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- যুক্তরাজ্যের জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়ন জ্যাক নামে পরিচিত, যা ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের ক্রুশ বা পতাকার সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি ১৭০৭ সালে গ্রেট ব্রিটেন এবং পরবর্তীতে ১৮০১ সালে যুক্তরাজ্য গঠনের পর বর্তমান রূপ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — ইতালির জাতীয় পতাকাকে তেরঙ্গা বলা হয়, যার রঙ সবুজ, সাদা ও লাল।
B) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল নেই।
C) ফ্রান্স — ফ্রান্সের জাতীয় পতাকাকে ত্রিবর্ণ বা ট্রিকালার বলা হয়, যা নীল, সাদা ও লাল উল্লম্ব রেখায় গঠিত।
D) কানাডা — কানাডার জাতীয় পতাকাকে ম্যাপল লিফ বলা হয়, যার মাঝখানে একটি লাল ম্যাপল পাতা রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের রাজকীয় পতাকা বোঝাতে ইউনিয়ন জ্যাক কথাটি মনে রাখবে, যার সাথে অন্যান্য দেশের পতাকার নকশার মিল নেই।
সঠিক উত্তর: D) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালের দেশভাগের আগের ও পরের গ্রামীণ সমাজের দরিদ্র মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচিয়তা কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাক।
- এটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু
ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত এটি একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য রচিত কোনো নাটক নয়। এটি একটি দীর্ঘ গদ্যশিল্প তথা উপন্যাস।
B) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ বলতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তাত্ত্বিক বা মননশীল আলোচনা বোঝায়, যা এই উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) আত্মজীবনী — এটি কোনো লেখকের নিজের জীবনের কাহিনী বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়, বরং কাল্পনিক ও সমাজভিত্তিক কাহিনী।
D) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবু ইসহাক মানেই ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’।
- লেখকের নামের প্রথম অক্ষর এবং উপন্যাসের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের রচিয়তা প্রায়ই আসে।
- ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র জয়গুন।
সঠিক উত্তর: A) গাজীমিয়া
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেন ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক রচনা লেখার সময় 'গাজীমিয়া' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
- এই ছদ্মনামে তিনি সমাজের নানা অসঙ্গতি, কুসংস্কার ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র অথচ হাস্যরসাত্মক কৌতুকপূর্ণ সমালোচনা প্রকাশ করতেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি উনিশ শতকের মুসলিম সমাজের সংস্কার ও আধুনিকতার অগ্রদূত ছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু এবং সামাজিক নাটক ও প্রহসনের মধ্যে গাজীমিয়ার গদ্যরীতি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাজীমিয়ার বস্তানি
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনা যা তিনি 'গাজীমিয়া' ছদ্মনামে প্রকাশ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: উদাসীন পথিকের মনের কথা
ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র ও কৃষকদের দুর্দশা তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজীমিয়া — এটি মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
B) জরাসন্ধ — এটি কবি ও লেখক চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম, মীর মশাররফ হোসেনের নয়।
C) বনাঞ্চল — এটি কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিকের প্রধান বা পরিচিত ছদ্মনাম হিসেবে স্বীকৃত নয়।
D) ভ্রমর — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের একটি জনপ্রিয় নারী চরিত্রের নাম, ছদ্মনাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের নামের সঙ্গে 'ম' অক্ষর আছে এবং তাঁর ছদ্মনামের প্রথমেও 'গাজীমিয়া' শব্দটি বেশ ব্যতিক্রমী ও সহজে মনে রাখার মতো।
- ছদ্মনাম মনে রাখতে লেখকের প্রধান ব্যঙ্গাত্মক রচনার নাম এবং ছদ্মনাম একসঙ্গে জোড়া দিয়ে মুখস্থ রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- একই সঙ্গে অন্যান্য লেখকের ছদ্মনাম যেমন টেকচাঁদ ঠাকুর বা ভণিতাগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি পরিবর্তন ও শব্দ গঠনের নির্দিষ্ট ক্ষেত্র অনুযায়ী ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়গুলোকে প্রধানত ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থত্ত্বে ভাগ করা হয়।
- সন্ধি মূলত দুটি ধ্বনির মিলন নিয়ে কাজ করে এবং ধ্বনির পরিবর্তন বা মিলন সরাসরি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়, রূপতত্ত্বের নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রূপতত্ত্বে শব্দের গঠন, শব্দের মূল বা প্রকৃতি, প্রত্যয়, উপসর্গ, সমাস এবং পদের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনির উচ্চারণ, ধ্বনির পরিবর্তন, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান এবং সন্ধির মতো ধ্বনিগত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যালয় (বিদ্যা + আলয়)
ব্যাখ্যা: দুটি ধ্বনির মিলনে সন্ধি সাধিত হয়, যা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: চলন্ত (চল + অন্ত)
ব্যাখ্যা: প্রত্যয় সাধিত শব্দ যা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ এবং এটি বাক্যের পদগুলোকে সংক্ষিপ্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করে বিধায় রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
B) সন্ধি — সন্ধি ধ্বনির মিলন ঘলায় এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে এবং এটি রূপতত্ত্বের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।
D) কারক — বাক্যের সঙ্গে পদের সম্পর্ক এবং পদের রূপগত পরিবর্তন বোঝাতে কারক রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপতত্ত্ব মনে রাখতে শব্দ এবং পদের গঠন মাথায় রাখবে। ধ্বনির মিলন বা সন্ধি দেখলে তা ধ্বনিতত্ত্বে ফেলতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কিসের আলোচ্য বিষয়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ধ্বনিতত্ত্ব ও রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়গুলো ভালোভাবে আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আশ্চর্য
১. কেন সঠিক:
- আশ্চর্য শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, কারণ এটি সাধারণ কোনো সন্ধির নিয়মের মধ্যে পড়ে না।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি সাধিত না হয়ে প্রাকৃত বা প্রচলিত নিয়মে গঠিত শব্দই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সব শব্দ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না এবং প্রচলিত নিয়মে সাধিত হয়, তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
