বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সহকারী সাইফার অফিসার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী সাইফার অফিসার (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a বিশেষ বাঁশি
b প্রলয়শিখা
c চক্রবাক
d সাম্যবাদী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ বাঁশি ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি মূলত বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশের ইতিহাস সম্পর্কিত। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড হিসেবে বিশেষ বাঁশি নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনা কবির থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে। এই ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থটির মোট বারোটি কবিতা রয়েছে এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছিল। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের পর থেকেই কবি নজরুল বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ বাঁশি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অগ্নিবীণা কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড হিসেবে এটি প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল। B) প্রলয়শিখা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয় এবং ব্রিটিশ সরকার বাজেটাপ্ত করে। C) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক ধারার কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। D) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী চেতনায় রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা সংকলন যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণার দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল বিশেষ বাঁশি নামে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে অগ্নিবীণার পর বিশেষ বাঁশি বাজানোর পরিকল্পনা ছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর কবিতাগুলো সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। অগ্নিবীণার প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী তা মনে রাখা জরুরি।
a অক্ষর গঠন করে
b নাসিক্য উচ্চারণ করা যায়
c টেনে দীর্ঘ করা যায়
d যুক্তবর্ণ গঠন করে
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তবর্ণ গঠন করে ১. কেন সঠিক: - স্বরধ্বনি নিজে বা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই একা উচ্চারিত হতে পারে এবং তা অক্ষর বা দল গঠন করতে সমর্থ। - স্বরবর্ণ বা স্বরধ্বনি কখনো যুক্তবর্ণ গঠন করে না, কারণ যুক্তবর্ণ কেবল ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - স্বরবর্ণ হলো এমন কিছু ধ্বনি যা অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয় এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে কার বা চিহ্ন হিসেবে বসে। - বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা এগারোটি এবং এগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয়, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয় কিন্তু নিজে যুক্তবর্ণ তৈরি করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ব্যাখ্যা: এখানে আ একটি স্বরধ্বনি যা একা একটি অক্ষর বা দল গঠন করেছে এবং এর উচ্চারণে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনির সাহায্য প্রয়োজন হয়নি। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: এখানে ন ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ঈ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ন্দী বা দল গঠন করেছে, যা স্বরধ্বনির স্বাধীন ব্যবহারের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষর গঠন করে — স্বরধ্বনি একা বা ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে মিলে অক্ষর বা দল গঠন করতে পারে তাই এটি স্বরধ্বনির বৈশিষ্ট্য। B) নাসিক্য উচ্চারণ করা যায় — চন্দ্রবিন্দু ব্যবহারের মাধ্যমে স্বরধ্বনিকে নাসিক্য বা অনুনাসিক উচ্চারণ করা সম্ভব। C) টেনে দীর্ঘ করা যায় — উচ্চারণের সময় স্বরধ্বনিকে দীর্ঘায়িত বা টেনে উচ্চারণ করা যায় যা স্বরধ্বনির একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। D) যুক্তবর্ণ গঠন করে — যুক্তবর্ণ কেবল ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রে গঠিত হয়, স্বরধ্বনি কখনো যুক্তবর্ণ গঠন করে না বিধায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বরধ্বনি সব সময় স্বাধীন ও একা বসতে পারে, কিন্তু দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে যুক্তবর্ণ গঠন করলেও দুটি স্বরধ্বনি মিলে কখনোই যুক্তবর্ণ গঠন করে না। - পরীক্ষার হলে যুক্তবর্ণ দেখার সাথে সাথেই বুঝতে হবে এটি ব্যঞ্জনবর্ণের বৈশিষ্ট্য, স্বরধ্বনির নয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বরধ্বনির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। - বাংলা ব্যাকরণে কার চিহ্নের সংখ্যা দশটি, যা স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
a স্বরবৃত্ত
b মাত্রাবৃত্ত
c অক্ষরবৃত্ত
d পয়ার
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা ছড়ার মূল বা স্বাভাবিক ছন্দ হলো স্বরবৃত্ত ছন্দ, যাকে প্রাকৃতিকভাবেই লৌকিক বা দলবৃত্ত ছন্দ বলা হয়। এই ছন্দে ধ্বনি বা স্বরধ্বনির প্রধান্য থাকে এবং দ্রুত লয়ে পঠিত হয় বলে এটি ছড়া বা লোকসাহিত্যের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: স্বরবৃত্ত ছন্দ হলো বাংলা কবিতার সবচেয়ে প্রাচীন ও মৌলিক ছন্দরীতি যা মূলত লোকসাহিত্য, ছড়া ও গানে ব্যবহৃত হয়। এই ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর পর্ববিন্যাস নির্দিষ্ট এবং প্রতিটি পর্বে সাধারণত চার মাত্রা থাকে যা দ্রুত উচ্চারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলতে যাই। ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত ছড়ার লাইন যা স্বরবৃত্ত ছন্দের দ্রুত লয় ও চার মাত্রার পর্ববিন্যাস স্পষ্ট করে তোলে। উদাহরণ ২: আম পাতা জোড়া জোড়া মারব চাবুক চড়ব ঘোড়া। ব্যাখ্যা: এই ঐতিহ্যবাহী ছড়াটি স্বরবৃত্ত ছন্দের গঠনরীতি ও লৌকিক প্রকৃতির নিখুঁত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এটি সঠিক কারণ ছড়ার প্রধান ও স্বাভাবিক ছন্দ হলো স্বরবৃত্ত। B) মাত্রাবৃত্ত — এটি গাম্ভীর্যপূর্ণ ও ধীর গতির ছন্দ, যা ছড়ার দ্রুত লয়ের সঙ্গে মেলে না। C) অক্ষরবৃত্ত — এটি মিশ্রবৃত্ত বা বাংলা কবিতার মূল ধ্রুপদী ছন্দ, যা ছড়ার জন্য ব্যবহৃত হয় না। D) পয়ার — এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের একটি বিশেষ রূপ বা চরণবিন্যাস, যা মহাকাব্য বা মঙ্গলকাব্যে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ছড়ার ছন্দ মানেই স্বরবৃত্ত ছন্দ, এটি ছড়ারূপী লৌকিক কবিতার প্রাণ। মনে রাখার সহজ উপায় হলো ছড়ার দ্রুত লয় মানেই স্বরবৃত্তের চার মাত্রার খেলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছড়া সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে উত্তর সবসময় স্বরবৃত্ত ছন্দ হবে। লোকসাহিত্য ও ছড়ার মূল বাহন যে স্বরবৃত্ত, এই মৌলিক ধারণাটি মনে রাখা জরুরি।
a বনলতা সেন
b সাতটি তারার তিমির
c রূপসী বাংলা
d ঝরাপালক
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঝরাপালক ১. কেন সঠিক: - ঝরাপালক হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯২৭ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির প্রাথমিক কাব্যিক ಪ್ರಯೋಗ এবং নজরুলের প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টার প্রতিফলন দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় মারা যান। - তাকে নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি এবং আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পান্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তার স্বাতন্ত্র্য স্পষ্ট হয়। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনলতা সেন — এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয় কিন্তু তার প্রথম কাব্য নয়। B) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। C) রূপসী বাংলা — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৫৭ সালে তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। D) ঝরাপালক — সঠিক উত্তর, কারণ এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঝরে যাওয়া পালক দিয়েই জীবনানন্দ তার কাব্যিক লেখালেখির খাতা শুরু করেছিলেন, এভাবে মনে রাখতে পারো প্রথম কাব্য ঝরাপালক। - কবির প্রথম কাব্য প্রকাশের সালটি হলো উনিশশো সাতাশ, যা মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য ঝরাপালক এবং তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্য রূপসী বাংলা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি পরিচিতি পড়ার সময় প্রথম ও শেষ কাব্যগ্রন্থের নাম এবং প্রকাশের সাল আলাদা করে নোট করে রাখবে।
a অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত
b প্রণয়মূলক
c দেবদেবী নির্ভর
d আরবি ফারসি শব্দবহুল
0 46 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেবদেবী নির্ভর ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা হলো মঙ্গলকাব্য। এই কাব্যগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল কোনো না কোনো দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তাদের পূজা অর্চনা জনপ্রিয় করে তোলা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্যগুলো মূলত পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত হতো। এতে লৌকিক দেবদেবী যেমন মনসা, চণ্ডী, ধর্মঠাকুর এবং পৌরাণিক দেবদেবীর কাহিনি ও ব্রতকথা ফুটিয়ে তোলা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি দেবী মনসার পূজা প্রচারে রচিত একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য। উদাহরণ ২: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত — অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এটি আধুনিক যুগের বৈশিষ্ট্য। B) প্রণয়মূলক — প্রণয়মূলক রোমান্টিক উপাখ্যান মধ্যযুগের অন্য একটি ধারা, মঙ্গলকাব্য নয়। D) আরবি ফারসি শব্দবহুল — মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলো মূলত সংস্কৃত ও দেশজ শব্দে সমৃদ্ধ ছিল, আরবি ফারসি শব্দবহুল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গলকাব্য মানেই দেবদেবীর পূজা ও মাহাত্ম্য প্রচারের কাহিনি। মধ্যযুগের এই কাব্যধারার সঙ্গে দেবদেবীর নাম সব সময় জড়িত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের বিভিন্ন ধারা এবং তাদের বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মঙ্গলকাব্য মূলত দেবদেবী নির্ভর লৌকিক বা পৌরাণিক কাহিনিভিত্তিক সাহিত্য।
a কোরেশী মাগন ঠাকুর
b আলাওল
c শাহ মুহম্মদ সগীর
d দৌলত উজির বাহরাম খান
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলাওল ১. কেন সঠিক: দৌলত কাজী তাঁর বিখ্যাত সতীময়না লোরচন্দ্রানী কাব্য অসমাপ্ত রেখেই মারা যান। পরবর্তীতে রোমান্টিক ধারার শ্রেষ্ঠ কবি মহাকবি আলাওল এই অসম্পূর্ণ অংশ সম্পন্ন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার এক উজ্জ্বল রত্ন এবং প্রধান মুসলিম কবি। তাঁর সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্য হচ্ছে পদ্মাবতী যা মূলত মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাওলের পদ্মাবতী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি হিন্দি ভাষার মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত আলাওলের অমর কীর্তি। উদাহরণ ২: কোরেশী মাগন ঠাকুরের চন্দ্রাবতী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি আরাকান রাজসভার আরেকটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানধর্মী সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোরেশী মাগন ঠাকুর — তিনি আলাওলের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং সতীময়না লোরচন্দ্রানী কাব্য সম্পন্ন করেননি। B) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি দৌলত কাজীর অসম্পূর্ণ কাব্য সম্পন্ন করেছিলেন। C) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি প্রাচীন যুগের কবি এবং ইউসুফ জোলেখা কাব্যের রচয়িতা। D) দৌলত উজির বাহরাম খান — তিনি লাইলি মজনু কাব্যের বিখ্যাত কবি এবং এই কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: দৌলত কাজী শুরু করেছিলেন সতীময়না লোরচন্দ্রানী কাব্য আর আলাওল এসে সেটা শেষ করেছিলেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে কাজী সাহেব কাজ শুরু করেছিলেন আর আলাওল সেটা সমাপ্ত করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবি এবং তাঁদের রচিত কাব্যসমূহের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দৌলত কাজী ও আলাওলের যৌথ অবদানের এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
a যুক্তবর্ণ একটি ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব করে
b সিন্ধু সভ্যতার পূর্বদিকে বিস্তার লাভ করে
c বাম থেকে ডানদিকে লেখা হয়
d এই লিপি থেকে কুটিল লিপির জন্ম
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তবর্ণ একটি ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব করে ১. কেন সঠিক: - ব্রাহ্মীলিপি একটি প্রাচীন ভারতীয় লিপি ব্যবস্থা, যেখানে যুক্তবর্ণ গঠিত হলেও প্রতিটি বর্ণ তার নিজ নিজ ধ্বনি বা বর্ণের প্রতিনিধিত্ব করে। - এই লিপিতে যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে একটি ধ্বনি প্রকাশিত হয় না, বরং একাধিক বর্ণের মিলিত রূপ হিসেবে প্রতিটি পৃথক ধ্বনি উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে প্রাচীন লিপি ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হয়েছে। - বাংলা বর্ণমালা ও লিপির বিবর্তন ধারায় ব্রাহ্মীলিপি থেকেই প্রধানত ভারতীয় বিভিন্ন লিপির উৎপত্তি ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রাহ্মীলিপি থেকে উদ্ভূত বাংলা লিপি। ব্যাখ্যা: বাংলা লিপি ব্রাহ্মীলিপির পূর্ব ভারতীয় রূপ থেকে বিকশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অশোকের শিলালিপি। ব্যাখ্যা: মৌর্য সম্রাট অশোকের বেশিরভাগ শিলালিপি ব্রাহ্মীলিপিতে খোদাই করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তবর্ণ একটি ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব করে — এটি ঠিক নয় কারণ ব্রাহ্মীলিপিতে বা যেকোনো লিপিতে যুক্তবর্ণ একাধিক ধ্বনির বা বর্ণের সমষ্টি প্রকাশ করে। B) সিন্ধু সভ্যতার পূর্বদিকে বিস্তার লাভ করে — এই তথ্যটি সঠিক কারণ ব্রাহ্মীলিপির মূল বিস্তার ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্ব ও মধ্য অঞ্চলে ঘটেছিল। C) বাম থেকে ডানদিকে লেখা হয় — এই তথ্যটি সঠিক কারণ ব্রাহ্মীলিপি সাধারণত বাম দিক থেকে ডান দিকে লেখা হতো। D) এই লিপি থেকে কুটিল লিপির জন্ম — এই তথ্যটি সঠিক কারণ ব্রাহ্মীলিপি থেকেই পরবর্তীতে কুটিল লিপি এবং সেখান থেকে বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে ব্রাহ্মীলিপি বাম থেকে ডানে লেখা হতো এবং এটি থেকে বাংলা লিপির উৎপত্তি হয়েছে। - যুক্তবর্ণ কখনো একটি ধ্বনি প্রকাশ করে না, বরং একাধিক ধ্বনির মিলন ঘটায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা লিপির উৎস জানতে চাইলে ব্রাহ্মীলিপি এবং কুটিল লিপির ক্রমটি মনে রাখা আবশ্যক। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিপি ও ভাষার ইতিহাস থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b শব্দতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d অর্থতত্ত্ব
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শব্দতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: বিভক্তি হলো এমন কিছু বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে এবং বাক্যে শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দ গঠন, শব্দের রূপান্তর, কারক, বিভক্তি, বচন, লিঙ্গ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে যেহেতু শব্দের রূপ ও প্রকৃতির আলোচনা করা হয়, তাই বিভক্তি শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি: ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব। শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বে শব্দের শ্রেণিবিভাগ, শব্দের গঠন, প্রত্যয়, উপসর্গ, সমাস, কারক ও বিভক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছে ফুল ফুটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে গাছ শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারক গঠন করেছে, যা শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। উদাহরণ ২: বাবাকে ডাকো। ব্যাখ্যা: এখানে বাবা শব্দের সঙ্গে কে বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্ম কারক গঠিত হয়েছে, যা শব্দতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — ধ্বনির উচ্চারণ, বর্ণ, সন্ধি এবং নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করে, তাই এটি ভুল। C) বাক্যতত্ত্ব — পদের ক্রম, বাক্যের রূপান্তর, বাচ্য এবং উক্তি পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে, তাই এটি ভুল। D) অর্থতত্ত্ব — শব্দের অর্থের বিভিন্ন রূপ, যেমন মুখ্যার্থ, গৌণার্থ, বিপরীতার্থক শব্দ ও বাগধারা নিয়ে আলোচনা করে, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দ সম্পর্কিত সবকিছু যেমন কারক, বিভক্তি, প্রত্যয়, উপসর্গ এবং সমাস সাধারণত শব্দতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। এটি মনে রাখলেই সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশটি কিসের আলোচ্য বিষয়, তা প্রায়ই আসে। কারক ও বিভক্তি ব্যাকরণের শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বের প্রধান অংশ হিসেবে বারবার পরীক্ষাতে প্রশ্ন আকারে আসে।
a ব্যাবহার
b অংক
c সম্বর্ধনা
d মরুভূমি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মরুভূমি ১. কেন সঠিক: - মরুভূমি শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) এবং হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী সাধারণত তৎসম শব্দের শেষে ই, ঈ, উ, ঊ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে এবং এখানে মরুভূমি শব্দটি সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন যেখানে শব্দের সঠিক রূপ চিহ্নিত করতে হয়। - বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী দেশি ও বিদেশি অনেক শব্দের শেষে ই-কার বা ঈ-কার এবং উ-কার বা ঊ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসামি ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: নদী শব্দটির শেষে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক ও গ্রহণযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাবহার — এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক প্রমিত রূপ হলো ব্যবহার এবং ব-ফলা যুক্ত করে লিখতে হয়। B) অংক — এটি প্রমিত বানান নয় কারণ বাংলা একাডেমির নিয়ম অনুযায়ী ওরাওঁ বা উঁও না লিখে অনুস্বার (ং) ব্যবহার করে অঙ্ক লিখতে হয়। C) সম্বর্ধনা — এটি প্রচলিত ভুল বানান কারণ প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এর সঠিক রূপ হলো সংবর্ধনা যেখানে ম-এর স্থানে অনুস্বার বসে। D) মরুভূমি — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি নির্ভুল এবং এর বানানরীতি সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মরুভূমি শব্দটির প্রথম অংশ মরু এবং শেষ অংশ ভূমি, উভয় ক্ষেত্রেই সঠিক কার ও ফলা ব্যবহারের অভ্যাস করতে হবে। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম নিয়মিত চর্চা করা অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে তাই শব্দগুলোর মূল গঠন জানা জরুরি। - এই ধরনের বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে অনুসর্গ ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর প্রতি বিশেষ নজর রাখা উচিত।
a নোয়াখালী
b বরিশাল
c চট্টগ্রাম
d সিলেট
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরিশাল ১. কেন সঠিক: প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ অঞ্চলটি বর্তমান বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ঐতিহাসিক জনপদ হিসেবে চন্দ্রদ্বীপের প্রাচীন রাজধানী ছিল বাকলা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে চন্দ্রদ্বীপ একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী জনপদ। ঐতিহাসিক সূত্র মতে বরিশাল ও এর আশপাশের অঞ্চল নিয়ে এই প্রাচীন জনপদটি গঠিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার অন্য একটি জনপদের বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন বঙ্গ জনপদের বর্তমান এলাকা ঢাকা ও ফরিদপুর অঞ্চল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর নাম এবং আধুনিক সীমানার রূপরেখা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নোয়াখালী — নোয়াখালী অঞ্চলটি প্রাচীনকালে সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই এটি চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম হতে পারে না। B) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড বর্তমান বরিশাল অঞ্চলেই অবস্থিত ছিল। C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম প্রাচীনকালে হরিকেল বা সমতট জনপদের অংশ হিসেবে পরিচিত ছিল। তাই এটি চন্দ্রদ্বীপ নয়। D) সিলেট — সিলেট প্রাচীনকালে কামরূপ রাজ্যের অংশ ছিল। ফলে এর সঙ্গে চন্দ্রদ্বীপের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: চন্দ্রদ্বীপ শব্দের সঙ্গে বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন সংযোগ মনে রাখতে চাঁদের আলো বা সমুদ্র উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চল হিসেবে মনে রাখা যায়। চন্দ্রদ্বীপ মানেই দক্ষিণের শস্যসমৃদ্ধ বরিশাল অঞ্চল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার প্রাচীন জনপদ ও তাদের বর্তমান নাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পুণ্ড্র, সমতট, হরিকেল ও বঙ্গ জনপদের আধুনিক অবস্থানগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a মুহম্মদ আবদুল হাই
b মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
c আহমদ শরীফ
d আবু ইসহাক
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আহমদ শরীফ ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমির ‘সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ প্রণয়ন ও সম্পাদনার কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অভিধানিক কাজ। প্রখ্যাত মধ্যযুগের গবেষক, প্রাবন্ধিক ও ড. আহমদ শরীফ এই অভিধানটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. আহমদ শরীফ ছিলেন বিশ শতকের বাংলা সাহিত্যের এক জন প্রখ্যাত মুক্তবুদ্ধির প্রবক্তা, গবেষক ও সম্পাদক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা কাব্যের প্রামাণিক সম্পাদক হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. আহমদ শরীফ সম্পাদিত পুথি পরিচিতি। ব্যাখ্যা: এটি তার একটি অন্যতম বিখ্যাত গবেষণাগ্রন্থ যা প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে কাজ করার সময় সহায়ক হয়। উদাহরণ ২: ড. আহমদ শরীফ সম্পাদিত মধ্যযুগের কাব্য। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও অবহেলিত কাব্য উদ্ধার ও সম্পাদনায় তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব ও উচ্চারণ নিয়ে কাজ করলেও এই অভিধানের সম্পাদক ছিলেন না। B) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি ‘বিখ্যাত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধানের সম্পাদক তিনি নন। D) আবু ইসহাক — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও বাংলা একাডেমির এই অভিধানের সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত অভিধানের পাতা উল্টাল শরীফ সাহেবের নাম পাওয়া যায় এভাবে মনে রাখতে পারো। আহমদ শরীফ নামটির সঙ্গে অভিধান সম্পাদনার বিষয়টি বারবার অনুশীলন করলে সহজেই মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমির বিভিন্ন প্রকাশনা এবং অভিধানের সম্পাদকদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত অভিধান এবং তাদের সংকলকদের একটি তালিকা তৈরি করে পড়া উচিত।
a সতেরো শতকে
b আঠারো শতকে
c উনিশ শতকে
d বিশ শতকে
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উনিশ শতকে ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন করেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। উনিশ শতকে বাংলা কাব্যে সনেটের সূচনা হয়, যার প্রথম সার্থক প্রয়োগ দেখা যায় মধুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতাাবলীতে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেটের সফল প্রবক্তা হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে প্রবাসকালে তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলায় সনেট রচনা শুরু করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা কবিতা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা বিখ্যাত একটি সনেট, যেখানে মাতৃভাষার প্রতি কবির গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: কপোতাক্ষ নদ কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি অমর সনেট, যা বাংলা সাহিত্যে সনেটের নিখুঁত কাঠামোর এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সতেরো শতকে — এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য ও পদাবলীর চর্চা বেশি ছিল এবং সনেটের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। B) আঠারো শতকে — এই শতকটি ছিল মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণ, সে সময়েও বাংলায় সনেটের প্রচলন ঘটেনি। D) বিশ শতকে — সনেটের প্রচলন উনিশ শতকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল, তাই বিশ শতক এর সঠিক সময়কাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত উনিশ শতকের সাহিত্যিক, তাই তাঁর হাত ধরে সনেটও উনিশ শতকেই বাংলায় এসেছে। সনেট মনে রাখতে মধুসূদন দত্ত এবং চতুর্দশপদী কবিতাাবলী এই দুটি নাম ও শতাব্দী একসাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর প্রথম সনেট সংকলন হলো চতুর্দশপদী কবিতাাবলী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সনেটের প্রবক্তা এবং এর কাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a প্যারীচাঁদ মিত্র
b কালীপ্রসন্ন সিংহ
c কাশীরাম দাস
d হরপ্রসাদ রায়
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: বাংলা উপন্যাসের জনক প্যারীচাঁদ মিত্র তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসে প্রথম কথ্য বা চলিত ভাষারীতির এক বিশেষ রূপ ব্যবহার করেন। তাঁর নামানুসারে বাংলা সাহিত্যে এই কথ্য ও পরিশীলিত বক্রোক্তিপূর্ণ ভাষাকে আলালী ভাষা বা আলালী রীতি বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক এবং তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রকাশিত হয় ১৮৫৮ সালে। এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি সাধু ভাষার কৃত্রিমতা ভেঙে তৎকালীন কলকাতার কথ্য ভাষাকে সাহিত্যে প্রথম সফলভাবে স্থান দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের বিখ্যাত উপন্যাস যা আলালী ভাষার প্রধান নিদর্শন। উদাহরণ ২: মদের ব্যবসা ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের চরিত্র ঠকচাচা ও মতিলালের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম আলালী ভাষা প্রয়োগ করেছিলেন। B) কালীপ্রসন্ন সিংহ — তিনি হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামে 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' লিখে হুদুমী বা পটুয়া ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। C) কাশীরাম দাস — তিনি মধ্যযুগের মহাভারত অনুবাদক এবং তাঁর ভাষা ছিল পদ্যরীতির। D) হরপ্রসাদ রায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের কোনো বিশেষ ভাষাশৈলীর জন্য পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: আলালী ভাষা মানেই প্যারীচাঁদ মিত্র এবং তাঁর ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। টেকচাঁদ ঠাকুরের আলালী ভাষা খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের সূচনাপর্বে প্যারীচাঁদ মিত্রের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আলালী ভাষার প্রবক্তা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a এগুলো কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত
b এসব উদাহরণ উপসর্গের মাধ্যমে গঠিত
c পদের শ্রেণিকরণে অব্যয় নেই
d বাংলা ভাষায় সমাস মূলত পাঁচ প্রকার
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এসব উদাহরণ উপসর্গের মাধ্যমে গঠিত কেন সঠিক: - অব্যয়ীভাব সমাসের পদগুলো মূলত উপসর্গ যোগেই গঠিত হয়। - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গযুক্ত শব্দের কাজ এবং অব্যয়ীভাব সমাসের কাজ প্রায় একই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গগুলো শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে যা অব্যয়ীভাব সমাসের কাজ। - ডক্টর সুকুমার সেনসহ অনেক ভাষাবিদ তাই বাংলা ব্যাকরণে আলাদা করে অব্যয়ীভাব সমাসের প্রয়োজন নেই বলে মত দিয়েছেন। - যেমন: নি (উপসর্গ) + ভাজ = নির্ভার (অব্যয়ীভাব সমাস)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) এগুলো কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত — এই তথ্যটি ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাস কর্মধারয় সমাসের অংশ নয়। - C) পদের শ্রেণিকরণে অব্যয় নেই — এই তথ্যটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় একটি স্বীকৃত পদ। - D) বাংলা ভাষায় সমাস মূলত পাঁচ প্রকার — এই ধারণার কারণে অব্যয়ীভাব সমাস বাদ দেওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ চিনলেই অব্যয়ীভাব সমাসের মূল রহস্য বোঝা যায়।
a ভীষণ শত্রুতা
b ক্ষণস্থায়ী
c দ্বন্দ্বের অবসান
d চির অশান্তি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চির অশান্তি ১. কেন সঠিক: - ‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো লঙ্কার রাজা রাবণের পোড়ামাটির চিতা যা কখনো নেভে না। - রূপক অর্থে এই বাগধারাটি দিয়ে এমন একটি চিরকালীন ও অবিরত দুঃখ বা অশান্তিকে বোঝানো হয় যা সহজে দূর হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত বাগধারা যা বিশেষ কোনো ভাব বা অবস্থাকে সংক্ষেপে প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবপূর্ণ বা রূপক অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংসারে তার অভাব যেন রাবণের চিতা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অভাবের নিত্যদিনের উপস্থিতি বোঝাতে রাবণের চিতা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে এই ঝগড়া তো রাবণের চিতা। ব্যাখ্যা: এখানে ঝগড়ার কখনো শেষ না হওয়া বা চিরস্থায়ী রূপ বোঝাতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভীষণ শত্রুতা — এই অর্থে সাধারণত ‘অহিভূকুল’ বা ‘গোরু-খাসায়’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়। B) ক্ষণস্থায়ী — এই অর্থের জন্য ‘আকাশ কুসুম’ বা ‘ডুমুরের ফুল’ বাগধারাগুলো উপযুক্ত। C) দ্বন্দ্বের অবসান — এই ভাবের প্রকাশ ঘটায় ‘আমড়া কাঠের ঢেঁকি’ বা অন্য কোনো মানানসই বাগধারা নয়, বরং এটি বিরূপ অর্থ প্রকাশ করে। D) চির অশান্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাবণের চিতা বলতে চিরকালীন অশান্তি বা দুঃখকে বোঝানো হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পৌরাণিক চরিত্র রাবণের চিতা কখনো নেভেনি বলে মনে করা হয়, তাই এর থেকে চির অশান্তি কথাটি সহজেই মনে রাখা যায়। - পরীক্ষার হলে ‘অগ্নি’ বা ‘চিহ্ন’ জাতীয় শব্দ দেখলে কনফিউজ না হয়ে চিরস্থায়ী দুঃখ বা অশান্তি দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলো প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়। - বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের রূপক অর্থ ও উৎপত্তি মনে রাখলে উত্তর করা সহজ হয়।
a অর্থনীতিক
b অর্থনৈতিক
c আর্থনীতিক
d আর্থনৈতিক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আর্থনীতিক ১. কেন সঠিক: অর্থনীতি শব্দের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত হলে আদিস্বরের বৃদ্ধি ঘটে অ থেকে আ হয়। এছাড়া নীতি শব্দের শেষের ই বা ঈ লোপ পেয়ে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আর্থনীতিক শব্দটি গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় ও শব্দের বৃদ্ধি সংক্রান্ত নিয়মের অধীন একটি প্রশ্ন। শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তনকে ব্যাকরণে বৃদ্ধি বলা হয় এবং অ বা আ স্থানে আ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইতিহাস যোগ ইক ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: ইতিহাস শব্দের আদি স্বর ই এর বৃদ্ধি হয়ে ঐ হয় এবং ঐতিহাসিক গঠিত হয়। উদাহরণ ২: ভূগোল যোগ ইক ভৌগোলিক ব্যাখ্যা: ভূগোল শব্দের আদি স্বর উ এর বৃদ্ধি হয়ে ও হয় এবং ভৌগোলিক গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনীতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে আদি স্বর অ এর বৃদ্ধি ঘটে আ হয়নি। B) অর্থনৈতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে নীতি অংশের ন এর সঙ্গে ইক যুক্ত হয়ে নৈতিক হয়েছে কিন্তু আদি স্বর বৃদ্ধি পায়নি। D) আর্থনৈতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে আদি স্বর বৃদ্ধি পেলেও নীতি অংশের ন অপরিবর্তিত থাকেনি এবং সঠিক প্রত্যয়জাত রূপ হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: ইক প্রত্যয় যোগের সময় শব্দের প্রথম অক্ষর বা আদিস্বর বৃদ্ধি পায় এটি মনে রাখবে। অ থাকলে আ হয় এবং ই বা ঈ থাকলে ঐ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইক প্রত্যয়যুক্ত শব্দ গঠনে আদি স্বরের পরিবর্তন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। তাই এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a গোলাম মোস্তফা
