বাংলাদেশ রেলওয়ে

বাংলাদেশ রেলওয়েতে গার্ড গ্রেড-২ পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: গার্ড (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
b লর্ড ডালহৌসি
c উইলিয়াম কেরি
d লর্ড ক্লাইভ
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উইলিয়াম কেরি ১. কেন সঠিক: - কেরি বাংলা গদ্যসাহিত্যের ভিত্তি স্থাপন এবং মুদ্রণযন্ত্রের উন্নয়নে যে অবদান রেখেছেন তার জন্য বাঙালি জাতি তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক হিসেবে তিনি বাংলা ভাষার পঠন-পাঠন ও প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উইলিয়াম কেরি ছিলেন একজন ব্রিটিশ মিশনারি, ভাষাবিদ ও পন্ডিত যিনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - তিনি ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান হন এবং বাংলা গদ্যের প্রথম যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কথোপকথন ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম কেরির লেখা একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিভিন্ন অঞ্চলের কথোপকথন স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: ইতিহাসমালা ব্যাখ্যা: উইলিয়াম কেরি রচিত এই গ্রন্থটি ১৮১২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা গল্পের একটি প্রাথমিক সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক — তিনি ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং সতীদাহ প্রথা রদের জন্য পরিচিত হলেও বাংলা ভাষার বিকাশে কেরির মতো সরাসরি ভূমিকা রাখেননি। B) লর্ড ডালহৌসি — তিনি স্বত্ববিলোপ নীতি এবং উপমহাদেশে রেলপথ চালুর জন্য বিখ্যাত হলেও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। D) লর্ড ক্লাইভ — তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেছিলেন, কিন্তু বাংলা ভাষা বা সংস্কৃতির উন্নয়নে তাঁর কোনো অবদান নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা ও গদ্যের উন্নয়নে যার নাম সবার আগে আসে এবং বাঙালি যার কাছে ঋণী, তিনি হলেন উইলিয়াম কেরি। শ্রীরামপুর মিশন ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ দেখলে উইলিয়াম কেরির নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের প্রথম পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম বাংলা অধ্যাপক ছিলেন উইলিয়াম কেরি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর রচিত গ্রন্থ এবং প্রকাশকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a মৌনতা
b মহীযসী
c নির্মিলীত
d শ্রদ্ধ্যাঞ্জলি
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৌনতা ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে মৌনতা শব্দটি নির্দেশ করা হয়েছে। এটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি শুদ্ধ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ। - মৌন শব্দের সঙ্গে ভাববাচক তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মৌনতা শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ নীরবতা বা বাকহীনতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ গঠনে বিশেষ্য বা বিশেষণের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য পদ তৈরি করা হয়। - মৌন একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ, যার সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক প্রমিত বানান ও রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চঞ্চলতা ব্যাখ্যা: চঞ্চল শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চঞ্চলতা ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মধুরতা ব্যাখ্যা: মধুর শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মধুরতা ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌনতা — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) মহীযসী — মহীয়ান শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ মহীযসী, যেখানে বানানটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়। C) নির্মিলীত — এটি একটি ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ নির্মীলিত বা নিমীলিত। D) শ্রদ্ধ্যাঞ্জলি — এটি একটি ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ শ্রদ্ধাঞ্জলি যেখানে জ্য ফলা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - তা প্রত্যয় যুক্ত শব্দ বানানোর সময় মূল শব্দের সঙ্গে তা সরাসরি যুক্ত হয় এবং বানানের ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ মনে রাখতে হবে। - ভুল বানান এড়াতে মূল শব্দ ও প্রত্যয়যুক্ত পদের গঠন ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় বানানের পরিবর্তনগুলো ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
a ৩৯টি
b ১১টি
c ১০টি
d ২৬টি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি ১. কেন সঠিক: বর্ণমালা বলতে মূলত স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কারচিহ্নগুলোকে বোঝায়। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ মোট ১১টি হলেও পূর্ণরূপ ছাড়া শব্দের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট চিহ্ন বা কার ব্যবহার করা হয় ১০টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয়। অ স্বরবর্ণের নিজস্ব কোনো কারচিহ্ন নেই কারণ এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে লুক্কায়িত থাকে এবং একে অকার বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক + আ = কা ব্যাখ্যা: এখানে আ স্বরবর্ণের কারচিহ্ন আকার যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: প + ই = পি ব্যাখ্যা: এখানে ই স্বরবর্ণের কারচিহ্ন হ্রস্বকার যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৯টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মোট সংখ্যার সাথে মিলে যায়, কারবর্ণের সংখ্যার সাথে নয়। B) ১১টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে, কারবর্ণের সংখ্যা নয়। D) ২৬টি — এই সংখ্যাটি ইংরেজি বর্ণমালার মোট অক্ষরের সংখ্যা, বাংলা ব্যাকরণের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরবর্ণ ১১টি হলেও অ-এর নিজস্ব কোনো কার নেই। তাই ১১ থেকে ১ বিয়োগ করলে কারবর্ণের সংখ্যা ১০টি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। কারবর্ণ কেবল স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
a শমসের-তরবারি
b দন্ত-হাতে
c পিরান-জামা
d তখনি-তজা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তখনি-তজা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুচ্ছটি সমার্থক শব্দের জোড়া হিসেবে সঠিক নয়। - তজা শব্দটি বাংলা অভিধানসম্মত বা প্রমিত কোনো শব্দ নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। - একই অর্থের ভিন্ন ভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলা হয়, যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শমসের ও তরবারি ব্যাখ্যা: শমসের এবং তরবারি উভয়ই একই অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং দুটিই খাঁটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দন্ত ও হাত ব্যাখ্যা: দন্ত শব্দের অর্থ দাঁত এবং হাত শব্দের অর্থ কর বা হস্ত, যা সমার্থক হিসেবে জোড়া গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শমসের-তরবারি — এটি সঠিক সমার্থক শব্দের জোড়া কারণ শমসের ও তরবারি একই অর্থ প্রকাশ করে। B) দন্ত-হাতে — এটি সঠিক কারণ দন্ত এবং হাত সমার্থক বা জোড় শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) পিরান-জামা — এটি সঠিক কারণ পিরান এবং জামা একই পোশাকের সমার্থক শব্দ। D) তখনি-তজা — এটি ভুল কারণ তজা কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রমিত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের প্রচলিত অর্থ এবং বানান ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - অপ্রচলিত বা বানোয়াট শব্দ দেখলে তা বর্জন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সমার্থক শব্দের সঠিক জোড়া বা বেমানান শব্দ চিহ্নিত করতে বলা হয়। - প্রমিত বানান এবং সঠিক শব্দচয়ন সম্পর্কে ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a নিমরাজি
b উপশহর
c প্রভাত
d অপমান
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিমরাজি ১. কেন সঠিক: - নিমরাজি শব্দটিতে নিম উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে, যা একটি ফারসি বা বিদেশি উপসর্গ। - ফারসি ভাষার উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দের মাধ্যমে সাধারণত বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেইসব অব্যয় শব্দ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন বাংলা, তৎসম ও বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমরাজি ব্যাখ্যা: এখানে রাজি শব্দের পূর্বে ফারসি নিম উপসর্গ যুক্ত হয়ে আংশিক রাজি বা কম রাজি অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: বদনাম ব্যাখ্যা: এখানে নাম শব্দের পূর্বে বদ উপসর্গ যুক্ত হয়ে খারাপ নাম বা দুর্নাম অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিমরাজি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি উপসর্গ আছে। B) উপশহর — এটি ভুল কারণ এতে উপ একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। C) প্রভাত — এটি ভুল কারণ এতে প্র একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। D) অপমান — এটি ভুল কারণ এতে অপ একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখতে আম, খাস, লা, বে, কম, নিম ইত্যাদি শব্দগুলো চর্চা করবে। - সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে বিদেশি উপসর্গ সহজেই আলাদা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ চিহ্নিত করার প্রশ্ন আসে, তাই শব্দ গঠনের মূল অংশ চেনা জরুরি। - তৎসম ও বিদেশি উপসাগরীয় শব্দের পার্থক্য পরিষ্কার রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ব্যবসা
b কৃষি
c শিল্প
d রাজনীতি
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি কেন সঠিক: ১. খনার বচন মূলত আবহাওয়া, জলবায়ু এবং কৃষিকাজের দিকনির্দেশনা নিয়ে গঠিত প্রাচীন প্রবাদ। ২. প্রাচীন বাংলায় কৃষকদের সঠিক সময়ে ফসল ফলানোর জন্য এই বচনগুলো অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য নির্দেশিকা ছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও সমৃদ্ধ একটি ধারা হলো খনার বচন। ২. এতে কৃষিকাজ, বীজ বপন এবং ফসল কাটার উপযুক্ত সময়ের নিখুঁত বর্ণনা পাওয়া যায়। ৩. যেমন, ধান চাষের ক্ষেত্রে বলা হয় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেখে বীজ তলা তৈরি করার নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যবসা — খনার বচনে বাণিজ্যিক লেনদেন বা মুনাফা অর্জনের কোনো বাণিজ্যিক নির্দেশিকা নেই। B) কৃষি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বচনগুলোর মূল বিষয়বস্তু হলো কৃষিকাজ ও চাষাবাদ। C) শিল্প — প্রাচীন যুগে শিল্পকারখানা বা উৎপাদনশিল্প নিয়ে খনার বচনে কোনো আলোচনা করা হয়নি। D) রাজনীতি — রাজদরবার বা শাসনব্যবস্থা সংক্রান্ত কোনো রাজনৈতিক উপদেশ খনার বচনে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: ১. খনা নামটির সাথে কৃষিকাজ ও গ্রামবাংলার প্রকৃতির গভীর সম্পর্ক মনে রাখবে। ২. আবহাওয়া ও কৃষির কথা থাকলেই সেটি খনার বচন হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a বঙ্গভূমির প্রতি
b দুই বিঘা জমি
c পাছে লোকে কিছু বলে
d প্রার্থনা
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গভূমির প্রতি ১. কেন সঠিক: - এই পঙ্ক্তিটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - কবির দেশপ্রেম ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ এই পঙ্ক্তির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী ও সার্থক কবি। - 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতাটি তাঁর 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অপর একটি বিখ্যাত সনেট যেখানে তাঁর স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ব্রজাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য পদাবলিধর্মী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভূমির প্রতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতাতেই আলোচ্য পঙ্ক্তিটি রয়েছে। B) দুই বিঘা জমি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা যার মূল বিষয়বস্তু ছিল উপেন নামক এক দরিদ্র কৃষকের জমি হারানো। C) পাছে লোকে কিছু বলে — এটি কামিনী রায়ের লেখা একটি জনপ্রিয় নৈতিক ও সামাজিক শিক্ষা মূলক কবিতা। D) প্রার্থনা — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বা অন্য কোনো কবির সাধারণ প্রার্থনা বিষয়ক কবিতা, আলোচ্য পঙ্ক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো যে মধুসূদন দত্ত বিদেশের মাটিতে বসে বাংলার কাছে ক্ষমা ও স্মরণ করার মিনতি জানিয়েছিলেন 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায়। - দাসেরে মনে কথাটি কেবল মাইকেল মধুসূদন দত্তের কবিতায় তাঁর বিনীত আত্মপ্রকাশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক এবং তাঁর সনেটগুলো পেট্রারকীয় রীতিতে লেখা। - এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই কবিতার নাম ও কবির নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a ২৪ অনুচ্ছেদ
b ২৭ অনুচ্ছেদ
c ২৮ অনুচ্ছেদ
d ৩৩ অনুচ্ছেদ
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৮ অনুচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র জীবন ও রাষ্ট্রের সব স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবে বলে নিশ্চয়তা প্রদান করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত অধীনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহের গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে যার মধ্যে নারী ও পুরুষের সমতা অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২৮ অনুচ্ছেদের ১ উপধারা অনুযায়ী ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী বা পুরুষের ভেদাভেদে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য করবে না। ব্যাখ্যা: এই উপধারাটি নাগরিকদের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: ২৮ অনুচ্ছেদের ২ উপধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী ও পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবে। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি নারী ও পুরুষের সমান সুযোগ এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার মূল সাংবিধানিক ভিত্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ অনুচ্ছেদ — এটি জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন স্মারক নিদর্শন, বস্তু, অবশেষ প্রভৃতির সুরক্ষা ও সংরক্ষণের সাথে সম্পর্কিত, নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের সাথে নয়। B) ২৭ অনুচ্ছেদ — এটি সব নাগরিকের আইনের চোখে সমতা নিশ্চিত করে, যা নারী বা পুরুষের নির্দিষ্ট অধিকারের চেয়ে সামগ্রিক আইনের সমতা বোঝায়। D) ৩৩ অনুচ্ছেদ — এটি গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ সম্পর্কিত বিধান, যা নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ২৮ সংখ্যাটি মনে রাখুন নারী পুরুষের সমান অধিকারের ক্ষেত্রে। আট সংখ্যাটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন অধিকারের সমতা অর্জনের আটপৌরে লড়াই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের তৃতীয় ভাগের মৌলিক অধিকারগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সংবিধানের ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদের মধ্যে মৌলিক অধিকারগুলো বর্ণিত আছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b অতুলপ্রসাদ সেন
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d রূপলাল সেন
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অতুলপ্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো অতুলপ্রসাদ সেন কারণ প্রখ্যাত এই গানটির রচয়িতা তিনিই। - মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা চরণটি বাংলা ভাষা নিয়ে লেখা অন্যতম সেরা একটি দেশাত্মবোধক গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অতুলপ্রসাদ সেন ছিলেন বাঙালি সুরকার গীতিকার ও আইনজীবী। - বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে তিনি এই অমর গানটি রচনা করেছিলেন যা আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম তোমায় ভালোবাসি ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে লেখা একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা ব্যাখ্যা: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা এই গানটিও আমাদের জাতীয় চেতনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও এই গানটি তার লেখা নয়। B) অতুলপ্রসাদ সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও গানটির রচয়িতা নন। D) রূপলাল সেন — ইনি বাংলা সাহিত্যের কোনো প্রখ্যাত গীতিকার বা এই গানের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা নিয়ে অতুলনীয় গান লিখেছিলেন অতুলপ্রসাদ সেন। - নামের শুরুর অক্ষর মিলিয়ে সহজে মনে রাখতে পারো অতুলপ্রসাদ মানেই আ মরি বাংলা ভাষা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের অন্যান্য বিখ্যাত গানগুলোর তালিকা ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
b মাছবাজার
c আইন - শৃঙ্খলাহীন অরাজকতা অবস্থা
d মাছ ধরার ফাঁদ
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আইন - শৃঙ্খলাহীন অরাজকতা অবস্থা ১. কেন সঠিক: - মাৎস্যন্যায় বলতে প্রাচীন বাংলার সেই অরাজকতা ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির সময়কে বোঝায়, যখন শক্তিশালীরা দুর্বলদের ওপর অত্যাচার করত। - বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে গিলে খায়, ঠিক তেমনি সমাজে বলবান ব্যক্তিরা দুর্বলদের গ্রাস করত বলেই এই পরিস্থিতির নাম দেওয়া হয়েছে মাৎস্যন্যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ইতিহাস ও রাজনৈতিক পটভূমির সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত একটি ঐতিহাসিক পরিভাষা। - শশাঙ্কের মৃত্যুর পর সপ্তম শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে অষ্টম শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত আনুমানিক একশ বছর বাংলায় কোনো কেন্দ্রীয় শক্তিশালী রাজা ছিল না এবং সর্বত্র অরাজকতা বিরাজ করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সপ্তম শতাব্দীর মধ্যভাগে বাংলার পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল ক্ষমতায় আসার আগের পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ মাৎস্যন্যায়ের মতো। ব্যাখ্যা: এই সময়ে দেশজুড়ে কোনো রাজা বা আইন না থাকায় সাধারণ মানুষের জীবন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে কেটেছিল। উদাহরণ ২: মহাভারতের শান্তিপর্বে সমাজে মাৎস্যন্যায়ের অবস্থার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: সেখানে বলা হয়েছে যে রাক্ষুসে বা মাছের মতো নীতি যেখানে বলবান দুর্বলকে খায়, সেটাই মাৎস্যন্যায় অবস্থা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা — এই অপশনটি ভুল কারণ মাৎস্যন্যায় কোনো বিচারব্যবস্থা নয় বরং বিচারহীনতা ও চরম অরাজকতার প্রতীক। B) মাছবাজার — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি আক্ষরিক অর্থে মাছ বিক্রির বাজারকে বোঝায় না, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক রূপক। D) মাছ ধরার ফাঁদ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কৌশল বা মৎস্য শিকারের সরঞ্জাম নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, তেমনি সমাজে শক্তিশালী মানুষ যখন দুর্বলদের শোষণ করে এবং কোনো আইন থাকে না, তাকেই মাৎস্যন্যায় বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে যে মাৎস্যন্যায় কোন যুগে দেখা গিয়েছিল, যার উত্তর হবে প্রাচীন যুগে পাল বংশের প্রতিষ্ঠার আগে। - এই একশ বছরের অরাজকতার অবসান ঘটিয়ে প্রজারা মিলে গোপালকে রাজা নির্বাচিত করেছিল এবং পাল রাজবংশের সূচনা ঘটেছিল।
a সস্তা বন্ধু
b ক্ষুব্ধ হওয়া
c সুযোগ সন্ধান করা
