সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
প্রদত্ত বাক্যে 'বিদ্বান লোক' হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং 'শ্রদ্ধার পাত্র' অংশটি বিধেয়র সাথে সংযুক্ত একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া প্রকাশ করছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠনভেদে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য।
সরল বাক্যে একাধিক অসমাপিকা ক্রিয়া থাকতে পারে, তবে সমাপিকা ক্রিয়া একটিই থাকবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হলে অন্ধকার দূর হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে 'হলে' অসমাপিকা এবং 'দূর হয়' সমাপিকা ক্রিয়া, কিন্তু মূল ভাব প্রকাশের দিক থেকে এটি সরল বাক্য।
উদাহরণ ২: পরিশ্রমীরাই জীবনে সফল হয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে, যা সরল বাক্যের নিয়মকে সমর্থন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল বাক্য — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে একটিমাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
B) জটিল বাক্য — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই।
C) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
D) মিশ্র বাক্য — মিশ্র বাক্য বলতে মূলত জটিল বাক্যকেই বোঝানো হয়, যা এই সাধারণ বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়ার সংখ্যা গোনা। বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই বাক্যের সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়ার পার্থক্য ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- ‘লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’ এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা বাংলার নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত পণ্ডিত মদনমোহন তর্কালঙ্কার।
- তাঁর রচিত ‘শিশുമോমদ’ বা ‘শিশুশিক্ষা’ গ্রন্থের প্রথম ভাগের একটি জনপ্রিয় ছড়া থেকে এই চরণটি নেওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার ঊনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে জন্মগ্রহণ করেন এবং সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তাঁর ‘শিশুশিক্ষা’ (প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগ) বইটি উনিশ শতকে বাংলা প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ও অত্যন্ত জনপ্রিয় পাঠ্যপুস্তক ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল।
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘শিশুশিক্ষা’ গ্রন্থের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও চিরন্তন শিশুতোষ কবিতার চরণ।
উদাহরণ ২: আলসে অলস নয়, কাজে মন দাও।
ব্যাখ্যা: মদনমোহন তর্কালঙ্কার তাঁর রচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সবসময় নৈতিকতা, পরিশ্রম ও পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার শিক্ষা দিতেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘শিশুশিক্ষা’ গ্রন্থে এই পংক্তিটি রচনা করেছেন।
B) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও বিজ্ঞানমনস্ক লেখক হলেও এই বিখ্যাত শিশুতোষ পংক্তিটি তাঁর নয়।
C) কুসুমকুমারী দাস — তিনি ‘আমাদের দেশ’ কবিতার জন্য বিখ্যাত হলেও, যার পংক্তি হলো ‘আমাদের দেশ সেই ভালো দেশ সব দেশের সেরা’, এই প্রবাদতুল্য চরণটির রচয়িতা নন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগের সন্ধিওয়ালের কবি এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হলেও, এই নির্দিষ্ট চরণটি তাঁর কোনো বিখ্যাত কবিতার অংশ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শিশুদের জন্য লেখা বিখ্যাত ‘শিশুশিক্ষা’ বইটির নাম মনে রাখলে মদনমোহন তর্কালঙ্কারকে সহজে মনে রাখা যায়।
- পড়াশোনা করলে গাড়ি ঘোড়ায় চড়া যায়, এই প্রবাদতুল্য শিক্ষাটি মদনমোহন তর্কালঙ্কার তাঁর শিশুতোষ রচনায় প্রথম জনপ্রিয় করে তোলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘শিশুশিক্ষা’ কার রচনা বা এর ভেতরের বিখ্যাত পংক্তি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে।
- মদনমোহন তর্কালঙ্কারের সাহিত্যকর্ম বলতে মূলত তাঁর ‘শিশুশিক্ষা’ এবং অনুবাদ গ্রন্থ ‘বাসবদত্তা’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সঠিক উত্তর: D) If you come, I will go.
কেন সঠিক:
১. বাংলা বাক্যের প্রথম অংশ বর্তমানকাল বোঝালে ইংরেজি অনুবাদের প্রথম অংশে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
২. বাংলা বাক্যের দ্বিতীয় অংশ ভবিষ্যৎকাল বোঝালে ইংরেজি অনুবাদের পরের অংশে ফিউচার ইনডেফিনিট টেন্স অর্থাৎ উইল বসাতে হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি ফার্স্ট কন্ডিশনাল বা প্রথম শর্তমূলক বাক্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম।
২. এই নিয়মে প্রথম ক্লজটি প্রেজেন্ট টেন্স এবং পরের ক্লজটি ফিউচার টেন্স হয়।
৩. যেমন, যদি তুমি পড়ো, তুমি পাস করবে যার ইংরেজি অনুবাদ হয়, If you read, you will pass.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If you come, I go — এই অপশনে দ্বিতীয় অংশে ফিউচার টেন্স ব্যবহার করা হয়নি বরং প্রেজেন্ট টেন্স রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
B) If you came, I will go. — এই অপশনে প্রথম অংশে পাস্ট টেন্স এবং দ্বিতীয় অংশে ফিউচার টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) If you come, I would go. — এই অপশনে প্রথম অংশ প্রেজেন্ট টেন্স হলেও দ্বিতীয় অংশে উড ব্যবহার করা হয়েছে যা সেকেন্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ्य।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং এই অপশনটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে।
মনে রাখার টিপস:
১. শর্তযুক্ত বাক্যে বর্তমানের সাথে ভবিষ্যতের তুলনা করলে প্রথম অংশে প্রেজেন্ট এবং পরের অংশে উইল ব্যবহার করতে হয়।
২. ইফ ক্লজের সাথে প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে অপর অংশে সবসময় ফিউচার টেন্স বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) He resembles his father.
১. কেন সঠিক:
- 'Resemble' একটি transitive verb যার অর্থ সদৃশ হওয়া বা মত হওয়া।
- এই verb-টির পরে কোনো preposition বসে না, সরাসরি object বসে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু transitive verb-এর পরে সরাসরি object বসে এবং মাঝখানে কোনো preposition বসে না।
- 'Resemble' তেমনই একটি verb, তাই এর সাথে ভুল করেও to, at বা for বসানো যাবে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: She resembles her mother.
ব্যাখ্যা: এখানেও resemble verb-এর পরে কোনো preposition বসেনি, সরাসরি object বসেছে।
উদাহরণ ২: The boy resembles his grandfather.
ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে এবং সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He resembles to his father. — resemble verb-এর পরে preposition 'to' বসে না।
B) He resembles at his father. — resemble verb-এর পরে preposition 'at' বসে না।
C) He resembles his father. — এটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্ভুল বাক্য।
D) He resembles for his father. — resemble verb-এর পরে preposition 'for' বসে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে resemble মানেই মত হওয়া, তাই এর সাথে আলাদা করে কোনো preposition লাগবে না।
- Resemble-এর সাথে কখনো to বা অন্য কোনো preposition ব্যবহার করবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে ভুল preposition যুক্ত করে বিভ্রান্ত করা হয়।
- Enter, discuss, order ইত্যাদি transitive verb-গুলোর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) গণনাবাচক
কেন সঠিক:
- সপ্তাহ শব্দটি সাত দিনের সমষ্টি বা পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সরাসরি কোনো বস্তু বা সময়ের হিসাব বা গণনা নির্দেশ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো দিয়ে কোনো কিছুর সংখ্যা বা পরিমাণ গণনা করা হয় তাকে গণনাবাচক শব্দ বলে।
- সংখ্যার সাধারণ রূপ বা মূল সংখ্যাবাচক শব্দই হলো গণনাবাচক শব্দ।
- যেমন এক, দুই, তিন, সপ্তাহ, দশক, শতক ইত্যাদি গণনাবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ক্রমবাচক — ক্রমবাচক শব্দ দ্বারা কোনো শৃঙ্খলার ধারাবাহিক অবস্থান বোঝায় যেমন প্রথম, দ্বিতীয়।
- B) পূরণবাচক — পূরণবাচক শব্দ দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যার পূর্ণতা বা অবয়ব বোঝায় যেমন পহেলা, দশম।
- C) গণনাবাচক — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই মূল উত্তর।
- D) সংখ্যাবাচক — সংখ্যাবাচক শব্দ একটি বৃহত্তর শ্রেণি যার অধীনে গণনাবাচক, পূরণবাচক ও ক্রমবাচক শব্দগুলো অন্তর্ভুক্ত হয়।
মনে রাখার টিপস:
- যা দিয়ে সরাসরি গণনা করা যায় বা সমষ্টি বোঝায় তা গণনাবাচক।
সঠিক উত্তর: A) সকর্মক ক্রিয়া
কেন সঠিক:
- এ বাক্যে ক্রিয়াপদ হলো পড়ছে এবং এর একটি স্পষ্ট কর্ম রয়েছে যা হলো বই।
- কি বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি উত্তর পাওয়া যায় তবে সেই ক্রিয়া সকর্মক হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে ক্রিয়ার কর্ম থাকে তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
- এ জাতীয় বাক্যে কর্তা সরাসরি কর্মকে প্রভাবিত করে।
- যেমন: সে ফুটবল খেলছে, এখানে ফুটবল হলো কর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সকর্মক ক্রিয়া — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- B) দ্বিকর্মক ক্রিয়া — এ বাক্যে দুটি কর্ম নেই, কেবল একটি কর্ম আছে।
- C) সমধাতুজ ক্রিয়া — ক্রিয়া এবং কর্ম একই ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়নি।
- D) অকর্মক ক্রিয়া — এ বাক্যের কর্ম বিদ্যমান থাকায় এটি অকর্মক নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কি বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর মেলে তবে তা সকর্মক ক্রিয়া।
সঠিক উত্তর: B) রোজনামচা
১. কেন সঠিক:
'কড়চা' শব্দের অর্থ দৈনিক ঘটনার বিবরণ বা দিনলিপি, যার সঙ্গে 'রোজনামচা' শব্দের নিখুঁত মিল রয়েছে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দটির মূল উৎস ও ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক একটি প্রশ্ন যা বাংলা শব্দভাণ্ডারের সমৃদ্ধি নির্দেশ করে।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত দেশি, বিদেশি ও তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডায়েরি
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি শব্দ হলেও বাংলায় দিনলিপি বা কড়চা অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: জবানবন্দি
ব্যাখ্যা: এটি ফারসি শব্দ এবং আদালতের কার্যবিবরণী বা ঘটনার লিখিত বিবরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খসড়া — খসড়া অর্থ কোনো লেখার প্রথম রূপ বা পান্ডুলিপি, যা কড়চার সমার্থক নয়।
B) রোজনামচা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দিনলিপি বা দৈনিক ঘটনার বিবরণ।
C) অনবরত — অনবরত শব্দের অর্থ অবিরাম বা সর্বদা, যা শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) শিরা — শিরা হলো মানবদেহের রক্তবাহী নালী, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কড়চা এবং রোজনামচা দুটি শব্দই দৈনিক হিসাব বা ডায়রির মতো ঘটনার বিবরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
শব্দ দুটির প্রথম অক্ষর বা ভাবের মিল মনে রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) আদি স্বরগম
১. কেন সঠিক:
- আদি স্বরগম হলো ধ্বনি পরিবর্তনের এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা শব্দটিকে সহজ করার জন্য দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের মাঝে বা শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হয়।
- এখানে মূল ইংরেজি শব্দ হলো স্কুল এবং এর উচ্চারণের শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে ইশকুল বা ইস্কুল রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আদি স্বরগম বা প্রথমা স্বরগম হলো ধ্বনি পরিবর্তনের একটি ভাগ যেখানে শব্দের আদিতে বা শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আগমন ঘটে।
- বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের উচ্চারণের সময় যুক্তব্যঞ্জন বা কঠিন উচ্চারণ এড়ানোর জন্য অনেক সময় শব্দের শুরুতে ই বা উ ধ্বনি যোগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টেশন > ইষ্টেশন
ব্যাখ্যা: মূল ইংরেজি শব্দ স্টেশন এর শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে আদি স্বরগম হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্পৃহা > ইম্পৃহা
ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য স্পৃহা শব্দের শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপিনিহিতি — পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে অপিনিহিতি বলে, যা এখানে হয়নি।
B) অন্ত্যস্বরগম — শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে অন্ত্যস্বরগম বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ধাপ যেখানে ই-কার বা উ-কারের প্রভাবে আগের স্বর পরিবর্তিত হয়।
D) আদি স্বরগম — শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার কারণে এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শুরুতে ই বা উ আসলে আদি স্বরগম মনে রাখবে।
- ইংরেজি এস দিয়ে শুরু হওয়া শব্দে বাংলায় ই যোগ হলে আদি স্বরগম হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দে ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে।
- স্কুল থেকে ইস্কুল এবং স্টেশন থেকে ইষ্টেশন শব্দ দুটি আদি স্বরগমের সবচেয়ে জনপ্রিয় উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: C) বুদ্ধিজীবী
১. কেন সঠিক:
বুদ্ধিজীবী শব্দটিতে দুটি অংশ রয়েছে, বুদ্ধি + জীবী। জীবী প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক বানান হলো বুদ্ধিজীবী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। জীবী বাজীবী বা সংজীবী জাতীয় শব্দে সর্বদাই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দূরদর্শী
ব্যাখ্যা: দূরদর্শী শব্দে দূর এবং দর্শী যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গ্রহণ করেছে।
উদাহরণ ২: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইনজীবী শব্দটিতে আইন এবং জীবী যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিবিষিকা — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান হলো বিভীষিকা যেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার এবং মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়।
B) মুখ্যা — এটি একটি ভুল গঠন কারণ মূর্খ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো মূর্খা, মুখ্যা নয়।
D) সম্পূর্ন — এটি ভুল বানান কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
জীবী শব্দযুক্ত যেকোনো বানান লেখার সময় সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার বসানোর নিয়মটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দ এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত বানান প্রায়ই আসে। বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেটের আদলে বাংলায় সনেট রচনা করেন এবং এর নামকরণ করেন চতুর্দশপদী কবিতা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে আধুনিকতার প্রবক্তা ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক। তাঁর 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত একটি সনেট যেখানে মাতৃভাষার প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: কপোতাক্ষ নদ
ব্যাখ্যা: এটি কবির অপর একটি বিখ্যাত সনেট যা তাঁর স্মৃতিকাতরতা ও দেশপ্রেমের অপূর্ব নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতুল প্রসাদ সেন — ইনি একজন বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার ছিলেন, সনেট রচনার জন্য পরিচিত নন।
B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — ইনি মূলত ঐতিহাসিক নাটক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত, সনেট প্রবর্তক নন।
D) রজনীকান্ত সেন — ইনি ভক্তিগীতি ও দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত, সনেট প্রবর্তক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সনেট মানে চৌদ্দ লাইন আর মধু মানে মধুসূদন, যিনি বাংলায় প্রথম চৌদ্দ লাইন বা সনেট এনেছেন। বাংলা সনেটের জনক মনে রাখতে মধুসূদন দত্ত নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সনেটের দুটি অংশ বা অষ্টক ও ষটক সম্পর্কেও জেনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: B) সচিবগণ
১. কেন সঠিক:
- সচিব শব্দটি মানববাচক বিশেষ্য পদ এবং সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বোঝায়।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাণিবাচক শব্দে 'গণ' ব্যবহার করা যায় না, তবে মানববাচক বিশেষ্য পদের বহুবচনে 'গণ' প্রত্যয়টি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো এমন একটি ব্যাকরণিকByCategory যা দিয়ে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা বোঝানো হয়।
- বাংলা ভাষায় প্রাণী ও অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য ভেদে বহুবচনে বিভিন্ন প্রত্যয় যেমন গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিক্ষকগণ
ব্যাখ্যা: শিক্ষক মানববাচক বিশেষ্য হওয়ায় এর সঙ্গে বহুবচনে 'গণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বালকগণ
ব্যাখ্যা: বালক মানববাচক বিশেষ্য হওয়ার কারণে সঠিক বহুবচন গঠনে 'গণ' যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সচিববৃন্দ — 'বৃন্দ' প্রত্যয়টি সাধারণ মানুষ বা ভক্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সচিবের ক্ষেত্রে এটি প্রমিত নয়।
B) সচিবগণ — এই অপশনটি সঠিক এবং মানববাচক বিশেষ্যের বহুবচনে 'গণ' এর ব্যবহার ব্যাকরণসিদ্ধ।
C) সচিবমণ্ডলী — 'মণ্ডলী' প্রত্যয়টি সাধারণত সভা, দল বা পেশাজীবী সমষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সচিবের ক্ষেত্রে বেমানান।
D) সচিববর্গ — 'বর্গ' প্রত্যয়টি সাধারণত বিদ্বান বা সমগোত্রীয় বিশেষ শ্রেণির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই সচিবের সঙ্গে এটি অনুপযুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধারণ মানুষ বা সম্মানীয় ব্যক্তিদের বহুবচনে 'গণ' ব্যবহার করা হয় যেমন ছাত্রগণ, শিক্ষকগণ।
- অপ্রাণিবাচক বা বিশেষ সমষ্টির ক্ষেত্রে বচন বোঝাতে আলাদা প্রত্যয় মুখস্থ রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কোন শব্দের সঙ্গে কোন বহুবচন বোধক শব্দ যুক্ত হবে তা পদের প্রাণিবাচকতা এবং মর্যাদার ওপর নির্ভর করে।
- এই ধরনের ব্যাকরণগত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই পদের শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) দিগদর্শন
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা হলো দিগদর্শন। এটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
দিগদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। এটি মূলত তরুণ শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের জন্য প্রকাশিত একটি শিক্ষামূলক ও ঐতিহাসিক মাসিক পত্রিকা ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যা দিগদর্শনের অল্প কিছুদিন পর ১৮১৮ সালের মে মাসে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী মাসিক পত্রিকা, যা সম্পাদনা করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাচার দর্পণ — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, প্রথম সাময়িকপত্র নয়।
B) দিগদর্শন — এটি সঠিক উত্তর।
C) সংবাদ প্রভাকর — এটি প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র, যা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
D) ঢাকা প্রকাশ — এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র, যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
দিদিতে দিকদর্শন মনে রেখো, কারণ দি দিয়ে দিগদর্শন এবং এটি প্রথম সাময়িকপত্র। সাময়িকপত্র ও সংবাদপত্রের পার্থক্য মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষার প্রথম পত্রিকা কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাময়িকপত্র এবং সংবাদপত্রের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ফারসি
১. কেন সঠিক:
- আইন শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দ প্রশাসনিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে প্রধানত আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ, ইংরেজি ইত্যাদি ভাগে ভাগ করা হয়। ফারসি শব্দগুলো প্রধানত প্রশাসন, আদালত ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এটি বিচার ব্যবস্থার সাথে জড়িত।
উদাহরণ ২: চশমা
ব্যাখ্যা: চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি বহুল ব্যবহৃত নিত্যদিনের বস্তুবাচক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে ইসলাম ধর্ম, শরিয়ত ও কোরআন সম্পর্কিত বহু শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু আইন শব্দটি আরবি নয়।
B) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দ বাংলায় আসে তবে আইন সংস্কৃত শব্দ নয়।
C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি শব্দ আসলেও আইন পর্তুগিজ শব্দ নয়।
D) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইন ফারসি ভাষার শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
আ আদালত, আই আইন, আ আসামীর কাঠগড়া—এই তিনটি ফারসি শব্দ একসাথে মনে রাখতে পারো। আদালত ও আইনের সাথে জড়িত বেশিরভাগ শব্দই সাধারণত ফারসি হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও আদালতের শব্দগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে তা প্রায়ই আসে। তাই আইন, আদালত, চশমা, কাগজ ইত্যাদি শব্দের উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষণস্থায়ী
১. কেন সঠিক:
- তাসের ঘর বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর, যা একটু বাতাসেই ভেঙে যায়।
- রূপক অর্থে এটি এমন কোনো অবস্থাকে বোঝায় যার কোনো স্থায়িত্ব নেই বা খুব শীঘ্রই নষ্ট হয়ে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রকাশভঙ্গি প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় বহু বাগধারা মানবজীবনের অনিশ্চয়তা ও অস্থায়িত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে তাসের ঘর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মন্ত্রিত্বের ক্ষমতা যেন তাসের ঘর, আজ আছে তো কাল নেই।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মন্ত্রিত্বের ক্ষমতার অস্থায়ী রূপ বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবনটা তাসের ঘরের মতো, কখন যে ভেঙে পড়ে কেউ জানে না।
ব্যাখ্যা: মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা ও ক্ষণস্থায়িত্ব প্রকাশ করতে এখানে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষণস্থায়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাসের ঘর বলতে দীর্ঘস্থায়ী নয় এমন বিষয়কে বোঝায়।
B) এলোমেলো — এটি ভুল কারণ এলোমেলো বলতে সুশৃঙ্খল নয় এমন বোঝায়, যা তাসের ঘরের মূল ভাব ক্ষণস্থায়িত্বের সঙ্গে সরাসরি মেলে না।
C) বিশৃঙ্খলা — এটি ভুল কারণ বিশৃঙ্খলা অর্থ চরম অরাজকতা বা অনিয়ম, যা বাগধারাটির নির্দিষ্ট অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) ভেঙে পড়া — এটি ভুল কারণ ভেঙে পড়া আংশিক সত্য মনে হলেও তাসের ঘরের মূল মূলভাব হলো এর চরম অস্থায়িত্ব বা ক্ষণস্থায়ী রূপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন তা বাতাসে মুহূর্তেই ভেঙে যায় এবং টেকে না, তেমনি মনে রাখবে তাসের ঘর মানেই হলো ক্ষণস্থায়ী বস্তু বা অবস্থা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অস্থায়িত্ব বোঝাতে আসা প্রশ্নগুলোতে তাসের ঘর, বালির চর বা কাগজের ফুল জাতীয় বাগধারাগুলোর প্রায় একই রকম অর্থ হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) পরদিন
১. কেন সঠিক:
- প্রত্যক্ষ উক্তিতে ব্যবহৃত কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দ পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তিত হয়ে নির্দিষ্ট নিয়মে পরিবর্তিত রূপ গ্রহণ করে।
- প্রত্যক্ষ উক্তিতে আগামীকাল থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে তা পরিবর্তিত হয়ে পরদিন বা পরবর্তী দিন রূপে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উক্তি পরিবর্তনে প্রত্যক্ষ উক্তির সময় নির্দেশক শব্দগুলো পরোক্ষ উক্তিতে সমার্থক বা পরিবর্তিত শব্দে রূপান্তরিত হয়।
- যেমন আজ থাকলে সেই দিন, কাল থাকলে পরদিন বা আগের দিন এবং গতকাল থাকলে পূর্বের দিন বা আগের দিন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে বলিল, আমি আগামীকাল আসিব। এর পরোক্ষ উক্তি হলো সে বলিল যে সে পরদিন আসিবে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রত্যক্ষ উক্তির আগামীকাল পরিবর্তিত হয়ে পরোক্ষ উক্তিতে পরদিন হয়েছে।
উদাহরণ ২: শিক্ষক বললেন, আগামীকাল বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। এর পরোক্ষ উক্তি হলো শিক্ষক বললেন যে পরদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
ব্যাখ্যা: এখানেও আগামীকাল শব্দের পরিবর্তে পরোক্ষ উক্তিতে পরদিন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগের দিন — এই শব্দটি প্রত্যক্ষ উক্তির গতকাল বা পূর্বের দিনের পরোক্ষ রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, আগামীকালের জন্য নয়।
B) সেদিন — এই শব্দtypically প্রত্যক্ষ উক্তির আজ বা এই দিন-এর পরিবর্তে পরোক্ষ উক্তিতে বসে।
C) পরদিন — এটি সঠিক কারণ আগামীকাল শব্দের প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত পরিবর্তন হলো পরদিন।
D) পূর্বের দিন — এই শব্দগুচ্ছটি অতীত নির্দেশক শব্দ যেমন গতকালের পরোক্ষ রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অতীত বোঝালে আগের দিন বা পূর্বের দিন এবং ভবিষ্যৎ বোঝালে পরদিন ব্যবহার করতে হয়।
- আগামীকালের প্রথম অক্ষর আ এবং আগের দিনের প্রথম অক্ষর আ এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে আগামীকাল কখনো আগের দিন হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উক্তি পরিবর্তনের সময় কালবাচক শব্দের পরিবর্তন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কমন প্রশ্ন।
- এই নিয়মের অন্যান্য পরিবর্তনগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় এক নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) কাব্যগ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি প্রচুর প্রেমের ও দ্রোহের কবিতা লিখেছেন।
ছায়ানট তাঁর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত এবং গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের কবি ও সাহিত্যকর্মের অংশ থেকে এসেছে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস, ছোটগল্প ও নাটক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম এবং অত্যন্ত বিখ্যাত বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি
ব্যাখ্যা: এটিও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস তিনটি হলেও 'ছায়ানট' কোনো উপন্যাস নয়।
B) গল্পগ্রন্থ — এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন বা গল্পগ্রন্থ নয়।
C) কাব্যগ্রন্থ — এটি সঠিক কারণ এটি কবির একটি বিখ্যাত কবিতার বই।
D) গীতিনাট্য — এটি কোনো নাটক বা গীতিনাট্য শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের ছদ্মনাম বা ছাঁচ দিয়ে মনে রাখতে পারো যে ছায়ানট একটি কবিতার বই বা কাব্যগ্রন্থ।
তাঁর অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি ও ছায়ানট সবই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ছায়ানট কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনার পাশাপাশি প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থের প্রকাশের সাল জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
- ‘ইত্যাদি’ শব্দটি সংস্কৃতে একটি অব্যয়ীভাব সমাস, যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণেও অনুসৃত হয়।
