সঠিক উত্তর: D) বিদ্রোহী
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা ও আত্মবিশ্বাসের এক অনন্য প্রকাশ।
- জাহান্নামের আগুন ও পুষ্পের হাসি দুটি বিপরীতধর্মী প্রতীক যার মাধ্যমে কবি জীবনের চরম দুঃখ এবং পরম আনন্দের সাম্যকে প্রকাশ করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই কবিতার রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার লেখনীতে অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে।
- ১৯২১ সালে প্রকাশিত অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে উদ্দীপ্ত করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি চিরতরে দূরে চলে যাব, তবু আমার না পাওয়ার মরম বেদনা একে যাবো হৃদয়ে।
ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির গভীর বেদনা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে যা তার রোমান্টিক ও বিদ্রোহী সত্তারই অংশ।
উদাহরণ ২: মম একহাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতুর্য।
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবিতারই আরেকটি বিখ্যাত পংক্তি যেখানে সৃষ্টি এবং ধ্বংসের অপূর্ব সমন্বয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঝুমকেতু — ঝুমকেতু বা ধূমকেতু কাজী নজরুলের একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা ও পত্রিকার নাম, কিন্তু এটি এই কবিতার নাম নয়।
B) ইঁদুর — ইঁদুর কোনো বিখ্যাত কবিতা বা এই চরণের উৎস নয়, এটি একটি প্রাণীবাচক সাধারণ শব্দ।
C) শিক্ষা — শিক্ষা কাজী নজরুল ইসলামের কোনো বিখ্যাত কবিতা বা এই উদ্ধৃতির উৎস নয়, এটি একটি প্রবন্ধ বা শিক্ষাবিষয়ক সাধারণ ধারণা।
D) বিদ্রোহী — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত চরণটি এই কবিতারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
জাহান্নাম এবং পুষ্পের হাসির মতো বৈপরীত্য বা বিপরীত ভাবের চমৎকার ব্যবহার কেবল কাজী নজরুলের বিদ্রোহী কবিতাতেই পাওয়া যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুলের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা এবং এটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়।
ভাষার এই মূল এককগুলোর সমন্বয়েই শব্দ ও বাক্য গঠিত হয় এবং মনের ভাব প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মানবমুখ থেকে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা শব্দই হলো ধ্বনি, যা ভাষার প্রাণস্বরূপ।
লিখিত রূপ দেওয়ার সময় ধ্বনিগুলোর সাংকেতিক চিহ্ন বা বর্ণ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার একেকটি স্বতন্ত্র ধ্বনি বা বর্ণ।
উদাহরণ ২: ম, ল, ম, ক এই চারটি ধ্বনি মিলে গঠিত হয় মলম শব্দটি।
ব্যাখ্যা: ধ্বনিগুলোর একত্র মিলনেই শব্দ তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম শ্রবণযোগ্য একক।
B) বর্ণ — এটি ধ্বনির লিখিত রূপ, মৌলিক একক নয়।
C) অক্ষর — এটি উচ্চারণের একক, ভাষার ক্ষুদ্রতম একক নয়।
D) শব্দ — এটি অর্থবোধک একক, যা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের মিলনে গঠিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা শোনার বিষয়, তাই কান দিয়ে শোনা যায় ধ্বনি এবং এটিই হলো ক্ষুদ্রতম একক।
বর্ণ হলো লেখার একক এবং অক্ষর হলো উচ্চারণের একক।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক এলেই উত্তর হবে ধ্বনি।
যদি প্রশ্ন করা হয় ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ একক কোনটি, তবে উত্তর হবে শব্দ।
সঠিক উত্তর: A) কাব্য
১. কেন সঠিক:
- ‘চন্দ্রাবতী’ একটি বিশিষ্ট আখ্যানকাব্য বা মহাকাব্য ঘরানার দীর্ঘ কবিতা, যা বিখ্যাত কবি দ্বিজ কানাই বা অন্য কারো রচিত হলেও বাংলা সাহিত্যে এটি একটি স্বতন্ত্র কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।
- এই কাব্যে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবনকথা এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকঐতিহ্য ও ট্র্যাজেডি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য এবং মধ্যযুগীয় বা লোকসাহিত্য অংশের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও গবেষক ড. দীনেশচন্দ্র সেন ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহের সময় এই আখ্যান বা পালাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়া
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যা কাব্যাকারে সমাদৃত।
উদাহরণ ২: মলুয়া
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলার লোকসাহিত্য ও আখ্যানকাব্যের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ চন্দ্রাবতী একটি আখ্যানমূলক কাব্যগ্রন্থ।
B) নাটক — চন্দ্রাবতী কোনো নাটক বা মঞ্চের জন্য রচিত দৃশ্যকাব্য নয়।
C) পদাবলি — এটি বৈষ্ণব পদাবলি বা শাক্ত পদাবলির মতো ভক্তিগীতি নয়।
D) পালাগান — যদিও এটি লোকগাথাভিত্তিক, তবে মূল সাহিত্যিক রূপ বিচারে এটি একটি কাব্য হিসেবে গণ্য হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চন্দ্রাবতী নাম দেখলে মনে রাখবে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবির জীবনভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্য।
- লোকসাহিত্য ও আখ্যানকাব্য সম্পর্কিত প্রশ্ন এলে অপশন ভালোভাবে লক্ষ্য করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগীয় সাহিত্য এবং ময়মনসিংহ গীতিকা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ অনুবাদেও বিশেষ অবদান রেখেছিলেন, যা সাধারণ জ্ঞানেও কাজে লাগে।
সঠিক উত্তর: C) যা কাঁচা তাই মিঠা
১. কেন সঠিক:
- ‘কাঁচামিঠা’ শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে একই বস্তুকে বোঝায়।
- এখানে ফল বা বস্তুটি একাধারে কাঁচা আবার স্বাদে মিষ্টি, তাই এর ব্যাসবাক্য হবে ‘যা কাঁচা তাই মিঠা’।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ যা মূলত কাঠি বা ফলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- পূর্বপদ ও পরপদ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে ‘যা... তাই...’ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জজসাহেব
ব্যাখ্যা: যিনি জজ তিনিই সাহেব, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সেয়ানা
ব্যাখ্যা: যে চালাক সেই সেয়ানা, এটিও একই নিয়মে গঠিত কর্মধারয় সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাঁচা ও মিঠা — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্য হবে, কিন্তু কাঁচামিঠা দ্বন্দ্ব সমাস নয়।
B) কাঁচাই মিঠা — এই ব্যাসবাক্যটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।
D) কাঁচা মিঠা — মাঝখানে সংযোগচিহ্ন বা বিভক্তি না থাকায় এটি কোনো সঠিক ব্যাসবাক্য তৈরি করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে শব্দে একই বস্তুর দুটি ভিন্ন গুণ বা অবস্থা বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে ‘যা... তাই...’ বসে, তা সাধারণ কর্মধারয় সমাস।
- কাঁচা অথচ মিষ্টি এমন ফল বোঝাতে ‘যা কাঁচা তাই মিঠা’ সূত্র মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের এই ব্যতিক্রমী রূপগুলো প্রায়ই আসে।
- বিশেষ করে ফলের নাম সম্পর্কিত সমাসগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
সঠিক উত্তর: D) ফারসি
কেন সঠিক:
- বরখেলাপ শব্দটিতে বর একটি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
- এই উপসর্গটি মূল শব্দের আগে বসে অর্থের পরিবর্তন বা নতুন ভাব প্রকাশ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বর উপসর্গটি মূলত ফারসি উপসর্গ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
- এটি সাধারণত বিপরীত, বিরুদ্ধে বা অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন বরখেলাপ শব্দের অর্থ নিয়মের বিরুদ্ধে যাওয়া, যেখানে বর মানে বিরুদ্ধে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বাংলা — বাংলা উপসর্গ মোট একচল্লিশটি এবং বর তার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- B) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গ বাংলা ব্যাকরণে অনুসৃত হয় না।
- C) আরবি — বর উপসর্গটি আরবি ভাষা থেকে আসেনি যদিও অনেক আরবি শব্দ বাংলায় আছে।
- D) ফারসি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর একটি ফারসি উপসর্গ।
মনে রাখার টিপস:
- ফারসি উপসর্গের একটি তালিকা মুখস্ত রাখলে বরখিলাফ বা বরখেলাপ শব্দটির উৎস সহজেই চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) শীত + ঋত
১. কেন সঠিক:
- শীত শব্দের অকারের সঙ্গে ঋত শব্দের ঋ-কার যুক্ত হয়ে স্বরসন্ধির নিয়মে অর্ (অ+ঋ = অর্) হয়েছে।
- অ এবং আ-এর পরে ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর্ হয় এবং তা রেফ রূপে পূর্ববর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- অ বা আ-এর পর ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর্ হয় এবং এই অর্ পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রেফ (্র) রূপ ধারণ করে।
- এটি মূলত স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যা সংস্কর ব্যাকরণের প্রভাবে বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেব + ঋষি = দেবর্ষি
ব্যাখ্যা: এখানে অ-কারের পর ঋ-কার থাকায় উভয়ে মিলে অর্ (ব + র + ষি = বর্ষি) হয়েছে।
উদাহরণ ২: অধম + ঋত = অধমর্ণ
ব্যাখ্যা: এখানেও অ-কারের সঙ্গে ঋ-কার যুক্ত হয়ে অর্ উৎপন্ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীতা + আর্ত — শীতা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এই নিয়মে সন্ধি সাধিত হয় না।
C) শীতা + ঋত — শীতা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দমূল বা প্রপদ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) শীত + আর্ত — শীত ও আর্ত যোগ করলে শীতাত্ব শব্দ হয়, যার অর্থ শীত দ্বারা আর্ত বা পীড়িত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের মাঝে রেফ দেখলে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় সাধারণত পূর্ব অংশে অ বা আ এবং পরের অংশে ঋত বা ঋষি থাকে।
- যেমন শীত যুক্ত ঋত সমান শীতার্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়মের শব্দ যেমন দেবর্ষি, মহর্ষি ও শীতার্ত প্রায়ই আসে।
- স্বরসন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি আয়ত্ত করলে পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ২৪শে মে ১৮৯৯
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম তারিখ ২৪শে মে ১৮৯৯ (বাংলা ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ)।
- বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মতারিখ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম স্রষ্টা।
- তাঁর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে এবং মৃত্যু ১৯৭৬ সালের ২৯শে আগস্ট ঢাকায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের বিদ্রোহী কবিতাটি তাঁকে ব্যাপক খ্যাতি এনে দেয়।
উদাহরণ ২: তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস কুহেলিকা ও বাঁধন হারা।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসগুলো তাঁর গদ্যরীতির অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪শে মে ১৭২৯ — এই সালের সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামের জন্মতারিখের কোনো মিল নেই।
B) ২৫শে মে ১৮৯৯ — এই তারিখে কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম হয়নি, সঠিক তারিখ ২৪শে মে।
D) ২৩শে মে ১৯০৯ — এই সালটি কবির জন্মসালের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ১৮৯৯ সালের ২৪শে মে বিদ্রোহী কবি জন্মগ্রহণ করেছিলেন এভাবে মনে রাখতে পারো।
- বাংলা ও ইংরেজি উভয় সালের জন্মতারিখ আলাদা করে মনে রাখা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কবির জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ বিভিন্ন বিসিএস এবং নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা ও ইংরেজি উভয় সল এবং তারিখ আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: A) অনাবৃষ্টি
কেন সঠিক:
- ‘অতিবৃষ্টি’ শব্দের অর্থ হলো স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে বৃষ্টি হওয়া।
- এই শব্দের ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে ‘অনাবৃষ্টি’ শব্দটি, যার অর্থ বৃষ্টির অভাব বা খরা।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ যুক্ত করে শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ তৈরি করা হয়।
- এখানে ‘অতি’ উপসাগরের বিপরীতে ‘অন বা অনব’ উপসর্গ যোগ করে বিপরীত শব্দ গঠন করা হয়েছে।
- যেমন: অতি + বৃষ্টি = অতিবৃষ্টি এবং অন + বৃষ্টি = অনাবৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অনাবৃষ্টি — এটি সঠিক উত্তর।
- B) খুব বৃষ্টি — এটি অতিবৃষ্টির সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
- C) অল্প বৃষ্টি — এটি অতিবৃষ্টির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলেও সঠিক পারিভাষিক বিপরীত শব্দ নয়।
- D) ভারী বৃষ্টি — এটি অতিবৃষ্টির সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
- অতি শব্দের বিপরীত সাধারণত অন বা স্বল্প হয়, তাই বৃষ্টির ক্ষেত্রে অতিবৃষ্টির বিপরীত অনাবৃষ্টি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) মাকড়সা
কেন সঠিক:
- উর্ণনাভ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো উর্ণা নাভিতে যার এবং এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
- মাকড়সা তার নাভি বা উদর থেকে লালা বা সুতো নির্গত করে জাল তৈরি করে বলে তাকে উর্ণনাভ বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভান্ডারে কিছু বিশেষ আর্থবাচক সংস্কৃত শব্দ রয়েছে যা প্রাকৃতিকভাবে নির্দিষ্ট প্রাণীকে নির্দেশ করে।
- উর্ণা শব্দের অর্থ পশম বা রেশম এবং নাভ শব্দের অর্থ নাভি বা উদর।
- যেমন মাকড়সা নিজের শরীর থেকে সুতো বের করে জাল বোনে, তেমনি এর শাব্দিক অর্থও এর সাথে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মাকড়সা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর শাব্দিক অর্থ উর্ণনাভের সাথে মিলে যায়।
- B) টিকটিকি — টিকটিকির জন্য এই বিশেষ শব্দের কোনো প্রচলন বাংলা ভাষায় নেই।
- C) তেলাপোকা — তেলাপোকা বোঝাতে উর্ণনাভ শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
- D) উইপোকা — উইপোকা একটি আলাদা কীটপতঙ্গ এবং এর প্রতিশব্দ এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- উর্ণা মানে সুতো এবং নাভ মানে নাভি, যার নাভি থেকে সুতো বের হয় সেই হলো মাকড়সা।
সঠিক উত্তর: A) বচ + ত
১. কেন সঠিক:
- উক্ত শব্দটির মূল ধাতু হলো বচ এবং এর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- বচ ধাতুর অর্থ হলো বলা বা কথন করা, যার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অতীতকাল বোঝাচ্ছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- বচ হলো একটি সংস্কৃত ধাতু, যার সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √গ্রহ + ত = গৃহীত
ব্যাখ্যা: গ্রহ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গৃহীত শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: √গম + ত = গত
ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গত শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বচ + ত — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ বচ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উক্ত হয়।
B) বপ্ + ত — বপ ধাতু অর্থ বপন করা, এর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হলে উক্ত হয় না।
C) উক্ + ত — উক নামে কোনো মূল ধাতু বাংলা ব্যাকরণে নেই।
D) উ + ক্ — এটি সঠিক কৃৎ প্রত্যয়ের গঠন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বচ ধাতুর কাজ হলো বলা, তাই যা বলা হয়েছে তা হলো উক্ত।
- ধাতুর রূপ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বচ থেকে উ পরিবর্তন মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- সংস্কৃত ধাতুর ক্ষেত্রে কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি যার মূল প্রবক্তা পদাবলি সাহিত্যের আদি কবি চণ্ডীদাস।
- মানবতাবাদ ও সাম্যের জয়গান গাওয়াই এই পঙক্তিটির মূল তাৎপর্য যেখানে মানুষের মর্যাদাকে সর্বেসর্বা বলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলি এবং শাক্ত পদাবলি ধারার অন্যতম প্রধান কবি হলেন চণ্ডীদাস।
- চর্যাপদের পর বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মানুষের জয়গান গেয়ে মানবতাবাদী দর্শন প্রচারের ক্ষেত্রে চণ্ডীদাসের এই বাণী চিরন্তন হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোচরমণি দাস রচিত চৈতন্যমঙ্গল মহাকাব্য
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের এই মহাকাব্যেও মানবপ্রেমের এই শাশ্বত বাণীর প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
উদাহরণ ২: বিদ্যাপতির পদাবলি সাহিত্য
ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাসের সমসাময়িক কবি বিদ্যাপতির রচনাতেও মানবাত্মার মহিমা ও প্রেমের সার্বজনীন রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদের প্রবক্তা হলেও এই প্রখ্যাত প্রাচীন পঙক্তিটির রচয়িতা নন।
B) শরদিন্দু চট্টোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও গোয়েন্দা কাহিনীকার এবং ব্যোমকেশ বক্সীর স্রষ্টা, তাই এই পঙক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক যিনি মধ্যযুগের এই পঙটি রচনা করেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবার উপরে মানুষ সত্য কথাটি প্রাচীন যুগের কবি চণ্ডীদাসের নামটির সঙ্গে মনে রাখবে।
- মধ্যযুগের মানবতাবাদী প্রবাদ বা পঙক্তি বললে সবার আগে চণ্ডীদাসের কথা মাথায় আনতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের সাহিত্যিক উদ্ধৃতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এই ধরনের পঙক্তি কার লেখা তা মনে রাখতে কবির সাহিত্যিক ধারা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অত্যাচারিত
১. কেন সঠিক:
মজলুম একটি আরবি শব্দ যার শাব্দিক অর্থ নির্যাতিত বা নিপীড়িত।
যিনি কোনো অন্যায় বা অত্যাচারের শিকার হয়েছেন, তাকেই মজলুম বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন।
আরবি ভাষা থেকে আগত অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মজলুমের দোয়া আল্লাহর কাছে সরাসরি পৌঁছে যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে মজলুম শব্দটি নির্যাতিত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জালিমের পতন এবং মজলুমের মুক্তি অবশ্যম্ভাবী।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মজলুম ও জালিম বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অসহায় — যার কোনো সাহায্যকারী নেই তাকে অসহায় বলে, যা মজলুম শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ নয়।
B) বিপদাপন্ন — যিনি বিপদের মুখে আছেন তাকে বিপদাপন্ন বলা হয়, এটি সরাসরি অত্যাচারিত বোঝায় না।
C) অত্যাচারিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ মজলুম শব্দের অর্থ নির্যাতিত বা অত্যাচারিত ব্যক্তি।
D) অপরাধী — যিনি অপরাধ করেছেন তাকে অপরাধী বলা হয়, যা মজলুম শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
মজলুম শব্দের শুরুতে ম বর্ণ আছে এবং নির্যাতিত শব্দের শুরুতে ন বর্ণ আছে, এভাবে ম দিয়ে মজলুম এবং ন দিয়ে নির্যাতিত মনে রাখা যায়।
জুলুম শব্দ থেকে মজলুম এসেছে, তাই জুলুমের শিকার ব্যক্তিই মজলুম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আরবি ও ফারসি শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
জালিম এবং মজলুম একটি জোড়া শব্দ, যেখানে জালিম অর্থ অত্যাচারী এবং মজলুম অর্থ অত্যাচারিত।
সঠিক উত্তর: A) প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
'সংশয়' শব্দের অর্থ সন্দেহ, অনিশ্চয়তা বা দ্বিধা। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'প্রত্যয়', যার অর্থ বিশ্বাস, দৃঢ় আস্থা বা প্রত্যয়ী হওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অংশ। বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় মূল শব্দের অর্থ এবং ব্যাকরণগত রূপের মিল রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংশয় দূর করে এগিয়ে যাও।
ব্যাখ্যা: এখানে সংশয় শব্দের মাধ্যমে মনের সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: তার কথায় আমার পূর্ণ প্রত্যয় আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রত্যয় শব্দের মাধ্যমে দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সংশয়ের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) নির্ভয় — এটি ভয়ের বিপরীত শব্দ, সংশয়ের সঠিক বিপরীত নয়।
