বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি.

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. ২০২১

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ) (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (29)

a শিক্ষক
b গুরু
c বাঘ
d সভাপতি
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সভাপতি ১. কেন সঠিক: সভাপতি একটি লিঙ্গান্তরহীন বা নিত্যপুংলিঙ্গ শব্দ যার কোনো নির্দিষ্ট নারীবাচক শব্দ হয় না। পদবিবাচক বা কর্মবাচক কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় পুরুষ ও নারী উভয় ক্ষেত্রে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দ কেবল পুরুষবাচক হয় এদের কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ হয় না। এই জাতীয় শব্দগুলোকে নিত্যপুংলিঙ্গ শব্দ বলা হয় যা লিঙ্গ ভেদে রূপ পরিবর্তন করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপদার্থ ব্যাখ্যা: অপদার্থ শব্দটি নিত্যপুংলিঙ্গ এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: কবিরাজ ব্যাখ্যা: কবিরাজ শব্দটি পুরুষ ও নারী উভয় চিকিৎসকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষক — শিক্ষক শব্দের নারীবাচক শব্দ শিক্ষিকা যা লিঙ্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত হয়। B) গুরু — গুরু শব্দের নারীবাচক শব্দ গুরুপত্নী বা গুরুনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) বাঘ — বাঘ শব্দের নারীবাচক শব্দ বাঘিনী যা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়। D) সভাপতি — সভাপতি শব্দের কোনো নির্দিষ্ট নারীবাচক শব্দ হয় না কারণ এটি লিঙ্গান্তরহীন শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: পদবিবাচক শব্দ যেমন সভাপতি, মন্ত্রী, ডাক্তার সাধারণত উভলিঙ্গ বা নিত্যপুংলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। পরীক্ষায় এমন শব্দ আসলে খেয়াল রাখবে কোন পদের নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিত্যপুংলিঙ্গ শব্দ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন হয়ে থাকে। অন্যান্য নিত্যপুংলিঙ্গ শব্দ যেমন অকৃতদার, সখা, ক在该 ইত্যাদি ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a কর্মকর্তৃ বাচ্য
b কর্তৃ বাচ্য
c ভাব বাচ্য
d কর্মবাচ্য
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মকর্তৃ বাচ্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে কর্মপদ থাকা সত্ত্বেও তা কর্তার মতো আচরণ করে এবং কর্মটিই প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে কর্মকর্তৃ বাচ্য বলে। এই বাক্যে কাজটি কর্ম হওয়া সত্ত্বেও তা নিজে নিজেই সম্পাদিত হচ্ছে এমন অর্থ প্রকাশ করছে এবং বাক্যের অর্থ অনুধাবনে কর্মই প্রধান হয়ে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কর্তৃ বাচ্যের কর্ম যখন নিজেই কর্তার স্থানীয় হয়ে বাক্য পরিচালনা করে, তখন তাকে কর্মকর্তৃ বাচ্য বা কর্মকর্তৃ বাচ্য বলা হয়। এই জাতীয় বাক্যে সাধারণত কর্মপদটি উহ্য বা স্পষ্ট থাকে এবং ক্রিয়াপদটি কর্মের অনুগামী হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাশিতে সুর বাজে। ব্যাখ্যা: এখানে বাঁশি কর্ম হলেও নিজে নিজে বাঁচার মতো অর্থ প্রকাশ করায় এটি কর্মকর্তৃ বাচ্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: কলমে ভালো লেখা হয়। ব্যাখ্যা: এখানে কলম কর্মপদ হিসেবে কর্তার কাজ সম্পন্ন করছে, যা কর্মকর্তৃ বাচ্যের একটি প্রমিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকর্তৃ বাচ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে কর্ম নিজেই কর্তার ভূমিকা পালন করেছে। B) কর্তৃ বাচ্য — এটি ভুল কারণ এই বাক্যে কর্তা সরাসরি ক্রিয়া সম্পন্ন করছে না বরং কর্মই প্রধান। C) ভাব বাচ্য — এটি ভুল কারণ ভাব বাচ্যে কর্তার বা কর্মের প্রধান্য না থেকে ক্রিয়ার ভাবই প্রধান হয়। D) কর্মবাচ্য — এটি ভুল কারণ কর্মবাচ্যে কর্ম প্রধান হয় এবং সাধারণত কর্তার সাথে দ্বারা বা কর্তিক যুক্ত থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের কর্মপদ যদি নিজেই কর্তার মতো কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মকর্তৃ বাচ্য দাগাবে। স্মরণে রাখবে যে কর্মকর্তৃ বাচ্যে আলাদা করে কোনো কর্তা দৃশ্যমান থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মকর্তৃ বাচ্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বাঁশি বাজে বা পাঠ্যবইয়ের চেনা উদাহরণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। বাক্যের অর্থ ভালোমতো অনুধাবন করলে বাচ্যের রূপ খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
a ছাপা + খানা
b জন + অক
c রাঁধ+ উনি
d কাঁদ + না
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছাপা + খানা কেন সঠিক: - ছাপা একটি বিশেষ্য পদ এবং খানা একটি তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত শব্দাংশ। - বিশেষ্য পদের সঙ্গে খানা যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে যা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম মেনে চলে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ বা প্রাতিপদিকের পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। - বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরির প্রক্রিয়া এটি। - যেমন বই যোগ খানা সমান বইখানা, যেখানে খানা একটি তদ্ধিত প্রত্যয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ছাপা + খানা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষ্য পদের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - B) জন + অক — এটি কৃৎ প্রত্যয় কারণ জন ধাতুর সঙ্গে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - C) রাঁধ + উনি — এটি কৃৎ প্রত্যয় কারণ রাঁধ একটি ধাতু বা ক্রিয়ামূল। - D) কাঁদ + না — এটি কৃৎ প্রত্যয় কারণ কাঁদ একটি ধাতু বা ক্রিয়ামূল। মনে রাখার টিপস: - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। - শব্দ বা নামের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
a 30
b 32
c 37
d 39
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা ৩০টি। মুখের উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে এই ত্রিশটি ধ্বনিকে বাংলা ভাষার মূল ব্যঞ্জনধ্বনি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলেও সবগুলোর উচ্চারণ স্বতন্ত্র নয়। কিছু বর্ণ যুক্তবর্ণ বা অন্য ধ্বনির সাহায্যে গঠিত হওয়ায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা ৩০টি ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি যা ফুসফুস থেকে আগত বাতাস মুখে বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: ম ব্যাখ্যা: এটিও একটি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি যা ওষ্ঠের সাহায্যে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির নির্দিষ্ট সংখ্যা ত্রিশটি। B) ৩২ — এটি ভুল কারণ ৩২টি বাংলা ভাষার কোনো স্বীকৃত ধ্বনি বা বর্ণের সংখ্যা নয়। C) ৩৭ — এটি ভুল কারণ ৩৭টি কোনো নির্দিষ্ট ধ্বনি নির্দেশ করে না। D) ৩৯ — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি হলেও মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি মনে রাখবে ৩০টি। বর্ণমালা আর ধ্বনির সংখ্যা গুলিয়ে ফেলবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি।
a প্রতিশব্দ
b বাগধারা
c কৃিয়াবিশেষণ
d উক্তি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃিয়াবিশেষণ ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব অংশে শব্দের শ্রেণিবিভাগ, পদ প্রকরণ ও শব্দের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়। ক্রিয়াবিশেষণ হলো একটি পদ, যা রূপতত্ত্ব বা পদ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত থেকে ক্রিয়ার কাজের ভাব, সময় বা স্থান নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রূপতত্ত্ব ব্যাকরণের এমন একটি শাখা যেখানে শব্দের গঠন, শব্দের শ্রেণিবিভাগ এবং বাক্যে ব্যবহৃত পদের রূপান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া পদের মতো ক্রিয়াবিশেষণও পদ প্রকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে দ্রুত হাঁটে। ব্যাখ্যা: এখানে দ্রুত শব্দটি হাঁটা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করায় এটি একটি ক্রিয়াবিশেষণ এবং রূপতত্ত্বের আওতাভুক্ত। উদাহরণ ২: বৃষ্টি এখনো পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে এখনো শব্দটি সময়ের নির্দেশক হওয়ায় এটি একটি ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে রূপতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিশব্দ — প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ শব্দার্থ তত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, যা রূপতত্ত্বের সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়। B) বাগধারা — বাগধারা বাক্যার্থ বা শব্দার্থ তত্ত্বের একটি বিশেষ অংশ হিসেবে পরিগণিত হয়। D) উক্তি — উক্তি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, কারণ এটি বাক্যের রূপান্তর ও পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রকাশের সাথে যুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে পদ ও শব্দের রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। পদ সম্পর্কিত যেকোনো আলোচনা যেমন বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়াবিশেষণ দেখলেই রূপতত্ত্ব দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন শাখা কোন বিষয়ের আলোচনা তা প্রায়ই আসে। বাক্য বা পদের গঠন বুঝতে পারলে রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের প্রশ্ন সহজে আলাদা করা সম্ভব।