- আ + চর্য মিলে আশ্চর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে কোনো প্রচলিত ব্যঞ্জনসন্ধির সূত্র খাপ খায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১:স্পতি
ব্যাখ্যা: এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি শব্দ, যা দিব + পতি থেকে গঠিত হয়েছে এবং কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না।
উদাহরণ ২: পরস্পর
ব্যাখ্যা: পর + পর মিলে পরস্পর শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির আরেকটি বহুল প্রচলিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিষ্কার — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয়, বরং পরি + কার মিলে গঠিত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়মিত উদাহরণ।
B) সংস্কার — এটি সম্ + কার যোগে গঠিত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মিত নিয়মের অধীন, তাই নিপাতনে সিদ্ধ নয়।
D) ষড়ানন — এটি ষট্ + আনন যোগে গঠিত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মিত নিয়মের অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে না, তাই এগুলো বারবার চর্চা করে মনে রাখতে হবে।
- আ + চর্য মিলে আশ্চর্য হয়, এই ব্যতিক্রমী গঠনটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ব্যতিক্রমী শব্দগুলো থেকে।
- নিয়মবহির্ভূত শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) ৬ টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ছয়টি।
এই বর্ণগুলো লেখার সময় কাগজের ওপরের অংশে কোনো মাত্রা বা রেখা ট টানতে হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে যার মধ্যে স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ অন্তর্ভুক্ত।
ব্যঞ্জনবর্ণের মোট সংখ্যা fচল্লিশটি এবং এর মধ্যে পূর্ণমাত্রা অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণ নির্ধারিত আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ যা লেখার সময় উপরে মাত্রা থাকে না।
উদাহরণ ২: ঙ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ যা লেখার সময় উপরে কোনো মাত্রা বসে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ টি - এটি ভুল কারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে আটটি মাত্রাহীন বর্ণ নেই।
B) ৬ টি - এটি সঠিক এবং এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রাহীন বর্ণের আসল হিসাবের সাথে মিলে যায়।
C) ১১ টি - এটি ভুল কারণ এগারো হলো মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা।
D) ৭ টি - এটি ভুল কারণ সাতটি মাত্রাহীন বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো এ ও ঔ এবং ঙ ঞ ৎ অনুস্বর বিসর্গ চন্দ্রবিন্দু।
স্বরে অ থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত মোট মাত্রাহীন বর্ণ দশটি যার মধ্যে ব্যঞ্জনবর্ণ হলো ছয়টি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে পূর্ণমাত্রা অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রা ছাব্বিশটি অর্ধমাত্রা সাতটি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ছয়টি।
সঠিক উত্তর: B) ফারসি
১. কেন সঠিক:
- 'পেশকার' একটি বিদেশি শব্দ যা মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফারসি শব্দগুলো প্রধানত প্রশাসনিক, আদালত, ভূমি ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে জড়িত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দভাণ্ডারকে উৎসের ভিত্তিতে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো আমাদের প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় বোঝাতে বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চশমা
ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি শব্দ যা চোখে পরার চশমা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এটি সঠিক নয় কারণ 'পেশকার' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আসেনি।
B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর।
C) তুর্কি — এটি সঠিক নয় কারণ 'পেশকার' তুর্কি ভাষার শব্দ নয়।
D) ফরাসি — এটি সঠিক নয় কারণ এটি ফরাসি শব্দ নয়, ফারসি শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আদালতের বিভিন্ন পদবি ও কাজের নাম যেমন পেশকার, নাজির, পেয়াদা সাধারণত ফারসি ভাষার শব্দ হয়ে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) মেধা + বিন্
১. কেন সঠিক:
মেধাবী শব্দটি গঠিত হয়েছে মেধা বিশেষ্য পদের সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যোগে।
বিন্ প্রত্যয়টি মূলত তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বিশেষ বোঝাতে বা অধিকারী অর্থে বিশেষণ পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের পরে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন গুণ বা ভাব বোঝায়, তখন তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
মেধা শব্দের অন্তস্থিত আ এর সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মেধাবী শব্দটি সিদ্ধ হয়েছে এবং এটি একটি তদ্ধিতান্ত বিশেষণ পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তেজ + বিন্ = তেjasবী
ব্যাখ্যা: তেজ শব্দের সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তেজস্বী বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মায়া + বিন্ = মায়াবী
ব্যাখ্যা: মায়া শব্দের সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মায়াবী বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেধা + ই — ই প্রত্যয় যোগে মেধাবী গঠিত হয় না কারণ এটি সঠিক তদ্ধিত প্রত্যয় নয়।
B) মেধা + ঈ — দীর্ঘ ঈ প্রত্যয় যোগে শব্দটি সাধিত হয় না এবং এটি ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) মেধা + বিন্ — এটি সঠিক কারণ মেধা শব্দের সঙ্গে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মেধাবী হয়।
D) মেধা + বান — বান প্রত্যয় যুক্ত হলে মেধাবান হতে পারে কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে মূল সংস্কৃত নিয়মে বিন্ প্রত্যয়সিদ্ধ রূপটি বেশি প্রমিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বান এবং বিন্ দুটিই অধিকারী অর্থে তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
শব্দের শেষে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা দীর্ঘ ঈ কারান্ত রূপ লাভ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয়ের শব্দ গঠনে বান এবং বিন্ এর ব্যবহার খুব আসে।
সংস্কৃত নিয়ম অনুসারে অন্তস্থিত অ বা আ এর পরে বিন্ প্রত্যয় যুক্ত হলে ব এর স্থানে ম এবং ঈ কার যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) একগুঁয়ে
কেন সঠিক:
- ‘নেই আঁকড়া’ বাগধারাটির আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ হলো অত্যন্ত জেদি বা একগুঁয়ে স্বভাবের ব্যক্তি।
- যিনি সহজে কারো কথা শুনতে চান না এবং নিজের জেদে অটল থাকেন, তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বিশিষ্টার্থক বাগধারা, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