C) বিশ্বয় — এটি বিস্ময় শব্দের রূপ, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) দ্বিধা — এটি সংশয়ের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস, তাই সন্দেহ ও বিশ্বাসের সম্পর্ক হলো বিপরীত। বিপরীত শব্দ মনে রাখতে মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে বিপরীত অর্থের শব্দটি মুখস্থ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীত শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দকে বিপরীত বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যা সতর্কতার সঙ্গে এড়াতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আরবি
১. কেন সঠিক:
- কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- আরবি কলম শব্দের অর্থ লেখার নল বা তুলি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এই উৎসগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিতাব
ব্যাখ্যা: কিতাব শব্দটি একটি আরবি শব্দ যার অর্থ বই।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি শব্দ এবং এটি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় নানা শব্দ এসেছে যেমন বরফ ও চশমা কিন্তু কলম ফারসি শব্দ নয়।
B) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ কলম সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেছে।
C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় আনা হয়েছে আনারস ও চাবি কিন্তু কলম পর্তুগিজ শব্দ নয়।
D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে হরতন ও টেক্কা কিন্তু কলম ওলন্দাজ শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইসলাম ধর্মের প্রধান গ্রন্থ আল কোরআন আরবি ভাষায় নাজিল হয়েছে এবং ধর্মকর্মে কলম ও কিতাব শব্দ দুটির গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
- ধর্মীয় পরিভাষার অনেক শব্দ আরবি হওয়ায় কলম শব্দটি আরবি হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- আইন, প্রশাসন এবং ধর্মসংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ বর্তমান
১. কেন সঠিক:
যে ক্রিয়া বর্তমানকালে সাধারণভাবে ঘটে বা যার অভ্যাস বোঝায়, তাকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে।
বাঙালিরা ভাত খায় বাক্যটিতে ভাত খাওয়া একটি নিত্যদিনের অভ্যাস বা স্বাভাবিক সত্য ঘটনা বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বর্তমান কালের যে শ্রেণিবিভাগে কাজটির নির্দিষ্ট কোনো সময় বা রীতিনীতি নির্দেশ না করে কেবল বর্তমানকাল বোঝায়, তাকে সাধারণ বর্তমান কাল বা নিত্য বর্তমান কাল বলা হয়।
সাধারণত অভ্যাস, চিরন্তন সত্য, নিত্যকাল বা সাধারণ তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে এই কালের ব্যবহার হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য ঘটনা, যা সাধারণ বর্তমান কালের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: আমি প্রতিদিন সকালে হাঁটি।
ব্যাখ্যা: এটি বক্তার একটি নিয়মিত অভ্যাস বা নিত্যদিনের কাজ বোঝায়, যা সাধারণ বর্তমান কাল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘতমান বর্তমান — এই নামে বাংলা ব্যাকরণে কোনো কাল নেই এবং এটি একটি বানানগত ও তাত্ত্বিক ভুল অপশন।
B) সাধারণ বর্তমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাক্যের ক্রিয়া ও কালের প্রকৃত অবস্থাকে নির্ভুলভাবে প্রকাশ করে।
C) সাধারণ অতীত — অতীতকালের সাধারণ ঘটনা বোঝাতে এই কাল ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে মেলে না।
D) বর্তমান অনুজ্ঞা — বর্তমানকালে আদেশ, অনুরাধ, উপদেশ বা অনুমতি বোঝাতে অনুজ্ঞা ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অনুপস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য অভ্যাস বা চিরন্তন সত্য বোঝালে চোখ বন্ধ করে সাধারণ বর্তমান কাল দাগাবে।
বাক্যের ক্রিয়াটি সাধারণ অর্থে বর্তমানকালে সম্পন্ন হলে অন্য কোনো কালের কথা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ক্রিয়ার ভাব ও সমাপিকা ক্রিয়ার রূপ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
নিত্য অভ্যাসবাচক বাক্য দেখলে সর্বদা সাধারণ বর্তমান কাল হিসেবে উত্তর নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: C) পার্থক্য
১. কেন সঠিক:
- ‘ইতর বিশেষ’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার মূল অর্থ হলো দুই বা ততোধিক বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য বা ব্যবধান।
- এখানে 'ইতর' শব্দটি সাধারণত বিভিন্ন বা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সাধারণ ও বিশেষের মধ্যকার দূরত্ব বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষার ভাবকে সংহত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ইতর বিশেষ থাকা কাম্য নয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'ইতর বিশেষ' দ্বারা ধনী ও গরিবের মধ্যকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবধান বা পার্থক্য বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই দুটি বইয়ের মধ্যে তেমন কোনো ইতর বিশেষ নেই।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি বইয়ের বিষয়বস্তুর মধ্যে কোনো মৌলিক পার্থক্য বা তফাত নেই তা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একই দলের লোক — এটি 'একই গোয়ালের গরু' বা সমার্থক অন্য কোনো বাগধারার অর্থ হতে পারে, কিন্তু 'ইতর বিশেষ'-এর অর্থ নয়।
B) দুষ্ট প্রকৃতির লোক — এই অর্থটি 'দুধে কলা' বা 'সাপের বরফ' জাতীয় বাগধারার সঙ্গে মেলে না, এটি 'ইতর বিশেষ'-এর সঙ্গেও সম্পর্কিত নয়।
C) পার্থক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থই হলো ব্যবধান বা তফাত।
D) চালাক লোক — এই অর্থটি 'শকুনি মামা' বা 'চালাক চতুর' ধরনের শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, পার্থক্য বোঝাতে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ‘ইতর বিশেষ’ দেখলে মনে রাখবে এর মানে হলো বিশেষ ও ইতর বা সাধারণের তফাত। তফাত বা ব্যবধান শব্দ দুটি মনে রাখলে এই বাগধারা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তুলনামূলক বা পার্থক্যের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি প্রায়ই অপশনে বা প্রশ্নে আসে। তাই অর্থ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি বাক্যে প্রয়োগ খেয়াল রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এর নামের সাথে কবিতা শব্দটি যুক্ত থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ বা পদ্য নয়।
- উপন্যাসের নাম শেষের কবিতা হলেও এটি গদ্যে রচিত একটি দীর্ঘ মনস্তাত্ত্বিক কাহিনীর রূপায়ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের প্রচলিত ধারা ভেঙে নতুন এক আধুনিক ও পরীক্ষামূলক আঙ্গিক নিয়ে আসেন।
- ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য এবং এর বিখ্যাত উক্তি হলো হে আমার চেনা বিদেশিনী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: চোখের পলক
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাস চোখের বালি উপন্যাসের একটি পরিচিত রূপরেখা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা — শেষের কবিতা নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কবিতার বই নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস।
B) প্রবন্ধ — এটি কোনো মননশীল বা বিচারমূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়, বরং একটি প্রেমের সম্পর্কের গল্পভিত্তিক উপন্যাস।
D) ছোট গল্প — এটি ছোটগল্পের পরিধি অতিক্রম করে একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের রূপ নিয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও শেষের কবিতা আসলে একটি উপন্যাস এই কথাটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রাট সৃষ্টির জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই করা হয় যেখানে নামের সাথে ভুল রূপের মিল থাকে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর নাম এবং তাদের প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ইতি + আদি
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের জায়গায় য-ফলা হয়।
এখানে ইতি শব্দের অন্তস্থিত ই-কারের সঙ্গে আদি শব্দের আদিস্থ আ-কারের মিলনে য-ফলা সাধিত হয়ে ইত্যাদি শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে ই বা ঈ-কার এবং উ বা ঊ-কারের পর ভিন্ন স্বর থাকলে যথাক্রমে য এবং ব হয়।
য-ফলা যুক্ত এই সন্ধিটি বাংলা ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি = যদি + অপি
ব্যাখ্যা: এখানে ই-কারের সঙ্গে অ-কার যুক্ত হয়ে য-ফলা গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নদীয়া = নদী + আম্বু
ব্যাখ্যা: দীর্ঘ ই-কারের সঙ্গে আ-কার যুক্ত হয়ে য-ফলা সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতি + আদি - এটি সঠিক বিচ্ছেদ কারণ এর মাধ্যমে সঠিক নিয়মে ইত্যাদি শব্দটি গঠিত হয়।
B) ইতা + দি - ইতা বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই।
C) ইতি + অদি - অদি শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই।
D) ইত + দি - ইত এবং দি মিলে কোনো অর্থপূর্ণ সন্ধিবদ্ধ শব্দ গঠন করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইত্যাদি শব্দের শুরুতে ইতি কথাটি থাকে যা শেষের দিকে ইত্যাদিতে রূপান্তরিত হয়।
সন্ধি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শব্দের প্রথম অংশের শেষ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় অংশের প্রথম ধ্বনি চিহ্নিত করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই ধরনের ই-কারান্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদের সময় সাধারণত ইতি বা প্রতি শব্দগুলো প্রথমে থাকে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের স্বরসন্ধি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
'চাঁদের অমাবস্যা' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত খ্যাতনামা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
উপন্যাসটির মূল সুর হলো মানুষের অপরাধবোধ, নৈতিক সংকট এবং আত্মবিশ্লেষণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
১৯৬৪ সালে প্রকাশিত 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসে আরিফ নামের এক যুবকের নৈতিক দ্বন্দ্ব ও সত্যের মুখোমুখি হওয়ার আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অমর সৃষ্টি এবং বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত অস্তিত্ববাদী চেতনার আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদুল্লাহ কায়সার — ইনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক হলেও 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'সারেং বউ'।
B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঔপন্যাসিকই 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসটি রচনা করেছেন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি, যিনি প্রধানত কবিতা ও গান রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন।
D) জহির রায়হান — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে'।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের সংখ্যা কম কিন্তু মান খুব উঁচু।
তার তিনটি প্রধান উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসগুলোর নাম এবং তাদের প্রকাশকাল প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
উপন্যাসগুলোর মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী বৈশিষ্ট্য ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
বিয়ে পাগল শব্দটির ব্যাসব্যাস হলো বিয়ের জন্য পাগল। এখানে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয় থেকে সপ্তমী বিভক্তি বা কারকবোধক অনুসর্গ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। এই সমাসে বিয়ের জন্য অর্থে নিমিত্ত বা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খেয়াঘাট
ব্যাখ্যা: খেয়ার ঘাট, এখানে খেয়ার জন্য ঘাট অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: রান্নাঘর
ব্যাখ্যা: রান্নার ঘর, এখানে রান্নার জন্য ঘর অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়েছে।
B) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে অব্যয়ের অর্থে প্রাধান্য থাকে এবং এটি পূর্বপদপ্রধান, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — এই সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে হয়নি।
D) বহুব্রীহি — এই সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোনো পদের মাঝে জন্য বা নিমিত্ত অর্থ লুকিয়ে থাকলে এবং তা ব্যাসবাক্যে প্রকাশ পেলে সাধারণত চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়। বাক্যের শেষ অংশ বা পরপদের অর্থ প্রধান হলে তৎপুরুষ সমাস চিহ্নিত করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্য বা নিমিত্ত দিয়ে গঠিত ব্যাসবাক্যগুলো প্রায়ই চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ হিসেবে আসে। বিভক্তি বা অনুসর্গের লোপ পাওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল করলে তৎপুরুষ সমাস সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) less
কেন সঠিক:
- 'Sugar' একটি আনকাউন্টেবল নাউন বা গণনাহীন বিশেষ্য, যার পরিমাণ বোঝাতে তুলনামূলক ছোট রূপ হিসেবে 'less' ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যে স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে চিনির পরিমাণ কমানোর কথা বলা হয়েছে, যা 'less' দ্বারা সঠিকভাবে প্রকাশ পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) less — এটি সঠিক উত্তর কারণ আনকাউন্টেবল নাউনের পরিমাণের ক্ষেত্রে less ব্যবহৃত হয়।
B) more — এটি বসালে চিনির পরিমাণ বাড়ানোর অর্থ প্রকাশ পাবে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এই তথ্যের বিপরীত।
C) fewer — এটি কাউন্টেবল বা গণনাযোগ্য নাউনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sugar একটি আনকাউন্টেবল নাউন।
D) much — এটি থাকলে চায়ের মধ্যে অনেক বেশি চিনি বোঝাত, যা বাক্যটির নেতিবাচক অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় না এমন বস্তুর কম পরিমাণ বোঝাতে less এবং গণনা করা যায় এমন বস্তুর কম সংখ্যা বোঝাতে fewer ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) material
কেন সঠিক:
মটন বা খাসির মাংস এমন একটি বস্তুগত পদার্থ যা ওজন করে পরিমাপ করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না।
উপাদান বা বস্তুবাচক নাউন হওয়ার কারণে এটি মেটেরিয়াল নাউন হিসেবে গণ্য হয়।
যেসব প্রবালের উৎস বা উপাদান থেকে বিভিন্ন বস্তু তৈরি হয়, সেগুলো মেটেরিয়াল নাউনের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) common — সাধারণ কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর নাম না হওয়ায় এটি কমন নাউন হতে পারে না।
B) collective — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায় না, তাই এটি কালেক্ট্রেভ নাউন নয়।
C) proper — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম নয়, তাই প্রপার নাউন ভুল।
D) material — এটি একটি বস্তুবাচক উপাদান বোঝায়, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
যেসব নাউন গোনা যায় না কিন্তু ওজন করা যায় এবং অন্য কিছু তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোই মেটেরিয়াল নাউন।
সঠিক উত্তর: C) bacteria
কেন সঠিক:
ব্যাকটেরিয়া শব্দটি একটি প্লুরাল বা বহুবচন রূপ। এর সিঙ্গুলার বা একবচন রূপ হলো ব্যাকটেরিয়া (bacterium)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) furniture — এটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং সবসময় একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) analysis — এটি একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন, যার প্লুরাল রূপ হলো অ্যানালিসিস (analyses)।
C) bacteria — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি প্লুরাল বা বহুবচন শব্দ।
D) appendix — এটি একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন, যার প্লুরাল রূপ হলো এপেন্ডিসেস (appendices)।
মনে রাখার টিপস:
যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে um থাকে, সেগুলোর প্লুরাল করার সময় um বাদ দিয়ে a যুক্ত করতে হয় যেমন bacterium থেকে bacteria।
সঠিক উত্তর: B) stallion
কেন সঠিক:
- 'Mare' শব্দটির অর্থ মাদি ঘোড়া এবং এর পুংলিঙ্গ বা Masculine gender হলো 'Stallion'।
- এটি প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের একটি সাধারণ ব্যাকরণগত রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mermaid — এটি জলপরি বা কাল্পনিক জলচর জীব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ঘোড়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) stallion — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ পুরুষ ঘোড়া।
C) Bear — এটি একটি ভিন্ন বন্য প্রাণী বা ভালুক বোঝায়, ঘোড়ার লিঙ্গ পরিবর্তন নয়।
D) Dog — এটি কুকুর বোঝায়, যার স্ত্রী লিঙ্গ হলো Bitch।
মনে রাখার টিপস:
ঘোড়ার ক্ষেত্রে স্ত্রী লিঙ্গ হলো Mare এবং পুরুষ লিঙ্গ হলো Stallion, যা বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) anything
কেন সঠিক:
বাকটি নেতিবাচক বা না-বোধক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
তাই এখানে anything সঠিক উত্তর হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) every thing — এটি সাধারণত না-বোধক বাক্যে ব্যবহার করা যায় না।
B) some thing — এটি মূলত হাঁ-বোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
C) nothing — বাক্যে ইতিমধ্যে don't ব্যবহার করায় এটি বসালে দ্বিগুণ নেতিবাচক অর্থ হয়।
D) anything — এটি সঠিক কারণ এটি নেতিবাচক বাক্যে ব্যবহার করতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
না-বোধক বাক্যে সাধারণত anything ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) the
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে বোঝানো হচ্ছে যে কোন শিল্পী এই পোর্ট্রেট এঁকেছেন, তাই নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে।
এখানে বিশেষ একজন শিল্পীকে নির্দেশ করা হয়েছে।
এই কারণে এখানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে 'the' ব্যবহার করা সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — এটি সঠিক উত্তর এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে বসে।
B) an — এটি অনির্দিষ্ট এবং ভাওয়েল দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই এখানে ভুল।
C) no article — এখানে আর্টিকেল বসবে কারণ বিশেষ একজন শিল্পীকে বোঝানো হচ্ছে।
D) a — এটি অনির্দিষ্ট এবং কনসোনেন্ট দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যখন নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝানো হয়, তখন তার আগে সবসময় 'the' বসে।
সঠিক উত্তর: D) very little
কেন সঠিক:
Milk বা দুধ হলো একটি অগণনযোগ্য বা uncountable noun, তাই এর পূর্বে পরিমাণ বোঝাতে little ব্যবহার করা হয়।
very little বসালে বাক্যের অর্থ হয় যে বোতলে খুব সামান্য পরিমাণ দুধ আছে।
অন্য কোনো উপযুক্ত পরিবাচক শব্দ এখানে মানানসই নয়।
এই বাক্যে অন্য কোনো নেতিবাচক বা প্রশ্নবোধক শব্দ নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) any — any সাধারণত প্রশ্নবোধক বা না-বোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যা এই সাধারণ ইতিবাচক বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
B) very few — few শব্দ仅 গণনযোগ্য বা countable noun এর সাথে বসে, কিন্তু milk গণনা করা যায় না।
C) many — many কেবল বহুবচন গণনযোগ্য বিশেষ্য পদের সাথে বসে, যা অগণনযোগ্য milk এর সাথে ভুল।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অগণনযোগ্য বিশেষ্যের ক্ষেত্রে পরিমাণ বোঝাতে little বা very little ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) moon
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ 'Lunar' ল্যাটিন শব্দ 'luna' থেকে এসেছে যার অর্থ চাঁদ।
- বিজ্ঞানে চাঁদের আলো বা চাঁদের গতিবিধি বোঝাতে এই বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) earth — পৃথিবীর সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ হলো 'terrestrial', তাই এটি ভুল।
B) moon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) planet — গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ হলো 'planetary', তাই এটি ভুল।
D) star — নক্ষত্র বা তারার সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ হলো 'stellar', তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
লুনার এক্লিপ্স বা চন্দ্রগ্রহণ শব্দটির কথা মনে রাখলেই সহজে বুঝবে লুনার শব্দটি চাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: A) were
কেন সঠিক:
বাক্যে as if বা as though থাকলে এবং তার আগের অংশ বর্তমান কাল হলে পরের অংশে অসম্ভব বা অবাস্তব কল্পনা বোঝায়।