- ‘ইতি’ শব্দের অর্থ সমাপ্তি বা এই রূপ, এর সঙ্গে ‘আদি’ যুক্ত হয়ে ‘ইত্যাদি’ পদটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- এখানে ‘ইতি’ অব্যয়ের অর্থে ‘আদি’ শব্দের যোগে সাদৃশ্য বা সমীপ্য অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস নিষ্পন্ন হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপগ্রহ
ব্যাখ্যা: গ্রহের সদৃশ, যা উপ অব্যয় যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: প্রতিচ্ছবি
ব্যাখ্যা: ছবির সদৃশ, যেখানে প্রতি অব্যয়টি প্রধান অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু ‘ইত্যাদি’ শব্দটিতে অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেয়েছে বিধви এটি তৎপুরুষ নয়।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ তৈরি হয়, যা এই পদের গঠনে অনুপস্থিত।
C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো পদ বা অর্থ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পূর্বপদের অব্যয় পদটি সম্পূর্ণ সমাসবদ্ধ পদের অর্থ নির্ধারণ করেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইতি যুক্ত আদি সমান ইত্যাদি। অব্যয় পদ দিয়ে শুরু হলে সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাদি সমাস বা অব্যয়ীভাব সমাসের ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে ‘ইত্যাদি’ শব্দটি আসে।
সঠিক উত্তর: D) অনুকার অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে অনুকার অব্যয় বলে।
- ‘টাপুর টুপুর’ বৃষ্টির পড়ার শব্দকে নির্দেশ করে, যা একটি ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে অব্যয় পদ কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বাক্যে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলা হয়।
- এটি বাক্যে কখনো বিশেষণ, কখনো ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে ভাবের গভীরতা বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝিরঝির করে বাতাস বইছে
ব্যাখ্যা: এখানে ঝিরঝির বাতাসের মৃদু শব্দের অনুকার অব্যয়।
উদাহরণ ২: কলকল নদী বয়ে যায়
ব্যাখ্যা: এখানে কলকল নদীর শব্দের অনুকার অব্যয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযোজক অব্যয় — সংযোজক অব্যয় পদ বা বাক্যকে যুক্ত করে, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো পদ বা বাক্য যুক্ত করে না।
B) পদান্বয়ী অব্যয় — পদান্বয়ী অব্যয় শব্দের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ তৈরি করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ন্বয়ী অব্যয় —ন্বয়ী অব্যয় বা অন্বয়ী অব্যয় মনের ভাব প্রকাশ করে, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো ধ্বনির অনুকরণ বোঝায় না।
D) অনুকার অব্যয় — এটি সঠিক কারণ এটি বৃষ্টির শব্দের অনুকরণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের পুনরাবৃত্তি যদি কোনো ধ্বনি, আওয়াজ বা শব্দ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অনুকার অব্যয় দাগাবে।
- টাপুর টুপুর, ঝিরঝির, খলখল সবই অনুকার অব্যয়ের উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের পুনরাবৃত্তি থাকলেই তা সবসময় অনুকার অব্যয় হবে না, অর্থের ওপর ভিত্তি করে তা নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রজত জয়ন্তী
১. কেন সঠিক:
- কোনো ঘটনা বা প্রতিষ্ঠানের পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসবকে এক কথায় রজত জয়ন্তী বলা হয়।
- রজত শব্দের অর্থ রূপা এবং জয়ন্তী শব্দের অর্থ উৎসব বা সমারোহ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট সময়কাল উদযাপনের জন্য বিশেষ কিছু পরিভাষা বা শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উৎসবকে সুবর্ণ জয়ন্তী বলা যাবে না, এটিকে শতবার্ষিকী বা শতবর্ষপূর্তি বলা হয়।
ব্যাখ্যা: পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হলে সুবর্ণ জয়ন্তী হয় এবং একশো বছর পূর্ণ হলে শতবার্ষিকী হয়।
উদাহরণ ২: কোনো প্রতিষ্ঠানের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপিত হয়।
ব্যাখ্যা: সুবর্ণ শব্দের অর্থ স্বর্ণ বা সোনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হীরাক জয়ন্তী — এটি সাধারণত ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) রজত জয়ন্তী — এটি পঁচিশ বছর পূর্তি বোঝায় যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) সুবর্ণ জয়ন্তী — এটি পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) প্লাটিনাম জয়ন্তী — এটি পঁচাত্তর বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জয়ন্তী মনে রাখার সহজ ক্রম হলো পঁচিশে রজত, পঞ্চাশে সুবর্ণ, ষাটতে হীরাক, পঁচাত্তরে প্লাটিনাম এবং শতবর্ষে শতবার্ষিকী।
- ধাতু বা উপাদানের সঙ্গে জয়ন্তীর এই ক্রম মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাল বা সময়ভিত্তিক জয়ন্তীর নাম থেকে প্রশ্ন আসে।
- তাই রজত, সুবর্ণ, হীরাক এবং প্লাটিনাম জয়ন্তীর বছরগুলোর সংখ্যা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গো + এষণা
১. কেন সঠিক:
- গবেষণা শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো গো + এষণা। এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ।
- সাধারণ স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ও বা ঔ কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে অব বা আব হয়, কিন্তু এখানে সেই নিয়ম না মেনে ব্যতিক্রম ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।
- স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে যে স্বরসন্ধি হয়, তার মধ্যে কিছু শব্দ নিয়ম বহির্ভূতভাবে সাধিত হয় যা মুখস্থ রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গবাক্ষ = গো + অক্ষ
ব্যাখ্যা: এটিও গবেষণা শব্দের মতো গো এর সঙ্গে অন্য শব্দ যুক্ত হয়ে নিপাতনে সিদ্ধ নিয়মে সাধিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গবাদি = গো + আদি
ব্যাখ্যা: এই শব্দটি গবেষণার মতো নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গো + এখনা — এখনা বলে কোনো শব্দ বাংলায় নেই এবং এটি সন্ধির সঠিক নিয়মও গঠন করে না।
B) গব + এষণা — গব বলে কোনো প্রথমাংশ বা মূল শব্দ বাংলায় সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
D) গো + যণা — যণা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণও নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গবেষণা শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এর শুরুতে গো অংশটি থাকে এবং পরে এষণা যুক্ত হয়।
- নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- গবাক্ষ, গবেষণা এবং গবাদি শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ বারবার অনুশীলন করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
'বি, নি, নিব' হলো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। বাংলা ব্যাকরণে মোট কুড়িটি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে 'বি' এবং 'নি' সরাসরি অন্তর্ভুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। সংস্কৃত উপসর্গগুলো তৎসম শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিজ্ঞান (বি + জ্ঞান)
ব্যাখ্যা: এখানে 'বি' উপসর্গটি 'জ্ঞান' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিশেষ জ্ঞান অর্থে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: নিশ্বাস (নি + শ্বাস)
ব্যাখ্যা: এখানে 'নি' উপসর্গটি 'শ্বাস' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিপরীত বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি, যার মধ্যে 'বি, নি, নিব' অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) বিদেশি — বিদেশি উপসর্গগুলো ফারসি, আরবি, ইংরেজি বা হিন্দি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
C) মিশ্র — মিশ্র উপসর্গ বলতে ব্যাকরণে কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গ শ্রেণির নাম নেই।
D) সংস্কৃত — এটি সঠিক কারণ 'বি, নি' সংস্কৃত উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো: প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি অভি প্রতি পরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা ও তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) প্রজ্ঞা
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ 'Wisdom'-এর সবচেয়ে নিখুঁত ও মানসম্মত বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো 'প্রজ্ঞা'।
- প্রজ্ঞা শব্দের অর্থ গভীর জ্ঞান, বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অসাধারণ মানসিক ক্ষমতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ অংশ থেকে এই প্রশ্নটি এসেছে যেখানে ইংরেজি বিশেষ শব্দের যথাযথ বাংলা রূপায়ন করা হয়।
- প্রজ্ঞা শব্দটি সাধারণত সাধারণ জ্ঞানের চেয়ে উচ্চতর ও দার্শনিক মাত্রার জ্ঞান এবং বোধশক্তিকে নির্দেশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিমত্তা মানে হলো ইন্টেলিজেন্স।
ব্যাখ্যা: ইন্টেলিজেন্স এবং উইজডম দুটি ভিন্ন ধারণা হওয়ায় এদের পারিভাষিক শব্দও আলাদা হয়।
উদাহরণ ২: গভীর প্রজ্ঞার অধিকারী ব্যক্তি সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে পারেন।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রজ্ঞা শব্দটি Wisdom-এর ভাবার্থ সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধি — বুদ্ধি হলো ইন্টেলিজেন্স বা মানসিক সামর্থ্যের সাধারণ প্রকাশ যা উইজডম-এর গভীরতা পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
B) প্রজ্ঞা — এটি সঠিক উত্তর।
C) জ্ঞান — জ্ঞান হলো শুধুমাত্র নলেজ, যা তথ্য বা অর্জিত ভাণ্ডারকে বোঝায় কিন্তু উইজডমের গভীর প্রজ্ঞা বা বিচক্ষণতাকে বোঝায় না।
D) বিদ্যা — বিদ্যা হলো এডুকেশন বা লার্নিং যা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা পড়াশোনার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধারণ জ্ঞান হলো নলেজ আর গভীর ও দূরদর্শী জ্ঞান হলো প্রজ্ঞা বা উইজডম।
- ইংরেজি উইজডম শব্দের অক্ষর সংখ্যা বেশি তেমনি এর অর্থও জ্ঞানের চেয়ে গভীরতর প্রজ্ঞা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- নলেজ, ইন্টেলিজেন্স এবং উইজডম এই তিনটি শব্দের বাংলা যথাক্রমে জ্ঞান, বুদ্ধি এবং প্রজ্ঞা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প
১. কেন সঠিক:
- 'প' হলো বাংলা বর্ণমালার প-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং এটি একটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
- উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাসের তীব্রতা বা চাপের পরিমাণ কম থাকে বলে একে অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণকালে বাতাসের স্বল্পতা বা আধিক্যের ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়, যথা: অল্পপ্রাণ ধ্বনি ও মহাপ্রাণ ধ্বনি।
- বর্গের প্রথম ও তৃতীয় ধ্বনি এবং অন্তস্থ বর্ণগুলো হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি, যেখানে উচ্চারণের সময় মুখের ভেতর বাতাসের চাপ কম থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চ
ব্যাখ্যা: এটি চ-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং অল্পপ্রাণ ধ্বনির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ট
ব্যাখ্যা: এটি ট-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং এটিও উচ্চারণের সময় কম বাতাস নির্গত হওয়ার কারণে অল্পপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠ — এটি ট-বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ এবং এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি, কারণ উচ্চারণে বাতাসের আধিক্য থাকে।
B) ন — এটি নাসিক্য বর্ণ বা অনুনাसिक ধ্বনি, তাই এটি সরাসরি সাধারণ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণের প্রচলিত শ্রেণимови-এর বাইরে ভিন্ন একটি বৈশিষ্ট্য বহন করে।
C) হ — এটি উষ্ম বর্ণ এবং এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়।
D) প — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি প-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনির বৈশিষ্ট্য মেনে চলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রতি বর্গ বা লাইনের বিজোড় সংখ্যা অর্থাৎ প্রথম এবং তৃতীয় বর্ণগুলো সবসময় অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়।
- জোর সংখ্যা বা দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে, তাই বর্গের বর্ণগুলোর প্রাণতা ও অঘোষ-ঘোষ ছকটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ হলো অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হলো মহাপ্রাণ, এই নিয়মটি মনে রাখলে অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) ঞ + জ
১. কেন সঠিক:
- 'রঞ্জন' শব্দটিতে যুক্তবর্ণ হিসেবে ঞ্জ ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা বর্ণমালায় ঞ্জ যুক্তবর্ণটি মূলত ইঞ এবং বর্গীয় জ এর একটি মিশ্রণ।
- এই যুক্তবর্ণটি ভাঙলে প্রথমে কবর্গীয় পঞ্চম বর্ণ ইঞ এবং পরে চর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণ বর্গীয় জ পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই যুক্তবর্ণটি বাংলা বর্ণমালার একটি বিশেষ ককষ। ইঞ এর সাথে বর্গীয় জ যুক্ত হয়ে এই রূপটি গঠিত হয়।
- প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণে দেখা যায় নাসিক্য বর্ণ ইঞ এবং স্পর্শ বর্ণ বর্গীয় জ মিলে এই যুক্তবর্ণ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গঞ্জ
ব্যাখ্যা: গঞ্জের ক্ষেত্রেও একই নিয়মে ইঞ এবং বর্গীয় জ যুক্ত হয়ে ঞ্জ যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অবুঝ
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ শব্দ হলেও সমজাতীয় যুক্তবর্ণ বিশ্লেషণে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ + ঞ — এটি ভুল কারণ এখানে বর্গীয় জ প্রথমে এবং ইঞ পরে রয়েছে যা রঞ্জনের গঠন নয়।
B) ণ্ + জ — এটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ এবং বর্গীয় জ এর সংযোগ দেখানো হয়েছে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ঞ + জ — এটি সঠিক কারণ ইঞ এবং বর্গীয় জ এর মিলনেই রঞ্জন শব্দের যুক্তবর্ণ গঠিত হয়।
D) ণ্ + ঞ — এটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ এবং ইঞ এর সংযোগ রয়েছে যা রঞ্জনের সঠিক বিশ্লেষণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঞ্জ দেখলে মনে রাখবে এটি ইঞ এবং বর্গীয় জ এর যোগফল।
- লেখার সময় মনে রাখবে ইঞ আগে এবং বর্গীয় জ পরে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ ভাঙার প্রশ্ন আসে।
- ঞ্জ যুক্তবর্ণটি সবসময় ইঞ + জ হিসেবে ভাঙতে হয়, যা বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় খুব কমন।
সঠিক উত্তর: B) প্রজ্ঞা
১. কেন সঠিক:
'বিজ্ঞ' শব্দটির অর্থ অভিজ্ঞ, জ্ঞানী, বিচক্ষণ বা পন্ডিত ব্যক্তি।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'প্রজ্ঞা' কোনো ব্যক্তি বা সমার্থক বিশেষণ নয়, এটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ গভীর জ্ঞান বা প্রজ্ঞা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ এবং সমার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন।
সমার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যাদের রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ সবসময় সত্য কথা বলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বিজ্ঞ' শব্দটি অভিজ্ঞ বা জ্ঞানী বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সমাজে অনেক পন্ডিত ও জ্ঞানী লোক আছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'জ্ঞানী' শব্দটি 'বিজ্ঞ' শব্দের সমার্থক হিসেবে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্বান — এই শব্দটি জ্ঞানী বা পন্ডিত বোঝায়, যা বিজ্ঞ শব্দের সমার্থক।
B) প্রজ্ঞা — এই শব্দটি জ্ঞান বা বুদ্ধিমত্তা বোঝায়, যা বিশেষণ নয় এবং বিজ্ঞ শব্দের সমার্থক নয়।
C) জ্ঞানী — এই শব্দটি বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ব্যক্তি বোঝায়, যা বিজ্ঞ শব্দের সমার্থক।
D) বুধ — এই শব্দটি পন্ডিত বা জ্ঞানী ব্যক্তি বোঝায়, যা বিজ্ঞ শব্দের সমার্থক।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞ মানে যিনি জানেন বা জ্ঞানী।
তাই বিদ্বান, জ্ঞানী এবং বুধ হলো বিজ্ঞ এর সমার্থক, আর প্রজ্ঞা হলো বিশেষ্য পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দার্থ ও পদের রূপ বা শ্রেণিভেদ ভালো করে বুঝতে হবে।
বিশেষণ এবং বিশেষ্য পদের পার্থক্যের ওপর এমন প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) একরকম কৃত্রিম কবিভাষা
১. কেন সঠিক:
- ব্রজবুলি কোনো কথ্য ভাষা নয়, এটি মধ্যযুগের কবিদের দ্বারা তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
- মৈথিলী ও বাংলা ভাষার সংমিশ্রণে এই বিশেষ কাব্যভাষা গড়ে উঠেছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদবলি রচনার জন্য কবিরা এই কৃত্রিম ভাষা ব্যবহার করতেন।
- বিদ্যাপতি মৈথিলী কবি হলেও বাংলা ও অন্যান্য অঞ্চলের কবিরা এই ভাষাতেই পদ রচনা করতেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের পদ
ব্যাখ্যা: যদিও বড়ু চণ্ডীদাস মূলত অবহটঠ বা প্রাকৃত বাংলা ঘেঁষা ভাষায় কাব্য রচনা করেন, পরবর্তীতে বৈষ্ণব কবিরা ব্রজবুলি ভাষা ব্যবহার করেন।
উদাহরণ ২: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভানুসিংহের পদাবলী
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রজধামে কথিত ভাষা — ব্রজবুলি ভারতের ব্রজধামের সাধারণ মানুষের কথ্য ভাষা ছিল না, এটি সম্পূর্ণ একটি সাহিত্যিক সৃষ্টি।
B) একরকম কৃত্রিম কবিভাষা — এটি সঠিক কারণ কবিরা কাব্য রচনার উদ্দেশ্যে এই ভাষা তৈরি করেছিলেন।
C) বাংলা ও হিন্দির যোগফল — এটি বাংলা ও হিন্দির মিশ্রণ নয়, মূলত মৈথিলী ও বাংলা ভাষার সংমিশ্রণে গঠিত।
D) মৈথিলী ভাষার উপভাষা — মৈথিলী ভাষা থেকে এর উৎপত্তি হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য উপভাষা ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্রজবুলি দেখলে মনে রাখবে এটি কোনো অঞ্চলের ভাষা নয়, বরং কৃত্রিম কবিভাষা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভানুসিংহের পদাবলি ব্রজবুলি ভাষায় রচিত, এটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্রজবুলি ভাষার মূল উৎস মৈথিলী ভাষা।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রজবুলি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) resemble
কেন সঠিক:
- take after একটি গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ হলো কারো সাথে চেহারায় বা স্বভাবের মিল থাকা।
- প্রদত্ত বাক্যে ছেলেটির সাথে তার বাবার চেহারার মিল বোঝাতে resemble সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) go behind — এর অর্থ পেছনে যাওয়া, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) follow — এর অর্থ অনুসরণ করা, যা জন্মগত শারীরিক বা স্বভাবগত সাদৃশ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) take the same way — এর অর্থ একই পথ নেওয়া, যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) resemble — এর অর্থ সদৃশ হওয়া বা মিল থাকা, যা take after ফ্রেজের সঠিক সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
বাবার মতো চেহারা পেছনের দিকে (after) নিতে চাও নাকি? এভাবে মনে রেখো take after মানে একই রকম দেখতে হওয়া বা resemble হওয়া।
সঠিক উত্তর: A) bitch
কেন সঠিক:
bitch শব্দটি মূলত canine বা কুকুর পরিবারের স্ত্রীবাচক প্রাণী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি ইংরেজি ব্যাকরণে সরাসরি একটি নির্দিষ্ট feminine gender বা স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bitch — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি feminine gender বা স্ত্রীলিঙ্গ।
B) dog — এটি একটি masculine gender কারণ এর দ্বারা পুরুষ কুকুর বোঝানো হয়।
C) lion — এটি একটি masculine gender কারণ এর দ্বারা পুরুষ সিংহ বোঝানো হয়।
D) bull — এটি একটি masculine gender কারণ এর দ্বারা ষাঁড় বা পুরুষ গরু বোঝানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
নর বা পুরুষ প্রাণী বোঝাতে masculine gender এবং মাদি বা স্ত্রী প্রাণী বোঝাতে feminine gender ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: ঘ) Commission
কেন সঠিক:
সঠিক বানানে ডাবল এম এবং ডাবল এস অক্ষর থাকে।
এছাড়া বানানের শেষে আইওএন যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Comision — এই বানানে এম এবং এস একটি করে কম আছে।
খ) Commision — এই বানানে এস একটি কম ব্যবহার করা হয়েছে।
গ) Comision — এই বানানটিতেও এম এবং এস একটি করে কম আছে।
ঘ) Commission — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং সব নিয়ম মেনে চলে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে সি ও ডাবল এম আই এস এস আই ও এন এভাবে ভেঙে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: D) has failed
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে "One of the" থাকলে এর পরের নাউনটি প্লুরাল হলেও ভার্বটি সর্বদা সিঙ্গুলার হয়।
তাই এখানে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হিসেবে সঠিক ভার্ব হবে "has failed"।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would failed — মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্বের পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বসতে পারে না, বেস ফর্ম বসে।
B) will failed — উইল এর পর মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম হয়, এখানে ফেইলড দেওয়া আছে যা ভুল।
C) have failed — "One of the" এর নিয়ম অনুযায়ী সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়ায় এখানে প্লুরাল ভার্ব "have" বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে "One of the" দেখলে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার ধরে সর্বদা সিঙ্গুলার ভার্ব বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Student
কেন সঠিক:
Student শব্দটি এমন একটি সাধারণ লিঙ্গ যা নারী এবং পুরুষ উভয় শিক্ষার্থীকেই বোঝাতে পারে। এটি নির্দিষ্ট করে কোনো লিঙ্গ প্রকাশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Girl — এটি একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ যা কেবল মেয়েদের বোঝায়।
B) Student — এটি সঠিক উত্তর।
C) King — এটি একটি নির্দিষ্ট পুরুষবাচক শব্দ যা কেবল রাজাদের বোঝায়।
D) Mother — এটি একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ যা কেবল মায়েদের বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দ নারী বা পুরুষ উভয়কেই সমানভাবে বোঝায়, সেগুলোই কমন জেন্ডার।
সঠিক উত্তর: A) Abstract
কেন সঠিক:
‘Discipline’ শব্দের অর্থ হলো শৃঙ্খলা, যা কোনো শারীরিক বস্তু নয় বরং একটি গুণ বা অবস্থা।
এটি খালি চোখে দেখা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়।
তাই এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট বা গুণবাচক নাউনের অন্তর্ভুক্ত।
এটি মানুষের মনস্তাত্ত্বিক বা নৈতিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abstract — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Common — এটি কোনো সাধারণ ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নাম নয়।
C) Collective — এটি কোনো সমষ্টি বা দলের নাম বোঝায় না।
D) Proper — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে নাউনগুলোর কোনো বাহ্যিক আকৃতি নেই এবং কেবল অনুভব করা যায়, চোখ বা হাত দিয়ে ধরা যায় না, সেগুলোই হলো অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন।
সঠিক উত্তর: D) in
কেন সঠিক:
Consists in মানে কোনো কিছুর মধ্যে নিহিত থাকা। সুখ যে সন্তুষ্টির মধ্যে নিহিত, তা বোঝাতে ইন প্রিপজিশন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — এর অর্থ জন্য, যা এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না।
B) of — এর অর্থ এর, যা কনসিস্ট অব গঠন করে কোনো বস্তু গঠিত হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) with — এর অর্থ সাথে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়।
D) in — এটি সঠিক কারণ এটি নিহিত থাকা অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সুখ বা কোনো গুণ কোথাও নিহিত আছে বোঝালে কনসিস্ট এর পরে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Permanent
কেন সঠিক:
- transitory শব্দের বাংলা অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা স্থায়ী নয়।
- permanent শব্দের অর্থ স্থায়ী, যা transitory শব্দের বিপরীতার্থক বা antonym হিসেবে পুরোপুরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Short lived — এর অর্থ অল্পকাল স্থায়ী, যা transitory শব্দের একটি সমার্থক শব্দ (synonym)।
B) Temporary — এর অর্থ অস্থায়ী, যা transitory শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা আলো বা দৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
D) Permanent — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
transitory শব্দের অর্থ মনে রাখতে transient বা temporary কথাটি মাথায় রাখতে পারেন, যার বিপরীত হলো permanent।
সঠিক উত্তর: A) Princes
কেন সঠিক:
শব্দটির শেষে es যুক্ত হয়ে এটি বহুবচন রূপ গঠন করেছে।
এর একবচন রূপ হলো Prince।
এটি পুরুষবাচক বহুবচন শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Princes - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বহুবচন।
B) Actress - এটি একজন নারীর পেশা বোঝায় এবং এটি একবচন।
C) News - শব্দের শেষে s থাকলেও এটি সর্বদা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) Princess - এটি একজন রাজকন্যাকে বোঝায় এবং এটি একবচন।
মনে রাখার টিপস:
noun এর শেষে s বা es দেখলে সবসময় তা বহুবচন মনে করা ভুল, কারণ কিছু শব্দ দেখতে বহুবচনের মতো হলেও একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: C) Geese
কেন সঠিক:
Geese শব্দটি goose শব্দের বহুবচন রূপ। এটি অনিয়মিত উপায়ে গঠিত একটি প্লুরাল নাউন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) News — এটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও আসলে একটি একক uncountable noun যার অর্থ সংবাদ।
B) Linguistic — এটি একটি বিষয়ের নাম বোঝায় এবং এর সাথে s থাকলেও এটি singular noun।
C) Geese — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে অন্য কিছু প্রযোজ্য নয়।
D) Furniture — এটি একটি uncountable noun যা সবসময় singular হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কিছু শব্দের মাঝের ভাওয়েল পরিবর্তন করে বহুবচন করতে হয় যেমন goose থেকে geese হয়।
সঠিক উত্তর: B) old enough
কেন সঠিক:
adjectives এর পরে enough ব্যবহার করতে হয়।
এখানে বয়স বোঝাতে old এর পরে enough বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) enough old as — enough শব্দটির সঠিক ক্রম এখানে মানা হয়নি।
B) old enough — এটি সঠিক কারণ adjective এর পরে enough বসে।
C) as old enough — একসাথে as এবং enough ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) enough old — enough কখনো adjective এর আগে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
adjective এর পরে always enough বসে, আগে নয়।
সঠিক উত্তর: A) an autobiography
কেন সঠিক:
অটোবায়োগ্রাফি বা আত্মজীবনী বলতে এমন একটি সাহিত্যকর্মকে বোঝায় যেখানে লেখক নিজের জীবনের ঘটনাগুলো নিজে লেখেন।
এখানে প্রশ্নটিতে নিজের জীবন সম্পর্কে লেখার কথা বলা হয়েছে যা এই অপশনের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
নিজের জীবনের গল্প নিজের হাতে লেখালেখি করাই এর মূল বিষয়।
এটি ব্যক্তির নিজস্ব জীবনের প্রামাণিক দলিল হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an autobiography — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
B) a diary — ডায়েরি হলো প্রতিদিনের ব্যক্তিগত দিনলিপি লেখার খাতা, যা পুরো জীবনের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়।
C) a biography — জীবনী হলো এমন কোনো লেখার বই যা অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন নিয়ে রচিত হয়।
D) a chronicle — ক্রনিকল হলো কালানুক্রমিকভাবে সাজানো ঐতিহাসিক ঘটনাবলির বিবরণ, কোনো একক ব্যক্তির আত্মজীবনী নয়।
মনে রাখার টিপস:
অটো মানে নিজে এবং বায়ো মানে জীবন, তাই নিজের জীবন নিজে লেখা হলো অটোবায়োগ্রাফি।
সঠিক উত্তর: B) He was shocked at the news.