a আফ্রিকীয়
b দ্রাবিড়ীয়
c ইন্দো ইউরোপীয়
d ইস্পানি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইস্পানি ১. কেন সঠিক: ডক্টর সুনীতি চট্টোপাধ্যায় ও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ভারতীয় আর্য ভাষার মূল উৎস হলো ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবার। এই ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা থেকেই বিভিন্ন শাখা প্রশাখার মাধ্যমে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে এবং অপশন ডি এর ইস্পানি ভাষা এই বংশের অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা মূলত ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের একটি শাখা এবং এর আদি উৎস হলো প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষা। ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার মাধ্যমে বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ভাষার মূল উৎস ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবার। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার মূল বংশপরিচয় নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: সংস্কৃত ভাষা ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপের উৎস বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকীয় — এটি ভাষাবংশের একটি শাখা যা ভাবঅংশের আলোচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) দ্রাবিড়ীয় — এটি প্রাচীন ভারতীয় ভাষা পরিবারের একটি অন্যতম প্রধান শাখা। C) ইন্দো ইউরোপীয় — এটি সেই মূল ভাষা পরিবার যার বিভিন্ন শাখা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে। D) ইস্পানি — এটি মূলত ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত হলেও বাংলা ভাষার বংশ বা ভাবঅংশের আলোচনায় এটি প্রধান উৎস হিসেবে গণ্য হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা ভাষার মূল উৎস মনে রাখার জন্য ইন্দো ইউরোপীয় কথাটি মাথায় রাখবে। অন্য ভাষাগুলো ভাষা পরিবারের শাখা হিসেবে পরিচিত হলেও ইস্পানি ভাষা এই ধারার বাইরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা পরিবার থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে তাই বাংলা ভাষার উৎস ভালোভাবে পড়তে হবে। ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a পশ্চিমী
b পূর্বী
c বরেন্দ্রী
d রাঢ়ি
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরেন্দ্রী কেন সঠিক: - বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান প্রাচীন বরেন্দ্র ভূমির অন্তর্ভুক্ত। - এই অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের মুখের বুলিকে ভাষাতাত্ত্বিকরা বরেন্দ্রী উপভাষা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপের শ্রেণিবিভাগে বরেন্দ্রী একটি প্রধান উপভাষা। - রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা ও রংপুর অঞ্চলের কিছু অংশ এই উপভাষার সীমানাভুক্ত। - বরেন্দ্রী উপভাষায় শব্দের আদিতে হ-কারের ব্যবহার এবং স্বরধ্বনির উচ্চারণে বিশেষ বৈচিত্র্য দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পশ্চিমী — এটি বাংলাদেশের কোনো প্রচলিত উপভাষার নাম নয়। - B) পূর্বী — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের উপভাষার নাম নয়। - D) রাঢ়ি — এটি মূলত পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরের অঞ্চলের উপভাষা। মনে রাখার টিপস: - উত্তর-পশ্চিম দিক মনে রাখলেই বরেন্দ্র ভূমি এবং বরেন্দ্রী উপভাষা সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a বাড়াবাড়ি
b ঝিকিমিকি
c পটাপট
d পায়ে পায়ে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পটাপট ১. কেন সঠিক: - কোনো বাস্তব বা কাল্পনিক শব্দের অনুকরণে গঠিত শব্দকে ধ্বাত্মক শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলা হয়। পটাপট শব্দটি কোনো কিছু দ্রুত ভেঙে যাওয়া বা পড়ার ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়েছে। - ধ্বাত্মক শব্দগুলোকে সাধারণত শব্দদ্বিত্ব হিসেবে ব্যবহার করে তীব্রতা বা বিশেষ ভাব প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলায় বিশেষ করে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য কোনো কিছুর ভাব বা ধ্বনির অনুকরণে যে শব্দগুলো তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বাত্মক শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। - এই শব্দগুলোর দ্বিরুক্তি বা শব্দদ্বিত্ব গঠন করে বাক্যে বিশেষণ বা ক্রিয়ার বিশেষণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পটপট শব্দ করে পাতাগুলো ছিঁড়ে ফেলল। ব্যাখ্যা: এখানে পটপট একটি ধ্বাত্মক শব্দদ্বিত্ব যা কাটার বা ছড়ার ধ্বনি প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: ঝমঝম করে বৃষ্টি নামল। ব্যাখ্যা: ঝমঝম বৃষ্টির পতনের ধ্বনি নির্দেশক একটি ধ্বাত্মক শব্দদ্বিত্ব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাড়াবাড়ি — এটি একটি সাধারণ দ্বিরুক্ত শব্দ বা শব্দের পুনরাবৃত্তি, কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত ধ্বাত্মক শব্দ নয়। B) ঝিকিমিকি — এটি দৃষ্টিগ্রাহ্য আলোর ঝলকানি বোঝায়, যা রূপের দ্যোতক শব্দদ্বিত্ব কিন্তু ধ্বনি বা শব্দের অনুকরণ নয়। C) পটাপট — এটি সঠিক কারণ এটি ধ্বনি বা শব্দের অনুকরণে গঠিত ধ্বাত্মক শব্দদ্বিত্ব। D) পায়ে পায়ে — এটি বিশেষ্য পদের পুনরাবৃত্তি বা পদাত্মক দ্বিরুক্তি, ধ্বাত্মক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলো শুনলে কানের মাধ্যমে কোনো শব্দ বা ধ্বনির অনুভূতি জাগে, সেগুলোই ধ্বাত্মক শব্দদ্বিত্ব। - দেখার বিষয় হলে রূপের দ্যোতক এবং শোনার বিষয় হলে ধ্বাত্মক শব্দ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বাত্মক ও রূপের দ্যোতক শব্দের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - কান দিয়ে যা শোনা যায় তা ধ্বাত্মক শব্দ এবং চোখ দিয়ে যা দেখা যায় তা রূপের দ্যোতক শব্দ হিসেবে আলাদা করতে হবে।
a A meeting is held by them very early
b A meeting will be held by them very early
c A meeting was hold by them very early
d A meeting was held by them very early
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A meeting was held by them very early কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের মূল verb টি past tense (held) এ থাকায় প্যাসিভ করার সময় was এবং V3 ব্যবহার করতে হয়। অবজেক্ট 'A meeting' সাবجেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সাবজেক্ট 'They' অবজেক্ট হয়ে 'them' এ রূপান্তর হয়েছে। বাক্যের অতিরিক্ত অংশ 'very early' নিয়ম অনুযায়ী শেষে অপরিবর্তিত অবস্থায় বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A meeting is held by them very early — এখানে মূল বাক্যটি past tense এ থাকলেও প্রেজেন্ট টেন্সের auxiliary verb is ব্যবহার করা হয়েছে। B) A meeting will be held by them very early — এখানে ভবিষ্যৎকালের auxiliary verb will ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না। C) A meeting was hold by them very early — এখানে was এর পরে verb এর V3 রূপ (held) না বসিয়ে present form (hold) ব্যবহার করা হয়েছে। D) এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে tense এবং passive voice এর সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যাক্টিভ থেকে প্যাসিভ করার সময় টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb ঠিক রেখে মূল verb এর সবসময় past participle বা V3 রূপ বসাতে হয়।
a 3/5
b 2/7
c 1/3
d 1/2
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/৫ কেন সঠিক: বৃত্তের ক্ষেত্রফল এবং পরিধির সাথে সেক্টরের ক্ষেত্রফল ও চাপের দৈর্ঘ্যের অনুপাত সর্বদা সমান থাকে। তাই ক্ষেত্রফলের অনুপাত তিন অনুপাত পাঁচ হলে চাপের দৈর্ঘ্যের অনুপাতও একই হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩/৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্ষেত্রফলের অনুপাত ও চাপের অনুপাত সমান হয়। B) ২/৭ — এটি ভুল কারণ অনুপাতটি প্রশ্ন অনুযায়ী দুই অনুপাত সাত নয়। C) ১/৩ — এটি ভুল কারণ সঠিক অনুপাতটি এক অনুপাত তিন এর সমান নয়। D) ১/২ — এটি ভুল কারণ প্রদত্ত তথ্যের সাথে এই ভগ্নাংশটি মেলে না। মনে রাখার টিপস: বৃত্তের ক্ষেত্রফল বা চাপের ক্ষেত্রে কেন্দ্রিক কোণের অনুপাত সবসময় সমান থাকে।