এই নিয়মে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — এটি সঠিক অপশন কারণ অবাস্তব কল্পনার ক্ষেত্রে সকল সাবজেক্টের পর were বসে।
B) has — এটি ভুল কারণ as if এর পর প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স বসে না।
C) is — এটি ভুল কারণ এখানে বর্তমানকালের সাধারণ নিয়মের চেয়ে অবাস্তব কল্পনার নিয়ম প্রযোজ্য।
D)was — এটি সাধারণ পাস্ট টেন্স, কিন্তু এখানে সাবজেক্টের পর were ব্যবহার করার ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
as if এর পরে অবাস্তব অর্থ প্রকাশ পেলে সাবজেক্ট সিঙ্গुलर হলেও were ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) wastage
কেন সঠিক:
- 'Waste' শব্দটির সাথে '-age' প্রত্যয় যুক্ত করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়।
- অপশন সি তে থাকা 'wastage' শব্দটির অর্থ অপচয় বা ক্ষয়ক্ষতি যা একটি পূর্ণাঙ্গ নাউন।
- এই শব্দটি বাক্যে সরাসরি নামবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) wasting — এটি মূলত ভার্ব বা ক্রিয়ার সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ অথবা পার্টিসিপল হিসেবে কাজ করে।
B) wasteful — এই শব্দটির শেষে 'ful' থাকায় এটি একটি বিশেষণ বা এডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) wastage — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) wastelist — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থবহ বা স্বীকৃত শব্দ বা নাউন নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে 'age' যুক্ত করে প্রায়শই ভার্ব থেকে নাউন তৈরি করা হয় যেমন waste থেকে wastage।
সঠিক উত্তর: C) Reza lives
কেন সঠিক:
এটি একটি জটিল বাক্য যার মাঝখানে where একটি conjunction বা relative adverb হিসেবে বসেছে। তাই এর পরের অংশটি সাধারণ assertive sentence-এর গঠনে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) does Reza live — এটি প্রশ্নবোধক বাক্য গঠন করেছে যা মাঝখানে বসে ভুল হয়।
B) Reza live — subject singular হওয়া সত্ত্বেও verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয়নি।
C) Reza lives — এটি সঠিক অপশন এবং উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) lives Reza — এখানে verb আগে এবং subject পরে বসে ভুল গঠন তৈরি করেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মাঝে wh-word থাকলে পরের অংশ সবসময় subject এরপর verb-এর সাধারণ নিয়মে বসে।
সঠিক উত্তর: A) He resembles his father
কেন সঠিক:
resemble একটি transitive verb যার অর্থ হলো দেখতে একই রকম হওয়া।
তাই এর পরে সরাসরি object বসে এবং মাঝখানে কোনো preposition লাগে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He resembles his father — এটি সঠিক কারণ এতে কোনো অতিরিক্ত preposition ব্যবহার করা হয়নি।
B) He resembles like his father — ভুল কারণ resemble শব্দের পরে like ব্যবহার করা বাহুল্য।
C) He resembles to his father — ভুল কারণ resemble verb এর পরে to preposition বসে না।
D) He resembles as his father — ভুল কারণ এর সাথে as ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
resemble শব্দের পরে ভুল করেও like, to বা as বসাবে না।
সঠিক উত্তর: B) wins
কেন সঠিক:
Slow and steady প্রবাদ বাক্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি একত্রে একটিমাত্র ধারণাকে প্রকাশ করে।
তাই এর সাথে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে এবং বাক্যটি চিরন্তন সত্য হওয়ায় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) win — এটি প্লুরাল ভার্ব হওয়ায় সিঙ্গুলার সাবজেক্টের সাথে বসে না।
B) wins — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) had won — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এই বাক্যে বসে না।
D) won — এটি পাস্ট টেন্স হওয়ায় চিরন্তন সত্য বাক্যের জন্য বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট দেখতে প্লুরাল হলেও ভার্ব সবসময় সিঙ্গুলার হয়।
সঠিক উত্তর: D) by
কেন সঠিক:
কোনো দুর্ঘটনা বা বাহ্যಿಕ মাধ্যমের দ্বারা মৃত্যুর ক্ষেত্রে সাধারণত by preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে দুর্ঘটনা বোঝাতে by an accident সঠিক নিয়ম হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — কোনো রোগ বা মহামারীতে মারা গেলে of বসে, যেমন died of cancer। তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
B) form — এটি কোনো সঠিক preposition নয় কারণ form বানানের ইংরেজি preposition হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই।
C) with — কোনো অস্ত্র বা শারীরিক যন্ত্রের সাহায্যে মারা গেলে with বসে, যেমন died with a sword। তাই এখানে এটি হবে না।
D) by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মারা গেলে of এবং দুর্ঘটনায় মারা গেলে by ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) Separate
কেন সঠিক:
১. এই বানানটিতে দুটি 'e' এবং একটি 'a' সঠিক ক্রমানুসারে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ইংরেজি ব্যাকরণ ও বানান রীতি অনুযায়ী এটি একটি প্রমিত বানান।
৩. এর সঠিক উচ্চারণ ও গঠন বিশ্লেষণ করলে এই বানানটিই সঠিক প্রতিভাত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Separate — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ পৃথক করা।
B) Seperate — বানানটিতে শেষাংশে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহারের কারণে এটি ভুল।
C) Saparato — এটি বানান ও গঠন উভয় দিক থেকেই সম্পূর্ণ ভুল শব্দ।
D) Saperate — মধ্যবর্তী অংশে ভুল অক্ষর থাকার কারণে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'Sep a rat e' এভাবে ভেঙে পড়া।
সঠিক উত্তর: D) First speech
কেন সঠিক:
১. 'Maiden speech' একটি ইংরেজি প্রবাদতুল্য বাগধারা, যার অর্থ হলো কারো জীবনের প্রথম বা আত্মপ্রকাশমূলক বক্তব্য। সংসদ বা সভা-সমিতিতে কেউ প্রথমবারের মতো যে ভাষণ দেন, তাকে এই বিশেষ নামে ডাকা হয়।
২. 'Maiden' শব্দের অর্থ কুমারী হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো কিছুর প্রথম প্রকাশ বা সূচনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
৩. তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রথম বক্তব্য বোঝাতে 'First speech' সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Last speech — এটি শেষ বক্তব্য বোঝায়, যা 'Maiden' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Late speech — এটি দেরিতে দেওয়া বক্তব্য বোঝায়, যার সাথে মূল বাগধারার কোনো মিল নেই।
C) Secondary speech — এটি দ্বিতীয় বা গৌণ বক্তব্য বোঝায়, যা প্রথম বক্তব্যের ধারণার সাথে মেলে না।
D) First speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Maiden' মানে শুরু বা প্রথম, তাই 'Maiden speech' মনে রাখতে হবে প্রথম ভাষণ হিসেবে।
সঠিক উত্তর: B) practical
কেন সঠিক:
pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তবধর্মী বা কর্মমুখী।
practical শব্দের অর্থও বাস্তবসম্মত বা কাজের উপযোগী।
তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক বা synonym.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wasteful — এর অর্থ অপব্যয়ী, যা pragmatic শব্দের বিপরীত।
B) practical — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Productive — এর অর্থ উৎপাদনশীল, যা pragmatic শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
D) lazy — এর অর্থ অলস, যা pragmatic শব্দের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Pragmatic শব্দটিকে প্রাকটিক্যাল বা বাস্তব কাজের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) Where there is a will, there is a way
কেন সঠিক:
প্রবাদ বাক্যটিতে গঠনগতভাবে সঠিক নিয়মে দুটি ক্লজেই 'a' আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে।
will এবং way উভয় শব্দের পূর্বে সঠিক আর্টিকেল থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
অর্থের দিক থেকেও এটি সম্পূর্ণ প্রবাদটির সঠিক রূপ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Where there is a will there is to way. — এখানে way শব্দের পূর্বে ভুলভাবে 'to' ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Where there is will, there is to way. — এখানে will এর আগে আর্টিকেল বাদ দেওয়া হয়েছে এবং way এর আগে 'to' ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Where there is a will, there is a way — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) Where there is an will, there is an way — এখানে will এবং way উভয় শব্দের পূর্বে ভুলভাবে 'an' আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের ইংরেজি অনুবাদ মুখস্ত করার সময় আর্টিকেল 'a' এর সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Optative
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা হয়েছে এবং বক্তার মনের ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পেয়েছে।
অর্থের দিক থেকে এটি একটি আশীৰ্বাদসূচক বা ইচ্ছাসূচক বাক্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive — এটি কোনো সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা মূলক বাক্য নয়।
B) Imperative — এটি কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশমূলক বাক্য নয়।
C) Exclamatory — এটি কোনো আকস্মিক আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে না।
D) Optative — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি প্রার্থনা প্রকাশ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে মনে ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায় এবং সাধারণত May শব্দ দিয়ে শুরু হয়, তাকে Optative sentence বলে।
সঠিক উত্তর: A) chosen
কেন সঠিক:
‘Choose’ ভারบটির বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট রূপ হলো choose, যার পাস্ট রূপ হলো chose এবং পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো chosen।
ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী নিখুঁত ও সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে এখানে chosen শব্দটি ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) chosen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি choose ভার্বের নির্দিষ্ট পাস্ট পার্টিসিপল রূপ।
B) chose — এটি ভুল কারণ এটি মূলত মূল ভার্বটির পাস্ট বা অতীত রূপ।
C) choice — এটি ভুল কারণ এটি কোনো ভার্ব নয়, এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ।
D) choosen — এটি ভুল কারণ বানানটিতে অতিরিক্ত একটি e যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
ভার্ব শেখার সময় প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল - এই তিনটি রূপ একসাথে মুখস্ত করলে আর কখনো ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) ১০০০ কিলোগ্রাম
প্রদত্ত তথ্য:
ওজন পরিমাপের একক হলো মেট্রিক টন ও কিলোগ্রাম
১ মেট্রিক টন ও কিলোগ্রামের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
১ মেট্রিক টন = ক কিলোগ্রাম
অতএব,
মেট্রিক টন এবং কিলোগ্রামের আদর্শ একক মান অনুযায়ী
১০০০ কিলোগ্রামে ১ মেট্রিক টন হয়
সুতরাং,
১ মেট্রিক টন সমান ১০০০ কিলোগ্রাম
উত্তর: ১০০০ কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর: B) ২ ২০১০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে হবে
প্রথম সংখ্যা ১ এবং শেষ সংখ্যা ২০
ধরি,
পদের সংখ্যা n = ২০
প্রথম পদ a = ১
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
সূত্রটি হলো পদের সংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
সুতরাং,
২০ গুণ ১ যোগ ২০ ভাগ দুই
হিসাব করলে পাই ২০ গুণ ২১ ভাগ দুই
উত্তর: ২১০
সঠিক উত্তর: C) ৮৯
প্রদত্ত তথ্য:
এটি একটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা যার প্রতিটি পদ পূর্ববর্তী দুটি পদের যোগফল
ধারাটির প্রথম পদ থেকে শুরু করে মানগুলো পরপর সাজানো আছে
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১
অতএব,
তৃতীয় পদ = ১ + ১ = ২
চতুর্থ পদ = ১ + ২ = ৩
পঞ্চম পদ = ২ + ৩ = ৫
সুতরাং,
ষষ্ঠ থেকে দশম পদ যথাক্রমে ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫
১১ তম পদ হবে দশম পদ এবং নবম পদের যোগফল
উত্তর: ৫৫ + ৩৪ = ৮৯
সঠিক উত্তর: C) ২২(১/২) ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
সময় দেওয়া আছে ২টা ১৫ মিনিট
ধরি,
ঘণ্টার কাঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে হবে
মিনিটের কাঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে হবে
কাঁটা দুটির মধ্যকার দূরত্ব বের করতে হবে
অতএব,
১২ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৩৬০ ডিগ্রি
১ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৩০ ডিগ্রি
১৫ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৭.৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
২টায় ঘণ্টার কাঁটা অতিক্রম করে ৬০ ডিগ্রি
১৫ মিনিটে মিনিটের কাঁটা অতিক্রম করে ৯০ ডিগ্রি
কাঁটা দুটির পার্থক্য = ৯০ ডিগ্রি − (৬০ ডিগ্রি + ৭.৫ ডিগ্রি) = ২২.৫ ডিগ্রি
উত্তর: ২২.৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) এককবিহীন
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাত হলো দুটি সমজাতীয় রাশির তুলনা।
একই জাতীয় রাশির একক পরস্পর কাটাকাটি হয়ে যায়।
ধরি,
প্রথম রাশি = ৫ কেজি
দ্বিতীয় রাশি = ১০ কেজি
অতএব,
অনুপাত = ৫ কেজি ÷ ১০ কেজি
এককগুলোর ভাগফল কাটাকাটি হয়ে যায়
সুতরাং,
অনুপাতের কোনো একক অবশিষ্ট থাকে না
উত্তর: এককবিহীন
সঠিক উত্তর: C) ৭, ৪২, ৮৪
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটির প্রথম পদ = ৭
ধারাটির দ্বিতীয় পদ = ৪২
ধারাটির তৃতীয় পদ = ৮৪
ধরি,
প্রথম অনুপাত = দ্বিতীয় পদ ÷ প্রথম পদ
দ্বিতীয় অনুপাত = তৃতীয় পদ ÷ দ্বিতীয় পদ
অতএব,
প্রথম অনুপাত = ৪২ ÷ ৭ = ৬
দ্বিতীয় অনুপাত = ৮৪ ÷ ৪২ = ২
সুতরাং,
অনুপাত দুটি সমান নয়, তাই এটি গুণোত্তর ধারা নয়
উত্তর: C) ৭, ৪২, ৮৪
সঠিক উত্তর: C) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ১৯৯
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
(ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৯৯
ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৯৯
২ক + ১ = ১৯৯
সুতরাং,
২ক = ১৯৯ − ১
২ক = ১৯৮
ক = ৯৯
উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ৯৯ + ১ = ১০০
সঠিক উত্তর: A) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
একটি অজানা সংখ্যার ৭৫ শতাংশ হলো ১০
ধরি,
নির্ণেয় সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
ক এর ৭৫% = ১০
ক × (৭৫ ÷ ১০০) = ১০
সুতরাং,
ক = (১০ × ১০০) ÷ ৭৫
ক = ১২০
উত্তর: ১২০
সঠিক উত্তর: D) ১০ ও ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৫ : ৮
সংখ্যা দুটির সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত হয় = ২ : ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক
অতএব,
শর্তমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩
গুণ করে পাই, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ৪)
হিসাব করে পাই, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪
সুতরাং,
ক এর মান পাই, ১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪
ক = ২
উত্তর: প্রথম সংখ্যা = ৫ × ২ = ১০ এবং দ্বিতীয় সংখ্যা = ৮ × ২ = ১৬
সঠিক উত্তর: B) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ১০টি বিজোড় সংখ্যা বের করতে হবে
বিজোড় সংখ্যাগুলোর যোগফলের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
ধরি,
প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি ১
শেষ বিজোড় সংখ্যাটি ১৯
অতএব,
বিজোড় সংখ্যার যোগফলের সূত্র হলো পদের সংখ্যার বর্গ
এখানে পদের সংখ্যা হলো ১০
সুতরাং,
যোগফল = ১০ × ১০
যোগফল = ১০০
উত্তর: ১০০
সঠিক উত্তর: D) ২৫টি
প্রদত্ত তথ্য:
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
১ থেকে ৫০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা রয়েছে ১৫টি
৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা রয়েছে ১০টি
অতএব,
১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৪টি
১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৪টি
২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ২টি
সুতরাং,
৩১ থেকে ৪০ এর মধ্যে ২টি এবং বাকি দশকগুলোতে যথাক্রমে ৩, ২, ২, ৩, ২, ১টি আছে
উত্তর: ২৫টি
সঠিক উত্তর: C) ১০০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের একটি কোণ = ৮০ ডিগ্রি
ধরি,
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজটির প্রথম কোণ = ৮০ ডিগ্রি
এর বিপরীত কোণটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
উপপাদ্য অনুসারে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
৮০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
উত্তর: ১০০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
a + b = ৪
a − b = ২
ধরি,
বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করে ab এর মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ab = ((a + b) ÷ ২) এর হোল স্কয়ার − ((a − b) ÷ ২) এর হোল স্কয়ার
সুতরাং,
ab = (৪ ÷ ২) এর স্কয়ার − (২ ÷ ২) এর স্কয়ার
উত্তর: ab = ৪ − ১ = ৩
সঠিক উত্তর: B) ৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো সাতাশি, ঊনষাট, সাতাত্তর এবং তেষাট
ধরি,
সংখ্যাগুলোকে মৌলিক বা যৌগিক হিসেবে পরীক্ষা করতে হবে
অতএব,
সাতাশি সংখ্যাটি তিন দ্বারা বিভাজ্য কারণ আট ও সাত যোগ করলে পনেরো হয়
সাতাত্তর সংখ্যাটি সাত ও এগারো দ্বারা বিভাজ্য
তেষাট সংখ্যাটি তিন ও একুশ দ্বারা বিভাজ্য
সুতরাং,
ঊনষাট সংখ্যাটিকে এক এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না
উত্তর: ৫৯
সঠিক উত্তর: A) ০.১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ১
এর ১০ শতাংশ নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
নির্ণয় মান = ক
অতএব,
ক = ১ এর ১০%
সুতরাং,
ক = ১ × (১০ ÷ ১০০)
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: C) ১০০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের পরিমাপ = ৮০ ডিগ্রি
ধরি,
কোণটির সম্পূরক কোণ = ক ডিগ্রি
অতএব,
দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
৮০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি − ৮০ ডিগ্রি = ১০০ ডিগ্রি
উত্তর: ১০০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৪০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি
ত্রিভুজটির একটি সূক্ষ্মকোণ পঞ্চাশ ডিগ্রি
ধরি,
ত্রিভুজটির অপর সূক্ষ্মকোণটি সমান ক ডিগ্রি
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি একশত আশি ডিগ্রি
অতএব,
নব্বই ডিগ্রি + পঞ্চাশ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = একশত আশি ডিগ্রি
একশত চল্লিশ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = একশত আশি ডিগ্রি
সুতরাং,
ক ডিগ্রি = একশত আশি ডিগ্রি − একশত চল্লিশ ডিগ্রি = চল্লিশ ডিগ্রি
উত্তর: ৪০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ৫.০ই−৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.১
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০১
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০১
চতুর্থ সংখ্যা = ০.৫
ধরি,
রাশিমালাটি হলো প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর গুণফল।
অতএব,
সংখ্যাগুলোর দশমিক বাদ দিয়ে স্বাভাবিক গুণ করি।
১ × ১ × ১ × ৫ = ৫
সুতরাং,
মোট দশমিক ঘরের সংখ্যা গণনা করি।
১ + ২ + ৩ + ১ = ৭ ঘর
উত্তর: ৫.০ই−৭
সঠিক উত্তর: B) ১.৬১ কিলোমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
দূরত্বের একক পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রশ্ন
১ মাইল সমান কত কিলোমিটার তা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
১ মাইল = ক কিলোমিটার
অতএব,
আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ মাইল এবং কিলোমিটারের সম্পর্ক জানা প্রয়োজন
বৈজ্ঞানিক ধ্রুবক হিসেবে ১ মাইল হলো ১.৬০৯৩৪ কিলোমিটারের সমান
সুতরাং,
দশমিকের পর দুই ঘর পর্যন্ত হিসাব করলে এর মান পাওয়া যায় ১.৬১ কিলোমিটার
উত্তর: ১.৬১ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর: C) চাঁদের আকর্ষণ
কেন সঠিক:
- পৃথিবী থেকে সূর্যের তুলনায় চাঁদ অনেক কাছে অবস্থিত থাকায় জোয়ার সৃষ্টিতে চাঁদের মহাকর্ষ বলের প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