d যোগ্যতা ছাড়াই অহংকার দেখানো
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ঘ) যোগ্যতা ছাড়াই অহংকার দেখানো কেন সঠিক: - প্রবাদটির শব্দার্থ অনুযায়ী যেখানে ছোট ঘটি ডোবার কথা নয়, সেখানে বিশাল তালপুকুরের কথা বলা হয়েছে যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ। - যার নিজের কোনো বিশেষ যোগ্যতা বা সামর্থ্য নেই, সে যখন বড়াই বা অহংকার করে, তখন এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা প্রবচন যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রবাদটি সমাজের এক শ্রেণির মানুষের ফাঁপা অহংকার ও অযোগ্যতাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। - যেমন, সামান্য জ্ঞান নিয়ে বড় পণ্ডিতের মতো কথা বলা বা নিজের ক্ষমতা না বুঝে বড়াই করার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) সস্তা বন্ধু — এই প্রবাদটি বিশ্বস্ততা বা বন্ধুত্বের সাথে সম্পর্কিত নয়। - খ) ক্ষুব্ধ হওয়া — প্রবাদটি রাগ বা ক্ষোভ প্রকাশ করার কোনো ভাবার্থ বহন করে না। - গ) সুযোগ সন্ধান করা — কোনো বিশেষ সুযোগ নেওয়ার অর্থ এই প্রবাদটি প্রকাশ করে না। - ঘ) যোগ্যতা ছাড়াই অহংকার দেখানো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - তালপুকুর হলো অনেক বড় পুকুর আর ঘটি হলো ছোট পাত্র, তাই ছোট জিনিসের বড়াই বোঝাতে এই প্রবাদটি মনে রাখতে হবে।
a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
c শাহ মুহাম্মদ সগর
d রামরাম বসু
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শেষ উল্লেখযোগ্য কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে ধরা হয়। তাঁর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটিকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শেষ সার্থক ও ধ্রুপদী সৃষ্টি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি এবং নদীয়া রাজসভার কবি। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি 'অন্নদামঙ্গল', 'বিদ্যাসুন্দর' এবং 'মানসিংহ' কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য যাতে তিন ভাগে ঈশ্বরী পাটুনির প্রার্থনা ও অন্নদার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিদ্যাসুন্দর পালা ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশ যা প্রেমের আখ্যান নিয়ে রচিত এবং বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি মধ্যযুগের কবি নন, বরং আধুনিক যুগের এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক। B) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — এটি সঠিক উত্তর। C) শাহ মুহাম্মদ সগর — ইনি মধ্যযুগের প্রারম্ভিক বা সুলতানি আমলের কবি যিনি 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্য রচনা করেন। D) রামরাম বসু — ইনি আধুনিক যুগের গদ্যসাহিত্যিক যিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ছিলেন এবং 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' লেখেন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শেষ সূর্য বলা হয় ভারতচন্দ্রকে। নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো ভারতচন্দ্র মানেই মধ্যযুগের শেষ বড় কবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের উপাধি ছিল 'গুণাকর'। তিনি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত পংক্তি হলো আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
a শ্রেণি বাচক
b সংখ্যা বাচক
c ভাব বাচক
d সমষ্টি বাচক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংখ্যা বাচক ১. কেন সঠিক: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার, যার মধ্যে 'সংখ্যা বাচক' নামের কোনো বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ ব্যাকরণে নেই। - বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগের মধ্যে নামবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক এবং গুণবাচক বিশেষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ অনুযায়ী যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি, সমষ্টি, গুণ বা ভাবের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদ মূলত ছয় ভাগে বিভক্ত এবং এর বাইরে অন্য কোনো নাম বিশেষ্যের প্রকার হিসেবে গণ্য হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ নাম বা জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ যা একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির নাম বোঝায়। উদাহরণ ২: সততা ব্যাখ্যা: এটি গুণের নাম বা গুণবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ যা কোনো ব্যক্তির ভেতরের গুণ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রেণি বাচক — এটি বিশেষ্যের একটি স্বীকৃত শ্রেণি যা মূলত জাতিবাচক বিশেষ্যের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) সংখ্যা বাচক — এটি বিশেষ্যের কোনো শ্রেণি নয় বরং এটি সংখ্যাবাচক শব্দ বা বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়। C) ভাব বাচক — এটি বিশেষ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণি যা কোনো কাজের ভাব বা অবস্থাকে নির্দেশ করে। D) সমষ্টি বাচক — এটি বিশেষ্যের অন্যতম একটি শ্রেণি যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশেষ্যের প্রকার মনে রাখার সহজ উপায় হলো নাম, জাতি, বস্তু, সমষ্টি, ভাব ও গুণ এই ছয়টি শব্দ মনে রাখা। - সংখ্যা বাচক শব্দটি পদ প্রকরণের ক্ষেত্রে সংখ্যাবাচক বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি বিশেষ্য নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্যের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোনো পদের শ্রেণিবিভাগ নির্ণয়ের সময় পদের মূল সংজ্ঞা ও ব্যাকরণিক রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a বর্গ
b উদ্দেশ্য
c বিধেয়
d বাক্যাংশ
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বর্গ ১. কেন সঠিক: বাক্যের মধ্যে এক বা একাধিক শব্দ একত্রে বসে যদি বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে এবং একটি একক হিসেবে কাজ করে, তবে তাকে বর্গ বলে। বর্গ বাক্যের একটি অংশ যা মূলত পদগুচ্ছ বা Phrase-এর বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে শব্দগুলো স্বাধীনভাবে না বসে যখন গুচ্ছবদ্ধ হয়ে কাজ করে তখন তাকে বর্গ বলা হয়। এটি সাধারণত বিশেষ্য বর্গ, ক্রিয়াবর্গ ইত্যাদি রূপে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: [সাদা মেঘে আকাশ ঢাকা] ব্যাখ্যা: এখানে সাদা মেঘে একটি শব্দসমষ্টি যা বাক্যের একটি অংশ হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: [সে প্রতিদিন সকালে হাঁটে] ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিদিন সকালে একটি শব্দগুচ্ছ যা বাক্যের ভেতর বর্গ হিসেবে বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যাংশের ব্যাকরণগত নাম। B) উদ্দেশ্য — এটি বাক্যের সেই অংশ যার সম্পর্কে কিছু বলা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) বিধেয় — এটি বাক্যের সেই অংশ যা উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু বলে, তাই এটি সঠিক নয়। D) বাক্যাংশ — এটি একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ বোঝায় কিন্তু ব্যাকরণগত পরিভাষা হিসেবে বর্গ বেশি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের ভেতরের ছোট ছোট শব্দ গুচ্ছকে বর্গ মনে রাখবে। পদগুচ্ছ বা Phrase-এর বাংলা রূপই হলো বর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য প্রকরণ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। বর্গ ও বাক্যের মূল পার্থক্য বুঝতে সংজ্ঞা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দোহারা
b মোোটাসোটা
c একহারা
d আঁটসাঁট
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দোহারা ১. কেন সঠিক: দোহারা শব্দের অর্থ হলো যা খুব মোটা নয় আবার খুব চিকন বা রোগাও নয়, অর্থাৎ মাঝারি ধরনের শারীরিক গঠন। প্রশ্নে মানুষের শারীরিক গঠনের এই মধ্যম অবস্থাকে এক কথায় প্রকাশ করতে বলা হয়েছে এবং সঠিক উত্তরটি এই অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। বাক্যের অর্থকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য একাধিক পদের পরিবর্তে একটিমাত্র শব্দ ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলার যোগ্য নয় - অকথ্য। ব্যাখ্যা: কথা বলার অযোগ্য বিষয়ের ক্ষেত্রে এই এককথায় প্রকাশটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যার তুলনা নেই - অতুলনীয়। ব্যাখ্যা: যার সমকক্ষ বা তুলনীয় কেউ বা কিছু নেই, তা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোহারা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মাঝারি গড়নের শারীরিক গঠনকে নির্দেশ করে। B) মোটাসোটা — এই শব্দের অর্থ অতিরিক্ত স্থূল বা ভারী শরীর, যা প্রশ্নের মধ্যম গঠনের বিপরীত। C) একহারা — এই শব্দের অর্থ খুব রোগা বা লম্বাটে শারীরিক গঠন, যা মোটা বা মাঝারি বোঝায় না। D) আঁটসাঁট — এই শব্দের অর্থ শক্তপোক্ত, সংকীর্ণ বা ফিট থাকা, যা শরীরের স্থূলতা বা কৃশতা বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: শরীর যখন দুই অবস্থার মাঝামাঝি অর্থাৎ না মোটা না চিকন, তখন মনে রাখবেন তা হলো দোহারা গড়ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শারীরিক গঠন সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই শব্দগুলোর সুনির্দিষ্ট অর্থ মনে রাখতে হবে।
a আম-টাম
b ঢং ঢং
c দলাদলি
d মোটামু্টি
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢং ঢং ১. কেন সঠিক: ধ্বনিবাচক শব্দের যে দ্বিরুক্তি বা জোড়ায় ব্যবহার কোনো কিছুর ধ্বনি বা আওয়াজ প্রকাশ করে, তাকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে। এখানে 'ঢং ঢং' ঘণ্টা বা কোনো ধাতব বস্তুর বাজার আওয়াজ বা ধ্বনি বোঝাচ্ছে, যা ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কোনো শব্দ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শব্দের দ্বিরুক্তি বলে। দ্বিরুক্ত শব্দ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন পদের দ্বিরুক্তি, শব্দমূল বা প্রাকৃত দ্বিরুক্তি এবং ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টিক টিক ব্যাখ্যা: এটি ঘড়ির আওয়াজ বোঝাতে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঝম ঝম ব্যাখ্যা: এটি বৃষ্টির পড়ার শব্দ বোঝাতে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আম-টাম — এটি অনর্থক বা সামর্থ্যবাচক দ্বিরুক্ত শব্দ, ধ্বন্যাত্মক শব্দ নয় কারণ এটি কোনো ধ্বনি বোঝায় না। B) ঢং ঢং — এটি সঠিক উত্তর। C) দলাদলি — এটি পারস্পরিক বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে এমন দ্বিরুক্ত শব্দ। D) মোটামু্টি — এটি একই শব্দের পুনরাবৃত্তিতে গঠিত সাধারণ বিশেষণের দ্বিরুক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: যে দ্বিরুক্ত শব্দগুলো কান দিয়ে শোনা যায় বা কোনো আওয়াজ প্রকাশ করে, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হিসেবে মনে রাখবে। যেমন ঘড়ির টিক টিক বা বৃষ্টির ঝম ঝম শব্দগুলো ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের ভালো উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব এবং পদের দ্বিরুক্তির মধ্যে পার্থক্য করতে বলা হয়। শব্দের আওয়াজ বা ধ্বনি থাকলে তা ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হবে, আর অন্য কোনো ভাব প্রকাশ করলে তা সাধারণ দ্বিরুক্তি হবে।
a রামরাম বসু
b রামমোহন রায়
c পাণিনি
d সুফিয়া কামাল
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাণিনি ১. কেন সঠিক: - অষ্টাধ্যায়ী প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ এবং পাণিনি হলেন এর রচয়িতা। - এই গ্রন্থটি বিশ্বের প্রাচীনতম ব্যাকরণ গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পাণিনি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ বা পঞ্চম শতকের একজন প্রথিতযশা সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ ও ভাষা বিজ্ঞানী ছিলেন। - অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থে আটটি অধ্যায় রয়েছে এবং এতে সংস্কৃত ভাষার ধ্বনি ও রূপতত্ত্ব অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক উপায়ে আলোচনা করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাভাষ্য ব্যাখ্যা: এটি পতঞ্জলির লেখা একটি বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থ যা পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থের ওপর রচিত। উদাহরণ ২: ধাতুপাঠ ব্যাখ্যা: এটি পাণিনির ব্যাকরণ রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত যেখানে সংস্কৃত ধাতুর মূল রূপসমূহ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামরাম বসু — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ। B) রামমোহন রায় — ইনি আধুনিক ভারতের সমাজ সংস্কারক এবং বাংলা গদ্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক যিনি গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেন। D) সুফিয়া কামাল — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি ও নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রী যিনি সাজের মায়া কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: পাণিনির নাম শুনলেই মনে রাখবে তিনি সংস্কৃত ব্যাকরণের জনক এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো অষ্টাধ্যায়ী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন ব্যাকরণ গ্রন্থ ও তার রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে তাই পাণিনি ও অষ্টাধ্যায়ী নামটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ধাক্কা খাওয়া
b ধুঁকে ধুঁকে চলা
c বাধা পাওয়া
d মার খাওয়া
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধুঁকে ধুঁকে চলা ১. কেন সঠিক: - খাবি খাওয়া একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার অর্থ কষ্ট পাওয়া বা ধুঁকে ধুঁকে চলা। - মূলত জলে ডুবে যাওয়ার সময় মানুষ যেভাবে শ্বাস নেওয়ার জন্য ছটফট করে, রূপক অর্থে জীবনের নানা সংকটে সেই দুরবস্থাকে খাবি খাওয়া বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যা শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - বাগধারা ভাষা ও ভাবকে সংহত, সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যবসায় বারবার লোকসানে পড়ে লোকটি এখন খাবি খাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক সংকটে পড়ে মানুষটির চরম কষ্টের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: এই গরমে তীব্র গরমে অসুস্থ বৃদ্ধ মানুষটি যেন খাবি খাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে শারীরিক দুর্বলতা ও কষ্টে পড়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাক্কা খাওয়া — এই অর্থটি সরাসরি খাবি খাওয়া বাগধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) ধুঁকে ধুঁকে চলা — এই অপশনটি খাবি খাওয়া বাগধারার সঠিক ভাবার্থ বহন করে। C) বাধা পাওয়া — এই অর্থটি খাবি খাওয়ার মূল কষ্টের অবস্থাকে প্রকাশ করে না। D) মার খাওয়া — এটি শারীরিক আঘাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা বাগধারার রূপক অর্থের বাইরে। ৫ মনে রাখার টিপস: - জলে ডুবে গেলে মানুষ যেমন খাবি খায়, তেমনই জীবনে বড় কোনো সমস্যায় পড়লে মানুষ ধুঁকে ধুঁকে চলে বা খাবি খায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। তাই শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ বুঝতে হবে।
a 23
b 10
c 13
d 20
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৩ ১. কেন সঠিক: 'ময়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা বিশ্বের মোট তেইশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এই সংকলনটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের কাছে এর সমাদর বোঝাতেই এই সংখ্যাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত 'ময়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকসাহিত্যের মুকুটমণি। চন্দ্রমাবতী, মহুয়া, মৈমনসিংহ গীতিকার বিভিন্ন পালা বিশ্বসাহিত্যের দরবারে বাংলার লোকসংস্কৃতির সমৃদ্ধি তুলে ধরেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা। ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় একটি পালা যা বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা। ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত করুণ রসাত্মক ট্র্যাজেডি পালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ ময়মনসিংহ গীতিকা মোট তেইশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। B) ১০ — এই সংখ্যাটি ময়মনসিংহ গীতিকার অনুবাদের প্রকৃত সংখ্যা নির্দেশ করে না এবং এটি ভুল। C) ১৩ — এই সংখ্যাটি ময়মনসিংহ গীতিকার অনুবাদের ক্ষেত্রে সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর। D) ২০ — এই সংখ্যাটি ময়মনসিংহ গীতিকার মোট অনূদিত ভাষার সঠিক পরিসংখ্যান প্রদান করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকার ভাষা তেইশটি মনে রাখতে ইংরেজিতে টোয়েন্টি থ্রি বা বাংলা তেইশ সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো। লোকসাহিত্যের আন্তর্জাতিক পরিসর বোঝাতে এই তেইশ সংখ্যাটি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। এই ধরনের সাহিত্যিক পরিসংখ্যানমূলক প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।
a flaunt
b recover
c please
d topple
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) recover কেন সঠিক: ‘Bounce back’ একটি ইংরেজি বাকধারা বা ইডিয়ম। এর অর্থ হলো কোনো কঠিন অবস্থা বা রোগ থেকে দ্রুত আগের ভালো অবস্থায় ফিরে আসা। recover শব্দের অর্থও সুস্থ হওয়া বা ফিরে পাওয়া। তাই এই অপশনটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) flaunt — এর অর্থ হলো কোনো কিছু নিয়ে গর্ব করা বা প্রর্দশন করা, যা মূল অর্থের সাথে মেলে না। খ) recover — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) please — এর অর্থ হলো কাউকে খুশি করা বা আনন্দ দেওয়া, যা বাকধারার সাথে সম্পর্কিত নয়। ঘ) topple — এর অর্থ হলো পতন ঘটানো বা উল্টে যাওয়া, যা bounce back এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বল মাটিতে মারলে যেমন আবার ওপরে ফিরে আসে, তেমনি মানুষের জীবনে খারাপ সময় কেটে গিয়ে ভালো অবস্থা ফিরে আসাকে bounce back বলা হয়।
a The American Revolution
b The Industrial Revolution
c The Russian Revolution
d The French Revolution
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The French Revolution কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তরুণ বয়সে তিনি নিজে ফ্রান্সে গিয়ে এই বিপ্লবের সাথে যুক্ত হন এবং এর প্রভাব তার কবিতায় স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The American Revolution — আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ তার কবিতায় সরাসরি তেমন কোনো বিশেষ প্রভাব ফেলেনি। B) The Industrial Revolution — শিল্প বিপ্লবের নেতিবাচক প্রভাব তিনি লক্ষ্য করলেও এটি তার প্রধান অনুপ্রেরণা ছিল না। C) The Russian Revolution — রুশ বিপ্লব ওয়ার্ডসওয়ার্থের মৃত্যুর অনেক পরে সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ ছিলেন প্রকৃতির কবি এবং ফরাসি বিপ্লবের আদর্শ তাকে মানবপ্রেমী হতে শিখিয়েছিল।
a measles
b horses
c men
d brethren
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) measles কেন সঠিক: measles শব্দটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি আসলে একটি নির্দিষ্ট রোগ বোঝায়। তাই এর কোনো একক বা singular রূপ নেই। এটি সবসময় singular verb গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) measles — এটি সঠিক উত্তর। B) horses — এটি একটি regular noun যার singular form হলো horse। C) men — এটি একটি irregular noun যার singular form হলো man। D) brethren — এটি brother শব্দের plural form এবং এর singular form হলো brother। মনে রাখার টিপস: যেসব nouns এর শেষে s থাকে এবং রোগ বা বিষয়ের নাম বোঝায়, সেগুলোর singular রূপ হয় না।
a The man was tall who stole my bag.
b The man stole my bag who was tall.
c The man who stole my bag was tall.
d The man stealing my bag was tall.