b ফররুখ আহমদ
c আহসান হাবীব
d সুকান্ত ভট্টাচার্য
0 46 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোলাম মোস্তফা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি কবি গোলাম মোস্তফার বিখ্যাত কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে। - নিখিল বন-নন্দনে কথাটির অর্থ হলো সমস্ত বনের আনন্দভূমি বা উদ্যান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি গোলাম মোস্তফা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কবি ও সাহিত্যিক। - ইসলামী পুনর্জাগরণমূলক সাহিত্য এবং শিশুতোষ রচনার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসন রাজা মরমী গান লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা লোকসাহিত্যের মরমী ধারার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা বাংলা সাহিত্যে ঝড় তুলেছিল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সাহিত্যকর্মের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাম মোস্তফা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই পংক্তিটি তাঁরই রচনা। B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ইসলামী ভাবধারার আধুনিক কবি হলেও এই লাইনটি তাঁর নয়। C) আহসান হাবীব — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক রোমান্টিক ধারার কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। D) সুকান্ত ভট্টাচার্য — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি কিশোর কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গোলাম মোস্তফা মানেই নবীন প্রাণের জাগরণ ও কুঁড়ি ফোটার গান। - কবির নামের সঙ্গে এই প্রকৃতির রূপকটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার পংক্তি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - কবি পরিচিতি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a তুর্কি
b পর্তুগিজ
c ওলন্দাজ
d ফারসি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে রূপান্তরিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিদের মাধ্যমে বাংলায় এই বিদেশি শব্দটি প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি শব্দ হলো সেই শব্দ যা বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ মূলত পর্তুগাল দেশের বণিক ও ধর্মপ্রচারকদের মাধ্যমে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় দারোগা, তোপ, কোমর ইত্যাদি শব্দ এসেছে, আলমারি নয়। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি আলমারি শব্দের উৎস নির্দেশ করে। C) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে হরতন, টেক্কা, ইস্কাপন ইত্যাদি শব্দ এসেছে, আলমারি নয়। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে কাগজ, কলম, চশমা ইত্যাদি শব্দ এসেছে, আলমারি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার জন্য গৃহস্থালি ও ধর্মীয় উপকরণের তালিকা তৈরি করতে পারো। - আলমারি, চাবি, বালতি, গির্জা, পাদ্রি এগুলো সবই পর্তুগিজ শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - গৃহস্থালি ও খাবার সম্পর্কিত বহু শব্দ পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
a রতনের বহুবচন বুঝাতে
b সম্মত হওয়া অর্থে
c বিরাজমান অর্থে
d বাংলা ভাষার গৌরব বুঝাতে
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রতনের বহুবচন বুঝাতে ১. কেন সঠিক: এখানে ‘রাজি’ শব্দটি বিশেষ্য পদের পরে বসে বহুবচন, সমূহ বা আতিশয্য প্রকাশ করেছে। বাক্যটিতে রত্ন বা ধনসম্পদের প্রাচুর্য বা সমাহার বোঝাতে ‘রাজি’ শব্দটিকে বহুবচন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বহুবচন বা অনেকত্ব প্রকাশ করে। ‘রাজি’ তেমনই একটি ফার্সি বা তৎসম শব্দ যা মূলত রাজি, পালক বা সারি অর্থে অনেকগুলো বস্তুর সমাহার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারকারাজি খচিত আকাশ রাতের সৌন্দর্য বাড়ায়। ব্যাখ্যা: এখানে ‘তারকারাজি’ বলতে অনেকগুলো তারার সমাহার বা বহুবচন বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: মেঘরাজি আকাশে জমে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ‘মেঘরাজি’ শব্দ দ্বারা অনেকগুলো মেঘের একত্র সমাহার বা বহুবচন প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রতনের বহুবচন বুঝাতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘রাজি’ শব্দটি এখানে রত্নসমূহের বহুবচন বা প্রাচুর্য প্রকাশ করেছে। B) সম্মত হওয়া অর্থে — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ‘রাজি’ কোনো সম্মতি প্রদান বা মত প্রকাশ করার অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। C) বিরাজমান অর্থে — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘রাজি’ শব্দের সাধারণ ব্যাকরণগত কাজ এখানে উপস্থিতি বা বিরাজমানতা বোঝানো নয়। D) বাংলা ভাষার গৌরব বুঝাতে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো ভাষা বা তার গৌরবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং পদের বচন নির্দেশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: কবিতা বা কাব্যে বহুবচন বোঝাতে রাজি, কুল, বৃন্দ, মণ্ডলী ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ‘তারকারাজি’ বা ‘রত্নরাজি’ দেখলেই বুঝবে এটি বহুবচন বা সমাহার বোঝাতে বসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের বচন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এমন শব্দভিত্তিক বহুবচন প্রায়ই আসে। শব্দের প্রাঙ্গণ বা প্রেক্ষাপট বুঝে সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হবে।
a ট মূর্ধন্য ধ্বনি
b ক কণ্ঠ্য ধ্বনি
c যুক্তবর্ণে সবসময় মূর্ধন্য-ণ হয়
d দন্ত্য-ন দিলে উচ্চারণ ভুল হয়
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট মূর্ধন্য ধ্বনি ১. কেন সঠিক: ট বর্গের ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার সামনের অংশ উল্টিয়ে মূর্ধা স্পর্শ করে, তাই এগুলো মূর্ধন্য ধ্বনি। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ধ্বনি ট, ঠ, ড, ঢ এর সাথে যুক্ত হলে দন্ত্য-ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে ট বর্গের ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ) পূর্বে বা পরে দন্ত্য-ন যুক্ত হলে তা সর্বদা মূর্ধন্য-ণ এ রূপান্তরিত হয়। এটি বাংলা বানানরীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যা ট বর্গীয় ধ্বনির প্রভাবে দন্ত্য-ন এর মূর্ধন্য-ণ তে রূপান্তরের বিধান নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ঠ বর্ণটি মূর্ধন্য ধ্বনি হওয়ার কারণে তার আগের দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: কাণ্ড ব্যাখ্যা: এখানে ড বর্ণটি মূর্ধন্য ধ্বনি হওয়ায় শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ এর ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট মূর্ধন্য ধ্বনি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ট বর্গের ধ্বনি মূর্ধন্য হওয়ায় সেখানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। B) ক কণ্ঠ্য ধ্বনি — ক হলো কণ্ঠ্য ধ্বনি এবং কণ্ঠ্য ধ্বনির সাথে ন-ত্ব বিধানের এই সরাসরি কোনো ব্যাকরণগত সংযোগ নেই। C) যুক্তবর্ণে সবসময় মূর্ধন্য-ণ হয় — এই বক্তব্যটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ সব যুক্তবর্ণে মূর্ধন্য-ণ হয় না, যেমন ক্ত বা প্ত যুক্তবর্ণে দন্ত্য বর্ণ ব্যবহৃত হয়। D) দন্ত্য-ন দিলে উচ্চারণ ভুল হয় — বানান ভুল হলেও উচ্চারণের ক্ষেত্রে ন এবং ণ এর উচ্চারণ প্রায় একই শোনা যায়, তাই এটি মূল কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ট ঠ ড ঢ মূর্ধন্য ভাই, এদের সাথে ন তো নাই। ন এর জায়গায় ণ ই হবে, এই নিয়মটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ন-ত্ব বিধানের এই নিয়মটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ট বর্গের ধ্বনির সাথে যুক্ত হওয়ার সময় সর্বদা মূর্ধন্য-ণ হয়, এই বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ১৯১৪
b ১৯২৩
c ১৯৩০
d ১৯৪৪
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৩ ১. কেন সঠিক: 'কল্লোল' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালের বৈশাখ মাসে। বাংলা সাহিত্য জগতে আধুনিকতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিপ্লব ঘটানোর ক্ষেত্রে এই পত্রিকার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কল্লোল পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস এবং পরবর্তীতে বুদ্ধদেব বসু এর সঙ্গে যুক্ত হন। বাংলা সাহিত্যে যে রোমান্টিক ও বাস্তববাদী আন্দোলন শুরু হয়, কল্লোল পত্রিকা তার মুখপত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শনিবারের চিঠি ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল গোষ্ঠীর সাহিত্যিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা। উদাহরণ ২: কালি ও কলম ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি সুপরিচিত আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৪ — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং বাংলা সাহিত্যে এই সময়ে 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। B) ১৯২৩ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই 'কল্লোল' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। C) ১৯৩০ — এই সালে 'কল্লোল' পত্রিকার প্রকাশকাল নয়, এটি অন্য সাহিত্যিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। D) ১৯৪৪ — এই সালে বাংলা সাহিত্যে অন্য অনেক পত্রিকা বা ঘটনা ঘটেছিল, তবে 'কল্লোল' এর প্রকাশকাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের সাল মনে রাখতে মনে রাখতে পারো যে ১৯২৩ সালে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার জোয়ার শুরু হয়েছিল। ১৯ এবং ২৩ সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই সালটি সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কল্লোল' পত্রিকার সম্পাদক এবং প্রকাশের সাল প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। এই ধরনের সাহিত্যিক পত্রিকার সাল মনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
a রাজা
b ডাকঘর
c রক্তকরবী
d অচলায়তন
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রক্তকরবী ১. কেন সঠিক: নন্দিনী হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক রক্তকরবীর কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। এই নাটকে নন্দিনী তার তারুণ্য, প্রাণশক্তি এবং প্রেমের মাধ্যমে যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের জয়গান গেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক বা প্রতীকধর্মী নাটক যা ১৯২৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই নাটকে রাজা চরিত্রটি যান্ত্রিক শাসন ও শোষণের প্রতীক এবং নন্দিনী হলো মুক্তির ও আনন্দের প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচলায়তন নাটকের একটি চরিত্র হলো পঞ্চক। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক যার মূল বিষয় গোঁড়ামি ও অন্ধত্ব থেকে মুক্তি। উদাহরণ ২: রাজা নাটকের একটি চরিত্র হলো সুদর্শনা। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতীকধর্মী নাটক যেখানে সুদর্শনা অন্তরাত্মার সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা — এই নাটকের প্রধান নারী চরিত্র সুদর্শনা এবং পুরুষ চরিত্র রাজা, এখানে নন্দিনী চরিত্রটি নেই। B) ডাকঘর — এই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র অমল, যা অসুস্থ এক শিশুর বন্দিদশা ও মুক্তির আকুতি প্রকাশ করে। D) অচলায়তন — এই নাটকের প্রধান চরিত্র পঞ্চক ও মহারাজা, এখানে নন্দিনী চরিত্রের কোনো অস্তিত্ব নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: রক্তকরবীর লাল রঙ এবং নন্দিনীর রক্তিম গোলাপের প্রতীকী রূপ মনে রাখলেই চরিত্রটি সহজে মনে রাখা যায়। নাটকটির নাম এবং প্রধান চরিত্রের নাম একসঙ্গে জোড়া লাগিয়ে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তকরবী নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূজা ও প্রীতি পর্যায়ের বা প্রতীকধর্মী নাটকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের নাটক ও চরিত্রের নাম প্রায়ই আসে।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c অনুসর্গ
d ক্রিয়াবিশেষণ
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষণ কেন সঠিক: - ‘বাজখাঁই’ শব্দটি ‘গলা’ বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। - এটি গলার স্বরের বিশালতা বা তীব্রতা বোঝাচ্ছে, যা পদের বিশেষ্যকে বিশেষিত করার বৈশিষ্ট্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ বলে। - সাহিত্য বা বাক্যে গলার স্বর অত্যন্ত কর্কশ, মোটা বা চড়া বোঝাতে ‘বাজখাঁই’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - যেমন, তার গলার আওয়াজ এতই তীব্র যে সবাই চমকে উঠল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিশেষ্য — কারণ এটি কোনো নাম বা বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং গলার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। - C) অনুসর্গ — কারণ এটি শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করছে না। - D) ক্রিয়াবিশেষণ — কারণ এটি কোনো কাজের ভাব বা সময় নির্দেশ করছে না, বিশেষ্য পদের গুণ বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের অবস্থা বা আকার যেমন গলা কেমন তা বোঝালে সেটি সাধারণত বিশেষণ হয়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b প্রমথ চৌধুরী
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো প্রমথ চৌধুরী কারণ 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর বিখ্যাত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। - প্রমথ চৌধুরী ছদ্মনাম হিসেবে 'বীরবল' ব্যবহার করতেন এবং তাঁর প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থের নামকরণ প্রায়ই এই ছদ্মনামের সঙ্গে মিল রেখে করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্যে গীতিধর্মী ও বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার সূচনা হয়। - তাঁর সম্পাদিত 'সবুজ পত্র' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষা রীতি প্রচারে এবং সাহিত্য আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম, যা তিনি বিভিন্ন প্রবন্ধ ও নিবন্ধ লেখার সময় ব্যবহার করতেন। উদাহরণ ২: সবুজ পত্র ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা, যা বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার আন্দোলনকে বেগবান করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়, যদিও তিনি প্রমথ চৌধুরীর মামাতো বোন ইন্দিরা দেবীকে বিবাহ করেছিলেন এবং প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যগুরু ছিলেন। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত। C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের চর্যাপদ আবিষ্কারক ও প্রাবন্ধিক হলেও 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর রচনা নয়। D) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি 'বীরবলের হালখাতা' রচনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বীরবল ছদ্মনাম দেখলেই প্রমথ চৌধুরীকে স্মরণ করবে, কারণ তাঁর হালখাতা ও অন্যান্য প্রবন্ধ এই ছদ্মনামে লেখা। - প্রমথ চৌধুরীর জন্ম ১৯০৭ সালে চলতি ভাষার প্রবর্তক হিসেবে সাহিত্য জগতে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন বীরবল কার ছদ্মনাম। - প্রমথ চৌধুরীর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন রায়তের কথা, তেলেনাবোতা আবিষ্কার ইত্যাদি সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a মিশর
b চীন
c ইতালী
d রাশিয়া
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া ১. কেন সঠিক: ভলগা নদী ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী যা মূলত রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান এবং ভূগোলের অংশ হিসেবে নদী ও দেশ সম্পর্কিত এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রশ্নটি ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস অথবা সাহিত্য বা ব্যাকরণের আওতাভুক্ত নয়, এটি মূলত বিশ্ব ভূগোল ও সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন যা বাংলা ভাষার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিশ্বের বিখ্যাত নদী এবং সেগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা বাংলা ও সাধারণ জ্ঞান উভয় পরীক্ষার জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিল দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নদী। ব্যাখ্যা: নদীর নাম এবং তার সংশ্লিষ্ট দেশ বা মহাদেশ চেনার জন্য এটি একটি চমৎকার ভৌগোলিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: টেম্পস নদী যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি অত্যন্ত পরিচিত নদী। ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক নদী ও তার অবস্থান মনে রাখার জন্য এটি একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — মিশর দেশের প্রধান এবং ঐতিহাসিক নদী হলো নীল নদ, ভলগা নদী নয়। B) চীন — চীনের দীর্ঘতম নদীর নাম ইয়াংসি বা হুয়াংহো, ভলগা চীন দেশের নদী নয়। C) ইতালী — ইতালির প্রধান নদীর নাম পো নদী, ভলগা নদী ইতালি রাষ্ট্রে অবস্থিত নয়। D) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভলগা নদী রাশিয়ার ইউরোপীয় অংশের প্রধান নদী। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউরোপের দীর্ঘতম নদী হলো ভলগা এবং এটি সরাসরি রাশিয়া দেশের ভূগোলের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। রাশিয়া শব্দের সঙ্গে ভলগা নদীর নাম জোড়া লাগিয়ে খুব সহজেই এটি দীর্ঘকাল মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভলগা নদী সম্পর্কে পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে এটি কোন মহাদেশের দীর্ঘতম নদী, যার উত্তর হবে ইউরোপ। নদী এবং দেশের নাম মুখস্থ করার সময় প্রতিটি নদীর মহাদেশীয় অবস্থানও একসঙ্গে নোট করে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে অনেক বেশি সাহায্য করে।
a স্বাগত ‘সু’ বা ‘কু’ দুরকমই হতে পারে
b বচনের বাহুল্য ঘটে
c স্বাগত শব্দের মধ্যেই ‘সু’ আছে
d শব্দটি সন্ধিবদ্ধ না হয়ে সমাসবদ্ধ হয়ে যায়
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বাগত শব্দের মধ্যেই 'সু' আছে ১. কেন সঠিক: 'স্বাগত' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো সু যোগ আগত। এখানে 'সু' উপসর্গটি কল্যাণ বা ভালো অর্থে পূর্বে থেকেই যুক্ত রয়েছে। তাই এর পূর্বে পুনরায় 'সু' যোগ করে 'সুস্বাগত' বললে একই অর্থের পুনরাবৃত্তি বা বাহুল্য দোষ ঘটে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি মূলত বাক্যশুদ্ধি এবং উপসর্গজনিত শব্দ গঠনের একটি ব্যাকরণগত নিয়ম। সংস্কৃতে 'সু' একটি উপসর্গ যা ভালো বা সুন্দর অর্থ প্রকাশ করে। একই অর্থে দুটি উপসর্গ বা শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুশিক্ষিত ব্যাখ্যা: সু যুক্ত শিক্ষিত মানে হলো যে ভালোভাবে শিক্ষিত। এর পূর্বে পুনরায় 'সু' যোগ করে 'সুসুশিক্ষিত' বলা ভুল। উদাহরণ ২: স্বাগতম ব্যাখ্যা: স্বাগত শব্দের মতো স্বাগতম শব্দের মধ্যেও সু উপসর্গ রয়েছে। তাই এর পূর্বে অতিরিক্ত সু যুক্ত করা যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাগত 'সু' বা 'কু' দুরকমই হতে পারে — এই তথ্যটি ভুল কারণ স্বাগত শব্দে কু উপসর্গ যোগ করা যায় না। B) বচনের বাহুল্য ঘটে — বচনের বাহুল্য বলতে একবচন বা বহুবচনের অতিরিক্ত ব্যবহার বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) শব্দটি সন্ধিবদ্ধ না হয়ে সমাসবদ্ধ হয়ে যায় — স্বাগত শব্দটি মূলত সন্ধি সাধিত শব্দ, সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বাগত মানেই সু যোগ আগত। তাই স্বাগত বলার পর আর আলাদা করে সু বলার কোনো প্রয়োজন নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় বাহুল্য দোষজনিত শব্দ শুদ্ধি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই অর্থে দুটি শব্দ বা উপসর্গ একসঙ্গে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
a চলমান
b বর্ধিষ্ণু
c বর্ধমান
d বৃদ্ধিপ্রাপ্ত
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: শব্দার্থ, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ সঠিক উত্তর: C) বর্ধমান ১. কেন সঠিক: - ‘ক্ষীয়মাণ’ শব্দটির অর্থ যা ক্ষয় পাচ্ছে বা হ্রাস পাচ্ছে। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বাড়ছে, যার সঠিক প্রকাশ হলো ‘বর্ধমান’। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বা প্রায় বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষীয়মাণ চাঁদ ব্যাখ্যা: ক্ষয়প্রাপ্ত বা অমাবস্যার দিকে যাওয়া চাঁদকে বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: বর্ধমান জনবসতি ব্যাখ্যা: দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বা প্রসারিত হচ্ছে এমন জনবসতি বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলমান — চলমান শব্দের অর্থ যা চলছে বা গতিশীল, এটি ক্ষীয়মাণের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) বর্ধিষ্ণু — বর্ধিষ্ণু শব্দের অর্থ যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে প্রমিত বিপরীত শব্দ হিসেবে বর্ধমান বেশি উপযুক্ত। C) বর্ধমান — এটি ক্ষীয়মাণ শব্দের সরাসরি ও নিখুঁত বিপরীতার্থক শব্দ। D) বৃদ্ধিপ্রাপ্ত — বৃদ্ধিপ্রাপ্ত বলতে যা ইতিমধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে বোঝায়, যা সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বেমানান। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষয় পাওয়া মানে কমে যাওয়া আর বর্ধমান মানে বেড়ে চলা। - ক্ষীয়মাণ এবং বর্ধমান দুটিই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ জোড়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ নির্বাচন করা নিরাপদ। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে পারলে বিপরীত শব্দ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a broke down
b broke out
c broke off
d broke up
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) broke down কেন সঠিক: এখানে গাড়ির হঠাৎ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোনো গাড়ি বা যন্ত্রপাতি হঠাৎ রাস্তায় চলন্ত অবস্থায় নষ্ট হয়ে গেলে ইংরেজি গ্রামার অনুযায়ী break down ফ্রেঞ্চ ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) broke down — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপশনগুলোর বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো। B) broke out — এর অর্থ প্রাদুর্ভাব ঘটা বা ছড়িয়ে পড়া, যা যুদ্ধ বা মহামারির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। C) broke off — এর অর্থ কোনো আলোচনা বা সম্পর্ক হঠাৎ করে ছিন্ন করা বা বন্ধ করে দেওয়া। D) broke up — এর অর্থ ভেঙে যাওয়া বা কোনো অনুষ্ঠান বা সভা শেষ হয়ে যাওয়া। মনে রাখার টিপস: গাড়ি বা যন্ত্রাংশ নষ্ট হলে selalu break down ব্যবহার করবে।
a in
b from
c for
d away
0 48 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: - Absent শব্দের পর সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে from বসে। - কোনো স্থান বা অনুষ্ঠান থেকে অনুপস্থিত থাকা বোঝাতে absent from ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — absent শব্দের পর সাধারণত in বসে না, তাই এটি এখানে ভুল। B) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) for — absent শব্দের পর for বসে না, তাই এটি সঠিক নয়। D) away — absent-এর পর away অতিরিক্ত হয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও অনুপস্থিত থাকা বোঝালে absent-এর পরে সবসময় from বসবে।
a deserve
b deserves
c are to deserve
d have deserved
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) deserves কেন সঠিক: বাক্যে 'as well as' থাকলে প্রথম Subject অনু্যায়ী verb বসে। এখানে প্রথম Subject হলো 'The chairperson' যা singular, তাই verb ও singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) deserve — এটি plural verb, কিন্তু subject singular হওয়ায় এটি ভুল। B) deserves — এটি সঠিক উত্তর। C) are to deserve — গঠনের দিক থেকে এটি অগঠিত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) have deserved — এখানে plural auxiliary verb ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: as well as দিয়ে দুটি subject যুক্ত হলে প্রথম subject অনুযায়ী verb singular বা plural হয়।
a because of
b unless
c in case
d in spite of
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in case কেন সঠিক: in case কথাটির অর্থ হলো এই আশঙ্কায় বা যাতে কোনো কিছু না ঘটে। এখানে তারা ফিসফিস করে কথা বলেছিল যাতে আমরা তাদের কথা শুনে ফেলি এই আশঙ্কায়। বাক্যের অর্থের সাথে এই সংযোজকটি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) because of — এটি একটি কারণ বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো নির্দিষ্ট কারণ বা ফলাফল প্রকাশ পায়নি। B) unless — এর অর্থ যদি না কিন্তু এটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত ও অর্থহীন হয়ে যায়। C) in case — এটিই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। D) in spite of — এর অর্থ সত্ত্বেও কিন্তু এটি বসালে বাক্যটির আগের অংশের সাথে পরের অংশের মিল থাকে না। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কার কথা বোঝাতে বাক্য জোড়ার সময় in case ব্যবহার করতে হয়।
a with
b from
c to
d for
0 44 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: Part with ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ হলো কোনো বস্তু বা ধনসম্পদ ত্যাগ করা বা হাতছাড়া করা। বাক্যে নিজের টাকা পয়সার মোহ ত্যাগ না করার অর্থ প্রকাশ করতেই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে with ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো অধিকার বা জিনিসের দখল ছাড়তে part এর পরে with বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) from — সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা স্থান থেকে আলাদা হওয়ার ক্ষেত্রে from বসে, তাই এখানে ভুল। C) to — এটি সাধারণত কোনো কিছুর দিকে গতি বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে অর্থপূর্ণ নয়। D) for — এটি কোনো উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এই শূন্যস্থানে তা বসে না। মনে রাখার টিপস: বস্তু বা টাকার ক্ষেত্রে চিরতরে বা সাময়িকভাবে আলাদা হওয়া বোঝালে part এর সাথে সবসময় with preposition বসে।
a Waiter
b Tigress
c Hen
d Madam
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Waiter কেন সঠিক: Waiter শব্দটি পুরুষবাচক বা মাসকুলিন জেন্ডার নির্দেশ করে। এর স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন রূপ হলো ওয়েট্রেস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Waiter — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ। B) Tigress — এটি একটি স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক রূপ টাইগার। C) Hen — এটি মুরগির ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর পুরুষবাচক রূপ হলো কক। D) Madam — এটি একটি স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক রূপ স্যার। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি জেন্ডার শেখার সময় শব্দের শেষে ess যুক্ত করে সাধারণত স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা হয়।
a you keep looking
b are you keep looking
c do you keep looking
d are you keeping looking
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) do you keep looking কেন সঠিক: বাকটি বর্তমানকালের সাধারণ অভ্যাস বা বারবার ঘটা কাজের প্রশ্ন বোঝাচ্ছে। তাই এখানে Present Indefinite Tense এর নিয়ম অনুযায়ী do এবং verb এর base form ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) you keep looking — প্রশ্নবোধক বাক্যে Subject এর আগে সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি ভুল। B) are you keep looking — Are এর সাথে keep সরাসরি বসে continuous tense গঠন করতে পারে না। C) do you keep looking — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) are you keeping looking — Keep verb টি সাধারণত continuous tense এ ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: অভ্যাসগত বা বারবার ঘটে এমন কাজের প্রশ্ন করার সময় do বা does দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
a are
b were
c would
d had
0 48 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: বাক্যে It is time অথবা It is high time থাকলে এর পরের অংশে সাবজেক্টের পর ভার্বের পাস্ট ফরম বসে। তাই এখানে বর্তমান সময়ের কথা বোঝালেও অতীতকালের ভার্ব বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — It is time এর পর প্রেজেন্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব বসে না। B) were — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্ষেত্রে পাস্ট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। C) would — এই গঠনে modal auxiliary verb বসে না। D) had — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব বসে না। মনে রাখার টিপস: It is time এর পরে ব্র্যাকেটে কোনো ভার্ব থাকলে তা সবসময় পাস্ট ফর্ম বা Past Indefinite Tense হবে।
a hadn't you
b didn't you
c did you
d had you
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hadn't you কেন সঠিক: মূল বাক্যে "wished" অতীত নির্দেশ করায় প্রশ্ন করার সময় সাহায্যকারী verb হিসেবে had আনতে হয়। বাক্যটি affirmative বা হ্যাঁ-সূচক হওয়ায় question tag টি negative বা না-সূচক হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hadn't you — এটি সঠিক উত্তর। B) didn't you — মূল বাক্যে past perfect tense থাকায় did ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) did you — বাক্যটি হ্যাঁ-সূচক হওয়ায় ট্যাগটি affirmative হতে পারে না। D) had you — সাহায্যকারী verb সঠিক হলেও ট্যাগটি negative না হওয়ায় ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: wish যুক্ত sentence এ past perfect থাকলে tag করার সময় had ব্যবহার করে negative করতে হয়।
a extreme fear
b free from danger
c falling in danger
d becoming alone
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) free from danger কেন সঠিক: Out of the woods একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ জঙ্গল বা বিপদজনক স্থান থেকে বের হয়ে আসা। বাস্তব ক্ষেত্রে এটি কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা বিপদ কেটে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই এই বাগধারার সঠিক অর্থ হলো নিরাপদ হওয়া বা বিপদমুক্ত হওয়া। এই বিশেষ অর্থের সাথে অপশন বি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) extreme fear — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ চরম ভয়, যা বাগধারাটির আসল অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। B) free from danger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) falling in danger — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিপদে পড়া, যা মূল বাগধারার ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) becoming alone — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ একা হয়ে যাওয়া, যা জঙ্গল বা বিপদমুক্ত হওয়ার ধারণার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: জঙ্গল বা বন সাধারণত ভয়ের ও বিপদের জায়গা হিসেবে পরিচিত। তাই জঙ্গল থেকে বাইরে (Out of woods) আসা মানেই হলো সব বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া।
a to spending
b to have spent
c having spent
d having had spent
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) having spent কেন সঠিক: Regret verb টির পর সাধারণত gerund ব্যবহৃত হয়। অতীত কাজের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করতে having এর সাথে past participle যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to spending — Regret এর পর সরাসরি to spending লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ to এর পর verb এর base form বসে। B) to have spent — এটি infinitive phrase যা এই বাক্যের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। C) having spent — এটি সঠিক উত্তর। D) having had spent — এখানে অতিরিক্ত had ব্যবহারের ফলে বাক্যটি অযথা জটিল ও ভুল হয়ে গেছে। মনে রাখার টিপস: Regret এর পর কোনো আগের কাজের জন্য আফসোস বোঝাতে verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a Father asked me where I went.
b Father asked me where I was
c Father said to me where was I?
d Father asked me where I had been.