- চাঁদের আকর্ষণ বলের প্রভাবেই পৃথিবীর জলরাশি একদিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ারের সৃষ্টি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পৃথিবীর আকর্ষণ — পৃথিবীর নিজস্ব আকর্ষণ বল জলরাশিকে কেন্দ্রের দিকে ধরে রাখে, জোয়ার সৃষ্টির প্রধান বাহ্যিক কারণ এটি নয়।
B) বায়ু প্রবাহ — বায়ু প্রবাহ সমুদ্রের পৃষ্ঠে সাধারণ ঢেউ বা তরঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু জোয়ার ভাটার প্রধান কারণ বায়ু নয়।
C) চাঁদের আকর্ষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণের মধ্যে চাঁদের আকর্ষণই জোয়ার ভাটার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
D) সূর্যের আকর্ষণ — সূর্য বিশাল ভরের অধিকারী হলেও পৃথিবীর অনেক দূরে থাকায় জোয়ার সৃষ্টিতে এর প্রভাব চাঁদের প্রায় অর্ধেক।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদ পৃথিবীর খুব কাছে থাকে তাই জোয়ারে তার টানেই জল বেশি ফুলে ওঠে।
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য
সঠিক উত্তর: C) ১৯০১
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের উইল অনুযায়ী ১৮৯৫ সালে নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯০১ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৫ — এটি নোবেল পুরস্কার প্রদানের সাল নয়, তবে এটি আলবার্ট আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রকাশের বছর।
B) ১৮৯৬ — এটি আলফ্রেড নোবেলের প্রয়াণ এবং নোবেল উইল স্বাক্ষরের বছর, পুরস্কার প্রবর্তনের বছর নয়।
C) ১৯০১ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এই সাল থেকেই বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার প্রদান চালু হয়।
D) ১৯০৫ — অপশনটিতে একই সাল পুনরাবৃত্তি হয়েছে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
আলফ্রেড নোবেল মারা যান ১৮৯৫ সালে আর নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় ১৯০১ সালে।
সঠিক উত্তর: A) সমুদ্রবন্দর
কেন সঠিক:
- মোংলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, যা সুন্দরবনের নিকটে পশুর নদের তীরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের জাহাজে পণ্য খালাস ও পরিবহনের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমুদ্রবন্দর — এটি মোংলা সম্পর্কে সত্য কারণ এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের বন্দর।
B) নদীবন্দর — মোংলা নদী তীরবর্তী হলেও এর মূল কার্যক্রম ও স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর হিসেবে।
C) নদী — মোংলা কোনো নদী নয়, এটি পশুর নদের তীরে অবস্থিত একটি নির্দিষ্ট বন্দর এলাকা।
D) স্থলবন্দর — এটি সীমান্তরবর্তী স্থলবন্দর নয়, বরং জলপথে বাণিজ্যের জন্য প্রতিষ্ঠিত সমুদ্রবন্দর।
মনে রাখার টিপস:
মোংলা নাম দেখলে মনে রাখবে এটি দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলোর একটি।
সঠিক উত্তর: D) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী পুণ্ডনগর হিসেবে গড়ে উঠেছিল, যার ঐতিহাসিক প্রমাণ প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজে পাওয়া গেছে।
- খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে এটি ধারাবাহিক জনবসতির প্রমাণ বহন করে, যা একে বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী হিসেবে প্রমাণিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুর — এটি মূলত বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত, যা নগরী হিসেবে মহাস্থানগড়ের চেয়ে পরবর্তী সময়ের।
B) সোনারগাঁও — এটি মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতানদের রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল, যা প্রাচীন পুণ্ডনগরের চেয়ে অনেক পরের ইতিহাস।
C) ময়নামতি — এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা মহাস্থানগড়ের সমসাময়িক হলেও প্রাচীনতম নগরী নয়।
D) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বগুড়া জেলায় অবস্থিত বাংলার প্রাচীনতম পুণ্ডনগর সভ্যতার নিদর্শন।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীনতম নগরী মনে রাখতে মহাস্থানগড়ের 'ম' এবং প্রাচীনতমের 'প্র' অর্থাৎ মহাস্থানগড়ই প্রধান বা প্রথম নগরী।
সঠিক উত্তর: C) ওমেগা-৩
কেন সঠিক:
- সামুদ্রিক মাছের চর্বিতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- এই বিশেষ উপাদানটি মানবদেহের প্রদাহ কমাতে এবং রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাসে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ল্যাকটেজ — এটি দুধের ল্যাকটোজ শর্করা ভাঙতে সাহায্যকারী একটি এনজাইম, যা মাছের চর্বিতে থাকে না।
B) ইউরিক এসিড — এটি মানবদেহের প্রোটিন বিপাকের বর্জ্য পদার্থ, যা মাছের চর্বির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ওমেগা-৩ — এটি সামুদ্রিক মাছের চর্বিতে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত অত্যন্ত উপকারী একটি ফ্যাটি অ্যাসিড।
D) বিটাক্যারোটিন — এটি মূলত গাজর ও মিষ্টি আলুর মতো উদ্ভিজ্জ উপাদানে পাওয়া যায়, সামুদ্রিক মাছের চর্বিতে নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাছের তেল বা চর্বি মানেই উপকারী ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভাণ্ডার।
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী
কেন সঠিক:
- বরেন্দ্র জাদুঘর বাংলাদেশের রাজশাহী শহরে অবস্থিত প্রাচীন ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রথম সংগ্রহশালা।
- এটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নোয়াখালী — নোয়াখালী জেলায় বরেন্দ্র জাদুঘর অবস্থিত নয়, এটি ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হলেও এই জাদুঘরের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।
B) বগুড়া — বগুড়ায় বিখ্যাত মহাস্থানগড় ও সাইট মিউজিয়াম রয়েছে, তবে বরেন্দ্র জাদুঘর এখানে অবস্থিত নয়।
C) ঢাকা — ঢাকায় জাতীয় জাদুঘরসহ বেশ কিছু জাদুঘর রয়েছে, কিন্তু বরেন্দ্র জাদুঘর ঢাকায় অবস্থিত নয়।
D) রাজশাহী — বরেন্দ্র জাদুঘর রাজশাহীতে অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন ও বরেন্দ্র অঞ্চলের নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
রাজশাহী মানেই বরেন্দ্র অঞ্চল, তাই বরেন্দ্র জাদুঘর বললেই রাজশাহী শহরকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) ইরান
কেন সঠিক:
- ইস্পাহান হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের একটি ঐতিহাসিক ও সংস্কৃতিসমৃদ্ধ বিখ্যাত শহর।
- পারস্য সাম্রাজ্যের আমলে এই শহরটি দেশটির রাজধানী হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও ইস্পাহান এর ভূখণ্ডে অবস্থিত নয়।
B) ইরান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
C) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য একটি দেশ, যার সঙ্গে ইস্পাহান শহরের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
D) কুয়েত — এটি পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী একটি ছোট দেশ, যেখানে ইস্পাহান শহরটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইস্পাহান নামের ঐতিহাসিক শহরটি দেখতে সুন্দর এবং এটি পারস্য তথা ইরানের গর্ব।
সঠিক উত্তর: D) ১৩৬তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশের সদস্যপদ প্রাপ্তি ও বৈদেশিক নীতির অবস্থান স্পষ্ট করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩১তম — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘের অন্য কোনো সদস্য দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নয়।
B) ১৩৩তম — এটি ভুল সংখ্যা, যা বাংলাদেশের জাতিসংঘ সদস্যপদ অর্জনের ক্রমের সঙ্গে মেলে না।
C) ১৩৪তম — এটিও একটি ভুল অপশন এবং বাংলাদেশ এই ক্রমের সদস্য নয়।
D) ১৩৬তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ এই ক্রমিক নম্বরেই জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়, যেখানে সংখ্যাটির শেষের দুটি অঙ্ক ৭৪ এবং ১৩৬ এর যোগসূত্র মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) পার্বত্য চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- বৈসাবি হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর প্রধান সামাজিক ও বর্ষবরণ উৎসব।
- ত্রিপুরীদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই এবং চাকমাদের বিজু উৎসবের প্রথম অক্ষরগুলো নিয়ে বৈসাবি নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পার্বত্য চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলের প্রধান তিনটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নববর্ষ উৎসবের সম্মিলিত রূপ হলো বৈসাবি।
B) সিলেট — এই অঞ্চলের প্রধান উৎসব চা শ্রমিকদের কর্মসংক্রান্ত ও স্থানীয় কিছু উৎসব হলেও বৈসাবি এখানকার ঐতিহ্যবাহী উৎসব নয়।
C) ময়মনসিংহ — এই অঞ্চলে গারা ও হাজং সম্প্রদায়ের বসবাস থাকলেও তাদের প্রধান উৎসব বৈসাবি নামে পরিচিত নয়।
D) রংপুর — এই অঞ্চলের প্রধান আদিবাসী হলো সাঁওতাল ও রাজবংশী, যাদের বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বৈসাবি শব্দের প্রথম অংশ চাকমাদের বিজু (বি), মারমাদের সাংগ্রাই (সা) এবং ত্রিপুরীদের বৈসু (বৈ) থেকে এসেছে, যা পার্বত্য চট্টগ্রামে উদ্যাপিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) মুক্ত বিশ্বকোষ
কেন সঠিক:
- এটি একটি অনলাইনভিত্তিক বহুভাষিক বিশ্বকোষ যা যে কেউ সম্পাদনা করতে পারে।
- এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সবার জন্য উন্মুক্ত একটি বিশাল জ্ঞানের ভান্ডার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্মুক্ত সফটওয়্যার — এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম বা প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি তথ্য ও জ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট।
B) মুক্ত শব্দকোষ — এটি শুধু শব্দের অর্থ বা প্রতিশব্দ প্রকাশ করে না, বরং বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়।
D) ডেটাবেস — এটি কেবল সংরক্ষিত তথ্যের ভান্ডার নয়, ব্যবহারকারীদের সহযোগিতায় তৈরি জ্ঞানকোষ।
মনে রাখার টিপস:
উইকিপিডিয়া শব্দটি এসেছে বিশ্বকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া থেকে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত জ্ঞান সরবরাহ করে।
সঠিক উত্তর: A) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্রর নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
- ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তরের সঠিক অবস্থান।
B) জেনেভা — এটি জাতিসংঘের ইউরোপীয় হেডকোয়ার্টার বা দ্বিতীয় কার্যালয়, প্রধান সদর দপ্তর নয়।
C) লন্ডন — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর নয়, তবে এখানে সংস্থাটির কিছু বিশেষায়িত অফিসের কার্যক্রম ছিল।
D) প্যারিস — এটি ইউনেস্কো সংস্থার প্রধান কার্যালয়, জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহরগুলোর একটি নিউইয়র্ক, যেখানে সারা বিশ্বের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) জেরুজালেম
কেন সঠিক:
- আল-আকসা মসজিদটি ফিলিস্তিনের প্রাচীন শহর জেরুজালেমের ওল্ড সিটিতে অবস্থিত।
- এটি ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং মুসলমানদের প্রথম قبلہ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেরুজালেম — এটি সঠিক উত্তর কারণ মসজিদটি এই ঐতিহাসিক শহরেই অবস্থিত।
B) গাজা উপত্যকা — এটি ফিলিস্তিনের একটি ভূখণ্ড হলেও আল-আকসা মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়।
C) জর্দান — এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং আল-আকসা মসজিদ এই দেশের ভূখণ্ডে অবস্থিত নয়।
D) ফিলিস্তিন — এটি একটি দেশ হলেও অপশনটিতে নির্দিষ্ট শহর উল্লেখ না থাকায় জেরুজালেম উত্তরটি বেশি নিখুঁত।
মনে রাখার টিপস:
আল-আকসা মসজিদের অবস্থান মনে রাখতে জেরুজালেম শহরের প্রাচীন প্রাচীর ও পবিত্র স্থানগুলোর কথা মনে রাখতে হবে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: D) ১১ টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধার্থে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- কৌশলগত অপারেশনের সুবিধার্থে প্রতিটি সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ টি — বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরের সংখ্যা ৮টি ছিল না, বরং নৌপথের জন্য ১০ নম্বর সেক্টর বাদে মোট ১১টি সেক্টর ছিল।
B) ৬ টি — এই সংখ্যাটি মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরের সংখ্যা হিসেবে সঠিক নয়, কারণ সেক্টর ছিল মোট ১১টি।
C) ১০ টি — ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর এবং এর বাইরে স্থলভাগে আরও ১০টি সেক্টরসহ মোট সেক্টর সংখ্যা ছিল ১১টি।
D) ১১ টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর সংখ্যা ১১টি হিসেবে এটি সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন ১০টি স্থল সেক্টর এবং নৌপথের জন্য ১টি নিয়ে মোট সেক্টর সংখ্যা ১১টি।
সঠিক উত্তর: B) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
কেন সঠিক:
- স্কটিশ বিজ্ঞানী ও ব্যাক্টেরিয়াবিদ আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে প্রথম পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।
- পেনicillium notatum নামক ছত্রাক থেকে এই জীবন রক্ষাকারী উপাদানটি আবিষ্কৃত হয়, যা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবার্ট হুক — তিনি কোষ আবিষ্কার করেছিলেন, পেনিসিলিনের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) প্রোটো — এটি কোনো আবিষ্কারক নন, বরং একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক নাম হিসেবে অপশনে এসেছে।
D) নিউটন — তিনি পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র এবং মহাকর্ষ তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন, ওষুধ আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
ফ্লেমিংয়ের পেনিসিলিন জীবন বাঁচায় প্রতিদিন।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটান কার্বন নিঃসরণের চেয়ে বেশি কার্বন শোষণ করে, যার ফলে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের প্রথম কার্বন নেগেটিভ বা প্রভাবমুক্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
- দেশটির সংবিধানে ৬০ শতাংশ বনভূমি সর্বদা সংরক্ষণের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — জাপান একটি উন্নত শিল্পপ্রধান দেশ এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী রাষ্ট্র, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ এবং এটি কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশের তালিকায় নেই।
C) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ড ২০৩৫ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তবে এটি বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ নয়।
D) ভুটান — ভুটান কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে এবং পর্যাপ্ত বনভূমি রেখে বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত বা নেগেটিভ দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড় ঘেরা সবুজ দেশ ভুটান প্রকৃতি রক্ষা করে বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) Organization of Islamic Cooperation
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর সংস্থাটির নাম ছিল Organization of ইসলামিক কনফারেন্স বা OIC।
- ২০১১ সালের জুনে কাজেকস্তানের আস্তানায় অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে এর নাম পরিবর্তন করে বর্তমান নামটি রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Organization of Islamic Conferences — এটি OIC-এর পূর্ববর্তী নাম ছিল, ২০১১ সালে নাম পরিবর্তনের পর এটি আর কার্যকর নয়।
B) Organization of Islamic Countries — এটি সাধারণ উচ্চারণে ব্যবহৃত হলেও সংস্থার দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত নাম নয়।
C) Organization of Islamic Cooperation — এটি সংস্থার বর্তমান ও সঠিক দাপ্তরিক নাম, যা ২০১১ সালে গ্রহণ করা হয়।
D) Organization of Islamic Centres — এই নামে কোনো আন্তর্জাতিক বা ইসলামিক সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
OIC এর নাম পরিবর্তনের সালটি মনে রাখলে এই প্রশ্নে আর ভুল হবে না, ২০১১ সালে কনফারেন্স থেকে কোঅপারেশন নাম করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) শহীদ কবির
কেন সঠিক:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগকে অমর করে রাখতে বরেণ্য চিত্রশিল্পী শহীদ কবির 'উন্নতো মম শির' শিরোনামে এই চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন।
- কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চিত্রকর্মটির এই নামকরণ ও শিল্পরূপ দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃণাল কান্তি সেন — তিনি দেশের একজন পরিচিত চিত্রশিল্পী হলেও এই নির্দিষ্ট চিত্রকর্মটি তিনি অঙ্কন করেননি।
B) মোস্তফা জব্বার — তিনি একজন প্রযুক্তিবিদ ও রাজনীতিবিদ, চিত্রশিল্পী নন।
C) মইনুল হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত স্থপতি ও ভাস্কর, এই চিত্রকর্মের সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
D) শহীদ কবির — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
আবু সাঈদের মাথা বুক পেতে দেওয়ার সাহসিকতা বোঝাতে বিদ্রোহী কবির কবিতার সাথে মিলিয়ে 'শহীদ কবির' নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) হাজী শরীয়তউল্লাহ
কেন সঠিক:
- হাজী শরীয়তউল্লাহ ১৮১৮ সালের দিকে অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুর অঞ্চলে ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন।
- ইসলামের ফরজ বিধানগুলোর ওপর গুরুত্ব আরোপ এবং অপধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান থেকে মুসলমানদের মুক্ত করাই ছিল এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাজী শরীয়তউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সুফি আব্দুর রউফ — ইনি ফরায়েজী আন্দোলনের কোনো প্রধান নেতা ছিলেন না এবং আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর এমন নেতৃত্বমূলক ভূমিকা ছিল না।
C) দুদু মিয়া — তিনি হাজী শরীয়তউল্লাহর পুত্র এবং ফরায়েজী আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্যায়ের নেতা ছিলেন, আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা নন।
D) তিতুমীর — তিনি বারাসত বিদ্রোহ ও বাঁশের কেল্লা নির্মাণের সাথে যুক্ত ছিলেন, ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা নন।
মনে রাখার টিপস:
ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা 'হাজী শরীয়তউল্লাহ' এবং এর পরবর্তী শক্তিশালী নেতা ছিলেন তাঁর পুত্র 'দুদু মিয়া'।
সঠিক উত্তর: C) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদীর উৎপত্তি খাগড়াছড়ি জেলার বদানা পাহাড়ে এবং এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়ে সমাপ্ত হয়েছে।
- বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে একমাত্র হালদা নদীর উৎপত্তি ও সমাপ্তি সম্পূর্ণরূপে দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরেই অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলী — নদীটির উৎপত্তি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে এবং এটি বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
B) মহানন্দ — নদীটির উৎপত্তি ভারতের দার্জিলিং জেলার মহা চিলডাংগা পাহাড়ে এবং এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে পদ্মায় মিলিত হয়েছে।
D) গোমতি — নদীটির উৎপত্তি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে এবং এটি বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে একমাত্র হালদার জন্ম ও মৃত্যু (উৎপত্তি ও সমাপ্তি) সবই দেশের ভেতরে হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) কাবাডি
কেন সঠিক:
- কাবাডি বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত এবং ১৯৭২ সালে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় খেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এই খেলাটি খেলার জন্য অতিরিক্ত ব্যয়বহুল সরঞ্জামের প্রয়োজন হয় না এবং দেশের সব অঞ্চলে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাবাডি — এটি বাংলাদেশের সরকারিভাবে নির্ধারিত এবং স্বীকৃত জাতীয় খেলা।
B) ক্রিকেট — জনপ্রিয়তার দিক থেকে শীর্ষস্থানে থাকলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা নয়।
সি) ফুটবল — দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা হওয়া সত্ত্বেও এটি জাতীয় খেলার মর্যাদা পায়নি।
ডি) হকি — এটি দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা এবং একসময় বেশ জনপ্রিয় হলেও জাতীয় খেলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সহজলভ্যতার দিক থেকে কাবাডি আমাদের হাডুডু খেলার পরিশীলিত রূপ হিসেবে জাতীয় খেলার মর্যাদা পেয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
