বাংলাদেশ ডাক বিভাগ

বাংলাদেশ ডাক বিভাগে পোস্টাল অপারেটর পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: পোস্টাল অপারেটর (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a পুষ্পগুলি
b পুষ্পগুচ্ছ
c পুষ্পপুঞ্জ
d পুষ্পকুঞ্জ
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুষ্পগুচ্ছ ১. কেন সঠিক: - ‘পুষ্প’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ ফুল। - অচেতন বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ যুক্ত করে বহুবচন গঠন করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণিবাচক বা অচেতন শব্দের বহুবচন বোঝাতে গুচ্ছ, পুঞ্জ, কুল, দাম, থোকা প্রভৃতি সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়। - পুষ্প বা ফুলের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ‘পুষ্পগুচ্ছ’ শব্দটি বহুবচন হিসেবে সর্বগ্রহণযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারকারাজি ব্যাখ্যা: অপ্রাণিবাচক শব্দ তারকা-র সঙ্গে রাজি যুক্ত হয়ে বহুবচন গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মেঘমালা ব্যাখ্যা: মেঘ অচেতন বস্তু হওয়ায় এর বহুবচনে মালা সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুষ্পগুলি — পুষ্প শব্দের সঙ্গে গুলি যুক্ত করে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে বহুবচন গঠন করা হয় না। B) পুষ্পগুচ্ছ — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত প্রমিত বহুবচন রূপ। C) পুষ্পপুঞ্জ — পুঞ্জ ব্যবহার করা হয় সাধারণত ধূলি বা রাশি বোঝাতে, যা ফুলের ক্ষেত্রে কম উপযোগী। D) পুষ্পকুঞ্জ — কুঞ্জ অর্থ বাগান বা ঝাড়, এটি বহুবচনের সমষ্টিবাচক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফুল বোঝাতে গুচ্ছ শব্দ ব্যবহার করা হয়, যেমন ফুলের গুচ্ছ। - অপ্রাণিবাচক ও অবাস্তব বস্তুর বহুবচনে সমষ্টিবাচক শব্দ মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবচনের সঠিক রূপ নির্ধারণে সমষ্টিবাচক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - বিশেষ করে তৎসম শব্দের বহুবচনে সঠিক সমষ্টিবাচক শব্দ চয়ন করতে হবে।
a ধ্বনি
b বর্ণ
c পদ
d ভাব
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি এবং এটিই শব্দের বা ভাষার মৌলিক ও ক্ষুদ্রতম অংশ। - কান দিয়ে যা শোনা যায় এবং যা দিয়ে শব্দ গঠিত হয়, তাকে ধ্বনি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত আওয়াজ বা বাচনধ্বনিই হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক। - ধ্বনির লিখিত রূপ হলো বর্ণ, যা চোখের সাহায্যে দেখা যায় এবং তা ধ্বনির প্রতীক মাত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এটি উচ্চারিত হওয়ার সময় কোনো সাহায্য ছাড়াই একা উচ্চারিত হতে পারে। উদাহরণ ২: ব ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি যা বাকযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত হয় এবং ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশের একটি রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শব্দের ক্ষুদ্রতম একক। B) বর্ণ — এটি ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক, উচ্চারিত শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ নয়। C) পদ — এটি বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা শব্দসমষ্টি, যা ধ্বনির চেয়ে অনেক বড় একক। D) ভাব — এটি মনের প্রকাশ বা অর্থের একক, যা ধ্বনির মতো ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কান দিয়ে যা শোনা যায় তা ধ্বনি আর চোখ দিয়ে যা দেখা যায় তা বর্ণ। - ধ্বনি হলো মৌলিক উপাদান আর বর্ণ হলো তার লিখিত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও অর্থের দিক থেকে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ। - ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a আত্মবিলাপ
b কবি মাতৃভাষা
c মাতৃভাষা
d আত্মপরিচয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবি মাতৃভাষা ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত সনেট ‘বৎসভাষা’ (যা পরবর্তীতে ‘মাতৃভাষা’ নামে পরিচিত হয়) রচনার শুরুর দিকে এই নামে অভিহিত করা হয়েছিল। কবি তার সুদূর প্রবাসে বসে বাংলা ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ ও মাতৃভাষার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করতে গিয়ে এই নামকরণ করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মের ইতিহাস সম্পর্কিত। তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক এবং তার চতুর্দশপদী কবিতা মালায় বাংলা ভাষার প্রতি অগাধ ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বঙ্গভাষা’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি এবং বাংলা ভাষার মহিমা দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘সনেট’। ব্যাখ্যা: তিনি বাংলায় প্রথম সনেটের সফল প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে নতুন ধারার সাহিত্য সৃষ্টি করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মবিলাপ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কবি তার এই কবিতায় কেবল ব্যক্তিগত বিলাপ প্রকাশ করেননি বরং মাতৃভাষার মহিমা ফুটিয়ে তুলেছেন। B) কবি মাতৃভাষা — এটি সঠিক উত্তর। C) মাতৃভাষা — এটি সনেটটির পরবর্তী ও পরিমার্জিত রূপ হলেও শুরুতে এই নামে লেখা হয়নি। D) আত্মপরিচয় — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কবিতাটির প্রাথমিক নামকরণের সাথে এই নামের কোনো ঐতিহাসিক মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বৎসভাষা’ সনেটটি প্রথমে ‘কবি মাতৃভাষা’ নামে লেখা হয়েছিল তা মনে রাখতে নামের শুরুর মিল মনে রাখুন। সনেটের নামকরণের এই পরিবর্তনটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার চতুর্দশপদী কবিতা গ্রন্থ থেকে এমন প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসে। লেখকদের বিখ্যাত কবিতার আদি নাম বা প্রথম প্রকাশের তথ্য ভালোভাবে মনে রাখা উচিত।
a ব্যথার দান
b বাঁধনহারা
c ঝিলিমিলি
d বিষের বাঁশি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যথার দান ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। এটি ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই নজরুল বাংলা সাহিত্য জগতে কথাসাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সংগীতজ্ঞ। ব্যথার দান তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলেও তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা হলো মুক্তি এবং প্রথম প্রকাশিত গান হে খোদা মাজেদ রে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বাঁধনহারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যা ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যথার দান - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ও গল্পগ্রন্থ। B) বাঁধনহারা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, প্রথম গ্রন্থ নয়। C) ঝিলিমিলি - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত নাটক যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়। D) বিষের বাঁশি - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ও প্রথম গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। প্রথম উপন্যাস বাঁধনহারা এবং প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের নাম বারবার আসে। তাই এগুলো প্রকাশের সালসহ মনে রাখা জরুরি।
a নিষিদ্ধ লোবান
b রাইফেল রোটি আওরাত
c হাঙর নদী গ্রেনেড
d চৌচির
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) রাইফেল রোটি আওরাত কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই রচিত এবং প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের উত্তাল দিনগুলি ও পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে এই উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করেন। - উপন্যাসটির মূল চরিত্র সুরঞ্জিত ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন ঢাকা শহরের মধ্যবিত্ত মানুষের মানসিক অবস্থা ও আতঙ্কের প্রতীক। - বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার পথিকৃৎ হিসেবে ঐতিহাসিক মর্যাদা লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) নিষিদ্ধ লোবান — সৈয়দ শামসুল হকের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলেও এটি প্রথম নয়। - খ) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য তথ্য প্রযোজ্য। - গ) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সেলিনা হোসেনের লেখা একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা পরে প্রকাশিত হয়। - ঘ) চৌচির — এটি রাবেয়া খাতুনের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা অনেক পরে রচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - রাইফেল হাতে বাঙালিরা যুদ্ধ করেছিল, তাই প্রথম মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসের নামের শুরুতে রাইফেল শব্দটি আছে।
a বিষবৃক্ষ
b বিষবৃক্ষ
c কপালকুণ্ডলা
d শ্রীকান্ত
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কপালকুণ্ডলা ১. কেন সঠিক: - ‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?’ এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সাহিত্যিক উদ্ধৃতি। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে রহস্যময়ী নারী কপালকুণ্ডলা এই অবিস্মরণীয় উক্তিটি করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয়। - ‘কপালকুণ্ডলা’ হলো তাঁর রচিত দ্বিতীয় এবং একটি রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘পথের দাবি’ উপন্যাসের একটি জনপ্রিয় সংলাপ। ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সংলাপ বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। উদাহরণ ২: ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাসের সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনীর সংলাপ। ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সংলাপ দাম্পত্য জীবন ও সমাজকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্য একটি বিখ্যাত উপন্যাস, তবে এই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি এই উপন্যাসের নয়। B) বিষবৃক্ষ — অপশনটি পুনরাবৃত্ত হলেও এটি মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সাহিত্যিক উৎসের সঙ্গে মিলে না। D) শ্রীকান্ত — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজৈবনিক উপন্যাস, তাই এখানে এই উক্তিটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের মূল আকর্ষণ এর রহস্যময় পরিবেশ এবং নবকুমার ও কপালকুণ্ডলার পারস্পরিক সংলাপ। - বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক ধারার উপন্যাস মনে রাখতে প্রধান চরিত্রগুলোর নাম এবং তাদের বিখ্যাত উক্তিগুলো নোট করে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র এবং উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলোর প্রকাশের সাল এবং প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শাস্তি
b ছুটি
c ফটিক
d মহেশ
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছুটি ১. কেন সঠিক: এই উদ্ধৃতিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প 'ছুটি' থেকে নেওয়া হয়েছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বালক ফটিক চক্রবর্তীর জীবনের অন্তিম মুহূর্তে তার মায়ের সান্নিধ্য পাওয়ার আকুলতা এবং মৃত্যুর আগের এই আকুতি গল্পটিকে অত্যন্ত মর্মস্পর্শী করে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'ছুটি' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন 'গল্পগুচ্ছ' এর প্রথম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। এই গল্পে কিশোর বয়সের মানসিকতা, স্নেহবঞ্চনা এবং গ্রামীণ ও শহুরে জীবনের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গল্পগুচ্ছ' ছোটগল্প সংকলন। ব্যাখ্যা: এই সংকলনে বাংলা সাহিত্যের বহু বিখ্যাত ছোটগল্প স্থান পেয়েছে যা বাঙালির পাঠাভ্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শাস্তি' ছোটগল্প। ব্যাখ্যা: এটিও 'গল্পগুচ্ছ' এর অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্প যা গ্রামীণ জীবনের জটিলতা তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাস্তি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছোটগল্পের নাম হলেও এতে আলোচ্য উদ্ধৃতিটি নেই, বরং এটি দুরাস ও চন্দরা চরিত্রকে কেন্দ্র করে রচিত। C) ফটিক — ফটিক হলো 'ছুটি' গল্পের প্রধান চরিত্র, কোনো গল্পের নাম নয়, তাই এটি উদ্ধৃতির উৎস হতে পারে না। D) মহেশ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল চরিত্র গফুর ও তার বলদ মহেশ, এর সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: মৃত্যুর আগে ফটিকের মুখ থেকে ছুটি পাওয়ার আকুতি শোনা যায়, তাই এই বিখ্যাত শেষ কথাটি 'ছুটি' গল্পের সঙ্গে যুক্ত। রবীন্দ্রনাথের গল্প মানেই গ্রামীণ জীবন ও মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের চরিত্র এবং বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি বা উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। গল্পগুলোর নাম ও মূল চরিত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a sqrt(বিদ) + তা
b sqrt(বিদ) + ত
c বিদ্যা + ত
d বিলি + তা
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √বিদ + ত ১. কেন সঠিক: বিদিত শব্দের মূল ধাতু হলো বিদ এবং এর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ গঠিত হয়েছে। এখানে বিদ ধাতুর অর্থ জানা এবং ত প্রত্যয়টি কর্মবাচ্যে অতীত অর্থে যুক্ত হয়ে বিদিত শব্দ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ ধাতু বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, তাদের মধ্যে ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়। কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয় এবং এটি সাধারণত বিশেষণ পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √গম + ত = গত ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গত শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ যা অতিক্রম করা হয়েছে। উদাহরণ ২: √শৃ + ত = শ্রুত ব্যাখ্যা: শৃ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রুত শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ যা শোনা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √বিদ + তা — তা প্রত্যয়টি সাধারণত স্ত্রীবাচক বা ভাববাচক শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) বিদ্যা + ত — বিদ্যা একটি প্রাতিপদিক বা বিশেষ্য পদ, এর সঙ্গে সরাসরি ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয় না। D) বিলি + তা — বিলি একটি ভিন্নার্থক শব্দ এবং তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক প্রক্রিয়ায় বিদিত শব্দ তৈরি করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: জানা অর্থে √বিদ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত করলে বিদিত শব্দ পাওয়া যায়। অতীত বা কর্মবাচ্যের অর্থ প্রকাশ করতে এই ধরনের কৃৎ প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ধাতুর পূর্বে রুট বা বর্গমূল চিহ্ন ব্যবহার করে সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় চিহ্নিত করতে হয়।
a চাঁদ
b খেলা
c গ্রহ
d ক্ষমা
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষমা ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণের অবস্থান এবং বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত অভিধানের ক্রম অনুযায়ী বর্ণগুলো সাজানো হয়। ক্ষমা শব্দটিতে ক এবং ষ যুক্ত হয়ে কষ (ক্ষ) যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে, যা বাংলা বর্ণমালার প্রথম বর্ণ ক এর ঠিক পরেই ক খ গ এর নিয়মে কষ হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা অভিধানে শব্দ খোঁজার নিয়ম হলো প্রথমে স্বরবর্ণ এবং পরে ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রমানুসারে শব্দ সাজানো। ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ ঙ এর পর যুক্তবর্ণ কষ (ক্ষ) আসে, যা প্রমিত বাংলা অভিধানের বর্ণানুক্রমিক নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কদম, ক্ষণ ব্যাখ্যা: এখানে কদম শব্দের ক এর পরে ক্ষণ শব্দের কষ (ক্ষ) বর্ণটি অভিধানে পরে আসে। উদাহরণ ২: কলম, ক্ষুর ব্যাখ্যা: এখানেও ক এর পরে কষ (ক্ষ) যুক্তবর্ণ থাকার কারণে কলম শব্দের আগে বা পরে ক্ষুর শব্দটি নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — চাঁদ শব্দটি চ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা ব্যঞ্জনমালার অনেক পরের বর্ণ এবং কষ (ক্ষ) এর পরে আসে। B) খেলা — খেলা শব্দটি খ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা ক এবং কষ (ক্ষ) এর পরে অবস্থান করে। C) গ্রহ — গ্রহ শব্দটি গ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা ক এবং কষ (ক্ষ) এর পরে অবস্থান করে। D) ক্ষমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ কষ (ক্ষ) বর্ণটি ক এর ঠিক পরেই অভিধানে স্থান পায়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা অভিধানে ক এর ঠিক পরেই ক্ষ (কষ) এর অবস্থান মনে রাখতে হবে। স্বরবর্ণের পর ব্যঞ্জনবর্ণের মৌলিক ক্রম এবং যুক্তবর্ণের ক্রম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় ক্ষ হলো ক এবং ষ এর যুক্তরূপ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অভিধানের ক্রম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই যুক্তবর্ণের অবস্থান ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
b উপমান কর্মধারয়
c উপমিত কর্মধারয়
d রূপক কর্মধারয়
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা মধ্যপদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। - 'রেলগাড়ি' শব্দের ব্যাসবাক্য হলো রেলের ওপর দিয়ে চলে যে গাড়ি। এখানে মাঝের 'ওপর দিয়ে চলে যে' অংশটি লুপ্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় এবং বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে এটি গঠিত হয়। - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদগুলো সমস্ত পদে এসে অদৃশ্য হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পলান্ন ব্যাখ্যা: পোলাও মিশ্রিত অন্ন। এখানে 'মিশ্রিত' মধ্যপদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘৃতভাত ব্যাখ্যা: ঘৃত মিশ্রিত ভাত। এখানেও মাঝের পদ লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের সৃষ্টি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এটি সঠিক কারণ ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লুপ্ত হয়েছে। B) উপমান কর্মধারয় — ভুল কারণ এখানে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সঙ্গে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায় না। C) উপমিত কর্মধারয় — ভুল কারণ এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করে অভেদ কল্পনা করা হয়নি। D) রূপক কর্মধারয় — ভুল কারণ এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে রূপ বা অভিন্নতা আরোপ করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাঝের পদ গায়েব হয়ে গেলে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস দাগিয়ে দেবে। - যে গাড়ি রেলের ওপর চলে, তার মাঝের অংশ বাদ দিয়ে হলো রেলগাড়ি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সিংহাসন, জেলেখানা, মধুমাখা—এগুলো একই নিয়মের চমৎকার কিছু উদাহরণ।
a পূর্ণিমা রাত
b জোছনা
c আনন্দের প্রাচুর্য
d কচিকাঁচার মেলা