- যেমন: ছেলেটির সাথে কোনো বিষয়ে কথা বলা বৃথা, কারণ সে ভীষণ নেই আঁকড়া স্বভাবের।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সখ্যতা — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘সখ্যতা’ শব্দের অর্থ ভাব বা বন্ধুত্ব, যা ‘নেই আঁকড়া’ এর বিপরীত।
- B) একগুঁয়ে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) দ্বন্দ্ব — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘দ্বন্দ্ব’ অর্থ ঝগড়া বা বিরোধ, যা এই বাগধারার অর্থের সাথে মেলে না।
- D) রগচটা — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘রগচটা’ অর্থ অল্পতেই রেগে যায় যে, কিন্তু ‘নেই আঁকড়া’ হলো জেদি।
মনে রাখার টিপস:
- ‘নেই আঁকড়া’ মানে যার জেদ কমানো যায় না বা যে সহজে নমে না, অর্থাৎ সে একগুঁয়ে।
সঠিক উত্তর: খ) ন্যূনতম
কেন সঠিক:
১. শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়গত রূপ হলো নু + নতম, যা সন্ধি ও নিয়মের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়।
২. বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে মূর্ধন্য ন এর সাথে য-ফলা এবং যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে ই-কার বা উ-কারের পর অন্তস্থ য থাকলে তা অনেক সময় দ্বিত্ব বা জ ফলা রূপ নেয়।
২. এখানে কোনো সাহিত্য প্রসঙ্গ নেই, এটি সম্পূর্ণ বাংলা বানান ও শব্দের উৎসের ওপর নির্ভরশীল একটি ব্যাকরণগত নিয়ম।
৩. যেমন একই নিয়মে সৃষ্ট অন্যান্য শুদ্ধ বানানগুলো হলো পুণ্য, কন্যা এবং অন্যান্য সমগোত্রীয় শব্দসমূহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) নুনতম — এই বানানে দীর্ঘ বা হ্রস্ব স্বরের নিয়ম এবং যুক্তবর্ণের গঠনে ভুল রয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়।
গ) নুন্যাতম — এখানে মূল শব্দের শুরুর অংশে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে এবং য-ফলার প্রয়োগ সঠিক নয়।
ঘ) নুন্যতম — এই বানানে ন এর সাথে জ ফলা যুক্ত করার সময় বানান গঠনের মূল নিয়মটি মানা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১. ন্যূনতম বানানটি লেখার সময় সবসময় মনে রাখবেন যে প্রথমে হ্রস্ব উ-কার এবং ন-এর নিচে হসন্ত বা জ-ফলা হবে।
২. শব্দটি বারবার লিখে অভ্যাস করলে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।
সঠিক উত্তর: D) বন
১. কেন সঠিক:
- ‘অটবি’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হলো গভীর বন, অরণ্য বা জঙ্গল।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে এই শব্দের ব্যবহার বেশ দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে বন বোঝাতে বিভিন্ন তৎসম ও তদ্ভব শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কানন
ব্যাখ্যা: কানন শব্দের অর্থও বন বা অরণ্য, যা অটবি শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বিপিন
ব্যাখ্যা: বিপিন হলো বনের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদী — নদীর সমার্থক শব্দ হলো তটিনী, স্রোতস্বিনী বা তরঙ্গিণী, যা অটবি শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) স্থির — স্থির শব্দের অর্থ অচল বা অবিচল, যার সঙ্গে বনের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কুল — কুল শব্দের অর্থ বংশ বা নদীর তীর, যা বনের সমার্থক শব্দ নয়।
D) বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ অটবি শব্দের সরাসরি অর্থ হলো বন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অটবি মানে অরণ্য বা বন, এই কথাটি মনে রাখতে অটবি ও অরণ্য শব্দদুটি একসাথে মিলিয়ে পড়তে পারো।
- বনের অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন কানন, বিপিন, গহন একসাথে মনে রাখলে পরীক্ষায় সুবিধা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের অর্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- কঠিন বা কম পরিচিত শব্দের সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: খ) Overcome
কেন সঠিক:
Get over একটিPhrase যার অর্থ কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া বা কাটিয়ে ওঠা।
Overcome শব্দটির অর্থও কোনো বাধা বা সংকট সফলভাবে পার হয়ে জয়ী হওয়া।
তাই এই দুটি শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Disclose — এর অর্থ প্রকাশ করা বা ফাঁস করা, যা Get over এর অর্থের সাথে মেলে না।
খ) Overcome — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
গ) Proceed — এর অর্থ সামনে এগিয়ে যাওয়া বা কাজ চালিয়ে যাওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
ঘ) Send — এর অর্থ পাঠানো, যা এই বাক্যে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
Get over মানে কোনো কিছু পার হয়ে যাওয়া এবং Overcome মানেও জয় করা, তাই এই দুটি সমার্থক হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) It has been drizzling since morning.
কেন সঠিক:
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি ড্রিজল (drizzle) হওয়ায় সঠিক শব্দ হিসেবে ড্রিজলিং ব্যবহার করা হয়েছে। অতীতে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজের ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনউয়াস টেন্স বসে।
নির্দিষ্ট সময় থেকে বোঝালে সিন্স (since) ব্যবহৃত হয়।
সকাল থেকে বৃষ্টি বোঝাতে সিন্স মর্নিং (since morning) সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক।
B) রেইনিং (raining) ব্যবহার করা হয়েছে যা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সঠিক ইংরেজি নয় এবং সিন্স (since) এর পরিবর্তে ভুলভাবে্রম (from) দেওয়া হয়েছে।
C) রেইনিং (raining) শব্দটির মাধ্যমে ভারী বৃষ্টি বোঝানো হয়েছে এবং ফ্রম (from) ব্যবহারের নিয়মটি এখানে সঠিক নয়।
D) টেন্সের নিয়ম ভুল করে এখানে প্রেজেন্ট কন্টিনউয়াস টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় চলা কাজের জন্য ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি ড্রিজল (drizzle) এবং নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু হওয়া কাজের ক্ষেত্রে সিন্স (since) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) contemptible
কেন সঠিক:
contempt শব্দটির সাথে ible যুক্ত হয়ে সঠিক adjective গঠিত হয় যার অর্থ অবজ্ঞার যোগ্য। এটি বাক্যে noun এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) contemptive — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থবহ ও গ্রহণযোগ্য শব্দ বা adjective নেই।
B) contemptable — বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে able প্রত্যয় যুক্ত করা ভুল এবং এটি সঠিক শব্দ নয়।
C) contemplation — এই শব্দটির শেষে tion থাকার কারণে এটি একটি noun বা বিশেষ্য পদ।
D) contemptible — এটি সঠিক adjective হওয়ার কারণে এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
contempt শব্দের শেষে ible যোগ করে adjective বানাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) The tree has not yet borne fruit.