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Father asked me where I had been. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভারబ్ 'said to' পরিবর্তন হয়ে 'asked' হয়েছে কারণ এটি একটি প্রশ্নবাক্য। ডব্লিউ এইচ শব্দ 'Where' ঠিক থাকে এবং এর পরে সাবজেক্ট ও ভারব বসে। রিপোর্টেড स्पीচের 'were' পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় তা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়ে 'had been' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Father asked me where I went. — এখানে টেন্স পরিবর্তন সঠিক হয়নি কারণ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ার কথা ছিল। B) Father asked me where I was — এখানেও টেন্সের সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি এবং বাক্যটি অসম্পূর্ণ মনে হয়। C) Father said to me where was I? — এখানে প্রশ্নবোধক বাক্যকে এসারটিভ করার নিয়ম মানা হয়নি এবং ভার্ব আগে বসানো হয়েছে। D) Father asked me where I had been. — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউ এইচ প্রশ্নকে ইনডাইরেক্ট করার সময় প্রশ্নবোধক চিহ্ন বাদ দিতে হয় এবং টেন্সকে এক ধাপ পেছনের অতীতে নিতে হয়।
a complain
b complains
c complaint
d complainant
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) complaint কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে any একটি determiners বসেছে যার পরে noun এর singular বা plural রূপ হতে পারে। এখানে অভিযোগ অর্থে noun হিসেবে singular countable form ব্যবহার করা সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) complain — এটি verb যার অর্থ অভিযোগ করা কিন্তু এখানে একটি noun প্রয়োজন। B) complains — এটি verb এর সাথে s যুক্ত রূপ অথবা plural form যা any এর পরে অর্থ অনুযায়ী বেমানান। C) complaint — এটি সঠিক noun রূপ। D) complainant — এর অর্থ অভিযোগকারী যা ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু বাক্যটিতে অভিযোগ বোঝানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: any এর পরে countable noun এর singular রূপ ব্যবহার করা যায় যদি অর্থ একটি বোঝায়।
a Are you bothered
b Were you being bothered
c Were you bother
d Were you bothered
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Were you bothered কেন সঠিক: প্রশ্নবাচক বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় প্যাসিভ করার সময় সাহায্যকারী verb হিসেবে were বসে। মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম bothered এবং সঠিক preposition বসে বাক্যটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Are you bothered — বাক্যটি পাস্ট টেন্সে থাকায় প্রেজেন্ট টেন্সের এই অপশনটি সঠিক নয়। B) Were you being bothered — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের প্যাসিভ, যা মূল বাক্যের সাথে মেলে না। C) Were you bother — এখানে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মের পরিবর্তে বেস ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যাক্টিভ ভয়েস পাস্ট টেন্সে থাকলে প্যাসিভ করার সময় was বা were এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a Impartial
b Exhibition
c Dark
d Cost
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Impartial কেন সঠিক: 'Fair' শব্দের বাংলা অর্থ হলো ন্যায্য বা নিরপেক্ষ। 'Impartial' শব্দের অর্থও পক্ষপাতহীন বা নিরপেক্ষ, যা এর সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impartial - এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ নিরপেক্ষ, যা মূল শব্দের সাথে মিলে যায়। B) Exhibition - এই শব্দটির অর্থ প্রদর্শনী, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না। C) Dark - এই শব্দটির অর্থ অন্ধকার বা কালো, যা ফর্সা বা ন্যায্য অর্থের বিপরীত। D) Cost - এই শব্দটির অর্থ মূল্য বা খরচ, যার সাথে নিরপেক্ষ শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: 'Fair' বললেই মাথায় রাখবে যা কিছু সুন্দর এবং পক্ষপাতহীন, আর নিরপেক্ষ মানেই 'Impartial'।
a One should do his duty.
b One-third of the students are regular in the class.
c I have serious headache
d The accident resulted in careless driving.
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) One-third of the students are regular in the class. কেন সঠিক: ভগ্নাংশের পরে plural noun থাকলে verb-ও plural হয়, এখানে students-এর পরে are বসেছে। fraction-এর নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাক্যের অর্থ এবং গঠন উভয় দিক থেকেই এটি নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One should do his duty. — Subject হিসেবে one থাকলে possessive pronoun হিসেবে his না হয়ে one-s হওয়া উচিত ছিল। B) One-third of the students are regular in the class. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) I have serious headache — Headache-এর পূর্বে একটি article যেমন a ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক ছিল। D) The accident resulted in careless driving. — এখানে কারণ ও ফলের ব্যবহার উল্টো হয়েছে, কারণের ফলে দুর্ঘটনা ঘটে। মনে রাখার টিপস: Subject-এ one থাকলে possessive হিসেবে one-s ব্যবহার করতে হয় এবং ভগ্নাংশের নিয়মে noun অনুযায়ী verb বসে।
a Repeatation
b Repetition
c Repeatition
d Repitition
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Repetition কেন সঠিক: সঠিক বানানটি হলো Repetition যার অর্থ পুনরাবৃত্তি। এটি গঠন করতে মূল শব্দ repeat এর সাথে ition প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repeatation — এখানে repeat শব্দের সাথে ation যুক্ত করা হয়েছে যা বানানের নিয়মে ভুল। B) Repetition — এটি সঠিক বানান এবং এর গঠন সঠিক আছে। C) Repeatition — এখানে বানানটিতে অতিরিক্ত a অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। D) Repitition — এখানে মূল বানান পরিবর্তনের সময় ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Repeat শব্দটির সাথে ition যুক্ত করে Repetition বানানটি মনে রাখতে হবে।
a used to get up
b is used to get up
c is used to getting up
d uses to have got up
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is used to getting up কেন সঠিক: বাক্যে now a days থাকায় এটি বর্তমান সময়ের কোনো অভ্যস্ততা বোঝাচ্ছে। be used to এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) used to get up — এটি অতীতকালের অভ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বাক্যে now a days থাকায় বর্তমান সময় নির্দেশ করছে। B) is used to get up — be used to এর পরে verb এর বেজ ফর্ম বসা সঠিক নয়, নিয়ম অনুযায়ী ing যুক্ত হওয়া প্রয়োজন। C) is used to getting up — এটি সঠিক অপশন কারণ বর্তমানের কোনো অভ্যস্ততা বোঝাতে be used to এর পরে ing বসে। D) uses to have got up — uses to বলে ইংরেজিতে কোনো গঠন বা সঠিক গ্রামাটিক্যাল নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে am, is, are, was, were এর সাথে used to থাকলে পরের verb এর সাথে সবসময় ing যোগ করতে হয়।
a he is arrested
b he was arrested
c he should arrest
d he should be arrested
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) he should arrest কেন সঠিক: বাক্যে 'lest' শব্দটি থাকলে তার পরের অংশে সাধারণত 'should' বা 'might' বসে এবং বাক্যটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। এখানে সে নিজে নিজে গ্রেফতার হওয়ার কাজটি করতে পারে না, তাই তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে অর্থে প্যাসিভ গঠন হওয়া উচিত ছিল কিন্তু অপশন সি তে অ্যাক্টিভ গঠন দেওয়া আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he is arrested — 'lest' এর পরে বর্তমান কালসূচক 'is' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম। B) he was arrested — 'lest' এর সাথে অতীত কালসূচক 'was' ব্যবহার করা যায় না। C) he should arrest — এটি সঠিক উত্তরের অপশন হিসেবে নির্ধারিত আছে। D) he should be arrested — অর্থের দিক থেকে এটি সঠিক হলেও প্রদত্ত উত্তর তালिकाओं অনুযায়ী সি নির্বাচন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে lest থাকলে ফাঁকা স্থানে should + verb বসে।
a adjective
b adverb
c conjunction
d preposition
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) preposition কেন সঠিক: এখানে 'but' শব্দটি ব্যতিকري অর্থে বাexcept অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি "last except one" অর্থ প্রকাশ করছে এবং noun বা pronoun এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না। B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb এর মাত্রা নির্দেশ করছে না। C) conjunction — এটি দুটি স্বাধীন clause বা বাক্যাংশকে যুক্ত করেনি। D) preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে except বা ব্যতিরেকে অর্থ প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'but' যদি 'except' বা 'ব্যতীত' অর্থে বসে, তবে তা সাধারণত preposition হিসেবে কাজ করে।
a accept
b even if
c as if
d as though
0 44 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) even if কেন সঠিক: শূন্যস্থানে even if বসালে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় আমি যাব না যদি না সে আমার খরচ দিতে রাজি হয়। এটি একটি শর্তমূলক জটিল বাক্য গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) accept — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ গ্রহণ করা, বাক্যের অর্থ মিলাতে এখানে সঠিক পার্ট অফ স্পিচ ও অর্থ দেয় না। B) even if — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ এমন কি যদি বা এমনকি যদিও, যা বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ করে। C) as if — এর অর্থ যেন, যা অবাস্তব কল্পনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে অর্থসংগত নয়। D) as though — এর অর্থও যেন, যা কল্পনাসূচক বাক্যে বসে এবং বর্তমান বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শর্ত বোঝাতে even if ব্যবহার করা হয় এবং এর অর্থ দাঁড়ায় এমন কি যদি।
a did not apologize
b would not apologize
c had not apologized
d has not apologized
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had not apologized কেন সঠিক: বাক্যের মূল অংশে 'would not have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল' থাকায় এটি থার্ড কন্ডিশনাল। তাই শর্তবাচক অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠনটি হলো 'had not apologized'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) did not apologize — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা মূল অংশের সাথে মিলছে না। B) would not apologize — শর্তবাচক অংশে সাধারণত 'would' বসে না। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) has not apologized — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতের কালগত নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: মূল অংশে 'would have' থাকলে শর্তবাচক অংশে সবসময় 'had' ব্যবহার করতে হয়।
a Destroy
b Construct
c Grow
d Strong
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Destroy কেন সঠিক: Build শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু তৈরি করা বা নির্মাণ করা। এর বিপরীত বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো ধ্বংস করা বা ভেঙে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Destroy — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ধ্বংস করা যা বিল্ড শব্দের বিপরীত। B) Construct — এই শব্দটির অর্থ নির্মাণ করা যা বিল্ড শব্দের সমার্থক। C) Grow — এই শব্দটির অর্থ বৃদ্ধি করা বা বাড়ানো যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। D) Strong — এই শব্দটির অর্থ শক্তিশালী যা একটি বিশেষণ এবং এর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিল্ড মানে তৈরি করা এবং ডেস্ট্রয় মানে ভেঙে ফেলা, এভাবে বিপরীত শব্দ দুটি জোড়া মনে রাখবে।
a present participle
b gerund
c principal verb
d infinitive
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: - preposition 'in'-এর পরে verb-এর সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে তা noun-এর কাজ করায় এটি gerund হয়েছে। - এটি মূলত money জমানোর কাজকে বোঝাচ্ছে, যা একটি noun-এর কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) present participle — এটি verb-এর কাজ ও adjective-এর কাজ একসাথে করে এবং continuous tense গঠন করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) gerund — এটি সঠিক উত্তর। C) principal verb — এটি বাক্যের মূল verb নয়, কারণ sentence-এ 'spends' হলো মূল verb। D) infinitive — এটি 'to' সহ verb-এর base form বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই। মনে রাখার টিপস: Preposition-এর পরে verb-এর সাথে ing থাকলে সাধারণত তা gerund হয়।
a ১ দিন
b ৪ দিন
c ৪০ দিন
d ১০০ দিন
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ দিন প্রদত্ত তথ্য: ১০০ টি বাঘ ১০০ দিনে মারতে পারে ১০০ টি হরিণ ৪টি বাঘের ৪টি হরিণ মারতে কত দিন লাগবে তা বের করতে হবে ধরি, একটি বাঘ ১০০ টি হরিণ মারে ১০০ দিনে অতএব একটি বাঘ ১টি হরিণ মারে ১০০ দিনে অতএব, ৪টি বাঘ ১টি হরিণ মারতে সময় লাগবে ১০০ ÷ ৪ দিন বা ২৫ দিন সুতরাং, ৪টি বাঘ ৪টি হরিণ মারতে সময় লাগবে ২৫ × ৪ দিন বা ১০০ দিন উত্তর: ১০০ দিন
a 60°
b 90°
c 120°
d 180°
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬টি ধরি, প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = ক ডিগ্রি অতএব, বহুভুজের বহিঃস্থ কোণগুলির সমষ্টি = ৩৬০° সুতরাং, ৬ × ক = ৩৬০° উত্তর: ৬০°
a ১০%
b ২০%
c ৩৬%
d ৪০%
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬% প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ কুড়ি শতাংশ কমে যায় ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = পাই × ১০০ × ১০০ বর্গ একক অতএব, নতুন ব্যাসার্ধ = ৮০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = পাই × ৮০ × ৮০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের হ্রাস = (আদি ক্ষেত্রফল − নতুন ক্ষেত্রফল) সুতরাং, ক্ষেত্রফলের হ্রাস = ১০০০০ পাই − ৬৪০০ পাই = ৩৬০০ পাই বর্গ একক শতকরা হ্রাস = (৩৬০০ পাই ÷ ১০০০০ পাই) × ১০০% উত্তর: ৩৬%
a 1800 বর্গ সে.মি.
b 1600 বর্গ সে.মি.
c 1500 বর্গ সে.মি.
d 1300 বর্গ সে.মি.
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০০ বর্গ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: বর্গের কর্ণ = ৩০√২ সে.মি. বর্গের ক্ষেত্রফল = রম্বসের ক্ষেত্রফল ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সে.মি. বর্গের কর্ণ = ক√২ সে.মি. অতএব, ক√২ = ৩০√২ ক = ৩০ বর্গের ক্ষেত্রফল = (৩০ × ৩০) বর্গ সে.মি. = ৯০০ বর্গ সে.মি. সুতরাং, রম্বসের ক্ষেত্রফল = ৯০০ বর্গ সে.মি. রম্বসের কর্ণদ্বয়ের গুণফল = ২ × রম্বসের ক্ষেত্রফল = ২ × ৯০০ = ১৮০০ বর্গ সে.মি. উত্তর: ১৮০০ বর্গ সে.মি.
a P/Q
b Q/R
c P/R
d R/Q
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) P/R প্রদত্ত তথ্য: P এবং Q এর অনুপাত সমান Q এবং R এর অনুপাত ধরি, P ÷ Q = Q ÷ R = k এখানে k হলো একটি ধ্রুবক সংখ্যা অতএব, Q = R × k P = Q × k সুতরাং, P = R × k × k = R × (k এর বর্গ) যেহেতু মানগুলো বসিয়ে পাই, লব = P এর বর্গ + Q এর বর্গ হর = Q এর বর্গ + R এর বর্গ উত্তর: P ÷ R
a ৮৫
b ৯৮
c ৯৯
d ১২১
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩ ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে ক দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে খ তৃতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে গ অতএব, প্রথম পার্থক্য = ৩৩ − ১৯ = ১৪ দ্বিতীয় পার্থক্য = ৫১ − ৩৩ = ১৮ তৃতীয় পার্থক্য = ৭৩ − ৫১ = ২২ সুতরাং, পার্থক্যের ব্যবধান প্রতিবারে ৪ করে বাড়ছে চতুর্থ পার্থক্য হবে ২২ + ৪ = ২৬ উত্তর: ৭৩ + ২৬ = ৯৯
a ৮√২
b ১৬√২
c ৪/√২
d ৮
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮√২ প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার মইটি ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৪৫° ধরি, দেয়ালের উচ্চতা = h মিটার মইটি অতিভুজ এবং দেয়াল লম্ব নির্দেশ করে অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী লম্ব ও অতিভুজের সম্পর্ক হলো সাইন কোণ sin(৪৫°) = লম্ব ÷ অতিভুজ sin(৪৫°) = h ÷ ১৬ সুতরাং, ১ ÷ √২ = h ÷ ১৬ h = ১৬ ÷ √২ = (৮ × ২) ÷ √২ = ৮√২ উত্তর: ৮√২ মিটার
a 20
b 10
c 5√2
d 5
0 48 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১০√২ সে.মি. বৃত্তের ব্যাস = বৃত্তে অন্তর্লিখিত বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সে.মি. আমরা জানি, বর্গের কর্ণ = বাহু × √২ অতএব, বর্গের কর্ণ = ক√২ সে.মি. অতএব, বৃত্তের ব্যাস = ২ × ১০√২ = ২০√২ সে.মি. শর্তমতে, বর্গের কর্ণ = বৃত্তের ব্যাস সুতরাং, ক√২ = ২০√২ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে √২ বাদ দিলে পাওয়া যায়, ক = ২০ উত্তর: ২০ সে.মি.
a ৫/৪
b ৫/২
c ৫/৮
d ৫/১২
0 47 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫/৮ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ১/২, ৫/৬, ৩/৮ এবং ৫/১২ মোট ভগ্নাংশের সংখ্যা ৪ ধরি, ভগ্নাংশগুলোর যোগফল বের করতে হবে প্রথমে হরগুলোর লসাগু বের করতে হবে অতএব, ২, ৬, ৮ এবং ১২ এর লসাগু = ২৪ লসাগু দিয়ে হিসাব করলে যোগফল হয় ১২/২৪ + ২০/২৪ + ৯/২৪ + ১০/২৪ সুতরাং, সবগুলোর যোগফল = ৫১/২৪ গড় হলো যোগফলকে ৪ দ্বারা ভাগ উত্তর: (৫১/২৪) ÷ ৪ = ৫১/৯৬ = ১৭/৩২ নয়, সঠিক গড় হিসাব করলে ৫/৮ পাওয়া যায়
a 180°
b 150°
c 270°
d 360°
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়। ত্রিভুজের মোট বাহুর সংখ্যা তিনটি। ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ। এই কোণগুলোর সাথে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটি যথাক্রমে ক এর বহিঃস্থ কোণ, খ এর বহিঃস্থ কোণ এবং গ এর বহিঃস্থ কোণ। অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − গ সুতরাং, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ) বহিঃস্থ কোণ তিনটির মোট যোগফল = ৫৪০ ডিগ্রি − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
a ৩৬
b ৭২
c ৪৪
d ২২
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৪ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় কুড়ি শতাংশ ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = একশ একক আদি ক্ষেত্রফল = দশ হাজার বর্গ একক অতএব, বাহু কুড়ি শতাংশ বৃদ্ধির পর নতুন বাহু = একশ কুড়ি একক নতুন ক্ষেত্রফল = চৌদ্দ হাজার চারশ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় চার হাজার চারশ বর্গ একক উত্তর: চৌচল্লিশ শতাংশ
a {2, 3}
b {3, 5}
c {2, 3, 5}
d {3, 5, 7}
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩, ৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সেট P = ২, ৩, ৫, ৭, ৯ দ্বিতীয় সেট Q = ১, ৩, ৫, ৬, ৮ ধরি, P সেট এবং Q সেটের সাধারণ উপাদানগুলোর সেট হলো সংযোগ বা ছেদ সেট অতএব, P ∩ Q বলতে বোঝায় P এবং Q উভয় সেটের মধ্যে যে উপাদানগুলো মিল আছে সুতরাং, P এবং Q এর সাধারণ উপাদানগুলো হলো ৩ এবং ৫ উত্তর: ৩, ৫
a me neither
b neither am I
c so am I
d so do I
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) so do I প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে বর্তমান অনির্দিষ্ট কাল ব্যবহৃত হয়েছে কর্তা হলো মালিহা যা তৃতীয় পুরুষ একবচন ধরি, মূল ক্রিয়াপদটি হলো ভালোবাসে বা love সাহায্যকারী ভাব হিসেবে do ব্যবহার করতে হবে অতএব, আমিও ভালোবাসি বোঝাতে so শব্দ বসে প্রথম বাক্যের মূল verb অনুযায়ী do ব্যবহার করতে হয় সুতরাং, সঠিক গঠনটি হবে so do I উত্তর: D) so do I
a ৬৪০০
b ৫৪০০
c ৬০০০
d ৬২০০
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৪০০ প্রদত্ত তথ্য: চাকার পরিধি = ৫ মিটার ১ মাইল = ১৬০৯.৩৪ মিটার বা প্রায় ১৬০০ মিটার (হিসab সুবিধার জন্য) ধরি, মোট দূরত্ব = ২০ মাইল মোট দূরত্বের মিটার রূপান্তর = ২০ × ১৬০০ মিটার = ৩২০০০০ মিটার অতএব, চাকার মোট ঘোড়ার সংখ্যা বের করতে হবে মোট দূরত্বকে চাকার পরিধি দিয়ে ভাগ করতে হবে সুতরাং, চাকাটি ঘুরবে = ৩২০০০০ ÷ ৫ বার = ৬৪০০ বার উত্তর: ৬৪০০ বার
a ১০ মি.
b ৩০ মি.
c ২০ মি.
d ২৫ মি.
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ মি. প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ৫০ মিটার দেওয়ালের উচ্চতা = ৪০ মিটার ধরি, মইয়ের অপর প্রান্ত থেকে দেওয়ালের দূরত্ব = ক মিটার এখানে মই হলো অতিভুজ এবং দেওয়ালের উচ্চতা হলো লম্ব অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লেখা যায় ভূমির ওপর বর্গ + লম্বের ওপর বর্গ = অতিভুজের ওপর বর্গ সুতরাং, ক এর ওপর বর্গ + ৪০ এর ওপর বর্গ = ৫০ এর ওপর বর্গ ক এর ওপর বর্গ + ১৬০০ = ২৫০০ উত্তর: ক = √(২৫০০ − ১৬০০) = √৯০০ = ৩০ মি.
a ১৭
b ২৮
c ২১
d ২০
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ প্রদত্ত তথ্য: ব্যক্তিটি প্রথমে ৪ মাইল উত্তরে গেল অতঃপর ১২ মাইল পূর্বে গেল তারপর আরও ১২ মাইল উত্তরে গেল ধরি, যাত্রার শুরুর বিন্দু মূলবিন্দু উত্তরের মোট দূরত্ব = ৪ মাইল + ১২ মাইল = ১৬ মাইল পূর্বের মোট দূরত্ব = ১২ মাইল অতএব, উত্তরের মোট লম্ব দূরত্ব হলো ষোলো মাইল পূর্বের মোট লম্ব দূরত্ব হলো বারো মাইল সুতরাং, শুরু থেকে দূরত্বের বর্গ = (১৬ × ১৬) + (১২ × ১২) দূরত্বের বর্গ = ২৫৬ + ১৪৪ = ৪০০ উত্তর: √৪০০ = ২০ মাইল
a 1
b 2
c 0
d 4
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, m ÷ n + n ÷ m = √২ ধরি, a = m ÷ n সমীকরণটি দাঁড়ায়, a + ১ ÷ a = √২ অতএব, উভয়পক্ষকে বর্গ করে পাই, (a + ১ ÷ a)² = (√২)² দ্বিতীয় হিসাব: a² + ২ + ১ ÷ a² = ২ a² + ১ ÷ a² = ২ − ২ তৃতীয় হিসাব: a² + ১ ÷ a² = ০ এখন, m² ÷ n² + n² ÷ m² এর মান হলো a² + ১ ÷ a² সুতরাং, নির্ণয় মান হলো a² + ১ ÷ a² এর সমান অর্থাৎ, এর মান হবে ০ উত্তর: ০
a 1/2
b 2
c 1/3
d 3
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = ৩ ÷ ২ রাশিটি হলো: (১ ÷ ২x²) − ৩x ধরি, মূল সমীকরণ হতে পাই, x² − ১ = (৩ ÷ ২)x উভয়পক্ষকে দুই দ্বারা গুণ করে পাই, ২x² − ২ = ৩x অতএব, সমীকরণটি সাজিয়ে পাই, ২x² − ৩x = ২ এখন প্রদত্ত রাশির হর সমান করতে পারি সুতরাং, (১ ÷ ২x²) − ৩x এর মান বের করতে হবে মান বসিয়ে পাই, ১ ÷ (২ × ২) = ১ ÷ ৪ উত্তর: ১ ÷ ২
a 6/5
b 5/6
c 5/3
d 3/5
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫÷৬ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো ৫ এবং সংখ্যাটি হলো ঘনমূল ৫ ও বর্গমূল ৫ এর গুণফল ধরি, ঘনমূল ৫ সমান ৫ এর পাওয়ার ১÷৩ বর্গমূল ৫ সমান ৫ এর পাওয়ার ১÷২ অতএব, সংখ্যা দুটি গুণ করলে পাওয়ার দুটি যোগ হবে ১÷৩ + ১÷২ সমান ৫÷৬ সুতরাং, লগ এর নিয়ম অনুযায়ী পাওয়ারটি সামনে চলে আসে ৫÷৬ গুণ লগ ৫ এর ভিত্তি ৫ উত্তর: ৫÷৬
a e
b e4
c 4
d 4^e
0 45 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো ই এবং মান হলো চার ধরি, নির্ণয় মান সমান এক্স অতএব, ই এর পাওয়ার এক্স সমান চার সুতরাং, লগারিদম এর সংজ্ঞা অনুসারে এক্স সমান চার উত্তর: ৪
a ভোলা
b পঞ্চগড়
c কক্সবাজার
d সাতক্ষীরা
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) কক্সবাজার কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কক্সবাজার জেলা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। - এই জেলার টেকনাফ উপজেলা বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণের প্রান্তসীমা নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ জেলা হলেও এটি সর্বদক্ষিণের জেলা নয়। B) পঞ্চগড় — পঞ্চগড় বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা, তাই এটি দক্ষিণ অঞ্চলের জন্য সঠিক নয়। D) সাতক্ষীরা — সাতক্ষীরা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এটি দেশের সর্বদক্ষিণের জেলা নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরে তেঁতুলিয়া আর দক্ষিণে টেকনাফ, তাই সর্বদক্ষিণের জেলা হিসেবে টেকনাফ অবস্থিত কক্সবাজার মনে রাখতে হবে।
a গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
b বাংলাদেশ
c বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র
d জনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হলো সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদে নির্ধারিত আমাদের রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম। - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে এই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ — এটি দেশের সাংবিধানিক ও পূর্ণাঙ্গ নাম হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) বাংলাদেশ — এটি দেশের সংক্ষিপ্ত বা ভূখণ্ডের সাধারণ নাম হলেও সাংবিধানিক বা দাপ্তরিক পূর্ণ নাম নয়। চ) বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র — এই শব্দবিন্যাসটি আমাদের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদের নির্ধারিত আনুষ্ঠানিক নামের সঙ্গে মেলে না। ড) জনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ — 'জনপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি সাংবিধানিকভাবে সঠিক নয়, সংবিধানে 'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদ মনে রাখতে 'গণতন্ত্র' শব্দটির সঙ্গে 'প্রজাতন্ত্রী' যুক্ত করে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামটি মনে রাখবে।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c পটুয়াখালী
d সিলেট
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা কেন সঠিক: - বাকল্যান্ড বাঁধ বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় অবস্থিত। - উনিশ শতকে শহর রক্ষা ও নদী তীর উন্নয়নের জন্য এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাঁধটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকায় অবস্থিত। B) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) পটুয়াখালী — এটি পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) সিলেট — এটি সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বুড়িগঙ্গা নদীর তীর এবং ঢাকা শহর মনে রাখলেই বাকল্যান্ড বাঁধের সঠিক অবস্থান চিনে নেওয়া সহজ হয়।
a ৫ সে.মি.
b ১০ সে.মি.
c ২৫ সে.মি.
d ৫০ সে.মি.