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আনন্দের প্রাচুর্য ১. কেন সঠিক: 'চাঁদের হাট' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা, যার সাধারণ অর্থ হলো আনন্দ বা মিলনের প্রাচুর্য। যেখানে অনেক প্রিয়জন বা বন্ধু একসঙ্গে আনন্দ-উৎসব করে, তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্টার্থক শব্দ বা বাগধারা। বাগধারা ভাষাটিকে সংযত, সুন্দর ও ভাবপূর্ণ করে তোলে। শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে এর একটি বিশেষ রূপক অর্থ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূজার ছুটিতে এত দিন পর সব ভাইবোন একত্রিত হওয়ায় বাড়িটিতে যেন চাঁদের হাট বসেছে। ব্যাখ্যা: এখানে পরিবারের সবাই একসঙ্গে আনন্দ করার কারণে চাঁদের হাট বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: জন্মদিনের অনুষ্ঠানে পুরনো বন্ধুদের এমন উপস্থিতি দেখে মনে হলো এক টুকরো চাঁদের হাট বসেছে। ব্যাখ্যা: অনেক বন্ধু একসঙ্গে আনন্দ করায় এখানে আনন্দের প্রাচুর্য প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ণিমা রাত — এটি চাঁদের হাটের রূপক বা বিশেষ অর্থ নয়, এটি প্রকৃতির একটি সাধারণ দৃশ্যকে বোঝায়। B) জোছনা — জোছনা হলো চাঁদের আলো, যা বাগধারার নির্দিষ্ট মিলন বা আনন্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) কচিকাঁচার মেলা — এটি শিশুদের একটি সংগঠনের নাম বা শিশুদের জমায়েত বোঝায়, সার্বিক আনন্দের প্রাচুর্য অর্থে এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চাঁদ উঠলে যেমন আকাশে আনন্দের আলো ছড়ায়, তেমনি অনেক মানুষ একসঙ্গে আনন্দ করলে তাকে চাঁদের হাট বলা হয়। মিলন মেলা বা আনন্দের প্রাচুর্য মনে রাখলে এই বাগধারাটি সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ কী, তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a স্ত্রী
b সন্তান
c দেবর
d পুত্র
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সন্তান কেন সঠিক: - এই শব্দের মাধ্যমে ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝানো যায়। - নির্দিষ্ট করে কোনো লিঙ্গ প্রকাশ করে না। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দ দ্বারা পুরুষ বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝায় তাকে উভলিঙ্গ শব্দ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে এটি একটি বিশেষ শ্রেণি। - শিশু, মানব, পক্ষী এর কিছু সাধারণ উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) স্ত্রী — এটি একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ। - B) সন্তান — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। - C) দেবর — এটি একটি নির্দিষ্ট পুরুষবাচক শব্দ। - D) পুত্র — এটি একটি নির্দিষ্ট পুরুষবাচক শব্দ। মনে রাখার টিপস: - যে শব্দ শুনলে ছেলে বা মেয়ে দুটোই হতে পারে তা উভলিঙ্গ।
a সমীভবন
b বিষমীভবন
c সম্পৃর্কর্ষ
d অপিনিহিতি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপিনিহিতি ১. কেন সঠিক: - পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে অপিনিহিতি বলে। - এখানে চারি শব্দের শেষের ই-কার অন্তস্থ র-এর আগে চলে এসে চাইল রূপ নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যুক্তব্যঞ্জনের আগের ই-কার বা উ-কার তার আগের স্বরধ্বনির সাথে না মিলে ব্যঞ্জনের আগেই উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে। - এটি মূলত মুখের বলার সুবিধার জন্য ঘটে থাকে এবং এর ফলে শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজি > আইজ ব্যাখ্যা: জ-ফলা বা ই-কার ধ্বনিটি আগে চলে এসে নতুন রূপ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: বাক্য > বাইক্য ব্যাখ্যা: ক-য ফলা-র আগের ই-কার আগে উচ্চারিত হয়ে অপিনিহিতি ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীভবন — শব্দের দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়ার প্রক্রিয়া, যা এখানে ঘটেনি। B) বিষমীভবন — দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে, যা এই শব্দ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) সম্পৃর্কর্ষ — উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের মধ্যে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়া, যা এখানে হয়নি। D) অপিনিহিতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপিনিহিতি শব্দের অর্থ আগে নিহিত হওয়া বা বসা। - ই-কার বা উ-কার আগের বর্ণে চলে আসাই হলো অপিনিহিতির মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আজি থেকে আইজ এবং চারি থেকে চাইল উদাহরণগুলো খুব বেশি আসে। - স্বরসঙ্গতি ও অপিনিহিতির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a যোগ্যতা
b আকাঙ্ক্ষা
c আসত্তি
d উপমা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যোগ্যতা ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকে, যার মধ্যে যোগ্যতা হলো অন্যতম প্রধান একটি শর্ত। বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর অর্থের সঙ্গে সংগতি বা ভাবগত মিলবন্ধন থাকাকেই ব্যাকরণের ভাষায় যোগ্যতা বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: একটি সম্পূর্ণ ও অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করতে হলে ভাষার কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয় এবং এর পদগুলোর মধ্যে অর্থের দিক থেকে মিল থাকতে হবে। শব্দগুলোর অর্থ যদি বাস্তবসম্মত এবং পরস্পরের পরিপূরক না হয়, তবে সেই বাক্য তারাগ বা যোগ্যতা হারায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষার রোদে চারদিক ভেসে যাচ্ছে। ব্যাখ্যা: বর্ষার দিনে বৃষ্টি হয়, রোদ নয়। তাই রোদ দিয়ে চারদিক ভেসে যাওয়া অসম্ভব হওয়ায় বাক্যটি যোগ্যতা হারিয়েছে। উদাহরণ ২: পাকা আমে মক্ষিকা বসেছে। ব্যাখ্যা: পাকা আমে মাছি বা মক্ষিকা বসা বাস্তবসম্মত এবং অর্থপূর্ণ, তাই এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যোগ্যতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মিলবন্ধনকে যোগ্যতা বলে। B) আকাঙ্ক্ষা — এটি বাক্যের আরেকটি গুণ, যার অর্থ হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। C) আসত্তি — এটিও বাক্যের একটি গুণ, যার অর্থ হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য পদগুলোকে যথাযথ স্থানে সাজিয়ে বসা। D) উপমা — এটি একটি অলংকার, যার অর্থ এক বস্তুকে অন্য বস্তুর সঙ্গে তুলনা করা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের অর্থ ঠিক আছে কি না তা বোঝাতে যোগ্যতা শব্দটি মনে রাখবে। অর্থগত মিল না থাকলে যোগ্যতার অভাব ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তিনটি গুণের সংজ্ঞা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a যুক্ত
b যৌগিক
c স্বর
d অনু
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্ত ১. কেন সঠিক: একাধিক বর্ণ একত্রিত হয়ে যখন নতুন বর্ণ বা রূপ ধারণ করে, তখন তাকে যুক্তবর্ণ বা যুক্ত বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ বা স্বরবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে এই বিশেষ রূপ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের আলোচনা থেকে এটি এসেছে। বাংলা ব্যাকরণে যখন দুটি বা ততোধিক বর্ণ মিলে একটি একক রূপ বা গুচ্ছ তৈরি করে, তাকে যুক্তবর্ণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক + ত = ক্ত ব্যাখ্যা: ক এবং ত বর্ণ দুটি একত্রিত হয়ে ক্ত যুক্তবর্ণটি গঠন করেছে। উদাহরণ ২: ন + ত = ন্ত ব্যাখ্যা: ন এবং ত বর্ণ দুটি একত্রিত হয়ে ন্ত যুক্তবর্ণটি গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্ত — এটি সঠিক কারণ একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি করে। B) যৌগিক — যৌগিক স্বরধ্বনি বা যৌগিক শব্দ বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার হয়, যা বর্ণ যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) স্বর — স্বরবর্ণ হলো মৌলিক ধ্বনি যা অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হয়, এটি যুক্ত হওয়ার নাম নয়। D) অনু — অনু একটি উপসর্গ বা শব্দাংশ, যা একাধিক বর্ণ যুক্ত হওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক বর্ণ মিলে একসাথে যুক্ত হওয়া মানেই হলো যুক্তবর্ণ। পরীক্ষায় বর্ণ মিলনের প্রশ্ন দেখলে যুক্ত শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তবর্ণ বাংলা ব্যাকরণের বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের একটি মৌলিক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের প্রশ্নে শব্দের মূল অর্থ এবং ব্যাকরণগত সংজ্ঞা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a আগমন
b নির্দেশনা
c উপসর্গ
d শিক্ষক
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিক্ষক ১. কেন সঠিক: শিক্ষক শব্দটিতে কোনো উপসর্গ যুক্ত নেই। এটি মূল শব্দ বা প্রাকৃত শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ গঠিত একটি শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী যে অব্যয়বাচক শব্দগুলো ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। শিক্ষক শব্দটির গঠন হলো শাস ধাতু যোগ নচ প্রত্যয়, যেখানে কোনো উপসর্গ নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঠক ব্যাখ্যা: পঠ ধাতু যোগ অক প্রত্যয় মিলে পঠক গঠিত হয়েছে, যার মধ্যে কোনো উপসর্গ নেই। উদাহরণ ২: লেখক ব্যাখ্যা: লিখ ধাতু যোগ অক প্রত্যয় মিলে লেখক গঠিত হয়েছে, যা উপসর্গহীন একটি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগমন — এটি আ উপসর্গ যোগ গম ধাতু যোগ অন প্রত্যয় মিলে গঠিত একটি শব্দ। B) নির্দেশনা — এটি নি উপসর্গ যোগ দিশ ধাতু যোগ অনট প্রত্যয় মিলে গঠিত শব্দ। C) উপসর্গ — এটি উপ উপসর্গ যোগ সৃ ধাতু যোগ অ প্রত্যয় মিলে গঠিত শব্দ। D) শিক্ষক — এটি কোনো উপসর্গ ছাড়াই কেবল প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে আ, নি, উপ বা প্র জাতীয় শব্দাংশ দেখলেই তা উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত করবে না। ধাতু ও প্রত্যয়ের মূল গঠন বিশ্লেষণ করে শব্দ বের করার অভ্যাস করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই শব্দের শুরুতেই উপসর্গ খোঁজার পাশাপাশি মূল ধাতু ও প্রত্যয় ভালোভাবে খেয়াল করবে।
a বাক্ + দান = বাগদান
b उत् + ছেদ = উচ্ছেদ
c পর্ + পর = পরস্পর
d সম্ + সার = সংসার
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্ + পর = পরস্পর ১. কেন সঠিক: সন্ধির সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী শব্দ গঠিত না হয়ে যদি বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়, তবে তাকে নিপাতে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এখানে 'পর্' এবং 'পর' যুক্ত হয়ে 'পরস্পর' গঠিত হয়েছে, যা সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র অনুসরণ করে না, কেবল প্রচলিত ব্যবহার বা নিপাতনের মাধ্যমে সিদ্ধ হয়, সেগুলোকে নিপাতে সিদ্ধ সন্ধি বলে। বাংলা ব্যাকরণে স্বরসন্ধি এবং ব্যঞ্জনসন্ধি উভয় ক্ষেত্রেই কিছু নিপাতে সিদ্ধ শব্দ পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরু + অক্ষিকা = গবাক্ষ ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ, যা সাধারণ নিয়ম মেনে চলেনি। উদাহরণ ২: আ + চর্য = আশ্চর্য ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ, যেখানে স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্ + দান = বাগদান — এটি নিপাতে সিদ্ধ সন্ধি নয়, বরং ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অর্থাৎ প্রথম বর্গীয় ধ্বনির তৃতীয় ধ্বনি হওয়ার নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে। B) उत् + ছেদ = উচ্ছেদ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে, যেখানে ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে চ বা ছ যুক্ত হয়। D) সম্ + সার = সংসার — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে, যেখানে ম এর পরে স থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিপাতে সিদ্ধ সন্ধিগুলো ব্যতিক্রমী হওয়ায় এগুলো আলাদাভাবে মুখস্থ রাখা সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই শব্দগুলোর গঠন মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। সন্ধির সাধারণ নিয়ম না মিললেই অপশনগুলো ভালোভাবে যাচাই করে দেখতে হবে এটি নিপাতে সিদ্ধ কি না।
a ধ্বনি
b বর্ণ
c অক্ষর
d শব্দ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্ষর কেন সঠিক: - মানুষের মুখ থেকে নির্গত উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম প্রয়াস বা একক হলো অক্ষর। - একসঙ্গে বা এক ঝোঁকে যতটুকু শব্দ উচ্চারণ করা যায়, তাকে অক্ষর বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণে অক্ষর হলো বাকযন্ত্রের স্বল্পতম প্রচেষ্টায় উচ্চারित ধ্বনি গুচ্ছ। - একে ইংরেজিতে সিলেবল বলা হয় যা স্বরধ্বনির সাহায্যে উচ্চারিত হয়। - যেমন: ভাত শব্দটিতে একটাই অক্ষর আছে কারণ এটি একবারেই উচ্চারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ধ্বনি — ধ্বনি হলো মানুষের ভাষার মূল উপাদান বা কান দিয়ে শোনার একক, উচ্চারণের একক নয়। - B) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা চোখের দেখার বিষয় এবং উচ্চারণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। - C) অক্ষর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্যভাবে প্রযোজ্য। - D) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনির মিলিত রূপ যা অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু এটি উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক নয়। মনে রাখার টিপস: - উচ্চারণ মানেই ঝোঁক বা নিঃশ্বাসের এক ধাক্কা, আর এই এক ধাক্কায় উচ্চারিত অংশই হলো অক্ষর।
a কামিন
b কুলিনী
c কুলিনি
d কামার
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কামিন ১. কেন সঠিক: - কুলী শব্দের স্ত্রীবাচক বিশেষ শব্দ হলো কামিন। বাংলা ব্যাকরণে কিছু তৎসম বা তদ্ভব শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে কিছু নিত্য স্ত্রীবাচক বা বিশেষ নিয়মে সাধিত শব্দ রয়েছে। যেখানে পুংলিঙ্গবাচক শব্দের পবিরর্তে সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ ব্যবহার করে স্ত্রীলিঙ্গ বোঝানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ষাঁড় - গাভী ব্যাখ্যা: ষাঁড় শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ গাভী, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ দিয়ে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মোরগ - মুরগি ব্যাখ্যা: মোরগ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ মুরগি, এটিও লিঙ্গান্তরের একটি ব্যতিক্রমী ও বিশেষ নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামিন — এটি কুলী শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক। B) কুলিনী — কুলী শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কুলিনী হয় না, এটি ভুল গঠন। C) কুলিনি — বানান ভুল এবং এটি কুলী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নয়। D) কামার — কামার একটি পেশাবাচক শব্দ, কুলী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কুলী শ্রমিকদের কাজের জায়গাকে কামিন বলা হতো, এভাবে মনে রাখতে পারো যে কুলী এর স্ত্রীবাচক কামিন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিক্রমী লিঙ্গ পরিবর্তনের শব্দগুলো প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a হাছন রাজা
b কাজী নজরুল ইসলাম
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d লালন শাহ
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কারণ এটি তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত ভক্তিগীতি। - গানটি তাঁর গীতবিতান গ্রন্থের পূজা পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি আত্মনিবেদন ও প্রার্থনামূলক একটি গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ও নোবেলজয়ী কবি। - এই গানটি মানুষের জীবনের ক্লান্তি, হতাশা ও অবসাদ দূর করার জন্য ঈশ্বরের কাছে ক্ষমা ও শক্তির প্রার্থনা জানাতে গাওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ভক্তিগীতি যা আত্মনিবেদনমূলক। উদাহরণ ২: আজি এই গোধূলিলগ্নে তোমার সাথে ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত আধ্যাত্মিক ও পূজাপর্যায়ের একটি গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাছন রাজা — তিনি বাংলা লোকসাহিত্যের একজন বিখ্যাত মরমী সাধক ও বাউল কবি, এই গানের রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদী রচয়িতা, যিনি এই গানটি লেখেননি। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঠিক উত্তর। D) লালন শাহ — তিনি বাংলার বাউল গানের সর্বশ্রেষ্ঠ সাধক ও পদকর্তা, এই গানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্লান্তি ক্ষমা করো প্রভু গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূজা পর্যায়ের বিখ্যাত গান। - ভক্তি ও প্রার্থনামূলক এই ধরনের বিখ্যাত গান সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গান ও কবিতার চরণ প্রায়ই আসে। - গীতবিতানের বিভিন্ন পর্যায়ের গানগুলোর নাম এবং তাদের মূল ভাব ভালো করে পড়তে হবে।
a a big amount
b much
c small
d a little
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a little কেন সঠিক: - Milk একটি Uncountable Noun, যার পূর্বে পরিমাপ বোঝাতে a little ব্যবহার করা হয়। - প্রদত্ত শূন্যস্থানের পর milk থাকায় অল্প পরিমাণ বোঝাতে অপশন D সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a big amount — amount Uncountable Noun-এর ক্ষেত্রে সরাসরি এভাবে বসে না, সঠিক গঠন হতো a large amount of. B) much — সাধারণত Negative এবং Interrogative বাক্যে বসে, Affirmative বাক্যে সঠিক নয়। C) small — এটি Adjective, শূন্যস্থানে সরাসরি বসে Noun-কে modify করতে পারে না। D) a little — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপরিবর্তিত রাখা হলো। মনে রাখার টিপস: Uncountable Noun-এর পরিমাণ কম বোঝাতে a little ব্যবহার করবে।
a moss
b energy
c water
d stability
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) moss কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য। যার বাংলা অর্থ হলো চলমান পাথরে শ্যাওলা জমে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) moss — এটি প্রবাদের সঠিক ও প্রচলিত শব্দ যা স্থির না থাকার অবস্থাকে বোঝায়। B) energy — এটি প্রবাদের অর্থের সাথে মিল রাখে না এবং এটি কোনো প্রচলিত প্রবচন নয়। C) water — পানি rolling stone এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং বাক্যটিকে অর্থহীন করে তোলে। D) stability — এটি প্রবাদের মূল ভাব প্রকাশ করলেও এটি প্রবাদের আসল শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রবাদ মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর ঐতিহ্যগত মিল খেয়াল রাখতে হবে।
a Pace
b Gang
c Flock
d Colony
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Colony কেন সঠিক: - চামচষিক বা বাদুড়ের দলকে ইংরেজিতে বিশেষ শব্দে Colony বলা হয়। - দলবদ্ধভাবে বসবাসকারী নির্দিষ্ট কিছু প্রাণী ও পাখির ক্ষেত্রে সঠিক Collective Noun ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pace — এটি সাধারণত গতি বা পদক্ষেপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, প্রাণীর দল বোঝাতে নয়। B) Gang — এই শব্দটি সাধারণত চোর, অপরাধী বা যুবকদের দল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Flock — এই শব্দমূল মূলত পাখি বা ভেড়ার দলকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Colony — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাদুড়ের দলের ক্ষেত্রে এই Collective Noun ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: বাদুড় গুহায় দল বেঁধে বসবাস করে, তাই তাদের গুহাবাস বা জনবসতির সঙ্গে মিল রেখে Colony শব্দটি মনে রাখবে।
a on foot
b by walking
c on their feet
d by foot
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on foot কেন সঠিক: পায়ে হেঁটে কোথাও যাওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে সবসময় fixed idiom বা বাকধারা হিসেবে on foot ব্যবহার করা হয়। এটি একটি সঠিক prepositional phrase যা চলাচলের মাধ্যম প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। এই বাক্যে অন্য কোনো শব্দের প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on foot — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) by walking — walking একটি gerund এবং এর আগে by ব্যবহার করলে বাক্যটি grammatically awkward বা বেমানান শোনায়। C) on their feet — feet শব্দটি বহুবচন হওয়ায় এবং সাধারণ যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট idiom না হওয়ায় এটি ভুল। D) by foot — foot একটি singular noun এবং এর আগে by বসানোর প্রচলিত কোনো ইংরেজি নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: পায়ে হাঁটার ইংরেজি করার সময় সবসময় on foot মুখস্থ রাখবে, কারণ বাই ফুট বা বাই ওয়াকিং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