'সংশয়' শব্দের অর্থ সন্দেহ, অনিশ্চয়তা বা দ্বিধা। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'প্রত্যয়', যার অর্থ বিশ্বাস, দৃঢ় আস্থা বা প্রত্যয়ী হওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অংশ। বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় মূল শব্দের অর্থ এবং ব্যাকরণগত রূপের মিল রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংশয় দূর করে এগিয়ে যাও।
ব্যাখ্যা: এখানে সংশয় শব্দের মাধ্যমে মনের সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: তার কথায় আমার পূর্ণ প্রত্যয় আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রত্যয় শব্দের মাধ্যমে দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সংশয়ের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) নির্ভয় — এটি ভয়ের বিপরীত শব্দ, সংশয়ের সঠিক বিপরীত নয়।
C) বিশ্বয় — এটি বিস্ময় শব্দের রূপ, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) দ্বিধা — এটি সংশয়ের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস, তাই সন্দেহ ও বিশ্বাসের সম্পর্ক হলো বিপরীত। বিপরীত শব্দ মনে রাখতে মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে বিপরীত অর্থের শব্দটি মুখস্থ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীত শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দকে বিপরীত বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যা সতর্কতার সঙ্গে এড়াতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কাব্য
১. কেন সঠিক:
- ‘চন্দ্রাবতী’ একটি বিশিষ্ট আখ্যানকাব্য বা মহাকাব্য ঘরানার দীর্ঘ কবিতা, যা বিখ্যাত কবি দ্বিজ কানাই বা অন্য কারো রচিত হলেও বাংলা সাহিত্যে এটি একটি স্বতন্ত্র কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।
- এই কাব্যে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবনকথা এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকঐতিহ্য ও ট্র্যাজেডি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য এবং মধ্যযুগীয় বা লোকসাহিত্য অংশের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও গবেষক ড. দীনেশচন্দ্র সেন ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহের সময় এই আখ্যান বা পালাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়া
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যা কাব্যাকারে সমাদৃত।
উদাহরণ ২: মলুয়া
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলার লোকসাহিত্য ও আখ্যানকাব্যের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ চন্দ্রাবতী একটি আখ্যানমূলক কাব্যগ্রন্থ।
B) নাটক — চন্দ্রাবতী কোনো নাটক বা মঞ্চের জন্য রচিত দৃশ্যকাব্য নয়।
C) পদাবলি — এটি বৈষ্ণব পদাবলি বা শাক্ত পদাবলির মতো ভক্তিগীতি নয়।
D) পালাগান — যদিও এটি লোকগাথাভিত্তিক, তবে মূল সাহিত্যিক রূপ বিচারে এটি একটি কাব্য হিসেবে গণ্য হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চন্দ্রাবতী নাম দেখলে মনে রাখবে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবির জীবনভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্য।
- লোকসাহিত্য ও আখ্যানকাব্য সম্পর্কিত প্রশ্ন এলে অপশন ভালোভাবে লক্ষ্য করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগীয় সাহিত্য এবং ময়মনসিংহ গীতিকা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ অনুবাদেও বিশেষ অবদান রেখেছিলেন, যা সাধারণ জ্ঞানেও কাজে লাগে।
সঠিক উত্তর: C) যা কাঁচা তাই মিঠা
১. কেন সঠিক:
- ‘কাঁচামিঠা’ শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে একই বস্তুকে বোঝায়।
- এখানে ফল বা বস্তুটি একাধারে কাঁচা আবার স্বাদে মিষ্টি, তাই এর ব্যাসবাক্য হবে ‘যা কাঁচা তাই মিঠা’।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ যা মূলত কাঠি বা ফলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- পূর্বপদ ও পরপদ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে ‘যা... তাই...’ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জজসাহেব
ব্যাখ্যা: যিনি জজ তিনিই সাহেব, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সেয়ানা
ব্যাখ্যা: যে চালাক সেই সেয়ানা, এটিও একই নিয়মে গঠিত কর্মধারয় সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাঁচা ও মিঠা — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্য হবে, কিন্তু কাঁচামিঠা দ্বন্দ্ব সমাস নয়।
B) কাঁচাই মিঠা — এই ব্যাসবাক্যটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।
D) কাঁচা মিঠা — মাঝখানে সংযোগচিহ্ন বা বিভক্তি না থাকায় এটি কোনো সঠিক ব্যাসবাক্য তৈরি করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে শব্দে একই বস্তুর দুটি ভিন্ন গুণ বা অবস্থা বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে ‘যা... তাই...’ বসে, তা সাধারণ কর্মধারয় সমাস।
- কাঁচা অথচ মিষ্টি এমন ফল বোঝাতে ‘যা কাঁচা তাই মিঠা’ সূত্র মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের এই ব্যতিক্রমী রূপগুলো প্রায়ই আসে।
- বিশেষ করে ফলের নাম সম্পর্কিত সমাসগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
সঠিক উত্তর: D) ফারসি
কেন সঠিক:
- বরখেলাপ শব্দটিতে বর একটি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
- এই উপসর্গটি মূল শব্দের আগে বসে অর্থের পরিবর্তন বা নতুন ভাব প্রকাশ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বর উপসর্গটি মূলত ফারসি উপসর্গ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
- এটি সাধারণত বিপরীত, বিরুদ্ধে বা অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন বরখেলাপ শব্দের অর্থ নিয়মের বিরুদ্ধে যাওয়া, যেখানে বর মানে বিরুদ্ধে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বাংলা — বাংলা উপসর্গ মোট একচল্লিশটি এবং বর তার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- B) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গ বাংলা ব্যাকরণে অনুসৃত হয় না।
- C) আরবি — বর উপসর্গটি আরবি ভাষা থেকে আসেনি যদিও অনেক আরবি শব্দ বাংলায় আছে।
- D) ফারসি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর একটি ফারসি উপসর্গ।
মনে রাখার টিপস:
- ফারসি উপসর্গের একটি তালিকা মুখস্ত রাখলে বরখিলাফ বা বরখেলাপ শব্দটির উৎস সহজেই চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) শীত + ঋত
১. কেন সঠিক:
- শীত শব্দের অকারের সঙ্গে ঋত শব্দের ঋ-কার যুক্ত হয়ে স্বরসন্ধির নিয়মে অর্ (অ+ঋ = অর্) হয়েছে।
- অ এবং আ-এর পরে ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর্ হয় এবং তা রেফ রূপে পূর্ববর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- অ বা আ-এর পর ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর্ হয় এবং এই অর্ পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রেফ (্র) রূপ ধারণ করে।
- এটি মূলত স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যা সংস্কর ব্যাকরণের প্রভাবে বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেব + ঋষি = দেবর্ষি
ব্যাখ্যা: এখানে অ-কারের পর ঋ-কার থাকায় উভয়ে মিলে অর্ (ব + র + ষি = বর্ষি) হয়েছে।
উদাহরণ ২: অধম + ঋত = অধমর্ণ
ব্যাখ্যা: এখানেও অ-কারের সঙ্গে ঋ-কার যুক্ত হয়ে অর্ উৎপন্ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীতা + আর্ত — শীতা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এই নিয়মে সন্ধি সাধিত হয় না।
C) শীতা + ঋত — শীতা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দমূল বা প্রপদ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) শীত + আর্ত — শীত ও আর্ত যোগ করলে শীতাত্ব শব্দ হয়, যার অর্থ শীত দ্বারা আর্ত বা পীড়িত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের মাঝে রেফ দেখলে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় সাধারণত পূর্ব অংশে অ বা আ এবং পরের অংশে ঋত বা ঋষি থাকে।
- যেমন শীত যুক্ত ঋত সমান শীতার্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়মের শব্দ যেমন দেবর্ষি, মহর্ষি ও শীতার্ত প্রায়ই আসে।
- স্বরসন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি আয়ত্ত করলে পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ২৪শে মে ১৮৯৯
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম তারিখ ২৪শে মে ১৮৯৯ (বাংলা ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ)।
- বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মতারিখ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম স্রষ্টা।
- তাঁর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে এবং মৃত্যু ১৯৭৬ সালের ২৯শে আগস্ট ঢাকায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের বিদ্রোহী কবিতাটি তাঁকে ব্যাপক খ্যাতি এনে দেয়।
উদাহরণ ২: তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস কুহেলিকা ও বাঁধন হারা।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসগুলো তাঁর গদ্যরীতির অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪শে মে ১৭২৯ — এই সালের সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামের জন্মতারিখের কোনো মিল নেই।
B) ২৫শে মে ১৮৯৯ — এই তারিখে কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম হয়নি, সঠিক তারিখ ২৪শে মে।
D) ২৩শে মে ১৯০৯ — এই সালটি কবির জন্মসালের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ১৮৯৯ সালের ২৪শে মে বিদ্রোহী কবি জন্মগ্রহণ করেছিলেন এভাবে মনে রাখতে পারো।
- বাংলা ও ইংরেজি উভয় সালের জন্মতারিখ আলাদা করে মনে রাখা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কবির জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ বিভিন্ন বিসিএস এবং নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা ও ইংরেজি উভয় সল এবং তারিখ আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: A) অনাবৃষ্টি
কেন সঠিক:
- ‘অতিবৃষ্টি’ শব্দের অর্থ হলো স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে বৃষ্টি হওয়া।
- এই শব্দের ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে ‘অনাবৃষ্টি’ শব্দটি, যার অর্থ বৃষ্টির অভাব বা খরা।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ যুক্ত করে শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ তৈরি করা হয়।
- এখানে ‘অতি’ উপসাগরের বিপরীতে ‘অন বা অনব’ উপসর্গ যোগ করে বিপরীত শব্দ গঠন করা হয়েছে।
- যেমন: অতি + বৃষ্টি = অতিবৃষ্টি এবং অন + বৃষ্টি = অনাবৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অনাবৃষ্টি — এটি সঠিক উত্তর।
- B) খুব বৃষ্টি — এটি অতিবৃষ্টির সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
- C) অল্প বৃষ্টি — এটি অতিবৃষ্টির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলেও সঠিক পারিভাষিক বিপরীত শব্দ নয়।
- D) ভারী বৃষ্টি — এটি অতিবৃষ্টির সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
- অতি শব্দের বিপরীত সাধারণত অন বা স্বল্প হয়, তাই বৃষ্টির ক্ষেত্রে অতিবৃষ্টির বিপরীত অনাবৃষ্টি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) মাকড়সা
কেন সঠিক:
- উর্ণনাভ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো উর্ণা নাভিতে যার এবং এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
- মাকড়সা তার নাভি বা উদর থেকে লালা বা সুতো নির্গত করে জাল তৈরি করে বলে তাকে উর্ণনাভ বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভান্ডারে কিছু বিশেষ আর্থবাচক সংস্কৃত শব্দ রয়েছে যা প্রাকৃতিকভাবে নির্দিষ্ট প্রাণীকে নির্দেশ করে।
- উর্ণা শব্দের অর্থ পশম বা রেশম এবং নাভ শব্দের অর্থ নাভি বা উদর।
- যেমন মাকড়সা নিজের শরীর থেকে সুতো বের করে জাল বোনে, তেমনি এর শাব্দিক অর্থও এর সাথে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মাকড়সা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর শাব্দিক অর্থ উর্ণনাভের সাথে মিলে যায়।
- B) টিকটিকি — টিকটিকির জন্য এই বিশেষ শব্দের কোনো প্রচলন বাংলা ভাষায় নেই।
- C) তেলাপোকা — তেলাপোকা বোঝাতে উর্ণনাভ শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
- D) উইপোকা — উইপোকা একটি আলাদা কীটপতঙ্গ এবং এর প্রতিশব্দ এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- উর্ণা মানে সুতো এবং নাভ মানে নাভি, যার নাভি থেকে সুতো বের হয় সেই হলো মাকড়সা।
সঠিক উত্তর: A) বচ + ত
১. কেন সঠিক:
- উক্ত শব্দটির মূল ধাতু হলো বচ এবং এর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- বচ ধাতুর অর্থ হলো বলা বা কথন করা, যার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অতীতকাল বোঝাচ্ছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- বচ হলো একটি সংস্কৃত ধাতু, যার সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √গ্রহ + ত = গৃহীত
ব্যাখ্যা: গ্রহ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গৃহীত শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: √গম + ত = গত
ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গত শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বচ + ত — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ বচ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উক্ত হয়।
B) বপ্ + ত — বপ ধাতু অর্থ বপন করা, এর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হলে উক্ত হয় না।
C) উক্ + ত — উক নামে কোনো মূল ধাতু বাংলা ব্যাকরণে নেই।
D) উ + ক্ — এটি সঠিক কৃৎ প্রত্যয়ের গঠন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বচ ধাতুর কাজ হলো বলা, তাই যা বলা হয়েছে তা হলো উক্ত।
- ধাতুর রূপ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বচ থেকে উ পরিবর্তন মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- সংস্কৃত ধাতুর ক্ষেত্রে কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি যার মূল প্রবক্তা পদাবলি সাহিত্যের আদি কবি চণ্ডীদাস।
- মানবতাবাদ ও সাম্যের জয়গান গাওয়াই এই পঙক্তিটির মূল তাৎপর্য যেখানে মানুষের মর্যাদাকে সর্বেসর্বা বলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলি এবং শাক্ত পদাবলি ধারার অন্যতম প্রধান কবি হলেন চণ্ডীদাস।
- চর্যাপদের পর বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মানুষের জয়গান গেয়ে মানবতাবাদী দর্শন প্রচারের ক্ষেত্রে চণ্ডীদাসের এই বাণী চিরন্তন হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোচরমণি দাস রচিত চৈতন্যমঙ্গল মহাকাব্য
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের এই মহাকাব্যেও মানবপ্রেমের এই শাশ্বত বাণীর প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
উদাহরণ ২: বিদ্যাপতির পদাবলি সাহিত্য
ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাসের সমসাময়িক কবি বিদ্যাপতির রচনাতেও মানবাত্মার মহিমা ও প্রেমের সার্বজনীন রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদের প্রবক্তা হলেও এই প্রখ্যাত প্রাচীন পঙক্তিটির রচয়িতা নন।
B) শরদিন্দু চট্টোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও গোয়েন্দা কাহিনীকার এবং ব্যোমকেশ বক্সীর স্রষ্টা, তাই এই পঙক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক যিনি মধ্যযুগের এই পঙটি রচনা করেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবার উপরে মানুষ সত্য কথাটি প্রাচীন যুগের কবি চণ্ডীদাসের নামটির সঙ্গে মনে রাখবে।
- মধ্যযুগের মানবতাবাদী প্রবাদ বা পঙক্তি বললে সবার আগে চণ্ডীদাসের কথা মাথায় আনতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের সাহিত্যিক উদ্ধৃতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এই ধরনের পঙক্তি কার লেখা তা মনে রাখতে কবির সাহিত্যিক ধারা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়।
ভাষার এই মূল এককগুলোর সমন্বয়েই শব্দ ও বাক্য গঠিত হয় এবং মনের ভাব প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মানবমুখ থেকে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা শব্দই হলো ধ্বনি, যা ভাষার প্রাণস্বরূপ।
লিখিত রূপ দেওয়ার সময় ধ্বনিগুলোর সাংকেতিক চিহ্ন বা বর্ণ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার একেকটি স্বতন্ত্র ধ্বনি বা বর্ণ।
উদাহরণ ২: ম, ল, ম, ক এই চারটি ধ্বনি মিলে গঠিত হয় মলম শব্দটি।
ব্যাখ্যা: ধ্বনিগুলোর একত্র মিলনেই শব্দ তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম শ্রবণযোগ্য একক।
B) বর্ণ — এটি ধ্বনির লিখিত রূপ, মৌলিক একক নয়।
C) অক্ষর — এটি উচ্চারণের একক, ভাষার ক্ষুদ্রতম একক নয়।
D) শব্দ — এটি অর্থবোধک একক, যা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের মিলনে গঠিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা শোনার বিষয়, তাই কান দিয়ে শোনা যায় ধ্বনি এবং এটিই হলো ক্ষুদ্রতম একক।
বর্ণ হলো লেখার একক এবং অক্ষর হলো উচ্চারণের একক।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক এলেই উত্তর হবে ধ্বনি।
যদি প্রশ্ন করা হয় ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ একক কোনটি, তবে উত্তর হবে শব্দ।
সঠিক উত্তর: C) অত্যাচারিত
১. কেন সঠিক:
মজলুম একটি আরবি শব্দ যার শাব্দিক অর্থ নির্যাতিত বা নিপীড়িত।
যিনি কোনো অন্যায় বা অত্যাচারের শিকার হয়েছেন, তাকেই মজলুম বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন।
আরবি ভাষা থেকে আগত অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মজলুমের দোয়া আল্লাহর কাছে সরাসরি পৌঁছে যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে মজলুম শব্দটি নির্যাতিত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জালিমের পতন এবং মজলুমের মুক্তি অবশ্যম্ভাবী।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মজলুম ও জালিম বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অসহায় — যার কোনো সাহায্যকারী নেই তাকে অসহায় বলে, যা মজলুম শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ নয়।
B) বিপদাপন্ন — যিনি বিপদের মুখে আছেন তাকে বিপদাপন্ন বলা হয়, এটি সরাসরি অত্যাচারিত বোঝায় না।
C) অত্যাচারিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ মজলুম শব্দের অর্থ নির্যাতিত বা অত্যাচারিত ব্যক্তি।
D) অপরাধী — যিনি অপরাধ করেছেন তাকে অপরাধী বলা হয়, যা মজলুম শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
মজলুম শব্দের শুরুতে ম বর্ণ আছে এবং নির্যাতিত শব্দের শুরুতে ন বর্ণ আছে, এভাবে ম দিয়ে মজলুম এবং ন দিয়ে নির্যাতিত মনে রাখা যায়।
জুলুম শব্দ থেকে মজলুম এসেছে, তাই জুলুমের শিকার ব্যক্তিই মজলুম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আরবি ও ফারসি শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
জালিম এবং মজলুম একটি জোড়া শব্দ, যেখানে জালিম অর্থ অত্যাচারী এবং মজলুম অর্থ অত্যাচারিত।
সঠিক উত্তর: A) তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
বিয়ে পাগল শব্দটির ব্যাসব্যাস হলো বিয়ের জন্য পাগল। এখানে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয় থেকে সপ্তমী বিভক্তি বা কারকবোধক অনুসর্গ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। এই সমাসে বিয়ের জন্য অর্থে নিমিত্ত বা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খেয়াঘাট
ব্যাখ্যা: খেয়ার ঘাট, এখানে খেয়ার জন্য ঘাট অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: রান্নাঘর
ব্যাখ্যা: রান্নার ঘর, এখানে রান্নার জন্য ঘর অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়েছে।
B) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে অব্যয়ের অর্থে প্রাধান্য থাকে এবং এটি পূর্বপদপ্রধান, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — এই সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে হয়নি।
D) বহুব্রীহি — এই সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোনো পদের মাঝে জন্য বা নিমিত্ত অর্থ লুকিয়ে থাকলে এবং তা ব্যাসবাক্যে প্রকাশ পেলে সাধারণত চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়। বাক্যের শেষ অংশ বা পরপদের অর্থ প্রধান হলে তৎপুরুষ সমাস চিহ্নিত করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্য বা নিমিত্ত দিয়ে গঠিত ব্যাসবাক্যগুলো প্রায়ই চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ হিসেবে আসে। বিভক্তি বা অনুসর্গের লোপ পাওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল করলে তৎপুরুষ সমাস সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