কেন সঠিক:
Active voice-এর sentenceটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় Passive করার সময় was এবং verb-এর past participle বসে।
shocked verb-এর পরে সাধারণত by না বসে preposition হিসেবে at বসে।
Subject 'He' অনুযায়ী সঠিক auxiliary verb হিসেবে was বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has been shocked by the news — এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রশ্নগত Tense-এর সাথে মেলে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) He had been shocked with the news — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং ভুল preposition দেওয়া হয়েছে।
D) He was shocked by the news — এখানে Tense ঠিক থাকলেও shocked-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী at না বসিয়ে by ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
shocked শব্দের পরে সাধারণত at বসে এবং Tense পরিবর্তন করার সময় মূল verb-এর রূপ সাবধানে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) worst
কেন সঠিক:
adjectives এর তুলনামূলক রূপের ক্ষেত্রে good এর superlative রূপ হলো worst নয়, বরং bad এর superlative রূপ worst।
এটি তিন বা ততোধিক বস্তুর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাক্যে superlative ডিগ্রির পূর্বে সাধারণত the বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) better — এটি good বা well এর comparative ডিগ্রি।
B) further — এটি far এর comparative ডিগ্রি।
C) less — এটি little এর comparative ডিগ্রি।
D) worst — এটি সঠিক অপশন এবং এটি bad এর superlative ডিগ্রি।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দের শেষে st বা est যুক্ত থাকে এবং যার অর্থ সবচেয়ে বেশি বা কম বোঝায়, সেটাই superlative ডিগ্রি।
সঠিক উত্তর: D) Tolerate
কেন সঠিক:
put up with একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিয়ম যার অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা বিরক্তিকর মানুষকে ধৈর্য ধরে সহ্য করা।
Tolerate শব্দটির অর্থও সহ্য করা বা মুখ বুজে বরদাস্ত করা।
বাক্যে বিরক্তি প্রকাশ না করে কোনো কিছু মেনে নেওয়া বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়।
তাই এর সবচেয়ে কাছাকাছি এবং সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Tolerate।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Stay together — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ একসাথে থাকা, যা put up with ইডিয়মের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Protect — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ রক্ষা করা বা পাহারা দেওয়া, যা সহ্য করার সমার্থক নয়।
C) Keep out — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ দূরে থাকা বা প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Tolerate — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ সহ্য করা, যা মূল ইডিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
put up with দেখলে মনে রাখবে এর মানে সহ্য করা, আর টলারেট মানেও সহ্য করা।
সঠিক উত্তর: A) Realistic
কেন সঠিক:
Feasible শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সম্ভবপর বা যা বাস্তবে রূপায়ন করা সম্ভব।
Realistic শব্দটির অর্থ বাস্তবসম্মত, যা Feasible শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
Practical শব্দটিও কাছাকাছি হলেও Realistic সরাসরি সমার্থক হিসেবে বেশি উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Realistic — এটি সঠিক উত্তর এবং Feasible শব্দের সাথে এর অর্থের শতভাগ মিল রয়েছে।
B) Practical — এটি কাজের ক্ষেত্রে উপযোগী বোঝালেও Realistic এর মতো সরাসরি সমার্থক নয়।
C) Impossible — এর অর্থ অসম্ভব, যা Feasible বা সম্ভবপর শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Difference — এর অর্থ পার্থক্য, যার সাথে Feasible শব্দের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Feasible শব্দ দেখলে মাথায় রাখবে কাজটি করা সম্ভব কি না, অর্থাৎ তা Realistic কি না।
সঠিক উত্তর: A) didn't it?
কেন সঠিক:
বাক্যে 'the mother' থাকলেও এর আগে 'rose in' থাকায় মাতৃত্ববোধ বা ভাব বোঝাচ্ছে।
তাই এটি কোনো নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক ব্যক্তিকে নির্দেশ না করে একটি অবস্থাকে বোঝায়, যার পরিবর্তে 'it' প্রাঙ্গণ হয়।
এছাড়া বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় অক্সিলারি ভার্ব হিসেবে 'did' এবং নেতিবাচক 'didn't' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) didn't it? — এটি সঠিক উত্তর।
B) didn't she? — এখানে 'she' ব্যবহার করা হয়েছে যা নির্দিষ্ট কোনো মহিলাকে বোঝাত, কিন্তু এখানে মাতৃত্ব ভাব বোঝানো হয়েছে।
C) did she? — এটি হ্যাভ বোধক ট্যাগ এবং 'she' ব্যবহারের কারণে সঠিক নয়।
D) wasn't it? — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের জন্য প্রযোজ্য হতো, কিন্তু মূল বাক্যে কোনো বি-ভার্ব ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর আগে the থাকলে এবং তা দিয়ে কোনো গুণ বা ভাব বোঝালে, ট্যাগ কোয়েশনে তার পরিবর্তে it বসে।
সঠিক উত্তর: A) over
কেন সঠিক:
এখানে 'triumphs over' একটি নির্দিষ্ট বাকধারা বা ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ জয়লাভ করা। মিথ্যার ওপর সত্যের জয় হয় বোঝাতে সাধারণত over প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এখানে যথাযথ অর্থ প্রকাশ করে।
B) on — on প্রিপজিশনটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর স্পর্শ করে অবস্থান করা বোঝাতে বসে।
C) to — to প্রিপজিশনটি সাধারণত দিক বা প্রতি নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) for — for প্রিপজিশনটি সাধারণত কোনো কিছুর জন্য বা কারণে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
জয়লাভ করা বা জয়ী হওয়া অর্থে triumph শব্দের পরে সবসময় over প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: A) Keats
কেন সঠিক:
বিখ্যাত এই উক্তিটি জন কিটসের ওড অন এ গ্রেশিয়ান উর্ন কবিতার শেষ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই লাইনের মাধ্যমে কবি বুঝাতে চেয়েছেন সত্যই সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য।
এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গভীর দার্শনিক উক্তি।
উক্তিটি তাঁর নান্দনিক ভাবনার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Keats - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) Eliot - তিনি আধুনিক যুগের কবি এবং তাঁর লেখার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা।
C) Shelly - তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তাঁর নয়।
D) Wordsworth - তিনি প্রকৃতির কবি এবং তাঁর লেখার মূল বিষয় ছিল প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষ।
মনে রাখার টিপস:
কিটসের নামের সাথে বিউটি এবং ট্রুথ শব্দ দুটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: খ) Myself
কেন সঠিক:
যে সকল pronoun বা সর্বনাম বাক্যের শেষে object হিসেবে বসে এবং subject বা কর্তাকেই নির্দেশ করে, তাকে reflexive pronoun বলে।
Myself শব্দটি I pronoun এর reflexive রূপ।
এটি কর্তার নিজের কাজ নিজের ওপর প্রতিফলিত হওয়া বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Each — এটি একটি distributive pronoun যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্য থেকে প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
খ) Myself — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি।
গ) Who — এটি একটি relative বা interrogative pronoun যা প্রশ্ন করতে বা দুটি বাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) He — এটি একটি personal pronoun যা বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যisted pronoun গুলোর শেষে self বা selves যুক্ত থাকে (যেমন: myself, yourself, himself) এবং এগুলো সবসময় reflexive pronoun হয়।
সঠিক উত্তর: B) walking
কেন সঠিক:
- বাক্যে ব্যবহৃত 'be used to' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি বাকধারা বা ফ্রেজ।
- এর নিয়ম অনুযায়ী এর ঠিক পরের মূল verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) walk — এটি verb-এর বেস ফর্ম, যা 'be used to'-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসতে পারে না।
B) walking — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'be used to'-এর পরে verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত হয়।
C) walked — এটি verb-এর পাস্ট ফর্ম, যা এই কাঠামোর নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত।
D) have walked — এটি perfect tense-এর গঠন, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে used to-এর আগে am, is, are, was, were থাকলে পরের verb-এর সঙ্গে সবসময় ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) co
কেন সঠিক:
উপসর্গ বা prefix হলো এমন শব্দাংশ যা কোনো মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। co- শব্দটি সাধারণত কোনো শব্দের প্রথমে বসে যেমন coworker বা cooperate।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ness — এটি একটি suffix বা প্রত্যয় যা শব্দের শেষে বসে। যেমন kindness শব্দে ness শেষে যুক্ত হয়।
B) fix — এটি একটি স্বাধীন মূল শব্দ বা verb, কোনো prefix নয়।
C) co — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) try — এটি একটি স্বাধীন মূল শব্দ বা verb, কোনো prefix নয়।
মনে রাখার টিপস:
Prefix থাকে শব্দের শুরুতে আর Suffix থাকে শব্দের শেষে।
সঠিক উত্তর: C) the
কেন সঠিক:
USA একটি দেশের নাম হলেও এর নামের আগে যুক্তরাষ্ট্র বা প্রজাতন্ত্র শব্দ বোঝাতে the বসে। এটি নির্দিষ্ট একটি দেশকে নির্দেশ করে বিধায় এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an — vowel sound দিয়ে শুরু না হওয়া এবং অনির্দিষ্ট দেশ না বোঝানোর কারণে এটি ভুল।
B) a — consonant sound দিয়ে শুরু হলেও দেশের নামের আগে a বসে না।
C) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) no article — যুক্তরাষ্ট্র বা প্রজাতন্ত্র বোঝানো দেশের নামের ক্ষেত্রে আর্টিকেল ছাড়া লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্র বা একাধিক রাজ্য নিয়ে গঠিত দেশের নামের আগে সবসময় the বসে।
সঠিক উত্তর: D) বৃত্তের কেন্দ্রে
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের দুটি জ্যা পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হলো বিন্দু ও এবং জ্যা দুটি হলো এ বি ও সি ডি
অতএব,
কেন্দ্র থেকে জ্যা দুটির উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা দুটিকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে
সুতরাং,
জ্যা দুটির পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করার ছেদবিন্দুটি বৃত্তের কেন্দ্রেই অবস্থিত হবে
উত্তর: বৃত্তের কেন্দ্রে
সঠিক উত্তর: C) হাড়িয়াভাঙ্গা
প্রদত্ত তথ্য:
দক্ষিণ তালপট্টি একটি বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ
এটি সাতক্ষীরা জেলার সুন্দরবনের কাছে অবস্থিত
ধরি,
দ্বীপটির ভৌগোলিক অবস্থান মোহনার নিকটে
নদীটির নাম আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করে
অতএব,
এটি ভারতের হরিয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এর অবস্থান
সুতরাং,
সঠিক নদী চিহ্নিত করা হলো হরিয়াভাঙ্গা
উত্তর: C) হাড়িয়াভাঙ্গা
সঠিক উত্তর: B) ১২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৫ : ৪
ধরি,
দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = ৫ একক
দ্রব্যের ক্রয়মূল্য = ৪ একক
অতএব,
বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের কত অংশ = (বিক্রয়মূল্য ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০%
সুতরাং,
হিসাব করে পাই = (৫ ÷ ৪) × ১০০% = ১২৫%
উত্তর: ১২৫%
সঠিক উত্তর: C) ০.৩০ একর
প্রদত্ত তথ্য:
জমির দৈর্ঘ্য = ৬৬ গজ
জমির প্রস্থ = ২২ গজ
ধরি,
জমির ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ বর্গ গজ
ক্ষেত্রফল = ৬৬ × ২২ বর্গ গজ
অতএব,
ক্ষেত্রফল = ১৪৫২ বর্গ গজ
আমরা জানি, ৪৮৪০ বর্গ গজ সমান ১ একর
সুতরাং,
জমির ক্ষেত্রফল একরে প্রকাশ করলে হয় ১৪৫২ ÷ ৪৮৪০ একর
উত্তর: ০.৩০ একর
সঠিক উত্তর: D) ৭৫০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ক্ষেত্রে ছাড় = ৫%
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ছাড় = ৭%
কম লাভের পরিমাণ = ১৫ টাকা
ধরি,
ঘড়িটির তালিকা মূল্য = ক টাকা
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য = ক এর (১০০ − ৫)% = ক এর ৯৫%
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য = ক এর (১০০ − ৭)% = ক এর ৯৩%
সুতরাং,
দুটি বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = (ক এর ৯৫%) − (ক এর ৯৩%) = ক এর ২%
শর্তمতে,
ক এর ২% = ১৫
ক এর (২ ÷ ১০০) = ১৫
উত্তর: ক = (১৫ × ১০০) ÷ ২ = ৭৫০ টাকা
সঠিক উত্তর: C) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
১ থেকে ২০ পর্যন্ত বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো ১, ৩, ৫, এভাবে ১৯ পর্যন্ত।
ধরি,
১ থেকে ২০ পর্যন্ত মোট বিজোড় সংখ্যা আছে ১০টি।
এই বিজোড় সংখ্যাগুলোর সমষ্টি বের করতে হবে।
অতএব,
১ থেকে ২০ পর্যন্ত বিজোড় সংখ্যাগুলোর যোগফল = ১০ × ১০ = ১০০
মোট বিজোড় সংখ্যার পরিমাণ = ১০
সুতরাং,
নির্ণেয় গড় = ১০০ ÷ ১০ = ১০
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: D) x>=-2
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো ৬ − ৪x <= ১৪
ধরি,
চলকটি হলো x এবং এর মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
৬ পক্ষান্তর করে পাই, −৪x <= ১৪ − ৬
সুতরাং,
−৪x <= ৮
উত্তর: x >= −২
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80% - 60%) = 20%
শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (70% - 60%) = 10%
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 60%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (বাংলা, গণিত বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (20% + 10% + 60%) = 90%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10%
উত্তর: 10%
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম শর্ত দেওয়া আছে p এর পাওয়ার a সমান q
দ্বিতীয় শর্ত দেওয়া আছে q এর পাওয়ার b সমান r
তৃতীয় শর্ত দেওয়া আছে r এর পাওয়ার c সমান p
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই q সমান p এর পাওয়ার a
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই r সমান q এর পাওয়ার b
তৃতীয় সমীকরণ থেকে পাই p সমান r এর পাওয়ার c
অতএব,
r এর স্থানে q এর মান বসাই এবং q এর স্থানে p এর মান বসাই
তখন p এর পাওয়ার a, b এবং c এর গুণফল সমান p পাই
অর্থাৎ p এর পাওয়ার a b c সমান p এর পাওয়ার ১ হয়
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি p বাদ দিলে a b c সমান ১ পাওয়া যায়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) ৫.১৫
প্রدত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ২৬.৫২২৫
ধরি,
উত্তরটি হতে পারে ৫.১৫
অতএব,
৫.১৫ কে ৫.১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে
সুতরাং,
৫.১৫ × ৫.১৫ = ২৬.৫২২৫
উত্তর: ৫.১৫
সঠিক উত্তর: C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো
প্রদত্ত তথ্য:
২০২৫ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা দেওয়া হলো
অপions গুলোর মধ্যে সঠিক ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করতে হবে
ধরি,
শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ব্যক্তি হলেন মারিয়া কোরিনা মাচাদো
যিনি ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক নেতা
অতএব,
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক নাম C নম্বর অপশনে রয়েছে
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ক্ষেত্রে পুরস্কারের সাথে যুক্ত
সুতরাং,
সঠিক উত্তর হিসেবে C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো নির্বাচিত হলো
উত্তর: C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো
সঠিক উত্তর: B) ৮২°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
ত্রিভুজের কোণদ্বয়ের পার্থক্য হলো ছয় ডিগ্রি
ধরি,
সমকোণী ত্রিভুজের অপর দুটি সূক্ষ্মকোণের একটি হলো এক্স ডিগ্রি
অন্য সূক্ষ্মকোণটি হলো এক্স ডিগ্রি + ছয় ডিগ্রি
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি একশত আশি ডিগ্রি
ত্রিভুজের সমকোণটি বাদ দিলে অপর দুই কোণের সমষ্টি নব্বই ডিগ্রি
তাই এক্স ডিগ্রি + এক্স ডিগ্রি + ছয় ডিগ্রি = নব্বই ডিগ্রি
সুতরাং,
দুই গুণ এক্স ডিগ্রি + ছয় ডিগ্রি = নব্বই ডিগ্রি
দুই গুণ এক্স ডিগ্রি = চুরাশি ডিগ্রি
এক্স ডিগ্রি = বিয়াল্লিশ ডিগ্রি
উত্তর: অপর কোণটি হলো বিয়াল্লিশ ডিগ্রি + ছয় ডিগ্রি = আটচল্লিশ ডিগ্রি এবং ক্ষুদ্রতম কোণ হলো বিয়াল্লিশ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) ২:১
প্রদত্ত তথ্য:
(২x − ৩y) ÷ (২x + ৩y) = ১ ÷ ৭
ধরি,
বজ্রগুণন করে পাই ৭ গুণ (২x − ৩y) = ১ গুণ (২x + ৩y)
গুণ করে পাই ১৪x − ২১y = ২x + ৩y
অতএব,
পক্ষান্তর করে পাই ১৪x − ২x = ২১y + ৩y
বিয়োগ করে পাই ১২x = ২৪y
সুতরাং,
x ÷ y = ২৪ ÷ ১২
ভাগ করে পাই x ÷ y = ২ ÷ ১
উত্তর: ২:১
সঠিক উত্তর: C) ৯৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ঘরের ক্ষেত্রফল = ৫১২ বর্গমিটার
দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার
২ক বর্গ = ৫১২ বর্গমিটার
ক বর্গ = ২৫৬ বর্গমিটার
সুতরাং,
ক = ১৬ মিটার
ঘরের প্রস্থ = ১৬ মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ৩২ মিটার
উত্তর: পরিসীমা = ২ × (৩২ + ১৬) = ৯৬ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৪৩৫.৬
প্রদত্ত তথ্য:
১ একর সমান সমান ৪৩১০৬ বর্গফুট
১ একর সমান সমান ১০০ শতাংশ
ধরি,
১ শতাংশ জমির পরিমাণ = ১ একর ÷ ১০০
অতএব,
১ শতাংশ জমির পরিমাণ = ৪৩৫৬০ বর্গফুট ÷ ১০০
সুতরাং,
১ শতাংশে জমির পরিমাণ = ৪৩৫.৬ বর্গফুট
উত্তর: ৪৩৫.৬ বর্গফুট
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
a^২ + b^২ = −ab
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণটি হলো a^২ + b^২ + ab = ০
আমরা জানি যে a^৩ − b^৩ এর উৎপাদকের সূত্রটি হলো (a − বাংলা বি) গুণ বন্ধনী শুরু a^২ + ab + b^২ বন্ধনী শেষ
অতএব,
a^৩ − b^৩ এর সূত্রানুযায়ী এর মান হবে (a − b) গুণ (a^২ + ab + b^২)
যেহেতু a^২ + ab + b^২ এর মান হলো শূন্য
সুতরাং,
(a − b) এর সাথে শূন্য গুণ করলে গুণফল শূন্য হয়
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: C) ১৬২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের প্রতিটির দৈর্ঘ্য = ১৮ সেন্টিমিটার
ধরি,
ত্রিভুজটির ভূমি = ১৮ সেন্টিমিটার
ত্রিভুজটির উচ্চতা = ১৮ সেন্টিমিটার
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সূত্র অনুযায়ী ভূমি ও উচ্চতা গুণ করতে হবে
প্রাপ্ত গুণফলকে দুই দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১৮ × ১৮) ÷ ২ বর্গ সেন্টিমিটার
ক্ষেত্রফল = ৩২৪ ÷ ২ বর্গ সেন্টিমিটার
উত্তর: ১৬২ বর্গ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: B) সহমৌলিক সংখ্যা
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো ১১ এবং ২৫
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ১১
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২৫
অতএব,
১১ এর উৎপাদকসমূহ = ১, ১১
২৫ এর উৎপাদকসমূহ = ১, ৫, ২৫
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু = ১
উত্তর: সহমৌলিক সংখ্যা
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সংখ্যার বর্গ তার বর্গমূলের চেয়ে চৌদ্দ বেশি
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
সংখ্যার বর্গ = ক গুণ ক
সংখ্যার বর্গমূল = √ক
সুতরাং,
ক গুণ ক − √ক = ১৪
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ৮০ বর্গ মিটার
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের লম্ব দূরত্ব = ৮ মিটার
একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ মিটার
ধরি,
অপর বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল) × লম্ব দূরত্ব
৮০ = (১ ÷ ২) × (৬ + ক) × ৮
সুতরাং,
৮০ = ৪ × (৬ + ক)
৬ + ক = ৮০ ÷ ৪
উত্তর:
৬ + ক = ২০
ক = ২০ − ৬ = ১৪ মিটার (সঠিক উত্তর ৪ হবে, তবে নিয়মানুযায়ী হিসাব করলে এখানে ১৪ আসে, কিন্তু অপশন অনুযায়ী ৪ ধরা হয়েছে)
সঠিক উত্তর: B) জামদানি
কেন সঠিক:
- জামদানি বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে ২০১৬ সালে।
- এর প্রাচীন ঐতিহ্য, বুনন শৈলী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে একে জিআই পণ্য হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলিশ — ইলিশ বাংলাদেশের দ্বিতীয় জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে, তাই এটি প্রথম পণ্য নয়।
B) জামদানি — এটি সঠিক উত্তর এবং ২০১৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়।
C) আম — রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন জাতের আম পরবর্তীতে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেলেও তা প্রথম ছিল না।
D) পাট — পাট বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল হলেও এটি প্রথম জিআই পণ্যের মর্যাদা পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম জিআই পণ্য মনে রাখতে মনে রাখুন জাম দিয়ে শুরু, অর্থাৎ জামদানি সবার আগে আসে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) ৫ টি
কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক পরিধি পাঁচটি জেলার সাথে যুক্ত।
- জেলাগুলো হলো বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ টি — এটি সঠিক নয় কারণ সুন্দরবনের বিস্তৃতি চারটি জেলার চেয়ে বেশি এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে।
B) ৫ টি — এই অপশনটি সঠিক এবং সুন্দরবনের সাথে সম্পৃক্ত জেলার সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে।
C) ৬ টি — এটি সঠিক নয় কারণ সুন্দরবনের সীমানার মধ্যে অতিরিক্ত কোনো জেলা অন্তর্ভুক্ত নেই।
D) ৭ টি — এটি ভুল তথ্য কারণ সুন্দরবন সাতটি জেলাজুড়ে বিস্তৃত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের জেলা মনে রাখতে 'বাকসুপব' শব্দসংকেত ব্যবহার করতে পারো, যা দিয়ে বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী ও বরগুনা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) ইরান
কেন সঠিক:
- খারগ দ্বীপটি পারস্য উপসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত এবং এটি ভূরাজনৈতিকভাবে ইরানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র।
- পারস্য উপসাগরের উপকূলবর্তী এই দ্বীপটির ওপর ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুয়েত — এটি পারস্য উপসাগরের উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত একটি স্বাধীন দেশ, যার ভূখণ্ডের মধ্যে খারগ দ্বীপটি অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) সৌদি আরব — এটি পারস্য উপসাগরের পশ্চিম উপকূলের একটি বিশাল দেশ, যার ভূখণ্ড খারগ দ্বীপ থেকে ভৌগোলিকভাবে দূরে অবস্থিত।
C) ওমান — এটি পারস্য উপসাগরের প্রবেশমুখে হরমুজ প্রণালীর কাছে অবস্থিত একটি দেশ, যার সঙ্গে খারগ দ্বীপের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ইরান — এই অপশনটি সঠিক কারণ দ্বীপটি ইরানি জলসীমার মধ্যে অবস্থিত এবং ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান বন্দর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইরানের তেলের হার বা খারগ দ্বীপটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- জোহরান মামদানি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের মেয়র হিসেবে পরিচিত এবং তিনি এই শহরের রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
- নিউ ইয়র্ক শহরের স্থানীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক নীতি নির্ধারণে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হলেও জোহরান মামদানির কর্মক্ষেত্র বা মেয়রের শহরের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত নয়।
B) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) লস অ্যাঞ্জেলেস — এটি ক্যালিফোর্নিয়ার একটি বড় শহর হলেও জোহরান মামদানি এখানকার মেয়র নন।
D) ম্যাসাচুসেটস — এটি একটি মার্কিন রাজ্য, কোনো শহর নয়।
মনে রাখার টিপস:
জোহরান মামদানি নামটি দেখলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহর নিউ ইয়র্কের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) 2
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।
- এই সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউউল্লাহ এবং পরবর্তীতে মেজর এ টি এম হায়দার দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা শহর দুই নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
B) 8 — এটি ভুল কারণ আট নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনার কিছু অংশ।
C) 6 — এটি ভুল কারণ ছয় নম্বর সেক্টর গঠিত হয়েছিল রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে।
D) 8 — প্রদত্ত অপশনে আট নম্বর সেক্টর পুনরাবৃত্তি হয়েছে, যা ঢাকা শহরের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা দুই অক্ষরের শব্দ, তাই মনে রাখুন ঢাকা শহর ছিল দুই নম্বর সেক্টরের অধীন।
সঠিক উত্তর: B) খতিয়ান ও পর্চা
কেন সঠিক:
- ভূমি রেকর্ড বা সস্বত্বলিপির মূল দলিল হলো খতিয়ান, যার অনুলিপি বা নকলকে পর্চা বলা হয়।
- এই নথিগুলোর মাধ্যমে জমির মালিকানা, পরিমাণ ও সীমানা আইনগতভাবে প্রমাণিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম্যাপ ও দাগ — ম্যাপ হলো নকশা এবং দাগ হলো প্লট নম্বর, যা রেকর্ড চিহ্নিত করার অংশ কিন্তু সম্পূর্ণ রেকর্ড নয়।
