বাংলাদেশ ডাক বিভাগ

ডাক বিভাগ, উত্তরাঞ্চল রাজশাহীতে উচ্চমান সহকারী পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: উচ্চমান সহকারী (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c যৌগিক বাক্য
d প্রার্থনা বাক্য
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে এবং কোনো যোজক বা অব্যয় দ্বারা দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত নেই। - এখানে বক্তার একটিমাত্র প্রধান বক্তব্য বা বার্তা স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং বক্তার একটিমাত্র সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশিত হয় তাকে সরল বাক্য বলে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া এই উদ্ধৃতিটিতে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ পেলেও এটি ব্যাকরণগত দিক থেকে সরল বাক্যের সংজ্ঞাকে পুরোপুরি সমর্থন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হলে অন্ধকার দূর হয়। ব্যাখ্যা: এটি সরল বাক্য কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। উদাহরণ ২: সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ব্যাখ্যা: এখানে একটিমাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া থাকায় এটি সরল বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। B) জটিল বাক্য — জটিল বাক্য হতে হলে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করতে হয় এবং যোজক থাকতে হয়, যা এখানে নেই। C) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য ও, এবং, কিন্তু ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। D) প্রার্থনা বাক্য — বাক্যটি দেখতে প্রার্থনাসূচক মনে হলেও বাক্য রূপান্তরের ব্যাকরণগত কাঠামোর বিচারে এটি সরল বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - একটি কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে চোখ বন্ধ করে সরল বাক্য চিহ্নিত করবে। - দেখতে বা শুনতে প্রার্থনামূলক মনে হলেও কাঠامোর ওপর নির্ভর করে বাক্যের শ্রেণি নির্ধারণ করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমন অনেক বাক্য আসে যা অর্থগতভাবে প্রার্থনাসূচক কিন্তু গঠনগতভাবে সরল বাক্য। - বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ নির্ণয়ের সময় সর্বদা সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা এবং যোজকের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি লক্ষ্য করতে হবে।
a দ্বিপ + আয়য়ন
b দ্বীপ + আয়ান
c দ্বীপ + অয়ন
d দ্বৈপ + আয়ান
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বীপ + আয়ান ১. কেন সঠিক: দ্বৈপায়ন শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো দ্বীপ যোগ আয়ান। এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা সাধারণ নিয়ম মেনে চলে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্রের সাহায্যে ভাঙা যায় না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এখানে দ্বীপ শব্দের প বর্ণের ই কার এবং আয়ান শব্দের আ মিলে দ্বৈপায়ন গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোষ্পদ সমান গো যোগ পদ ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ যা নিয়ম বহির্ভূতভাবে সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরষ্পর সমান পরি যোগ পর ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম ছাড়াই নিপাতনে সিদ্ধ নিয়মে সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিপ + আয়য়ন — দ্বিপ এবং আয়য়ন শব্দ দুটি সঠিক সন্ধি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) দ্বীপ + আয়ান — এটি সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ এবং নিয়মানুযায়ী দ্বৈপায়ন শব্দ গঠন করে। C) দ্বীপ + অয়ন — অয়ন প্রত্যয় যুক্ত হলে দ্বীপ শব্দের সঙ্গে মিলে দ্বৈপায়ন গঠন করে না। D) দ্বৈপ + আয়ান — দ্বৈপ কোনো মূল শব্দ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো সরাসরি মুখস্থ রাখতে হবে কারণ এগুলো কোনো সাধারণ সূত্র মানে না। দ্বৈপায়ন দেখলে দ্বীপ যোগ আয়ান মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই গোষ্পদ, বৃহস্পতি, পরস্পর এবং দ্বৈপায়ন শব্দগুলোর সন্ধি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a Ceasefire
b Cheezfire
c Cesefire
d Casefir
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Ceasefire ১. কেন সঠিক: Ceasefire শব্দটির অর্থ যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান সাময়িক স্থগিত করা। এটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত একটি বহুল ব্যবহৃত পারিভাষিক শব্দ যা বাংলাতেও সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত পারিভাষিক শব্দ বা আন্তর্জাতিক শব্দের সঠিক ইংরেজি বানান সম্পর্কিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের সঠিক বানান চিহ্নিত করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Mankind ব্যাখ্যা: মানবজাতি অর্থে এই ইংরেজি শব্দটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি হিসেবে আসে। উদাহরণ ২: Assessment ব্যাখ্যা: মূল্যায়ন অর্থে বহুল ব্যবহৃত এই ইংরেজি শব্দটির বানান প্রায়ই শিক্ষার্থীরা ভুল করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ceasefire — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ যুদ্ধবিরতি। B) Cheezfire — এই বানানটি ভুল কারণ এখানে Cease এর পরিবর্তে Cheez লেখা হয়েছে। C) Cesefire — এই বানানটি ভুল কারণ Cease অংশের বানান ভুল লেখা হয়েছে। D) Casefir — এই বানানটি ভুল কারণ এখানে Case এবং fir ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: Cease শব্দের অর্থ বন্ধ করা এবং fire শব্দের অর্থ গোলাগুলি বা আগুন। দুটি শব্দ একসাথে মিলে যুদ্ধবিরতি বা Ceasefire গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারিভাষিক শব্দ ও বিদেশি শব্দের বানান মুখস্থ করার সময় শব্দটির মূল অংশ বা রুট ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। একই ধরনের অন্যান্য পারিভাষিক শব্দ যেমন Ceasefire নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a সত্যজিৎ রায়
b সুকুমার রায়
c সুকুমার বড়ুয়া
d শংকর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুকুমার রায় ১. কেন সঠিক: - “আবোল-তাবোল” বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অমর ও অনন্য সৃষ্টি যার রচয়িতা হলেন সুকুমার রায়। - এই গ্রন্থটি মূলত বাংলা ননসেন্স ভার্স বা খামখেয়ালি ছড়ার এক যুগান্তকারী ও ক্লাসিক নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকুমার রায় ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পুত্র এবং সত্যজিৎ রায়ের পিতা। - তার সৃষ্ট আবোল-তাবোল গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হযবরল ব্যাখ্যা: এটি সুকুমার রায়ের লেখা আরেকটি বিখ্যাত শিশুতোষ ও কালজয়ী সৃষ্টি যা অবাস্তব ও খামখেয়ালি জগতের ওপর প্রতিষ্ঠিত। উদাহরণ ২: পাগলা দাশু ব্যাখ্যা: এটিও সুকুমার রায়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গল্পগ্রন্থ যেখানে স্কুলজীবনের নানা মজার ও অদ্ভুত ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যজিৎ রায় — ইনি সুকুমার রায়ের পুত্র এবং প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও আবোল-তাবোল গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) সুকুমার রায় — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই অমর গ্রন্থটির একমাত্র রচয়িতা। C) সুকুমার বড়ুয়া — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় ছড়াকার হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত নন। D) শংকর — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপন্যাস লিখে থাকেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুকুমার রায় মানেই আজব খামখেয়ালিপনা এবং আবোল-তাবোল ছড়ার জগত। - পরীক্ষার জন্য মনে রাখবে সুকুমার রায় মানেই হ য ব র ল ও আবোল-তাবোল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিশুসাহিত্য এবং এর রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সুকুমার রায় প্রবর্তিত ননসেন্স রাইটিংস বা খামখেয়ালি ছড়ার ধারা বাংলা সাহিত্যে সম্পূর্ণ মৌলিক।
a হেমন্তী
b চারুলতা
c রায়
d আশালতা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চারুলতা কেন সঠিক: - চারুলতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় গল্পের কেন্দ্রীয় ও প্রধান নারী চরিত্র। - এই চরিত্রের মাধ্যমে ভূষণহীন নিঃসঙ্গতা ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নষ্টনীড় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। - গল্পটি প্রকাশিত হয় তেরোশো তিন বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে সাধনা পত্রিকায়। - চারুলতা চরিত্রের মধ্যে মধ্যবিত্ত বাঙালি গৃহবধূর অবদমিত আবেগ ও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগের সুন্দর চিত্র আঁকা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) হেমন্তী — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হেমন্তী গল্পের প্রধান নারী চরিত্র। - B) চারুলতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। - C) রায় — এটি কোনো নারী চরিত্র নয়, এটি একটি পদবি বা উপাধি মাত্র। - D) আশালতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখের মাটি উপন্যাসের একটি চরিত্র। মনে রাখার টিপস: - নষ্টনীড় বললেই মনে রাখবে অমল, ভূপতি এবং চারুলতার ত্রিকোণ প্রেমের কথা।
a ছড়া
b উপন্যাস
c কবিতা
d সনেট
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সনেট ১. কেন সঠিক: সোনালী কাবিন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সনেট সংকলন বা সনেট গুচ্ছ। এটি চতুর্দশপদী কবিতার কাঠামোগত অনুসরণে রচিত হয়েছে যেখানে নির্দিষ্ট মিল বিন্যাস ও ভাবের প্রবহমানতা রক্ষা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটির রচায়িতা হলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি আল মাহমুদ। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে মূলত বাঙালি সংস্কৃতি, মাটি, মানুষ, গ্রামীণ জীবন এবং প্রেমের গভীর দ্যোতনা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার মাধ্যমে অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর রক্ত কবরী বা অন্যান্য সাহিত্যিক সনেট সংকলন। ব্যাখ্যা: এটিও নির্দিষ্ট গঠনরীতি মেনে বাংলা সাহিত্যে সনেট ধারার ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত সনেট যার মাধ্যমে সনেট রীতির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছড়া — সোনালী কাবিন কোনো ছোটদের বা বড়দের ছড়া নয়, এটি অত্যন্ত গভীর ভাব ও জীবনদর্শনের সনেট গুচ্ছ। B) উপন্যাস — এটি কোনো দীর্ঘ কাল্পনিক গদ্য বর্ণনামূলক উপন্যাস নয়, বরং এটি কবিতাভিত্তিক একটি কাব্যগ্রন্থ। C) কবিতা — সনেটও এক প্রকার কবিতা, কিন্তু অপশনে নির্দিষ্ট রূপ বা ধরন হিসেবে সনেট থাকায় সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে। D) সনেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতাই সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার আদলে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: আল মাহমুদের সোনালী কাবিন মানেই সনেট কাব্যগ্রন্থ। সোনালী কাবিনের স এবং সনেট এর স দিয়ে সহজেই বিষয়টি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থের রচায়িতা কবি আল মাহমুদ এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের সাহিত্যিক রূপ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d বঙ্কিমচন্দ্র
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্তকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রথম সার্থক কবি বলা হয়। - তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে আধুনিকতার সূচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা ঘটে মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়ে উনিশ শতকে। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কবিতায় মহাকাব্য ও নাটকে নতুন ধারা নিয়ে আসেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্য যা আধুনিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী নাটক ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যেখানে আধুনিক নাট্যরীতির প্রয়োগ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি, কিন্তু যুগের সূচনাকারী নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি আধুনিক যুগের প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক, কিন্তু যুগের প্রথম কবি নন। D) বঙ্কিমচন্দ্র — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক, তবে তিনি কোনো কবি ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিক যুগের প্রথম কবি বললে মাইকেল মধুসূদন দত্ত নামটি মনে রাখতে হবে। - তিনি সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক কবি কে, তা প্রায়ই আসে। - এই ধরনের প্রশ্নে যুগের প্রবর্তক এবং যুগস্রষ্টা কবিদের পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
a বিশেষ্য
b আধিক্য বোঝাতে
c ক্রিয়া বিশেষণরূপে
d ব্যাপ্তি অর্থে
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রিয়া বিশেষণরূপে ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়ার ভাব, সময়, স্থান বা প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রকাশ করলে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। - এখানে 'মনে মনে' দ্বিরুক্তিটি 'তুলনা করে দেখলাম' এই ক্রিয়াপদটি কীভাবে সম্পাদিত হয়েছে তা নির্দেশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে অর্থাৎ ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার সময়, স্থান, ভাব বা পদ্ধতি বুঝায় তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে পদের দিক থেকে এটি ক্রিয়ার ভাববাচক ক্রিয়া বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধীরে ধীরে পা ফেলো। ব্যাখ্যা: এখানে 'ধীরে ধীরে' দ্বিরুক্তিটি হাঁটা ক্রিয়ার ভাব বা পদ্ধতি বুঝিয়েছে। উদাহরণ ২: জলে জলে ভেসে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'জলে জলে' দ্বিরুক্তিটি ভেসে যাওয়ার স্থান বা ব্যাপ্তি প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, যা এখানে বোঝায়নি। B) আধিক্য বোঝাতে — আধিক্য বা বেশি বোঝাতে দ্বিরুক্তির ব্যবহার এখানে হয়নি। C) ক্রিয়া বিশেষণরূপে — এটি সঠিক উত্তর কারণ দ্বিরুক্তিটি ক্রিয়াকে বিশেষিত করেছে। D) ব্যাপ্তি অর্থে — ব্যাপ্তি বা দীর্ঘ সময় বোঝাতে এই দ্বিরুক্তিটি ব্যবহৃত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বিরুক্তি শব্দ ক্রিয়ার আগে বসে যদি কাজের ধরন বা ভাব বোঝায়, তবে তা নিশ্চিতভাবে ক্রিয়া বিশেষণ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কীভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত ক্রিয়া বিশেষণ হয়।
a সংযোজক অব্যয়
b ভাব বিশেষণ
c সর্বনাম
d বিশেষণ
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংযোজক অব্যয় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'যেন' শব্দটি দুটি খণ্ড বাক্য বা ভাবকে आपसে যুক্ত করার কাজ করেছে। - অব্যয় পদ সাধারণত বাক্যের বিভিন্ন পদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং 'যেন' এখানে ঠিক সেই কাজটিই করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো পদের সঙ্গে অন্য পদের বা বাক্যের সঙ্গে অন্য বাক্যের সংযোগ ঘটায় তাকে সংযোজক অব্যয় বলে। - 'যেন', 'যাতে', 'কিংবা', 'অথচ', 'বরং' ইত্যাদি শব্দগুলো বাক্যে সংযোজক অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘ ডেকে উঠল, যেন বৃষ্টি নামবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'যেন' অব্যয়টি দুটি খণ্ড বাক্যের সংযোগ ঘটিয়েছে। উদাহরণ ২: সে এমন ভাব করল, যেন কিছুই জানে না। ব্যাখ্যা: এখানেও 'যেন' শব্দটি দুটি বাক্যাংশকে যুক্ত করার দায়িত্ব পালন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংযোজক অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যগুলোকে সংযুক্ত করেছে। B) ভাব বিশেষণ — এটি ভুল কারণ ভাব বিশেষণ ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। C) সর্বনাম — এটি ভুল কারণ সর্বনাম পদের পরিবর্তে বসে, 'যেন' নামের পরিবর্তী শব্দ নয়। D) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ বিশেষণ পদ দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, 'যেন' তা করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের মাঝখানে থেকে যদি দুটি অংশকে মিলিয়ে দেয় এবং তুলনা বা অনুমানের ভাব প্রকাশ করে, তবে সাধারণত তা সংযোজক অব্যয় হয়। - তুলনামূলক বা অনুমানের অব্যয়গুলো প্রায়ই সংযোজক অব্যয় হিসেবে কাজ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয় পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্য সংযোগকারী শব্দগুলোকে ভালোভাবে চিনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a অলুক দ্বন্দ্ব
b মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
c উপমান কর্মধারয়
d ষষ্ঠী তৎপুরুষ
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। - প্রাণভয় শব্দের ব্যাসবাক্য হলো প্রাণ যাওয়ার ভয়ে ভীত বা প্রাণের ভয়ে যে ভয়, যেখানে মধ্যবর্তী পদগুলো উহ্য থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং সাধারণত একটি বিশেষ্য ও একটি বিশেষণ পদের মধ্যে এই সমাস গঠিত হয়। - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্য সম্প্রসারিত করার সময় মাঝখানে অর্থ স্পষ্ট করার জন্য যে পদগুলো আনা হয়, সমাসবদ্ধ করার সময় তা বাদ যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা রাত ব্যাখ্যা: জোছনা শোভিত রাত সমাসবদ্ধ হয়ে জোছনা রাত হয়েছে, যেখানে মাঝের শোভিত পদটি লোপ পেয়েছে। উদাহরণ ২: পলান্ন ব্যাখ্যা: পোলাও মিশ্রিত অন্ন সমাসবদ্ধ হয়ে পলান্ন হয়েছে, যেখানে মিশ্রিত মধ্যপদটি লোপ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলুক দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং এখানে কোনো বিভক্তি লোপ পায় না, তাই এটি ভুল। C) উপমান কর্মধারয় — উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি সাধারণ ধর্মবাচক পদ থাকে এবং উপমেয় ও উপমানের তুলনা বোঝায়, যা এখানে নেই। D) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং ব্যাসবাক্যে তা প্রকাশ পায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্য তৈরি করার সময় মাঝখানে যদি অতিরিক্ত কোনো অর্থবোধক শব্দ আনতে হয় এবং সমাসবদ্ধ পদে তা গায়েব হয়ে যায়, তবে চোখ বুজে তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলবে। - মাঝের পদ লোপ পায় বলেই এর নাম মধ্যপদলোপী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - হাতঘড়ি, সিংহদ্বার, মৌমাছি এই নিয়মেই গঠিত মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অত্যন্ত জনপ্রিয় কিছু উদাহরণ।
a আঞ্চলিক
b মিশ্র
c সংস্কৃত
d হিন্দি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিশ্র ১. কেন সঠিক: পুঁথি সাহিত্যের ভাষা হলো মিশ্র ভাষা, কারণ এটি বাংলা ভাষার সঙ্গে আরবি, ফারসি, হিন্দি এবং অবহট্য ভাষার সংমিশ্রণে গঠিত হয়েছিল। মধ্যযুগে পুণ্ড্রবর্ধন ও আরাকান অঞ্চলে রচিত এই সাহিত্যের ভাষা সাধারণ মানুষের কথ্য ভাষার সঙ্গে বিদেশি শব্দের মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পুঁথি সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি বিশেষ শাখা যা সাধারণত সপ্তদশ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত পুণ্ড্রবর্ধন বা পুঠিয়া অঞ্চলে বিকাশ লাভ করেছিল। এই সাহিত্যের মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ মুসলিম জনগোষ্ঠীর মাঝে ইসলামিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নৈতিক শিক্ষা প্রচার করা এবং এর ভাষা ছিল প্রাকৃত ও অবহট্য প্রভাবিত মিশ্র রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ হামজার জয়নুল মুলুক গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে মিশ্র ভাষার চমৎকার প্রয়োগ দেখা যায় যেখানে বাংলা শব্দের পাশাপাশি প্রচুর আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দৌলত কাজীর লোরচন্দ্রাণী বা সতী ময়না কাব্য। ব্যাখ্যা: আরাকান রাজসভার এই বিখ্যাত কাব্যের ভাষাও মিশ্র প্রকৃতির যা পুঁথি সাহিত্যের ভাষার বৈশিষ্ট্য বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঞ্চলিক — পুঁথি সাহিত্যের ভাষা কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের একক আঞ্চলিক ভাষা ছিল না, বরং বিভিন্ন ভাষার মিশ্রণ ছিল। B) মিশ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ পুঁথি সাহিত্যে বাংলা, আরবি, ফারসি ও হিন্দি শব্দের মিশ্রণ ঘটেছে। C) সংস্কৃত — পুঁথি সাহিত্যের ভাষা সংস্কৃত ছিল না, কারণ সংস্কৃত ভাষা মূলত উচ্চবর্ণের হিন্দুদের ভাষা ছিল এবং পুঁথি সাহিত্য রচিত হয়েছিল সহজবোধ্য মিশ্র ভাষায়। D) হিন্দি — পুঁথি সাহিত্যে হিন্দি শব্দের প্রভাব থাকলেও এর মূল ভিত্তি বাংলা ও অন্যান্য ভাষার মিশ্রণ, তাই একে এককভাবে হিন্দি বলা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: পুঁথি সাহিত্যের ভাষা মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এটি একটি মিশ্র খিচুড়ি ভাষার মতো, যেখানে বাংলা, আরবি, ফারসি ও হিন্দি মিশে আছে। পরীক্ষায় পুঁথি সাহিত্য দেখলেই মিশ্র ভাষা বা আরবি-ফারসি মিশ্রিত ভাষার কথা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পুঁথি সাহিত্যের ভাষা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে পুঁথি সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য লেখক হলেন ফকির গরীবুল্লাহ ও সৈয়দ হামজা এবং এর প্রধান ভাষা মিশ্র রূপ।
a প্রত্যয়
b অনুসর্গ
c উপসর্গ
d বিভক্তি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - এটি মূলত শব্দের আদিতে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটিয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এক প্রকার অবিতর্কিত ব্যাকরণগত উপাদান যা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশী উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার ব্যাখ্যা: হার শব্দের পূর্বে উপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে উপহার শব্দ গঠিত হয় যার অর্থ উপঢৌকন। উদাহরণ ২: কাজ ব্যাখ্যা: কাজ শব্দের পূর্বে অকার্য বা অ উপসর্গ যুক্ত হয়ে অকর্ম শব্দ গঠিত হয় যার অর্থ যা কর্ম নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যয় — এটি শব্দের পরে যুক্ত হয় কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে পূর্বে বসার বিষয়। B) অনুসর্গ — এটি শব্দের পরে বা কর্মপ্রবচনীয় রূপে বসে তাই এটি সঠিক নয়। C) উপসর্গ — এটি শব্দের পূর্বে বসে তাই এটি সঠিক উত্তর। D) বিভক্তি — এটি শব্দের বা পদের শেষে যুক্ত হয় তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গের উ এবং পূর্বে শব্দের প মিলিয়ে মনে রাখতে পারো উপসর্গ বসে পূর্বে। - বাংলা ভাষায় মোট একুশটি তৎসম উপসর্গ রয়েছে যা মুখস্থ করলে সুবিধা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ের অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - উপসর্গ শব্দের অর্থ পরিবর্তন করে আর প্রত্যয় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি করে।
a রাত
b দিন
c প্রভাত
d প্রহর
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাত ১. কেন সঠিক: - “অহ্” বা “অহু” শব্দটির অর্থ হলো দিন বা দিবস। তাই এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো রাত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে বহু পুরনো ও তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে, যা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস ও অর্থ বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবস ব্যাখ্যা: দিবস শব্দের বিপরীত শব্দ হলো রজনী, যা দিন ও রাতের সমার্থক রূপ। উদাহরণ ২: সকাল ব্যাখ্যা: সকাল শব্দের বিপরীত শব্দ হলো বিকাল বা সন্ধ্যা, যা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ দিনের বিপরীত সময় হলো রাত। B) দিন — এটি “অহু” শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। C) প্রভাত — এটি দিনের সূচনার সময়, যা রাতের বা অহুর সরাসরি বিপরীত নয়। D) প্রহর — এটি সময়ের একটি অংশ বা পরিমাপ, বিপরীত শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - “অহ্” মানে দিন, তাই এর উল্টো বা বিপরীত হলো রাত। - সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ মনে রাখতে এর প্রচলিত বাংলা রূপের সাথে মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন থাকে। - এই ধরনের শব্দ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি এর আক্ষরিক অর্থ জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a অত্যাচারিত
