সঠিক উত্তর: C) বেহুলা গীত অভিনয়
১. কেন সঠিক:
মীর মশাররফ হোসেনের রচিত একমাত্র নাটক বা গীতিনট্য হলো বেহুলা গীত অভিনয়। এটি তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের এক জননন্দিত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু এবং নাটক জমিদার দর্পণ বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণকুমারী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক।
B) নবীন তপস্বিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।
D) রত্নাবলী — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক সংস্কৃত থেকে অনূদিত একটি নাটক।
৫ মনে রাখার টিপস:
মীর মশাররফ হোসেনের নাটক মনে রাখতে বেহুলা গীত অভিনয় নামটি মাথায় রাখবে। তাঁর উপন্যাসের মতো নাটকটিও বেশ স্বতন্ত্র।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নামের সাথে নাটক বা উপন্যাসের মিলকরণ প্রায়ই আসে। মীর মশাররফ হোসেনের নাটক ও উপন্যাসের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ছোট গল্প ও উপন্যাস
কেন সঠিক:
১. কথাসাহিত্য বলতে মূলত মানব জীবনের কাল্পনিক গল্পভিত্তিক গদ্য সাহিত্যকর্মকে বোঝানো হয়।
২. বাংলা সাহিত্যে প্রধানত ছোটগল্প এবং উপন্যাস এই দুটি ধারাকেই কথাসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. কথা বা গদ্যের মাধ্যমে রচিত কল্পিত কাহিনী বা আখ্যানই হলো কথাসাহিত্যের মূল ভিত্তি।
২. এটি কবিতার পদ্যরীতির সম্পূর্ণ বিপরীত গদ্যশৈলীতে মানবজীবনকে ফুটিয়ে তোলে।
৩. যেমন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেবদাস একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের খনিকা একটি ছোটগল্পের সংকলন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কথা নিয়ে সাহিত্য — সাধারণ কথপোকথন বা মুখের কথা দিয়ে কোনো সাহিত্য হয় না, তাই এটি ভুল।
B) ছোট গল্প ও উপন্যাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বা ঠিক বলার কিছু নেই।
C) নাটক ও গল্প — নাটক দৃশ্যকাব্য হিসেবে মঞ্চে অভিনীত হয়, তাই এটি কেবল কথাসাহিত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
D) সাহিত্যেও কথা — এটি ব্যাকরণগত ও সাহিত্যিকভাবে কোনো অর্থবহ বা স্বীকৃত পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. কথা মানে গদ্য আর সাহিত্য মানে উপন্যাস বা গল্প।
২. ছোটগল্প ও উপন্যাস মনে রাখলেই কথাসাহিত্য চেনা সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: A) বর্ণ
১. কেন সঠিক:
- ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীককে বর্ণ বলা হয়, যা মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত আওয়াজকে চোখে দেখার রূপ দেয়।
- মানবমুখের উচ্চারিত মৌলিক ধ্বনিগুলোর নির্দিষ্ট কিছু লিখিত রূপ বা সাংকেতিক চিহ্নই হলো বর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি তত্ত্বে আলোচিত হয় যে, ভাষা প্রকাশের মূল মাধ্যম হলো ধ্বনি এবং তার দৃশ্যমান রূপ হলো বর্ণমালা।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরবর্ণ যা একটি নির্দিষ্ট স্বরধ্বনি প্রকাশের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনবর্ণ যা একটি নির্দিষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি প্রকাশের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধ্বনির লিখিত প্রতীক হলো বর্ণ।
B) শব্দ — এক বা একাধিক ধ্বনি পাশাপাশি বসে যখন একটি অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে।
C) ভাষা — মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা, যা ধ্বনি বা রূপের সমষ্টি।
D) বাক্য — কতগুলো শব্দ পাশাপাশি বসে যখন মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধ্বনি হলো যা কানে শোনা যায় এবং বর্ণ হলো যা চোখে দেখা যায়।
- ধ্বনির প্রতীক মানেই বর্ণের দিক নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ধ্বনির সংখ্যা এবং বর্ণের সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ধ্বনির লিখিত রূপই বর্ণ।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা পঞ্চাশটি এবং ধ্বনির সংখ্যা উনচল্লিশটি।
সঠিক উত্তর: B) সুকান্ত ভট্টাচার্য
১. কেন সঠিক:
- এই কবিতাংশটি বাংলা সাহিত্যের প্রগতিবাদী ও কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত 'প্রত্যাশা' কবিতার অংশ।
- কবির বিপ্লবী চেতনা, অন্যায়ের কাছে মাথা না নোয়ানোর দৃঢ় সংকল্প এবং চরম দুর্দিনেও বেঁচে থাকার অদম্য লড়াই এই চরণে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মার্ক্সবাদী চেতনার অন্যতম প্রধান কবি যিনি ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র একিশ বছর বয়সে মারা যান।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ছাড়পত্র, পূর্বাভাস, ঘুম নেই, এবং দ্রবককে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চায়ের কাপে ঝড় তোলা
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির মাধ্যমে সামান্য বিষয় নিয়ে তীব্র ও অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের সৃষ্টি করা বোঝানো হয়।
উদাহরণ ২: চোখের বালি
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত এই উপন্যাসটির নামটির অর্থ হলো চোখের বিষ বা অত্যন্ত অপছন্দের কোনো ব্যক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটি তার কোনো কবিতার অংশ নয়।
B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর কবিতার সাথেই পঙক্তিটি মিলে যায়।
C) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত নাগরিক কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার নয়।
D) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী কবি হলেও এই বিপ্লবী পঙক্তিটি তার লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাথা না নোয়ানোর দীক্ষা বা বিদ্রোহের প্রতীক হিসেবে সুকান্ত ভট্টাচার্যের তরুণ ও দীপ্ত কণ্ঠস্বরকে মনে রাখতে পারো।
- ছোট বয়সেই সাহসী ও দ্রোহের কবিতা লেখার জন্য সুকান্ত ভট্টাচার্যকে কিশোর কবি হিসেবে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার পঙক্তি তুলে দিয়ে কবির নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সহজে মনে রাখতে কবিতাগুলোর মূল সুর এবং কবির পরিচিতি ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নিমরাজি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বিদেশি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ।
- 'নিম' একটি ফার্সি উপসর্গ, যার অর্থ অর্ধেক বা আংশিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গগুলোর মধ্যে ফার্সি, আরবি, ইংরেজি ও হিন্দি উপসর্গ অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমখেহারাম
ব্যাখ্যা: এখানে 'নিম' বিদেশি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে অকৃতজ্ঞ অর্থে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: নিমরাজি
ব্যাখ্যা: এখানে 'নিম' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে আংশিক রাজি বা পুরোপুরি রাজি নয় এমন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিখুঁত — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'নি' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়।
B) আনমনা — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'আন' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়।
C) অবহেলা — এটি সংস্কৃত উপসর্গ 'অব' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়।
D) নিমরাজি — এটি ফার্সি উপসর্গ 'নিম' যোগে গঠিত সঠিক শব্দ, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফার্সি উপসর্গের তালিকা মনে রাখার কৌশল হলো: কার, দর, কম, নিম, বর, বদ, বে, কম, খাস, লা।
- এই তালিকার 'নিম' উপসর্গটি দিয়েই 'নিমরাজি' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে বিদেশি উপসর্গগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
- শব্দের শুরুতে উপসর্গ যোগ হয়ে কীভাবে অর্থের পরিবর্তন ঘটে, তা খেয়াল রাখলে উত্তর করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) গোধূলি
১. কেন সঠিক:
দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলনকালকে এককথায় গোধূলি বলা হয়। গরুর পালের ধুলো ও সন্ধ্যার আলো মিলে এই বিশেষ সময়ের সৃষ্টি হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একাধিক পদের ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি - অদৃষ্টপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট দৃশ্য বা ঘটনার অনুপস্থিতি বোঝাতে বাক্য সংকোচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: নদী মাত্রিক দেশ যার - নদীমাতৃক।
ব্যাখ্যা: দেশের ভূপ্রকৃতি বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোধূলি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দিনের শেষ ও রাতের শুরুর সন্ধিক্ষণ বোঝায়।
B) সন্ধ্যাকাল — এটি কেবল সাধারণ সন্ধ্যা বা রাতের শুরুর সময়কে বোঝায়, আলোর মিলনকে বিশেষভাবে নির্দেশ করে না।
C) অপরাহ্ন — এটি দুপুর থেকে সূর্যান্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়কে বোঝায়, সন্ধ্যার আলোর মিলন নয়।
D) সায়াহ্ন — এটি কেবল দিন ও রাতের মধ্যবর্তী সন্ধ্যার সময়কালকে বোঝায়, আলোর মিলনের কাব্যিক রূপ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গরু বা গোরু যখন মাঠ থেকে ঘরে ফেরে তখন ধুলো ও আলোর যে রূপ দেখা যায়, তা থেকেই গোধূলি শব্দটি এসেছে। এভাবে দৃশ্যটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে। তাই গোধূলি ও সায়াহ্ন শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বাঁধন-হারা
১. কেন সঠিক:
- বাঁধন-হারা উপন্যাসটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়, বরং এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে উপন্যাস ধারার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা অন্য একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাঁধন-হারা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি পত্রোপন্যাস যা ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও সামাজিক বাস্তবতার সার্থক রূপকার যিনি গোরা এবং চোখের বালি সহ মোট ১৩টি উপন্যাস লিখেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধাট্রাঞ্জল
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ জীবনের দারিদ্র্য ও মানুষের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে যৌথ পরিবারের ভাঙন এবং দাম্পত্য সম্পর্কের জটিলতা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোرا — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত সমাজ ও রাষ্ট্রচেতনামূলক উপন্যাস যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
B) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত রাজনীতি ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে লেখা একটি প্রশংসিত উপন্যাস।
C) বাঁধন-হারা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস নয়, এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি পত্রোপন্যাস।
D) চোখের বালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো গোরা, ঘরে-বাইরে ও চোখের বালি নামগুলো মাথায় রাখা এবং নজরুলের প্রথম উপন্যাস বাঁধন-হারাকে আলাদা করা।
- পত্রোপন্যাস হিসেবে বাঁধন-হারার নাম মনে রাখলে রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস থেকে এটিকে সহজেই আলাদা করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস সংখ্যা তিনটি এবং এর মধ্যে বাঁধন-হারা হলো প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের প্রথম উপন্যাস বা বিখ্যাত রচনাগুলোর নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা সমপ্রধান খণ্ডবাক্য সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এখানে প্রদত্ত বাক্যে 'বৃক্ষে শুনে উত্তর দাও' এবং 'নতুবা ভুল হবে' এই দুটি স্বাধীন বাক্য 'নতুবা' বিয়োজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠন অনুসারে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
যৌগিক বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য স্বাধীনভাবে অবস্থান করে এবং এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, নতুবা, নচেৎ ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে অনেক পড়াশোনা করেছে, কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করেছে' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি' অংশ দুটি 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখিগুলো কিচিরমিচির করতে লাগল।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য 'সকাল হলো' এবং 'পাখিগুলো কিচিরমিচির করতে লাগল' অংশ দুটি 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে কিন্তু এখানে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে।
B) যৌগিক — এটি সঠিক কারণ এতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য বিয়োজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
C) জটিল — যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে কিন্তু এখানে কোনো অধীন খণ্ডবাক্য নেই।
D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো মাঝখানে এবং, কিন্তু, অথবা, নতুবা, নচেৎ এই ধরনের অব্যয় থাকা যা দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করে।
উভয় পক্ষই স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করলে চোখ বন্ধ করে তা যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
বাক্যের গঠন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে খণ্ডবাক্যের মধ্যকার অব্যয় ব্যবহারের ধরন লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বাণী
১. কেন সঠিক:
বাণী বানানটিতে মূরধন্য ণ (ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী) ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অপরিবর্তিত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণে মূরধন্য ণ বসে। ত বর্গীয় ধ্বনির (ত, থ, দ, ধ, ন) পূর্বে সবসময় দন্ত্য ন বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘণ্টা
ব্যাখ্যা: এটি ট বর্গীয় ধ্বনি ঠ-এর সাথে যুক্ত হওয়ায় এখানে মূরধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এটি থ বর্গীয় ধ্বনি থ-এর সাথে যুক্ত হওয়ায় এখানে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাণী — এটি একটি শুদ্ধ বানান এবং প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
B) শূন্য — শূন্য বানানটিতে মূরধন্য ণ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে, যা সঠিক বানানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) অরণ্য — অরণ্য বানানটিও মূরধন্য ণ যুক্ত একটি শুদ্ধ তৎসম শব্দ।
D) লবণ — লবণ শব্দে মূরধন্য ণ ব্যবহারের বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ণ-ত্ব বিধানের সহজ নিয়ম মনে রাখবে যে ট বর্গীয় অক্ষরের সাথে সর্বদা মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। তৎসম শব্দ চেনার মাধ্যমে এই বানানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে ণত্ব ও ষত্ব বিধানের নিয়মগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করলে যেকোনো বানান সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) বায়ান্নর কবিতা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো বায়ান্নর কবিতা। এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক কবিতা।
- এই কবিতায় বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির শোক, প্রতিবাদ এবং বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'একুশে ফেব্রুয়ারি' কবিতাটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক আল মাহমুদ। এটি আধুনিক বাংলা কবিতায় ভাষা আন্দোলনের চেতনার এক অনন্য প্রকাশ।
- এই রচনাটি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও জাতীয় চেতনার উন্মেষের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মৃতিস্তম্ভ
ব্যাখ্যা: এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত কবিতা যা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত।
উদাহরণ ২: কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
ব্যাখ্যা: মাহবুব উল আলম চৌধুরী রচিত এই কবিতাটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দলিলপত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ 'একুশে ফেব্রুয়ারি' কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রশাসনিক দলিলপত্র নয়, এটি একটি সাহিত্যকর্ম।
B) রচনাবলী — এই অপশনটি ভুল কারণ রচনাবলী বলতে কোনো লেখকের সমগ্র বা সংকলিত রচনাকে বোঝায়, একক কোনো কবিতাকে নয়।
C) বায়ান্নর প্রবন্ধ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি গদ্য বা প্রবন্ধ ধারার কোনো রচনা নয়, এটি পদ্য বা কবিতা হিসেবে রচিত।
D) বায়ান্নর কবিতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত একটি কবিতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একুশে ফেব্রুয়ারি সম্পর্কিত কবিতা মনে রাখতে কবি আল মাহমুদের নাম এবং তাঁর ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে চর্চা করতে পারো।
- কবিতার বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করলে সহজেই বুঝতে পারবে এটি গদ্য নাকি পদ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম কবিতা কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম এবং কবিদের পরিচিতি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- দার্শনিক শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে অন্য একটি অর্থ প্রকাশ করে।
- দর্শন অর্থ দেখা বা দর্শনশাস্ত্র, কিন্তু দার্শনিক বলতে যিনি দর্শনশাস্ত্র আলোচনা করেন বা বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
- দর্শন + ইক = দার্শনিক, এখানে পদের অর্থের বাইরে নতুন একটি ভাব বা সত্তা প্রকাশিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনা পানি যার = বীনাপাণি
ব্যাখ্যা: এখানে বিনা ও পাণি শব্দের বাইরে দেবী সরস্বতীকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: শূল হস্ত যার = শূলপাণি
ব্যাখ্যা: এখানে শূল ও হস্ত পদের অর্থ না বুঝিয়ে মহাদেব শিবকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের ক্ষেত্রে মেলে না।
C) বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন এবং শর্ত পূরণ করে।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, যা এখানে হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাসবদ্ধ শব্দে যদি কোনো ব্যক্তি, দেবতা বা বিশেষ কোনো সত্তাকে বোঝায়, তবে তা সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়।
- শব্দের উৎপত্তি বা গঠন বিবেচনা না করে অর্থের পরিণতি লক্ষ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রত্যয় সাধিত অনেক শব্দ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ প্রায়ই বহুনির্বাচনী প্রশ্নে আসে।
সঠিক উত্তর: A) একটি গোপনীয় কথা বলি
১. কেন সঠিক:
- 'গোপনীয়' হলো বিশেষণ পদ যা কথা বিশেষ্যকে সঠিকভাবে বিশেষিত করেছে।
- ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্যের পূর্বে সঠিক বিশেষণ ব্যবহার করে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে পদের সঠিক রূপ ও ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
- বিশেষ্য পদের আগে উপযুক্ত বিশেষণ পদ ব্যবহার না করলে বাক্য প্রয়োগগত দিক থেকে ভুল হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গুরুত্বপূর্ণ' বিশেষণটি 'বিষয়' বিশেষ্যকে সঠিকভাবে বিশেষিত করেছে।
উদাহরণ ২: আমাকে একটি গোপনীয় সংবাদ দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোপনীয়' বিশেষণটি 'সংবাদ' বিশেষ্যের সঠিক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি গোপনীয় কথা বলি — এই অপশনটি ব্যাকরণগত ও প্রমিত বাংলা ব্যবহারের দিক থেকে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
B) একটি গোপন কথা বলি — 'গোপন' মূলত বিশেষ্য বা অসিদ্ধ বিশেষণ, এখানে ভাবগতভাবে 'গোপনীয়' বিশেষণ ব্যবহার করা শ্রেয়।
C) একটি গোপনীয়তার কথা বলি — 'গোপনীয়তা' একটি ভাববাচক বিশেষ্য, তাই বিশেষ্যের আগে সরাসরি আরেকটি বিশেষ্য ব্যবহার করায় বাক্যটি ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে।
D) একটি গুপ্ত কথা বলি — 'গুপ্ত' শব্দটির অর্থ লুক্কায়িত, যা সাধারণত তথ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু কথার ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ হলো 'গোপনীয়'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কথার ক্ষেত্রে 'গোপন' না বলে 'গোপনীয়' বলাটাই ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে বেশি মানানসই।
- বাক্যশুদ্ধির সময় বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলবন্ধন ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ ও পদ সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ্য ও বিশেষণের সঠিক রূপ চেনার মাধ্যমে এ ধরনের প্রশ্নের খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ভুসুকুপা
১. কেন সঠিক:
- 'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী' একটি বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পঙক্তি যার অর্থ নিজের মাংস বা গুণের জন্যই হরিণ নিজের শত্রু হয়।
- চর্যাপদের ২৪ নম্বর পদের এই লাইনটির রচয়িতা চর্যাপদের অন্যতম পদকর্তা ভুসুকুপা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত।
- ভুসুকুপা চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক পদ রচয়িতা কবি যিনি নিজেকে বাঙালি বলে দাবি করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঙালি ভুসুকুপা বঙ্গাল দেশ হুয়া পৈইসইলা।
ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটিতে ভুসুকুপার বাঙালি পরিচয়ের স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: আজি ভুসুক বঙ্গালী ভইলী।
ব্যাখ্যা: এটিও ভুসুকুপার রচিত একটি পদ যেখানে বাংলার সংস্কৃতির ছাপ রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরহপা — ইনি চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা ও আদি কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পঙক্তির রচয়িতা নন।
B) কাণ্পা — চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করলেও এই পঙক্তিটি তার রচিত নয়।
D) কুকুরীপা — ইনি চর্যাপদের অন্যতম কবি হলেও এই পঙক্তির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হরিণ নিজের মাংসে শত্রু হয় আর ভুসুকুপা চর্যাপদে বাঙালি হিসেবে বিখ্যাত, তাই হরিণের বৈরী মানেই ভুসুকুপা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের পদকর্তা এবং বিখ্যাত পঙক্তিগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) মুহূর্তের কবিতা
কেন সঠিক:
- মুহূর্তের কবিতা প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমেদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির কাব্যশিল্পের অনন্য বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা প্রকাশ পেয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে ফররুখ আহমদ মুসলিম রেনেসাঁর কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- তাঁর কবিতায় ইসলামী ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং আধুনিক চেতনার এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
- সাত সাদের মাঝি, মুহূর্তের কবিতা এবং সিরাজাম মুনিরা তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) রাত্রিশেষ — এটি কবি আহসান হাবীবের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- B) কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই — এটি কবি ও ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র বা অন্য কোনো লেখকের নয়, বরং এটি কবি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বা অন্য কারও সাহিত্যকর্ম নয়, এটি মূলত কবি বীনাকৃষ্ণ বা অন্য কোনো আধুনিক কবির রচনা।
- C) বিমুখ প্রান্তর — এটি ফররুখ আহমেদের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি অন্য কোনো আধুনিক কবির সাহিত্যকর্ম।
- D) মুহূর্তের কবিতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, কারণ প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত অপশনে এটিই সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
- ফররুখ আহমেদের নাম দেখলে সাত সাদের মাঝি এবং মুহূর্তের কবিতা কাব্যগ্রন্থগুলোর কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) পরতন্ত্র
১. কেন সঠিক:
'স্বতন্ত্র' শব্দের অর্থ নিজের অধীন, স্বাবলম্বী বা মুক্ত। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো 'পরতন্ত্র', যার অর্থ অন্যের অধীন বা পরাধীন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও উৎসগত অর্থ অনুধাবন করা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার ও সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের অংশ। বাংলা ভাষায় বহু শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎসারিত হয়েছে এবং উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে কিংবা বিপরীতার্থক অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়।
'স্ব' এর অর্থ নিজের এবং 'তন্ত্র' এর অর্থ অধীনতা বা শাসন, যা মিলে গঠিত হয় নিজস্ব শাসন বা স্বাধীনতা। এর বিপরীতে 'পর' অর্থ অন্যের এবং 'তন্ত্র' অর্থ অধীনতা, যার মিলনে পরতন্ত্র শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বাধীন শব্দের বিপরীত শব্দ পরাধীন।
ব্যাখ্যা: স্বাধীন অর্থ যা নিজের অধীন এবং পরাধীন অর্থ অন্যের অধীন, যাতন্ত্রগত বিপরীত অর্থের নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: দেশি শব্দের বিপরীত শব্দ বিদেশি।
ব্যাখ্যা: দেশি নিজের দেশের অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং বিদেশি অন্য দেশের অর্থে বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্যতত্ত্ব — এই শব্দটির সঙ্গে স্বতন্ত্র শব্দের বিপরীতার্থক কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি একটি অর্থহীন বা অপ্রচলিত গঠন।
B) অপরতত্ত্ব — এই শব্দটিও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয় এবং এর কোনো উপযুক্ত অর্থ নেই।
C) পরতন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বতন্ত্র শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) অসমতন্ত্র — এই শব্দটি স্বতন্ত্র বা পরতন্ত্র শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য বা প্রচলিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্ব শব্দের অর্থ নিজের এবং পর শব্দের অর্থ অন্যের, তাই স্বতন্ত্র অর্থাৎ নিজের তন্ত্রের বিপরীতে পরতন্ত্র অর্থাৎ অন্যের তন্ত্র বা অধীন মনে রাখা সহজ।
বিপরীত শব্দ শেখার সময় মূল শব্দের উপসর্গ বা আগের অংশ পরিবর্তন করে বিপরীত শব্দ তৈরির সাধারণ নিয়মটি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্ব দিয়ে গঠিত শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে পর যুক্ত শব্দ উত্তর হিসেবে আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দের মূল অর্থ বা মূল উপাদানগুলোর বিপরীত রূপ খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্নের অন্তর্ভুক্ত যেখানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাংবাদিকতা জীবন ও পত্রিকার সম্পাদনা সম্পর্কিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
- বাংলা ১৯২০ সালের ১২ জুলাই প্রকাশিত ‘দৈনিক নবযুগ’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম এবং পরবর্তীতে এর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালির সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যিক যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
- তিনি ‘নবযুগ’ পত্রিকার পাশাপাশি ‘ধূমকেতু’ ও ‘লাঙল’ পত্রিকারও সফল সম্পাদক ছিলেন যা বাংলা সাংবাদিকতা ও স্বাধিকার আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান পরিচালক ছিলেন নজরুল নিজে।
উদাহরণ ২: ‘লাঙল’ পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যার প্রধান সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম এবং নামমাত্র সম্পাদক ছিলেন মণি সিংহ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক ছিলেন, যিনি ‘শিক্ষা ও সংস্কৃতি’ প্রবন্ধের জন্য পরিচিত এবং তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, যিনি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কিন্তু নবযুগ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘দৈনিক নবযুগ’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি মূলত ইসলামী ভাবধারার কাব্য রচনার জন্য পরিচিত এবং নবযুগ পত্রিকার সম্পাদক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকার নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নবযুগ, ধূমকেতু ও লাঙল নামের তিনটি প্রধান পত্রিকার সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত রাখা।
- পরীক্ষার প্রশ্নে নবযুগ বা ধূমকেতু পেলে চোখ বন্ধ করে কাজী নজরুল ইসলাম উত্তর নির্বাচন করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম খুব ঘন ঘন আসে।
- একই সঙ্গে নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা ও তাঁর সাংবাদিকতা জীবন সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিটপী
১. কেন সঠিক:
- বিটপী শব্দের অর্থ গাছ বা বৃক্ষ, যা উদ্ভিদের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও রূপ আলাদা হলেও অর্থের দিক থেকে মিল থাকে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎস থেকে আসা শব্দের সমার্থক শব্দ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরু
ব্যাখ্যা: এটি বৃক্ষ শব্দের আরেকটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ যা বাংলা কাব্যে ও গদ্যে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: পাদপ
ব্যাখ্যা: পাদপ শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা পা দিয়ে পান করে, অর্থাৎ গাছ বা বৃক্ষ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীরধি — নীরধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা জল বা নীর ধারণ করে। এটি বৃক্ষ শব্দের সমার্থক নয়।
B) বিটপী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গাছ বা বৃক্ষ।
C) কলাপী — কলাপী শব্দের অর্থ ময়ূর। এটি বৃক্ষ শব্দের সমার্থক নয়।
D) অবনি — অবনি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা। এটি বৃক্ষ শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বৃক্ষ শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো তরু, বিটপী, পাদপ এবং মহীরুহ শব্দগুলো একসঙ্গে মুখস্থ করা।
- সমুদ্র ও পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলোর সঙ্গে গাছের সমার্থক শব্দগুলো যেন গুলিয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদ বা প্রকৃতির উপাদান যেমন বৃক্ষ, নদী, পৃথিবী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দ বারবার আসে।
- প্রতিটি শব্দের উৎস ও আক্ষরিক অর্থ জানা থাকলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) কাজী ইমদাদুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হক।
- এই উপন্যাসটি বিশ শতকের প্রথমার্ধে মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি, কুসংস্কার ও নৈতিক পতন তুলে ধরে রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী ইমদাদুল হক একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।
- 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২০ সালে, যা বাংলা সাহিত্য জগতে মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তত্ত্বের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'আশরাফী গৃহ' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী ইমদাদুল হকের একটি বিখ্যাত রচনা।
উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের 'বিষাদ সিন্ধু'।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি ঐতিহাসিক ও ক্লাসিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ নজীবর রহমান — ইনি 'আশায় নিরাশায়' ও 'রউফুননেসা' উপন্যাসের রচয়িতা, 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের নন।
B) কাজী ইমদাদুল হক — এটি সঠিক উত্তর।
C) শেখ ফজলুল করিম — ইনি মূলত 'মদিনা' পত্রিকার সম্পাদক এবং কবি ও কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত।