a spread out
b infest
c weaken
d trespass
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) trespass কেন সঠিক: Encroach শব্দের অর্থ হলো অনধিকার প্রবেশ করা বা কারো সীমানা লঙ্ঘন করা। Trespass শব্দের অর্থও অন্যের সম্পত্তিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করা এবং এটি এর সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spread out — এর অর্থ ছড়িয়ে পড়া, যা অনুপ্রবেশ বা সীমানা লঙ্ঘনের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) infest — এর অর্থ উপদ্রব করা বা আক্রমণ করা, যা সাধারণত কীটপতঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। C) weaken — এর অর্থ দুর্বল করা, যা কোনো স্থান বা সীমানায় অবৈধভাবে প্রবেশের অর্থ প্রকাশ করে না। D) trespass — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনধিকার প্রবেশ করা যা মূল শব্দের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Encroach শব্দের মধ্যে reach শব্দটি আছে, যার অর্থ হলো অন্যের সীমানায় পৌঁছে যাওয়া বা অনধিকার প্রবেশ করা।
a Anniversary
b Aniverssary
c Aniversary
d Anniversarry
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Anniversary কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে 'Anniversary' শব্দে দুটি 'n' এবং দুটি 's' ব্যবহৃত হয়েছে। - এর অর্থ বার্ষিকী, যা ইংরেজি বানান বিধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Anniversary — এটি সঠিক বানান। B) Aniverssary — এই বানানটিতে প্রথম অংশে একটি 'n' কম এবং শেষের দিকে অতিরিক্ত অক্ষর রয়েছে। C) Aniversary — এই বানানটিতে একটি 'n' কম রয়েছে। D) Anniversarry — এই বানানটিতে শেষে অতিরিক্ত একটি 'র' বা 'r' বেশি রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য 'Annual' শব্দের সাথে 'versary' যুক্ত হয় এটি মাথায় রাখতে হবে এবং 'Ann' অংশে দুটি 'n' বসে তা খেয়াল রাখতে হবে।
a Truth
b Abandon
c Oblique
d Freedom
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Truth কেন সঠিক: FALLACY শব্দের অর্থ হলো ভুল ধারণা, মিথ্যা বা প্রবঞ্চনা। এর বিপরীতার্থক বা সঠিক Antonym হলো Truth বা সত্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Truth — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সত্য যা ভুল ধারণার বিপরীত। B) Abandon — এর অর্থ ত্যাগ করা, যা FALLACY শব্দের বিপরীত নয়। C) Oblique — এর অর্থ বাঁকা বা অসুক্ষ্ম, যা মূল শব্দের সাথে মিল রাখে না। D) Freedom — এর অর্থ স্বাধীনতা, যার সাথে মিথ্যা বা ভুলের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: FALLACY মানে ভুল বা মিথ্যা, তাই এর বিপরীত শব্দ সবসময় সত্য বা Truth হবে।
a completing
b to complete
c complete
d completed
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) complete কেন সঠিক: এখানে have একটি causative verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর পরে কোনো ব্যক্তিবাচক কর্ম থাকলে মূল verb-এর base form বসে। তাই এখানে to বা ing যুক্ত কোনো শব্দ বসবে না। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় মিসেস জামিলা তার শিক্ষার্থীদের দিয়ে প্রবন্ধগুলো সম্পন্ন করালেন। এটি ইংরেজি ব্যাকরণের causative verb এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) completing — এটি verb-এর ing রূপ হওয়ায় এই বাক্যের গঠনে সরাসরি বসতে পারে না। causative verb-এর পর base form বসে। B) to complete — এখানে infinitive ব্যবহার করা হয়েছে যা causative verb-এর নিয়মের সাথে মেলে না। C) complete — এটি সঠিক কারণ এটি verb-এর base form এবং causative verb-এর নিয়ম মেনে চলে। D) completed — এটি past participle রূপ যা এই বাক্যের active causative গঠনে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে have বা make থাকলে পরের verb-টি সবসময় base form বা মূল রূপে বসে।
a them
b which
c whom
d whose
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) whose কেন সঠিক: শূন্যস্থানের ঠিক আগের noun 'brothers' এবং পরের noun 'primary school' এর মধ্যে একটি অধিকার বা মালিকানা সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। এই ধরনের ক্ষেত্রে দুটি noun এর মধ্যে সম্বন্ধ বোঝাতে relative pronoun হিসেবে whose ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) them — এটি একটি personal pronoun যা বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারে না। B) which — এটি সাধারণত বস্তুবাচক noun এর ক্ষেত্রে বসে, এখানে ব্যক্তিবাচক ভাইদের বোঝাচ্ছে। C) whom — এটি object হিসেবে বসে কিন্তু এখানে ভাইদের স্কুলের সাথে মালিকানা বা সম্বন্ধ বোঝানো হয়েছে। D) whose — এটি সঠিক কারণ এটি possessive relative pronoun হিসেবে দুটি noun এর সম্পর্ক প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের আগে এবং পরে দুটি noun থাকলে এবং তাদের মধ্যে মালিকানা বোঝালে whose বসবে।
a of
b with
c on
d by
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of কেন সঠিক: ইংরেজী ব্যাকরণে 'convicted' শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'of' ব্যবহৃত হয়। আইনি বা অপরাধমূলক অভিযোগে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি সঠিক উত্তর এবং অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত preposition হিসেবে বসে। B) with — 'charged' শব্দের পরে 'with' বসে কিন্তু 'convicted' এর পরে 'with' বসে না। C) on — অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে 'on' preposition ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। D) by — কর্তা বা মাধ্যম বোঝাতে 'by' বসে তবে এখানে নির্দিষ্ট preposition এর নিয়ম লঙ্ঘিত হয়। মনে রাখার টিপস: দোষী সাব্যস্ত করা অর্থে convicted এর সাথে সবসময় অব preposition টি মনে রাখবে।
a Discourage
b Encourage
c To be clam
d Deceive
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Discourage কেন সঠিক: - 'Pour cold water on' একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ হলো ঠান্ডা পানি ঢেলে দেওয়া এবং ভাবার্থ হলো উৎসাহে বা উদ্যোগে বাধা দেওয়া। - এই ইডিয়মটি কোনো পরিকল্পনা বা ধারণার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করে তা নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discourage - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নিরুৎসাহিত করা, যা ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) Encourage - এর অর্থ উৎসাহিত করা, যা প্রদত্ত ইডিয়মের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) To be calm - এর অর্থ শান্ত থাকা, যা এই ইডিয়মের অর্থ বা প্রসঙ্গের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) Deceive - এর অর্থ প্রতারণা করা, যা এই ইডিয়মের সাথে সম্পূর্ণ অমিল এবং অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের ওপর ঠান্ডা পানি ঢেলে দিলে যেমন তা নিভে যায়, তেমনি কাউকে 'pour cold water on' করলে তার উৎসাহও নিভে বা কমে যায়।
a 81
b 9
c 144
d 12
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, ৪x = ৫২ নির্ণয় করতে হবে, x² − ৫২ ধরি, সমীকরণটি থেকে x এর মান বের করতে হবে x এর মান বের করার পর তার বর্গ করতে হবে তারপর প্রাপ্ত মান থেকে ৫২ বিয়োগ করতে হবে অতএব, x = ৫২ ÷ ৪ x = ১৩ অতএব x² = ১৩ × ১৩ = ১৬৯ সুতরাং, x² − ৫২ = ১৬৯ − ৫২ = ১১৭ উত্তর: ১১৭ (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে দেওয়া অপশনের সাথে উত্তরের মিলের জন্য x² এর মান ১৬৯ এবং প্রশ্নে ৫২ এর পরিবর্তে ২৫ থাকলে উত্তর ১৪৪ হতো।)
a 7.5m
b 8.5m
c 10.5m
d 12.5m
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭.৫মি প্রদত্ত তথ্য: প্রতি বর্গমিটার ফ্লোরিং করার খরচ = ৮.৫০ টাকা মোট খরচ = ৫১০ টাকা ঘরের দৈর্ঘ্য = ৮ মিটার ধরি, ঘরের ক্ষেত্রফল = ক বর্গমিটার অতএব, ক্ষেত্রফল × প্রতি বর্গমিটার খরচ = মোট খরচ ক × ৮.৫০ = ৫১০ সুতরাং, ক = ৫১০ ÷ ৮.৫০ ক = ৬০ বর্গমিটার উত্তর: ঘরের প্রস্থ = ৬০ ÷ ৮ = ৭.৫ মিটার
a 21500
b 22000
c 22500
d 23500
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২৫০০ প্রদত্ত তথ্য: নতুন চুক্তিতে বেতন বৃদ্ধি পায় ৬% এবং সাথে ৪৫০ টাকা বোনাস পাওয়া যায়। এই মোট বৃদ্ধি মূল বেতনের ৮% এর সমান। ধরি, শ্রমিকটির আগের বেতন ছিল ক টাকা। অতএব, বেতন বাড়ে ক এর ৬% বা ০.০৬ গুণ ক টাকা। মোট বাড়তি টাকা হলো ০.০৬ গুণ ক + ৪৫০। সুতরাং, শর্তমতে, ০.০৬ গুণ ক + ৪৫০ = ক এর ৮% বা ০.০৮ গুণ ক। বা, ৪৫০ = ০.০৮ গুণ ক − ০.০৬ গুণ ক। বা, ৪৫০ = ০.০২ গুণ ক। অতএব, ক = ৪৫০ ÷ ০.০২। ক = ২২৫০০। উত্তর: ২২৫০০ টাকা
a 17: 13
b 7:3
c 1:3
d 2:3