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ সে.মি. কেন সঠিক: - স্বাভাবিক চোখের সিলিয়ারি পেশির একটি নির্দিষ্ট সংকোচন ক্ষমতার কারণে চোখের সামনে ২৫ সেন্টিমিটারের কম দূরত্বে কোনো বস্তু রাখলে তা স্পষ্ট দেখা যায় না। - চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের দৃষ্টির সুনির্দিষ্ট নীতি অনুযায়ী সুস্থ চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব ধরা হয় ২৫ সেন্টিমিটার বা দশ ইঞ্চি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ সে.মি. — এই দূরত্বে কোনো বস্তু রাখলে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং চোখের পক্ষে ফোকাস করা অসম্ভব হয়ে যায়। B) ১০ সে.মি. — সুস্থ মানুষের চোখের পক্ষে এই কম দূরত্বে বস্তু পরিষ্কার দেখা সম্ভব নয়, কারণ এটি স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম সীমার বাইরে। D) ৫০ সে.মি. — এই দূরত্বে অনেক বস্তু দেখা গেলেও এটি স্বাভাবিক চোখের ন্যূনতম স্পষ্ট দৃষ্টির দূরত্ব নয়, বরং এটি অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: চোখের স্পষ্ট দেখার কথা মনে রাখতে ইংরেজিতে দশ ইঞ্চির মাপটি মনে রাখুন, যা সেন্টিমিটারে রূপান্তরিত করলে পঁচিশ হয়।
a প্যারিস
b ওয়াশিংটন ডিসি
c জেনেভা
d রোম
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়াশিংটন ডিসি প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক হলো আন্তর্জাতিক অর্থ ও উন্নয়ন সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এটি গঠিত হয় এবং এর কার্যক্রম ওই শহর থেকেই পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো ও ওইসিডির সদর দপ্তর, বিশ্বব্যাংকের নয়। B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ডব্লিউটিও-এর সদর দপ্তর। D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: টাকার ব্যাংক বা বিশ্বব্যাংকের বড় অফিস আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a মাদ্রিদ
b সোফিয়া
c হেলসিংকি
d বেলগ্রেড
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাদ্রিদ কেন সঠিক: - মাদ্রিদ ইউরোপের দেশ স্পেনের রাজধানী এবং এর বৃহত্তম শহর। - এটি দেশটির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং সঠিক উত্তর। B) সোফিয়া — এটি বুলগেরিয়ার রাজধানী, তাই স্পেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) হেলসিংকি — এটি ফিনল্যান্ডের রাজধানী, তাই স্পেনের রাজধানী নয়। D) বেলগ্রেড — এটি সার্বিয়ার রাজধানী, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: স্পেনের সাথে মাদ্রিদ নামটি মনে রাখতে স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের কথা স্মরণ করতে পারো।
a মালয়
b হিন্দি
c দিভেহি
d তামিল
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দিভেহি কেন সঠিক: - দিভেহি ভাষা হলো মালদ্বীপের রাষ্ট্রভাষা এবং দ্বীপ দেশটির মানুষের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। - এই ভাষাটি ইন্দো-আর্য ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে যাকে থানা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয় — এটি প্রধানত মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ব্রুনাইয়ের ভাষা, মালদ্বীপের ভাষা নয়। B) হিন্দি — এটি ভারতের প্রধান ভাষা, মালদ্বীপের সঙ্গে এর সরাসরি ভাষাগত সম্পর্ক নেই। C) দিভেহি — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং মালদ্বীপের প্রধান ভাষা। D) তামিল — এটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলঙ্কার একটি প্রধান ভাষা, মালদ্বীপের ভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: মালদ্বীপের মুদ্রার নাম রুফিয়া আর প্রধান ভাষার নাম দিভেহি, যা মনে রাখা সহজ।
a পাহাড়
b চা বাগান
c ম্যানগ্রোভ বন
d গ্যাস
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যানগ্রোভ বন কেন সঠিক: - সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বা জোয়ারভাটার বনভূমি, যা লবণাক্ত পানিতে জন্মে। - এখানকার প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী গাছের নামানুসারে এই বনের নাম সুন্দরবন রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড় — সুন্দরবন কোনো পাহাড়ি অঞ্চল নয়, এটি মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি সমতল বদ্বীপ অঞ্চল। B) চা বাগান — চা বাগান প্রধানত মৌলভীবাজার, সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি ঢালু মাটিতে জন্মে, যা সুন্দরবনে নেই। C) ম্যানগ্রোভ বন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সুন্দরবন একটি বিশ্বখ্যাত ম্যানগ্রোভ বনভূমি। D) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলে পাওয়া গেলেও সুন্দরবন গ্যাস সম্পদের জন্য বিখ্যাত নয়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবন মানেই সুন্দর গাছযুক্ত লবণাক্ত পানির ম্যানগ্রোভ বন।
a উচ্চ রক্তচাপ
b মানসিক বিকাশে বাধা
c হাড় ভেঙ্গে যাওয়া
d দৃষ্টিশক্তি হ্রাস
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানসিক বিকাশে বাধা কেন সঠিক: - সীসা একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ভারী ধাতু যা মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। - শিশুদের রক্তে সীসা প্রবেশ করলে তাদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং বুদ্ধিমত্তা কমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উচ্চ রক্তচাপ — এটি মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী সীসা দূষণের ফল, তবে শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ও প্রধান ক্ষতি হলো মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়া। B) মানসিক বিকাশে বাধা — এটি শিশুদের ক্ষেত্রে সীসা বিষক্রিয়ার সবচেয়ে প্রধান ও প্রামাণ্য স্বাস্থ্যঝুঁকি। C) হাড় ভেঙ্গে যাওয়া — সীসা ক্যালসিয়ামের সাথে মিশে হাড়ে জমা হতে পারে, তবে সরাসরি হাড় ভেঙ্গে যাওয়া সীসা বিষক্রিয়ার প্রধান শিশুতোষ লক্ষণ নয়। D) দৃষ্টিশক্তি হ্রাস — এটি সীসার প্রত্যক্ষ ও প্রধান প্রভাব নয়, দৃষ্টিশক্তির সমস্যার পেছনে সাধারণত অন্যান্য শারীরিক কারণ থাকে। মনে রাখার টিপস: শিশুদের ক্ষেত্রে সীসা বিষক্রিয়া মানেই মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং মানসিক বিকাশে বাধা।
a রাজশাহী
b পাবনা
c সিরাজগঞ্জ
d নারায়ণগঞ্জ
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাবনা কেন সঠিক: - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি দেশের প্রথম এবং একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এটি একটি বিভাগ ও জেলা হলেও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখানে অবস্থিত নয়। B) পাবনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভৌগোলিক অবস্থান। C) সিরাজগঞ্জ — এটি যমুনা নদীর পাড়ে অবস্থিত একটি জেলা যা রূপপুরের নিকটবর্তী হলেও এই প্রকল্পের অবস্থান নয়। D) নারায়ণগঞ্জ — এটি রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী একটি শিল্পপ্রধান জেলা এবং রূপপুরের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: পদ্মাতীরের পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত।
a O2
b CO2
c Cl2
d N2
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cl2 কেন সঠিক: - রক্তরসে প্রধানত অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন গ্যাস দ্রবীভূত অবস্থায় পরিবাহিত হয়। - ক্লোরিন গ্যাস রক্তরসে মুক্ত বা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে না, বরং এটি ক্লোরাইড আয়ন হিসেবে লবণের অংশ হিসেবে রক্তে উপস্থিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) O2 — এটি রক্তরসের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে শরীরের কোষে পরিবাহিত হয়। B) CO2 — এটি কোষ থেকে ফুসফুসে পরিবহনের জন্য রক্তরসে দ্রবীভূত থাকে। C) Cl2 — এটি বিষাক্ত ও মুক্ত গ্যাস হিসেবে রক্তরসে থাকে না, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) N2 — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা রক্তরসে সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্তে প্রয়োজনীয় ও উপকারী গ্যাস যেমন অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকে, কিন্তু মুক্ত ক্লোরিন গ্যাস থাকে না।
a সাহারা
b আরব
c রাবআলখালি
d লাদাখ
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) লাদাখ কেন সঠিক: - লাদাখ ভারতের একটি উচ্চ উচ্চতার ঠান্ডা মরুভূমি অঞ্চল, যেখানে শীতকালে তাপমাত্রা অনেক নিচে নেমে যায় এবং বৃষ্টিপাত খুবই কম হয়। - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি হিমালয়ের বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে অবস্থিত, যা একে শুষ্ক ও শীতল মরুভূমিতে পরিণত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহারা — এটি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি, যা আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত এবং প্রচণ্ড গরমের জন্য পরিচিত। B) আরব — এটি একটি বিশাল উষ্ণ ও বালুকাময় মরুভূমি অঞ্চল, যা আরব উপদ্বীপে অবস্থিত। C) রাবআলখালি — এটি আরব মরুভূমির দক্ষিণ অংশ জুড়ে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম উষ্ণ বালুকাময় মরুভূমি। D) লাদাখ — এটি প্রদত্ত উত্তরের সঠিক অপশন এবং এটি একটি শীতল মরুভূমি। মনে রাখার টিপস: উষ্ণ মরুভূমির জন্য সাহারা মনে রাখলেও, ঠান্ডা বা শীতল মরুভূমির প্রশ্ন এলে ভারতের লাদাখ অঞ্চলকে মনে রাখবে।
a সবুজ পাতা
b জবা ফুল
c লাল কাপড়
d রজনীগন্ধা ফুল
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সবুজ পাতা কেন সঠিক: - সবুজ পাতা লাল আলো শোষণ করে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না। - অন্ধকার ঘরে লাল আলোতে সবুজ পাতা কালো দেখায় কারণ তা থেকে কোনো আলো চোখে আসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবুজ পাতা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ লাল আলোতে সবুজ বস্তু কালো দেখায়। B) জবা ফুল — এটি লাল রঙের হওয়ায় লাল আলো প্রতিফলিত করে লাল দেখাবে, কালো নয়। C) লাল কাপড় — এটি লাল রঙের হওয়ায় লাল আলো প্রতিফলিত করে লাল দেখাবে, কালো নয়। D) রজনীগন্ধা ফুল — এটি সাদা রঙের হওয়ায় লাল আলো প্রতিফলিত করে লাল দেখাবে, কালো নয়। মনে রাখার টিপস: অপরিচিত রঙের আলোতে অন্য রঙের বস্তু কালো দেখায় কারণ সেটি আলো শোষণ করে।
a শুক্রবার
b মঙ্গলবার
c বুধবার
d বৃহস্পতি বার
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: যুক্তি, বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধান সঠিক উত্তর: C) বুধবার কেন সঠিক: - প্রতি সাত দিন পর একই বার পুনরাবৃত্তি হয়, তাই ৩৫৩ দিনকে সাত দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট দিন পাওয়া যায়। - ৩৫৩ কে সাত দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ হয় তিন দিন, অর্থাৎ রবিবার থেকে তিন দিন সামনে গেলে বুধবার হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুক্রবার — রবিবার থেকে তিন দিন সামনে গেলে শুক্রবার হয় না, এটি ভুল গণনার ফল। B) মঙ্গলবার — রবিবার থেকে দুই দিন সামনে গেলে মঙ্গলবার হয়, যা সঠিক অবশিষ্টের সঙ্গে মেলে না। C) বুধবার — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী প্রাপ্ত বার, যা ৩৫৩ দিন পরের সঠিক দিন নির্দেশ করে। D) বৃহস্পতি বার — রবিবার থেকে চার দিন সামনে গেলে বৃহস্পতিবার হয়, যা ভুল অবশিষ্টের ফল। মনে রাখার টিপস: দিন বের করার অঙ্কে মোট দিনকে সাত দিয়ে ভাগ করে অবশিষ্ট দিনগুলো বর্তমান বারের সাথে যোগ করতে হয়।
a পিরেনিজ
b ইউরাল
c আল্পস
d কারাকোরাম
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউরাল কেন সঠিক: - ইউরাল পর্বতমালা রাশিয়ায় অবস্থিত এবং এটি ভৌগোলিকভাবে এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে। - এই পর্বতমালাটি উত্তরে আর্টিক মহাসাগর থেকে দক্ষিণে উরাল নদী পর্যন্ত বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিরেনিজ — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপে অবস্থিত এবং এটি স্পেন ও ফ্রান্সকে পৃথক করেছে। B) ইউরাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি এশিয়া ও ইউরোপকে বিভক্ত করেছে। C) আল্পস — এটি মধ্য ইউরোপের প্রধান পর্বতমালা এবং এটি ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে বিভক্ত করেছে। D) কারাকোরাম — এটি এশিয়ার একটি বিশাল পর্বতমালা এবং এটি মূলত ভারত, চীন ও পাকিস্তানের সীমান্তে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইউরোপ ও এশিয়ার সীমানা মনে রাখতে ইউরাল নামটির সাথে ইউরো শব্দটির মিল খুঁজে নিতে পারেন।
a ৬ ইঞ্চি
b ৮ ইঞ্চি
c ৯ ইঞ্চি
d ১০ ইঞ্চি
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ইঞ্চি কেন সঠিক: - মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ১০ ইঞ্চি বা তার কম দৈর্ঘ্যের ইলিশ মাছকে জাটকা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। - জাটকা নিধন নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে এই মাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ ইঞ্চি — এটি জাটকার নির্ধারিত আইনি মাপের চেয়ে অনেক ছোট এবং এই আকারের ইলিশ জাটকা সুরক্ষার বাইরে নয়। B) ৮ ইঞ্চি — এই মাপের ইলিশও জাটকা হিসেবে গণ্য হয়, তবে আইনিভাবে ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত দৈর্ঘ্যকে জাটকা ধরা হয়। C) ৯ ইঞ্চি — এটিও জাটকার আওতাভুক্ত, কিন্তু সঠিক উত্তর হিসেবে ১০ ইঞ্চি নির্ধারিত রয়েছে। D) ১০ ইঞ্চি — এটি আইনগতভাবে নির্ধারিত সর্বোচ্চ মাপ যা জাটকা হিসেবে গণ্য করা হয়। মনে রাখার টিপস: দশ আঙুলে দশ ইঞ্চি, এই মাপে ইলিশ হলো জাটকা।
a ভারত
b চীন
c ব্রাজিল
d যুক্তরাষ্ট্র
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা উৎপাদনকারী দেশ এবং বিশ্ব মোট উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি কয়লা এককভাবে উৎপাদন করে থাকে। - দেশটির অভ্যন্তরীণ শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান শক্তির উৎস হলো কয়লা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত কয়লা উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, তাই এটি প্রথম স্থান অধিকারী দেশ নয়। B) চীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ব্রাজিল — ব্রাজিল প্রধানত লোহা ও কৃষিপণ্য উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও শীর্ষ কয়লা উৎপাদনকারী দেশ নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র কয়লা উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি হলেও বর্তমানে চীনের পরেই এর অবস্থান। মনে রাখার টিপস: কয়লার খনিতে চীন সবার শীর্ষে।
a ফোডেন
b এনজো ফার্নান্দেজ
c কানাডিঙ্গা
d অ্যান্টনি
0 47 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এনজো ফার্নান্দেজ কেন সঠিক: - কাতার বিশ্বকাপ-২০২২ এ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড় নির্বাচিত হন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। - আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ে তার অসাধারণ পাসিং এবং মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফোডেন — ইংল্যান্ডের এই প্রতিভাবান মিডফিল্ডার কাতার বিশ্বকাপে খেললেও সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার পাননি। B) এনজো ফার্নান্দেজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) কানাডিঙ্গা — এই নামে কাতার বিশ্বকাপের কোনো মূল স্কোয়াডে পরিচিত উদীয়মান খেলোয়াড় ছিলেন না। D) অ্যান্টনি — ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড কাতার বিশ্বকাপে খেললেও এই বিশেষ পুরস্কার লাভ করেননি। মনে রাখার টিপস: আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের পেছনে তারুণ্যের প্রতীক ছিলেন উদীয়মান সেরা তারকা এনজো ফার্নান্দেজ।
a এথেন্স
b গ্রিস
c প্রাচীন রোম
d ইরান
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিস কেন সঠিক: - প্রাচীন গ্রিসে খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দী থেকে পুলিশ বা নগর রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়েছিল। - এথেন্স ও স্পার্টার মতো বিখ্যাত নগর রাষ্ট্রগুলো গ্রিসেই গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এথেন্স — এটি একটি নগর রাষ্ট্র ছিল, তবে এটি পুরো অঞ্চলটির প্রতিনিধিত্ব করে না। B) গ্রিস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই প্রাচীনকালে নগর রাষ্ট্রগুলোর উৎপত্তি ঘটেছিল। C) প্রাচীন রোম — রোম মূলত একটি সাম্রাজ্য ছিল, যা নগর রাষ্ট্রের ধারণা ছাড়িয়ে বিশাল অঞ্চল জুড়ে বিস্তার লাভ করেছিল। D) ইরান — প্রাচীন ইরান বা পারস্য সাম্রাজ্য বিশাল আয়তনের রাজতন্ত্র ছিল, নগর রাষ্ট্রভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা সেখানে প্রধান ছিল না। মনে রাখার টিপস: গ্রিক ভূপ্রকৃতি পাহাড়ঘেরা হওয়ায় সেখানে পৃথক নগর রাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল।
a শিকাগো
b কায়রো
c জেরুজালেম
d দামেস্ক
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিকাগো কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্রর শিকাগো শহরটি উনিশ শতকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কসাইখানা শিল্পের কেন্দ্র ছিল। - উপ্টন সিনক্লেয়ার তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস দ্য জঙ্গল গ্রন্থে এই শহরের কসাইখানার অমানবিক পরিবেশ ফুটিয়ে তোলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিকাগো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। B) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী ও ঐতিহাসিক শহর, যা কসাইখানা হিসেবে পরিচিত নয়। C) জেরুজালেম — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রাচীন ও পবিত্র ধর্মীয় নগরী, মাংস শিল্পের জন্য পরিচিত নয়। D) দামেস্ক — এটি সিরিয়ার রাজধানী এবং প্রাচীন ঐতিহাসিক শহর, যা কসাইখানা উপাধির সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: শিকাগো শহরের মাংসের বাজার ও কসাইখানা বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত, তাই শিকাগো নামটির সঙ্গে কসাইখানা শব্দটি মনে রাখবেন।
a চা
b পাট
c মৎস্য
d গার্মেন্টস
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গার্মেন্টস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা গার্মেন্টস খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের উচ্চ চাহিদা এবং বিশাল কর্মসংস্থানের কারণে এটি দেশের প্রধান রপ্তানি খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চা — চা বাংলাদেশের একটি প্রাচীন কৃষিভিত্তিক রপ্তানি পণ্য হলেও এর পরিমাণ ও আয় বর্তমান অর্থনীতিতে অনেক কম। B) পাট — পাট একসময় প্রধান রপ্তানি খাত ছিল, কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কৃত্রিম ফাইবারের ব্যবহার বাড়ায় এর অবস্থান এখন পেছনে চলে গেছে। সি) মৎস্য — মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করলেও তা মোট রপ্তানি আয়ের দিক থেকে গার্মেন্টস খাতের তুলনায় অনেক কম। D) গার্মেন্টস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের রাজা হলো তৈরি পোশাক খাত বা গার্মেন্টস।
a প্যারিস
b ওয়াশিংটন ডিসি
c সানফ্রান্সিসকো
d ওয়েলিংটন
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সানফ্রান্সিসকো কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়। - একই বছরের ২৪ অক্টোবর সনদটি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ যাত্রা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, যা জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দপ্তর অবস্থিত, যা এই সনদের স্বাক্ষরের স্থান নয়। C) সানফ্রান্সিসকো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরের কনফারেন্সে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত ও গৃহীত হয়েছিল। D) ওয়েলিংটন — এটি নিউজিল্যান্ডের রাজধানী এবং এটি আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে জাতিসংঘ সনদ প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে সনদে স্বাক্ষর করে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তাই সানফ্রান্সিসকো মানেই জাতিসংঘ সনদের জন্মস্থান।
a বিজয় ৭১
b বিজয় উল্লাস
c বিজয় কেতন
d বিজয় স্তম্ভ
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিজয় কেতন কেন সঠিক: - ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর ও তথ্যকেন্দ্রটির নাম বিজয় কেতন। - এখানে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্বগাথার নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় ৭১ — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নয়। B) বিজয় উল্লাস — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা পরিচিত ঐতিহাসিক স্থাপনা বা জাদুঘরের নাম নয়। C) বিজয় কেতন — এটি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সঠিক নাম। D) বিজয় স্তম্ভ — এটি সাধারণত কোনো স্মৃতিস্তম্ভকে বোঝায়, সেনানিবাসের এই নির্দিষ্ট জাদুঘরকে নয়। মনে রাখার টিপস: সেনানিবাসের জাদুঘর মানেই পতাকা বা কেতন উড়ানোর ব্যাপার, তাই মনে রাখুন ঢাকা সেনানিবাসের জাদুঘর হলো বিজয় কেতন।
a Web Browser
b Text Editor
c Spreadsheet Software
d Virtual Assistant (যেমন: Siri, Alexa)
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Virtual Assistant (যেমন: Siri, Alexa) কেন সঠিক: - ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের কণ্ঠস্বর বুঝতে ও উত্তর দিতে পারে। - মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এই সফটওয়্যারগুলো ব্যবহারকারীর অভ্যস্ততা থেকে নিজে নিজে শেখে এবং সেবা উন্নত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Web Browser — এটি শুধুমাত্র ইন্টারনেট পাতা দেখার জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ সফটওয়্যার, যার নিজস্ব কোনো বুদ্ধিমত্তা বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই। B) Text Editor — এটি কেবল লেখালেখি ও সম্পাদনার কাজে ব্যবহার করা হয়, এটি কোনো বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম নয়। C) Spreadsheet Software — এটি সংখ্যাভিত্তিক হিসাবনিকাশ ও উপাত্ত বিশ্লেষণের প্রচলিত প্রোগ্রাম, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আওতাভুক্ত নয়। D) Virtual Assistant (যেমন: Siri, Alexa) — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি সরাসরি যুক্ত থাকে। মনে রাখার টিপস: যে সফটওয়্যার নিজে চিন্তা করতে পারে, মানুষের নির্দেশ বুঝে কাজ করতে পারে এবং অভিজ্ঞতা থেকে শেখে, সেটাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।
a বিএডিসি
b বিএপিএস
c বিএসডি
d বিএআরআই
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিএআরআই কেন সঠিক: - বিএআরআই (BARI) হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা দেশের প্রধান বহুমুখী কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এটি নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি উন্নয়নে সরাসরি কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিএডিসি — এটি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, যা মূলত বীজ ও সার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠান নয়। B) বিএপিএস — এটি কোনো প্রধান কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত বা প্রচলিত নয়। সি) বিএসডি — এটি নির্দিষ্ট কোনো কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান নয়। D) বিএআরআই — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান এবং শীর্ষস্থানীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: গবেষণা বা রিসার্চ বোঝাতে বিএআরআই (BARI) নামের শেষে আই (I - Institute) থাকে, যা কৃষি গবেষণার মূল প্রতিষ্ঠান।
a জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
b অর্থ মন্ত্রণালয়
c প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
d পরিকল্পনা কমিশন
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরিকল্পনা কমিশন কেন সঠিক: - পরিকল্পনা কমিশন বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সহ সকল দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে। - সরকারের এই সাংবিধানিক সংস্থাটি দেশের সম্পদ বরাদ্দ এবং উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণের মূল দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড — এটি সরকারের কর এবং রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে, কোনো পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা তৈরি করে না। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি জাতীয় বাজেট প্রণয়ন, রাষ্ট্রের আয় ও ব্যয়ের হিসাব এবং আর্থিক নীতি পরিচালনা করে, কিন্তু উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি পরিকল্পনা কমিশনের কাজ। C) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সরকারের সর্বোচ্চ নির্বাহী বিভাগ ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও সরাসরি দেশের কোনো পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে না। D) পরিকল্পনা কমিশন — এটি বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নের একমাত্র অনুমোদিত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থা। মনে রাখার টিপস: পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ পরিকল্পনা কমিশনের, ঠিক যেমন রাজস্ব আদায়ের কাজ রাজস্ব বোর্ডের।
a রাখাইন
b মণিপুরী
c চাকমা
d গারো
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গারো কেন সঠিক: - ওয়ানগালা গারো সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব, যা মূলত নববর্ষ বা নতুন ফসল তোলার উৎসব হিসেবে উদযাপিত হয়। - এই উৎসবে গারোরা তাদের প্রধান দেবতা সালজং বা মিসিগ সালজংকে নতুন ফসল উৎসর্গ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাখাইন — রাখাইন সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রধান সামাজিক উৎসব হলো সাংগ্রাই বা জলকেলি উৎসব। B) মণিপুরী — মণিপুরী সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব হলো ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব। C) চাকমা — চাকমা সম্প্রদায়ের প্রধান ও সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব হলো তিন দিনব্যাপী উদযাপিত বিজু উৎসব। D) গারো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: গারোদের ওয়ানগালা উৎসব মনে রাখতে "গা" দিয়ে গারো এবং "গা" দিয়ে ওয়ানগালা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a ছেঁড়া দ্বীপ
b সেন্টমার্টিন
c মহেশখালী
d হাতিয়া
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) মহেশখালী কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত দ্বীপগুলোর মধ্যে একমাত্র মহেশখালী অঞ্চলেই পাহাড় বা উচ্চভূমি রয়েছে। - কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দিরসহ ছোট-বড় বেশ কিছু পাহাড়ি টিলা বা পাহাড় বিদ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছেঁড়া দ্বীপ — এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের একটি প্রবাল দ্বীপ এবং এখানে কোনো পাহাড় নেই। B) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি সম্পূর্ণ সমতল, কোনো পাহাড়ি এলাকা নয়। C) মহেশখালী — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত একটি পলল দ্বীপ বা চর অঞ্চল, যেখানে কোনো পাহাড় নেই। মনে রাখার টিপস: মহেশখালীর নামের সাথে পাহাড়ের উচ্চতা বা আদি নাথ পাহাড়ের কথা মনে রাখলে সহজেই একে অন্যান্য সমতল দ্বীপ থেকে আলাদা করা যায়।
a মহাস্থানগড়
b সোনারগাঁ
c ময়নামতি
d পাহাড়পুর
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল। - এর প্রাচীনত্ব মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দ্বারা প্রমাণিত, যা খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে এখানে জনবসতির অস্তিত্ব নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কোনো প্রযোজ্যতা নেই। B) সোনারগাঁ — এটি প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং পানাম নগর এর অর্ন্তভুক্ত হলেও এটি মহাস্থানগড়ের মতো প্রাচীন নয়। C) ময়নামতি — এটি কুমিল্লার একটি প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র এবং সমতট অঞ্চলের অংশ হলেও এটি মহাস্থানগড়ের চেয়ে প্রাচীন নয়। D) পাহাড়পুর — এটি পাল আমলের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর মহাবিহার) এবং প্রাচীন নিদর্শনের দিক থেকেও মহাস্থানগড়ের পরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রাচীনতম স্থান মনে রাখতে মহা শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ মহা মানেই সবচেয়ে বড় বা প্রাচীন।

মোট প্রশ্ন (27)

a স্বাগত ‘সু’ বা ‘কু’ দুরকমই হতে পারে
b বচনের বাহুল্য ঘটে
c স্বাগত শব্দের মধ্যেই ‘সু’ আছে
d শব্দটি সন্ধিবদ্ধ না হয়ে সমাসবদ্ধ হয়ে যায়
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বাগত শব্দের মধ্যেই 'সু' আছে ১. কেন সঠিক: 'স্বাগত' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো সু যোগ আগত। এখানে 'সু' উপসর্গটি কল্যাণ বা ভালো অর্থে পূর্বে থেকেই যুক্ত রয়েছে। তাই এর পূর্বে পুনরায় 'সু' যোগ করে 'সুস্বাগত' বললে একই অর্থের পুনরাবৃত্তি বা বাহুল্য দোষ ঘটে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি মূলত বাক্যশুদ্ধি এবং উপসর্গজনিত শব্দ গঠনের একটি ব্যাকরণগত নিয়ম। সংস্কৃতে 'সু' একটি উপসর্গ যা ভালো বা সুন্দর অর্থ প্রকাশ করে। একই অর্থে দুটি উপসর্গ বা শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুশিক্ষিত ব্যাখ্যা: সু যুক্ত শিক্ষিত মানে হলো যে ভালোভাবে শিক্ষিত। এর পূর্বে পুনরায় 'সু' যোগ করে 'সুসুশিক্ষিত' বলা ভুল। উদাহরণ ২: স্বাগতম ব্যাখ্যা: স্বাগত শব্দের মতো স্বাগতম শব্দের মধ্যেও সু উপসর্গ রয়েছে। তাই এর পূর্বে অতিরিক্ত সু যুক্ত করা যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাগত 'সু' বা 'কু' দুরকমই হতে পারে — এই তথ্যটি ভুল কারণ স্বাগত শব্দে কু উপসর্গ যোগ করা যায় না। B) বচনের বাহুল্য ঘটে — বচনের বাহুল্য বলতে একবচন বা বহুবচনের অতিরিক্ত ব্যবহার বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) শব্দটি সন্ধিবদ্ধ না হয়ে সমাসবদ্ধ হয়ে যায় — স্বাগত শব্দটি মূলত সন্ধি সাধিত শব্দ, সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বাগত মানেই সু যোগ আগত। তাই স্বাগত বলার পর আর আলাদা করে সু বলার কোনো প্রয়োজন নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় বাহুল্য দোষজনিত শব্দ শুদ্ধি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই অর্থে দুটি শব্দ বা উপসর্গ একসঙ্গে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