'চাঁদের অমাবস্যা' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত খ্যাতনামা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
উপন্যাসটির মূল সুর হলো মানুষের অপরাধবোধ, নৈতিক সংকট এবং আত্মবিশ্লেষণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
১৯৬৪ সালে প্রকাশিত 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসে আরিফ নামের এক যুবকের নৈতিক দ্বন্দ্ব ও সত্যের মুখোমুখি হওয়ার আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অমর সৃষ্টি এবং বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত অস্তিত্ববাদী চেতনার আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদুল্লাহ কায়সার — ইনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক হলেও 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'সারেং বউ'।
B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঔপন্যাসিকই 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসটি রচনা করেছেন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি, যিনি প্রধানত কবিতা ও গান রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন।
D) জহির রায়হান — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে'।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের সংখ্যা কম কিন্তু মান খুব উঁচু।
তার তিনটি প্রধান উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসগুলোর নাম এবং তাদের প্রকাশকাল প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
উপন্যাসগুলোর মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী বৈশিষ্ট্য ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ইতি + আদি
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের জায়গায় য-ফলা হয়।
এখানে ইতি শব্দের অন্তস্থিত ই-কারের সঙ্গে আদি শব্দের আদিস্থ আ-কারের মিলনে য-ফলা সাধিত হয়ে ইত্যাদি শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে ই বা ঈ-কার এবং উ বা ঊ-কারের পর ভিন্ন স্বর থাকলে যথাক্রমে য এবং ব হয়।
য-ফলা যুক্ত এই সন্ধিটি বাংলা ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি = যদি + অপি
ব্যাখ্যা: এখানে ই-কারের সঙ্গে অ-কার যুক্ত হয়ে য-ফলা গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নদীয়া = নদী + আম্বু
ব্যাখ্যা: দীর্ঘ ই-কারের সঙ্গে আ-কার যুক্ত হয়ে য-ফলা সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতি + আদি - এটি সঠিক বিচ্ছেদ কারণ এর মাধ্যমে সঠিক নিয়মে ইত্যাদি শব্দটি গঠিত হয়।
B) ইতা + দি - ইতা বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই।
C) ইতি + অদি - অদি শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই।
D) ইত + দি - ইত এবং দি মিলে কোনো অর্থপূর্ণ সন্ধিবদ্ধ শব্দ গঠন করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইত্যাদি শব্দের শুরুতে ইতি কথাটি থাকে যা শেষের দিকে ইত্যাদিতে রূপান্তরিত হয়।
সন্ধি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শব্দের প্রথম অংশের শেষ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় অংশের প্রথম ধ্বনি চিহ্নিত করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই ধরনের ই-কারান্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদের সময় সাধারণত ইতি বা প্রতি শব্দগুলো প্রথমে থাকে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের স্বরসন্ধি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এর নামের সাথে কবিতা শব্দটি যুক্ত থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ বা পদ্য নয়।
- উপন্যাসের নাম শেষের কবিতা হলেও এটি গদ্যে রচিত একটি দীর্ঘ মনস্তাত্ত্বিক কাহিনীর রূপায়ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের প্রচলিত ধারা ভেঙে নতুন এক আধুনিক ও পরীক্ষামূলক আঙ্গিক নিয়ে আসেন।
- ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য এবং এর বিখ্যাত উক্তি হলো হে আমার চেনা বিদেশিনী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: চোখের পলক
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাস চোখের বালি উপন্যাসের একটি পরিচিত রূপরেখা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা — শেষের কবিতা নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কবিতার বই নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস।
B) প্রবন্ধ — এটি কোনো মননশীল বা বিচারমূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়, বরং একটি প্রেমের সম্পর্কের গল্পভিত্তিক উপন্যাস।
D) ছোট গল্প — এটি ছোটগল্পের পরিধি অতিক্রম করে একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের রূপ নিয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও শেষের কবিতা আসলে একটি উপন্যাস এই কথাটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রাট সৃষ্টির জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই করা হয় যেখানে নামের সাথে ভুল রূপের মিল থাকে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর নাম এবং তাদের প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) পার্থক্য
১. কেন সঠিক:
- ‘ইতর বিশেষ’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার মূল অর্থ হলো দুই বা ততোধিক বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য বা ব্যবধান।
- এখানে 'ইতর' শব্দটি সাধারণত বিভিন্ন বা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সাধারণ ও বিশেষের মধ্যকার দূরত্ব বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষার ভাবকে সংহত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ইতর বিশেষ থাকা কাম্য নয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'ইতর বিশেষ' দ্বারা ধনী ও গরিবের মধ্যকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবধান বা পার্থক্য বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই দুটি বইয়ের মধ্যে তেমন কোনো ইতর বিশেষ নেই।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি বইয়ের বিষয়বস্তুর মধ্যে কোনো মৌলিক পার্থক্য বা তফাত নেই তা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একই দলের লোক — এটি 'একই গোয়ালের গরু' বা সমার্থক অন্য কোনো বাগধারার অর্থ হতে পারে, কিন্তু 'ইতর বিশেষ'-এর অর্থ নয়।
B) দুষ্ট প্রকৃতির লোক — এই অর্থটি 'দুধে কলা' বা 'সাপের বরফ' জাতীয় বাগধারার সঙ্গে মেলে না, এটি 'ইতর বিশেষ'-এর সঙ্গেও সম্পর্কিত নয়।
C) পার্থক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থই হলো ব্যবধান বা তফাত।
D) চালাক লোক — এই অর্থটি 'শকুনি মামা' বা 'চালাক চতুর' ধরনের শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, পার্থক্য বোঝাতে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ‘ইতর বিশেষ’ দেখলে মনে রাখবে এর মানে হলো বিশেষ ও ইতর বা সাধারণের তফাত। তফাত বা ব্যবধান শব্দ দুটি মনে রাখলে এই বাগধারা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তুলনামূলক বা পার্থক্যের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি প্রায়ই অপশনে বা প্রশ্নে আসে। তাই অর্থ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি বাক্যে প্রয়োগ খেয়াল রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ বর্তমান
১. কেন সঠিক:
যে ক্রিয়া বর্তমানকালে সাধারণভাবে ঘটে বা যার অভ্যাস বোঝায়, তাকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে।
বাঙালিরা ভাত খায় বাক্যটিতে ভাত খাওয়া একটি নিত্যদিনের অভ্যাস বা স্বাভাবিক সত্য ঘটনা বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বর্তমান কালের যে শ্রেণিবিভাগে কাজটির নির্দিষ্ট কোনো সময় বা রীতিনীতি নির্দেশ না করে কেবল বর্তমানকাল বোঝায়, তাকে সাধারণ বর্তমান কাল বা নিত্য বর্তমান কাল বলা হয়।
সাধারণত অভ্যাস, চিরন্তন সত্য, নিত্যকাল বা সাধারণ তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে এই কালের ব্যবহার হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য ঘটনা, যা সাধারণ বর্তমান কালের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: আমি প্রতিদিন সকালে হাঁটি।
ব্যাখ্যা: এটি বক্তার একটি নিয়মিত অভ্যাস বা নিত্যদিনের কাজ বোঝায়, যা সাধারণ বর্তমান কাল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘতমান বর্তমান — এই নামে বাংলা ব্যাকরণে কোনো কাল নেই এবং এটি একটি বানানগত ও তাত্ত্বিক ভুল অপশন।
B) সাধারণ বর্তমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাক্যের ক্রিয়া ও কালের প্রকৃত অবস্থাকে নির্ভুলভাবে প্রকাশ করে।
C) সাধারণ অতীত — অতীতকালের সাধারণ ঘটনা বোঝাতে এই কাল ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে মেলে না।
D) বর্তমান অনুজ্ঞা — বর্তমানকালে আদেশ, অনুরাধ, উপদেশ বা অনুমতি বোঝাতে অনুজ্ঞা ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অনুপস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য অভ্যাস বা চিরন্তন সত্য বোঝালে চোখ বন্ধ করে সাধারণ বর্তমান কাল দাগাবে।
বাক্যের ক্রিয়াটি সাধারণ অর্থে বর্তমানকালে সম্পন্ন হলে অন্য কোনো কালের কথা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ক্রিয়ার ভাব ও সমাপিকা ক্রিয়ার রূপ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
নিত্য অভ্যাসবাচক বাক্য দেখলে সর্বদা সাধারণ বর্তমান কাল হিসেবে উত্তর নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: B) আরবি
১. কেন সঠিক:
- কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- আরবি কলম শব্দের অর্থ লেখার নল বা তুলি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এই উৎসগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিতাব
ব্যাখ্যা: কিতাব শব্দটি একটি আরবি শব্দ যার অর্থ বই।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি শব্দ এবং এটি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় নানা শব্দ এসেছে যেমন বরফ ও চশমা কিন্তু কলম ফারসি শব্দ নয়।
B) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ কলম সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেছে।
C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় আনা হয়েছে আনারস ও চাবি কিন্তু কলম পর্তুগিজ শব্দ নয়।
D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে হরতন ও টেক্কা কিন্তু কলম ওলন্দাজ শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইসলাম ধর্মের প্রধান গ্রন্থ আল কোরআন আরবি ভাষায় নাজিল হয়েছে এবং ধর্মকর্মে কলম ও কিতাব শব্দ দুটির গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
- ধর্মীয় পরিভাষার অনেক শব্দ আরবি হওয়ায় কলম শব্দটি আরবি হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- আইন, প্রশাসন এবং ধর্মসংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) বিদ্রোহী
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা ও আত্মবিশ্বাসের এক অনন্য প্রকাশ।
- জাহান্নামের আগুন ও পুষ্পের হাসি দুটি বিপরীতধর্মী প্রতীক যার মাধ্যমে কবি জীবনের চরম দুঃখ এবং পরম আনন্দের সাম্যকে প্রকাশ করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই কবিতার রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার লেখনীতে অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে।
- ১৯২১ সালে প্রকাশিত অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে উদ্দীপ্ত করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি চিরতরে দূরে চলে যাব, তবু আমার না পাওয়ার মরম বেদনা একে যাবো হৃদয়ে।
ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির গভীর বেদনা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে যা তার রোমান্টিক ও বিদ্রোহী সত্তারই অংশ।
উদাহরণ ২: মম একহাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতুর্য।
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবিতারই আরেকটি বিখ্যাত পংক্তি যেখানে সৃষ্টি এবং ধ্বংসের অপূর্ব সমন্বয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঝুমকেতু — ঝুমকেতু বা ধূমকেতু কাজী নজরুলের একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা ও পত্রিকার নাম, কিন্তু এটি এই কবিতার নাম নয়।
B) ইঁদুর — ইঁদুর কোনো বিখ্যাত কবিতা বা এই চরণের উৎস নয়, এটি একটি প্রাণীবাচক সাধারণ শব্দ।
C) শিক্ষা — শিক্ষা কাজী নজরুল ইসলামের কোনো বিখ্যাত কবিতা বা এই উদ্ধৃতির উৎস নয়, এটি একটি প্রবন্ধ বা শিক্ষাবিষয়ক সাধারণ ধারণা।
D) বিদ্রোহী — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত চরণটি এই কবিতারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
জাহান্নাম এবং পুষ্পের হাসির মতো বৈপরীত্য বা বিপরীত ভাবের চমৎকার ব্যবহার কেবল কাজী নজরুলের বিদ্রোহী কবিতাতেই পাওয়া যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুলের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা এবং এটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।
সঠিক উত্তর: C) Reza lives
কেন সঠিক:
এটি একটি জটিল বাক্য যার মাঝখানে where একটি conjunction বা relative adverb হিসেবে বসেছে। তাই এর পরের অংশটি সাধারণ assertive sentence-এর গঠনে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) does Reza live — এটি প্রশ্নবোধক বাক্য গঠন করেছে যা মাঝখানে বসে ভুল হয়।
B) Reza live — subject singular হওয়া সত্ত্বেও verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয়নি।
C) Reza lives — এটি সঠিক অপশন এবং উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) lives Reza — এখানে verb আগে এবং subject পরে বসে ভুল গঠন তৈরি করেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মাঝে wh-word থাকলে পরের অংশ সবসময় subject এরপর verb-এর সাধারণ নিয়মে বসে।
সঠিক উত্তর: A) chosen
কেন সঠিক:
‘Choose’ ভারบটির বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট রূপ হলো choose, যার পাস্ট রূপ হলো chose এবং পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো chosen।
ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী নিখুঁত ও সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে এখানে chosen শব্দটি ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) chosen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি choose ভার্বের নির্দিষ্ট পাস্ট পার্টিসিপল রূপ।
B) chose — এটি ভুল কারণ এটি মূলত মূল ভার্বটির পাস্ট বা অতীত রূপ।
C) choice — এটি ভুল কারণ এটি কোনো ভার্ব নয়, এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ।
D) choosen — এটি ভুল কারণ বানানটিতে অতিরিক্ত একটি e যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
ভার্ব শেখার সময় প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল - এই তিনটি রূপ একসাথে মুখস্ত করলে আর কখনো ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: D) Optative
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা হয়েছে এবং বক্তার মনের ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পেয়েছে।
অর্থের দিক থেকে এটি একটি আশীৰ্বাদসূচক বা ইচ্ছাসূচক বাক্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive — এটি কোনো সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা মূলক বাক্য নয়।
B) Imperative — এটি কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশমূলক বাক্য নয়।
C) Exclamatory — এটি কোনো আকস্মিক আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে না।
D) Optative — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি প্রার্থনা প্রকাশ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে মনে ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায় এবং সাধারণত May শব্দ দিয়ে শুরু হয়, তাকে Optative sentence বলে।
সঠিক উত্তর: C) Where there is a will, there is a way
কেন সঠিক:
প্রবাদ বাক্যটিতে গঠনগতভাবে সঠিক নিয়মে দুটি ক্লজেই 'a' আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে।
will এবং way উভয় শব্দের পূর্বে সঠিক আর্টিকেল থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
অর্থের দিক থেকেও এটি সম্পূর্ণ প্রবাদটির সঠিক রূপ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Where there is a will there is to way. — এখানে way শব্দের পূর্বে ভুলভাবে 'to' ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Where there is will, there is to way. — এখানে will এর আগে আর্টিকেল বাদ দেওয়া হয়েছে এবং way এর আগে 'to' ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Where there is a will, there is a way — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) Where there is an will, there is an way — এখানে will এবং way উভয় শব্দের পূর্বে ভুলভাবে 'an' আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের ইংরেজি অনুবাদ মুখস্ত করার সময় আর্টিকেল 'a' এর সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) practical
কেন সঠিক:
pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তবধর্মী বা কর্মমুখী।
practical শব্দের অর্থও বাস্তবসম্মত বা কাজের উপযোগী।
তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক বা synonym.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wasteful — এর অর্থ অপব্যয়ী, যা pragmatic শব্দের বিপরীত।
B) practical — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Productive — এর অর্থ উৎপাদনশীল, যা pragmatic শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
D) lazy — এর অর্থ অলস, যা pragmatic শব্দের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Pragmatic শব্দটিকে প্রাকটিক্যাল বা বাস্তব কাজের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) First speech
কেন সঠিক:
১. 'Maiden speech' একটি ইংরেজি প্রবাদতুল্য বাগধারা, যার অর্থ হলো কারো জীবনের প্রথম বা আত্মপ্রকাশমূলক বক্তব্য। সংসদ বা সভা-সমিতিতে কেউ প্রথমবারের মতো যে ভাষণ দেন, তাকে এই বিশেষ নামে ডাকা হয়।
২. 'Maiden' শব্দের অর্থ কুমারী হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো কিছুর প্রথম প্রকাশ বা সূচনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
৩. তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রথম বক্তব্য বোঝাতে 'First speech' সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Last speech — এটি শেষ বক্তব্য বোঝায়, যা 'Maiden' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Late speech — এটি দেরিতে দেওয়া বক্তব্য বোঝায়, যার সাথে মূল বাগধারার কোনো মিল নেই।
C) Secondary speech — এটি দ্বিতীয় বা গৌণ বক্তব্য বোঝায়, যা প্রথম বক্তব্যের ধারণার সাথে মেলে না।
D) First speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Maiden' মানে শুরু বা প্রথম, তাই 'Maiden speech' মনে রাখতে হবে প্রথম ভাষণ হিসেবে।
সঠিক উত্তর: A) Separate
কেন সঠিক:
১. এই বানানটিতে দুটি 'e' এবং একটি 'a' সঠিক ক্রমানুসারে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ইংরেজি ব্যাকরণ ও বানান রীতি অনুযায়ী এটি একটি প্রমিত বানান।
৩. এর সঠিক উচ্চারণ ও গঠন বিশ্লেষণ করলে এই বানানটিই সঠিক প্রতিভাত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Separate — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ পৃথক করা।
B) Seperate — বানানটিতে শেষাংশে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহারের কারণে এটি ভুল।
C) Saparato — এটি বানান ও গঠন উভয় দিক থেকেই সম্পূর্ণ ভুল শব্দ।
D) Saperate — মধ্যবর্তী অংশে ভুল অক্ষর থাকার কারণে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'Sep a rat e' এভাবে ভেঙে পড়া।
সঠিক উত্তর: D) by
কেন সঠিক:
কোনো দুর্ঘটনা বা বাহ্যಿಕ মাধ্যমের দ্বারা মৃত্যুর ক্ষেত্রে সাধারণত by preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে দুর্ঘটনা বোঝাতে by an accident সঠিক নিয়ম হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — কোনো রোগ বা মহামারীতে মারা গেলে of বসে, যেমন died of cancer। তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
B) form — এটি কোনো সঠিক preposition নয় কারণ form বানানের ইংরেজি preposition হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই।
C) with — কোনো অস্ত্র বা শারীরিক যন্ত্রের সাহায্যে মারা গেলে with বসে, যেমন died with a sword। তাই এখানে এটি হবে না।
D) by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মারা গেলে of এবং দুর্ঘটনায় মারা গেলে by ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) wins