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ : ১৩ প্রদত্ত তথ্য: মোট দূরত্ব = ৩০০ কিমি বাইক দুটি পরস্পরের দিকে যাত্রা শুরু করে ধরি, একটি বাইক অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৩০ কিমি অপর বাইক অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩০০ − ১৩০ = ১৭০ কিমি অতএব, উভয় বাইক একই সময়ে যাত্রা করায় তাদের অতিক্রান্ত দূরত্বের অনুপাতই তাদের গতির অনুপাত হবে সুতরাং, গতির অনুপাত = ১৭০ : ১৩০ উত্তর: ১৭ : ১৩
a TK. 21,000
b TK. 22,500
c TK. 25,300
d TK. 25,800
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) TK. ২৫,৩০০ প্রদত্ত তথ্য: জমি বিক্রয়মূল্য = ১৮,৭০০ টাকা ১৫% ক্ষতিতে বিক্রয় = (১০০ − ১৫)% বা ৮৫% ধরি, জমির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ৮৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১৮,৭০০ টাকা সুতরাং ১% এর মান = ১৮,৭০০ ÷ ৮৫ = ২২০ টাকা অতএব ১০০% বা ক্রয়মূল্য = ২২,০০০ টাকা সুতরাং, ১৫% লাভে বিক্রয়মূল্য হবে = ২২,০০০ এর (১০০ + ১৫)% = ২২,০০০ × ১১৫ ÷ ১০০ = ২৫,৩০০ টাকা উত্তর: TK. ২৫,৩০০
a Noda Yoshihiko
b Fumio Kishida
c Yoshihide Suga
d Shinzo Abe
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) Fumio Kishida প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত উত্তরটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিবর্তনশীল। ফুমিও কিশিদা জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে শিগেরু ইশিবা জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পুরোনো প্রশ্নের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী প্রদত্ত উত্তরটি বিশ্লেষণ করা হলো। কেন সঠিক: - ফুমিও কিশিদা ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। - তিনি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা হিসেবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noda Yoshihiko — তিনি ২০১১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে সঠিক নন। B) Fumio Kishida — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। C) Yoshihide Suga — তিনি ২০২০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। D) Shinzo Abe — তিনি জাপানের দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন যিনি ২০২০ সালে পদত্যাগ করেন এবং ২০২২ সালে মারা যান। মনে রাখার টিপস: ফুমিও কিশিদা হলেন সুগার পরবর্তী এবং বর্তমানের আগের একজন প্রধান নেতা যিনি ২০২১ সালে জাপানের ক্ষমতা গ্রহণ করেন।
a 10
b 15
c 25
d 26
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬ কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ড একটি রাষ্ট্রসংঘভুক্ত ফেডারেল প্রজাতন্ত্র যা ২৬টি কেন্টন বা রাজ্যে বিভক্ত। - এই কেন্টনগুলোর নিজস্ব সংবিধান ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে যা সুইস ফেডারেল ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ — এই সংখ্যাটি সুইজারল্যান্ডের কেন্টনগুলোর প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। B) ১৫ — সুইজারল্যান্ডের প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে ১৫ সংখ্যাটির কোনো সম্পর্ক নেই। C) ২৫ — সুইজারল্যান্ডে ছাব্বিশটি কেন্টন রয়েছে, পঁচিশটি নয়। D) ২৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুইজারল্যান্ড প্রশাসনিকভাবে ২৬টি কেন্টনে বিভক্ত। মনে রাখার টিপস: সুইজারল্যান্ডের নামের শেষ অক্ষর 'ল্যান্ড' এবং এর কেন্টন সংখ্যা ২৬, মনে রাখার জন্য "সুইজারল্যান্ড ছাব্বিশ" এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a Daniil Medvedev
b Dominic Thiem
c Novak Djokovic
d Roger Frderer
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Daniil Medvedev কেন সঠিক: - ২০২১ সালের ইউএস ওপেন পুরুষ একক ফাইনালে ড্যানিয়েল মেদভেদেভ নোভাক জোকোভিচকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হন। - এই জয়ের মাধ্যমে তিনি তার ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Daniil Medvedev — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২১ সালের টুর্নামেন্টে পুরুষ এককের শিরোপা জয় করেছিলেন। B) Dominic Thiem — তিনি ২০২০ সালের ইউএস ওপেন পুরুষ একক ফাইনালে জয়লাভ করেছিলেন, ২০২১ সালের নন। C) Novak Djokovic — তিনি ২০২১ সালের ফাইনালে ড্যানিয়েল মেদভেদেভের কাছে পরাজিত হয়ে রানার্স-আপ হন। D) Roger Federer — তিনি ২০২১ সালের ইউএস ওপেন প্রতিযোগিতায় অংশ নেননি এবং ফাইনালেও ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ২০২১ সালের ইউএস ওপেনে জোকোভিচের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছিলেন ড্যানিয়েল মেদভেদেভ।
a Louise Gluck
b Abdulrazak Gurnah
c Olga Tokarczuk
d Kazuo Ishiguro
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abdulrazak Gurnah কেন সঠিক: - তানজানিয়ার ঔপন্যাসিক আবদুলরাজাক গুরনাহ উপনিবেশবাদের প্রভাব এবং সংস্কৃতির ব্যবধানে শরণার্থীদের ভাগ্য সম্পর্কে আপসহীন ও সহানুভূতিশীল অনুধ্যানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - ২০২১ সালের সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী হিসেবে সুইডিশ একাডেমি তাঁর নাম ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Louise Gluck — তিনি ২০২১ সালের নয়, বরং ২০২০ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) Abdulrazak Gurnah — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। C) Olga Tokarczuk — তিনি ২০১৮ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন, ২০২১ সালের নয়। D) Kazuo Ishiguro — তিনি ২০১৭ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যে ২০২১ সালের নোবেল বিজয়ী আব্দুলরাজাক গুরনাহ তানজানিয়ার লেখক, যা মনে রাখতে জি-তে গুরনাহ এবং টি-তে তানজানিয়া সূত্রটি ব্যবহার করতে পারেন।
a Venice
b Chicago
c New York
d Tokyo
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Chicago কেন সঠিক: - শিকাগো শহরটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান হ্রদের তীরে অবস্থিত এবং এখানে প্রচুর ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হয়। - এই প্রবল বাতাস ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই শহরটিকে জনপ্রিয়ভাবে উইন্ডি সিটি বা বাতাসের শহর বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Venice — এটি ইতালির একটি শহর যা জলপথ ও খালের জন্য বিখ্যাত, বাতাসের শহর নয়। B) Chicago — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) New York — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, একে দ্য বিগ অ্যাপল বলা হয়। D) Tokyo — এটি জাপানের রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর, বাতাসের শহর হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: শিকাগো শহরের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর সি এবং কোল্ড বা ঠান্ডার সঙ্গে মিলে সি দিয়ে উইন্ডি সিটি মনে রাখা যায়।
a Dobra
b Dong
c Rand
d Birr
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Birr কেন সঠিক: - ইথিওপিয়ার আনুষ্ঠানিক মুদ্রা হলো বির। - পূর্ব আফ্রিকার এই দেশটির অর্থনীতিতে লেনদেনের জন্য বির ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dobra — এটি সাও টোমে এবং প্রিন্সিপে নামক দ্বীপরাষ্ট্রের মুদ্রা, তাই ইথিওপিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Dong — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের মুদ্রা, তাই ইথিওপিয়ার মুদ্রার নাম হতে পারে না। C) Rand — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার অফিশিয়াল মুদ্রা, তাই ইথিওপিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) Birr — এটি ইথিওপিয়ার প্রচলিত মুদ্রা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ইথিওপিয়ার বির মুদ্রার নাম মনে রাখতে মনে রাখুন, ইথিওপিয়ার মানুষ বীরের মতো লড়াই করে তাই তাদের মুদ্রা বির।
a Warren Hastings
b William Bentick
c Lord Delhousie
d Lord Canning
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) Warren Hastings কেন সঠিক: - ১৭৭৩ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট অনুযায়ী বাংলার গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংসকে ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিয়োগ করা হয়। - তিনি ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসনের ভিত্তি মজবুত করেন এবং রাজস্ব ও বিচার ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Warren Hastings — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন। B) William Bentick — তিনি ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন ১৮৩৩ সালের চার্টার অ্যাক্ট অনুযায়ী, প্রথম নন। C) Lord Delhousie — তিনি ১৮৪৮ থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন, সত্য বিলোপ নীতির জন্য পরিচিত। D) Lord Canning — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন ১৮৫৮ সালের ভারত সরকার আইন অনুযায়ী, গভর্নর জেনারেল নন। মনে রাখার টিপস: ওয়ারেন হেস্টিংস ছিলেন প্রথম গভর্নর জেনারেল এবং লর্ড ক্যানিং ছিলেন প্রথম ভাইসরয়।