D) মমতুজ উদ্দিন আহমেদ — ইনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও নাট্য নির্দেশক, উপন্যাসিক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইমদাদুল হকের 'আব্দুল্লাহ' মনে রাখতে ই (ইমদাদুল) দিয়ে শুরু দুটি নাম একত্রে স্মরণ রাখতে পারো।
- মুসলিম সমাজের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে আবদুল্লাহ বেশ পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র আব্দুল্লাহর আত্মিক দ্বন্দ্ব ও নৈতিক অবক্ষয় পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ
১. কেন সঠিক:
- চাঁদ একটি তদ্ভব শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র থেকে প্রাকৃত হয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- তদ্ভব শব্দের অর্থ হলো তা থেকে উদ্ভূত, অর্থাৎ সংস্কৃত বা প্রাকৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত পরিবর্তন বা বিবর্তনের মাধ্যমে যে শব্দগুলো সরাসরি বাংলা ভাষায় রূপ নিয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃত ভাষার স্তর পেরিয়ে বিবর্তিত হয়েছে, যেখানে ধ্বনির পরিবর্তন বা রূপান্তরের একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম কাজ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাত
ব্যাখ্যা: ভাত শব্দটি সংস্কৃত ভক্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে।
উদাহরণ ২: হাত
ব্যাখ্যা: হাত শব্দটি সংস্কৃত হস্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদ - সঠিক উত্তর বিধায় এটি তদ্ভব শব্দ এবং এর উৎপত্তি সংস্কৃত চন্দ্র থেকে।
B) সূর্য - এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিত অবস্থায় এসেছে।
C) নক্ষত্র - এটি একটি তৎসম শব্দ যা প্রাচীন সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রূপ পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে।
D) গগণ - এটি মূলত তৎসম শব্দ গগন এর বানান বিকৃত রূপ বা তৎসম শব্দ, যা প্রাকৃত বা তদ্ভব শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো সাধারণত প্রাকৃত ভাষার রূপ বদল করে সহজ হয়ে বাংলায় এসেছে এবং এগুলোতে চন্দ্রবিন্দু থাকার প্রবণতা বেশি থাকে।
- তৎসম শব্দের অর্থ তার সমান এবং তদ্ভব শব্দের অর্থ তা থেকে জাত, এই মূল সূত্রটি মনে রাখলে উৎস নির্ণয় করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল সংস্কৃত রূপ ও পরিবর্তিত রূপের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- চন্দ্র, হস্ত, মৎস্য ইত্যাদি তৎসম শব্দের পরিবর্তিত রূপ যথাক্রমে চাঁদ, হাত, মাছ হলো তদ্ভব শব্দ।
সঠিক উত্তর: D) নির্বোধকে জ্ঞান দান
১. কেন সঠিক:
- এই প্রবচনটির মূল অর্থ হলো এমন কোনো ব্যক্তিকে উপদেশ বা জ্ঞান দেওয়া, যার তা গ্রহণ করার বা বোঝার ক্ষমতা নেই।
- এখানে দর্পণ বা আয়না হলো জ্ঞানের প্রতীক এবং অন্ধ হলো এমন ব্যক্তি যার বিচারবুদ্ধি ও বোধশক্তি আচ্ছন্ন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে প্রবাদ ও প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফল যা রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের বাক্যাংশ আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও গভীর ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মূর্খকে সদুপদেশ দেওয়া আর অন্ধকে দর্পণ দেখানো একই কথা।
ব্যাখ্যা: অযোগ্য বা নির্বোধ ব্যক্তির কাছে ভালো কথার কোনো মূল্য নেই তা বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: যে মানুষ জ্ঞান নিতে নারাজ তাকে বোঝানো মানে অন্ধকে দর্পণ দেখানো।
ব্যাখ্যা: নির্বোধের সামনে জ্ঞানের কথা বলা যে বৃথা, তা এই উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্ধকে আলো দেখানো — এটি আক্ষরিক অর্থে সঠিক মনে হলেও প্রবচনের প্রচলিত রূপ ও ভাবার্থ অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) অকারণ অনাসৃষ্টি — এই অর্থটি প্রবচনটির রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমিল এবং এটি অন্য কোনো পরিস্থিতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) অতি অহংকার — এই অর্থটি দর্পণ বা অন্ধ শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয় এবং এটি অন্য কোনো প্রবাদের অর্থ।
D) নির্বোধকে জ্ঞান দান — এটিই প্রশ্নটির সঠিক ভাবার্থ এবং প্রবচনটির প্রমিত ও সর্বজনস্বীকৃত অর্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দর্পণ শব্দের অর্থ আয়না এবং অন্ধ বলতে এখানে যার বুদ্ধি বা জ্ঞান নেই তাকে বোঝানো হয়েছে।
- আয়না যেমন অন্ধ মানুষের কোনো উপকারে আসে না, তেমনই জ্ঞান নির্বোধের কোনো উপকারে আসে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের রূপকধর্মী প্রবাদ প্রায়ই আসে।
- প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
উল্লিখিত চরণ দুটি বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি। নৈতিকতা ও সুঅভ্যাস গঠনের উদ্দেশ্যে রচিত এই পঙ্ক্তিগুলো আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। শিশুদের জন্য লেখা তার শিশুপাঠ গ্রন্থটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শিক্ষণীয় একটি প্রকাশনা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব গান গায় রাতি পোহাইল।
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা শিশুপাঠ গ্রন্থের বিখ্যাত একটি পঙ্ক্তি যা শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা দেয়।
উদাহরণ ২: আলস্য ত্যাগ করে সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা উচিত।
ব্যাখ্যা: এই ধরনের প্রাত্যহিক ভালো অভ্যাসগুলো আমাদের জীবনকে সুন্দর ও শৃঙ্খলিত করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শিশুপাঠ গ্রন্থে এই চরণগুলো রচনা করেছেন।
B) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি মূলত নাটক রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন।
C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত রোমান্টিক ধারার কবি কিন্তু এই পঙ্ক্তি তার নয়।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি শতক বা শ্লোক রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই শিশুতোষ চরণের রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালো হওয়ার শপথ নেওয়ার এই বিখ্যাত চরণটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুপাঠ বই থেকে নেওয়া হয়েছে। ছোটদের পাঠ্যবইয়ের এই বিখ্যাত লাইনটি মনে রাখলে পরীক্ষাও সহজেই উত্তর করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাথমিক পাঠ্যবই বা জনপ্রিয় কবিতার লাইন কার লেখা তা জানতে চাওয়া হয়। তাই মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুপাঠ গ্রন্থের বিখ্যাত পঙ্ক্তিগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) will
কেন সঠিক:
বাক্যটি প্রথম প্রকারের কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
If clauses এ present indefinite tense থাকলে পরের অংশে future indefinite tense বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would — এটি পাস্ট কন্ডিশনাল বাক্যে ব্যবহার করা হয় তাই এখানে বসবে না।
B) will — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভবিষ্যৎ নির্দেশ করে।
C) should — এটি উচিত অর্থে বসে যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়।
D) might — এটি সম্ভাবনার মাত্রা অনেক কম বোঝালে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
If এর সাথে present tense থাকলে পরের clause এ সবসময় future tense হবে।
সঠিক উত্তর: C) in
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে interest বা interested শব্দের পরে সবসময় নির্দিষ্ট preposition হিসেবে in বসে।
কোনো বিষয়ে আগ্রহ বা অনুরাগ প্রকাশ করতে এই নিয়মটি ব্যবহার করা হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে in ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রের সাথে বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
B) at — এটি কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই।
D) on — এটি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
interested শব্দের সাথে সবসময় in preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) poem
কেন সঠিক:
‘দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড’ হলো বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত আধুনিক কবি টি এস এলিয়টের লেখা একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী দীর্ঘ কবিতা।
এটি বিভিন্ন খণ্ডে বিভক্ত এবং আধুনিক যুগের হতাশা ও সংকট সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
এটি কোনো গদ্য কাহিনী বা নাটক নয়।
এটি একটি বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয় কারণ এতে কোনো কাল্পনিক গদ্য গল্প বা চরিত্রভিত্তিক কাহিনির বিস্তার নেই।
B) epic — এটি ধ্রুপদী অর্থে কোনো মহাকাব্য নয়, বরং আধুনিক যুগের খণ্ডিত ও জটিল অনুভূতির এক কাব্যিক প্রকাশ।
C) poem — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) drama — এটি কোনো নাটক নয় কারণ এতে মঞ্চে অভিনয়ের জন্য কোনো সংলাপ বা দৃশ্য বিন্যাস করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
টি এস এলিয়টের বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' সবসময় একটি দীর্ঘ কবিতা হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) mine
কেন সঠিক:
তুলনার ক্ষেত্রে আমার জুতোর সাথে তোমার জুতোর তুলনা করা হচ্ছে।
তাই এখানে আমার জুতো বোঝাতে possessive pronoun হিসেবে mine ব্যবহার করা সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mine — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি possessive pronoun হিসেবে কাজ করে।
B) my — এটি possessive adjective তাই এর পরে noun থাকা বাধ্যতামূলক।
C) me — এটি objective pronoun যা এখানে তুলনার জন্য উপযুক্ত নয়।
D) I — এটি subjective pronoun যা এখানে বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
তুলনামূলক বাক্যে অধিকার বোঝাতে my এর পরিবর্তে mine ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট দূরত্ব, পরিমাণ বা সময় দেখতে বহুবচন হলেও তা একটিমাত্র একক হিসেবে কাজ করে।
তাই এই ধরনের বিষয়ের পরে সর্বদা singular verb বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject-এর সাথে বসে না।
B) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক singular verb।
C) were — এটি past tense-এর plural verb হওয়ায় বর্তমান কালের নিয়মে বসে না।
D) been — এটি past participle রূপ হওয়ায় একা মূল verb হিসেবে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
দূরত্ব বা পরিমাণের ক্ষেত্রে সমষ্টি বোঝালেও verb সবসময় একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: C) One should keep one's promises.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে যার সাবজেক্ট নেই, তাই এর একটি অনির্দিষ্ট সাবজেক্ট হিসেবে One ব্যবহার করতে হয়।
- One সাবজেক্টের সাথে পসেসিভ প্রোনাউন হিসেবে his বা her ব্যবহার না করে ہمیشہ one's ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You should keep your promises. — এখানে সাবজেক্ট হিসেবে You ব্যবহার করা হয়েছে, যা অনির্দিষ্ট সাবজেক্ট হিসেবে সঠিক নয়।
B) One should keep his promises. — এখানে পসেসিভ হিসেবে his ব্যবহার করা হয়েছে, যা One সাবজেক্টের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) One should keep one's promises. — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে সঠিক সাবজেক্ট এবং উপযুক্ত পসেসিভ one's ব্যবহার করা হয়েছে।
D) One should keep the promises. — এখানে পসেসিভ প্রোনাউনের পরিবর্তে the ব্যবহার করায় মূল বাক্যের অর্থের মালিকানা প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে One থাকলে তার পসেসিভ প্রোনাউন সবসময় one's হয়।
সঠিক উত্তর: B) Transparent
কেন সঠিক:
'Clear' শব্দটির অর্থ পরিষ্কার বা স্বচ্ছ। 'Transparent' শব্দের অর্থও যা পরিষ্কার এবং যার ভেতর দিয়ে দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Easy — এর অর্থ সহজ, যা 'clear' শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ নয়।
B) Transparent — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ স্বচ্ছ।
C) Tough — এর অর্থ কঠিন, যা 'clear' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Close — এর অর্থ বন্ধ করা বা কাছে, যার সাথে 'clear' শব্দের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Clear এবং Transparent উভয় শব্দই কোনো কিছু পরিষ্কার বা সহজে দৃশ্যমান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) hard
কেন সঠিক:
এখানে studying verb-টিকে modify করতে adverb দরকার। hard শব্দটি এখানে adverb হিসেবে কঠোর পরিশ্রম করা বোঝাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hard — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই কারণ এটি সঠিক adverb।
B) hardly — এর অর্থ কদাचित বা প্রায় না, যা পরীক্ষার জন্য পড়াশোনার অর্থের সাথে মেলে না।
C) tough — এটি একটি adjective, যা verb-কে modify করতে পারে না তাই এটি ভুল।
D) toughly — ইংরেজিতে toughly বলে কোনো মানসম্মত শব্দ বা adverb নেই তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
hard পরিশ্রম বোঝাতে adverb হিসেবে hard বসে এবং hardly মানে না সূচক অর্থ প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: A) is
কেন সঠিক:
এখানে Subject হলো Colour যা একটি singular noun এবং এটি of her eyes prepositional phrase এর আগে বসেছে। তাই verb টি singular number হবে এবং সঠিক উত্তর is হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি singular subject এর সাথে বসে।
B) are — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি plural subject এর সাথে বসে কিন্তু এখানে subject singular.
C) were — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি past tense এর plural verb এবং sentence টি present tense এ আছে।
D) being — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি auxiliary verb ছাড়া একা finite verb হিসেবে বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Preposition এর আগের noun টি যদি singular হয়, তবে verb ও singular হবে।
সঠিক উত্তর: A) lose
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে একটি মূল verb দরকার। to এর পর எப்போதும் verb এর base form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lose — এটি সঠিক কারণ এটি একটি verb এবং to এর পর বসেছে।
B) losing — এটি ভুল কারণ to এর পর verb এর ing যুক্ত রূপ বসে না।
C) loss — এটি ভুল কারণ এটি একটি noun এবং এখানে verb দরকার।
D) loose — এটি ভুল কারণ এটি একটি adjective যার অর্থ ঢিলেঢালা।
মনে রাখার টিপস:
to এর পরে সবসময় verb এর ১ নম্বর রূপ বা base form বসে।
সঠিক উত্তর: C) have they been
কেন সঠিক:
বাক্যে How long থাকার কারণে এটি এমন একটি কাজ বোঝাচ্ছে যা অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে। তাই এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হবে এবং প্রশ্নবোধک বাক্যের নিয়মে সাহায্যকারী verb সাবজেক্টের আগে বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) they are — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় এবং How long এর সাথে চলমান সময় প্রকাশ না করায় এটি সঠিক নয়।
B) they have been — এটি Present Perfect Tense হলেও প্রশ্নবোধক বাক্যের নিয়মে verb সাবজেক্টের আগে না থাকায় এটি ভুল।
C) have they been — এটি সঠিক উত্তর।
D) are they — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় অতীতের সময় নির্দেশ করার নিয়ম এখানে মানছে না।
মনে রাখার টিপস:
How long যুক্ত বাক্যে সময় উল্লেখ থাকলে Present Perfect Tense হয় এবং প্রশ্ন করার সময় Verb আগে বসে।
সঠিক উত্তর: A) Dance
কেন সঠিক:
Dance শব্দটির অর্থ নাচ করা যা কোনো কাজ করা বোঝায়। বাক্যে এটি প্রধান বা মূল ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
এটি একটি কাজ সম্পন্ন হওয়ার ভাব প্রকাশ করে।
কাজের নাম বোঝালে এটি ভার্ব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Dance - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি মূল ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
B) Some - এটি কোনো কাজ বোঝায় না বরং এটি একটি প্রোনাউন বা ডিটারমিনার হিসেবে কাজ করে।
C) Roses - এটি কোনো কাজ নয় বরং একটি ফুল বা বিশেষ্য পদের বহুবচন রূপ।
D) Little - এটি দোষ বা গুণ প্রকাশ করে তাই এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় তাকেই মূলত ভার্ব বা ক্রিয়া বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) nor
কেন সঠিক:
ইংরেজি ব্যাকরণে Neither এর সাথে সবসময় nor বসে এবং এটি একটি correlative conjunction হিসেবে কাজ করে।
বাক্যে দুজন ব্যক্তির মধ্যে কাউকেই উপস্থিত বোঝাতে Neither...nor কাঠামো ব্যবহার করা হয়।
Subject গুলoni singular হওয়ায় verb ও singular রূপ নেয়।
এখানে sentence এর অর্থ দাঁড়ায় জ্যাকব বা জনসন কেউই উপস্থিত ছিল না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) or — Neither এর জোড়া শব্দ or নয়, বরং or বসে Either এর সাথে। তাই এটি এখানে সঠিক নয়।
B) nor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
C) and — Neither এর সাথে and যুক্ত হয় না কারণ এটি দুজনকে একসাথে বোঝাতে পারে না।
D) but — Neither এর সাথে but বসে না কারণ এটি বিপরীতার্থক ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
সবসময় মনে রাখবে যে Neither থাকলে তার জোড়া হিসেবে nor বসাতে হবে এবং Either থাকলে or বসবে।
সঠিক উত্তর: B) to play
কেন সঠিক:
অতීতের অভ্যাs বোঝাতে subject এর পরে used to বসে এবং তার পরে verb এর base form বা মূল রূপ ব্যবহৃত হয়।
এখানে subject হলো He এবং তার ঠিক পরেই used to বসেছে।
তাই নিয়ম অনুযায়ী এর পরে to play বসবে।
অন্য কোনো রূপ এখানে সঠিক নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) playing — used এর পরে সরাসরি gerund বসে না কারণ এখানে used to একটি modal semi auxiliary হিসেবে কাজ করছে।
B) to play — এটি সঠিক অপশন এবং এটি নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) play — used to এর পরে সরাসরি verb এর present form বসতে পারে না মাঝে to থাকা আবশ্যক।
D) be played — বাক্যটি passive voice নয় তাই এই গঠনটি এখানে পুরোপুরি অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
subject এর পরে used to থাকলে তার পরে সবসময় verb এর base form বসে।
সঠিক উত্তর: D) about
কেন সঠিক:
concerned শব্দের সাথে সাধারণ পরিস্থিতি বা বিষয়ে উৎকণ্ঠা বোঝাতে about preposition বসে।
এই বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু বা বিষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে।
তাই এখানে about ছাড়া অন্য কোনো preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা দেখে হঠাৎ প্রতিক্রিয়া বা ভয়ের ক্ষেত্রে at বসে।
B) in — কোনো কিছুর সাথে সরাসরি জড়িত থাকা বা সম্পৃক্ততা বোঝাতে in বসে।
C) across — কোনো কিছুর এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া বোঝাতে across বসে।
D) about — সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এই অপشنটি এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে উদ্বিগ্ন বা চিন্তিত হওয়া বোঝাতে always concerned about ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) they
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে তৃতীয় পুরুষ বা Third Person একবচন নিরপেক্ষ বস্তুবাচক সর্বনাম হলো 'it' এবং এর বহুবচন রূপ হলো 'they'।
- বাক্যে সাবজেক্ট বা কর্তা হিসেবে 'it' এর প্লুরাল ফর্ম বা বহুবচন ব্যবহারের ক্ষেত্রে 'they' বসাতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) its — এটি 'it' এর possessive বা অধিকারসূচক রূপ, কোনো বহুবচন রূপ নয়।
B) they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) those — এটি 'that' এর বহুবচন রূপ, যা নির্দেশক সর্বনাম হিসেবে কাজ করে।
D) there — এটি একটি স্থানবাচক বা সূচনাশ্রয়ী শব্দ (introductory adverb), 'it' এর বহুবচন নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি Pronoun বা সর্বনামের ক্ষেত্রে 'He', 'She' এবং 'It' তিনটিরই বহুবচন বা Plural ফর্ম হলো 'They'।
সঠিক উত্তর: C) William Shakespeare
কেন সঠিক:
‘King Lear’ হলো বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র রচিত একটি অমর ট্র্যাজেডি নাটক। এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Oscar Wilde — ইনি একজন আইরিশ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, যিনি মূলত ‘The Importance of Being Earnest’ নাটকের জন্য বিখ্যাত।
B) Ben Jonson — ইনি শেক্সপিয়রের সমসাময়িক একজন বিখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার ও কবি ছিলেন, যিনি ‘Volpone’ নাটক রচনা করেছেন।
C) William Shakespeare — যেহেতু এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Dr. Samuel Johnson — ইনি অষ্টাদশ শতকের একজন বিখ্যাত ইংরেজ লেখক, সমালোচক এবং প্রথম ইংরেজি অভিধান প্রণেতা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
শেভ করার সময় যেমন লিয়ার বা ফেনা জমে, তেমনি মনে রেখো শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হলো কিং লিয়ার।
সঠিক উত্তর: B) Knowledge
কেন সঠিক:
Knowledge শব্দের শেষে dge যুক্ত থাকার কারণে এটি একটি সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ হিসেবে গঠিত হয়েছে।
এটি সাধারণত কোনো বিষয় সম্পর্কে অর্জিত জ্ঞান বা ধারণাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
know ভারบটির সঠিক এবং আদর্শ নাউন রূপ হলো এই knowledge শব্দটি।
এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসার পূর্ণ যোগ্যতা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Knowing — এটি know ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড গঠন করেছে, যা এর মূল নাউন রূপ নয়।
B) Knowledge — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) Knowledgeable — এই শব্দের শেষে able থাকার কারণে এটি একটি এডজেক্টিভ বা বিশেষণ পদে পরিণত হয়েছে।
D) Known — এটি know ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা বাক্যে সাধারণত এডজেক্টিভের কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে dge বা ledge থাকলে সাধারণত তা নাউন হয়, যেমন know থেকে knowledge।
সঠিক উত্তর: B) Calm
কেন সঠিক:
‘Stormy’ শব্দটির অর্থ ঝড়ো বা উত্তাল, যা মূলত প্রকৃতি বা আবহাওয়ার অস্থির অবস্থাকে বোঝায়।
এর বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো শান্ত বা স্থির।
‘Calm’ শব্দটির অর্থ শান্ত, যা stormy শব্দের একদম উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
তাই সঠিক উত্তরটি হলো B) Calm।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cloudy — এই শব্দটির অর্থ মেঘলা, যা stormy শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীত নয়।
B) Calm — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ শান্ত এবং এটি stormy শব্দের বিপরীত।
C) Turbulent — এই শব্দটির অর্থ অশান্ত বা উত্তাল, যা মূলত stormy শব্দের সমার্থক।
D) Hazy — এই শব্দটির অর্থ কুয়াশাওয়ালা বা ধোঁয়াটে, যা আবহাওয়ার এক অন্য অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ঝড়ো আবহাওয়ার ঠিক উল্টো অবস্থা হলো শান্ত আবহাওয়া, তাই Stormy এর বিপরীত শব্দ হিসেবে Calm মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।
সঠিক উত্তর: B) Liberty
কেন সঠিক:
Freedom শব্দের বাংলা অর্থ হলো স্বাধীনতা এবং Liberty শব্দের অর্থও ঠিক একই রকম স্বাধীনতা।
ইংরেজি ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ হিসেবে এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি বাক্যের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Slavery — এটি Freedom বা স্বাধীনতার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ দাসত্ব।
B) Liberty — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়।
C) Prison — এর অর্থ কারাগার যা স্বাধীনতার বিপরীত এবং বন্দিদশাকে বোঝায়।
D) Chain — এর অর্থ শিকল যা পরাধীনতা ও শৃঙ্খলার প্রতীক।
মনে রাখার টিপস:
Freedom এবং Liberty সমার্থক শব্দ, তাই পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে সমার্থক শব্দ খুঁজতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ইরান
কেন সঠিক:
- কাওসার-১ হলো ইরানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তৈরি একটি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট।
- এটি ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এবং মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপিত একটি আধুনিক কৃত্রিম উপগ্রহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইটটি ইরানের নিজস্ব মহাকাশ কর্মসূচির অংশ।
B) ইরাক — ইরাকের নিজস্ব কোনো উল্লেখযোগ্য সফল স্যাটেলাইট প্রকল্প কাওসার নামে নেই।
C) মিশর — মিশরের মহাকাশ কর্মসূচির নাম ও স্যাটেলাইট ভিন্ন সিরিজের হয়ে থাকে।
D) তুরস্ক — তুরস্কের নিজস্ব স্যাটেলাইট সিরিজ মূলত গোয়েন্দা ও যোগাযোগমূলক এবং এর নাম ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
ইরানের ক অক্ষর দিয়ে কাওসার স্যাটেলাইট মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) সোনারগাঁও
কেন সঠিক:
- লোকশিল্প জাদুঘর (বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন) নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৭৫ সালে ঐতিহাসিক সোনারগাঁওয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়মনসিংহ — এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত নয়, ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা রয়েছে।
B) সোনারগাঁও — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ঢাকা — এটি ঢাকায় অবস্থিত নয়, তবে ঢাকার খুব কাছাকাছি নারায়ণগঞ্জ জেলায় এর অবস্থান।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁর ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহারের স্থান, লোকশিল্প জাদুঘরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
লোকশিল্প মানে প্রাচীন ঐতিহ্য, আর প্রাচীন বাংলার রাজধানী ছিল সোনারগাঁও।
সঠিক উত্তর: C) বগুড়া
কেন সঠিক:
- শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বগুড়া জেলায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
- এই স্টেডিয়ামে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজিত হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত হলেও এই নামে কোনো স্টেডিয়াম রাজশাহীতে নেই।
B) কুমিল্লা — এটি অন্য একটি জেলা, যেখানে শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম অবস্থিত নয়।
D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও এম এ আজিজ স্টেডিয়াম অবস্থিত, শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম নয়।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম এবং বগুড়া জেলা উভয়ই উত্তরবঙ্গের অন্তর্ভুক্ত, এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) Sieve test
কেন সঠিক:
- সিমেন্টের ফিজিক্যাল প্রপার্টি বা সূক্ষ্মতা (fineness) যাচাই করার জন্য চালনি বা সিভ টেস্ট ব্যবহার করা হয়।
- নির্দিষ্ট মাপের চালনিতে সিমেন্ট চেলে কণার আকার ও সূক্ষ্মতা নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Compression test — এটি মূলত সিমেন্ট মর্টার বা কংক্রিটের শক্তি (strength) পরিমাপের জন্য করা হয়, সূক্ষ্মতার জন্য নয়।
B) Soundness test — এটি সিমেন্টের আয়তন স্থিতিশীলতা বা জমাট বাঁধার পর সম্প্রসারণ পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) Sieve test — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সিমেন্টের সূক্ষ্মতা পরীক্ষার নির্ধারিত পদ্ধতি।
D) Vicat test — এটি সিমেন্টের ইনিশিয়াল ও ফাইনাল সেটিং টাইম এবং নরমাল কনসিস্টেন্সি নির্ধারণের জন্য করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সিমেন্ট চালুনি দিয়ে চেলে সূক্ষ্মতা মাপা হয়, তাই ফিননেস টেস্ট মানেই সিভ টেস্ট।
সঠিক উত্তর: A) প্রধানমন্ত্রী
কেন সঠিক:
- একনেক বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রধান হলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।
- দেশের মেগা প্রকল্প অনুমোদন ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একনেক সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ও নির্বাহী কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি একনেকের চেয়ারপারসন বা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
B) অর্থমন্ত্রী — তিনি একনেকের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং বিকল্প প্রধান বা সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, প্রধান নন।
C) বাণিজ্যমন্ত্রী — তিনি একনেকের একজন সদস্য হিসেবে দেশের বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়ে অংশ নেন, তবে তিনি এর প্রধান নন।
D) পরিকল্পনামন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও তিনি একনেকের সদস্য সচিব হিসেবে কাজ করেন, সংস্থার প্রধান নন।
মনে রাখার টিপস:
একনেকের নির্বাহী ক্ষমতা দেশের শীর্ষ নির্বাহী অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক ইতিহাস
সঠিক উত্তর: B) ১৭ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- জুলাই অভ্যুথান বা ছাত্র-জনতার আন্দোলন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঐতিহাসিক ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয় ১৭ অক্টোবর।
- এই সনদের মাধ্যমে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ অক্টোবর — এটি নির্ধারিত ঐতিহাসিক তারিখের আগের দিন হওয়ায় এই দিনে সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি।
C) ১৮ অক্টোবর — এটি নির্ধারিত ঐতিহাসিক তারিখের পরের দিন হওয়ায় এই দিনে সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি।
D) ১৯ অক্টোবর — এটি নির্ধারিত ঐতিহাসিক তারিখের দুই দিন পরের দিন হওয়ায় এই দিনে সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
জুলাই সনদের স্বাক্ষর গ্রহণের তারিখ মনে রাখতে ১৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ঘটেছিল।
সঠিক উত্তর: C) হেগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে জাতিসংঘের প্রধান বিচারসংস্থা এবং এর একমাত্র সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- ১৯৪৫ সালে এই আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৬ সাল থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সদর দপ্তর নয়।
B) জেনেভা — এটি জাতিসংঘের ইউরোপীয় হেডকোয়ার্টার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের নয়।
C) হেগ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মূল সদর দপ্তর পিস প্যালেসে অবস্থিত।
D) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিচার বা কোর্টের কাজ সাধারণত শান্তি বজায় রাখা, তাই শান্তি বা পিস প্যালেস নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) বালি
কেন সঠিক:
- কাঁচ তৈরির প্রধান এবং মূল কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বালি, যা গলিয়ে কাঁচ তৈরি করা হয়।
- মোট কাঁচামালের প্রায় সত্তর থেকে পঁচাত্তর শতাংশ বালি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডা — সোডা বা সোডিয়াম কার্বনেট বালি গলানোর তাপমাত্রা কমাতে ব্যবহৃত হয়, প্রধান কাঁচামাল নয়।
B) বালি — এটি সঠিক উত্তর।
C) পটাশ — পটাশ বিশেষ ধরনের কাঁচ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা প্রধান কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) পানি — কাঁচ তৈরিতে পানি ব্যবহৃত হয় না, বরং কাঁচ তৈরির প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ শুষ্ক তাপীয় প্রক্রিয়া।
মনে রাখার টিপস:
কাঁচ মানেই বালির খেলা, তাই বালি হলো কাঁচের প্রধান ভেলা।