a অক্ষর গঠন করে
b নাসিক্য উচ্চারণ করা যায়
c টেনে দীর্ঘ করা যায়
d যুক্তবর্ণ গঠন করে
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তবর্ণ গঠন করে ১. কেন সঠিক: - স্বরধ্বনি নিজে বা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই একা উচ্চারিত হতে পারে এবং তা অক্ষর বা দল গঠন করতে সমর্থ। - স্বরবর্ণ বা স্বরধ্বনি কখনো যুক্তবর্ণ গঠন করে না, কারণ যুক্তবর্ণ কেবল ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - স্বরবর্ণ হলো এমন কিছু ধ্বনি যা অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয় এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে কার বা চিহ্ন হিসেবে বসে। - বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা এগারোটি এবং এগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয়, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয় কিন্তু নিজে যুক্তবর্ণ তৈরি করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ব্যাখ্যা: এখানে আ একটি স্বরধ্বনি যা একা একটি অক্ষর বা দল গঠন করেছে এবং এর উচ্চারণে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনির সাহায্য প্রয়োজন হয়নি। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: এখানে ন ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ঈ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ন্দী বা দল গঠন করেছে, যা স্বরধ্বনির স্বাধীন ব্যবহারের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষর গঠন করে — স্বরধ্বনি একা বা ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে মিলে অক্ষর বা দল গঠন করতে পারে তাই এটি স্বরধ্বনির বৈশিষ্ট্য। B) নাসিক্য উচ্চারণ করা যায় — চন্দ্রবিন্দু ব্যবহারের মাধ্যমে স্বরধ্বনিকে নাসিক্য বা অনুনাসিক উচ্চারণ করা সম্ভব। C) টেনে দীর্ঘ করা যায় — উচ্চারণের সময় স্বরধ্বনিকে দীর্ঘায়িত বা টেনে উচ্চারণ করা যায় যা স্বরধ্বনির একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। D) যুক্তবর্ণ গঠন করে — যুক্তবর্ণ কেবল ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রে গঠিত হয়, স্বরধ্বনি কখনো যুক্তবর্ণ গঠন করে না বিধায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বরধ্বনি সব সময় স্বাধীন ও একা বসতে পারে, কিন্তু দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে যুক্তবর্ণ গঠন করলেও দুটি স্বরধ্বনি মিলে কখনোই যুক্তবর্ণ গঠন করে না। - পরীক্ষার হলে যুক্তবর্ণ দেখার সাথে সাথেই বুঝতে হবে এটি ব্যঞ্জনবর্ণের বৈশিষ্ট্য, স্বরধ্বনির নয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বরধ্বনির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। - বাংলা ব্যাকরণে কার চিহ্নের সংখ্যা দশটি, যা স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
a অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত
b প্রণয়মূলক
c দেবদেবী নির্ভর
d আরবি ফারসি শব্দবহুল
0 46 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেবদেবী নির্ভর ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা হলো মঙ্গলকাব্য। এই কাব্যগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল কোনো না কোনো দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তাদের পূজা অর্চনা জনপ্রিয় করে তোলা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্যগুলো মূলত পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত হতো। এতে লৌকিক দেবদেবী যেমন মনসা, চণ্ডী, ধর্মঠাকুর এবং পৌরাণিক দেবদেবীর কাহিনি ও ব্রতকথা ফুটিয়ে তোলা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি দেবী মনসার পূজা প্রচারে রচিত একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য। উদাহরণ ২: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত — অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এটি আধুনিক যুগের বৈশিষ্ট্য। B) প্রণয়মূলক — প্রণয়মূলক রোমান্টিক উপাখ্যান মধ্যযুগের অন্য একটি ধারা, মঙ্গলকাব্য নয়। D) আরবি ফারসি শব্দবহুল — মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলো মূলত সংস্কৃত ও দেশজ শব্দে সমৃদ্ধ ছিল, আরবি ফারসি শব্দবহুল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গলকাব্য মানেই দেবদেবীর পূজা ও মাহাত্ম্য প্রচারের কাহিনি। মধ্যযুগের এই কাব্যধারার সঙ্গে দেবদেবীর নাম সব সময় জড়িত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের বিভিন্ন ধারা এবং তাদের বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মঙ্গলকাব্য মূলত দেবদেবী নির্ভর লৌকিক বা পৌরাণিক কাহিনিভিত্তিক সাহিত্য।
a যুক্তবর্ণ একটি ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব করে
b সিন্ধু সভ্যতার পূর্বদিকে বিস্তার লাভ করে
c বাম থেকে ডানদিকে লেখা হয়
d এই লিপি থেকে কুটিল লিপির জন্ম
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তবর্ণ একটি ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব করে ১. কেন সঠিক: - ব্রাহ্মীলিপি একটি প্রাচীন ভারতীয় লিপি ব্যবস্থা, যেখানে যুক্তবর্ণ গঠিত হলেও প্রতিটি বর্ণ তার নিজ নিজ ধ্বনি বা বর্ণের প্রতিনিধিত্ব করে। - এই লিপিতে যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে একটি ধ্বনি প্রকাশিত হয় না, বরং একাধিক বর্ণের মিলিত রূপ হিসেবে প্রতিটি পৃথক ধ্বনি উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে প্রাচীন লিপি ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হয়েছে। - বাংলা বর্ণমালা ও লিপির বিবর্তন ধারায় ব্রাহ্মীলিপি থেকেই প্রধানত ভারতীয় বিভিন্ন লিপির উৎপত্তি ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রাহ্মীলিপি থেকে উদ্ভূত বাংলা লিপি। ব্যাখ্যা: বাংলা লিপি ব্রাহ্মীলিপির পূর্ব ভারতীয় রূপ থেকে বিকশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অশোকের শিলালিপি। ব্যাখ্যা: মৌর্য সম্রাট অশোকের বেশিরভাগ শিলালিপি ব্রাহ্মীলিপিতে খোদাই করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তবর্ণ একটি ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব করে — এটি ঠিক নয় কারণ ব্রাহ্মীলিপিতে বা যেকোনো লিপিতে যুক্তবর্ণ একাধিক ধ্বনির বা বর্ণের সমষ্টি প্রকাশ করে। B) সিন্ধু সভ্যতার পূর্বদিকে বিস্তার লাভ করে — এই তথ্যটি সঠিক কারণ ব্রাহ্মীলিপির মূল বিস্তার ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্ব ও মধ্য অঞ্চলে ঘটেছিল। C) বাম থেকে ডানদিকে লেখা হয় — এই তথ্যটি সঠিক কারণ ব্রাহ্মীলিপি সাধারণত বাম দিক থেকে ডান দিকে লেখা হতো। D) এই লিপি থেকে কুটিল লিপির জন্ম — এই তথ্যটি সঠিক কারণ ব্রাহ্মীলিপি থেকেই পরবর্তীতে কুটিল লিপি এবং সেখান থেকে বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে ব্রাহ্মীলিপি বাম থেকে ডানে লেখা হতো এবং এটি থেকে বাংলা লিপির উৎপত্তি হয়েছে। - যুক্তবর্ণ কখনো একটি ধ্বনি প্রকাশ করে না, বরং একাধিক ধ্বনির মিলন ঘটায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা লিপির উৎস জানতে চাইলে ব্রাহ্মীলিপি এবং কুটিল লিপির ক্রমটি মনে রাখা আবশ্যক। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিপি ও ভাষার ইতিহাস থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b শব্দতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d অর্থতত্ত্ব
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শব্দতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: বিভক্তি হলো এমন কিছু বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে এবং বাক্যে শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দ গঠন, শব্দের রূপান্তর, কারক, বিভক্তি, বচন, লিঙ্গ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে যেহেতু শব্দের রূপ ও প্রকৃতির আলোচনা করা হয়, তাই বিভক্তি শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি: ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব। শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বে শব্দের শ্রেণিবিভাগ, শব্দের গঠন, প্রত্যয়, উপসর্গ, সমাস, কারক ও বিভক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছে ফুল ফুটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে গাছ শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারক গঠন করেছে, যা শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। উদাহরণ ২: বাবাকে ডাকো। ব্যাখ্যা: এখানে বাবা শব্দের সঙ্গে কে বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্ম কারক গঠিত হয়েছে, যা শব্দতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — ধ্বনির উচ্চারণ, বর্ণ, সন্ধি এবং নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করে, তাই এটি ভুল। C) বাক্যতত্ত্ব — পদের ক্রম, বাক্যের রূপান্তর, বাচ্য এবং উক্তি পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে, তাই এটি ভুল। D) অর্থতত্ত্ব — শব্দের অর্থের বিভিন্ন রূপ, যেমন মুখ্যার্থ, গৌণার্থ, বিপরীতার্থক শব্দ ও বাগধারা নিয়ে আলোচনা করে, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দ সম্পর্কিত সবকিছু যেমন কারক, বিভক্তি, প্রত্যয়, উপসর্গ এবং সমাস সাধারণত শব্দতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। এটি মনে রাখলেই সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশটি কিসের আলোচ্য বিষয়, তা প্রায়ই আসে। কারক ও বিভক্তি ব্যাকরণের শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বের প্রধান অংশ হিসেবে বারবার পরীক্ষাতে প্রশ্ন আকারে আসে।
a এগুলো কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত
b এসব উদাহরণ উপসর্গের মাধ্যমে গঠিত
c পদের শ্রেণিকরণে অব্যয় নেই
d বাংলা ভাষায় সমাস মূলত পাঁচ প্রকার
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এসব উদাহরণ উপসর্গের মাধ্যমে গঠিত কেন সঠিক: - অব্যয়ীভাব সমাসের পদগুলো মূলত উপসর্গ যোগেই গঠিত হয়। - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গযুক্ত শব্দের কাজ এবং অব্যয়ীভাব সমাসের কাজ প্রায় একই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গগুলো শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে যা অব্যয়ীভাব সমাসের কাজ। - ডক্টর সুকুমার সেনসহ অনেক ভাষাবিদ তাই বাংলা ব্যাকরণে আলাদা করে অব্যয়ীভাব সমাসের প্রয়োজন নেই বলে মত দিয়েছেন। - যেমন: নি (উপসর্গ) + ভাজ = নির্ভার (অব্যয়ীভাব সমাস)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) এগুলো কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত — এই তথ্যটি ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাস কর্মধারয় সমাসের অংশ নয়। - C) পদের শ্রেণিকরণে অব্যয় নেই — এই তথ্যটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় একটি স্বীকৃত পদ। - D) বাংলা ভাষায় সমাস মূলত পাঁচ প্রকার — এই ধারণার কারণে অব্যয়ীভাব সমাস বাদ দেওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ চিনলেই অব্যয়ীভাব সমাসের মূল রহস্য বোঝা যায়।
a প্যারীচাঁদ মিত্র
b কালীপ্রসন্ন সিংহ
c কাশীরাম দাস
d হরপ্রসাদ রায়
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: বাংলা উপন্যাসের জনক প্যারীচাঁদ মিত্র তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসে প্রথম কথ্য বা চলিত ভাষারীতির এক বিশেষ রূপ ব্যবহার করেন। তাঁর নামানুসারে বাংলা সাহিত্যে এই কথ্য ও পরিশীলিত বক্রোক্তিপূর্ণ ভাষাকে আলালী ভাষা বা আলালী রীতি বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক এবং তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রকাশিত হয় ১৮৫৮ সালে। এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি সাধু ভাষার কৃত্রিমতা ভেঙে তৎকালীন কলকাতার কথ্য ভাষাকে সাহিত্যে প্রথম সফলভাবে স্থান দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের বিখ্যাত উপন্যাস যা আলালী ভাষার প্রধান নিদর্শন। উদাহরণ ২: মদের ব্যবসা ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের চরিত্র ঠকচাচা ও মতিলালের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম আলালী ভাষা প্রয়োগ করেছিলেন। B) কালীপ্রসন্ন সিংহ — তিনি হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামে 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' লিখে হুদুমী বা পটুয়া ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। C) কাশীরাম দাস — তিনি মধ্যযুগের মহাভারত অনুবাদক এবং তাঁর ভাষা ছিল পদ্যরীতির। D) হরপ্রসাদ রায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের কোনো বিশেষ ভাষাশৈলীর জন্য পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: আলালী ভাষা মানেই প্যারীচাঁদ মিত্র এবং তাঁর ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। টেকচাঁদ ঠাকুরের আলালী ভাষা খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের সূচনাপর্বে প্যারীচাঁদ মিত্রের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আলালী ভাষার প্রবক্তা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a সতেরো শতকে
b আঠারো শতকে
c উনিশ শতকে
d বিশ শতকে
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উনিশ শতকে ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন করেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। উনিশ শতকে বাংলা কাব্যে সনেটের সূচনা হয়, যার প্রথম সার্থক প্রয়োগ দেখা যায় মধুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতাাবলীতে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেটের সফল প্রবক্তা হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে প্রবাসকালে তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলায় সনেট রচনা শুরু করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা কবিতা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা বিখ্যাত একটি সনেট, যেখানে মাতৃভাষার প্রতি কবির গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: কপোতাক্ষ নদ কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি অমর সনেট, যা বাংলা সাহিত্যে সনেটের নিখুঁত কাঠামোর এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সতেরো শতকে — এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য ও পদাবলীর চর্চা বেশি ছিল এবং সনেটের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। B) আঠারো শতকে — এই শতকটি ছিল মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণ, সে সময়েও বাংলায় সনেটের প্রচলন ঘটেনি। D) বিশ শতকে — সনেটের প্রচলন উনিশ শতকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল, তাই বিশ শতক এর সঠিক সময়কাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত উনিশ শতকের সাহিত্যিক, তাই তাঁর হাত ধরে সনেটও উনিশ শতকেই বাংলায় এসেছে। সনেট মনে রাখতে মধুসূদন দত্ত এবং চতুর্দশপদী কবিতাাবলী এই দুটি নাম ও শতাব্দী একসাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর প্রথম সনেট সংকলন হলো চতুর্দশপদী কবিতাাবলী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সনেটের প্রবক্তা এবং এর কাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a মুহম্মদ আবদুল হাই
b মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
c আহমদ শরীফ
d আবু ইসহাক
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আহমদ শরীফ ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমির ‘সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ প্রণয়ন ও সম্পাদনার কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অভিধানিক কাজ। প্রখ্যাত মধ্যযুগের গবেষক, প্রাবন্ধিক ও ড. আহমদ শরীফ এই অভিধানটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. আহমদ শরীফ ছিলেন বিশ শতকের বাংলা সাহিত্যের এক জন প্রখ্যাত মুক্তবুদ্ধির প্রবক্তা, গবেষক ও সম্পাদক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা কাব্যের প্রামাণিক সম্পাদক হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. আহমদ শরীফ সম্পাদিত পুথি পরিচিতি। ব্যাখ্যা: এটি তার একটি অন্যতম বিখ্যাত গবেষণাগ্রন্থ যা প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে কাজ করার সময় সহায়ক হয়। উদাহরণ ২: ড. আহমদ শরীফ সম্পাদিত মধ্যযুগের কাব্য। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও অবহেলিত কাব্য উদ্ধার ও সম্পাদনায় তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব ও উচ্চারণ নিয়ে কাজ করলেও এই অভিধানের সম্পাদক ছিলেন না। B) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি ‘বিখ্যাত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধানের সম্পাদক তিনি নন। D) আবু ইসহাক — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও বাংলা একাডেমির এই অভিধানের সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত অভিধানের পাতা উল্টাল শরীফ সাহেবের নাম পাওয়া যায় এভাবে মনে রাখতে পারো। আহমদ শরীফ নামটির সঙ্গে অভিধান সম্পাদনার বিষয়টি বারবার অনুশীলন করলে সহজেই মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমির বিভিন্ন প্রকাশনা এবং অভিধানের সম্পাদকদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত অভিধান এবং তাদের সংকলকদের একটি তালিকা তৈরি করে পড়া উচিত।
a নোয়াখালী
b বরিশাল
c চট্টগ্রাম
d সিলেট
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরিশাল ১. কেন সঠিক: প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ অঞ্চলটি বর্তমান বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ঐতিহাসিক জনপদ হিসেবে চন্দ্রদ্বীপের প্রাচীন রাজধানী ছিল বাকলা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে চন্দ্রদ্বীপ একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী জনপদ। ঐতিহাসিক সূত্র মতে বরিশাল ও এর আশপাশের অঞ্চল নিয়ে এই প্রাচীন জনপদটি গঠিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার অন্য একটি জনপদের বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন বঙ্গ জনপদের বর্তমান এলাকা ঢাকা ও ফরিদপুর অঞ্চল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর নাম এবং আধুনিক সীমানার রূপরেখা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নোয়াখালী — নোয়াখালী অঞ্চলটি প্রাচীনকালে সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই এটি চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম হতে পারে না। B) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড বর্তমান বরিশাল অঞ্চলেই অবস্থিত ছিল। C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম প্রাচীনকালে হরিকেল বা সমতট জনপদের অংশ হিসেবে পরিচিত ছিল। তাই এটি চন্দ্রদ্বীপ নয়। D) সিলেট — সিলেট প্রাচীনকালে কামরূপ রাজ্যের অংশ ছিল। ফলে এর সঙ্গে চন্দ্রদ্বীপের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: চন্দ্রদ্বীপ শব্দের সঙ্গে বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন সংযোগ মনে রাখতে চাঁদের আলো বা সমুদ্র উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চল হিসেবে মনে রাখা যায়। চন্দ্রদ্বীপ মানেই দক্ষিণের শস্যসমৃদ্ধ বরিশাল অঞ্চল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার প্রাচীন জনপদ ও তাদের বর্তমান নাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পুণ্ড্র, সমতট, হরিকেল ও বঙ্গ জনপদের আধুনিক অবস্থানগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ব্যাবহার
b অংক
c সম্বর্ধনা
d মরুভূমি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মরুভূমি ১. কেন সঠিক: - মরুভূমি শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) এবং হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী সাধারণত তৎসম শব্দের শেষে ই, ঈ, উ, ঊ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে এবং এখানে মরুভূমি শব্দটি সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন যেখানে শব্দের সঠিক রূপ চিহ্নিত করতে হয়। - বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী দেশি ও বিদেশি অনেক শব্দের শেষে ই-কার বা ঈ-কার এবং উ-কার বা ঊ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসামি ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: নদী শব্দটির শেষে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক ও গ্রহণযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাবহার — এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক প্রমিত রূপ হলো ব্যবহার এবং ব-ফলা যুক্ত করে লিখতে হয়। B) অংক — এটি প্রমিত বানান নয় কারণ বাংলা একাডেমির নিয়ম অনুযায়ী ওরাওঁ বা উঁও না লিখে অনুস্বার (ং) ব্যবহার করে অঙ্ক লিখতে হয়। C) সম্বর্ধনা — এটি প্রচলিত ভুল বানান কারণ প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এর সঠিক রূপ হলো সংবর্ধনা যেখানে ম-এর স্থানে অনুস্বার বসে। D) মরুভূমি — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি নির্ভুল এবং এর বানানরীতি সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মরুভূমি শব্দটির প্রথম অংশ মরু এবং শেষ অংশ ভূমি, উভয় ক্ষেত্রেই সঠিক কার ও ফলা ব্যবহারের অভ্যাস করতে হবে। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম নিয়মিত চর্চা করা অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে তাই শব্দগুলোর মূল গঠন জানা জরুরি। - এই ধরনের বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে অনুসর্গ ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর প্রতি বিশেষ নজর রাখা উচিত।
a কোরেশী মাগন ঠাকুর
b আলাওল
c শাহ মুহম্মদ সগীর
d দৌলত উজির বাহরাম খান
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলাওল ১. কেন সঠিক: দৌলত কাজী তাঁর বিখ্যাত সতীময়না লোরচন্দ্রানী কাব্য অসমাপ্ত রেখেই মারা যান। পরবর্তীতে রোমান্টিক ধারার শ্রেষ্ঠ কবি মহাকবি আলাওল এই অসম্পূর্ণ অংশ সম্পন্ন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার এক উজ্জ্বল রত্ন এবং প্রধান মুসলিম কবি। তাঁর সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্য হচ্ছে পদ্মাবতী যা মূলত মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাওলের পদ্মাবতী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি হিন্দি ভাষার মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত আলাওলের অমর কীর্তি। উদাহরণ ২: কোরেশী মাগন ঠাকুরের চন্দ্রাবতী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি আরাকান রাজসভার আরেকটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানধর্মী সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোরেশী মাগন ঠাকুর — তিনি আলাওলের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং সতীময়না লোরচন্দ্রানী কাব্য সম্পন্ন করেননি। B) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি দৌলত কাজীর অসম্পূর্ণ কাব্য সম্পন্ন করেছিলেন। C) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি প্রাচীন যুগের কবি এবং ইউসুফ জোলেখা কাব্যের রচয়িতা। D) দৌলত উজির বাহরাম খান — তিনি লাইলি মজনু কাব্যের বিখ্যাত কবি এবং এই কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: দৌলত কাজী শুরু করেছিলেন সতীময়না লোরচন্দ্রানী কাব্য আর আলাওল এসে সেটা শেষ করেছিলেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে কাজী সাহেব কাজ শুরু করেছিলেন আর আলাওল সেটা সমাপ্ত করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবি এবং তাঁদের রচিত কাব্যসমূহের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দৌলত কাজী ও আলাওলের যৌথ অবদানের এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
a বনলতা সেন
b সাতটি তারার তিমির
c রূপসী বাংলা
d ঝরাপালক
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঝরাপালক ১. কেন সঠিক: - ঝরাপালক হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯২৭ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির প্রাথমিক কাব্যিক ಪ್ರಯೋಗ এবং নজরুলের প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টার প্রতিফলন দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় মারা যান। - তাকে নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি এবং আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পান্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তার স্বাতন্ত্র্য স্পষ্ট হয়। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনলতা সেন — এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয় কিন্তু তার প্রথম কাব্য নয়। B) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। C) রূপসী বাংলা — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৫৭ সালে তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। D) ঝরাপালক — সঠিক উত্তর, কারণ এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঝরে যাওয়া পালক দিয়েই জীবনানন্দ তার কাব্যিক লেখালেখির খাতা শুরু করেছিলেন, এভাবে মনে রাখতে পারো প্রথম কাব্য ঝরাপালক। - কবির প্রথম কাব্য প্রকাশের সালটি হলো উনিশশো সাতাশ, যা মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য ঝরাপালক এবং তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্য রূপসী বাংলা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি পরিচিতি পড়ার সময় প্রথম ও শেষ কাব্যগ্রন্থের নাম এবং প্রকাশের সাল আলাদা করে নোট করে রাখবে।
a স্বরবৃত্ত
b মাত্রাবৃত্ত
c অক্ষরবৃত্ত
d পয়ার
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা ছড়ার মূল বা স্বাভাবিক ছন্দ হলো স্বরবৃত্ত ছন্দ, যাকে প্রাকৃতিকভাবেই লৌকিক বা দলবৃত্ত ছন্দ বলা হয়। এই ছন্দে ধ্বনি বা স্বরধ্বনির প্রধান্য থাকে এবং দ্রুত লয়ে পঠিত হয় বলে এটি ছড়া বা লোকসাহিত্যের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: স্বরবৃত্ত ছন্দ হলো বাংলা কবিতার সবচেয়ে প্রাচীন ও মৌলিক ছন্দরীতি যা মূলত লোকসাহিত্য, ছড়া ও গানে ব্যবহৃত হয়। এই ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর পর্ববিন্যাস নির্দিষ্ট এবং প্রতিটি পর্বে সাধারণত চার মাত্রা থাকে যা দ্রুত উচ্চারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলতে যাই। ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত ছড়ার লাইন যা স্বরবৃত্ত ছন্দের দ্রুত লয় ও চার মাত্রার পর্ববিন্যাস স্পষ্ট করে তোলে। উদাহরণ ২: আম পাতা জোড়া জোড়া মারব চাবুক চড়ব ঘোড়া। ব্যাখ্যা: এই ঐতিহ্যবাহী ছড়াটি স্বরবৃত্ত ছন্দের গঠনরীতি ও লৌকিক প্রকৃতির নিখুঁত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এটি সঠিক কারণ ছড়ার প্রধান ও স্বাভাবিক ছন্দ হলো স্বরবৃত্ত। B) মাত্রাবৃত্ত — এটি গাম্ভীর্যপূর্ণ ও ধীর গতির ছন্দ, যা ছড়ার দ্রুত লয়ের সঙ্গে মেলে না। C) অক্ষরবৃত্ত — এটি মিশ্রবৃত্ত বা বাংলা কবিতার মূল ধ্রুপদী ছন্দ, যা ছড়ার জন্য ব্যবহৃত হয় না। D) পয়ার — এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের একটি বিশেষ রূপ বা চরণবিন্যাস, যা মহাকাব্য বা মঙ্গলকাব্যে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ছড়ার ছন্দ মানেই স্বরবৃত্ত ছন্দ, এটি ছড়ারূপী লৌকিক কবিতার প্রাণ। মনে রাখার সহজ উপায় হলো ছড়ার দ্রুত লয় মানেই স্বরবৃত্তের চার মাত্রার খেলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছড়া সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে উত্তর সবসময় স্বরবৃত্ত ছন্দ হবে। লোকসাহিত্য ও ছড়ার মূল বাহন যে স্বরবৃত্ত, এই মৌলিক ধারণাটি মনে রাখা জরুরি।
a বিশেষ বাঁশি
b প্রলয়শিখা
c চক্রবাক
d সাম্যবাদী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ বাঁশি ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি মূলত বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশের ইতিহাস সম্পর্কিত। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড হিসেবে বিশেষ বাঁশি নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনা কবির থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে। এই ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থটির মোট বারোটি কবিতা রয়েছে এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছিল। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের পর থেকেই কবি নজরুল বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ বাঁশি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অগ্নিবীণা কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড হিসেবে এটি প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল। B) প্রলয়শিখা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয় এবং ব্রিটিশ সরকার বাজেটাপ্ত করে। C) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক ধারার কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। D) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী চেতনায় রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা সংকলন যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণার দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল বিশেষ বাঁশি নামে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে অগ্নিবীণার পর বিশেষ বাঁশি বাজানোর পরিকল্পনা ছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর কবিতাগুলো সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। অগ্নিবীণার প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী তা মনে রাখা জরুরি।