a in
b off
c round
d by
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) round কেন সঠিক: এখানে come round একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হলো সুস্থ হয়ে ওঠা বা আরোগ্য লাভ করা। রোগীটি শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবে বোঝাতে come round সঠিক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — come in অর্থ ভেতরে আসা, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) off — come off অর্থ খুলে যাওয়া বা সফল হওয়া, যা রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) round — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বোঝানোর কিছু নেই। D) by — come by অর্থ পাওয়া বা অর্জন করা, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: রোগীর সুস্থ হওয়া বোঝালে come এর পরে সবসময় round বসে।
a Crowded
b Deserted
c Bare
d Desolate
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Crowded কেন সঠিক: ‘Lonely’ শব্দটির অর্থ একা, নির্জন বা সঙ্গীহীন। এর বিপরীতে যে শব্দটির অর্থ জনাকীর্ণ বা লোকজনে ভরপুর, সেটি হলো ‘Crowded’। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Deserted — এই শব্দটির অর্থ জনশূন্য বা পরিত্যক্ত, যা ‘lonely’ শব্দের সমার্থক। C) Bare — এই শব্দটির অর্থ খালি বা উন্মুক্ত, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Desolate — এই শব্দটির অর্থ জনমানবহীন বা একাকী, যা ‘lonely’ শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: একা থাকা বা ‘Lonely’ মানুষের বিপরীত অবস্থা হলো মানুষের ভিড়ে থাকা বা ‘Crowded’।
a Distribute
b Export
c Import
d Smuggle
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Smuggle কেন সঠিক: bootleg শব্দের অর্থ হলো অবৈধভাবে কোনো পণ্য তৈরি, পরিবহন বা বিক্রি করা। smuggled শব্দের অর্থ চোরাচালান করা বা বেআইনিভাবে কিছু পার করা, যা bootleg শব্দের অর্থের সাথে হুবহু মিলে যায়। এটি মূলত নিষিদ্ধ দ্রব্যের বেআইনি ব্যবস ̄ ̄ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Distribute — এর অর্থ বিতরণ করা, যা বৈধভাবে কোনো কিছু ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। B) Export — এর অর্থ রপ্তানি করা, যা একটি দেশ থেকে অন্য দেশে বৈধ উপায়ে পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) Import — এর অর্থ আমদানি করা, যা বিদেশ থেকে বৈধ পন্থায় দেশে পণ্য নিয়ে আসার সাথে সম্পর্কিত। D) Smuggle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বুট লেগের ভেতরে লুকিয়ে চোরাচালান করা হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো বুটলেগ অর্থ চোরাচালান।
a Simple sentence
b Negative sentence
c Complex sentence
d Compound sentence
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Complex sentence কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'If' যুক্ত অধীন খণ্ডবাক্য এবং 'you will learn' প্রধান খণ্ডবাক্য একত্রে একটি জটিল বাক্য গঠন করেছে। - একটি প্রিন্সিপাল ক্লজ এবং এক বা একাধিক সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত হয়ে কমপ্লেক্স সেন্টেন্স তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple sentence — এতে একটি মাত্র সাবজেক্ট ও একটি মাত্র ফাইনাইট ভার্ব থাকে, যা এই বাক্যের গঠন নয়। B) Negative sentence — এটি কোনো নেতিবাচক বা না বোধক বাক্য নয়, বরং একটি হ্যাঁ সূচক শর্তমূলক বাক্য। C) Complex sentence — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর গঠন সঠিক। D) Compound sentence — এতে কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন দিয়ে একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে না। মনে রাখার টিপস: If, though, although, since, because ইত্যাদি কনজাংশন যুক্ত বাক্য দেখলে চোখ বন্ধ করে Complex sentence ধরে নেবে।
a speak
b speaks
c spoken
d spoked
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) speaks কেন সঠিক: বাক্যের সাবজেক্ট 'Alam' হলো থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বার এবং বাক্যটি সাধারণ সত্য বা চিরন্তন অভ্যাস বোঝাচ্ছে। তাই প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে মূল ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) speak — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় এখানে ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত করা হয়নি। B) speaks — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) spoken — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা একা এখানে বসতে পারে না। D) spoked — ইংরেজী ব্যাকরণে 'spoke' শব্দের এমন কোনো রূপ বা বানান নেই। মনে রাখার টিপস: সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ভার্বের শেষে s বা es যোগ করতে হয়।
a until
b if
c till
d unless
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) until কেন সঠিক: শূন্যস্থানে until বসালে বাক্যটির অর্থ হয় আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করব যতক্ষণ না তুমি ফেরো। until শব্দটি সময়সীমা এবং কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত বুঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যা বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন সঠিক রাখতে এখানে until ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) until — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) if — শর্ত বোঝালেও এখানে নির্দিষ্ট সময়সীমা বোঝাতে until এর প্রয়োজন হয়। C) till — till সাধারণত বাক্যের শুরুতে বসে না এবং until এর মতো এটি বেশি আনুষ্ঠানিক নয়। D) unless — unless মূলত শর্ত বা যদি না অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা সময়ের ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে বসে না। মনে রাখার টিপস: সময়ের ব্যাপ্তি বা কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত বোঝাতে until ব্যবহার করতে হয়।
a in
b on
c at
d since
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো মাস, বছর বা শতকের নামের আগে সময়ের প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় in বসে। এখানে শুধু মাস ও বছরের নাম উল্লেখ থাকায় সঠিক উত্তর হবে in। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - এটি সঠিক উত্তর এবং মাস বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) on - এটি সাধারণত নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের নামের আগে বসে। C) at - এটি নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ঘড়ির সময়ের আগে বসে। D) since - এটি নির্দিষ্ট কোনো সময় থেকে শুরু হওয়া কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মাস, বছর এবং ঋতুর নামের আগে সব সময় in বসবে।
a Sink
b Sank
c Sunk
d None
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Sunk কেন সঠিক: - sink ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল (V3) রূপটি হলো sunk। - এটি মূলত Perfect tense এবং Passive voice গঠনে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sink — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট (V1) রূপ, যা পাস্ট পার্টিসিপিল নয়। B) Sank — এটি ভার্বের পাস্ট (V2) রূপ, তাই এটি সঠিক নয়। C) Sunk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় আলোচনা করা হয়েছে। D) None — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Sink, Sank, Sunk এভাবে রূপগুলো মনে রাখতে হবে, যেখানে Sunk হলো V3 বা পাস্ট পার্টিসিপিল রূপ।
a when
b how
c where
d who
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) how কেন সঠিক: বানান বা পদ্ধতি জানতে বাক্যের শুরুতে how ব্যবহার করা হয়। উপাধি কীভাবে বানান করতে হয় তা জানতে এই শব্দই সঠিক। এটি নিয়মের প্রশ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when — সময় জানতে when ব্যবহার করা হয় কিন্তু এখানে বানান জানতে চাওয়া হয়েছে। B) how — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) where — স্থান বা জায়গা বোঝাতে where বসে যা এখানে খাপ খায় না। D) who — ব্যক্তি বা মানুষ বোঝাতে who বসে যা এই বাক্যের জন্য ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পদ্ধতি বা বানান জানতে চাইলে সবসময় how ব্যবহার করবে।
a man
b mans
c men
d mens
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) men কেন সঠিক: নিয়ম অনুযায়ী 'one of the' এর পরে সবসময় plural noun বসে। তাই এখানে singular শব্দ 'man' না বসে plural শব্দ 'men' ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) man — এটি একটি singular noun হওয়ায় 'one of the' এর নিয়মের সাথে মিলে না। B) mans — ইংরেজী ব্যাকরণে 'mans' বলতে কোনো শব্দ বা বহুবচন রূপ নেই। D) mens — 'man' শব্দের বহুবচন গঠনে এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'one of the' দেখলে চোখ বন্ধ করে পরের noun টি plural করতে হবে।
a Adverb
b Adjective
c Noun
d Verb
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Adverb কেন সঠিক: ‘Quickly’ শব্দটি বাক্যে সাধারণত কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-এর কাজের ধরন বা অবস্থা প্রকাশ করে। এটি বোঝায় কাজটি কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এটি verb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে। এটি adverb-এর সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — এটি সঠিক অপশন এবং মূল উত্তর। B) Adjective — এটি ভুল কারণ adjective শুধু noun বা pronoun-এর দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, কাজের ধরন নয়। C) Noun — এটি ভুল কারণ noun দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Verb — এটি ভুল কারণ verb দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু ‘quickly’ কোনো কাজ বা action বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে সাধারণত -ly যুক্ত থাকে এবং কোনো কাজ কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝায়, সেগুলো সাধারণত Adverb হয়।
a ৪১ বছর
b ৩৮ বছর
c ৩৯ বছর
d ৮০ বছর
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪১ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর ধরি, পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর অতএব, মাতার বয়স = পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি − পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি মাতার বয়স = ১১১ − ৭০ সুতরাং, মাতার বয়স = ৪১ বছর উত্তর: ৪১ বছর
a ঢাকা
b রাঙামাটি
c সিলেট
d চট্টগ্রাম
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা প্রদত্ত তথ্য: ক্রিসেন্ট লেক একটি জনপ্রিয় জলাশয় ও পর্যটন স্থান এটি বাংলাদেশের চন্দ্রিমা উদ্যান বা জিয়া উদ্যানের ভেতরে অবস্থিত ধরি, উদ্যানের ভেতরের এই লেকটির চারপাশ দর্শনার্থীদের হাঁটার জন্য উন্মুক্ত ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি রাজধানী শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত অতএব, স্থানটি রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত এর আশেপাশের বিখ্যাত স্থাপনা হলো জাতীয় সংসদ ভবন সুতরাং, এটি নিশ্চিতভাবে ঢাকার একটি পরিচিত ল্যান্ডমার্ক উত্তর: ঢাকা
a 147
b 123
c 179
d 69
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে যথাক্রমে ১৪৭, ১২৩, ১৭৯ এবং ৬৯ ধরি, সংখ্যাগুলো মৌলিক নাকি যৌগিক তা পরীক্ষা করতে হবে অতএব, ১৪৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ এর অঙ্কগুলোর যোগফল ১২ ১২৩ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ এর অঙ্কগুলোর যোগফল ৬ সুতরাং, ৬৯ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ এর অঙ্কগুলোর যোগফল ১৫ ১৭৯ সংখ্যাটিকে কোনো ছোট মৌলিক সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না উত্তর: ১৭৯
a 78
b 79
c 80
d 96
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দুই অংক বিশিষ্ট সংখ্যার অংকদ্বয়ের সমষ্টি ১৫ অংকদ্বয়ের গুণফল ৫৬ ধরি, সংখ্যাটির একক স্থানীয় অংক = ক সংখ্যাটির দশক স্থানীয় অংক = খ অতএব, ক + খ = ১৫ ক × খ = ৫৬ সুতরাং, অপশন এ এর অংক দুটি হলো ৭ ও ৮ যাদের যোগফল ৭ + ৮ = ১৫ এবং গুণফল ৭ × ৮ = ৫৬ উত্তর: ৭৮
a ৩/৮
b ৩/৯
c ৩/২১
d ৫/১৭
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩/২১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন ভগ্নাংশ দেওয়া আছে যার মধ্যে তিনটির লব সমান এবং একটির লব ভিন্ন ধরি, ভগ্নাংশগুলো হলো ৩÷৮, ৩÷৯, ৩÷২১ এবং ৫÷১৭ যে ভগ্নাংশের হর সবচেয়ে বড় এবং লব সবচেয়ে ছোট সেটি ক্ষুদ্রতম হবে অতএব, ৩÷৮ এর মান প্রায় ০.৩৭ ৩÷৯ এর মান প্রায় ০.৩৩ ৩÷২১ এর মান প্রায় ০.১৪ সুতরাং, ৫÷১৭ এর মান প্রায় ০.২৯ হিসাব করে পাই সবচেয়ে ছোট মানটি ৩÷২১ এর জন্য এসেছে উত্তর: C) ৩/২১
a 21
b 20
c 19
d 18
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ প্রদত্ত তথ্য: রোমান সংখ্যাটি হলো XIX ধরি, X এর মান = ১০ I এর মান = ১ অতএব, বাম দিকের X সমান ১০ ডান দিকের IX সমান ১০ − ১ = ৯ সুতরাং, মোট মান সমান ১০ + ৯ উত্তর: ১৯
a 75
b 76
c 77
d 78
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৬ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x^৪ − ২x + ১ ভাজকটি হলো x − ৩ ধরি, বহুপদী রাশিটিকে f(x) দ্বারা প্রকাশ করা হলো অর্থাৎ f(x) = x^৪ − ২x + ১ অতএব, ভাগশেষ উপপাদ্য অনুযায়ী ভাগশেষ হবে f(৩) এখন f(x) রাশিতে x এর পরিবর্তে ৩ বসাতে হবে সুতরাং, f(৩) = (৩)^৪ − ২ × ৩ + ১ f(৩) = ৮১ − ৬ + ১ উত্তর: ৭৬
a 0.01
b 0.1
c 0.001
d 1
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.০০০০১ যার বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাটির বর্গমূল = x অর্থাৎ x × x = ০.০০০০১ অতএব, ০.০১ × ০.০১ গুণ করলে ০.০০০০১ পাওয়া যায় কারণ দশমিকের পর চারটি ঘর রয়েছে সুতরাং, √ (০.০০০০১) = ০.০১ উত্তর: ০.০১
a 6
b -6
c 3
d 7
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো ( − ৮ ) দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ( + ৩ ) তৃতীয় সংখ্যাটি হলো ( − ২ ) ধরি, প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল = ( − ৮ ) × ( + ৩ ) এই গুণফলকে ভাগ করতে হবে = ( − ২ ) দিয়ে অতএব, সংখ্যার গুণফল বের করে পাই, ( − ৮ ) × ( + ৩ ) = − ২৪ সুতরাং, − ২৪ কে ( − ২ ) দিয়ে ভাগ করলে পাই, − ২৪ ÷ ( − ২ ) = ৬ উত্তর: ৬
a 280
b 2.8
c 0.28
d 0.148
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২.৮ প্রদত্ত তথ্য: গুণ করতে হবে শূন্য দশমিক পাঁচ, শূন্য দশমিক নয়, আট এবং দুই। ধরি, প্রথম সংখ্যাটি শূন্য দশমিক পাঁচ এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি শূন্য দশমিক নয়। অতএব, শূন্য দশমিক পাঁচ এবং শূন্য দশমিক নয় গুণ করলে হয় শূন্য দশমিক চার পাঁচ। সুতরাং, শূন্য দশমিক চার পাঁচ এর সাথে আট এবং দুই গুণ করলে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যায় দুই দশমিক আট। উত্তর: ২.৮
a 1
b -1
c 0
d 2
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ − ১ + ১ − ১ + ...... পদসংখ্যা হলো (২n + ১) টি ধরি, n এর মান শূন্য হলে পদের সংখ্যা হয় ১ টি এবং ধারাটির সমষ্টি হয় ১ n এর মান এক হলে পদের সংখ্যা হয় ৩ টি এবং ধারাটির সমষ্টি হয় ১ − ১ + ১ = ১ অতএব, প্রথম ১ টি পদের সমষ্টি = ১ প্রথম ৩ টি পদের সমষ্টি = ১ প্রথম ৫ টি পদের সমষ্টি = ১ সুতরাং, বিজোড় সংখ্যক পদের জন্য ধারাটির সমষ্টি সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে উত্তর: ১
a ১০,০০০ মিলিয়ন
b ১,০০০ মিলিয়ন
c ১০০ মিলিয়ন
d ১০মিলিয়ন
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,০০০ মিলিয়ন প্রদত্ত তথ্য: আন্তর্জাতিক সংখ্যা পদ্ধতি অনুযায়ী ১ বিলিয়ন গণনা করা হয় মিলিয়ন এবং বিলিয়ন উভয়ই আন্তর্জাতিক একক ধরি, ১ মিলিয়ন = ১০,০০,০০০ ১ বিলিয়ন = ১,০০,০০,০০,০০০ অতএব, ১ বিলিয়নকে ১০,০০,০০০ দিয়ে ভাগ করতে হবে ১,০০,০০,০০,০০০ ÷ ১০,০০,০০০ = ১,০০০ সুতরাং, ১,০০০ এবং মিলিয়ন গুণ করলে ১,০০০ মিলিয়ন পাওয়া যায় উত্তর: ১,০০০ মিলিয়ন
a 17500
b 18000
c 18600
d 19000
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮০০০ প্রদত্ত তথ্য: নাদিমের সাপ্তাহিক আয় ৮২০০ টাকা ধরি, মে মাস সমান ৩১ দিন এক সপ্তাহ সমান ৭ দিন অতএব, মে মাসে সপ্তাহের সংখ্যা সমান ৩১ ÷ ৭ সমান চার সমস্ত সাত ভাগের তিন সপ্তাহ সুতরাং, মোট আয় সমান ৪ সমস্ত সাত ভাগের তিন × ৮২০০ সমান ১৮০০০ টাকা উত্তর: ১৮০০০ টাকা
a 4%
b 5%
c 10%
d 15%
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪% প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৪৮০ টাকা ক্ষতি = ২০ টাকা ধরি, ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি ক্রয়মূল্য = ৪৮০ + ২০ = ৫০০ টাকা অতএব, ৫০০ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ টাকা ১ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ ÷ ৫০০ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = (২০ × ১০০) ÷ ৫০০ = ৪ টাকা উত্তর: ৪%
a a = b = c
b ab = bc
c b^2 = ac
d a^2 = bc
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) b^2 = ac প্রদত্ত তথ্য: a, b, c রাশি তিনটি ক্রমিক সমানুপাতিক ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b তৃতীয় রাশি = c অতএব, সমানুপাতের নিয়ম অনুসারে লেখা যায় প্রথম রাশি অনুপাত দ্বিতীয় রাশি = দ্বিতীয় রাশি অনুপাত তৃতীয় রাশি দ্বিতীয় লাইন a অনুপাত b = b অনুপাত c তৃতীয় লাইন a ÷ b = b ÷ কোণাকোণি গুণ করে পাই সুতরাং, b গুণ b = a গুণ c উত্তর: b^2 = ac
a 24000
b 22000
c 20000
d 21000
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২২০০০ প্রদত্ত তথ্য: বার্ষিক মুনাফার হার = ৫% মাসিক সুদ = ১০০ টাকা ধরি, আসল = ক টাকা ১ বছরের সুদ = ১০০ × ১২ = ১২০০ টাকা অতএব, ৫% হারে ক টাকার ১ বছরের সুদ = (ক × ৫ ÷ ১০০) টাকা শর্তমতে, (ক × ৫ ÷ ১০০) = ১২০০ সুতরাং, ৫ক = ১২০০ × ১০০ ৫ক = ১২০০০০ উত্তর: ক = ১২০০০০ ÷ ৫ = ২২০০০ টাকা
a Personal Private Partnership
b Preliminary Public Partnership
c Public Private Program
d Public Private Partnership
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Public Private Partnership কেন সঠিক: - সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় যৌথ উদ্যোগে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করাকে এটি বোঝায়। - সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এই যৌথ অংশীদারত্ব অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Personal Private Partnership — এই শব্দগুচ্ছটি অর্থনীতি বা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিভাষায় সঠিক বা প্রচলিত কোনো ধারণাকে নির্দেশ করে না। B) Preliminary Public Partnership — এটি একটি ভুল শব্দবিন্যাস, কারণ কাঠামোগতভাবে অংশীদারত্বের নামকরণে প্রাথমিক বা প্রিলিমিনারি শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। C) Public Private Program — এখানে প্রোগ্রাম শব্দটি ভুল, কারণ এই ধারণার মূল উদ্দেশ্য কোনো কর্মসূচি নয় বরং যৌথভাবে অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠা করা। D) Public Private Partnership — এটি সঠিক কারণ এটি সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অংশীদারত্বের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং প্রমিত রূপ। মনে রাখার টিপস: শব্দসংকেত মনে রাখতে পারেন পিপিএপি (Public-Private-Partnership), যার প্রথম অক্ষর দুটি পি এবং শেষ অক্ষর পি নিয়ে এই নামকরণ গঠিত হয়েছে।
a থাইল্যান্ড
b তাইওয়ান
c ইসরায়েল