কেন সঠিক:
- গাছ ফল ধরা অর্থে 'bear fruit' বা 'produce fruit' ব্যবহৃত হয় এবং এখানে কাজটি সবে শেষ হয়েছে বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
- 'bear' verb-এর Past Participle রূপ হলো 'borne', যার অর্থ বহন করা বা প্রসব করা অথবা ফল ধারণ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) There is no fruit in the tree. — গাছের ক্ষেত্রে প্রিপজিশন 'in' না হয়ে 'on' হওয়ার কারণে এই অপশনটি ভুল।
B) The tree has not born fruit yet. — এখানে 'born' শব্দের অর্থ জন্মদান করা, যা গাছের ক্ষেত্রে সঠিক নয়; সঠিক রূপটি হলো 'borne'।
C) Still the tree without fruit. — এটি কোনো পূর্ণাঙ্গ বাক্য নয় কারণ এতে কোনো সমাপিকা ক্রিয়া বা Verb নেই।
D) The tree has not yet borne fruit. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং বর্তমান নিখুঁত কালের নিয়ম মেনে তৈরি।
মনে রাখার টিপস:
গাছে ফল ধরার ইংরেজি করতে 'bear' verb-এর Past Participle রূপ 'borne' ব্যবহার করতে হয় এবং প্রিপজিশন হিসেবে 'on the tree' লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) off
কেন সঠিক:
১. off প্রিপজিশনটি কোনো স্থান বা বস্তু থেকে নিচে পড়ে যাওয়া বা দূরে সরে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করে।
বিড়ালটি চেয়ারের উপর থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েছে বোঝাতে এখানে off ব্যবহার করা হয়েছে।
২. কোনো পৃষ্ঠ বা বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে off সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ।
৩. এটি গতির দিক পরিবর্তনের একটি সঠিক প্রিপজিশন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) out — out সাধারণত কোনো আবদ্ধ স্থান যেমন রুম বা বাক্সের ভেতর থেকে বাইরে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) from — from উৎস বা কোথা থেকে শুরু হয়েছে তা নির্দেশ করে, কিন্তু উপর থেকে নিচে পড়ার ক্ষেত্রে এটি কম মানানসই।
D) on — on প্রিপজিশনটি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান করা বোঝায়, কিন্তু এখানে গতিশীলভাবে নিচে নামার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুর উপর থেকে নিচে লাফিয়ে পড়া বা সরে যাওয়া বোঝালে সবসময় off প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
বাক্যটির অর্থ হলো শিক্ষoral কোনো সহজ পথ নেই।
এখানে road শব্দের পরে সবসময় নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে to ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে সঠিক নয়।
B) for — এটি বিনিময় বা উদ্দেশ্য বোঝায় কিন্তু এই বাক্যের সাথে অর্থ মেলে না।
C) by — এটি মাধ্যম বোঝাতে বসে যা এই নির্দিষ্ট idioms এর সাথে খাটে না।
D) to — এটি সঠিক কারণ road to learning একটি নির্দিষ্ট প্রিপজিশনাল ফ্রেজ।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুর দিকে বা প্রতি পথ বোঝাতে road শব্দের পরে সবসময় to প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: A) By whom were you taught French?
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে থাকা 'Who' পরিবর্তিত হয়ে 'By whom' হয় এবং এটি প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় সাহায্যকারী verb 'were' subject 'you' এর পূর্বে বসেছে।
বাক্যটিতে দুটি object থাকায় যেকোনো একটিকে subject করা যায় এবং অপর object টি অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
B) B) By whom you were taught French? — এখানে subject এর পূর্বে সাহায্যকারী verb বসেনি যা প্রশ্নবোধক গঠনের নিয়ম লঙ্ঘন করে।
C) C) By whom French was taught you? — এখানে verb এর পর object বসানোর গঠনে ভুল রয়েছে এবং প্রশ্নবোধক বাক্য গঠন হয়নি।
D) D) French was taught you by whom? — এটি assertive বাক্যের গঠন এবং প্রশ্নবোধক নিয়ম অনুযায়ী 'By whom' বাক্যের শুরুতে বসা উচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
Whoযুক্ত active voice কে passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb subject এর আগে বসবে।
সঠিক উত্তর: C) One of my sisters is a nurse.