b নিগৃহীত
c শোষিত
d সর্বংসহা
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সর্বংসহা ১. কেন সঠিক: - 'সর্বংসহা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সব সহে যে। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি বা বস্তু সব ধরনের কষ্ট, আঘাত বা অত্যাচার নিঃশব্দে সহ্য করতে পারে, তাকে এককথায় সর্বংসহা বলা হয়। - প্রশ্নে থাকা 'যে সকল অত্যাচার সয়ে যায়' বাক্যাংশের ভাবার্থ বিচার করলে এর সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত এককথায় প্রকাশ দাঁড়ায় সর্বংসহা, যা বিশেষ করে সহনশীলতা ও ধৈর্যের চরম রূপ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বাংলা ব্যাকরণের এমন একটি অংশ, যার মাধ্যমে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে সুন্দর ও সংক্ষেপে প্রকাশ করা যায়। - শব্দ গঠনের নিয়মানুযায়ী সর্বং এবং সহ ধাতু বা শব্দের মিলনে এই বিশেষ পদটি গঠিত হয়েছে, যা মূলত বিশেষণের কাজ করে এবং বিশেষ করে পৃথিবী বা সহনশীল নার ti-এর ক্ষেত্রে রূপক বা আক্ষরিক অর্থে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী সর্বংসহা। ব্যাখ্যা: পৃথিবীকে সর্বংসহা বলা হয় কারণ সে মানুষের সমস্ত আঘাত ও অত্যাচার নীরবে সহ্য করে। উদাহরণ ২: মায়ের মন হলো সর্বংসহা। ব্যাখ্যা: মাতৃত্বের ধৈর্য ও সহ্যশক্তি বোঝাতে এই বাক্যে সর্বংসহা শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অত্যাচারিত — এই শব্দটির অর্থ যার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে, কিন্তু বাক্যটিতে অত্যাচার সহ্য করার ক্ষমতা বা গুণের কথা বলা হয়েছে। B) নিগৃহীত — এর অর্থ যাকে নিগ্রহ বা নির্যাতন করা হয়েছে, যা সহ্য করার গুণের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। C) শোষিত — এই শব্দ দিয়ে এমন কাউকে বোঝানো হয় যার ওপর শোষণ চালানো হয়েছে, কিন্তু এটি সহ্য করার ক্ষমতা প্রকাশ করে না। D) সর্বংসহা — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ যে সব সহ্য করতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সব সয় যে অর্থাৎ সর্বংসহা, এভাবে মিলিয়ে পড়লে এককথায় প্রকাশটি সহজে মনে রাখা সম্ভব। - পরীক্ষার হলে 'সব' শব্দটিকে 'সর্বং' এবং 'সহে' শব্দটিকে 'সহা' হিসেবে ধরে নিলেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ করে সহ্য করা সংক্রান্ত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে পার্থক্য বুঝে পড়তে হবে। - একই ধরনের অন্যান্য বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে মূল ভাব বা ক্রিয়াটি মনোযোগ দিয়ে লক্ষ করতে হবে।
a ভুমিষ্ট
b ভুমিষ্ট
c ভুমিষ্ঠ
d ভূমিষ্ঠ
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমিষ্ঠ ১. কেন সঠিক: ভূমিষ্ঠ শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার এবং মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের গঠন দীর্ঘ ই এবং মূর্ধন্য-ষ দিয়ে নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ এবং র, ষ এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য-ষ বসে। ভূমি শব্দটির সঙ্গে ইষ্ঠ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভূমিষ্ঠ শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে বিধান অনুযায়ী মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কনিষ্ঠ ব্যাখ্যা: কনিষ্ঠ শব্দটিতে ইষ্ঠ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে এবং এখানেও মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহার রয়েছে। উদাহরণ ২: গরিষ্ঠ ব্যাখ্যা: গরিষ্ঠ শব্দটিতেও ইষ্ঠ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুমিষ্ট — এই বানানে ভূমিতে হ্রস্ব উ-কার এবং অন্তে ট ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। B) ভুমিষ্ট — এই অপশনটিতেও হ্রস্ব উ-কার এবং ট ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) ভুমিষ্ঠ — এই বানানে ভূমিতে দীর্ঘ ঈ-কার না দিয়ে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) ভূমিষ্ঠ — এটি সঠিক বানান কারণ এতে দীর্ঘ ঊ-কার এবং মূর্ধন্য-ষ সঠিক নিয়মে আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভূমি লেখার সময় দীর্ঘ ঊ-কার এবং ইষ্ঠ প্রত্যয় যোগ করার সময় মূর্ধন্য-ষ ব্যবহার করতে হয়। এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষা কখনো বানান ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইষ্ঠ প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে। তৎসম শব্দে র এবং ষ এর পর সাধারণত মূর্ধন্য-ষ বসে এই নিয়মটি চর্চা করলে শুদ্ধ বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a সমর্থন
b সামর্থ্য
c সমর্হ
d সামাথ্য
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামর্থ্য ১. কেন সঠিক: 'সমর্থ' একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ যোগ্য বা সক্ষম। এর বিশেষ্য রূপ হলো 'সামর্থ্য', যার অর্থ যোগ্যতা বা ক্ষমতা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিশেষণ পদকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার সময় ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। এখানে 'সমর্থ' শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য 'সামর্থ্য' গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর বিশেষ্য রূপ সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সুন্দর বিশেষণ পদের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো সৌন্দর্য। উদাহরণ ২: সুস্থ বিশেষ্য রূপ সুস্থতা ব্যাখ্যা: সুস্থ বিশেষণ পদের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো সুস্থতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমর্থন — এটি 'সমর্থন করা' ক্রিয়ামূল থেকে গঠিত বিশেষ্য, যা 'সমর্থ' শব্দের সরাসরি বিশেষ্য রূপ নয়। B) সামর্থ্য — এটি সঠিক উত্তর। C) সমর্হ — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ বা ব্যাকরণসম্মত রূপ নয়। D) সামাথ্য — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ, সঠিক রূপটি হলো সামর্থ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশেষণ থেকে বিশেষ্য করার সময় শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন বা প্রত্যয় যুক্ত হয়। সমর্থ শব্দের বিশেষ্য রূপ বের করতে হলে মূল ভাবের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দরূপ পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বিশেষ করে বিশেষণ থেকে বিশেষ্য এবং বিশেষ্য থেকে বিশেষণ রূপ চেনার জন্য প্রত্যয়ের ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a গুরুত্বহীন লোক
b সম্মানিত লোক
c রাজা - বাদশা
d শ্রম কাতর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রম কাতর ১. কেন সঠিক: - উপপাজুরে বাগধারাটির শাব্দিক ও প্রমিত অর্থ হলো অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে ক্লান্ত বা শ্রম কাতর হওয়া। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী বাগধারা যা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে লোকমুখে প্রচলিত এসব বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারাদিন রোদে ঘুরে কাজ করার পর সে এখন একদম উপপাজুরে হয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত খাটুনির ফলে ক্লান্ত বা পরিশ্রান্ত হওয়ার ভাবটি এখানে স্পষ্ট হয়েছে। উদাহরণ ২: মাঠের ফসল তুলতে গিয়ে কৃষকরা সবাই উপপাজুরে অবস্থায় পৌঁছেছে। ব্যাখ্যা: অধিক পরিশ্রমের কারণে শ্রম কাতর বা কাহিল অবস্থাকে এই উদাহরণের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুরুত্বহীন লোক — এই অর্থের জন্য সঠিক বাগধারা হলো তুলসি বনের বাঘ বা অকেজো বস্তু, যা মূল প্রশ্নের সঙ্গে মিলে না। B) সম্মানিত লোক — এই অর্থের জন্য মান্য গণ্যতা কিংবা কদমবুসি বা অন্য কোনো উপযুক্ত বাগধারা ব্যবহার করা হয়। C) রাজা - বাদশা — এই অর্থের জন্য শাহানশাহ বা বিত্তশালী বোঝানো হয়, যা উপপাজুরে শব্দের অর্থের বিপরীত। D) শ্রম কাতর — সঠিক উত্তর কারণ উপপাজুরে বাগধারাটি মূলত অতিরিক্ত পরিশ্রমে ক্লান্ত বা কাহিল হওয়া অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপপাজুরে শব্দটির মধ্যে অতিরিক্ত কাজের চাপ বা পাজরের ব্যথার মতো ক্লান্তির একটি ইঙ্গিত খোঁজার চেষ্টা করতে পারো। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে অতিরিক্ত শ্রমে পাজর ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হলে তাকে উপপাজুরে বা শ্রম কাতর বলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের তুলনামূলক অপরিচিত বাগধারাগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা এড়াতে প্রচলিত অর্থ ও অপ্রচলিত বা ব্যতিক্রমী অর্থের বাগধারাগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে।
a কেশরী
b করী
c শম্ভুক
d শম্বর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শম্বর ১. কেন সঠিক: - শম্বর শব্দটির অর্থ হরিণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বিশেষ ও প্রমিত সমার্থক শব্দটি প্রায়ই আসে। - হরিণ শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে কুরঙ্গ, সারঙ্গ, মৃগ ও শম্বর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে এবং লেখার ভাবসৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সমার্থক শব্দের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুরঙ্গ ব্যাখ্যা: কুরঙ্গ হলো হরিণের একটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্য ও সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সারঙ্গ ব্যাখ্যা: সারঙ্গ শব্দের একাধিক অর্থ থাকলেও এর অন্যতম প্রধান অর্থ হলো হরিণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেশরী — কেশরী শব্দের অর্থ সিংহ, যা হরিণের সমার্থক শব্দ নয়। B) করী — করী শব্দের অর্থ হাতি, যা হরিণের সমার্থক শব্দ হতে পারে না। C) শম্ভুক — শম্ভুক শব্দের অর্থ শামুক বা ঝিনুক জাতীয় প্রাণী, যা হরিণ বোঝায় না। D) শম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ শম্বর শব্দের সরাসরি অর্থ হরিণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হরিণ শব্দের জন্য শম্বর, কুরঙ্গ ও মৃগ এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য কঠিন সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে প্রচলিত শব্দের পাশাপাশি সংস্কৃত বা তৎসম সমার্থক শব্দগুলো বেশি আসে। - পশুপাখির নাম সংক্রান্ত সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে পড়লে কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
a পরি
b অব
c অজ
d অতি
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অজ ১. কেন সঠিক: - অজ একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা সাধারণত মন্দ বা নিকৃষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন খাঁটি বাংলা তৎসম এবং বিদেশি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট এক DিDটি যার মধ্যে অজ পাতি স আ ইত্যাদি অন্যতম। - এই উপসর্গগুলো সাধারণত বাংলা শব্দ বা তদ্ভব শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজপাড়াাঁয় ব্যাখ্যা: পাড়াঁয় শব্দের পূর্বে অজ উপসর্গ যুক্ত হয়ে অতি গ্রাম্য বা অনুন্নত বোঝায়। উদাহরণ ২: অজনা ব্যাখ্যা: জানা শব্দের পূর্বে অজ উপসর্গ যুক্ত হয়ে না জানা বা অপরিচিত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরি — পরি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। B) অব — অব একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা বিভিন্ন অর্থে তৎসম শব্দে বসে। C) অজ — এটি সঠিক কারণ এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। D) অতি — অতি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা আধিক্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলো মুখস্থ রাখার জন্য একটি ছন্দ মনে রাখতে পারো যেমন অঘা অজ আন আ পাতি স সু ইত্যাদি। - উপসর্গের অবস্থান সবসময় শব্দের শুরুতে হয় এটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা ও তৎসম উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - কোন উপসর্গটি কোন ভাষার তা আলাদা করতে পারলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a বিস্কুট
b চা
c লুঙ্গি
d সাবান
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাবান ১. কেন সঠিক: সাবান শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি বিদেশি শব্দ যা প্রমিত বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে ব্যবহৃত হয়। আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করা বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুর নামের মধ্যে সাবান একটি অন্যতম বহুল প্রচলিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার উৎসগত দিক থেকে মূলত পাঁচ ভাগে বিভক্ত যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয় এবং সাবান হলো এমনই একটি আরবি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বহুল প্রচলিত আরবি শব্দ। উদাহরণ ২: আদালত ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় অর্থে বাংলা ভাষায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্কুট — এটি একটি ইংরেজি শব্দ (Biscuit) যা বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। B) চা — এটি একটি চীনা শব্দ যা বাংলায় পানীয় অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। C) লুঙ্গি — এটি একটি বর্মি বা মায়ানমার ভাষা থেকে আগত শব্দ। D) সাবান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় ও দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট বিদেশি শব্দ মুখস্থ রাখতে ছক তৈরি করে পড়তে পারো। আরবি শব্দের ক্ষেত্রে আইন, প্রশাসন ও ধর্মের সাথে সম্পর্কিত শব্দগুলো বেশি থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই আরবি, ফারসি ও পর্তুগিজ শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে। শব্দের উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুর নামগুলোর উৎস তালিকা বারবার চর্চা করা উচিত।
a বেগম
b ননদ
c বিমাতা
d হংসী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিমাতা ১. কেন সঠিক: যেসব শব্দ স্বভাবতই স্ত্রীবাচক বোঝায় এবং পুরুষবাচক শব্দ গঠনের কোনো সুযোগ থাকে না, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। বিমাতা শব্দটি দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে বা স্বভাবতই স্ত্রীলিঙ্গ বোঝানো হয়েছে এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দ পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক হিসেবে আলাদা থাকে। তবে কিছু শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক বা নিত্য পুরুষবাচক হিসেবে ব্যাকরণে নির্দিষ্ট করা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ, যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: এড়েবাছুর ব্যাখ্যা: এটি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ, যার কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম — এটি একটি ফার্সি শব্দ এবং এটি সাধারণ স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার পুরুষবাচক রূপ বাদশাহ বা বেগ। B) ননদ — ননদ শব্দের পুরুষবাচক রূপ দেবর, তাই এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। C) বিমাতা — এটি সঠিক উত্তর। D) হংসী — এটি হংস শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা পুরুষবাচক হংস থেকে প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো এদের কোনো পুরুষবাচক জোড় থাকে না। সতীন, ননদ (ননদের পুরুষবাচক দেবর হলেও ননদ নিজেই স্ত্রীবাচক), এব্রো, সধবা, কুলটা ইত্যাদি শব্দগুলো বারবার চর্চা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক ও নিত্য পুরুষবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের উত্তর খুব সহজেই নির্ভুল করা সম্ভব।
a Down
b Evening
c Morning
d Dusk
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Dusk কেন সঠিক: Dawn শব্দের অর্থ হলো ভোর বা উষাকাল। এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো Dusk যার অর্থ গোধূলি বা সন্ধ্যা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Down — এই শব্দটির অর্থ নিচে বা অধোমুখী, যা Dawn শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Evening — এই শব্দটির অর্থ সন্ধ্যা হলেও, Dawn শব্দের সবচেয়ে নিখুঁত বিপরীত শব্দ Dusk। C) Morning — এই শব্দটির অর্থ সকাল, যা Dawn শব্দের সমার্থক বা একই অর্থ প্রকাশ করে। D) Dusk — এই অপশনটি সঠিক কারণ Dusk হলো Dawn শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Dawn অর্থ ভোর এবং Dusk অর্থ সন্ধ্যা, এই দুটি শব্দ জোড়ায় জোড়ায় বিপরীত হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a of
b but
c in
d without
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) but কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি preposition হিসেবে বসেছে যার অর্থ except বা ব্যতিরেকে। All but five cows died বলতে বোঝায় পাঁচটি গরু ছাড়া বাকি সব গরু মারা গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — All এর পরে of বসতে পারে তবে এখানে অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। All of five cows একসাথে এভাবে বসে না। B) but — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি সঠিক অপশন। C) in — All এর সাথে in যুক্ত হয়ে except এর অর্থ প্রকাশ করে না। তাই এটি বাক্যের সাথে মিলে না। D) without — Without বসালে অর্থ দাঁড়ায় পাঁচটি গরু ছাড়া মারা গেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: All এর পরে but থাকলে তার অর্থ হয় ছাড়া বা ব্যতিরেকে।
a had
b was
c were
d have
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) were কেন সঠিক: এটি একটি কাল্পনিক বা অসম্ভব শর্তমূলক বাক্য (Second Conditional)। অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্বের জায়গায় সবসময় were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি পাস্ট টেন্সের সাধারণ ভার্ব হলেও এখানে ডাক্তার হওয়া বোঝাতে বি ভার্ব প্রয়োজন। B) was — ফার্স্ট পারসন ও থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বারের পর সাধারণত বসে, কিন্তু কাল্পনিক বাক্যে এটি সঠিক নয়। C) were — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বা শুদ্ধর কিছু নেই। D) have — এটি প্রেজেন্ট টেন্সের ভার্ব, যা পাস্ট কন্ডিশনাল বাক্যের কাঠামোর সাথে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব কল্পনা বা ইচ্ছার ক্ষেত্রে আই এর পর ওয়াজ না বসে সবসময় ওয়ের বসে।
a Do you write must it?
b Must you write it?
c Write you must it
d Does you must write it
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Must you write it? কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে মূল modal auxiliary verb হিসেবে must ব্যবহৃত হয়েছে। তাই একে প্রশ্নবোধক করার সময় must প্রথমে বসেছে। এর পরে subject you এবং মূল verb-এর base form বসেছে। বাক্যটির শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do you write must it? — এখানে modal verb-এর আগে do অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Must you write it? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Write you must it — এখানে শব্দের ক্রম সম্পূর্ণ ভুল এবং কোনো auxiliary verb প্রথমে নেই। D) Does you must write it — এখানে you-এর সাথে does এবং must একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: Modal auxiliary verb যুক্ত বাক্যকে প্রশ্নবোধক করার সময় auxiliary verb-টিকে সবার প্রথমে বসাতে হয়।
a Removation
b Removing
c Removal
d Removed
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Removal কেন সঠিক: - Remove শব্দটির সাথে আল প্রত্যয় যোগ করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়েছে। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটি সরাসরি নাউনের কাজ করে। - এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Removation - এটি একটি ভুল শব্দ কারণ সঠিক শব্দটি হবে রিনোভেশন বা সংস্কার। B) Removing - এটি মূলত রিমুভ ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে জিরান্ড বা পার্টিসিপল হয়েছে। D) Removed - এটি রিমুভ ভার্বের পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল রূপ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক ভার্বের শেষে আল যোগ করে নাউন তৈরি করা হয় যেমন রিমুভ থেকে রিমোভাল।
a Freedom Day
b Independent Day
c Independence Day
d Free Day
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Independence Day কেন সঠিক: - স্বাধীনতা একটি বিশেষ ঘটনা বা অবস্থা বোঝাতে ইংরেজিতে নাউন ফর্ম হিসেবে Independence ব্যবহার করা হয়। - নির্দিষ্ট কোনো দিবস বা দিন বোঝাতে Day শব্দটির পূর্বে Independence যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দগুচ্ছ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Freedom Day — Freedom শব্দটি সঠিক হলেও প্রাতিষ্ঠানিক বা রাষ্ট্রীয় দিবসের নামকরণে সাধারণত Freedom Day ব্যবহার করা হয় না। B) Independent Day — Independent হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ, যা কোনো নাউনের আগে বসে তার গুণ প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে নাউন ফর্ম প্রয়োজন। C) Independence Day — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটিই দিবসের ক্ষেত্রে সর্বজনগ্রাহ্য ও প্রমিত রূপ। D) Free Day — Free Day বলতে সাধারণত কর্মমুক্ত বা ছুটির দিনকে বোঝায়, যা স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো দেশের স্বাধীনতা দিবস বোঝাতে Independent বা Freedom ব্যবহার না করে সবসময় নাউন ফর্ম হিসেবে Independence Day লিখতে হবে।
a Exclamatory
b Imperative
c Affirmative
d None
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Imperative কেন সঠিক: - এই বাক্যে সরাসরি কাউকে কোনো কাজ বন্ধ করার আদেশ বা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। - Imperative Sentence সাধারণত আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ বা নিষেধ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Exclamatory — এই বাক্যে মনের কোনো আকস্মিক আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়নি। B) Imperative — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের গঠন অনুযায়ী এটিই সঠিক। C) Affirmative — এটি বাক্যের কাঠামোগত প্রকার নয়, বরং অর্থগত দিক থেকে এটি একটি হাবোধক বাক্য যা Imperative এর অন্তর্ভুক্ত। D) None — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দিয়ে আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝায় এবং সাধারণত মূল verb দিয়ে শুরু হয়, তাকে Imperative sentence বলে।
a at
b when
c on
d while
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) while কেন সঠিক: এখানে দুটি কাজের বর্ণনা আছে যার একটি চলার সময় অন্যটি ঘটেছিল। while সাধারণত verb এর ing যুক্ত রূপের আগের অংশকে যুক্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সময়ের নির্দিষ্ট বিন্দু বোঝাতে বসে, এখানে ধারাবাহিক কাজের সংযোগ বোঝাতে বসে না। B) when — এটি সাধারণত simple tense বা clause এর আগে বসে, এখানে gerund এর আগে বসে না। C) on — এটি সাধারণত noun এর আগে বসে, এখানে verb এর ing রূপের আগে বসে না। D) while — এটি সঠিক কারণ এটি continuous tense বা চলমান কাজের আগে বসে। মনে রাখার টিপস: subject না থাকলে while এর পরে সরাসরি verb এর সাথে ing যোগ হয়।
a I was instructed to follow it.