মোট প্রশ্ন (8)

a বাড়াবাড়ি
b ঝিকিমিকি
c পটাপট
d পায়ে পায়ে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পটাপট ১. কেন সঠিক: - কোনো বাস্তব বা কাল্পনিক শব্দের অনুকরণে গঠিত শব্দকে ধ্বাত্মক শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলা হয়। পটাপট শব্দটি কোনো কিছু দ্রুত ভেঙে যাওয়া বা পড়ার ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়েছে। - ধ্বাত্মক শব্দগুলোকে সাধারণত শব্দদ্বিত্ব হিসেবে ব্যবহার করে তীব্রতা বা বিশেষ ভাব প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলায় বিশেষ করে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য কোনো কিছুর ভাব বা ধ্বনির অনুকরণে যে শব্দগুলো তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বাত্মক শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। - এই শব্দগুলোর দ্বিরুক্তি বা শব্দদ্বিত্ব গঠন করে বাক্যে বিশেষণ বা ক্রিয়ার বিশেষণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পটপট শব্দ করে পাতাগুলো ছিঁড়ে ফেলল। ব্যাখ্যা: এখানে পটপট একটি ধ্বাত্মক শব্দদ্বিত্ব যা কাটার বা ছড়ার ধ্বনি প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: ঝমঝম করে বৃষ্টি নামল। ব্যাখ্যা: ঝমঝম বৃষ্টির পতনের ধ্বনি নির্দেশক একটি ধ্বাত্মক শব্দদ্বিত্ব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাড়াবাড়ি — এটি একটি সাধারণ দ্বিরুক্ত শব্দ বা শব্দের পুনরাবৃত্তি, কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত ধ্বাত্মক শব্দ নয়। B) ঝিকিমিকি — এটি দৃষ্টিগ্রাহ্য আলোর ঝলকানি বোঝায়, যা রূপের দ্যোতক শব্দদ্বিত্ব কিন্তু ধ্বনি বা শব্দের অনুকরণ নয়। C) পটাপট — এটি সঠিক কারণ এটি ধ্বনি বা শব্দের অনুকরণে গঠিত ধ্বাত্মক শব্দদ্বিত্ব। D) পায়ে পায়ে — এটি বিশেষ্য পদের পুনরাবৃত্তি বা পদাত্মক দ্বিরুক্তি, ধ্বাত্মক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলো শুনলে কানের মাধ্যমে কোনো শব্দ বা ধ্বনির অনুভূতি জাগে, সেগুলোই ধ্বাত্মক শব্দদ্বিত্ব। - দেখার বিষয় হলে রূপের দ্যোতক এবং শোনার বিষয় হলে ধ্বাত্মক শব্দ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বাত্মক ও রূপের দ্যোতক শব্দের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - কান দিয়ে যা শোনা যায় তা ধ্বাত্মক শব্দ এবং চোখ দিয়ে যা দেখা যায় তা রূপের দ্যোতক শব্দ হিসেবে আলাদা করতে হবে।
a শিক্ষক
b গুরু
c বাঘ
d সভাপতি
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সভাপতি ১. কেন সঠিক: সভাপতি একটি লিঙ্গান্তরহীন বা নিত্যপুংলিঙ্গ শব্দ যার কোনো নির্দিষ্ট নারীবাচক শব্দ হয় না। পদবিবাচক বা কর্মবাচক কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় পুরুষ ও নারী উভয় ক্ষেত্রে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দ কেবল পুরুষবাচক হয় এদের কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ হয় না। এই জাতীয় শব্দগুলোকে নিত্যপুংলিঙ্গ শব্দ বলা হয় যা লিঙ্গ ভেদে রূপ পরিবর্তন করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপদার্থ ব্যাখ্যা: অপদার্থ শব্দটি নিত্যপুংলিঙ্গ এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: কবিরাজ ব্যাখ্যা: কবিরাজ শব্দটি পুরুষ ও নারী উভয় চিকিৎসকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষক — শিক্ষক শব্দের নারীবাচক শব্দ শিক্ষিকা যা লিঙ্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত হয়। B) গুরু — গুরু শব্দের নারীবাচক শব্দ গুরুপত্নী বা গুরুনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) বাঘ — বাঘ শব্দের নারীবাচক শব্দ বাঘিনী যা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়। D) সভাপতি — সভাপতি শব্দের কোনো নির্দিষ্ট নারীবাচক শব্দ হয় না কারণ এটি লিঙ্গান্তরহীন শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: পদবিবাচক শব্দ যেমন সভাপতি, মন্ত্রী, ডাক্তার সাধারণত উভলিঙ্গ বা নিত্যপুংলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। পরীক্ষায় এমন শব্দ আসলে খেয়াল রাখবে কোন পদের নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিত্যপুংলিঙ্গ শব্দ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন হয়ে থাকে। অন্যান্য নিত্যপুংলিঙ্গ শব্দ যেমন অকৃতদার, সখা, ক在该 ইত্যাদি ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a কর্মকর্তৃ বাচ্য
b কর্তৃ বাচ্য
c ভাব বাচ্য
d কর্মবাচ্য
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মকর্তৃ বাচ্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে কর্মপদ থাকা সত্ত্বেও তা কর্তার মতো আচরণ করে এবং কর্মটিই প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে কর্মকর্তৃ বাচ্য বলে। এই বাক্যে কাজটি কর্ম হওয়া সত্ত্বেও তা নিজে নিজেই সম্পাদিত হচ্ছে এমন অর্থ প্রকাশ করছে এবং বাক্যের অর্থ অনুধাবনে কর্মই প্রধান হয়ে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কর্তৃ বাচ্যের কর্ম যখন নিজেই কর্তার স্থানীয় হয়ে বাক্য পরিচালনা করে, তখন তাকে কর্মকর্তৃ বাচ্য বা কর্মকর্তৃ বাচ্য বলা হয়। এই জাতীয় বাক্যে সাধারণত কর্মপদটি উহ্য বা স্পষ্ট থাকে এবং ক্রিয়াপদটি কর্মের অনুগামী হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাশিতে সুর বাজে। ব্যাখ্যা: এখানে বাঁশি কর্ম হলেও নিজে নিজে বাঁচার মতো অর্থ প্রকাশ করায় এটি কর্মকর্তৃ বাচ্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: কলমে ভালো লেখা হয়। ব্যাখ্যা: এখানে কলম কর্মপদ হিসেবে কর্তার কাজ সম্পন্ন করছে, যা কর্মকর্তৃ বাচ্যের একটি প্রমিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকর্তৃ বাচ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে কর্ম নিজেই কর্তার ভূমিকা পালন করেছে। B) কর্তৃ বাচ্য — এটি ভুল কারণ এই বাক্যে কর্তা সরাসরি ক্রিয়া সম্পন্ন করছে না বরং কর্মই প্রধান। C) ভাব বাচ্য — এটি ভুল কারণ ভাব বাচ্যে কর্তার বা কর্মের প্রধান্য না থেকে ক্রিয়ার ভাবই প্রধান হয়। D) কর্মবাচ্য — এটি ভুল কারণ কর্মবাচ্যে কর্ম প্রধান হয় এবং সাধারণত কর্তার সাথে দ্বারা বা কর্তিক যুক্ত থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের কর্মপদ যদি নিজেই কর্তার মতো কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মকর্তৃ বাচ্য দাগাবে। স্মরণে রাখবে যে কর্মকর্তৃ বাচ্যে আলাদা করে কোনো কর্তা দৃশ্যমান থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মকর্তৃ বাচ্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বাঁশি বাজে বা পাঠ্যবইয়ের চেনা উদাহরণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। বাক্যের অর্থ ভালোমতো অনুধাবন করলে বাচ্যের রূপ খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
a ছাপা + খানা
b জন + অক
c রাঁধ+ উনি
d কাঁদ + না
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছাপা + খানা কেন সঠিক: - ছাপা একটি বিশেষ্য পদ এবং খানা একটি তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত শব্দাংশ। - বিশেষ্য পদের সঙ্গে খানা যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে যা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম মেনে চলে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ বা প্রাতিপদিকের পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। - বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরির প্রক্রিয়া এটি। - যেমন বই যোগ খানা সমান বইখানা, যেখানে খানা একটি তদ্ধিত প্রত্যয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ছাপা + খানা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষ্য পদের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - B) জন + অক — এটি কৃৎ প্রত্যয় কারণ জন ধাতুর সঙ্গে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - C) রাঁধ + উনি — এটি কৃৎ প্রত্যয় কারণ রাঁধ একটি ধাতু বা ক্রিয়ামূল। - D) কাঁদ + না — এটি কৃৎ প্রত্যয় কারণ কাঁদ একটি ধাতু বা ক্রিয়ামূল। মনে রাখার টিপস: - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। - শব্দ বা নামের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
a 30
b 32
c 37
d 39
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা ৩০টি। মুখের উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে এই ত্রিশটি ধ্বনিকে বাংলা ভাষার মূল ব্যঞ্জনধ্বনি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলেও সবগুলোর উচ্চারণ স্বতন্ত্র নয়। কিছু বর্ণ যুক্তবর্ণ বা অন্য ধ্বনির সাহায্যে গঠিত হওয়ায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা ৩০টি ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি যা ফুসফুস থেকে আগত বাতাস মুখে বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: ম ব্যাখ্যা: এটিও একটি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি যা ওষ্ঠের সাহায্যে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির নির্দিষ্ট সংখ্যা ত্রিশটি। B) ৩২ — এটি ভুল কারণ ৩২টি বাংলা ভাষার কোনো স্বীকৃত ধ্বনি বা বর্ণের সংখ্যা নয়। C) ৩৭ — এটি ভুল কারণ ৩৭টি কোনো নির্দিষ্ট ধ্বনি নির্দেশ করে না। D) ৩৯ — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি হলেও মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি মনে রাখবে ৩০টি। বর্ণমালা আর ধ্বনির সংখ্যা গুলিয়ে ফেলবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি।
