বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষে স্নাতক (পাস) কলেজে অধ্যক্ষ পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: অধ্যক্ষ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a ষো + রস
b যট্ + দশ
c ষড় + দশ
d ষোড় + দশ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যট্ + দশ কেন সঠিক: - যট্ শব্দের ট এবং দশ শব্দের দ মিলে ড হয়েছে। - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে প্রথম পদের শেষের ট-বর্গীয় ধ্বনি এবং দ্বিতীয় পদের শুরুর দ মিলে এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী ট বা ঠ এর পরে দ বা ধ থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে ড বা ঢ হয়। - এই নিয়মে যট্ যুক্ত দশ সমান ষোড়শ গঠিত হয়। - যেমন ষট্ যুক্ত দর্শন সমান ষোড়দর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ষো + রস — এটি কোনো ব্যাকরণসম্মত সন্ধি বিচ্ছেদ নয়। - B) যট্ + দশ — এটি সঠিক উত্তর। - C) ষড় + দশ — এখানে প্রথম পদে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। - D) ষোড় + দশ — ষোড় কোনো মূল শব্দ বা প্রত্যয় নয়। মনে রাখার টিপস: - ষোড়শ শব্দ দেখলে যট্ এবং দশ এর সন্ধি মনে রাখবে।
a আরবি
b ফারসি
c তুর্কি
d পর্তুগিজ
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ১. কেন সঠিক: 'আসমান' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর অর্থ আকাশ বা গগন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে ফারসি শব্দ একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রয়োজনে বাংলায় বহু ফারসি শব্দ প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরফ ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি শব্দ যা প্রাত্যহিক জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চশমা ব্যাখ্যা: এটিও ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে 'আল্লাহ', 'ইসলাম', 'কুরআন' ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু 'আসমান' আরবি নয়। B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'আসমান' ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। C) তুর্কি — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো 'দারোগা', 'কোচ', 'তোপ' ইত্যাদি কিন্তু 'আসমান' তুর্কি শব্দ নয়। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষার শব্দ হলো 'আনারস', 'চাবি', 'বালতি' ইত্যাদি কিন্তু 'আসমান' পর্তুগিজ শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রকৃতি সংক্রান্ত কিছু ফারসি শব্দ যেমন আসমান, বরফ ও জমি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। খাদ্য ও পোশাক সম্পর্কিত ফারসি শব্দগুলো আলাদা তালিকা করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলোর তালিকা থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকে। প্রকৃতি ও দৈনন্দিন ব্যবহার্য ফারসি শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a সমস্ত পদ
b সমসমান পদ
c পূর্বপদ
d পরপদ
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমস্ত পদ ১. কেন সঠিক: সমাস প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ মিলিত হয়ে একটি নতুন পদ গঠন করে, আর এই মিলিত পদটিকে সমস্ত পদ বলা হয়। সমাসের মাধ্যমে পদের সংকোচন ঘটে এবং নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়, যেখানে একাধিক পদের মিলন সম্পন্ন হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক পদের একপদ হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে এবং সেই নিষ্পন্ন পদটিই সমস্ত পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে সিংহ, চিহ্নিত এবং আসন পদগুলো মিলে সমস্ত পদ সিংহাসন গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এখানে তুষার, ন্যায় এবং শুভ্র পদগুলো একত্রিত হয়ে সমস্ত পদ তুষারশুভ্র তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমস্ত পদ — এটি সঠিক কারণ সমাসবদ্ধ পদকে সমস্ত পদ বলা হয়। B) সমসমান পদ — এটি ভুল কারণ যে পদগুলো মিলে সমাস হয়, তাদের প্রত্যেকটিকে সমসমান পদ বলে। C) পূর্বপদ — এটি ভুল কারণ সমাসবদ্ধ পদের প্রথম পদকে পূর্বপদ বলা হয়, সমস্ত পদ পুরো পদটিকে বোঝায়। D) পরপদ — এটি ভুল কারণ সমাসবদ্ধ পদের পরবর্তী বা শেষ পদকে পরপদ বা উত্তরপদ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাসবদ্ধ পদ মানেই সব পদের সমস্ত বা সমষ্টি, তাই একে সমস্ত পদ বলে। যেগুলো সমাস সমানভাবে গঠন করে, তারা হলো সমসমান পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমস্ত পদ ভেঙে যে বাক্যাংশ তৈরি করা হয় তাকে ব্যাসব্যাক্স বা বিগ্রহবাক্য বলে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমস্ত পদ এবং সমসমান পদের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
a বিভক্তিযুক্ত পদকে
b সমসমান পদকে
c বিভক্তিহীন পদকে
d সমস্ত পদকে
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিভক্তিহীন পদকে ১. কেন সঠিক: - প্রাতিপদিক হলো মূলত বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ। - বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগের অবস্থাকে প্রাতিপদিক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে এবং একে শব্দের মূল বা ধাতুও বলা চলে। - প্রাতিপদিক শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম একটি বিভক্তিহীন শব্দ, তাই এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভক্তিযুক্ত পদকে — এটি ভুল কারণ বিভক্তিযুক্ত শব্দকে পদ বলা হয়, প্রাতিপদিক নয়। B) সমসমান পদকে — এটি ভুল কারণ সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে সমসমান পদ বলে। C) বিভক্তিহীন পদকে — এটি সঠিক কারণ প্রাতিপদিক মানেই হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ। D) সমস্ত পদকে — এটি ভুল কারণ সমাসের সাহায্যে গঠিত নতুন পদকে সমস্ত পদ বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাতিপদিক মানে হলো প্রতি + পদ + ইক, অর্থাৎ পদের প্রাথমিক রূপ যেখানে কোনো বিভক্তি থাকে না। - মনে রাখবে, বিভক্তিহীন মানেই প্রাতিপদিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই আসে নামশব্দের মূল রূপকে কী বলে, যার উত্তর প্রাতিপদিক। - বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগের রূপ এবং পদের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
a বিশেষণের অতিশয়ন
b রূপবাচক বিশেষণ
c উপাদানবাচক বিশেষণ
d বিধেয় বিশেষণ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষণের অতিশয়ন ১. কেন সঠিক: এখানে ‘সোনা’ শব্দটি আক্ষরিক অর্থে ধাতু বা উপাদান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি। বরং এ মাটির মান ও গুরুত্ব অন্য সবকিছুর চেয়ে যে অনেক বেশি এবং তা অতুলনীয়, সেই ভাব প্রকাশ করতে ‘সোনার বাড়া’ অর্থাৎ সোনার চেয়েও দামি বা শ্রেষ্ঠ বোঝানো হয়েছে। বিশেষ্য পদ যখন অন্য কোনো বিশেষ্য পদের তুলনায় গুণ বা মূল্যের দিক থেকে শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকর্ষ প্রকাশ করে, তখন তা ব্যাকরণের নিয়মে বিশেষণের অতিশয়ন হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যিনি বা যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। বিশেষণের অতিশয়ন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে দুই বা ততোধিক বস্তু বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা করে কোনো একটিকে অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি বা কম গুণসম্পন্ন বলে চিহ্নিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ দেশের আকাশ আমাদের কাছে সবুজের চেয়েও সুন্দর। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি বিষয়ের তুলনার মাধ্যমে আকাশের রূপের উৎকর্ষ বা অতিশয়ন প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলার রূপ পৃথিবীর সব রূপকে ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: এটি বাংলার সৌন্দর্যের অতিশয়ন বা শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের একটি কাব্যিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণের অতিশয়ন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ক্যাটাগরিতে পড়ে কারণ এখানে তুলনা ও শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানো হয়েছে। B) রূপবাচক বিশেষণ — রূপবাচক বিশেষণ কোনো বস্তুর বাহ্যিক বর্ণ বা রূপ বোঝায় যেমন লাল ফুল বা নীল আকাশ কিন্তু এখানে সোনা রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি। C) উপাদানবাচক বিশেষণ — উপাদানবাচক বিশেষণ কোনো বস্তুর তৈরির উপাদান নির্দেশ করে যেমন সোনার আংটি কিন্তু এখানে মাটি সোনা দিয়ে তৈরি এমন অর্থ প্রকাশ পায়নি। D) বিধেয় বিশেষণ — বিধেয় বিশেষণ বিশেষ্যের পরে বসে তার গুণ প্রকাশ করে যেমন ফুলটি সুন্দর কিন্তু এখানে পদের তুলনা ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রধান বিষয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো বাক্যে যদি সাধারণ উপাদান বা রূপ না বুঝিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকর্ষ বোঝাতে বিশেষ্য পদ ব্যবহৃত হয়, তবে তা সাধারণত বিশেষণের অতিশয়ন হয়। তুলনামূলক বা শ্রেষ্ঠত্বের ভাব লক্ষ্য করলেই অতিশয়ন চিহ্নিত করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ দেখে তাৎক্ষণিক উপাদান বা রূপবাচক মনে করে ভুল করা যাবে না। বাক্যের পুরো অর্থ এবং ভাবার্থ বিশ্লেষণ করে তবেই পদের সঠিক রূপ নির্ণয় করতে হবে।
a কৃতি
b নির্মোক
c অজিন
d করত
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নির্মোক ১. কেন সঠিক: - ‘সাপের খোলস’ এক কথায় প্রকাশ করলে সঠিক শব্দ হয় ‘নির্মোক’। - নির্মোক শব্দের অর্থ হলো খোলস বা ত্যক্ত চর্ম যা সাপ ফেলে দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘের শব্দ ব্যাখ্যা: একে এক কথায় গর্জন বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি ব্যাখ্যা: একে এক কথায় অভূতপূর্ব বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃতি — এর অর্থ হলো কোনো বিশেষ কাজের সাফল্য বা কীর্তিমান ব্যক্তি, যা সাপের খোলসের সঙ্গে মেলে না। B) নির্মোক — এটি সঠিক উত্তর। C) অজিন — এর অর্থ হলো হরিণের চামড়া বা মৃত পশুর চর্ম। D) করত — এর অর্থ হলো হাত দ্বারা কৃত বা সম্পাদিত কর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাপ খোলস বদলায় আর নির্মোক শব্দটির মধ্যেও পরিবর্তনের একটি ভাব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারো। - পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ মুখস্থ রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবজন্তু ও তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন অনুশীলনের সময় মূল শব্দের সঠিক বানান ও অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a ছয়টি
b পাঁচটি
c চারটি
d তিনটি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিনটি ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্য হতে হলে তার তিনটি প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। এগুলো হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের প্রথম গুণ আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। দ্বিতীয় গুণ আসত্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করার জন্য পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে লেখার বা বলার ধারাবাহিকতা। তৃতীয় গুণ যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থের মিল ও ভাবগত সংগতি রক্ষা করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই সম্পূর্ণরূপে বিদ্যমান থাকায় এটি একটি সার্থক বাক্য হয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ষাকালে আকাশে মেঘ ডাকে। ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ এবং grammatically সঠিক বাক্য যেখানে বাক্যের তিনটি গুণই সফলভাবে রক্ষিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয়টি — একটি সার্থক বাক্যের গুণ ছয়টি নয়, কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের প্রধান গুণ মাত্র তিনটি। B) পাঁচটি — বাক্য গঠনে পদের বিভিন্ন শর্ত বা উপাদানের সংখ্যা পাঁচ না হয়ে বাক্যের মূল গুণ হিসেবে তিনটিকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। C) চারটি — বাক্যের প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য চারটির পরিবর্তে প্রমিত ব্যাকরণে তিনটি গুণের কথাই সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। D) তিনটি — এটি সঠিক কারণ একটি সার্থক বাক্যের অপরিহার্য গুণ তিনটি যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আ আ য, অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। এই তিনটি শব্দ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর সহজে নির্বাচন করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যশুদ্ধি বা বাক্যের গুণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে কোনো একটি গুণ অনুপস্থিত থাকলে বাক্যটি সার্থক হয় না।
a প্রথম পুরুষ
b নাম পুরুষ
c উত্তম পুরুষ
d মধ্যম পুরুষ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তম পুরুষ ১. কেন সঠিক: - সরকারি পত্রে সাধারণত আবেদনকারী বা ঘোষণাকারী নিজে বা নিজেদের পক্ষ থেকে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী আত্মপক্ষ সমর্থনে বা নিজেদের মতামত প্রকাশে উত্তম পুরুষ সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ তিন প্রকার যথা উত্তম পুরুষ মধ্যম পুরুষ ও নাম পুরুষ। - সরকারি পত্র দাপ্তরিক যোগাযোগ স্মারক বা আবেদনের ক্ষেত্রে যেহেতু বক্তব্য প্রদানকারী বা আবেদনকারী নিজে স্বাক্ষর করেন তাই সেখানে উত্তম পুরুষের একবচন যেমন আমি বা বহুচন যেমন আমরা ব্যবহার করা বা এর অন্তর্নিহিত ভাব প্রয়োগ করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি এতদ্বারা বিনীত নিবেদন এই করছি যে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আমি শব্দটি উত্তম পুরুষ নির্দেশ করে যা সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক পত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আমরা উপযুক্ত বিষয়ে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ব্যাখ্যা: এখানে আমরা শব্দটি উত্তম পুরুষের বহুবচন যা দাপ্তরিক চিঠিপত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম পুরুষ — বাংলা ব্যাকরণে প্রথম পুরুষ বলতে কিছু নেই বরং প্রমিত ব্যাকরণে নাম পুরুষকে অনেক সময় প্রথম পুরুষ বলা হলেও সরকারি পত্রে এটি প্রধান নয়। B) নাম পুরুষ — নাম পুরুষ হলো অন্য কোনো ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষকে বোঝাতে ব্যবহৃত সর্বনাম যা সরকারি পত্রে আবেদনকারী নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন না। D) মধ্যম পুরুষ — মধ্যম পুরুষ হলো শ্রোতা বা যার উদ্দেশ্যে কথা বলা হয় যেমন আপনি বা তোমরা যা সরকারি পত্রে লেখকের নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনে ব্যবহার করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সরকারি পত্র মানেই নিজের কথা বা প্রতিষ্ঠানের কথা আর নিজের কথা বলতে সবসময় উত্তম পুরুষ ব্যবহার করতে হয়। - চিঠি লেখার সময় মনে রাখবে আবেদনকারী নিজে যেহেতু বক্তব্য পেশ করেন তাই আমি বা আমরা অর্থাৎ উত্তম পুরুষ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দাপ্তরিক চিঠিপত্র বা স্মারকলিপিতে কোন পুরুষের প্রয়োগ ঘটে এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা ব্যাকরণের পুরুষ প্রকরণ অধ্যায় থেকে এই ধরনের প্রশ্নগুলো খুব সাবধানে উত্তর করতে হবে।
a বাহুল্যতামাত্র
b শুধুমাত্র
c অশ্রুজল
d নির্দেশ্য
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নির্দেশ্য ১. কেন সঠিক: - 'নির্দেশ্য' একটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ শব্দ, যার অর্থ যা নির্দেশ করা বা নির্দেশ করার যোগ্য। - এই শব্দটিতে কোনো বাহুল্য বা অপ্রাসঙ্গিক পদের সংযোজন ঘটেনি, তাই এটি অপপ্রয়োগের কোনো দৃষ্টান্ত নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাহুল্যদোষ বা পদের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বহু শব্দ অপপ্রয়োগে পরিণত হয়। - 'নির্দেশ্য' শব্দটিতে প্রত্যয়গত বা অর্থগত কোনো সংঘাত না থাকায় এটি প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে সম্পূর্ণরূপে গ্রহণযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব মানুষেরা ব্যাখ্যা: এটি একটি অপপ্রয়োগ, কারণ 'সব' ও 'মানুষেরা' উভয়ই বহুবচন নির্দেশ করে, সঠিক রূপ হবে 'সব মানুষ' অথবা 'মানুষেরা'। উদাহরণ ২: একত্রিত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত অপপ্রয়োগ, কারণ 'একত্র' শব্দটির সাথে 'িত' প্রত্যয় যুক্ত করে 'একত্রিত' করা বাহুল্য, সঠিক রূপ হবে 'একত্র'। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাহুল্যতামাত্র — এটি একটি অপপ্রয়োগ, কারণ 'বাহুল্য' শব্দের অর্থই অতিরিক্ত বা মাত্রাতিরিক্ত, তাই এর সাথে 'মাত্র' যুক্ত করা বাহুল্যদোষে দুষ্ট। B) শুধুমাত্র — এটি একটি অপপ্রয়োগ, কারণ 'শুধু' এবং 'মাত্র' সমার্থক শব্দ, দুটি একসাথে ব্যবহার না করে যেকোনো একটি ব্যবহার করতে হয়। C) অশ্রুজল — এটি একটি অপপ্রয়োগ, কারণ 'অশ্রু' অর্থই চোখের জল, তাই 'অশ্রুর সাথে 'জল' যুক্ত করা অর্থগত পুনরুক্তি বা বাহুল্য। D) নির্দেশ্য — এটি সঠিক শব্দ এবং অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত নয়, তাই এটিই প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমার্থক বা অতিরিক্ত অর্থ প্রকাশ করে এমন দুটি শব্দ একসাথে ব্যবহার করলে তা সাধারণত বাহুল্য বা অপপ্রয়োগ হয়। - শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে জানলে অপপ্রয়োগ সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি ও অপপ্রয়োগ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - 'সব সব', 'সব পক্ষগণ', বা 'অবশ্যই অবধারিত' জাতীয় বাহুল্য শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a গ্রাম -> গেরাম