b He advised me to do it.
c They were instruct to say.
d He is advise to do it.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was instructed to follow it. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে কর্তা নিজে কাজটি করেননি বরং অন্যের দ্বারা নির্দেশিত হয়েছেন। তাই এটি সঠিক Passive voice গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was instructed to follow it — এটি সঠিক উত্তর। B) He advised me to do it — এটি একটি Active voice যার অর্থ তিনি আমাকে এটি করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। C) They were instruct to say — এখানে instruct শব্দটি সঠিক Passive form এ নেই, instructed হওয়া উচিত ছিল। D) He is advise to do it — এখানে advise বানান ভুল এবং এটি সঠিক Passive গঠন মেনে চলেনি। মনে রাখার টিপস: Passive voice এ সবসময় verb এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ এবং Auxiliary verb ব্যবহৃত হয়।
a a
b an
c the
d at
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি 'one' দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা 'ওয়াও' বা 'ও' এর মতো হয়, যা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণের মতো শোনায়। ২. ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হলে তার পূর্বে 'a' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানেই বসেছে। B) an — 'one' শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হওয়ায় এখানে 'an' বসা grammatically ভুল। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো একজন বিশেষ মানুষকে বোঝানো হয়নি বলে এখানে 'the' ব্যবহার করা যাবে না। D) at — এটি একটি প্রিপজিশন এবং এখানে আর্টিকেলের জায়গায় প্রিপজিশন বসা সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে ভাওয়েল (a, e, i, o, u) থাকা সত্ত্বেও যদি তার উচ্চারণ বাংলায় 'ও' বা 'ইউ' এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে 'an' না বসিয়ে সব সময় 'a' বসাতে হবে।
a You supposed to put the proposal
b You were supposed to put up the proposal
c You are supposed to put up the proposal
d You were proposed to do it
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) You were supposed to put up the proposal কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে 'কথা ছিল' বোঝালে ইংরেজি করার সময় 'was বা were supposed to' ব্যবহার করতে হয়। এখানে সাবজেক্ট 'You' হওয়ায় তার সাথে 'were' বসেছে এবং প্রস্তাব পেশ করা অর্থে 'put up' সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You supposed to put the proposal — এখানে সাবজেক্টের পর সাহায্যকারী ভার্ব 'were' বাদ দেওয়া হয়েছে এবং 'put up' ফ্রেজাল ভার্বটি অসম্পূর্ণ রয়েছে। B) You were supposed to put up the proposal — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) You are supposed to put up the proposal — বাংলা বাক্যে অতীতকাল বোঝানো হলেও এখানে 'are' ব্যবহার করায় বাক্যটি বর্তমান কালের অর্থ প্রকাশ করেছে। D) You were proposed to do it — এখানে 'proposed to do it' লেখার কারণে মূল বাক্যের 'প্রস্তাব পেশ করা' অর্থটি সম্পূর্ণভাবে বদলে গেছে। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ করার কথা ছিল বোঝালে 'was বা were supposed to' এবং প্রস্তাব পেশ করা বা উত্থাপন করা বোঝালে 'put up' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a down
b up
c off
d of
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) off কেন সঠিক: এখানে 'Write off' একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো আইনগত বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো ঋণ মওকুফ করা বা বাতিল করা। ব্যাংক সাধারণত পুরোনো বা আদায় অযোগ্য ঋণগুলো হিসাবের খাতা থেকে বাদ দিয়ে দেয়। এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'off' প্রিপজিশনটি সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) down — 'Write down' অর্থ কোনো কিছু খাতায় লিখে রাখা বা নোট করা। তাই এটি ঋণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) up — 'Write up' অর্থ কোনো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তৈরি করা বা কারো সম্পর্কে প্রশংসা করে লেখা। তাই এটি এখানে অর্থহীন। C) off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, তবে এটি সঠিক অর্থের জন্য নির্দিষ্ট। D) of — 'Of' একটি সাধারণ প্রিপজিশন এবং 'Write of' বলে কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো ঋণ বা দেনা মাফ করা বা বাতিল করার ক্ষেত্রে সবসময় 'Write off' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
a I have got many informations.
b We are watching many newses.
c They have just got the flight
d My foot are dirty.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) They have just got the flight কেন সঠিক: এখানে 'got the flight' বাক্যাংশটি সফলভাবে বিমান ধরার অর্থ প্রকাশ করে। বাক্যটির গঠন এবং শব্দের ব্যবহার সম্পূর্ণ নির্ভুল। এতে কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Information একটি অগণনযোগ্য বিশেষ্য, তাই এর সাথে s যোগ করে plural করা যায় না। B) News শব্দটি দেখতে plural মনে হলেও এটি একটি singular বিশেষ্য এবং এর সাথে s যোগ করা যায় না। C) এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Foot একটি singular বিশেষ্য, তাই এর পরে are না বসে is বসা উচিত। মনে রাখার টিপস: Information এবং News শব্দগুলোর সাথে কখনো s বা es যুক্ত হয় না।
a Reliable
b Treasonable
c Acceptable
d Comfortable
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Reliable কেন সঠিক: Dependable শব্দের অর্থ হলো নির্ভরযোগ্য বা যার ওপর ভরসা করা যায়। Reliable শব্দটির অর্থও একই রকম বিশ্বস্ত বা নির্ভরযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reliable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ dependable শব্দের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) Treasonable — এর অর্থ দেশদ্রোহী বা বিশ্বাসঘাতক, যা dependable শব্দের বিপরীত। C) Acceptable — এর অর্থ গ্রহণযোগ্য, যা নির্ভরযোগ্য শব্দের সমার্থক নয়। D) Comfortable — এর অর্থ আরামদায়ক, যা মানুষের বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: Dependable এবং Reliable দুটি শব্দই রিলায়েন্স বা ভরসা করার ধারণার সাথে যুক্ত।
a as
b because
c due to
d in place of
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) due to কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের অংশে কোনো পূর্ণাঙ্গ বাক্য নেই, বরং একটি নাউন ফ্রেজ বা বিশেষ্যগুচ্ছ আছে। এই নাউন ফ্রেজের আগে কারণ বোঝাতে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে due to ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as — এটি একটি কনজাংশন এবং এর পরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত পূর্ণাঙ্গ ক্লজ বসে। B) because — এটিও কনজাংশন যার পরে কারণ বোঝাতে সাবজেক্ট এবং ফাইনাইট ভার্ব থাকতে হয়। C) due to — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় মূল্যায়নের প্রয়োজন নেই। D) in place of — এর অর্থ পরিবর্তে, যা এখানে বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণ ভুল করে দেয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কারণ বোঝাতে সাবজেক্ট ও ভার্ব থাকলে because এবং শুধু নাউন থাকলে due to ব্যবহার করবে।
a Badest
b Baddest
c Worst
d None
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Worst কেন সঠিক: ‘Bad’ একটি অনিয়মিত বা Irregular Adjective, তাই এর ডিগ্রি পরিবর্তনের সময় প্রচলিত নিয়মের শেষ অক্ষর দ্বিত্ব বা ইএসটি যুক্ত হয় না। এর পজিটিভ, কম্পারেটিভ এবং সুপারলেটিভ রূপগুলো যথাক্রমে Bad, Worse এবং Worst হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Badest — ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই এবং এটি নিয়মবহির্ভূতভাবে গঠিত হয়েছে। B) Baddest — এটি কথ্য বা অপ্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক সুপারলেটিভ ফর্ম নয়। C) Worst — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভালো এবং খারাপ বা গুড ও ব্যাড শব্দ দুটির ডিগ্রি অনিয়মিত নিয়মে পরিবর্তিত হয়, তাই এদের রূপ মুখস্থ রাখতে হয়।
a Inheivtence
b Plausible
c Hert
d Henous
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Plausible কেন সঠিক: শব্দটির অর্থ বিশ্বাসযোগ্য বা সম্ভাব্য এবং এর বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবর্ণীকরণ এখানে নিখুঁতভাবে হয়েছে। এটি বহুল ব্যবহৃত একটি ইংরেজি শব্দ। বানানটি শিক্ষার্থীদের সাধারণ বানানের তালিকায় পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inheivtence — সঠিক বানান Inheritance এবং এর অর্থ উত্তরাধিকার। B) Plausible — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Hert — সঠিক বানান Heart এবং এর অর্থ হৃদয়। D) Henous — সঠিক বানান Heinous এবং এর অর্থ জঘন্য। মনে রাখার টিপস: Plausible শব্দটি মনে রাখতে পি-এল-এ-ইউ-এস-আই-বি-এল-ই এই বানানটি বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
a Media
b Politics
c Physics
d None
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Media কেন সঠিক: Media শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Medium এর বহুবচন রূপ। এর একবচন হলো Medium এবং বহুবচন হলো Media। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Media — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি বহুবচন শব্দ। B) Politics — এটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও আসলে একটি একবচন বিশেষ্য। C) Physics — এটি একটি বিষয় ও একবচন বিশেষ্য যার শেষে s আছে। D) None — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে um থাকে সাধারণত তাদের বহুবচন করতে um কেটে a যোগ করতে হয়।
a ১২ ডিগ্রি
b ৫ ডিগ্রি
c ১৪ ডিগ্রি
d প্রচরক নেই
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রচরক নেই প্রদত্ত তথ্য: উপাত্তের সংখ্যাগুলোর মান ভিন্ন ভিন্ন কোনো সংখ্যা একাধিকবার নেই ধরি, উপাত্তের প্রতিটি সংখ্যা একবার করে উপস্থিত আছে অতএব, কোনো সংখ্যা সবচেয়ে বেশিবার আসেনি প্রচরক বের করার শর্ত পূরণ হয়নি সুতরাং, প্রদত্ত উপাত্তের কোনো প্রচরক নেই উত্তর: প্রচরক নেই
a ১৪ মি.মি.
b ১৪.৫ মি.মি.
c ১৫ মি.মি.
d ১৫.৫ মি.মি.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪.৫ মি.মি. প্রদত্ত তথ্য: ২০১৬ সালটি ছিল অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস ছিল ২৯ দিনের ধরি, ঐ মাসের মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ = ক মিলিমিটার অতএব, গড় বৃষ্টিপাত = (মোট বৃষ্টিপাত ÷ দিনের সংখ্যা) ০.৫০ = ক ÷ ২৯ সুতরাং, ক = ২৯ × ০.৫০ উত্তর: ১৪.৫ মিলিমিটার
a ১০ ও ১৬
b ৬ ও ১২
c ১২ ও ১৮
d ১২ ও ১৬
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ ও ১৬ প্রدত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮ সংখ্যা দুটির সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত ২ : ৩ হয় ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক অতএব, প্রশ্নমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩ বা, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ২) বা, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪ সুতরাং, ১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪ ক = ২ উত্তর: প্রথম সংখ্যা = ৫ × ২ = ১০ এবং দ্বিতীয় সংখ্যা = ৮ × ২ = ১৬
a ৪৪%
b 0.39
c ৬৯%
d ৫২.২৫%
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৯% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর পরিমাণ ৩০% বৃদ্ধি পায় ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, ৩০% বৃদ্ধিতে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৩০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১৩০ × ১৩০ = ১৬৯০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = ১৬৯০০ − ১০০০০ = ৬৯০০ বর্গ একক সুতরাং, শতকরা ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = (৬৯০০ ÷ ১০০০০) × ১০০% = ৬৯% উত্তর: ৬৯%
a ৭ টি
b ১০ টি
c ৫ টি
d ৮ টি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ টি প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫ ধরি, বহুভুজের শীর্ষবিন্দুর সংখ্যা = ৫ অতএব, কর্ণের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র = n × (n − ৩) ÷ ২ যেখানে n হলো বাহুর সংখ্যা সুতরাং, ৫ × (৫ − ৩) ÷ ২ = ৫ × ২ ÷ ২ উত্তর: ৫ টি
a ৪ সেন্টিমিটার
b ৫ সেন্টিমিটার
c ৬ সেন্টিমিটার
d কোনটি নয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস = ১০ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধির দূরত্ব হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ অতএব, ব্যাসার্ধ হলো ব্যাসের অর্ধেক সুতরাং, কেন্দ্র হতে পরিধির দূরত্ব = ১০ সেন্টিমিটার ÷ ২ = ৫ সেন্টিমিটার উত্তর: ৫ সেন্টিমিটার
a ৩৫০ কেজি
b ২৫০ কেজি
c ৩০০ কেজি
d ৩২৫ কেজি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫০ কেজি প্রদত্ত তথ্য: কৃষক ধান পেল ৫০০ কেজি প্রতি কেজি ধানের চাল হয় ৭০০ গ্রাম ধরি, মোট চালের পরিমাণ হলো ধানের পরিমাণের সাথে প্রতি কেজি চালের গুণের ফল অতএব, ৫০০ কেজি ধানের চাল = ৫০০ × ৭০০ গ্রাম ৫০০ কেজি ধানের চাল = ৩,৫০,০০০ গ্রাম সুতরাং, গ্রামকে কেজিতে রূপান্তর করতে এক হাজার দিয়ে ভাগ করতে হবে ৩,৫০,০০০ ÷ ১,০০০ = ৩৫০ কেজি উত্তর: ৩৫০ কেজি
a 30
b 35
c 80
d 50
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১২০ দুটি সংখ্যার অন্তর = ২০ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ১২০ ক − খ = ২০ সুতরাং, ২ × খ = ১২০ − ২০ = ১০০ খ = ১০০ ÷ ২ = ৫০ উত্তর: ৫০
a ৪০ টাকা
b ৫০ টাকা
c ৬০ টাকা
d ৭০ টাকা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িটির বিক্রয়মূল্য ৫০ টাকা হলে ক্ষতি হয় ঘড়িটির বিক্রয়মূল্য ৭০ টাকা হলে লাভ হয় ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা ৫০ টাকায় বিক্রয় করলে ক্ষতি = (ক − ৫০) টাকা অতএব, ৭০ টাকায় বিক্রয় করলে লাভ = (৭০ − ক) টাকা প্রশ্নানুসারে, ক্ষতি এবং লাভ সমান সুতরাং, (ক − ৫০) = (৭০ − ক) ২ × ক = ৭০ + ৫০ ২ × ক = ১২০ উত্তর: ক = ১২০ ÷ ২ = ৬০ টাকা
a ৫ দিন
b ৬ দিন
c ৯ দিন
d ১০ দিন
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ দিন প্রদত্ত তথ্য: ৯ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১০ দিনে মোট কাজের পরিমাণ = ৯ × ১০ জন-দিন = ৯০ জন-দিন ধরি, অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করা হলো ৬ জন মোট লোকসংখ্যা হলো ৯ + ৬ = ১৫ জন অতএব, ১৫ জন লোক কাজটি শেষ করতে পারবে ৯০ কে ১৫ দ্বারা ভাগ করে পাই সুতরাং, ৯০ ÷ ১৫ = ৬ দিন উত্তর: ৬ দিন
a ১০.৭ মি.
b ১২.৫ মি.
c ১২.৭ মি.
d ১২.৭৩ মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২.৭৩ মি. প্রদত্ত তথ্য: মইটির দৈর্ঘ্য অর্থাৎ অতিভুজ = ১৮ মিটার ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৪৫ ডিগ্রি ধরি, দেয়ালটির উচ্চতা বা লম্ব = h মিটার সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে ত্রিকোণমিতির অনুপাত ব্যবহার করব সাইন ৪৫ ডিগ্রি = লম্ব ÷ অতিভুজ অতএব, সাইন ৪৫ ডিগ্রি এর মান ১ ÷ √২ সুতরাং h ÷ ১৮ = ১ ÷ √২ h = ১৮ ÷ √২ সুতরাং, h = ১৮ ÷ ১.৪১৪ h = ১২.৭৩ উত্তর: ১২.৭৩ মি.
a ৬,৭০০ টাকা
b ৫,৭০০ টাকা
c ৬,৫০0 টাকা
d ৬,৬৫৫ টাকা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬,৬৫৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মূলধন বা আসল = ৫০০০ টাকা মুনাফার হার = ১০% সময় = ৩ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধির মূলধন বের করার সূত্র ব্যবহার করতে হবে এখানে আসল পি = ৫০০০ টাকা মুনাফার হার আর = ১০% = ১০ ÷ ১০০ = ০.১ অতএব, ১ বছরের চক্রবৃদ্ধির মূলধন = ৫০০০ × (১ + ০.১) = ৫০০০ × ১.১ = ৫৫০০ টাকা ২ বছরের চক্রবৃদ্ধির মূলধন = ৫৫০০ × ১.১ = ৬০৫০ টাকা ৩ বছরের চক্রবৃদ্ধির মূলধন = ৬০৫০ × ১.১ = ৬৬৫৫ টাকা সুতরাং, ৩ বছরের চক্রবৃদ্ধির মূলধন হলো ৬৬৫৫ টাকা উত্তর: D) ৬,৬৫৫ টাকা
a ৮ বছরে
b ১০ বছরে
c ১২ বছরে
d ১৫ বছরে
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ বছরে প্রদত্ত তথ্য: মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হয় ৬ বছরে ধরি, আসল = ক টাকা মুনাফা-আসল = ২ক টাকা অতএব, ৬ বছরের মুনাফা = ২ক − ক = ক টাকা দ্বিতীয় শর্ত: মুনাফা-আসল ৩ গুণ হতে হবে ৩ গুণ মুনাফা-আসল = ৩ক টাকা তৃতীয় শর্ত: ৩ গুণ হওয়ার জন্য মুনাফা হতে হবে = ৩ক − ক = ২ক টাকা সুতরাং, ক টাকা মুনাফা হয় ৬ বছরে ২ক টাকা মুনাফা হতে সময় লাগবে = ৬ × ২ = ১২ বছর উত্তর: ১২ বছরে
a cost
b costed
c costted
d costen
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) cost প্রدত্ত তথ্য: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী verb বা ক্রিয়াপদের তিনটি রূপ থাকে cost শব্দটির ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল তিনটি রূপই একই থাকে ধরি, শব্দটির বর্তমান রূপ = cost শব্দটির অতীত রূপ = cost অতএব, costed বা costten শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে ভুল তাই সঠিক অতীত রূপ হিসেবে cost শব্দিই ব্যবহার করতে হবে সুতরাং, সঠিক বিকল্পটি হলো A) cost উত্তর: A) cost
a ৮ ডিগ্রি
b ৮.৫ ডিগ্রি
c ৯.৫ ডিগ্রি
d ৯ ডিগ্রি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯.৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: তাপমাত্রাগুলোর মান দেওয়া আছে উপাত্তগুলোর মোট সংখ্যা জানা আছে ধরি, তাপমাত্রাগুলোর যোগফল নির্ণয় করতে হবে তাপমাত্রার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হবে অতএব, সব তাপমাত্রা যোগ করা হলো যোগফলকে মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা হলো সুতরাং, গড় তাপমাত্রা পাওয়া গেল ৯.৫ ডিগ্রি উত্তর: ৯.৫ ডিগ্রি
a ৯.৫ ডিগ্রি
b ৯ ডিগ্রি
c ৮.৫ ডিগ্রি
d ৮ ডিগ্রি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯.৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: উপাত্তগুলোর মানের ক্রম ঊর্ধ্বমুখী সাজাতে হবে উপাত্তের মোট সংখ্যা জোড় বা বিজড় সংখ্যা হতে পারে ধরি, উপাত্তগুলোর মোট সংখ্যা = ১০ টি অতএব, মধ্যম পদ দুটি হবে পঞ্চম ও ষষ্ঠ পদ পঞ্চম পদটি হলো ৯ ডিগ্রি সুতরাং, ষষ্ঠ পদটি হলো ১০ ডিগ্রি এই দুটি পদের গড় হবে মধ্যক উত্তর: (৯ + ১০) ÷ ২ = ৯.৫ ডিগ্রি
a 10%
b 12%
c 15%
d 20%
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২% প্রদত্ত তথ্য: ১ হালি কলার ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা ২ হালি কলার বিক্রয়মূল্য = ১১২ টাকা ধরি, মোট ক্রয়ের পরিমাণ = ২ হালি কলা অতএব, ২ হালি কলার ক্রয়মূল্য = ৫০ × ২ = ১০০ টাকা ২ হালি কলার বিক্রয়মূল্য = ১১২ টাকা সুতরাং, লাভ হলো = ১১২ − ১০০ = ১২ টাকা উত্তর: ১২% বা ০.১২
a 4045.95
b 4050.86
c 4048.85
d 4047.86
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০৪৭.৮৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ গজ = ৩৬ ইঞ্চি ১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ ধরি, ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার ১ গজ = ৩৬ × ২.৫৪ = ৯১.৪৪ সেন্টিমিটার ১ গজ = ৯১.৪৪ ÷ ১০০ = ০.৯১৪৪ মিটার অতএব, ১ বর্গগজ = ০.৯১৪৪ × ০.৯১৪৪ বর্গমিটার ১ বর্গগজ = ০.৮৩৬১২৭৩৬ বর্গমিটার ১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ সুতরাং, ১ একর = ৪৮৪০ × ০.৮৩৬১২৭৩৬ বর্গমিটার ১ একর = ৪০৪৭.৮৫৬৪ বর্গমিটার উত্তর: ৪০৪৭.৮৬ বর্গমিটার
a 8.42
b 9.4
c 9.42
d কোনটি নয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তাকার বাগানের ব্যাস = ৬ মিটার ধরি, বৃত্তাকার বাগানের ব্যাসার্ধ = (৬ ÷ ২) মিটার = ৩ মিটার অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র = পাই × (ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ) এখানে পাই এর মান ধরা যাক ৩.১৪১৬ সুতরাং, বাগানের ক্ষেত্রফল = ৩.১৪১৬ × ৩ × ৩ বর্গমিটার = ২৮.২৭৪৪ বর্গমিটার উত্তর: ২৮.২৭৪৪ ব.মি.