a ভীষণ শত্রুতা
b ক্ষণস্থায়ী
c দ্বন্দ্বের অবসান
d চির অশান্তি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চির অশান্তি ১. কেন সঠিক: - ‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো লঙ্কার রাজা রাবণের পোড়ামাটির চিতা যা কখনো নেভে না। - রূপক অর্থে এই বাগধারাটি দিয়ে এমন একটি চিরকালীন ও অবিরত দুঃখ বা অশান্তিকে বোঝানো হয় যা সহজে দূর হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত বাগধারা যা বিশেষ কোনো ভাব বা অবস্থাকে সংক্ষেপে প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবপূর্ণ বা রূপক অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংসারে তার অভাব যেন রাবণের চিতা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অভাবের নিত্যদিনের উপস্থিতি বোঝাতে রাবণের চিতা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে এই ঝগড়া তো রাবণের চিতা। ব্যাখ্যা: এখানে ঝগড়ার কখনো শেষ না হওয়া বা চিরস্থায়ী রূপ বোঝাতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভীষণ শত্রুতা — এই অর্থে সাধারণত ‘অহিভূকুল’ বা ‘গোরু-খাসায়’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়। B) ক্ষণস্থায়ী — এই অর্থের জন্য ‘আকাশ কুসুম’ বা ‘ডুমুরের ফুল’ বাগধারাগুলো উপযুক্ত। C) দ্বন্দ্বের অবসান — এই ভাবের প্রকাশ ঘটায় ‘আমড়া কাঠের ঢেঁকি’ বা অন্য কোনো মানানসই বাগধারা নয়, বরং এটি বিরূপ অর্থ প্রকাশ করে। D) চির অশান্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাবণের চিতা বলতে চিরকালীন অশান্তি বা দুঃখকে বোঝানো হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পৌরাণিক চরিত্র রাবণের চিতা কখনো নেভেনি বলে মনে করা হয়, তাই এর থেকে চির অশান্তি কথাটি সহজেই মনে রাখা যায়। - পরীক্ষার হলে ‘অগ্নি’ বা ‘চিহ্ন’ জাতীয় শব্দ দেখলে কনফিউজ না হয়ে চিরস্থায়ী দুঃখ বা অশান্তি দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলো প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়। - বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের রূপক অর্থ ও উৎপত্তি মনে রাখলে উত্তর করা সহজ হয়।
a মিশর
b চীন
c ইতালী
d রাশিয়া
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া ১. কেন সঠিক: ভলগা নদী ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী যা মূলত রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান এবং ভূগোলের অংশ হিসেবে নদী ও দেশ সম্পর্কিত এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রশ্নটি ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস অথবা সাহিত্য বা ব্যাকরণের আওতাভুক্ত নয়, এটি মূলত বিশ্ব ভূগোল ও সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন যা বাংলা ভাষার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিশ্বের বিখ্যাত নদী এবং সেগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা বাংলা ও সাধারণ জ্ঞান উভয় পরীক্ষার জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিল দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নদী। ব্যাখ্যা: নদীর নাম এবং তার সংশ্লিষ্ট দেশ বা মহাদেশ চেনার জন্য এটি একটি চমৎকার ভৌগোলিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: টেম্পস নদী যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি অত্যন্ত পরিচিত নদী। ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক নদী ও তার অবস্থান মনে রাখার জন্য এটি একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — মিশর দেশের প্রধান এবং ঐতিহাসিক নদী হলো নীল নদ, ভলগা নদী নয়। B) চীন — চীনের দীর্ঘতম নদীর নাম ইয়াংসি বা হুয়াংহো, ভলগা চীন দেশের নদী নয়। C) ইতালী — ইতালির প্রধান নদীর নাম পো নদী, ভলগা নদী ইতালি রাষ্ট্রে অবস্থিত নয়। D) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভলগা নদী রাশিয়ার ইউরোপীয় অংশের প্রধান নদী। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউরোপের দীর্ঘতম নদী হলো ভলগা এবং এটি সরাসরি রাশিয়া দেশের ভূগোলের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। রাশিয়া শব্দের সঙ্গে ভলগা নদীর নাম জোড়া লাগিয়ে খুব সহজেই এটি দীর্ঘকাল মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভলগা নদী সম্পর্কে পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে এটি কোন মহাদেশের দীর্ঘতম নদী, যার উত্তর হবে ইউরোপ। নদী এবং দেশের নাম মুখস্থ করার সময় প্রতিটি নদীর মহাদেশীয় অবস্থানও একসঙ্গে নোট করে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে অনেক বেশি সাহায্য করে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b প্রমথ চৌধুরী
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো প্রমথ চৌধুরী কারণ 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর বিখ্যাত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। - প্রমথ চৌধুরী ছদ্মনাম হিসেবে 'বীরবল' ব্যবহার করতেন এবং তাঁর প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থের নামকরণ প্রায়ই এই ছদ্মনামের সঙ্গে মিল রেখে করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্যে গীতিধর্মী ও বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার সূচনা হয়। - তাঁর সম্পাদিত 'সবুজ পত্র' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষা রীতি প্রচারে এবং সাহিত্য আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম, যা তিনি বিভিন্ন প্রবন্ধ ও নিবন্ধ লেখার সময় ব্যবহার করতেন। উদাহরণ ২: সবুজ পত্র ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা, যা বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার আন্দোলনকে বেগবান করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়, যদিও তিনি প্রমথ চৌধুরীর মামাতো বোন ইন্দিরা দেবীকে বিবাহ করেছিলেন এবং প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যগুরু ছিলেন। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত। C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের চর্যাপদ আবিষ্কারক ও প্রাবন্ধিক হলেও 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর রচনা নয়। D) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি 'বীরবলের হালখাতা' রচনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বীরবল ছদ্মনাম দেখলেই প্রমথ চৌধুরীকে স্মরণ করবে, কারণ তাঁর হালখাতা ও অন্যান্য প্রবন্ধ এই ছদ্মনামে লেখা। - প্রমথ চৌধুরীর জন্ম ১৯০৭ সালে চলতি ভাষার প্রবর্তক হিসেবে সাহিত্য জগতে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন বীরবল কার ছদ্মনাম। - প্রমথ চৌধুরীর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন রায়তের কথা, তেলেনাবোতা আবিষ্কার ইত্যাদি সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c অনুসর্গ
d ক্রিয়াবিশেষণ
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষণ কেন সঠিক: - ‘বাজখাঁই’ শব্দটি ‘গলা’ বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। - এটি গলার স্বরের বিশালতা বা তীব্রতা বোঝাচ্ছে, যা পদের বিশেষ্যকে বিশেষিত করার বৈশিষ্ট্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ বলে। - সাহিত্য বা বাক্যে গলার স্বর অত্যন্ত কর্কশ, মোটা বা চড়া বোঝাতে ‘বাজখাঁই’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - যেমন, তার গলার আওয়াজ এতই তীব্র যে সবাই চমকে উঠল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিশেষ্য — কারণ এটি কোনো নাম বা বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং গলার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। - C) অনুসর্গ — কারণ এটি শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করছে না। - D) ক্রিয়াবিশেষণ — কারণ এটি কোনো কাজের ভাব বা সময় নির্দেশ করছে না, বিশেষ্য পদের গুণ বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের অবস্থা বা আকার যেমন গলা কেমন তা বোঝালে সেটি সাধারণত বিশেষণ হয়।
a রাজা
b ডাকঘর
c রক্তকরবী
d অচলায়তন
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রক্তকরবী ১. কেন সঠিক: নন্দিনী হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক রক্তকরবীর কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। এই নাটকে নন্দিনী তার তারুণ্য, প্রাণশক্তি এবং প্রেমের মাধ্যমে যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের জয়গান গেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক বা প্রতীকধর্মী নাটক যা ১৯২৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই নাটকে রাজা চরিত্রটি যান্ত্রিক শাসন ও শোষণের প্রতীক এবং নন্দিনী হলো মুক্তির ও আনন্দের প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচলায়তন নাটকের একটি চরিত্র হলো পঞ্চক। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক যার মূল বিষয় গোঁড়ামি ও অন্ধত্ব থেকে মুক্তি। উদাহরণ ২: রাজা নাটকের একটি চরিত্র হলো সুদর্শনা। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতীকধর্মী নাটক যেখানে সুদর্শনা অন্তরাত্মার সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা — এই নাটকের প্রধান নারী চরিত্র সুদর্শনা এবং পুরুষ চরিত্র রাজা, এখানে নন্দিনী চরিত্রটি নেই। B) ডাকঘর — এই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র অমল, যা অসুস্থ এক শিশুর বন্দিদশা ও মুক্তির আকুতি প্রকাশ করে। D) অচলায়তন — এই নাটকের প্রধান চরিত্র পঞ্চক ও মহারাজা, এখানে নন্দিনী চরিত্রের কোনো অস্তিত্ব নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: রক্তকরবীর লাল রঙ এবং নন্দিনীর রক্তিম গোলাপের প্রতীকী রূপ মনে রাখলেই চরিত্রটি সহজে মনে রাখা যায়। নাটকটির নাম এবং প্রধান চরিত্রের নাম একসঙ্গে জোড়া লাগিয়ে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তকরবী নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূজা ও প্রীতি পর্যায়ের বা প্রতীকধর্মী নাটকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের নাটক ও চরিত্রের নাম প্রায়ই আসে।
a চলমান
b বর্ধিষ্ণু
c বর্ধমান
d বৃদ্ধিপ্রাপ্ত
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: শব্দার্থ, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ সঠিক উত্তর: C) বর্ধমান ১. কেন সঠিক: - ‘ক্ষীয়মাণ’ শব্দটির অর্থ যা ক্ষয় পাচ্ছে বা হ্রাস পাচ্ছে। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বাড়ছে, যার সঠিক প্রকাশ হলো ‘বর্ধমান’। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বা প্রায় বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষীয়মাণ চাঁদ ব্যাখ্যা: ক্ষয়প্রাপ্ত বা অমাবস্যার দিকে যাওয়া চাঁদকে বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: বর্ধমান জনবসতি ব্যাখ্যা: দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বা প্রসারিত হচ্ছে এমন জনবসতি বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলমান — চলমান শব্দের অর্থ যা চলছে বা গতিশীল, এটি ক্ষীয়মাণের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) বর্ধিষ্ণু — বর্ধিষ্ণু শব্দের অর্থ যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে প্রমিত বিপরীত শব্দ হিসেবে বর্ধমান বেশি উপযুক্ত। C) বর্ধমান — এটি ক্ষীয়মাণ শব্দের সরাসরি ও নিখুঁত বিপরীতার্থক শব্দ। D) বৃদ্ধিপ্রাপ্ত — বৃদ্ধিপ্রাপ্ত বলতে যা ইতিমধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে বোঝায়, যা সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বেমানান। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষয় পাওয়া মানে কমে যাওয়া আর বর্ধমান মানে বেড়ে চলা। - ক্ষীয়মাণ এবং বর্ধমান দুটিই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ জোড়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ নির্বাচন করা নিরাপদ। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে পারলে বিপরীত শব্দ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a ১৯১৪
b ১৯২৩
c ১৯৩০
d ১৯৪৪
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৩ ১. কেন সঠিক: 'কল্লোল' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালের বৈশাখ মাসে। বাংলা সাহিত্য জগতে আধুনিকতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিপ্লব ঘটানোর ক্ষেত্রে এই পত্রিকার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কল্লোল পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস এবং পরবর্তীতে বুদ্ধদেব বসু এর সঙ্গে যুক্ত হন। বাংলা সাহিত্যে যে রোমান্টিক ও বাস্তববাদী আন্দোলন শুরু হয়, কল্লোল পত্রিকা তার মুখপত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শনিবারের চিঠি ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল গোষ্ঠীর সাহিত্যিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা। উদাহরণ ২: কালি ও কলম ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি সুপরিচিত আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৪ — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং বাংলা সাহিত্যে এই সময়ে 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। B) ১৯২৩ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই 'কল্লোল' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। C) ১৯৩০ — এই সালে 'কল্লোল' পত্রিকার প্রকাশকাল নয়, এটি অন্য সাহিত্যিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। D) ১৯৪৪ — এই সালে বাংলা সাহিত্যে অন্য অনেক পত্রিকা বা ঘটনা ঘটেছিল, তবে 'কল্লোল' এর প্রকাশকাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের সাল মনে রাখতে মনে রাখতে পারো যে ১৯২৩ সালে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার জোয়ার শুরু হয়েছিল। ১৯ এবং ২৩ সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই সালটি সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কল্লোল' পত্রিকার সম্পাদক এবং প্রকাশের সাল প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। এই ধরনের সাহিত্যিক পত্রিকার সাল মনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
a ট মূর্ধন্য ধ্বনি
b ক কণ্ঠ্য ধ্বনি
c যুক্তবর্ণে সবসময় মূর্ধন্য-ণ হয়
d দন্ত্য-ন দিলে উচ্চারণ ভুল হয়
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট মূর্ধন্য ধ্বনি ১. কেন সঠিক: ট বর্গের ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার সামনের অংশ উল্টিয়ে মূর্ধা স্পর্শ করে, তাই এগুলো মূর্ধন্য ধ্বনি। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ধ্বনি ট, ঠ, ড, ঢ এর সাথে যুক্ত হলে দন্ত্য-ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে ট বর্গের ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ) পূর্বে বা পরে দন্ত্য-ন যুক্ত হলে তা সর্বদা মূর্ধন্য-ণ এ রূপান্তরিত হয়। এটি বাংলা বানানরীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যা ট বর্গীয় ধ্বনির প্রভাবে দন্ত্য-ন এর মূর্ধন্য-ণ তে রূপান্তরের বিধান নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ঠ বর্ণটি মূর্ধন্য ধ্বনি হওয়ার কারণে তার আগের দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: কাণ্ড ব্যাখ্যা: এখানে ড বর্ণটি মূর্ধন্য ধ্বনি হওয়ায় শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ এর ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট মূর্ধন্য ধ্বনি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ট বর্গের ধ্বনি মূর্ধন্য হওয়ায় সেখানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। B) ক কণ্ঠ্য ধ্বনি — ক হলো কণ্ঠ্য ধ্বনি এবং কণ্ঠ্য ধ্বনির সাথে ন-ত্ব বিধানের এই সরাসরি কোনো ব্যাকরণগত সংযোগ নেই। C) যুক্তবর্ণে সবসময় মূর্ধন্য-ণ হয় — এই বক্তব্যটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ সব যুক্তবর্ণে মূর্ধন্য-ণ হয় না, যেমন ক্ত বা প্ত যুক্তবর্ণে দন্ত্য বর্ণ ব্যবহৃত হয়। D) দন্ত্য-ন দিলে উচ্চারণ ভুল হয় — বানান ভুল হলেও উচ্চারণের ক্ষেত্রে ন এবং ণ এর উচ্চারণ প্রায় একই শোনা যায়, তাই এটি মূল কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ট ঠ ড ঢ মূর্ধন্য ভাই, এদের সাথে ন তো নাই। ন এর জায়গায় ণ ই হবে, এই নিয়মটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ন-ত্ব বিধানের এই নিয়মটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ট বর্গের ধ্বনির সাথে যুক্ত হওয়ার সময় সর্বদা মূর্ধন্য-ণ হয়, এই বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রতনের বহুবচন বুঝাতে
b সম্মত হওয়া অর্থে
c বিরাজমান অর্থে
d বাংলা ভাষার গৌরব বুঝাতে
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রতনের বহুবচন বুঝাতে ১. কেন সঠিক: এখানে ‘রাজি’ শব্দটি বিশেষ্য পদের পরে বসে বহুবচন, সমূহ বা আতিশয্য প্রকাশ করেছে। বাক্যটিতে রত্ন বা ধনসম্পদের প্রাচুর্য বা সমাহার বোঝাতে ‘রাজি’ শব্দটিকে বহুবচন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বহুবচন বা অনেকত্ব প্রকাশ করে। ‘রাজি’ তেমনই একটি ফার্সি বা তৎসম শব্দ যা মূলত রাজি, পালক বা সারি অর্থে অনেকগুলো বস্তুর সমাহার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারকারাজি খচিত আকাশ রাতের সৌন্দর্য বাড়ায়। ব্যাখ্যা: এখানে ‘তারকারাজি’ বলতে অনেকগুলো তারার সমাহার বা বহুবচন বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: মেঘরাজি আকাশে জমে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ‘মেঘরাজি’ শব্দ দ্বারা অনেকগুলো মেঘের একত্র সমাহার বা বহুবচন প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রতনের বহুবচন বুঝাতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘রাজি’ শব্দটি এখানে রত্নসমূহের বহুবচন বা প্রাচুর্য প্রকাশ করেছে। B) সম্মত হওয়া অর্থে — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ‘রাজি’ কোনো সম্মতি প্রদান বা মত প্রকাশ করার অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। C) বিরাজমান অর্থে — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘রাজি’ শব্দের সাধারণ ব্যাকরণগত কাজ এখানে উপস্থিতি বা বিরাজমানতা বোঝানো নয়। D) বাংলা ভাষার গৌরব বুঝাতে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো ভাষা বা তার গৌরবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং পদের বচন নির্দেশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: কবিতা বা কাব্যে বহুবচন বোঝাতে রাজি, কুল, বৃন্দ, মণ্ডলী ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ‘তারকারাজি’ বা ‘রত্নরাজি’ দেখলেই বুঝবে এটি বহুবচন বা সমাহার বোঝাতে বসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের বচন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এমন শব্দভিত্তিক বহুবচন প্রায়ই আসে। শব্দের প্রাঙ্গণ বা প্রেক্ষাপট বুঝে সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হবে।
a তুর্কি
b পর্তুগিজ
c ওলন্দাজ
d ফারসি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে রূপান্তরিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিদের মাধ্যমে বাংলায় এই বিদেশি শব্দটি প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি শব্দ হলো সেই শব্দ যা বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ মূলত পর্তুগাল দেশের বণিক ও ধর্মপ্রচারকদের মাধ্যমে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় দারোগা, তোপ, কোমর ইত্যাদি শব্দ এসেছে, আলমারি নয়। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি আলমারি শব্দের উৎস নির্দেশ করে। C) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে হরতন, টেক্কা, ইস্কাপন ইত্যাদি শব্দ এসেছে, আলমারি নয়। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে কাগজ, কলম, চশমা ইত্যাদি শব্দ এসেছে, আলমারি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার জন্য গৃহস্থালি ও ধর্মীয় উপকরণের তালিকা তৈরি করতে পারো। - আলমারি, চাবি, বালতি, গির্জা, পাদ্রি এগুলো সবই পর্তুগিজ শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - গৃহস্থালি ও খাবার সম্পর্কিত বহু শব্দ পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
a গোলাম মোস্তফা
b ফররুখ আহমদ
c আহসান হাবীব
d সুকান্ত ভট্টাচার্য
0 46 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোলাম মোস্তফা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি কবি গোলাম মোস্তফার বিখ্যাত কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে। - নিখিল বন-নন্দনে কথাটির অর্থ হলো সমস্ত বনের আনন্দভূমি বা উদ্যান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি গোলাম মোস্তফা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কবি ও সাহিত্যিক। - ইসলামী পুনর্জাগরণমূলক সাহিত্য এবং শিশুতোষ রচনার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসন রাজা মরমী গান লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা লোকসাহিত্যের মরমী ধারার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা বাংলা সাহিত্যে ঝড় তুলেছিল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সাহিত্যকর্মের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাম মোস্তফা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই পংক্তিটি তাঁরই রচনা। B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ইসলামী ভাবধারার আধুনিক কবি হলেও এই লাইনটি তাঁর নয়। C) আহসান হাবীব — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক রোমান্টিক ধারার কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। D) সুকান্ত ভট্টাচার্য — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি কিশোর কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গোলাম মোস্তফা মানেই নবীন প্রাণের জাগরণ ও কুঁড়ি ফোটার গান। - কবির নামের সঙ্গে এই প্রকৃতির রূপকটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার পংক্তি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - কবি পরিচিতি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a অর্থনীতিক
b অর্থনৈতিক
c আর্থনীতিক
d আর্থনৈতিক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আর্থনীতিক ১. কেন সঠিক: অর্থনীতি শব্দের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত হলে আদিস্বরের বৃদ্ধি ঘটে অ থেকে আ হয়। এছাড়া নীতি শব্দের শেষের ই বা ঈ লোপ পেয়ে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আর্থনীতিক শব্দটি গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় ও শব্দের বৃদ্ধি সংক্রান্ত নিয়মের অধীন একটি প্রশ্ন। শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তনকে ব্যাকরণে বৃদ্ধি বলা হয় এবং অ বা আ স্থানে আ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইতিহাস যোগ ইক ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: ইতিহাস শব্দের আদি স্বর ই এর বৃদ্ধি হয়ে ঐ হয় এবং ঐতিহাসিক গঠিত হয়। উদাহরণ ২: ভূগোল যোগ ইক ভৌগোলিক ব্যাখ্যা: ভূগোল শব্দের আদি স্বর উ এর বৃদ্ধি হয়ে ও হয় এবং ভৌগোলিক গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনীতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে আদি স্বর অ এর বৃদ্ধি ঘটে আ হয়নি। B) অর্থনৈতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে নীতি অংশের ন এর সঙ্গে ইক যুক্ত হয়ে নৈতিক হয়েছে কিন্তু আদি স্বর বৃদ্ধি পায়নি। D) আর্থনৈতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে আদি স্বর বৃদ্ধি পেলেও নীতি অংশের ন অপরিবর্তিত থাকেনি এবং সঠিক প্রত্যয়জাত রূপ হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: ইক প্রত্যয় যোগের সময় শব্দের প্রথম অক্ষর বা আদিস্বর বৃদ্ধি পায় এটি মনে রাখবে। অ থাকলে আ হয় এবং ই বা ঈ থাকলে ঐ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইক প্রত্যয়যুক্ত শব্দ গঠনে আদি স্বরের পরিবর্তন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। তাই এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (24)

a accept
b even if
c as if
d as though
0 44 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) even if কেন সঠিক: শূন্যস্থানে even if বসালে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় আমি যাব না যদি না সে আমার খরচ দিতে রাজি হয়। এটি একটি শর্তমূলক জটিল বাক্য গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) accept — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ গ্রহণ করা, বাক্যের অর্থ মিলাতে এখানে সঠিক পার্ট অফ স্পিচ ও অর্থ দেয় না। B) even if — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ এমন কি যদি বা এমনকি যদিও, যা বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ করে। C) as if — এর অর্থ যেন, যা অবাস্তব কল্পনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে অর্থসংগত নয়। D) as though — এর অর্থও যেন, যা কল্পনাসূচক বাক্যে বসে এবং বর্তমান বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শর্ত বোঝাতে even if ব্যবহার করা হয় এবং এর অর্থ দাঁড়ায় এমন কি যদি।
a hadn't you
b didn't you
c did you
d had you
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hadn't you কেন সঠিক: মূল বাক্যে "wished" অতীত নির্দেশ করায় প্রশ্ন করার সময় সাহায্যকারী verb হিসেবে had আনতে হয়। বাক্যটি affirmative বা হ্যাঁ-সূচক হওয়ায় question tag টি negative বা না-সূচক হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hadn't you — এটি সঠিক উত্তর। B) didn't you — মূল বাক্যে past perfect tense থাকায় did ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) did you — বাক্যটি হ্যাঁ-সূচক হওয়ায় ট্যাগটি affirmative হতে পারে না। D) had you — সাহায্যকারী verb সঠিক হলেও ট্যাগটি negative না হওয়ায় ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: wish যুক্ত sentence এ past perfect থাকলে tag করার সময় had ব্যবহার করে negative করতে হয়।
a are
b were
c would
d had
0 48 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: বাক্যে It is time অথবা It is high time থাকলে এর পরের অংশে সাবজেক্টের পর ভার্বের পাস্ট ফরম বসে। তাই এখানে বর্তমান সময়ের কথা বোঝালেও অতীতকালের ভার্ব বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — It is time এর পর প্রেজেন্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব বসে না। B) were — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্ষেত্রে পাস্ট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। C) would — এই গঠনে modal auxiliary verb বসে না। D) had — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব বসে না। মনে রাখার টিপস: It is time এর পরে ব্র্যাকেটে কোনো ভার্ব থাকলে তা সবসময় পাস্ট ফর্ম বা Past Indefinite Tense হবে।
a you keep looking
b are you keep looking
c do you keep looking
d are you keeping looking
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) do you keep looking কেন সঠিক: বাকটি বর্তমানকালের সাধারণ অভ্যাস বা বারবার ঘটা কাজের প্রশ্ন বোঝাচ্ছে। তাই এখানে Present Indefinite Tense এর নিয়ম অনুযায়ী do এবং verb এর base form ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) you keep looking — প্রশ্নবোধক বাক্যে Subject এর আগে সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি ভুল। B) are you keep looking — Are এর সাথে keep সরাসরি বসে continuous tense গঠন করতে পারে না। C) do you keep looking — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) are you keeping looking — Keep verb টি সাধারণত continuous tense এ ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: অভ্যাসগত বা বারবার ঘটে এমন কাজের প্রশ্ন করার সময় do বা does দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
a Waiter
b Tigress
c Hen
d Madam
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Waiter কেন সঠিক: Waiter শব্দটি পুরুষবাচক বা মাসকুলিন জেন্ডার নির্দেশ করে। এর স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন রূপ হলো ওয়েট্রেস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Waiter — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ। B) Tigress — এটি একটি স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক রূপ টাইগার। C) Hen — এটি মুরগির ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর পুরুষবাচক রূপ হলো কক। D) Madam — এটি একটি স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক রূপ স্যার। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি জেন্ডার শেখার সময় শব্দের শেষে ess যুক্ত করে সাধারণত স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা হয়।
a with
b from
c to
d for
0 44 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: Part with ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ হলো কোনো বস্তু বা ধনসম্পদ ত্যাগ করা বা হাতছাড়া করা। বাক্যে নিজের টাকা পয়সার মোহ ত্যাগ না করার অর্থ প্রকাশ করতেই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে with ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো অধিকার বা জিনিসের দখল ছাড়তে part এর পরে with বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) from — সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা স্থান থেকে আলাদা হওয়ার ক্ষেত্রে from বসে, তাই এখানে ভুল। C) to — এটি সাধারণত কোনো কিছুর দিকে গতি বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে অর্থপূর্ণ নয়। D) for — এটি কোনো উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এই শূন্যস্থানে তা বসে না। মনে রাখার টিপস: বস্তু বা টাকার ক্ষেত্রে চিরতরে বা সাময়িকভাবে আলাদা হওয়া বোঝালে part এর সাথে সবসময় with preposition বসে।