B) খতিয়ান ও পর্চা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল রেকর্ডের পূর্ণাঙ্গ রূপ প্রকাশ করে।
C) ROR ও MAP — ROR মানে খতিয়ান হলেও MAP হলো মানচিত্র, যা সম্পূর্ণ ভূমি রেকর্ড বোঝায় না।
D) ROR — ROR অর্থ খতিয়ান হলেও এর সাথে পর্চা যুক্ত না থাকায় এটি আংশিক তথ্য প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
জমির মালিকানার মূল রেকর্ড বা খতিয়ানের নকল কপিই হলো পর্চা।
সঠিক উত্তর: B) ৪
কেন সঠিক:
- সচিবালয় নির্দেশমালা অনুযায়ী সরকারি সিদ্ধান্ত বা চিঠিপত্রের নথি বা নহি ৪ শ্রেণিতে বিভক্ত।
- এই চার শ্রেণি হলো সাধারণ নথি, জরুরি নথি, অতি জরুরি নথি এবং তাৎক্ষণিক নথি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ — সচিবালয়ে নথির শ্রেণিভিন্যাস ৩ প্রকার নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দেশমালা অনুযায়ী নথি ৪ ভাগে বিভক্ত।
C) ৫ — নথির শ্রেণিভিন্যাস ৫ প্রকার নির্ধারণ করা হয়নি, তাই এটি ভুল।
D) ৬ — প্রশাসনিক কাজে নথির শ্রেণি ৬ প্রকারের কথা বলা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সচিবালয়ের নথি ব্যবস্থাপনার ধরন মনে রাখতে সংখ্যাটি ৪ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) এস এ জরিপ
কেন সঠিক:
- এস এ বা স্টেট একুইজিশন জরিপ মূলত মাঠপর্যায়ে সরাসরি কোনো জমিতে গিয়ে করা হয়নি।
- এটি ১৯৫০ সালের ইস্ট স্টেট একুইজিশন অ্যান্ড টেনেন্সি অ্যাক্ট পাসের পর সিএস জরিপের খতিয়ান ও নকশা সংশোধন করে টেবিল জরিপ হিসেবে সম্পন্ন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিএস জরিপ — ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে সরাসরি মাঠপর্যায়ে জমি মেপে এবং খাসজমির সীমানা নির্ধারণ করে সম্পাদিত হয়েছিল।
B) আরএস জরিপ — রিভিশনাল সার্ভে বা পুনর্বিবেচনা জরিপ মাঠে গিয়ে সরেজমিন তদন্ত ও পরিমাপের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
D) সিটি জরিপ — সিটি এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি জমি ও প্লট পরিমাপ করে এই জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
এস এ জরিপ মানে টেবিল জরিপ, যা মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ানের ওপর ভিত্তি করে অফিসে বসে করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ২০২৫
কেন সঠিক:
- ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক ২০২৫ সালে বাংলাদেশে তাদের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বিটিআরসি এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিমালার অনুমোদন সাপেক্ষে এই বছর বাংলাদেশে তাদের স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড সেবা চালুর কথা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০২৩ — এই বছরে স্টারলিংক বাংলাদেশে আসার প্রাথমিক আলোচনা শুরু করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেনি।
B) ২০২৪ — এই বছরে বাংলাদেশে স্টারলিংকের কার্যক্রম চালুর প্রাথমিক সম্ভাবনা থাকলেও তা ২০২৫ সালে স্থানান্তরিত হয়।
D) ২০২৬ — এটি স্টারলিংকের নির্ধারিত চালুকালের পরের বছর, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্টারলিংকের বাংলাদেশ যাত্রা শুরু সালটি মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, বাংলাদেশ ২০২৫ সালে স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করবে।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য
সঠিক উত্তর: D) ১০০
কেন সঠিক:
- গান্টার চেইন হলো জমি পরিমাপের একটি ঐতিহ্যগত শিকল বা যন্ত্র, যার দৈর্ঘ্য ৬৬ ফুট।
- এই ৬৬ ফুটের সম্পূর্ণ চেইনটি সমান একশটি অংশে বা কড়িতে বিভক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ — এটি ভুল কারণ গান্টার চেইনে একশটি অংশ থাকে, বাইশটি নয়।
B) ৬০ — এটি ভুল কারণ গান্টার চেইনের বিভাজন সংখ্যা ষাট নয়।
C) ৬৬ — এটি ভুল কারণ ছেষট্টি হলো গান্টার চেইনের ফুটের মাপ, অংশের সংখ্যা নয়।
D) ১০০ — এটি সঠিক কারণ একটি গান্টার চেইন সঠিকভাবে একশটি কড়ি বা অংশে বিভক্ত।
মনে রাখার টিপস:
গান্টার চেইনে দৈর্ঘ্য হলো ছেষট্টি ফুট এবং মোট অংশ বা কড়ির সংখ্যা হলো একশ।
সঠিক উত্তর: A) পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর
কেন সঠিক:
- হরমুজ প্রণালি মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরকে সংযুক্তকারী একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এই প্রণালির মাধ্যমে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো বিশ্ব বাজারে তাদের তেল রপ্তানি করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই জলপথটি দুটি সাগরকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে।
B) ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর — এই দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে সুয়েজ খাল, কোনো প্রণালি নয়।
C) ওমান উপসাগর ও ভূমধ্যসাগর — এই দুটি জলাশয় অনেক দূরে অবস্থিত এবং এদের সরাসরি সংযোগকারী কোনো প্রণালি নেই।
D) লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগর — লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগর পরস্পরের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
হরমুজ মানেই পারস্য উপসাগর ও ওমানের মিলনস্থল।
সঠিক উত্তর: A) এক ধরনের গান
কেন সঠিক:
- টপ্পা হলো ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি বিশেষ এবং দ্রুত লয়ের উপশৈলী।
- মূলত উটের পিঠে চড়ে গান গাওয়ার সময়কার গায়কি থেকে পাঞ্জাবে এই ধারার উৎপত্তি হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক ধরনের গান — এটি সঠিক উত্তর কারণ টপ্পা ভারতীয় উপমহাদেশের একটি জনপ্রিয় শাস্ত্রীয় ও অর্ধ-শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ধারা।
B) বিশেষ ধরনের খেলা — এটি ভুল কারণ টপ্পা কোনো ধরনের খেলাধুলা বা ক্রীড়া নয়।
C) এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র — এটি ভুল কারণ টপ্পা কোনো বাদ্যযন্ত্রের নাম নয়, এটি কণ্ঠসংগীতের একটি ধারা।
D) নাচের মুদ্রা — এটি ভুল কারণ টপ্পা নৃত্যশিল্পের কোনো বিশেষ ভঙ্গি বা মুদ্রা নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
টপ্পা শব্দটির সঙ্গে গান শব্দটি মনে রাখুন, কারণ এটি পাঞ্জাবি উটচালকদের গীতিধারা থেকে বিকশিত এক ধরণের দ্রুত লয়ের গান।
সঠিক উত্তর: A) জেনেভা
কেন সঠিক:
- জেনেভা শহরে বিশ্বের সর্বাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংগঠনের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- এখানে নিয়মিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে একে সম্মেলনের শহর বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সম্মেলনের প্রধান কেন্দ্র হওয়ায় একে সম্মেলনের শহর বলা হয়।
B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্যিক নগরী এবং জাতিসংঘ সদর দপ্তরের অবস্থানস্থল, সম্মেলনের শহর নয়।
C) ম্যানিলা — এটি ফিলিপিন্সের রাজধানী এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর অবস্থিত, যা সম্মেলনের শহর নয়।
D) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, যা সম্মেলনের শহর হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে বিশ্ব সংস্থার সম্মেলন বেশি হয় বলে একে সম্মেলনের শহর মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৪ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় এর মূলনীতি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র হলো সংবিধানের ৪টি মূলনীতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ টি — ১১ টি হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টরের মোট সংখ্যা, সংবিধানের মূলনীতি নয়।
B) ৬ টি — ৬ দফা হলো বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ঐতিহাসিক সনদ, সংবিধানের মূলনীতির সংখ্যা নয়।
C) ৫ টি — ৫ টি মূলনীতি সংবিধানে কখনোই ছিল না, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
D) ৪ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা ঠিক ৪ টি।
মনে রাখার টিপস:
মূলনীতি মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ধা-জা-স-গ অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র।
সঠিক উত্তর: C) আবাদি সমতল কৃষি জমি
কেন সঠিক:
- 'নাল জমি' হলো গ্রামীণ জনপদে ব্যবহৃত একটি প্রচলিত শব্দ, যার অর্থ চাষাবাদের উপযোগী সমতল ও উর্বর জমি।
- এই জমিতে সাধারণত ধান, পাটসহ বিভিন্ন ফসল সফলভাবে আবাদ করা হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যে জমি দিয়ে পানি নিষ্কাশিত হয় — এটি নিষ্কাশন নালা বা জলপথ নির্দেশ করে, কোনো কৃষি জমি বোঝায় না।
B) অনাবাদী জমি — এটি নাল জমির ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ নাল জমি হলো উর্বর ও চাষাবাদের উপযোগী।
D) ক্ষুদ্র অববাহিকা জলাভূমি — এটি নিচু এলাকা বা প্লাবনভূমি বোঝায়, যেখানে নিয়মিত চাষাবাদ করা কঠিন।
মনে রাখার টিপস:
'নাল' শব্দটিকে 'নালা' বা জলাভূমির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যাবে না; নাল জমি মানেই হলো ফসল ফলানোর উপযোগী সমতল আবাদি জমি।
সঠিক উত্তর: D) মালনীছড়া
কেন সঠিক:
- ১৮৫৪ সালে সিলেটের ছড়ারপাড়ে ব্রিটিশদের উদ্যোগে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম এবং বৃহত্তম বাণিজ্যিক চা বাগান হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাফলং — এটি সিলেটের একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র ও পাথর কোয়ারি, কোনো প্রাচীন চা বাগান নয়।
B) মাধবপুর — এটি মৌলভীবাজারের একটি চা বাগান হলেও এটি মালনীছড়ার মতো দেশের প্রাচীনতম নয়।
C) লাক্কাতুরা — এটি সিলেটের একটি প্রাচীন চা বাগান হলেও মালনীছড়ার পরে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
D) মালনীছড়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটিই বাংলাদেশের প্রাচীনতম চা বাগান।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম ও প্রাচীন চা বাগানের নাম মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মালনীছড়া এবং প্রথম চা বাগান এই মিল1 মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার
কেন সঠিক:
- ভূমি রেকর্ড বা খতিয়ান প্রস্তুত এবং জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অধীনে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের ওপর ন্যস্ত থাকে।
- নতুন এলাকা জরিপ করে প্রথমবার বা হালনাগাদ খতিয়ান ও নকশা তৈরির আইনি এখতিয়ার সেটেলমেন্ট অফিসারের থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেলা প্রশাসক — ইনি জেলার সার্বিক প্রশাসনিক প্রধান এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব আদায় তদারকি করেন, তবে প্রাথমিক রেকর্ড বা জরিপ প্রস্তুত করেন না।
B) সহকারী কমিশনার ভূমি — ইনি মূলত মাঠপর্যায়ে খতিয়ান সংশোধন, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর আদায় সংক্রান্ত কাজ করেন, নতুন রেকর্ড বা জরিপ প্রস্তুত করেন না।
C) জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) সাব রেজিস্ট্রার — ইনি দলিল রেজিস্ট্রি বা নিবন্ধন সংক্রান্ত কাজের দায়িত্ব পালন করেন, জমির রেকর্ড বা জরিপ তৈরির সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রেকর্ড বা জরিপ প্রস্তুতের সাথে সেটেলমেন্ট শব্দটি যুক্ত থাকে, তাই ভূমির রেকর্ড প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা হলেন জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার।
সঠিক উত্তর: B) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
কেন সঠিক:
- দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় দেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্ব পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় — এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, ত্রাণ বিতরণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে।
D) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সরকার প্রধানের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং সরাসরি এই ধরনের মাঠপর্যায়ের কার্ড বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে না।
মনে রাখার টিপস:
পরিবারের সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, তাই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিও এই মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করে।
সঠিক উত্তর: B) Israel & Jordan
কেন সঠিক:
- মৃত সাগর বা ডেড সি মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও জর্ডানের সীমানায় অবস্থিত একটি লবণাক্ত হ্রদ।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু ও লবণাক্ত জলাধারগুলোর একটি, যেখানে অতিরিক্ত লবণের কারণে মানুষ সহজে ভেসে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Egypt & Jordan — মিশর ও জর্ডানের মাঝখানে ডেড সি অবস্থিত নয়, কারণ এদের মাঝে লোহিত সাগর ও ইসরায়েল রয়েছে।
B) Israel & Jordan — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক।
C) Iraq & Jordan — ইরাক ও জর্ডান অঞ্চলের মধ্যে মৃত সাগর বা ডেড সি অবস্থিত নয়।
D) Iraq & Turkey — ইরাক ও তুরস্ক এশিয়ার দুটি দেশ, যাদের ভৌগোলিক সীমানায় ডেড সি নেই।
মনে রাখার টিপস:
ডেড সি বা মৃত সাগরের তীরে দুটি দেশ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে, একটি ইসরায়েল এবং অন্যটি জর্ডান।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংঘাতের নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক সূচনার তারিখ হিসেবে '২৮ ফেব্রুয়ারি' সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত বা সঠিক নয়। বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলেও এই নির্দিষ্ট তারিখে কোনো যুদ্ধ শুরুর সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক দলিল বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
সঠিক উত্তর: C) ৩০ ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে ফেব্রুয়ারি মাস সাধারণত আটাশ বা ঊনত্রিশ দিনে শেষ হয়, তাই ৩০ ফেব্রুয়ারি তারিখটি কাল্পনিক বা অস্তিত্বহীন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতি ও সচেতনতা যাচাই করতে প্রায়ই এমন কাল্পনিক অপশন ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৮ ফেব্রুয়ারি — এটি ফেব্রুয়ারি মাসের একটি বাস্তবসম্মত তারিখ হলেও ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক শুরুর দিন হিসেবে সত্য নয়।
B) ২৫ ফেব্রুয়ারি — এটিও ফেব্রুয়ারি মাসের একটি স্বাভাবিক তারিখ, যা উল্লেখিত কোনো যুদ্ধের সুনির্দিষ্ট সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৩০ ফেব্রুয়ারি — এটি একটি অসম্ভব তারিখ কারণ ফেব্রুয়ারি মাস কখনো ত্রিশ দিনে শেষ হয় না এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) ১ মার্চ — এটি বছরের পরবর্তী মাসের একটি বাস্তবসম্মত তারিখ, যা এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক সংঘাতের সূচনার সঙ্গে জড়িত নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব অপশনে ক্যালেন্ডারে না থাকা অসম্ভব তারিখ (যেমন ৩০ ফেব্রুয়ারি) থাকে, ভালোভাবে লক্ষ করলে সহজেই সেগুলোকে ভুল উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: D) বাংলাবান্ধা
কেন সঠিক:
- বাংলাবান্ধা বাংলাদেশের সর্বউত্তরে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী স্থলবন্দর ও গ্রাম।
- ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে এটিই বাংলাদেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টেকনাফ — এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি উপজেলা।
B) তেঁতুলিয়া — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের উপজেলা, তবে এর ভেতরে অবস্থিত বাংলাবান্ধা হলো সর্বউত্তরের নির্দিষ্ট স্থান।
C) পঞ্চগড় — এটি সর্বউত্তরের একটি জেলা, যা সমগ্র জেলাকে নির্দেশ করে নির্দিষ্ট কোনো স্থান নয়।
D) বাংলাবান্ধা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটিই বাংলাদেশের সর্বউত্তরের স্থান।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরে তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা আর দক্ষিণে টেকনাফ মনে রাখলেই ভূগোলের এই বিভ্রান্তি দূর হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৫ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের চারদিকে ভারতের পাঁচটি রাজ্য অবস্থিত।
- এই পাঁচটি রাজ্য হলো পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের মোট আটটি রাজ্য বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে না।
B) ৫ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভারতের ঠিক পাঁচটি রাজ্য বাংলাদেশের সীমানা ঘেঁষে রয়েছে।
C) ৭ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সাতটি রাজ্য বাংলাদেশের সাথে সীমানা নেই, বরং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে একত্রে সাত বোন বলা হয়।
D) ৮ টি — এই অপশনটি প্রশ্নে দুবার এসেছে এবং এটি ভুল কারণ সঠিক সংখ্যাটি পাঁচ।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমানা মনে রাখতে "আমে ত্রিপুরা পশম" এই সংক্ষিপ্ত শব্দগুচ্ছ মনে রাখতে পারেন, যেখানে আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ ও মিজোরামের কথা বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমেই বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্বের এই প্রভাবশালী সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬২ সালে — এই সালে ওআইসি প্রতিষ্ঠিত বা গঠিত হয়নি, ওআইসি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালে।
B) ১৯৭৩ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি মূলত ১৯৭৪ সালের ঘটনা।
C) ১৯৭৪ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ পায়।
D) ১৯৭৫ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের ওআইসি সদস্যপদ লাভের পরের সময়, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে লাহোর ওআইসি সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্বের সাথে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় করে।
সঠিক উত্তর: A) ৫ লক্ষ
কেন সঠিক:
- বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি ও বিভিন্ন দপ্তরে শূন্য পদে জনবল নিয়োগের বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বেকারত্ব হ্রাস এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ৫ লক্ষ শূন্য পদে নিয়োগের বিষয়টি নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ লক্ষ — এটি বর্তমান সরকারের চাকরিতে শূন্য পদে জনবল নিয়োগের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে সঠিক।
B) ৪.৫ লক্ষ — এই সংখ্যাটি সরকারের নির্ধারিত প্রধান নীতিগত লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে মেলে না।
C) ৪.৫ লক্ষ — অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং সঠিক লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণের চেয়ে কম।
D) ৭.৫ লক্ষ — এই সংখ্যাটি অতিমূল্যায়িত এবং সরকারের ঘোষিত শূন্য পদ নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
সরকারি চাকরিতে শূন্য পদ পূরণের বড় লক্ষ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন পাঁচ লক্ষ।
সঠিক উত্তর: A) ৬
কেন সঠিক:
- নৌকার গতিবেগ বের করার সূত্র হলো অনুকূলের বেগ এবং প্রতিকূলের বেগের যোগফলকে দুই দ্বারা ভাগ করা।
- অনুকূলের বেগ আট কিলোমিটার এবং প্রতিকুলের বেগ চার কিলোমিটার যোগ করলে বারো হয়, যাকে দুই দিয়ে ভাগ করলে ছয় পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্রোতের অনুকূল ও প্রতিকূল বেগের গড় হলো নৌকার নিজস্ব গতিবেগ।
B) ৮ — এটি শুধু স্রোতের অনুকূলের বেগ, তাই এটি নৌকার প্রকৃত গতিবেগ হতে পারে না।
C) ৮ — এটি পুনরাবৃত্ত অপশন এবং সঠিক উত্তরের মানের সাথে মিলে না।
D) ১০ — এটি ভুল হিসাবের ফল, কারণ অনুকূল ও প্রতিকূল বেগের যোগফলকে দুই দিয়ে ভাগ করলে দশ হয় না।
মনে রাখার টিপস:
নৌকার গতিবেগ বের করতে হলে অনুকূলের বেগ ও প্রতিকুলের বেগ যোগ করে দুই দিয়ে ভাগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ক্রিস্টিনা কচ
কেন সঠিক:
- ক্রিস্টিনা কচ মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার আর্টেমিস-২ চন্দ্রাভিযানের জন্য নির্বাচিত প্রথম নারী নভোচারী।
- তিনি এর আগে মহাকাশে দীর্ঘতম একক নারী নভোচারী হিসেবে সময় কাটানোর রেকর্ড গড়েছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিড ওয়াইজম্যান — তিনি আর্টেমিস-২ অভিযানের কমান্ডার হলেও প্রথম নারী নভোচারী নন।
B) ক্রিস্টিনা কচ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
সি) লিয়াং ওয়েংফেং — তিনি আর্টেমিস-২ অভিযানের কোনো নভোচারী নন, এটি ভুল তথ্য।
D) ভিক্টর গ্লোভার — তিনি আর্টেমিস-২ অভিযানের পাইলট হলেও প্রথম নারী নন, তিনি পুরুষ নভোচারী।
মনে রাখার টিপস:
আর্টেমিসের চাঁদে যাওয়া নারী কচ পাতায় ভেসে যান, তাই প্রথম নারী ক্রিস্টিনা কচ।
সঠিক উত্তর: D) ৩১ দিন
কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত সংশোধিত বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৪২৮ সনের বৈশাখ থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত প্রথম ৫ মাস ৩১ দিনে নির্ধারিত ছিল।
- বাংলা বর্ষপঞ্জির আধুনিক নিয়ম অনুসারে বছরের প্রথম পাঁচ মাস (বৈশাখ থেকে ভাদ্র) ৩১ দিন গণনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩২ দিন — বাংলা বর্ষপঞ্জিতে কোনো মাসই ৩২ দিনের হতে পারে না কারণ সৌর বছরের দিনসংখ্যা এর সাথে মিলে না।
B) ২৯ দিন — বাংলা বর্ষপঞ্জিতে ফাল্গুন মাস সাধারণ বছরে ২৯ দিনের হয়, কিন্তু জ্যৈষ্ঠ মাস ২৯ দিনের হয় না।
C) ৩০ দিন — বাংলা বর্ষপঞ্জির আশ্বিন থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত শেষ সাত মাস ৩০ দিনের হয়, কিন্তু জ্যৈষ্ঠ মাস এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) ৩১ দিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংশোধিত বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বৈশাখ থেকে ভাদ্র—এই প্রথম পাঁচ মাস ৩১ দিনে গণনা করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) রেকর্ড তৈরি করা
কেন সঠিক:
- রেকর্ড কিপার বা রেকর্ড রক্ষকের মূল দায়িত্ব হলো পূর্বে তৈরি করা নথি, ম্যাপ ও কেস ফাইল সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা।
- নতুন রেকর্ড তৈরি করা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর দায়িত্ব, রেকর্ড কিপারের নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেকর্ড তৈরি করা — এটি রেকর্ড কিপারের কাজ নয়, কারণ তার কাজ কেবল রক্ষণাবেক্ষণ করা।
B) রেকর্ড বই বাঁধাই করা — এটি রেকর্ড সংরক্ষণের একটি অংশ এবং রেকর্ড কিপারের নিয়মিত দায়িত্ব।
C) ম্যাপ সংরক্ষণ করা — ম্যাপ অফিসের গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড সংরক্ষণের কাজ রেকর্ড কিপার করে থাকেন।
D) কেস নথি সংরক্ষণ করা — আদালতের বা অফিসের মামলার নথি বা কেস ফাইল সংরক্ষণ করা রেকর্ড কিপারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
মনে রাখার টিপস:
রেকর্ড কিপার কেবল সংরক্ষণ করেন, নতুন কিছু তৈরি করেন না।
সঠিক উত্তর: D) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
'বি, নি, নিব' হলো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। বাংলা ব্যাকরণে মোট কুড়িটি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে 'বি' এবং 'নি' সরাসরি অন্তর্ভুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। সংস্কৃত উপসর্গগুলো তৎসম শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিজ্ঞান (বি + জ্ঞান)
ব্যাখ্যা: এখানে 'বি' উপসর্গটি 'জ্ঞান' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিশেষ জ্ঞান অর্থে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: নিশ্বাস (নি + শ্বাস)
ব্যাখ্যা: এখানে 'নি' উপসর্গটি 'শ্বাস' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিপরীত বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি, যার মধ্যে 'বি, নি, নিব' অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) বিদেশি — বিদেশি উপসর্গগুলো ফারসি, আরবি, ইংরেজি বা হিন্দি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
C) মিশ্র — মিশ্র উপসর্গ বলতে ব্যাকরণে কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গ শ্রেণির নাম নেই।
D) সংস্কৃত — এটি সঠিক কারণ 'বি, নি' সংস্কৃত উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো: প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি অভি প্রতি পরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা ও তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) সকর্মক ক্রিয়া
কেন সঠিক:
- এ বাক্যে ক্রিয়াপদ হলো পড়ছে এবং এর একটি স্পষ্ট কর্ম রয়েছে যা হলো বই।
- কি বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি উত্তর পাওয়া যায় তবে সেই ক্রিয়া সকর্মক হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে ক্রিয়ার কর্ম থাকে তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
- এ জাতীয় বাক্যে কর্তা সরাসরি কর্মকে প্রভাবিত করে।
- যেমন: সে ফুটবল খেলছে, এখানে ফুটবল হলো কর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সকর্মক ক্রিয়া — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- B) দ্বিকর্মক ক্রিয়া — এ বাক্যে দুটি কর্ম নেই, কেবল একটি কর্ম আছে।
- C) সমধাতুজ ক্রিয়া — ক্রিয়া এবং কর্ম একই ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়নি।
- D) অকর্মক ক্রিয়া — এ বাক্যের কর্ম বিদ্যমান থাকায় এটি অকর্মক নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কি বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর মেলে তবে তা সকর্মক ক্রিয়া।
সঠিক উত্তর: C) He resembles his father.