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাইওয়ান কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল চীন, যার প্রতিনিধিত্ব করত কুওমিনতাং সরকার। - ১৯৭১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৭৫৮ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন বৈধ আসন লাভ করে এবং তাইওয়ান সদস্যপদ হারায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং বর্তমানেও এর সক্রিয় সদস্য হিসেবে রয়েছে। B) তাইওয়ান — এটি ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ হারিয়েছিল এবং বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য নয়। C) ইসরায়েল — এটি ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং বর্তমানেও এর সদস্য হিসেবে বহাল আছে। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হয় এবং বর্ণবাদ নীতির কারণে কিছু সময় বিতর্কিত থাকলেও বর্তমানে সদস্য রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে চীন জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার পর তাইওয়ান সদস্যপদ হারিয়েছিল।
a ৫ টি
b ৭ টি
c ৮ টি
d ৬ টি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী এর মূল অঙ্গসংস্থা মোট ছয়টি। - এগুলো হলো সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, ঔপন্যাসিক বা অছি পরিষদ, আন্তর্জাতিক বিচারালয় এবং সচিবালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ টি — জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থার সংখ্যা পাঁচ নয়, কারণ সঠিক সংখ্যা ছয়টি। B) ৭ টি — জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা সাতটি নয়, আন্তর্জাতিক বিচারালয়সহ মোট ছয়টি অঙ্গসংস্থা রয়েছে। C) ৮ টি — জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থার সংখ্যা আটটি নয়, এটি ভুল তথ্য। D) ৬ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘের নির্ধারিত মূল অঙ্গসংস্থার সংখ্যা ঠিক ছয়টি। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থার সংখ্যা মনে রাখতে সচিবালয়, সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদসহ মোট ৬ টি কথাটি মনে রাখুন।
a পরশুরাম
b শমসের নগর
c সুধারাম
d ভুসুয়া
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। ফেনী জেলার পূর্বনাম ছিল শমসের নগর নয়, ফেনীর পূর্বনাম ছিল পালাবাপু বা ভাওয়াল (ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী প্রাচীনকালে এই অঞ্চলটি সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং পরবর্তীতে ত্রিপুরার অংশ ছিল)। তবে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও ঐতিহাসিক তথ্যে ফেনীর প্রাচীন কোনো নাম 'শমসের নগর' হিসেবে স্বীকৃত নয়। শমসের নগর মূলত মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার একটি ঐতিহাসিক স্থান। কেন সঠিক: - সঠিক ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী ফেনী জেলার পূর্বনাম শমসের নগর নয়। - শমসের নগর মৌলভীবাজার জেলার একটি অঞ্চলের নাম, ফেনীর নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরশুরাম — এটি ফেনী জেলার একটি বর্তমান উপজেলার নাম, পুরো জেলার ঐতিহাসিক পূর্বনাম নয়। B) শমসের নগর — এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার একটি ঐতিহাসিক স্থান, ফেনীর পূর্বনাম নয়। C) সুধারাম — এটি নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নাম। D) ভুসুয়া — এটি ফেনী জেলার পূর্বনাম হিসেবে কোনো ঐতিহাসিক বা দাপ্তরিক দলিলে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: ফেনী জেলার সাথে শমসের নগরের কোনো সম্পর্ক নেই, শমসের নগর মৌলভীবাজারে অবস্থিত।
a জীববিজ্ঞান
b বই ও প্রকাশনা
c চিত্র শিল্প
d জীবন কোড
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বই ও প্রকাশনা কেন সঠিক: - আইএসবিএন অর্থ হলো ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বুক নাম্বার, যা বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত প্রতিটি বইকে আলাদাভাবে শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। - এটি মূলত বই প্রকাশনা শিল্পের সাথে সরাসরি জড়িত একটি পরিচিত আন্তর্জাতিক কোড ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীববিজ্ঞান — এটি জীবনবিজ্ঞান বা জীব সংক্রান্ত পড়াশোনা নির্দেশ করে, যা বইয়ের কোডিং ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) বই ও প্রকাশনা — এটি সঠিক কারণ আইএসবিএন কোডটি একমাত্র প্রকাশিত বইয়ের পরিচিতি নিশ্চিত করতেই ব্যবহার করা হয়। C) চিত্র শিল্প — এটি চারুকলা বা ছবি আঁকার সাথে যুক্ত, যা প্রকাশনা শিল্পের এই কোডের আওতাভুক্ত নয়। D) জীবন কোড — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রমিত বিষয় নয় এবং বইয়ের সনাক্তকরণ নম্বরের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: আইএসবিএন বা আইএনবি এর কাজ কেবল বইয়ের দোকানে বা প্রকাশনায় বই চিহ্নিত করা।
a ১ কোটি ৬৫ লাখ
b ১ কোটি ৮০ লাখ
c ৫০ লাখ
d ২ কোটি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ কোটি ৬৫ লাখ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কৃষকদের সরকারি সহায়তা ও প্রণোদনা দেওয়ার জন্য এই তালিকা করা হয়েছে। - দেশের প্রকৃত কৃষকদের চিহ্নিত করে সার, বীজ ও আর্থিক সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ কোটি ৬৫ লাখ — এটি কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সরকারি সুবিধার আওতায় আসা নির্ধারিত কৃষক পরিবারের সঠিক সংখ্যা। B) ১ কোটি ৮০ লাখ — এটি একটি অতিরিক্ত প্রাক্কলিত সংখ্যা যা কৃষি কার্ডের মূল নিবন্ধিত উপাত্তের সঙ্গে মেলে না। C) ৫০ লাখ — এই সংখ্যাটি অত্যন্ত কম এবং এটি দেশের মোট কৃষক পরিবারের প্রকৃত পরিসংখ্যানের তুলনায় অনেক কম। D) ২ কোটি — এই সংখ্যাটি অত্যধিক বেশি এবং এটি বর্তমান কৃষি কার্ডধারী কৃষক পরিবারের সরকারি তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: কৃষি কার্ডের সুবিধাভোগী কৃষকের সংখ্যা মনে রাখতে '১.৬৫' কোটি বা এক কোটি পঁয়ষট্টি লাখ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
a যুদ্ধ
b শান্তি
c অভ্যুত্থান
d কূটনীতি
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অভ্যুত্থান কেন সঠিক: - ইন্তিফাদা একটি আরবি শব্দ, যার শাব্দিক অর্থ হলো ঝেড়ে ওঠা, জেগে ওঠা বা প্রবল আন্দোলন। - ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে যে গণঅভ্যুত্থান গড়ে তুলেছিল, তাকেই ইতিহাসে ইন্তিফাদা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুদ্ধ — যুদ্ধ হলো দুটি দেশের নিয়মিত সামরিক বাহিনীর সংঘাত, কিন্তু ইন্তিফাদা মূলত সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত গণঅভ্যুত্থান। B) শান্তি — শান্তি হলো সংঘাতহীন শান্তিপূর্ণ অবস্থা, আর ইন্তিফাদা হলো তার সম্পূর্ণ বিপরীত এক তীব্র প্রতিবাদ ও আন্দোলন। C) অভ্যুত্থান — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি ফিলিস্তিনিদের গণজাগরণ ও প্রতিবাদকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। D) কূটনীতি — কূটনীতি হলো আলোচনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করার কৌশল, যা ইন্তিফাদার মতো গণআন্দোলন নয়। মনে রাখার টিপস: ইন্তিফাদা শব্দটির সাথে ফিলিস্তিনি জনগণের ইসরায়েলি শাসনের বিরুদ্ধে করা গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস জড়িত।
a অর্থনৈতিক
b সামরিক
c পরিবেশগত
d রাজনৈতিক
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামরিক কেন সঠিক: - ন্যাটো হলো উত্তর আটলান্টিক Treaty Organization, যা একটি সামরিক জোট হিসেবে গঠিত হয়েছে। - এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করে যৌথভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক — ন্যাটো কোনো বাণিজ্য বা অর্থনৈতিক উন্নয়নের সংস্থা নয়, এটি মূলত নিরাপত্তার জন্য তৈরি। B) সামরিক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ন্যাটো একটি যৌথ সামরিক প্রতিরক্ষাবলয়। C) পরিবেশগত — পরিবেশ সুরক্ষা বা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা ন্যাটোর মূল লক্ষ্য নয়। D) রাজনৈতিক — যদিও এর পেছনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকে, তবে এর মূল গঠন ও কার্যক্রম সামরিক নিরাপত্তার সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো নামটি শুনলেই মনে রাখবে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি, যা দেশগুলোর সুরক্ষার জন্য গড়া একটি সামরিক শক্তি।
a আনতানানারিভো
b পারামারিবো
c আস্তানা
d মাসেরু
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনতানানারিভো কেন সঠিক: - আনতানানারিভো হলো ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র মাদাগাস্কারের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি দেশটির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনতানানারিভো — এটি মাদাগাস্কারের রাজধানীর সঠিক নাম এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) পারামারিবো — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ সুরিনামের রাজধানী। C) আস্তানা — এটি মধ্য এশিয়ার দেশ কাজাখস্তানের রাজধানী। D) মাসেরু — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার ভেতরে অবস্থিত ক্ষুদ্র দেশ লেসোথোর রাজধানী। মনে রাখার টিপস: মাদাগাস্কার নামের শেষে 'স্কার' আছে এবং এর রাজধানীর নাম 'আনতানানারিভো' যার শুরু 'আনতা' দিয়ে।
a রাজশাহী
b ঢাকা
c চট্টগ্রাম
d খুলনা
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজশাহী কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী রাজশাহী জেলায় অবস্থিত। - এটি দেশের ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি রাজশাহীতে অবস্থিত। B) ঢাকা — ঢাকা রাজধানী হলেও বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী এখানে অবস্থিত নয়, যদিও প্রধান ডাকঘর ও অধিদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত। C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বন্দরনগরী ও বিভাগীয় শহর হলেও বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী এখানে অবস্থিত নয়। D) খুলনা — খুলনা বিভাগীয় শহর হলেও বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী এই শহরে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর রাজশাহীতেই বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী অবস্থিত।
a পরিকল্পনা
b শিল্প
c বাণিজ্য
d অর্থ
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাণিজ্য কেন সঠিক: - ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ বা টিসিবি দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ও বিপণনের দায়িত্ব পালন করে। - বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এই সংস্থাটি সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে পণ্য সরবরাহ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিকল্পনা — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রকল্প প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংস্থা এর আওতাভুক্ত নয়। B) শিল্প — শিল্প মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় কলকারখানা ও উৎপাদন খাত পরিচালনা করে, কিন্তু টিসিবি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নয় বরং বিপণন সংস্থা। D) অর্থ — অর্থ মন্ত্রণালয় দেশের বাজেট, রাজস্ব ও আর্থিক নীতি প্রণয়ন করে, যা টিসিবির দৈনন্দিন কার্যক্রমের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: টিসিবি মূলত কেনাবেচা বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাই এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়।
a 3
b 4
c 7
d 8
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করেন। - সেই সময়ে তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ — এটি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি ব্যাটালিয়ন হলেও মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগে মেজর জিয়াউর রহমানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। B) ৪ — চতুর্থ ব্যাটালিয়নটি ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ অন্যান্য এলাকায় অবস্থান করছিল এবং এর কার্যক্রম ভিন্ন স্থানে পরিচালিত হয়েছিল। সি) ৭ — সপ্তম ব্যাটালিয়নটি সৈয়দপুর বা রংপুর অঞ্চলে অবস্থান করছিল এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ৮ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি অষ্টম ব্যাটালিয়নের সঙ্গেই সংযুক্ত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: জিয়াউর রহমানের জ (জিয়া) এবং আট (অষ্টম ব্যাটালিয়ন) এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a Bangladesh Pertoleum Export
b Bangladesh Petroleum Exposure
c Bangladesh Petroleum Exploration
d Bangladesh Petroleum Expert
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bangladesh Petroleum Exploration কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) অধীন একটি কোম্পানি। - তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের (Exploration) কাজের জন্য ১৯৮৯ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh Pertoleum Export — পেত্রোলিয়াম রপ্তানি বোঝাতে এই নাম ব্যবহৃত হয় না এবং বানানটিও ভুল। B) Bangladesh Petroleum Exposure — এক্সপোজার শব্দটি তেল অনুসন্ধানের প্রাতিষ্ঠানিক নামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) Bangladesh Petroleum Exploration — এটি সঠিক কারণ প্রতিষ্ঠানটি খনিজ তেল অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত। D) Bangladesh Petroleum Expert — এক্সপার্ট বা বিশেষজ্ঞ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক নামের অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: BAPEX শব্দের শেষের EX অংশটি দিয়ে Exploration বা অনুসন্ধান কথাটি মনে রাখতে হবে।
a ২৫ বছর
b ৩০ বছর
c ৩৫ বছর
d ৪০ বছর
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ বছর কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর অনুচ্ছেদ ৪ এর দফা (গ) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রার্থীর বয়স ন্যূনতম পঁয়ত্রিশ বছর হতে হবে। - রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই সাংবিধানিক পদে প্রার্থীর অভিজ্ঞতা ও পরিপক্বতা নিশ্চিত করার জন্যই বয়সসীমা এই নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ বছর — এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের ন্যূনতম বয়সসীমা, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য নয়। B) ৩০ বছর — এটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বা পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ন্যূনতম বয়স। D) ৪০ বছর — বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য এই বয়সসীমা নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: সংসদ সদস্য হতে পঁচিশ বছর, উপজেলা চেয়ারম্যান হতে ত্রিশ বছর এবং দেশের রাষ্ট্রপতি হতে পঁয়ত্রিশ বছর বয়স লাগে।
a ৯ টি
b ৮ টি
c ১০ টি
d ১১ টি
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট শাখা ১০টি। - প্রধান কার্যালয় ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে এই শাখাগুলো পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঠিক শাখা সংখ্যার চেয়ে কম, তাই এটি ভুল। B) ৮ টি — এই সংখ্যাটিও বর্তমান শাখা সংখ্যার সাথে মেলে না, ফলে এটি সঠিক নয়। C) ১০ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখার মোট সংখ্যা ১০টি। D) ১১ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে বেশি, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা সংখ্যা মনে রাখতে হাতের দশ আঙুলের হিসাব মাথায় রাখতে পারেন।
a ১৬৫১ সালে
b ১৬৪৮ সালে
c ১৬৫৭ সালে
d ১৬৫৮ সালে
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) ১৬৫৮ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার কাশিমবাজারে তাদের প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে ১৬৫৮ সালে। - এই কুঠিটি সে thờiের প্রখ্যাত রেশম ও তুলা বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬৫১ সালে — এই সালে ইংরেজরা হুগলিতে তাদের প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেছিল, কাশিমবাজারে নয়। B) ১৬৪৮ সালে — এই সালে কাশিমবাজারে ইংরেজদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের কোনো ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল নেই। C) ১৬৫৭ সালে — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় তাদের বাণিজ্য কার্যক্রম সম্প্রসারণ করলেও কাশিমবাজার কুঠি স্থাপিত হয়নি। D) ১৬৫৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ইংরেজরা আনুষ্ঠানিকভাবে কাশিমবাজারে কুঠি স্থাপন করেছিল। মনে রাখার টিপস: হুগলিতে কুঠি স্থাপনের সাত বছর পর অর্থাৎ ১৬৫৮ সালে ইংরেজরা কাশিমবাজারে কুঠি স্থাপন করে।
a লালমনিরহাট
b নীলফামারী
c রংপুর
d সব কটি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সব কটি কেন সঠিক: - তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে লালমনিরহাট, নীলফামারী ও রংপুর জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - উল্লেখিত তিনটি জেলাই তিস্তা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় প্রশ্নটির সঠিক উত্তর সব কটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনিরহাট — তিস্তা নদী এই জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও এটি একমাত্র সঠিক উত্তর নয়, কারণ অন্য জেলাগুলোও এর তীরবর্তী। B) নীলফামারী — তিস্তা নদীর তীরবর্তী হলেও এটি একা সঠিক উত্তর হতে পারে না, কারণ লালমনিরহাট ও রংপুরও এর তীরবর্তী। C) রংপুর — তিস্তা এই জেলার সীমানা ঘেঁষে প্রবাহিত হলেও কেবল এটিই একমাত্র উত্তর নয়। D) সব কটি — লালমনিরহাট, নীলফামারী এবং রংপুর প্রতিটি জেলাই তিস্তা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: লাল নীল রঙে তিস্তা রাঙা - এই বাক্যের লাল (লালমনিরহাট), নীল (নীলফামারী) ও রঙে (রংপুর) দিয়ে তিস্তা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলো মনে রাখা যায়।
a পদ্মা
b মেঘনা
c যমুনা
d তিস্তা
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিস্তা কেন সঠিক: - গজলডোবা বাঁধ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলায় তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেচ প্রকল্প ও বাঁধ। - এই বাঁধের মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহার করায় বাংলাদেশ অংশে নদীর প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — পদ্মা নদী ভারত থেকে গঙ্গা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং গজলডোবা বাঁধ এর উজানে অবস্থিত নয়। B) মেঘনা — মেঘনা নদী আসাম ও ত্রিপুরার পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে এসেছে, তাই তিস্তা বাঁধের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। C) যমুনা — যমুনা নদী ব্রহ্মপুত্রের মূল ধারা হিসেবে প্রবাহিত, যা গজলডোবা বাঁধের অববাহিকাভুক্ত নয়। D) তিস্তা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গজলডোবা বাঁধটি তিস্তা নদীর ওপরই ভারতের অংশে নির্মাণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: তিস্তা নদী মনে রাখলেই গজলডোবা বাঁধের অবস্থান সহজেই মনে রাখা যায়।
a অ্যাটর্নি জেনারেল
b স্পিকার
c প্রধানমন্ত্রী
d রাষ্ট্রপতি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের একচল্লিশ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক শপথ গ্রহণ করেন। - বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্রের প্রধান এবং তিনি প্রধান বিচারপতিকে তার পদের শপথ বাক্য পাঠ করান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাটর্নি জেনারেল — ইনি সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা, প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করানোর সাংবিধানিক এখতিয়ার তার নেই। B) স্পিকার — ইনি জাতীয় সংসদের প্রধান, প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করানোর সাংবিধানিক দায়িত্ব তার নয়। C) প্রধানমন্ত্রী — ইনি সরকারপ্রধান, প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। D) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করান। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