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য
সঠিক উত্তর: A) ভিন্নমত
উত্তর যাচাই নোট: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (C) সঠিক নয়। ডেসেন্ট (Dissent) শব্দের অর্থ ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্ট বলতে কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে নিজের ভিন্ন মতামত আনুষ্ঠানিকভাবে লিপিবদ্ধ করাকে বোঝায়। এটি সভার কার্যপ্রণালীর অংশ হলেও এর মূল অর্থ ভিন্নমত।
কেন সঠিক:
- নোট অব ডিসেন্ট ইংরেজি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্ট।
- কোনো কমিটি বা সভার কোনো সিদ্ধান্তে দ্বিমত পোষণ করে সদস্যগণ লিখিতভাবে যে ভিন্নমত প্রকাশ করেন, তাকে নোট অব ডিসেন্ট বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিন্নমত — এটি সঠিক উত্তর কারণ নোট অব ডিসেন্ট বলতে কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে নিজের ভিন্ন মতামত বা নোট অব ডিসেন্ট প্রকাশ করা বোঝায়।
B) আনুষ্ঠানিক ঐক্যমত — এটি ভুল কারণ নোট অব ডিসেন্ট ঐক্যমত নির্দেশ করে না, বরং এটি ঐকমত্যের বিপরীত বা দ্বিমত পোষণ করার প্রক্রিয়া।
C) সভার কার্য — এটি প্রদত্ত ভুল উত্তর কারণ সভার কার্য বলতে পুরো সভার সামগ্রিক কার্যক্রমকে বোঝায়, কোনো একক সদস্যের ভিন্নমতকে নয়।
D) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত — এটি ভুল কারণ নোট অব ডিসেন্ট কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, বরং সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কোনো সদস্যের নোট অব ডিসেন্ট বা অসন্তোষের প্রকাশ।
মনে রাখার টিপস:
ডিসেন্ট (Dissent) শব্দটির অর্থ দ্বিমত বা অমিল হওয়া, তাই নোট অব ডিসেন্ট মানেই হলো কোনো বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করা।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৭ সাল
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৭৭ সালে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক হিসেবে স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন করা হয়।
- এই পদকটি প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৭৭ সালেই, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৬ সাল — এই সালে স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৭৭ সাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই পদকটি প্রবর্তন করা হয়।
C) ১৯৮০ সাল — এটি স্বাধীনতা পদক প্রবর্তনের সাল নয়।
D) ১৯৯৫ সাল — এটি অনেক পরের একটি সাল এবং এই সালে পদক প্রবর্তন করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আগের হিসাব মনে রাখলে সহজ হয়, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ছয় বছর পর ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ১ টাকা ও ২ টাকার নোট এবং সব ধরনের ধাতব মুদ্রা সরকারি মুদ্রা হিসেবে পরিগণিত হয় এবং এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- দেশের অন্যান্য কাগজি নোট অর্থাৎ ৫ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ টাকার সকল নোট ব্যাংক নোট এবং এগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টাকা — এটি সরকারি নোট হওয়ায় এতে অর্থসচিব স্বাক্ষর করেন।
B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত ব্যাংক নোট এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
C) ৫০ টাকা — এটিও ব্যাংক নোট যার দায়িত্বে থাকেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।
D) ১০০ টাকা — এটিও একটি ব্যাংক নোট এবং এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ছোট নোট অর্থাৎ ১ ও ২ টাকার নোটের মালিক সরকার, তাই সেখানে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে; আর বাকি সব বড় নোটের মালিক ব্যাংক, তাই সেখানে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯২
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয় ১৯৯০ সালে এবং তা ১ জানুয়ারি ১৯৯২ সাল থেকে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
- এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সব শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং ঝরে পড়ার হার কমানো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯১ — এই সালে বাংলাদেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়নি, এটি চালু হয় পরবর্তী বছর ১৯৯২ সালে।
B) ১৯৯২ — এটি সঠিক উত্তর, এই সালেই দেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।
C) ১৯৯৩ — এই সালটি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর প্রাথমিক বর্ষ নয়, কারণ কার্যক্রমটি আগের বছরই শুরু হয়েছিল।
D) ১৯৯৪ — এই সালে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়নি, কারণ এর ব্যাপ্তি পরবর্তীতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হয় ১৯৯৩ সালের মধ্যে।
মনে রাখার টিপস:
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর সালটি মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে: নব্বইয়ের দশকে আইন পাস হয়ে ঠিক দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৯২ সালে তা চালু হয়।
সঠিক উত্তর: D) গাজীপুর
কেন সঠিক:
- শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী দেশের প্রথম ও একমাত্র কিশোর আদালত গাজীটুরের টঙ্গীতে অবস্থিত।
- অপরাধে জড়ানো শিশুদের সংশোধনের উদ্দেশ্যে বিচারকার্য পরিচালনার জন্য এই বিশেষ আদালত স্থাপন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিরোজপুর — এটি দেশের একটি দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা যেখানে কোনো কিশোর আদালত অবস্থিত নয়।
B) লক্ষ্মীপুর — এটি একটি প্রশাসনিক জেলা হলেও এখানে কোনো কিশোর আদালত নেই।
C) দিনাজপুর — এটি উত্তরাঞ্চলের জেলা এবং এখানে কিশোর আদালত অবস্থিত নয়।
D) গাজীপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের একমাত্র কিশোর আদালত অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শিশুদের আদালত মানেই গাজীপুরের টঙ্গী এলাকাটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মহাসড়ক
কেন সঠিক:
- দ্য লুপ হলো একটি দীর্ঘ এবং উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা যা মূলত উচ্চগতির মহাসড়ক হিসেবে পরিচিত।
- এটি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃহত্তম জাহাজ — দ্য লুপ কোনো জলযান বা সামুদ্রিক জাহাজ নয়।
B) মহাসড়ক — এটি একটি আধুনিক পরিবহন নেটওয়ার্ক বা মহাসড়ককে নির্দেশ করে।
C) বোমারু বিমান — এটি কোনো সামরিক আকাশযান বা বিমান সংক্রান্ত কিছু নয়।
D) করিডোর — এটি নির্দিষ্ট কোনো ভূরাজনৈতিক বা যাতায়াত করিডোর বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
লুপ শব্দটি সাধারণত বৃত্তাকার বা সংযোগকারী সড়ক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, তাই এটি মহাসড়ক হিসেবে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ত্রয়োদশ
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ সরকার গঠনের সাংবিধানিক ভিত্তি নিশ্চিত করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বাদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হয়েছিল।
B) ত্রয়োদশ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর মাধ্যমেই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিল।
C) চতুর্দশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৪ সালে সংবিধানের বেশ কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয় কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত নয়।
D) পঞ্চদশ — ২০১১ সালে এই সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
তেরো সংখ্যাটি দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মনে রাখতে পারেন কারণ ত্রয়োদশ (১৩) সংশোধনীতে এটি পাস হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- গম্ভীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত ও নাট্যরীতি।
- এই লোকসঙ্গীতে সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, হাস্যরস ও নাট্যরূপের মাধ্যমে সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত নয়, এই অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ভান্ডारी গান ও মাইজভাণ্ডারি।
B) রাঙামাটি — এটি রাঙামাটির আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লোকসঙ্গীতের অন্তর্ভুক্ত নয়, এখানে চাকমা ও মারমা সম্প্রদায়ের গান প্রচলিত।
সি) সিলেট — এটি সিলেটের লোকসঙ্গীত নয়, সিলেটের প্রধান ও বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ধামালি ও হাসন রাজার গান।
D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গম্ভীরা গান মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি।
মনে রাখার টিপস:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ও গম্ভীরা গান দুটোই দেশজুড়ে বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: A) কারাকাস
কেন সঠিক:
- কারাকাস দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী এবং দেশটির বৃহত্তম শহর।
- এটি ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারাকাস — এটি ভেনেজুয়েলার রাজধানী এবং সঠিক উত্তর।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী, ভেনেজুয়েলার নয়।
C) মেক্সিকো সিটি — এটি মেক্সিকোর রাজধানী, ভেনেজুয়েলার রাজধানী নয়।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী, ভেনেজুয়েলার রাজধানী নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভেনেজুয়েলার রাজধানীর নাম মনে রাখতে 'ভেনেজুয়েলা' শব্দটির শেষের সাথে 'কারাকাস' নামটি যুক্ত করে বারবার পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: D) ফুজিয়ান
কেন সঠিক:
- ফুজিয়ান চীনের সবচেয়ে আধুনিক এবং তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী, যা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপল্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- এটি চীনের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী যা প্রথাগত স্কি-জাম পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাংহাই — সাংহাই চীনের একটি প্রধান শহর ও বন্দর, যা কোনো বিমানবাহী রণতরীর নাম নয়।
B) শানডং — শানডং চীনের দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী, তবে এটি ফুজিয়ানের মতো সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নয়।
C) লিয়াওনিং — লিয়াওনিং চীনের প্রথম বিমানবাহী রণতরী, যা ইউক্রেনের কাছ থেকে সংগ্রহ করে আধুনিকায়ন করা হয়েছিল।
D) ফুজিয়ান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি চীনের সর্বাধুনিক এবং তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী।
মনে রাখার টিপস:
চীনের আধুনিক রণতরীর নামের ক্ষেত্রে ফুজিয়ান হলো সর্বাধুনিক প্রযুক্তির প্রতীক।
সঠিক উত্তর: C) ১,১৭১ জন
কেন সঠিক:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী প্রতি বর্গকিলোমিটারে বসবাসরত জনসংখ্যার গড় মানই হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব।
- বাংলাদেশের সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭১ জন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১,১৫ জন — এটি বর্তমান বা সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষার সঠিক জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্দেশ করে না।
B) ১,১৫৬ জন — এটি অর্থনৈতিক সমীক্ষার নির্ধারিত মান নয় এবং পূর্ববর্তী কোনো কোনো বছরের কাছাকাছি হতে পারে।
C) ১,১৭১ জন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) ১,১৮৫ জন — এটি অতিরিক্ত প্রাক্কলন বা অন্য কোনো প্রতি বছরের উত্তরের সঙ্গে মিলে যেতে পারে, যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী জনসংখ্যার ঘনত্ব মনে রাখতে ১,১৭১ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করুন।
সঠিক উত্তর: B) ৬.৫ থেকে ৮.৫
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী নিরাপদ ও পানের উপযোগী পানির pH এর আদর্শ মাত্রা ৬.৫ থেকে ৮.৫ এর মধ্যে নির্ধারিত।
- এই মাত্রা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ এবং এতে পানি অতিরিক্ত অম্লীয় বা ক্ষারীয় হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২.৫ থেকে ৬.৫ — এই মাত্রা অত্যন্ত অম্লীয়, যা পান করার উপযোগী নয় এবং মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।
B) ৬.৫ থেকে ৮.৫ — এটি সর্বসাধারণের ব্যবহার ও পানের জন্য নির্ধারিত সঠিক এবং নিরাপদ pH মাত্রা।
C) ৫.৫ থেকে ৭.৫ — এই পরিসীমাটি কিছুটা অম্লীয় দিকে ঝুঁকে থাকে, যা আদর্শ খাবার পানির সম্পূর্ণ মানদণ্ড নয়।
D) ৬.০ থেকে ৮.০ — এই মাত্রাটি কাছাকাছি হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত বিশুদ্ধ পানির আদর্শ পরিসীমা এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপদ পানির pH মনে রাখতে সংখ্যা দুটি মনে রাখুন সাড়ে ছয় থেকে সাড়ে আট।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে
কেন সঠিক:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮০০ সালের ১০ই জুলাই, তবে এর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং বাংলা বিভাগ খোলা হয় ১৮০১ সালে।
- কেরাতুল্লাহ ও উইলিয়াম কেরীর প্রচেষ্টায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার জন্য এই বিভাগে সাহেব কর্মকর্তাদের বাংলা শেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০০ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা বিভাগ এই বছরে খোলা হয়নি।
B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কলেজে বাংলা বিভাগ চালু করা হয়।
C) ১৮০২ সালে — এটি বাংলা বিভাগ খোলার সাল নয়, এই সালটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ১৮০৪ সালে — এটিও সঠিক সাল নয়, কারণ বিভাগটি এর আগেই ১৮০১ সালে চালু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
প্রতিষ্ঠা সাল ১৮০০ মনে রাখলেও, এর পরের বছর অর্থাৎ ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ খোলা হয়েছিল এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) Grade
কেন সঠিক:
- বিটুমিনের পেনিট্রেশন টেস্টের মাধ্যমে এর কাঠিন্য বা নরম ভাব মাপা হয়, যা থেকে এর নির্দিষ্ট গ্রেড নির্ধারিত হয়।
- এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বিটুমিনকে বিভিন্ন গ্রেডে ভাগ করা হয় যা সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Grade — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই টেস্টের মাধ্যমেই বিটুমিনের গ্রেড নির্ধারণ করা হয়।
B) Viscosity — এটি বিটুমিনের সান্দ্রতা বা বহমানতা মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, পেনিট্রেশন টেস্টের জন্য নয়।
C) Ductility — এটি বিটুমিনের প্রসারণ ক্ষমতা বা টেনে লম্বা করার ধর্ম যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
D) Alkalinity — এটি কোনো পদার্থের ক্ষারীয় মাত্রা নির্দেশ করে, যা বিটুমিন পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
পেনিট্রেশন টেস্ট মানেই বিটুমিনের গ্রেড বা মান নির্ধারণ করা।
সঠিক উত্তর: C) কিউরেটর
কেন সঠিক:
- চিড়িয়াখানা বা জাদুঘরের প্রধান কর্মকর্তা বা তত্ত্বাবধায়ককে কিউরেটর বলা হয়।
- প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি চিড়িয়াখানার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেক্টর — এটি সাধারণত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কর্মকর্তার পদবি, চিড়িয়াখানার প্রধানের পদবি নয়।
B) এক্টর — এটি অভিনেতা বা অভিনয়শিল্পীকে বোঝায়, যা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) কিউরেটর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় চিড়িয়াখানা প্রধানের পদবি হিসেবে প্রযোজ্য।
D) মহাপরিচালক — এটি কোনো বড় অধিদপ্তর বা সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদবি, তবে চিড়িয়াখানার নির্দিষ্ট প্রধানকে সাধারণত কিউরেটর বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
চিড়িয়াখানার প্রাণীদের কেয়ার বা যত্ন যিনি করেন, সেই প্রধান কর্মকর্তা হলেন কিউরেটর।
সঠিক উত্তর: C) ৬৩.৫ কেজি
কেন সঠিক:
- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাটির ধারণক্ষমতা পরীক্ষার জন্য এসপিটি বা স্ট্যান্ডার্ড পেনেট্রেশন টেস্ট বহুল ব্যবহৃত একটি মাঠ পরীক্ষা।
- এই পরীক্ষায় ব্যবহৃত ড্রাইভ হ্যামারের স্ট্যান্ডার্ড ওজন ৬৩.৫ কেজি বা ১৪০ পাউন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬১.৫ কেজি — এটি স্ট্যান্ডার্ড পেনেট্রেশন টেস্টে ব্যবহৃত হ্যামারের নির্ধারিত ওজন নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) ৬২.৫ কেজি — এই ওজনের কোনো স্ট্যান্ডার্ড হ্যামার এসপিটি পরীক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত বা নির্ধারিত নয়।
C) ৬৩.৫ কেজি — এটি এসপিটি পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সঠিক হ্যামার ওজনের মান, যা আন্তর্জাতিকভাবে পরীক্ষিত ও স্বীকৃত।
D) ৬৫.৫ কেজি — এই ওজনটি অতিরিক্ত ভারী এবং এসপিটি টেস্টের স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
এসপিটি টেস্টের হ্যামারের ওজন মনে রাখতে ৬৩.৫ সংখ্যাটি মুখস্থ রাখুন, যা ১৪ পাউন্ডের সমান।
সঠিক উত্তর: C) Clay
কেন সঠিক:
- ক্লেই বা মৃত্তিকার কণা অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং এর আণবিক গঠন প্লেটের মতো হওয়ায় জল ধারণ ক্ষমতা ও সু নমনীয়তা সবচেয়ে বেশি থাকে।
- প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স বলতে মাটি যে সীমার মধ্যে নমনীয় আচরণ করে তার পরিসরকে বোঝায় এবং ক্লেই এর এই পরিসর সর্বোচ্চ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Gravel — এটি স্থূল দানাদার মাটি এবং এর কণাগুলোর আকার বড় হওয়ায় কোনো প্লাস্টিসিটি বা নমনীয়তা নেই।
B) Sand — বালুর কণাগুলোর আকার বড় এবং ঘর্ষণজনিত কারণে এর কোনো প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স থাকে না বললেই চলে।
C) Clay — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ক্লেই-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কারণ সূক্ষ্ম কণার কারণে এর প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স সর্বোচ্চ হয়।
D) Silt — সিল্ট কণার আকার বালু থেকে ছোট হলেও এর সু নমনীয়তা বা প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স ক্লেই-এর তুলনায় অনেক কম।
মনে রাখার টিপস:
মাটি যত বেশি সূক্ষ্ম ও মিহি হবে, তার প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স তত বেশি হবে।
সঠিক উত্তর: B) Void ratio
কেন সঠিক:
- মৃত্তিকা মেকানিক্সে মাটির ফাঁকা অংশের আয়তন এবং কঠিন বা সলিড অংশের আয়তনের অনুপাতকে ভয়েড রেশিও বলা হয়।
- এটি মাটির ছিদ্রতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ যা মাটির দৃঢ়তা ও সংকোচনশীলতা নির্ধারণে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Porosity — এটি মাটির মোট আয়তনের সঙ্গে ফাঁকা অংশের আয়তনের অনুপাত, সলিড অংশের নয়।
B) Void ratio — প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ফাঁকা অংশ ও সলিড অংশের অনুপাত।
C) Water-Cement ratio — এটি কংক্রিট তৈরির সময় ব্যবহৃত পানি এবং সিমেন্টের ওজনের অনুপাত।
D) Degree of saturation — এটি মাটির ফাঁকা অংশে থাকা পানির আয়তনের সঙ্গে মোট ফাঁকা অংশের আয়তনের অনুপাত।
মনে রাখার টিপস:
ভয়েড রেশিও মানে ফাঁকা অংশ উপরে আর সলিড অংশ নিচে।
সঠিক উত্তর: B) Point of Contraflexure
কেন সঠিক:
- বিমের যে বিন্দুতে বেন্ডিং মোমেন্টের মান শূন্য হয় কিংবা এর চিহ্ন পরিবর্তিত হয়ে ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বা বিপরীতমুখী হয়, তাকে পয়েন্ট অব কনট্রাফ্লেক্সচার বা বাঁক পরিবর্তনের বিন্দু বলে।
- ক্যান্টিলিভার বা নির্দিষ্ট প্রকৌশল কাঠামোর ক্ষেত্রে শিয়ার ফোর্স বা মোমেন্টের এই পরিবর্তন কাঠামোর স্থায়িত্ব এবং নকশা অনুধাবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Yield Point — এটি এমন একটি বিন্দু যেখানে উপাদান তার স্থিতিস্থাপকতা হারিয়ে স্থায়ীভাবে বিকৃত হতে শুরু করে।
B) Point of Contraflexure — এটি বেন্ডিং মোমেন্টের চিহ্ন পরিবর্তনের বিন্দু হওয়ায় প্রদত্ত প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তর।
C) Dangerous Point — এটি কোনো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক বা প্রকৌশলগত পরিভাষা নয়, বরং অনিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থান বোঝাতে সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
D) Maximum Shear Point — এটি এমন একটি বিন্দু যেখানে শিয়ার ফোর্সের মান সর্বোচ্চ হয়, কিন্তু চিহ্ন পরিবর্তন হয় না।
মনে রাখার টিপস:
বেন্ডিং মোমেন্টের চিহ্ন পরিবর্তন মানেই পয়েন্ট অব কনট্রাফ্লেক্সচার, যেখানে মোমেন্ট শূন্য অতিক্রম করে।
সঠিক উত্তর: C) 2400 Kg
কেন সঠিক:
- আরসিসি বা রেইনফোর্সড সিমেন্ট কনক্রিটের স্ট্যান্ডার্ড ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে চব্বিশ শ কিলোগ্রাম ধরা হয়।
- সাধারণ কংক্রিটের সঙ্গে রড বা ইস্পাত যুক্ত থাকায় এর ওজন প্লেইন সিমেন্ট কনক্রিটের চেয়ে বেশি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1920 Kg — এই ওজনটি সাধারণত হালকা কংক্রিট বা নির্দিষ্ট কিছু রাজমিস্ত্রির উপকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, স্ট্যান্ডার্ড আরসিসির জন্য নয়।
B) 2200 Kg — এই মানটি সাধারণ কংক্রিট বা কিছু নির্দিষ্ট কম ঘনত্বের মিশ্রণের কাছাকাছি, যা রডযুক্ত আরসিসির জন্য কম।
C) 2400 Kg — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রতি ঘনমিটার আরসিসির আদর্শ ও প্রমিত ওজন হিসেবে প্রকৌশল বিদ্যায় ব্যবহৃত হয়।
D) 2800 Kg — এই মানটি খুব ভারী বা বিশেষ ধরনের উচ্চ ঘনত্বের কংক্রিটের জন্য প্রযোজ্য, যা সাধারণ নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ কংক্রিট দুই হাজার দুই শ কিলোগ্রাম হলেও রড যুক্ত হওয়ার কারণে আরসিসি মানেই চব্বিশ শ কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার।
সঠিক উত্তর: D) All of the above
কেন সঠিক:
- রেললাইনে কাঠের স্লিপার মজবুতভাবে আটকে রাখতে ডগ স্পাইক, রাউন্ড স্পাইক এবং স্ক্রু স্পাইক সবই কার্যকর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- স্লিপারের ধরণ এবং লাইনের চাপের ওপর ভিত্তি করে প্রকৌশলীরা এই বিভিন্ন প্রকারের স্পাইক ব্যবহার করে থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Dog Spike — এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট ধরনের স্পাইক, তাই একা সঠিক উত্তর হতে পারে না কারণ অন্যগুলোও ব্যবহৃত হয়।
B) Round Spike — এটিও রেললাইন আটকানোর একটি স্বীকৃত মাধ্যম, যা শুধু ব্যবহার করলে বাকি সঠিক অপশনগুলো বাদ পড়ে যায়।
C) Screw Spike — এটি স্ক্রুর মতো পেঁচানো স্পাইক যা কাঠের স্লিপার আঁকড়ে ধরে রাখতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি একা একমাত্র স্পাইক নয়।
D) All of the above — যেহেতু উল্লিখিত তিনটি স্পাইকই রেলপথে কাঠের স্লিপার আটকাতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, তাই এটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
কাঠের স্লিপারে রেললাইন আটকে রাখতে ডগ, রাউন্ড এবং স্ক্রু এই তিন ধরনের স্পাইকই ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) ০ মি.
কেন সঠিক:
- Mean Sea Level বা গড় সমুদ্রপৃষ্ঠকে উচ্চতা মাপার সর্বজনীন ভিত্তি ধরা হয়।
- এই গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের সাপেক্ষে সকল উচ্চতা বা Reduced Level মাপা হয় বলে এর মান ০ মিটার ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০ মি. — এটি সঠিক কারণ গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বা Reduced Level পরিমাপের মূল ভিত্তি হলো শূন্য মিটার।
B) ১০০ মি. — এটি ভুল কারণ কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা পাহাড়ের উচ্চতা হতে পারে, সমুদ্রপৃষ্ঠের মূল উচ্চতা নয়।
C) ১৫০ মি. — এটি ভুল কারণ এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় মান নির্দেশ করে না, বরং কোনো ভূখণ্ডের উচ্চতা হতে পারে।
D) ২০০ মি. — এটি ভুল কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের ভিত্তি মান সব সময় শূন্য ধরা হয়, এর বেশি মান উচ্চতা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চতা মাপার শুরু সব সময় নিচ থেকে হয়, তাই সমুদ্রের পানি থেকে মাপার ক্ষেত্রে শুরু বা ভিত্তি হলো শূন্য বা ০ মিটার।
সঠিক উত্তর: C) T-Beam
কেন সঠিক:
- বিম ও স্ল্যাব একসাথে বা সমলয়ে ঢালাই করলে স্ল্যাবের কিছু অংশ বিমের উপরের অংশের সাথে যুক্ত হয়ে ইংরেজি টি অক্ষরের আকৃতি ধারণ করে।
- এই যৌথ কাঠামোগত রূপের কারণে স্ল্যাব বিমের ওপরের অংশের সংকোচন বল বহন করতে সাহায্য করে এবং বিমের শক্তি বৃদ্ধি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rectangular Beam — এটি কেবল আয়তাকার ক্রস-সেকশনের বিম নির্দেশ করে, যেখানে স্ল্যাব ও বিমের যৌথ কার্যকারিতা বিবেচনা করা হয় না।
B) Continuous Beam — এটি এমন একটি বিম যা দুটি বা ততোধিক Supports বা পিলারের ওপর একটানা বিস্তৃত থাকে।
C) T-Beam — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা বিম ও স্ল্যাব একসাথে ঢালাই করার ফলে গঠিত হয়।
D) Doubly Reinforced Beam — এটি এমন একটি বিম যার টেনশন ও কম্প্রেশন উভয় অঞ্চলেই রড বা রিইনফোর্সমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিম ও স্ল্যাব একসাথে ঢালাই করলে দেখতে ইংরেজি অক্ষর টি বা T-র মতো হয়, তাই একে T-Beam বলে।
সঠিক উত্তর: C) ২০%
কেন সঠিক:
প্রথম শ্রেণির ইটের গুণগত মান যাচাই করার জন্য এটি পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়।
নিজেদের ওজনের সর্বোচ্চ শতকরা কুড়ি ভাগ পানি শোষণ করলে তাকে প্রথম শ্রেণির ইট ধরা হয়।
এর বেশি পানি শোষণ করলে সেই ইট দুর্বল হিসেবে গণ্য করা হয়।
এটি ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ইটের স্থায়িত্ব নির্ধারণের একটি আদর্শ মাপকাঠি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০% — প্রথম শ্রেণির ইটের জন্য এই পরিমাণ পানি শোষণ ক্ষমতা অনেক কম ধরা হয়েছে।
B) ১৫% — এই পরিমাণ পানি শোষণের মানটি প্রথম শ্রেণির ইটের জন্য যথেষ্ট নয়।
C) ২০% — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রথম শ্রেণির ইটের নির্দিষ্ট মানদণ্ড এটি।
D) ২৫% — এই পরিমাণ পানি শোষণ করলে সেই ইট দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির বলে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম শ্রেণির ইট মানেই কুড়ি শতাংশ পানি শোষণ ক্ষমতা।
সঠিক উত্তর: A) 2%
কেন সঠিক:
- গ্রাফিডেন্ট বা ঢাল নির্ণয়ের সূত্র হলো উচ্চতার পার্থক্যকে অনুভূমিক দূরত্বের দ্বারা ভাগ করে একশ দ্বারা গুণ করা।
- এখানে উচ্চতার পার্থক্য এক মিটার এবং দূরত্ব পঞ্চাশ মিটার, তাই এককে পঞ্চাশ দিয়ে ভাগ করে একশ দ্বারা গুণ করলে দুই শতাংশ পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2% — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী নির্ণীত ঢালের সঠিক মান।
B) 5% — এটি ভুল হিসাবের ফল এবং প্রকৃত ঢালের মানের চেয়ে বেশি।
C) 10% — এটি ভুল হিসাবের ফল যা উচ্চতা ও দূরত্বের অনুপাতে মিলে না।
D) 50% — এটি ভুল হিসাব এবং উচ্চতা ও দূরত্বের পরিমাপের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
ঢাল বের করতে হলে উচ্চতার পার্থক্যকে দূরত্ব দিয়ে ভাগ করে শতকরায় প্রকাশ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) WL²/8
কেন সঠিক:
- সাধারণভাবে স্থাপিত বা সিম্পলি সাপোর্টেড বিমের উপর সমভাবে বিস্তৃত লোড বা ইউডিএল প্রয়োগ করলে সর্বাধিক বেন্ডিং মোমেন্ট বিমের ঠিক মাঝখানে উৎপন্ন হয়।
- বিমের এই সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্ট নির্ণয়ের স্ট্যান্ডার্ড বা আদর্শ সূত্রটি হলো এম সমান ডব্লিউ এল স্কয়ার ভাগ আট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) WL²/6 — এটি এই নির্দিষ্ট লোডিং অবস্থার জন্য সঠিক মান নয় এবং এটি মোমেন্টের কোনো আদর্শ সূত্র প্রকাশ করে না।
B) WL³/6 — এখানে ঘাত তিন রয়েছে, যা বেন্ডিং মোমেন্টের মাত্রা বা ইউনিটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) WL³/8 — এটি দৈর্ঘ্যর কিউবিক মান নির্দেশ করে, অথচ বেন্ডিং মোমেন্টের সূত্রে দৈর্ঘ্যের বর্গ বা স্কয়ার থাকে।
D) WL²/8 — এটি সাধারণভাবে স্থাপিত বিমে সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্টের সঠিক ও পরীক্ষিত গাণিতিক রূপ।
মনে রাখার টিপস:
সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে স্থাপিত বিমের নিচে আট সংখ্যাটি হরে বসে এবং দৈর্ঘ্যের উপর স্কয়ার থাকে, যা ডব্লিউ এল স্কয়ার ভাগ আট হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ঋণাত্মক ত্রুটি
কেন সঠিক:
- মাপকৃত দৈর্ঘ্য প্রকৃত দৈর্ঘ্য অপেক্ষা কম হলে যন্ত্রের পরিমাপে যে ঘাটতি বা কম পাঠ দেখা যায় তাকে ঋণাত্মক ত্রুটি বলা হয়।
- স্কেলের শূন্য দাগের অবস্থান বা যন্ত্রগত সমস্যার কারণে পরিমাপ প্রকৃত মানের চেয়ে কম আসলে এই ত্রুটির সৃষ্টি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধনাত্মক ত্রুটি — মাপকৃত দৈর্ঘ্য প্রকৃত দৈর্ঘ্য অপেক্ষা বেশি হলে তাকে ধনাত্মক ত্রুটি বলে।
B) ঋণাত্মক ত্রুটি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে পরিমাপ কম আসার বিষয়টি এখানে প্রযোজ্য।
C) ক্ষতিপূরক ত্রুটি — একাধিক পরিমাপের ক্ষেত্রে একটি ত্রুটি অপর ত্রুটি দ্বারা প্রশমিত হলে তাকে ক্ষতিপূরক ত্রুটি বলে।
D) অপূরক ত্রুটি — এটি পরিমাপের ত্রুটির ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো নির্দিষ্ট বা স্ট্যান্ডার্ড ত্রুটির নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিমাপ কম মানেই ঋণাত্মক বা বিয়োগাত্মক ত্রুটি।
সঠিক উত্তর: B) ৩০,০০০ kg/m²
কেন সঠিক:
- পাত্রের তলদেশে চাপের তীব্রতা নির্ণয়ের সূত্র হলো উচ্চতা গুণ পানির ঘনত্ব। এখানে উচ্চতা ৩ মিটার এবং পানির ঘনত্ব ১০০০ kg/m³।
- ৩ গুণ ১০০০ গুণ ১০ করলে বা সরাসরি উচ্চতার সাথে ঘনত্ব গুণ করে ৩০,০০০ kg/m² পাওয়া যায়, যেখানে পাত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ অপ্রাসঙ্গিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3000 kg/m² — এটি ভুল হিসাব কারণ উচ্চতার সাথে ঘনত্ব গুণের সঠিক ফলাফল এটি নয়।
B) 30,000 kg/m² — এটি সঠিক উত্তর যা উচ্চতা ও ঘনত্বের সঠিক গুণফলের মাধ্যমে পাওয়া গেছে।
C) 15,000 kg/m² — এটি ভুল হিসাব কারণ উচ্চতা ৫ মিটার ধরে বা ভুল মান বসিয়ে হিসাব করা হয়েছে।
D) 10,000 kg/m² — এটি ভুল হিসাব এবং এর সাথে পাত্রের মাপের কোনো সঠিক গাণিতিক মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
তরলের চাপের ক্ষেত্রে পাত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের কোনো ভূমিকা নেই, শুধু গভীরতা বা উচ্চতার সাথে ঘনত্বের গুণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৮ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি অনুযায়ী একটি বৃত্তাকার কলামে ন্যূনতম আটটি লম্বালম্বি রড বা রিইনফোর্সমেন্ট ব্যবহার করতে হয়।
- কাঠামোগত নিরাপত্তা ও পার্শ্বীয় চাপ সহ্য করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে বৃত্তাকার কলামের এই সর্বনিম্ন রডের সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ টি — এটি বর্গাকার বা আয়তাকার কলামের জন্য প্রযোজ্য হলেও বৃত্তাকার কলামের ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত।
B) ৬ টি — প্রদত্ত উত্তর ভুল কারণ বিএনবিসি কোড অনুযায়ী বৃত্তাকার কলামে কখনোই ছয়টি রড ব্যবহারের বিধান নেই।
C) ৮ টি — এটিই কোড অনুযায়ী সঠিক ও অনুমোদিত সর্বনিম্ন রডের সংখ্যা।
D) ১০ টি — এটি বৃত্তাকার কলামের ক্ষেত্রে ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে বেশি রডের প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা হয়, সর্বনিম্ন নয়।
মনে রাখার টিপস:
বৃত্তাকার কলাম মানেই গোল চাকা, আর এই গোল কলাম টিকিয়ে রাখতে ম্যাজিক সংখ্যা হিসেবে আটটি রড মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সড়কের পানি নিষ্কাশনের জন্য
কেন সঠিক:
- সড়কের উপরিভাগে বৃষ্টির পানি জমতে না দিয়ে তা দ্রুত পাশে নিষ্কাশনের জন্য রাস্তার মাঝখান থেকে দুই পাশ ঢালু করা হয়।