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে 'One of' এর পরে সবসময় plural noun বসে।
তাই 'sister' না হয়ে 'sisters' সঠিক হয়েছে।
এখানে মূল Subject হলো 'One', যা singular।
তাই verb হিসেবে 'are' এর বদলে singular verb 'is' বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One of my sisters are a nurse — এখানে subject 'One' singular হওয়া সত্ত্বেও verb 'are' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
B) One of my sister is a nurse — এখানে 'One of' এর পরে noun টিকে singular অর্থাৎ 'sister' রাখা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী plural হওয়ার কথা ছিল।
D) One of my sister are a nurse — এখানে noun singular এবং verb plural উভয় ভুল একসাথে করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে 'One of' থাকলে noun হবে plural কিন্তু verb হবে singular।
সঠিক উত্তর: D) would
কেন সঠিক:
বাকটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা অবাস্তব কল্পনা প্রকাশ করছে।
তাই ইফ ক্লাজে পাস্ট টেন্স থাকলে প্রধান ক্লাজে উড বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) may — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে পাস্ট সাবজাংক্টিভ রূপ প্রয়োজন।
B) will — এটি প্রথম কন্ডিশনালে ভবিষ্যতের নিশ্চিত ঘটনা বোঝাতে বসে যা অবাস্তব কল্পনার সাথে মেলে না।
C) shall — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল প্রকাশ করে যা এই ধরনের কাল্পনিক বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ ক্লাজে ওয়ার থাকলে প্রধান ক্লাজে উড এবং ভার্বের বেজ ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: D) Draft
কেন সঠিক:
‘Draw up’ একটিPhrasal verb যার অর্থ কোনো কিছু লিখিতভাবে প্রস্তুত করা বা খসড়া তৈরি করা।
ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা দলিল লেখার ক্ষেত্রে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়।
এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো ড্রাফট বা খসড়া তৈরি করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Interpret — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো কোনো কিছুর ব্যাখ্যা করা বা অর্থ উদ্ধার করা।
B) Finish — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো কোনো কাজ সমাপ্ত করা বা শেষ করা।
C) Final — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি বিশেষণ যা চূড়ান্ত বা শেষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
আইনি দলিল বা চিঠি লেখার সময় আমরা খসড়া বা ড্রাফট তৈরি করি, তাই ড্র শব্দটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন Draw up মানে খসড়া তৈরি করা।
সঠিক উত্তর: C) ১.২৫
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করা হলো ৫০%
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১ একক
আদি ক্ষেত্রফল = ১ × ১ = ১ বর্গ একক
অতএব,
বাহুর দৈর্ঘ্য ৫০% বৃদ্ধিতে নতুন দৈর্ঘ্য = ১ + (১ এর ৫০%) = ১ + ০.৫ = ১.৫ একক
নতুন ক্ষেত্রফল = ১.৫ × ১.৫ = ২.২৫ বর্গ একক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ২.২৫ − ১ = ১.২৫ বর্গ একক
উত্তর: ১.২৫
সঠিক উত্তর: C) √৩
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে সমীকরণ x^৪ − x^২ + ১ = ০
এখান থেকে পাই x^৪ + ১ = x^২
ধরি,
উভয় পক্ষকে x^২ দিয়ে ভাগ করি
তাহলে পাই x^২ + (১ ÷ x^২) = ১
এখন বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করি
অতএব,
(x + ১ ÷ x)^২ − ২ = ১
(x + ১ ÷ x)^২ = ১ + ২
সুতরাং,
(x + ১ ÷ x)^২ = ৩
উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই (x + ১ ÷ x) = √৩
উত্তর: √৩
সঠিক উত্তর: B) ২৮
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন লোক কাজের অর্ধেক করে ৭ দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১
কাজের অর্ধেক = ১ ÷ ২ = অংশ
অতএব,
১০ জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারে = ৭ × ২ = ১৪ দিনে
সুতরাং,
১ জন লোক ঐ কাজটি করতে পারে = ১৪ × ১০ = ১৪০ দিনে
উত্তর: ৫ জন লোক ঐ কাজটি করতে পারে = ১৪০ ÷ ৫ = ২৮ দিনে
সঠিক উত্তর: A) ১৩২০
প্রদত্ত তথ্য:
৩ টি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ৩৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২
অতএব,
x + (x + ১) + (x + ২) = ৩৩
৩x + ৩ = ৩৩
সুতরাং,
৩x = ৩০
x = ১০
উত্তর: ১০ × ১১ × ১২ = ১৩২০
সঠিক উত্তর: A) ২০০
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ২৫০০ বর্গমিটার
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
ক এর উপর বর্গ = ২৫০০
ক = √২৫০০
সুতরাং,
ক = ৫০ মিটার
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ৫০ মিটার
উত্তর: ২০০ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৭
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার পক্ষে এই ঘোষণা দেন।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর এই ঐতিহাসিক বেলফোর ঘোষণা প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩৯ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং বেলফোর ঘোষণার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) ১৯১৭ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ব্রিটিশ সরকারের ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির সাল।
C) ১৯৪৮ — এই সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু বেলফোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল এর অনেক আগে।
D) ১৯১৮ — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়, যা বেলফোর ঘোষণার পরের বছর।
মনে রাখার টিপস:
বেলফোর ঘোষণার সাল মনে রাখতে ১৯১৭ সালের শেষ অঙ্ক দুটি (১৭) মনে রাখতে পারেন, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষের কাছাকাছি সময়।
সঠিক উত্তর: D) ১৮২৯
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং ৪ ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে ১৭ নম্বর রেগুলেশন জারি করে সতীদাহ প্রথা বাতিল করেন।
- রাজা রামমোহন রায় এই অমানবিক প্রথা বন্ধের আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮১৯ — এই সালে সতীদাহ প্রথা বাতিল করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৮০৯ — এই সালে সতীদাহ প্রথা রহিত হয়নি, এটি ভুল অপশন।
C) ১৮৪৯ — এই সালের সঙ্গে সতীদাহ প্রথা রহিতের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
D) ১৮২৯ — এই সালেই আইনগতভাবে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সতীদাহ প্রথা বন্ধ হয় ১৮২৯ সালে, যা মনে রাখতে রাজা রামমোহন রায় ও লর্ড বেন্টিংয়ের নাম এবং ১৭ নম্বর আইনের কথা মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) লোহাগড়া, চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ওপর হাতি চলাচলের নিরাপদ পথ নিশ্চিত করার জন্য দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস নির্মাণ করা হয়েছে।
- বন্যহাতির নিয়মিত চলাচলের পথ বা করিডোর রক্ষা করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনায় হাতির প্রাণহানি রোধ করতে এই ওভারপাস তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোহাগড়া, চট্টগ্রাম — এটি দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাসের সঠিক অবস্থান এবং এটি সঠিক উত্তর।