a বাহুদ্বয়ের সমষ্টির গড়
b কর্ণদ্বয়ের গুণফলের দ্বিগুণ
c কর্ণদ্বয়ের গুণেরফলের অর্ধেক
d কোনটি নয়
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণদ্বয়ের গুণেরফলের অর্ধেক প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র জানতে চাওয়া হয়েছে ধরি, রম্বসের প্রথম কর্ণ = d১ রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণ = d২ অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের জ্যামিতিক সংজ্ঞা অনুযায়ী দুটি কর্ণের পরিমাপ গুণ করতে হবে গুণফলকে দুই দিয়ে ভাগ করতে হবে সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (d১ × d২) ÷ ২ উত্তর: কর্ণদ্বয়ের গুণেরফলের অর্ধেক
a 60
b 120
c 80
d 75
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ২১৬ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ ধরি, বাগানের প্রস্থ = ক মিটার বাগানের দৈর্ঘ্য = ১.৫ × ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (১.৫ × ক) × ক = ২১৬ ১.৫ × ক বর্গ = ২১৬ সুতরাং, ক বর্গ = ২১৬ ÷ ১.৫ = ১৪৪ ক = ১২ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার
a যুক্তরাষ্ট্র
b নিউজিল্যান্ড
c যুক্তরাজ্য
d ফ্রান্স
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) নিউজিল্যান্ড কেন সঠিক: - নিউজিল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৮৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে। - ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর মধ্যে এই দেশেই নারীরা প্রথম সাধারণ নির্বাচনে ভোট দেয়ার পূর্ণ আইনগত অধিকার লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — মার্কিন নারীরা ১৯২০ সালে সংবিধানে ১৯তম সংশোধনী পাসের মাধ্যমে ভোটাধিকার লাভ করে। B) নিউজিল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে নারীরা প্রথম আংশিক ভোটাধিকার পায় ১৯১৮ সালে এবং পূর্ণ ভোটাধিকার পায় ১৯২৮ সালে। D) ফ্রান্স — ফরাসি নারীরা অনেক পরে ১৯৪৪ সালে ভোটাধিকার লাভ করে। মনে রাখার টিপস: নতুন যুগে (নিউজিল্যান্ড) নারীরা সবার আগে (১৮৯৩ সালে) ভোট দিতে যায়।
a ভারত
b নেপাল
c বাংলাদেশ
d পাকিস্তান
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাকিস্তান কেন সঠিক: - তক্ষশীলা প্রাচীন গান্ধার সভ্যতার রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র। - এটি বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি ভারতের অবস্থান নয়, যদিও প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের সঙ্গে এটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। B) নেপাল — এটি হিমালয় অঞ্চলের একটি দেশ যেখানে তক্ষশীলা অবস্থিত নয়। C) বাংলাদেশ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যা তক্ষশীলার ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তক্ষশীলা বর্তমানে পাকিস্তানের ভূখণ্ডে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন শিক্ষার কেন্দ্র তক্ষশীলা বর্তমানে আমাদের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে অবস্থিত।
a আফ্রিকা
b দক্ষিণ আমেরিকা
c এশিয়া
d ইউরোপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া কেন সঠিক: - গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল মরু অঞ্চল। - এটি চীন ও মঙ্গোলিয়ার কিছু অংশ জুড়ে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এই মহাদেশে সাহারা ও কালাহারি মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি নয়। B) দক্ষিণ আমেরিকা — এই মহাদেশে আটাকামা মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি এখানে নেই। C) এশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) ইউরোপ — এই মহাদেশে কোনো উল্লেখযোগ্য বিশাল মরুভূমি নেই। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার বিশাল দেশ চীন ও মঙ্গোলিয়া জুড়ে গোবি মরুভূমি অবস্থিত।
a টিম কুক
b বিল গেটস
c উইলিয়াম ইংলিশ
d ম্যারি জ্যাকার্ড
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিল গেটস কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ১৯৯৫ সালে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ ও ইন্টারনেটের প্রভাব নিয়ে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন। - বইটিতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ এবং সমাজ ও অর্থনীতির ওপর এর দূরদূরান্তের প্রভাব আলোচনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিম কুক — তিনি বর্তমান অ্যাপল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) বিল গেটস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) উইলিয়াম ইংলিশ — তিনি মাউস তৈরির সাথে যুক্ত একজন প্রকৌশলী, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। D) ম্যারি জ্যাকার্ড — তিনি এই গ্রন্থের লেখক নন, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম। মনে রাখার টিপস: বিল গেটস যেহেতু প্রযুক্তির পথপ্রদর্শক, তাই তাঁর লেখা বইয়ের নামের সাথে 'রোড' বা পথ শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
a ১৯৬৭ সালে
b ১৯৭৭ সালে
c ১৯৮০ সালে
d ১৯৭১ সালে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) ১৯৭১ সালে কেন সঠিক: - বিশ্বের প্রথম অফিসিয়াল একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচটি ১৯৭১ সালের ৫ জানুয়ারি মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - বৃষ্টির কারণে টেস্ট ম্যাচটি বাতিল হওয়ার পর দর্শকদের আনন্দ দিতে ৪০ ওভারের এই সীমিত ওভারের ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৭ সালে — এই সালে একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ শুরু হয়নি, এটি মূলত টেস্ট ক্রিকেটের যুগ ছিল। B) ১৯৭৭ সালে — এই বছর প্যাক কেরির বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেট শুরু হয়েছিল, যা আধুনিক ওয়ানডে ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করেছিল কিন্তু প্রথম ম্যাচ নয়। C) ১৯৮০ সালে — এই সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সিরিজ নিয়মিত হলেও প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ চালুর সাল এটি নয়। D) ১৯৭১ সালে — এই সালেই ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম অফিসিয়াল একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ক্রিকেটেও ওয়ানডে যুগের সূচনা হয়েছিল।
a নিউইয়র্ক
b মেক্কা
c কুয়ালালামপুর
d সিউল
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিউল কেন সঠিক: - দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে এই ভাস্কর্যটি অবস্থিত, যা ঐতিহাসিক শান্তি আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। - এটি মূলত কোরিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে জড়িত অহিংস আন্দোলনের স্মারক হিসেবে নির্মিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত শহর, যেখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর ও স্ট্যাচু অব লিবার্টি অবস্থিত। B) মেক্কা — এটি সৌদি আরবের পবিত্র শহর, যা বিশ্বের মুসলমানদের প্রধান তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। C) কুয়ালালামপুর — এটি মালয়েশিয়ার রাজধানী এবং বিখ্যাত পেট্রোনাস টাওয়ারের জন্য পরিচিত। D) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং এখানে স্ট্যাচু অব পিস অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: শান্তির প্রতীক পিস স্ট্যাচু দেখতে হলে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে যেতে হবে।
a ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম
b ফ্রান্স ও মিয়ানমার
c সুইজারল্যান্ড ও মিয়ানমার
d সুইজারল্যান্ড ও ভিয়েতনাম
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালে ইন্দোচীন যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত জেনেভা সম্মেলনে ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। - এই চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনাম সাময়িকভাবে সপ্তদশ সমান্তরাল রেখায় উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামে বিভক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি পক্ষই জেনেভা চুক্তিতে প্রধান স্বাক্ষরকারী ছিল। B) ফ্রান্স ও মিয়ানমার — মিয়ানমার বা বার্মা এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক জেনেভা চুক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) সুইজারল্যান্ড ও মিয়ানমার — সুইজারল্যান্ড চুক্তির ভেন্যু বা আয়োজক দেশ হলেও চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী পক্ষ ছিল না। D) সুইজারল্যান্ড ও ভিয়েতনাম — সুইজারল্যান্ড নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে কেবল সম্মেলন আয়োজন করেছিল, চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। মনে রাখার টিপস: জেনেভা চুক্তি মানেই ভিয়েতনামের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ফ্রান্সের সমঝোতা।
a ১৯৮৯ সালে
b ১৯৮৯ সালে
c ১৯৮৯ সালে
d ১৯৬১ সালে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৯ সালে কেন সঠিক: - স্নায়ুযুদ্ধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত বার্লিন প্রাচীরটি ১৯৮৯ সালের নভেম্বর মাসে ভেঙে ফেলা হয়। - এর মাধ্যমে পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানির মধ্যকার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিভেদ দূর হওয়ার পথ সুগম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৯ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক ঐতিহাসিক উত্তর। B) ১৯৮৯ সালে — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি বার্লিন প্রাচীর পতনের প্রকৃত বছর। C) ১৯৮৯ সালে — এই অপশনটিও সঠিক উত্তর নির্দেশ করছে যা ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে মিলে যায়। D) ১৯৬১ সালে — ১৯৬১ সালে বার্লিন প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল, ভাঙা হয়নি। মনে রাখার টিপস: প্রাচীরটি তৈরি হয়েছিল ১৯৬১ সালে এবং ভেঙে ফেলা হয়েছিল তার ২৮ বছর পর ১৯৮৯ সালে।
a ফিলিপাইন
b মিয়ানমার
c ইন্দোনেশিয়া
d থাইল্যান্ড
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিলিপাইন কেন সঠিক: - মিনদানাও দ্বীপ ফিলিপাইন দেশের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং অন্যতম প্রধান দ্বীপ। - ভৌগোলিক অবস্থান এবং রাজনৈতিকভাবে এটি সম্পূর্ণভাবে ফিলিপাইন প্রজাতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিলিপাইন — এই অপশনটি সঠিক কারণ মিনদানাও দ্বীপটি ফিলিপাইনেরই ভূখণ্ড। B) মিয়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যার মূল ভূখণ্ডে এই নামের কোনো দ্বীপ নেই। C) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র হলেও মিনদানাও দ্বীপটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এর ভূগোলের সঙ্গে এই দ্বীপের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ফিলিপাইনের সংক্ষিপ্ত রূপ পি (P) এবং মিনদানাও দ্বীপের এম (M) মনে রেখে পিএম (PM) সূত্র দিয়ে এটি মনে রাখা যায়।
a সুপিরিয়র হ্রদ
b কাস্পিয়ান সাগর
c বৈকাল হ্রদ
d ভিক্টোরিয়া হ্রদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৈকাল হ্রদ কেন সঠিক: - রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত বৈকাল হ্রদ পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম (প্রায় ১,৬৪২ মিটার বা ৫,৩৮৫ ফুট) এবং সবচেয়ে প্রাচীন মিষ্টি পানির হ্রদ। - এটি আয়তনের দিক থেকেও পৃথিবীর মোট মিষ্টি পানির প্রায় কুড়ি শতাংশ ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুপিরিয়র হ্রদ — এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম মিষ্টি পানির হ্রদ, গভীরতম নয়। B) কাস্পিয়ান সাগর — এটি বিশ্বের বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ জলাশয় বা লবণাক্ত হ্রদ, কিন্তু গভীরতার দিক থেকে এটি প্রথম নয়। C) বৈকাল হ্রদ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত। D) ভিক্টোরিয়া হ্রদ — এটি আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদ এবং নীল নদের প্রধান উৎস, তবে এটি গভীরতম হ্রদ নয়। মনে রাখার টিপস: গভীর হ্রদ মানেই জলে 'বাইক' চালাতে কষ্ট হবে, এভাবে 'বাইকাল' বা 'বৈকাল' নামটি মনে রাখতে পারেন।
a যশোর
b নাটোর
c মুন্সীগঞ্জ
d সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুন্সীগঞ্জ কেন সঠিক: - আড়িয়াল বিল বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলা জুড়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ও বিশাল জলাভূমি। - এটি শীতকালে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত এবং এখানকার কৃষি উৎপাদন বেশ সমৃদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা যেখানে বিখ্যাত ভবদহ ও বিল কপালিয়া অবস্থিত, আড়িয়াল বিল এখানে নয়। B) নাটোর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে বিখ্যাত চলন বিল অবস্থিত, আড়িয়াল বিল এই অঞ্চলে নেই। C) মুন্সীগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি আড়িয়াল বিলের ভৌগোলিক অবস্থান। D) সিরাজগঞ্জ — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে যমুনা নদী ও বিভিন্ন বড় বিল রয়েছে, আড়িয়াল বিল এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মুন্সীগঞ্জের 'মু' এবং আড়িয়াল বিলের অবস্থান মনে রাখতে "মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিল" এভাবে এক সাথে চর্চা করতে পারেন।
a ১৮৬৫ সালে
b ১৮৬৬ সালে
c ১৮৬২ সালে
d ১৮৫৯ সালে
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৬২ সালে কেন সঠিক: নীল বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল ১৮৫৯ সালে নদীয়া জেলায়। নানা আন্দোলন ও আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৮৬২ সালে এই বিদ্রোহের পুরোপুরি অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬৫ সালে — এই সালের সাথে নীল বিদ্রোহের সমাপ্তির কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) ১৮৬৬ সালে — এই সময়ে বাংলায় অন্য কৃষক আন্দোলন চললেও নীল বিদ্রোহ অনেক আগেই শেষ হয়েছিল। C) ১৮৬২ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) ১৮৫৯ সালে — এই সালে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটেনি, বরং এই সালেই এই বিদ্রোহের সূচনা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: নীল বিদ্রোহের স্থায়িত্বকাল ছিল প্রায় তিন বছর, যা শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং শেষ হয় ১৮৬২ সালে।
a ৭ নভেম্বর
b ৮ নভেম্বর
c ৩ নভেম্বর
d ৪ নভেম্বর
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ নভেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী ও জনতার অভুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটেছিল। - এই ঐতিহাসিক দিনটিকে জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ নভেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে সিপাহী ও জনতা ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটিয়েছিল। B) ৮ নভেম্বর — এটি সঠিক নয় কারণ এই তারিখে এই নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক কোনো সংহতি বা বিপ্লব দিবস পালিত হয় না। C) ৩ নভেম্বর — এটি সঠিক নয় কারণ এই দিনটি জেল হত্যা দিবস হিসেবে পরিচিত। D) ৪ নভেম্বর — এটি সঠিক নয় কারণ এই দিনটি বাংলাদেশের সংবিধান দিবস হিসেবে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: সাত সংখ্যাটি মনে রাখলেই সংহতি ও বিপ্লব দিবসের ৭ নভেম্বর তারিখটি সহজে মনে রাখা যায়।
a 0.005 mg/L
b 0.05 mg/L
c 0.5 mg/L
d 0.0005 mg/L
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 0.05 mg/L কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO এর মানদণ্ড অনুযায়ী খাবার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা প্রতি লিটারে ০.০৫ মিলিগ্রাম। - বাংলাদেশের ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক একটি বড় সমস্যা হওয়ায় এই মানদণ্ডটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.005 mg/L — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রস্তাবিত কঠোর মাত্রা হলেও আন্তর্জাতিক ও আমাদের দেশের প্রচলিত মানদণ্ডে এটি সঠিক নয়। B) 0.05 mg/L — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্ধারিত খাবার পানির আর্সেনিকের অনুমোদিত সর্বোচ্চ মাত্রা। C) 0.5 mg/L — এই মাত্রাটি গ্রহণযোগ্য সীমার চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। D) 0.0005 mg/L — এটি আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রা নয়, এটি একটি অতিরিক্ত কম বা অবাস্তব মান। মনে রাখার টিপস: আর্সেনিকের নিরাপদ মাত্রার সংখ্যাটি মনে রাখতে শূন্যের পর একটি পাঁচ এবং মাঝখানে একটি শূন্য অর্থাৎ ০.০৫ মনে রাখুন।
a জয়নুল আবেদিন
b বুলবুল চৌধুরী
c এস এম সুলতান
d কামরুল হাসান
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার অন্যতম প্রধান পুরুষ, যিনি গ্রামীণ নারীদের রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই চিত্রকর্মটি এঁকেছেন। - শিল্পীর তুলিতে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও নারীদের অবয়ব অত্যন্ত সুনিপুণভাবে তিন কন্যা চিত্রে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদিন — তিনি চিত্রশিল্পী হলেও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মের মধ্যে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা ও সংগ্রাম অন্যতম, তিন কন্যা তার চিত্রকর্ম নয়। B) বুলবুল চৌধুরী — তিনি চিত্রশিল্পী নন, বরং তিনি ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক। C) এস এম সুলতান — তিনি গ্রামীণ জীবন ও শক্তিশালী মানব অবয়ব নিয়ে কাজ করলেও তিন কন্যা তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম নয়। D) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই চিত্রশিল্পীর অত্যন্ত পরিচিত একটি শিল্পকর্ম। মনে রাখার টিপস: কামরুল হাসানকে পটুয়া বলা হয় এবং তার আঁকা বিখ্যাত চিত্রকর্মগুলোর একটি হলো তিন কন্যা।
a ১৬ নভেম্বর ২০০০ সালে
b ১৬ আগস্ট ২০০০ সালে
c ১৬ মার্চ ২০০০ সালে
d ১৬ ডিসেম্বর ২০০০ সালে
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ আগস্ট ২০০০ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ডাক বিভাগ সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত বার্তা প্রেরণের সুযোগ করে দিতে ২০০০ সালের ১৬ আগস্ট ইলেকট্রনিক পোস্ট বা ই-পোস্ট সেবা চালু করে। - এই সেবার মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাহায্যে দেশের নির্দিষ্ট পোস্ট অফিসের মধ্যে দ্রুত তথ্য ও বার্তা আদান-প্রদান শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ নভেম্বর ২০০০ সালে — এই তারিখে ই-পোস্ট চালু হয়নি, এটি ভুল একটি কাল্পনিক তারিখ। B) ১৬ আগস্ট ২০০০ সালে — এটি সঠিক তারিখ এবং এই দিনেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-পোস্ট চালু করা হয়। C) ১৬ মার্চ ২০০০ সালে — এই তারিখে ই-পোস্ট চালুর কোনো ঐতিহাসিক বা দাপ্তরিক রেকর্ড নেই। D) ১৬ ডিসেম্বর ২০০০ সালে — এই তারিখে বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপিত হলেও ই-পোস্ট চালুর তারিখ এটি নয়। মনে রাখার টিপস: আগস্ট মাসের ১৬ তারিখে বাংলাদেশে প্রথম ই-পোস্ট সেবা চালু হয়েছিল।
a খুলনা
b বরিশাল
c চট্টগ্রাম
d দিনাজপুর
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার। - এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত এবং বিপিসি এর অধীন পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুলনা — খুলনা অঞ্চলে কোনো তেল শোধনাগার নেই, এটি প্রধানত শিল্প ও বন্দর নগরী হিসেবে পরিচিত। B) বরিশাল — বরিশাল নদী বন্দর ও কৃষিপ্রধান অঞ্চল, এখানে কোনো ভারী তেল শোধনাগার অবস্থিত নয়। C) চট্টগ্রাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামেই অবস্থিত। D) দিনাজপুর — দিনাজপুর উত্তর অঞ্চলের জেলা এবং এটি ভারী শিল্প বা তেল শোধনাগারের জন্য পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: তেল মানেই বন্দর নগরী চট্টগ্রাম, আর বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি সেখানেই অবস্থিত।
a লর্ড মিন্টো
b লর্ড ক্যানিং
c লর্ড ক্লাইভ
d লর্ড রিপন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: B) লর্ড ক্যানিং কেন সঠিক: - সিপাহী বিদ্রোহের পর ১৮৫৯ সালের মুদ্রা আইন অনুযায়ী ব্রিটিশ ভারতে প্রথম কাগজের মুদ্রা বা পেপার কারেন্সি চালু হয়। - লর্ড ক্যানিং ছিলেন ভারতবর্ষের প্রথম ভাইসরয় এবং তাঁর আমলেই এই কাগজের মুদ্রা প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড মিন্টো — তিনি ১৯০৯ সালের মরলে মিন্টো সংস্কার আইন প্রণয়নের সাথে যুক্ত ছিলেন, কাগজের মুদ্রা চালুর সাথে নন। B) লর্ড ক্যানিং — তিনি ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন এবং তাঁর শাসন আমলেই ১৮৫৯ সালে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু হয়। C) লর্ড ক্লাইভ — তিনি বাংলায় ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার মূল কারিগর ও প্রথম গভর্নর ছিলেন, মুদ্রা চালুর সাথে সংশ্লিষ্ট নন। D) লর্ড রিপন — তিনি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক হিসেবে পরিচিত এবং ভারতে প্রথম নিয়মিত আদমশুমারি শুরু করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: কাগজ থেকে ক্যানিং মনে রাখতে পারেন, কারণ প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু করেছিলেন লর্ড ক্যানিং।
a 1556
b 1555
c 1553
d 1551
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1556 কেন সঠিক: - মোঘল সম্রাট আকবর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে আরোহণের পর খাজনা আদায় সহজ করার জন্য হিজরি চন্দ্র সনের পাশাপাশি বাংলা সনের প্রচলন করেন। - ঐতিহাসিকদের মতে, ১৫৫৬ সালের ৯ বা ১০ মার্চ সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহণের বছর থেকেই বাংলা সনের গণনা শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1556 — এই অপশনটি সঠিক কারণ সম্রাট আকবর এই সালেই বাংলা সন চালু করেছিলেন। B) 1555 — এই সালটি বাংলা সন চালুর ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) 1553 — এই সালটি মুঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকাল শুরুর আগের বছর এবং এর সঙ্গে বাংলা সনের কোনো সম্পর্ক নেই। D) 1551 — এই সালটি বাংলা সনের প্রবর্তন কিংবা আকবরের সিংহাসন আরোহণের সঙ্গে মেলেনি। মনে রাখার টিপস: আকবর ১৫৫৬ সালে রাজা হন এবং এই সালেই বাংলা সন চালু করেন, তাই আকবর ও ১৫৫৬ সংখ্যাটি একসঙ্গে মনে রাখবে।
a মাসিক
b পাক্ষিক
c ত্রৈমাসিক
d বার্ষিক
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাসিক কেন সঠিক: - উত্তরাধিকার বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত একটি নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকা। - এটি প্রতি মাসে প্রকাশিত হয় বলে একে মাসিক পত্রিকা হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাসিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ পত্রিকাটি প্রতি মাসে নিয়মিত প্রকাশিত হয়। B) পাক্ষিক — পাক্ষিক বলতে পনেরো দিন পর প্রকাশিত বোঝায়, যা এই পত্রিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) ত্রৈমাসিক — ত্রৈমাসিক বলতে তিন মাস পর পর প্রকাশিত বোঝায়, যা মাসিক পত্রিকার সংজ্ঞার সাথে মিলে না। D) বার্ষিক — বার্ষিক বলতে বছরে একবার প্রকাশিত বোঝায়, কিন্তু উত্তরাধিকার নিয়মিত মাসিক প্রকাশনা। মনে রাখার টিপস: উত্তরাধিকার বাংলা একাডেমির একটি নিয়মিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।

মোট প্রশ্ন (21)

a প্রত্যয়
b অনুসর্গ
c উপসর্গ