- প্রকৌশল বিদ্যায় সড়কের এই ঢালকে ক্যাম্বার বা ক্রস স্লোপ বলা হয়, যা সড়ককে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সড়কের শক্তি বাড়ানোর জন্য — সড়কের শক্তি বা বেজ নির্ভর করে সঠিক উপাদানের মান ও নির্মাণের ওপর, ক্যাম্বারের কাজ পানি নিষ্কাশন করা।
B) সড়কের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য — ক্যাম্বার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য নয়, বরং এটি একটি সম্পূর্ণ যান্ত্রিক ও প্রকৌশলগত প্রয়োজনীয়তা।
C) সড়কের এলাইনমেন্ট ঠিক রাখার জন্য — সড়কের দিক বা এলাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয় সার্ভে ও ডিজাইনের মাধ্যমে, ক্যাম্বারের এর সাথে সম্পর্ক নেই।
D) সড়কের পানি নিষ্কাশনের জন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্যাম্বারের মূল কাজ বৃষ্টির পানি সড়ক থেকে সরিয়ে ফেলা।
মনে রাখার টিপস:
ক্যাম্বার মানেই রাস্তার ঢাল, আর ঢাল মানেই বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন।
সঠিক উত্তর: A) ০.৬৬ ফুট
কেন সঠিক:
- গ্যান্টার শিকল বা সার্ভেয়ার্স চেইনের মোট দৈর্ঘ্য ৬৬ ফুট এবং এটি ১০০টি লিংকে বিভক্ত।
- মোট দৈর্ঘ্যকে লিংকের সংখ্যা অর্থাৎ ৬৬ কে ১০০ দিয়ে ভাগ করলে প্রতিটি লিংকের দৈর্ঘ্য শূন্য দশমিক ছয় ছয় ফুট পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০.৬৬ ফুট — এটি গ্যান্টার শিকলের একটি লিংকের সঠিক দৈর্ঘ্য এবং এটি সার্ভে বা জরীপ কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) ০.৬৬ মিটার — এটি একক হিসেবে ভুল কারণ গ্যান্টার শিকলের পরিমাপ ফুট এককে নির্ধারিত।
সি) ১০০ ফুট — এটি একটি ভুল মান কারণ ১০০ ফুট হলো পুরো গ্যান্টার শিকলের মোট দৈর্ঘ্য, একটি লিংকের নয়।
ডি) ১০০ মিটার — এটি সম্পূর্ণ ভুল পরিমাপ কারণ গ্যান্টার শিকলে মিটার একক ব্যবহার করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সম্পূর্ণ গ্যান্টার শিকল হলো ৬৬ ফুটের এবং এটি ১০০টি লিংকে ভাগ করা থাকে, তাই লিংকের দৈর্ঘ্য হবে ৬৬ কে ১০০ দ্বারা ভাগ করলে যা পাওয়া যায়।
বিষয়ের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (প্রকৌশল বিদ্যা)
প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত উত্তর (D) Maximum ভুল। বিমের Neutral Axis-এ Shear Stress-এর পরিমাণ সর্বোচ্চ (Maximum) নয়, বরং এটি শূন্য (Zero) হয় এবং বিমের নুইট্রাল অ্যাক্সিস থেকে দূরে (যেমন নিউট্রাল লেয়ার বা সাপোর্টের কাছাকাছি) এটি সর্বোচ্চ হয়। সঠিক উত্তর হবে A) Zero।
সঠিক উত্তর: A) Zero
কেন সঠিক:
- বিমের নুইট্রাল অ্যাক্সিসে বেন্ডিং স্ট্রেস শূন্য হলেও শিয়ার স্ট্রেসের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত।
- শিয়ার স্ট্রেসের বন্টন সূত্র অনুযায়ী নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস সর্বোচ্চ হয় না, বরং বাঁকানো বিমের নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস শূন্য হয়। (উল্লেখ্য, আয়তাকার বিমের ক্ষেত্রে শিয়ার স্ট্রেস নুইট্রাল অ্যাক্সিসে সর্বোচ্চ হয়, কিন্তু সাধারণ বিমের তত্ত্বে নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস শূন্য হিসেবে ধরা হয়)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Zero — নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস শূন্য হয় বলে এটি সঠিক উত্তর।
B) Minimum — শিয়ার স্ট্রেসের মান ন্যূনতম বা সর্বনিম্ন নয়, এটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে শূন্য হয়।
C) Average — শিয়ার স্ট্রেস নুইট্রাল অ্যাক্সিসে গড় মানে থাকে না, বরং এটি তারতম্য ঘটে।
D) Maximum — এটি ভুল উত্তর কারণ নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস সর্বোচ্চ নয়, বরং ন্যূনতম বা শূন্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
বেন্ডিং মোমেন্ট নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শূন্য হয় এবং শিয়ার স্ট্রেসের ক্ষেত্রেও নুইট্রাল অ্যাক্সিস সম্পর্কিত মান শূন্যের কাছাকাছি বা সর্বনিম্ন হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ৮%
কেন সঠিক:
- আমেরিকান কংক্রিট ইনস্টিটিউট বা ACI কোড অনুযায়ী কলামের লম্বালম্বি বা লংগিটুডিনাল রেইনফোর্সমেন্টের সর্বোচ্চ হার মোট ক্রস সেকশনাল ক্ষেত্রফলের আট শতাংশ নির্ধারিত।
- কলামের সংযোগস্থলে রডের জটলা এড়াতে এবং কংক্রিটের সঠিক ঢালাই নিশ্চিত করতে এই সর্বোচ্চ সীমা আরোপ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১% — এটি কলামে লংগিটুডিনাল রেইনফোর্সমেন্টের সর্বনিম্ন অনুমোদিত হার, সর্বোচ্চ হার নয়।
B) ৬% — এটি কলামে রডের একটি সাধারণ অনুপাত হলেও কোড অনুযায়ী সর্বোচ্চ অনুমোদিত সীমা নয়।
D) ২% — এটি সাধারণত কলামে ব্যবহৃত স্বাভাবিক ও অর্থনৈতিক রডের পরিমাণ, সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কলামে রডের মাত্রা মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, সর্বনিম্ন এক শতাংশ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আট শতাংশ পর্যন্ত রড ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Web
কেন সঠিক:
- T-Beam এর উপরের প্রশস্ত অংশকে Flange এবং নিচের লম্বালম্বি বা খাড়া অংশকে Web বলা হয়।
- এটি বিমের ওপরের অংশে থাকা বল বা চাপ সহ্য করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Flange — এটি T-Beam এর ওপরের প্রশস্ত অংশ, যা প্রধানত সংকোচন বল সহ্য করে।
B) Web — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিচের খাড়া অংশ।
C) Bottom slab — এটি T-Beam এর প্রচলিত কোনো নির্দিষ্ট অংশ নয়, বরং এটি স্ল্যাব ও বিমের সমন্বিত রূপের ক্ষেত্রে অন্য প্রসঙ্গ।
D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
T অক্ষের উপরের দাগটি Flange এবং নিচের লম্বালম্বি দাগটি Web হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Queen closer
কেন সঠিক:
- একটি পূর্ণ ইটকে লম্বালম্বিভাবে দৈর্ঘ্যের দিকে সমান দুই ভাগে কাটলে যে অর্ধেক প্রুফ বা অংশ পাওয়া যায় তাকে কুইন ক্লোজার বলে।
- ইটের দেয়ালে বন্ধনী তৈরির সময় কোণ বা জংশনের কাজ ঠিক রাখতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) King closer — এটি এমন একটি ইট যার এক প্রান্ত পূর্ণ প্রস্থের হলেও অন্য প্রান্ত তার অর্ধেকের সমান কাটা থাকে।
B) Mitred closer — এটি এমন একটি ইট যার কোণ একটি নির্দিষ্ট ডিগ্রি মাপে কোনাকুনিভাবে কাটা থাকে।
C) Bevelled closer — এটি এমন একটি ইট যার সম্পূর্ণ প্রস্থ বা দৈর্ঘ্য বরাবর একপাশ থেকে অন্যপাশ ঢালু করে কাটা হয়।
D) Queen closer — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি লম্বালম্বিভাবে কাটা অর্ধেক প্রুফ বিশিষ্ট ইট।
মনে রাখার টিপস:
রানী বা কুইন সবসময় একা বা অর্ধেক থাকে, তাই লম্বালম্বিভাবে কাটা অর্ধেক ইটই হলো কুইন ক্লোজার।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / পরিবেশ বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর: C) Biochemical oxygen demand
কেন সঠিক:
- জৈবিক উপায়ে পানির জৈব আবর্জনা পচাতে অণুজীবের যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে বিওডি বলা হয়।
- এটি মূলত পানিতে দূষণের মাত্রা এবং জলজ পরিবেশের মান নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bacteria of damage — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক বা পরিবেশগত পরিভাষা নয়, বরং একটি কাল্পনিক শব্দ।
B) Before oxidation damage — এই বাক্যটি পরিবেশ বিজ্ঞানের জারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পূর্ণ অবাস্তব ও অমিল।
C) Biochemical oxygen demand — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পানির জৈব অক্সিজেন চাহিদাকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
D) Best oxygen demand — এটি অক্সিজেনের চাহিদার কোনো আদর্শ বা মানসম্মত বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিওডি শব্দটির প্রথম অংশ বায়োকেমিক্যাল বা জৈব রাসায়নিক এবং শেষ অংশ অক্সিজেন ও ডিমান্ড নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) Silica
কেন সঠিক:
- সিমেন্টে থাকা সিলিকা (Silicon dioxide) মূলত এর দীর্ঘস্থায়ী শক্তি এবং কাঠামোগত স্থায়িত্ব প্রদান করে।
- সিলিকার পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে সিমেন্টের সেটিং সময় এবং প্রাথমিক ও চূড়ান্ত শক্তি বৃদ্ধি পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lime — লাইম বা চুন সিমেন্টের প্রধান উপাদান হলেও এটি মূলত উপাদানগুলোকে একসাথে ধরে রাখতে এবং প্রাথমিক সেটিংয়ে সাহায্য করে, সিলিকার মতো সর্বোচ্চ শক্তি দেয় না।
B) Silica — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) Alumina — এটি সিমেন্টকে দ্রুত সেট হতে সাহায্য করে, তবে এটি সিলিকার মতো দীর্ঘস্থায়ী বা বেশি শক্তি প্রদান করে না।
D) Iron-oxide — এটি সিমেন্টে নির্দিষ্ট রঙ আনতে এবং উপাদানগুলো গলতে সাহায্য করে, শক্তি প্রদানে এর ভূমিকা গৌণ।
মনে রাখার টিপস:
সিমেন্টের শক্তি মানেই সিলিকা, কারণ সিলিকন সবসময় শক্ত কাঠামো তৈরিতে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) Sheer strength
কেন সঠিক:
- এসপিটি বা স্ট্যান্ডার্ড পেনেট্রেশন টেস্ট মূলত মাটির শিয়ার স্ট্রেন্থ বা কৃন্তন শক্তি পরিমাপের জন্য মাঠে করা হয়।
- এই পরীক্ষার মাধ্যমে মাটির ধারণক্ষমতা নির্ধারণ করা সহজ হয় যা প্রকৌশল ও নির্মাণের কাজে অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Permeability — এটি মাটির ভেদ্যতা নির্দেশ করে, যার জন্য পারমেবিলিটি টেস্ট বা কনসোলিডেশন টেস্ট ব্যবহার করা হয়।
B) Sheer strength — এটি সঠিক কারণ এসপিটি মাটির এই কৃন্তন শক্তি ও ঘনত্ব সরাসরি মাঠে পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Tensile strength — মাটির টেনসাইল বা টান শক্তি সাধারণত কম হয় এবং এটি পরীক্ষার জন্য এসপিটি উপযোগী নয়।
D) Unit weight — এটি মাটির একক আয়তনের ওজন নির্দেশ করে, যা ল্যাবরেটরিতে স্যাম্পল সংগ্রহ করে নির্ণয় করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
মাটির গভীরতা ও শক্তি মাপতে এসপিটি ব্যবহার করা হয়, যার মূল কাজ হলো মাটির শিয়ার স্ট্রেন্থ বা ভারবহন ক্ষমতা বের করা।
সঠিক উত্তর: A) B/L = 0.45
কেন সঠিক:
- প্রকৌশল বিদ্যায় স্ল্যাবের ছোট বাহু এবং বড় বাহুর অনুপাত অর্থাৎ B/L এর মান ২.০ এর কম হলে তাকে ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব বলা হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ০.৪৫ মানটি ২.০ এর কম হওয়ায় এটি ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব হিসেবে গণ্য হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) B/L = 0.45 — এই অনুপাতের মান দুইয়ের কম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ওয়ান ওয়ে স্ল্যাবের শর্ত পূরণ করে।
B) B/L = 1.0 — এই অনুপাতের মান দুইয়ের কম হলেও দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান হওয়ায় এটি টু-ওয়ে স্ল্যাবের অন্তর্ভুক্ত।
C) B/L = 1.25 — এই অনুপাতের মান দুইয়ের কম হলেও এটি বর্গাকার বা নির্দিষ্ট আয়তাকার সীমার মধ্যে টু-ওয়ে স্ল্যাব নির্দেশ করে।
D) B/L = 1.10 — এই অনুপাতের মান দুইয়ের কম হলেও এটি মূলত টু-ওয়ে স্ল্যাবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
স্ল্যাবের ছোট ও বড় বাহুর অনুপাত দুইয়ের কম হলে ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) ২৫ kg
কেন সঠিক:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই প্রশ্নটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তথা প্রকৌশলবিদ্যা ও নির্মাণ সামগ্রী বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের ওজন ৫০ kg নির্ধারিত থাকায় এবং পানির অনুপাত ০.৫ গুণ হওয়ায় ৫০ কেজির সঙ্গে ০.৫ গুণ করে ২৫ কেজি পানি পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 20 kg — এই পরিমাণ পানি সিমেন্টের সঙ্গে মিশ্রিত করলে Water-cement ratio ০.৪ হয়, যা প্রদত্ত প্রশ্নের মানের সঙ্গে মেলে না।
B) 25 kg — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৫০ কেজি সিমেন্টের সঙ্গে ০.৫ অনুপাত গুণ করলে ঠিক ২৫ কেজি পানি পাওয়া যায়।
C) 30 kg — এই পরিমাণ পানি ব্যবহার করলে অনুপাত ০.৬ হবে, যা কংক্রিটের শক্তি কমিয়ে দেয় এবং সঠিক মানের চেয়ে বেশি।
D) 50 kg — এটি সম্পূর্ণ সিমেন্টের ওজনের সমান এবং এই পরিমাণ পানি দিলে অনুপাত ১.০ হবে, যা নির্মাণকাজে ব্যবহার অযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
সিমেন্টের ওজনের অর্ধেক হলো তার পানির পরিমাণ, অর্থাৎ ৫০ কেজির অর্ধেক ২৫ কেজি।
সঠিক উত্তর: D) All of them
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনের সবগুলোই কনক্রিট তৈরিতে ব্যবহৃত ইটের খোয়া বা পাথরের টুকরা অর্থাৎ এগ্রিগেট পরীক্ষার অন্তর্ভুক্ত।
- এগ্রিগেটের শক্তি, ঘর্ষণ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শক্তিমত্তা যাচাই করার জন্য এই তিনটি পরীক্ষাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ACV — এটি একমাত্র সঠিক নয় কারণ LAA এবং AIV ও এগ্রিগেটের টেস্টের অন্তর্ভুক্ত।
B) LAA — এটি একমাত্র সঠিক নয় কারণ ACV এবং AIV ও এগ্রিগেটের টেস্টের অন্তর্ভুক্ত।
C) AIV — এটি একমাত্র সঠিক নয় কারণ ACV এবং LAA ও এগ্রিগেটের টেস্টের অন্তর্ভুক্ত।
D) All of them — এটি সঠিক কারণ ACV, LAA এবং AIV তিনটিই এগ্রিগেটের মান যাচাইয়ের টেস্ট।
মনে রাখার টিপস:
এগ্রিগেট টেস্ট মনে রাখতে নামের আদ্যক্ষরগুলো মনে রাখুন: A, L এবং A অর্থাৎ All.
সঠিক উত্তর: B) Stainless steel
কেন সঠিক:
- এতে ক্রোমিয়াম থাকে যা বায়ুর অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ধাতুর উপরিভাগে সুরক্ষামূলক আস্তরণ তৈরি করে।
- ক্রোমিয়ামের এই অক্সাইড আস্তরণ লোহাকে মরিচা ধরা থেকে রক্ষা করে এবং ক্ষয়রোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mild steel — এতে কার্বনের পরিমাণ কম থাকায় এটি সহজেই বাতাসে আর্দ্রতার সংস্পর্শে এসে মরিচা ধরে ও ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
B) Stainless steel — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ক্ষয়রোধ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
C) Cast Iron — এতে কার্বনের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি ভঙ্গুর এবং খুব দ্রুত ক্ষয় বা মরিচা ধরে।
D) Aluminum — অ্যালুমিনিয়ামের ক্ষয়রোধ ক্ষমতা সাধারণ ইস্পাত থেকে বেশি হলেও স্টেইনলেস স্টিলের তুলনায় কম।
মনে রাখার টিপস:
স্টেইনলেস স্টিলে থাকা ক্রোমিয়াম মরিচাকে বাধা দেয়।
সঠিক উত্তর: D) ১২ টি
কেন সঠিক:
- প্রচলিত পরিমাপে এক বান্ডিল টিন বা সিআই শিট বলতে সাধারণত ১২ টি টিনকে বোঝানো হয়।
- টিনের লম্বার পরিমাপ যেমনই হোক না কেন, বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে এক বান্ডিলের সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ টি — এই সংখ্যাটি বাণিজ্যিকভাবে এক বান্ডিল টিনের পরিমাণের সঙ্গে মেলে না।
B) ৮ টি — এটি টিন গণনার আদর্শ বা প্রচলিত বান্ডিল সংখ্যা নয়।
C) ১০ টি — এটি অনেক দ্রব্যের ক্ষেত্রে ডজন বা অন্য একক হলেও টিনের বান্ডিলের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
D) ১২ টি — এটি বাণিজ্যিকভাবে এক বান্ডিল টিনের নির্ধারিত ও সঠিক সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
টিন কেনার সময় মনে রাখবে যে এক ডজনের মতো এক বান্ডিল টিনেও সর্বদা ১২ টি টিন থাকে।
সঠিক উত্তর: D) Earthen Road
কেন সঠিক:
- কাঁচা রাস্তায় বৃষ্টির পানি সহজে জমে কাদা হতে পারে, তাই পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য সর্বোচ্চ ক্যাম্বার বা ঢাল দেওয়া হয়।
- কাঁচা রাস্তার উপরিভাগ পাকা রাস্তার মতো জলরোধী না হওয়ায় বেশি ঢাল না দিলে পানি গড়িয়ে পড়ে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) WBM Road — ম্যাককাডম রাস্তা আধা-পাকা প্রকৃতির হওয়ায় এতে মাঝারি মানের ক্যাম্বার দেওয়া হয়, কাঁচা রাস্তার মতো সর্বোচ্চ নয়।
B) Bituminous Road — পিচঢালা রাস্তা জলরোধী ও মসৃণ হওয়ায় বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যায়, তাই এতে কম ক্যাম্বার প্রয়োজন হয়।
C) RCC Road — ঢালাই করা পাকা রাস্তা অত্যন্ত মসৃণ ও জলরোধী হওয়ায় এতে সবচেয়ে কম ক্যাম্বার বা ঢাল রাখা হয়।
D) Earthen Road — কাঁচা রাস্তা জলরোধী না হওয়ার কারণে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য এতে সর্বোচ্চ ক্যাম্বার দিতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
রাস্তা যত কম পাকা বা কাঁচা হবে, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য তার ক্যাম্বার বা ঢাল তত বেশি দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ৭৫০ টি
কেন সঠিক:
- প্রকৌশলী পরিমাপ অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড মাপের এক ঘনফুট খোয়া তৈরিতে প্রায় সাড়ে সাতটি ইট লাগে।
- এই হিসেবে একশ ঘনফুট খোয়া তৈরিতে সাতশ পঞ্চাশটি ইট প্রয়োজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭৫০ টি — এটি সঠিক এবং আদর্শ হিসাব অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য উত্তর।
B) ৮০০ টি — এটি অতিরিক্ত সংখ্যা যা সাধারণ হিসাবের চেয়ে বেশি এবং প্রয়োজনের তুলনায় বেশি।
C) ৭৫০ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রথম অপশনের সাথে মিলে গেছে।
D) ৭০৭ টি — এটি কম সংখ্যা যা দিয়ে একশ ঘনফুট খোয়া তৈরি করা সম্ভব নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রতি এক ঘনফুট খোয়ার জন্য সাড়ে সাতটি ইট ধরে হিসাব করলে একশ ঘনফুট খোয়ার জন্য সাতশ পঞ্চাশটি ইট মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) PL/4
কেন সঠিক:
- সাধারণভাবে স্থাপিত বা সিম্পলি সাপোর্টেড বিমের মধ্যবিন্দুতে কেন্দ্রীভূত লোড বা পয়েন্ট লোড প্রয়োগ করলে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্ট সূত্র অনুযায়ী বিমের দৈর্ঘ্য ও লোডের গুণফলের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ PL/4 হয়।
- এখানে P হলো প্রযুক্ত লোডের পরিমাণ এবং L হলো বিমের মোট দৈর্ঘ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) PL/2 — এটি সাধারণভাবে স্থাপিত বিমে মধ্যবিন্দুতে লোড দিলে সর্বোচ্চ শিয়ার ফোর্সের মান নির্দেশ করে, বেন্ডিং মোমেন্টের নয়।
B) PL/3 — এটি বিমের মেকানিক্সের কোনো নির্দিষ্ট বা আদর্শ লোডিং অবস্থার মোমেন্ট সূত্র নয়।
D) PL/8 — এটি ক্যান্টিলিভার বিমে সমভাবে বিস্তৃত লোড বা সিম্পলি সাপোর্টেড বিমে সমভাবে বিস্তৃত লোড প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্টের মান নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সিম্পলি সাপোর্টেড বিমের মধ্যবিন্দুতে কেন্দ্রীভূত লোডের ক্ষেত্রে নিচে চার সংখ্যাটি অর্থাৎ চার ভাগের এক ভাগ বা PL/4 মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) রাস্তা
কেন সঠিক:
- California Bearing Ratio বা CBR টেস্ট হলো একটি পেভমেন্ট ডিজাইন টেস্ট যা রাস্তার সাবগ্রেড মাটির শক্তি ও ভারবহন ক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই পরীক্ষার মাধ্যমে রাস্তার ভিত্তি মজবুত করার জন্য মাটির গুণগত মান এবং কতটুকু পুরু স্তরের প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভবন — ভবনের ক্ষেত্রে মাটির ভারবহন ক্ষমতা পরীক্ষার জন্য এসপিটি বা প্লেট লোড টেস্ট ব্যবহার করা হয়, সিবিআর টেস্ট নয়।
B) রাস্তা — এটি রাস্তা বা হাইওয়ে নির্মাণের ক্ষেত্রে মাটির শক্তি যাচাইয়ের জন্য সঠিক উত্তর।
C) সেতু — সেতুর ভারী কাঠামোর নিচে মাটির গভীর ভিত্তি পরীক্ষা করার জন্য পাইল লোড টেস্ট বা বোরহোল টেস্ট করা হয়।
D) রেল লাইন — রেল লাইনের ব্যালাস্ট বা সাবগ্রাউন্ডের কিছু কাজ এর আওতায় পড়লেও প্রধানত এটি হাইওয়ে ও রোড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বহুল ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি মনে রাখুন সিবিআর মানেই রোড বা রাস্তা নির্মাণের আগের মাটির পরীক্ষা।
সঠিক উত্তর: B) 4.75 mm
কেন সঠিক:
- কন্সট্রাকশনে ব্যবহারের জন্য যে বালু বা মিহি দানা ব্যবহৃত হয়, তার সর্বোচ্চ মাপ ৪.৭৫ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই মাপের চেয়ে ছোট কণাগুলোকে ফাইন এগ্রিগেট বা মিহি দানা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3.75 mm — এই মাপটি ফাইন এগ্রিগেটের আদর্শ বা সর্বোচ্চ সীমানা নির্দেশ করে না, তাই এটি সঠিক নয়।
B) 4.75 mm — এটিই ফাইন এগ্রিগেটের সঠিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সর্বোচ্চ আকার।
C) 5 mm — এটি ফাইন এগ্রিগেটের সঠিক মান নয়, কারণ ৪.৭৫ মিলিমিটারের পর সরাসরি কোর্স এগ্রিগেট ধরা হয়।
D) 10 mm — এই মাপটি মিহি দানার জন্য অনেক বড় এবং এটি সাধারণত কোর্স এগ্রিগেট বা খোয়ার ছোট আকারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ফাইন এগ্রিগেটের সর্বোচ্চ সীমা মনে রাখতে ৪.৭৫ সংখ্যাটি মুখস্থ রাখুন, কারণ এর বেশি হলেই তা মোটা দানার কংক্রিটে রূপ নেয়।
সঠিক উত্তর: C) সর্বোচ্চ
কেন সঠিক:
- বিমের শিয়ার ফোর্স হলো বেন্ডিং মোমেন্টের পরিবর্তনের হার, তাই শিয়ার ফোর্স শূন্য হলে বেন্ডিং মোমেন্ট সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন হয়।
- প্রকৌশলবিদ্যার নীতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট লোড কাঠামোর ক্ষেত্রে এই বিন্দুতে বেন্ডিং মোমেন্ট তার চরম মানে পৌঁছায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্য — শিয়ার ফোর্স শূন্য হলেও বেন্ডিং মোমেন্ট সব সময় শূন্য হয় না, এটি সাধারণত সাপোর্টে বা মুক্ত প্রান্তে শূন্য হয়।
B) সর্বনিম্ন — বিমের মাঝের অংশে বেন্ডিং মোমেন্ট সাধারণত সর্বনিম্ন না হয়ে সর্বোচ্চ হয়।
D) কোনটিই নহে — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিয়ার ফোর্স শূন্য হওয়ার স্থানেই বেন্ডিং মোমেন্ট সর্বোচ্চ বা চরম মান লাভ করে।
সঠিক উত্তর: A) Sand
কেন সঠিক:
- বালুর কণাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক কোনো আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বা কোহেশন থাকে না।
- গ্র্যানুলার প্রকৃতির হওয়ার কারণে বালু ঘর্ষণের মাধ্যমে শুধু অভ্যন্তরীণ ঘর্ষণ বল বজায় রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sand — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ এর মধ্যে কোনো কোহেশন বা সংশ্লেষ বল থাকে না।
B) Silt — এটি কোহেশনহীন মাটির অন্তর্ভুক্ত হলেও এর কণাগুলো বালি থেকে অনেক সূক্ষ্ম এবং আংশিক প্লাস্টিসিটি দেখাতে পারে।
C) Clay — এটি সম্পূর্ণভাবে কোহেসিভ বা সসংhesive মাটি কারণ এর কণাগুলোর মধ্যে শক্তিশালী আণবিক আকর্ষণ বল বিদ্যমান।
D) Clay and Silt — এর মধ্যে কাদা বা ক্লে থাকার কারণে এটি কোহেসিভ প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
মনে রাখার টিপস:
যেই মাটিতে কণার আকর্ষণ নেই সেটাই কোহেশনলেস সোয়েল, যেমন বালু।
সঠিক উত্তর: A) bh³/12
কেন সঠিক:
- ত্রিভুজের ভূমি বরাবর (centroid বা কেন্দ্রবিকাশ অক্ষের সাপেক্ষে) মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই আদর্শ সূত্রটি ব্যবহৃত হয়।
- এখানে b হলো ত্রিভুজের ভূমি এবং h হলো উচ্চতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bh³/12 — এটি ত্রিভুজের কেন্দ্রগামী (centroidal axis) সমান্তরাল অক্ষের সাপেক্ষে মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া, যা এই প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তর।
B) bh³/3 — এটি ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু (apex) বা ভূমি থেকে অপর প্রান্তের সাপেক্ষে মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া।
C) bh³/8 — এটি এই বিশেষ জ্যামিতিক আকারের মোমেন্ট অব ইনার্শিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) bh³/36 — এটি ত্রিভুজের বেলায় কেন্দ্রগামী অক্ষের সাপেক্ষে মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া হলেও ভূমি বরাবর অক্ষের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়, এটি অন্য কোনো জ্যামিতিক বিন্যাসের মান।
মনে রাখার টিপস:
ত্রিভুজের ভূমি বরাবর মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া মানেই নিচে ১২ অর্থাৎ ১২ দিয়ে ভাগ হবে, যেমন bh ঘনক ভাগ ১২।
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- দার্শনিক শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে অন্য একটি অর্থ প্রকাশ করে।
- দর্শন অর্থ দেখা বা দর্শনশাস্ত্র, কিন্তু দার্শনিক বলতে যিনি দর্শনশাস্ত্র আলোচনা করেন বা বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
- দর্শন + ইক = দার্শনিক, এখানে পদের অর্থের বাইরে নতুন একটি ভাব বা সত্তা প্রকাশিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনা পানি যার = বীনাপাণি
ব্যাখ্যা: এখানে বিনা ও পাণি শব্দের বাইরে দেবী সরস্বতীকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: শূল হস্ত যার = শূলপাণি
ব্যাখ্যা: এখানে শূল ও হস্ত পদের অর্থ না বুঝিয়ে মহাদেব শিবকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের ক্ষেত্রে মেলে না।
C) বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন এবং শর্ত পূরণ করে।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, যা এখানে হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাসবদ্ধ শব্দে যদি কোনো ব্যক্তি, দেবতা বা বিশেষ কোনো সত্তাকে বোঝায়, তবে তা সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়।
- শব্দের উৎপত্তি বা গঠন বিবেচনা না করে অর্থের পরিণতি লক্ষ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রত্যয় সাধিত অনেক শব্দ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ প্রায়ই বহুনির্বাচনী প্রশ্নে আসে।
সঠিক উত্তর: A) বর্ণ
১. কেন সঠিক:
- ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীককে বর্ণ বলা হয়, যা মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত আওয়াজকে চোখে দেখার রূপ দেয়।
- মানবমুখের উচ্চারিত মৌলিক ধ্বনিগুলোর নির্দিষ্ট কিছু লিখিত রূপ বা সাংকেতিক চিহ্নই হলো বর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি তত্ত্বে আলোচিত হয় যে, ভাষা প্রকাশের মূল মাধ্যম হলো ধ্বনি এবং তার দৃশ্যমান রূপ হলো বর্ণমালা।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরবর্ণ যা একটি নির্দিষ্ট স্বরধ্বনি প্রকাশের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনবর্ণ যা একটি নির্দিষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি প্রকাশের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধ্বনির লিখিত প্রতীক হলো বর্ণ।
B) শব্দ — এক বা একাধিক ধ্বনি পাশাপাশি বসে যখন একটি অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে।
C) ভাষা — মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা, যা ধ্বনি বা রূপের সমষ্টি।
D) বাক্য — কতগুলো শব্দ পাশাপাশি বসে যখন মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধ্বনি হলো যা কানে শোনা যায় এবং বর্ণ হলো যা চোখে দেখা যায়।
- ধ্বনির প্রতীক মানেই বর্ণের দিক নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ধ্বনির সংখ্যা এবং বর্ণের সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ধ্বনির লিখিত রূপই বর্ণ।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা পঞ্চাশটি এবং ধ্বনির সংখ্যা উনচল্লিশটি।
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা সমপ্রধান খণ্ডবাক্য সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এখানে প্রদত্ত বাক্যে 'বৃক্ষে শুনে উত্তর দাও' এবং 'নতুবা ভুল হবে' এই দুটি স্বাধীন বাক্য 'নতুবা' বিয়োজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠন অনুসারে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
যৌগিক বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য স্বাধীনভাবে অবস্থান করে এবং এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, নতুবা, নচেৎ ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে অনেক পড়াশোনা করেছে, কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করেছে' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি' অংশ দুটি 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখিগুলো কিচিরমিচির করতে লাগল।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য 'সকাল হলো' এবং 'পাখিগুলো কিচিরমিচির করতে লাগল' অংশ দুটি 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে কিন্তু এখানে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে।
B) যৌগিক — এটি সঠিক কারণ এতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য বিয়োজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
C) জটিল — যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে কিন্তু এখানে কোনো অধীন খণ্ডবাক্য নেই।
D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো মাঝখানে এবং, কিন্তু, অথবা, নতুবা, নচেৎ এই ধরনের অব্যয় থাকা যা দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করে।
উভয় পক্ষই স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করলে চোখ বন্ধ করে তা যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
বাক্যের গঠন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে খণ্ডবাক্যের মধ্যকার অব্যয় ব্যবহারের ধরন লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নির্বোধকে জ্ঞান দান
১. কেন সঠিক:
- এই প্রবচনটির মূল অর্থ হলো এমন কোনো ব্যক্তিকে উপদেশ বা জ্ঞান দেওয়া, যার তা গ্রহণ করার বা বোঝার ক্ষমতা নেই।
- এখানে দর্পণ বা আয়না হলো জ্ঞানের প্রতীক এবং অন্ধ হলো এমন ব্যক্তি যার বিচারবুদ্ধি ও বোধশক্তি আচ্ছন্ন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে প্রবাদ ও প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফল যা রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের বাক্যাংশ আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও গভীর ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মূর্খকে সদুপদেশ দেওয়া আর অন্ধকে দর্পণ দেখানো একই কথা।
ব্যাখ্যা: অযোগ্য বা নির্বোধ ব্যক্তির কাছে ভালো কথার কোনো মূল্য নেই তা বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: যে মানুষ জ্ঞান নিতে নারাজ তাকে বোঝানো মানে অন্ধকে দর্পণ দেখানো।
ব্যাখ্যা: নির্বোধের সামনে জ্ঞানের কথা বলা যে বৃথা, তা এই উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্ধকে আলো দেখানো — এটি আক্ষরিক অর্থে সঠিক মনে হলেও প্রবচনের প্রচলিত রূপ ও ভাবার্থ অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) অকারণ অনাসৃষ্টি — এই অর্থটি প্রবচনটির রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমিল এবং এটি অন্য কোনো পরিস্থিতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) অতি অহংকার — এই অর্থটি দর্পণ বা অন্ধ শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয় এবং এটি অন্য কোনো প্রবাদের অর্থ।
D) নির্বোধকে জ্ঞান দান — এটিই প্রশ্নটির সঠিক ভাবার্থ এবং প্রবচনটির প্রমিত ও সর্বজনস্বীকৃত অর্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দর্পণ শব্দের অর্থ আয়না এবং অন্ধ বলতে এখানে যার বুদ্ধি বা জ্ঞান নেই তাকে বোঝানো হয়েছে।
- আয়না যেমন অন্ধ মানুষের কোনো উপকারে আসে না, তেমনই জ্ঞান নির্বোধের কোনো উপকারে আসে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের রূপকধর্মী প্রবাদ প্রায়ই আসে।
- প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
উল্লিখিত চরণ দুটি বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি। নৈতিকতা ও সুঅভ্যাস গঠনের উদ্দেশ্যে রচিত এই পঙ্ক্তিগুলো আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। শিশুদের জন্য লেখা তার শিশুপাঠ গ্রন্থটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শিক্ষণীয় একটি প্রকাশনা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব গান গায় রাতি পোহাইল।
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা শিশুপাঠ গ্রন্থের বিখ্যাত একটি পঙ্ক্তি যা শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা দেয়।
উদাহরণ ২: আলস্য ত্যাগ করে সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা উচিত।
ব্যাখ্যা: এই ধরনের প্রাত্যহিক ভালো অভ্যাসগুলো আমাদের জীবনকে সুন্দর ও শৃঙ্খলিত করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শিশুপাঠ গ্রন্থে এই চরণগুলো রচনা করেছেন।
B) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি মূলত নাটক রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন।
C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত রোমান্টিক ধারার কবি কিন্তু এই পঙ্ক্তি তার নয়।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি শতক বা শ্লোক রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই শিশুতোষ চরণের রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালো হওয়ার শপথ নেওয়ার এই বিখ্যাত চরণটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুপাঠ বই থেকে নেওয়া হয়েছে। ছোটদের পাঠ্যবইয়ের এই বিখ্যাত লাইনটি মনে রাখলে পরীক্ষাও সহজেই উত্তর করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাথমিক পাঠ্যবই বা জনপ্রিয় কবিতার লাইন কার লেখা তা জানতে চাওয়া হয়। তাই মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুপাঠ গ্রন্থের বিখ্যাত পঙ্ক্তিগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মুহূর্তের কবিতা
কেন সঠিক:
- মুহূর্তের কবিতা প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমেদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির কাব্যশিল্পের অনন্য বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা প্রকাশ পেয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে ফররুখ আহমদ মুসলিম রেনেসাঁর কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- তাঁর কবিতায় ইসলামী ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং আধুনিক চেতনার এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
- সাত সাদের মাঝি, মুহূর্তের কবিতা এবং সিরাজাম মুনিরা তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) রাত্রিশেষ — এটি কবি আহসান হাবীবের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- B) কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই — এটি কবি ও ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র বা অন্য কোনো লেখকের নয়, বরং এটি কবি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বা অন্য কারও সাহিত্যকর্ম নয়, এটি মূলত কবি বীনাকৃষ্ণ বা অন্য কোনো আধুনিক কবির রচনা।
- C) বিমুখ প্রান্তর — এটি ফররুখ আহমেদের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি অন্য কোনো আধুনিক কবির সাহিত্যকর্ম।
- D) মুহূর্তের কবিতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, কারণ প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত অপশনে এটিই সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
- ফররুখ আহমেদের নাম দেখলে সাত সাদের মাঝি এবং মুহূর্তের কবিতা কাব্যগ্রন্থগুলোর কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) পরতন্ত্র
১. কেন সঠিক:
'স্বতন্ত্র' শব্দের অর্থ নিজের অধীন, স্বাবলম্বী বা মুক্ত। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো 'পরতন্ত্র', যার অর্থ অন্যের অধীন বা পরাধীন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও উৎসগত অর্থ অনুধাবন করা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার ও সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের অংশ। বাংলা ভাষায় বহু শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎসারিত হয়েছে এবং উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে কিংবা বিপরীতার্থক অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়।
'স্ব' এর অর্থ নিজের এবং 'তন্ত্র' এর অর্থ অধীনতা বা শাসন, যা মিলে গঠিত হয় নিজস্ব শাসন বা স্বাধীনতা। এর বিপরীতে 'পর' অর্থ অন্যের এবং 'তন্ত্র' অর্থ অধীনতা, যার মিলনে পরতন্ত্র শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বাধীন শব্দের বিপরীত শব্দ পরাধীন।
ব্যাখ্যা: স্বাধীন অর্থ যা নিজের অধীন এবং পরাধীন অর্থ অন্যের অধীন, যাতন্ত্রগত বিপরীত অর্থের নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: দেশি শব্দের বিপরীত শব্দ বিদেশি।
ব্যাখ্যা: দেশি নিজের দেশের অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং বিদেশি অন্য দেশের অর্থে বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্যতত্ত্ব — এই শব্দটির সঙ্গে স্বতন্ত্র শব্দের বিপরীতার্থক কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি একটি অর্থহীন বা অপ্রচলিত গঠন।
B) অপরতত্ত্ব — এই শব্দটিও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয় এবং এর কোনো উপযুক্ত অর্থ নেই।
C) পরতন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বতন্ত্র শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) অসমতন্ত্র — এই শব্দটি স্বতন্ত্র বা পরতন্ত্র শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য বা প্রচলিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্ব শব্দের অর্থ নিজের এবং পর শব্দের অর্থ অন্যের, তাই স্বতন্ত্র অর্থাৎ নিজের তন্ত্রের বিপরীতে পরতন্ত্র অর্থাৎ অন্যের তন্ত্র বা অধীন মনে রাখা সহজ।
বিপরীত শব্দ শেখার সময় মূল শব্দের উপসর্গ বা আগের অংশ পরিবর্তন করে বিপরীত শব্দ তৈরির সাধারণ নিয়মটি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্ব দিয়ে গঠিত শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে পর যুক্ত শব্দ উত্তর হিসেবে আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দের মূল অর্থ বা মূল উপাদানগুলোর বিপরীত রূপ খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্নের অন্তর্ভুক্ত যেখানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাংবাদিকতা জীবন ও পত্রিকার সম্পাদনা সম্পর্কিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
- বাংলা ১৯২০ সালের ১২ জুলাই প্রকাশিত ‘দৈনিক নবযুগ’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম এবং পরবর্তীতে এর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালির সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যিক যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
- তিনি ‘নবযুগ’ পত্রিকার পাশাপাশি ‘ধূমকেতু’ ও ‘লাঙল’ পত্রিকারও সফল সম্পাদক ছিলেন যা বাংলা সাংবাদিকতা ও স্বাধিকার আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান পরিচালক ছিলেন নজরুল নিজে।
উদাহরণ ২: ‘লাঙল’ পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যার প্রধান সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম এবং নামমাত্র সম্পাদক ছিলেন মণি সিংহ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক ছিলেন, যিনি ‘শিক্ষা ও সংস্কৃতি’ প্রবন্ধের জন্য পরিচিত এবং তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, যিনি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কিন্তু নবযুগ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘দৈনিক নবযুগ’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি মূলত ইসলামী ভাবধারার কাব্য রচনার জন্য পরিচিত এবং নবযুগ পত্রিকার সম্পাদক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকার নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নবযুগ, ধূমকেতু ও লাঙল নামের তিনটি প্রধান পত্রিকার সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত রাখা।
- পরীক্ষার প্রশ্নে নবযুগ বা ধূমকেতু পেলে চোখ বন্ধ করে কাজী নজরুল ইসলাম উত্তর নির্বাচন করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম খুব ঘন ঘন আসে।
- একই সঙ্গে নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা ও তাঁর সাংবাদিকতা জীবন সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ
১. কেন সঠিক:
- চাঁদ একটি তদ্ভব শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র থেকে প্রাকৃত হয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- তদ্ভব শব্দের অর্থ হলো তা থেকে উদ্ভূত, অর্থাৎ সংস্কৃত বা প্রাকৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত পরিবর্তন বা বিবর্তনের মাধ্যমে যে শব্দগুলো সরাসরি বাংলা ভাষায় রূপ নিয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃত ভাষার স্তর পেরিয়ে বিবর্তিত হয়েছে, যেখানে ধ্বনির পরিবর্তন বা রূপান্তরের একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম কাজ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাত
ব্যাখ্যা: ভাত শব্দটি সংস্কৃত ভক্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে।
উদাহরণ ২: হাত
ব্যাখ্যা: হাত শব্দটি সংস্কৃত হস্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদ - সঠিক উত্তর বিধায় এটি তদ্ভব শব্দ এবং এর উৎপত্তি সংস্কৃত চন্দ্র থেকে।
B) সূর্য - এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিত অবস্থায় এসেছে।
C) নক্ষত্র - এটি একটি তৎসম শব্দ যা প্রাচীন সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রূপ পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে।
D) গগণ - এটি মূলত তৎসম শব্দ গগন এর বানান বিকৃত রূপ বা তৎসম শব্দ, যা প্রাকৃত বা তদ্ভব শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো সাধারণত প্রাকৃত ভাষার রূপ বদল করে সহজ হয়ে বাংলায় এসেছে এবং এগুলোতে চন্দ্রবিন্দু থাকার প্রবণতা বেশি থাকে।
- তৎসম শব্দের অর্থ তার সমান এবং তদ্ভব শব্দের অর্থ তা থেকে জাত, এই মূল সূত্রটি মনে রাখলে উৎস নির্ণয় করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল সংস্কৃত রূপ ও পরিবর্তিত রূপের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- চন্দ্র, হস্ত, মৎস্য ইত্যাদি তৎসম শব্দের পরিবর্তিত রূপ যথাক্রমে চাঁদ, হাত, মাছ হলো তদ্ভব শব্দ।
সঠিক উত্তর: B) কাজী ইমদাদুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হক।
- এই উপন্যাসটি বিশ শতকের প্রথমার্ধে মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি, কুসংস্কার ও নৈতিক পতন তুলে ধরে রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী ইমদাদুল হক একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।
- 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২০ সালে, যা বাংলা সাহিত্য জগতে মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তত্ত্বের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'আশরাফী গৃহ' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী ইমদাদুল হকের একটি বিখ্যাত রচনা।
উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের 'বিষাদ সিন্ধু'।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি ঐতিহাসিক ও ক্লাসিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ নজীবর রহমান — ইনি 'আশায় নিরাশায়' ও 'রউফুননেসা' উপন্যাসের রচয়িতা, 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের নন।
B) কাজী ইমদাদুল হক — এটি সঠিক উত্তর।
C) শেখ ফজলুল করিম — ইনি মূলত 'মদিনা' পত্রিকার সম্পাদক এবং কবি ও কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত।
D) মমতুজ উদ্দিন আহমেদ — ইনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও নাট্য নির্দেশক, উপন্যাসিক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইমদাদুল হকের 'আব্দুল্লাহ' মনে রাখতে ই (ইমদাদুল) দিয়ে শুরু দুটি নাম একত্রে স্মরণ রাখতে পারো।
- মুসলিম সমাজের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে আবদুল্লাহ বেশ পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র আব্দুল্লাহর আত্মিক দ্বন্দ্ব ও নৈতিক অবক্ষয় পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: C) বেহুলা গীত অভিনয়
১. কেন সঠিক:
মীর মশাররফ হোসেনের রচিত একমাত্র নাটক বা গীতিনট্য হলো বেহুলা গীত অভিনয়। এটি তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের এক জননন্দিত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু এবং নাটক জমিদার দর্পণ বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণকুমারী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক।
B) নবীন তপস্বিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।
D) রত্নাবলী — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক সংস্কৃত থেকে অনূদিত একটি নাটক।
৫ মনে রাখার টিপস:
মীর মশাররফ হোসেনের নাটক মনে রাখতে বেহুলা গীত অভিনয় নামটি মাথায় রাখবে। তাঁর উপন্যাসের মতো নাটকটিও বেশ স্বতন্ত্র।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নামের সাথে নাটক বা উপন্যাসের মিলকরণ প্রায়ই আসে। মীর মশাররফ হোসেনের নাটক ও উপন্যাসের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিটপী
১. কেন সঠিক:
- বিটপী শব্দের অর্থ গাছ বা বৃক্ষ, যা উদ্ভিদের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও রূপ আলাদা হলেও অর্থের দিক থেকে মিল থাকে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎস থেকে আসা শব্দের সমার্থক শব্দ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরু
ব্যাখ্যা: এটি বৃক্ষ শব্দের আরেকটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ যা বাংলা কাব্যে ও গদ্যে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: পাদপ
ব্যাখ্যা: পাদপ শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা পা দিয়ে পান করে, অর্থাৎ গাছ বা বৃক্ষ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীরধি — নীরধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা জল বা নীর ধারণ করে। এটি বৃক্ষ শব্দের সমার্থক নয়।
B) বিটপী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গাছ বা বৃক্ষ।
C) কলাপী — কলাপী শব্দের অর্থ ময়ূর। এটি বৃক্ষ শব্দের সমার্থক নয়।
D) অবনি — অবনি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা। এটি বৃক্ষ শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বৃক্ষ শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো তরু, বিটপী, পাদপ এবং মহীরুহ শব্দগুলো একসঙ্গে মুখস্থ করা।
- সমুদ্র ও পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলোর সঙ্গে গাছের সমার্থক শব্দগুলো যেন গুলিয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদ বা প্রকৃতির উপাদান যেমন বৃক্ষ, নদী, পৃথিবী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দ বারবার আসে।
- প্রতিটি শব্দের উৎস ও আক্ষরিক অর্থ জানা থাকলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) বাণী
১. কেন সঠিক:
বাণী বানানটিতে মূরধন্য ণ (ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী) ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অপরিবর্তিত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণে মূরধন্য ণ বসে। ত বর্গীয় ধ্বনির (ত, থ, দ, ধ, ন) পূর্বে সবসময় দন্ত্য ন বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘণ্টা
ব্যাখ্যা: এটি ট বর্গীয় ধ্বনি ঠ-এর সাথে যুক্ত হওয়ায় এখানে মূরধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এটি থ বর্গীয় ধ্বনি থ-এর সাথে যুক্ত হওয়ায় এখানে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাণী — এটি একটি শুদ্ধ বানান এবং প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
B) শূন্য — শূন্য বানানটিতে মূরধন্য ণ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে, যা সঠিক বানানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) অরণ্য — অরণ্য বানানটিও মূরধন্য ণ যুক্ত একটি শুদ্ধ তৎসম শব্দ।
D) লবণ — লবণ শব্দে মূরধন্য ণ ব্যবহারের বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ণ-ত্ব বিধানের সহজ নিয়ম মনে রাখবে যে ট বর্গীয় অক্ষরের সাথে সর্বদা মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। তৎসম শব্দ চেনার মাধ্যমে এই বানানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে ণত্ব ও ষত্ব বিধানের নিয়মগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করলে যেকোনো বানান সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) বাঁধন-হারা
১. কেন সঠিক:
- বাঁধন-হারা উপন্যাসটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়, বরং এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে উপন্যাস ধারার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা অন্য একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাঁধন-হারা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি পত্রোপন্যাস যা ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও সামাজিক বাস্তবতার সার্থক রূপকার যিনি গোরা এবং চোখের বালি সহ মোট ১৩টি উপন্যাস লিখেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধাট্রাঞ্জল
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ জীবনের দারিদ্র্য ও মানুষের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে যৌথ পরিবারের ভাঙন এবং দাম্পত্য সম্পর্কের জটিলতা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোرا — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত সমাজ ও রাষ্ট্রচেতনামূলক উপন্যাস যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
B) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত রাজনীতি ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে লেখা একটি প্রশংসিত উপন্যাস।
C) বাঁধন-হারা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস নয়, এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি পত্রোপন্যাস।
D) চোখের বালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো গোরা, ঘরে-বাইরে ও চোখের বালি নামগুলো মাথায় রাখা এবং নজরুলের প্রথম উপন্যাস বাঁধন-হারাকে আলাদা করা।
- পত্রোপন্যাস হিসেবে বাঁধন-হারার নাম মনে রাখলে রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস থেকে এটিকে সহজেই আলাদা করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস সংখ্যা তিনটি এবং এর মধ্যে বাঁধন-হারা হলো প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের প্রথম উপন্যাস বা বিখ্যাত রচনাগুলোর নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) নিমরাজি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বিদেশি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ।
- 'নিম' একটি ফার্সি উপসর্গ, যার অর্থ অর্ধেক বা আংশিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গগুলোর মধ্যে ফার্সি, আরবি, ইংরেজি ও হিন্দি উপসর্গ অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমখেহারাম
ব্যাখ্যা: এখানে 'নিম' বিদেশি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে অকৃতজ্ঞ অর্থে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: নিমরাজি
ব্যাখ্যা: এখানে 'নিম' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে আংশিক রাজি বা পুরোপুরি রাজি নয় এমন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিখুঁত — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'নি' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়।
B) আনমনা — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'আন' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়।
C) অবহেলা — এটি সংস্কৃত উপসর্গ 'অব' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়।
D) নিমরাজি — এটি ফার্সি উপসর্গ 'নিম' যোগে গঠিত সঠিক শব্দ, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফার্সি উপসর্গের তালিকা মনে রাখার কৌশল হলো: কার, দর, কম, নিম, বর, বদ, বে, কম, খাস, লা।
- এই তালিকার 'নিম' উপসর্গটি দিয়েই 'নিমরাজি' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে বিদেশি উপসর্গগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
- শব্দের শুরুতে উপসর্গ যোগ হয়ে কীভাবে অর্থের পরিবর্তন ঘটে, তা খেয়াল রাখলে উত্তর করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ছোট গল্প ও উপন্যাস
কেন সঠিক:
১. কথাসাহিত্য বলতে মূলত মানব জীবনের কাল্পনিক গল্পভিত্তিক গদ্য সাহিত্যকর্মকে বোঝানো হয়।
২. বাংলা সাহিত্যে প্রধানত ছোটগল্প এবং উপন্যাস এই দুটি ধারাকেই কথাসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. কথা বা গদ্যের মাধ্যমে রচিত কল্পিত কাহিনী বা আখ্যানই হলো কথাসাহিত্যের মূল ভিত্তি।
২. এটি কবিতার পদ্যরীতির সম্পূর্ণ বিপরীত গদ্যশৈলীতে মানবজীবনকে ফুটিয়ে তোলে।
৩. যেমন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেবদাস একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের খনিকা একটি ছোটগল্পের সংকলন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কথা নিয়ে সাহিত্য — সাধারণ কথপোকথন বা মুখের কথা দিয়ে কোনো সাহিত্য হয় না, তাই এটি ভুল।
B) ছোট গল্প ও উপন্যাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বা ঠিক বলার কিছু নেই।
C) নাটক ও গল্প — নাটক দৃশ্যকাব্য হিসেবে মঞ্চে অভিনীত হয়, তাই এটি কেবল কথাসাহিত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
D) সাহিত্যেও কথা — এটি ব্যাকরণগত ও সাহিত্যিকভাবে কোনো অর্থবহ বা স্বীকৃত পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. কথা মানে গদ্য আর সাহিত্য মানে উপন্যাস বা গল্প।
২. ছোটগল্প ও উপন্যাস মনে রাখলেই কথাসাহিত্য চেনা সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) সুকান্ত ভট্টাচার্য
১. কেন সঠিক:
- এই কবিতাংশটি বাংলা সাহিত্যের প্রগতিবাদী ও কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত 'প্রত্যাশা' কবিতার অংশ।
- কবির বিপ্লবী চেতনা, অন্যায়ের কাছে মাথা না নোয়ানোর দৃঢ় সংকল্প এবং চরম দুর্দিনেও বেঁচে থাকার অদম্য লড়াই এই চরণে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মার্ক্সবাদী চেতনার অন্যতম প্রধান কবি যিনি ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র একিশ বছর বয়সে মারা যান।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ছাড়পত্র, পূর্বাভাস, ঘুম নেই, এবং দ্রবককে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চায়ের কাপে ঝড় তোলা
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির মাধ্যমে সামান্য বিষয় নিয়ে তীব্র ও অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের সৃষ্টি করা বোঝানো হয়।
উদাহরণ ২: চোখের বালি
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত এই উপন্যাসটির নামটির অর্থ হলো চোখের বিষ বা অত্যন্ত অপছন্দের কোনো ব্যক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটি তার কোনো কবিতার অংশ নয়।
B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর কবিতার সাথেই পঙক্তিটি মিলে যায়।
C) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত নাগরিক কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার নয়।
D) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী কবি হলেও এই বিপ্লবী পঙক্তিটি তার লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাথা না নোয়ানোর দীক্ষা বা বিদ্রোহের প্রতীক হিসেবে সুকান্ত ভট্টাচার্যের তরুণ ও দীপ্ত কণ্ঠস্বরকে মনে রাখতে পারো।
- ছোট বয়সেই সাহসী ও দ্রোহের কবিতা লেখার জন্য সুকান্ত ভট্টাচার্যকে কিশোর কবি হিসেবে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার পঙক্তি তুলে দিয়ে কবির নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সহজে মনে রাখতে কবিতাগুলোর মূল সুর এবং কবির পরিচিতি ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গোধূলি
১. কেন সঠিক:
দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলনকালকে এককথায় গোধূলি বলা হয়। গরুর পালের ধুলো ও সন্ধ্যার আলো মিলে এই বিশেষ সময়ের সৃষ্টি হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একাধিক পদের ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি - অদৃষ্টপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট দৃশ্য বা ঘটনার অনুপস্থিতি বোঝাতে বাক্য সংকোচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: নদী মাত্রিক দেশ যার - নদীমাতৃক।
ব্যাখ্যা: দেশের ভূপ্রকৃতি বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোধূলি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দিনের শেষ ও রাতের শুরুর সন্ধিক্ষণ বোঝায়।
B) সন্ধ্যাকাল — এটি কেবল সাধারণ সন্ধ্যা বা রাতের শুরুর সময়কে বোঝায়, আলোর মিলনকে বিশেষভাবে নির্দেশ করে না।
C) অপরাহ্ন — এটি দুপুর থেকে সূর্যান্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়কে বোঝায়, সন্ধ্যার আলোর মিলন নয়।
D) সায়াহ্ন — এটি কেবল দিন ও রাতের মধ্যবর্তী সন্ধ্যার সময়কালকে বোঝায়, আলোর মিলনের কাব্যিক রূপ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গরু বা গোরু যখন মাঠ থেকে ঘরে ফেরে তখন ধুলো ও আলোর যে রূপ দেখা যায়, তা থেকেই গোধূলি শব্দটি এসেছে। এভাবে দৃশ্যটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে। তাই গোধূলি ও সায়াহ্ন শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বায়ান্নর কবিতা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো বায়ান্নর কবিতা। এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক কবিতা।
- এই কবিতায় বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির শোক, প্রতিবাদ এবং বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'একুশে ফেব্রুয়ারি' কবিতাটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক আল মাহমুদ। এটি আধুনিক বাংলা কবিতায় ভাষা আন্দোলনের চেতনার এক অনন্য প্রকাশ।
- এই রচনাটি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও জাতীয় চেতনার উন্মেষের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মৃতিস্তম্ভ
ব্যাখ্যা: এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত কবিতা যা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত।
উদাহরণ ২: কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
ব্যাখ্যা: মাহবুব উল আলম চৌধুরী রচিত এই কবিতাটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দলিলপত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ 'একুশে ফেব্রুয়ারি' কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রশাসনিক দলিলপত্র নয়, এটি একটি সাহিত্যকর্ম।
B) রচনাবলী — এই অপশনটি ভুল কারণ রচনাবলী বলতে কোনো লেখকের সমগ্র বা সংকলিত রচনাকে বোঝায়, একক কোনো কবিতাকে নয়।
C) বায়ান্নর প্রবন্ধ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি গদ্য বা প্রবন্ধ ধারার কোনো রচনা নয়, এটি পদ্য বা কবিতা হিসেবে রচিত।
D) বায়ান্নর কবিতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত একটি কবিতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একুশে ফেব্রুয়ারি সম্পর্কিত কবিতা মনে রাখতে কবি আল মাহমুদের নাম এবং তাঁর ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে চর্চা করতে পারো।
- কবিতার বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করলে সহজেই বুঝতে পারবে এটি গদ্য নাকি পদ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম কবিতা কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম এবং কবিদের পরিচিতি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) একটি গোপনীয় কথা বলি
১. কেন সঠিক:
- 'গোপনীয়' হলো বিশেষণ পদ যা কথা বিশেষ্যকে সঠিকভাবে বিশেষিত করেছে।
- ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্যের পূর্বে সঠিক বিশেষণ ব্যবহার করে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে পদের সঠিক রূপ ও ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
- বিশেষ্য পদের আগে উপযুক্ত বিশেষণ পদ ব্যবহার না করলে বাক্য প্রয়োগগত দিক থেকে ভুল হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গুরুত্বপূর্ণ' বিশেষণটি 'বিষয়' বিশেষ্যকে সঠিকভাবে বিশেষিত করেছে।
উদাহরণ ২: আমাকে একটি গোপনীয় সংবাদ দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোপনীয়' বিশেষণটি 'সংবাদ' বিশেষ্যের সঠিক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি গোপনীয় কথা বলি — এই অপশনটি ব্যাকরণগত ও প্রমিত বাংলা ব্যবহারের দিক থেকে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
B) একটি গোপন কথা বলি — 'গোপন' মূলত বিশেষ্য বা অসিদ্ধ বিশেষণ, এখানে ভাবগতভাবে 'গোপনীয়' বিশেষণ ব্যবহার করা শ্রেয়।
C) একটি গোপনীয়তার কথা বলি — 'গোপনীয়তা' একটি ভাববাচক বিশেষ্য, তাই বিশেষ্যের আগে সরাসরি আরেকটি বিশেষ্য ব্যবহার করায় বাক্যটি ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে।
D) একটি গুপ্ত কথা বলি — 'গুপ্ত' শব্দটির অর্থ লুক্কায়িত, যা সাধারণত তথ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু কথার ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ হলো 'গোপনীয়'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কথার ক্ষেত্রে 'গোপন' না বলে 'গোপনীয়' বলাটাই ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে বেশি মানানসই।
- বাক্যশুদ্ধির সময় বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলবন্ধন ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ ও পদ সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ্য ও বিশেষণের সঠিক রূপ চেনার মাধ্যমে এ ধরনের প্রশ্নের খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ভুসুকুপা
১. কেন সঠিক:
- 'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী' একটি বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পঙক্তি যার অর্থ নিজের মাংস বা গুণের জন্যই হরিণ নিজের শত্রু হয়।
- চর্যাপদের ২৪ নম্বর পদের এই লাইনটির রচয়িতা চর্যাপদের অন্যতম পদকর্তা ভুসুকুপা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত।
- ভুসুকুপা চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক পদ রচয়িতা কবি যিনি নিজেকে বাঙালি বলে দাবি করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঙালি ভুসুকুপা বঙ্গাল দেশ হুয়া পৈইসইলা।
ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটিতে ভুসুকুপার বাঙালি পরিচয়ের স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: আজি ভুসুক বঙ্গালী ভইলী।
ব্যাখ্যা: এটিও ভুসুকুপার রচিত একটি পদ যেখানে বাংলার সংস্কৃতির ছাপ রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরহপা — ইনি চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা ও আদি কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পঙক্তির রচয়িতা নন।
B) কাণ্পা — চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করলেও এই পঙক্তিটি তার রচিত নয়।
D) কুকুরীপা — ইনি চর্যাপদের অন্যতম কবি হলেও এই পঙক্তির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হরিণ নিজের মাংসে শত্রু হয় আর ভুসুকুপা চর্যাপদে বাঙালি হিসেবে বিখ্যাত, তাই হরিণের বৈরী মানেই ভুসুকুপা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের পদকর্তা এবং বিখ্যাত পঙক্তিগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) have they been
কেন সঠিক:
বাক্যে How long থাকার কারণে এটি এমন একটি কাজ বোঝাচ্ছে যা অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে। তাই এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হবে এবং প্রশ্নবোধک বাক্যের নিয়মে সাহায্যকারী verb সাবজেক্টের আগে বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) they are — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় এবং How long এর সাথে চলমান সময় প্রকাশ না করায় এটি সঠিক নয়।
B) they have been — এটি Present Perfect Tense হলেও প্রশ্নবোধক বাক্যের নিয়মে verb সাবজেক্টের আগে না থাকায় এটি ভুল।
C) have they been — এটি সঠিক উত্তর।
D) are they — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় অতীতের সময় নির্দেশ করার নিয়ম এখানে মানছে না।
মনে রাখার টিপস:
How long যুক্ত বাক্যে সময় উল্লেখ থাকলে Present Perfect Tense হয় এবং প্রশ্ন করার সময় Verb আগে বসে।
সঠিক উত্তর: A) is
কেন সঠিক:
এখানে Subject হলো Colour যা একটি singular noun এবং এটি of her eyes prepositional phrase এর আগে বসেছে। তাই verb টি singular number হবে এবং সঠিক উত্তর is হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি singular subject এর সাথে বসে।
B) are — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি plural subject এর সাথে বসে কিন্তু এখানে subject singular.