B) কাপ্তাই, রাঙামাটি — এটি পাহাড়ি এলাকা ও পর্যটন কেন্দ্র হলেও এখানে দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস অবস্থিত নয়।
C) লাংলোকল, বান্দরবান — এটি সীমান্ত এলাকার একটি স্থান হলেও এলিফ্যান্ট ওভারপাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) উখিয়া, কক্সবাজার — এটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পর্যটনের জন্য পরিচিত হলেও এখানে এলিফ্যান্ট ওভারপাস নেই।
মনে রাখার টিপস:
হাতির চলাচলের রাস্তা বা করিডোর নিরাপদ রাখতে চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়ায় দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস তৈরি করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) পাবনা
কেন সঠিক:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র যা রাশিয়া ও ভারতের সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিরাজগঞ্জ — এটি যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি জেলা যেখানে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প অবস্থিত নয়।
B) কুষ্টিয়া — এটি পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত একটি জেলা হলেও রূপপুর প্রকল্প এর ভূখণ্ডের মধ্যে পড়ে না।
C) নাটোর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা যা রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের ভৌগোলিক অবস্থানের বাইরে অবস্থিত।
D) পাবনা — এটি সেই নির্দিষ্ট জেলা যেখানে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা পাড়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ইরান
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকাল থেকেই বর্তমান ইরান দেশটি পারস্য সাম্রাজ্য ও পারস্য সভ্যতা হিসেবে পরিচিত ছিল।
- ১৯৩৫ সালে দেশটির তৎকালীন শাসক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্যের পরিবর্তে ইরান নামটি ব্যবহারের অনুরোধ জানান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়েমেন — এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক দেশ, যা প্রাচীন পারস্যের অংশ ছিল না।
B) ইরাক — এটি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার ভূমি এবং পারস্য সাম্রাজ্যের প্রতিবেশী অঞ্চল ছিল, কিন্তু নিজে পারস্য নামে পরিচিত ছিল না।
C) ইরান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রাচীন দেশ এবং ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত, যা পারস্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
পারস্য ও ইরান একই দেশ বোঝায়, যেখানে ১৯৩৫ সালে নামটি পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ময়মনসিংহ
কেন সঠিক:
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের স্মৃতি সংরක්ෂಣের জন্য ১৯৭৫ সালে ময়মনসিংহ শহরে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে এই সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এখানে শিল্পীর বিখ্যাত চিত্রকর্ম ও ব্যক্তিগত ব্যবহার্য বিভিন্ন দুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালাটি এখানেই অবস্থিত।
B) ঢাকা — এখানে জয়নুল আবেদিনের নামে কোনো সংগ্রহশালা নেই, যদিও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও চারুকলা ইনস্টিটিউট ঢাকায় অবস্থিত।
C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে জয়নুল আবেদিনের সংগ্রহশালা নেই, এটি মূলত ময়মনসিংহের একটি বিখ্যাত সাংস্কৃতিক স্থাপন।
D) নড়াইল — নড়াইল এসএম সুলতানের জন্মস্থান এবং সেখানে সুলতান সংগ্রহশালা আছে, জয়নুল আবেদিনের সংগ্রহশালা নেই।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পী জয়নুল আবেদিনের জন্ম ময়মনসিংহের কেন্দুয়ার কদমফুলিয়া গ্রামে, তাই তাঁর নামে সংগ্রহশালাটিও ময়মনসিংহেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) সৌদআরব
কেন সঠিক:
- সৌদি আরবের ভূখণ্ডে কোনো স্থায়ী বা প্রাকৃতিক নদী নেই, যা এটিকে বিশ্বের বৃহত্তম নদীবিহীন দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে।
- চরম শুষ্ক জলবায়ু এবং মরুভূমি অঞ্চলের কারণে এখানে কোনো স্থায়ী নদী প্রবাহ গড়ে ওঠেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিরিয়া — এর ওপর দিয়ে ইউফ্রেটিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ নদী প্রবাহিত হয়েছে, তাই এটি নদীবিহীন দেশ নয়।
B) মিশর — নীল নদ মিশরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এটি মিশরের সভ্যতা ও জীবনযাত্রার প্রধান ভিত্তি।
C) সৌদআরব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ইরাক — টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় এই দেশ অবস্থিত, তাই এটি নদীহীন দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিপ্রধান দেশ সৌদি আরব হলো সেই দেশ, যার সমগ্র ভূখণ্ডে কোনো নদী নেই।
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- রাশিয়ার মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এগারো শতাংশ।
- এটি একই সঙ্গে এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে এর আয়তন সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ এবং এর আয়তন রাশিয়ার চেয়ে কম।
বিভাগ: সাধারণ জ্ঞান ও ভূগোল
B) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
বিভাগ: সাধারণ জ্ঞান ও ভূগোল
C) যুক্তরাষ্ট্র — আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের তৃতীয় বা চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং রাশিয়ার তুলনায় অনেক ছোট।
বিভাগ: সাধারণ জ্ঞান ও ভূগোল
D) চীন — এশিয়ার বৃহত্তম দেশ হলেও আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ।
বিভাগ: সাধারণ জ্ঞান ও ভূগোল
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বড় দেশগুলোর ক্রম মনে রাখতে 'রকউচ' শব্দটি ব্যবহার করতে পারো, যেখানে 'র' দিয়ে রাশিয়া বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: D) 1988
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ শুরু করে।
- প্রথম থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বিশ্বশান্তি রক্ষায় অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1979 — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ শুরু করেনি, এটি ভুল সাল।
B) 1982 — এই সালটি বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা বাহিনীর কার্যক্রম শুরুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) 1985 — এই সালে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠানো শুরু করেনি।
D) 1988 — এটি সঠিক সাল, কারণ এই বছর থেকে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ শুরু করে।
মনে রাখার টিপস:
আশির দশকের শেষ বছর অর্থাৎ ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে যাত্রা শুরু করে।
সঠিক উত্তর: A) ৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর ১ অনুযায়ী সংবিধানের মূলনীতি মোট চারটি।
- এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা ঠিক চারটি।
B) ৭ — এই অপশনটি ভুল কারণ ৭টি কোনো মূলনীতি বা মৌলিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
C) ৫ — এই অপশনটি ভুল কারণ সংবিধানে ৫টি মূলনীতি নেই।
D) ৬ — এই অপশনটি ভুল কারণ সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা ৬টি নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের মূলনীতি মনে রাখার সহজ শব্দ হলো নাসাগাদ (না=জাতীয়তাবাদ, সা=সমাজতন্ত্র, গা=গণতন্ত্র, ধ=ধর্মনিরপেক্ষতা)।
সঠিক উত্তর: C) UGC