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The man who stole my bag was tall. কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে Relative Pronoun 'who' তার ঠিক পূর্ববর্তী Noun 'The man'-কে খুব সুন্দরভাবে নির্দেশ করেছে। ২. এর ফলে পুরো বাক্যটির অর্থ পরিষ্কার হয়েছে এবং বাক্যগঠনের সঠিক নিয়ম বজায় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The man was tall who stole my bag — এই বাক্যে Relative Pronoun তার antecedent বা পূর্বপদের চেয়ে অনেক দূরে বসেছে। B) The man stole my bag who was tall — এখানে 'who' ভুল জায়গায় বসার কারণে পুরো বাক্যটির অর্থ বিভ্রান্তিকর হয়ে গেছে। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) The man stealing my bag was tall — এখানে Present Participle ব্যবহার করায় বাক্যের মূল ভাব ও ব্যাকরণগত গঠন কিছুটা অসম্পূর্ণ লাগে। মনে রাখার টিপস: Relative Pronoun সবসময় তার ঠিক আগের Noun বা Pronoun-এর সাথে একদম লাগোয়া হয়ে বসে।
a Dodge
b Lodge
c Hodge
d Grudge
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Lodge কেন সঠিক: - 'Lodge a complaint' একটি অত্যন্ত পরিচিত ইংরেজি বাকধারা বা কোলোকেশন (Colocation), যার অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ দায়ের করা। - এই নির্দিষ্ট বাকধারার কারণে 'complain' শব্দের সাথে সরাসরি 'Lodge' শব্দটি যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dodge — এর অর্থ এড়িয়ে চলা বা ফাঁকি দেওয়া, যা সরাসরি অভিযোগ করার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Lodge — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'complaint' শব্দের সাথে মিলে 'Lodge a complaint' ফ্রেজ গঠন করে। C) Hodge — এটি সাধারণত মানুষের নাম বা হচপচ (Hodgepodge) অর্থে ব্যবহৃত হয়, অভিযোগের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Grudge — এর অর্থ মনে ক্ষোভ বা অভিমান পোষণ করা, যা অভিযোগ দায়ের করার ক্রিয়াকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: অভিযোগ করার ইংরেজি ফ্রেজ মনে রাখতে 'Lodge a complaint' কথাটি বারবার চর্চা করো।
a Collective noun
b Common noun
c Material noun
d Proper noun
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Common noun কেন সঠিক: - 'Infant' শব্দের অর্থ শিশু, যা নির্দিষ্ট কোনো একটি শিশুকে না বুঝিয়ে এই বয়সের সকল শিশুকে সাধারণভাবে বোঝায়। - একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা প্রাণীকে সাধারণ নামে প্রকাশ করার কারণে এটি Common noun হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Collective noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায় না, তাই সঠিক নয়। B) Common noun — এটি সঠিক কারণ এটি শিশু শ্রেণির সকলকে সাধারণভাবে নির্দেশ করে। C) Material noun — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুর নাম নয়, যা ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না। D) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম বোঝায় না, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ কোনো নির্দিষ্ট নাম না বুঝিয়ে একই শ্রেণির সকলকে সাধারণভাবে বোঝায়, সেগুলোকে Common noun বলে।
a Gerund
b Participle
c Infinite verb
d Finite verb
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Gerund কেন সঠিক: swimming শব্দটি এখানে একটি নাউন বা বিশেষ্য হিসেবে কাজ করছে। এটি একটি নির্দিষ্ট পুল বা সাঁতার কাটার স্থানকে বোঝাচ্ছে। এটি prepositions এর পরে বসেছে। এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Participle — এটি এখানে adjective এর কাজ করছে না তাই এটি participle হতে পারে না। C) Infinite verb — এর আগে কোনো to নেই এবং এটি verb এর মূল রূপ নয়। D) Finite verb — এটি বাক্যের মূল সমাপিকা ক্রিয়া নয় এবং এর নিজস্ব কোনো সাবজেক্ট নেই। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি noun এর কাজ করে এবং sentence এ noun এর জায়গায় বসে, তবে তাকে gerund বলে।
a foxy
b female fox
c bitch
d vixen
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) vixen কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী পুরুষ শেয়াল বা ফক্স-এর স্ত্রীবাচক শব্দ হলো ভিক্সেন। এটি একটি নির্দিষ্ট ও প্রচলিত লিঙ্গ পরিবর্তনকারী শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) foxy — এটি কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ নয়, বরং ফক্সি হলো একটি বিশেষণ যা শেয়ালের মতো চতুর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। B) female fox — এটি সাধারণ অর্থে মাদী শেয়াল বোঝালেও ব্যাকরণগতভাবে ফক্স শব্দের সঠিক বিপরীত লিঙ্গ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) bitch — এটি কুকুর ও নেকড়ের স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, শেয়ালের ক্ষেত্রে এই শব্দটি কখনো ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: পুরুষ ফক্স বা শেয়ালের স্ত্রীবাচক রূপ সবসময় vixen হয়, তাই এটি মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
a Playful
b Sluggish
c Energetic
d Quarrelsome
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Energetic কেন সঠিক: slothful শব্দটির অর্থ অলস বা কর্মবিমুখ। এর বিপরীতার্থক বা antonym হলো energetic যার অর্থ উদ্যোমী বা প্রাণবন্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Playful — এই শব্দটির অর্থ চঞ্চল বা হাসিখুশি, যা অলস শব্দের সঠিক বিপরীত নয়। B) Sluggish — এই শব্দটির অর্থ ধীরগতির বা অলস, যা slothful শব্দের সমার্থক বা synonym। C) Energetic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অলসতার ঠিক বিপরীত শক্তি ও উদ্যম প্রকাশ করে। D) Quarrelsome — এই শব্দটির অর্থ ঝগড়াকুটে, যা অলসতা বা কর্মতৎপরতার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: slothful মানে স্লথ বা অলস, আর energetic মানে এনার্জিতে ভরপুর।
a Special child
b Intelligent person
c a person's idea
d autistic child
0 46 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a person's idea কেন সঠিক: ‘Brain Child’ একটি বিশেষ বাগধারা বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ মাথার সন্তান হলেও ভাবার্থ হলো কারো মৌলিক চিন্তা বা পরিকল্পনা। কোনো নতুন উদ্ভাবন, সৃষ্টিশীল কাজ বা প্রকল্পের পেছনের মূল ভাবনা বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত কোনো ব্যক্তির নিজস্ব সৃজনশীল পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Special child — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা শিশুকে বোঝায়। B) Intelligent person — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রতিভাবান বা বুদ্ধিমান মানুষকে নির্দেশ করে, যা ইডিয়মের অর্থ নয়। C) a person's idea — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) autistic child — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত একটি শিশুকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: মস্তিষ্ক বা ব্রেন থেকে যা জন্ম নেয় অর্থাৎ মানুষের নিজস্ব উদ্ভাবনী ধারণাই হলো ব্রেন চাইল্ড।
a Plato
b Che Guevara
c Nepoleon
d Einstein
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nepoleon (বানান সংশোধন: Napoleon) কেন সঠিক: - ফরাসি সম্রাট ও সামরিক নেতা নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও দূরদর্শিতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। - অসম্ভব বলে কিছু নেই, এই মনোভাব বোঝাতে তিনি এই ঐতিহাসিক উক্তিটি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Plato — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ছিলেন এবং জ্ঞান, নীতিশাস্ত্র ও রাষ্ট্রদর্শন নিয়ে কাজ করতেন, এই উক্তিটি তাঁর নয়। B) Che Guevara — তিনি বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট মার্ক্সবাদী বিপ্লবী ছিলেন এবং লাতিন আমেরিকার বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) Einstein — তিনি একজন বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন এবং আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য পরিচিত, এই সাহিত্যিক বা দার্শনিক উক্তিটি তাঁর নয়। মনে রাখার টিপস: অসম্ভব কাজকে সম্ভব করার মানসিকতা কেবল নেপোলিয়ন বোনাপার্টের মতো বিশ্বজয়ী বীরের পক্ষেই মানায়।
a Law
b Medicine
c Ecology
d Environment
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Medicine কেন সঠিক: অনোলজি (Oncology) শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা। এই শাখায় মূলত ক্যান্সার এবং টিউমার রোগের কারণ, প্যাথোলজি এবং চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা করা হয়। তাই এটি সরাসরি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে যুক্ত। অন্যান্য শাখা এর সাথে সম্পর্কিত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Law — এটি আইন ও বিচার ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত, চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) Medicine — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Ecology — এটি পরিবেশ বিজ্ঞান ও জীবসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। D) Environment — এটি আমাদের চারপাশ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: অঙ্কোলোজি শব্দটির শুরুতে থাকা অনক অংশটি টিউমার নির্দেশ করে, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি অংশ।
a The Elizabethan age
b The Victorian age
c The Restorian age
d The eighteenth century
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The Elizabethan age কেন সঠিক: এই যুগে উইলিয়াম শেকসপিয়র এবং ক্রিস্টোফার মার্লোর মতো বিখ্যাত নাট্যকার ও কবিরা ইংরেজী সাহিত্যকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। নাটক এবং কবিতার ক্ষেত্রে এই সময়টিতে অসাধারণ সাহিত্যিক উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল। রানী প্রথম এলিজাবেথের রাজত্বকালে সাহিত্য ও সংস্কৃতির অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছিল। তাই এই সময়কালকে ইংরেজী সাহিত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Elizabethan age — এটিই সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) The Victorian age — এই যুগে উপন্যাসের ব্যাপক বিকাশ ঘটলেও একে সামগ্রিকভাবে স্বর্ণযুগ বলা হয় না। C) The Restorian age — এই যুগে মূলত ব্যঙ্গাত্মক নাটক ও সাহিত্যের প্রচলন হয়েছিল কিন্তু স্বর্ণযুগ বলা যায় না। D) The eighteenth century — এই শতাব্দীকে মূলত গদ্য এবং যুক্তিবাদী সাহিত্যের যুগ বলা হয়। মনে রাখার টিপস: শেকসপিয়রের যুগ মানেই এলিজাবেথান যুগ এবং একেই ইংরেজী সাহিত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
a adverb
b pronoun
c verb
d adjective
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) adverb কেন সঠিক: ‘Quickly’ শব্দটি একটি verb বা ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয় তা প্রকাশ করে। এটি বাক্যের অন্য কোনো adjective বা adverb-এর দোষ বা গুণও প্রকাশ করতে পারে। যে শব্দ verb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে তাকে adverb বলে। তাই ‘Quickly’ একটি adverb। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) pronoun — এটি noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু ‘Quickly’ কোনো noun-এর বদলি নয়। C) verb — এটি দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু ‘Quickly’ কোনো কাজ করা বোঝায় না। D) adjective — এটি কেবল noun বা pronoun-এর দোষ গুণ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো শব্দের শেষে ly যুক্ত থাকলে এবং তা কাজ করার ধরণ বোঝালে সাধারণত সেটি adverb হয়।
a বাহরাইন
b গ্রীনল্যান্ড
c আয়ারল্যান্ড
d থাইল্যান্ড
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাহরাইন কেন সঠিক: বাহরাইন ঐতিহাসিকভাবে মুক্তা আহরণ এবং ব্যবসার জন্য বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত ছিল। এই দেশের উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে উন্নত মানের মুক্তা পাওয়া যেত। প্রাচীনকাল থেকেই মুক্তা এখানকার প্রধান অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাহরাইন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মুক্তার দ্বীপ নামে পরিচিত। B) গ্রীনল্যান্ড — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং বরফে ঢাকা থাকার কারণে একে বরফের দ্বীপ বলা হয়। C) আয়ারল্যান্ড — এটি তার সবুজ প্রকৃতির জন্য পরিচিত এবং একে পান্না দ্বীপ বলা হয়। D) থাইল্যান্ড — এটি বৌদ্ধ মন্দিরের দেশ এবং হোয়াইট এলিফ্যান্ট বা শ্বেতহস্তীর দেশ নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: বাহরাইন শব্দটির সাথে মুক্তার সম্পর্ক মনে রাখলে এই প্রশ্নটি সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a A traitor is not trusted
b A traitor should not be trusted
c Everybody hates a traitor
d A traitor is not trusted by anybody
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A traitor is not trusted by anybody কেন সঠিক: Active voice-এর subject হিসেবে থাকা negative pronoun 'nobody'-কে passive voice-এ object করার সময় সাধারণত 'by anybody' বা 'by anyone' হিসেবে লেখা হয়। মূল sentence-এর present indefinite tense অপরিবর্তিত রেখে passive voice-এ 'is not' এবং verb-এর past participle রূপ 'trusted' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A traitor is not trusted — এখানে শেষ অংশ অর্থাৎ 'by anybody' বাদ দেওয়া হয়েছে, যা বাক্যটিকে সম্পূর্ণ সঠিক করে না। B) A traitor should not be trusted — এখানে অর্থ পরিবর্তন করে 'should' (উচিত নয়) modal verb অতিরিক্ত যুক্ত করা হয়েছে। C) Everybody hates a traitor — এটি voice change নয়, বরং বাক্যটির অর্থের বিপরীত একটি ভিন্ন বাক্য বা synonym তৈরি করা হয়েছে। D) A traitor is not trusted by anybody — এটি সকল grammatical নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি করা সঠিক passive voice। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ nobody বা none থাকলে passive করার সময় by-এর পরে anybody বা anyone ব্যবহার করতে হয়।
a Insect
b Food
c Bird
d Flower
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Insect কেন সঠিক: ক্রিকেট যেমন একটি জনপ্রিয় খেলার নাম, তেমনি ইংরেজি ভাষায় ক্রিকেট বলতে একটি ছোট পোকাকেও বোঝানো হয়। শব্দের এই দ্বৈত অর্থ বা বহুার্থক ব্যবহারের কারণে এখানে পোকা বা insect অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ইংরেজি শব্দভাণ্ডারে একই বানানের ভিন্ন অর্থ মনে রাখা খুব জরুরি। শব্দের প্রেক্ষাপট বুঝে সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Food — ফুড বা খাবার বলতে এমন কোনো জিনিসকে বোঝায় না যার নাম ক্রিকেট। C) Bird — বার্ড বা পাখি বলতে কোনো নির্দিষ্ট পাখিকে ক্রিকেট বলা হয় না। D) Flower — ফ্লাওয়ার বা ফুল বলতে কোনো পরিচিত ফুলের নাম ক্রিকেট নয়। মনে রাখার টিপস: একটি ইংরেজি শব্দ যে ভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে, সে বিষয়ে সবসময় সজাগ থাকবে।
a is
b are
c were
d all
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বা অর্থের সমষ্টি দেখতে বহুবচন মনে হলেও তা সাধারণত একক পরিমাণ বা একক সত্তা বোঝায়। তাই এরপরে সবসময় একবচন ভার্ব বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা একটি একক পরিমাণ বোঝায়। B) are — এটি ভুল কারণ পরিমাণবাচক অর্থে একবচন ভার্ব ব্যবহার করতে হয়। C) were — এটি ভুল কারণ এটি বহুবচন এবং অতীতের রূপ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) all — এটি ভুল কারণ এটি কোনো উপযুক্ত ভার্ব নয় যা শূন্যস্থানে বসতে পারে। মনে রাখার টিপস: টাকা, সময়, দূরত্ব বা পরিমাপ একসাথে বোঝালে তা একক ধরে সিঙ্গुलर বা একবচন ভার্ব নিতে হয়।
a in
b with
c on
d well
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - কোনো মাধ্যম বা যন্ত্রের সাহায্যে কোনো কাজ করা বোঝাতে Noun-এর পূর্বে preposition হিসেবে with বসে। - এখানে কলম লেখার মাধ্যম বা যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই pen-এর পূর্বে with সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সাধারণত স্থান, ক্ষেত্র বা ভাষার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, লেখার যন্ত্র বোঝাতে নয়। B) with — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি লেখার মাধ্যম হিসেবে কলম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। C) on — এটি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়। D) well — এটি একটি adverb, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: কলম বা লেখার উপকরণের সাহায্যে কোনো কাজ করতে হলে always with ব্যবহার করবে।
a acquaintance
b acquaintance
c acquantence
d acquintence
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) acquaintance কেন সঠিক: শব্দটির শুরুতে a-c-q-u-a-i-n-t অক্ষরগুলো সঠিক নিয়মে বসেছে। এর শেষে -ance প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানান তৈরি হয়েছে। বানানটিতে কোনো অতিরিক্ত বা বাদ পড়া অক্ষর নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) acquaintance — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) acquaintance — এটি হুবহু সঠিক বানান হওয়ায় এটিও সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) acquantence — এই বানানটিতে মাঝের i অক্ষরটি বাদ পড়ার কারণে ভুল হয়েছে। D) acquintence — এই বানানের শেষের অংশে -ance এর বদলে -ence লেখার কারণে ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: acquain এবং tance এই দুটি অংশ আলাদা করে মনে রাখলে বানানটি আর ভুল হবে না।
a Coleridge
b Keats
c Shelley
d Wordsworth
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shelley কেন সঠিক: বিখ্যাত ওড কবিতা 'Ode to the West Wind' এর রচয়িতা হলেন রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি পার্সি বিশ শেলি। ১৮১৯ সালে লেখা এই কবিতাটি প্রকৃতির শক্তি এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে অত্যন্ত সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Coleridge — এস টি কোলরিজ 'The Rime of the Ancient Mariner' লেখার জন্য বিখ্যাত হলেও এই ওডটি লেখেননি। B) Keats — জন কিটসের বিখ্যাত ওডগুলোর মধ্যে 'Ode to a Nightingale' অন্যতম হলেও এটি তার লেখা নয়। C) Shelley — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ মূলত প্রকৃতি এবং স্মৃতিকাতরতা নিয়ে লিখলেও এই ওডটি তার রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: পশ্চিম বাতাসে (West Wind) ভর করে উড়ে যাওয়ার কল্পনায় শেলি (Shelley) এই কবিতা লিখেছেন।
a ৪ ঘণ্টা
b ৫ ঘণ্টা
c ৬ ঘণ্টা
d ৭ ঘণ্টা
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ক্ষেত্রে লোকের সংখ্যা = ১০ জন প্রথম ক্ষেত্রে দিনের সংখ্যা = ৭ দিন প্রথম ক্ষেত্রে দৈনিক পরিশ্রম = ৬ ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লোকের সংখ্যা = ১৪ জন দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দিনের সংখ্যা = ৬ দিন দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দৈনিক পরিশ্রম = ক ঘণ্টা অতএব, মোট কাজের পরিমাণ = ১০ × ৭ × ৬ জন-ঘণ্টা মোট কাজের পরিমাণ = ৪২০ জন-ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মোট কাজ = ১৪ × ৬ × ক জন-ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মোট কাজ = ৮৪ × ক জন-ঘণ্টা সুতরাং, ৮৪ × ক = ৪২০ উত্তর: ক = ৫ ঘণ্টা
a ১৫, ২০
b ৪৫, ৬০
c ৯০, ১১০
d ৮০, ৬০
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫, ৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৩ : ৪ সংখ্যা দুটির লসাগু = ১৮০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪ক অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩ × ৪ × ক = ১২ক সুতরাং, ১২ক = ১৮০ উত্তর: ক = ১৮০ ÷ ১২ = ১৫, ফলে সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ৩ × ১৫ = ৪৫ এবং ৪ × ১৫ = ৬০
a n(100 - r) / (100 + s)
b n(100 + r) / (100 - s)
c n(100 - r) / (100 - s)
d n(100 - s) / (100 - s)
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) n(100 - r) / (100 + s) প্রদত্ত তথ্য: টাকায় n সংখ্যক কমলা বিক্রয় করায় r% ক্ষতি হয় s% লাভ করতে হলে টাকায় কয়টি কমলা বিক্রয় করতে হবে ধরি, কমলার ক্রয়মূল্য এবং বিক্রয়মূল্যের শতকরা হারের সম্পর্ক ব্যবহার করতে হবে প্রথম ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য হলো (100 − r)% অতএব, s% লাভে নতুন বিক্রয়মূল্য হবে (100 + s)% প্রথম ক্ষেত্রে প্রতি কমলার বিক্রয়মূল্য = 1 / n সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রে কমলার সংখ্যা হবে উল্টো অনুপাতে হিসাব করে বের করতে হবে সঠিক সূত্রটি হলো n গুণ (100 − r) ভাগ (100 + s) উত্তর: A) n(100 - r) / (100 + s)
a 250
b 100
c 200
d 300