১. কেন সঠিক:
- 'Resemble' একটি transitive verb যার অর্থ সদৃশ হওয়া বা মত হওয়া।
- এই verb-টির পরে কোনো preposition বসে না, সরাসরি object বসে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু transitive verb-এর পরে সরাসরি object বসে এবং মাঝখানে কোনো preposition বসে না।
- 'Resemble' তেমনই একটি verb, তাই এর সাথে ভুল করেও to, at বা for বসানো যাবে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: She resembles her mother.
ব্যাখ্যা: এখানেও resemble verb-এর পরে কোনো preposition বসেনি, সরাসরি object বসেছে।
উদাহরণ ২: The boy resembles his grandfather.
ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে এবং সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He resembles to his father. — resemble verb-এর পরে preposition 'to' বসে না।
B) He resembles at his father. — resemble verb-এর পরে preposition 'at' বসে না।
C) He resembles his father. — এটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্ভুল বাক্য।
D) He resembles for his father. — resemble verb-এর পরে preposition 'for' বসে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে resemble মানেই মত হওয়া, তাই এর সাথে আলাদা করে কোনো preposition লাগবে না।
- Resemble-এর সাথে কখনো to বা অন্য কোনো preposition ব্যবহার করবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে ভুল preposition যুক্ত করে বিভ্রান্ত করা হয়।
- Enter, discuss, order ইত্যাদি transitive verb-গুলোর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
সঠিক উত্তর: B) সচিবগণ
১. কেন সঠিক:
- সচিব শব্দটি মানববাচক বিশেষ্য পদ এবং সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বোঝায়।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাণিবাচক শব্দে 'গণ' ব্যবহার করা যায় না, তবে মানববাচক বিশেষ্য পদের বহুবচনে 'গণ' প্রত্যয়টি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো এমন একটি ব্যাকরণিকByCategory যা দিয়ে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা বোঝানো হয়।
- বাংলা ভাষায় প্রাণী ও অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য ভেদে বহুবচনে বিভিন্ন প্রত্যয় যেমন গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিক্ষকগণ
ব্যাখ্যা: শিক্ষক মানববাচক বিশেষ্য হওয়ায় এর সঙ্গে বহুবচনে 'গণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বালকগণ
ব্যাখ্যা: বালক মানববাচক বিশেষ্য হওয়ার কারণে সঠিক বহুবচন গঠনে 'গণ' যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সচিববৃন্দ — 'বৃন্দ' প্রত্যয়টি সাধারণ মানুষ বা ভক্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সচিবের ক্ষেত্রে এটি প্রমিত নয়।
B) সচিবগণ — এই অপশনটি সঠিক এবং মানববাচক বিশেষ্যের বহুবচনে 'গণ' এর ব্যবহার ব্যাকরণসিদ্ধ।
C) সচিবমণ্ডলী — 'মণ্ডলী' প্রত্যয়টি সাধারণত সভা, দল বা পেশাজীবী সমষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সচিবের ক্ষেত্রে বেমানান।
D) সচিববর্গ — 'বর্গ' প্রত্যয়টি সাধারণত বিদ্বান বা সমগোত্রীয় বিশেষ শ্রেণির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই সচিবের সঙ্গে এটি অনুপযুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধারণ মানুষ বা সম্মানীয় ব্যক্তিদের বহুবচনে 'গণ' ব্যবহার করা হয় যেমন ছাত্রগণ, শিক্ষকগণ।
- অপ্রাণিবাচক বা বিশেষ সমষ্টির ক্ষেত্রে বচন বোঝাতে আলাদা প্রত্যয় মুখস্থ রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কোন শব্দের সঙ্গে কোন বহুবচন বোধক শব্দ যুক্ত হবে তা পদের প্রাণিবাচকতা এবং মর্যাদার ওপর নির্ভর করে।
- এই ধরনের ব্যাকরণগত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই পদের শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
প্রদত্ত বাক্যে 'বিদ্বান লোক' হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং 'শ্রদ্ধার পাত্র' অংশটি বিধেয়র সাথে সংযুক্ত একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া প্রকাশ করছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠনভেদে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য।
সরল বাক্যে একাধিক অসমাপিকা ক্রিয়া থাকতে পারে, তবে সমাপিকা ক্রিয়া একটিই থাকবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হলে অন্ধকার দূর হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে 'হলে' অসমাপিকা এবং 'দূর হয়' সমাপিকা ক্রিয়া, কিন্তু মূল ভাব প্রকাশের দিক থেকে এটি সরল বাক্য।
উদাহরণ ২: পরিশ্রমীরাই জীবনে সফল হয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে, যা সরল বাক্যের নিয়মকে সমর্থন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল বাক্য — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে একটিমাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
B) জটিল বাক্য — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই।
C) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
D) মিশ্র বাক্য — মিশ্র বাক্য বলতে মূলত জটিল বাক্যকেই বোঝানো হয়, যা এই সাধারণ বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়ার সংখ্যা গোনা। বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই বাক্যের সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়ার পার্থক্য ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কাব্যগ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি প্রচুর প্রেমের ও দ্রোহের কবিতা লিখেছেন।
ছায়ানট তাঁর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত এবং গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের কবি ও সাহিত্যকর্মের অংশ থেকে এসেছে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস, ছোটগল্প ও নাটক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম এবং অত্যন্ত বিখ্যাত বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি
ব্যাখ্যা: এটিও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস তিনটি হলেও 'ছায়ানট' কোনো উপন্যাস নয়।
B) গল্পগ্রন্থ — এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন বা গল্পগ্রন্থ নয়।
C) কাব্যগ্রন্থ — এটি সঠিক কারণ এটি কবির একটি বিখ্যাত কবিতার বই।
D) গীতিনাট্য — এটি কোনো নাটক বা গীতিনাট্য শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের ছদ্মনাম বা ছাঁচ দিয়ে মনে রাখতে পারো যে ছায়ানট একটি কবিতার বই বা কাব্যগ্রন্থ।
তাঁর অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি ও ছায়ানট সবই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ছায়ানট কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনার পাশাপাশি প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থের প্রকাশের সাল জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
- ‘ইত্যাদি’ শব্দটি সংস্কৃতে একটি অব্যয়ীভাব সমাস, যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণেও অনুসৃত হয়।
- ‘ইতি’ শব্দের অর্থ সমাপ্তি বা এই রূপ, এর সঙ্গে ‘আদি’ যুক্ত হয়ে ‘ইত্যাদি’ পদটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- এখানে ‘ইতি’ অব্যয়ের অর্থে ‘আদি’ শব্দের যোগে সাদৃশ্য বা সমীপ্য অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস নিষ্পন্ন হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপগ্রহ
ব্যাখ্যা: গ্রহের সদৃশ, যা উপ অব্যয় যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: প্রতিচ্ছবি
ব্যাখ্যা: ছবির সদৃশ, যেখানে প্রতি অব্যয়টি প্রধান অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু ‘ইত্যাদি’ শব্দটিতে অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেয়েছে বিধви এটি তৎপুরুষ নয়।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ তৈরি হয়, যা এই পদের গঠনে অনুপস্থিত।
C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো পদ বা অর্থ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পূর্বপদের অব্যয় পদটি সম্পূর্ণ সমাসবদ্ধ পদের অর্থ নির্ধারণ করেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইতি যুক্ত আদি সমান ইত্যাদি। অব্যয় পদ দিয়ে শুরু হলে সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাদি সমাস বা অব্যয়ীভাব সমাসের ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে ‘ইত্যাদি’ শব্দটি আসে।
সঠিক উত্তর: D) অনুকার অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে অনুকার অব্যয় বলে।
- ‘টাপুর টুপুর’ বৃষ্টির পড়ার শব্দকে নির্দেশ করে, যা একটি ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে অব্যয় পদ কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বাক্যে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলা হয়।
- এটি বাক্যে কখনো বিশেষণ, কখনো ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে ভাবের গভীরতা বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝিরঝির করে বাতাস বইছে
ব্যাখ্যা: এখানে ঝিরঝির বাতাসের মৃদু শব্দের অনুকার অব্যয়।
উদাহরণ ২: কলকল নদী বয়ে যায়
ব্যাখ্যা: এখানে কলকল নদীর শব্দের অনুকার অব্যয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযোজক অব্যয় — সংযোজক অব্যয় পদ বা বাক্যকে যুক্ত করে, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো পদ বা বাক্য যুক্ত করে না।
B) পদান্বয়ী অব্যয় — পদান্বয়ী অব্যয় শব্দের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ তৈরি করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ন্বয়ী অব্যয় —ন্বয়ী অব্যয় বা অন্বয়ী অব্যয় মনের ভাব প্রকাশ করে, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো ধ্বনির অনুকরণ বোঝায় না।
D) অনুকার অব্যয় — এটি সঠিক কারণ এটি বৃষ্টির শব্দের অনুকরণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের পুনরাবৃত্তি যদি কোনো ধ্বনি, আওয়াজ বা শব্দ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অনুকার অব্যয় দাগাবে।
- টাপুর টুপুর, ঝিরঝির, খলখল সবই অনুকার অব্যয়ের উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের পুনরাবৃত্তি থাকলেই তা সবসময় অনুকার অব্যয় হবে না, অর্থের ওপর ভিত্তি করে তা নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রজ্ঞা
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ 'Wisdom'-এর সবচেয়ে নিখুঁত ও মানসম্মত বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো 'প্রজ্ঞা'।
- প্রজ্ঞা শব্দের অর্থ গভীর জ্ঞান, বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অসাধারণ মানসিক ক্ষমতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ অংশ থেকে এই প্রশ্নটি এসেছে যেখানে ইংরেজি বিশেষ শব্দের যথাযথ বাংলা রূপায়ন করা হয়।
- প্রজ্ঞা শব্দটি সাধারণত সাধারণ জ্ঞানের চেয়ে উচ্চতর ও দার্শনিক মাত্রার জ্ঞান এবং বোধশক্তিকে নির্দেশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিমত্তা মানে হলো ইন্টেলিজেন্স।
ব্যাখ্যা: ইন্টেলিজেন্স এবং উইজডম দুটি ভিন্ন ধারণা হওয়ায় এদের পারিভাষিক শব্দও আলাদা হয়।
উদাহরণ ২: গভীর প্রজ্ঞার অধিকারী ব্যক্তি সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে পারেন।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রজ্ঞা শব্দটি Wisdom-এর ভাবার্থ সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধি — বুদ্ধি হলো ইন্টেলিজেন্স বা মানসিক সামর্থ্যের সাধারণ প্রকাশ যা উইজডম-এর গভীরতা পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
B) প্রজ্ঞা — এটি সঠিক উত্তর।
C) জ্ঞান — জ্ঞান হলো শুধুমাত্র নলেজ, যা তথ্য বা অর্জিত ভাণ্ডারকে বোঝায় কিন্তু উইজডমের গভীর প্রজ্ঞা বা বিচক্ষণতাকে বোঝায় না।
D) বিদ্যা — বিদ্যা হলো এডুকেশন বা লার্নিং যা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা পড়াশোনার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধারণ জ্ঞান হলো নলেজ আর গভীর ও দূরদর্শী জ্ঞান হলো প্রজ্ঞা বা উইজডম।
- ইংরেজি উইজডম শব্দের অক্ষর সংখ্যা বেশি তেমনি এর অর্থও জ্ঞানের চেয়ে গভীরতর প্রজ্ঞা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- নলেজ, ইন্টেলিজেন্স এবং উইজডম এই তিনটি শব্দের বাংলা যথাক্রমে জ্ঞান, বুদ্ধি এবং প্রজ্ঞা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রজ্ঞা
১. কেন সঠিক:
'বিজ্ঞ' শব্দটির অর্থ অভিজ্ঞ, জ্ঞানী, বিচক্ষণ বা পন্ডিত ব্যক্তি।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'প্রজ্ঞা' কোনো ব্যক্তি বা সমার্থক বিশেষণ নয়, এটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ গভীর জ্ঞান বা প্রজ্ঞা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ এবং সমার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন।
সমার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যাদের রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ সবসময় সত্য কথা বলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বিজ্ঞ' শব্দটি অভিজ্ঞ বা জ্ঞানী বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সমাজে অনেক পন্ডিত ও জ্ঞানী লোক আছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'জ্ঞানী' শব্দটি 'বিজ্ঞ' শব্দের সমার্থক হিসেবে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্বান — এই শব্দটি জ্ঞানী বা পন্ডিত বোঝায়, যা বিজ্ঞ শব্দের সমার্থক।
B) প্রজ্ঞা — এই শব্দটি জ্ঞান বা বুদ্ধিমত্তা বোঝায়, যা বিশেষণ নয় এবং বিজ্ঞ শব্দের সমার্থক নয়।
C) জ্ঞানী — এই শব্দটি বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ব্যক্তি বোঝায়, যা বিজ্ঞ শব্দের সমার্থক।
D) বুধ — এই শব্দটি পন্ডিত বা জ্ঞানী ব্যক্তি বোঝায়, যা বিজ্ঞ শব্দের সমার্থক।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞ মানে যিনি জানেন বা জ্ঞানী।
তাই বিদ্বান, জ্ঞানী এবং বুধ হলো বিজ্ঞ এর সমার্থক, আর প্রজ্ঞা হলো বিশেষ্য পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দার্থ ও পদের রূপ বা শ্রেণিভেদ ভালো করে বুঝতে হবে।
বিশেষণ এবং বিশেষ্য পদের পার্থক্যের ওপর এমন প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) ফারসি
১. কেন সঠিক:
- আইন শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দ প্রশাসনিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে প্রধানত আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ, ইংরেজি ইত্যাদি ভাগে ভাগ করা হয়। ফারসি শব্দগুলো প্রধানত প্রশাসন, আদালত ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এটি বিচার ব্যবস্থার সাথে জড়িত।
উদাহরণ ২: চশমা
ব্যাখ্যা: চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি বহুল ব্যবহৃত নিত্যদিনের বস্তুবাচক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে ইসলাম ধর্ম, শরিয়ত ও কোরআন সম্পর্কিত বহু শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু আইন শব্দটি আরবি নয়।
B) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দ বাংলায় আসে তবে আইন সংস্কৃত শব্দ নয়।
C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি শব্দ আসলেও আইন পর্তুগিজ শব্দ নয়।
D) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইন ফারসি ভাষার শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
আ আদালত, আই আইন, আ আসামীর কাঠগড়া—এই তিনটি ফারসি শব্দ একসাথে মনে রাখতে পারো। আদালত ও আইনের সাথে জড়িত বেশিরভাগ শব্দই সাধারণত ফারসি হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও আদালতের শব্দগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে তা প্রায়ই আসে। তাই আইন, আদালত, চশমা, কাগজ ইত্যাদি শব্দের উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রোজনামচা
১. কেন সঠিক:
'কড়চা' শব্দের অর্থ দৈনিক ঘটনার বিবরণ বা দিনলিপি, যার সঙ্গে 'রোজনামচা' শব্দের নিখুঁত মিল রয়েছে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দটির মূল উৎস ও ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক একটি প্রশ্ন যা বাংলা শব্দভাণ্ডারের সমৃদ্ধি নির্দেশ করে।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত দেশি, বিদেশি ও তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডায়েরি
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি শব্দ হলেও বাংলায় দিনলিপি বা কড়চা অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: জবানবন্দি
ব্যাখ্যা: এটি ফারসি শব্দ এবং আদালতের কার্যবিবরণী বা ঘটনার লিখিত বিবরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খসড়া — খসড়া অর্থ কোনো লেখার প্রথম রূপ বা পান্ডুলিপি, যা কড়চার সমার্থক নয়।
B) রোজনামচা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দিনলিপি বা দৈনিক ঘটনার বিবরণ।
C) অনবরত — অনবরত শব্দের অর্থ অবিরাম বা সর্বদা, যা শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) শিরা — শিরা হলো মানবদেহের রক্তবাহী নালী, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কড়চা এবং রোজনামচা দুটি শব্দই দৈনিক হিসাব বা ডায়রির মতো ঘটনার বিবরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
শব্দ দুটির প্রথম অক্ষর বা ভাবের মিল মনে রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) রজত জয়ন্তী
১. কেন সঠিক:
- কোনো ঘটনা বা প্রতিষ্ঠানের পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসবকে এক কথায় রজত জয়ন্তী বলা হয়।
- রজত শব্দের অর্থ রূপা এবং জয়ন্তী শব্দের অর্থ উৎসব বা সমারোহ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট সময়কাল উদযাপনের জন্য বিশেষ কিছু পরিভাষা বা শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উৎসবকে সুবর্ণ জয়ন্তী বলা যাবে না, এটিকে শতবার্ষিকী বা শতবর্ষপূর্তি বলা হয়।
ব্যাখ্যা: পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হলে সুবর্ণ জয়ন্তী হয় এবং একশো বছর পূর্ণ হলে শতবার্ষিকী হয়।
উদাহরণ ২: কোনো প্রতিষ্ঠানের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপিত হয়।
ব্যাখ্যা: সুবর্ণ শব্দের অর্থ স্বর্ণ বা সোনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হীরাক জয়ন্তী — এটি সাধারণত ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) রজত জয়ন্তী — এটি পঁচিশ বছর পূর্তি বোঝায় যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) সুবর্ণ জয়ন্তী — এটি পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) প্লাটিনাম জয়ন্তী — এটি পঁচাত্তর বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জয়ন্তী মনে রাখার সহজ ক্রম হলো পঁচিশে রজত, পঞ্চাশে সুবর্ণ, ষাটতে হীরাক, পঁচাত্তরে প্লাটিনাম এবং শতবর্ষে শতবার্ষিকী।
- ধাতু বা উপাদানের সঙ্গে জয়ন্তীর এই ক্রম মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাল বা সময়ভিত্তিক জয়ন্তীর নাম থেকে প্রশ্ন আসে।
- তাই রজত, সুবর্ণ, হীরাক এবং প্লাটিনাম জয়ন্তীর বছরগুলোর সংখ্যা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প
১. কেন সঠিক:
- 'প' হলো বাংলা বর্ণমালার প-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং এটি একটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
- উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাসের তীব্রতা বা চাপের পরিমাণ কম থাকে বলে একে অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণকালে বাতাসের স্বল্পতা বা আধিক্যের ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়, যথা: অল্পপ্রাণ ধ্বনি ও মহাপ্রাণ ধ্বনি।
- বর্গের প্রথম ও তৃতীয় ধ্বনি এবং অন্তস্থ বর্ণগুলো হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি, যেখানে উচ্চারণের সময় মুখের ভেতর বাতাসের চাপ কম থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চ
ব্যাখ্যা: এটি চ-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং অল্পপ্রাণ ধ্বনির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ট
ব্যাখ্যা: এটি ট-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং এটিও উচ্চারণের সময় কম বাতাস নির্গত হওয়ার কারণে অল্পপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠ — এটি ট-বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ এবং এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি, কারণ উচ্চারণে বাতাসের আধিক্য থাকে।
B) ন — এটি নাসিক্য বর্ণ বা অনুনাसिक ধ্বনি, তাই এটি সরাসরি সাধারণ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণের প্রচলিত শ্রেণимови-এর বাইরে ভিন্ন একটি বৈশিষ্ট্য বহন করে।
C) হ — এটি উষ্ম বর্ণ এবং এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়।
D) প — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি প-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনির বৈশিষ্ট্য মেনে চলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রতি বর্গ বা লাইনের বিজোড় সংখ্যা অর্থাৎ প্রথম এবং তৃতীয় বর্ণগুলো সবসময় অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়।
- জোর সংখ্যা বা দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে, তাই বর্গের বর্ণগুলোর প্রাণতা ও অঘোষ-ঘোষ ছকটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ হলো অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হলো মহাপ্রাণ, এই নিয়মটি মনে রাখলে অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) পরদিন
১. কেন সঠিক:
- প্রত্যক্ষ উক্তিতে ব্যবহৃত কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দ পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তিত হয়ে নির্দিষ্ট নিয়মে পরিবর্তিত রূপ গ্রহণ করে।
- প্রত্যক্ষ উক্তিতে আগামীকাল থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে তা পরিবর্তিত হয়ে পরদিন বা পরবর্তী দিন রূপে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উক্তি পরিবর্তনে প্রত্যক্ষ উক্তির সময় নির্দেশক শব্দগুলো পরোক্ষ উক্তিতে সমার্থক বা পরিবর্তিত শব্দে রূপান্তরিত হয়।
- যেমন আজ থাকলে সেই দিন, কাল থাকলে পরদিন বা আগের দিন এবং গতকাল থাকলে পূর্বের দিন বা আগের দিন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে বলিল, আমি আগামীকাল আসিব। এর পরোক্ষ উক্তি হলো সে বলিল যে সে পরদিন আসিবে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রত্যক্ষ উক্তির আগামীকাল পরিবর্তিত হয়ে পরোক্ষ উক্তিতে পরদিন হয়েছে।
উদাহরণ ২: শিক্ষক বললেন, আগামীকাল বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। এর পরোক্ষ উক্তি হলো শিক্ষক বললেন যে পরদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
ব্যাখ্যা: এখানেও আগামীকাল শব্দের পরিবর্তে পরোক্ষ উক্তিতে পরদিন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগের দিন — এই শব্দটি প্রত্যক্ষ উক্তির গতকাল বা পূর্বের দিনের পরোক্ষ রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, আগামীকালের জন্য নয়।
B) সেদিন — এই শব্দtypically প্রত্যক্ষ উক্তির আজ বা এই দিন-এর পরিবর্তে পরোক্ষ উক্তিতে বসে।
C) পরদিন — এটি সঠিক কারণ আগামীকাল শব্দের প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত পরিবর্তন হলো পরদিন।
D) পূর্বের দিন — এই শব্দগুচ্ছটি অতীত নির্দেশক শব্দ যেমন গতকালের পরোক্ষ রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অতীত বোঝালে আগের দিন বা পূর্বের দিন এবং ভবিষ্যৎ বোঝালে পরদিন ব্যবহার করতে হয়।
- আগামীকালের প্রথম অক্ষর আ এবং আগের দিনের প্রথম অক্ষর আ এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে আগামীকাল কখনো আগের দিন হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উক্তি পরিবর্তনের সময় কালবাচক শব্দের পরিবর্তন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কমন প্রশ্ন।
- এই নিয়মের অন্যান্য পরিবর্তনগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় এক নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) গণনাবাচক
কেন সঠিক:
- সপ্তাহ শব্দটি সাত দিনের সমষ্টি বা পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সরাসরি কোনো বস্তু বা সময়ের হিসাব বা গণনা নির্দেশ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো দিয়ে কোনো কিছুর সংখ্যা বা পরিমাণ গণনা করা হয় তাকে গণনাবাচক শব্দ বলে।
- সংখ্যার সাধারণ রূপ বা মূল সংখ্যাবাচক শব্দই হলো গণনাবাচক শব্দ।
- যেমন এক, দুই, তিন, সপ্তাহ, দশক, শতক ইত্যাদি গণনাবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ক্রমবাচক — ক্রমবাচক শব্দ দ্বারা কোনো শৃঙ্খলার ধারাবাহিক অবস্থান বোঝায় যেমন প্রথম, দ্বিতীয়।
- B) পূরণবাচক — পূরণবাচক শব্দ দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যার পূর্ণতা বা অবয়ব বোঝায় যেমন পহেলা, দশম।
- C) গণনাবাচক — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই মূল উত্তর।
- D) সংখ্যাবাচক — সংখ্যাবাচক শব্দ একটি বৃহত্তর শ্রেণি যার অধীনে গণনাবাচক, পূরণবাচক ও ক্রমবাচক শব্দগুলো অন্তর্ভুক্ত হয়।
মনে রাখার টিপস:
- যা দিয়ে সরাসরি গণনা করা যায় বা সমষ্টি বোঝায় তা গণনাবাচক।
সঠিক উত্তর: D) If you come, I will go.