কেন সঠিক:
- UGC-এর পূর্ণরূপ হলো University Grants Commission বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, যা বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণকারী সর্বোচ্চ সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে দেশের উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণের জন্য এই স্বাধীন প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) UCG — এটি সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয়, বরং বর্ণগুলোর ভুল বিন্যাস।
B) CGU — এই নামের কোনো সরকারি শিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে নেই।
C) UGC — এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঠিক ও স্বীকৃত সংক্ষিপ্ত রূপ।
D) CUG — এটি সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয় এবং এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
University Grants Commission-এর প্রথম অক্ষরগুলো সাজালে UGC হয়, যার মাঝের অক্ষরটি হলো G এবং দুই পাশে থাকে U ও C।
সঠিক উত্তর: C) মালদ্বীপ
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ।
- এর মোট আয়তন প্রায় তিনশত বর্গকিলোমিটার এবং এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুটান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট দেশ হলেও মালদ্বীপের তুলনায় আয়তনে অনেক বড়।
B) ব্রুনাই — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ছোট ও তেলসমৃদ্ধ দেশ, তবে মালদ্বীপের চেয়ে এর আয়তন বেশি।
C) মালদ্বীপ — এটি নিজেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা প্রযোজ্য নয়।
D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং মালদ্বীপের তুলনায় এর ভূখণ্ড ও আয়তন বেশ বড়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মালদ্বীপ কথাটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) শায়েস্তা খান
কেন সঠিক:
- সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই কেল্লার নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- ঐতিহাসিক এই দুর্গটির আদি নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ, যা পরবর্তীতে লালবাগ কেল্লা নামে পরিচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খান — তিনি ১৬১০ সালে ঢাকাকে প্রথম বাংলার রাজধানী স্থাপন করেছিলেন, লালবাগ কেল্লা নির্মাণ করেননি।
B) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবাদার ছিলেন, তবে লালবাগ কেল্লা নির্মাণের সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই।
C) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) টিপু সুলতান — তিনি মাইসোরের শাসক ছিলেন, ঢাকার লালবাগ কেল্লার সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
লালবাগ কেল্লার সাথে 'শায়েস্তা খান' ও 'শহীদ বেদীর' স্মৃতি জড়িত, তাই মনে রাখুন শায়েস্তা খানের আমলেই কেল্লার ভেতরে বিখ্যাত পরী বিবীর মাজার নির্মিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৫৭
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ আমলে সিপাহী বিদ্রোহের বছর অর্থাৎ ১৮৫৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা বা পেপার কারেন্সি চালু করা হয়।
- তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কাগজের নোট চালুর মাধ্যমে মুদ্রা ব্যবস্থায় আধুনিকীকরণ শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৯০ — এই সালের সঙ্গে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালুর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
B) ১৮৫৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু হয়।
C) ১৮৫৫ — এই সালে কাগজের মুদ্রা চালু হয়নি, এটি ভুল সাল।
D) ১৮৪৫ — এই সালটি মুদ্রা চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিপাহী বিদ্রোহের বছর অর্থাৎ ১৮৫৭ সালে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের নোট বা মুদ্রা চালু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল এবং ১৯৫৭ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ব্রিটিশ প্রভাব বিস্তারের অংশ হিসেবে মালয় উপদ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চল ব্রিটিশ শাসনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্তুগাল — পর্তুগাল মালয়েশিয়ার মালাক্কা দখল করেছিল ষোড়শ শতাব্দীতে বাণিজ্যক উদ্দেশ্যে, কিন্তু সমগ্র মালয়েশিয়া তাদের উপনিবেশ ছিল না।
B) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ পুরো মালয়েশিয়া ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল।
C) স্পেন — স্পেন প্রধানত ফিলিপাইন শাসন করেছে, মালয়েশিয়ার উপনিবেশ স্থাপনের সঙ্গে তাদের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ ছিল না।
D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবে মালয়েশিয়ায় শাসন প্রতিষ্ঠা করেনি।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিটিশরা ক্রিকেট খেলে এবং একসময় পুরো মালয়েশিয়া তাদের উপনিবেশ ছিল, তাই মালয়েশিয়া মানেই যুক্তরাজ্য।
সঠিক উত্তর: B) ইকুয়েডর
কেন সঠিক:
- এই দেশটির ওপর দিয়ে বিষুবরেখা অতিক্রম করেছে, যাকে স্পেনীয় ভাষায় ইকুয়েডর বলা হয়।
- ভৌগোলিক এই রেখার নামানুসারেই দেশটির নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং এর নামকরণের ইতিহাস ভিন্ন উৎস থেকে এসেছে।
B) ইকুয়েডর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ইয়েমেন — এটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত একটি দেশ এবং এর নাম ভৌগোলিক রেখার ওপর ভিত্তি করে রাখা হয়নি।
D) কোনটিই না — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইকুয়েডর শব্দটির অর্থ বিষুবরেখা, তাই বিষুবরেখার নামানুসারেই দেশটি ইকুয়েডর নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) লর্ড মাউন্টব্যাটন
কেন সঠিক:
- তিনি ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ভারতের শাসনাবসান হলে তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লর্ড মাউন্টব্যাটন — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
B) লর্ড বেন্টিংক — তিনি ১৮৩৩ থেকে ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন, শেষ ভাইসরয় নন।
C) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করার জন্য পরিচিত এবং তিনি ১৮৯৯ থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত ভাইসরয় ছিলেন।
D) লর্ড ওয়াভেল — তিনি লর্ড মাউন্টভাটনের ঠিক আগের ভাইসরয় ছিলেন এবং ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের শেষ ভাইসরয় হিসেবে মাউন্টব্যাটনের হাত ধরেই ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হয়।
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- অস্ট্রেলিয়ায় আইন অনুযায়ী ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী সকল যোগ্য নাগরিকের জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করা বাধ্যতামূলক।
- নির্বাচনে ভোট না দিলে উপযুক্ত কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে বা জরিমানা প্রদান করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভোটদান আইনত বাধ্যতামূলক।
B) নিউজিল্যান্ড — এখানকার নাগরিকদের ভোটদান বাধ্যতামূলক নয়, এটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক।
C) ইংল্যান্ড — যুক্তরাজ্যে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, নাগরিকরা ইচ্ছা করলে ভোটদান থেকে বিরত থাকতে পারেন।