a প্রতিশব্দ
b বাগধারা
c কৃিয়াবিশেষণ
d উক্তি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃিয়াবিশেষণ ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব অংশে শব্দের শ্রেণিবিভাগ, পদ প্রকরণ ও শব্দের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়। ক্রিয়াবিশেষণ হলো একটি পদ, যা রূপতত্ত্ব বা পদ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত থেকে ক্রিয়ার কাজের ভাব, সময় বা স্থান নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রূপতত্ত্ব ব্যাকরণের এমন একটি শাখা যেখানে শব্দের গঠন, শব্দের শ্রেণিবিভাগ এবং বাক্যে ব্যবহৃত পদের রূপান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া পদের মতো ক্রিয়াবিশেষণও পদ প্রকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে দ্রুত হাঁটে। ব্যাখ্যা: এখানে দ্রুত শব্দটি হাঁটা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করায় এটি একটি ক্রিয়াবিশেষণ এবং রূপতত্ত্বের আওতাভুক্ত। উদাহরণ ২: বৃষ্টি এখনো পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে এখনো শব্দটি সময়ের নির্দেশক হওয়ায় এটি একটি ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে রূপতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিশব্দ — প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ শব্দার্থ তত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, যা রূপতত্ত্বের সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়। B) বাগধারা — বাগধারা বাক্যার্থ বা শব্দার্থ তত্ত্বের একটি বিশেষ অংশ হিসেবে পরিগণিত হয়। D) উক্তি — উক্তি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, কারণ এটি বাক্যের রূপান্তর ও পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রকাশের সাথে যুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে পদ ও শব্দের রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। পদ সম্পর্কিত যেকোনো আলোচনা যেমন বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়াবিশেষণ দেখলেই রূপতত্ত্ব দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন শাখা কোন বিষয়ের আলোচনা তা প্রায়ই আসে। বাক্য বা পদের গঠন বুঝতে পারলে রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের প্রশ্ন সহজে আলাদা করা সম্ভব।
a আফ্রিকীয়
b দ্রাবিড়ীয়
c ইন্দো ইউরোপীয়
d ইস্পানি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইস্পানি ১. কেন সঠিক: ডক্টর সুনীতি চট্টোপাধ্যায় ও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ভারতীয় আর্য ভাষার মূল উৎস হলো ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবার। এই ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা থেকেই বিভিন্ন শাখা প্রশাখার মাধ্যমে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে এবং অপশন ডি এর ইস্পানি ভাষা এই বংশের অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা মূলত ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের একটি শাখা এবং এর আদি উৎস হলো প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষা। ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার মাধ্যমে বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ভাষার মূল উৎস ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবার। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার মূল বংশপরিচয় নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: সংস্কৃত ভাষা ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপের উৎস বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকীয় — এটি ভাষাবংশের একটি শাখা যা ভাবঅংশের আলোচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) দ্রাবিড়ীয় — এটি প্রাচীন ভারতীয় ভাষা পরিবারের একটি অন্যতম প্রধান শাখা। C) ইন্দো ইউরোপীয় — এটি সেই মূল ভাষা পরিবার যার বিভিন্ন শাখা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে। D) ইস্পানি — এটি মূলত ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত হলেও বাংলা ভাষার বংশ বা ভাবঅংশের আলোচনায় এটি প্রধান উৎস হিসেবে গণ্য হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা ভাষার মূল উৎস মনে রাখার জন্য ইন্দো ইউরোপীয় কথাটি মাথায় রাখবে। অন্য ভাষাগুলো ভাষা পরিবারের শাখা হিসেবে পরিচিত হলেও ইস্পানি ভাষা এই ধারার বাইরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা পরিবার থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে তাই বাংলা ভাষার উৎস ভালোভাবে পড়তে হবে। ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a পশ্চিমী
b পূর্বী
c বরেন্দ্রী
d রাঢ়ি
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরেন্দ্রী কেন সঠিক: - বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান প্রাচীন বরেন্দ্র ভূমির অন্তর্ভুক্ত। - এই অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের মুখের বুলিকে ভাষাতাত্ত্বিকরা বরেন্দ্রী উপভাষা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপের শ্রেণিবিভাগে বরেন্দ্রী একটি প্রধান উপভাষা। - রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা ও রংপুর অঞ্চলের কিছু অংশ এই উপভাষার সীমানাভুক্ত। - বরেন্দ্রী উপভাষায় শব্দের আদিতে হ-কারের ব্যবহার এবং স্বরধ্বনির উচ্চারণে বিশেষ বৈচিত্র্য দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পশ্চিমী — এটি বাংলাদেশের কোনো প্রচলিত উপভাষার নাম নয়। - B) পূর্বী — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের উপভাষার নাম নয়। - D) রাঢ়ি — এটি মূলত পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরের অঞ্চলের উপভাষা। মনে রাখার টিপস: - উত্তর-পশ্চিম দিক মনে রাখলেই বরেন্দ্র ভূমি এবং বরেন্দ্রী উপভাষা সহজে মনে রাখা সম্ভব।

মোট প্রশ্ন (9)

a of
b with
c on
d by
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of কেন সঠিক: ইংরেজী ব্যাকরণে 'convicted' শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'of' ব্যবহৃত হয়। আইনি বা অপরাধমূলক অভিযোগে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি সঠিক উত্তর এবং অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত preposition হিসেবে বসে। B) with — 'charged' শব্দের পরে 'with' বসে কিন্তু 'convicted' এর পরে 'with' বসে না। C) on — অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে 'on' preposition ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। D) by — কর্তা বা মাধ্যম বোঝাতে 'by' বসে তবে এখানে নির্দিষ্ট preposition এর নিয়ম লঙ্ঘিত হয়। মনে রাখার টিপস: দোষী সাব্যস্ত করা অর্থে convicted এর সাথে সবসময় অব preposition টি মনে রাখবে।
a them
b which
c whom
d whose
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) whose কেন সঠিক: শূন্যস্থানের ঠিক আগের noun 'brothers' এবং পরের noun 'primary school' এর মধ্যে একটি অধিকার বা মালিকানা সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। এই ধরনের ক্ষেত্রে দুটি noun এর মধ্যে সম্বন্ধ বোঝাতে relative pronoun হিসেবে whose ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) them — এটি একটি personal pronoun যা বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারে না। B) which — এটি সাধারণত বস্তুবাচক noun এর ক্ষেত্রে বসে, এখানে ব্যক্তিবাচক ভাইদের বোঝাচ্ছে। C) whom — এটি object হিসেবে বসে কিন্তু এখানে ভাইদের স্কুলের সাথে মালিকানা বা সম্বন্ধ বোঝানো হয়েছে। D) whose — এটি সঠিক কারণ এটি possessive relative pronoun হিসেবে দুটি noun এর সম্পর্ক প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের আগে এবং পরে দুটি noun থাকলে এবং তাদের মধ্যে মালিকানা বোঝালে whose বসবে।
a completing
b to complete
c complete
d completed