b বেঙ্গ -> বেঙ্গ্ত্রি
c স্টেশন -> ইস্টিশন
d প্রেক -> পেরেক
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্টেশন ইস্টিশন ১. কেন সঠিক: দ্রুত উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা উচ্চারণের তাড়নায় শব্দের আদিতে, মাঝে বা অন্তে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে স্বরগম বলা হয়। স্টেশন শব্দটি যখন উচ্চারিত হয়, তখন উচ্চারণ সহজ করার জন্য তার শুরুতে একটি ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্টিশন হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে আদি স্বরগম বা প্রথমাগম বলা হয়। বিশেষ করে ঋণশব্দের উচ্চারণ সহজ করতে বাংলাভাষীরা শব্দের শুরুতে ই বা উ ধ্বনি যুক্ত করে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্কুল থেকে ইস্কুল ব্যাখ্যা: স্কুল শব্দটির উচ্চারণে সহজতার জন্য শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্কুল হয়েছে। উদাহরণ ২: স্পৃহা থেকে ইস্পৃহা ব্যাখ্যা: স্পৃহা শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে আদি স্বরগমের মাধ্যমে ইস্পৃহা রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম থেকে গেরাম — এটি মধ্য স্বরগম বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ কারণ এখানে শব্দের মাঝখানে ই স্বরধ্বনি এসেছে। B) বেঙ্গ থেকে বেঙ্গ্ত্রি — এটি এই প্রশ্নের আদলে আদি স্বরগমের সঠিক উদাহরণ নয় এবং এটি অন্য ধ্বনি পরিবর্তনের অন্তর্ভুক্ত। D) প্রেক থেকে পেরেক — এটি মধ্য স্বরগম বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ কারণ এখানে প এবং র এর মাঝখানে এ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আদি স্বরগম মনে রাখতে মাথায় রাখবে শব্দের শুরুতে ই বা উ ধ্বনির আগমন ঘটে। স্টেশন থেকে ইস্টিশন বা স্কুল থেকে ইস্কুল বললেই আদি স্বরগম চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বর আসলে তা আদি স্বরগম হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a don't they
b isn't it
c doesn't he
d doesn't its
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) don't they কেন সঠিক: - বাক্যের সাবজেক্ট Everybody অনির্দিষ্টবাচক প্রোনাউন হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনে তার পরিবর্তে plural প্রোনাউন they ব্যবহৃত হয়। - মূল বাক্যটি affirmative (হ্যাঁ-বোধকতা) হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি negative (না-বোধকতা) এবং present indefinite tense অনুযায়ী don't হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) don't they — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর গঠন এবং প্রোনাউনের ব্যবহার প্রশ্ন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল। B) isn't it — এটি ভুল, কারণ Everybody ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যার জন্য it প্রোনাউন ব্যবহার করা যায় না। C) doesn't he — এটি ভুল, কারণ Everybody বা Everyone বুঝাতে singular প্রোনাউন he না বসিয়ে they বসাতে হয়। D) doesn't its — এটি ভুল, কারণ its হলো possessive form এবং এটি কোনো ট্যাগের সাবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Everybody বা Everyone যুক্ত বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেনে সবসময় don't they বা didn't they ব্যবহার করতে হয়।
a Happy
b Unhappy
c Angry
d Rich
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Happy কেন সঠিক: content শব্দের অর্থ হলো সন্তুষ্ট বা খুশি থাকা। Happy শব্দের অর্থও খুশি বা আনন্দিত। তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Happy — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ সন্তুষ্ট। B) Unhappy — এর অর্থ অখুশি বা অসন্তুষ্ট, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। C) Angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা content শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) Rich — এর অর্থ ধনী, যা মানসিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Content মানে মনের ভেতর শান্তি থাকা, তাই এর সমার্থক শব্দ হলো Happy।
a The address of the receiver.
b The address of the writer.
c The signature of the writer.
d The body of the letter.
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The body of the letter. কেন সঠিক: চিঠির মূল উদ্দেশ্য বা বার্তা এই অংশে লেখা থাকে। তাই এটি চিঠির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The address of the receiver. — এটি শুধু প্রাপককে শনাক্ত করতে সাহায্য করে কিন্তু মূল বার্তা বহন করে না। B) The address of the writer. — এটি প্রেরকের অবস্থান জানায় তবে চিঠির মূল ভাব প্রকাশ করে না। C) The signature of the writer. — এটি লেখকের পরিচয় নিশ্চিত করে কিন্তু চিঠির মূল তথ্য এটি নয়। D) The body of the letter. — এটি চিঠির মূল অংশ যা সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: চিঠির প্রাণ হলো তার মূল বক্তব্য, তাই body হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
a a brother
b a sister
c a brother or sister
d a brother and sister
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a brother or sister কেন সঠিক: ‘Sibling’ শব্দের অর্থ হলো সহোদর ভাই অথবা বোন। অর্থাৎ একই পিতা-মাতার সন্তানকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a brother — এটি শুধু ভাইকে বোঝায়, কিন্তু বোনকেও এর মধ্যে থাকতে হয়। B) a sister — এটি শুধু বোনকে বোঝায়, কিন্তু ভাইকেও এর মধ্যে থাকতে হয়। C) a brother or sister — এটি সঠিক কারণ এতে ভাই ও বোন উভয়কেই বোঝায়। D) a brother and sister — এটি ভুল কারণ এতে একসাথে উভয়কে বোঝায়, কিন্তু আলাদাভাবে যেকোনো একজনকেও বোঝাতে পারে। মনে রাখার টিপস: ‘Sibling’ শুনলেই মনে রাখবে এটি ভাই বা বোন যেকোনো একজনকে বোঝায়।
a I was annoyed by her.
b I was annoyed by her conduct.
c I was annoyed at her conduct.
d I was annoyed for her conduct
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was annoyed at her conduct. কেন সঠিক: Active voice এর subject (His conduct) passive voice এ object হবে এবং object (me) subject (I) হবে। ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ের ওপর রাগ প্রকাশ করলে annoyed এর পরে by না বসে at বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was annoyed by her — এখানে pronoun ভুল দেওয়া হয়েছে এবং at এর পরিবর্তে by ব্যবহার করা হয়েছে। B) I was annoyed by her conduct — এখানে conduct ঠিক থাকলেও preposition হিসেবে by ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। C) I was annoyed at her conduct — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি করা হয়েছে। D) I was annoyed for her conduct — এখানে preposition হিসেবে for এর ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বস্তু বা আচরণের ওপর বিরক্ত হলে annoyed এর পরে at বসে এবং ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হলে with বসে।
a at
b to
c after
d upon
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) upon কেন সঠিক: বাক્યটিতে গরিবদের অবজ্ঞা না করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। তাই এখানে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে upon ব্যবহৃত হবে। look down upon একটিPhrasal verb যার অর্থ অবজ্ঞা করা বা ঘৃণা করা। অন্য কোনো প্রিপজিশন এই অর্থের সাথে মিলে না। এই বিশেষ অর্থ প্রকাশের জন্য upon ছাড়া অন্য শব্দ সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — look at অর্থ তাকানো, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না। B) to — look to অর্থ আশা করা বা মনোযোগ দেওয়া, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) after — look after অর্থ দেখাশোনা করা, যা গরিবদের অবজ্ঞা না করার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। D) upon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: কাউকে অবজ্ঞা করা বা ছোট চোখে দেখা বোঝাতে সবসময় look down এর পরে upon ব্যবহার করবে।
a we had nailed boots on
b it was good walking on the road
c the walk was refreshing
d the nails bit on the frozen roads
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) we had nailed boots on কেন সঠিক: রাডার বা বরফযুক্ত কঠিন রাস্তায় হাঁটার সময় পায়ের জুতো পিছলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু না লাগনো জুতো বা nailed boots বরফের ওপর দৃঢ় पकड़ তৈরি করে হাঁটাকে সহজ করে তোলে। এই বিশেষ জুতোর কারণে রাস্তার কাঠিন্য বা কষ্ট আমাদের মনে কোনো বিরক্তি তৈরি করতে পারেনি। তাই বরফ বা কঠিন রাস্তায় চলার এই প্রস্তুতি আমাদের ক্লান্তি ভুলিয়ে দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এই বিশেষ জুতো বরফ বা কঠিন রাস্তায় হাঁটার জন্য সবচেয়ে উপযোগী ছিল। B) it was good walking on the road — রাস্তাটি ভালো হাঁটার উপযোগী ছিল না বরং সেটি অত্যন্ত কঠিন ও বরফাবৃত ছিল। C) the walk was refreshing — হাঁটাটি সতেজায়ক ছিল না বরং কঠিন রাস্তার কারণে সেটি বেশ কষ্টকর হওয়ার কথা ছিল। D) the nails bit on the frozen roads — এটি কারণের অংশ হলেও মূল ঘটনাটি ঘটেছিল আমাদের পায়ে বিশেষ জুতো থাকার কারণে। মনে রাখার টিপস: কঠিন বা বরফাবৃত রাস্তায় হাঁটার সময় সঠিক জুতো বা nailed boots ব্যবহারের কারণে রাস্তার কষ্ট অনুভূত হয় না।
a I am the man who work for you.
b I am the man who works for you.
c I am the man, who am working for you.
d I am a man who work for you.
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I am the man who works for you. কেন সঠিক: বাক্যের মাঝে থাকা Relative Pronoun 'who' তার ঠিক আগের Noun বা Pronoun কে antecedent হিসেবে ধরে। এখানে 'who' এর আগের Noun হলো 'the man', যা Third Person Singular Number। তাই এর পরের verb টিও Singular Number অর্থাৎ 'works' হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am the man who work for you. — এখানে 'who' এর antecedent হলো 'the man', কিন্তু verb হিসেবে Plural 'work' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I am the man who works for you. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে antecedent অনুযায়ী সঠিক singular verb ব্যবহার করা হয়েছে। C) I am the man, who am working for you. — এখানে কমা ব্যবহার করা এবং antecedent 'the man' এর পরিবর্তে 'I' কে ধরে verb 'am' ব্যবহার করা নিয়ম বহির্ভূত। D) I am a man who work for you. — এখানে 'a man' এর পরে Singular verb হওয়ার কথা থাকলেও Plural verb 'work' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Relative pronoun এর আগের word অনুযায়ী verb বসবে।
a it was good walking with nails in the boots
b it was sheer joy to walk in the forest
c the path was unaffected by the forest
d the walks were instigating
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) it was sheer joy to walk in the forest কেন সঠিক: পাইন বনের ভেতর দিয়ে হাঁটা সবসময় অত্যন্ত আনন্দের বিষয় ছিল কারণ সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ লেখকদের মনে দারুণ শান্তি দিত। বনের মনোরম সৌন্দর্য পথচারীদের ক্লান্তিকে নিমিষেই দূর করে দিত। এই হাঁটার অভিজ্ঞতা তাদের মনে এক বিশেষ ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nails in the boots — জুতোয় পেরেক থাকার কারণে হাঁটা ভালো লাগার বিষয়টি এখানে মূল কারণ হিসেবে বলা হয়নি। B) it was sheer joy to walk in the forest — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। C) the path was unaffected by the forest — বনের কারণে রাস্তা প্রভাবিত হয়নি এমন কোনো তথ্যের কথা মূল গদ্যে উল্লেখ নেই। D) the walks were instigating — হাঁটাগুলো প্ররোচনামূলক বা উত্তেজনাকর ছিল এমন কোনো অর্থ এখানে প্রকাশ পায়নি। মনে রাখার টিপস: গল্প বা প্রবন্ধের মূল অনুভূতির সাথে মিল রেখে আনন্দের প্রকাশ ঘটায় এমন অপশনটি বেছে নিতে হবে।
a the forest did not harden it
b the travelers wearing boots
c the shoes had nails on their sole and heel
d we enjoyed walking in the woods
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the forest did not harden it কেন সঠিক: বনের মাটি নরম ছিল কারণ সেখানে মানুষের পায়ে হাঁটা বা অন্য কোনো কারণে মাটি শক্ত হওয়ার মতো চাপ পড়েনি। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই বনের ঝরে পড়া পাতা ও মাটির গঠন একে নরম রেখেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the forest did not harden it — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বনের মাটির নরম থাকার সঠিক কারণ ব্যাখ্যা করে। B) the travelers wearing boots — যাত্রীদের জুতো পরা মাটির নরম হওয়ার কারণ হতে পারে না। C) the shoes had nails on their sole and heel — জুতোর নিচে পেরেক থাকা মাটির নরম হওয়ার সঠিক কারণ নয়। D) we enjoyed walking in the woods — বনে হাঁটা উপভোগ করা মাটির নরম হওয়ার কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: বনের মাটি নরম হওয়ার মূল কারণ হলো সেখানে মানুষের তৈরি কোনো কঠিন চাপ বা পাকা রাস্তা তৈরি হয়নি।
a 2^12
b 2^14
c 2^13
d 2^10
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২^১৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৬৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১২৮ ধরি, ৬৪ এর ভিত্তি দুই এবং সূচক গণনা করতে হবে ১২৮ এর ভিত্তি দুই এবং সূচক গণনা করতে হবে অতএব, ৬৪ = ২ × ২ × ২ × ২ × ২ × ২ ৬৪ = ২^৬ দ্বিতীয় হিসাব: ১২৮ = ২ × ২ × ২ × ২ × ২ × ২ × ২ ১২৮ = ২^৭ সুতরাং, ৬৪ × ১২৮ = ২^৬ × ২^৭ উত্তর: ২^(৬ + ৭) = ২^১৩
a ১৭ কি.মি
b ১৫ কি.মি
c ১৪ কি.মি
d ১৩ কি.মি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ কি.মি প্রদত্ত তথ্য: লোকটি A স্থান থেকে উত্তর দিকে গেল = ১২ কিমি সেখান থেকে পূর্ব দিকে গেল = ৫ কিমি ধরি, A স্থান থেকে উত্তর দিকের দূরত্ব = লম্ব (১২ কিমি) পূর্ব দিকের দূরত্ব = ভূমি (৫ কিমি) A অবস্থান থেকে শেষ বিন্দুর সরলরৈখিক দূরত্ব = অতিভুজ অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, অতিভুজ স্কয়ার = (লম্ব স্কয়ার) + (ভূমি স্কয়ার) সুতরাং, দূরত্ব = √(১২ × ১২ + ৫ × ৫) দূরত্ব = √(১৪৪ + ২৫) = √১৬৯ = ১৩ কিমি উত্তর: ১৩ কি.মি
a ২: ৩০ মিনিট
b ৪: ৩০ মিনিট
c ৩: ৩০ মিনিট
d ৬: ৩০ মিনিট
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২: ৩০ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: আয়নায় প্রতিবিম্বের সময় = ৯: ৩০ মিনিট ধরি, প্রকৃত সময় নির্ণয়ের জন্য মানটি ১২:০০ ঘণ্টা থেকে বিয়োগ করতে হবে অতএব, ১২:০০ ঘণ্টাকে ১১:৬০ মিনিট হিসেবে লেখা যায় সুতরাং, ১১:৬০ মিনিট − ৯:৩০ মিনিট = ২:৩০ মিনিট উত্তর: ২: ৩০ মিনিট
a ১ দিন
b ২ দিন
c ৩ দিন
d ৪ দিন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ দিন কেন সঠিক: - শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কলেজসমূহের বার্ষিক ছুটির তালিকায় অধ্যক্ষের জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সংরক্ষিত ছুটি থাকে। - নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কলেজ প্রধান বা অধ্যক্ষ এই ৩ দিন ছুটি প্রয়োজন সাপেক্ষে কলেজ পরিচালনার স্বার্থে মঞ্জুর করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ দিন — এই সংখ্যাটি অধ্যক্ষের সংরক্ষিত ছুটির নির্ধারিত নিয়মের চেয়ে কম। B) ২ দিন — এই সংখ্যাটি কলেজ ছুটির তালিকার নীতিমালায় অধ্যক্ষের জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত ছুটির পরিমাণের সঙ্গে মিলে না। C) ৩ দিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ নীতিমালা অনুযায়ী কলেজ প্রধানের জন্য ঠিক এই পরিমাণ সংরক্ষিত ছুটি বরাদ্দ থাকে। D) ৪ দিন — এই সংখ্যাটি ছুটির তালিকার বিধানের চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কলেজের অধ্যক্ষ জরুরি কাজের জন্য ৩ দিন বিশেষ ছুটি বা সংরক্ষিত ছুটি কাটাতে পারেন, এই সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে ৩ সংখ্যাটি অধ্যক্ষের ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত।