কেন সঠিক:
১. বাংলা বাক্যের প্রথম অংশ বর্তমানকাল বোঝালে ইংরেজি অনুবাদের প্রথম অংশে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
২. বাংলা বাক্যের দ্বিতীয় অংশ ভবিষ্যৎকাল বোঝালে ইংরেজি অনুবাদের পরের অংশে ফিউচার ইনডেফিনিট টেন্স অর্থাৎ উইল বসাতে হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি ফার্স্ট কন্ডিশনাল বা প্রথম শর্তমূলক বাক্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম।
২. এই নিয়মে প্রথম ক্লজটি প্রেজেন্ট টেন্স এবং পরের ক্লজটি ফিউচার টেন্স হয়।
৩. যেমন, যদি তুমি পড়ো, তুমি পাস করবে যার ইংরেজি অনুবাদ হয়, If you read, you will pass.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If you come, I go — এই অপশনে দ্বিতীয় অংশে ফিউচার টেন্স ব্যবহার করা হয়নি বরং প্রেজেন্ট টেন্স রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
B) If you came, I will go. — এই অপশনে প্রথম অংশে পাস্ট টেন্স এবং দ্বিতীয় অংশে ফিউচার টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) If you come, I would go. — এই অপশনে প্রথম অংশ প্রেজেন্ট টেন্স হলেও দ্বিতীয় অংশে উড ব্যবহার করা হয়েছে যা সেকেন্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ्य।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং এই অপশনটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে।
মনে রাখার টিপস:
১. শর্তযুক্ত বাক্যে বর্তমানের সাথে ভবিষ্যতের তুলনা করলে প্রথম অংশে প্রেজেন্ট এবং পরের অংশে উইল ব্যবহার করতে হয়।
২. ইফ ক্লজের সাথে প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে অপর অংশে সবসময় ফিউচার টেন্স বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- ‘লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’ এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা বাংলার নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত পণ্ডিত মদনমোহন তর্কালঙ্কার।
- তাঁর রচিত ‘শিশുമോমদ’ বা ‘শিশুশিক্ষা’ গ্রন্থের প্রথম ভাগের একটি জনপ্রিয় ছড়া থেকে এই চরণটি নেওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার ঊনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে জন্মগ্রহণ করেন এবং সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তাঁর ‘শিশুশিক্ষা’ (প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগ) বইটি উনিশ শতকে বাংলা প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ও অত্যন্ত জনপ্রিয় পাঠ্যপুস্তক ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল।
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘শিশুশিক্ষা’ গ্রন্থের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও চিরন্তন শিশুতোষ কবিতার চরণ।
উদাহরণ ২: আলসে অলস নয়, কাজে মন দাও।
ব্যাখ্যা: মদনমোহন তর্কালঙ্কার তাঁর রচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সবসময় নৈতিকতা, পরিশ্রম ও পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার শিক্ষা দিতেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘শিশুশিক্ষা’ গ্রন্থে এই পংক্তিটি রচনা করেছেন।
B) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও বিজ্ঞানমনস্ক লেখক হলেও এই বিখ্যাত শিশুতোষ পংক্তিটি তাঁর নয়।
C) কুসুমকুমারী দাস — তিনি ‘আমাদের দেশ’ কবিতার জন্য বিখ্যাত হলেও, যার পংক্তি হলো ‘আমাদের দেশ সেই ভালো দেশ সব দেশের সেরা’, এই প্রবাদতুল্য চরণটির রচয়িতা নন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগের সন্ধিওয়ালের কবি এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হলেও, এই নির্দিষ্ট চরণটি তাঁর কোনো বিখ্যাত কবিতার অংশ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শিশুদের জন্য লেখা বিখ্যাত ‘শিশুশিক্ষা’ বইটির নাম মনে রাখলে মদনমোহন তর্কালঙ্কারকে সহজে মনে রাখা যায়।
- পড়াশোনা করলে গাড়ি ঘোড়ায় চড়া যায়, এই প্রবাদতুল্য শিক্ষাটি মদনমোহন তর্কালঙ্কার তাঁর শিশুতোষ রচনায় প্রথম জনপ্রিয় করে তোলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘শিশুশিক্ষা’ কার রচনা বা এর ভেতরের বিখ্যাত পংক্তি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে।
- মদনমোহন তর্কালঙ্কারের সাহিত্যকর্ম বলতে মূলত তাঁর ‘শিশুশিক্ষা’ এবং অনুবাদ গ্রন্থ ‘বাসবদত্তা’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সঠিক উত্তর: D) আদি স্বরগম
১. কেন সঠিক:
- আদি স্বরগম হলো ধ্বনি পরিবর্তনের এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা শব্দটিকে সহজ করার জন্য দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের মাঝে বা শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হয়।
- এখানে মূল ইংরেজি শব্দ হলো স্কুল এবং এর উচ্চারণের শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে ইশকুল বা ইস্কুল রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আদি স্বরগম বা প্রথমা স্বরগম হলো ধ্বনি পরিবর্তনের একটি ভাগ যেখানে শব্দের আদিতে বা শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আগমন ঘটে।
- বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের উচ্চারণের সময় যুক্তব্যঞ্জন বা কঠিন উচ্চারণ এড়ানোর জন্য অনেক সময় শব্দের শুরুতে ই বা উ ধ্বনি যোগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টেশন > ইষ্টেশন
ব্যাখ্যা: মূল ইংরেজি শব্দ স্টেশন এর শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে আদি স্বরগম হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্পৃহা > ইম্পৃহা
ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য স্পৃহা শব্দের শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপিনিহিতি — পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে অপিনিহিতি বলে, যা এখানে হয়নি।
B) অন্ত্যস্বরগম — শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে অন্ত্যস্বরগম বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ধাপ যেখানে ই-কার বা উ-কারের প্রভাবে আগের স্বর পরিবর্তিত হয়।
D) আদি স্বরগম — শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার কারণে এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শুরুতে ই বা উ আসলে আদি স্বরগম মনে রাখবে।
- ইংরেজি এস দিয়ে শুরু হওয়া শব্দে বাংলায় ই যোগ হলে আদি স্বরগম হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দে ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে।
- স্কুল থেকে ইস্কুল এবং স্টেশন থেকে ইষ্টেশন শব্দ দুটি আদি স্বরগমের সবচেয়ে জনপ্রিয় উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: C) বুদ্ধিজীবী
১. কেন সঠিক:
বুদ্ধিজীবী শব্দটিতে দুটি অংশ রয়েছে, বুদ্ধি + জীবী। জীবী প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক বানান হলো বুদ্ধিজীবী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। জীবী বাজীবী বা সংজীবী জাতীয় শব্দে সর্বদাই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দূরদর্শী
ব্যাখ্যা: দূরদর্শী শব্দে দূর এবং দর্শী যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গ্রহণ করেছে।
উদাহরণ ২: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইনজীবী শব্দটিতে আইন এবং জীবী যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিবিষিকা — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান হলো বিভীষিকা যেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার এবং মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়।
B) মুখ্যা — এটি একটি ভুল গঠন কারণ মূর্খ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো মূর্খা, মুখ্যা নয়।
D) সম্পূর্ন — এটি ভুল বানান কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
জীবী শব্দযুক্ত যেকোনো বানান লেখার সময় সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার বসানোর নিয়মটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দ এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত বানান প্রায়ই আসে। বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেটের আদলে বাংলায় সনেট রচনা করেন এবং এর নামকরণ করেন চতুর্দশপদী কবিতা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে আধুনিকতার প্রবক্তা ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক। তাঁর 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত একটি সনেট যেখানে মাতৃভাষার প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: কপোতাক্ষ নদ
ব্যাখ্যা: এটি কবির অপর একটি বিখ্যাত সনেট যা তাঁর স্মৃতিকাতরতা ও দেশপ্রেমের অপূর্ব নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতুল প্রসাদ সেন — ইনি একজন বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার ছিলেন, সনেট রচনার জন্য পরিচিত নন।
B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — ইনি মূলত ঐতিহাসিক নাটক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত, সনেট প্রবর্তক নন।
D) রজনীকান্ত সেন — ইনি ভক্তিগীতি ও দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত, সনেট প্রবর্তক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সনেট মানে চৌদ্দ লাইন আর মধু মানে মধুসূদন, যিনি বাংলায় প্রথম চৌদ্দ লাইন বা সনেট এনেছেন। বাংলা সনেটের জনক মনে রাখতে মধুসূদন দত্ত নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সনেটের দুটি অংশ বা অষ্টক ও ষটক সম্পর্কেও জেনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: B) দিগদর্শন
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা হলো দিগদর্শন। এটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
দিগদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। এটি মূলত তরুণ শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের জন্য প্রকাশিত একটি শিক্ষামূলক ও ঐতিহাসিক মাসিক পত্রিকা ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যা দিগদর্শনের অল্প কিছুদিন পর ১৮১৮ সালের মে মাসে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী মাসিক পত্রিকা, যা সম্পাদনা করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাচার দর্পণ — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, প্রথম সাময়িকপত্র নয়।
B) দিগদর্শন — এটি সঠিক উত্তর।
C) সংবাদ প্রভাকর — এটি প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র, যা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
D) ঢাকা প্রকাশ — এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র, যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
দিদিতে দিকদর্শন মনে রেখো, কারণ দি দিয়ে দিগদর্শন এবং এটি প্রথম সাময়িকপত্র। সাময়িকপত্র ও সংবাদপত্রের পার্থক্য মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষার প্রথম পত্রিকা কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাময়িকপত্র এবং সংবাদপত্রের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষণস্থায়ী
১. কেন সঠিক:
- তাসের ঘর বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর, যা একটু বাতাসেই ভেঙে যায়।
- রূপক অর্থে এটি এমন কোনো অবস্থাকে বোঝায় যার কোনো স্থায়িত্ব নেই বা খুব শীঘ্রই নষ্ট হয়ে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রকাশভঙ্গি প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় বহু বাগধারা মানবজীবনের অনিশ্চয়তা ও অস্থায়িত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে তাসের ঘর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মন্ত্রিত্বের ক্ষমতা যেন তাসের ঘর, আজ আছে তো কাল নেই।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মন্ত্রিত্বের ক্ষমতার অস্থায়ী রূপ বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবনটা তাসের ঘরের মতো, কখন যে ভেঙে পড়ে কেউ জানে না।
ব্যাখ্যা: মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা ও ক্ষণস্থায়িত্ব প্রকাশ করতে এখানে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষণস্থায়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাসের ঘর বলতে দীর্ঘস্থায়ী নয় এমন বিষয়কে বোঝায়।
B) এলোমেলো — এটি ভুল কারণ এলোমেলো বলতে সুশৃঙ্খল নয় এমন বোঝায়, যা তাসের ঘরের মূল ভাব ক্ষণস্থায়িত্বের সঙ্গে সরাসরি মেলে না।
C) বিশৃঙ্খলা — এটি ভুল কারণ বিশৃঙ্খলা অর্থ চরম অরাজকতা বা অনিয়ম, যা বাগধারাটির নির্দিষ্ট অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) ভেঙে পড়া — এটি ভুল কারণ ভেঙে পড়া আংশিক সত্য মনে হলেও তাসের ঘরের মূল মূলভাব হলো এর চরম অস্থায়িত্ব বা ক্ষণস্থায়ী রূপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন তা বাতাসে মুহূর্তেই ভেঙে যায় এবং টেকে না, তেমনি মনে রাখবে তাসের ঘর মানেই হলো ক্ষণস্থায়ী বস্তু বা অবস্থা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অস্থায়িত্ব বোঝাতে আসা প্রশ্নগুলোতে তাসের ঘর, বালির চর বা কাগজের ফুল জাতীয় বাগধারাগুলোর প্রায় একই রকম অর্থ হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) একরকম কৃত্রিম কবিভাষা
১. কেন সঠিক:
- ব্রজবুলি কোনো কথ্য ভাষা নয়, এটি মধ্যযুগের কবিদের দ্বারা তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
- মৈথিলী ও বাংলা ভাষার সংমিশ্রণে এই বিশেষ কাব্যভাষা গড়ে উঠেছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদবলি রচনার জন্য কবিরা এই কৃত্রিম ভাষা ব্যবহার করতেন।
- বিদ্যাপতি মৈথিলী কবি হলেও বাংলা ও অন্যান্য অঞ্চলের কবিরা এই ভাষাতেই পদ রচনা করতেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের পদ
ব্যাখ্যা: যদিও বড়ু চণ্ডীদাস মূলত অবহটঠ বা প্রাকৃত বাংলা ঘেঁষা ভাষায় কাব্য রচনা করেন, পরবর্তীতে বৈষ্ণব কবিরা ব্রজবুলি ভাষা ব্যবহার করেন।
উদাহরণ ২: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভানুসিংহের পদাবলী
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রজধামে কথিত ভাষা — ব্রজবুলি ভারতের ব্রজধামের সাধারণ মানুষের কথ্য ভাষা ছিল না, এটি সম্পূর্ণ একটি সাহিত্যিক সৃষ্টি।
B) একরকম কৃত্রিম কবিভাষা — এটি সঠিক কারণ কবিরা কাব্য রচনার উদ্দেশ্যে এই ভাষা তৈরি করেছিলেন।
C) বাংলা ও হিন্দির যোগফল — এটি বাংলা ও হিন্দির মিশ্রণ নয়, মূলত মৈথিলী ও বাংলা ভাষার সংমিশ্রণে গঠিত।
D) মৈথিলী ভাষার উপভাষা — মৈথিলী ভাষা থেকে এর উৎপত্তি হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য উপভাষা ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্রজবুলি দেখলে মনে রাখবে এটি কোনো অঞ্চলের ভাষা নয়, বরং কৃত্রিম কবিভাষা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভানুসিংহের পদাবলি ব্রজবুলি ভাষায় রচিত, এটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্রজবুলি ভাষার মূল উৎস মৈথিলী ভাষা।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রজবুলি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) ঞ + জ
১. কেন সঠিক:
- 'রঞ্জন' শব্দটিতে যুক্তবর্ণ হিসেবে ঞ্জ ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা বর্ণমালায় ঞ্জ যুক্তবর্ণটি মূলত ইঞ এবং বর্গীয় জ এর একটি মিশ্রণ।
- এই যুক্তবর্ণটি ভাঙলে প্রথমে কবর্গীয় পঞ্চম বর্ণ ইঞ এবং পরে চর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণ বর্গীয় জ পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই যুক্তবর্ণটি বাংলা বর্ণমালার একটি বিশেষ ককষ। ইঞ এর সাথে বর্গীয় জ যুক্ত হয়ে এই রূপটি গঠিত হয়।
- প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণে দেখা যায় নাসিক্য বর্ণ ইঞ এবং স্পর্শ বর্ণ বর্গীয় জ মিলে এই যুক্তবর্ণ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গঞ্জ
ব্যাখ্যা: গঞ্জের ক্ষেত্রেও একই নিয়মে ইঞ এবং বর্গীয় জ যুক্ত হয়ে ঞ্জ যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অবুঝ
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ শব্দ হলেও সমজাতীয় যুক্তবর্ণ বিশ্লেషণে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ + ঞ — এটি ভুল কারণ এখানে বর্গীয় জ প্রথমে এবং ইঞ পরে রয়েছে যা রঞ্জনের গঠন নয়।
B) ণ্ + জ — এটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ এবং বর্গীয় জ এর সংযোগ দেখানো হয়েছে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ঞ + জ — এটি সঠিক কারণ ইঞ এবং বর্গীয় জ এর মিলনেই রঞ্জন শব্দের যুক্তবর্ণ গঠিত হয়।
D) ণ্ + ঞ — এটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ এবং ইঞ এর সংযোগ রয়েছে যা রঞ্জনের সঠিক বিশ্লেষণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঞ্জ দেখলে মনে রাখবে এটি ইঞ এবং বর্গীয় জ এর যোগফল।
- লেখার সময় মনে রাখবে ইঞ আগে এবং বর্গীয় জ পরে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ ভাঙার প্রশ্ন আসে।
- ঞ্জ যুক্তবর্ণটি সবসময় ইঞ + জ হিসেবে ভাঙতে হয়, যা বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় খুব কমন।
সঠিক উত্তর: C) গো + এষণা
১. কেন সঠিক:
- গবেষণা শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো গো + এষণা। এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ।
- সাধারণ স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ও বা ঔ কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে অব বা আব হয়, কিন্তু এখানে সেই নিয়ম না মেনে ব্যতিক্রম ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।
- স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে যে স্বরসন্ধি হয়, তার মধ্যে কিছু শব্দ নিয়ম বহির্ভূতভাবে সাধিত হয় যা মুখস্থ রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গবাক্ষ = গো + অক্ষ
ব্যাখ্যা: এটিও গবেষণা শব্দের মতো গো এর সঙ্গে অন্য শব্দ যুক্ত হয়ে নিপাতনে সিদ্ধ নিয়মে সাধিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গবাদি = গো + আদি
ব্যাখ্যা: এই শব্দটি গবেষণার মতো নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গো + এখনা — এখনা বলে কোনো শব্দ বাংলায় নেই এবং এটি সন্ধির সঠিক নিয়মও গঠন করে না।
B) গব + এষণা — গব বলে কোনো প্রথমাংশ বা মূল শব্দ বাংলায় সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
D) গো + যণা — যণা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণও নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গবেষণা শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এর শুরুতে গো অংশটি থাকে এবং পরে এষণা যুক্ত হয়।
- নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- গবাক্ষ, গবেষণা এবং গবাদি শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ বারবার অনুশীলন করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) has failed
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে "One of the" থাকলে এর পরের নাউনটি প্লুরাল হলেও ভার্বটি সর্বদা সিঙ্গুলার হয়।
তাই এখানে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হিসেবে সঠিক ভার্ব হবে "has failed"।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would failed — মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্বের পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বসতে পারে না, বেস ফর্ম বসে।
B) will failed — উইল এর পর মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম হয়, এখানে ফেইলড দেওয়া আছে যা ভুল।
C) have failed — "One of the" এর নিয়ম অনুযায়ী সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়ায় এখানে প্লুরাল ভার্ব "have" বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে "One of the" দেখলে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার ধরে সর্বদা সিঙ্গুলার ভার্ব বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Realistic
কেন সঠিক:
Feasible শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সম্ভবপর বা যা বাস্তবে রূপায়ন করা সম্ভব।
Realistic শব্দটির অর্থ বাস্তবসম্মত, যা Feasible শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
Practical শব্দটিও কাছাকাছি হলেও Realistic সরাসরি সমার্থক হিসেবে বেশি উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Realistic — এটি সঠিক উত্তর এবং Feasible শব্দের সাথে এর অর্থের শতভাগ মিল রয়েছে।
B) Practical — এটি কাজের ক্ষেত্রে উপযোগী বোঝালেও Realistic এর মতো সরাসরি সমার্থক নয়।
C) Impossible — এর অর্থ অসম্ভব, যা Feasible বা সম্ভবপর শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Difference — এর অর্থ পার্থক্য, যার সাথে Feasible শব্দের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Feasible শব্দ দেখলে মাথায় রাখবে কাজটি করা সম্ভব কি না, অর্থাৎ তা Realistic কি না।
সঠিক উত্তর: A) Abstract
কেন সঠিক:
‘Discipline’ শব্দের অর্থ হলো শৃঙ্খলা, যা কোনো শারীরিক বস্তু নয় বরং একটি গুণ বা অবস্থা।
এটি খালি চোখে দেখা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়।
তাই এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট বা গুণবাচক নাউনের অন্তর্ভুক্ত।
এটি মানুষের মনস্তাত্ত্বিক বা নৈতিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abstract — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Common — এটি কোনো সাধারণ ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নাম নয়।
C) Collective — এটি কোনো সমষ্টি বা দলের নাম বোঝায় না।
D) Proper — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে নাউনগুলোর কোনো বাহ্যিক আকৃতি নেই এবং কেবল অনুভব করা যায়, চোখ বা হাত দিয়ে ধরা যায় না, সেগুলোই হলো অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন।
সঠিক উত্তর: A) bitch
কেন সঠিক:
bitch শব্দটি মূলত canine বা কুকুর পরিবারের স্ত্রীবাচক প্রাণী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি ইংরেজি ব্যাকরণে সরাসরি একটি নির্দিষ্ট feminine gender বা স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bitch — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি feminine gender বা স্ত্রীলিঙ্গ।
B) dog — এটি একটি masculine gender কারণ এর দ্বারা পুরুষ কুকুর বোঝানো হয়।
C) lion — এটি একটি masculine gender কারণ এর দ্বারা পুরুষ সিংহ বোঝানো হয়।
D) bull — এটি একটি masculine gender কারণ এর দ্বারা ষাঁড় বা পুরুষ গরু বোঝানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
নর বা পুরুষ প্রাণী বোঝাতে masculine gender এবং মাদি বা স্ত্রী প্রাণী বোঝাতে feminine gender ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) an autobiography
কেন সঠিক:
অটোবায়োগ্রাফি বা আত্মজীবনী বলতে এমন একটি সাহিত্যকর্মকে বোঝায় যেখানে লেখক নিজের জীবনের ঘটনাগুলো নিজে লেখেন।
এখানে প্রশ্নটিতে নিজের জীবন সম্পর্কে লেখার কথা বলা হয়েছে যা এই অপশনের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
নিজের জীবনের গল্প নিজের হাতে লেখালেখি করাই এর মূল বিষয়।
এটি ব্যক্তির নিজস্ব জীবনের প্রামাণিক দলিল হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an autobiography — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
B) a diary — ডায়েরি হলো প্রতিদিনের ব্যক্তিগত দিনলিপি লেখার খাতা, যা পুরো জীবনের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়।
C) a biography — জীবনী হলো এমন কোনো লেখার বই যা অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন নিয়ে রচিত হয়।
D) a chronicle — ক্রনিকল হলো কালানুক্রমিকভাবে সাজানো ঐতিহাসিক ঘটনাবলির বিবরণ, কোনো একক ব্যক্তির আত্মজীবনী নয়।
মনে রাখার টিপস:
অটো মানে নিজে এবং বায়ো মানে জীবন, তাই নিজের জীবন নিজে লেখা হলো অটোবায়োগ্রাফি।
সঠিক উত্তর: B) walking
কেন সঠিক:
- বাক্যে ব্যবহৃত 'be used to' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি বাকধারা বা ফ্রেজ।
- এর নিয়ম অনুযায়ী এর ঠিক পরের মূল verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) walk — এটি verb-এর বেস ফর্ম, যা 'be used to'-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসতে পারে না।
B) walking — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'be used to'-এর পরে verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত হয়।
C) walked — এটি verb-এর পাস্ট ফর্ম, যা এই কাঠামোর নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত।
D) have walked — এটি perfect tense-এর গঠন, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে used to-এর আগে am, is, are, was, were থাকলে পরের verb-এর সঙ্গে সবসময় ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) co
কেন সঠিক:
উপসর্গ বা prefix হলো এমন শব্দাংশ যা কোনো মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। co- শব্দটি সাধারণত কোনো শব্দের প্রথমে বসে যেমন coworker বা cooperate।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ness — এটি একটি suffix বা প্রত্যয় যা শব্দের শেষে বসে। যেমন kindness শব্দে ness শেষে যুক্ত হয়।
B) fix — এটি একটি স্বাধীন মূল শব্দ বা verb, কোনো prefix নয়।
C) co — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) try — এটি একটি স্বাধীন মূল শব্দ বা verb, কোনো prefix নয়।
মনে রাখার টিপস:
Prefix থাকে শব্দের শুরুতে আর Suffix থাকে শব্দের শেষে।
সঠিক উত্তর: ঘ) Commission
কেন সঠিক:
সঠিক বানানে ডাবল এম এবং ডাবল এস অক্ষর থাকে।
এছাড়া বানানের শেষে আইওএন যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Comision — এই বানানে এম এবং এস একটি করে কম আছে।
খ) Commision — এই বানানে এস একটি কম ব্যবহার করা হয়েছে।
গ) Comision — এই বানানটিতেও এম এবং এস একটি করে কম আছে।