কেন সঠিক:
Slow and steady প্রবাদ বাক্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি একত্রে একটিমাত্র ধারণাকে প্রকাশ করে।
তাই এর সাথে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে এবং বাক্যটি চিরন্তন সত্য হওয়ায় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) win — এটি প্লুরাল ভার্ব হওয়ায় সিঙ্গুলার সাবজেক্টের সাথে বসে না।
B) wins — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) had won — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এই বাক্যে বসে না।
D) won — এটি পাস্ট টেন্স হওয়ায় চিরন্তন সত্য বাক্যের জন্য বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট দেখতে প্লুরাল হলেও ভার্ব সবসময় সিঙ্গুলার হয়।
সঠিক উত্তর: A) He resembles his father
কেন সঠিক:
resemble একটি transitive verb যার অর্থ হলো দেখতে একই রকম হওয়া।
তাই এর পরে সরাসরি object বসে এবং মাঝখানে কোনো preposition লাগে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He resembles his father — এটি সঠিক কারণ এতে কোনো অতিরিক্ত preposition ব্যবহার করা হয়নি।
B) He resembles like his father — ভুল কারণ resemble শব্দের পরে like ব্যবহার করা বাহুল্য।
C) He resembles to his father — ভুল কারণ resemble verb এর পরে to preposition বসে না।
D) He resembles as his father — ভুল কারণ এর সাথে as ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
resemble শব্দের পরে ভুল করেও like, to বা as বসাবে না।
সঠিক উত্তর: A) less
কেন সঠিক:
- 'Sugar' একটি আনকাউন্টেবল নাউন বা গণনাহীন বিশেষ্য, যার পরিমাণ বোঝাতে তুলনামূলক ছোট রূপ হিসেবে 'less' ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যে স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে চিনির পরিমাণ কমানোর কথা বলা হয়েছে, যা 'less' দ্বারা সঠিকভাবে প্রকাশ পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) less — এটি সঠিক উত্তর কারণ আনকাউন্টেবল নাউনের পরিমাণের ক্ষেত্রে less ব্যবহৃত হয়।
B) more — এটি বসালে চিনির পরিমাণ বাড়ানোর অর্থ প্রকাশ পাবে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এই তথ্যের বিপরীত।
C) fewer — এটি কাউন্টেবল বা গণনাযোগ্য নাউনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sugar একটি আনকাউন্টেবল নাউন।
D) much — এটি থাকলে চায়ের মধ্যে অনেক বেশি চিনি বোঝাত, যা বাক্যটির নেতিবাচক অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় না এমন বস্তুর কম পরিমাণ বোঝাতে less এবং গণনা করা যায় এমন বস্তুর কম সংখ্যা বোঝাতে fewer ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) wastage
কেন সঠিক:
- 'Waste' শব্দটির সাথে '-age' প্রত্যয় যুক্ত করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়।
- অপশন সি তে থাকা 'wastage' শব্দটির অর্থ অপচয় বা ক্ষয়ক্ষতি যা একটি পূর্ণাঙ্গ নাউন।
- এই শব্দটি বাক্যে সরাসরি নামবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) wasting — এটি মূলত ভার্ব বা ক্রিয়ার সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ অথবা পার্টিসিপল হিসেবে কাজ করে।
B) wasteful — এই শব্দটির শেষে 'ful' থাকায় এটি একটি বিশেষণ বা এডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) wastage — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) wastelist — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থবহ বা স্বীকৃত শব্দ বা নাউন নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে 'age' যুক্ত করে প্রায়শই ভার্ব থেকে নাউন তৈরি করা হয় যেমন waste থেকে wastage।
সঠিক উত্তর: A) were
কেন সঠিক:
বাক্যে as if বা as though থাকলে এবং তার আগের অংশ বর্তমান কাল হলে পরের অংশে অসম্ভব বা অবাস্তব কল্পনা বোঝায়।
এই নিয়মে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — এটি সঠিক অপশন কারণ অবাস্তব কল্পনার ক্ষেত্রে সকল সাবজেক্টের পর were বসে।
B) has — এটি ভুল কারণ as if এর পর প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স বসে না।
C) is — এটি ভুল কারণ এখানে বর্তমানকালের সাধারণ নিয়মের চেয়ে অবাস্তব কল্পনার নিয়ম প্রযোজ্য।
D)was — এটি সাধারণ পাস্ট টেন্স, কিন্তু এখানে সাবজেক্টের পর were ব্যবহার করার ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
as if এর পরে অবাস্তব অর্থ প্রকাশ পেলে সাবজেক্ট সিঙ্গुलर হলেও were ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) moon
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ 'Lunar' ল্যাটিন শব্দ 'luna' থেকে এসেছে যার অর্থ চাঁদ।
- বিজ্ঞানে চাঁদের আলো বা চাঁদের গতিবিধি বোঝাতে এই বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) earth — পৃথিবীর সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ হলো 'terrestrial', তাই এটি ভুল।
B) moon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) planet — গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ হলো 'planetary', তাই এটি ভুল।
D) star — নক্ষত্র বা তারার সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ হলো 'stellar', তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
লুনার এক্লিপ্স বা চন্দ্রগ্রহণ শব্দটির কথা মনে রাখলেই সহজে বুঝবে লুনার শব্দটি চাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) very little
কেন সঠিক:
Milk বা দুধ হলো একটি অগণনযোগ্য বা uncountable noun, তাই এর পূর্বে পরিমাণ বোঝাতে little ব্যবহার করা হয়।
very little বসালে বাক্যের অর্থ হয় যে বোতলে খুব সামান্য পরিমাণ দুধ আছে।
অন্য কোনো উপযুক্ত পরিবাচক শব্দ এখানে মানানসই নয়।
এই বাক্যে অন্য কোনো নেতিবাচক বা প্রশ্নবোধক শব্দ নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) any — any সাধারণত প্রশ্নবোধক বা না-বোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যা এই সাধারণ ইতিবাচক বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
B) very few — few শব্দ仅 গণনযোগ্য বা countable noun এর সাথে বসে, কিন্তু milk গণনা করা যায় না।
C) many — many কেবল বহুবচন গণনযোগ্য বিশেষ্য পদের সাথে বসে, যা অগণনযোগ্য milk এর সাথে ভুল।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অগণনযোগ্য বিশেষ্যের ক্ষেত্রে পরিমাণ বোঝাতে little বা very little ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) the
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে বোঝানো হচ্ছে যে কোন শিল্পী এই পোর্ট্রেট এঁকেছেন, তাই নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে।
এখানে বিশেষ একজন শিল্পীকে নির্দেশ করা হয়েছে।
এই কারণে এখানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে 'the' ব্যবহার করা সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — এটি সঠিক উত্তর এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে বসে।
B) an — এটি অনির্দিষ্ট এবং ভাওয়েল দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই এখানে ভুল।
C) no article — এখানে আর্টিকেল বসবে কারণ বিশেষ একজন শিল্পীকে বোঝানো হচ্ছে।
D) a — এটি অনির্দিষ্ট এবং কনসোনেন্ট দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যখন নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝানো হয়, তখন তার আগে সবসময় 'the' বসে।
সঠিক উত্তর: D) anything
কেন সঠিক:
বাকটি নেতিবাচক বা না-বোধক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
তাই এখানে anything সঠিক উত্তর হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) every thing — এটি সাধারণত না-বোধক বাক্যে ব্যবহার করা যায় না।
B) some thing — এটি মূলত হাঁ-বোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
C) nothing — বাক্যে ইতিমধ্যে don't ব্যবহার করায় এটি বসালে দ্বিগুণ নেতিবাচক অর্থ হয়।
D) anything — এটি সঠিক কারণ এটি নেতিবাচক বাক্যে ব্যবহার করতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
না-বোধক বাক্যে সাধারণত anything ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) stallion
কেন সঠিক:
- 'Mare' শব্দটির অর্থ মাদি ঘোড়া এবং এর পুংলিঙ্গ বা Masculine gender হলো 'Stallion'।
- এটি প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের একটি সাধারণ ব্যাকরণগত রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mermaid — এটি জলপরি বা কাল্পনিক জলচর জীব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ঘোড়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) stallion — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ পুরুষ ঘোড়া।
C) Bear — এটি একটি ভিন্ন বন্য প্রাণী বা ভালুক বোঝায়, ঘোড়ার লিঙ্গ পরিবর্তন নয়।
D) Dog — এটি কুকুর বোঝায়, যার স্ত্রী লিঙ্গ হলো Bitch।
মনে রাখার টিপস:
ঘোড়ার ক্ষেত্রে স্ত্রী লিঙ্গ হলো Mare এবং পুরুষ লিঙ্গ হলো Stallion, যা বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) bacteria
কেন সঠিক:
ব্যাকটেরিয়া শব্দটি একটি প্লুরাল বা বহুবচন রূপ। এর সিঙ্গুলার বা একবচন রূপ হলো ব্যাকটেরিয়া (bacterium)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) furniture — এটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং সবসময় একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) analysis — এটি একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন, যার প্লুরাল রূপ হলো অ্যানালিসিস (analyses)।
C) bacteria — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি প্লুরাল বা বহুবচন শব্দ।
D) appendix — এটি একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন, যার প্লুরাল রূপ হলো এপেন্ডিসেস (appendices)।
মনে রাখার টিপস:
যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে um থাকে, সেগুলোর প্লুরাল করার সময় um বাদ দিয়ে a যুক্ত করতে হয় যেমন bacterium থেকে bacteria।
সঠিক উত্তর: D) material
কেন সঠিক:
মটন বা খাসির মাংস এমন একটি বস্তুগত পদার্থ যা ওজন করে পরিমাপ করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না।
উপাদান বা বস্তুবাচক নাউন হওয়ার কারণে এটি মেটেরিয়াল নাউন হিসেবে গণ্য হয়।
যেসব প্রবালের উৎস বা উপাদান থেকে বিভিন্ন বস্তু তৈরি হয়, সেগুলো মেটেরিয়াল নাউনের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) common — সাধারণ কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর নাম না হওয়ায় এটি কমন নাউন হতে পারে না।
B) collective — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায় না, তাই এটি কালেক্ট্রেভ নাউন নয়।
C) proper — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম নয়, তাই প্রপার নাউন ভুল।
D) material — এটি একটি বস্তুবাচক উপাদান বোঝায়, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
যেসব নাউন গোনা যায় না কিন্তু ওজন করা যায় এবং অন্য কিছু তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোই মেটেরিয়াল নাউন।
সঠিক উত্তর: D) ১০ ও ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৫ : ৮
সংখ্যা দুটির সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত হয় = ২ : ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক
অতএব,
শর্তমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩
গুণ করে পাই, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ৪)
হিসাব করে পাই, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪
সুতরাং,
ক এর মান পাই, ১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪
ক = ২
উত্তর: প্রথম সংখ্যা = ৫ × ২ = ১০ এবং দ্বিতীয় সংখ্যা = ৮ × ২ = ১৬
সঠিক উত্তর: B) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ১০টি বিজোড় সংখ্যা বের করতে হবে
বিজোড় সংখ্যাগুলোর যোগফলের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
ধরি,
প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি ১
শেষ বিজোড় সংখ্যাটি ১৯
অতএব,
বিজোড় সংখ্যার যোগফলের সূত্র হলো পদের সংখ্যার বর্গ
এখানে পদের সংখ্যা হলো ১০
সুতরাং,
যোগফল = ১০ × ১০
যোগফল = ১০০
উত্তর: ১০০
সঠিক উত্তর: C) ১০০০ কিলোগ্রাম
প্রদত্ত তথ্য:
ওজন পরিমাপের একক হলো মেট্রিক টন ও কিলোগ্রাম
১ মেট্রিক টন ও কিলোগ্রামের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
১ মেট্রিক টন = ক কিলোগ্রাম
অতএব,
মেট্রিক টন এবং কিলোগ্রামের আদর্শ একক মান অনুযায়ী
১০০০ কিলোগ্রামে ১ মেট্রিক টন হয়
সুতরাং,
১ মেট্রিক টন সমান ১০০০ কিলোগ্রাম
উত্তর: ১০০০ কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর: B) ২ ২০১০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে হবে
প্রথম সংখ্যা ১ এবং শেষ সংখ্যা ২০
ধরি,
পদের সংখ্যা n = ২০
প্রথম পদ a = ১
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
সূত্রটি হলো পদের সংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
সুতরাং,
২০ গুণ ১ যোগ ২০ ভাগ দুই
হিসাব করলে পাই ২০ গুণ ২১ ভাগ দুই
উত্তর: ২১০
সঠিক উত্তর: C) ৮৯
প্রদত্ত তথ্য:
এটি একটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা যার প্রতিটি পদ পূর্ববর্তী দুটি পদের যোগফল
ধারাটির প্রথম পদ থেকে শুরু করে মানগুলো পরপর সাজানো আছে
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১
অতএব,
তৃতীয় পদ = ১ + ১ = ২
চতুর্থ পদ = ১ + ২ = ৩
পঞ্চম পদ = ২ + ৩ = ৫
সুতরাং,
ষষ্ঠ থেকে দশম পদ যথাক্রমে ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫
১১ তম পদ হবে দশম পদ এবং নবম পদের যোগফল
উত্তর: ৫৫ + ৩৪ = ৮৯
সঠিক উত্তর: C) ২২(১/২) ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
সময় দেওয়া আছে ২টা ১৫ মিনিট
ধরি,
ঘণ্টার কাঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে হবে
মিনিটের কাঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে হবে
কাঁটা দুটির মধ্যকার দূরত্ব বের করতে হবে
অতএব,
১২ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৩৬০ ডিগ্রি
১ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৩০ ডিগ্রি
১৫ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৭.৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
২টায় ঘণ্টার কাঁটা অতিক্রম করে ৬০ ডিগ্রি
১৫ মিনিটে মিনিটের কাঁটা অতিক্রম করে ৯০ ডিগ্রি
কাঁটা দুটির পার্থক্য = ৯০ ডিগ্রি − (৬০ ডিগ্রি + ৭.৫ ডিগ্রি) = ২২.৫ ডিগ্রি
উত্তর: ২২.৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) এককবিহীন
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাত হলো দুটি সমজাতীয় রাশির তুলনা।
একই জাতীয় রাশির একক পরস্পর কাটাকাটি হয়ে যায়।
ধরি,
প্রথম রাশি = ৫ কেজি
দ্বিতীয় রাশি = ১০ কেজি
অতএব,
অনুপাত = ৫ কেজি ÷ ১০ কেজি
এককগুলোর ভাগফল কাটাকাটি হয়ে যায়
সুতরাং,
অনুপাতের কোনো একক অবশিষ্ট থাকে না
উত্তর: এককবিহীন
সঠিক উত্তর: C) ৭, ৪২, ৮৪
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটির প্রথম পদ = ৭
ধারাটির দ্বিতীয় পদ = ৪২
ধারাটির তৃতীয় পদ = ৮৪
ধরি,
প্রথম অনুপাত = দ্বিতীয় পদ ÷ প্রথম পদ
দ্বিতীয় অনুপাত = তৃতীয় পদ ÷ দ্বিতীয় পদ
অতএব,
প্রথম অনুপাত = ৪২ ÷ ৭ = ৬
দ্বিতীয় অনুপাত = ৮৪ ÷ ৪২ = ২
সুতরাং,
অনুপাত দুটি সমান নয়, তাই এটি গুণোত্তর ধারা নয়
উত্তর: C) ৭, ৪২, ৮৪
সঠিক উত্তর: C) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ১৯৯
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
(ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৯৯
ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৯৯
২ক + ১ = ১৯৯
সুতরাং,
২ক = ১৯৯ − ১
২ক = ১৯৮
ক = ৯৯
উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ৯৯ + ১ = ১০০
সঠিক উত্তর: A) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
একটি অজানা সংখ্যার ৭৫ শতাংশ হলো ১০
ধরি,
নির্ণেয় সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
ক এর ৭৫% = ১০
ক × (৭৫ ÷ ১০০) = ১০
সুতরাং,
ক = (১০ × ১০০) ÷ ৭৫
ক = ১২০
উত্তর: ১২০
সঠিক উত্তর: B) ১.৬১ কিলোমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
দূরত্বের একক পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রশ্ন
১ মাইল সমান কত কিলোমিটার তা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
১ মাইল = ক কিলোমিটার
অতএব,
আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ মাইল এবং কিলোমিটারের সম্পর্ক জানা প্রয়োজন
বৈজ্ঞানিক ধ্রুবক হিসেবে ১ মাইল হলো ১.৬০৯৩৪ কিলোমিটারের সমান
সুতরাং,
দশমিকের পর দুই ঘর পর্যন্ত হিসাব করলে এর মান পাওয়া যায় ১.৬১ কিলোমিটার
উত্তর: ১.৬১ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর: D) ২৫টি
প্রদত্ত তথ্য:
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
১ থেকে ৫০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা রয়েছে ১৫টি
৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা রয়েছে ১০টি
অতএব,
১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৪টি
১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৪টি
২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ২টি
সুতরাং,
৩১ থেকে ৪০ এর মধ্যে ২টি এবং বাকি দশকগুলোতে যথাক্রমে ৩, ২, ২, ৩, ২, ১টি আছে
উত্তর: ২৫টি
সঠিক উত্তর: C) ১০০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের একটি কোণ = ৮০ ডিগ্রি
ধরি,
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজটির প্রথম কোণ = ৮০ ডিগ্রি
এর বিপরীত কোণটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
উপপাদ্য অনুসারে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
৮০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
উত্তর: ১০০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
a + b = ৪
a − b = ২
ধরি,
বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করে ab এর মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ab = ((a + b) ÷ ২) এর হোল স্কয়ার − ((a − b) ÷ ২) এর হোল স্কয়ার
সুতরাং,
ab = (৪ ÷ ২) এর স্কয়ার − (২ ÷ ২) এর স্কয়ার
উত্তর: ab = ৪ − ১ = ৩
সঠিক উত্তর: B) ৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো সাতাশি, ঊনষাট, সাতাত্তর এবং তেষাট
ধরি,
সংখ্যাগুলোকে মৌলিক বা যৌগিক হিসেবে পরীক্ষা করতে হবে
অতএব,
সাতাশি সংখ্যাটি তিন দ্বারা বিভাজ্য কারণ আট ও সাত যোগ করলে পনেরো হয়
সাতাত্তর সংখ্যাটি সাত ও এগারো দ্বারা বিভাজ্য
তেষাট সংখ্যাটি তিন ও একুশ দ্বারা বিভাজ্য
সুতরাং,
ঊনষাট সংখ্যাটিকে এক এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না
উত্তর: ৫৯
সঠিক উত্তর: A) ০.১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ১
এর ১০ শতাংশ নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
নির্ণয় মান = ক
অতএব,
ক = ১ এর ১০%
সুতরাং,
ক = ১ × (১০ ÷ ১০০)
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: C) ১০০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের পরিমাপ = ৮০ ডিগ্রি
ধরি,
কোণটির সম্পূরক কোণ = ক ডিগ্রি
অতএব,
দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
৮০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি − ৮০ ডিগ্রি = ১০০ ডিগ্রি
উত্তর: ১০০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৪০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি
ত্রিভুজটির একটি সূক্ষ্মকোণ পঞ্চাশ ডিগ্রি
ধরি,
ত্রিভুজটির অপর সূক্ষ্মকোণটি সমান ক ডিগ্রি
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি একশত আশি ডিগ্রি
অতএব,
নব্বই ডিগ্রি + পঞ্চাশ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = একশত আশি ডিগ্রি
একশত চল্লিশ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = একশত আশি ডিগ্রি
সুতরাং,
ক ডিগ্রি = একশত আশি ডিগ্রি − একশত চল্লিশ ডিগ্রি = চল্লিশ ডিগ্রি
উত্তর: ৪০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ৫.০ই−৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.১
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০১
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০১
চতুর্থ সংখ্যা = ০.৫
ধরি,
রাশিমালাটি হলো প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর গুণফল।
অতএব,
সংখ্যাগুলোর দশমিক বাদ দিয়ে স্বাভাবিক গুণ করি।
১ × ১ × ১ × ৫ = ৫
সুতরাং,
মোট দশমিক ঘরের সংখ্যা গণনা করি।
১ + ২ + ৩ + ১ = ৭ ঘর
উত্তর: ৫.০ই−৭
সঠিক উত্তর: C) চাঁদের আকর্ষণ
কেন সঠিক:
- পৃথিবী থেকে সূর্যের তুলনায় চাঁদ অনেক কাছে অবস্থিত থাকায় জোয়ার সৃষ্টিতে চাঁদের মহাকর্ষ বলের প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