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৬০% থেকে ৬০ বিয়োগ করলে ফলাফল ৬০ হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৬০% − ৬০ = ৬০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ৬০ + ৬০ ক × (৩ ÷ ৫) = ১২০ সুতরাং, ক = ১২০ × (৫ ÷ ৩) ক = ৪০ × ৫ উত্তর: ২০০
a ৪৫ ডিগ্রি
b ১২৫ ডিগ্রি
c ১৩৫ ডিগ্রি
d ১৮৫ ডিগ্রি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: সুসম বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৮ ধরি, বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = n = ৮ বহুভুজটির প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = x ডিগ্রি অতএব, বহুভুজটির বহিঃস্থ কোণগুলির সমষ্টি = ৩৬০ ডিগ্রি প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৮ = ৪৫ ডিগ্রি সুতরাং, প্রতিটি অন্তস্থ কোণের পরিমাণ = ১৮০ ডিগ্রি − ৪৫ ডিগ্রি = ১৩৫ ডিগ্রি উত্তর: ১৩৫ ডিগ্রি
a 6
b 7
c 8
d 9
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ২ + ৪ + ৮ + ১৬ + ...... ধারাটির n সংখ্যক পদের সমষ্টি = ২৫৪ ধরি, প্রথম পদ a = ২ সাধারণ অনুপাত r = ৪ ÷ ২ = ২ অতএব, গুণোত্তর ধারার সমষ্টির সূত্র অনুযায়ী, a × (r এর পাওয়ার n − ১) ÷ (r − ১) = ২৫৪ মান বসিয়ে পাই, ২ × (২ এর পাওয়ার n − ১) ÷ (২ − ১) = ২৫৪ সুতরাং, ২ × (২ এর পাওয়ার n − ১) = ২৫৪ (২ এর পাওয়ার n − ১) = ১২৭ উত্তর: ২ এর পাওয়ার n = ১২৮, অর্থাৎ n = ৭
a ১,০০০ টাকা
b ১০০ টাকা
c ৫০০ টাকা
d ৭ ৫০ টাকা
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ২,৫০০ টাকা ক ও খ এর অনুপাত = ১ : ৪ বাবা ও মায়ের অনুপাত = ১ : ১ ধরি, ক এর অংশ = ১x টাকা খ এর অংশ = ৪x টাকা অতএব, ১x + ৪x = ২,৫০০ ৫x = ২,৫০০ x = ৫০০ সুতরাং, খ এর অংশ = ৪ × ৫০০ = ২,০০০ টাকা মা পাবেন খ এর অর্ধেক = ২,০০০ ÷ ২ = ১,০০০ টাকা উত্তর: ১,০০০ টাকা
a ১০০ বর্গমিটার
b ২০০ বর্গমিটার
c ৪০০ বর্গমিটার
d ৫০০ বর্গমিটার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০০ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: রাস্তার চওড়া = ৫ মিটার রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৫০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার মাঠের ক্ষেত্রফল = ক গুণ ক বর্গমিটার অতএব, রাস্তা সহ মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক + ১০ মিটার রাস্তা সহ মাঠের ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) গুণ (ক + ১০) বর্গমিটার সুতরাং, রাস্তার ক্ষেত্রফল = রাস্তা সহ ক্ষেত্রফল − মাঠের ক্ষেত্রফল ৫০০ = (ক + ১০) গুণ (ক + ১০) − (ক গুণ ক) উত্তর: ৪০০ বর্গমিটার
a ১০০ বর্গমিটার
b ১২০ বর্গমিটার
c ১৬০ বর্গমিটার
d ৪৮ বর্গমিটার
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৮ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ মিটার অপর দুটি বাহুর প্রতিটি = ১০ মিটার ধরি, ত্রিভুজটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ ভূমি (𝑏) = ১৬ মিটার সমান সমান বাহু দুটি (𝑎) = ১০ মিটার অতএব, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা (ℎ) নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করে পাই উচ্চতা (ℎ) = √(𝑎² − (𝑏/২)²) সুতরাং, উচ্চতা (ℎ) = √(১০² − (১৬/২)²) = √(১০০ − ৬৪) = √৩৬ = ৬ মিটার উত্তর: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা = (১/২) × ১৬ × ৬ = ৪৮ বর্গমিটার
a 21%
b 22%
c 11%
d 31%
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ১০% ধরি, মূল বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ একক মূল বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০ × ১০ = ১০০ বর্গ একক অতএব, বাহু ১০% বৃদ্ধি পেলে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য হয় ১১ একক নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল হয় ১১ × ১১ = ১২১ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় ১২১ − ১০০ = ২১ বর্গ একক উত্তর: ২১%
a {0, 1, 2}
b {0, 2, 3}
c {1, 2, 3}
d {1, 2, 3, 4}
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০, ১, ২ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ = ০, ১, ২, ৩ সম্পর্ক শর্ত: ওয়াই সমান এক্স বিয়োগ এক ধরি, এক্স এর মান সেট এ থেকে নেয়া হলো ওয়াই এর মান বের করতে হবে অতএব, এক্স সমান ১ হলে ওয়াই সমান ১ বিয়োগ ১ সমান ০ এক্স সমান ২ হলে ওয়াই সমান ২ বিয়োগ ১ সমান ১ এক্স সমান ৩ হলে ওয়াই সমান ৩ বিয়োগ ১ সমান ২ সুতরাং, রেঞ্জ হলো সব ওয়াই এর মানের সেট রেঞ্জ আর সমান ০, ১, ২ উত্তর: ০, ১, ২
a sqrt(2)
b sqrt(1)
c sqrt(3)
d sqrt(5)
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √(৫) প্রদত্ত তথ্য: x^(৪) + ২x^(২) + ১ = ৫x^(২) ধরি, সমীকরণটির উভয় পক্ষ থেকে x^(২) দিয়ে ভাগ করব x^(২) + ২ + (১ ÷ x^(২)) = ৫ অতএব, x^(২) + (১ ÷ x^(২)) = ৫ − ২ x^(২) + (১ ÷ x^(২)) = ৩ সুতরাং, (x + (১ ÷ x))^(২) = x^(২) + (১ ÷ x^(২)) + ২ (x + (১ ÷ x))^(২) = ৩ + ২ = ৫ উত্তর: x + (১ ÷ x) = √(৫)
a 35
b 32
c 30
d 36
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: x, y ও z এর মানের গড় = ৪০ b এর মান = ২০ ধরি, x, y ও z এর সমষ্টি = ৪০ × ৩ = ১২০ b এর মান = ২০ অতএব, চারটি সংখ্যার মোট মান = ১২০ + ২০ = ১৪০ সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ = ৪ সুতরাং, x, y, z এবং b এর মানের গড় = ১৪০ ÷ ৪ = ৩৫ উত্তর: ৩৫
a 3
b 5
c 4
d 6
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: x − y = ২ xy = ২৪ ধরি, (x + y) এর বর্গ = (x − y) এর বর্গ + ৪xy অতএব, (x + y) এর বর্গ = (২) এর বর্গ + ৪ × ২৪ (x + y) এর বর্গ = ৪ + ৯৬ (x + y) এর বর্গ = ১০০ সুতরাং, x + y = ১০ (ধনাত্মক মান নিয়ে) আবার, x − y = ২ দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২x = ১২ বা x = ৬ উত্তর: ৬
a জেনেভা
b নিউইয়র্ক
c টোকিও
d রোম
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯২০ এর দশকে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় বড় পুরস্কার বা জ্যাকপট বোঝাতে প্রথম এই উপনামটি ব্যবহার করা হয়। - পরবর্তীতে ১৯৩০ এর দশকে জ্যাজ সংগীতশিল্পীদের মধ্যে এবং সত্তরের দশকে পর্যটন প্রচারাভিযানের মাধ্যমে শহরটি এই নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি বিখ্যাত শহর, যা আন্তর্জাতিক সংস্থা ও কূটনীতির কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হলেও বিগ অ্যাপল নামে পরিচিত নয়। B) নিউইয়র্ক — এটি আমেরিকার সবচেয়ে জনবহুল শহর এবং বিগ অ্যাপল নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। C) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম জনবহুল মেগাসিটি, যা বিগ অ্যাপল নামে পরিচিত নয়। D) রোম — এটি ইতালির ঐতিহাসিক রাজধানী, যা প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত হলেও এই উপনাম বহন করে না। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিখ্যাত শহর নিউইয়র্ককে একটি লোভনীয় ফলের সাথে তুলনা করে বিগ অ্যাপল বলা হয়।
a লালমনিরহাট
b জয়পুরহাট
c সাতক্ষীরা
d শেরপুর
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাতক্ষীরা কেন সঠিক: - ভোমরা স্থলবন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত। - এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনিরহাট — এটি অন্য অঞ্চলের জেলা, এখানে বুড়িমারী স্থলবন্দর অবস্থিত। B) জয়পুরহাট — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, এখানে কোনো প্রধান স্থলবন্দর নেই। C) সাতক্ষীরা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এখানে ভোমরা স্থলবন্দর অবস্থিত। D) শেরপুর — এটি ময়মনসিংহ অঞ্চলের জেলা, এখানে নাকুগাঁও স্থলবন্দর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারতে বিভিন্ন পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করা হয়।
a 1997
b 2000
c 1991
d 2008
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 2000 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালে আইসিসির পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। - ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে ঢাকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ নিজেদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1997 — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় করে ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে, টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) 2000 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) 1991 — এই সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে, যা টেস্ট মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) 2008 — এই সালটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের শুরুর সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি অনেক পরের একটি সাধারণ বছর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলে ১৯৯৯ সালের পর থেকে আর টেস্ট খেলা শুরু করে ঠিক ২০০০ সাল থেকে।
a 1555
b 1561
c 1554
d 1967
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫৫৫ কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক সূত্র ও গবেষকদের মতে, সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের বছর ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দের সঙ্গে মিল রেখে বাংলা সন প্রবর্তন করা হয়। - বাংলা সনের সূচনা ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দ হলেও এর কার্যকারিতা শুরু হয় ১৫৫৫ সালের মার্চ মাস থেকে, যা হিজরি চন্দ্রবর্ষ ও সৌরবর্ষের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৫৫ — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে কারণ বাংলা সনের সূচনা সংক্রান্ত ঐতিহাসিক গণনা এই বছর থেকে শুরু হয়। B) ১৫৬১ — এটি বাংলা সনের চালুর সাল নয়, এটি সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের একটি ভিন্ন বছর। C) ১৫৫৪ — এটি বাংলা সনের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বছর নয়। D) ১৯৬৭ — এটি বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ চালুর বছর নয়, এটি আধুনিক যুগে বাংলা সন সংশোধনের একটি সাল। মনে রাখার টিপস: সম্রাট আকবরের আমল মনে রাখতে ১৫৫৬ সালের কাছাকাছি সময় অর্থাৎ ১৫৫৫ সালকে বাংলা সনের শুরুর বছর হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a কোলন
b সেমিকোলন
c ড্যাশ
d প্রশ্নচিহ্ন
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রশ্নচিহ্ন কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বাক্যে সরাসরি প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা করা হলে তার শেষে প্রশ্নচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। - প্রান্তর শব্দের অর্থ হলো শেষ প্রান্ত বা শেষ সীমানা, যা মূলত বাক্যের সমাপ্তি বা সমাপ্তিসূচক চিহ্নকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোলন — এটি একটি বিবরণ বা উদাহরণের পূর্বে বসে, যা বাক্যের সমাপ্তি বা প্রশ্ন বোঝায় না। B) সেমিকোলন — এটি কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির জন্য ব্যবহৃত হয়, যা বাক্যের অংশগুলোকে আলাদা করতে সাহায্য করে। C) ড্যাশ — এটি যৌগিক বাক্যের অংশ বা বক্তব্যের ধারাবাহিকতা পরিবর্তন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) প্রশ্নচিহ্ন — এটি বাক্যের শেষে বসে এবং কোনো কিছু জানার বা জিজ্ঞাসা করার ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যে চিহ্নের মাধ্যমে কোনো কিছু জানার জন্য প্রশ্ন করা হয় এবং বাক্য শেষ হয়, তাকেই প্রশ্নচিহ্ন বা প্রান্তর বিরাম চিহ্ন বলা হয়।
a ব্রাজিল
b উরুগুয়ে
c আর্জেন্টিনা
d ইতালি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উরুগুয়ে কেন সঠিক: - ১৯৩০ সালে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর বসেছিল উরুগুয়েতে এবং স্বাগতিক দেশ হিসেবে তারাই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। - ফাইনালে উরুগুয়ে দল আর্জেন্টিনা দলকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের ঘরে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল — ব্রাজিল পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে এবং প্রথম জিতেছিল ১৯৫৮ সালে, কিন্তু প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন নয়। B) উরুগুয়ে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক এবং এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই। C) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা তিনবার বিশ্বকাপ জিতলেও ১৯৩০ সালের প্রথম আসরের ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল। D) ইতালি — ইতালি চারবার বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তাদের প্রথম জয় আসে ১৯৩৪ সালের দ্বিতীয় বিশ্বকাপে, প্রথম আসরে নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর যার মাঠে বসেছিল, সেই উরুগুয়েই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
a কমলাপুর
b টঙ্গী
c ঈশ্বরদী
d পার্বতীপুর
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) কমলাপুর কেন সঠিক: - কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন একটি প্রান্তিক বা টার্মিনাস স্টেশন, জংশন নয়। - এখান থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয় এবং শেষ হয়, যা একাধিক লাইনের মিলনস্থল বা জংশন হিসেবে কাজ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমলাপুর — এটি দেশের প্রধান টার্মিনাস স্টেশন এবং এখান থেকে ট্রেন নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাত্রা শুরু করে। B) টঙ্গী — এটি একটি ব্যস্ত রেলওয়ে জংশন যেখান থেকে ময়মনসিংহ ও সিলেট লাইনের সংযোগ রয়েছে। C) ঈশ্বরদী — এটি দেশের অন্যতম প্রধান রেলওয়ে জংশন যেখানে একাধিক লাইনের সংযোগ রয়েছে। D) পার্বতীপুর — এটি উত্তর অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন যা বিভিন্ন লাইনকে সংযুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: কমলাপুর হলো শেষ প্রান্ত বা টার্মিনাস, আর টঙ্গী, ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর হলো বিভিন্ন রেলপথের মিলনস্থল বা জংশন।
a ভাইরাস
b ছত্রাক
c অ্যামিবা
d ব্যাকটেরিয়া
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যাকটেরিয়া কেন সঠিক: - ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়া দুধের ল্যাকটোজ শর্করাকে ফারমেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তর করে। - এই ল্যাকটিক এসিড দুধের আমিষ বা ক্যাসিনকে জমাট বাঁধিয়ে তরল দুধকে সুস্বাদু দইতে পরিণত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাইরাস — ভাইরাস হলো অকোষীয় অনুজীব যা সাধারণত জীবদেহের কোষে বংশবৃদ্ধি করে এবং দুধকে দইতে রূপান্তর করতে পারে না। B) ছত্রাক — ছত্রাক বা ইস্ট সাধারণত অ্যালকোহল তৈরিতে বা রুটি ফোলাতে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি দুধ থেকে দই তৈরি করে না। C) অ্যামিবা — অ্যামিবা এককোসী প্রাণী যা সাধারণত জলাশয়ে বসবাস করে এবং খাদ্য পরিপাক ও দই তৈরিতে এর কোনো ভূমিকা নেই। D) ব্যাকটেরিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপকারী ব্যাকটেরিয়ার রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলেই দুধ দইতে পরিণত হয়। মনে রাখার টিপস: দুধ থেকে দই তৈরির ক্ষেত্রে ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া এবং ল্যাকটিক এসিডের কথা মনে রাখবে।
a বাক স্বাধীনতা
b আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন
c কৃষি উৎপাদন
d ভূমির মালিকানা
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষি উৎপাদন কেন সঠিক: - তেভাগা আন্দোলন মূলত ফসলের ন্যায্য হিস্যা বা কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল জোতদারদের পরিবর্তে উৎপাদিত ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ কৃষকের পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক স্বাধীনতা — এটি মত প্রকাশের অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল না। B) আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন — এটি রাজনৈতিক অধিকার ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সঙ্গে জড়িত, যা তেভাগা আন্দোলনের বিষয় ছিল না। C) কৃষি উৎপাদন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) ভূমির মালিকানা — কৃষকরা জমির মালিকানার চেয়ে উৎপাদিত ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ বা ন্যায্য ভাগের জন্য আন্দোলন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: তেভাগা শব্দের অর্থ তিন ভাগ, যা কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের হিস্যা বা কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত।
a মশা
b বাদুড়
c বানর
d পানি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মশা কেন সঠিক: - জিকা ভাইরাস প্রধানত এডিস প্রজাতির মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়। - এটি এক ধরনের ফ্ল্যাভিভাইরাস যা সাধারণত সংক্রামিত মশার লালার মাধ্যমে ছড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মশা — এটি সঠিক কারণ জিকা ভাইরাস এডিস মশার মাধ্যমে বাহিত ও প্রসারিত হয়। B) বাদুড় — বাদুড় নিপা বা ইবোলা ভাইরাসের বাহক হলেও জিকা ভাইরাস ছড়ায় না। C) বানর — ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থলে বানরের ভূমিকা থাকলেও এটি সরাসরি ছড়ানোর মাধ্যম নয়। D) পানি — পানি জিকা ভাইরাসের সংক্রমণের বাহক বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো জিকা ভাইরাসও এডিস মশার কামড়েই ছড়ায়।
a ওসমানীয়
b মুঘল
c মঙ্গোলীয়
d উমাইয়া
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গোলীয় কেন সঠিক: - চেঙ্গিস খান ত্রয়োদশ শতকে মঙ্গোলিয়া অঞ্চলে বিশ্বের বৃহত্তম অবিচ্ছিন্ন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। - তিনি বিভিন্ন যাযাবর উপজাতিকে একত্রিত করে দুর্ধর্ষ মঙ্গোলীয় সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওসমানীয় — এটি ত্রয়োদশ শতকের শেষভাগে আনাতোলিয়া অঞ্চলে তুর্কিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্য ছিল। B) মুঘল — এটি ষোড়শ শতকে ভারতীয় উপমহাদেশে জহিরউদ্দীন মোহাম্মদ বাবরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্য ছিল। C) মঙ্গোলীয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও শাসক ছিলেন। D) উমাইয়া — এটি সপ্তম শতকে আরব অঞ্চলে গঠিত প্রথম মুসলিম রাজবংশভিত্তিক খেলাফত ছিল। মনে রাখার টিপস: চেঙ্গিস খান নামটির সাথে মঙ্গোলীয় নামটির ধ্বনিগত মিল আছে, যা দিয়ে সহজেই মনে রাখা যায়।
a সুর
b পদযাত্রা
c যুদ্ধের ময়দান
d যুদ্ধের বাজনা
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুদ্ধের বাজনা কেন সঠিক: - রণভেরী শব্দের শাব্দিক অর্থ যুদ্ধের সময় বাজানোর বাদ্যযন্ত্র বা রণডঙ্কা। - প্রাচীন ও মধ্যযুগে যুদ্ধ শুরুর আগে বা সৈন্যদের উদ্দীপ্ত করতে এই বাদ্য বাজানো হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুর — সুর বলতে যেকোনো ধরনের সংগীত বা ধ্বনির মাধুর্য বোঝায়, যা যুদ্ধের সঙ্গে নির্দিষ্ট নয়। B) পদযাত্রা — পদযাত্রা অর্থ পায়ে হেঁটে পথ চলা, যার সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র বা যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই। C) যুদ্ধের ময়দান — যুদ্ধের ময়দান হলো যুদ্ধক্ষেত্র বা প্রাঙ্গণ, কিন্তু রণভেরী কোনো স্থান নয় বরং একটি বাদ্য। D) যুদ্ধের বাজনা — এটি সঠিক কারণ রণভেরী মূলত যুদ্ধের সময় বাজানো বাদ্যকেই নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: রণ শব্দের অর্থ যুদ্ধ এবং ভেরী শব্দের অর্থ বাদ্যযন্ত্র, সুতরাং দুটি মিলে হয় যুদ্ধের বাজনা।
a 999
b 333
c 109
d 103
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 333 কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সরকারি তথ্য ও সেবার জাতীয় হেল্পলাইন নম্বর। - নাগরিকরা এই নম্বরে কল করে সরকারের বিভিন্ন সেবা, তথ্য এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিকার পেতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 999 — এটি বাংলাদেশের জরুরি সেবা বা ইমার্জেন্সি রেসপন্স নম্বর, যা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) 333 — এটি সরকারি তথ্যসেবার হটলাইন নম্বর হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) 109 — এটি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বর। D) 103 — এটি দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন নম্বর। মনে রাখার টিপস: তথ্য এবং সেবার জন্য তিনটি তিন অর্থাৎ ৩৩৩ নম্বরটি ডায়াল করতে হয়।
a কানাডা
b যুক্তরাষ্ট্র
c মেক্সিকো
d সবগুলো সঠিক
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সবগুলো সঠিক কেন সঠিক: - ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো আয়োজন করবে। - টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — এটি টুর্নামেন্টের অন্যতম স্বাগতিক দেশ হলেও প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এখানে অনুষ্ঠিত হবে না। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি যৌথ আয়োজক দেশগুলোর একটি এবং কিছু ম্যাচ এখানে হলেও প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এখানে হচ্ছে না। C) মেক্সিকো — এটি শুধু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজক দেশ নয়, বরং এই অপশনটি একা থাকায় সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাও এর অংশ। D) সবগুলো সঠিক — মেক্সিকো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ভেন্যু হলেও তিনটি দেশ মিলে যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করায় এই অপশনটি সামগ্রিকভাবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: ২০২৬ বিশ্বকাপ তিন দেশ মিলে আয়োজন করে এবং মেক্সিকোতেই প্রথম বল গড়াবে ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে।