C) were — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি past tense এর plural verb এবং sentence টি present tense এ আছে।
D) being — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি auxiliary verb ছাড়া একা finite verb হিসেবে বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Preposition এর আগের noun টি যদি singular হয়, তবে verb ও singular হবে।
সঠিক উত্তর: B) to play
কেন সঠিক:
অতීতের অভ্যাs বোঝাতে subject এর পরে used to বসে এবং তার পরে verb এর base form বা মূল রূপ ব্যবহৃত হয়।
এখানে subject হলো He এবং তার ঠিক পরেই used to বসেছে।
তাই নিয়ম অনুযায়ী এর পরে to play বসবে।
অন্য কোনো রূপ এখানে সঠিক নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) playing — used এর পরে সরাসরি gerund বসে না কারণ এখানে used to একটি modal semi auxiliary হিসেবে কাজ করছে।
B) to play — এটি সঠিক অপশন এবং এটি নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) play — used to এর পরে সরাসরি verb এর present form বসতে পারে না মাঝে to থাকা আবশ্যক।
D) be played — বাক্যটি passive voice নয় তাই এই গঠনটি এখানে পুরোপুরি অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
subject এর পরে used to থাকলে তার পরে সবসময় verb এর base form বসে।
সঠিক উত্তর: B) Liberty
কেন সঠিক:
Freedom শব্দের বাংলা অর্থ হলো স্বাধীনতা এবং Liberty শব্দের অর্থও ঠিক একই রকম স্বাধীনতা।
ইংরেজি ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ হিসেবে এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি বাক্যের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Slavery — এটি Freedom বা স্বাধীনতার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ দাসত্ব।
B) Liberty — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়।
C) Prison — এর অর্থ কারাগার যা স্বাধীনতার বিপরীত এবং বন্দিদশাকে বোঝায়।
D) Chain — এর অর্থ শিকল যা পরাধীনতা ও শৃঙ্খলার প্রতীক।
মনে রাখার টিপস:
Freedom এবং Liberty সমার্থক শব্দ, তাই পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে সমার্থক শব্দ খুঁজতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) will
কেন সঠিক:
বাক্যটি প্রথম প্রকারের কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
If clauses এ present indefinite tense থাকলে পরের অংশে future indefinite tense বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would — এটি পাস্ট কন্ডিশনাল বাক্যে ব্যবহার করা হয় তাই এখানে বসবে না।
B) will — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভবিষ্যৎ নির্দেশ করে।
C) should — এটি উচিত অর্থে বসে যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়।
D) might — এটি সম্ভাবনার মাত্রা অনেক কম বোঝালে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
If এর সাথে present tense থাকলে পরের clause এ সবসময় future tense হবে।
সঠিক উত্তর: B) Transparent
কেন সঠিক:
'Clear' শব্দটির অর্থ পরিষ্কার বা স্বচ্ছ। 'Transparent' শব্দের অর্থও যা পরিষ্কার এবং যার ভেতর দিয়ে দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Easy — এর অর্থ সহজ, যা 'clear' শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ নয়।
B) Transparent — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ স্বচ্ছ।
C) Tough — এর অর্থ কঠিন, যা 'clear' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Close — এর অর্থ বন্ধ করা বা কাছে, যার সাথে 'clear' শব্দের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Clear এবং Transparent উভয় শব্দই কোনো কিছু পরিষ্কার বা সহজে দৃশ্যমান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট দূরত্ব, পরিমাণ বা সময় দেখতে বহুবচন হলেও তা একটিমাত্র একক হিসেবে কাজ করে।
তাই এই ধরনের বিষয়ের পরে সর্বদা singular verb বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject-এর সাথে বসে না।
B) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক singular verb।
C) were — এটি past tense-এর plural verb হওয়ায় বর্তমান কালের নিয়মে বসে না।
D) been — এটি past participle রূপ হওয়ায় একা মূল verb হিসেবে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
দূরত্ব বা পরিমাণের ক্ষেত্রে সমষ্টি বোঝালেও verb সবসময় একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: C) poem
কেন সঠিক:
‘দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড’ হলো বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত আধুনিক কবি টি এস এলিয়টের লেখা একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী দীর্ঘ কবিতা।
এটি বিভিন্ন খণ্ডে বিভক্ত এবং আধুনিক যুগের হতাশা ও সংকট সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
এটি কোনো গদ্য কাহিনী বা নাটক নয়।
এটি একটি বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয় কারণ এতে কোনো কাল্পনিক গদ্য গল্প বা চরিত্রভিত্তিক কাহিনির বিস্তার নেই।
B) epic — এটি ধ্রুপদী অর্থে কোনো মহাকাব্য নয়, বরং আধুনিক যুগের খণ্ডিত ও জটিল অনুভূতির এক কাব্যিক প্রকাশ।
C) poem — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) drama — এটি কোনো নাটক নয় কারণ এতে মঞ্চে অভিনয়ের জন্য কোনো সংলাপ বা দৃশ্য বিন্যাস করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
টি এস এলিয়টের বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' সবসময় একটি দীর্ঘ কবিতা হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) hard
কেন সঠিক:
এখানে studying verb-টিকে modify করতে adverb দরকার। hard শব্দটি এখানে adverb হিসেবে কঠোর পরিশ্রম করা বোঝাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hard — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই কারণ এটি সঠিক adverb।
B) hardly — এর অর্থ কদাचित বা প্রায় না, যা পরীক্ষার জন্য পড়াশোনার অর্থের সাথে মেলে না।
C) tough — এটি একটি adjective, যা verb-কে modify করতে পারে না তাই এটি ভুল।
D) toughly — ইংরেজিতে toughly বলে কোনো মানসম্মত শব্দ বা adverb নেই তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
hard পরিশ্রম বোঝাতে adverb হিসেবে hard বসে এবং hardly মানে না সূচক অর্থ প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: A) lose
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে একটি মূল verb দরকার। to এর পর எப்போதும் verb এর base form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lose — এটি সঠিক কারণ এটি একটি verb এবং to এর পর বসেছে।
B) losing — এটি ভুল কারণ to এর পর verb এর ing যুক্ত রূপ বসে না।
C) loss — এটি ভুল কারণ এটি একটি noun এবং এখানে verb দরকার।
D) loose — এটি ভুল কারণ এটি একটি adjective যার অর্থ ঢিলেঢালা।
মনে রাখার টিপস:
to এর পরে সবসময় verb এর ১ নম্বর রূপ বা base form বসে।
সঠিক উত্তর: D) about
কেন সঠিক:
concerned শব্দের সাথে সাধারণ পরিস্থিতি বা বিষয়ে উৎকণ্ঠা বোঝাতে about preposition বসে।
এই বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু বা বিষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে।
তাই এখানে about ছাড়া অন্য কোনো preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা দেখে হঠাৎ প্রতিক্রিয়া বা ভয়ের ক্ষেত্রে at বসে।
B) in — কোনো কিছুর সাথে সরাসরি জড়িত থাকা বা সম্পৃক্ততা বোঝাতে in বসে।
C) across — কোনো কিছুর এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া বোঝাতে across বসে।
D) about — সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এই অপشنটি এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে উদ্বিগ্ন বা চিন্তিত হওয়া বোঝাতে always concerned about ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) One should keep one's promises.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে যার সাবজেক্ট নেই, তাই এর একটি অনির্দিষ্ট সাবজেক্ট হিসেবে One ব্যবহার করতে হয়।
- One সাবজেক্টের সাথে পসেসিভ প্রোনাউন হিসেবে his বা her ব্যবহার না করে ہمیشہ one's ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You should keep your promises. — এখানে সাবজেক্ট হিসেবে You ব্যবহার করা হয়েছে, যা অনির্দিষ্ট সাবজেক্ট হিসেবে সঠিক নয়।
B) One should keep his promises. — এখানে পসেসিভ হিসেবে his ব্যবহার করা হয়েছে, যা One সাবজেক্টের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) One should keep one's promises. — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে সঠিক সাবজেক্ট এবং উপযুক্ত পসেসিভ one's ব্যবহার করা হয়েছে।
D) One should keep the promises. — এখানে পসেসিভ প্রোনাউনের পরিবর্তে the ব্যবহার করায় মূল বাক্যের অর্থের মালিকানা প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে One থাকলে তার পসেসিভ প্রোনাউন সবসময় one's হয়।
সঠিক উত্তর: A) mine
কেন সঠিক:
তুলনার ক্ষেত্রে আমার জুতোর সাথে তোমার জুতোর তুলনা করা হচ্ছে।
তাই এখানে আমার জুতো বোঝাতে possessive pronoun হিসেবে mine ব্যবহার করা সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mine — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি possessive pronoun হিসেবে কাজ করে।
B) my — এটি possessive adjective তাই এর পরে noun থাকা বাধ্যতামূলক।
C) me — এটি objective pronoun যা এখানে তুলনার জন্য উপযুক্ত নয়।
D) I — এটি subjective pronoun যা এখানে বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
তুলনামূলক বাক্যে অধিকার বোঝাতে my এর পরিবর্তে mine ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) in
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে interest বা interested শব্দের পরে সবসময় নির্দিষ্ট preposition হিসেবে in বসে।
কোনো বিষয়ে আগ্রহ বা অনুরাগ প্রকাশ করতে এই নিয়মটি ব্যবহার করা হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে in ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রের সাথে বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
B) at — এটি কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই।
D) on — এটি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
interested শব্দের সাথে সবসময় in preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Dance
কেন সঠিক:
Dance শব্দটির অর্থ নাচ করা যা কোনো কাজ করা বোঝায়। বাক্যে এটি প্রধান বা মূল ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
এটি একটি কাজ সম্পন্ন হওয়ার ভাব প্রকাশ করে।
কাজের নাম বোঝালে এটি ভার্ব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Dance - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি মূল ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
B) Some - এটি কোনো কাজ বোঝায় না বরং এটি একটি প্রোনাউন বা ডিটারমিনার হিসেবে কাজ করে।
C) Roses - এটি কোনো কাজ নয় বরং একটি ফুল বা বিশেষ্য পদের বহুবচন রূপ।
D) Little - এটি দোষ বা গুণ প্রকাশ করে তাই এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় তাকেই মূলত ভার্ব বা ক্রিয়া বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Calm
কেন সঠিক:
‘Stormy’ শব্দটির অর্থ ঝড়ো বা উত্তাল, যা মূলত প্রকৃতি বা আবহাওয়ার অস্থির অবস্থাকে বোঝায়।
এর বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো শান্ত বা স্থির।
‘Calm’ শব্দটির অর্থ শান্ত, যা stormy শব্দের একদম উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
তাই সঠিক উত্তরটি হলো B) Calm।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cloudy — এই শব্দটির অর্থ মেঘলা, যা stormy শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীত নয়।
B) Calm — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ শান্ত এবং এটি stormy শব্দের বিপরীত।
C) Turbulent — এই শব্দটির অর্থ অশান্ত বা উত্তাল, যা মূলত stormy শব্দের সমার্থক।
D) Hazy — এই শব্দটির অর্থ কুয়াশাওয়ালা বা ধোঁয়াটে, যা আবহাওয়ার এক অন্য অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ঝড়ো আবহাওয়ার ঠিক উল্টো অবস্থা হলো শান্ত আবহাওয়া, তাই Stormy এর বিপরীত শব্দ হিসেবে Calm মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।
সঠিক উত্তর: B) Knowledge
কেন সঠিক:
Knowledge শব্দের শেষে dge যুক্ত থাকার কারণে এটি একটি সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ হিসেবে গঠিত হয়েছে।
এটি সাধারণত কোনো বিষয় সম্পর্কে অর্জিত জ্ঞান বা ধারণাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
know ভারบটির সঠিক এবং আদর্শ নাউন রূপ হলো এই knowledge শব্দটি।
এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসার পূর্ণ যোগ্যতা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Knowing — এটি know ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড গঠন করেছে, যা এর মূল নাউন রূপ নয়।
B) Knowledge — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) Knowledgeable — এই শব্দের শেষে able থাকার কারণে এটি একটি এডজেক্টিভ বা বিশেষণ পদে পরিণত হয়েছে।
D) Known — এটি know ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা বাক্যে সাধারণত এডজেক্টিভের কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে dge বা ledge থাকলে সাধারণত তা নাউন হয়, যেমন know থেকে knowledge।
সঠিক উত্তর: C) William Shakespeare
কেন সঠিক:
‘King Lear’ হলো বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র রচিত একটি অমর ট্র্যাজেডি নাটক। এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Oscar Wilde — ইনি একজন আইরিশ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, যিনি মূলত ‘The Importance of Being Earnest’ নাটকের জন্য বিখ্যাত।
B) Ben Jonson — ইনি শেক্সপিয়রের সমসাময়িক একজন বিখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার ও কবি ছিলেন, যিনি ‘Volpone’ নাটক রচনা করেছেন।
C) William Shakespeare — যেহেতু এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Dr. Samuel Johnson — ইনি অষ্টাদশ শতকের একজন বিখ্যাত ইংরেজ লেখক, সমালোচক এবং প্রথম ইংরেজি অভিধান প্রণেতা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
শেভ করার সময় যেমন লিয়ার বা ফেনা জমে, তেমনি মনে রেখো শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হলো কিং লিয়ার।
সঠিক উত্তর: B) they
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে তৃতীয় পুরুষ বা Third Person একবচন নিরপেক্ষ বস্তুবাচক সর্বনাম হলো 'it' এবং এর বহুবচন রূপ হলো 'they'।
- বাক্যে সাবজেক্ট বা কর্তা হিসেবে 'it' এর প্লুরাল ফর্ম বা বহুবচন ব্যবহারের ক্ষেত্রে 'they' বসাতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) its — এটি 'it' এর possessive বা অধিকারসূচক রূপ, কোনো বহুবচন রূপ নয়।
B) they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) those — এটি 'that' এর বহুবচন রূপ, যা নির্দেশক সর্বনাম হিসেবে কাজ করে।
D) there — এটি একটি স্থানবাচক বা সূচনাশ্রয়ী শব্দ (introductory adverb), 'it' এর বহুবচন নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি Pronoun বা সর্বনামের ক্ষেত্রে 'He', 'She' এবং 'It' তিনটিরই বহুবচন বা Plural ফর্ম হলো 'They'।
সঠিক উত্তর: B) nor
কেন সঠিক:
ইংরেজি ব্যাকরণে Neither এর সাথে সবসময় nor বসে এবং এটি একটি correlative conjunction হিসেবে কাজ করে।
বাক্যে দুজন ব্যক্তির মধ্যে কাউকেই উপস্থিত বোঝাতে Neither...nor কাঠামো ব্যবহার করা হয়।
Subject গুলoni singular হওয়ায় verb ও singular রূপ নেয়।
এখানে sentence এর অর্থ দাঁড়ায় জ্যাকব বা জনসন কেউই উপস্থিত ছিল না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) or — Neither এর জোড়া শব্দ or নয়, বরং or বসে Either এর সাথে। তাই এটি এখানে সঠিক নয়।
B) nor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
C) and — Neither এর সাথে and যুক্ত হয় না কারণ এটি দুজনকে একসাথে বোঝাতে পারে না।
D) but — Neither এর সাথে but বসে না কারণ এটি বিপরীতার্থক ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
সবসময় মনে রাখবে যে Neither থাকলে তার জোড়া হিসেবে nor বসাতে হবে এবং Either থাকলে or বসবে।
সঠিক উত্তর: C) ১,১৭১ জন
কেন সঠিক:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী প্রতি বর্গকিলোমিটারে বসবাসরত জনসংখ্যার গড় মানই হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব।
- বাংলাদেশের সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭১ জন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১,১৫ জন — এটি বর্তমান বা সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষার সঠিক জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্দেশ করে না।
B) ১,১৫৬ জন — এটি অর্থনৈতিক সমীক্ষার নির্ধারিত মান নয় এবং পূর্ববর্তী কোনো কোনো বছরের কাছাকাছি হতে পারে।
C) ১,১৭১ জন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) ১,১৮৫ জন — এটি অতিরিক্ত প্রাক্কলন বা অন্য কোনো প্রতি বছরের উত্তরের সঙ্গে মিলে যেতে পারে, যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী জনসংখ্যার ঘনত্ব মনে রাখতে ১,১৭১ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করুন।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯২
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয় ১৯৯০ সালে এবং তা ১ জানুয়ারি ১৯৯২ সাল থেকে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
- এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সব শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং ঝরে পড়ার হার কমানো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯১ — এই সালে বাংলাদেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়নি, এটি চালু হয় পরবর্তী বছর ১৯৯২ সালে।
B) ১৯৯২ — এটি সঠিক উত্তর, এই সালেই দেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।
C) ১৯৯৩ — এই সালটি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর প্রাথমিক বর্ষ নয়, কারণ কার্যক্রমটি আগের বছরই শুরু হয়েছিল।
D) ১৯৯৪ — এই সালে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়নি, কারণ এর ব্যাপ্তি পরবর্তীতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হয় ১৯৯৩ সালের মধ্যে।
মনে রাখার টিপস:
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর সালটি মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে: নব্বইয়ের দশকে আইন পাস হয়ে ঠিক দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৯২ সালে তা চালু হয়।
সঠিক উত্তর: D) গাজীপুর
কেন সঠিক:
- শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী দেশের প্রথম ও একমাত্র কিশোর আদালত গাজীটুরের টঙ্গীতে অবস্থিত।
- অপরাধে জড়ানো শিশুদের সংশোধনের উদ্দেশ্যে বিচারকার্য পরিচালনার জন্য এই বিশেষ আদালত স্থাপন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিরোজপুর — এটি দেশের একটি দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা যেখানে কোনো কিশোর আদালত অবস্থিত নয়।
B) লক্ষ্মীপুর — এটি একটি প্রশাসনিক জেলা হলেও এখানে কোনো কিশোর আদালত নেই।
C) দিনাজপুর — এটি উত্তরাঞ্চলের জেলা এবং এখানে কিশোর আদালত অবস্থিত নয়।
D) গাজীপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের একমাত্র কিশোর আদালত অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শিশুদের আদালত মানেই গাজীপুরের টঙ্গী এলাকাটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Grade
কেন সঠিক:
- বিটুমিনের পেনিট্রেশন টেস্টের মাধ্যমে এর কাঠিন্য বা নরম ভাব মাপা হয়, যা থেকে এর নির্দিষ্ট গ্রেড নির্ধারিত হয়।
- এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বিটুমিনকে বিভিন্ন গ্রেডে ভাগ করা হয় যা সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Grade — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই টেস্টের মাধ্যমেই বিটুমিনের গ্রেড নির্ধারণ করা হয়।
B) Viscosity — এটি বিটুমিনের সান্দ্রতা বা বহমানতা মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, পেনিট্রেশন টেস্টের জন্য নয়।
C) Ductility — এটি বিটুমিনের প্রসারণ ক্ষমতা বা টেনে লম্বা করার ধর্ম যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
D) Alkalinity — এটি কোনো পদার্থের ক্ষারীয় মাত্রা নির্দেশ করে, যা বিটুমিন পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
পেনিট্রেশন টেস্ট মানেই বিটুমিনের গ্রেড বা মান নির্ধারণ করা।
সঠিক উত্তর: B) বালি
কেন সঠিক:
- কাঁচ তৈরির প্রধান এবং মূল কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বালি, যা গলিয়ে কাঁচ তৈরি করা হয়।
- মোট কাঁচামালের প্রায় সত্তর থেকে পঁচাত্তর শতাংশ বালি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডা — সোডা বা সোডিয়াম কার্বনেট বালি গলানোর তাপমাত্রা কমাতে ব্যবহৃত হয়, প্রধান কাঁচামাল নয়।
B) বালি — এটি সঠিক উত্তর।
C) পটাশ — পটাশ বিশেষ ধরনের কাঁচ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা প্রধান কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) পানি — কাঁচ তৈরিতে পানি ব্যবহৃত হয় না, বরং কাঁচ তৈরির প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ শুষ্ক তাপীয় প্রক্রিয়া।
মনে রাখার টিপস:
কাঁচ মানেই বালির খেলা, তাই বালি হলো কাঁচের প্রধান ভেলা।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক ইতিহাস
সঠিক উত্তর: B) ১৭ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- জুলাই অভ্যুথান বা ছাত্র-জনতার আন্দোলন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঐতিহাসিক ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয় ১৭ অক্টোবর।
- এই সনদের মাধ্যমে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ অক্টোবর — এটি নির্ধারিত ঐতিহাসিক তারিখের আগের দিন হওয়ায় এই দিনে সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি।
C) ১৮ অক্টোবর — এটি নির্ধারিত ঐতিহাসিক তারিখের পরের দিন হওয়ায় এই দিনে সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি।
D) ১৯ অক্টোবর — এটি নির্ধারিত ঐতিহাসিক তারিখের দুই দিন পরের দিন হওয়ায় এই দিনে সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
জুলাই সনদের স্বাক্ষর গ্রহণের তারিখ মনে রাখতে ১৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ঘটেছিল।
সঠিক উত্তর: A) প্রধানমন্ত্রী
কেন সঠিক:
- একনেক বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রধান হলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।
- দেশের মেগা প্রকল্প অনুমোদন ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একনেক সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ও নির্বাহী কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি একনেকের চেয়ারপারসন বা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
B) অর্থমন্ত্রী — তিনি একনেকের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং বিকল্প প্রধান বা সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, প্রধান নন।
C) বাণিজ্যমন্ত্রী — তিনি একনেকের একজন সদস্য হিসেবে দেশের বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়ে অংশ নেন, তবে তিনি এর প্রধান নন।
D) পরিকল্পনামন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও তিনি একনেকের সদস্য সচিব হিসেবে কাজ করেন, সংস্থার প্রধান নন।
মনে রাখার টিপস:
একনেকের নির্বাহী ক্ষমতা দেশের শীর্ষ নির্বাহী অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: C) Sieve test
কেন সঠিক:
- সিমেন্টের ফিজিক্যাল প্রপার্টি বা সূক্ষ্মতা (fineness) যাচাই করার জন্য চালনি বা সিভ টেস্ট ব্যবহার করা হয়।
- নির্দিষ্ট মাপের চালনিতে সিমেন্ট চেলে কণার আকার ও সূক্ষ্মতা নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Compression test — এটি মূলত সিমেন্ট মর্টার বা কংক্রিটের শক্তি (strength) পরিমাপের জন্য করা হয়, সূক্ষ্মতার জন্য নয়।
B) Soundness test — এটি সিমেন্টের আয়তন স্থিতিশীলতা বা জমাট বাঁধার পর সম্প্রসারণ পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) Sieve test — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সিমেন্টের সূক্ষ্মতা পরীক্ষার নির্ধারিত পদ্ধতি।
D) Vicat test — এটি সিমেন্টের ইনিশিয়াল ও ফাইনাল সেটিং টাইম এবং নরমাল কনসিস্টেন্সি নির্ধারণের জন্য করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সিমেন্ট চালুনি দিয়ে চেলে সূক্ষ্মতা মাপা হয়, তাই ফিননেস টেস্ট মানেই সিভ টেস্ট।
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ১ টাকা ও ২ টাকার নোট এবং সব ধরনের ধাতব মুদ্রা সরকারি মুদ্রা হিসেবে পরিগণিত হয় এবং এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- দেশের অন্যান্য কাগজি নোট অর্থাৎ ৫ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ টাকার সকল নোট ব্যাংক নোট এবং এগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টাকা — এটি সরকারি নোট হওয়ায় এতে অর্থসচিব স্বাক্ষর করেন।
B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত ব্যাংক নোট এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
C) ৫০ টাকা — এটিও ব্যাংক নোট যার দায়িত্বে থাকেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।
D) ১০০ টাকা — এটিও একটি ব্যাংক নোট এবং এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ছোট নোট অর্থাৎ ১ ও ২ টাকার নোটের মালিক সরকার, তাই সেখানে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে; আর বাকি সব বড় নোটের মালিক ব্যাংক, তাই সেখানে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
সঠিক উত্তর: C) হেগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে জাতিসংঘের প্রধান বিচারসংস্থা এবং এর একমাত্র সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- ১৯৪৫ সালে এই আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৬ সাল থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সদর দপ্তর নয়।
B) জেনেভা — এটি জাতিসংঘের ইউরোপীয় হেডকোয়ার্টার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের নয়।
C) হেগ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মূল সদর দপ্তর পিস প্যালেসে অবস্থিত।
D) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিচার বা কোর্টের কাজ সাধারণত শান্তি বজায় রাখা, তাই শান্তি বা পিস প্যালেস নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ইরান
কেন সঠিক:
- কাওসার-১ হলো ইরানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তৈরি একটি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট।
- এটি ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এবং মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপিত একটি আধুনিক কৃত্রিম উপগ্রহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইটটি ইরানের নিজস্ব মহাকাশ কর্মসূচির অংশ।
B) ইরাক — ইরাকের নিজস্ব কোনো উল্লেখযোগ্য সফল স্যাটেলাইট প্রকল্প কাওসার নামে নেই।
C) মিশর — মিশরের মহাকাশ কর্মসূচির নাম ও স্যাটেলাইট ভিন্ন সিরিজের হয়ে থাকে।
D) তুরস্ক — তুরস্কের নিজস্ব স্যাটেলাইট সিরিজ মূলত গোয়েন্দা ও যোগাযোগমূলক এবং এর নাম ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
ইরানের ক অক্ষর দিয়ে কাওসার স্যাটেলাইট মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৭ সাল
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৭৭ সালে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক হিসেবে স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন করা হয়।
- এই পদকটি প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৭৭ সালেই, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৬ সাল — এই সালে স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৭৭ সাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই পদকটি প্রবর্তন করা হয়।
C) ১৯৮০ সাল — এটি স্বাধীনতা পদক প্রবর্তনের সাল নয়।
D) ১৯৯৫ সাল — এটি অনেক পরের একটি সাল এবং এই সালে পদক প্রবর্তন করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আগের হিসাব মনে রাখলে সহজ হয়, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ছয় বছর পর ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন করা হয়।
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য
সঠিক উত্তর: A) ভিন্নমত