a শিক্ষাবোর্ড
b বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ
c শিক্ষা মন্ত্রণালয়
d অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও তাদের প্রোগ্রামগুলোর মান নির্ধারণ এবং সনদ সমতাকরণের মূল দায়িত্ব পালন করে। - বিদেশ থেকে অর্জিত ডিগ্রির সঙ্গে দেশীয় ডিগ্রির সমতা বিধানের একমাত্র আইনগত কর্তৃপক্ষ এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষাবোর্ড — এটি মূলত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা পরিচালনা এবং সার্টিফিকেট প্রদান করে, সনদ সমতাকরণ এর কাজ নয়। B) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ — এটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ ও সনদ প্রদান করে। C) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সামগ্রিক শিক্ষা নীতি প্রণয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে সরাসরি সনদ সমতাকরণ করে না। D) অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি উচ্চশিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ ও সনদ সমতাকরণের法定 প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: উচ্চশিক্ষা ও সনদের মান ঠিক করতে এবং সমতা বিধান করতে এ-সি-ডি বা অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল কাজ করে।
a www.nctb.gov.bd
b www.moedu.gov.bd
c www.dshe.gov.bd
d www.nctb.net
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) www.nctb.gov.bd কেন সঠিক: - এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (NCTB) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, যেখান থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সব পাঠ্যবই ডিজিটাল বিন্যাসে বিনামূল্যে পড়া ও ডাউনলোড করা যায়। - সরকারের শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই পোর্টালের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক সহজলভ্য করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) www.nctb.gov.bd — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এনসিটিবির মূল ওয়েবসাইট। B) www.moedu.gov.bd — এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, যা নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, পাঠ্যবই পড়ার জন্য নয়। C) www.dshe.gov.bd — এটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, যা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান তদারকি করে। D) www.nctb.net — এটি এনসিটিবির আসল ওয়েবসাইটের ঠিকানা নয়, এটি একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক ডোমেইন নাম। মনে রাখার টিপস: এনসিটিবি (NCTB) পাঠ্যবইয়ের সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এর সঠিক ওয়েবসাইটের নামের শেষে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে gov.bd যুক্ত থাকে।
a 2002
b 2003
c 2005
d 2006
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৫ কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন প্রণীত হয় ২০০৫ সালে। - এই আইনের মাধ্যমেই NTRCA সংস্থাটি গঠিত হয় এবং বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে মেধার মূল্যায়ন শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০২ — এই সালে NTRCA আইন প্রণয়ন করা হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ২০০৩ — এই সালে NTRCA প্রতিষ্ঠার কোনো আইন পাস হয়নি। C) ২০০৫ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) ২০০৬ — এই সালটি NTRCA আইন প্রণয়নের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষক নিবন্ধনের জন্য NTRCA গঠিত হয় ২০০৫ সালে, যা পাঁচ সংখ্যাটি দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়।
a ১ কি.মি
b ২ কি.মি
c ৩ কি.মি
d ৪ কি.মি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ কি.মি কেন সঠিক: - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে এবং অতিরিক্ত জট কমাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী দূরত্ব নির্ধারণ করা হয়। - সিটি কর্পোরেশন ও প্রথম শ্রেণির পৌর এলাকায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম দূরত্ব ১ কিলোমিটার হতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ কি.মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ নীতিমালা অনুযায়ী ঘনবসতিপূর্ণ শহরে এই দূরত্বের বিধান রাখা হয়েছে। B) ২ কি.মি — এটি ভুল কারণ প্রথম শ্রেণির পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের জন্য এই দূরত্ব প্রযোজ্য নয়। C) ৩ কি.মি — এটি ভুল কারণ এই দূরত্বটি সাধারণত গ্রামীণ বা অন্যান্য অনুন্নত এলাকার প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত হতে পারে। D) ৪ কি.মি — এটি ভুল কারণ প্রদত্ত দূরত্বের মানটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের নীতিমালার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শহরের ভেতরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দূরত্ব কম রাখা হয়, তাই সিটি কর্পোরেশন ও প্রথম শ্রেণির পৌরসভার জন্য মাত্র ১ কিলোমিটার দূরত্ব মনে রাখুন।
a ১৪ দিন
b ১২ দিন
c ১০ দিন
d ২১ দিন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৪ দিন কেন সঠিক: - পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সীমার অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে দরপত্র বিজ্ঞাপনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা মানতে হয়। - ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে পণ্য সরবরাহের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর দরপত্র দাখিলের ন্যূনতম সময়কাল হলো চৌদ্দ দিন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ দিন — এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় বিধিমালা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহের দরপত্র দাখিলের সঠিক সময়সীমা। B) ১২ দিন — এই সময়সীমাটি সাধারণ অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের পণ্য সরবরাহের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) ১০ দিন — এটি কিছু নির্দিষ্ট ছোট বা কোটেশন পদ্ধতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, তবে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত উন্মুক্ত ক্রয়ের জন্য নয়। D) ২১ দিন — এটি ১ কোটি টাকার বেশি বা অন্য কোনো বৃহৎ পরিসরের ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সময়সীমা। মনে রাখার টিপস: পণ্য সরবরাহের অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত দরপত্রে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত সীমা থাকলে চৌদ্দ দিন সময় ধরতে হবে।
a Average Procurement Policy
b Annual Procurement Plan
c Actual Procurement Process
d Annual Procurement Policy
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Annual Procurement Plan কেন সঠিক: - সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্রয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বার্ষিক ভিত্তিতে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তাকে Annual Procurement Plan বলা হয়। - সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রতিটি সংস্থাকে নির্দিষ্ট অর্থবছরে তাদের ক্রয়ের পরিকল্পনা আগেই তৈরি করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Average Procurement Policy — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড ক্রয় ব্যবস্থাপনা পরিভাষা নয়, বরং গড় ক্রয়ের একটি কাল্পনিক ধারণা। B) Annual Procurement Plan — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য। C) Actual Procurement Process — এটি কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনার নাম নয়, বরং ক্রয় কাজ বাস্তবায়নের প্রকৃত পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া বোঝায়। D) Annual Procurement Policy — এটি ক্রয়ের কোনো সাধারণ নীতি বা নির্দেশিকা বোঝায়, নির্দিষ্ট ক্রয় পরিকল্পনা বা Plan নয়। মনে রাখার টিপস: ক্রয় সংক্রান্ত বার্ষিক পরিকল্পনা বুঝাতে Plan শব্দযুক্ত Annual Procurement Plan সঠিক হবে।
a মূল বেতনের ১০%
b মূল বেতনের ৮%
c মূল বেতনের ৮%
d মূল বেতনের ৬%
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মূল বেতনের ৬% কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন থেকে ৬ শতাংশ কর্তন করা হয়। - এই তহবিলে সরকারও সমপরিমাণ বা নির্ধারিত অনুদান প্রদান করে থাকে যা শিক্ষকদের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল বেতনের ১০% — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা জিপিএফ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, অবসর সুবিধা তহবিলের চাঁদা হার নয়। B) মূল বেতনের ৮% — এটি কল্যাণ ট্রাস্ট বা অন্য কোনো তহবিলের হার হতে পারে, তবে অবসর সুবিধা তহবিলের বাধ্যতামূলক হার এটি নয়। C) মূল বেতনের ৮% — এই অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং প্রশ্নের নির্ধারিত ৬ শতাংশ হারের সাথে মিলছে না। D) মূল বেতনের ৬% — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অবসর মানেই ছয় অক্ষরের শব্দ, তাই অবসর সুবিধা তহবিলের চাঁদার হার হলো মূল বেতনের ৬%।
a মন্ত্রণালয় / বিভাগ
b অধিদপ্তর / পরিদপ্তর
c বিভাগীয় / আঞ্চলিক অফিস
d উপজেলা পর্যায়ের অফিস
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মন্ত্রণালয় / বিভাগ কেন সঠিক: - সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী বড় অংকের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত আর্থিক মঞ্জুরি প্রদানের চূড়ান্ত ক্ষমতা মন্ত্রণালয় বা বিভাগের হাতে ন্যস্ত থাকে। - প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে নীতিগত অনুমোদন ও বাজেট বরাদ্দ কেবল মন্ত্রণালয় বা বিভাগই প্রদান করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্ত্রণালয় / বিভাগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়, এটিই আর্থিক মঞ্জুরি প্রদানের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। B) অধিদপ্তর / পরিদপ্তর — এরা মূলত বাস্তবায়কারী কর্তৃপক্ষ এবং এদের আর্থিক ক্ষমতার একটি নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সীমা থাকে, যা বড় প্রশিক্ষণ মঞ্জুরির জন্য যথেষ্ট নয়। C) বিভাগীয় / আঞ্চলিক অফিস — এরা মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কার্যালয় এবং নীতিগত বা বড় আর্থিক মঞ্জুরি প্রদানের এখতিয়ার এদের নেই। D) উপজেলা পর্যায়ের অফিস — এরা সর্বনিম্ন স্তরের বাস্তবায়নকারী অফিস এবং এদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা খুবই সীমিত। মনে রাখার টিপস: বড় আর্থিক মঞ্জুরি মানেই সর্বোচ্চ পর্যায়, তাই প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত আর্থিক মঞ্জুরির ক্ষেত্রে সবসময় মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে মনে রাখতে হবে।
a যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন
b যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন না
c ইচ্ছে হলে যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন
d উপরে সবগুলো
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন না কেন সঠিক: - এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করলে বা উচ্চতর পদে যোগ দিলে পূর্ববর্তী পদের এমপিও বহাল থাকে না। - নতুন কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও তোলার আইনি কোনো সুযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন — এটি নীতিমালার বিধানের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অবৈধ। B) যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন না — এটি নীতিমালা অনুযায়ী সঠিক ও প্রযোজ্য বিধান। C) ইচ্ছে হলে যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন — এমপিও উত্তোলনের ক্ষেত্রে শিক্ষকের ইচ্ছার কোনো সুযোগ নেই, এটি সম্পূর্ণ নীতিমালার অধীন। D) উপরে সবগুলো — যেহেতু শুধু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পদ পরিবর্তন করলে আগের পদের এমপিও বন্ধ, নতুন কর্মস্থল থেকেই শুরু হবে নিয়ম।
a চেয়ারম্যান ও সচিব
b ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব সচিব
c সচিব ও কোষাধক্ষ্য
d ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব সচিব কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা প্রবিধানমালা অনুযায়ী তহবিলের আর্থিক লেনদেন ও ব্যাংক হিসাব পরিচালনার নির্দিষ্ট প্রশাসনিক এখতিয়ার রয়েছে। - এই বিধিমালার নিয়ম অনুযায়ী তহবিলের ব্যাংক হিসাবটি যৌথভাবে ভাইস চেয়ারম্যান এবং সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হওয়ার বিধান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চেয়ারম্যান ও সচিব — প্রবিধানমালা অনুযায়ী তহবিলের হিসাব পরিচালনায় চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের পরিবর্তে ভাইস চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের নিয়ম নির্ধারিত আছে। B) ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব সচিব — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিধিমালা অনুযায়ী এই দুজন কর্মকর্তার যুগ্ম-স্বাক্ষরেই ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হয়। C) সচিব ও কোষাধক্ষ্য — এই তহবিলের হিসাব পরিচালনায় কোষাধক্ষ্যের যৌথ স্বাক্ষরের কোনো আইনি বিধান নেই। D) ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব — এই অপশনে সচিব শব্দ একবার থাকায় এবং প্রদত্ত উত্তরপত্রে সচিব শব্দ দুইবার থাকায় এটি মূলত সঠিক উত্তরের অংশ, তবে অপশনের বানানগত ত্রুটির কারণে অন্য অপশনগুলোর তুলনায় এটি পরিহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অবসর সুবিধা বোর্ডের তহবিল পরিচালনায় আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিবের জুটি মনে রাখবে।
a প্রতিষ্ঠান
b ব্যাংক
c সভাপতি
d স্টেকহোল্ডার
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতিষ্ঠান কেন সঠিক: - ব্যাংক হিসাবের বই এবং প্রতিষ্ঠানের নগদান বইয়ের জেরের মধ্যে অমিল খুঁজে বের করে মিলকরণের জন্য প্রতিষ্ঠান নিজেই ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুত করে থাকে। - এটি অভ্যন্তরীণ হিসাব নিয়ন্ত্রণের একটি অংশ, যা প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ প্রস্তুত করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী নিজ প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই এবং ব্যাংকের হিসাবের বই মেলানোর জন্য প্রতিষ্ঠান নিজেই তৈরি করে। B) ব্যাংক — ব্যাংক কখনোই গ্রাহকের হিসাবের অভ্যন্তরীণ মিলকরণের জন্য এই বিবরণী তৈরি করে না, ব্যাংক শুধু ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রদান করে। C) সভাপতি — সভাপতি প্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত থাকেন, তিনি দৈনন্দিন বা হিসাব সংক্রান্ত বিবরণী প্রস্তুত করেন না। D) স্টেকহোল্ডার — স্টেকহোল্ডার বা অংশীজনরা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত থাকেন, কিন্তু তারা হিসাব সংক্রান্ত বিবরণী প্রস্তুত করেন না। মনে রাখার টিপস: হিসাবের মিল রাখতে প্রতিষ্ঠান নিজের তাগিদেই ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি করে।
a স্থানীয় সংসদ সদস্যের
b সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের
c কমিটির সভাপতির
d উপজেলা নির্বাহী অফিসারের
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের কেন সঠিক: - ২০২৫ সালের সংশোধনী প্রবিধানমালা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের পূর্বঅনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। - শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ সুরক্ষার আইনি এখতিয়ার ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ শিক্ষাবোর্ডের ওপর ন্যস্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থানীয় সংসদ সদস্যের — শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি হস্তান্তরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কোনো প্রশাসনিক বা আইনি অনুমোদন দেওয়ার এখতিয়ার নেই। B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিধিমালা অনুযায়ী সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের অনুমতি দেওয়ার একমাত্র কর্তৃপক্ষ হলো সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড। C) কমিটির সভাপতির — ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি একা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তর করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অনুমোদন দিতে পারেন না। D) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের — উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি হস্তান্তরের অনুমোদন দেওয়ার প্রধান কর্তৃপক্ষ নন। মনে রাখার টিপস: স্কুলের জমি বা সম্পত্তি কেনাবেচার অনুমতি সবসময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড থেকে নিতে হয়।
a বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনে
b স্টেশনারি ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্রয়ে
c বিবিধ সভা ও আপ্যায়নে
d উপরের সবগুলো
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও বাজেট বিধান অনুযায়ী বিবিধ খাতের বরাদ্দকৃত অর্থ দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ও আনুষঙ্গিক প্রশাসনিক খরচে ব্যবহার করা যায়। - জাতীয় দিবস উদযাপন, স্টেশনারি ক্রয় এবং সভা ও আপ্যায়ন ইত্যাদি সবই দাপ্তরিক বিবিধ ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনে — এটি বিবিধ খাতের একটি বৈধ ব্যয় হলেও কেবল এটিই একমাত্র খাত নয়, তাই এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) স্টেশনারি ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্রয়ে — এটিও বিবিধ ব্যয়ের অংশ, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও এর আওতাভুক্ত থাকায় এটি আংশিক উত্তর। C) বিবিধ সভা ও আপ্যায়নে — এটিও দৈনন্দিন দাপ্তরিক বিবিধ ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত, তবে এর পাশাপাশি বাকি কাজগুলোতেও এই তহবিল খরচ করা যায়। D) উপরের সবগুলো — উল্লেখিত তিনটি কাজই বিবিধ খাতের অর্থ দ্বারা সম্পন্ন করা যায় বিধায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সরকারি দপ্তরের বিবিধ বা মিসলেনিয়াস তহবিল মানেই দিবস উদযাপন, কেনাকাটা এবং আপ্যায়নের মতো আনুষঙ্গিক সব সাধারণ খরচ।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২টি কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ নির্ধারিত রয়েছে। - এই নীতিমালা অনুযায়ী একটি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে এই পদে দুজন কর্মচারী নিয়োগের বিধান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এটি ভুল কারণ নীতিমালায় এই পদের সংখ্যা একটির বেশি অর্থাৎ দুটি নির্ধারিত রয়েছে। B) ২টি — এটি সঠিক কারণ নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে এই পদের সংখ্যা দুটি। C) ৩টি — এটি ভুল কারণ এই পদে তিনজন জনবল নিয়োগের কোনো বিধান নীতিমালায় নেই। D) ৪টি — এটি ভুল কারণ নীতিমালায় উল্লেখিত পদের সংখ্যার চেয়ে এটি বেশি। মনে রাখার টিপস: উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে কম্পিউটার সম্পর্কিত পদের জন্য দুটি সিট বরাদ্দ থাকে।
a শিক্ষা মন্ত্রণালয়
b সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
c শিক্ষাবোর্ড
d মাউশি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন সঠিক: - নীতিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত জনবল কাঠামোর বাইরে অতিরিক্ত শিক্ষক বা কর্মচারী নিয়োগ করা হলে সরকার তার বেতন-ভাতার সরকারি অংশ বহন করে না। - প্যাটার্ন বহির্ভূত এই সকল শিক্ষক-কর্মচারীর সম্পূর্ণ বেতন-ভাতা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের তহবিল থেকে বহন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি নীতিমালার সামগ্রিক তদারকি করলেও প্যাটার্ন বহির্ভূত পদের বেতন বহন করে না। B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিধি বহির্ভূত পদের আর্থিক দায় প্রতিষ্ঠানের ওপর বর্তায়। C) শিক্ষাবোর্ড — শিক্ষাবোর্ড মূলত পরীক্ষা পরিচালনা ও একাডেমিক অনুমোদন সংক্রান্ত কাজ করে, বেতন প্রদান তাদের কাজ নয়। D) মাউশি — মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ছাড় করলেও প্যাটার্ন বহির্ভূত পদের জন্য তা প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নিয়মের বাইরে (প্যাটার্ন বহির্ভূত) কিছু করলে তার খরচ নিজেকেই (সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে) দিতে হয়।
a উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ
b স্নাতক পাস কলেজ
c স্নাতক সম্মান কলেজ
d স্নাতকোত্তর কলেজ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্নাতকোত্তর কলেজ কেন সঠিক: - ১১শ থেকে ১৭শ শিক্ষার্থী পাঠদানের সক্ষমতা সম্পন্ন কলেজগুলো সাধারণত স্নাতকোত্তর বা মাস্টার্স পর্যায়ের কলেজ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। - এই স্তরের কলেজগুলোতে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি নির্দিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর বা মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ — এই স্তরের শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাধারণত অনেক কম থাকে এবং এখানে কেবল একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠদান করা হয়। B) স্নাতক পাস কলেজ — এই কলেজগুলোতে উচ্চ মাধ্যমিকের পাশাপাশি শুধু স্নাতক পাস কোর্স পর্যন্ত পাঠদান করা হয়, যার ছাত্রছাত্রী সংখ্যা এর চেয়ে কম থাকে। C) স্নাতক সম্মান কলেজ — এখানে স্নাতক পাস ও সম্মান কোর্সের পাঠদান করা হলেও স্নাতকোত্তর কোর্স থাকে না এবং ছাত্রসংখ্যা এই পরিসীমার নিচে থাকে। D) স্নাতকোত্তর কলেজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ শিক্ষার্থীর আসন সংখ্যা ও পাঠদানের পরিধি এই স্তরের সঙ্গেই পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার্থীর সংখ্যা এগারোশ থেকে সতেরোশ হলে তা সর্বোচ্চ স্তর অর্থাৎ স্নাতকোত্তর কলেজের নির্দেশক।
a প্রতি ২৪ দিনে ১ দিন
b প্রতি ২২ দিনে ১ দিন
c প্রতি ১২ দিনে ১ দিন
d প্রতি ১১ দিনে ১ দিন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: C) প্রতি ১২ দিনে ১ দিন কেন সঠিক: - সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এবং বাংলাদেশ সেবা বিধিমালা অনুযায়ী কর্মচারীরা পূর্ণ গড় বেতনে অর্জিত ছুটি পেয়ে থাকেন। - চাকরির প্রতি ১২ দিনের কার্যকর সেভার জন্য ১ দিন হারে এই ছুটি জমা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি ২৪ দিনে ১ দিন — এই হিসাবটি অর্জিত ছুটির নিয়মের সঙ্গে মেলে না কারণ ছুটির জমার হার এর দ্বিগুণ। B) প্রতি ২২ দিনে ১ দিন — এটি সরকারি অর্জিত ছুটির বিধানের কোনো নির্ধারিত হার নয়। C) প্রতি ১২ দিনে ১ দিন — এটি সঠিক হার হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) প্রতি ১১ দিনে ১ দিন — এই সংখ্যাটি ছুটির হিসাবের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: অর্জিত ছুটির হিসাব মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন বারো, যেখানে প্রতি ১২ দিনে জমা হয় ১ দিন ছুটি।
a সহকারী প্রধান - সিনিয়ার শিক্ষক
b ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি
c হিসাবরক্ষক
d বিদ্যোৎসাহী সদস্য
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কেন সঠিক: - প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকলে বা পদ শূন্য হলে আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্বাক্ষর করার এখতিয়ার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ওপর ন্যস্ত থাকে। - সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক দায়িত্ব পালনে সভাপতির এই ক্ষমতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সহকারী প্রধান - সিনিয়ার শিক্ষক — এরা দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে সহায়তা করলেও প্রধান অনুপস্থিত থাকলে বেতন-ভাতা বিলে এককভাবে স্বাক্ষরের পূর্ণ আর্থিক এখতিয়ার রাখেন না। B) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রধানের अनुपস্থিতিতে আর্থিক বিলে স্বাক্ষরের ক্ষমতা সভাপতির নিকট অর্পিত হয়। C) হিসাবরক্ষক — হিসাবরক্ষক কেবল হিসাব তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন, বিলে স্বাক্ষর করার আইনগত ক্ষমতা তার নেই। D) বিদ্যোৎসাহী সদস্য — ইনি কমিটির একজন সাধারণ সদস্য মাত্র, প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক বিলে স্বাক্ষর করার কোনো আইনি ক্ষমতা তার নেই। মনে রাখার টিপস: প্রধান অনুপস্থিত থাকলে টাকার বিলে সই করবেন সভাপতির সাইন।
a ১ বছর
b ২ বছর
c ৩ বছর
d ৪ বছর
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ বছর কেন সঠিক: - এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি পরিবর্তন বা পদত্যাগের পর নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদানের ক্ষেত্রে ইনডেক্স নম্বর বহাল রাখার নির্ধারিত সর্বোচ্চ সময়সীমা দুই বছর। - এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অন্য কোনো এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে পূর্বের ইনডেক্স ও জ্যেষ্ঠতা বহাল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ বছর — নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কম হওয়ায় এই মেয়াদ ইনডেক্স বহাল রাখার জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ২ বছর — এটি ইনডেক্স নম্বর বহাল রাখার সঠিক এবং নির্ধারিত সময়সীমা। C) ৩ বছর — সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ইনডেক্স বহাল রাখার মেয়াদ তিন বছর নয়, বরং দুই বছর। D) ৪ বছর — এই দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলে পূর্বের ইনডেক্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: চাকরি বদলের ক্ষেত্রে ইনডেক্স বাঁচাতে সময় লাগে মাত্র দুই বছর।
a জেলা শিক্ষা অফিস
b উপজেলা শিক্ষা অফিস
c জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস
d a ও b উভয়ই
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেলা শিক্ষা অফিস কেন সঠিক: - মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা স্তরের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। - মাঠ পর্যায়ে এই অধিদপ্তরের সরাসরি প্রশাসনিক ও তদারকি দপ্তর হলো জেলা শিক্ষা অফিস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা শিক্ষা অফিস — এটি সঠিক কারণ এটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার মাঠ পর্যায়ের নির্ধারিত দপ্তর। B) উপজেলা শিক্ষা অফিস — এটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের দপ্তর, মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য নয়। সি) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস — এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাথমিক শিক্ষার মাঠ পর্যায়ের দপ্তর। ডি) a ও b উভয়ই — যেহেতু উপজেলা শিক্ষা অফিস মাধ্যমিক শিক্ষার নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: মাধ্যমিকের মাঠ অফিস জেলা পর্যায়ে সীমাবদ্ধ, আর প্রাথমিক শিক্ষা অফিস উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃত।
a ১০ম
b ১১শ
c ৮ম
d ৯ম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১শ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো বা বিএনকিউএফ অনুযায়ী শিক্ষা স্তরকে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পিএইচডি পর্যন্ত মোট দশটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। - পিএইচডি বা সমমানের ডক্টরেট ডিগ্রি এই কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর তথা দশম স্তরে অন্তর্ভুক্ত। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর ১১শ বলা হলেও, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত বিএনকিউএফ কাঠামো অনুযায়ী পিএইচডি মূলত দশম স্তরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ পিএইচডি ডিগ্রি বিএনকিউএফ কাঠামোর দশম স্তরে নির্ধারিত। B) ১১শ — বিএনকিউএফ কাঠামোতে এই নামের কোনো স্তর নেই কারণ এর স্তর সংখ্যা দশটি। C) ৮ম — এটি বিএনকিউএফ কাঠামোতে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রির স্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) ৯ম — এটি বিএনকিউএফ কাঠামোতে মাস্টার্স বা সমমানের ডিগ্রির স্তর হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বিএনকিউএফ কাঠামোতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শুরু হয় প্রথম স্তর থেকে এবং সর্বোচ্চ ডক্টরেট বা পিএইচডি ডিগ্রি শেষ হয় দশম স্তরে।
a প্রতিষ্ঠান প্রধান
b উপজেলা চেয়ারম্যান
c ব্যবস্থাপনা কমিটি
d ইউএনও
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতিষ্ঠান প্রধান কেন সঠিক: - প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার মূল দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর ন্যস্ত থাকে। - শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শান্তি এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক উদ্যোগ তিনিই গ্রহণ করে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠান প্রধান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সরাসরি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থী কল্যাণের দায়িত্ব পালন করেন। B) উপজেলা চেয়ারম্যান — তিনি উপজেলার সার্বিক উন্নয়নের সাথে যুক্ত, তবে সরাসরি একক কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নন। C) ব্যবস্থাপনা কমিটি — এই কমিটি নীতিনির্ধারণী ও সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা করে, কিন্তু জনসচেতনতা বৃদ্ধির মূল প্রশাসনিক উদ্যোগ প্রধানের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হয়। D) ইউএনও — তিনি উপজেলা প্রশাসনের প্রধান হলেও সরাসরি একটি নির্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ শিক্ষার্থীদের মানসিক শান্তি বা সচেতনতা তৈরির একক নির্বাহী দায়িত্বে থাকেন না। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরের শান্তি ও পরিবেশ রক্ষার প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব পালন করেন সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধান।
a তার এমপিও বাতিল করা হবে
b তাকে আর্থিক জরিমানা করা হবে
c সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করা হবে
d তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়ে দায়মুক্ত দেওয়া যাবে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তার এমপিও বাতিল করা হবে কেন সঠিক: - এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী একজন শিক্ষক একই সঙ্গে একাধিক প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত হতে পারেন না। - একাধিক প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত হওয়া বিধিমালা বহির্ভূত অপরাধ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এমপিও বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তার এমপিও বাতিল করা হবে — এটি সঠিক কারণ, কারণ একাধিক প্রতিষ্ঠানে এমপিও নেওয়া নীতিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। B) তাকে আর্থিক জরিমানা করা হবে — এমপিও নীতিমালায় সাধারণত সরাসরি আর্থিক জরিমানার পরিবর্তে এমপিও বাতিলের বিধান রয়েছে। C) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করা হবে — অপরাধ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের ব্যক্তিগত, তাই পুরো প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করা আইনসম্মত নয়। D) তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়ে দায়মুক্ত দেওয়া যাবে — একাধিক এমপিও নেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধে দায়মুক্তি দেওয়ার সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: একাধিক এমপিও মানেই অনিয়ম, আর এর একমাত্র শাস্তি হলো সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের এমপিও বাতিল।
a সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিবে
b সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বেতন বন্ধ করবে
c প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বরখাস্ত করবে
d পরিচালনা পরিষদ ভেঙে দিতে পারবে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বেতন বন্ধ করবে কেন সঠিক: - এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে এবং পরিচালনা পরিষদ ব্যবস্থা না নিলে সরকারের সরাসরি বেতন-ভাতা স্থগিত বা বন্ধ করার আইনি ক্ষমতা রয়েছে। - শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কোচিং বাণিজ্য বন্ধে এই শাস্তিমূলক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিবে — একজন শিক্ষকের অপরাধের জন্য সম্পূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া প্রশাসনিক নিয়মের মধ্যে পড়ে না। B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বেতন বন্ধ করবে — এটি সঠিক এবং প্রযোজ্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা। C) প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বরখাস্ত করবে — প্রতিষ্ঠান প্রধান সরাসরি জড়িত না থাকলে তাকে সরাসরি বরখাস্ত করার বিধান নেই, তবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হতে পারে। D) পরিচালনা পরিষদ ভেঙে দিতে পারবে — পরিচালনা পরিষদ অবহেলার জন্য গঠিত বিধিমালা অনুযায়ী সতর্ক বা বাতিল হতে পারে, তবে এই নির্দিষ্ট অপরাধে সরাসরি বেতন বন্ধ করার বিধানটি প্রথম কার্যকর হয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষক কোচিং করলে এবং কমিটি ব্যবস্থা না নিলে সরকার সরাসরি শিক্ষকের বেতন বন্ধ করতে পারে।
a বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে
b নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে আবেদন দাখিল করতে হবে
c বিদেশি নাগরিক বিবাহ করা যাবে না
d উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - সরকারি চাকরির সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীর নাগরিকত্ব, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন এবং আইনসম্মত শর্ত পালন করা বাধ্যতামূলক। - উল্লিখিত প্রতিটি শর্তই সরকারি চাকরির নিয়োগ বিধিমালার সাধারণ ও অবশ্য পালনীয় শর্তের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে — এটি সঠিক শর্ত হলেও পদের জন্য একমাত্র শর্ত নয়, কারণ অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হয়। B) নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে আবেদন দাখিল করতে হবে — এটি একটি বাধ্যতামূলক শর্ত হলেও একা এটিই সকল নিয়োগের পূর্ণাঙ্গ শর্ত হতে পারে না। সি) বিদেশি নাগরিক বিবাহ করা যাবে না — সরকারি চাকরি আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী বিদেশি নাগরিক বিবাহ করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ ও শর্ত থাকে। D) উপরের সবগুলো — কারণ একটি পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব, আবেদনের সময়সীমা এবং ব্যক্তিগত যোগ্যতার সব শর্তই একত্রে প্রযোজ্য হয়। মনে রাখার টিপস: সরকারি চাকরির শর্ত মনে রাখতে নাগরিকত্ব, আবেদনের সময় এবং বৈবাহিক বিধিমালার মতো সব মৌলিক বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।
a ৫৫ বছর
b ৫৪ বছর
c ৫২ বছর
d ৫০ বছর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫২ বছর কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ তহবিল এবং কল্যাণ ট্রাস্টের বিধিমালা অনুযায়ী ৫২ বছর বয়সে অফেরতযোগ্য অগ্রিম তোলার সুযোগ রয়েছে। - এই বয়সের পরে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের জমানো তহবিল থেকে বিশেষ প্রয়োজনে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫৫ বছর — এটি সাধারণ অবসর গ্রহণের বয়সসীমা বা অন্য কোনো বিশেষ আর্থিক সুবিধার বয়স হওয়ায় এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ৫৪ বছর — এটি নির্ধারিত অফেরতযোগ্য অগ্রিমের বয়সসীমার সাথে মিলে না। D) ৫০ বছর — এই বয়সে অগ্রিম উত্তোলনের বিধান সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় নেই। মনে রাখার টিপস: অগ্রিম তোলার বয়স হলো বায়ান্ন বছর, যা মনে রাখতে ৫২ সংখ্যাটি याद রাখুন।
a অর্ধেক
b দুই-তৃতীয়াংশ
c এক-তৃতীয়াংশ
d এক-চতুর্থাংশ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অর্ধেক কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা - ২০২৪ অনুযায়ী কমিটির বৈধ সভার জন্য কোরাম নির্ধারিত আছে। - বিধিমালা অনুযায়ী মোট সদস্য সংখ্যার অর্ধেক সদস্য উপস্থিত থাকলেই কেবল ম্যানেজিং কমিটির সভার কোরাম পূর্ণ হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ধেক — এই বিধানটি প্রবিধানমালা - ২০২৪ এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং এটিই কোরাম পূরণের জন্য প্রযোজ্য। B) দুই-তৃতীয়াংশ — এই সংখ্যাটি কোরামের নিয়ম বহির্ভূত এবং সাধারণ সভার কোরামের জন্য এটি নির্ধারিত নয়। C) এক-তৃতীয়াংশ — এই অনুপাতটি কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাধারণ কোরামে ব্যবহৃত হলেও এই প্রবিধানমালায় এটি সঠিক নয়। D) এক-চতুর্থাংশ — এই সংখ্যাটি অত্যন্ত কম এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি পরিচালনার জন্য তা গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যানেজিং কমিটির সভা বসাতে হলে অর্ধেক সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
a ৬০%
b ৭০%
c ৮০%
d ৯০%
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০% কেন সঠিক: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি গঠনের ক্ষেত্রে আইনি বিধান অনুযায়ী মোট পদের কমপক্ষে শতকরা আশি ভাগ পদে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া বাধ্যতামূলক। এই নির্ধারিত কোরাম পূরণ না হলে কমিটি বৈধ বলে গণ্য হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬০% — এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে কম এবং গভর্নিং বডি বৈধভাবে গঠনের জন্য পর্যাপ্ত নয়। B) ৭০% — এই পরিমাণ পদ পূর্ণ হলে আইনি বিধান অনুযায়ী কমিটি গঠন বৈধ হয় না। C) ৮০% — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) ৯০% — শতকরা নব্বই ভাগ পদের কথা আইনে বলা হয়নি কারণ ন্যূনতম সীমা আশি ভাগ নির্ধারণ করা আছে। মনে রাখার টিপস: গভর্নিং বডি বৈধ হতে আশি ভাগ পদের নির্বাচন দরকার হয়।
a পরিচ্ছন্নতা
b পবিত্রতা
c সততা
d গভীরতা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পবিত্রতা কেন সঠিক: - নৈতিকতার বিচারে মনের পবিত্রতা মানুষের চরিত্রকে মহিমান্বিত করে তোলে। - সুচিচিন্তা মানুষের মনকে কলুষমুক্ত ও পবিত্র রাখতে সরাসরি সহায়তা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিচ্ছন্নতা — এটি মূলত শারীরিক বা বাহ্যিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বোঝায়, যা মানসিক উৎকর্ষের চেয়ে শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। B) পবিত্রতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ মন ও চিন্তার উচ্চ পর্যায় বোঝাতে পবিত্রতা শব্দটি উপযুক্ত। C) সততা — এটি মানুষের একটি নৈতিক গুণ ও আচরণের প্রকাশ, কিন্তু সরাসরি মনের সুচিচিন্তার সঙ্গে পবিত্রতার ধারণাটি বেশি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। D) গভীরতা — এটি জ্ঞানের পরিধি বা চিন্তার প্রখরতা বোঝায়, যা মহৎ হওয়ার প্রাথমিক শর্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মন ও সুচিচিন্তার সঙ্গে পবিত্রতা শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই মহৎ হওয়ার ক্ষেত্রে পবিত্রতা বেছে নিতে হবে।
a লেবানন
b ইরান
c সৌদি আরব
d ইসরাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইসরাইল কেন সঠিক: - মোসাদ হলো ইসরাইলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা, যা ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এটি আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রভাবশালী ও কার্যকর সংস্থা হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেবানন — লেবাননের প্রধান নিরাপত্তা সংস্থার নাম জেনারেল সিকিউরিটি, মোসাদ লেবাননের নয়। B) ইরান — ইরানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম মিনিস্ট্রি অফ ইন্টেলিজেন্স, মোসাদ ইরানের নয়। C) সৌদি আরব — সৌদি আরবের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম প্রেসিডেন্সি অফ ইন্টেলিজেন্স, মোসাদ সৌদি আরবের নয়। D) ইসরাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ মোসাদ ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। মনে রাখার টিপস: ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ, যা নামের শুরুতেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বেশ আলোচিত।
a মেঘালয়
b মিজোরাম
c নাগাল্যান্ড
d অরুণাচল
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অরুণাচল কেন সঠিক: - অরুণাচল প্রদেশ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং চীন এই অঞ্চলটিকে দক্ষিণ তিব্বত বলে দাবি করে থাকে। - এই পাহাড়ি অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে ভারত ও চীনের মধ্যে ভূরাজনৈতিক ও সীমান্ত বিরোধ চলে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘালয় — এটি ভারতের একটি রাজ্য এবং এর সঙ্গে চীনের কোনো সীমান্ত বিরোধ নেই। B) মিজোরাম — এটি ভারতের একটি রাজ্য যা মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী, চীনের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই। C) নাগাল্যান্ড — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং চীনের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক বিরোধ নেই। D) অরুণাচল — এটি ভারত ও চীনের মধ্যে প্রধান বিরোধপূর্ণ রাজ্য। মনে রাখার টিপস: ভারতের যে রাজ্যটি নিয়ে চীনের সঙ্গে বেশি ঝামেলা, সেটি হলো অরুণাচল প্রদেশ।
a ১৯৯৯ সালে
b ২০০০ সালে
c ২০০১ সালে
d ২০০২ সালে
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও খেলাধুলা সঠিক উত্তর: B) ২০০০ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণ সদস্য পদ বা টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। - এই স্ট্যাটাস অর্জনের ফলে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট প্লেয়িং নেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে এবং পাকিস্তানকে পরাজিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করে, কিন্তু টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি। B) ২০০০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। C) ২০০১ সালে — এই সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল, তবে টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছিল ২০০০ সালে। D) ২০০২ সালে — এই সালের মধ্যে বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি টেস্ট ম্যাচ খেলে ফেলেছিল, তাই এই সালটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভালো খেলার ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ২০০০ সালে টেস্ট খেলার সম্মান অর্জন করে।
a গ্রামীণ ফোন
b সিটিসেল
c বাংলা লিংক
d টেলিটক
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিটিসেল কেন সঠিক: - সিটিসেল বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল অপারেটর যা ১৯৮৯ সালে প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড নামে কার্যক্রম শুরু করে। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম অ্যানালগ সেলুলার টেলিফোন নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামীণ ফোন — এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জিএসএম মোবাইল অপারেটর, যা ১৯৯৭ সালে চালু হয়। C) বাংলা লিংক — এটি একটি জিএসএম মোবাইল অপারেটর যা পরবর্তীতে ২০০৫ সালে কার্যক্রম শুরু করে। D) টেলিটক — এটি বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জিএসএম মোবাইল অপারেটর যা ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন মানেই সি দিয়ে শুরু সিটিসেল।
a জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
b ওজন স্তর ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ
c মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ
d জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ কেন সঠিক: - ২০২৩ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ সম্মেলনে বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনার ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সম্মেলনে মূল গুরুত্ব এটিকেই দেওয়া হয়েছিল। B) ওজন স্তর ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ — এটি ওজন স্তর সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা মন্ট্রিল প্রটোকলের মূল বিষয় এবং কপ-২৮ এর মূল ফোকাস ছিল না। C) মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ — এটি মূলত জাতিসংঘ মরুকরণ রোধ কনভেনশনের কাজ, জলবায়ু সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয় নয়। D) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ — এটি জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের মূল লক্ষ্য, যা কপ-২৮ সম্মেলনের প্রধান ফোকাস ছিল না। মনে রাখার টিপস: দুবাইয়ের কপ-২৮ মানেই তেল ও কয়লার মতো জীবাশ্ম জ্বালানি কমানোর ঐতিহাসিক চুক্তি।
a প্রাথমিক পর্যায়ে
b মাধ্যমিক পর্যায়ে
c মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে
d উচ্চ শিক্ষা পর্যায়ে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে কেন সঠিক: - HSTTI এর পূর্ণরূপ হলো হাই স্কুল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, যা মূলত মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়। - পরবর্তী সময়ে এর কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি করে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাথমিক পর্যায়ে — প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট যেমন পিটিআই রয়েছে, এইচএসটিটিআই নয়। B) মাধ্যমিক পর্যায়ে — এটি আংশিক সঠিক হলেও প্রতিষ্ঠানটি কেবল মাধ্যমিক নয়, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। C) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ প্রতিষ্ঠানটি এই উভয় স্তরের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে। D) উচ্চ শিক্ষা পর্যায়ে — বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চ শিক্ষার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য ইউজিসির অধীনে আলাদা একাডেমি রয়েছে, এইচএসটিটিআই নয়। মনে রাখার টিপস: HSTTI নামের প্রথম অংশ হাই স্কুল হলেও এটি কলেজ বা উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
a 75
b 76
c 77
d 78
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৭ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। - সংসদ কর্তৃক কোনো আইনের মাধ্যমে ন্যায়পাল নিয়োগ ও তার ক্ষমতা নির্ধারণের কথা এতে বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫ অনুচ্ছেদ — এটি সংসদ সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া এবং সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। B) ৭৬ অনুচ্ছেদ — এটি জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ গঠন ও তাদের কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান। C) ৭৭ অনুচ্ছেদ — এটি ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠার কথা বলে, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ডি) ৭৮ অনুচ্ছেদ — এটি সংসদ ও এর সদস্যদের বিশেষ অধিকার এবং দায়মুক্তি সম্পর্কিত বিধান। মনে রাখার টিপস: সাতের ঘরে ডাবল সাত (৭৭) মানেই সংবিধানে ন্যায়পালের অবস্থান।
a গেজেট
b আদেশ
c অধ্যাদেশ
d প্রজ্ঞাপন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গেজেট কেন সঠিক: সরকারের নতুন নীতি, আইন ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে জনসাধারণের অবগতির জন্য সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়। এটি আইনগতভাবে সরকারি সিদ্ধান্ত প্রকাশের একমাত্র প্রামাণিক দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গেজেট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) আদেশ — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর অর্পিত নির্দেশ, যা সমগ্র রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত প্রকাশের মাধ্যম নয়। C) অধ্যাদেশ — এটি আইন প্রণয়নের একটি বিশেষ মাধ্যম, যা শুধুমাত্র সংসদ অধিবেশন বন্ধ থাকা অবস্থায় জারি করা হয়। D) প্রজ্ঞাপন — এটি সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ জারির আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি, যা গেজেটের অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো সরকারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আইন সবার জন্য প্রকাশ করার প্রধান মাধ্যম হলো গেজেট।
a পরীক্ষা গ্রহণ
b শিক্ষক নিয়োগ
c শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
d শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করা
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা কেন সঠিক: - এই অধিদপ্তর দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক কার্যক্রম ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা যাচাই করে থাকে। - সরকারি অনুদান ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এটি শিক্ষা খাতে জবাবদিহিতা বজায় রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরীক্ষা গ্রহণ — পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্ব শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের নয়। B) শিক্ষক নিয়োগ — শিক্ষক নিয়োগের মূল দায়িত্ব শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়কর্তা কর্তৃপক্ষ বা কমিশনের, এই অধিদপ্তরের নয়। C) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা — এটি এই অধিদপ্তরের নির্ধারিত মূল কাজ। D) শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করা — শিক্ষকদের বেতন ও আর্থিক সুবিধা সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, এই অধিদপ্তরের কাজ শুধু নিরীক্ষা করা। মনে রাখার টিপস: পরিদর্শন ও নিরীক্ষা মানেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও আর্থিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