d বিভক্তি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - এটি মূলত শব্দের আদিতে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটিয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এক প্রকার অবিতর্কিত ব্যাকরণগত উপাদান যা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশী উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার ব্যাখ্যা: হার শব্দের পূর্বে উপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে উপহার শব্দ গঠিত হয় যার অর্থ উপঢৌকন। উদাহরণ ২: কাজ ব্যাখ্যা: কাজ শব্দের পূর্বে অকার্য বা অ উপসর্গ যুক্ত হয়ে অকর্ম শব্দ গঠিত হয় যার অর্থ যা কর্ম নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যয় — এটি শব্দের পরে যুক্ত হয় কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে পূর্বে বসার বিষয়। B) অনুসর্গ — এটি শব্দের পরে বা কর্মপ্রবচনীয় রূপে বসে তাই এটি সঠিক নয়। C) উপসর্গ — এটি শব্দের পূর্বে বসে তাই এটি সঠিক উত্তর। D) বিভক্তি — এটি শব্দের বা পদের শেষে যুক্ত হয় তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গের উ এবং পূর্বে শব্দের প মিলিয়ে মনে রাখতে পারো উপসর্গ বসে পূর্বে। - বাংলা ভাষায় মোট একুশটি তৎসম উপসর্গ রয়েছে যা মুখস্থ করলে সুবিধা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ের অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - উপসর্গ শব্দের অর্থ পরিবর্তন করে আর প্রত্যয় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি করে।
a Ceasefire
b Cheezfire
c Cesefire
d Casefir
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Ceasefire ১. কেন সঠিক: Ceasefire শব্দটির অর্থ যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান সাময়িক স্থগিত করা। এটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত একটি বহুল ব্যবহৃত পারিভাষিক শব্দ যা বাংলাতেও সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত পারিভাষিক শব্দ বা আন্তর্জাতিক শব্দের সঠিক ইংরেজি বানান সম্পর্কিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের সঠিক বানান চিহ্নিত করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Mankind ব্যাখ্যা: মানবজাতি অর্থে এই ইংরেজি শব্দটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি হিসেবে আসে। উদাহরণ ২: Assessment ব্যাখ্যা: মূল্যায়ন অর্থে বহুল ব্যবহৃত এই ইংরেজি শব্দটির বানান প্রায়ই শিক্ষার্থীরা ভুল করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ceasefire — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ যুদ্ধবিরতি। B) Cheezfire — এই বানানটি ভুল কারণ এখানে Cease এর পরিবর্তে Cheez লেখা হয়েছে। C) Cesefire — এই বানানটি ভুল কারণ Cease অংশের বানান ভুল লেখা হয়েছে। D) Casefir — এই বানানটি ভুল কারণ এখানে Case এবং fir ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: Cease শব্দের অর্থ বন্ধ করা এবং fire শব্দের অর্থ গোলাগুলি বা আগুন। দুটি শব্দ একসাথে মিলে যুদ্ধবিরতি বা Ceasefire গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারিভাষিক শব্দ ও বিদেশি শব্দের বানান মুখস্থ করার সময় শব্দটির মূল অংশ বা রুট ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। একই ধরনের অন্যান্য পারিভাষিক শব্দ যেমন Ceasefire নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a সত্যজিৎ রায়
b সুকুমার রায়
c সুকুমার বড়ুয়া
d শংকর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুকুমার রায় ১. কেন সঠিক: - “আবোল-তাবোল” বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অমর ও অনন্য সৃষ্টি যার রচয়িতা হলেন সুকুমার রায়। - এই গ্রন্থটি মূলত বাংলা ননসেন্স ভার্স বা খামখেয়ালি ছড়ার এক যুগান্তকারী ও ক্লাসিক নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকুমার রায় ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পুত্র এবং সত্যজিৎ রায়ের পিতা। - তার সৃষ্ট আবোল-তাবোল গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হযবরল ব্যাখ্যা: এটি সুকুমার রায়ের লেখা আরেকটি বিখ্যাত শিশুতোষ ও কালজয়ী সৃষ্টি যা অবাস্তব ও খামখেয়ালি জগতের ওপর প্রতিষ্ঠিত। উদাহরণ ২: পাগলা দাশু ব্যাখ্যা: এটিও সুকুমার রায়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গল্পগ্রন্থ যেখানে স্কুলজীবনের নানা মজার ও অদ্ভুত ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যজিৎ রায় — ইনি সুকুমার রায়ের পুত্র এবং প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও আবোল-তাবোল গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) সুকুমার রায় — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই অমর গ্রন্থটির একমাত্র রচয়িতা। C) সুকুমার বড়ুয়া — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় ছড়াকার হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত নন। D) শংকর — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপন্যাস লিখে থাকেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুকুমার রায় মানেই আজব খামখেয়ালিপনা এবং আবোল-তাবোল ছড়ার জগত। - পরীক্ষার জন্য মনে রাখবে সুকুমার রায় মানেই হ য ব র ল ও আবোল-তাবোল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিশুসাহিত্য এবং এর রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সুকুমার রায় প্রবর্তিত ননসেন্স রাইটিংস বা খামখেয়ালি ছড়ার ধারা বাংলা সাহিত্যে সম্পূর্ণ মৌলিক।
a হেমন্তী
b চারুলতা
c রায়
d আশালতা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চারুলতা কেন সঠিক: - চারুলতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় গল্পের কেন্দ্রীয় ও প্রধান নারী চরিত্র। - এই চরিত্রের মাধ্যমে ভূষণহীন নিঃসঙ্গতা ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নষ্টনীড় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। - গল্পটি প্রকাশিত হয় তেরোশো তিন বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে সাধনা পত্রিকায়। - চারুলতা চরিত্রের মধ্যে মধ্যবিত্ত বাঙালি গৃহবধূর অবদমিত আবেগ ও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগের সুন্দর চিত্র আঁকা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) হেমন্তী — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হেমন্তী গল্পের প্রধান নারী চরিত্র। - B) চারুলতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। - C) রায় — এটি কোনো নারী চরিত্র নয়, এটি একটি পদবি বা উপাধি মাত্র। - D) আশালতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখের মাটি উপন্যাসের একটি চরিত্র। মনে রাখার টিপস: - নষ্টনীড় বললেই মনে রাখবে অমল, ভূপতি এবং চারুলতার ত্রিকোণ প্রেমের কথা।
a ছড়া
b উপন্যাস
c কবিতা
d সনেট
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সনেট ১. কেন সঠিক: সোনালী কাবিন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সনেট সংকলন বা সনেট গুচ্ছ। এটি চতুর্দশপদী কবিতার কাঠামোগত অনুসরণে রচিত হয়েছে যেখানে নির্দিষ্ট মিল বিন্যাস ও ভাবের প্রবহমানতা রক্ষা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটির রচায়িতা হলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি আল মাহমুদ। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে মূলত বাঙালি সংস্কৃতি, মাটি, মানুষ, গ্রামীণ জীবন এবং প্রেমের গভীর দ্যোতনা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার মাধ্যমে অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর রক্ত কবরী বা অন্যান্য সাহিত্যিক সনেট সংকলন। ব্যাখ্যা: এটিও নির্দিষ্ট গঠনরীতি মেনে বাংলা সাহিত্যে সনেট ধারার ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত সনেট যার মাধ্যমে সনেট রীতির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছড়া — সোনালী কাবিন কোনো ছোটদের বা বড়দের ছড়া নয়, এটি অত্যন্ত গভীর ভাব ও জীবনদর্শনের সনেট গুচ্ছ। B) উপন্যাস — এটি কোনো দীর্ঘ কাল্পনিক গদ্য বর্ণনামূলক উপন্যাস নয়, বরং এটি কবিতাভিত্তিক একটি কাব্যগ্রন্থ। C) কবিতা — সনেটও এক প্রকার কবিতা, কিন্তু অপশনে নির্দিষ্ট রূপ বা ধরন হিসেবে সনেট থাকায় সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে। D) সনেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতাই সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার আদলে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: আল মাহমুদের সোনালী কাবিন মানেই সনেট কাব্যগ্রন্থ। সোনালী কাবিনের স এবং সনেট এর স দিয়ে সহজেই বিষয়টি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থের রচায়িতা কবি আল মাহমুদ এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের সাহিত্যিক রূপ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d বঙ্কিমচন্দ্র
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্তকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রথম সার্থক কবি বলা হয়। - তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে আধুনিকতার সূচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা ঘটে মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়ে উনিশ শতকে। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কবিতায় মহাকাব্য ও নাটকে নতুন ধারা নিয়ে আসেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্য যা আধুনিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী নাটক ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যেখানে আধুনিক নাট্যরীতির প্রয়োগ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি, কিন্তু যুগের সূচনাকারী নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি আধুনিক যুগের প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক, কিন্তু যুগের প্রথম কবি নন। D) বঙ্কিমচন্দ্র — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক, তবে তিনি কোনো কবি ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিক যুগের প্রথম কবি বললে মাইকেল মধুসূদন দত্ত নামটি মনে রাখতে হবে। - তিনি সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক কবি কে, তা প্রায়ই আসে। - এই ধরনের প্রশ্নে যুগের প্রবর্তক এবং যুগস্রষ্টা কবিদের পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
a বিশেষ্য
b আধিক্য বোঝাতে
c ক্রিয়া বিশেষণরূপে
d ব্যাপ্তি অর্থে
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রিয়া বিশেষণরূপে ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়ার ভাব, সময়, স্থান বা প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রকাশ করলে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। - এখানে 'মনে মনে' দ্বিরুক্তিটি 'তুলনা করে দেখলাম' এই ক্রিয়াপদটি কীভাবে সম্পাদিত হয়েছে তা নির্দেশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে অর্থাৎ ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার সময়, স্থান, ভাব বা পদ্ধতি বুঝায় তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে পদের দিক থেকে এটি ক্রিয়ার ভাববাচক ক্রিয়া বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধীরে ধীরে পা ফেলো। ব্যাখ্যা: এখানে 'ধীরে ধীরে' দ্বিরুক্তিটি হাঁটা ক্রিয়ার ভাব বা পদ্ধতি বুঝিয়েছে। উদাহরণ ২: জলে জলে ভেসে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'জলে জলে' দ্বিরুক্তিটি ভেসে যাওয়ার স্থান বা ব্যাপ্তি প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, যা এখানে বোঝায়নি। B) আধিক্য বোঝাতে — আধিক্য বা বেশি বোঝাতে দ্বিরুক্তির ব্যবহার এখানে হয়নি। C) ক্রিয়া বিশেষণরূপে — এটি সঠিক উত্তর কারণ দ্বিরুক্তিটি ক্রিয়াকে বিশেষিত করেছে। D) ব্যাপ্তি অর্থে — ব্যাপ্তি বা দীর্ঘ সময় বোঝাতে এই দ্বিরুক্তিটি ব্যবহৃত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বিরুক্তি শব্দ ক্রিয়ার আগে বসে যদি কাজের ধরন বা ভাব বোঝায়, তবে তা নিশ্চিতভাবে ক্রিয়া বিশেষণ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কীভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত ক্রিয়া বিশেষণ হয়।
a সংযোজক অব্যয়
b ভাব বিশেষণ
c সর্বনাম
d বিশেষণ
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংযোজক অব্যয় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'যেন' শব্দটি দুটি খণ্ড বাক্য বা ভাবকে आपसে যুক্ত করার কাজ করেছে। - অব্যয় পদ সাধারণত বাক্যের বিভিন্ন পদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং 'যেন' এখানে ঠিক সেই কাজটিই করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো পদের সঙ্গে অন্য পদের বা বাক্যের সঙ্গে অন্য বাক্যের সংযোগ ঘটায় তাকে সংযোজক অব্যয় বলে। - 'যেন', 'যাতে', 'কিংবা', 'অথচ', 'বরং' ইত্যাদি শব্দগুলো বাক্যে সংযোজক অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘ ডেকে উঠল, যেন বৃষ্টি নামবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'যেন' অব্যয়টি দুটি খণ্ড বাক্যের সংযোগ ঘটিয়েছে। উদাহরণ ২: সে এমন ভাব করল, যেন কিছুই জানে না। ব্যাখ্যা: এখানেও 'যেন' শব্দটি দুটি বাক্যাংশকে যুক্ত করার দায়িত্ব পালন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংযোজক অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যগুলোকে সংযুক্ত করেছে। B) ভাব বিশেষণ — এটি ভুল কারণ ভাব বিশেষণ ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। C) সর্বনাম — এটি ভুল কারণ সর্বনাম পদের পরিবর্তে বসে, 'যেন' নামের পরিবর্তী শব্দ নয়। D) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ বিশেষণ পদ দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, 'যেন' তা করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের মাঝখানে থেকে যদি দুটি অংশকে মিলিয়ে দেয় এবং তুলনা বা অনুমানের ভাব প্রকাশ করে, তবে সাধারণত তা সংযোজক অব্যয় হয়। - তুলনামূলক বা অনুমানের অব্যয়গুলো প্রায়ই সংযোজক অব্যয় হিসেবে কাজ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয় পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্য সংযোগকারী শব্দগুলোকে ভালোভাবে চিনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a অলুক দ্বন্দ্ব
b মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
c উপমান কর্মধারয়
d ষষ্ঠী তৎপুরুষ
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। - প্রাণভয় শব্দের ব্যাসবাক্য হলো প্রাণ যাওয়ার ভয়ে ভীত বা প্রাণের ভয়ে যে ভয়, যেখানে মধ্যবর্তী পদগুলো উহ্য থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং সাধারণত একটি বিশেষ্য ও একটি বিশেষণ পদের মধ্যে এই সমাস গঠিত হয়। - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্য সম্প্রসারিত করার সময় মাঝখানে অর্থ স্পষ্ট করার জন্য যে পদগুলো আনা হয়, সমাসবদ্ধ করার সময় তা বাদ যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা রাত ব্যাখ্যা: জোছনা শোভিত রাত সমাসবদ্ধ হয়ে জোছনা রাত হয়েছে, যেখানে মাঝের শোভিত পদটি লোপ পেয়েছে। উদাহরণ ২: পলান্ন ব্যাখ্যা: পোলাও মিশ্রিত অন্ন সমাসবদ্ধ হয়ে পলান্ন হয়েছে, যেখানে মিশ্রিত মধ্যপদটি লোপ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলুক দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং এখানে কোনো বিভক্তি লোপ পায় না, তাই এটি ভুল। C) উপমান কর্মধারয় — উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি সাধারণ ধর্মবাচক পদ থাকে এবং উপমেয় ও উপমানের তুলনা বোঝায়, যা এখানে নেই। D) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং ব্যাসবাক্যে তা প্রকাশ পায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্য তৈরি করার সময় মাঝখানে যদি অতিরিক্ত কোনো অর্থবোধক শব্দ আনতে হয় এবং সমাসবদ্ধ পদে তা গায়েব হয়ে যায়, তবে চোখ বুজে তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলবে। - মাঝের পদ লোপ পায় বলেই এর নাম মধ্যপদলোপী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - হাতঘড়ি, সিংহদ্বার, মৌমাছি এই নিয়মেই গঠিত মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অত্যন্ত জনপ্রিয় কিছু উদাহরণ।
a আঞ্চলিক
b মিশ্র
c সংস্কৃত
d হিন্দি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিশ্র ১. কেন সঠিক: পুঁথি সাহিত্যের ভাষা হলো মিশ্র ভাষা, কারণ এটি বাংলা ভাষার সঙ্গে আরবি, ফারসি, হিন্দি এবং অবহট্য ভাষার সংমিশ্রণে গঠিত হয়েছিল। মধ্যযুগে পুণ্ড্রবর্ধন ও আরাকান অঞ্চলে রচিত এই সাহিত্যের ভাষা সাধারণ মানুষের কথ্য ভাষার সঙ্গে বিদেশি শব্দের মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পুঁথি সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি বিশেষ শাখা যা সাধারণত সপ্তদশ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত পুণ্ড্রবর্ধন বা পুঠিয়া অঞ্চলে বিকাশ লাভ করেছিল। এই সাহিত্যের মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ মুসলিম জনগোষ্ঠীর মাঝে ইসলামিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নৈতিক শিক্ষা প্রচার করা এবং এর ভাষা ছিল প্রাকৃত ও অবহট্য প্রভাবিত মিশ্র রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ হামজার জয়নুল মুলুক গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে মিশ্র ভাষার চমৎকার প্রয়োগ দেখা যায় যেখানে বাংলা শব্দের পাশাপাশি প্রচুর আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দৌলত কাজীর লোরচন্দ্রাণী বা সতী ময়না কাব্য। ব্যাখ্যা: আরাকান রাজসভার এই বিখ্যাত কাব্যের ভাষাও মিশ্র প্রকৃতির যা পুঁথি সাহিত্যের ভাষার বৈশিষ্ট্য বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঞ্চলিক — পুঁথি সাহিত্যের ভাষা কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের একক আঞ্চলিক ভাষা ছিল না, বরং বিভিন্ন ভাষার মিশ্রণ ছিল। B) মিশ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ পুঁথি সাহিত্যে বাংলা, আরবি, ফারসি ও হিন্দি শব্দের মিশ্রণ ঘটেছে। C) সংস্কৃত — পুঁথি সাহিত্যের ভাষা সংস্কৃত ছিল না, কারণ সংস্কৃত ভাষা মূলত উচ্চবর্ণের হিন্দুদের ভাষা ছিল এবং পুঁথি সাহিত্য রচিত হয়েছিল সহজবোধ্য মিশ্র ভাষায়। D) হিন্দি — পুঁথি সাহিত্যে হিন্দি শব্দের প্রভাব থাকলেও এর মূল ভিত্তি বাংলা ও অন্যান্য ভাষার মিশ্রণ, তাই একে এককভাবে হিন্দি বলা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: পুঁথি সাহিত্যের ভাষা মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এটি একটি মিশ্র খিচুড়ি ভাষার মতো, যেখানে বাংলা, আরবি, ফারসি ও হিন্দি মিশে আছে। পরীক্ষায় পুঁথি সাহিত্য দেখলেই মিশ্র ভাষা বা আরবি-ফারসি মিশ্রিত ভাষার কথা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পুঁথি সাহিত্যের ভাষা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে পুঁথি সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য লেখক হলেন ফকির গরীবুল্লাহ ও সৈয়দ হামজা এবং এর প্রধান ভাষা মিশ্র রূপ।
a বেগম
b ননদ
c বিমাতা
d হংসী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিমাতা ১. কেন সঠিক: যেসব শব্দ স্বভাবতই স্ত্রীবাচক বোঝায় এবং পুরুষবাচক শব্দ গঠনের কোনো সুযোগ থাকে না, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। বিমাতা শব্দটি দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে বা স্বভাবতই স্ত্রীলিঙ্গ বোঝানো হয়েছে এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দ পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক হিসেবে আলাদা থাকে। তবে কিছু শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক বা নিত্য পুরুষবাচক হিসেবে ব্যাকরণে নির্দিষ্ট করা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ, যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: এড়েবাছুর ব্যাখ্যা: এটি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ, যার কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম — এটি একটি ফার্সি শব্দ এবং এটি সাধারণ স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার পুরুষবাচক রূপ বাদশাহ বা বেগ। B) ননদ — ননদ শব্দের পুরুষবাচক রূপ দেবর, তাই এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। C) বিমাতা — এটি সঠিক উত্তর। D) হংসী — এটি হংস শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা পুরুষবাচক হংস থেকে প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো এদের কোনো পুরুষবাচক জোড় থাকে না। সতীন, ননদ (ননদের পুরুষবাচক দেবর হলেও ননদ নিজেই স্ত্রীবাচক), এব্রো, সধবা, কুলটা ইত্যাদি শব্দগুলো বারবার চর্চা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক ও নিত্য পুরুষবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের উত্তর খুব সহজেই নির্ভুল করা সম্ভব।
a দ্বিপ + আয়য়ন
b দ্বীপ + আয়ান
c দ্বীপ + অয়ন
d দ্বৈপ + আয়ান
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বীপ + আয়ান ১. কেন সঠিক: দ্বৈপায়ন শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো দ্বীপ যোগ আয়ান। এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা সাধারণ নিয়ম মেনে চলে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্রের সাহায্যে ভাঙা যায় না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এখানে দ্বীপ শব্দের প বর্ণের ই কার এবং আয়ান শব্দের আ মিলে দ্বৈপায়ন গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোষ্পদ সমান গো যোগ পদ ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ যা নিয়ম বহির্ভূতভাবে সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরষ্পর সমান পরি যোগ পর ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম ছাড়াই নিপাতনে সিদ্ধ নিয়মে সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিপ + আয়য়ন — দ্বিপ এবং আয়য়ন শব্দ দুটি সঠিক সন্ধি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) দ্বীপ + আয়ান — এটি সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ এবং নিয়মানুযায়ী দ্বৈপায়ন শব্দ গঠন করে। C) দ্বীপ + অয়ন — অয়ন প্রত্যয় যুক্ত হলে দ্বীপ শব্দের সঙ্গে মিলে দ্বৈপায়ন গঠন করে না। D) দ্বৈপ + আয়ান — দ্বৈপ কোনো মূল শব্দ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো সরাসরি মুখস্থ রাখতে হবে কারণ এগুলো কোনো সাধারণ সূত্র মানে না। দ্বৈপায়ন দেখলে দ্বীপ যোগ আয়ান মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই গোষ্পদ, বৃহস্পতি, পরস্পর এবং দ্বৈপায়ন শব্দগুলোর সন্ধি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বিস্কুট
b চা
c লুঙ্গি
d সাবান
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাবান ১. কেন সঠিক: সাবান শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি বিদেশি শব্দ যা প্রমিত বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে ব্যবহৃত হয়। আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করা বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুর নামের মধ্যে সাবান একটি অন্যতম বহুল প্রচলিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার উৎসগত দিক থেকে মূলত পাঁচ ভাগে বিভক্ত যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয় এবং সাবান হলো এমনই একটি আরবি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বহুল প্রচলিত আরবি শব্দ। উদাহরণ ২: আদালত ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় অর্থে বাংলা ভাষায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্কুট — এটি একটি ইংরেজি শব্দ (Biscuit) যা বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। B) চা — এটি একটি চীনা শব্দ যা বাংলায় পানীয় অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। C) লুঙ্গি — এটি একটি বর্মি বা মায়ানমার ভাষা থেকে আগত শব্দ। D) সাবান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় ও দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট বিদেশি শব্দ মুখস্থ রাখতে ছক তৈরি করে পড়তে পারো। আরবি শব্দের ক্ষেত্রে আইন, প্রশাসন ও ধর্মের সাথে সম্পর্কিত শব্দগুলো বেশি থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই আরবি, ফারসি ও পর্তুগিজ শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে। শব্দের উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুর নামগুলোর উৎস তালিকা বারবার চর্চা করা উচিত।