a 530
b 532
c 534
d 536
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: গণিত ও সাধারণ হিসাব সঠিক উত্তর: B) ৫৩২ কেন সঠিক: - অনুপাত অনুযায়ী আগের ধারণক্ষমতা চার এবং বর্তমান ধারণক্ষমতা সাত। - আগের ক্ষমতা ৩০৪ হলে এক অনুপাত সমান ৩০৪ কে চার দিয়ে ভাগ করলে হয় ৭৬, এবং সাত গুণ ৭৬ সমান ৫৩২। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫৩০ — এটি চার দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য নয়, তাই সঠিক অনুপাতের সাথে মিলে না। B) ৫৩২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৩০৪ কে চার দিয়ে ভাগ করে সাত দিয়ে গুণ করলে এই মান পাওয়া যায়। C) ৫৩৪ — অনুপাতের হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যাটি সঠিক ফলাফল প্রদান করে না। D) ৫৩৬ — এটি অনুপাতের নিয়মানুযায়ী গণিত করে প্রাপ্ত সঠিক মানের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: অনুপাতের অংকে প্রথম মানকে আগের অনুপাত দিয়ে ভাগ করে প্রাপ্ত ফলকে পরের অনুপাত দিয়ে গুণ করতে হয়।
a আয়াতুল্লাহ আলী
b গালিবাফ
c মাসুদ পেজেসকিয়ান
d আলী লারিজানি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাসুদ পেজেসকিয়ান কেন সঠিক: - মাসুদ পেজেসকিয়ান ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত ইরানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও পেশায় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, যিনি পূর্বে ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়াতুল্লাহ আলী — এটি ভুল উত্তর কারণ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বা সুপ্রিম লিডার, প্রেসিডেন্ট নন। B) গালিবাফ — এটি ভুল উত্তর কারণ মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ইরানের পার্লামেন্ট বা ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। C) মাসুদ পেজেসকিয়ান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ইরানের বর্তমান নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। D) আলী লারিজানি — এটি ভুল উত্তর কারণ তিনি ইরানের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং সাবেক স্পিকার, বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন। মনে রাখার টিপস: ইরানের প্রেসিডেন্টের নাম মনে রাখতে 'মাসুদ' নামটি মনে রাখুন, যিনি ডাক্তার থেকে দেশটির সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে আসীন হয়েছেন।

মোট প্রশ্ন (19)

a শমসের-তরবারি
b দন্ত-হাতে
c পিরান-জামা
d তখনি-তজা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তখনি-তজা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুচ্ছটি সমার্থক শব্দের জোড়া হিসেবে সঠিক নয়। - তজা শব্দটি বাংলা অভিধানসম্মত বা প্রমিত কোনো শব্দ নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। - একই অর্থের ভিন্ন ভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলা হয়, যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শমসের ও তরবারি ব্যাখ্যা: শমসের এবং তরবারি উভয়ই একই অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং দুটিই খাঁটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দন্ত ও হাত ব্যাখ্যা: দন্ত শব্দের অর্থ দাঁত এবং হাত শব্দের অর্থ কর বা হস্ত, যা সমার্থক হিসেবে জোড়া গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শমসের-তরবারি — এটি সঠিক সমার্থক শব্দের জোড়া কারণ শমসের ও তরবারি একই অর্থ প্রকাশ করে। B) দন্ত-হাতে — এটি সঠিক কারণ দন্ত এবং হাত সমার্থক বা জোড় শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) পিরান-জামা — এটি সঠিক কারণ পিরান এবং জামা একই পোশাকের সমার্থক শব্দ। D) তখনি-তজা — এটি ভুল কারণ তজা কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রমিত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের প্রচলিত অর্থ এবং বানান ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - অপ্রচলিত বা বানোয়াট শব্দ দেখলে তা বর্জন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সমার্থক শব্দের সঠিক জোড়া বা বেমানান শব্দ চিহ্নিত করতে বলা হয়। - প্রমিত বানান এবং সঠিক শব্দচয়ন সম্পর্কে ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
b লর্ড ডালহৌসি
c উইলিয়াম কেরি
d লর্ড ক্লাইভ
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উইলিয়াম কেরি ১. কেন সঠিক: - কেরি বাংলা গদ্যসাহিত্যের ভিত্তি স্থাপন এবং মুদ্রণযন্ত্রের উন্নয়নে যে অবদান রেখেছেন তার জন্য বাঙালি জাতি তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক হিসেবে তিনি বাংলা ভাষার পঠন-পাঠন ও প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উইলিয়াম কেরি ছিলেন একজন ব্রিটিশ মিশনারি, ভাষাবিদ ও পন্ডিত যিনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - তিনি ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান হন এবং বাংলা গদ্যের প্রথম যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কথোপকথন ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম কেরির লেখা একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিভিন্ন অঞ্চলের কথোপকথন স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: ইতিহাসমালা ব্যাখ্যা: উইলিয়াম কেরি রচিত এই গ্রন্থটি ১৮১২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা গল্পের একটি প্রাথমিক সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক — তিনি ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং সতীদাহ প্রথা রদের জন্য পরিচিত হলেও বাংলা ভাষার বিকাশে কেরির মতো সরাসরি ভূমিকা রাখেননি। B) লর্ড ডালহৌসি — তিনি স্বত্ববিলোপ নীতি এবং উপমহাদেশে রেলপথ চালুর জন্য বিখ্যাত হলেও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। D) লর্ড ক্লাইভ — তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেছিলেন, কিন্তু বাংলা ভাষা বা সংস্কৃতির উন্নয়নে তাঁর কোনো অবদান নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা ও গদ্যের উন্নয়নে যার নাম সবার আগে আসে এবং বাঙালি যার কাছে ঋণী, তিনি হলেন উইলিয়াম কেরি। শ্রীরামপুর মিশন ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ দেখলে উইলিয়াম কেরির নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের প্রথম পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম বাংলা অধ্যাপক ছিলেন উইলিয়াম কেরি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর রচিত গ্রন্থ এবং প্রকাশকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
c শাহ মুহাম্মদ সগর
d রামরাম বসু
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শেষ উল্লেখযোগ্য কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে ধরা হয়। তাঁর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটিকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শেষ সার্থক ও ধ্রুপদী সৃষ্টি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি এবং নদীয়া রাজসভার কবি। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি 'অন্নদামঙ্গল', 'বিদ্যাসুন্দর' এবং 'মানসিংহ' কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য যাতে তিন ভাগে ঈশ্বরী পাটুনির প্রার্থনা ও অন্নদার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিদ্যাসুন্দর পালা ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশ যা প্রেমের আখ্যান নিয়ে রচিত এবং বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি মধ্যযুগের কবি নন, বরং আধুনিক যুগের এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক। B) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — এটি সঠিক উত্তর। C) শাহ মুহাম্মদ সগর — ইনি মধ্যযুগের প্রারম্ভিক বা সুলতানি আমলের কবি যিনি 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্য রচনা করেন। D) রামরাম বসু — ইনি আধুনিক যুগের গদ্যসাহিত্যিক যিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ছিলেন এবং 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' লেখেন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শেষ সূর্য বলা হয় ভারতচন্দ্রকে। নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো ভারতচন্দ্র মানেই মধ্যযুগের শেষ বড় কবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের উপাধি ছিল 'গুণাকর'। তিনি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত পংক্তি হলো আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
a শ্রেণি বাচক
b সংখ্যা বাচক
c ভাব বাচক
d সমষ্টি বাচক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংখ্যা বাচক ১. কেন সঠিক: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার, যার মধ্যে 'সংখ্যা বাচক' নামের কোনো বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ ব্যাকরণে নেই। - বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগের মধ্যে নামবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক এবং গুণবাচক বিশেষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ অনুযায়ী যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি, সমষ্টি, গুণ বা ভাবের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদ মূলত ছয় ভাগে বিভক্ত এবং এর বাইরে অন্য কোনো নাম বিশেষ্যের প্রকার হিসেবে গণ্য হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ নাম বা জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ যা একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির নাম বোঝায়। উদাহরণ ২: সততা ব্যাখ্যা: এটি গুণের নাম বা গুণবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ যা কোনো ব্যক্তির ভেতরের গুণ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রেণি বাচক — এটি বিশেষ্যের একটি স্বীকৃত শ্রেণি যা মূলত জাতিবাচক বিশেষ্যের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) সংখ্যা বাচক — এটি বিশেষ্যের কোনো শ্রেণি নয় বরং এটি সংখ্যাবাচক শব্দ বা বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়। C) ভাব বাচক — এটি বিশেষ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণি যা কোনো কাজের ভাব বা অবস্থাকে নির্দেশ করে। D) সমষ্টি বাচক — এটি বিশেষ্যের অন্যতম একটি শ্রেণি যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশেষ্যের প্রকার মনে রাখার সহজ উপায় হলো নাম, জাতি, বস্তু, সমষ্টি, ভাব ও গুণ এই ছয়টি শব্দ মনে রাখা। - সংখ্যা বাচক শব্দটি পদ প্রকরণের ক্ষেত্রে সংখ্যাবাচক বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি বিশেষ্য নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্যের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোনো পদের শ্রেণিবিভাগ নির্ণয়ের সময় পদের মূল সংজ্ঞা ও ব্যাকরণিক রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a বর্গ
b উদ্দেশ্য
c বিধেয়
d বাক্যাংশ
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বর্গ ১. কেন সঠিক: বাক্যের মধ্যে এক বা একাধিক শব্দ একত্রে বসে যদি বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে এবং একটি একক হিসেবে কাজ করে, তবে তাকে বর্গ বলে। বর্গ বাক্যের একটি অংশ যা মূলত পদগুচ্ছ বা Phrase-এর বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে শব্দগুলো স্বাধীনভাবে না বসে যখন গুচ্ছবদ্ধ হয়ে কাজ করে তখন তাকে বর্গ বলা হয়। এটি সাধারণত বিশেষ্য বর্গ, ক্রিয়াবর্গ ইত্যাদি রূপে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: [সাদা মেঘে আকাশ ঢাকা] ব্যাখ্যা: এখানে সাদা মেঘে একটি শব্দসমষ্টি যা বাক্যের একটি অংশ হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: [সে প্রতিদিন সকালে হাঁটে] ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিদিন সকালে একটি শব্দগুচ্ছ যা বাক্যের ভেতর বর্গ হিসেবে বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যাংশের ব্যাকরণগত নাম। B) উদ্দেশ্য — এটি বাক্যের সেই অংশ যার সম্পর্কে কিছু বলা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) বিধেয় — এটি বাক্যের সেই অংশ যা উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু বলে, তাই এটি সঠিক নয়। D) বাক্যাংশ — এটি একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ বোঝায় কিন্তু ব্যাকরণগত পরিভাষা হিসেবে বর্গ বেশি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের ভেতরের ছোট ছোট শব্দ গুচ্ছকে বর্গ মনে রাখবে। পদগুচ্ছ বা Phrase-এর বাংলা রূপই হলো বর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য প্রকরণ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। বর্গ ও বাক্যের মূল পার্থক্য বুঝতে সংজ্ঞা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দোহারা
b মোোটাসোটা
c একহারা
d আঁটসাঁট
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দোহারা ১. কেন সঠিক: দোহারা শব্দের অর্থ হলো যা খুব মোটা নয় আবার খুব চিকন বা রোগাও নয়, অর্থাৎ মাঝারি ধরনের শারীরিক গঠন। প্রশ্নে মানুষের শারীরিক গঠনের এই মধ্যম অবস্থাকে এক কথায় প্রকাশ করতে বলা হয়েছে এবং সঠিক উত্তরটি এই অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। বাক্যের অর্থকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য একাধিক পদের পরিবর্তে একটিমাত্র শব্দ ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলার যোগ্য নয় - অকথ্য। ব্যাখ্যা: কথা বলার অযোগ্য বিষয়ের ক্ষেত্রে এই এককথায় প্রকাশটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যার তুলনা নেই - অতুলনীয়। ব্যাখ্যা: যার সমকক্ষ বা তুলনীয় কেউ বা কিছু নেই, তা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোহারা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মাঝারি গড়নের শারীরিক গঠনকে নির্দেশ করে। B) মোটাসোটা — এই শব্দের অর্থ অতিরিক্ত স্থূল বা ভারী শরীর, যা প্রশ্নের মধ্যম গঠনের বিপরীত। C) একহারা — এই শব্দের অর্থ খুব রোগা বা লম্বাটে শারীরিক গঠন, যা মোটা বা মাঝারি বোঝায় না। D) আঁটসাঁট — এই শব্দের অর্থ শক্তপোক্ত, সংকীর্ণ বা ফিট থাকা, যা শরীরের স্থূলতা বা কৃশতা বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: শরীর যখন দুই অবস্থার মাঝামাঝি অর্থাৎ না মোটা না চিকন, তখন মনে রাখবেন তা হলো দোহারা গড়ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শারীরিক গঠন সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই শব্দগুলোর সুনির্দিষ্ট অর্থ মনে রাখতে হবে।
a আম-টাম
b ঢং ঢং
c দলাদলি
d মোটামু্টি
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢং ঢং ১. কেন সঠিক: ধ্বনিবাচক শব্দের যে দ্বিরুক্তি বা জোড়ায় ব্যবহার কোনো কিছুর ধ্বনি বা আওয়াজ প্রকাশ করে, তাকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে। এখানে 'ঢং ঢং' ঘণ্টা বা কোনো ধাতব বস্তুর বাজার আওয়াজ বা ধ্বনি বোঝাচ্ছে, যা ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কোনো শব্দ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শব্দের দ্বিরুক্তি বলে। দ্বিরুক্ত শব্দ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন পদের দ্বিরুক্তি, শব্দমূল বা প্রাকৃত দ্বিরুক্তি এবং ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টিক টিক ব্যাখ্যা: এটি ঘড়ির আওয়াজ বোঝাতে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঝম ঝম ব্যাখ্যা: এটি বৃষ্টির পড়ার শব্দ বোঝাতে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আম-টাম — এটি অনর্থক বা সামর্থ্যবাচক দ্বিরুক্ত শব্দ, ধ্বন্যাত্মক শব্দ নয় কারণ এটি কোনো ধ্বনি বোঝায় না। B) ঢং ঢং — এটি সঠিক উত্তর। C) দলাদলি — এটি পারস্পরিক বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে এমন দ্বিরুক্ত শব্দ। D) মোটামু্টি — এটি একই শব্দের পুনরাবৃত্তিতে গঠিত সাধারণ বিশেষণের দ্বিরুক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: যে দ্বিরুক্ত শব্দগুলো কান দিয়ে শোনা যায় বা কোনো আওয়াজ প্রকাশ করে, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হিসেবে মনে রাখবে। যেমন ঘড়ির টিক টিক বা বৃষ্টির ঝম ঝম শব্দগুলো ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের ভালো উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব এবং পদের দ্বিরুক্তির মধ্যে পার্থক্য করতে বলা হয়। শব্দের আওয়াজ বা ধ্বনি থাকলে তা ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হবে, আর অন্য কোনো ভাব প্রকাশ করলে তা সাধারণ দ্বিরুক্তি হবে।
a ২৪ অনুচ্ছেদ
b ২৭ অনুচ্ছেদ
c ২৮ অনুচ্ছেদ
d ৩৩ অনুচ্ছেদ
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৮ অনুচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র জীবন ও রাষ্ট্রের সব স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবে বলে নিশ্চয়তা প্রদান করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত অধীনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহের গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে যার মধ্যে নারী ও পুরুষের সমতা অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২৮ অনুচ্ছেদের ১ উপধারা অনুযায়ী ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী বা পুরুষের ভেদাভেদে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য করবে না। ব্যাখ্যা: এই উপধারাটি নাগরিকদের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: ২৮ অনুচ্ছেদের ২ উপধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী ও পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবে। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি নারী ও পুরুষের সমান সুযোগ এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার মূল সাংবিধানিক ভিত্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ অনুচ্ছেদ — এটি জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন স্মারক নিদর্শন, বস্তু, অবশেষ প্রভৃতির সুরক্ষা ও সংরক্ষণের সাথে সম্পর্কিত, নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের সাথে নয়। B) ২৭ অনুচ্ছেদ — এটি সব নাগরিকের আইনের চোখে সমতা নিশ্চিত করে, যা নারী বা পুরুষের নির্দিষ্ট অধিকারের চেয়ে সামগ্রিক আইনের সমতা বোঝায়। D) ৩৩ অনুচ্ছেদ — এটি গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ সম্পর্কিত বিধান, যা নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ২৮ সংখ্যাটি মনে রাখুন নারী পুরুষের সমান অধিকারের ক্ষেত্রে। আট সংখ্যাটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন অধিকারের সমতা অর্জনের আটপৌরে লড়াই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের তৃতীয় ভাগের মৌলিক অধিকারগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সংবিধানের ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদের মধ্যে মৌলিক অধিকারগুলো বর্ণিত আছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ব্যবসা
b কৃষি
c শিল্প
d রাজনীতি
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি কেন সঠিক: ১. খনার বচন মূলত আবহাওয়া, জলবায়ু এবং কৃষিকাজের দিকনির্দেশনা নিয়ে গঠিত প্রাচীন প্রবাদ। ২. প্রাচীন বাংলায় কৃষকদের সঠিক সময়ে ফসল ফলানোর জন্য এই বচনগুলো অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য নির্দেশিকা ছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও সমৃদ্ধ একটি ধারা হলো খনার বচন। ২. এতে কৃষিকাজ, বীজ বপন এবং ফসল কাটার উপযুক্ত সময়ের নিখুঁত বর্ণনা পাওয়া যায়। ৩. যেমন, ধান চাষের ক্ষেত্রে বলা হয় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেখে বীজ তলা তৈরি করার নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যবসা — খনার বচনে বাণিজ্যিক লেনদেন বা মুনাফা অর্জনের কোনো বাণিজ্যিক নির্দেশিকা নেই। B) কৃষি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বচনগুলোর মূল বিষয়বস্তু হলো কৃষিকাজ ও চাষাবাদ। C) শিল্প — প্রাচীন যুগে শিল্পকারখানা বা উৎপাদনশিল্প নিয়ে খনার বচনে কোনো আলোচনা করা হয়নি। D) রাজনীতি — রাজদরবার বা শাসনব্যবস্থা সংক্রান্ত কোনো রাজনৈতিক উপদেশ খনার বচনে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: ১. খনা নামটির সাথে কৃষিকাজ ও গ্রামবাংলার প্রকৃতির গভীর সম্পর্ক মনে রাখবে। ২. আবহাওয়া ও কৃষির কথা থাকলেই সেটি খনার বচন হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a নিমরাজি
b উপশহর
c প্রভাত
d অপমান