a হ্যাঁ
b অর্ধেক পাওয়া যাবে
c সমন্বয় হবে
d না
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) না কেন সঠিক: - এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট অনিয়ম বা ভুলের কারণে কোড স্থগিত হলে সেই স্থগিতকালীন সময়ের বকেয়া বেতন পরিশোধের কোনো বিধান নেই। - কোড স্থগিত থাকা অবস্থায় শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাজের বৈধতা থাকে না বিধール বকেয়া পাওনা আদায়ের সুযোগ থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যাঁ — নিয়মবহির্ভূতভাবে স্থগিত কোডের বকেয়া বেতন পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে এটি সঠিক নয়। B) অর্ধেক পাওয়া যাবে — স্থগিতকালীন সময়ের সম্পূর্ণ বেতন বা আংশিক বেতন পাওয়ার কোনো আইনি বিধান নেই। সি) সমন্বয় হবে — পরবর্তীতে কোড সচল হলেও অতীতের স্থগিত সময়ের বেতন অন্য কোনো খাতের সাথে সমন্বয় করা যায় না। D) না — প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের কারণে কোড স্থগিত হলে ঐ সময়ের বকেয়া বেতন পাওয়া যায় না বিধায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে এমপিও স্থগিত হলে বকেয়া বেতনও বন্ধ, এই নিয়মটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a আনুষ্ঠানিক শিক্ষা
b উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা
c অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা
d প্রথাগত শিক্ষা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন সঠিক: - পরিবার, সমাজ ও পরিবেশ থেকে মানুষ যে স্বাভাবিক ও প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতা অর্জন করে, তাকে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা বলা হয়। - এর কোনো নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম, নিয়মকানুন বা প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি থাকে না, এটি জীবনব্যাপী চলতে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও পাঠ্যক্রমের অধীনে প্রদান করা হয়। B) উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে বিকল্প উপায়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয়। C) অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) প্রথাগত শিক্ষা — এটি আনুষ্ঠানিক শিক্ষার আরেকটি সমার্থক রূপ যা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। মনে রাখার টিপস: স্কুল-কলেজের বাইরে পরিবার ও সমাজ থেকে জীবনব্যাপী যা শিখি, সেটাই অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা।
a সুশাসন নিশ্চিত করা
b দুর্নীতি রোধ করা
c জনসচেতনতা সৃষ্টি করা
d নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা কেন সঠিক: - সিটিজেন চার্টার বা নাগরিক ঘোষণাপত্র হলো এমন একটি দালিলিক প্রতিশ্রুতি, যার মাধ্যমে সরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত সেবা দিতে বাধ্য থাকে। - এটি মূলত সেবাগ্রহীতাদের অধিকার রক্ষা এবং সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুশাসন নিশ্চিত করা — সুশাসন একটি ব্যাপক ধারণা, যার মধ্যে নাগরিক সেবা ছাড়াও অংশীদারিত্ব, আইনের শাসন ও সমতা অন্তর্ভুক্ত; তাই এটি সরাসরি সিটিজেন চার্টারের মূল কাজ নয়। B) দুর্নীতি রোধ করা — সিটিজেন চার্টার দুর্নীতি কিছুটা কমাতে সাহায্য করলেও এর মূল এবং প্রত্যক্ষ কাজ হলো সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা। C) জনসচেতনতা সৃষ্টি করা — জনসচেতনতা সৃষ্টি মূলত প্রচারণামূলক কাজের অংশ, যা সিটিজেন চার্টারের নির্দিষ্ট কোনো সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার সরাসরি লক্ষ্য নয়। D) নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা — এটি সরাসরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতির সাথে যুক্ত এবং নাগরিক চার্টারের মূল উদ্দেশ্য। মনে রাখার টিপস: সিটিজেন চার্টার মানেই হলো নাগরিকের অধিকার ও সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার একটি লিখিত প্রতিশ্রুতিপত্র।
a জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
b প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
c মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
d শিক্ষা মন্ত্রণালয়
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কেন সঠিক: - জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা এনএসডিএ একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা দেশের শ্রমশক্তির দক্ষতা উন্নয়ন ও সমন্বয়ের জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। - এটি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে গঠিত হয়ে দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করার নীতিনির্ধারণী কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় — এটি সরকারি চাকুরিজীবীদের ব্যবস্থাপনা, পদায়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষা নিয়ে কাজ করে, দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের administrative control এখানে নেই। B) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ — এটি সরকারের নীতিনির্ধারণী ও প্রশাসনিক সমন্বয় সাধনের প্রধান দপ্তর, যা এই নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে নেই। D) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার তদারকি করে, তবে এনএসডিএ একটি স্বাধীন কর্তৃপক্ষ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে ন্যস্ত। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা উন্নয়নের মতো দেশের বিশাল কর্মসংস্থান ও পরিকল্পনা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নজরদারিতে থাকে, তাই এনএসডিএ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন।
a শুধু সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের
b শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধানের
c প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মচারীর
d নিয়োগ কমিটির সকল সদস্যের
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মচারীর কেন সঠিক: - জাল নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে এমপিওভুক্তির আবেদন করলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারী উভয়েই সরাসরি প্রতারণার সাথে যুক্ত থাকেন। - নীতিমালা অনুযায়ী এই ধরনের অপরাধে প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রশাসনিক দায় এবং আবেদনকারী শিক্ষক বা কর্মচারীর বেতন-ভাতা বাতিল ও আইনগত শাস্তি উভয়ই প্রযোজ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুধু সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের — জাল সনদে আবেদন একা শুধু শিক্ষক করেন না, এর সাথে প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়ন বা সংশ্লিষ্টতা থাকে বিধায় শুধু এক পক্ষের শাস্তি হয় না। B) শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধানের — এককভাবে শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধান নন, মূল সুবিধাভোগী হিসেবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীও সমানভাবে অপরাধের অংশীদার হন। C) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মচারীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাল সনদের এমপিও আবেদনে উভয় পক্ষই বিধিভঙ্গ ও জালিয়াতির দায়ে শাস্তি ও বেতন-ভাতা বাতিলের আওতাভুক্ত হন। D) নিয়োগ কমিটির সকল সদস্যের — নিয়োগ কমিটি প্রাথমিক নিয়োগের সাথে যুক্ত থাকে, কিন্তু পরবর্তী সময়ে জাল সনদে এমপিওভুক্তির আবেদনের দায় প্রধানত প্রধান শিক্ষক ও আবেদনকারীর ওপর বর্তায়। মনে রাখার টিপস: জাল সনদে এমপিও তুললে আবেদনকারী শিক্ষক এবং প্রত্যয়নকারী প্রধান শিক্ষক উভয়েই একসাথে শাস্তি পাবেন।
a সাধারণ তহবিল
b বিবিধ তহবিল
c ক্রীড়া তহবিল
d উন্নয়ন তহবিল
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধারণ তহবিল কেন সঠিক: - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন আয় যেমন টিউশন ফি, ভর্তি ফি ও অন্যান্য নিয়মিত আদায় সরাসরি সাধারণ তহবিলে জমা হয়। - এই তহবিল থেকে প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত খরচ যেমন কর্মচারীদের বেতন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ তহবিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়মিত আদায়কৃত অর্থ এই তহবিলেই জমা রাখা হয়। B) বিবিধ তহবিল — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা অনিয়মিত আয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, নিয়মিত আয়ের জন্য নয়। সি) ক্রীড়া তহবিল — এটি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা সংক্রান্ত খরচের জন্য নির্দিষ্ট থাকে। ডি) উন্নয়ন তহবিল — এটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: প্রতিষ্ঠান চালানোর নিয়মিত আয় সবসময় সাধারণ তহবিলে জমা হয়।
a প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়
b দুর্নীতি হ্রাস পায়
c প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে লেখাপাড়া নিশ্চিত হয়
d সামাজিক অবক্ষয় রোধ হয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায় কেন সঠিক: - ই-গভর্ন্যান্স বা ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সরকারি সেবাকে সহজলভ্য ও জবাবদিহিমূলক করা। - এর মাধ্যমে সরকারি দপ্তরের কাজে গতিশীলতা আসে এবং লাল ফিতার দৌরাত্ম্য বা দুর্নীতি কমে গিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায় — এটি ই-গভর্ন্যান্সের মূল লক্ষ্য ও সঠিক উত্তর। B) দুর্নীতি হ্রাস পায় — এটি ই-গভর্ন্যান্সের একটি ইতিবাচক ফলাফল হলেও সামগ্রিক মূল উদ্দেশ্য বা সবচেয়ে উপযুক্ত সংজ্ঞা নয়। C) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে লেখাপাড়া নিশ্চিত হয় — এটি ই-গভর্ন্যান্সের কাজ নয়, বরং এটি ই-লার্নিং বা দূরশিক্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সামাজিক অবক্ষয় রোধ হয় — এটি সরাসরি ই-গভর্ন্যান্সের কাজ নয়, বরং সমাজ সংস্কার ও নৈতিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: ই-গভর্ন্যান্স মানেই প্রযুক্তির ছোঁয়া, আর প্রযুক্তির ছোঁয়া মানেই কাজের গতি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি।
a Certified Copy
b Carbon Copy
c Collected Copy
d Carbon Certificate
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ই-মেইল পাঠানোর সময় প্রাপক বা রিসিভার ছাড়াও অন্য কাউকে একই বার্তা অবগতির জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা হলো কার্বন কপি বা সিসি। এই পদ্ধতিতে মূল প্রাপকের কাছে পাঠানো ই-মেইলের একটি হুবহু প্রতিলিপি বা অনুলিপি নির্দিষ্ট অন্যান্য ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-মেইলে সিসি বা কার্বন কপি হলো এমন একটি ফিল্ড যেখানে মূল প্রাপক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত করে একই বার্তা পাঠানো হয়। কার্যপদ্ধতি: মূল বার্তাটি পাঠানোর সময় সার্ভার মূল প্রাপক এবং সিসি বক্সে থাকা প্রতিটি ঠিকানায় একযোগে ই-মেইলের একটি করে কপি বিতরণ করে। ব্যবহার: দাপ্তরিক কাজে বা কোনো তথ্যের অবগতি বা ইনফরমেশন জানানোর জন্য সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ই-মেইলে যুক্ত করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসে ছুটির আবেদন করার সময় প্রধান কর্মকর্তার পাশাপাশি নিজের বিভাগীয় প্রধানকে সিসিতে রাখা। ব্যাখ্যা: এতে মূল ছুটির আবেদন প্রধান কর্মকর্তা পাওয়ার পাশাপাশি বিভাগীয় প্রধানও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকেন। উদাহরণ ২: কোনো প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন ক্লায়েন্টকে পাঠানোর সময় নিজের টিম মেম্বারদের সিসিতে রাখা। ব্যাখ্যা: প্রকল্প সম্পর্কিত তথ্য ক্লায়েন্টের কাছে পৌঁছানোর সাথে সাথে পুরো টিমও একই সাথে আপডেটটি পেয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Certified Copy — এটি প্রত্যয়িত বা সত্যায়িত অনুলিপির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যা ই-মেইলের প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। B) Carbon Copy — এটি সঠিক উত্তর কারণ ই-মেইলে সিসি বলতে এই অপশনটিকেই বোঝায়। C) Collected Copy — এটি কোনো স্বীকৃত কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কিং পরিভাষা নয়। D) Carbon Certificate — এটি ই-মেইল প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সঠিক শব্দ বা পরিভাষা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সিসি বা কার্বন কপি মনে রাখার সহজ উপায় হলো কাগজের যুগে কার্বন পেপার ব্যবহার করে যেভাবে একবারে একাধিক কপি তৈরি করা হতো, তারই ডিজিটাল রূপ এটি। বিপরীতে, বিসিসি বা ব্লাইন্ড কার্বন কপি ব্যবহার করলে অন্য প্রাপকরা বুঝতে পারেন না যে কাকে গোপনে অনুলিপিটি পাঠানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-মেইলের সিসি এবং বিসিসির পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে। সিসি ক্ষেত্রে সকল প্রাপক দেখতে পান কার কার কাছে ই-মেইলটি গেছে, কিন্তু বিসিসির ক্ষেত্রে তা গোপন থাকে।
a Over The Top
b Over Time Password
c One Time Password
d Other Than Password
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One Time Password ১. কেন সঠিক: - OTP বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড হলো একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেটেড কোড যা শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট লগইন সেশন বা ট্রানজেকশনের জন্য কার্যকর থাকে। - এটি টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন ব্যবস্থার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড হলো এমন একটি নিরাপত্তা কোড যা একবার ব্যবহারের পর তাৎক্ষণিকভাবে অকার্যকর হয়ে যায়। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো সিস্টেমে প্রবেশ করতে চাইলে সিস্টেমে নিবন্ধিত মোবাইল বা ইমেইলে একটি স্বল্পমেয়াদী কোড পাঠানো হয়। - ব্যবহার: অনলাইন ব্যাংকিং, এটিএম লেনদেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লগইন এবং ই-কমার্স পেমেন্টে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অনলাইনে টাকা স্থানান্তরের সময় মোবাইলে আসা কোড। ব্যাখ্যা: এই কোডটি কেবল একবারই লেনদেন সম্পূর্ণ করতে ব্যবহার করা যায় এবং পরবর্তীতে এটি বাতিল হয়ে যায়। উদাহরণ ২: জিমেইল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অচেনা ডিভাইস থেকে লগইন করার সময় কোড চাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী আসল ব্যক্তি কি না, যা পাসওয়ার্ড চুরির ঝুঁকি কমায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Over The Top — এটি একটি প্রযুক্তিগত পরিভাষা যা ইন্টারনেট প্রটোকলের মাধ্যমে ভিডিও বা অডিও স্ট্রিমিং সেবাকে বোঝায়। B) Over Time Password — এই নামে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক নিরাপত্তায় কোনো আদর্শ বা প্রচলিত পাসওয়ার্ড প্রযুক্তি নেই। D) Other Than Password — এটি কোনো প্রযুক্তিগত বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিভাষা নয়, বরং একটি সাধারণ ইংরেজি বাক্যাংশ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, যে পাসওয়ার্ড শুধু একবার বা একবারের বেশি ব্যবহার করা যায় না, সেটাই ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওয়ান টাইম পিন। - এই কোডগুলো সাধারণত কয়েক মিনিট পর নিজে থেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড মূলত ফিশিং ও পাসওয়ার্ড চুরি রোধে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। - এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডেটা সুরক্ষা আইনের অধীনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
a হ্যাকিং
b ফিশিং
c পাইরেসি
d প্লেজিয়ারিজম