মোট প্রশ্ন (20)

a হাছন রাজা
b কাজী নজরুল ইসলাম
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d লালন শাহ
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কারণ এটি তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত ভক্তিগীতি। - গানটি তাঁর গীতবিতান গ্রন্থের পূজা পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি আত্মনিবেদন ও প্রার্থনামূলক একটি গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ও নোবেলজয়ী কবি। - এই গানটি মানুষের জীবনের ক্লান্তি, হতাশা ও অবসাদ দূর করার জন্য ঈশ্বরের কাছে ক্ষমা ও শক্তির প্রার্থনা জানাতে গাওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ভক্তিগীতি যা আত্মনিবেদনমূলক। উদাহরণ ২: আজি এই গোধূলিলগ্নে তোমার সাথে ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত আধ্যাত্মিক ও পূজাপর্যায়ের একটি গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাছন রাজা — তিনি বাংলা লোকসাহিত্যের একজন বিখ্যাত মরমী সাধক ও বাউল কবি, এই গানের রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদী রচয়িতা, যিনি এই গানটি লেখেননি। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঠিক উত্তর। D) লালন শাহ — তিনি বাংলার বাউল গানের সর্বশ্রেষ্ঠ সাধক ও পদকর্তা, এই গানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্লান্তি ক্ষমা করো প্রভু গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূজা পর্যায়ের বিখ্যাত গান। - ভক্তি ও প্রার্থনামূলক এই ধরনের বিখ্যাত গান সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গান ও কবিতার চরণ প্রায়ই আসে। - গীতবিতানের বিভিন্ন পর্যায়ের গানগুলোর নাম এবং তাদের মূল ভাব ভালো করে পড়তে হবে।
a আত্মবিলাপ
b কবি মাতৃভাষা
c মাতৃভাষা
d আত্মপরিচয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবি মাতৃভাষা ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত সনেট ‘বৎসভাষা’ (যা পরবর্তীতে ‘মাতৃভাষা’ নামে পরিচিত হয়) রচনার শুরুর দিকে এই নামে অভিহিত করা হয়েছিল। কবি তার সুদূর প্রবাসে বসে বাংলা ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ ও মাতৃভাষার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করতে গিয়ে এই নামকরণ করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মের ইতিহাস সম্পর্কিত। তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক এবং তার চতুর্দশপদী কবিতা মালায় বাংলা ভাষার প্রতি অগাধ ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বঙ্গভাষা’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি এবং বাংলা ভাষার মহিমা দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘সনেট’। ব্যাখ্যা: তিনি বাংলায় প্রথম সনেটের সফল প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে নতুন ধারার সাহিত্য সৃষ্টি করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মবিলাপ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কবি তার এই কবিতায় কেবল ব্যক্তিগত বিলাপ প্রকাশ করেননি বরং মাতৃভাষার মহিমা ফুটিয়ে তুলেছেন। B) কবি মাতৃভাষা — এটি সঠিক উত্তর। C) মাতৃভাষা — এটি সনেটটির পরবর্তী ও পরিমার্জিত রূপ হলেও শুরুতে এই নামে লেখা হয়নি। D) আত্মপরিচয় — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কবিতাটির প্রাথমিক নামকরণের সাথে এই নামের কোনো ঐতিহাসিক মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বৎসভাষা’ সনেটটি প্রথমে ‘কবি মাতৃভাষা’ নামে লেখা হয়েছিল তা মনে রাখতে নামের শুরুর মিল মনে রাখুন। সনেটের নামকরণের এই পরিবর্তনটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার চতুর্দশপদী কবিতা গ্রন্থ থেকে এমন প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসে। লেখকদের বিখ্যাত কবিতার আদি নাম বা প্রথম প্রকাশের তথ্য ভালোভাবে মনে রাখা উচিত।
a ব্যথার দান
b বাঁধনহারা
c ঝিলিমিলি
d বিষের বাঁশি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যথার দান ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। এটি ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই নজরুল বাংলা সাহিত্য জগতে কথাসাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সংগীতজ্ঞ। ব্যথার দান তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলেও তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা হলো মুক্তি এবং প্রথম প্রকাশিত গান হে খোদা মাজেদ রে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বাঁধনহারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যা ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যথার দান - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ও গল্পগ্রন্থ। B) বাঁধনহারা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, প্রথম গ্রন্থ নয়। C) ঝিলিমিলি - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত নাটক যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়। D) বিষের বাঁশি - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ও প্রথম গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। প্রথম উপন্যাস বাঁধনহারা এবং প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের নাম বারবার আসে। তাই এগুলো প্রকাশের সালসহ মনে রাখা জরুরি।
a নিষিদ্ধ লোবান
b রাইফেল রোটি আওরাত
c হাঙর নদী গ্রেনেড
d চৌচির
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) রাইফেল রোটি আওরাত কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই রচিত এবং প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের উত্তাল দিনগুলি ও পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে এই উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করেন। - উপন্যাসটির মূল চরিত্র সুরঞ্জিত ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন ঢাকা শহরের মধ্যবিত্ত মানুষের মানসিক অবস্থা ও আতঙ্কের প্রতীক। - বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার পথিকৃৎ হিসেবে ঐতিহাসিক মর্যাদা লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) নিষিদ্ধ লোবান — সৈয়দ শামসুল হকের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলেও এটি প্রথম নয়। - খ) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য তথ্য প্রযোজ্য। - গ) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সেলিনা হোসেনের লেখা একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা পরে প্রকাশিত হয়। - ঘ) চৌচির — এটি রাবেয়া খাতুনের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা অনেক পরে রচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - রাইফেল হাতে বাঙালিরা যুদ্ধ করেছিল, তাই প্রথম মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসের নামের শুরুতে রাইফেল শব্দটি আছে।
a বিষবৃক্ষ
b বিষবৃক্ষ
c কপালকুণ্ডলা
d শ্রীকান্ত
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কপালকুণ্ডলা ১. কেন সঠিক: - ‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?’ এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সাহিত্যিক উদ্ধৃতি। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে রহস্যময়ী নারী কপালকুণ্ডলা এই অবিস্মরণীয় উক্তিটি করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয়। - ‘কপালকুণ্ডলা’ হলো তাঁর রচিত দ্বিতীয় এবং একটি রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘পথের দাবি’ উপন্যাসের একটি জনপ্রিয় সংলাপ। ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সংলাপ বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। উদাহরণ ২: ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাসের সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনীর সংলাপ। ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সংলাপ দাম্পত্য জীবন ও সমাজকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্য একটি বিখ্যাত উপন্যাস, তবে এই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি এই উপন্যাসের নয়। B) বিষবৃক্ষ — অপশনটি পুনরাবৃত্ত হলেও এটি মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সাহিত্যিক উৎসের সঙ্গে মিলে না। D) শ্রীকান্ত — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজৈবনিক উপন্যাস, তাই এখানে এই উক্তিটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের মূল আকর্ষণ এর রহস্যময় পরিবেশ এবং নবকুমার ও কপালকুণ্ডলার পারস্পরিক সংলাপ। - বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক ধারার উপন্যাস মনে রাখতে প্রধান চরিত্রগুলোর নাম এবং তাদের বিখ্যাত উক্তিগুলো নোট করে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র এবং উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলোর প্রকাশের সাল এবং প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শাস্তি
b ছুটি
c ফটিক
d মহেশ
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছুটি ১. কেন সঠিক: এই উদ্ধৃতিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প 'ছুটি' থেকে নেওয়া হয়েছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বালক ফটিক চক্রবর্তীর জীবনের অন্তিম মুহূর্তে তার মায়ের সান্নিধ্য পাওয়ার আকুলতা এবং মৃত্যুর আগের এই আকুতি গল্পটিকে অত্যন্ত মর্মস্পর্শী করে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'ছুটি' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন 'গল্পগুচ্ছ' এর প্রথম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। এই গল্পে কিশোর বয়সের মানসিকতা, স্নেহবঞ্চনা এবং গ্রামীণ ও শহুরে জীবনের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গল্পগুচ্ছ' ছোটগল্প সংকলন। ব্যাখ্যা: এই সংকলনে বাংলা সাহিত্যের বহু বিখ্যাত ছোটগল্প স্থান পেয়েছে যা বাঙালির পাঠাভ্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শাস্তি' ছোটগল্প। ব্যাখ্যা: এটিও 'গল্পগুচ্ছ' এর অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্প যা গ্রামীণ জীবনের জটিলতা তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাস্তি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছোটগল্পের নাম হলেও এতে আলোচ্য উদ্ধৃতিটি নেই, বরং এটি দুরাস ও চন্দরা চরিত্রকে কেন্দ্র করে রচিত। C) ফটিক — ফটিক হলো 'ছুটি' গল্পের প্রধান চরিত্র, কোনো গল্পের নাম নয়, তাই এটি উদ্ধৃতির উৎস হতে পারে না। D) মহেশ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল চরিত্র গফুর ও তার বলদ মহেশ, এর সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: মৃত্যুর আগে ফটিকের মুখ থেকে ছুটি পাওয়ার আকুতি শোনা যায়, তাই এই বিখ্যাত শেষ কথাটি 'ছুটি' গল্পের সঙ্গে যুক্ত। রবীন্দ্রনাথের গল্প মানেই গ্রামীণ জীবন ও মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের চরিত্র এবং বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি বা উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। গল্পগুলোর নাম ও মূল চরিত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a sqrt(বিদ) + তা
b sqrt(বিদ) + ত
c বিদ্যা + ত
d বিলি + তা
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √বিদ + ত ১. কেন সঠিক: বিদিত শব্দের মূল ধাতু হলো বিদ এবং এর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ গঠিত হয়েছে। এখানে বিদ ধাতুর অর্থ জানা এবং ত প্রত্যয়টি কর্মবাচ্যে অতীত অর্থে যুক্ত হয়ে বিদিত শব্দ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ ধাতু বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, তাদের মধ্যে ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়। কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয় এবং এটি সাধারণত বিশেষণ পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √গম + ত = গত ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গত শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ যা অতিক্রম করা হয়েছে। উদাহরণ ২: √শৃ + ত = শ্রুত ব্যাখ্যা: শৃ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রুত শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ যা শোনা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √বিদ + তা — তা প্রত্যয়টি সাধারণত স্ত্রীবাচক বা ভাববাচক শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) বিদ্যা + ত — বিদ্যা একটি প্রাতিপদিক বা বিশেষ্য পদ, এর সঙ্গে সরাসরি ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয় না। D) বিলি + তা — বিলি একটি ভিন্নার্থক শব্দ এবং তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক প্রক্রিয়ায় বিদিত শব্দ তৈরি করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: জানা অর্থে √বিদ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত করলে বিদিত শব্দ পাওয়া যায়। অতীত বা কর্মবাচ্যের অর্থ প্রকাশ করতে এই ধরনের কৃৎ প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ধাতুর পূর্বে রুট বা বর্গমূল চিহ্ন ব্যবহার করে সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় চিহ্নিত করতে হয়।
a চাঁদ
b খেলা
c গ্রহ
d ক্ষমা
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষমা ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণের অবস্থান এবং বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত অভিধানের ক্রম অনুযায়ী বর্ণগুলো সাজানো হয়। ক্ষমা শব্দটিতে ক এবং ষ যুক্ত হয়ে কষ (ক্ষ) যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে, যা বাংলা বর্ণমালার প্রথম বর্ণ ক এর ঠিক পরেই ক খ গ এর নিয়মে কষ হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা অভিধানে শব্দ খোঁজার নিয়ম হলো প্রথমে স্বরবর্ণ এবং পরে ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রমানুসারে শব্দ সাজানো। ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ ঙ এর পর যুক্তবর্ণ কষ (ক্ষ) আসে, যা প্রমিত বাংলা অভিধানের বর্ণানুক্রমিক নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কদম, ক্ষণ ব্যাখ্যা: এখানে কদম শব্দের ক এর পরে ক্ষণ শব্দের কষ (ক্ষ) বর্ণটি অভিধানে পরে আসে। উদাহরণ ২: কলম, ক্ষুর ব্যাখ্যা: এখানেও ক এর পরে কষ (ক্ষ) যুক্তবর্ণ থাকার কারণে কলম শব্দের আগে বা পরে ক্ষুর শব্দটি নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — চাঁদ শব্দটি চ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা ব্যঞ্জনমালার অনেক পরের বর্ণ এবং কষ (ক্ষ) এর পরে আসে। B) খেলা — খেলা শব্দটি খ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা ক এবং কষ (ক্ষ) এর পরে অবস্থান করে। C) গ্রহ — গ্রহ শব্দটি গ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা ক এবং কষ (ক্ষ) এর পরে অবস্থান করে। D) ক্ষমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ কষ (ক্ষ) বর্ণটি ক এর ঠিক পরেই অভিধানে স্থান পায়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা অভিধানে ক এর ঠিক পরেই ক্ষ (কষ) এর অবস্থান মনে রাখতে হবে। স্বরবর্ণের পর ব্যঞ্জনবর্ণের মৌলিক ক্রম এবং যুক্তবর্ণের ক্রম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় ক্ষ হলো ক এবং ষ এর যুক্তরূপ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অভিধানের ক্রম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই যুক্তবর্ণের অবস্থান ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
b উপমান কর্মধারয়
c উপমিত কর্মধারয়
d রূপক কর্মধারয়
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা মধ্যপদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। - 'রেলগাড়ি' শব্দের ব্যাসবাক্য হলো রেলের ওপর দিয়ে চলে যে গাড়ি। এখানে মাঝের 'ওপর দিয়ে চলে যে' অংশটি লুপ্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় এবং বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে এটি গঠিত হয়। - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদগুলো সমস্ত পদে এসে অদৃশ্য হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পলান্ন ব্যাখ্যা: পোলাও মিশ্রিত অন্ন। এখানে 'মিশ্রিত' মধ্যপদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘৃতভাত ব্যাখ্যা: ঘৃত মিশ্রিত ভাত। এখানেও মাঝের পদ লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের সৃষ্টি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এটি সঠিক কারণ ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লুপ্ত হয়েছে। B) উপমান কর্মধারয় — ভুল কারণ এখানে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সঙ্গে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায় না। C) উপমিত কর্মধারয় — ভুল কারণ এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করে অভেদ কল্পনা করা হয়নি। D) রূপক কর্মধারয় — ভুল কারণ এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে রূপ বা অভিন্নতা আরোপ করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাঝের পদ গায়েব হয়ে গেলে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস দাগিয়ে দেবে। - যে গাড়ি রেলের ওপর চলে, তার মাঝের অংশ বাদ দিয়ে হলো রেলগাড়ি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সিংহাসন, জেলেখানা, মধুমাখা—এগুলো একই নিয়মের চমৎকার কিছু উদাহরণ।
a পূর্ণিমা রাত
b জোছনা
c আনন্দের প্রাচুর্য
d কচিকাঁচার মেলা
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আনন্দের প্রাচুর্য ১. কেন সঠিক: 'চাঁদের হাট' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা, যার সাধারণ অর্থ হলো আনন্দ বা মিলনের প্রাচুর্য। যেখানে অনেক প্রিয়জন বা বন্ধু একসঙ্গে আনন্দ-উৎসব করে, তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্টার্থক শব্দ বা বাগধারা। বাগধারা ভাষাটিকে সংযত, সুন্দর ও ভাবপূর্ণ করে তোলে। শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে এর একটি বিশেষ রূপক অর্থ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূজার ছুটিতে এত দিন পর সব ভাইবোন একত্রিত হওয়ায় বাড়িটিতে যেন চাঁদের হাট বসেছে। ব্যাখ্যা: এখানে পরিবারের সবাই একসঙ্গে আনন্দ করার কারণে চাঁদের হাট বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: জন্মদিনের অনুষ্ঠানে পুরনো বন্ধুদের এমন উপস্থিতি দেখে মনে হলো এক টুকরো চাঁদের হাট বসেছে। ব্যাখ্যা: অনেক বন্ধু একসঙ্গে আনন্দ করায় এখানে আনন্দের প্রাচুর্য প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ণিমা রাত — এটি চাঁদের হাটের রূপক বা বিশেষ অর্থ নয়, এটি প্রকৃতির একটি সাধারণ দৃশ্যকে বোঝায়। B) জোছনা — জোছনা হলো চাঁদের আলো, যা বাগধারার নির্দিষ্ট মিলন বা আনন্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) কচিকাঁচার মেলা — এটি শিশুদের একটি সংগঠনের নাম বা শিশুদের জমায়েত বোঝায়, সার্বিক আনন্দের প্রাচুর্য অর্থে এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চাঁদ উঠলে যেমন আকাশে আনন্দের আলো ছড়ায়, তেমনি অনেক মানুষ একসঙ্গে আনন্দ করলে তাকে চাঁদের হাট বলা হয়। মিলন মেলা বা আনন্দের প্রাচুর্য মনে রাখলে এই বাগধারাটি সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ কী, তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a ধ্বনি
b বর্ণ
c পদ
d ভাব