D) সুইডেন — সুইডেনের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটাধিকার বাধ্যতামূলক নয়, নাগরিকের ব্যক্তিগত ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার ক্যাঙ্গারু যেমন লাফিয়ে চলে, তেমনি সেখানকার নাগরিকরাও আইন মেনে বাধ্যতামূলকভাবে ভোটকেন্দ্রে ছুটে চলে।
সঠিক উত্তর: C) প্যারিস
কেন সঠিক:
- বাস্তিল দুর্গ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক দুর্গ ও কারাগার।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ই জুলাই ফরাসি বিপ্লবের সময় সাধারণ জনগণ এই দুর্গ আক্রমণ ও ধ্বংস করে, যা ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত শহর, যেখানে বাস্তিল দুর্গ অবস্থিত নয়।
B) মন্টিয়েগো — এটি জ্যামাইকার একটি শহর, যা এই ঐতিহাসিক দুর্গটির অবস্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।
C) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী, যা ফ্রান্সের প্যারিস শহরে অবস্থিত এই দুর্গটির জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফরাসি বিপ্লবের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র যা প্রায় ১৭ হাজারেরও বেশি ছোট-বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এই দ্বীপগুলোর মধ্যে সুমাত্রা, জাভা, ও বোর্নিও প্রধান এবং এটি বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপসমৃদ্ধ দেশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম দেশ হলেও এটি দ্বীপরাষ্ট্র নয়, বরং একটি মূল ভূখণ্ডের বিশাল রাষ্ট্র।
B) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও এর দ্বীপের সংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম।
C) জাপান — এটি প্রায় চার হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, তবে দ্বীপের সংখ্যায় ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে পিছিয়ে।
D) ইন্দোনেশিয়া — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ নিয়ে গঠিত রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
ইন্দোনেশিয়া মানেই হাজার হাজার দ্বীপের দেশ, তাই দ্বীপ বেশি হলে উত্তর ইন্দোনেশিয়া হবে।
সঠিক উত্তর: C) ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটান বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০০৪ সালে সম্পূর্ণভাবে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি এবং প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ করে।
- এই দক্ষিণ এশীয় দেশীয় আইনটি তাদের জাতীয় সুখ নীতি এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার অংশ হিসেবে কঠোরভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও ধূমপানমুক্ত দেশের তালিকায় প্রথম নয়।
B) জাপান — এটি একটি উন্নত দেশ হলেও এখানে নির্দিষ্ট স্থানে ধূমপান করার নিয়ম রয়েছে, সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়।
C) ভুটান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় ধূমপানমুক্ত দেশের তালিকায় প্রথম হিসেবে গণ্য।
D) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এখানে ধূমপানের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা নেই।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ে ঘেরা শান্ত দেশ ভুটান তামাকমুক্ত হয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড়েই অবস্থিত।
- প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন এই নগরীটি করতোয়া নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল এবং পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রাচীন পুণ্ড্রনগর অবস্থিত।
B) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত এবং এটি পাল রাজবংশের নির্মিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত।
C) সোনারগাঁও — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন বাংলার মুসলিম শাসকদের রাজধানী ও বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান।
D) বিক্রমপুর — এটি বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন সেন ও চন্দ্র রাজবংশের রাজধানী ছিল।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রনগরের আদি নাম মনে রাখতে 'পু' দিয়ে পুণ্ড্র এবং 'ম' দিয়ে মহাস্থানগড় এভাবে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ইউরিয়া
কেন সঠিক:
- যমুনা সার কারখানা একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান যেখানে মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
- এই কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ যমুনা সার কারখানায় প্রধানত ইউরিয়া সারই উৎপাদিত হয়।
B) টি এস পি — এটি এক ধরণের ফসফরাসযুক্ত রাসায়নিক সার যা যমুনা সার কারখানায় উৎপাদিত হয় না।
C) এম পি — এটি পটাসিয়াম বা পটাশ সার, যা এই কারখানার উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) কম্পোস — এটি জৈব সার, যা কারখানায় উৎপাদিত রাসায়নিক ইউরিয়া সার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
যমুনা মানেই ইউরিয়া, কারণ এই কারখানাটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) 1990
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভক্ত হওয়া পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি ৩ অক্টোবর ১৯৯০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়।
- ঐতিহাসিক বার্লিন প্রাচীর পতনের পর জার্মানির reunification বা একত্রীকরণ সম্পন্ন হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1985 — এই সালে Mikhail Gorbachev সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতায় আসেন, যা জার্মানির একত্রীকরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) 1991 — এই সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায়, যা জার্মানি একত্র হওয়ার পরের ঘটনা।
C) 1992 — এই সালটি মাস্ট্রিচ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য পরিচিত, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) 1990 — এই সালে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের দশকে বিশ্বরাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসে, যার শুরুতেই ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি একত্রিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- যুক্তরাজ্যের জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়ন জ্যাক নামে পরিচিত, যা ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের ক্রুশ বা পতাকার সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি ১৭০৭ সালে গ্রেট ব্রিটেন এবং পরবর্তীতে ১৮০১ সালে যুক্তরাজ্য গঠনের পর বর্তমান রূপ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — ইতালির জাতীয় পতাকাকে তেরঙ্গা বলা হয়, যার রঙ সবুজ, সাদা ও লাল।
B) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল নেই।
C) ফ্রান্স — ফ্রান্সের জাতীয় পতাকাকে ত্রিবর্ণ বা ট্রিকালার বলা হয়, যা নীল, সাদা ও লাল উল্লম্ব রেখায় গঠিত।
D) কানাডা — কানাডার জাতীয় পতাকাকে ম্যাপল লিফ বলা হয়, যার মাঝখানে একটি লাল ম্যাপল পাতা রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের রাজকীয় পতাকা বোঝাতে ইউনিয়ন জ্যাক কথাটি মনে রাখবে, যার সাথে অন্যান্য দেশের পতাকার নকশার মিল নেই।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)