a পরি
b অব
c অজ
d অতি
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অজ ১. কেন সঠিক: - অজ একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা সাধারণত মন্দ বা নিকৃষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন খাঁটি বাংলা তৎসম এবং বিদেশি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট এক DিDটি যার মধ্যে অজ পাতি স আ ইত্যাদি অন্যতম। - এই উপসর্গগুলো সাধারণত বাংলা শব্দ বা তদ্ভব শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজপাড়াাঁয় ব্যাখ্যা: পাড়াঁয় শব্দের পূর্বে অজ উপসর্গ যুক্ত হয়ে অতি গ্রাম্য বা অনুন্নত বোঝায়। উদাহরণ ২: অজনা ব্যাখ্যা: জানা শব্দের পূর্বে অজ উপসর্গ যুক্ত হয়ে না জানা বা অপরিচিত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরি — পরি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। B) অব — অব একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা বিভিন্ন অর্থে তৎসম শব্দে বসে। C) অজ — এটি সঠিক কারণ এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। D) অতি — অতি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা আধিক্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলো মুখস্থ রাখার জন্য একটি ছন্দ মনে রাখতে পারো যেমন অঘা অজ আন আ পাতি স সু ইত্যাদি। - উপসর্গের অবস্থান সবসময় শব্দের শুরুতে হয় এটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা ও তৎসম উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - কোন উপসর্গটি কোন ভাষার তা আলাদা করতে পারলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a কেশরী
b করী
c শম্ভুক
d শম্বর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শম্বর ১. কেন সঠিক: - শম্বর শব্দটির অর্থ হরিণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বিশেষ ও প্রমিত সমার্থক শব্দটি প্রায়ই আসে। - হরিণ শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে কুরঙ্গ, সারঙ্গ, মৃগ ও শম্বর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে এবং লেখার ভাবসৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সমার্থক শব্দের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুরঙ্গ ব্যাখ্যা: কুরঙ্গ হলো হরিণের একটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্য ও সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সারঙ্গ ব্যাখ্যা: সারঙ্গ শব্দের একাধিক অর্থ থাকলেও এর অন্যতম প্রধান অর্থ হলো হরিণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেশরী — কেশরী শব্দের অর্থ সিংহ, যা হরিণের সমার্থক শব্দ নয়। B) করী — করী শব্দের অর্থ হাতি, যা হরিণের সমার্থক শব্দ হতে পারে না। C) শম্ভুক — শম্ভুক শব্দের অর্থ শামুক বা ঝিনুক জাতীয় প্রাণী, যা হরিণ বোঝায় না। D) শম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ শম্বর শব্দের সরাসরি অর্থ হরিণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হরিণ শব্দের জন্য শম্বর, কুরঙ্গ ও মৃগ এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য কঠিন সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে প্রচলিত শব্দের পাশাপাশি সংস্কৃত বা তৎসম সমার্থক শব্দগুলো বেশি আসে। - পশুপাখির নাম সংক্রান্ত সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে পড়লে কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
a গুরুত্বহীন লোক
b সম্মানিত লোক
c রাজা - বাদশা
d শ্রম কাতর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রম কাতর ১. কেন সঠিক: - উপপাজুরে বাগধারাটির শাব্দিক ও প্রমিত অর্থ হলো অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে ক্লান্ত বা শ্রম কাতর হওয়া। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী বাগধারা যা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে লোকমুখে প্রচলিত এসব বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারাদিন রোদে ঘুরে কাজ করার পর সে এখন একদম উপপাজুরে হয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত খাটুনির ফলে ক্লান্ত বা পরিশ্রান্ত হওয়ার ভাবটি এখানে স্পষ্ট হয়েছে। উদাহরণ ২: মাঠের ফসল তুলতে গিয়ে কৃষকরা সবাই উপপাজুরে অবস্থায় পৌঁছেছে। ব্যাখ্যা: অধিক পরিশ্রমের কারণে শ্রম কাতর বা কাহিল অবস্থাকে এই উদাহরণের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুরুত্বহীন লোক — এই অর্থের জন্য সঠিক বাগধারা হলো তুলসি বনের বাঘ বা অকেজো বস্তু, যা মূল প্রশ্নের সঙ্গে মিলে না। B) সম্মানিত লোক — এই অর্থের জন্য মান্য গণ্যতা কিংবা কদমবুসি বা অন্য কোনো উপযুক্ত বাগধারা ব্যবহার করা হয়। C) রাজা - বাদশা — এই অর্থের জন্য শাহানশাহ বা বিত্তশালী বোঝানো হয়, যা উপপাজুরে শব্দের অর্থের বিপরীত। D) শ্রম কাতর — সঠিক উত্তর কারণ উপপাজুরে বাগধারাটি মূলত অতিরিক্ত পরিশ্রমে ক্লান্ত বা কাহিল হওয়া অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপপাজুরে শব্দটির মধ্যে অতিরিক্ত কাজের চাপ বা পাজরের ব্যথার মতো ক্লান্তির একটি ইঙ্গিত খোঁজার চেষ্টা করতে পারো। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে অতিরিক্ত শ্রমে পাজর ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হলে তাকে উপপাজুরে বা শ্রম কাতর বলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের তুলনামূলক অপরিচিত বাগধারাগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা এড়াতে প্রচলিত অর্থ ও অপ্রচলিত বা ব্যতিক্রমী অর্থের বাগধারাগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে।
a সমর্থন
b সামর্থ্য
c সমর্হ
d সামাথ্য
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামর্থ্য ১. কেন সঠিক: 'সমর্থ' একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ যোগ্য বা সক্ষম। এর বিশেষ্য রূপ হলো 'সামর্থ্য', যার অর্থ যোগ্যতা বা ক্ষমতা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিশেষণ পদকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার সময় ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। এখানে 'সমর্থ' শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য 'সামর্থ্য' গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর বিশেষ্য রূপ সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সুন্দর বিশেষণ পদের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো সৌন্দর্য। উদাহরণ ২: সুস্থ বিশেষ্য রূপ সুস্থতা ব্যাখ্যা: সুস্থ বিশেষণ পদের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো সুস্থতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমর্থন — এটি 'সমর্থন করা' ক্রিয়ামূল থেকে গঠিত বিশেষ্য, যা 'সমর্থ' শব্দের সরাসরি বিশেষ্য রূপ নয়। B) সামর্থ্য — এটি সঠিক উত্তর। C) সমর্হ — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ বা ব্যাকরণসম্মত রূপ নয়। D) সামাথ্য — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ, সঠিক রূপটি হলো সামর্থ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশেষণ থেকে বিশেষ্য করার সময় শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন বা প্রত্যয় যুক্ত হয়। সমর্থ শব্দের বিশেষ্য রূপ বের করতে হলে মূল ভাবের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দরূপ পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বিশেষ করে বিশেষণ থেকে বিশেষ্য এবং বিশেষ্য থেকে বিশেষণ রূপ চেনার জন্য প্রত্যয়ের ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a ভুমিষ্ট
b ভুমিষ্ট
c ভুমিষ্ঠ
d ভূমিষ্ঠ
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমিষ্ঠ ১. কেন সঠিক: ভূমিষ্ঠ শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার এবং মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের গঠন দীর্ঘ ই এবং মূর্ধন্য-ষ দিয়ে নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ এবং র, ষ এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য-ষ বসে। ভূমি শব্দটির সঙ্গে ইষ্ঠ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভূমিষ্ঠ শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে বিধান অনুযায়ী মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কনিষ্ঠ ব্যাখ্যা: কনিষ্ঠ শব্দটিতে ইষ্ঠ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে এবং এখানেও মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহার রয়েছে। উদাহরণ ২: গরিষ্ঠ ব্যাখ্যা: গরিষ্ঠ শব্দটিতেও ইষ্ঠ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুমিষ্ট — এই বানানে ভূমিতে হ্রস্ব উ-কার এবং অন্তে ট ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। B) ভুমিষ্ট — এই অপশনটিতেও হ্রস্ব উ-কার এবং ট ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) ভুমিষ্ঠ — এই বানানে ভূমিতে দীর্ঘ ঈ-কার না দিয়ে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) ভূমিষ্ঠ — এটি সঠিক বানান কারণ এতে দীর্ঘ ঊ-কার এবং মূর্ধন্য-ষ সঠিক নিয়মে আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভূমি লেখার সময় দীর্ঘ ঊ-কার এবং ইষ্ঠ প্রত্যয় যোগ করার সময় মূর্ধন্য-ষ ব্যবহার করতে হয়। এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষা কখনো বানান ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইষ্ঠ প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে। তৎসম শব্দে র এবং ষ এর পর সাধারণত মূর্ধন্য-ষ বসে এই নিয়মটি চর্চা করলে শুদ্ধ বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a অত্যাচারিত
b নিগৃহীত
c শোষিত
d সর্বংসহা
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সর্বংসহা ১. কেন সঠিক: - 'সর্বংসহা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সব সহে যে। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি বা বস্তু সব ধরনের কষ্ট, আঘাত বা অত্যাচার নিঃশব্দে সহ্য করতে পারে, তাকে এককথায় সর্বংসহা বলা হয়। - প্রশ্নে থাকা 'যে সকল অত্যাচার সয়ে যায়' বাক্যাংশের ভাবার্থ বিচার করলে এর সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত এককথায় প্রকাশ দাঁড়ায় সর্বংসহা, যা বিশেষ করে সহনশীলতা ও ধৈর্যের চরম রূপ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বাংলা ব্যাকরণের এমন একটি অংশ, যার মাধ্যমে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে সুন্দর ও সংক্ষেপে প্রকাশ করা যায়। - শব্দ গঠনের নিয়মানুযায়ী সর্বং এবং সহ ধাতু বা শব্দের মিলনে এই বিশেষ পদটি গঠিত হয়েছে, যা মূলত বিশেষণের কাজ করে এবং বিশেষ করে পৃথিবী বা সহনশীল নার ti-এর ক্ষেত্রে রূপক বা আক্ষরিক অর্থে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী সর্বংসহা। ব্যাখ্যা: পৃথিবীকে সর্বংসহা বলা হয় কারণ সে মানুষের সমস্ত আঘাত ও অত্যাচার নীরবে সহ্য করে। উদাহরণ ২: মায়ের মন হলো সর্বংসহা। ব্যাখ্যা: মাতৃত্বের ধৈর্য ও সহ্যশক্তি বোঝাতে এই বাক্যে সর্বংসহা শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অত্যাচারিত — এই শব্দটির অর্থ যার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে, কিন্তু বাক্যটিতে অত্যাচার সহ্য করার ক্ষমতা বা গুণের কথা বলা হয়েছে। B) নিগৃহীত — এর অর্থ যাকে নিগ্রহ বা নির্যাতন করা হয়েছে, যা সহ্য করার গুণের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। C) শোষিত — এই শব্দ দিয়ে এমন কাউকে বোঝানো হয় যার ওপর শোষণ চালানো হয়েছে, কিন্তু এটি সহ্য করার ক্ষমতা প্রকাশ করে না। D) সর্বংসহা — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ যে সব সহ্য করতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সব সয় যে অর্থাৎ সর্বংসহা, এভাবে মিলিয়ে পড়লে এককথায় প্রকাশটি সহজে মনে রাখা সম্ভব। - পরীক্ষার হলে 'সব' শব্দটিকে 'সর্বং' এবং 'সহে' শব্দটিকে 'সহা' হিসেবে ধরে নিলেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ করে সহ্য করা সংক্রান্ত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে পার্থক্য বুঝে পড়তে হবে। - একই ধরনের অন্যান্য বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে মূল ভাব বা ক্রিয়াটি মনোযোগ দিয়ে লক্ষ করতে হবে।
a রাত
b দিন
c প্রভাত
d প্রহর
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাত ১. কেন সঠিক: - “অহ্” বা “অহু” শব্দটির অর্থ হলো দিন বা দিবস। তাই এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো রাত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে বহু পুরনো ও তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে, যা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস ও অর্থ বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবস ব্যাখ্যা: দিবস শব্দের বিপরীত শব্দ হলো রজনী, যা দিন ও রাতের সমার্থক রূপ। উদাহরণ ২: সকাল ব্যাখ্যা: সকাল শব্দের বিপরীত শব্দ হলো বিকাল বা সন্ধ্যা, যা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ দিনের বিপরীত সময় হলো রাত। B) দিন — এটি “অহু” শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। C) প্রভাত — এটি দিনের সূচনার সময়, যা রাতের বা অহুর সরাসরি বিপরীত নয়। D) প্রহর — এটি সময়ের একটি অংশ বা পরিমাপ, বিপরীত শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - “অহ্” মানে দিন, তাই এর উল্টো বা বিপরীত হলো রাত। - সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ মনে রাখতে এর প্রচলিত বাংলা রূপের সাথে মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন থাকে। - এই ধরনের শব্দ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি এর আক্ষরিক অর্থ জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c যৌগিক বাক্য
d প্রার্থনা বাক্য
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে এবং কোনো যোজক বা অব্যয় দ্বারা দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত নেই। - এখানে বক্তার একটিমাত্র প্রধান বক্তব্য বা বার্তা স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং বক্তার একটিমাত্র সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশিত হয় তাকে সরল বাক্য বলে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া এই উদ্ধৃতিটিতে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ পেলেও এটি ব্যাকরণগত দিক থেকে সরল বাক্যের সংজ্ঞাকে পুরোপুরি সমর্থন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হলে অন্ধকার দূর হয়। ব্যাখ্যা: এটি সরল বাক্য কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। উদাহরণ ২: সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ব্যাখ্যা: এখানে একটিমাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া থাকায় এটি সরল বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। B) জটিল বাক্য — জটিল বাক্য হতে হলে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করতে হয় এবং যোজক থাকতে হয়, যা এখানে নেই। C) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য ও, এবং, কিন্তু ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। D) প্রার্থনা বাক্য — বাক্যটি দেখতে প্রার্থনাসূচক মনে হলেও বাক্য রূপান্তরের ব্যাকরণগত কাঠামোর বিচারে এটি সরল বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - একটি কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে চোখ বন্ধ করে সরল বাক্য চিহ্নিত করবে। - দেখতে বা শুনতে প্রার্থনামূলক মনে হলেও কাঠامোর ওপর নির্ভর করে বাক্যের শ্রেণি নির্ধারণ করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমন অনেক বাক্য আসে যা অর্থগতভাবে প্রার্থনাসূচক কিন্তু গঠনগতভাবে সরল বাক্য। - বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ নির্ণয়ের সময় সর্বদা সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা এবং যোজকের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি লক্ষ্য করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (18)

a Media
b Politics
c Physics
d None
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Media কেন সঠিক: Media শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Medium এর বহুবচন রূপ। এর একবচন হলো Medium এবং বহুবচন হলো Media। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Media — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি বহুবচন শব্দ। B) Politics — এটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও আসলে একটি একবচন বিশেষ্য। C) Physics — এটি একটি বিষয় ও একবচন বিশেষ্য যার শেষে s আছে। D) None — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে um থাকে সাধারণত তাদের বহুবচন করতে um কেটে a যোগ করতে হয়।
a of
b but
c in
d without
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) but কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি preposition হিসেবে বসেছে যার অর্থ except বা ব্যতিরেকে। All but five cows died বলতে বোঝায় পাঁচটি গরু ছাড়া বাকি সব গরু মারা গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — All এর পরে of বসতে পারে তবে এখানে অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। All of five cows একসাথে এভাবে বসে না। B) but — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি সঠিক অপশন। C) in — All এর সাথে in যুক্ত হয়ে except এর অর্থ প্রকাশ করে না। তাই এটি বাক্যের সাথে মিলে না। D) without — Without বসালে অর্থ দাঁড়ায় পাঁচটি গরু ছাড়া মারা গেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: All এর পরে but থাকলে তার অর্থ হয় ছাড়া বা ব্যতিরেকে।
a had
b was
c were
d have
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) were কেন সঠিক: এটি একটি কাল্পনিক বা অসম্ভব শর্তমূলক বাক্য (Second Conditional)। অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্বের জায়গায় সবসময় were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি পাস্ট টেন্সের সাধারণ ভার্ব হলেও এখানে ডাক্তার হওয়া বোঝাতে বি ভার্ব প্রয়োজন। B) was — ফার্স্ট পারসন ও থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বারের পর সাধারণত বসে, কিন্তু কাল্পনিক বাক্যে এটি সঠিক নয়। C) were — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বা শুদ্ধর কিছু নেই। D) have — এটি প্রেজেন্ট টেন্সের ভার্ব, যা পাস্ট কন্ডিশনাল বাক্যের কাঠামোর সাথে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব কল্পনা বা ইচ্ছার ক্ষেত্রে আই এর পর ওয়াজ না বসে সবসময় ওয়ের বসে।
a Do you write must it?
b Must you write it?
c Write you must it
d Does you must write it
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Must you write it? কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে মূল modal auxiliary verb হিসেবে must ব্যবহৃত হয়েছে। তাই একে প্রশ্নবোধক করার সময় must প্রথমে বসেছে। এর পরে subject you এবং মূল verb-এর base form বসেছে। বাক্যটির শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do you write must it? — এখানে modal verb-এর আগে do অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Must you write it? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Write you must it — এখানে শব্দের ক্রম সম্পূর্ণ ভুল এবং কোনো auxiliary verb প্রথমে নেই। D) Does you must write it — এখানে you-এর সাথে does এবং must একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: Modal auxiliary verb যুক্ত বাক্যকে প্রশ্নবোধক করার সময় auxiliary verb-টিকে সবার প্রথমে বসাতে হয়।
a Removation
b Removing
c Removal
d Removed
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Removal কেন সঠিক: - Remove শব্দটির সাথে আল প্রত্যয় যোগ করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়েছে। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটি সরাসরি নাউনের কাজ করে। - এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Removation - এটি একটি ভুল শব্দ কারণ সঠিক শব্দটি হবে রিনোভেশন বা সংস্কার। B) Removing - এটি মূলত রিমুভ ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে জিরান্ড বা পার্টিসিপল হয়েছে। D) Removed - এটি রিমুভ ভার্বের পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল রূপ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক ভার্বের শেষে আল যোগ করে নাউন তৈরি করা হয় যেমন রিমুভ থেকে রিমোভাল।
a Freedom Day
b Independent Day
c Independence Day
d Free Day
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Independence Day কেন সঠিক: - স্বাধীনতা একটি বিশেষ ঘটনা বা অবস্থা বোঝাতে ইংরেজিতে নাউন ফর্ম হিসেবে Independence ব্যবহার করা হয়। - নির্দিষ্ট কোনো দিবস বা দিন বোঝাতে Day শব্দটির পূর্বে Independence যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দগুচ্ছ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Freedom Day — Freedom শব্দটি সঠিক হলেও প্রাতিষ্ঠানিক বা রাষ্ট্রীয় দিবসের নামকরণে সাধারণত Freedom Day ব্যবহার করা হয় না। B) Independent Day — Independent হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ, যা কোনো নাউনের আগে বসে তার গুণ প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে নাউন ফর্ম প্রয়োজন। C) Independence Day — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটিই দিবসের ক্ষেত্রে সর্বজনগ্রাহ্য ও প্রমিত রূপ। D) Free Day — Free Day বলতে সাধারণত কর্মমুক্ত বা ছুটির দিনকে বোঝায়, যা স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো দেশের স্বাধীনতা দিবস বোঝাতে Independent বা Freedom ব্যবহার না করে সবসময় নাউন ফর্ম হিসেবে Independence Day লিখতে হবে।
a Exclamatory
b Imperative
c Affirmative
d None
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Imperative কেন সঠিক: - এই বাক্যে সরাসরি কাউকে কোনো কাজ বন্ধ করার আদেশ বা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। - Imperative Sentence সাধারণত আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ বা নিষেধ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Exclamatory — এই বাক্যে মনের কোনো আকস্মিক আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়নি। B) Imperative — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের গঠন অনুযায়ী এটিই সঠিক। C) Affirmative — এটি বাক্যের কাঠামোগত প্রকার নয়, বরং অর্থগত দিক থেকে এটি একটি হাবোধক বাক্য যা Imperative এর অন্তর্ভুক্ত। D) None — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দিয়ে আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝায় এবং সাধারণত মূল verb দিয়ে শুরু হয়, তাকে Imperative sentence বলে।
a at
b when
c on
d while
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) while কেন সঠিক: এখানে দুটি কাজের বর্ণনা আছে যার একটি চলার সময় অন্যটি ঘটেছিল। while সাধারণত verb এর ing যুক্ত রূপের আগের অংশকে যুক্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সময়ের নির্দিষ্ট বিন্দু বোঝাতে বসে, এখানে ধারাবাহিক কাজের সংযোগ বোঝাতে বসে না। B) when — এটি সাধারণত simple tense বা clause এর আগে বসে, এখানে gerund এর আগে বসে না। C) on — এটি সাধারণত noun এর আগে বসে, এখানে verb এর ing রূপের আগে বসে না। D) while — এটি সঠিক কারণ এটি continuous tense বা চলমান কাজের আগে বসে। মনে রাখার টিপস: subject না থাকলে while এর পরে সরাসরি verb এর সাথে ing যোগ হয়।
a I was instructed to follow it.
b He advised me to do it.
c They were instruct to say.