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি এবং এটিই শব্দের বা ভাষার মৌলিক ও ক্ষুদ্রতম অংশ। - কান দিয়ে যা শোনা যায় এবং যা দিয়ে শব্দ গঠিত হয়, তাকে ধ্বনি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত আওয়াজ বা বাচনধ্বনিই হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক। - ধ্বনির লিখিত রূপ হলো বর্ণ, যা চোখের সাহায্যে দেখা যায় এবং তা ধ্বনির প্রতীক মাত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এটি উচ্চারিত হওয়ার সময় কোনো সাহায্য ছাড়াই একা উচ্চারিত হতে পারে। উদাহরণ ২: ব ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি যা বাকযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত হয় এবং ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশের একটি রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শব্দের ক্ষুদ্রতম একক। B) বর্ণ — এটি ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক, উচ্চারিত শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ নয়। C) পদ — এটি বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা শব্দসমষ্টি, যা ধ্বনির চেয়ে অনেক বড় একক। D) ভাব — এটি মনের প্রকাশ বা অর্থের একক, যা ধ্বনির মতো ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কান দিয়ে যা শোনা যায় তা ধ্বনি আর চোখ দিয়ে যা দেখা যায় তা বর্ণ। - ধ্বনি হলো মৌলিক উপাদান আর বর্ণ হলো তার লিখিত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও অর্থের দিক থেকে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ। - ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a স্ত্রী
b সন্তান
c দেবর
d পুত্র
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সন্তান কেন সঠিক: - এই শব্দের মাধ্যমে ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝানো যায়। - নির্দিষ্ট করে কোনো লিঙ্গ প্রকাশ করে না। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দ দ্বারা পুরুষ বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝায় তাকে উভলিঙ্গ শব্দ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে এটি একটি বিশেষ শ্রেণি। - শিশু, মানব, পক্ষী এর কিছু সাধারণ উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) স্ত্রী — এটি একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ। - B) সন্তান — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। - C) দেবর — এটি একটি নির্দিষ্ট পুরুষবাচক শব্দ। - D) পুত্র — এটি একটি নির্দিষ্ট পুরুষবাচক শব্দ। মনে রাখার টিপস: - যে শব্দ শুনলে ছেলে বা মেয়ে দুটোই হতে পারে তা উভলিঙ্গ।
a কামিন
b কুলিনী
c কুলিনি
d কামার
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কামিন ১. কেন সঠিক: - কুলী শব্দের স্ত্রীবাচক বিশেষ শব্দ হলো কামিন। বাংলা ব্যাকরণে কিছু তৎসম বা তদ্ভব শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে কিছু নিত্য স্ত্রীবাচক বা বিশেষ নিয়মে সাধিত শব্দ রয়েছে। যেখানে পুংলিঙ্গবাচক শব্দের পবিরর্তে সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ ব্যবহার করে স্ত্রীলিঙ্গ বোঝানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ষাঁড় - গাভী ব্যাখ্যা: ষাঁড় শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ গাভী, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ দিয়ে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মোরগ - মুরগি ব্যাখ্যা: মোরগ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ মুরগি, এটিও লিঙ্গান্তরের একটি ব্যতিক্রমী ও বিশেষ নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামিন — এটি কুলী শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক। B) কুলিনী — কুলী শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কুলিনী হয় না, এটি ভুল গঠন। C) কুলিনি — বানান ভুল এবং এটি কুলী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নয়। D) কামার — কামার একটি পেশাবাচক শব্দ, কুলী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কুলী শ্রমিকদের কাজের জায়গাকে কামিন বলা হতো, এভাবে মনে রাখতে পারো যে কুলী এর স্ত্রীবাচক কামিন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিক্রমী লিঙ্গ পরিবর্তনের শব্দগুলো প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ধ্বনি
b বর্ণ
c অক্ষর
d শব্দ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্ষর কেন সঠিক: - মানুষের মুখ থেকে নির্গত উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম প্রয়াস বা একক হলো অক্ষর। - একসঙ্গে বা এক ঝোঁকে যতটুকু শব্দ উচ্চারণ করা যায়, তাকে অক্ষর বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণে অক্ষর হলো বাকযন্ত্রের স্বল্পতম প্রচেষ্টায় উচ্চারित ধ্বনি গুচ্ছ। - একে ইংরেজিতে সিলেবল বলা হয় যা স্বরধ্বনির সাহায্যে উচ্চারিত হয়। - যেমন: ভাত শব্দটিতে একটাই অক্ষর আছে কারণ এটি একবারেই উচ্চারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ধ্বনি — ধ্বনি হলো মানুষের ভাষার মূল উপাদান বা কান দিয়ে শোনার একক, উচ্চারণের একক নয়। - B) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা চোখের দেখার বিষয় এবং উচ্চারণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। - C) অক্ষর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্যভাবে প্রযোজ্য। - D) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনির মিলিত রূপ যা অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু এটি উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক নয়। মনে রাখার টিপস: - উচ্চারণ মানেই ঝোঁক বা নিঃশ্বাসের এক ধাক্কা, আর এই এক ধাক্কায় উচ্চারিত অংশই হলো অক্ষর।
a বাক্ + দান = বাগদান
b उत् + ছেদ = উচ্ছেদ
c পর্ + পর = পরস্পর
d সম্ + সার = সংসার
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্ + পর = পরস্পর ১. কেন সঠিক: সন্ধির সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী শব্দ গঠিত না হয়ে যদি বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়, তবে তাকে নিপাতে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এখানে 'পর্' এবং 'পর' যুক্ত হয়ে 'পরস্পর' গঠিত হয়েছে, যা সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র অনুসরণ করে না, কেবল প্রচলিত ব্যবহার বা নিপাতনের মাধ্যমে সিদ্ধ হয়, সেগুলোকে নিপাতে সিদ্ধ সন্ধি বলে। বাংলা ব্যাকরণে স্বরসন্ধি এবং ব্যঞ্জনসন্ধি উভয় ক্ষেত্রেই কিছু নিপাতে সিদ্ধ শব্দ পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরু + অক্ষিকা = গবাক্ষ ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ, যা সাধারণ নিয়ম মেনে চলেনি। উদাহরণ ২: আ + চর্য = আশ্চর্য ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ, যেখানে স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্ + দান = বাগদান — এটি নিপাতে সিদ্ধ সন্ধি নয়, বরং ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অর্থাৎ প্রথম বর্গীয় ধ্বনির তৃতীয় ধ্বনি হওয়ার নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে। B) उत् + ছেদ = উচ্ছেদ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে, যেখানে ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে চ বা ছ যুক্ত হয়। D) সম্ + সার = সংসার — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে, যেখানে ম এর পরে স থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিপাতে সিদ্ধ সন্ধিগুলো ব্যতিক্রমী হওয়ায় এগুলো আলাদাভাবে মুখস্থ রাখা সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই শব্দগুলোর গঠন মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। সন্ধির সাধারণ নিয়ম না মিললেই অপশনগুলো ভালোভাবে যাচাই করে দেখতে হবে এটি নিপাতে সিদ্ধ কি না।
a আগমন
b নির্দেশনা
c উপসর্গ
d শিক্ষক
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিক্ষক ১. কেন সঠিক: শিক্ষক শব্দটিতে কোনো উপসর্গ যুক্ত নেই। এটি মূল শব্দ বা প্রাকৃত শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ গঠিত একটি শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী যে অব্যয়বাচক শব্দগুলো ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। শিক্ষক শব্দটির গঠন হলো শাস ধাতু যোগ নচ প্রত্যয়, যেখানে কোনো উপসর্গ নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঠক ব্যাখ্যা: পঠ ধাতু যোগ অক প্রত্যয় মিলে পঠক গঠিত হয়েছে, যার মধ্যে কোনো উপসর্গ নেই। উদাহরণ ২: লেখক ব্যাখ্যা: লিখ ধাতু যোগ অক প্রত্যয় মিলে লেখক গঠিত হয়েছে, যা উপসর্গহীন একটি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগমন — এটি আ উপসর্গ যোগ গম ধাতু যোগ অন প্রত্যয় মিলে গঠিত একটি শব্দ। B) নির্দেশনা — এটি নি উপসর্গ যোগ দিশ ধাতু যোগ অনট প্রত্যয় মিলে গঠিত শব্দ। C) উপসর্গ — এটি উপ উপসর্গ যোগ সৃ ধাতু যোগ অ প্রত্যয় মিলে গঠিত শব্দ। D) শিক্ষক — এটি কোনো উপসর্গ ছাড়াই কেবল প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে আ, নি, উপ বা প্র জাতীয় শব্দাংশ দেখলেই তা উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত করবে না। ধাতু ও প্রত্যয়ের মূল গঠন বিশ্লেষণ করে শব্দ বের করার অভ্যাস করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই শব্দের শুরুতেই উপসর্গ খোঁজার পাশাপাশি মূল ধাতু ও প্রত্যয় ভালোভাবে খেয়াল করবে।
a যুক্ত
b যৌগিক
c স্বর
d অনু
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্ত ১. কেন সঠিক: একাধিক বর্ণ একত্রিত হয়ে যখন নতুন বর্ণ বা রূপ ধারণ করে, তখন তাকে যুক্তবর্ণ বা যুক্ত বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ বা স্বরবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে এই বিশেষ রূপ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের আলোচনা থেকে এটি এসেছে। বাংলা ব্যাকরণে যখন দুটি বা ততোধিক বর্ণ মিলে একটি একক রূপ বা গুচ্ছ তৈরি করে, তাকে যুক্তবর্ণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক + ত = ক্ত ব্যাখ্যা: ক এবং ত বর্ণ দুটি একত্রিত হয়ে ক্ত যুক্তবর্ণটি গঠন করেছে। উদাহরণ ২: ন + ত = ন্ত ব্যাখ্যা: ন এবং ত বর্ণ দুটি একত্রিত হয়ে ন্ত যুক্তবর্ণটি গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্ত — এটি সঠিক কারণ একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি করে। B) যৌগিক — যৌগিক স্বরধ্বনি বা যৌগিক শব্দ বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার হয়, যা বর্ণ যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) স্বর — স্বরবর্ণ হলো মৌলিক ধ্বনি যা অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হয়, এটি যুক্ত হওয়ার নাম নয়। D) অনু — অনু একটি উপসর্গ বা শব্দাংশ, যা একাধিক বর্ণ যুক্ত হওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক বর্ণ মিলে একসাথে যুক্ত হওয়া মানেই হলো যুক্তবর্ণ। পরীক্ষায় বর্ণ মিলনের প্রশ্ন দেখলে যুক্ত শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তবর্ণ বাংলা ব্যাকরণের বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের একটি মৌলিক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের প্রশ্নে শব্দের মূল অর্থ এবং ব্যাকরণগত সংজ্ঞা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a যোগ্যতা
b আকাঙ্ক্ষা
c আসত্তি
d উপমা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যোগ্যতা ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকে, যার মধ্যে যোগ্যতা হলো অন্যতম প্রধান একটি শর্ত। বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর অর্থের সঙ্গে সংগতি বা ভাবগত মিলবন্ধন থাকাকেই ব্যাকরণের ভাষায় যোগ্যতা বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: একটি সম্পূর্ণ ও অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করতে হলে ভাষার কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয় এবং এর পদগুলোর মধ্যে অর্থের দিক থেকে মিল থাকতে হবে। শব্দগুলোর অর্থ যদি বাস্তবসম্মত এবং পরস্পরের পরিপূরক না হয়, তবে সেই বাক্য তারাগ বা যোগ্যতা হারায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষার রোদে চারদিক ভেসে যাচ্ছে। ব্যাখ্যা: বর্ষার দিনে বৃষ্টি হয়, রোদ নয়। তাই রোদ দিয়ে চারদিক ভেসে যাওয়া অসম্ভব হওয়ায় বাক্যটি যোগ্যতা হারিয়েছে। উদাহরণ ২: পাকা আমে মক্ষিকা বসেছে। ব্যাখ্যা: পাকা আমে মাছি বা মক্ষিকা বসা বাস্তবসম্মত এবং অর্থপূর্ণ, তাই এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যোগ্যতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মিলবন্ধনকে যোগ্যতা বলে। B) আকাঙ্ক্ষা — এটি বাক্যের আরেকটি গুণ, যার অর্থ হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। C) আসত্তি — এটিও বাক্যের একটি গুণ, যার অর্থ হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য পদগুলোকে যথাযথ স্থানে সাজিয়ে বসা। D) উপমা — এটি একটি অলংকার, যার অর্থ এক বস্তুকে অন্য বস্তুর সঙ্গে তুলনা করা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের অর্থ ঠিক আছে কি না তা বোঝাতে যোগ্যতা শব্দটি মনে রাখবে। অর্থগত মিল না থাকলে যোগ্যতার অভাব ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তিনটি গুণের সংজ্ঞা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a সমীভবন
b বিষমীভবন
c সম্পৃর্কর্ষ
d অপিনিহিতি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপিনিহিতি ১. কেন সঠিক: - পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে অপিনিহিতি বলে। - এখানে চারি শব্দের শেষের ই-কার অন্তস্থ র-এর আগে চলে এসে চাইল রূপ নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যুক্তব্যঞ্জনের আগের ই-কার বা উ-কার তার আগের স্বরধ্বনির সাথে না মিলে ব্যঞ্জনের আগেই উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে। - এটি মূলত মুখের বলার সুবিধার জন্য ঘটে থাকে এবং এর ফলে শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজি > আইজ ব্যাখ্যা: জ-ফলা বা ই-কার ধ্বনিটি আগে চলে এসে নতুন রূপ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: বাক্য > বাইক্য ব্যাখ্যা: ক-য ফলা-র আগের ই-কার আগে উচ্চারিত হয়ে অপিনিহিতি ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীভবন — শব্দের দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়ার প্রক্রিয়া, যা এখানে ঘটেনি। B) বিষমীভবন — দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে, যা এই শব্দ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) সম্পৃর্কর্ষ — উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের মধ্যে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়া, যা এখানে হয়নি। D) অপিনিহিতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপিনিহিতি শব্দের অর্থ আগে নিহিত হওয়া বা বসা। - ই-কার বা উ-কার আগের বর্ণে চলে আসাই হলো অপিনিহিতির মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আজি থেকে আইজ এবং চারি থেকে চাইল উদাহরণগুলো খুব বেশি আসে। - স্বরসঙ্গতি ও অপিনিহিতির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পুষ্পগুলি
b পুষ্পগুচ্ছ
c পুষ্পপুঞ্জ
d পুষ্পকুঞ্জ
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুষ্পগুচ্ছ ১. কেন সঠিক: - ‘পুষ্প’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ ফুল। - অচেতন বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ যুক্ত করে বহুবচন গঠন করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণিবাচক বা অচেতন শব্দের বহুবচন বোঝাতে গুচ্ছ, পুঞ্জ, কুল, দাম, থোকা প্রভৃতি সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়। - পুষ্প বা ফুলের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ‘পুষ্পগুচ্ছ’ শব্দটি বহুবচন হিসেবে সর্বগ্রহণযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারকারাজি ব্যাখ্যা: অপ্রাণিবাচক শব্দ তারকা-র সঙ্গে রাজি যুক্ত হয়ে বহুবচন গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মেঘমালা ব্যাখ্যা: মেঘ অচেতন বস্তু হওয়ায় এর বহুবচনে মালা সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুষ্পগুলি — পুষ্প শব্দের সঙ্গে গুলি যুক্ত করে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে বহুবচন গঠন করা হয় না। B) পুষ্পগুচ্ছ — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত প্রমিত বহুবচন রূপ। C) পুষ্পপুঞ্জ — পুঞ্জ ব্যবহার করা হয় সাধারণত ধূলি বা রাশি বোঝাতে, যা ফুলের ক্ষেত্রে কম উপযোগী। D) পুষ্পকুঞ্জ — কুঞ্জ অর্থ বাগান বা ঝাড়, এটি বহুবচনের সমষ্টিবাচক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফুল বোঝাতে গুচ্ছ শব্দ ব্যবহার করা হয়, যেমন ফুলের গুচ্ছ। - অপ্রাণিবাচক ও অবাস্তব বস্তুর বহুবচনে সমষ্টিবাচক শব্দ মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবচনের সঠিক রূপ নির্ধারণে সমষ্টিবাচক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - বিশেষ করে তৎসম শব্দের বহুবচনে সঠিক সমষ্টিবাচক শব্দ চয়ন করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

a Adverb
b Adjective
c Noun
d Verb
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Adverb কেন সঠিক: ‘Quickly’ শব্দটি বাক্যে সাধারণত কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-এর কাজের ধরন বা অবস্থা প্রকাশ করে। এটি বোঝায় কাজটি কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এটি verb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে। এটি adverb-এর সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — এটি সঠিক অপশন এবং মূল উত্তর। B) Adjective — এটি ভুল কারণ adjective শুধু noun বা pronoun-এর দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, কাজের ধরন নয়। C) Noun — এটি ভুল কারণ noun দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Verb — এটি ভুল কারণ verb দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু ‘quickly’ কোনো কাজ বা action বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে সাধারণত -ly যুক্ত থাকে এবং কোনো কাজ কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝায়, সেগুলো সাধারণত Adverb হয়।
a a big amount
b much
c small
d a little
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a little কেন সঠিক: - Milk একটি Uncountable Noun, যার পূর্বে পরিমাপ বোঝাতে a little ব্যবহার করা হয়। - প্রদত্ত শূন্যস্থানের পর milk থাকায় অল্প পরিমাণ বোঝাতে অপশন D সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a big amount — amount Uncountable Noun-এর ক্ষেত্রে সরাসরি এভাবে বসে না, সঠিক গঠন হতো a large amount of. B) much — সাধারণত Negative এবং Interrogative বাক্যে বসে, Affirmative বাক্যে সঠিক নয়। C) small — এটি Adjective, শূন্যস্থানে সরাসরি বসে Noun-কে modify করতে পারে না। D) a little — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপরিবর্তিত রাখা হলো। মনে রাখার টিপস: Uncountable Noun-এর পরিমাণ কম বোঝাতে a little ব্যবহার করবে।
a man
b mans
c men
d mens
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) men কেন সঠিক: নিয়ম অনুযায়ী 'one of the' এর পরে সবসময় plural noun বসে। তাই এখানে singular শব্দ 'man' না বসে plural শব্দ 'men' ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) man — এটি একটি singular noun হওয়ায় 'one of the' এর নিয়মের সাথে মিলে না। B) mans — ইংরেজী ব্যাকরণে 'mans' বলতে কোনো শব্দ বা বহুবচন রূপ নেই। D) mens — 'man' শব্দের বহুবচন গঠনে এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'one of the' দেখলে চোখ বন্ধ করে পরের noun টি plural করতে হবে।
a when
b how
c where
d who
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) how কেন সঠিক: বানান বা পদ্ধতি জানতে বাক্যের শুরুতে how ব্যবহার করা হয়। উপাধি কীভাবে বানান করতে হয় তা জানতে এই শব্দই সঠিক। এটি নিয়মের প্রশ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when — সময় জানতে when ব্যবহার করা হয় কিন্তু এখানে বানান জানতে চাওয়া হয়েছে। B) how — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) where — স্থান বা জায়গা বোঝাতে where বসে যা এখানে খাপ খায় না। D) who — ব্যক্তি বা মানুষ বোঝাতে who বসে যা এই বাক্যের জন্য ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পদ্ধতি বা বানান জানতে চাইলে সবসময় how ব্যবহার করবে।
a Sink
b Sank
c Sunk
d None
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Sunk কেন সঠিক: - sink ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল (V3) রূপটি হলো sunk। - এটি মূলত Perfect tense এবং Passive voice গঠনে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sink — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট (V1) রূপ, যা পাস্ট পার্টিসিপিল নয়। B) Sank — এটি ভার্বের পাস্ট (V2) রূপ, তাই এটি সঠিক নয়। C) Sunk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় আলোচনা করা হয়েছে। D) None — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Sink, Sank, Sunk এভাবে রূপগুলো মনে রাখতে হবে, যেখানে Sunk হলো V3 বা পাস্ট পার্টিসিপিল রূপ।