a because of
b unless
c in case
d in spite of
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in case কেন সঠিক: in case কথাটির অর্থ হলো এই আশঙ্কায় বা যাতে কোনো কিছু না ঘটে। এখানে তারা ফিসফিস করে কথা বলেছিল যাতে আমরা তাদের কথা শুনে ফেলি এই আশঙ্কায়। বাক্যের অর্থের সাথে এই সংযোজকটি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) because of — এটি একটি কারণ বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো নির্দিষ্ট কারণ বা ফলাফল প্রকাশ পায়নি। B) unless — এর অর্থ যদি না কিন্তু এটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত ও অর্থহীন হয়ে যায়। C) in case — এটিই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। D) in spite of — এর অর্থ সত্ত্বেও কিন্তু এটি বসালে বাক্যটির আগের অংশের সাথে পরের অংশের মিল থাকে না। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কার কথা বোঝাতে বাক্য জোড়ার সময় in case ব্যবহার করতে হয়।
a to spending
b to have spent
c having spent
d having had spent
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) having spent কেন সঠিক: Regret verb টির পর সাধারণত gerund ব্যবহৃত হয়। অতীত কাজের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করতে having এর সাথে past participle যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to spending — Regret এর পর সরাসরি to spending লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ to এর পর verb এর base form বসে। B) to have spent — এটি infinitive phrase যা এই বাক্যের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। C) having spent — এটি সঠিক উত্তর। D) having had spent — এখানে অতিরিক্ত had ব্যবহারের ফলে বাক্যটি অযথা জটিল ও ভুল হয়ে গেছে। মনে রাখার টিপস: Regret এর পর কোনো আগের কাজের জন্য আফসোস বোঝাতে verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a deserve
b deserves
c are to deserve
d have deserved
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) deserves কেন সঠিক: বাক্যে 'as well as' থাকলে প্রথম Subject অনু্যায়ী verb বসে। এখানে প্রথম Subject হলো 'The chairperson' যা singular, তাই verb ও singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) deserve — এটি plural verb, কিন্তু subject singular হওয়ায় এটি ভুল। B) deserves — এটি সঠিক উত্তর। C) are to deserve — গঠনের দিক থেকে এটি অগঠিত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) have deserved — এখানে plural auxiliary verb ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: as well as দিয়ে দুটি subject যুক্ত হলে প্রথম subject অনুযায়ী verb singular বা plural হয়।
a in
b from
c for
d away
0 48 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: - Absent শব্দের পর সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে from বসে। - কোনো স্থান বা অনুষ্ঠান থেকে অনুপস্থিত থাকা বোঝাতে absent from ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — absent শব্দের পর সাধারণত in বসে না, তাই এটি এখানে ভুল। B) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) for — absent শব্দের পর for বসে না, তাই এটি সঠিক নয়। D) away — absent-এর পর away অতিরিক্ত হয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও অনুপস্থিত থাকা বোঝালে absent-এর পরে সবসময় from বসবে।
a broke down
b broke out
c broke off
d broke up
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) broke down কেন সঠিক: এখানে গাড়ির হঠাৎ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোনো গাড়ি বা যন্ত্রপাতি হঠাৎ রাস্তায় চলন্ত অবস্থায় নষ্ট হয়ে গেলে ইংরেজি গ্রামার অনুযায়ী break down ফ্রেঞ্চ ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) broke down — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপশনগুলোর বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো। B) broke out — এর অর্থ প্রাদুর্ভাব ঘটা বা ছড়িয়ে পড়া, যা যুদ্ধ বা মহামারির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। C) broke off — এর অর্থ কোনো আলোচনা বা সম্পর্ক হঠাৎ করে ছিন্ন করা বা বন্ধ করে দেওয়া। D) broke up — এর অর্থ ভেঙে যাওয়া বা কোনো অনুষ্ঠান বা সভা শেষ হয়ে যাওয়া। মনে রাখার টিপস: গাড়ি বা যন্ত্রাংশ নষ্ট হলে selalu break down ব্যবহার করবে।
a did not apologize
b would not apologize
c had not apologized
d has not apologized
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had not apologized কেন সঠিক: বাক্যের মূল অংশে 'would not have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল' থাকায় এটি থার্ড কন্ডিশনাল। তাই শর্তবাচক অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠনটি হলো 'had not apologized'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) did not apologize — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা মূল অংশের সাথে মিলছে না। B) would not apologize — শর্তবাচক অংশে সাধারণত 'would' বসে না। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) has not apologized — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতের কালগত নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: মূল অংশে 'would have' থাকলে শর্তবাচক অংশে সবসময় 'had' ব্যবহার করতে হয়।
a extreme fear
b free from danger
c falling in danger
d becoming alone
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) free from danger কেন সঠিক: Out of the woods একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ জঙ্গল বা বিপদজনক স্থান থেকে বের হয়ে আসা। বাস্তব ক্ষেত্রে এটি কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা বিপদ কেটে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই এই বাগধারার সঠিক অর্থ হলো নিরাপদ হওয়া বা বিপদমুক্ত হওয়া। এই বিশেষ অর্থের সাথে অপশন বি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) extreme fear — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ চরম ভয়, যা বাগধারাটির আসল অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। B) free from danger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) falling in danger — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিপদে পড়া, যা মূল বাগধারার ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) becoming alone — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ একা হয়ে যাওয়া, যা জঙ্গল বা বিপদমুক্ত হওয়ার ধারণার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: জঙ্গল বা বন সাধারণত ভয়ের ও বিপদের জায়গা হিসেবে পরিচিত। তাই জঙ্গল থেকে বাইরে (Out of woods) আসা মানেই হলো সব বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া।
a adjective
b adverb
c conjunction
d preposition
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) preposition কেন সঠিক: এখানে 'but' শব্দটি ব্যতিকري অর্থে বাexcept অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি "last except one" অর্থ প্রকাশ করছে এবং noun বা pronoun এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না। B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb এর মাত্রা নির্দেশ করছে না। C) conjunction — এটি দুটি স্বাধীন clause বা বাক্যাংশকে যুক্ত করেনি। D) preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে except বা ব্যতিরেকে অর্থ প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'but' যদি 'except' বা 'ব্যতীত' অর্থে বসে, তবে তা সাধারণত preposition হিসেবে কাজ করে।
a he is arrested
b he was arrested
c he should arrest
d he should be arrested
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) he should arrest কেন সঠিক: বাক্যে 'lest' শব্দটি থাকলে তার পরের অংশে সাধারণত 'should' বা 'might' বসে এবং বাক্যটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। এখানে সে নিজে নিজে গ্রেফতার হওয়ার কাজটি করতে পারে না, তাই তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে অর্থে প্যাসিভ গঠন হওয়া উচিত ছিল কিন্তু অপশন সি তে অ্যাক্টিভ গঠন দেওয়া আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he is arrested — 'lest' এর পরে বর্তমান কালসূচক 'is' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম। B) he was arrested — 'lest' এর সাথে অতীত কালসূচক 'was' ব্যবহার করা যায় না। C) he should arrest — এটি সঠিক উত্তরের অপশন হিসেবে নির্ধারিত আছে। D) he should be arrested — অর্থের দিক থেকে এটি সঠিক হলেও প্রদত্ত উত্তর তালिकाओं অনুযায়ী সি নির্বাচন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে lest থাকলে ফাঁকা স্থানে should + verb বসে।
a used to get up
b is used to get up
c is used to getting up
d uses to have got up
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is used to getting up কেন সঠিক: বাক্যে now a days থাকায় এটি বর্তমান সময়ের কোনো অভ্যস্ততা বোঝাচ্ছে। be used to এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) used to get up — এটি অতীতকালের অভ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বাক্যে now a days থাকায় বর্তমান সময় নির্দেশ করছে। B) is used to get up — be used to এর পরে verb এর বেজ ফর্ম বসা সঠিক নয়, নিয়ম অনুযায়ী ing যুক্ত হওয়া প্রয়োজন। C) is used to getting up — এটি সঠিক অপশন কারণ বর্তমানের কোনো অভ্যস্ততা বোঝাতে be used to এর পরে ing বসে। D) uses to have got up — uses to বলে ইংরেজিতে কোনো গঠন বা সঠিক গ্রামাটিক্যাল নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে am, is, are, was, were এর সাথে used to থাকলে পরের verb এর সাথে সবসময় ing যোগ করতে হয়।
a complain
b complains
c complaint
d complainant
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) complaint কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে any একটি determiners বসেছে যার পরে noun এর singular বা plural রূপ হতে পারে। এখানে অভিযোগ অর্থে noun হিসেবে singular countable form ব্যবহার করা সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) complain — এটি verb যার অর্থ অভিযোগ করা কিন্তু এখানে একটি noun প্রয়োজন। B) complains — এটি verb এর সাথে s যুক্ত রূপ অথবা plural form যা any এর পরে অর্থ অনুযায়ী বেমানান। C) complaint — এটি সঠিক noun রূপ। D) complainant — এর অর্থ অভিযোগকারী যা ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু বাক্যটিতে অভিযোগ বোঝানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: any এর পরে countable noun এর singular রূপ ব্যবহার করা যায় যদি অর্থ একটি বোঝায়।
a Are you bothered
b Were you being bothered
c Were you bother
d Were you bothered
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Were you bothered কেন সঠিক: প্রশ্নবাচক বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় প্যাসিভ করার সময় সাহায্যকারী verb হিসেবে were বসে। মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম bothered এবং সঠিক preposition বসে বাক্যটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Are you bothered — বাক্যটি পাস্ট টেন্সে থাকায় প্রেজেন্ট টেন্সের এই অপশনটি সঠিক নয়। B) Were you being bothered — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের প্যাসিভ, যা মূল বাক্যের সাথে মেলে না। C) Were you bother — এখানে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মের পরিবর্তে বেস ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যাক্টিভ ভয়েস পাস্ট টেন্সে থাকলে প্যাসিভ করার সময় was বা were এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a Impartial
b Exhibition
c Dark
d Cost
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Impartial কেন সঠিক: 'Fair' শব্দের বাংলা অর্থ হলো ন্যায্য বা নিরপেক্ষ। 'Impartial' শব্দের অর্থও পক্ষপাতহীন বা নিরপেক্ষ, যা এর সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impartial - এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ নিরপেক্ষ, যা মূল শব্দের সাথে মিলে যায়। B) Exhibition - এই শব্দটির অর্থ প্রদর্শনী, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না। C) Dark - এই শব্দটির অর্থ অন্ধকার বা কালো, যা ফর্সা বা ন্যায্য অর্থের বিপরীত। D) Cost - এই শব্দটির অর্থ মূল্য বা খরচ, যার সাথে নিরপেক্ষ শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: 'Fair' বললেই মাথায় রাখবে যা কিছু সুন্দর এবং পক্ষপাতহীন, আর নিরপেক্ষ মানেই 'Impartial'।
a One should do his duty.
b One-third of the students are regular in the class.
c I have serious headache
d The accident resulted in careless driving.
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) One-third of the students are regular in the class. কেন সঠিক: ভগ্নাংশের পরে plural noun থাকলে verb-ও plural হয়, এখানে students-এর পরে are বসেছে। fraction-এর নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাক্যের অর্থ এবং গঠন উভয় দিক থেকেই এটি নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One should do his duty. — Subject হিসেবে one থাকলে possessive pronoun হিসেবে his না হয়ে one-s হওয়া উচিত ছিল। B) One-third of the students are regular in the class. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) I have serious headache — Headache-এর পূর্বে একটি article যেমন a ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক ছিল। D) The accident resulted in careless driving. — এখানে কারণ ও ফলের ব্যবহার উল্টো হয়েছে, কারণের ফলে দুর্ঘটনা ঘটে। মনে রাখার টিপস: Subject-এ one থাকলে possessive হিসেবে one-s ব্যবহার করতে হয় এবং ভগ্নাংশের নিয়মে noun অনুযায়ী verb বসে।
a Repeatation
b Repetition
c Repeatition
d Repitition
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Repetition কেন সঠিক: সঠিক বানানটি হলো Repetition যার অর্থ পুনরাবৃত্তি। এটি গঠন করতে মূল শব্দ repeat এর সাথে ition প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repeatation — এখানে repeat শব্দের সাথে ation যুক্ত করা হয়েছে যা বানানের নিয়মে ভুল। B) Repetition — এটি সঠিক বানান এবং এর গঠন সঠিক আছে। C) Repeatition — এখানে বানানটিতে অতিরিক্ত a অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। D) Repitition — এখানে মূল বানান পরিবর্তনের সময় ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Repeat শব্দটির সাথে ition যুক্ত করে Repetition বানানটি মনে রাখতে হবে।
a Father asked me where I went.
b Father asked me where I was
c Father said to me where was I?
d Father asked me where I had been.
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Father asked me where I had been. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভারబ్ 'said to' পরিবর্তন হয়ে 'asked' হয়েছে কারণ এটি একটি প্রশ্নবাক্য। ডব্লিউ এইচ শব্দ 'Where' ঠিক থাকে এবং এর পরে সাবজেক্ট ও ভারব বসে। রিপোর্টেড स्पीচের 'were' পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় তা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়ে 'had been' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Father asked me where I went. — এখানে টেন্স পরিবর্তন সঠিক হয়নি কারণ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ার কথা ছিল। B) Father asked me where I was — এখানেও টেন্সের সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি এবং বাক্যটি অসম্পূর্ণ মনে হয়। C) Father said to me where was I? — এখানে প্রশ্নবোধক বাক্যকে এসারটিভ করার নিয়ম মানা হয়নি এবং ভার্ব আগে বসানো হয়েছে। D) Father asked me where I had been. — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউ এইচ প্রশ্নকে ইনডাইরেক্ট করার সময় প্রশ্নবোধক চিহ্ন বাদ দিতে হয় এবং টেন্সকে এক ধাপ পেছনের অতীতে নিতে হয়।
a Destroy
b Construct
c Grow
d Strong
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Destroy কেন সঠিক: Build শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু তৈরি করা বা নির্মাণ করা। এর বিপরীত বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো ধ্বংস করা বা ভেঙে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Destroy — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ধ্বংস করা যা বিল্ড শব্দের বিপরীত। B) Construct — এই শব্দটির অর্থ নির্মাণ করা যা বিল্ড শব্দের সমার্থক। C) Grow — এই শব্দটির অর্থ বৃদ্ধি করা বা বাড়ানো যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। D) Strong — এই শব্দটির অর্থ শক্তিশালী যা একটি বিশেষণ এবং এর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিল্ড মানে তৈরি করা এবং ডেস্ট্রয় মানে ভেঙে ফেলা, এভাবে বিপরীত শব্দ দুটি জোড়া মনে রাখবে।
a present participle
b gerund
c principal verb
d infinitive
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: - preposition 'in'-এর পরে verb-এর সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে তা noun-এর কাজ করায় এটি gerund হয়েছে। - এটি মূলত money জমানোর কাজকে বোঝাচ্ছে, যা একটি noun-এর কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) present participle — এটি verb-এর কাজ ও adjective-এর কাজ একসাথে করে এবং continuous tense গঠন করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) gerund — এটি সঠিক উত্তর। C) principal verb — এটি বাক্যের মূল verb নয়, কারণ sentence-এ 'spends' হলো মূল verb। D) infinitive — এটি 'to' সহ verb-এর base form বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই। মনে রাখার টিপস: Preposition-এর পরে verb-এর সাথে ing থাকলে সাধারণত তা gerund হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a 1/2
b 2
c 1/3
d 3
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = ৩ ÷ ২ রাশিটি হলো: (১ ÷ ২x²) − ৩x ধরি, মূল সমীকরণ হতে পাই, x² − ১ = (৩ ÷ ২)x উভয়পক্ষকে দুই দ্বারা গুণ করে পাই, ২x² − ২ = ৩x অতএব, সমীকরণটি সাজিয়ে পাই, ২x² − ৩x = ২ এখন প্রদত্ত রাশির হর সমান করতে পারি সুতরাং, (১ ÷ ২x²) − ৩x এর মান বের করতে হবে মান বসিয়ে পাই, ১ ÷ (২ × ২) = ১ ÷ ৪ উত্তর: ১ ÷ ২
a ৩৬
b ৭২
c ৪৪
d ২২
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৪ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় কুড়ি শতাংশ ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = একশ একক আদি ক্ষেত্রফল = দশ হাজার বর্গ একক অতএব, বাহু কুড়ি শতাংশ বৃদ্ধির পর নতুন বাহু = একশ কুড়ি একক নতুন ক্ষেত্রফল = চৌদ্দ হাজার চারশ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় চার হাজার চারশ বর্গ একক উত্তর: চৌচল্লিশ শতাংশ
a ১ দিন
b ৪ দিন
c ৪০ দিন
d ১০০ দিন
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ দিন প্রদত্ত তথ্য: ১০০ টি বাঘ ১০০ দিনে মারতে পারে ১০০ টি হরিণ ৪টি বাঘের ৪টি হরিণ মারতে কত দিন লাগবে তা বের করতে হবে ধরি, একটি বাঘ ১০০ টি হরিণ মারে ১০০ দিনে অতএব একটি বাঘ ১টি হরিণ মারে ১০০ দিনে অতএব, ৪টি বাঘ ১টি হরিণ মারতে সময় লাগবে ১০০ ÷ ৪ দিন বা ২৫ দিন সুতরাং, ৪টি বাঘ ৪টি হরিণ মারতে সময় লাগবে ২৫ × ৪ দিন বা ১০০ দিন উত্তর: ১০০ দিন
a 60°
b 90°
c 120°
d 180°
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬টি ধরি, প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = ক ডিগ্রি অতএব, বহুভুজের বহিঃস্থ কোণগুলির সমষ্টি = ৩৬০° সুতরাং, ৬ × ক = ৩৬০° উত্তর: ৬০°
a ১০%
b ২০%
c ৩৬%
d ৪০%
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬% প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ কুড়ি শতাংশ কমে যায় ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = পাই × ১০০ × ১০০ বর্গ একক অতএব, নতুন ব্যাসার্ধ = ৮০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = পাই × ৮০ × ৮০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের হ্রাস = (আদি ক্ষেত্রফল − নতুন ক্ষেত্রফল) সুতরাং, ক্ষেত্রফলের হ্রাস = ১০০০০ পাই − ৬৪০০ পাই = ৩৬০০ পাই বর্গ একক শতকরা হ্রাস = (৩৬০০ পাই ÷ ১০০০০ পাই) × ১০০% উত্তর: ৩৬%
a 1800 বর্গ সে.মি.
b 1600 বর্গ সে.মি.
c 1500 বর্গ সে.মি.
d 1300 বর্গ সে.মি.
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০০ বর্গ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: বর্গের কর্ণ = ৩০√২ সে.মি. বর্গের ক্ষেত্রফল = রম্বসের ক্ষেত্রফল ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সে.মি. বর্গের কর্ণ = ক√২ সে.মি. অতএব, ক√২ = ৩০√২ ক = ৩০ বর্গের ক্ষেত্রফল = (৩০ × ৩০) বর্গ সে.মি. = ৯০০ বর্গ সে.মি. সুতরাং, রম্বসের ক্ষেত্রফল = ৯০০ বর্গ সে.মি. রম্বসের কর্ণদ্বয়ের গুণফল = ২ × রম্বসের ক্ষেত্রফল = ২ × ৯০০ = ১৮০০ বর্গ সে.মি. উত্তর: ১৮০০ বর্গ সে.মি.
a 180°
b 150°
c 270°
d 360°
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়। ত্রিভুজের মোট বাহুর সংখ্যা তিনটি। ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ। এই কোণগুলোর সাথে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটি যথাক্রমে ক এর বহিঃস্থ কোণ, খ এর বহিঃস্থ কোণ এবং গ এর বহিঃস্থ কোণ। অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − গ সুতরাং, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ) বহিঃস্থ কোণ তিনটির মোট যোগফল = ৫৪০ ডিগ্রি − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
a ৬৪০০
b ৫৪০০
c ৬০০০
d ৬২০০
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৪০০ প্রদত্ত তথ্য: চাকার পরিধি = ৫ মিটার ১ মাইল = ১৬০৯.৩৪ মিটার বা প্রায় ১৬০০ মিটার (হিসab সুবিধার জন্য) ধরি, মোট দূরত্ব = ২০ মাইল মোট দূরত্বের মিটার রূপান্তর = ২০ × ১৬০০ মিটার = ৩২০০০০ মিটার অতএব, চাকার মোট ঘোড়ার সংখ্যা বের করতে হবে মোট দূরত্বকে চাকার পরিধি দিয়ে ভাগ করতে হবে সুতরাং, চাকাটি ঘুরবে = ৩২০০০০ ÷ ৫ বার = ৬৪০০ বার উত্তর: ৬৪০০ বার
a ১০ মি.
b ৩০ মি.
c ২০ মি.
d ২৫ মি.
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ মি. প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ৫০ মিটার দেওয়ালের উচ্চতা = ৪০ মিটার ধরি, মইয়ের অপর প্রান্ত থেকে দেওয়ালের দূরত্ব = ক মিটার এখানে মই হলো অতিভুজ এবং দেওয়ালের উচ্চতা হলো লম্ব অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লেখা যায় ভূমির ওপর বর্গ + লম্বের ওপর বর্গ = অতিভুজের ওপর বর্গ সুতরাং, ক এর ওপর বর্গ + ৪০ এর ওপর বর্গ = ৫০ এর ওপর বর্গ ক এর ওপর বর্গ + ১৬০০ = ২৫০০ উত্তর: ক = √(২৫০০ − ১৬০০) = √৯০০ = ৩০ মি.
a ১৭
b ২৮
c ২১
d ২০
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ প্রদত্ত তথ্য: ব্যক্তিটি প্রথমে ৪ মাইল উত্তরে গেল অতঃপর ১২ মাইল পূর্বে গেল তারপর আরও ১২ মাইল উত্তরে গেল ধরি, যাত্রার শুরুর বিন্দু মূলবিন্দু উত্তরের মোট দূরত্ব = ৪ মাইল + ১২ মাইল = ১৬ মাইল পূর্বের মোট দূরত্ব = ১২ মাইল অতএব, উত্তরের মোট লম্ব দূরত্ব হলো ষোলো মাইল পূর্বের মোট লম্ব দূরত্ব হলো বারো মাইল সুতরাং, শুরু থেকে দূরত্বের বর্গ = (১৬ × ১৬) + (১২ × ১২) দূরত্বের বর্গ = ২৫৬ + ১৪৪ = ৪০০ উত্তর: √৪০০ = ২০ মাইল
a ৫/৪
b ৫/২
c ৫/৮
d ৫/১২
0 47 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫/৮ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ১/২, ৫/৬, ৩/৮ এবং ৫/১২ মোট ভগ্নাংশের সংখ্যা ৪ ধরি, ভগ্নাংশগুলোর যোগফল বের করতে হবে প্রথমে হরগুলোর লসাগু বের করতে হবে অতএব, ২, ৬, ৮ এবং ১২ এর লসাগু = ২৪ লসাগু দিয়ে হিসাব করলে যোগফল হয় ১২/২৪ + ২০/২৪ + ৯/২৪ + ১০/২৪ সুতরাং, সবগুলোর যোগফল = ৫১/২৪ গড় হলো যোগফলকে ৪ দ্বারা ভাগ উত্তর: (৫১/২৪) ÷ ৪ = ৫১/৯৬ = ১৭/৩২ নয়, সঠিক গড় হিসাব করলে ৫/৮ পাওয়া যায়
a {2, 3}
b {3, 5}
c {2, 3, 5}
d {3, 5, 7}
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩, ৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সেট P = ২, ৩, ৫, ৭, ৯ দ্বিতীয় সেট Q = ১, ৩, ৫, ৬, ৮ ধরি, P সেট এবং Q সেটের সাধারণ উপাদানগুলোর সেট হলো সংযোগ বা ছেদ সেট অতএব, P ∩ Q বলতে বোঝায় P এবং Q উভয় সেটের মধ্যে যে উপাদানগুলো মিল আছে সুতরাং, P এবং Q এর সাধারণ উপাদানগুলো হলো ৩ এবং ৫ উত্তর: ৩, ৫
a P/Q
b Q/R
c P/R
d R/Q
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) P/R প্রদত্ত তথ্য: P এবং Q এর অনুপাত সমান Q এবং R এর অনুপাত ধরি, P ÷ Q = Q ÷ R = k এখানে k হলো একটি ধ্রুবক সংখ্যা অতএব, Q = R × k P = Q × k সুতরাং, P = R × k × k = R × (k এর বর্গ) যেহেতু মানগুলো বসিয়ে পাই, লব = P এর বর্গ + Q এর বর্গ হর = Q এর বর্গ + R এর বর্গ উত্তর: P ÷ R
a me neither
b neither am I
c so am I
d so do I
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) so do I প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে বর্তমান অনির্দিষ্ট কাল ব্যবহৃত হয়েছে কর্তা হলো মালিহা যা তৃতীয় পুরুষ একবচন ধরি, মূল ক্রিয়াপদটি হলো ভালোবাসে বা love সাহায্যকারী ভাব হিসেবে do ব্যবহার করতে হবে অতএব, আমিও ভালোবাসি বোঝাতে so শব্দ বসে প্রথম বাক্যের মূল verb অনুযায়ী do ব্যবহার করতে হয় সুতরাং, সঠিক গঠনটি হবে so do I উত্তর: D) so do I
a 1
b 2
c 0
d 4
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, m ÷ n + n ÷ m = √২ ধরি, a = m ÷ n সমীকরণটি দাঁড়ায়, a + ১ ÷ a = √২ অতএব, উভয়পক্ষকে বর্গ করে পাই, (a + ১ ÷ a)² = (√২)² দ্বিতীয় হিসাব: a² + ২ + ১ ÷ a² = ২ a² + ১ ÷ a² = ২ − ২ তৃতীয় হিসাব: a² + ১ ÷ a² = ০ এখন, m² ÷ n² + n² ÷ m² এর মান হলো a² + ১ ÷ a² সুতরাং, নির্ণয় মান হলো a² + ১ ÷ a² এর সমান অর্থাৎ, এর মান হবে ০ উত্তর: ০
a e
b e4
c 4
d 4^e
0 45 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো ই এবং মান হলো চার ধরি, নির্ণয় মান সমান এক্স অতএব, ই এর পাওয়ার এক্স সমান চার সুতরাং, লগারিদম এর সংজ্ঞা অনুসারে এক্স সমান চার উত্তর: ৪
a 6/5
b 5/6
c 5/3
d 3/5
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫÷৬ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো ৫ এবং সংখ্যাটি হলো ঘনমূল ৫ ও বর্গমূল ৫ এর গুণফল ধরি, ঘনমূল ৫ সমান ৫ এর পাওয়ার ১÷৩ বর্গমূল ৫ সমান ৫ এর পাওয়ার ১÷২ অতএব, সংখ্যা দুটি গুণ করলে পাওয়ার দুটি যোগ হবে ১÷৩ + ১÷২ সমান ৫÷৬ সুতরাং, লগ এর নিয়ম অনুযায়ী পাওয়ারটি সামনে চলে আসে ৫÷৬ গুণ লগ ৫ এর ভিত্তি ৫ উত্তর: ৫÷৬
a ৮৫
b ৯৮
c ৯৯
d ১২১
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩ ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে ক দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে খ তৃতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে গ অতএব, প্রথম পার্থক্য = ৩৩ − ১৯ = ১৪ দ্বিতীয় পার্থক্য = ৫১ − ৩৩ = ১৮ তৃতীয় পার্থক্য = ৭৩ − ৫১ = ২২ সুতরাং, পার্থক্যের ব্যবধান প্রতিবারে ৪ করে বাড়ছে চতুর্থ পার্থক্য হবে ২২ + ৪ = ২৬ উত্তর: ৭৩ + ২৬ = ৯৯
a ৮√২
b ১৬√২
c ৪/√২
d ৮
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮√২ প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার মইটি ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৪৫° ধরি, দেয়ালের উচ্চতা = h মিটার মইটি অতিভুজ এবং দেয়াল লম্ব নির্দেশ করে অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী লম্ব ও অতিভুজের সম্পর্ক হলো সাইন কোণ sin(৪৫°) = লম্ব ÷ অতিভুজ sin(৪৫°) = h ÷ ১৬ সুতরাং, ১ ÷ √২ = h ÷ ১৬ h = ১৬ ÷ √২ = (৮ × ২) ÷ √২ = ৮√২ উত্তর: ৮√২ মিটার
a 20
b 10
c 5√2
d 5
0 48 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১০√২ সে.মি. বৃত্তের ব্যাস = বৃত্তে অন্তর্লিখিত বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সে.মি. আমরা জানি, বর্গের কর্ণ = বাহু × √২ অতএব, বর্গের কর্ণ = ক√২ সে.মি. অতএব, বৃত্তের ব্যাস = ২ × ১০√২ = ২০√২ সে.মি. শর্তমতে, বর্গের কর্ণ = বৃত্তের ব্যাস সুতরাং, ক√২ = ২০√২ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে √২ বাদ দিলে পাওয়া যায়, ক = ২০ উত্তর: ২০ সে.মি.

মোট প্রশ্ন (29)

a রাখাইন
b মণিপুরী
c চাকমা
d গারো
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গারো কেন সঠিক: - ওয়ানগালা গারো সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব, যা মূলত নববর্ষ বা নতুন ফসল তোলার উৎসব হিসেবে উদযাপিত হয়। - এই উৎসবে গারোরা তাদের প্রধান দেবতা সালজং বা মিসিগ সালজংকে নতুন ফসল উৎসর্গ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাখাইন — রাখাইন সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রধান সামাজিক উৎসব হলো সাংগ্রাই বা জলকেলি উৎসব। B) মণিপুরী — মণিপুরী সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব হলো ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব। C) চাকমা — চাকমা সম্প্রদায়ের প্রধান ও সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব হলো তিন দিনব্যাপী উদযাপিত বিজু উৎসব। D) গারো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: গারোদের ওয়ানগালা উৎসব মনে রাখতে "গা" দিয়ে গারো এবং "গা" দিয়ে ওয়ানগালা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a ৫ সে.মি.
b ১০ সে.মি.
c ২৫ সে.মি.
d ৫০ সে.মি.