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) complete কেন সঠিক: এখানে have একটি causative verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর পরে কোনো ব্যক্তিবাচক কর্ম থাকলে মূল verb-এর base form বসে। তাই এখানে to বা ing যুক্ত কোনো শব্দ বসবে না। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় মিসেস জামিলা তার শিক্ষার্থীদের দিয়ে প্রবন্ধগুলো সম্পন্ন করালেন। এটি ইংরেজি ব্যাকরণের causative verb এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) completing — এটি verb-এর ing রূপ হওয়ায় এই বাক্যের গঠনে সরাসরি বসতে পারে না। causative verb-এর পর base form বসে। B) to complete — এখানে infinitive ব্যবহার করা হয়েছে যা causative verb-এর নিয়মের সাথে মেলে না। C) complete — এটি সঠিক কারণ এটি verb-এর base form এবং causative verb-এর নিয়ম মেনে চলে। D) completed — এটি past participle রূপ যা এই বাক্যের active causative গঠনে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে have বা make থাকলে পরের verb-টি সবসময় base form বা মূল রূপে বসে।
a Truth
b Abandon
c Oblique
d Freedom
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Truth কেন সঠিক: FALLACY শব্দের অর্থ হলো ভুল ধারণা, মিথ্যা বা প্রবঞ্চনা। এর বিপরীতার্থক বা সঠিক Antonym হলো Truth বা সত্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Truth — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সত্য যা ভুল ধারণার বিপরীত। B) Abandon — এর অর্থ ত্যাগ করা, যা FALLACY শব্দের বিপরীত নয়। C) Oblique — এর অর্থ বাঁকা বা অসুক্ষ্ম, যা মূল শব্দের সাথে মিল রাখে না। D) Freedom — এর অর্থ স্বাধীনতা, যার সাথে মিথ্যা বা ভুলের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: FALLACY মানে ভুল বা মিথ্যা, তাই এর বিপরীত শব্দ সবসময় সত্য বা Truth হবে।
a Discourage
b Encourage
c To be clam
d Deceive
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Discourage কেন সঠিক: - 'Pour cold water on' একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ হলো ঠান্ডা পানি ঢেলে দেওয়া এবং ভাবার্থ হলো উৎসাহে বা উদ্যোগে বাধা দেওয়া। - এই ইডিয়মটি কোনো পরিকল্পনা বা ধারণার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করে তা নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discourage - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নিরুৎসাহিত করা, যা ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) Encourage - এর অর্থ উৎসাহিত করা, যা প্রদত্ত ইডিয়মের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) To be calm - এর অর্থ শান্ত থাকা, যা এই ইডিয়মের অর্থ বা প্রসঙ্গের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) Deceive - এর অর্থ প্রতারণা করা, যা এই ইডিয়মের সাথে সম্পূর্ণ অমিল এবং অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের ওপর ঠান্ডা পানি ঢেলে দিলে যেমন তা নিভে যায়, তেমনি কাউকে 'pour cold water on' করলে তার উৎসাহও নিভে বা কমে যায়।
a Anniversary
b Aniverssary
c Aniversary
d Anniversarry
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Anniversary কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে 'Anniversary' শব্দে দুটি 'n' এবং দুটি 's' ব্যবহৃত হয়েছে। - এর অর্থ বার্ষিকী, যা ইংরেজি বানান বিধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Anniversary — এটি সঠিক বানান। B) Aniverssary — এই বানানটিতে প্রথম অংশে একটি 'n' কম এবং শেষের দিকে অতিরিক্ত অক্ষর রয়েছে। C) Aniversary — এই বানানটিতে একটি 'n' কম রয়েছে। D) Anniversarry — এই বানানটিতে শেষে অতিরিক্ত একটি 'র' বা 'r' বেশি রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য 'Annual' শব্দের সাথে 'versary' যুক্ত হয় এটি মাথায় রাখতে হবে এবং 'Ann' অংশে দুটি 'n' বসে তা খেয়াল রাখতে হবে।
a A meeting is held by them very early
b A meeting will be held by them very early
c A meeting was hold by them very early
d A meeting was held by them very early
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A meeting was held by them very early কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের মূল verb টি past tense (held) এ থাকায় প্যাসিভ করার সময় was এবং V3 ব্যবহার করতে হয়। অবজেক্ট 'A meeting' সাবجেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সাবজেক্ট 'They' অবজেক্ট হয়ে 'them' এ রূপান্তর হয়েছে। বাক্যের অতিরিক্ত অংশ 'very early' নিয়ম অনুযায়ী শেষে অপরিবর্তিত অবস্থায় বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A meeting is held by them very early — এখানে মূল বাক্যটি past tense এ থাকলেও প্রেজেন্ট টেন্সের auxiliary verb is ব্যবহার করা হয়েছে। B) A meeting will be held by them very early — এখানে ভবিষ্যৎকালের auxiliary verb will ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না। C) A meeting was hold by them very early — এখানে was এর পরে verb এর V3 রূপ (held) না বসিয়ে present form (hold) ব্যবহার করা হয়েছে। D) এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে tense এবং passive voice এর সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যাক্টিভ থেকে প্যাসিভ করার সময় টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb ঠিক রেখে মূল verb এর সবসময় past participle বা V3 রূপ বসাতে হয়।
a spread out
b infest
c weaken
d trespass
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) trespass কেন সঠিক: Encroach শব্দের অর্থ হলো অনধিকার প্রবেশ করা বা কারো সীমানা লঙ্ঘন করা। Trespass শব্দের অর্থও অন্যের সম্পত্তিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করা এবং এটি এর সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spread out — এর অর্থ ছড়িয়ে পড়া, যা অনুপ্রবেশ বা সীমানা লঙ্ঘনের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) infest — এর অর্থ উপদ্রব করা বা আক্রমণ করা, যা সাধারণত কীটপতঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। C) weaken — এর অর্থ দুর্বল করা, যা কোনো স্থান বা সীমানায় অবৈধভাবে প্রবেশের অর্থ প্রকাশ করে না। D) trespass — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনধিকার প্রবেশ করা যা মূল শব্দের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Encroach শব্দের মধ্যে reach শব্দটি আছে, যার অর্থ হলো অন্যের সীমানায় পৌঁছে যাওয়া বা অনধিকার প্রবেশ করা।
a 3/5
b 2/7
c 1/3
d 1/2
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/৫ কেন সঠিক: বৃত্তের ক্ষেত্রফল এবং পরিধির সাথে সেক্টরের ক্ষেত্রফল ও চাপের দৈর্ঘ্যের অনুপাত সর্বদা সমান থাকে। তাই ক্ষেত্রফলের অনুপাত তিন অনুপাত পাঁচ হলে চাপের দৈর্ঘ্যের অনুপাতও একই হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩/৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্ষেত্রফলের অনুপাত ও চাপের অনুপাত সমান হয়। B) ২/৭ — এটি ভুল কারণ অনুপাতটি প্রশ্ন অনুযায়ী দুই অনুপাত সাত নয়। C) ১/৩ — এটি ভুল কারণ সঠিক অনুপাতটি এক অনুপাত তিন এর সমান নয়। D) ১/২ — এটি ভুল কারণ প্রদত্ত তথ্যের সাথে এই ভগ্নাংশটি মেলে না। মনে রাখার টিপস: বৃত্তের ক্ষেত্রফল বা চাপের ক্ষেত্রে কেন্দ্রিক কোণের অনুপাত সবসময় সমান থাকে।

মোট প্রশ্ন (5)

a TK. 21,000
b TK. 22,500
c TK. 25,300
d TK. 25,800
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) TK. ২৫,৩০০ প্রদত্ত তথ্য: জমি বিক্রয়মূল্য = ১৮,৭০০ টাকা ১৫% ক্ষতিতে বিক্রয় = (১০০ − ১৫)% বা ৮৫% ধরি, জমির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ৮৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১৮,৭০০ টাকা সুতরাং ১% এর মান = ১৮,৭০০ ÷ ৮৫ = ২২০ টাকা অতএব ১০০% বা ক্রয়মূল্য = ২২,০০০ টাকা সুতরাং, ১৫% লাভে বিক্রয়মূল্য হবে = ২২,০০০ এর (১০০ + ১৫)% = ২২,০০০ × ১১৫ ÷ ১০০ = ২৫,৩০০ টাকা উত্তর: TK. ২৫,৩০০
a 17: 13
b 7:3
c 1:3
d 2:3
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ : ১৩ প্রদত্ত তথ্য: মোট দূরত্ব = ৩০০ কিমি বাইক দুটি পরস্পরের দিকে যাত্রা শুরু করে ধরি, একটি বাইক অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৩০ কিমি অপর বাইক অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩০০ − ১৩০ = ১৭০ কিমি অতএব, উভয় বাইক একই সময়ে যাত্রা করায় তাদের অতিক্রান্ত দূরত্বের অনুপাতই তাদের গতির অনুপাত হবে সুতরাং, গতির অনুপাত = ১৭০ : ১৩০ উত্তর: ১৭ : ১৩
a 21500
b 22000
c 22500
d 23500
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২৫০০ প্রদত্ত তথ্য: নতুন চুক্তিতে বেতন বৃদ্ধি পায় ৬% এবং সাথে ৪৫০ টাকা বোনাস পাওয়া যায়। এই মোট বৃদ্ধি মূল বেতনের ৮% এর সমান। ধরি, শ্রমিকটির আগের বেতন ছিল ক টাকা। অতএব, বেতন বাড়ে ক এর ৬% বা ০.০৬ গুণ ক টাকা। মোট বাড়তি টাকা হলো ০.০৬ গুণ ক + ৪৫০। সুতরাং, শর্তমতে, ০.০৬ গুণ ক + ৪৫০ = ক এর ৮% বা ০.০৮ গুণ ক। বা, ৪৫০ = ০.০৮ গুণ ক − ০.০৬ গুণ ক। বা, ৪৫০ = ০.০২ গুণ ক। অতএব, ক = ৪৫০ ÷ ০.০২। ক = ২২৫০০। উত্তর: ২২৫০০ টাকা
a 7.5m
b 8.5m
c 10.5m
d 12.5m