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিমরাজি ১. কেন সঠিক: - নিমরাজি শব্দটিতে নিম উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে, যা একটি ফারসি বা বিদেশি উপসর্গ। - ফারসি ভাষার উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দের মাধ্যমে সাধারণত বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেইসব অব্যয় শব্দ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন বাংলা, তৎসম ও বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমরাজি ব্যাখ্যা: এখানে রাজি শব্দের পূর্বে ফারসি নিম উপসর্গ যুক্ত হয়ে আংশিক রাজি বা কম রাজি অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: বদনাম ব্যাখ্যা: এখানে নাম শব্দের পূর্বে বদ উপসর্গ যুক্ত হয়ে খারাপ নাম বা দুর্নাম অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিমরাজি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি উপসর্গ আছে। B) উপশহর — এটি ভুল কারণ এতে উপ একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। C) প্রভাত — এটি ভুল কারণ এতে প্র একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। D) অপমান — এটি ভুল কারণ এতে অপ একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখতে আম, খাস, লা, বে, কম, নিম ইত্যাদি শব্দগুলো চর্চা করবে। - সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে বিদেশি উপসর্গ সহজেই আলাদা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ চিহ্নিত করার প্রশ্ন আসে, তাই শব্দ গঠনের মূল অংশ চেনা জরুরি। - তৎসম ও বিদেশি উপসাগরীয় শব্দের পার্থক্য পরিষ্কার রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a রামরাম বসু
b রামমোহন রায়
c পাণিনি
d সুফিয়া কামাল
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাণিনি ১. কেন সঠিক: - অষ্টাধ্যায়ী প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ এবং পাণিনি হলেন এর রচয়িতা। - এই গ্রন্থটি বিশ্বের প্রাচীনতম ব্যাকরণ গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পাণিনি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ বা পঞ্চম শতকের একজন প্রথিতযশা সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ ও ভাষা বিজ্ঞানী ছিলেন। - অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থে আটটি অধ্যায় রয়েছে এবং এতে সংস্কৃত ভাষার ধ্বনি ও রূপতত্ত্ব অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক উপায়ে আলোচনা করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাভাষ্য ব্যাখ্যা: এটি পতঞ্জলির লেখা একটি বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থ যা পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থের ওপর রচিত। উদাহরণ ২: ধাতুপাঠ ব্যাখ্যা: এটি পাণিনির ব্যাকরণ রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত যেখানে সংস্কৃত ধাতুর মূল রূপসমূহ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামরাম বসু — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ। B) রামমোহন রায় — ইনি আধুনিক ভারতের সমাজ সংস্কারক এবং বাংলা গদ্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক যিনি গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেন। D) সুফিয়া কামাল — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি ও নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রী যিনি সাজের মায়া কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: পাণিনির নাম শুনলেই মনে রাখবে তিনি সংস্কৃত ব্যাকরণের জনক এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো অষ্টাধ্যায়ী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন ব্যাকরণ গ্রন্থ ও তার রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে তাই পাণিনি ও অষ্টাধ্যায়ী নামটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৩৯টি
b ১১টি
c ১০টি
d ২৬টি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি ১. কেন সঠিক: বর্ণমালা বলতে মূলত স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কারচিহ্নগুলোকে বোঝায়। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ মোট ১১টি হলেও পূর্ণরূপ ছাড়া শব্দের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট চিহ্ন বা কার ব্যবহার করা হয় ১০টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয়। অ স্বরবর্ণের নিজস্ব কোনো কারচিহ্ন নেই কারণ এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে লুক্কায়িত থাকে এবং একে অকার বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক + আ = কা ব্যাখ্যা: এখানে আ স্বরবর্ণের কারচিহ্ন আকার যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: প + ই = পি ব্যাখ্যা: এখানে ই স্বরবর্ণের কারচিহ্ন হ্রস্বকার যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৯টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মোট সংখ্যার সাথে মিলে যায়, কারবর্ণের সংখ্যার সাথে নয়। B) ১১টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে, কারবর্ণের সংখ্যা নয়। D) ২৬টি — এই সংখ্যাটি ইংরেজি বর্ণমালার মোট অক্ষরের সংখ্যা, বাংলা ব্যাকরণের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরবর্ণ ১১টি হলেও অ-এর নিজস্ব কোনো কার নেই। তাই ১১ থেকে ১ বিয়োগ করলে কারবর্ণের সংখ্যা ১০টি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। কারবর্ণ কেবল স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
a মৌনতা
b মহীযসী
c নির্মিলীত
d শ্রদ্ধ্যাঞ্জলি
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৌনতা ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে মৌনতা শব্দটি নির্দেশ করা হয়েছে। এটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি শুদ্ধ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ। - মৌন শব্দের সঙ্গে ভাববাচক তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মৌনতা শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ নীরবতা বা বাকহীনতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ গঠনে বিশেষ্য বা বিশেষণের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য পদ তৈরি করা হয়। - মৌন একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ, যার সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক প্রমিত বানান ও রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চঞ্চলতা ব্যাখ্যা: চঞ্চল শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চঞ্চলতা ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মধুরতা ব্যাখ্যা: মধুর শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মধুরতা ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌনতা — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) মহীযসী — মহীয়ান শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ মহীযসী, যেখানে বানানটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়। C) নির্মিলীত — এটি একটি ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ নির্মীলিত বা নিমীলিত। D) শ্রদ্ধ্যাঞ্জলি — এটি একটি ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ শ্রদ্ধাঞ্জলি যেখানে জ্য ফলা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - তা প্রত্যয় যুক্ত শব্দ বানানোর সময় মূল শব্দের সঙ্গে তা সরাসরি যুক্ত হয় এবং বানানের ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ মনে রাখতে হবে। - ভুল বানান এড়াতে মূল শব্দ ও প্রত্যয়যুক্ত পদের গঠন ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় বানানের পরিবর্তনগুলো ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
a বঙ্গভূমির প্রতি
b দুই বিঘা জমি
c পাছে লোকে কিছু বলে
d প্রার্থনা
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গভূমির প্রতি ১. কেন সঠিক: - এই পঙ্ক্তিটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - কবির দেশপ্রেম ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ এই পঙ্ক্তির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী ও সার্থক কবি। - 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতাটি তাঁর 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অপর একটি বিখ্যাত সনেট যেখানে তাঁর স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ব্রজাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য পদাবলিধর্মী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভূমির প্রতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতাতেই আলোচ্য পঙ্ক্তিটি রয়েছে। B) দুই বিঘা জমি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা যার মূল বিষয়বস্তু ছিল উপেন নামক এক দরিদ্র কৃষকের জমি হারানো। C) পাছে লোকে কিছু বলে — এটি কামিনী রায়ের লেখা একটি জনপ্রিয় নৈতিক ও সামাজিক শিক্ষা মূলক কবিতা। D) প্রার্থনা — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বা অন্য কোনো কবির সাধারণ প্রার্থনা বিষয়ক কবিতা, আলোচ্য পঙ্ক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো যে মধুসূদন দত্ত বিদেশের মাটিতে বসে বাংলার কাছে ক্ষমা ও স্মরণ করার মিনতি জানিয়েছিলেন 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায়। - দাসেরে মনে কথাটি কেবল মাইকেল মধুসূদন দত্তের কবিতায় তাঁর বিনীত আত্মপ্রকাশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক এবং তাঁর সনেটগুলো পেট্রারকীয় রীতিতে লেখা। - এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই কবিতার নাম ও কবির নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b অতুলপ্রসাদ সেন
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d রূপলাল সেন
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অতুলপ্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো অতুলপ্রসাদ সেন কারণ প্রখ্যাত এই গানটির রচয়িতা তিনিই। - মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা চরণটি বাংলা ভাষা নিয়ে লেখা অন্যতম সেরা একটি দেশাত্মবোধক গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অতুলপ্রসাদ সেন ছিলেন বাঙালি সুরকার গীতিকার ও আইনজীবী। - বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে তিনি এই অমর গানটি রচনা করেছিলেন যা আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম তোমায় ভালোবাসি ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে লেখা একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা ব্যাখ্যা: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা এই গানটিও আমাদের জাতীয় চেতনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও এই গানটি তার লেখা নয়। B) অতুলপ্রসাদ সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও গানটির রচয়িতা নন। D) রূপলাল সেন — ইনি বাংলা সাহিত্যের কোনো প্রখ্যাত গীতিকার বা এই গানের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা নিয়ে অতুলনীয় গান লিখেছিলেন অতুলপ্রসাদ সেন। - নামের শুরুর অক্ষর মিলিয়ে সহজে মনে রাখতে পারো অতুলপ্রসাদ মানেই আ মরি বাংলা ভাষা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের অন্যান্য বিখ্যাত গানগুলোর তালিকা ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
b মাছবাজার
c আইন - শৃঙ্খলাহীন অরাজকতা অবস্থা
d মাছ ধরার ফাঁদ
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আইন - শৃঙ্খলাহীন অরাজকতা অবস্থা ১. কেন সঠিক: - মাৎস্যন্যায় বলতে প্রাচীন বাংলার সেই অরাজকতা ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির সময়কে বোঝায়, যখন শক্তিশালীরা দুর্বলদের ওপর অত্যাচার করত। - বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে গিলে খায়, ঠিক তেমনি সমাজে বলবান ব্যক্তিরা দুর্বলদের গ্রাস করত বলেই এই পরিস্থিতির নাম দেওয়া হয়েছে মাৎস্যন্যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ইতিহাস ও রাজনৈতিক পটভূমির সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত একটি ঐতিহাসিক পরিভাষা। - শশাঙ্কের মৃত্যুর পর সপ্তম শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে অষ্টম শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত আনুমানিক একশ বছর বাংলায় কোনো কেন্দ্রীয় শক্তিশালী রাজা ছিল না এবং সর্বত্র অরাজকতা বিরাজ করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সপ্তম শতাব্দীর মধ্যভাগে বাংলার পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল ক্ষমতায় আসার আগের পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ মাৎস্যন্যায়ের মতো। ব্যাখ্যা: এই সময়ে দেশজুড়ে কোনো রাজা বা আইন না থাকায় সাধারণ মানুষের জীবন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে কেটেছিল। উদাহরণ ২: মহাভারতের শান্তিপর্বে সমাজে মাৎস্যন্যায়ের অবস্থার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: সেখানে বলা হয়েছে যে রাক্ষুসে বা মাছের মতো নীতি যেখানে বলবান দুর্বলকে খায়, সেটাই মাৎস্যন্যায় অবস্থা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা — এই অপশনটি ভুল কারণ মাৎস্যন্যায় কোনো বিচারব্যবস্থা নয় বরং বিচারহীনতা ও চরম অরাজকতার প্রতীক। B) মাছবাজার — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি আক্ষরিক অর্থে মাছ বিক্রির বাজারকে বোঝায় না, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক রূপক। D) মাছ ধরার ফাঁদ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কৌশল বা মৎস্য শিকারের সরঞ্জাম নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, তেমনি সমাজে শক্তিশালী মানুষ যখন দুর্বলদের শোষণ করে এবং কোনো আইন থাকে না, তাকেই মাৎস্যন্যায় বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে যে মাৎস্যন্যায় কোন যুগে দেখা গিয়েছিল, যার উত্তর হবে প্রাচীন যুগে পাল বংশের প্রতিষ্ঠার আগে। - এই একশ বছরের অরাজকতার অবসান ঘটিয়ে প্রজারা মিলে গোপালকে রাজা নির্বাচিত করেছিল এবং পাল রাজবংশের সূচনা ঘটেছিল।
a 23
b 10
c 13
d 20
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৩ ১. কেন সঠিক: 'ময়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা বিশ্বের মোট তেইশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এই সংকলনটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের কাছে এর সমাদর বোঝাতেই এই সংখ্যাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত 'ময়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকসাহিত্যের মুকুটমণি। চন্দ্রমাবতী, মহুয়া, মৈমনসিংহ গীতিকার বিভিন্ন পালা বিশ্বসাহিত্যের দরবারে বাংলার লোকসংস্কৃতির সমৃদ্ধি তুলে ধরেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা। ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় একটি পালা যা বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা। ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত করুণ রসাত্মক ট্র্যাজেডি পালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ ময়মনসিংহ গীতিকা মোট তেইশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। B) ১০ — এই সংখ্যাটি ময়মনসিংহ গীতিকার অনুবাদের প্রকৃত সংখ্যা নির্দেশ করে না এবং এটি ভুল। C) ১৩ — এই সংখ্যাটি ময়মনসিংহ গীতিকার অনুবাদের ক্ষেত্রে সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর। D) ২০ — এই সংখ্যাটি ময়মনসিংহ গীতিকার মোট অনূদিত ভাষার সঠিক পরিসংখ্যান প্রদান করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকার ভাষা তেইশটি মনে রাখতে ইংরেজিতে টোয়েন্টি থ্রি বা বাংলা তেইশ সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো। লোকসাহিত্যের আন্তর্জাতিক পরিসর বোঝাতে এই তেইশ সংখ্যাটি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। এই ধরনের সাহিত্যিক পরিসংখ্যানমূলক প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।
a সস্তা বন্ধু
b ক্ষুব্ধ হওয়া
c সুযোগ সন্ধান করা
d যোগ্যতা ছাড়াই অহংকার দেখানো
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ঘ) যোগ্যতা ছাড়াই অহংকার দেখানো কেন সঠিক: - প্রবাদটির শব্দার্থ অনুযায়ী যেখানে ছোট ঘটি ডোবার কথা নয়, সেখানে বিশাল তালপুকুরের কথা বলা হয়েছে যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ। - যার নিজের কোনো বিশেষ যোগ্যতা বা সামর্থ্য নেই, সে যখন বড়াই বা অহংকার করে, তখন এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা প্রবচন যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রবাদটি সমাজের এক শ্রেণির মানুষের ফাঁপা অহংকার ও অযোগ্যতাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। - যেমন, সামান্য জ্ঞান নিয়ে বড় পণ্ডিতের মতো কথা বলা বা নিজের ক্ষমতা না বুঝে বড়াই করার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) সস্তা বন্ধু — এই প্রবাদটি বিশ্বস্ততা বা বন্ধুত্বের সাথে সম্পর্কিত নয়। - খ) ক্ষুব্ধ হওয়া — প্রবাদটি রাগ বা ক্ষোভ প্রকাশ করার কোনো ভাবার্থ বহন করে না। - গ) সুযোগ সন্ধান করা — কোনো বিশেষ সুযোগ নেওয়ার অর্থ এই প্রবাদটি প্রকাশ করে না। - ঘ) যোগ্যতা ছাড়াই অহংকার দেখানো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - তালপুকুর হলো অনেক বড় পুকুর আর ঘটি হলো ছোট পাত্র, তাই ছোট জিনিসের বড়াই বোঝাতে এই প্রবাদটি মনে রাখতে হবে।
a ধাক্কা খাওয়া
b ধুঁকে ধুঁকে চলা
c বাধা পাওয়া
d মার খাওয়া
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধুঁকে ধুঁকে চলা ১. কেন সঠিক: - খাবি খাওয়া একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার অর্থ কষ্ট পাওয়া বা ধুঁকে ধুঁকে চলা। - মূলত জলে ডুবে যাওয়ার সময় মানুষ যেভাবে শ্বাস নেওয়ার জন্য ছটফট করে, রূপক অর্থে জীবনের নানা সংকটে সেই দুরবস্থাকে খাবি খাওয়া বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যা শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - বাগধারা ভাষা ও ভাবকে সংহত, সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যবসায় বারবার লোকসানে পড়ে লোকটি এখন খাবি খাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক সংকটে পড়ে মানুষটির চরম কষ্টের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: এই গরমে তীব্র গরমে অসুস্থ বৃদ্ধ মানুষটি যেন খাবি খাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে শারীরিক দুর্বলতা ও কষ্টে পড়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাক্কা খাওয়া — এই অর্থটি সরাসরি খাবি খাওয়া বাগধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) ধুঁকে ধুঁকে চলা — এই অপশনটি খাবি খাওয়া বাগধারার সঠিক ভাবার্থ বহন করে। C) বাধা পাওয়া — এই অর্থটি খাবি খাওয়ার মূল কষ্টের অবস্থাকে প্রকাশ করে না। D) মার খাওয়া — এটি শারীরিক আঘাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা বাগধারার রূপক অর্থের বাইরে। ৫ মনে রাখার টিপস: - জলে ডুবে গেলে মানুষ যেমন খাবি খায়, তেমনই জীবনে বড় কোনো সমস্যায় পড়লে মানুষ ধুঁকে ধুঁকে চলে বা খাবি খায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। তাই শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ বুঝতে হবে।

মোট প্রশ্ন (21)

a acquaintance
b acquaintance
c acquantence
d acquintence
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) acquaintance কেন সঠিক: শব্দটির শুরুতে a-c-q-u-a-i-n-t অক্ষরগুলো সঠিক নিয়মে বসেছে। এর শেষে -ance প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানান তৈরি হয়েছে। বানানটিতে কোনো অতিরিক্ত বা বাদ পড়া অক্ষর নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) acquaintance — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) acquaintance — এটি হুবহু সঠিক বানান হওয়ায় এটিও সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) acquantence — এই বানানটিতে মাঝের i অক্ষরটি বাদ পড়ার কারণে ভুল হয়েছে। D) acquintence — এই বানানের শেষের অংশে -ance এর বদলে -ence লেখার কারণে ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: acquain এবং tance এই দুটি অংশ আলাদা করে মনে রাখলে বানানটি আর ভুল হবে না।
a The American Revolution
b The Industrial Revolution
c The Russian Revolution
d The French Revolution
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The French Revolution কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তরুণ বয়সে তিনি নিজে ফ্রান্সে গিয়ে এই বিপ্লবের সাথে যুক্ত হন এবং এর প্রভাব তার কবিতায় স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The American Revolution — আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ তার কবিতায় সরাসরি তেমন কোনো বিশেষ প্রভাব ফেলেনি। B) The Industrial Revolution — শিল্প বিপ্লবের নেতিবাচক প্রভাব তিনি লক্ষ্য করলেও এটি তার প্রধান অনুপ্রেরণা ছিল না। C) The Russian Revolution — রুশ বিপ্লব ওয়ার্ডসওয়ার্থের মৃত্যুর অনেক পরে সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ ছিলেন প্রকৃতির কবি এবং ফরাসি বিপ্লবের আদর্শ তাকে মানবপ্রেমী হতে শিখিয়েছিল।
a measles
b horses
c men
d brethren
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) measles কেন সঠিক: measles শব্দটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি আসলে একটি নির্দিষ্ট রোগ বোঝায়। তাই এর কোনো একক বা singular রূপ নেই। এটি সবসময় singular verb গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) measles — এটি সঠিক উত্তর। B) horses — এটি একটি regular noun যার singular form হলো horse। C) men — এটি একটি irregular noun যার singular form হলো man। D) brethren — এটি brother শব্দের plural form এবং এর singular form হলো brother। মনে রাখার টিপস: যেসব nouns এর শেষে s থাকে এবং রোগ বা বিষয়ের নাম বোঝায়, সেগুলোর singular রূপ হয় না।
a The man was tall who stole my bag.
b The man stole my bag who was tall.
c The man who stole my bag was tall.
d The man stealing my bag was tall.