d He is advise to do it.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was instructed to follow it. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে কর্তা নিজে কাজটি করেননি বরং অন্যের দ্বারা নির্দেশিত হয়েছেন। তাই এটি সঠিক Passive voice গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was instructed to follow it — এটি সঠিক উত্তর। B) He advised me to do it — এটি একটি Active voice যার অর্থ তিনি আমাকে এটি করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। C) They were instruct to say — এখানে instruct শব্দটি সঠিক Passive form এ নেই, instructed হওয়া উচিত ছিল। D) He is advise to do it — এখানে advise বানান ভুল এবং এটি সঠিক Passive গঠন মেনে চলেনি। মনে রাখার টিপস: Passive voice এ সবসময় verb এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ এবং Auxiliary verb ব্যবহৃত হয়।
a You supposed to put the proposal
b You were supposed to put up the proposal
c You are supposed to put up the proposal
d You were proposed to do it
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) You were supposed to put up the proposal কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে 'কথা ছিল' বোঝালে ইংরেজি করার সময় 'was বা were supposed to' ব্যবহার করতে হয়। এখানে সাবজেক্ট 'You' হওয়ায় তার সাথে 'were' বসেছে এবং প্রস্তাব পেশ করা অর্থে 'put up' সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You supposed to put the proposal — এখানে সাবজেক্টের পর সাহায্যকারী ভার্ব 'were' বাদ দেওয়া হয়েছে এবং 'put up' ফ্রেজাল ভার্বটি অসম্পূর্ণ রয়েছে। B) You were supposed to put up the proposal — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) You are supposed to put up the proposal — বাংলা বাক্যে অতীতকাল বোঝানো হলেও এখানে 'are' ব্যবহার করায় বাক্যটি বর্তমান কালের অর্থ প্রকাশ করেছে। D) You were proposed to do it — এখানে 'proposed to do it' লেখার কারণে মূল বাক্যের 'প্রস্তাব পেশ করা' অর্থটি সম্পূর্ণভাবে বদলে গেছে। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ করার কথা ছিল বোঝালে 'was বা were supposed to' এবং প্রস্তাব পেশ করা বা উত্থাপন করা বোঝালে 'put up' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a a
b an
c the
d at
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি 'one' দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা 'ওয়াও' বা 'ও' এর মতো হয়, যা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণের মতো শোনায়। ২. ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হলে তার পূর্বে 'a' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানেই বসেছে। B) an — 'one' শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হওয়ায় এখানে 'an' বসা grammatically ভুল। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো একজন বিশেষ মানুষকে বোঝানো হয়নি বলে এখানে 'the' ব্যবহার করা যাবে না। D) at — এটি একটি প্রিপজিশন এবং এখানে আর্টিকেলের জায়গায় প্রিপজিশন বসা সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে ভাওয়েল (a, e, i, o, u) থাকা সত্ত্বেও যদি তার উচ্চারণ বাংলায় 'ও' বা 'ইউ' এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে 'an' না বসিয়ে সব সময় 'a' বসাতে হবে।
a Inheivtence
b Plausible
c Hert
d Henous
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Plausible কেন সঠিক: শব্দটির অর্থ বিশ্বাসযোগ্য বা সম্ভাব্য এবং এর বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবর্ণীকরণ এখানে নিখুঁতভাবে হয়েছে। এটি বহুল ব্যবহৃত একটি ইংরেজি শব্দ। বানানটি শিক্ষার্থীদের সাধারণ বানানের তালিকায় পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inheivtence — সঠিক বানান Inheritance এবং এর অর্থ উত্তরাধিকার। B) Plausible — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Hert — সঠিক বানান Heart এবং এর অর্থ হৃদয়। D) Henous — সঠিক বানান Heinous এবং এর অর্থ জঘন্য। মনে রাখার টিপস: Plausible শব্দটি মনে রাখতে পি-এল-এ-ইউ-এস-আই-বি-এল-ই এই বানানটি বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
a Badest
b Baddest
c Worst
d None
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Worst কেন সঠিক: ‘Bad’ একটি অনিয়মিত বা Irregular Adjective, তাই এর ডিগ্রি পরিবর্তনের সময় প্রচলিত নিয়মের শেষ অক্ষর দ্বিত্ব বা ইএসটি যুক্ত হয় না। এর পজিটিভ, কম্পারেটিভ এবং সুপারলেটিভ রূপগুলো যথাক্রমে Bad, Worse এবং Worst হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Badest — ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই এবং এটি নিয়মবহির্ভূতভাবে গঠিত হয়েছে। B) Baddest — এটি কথ্য বা অপ্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক সুপারলেটিভ ফর্ম নয়। C) Worst — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভালো এবং খারাপ বা গুড ও ব্যাড শব্দ দুটির ডিগ্রি অনিয়মিত নিয়মে পরিবর্তিত হয়, তাই এদের রূপ মুখস্থ রাখতে হয়।
a as
b because
c due to
d in place of
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) due to কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের অংশে কোনো পূর্ণাঙ্গ বাক্য নেই, বরং একটি নাউন ফ্রেজ বা বিশেষ্যগুচ্ছ আছে। এই নাউন ফ্রেজের আগে কারণ বোঝাতে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে due to ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as — এটি একটি কনজাংশন এবং এর পরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত পূর্ণাঙ্গ ক্লজ বসে। B) because — এটিও কনজাংশন যার পরে কারণ বোঝাতে সাবজেক্ট এবং ফাইনাইট ভার্ব থাকতে হয়। C) due to — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় মূল্যায়নের প্রয়োজন নেই। D) in place of — এর অর্থ পরিবর্তে, যা এখানে বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণ ভুল করে দেয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কারণ বোঝাতে সাবজেক্ট ও ভার্ব থাকলে because এবং শুধু নাউন থাকলে due to ব্যবহার করবে।
a Down
b Evening
c Morning
d Dusk
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Dusk কেন সঠিক: Dawn শব্দের অর্থ হলো ভোর বা উষাকাল। এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো Dusk যার অর্থ গোধূলি বা সন্ধ্যা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Down — এই শব্দটির অর্থ নিচে বা অধোমুখী, যা Dawn শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Evening — এই শব্দটির অর্থ সন্ধ্যা হলেও, Dawn শব্দের সবচেয়ে নিখুঁত বিপরীত শব্দ Dusk। C) Morning — এই শব্দটির অর্থ সকাল, যা Dawn শব্দের সমার্থক বা একই অর্থ প্রকাশ করে। D) Dusk — এই অপশনটি সঠিক কারণ Dusk হলো Dawn শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Dawn অর্থ ভোর এবং Dusk অর্থ সন্ধ্যা, এই দুটি শব্দ জোড়ায় জোড়ায় বিপরীত হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a Reliable
b Treasonable
c Acceptable
d Comfortable
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Reliable কেন সঠিক: Dependable শব্দের অর্থ হলো নির্ভরযোগ্য বা যার ওপর ভরসা করা যায়। Reliable শব্দটির অর্থও একই রকম বিশ্বস্ত বা নির্ভরযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reliable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ dependable শব্দের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) Treasonable — এর অর্থ দেশদ্রোহী বা বিশ্বাসঘাতক, যা dependable শব্দের বিপরীত। C) Acceptable — এর অর্থ গ্রহণযোগ্য, যা নির্ভরযোগ্য শব্দের সমার্থক নয়। D) Comfortable — এর অর্থ আরামদায়ক, যা মানুষের বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: Dependable এবং Reliable দুটি শব্দই রিলায়েন্স বা ভরসা করার ধারণার সাথে যুক্ত।
a I have got many informations.
b We are watching many newses.
c They have just got the flight
d My foot are dirty.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) They have just got the flight কেন সঠিক: এখানে 'got the flight' বাক্যাংশটি সফলভাবে বিমান ধরার অর্থ প্রকাশ করে। বাক্যটির গঠন এবং শব্দের ব্যবহার সম্পূর্ণ নির্ভুল। এতে কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Information একটি অগণনযোগ্য বিশেষ্য, তাই এর সাথে s যোগ করে plural করা যায় না। B) News শব্দটি দেখতে plural মনে হলেও এটি একটি singular বিশেষ্য এবং এর সাথে s যোগ করা যায় না। C) এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Foot একটি singular বিশেষ্য, তাই এর পরে are না বসে is বসা উচিত। মনে রাখার টিপস: Information এবং News শব্দগুলোর সাথে কখনো s বা es যুক্ত হয় না।
a down
b up
c off
d of
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) off কেন সঠিক: এখানে 'Write off' একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো আইনগত বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো ঋণ মওকুফ করা বা বাতিল করা। ব্যাংক সাধারণত পুরোনো বা আদায় অযোগ্য ঋণগুলো হিসাবের খাতা থেকে বাদ দিয়ে দেয়। এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'off' প্রিপজিশনটি সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) down — 'Write down' অর্থ কোনো কিছু খাতায় লিখে রাখা বা নোট করা। তাই এটি ঋণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) up — 'Write up' অর্থ কোনো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তৈরি করা বা কারো সম্পর্কে প্রশংসা করে লেখা। তাই এটি এখানে অর্থহীন। C) off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, তবে এটি সঠিক অর্থের জন্য নির্দিষ্ট। D) of — 'Of' একটি সাধারণ প্রিপজিশন এবং 'Write of' বলে কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো ঋণ বা দেনা মাফ করা বা বাতিল করার ক্ষেত্রে সবসময় 'Write off' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (21)

a ৮ বছরে
b ১০ বছরে
c ১২ বছরে
d ১৫ বছরে
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ বছরে প্রদত্ত তথ্য: মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হয় ৬ বছরে ধরি, আসল = ক টাকা মুনাফা-আসল = ২ক টাকা অতএব, ৬ বছরের মুনাফা = ২ক − ক = ক টাকা দ্বিতীয় শর্ত: মুনাফা-আসল ৩ গুণ হতে হবে ৩ গুণ মুনাফা-আসল = ৩ক টাকা তৃতীয় শর্ত: ৩ গুণ হওয়ার জন্য মুনাফা হতে হবে = ৩ক − ক = ২ক টাকা সুতরাং, ক টাকা মুনাফা হয় ৬ বছরে ২ক টাকা মুনাফা হতে সময় লাগবে = ৬ × ২ = ১২ বছর উত্তর: ১২ বছরে
a ১৪ মি.মি.
b ১৪.৫ মি.মি.
c ১৫ মি.মি.
d ১৫.৫ মি.মি.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪.৫ মি.মি. প্রদত্ত তথ্য: ২০১৬ সালটি ছিল অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস ছিল ২৯ দিনের ধরি, ঐ মাসের মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ = ক মিলিমিটার অতএব, গড় বৃষ্টিপাত = (মোট বৃষ্টিপাত ÷ দিনের সংখ্যা) ০.৫০ = ক ÷ ২৯ সুতরাং, ক = ২৯ × ০.৫০ উত্তর: ১৪.৫ মিলিমিটার
a ১০ ও ১৬
b ৬ ও ১২
c ১২ ও ১৮
d ১২ ও ১৬
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ ও ১৬ প্রدত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮ সংখ্যা দুটির সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত ২ : ৩ হয় ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক অতএব, প্রশ্নমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩ বা, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ২) বা, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪ সুতরাং, ১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪ ক = ২ উত্তর: প্রথম সংখ্যা = ৫ × ২ = ১০ এবং দ্বিতীয় সংখ্যা = ৮ × ২ = ১৬
a ৪৪%
b 0.39
c ৬৯%
d ৫২.২৫%
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৯% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর পরিমাণ ৩০% বৃদ্ধি পায় ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, ৩০% বৃদ্ধিতে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৩০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১৩০ × ১৩০ = ১৬৯০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = ১৬৯০০ − ১০০০০ = ৬৯০০ বর্গ একক সুতরাং, শতকরা ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = (৬৯০০ ÷ ১০০০০) × ১০০% = ৬৯% উত্তর: ৬৯%
a ৭ টি
b ১০ টি
c ৫ টি
d ৮ টি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ টি প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫ ধরি, বহুভুজের শীর্ষবিন্দুর সংখ্যা = ৫ অতএব, কর্ণের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র = n × (n − ৩) ÷ ২ যেখানে n হলো বাহুর সংখ্যা সুতরাং, ৫ × (৫ − ৩) ÷ ২ = ৫ × ২ ÷ ২ উত্তর: ৫ টি
a ৪ সেন্টিমিটার
b ৫ সেন্টিমিটার
c ৬ সেন্টিমিটার
d কোনটি নয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস = ১০ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধির দূরত্ব হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ অতএব, ব্যাসার্ধ হলো ব্যাসের অর্ধেক সুতরাং, কেন্দ্র হতে পরিধির দূরত্ব = ১০ সেন্টিমিটার ÷ ২ = ৫ সেন্টিমিটার উত্তর: ৫ সেন্টিমিটার
a ৩৫০ কেজি
b ২৫০ কেজি
c ৩০০ কেজি
d ৩২৫ কেজি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫০ কেজি প্রদত্ত তথ্য: কৃষক ধান পেল ৫০০ কেজি প্রতি কেজি ধানের চাল হয় ৭০০ গ্রাম ধরি, মোট চালের পরিমাণ হলো ধানের পরিমাণের সাথে প্রতি কেজি চালের গুণের ফল অতএব, ৫০০ কেজি ধানের চাল = ৫০০ × ৭০০ গ্রাম ৫০০ কেজি ধানের চাল = ৩,৫০,০০০ গ্রাম সুতরাং, গ্রামকে কেজিতে রূপান্তর করতে এক হাজার দিয়ে ভাগ করতে হবে ৩,৫০,০০০ ÷ ১,০০০ = ৩৫০ কেজি উত্তর: ৩৫০ কেজি
a 30
b 35
c 80
d 50
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১২০ দুটি সংখ্যার অন্তর = ২০ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ১২০ ক − খ = ২০ সুতরাং, ২ × খ = ১২০ − ২০ = ১০০ খ = ১০০ ÷ ২ = ৫০ উত্তর: ৫০
a ৪০ টাকা
b ৫০ টাকা
c ৬০ টাকা
d ৭০ টাকা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িটির বিক্রয়মূল্য ৫০ টাকা হলে ক্ষতি হয় ঘড়িটির বিক্রয়মূল্য ৭০ টাকা হলে লাভ হয় ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা ৫০ টাকায় বিক্রয় করলে ক্ষতি = (ক − ৫০) টাকা অতএব, ৭০ টাকায় বিক্রয় করলে লাভ = (৭০ − ক) টাকা প্রশ্নানুসারে, ক্ষতি এবং লাভ সমান সুতরাং, (ক − ৫০) = (৭০ − ক) ২ × ক = ৭০ + ৫০ ২ × ক = ১২০ উত্তর: ক = ১২০ ÷ ২ = ৬০ টাকা
a ৫ দিন
b ৬ দিন
c ৯ দিন
d ১০ দিন
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ দিন প্রদত্ত তথ্য: ৯ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১০ দিনে মোট কাজের পরিমাণ = ৯ × ১০ জন-দিন = ৯০ জন-দিন ধরি, অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করা হলো ৬ জন মোট লোকসংখ্যা হলো ৯ + ৬ = ১৫ জন অতএব, ১৫ জন লোক কাজটি শেষ করতে পারবে ৯০ কে ১৫ দ্বারা ভাগ করে পাই সুতরাং, ৯০ ÷ ১৫ = ৬ দিন উত্তর: ৬ দিন
a ১০.৭ মি.
b ১২.৫ মি.
c ১২.৭ মি.
d ১২.৭৩ মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২.৭৩ মি. প্রদত্ত তথ্য: মইটির দৈর্ঘ্য অর্থাৎ অতিভুজ = ১৮ মিটার ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৪৫ ডিগ্রি ধরি, দেয়ালটির উচ্চতা বা লম্ব = h মিটার সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে ত্রিকোণমিতির অনুপাত ব্যবহার করব সাইন ৪৫ ডিগ্রি = লম্ব ÷ অতিভুজ অতএব, সাইন ৪৫ ডিগ্রি এর মান ১ ÷ √২ সুতরাং h ÷ ১৮ = ১ ÷ √২ h = ১৮ ÷ √২ সুতরাং, h = ১৮ ÷ ১.৪১৪ h = ১২.৭৩ উত্তর: ১২.৭৩ মি.
a cost
b costed
c costted
d costen
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) cost প্রدত্ত তথ্য: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী verb বা ক্রিয়াপদের তিনটি রূপ থাকে cost শব্দটির ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল তিনটি রূপই একই থাকে ধরি, শব্দটির বর্তমান রূপ = cost শব্দটির অতীত রূপ = cost অতএব, costed বা costten শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে ভুল তাই সঠিক অতীত রূপ হিসেবে cost শব্দিই ব্যবহার করতে হবে সুতরাং, সঠিক বিকল্পটি হলো A) cost উত্তর: A) cost
a ৬,৭০০ টাকা
b ৫,৭০০ টাকা
c ৬,৫০0 টাকা
d ৬,৬৫৫ টাকা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬,৬৫৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মূলধন বা আসল = ৫০০০ টাকা মুনাফার হার = ১০% সময় = ৩ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধির মূলধন বের করার সূত্র ব্যবহার করতে হবে এখানে আসল পি = ৫০০০ টাকা মুনাফার হার আর = ১০% = ১০ ÷ ১০০ = ০.১ অতএব, ১ বছরের চক্রবৃদ্ধির মূলধন = ৫০০০ × (১ + ০.১) = ৫০০০ × ১.১ = ৫৫০০ টাকা ২ বছরের চক্রবৃদ্ধির মূলধন = ৫৫০০ × ১.১ = ৬০৫০ টাকা ৩ বছরের চক্রবৃদ্ধির মূলধন = ৬০৫০ × ১.১ = ৬৬৫৫ টাকা সুতরাং, ৩ বছরের চক্রবৃদ্ধির মূলধন হলো ৬৬৫৫ টাকা উত্তর: D) ৬,৬৫৫ টাকা
a 60
b 120
c 80
d 75
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ২১৬ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ ধরি, বাগানের প্রস্থ = ক মিটার বাগানের দৈর্ঘ্য = ১.৫ × ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (১.৫ × ক) × ক = ২১৬ ১.৫ × ক বর্গ = ২১৬ সুতরাং, ক বর্গ = ২১৬ ÷ ১.৫ = ১৪৪ ক = ১২ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার
a বাহুদ্বয়ের সমষ্টির গড়
b কর্ণদ্বয়ের গুণফলের দ্বিগুণ
c কর্ণদ্বয়ের গুণেরফলের অর্ধেক
d কোনটি নয়
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণদ্বয়ের গুণেরফলের অর্ধেক প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র জানতে চাওয়া হয়েছে ধরি, রম্বসের প্রথম কর্ণ = d১ রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণ = d২ অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের জ্যামিতিক সংজ্ঞা অনুযায়ী দুটি কর্ণের পরিমাপ গুণ করতে হবে গুণফলকে দুই দিয়ে ভাগ করতে হবে সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (d১ × d২) ÷ ২ উত্তর: কর্ণদ্বয়ের গুণেরফলের অর্ধেক
a 8.42
b 9.4
c 9.42
d কোনটি নয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তাকার বাগানের ব্যাস = ৬ মিটার ধরি, বৃত্তাকার বাগানের ব্যাসার্ধ = (৬ ÷ ২) মিটার = ৩ মিটার অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র = পাই × (ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ) এখানে পাই এর মান ধরা যাক ৩.১৪১৬ সুতরাং, বাগানের ক্ষেত্রফল = ৩.১৪১৬ × ৩ × ৩ বর্গমিটার = ২৮.২৭৪৪ বর্গমিটার উত্তর: ২৮.২৭৪৪ ব.মি.