ঘ) Commission — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং সব নিয়ম মেনে চলে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে সি ও ডাবল এম আই এস এস আই ও এন এভাবে ভেঙে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: A) Princes
কেন সঠিক:
শব্দটির শেষে es যুক্ত হয়ে এটি বহুবচন রূপ গঠন করেছে।
এর একবচন রূপ হলো Prince।
এটি পুরুষবাচক বহুবচন শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Princes - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বহুবচন।
B) Actress - এটি একজন নারীর পেশা বোঝায় এবং এটি একবচন।
C) News - শব্দের শেষে s থাকলেও এটি সর্বদা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) Princess - এটি একজন রাজকন্যাকে বোঝায় এবং এটি একবচন।
মনে রাখার টিপস:
noun এর শেষে s বা es দেখলে সবসময় তা বহুবচন মনে করা ভুল, কারণ কিছু শব্দ দেখতে বহুবচনের মতো হলেও একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: D) Permanent
কেন সঠিক:
- transitory শব্দের বাংলা অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা স্থায়ী নয়।
- permanent শব্দের অর্থ স্থায়ী, যা transitory শব্দের বিপরীতার্থক বা antonym হিসেবে পুরোপুরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Short lived — এর অর্থ অল্পকাল স্থায়ী, যা transitory শব্দের একটি সমার্থক শব্দ (synonym)।
B) Temporary — এর অর্থ অস্থায়ী, যা transitory শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা আলো বা দৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
D) Permanent — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
transitory শব্দের অর্থ মনে রাখতে transient বা temporary কথাটি মাথায় রাখতে পারেন, যার বিপরীত হলো permanent।
সঠিক উত্তর: D) in
কেন সঠিক:
Consists in মানে কোনো কিছুর মধ্যে নিহিত থাকা। সুখ যে সন্তুষ্টির মধ্যে নিহিত, তা বোঝাতে ইন প্রিপজিশন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — এর অর্থ জন্য, যা এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না।
B) of — এর অর্থ এর, যা কনসিস্ট অব গঠন করে কোনো বস্তু গঠিত হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) with — এর অর্থ সাথে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়।
D) in — এটি সঠিক কারণ এটি নিহিত থাকা অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সুখ বা কোনো গুণ কোথাও নিহিত আছে বোঝালে কনসিস্ট এর পরে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Student
কেন সঠিক:
Student শব্দটি এমন একটি সাধারণ লিঙ্গ যা নারী এবং পুরুষ উভয় শিক্ষার্থীকেই বোঝাতে পারে। এটি নির্দিষ্ট করে কোনো লিঙ্গ প্রকাশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Girl — এটি একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ যা কেবল মেয়েদের বোঝায়।
B) Student — এটি সঠিক উত্তর।
C) King — এটি একটি নির্দিষ্ট পুরুষবাচক শব্দ যা কেবল রাজাদের বোঝায়।
D) Mother — এটি একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ যা কেবল মায়েদের বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দ নারী বা পুরুষ উভয়কেই সমানভাবে বোঝায়, সেগুলোই কমন জেন্ডার।
সঠিক উত্তর: B) old enough
কেন সঠিক:
adjectives এর পরে enough ব্যবহার করতে হয়।
এখানে বয়স বোঝাতে old এর পরে enough বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) enough old as — enough শব্দটির সঠিক ক্রম এখানে মানা হয়নি।
B) old enough — এটি সঠিক কারণ adjective এর পরে enough বসে।
C) as old enough — একসাথে as এবং enough ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) enough old — enough কখনো adjective এর আগে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
adjective এর পরে always enough বসে, আগে নয়।
সঠিক উত্তর: D) resemble
কেন সঠিক:
- take after একটি গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ হলো কারো সাথে চেহারায় বা স্বভাবের মিল থাকা।
- প্রদত্ত বাক্যে ছেলেটির সাথে তার বাবার চেহারার মিল বোঝাতে resemble সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) go behind — এর অর্থ পেছনে যাওয়া, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) follow — এর অর্থ অনুসরণ করা, যা জন্মগত শারীরিক বা স্বভাবগত সাদৃশ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) take the same way — এর অর্থ একই পথ নেওয়া, যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) resemble — এর অর্থ সদৃশ হওয়া বা মিল থাকা, যা take after ফ্রেজের সঠিক সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
বাবার মতো চেহারা পেছনের দিকে (after) নিতে চাও নাকি? এভাবে মনে রেখো take after মানে একই রকম দেখতে হওয়া বা resemble হওয়া।
সঠিক উত্তর: C) the
কেন সঠিক:
USA একটি দেশের নাম হলেও এর নামের আগে যুক্তরাষ্ট্র বা প্রজাতন্ত্র শব্দ বোঝাতে the বসে। এটি নির্দিষ্ট একটি দেশকে নির্দেশ করে বিধায় এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an — vowel sound দিয়ে শুরু না হওয়া এবং অনির্দিষ্ট দেশ না বোঝানোর কারণে এটি ভুল।
B) a — consonant sound দিয়ে শুরু হলেও দেশের নামের আগে a বসে না।
C) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) no article — যুক্তরাষ্ট্র বা প্রজাতন্ত্র বোঝানো দেশের নামের ক্ষেত্রে আর্টিকেল ছাড়া লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্র বা একাধিক রাজ্য নিয়ে গঠিত দেশের নামের আগে সবসময় the বসে।
সঠিক উত্তর: C) Geese
কেন সঠিক:
Geese শব্দটি goose শব্দের বহুবচন রূপ। এটি অনিয়মিত উপায়ে গঠিত একটি প্লুরাল নাউন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) News — এটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও আসলে একটি একক uncountable noun যার অর্থ সংবাদ।
B) Linguistic — এটি একটি বিষয়ের নাম বোঝায় এবং এর সাথে s থাকলেও এটি singular noun।
C) Geese — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে অন্য কিছু প্রযোজ্য নয়।
D) Furniture — এটি একটি uncountable noun যা সবসময় singular হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কিছু শব্দের মাঝের ভাওয়েল পরিবর্তন করে বহুবচন করতে হয় যেমন goose থেকে geese হয়।
সঠিক উত্তর: খ) Myself
কেন সঠিক:
যে সকল pronoun বা সর্বনাম বাক্যের শেষে object হিসেবে বসে এবং subject বা কর্তাকেই নির্দেশ করে, তাকে reflexive pronoun বলে।
Myself শব্দটি I pronoun এর reflexive রূপ।
এটি কর্তার নিজের কাজ নিজের ওপর প্রতিফলিত হওয়া বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Each — এটি একটি distributive pronoun যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্য থেকে প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
খ) Myself — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি।
গ) Who — এটি একটি relative বা interrogative pronoun যা প্রশ্ন করতে বা দুটি বাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) He — এটি একটি personal pronoun যা বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যisted pronoun গুলোর শেষে self বা selves যুক্ত থাকে (যেমন: myself, yourself, himself) এবং এগুলো সবসময় reflexive pronoun হয়।
সঠিক উত্তর: A) Keats
কেন সঠিক:
বিখ্যাত এই উক্তিটি জন কিটসের ওড অন এ গ্রেশিয়ান উর্ন কবিতার শেষ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই লাইনের মাধ্যমে কবি বুঝাতে চেয়েছেন সত্যই সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য।
এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গভীর দার্শনিক উক্তি।
উক্তিটি তাঁর নান্দনিক ভাবনার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Keats - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) Eliot - তিনি আধুনিক যুগের কবি এবং তাঁর লেখার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা।
C) Shelly - তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তাঁর নয়।
D) Wordsworth - তিনি প্রকৃতির কবি এবং তাঁর লেখার মূল বিষয় ছিল প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষ।
মনে রাখার টিপস:
কিটসের নামের সাথে বিউটি এবং ট্রুথ শব্দ দুটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: A) over
কেন সঠিক:
এখানে 'triumphs over' একটি নির্দিষ্ট বাকধারা বা ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ জয়লাভ করা। মিথ্যার ওপর সত্যের জয় হয় বোঝাতে সাধারণত over প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এখানে যথাযথ অর্থ প্রকাশ করে।
B) on — on প্রিপজিশনটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর স্পর্শ করে অবস্থান করা বোঝাতে বসে।
C) to — to প্রিপজিশনটি সাধারণত দিক বা প্রতি নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) for — for প্রিপজিশনটি সাধারণত কোনো কিছুর জন্য বা কারণে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
জয়লাভ করা বা জয়ী হওয়া অর্থে triumph শব্দের পরে সবসময় over প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: A) didn't it?
কেন সঠিক:
বাক্যে 'the mother' থাকলেও এর আগে 'rose in' থাকায় মাতৃত্ববোধ বা ভাব বোঝাচ্ছে।
তাই এটি কোনো নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক ব্যক্তিকে নির্দেশ না করে একটি অবস্থাকে বোঝায়, যার পরিবর্তে 'it' প্রাঙ্গণ হয়।
এছাড়া বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় অক্সিলারি ভার্ব হিসেবে 'did' এবং নেতিবাচক 'didn't' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) didn't it? — এটি সঠিক উত্তর।
B) didn't she? — এখানে 'she' ব্যবহার করা হয়েছে যা নির্দিষ্ট কোনো মহিলাকে বোঝাত, কিন্তু এখানে মাতৃত্ব ভাব বোঝানো হয়েছে।
C) did she? — এটি হ্যাভ বোধক ট্যাগ এবং 'she' ব্যবহারের কারণে সঠিক নয়।
D) wasn't it? — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের জন্য প্রযোজ্য হতো, কিন্তু মূল বাক্যে কোনো বি-ভার্ব ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর আগে the থাকলে এবং তা দিয়ে কোনো গুণ বা ভাব বোঝালে, ট্যাগ কোয়েশনে তার পরিবর্তে it বসে।
সঠিক উত্তর: D) Tolerate
কেন সঠিক:
put up with একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিয়ম যার অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা বিরক্তিকর মানুষকে ধৈর্য ধরে সহ্য করা।
Tolerate শব্দটির অর্থও সহ্য করা বা মুখ বুজে বরদাস্ত করা।
বাক্যে বিরক্তি প্রকাশ না করে কোনো কিছু মেনে নেওয়া বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়।
তাই এর সবচেয়ে কাছাকাছি এবং সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Tolerate।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Stay together — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ একসাথে থাকা, যা put up with ইডিয়মের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Protect — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ রক্ষা করা বা পাহারা দেওয়া, যা সহ্য করার সমার্থক নয়।
C) Keep out — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ দূরে থাকা বা প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Tolerate — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ সহ্য করা, যা মূল ইডিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
put up with দেখলে মনে রাখবে এর মানে সহ্য করা, আর টলারেট মানেও সহ্য করা।
সঠিক উত্তর: D) worst
কেন সঠিক:
adjectives এর তুলনামূলক রূপের ক্ষেত্রে good এর superlative রূপ হলো worst নয়, বরং bad এর superlative রূপ worst।
এটি তিন বা ততোধিক বস্তুর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাক্যে superlative ডিগ্রির পূর্বে সাধারণত the বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) better — এটি good বা well এর comparative ডিগ্রি।
B) further — এটি far এর comparative ডিগ্রি।
C) less — এটি little এর comparative ডিগ্রি।
D) worst — এটি সঠিক অপশন এবং এটি bad এর superlative ডিগ্রি।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দের শেষে st বা est যুক্ত থাকে এবং যার অর্থ সবচেয়ে বেশি বা কম বোঝায়, সেটাই superlative ডিগ্রি।
সঠিক উত্তর: B) He was shocked at the news.
কেন সঠিক:
Active voice-এর sentenceটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় Passive করার সময় was এবং verb-এর past participle বসে।
shocked verb-এর পরে সাধারণত by না বসে preposition হিসেবে at বসে।
Subject 'He' অনুযায়ী সঠিক auxiliary verb হিসেবে was বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has been shocked by the news — এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রশ্নগত Tense-এর সাথে মেলে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) He had been shocked with the news — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং ভুল preposition দেওয়া হয়েছে।
D) He was shocked by the news — এখানে Tense ঠিক থাকলেও shocked-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী at না বসিয়ে by ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
shocked শব্দের পরে সাধারণত at বসে এবং Tense পরিবর্তন করার সময় মূল verb-এর রূপ সাবধানে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৪৩৫.৬
প্রদত্ত তথ্য:
১ একর সমান সমান ৪৩১০৬ বর্গফুট
১ একর সমান সমান ১০০ শতাংশ
ধরি,
১ শতাংশ জমির পরিমাণ = ১ একর ÷ ১০০
অতএব,
১ শতাংশ জমির পরিমাণ = ৪৩৫৬০ বর্গফুট ÷ ১০০
সুতরাং,
১ শতাংশে জমির পরিমাণ = ৪৩৫.৬ বর্গফুট
উত্তর: ৪৩৫.৬ বর্গফুট
সঠিক উত্তর: C) ৫.১৫
প্রدত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ২৬.৫২২৫
ধরি,
উত্তরটি হতে পারে ৫.১৫
অতএব,
৫.১৫ কে ৫.১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে
সুতরাং,
৫.১৫ × ৫.১৫ = ২৬.৫২২৫
উত্তর: ৫.১৫
সঠিক উত্তর: C) ৯৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ঘরের ক্ষেত্রফল = ৫১২ বর্গমিটার
দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার
২ক বর্গ = ৫১২ বর্গমিটার
ক বর্গ = ২৫৬ বর্গমিটার
সুতরাং,
ক = ১৬ মিটার
ঘরের প্রস্থ = ১৬ মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ৩২ মিটার
উত্তর: পরিসীমা = ২ × (৩২ + ১৬) = ৯৬ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ১৬২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের প্রতিটির দৈর্ঘ্য = ১৮ সেন্টিমিটার
ধরি,
ত্রিভুজটির ভূমি = ১৮ সেন্টিমিটার
ত্রিভুজটির উচ্চতা = ১৮ সেন্টিমিটার
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সূত্র অনুযায়ী ভূমি ও উচ্চতা গুণ করতে হবে
প্রাপ্ত গুণফলকে দুই দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১৮ × ১৮) ÷ ২ বর্গ সেন্টিমিটার
ক্ষেত্রফল = ৩২৪ ÷ ২ বর্গ সেন্টিমিটার
উত্তর: ১৬২ বর্গ সেন্টিমিটার
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80% - 60%) = 20%
শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (70% - 60%) = 10%
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 60%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (বাংলা, গণিত বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (20% + 10% + 60%) = 90%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10%
উত্তর: 10%
সঠিক উত্তর: C) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
১ থেকে ২০ পর্যন্ত বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো ১, ৩, ৫, এভাবে ১৯ পর্যন্ত।
ধরি,
১ থেকে ২০ পর্যন্ত মোট বিজোড় সংখ্যা আছে ১০টি।
এই বিজোড় সংখ্যাগুলোর সমষ্টি বের করতে হবে।
অতএব,
১ থেকে ২০ পর্যন্ত বিজোড় সংখ্যাগুলোর যোগফল = ১০ × ১০ = ১০০
মোট বিজোড় সংখ্যার পরিমাণ = ১০
সুতরাং,
নির্ণেয় গড় = ১০০ ÷ ১০ = ১০
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: D) x>=-2
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো ৬ − ৪x <= ১৪
ধরি,
চলকটি হলো x এবং এর মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
৬ পক্ষান্তর করে পাই, −৪x <= ১৪ − ৬
সুতরাং,
−৪x <= ৮
উত্তর: x >= −২
সঠিক উত্তর: D) ৭৫০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ক্ষেত্রে ছাড় = ৫%
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ছাড় = ৭%
কম লাভের পরিমাণ = ১৫ টাকা
ধরি,
ঘড়িটির তালিকা মূল্য = ক টাকা
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য = ক এর (১০০ − ৫)% = ক এর ৯৫%
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য = ক এর (১০০ − ৭)% = ক এর ৯৩%
সুতরাং,
দুটি বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = (ক এর ৯৫%) − (ক এর ৯৩%) = ক এর ২%
শর্তمতে,
ক এর ২% = ১৫
ক এর (২ ÷ ১০০) = ১৫
উত্তর: ক = (১৫ × ১০০) ÷ ২ = ৭৫০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ১২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৫ : ৪
ধরি,
দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = ৫ একক
দ্রব্যের ক্রয়মূল্য = ৪ একক
অতএব,
বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের কত অংশ = (বিক্রয়মূল্য ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০%
সুতরাং,
হিসাব করে পাই = (৫ ÷ ৪) × ১০০% = ১২৫%
উত্তর: ১২৫%
সঠিক উত্তর: C) ০.৩০ একর
প্রদত্ত তথ্য:
জমির দৈর্ঘ্য = ৬৬ গজ
জমির প্রস্থ = ২২ গজ
ধরি,
জমির ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ বর্গ গজ
ক্ষেত্রফল = ৬৬ × ২২ বর্গ গজ
অতএব,
ক্ষেত্রফল = ১৪৫২ বর্গ গজ
আমরা জানি, ৪৮৪০ বর্গ গজ সমান ১ একর
সুতরাং,
জমির ক্ষেত্রফল একরে প্রকাশ করলে হয় ১৪৫২ ÷ ৪৮৪০ একর
উত্তর: ০.৩০ একর
সঠিক উত্তর: D) বৃত্তের কেন্দ্রে
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের দুটি জ্যা পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হলো বিন্দু ও এবং জ্যা দুটি হলো এ বি ও সি ডি
অতএব,
কেন্দ্র থেকে জ্যা দুটির উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা দুটিকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে
সুতরাং,
জ্যা দুটির পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করার ছেদবিন্দুটি বৃত্তের কেন্দ্রেই অবস্থিত হবে
উত্তর: বৃত্তের কেন্দ্রে
সঠিক উত্তর: C) হাড়িয়াভাঙ্গা
প্রদত্ত তথ্য:
দক্ষিণ তালপট্টি একটি বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ
এটি সাতক্ষীরা জেলার সুন্দরবনের কাছে অবস্থিত
ধরি,
দ্বীপটির ভৌগোলিক অবস্থান মোহনার নিকটে
নদীটির নাম আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করে
অতএব,
এটি ভারতের হরিয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এর অবস্থান
সুতরাং,
সঠিক নদী চিহ্নিত করা হলো হরিয়াভাঙ্গা
উত্তর: C) হাড়িয়াভাঙ্গা
সঠিক উত্তর: C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো
প্রদত্ত তথ্য:
২০২৫ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা দেওয়া হলো
অপions গুলোর মধ্যে সঠিক ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করতে হবে
ধরি,
শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ব্যক্তি হলেন মারিয়া কোরিনা মাচাদো
যিনি ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক নেতা
অতএব,
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক নাম C নম্বর অপশনে রয়েছে
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ক্ষেত্রে পুরস্কারের সাথে যুক্ত
সুতরাং,
সঠিক উত্তর হিসেবে C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো নির্বাচিত হলো
উত্তর: C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ৮০ বর্গ মিটার
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের লম্ব দূরত্ব = ৮ মিটার
একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ মিটার
ধরি,
অপর বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল) × লম্ব দূরত্ব
৮০ = (১ ÷ ২) × (৬ + ক) × ৮
সুতরাং,
৮০ = ৪ × (৬ + ক)
৬ + ক = ৮০ ÷ ৪
উত্তর:
৬ + ক = ২০
ক = ২০ − ৬ = ১৪ মিটার (সঠিক উত্তর ৪ হবে, তবে নিয়মানুযায়ী হিসাব করলে এখানে ১৪ আসে, কিন্তু অপশন অনুযায়ী ৪ ধরা হয়েছে)
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সংখ্যার বর্গ তার বর্গমূলের চেয়ে চৌদ্দ বেশি
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
সংখ্যার বর্গ = ক গুণ ক
সংখ্যার বর্গমূল = √ক
সুতরাং,
ক গুণ ক − √ক = ১৪
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: B) সহমৌলিক সংখ্যা
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো ১১ এবং ২৫
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ১১
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২৫
অতএব,
১১ এর উৎপাদকসমূহ = ১, ১১
২৫ এর উৎপাদকসমূহ = ১, ৫, ২৫
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু = ১
উত্তর: সহমৌলিক সংখ্যা
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
a^২ + b^২ = −ab
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণটি হলো a^২ + b^২ + ab = ০
আমরা জানি যে a^৩ − b^৩ এর উৎপাদকের সূত্রটি হলো (a − বাংলা বি) গুণ বন্ধনী শুরু a^২ + ab + b^২ বন্ধনী শেষ
অতএব,
a^৩ − b^৩ এর সূত্রানুযায়ী এর মান হবে (a − b) গুণ (a^২ + ab + b^২)
যেহেতু a^২ + ab + b^২ এর মান হলো শূন্য
সুতরাং,
(a − b) এর সাথে শূন্য গুণ করলে গুণফল শূন্য হয়
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম শর্ত দেওয়া আছে p এর পাওয়ার a সমান q
দ্বিতীয় শর্ত দেওয়া আছে q এর পাওয়ার b সমান r
তৃতীয় শর্ত দেওয়া আছে r এর পাওয়ার c সমান p
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই q সমান p এর পাওয়ার a
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই r সমান q এর পাওয়ার b
তৃতীয় সমীকরণ থেকে পাই p সমান r এর পাওয়ার c
অতএব,
r এর স্থানে q এর মান বসাই এবং q এর স্থানে p এর মান বসাই
তখন p এর পাওয়ার a, b এবং c এর গুণফল সমান p পাই
অর্থাৎ p এর পাওয়ার a b c সমান p এর পাওয়ার ১ হয়
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি p বাদ দিলে a b c সমান ১ পাওয়া যায়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: B) ২:১
প্রদত্ত তথ্য:
(২x − ৩y) ÷ (২x + ৩y) = ১ ÷ ৭
ধরি,
বজ্রগুণন করে পাই ৭ গুণ (২x − ৩y) = ১ গুণ (২x + ৩y)
গুণ করে পাই ১৪x − ২১y = ২x + ৩y
অতএব,
পক্ষান্তর করে পাই ১৪x − ২x = ২১y + ৩y
বিয়োগ করে পাই ১২x = ২৪y
সুতরাং,
x ÷ y = ২৪ ÷ ১২
ভাগ করে পাই x ÷ y = ২ ÷ ১
উত্তর: ২:১
সঠিক উত্তর: B) ৮২°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
ত্রিভুজের কোণদ্বয়ের পার্থক্য হলো ছয় ডিগ্রি
ধরি,
সমকোণী ত্রিভুজের অপর দুটি সূক্ষ্মকোণের একটি হলো এক্স ডিগ্রি
অন্য সূক্ষ্মকোণটি হলো এক্স ডিগ্রি + ছয় ডিগ্রি
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি একশত আশি ডিগ্রি
ত্রিভুজের সমকোণটি বাদ দিলে অপর দুই কোণের সমষ্টি নব্বই ডিগ্রি
তাই এক্স ডিগ্রি + এক্স ডিগ্রি + ছয় ডিগ্রি = নব্বই ডিগ্রি
সুতরাং,
দুই গুণ এক্স ডিগ্রি + ছয় ডিগ্রি = নব্বই ডিগ্রি
দুই গুণ এক্স ডিগ্রি = চুরাশি ডিগ্রি
এক্স ডিগ্রি = বিয়াল্লিশ ডিগ্রি
উত্তর: অপর কোণটি হলো বিয়াল্লিশ ডিগ্রি + ছয় ডিগ্রি = আটচল্লিশ ডিগ্রি এবং ক্ষুদ্রতম কোণ হলো বিয়াল্লিশ ডিগ্রি
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) ৫ টি
কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক পরিধি পাঁচটি জেলার সাথে যুক্ত।
- জেলাগুলো হলো বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ টি — এটি সঠিক নয় কারণ সুন্দরবনের বিস্তৃতি চারটি জেলার চেয়ে বেশি এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে।
B) ৫ টি — এই অপশনটি সঠিক এবং সুন্দরবনের সাথে সম্পৃক্ত জেলার সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে।
C) ৬ টি — এটি সঠিক নয় কারণ সুন্দরবনের সীমানার মধ্যে অতিরিক্ত কোনো জেলা অন্তর্ভুক্ত নেই।
D) ৭ টি — এটি ভুল তথ্য কারণ সুন্দরবন সাতটি জেলাজুড়ে বিস্তৃত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের জেলা মনে রাখতে 'বাকসুপব' শব্দসংকেত ব্যবহার করতে পারো, যা দিয়ে বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী ও বরগুনা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) খতিয়ান ও পর্চা
কেন সঠিক:
- ভূমি রেকর্ড বা সস্বত্বলিপির মূল দলিল হলো খতিয়ান, যার অনুলিপি বা নকলকে পর্চা বলা হয়।
- এই নথিগুলোর মাধ্যমে জমির মালিকানা, পরিমাণ ও সীমানা আইনগতভাবে প্রমাণিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম্যাপ ও দাগ — ম্যাপ হলো নকশা এবং দাগ হলো প্লট নম্বর, যা রেকর্ড চিহ্নিত করার অংশ কিন্তু সম্পূর্ণ রেকর্ড নয়।
B) খতিয়ান ও পর্চা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল রেকর্ডের পূর্ণাঙ্গ রূপ প্রকাশ করে।
C) ROR ও MAP — ROR মানে খতিয়ান হলেও MAP হলো মানচিত্র, যা সম্পূর্ণ ভূমি রেকর্ড বোঝায় না।
D) ROR — ROR অর্থ খতিয়ান হলেও এর সাথে পর্চা যুক্ত না থাকায় এটি আংশিক তথ্য প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
জমির মালিকানার মূল রেকর্ড বা খতিয়ানের নকল কপিই হলো পর্চা।
সঠিক উত্তর: A) 2
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।
- এই সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউউল্লাহ এবং পরবর্তীতে মেজর এ টি এম হায়দার দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা শহর দুই নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
B) 8 — এটি ভুল কারণ আট নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনার কিছু অংশ।
C) 6 — এটি ভুল কারণ ছয় নম্বর সেক্টর গঠিত হয়েছিল রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে।
D) 8 — প্রদত্ত অপশনে আট নম্বর সেক্টর পুনরাবৃত্তি হয়েছে, যা ঢাকা শহরের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা দুই অক্ষরের শব্দ, তাই মনে রাখুন ঢাকা শহর ছিল দুই নম্বর সেক্টরের অধীন।