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্লেজিয়ারিজম ১. কেন সঠিক: - অন্যের লেখা, আইডিয়া বা সৃষ্টি নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা কৃতিত্ব নেওয়াকে প্লেজিয়ারিজম বা চৌর্যবৃত্তি বলা হয়। - এই ছাত্রটি ফেসবুক পেজ থেকে লেখকের অনুমতি না নিয়ে এবং তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে গল্পটি নিজের নামে ছাপানোর মাধ্যমে এই নৈতিক অপরাধটি করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বা লেখার জেনেশুনে বা না জেনে অননুমোদিত ব্যবহার করা। - বৈশিষ্ট্য: এতে প্রকৃত লেখকের নাম গোপন করা হয় এবং নিজের মৌলিক কাজ হিসেবে প্রচার করা হয়। - ব্যবহার: এটি শিক্ষা ও প্রকাশনা জগতে একটি দণ্ডনীয় অপরাধ এবং নীতিশাস্ত্রের পরিপন্থী কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইন্টারনেট থেকে একটি প্রবন্ধ হুবহু কপি করে নিজের অ্যাসাইনমেন্টে জমা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্লেজিয়ারিজমের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ কারণ অন্যের গবেষণালব্ধ কাজ নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: অন্যের তৈরি করা কোনো কম্পিউটার কোডের মূল উৎস গোপন করে নিজের প্রজেক্টে ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এটি সফটওয়্যার জগতের চৌর্যবৃত্তি, যা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যাকিং — হ্যাকিং হলো কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে বা নেটওয়ার্কে অননুমোদিত প্রবেশ করা, যা এখানে ঘটেনি। B) ফিশিং — ফিশিং হলো জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সাইবার অপরাধ। C) পাইরেসি — পাইরেসি হলো সফটওয়্যার বা ডিজিটাল মিডিয়ার অবৈধ অনুলিপি তৈরি ও বিতরণ, অন্যের লেখা নিজের নামে ছাপানো নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্লেজিয়ারিজম শব্দের অর্থ চৌর্যবৃত্তি বা সাহিত্য চুরি। - লেখা চুরি করা মানেই হলো প্লেজিয়ারিজম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিকতা ও তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে এই টার্মটি প্রায়ই আসে। - অন্যের কাজ ব্যবহার করতে হলে সবসময় তথ্যসূত্র বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয়।
a Line Chart
b Bar Chart
c Pie Chart
d Box Chart
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Pie Chart ১. কেন সঠিক: - পাই চার্ট বা বৃত্তাকার চিত্র সমগ্র ডেটার বিভিন্ন অংশের অনুপাত বা শতকরা হার প্রকাশ করার জন্য সবচেয়ে উপযোগী গ্রাফ। - একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষায় পাস ও ফেলের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যাকে একটি বৃত্তের বিভিন্ন অংশে শতকরা বা অনুপাতে ভাগ করে দেখানোর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: পাই চার্ট হলো একটি বৃত্তাকার গ্রাফ যা বৃত্তের বিভিন্ন সেক্টর বা খণ্ডের মাধ্যমে ডেটার অনুপাত বা শতকরা অংশ প্রদর্শন করে। - কার্যপদ্ধতি: পুরো বৃত্তটিকে মোট ১০০ শতাংশ বা ৩৬০ ডিগ্রি ধরে ডেটার প্রতিটি অংশের মান অনুযায়ী অনুপাতে ক্ষেত্র বা কোণ ভাগ করা হয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের বা ক্যাটাগরির অংশগুলোর পারস্পরিক তুলনা করতে এবং সামগ্রিকের মধ্যে কার অংশ কত তা দেখতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসের মোট ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮০ জন পাস এবং ২০ জন ফেল করলে তা পাই চার্টে যথাক্রমে ৮০ শতাংশ এবং ২০ শতাংশ হিসেবে দেখানো হয়। ব্যাখ্যা: এই দৃশ্যকল্পটি পুরো ছাত্রছাত্রী সংখ্যার সাথে পাস ও ফেলের অনুপাত পরিষ্কারভাবে একটি বৃত্তের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: একটি বিদ্যালয়ের বার্ষিক বাজেটের বিভিন্ন খাতের ব্যয় যেমন শিক্ষক বেতন, ভবন মেরামত ও ক্রীড়া সামগ্রী ক্রয়ের অনুপাত প্রদর্শন করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় সমগ্র বাজেটের কোন খাতে কত অংশ ব্যয় হলো তা পাই চার্টের মাধ্যমে শতকরা হারে দৃশ্যমান করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Line Chart — এটি সাধারণত সময়ের সাথে ডেটার পরিবর্তন বা প্রবণতা দেখাতে ব্যবহৃত হয়, পাস-ফেলের অনুপাত দেখাতে নয়। B) Bar Chart — এটি বিভিন্ন স্বতন্ত্র ক্যাটাগরির মধ্যে পরিমাণের তুলনা করতে বেশি উপযোগী, যা বৃত্তাকার অনুপাত দেখানোর চেয়ে তুলনামূলক কম সুবিধাজনক। D) Box Chart — এটি মূলত পরিসংখ্যানগত ডেটার বিস্তার, মধ্যক এবং চতুর্থক বা আউটলায়ার চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুপাত বা শতকরা অংশ (Percentage) বোঝাতে সবসময় পাই চার্ট বা বৃত্তাকার চিত্র ব্যবহার করা হয়। - পাই (Pie) শব্দটি খাবারের গোল বৃত্তাকার পিঠার কথা মনে করিয়ে দেয়, যা দিয়ে গোল বৃত্ত বা বৃত্তাকার চার্ট মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন বা গ্রাফের ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - কোন ডেটার জন্য কোন চার্ট উপযোগী, যেমন ট্রেন্ডের জন্য লাইন চার্ট এবং অনুপাতের জন্য পাই চার্ট, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তথ্য অধিকার আইন
b পরিচয় সুরক্ষা আইন
c তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন
d ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ১. কেন সঠিক: - ২০১৮ সালে প্রণীত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করে ২০২৩ সালে এর নাম পরিবর্তন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়। - এই আইনের মূল উদ্দেশ্য সাইবার অপরাধ দমন, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করা। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সাইবার নিরাপত্তা আইন হলো এমন একটি আইনি কাঠামো যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেটে সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন করতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ যেমন হ্যাকিং, তথ্য চুরি, মানহানি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো ব্যক্তি যদি অনলাইনে অন্য কারো নামে ফেক আইডি খুলে অপপ্রচার চালায়, তবে সাইবার নিরাপত্তা আইনের আওতায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এই আইনটি ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে সরাসরি প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং খাতের সার্ভারে ম্যালওয়্যার বা র‍্যানসমওয়্যার হামলা চালিয়ে অর্থ চুরির চেষ্টা করা হলে এই আইনের অধীনে তদন্ত ও বিচার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি অনলাইন পরিকাঠামো ও ডিজিটাল সম্পদ রক্ষায় সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য অধিকার আইন — এই আইনটি ২০০৯ সালে প্রণীত হয়, যার মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা এবং সরকারি স্বচ্ছতা বাড়ানো। B) পরিচয় সুরক্ষা আইন — এটি কোনো প্রধান আইন নয় এবং প্রশ্নোক্ত সাইবার নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তনের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত নয়। C) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন — এটি ২০০৬ সালে প্রণীত হয় এবং পরে এটি সংশোধন করা হলেও এর নাম পরিবর্তন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন রাখা হয়নি। D) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ২০১৮ সালের এই আইনটির নাম পরিবর্তন করেই ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন রাখা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরবর্তী সময়ে পরিবর্তিত হয়ে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইনে রূপ নেয়। - আইন সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় আইনের সাল এবং সংশোধিত নামগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখা সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক আইনি পরিবর্তন ও সংশোধনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের প্রধান পার্থক্য ও সংশোধনের সালগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a Date
b Time
c Percentage
d Memo
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Memo ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel) হলো একটি স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম, যা মূলত সংখ্যাগত ও আর্থিক ডেটা নিয়ে কাজ করে। - এখানে মেমো (Memo) ডেটা ফরম্যাটটি সমর্থিত নয়, কারণ এটি মাইক্রোসফট এক্সেসের (Microsoft Access) মতো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারে দীর্ঘ লেখা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্প্রেডশিট ডেটা ফরম্যাট হলো এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে সেল বা ঘরের ডেটাকে তারিখ, সময়, সংখ্যা বা টেক্সট হিসেবে প্রদর্শন করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: এক্সেল ব্যবহারকারীর ইনপুট করা ডেটার ধরন শনাক্ত করে এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুযায়ী তা স্ক্রিনে প্রদর্শন ও প্রক্রিয়াজাত করে। - ব্যবহার: হিসাব-নিকাশ, বাজেট তৈরি, গ্রাফ তৈরি এবং সাধারণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য এক্সেল ডেটা ফরম্যাট ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেট ফরম্যাট ব্যাখ্যা: সেলে তারিখ ইনপুট করলে এক্সেল তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা নির্দিষ্ট ফরম্যাটে যেমন দিন, মাস ও বছর আকারে প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: পার্সেন্টেজ ফরম্যাট ব্যাখ্যা: কোনো সংখ্যার সাথে শতকরা চিহ্ন যোগ করে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শতকরা হারে রূপান্তর করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Date — এটি একটি বৈধ ফরম্যাট যা এক্সেলের সেলে দিন, মাস ও বছর প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। B) Time — এটি একটি বৈধ ফরম্যাট যা এক্সেলের সেলে ঘণ্টা, মিনিট ও সেকেন্ড প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। C) Percentage — এটি একটি বৈধ ফরম্যাট যা সংখ্যাকে শতকরারূপে প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) Memo — এটি এক্সেলের কোনো ডেটা ফরম্যাট নয়, বরং এটি ডেটাবেজ সফটওয়্যারের টেক্সট ফিল্ডের একটি প্রকার। ৫. মনে রাখার টিপস: - এক্সেল হলো স্প্রেডশিট আর স্প্রেডশিটে সংখ্যা, তারিখ, সময় ও শতকরা হিসাব থাকে, কোনো মেমো বা দীর্ঘ বর্ণনামূলক ফিল্ড থাকে না। - ডেটাবেজ সফটওয়্যারে মেমো বা লং টেক্সট ব্যবহার করা হয়, এক্সেলে নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলের মৌলিক কাজ হলো সংখ্যা নিয়ে হিসাব-নিকাশ করা এবং গ্রাফ তৈরি করা। - ডেটাবেজ ও স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের ডেটা টাইপের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a Insert
b Format
c Desing
d Layout
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Insert ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ডকুমেন্টের পৃষ্ঠা নম্বর যুক্ত করার জন্য রিবন বারে থাকা ইনসার্ট ট্যাবের সহায়তা নিতে হয়। ইনসার্ট ট্যাবের হেডার অ্যান্ড ফুটার গ্রুপ থেকে পেজ নম্বর কমান্ড ব্যবহার করে খুব সহজেই পৃষ্ঠার নম্বর বসানো যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড রিবন হলো একটি ইউজার ইন্টারফেস যেখানে বিভিন্ন ট্যাব ও কমান্ডের মাধ্যমে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের সব কাজ সহজে সম্পন্ন করা হয়। কার্যপদ্ধতি: ইনসার্ট ট্যাবে ক্লিক করার পর হেডার ও ফুটার অংশে গিয়ে পেজ নম্বর নির্বাচন করলে ডকুমেন্টের ওপর বা নিচে নম্বর বসে যায়। ব্যবহার: বড় কোনো রিপোর্ট, থিসিস পেপার বা বই লেখার সময় পৃষ্ঠার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই অপশন ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি যখন একটি একশ পৃষ্ঠার গবেষণাপত্র তৈরি করেন তখন প্রতিটি পৃষ্ঠায় ম্যানুয়াল নম্বর না দিয়ে ইনসার্ট থেকে পেজ নম্বর ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিটি পৃষ্ঠায় ক্রমানুসারে নম্বর বসিয়ে দেয় এবং পৃষ্ঠা যোগ বা বাদ দিলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়। উদাহরণ ২: একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন বা চিঠিতে পৃষ্ঠা সংখ্যা যুক্ত করার জন্য ফুটার অংশে পেজ নম্বর দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে নথিপত্র প্রিন্ট করার পর পৃষ্ঠা হারিয়ে গেলে বা এলোমেলো হয়ে গেলে সহজেই তা সাজানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Insert — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রিবন ট্যাবেই পেজ নম্বর, টেবিল ও পিকচার যুক্ত করার কমান্ড থাকে। B) Format — এই অপশনটি ডকুমেন্টের মার্জিন, প্যারাগ্রাফ স্পেস বা পেপার সাইজ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Desing — এই ট্যাবের মাধ্যমে ডকুমেন্টের থিম, কালার প্যালেট ও পেজ বর্ডার ডিজাইন করা হয়। D) Layout — এটি পাতার ওরিয়েন্টেশন, কলাম ও পেপার সাইজ সাজানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু ডকুমেন্টে নতুন যোগ করতে হলে ইনসার্ট বা প্রবেশ করাতে হবে এই ধারণা মাথায় রাখুন। ইনসার্ট ট্যাবের নামের অর্থই হলো ভেতরে প্রবেশ করানো বা যুক্ত করা, তাই পেজ নম্বর যুক্ত করতে এখানেই যেতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কীবোর্ডের মাধ্যমে শর্টকাট ব্যবহার করে পেজ নম্বর সরাসরি যোগ করার নির্দিষ্ট কোনো ডিফল্ট কী নেই। পরীক্ষায় প্রায়ই পেজ নম্বর, হেডার বা ফুটার কোন ট্যাবে থাকে তা জানতে চাওয়া হয়, যার উত্তর সবসময় ইনসার্ট ট্যাব।
a বিল গেটস
b লারি পেইজ
c সে্গেই ব্রিন
d b ও c উভয়ই
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) b ও c উভয়ই ১. কেন সঠিক: বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল (Google) প্রতিষ্ঠা করেছেন লারি পেইজ এবং সের্গেই ব্রিন। ১৯৯৮ সালের চতুর্থ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সময় তারা দুজন যৌথভাবে এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেছিলেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: গুগল হলো একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা ইন্টারনেট ভিত্তিক সেবা, সার্চ ইঞ্জিন প্রযুক্তি, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ করে থাকে। কার্যপদ্ধতি: এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন তথ্যের সন্ধান দিতে বিশেষ ধরনের ওয়েব ক্রলার এবং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে থাকে। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে তথ্য খোঁজা, ইমেইল আদান-প্রদান, ভিডিও দেখা এবং মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনার জন্য এর সেবা ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লারি পেইজ ব্যাখ্যা: তিনি গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং এর প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। উদাহরণ ২: সের্গেই ব্রিন ব্যাখ্যা: তিনি গুগলের অন্যতি সহ-প্রতিষ্ঠাতা যিনি মূলত প্রযুক্তিগত গবেষণার দিকটি পরিচালনা করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল গেটস — তিনি গুগলের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। B) লারি পেইজ — তিনি গুগলের একজন প্রতিষ্ঠাতা হলেও একা নন, তাই শুধু এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ সের্গেই ব্রিনও এর সঙ্গে যুক্ত। C) সের্গেই ব্রিন — তিনি গুগলের একজন প্রতিষ্ঠাতা হলেও একা নন, তাই শুধু এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ লারি পেইজও এর সঙ্গে যুক্ত। D) b ও c উভয়ই — এই অপশনে লারি পেইজ এবং সের্গেই ব্রিন উভয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটি সঠিক উত্তর হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: গুগলের প্রতিষ্ঠাতাদের মনে রাখতে পেইজ এবং ব্রিন এই দুটি পদবি একসঙ্গে মনে রাখতে হবে। দুজনে মিলে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এই সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও আবিষ্কারকদের নাম আসে। গুগল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে এবং এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই।
a বিষয়টি ইন্টারনেটে সংঘটিত হয়েছে বলে এড়িয়ে যাবেন
b বিষয়টি সাইবার বুলিং হিসেবে চিহ্নিত করে গুরুত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন
c বিষয়টি সমাধানের জন্য পুলিশের সাইবার ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন
d বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করে ফেলতে অভিভাবককে পরামর্শ দেবেন