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭.৫মি প্রদত্ত তথ্য: প্রতি বর্গমিটার ফ্লোরিং করার খরচ = ৮.৫০ টাকা মোট খরচ = ৫১০ টাকা ঘরের দৈর্ঘ্য = ৮ মিটার ধরি, ঘরের ক্ষেত্রফল = ক বর্গমিটার অতএব, ক্ষেত্রফল × প্রতি বর্গমিটার খরচ = মোট খরচ ক × ৮.৫০ = ৫১০ সুতরাং, ক = ৫১০ ÷ ৮.৫০ ক = ৬০ বর্গমিটার উত্তর: ঘরের প্রস্থ = ৬০ ÷ ৮ = ৭.৫ মিটার
a 81
b 9
c 144
d 12
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, ৪x = ৫২ নির্ণয় করতে হবে, x² − ৫২ ধরি, সমীকরণটি থেকে x এর মান বের করতে হবে x এর মান বের করার পর তার বর্গ করতে হবে তারপর প্রাপ্ত মান থেকে ৫২ বিয়োগ করতে হবে অতএব, x = ৫২ ÷ ৪ x = ১৩ অতএব x² = ১৩ × ১৩ = ১৬৯ সুতরাং, x² − ৫২ = ১৬৯ − ৫২ = ১১৭ উত্তর: ১১৭ (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে দেওয়া অপশনের সাথে উত্তরের মিলের জন্য x² এর মান ১৬৯ এবং প্রশ্নে ৫২ এর পরিবর্তে ২৫ থাকলে উত্তর ১৪৪ হতো।)

মোট প্রশ্ন (7)

a Noda Yoshihiko
b Fumio Kishida
c Yoshihide Suga
d Shinzo Abe
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) Fumio Kishida প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত উত্তরটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিবর্তনশীল। ফুমিও কিশিদা জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে শিগেরু ইশিবা জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পুরোনো প্রশ্নের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী প্রদত্ত উত্তরটি বিশ্লেষণ করা হলো। কেন সঠিক: - ফুমিও কিশিদা ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। - তিনি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা হিসেবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noda Yoshihiko — তিনি ২০১১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে সঠিক নন। B) Fumio Kishida — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। C) Yoshihide Suga — তিনি ২০২০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। D) Shinzo Abe — তিনি জাপানের দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন যিনি ২০২০ সালে পদত্যাগ করেন এবং ২০২২ সালে মারা যান। মনে রাখার টিপস: ফুমিও কিশিদা হলেন সুগার পরবর্তী এবং বর্তমানের আগের একজন প্রধান নেতা যিনি ২০২১ সালে জাপানের ক্ষমতা গ্রহণ করেন।
a 10
b 15
c 25
d 26
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬ কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ড একটি রাষ্ট্রসংঘভুক্ত ফেডারেল প্রজাতন্ত্র যা ২৬টি কেন্টন বা রাজ্যে বিভক্ত। - এই কেন্টনগুলোর নিজস্ব সংবিধান ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে যা সুইস ফেডারেল ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ — এই সংখ্যাটি সুইজারল্যান্ডের কেন্টনগুলোর প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। B) ১৫ — সুইজারল্যান্ডের প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে ১৫ সংখ্যাটির কোনো সম্পর্ক নেই। C) ২৫ — সুইজারল্যান্ডে ছাব্বিশটি কেন্টন রয়েছে, পঁচিশটি নয়। D) ২৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুইজারল্যান্ড প্রশাসনিকভাবে ২৬টি কেন্টনে বিভক্ত। মনে রাখার টিপস: সুইজারল্যান্ডের নামের শেষ অক্ষর 'ল্যান্ড' এবং এর কেন্টন সংখ্যা ২৬, মনে রাখার জন্য "সুইজারল্যান্ড ছাব্বিশ" এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a Daniil Medvedev
b Dominic Thiem
c Novak Djokovic
d Roger Frderer
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Daniil Medvedev কেন সঠিক: - ২০২১ সালের ইউএস ওপেন পুরুষ একক ফাইনালে ড্যানিয়েল মেদভেদেভ নোভাক জোকোভিচকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হন। - এই জয়ের মাধ্যমে তিনি তার ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Daniil Medvedev — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২১ সালের টুর্নামেন্টে পুরুষ এককের শিরোপা জয় করেছিলেন। B) Dominic Thiem — তিনি ২০২০ সালের ইউএস ওপেন পুরুষ একক ফাইনালে জয়লাভ করেছিলেন, ২০২১ সালের নন। C) Novak Djokovic — তিনি ২০২১ সালের ফাইনালে ড্যানিয়েল মেদভেদেভের কাছে পরাজিত হয়ে রানার্স-আপ হন। D) Roger Federer — তিনি ২০২১ সালের ইউএস ওপেন প্রতিযোগিতায় অংশ নেননি এবং ফাইনালেও ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ২০২১ সালের ইউএস ওপেনে জোকোভিচের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছিলেন ড্যানিয়েল মেদভেদেভ।
a Louise Gluck
b Abdulrazak Gurnah
c Olga Tokarczuk
d Kazuo Ishiguro
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abdulrazak Gurnah কেন সঠিক: - তানজানিয়ার ঔপন্যাসিক আবদুলরাজাক গুরনাহ উপনিবেশবাদের প্রভাব এবং সংস্কৃতির ব্যবধানে শরণার্থীদের ভাগ্য সম্পর্কে আপসহীন ও সহানুভূতিশীল অনুধ্যানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - ২০২১ সালের সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী হিসেবে সুইডিশ একাডেমি তাঁর নাম ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Louise Gluck — তিনি ২০২১ সালের নয়, বরং ২০২০ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) Abdulrazak Gurnah — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। C) Olga Tokarczuk — তিনি ২০১৮ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন, ২০২১ সালের নয়। D) Kazuo Ishiguro — তিনি ২০১৭ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যে ২০২১ সালের নোবেল বিজয়ী আব্দুলরাজাক গুরনাহ তানজানিয়ার লেখক, যা মনে রাখতে জি-তে গুরনাহ এবং টি-তে তানজানিয়া সূত্রটি ব্যবহার করতে পারেন।
a Venice
b Chicago
c New York
d Tokyo
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Chicago কেন সঠিক: - শিকাগো শহরটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান হ্রদের তীরে অবস্থিত এবং এখানে প্রচুর ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হয়। - এই প্রবল বাতাস ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই শহরটিকে জনপ্রিয়ভাবে উইন্ডি সিটি বা বাতাসের শহর বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Venice — এটি ইতালির একটি শহর যা জলপথ ও খালের জন্য বিখ্যাত, বাতাসের শহর নয়। B) Chicago — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) New York — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, একে দ্য বিগ অ্যাপল বলা হয়। D) Tokyo — এটি জাপানের রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর, বাতাসের শহর হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: শিকাগো শহরের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর সি এবং কোল্ড বা ঠান্ডার সঙ্গে মিলে সি দিয়ে উইন্ডি সিটি মনে রাখা যায়।
a Dobra
b Dong
c Rand
d Birr
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Birr কেন সঠিক: - ইথিওপিয়ার আনুষ্ঠানিক মুদ্রা হলো বির। - পূর্ব আফ্রিকার এই দেশটির অর্থনীতিতে লেনদেনের জন্য বির ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dobra — এটি সাও টোমে এবং প্রিন্সিপে নামক দ্বীপরাষ্ট্রের মুদ্রা, তাই ইথিওপিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Dong — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের মুদ্রা, তাই ইথিওপিয়ার মুদ্রার নাম হতে পারে না। C) Rand — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার অফিশিয়াল মুদ্রা, তাই ইথিওপিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) Birr — এটি ইথিওপিয়ার প্রচলিত মুদ্রা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ইথিওপিয়ার বির মুদ্রার নাম মনে রাখতে মনে রাখুন, ইথিওপিয়ার মানুষ বীরের মতো লড়াই করে তাই তাদের মুদ্রা বির।
a Warren Hastings
b William Bentick
c Lord Delhousie
d Lord Canning
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) Warren Hastings কেন সঠিক: - ১৭৭৩ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট অনুযায়ী বাংলার গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংসকে ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিয়োগ করা হয়। - তিনি ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসনের ভিত্তি মজবুত করেন এবং রাজস্ব ও বিচার ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Warren Hastings — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন। B) William Bentick — তিনি ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন ১৮৩৩ সালের চার্টার অ্যাক্ট অনুযায়ী, প্রথম নন। C) Lord Delhousie — তিনি ১৮৪৮ থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন, সত্য বিলোপ নীতির জন্য পরিচিত। D) Lord Canning — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন ১৮৫৮ সালের ভারত সরকার আইন অনুযায়ী, গভর্নর জেনারেল নন। মনে রাখার টিপস: ওয়ারেন হেস্টিংস ছিলেন প্রথম গভর্নর জেনারেল এবং লর্ড ক্যানিং ছিলেন প্রথম ভাইসরয়।