a 4045.95
b 4050.86
c 4048.85
d 4047.86
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০৪৭.৮৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ গজ = ৩৬ ইঞ্চি ১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ ধরি, ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার ১ গজ = ৩৬ × ২.৫৪ = ৯১.৪৪ সেন্টিমিটার ১ গজ = ৯১.৪৪ ÷ ১০০ = ০.৯১৪৪ মিটার অতএব, ১ বর্গগজ = ০.৯১৪৪ × ০.৯১৪৪ বর্গমিটার ১ বর্গগজ = ০.৮৩৬১২৭৩৬ বর্গমিটার ১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ সুতরাং, ১ একর = ৪৮৪০ × ০.৮৩৬১২৭৩৬ বর্গমিটার ১ একর = ৪০৪৭.৮৫৬৪ বর্গমিটার উত্তর: ৪০৪৭.৮৬ বর্গমিটার
a 10%
b 12%
c 15%
d 20%
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২% প্রদত্ত তথ্য: ১ হালি কলার ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা ২ হালি কলার বিক্রয়মূল্য = ১১২ টাকা ধরি, মোট ক্রয়ের পরিমাণ = ২ হালি কলা অতএব, ২ হালি কলার ক্রয়মূল্য = ৫০ × ২ = ১০০ টাকা ২ হালি কলার বিক্রয়মূল্য = ১১২ টাকা সুতরাং, লাভ হলো = ১১২ − ১০০ = ১২ টাকা উত্তর: ১২% বা ০.১২
a ৯.৫ ডিগ্রি
b ৯ ডিগ্রি
c ৮.৫ ডিগ্রি
d ৮ ডিগ্রি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯.৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: উপাত্তগুলোর মানের ক্রম ঊর্ধ্বমুখী সাজাতে হবে উপাত্তের মোট সংখ্যা জোড় বা বিজড় সংখ্যা হতে পারে ধরি, উপাত্তগুলোর মোট সংখ্যা = ১০ টি অতএব, মধ্যম পদ দুটি হবে পঞ্চম ও ষষ্ঠ পদ পঞ্চম পদটি হলো ৯ ডিগ্রি সুতরাং, ষষ্ঠ পদটি হলো ১০ ডিগ্রি এই দুটি পদের গড় হবে মধ্যক উত্তর: (৯ + ১০) ÷ ২ = ৯.৫ ডিগ্রি
a ৮ ডিগ্রি
b ৮.৫ ডিগ্রি
c ৯.৫ ডিগ্রি
d ৯ ডিগ্রি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯.৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: তাপমাত্রাগুলোর মান দেওয়া আছে উপাত্তগুলোর মোট সংখ্যা জানা আছে ধরি, তাপমাত্রাগুলোর যোগফল নির্ণয় করতে হবে তাপমাত্রার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হবে অতএব, সব তাপমাত্রা যোগ করা হলো যোগফলকে মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা হলো সুতরাং, গড় তাপমাত্রা পাওয়া গেল ৯.৫ ডিগ্রি উত্তর: ৯.৫ ডিগ্রি
a ১২ ডিগ্রি
b ৫ ডিগ্রি
c ১৪ ডিগ্রি
d প্রচরক নেই
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রচরক নেই প্রদত্ত তথ্য: উপাত্তের সংখ্যাগুলোর মান ভিন্ন ভিন্ন কোনো সংখ্যা একাধিকবার নেই ধরি, উপাত্তের প্রতিটি সংখ্যা একবার করে উপস্থিত আছে অতএব, কোনো সংখ্যা সবচেয়ে বেশিবার আসেনি প্রচরক বের করার শর্ত পূরণ হয়নি সুতরাং, প্রদত্ত উপাত্তের কোনো প্রচরক নেই উত্তর: প্রচরক নেই

মোট প্রশ্ন (20)

a সুপিরিয়র হ্রদ
b কাস্পিয়ান সাগর
c বৈকাল হ্রদ
d ভিক্টোরিয়া হ্রদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৈকাল হ্রদ কেন সঠিক: - রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত বৈকাল হ্রদ পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম (প্রায় ১,৬৪২ মিটার বা ৫,৩৮৫ ফুট) এবং সবচেয়ে প্রাচীন মিষ্টি পানির হ্রদ। - এটি আয়তনের দিক থেকেও পৃথিবীর মোট মিষ্টি পানির প্রায় কুড়ি শতাংশ ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুপিরিয়র হ্রদ — এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম মিষ্টি পানির হ্রদ, গভীরতম নয়। B) কাস্পিয়ান সাগর — এটি বিশ্বের বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ জলাশয় বা লবণাক্ত হ্রদ, কিন্তু গভীরতার দিক থেকে এটি প্রথম নয়। C) বৈকাল হ্রদ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত। D) ভিক্টোরিয়া হ্রদ — এটি আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদ এবং নীল নদের প্রধান উৎস, তবে এটি গভীরতম হ্রদ নয়। মনে রাখার টিপস: গভীর হ্রদ মানেই জলে 'বাইক' চালাতে কষ্ট হবে, এভাবে 'বাইকাল' বা 'বৈকাল' নামটি মনে রাখতে পারেন।
a যুক্তরাষ্ট্র
b নিউজিল্যান্ড
c যুক্তরাজ্য
d ফ্রান্স
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) নিউজিল্যান্ড কেন সঠিক: - নিউজিল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৮৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে। - ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর মধ্যে এই দেশেই নারীরা প্রথম সাধারণ নির্বাচনে ভোট দেয়ার পূর্ণ আইনগত অধিকার লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — মার্কিন নারীরা ১৯২০ সালে সংবিধানে ১৯তম সংশোধনী পাসের মাধ্যমে ভোটাধিকার লাভ করে। B) নিউজিল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে নারীরা প্রথম আংশিক ভোটাধিকার পায় ১৯১৮ সালে এবং পূর্ণ ভোটাধিকার পায় ১৯২৮ সালে। D) ফ্রান্স — ফরাসি নারীরা অনেক পরে ১৯৪৪ সালে ভোটাধিকার লাভ করে। মনে রাখার টিপস: নতুন যুগে (নিউজিল্যান্ড) নারীরা সবার আগে (১৮৯৩ সালে) ভোট দিতে যায়।
a ভারত
b নেপাল
c বাংলাদেশ
d পাকিস্তান
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাকিস্তান কেন সঠিক: - তক্ষশীলা প্রাচীন গান্ধার সভ্যতার রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র। - এটি বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি ভারতের অবস্থান নয়, যদিও প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের সঙ্গে এটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। B) নেপাল — এটি হিমালয় অঞ্চলের একটি দেশ যেখানে তক্ষশীলা অবস্থিত নয়। C) বাংলাদেশ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যা তক্ষশীলার ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তক্ষশীলা বর্তমানে পাকিস্তানের ভূখণ্ডে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন শিক্ষার কেন্দ্র তক্ষশীলা বর্তমানে আমাদের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে অবস্থিত।
a আফ্রিকা
b দক্ষিণ আমেরিকা
c এশিয়া
d ইউরোপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া কেন সঠিক: - গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল মরু অঞ্চল। - এটি চীন ও মঙ্গোলিয়ার কিছু অংশ জুড়ে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এই মহাদেশে সাহারা ও কালাহারি মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি নয়। B) দক্ষিণ আমেরিকা — এই মহাদেশে আটাকামা মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি এখানে নেই। C) এশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) ইউরোপ — এই মহাদেশে কোনো উল্লেখযোগ্য বিশাল মরুভূমি নেই। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার বিশাল দেশ চীন ও মঙ্গোলিয়া জুড়ে গোবি মরুভূমি অবস্থিত।
a টিম কুক
b বিল গেটস
c উইলিয়াম ইংলিশ
d ম্যারি জ্যাকার্ড
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিল গেটস কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ১৯৯৫ সালে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ ও ইন্টারনেটের প্রভাব নিয়ে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন। - বইটিতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ এবং সমাজ ও অর্থনীতির ওপর এর দূরদূরান্তের প্রভাব আলোচনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিম কুক — তিনি বর্তমান অ্যাপল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) বিল গেটস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) উইলিয়াম ইংলিশ — তিনি মাউস তৈরির সাথে যুক্ত একজন প্রকৌশলী, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। D) ম্যারি জ্যাকার্ড — তিনি এই গ্রন্থের লেখক নন, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম। মনে রাখার টিপস: বিল গেটস যেহেতু প্রযুক্তির পথপ্রদর্শক, তাই তাঁর লেখা বইয়ের নামের সাথে 'রোড' বা পথ শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
a ১৯৬৭ সালে
b ১৯৭৭ সালে
c ১৯৮০ সালে
d ১৯৭১ সালে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) ১৯৭১ সালে কেন সঠিক: - বিশ্বের প্রথম অফিসিয়াল একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচটি ১৯৭১ সালের ৫ জানুয়ারি মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - বৃষ্টির কারণে টেস্ট ম্যাচটি বাতিল হওয়ার পর দর্শকদের আনন্দ দিতে ৪০ ওভারের এই সীমিত ওভারের ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৭ সালে — এই সালে একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ শুরু হয়নি, এটি মূলত টেস্ট ক্রিকেটের যুগ ছিল। B) ১৯৭৭ সালে — এই বছর প্যাক কেরির বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেট শুরু হয়েছিল, যা আধুনিক ওয়ানডে ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করেছিল কিন্তু প্রথম ম্যাচ নয়। C) ১৯৮০ সালে — এই সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সিরিজ নিয়মিত হলেও প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ চালুর সাল এটি নয়। D) ১৯৭১ সালে — এই সালেই ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম অফিসিয়াল একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ক্রিকেটেও ওয়ানডে যুগের সূচনা হয়েছিল।
a নিউইয়র্ক
b মেক্কা
c কুয়ালালামপুর
d সিউল
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিউল কেন সঠিক: - দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে এই ভাস্কর্যটি অবস্থিত, যা ঐতিহাসিক শান্তি আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। - এটি মূলত কোরিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে জড়িত অহিংস আন্দোলনের স্মারক হিসেবে নির্মিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত শহর, যেখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর ও স্ট্যাচু অব লিবার্টি অবস্থিত। B) মেক্কা — এটি সৌদি আরবের পবিত্র শহর, যা বিশ্বের মুসলমানদের প্রধান তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। C) কুয়ালালামপুর — এটি মালয়েশিয়ার রাজধানী এবং বিখ্যাত পেট্রোনাস টাওয়ারের জন্য পরিচিত। D) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং এখানে স্ট্যাচু অব পিস অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: শান্তির প্রতীক পিস স্ট্যাচু দেখতে হলে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে যেতে হবে।
a ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম
b ফ্রান্স ও মিয়ানমার
c সুইজারল্যান্ড ও মিয়ানমার
d সুইজারল্যান্ড ও ভিয়েতনাম
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালে ইন্দোচীন যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত জেনেভা সম্মেলনে ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। - এই চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনাম সাময়িকভাবে সপ্তদশ সমান্তরাল রেখায় উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামে বিভক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি পক্ষই জেনেভা চুক্তিতে প্রধান স্বাক্ষরকারী ছিল। B) ফ্রান্স ও মিয়ানমার — মিয়ানমার বা বার্মা এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক জেনেভা চুক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) সুইজারল্যান্ড ও মিয়ানমার — সুইজারল্যান্ড চুক্তির ভেন্যু বা আয়োজক দেশ হলেও চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী পক্ষ ছিল না। D) সুইজারল্যান্ড ও ভিয়েতনাম — সুইজারল্যান্ড নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে কেবল সম্মেলন আয়োজন করেছিল, চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। মনে রাখার টিপস: জেনেভা চুক্তি মানেই ভিয়েতনামের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ফ্রান্সের সমঝোতা।
a ১৯৮৯ সালে
b ১৯৮৯ সালে
c ১৯৮৯ সালে
d ১৯৬১ সালে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৯ সালে কেন সঠিক: - স্নায়ুযুদ্ধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত বার্লিন প্রাচীরটি ১৯৮৯ সালের নভেম্বর মাসে ভেঙে ফেলা হয়। - এর মাধ্যমে পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানির মধ্যকার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিভেদ দূর হওয়ার পথ সুগম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৯ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক ঐতিহাসিক উত্তর। B) ১৯৮৯ সালে — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি বার্লিন প্রাচীর পতনের প্রকৃত বছর। C) ১৯৮৯ সালে — এই অপশনটিও সঠিক উত্তর নির্দেশ করছে যা ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে মিলে যায়। D) ১৯৬১ সালে — ১৯৬১ সালে বার্লিন প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল, ভাঙা হয়নি। মনে রাখার টিপস: প্রাচীরটি তৈরি হয়েছিল ১৯৬১ সালে এবং ভেঙে ফেলা হয়েছিল তার ২৮ বছর পর ১৯৮৯ সালে।
a ফিলিপাইন
b মিয়ানমার
c ইন্দোনেশিয়া
d থাইল্যান্ড
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিলিপাইন কেন সঠিক: - মিনদানাও দ্বীপ ফিলিপাইন দেশের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং অন্যতম প্রধান দ্বীপ। - ভৌগোলিক অবস্থান এবং রাজনৈতিকভাবে এটি সম্পূর্ণভাবে ফিলিপাইন প্রজাতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিলিপাইন — এই অপশনটি সঠিক কারণ মিনদানাও দ্বীপটি ফিলিপাইনেরই ভূখণ্ড। B) মিয়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যার মূল ভূখণ্ডে এই নামের কোনো দ্বীপ নেই। C) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র হলেও মিনদানাও দ্বীপটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এর ভূগোলের সঙ্গে এই দ্বীপের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ফিলিপাইনের সংক্ষিপ্ত রূপ পি (P) এবং মিনদানাও দ্বীপের এম (M) মনে রেখে পিএম (PM) সূত্র দিয়ে এটি মনে রাখা যায়।
a মাসিক
b পাক্ষিক
c ত্রৈমাসিক
d বার্ষিক
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাসিক কেন সঠিক: - উত্তরাধিকার বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত একটি নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকা। - এটি প্রতি মাসে প্রকাশিত হয় বলে একে মাসিক পত্রিকা হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাসিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ পত্রিকাটি প্রতি মাসে নিয়মিত প্রকাশিত হয়। B) পাক্ষিক — পাক্ষিক বলতে পনেরো দিন পর প্রকাশিত বোঝায়, যা এই পত্রিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) ত্রৈমাসিক — ত্রৈমাসিক বলতে তিন মাস পর পর প্রকাশিত বোঝায়, যা মাসিক পত্রিকার সংজ্ঞার সাথে মিলে না। D) বার্ষিক — বার্ষিক বলতে বছরে একবার প্রকাশিত বোঝায়, কিন্তু উত্তরাধিকার নিয়মিত মাসিক প্রকাশনা। মনে রাখার টিপস: উত্তরাধিকার বাংলা একাডেমির একটি নিয়মিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
a যশোর
b নাটোর
c মুন্সীগঞ্জ
d সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুন্সীগঞ্জ কেন সঠিক: - আড়িয়াল বিল বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলা জুড়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ও বিশাল জলাভূমি। - এটি শীতকালে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত এবং এখানকার কৃষি উৎপাদন বেশ সমৃদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা যেখানে বিখ্যাত ভবদহ ও বিল কপালিয়া অবস্থিত, আড়িয়াল বিল এখানে নয়। B) নাটোর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে বিখ্যাত চলন বিল অবস্থিত, আড়িয়াল বিল এই অঞ্চলে নেই। C) মুন্সীগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি আড়িয়াল বিলের ভৌগোলিক অবস্থান। D) সিরাজগঞ্জ — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে যমুনা নদী ও বিভিন্ন বড় বিল রয়েছে, আড়িয়াল বিল এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মুন্সীগঞ্জের 'মু' এবং আড়িয়াল বিলের অবস্থান মনে রাখতে "মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিল" এভাবে এক সাথে চর্চা করতে পারেন।
a ১৮৬৫ সালে
b ১৮৬৬ সালে
c ১৮৬২ সালে
d ১৮৫৯ সালে
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৬২ সালে কেন সঠিক: নীল বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল ১৮৫৯ সালে নদীয়া জেলায়। নানা আন্দোলন ও আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৮৬২ সালে এই বিদ্রোহের পুরোপুরি অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬৫ সালে — এই সালের সাথে নীল বিদ্রোহের সমাপ্তির কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) ১৮৬৬ সালে — এই সময়ে বাংলায় অন্য কৃষক আন্দোলন চললেও নীল বিদ্রোহ অনেক আগেই শেষ হয়েছিল। C) ১৮৬২ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) ১৮৫৯ সালে — এই সালে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটেনি, বরং এই সালেই এই বিদ্রোহের সূচনা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: নীল বিদ্রোহের স্থায়িত্বকাল ছিল প্রায় তিন বছর, যা শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং শেষ হয় ১৮৬২ সালে।
a ৭ নভেম্বর
b ৮ নভেম্বর
c ৩ নভেম্বর
d ৪ নভেম্বর
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ নভেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী ও জনতার অভুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটেছিল। - এই ঐতিহাসিক দিনটিকে জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ নভেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে সিপাহী ও জনতা ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটিয়েছিল। B) ৮ নভেম্বর — এটি সঠিক নয় কারণ এই তারিখে এই নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক কোনো সংহতি বা বিপ্লব দিবস পালিত হয় না। C) ৩ নভেম্বর — এটি সঠিক নয় কারণ এই দিনটি জেল হত্যা দিবস হিসেবে পরিচিত। D) ৪ নভেম্বর — এটি সঠিক নয় কারণ এই দিনটি বাংলাদেশের সংবিধান দিবস হিসেবে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: সাত সংখ্যাটি মনে রাখলেই সংহতি ও বিপ্লব দিবসের ৭ নভেম্বর তারিখটি সহজে মনে রাখা যায়।
a 0.005 mg/L
b 0.05 mg/L
c 0.5 mg/L
d 0.0005 mg/L
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 0.05 mg/L কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO এর মানদণ্ড অনুযায়ী খাবার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা প্রতি লিটারে ০.০৫ মিলিগ্রাম। - বাংলাদেশের ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক একটি বড় সমস্যা হওয়ায় এই মানদণ্ডটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.005 mg/L — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রস্তাবিত কঠোর মাত্রা হলেও আন্তর্জাতিক ও আমাদের দেশের প্রচলিত মানদণ্ডে এটি সঠিক নয়। B) 0.05 mg/L — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্ধারিত খাবার পানির আর্সেনিকের অনুমোদিত সর্বোচ্চ মাত্রা। C) 0.5 mg/L — এই মাত্রাটি গ্রহণযোগ্য সীমার চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। D) 0.0005 mg/L — এটি আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রা নয়, এটি একটি অতিরিক্ত কম বা অবাস্তব মান। মনে রাখার টিপস: আর্সেনিকের নিরাপদ মাত্রার সংখ্যাটি মনে রাখতে শূন্যের পর একটি পাঁচ এবং মাঝখানে একটি শূন্য অর্থাৎ ০.০৫ মনে রাখুন।
a জয়নুল আবেদিন
b বুলবুল চৌধুরী
c এস এম সুলতান
d কামরুল হাসান
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার অন্যতম প্রধান পুরুষ, যিনি গ্রামীণ নারীদের রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই চিত্রকর্মটি এঁকেছেন। - শিল্পীর তুলিতে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও নারীদের অবয়ব অত্যন্ত সুনিপুণভাবে তিন কন্যা চিত্রে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদিন — তিনি চিত্রশিল্পী হলেও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মের মধ্যে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা ও সংগ্রাম অন্যতম, তিন কন্যা তার চিত্রকর্ম নয়। B) বুলবুল চৌধুরী — তিনি চিত্রশিল্পী নন, বরং তিনি ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক। C) এস এম সুলতান — তিনি গ্রামীণ জীবন ও শক্তিশালী মানব অবয়ব নিয়ে কাজ করলেও তিন কন্যা তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম নয়। D) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই চিত্রশিল্পীর অত্যন্ত পরিচিত একটি শিল্পকর্ম। মনে রাখার টিপস: কামরুল হাসানকে পটুয়া বলা হয় এবং তার আঁকা বিখ্যাত চিত্রকর্মগুলোর একটি হলো তিন কন্যা।
a ১৬ নভেম্বর ২০০০ সালে
b ১৬ আগস্ট ২০০০ সালে
c ১৬ মার্চ ২০০০ সালে
d ১৬ ডিসেম্বর ২০০০ সালে
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ আগস্ট ২০০০ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ডাক বিভাগ সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত বার্তা প্রেরণের সুযোগ করে দিতে ২০০০ সালের ১৬ আগস্ট ইলেকট্রনিক পোস্ট বা ই-পোস্ট সেবা চালু করে। - এই সেবার মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাহায্যে দেশের নির্দিষ্ট পোস্ট অফিসের মধ্যে দ্রুত তথ্য ও বার্তা আদান-প্রদান শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ নভেম্বর ২০০০ সালে — এই তারিখে ই-পোস্ট চালু হয়নি, এটি ভুল একটি কাল্পনিক তারিখ। B) ১৬ আগস্ট ২০০০ সালে — এটি সঠিক তারিখ এবং এই দিনেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-পোস্ট চালু করা হয়। C) ১৬ মার্চ ২০০০ সালে — এই তারিখে ই-পোস্ট চালুর কোনো ঐতিহাসিক বা দাপ্তরিক রেকর্ড নেই। D) ১৬ ডিসেম্বর ২০০০ সালে — এই তারিখে বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপিত হলেও ই-পোস্ট চালুর তারিখ এটি নয়। মনে রাখার টিপস: আগস্ট মাসের ১৬ তারিখে বাংলাদেশে প্রথম ই-পোস্ট সেবা চালু হয়েছিল।
a খুলনা
b বরিশাল
c চট্টগ্রাম
d দিনাজপুর
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার। - এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত এবং বিপিসি এর অধীন পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুলনা — খুলনা অঞ্চলে কোনো তেল শোধনাগার নেই, এটি প্রধানত শিল্প ও বন্দর নগরী হিসেবে পরিচিত। B) বরিশাল — বরিশাল নদী বন্দর ও কৃষিপ্রধান অঞ্চল, এখানে কোনো ভারী তেল শোধনাগার অবস্থিত নয়। C) চট্টগ্রাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামেই অবস্থিত। D) দিনাজপুর — দিনাজপুর উত্তর অঞ্চলের জেলা এবং এটি ভারী শিল্প বা তেল শোধনাগারের জন্য পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: তেল মানেই বন্দর নগরী চট্টগ্রাম, আর বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি সেখানেই অবস্থিত।
a লর্ড মিন্টো
b লর্ড ক্যানিং
c লর্ড ক্লাইভ
d লর্ড রিপন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: B) লর্ড ক্যানিং কেন সঠিক: - সিপাহী বিদ্রোহের পর ১৮৫৯ সালের মুদ্রা আইন অনুযায়ী ব্রিটিশ ভারতে প্রথম কাগজের মুদ্রা বা পেপার কারেন্সি চালু হয়। - লর্ড ক্যানিং ছিলেন ভারতবর্ষের প্রথম ভাইসরয় এবং তাঁর আমলেই এই কাগজের মুদ্রা প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড মিন্টো — তিনি ১৯০৯ সালের মরলে মিন্টো সংস্কার আইন প্রণয়নের সাথে যুক্ত ছিলেন, কাগজের মুদ্রা চালুর সাথে নন। B) লর্ড ক্যানিং — তিনি ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন এবং তাঁর শাসন আমলেই ১৮৫৯ সালে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু হয়। C) লর্ড ক্লাইভ — তিনি বাংলায় ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার মূল কারিগর ও প্রথম গভর্নর ছিলেন, মুদ্রা চালুর সাথে সংশ্লিষ্ট নন। D) লর্ড রিপন — তিনি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক হিসেবে পরিচিত এবং ভারতে প্রথম নিয়মিত আদমশুমারি শুরু করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: কাগজ থেকে ক্যানিং মনে রাখতে পারেন, কারণ প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু করেছিলেন লর্ড ক্যানিং।
a 1556
b 1555
c 1553
d 1551
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1556 কেন সঠিক: - মোঘল সম্রাট আকবর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে আরোহণের পর খাজনা আদায় সহজ করার জন্য হিজরি চন্দ্র সনের পাশাপাশি বাংলা সনের প্রচলন করেন। - ঐতিহাসিকদের মতে, ১৫৫৬ সালের ৯ বা ১০ মার্চ সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহণের বছর থেকেই বাংলা সনের গণনা শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1556 — এই অপশনটি সঠিক কারণ সম্রাট আকবর এই সালেই বাংলা সন চালু করেছিলেন। B) 1555 — এই সালটি বাংলা সন চালুর ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) 1553 — এই সালটি মুঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকাল শুরুর আগের বছর এবং এর সঙ্গে বাংলা সনের কোনো সম্পর্ক নেই। D) 1551 — এই সালটি বাংলা সনের প্রবর্তন কিংবা আকবরের সিংহাসন আরোহণের সঙ্গে মেলেনি। মনে রাখার টিপস: আকবর ১৫৫৬ সালে রাজা হন এবং এই সালেই বাংলা সন চালু করেন, তাই আকবর ও ১৫৫৬ সংখ্যাটি একসঙ্গে মনে রাখবে।