উত্তর যাচাই নোট: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (C) সঠিক নয়। ডেসেন্ট (Dissent) শব্দের অর্থ ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্ট বলতে কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে নিজের ভিন্ন মতামত আনুষ্ঠানিকভাবে লিপিবদ্ধ করাকে বোঝায়। এটি সভার কার্যপ্রণালীর অংশ হলেও এর মূল অর্থ ভিন্নমত।
কেন সঠিক:
- নোট অব ডিসেন্ট ইংরেজি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্ট।
- কোনো কমিটি বা সভার কোনো সিদ্ধান্তে দ্বিমত পোষণ করে সদস্যগণ লিখিতভাবে যে ভিন্নমত প্রকাশ করেন, তাকে নোট অব ডিসেন্ট বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিন্নমত — এটি সঠিক উত্তর কারণ নোট অব ডিসেন্ট বলতে কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে নিজের ভিন্ন মতামত বা নোট অব ডিসেন্ট প্রকাশ করা বোঝায়।
B) আনুষ্ঠানিক ঐক্যমত — এটি ভুল কারণ নোট অব ডিসেন্ট ঐক্যমত নির্দেশ করে না, বরং এটি ঐকমত্যের বিপরীত বা দ্বিমত পোষণ করার প্রক্রিয়া।
C) সভার কার্য — এটি প্রদত্ত ভুল উত্তর কারণ সভার কার্য বলতে পুরো সভার সামগ্রিক কার্যক্রমকে বোঝায়, কোনো একক সদস্যের ভিন্নমতকে নয়।
D) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত — এটি ভুল কারণ নোট অব ডিসেন্ট কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, বরং সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কোনো সদস্যের নোট অব ডিসেন্ট বা অসন্তোষের প্রকাশ।
মনে রাখার টিপস:
ডিসেন্ট (Dissent) শব্দটির অর্থ দ্বিমত বা অমিল হওয়া, তাই নোট অব ডিসেন্ট মানেই হলো কোনো বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করা।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে
কেন সঠিক:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮০০ সালের ১০ই জুলাই, তবে এর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং বাংলা বিভাগ খোলা হয় ১৮০১ সালে।
- কেরাতুল্লাহ ও উইলিয়াম কেরীর প্রচেষ্টায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার জন্য এই বিভাগে সাহেব কর্মকর্তাদের বাংলা শেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০০ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা বিভাগ এই বছরে খোলা হয়নি।
B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কলেজে বাংলা বিভাগ চালু করা হয়।
C) ১৮০২ সালে — এটি বাংলা বিভাগ খোলার সাল নয়, এই সালটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ১৮০৪ সালে — এটিও সঠিক সাল নয়, কারণ বিভাগটি এর আগেই ১৮০১ সালে চালু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
প্রতিষ্ঠা সাল ১৮০০ মনে রাখলেও, এর পরের বছর অর্থাৎ ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ খোলা হয়েছিল এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ৬.৫ থেকে ৮.৫
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী নিরাপদ ও পানের উপযোগী পানির pH এর আদর্শ মাত্রা ৬.৫ থেকে ৮.৫ এর মধ্যে নির্ধারিত।
- এই মাত্রা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ এবং এতে পানি অতিরিক্ত অম্লীয় বা ক্ষারীয় হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২.৫ থেকে ৬.৫ — এই মাত্রা অত্যন্ত অম্লীয়, যা পান করার উপযোগী নয় এবং মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।
B) ৬.৫ থেকে ৮.৫ — এটি সর্বসাধারণের ব্যবহার ও পানের জন্য নির্ধারিত সঠিক এবং নিরাপদ pH মাত্রা।
C) ৫.৫ থেকে ৭.৫ — এই পরিসীমাটি কিছুটা অম্লীয় দিকে ঝুঁকে থাকে, যা আদর্শ খাবার পানির সম্পূর্ণ মানদণ্ড নয়।
D) ৬.০ থেকে ৮.০ — এই মাত্রাটি কাছাকাছি হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত বিশুদ্ধ পানির আদর্শ পরিসীমা এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপদ পানির pH মনে রাখতে সংখ্যা দুটি মনে রাখুন সাড়ে ছয় থেকে সাড়ে আট।
সঠিক উত্তর: B) ত্রয়োদশ
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ সরকার গঠনের সাংবিধানিক ভিত্তি নিশ্চিত করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বাদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হয়েছিল।
B) ত্রয়োদশ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর মাধ্যমেই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিল।
C) চতুর্দশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৪ সালে সংবিধানের বেশ কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয় কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত নয়।
D) পঞ্চদশ — ২০১১ সালে এই সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
তেরো সংখ্যাটি দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মনে রাখতে পারেন কারণ ত্রয়োদশ (১৩) সংশোধনীতে এটি পাস হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- গম্ভীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত ও নাট্যরীতি।
- এই লোকসঙ্গীতে সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, হাস্যরস ও নাট্যরূপের মাধ্যমে সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত নয়, এই অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ভান্ডारी গান ও মাইজভাণ্ডারি।
B) রাঙামাটি — এটি রাঙামাটির আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লোকসঙ্গীতের অন্তর্ভুক্ত নয়, এখানে চাকমা ও মারমা সম্প্রদায়ের গান প্রচলিত।
সি) সিলেট — এটি সিলেটের লোকসঙ্গীত নয়, সিলেটের প্রধান ও বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ধামালি ও হাসন রাজার গান।
D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গম্ভীরা গান মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি।
মনে রাখার টিপস:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ও গম্ভীরা গান দুটোই দেশজুড়ে বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: C) কিউরেটর
কেন সঠিক:
- চিড়িয়াখানা বা জাদুঘরের প্রধান কর্মকর্তা বা তত্ত্বাবধায়ককে কিউরেটর বলা হয়।
- প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি চিড়িয়াখানার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেক্টর — এটি সাধারণত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কর্মকর্তার পদবি, চিড়িয়াখানার প্রধানের পদবি নয়।
B) এক্টর — এটি অভিনেতা বা অভিনয়শিল্পীকে বোঝায়, যা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) কিউরেটর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় চিড়িয়াখানা প্রধানের পদবি হিসেবে প্রযোজ্য।
D) মহাপরিচালক — এটি কোনো বড় অধিদপ্তর বা সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদবি, তবে চিড়িয়াখানার নির্দিষ্ট প্রধানকে সাধারণত কিউরেটর বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
চিড়িয়াখানার প্রাণীদের কেয়ার বা যত্ন যিনি করেন, সেই প্রধান কর্মকর্তা হলেন কিউরেটর।
সঠিক উত্তর: D) ফুজিয়ান
কেন সঠিক:
- ফুজিয়ান চীনের সবচেয়ে আধুনিক এবং তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী, যা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপল্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- এটি চীনের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী যা প্রথাগত স্কি-জাম পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাংহাই — সাংহাই চীনের একটি প্রধান শহর ও বন্দর, যা কোনো বিমানবাহী রণতরীর নাম নয়।
B) শানডং — শানডং চীনের দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী, তবে এটি ফুজিয়ানের মতো সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নয়।
C) লিয়াওনিং — লিয়াওনিং চীনের প্রথম বিমানবাহী রণতরী, যা ইউক্রেনের কাছ থেকে সংগ্রহ করে আধুনিকায়ন করা হয়েছিল।
D) ফুজিয়ান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি চীনের সর্বাধুনিক এবং তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী।
মনে রাখার টিপস:
চীনের আধুনিক রণতরীর নামের ক্ষেত্রে ফুজিয়ান হলো সর্বাধুনিক প্রযুক্তির প্রতীক।
সঠিক উত্তর: A) কারাকাস
কেন সঠিক:
- কারাকাস দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী এবং দেশটির বৃহত্তম শহর।
- এটি ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারাকাস — এটি ভেনেজুয়েলার রাজধানী এবং সঠিক উত্তর।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী, ভেনেজুয়েলার নয়।
C) মেক্সিকো সিটি — এটি মেক্সিকোর রাজধানী, ভেনেজুয়েলার রাজধানী নয়।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী, ভেনেজুয়েলার রাজধানী নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভেনেজুয়েলার রাজধানীর নাম মনে রাখতে 'ভেনেজুয়েলা' শব্দটির শেষের সাথে 'কারাকাস' নামটি যুক্ত করে বারবার পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: B) মহাসড়ক
কেন সঠিক:
- দ্য লুপ হলো একটি দীর্ঘ এবং উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা যা মূলত উচ্চগতির মহাসড়ক হিসেবে পরিচিত।
- এটি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃহত্তম জাহাজ — দ্য লুপ কোনো জলযান বা সামুদ্রিক জাহাজ নয়।
B) মহাসড়ক — এটি একটি আধুনিক পরিবহন নেটওয়ার্ক বা মহাসড়ককে নির্দেশ করে।
C) বোমারু বিমান — এটি কোনো সামরিক আকাশযান বা বিমান সংক্রান্ত কিছু নয়।
D) করিডোর — এটি নির্দিষ্ট কোনো ভূরাজনৈতিক বা যাতায়াত করিডোর বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
লুপ শব্দটি সাধারণত বৃত্তাকার বা সংযোগকারী সড়ক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, তাই এটি মহাসড়ক হিসেবে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) বগুড়া
কেন সঠিক:
- শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বগুড়া জেলায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
- এই স্টেডিয়ামে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজিত হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত হলেও এই নামে কোনো স্টেডিয়াম রাজশাহীতে নেই।
B) কুমিল্লা — এটি অন্য একটি জেলা, যেখানে শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম অবস্থিত নয়।
D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও এম এ আজিজ স্টেডিয়াম অবস্থিত, শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম নয়।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম এবং বগুড়া জেলা উভয়ই উত্তরবঙ্গের অন্তর্ভুক্ত, এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) সোনারগাঁও
কেন সঠিক:
- লোকশিল্প জাদুঘর (বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন) নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৭৫ সালে ঐতিহাসিক সোনারগাঁওয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়মনসিংহ — এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত নয়, ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা রয়েছে।
B) সোনারগাঁও — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ঢাকা — এটি ঢাকায় অবস্থিত নয়, তবে ঢাকার খুব কাছাকাছি নারায়ণগঞ্জ জেলায় এর অবস্থান।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁর ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহারের স্থান, লোকশিল্প জাদুঘরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
লোকশিল্প মানে প্রাচীন ঐতিহ্য, আর প্রাচীন বাংলার রাজধানী ছিল সোনারগাঁও।
সঠিক উত্তর: A) B/L = 0.45
কেন সঠিক:
- প্রকৌশল বিদ্যায় স্ল্যাবের ছোট বাহু এবং বড় বাহুর অনুপাত অর্থাৎ B/L এর মান ২.০ এর কম হলে তাকে ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব বলা হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ০.৪৫ মানটি ২.০ এর কম হওয়ায় এটি ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব হিসেবে গণ্য হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) B/L = 0.45 — এই অনুপাতের মান দুইয়ের কম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ওয়ান ওয়ে স্ল্যাবের শর্ত পূরণ করে।
B) B/L = 1.0 — এই অনুপাতের মান দুইয়ের কম হলেও দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান হওয়ায় এটি টু-ওয়ে স্ল্যাবের অন্তর্ভুক্ত।
C) B/L = 1.25 — এই অনুপাতের মান দুইয়ের কম হলেও এটি বর্গাকার বা নির্দিষ্ট আয়তাকার সীমার মধ্যে টু-ওয়ে স্ল্যাব নির্দেশ করে।
D) B/L = 1.10 — এই অনুপাতের মান দুইয়ের কম হলেও এটি মূলত টু-ওয়ে স্ল্যাবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
স্ল্যাবের ছোট ও বড় বাহুর অনুপাত দুইয়ের কম হলে ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Earthen Road
কেন সঠিক:
- কাঁচা রাস্তায় বৃষ্টির পানি সহজে জমে কাদা হতে পারে, তাই পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য সর্বোচ্চ ক্যাম্বার বা ঢাল দেওয়া হয়।
- কাঁচা রাস্তার উপরিভাগ পাকা রাস্তার মতো জলরোধী না হওয়ায় বেশি ঢাল না দিলে পানি গড়িয়ে পড়ে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) WBM Road — ম্যাককাডম রাস্তা আধা-পাকা প্রকৃতির হওয়ায় এতে মাঝারি মানের ক্যাম্বার দেওয়া হয়, কাঁচা রাস্তার মতো সর্বোচ্চ নয়।
B) Bituminous Road — পিচঢালা রাস্তা জলরোধী ও মসৃণ হওয়ায় বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যায়, তাই এতে কম ক্যাম্বার প্রয়োজন হয়।
C) RCC Road — ঢালাই করা পাকা রাস্তা অত্যন্ত মসৃণ ও জলরোধী হওয়ায় এতে সবচেয়ে কম ক্যাম্বার বা ঢাল রাখা হয়।
D) Earthen Road — কাঁচা রাস্তা জলরোধী না হওয়ার কারণে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য এতে সর্বোচ্চ ক্যাম্বার দিতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
রাস্তা যত কম পাকা বা কাঁচা হবে, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য তার ক্যাম্বার বা ঢাল তত বেশি দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ৭৫০ টি
কেন সঠিক:
- প্রকৌশলী পরিমাপ অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড মাপের এক ঘনফুট খোয়া তৈরিতে প্রায় সাড়ে সাতটি ইট লাগে।
- এই হিসেবে একশ ঘনফুট খোয়া তৈরিতে সাতশ পঞ্চাশটি ইট প্রয়োজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭৫০ টি — এটি সঠিক এবং আদর্শ হিসাব অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য উত্তর।
B) ৮০০ টি — এটি অতিরিক্ত সংখ্যা যা সাধারণ হিসাবের চেয়ে বেশি এবং প্রয়োজনের তুলনায় বেশি।
C) ৭৫০ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রথম অপশনের সাথে মিলে গেছে।
D) ৭০৭ টি — এটি কম সংখ্যা যা দিয়ে একশ ঘনফুট খোয়া তৈরি করা সম্ভব নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রতি এক ঘনফুট খোয়ার জন্য সাড়ে সাতটি ইট ধরে হিসাব করলে একশ ঘনফুট খোয়ার জন্য সাতশ পঞ্চাশটি ইট মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) PL/4
কেন সঠিক:
- সাধারণভাবে স্থাপিত বা সিম্পলি সাপোর্টেড বিমের মধ্যবিন্দুতে কেন্দ্রীভূত লোড বা পয়েন্ট লোড প্রয়োগ করলে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্ট সূত্র অনুযায়ী বিমের দৈর্ঘ্য ও লোডের গুণফলের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ PL/4 হয়।
- এখানে P হলো প্রযুক্ত লোডের পরিমাণ এবং L হলো বিমের মোট দৈর্ঘ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) PL/2 — এটি সাধারণভাবে স্থাপিত বিমে মধ্যবিন্দুতে লোড দিলে সর্বোচ্চ শিয়ার ফোর্সের মান নির্দেশ করে, বেন্ডিং মোমেন্টের নয়।
B) PL/3 — এটি বিমের মেকানিক্সের কোনো নির্দিষ্ট বা আদর্শ লোডিং অবস্থার মোমেন্ট সূত্র নয়।
D) PL/8 — এটি ক্যান্টিলিভার বিমে সমভাবে বিস্তৃত লোড বা সিম্পলি সাপোর্টেড বিমে সমভাবে বিস্তৃত লোড প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্টের মান নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সিম্পলি সাপোর্টেড বিমের মধ্যবিন্দুতে কেন্দ্রীভূত লোডের ক্ষেত্রে নিচে চার সংখ্যাটি অর্থাৎ চার ভাগের এক ভাগ বা PL/4 মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) রাস্তা
কেন সঠিক:
- California Bearing Ratio বা CBR টেস্ট হলো একটি পেভমেন্ট ডিজাইন টেস্ট যা রাস্তার সাবগ্রেড মাটির শক্তি ও ভারবহন ক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই পরীক্ষার মাধ্যমে রাস্তার ভিত্তি মজবুত করার জন্য মাটির গুণগত মান এবং কতটুকু পুরু স্তরের প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভবন — ভবনের ক্ষেত্রে মাটির ভারবহন ক্ষমতা পরীক্ষার জন্য এসপিটি বা প্লেট লোড টেস্ট ব্যবহার করা হয়, সিবিআর টেস্ট নয়।
B) রাস্তা — এটি রাস্তা বা হাইওয়ে নির্মাণের ক্ষেত্রে মাটির শক্তি যাচাইয়ের জন্য সঠিক উত্তর।
C) সেতু — সেতুর ভারী কাঠামোর নিচে মাটির গভীর ভিত্তি পরীক্ষা করার জন্য পাইল লোড টেস্ট বা বোরহোল টেস্ট করা হয়।
D) রেল লাইন — রেল লাইনের ব্যালাস্ট বা সাবগ্রাউন্ডের কিছু কাজ এর আওতায় পড়লেও প্রধানত এটি হাইওয়ে ও রোড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বহুল ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি মনে রাখুন সিবিআর মানেই রোড বা রাস্তা নির্মাণের আগের মাটির পরীক্ষা।
সঠিক উত্তর: B) 4.75 mm
কেন সঠিক:
- কন্সট্রাকশনে ব্যবহারের জন্য যে বালু বা মিহি দানা ব্যবহৃত হয়, তার সর্বোচ্চ মাপ ৪.৭৫ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই মাপের চেয়ে ছোট কণাগুলোকে ফাইন এগ্রিগেট বা মিহি দানা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3.75 mm — এই মাপটি ফাইন এগ্রিগেটের আদর্শ বা সর্বোচ্চ সীমানা নির্দেশ করে না, তাই এটি সঠিক নয়।
B) 4.75 mm — এটিই ফাইন এগ্রিগেটের সঠিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সর্বোচ্চ আকার।
C) 5 mm — এটি ফাইন এগ্রিগেটের সঠিক মান নয়, কারণ ৪.৭৫ মিলিমিটারের পর সরাসরি কোর্স এগ্রিগেট ধরা হয়।
D) 10 mm — এই মাপটি মিহি দানার জন্য অনেক বড় এবং এটি সাধারণত কোর্স এগ্রিগেট বা খোয়ার ছোট আকারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ফাইন এগ্রিগেটের সর্বোচ্চ সীমা মনে রাখতে ৪.৭৫ সংখ্যাটি মুখস্থ রাখুন, কারণ এর বেশি হলেই তা মোটা দানার কংক্রিটে রূপ নেয়।
সঠিক উত্তর: C) সর্বোচ্চ
কেন সঠিক:
- বিমের শিয়ার ফোর্স হলো বেন্ডিং মোমেন্টের পরিবর্তনের হার, তাই শিয়ার ফোর্স শূন্য হলে বেন্ডিং মোমেন্ট সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন হয়।
- প্রকৌশলবিদ্যার নীতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট লোড কাঠামোর ক্ষেত্রে এই বিন্দুতে বেন্ডিং মোমেন্ট তার চরম মানে পৌঁছায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্য — শিয়ার ফোর্স শূন্য হলেও বেন্ডিং মোমেন্ট সব সময় শূন্য হয় না, এটি সাধারণত সাপোর্টে বা মুক্ত প্রান্তে শূন্য হয়।
B) সর্বনিম্ন — বিমের মাঝের অংশে বেন্ডিং মোমেন্ট সাধারণত সর্বনিম্ন না হয়ে সর্বোচ্চ হয়।
D) কোনটিই নহে — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিয়ার ফোর্স শূন্য হওয়ার স্থানেই বেন্ডিং মোমেন্ট সর্বোচ্চ বা চরম মান লাভ করে।
সঠিক উত্তর: A) Sand
কেন সঠিক:
- বালুর কণাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক কোনো আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বা কোহেশন থাকে না।
- গ্র্যানুলার প্রকৃতির হওয়ার কারণে বালু ঘর্ষণের মাধ্যমে শুধু অভ্যন্তরীণ ঘর্ষণ বল বজায় রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sand — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ এর মধ্যে কোনো কোহেশন বা সংশ্লেষ বল থাকে না।
B) Silt — এটি কোহেশনহীন মাটির অন্তর্ভুক্ত হলেও এর কণাগুলো বালি থেকে অনেক সূক্ষ্ম এবং আংশিক প্লাস্টিসিটি দেখাতে পারে।
C) Clay — এটি সম্পূর্ণভাবে কোহেসিভ বা সসংhesive মাটি কারণ এর কণাগুলোর মধ্যে শক্তিশালী আণবিক আকর্ষণ বল বিদ্যমান।
D) Clay and Silt — এর মধ্যে কাদা বা ক্লে থাকার কারণে এটি কোহেসিভ প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
মনে রাখার টিপস:
যেই মাটিতে কণার আকর্ষণ নেই সেটাই কোহেশনলেস সোয়েল, যেমন বালু।
সঠিক উত্তর: A) bh³/12
কেন সঠিক:
- ত্রিভুজের ভূমি বরাবর (centroid বা কেন্দ্রবিকাশ অক্ষের সাপেক্ষে) মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই আদর্শ সূত্রটি ব্যবহৃত হয়।
- এখানে b হলো ত্রিভুজের ভূমি এবং h হলো উচ্চতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bh³/12 — এটি ত্রিভুজের কেন্দ্রগামী (centroidal axis) সমান্তরাল অক্ষের সাপেক্ষে মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া, যা এই প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তর।
B) bh³/3 — এটি ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু (apex) বা ভূমি থেকে অপর প্রান্তের সাপেক্ষে মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া।
C) bh³/8 — এটি এই বিশেষ জ্যামিতিক আকারের মোমেন্ট অব ইনার্শিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) bh³/36 — এটি ত্রিভুজের বেলায় কেন্দ্রগামী অক্ষের সাপেক্ষে মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া হলেও ভূমি বরাবর অক্ষের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়, এটি অন্য কোনো জ্যামিতিক বিন্যাসের মান।
মনে রাখার টিপস:
ত্রিভুজের ভূমি বরাবর মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া মানেই নিচে ১২ অর্থাৎ ১২ দিয়ে ভাগ হবে, যেমন bh ঘনক ভাগ ১২।
সঠিক উত্তর: D) ১২ টি
কেন সঠিক:
- প্রচলিত পরিমাপে এক বান্ডিল টিন বা সিআই শিট বলতে সাধারণত ১২ টি টিনকে বোঝানো হয়।
- টিনের লম্বার পরিমাপ যেমনই হোক না কেন, বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে এক বান্ডিলের সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ টি — এই সংখ্যাটি বাণিজ্যিকভাবে এক বান্ডিল টিনের পরিমাণের সঙ্গে মেলে না।
B) ৮ টি — এটি টিন গণনার আদর্শ বা প্রচলিত বান্ডিল সংখ্যা নয়।
C) ১০ টি — এটি অনেক দ্রব্যের ক্ষেত্রে ডজন বা অন্য একক হলেও টিনের বান্ডিলের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
D) ১২ টি — এটি বাণিজ্যিকভাবে এক বান্ডিল টিনের নির্ধারিত ও সঠিক সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
টিন কেনার সময় মনে রাখবে যে এক ডজনের মতো এক বান্ডিল টিনেও সর্বদা ১২ টি টিন থাকে।
সঠিক উত্তর: C) 2400 Kg
কেন সঠিক:
- আরসিসি বা রেইনফোর্সড সিমেন্ট কনক্রিটের স্ট্যান্ডার্ড ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে চব্বিশ শ কিলোগ্রাম ধরা হয়।
- সাধারণ কংক্রিটের সঙ্গে রড বা ইস্পাত যুক্ত থাকায় এর ওজন প্লেইন সিমেন্ট কনক্রিটের চেয়ে বেশি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1920 Kg — এই ওজনটি সাধারণত হালকা কংক্রিট বা নির্দিষ্ট কিছু রাজমিস্ত্রির উপকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, স্ট্যান্ডার্ড আরসিসির জন্য নয়।
B) 2200 Kg — এই মানটি সাধারণ কংক্রিট বা কিছু নির্দিষ্ট কম ঘনত্বের মিশ্রণের কাছাকাছি, যা রডযুক্ত আরসিসির জন্য কম।
C) 2400 Kg — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রতি ঘনমিটার আরসিসির আদর্শ ও প্রমিত ওজন হিসেবে প্রকৌশল বিদ্যায় ব্যবহৃত হয়।
D) 2800 Kg — এই মানটি খুব ভারী বা বিশেষ ধরনের উচ্চ ঘনত্বের কংক্রিটের জন্য প্রযোজ্য, যা সাধারণ নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ কংক্রিট দুই হাজার দুই শ কিলোগ্রাম হলেও রড যুক্ত হওয়ার কারণে আরসিসি মানেই চব্বিশ শ কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার।
সঠিক উত্তর: C) T-Beam
কেন সঠিক:
- বিম ও স্ল্যাব একসাথে বা সমলয়ে ঢালাই করলে স্ল্যাবের কিছু অংশ বিমের উপরের অংশের সাথে যুক্ত হয়ে ইংরেজি টি অক্ষরের আকৃতি ধারণ করে।
- এই যৌথ কাঠামোগত রূপের কারণে স্ল্যাব বিমের ওপরের অংশের সংকোচন বল বহন করতে সাহায্য করে এবং বিমের শক্তি বৃদ্ধি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rectangular Beam — এটি কেবল আয়তাকার ক্রস-সেকশনের বিম নির্দেশ করে, যেখানে স্ল্যাব ও বিমের যৌথ কার্যকারিতা বিবেচনা করা হয় না।
B) Continuous Beam — এটি এমন একটি বিম যা দুটি বা ততোধিক Supports বা পিলারের ওপর একটানা বিস্তৃত থাকে।
C) T-Beam — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা বিম ও স্ল্যাব একসাথে ঢালাই করার ফলে গঠিত হয়।
D) Doubly Reinforced Beam — এটি এমন একটি বিম যার টেনশন ও কম্প্রেশন উভয় অঞ্চলেই রড বা রিইনফোর্সমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিম ও স্ল্যাব একসাথে ঢালাই করলে দেখতে ইংরেজি অক্ষর টি বা T-র মতো হয়, তাই একে T-Beam বলে।
সঠিক উত্তর: C) ২০%
কেন সঠিক:
প্রথম শ্রেণির ইটের গুণগত মান যাচাই করার জন্য এটি পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়।
নিজেদের ওজনের সর্বোচ্চ শতকরা কুড়ি ভাগ পানি শোষণ করলে তাকে প্রথম শ্রেণির ইট ধরা হয়।
এর বেশি পানি শোষণ করলে সেই ইট দুর্বল হিসেবে গণ্য করা হয়।
এটি ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ইটের স্থায়িত্ব নির্ধারণের একটি আদর্শ মাপকাঠি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০% — প্রথম শ্রেণির ইটের জন্য এই পরিমাণ পানি শোষণ ক্ষমতা অনেক কম ধরা হয়েছে।
B) ১৫% — এই পরিমাণ পানি শোষণের মানটি প্রথম শ্রেণির ইটের জন্য যথেষ্ট নয়।
C) ২০% — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রথম শ্রেণির ইটের নির্দিষ্ট মানদণ্ড এটি।
D) ২৫% — এই পরিমাণ পানি শোষণ করলে সেই ইট দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির বলে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম শ্রেণির ইট মানেই কুড়ি শতাংশ পানি শোষণ ক্ষমতা।
সঠিক উত্তর: B) Point of Contraflexure
কেন সঠিক:
- বিমের যে বিন্দুতে বেন্ডিং মোমেন্টের মান শূন্য হয় কিংবা এর চিহ্ন পরিবর্তিত হয়ে ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বা বিপরীতমুখী হয়, তাকে পয়েন্ট অব কনট্রাফ্লেক্সচার বা বাঁক পরিবর্তনের বিন্দু বলে।
- ক্যান্টিলিভার বা নির্দিষ্ট প্রকৌশল কাঠামোর ক্ষেত্রে শিয়ার ফোর্স বা মোমেন্টের এই পরিবর্তন কাঠামোর স্থায়িত্ব এবং নকশা অনুধাবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Yield Point — এটি এমন একটি বিন্দু যেখানে উপাদান তার স্থিতিস্থাপকতা হারিয়ে স্থায়ীভাবে বিকৃত হতে শুরু করে।
B) Point of Contraflexure — এটি বেন্ডিং মোমেন্টের চিহ্ন পরিবর্তনের বিন্দু হওয়ায় প্রদত্ত প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তর।
C) Dangerous Point — এটি কোনো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক বা প্রকৌশলগত পরিভাষা নয়, বরং অনিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থান বোঝাতে সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
D) Maximum Shear Point — এটি এমন একটি বিন্দু যেখানে শিয়ার ফোর্সের মান সর্বোচ্চ হয়, কিন্তু চিহ্ন পরিবর্তন হয় না।
মনে রাখার টিপস:
বেন্ডিং মোমেন্টের চিহ্ন পরিবর্তন মানেই পয়েন্ট অব কনট্রাফ্লেক্সচার, যেখানে মোমেন্ট শূন্য অতিক্রম করে।
সঠিক উত্তর: B) Void ratio
কেন সঠিক:
- মৃত্তিকা মেকানিক্সে মাটির ফাঁকা অংশের আয়তন এবং কঠিন বা সলিড অংশের আয়তনের অনুপাতকে ভয়েড রেশিও বলা হয়।
- এটি মাটির ছিদ্রতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ যা মাটির দৃঢ়তা ও সংকোচনশীলতা নির্ধারণে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Porosity — এটি মাটির মোট আয়তনের সঙ্গে ফাঁকা অংশের আয়তনের অনুপাত, সলিড অংশের নয়।
B) Void ratio — প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ফাঁকা অংশ ও সলিড অংশের অনুপাত।
C) Water-Cement ratio — এটি কংক্রিট তৈরির সময় ব্যবহৃত পানি এবং সিমেন্টের ওজনের অনুপাত।
D) Degree of saturation — এটি মাটির ফাঁকা অংশে থাকা পানির আয়তনের সঙ্গে মোট ফাঁকা অংশের আয়তনের অনুপাত।
মনে রাখার টিপস:
ভয়েড রেশিও মানে ফাঁকা অংশ উপরে আর সলিড অংশ নিচে।
সঠিক উত্তর: D) All of the above
কেন সঠিক:
- রেললাইনে কাঠের স্লিপার মজবুতভাবে আটকে রাখতে ডগ স্পাইক, রাউন্ড স্পাইক এবং স্ক্রু স্পাইক সবই কার্যকর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- স্লিপারের ধরণ এবং লাইনের চাপের ওপর ভিত্তি করে প্রকৌশলীরা এই বিভিন্ন প্রকারের স্পাইক ব্যবহার করে থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Dog Spike — এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট ধরনের স্পাইক, তাই একা সঠিক উত্তর হতে পারে না কারণ অন্যগুলোও ব্যবহৃত হয়।
B) Round Spike — এটিও রেললাইন আটকানোর একটি স্বীকৃত মাধ্যম, যা শুধু ব্যবহার করলে বাকি সঠিক অপশনগুলো বাদ পড়ে যায়।
C) Screw Spike — এটি স্ক্রুর মতো পেঁচানো স্পাইক যা কাঠের স্লিপার আঁকড়ে ধরে রাখতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি একা একমাত্র স্পাইক নয়।
D) All of the above — যেহেতু উল্লিখিত তিনটি স্পাইকই রেলপথে কাঠের স্লিপার আটকাতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, তাই এটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
কাঠের স্লিপারে রেললাইন আটকে রাখতে ডগ, রাউন্ড এবং স্ক্রু এই তিন ধরনের স্পাইকই ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) ০ মি.