a in
b on
c at
d since
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো মাস, বছর বা শতকের নামের আগে সময়ের প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় in বসে। এখানে শুধু মাস ও বছরের নাম উল্লেখ থাকায় সঠিক উত্তর হবে in। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - এটি সঠিক উত্তর এবং মাস বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) on - এটি সাধারণত নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের নামের আগে বসে। C) at - এটি নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ঘড়ির সময়ের আগে বসে। D) since - এটি নির্দিষ্ট কোনো সময় থেকে শুরু হওয়া কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মাস, বছর এবং ঋতুর নামের আগে সব সময় in বসবে।
a until
b if
c till
d unless
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) until কেন সঠিক: শূন্যস্থানে until বসালে বাক্যটির অর্থ হয় আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করব যতক্ষণ না তুমি ফেরো। until শব্দটি সময়সীমা এবং কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত বুঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যা বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন সঠিক রাখতে এখানে until ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) until — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) if — শর্ত বোঝালেও এখানে নির্দিষ্ট সময়সীমা বোঝাতে until এর প্রয়োজন হয়। C) till — till সাধারণত বাক্যের শুরুতে বসে না এবং until এর মতো এটি বেশি আনুষ্ঠানিক নয়। D) unless — unless মূলত শর্ত বা যদি না অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা সময়ের ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে বসে না। মনে রাখার টিপস: সময়ের ব্যাপ্তি বা কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত বোঝাতে until ব্যবহার করতে হয়।
a speak
b speaks
c spoken
d spoked
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) speaks কেন সঠিক: বাক্যের সাবজেক্ট 'Alam' হলো থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বার এবং বাক্যটি সাধারণ সত্য বা চিরন্তন অভ্যাস বোঝাচ্ছে। তাই প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে মূল ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) speak — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় এখানে ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত করা হয়নি। B) speaks — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) spoken — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা একা এখানে বসতে পারে না। D) spoked — ইংরেজী ব্যাকরণে 'spoke' শব্দের এমন কোনো রূপ বা বানান নেই। মনে রাখার টিপস: সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ভার্বের শেষে s বা es যোগ করতে হয়।
a Simple sentence
b Negative sentence
c Complex sentence
d Compound sentence
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Complex sentence কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'If' যুক্ত অধীন খণ্ডবাক্য এবং 'you will learn' প্রধান খণ্ডবাক্য একত্রে একটি জটিল বাক্য গঠন করেছে। - একটি প্রিন্সিপাল ক্লজ এবং এক বা একাধিক সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত হয়ে কমপ্লেক্স সেন্টেন্স তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple sentence — এতে একটি মাত্র সাবজেক্ট ও একটি মাত্র ফাইনাইট ভার্ব থাকে, যা এই বাক্যের গঠন নয়। B) Negative sentence — এটি কোনো নেতিবাচক বা না বোধক বাক্য নয়, বরং একটি হ্যাঁ সূচক শর্তমূলক বাক্য। C) Complex sentence — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর গঠন সঠিক। D) Compound sentence — এতে কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন দিয়ে একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে না। মনে রাখার টিপস: If, though, although, since, because ইত্যাদি কনজাংশন যুক্ত বাক্য দেখলে চোখ বন্ধ করে Complex sentence ধরে নেবে।
a Distribute
b Export
c Import
d Smuggle
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Smuggle কেন সঠিক: bootleg শব্দের অর্থ হলো অবৈধভাবে কোনো পণ্য তৈরি, পরিবহন বা বিক্রি করা। smuggled শব্দের অর্থ চোরাচালান করা বা বেআইনিভাবে কিছু পার করা, যা bootleg শব্দের অর্থের সাথে হুবহু মিলে যায়। এটি মূলত নিষিদ্ধ দ্রব্যের বেআইনি ব্যবস ̄ ̄ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Distribute — এর অর্থ বিতরণ করা, যা বৈধভাবে কোনো কিছু ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। B) Export — এর অর্থ রপ্তানি করা, যা একটি দেশ থেকে অন্য দেশে বৈধ উপায়ে পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) Import — এর অর্থ আমদানি করা, যা বিদেশ থেকে বৈধ পন্থায় দেশে পণ্য নিয়ে আসার সাথে সম্পর্কিত। D) Smuggle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বুট লেগের ভেতরে লুকিয়ে চোরাচালান করা হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো বুটলেগ অর্থ চোরাচালান।
a Crowded
b Deserted
c Bare
d Desolate
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Crowded কেন সঠিক: ‘Lonely’ শব্দটির অর্থ একা, নির্জন বা সঙ্গীহীন। এর বিপরীতে যে শব্দটির অর্থ জনাকীর্ণ বা লোকজনে ভরপুর, সেটি হলো ‘Crowded’। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Deserted — এই শব্দটির অর্থ জনশূন্য বা পরিত্যক্ত, যা ‘lonely’ শব্দের সমার্থক। C) Bare — এই শব্দটির অর্থ খালি বা উন্মুক্ত, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Desolate — এই শব্দটির অর্থ জনমানবহীন বা একাকী, যা ‘lonely’ শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: একা থাকা বা ‘Lonely’ মানুষের বিপরীত অবস্থা হলো মানুষের ভিড়ে থাকা বা ‘Crowded’।
a in
b off
c round
d by
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) round কেন সঠিক: এখানে come round একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হলো সুস্থ হয়ে ওঠা বা আরোগ্য লাভ করা। রোগীটি শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবে বোঝাতে come round সঠিক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — come in অর্থ ভেতরে আসা, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) off — come off অর্থ খুলে যাওয়া বা সফল হওয়া, যা রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) round — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বোঝানোর কিছু নেই। D) by — come by অর্থ পাওয়া বা অর্জন করা, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: রোগীর সুস্থ হওয়া বোঝালে come এর পরে সবসময় round বসে।
a on foot
b by walking
c on their feet
d by foot
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on foot কেন সঠিক: পায়ে হেঁটে কোথাও যাওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে সবসময় fixed idiom বা বাকধারা হিসেবে on foot ব্যবহার করা হয়। এটি একটি সঠিক prepositional phrase যা চলাচলের মাধ্যম প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। এই বাক্যে অন্য কোনো শব্দের প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on foot — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) by walking — walking একটি gerund এবং এর আগে by ব্যবহার করলে বাক্যটি grammatically awkward বা বেমানান শোনায়। C) on their feet — feet শব্দটি বহুবচন হওয়ায় এবং সাধারণ যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট idiom না হওয়ায় এটি ভুল। D) by foot — foot একটি singular noun এবং এর আগে by বসানোর প্রচলিত কোনো ইংরেজি নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: পায়ে হাঁটার ইংরেজি করার সময় সবসময় on foot মুখস্থ রাখবে, কারণ বাই ফুট বা বাই ওয়াকিং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
a Pace
b Gang
c Flock
d Colony
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Colony কেন সঠিক: - চামচষিক বা বাদুড়ের দলকে ইংরেজিতে বিশেষ শব্দে Colony বলা হয়। - দলবদ্ধভাবে বসবাসকারী নির্দিষ্ট কিছু প্রাণী ও পাখির ক্ষেত্রে সঠিক Collective Noun ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pace — এটি সাধারণত গতি বা পদক্ষেপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, প্রাণীর দল বোঝাতে নয়। B) Gang — এই শব্দটি সাধারণত চোর, অপরাধী বা যুবকদের দল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Flock — এই শব্দমূল মূলত পাখি বা ভেড়ার দলকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Colony — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাদুড়ের দলের ক্ষেত্রে এই Collective Noun ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: বাদুড় গুহায় দল বেঁধে বসবাস করে, তাই তাদের গুহাবাস বা জনবসতির সঙ্গে মিল রেখে Colony শব্দটি মনে রাখবে।
a moss
b energy
c water
d stability
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) moss কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য। যার বাংলা অর্থ হলো চলমান পাথরে শ্যাওলা জমে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) moss — এটি প্রবাদের সঠিক ও প্রচলিত শব্দ যা স্থির না থাকার অবস্থাকে বোঝায়। B) energy — এটি প্রবাদের অর্থের সাথে মিল রাখে না এবং এটি কোনো প্রচলিত প্রবচন নয়। C) water — পানি rolling stone এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং বাক্যটিকে অর্থহীন করে তোলে। D) stability — এটি প্রবাদের মূল ভাব প্রকাশ করলেও এটি প্রবাদের আসল শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রবাদ মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর ঐতিহ্যগত মিল খেয়াল রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (16)

a ৪১ বছর
b ৩৮ বছর
c ৩৯ বছর
d ৮০ বছর
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪১ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর ধরি, পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর অতএব, মাতার বয়স = পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি − পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি মাতার বয়স = ১১১ − ৭০ সুতরাং, মাতার বয়স = ৪১ বছর উত্তর: ৪১ বছর
a 1
b -1
c 0
d 2
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ − ১ + ১ − ১ + ...... পদসংখ্যা হলো (২n + ১) টি ধরি, n এর মান শূন্য হলে পদের সংখ্যা হয় ১ টি এবং ধারাটির সমষ্টি হয় ১ n এর মান এক হলে পদের সংখ্যা হয় ৩ টি এবং ধারাটির সমষ্টি হয় ১ − ১ + ১ = ১ অতএব, প্রথম ১ টি পদের সমষ্টি = ১ প্রথম ৩ টি পদের সমষ্টি = ১ প্রথম ৫ টি পদের সমষ্টি = ১ সুতরাং, বিজোড় সংখ্যক পদের জন্য ধারাটির সমষ্টি সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে উত্তর: ১
a ১০,০০০ মিলিয়ন
b ১,০০০ মিলিয়ন
c ১০০ মিলিয়ন
d ১০মিলিয়ন
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,০০০ মিলিয়ন প্রদত্ত তথ্য: আন্তর্জাতিক সংখ্যা পদ্ধতি অনুযায়ী ১ বিলিয়ন গণনা করা হয় মিলিয়ন এবং বিলিয়ন উভয়ই আন্তর্জাতিক একক ধরি, ১ মিলিয়ন = ১০,০০,০০০ ১ বিলিয়ন = ১,০০,০০,০০,০০০ অতএব, ১ বিলিয়নকে ১০,০০,০০০ দিয়ে ভাগ করতে হবে ১,০০,০০,০০,০০০ ÷ ১০,০০,০০০ = ১,০০০ সুতরাং, ১,০০০ এবং মিলিয়ন গুণ করলে ১,০০০ মিলিয়ন পাওয়া যায় উত্তর: ১,০০০ মিলিয়ন
a 17500
b 18000
c 18600
d 19000
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮০০০ প্রদত্ত তথ্য: নাদিমের সাপ্তাহিক আয় ৮২০০ টাকা ধরি, মে মাস সমান ৩১ দিন এক সপ্তাহ সমান ৭ দিন অতএব, মে মাসে সপ্তাহের সংখ্যা সমান ৩১ ÷ ৭ সমান চার সমস্ত সাত ভাগের তিন সপ্তাহ সুতরাং, মোট আয় সমান ৪ সমস্ত সাত ভাগের তিন × ৮২০০ সমান ১৮০০০ টাকা উত্তর: ১৮০০০ টাকা
a 4%
b 5%
c 10%
d 15%
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪% প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৪৮০ টাকা ক্ষতি = ২০ টাকা ধরি, ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি ক্রয়মূল্য = ৪৮০ + ২০ = ৫০০ টাকা অতএব, ৫০০ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ টাকা ১ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ ÷ ৫০০ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = (২০ × ১০০) ÷ ৫০০ = ৪ টাকা উত্তর: ৪%
a a = b = c
b ab = bc
c b^2 = ac
d a^2 = bc
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) b^2 = ac প্রদত্ত তথ্য: a, b, c রাশি তিনটি ক্রমিক সমানুপাতিক ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b তৃতীয় রাশি = c অতএব, সমানুপাতের নিয়ম অনুসারে লেখা যায় প্রথম রাশি অনুপাত দ্বিতীয় রাশি = দ্বিতীয় রাশি অনুপাত তৃতীয় রাশি দ্বিতীয় লাইন a অনুপাত b = b অনুপাত c তৃতীয় লাইন a ÷ b = b ÷ কোণাকোণি গুণ করে পাই সুতরাং, b গুণ b = a গুণ c উত্তর: b^2 = ac
a 24000
b 22000
c 20000
d 21000
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২২০০০ প্রদত্ত তথ্য: বার্ষিক মুনাফার হার = ৫% মাসিক সুদ = ১০০ টাকা ধরি, আসল = ক টাকা ১ বছরের সুদ = ১০০ × ১২ = ১২০০ টাকা অতএব, ৫% হারে ক টাকার ১ বছরের সুদ = (ক × ৫ ÷ ১০০) টাকা শর্তমতে, (ক × ৫ ÷ ১০০) = ১২০০ সুতরাং, ৫ক = ১২০০ × ১০০ ৫ক = ১২০০০০ উত্তর: ক = ১২০০০০ ÷ ৫ = ২২০০০ টাকা
a 6
b -6
c 3
d 7
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো ( − ৮ ) দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ( + ৩ ) তৃতীয় সংখ্যাটি হলো ( − ২ ) ধরি, প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল = ( − ৮ ) × ( + ৩ ) এই গুণফলকে ভাগ করতে হবে = ( − ২ ) দিয়ে অতএব, সংখ্যার গুণফল বের করে পাই, ( − ৮ ) × ( + ৩ ) = − ২৪ সুতরাং, − ২৪ কে ( − ২ ) দিয়ে ভাগ করলে পাই, − ২৪ ÷ ( − ২ ) = ৬ উত্তর: ৬
a 280
b 2.8
c 0.28
d 0.148
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২.৮ প্রদত্ত তথ্য: গুণ করতে হবে শূন্য দশমিক পাঁচ, শূন্য দশমিক নয়, আট এবং দুই। ধরি, প্রথম সংখ্যাটি শূন্য দশমিক পাঁচ এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি শূন্য দশমিক নয়। অতএব, শূন্য দশমিক পাঁচ এবং শূন্য দশমিক নয় গুণ করলে হয় শূন্য দশমিক চার পাঁচ। সুতরাং, শূন্য দশমিক চার পাঁচ এর সাথে আট এবং দুই গুণ করলে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যায় দুই দশমিক আট। উত্তর: ২.৮
a 0.01
b 0.1
c 0.001
d 1
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.০০০০১ যার বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাটির বর্গমূল = x অর্থাৎ x × x = ০.০০০০১ অতএব, ০.০১ × ০.০১ গুণ করলে ০.০০০০১ পাওয়া যায় কারণ দশমিকের পর চারটি ঘর রয়েছে সুতরাং, √ (০.০০০০১) = ০.০১ উত্তর: ০.০১
a 75
b 76
c 77
d 78
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৬ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x^৪ − ২x + ১ ভাজকটি হলো x − ৩ ধরি, বহুপদী রাশিটিকে f(x) দ্বারা প্রকাশ করা হলো অর্থাৎ f(x) = x^৪ − ২x + ১ অতএব, ভাগশেষ উপপাদ্য অনুযায়ী ভাগশেষ হবে f(৩) এখন f(x) রাশিতে x এর পরিবর্তে ৩ বসাতে হবে সুতরাং, f(৩) = (৩)^৪ − ২ × ৩ + ১ f(৩) = ৮১ − ৬ + ১ উত্তর: ৭৬
a 21
b 20
c 19
d 18
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ প্রদত্ত তথ্য: রোমান সংখ্যাটি হলো XIX ধরি, X এর মান = ১০ I এর মান = ১ অতএব, বাম দিকের X সমান ১০ ডান দিকের IX সমান ১০ − ১ = ৯ সুতরাং, মোট মান সমান ১০ + ৯ উত্তর: ১৯
a ৩/৮
b ৩/৯
c ৩/২১
d ৫/১৭
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩/২১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন ভগ্নাংশ দেওয়া আছে যার মধ্যে তিনটির লব সমান এবং একটির লব ভিন্ন ধরি, ভগ্নাংশগুলো হলো ৩÷৮, ৩÷৯, ৩÷২১ এবং ৫÷১৭ যে ভগ্নাংশের হর সবচেয়ে বড় এবং লব সবচেয়ে ছোট সেটি ক্ষুদ্রতম হবে অতএব, ৩÷৮ এর মান প্রায় ০.৩৭ ৩÷৯ এর মান প্রায় ০.৩৩ ৩÷২১ এর মান প্রায় ০.১৪ সুতরাং, ৫÷১৭ এর মান প্রায় ০.২৯ হিসাব করে পাই সবচেয়ে ছোট মানটি ৩÷২১ এর জন্য এসেছে উত্তর: C) ৩/২১
a 78
b 79
c 80
d 96
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দুই অংক বিশিষ্ট সংখ্যার অংকদ্বয়ের সমষ্টি ১৫ অংকদ্বয়ের গুণফল ৫৬ ধরি, সংখ্যাটির একক স্থানীয় অংক = ক সংখ্যাটির দশক স্থানীয় অংক = খ অতএব, ক + খ = ১৫ ক × খ = ৫৬ সুতরাং, অপশন এ এর অংক দুটি হলো ৭ ও ৮ যাদের যোগফল ৭ + ৮ = ১৫ এবং গুণফল ৭ × ৮ = ৫৬ উত্তর: ৭৮
a 147
b 123
c 179
d 69
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে যথাক্রমে ১৪৭, ১২৩, ১৭৯ এবং ৬৯ ধরি, সংখ্যাগুলো মৌলিক নাকি যৌগিক তা পরীক্ষা করতে হবে অতএব, ১৪৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ এর অঙ্কগুলোর যোগফল ১২ ১২৩ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ এর অঙ্কগুলোর যোগফল ৬ সুতরাং, ৬৯ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ এর অঙ্কগুলোর যোগফল ১৫ ১৭৯ সংখ্যাটিকে কোনো ছোট মৌলিক সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না উত্তর: ১৭৯
a ঢাকা
b রাঙামাটি
c সিলেট
d চট্টগ্রাম
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা প্রদত্ত তথ্য: ক্রিসেন্ট লেক একটি জনপ্রিয় জলাশয় ও পর্যটন স্থান এটি বাংলাদেশের চন্দ্রিমা উদ্যান বা জিয়া উদ্যানের ভেতরে অবস্থিত ধরি, উদ্যানের ভেতরের এই লেকটির চারপাশ দর্শনার্থীদের হাঁটার জন্য উন্মুক্ত ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি রাজধানী শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত অতএব, স্থানটি রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত এর আশেপাশের বিখ্যাত স্থাপনা হলো জাতীয় সংসদ ভবন সুতরাং, এটি নিশ্চিতভাবে ঢাকার একটি পরিচিত ল্যান্ডমার্ক উত্তর: ঢাকা

মোট প্রশ্ন (19)

a রাজশাহী
b ঢাকা
c চট্টগ্রাম
d খুলনা
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজশাহী কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী রাজশাহী জেলায় অবস্থিত। - এটি দেশের ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি রাজশাহীতে অবস্থিত। B) ঢাকা — ঢাকা রাজধানী হলেও বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী এখানে অবস্থিত নয়, যদিও প্রধান ডাকঘর ও অধিদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত। C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বন্দরনগরী ও বিভাগীয় শহর হলেও বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী এখানে অবস্থিত নয়। D) খুলনা — খুলনা বিভাগীয় শহর হলেও বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী এই শহরে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর রাজশাহীতেই বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী অবস্থিত।
a Personal Private Partnership
b Preliminary Public Partnership
c Public Private Program
d Public Private Partnership