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ সে.মি. কেন সঠিক: - স্বাভাবিক চোখের সিলিয়ারি পেশির একটি নির্দিষ্ট সংকোচন ক্ষমতার কারণে চোখের সামনে ২৫ সেন্টিমিটারের কম দূরত্বে কোনো বস্তু রাখলে তা স্পষ্ট দেখা যায় না। - চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের দৃষ্টির সুনির্দিষ্ট নীতি অনুযায়ী সুস্থ চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব ধরা হয় ২৫ সেন্টিমিটার বা দশ ইঞ্চি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ সে.মি. — এই দূরত্বে কোনো বস্তু রাখলে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং চোখের পক্ষে ফোকাস করা অসম্ভব হয়ে যায়। B) ১০ সে.মি. — সুস্থ মানুষের চোখের পক্ষে এই কম দূরত্বে বস্তু পরিষ্কার দেখা সম্ভব নয়, কারণ এটি স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম সীমার বাইরে। D) ৫০ সে.মি. — এই দূরত্বে অনেক বস্তু দেখা গেলেও এটি স্বাভাবিক চোখের ন্যূনতম স্পষ্ট দৃষ্টির দূরত্ব নয়, বরং এটি অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: চোখের স্পষ্ট দেখার কথা মনে রাখতে ইংরেজিতে দশ ইঞ্চির মাপটি মনে রাখুন, যা সেন্টিমিটারে রূপান্তরিত করলে পঁচিশ হয়।
a মাদ্রিদ
b সোফিয়া
c হেলসিংকি
d বেলগ্রেড
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাদ্রিদ কেন সঠিক: - মাদ্রিদ ইউরোপের দেশ স্পেনের রাজধানী এবং এর বৃহত্তম শহর। - এটি দেশটির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং সঠিক উত্তর। B) সোফিয়া — এটি বুলগেরিয়ার রাজধানী, তাই স্পেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) হেলসিংকি — এটি ফিনল্যান্ডের রাজধানী, তাই স্পেনের রাজধানী নয়। D) বেলগ্রেড — এটি সার্বিয়ার রাজধানী, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: স্পেনের সাথে মাদ্রিদ নামটি মনে রাখতে স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের কথা স্মরণ করতে পারো।
a পাহাড়
b চা বাগান
c ম্যানগ্রোভ বন
d গ্যাস
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যানগ্রোভ বন কেন সঠিক: - সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বা জোয়ারভাটার বনভূমি, যা লবণাক্ত পানিতে জন্মে। - এখানকার প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী গাছের নামানুসারে এই বনের নাম সুন্দরবন রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড় — সুন্দরবন কোনো পাহাড়ি অঞ্চল নয়, এটি মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি সমতল বদ্বীপ অঞ্চল। B) চা বাগান — চা বাগান প্রধানত মৌলভীবাজার, সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি ঢালু মাটিতে জন্মে, যা সুন্দরবনে নেই। C) ম্যানগ্রোভ বন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সুন্দরবন একটি বিশ্বখ্যাত ম্যানগ্রোভ বনভূমি। D) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলে পাওয়া গেলেও সুন্দরবন গ্যাস সম্পদের জন্য বিখ্যাত নয়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবন মানেই সুন্দর গাছযুক্ত লবণাক্ত পানির ম্যানগ্রোভ বন।
a উচ্চ রক্তচাপ
b মানসিক বিকাশে বাধা
c হাড় ভেঙ্গে যাওয়া
d দৃষ্টিশক্তি হ্রাস
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানসিক বিকাশে বাধা কেন সঠিক: - সীসা একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ভারী ধাতু যা মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। - শিশুদের রক্তে সীসা প্রবেশ করলে তাদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং বুদ্ধিমত্তা কমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উচ্চ রক্তচাপ — এটি মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী সীসা দূষণের ফল, তবে শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ও প্রধান ক্ষতি হলো মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়া। B) মানসিক বিকাশে বাধা — এটি শিশুদের ক্ষেত্রে সীসা বিষক্রিয়ার সবচেয়ে প্রধান ও প্রামাণ্য স্বাস্থ্যঝুঁকি। C) হাড় ভেঙ্গে যাওয়া — সীসা ক্যালসিয়ামের সাথে মিশে হাড়ে জমা হতে পারে, তবে সরাসরি হাড় ভেঙ্গে যাওয়া সীসা বিষক্রিয়ার প্রধান শিশুতোষ লক্ষণ নয়। D) দৃষ্টিশক্তি হ্রাস — এটি সীসার প্রত্যক্ষ ও প্রধান প্রভাব নয়, দৃষ্টিশক্তির সমস্যার পেছনে সাধারণত অন্যান্য শারীরিক কারণ থাকে। মনে রাখার টিপস: শিশুদের ক্ষেত্রে সীসা বিষক্রিয়া মানেই মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং মানসিক বিকাশে বাধা।
a রাজশাহী
b পাবনা
c সিরাজগঞ্জ
d নারায়ণগঞ্জ
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাবনা কেন সঠিক: - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি দেশের প্রথম এবং একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এটি একটি বিভাগ ও জেলা হলেও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখানে অবস্থিত নয়। B) পাবনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভৌগোলিক অবস্থান। C) সিরাজগঞ্জ — এটি যমুনা নদীর পাড়ে অবস্থিত একটি জেলা যা রূপপুরের নিকটবর্তী হলেও এই প্রকল্পের অবস্থান নয়। D) নারায়ণগঞ্জ — এটি রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী একটি শিল্পপ্রধান জেলা এবং রূপপুরের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: পদ্মাতীরের পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত।
a O2
b CO2
c Cl2
d N2
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cl2 কেন সঠিক: - রক্তরসে প্রধানত অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন গ্যাস দ্রবীভূত অবস্থায় পরিবাহিত হয়। - ক্লোরিন গ্যাস রক্তরসে মুক্ত বা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে না, বরং এটি ক্লোরাইড আয়ন হিসেবে লবণের অংশ হিসেবে রক্তে উপস্থিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) O2 — এটি রক্তরসের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে শরীরের কোষে পরিবাহিত হয়। B) CO2 — এটি কোষ থেকে ফুসফুসে পরিবহনের জন্য রক্তরসে দ্রবীভূত থাকে। C) Cl2 — এটি বিষাক্ত ও মুক্ত গ্যাস হিসেবে রক্তরসে থাকে না, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) N2 — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা রক্তরসে সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্তে প্রয়োজনীয় ও উপকারী গ্যাস যেমন অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকে, কিন্তু মুক্ত ক্লোরিন গ্যাস থাকে না।
a মালয়
b হিন্দি
c দিভেহি
d তামিল
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দিভেহি কেন সঠিক: - দিভেহি ভাষা হলো মালদ্বীপের রাষ্ট্রভাষা এবং দ্বীপ দেশটির মানুষের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। - এই ভাষাটি ইন্দো-আর্য ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে যাকে থানা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয় — এটি প্রধানত মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ব্রুনাইয়ের ভাষা, মালদ্বীপের ভাষা নয়। B) হিন্দি — এটি ভারতের প্রধান ভাষা, মালদ্বীপের সঙ্গে এর সরাসরি ভাষাগত সম্পর্ক নেই। C) দিভেহি — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং মালদ্বীপের প্রধান ভাষা। D) তামিল — এটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলঙ্কার একটি প্রধান ভাষা, মালদ্বীপের ভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: মালদ্বীপের মুদ্রার নাম রুফিয়া আর প্রধান ভাষার নাম দিভেহি, যা মনে রাখা সহজ।
a প্যারিস
b ওয়াশিংটন ডিসি
c জেনেভা
d রোম
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়াশিংটন ডিসি প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক হলো আন্তর্জাতিক অর্থ ও উন্নয়ন সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এটি গঠিত হয় এবং এর কার্যক্রম ওই শহর থেকেই পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো ও ওইসিডির সদর দপ্তর, বিশ্বব্যাংকের নয়। B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ডব্লিউটিও-এর সদর দপ্তর। D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: টাকার ব্যাংক বা বিশ্বব্যাংকের বড় অফিস আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c পটুয়াখালী
d সিলেট
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা কেন সঠিক: - বাকল্যান্ড বাঁধ বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় অবস্থিত। - উনিশ শতকে শহর রক্ষা ও নদী তীর উন্নয়নের জন্য এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাঁধটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকায় অবস্থিত। B) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) পটুয়াখালী — এটি পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) সিলেট — এটি সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বুড়িগঙ্গা নদীর তীর এবং ঢাকা শহর মনে রাখলেই বাকল্যান্ড বাঁধের সঠিক অবস্থান চিনে নেওয়া সহজ হয়।
a গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
b বাংলাদেশ
c বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র
d জনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হলো সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদে নির্ধারিত আমাদের রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম। - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে এই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ — এটি দেশের সাংবিধানিক ও পূর্ণাঙ্গ নাম হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) বাংলাদেশ — এটি দেশের সংক্ষিপ্ত বা ভূখণ্ডের সাধারণ নাম হলেও সাংবিধানিক বা দাপ্তরিক পূর্ণ নাম নয়। চ) বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র — এই শব্দবিন্যাসটি আমাদের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদের নির্ধারিত আনুষ্ঠানিক নামের সঙ্গে মেলে না। ড) জনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ — 'জনপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি সাংবিধানিকভাবে সঠিক নয়, সংবিধানে 'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদ মনে রাখতে 'গণতন্ত্র' শব্দটির সঙ্গে 'প্রজাতন্ত্রী' যুক্ত করে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামটি মনে রাখবে।
a ভোলা
b পঞ্চগড়
c কক্সবাজার
d সাতক্ষীরা
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) কক্সবাজার কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কক্সবাজার জেলা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। - এই জেলার টেকনাফ উপজেলা বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণের প্রান্তসীমা নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ জেলা হলেও এটি সর্বদক্ষিণের জেলা নয়। B) পঞ্চগড় — পঞ্চগড় বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা, তাই এটি দক্ষিণ অঞ্চলের জন্য সঠিক নয়। D) সাতক্ষীরা — সাতক্ষীরা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এটি দেশের সর্বদক্ষিণের জেলা নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরে তেঁতুলিয়া আর দক্ষিণে টেকনাফ, তাই সর্বদক্ষিণের জেলা হিসেবে টেকনাফ অবস্থিত কক্সবাজার মনে রাখতে হবে।
a চা
b পাট
c মৎস্য
d গার্মেন্টস
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গার্মেন্টস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা গার্মেন্টস খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের উচ্চ চাহিদা এবং বিশাল কর্মসংস্থানের কারণে এটি দেশের প্রধান রপ্তানি খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চা — চা বাংলাদেশের একটি প্রাচীন কৃষিভিত্তিক রপ্তানি পণ্য হলেও এর পরিমাণ ও আয় বর্তমান অর্থনীতিতে অনেক কম। B) পাট — পাট একসময় প্রধান রপ্তানি খাত ছিল, কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কৃত্রিম ফাইবারের ব্যবহার বাড়ায় এর অবস্থান এখন পেছনে চলে গেছে। সি) মৎস্য — মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করলেও তা মোট রপ্তানি আয়ের দিক থেকে গার্মেন্টস খাতের তুলনায় অনেক কম। D) গার্মেন্টস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের রাজা হলো তৈরি পোশাক খাত বা গার্মেন্টস।
a মহাস্থানগড়
b সোনারগাঁ
c ময়নামতি
d পাহাড়পুর
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল। - এর প্রাচীনত্ব মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দ্বারা প্রমাণিত, যা খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে এখানে জনবসতির অস্তিত্ব নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কোনো প্রযোজ্যতা নেই। B) সোনারগাঁ — এটি প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং পানাম নগর এর অর্ন্তভুক্ত হলেও এটি মহাস্থানগড়ের মতো প্রাচীন নয়। C) ময়নামতি — এটি কুমিল্লার একটি প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র এবং সমতট অঞ্চলের অংশ হলেও এটি মহাস্থানগড়ের চেয়ে প্রাচীন নয়। D) পাহাড়পুর — এটি পাল আমলের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর মহাবিহার) এবং প্রাচীন নিদর্শনের দিক থেকেও মহাস্থানগড়ের পরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রাচীনতম স্থান মনে রাখতে মহা শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ মহা মানেই সবচেয়ে বড় বা প্রাচীন।
a ছেঁড়া দ্বীপ
b সেন্টমার্টিন
c মহেশখালী
d হাতিয়া
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) মহেশখালী কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত দ্বীপগুলোর মধ্যে একমাত্র মহেশখালী অঞ্চলেই পাহাড় বা উচ্চভূমি রয়েছে। - কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দিরসহ ছোট-বড় বেশ কিছু পাহাড়ি টিলা বা পাহাড় বিদ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছেঁড়া দ্বীপ — এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের একটি প্রবাল দ্বীপ এবং এখানে কোনো পাহাড় নেই। B) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি সম্পূর্ণ সমতল, কোনো পাহাড়ি এলাকা নয়। C) মহেশখালী — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত একটি পলল দ্বীপ বা চর অঞ্চল, যেখানে কোনো পাহাড় নেই। মনে রাখার টিপস: মহেশখালীর নামের সাথে পাহাড়ের উচ্চতা বা আদি নাথ পাহাড়ের কথা মনে রাখলে সহজেই একে অন্যান্য সমতল দ্বীপ থেকে আলাদা করা যায়।
a সবুজ পাতা
b জবা ফুল
c লাল কাপড়
d রজনীগন্ধা ফুল
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সবুজ পাতা কেন সঠিক: - সবুজ পাতা লাল আলো শোষণ করে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না। - অন্ধকার ঘরে লাল আলোতে সবুজ পাতা কালো দেখায় কারণ তা থেকে কোনো আলো চোখে আসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবুজ পাতা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ লাল আলোতে সবুজ বস্তু কালো দেখায়। B) জবা ফুল — এটি লাল রঙের হওয়ায় লাল আলো প্রতিফলিত করে লাল দেখাবে, কালো নয়। C) লাল কাপড় — এটি লাল রঙের হওয়ায় লাল আলো প্রতিফলিত করে লাল দেখাবে, কালো নয়। D) রজনীগন্ধা ফুল — এটি সাদা রঙের হওয়ায় লাল আলো প্রতিফলিত করে লাল দেখাবে, কালো নয়। মনে রাখার টিপস: অপরিচিত রঙের আলোতে অন্য রঙের বস্তু কালো দেখায় কারণ সেটি আলো শোষণ করে।
a জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
b অর্থ মন্ত্রণালয়
c প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
d পরিকল্পনা কমিশন
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরিকল্পনা কমিশন কেন সঠিক: - পরিকল্পনা কমিশন বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সহ সকল দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে। - সরকারের এই সাংবিধানিক সংস্থাটি দেশের সম্পদ বরাদ্দ এবং উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণের মূল দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড — এটি সরকারের কর এবং রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে, কোনো পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা তৈরি করে না। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি জাতীয় বাজেট প্রণয়ন, রাষ্ট্রের আয় ও ব্যয়ের হিসাব এবং আর্থিক নীতি পরিচালনা করে, কিন্তু উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি পরিকল্পনা কমিশনের কাজ। C) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সরকারের সর্বোচ্চ নির্বাহী বিভাগ ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও সরাসরি দেশের কোনো পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে না। D) পরিকল্পনা কমিশন — এটি বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নের একমাত্র অনুমোদিত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থা। মনে রাখার টিপস: পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ পরিকল্পনা কমিশনের, ঠিক যেমন রাজস্ব আদায়ের কাজ রাজস্ব বোর্ডের।
a বিএডিসি
b বিএপিএস
c বিএসডি
d বিএআরআই
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিএআরআই কেন সঠিক: - বিএআরআই (BARI) হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা দেশের প্রধান বহুমুখী কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এটি নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি উন্নয়নে সরাসরি কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিএডিসি — এটি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, যা মূলত বীজ ও সার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠান নয়। B) বিএপিএস — এটি কোনো প্রধান কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত বা প্রচলিত নয়। সি) বিএসডি — এটি নির্দিষ্ট কোনো কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান নয়। D) বিএআরআই — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান এবং শীর্ষস্থানীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: গবেষণা বা রিসার্চ বোঝাতে বিএআরআই (BARI) নামের শেষে আই (I - Institute) থাকে, যা কৃষি গবেষণার মূল প্রতিষ্ঠান।
a Web Browser
b Text Editor
c Spreadsheet Software
d Virtual Assistant (যেমন: Siri, Alexa)
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Virtual Assistant (যেমন: Siri, Alexa) কেন সঠিক: - ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের কণ্ঠস্বর বুঝতে ও উত্তর দিতে পারে। - মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এই সফটওয়্যারগুলো ব্যবহারকারীর অভ্যস্ততা থেকে নিজে নিজে শেখে এবং সেবা উন্নত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Web Browser — এটি শুধুমাত্র ইন্টারনেট পাতা দেখার জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ সফটওয়্যার, যার নিজস্ব কোনো বুদ্ধিমত্তা বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই। B) Text Editor — এটি কেবল লেখালেখি ও সম্পাদনার কাজে ব্যবহার করা হয়, এটি কোনো বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম নয়। C) Spreadsheet Software — এটি সংখ্যাভিত্তিক হিসাবনিকাশ ও উপাত্ত বিশ্লেষণের প্রচলিত প্রোগ্রাম, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আওতাভুক্ত নয়। D) Virtual Assistant (যেমন: Siri, Alexa) — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি সরাসরি যুক্ত থাকে। মনে রাখার টিপস: যে সফটওয়্যার নিজে চিন্তা করতে পারে, মানুষের নির্দেশ বুঝে কাজ করতে পারে এবং অভিজ্ঞতা থেকে শেখে, সেটাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।
a বিজয় ৭১
b বিজয় উল্লাস
c বিজয় কেতন
d বিজয় স্তম্ভ
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিজয় কেতন কেন সঠিক: - ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর ও তথ্যকেন্দ্রটির নাম বিজয় কেতন। - এখানে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্বগাথার নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় ৭১ — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নয়। B) বিজয় উল্লাস — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা পরিচিত ঐতিহাসিক স্থাপনা বা জাদুঘরের নাম নয়। C) বিজয় কেতন — এটি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সঠিক নাম। D) বিজয় স্তম্ভ — এটি সাধারণত কোনো স্মৃতিস্তম্ভকে বোঝায়, সেনানিবাসের এই নির্দিষ্ট জাদুঘরকে নয়। মনে রাখার টিপস: সেনানিবাসের জাদুঘর মানেই পতাকা বা কেতন উড়ানোর ব্যাপার, তাই মনে রাখুন ঢাকা সেনানিবাসের জাদুঘর হলো বিজয় কেতন।
a প্যারিস
b ওয়াশিংটন ডিসি
c সানফ্রান্সিসকো
d ওয়েলিংটন
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সানফ্রান্সিসকো কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়। - একই বছরের ২৪ অক্টোবর সনদটি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ যাত্রা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, যা জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দপ্তর অবস্থিত, যা এই সনদের স্বাক্ষরের স্থান নয়। C) সানফ্রান্সিসকো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরের কনফারেন্সে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত ও গৃহীত হয়েছিল। D) ওয়েলিংটন — এটি নিউজিল্যান্ডের রাজধানী এবং এটি আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে জাতিসংঘ সনদ প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে সনদে স্বাক্ষর করে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তাই সানফ্রান্সিসকো মানেই জাতিসংঘ সনদের জন্মস্থান।
a সাহারা
b আরব
c রাবআলখালি
d লাদাখ
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) লাদাখ কেন সঠিক: - লাদাখ ভারতের একটি উচ্চ উচ্চতার ঠান্ডা মরুভূমি অঞ্চল, যেখানে শীতকালে তাপমাত্রা অনেক নিচে নেমে যায় এবং বৃষ্টিপাত খুবই কম হয়। - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি হিমালয়ের বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে অবস্থিত, যা একে শুষ্ক ও শীতল মরুভূমিতে পরিণত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহারা — এটি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি, যা আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত এবং প্রচণ্ড গরমের জন্য পরিচিত। B) আরব — এটি একটি বিশাল উষ্ণ ও বালুকাময় মরুভূমি অঞ্চল, যা আরব উপদ্বীপে অবস্থিত। C) রাবআলখালি — এটি আরব মরুভূমির দক্ষিণ অংশ জুড়ে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম উষ্ণ বালুকাময় মরুভূমি। D) লাদাখ — এটি প্রদত্ত উত্তরের সঠিক অপশন এবং এটি একটি শীতল মরুভূমি। মনে রাখার টিপস: উষ্ণ মরুভূমির জন্য সাহারা মনে রাখলেও, ঠান্ডা বা শীতল মরুভূমির প্রশ্ন এলে ভারতের লাদাখ অঞ্চলকে মনে রাখবে।
a শিকাগো
b কায়রো
c জেরুজালেম
d দামেস্ক
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিকাগো কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্রর শিকাগো শহরটি উনিশ শতকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কসাইখানা শিল্পের কেন্দ্র ছিল। - উপ্টন সিনক্লেয়ার তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস দ্য জঙ্গল গ্রন্থে এই শহরের কসাইখানার অমানবিক পরিবেশ ফুটিয়ে তোলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিকাগো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। B) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী ও ঐতিহাসিক শহর, যা কসাইখানা হিসেবে পরিচিত নয়। C) জেরুজালেম — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রাচীন ও পবিত্র ধর্মীয় নগরী, মাংস শিল্পের জন্য পরিচিত নয়। D) দামেস্ক — এটি সিরিয়ার রাজধানী এবং প্রাচীন ঐতিহাসিক শহর, যা কসাইখানা উপাধির সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: শিকাগো শহরের মাংসের বাজার ও কসাইখানা বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত, তাই শিকাগো নামটির সঙ্গে কসাইখানা শব্দটি মনে রাখবেন।
a এথেন্স
b গ্রিস
c প্রাচীন রোম
d ইরান
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিস কেন সঠিক: - প্রাচীন গ্রিসে খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দী থেকে পুলিশ বা নগর রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়েছিল। - এথেন্স ও স্পার্টার মতো বিখ্যাত নগর রাষ্ট্রগুলো গ্রিসেই গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এথেন্স — এটি একটি নগর রাষ্ট্র ছিল, তবে এটি পুরো অঞ্চলটির প্রতিনিধিত্ব করে না। B) গ্রিস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই প্রাচীনকালে নগর রাষ্ট্রগুলোর উৎপত্তি ঘটেছিল। C) প্রাচীন রোম — রোম মূলত একটি সাম্রাজ্য ছিল, যা নগর রাষ্ট্রের ধারণা ছাড়িয়ে বিশাল অঞ্চল জুড়ে বিস্তার লাভ করেছিল। D) ইরান — প্রাচীন ইরান বা পারস্য সাম্রাজ্য বিশাল আয়তনের রাজতন্ত্র ছিল, নগর রাষ্ট্রভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা সেখানে প্রধান ছিল না। মনে রাখার টিপস: গ্রিক ভূপ্রকৃতি পাহাড়ঘেরা হওয়ায় সেখানে পৃথক নগর রাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল।
a ফোডেন
b এনজো ফার্নান্দেজ
c কানাডিঙ্গা
d অ্যান্টনি
0 47 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এনজো ফার্নান্দেজ কেন সঠিক: - কাতার বিশ্বকাপ-২০২২ এ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড় নির্বাচিত হন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। - আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ে তার অসাধারণ পাসিং এবং মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফোডেন — ইংল্যান্ডের এই প্রতিভাবান মিডফিল্ডার কাতার বিশ্বকাপে খেললেও সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার পাননি। B) এনজো ফার্নান্দেজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) কানাডিঙ্গা — এই নামে কাতার বিশ্বকাপের কোনো মূল স্কোয়াডে পরিচিত উদীয়মান খেলোয়াড় ছিলেন না। D) অ্যান্টনি — ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড কাতার বিশ্বকাপে খেললেও এই বিশেষ পুরস্কার লাভ করেননি। মনে রাখার টিপস: আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের পেছনে তারুণ্যের প্রতীক ছিলেন উদীয়মান সেরা তারকা এনজো ফার্নান্দেজ।
a ভারত
b চীন
c ব্রাজিল
d যুক্তরাষ্ট্র
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা উৎপাদনকারী দেশ এবং বিশ্ব মোট উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি কয়লা এককভাবে উৎপাদন করে থাকে। - দেশটির অভ্যন্তরীণ শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান শক্তির উৎস হলো কয়লা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত কয়লা উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, তাই এটি প্রথম স্থান অধিকারী দেশ নয়। B) চীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ব্রাজিল — ব্রাজিল প্রধানত লোহা ও কৃষিপণ্য উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও শীর্ষ কয়লা উৎপাদনকারী দেশ নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র কয়লা উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি হলেও বর্তমানে চীনের পরেই এর অবস্থান। মনে রাখার টিপস: কয়লার খনিতে চীন সবার শীর্ষে।
a ৬ ইঞ্চি
b ৮ ইঞ্চি
c ৯ ইঞ্চি
d ১০ ইঞ্চি
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ইঞ্চি কেন সঠিক: - মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ১০ ইঞ্চি বা তার কম দৈর্ঘ্যের ইলিশ মাছকে জাটকা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। - জাটকা নিধন নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে এই মাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ ইঞ্চি — এটি জাটকার নির্ধারিত আইনি মাপের চেয়ে অনেক ছোট এবং এই আকারের ইলিশ জাটকা সুরক্ষার বাইরে নয়। B) ৮ ইঞ্চি — এই মাপের ইলিশও জাটকা হিসেবে গণ্য হয়, তবে আইনিভাবে ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত দৈর্ঘ্যকে জাটকা ধরা হয়। C) ৯ ইঞ্চি — এটিও জাটকার আওতাভুক্ত, কিন্তু সঠিক উত্তর হিসেবে ১০ ইঞ্চি নির্ধারিত রয়েছে। D) ১০ ইঞ্চি — এটি আইনগতভাবে নির্ধারিত সর্বোচ্চ মাপ যা জাটকা হিসেবে গণ্য করা হয়। মনে রাখার টিপস: দশ আঙুলে দশ ইঞ্চি, এই মাপে ইলিশ হলো জাটকা।
a পিরেনিজ
b ইউরাল
c আল্পস
d কারাকোরাম
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউরাল কেন সঠিক: - ইউরাল পর্বতমালা রাশিয়ায় অবস্থিত এবং এটি ভৌগোলিকভাবে এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে। - এই পর্বতমালাটি উত্তরে আর্টিক মহাসাগর থেকে দক্ষিণে উরাল নদী পর্যন্ত বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিরেনিজ — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপে অবস্থিত এবং এটি স্পেন ও ফ্রান্সকে পৃথক করেছে। B) ইউরাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি এশিয়া ও ইউরোপকে বিভক্ত করেছে। C) আল্পস — এটি মধ্য ইউরোপের প্রধান পর্বতমালা এবং এটি ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে বিভক্ত করেছে। D) কারাকোরাম — এটি এশিয়ার একটি বিশাল পর্বতমালা এবং এটি মূলত ভারত, চীন ও পাকিস্তানের সীমান্তে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইউরোপ ও এশিয়ার সীমানা মনে রাখতে ইউরাল নামটির সাথে ইউরো শব্দটির মিল খুঁজে নিতে পারেন।
a শুক্রবার
b মঙ্গলবার
c বুধবার
d বৃহস্পতি বার
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: যুক্তি, বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধান সঠিক উত্তর: C) বুধবার কেন সঠিক: - প্রতি সাত দিন পর একই বার পুনরাবৃত্তি হয়, তাই ৩৫৩ দিনকে সাত দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট দিন পাওয়া যায়। - ৩৫৩ কে সাত দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ হয় তিন দিন, অর্থাৎ রবিবার থেকে তিন দিন সামনে গেলে বুধবার হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুক্রবার — রবিবার থেকে তিন দিন সামনে গেলে শুক্রবার হয় না, এটি ভুল গণনার ফল। B) মঙ্গলবার — রবিবার থেকে দুই দিন সামনে গেলে মঙ্গলবার হয়, যা সঠিক অবশিষ্টের সঙ্গে মেলে না। C) বুধবার — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী প্রাপ্ত বার, যা ৩৫৩ দিন পরের সঠিক দিন নির্দেশ করে। D) বৃহস্পতি বার — রবিবার থেকে চার দিন সামনে গেলে বৃহস্পতিবার হয়, যা ভুল অবশিষ্টের ফল। মনে রাখার টিপস: দিন বের করার অঙ্কে মোট দিনকে সাত দিয়ে ভাগ করে অবশিষ্ট দিনগুলো বর্তমান বারের সাথে যোগ করতে হয়।