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The man who stole my bag was tall. কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে Relative Pronoun 'who' তার ঠিক পূর্ববর্তী Noun 'The man'-কে খুব সুন্দরভাবে নির্দেশ করেছে। ২. এর ফলে পুরো বাক্যটির অর্থ পরিষ্কার হয়েছে এবং বাক্যগঠনের সঠিক নিয়ম বজায় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The man was tall who stole my bag — এই বাক্যে Relative Pronoun তার antecedent বা পূর্বপদের চেয়ে অনেক দূরে বসেছে। B) The man stole my bag who was tall — এখানে 'who' ভুল জায়গায় বসার কারণে পুরো বাক্যটির অর্থ বিভ্রান্তিকর হয়ে গেছে। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) The man stealing my bag was tall — এখানে Present Participle ব্যবহার করায় বাক্যের মূল ভাব ও ব্যাকরণগত গঠন কিছুটা অসম্পূর্ণ লাগে। মনে রাখার টিপস: Relative Pronoun সবসময় তার ঠিক আগের Noun বা Pronoun-এর সাথে একদম লাগোয়া হয়ে বসে।
a Dodge
b Lodge
c Hodge
d Grudge
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Lodge কেন সঠিক: - 'Lodge a complaint' একটি অত্যন্ত পরিচিত ইংরেজি বাকধারা বা কোলোকেশন (Colocation), যার অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ দায়ের করা। - এই নির্দিষ্ট বাকধারার কারণে 'complain' শব্দের সাথে সরাসরি 'Lodge' শব্দটি যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dodge — এর অর্থ এড়িয়ে চলা বা ফাঁকি দেওয়া, যা সরাসরি অভিযোগ করার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Lodge — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'complaint' শব্দের সাথে মিলে 'Lodge a complaint' ফ্রেজ গঠন করে। C) Hodge — এটি সাধারণত মানুষের নাম বা হচপচ (Hodgepodge) অর্থে ব্যবহৃত হয়, অভিযোগের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Grudge — এর অর্থ মনে ক্ষোভ বা অভিমান পোষণ করা, যা অভিযোগ দায়ের করার ক্রিয়াকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: অভিযোগ করার ইংরেজি ফ্রেজ মনে রাখতে 'Lodge a complaint' কথাটি বারবার চর্চা করো।
a Collective noun
b Common noun
c Material noun
d Proper noun
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Common noun কেন সঠিক: - 'Infant' শব্দের অর্থ শিশু, যা নির্দিষ্ট কোনো একটি শিশুকে না বুঝিয়ে এই বয়সের সকল শিশুকে সাধারণভাবে বোঝায়। - একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা প্রাণীকে সাধারণ নামে প্রকাশ করার কারণে এটি Common noun হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Collective noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায় না, তাই সঠিক নয়। B) Common noun — এটি সঠিক কারণ এটি শিশু শ্রেণির সকলকে সাধারণভাবে নির্দেশ করে। C) Material noun — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুর নাম নয়, যা ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না। D) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম বোঝায় না, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ কোনো নির্দিষ্ট নাম না বুঝিয়ে একই শ্রেণির সকলকে সাধারণভাবে বোঝায়, সেগুলোকে Common noun বলে।
a Gerund
b Participle
c Infinite verb
d Finite verb
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Gerund কেন সঠিক: swimming শব্দটি এখানে একটি নাউন বা বিশেষ্য হিসেবে কাজ করছে। এটি একটি নির্দিষ্ট পুল বা সাঁতার কাটার স্থানকে বোঝাচ্ছে। এটি prepositions এর পরে বসেছে। এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Participle — এটি এখানে adjective এর কাজ করছে না তাই এটি participle হতে পারে না। C) Infinite verb — এর আগে কোনো to নেই এবং এটি verb এর মূল রূপ নয়। D) Finite verb — এটি বাক্যের মূল সমাপিকা ক্রিয়া নয় এবং এর নিজস্ব কোনো সাবজেক্ট নেই। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি noun এর কাজ করে এবং sentence এ noun এর জায়গায় বসে, তবে তাকে gerund বলে।
a foxy
b female fox
c bitch
d vixen
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) vixen কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী পুরুষ শেয়াল বা ফক্স-এর স্ত্রীবাচক শব্দ হলো ভিক্সেন। এটি একটি নির্দিষ্ট ও প্রচলিত লিঙ্গ পরিবর্তনকারী শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) foxy — এটি কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ নয়, বরং ফক্সি হলো একটি বিশেষণ যা শেয়ালের মতো চতুর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। B) female fox — এটি সাধারণ অর্থে মাদী শেয়াল বোঝালেও ব্যাকরণগতভাবে ফক্স শব্দের সঠিক বিপরীত লিঙ্গ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) bitch — এটি কুকুর ও নেকড়ের স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, শেয়ালের ক্ষেত্রে এই শব্দটি কখনো ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: পুরুষ ফক্স বা শেয়ালের স্ত্রীবাচক রূপ সবসময় vixen হয়, তাই এটি মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
a The Elizabethan age
b The Victorian age
c The Restorian age
d The eighteenth century
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The Elizabethan age কেন সঠিক: এই যুগে উইলিয়াম শেকসপিয়র এবং ক্রিস্টোফার মার্লোর মতো বিখ্যাত নাট্যকার ও কবিরা ইংরেজী সাহিত্যকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। নাটক এবং কবিতার ক্ষেত্রে এই সময়টিতে অসাধারণ সাহিত্যিক উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল। রানী প্রথম এলিজাবেথের রাজত্বকালে সাহিত্য ও সংস্কৃতির অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছিল। তাই এই সময়কালকে ইংরেজী সাহিত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Elizabethan age — এটিই সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) The Victorian age — এই যুগে উপন্যাসের ব্যাপক বিকাশ ঘটলেও একে সামগ্রিকভাবে স্বর্ণযুগ বলা হয় না। C) The Restorian age — এই যুগে মূলত ব্যঙ্গাত্মক নাটক ও সাহিত্যের প্রচলন হয়েছিল কিন্তু স্বর্ণযুগ বলা যায় না। D) The eighteenth century — এই শতাব্দীকে মূলত গদ্য এবং যুক্তিবাদী সাহিত্যের যুগ বলা হয়। মনে রাখার টিপস: শেকসপিয়রের যুগ মানেই এলিজাবেথান যুগ এবং একেই ইংরেজী সাহিত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
a Playful
b Sluggish
c Energetic
d Quarrelsome
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Energetic কেন সঠিক: slothful শব্দটির অর্থ অলস বা কর্মবিমুখ। এর বিপরীতার্থক বা antonym হলো energetic যার অর্থ উদ্যোমী বা প্রাণবন্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Playful — এই শব্দটির অর্থ চঞ্চল বা হাসিখুশি, যা অলস শব্দের সঠিক বিপরীত নয়। B) Sluggish — এই শব্দটির অর্থ ধীরগতির বা অলস, যা slothful শব্দের সমার্থক বা synonym। C) Energetic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অলসতার ঠিক বিপরীত শক্তি ও উদ্যম প্রকাশ করে। D) Quarrelsome — এই শব্দটির অর্থ ঝগড়াকুটে, যা অলসতা বা কর্মতৎপরতার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: slothful মানে স্লথ বা অলস, আর energetic মানে এনার্জিতে ভরপুর।
a Coleridge
b Keats
c Shelley
d Wordsworth
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shelley কেন সঠিক: বিখ্যাত ওড কবিতা 'Ode to the West Wind' এর রচয়িতা হলেন রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি পার্সি বিশ শেলি। ১৮১৯ সালে লেখা এই কবিতাটি প্রকৃতির শক্তি এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে অত্যন্ত সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Coleridge — এস টি কোলরিজ 'The Rime of the Ancient Mariner' লেখার জন্য বিখ্যাত হলেও এই ওডটি লেখেননি। B) Keats — জন কিটসের বিখ্যাত ওডগুলোর মধ্যে 'Ode to a Nightingale' অন্যতম হলেও এটি তার লেখা নয়। C) Shelley — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ মূলত প্রকৃতি এবং স্মৃতিকাতরতা নিয়ে লিখলেও এই ওডটি তার রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: পশ্চিম বাতাসে (West Wind) ভর করে উড়ে যাওয়ার কল্পনায় শেলি (Shelley) এই কবিতা লিখেছেন।
a flaunt
b recover
c please
d topple
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) recover কেন সঠিক: ‘Bounce back’ একটি ইংরেজি বাকধারা বা ইডিয়ম। এর অর্থ হলো কোনো কঠিন অবস্থা বা রোগ থেকে দ্রুত আগের ভালো অবস্থায় ফিরে আসা। recover শব্দের অর্থও সুস্থ হওয়া বা ফিরে পাওয়া। তাই এই অপশনটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) flaunt — এর অর্থ হলো কোনো কিছু নিয়ে গর্ব করা বা প্রর্দশন করা, যা মূল অর্থের সাথে মেলে না। খ) recover — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) please — এর অর্থ হলো কাউকে খুশি করা বা আনন্দ দেওয়া, যা বাকধারার সাথে সম্পর্কিত নয়। ঘ) topple — এর অর্থ হলো পতন ঘটানো বা উল্টে যাওয়া, যা bounce back এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বল মাটিতে মারলে যেমন আবার ওপরে ফিরে আসে, তেমনি মানুষের জীবনে খারাপ সময় কেটে গিয়ে ভালো অবস্থা ফিরে আসাকে bounce back বলা হয়।
a in
b with
c on
d well
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - কোনো মাধ্যম বা যন্ত্রের সাহায্যে কোনো কাজ করা বোঝাতে Noun-এর পূর্বে preposition হিসেবে with বসে। - এখানে কলম লেখার মাধ্যম বা যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই pen-এর পূর্বে with সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সাধারণত স্থান, ক্ষেত্র বা ভাষার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, লেখার যন্ত্র বোঝাতে নয়। B) with — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি লেখার মাধ্যম হিসেবে কলম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। C) on — এটি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়। D) well — এটি একটি adverb, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: কলম বা লেখার উপকরণের সাহায্যে কোনো কাজ করতে হলে always with ব্যবহার করবে।
a is
b are
c were
d all
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বা অর্থের সমষ্টি দেখতে বহুবচন মনে হলেও তা সাধারণত একক পরিমাণ বা একক সত্তা বোঝায়। তাই এরপরে সবসময় একবচন ভার্ব বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা একটি একক পরিমাণ বোঝায়। B) are — এটি ভুল কারণ পরিমাণবাচক অর্থে একবচন ভার্ব ব্যবহার করতে হয়। C) were — এটি ভুল কারণ এটি বহুবচন এবং অতীতের রূপ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) all — এটি ভুল কারণ এটি কোনো উপযুক্ত ভার্ব নয় যা শূন্যস্থানে বসতে পারে। মনে রাখার টিপস: টাকা, সময়, দূরত্ব বা পরিমাপ একসাথে বোঝালে তা একক ধরে সিঙ্গुलर বা একবচন ভার্ব নিতে হয়।
a Insect
b Food
c Bird
d Flower
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Insect কেন সঠিক: ক্রিকেট যেমন একটি জনপ্রিয় খেলার নাম, তেমনি ইংরেজি ভাষায় ক্রিকেট বলতে একটি ছোট পোকাকেও বোঝানো হয়। শব্দের এই দ্বৈত অর্থ বা বহুার্থক ব্যবহারের কারণে এখানে পোকা বা insect অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ইংরেজি শব্দভাণ্ডারে একই বানানের ভিন্ন অর্থ মনে রাখা খুব জরুরি। শব্দের প্রেক্ষাপট বুঝে সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Food — ফুড বা খাবার বলতে এমন কোনো জিনিসকে বোঝায় না যার নাম ক্রিকেট। C) Bird — বার্ড বা পাখি বলতে কোনো নির্দিষ্ট পাখিকে ক্রিকেট বলা হয় না। D) Flower — ফ্লাওয়ার বা ফুল বলতে কোনো পরিচিত ফুলের নাম ক্রিকেট নয়। মনে রাখার টিপস: একটি ইংরেজি শব্দ যে ভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে, সে বিষয়ে সবসময় সজাগ থাকবে।
a A traitor is not trusted
b A traitor should not be trusted
c Everybody hates a traitor
d A traitor is not trusted by anybody
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A traitor is not trusted by anybody কেন সঠিক: Active voice-এর subject হিসেবে থাকা negative pronoun 'nobody'-কে passive voice-এ object করার সময় সাধারণত 'by anybody' বা 'by anyone' হিসেবে লেখা হয়। মূল sentence-এর present indefinite tense অপরিবর্তিত রেখে passive voice-এ 'is not' এবং verb-এর past participle রূপ 'trusted' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A traitor is not trusted — এখানে শেষ অংশ অর্থাৎ 'by anybody' বাদ দেওয়া হয়েছে, যা বাক্যটিকে সম্পূর্ণ সঠিক করে না। B) A traitor should not be trusted — এখানে অর্থ পরিবর্তন করে 'should' (উচিত নয়) modal verb অতিরিক্ত যুক্ত করা হয়েছে। C) Everybody hates a traitor — এটি voice change নয়, বরং বাক্যটির অর্থের বিপরীত একটি ভিন্ন বাক্য বা synonym তৈরি করা হয়েছে। D) A traitor is not trusted by anybody — এটি সকল grammatical নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি করা সঠিক passive voice। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ nobody বা none থাকলে passive করার সময় by-এর পরে anybody বা anyone ব্যবহার করতে হয়।
a adverb
b pronoun
c verb
d adjective
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) adverb কেন সঠিক: ‘Quickly’ শব্দটি একটি verb বা ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয় তা প্রকাশ করে। এটি বাক্যের অন্য কোনো adjective বা adverb-এর দোষ বা গুণও প্রকাশ করতে পারে। যে শব্দ verb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে তাকে adverb বলে। তাই ‘Quickly’ একটি adverb। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) pronoun — এটি noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু ‘Quickly’ কোনো noun-এর বদলি নয়। C) verb — এটি দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু ‘Quickly’ কোনো কাজ করা বোঝায় না। D) adjective — এটি কেবল noun বা pronoun-এর দোষ গুণ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো শব্দের শেষে ly যুক্ত থাকলে এবং তা কাজ করার ধরণ বোঝালে সাধারণত সেটি adverb হয়।
a বাহরাইন
b গ্রীনল্যান্ড
c আয়ারল্যান্ড
d থাইল্যান্ড
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাহরাইন কেন সঠিক: বাহরাইন ঐতিহাসিকভাবে মুক্তা আহরণ এবং ব্যবসার জন্য বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত ছিল। এই দেশের উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে উন্নত মানের মুক্তা পাওয়া যেত। প্রাচীনকাল থেকেই মুক্তা এখানকার প্রধান অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাহরাইন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মুক্তার দ্বীপ নামে পরিচিত। B) গ্রীনল্যান্ড — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং বরফে ঢাকা থাকার কারণে একে বরফের দ্বীপ বলা হয়। C) আয়ারল্যান্ড — এটি তার সবুজ প্রকৃতির জন্য পরিচিত এবং একে পান্না দ্বীপ বলা হয়। D) থাইল্যান্ড — এটি বৌদ্ধ মন্দিরের দেশ এবং হোয়াইট এলিফ্যান্ট বা শ্বেতহস্তীর দেশ নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: বাহরাইন শব্দটির সাথে মুক্তার সম্পর্ক মনে রাখলে এই প্রশ্নটি সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a Law
b Medicine
c Ecology
d Environment
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Medicine কেন সঠিক: অনোলজি (Oncology) শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা। এই শাখায় মূলত ক্যান্সার এবং টিউমার রোগের কারণ, প্যাথোলজি এবং চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা করা হয়। তাই এটি সরাসরি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে যুক্ত। অন্যান্য শাখা এর সাথে সম্পর্কিত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Law — এটি আইন ও বিচার ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত, চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) Medicine — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Ecology — এটি পরিবেশ বিজ্ঞান ও জীবসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। D) Environment — এটি আমাদের চারপাশ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: অঙ্কোলোজি শব্দটির শুরুতে থাকা অনক অংশটি টিউমার নির্দেশ করে, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি অংশ।
a Plato
b Che Guevara
c Nepoleon
d Einstein
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nepoleon (বানান সংশোধন: Napoleon) কেন সঠিক: - ফরাসি সম্রাট ও সামরিক নেতা নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও দূরদর্শিতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। - অসম্ভব বলে কিছু নেই, এই মনোভাব বোঝাতে তিনি এই ঐতিহাসিক উক্তিটি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Plato — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ছিলেন এবং জ্ঞান, নীতিশাস্ত্র ও রাষ্ট্রদর্শন নিয়ে কাজ করতেন, এই উক্তিটি তাঁর নয়। B) Che Guevara — তিনি বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট মার্ক্সবাদী বিপ্লবী ছিলেন এবং লাতিন আমেরিকার বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) Einstein — তিনি একজন বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন এবং আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য পরিচিত, এই সাহিত্যিক বা দার্শনিক উক্তিটি তাঁর নয়। মনে রাখার টিপস: অসম্ভব কাজকে সম্ভব করার মানসিকতা কেবল নেপোলিয়ন বোনাপার্টের মতো বিশ্বজয়ী বীরের পক্ষেই মানায়।
a Special child
b Intelligent person
c a person's idea
d autistic child
0 46 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a person's idea কেন সঠিক: ‘Brain Child’ একটি বিশেষ বাগধারা বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ মাথার সন্তান হলেও ভাবার্থ হলো কারো মৌলিক চিন্তা বা পরিকল্পনা। কোনো নতুন উদ্ভাবন, সৃষ্টিশীল কাজ বা প্রকল্পের পেছনের মূল ভাবনা বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত কোনো ব্যক্তির নিজস্ব সৃজনশীল পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Special child — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা শিশুকে বোঝায়। B) Intelligent person — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রতিভাবান বা বুদ্ধিমান মানুষকে নির্দেশ করে, যা ইডিয়মের অর্থ নয়। C) a person's idea — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) autistic child — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত একটি শিশুকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: মস্তিষ্ক বা ব্রেন থেকে যা জন্ম নেয় অর্থাৎ মানুষের নিজস্ব উদ্ভাবনী ধারণাই হলো ব্রেন চাইল্ড।

মোট প্রশ্ন (14)

a 6
b 7
c 8
d 9
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ২ + ৪ + ৮ + ১৬ + ...... ধারাটির n সংখ্যক পদের সমষ্টি = ২৫৪ ধরি, প্রথম পদ a = ২ সাধারণ অনুপাত r = ৪ ÷ ২ = ২ অতএব, গুণোত্তর ধারার সমষ্টির সূত্র অনুযায়ী, a × (r এর পাওয়ার n − ১) ÷ (r − ১) = ২৫৪ মান বসিয়ে পাই, ২ × (২ এর পাওয়ার n − ১) ÷ (২ − ১) = ২৫৪ সুতরাং, ২ × (২ এর পাওয়ার n − ১) = ২৫৪ (২ এর পাওয়ার n − ১) = ১২৭ উত্তর: ২ এর পাওয়ার n = ১২৮, অর্থাৎ n = ৭
a ১,০০০ টাকা
b ১০০ টাকা
c ৫০০ টাকা
d ৭ ৫০ টাকা
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ২,৫০০ টাকা ক ও খ এর অনুপাত = ১ : ৪ বাবা ও মায়ের অনুপাত = ১ : ১ ধরি, ক এর অংশ = ১x টাকা খ এর অংশ = ৪x টাকা অতএব, ১x + ৪x = ২,৫০০ ৫x = ২,৫০০ x = ৫০০ সুতরাং, খ এর অংশ = ৪ × ৫০০ = ২,০০০ টাকা মা পাবেন খ এর অর্ধেক = ২,০০০ ÷ ২ = ১,০০০ টাকা উত্তর: ১,০০০ টাকা
a {0, 1, 2}
b {0, 2, 3}
c {1, 2, 3}
d {1, 2, 3, 4}
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০, ১, ২ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ = ০, ১, ২, ৩ সম্পর্ক শর্ত: ওয়াই সমান এক্স বিয়োগ এক ধরি, এক্স এর মান সেট এ থেকে নেয়া হলো ওয়াই এর মান বের করতে হবে অতএব, এক্স সমান ১ হলে ওয়াই সমান ১ বিয়োগ ১ সমান ০ এক্স সমান ২ হলে ওয়াই সমান ২ বিয়োগ ১ সমান ১ এক্স সমান ৩ হলে ওয়াই সমান ৩ বিয়োগ ১ সমান ২ সুতরাং, রেঞ্জ হলো সব ওয়াই এর মানের সেট রেঞ্জ আর সমান ০, ১, ২ উত্তর: ০, ১, ২
a 3
b 5
c 4
d 6
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: x − y = ২ xy = ২৪ ধরি, (x + y) এর বর্গ = (x − y) এর বর্গ + ৪xy অতএব, (x + y) এর বর্গ = (২) এর বর্গ + ৪ × ২৪ (x + y) এর বর্গ = ৪ + ৯৬ (x + y) এর বর্গ = ১০০ সুতরাং, x + y = ১০ (ধনাত্মক মান নিয়ে) আবার, x − y = ২ দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২x = ১২ বা x = ৬ উত্তর: ৬
a 35
b 32
c 30
d 36
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: x, y ও z এর মানের গড় = ৪০ b এর মান = ২০ ধরি, x, y ও z এর সমষ্টি = ৪০ × ৩ = ১২০ b এর মান = ২০ অতএব, চারটি সংখ্যার মোট মান = ১২০ + ২০ = ১৪০ সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ = ৪ সুতরাং, x, y, z এবং b এর মানের গড় = ১৪০ ÷ ৪ = ৩৫ উত্তর: ৩৫
a sqrt(2)
b sqrt(1)
c sqrt(3)
d sqrt(5)
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √(৫) প্রদত্ত তথ্য: x^(৪) + ২x^(২) + ১ = ৫x^(২) ধরি, সমীকরণটির উভয় পক্ষ থেকে x^(২) দিয়ে ভাগ করব x^(২) + ২ + (১ ÷ x^(২)) = ৫ অতএব, x^(২) + (১ ÷ x^(২)) = ৫ − ২ x^(২) + (১ ÷ x^(২)) = ৩ সুতরাং, (x + (১ ÷ x))^(২) = x^(২) + (১ ÷ x^(২)) + ২ (x + (১ ÷ x))^(২) = ৩ + ২ = ৫ উত্তর: x + (১ ÷ x) = √(৫)
a ১০০ বর্গমিটার
b ১২০ বর্গমিটার
c ১৬০ বর্গমিটার
d ৪৮ বর্গমিটার
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৮ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ মিটার অপর দুটি বাহুর প্রতিটি = ১০ মিটার ধরি, ত্রিভুজটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ ভূমি (𝑏) = ১৬ মিটার সমান সমান বাহু দুটি (𝑎) = ১০ মিটার অতএব, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা (ℎ) নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করে পাই উচ্চতা (ℎ) = √(𝑎² − (𝑏/২)²) সুতরাং, উচ্চতা (ℎ) = √(১০² − (১৬/২)²) = √(১০০ − ৬৪) = √৩৬ = ৬ মিটার উত্তর: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা = (১/২) × ১৬ × ৬ = ৪৮ বর্গমিটার
a ১০০ বর্গমিটার
b ২০০ বর্গমিটার
c ৪০০ বর্গমিটার