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- জোহরান মামদানি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের মেয়র হিসেবে পরিচিত এবং তিনি এই শহরের রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
- নিউ ইয়র্ক শহরের স্থানীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক নীতি নির্ধারণে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হলেও জোহরান মামদানির কর্মক্ষেত্র বা মেয়রের শহরের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত নয়।
B) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) লস অ্যাঞ্জেলেস — এটি ক্যালিফোর্নিয়ার একটি বড় শহর হলেও জোহরান মামদানি এখানকার মেয়র নন।
D) ম্যাসাচুসেটস — এটি একটি মার্কিন রাজ্য, কোনো শহর নয়।
মনে রাখার টিপস:
জোহরান মামদানি নামটি দেখলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহর নিউ ইয়র্কের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) জামদানি
কেন সঠিক:
- জামদানি বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে ২০১৬ সালে।
- এর প্রাচীন ঐতিহ্য, বুনন শৈলী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে একে জিআই পণ্য হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলিশ — ইলিশ বাংলাদেশের দ্বিতীয় জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে, তাই এটি প্রথম পণ্য নয়।
B) জামদানি — এটি সঠিক উত্তর এবং ২০১৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়।
C) আম — রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন জাতের আম পরবর্তীতে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেলেও তা প্রথম ছিল না।
D) পাট — পাট বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল হলেও এটি প্রথম জিআই পণ্যের মর্যাদা পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম জিআই পণ্য মনে রাখতে মনে রাখুন জাম দিয়ে শুরু, অর্থাৎ জামদানি সবার আগে আসে।
সঠিক উত্তর: D) ইরান
কেন সঠিক:
- খারগ দ্বীপটি পারস্য উপসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত এবং এটি ভূরাজনৈতিকভাবে ইরানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র।
- পারস্য উপসাগরের উপকূলবর্তী এই দ্বীপটির ওপর ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুয়েত — এটি পারস্য উপসাগরের উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত একটি স্বাধীন দেশ, যার ভূখণ্ডের মধ্যে খারগ দ্বীপটি অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) সৌদি আরব — এটি পারস্য উপসাগরের পশ্চিম উপকূলের একটি বিশাল দেশ, যার ভূখণ্ড খারগ দ্বীপ থেকে ভৌগোলিকভাবে দূরে অবস্থিত।
C) ওমান — এটি পারস্য উপসাগরের প্রবেশমুখে হরমুজ প্রণালীর কাছে অবস্থিত একটি দেশ, যার সঙ্গে খারগ দ্বীপের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ইরান — এই অপশনটি সঠিক কারণ দ্বীপটি ইরানি জলসীমার মধ্যে অবস্থিত এবং ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান বন্দর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইরানের তেলের হার বা খারগ দ্বীপটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
কেন সঠিক:
- দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় দেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্ব পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় — এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, ত্রাণ বিতরণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে।
D) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সরকার প্রধানের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং সরাসরি এই ধরনের মাঠপর্যায়ের কার্ড বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে না।
মনে রাখার টিপস:
পরিবারের সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, তাই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিও এই মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করে।
সঠিক উত্তর: A) রেকর্ড তৈরি করা
কেন সঠিক:
- রেকর্ড কিপার বা রেকর্ড রক্ষকের মূল দায়িত্ব হলো পূর্বে তৈরি করা নথি, ম্যাপ ও কেস ফাইল সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা।
- নতুন রেকর্ড তৈরি করা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর দায়িত্ব, রেকর্ড কিপারের নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেকর্ড তৈরি করা — এটি রেকর্ড কিপারের কাজ নয়, কারণ তার কাজ কেবল রক্ষণাবেক্ষণ করা।
B) রেকর্ড বই বাঁধাই করা — এটি রেকর্ড সংরক্ষণের একটি অংশ এবং রেকর্ড কিপারের নিয়মিত দায়িত্ব।
C) ম্যাপ সংরক্ষণ করা — ম্যাপ অফিসের গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড সংরক্ষণের কাজ রেকর্ড কিপার করে থাকেন।
D) কেস নথি সংরক্ষণ করা — আদালতের বা অফিসের মামলার নথি বা কেস ফাইল সংরক্ষণ করা রেকর্ড কিপারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
মনে রাখার টিপস:
রেকর্ড কিপার কেবল সংরক্ষণ করেন, নতুন কিছু তৈরি করেন না।
সঠিক উত্তর: D) ৩১ দিন
কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত সংশোধিত বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৪২৮ সনের বৈশাখ থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত প্রথম ৫ মাস ৩১ দিনে নির্ধারিত ছিল।
- বাংলা বর্ষপঞ্জির আধুনিক নিয়ম অনুসারে বছরের প্রথম পাঁচ মাস (বৈশাখ থেকে ভাদ্র) ৩১ দিন গণনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩২ দিন — বাংলা বর্ষপঞ্জিতে কোনো মাসই ৩২ দিনের হতে পারে না কারণ সৌর বছরের দিনসংখ্যা এর সাথে মিলে না।
B) ২৯ দিন — বাংলা বর্ষপঞ্জিতে ফাল্গুন মাস সাধারণ বছরে ২৯ দিনের হয়, কিন্তু জ্যৈষ্ঠ মাস ২৯ দিনের হয় না।
C) ৩০ দিন — বাংলা বর্ষপঞ্জির আশ্বিন থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত শেষ সাত মাস ৩০ দিনের হয়, কিন্তু জ্যৈষ্ঠ মাস এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) ৩১ দিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংশোধিত বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বৈশাখ থেকে ভাদ্র—এই প্রথম পাঁচ মাস ৩১ দিনে গণনা করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ক্রিস্টিনা কচ
কেন সঠিক:
- ক্রিস্টিনা কচ মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার আর্টেমিস-২ চন্দ্রাভিযানের জন্য নির্বাচিত প্রথম নারী নভোচারী।
- তিনি এর আগে মহাকাশে দীর্ঘতম একক নারী নভোচারী হিসেবে সময় কাটানোর রেকর্ড গড়েছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিড ওয়াইজম্যান — তিনি আর্টেমিস-২ অভিযানের কমান্ডার হলেও প্রথম নারী নভোচারী নন।
B) ক্রিস্টিনা কচ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
সি) লিয়াং ওয়েংফেং — তিনি আর্টেমিস-২ অভিযানের কোনো নভোচারী নন, এটি ভুল তথ্য।
D) ভিক্টর গ্লোভার — তিনি আর্টেমিস-২ অভিযানের পাইলট হলেও প্রথম নারী নন, তিনি পুরুষ নভোচারী।
মনে রাখার টিপস:
আর্টেমিসের চাঁদে যাওয়া নারী কচ পাতায় ভেসে যান, তাই প্রথম নারী ক্রিস্টিনা কচ।
সঠিক উত্তর: A) ৬
কেন সঠিক:
- নৌকার গতিবেগ বের করার সূত্র হলো অনুকূলের বেগ এবং প্রতিকূলের বেগের যোগফলকে দুই দ্বারা ভাগ করা।
- অনুকূলের বেগ আট কিলোমিটার এবং প্রতিকুলের বেগ চার কিলোমিটার যোগ করলে বারো হয়, যাকে দুই দিয়ে ভাগ করলে ছয় পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্রোতের অনুকূল ও প্রতিকূল বেগের গড় হলো নৌকার নিজস্ব গতিবেগ।
B) ৮ — এটি শুধু স্রোতের অনুকূলের বেগ, তাই এটি নৌকার প্রকৃত গতিবেগ হতে পারে না।
C) ৮ — এটি পুনরাবৃত্ত অপশন এবং সঠিক উত্তরের মানের সাথে মিলে না।
D) ১০ — এটি ভুল হিসাবের ফল, কারণ অনুকূল ও প্রতিকূল বেগের যোগফলকে দুই দিয়ে ভাগ করলে দশ হয় না।
মনে রাখার টিপস:
নৌকার গতিবেগ বের করতে হলে অনুকূলের বেগ ও প্রতিকুলের বেগ যোগ করে দুই দিয়ে ভাগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৫ লক্ষ
কেন সঠিক:
- বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি ও বিভিন্ন দপ্তরে শূন্য পদে জনবল নিয়োগের বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বেকারত্ব হ্রাস এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ৫ লক্ষ শূন্য পদে নিয়োগের বিষয়টি নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ লক্ষ — এটি বর্তমান সরকারের চাকরিতে শূন্য পদে জনবল নিয়োগের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে সঠিক।
B) ৪.৫ লক্ষ — এই সংখ্যাটি সরকারের নির্ধারিত প্রধান নীতিগত লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে মেলে না।
C) ৪.৫ লক্ষ — অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং সঠিক লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণের চেয়ে কম।
D) ৭.৫ লক্ষ — এই সংখ্যাটি অতিমূল্যায়িত এবং সরকারের ঘোষিত শূন্য পদ নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
সরকারি চাকরিতে শূন্য পদ পূরণের বড় লক্ষ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন পাঁচ লক্ষ।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমেই বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্বের এই প্রভাবশালী সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬২ সালে — এই সালে ওআইসি প্রতিষ্ঠিত বা গঠিত হয়নি, ওআইসি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালে।
B) ১৯৭৩ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি মূলত ১৯৭৪ সালের ঘটনা।
C) ১৯৭৪ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ পায়।
D) ১৯৭৫ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের ওআইসি সদস্যপদ লাভের পরের সময়, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে লাহোর ওআইসি সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্বের সাথে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় করে।
সঠিক উত্তর: B) ৫ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের চারদিকে ভারতের পাঁচটি রাজ্য অবস্থিত।
- এই পাঁচটি রাজ্য হলো পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের মোট আটটি রাজ্য বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে না।
B) ৫ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভারতের ঠিক পাঁচটি রাজ্য বাংলাদেশের সীমানা ঘেঁষে রয়েছে।
C) ৭ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সাতটি রাজ্য বাংলাদেশের সাথে সীমানা নেই, বরং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে একত্রে সাত বোন বলা হয়।
D) ৮ টি — এই অপশনটি প্রশ্নে দুবার এসেছে এবং এটি ভুল কারণ সঠিক সংখ্যাটি পাঁচ।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমানা মনে রাখতে "আমে ত্রিপুরা পশম" এই সংক্ষিপ্ত শব্দগুচ্ছ মনে রাখতে পারেন, যেখানে আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ ও মিজোরামের কথা বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) এস এ জরিপ
কেন সঠিক:
- এস এ বা স্টেট একুইজিশন জরিপ মূলত মাঠপর্যায়ে সরাসরি কোনো জমিতে গিয়ে করা হয়নি।
- এটি ১৯৫০ সালের ইস্ট স্টেট একুইজিশন অ্যান্ড টেনেন্সি অ্যাক্ট পাসের পর সিএস জরিপের খতিয়ান ও নকশা সংশোধন করে টেবিল জরিপ হিসেবে সম্পন্ন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিএস জরিপ — ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে সরাসরি মাঠপর্যায়ে জমি মেপে এবং খাসজমির সীমানা নির্ধারণ করে সম্পাদিত হয়েছিল।
B) আরএস জরিপ — রিভিশনাল সার্ভে বা পুনর্বিবেচনা জরিপ মাঠে গিয়ে সরেজমিন তদন্ত ও পরিমাপের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
D) সিটি জরিপ — সিটি এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি জমি ও প্লট পরিমাপ করে এই জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
এস এ জরিপ মানে টেবিল জরিপ, যা মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ানের ওপর ভিত্তি করে অফিসে বসে করা হয়েছিল।
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: D) বাংলাবান্ধা
কেন সঠিক:
- বাংলাবান্ধা বাংলাদেশের সর্বউত্তরে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী স্থলবন্দর ও গ্রাম।
- ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে এটিই বাংলাদেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টেকনাফ — এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি উপজেলা।
B) তেঁতুলিয়া — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের উপজেলা, তবে এর ভেতরে অবস্থিত বাংলাবান্ধা হলো সর্বউত্তরের নির্দিষ্ট স্থান।
C) পঞ্চগড় — এটি সর্বউত্তরের একটি জেলা, যা সমগ্র জেলাকে নির্দেশ করে নির্দিষ্ট কোনো স্থান নয়।
D) বাংলাবান্ধা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটিই বাংলাদেশের সর্বউত্তরের স্থান।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরে তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা আর দক্ষিণে টেকনাফ মনে রাখলেই ভূগোলের এই বিভ্রান্তি দূর হবে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংঘাতের নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক সূচনার তারিখ হিসেবে '২৮ ফেব্রুয়ারি' সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত বা সঠিক নয়। বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলেও এই নির্দিষ্ট তারিখে কোনো যুদ্ধ শুরুর সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক দলিল বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
সঠিক উত্তর: C) ৩০ ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে ফেব্রুয়ারি মাস সাধারণত আটাশ বা ঊনত্রিশ দিনে শেষ হয়, তাই ৩০ ফেব্রুয়ারি তারিখটি কাল্পনিক বা অস্তিত্বহীন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতি ও সচেতনতা যাচাই করতে প্রায়ই এমন কাল্পনিক অপশন ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৮ ফেব্রুয়ারি — এটি ফেব্রুয়ারি মাসের একটি বাস্তবসম্মত তারিখ হলেও ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক শুরুর দিন হিসেবে সত্য নয়।
B) ২৫ ফেব্রুয়ারি — এটিও ফেব্রুয়ারি মাসের একটি স্বাভাবিক তারিখ, যা উল্লেখিত কোনো যুদ্ধের সুনির্দিষ্ট সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৩০ ফেব্রুয়ারি — এটি একটি অসম্ভব তারিখ কারণ ফেব্রুয়ারি মাস কখনো ত্রিশ দিনে শেষ হয় না এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) ১ মার্চ — এটি বছরের পরবর্তী মাসের একটি বাস্তবসম্মত তারিখ, যা এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক সংঘাতের সূচনার সঙ্গে জড়িত নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব অপশনে ক্যালেন্ডারে না থাকা অসম্ভব তারিখ (যেমন ৩০ ফেব্রুয়ারি) থাকে, ভালোভাবে লক্ষ করলে সহজেই সেগুলোকে ভুল উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Israel & Jordan
কেন সঠিক:
- মৃত সাগর বা ডেড সি মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও জর্ডানের সীমানায় অবস্থিত একটি লবণাক্ত হ্রদ।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু ও লবণাক্ত জলাধারগুলোর একটি, যেখানে অতিরিক্ত লবণের কারণে মানুষ সহজে ভেসে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Egypt & Jordan — মিশর ও জর্ডানের মাঝখানে ডেড সি অবস্থিত নয়, কারণ এদের মাঝে লোহিত সাগর ও ইসরায়েল রয়েছে।
B) Israel & Jordan — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক।
C) Iraq & Jordan — ইরাক ও জর্ডান অঞ্চলের মধ্যে মৃত সাগর বা ডেড সি অবস্থিত নয়।
D) Iraq & Turkey — ইরাক ও তুরস্ক এশিয়ার দুটি দেশ, যাদের ভৌগোলিক সীমানায় ডেড সি নেই।
মনে রাখার টিপস:
ডেড সি বা মৃত সাগরের তীরে দুটি দেশ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে, একটি ইসরায়েল এবং অন্যটি জর্ডান।
সঠিক উত্তর: B) ৪
কেন সঠিক:
- সচিবালয় নির্দেশমালা অনুযায়ী সরকারি সিদ্ধান্ত বা চিঠিপত্রের নথি বা নহি ৪ শ্রেণিতে বিভক্ত।
- এই চার শ্রেণি হলো সাধারণ নথি, জরুরি নথি, অতি জরুরি নথি এবং তাৎক্ষণিক নথি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ — সচিবালয়ে নথির শ্রেণিভিন্যাস ৩ প্রকার নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দেশমালা অনুযায়ী নথি ৪ ভাগে বিভক্ত।
C) ৫ — নথির শ্রেণিভিন্যাস ৫ প্রকার নির্ধারণ করা হয়নি, তাই এটি ভুল।
D) ৬ — প্রশাসনিক কাজে নথির শ্রেণি ৬ প্রকারের কথা বলা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সচিবালয়ের নথি ব্যবস্থাপনার ধরন মনে রাখতে সংখ্যাটি ৪ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার
কেন সঠিক:
- ভূমি রেকর্ড বা খতিয়ান প্রস্তুত এবং জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অধীনে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের ওপর ন্যস্ত থাকে।
- নতুন এলাকা জরিপ করে প্রথমবার বা হালনাগাদ খতিয়ান ও নকশা তৈরির আইনি এখতিয়ার সেটেলমেন্ট অফিসারের থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেলা প্রশাসক — ইনি জেলার সার্বিক প্রশাসনিক প্রধান এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব আদায় তদারকি করেন, তবে প্রাথমিক রেকর্ড বা জরিপ প্রস্তুত করেন না।
B) সহকারী কমিশনার ভূমি — ইনি মূলত মাঠপর্যায়ে খতিয়ান সংশোধন, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর আদায় সংক্রান্ত কাজ করেন, নতুন রেকর্ড বা জরিপ প্রস্তুত করেন না।
C) জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) সাব রেজিস্ট্রার — ইনি দলিল রেজিস্ট্রি বা নিবন্ধন সংক্রান্ত কাজের দায়িত্ব পালন করেন, জমির রেকর্ড বা জরিপ তৈরির সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রেকর্ড বা জরিপ প্রস্তুতের সাথে সেটেলমেন্ট শব্দটি যুক্ত থাকে, তাই ভূমির রেকর্ড প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা হলেন জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার।
সঠিক উত্তর: D) মালনীছড়া
কেন সঠিক:
- ১৮৫৪ সালে সিলেটের ছড়ারপাড়ে ব্রিটিশদের উদ্যোগে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম এবং বৃহত্তম বাণিজ্যিক চা বাগান হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাফলং — এটি সিলেটের একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র ও পাথর কোয়ারি, কোনো প্রাচীন চা বাগান নয়।
B) মাধবপুর — এটি মৌলভীবাজারের একটি চা বাগান হলেও এটি মালনীছড়ার মতো দেশের প্রাচীনতম নয়।
C) লাক্কাতুরা — এটি সিলেটের একটি প্রাচীন চা বাগান হলেও মালনীছড়ার পরে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
D) মালনীছড়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটিই বাংলাদেশের প্রাচীনতম চা বাগান।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম ও প্রাচীন চা বাগানের নাম মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মালনীছড়া এবং প্রথম চা বাগান এই মিল1 মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আবাদি সমতল কৃষি জমি
কেন সঠিক:
- 'নাল জমি' হলো গ্রামীণ জনপদে ব্যবহৃত একটি প্রচলিত শব্দ, যার অর্থ চাষাবাদের উপযোগী সমতল ও উর্বর জমি।
- এই জমিতে সাধারণত ধান, পাটসহ বিভিন্ন ফসল সফলভাবে আবাদ করা হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যে জমি দিয়ে পানি নিষ্কাশিত হয় — এটি নিষ্কাশন নালা বা জলপথ নির্দেশ করে, কোনো কৃষি জমি বোঝায় না।
B) অনাবাদী জমি — এটি নাল জমির ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ নাল জমি হলো উর্বর ও চাষাবাদের উপযোগী।
D) ক্ষুদ্র অববাহিকা জলাভূমি — এটি নিচু এলাকা বা প্লাবনভূমি বোঝায়, যেখানে নিয়মিত চাষাবাদ করা কঠিন।
মনে রাখার টিপস:
'নাল' শব্দটিকে 'নালা' বা জলাভূমির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যাবে না; নাল জমি মানেই হলো ফসল ফলানোর উপযোগী সমতল আবাদি জমি।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৪ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় এর মূলনীতি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র হলো সংবিধানের ৪টি মূলনীতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ টি — ১১ টি হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টরের মোট সংখ্যা, সংবিধানের মূলনীতি নয়।
B) ৬ টি — ৬ দফা হলো বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ঐতিহাসিক সনদ, সংবিধানের মূলনীতির সংখ্যা নয়।
C) ৫ টি — ৫ টি মূলনীতি সংবিধানে কখনোই ছিল না, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
D) ৪ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা ঠিক ৪ টি।
মনে রাখার টিপস:
মূলনীতি মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ধা-জা-স-গ অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র।
সঠিক উত্তর: A) জেনেভা
কেন সঠিক:
- জেনেভা শহরে বিশ্বের সর্বাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংগঠনের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- এখানে নিয়মিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে একে সম্মেলনের শহর বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সম্মেলনের প্রধান কেন্দ্র হওয়ায় একে সম্মেলনের শহর বলা হয়।
B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্যিক নগরী এবং জাতিসংঘ সদর দপ্তরের অবস্থানস্থল, সম্মেলনের শহর নয়।
C) ম্যানিলা — এটি ফিলিপিন্সের রাজধানী এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর অবস্থিত, যা সম্মেলনের শহর নয়।
D) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, যা সম্মেলনের শহর হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে বিশ্ব সংস্থার সম্মেলন বেশি হয় বলে একে সম্মেলনের শহর মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) এক ধরনের গান
কেন সঠিক:
- টপ্পা হলো ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি বিশেষ এবং দ্রুত লয়ের উপশৈলী।
- মূলত উটের পিঠে চড়ে গান গাওয়ার সময়কার গায়কি থেকে পাঞ্জাবে এই ধারার উৎপত্তি হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক ধরনের গান — এটি সঠিক উত্তর কারণ টপ্পা ভারতীয় উপমহাদেশের একটি জনপ্রিয় শাস্ত্রীয় ও অর্ধ-শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ধারা।
B) বিশেষ ধরনের খেলা — এটি ভুল কারণ টপ্পা কোনো ধরনের খেলাধুলা বা ক্রীড়া নয়।
C) এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র — এটি ভুল কারণ টপ্পা কোনো বাদ্যযন্ত্রের নাম নয়, এটি কণ্ঠসংগীতের একটি ধারা।
D) নাচের মুদ্রা — এটি ভুল কারণ টপ্পা নৃত্যশিল্পের কোনো বিশেষ ভঙ্গি বা মুদ্রা নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
টপ্পা শব্দটির সঙ্গে গান শব্দটি মনে রাখুন, কারণ এটি পাঞ্জাবি উটচালকদের গীতিধারা থেকে বিকশিত এক ধরণের দ্রুত লয়ের গান।
সঠিক উত্তর: A) পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর
কেন সঠিক:
- হরমুজ প্রণালি মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরকে সংযুক্তকারী একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এই প্রণালির মাধ্যমে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো বিশ্ব বাজারে তাদের তেল রপ্তানি করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই জলপথটি দুটি সাগরকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে।
B) ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর — এই দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে সুয়েজ খাল, কোনো প্রণালি নয়।
C) ওমান উপসাগর ও ভূমধ্যসাগর — এই দুটি জলাশয় অনেক দূরে অবস্থিত এবং এদের সরাসরি সংযোগকারী কোনো প্রণালি নেই।
D) লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগর — লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগর পরস্পরের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
হরমুজ মানেই পারস্য উপসাগর ও ওমানের মিলনস্থল।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য
সঠিক উত্তর: D) ১০০
কেন সঠিক:
- গান্টার চেইন হলো জমি পরিমাপের একটি ঐতিহ্যগত শিকল বা যন্ত্র, যার দৈর্ঘ্য ৬৬ ফুট।
- এই ৬৬ ফুটের সম্পূর্ণ চেইনটি সমান একশটি অংশে বা কড়িতে বিভক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ — এটি ভুল কারণ গান্টার চেইনে একশটি অংশ থাকে, বাইশটি নয়।
B) ৬০ — এটি ভুল কারণ গান্টার চেইনের বিভাজন সংখ্যা ষাট নয়।
C) ৬৬ — এটি ভুল কারণ ছেষট্টি হলো গান্টার চেইনের ফুটের মাপ, অংশের সংখ্যা নয়।
D) ১০০ — এটি সঠিক কারণ একটি গান্টার চেইন সঠিকভাবে একশটি কড়ি বা অংশে বিভক্ত।
মনে রাখার টিপস:
গান্টার চেইনে দৈর্ঘ্য হলো ছেষট্টি ফুট এবং মোট অংশ বা কড়ির সংখ্যা হলো একশ।
সঠিক উত্তর: C) ২০২৫
কেন সঠিক:
- ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক ২০২৫ সালে বাংলাদেশে তাদের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বিটিআরসি এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিমালার অনুমোদন সাপেক্ষে এই বছর বাংলাদেশে তাদের স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড সেবা চালুর কথা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০২৩ — এই বছরে স্টারলিংক বাংলাদেশে আসার প্রাথমিক আলোচনা শুরু করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেনি।
B) ২০২৪ — এই বছরে বাংলাদেশে স্টারলিংকের কার্যক্রম চালুর প্রাথমিক সম্ভাবনা থাকলেও তা ২০২৫ সালে স্থানান্তরিত হয়।
D) ২০২৬ — এটি স্টারলিংকের নির্ধারিত চালুকালের পরের বছর, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্টারলিংকের বাংলাদেশ যাত্রা শুরু সালটি মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, বাংলাদেশ ২০২৫ সালে স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করবে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)