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Public Private Partnership কেন সঠিক: - সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় যৌথ উদ্যোগে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করাকে এটি বোঝায়। - সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এই যৌথ অংশীদারত্ব অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Personal Private Partnership — এই শব্দগুচ্ছটি অর্থনীতি বা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিভাষায় সঠিক বা প্রচলিত কোনো ধারণাকে নির্দেশ করে না। B) Preliminary Public Partnership — এটি একটি ভুল শব্দবিন্যাস, কারণ কাঠামোগতভাবে অংশীদারত্বের নামকরণে প্রাথমিক বা প্রিলিমিনারি শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। C) Public Private Program — এখানে প্রোগ্রাম শব্দটি ভুল, কারণ এই ধারণার মূল উদ্দেশ্য কোনো কর্মসূচি নয় বরং যৌথভাবে অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠা করা। D) Public Private Partnership — এটি সঠিক কারণ এটি সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অংশীদারত্বের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং প্রমিত রূপ। মনে রাখার টিপস: শব্দসংকেত মনে রাখতে পারেন পিপিএপি (Public-Private-Partnership), যার প্রথম অক্ষর দুটি পি এবং শেষ অক্ষর পি নিয়ে এই নামকরণ গঠিত হয়েছে।
a থাইল্যান্ড
b তাইওয়ান
c ইসরায়েল
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাইওয়ান কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল চীন, যার প্রতিনিধিত্ব করত কুওমিনতাং সরকার। - ১৯৭১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৭৫৮ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন বৈধ আসন লাভ করে এবং তাইওয়ান সদস্যপদ হারায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং বর্তমানেও এর সক্রিয় সদস্য হিসেবে রয়েছে। B) তাইওয়ান — এটি ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ হারিয়েছিল এবং বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য নয়। C) ইসরায়েল — এটি ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং বর্তমানেও এর সদস্য হিসেবে বহাল আছে। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হয় এবং বর্ণবাদ নীতির কারণে কিছু সময় বিতর্কিত থাকলেও বর্তমানে সদস্য রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে চীন জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার পর তাইওয়ান সদস্যপদ হারিয়েছিল।
a ৫ টি
b ৭ টি
c ৮ টি
d ৬ টি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী এর মূল অঙ্গসংস্থা মোট ছয়টি। - এগুলো হলো সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, ঔপন্যাসিক বা অছি পরিষদ, আন্তর্জাতিক বিচারালয় এবং সচিবালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ টি — জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থার সংখ্যা পাঁচ নয়, কারণ সঠিক সংখ্যা ছয়টি। B) ৭ টি — জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা সাতটি নয়, আন্তর্জাতিক বিচারালয়সহ মোট ছয়টি অঙ্গসংস্থা রয়েছে। C) ৮ টি — জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থার সংখ্যা আটটি নয়, এটি ভুল তথ্য। D) ৬ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘের নির্ধারিত মূল অঙ্গসংস্থার সংখ্যা ঠিক ছয়টি। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থার সংখ্যা মনে রাখতে সচিবালয়, সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদসহ মোট ৬ টি কথাটি মনে রাখুন।
a পরশুরাম
b শমসের নগর
c সুধারাম
d ভুসুয়া
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। ফেনী জেলার পূর্বনাম ছিল শমসের নগর নয়, ফেনীর পূর্বনাম ছিল পালাবাপু বা ভাওয়াল (ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী প্রাচীনকালে এই অঞ্চলটি সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং পরবর্তীতে ত্রিপুরার অংশ ছিল)। তবে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও ঐতিহাসিক তথ্যে ফেনীর প্রাচীন কোনো নাম 'শমসের নগর' হিসেবে স্বীকৃত নয়। শমসের নগর মূলত মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার একটি ঐতিহাসিক স্থান। কেন সঠিক: - সঠিক ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী ফেনী জেলার পূর্বনাম শমসের নগর নয়। - শমসের নগর মৌলভীবাজার জেলার একটি অঞ্চলের নাম, ফেনীর নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরশুরাম — এটি ফেনী জেলার একটি বর্তমান উপজেলার নাম, পুরো জেলার ঐতিহাসিক পূর্বনাম নয়। B) শমসের নগর — এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার একটি ঐতিহাসিক স্থান, ফেনীর পূর্বনাম নয়। C) সুধারাম — এটি নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নাম। D) ভুসুয়া — এটি ফেনী জেলার পূর্বনাম হিসেবে কোনো ঐতিহাসিক বা দাপ্তরিক দলিলে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: ফেনী জেলার সাথে শমসের নগরের কোনো সম্পর্ক নেই, শমসের নগর মৌলভীবাজারে অবস্থিত।
a জীববিজ্ঞান
b বই ও প্রকাশনা
c চিত্র শিল্প
d জীবন কোড
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বই ও প্রকাশনা কেন সঠিক: - আইএসবিএন অর্থ হলো ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বুক নাম্বার, যা বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত প্রতিটি বইকে আলাদাভাবে শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। - এটি মূলত বই প্রকাশনা শিল্পের সাথে সরাসরি জড়িত একটি পরিচিত আন্তর্জাতিক কোড ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীববিজ্ঞান — এটি জীবনবিজ্ঞান বা জীব সংক্রান্ত পড়াশোনা নির্দেশ করে, যা বইয়ের কোডিং ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) বই ও প্রকাশনা — এটি সঠিক কারণ আইএসবিএন কোডটি একমাত্র প্রকাশিত বইয়ের পরিচিতি নিশ্চিত করতেই ব্যবহার করা হয়। C) চিত্র শিল্প — এটি চারুকলা বা ছবি আঁকার সাথে যুক্ত, যা প্রকাশনা শিল্পের এই কোডের আওতাভুক্ত নয়। D) জীবন কোড — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রমিত বিষয় নয় এবং বইয়ের সনাক্তকরণ নম্বরের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: আইএসবিএন বা আইএনবি এর কাজ কেবল বইয়ের দোকানে বা প্রকাশনায় বই চিহ্নিত করা।
a ১ কোটি ৬৫ লাখ
b ১ কোটি ৮০ লাখ
c ৫০ লাখ
d ২ কোটি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ কোটি ৬৫ লাখ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কৃষকদের সরকারি সহায়তা ও প্রণোদনা দেওয়ার জন্য এই তালিকা করা হয়েছে। - দেশের প্রকৃত কৃষকদের চিহ্নিত করে সার, বীজ ও আর্থিক সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ কোটি ৬৫ লাখ — এটি কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সরকারি সুবিধার আওতায় আসা নির্ধারিত কৃষক পরিবারের সঠিক সংখ্যা। B) ১ কোটি ৮০ লাখ — এটি একটি অতিরিক্ত প্রাক্কলিত সংখ্যা যা কৃষি কার্ডের মূল নিবন্ধিত উপাত্তের সঙ্গে মেলে না। C) ৫০ লাখ — এই সংখ্যাটি অত্যন্ত কম এবং এটি দেশের মোট কৃষক পরিবারের প্রকৃত পরিসংখ্যানের তুলনায় অনেক কম। D) ২ কোটি — এই সংখ্যাটি অত্যধিক বেশি এবং এটি বর্তমান কৃষি কার্ডধারী কৃষক পরিবারের সরকারি তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: কৃষি কার্ডের সুবিধাভোগী কৃষকের সংখ্যা মনে রাখতে '১.৬৫' কোটি বা এক কোটি পঁয়ষট্টি লাখ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
a যুদ্ধ
b শান্তি
c অভ্যুত্থান
d কূটনীতি
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অভ্যুত্থান কেন সঠিক: - ইন্তিফাদা একটি আরবি শব্দ, যার শাব্দিক অর্থ হলো ঝেড়ে ওঠা, জেগে ওঠা বা প্রবল আন্দোলন। - ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে যে গণঅভ্যুত্থান গড়ে তুলেছিল, তাকেই ইতিহাসে ইন্তিফাদা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুদ্ধ — যুদ্ধ হলো দুটি দেশের নিয়মিত সামরিক বাহিনীর সংঘাত, কিন্তু ইন্তিফাদা মূলত সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত গণঅভ্যুত্থান। B) শান্তি — শান্তি হলো সংঘাতহীন শান্তিপূর্ণ অবস্থা, আর ইন্তিফাদা হলো তার সম্পূর্ণ বিপরীত এক তীব্র প্রতিবাদ ও আন্দোলন। C) অভ্যুত্থান — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি ফিলিস্তিনিদের গণজাগরণ ও প্রতিবাদকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। D) কূটনীতি — কূটনীতি হলো আলোচনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করার কৌশল, যা ইন্তিফাদার মতো গণআন্দোলন নয়। মনে রাখার টিপস: ইন্তিফাদা শব্দটির সাথে ফিলিস্তিনি জনগণের ইসরায়েলি শাসনের বিরুদ্ধে করা গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস জড়িত।
a অর্থনৈতিক
b সামরিক
c পরিবেশগত
d রাজনৈতিক
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামরিক কেন সঠিক: - ন্যাটো হলো উত্তর আটলান্টিক Treaty Organization, যা একটি সামরিক জোট হিসেবে গঠিত হয়েছে। - এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করে যৌথভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক — ন্যাটো কোনো বাণিজ্য বা অর্থনৈতিক উন্নয়নের সংস্থা নয়, এটি মূলত নিরাপত্তার জন্য তৈরি। B) সামরিক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ন্যাটো একটি যৌথ সামরিক প্রতিরক্ষাবলয়। C) পরিবেশগত — পরিবেশ সুরক্ষা বা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা ন্যাটোর মূল লক্ষ্য নয়। D) রাজনৈতিক — যদিও এর পেছনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকে, তবে এর মূল গঠন ও কার্যক্রম সামরিক নিরাপত্তার সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো নামটি শুনলেই মনে রাখবে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি, যা দেশগুলোর সুরক্ষার জন্য গড়া একটি সামরিক শক্তি।
a আনতানানারিভো
b পারামারিবো
c আস্তানা
d মাসেরু
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনতানানারিভো কেন সঠিক: - আনতানানারিভো হলো ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র মাদাগাস্কারের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি দেশটির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনতানানারিভো — এটি মাদাগাস্কারের রাজধানীর সঠিক নাম এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) পারামারিবো — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ সুরিনামের রাজধানী। C) আস্তানা — এটি মধ্য এশিয়ার দেশ কাজাখস্তানের রাজধানী। D) মাসেরু — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার ভেতরে অবস্থিত ক্ষুদ্র দেশ লেসোথোর রাজধানী। মনে রাখার টিপস: মাদাগাস্কার নামের শেষে 'স্কার' আছে এবং এর রাজধানীর নাম 'আনতানানারিভো' যার শুরু 'আনতা' দিয়ে।
a অ্যাটর্নি জেনারেল
b স্পিকার
c প্রধানমন্ত্রী
d রাষ্ট্রপতি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের একচল্লিশ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক শপথ গ্রহণ করেন। - বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্রের প্রধান এবং তিনি প্রধান বিচারপতিকে তার পদের শপথ বাক্য পাঠ করান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাটর্নি জেনারেল — ইনি সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা, প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করানোর সাংবিধানিক এখতিয়ার তার নেই। B) স্পিকার — ইনি জাতীয় সংসদের প্রধান, প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করানোর সাংবিধানিক দায়িত্ব তার নয়। C) প্রধানমন্ত্রী — ইনি সরকারপ্রধান, প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। D) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করান। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
a পরিকল্পনা
b শিল্প
c বাণিজ্য
d অর্থ
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাণিজ্য কেন সঠিক: - ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ বা টিসিবি দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ও বিপণনের দায়িত্ব পালন করে। - বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এই সংস্থাটি সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে পণ্য সরবরাহ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিকল্পনা — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রকল্প প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংস্থা এর আওতাভুক্ত নয়। B) শিল্প — শিল্প মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় কলকারখানা ও উৎপাদন খাত পরিচালনা করে, কিন্তু টিসিবি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নয় বরং বিপণন সংস্থা। D) অর্থ — অর্থ মন্ত্রণালয় দেশের বাজেট, রাজস্ব ও আর্থিক নীতি প্রণয়ন করে, যা টিসিবির দৈনন্দিন কার্যক্রমের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: টিসিবি মূলত কেনাবেচা বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাই এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়।
a 3
b 4
c 7
d 8
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করেন। - সেই সময়ে তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ — এটি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি ব্যাটালিয়ন হলেও মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগে মেজর জিয়াউর রহমানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। B) ৪ — চতুর্থ ব্যাটালিয়নটি ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ অন্যান্য এলাকায় অবস্থান করছিল এবং এর কার্যক্রম ভিন্ন স্থানে পরিচালিত হয়েছিল। সি) ৭ — সপ্তম ব্যাটালিয়নটি সৈয়দপুর বা রংপুর অঞ্চলে অবস্থান করছিল এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ৮ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি অষ্টম ব্যাটালিয়নের সঙ্গেই সংযুক্ত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: জিয়াউর রহমানের জ (জিয়া) এবং আট (অষ্টম ব্যাটালিয়ন) এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a Bangladesh Pertoleum Export
b Bangladesh Petroleum Exposure
c Bangladesh Petroleum Exploration
d Bangladesh Petroleum Expert
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bangladesh Petroleum Exploration কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) অধীন একটি কোম্পানি। - তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের (Exploration) কাজের জন্য ১৯৮৯ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh Pertoleum Export — পেত্রোলিয়াম রপ্তানি বোঝাতে এই নাম ব্যবহৃত হয় না এবং বানানটিও ভুল। B) Bangladesh Petroleum Exposure — এক্সপোজার শব্দটি তেল অনুসন্ধানের প্রাতিষ্ঠানিক নামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) Bangladesh Petroleum Exploration — এটি সঠিক কারণ প্রতিষ্ঠানটি খনিজ তেল অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত। D) Bangladesh Petroleum Expert — এক্সপার্ট বা বিশেষজ্ঞ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক নামের অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: BAPEX শব্দের শেষের EX অংশটি দিয়ে Exploration বা অনুসন্ধান কথাটি মনে রাখতে হবে।
a ২৫ বছর
b ৩০ বছর
c ৩৫ বছর
d ৪০ বছর
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ বছর কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর অনুচ্ছেদ ৪ এর দফা (গ) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রার্থীর বয়স ন্যূনতম পঁয়ত্রিশ বছর হতে হবে। - রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই সাংবিধানিক পদে প্রার্থীর অভিজ্ঞতা ও পরিপক্বতা নিশ্চিত করার জন্যই বয়সসীমা এই নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ বছর — এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের ন্যূনতম বয়সসীমা, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য নয়। B) ৩০ বছর — এটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বা পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ন্যূনতম বয়স। D) ৪০ বছর — বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য এই বয়সসীমা নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: সংসদ সদস্য হতে পঁচিশ বছর, উপজেলা চেয়ারম্যান হতে ত্রিশ বছর এবং দেশের রাষ্ট্রপতি হতে পঁয়ত্রিশ বছর বয়স লাগে।
a ৯ টি
b ৮ টি
c ১০ টি
d ১১ টি
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট শাখা ১০টি। - প্রধান কার্যালয় ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে এই শাখাগুলো পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঠিক শাখা সংখ্যার চেয়ে কম, তাই এটি ভুল। B) ৮ টি — এই সংখ্যাটিও বর্তমান শাখা সংখ্যার সাথে মেলে না, ফলে এটি সঠিক নয়। C) ১০ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখার মোট সংখ্যা ১০টি। D) ১১ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে বেশি, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা সংখ্যা মনে রাখতে হাতের দশ আঙুলের হিসাব মাথায় রাখতে পারেন।
a ১৬৫১ সালে
b ১৬৪৮ সালে
c ১৬৫৭ সালে
d ১৬৫৮ সালে
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) ১৬৫৮ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার কাশিমবাজারে তাদের প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে ১৬৫৮ সালে। - এই কুঠিটি সে thờiের প্রখ্যাত রেশম ও তুলা বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬৫১ সালে — এই সালে ইংরেজরা হুগলিতে তাদের প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেছিল, কাশিমবাজারে নয়। B) ১৬৪৮ সালে — এই সালে কাশিমবাজারে ইংরেজদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের কোনো ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল নেই। C) ১৬৫৭ সালে — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় তাদের বাণিজ্য কার্যক্রম সম্প্রসারণ করলেও কাশিমবাজার কুঠি স্থাপিত হয়নি। D) ১৬৫৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ইংরেজরা আনুষ্ঠানিকভাবে কাশিমবাজারে কুঠি স্থাপন করেছিল। মনে রাখার টিপস: হুগলিতে কুঠি স্থাপনের সাত বছর পর অর্থাৎ ১৬৫৮ সালে ইংরেজরা কাশিমবাজারে কুঠি স্থাপন করে।
a লালমনিরহাট
b নীলফামারী
c রংপুর
d সব কটি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সব কটি কেন সঠিক: - তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে লালমনিরহাট, নীলফামারী ও রংপুর জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - উল্লেখিত তিনটি জেলাই তিস্তা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় প্রশ্নটির সঠিক উত্তর সব কটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনিরহাট — তিস্তা নদী এই জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও এটি একমাত্র সঠিক উত্তর নয়, কারণ অন্য জেলাগুলোও এর তীরবর্তী। B) নীলফামারী — তিস্তা নদীর তীরবর্তী হলেও এটি একা সঠিক উত্তর হতে পারে না, কারণ লালমনিরহাট ও রংপুরও এর তীরবর্তী। C) রংপুর — তিস্তা এই জেলার সীমানা ঘেঁষে প্রবাহিত হলেও কেবল এটিই একমাত্র উত্তর নয়। D) সব কটি — লালমনিরহাট, নীলফামারী এবং রংপুর প্রতিটি জেলাই তিস্তা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: লাল নীল রঙে তিস্তা রাঙা - এই বাক্যের লাল (লালমনিরহাট), নীল (নীলফামারী) ও রঙে (রংপুর) দিয়ে তিস্তা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলো মনে রাখা যায়।
a পদ্মা
b মেঘনা
c যমুনা
d তিস্তা
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিস্তা কেন সঠিক: - গজলডোবা বাঁধ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলায় তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেচ প্রকল্প ও বাঁধ। - এই বাঁধের মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহার করায় বাংলাদেশ অংশে নদীর প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — পদ্মা নদী ভারত থেকে গঙ্গা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং গজলডোবা বাঁধ এর উজানে অবস্থিত নয়। B) মেঘনা — মেঘনা নদী আসাম ও ত্রিপুরার পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে এসেছে, তাই তিস্তা বাঁধের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। C) যমুনা — যমুনা নদী ব্রহ্মপুত্রের মূল ধারা হিসেবে প্রবাহিত, যা গজলডোবা বাঁধের অববাহিকাভুক্ত নয়। D) তিস্তা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গজলডোবা বাঁধটি তিস্তা নদীর ওপরই ভারতের অংশে নির্মাণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: তিস্তা নদী মনে রাখলেই গজলডোবা বাঁধের অবস্থান সহজেই মনে রাখা যায়।