কেন সঠিক:
- Mean Sea Level বা গড় সমুদ্রপৃষ্ঠকে উচ্চতা মাপার সর্বজনীন ভিত্তি ধরা হয়।
- এই গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের সাপেক্ষে সকল উচ্চতা বা Reduced Level মাপা হয় বলে এর মান ০ মিটার ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০ মি. — এটি সঠিক কারণ গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বা Reduced Level পরিমাপের মূল ভিত্তি হলো শূন্য মিটার।
B) ১০০ মি. — এটি ভুল কারণ কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা পাহাড়ের উচ্চতা হতে পারে, সমুদ্রপৃষ্ঠের মূল উচ্চতা নয়।
C) ১৫০ মি. — এটি ভুল কারণ এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় মান নির্দেশ করে না, বরং কোনো ভূখণ্ডের উচ্চতা হতে পারে।
D) ২০০ মি. — এটি ভুল কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের ভিত্তি মান সব সময় শূন্য ধরা হয়, এর বেশি মান উচ্চতা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চতা মাপার শুরু সব সময় নিচ থেকে হয়, তাই সমুদ্রের পানি থেকে মাপার ক্ষেত্রে শুরু বা ভিত্তি হলো শূন্য বা ০ মিটার।
সঠিক উত্তর: C) Clay
কেন সঠিক:
- ক্লেই বা মৃত্তিকার কণা অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং এর আণবিক গঠন প্লেটের মতো হওয়ায় জল ধারণ ক্ষমতা ও সু নমনীয়তা সবচেয়ে বেশি থাকে।
- প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স বলতে মাটি যে সীমার মধ্যে নমনীয় আচরণ করে তার পরিসরকে বোঝায় এবং ক্লেই এর এই পরিসর সর্বোচ্চ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Gravel — এটি স্থূল দানাদার মাটি এবং এর কণাগুলোর আকার বড় হওয়ায় কোনো প্লাস্টিসিটি বা নমনীয়তা নেই।
B) Sand — বালুর কণাগুলোর আকার বড় এবং ঘর্ষণজনিত কারণে এর কোনো প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স থাকে না বললেই চলে।
C) Clay — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ক্লেই-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কারণ সূক্ষ্ম কণার কারণে এর প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স সর্বোচ্চ হয়।
D) Silt — সিল্ট কণার আকার বালু থেকে ছোট হলেও এর সু নমনীয়তা বা প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স ক্লেই-এর তুলনায় অনেক কম।
মনে রাখার টিপস:
মাটি যত বেশি সূক্ষ্ম ও মিহি হবে, তার প্লাস্টিসিটি ইনডেক্স তত বেশি হবে।
সঠিক উত্তর: B) Web
কেন সঠিক:
- T-Beam এর উপরের প্রশস্ত অংশকে Flange এবং নিচের লম্বালম্বি বা খাড়া অংশকে Web বলা হয়।
- এটি বিমের ওপরের অংশে থাকা বল বা চাপ সহ্য করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Flange — এটি T-Beam এর ওপরের প্রশস্ত অংশ, যা প্রধানত সংকোচন বল সহ্য করে।
B) Web — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিচের খাড়া অংশ।
C) Bottom slab — এটি T-Beam এর প্রচলিত কোনো নির্দিষ্ট অংশ নয়, বরং এটি স্ল্যাব ও বিমের সমন্বিত রূপের ক্ষেত্রে অন্য প্রসঙ্গ।
D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
T অক্ষের উপরের দাগটি Flange এবং নিচের লম্বালম্বি দাগটি Web হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) WL²/8
কেন সঠিক:
- সাধারণভাবে স্থাপিত বা সিম্পলি সাপোর্টেড বিমের উপর সমভাবে বিস্তৃত লোড বা ইউডিএল প্রয়োগ করলে সর্বাধিক বেন্ডিং মোমেন্ট বিমের ঠিক মাঝখানে উৎপন্ন হয়।
- বিমের এই সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্ট নির্ণয়ের স্ট্যান্ডার্ড বা আদর্শ সূত্রটি হলো এম সমান ডব্লিউ এল স্কয়ার ভাগ আট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) WL²/6 — এটি এই নির্দিষ্ট লোডিং অবস্থার জন্য সঠিক মান নয় এবং এটি মোমেন্টের কোনো আদর্শ সূত্র প্রকাশ করে না।
B) WL³/6 — এখানে ঘাত তিন রয়েছে, যা বেন্ডিং মোমেন্টের মাত্রা বা ইউনিটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) WL³/8 — এটি দৈর্ঘ্যর কিউবিক মান নির্দেশ করে, অথচ বেন্ডিং মোমেন্টের সূত্রে দৈর্ঘ্যের বর্গ বা স্কয়ার থাকে।
D) WL²/8 — এটি সাধারণভাবে স্থাপিত বিমে সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্টের সঠিক ও পরীক্ষিত গাণিতিক রূপ।
মনে রাখার টিপস:
সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে স্থাপিত বিমের নিচে আট সংখ্যাটি হরে বসে এবং দৈর্ঘ্যের উপর স্কয়ার থাকে, যা ডব্লিউ এল স্কয়ার ভাগ আট হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ঋণাত্মক ত্রুটি
কেন সঠিক:
- মাপকৃত দৈর্ঘ্য প্রকৃত দৈর্ঘ্য অপেক্ষা কম হলে যন্ত্রের পরিমাপে যে ঘাটতি বা কম পাঠ দেখা যায় তাকে ঋণাত্মক ত্রুটি বলা হয়।
- স্কেলের শূন্য দাগের অবস্থান বা যন্ত্রগত সমস্যার কারণে পরিমাপ প্রকৃত মানের চেয়ে কম আসলে এই ত্রুটির সৃষ্টি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধনাত্মক ত্রুটি — মাপকৃত দৈর্ঘ্য প্রকৃত দৈর্ঘ্য অপেক্ষা বেশি হলে তাকে ধনাত্মক ত্রুটি বলে।
B) ঋণাত্মক ত্রুটি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে পরিমাপ কম আসার বিষয়টি এখানে প্রযোজ্য।
C) ক্ষতিপূরক ত্রুটি — একাধিক পরিমাপের ক্ষেত্রে একটি ত্রুটি অপর ত্রুটি দ্বারা প্রশমিত হলে তাকে ক্ষতিপূরক ত্রুটি বলে।
D) অপূরক ত্রুটি — এটি পরিমাপের ত্রুটির ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো নির্দিষ্ট বা স্ট্যান্ডার্ড ত্রুটির নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিমাপ কম মানেই ঋণাত্মক বা বিয়োগাত্মক ত্রুটি।
সঠিক উত্তর: B) ৩০,০০০ kg/m²
কেন সঠিক:
- পাত্রের তলদেশে চাপের তীব্রতা নির্ণয়ের সূত্র হলো উচ্চতা গুণ পানির ঘনত্ব। এখানে উচ্চতা ৩ মিটার এবং পানির ঘনত্ব ১০০০ kg/m³।
- ৩ গুণ ১০০০ গুণ ১০ করলে বা সরাসরি উচ্চতার সাথে ঘনত্ব গুণ করে ৩০,০০০ kg/m² পাওয়া যায়, যেখানে পাত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ অপ্রাসঙ্গিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3000 kg/m² — এটি ভুল হিসাব কারণ উচ্চতার সাথে ঘনত্ব গুণের সঠিক ফলাফল এটি নয়।
B) 30,000 kg/m² — এটি সঠিক উত্তর যা উচ্চতা ও ঘনত্বের সঠিক গুণফলের মাধ্যমে পাওয়া গেছে।
C) 15,000 kg/m² — এটি ভুল হিসাব কারণ উচ্চতা ৫ মিটার ধরে বা ভুল মান বসিয়ে হিসাব করা হয়েছে।
D) 10,000 kg/m² — এটি ভুল হিসাব এবং এর সাথে পাত্রের মাপের কোনো সঠিক গাণিতিক মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
তরলের চাপের ক্ষেত্রে পাত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের কোনো ভূমিকা নেই, শুধু গভীরতা বা উচ্চতার সাথে ঘনত্বের গুণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৮ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি অনুযায়ী একটি বৃত্তাকার কলামে ন্যূনতম আটটি লম্বালম্বি রড বা রিইনফোর্সমেন্ট ব্যবহার করতে হয়।
- কাঠামোগত নিরাপত্তা ও পার্শ্বীয় চাপ সহ্য করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে বৃত্তাকার কলামের এই সর্বনিম্ন রডের সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ টি — এটি বর্গাকার বা আয়তাকার কলামের জন্য প্রযোজ্য হলেও বৃত্তাকার কলামের ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত।
B) ৬ টি — প্রদত্ত উত্তর ভুল কারণ বিএনবিসি কোড অনুযায়ী বৃত্তাকার কলামে কখনোই ছয়টি রড ব্যবহারের বিধান নেই।
C) ৮ টি — এটিই কোড অনুযায়ী সঠিক ও অনুমোদিত সর্বনিম্ন রডের সংখ্যা।
D) ১০ টি — এটি বৃত্তাকার কলামের ক্ষেত্রে ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে বেশি রডের প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা হয়, সর্বনিম্ন নয়।
মনে রাখার টিপস:
বৃত্তাকার কলাম মানেই গোল চাকা, আর এই গোল কলাম টিকিয়ে রাখতে ম্যাজিক সংখ্যা হিসেবে আটটি রড মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সড়কের পানি নিষ্কাশনের জন্য
কেন সঠিক:
- সড়কের উপরিভাগে বৃষ্টির পানি জমতে না দিয়ে তা দ্রুত পাশে নিষ্কাশনের জন্য রাস্তার মাঝখান থেকে দুই পাশ ঢালু করা হয়।
- প্রকৌশল বিদ্যায় সড়কের এই ঢালকে ক্যাম্বার বা ক্রস স্লোপ বলা হয়, যা সড়ককে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সড়কের শক্তি বাড়ানোর জন্য — সড়কের শক্তি বা বেজ নির্ভর করে সঠিক উপাদানের মান ও নির্মাণের ওপর, ক্যাম্বারের কাজ পানি নিষ্কাশন করা।
B) সড়কের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য — ক্যাম্বার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য নয়, বরং এটি একটি সম্পূর্ণ যান্ত্রিক ও প্রকৌশলগত প্রয়োজনীয়তা।
C) সড়কের এলাইনমেন্ট ঠিক রাখার জন্য — সড়কের দিক বা এলাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয় সার্ভে ও ডিজাইনের মাধ্যমে, ক্যাম্বারের এর সাথে সম্পর্ক নেই।
D) সড়কের পানি নিষ্কাশনের জন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্যাম্বারের মূল কাজ বৃষ্টির পানি সড়ক থেকে সরিয়ে ফেলা।
মনে রাখার টিপস:
ক্যাম্বার মানেই রাস্তার ঢাল, আর ঢাল মানেই বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন।
সঠিক উত্তর: A) ০.৬৬ ফুট
কেন সঠিক:
- গ্যান্টার শিকল বা সার্ভেয়ার্স চেইনের মোট দৈর্ঘ্য ৬৬ ফুট এবং এটি ১০০টি লিংকে বিভক্ত।
- মোট দৈর্ঘ্যকে লিংকের সংখ্যা অর্থাৎ ৬৬ কে ১০০ দিয়ে ভাগ করলে প্রতিটি লিংকের দৈর্ঘ্য শূন্য দশমিক ছয় ছয় ফুট পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০.৬৬ ফুট — এটি গ্যান্টার শিকলের একটি লিংকের সঠিক দৈর্ঘ্য এবং এটি সার্ভে বা জরীপ কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) ০.৬৬ মিটার — এটি একক হিসেবে ভুল কারণ গ্যান্টার শিকলের পরিমাপ ফুট এককে নির্ধারিত।
সি) ১০০ ফুট — এটি একটি ভুল মান কারণ ১০০ ফুট হলো পুরো গ্যান্টার শিকলের মোট দৈর্ঘ্য, একটি লিংকের নয়।
ডি) ১০০ মিটার — এটি সম্পূর্ণ ভুল পরিমাপ কারণ গ্যান্টার শিকলে মিটার একক ব্যবহার করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সম্পূর্ণ গ্যান্টার শিকল হলো ৬৬ ফুটের এবং এটি ১০০টি লিংকে ভাগ করা থাকে, তাই লিংকের দৈর্ঘ্য হবে ৬৬ কে ১০০ দ্বারা ভাগ করলে যা পাওয়া যায়।
বিষয়ের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (প্রকৌশল বিদ্যা)
প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত উত্তর (D) Maximum ভুল। বিমের Neutral Axis-এ Shear Stress-এর পরিমাণ সর্বোচ্চ (Maximum) নয়, বরং এটি শূন্য (Zero) হয় এবং বিমের নুইট্রাল অ্যাক্সিস থেকে দূরে (যেমন নিউট্রাল লেয়ার বা সাপোর্টের কাছাকাছি) এটি সর্বোচ্চ হয়। সঠিক উত্তর হবে A) Zero।
সঠিক উত্তর: A) Zero
কেন সঠিক:
- বিমের নুইট্রাল অ্যাক্সিসে বেন্ডিং স্ট্রেস শূন্য হলেও শিয়ার স্ট্রেসের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত।
- শিয়ার স্ট্রেসের বন্টন সূত্র অনুযায়ী নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস সর্বোচ্চ হয় না, বরং বাঁকানো বিমের নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস শূন্য হয়। (উল্লেখ্য, আয়তাকার বিমের ক্ষেত্রে শিয়ার স্ট্রেস নুইট্রাল অ্যাক্সিসে সর্বোচ্চ হয়, কিন্তু সাধারণ বিমের তত্ত্বে নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস শূন্য হিসেবে ধরা হয়)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Zero — নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস শূন্য হয় বলে এটি সঠিক উত্তর।
B) Minimum — শিয়ার স্ট্রেসের মান ন্যূনতম বা সর্বনিম্ন নয়, এটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে শূন্য হয়।
C) Average — শিয়ার স্ট্রেস নুইট্রাল অ্যাক্সিসে গড় মানে থাকে না, বরং এটি তারতম্য ঘটে।
D) Maximum — এটি ভুল উত্তর কারণ নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শিয়ার স্ট্রেস সর্বোচ্চ নয়, বরং ন্যূনতম বা শূন্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
বেন্ডিং মোমেন্ট নুইট্রাল অ্যাক্সিসে শূন্য হয় এবং শিয়ার স্ট্রেসের ক্ষেত্রেও নুইট্রাল অ্যাক্সিস সম্পর্কিত মান শূন্যের কাছাকাছি বা সর্বনিম্ন হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ৮%
কেন সঠিক:
- আমেরিকান কংক্রিট ইনস্টিটিউট বা ACI কোড অনুযায়ী কলামের লম্বালম্বি বা লংগিটুডিনাল রেইনফোর্সমেন্টের সর্বোচ্চ হার মোট ক্রস সেকশনাল ক্ষেত্রফলের আট শতাংশ নির্ধারিত।
- কলামের সংযোগস্থলে রডের জটলা এড়াতে এবং কংক্রিটের সঠিক ঢালাই নিশ্চিত করতে এই সর্বোচ্চ সীমা আরোপ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১% — এটি কলামে লংগিটুডিনাল রেইনফোর্সমেন্টের সর্বনিম্ন অনুমোদিত হার, সর্বোচ্চ হার নয়।
B) ৬% — এটি কলামে রডের একটি সাধারণ অনুপাত হলেও কোড অনুযায়ী সর্বোচ্চ অনুমোদিত সীমা নয়।
D) ২% — এটি সাধারণত কলামে ব্যবহৃত স্বাভাবিক ও অর্থনৈতিক রডের পরিমাণ, সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কলামে রডের মাত্রা মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, সর্বনিম্ন এক শতাংশ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আট শতাংশ পর্যন্ত রড ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) All of them
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনের সবগুলোই কনক্রিট তৈরিতে ব্যবহৃত ইটের খোয়া বা পাথরের টুকরা অর্থাৎ এগ্রিগেট পরীক্ষার অন্তর্ভুক্ত।
- এগ্রিগেটের শক্তি, ঘর্ষণ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শক্তিমত্তা যাচাই করার জন্য এই তিনটি পরীক্ষাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ACV — এটি একমাত্র সঠিক নয় কারণ LAA এবং AIV ও এগ্রিগেটের টেস্টের অন্তর্ভুক্ত।
B) LAA — এটি একমাত্র সঠিক নয় কারণ ACV এবং AIV ও এগ্রিগেটের টেস্টের অন্তর্ভুক্ত।
C) AIV — এটি একমাত্র সঠিক নয় কারণ ACV এবং LAA ও এগ্রিগেটের টেস্টের অন্তর্ভুক্ত।
D) All of them — এটি সঠিক কারণ ACV, LAA এবং AIV তিনটিই এগ্রিগেটের মান যাচাইয়ের টেস্ট।
মনে রাখার টিপস:
এগ্রিগেট টেস্ট মনে রাখতে নামের আদ্যক্ষরগুলো মনে রাখুন: A, L এবং A অর্থাৎ All.
সঠিক উত্তর: D) Queen closer
কেন সঠিক:
- একটি পূর্ণ ইটকে লম্বালম্বিভাবে দৈর্ঘ্যের দিকে সমান দুই ভাগে কাটলে যে অর্ধেক প্রুফ বা অংশ পাওয়া যায় তাকে কুইন ক্লোজার বলে।
- ইটের দেয়ালে বন্ধনী তৈরির সময় কোণ বা জংশনের কাজ ঠিক রাখতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) King closer — এটি এমন একটি ইট যার এক প্রান্ত পূর্ণ প্রস্থের হলেও অন্য প্রান্ত তার অর্ধেকের সমান কাটা থাকে।
B) Mitred closer — এটি এমন একটি ইট যার কোণ একটি নির্দিষ্ট ডিগ্রি মাপে কোনাকুনিভাবে কাটা থাকে।
C) Bevelled closer — এটি এমন একটি ইট যার সম্পূর্ণ প্রস্থ বা দৈর্ঘ্য বরাবর একপাশ থেকে অন্যপাশ ঢালু করে কাটা হয়।
D) Queen closer — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি লম্বালম্বিভাবে কাটা অর্ধেক প্রুফ বিশিষ্ট ইট।
মনে রাখার টিপস:
রানী বা কুইন সবসময় একা বা অর্ধেক থাকে, তাই লম্বালম্বিভাবে কাটা অর্ধেক ইটই হলো কুইন ক্লোজার।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / পরিবেশ বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর: C) Biochemical oxygen demand
কেন সঠিক:
- জৈবিক উপায়ে পানির জৈব আবর্জনা পচাতে অণুজীবের যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে বিওডি বলা হয়।
- এটি মূলত পানিতে দূষণের মাত্রা এবং জলজ পরিবেশের মান নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bacteria of damage — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক বা পরিবেশগত পরিভাষা নয়, বরং একটি কাল্পনিক শব্দ।
B) Before oxidation damage — এই বাক্যটি পরিবেশ বিজ্ঞানের জারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পূর্ণ অবাস্তব ও অমিল।
C) Biochemical oxygen demand — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পানির জৈব অক্সিজেন চাহিদাকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
D) Best oxygen demand — এটি অক্সিজেনের চাহিদার কোনো আদর্শ বা মানসম্মত বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিওডি শব্দটির প্রথম অংশ বায়োকেমিক্যাল বা জৈব রাসায়নিক এবং শেষ অংশ অক্সিজেন ও ডিমান্ড নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) Silica
কেন সঠিক:
- সিমেন্টে থাকা সিলিকা (Silicon dioxide) মূলত এর দীর্ঘস্থায়ী শক্তি এবং কাঠামোগত স্থায়িত্ব প্রদান করে।
- সিলিকার পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে সিমেন্টের সেটিং সময় এবং প্রাথমিক ও চূড়ান্ত শক্তি বৃদ্ধি পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lime — লাইম বা চুন সিমেন্টের প্রধান উপাদান হলেও এটি মূলত উপাদানগুলোকে একসাথে ধরে রাখতে এবং প্রাথমিক সেটিংয়ে সাহায্য করে, সিলিকার মতো সর্বোচ্চ শক্তি দেয় না।
B) Silica — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) Alumina — এটি সিমেন্টকে দ্রুত সেট হতে সাহায্য করে, তবে এটি সিলিকার মতো দীর্ঘস্থায়ী বা বেশি শক্তি প্রদান করে না।
D) Iron-oxide — এটি সিমেন্টে নির্দিষ্ট রঙ আনতে এবং উপাদানগুলো গলতে সাহায্য করে, শক্তি প্রদানে এর ভূমিকা গৌণ।
মনে রাখার টিপস:
সিমেন্টের শক্তি মানেই সিলিকা, কারণ সিলিকন সবসময় শক্ত কাঠামো তৈরিতে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) Sheer strength
কেন সঠিক:
- এসপিটি বা স্ট্যান্ডার্ড পেনেট্রেশন টেস্ট মূলত মাটির শিয়ার স্ট্রেন্থ বা কৃন্তন শক্তি পরিমাপের জন্য মাঠে করা হয়।
- এই পরীক্ষার মাধ্যমে মাটির ধারণক্ষমতা নির্ধারণ করা সহজ হয় যা প্রকৌশল ও নির্মাণের কাজে অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Permeability — এটি মাটির ভেদ্যতা নির্দেশ করে, যার জন্য পারমেবিলিটি টেস্ট বা কনসোলিডেশন টেস্ট ব্যবহার করা হয়।
B) Sheer strength — এটি সঠিক কারণ এসপিটি মাটির এই কৃন্তন শক্তি ও ঘনত্ব সরাসরি মাঠে পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Tensile strength — মাটির টেনসাইল বা টান শক্তি সাধারণত কম হয় এবং এটি পরীক্ষার জন্য এসপিটি উপযোগী নয়।
D) Unit weight — এটি মাটির একক আয়তনের ওজন নির্দেশ করে, যা ল্যাবরেটরিতে স্যাম্পল সংগ্রহ করে নির্ণয় করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
মাটির গভীরতা ও শক্তি মাপতে এসপিটি ব্যবহার করা হয়, যার মূল কাজ হলো মাটির শিয়ার স্ট্রেন্থ বা ভারবহন ক্ষমতা বের করা।
সঠিক উত্তর: A) 2%
কেন সঠিক:
- গ্রাফিডেন্ট বা ঢাল নির্ণয়ের সূত্র হলো উচ্চতার পার্থক্যকে অনুভূমিক দূরত্বের দ্বারা ভাগ করে একশ দ্বারা গুণ করা।
- এখানে উচ্চতার পার্থক্য এক মিটার এবং দূরত্ব পঞ্চাশ মিটার, তাই এককে পঞ্চাশ দিয়ে ভাগ করে একশ দ্বারা গুণ করলে দুই শতাংশ পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2% — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী নির্ণীত ঢালের সঠিক মান।
B) 5% — এটি ভুল হিসাবের ফল এবং প্রকৃত ঢালের মানের চেয়ে বেশি।
C) 10% — এটি ভুল হিসাবের ফল যা উচ্চতা ও দূরত্বের অনুপাতে মিলে না।
D) 50% — এটি ভুল হিসাব এবং উচ্চতা ও দূরত্বের পরিমাপের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
ঢাল বের করতে হলে উচ্চতার পার্থক্যকে দূরত্ব দিয়ে ভাগ করে শতকরায় প্রকাশ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ২৫ kg
কেন সঠিক:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই প্রশ্নটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তথা প্রকৌশলবিদ্যা ও নির্মাণ সামগ্রী বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের ওজন ৫০ kg নির্ধারিত থাকায় এবং পানির অনুপাত ০.৫ গুণ হওয়ায় ৫০ কেজির সঙ্গে ০.৫ গুণ করে ২৫ কেজি পানি পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 20 kg — এই পরিমাণ পানি সিমেন্টের সঙ্গে মিশ্রিত করলে Water-cement ratio ০.৪ হয়, যা প্রদত্ত প্রশ্নের মানের সঙ্গে মেলে না।
B) 25 kg — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৫০ কেজি সিমেন্টের সঙ্গে ০.৫ অনুপাত গুণ করলে ঠিক ২৫ কেজি পানি পাওয়া যায়।
C) 30 kg — এই পরিমাণ পানি ব্যবহার করলে অনুপাত ০.৬ হবে, যা কংক্রিটের শক্তি কমিয়ে দেয় এবং সঠিক মানের চেয়ে বেশি।
D) 50 kg — এটি সম্পূর্ণ সিমেন্টের ওজনের সমান এবং এই পরিমাণ পানি দিলে অনুপাত ১.০ হবে, যা নির্মাণকাজে ব্যবহার অযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
সিমেন্টের ওজনের অর্ধেক হলো তার পানির পরিমাণ, অর্থাৎ ৫০ কেজির অর্ধেক ২৫ কেজি।
সঠিক উত্তর: C) ৬৩.৫ কেজি
কেন সঠিক:
- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাটির ধারণক্ষমতা পরীক্ষার জন্য এসপিটি বা স্ট্যান্ডার্ড পেনেট্রেশন টেস্ট বহুল ব্যবহৃত একটি মাঠ পরীক্ষা।
- এই পরীক্ষায় ব্যবহৃত ড্রাইভ হ্যামারের স্ট্যান্ডার্ড ওজন ৬৩.৫ কেজি বা ১৪০ পাউন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬১.৫ কেজি — এটি স্ট্যান্ডার্ড পেনেট্রেশন টেস্টে ব্যবহৃত হ্যামারের নির্ধারিত ওজন নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) ৬২.৫ কেজি — এই ওজনের কোনো স্ট্যান্ডার্ড হ্যামার এসপিটি পরীক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত বা নির্ধারিত নয়।
C) ৬৩.৫ কেজি — এটি এসপিটি পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সঠিক হ্যামার ওজনের মান, যা আন্তর্জাতিকভাবে পরীক্ষিত ও স্বীকৃত।
D) ৬৫.৫ কেজি — এই ওজনটি অতিরিক্ত ভারী এবং এসপিটি টেস্টের স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
এসপিটি টেস্টের হ্যামারের ওজন মনে রাখতে ৬৩.৫ সংখ্যাটি মুখস্থ রাখুন, যা ১৪ পাউন্ডের সমান।
সঠিক উত্তর: B) Stainless steel
কেন সঠিক:
- এতে ক্রোমিয়াম থাকে যা বায়ুর অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ধাতুর উপরিভাগে সুরক্ষামূলক আস্তরণ তৈরি করে।
- ক্রোমিয়ামের এই অক্সাইড আস্তরণ লোহাকে মরিচা ধরা থেকে রক্ষা করে এবং ক্ষয়রোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mild steel — এতে কার্বনের পরিমাণ কম থাকায় এটি সহজেই বাতাসে আর্দ্রতার সংস্পর্শে এসে মরিচা ধরে ও ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
B) Stainless steel — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ক্ষয়রোধ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
C) Cast Iron — এতে কার্বনের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি ভঙ্গুর এবং খুব দ্রুত ক্ষয় বা মরিচা ধরে।
D) Aluminum — অ্যালুমিনিয়ামের ক্ষয়রোধ ক্ষমতা সাধারণ ইস্পাত থেকে বেশি হলেও স্টেইনলেস স্টিলের তুলনায় কম।
মনে রাখার টিপস:
স্টেইনলেস স্টিলে থাকা ক্রোমিয়াম মরিচাকে বাধা দেয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)