- চাঁদের আকর্ষণ বলের প্রভাবেই পৃথিবীর জলরাশি একদিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ারের সৃষ্টি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পৃথিবীর আকর্ষণ — পৃথিবীর নিজস্ব আকর্ষণ বল জলরাশিকে কেন্দ্রের দিকে ধরে রাখে, জোয়ার সৃষ্টির প্রধান বাহ্যিক কারণ এটি নয়।
B) বায়ু প্রবাহ — বায়ু প্রবাহ সমুদ্রের পৃষ্ঠে সাধারণ ঢেউ বা তরঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু জোয়ার ভাটার প্রধান কারণ বায়ু নয়।
C) চাঁদের আকর্ষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণের মধ্যে চাঁদের আকর্ষণই জোয়ার ভাটার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
D) সূর্যের আকর্ষণ — সূর্য বিশাল ভরের অধিকারী হলেও পৃথিবীর অনেক দূরে থাকায় জোয়ার সৃষ্টিতে এর প্রভাব চাঁদের প্রায় অর্ধেক।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদ পৃথিবীর খুব কাছে থাকে তাই জোয়ারে তার টানেই জল বেশি ফুলে ওঠে।
সঠিক উত্তর: A) কাবাডি
কেন সঠিক:
- কাবাডি বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত এবং ১৯৭২ সালে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় খেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এই খেলাটি খেলার জন্য অতিরিক্ত ব্যয়বহুল সরঞ্জামের প্রয়োজন হয় না এবং দেশের সব অঞ্চলে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাবাডি — এটি বাংলাদেশের সরকারিভাবে নির্ধারিত এবং স্বীকৃত জাতীয় খেলা।
B) ক্রিকেট — জনপ্রিয়তার দিক থেকে শীর্ষস্থানে থাকলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা নয়।
সি) ফুটবল — দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা হওয়া সত্ত্বেও এটি জাতীয় খেলার মর্যাদা পায়নি।
ডি) হকি — এটি দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা এবং একসময় বেশ জনপ্রিয় হলেও জাতীয় খেলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সহজলভ্যতার দিক থেকে কাবাডি আমাদের হাডুডু খেলার পরিশীলিত রূপ হিসেবে জাতীয় খেলার মর্যাদা পেয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদীর উৎপত্তি খাগড়াছড়ি জেলার বদানা পাহাড়ে এবং এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়ে সমাপ্ত হয়েছে।
- বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে একমাত্র হালদা নদীর উৎপত্তি ও সমাপ্তি সম্পূর্ণরূপে দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরেই অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলী — নদীটির উৎপত্তি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে এবং এটি বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
B) মহানন্দ — নদীটির উৎপত্তি ভারতের দার্জিলিং জেলার মহা চিলডাংগা পাহাড়ে এবং এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে পদ্মায় মিলিত হয়েছে।
D) গোমতি — নদীটির উৎপত্তি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে এবং এটি বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে একমাত্র হালদার জন্ম ও মৃত্যু (উৎপত্তি ও সমাপ্তি) সবই দেশের ভেতরে হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) হাজী শরীয়তউল্লাহ
কেন সঠিক:
- হাজী শরীয়তউল্লাহ ১৮১৮ সালের দিকে অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুর অঞ্চলে ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন।
- ইসলামের ফরজ বিধানগুলোর ওপর গুরুত্ব আরোপ এবং অপধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান থেকে মুসলমানদের মুক্ত করাই ছিল এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাজী শরীয়তউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সুফি আব্দুর রউফ — ইনি ফরায়েজী আন্দোলনের কোনো প্রধান নেতা ছিলেন না এবং আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর এমন নেতৃত্বমূলক ভূমিকা ছিল না।
C) দুদু মিয়া — তিনি হাজী শরীয়তউল্লাহর পুত্র এবং ফরায়েজী আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্যায়ের নেতা ছিলেন, আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা নন।
D) তিতুমীর — তিনি বারাসত বিদ্রোহ ও বাঁশের কেল্লা নির্মাণের সাথে যুক্ত ছিলেন, ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা নন।
মনে রাখার টিপস:
ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা 'হাজী শরীয়তউল্লাহ' এবং এর পরবর্তী শক্তিশালী নেতা ছিলেন তাঁর পুত্র 'দুদু মিয়া'।
সঠিক উত্তর: D) শহীদ কবির
কেন সঠিক:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগকে অমর করে রাখতে বরেণ্য চিত্রশিল্পী শহীদ কবির 'উন্নতো মম শির' শিরোনামে এই চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন।
- কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চিত্রকর্মটির এই নামকরণ ও শিল্পরূপ দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃণাল কান্তি সেন — তিনি দেশের একজন পরিচিত চিত্রশিল্পী হলেও এই নির্দিষ্ট চিত্রকর্মটি তিনি অঙ্কন করেননি।
B) মোস্তফা জব্বার — তিনি একজন প্রযুক্তিবিদ ও রাজনীতিবিদ, চিত্রশিল্পী নন।
C) মইনুল হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত স্থপতি ও ভাস্কর, এই চিত্রকর্মের সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
D) শহীদ কবির — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
আবু সাঈদের মাথা বুক পেতে দেওয়ার সাহসিকতা বোঝাতে বিদ্রোহী কবির কবিতার সাথে মিলিয়ে 'শহীদ কবির' নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) Organization of Islamic Cooperation
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর সংস্থাটির নাম ছিল Organization of ইসলামিক কনফারেন্স বা OIC।
- ২০১১ সালের জুনে কাজেকস্তানের আস্তানায় অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে এর নাম পরিবর্তন করে বর্তমান নামটি রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Organization of Islamic Conferences — এটি OIC-এর পূর্ববর্তী নাম ছিল, ২০১১ সালে নাম পরিবর্তনের পর এটি আর কার্যকর নয়।
B) Organization of Islamic Countries — এটি সাধারণ উচ্চারণে ব্যবহৃত হলেও সংস্থার দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত নাম নয়।
C) Organization of Islamic Cooperation — এটি সংস্থার বর্তমান ও সঠিক দাপ্তরিক নাম, যা ২০১১ সালে গ্রহণ করা হয়।
D) Organization of Islamic Centres — এই নামে কোনো আন্তর্জাতিক বা ইসলামিক সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
OIC এর নাম পরিবর্তনের সালটি মনে রাখলে এই প্রশ্নে আর ভুল হবে না, ২০১১ সালে কনফারেন্স থেকে কোঅপারেশন নাম করা হয়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটান কার্বন নিঃসরণের চেয়ে বেশি কার্বন শোষণ করে, যার ফলে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের প্রথম কার্বন নেগেটিভ বা প্রভাবমুক্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
- দেশটির সংবিধানে ৬০ শতাংশ বনভূমি সর্বদা সংরক্ষণের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — জাপান একটি উন্নত শিল্পপ্রধান দেশ এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী রাষ্ট্র, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ এবং এটি কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশের তালিকায় নেই।
C) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ড ২০৩৫ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তবে এটি বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ নয়।
D) ভুটান — ভুটান কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে এবং পর্যাপ্ত বনভূমি রেখে বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত বা নেগেটিভ দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড় ঘেরা সবুজ দেশ ভুটান প্রকৃতি রক্ষা করে বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
কেন সঠিক:
- স্কটিশ বিজ্ঞানী ও ব্যাক্টেরিয়াবিদ আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে প্রথম পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।
- পেনicillium notatum নামক ছত্রাক থেকে এই জীবন রক্ষাকারী উপাদানটি আবিষ্কৃত হয়, যা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবার্ট হুক — তিনি কোষ আবিষ্কার করেছিলেন, পেনিসিলিনের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) প্রোটো — এটি কোনো আবিষ্কারক নন, বরং একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক নাম হিসেবে অপশনে এসেছে।
D) নিউটন — তিনি পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র এবং মহাকর্ষ তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন, ওষুধ আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
ফ্লেমিংয়ের পেনিসিলিন জীবন বাঁচায় প্রতিদিন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: D) ১১ টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধার্থে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- কৌশলগত অপারেশনের সুবিধার্থে প্রতিটি সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ টি — বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরের সংখ্যা ৮টি ছিল না, বরং নৌপথের জন্য ১০ নম্বর সেক্টর বাদে মোট ১১টি সেক্টর ছিল।
B) ৬ টি — এই সংখ্যাটি মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরের সংখ্যা হিসেবে সঠিক নয়, কারণ সেক্টর ছিল মোট ১১টি।
C) ১০ টি — ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর এবং এর বাইরে স্থলভাগে আরও ১০টি সেক্টরসহ মোট সেক্টর সংখ্যা ছিল ১১টি।
D) ১১ টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর সংখ্যা ১১টি হিসেবে এটি সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন ১০টি স্থল সেক্টর এবং নৌপথের জন্য ১টি নিয়ে মোট সেক্টর সংখ্যা ১১টি।
সঠিক উত্তর: A) জেরুজালেম
কেন সঠিক:
- আল-আকসা মসজিদটি ফিলিস্তিনের প্রাচীন শহর জেরুজালেমের ওল্ড সিটিতে অবস্থিত।
- এটি ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং মুসলমানদের প্রথম قبلہ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেরুজালেম — এটি সঠিক উত্তর কারণ মসজিদটি এই ঐতিহাসিক শহরেই অবস্থিত।
B) গাজা উপত্যকা — এটি ফিলিস্তিনের একটি ভূখণ্ড হলেও আল-আকসা মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়।
C) জর্দান — এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং আল-আকসা মসজিদ এই দেশের ভূখণ্ডে অবস্থিত নয়।
D) ফিলিস্তিন — এটি একটি দেশ হলেও অপশনটিতে নির্দিষ্ট শহর উল্লেখ না থাকায় জেরুজালেম উত্তরটি বেশি নিখুঁত।
মনে রাখার টিপস:
আল-আকসা মসজিদের অবস্থান মনে রাখতে জেরুজালেম শহরের প্রাচীন প্রাচীর ও পবিত্র স্থানগুলোর কথা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্রর নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
- ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তরের সঠিক অবস্থান।
B) জেনেভা — এটি জাতিসংঘের ইউরোপীয় হেডকোয়ার্টার বা দ্বিতীয় কার্যালয়, প্রধান সদর দপ্তর নয়।
C) লন্ডন — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর নয়, তবে এখানে সংস্থাটির কিছু বিশেষায়িত অফিসের কার্যক্রম ছিল।
D) প্যারিস — এটি ইউনেস্কো সংস্থার প্রধান কার্যালয়, জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহরগুলোর একটি নিউইয়র্ক, যেখানে সারা বিশ্বের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) মুক্ত বিশ্বকোষ
কেন সঠিক:
- এটি একটি অনলাইনভিত্তিক বহুভাষিক বিশ্বকোষ যা যে কেউ সম্পাদনা করতে পারে।
- এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সবার জন্য উন্মুক্ত একটি বিশাল জ্ঞানের ভান্ডার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্মুক্ত সফটওয়্যার — এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম বা প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি তথ্য ও জ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট।
B) মুক্ত শব্দকোষ — এটি শুধু শব্দের অর্থ বা প্রতিশব্দ প্রকাশ করে না, বরং বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়।
D) ডেটাবেস — এটি কেবল সংরক্ষিত তথ্যের ভান্ডার নয়, ব্যবহারকারীদের সহযোগিতায় তৈরি জ্ঞানকোষ।
মনে রাখার টিপস:
উইকিপিডিয়া শব্দটি এসেছে বিশ্বকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া থেকে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত জ্ঞান সরবরাহ করে।
সঠিক উত্তর: A) পার্বত্য চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- বৈসাবি হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর প্রধান সামাজিক ও বর্ষবরণ উৎসব।
- ত্রিপুরীদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই এবং চাকমাদের বিজু উৎসবের প্রথম অক্ষরগুলো নিয়ে বৈসাবি নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পার্বত্য চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলের প্রধান তিনটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নববর্ষ উৎসবের সম্মিলিত রূপ হলো বৈসাবি।
B) সিলেট — এই অঞ্চলের প্রধান উৎসব চা শ্রমিকদের কর্মসংক্রান্ত ও স্থানীয় কিছু উৎসব হলেও বৈসাবি এখানকার ঐতিহ্যবাহী উৎসব নয়।
C) ময়মনসিংহ — এই অঞ্চলে গারা ও হাজং সম্প্রদায়ের বসবাস থাকলেও তাদের প্রধান উৎসব বৈসাবি নামে পরিচিত নয়।
D) রংপুর — এই অঞ্চলের প্রধান আদিবাসী হলো সাঁওতাল ও রাজবংশী, যাদের বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বৈসাবি শব্দের প্রথম অংশ চাকমাদের বিজু (বি), মারমাদের সাংগ্রাই (সা) এবং ত্রিপুরীদের বৈসু (বৈ) থেকে এসেছে, যা পার্বত্য চট্টগ্রামে উদ্যাপিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ১৩৬তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশের সদস্যপদ প্রাপ্তি ও বৈদেশিক নীতির অবস্থান স্পষ্ট করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩১তম — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘের অন্য কোনো সদস্য দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নয়।
B) ১৩৩তম — এটি ভুল সংখ্যা, যা বাংলাদেশের জাতিসংঘ সদস্যপদ অর্জনের ক্রমের সঙ্গে মেলে না।
C) ১৩৪তম — এটিও একটি ভুল অপশন এবং বাংলাদেশ এই ক্রমের সদস্য নয়।
D) ১৩৬তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ এই ক্রমিক নম্বরেই জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়, যেখানে সংখ্যাটির শেষের দুটি অঙ্ক ৭৪ এবং ১৩৬ এর যোগসূত্র মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ইরান
কেন সঠিক:
- ইস্পাহান হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের একটি ঐতিহাসিক ও সংস্কৃতিসমৃদ্ধ বিখ্যাত শহর।
- পারস্য সাম্রাজ্যের আমলে এই শহরটি দেশটির রাজধানী হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও ইস্পাহান এর ভূখণ্ডে অবস্থিত নয়।
B) ইরান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
C) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য একটি দেশ, যার সঙ্গে ইস্পাহান শহরের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
D) কুয়েত — এটি পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী একটি ছোট দেশ, যেখানে ইস্পাহান শহরটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইস্পাহান নামের ঐতিহাসিক শহরটি দেখতে সুন্দর এবং এটি পারস্য তথা ইরানের গর্ব।
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী
কেন সঠিক:
- বরেন্দ্র জাদুঘর বাংলাদেশের রাজশাহী শহরে অবস্থিত প্রাচীন ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রথম সংগ্রহশালা।
- এটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নোয়াখালী — নোয়াখালী জেলায় বরেন্দ্র জাদুঘর অবস্থিত নয়, এটি ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হলেও এই জাদুঘরের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।
B) বগুড়া — বগুড়ায় বিখ্যাত মহাস্থানগড় ও সাইট মিউজিয়াম রয়েছে, তবে বরেন্দ্র জাদুঘর এখানে অবস্থিত নয়।
C) ঢাকা — ঢাকায় জাতীয় জাদুঘরসহ বেশ কিছু জাদুঘর রয়েছে, কিন্তু বরেন্দ্র জাদুঘর ঢাকায় অবস্থিত নয়।
D) রাজশাহী — বরেন্দ্র জাদুঘর রাজশাহীতে অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন ও বরেন্দ্র অঞ্চলের নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
রাজশাহী মানেই বরেন্দ্র অঞ্চল, তাই বরেন্দ্র জাদুঘর বললেই রাজশাহী শহরকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ওমেগা-৩
কেন সঠিক:
- সামুদ্রিক মাছের চর্বিতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- এই বিশেষ উপাদানটি মানবদেহের প্রদাহ কমাতে এবং রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাসে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ল্যাকটেজ — এটি দুধের ল্যাকটোজ শর্করা ভাঙতে সাহায্যকারী একটি এনজাইম, যা মাছের চর্বিতে থাকে না।
B) ইউরিক এসিড — এটি মানবদেহের প্রোটিন বিপাকের বর্জ্য পদার্থ, যা মাছের চর্বির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ওমেগা-৩ — এটি সামুদ্রিক মাছের চর্বিতে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত অত্যন্ত উপকারী একটি ফ্যাটি অ্যাসিড।
D) বিটাক্যারোটিন — এটি মূলত গাজর ও মিষ্টি আলুর মতো উদ্ভিজ্জ উপাদানে পাওয়া যায়, সামুদ্রিক মাছের চর্বিতে নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাছের তেল বা চর্বি মানেই উপকারী ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভাণ্ডার।
সঠিক উত্তর: D) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী পুণ্ডনগর হিসেবে গড়ে উঠেছিল, যার ঐতিহাসিক প্রমাণ প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজে পাওয়া গেছে।
- খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে এটি ধারাবাহিক জনবসতির প্রমাণ বহন করে, যা একে বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী হিসেবে প্রমাণিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুর — এটি মূলত বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত, যা নগরী হিসেবে মহাস্থানগড়ের চেয়ে পরবর্তী সময়ের।
B) সোনারগাঁও — এটি মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতানদের রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল, যা প্রাচীন পুণ্ডনগরের চেয়ে অনেক পরের ইতিহাস।
C) ময়নামতি — এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা মহাস্থানগড়ের সমসাময়িক হলেও প্রাচীনতম নগরী নয়।
D) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বগুড়া জেলায় অবস্থিত বাংলার প্রাচীনতম পুণ্ডনগর সভ্যতার নিদর্শন।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীনতম নগরী মনে রাখতে মহাস্থানগড়ের 'ম' এবং প্রাচীনতমের 'প্র' অর্থাৎ মহাস্থানগড়ই প্রধান বা প্রথম নগরী।
সঠিক উত্তর: A) সমুদ্রবন্দর
কেন সঠিক:
- মোংলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, যা সুন্দরবনের নিকটে পশুর নদের তীরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের জাহাজে পণ্য খালাস ও পরিবহনের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমুদ্রবন্দর — এটি মোংলা সম্পর্কে সত্য কারণ এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের বন্দর।
B) নদীবন্দর — মোংলা নদী তীরবর্তী হলেও এর মূল কার্যক্রম ও স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর হিসেবে।
C) নদী — মোংলা কোনো নদী নয়, এটি পশুর নদের তীরে অবস্থিত একটি নির্দিষ্ট বন্দর এলাকা।
D) স্থলবন্দর — এটি সীমান্তরবর্তী স্থলবন্দর নয়, বরং জলপথে বাণিজ্যের জন্য প্রতিষ্ঠিত সমুদ্রবন্দর।
মনে রাখার টিপস:
মোংলা নাম দেখলে মনে রাখবে এটি দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলোর একটি।
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য
সঠিক উত্তর: C) ১৯০১
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের উইল অনুযায়ী ১৮৯৫ সালে নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯০১ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৫ — এটি নোবেল পুরস্কার প্রদানের সাল নয়, তবে এটি আলবার্ট আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রকাশের বছর।
B) ১৮৯৬ — এটি আলফ্রেড নোবেলের প্রয়াণ এবং নোবেল উইল স্বাক্ষরের বছর, পুরস্কার প্রবর্তনের বছর নয়।
C) ১৯০১ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এই সাল থেকেই বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার প্রদান চালু হয়।
D) ১৯০৫ — অপশনটিতে একই সাল পুনরাবৃত্তি হয়েছে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
আলফ্রেড নোবেল মারা যান ১৮৯৫ সালে আর নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় ১৯০১ সালে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)