d ৫০০ বর্গমিটার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০০ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: রাস্তার চওড়া = ৫ মিটার রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৫০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার মাঠের ক্ষেত্রফল = ক গুণ ক বর্গমিটার অতএব, রাস্তা সহ মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক + ১০ মিটার রাস্তা সহ মাঠের ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) গুণ (ক + ১০) বর্গমিটার সুতরাং, রাস্তার ক্ষেত্রফল = রাস্তা সহ ক্ষেত্রফল − মাঠের ক্ষেত্রফল ৫০০ = (ক + ১০) গুণ (ক + ১০) − (ক গুণ ক) উত্তর: ৪০০ বর্গমিটার
a ৪৫ ডিগ্রি
b ১২৫ ডিগ্রি
c ১৩৫ ডিগ্রি
d ১৮৫ ডিগ্রি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: সুসম বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৮ ধরি, বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = n = ৮ বহুভুজটির প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = x ডিগ্রি অতএব, বহুভুজটির বহিঃস্থ কোণগুলির সমষ্টি = ৩৬০ ডিগ্রি প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৮ = ৪৫ ডিগ্রি সুতরাং, প্রতিটি অন্তস্থ কোণের পরিমাণ = ১৮০ ডিগ্রি − ৪৫ ডিগ্রি = ১৩৫ ডিগ্রি উত্তর: ১৩৫ ডিগ্রি
a 250
b 100
c 200
d 300
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৬০% থেকে ৬০ বিয়োগ করলে ফলাফল ৬০ হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৬০% − ৬০ = ৬০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ৬০ + ৬০ ক × (৩ ÷ ৫) = ১২০ সুতরাং, ক = ১২০ × (৫ ÷ ৩) ক = ৪০ × ৫ উত্তর: ২০০
a n(100 - r) / (100 + s)
b n(100 + r) / (100 - s)
c n(100 - r) / (100 - s)
d n(100 - s) / (100 - s)
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) n(100 - r) / (100 + s) প্রদত্ত তথ্য: টাকায় n সংখ্যক কমলা বিক্রয় করায় r% ক্ষতি হয় s% লাভ করতে হলে টাকায় কয়টি কমলা বিক্রয় করতে হবে ধরি, কমলার ক্রয়মূল্য এবং বিক্রয়মূল্যের শতকরা হারের সম্পর্ক ব্যবহার করতে হবে প্রথম ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য হলো (100 − r)% অতএব, s% লাভে নতুন বিক্রয়মূল্য হবে (100 + s)% প্রথম ক্ষেত্রে প্রতি কমলার বিক্রয়মূল্য = 1 / n সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রে কমলার সংখ্যা হবে উল্টো অনুপাতে হিসাব করে বের করতে হবে সঠিক সূত্রটি হলো n গুণ (100 − r) ভাগ (100 + s) উত্তর: A) n(100 - r) / (100 + s)
a ১৫, ২০
b ৪৫, ৬০
c ৯০, ১১০
d ৮০, ৬০
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫, ৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৩ : ৪ সংখ্যা দুটির লসাগু = ১৮০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪ক অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩ × ৪ × ক = ১২ক সুতরাং, ১২ক = ১৮০ উত্তর: ক = ১৮০ ÷ ১২ = ১৫, ফলে সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ৩ × ১৫ = ৪৫ এবং ৪ × ১৫ = ৬০
a ৪ ঘণ্টা
b ৫ ঘণ্টা
c ৬ ঘণ্টা
d ৭ ঘণ্টা
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ক্ষেত্রে লোকের সংখ্যা = ১০ জন প্রথম ক্ষেত্রে দিনের সংখ্যা = ৭ দিন প্রথম ক্ষেত্রে দৈনিক পরিশ্রম = ৬ ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লোকের সংখ্যা = ১৪ জন দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দিনের সংখ্যা = ৬ দিন দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দৈনিক পরিশ্রম = ক ঘণ্টা অতএব, মোট কাজের পরিমাণ = ১০ × ৭ × ৬ জন-ঘণ্টা মোট কাজের পরিমাণ = ৪২০ জন-ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মোট কাজ = ১৪ × ৬ × ক জন-ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মোট কাজ = ৮৪ × ক জন-ঘণ্টা সুতরাং, ৮৪ × ক = ৪২০ উত্তর: ক = ৫ ঘণ্টা
a 21%
b 22%
c 11%
d 31%
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ১০% ধরি, মূল বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ একক মূল বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০ × ১০ = ১০০ বর্গ একক অতএব, বাহু ১০% বৃদ্ধি পেলে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য হয় ১১ একক নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল হয় ১১ × ১১ = ১২১ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় ১২১ − ১০০ = ২১ বর্গ একক উত্তর: ২১%

মোট প্রশ্ন (16)

a জেনেভা
b নিউইয়র্ক
c টোকিও
d রোম
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯২০ এর দশকে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় বড় পুরস্কার বা জ্যাকপট বোঝাতে প্রথম এই উপনামটি ব্যবহার করা হয়। - পরবর্তীতে ১৯৩০ এর দশকে জ্যাজ সংগীতশিল্পীদের মধ্যে এবং সত্তরের দশকে পর্যটন প্রচারাভিযানের মাধ্যমে শহরটি এই নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি বিখ্যাত শহর, যা আন্তর্জাতিক সংস্থা ও কূটনীতির কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হলেও বিগ অ্যাপল নামে পরিচিত নয়। B) নিউইয়র্ক — এটি আমেরিকার সবচেয়ে জনবহুল শহর এবং বিগ অ্যাপল নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। C) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম জনবহুল মেগাসিটি, যা বিগ অ্যাপল নামে পরিচিত নয়। D) রোম — এটি ইতালির ঐতিহাসিক রাজধানী, যা প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত হলেও এই উপনাম বহন করে না। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিখ্যাত শহর নিউইয়র্ককে একটি লোভনীয় ফলের সাথে তুলনা করে বিগ অ্যাপল বলা হয়।
a সুর
b পদযাত্রা
c যুদ্ধের ময়দান
d যুদ্ধের বাজনা
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুদ্ধের বাজনা কেন সঠিক: - রণভেরী শব্দের শাব্দিক অর্থ যুদ্ধের সময় বাজানোর বাদ্যযন্ত্র বা রণডঙ্কা। - প্রাচীন ও মধ্যযুগে যুদ্ধ শুরুর আগে বা সৈন্যদের উদ্দীপ্ত করতে এই বাদ্য বাজানো হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুর — সুর বলতে যেকোনো ধরনের সংগীত বা ধ্বনির মাধুর্য বোঝায়, যা যুদ্ধের সঙ্গে নির্দিষ্ট নয়। B) পদযাত্রা — পদযাত্রা অর্থ পায়ে হেঁটে পথ চলা, যার সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র বা যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই। C) যুদ্ধের ময়দান — যুদ্ধের ময়দান হলো যুদ্ধক্ষেত্র বা প্রাঙ্গণ, কিন্তু রণভেরী কোনো স্থান নয় বরং একটি বাদ্য। D) যুদ্ধের বাজনা — এটি সঠিক কারণ রণভেরী মূলত যুদ্ধের সময় বাজানো বাদ্যকেই নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: রণ শব্দের অর্থ যুদ্ধ এবং ভেরী শব্দের অর্থ বাদ্যযন্ত্র, সুতরাং দুটি মিলে হয় যুদ্ধের বাজনা।
a 999
b 333
c 109
d 103
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 333 কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সরকারি তথ্য ও সেবার জাতীয় হেল্পলাইন নম্বর। - নাগরিকরা এই নম্বরে কল করে সরকারের বিভিন্ন সেবা, তথ্য এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিকার পেতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 999 — এটি বাংলাদেশের জরুরি সেবা বা ইমার্জেন্সি রেসপন্স নম্বর, যা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) 333 — এটি সরকারি তথ্যসেবার হটলাইন নম্বর হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) 109 — এটি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বর। D) 103 — এটি দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন নম্বর। মনে রাখার টিপস: তথ্য এবং সেবার জন্য তিনটি তিন অর্থাৎ ৩৩৩ নম্বরটি ডায়াল করতে হয়।
a কানাডা
b যুক্তরাষ্ট্র
c মেক্সিকো
d সবগুলো সঠিক
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সবগুলো সঠিক কেন সঠিক: - ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো আয়োজন করবে। - টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — এটি টুর্নামেন্টের অন্যতম স্বাগতিক দেশ হলেও প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এখানে অনুষ্ঠিত হবে না। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি যৌথ আয়োজক দেশগুলোর একটি এবং কিছু ম্যাচ এখানে হলেও প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এখানে হচ্ছে না। C) মেক্সিকো — এটি শুধু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজক দেশ নয়, বরং এই অপশনটি একা থাকায় সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাও এর অংশ। D) সবগুলো সঠিক — মেক্সিকো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ভেন্যু হলেও তিনটি দেশ মিলে যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করায় এই অপশনটি সামগ্রিকভাবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: ২০২৬ বিশ্বকাপ তিন দেশ মিলে আয়োজন করে এবং মেক্সিকোতেই প্রথম বল গড়াবে ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে।
a আয়াতুল্লাহ আলী
b গালিবাফ
c মাসুদ পেজেসকিয়ান
d আলী লারিজানি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাসুদ পেজেসকিয়ান কেন সঠিক: - মাসুদ পেজেসকিয়ান ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত ইরানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও পেশায় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, যিনি পূর্বে ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়াতুল্লাহ আলী — এটি ভুল উত্তর কারণ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বা সুপ্রিম লিডার, প্রেসিডেন্ট নন। B) গালিবাফ — এটি ভুল উত্তর কারণ মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ইরানের পার্লামেন্ট বা ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। C) মাসুদ পেজেসকিয়ান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ইরানের বর্তমান নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। D) আলী লারিজানি — এটি ভুল উত্তর কারণ তিনি ইরানের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং সাবেক স্পিকার, বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন। মনে রাখার টিপস: ইরানের প্রেসিডেন্টের নাম মনে রাখতে 'মাসুদ' নামটি মনে রাখুন, যিনি ডাক্তার থেকে দেশটির সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে আসীন হয়েছেন।
a 530
b 532
c 534
d 536
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: গণিত ও সাধারণ হিসাব সঠিক উত্তর: B) ৫৩২ কেন সঠিক: - অনুপাত অনুযায়ী আগের ধারণক্ষমতা চার এবং বর্তমান ধারণক্ষমতা সাত। - আগের ক্ষমতা ৩০৪ হলে এক অনুপাত সমান ৩০৪ কে চার দিয়ে ভাগ করলে হয় ৭৬, এবং সাত গুণ ৭৬ সমান ৫৩২। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫৩০ — এটি চার দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য নয়, তাই সঠিক অনুপাতের সাথে মিলে না। B) ৫৩২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৩০৪ কে চার দিয়ে ভাগ করে সাত দিয়ে গুণ করলে এই মান পাওয়া যায়। C) ৫৩৪ — অনুপাতের হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যাটি সঠিক ফলাফল প্রদান করে না। D) ৫৩৬ — এটি অনুপাতের নিয়মানুযায়ী গণিত করে প্রাপ্ত সঠিক মানের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: অনুপাতের অংকে প্রথম মানকে আগের অনুপাত দিয়ে ভাগ করে প্রাপ্ত ফলকে পরের অনুপাত দিয়ে গুণ করতে হয়।
a ওসমানীয়
b মুঘল
c মঙ্গোলীয়
d উমাইয়া
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গোলীয় কেন সঠিক: - চেঙ্গিস খান ত্রয়োদশ শতকে মঙ্গোলিয়া অঞ্চলে বিশ্বের বৃহত্তম অবিচ্ছিন্ন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। - তিনি বিভিন্ন যাযাবর উপজাতিকে একত্রিত করে দুর্ধর্ষ মঙ্গোলীয় সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওসমানীয় — এটি ত্রয়োদশ শতকের শেষভাগে আনাতোলিয়া অঞ্চলে তুর্কিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্য ছিল। B) মুঘল — এটি ষোড়শ শতকে ভারতীয় উপমহাদেশে জহিরউদ্দীন মোহাম্মদ বাবরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্য ছিল। C) মঙ্গোলীয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও শাসক ছিলেন। D) উমাইয়া — এটি সপ্তম শতকে আরব অঞ্চলে গঠিত প্রথম মুসলিম রাজবংশভিত্তিক খেলাফত ছিল। মনে রাখার টিপস: চেঙ্গিস খান নামটির সাথে মঙ্গোলীয় নামটির ধ্বনিগত মিল আছে, যা দিয়ে সহজেই মনে রাখা যায়।
a মশা
b বাদুড়
c বানর
d পানি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মশা কেন সঠিক: - জিকা ভাইরাস প্রধানত এডিস প্রজাতির মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়। - এটি এক ধরনের ফ্ল্যাভিভাইরাস যা সাধারণত সংক্রামিত মশার লালার মাধ্যমে ছড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মশা — এটি সঠিক কারণ জিকা ভাইরাস এডিস মশার মাধ্যমে বাহিত ও প্রসারিত হয়। B) বাদুড় — বাদুড় নিপা বা ইবোলা ভাইরাসের বাহক হলেও জিকা ভাইরাস ছড়ায় না। C) বানর — ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থলে বানরের ভূমিকা থাকলেও এটি সরাসরি ছড়ানোর মাধ্যম নয়। D) পানি — পানি জিকা ভাইরাসের সংক্রমণের বাহক বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো জিকা ভাইরাসও এডিস মশার কামড়েই ছড়ায়।
a বাক স্বাধীনতা
b আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন
c কৃষি উৎপাদন
d ভূমির মালিকানা
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষি উৎপাদন কেন সঠিক: - তেভাগা আন্দোলন মূলত ফসলের ন্যায্য হিস্যা বা কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল জোতদারদের পরিবর্তে উৎপাদিত ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ কৃষকের পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক স্বাধীনতা — এটি মত প্রকাশের অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল না। B) আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন — এটি রাজনৈতিক অধিকার ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সঙ্গে জড়িত, যা তেভাগা আন্দোলনের বিষয় ছিল না। C) কৃষি উৎপাদন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) ভূমির মালিকানা — কৃষকরা জমির মালিকানার চেয়ে উৎপাদিত ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ বা ন্যায্য ভাগের জন্য আন্দোলন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: তেভাগা শব্দের অর্থ তিন ভাগ, যা কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের হিস্যা বা কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত।
a ভাইরাস
b ছত্রাক
c অ্যামিবা
d ব্যাকটেরিয়া
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যাকটেরিয়া কেন সঠিক: - ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়া দুধের ল্যাকটোজ শর্করাকে ফারমেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তর করে। - এই ল্যাকটিক এসিড দুধের আমিষ বা ক্যাসিনকে জমাট বাঁধিয়ে তরল দুধকে সুস্বাদু দইতে পরিণত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাইরাস — ভাইরাস হলো অকোষীয় অনুজীব যা সাধারণত জীবদেহের কোষে বংশবৃদ্ধি করে এবং দুধকে দইতে রূপান্তর করতে পারে না। B) ছত্রাক — ছত্রাক বা ইস্ট সাধারণত অ্যালকোহল তৈরিতে বা রুটি ফোলাতে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি দুধ থেকে দই তৈরি করে না। C) অ্যামিবা — অ্যামিবা এককোসী প্রাণী যা সাধারণত জলাশয়ে বসবাস করে এবং খাদ্য পরিপাক ও দই তৈরিতে এর কোনো ভূমিকা নেই। D) ব্যাকটেরিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপকারী ব্যাকটেরিয়ার রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলেই দুধ দইতে পরিণত হয়। মনে রাখার টিপস: দুধ থেকে দই তৈরির ক্ষেত্রে ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া এবং ল্যাকটিক এসিডের কথা মনে রাখবে।
a কমলাপুর
b টঙ্গী
c ঈশ্বরদী
d পার্বতীপুর
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) কমলাপুর কেন সঠিক: - কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন একটি প্রান্তিক বা টার্মিনাস স্টেশন, জংশন নয়। - এখান থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয় এবং শেষ হয়, যা একাধিক লাইনের মিলনস্থল বা জংশন হিসেবে কাজ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমলাপুর — এটি দেশের প্রধান টার্মিনাস স্টেশন এবং এখান থেকে ট্রেন নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাত্রা শুরু করে। B) টঙ্গী — এটি একটি ব্যস্ত রেলওয়ে জংশন যেখান থেকে ময়মনসিংহ ও সিলেট লাইনের সংযোগ রয়েছে। C) ঈশ্বরদী — এটি দেশের অন্যতম প্রধান রেলওয়ে জংশন যেখানে একাধিক লাইনের সংযোগ রয়েছে। D) পার্বতীপুর — এটি উত্তর অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন যা বিভিন্ন লাইনকে সংযুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: কমলাপুর হলো শেষ প্রান্ত বা টার্মিনাস, আর টঙ্গী, ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর হলো বিভিন্ন রেলপথের মিলনস্থল বা জংশন।
a ব্রাজিল
b উরুগুয়ে
c আর্জেন্টিনা
d ইতালি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উরুগুয়ে কেন সঠিক: - ১৯৩০ সালে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর বসেছিল উরুগুয়েতে এবং স্বাগতিক দেশ হিসেবে তারাই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। - ফাইনালে উরুগুয়ে দল আর্জেন্টিনা দলকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের ঘরে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল — ব্রাজিল পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে এবং প্রথম জিতেছিল ১৯৫৮ সালে, কিন্তু প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন নয়। B) উরুগুয়ে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক এবং এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই। C) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা তিনবার বিশ্বকাপ জিতলেও ১৯৩০ সালের প্রথম আসরের ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল। D) ইতালি — ইতালি চারবার বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তাদের প্রথম জয় আসে ১৯৩৪ সালের দ্বিতীয় বিশ্বকাপে, প্রথম আসরে নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর যার মাঠে বসেছিল, সেই উরুগুয়েই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
a কোলন
b সেমিকোলন
c ড্যাশ
d প্রশ্নচিহ্ন
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রশ্নচিহ্ন কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বাক্যে সরাসরি প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা করা হলে তার শেষে প্রশ্নচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। - প্রান্তর শব্দের অর্থ হলো শেষ প্রান্ত বা শেষ সীমানা, যা মূলত বাক্যের সমাপ্তি বা সমাপ্তিসূচক চিহ্নকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোলন — এটি একটি বিবরণ বা উদাহরণের পূর্বে বসে, যা বাক্যের সমাপ্তি বা প্রশ্ন বোঝায় না। B) সেমিকোলন — এটি কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির জন্য ব্যবহৃত হয়, যা বাক্যের অংশগুলোকে আলাদা করতে সাহায্য করে। C) ড্যাশ — এটি যৌগিক বাক্যের অংশ বা বক্তব্যের ধারাবাহিকতা পরিবর্তন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) প্রশ্নচিহ্ন — এটি বাক্যের শেষে বসে এবং কোনো কিছু জানার বা জিজ্ঞাসা করার ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যে চিহ্নের মাধ্যমে কোনো কিছু জানার জন্য প্রশ্ন করা হয় এবং বাক্য শেষ হয়, তাকেই প্রশ্নচিহ্ন বা প্রান্তর বিরাম চিহ্ন বলা হয়।
a 1555
b 1561
c 1554
d 1967
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫৫৫ কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক সূত্র ও গবেষকদের মতে, সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের বছর ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দের সঙ্গে মিল রেখে বাংলা সন প্রবর্তন করা হয়। - বাংলা সনের সূচনা ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দ হলেও এর কার্যকারিতা শুরু হয় ১৫৫৫ সালের মার্চ মাস থেকে, যা হিজরি চন্দ্রবর্ষ ও সৌরবর্ষের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৫৫ — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে কারণ বাংলা সনের সূচনা সংক্রান্ত ঐতিহাসিক গণনা এই বছর থেকে শুরু হয়। B) ১৫৬১ — এটি বাংলা সনের চালুর সাল নয়, এটি সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের একটি ভিন্ন বছর। C) ১৫৫৪ — এটি বাংলা সনের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বছর নয়। D) ১৯৬৭ — এটি বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ চালুর বছর নয়, এটি আধুনিক যুগে বাংলা সন সংশোধনের একটি সাল। মনে রাখার টিপস: সম্রাট আকবরের আমল মনে রাখতে ১৫৫৬ সালের কাছাকাছি সময় অর্থাৎ ১৫৫৫ সালকে বাংলা সনের শুরুর বছর হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a 1997
b 2000
c 1991
d 2008
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 2000 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালে আইসিসির পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। - ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে ঢাকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ নিজেদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1997 — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় করে ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে, টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) 2000 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) 1991 — এই সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে, যা টেস্ট মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) 2008 — এই সালটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের শুরুর সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি অনেক পরের একটি সাধারণ বছর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলে ১৯৯৯ সালের পর থেকে আর টেস্ট খেলা শুরু করে ঠিক ২০০০ সাল থেকে।
a লালমনিরহাট
b জয়পুরহাট
c সাতক্ষীরা
d শেরপুর
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাতক্ষীরা কেন সঠিক: - ভোমরা স্থলবন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত। - এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনিরহাট — এটি অন্য অঞ্চলের জেলা, এখানে বুড়িমারী স্থলবন্দর অবস্থিত। B) জয়পুরহাট — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, এখানে কোনো প্রধান স্থলবন্দর নেই। C) সাতক্ষীরা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এখানে ভোমরা স্থলবন্দর অবস্থিত। D) শেরপুর — এটি ময়মনসিংহ অঞ্চলের জেলা, এখানে নাকুগাঁও স্থলবন্দর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারতে বিভিন্ন পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করা হয়।