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিষয়টি সমাধানের জন্য পুলিশের সাইবার ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন ১. কেন সঠিক: - ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং সাইবার অপরাধ ব্যবস্থাপনার নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্ক বা শিক্ষার্থীদের সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া বাধ্যতামূলক। - প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে ছাত্রীটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের সাইবার ইউনিটের সাহায্য নেওয়া প্রশাসনিক দায়িত্ব। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সাইবার বুলিং হলো ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে কাউকে অনলাইনে বিব্রত, ভয় দেখানো বা মানসিকভাবে হেনস্তা করা। - কার্যপদ্ধতি: অপরাধীরা হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আপত্তিকর মেসেজ পাঠিয়ে মানসিক নির্যাতন চালায়। - ব্যবহার: এ ধরনের অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন বা সাইবার সাপোর্ট উইং ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করে অপরাধী শনাক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো শিক্ষার্থীকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কুরুচিপূর্ণ ছবি বা মেসেজ পাঠানো হলে তা সাইবার বুলিং হিসেবে গণ্য হয়। ব্যাখ্যা: ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত এই অপরাধের প্রমাণ সংরক্ষণ করে সাইবার ইউনিটে অভিযোগ দাখিল করতে হয়। উদাহরণ ২: সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেক আইডি থেকে বুলিং করার সময় আইপি অ্যাড্রেস বা ডিভাইস আইডি ট্র্যাক করা। ব্যাখ্যা: সাইবার ইউনিটের প্রযুক্তিগত সহায়তায় খুব সহজেই অপরাধীর আসল অবস্থান ও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষয়টি ইন্টারনেটে সংঘটিত হয়েছে বলে এড়িয়ে যাবেন — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ সাইবার বুলিং অপরাধ এবং আইনিভাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। B) বিষয়টি সাইবার বুলিং হিসেবে চিহ্নিত করে গুরুত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন — এই অপশনটি আংশিক সঠিক কিন্তু কেবল চিহ্নিত করলেই সমস্যার আইনি সমাধান হয় না। D) বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করে ফেলতে অভিভাবককে পরামর্শ দেবেন — অপরাধের মাত্রা গুরুতর হওয়ায় তা কেবল নিজেদের মধ্যে সমাধান করা আইনসম্মত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে বা ডিজিটাল অপরাধ দেখলে সরাসরি পুলিশের সাইবার সাপোর্ট উইং বা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে যোগাযোগ করতে হয়। - প্রমাণ হিসেবে মেসেজের স্ক্রিনশট ও ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণ করা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাইবার অপরাধ দমনে বাংলাদেশে প্রচলিত আইসিটি আইন ও সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত সরকারি উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা রাখা আবশ্যক। - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বুলিং প্রতিরোধে শিক্ষকদের ভূমিকা ও আইনি পদক্ষেপ প্রশ্ন হিসেবে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a LAN
b PAN
c CAN
d WAN
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) LAN ১. কেন সঠিক: Wi-Fi প্রযুক্তির সাহায্যে মূলত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, যা একটি নির্দিষ্ট ভবন বা ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এটি তারবিহীন যোগাযোগের মাধ্যমে একটি সীমিত পরিসরের ডিভাইসগুলোকে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত করে ইন্টারনেট বা ডেটা শেয়ারিং সুবিধা দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: LAN-এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network এবং বাংলা অর্থ হলো স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক। কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে রাউটার বা এক্সেস পয়েন্টের সঙ্গে ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করে। ব্যবহার: বাসা-বাড়ি, অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ এবং প্রিন্টার শেয়ার করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনার বাসার ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোন একই ওয়াই-ফাই রাউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ব্যাখ্যা: এটি একটি গৃহস্থালি LAN-এর ক্লাসিক উদাহরণ, যেখানে সীমিত পরিসরে ডিভাইসগুলো যুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির কম্পিউটারগুলো ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে সেন্ট্রাল সার্ভার থেকে তথ্য নিচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি প্রাতিষ্ঠানিক LAN-এর কার্যপদ্ধতি নির্দেশ করে, যা তারের ঝামেলা ছাড়াই উচ্চগতির সংযোগ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) LAN — এটি সঠিক কারণ ওয়াই-ফাই সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ভবন বা ঘরের মতো সীমিত এলাকায় নেটওয়ার্ক তৈরি করে। B) PAN — এই অপশনটি ভুল কারণ পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক মূলত ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে খুব কাছাকাছি দূরত্বে থাকা ডিভাইস যেমন ফোন ও হেডফোনের মধ্যে তৈরি হয়। C) CAN — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক সাধারণত একাধিক বিল্ডিং বা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো চত্বর জুড়ে বিস্তৃত থাকে, যা শুধু সাধারণ ওয়াই-ফাইয়ের চেয়ে অনেক বড়। D) WAN — এই অপশনটি ভুল কারণ ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক পুরো পৃথিবী বা দেশজুড়ে বিস্তৃত বৃহৎ নেটওয়ার্ক, যা তৈরি করতে ফাইবার অপটিক ক্যাবল বা স্যাটেলাইট যোগাযোগের প্রয়োজন হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: Wi-Fi এবং LAN দুটিই স্বল্প দূরত্বের তারবিহীন যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখবেন ছোট পরিসর মানেই LAN, আর বড় পরিসর মানেই WAN। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: Wi-Fi-এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity এবং এটি IEEE ৮১১.১১ স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ওয়াই-ফাই কোন ধরনের নেটওয়ার্ক প্রোটোকল ব্যবহার করে।
a Furniture
b Wood
c Hammer
d Chair
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wood ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি একটি সাদৃশ্যমূলক বা অ্যানালজি (Analogy) প্রশ্ন, যা কম্পিউটার বা আইসিটি পরীক্ষার মানসিক দক্ষতা অংশের জন্য প্রযোজ্য। এখানে একজন মুচি (Cobbler) চামড়া (Leather) ব্যবহার করে তার কাজ করেন, ঠিক তেমনি একজন কাঠমিস্ত্রি (Carpenter) কাঠ (Wood) ব্যবহার করে তার কাজ করেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এই ধরনের প্রশ্ন পেশা এবং সেই পেশার প্রধান কাঁচামালের মধ্যকার সম্পর্ক নির্দেশ করে। কার্যপদ্ধতি: পেশাজীবী ব্যক্তি নির্দিষ্ট কাঁচামাল সংগ্রহ করে তা প্রক্রিয়াজাত করে উপযোগী পণ্য তৈরি করেন। ব্যবহার: মেধা যাচাই ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যৌক্তিক সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Tailor এবং Cloth ব্যাখ্যা: দর্জি যেমন কাপড় দিয়ে পোশাক তৈরি করেন, তেমনি পেশার সঙ্গে উপকরণের সম্পর্ক এখানে প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: Potter এবং Clay ব্যাখ্যা: কুমার যেমন মাটি ব্যবহার করে মৃৎশিল্প তৈরি করেন, এটিও একই ধরনের পেশাগত সম্পর্কের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Furniture — এটি কাঠমিস্ত্রির কাঁচামাল নয়, বরং কাঠ দিয়ে তৈরি প্রস্তুতকৃত পণ্য। B) Wood — এটি কাঠমিস্ত্রির প্রাথমিক কাঁচামাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) Hammer — এটি কাঠমিস্ত্রির কাজ করার একটি হাতিয়ার বা যন্ত্র, কাঁচামাল নয়। D) Chair — এটি কাঠ দিয়ে তৈরি একটি নির্দিষ্ট আসবাবপত্র বা আউটপুট পণ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: পেশা এবং তার মূল কাঁচামালের সম্পর্ক মনে রাখার জন্য প্রস্তুতকারক এবং উপকরণের অনুপাত খেয়াল করতে হবে। প্রথম শব্দ পেশাজীবী এবং দ্বিতীয় শব্দ তার ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইসিটি বিষয়ের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা অংশে এ ধরনের শব্দগত সাদৃশ্য প্রায়ই আসে। পেশা, কাঁচামাল এবং উৎপাদিত পণ্যের মধ্যকার পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।

মোট প্রশ্ন (10)

a গ্রাম -> গেরাম
b বেঙ্গ -> বেঙ্গ্ত্রি
c স্টেশন -> ইস্টিশন
d প্রেক -> পেরেক
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্টেশন ইস্টিশন ১. কেন সঠিক: দ্রুত উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা উচ্চারণের তাড়নায় শব্দের আদিতে, মাঝে বা অন্তে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে স্বরগম বলা হয়। স্টেশন শব্দটি যখন উচ্চারিত হয়, তখন উচ্চারণ সহজ করার জন্য তার শুরুতে একটি ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্টিশন হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে আদি স্বরগম বা প্রথমাগম বলা হয়। বিশেষ করে ঋণশব্দের উচ্চারণ সহজ করতে বাংলাভাষীরা শব্দের শুরুতে ই বা উ ধ্বনি যুক্ত করে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্কুল থেকে ইস্কুল ব্যাখ্যা: স্কুল শব্দটির উচ্চারণে সহজতার জন্য শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্কুল হয়েছে। উদাহরণ ২: স্পৃহা থেকে ইস্পৃহা ব্যাখ্যা: স্পৃহা শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে আদি স্বরগমের মাধ্যমে ইস্পৃহা রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম থেকে গেরাম — এটি মধ্য স্বরগম বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ কারণ এখানে শব্দের মাঝখানে ই স্বরধ্বনি এসেছে। B) বেঙ্গ থেকে বেঙ্গ্ত্রি — এটি এই প্রশ্নের আদলে আদি স্বরগমের সঠিক উদাহরণ নয় এবং এটি অন্য ধ্বনি পরিবর্তনের অন্তর্ভুক্ত। D) প্রেক থেকে পেরেক — এটি মধ্য স্বরগম বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ কারণ এখানে প এবং র এর মাঝখানে এ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আদি স্বরগম মনে রাখতে মাথায় রাখবে শব্দের শুরুতে ই বা উ ধ্বনির আগমন ঘটে। স্টেশন থেকে ইস্টিশন বা স্কুল থেকে ইস্কুল বললেই আদি স্বরগম চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বর আসলে তা আদি স্বরগম হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a ষো + রস
b যট্ + দশ
c ষড় + দশ
d ষোড় + দশ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যট্ + দশ কেন সঠিক: - যট্ শব্দের ট এবং দশ শব্দের দ মিলে ড হয়েছে। - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে প্রথম পদের শেষের ট-বর্গীয় ধ্বনি এবং দ্বিতীয় পদের শুরুর দ মিলে এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী ট বা ঠ এর পরে দ বা ধ থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে ড বা ঢ হয়। - এই নিয়মে যট্ যুক্ত দশ সমান ষোড়শ গঠিত হয়। - যেমন ষট্ যুক্ত দর্শন সমান ষোড়দর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ষো + রস — এটি কোনো ব্যাকরণসম্মত সন্ধি বিচ্ছেদ নয়। - B) যট্ + দশ — এটি সঠিক উত্তর। - C) ষড় + দশ — এখানে প্রথম পদে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। - D) ষোড় + দশ — ষোড় কোনো মূল শব্দ বা প্রত্যয় নয়। মনে রাখার টিপস: - ষোড়শ শব্দ দেখলে যট্ এবং দশ এর সন্ধি মনে রাখবে।
a আরবি
b ফারসি
c তুর্কি
d পর্তুগিজ
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ১. কেন সঠিক: 'আসমান' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর অর্থ আকাশ বা গগন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে ফারসি শব্দ একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রয়োজনে বাংলায় বহু ফারসি শব্দ প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরফ ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি শব্দ যা প্রাত্যহিক জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চশমা ব্যাখ্যা: এটিও ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে 'আল্লাহ', 'ইসলাম', 'কুরআন' ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু 'আসমান' আরবি নয়। B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'আসমান' ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। C) তুর্কি — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো 'দারোগা', 'কোচ', 'তোপ' ইত্যাদি কিন্তু 'আসমান' তুর্কি শব্দ নয়। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষার শব্দ হলো 'আনারস', 'চাবি', 'বালতি' ইত্যাদি কিন্তু 'আসমান' পর্তুগিজ শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রকৃতি সংক্রান্ত কিছু ফারসি শব্দ যেমন আসমান, বরফ ও জমি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। খাদ্য ও পোশাক সম্পর্কিত ফারসি শব্দগুলো আলাদা তালিকা করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলোর তালিকা থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকে। প্রকৃতি ও দৈনন্দিন ব্যবহার্য ফারসি শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a সমস্ত পদ
b সমসমান পদ
c পূর্বপদ
d পরপদ
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমস্ত পদ ১. কেন সঠিক: সমাস প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ মিলিত হয়ে একটি নতুন পদ গঠন করে, আর এই মিলিত পদটিকে সমস্ত পদ বলা হয়। সমাসের মাধ্যমে পদের সংকোচন ঘটে এবং নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়, যেখানে একাধিক পদের মিলন সম্পন্ন হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক পদের একপদ হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে এবং সেই নিষ্পন্ন পদটিই সমস্ত পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে সিংহ, চিহ্নিত এবং আসন পদগুলো মিলে সমস্ত পদ সিংহাসন গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এখানে তুষার, ন্যায় এবং শুভ্র পদগুলো একত্রিত হয়ে সমস্ত পদ তুষারশুভ্র তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমস্ত পদ — এটি সঠিক কারণ সমাসবদ্ধ পদকে সমস্ত পদ বলা হয়। B) সমসমান পদ — এটি ভুল কারণ যে পদগুলো মিলে সমাস হয়, তাদের প্রত্যেকটিকে সমসমান পদ বলে। C) পূর্বপদ — এটি ভুল কারণ সমাসবদ্ধ পদের প্রথম পদকে পূর্বপদ বলা হয়, সমস্ত পদ পুরো পদটিকে বোঝায়। D) পরপদ — এটি ভুল কারণ সমাসবদ্ধ পদের পরবর্তী বা শেষ পদকে পরপদ বা উত্তরপদ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাসবদ্ধ পদ মানেই সব পদের সমস্ত বা সমষ্টি, তাই একে সমস্ত পদ বলে। যেগুলো সমাস সমানভাবে গঠন করে, তারা হলো সমসমান পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমস্ত পদ ভেঙে যে বাক্যাংশ তৈরি করা হয় তাকে ব্যাসব্যাক্স বা বিগ্রহবাক্য বলে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমস্ত পদ এবং সমসমান পদের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
a বিভক্তিযুক্ত পদকে
b সমসমান পদকে
c বিভক্তিহীন পদকে
d সমস্ত পদকে
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিভক্তিহীন পদকে ১. কেন সঠিক: - প্রাতিপদিক হলো মূলত বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ। - বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগের অবস্থাকে প্রাতিপদিক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে এবং একে শব্দের মূল বা ধাতুও বলা চলে। - প্রাতিপদিক শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম একটি বিভক্তিহীন শব্দ, তাই এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভক্তিযুক্ত পদকে — এটি ভুল কারণ বিভক্তিযুক্ত শব্দকে পদ বলা হয়, প্রাতিপদিক নয়। B) সমসমান পদকে — এটি ভুল কারণ সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে সমসমান পদ বলে। C) বিভক্তিহীন পদকে — এটি সঠিক কারণ প্রাতিপদিক মানেই হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ। D) সমস্ত পদকে — এটি ভুল কারণ সমাসের সাহায্যে গঠিত নতুন পদকে সমস্ত পদ বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাতিপদিক মানে হলো প্রতি + পদ + ইক, অর্থাৎ পদের প্রাথমিক রূপ যেখানে কোনো বিভক্তি থাকে না। - মনে রাখবে, বিভক্তিহীন মানেই প্রাতিপদিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই আসে নামশব্দের মূল রূপকে কী বলে, যার উত্তর প্রাতিপদিক। - বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগের রূপ এবং পদের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
a বিশেষণের অতিশয়ন
b রূপবাচক বিশেষণ
c উপাদানবাচক বিশেষণ
d বিধেয় বিশেষণ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষণের অতিশয়ন ১. কেন সঠিক: এখানে ‘সোনা’ শব্দটি আক্ষরিক অর্থে ধাতু বা উপাদান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি। বরং এ মাটির মান ও গুরুত্ব অন্য সবকিছুর চেয়ে যে অনেক বেশি এবং তা অতুলনীয়, সেই ভাব প্রকাশ করতে ‘সোনার বাড়া’ অর্থাৎ সোনার চেয়েও দামি বা শ্রেষ্ঠ বোঝানো হয়েছে। বিশেষ্য পদ যখন অন্য কোনো বিশেষ্য পদের তুলনায় গুণ বা মূল্যের দিক থেকে শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকর্ষ প্রকাশ করে, তখন তা ব্যাকরণের নিয়মে বিশেষণের অতিশয়ন হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যিনি বা যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। বিশেষণের অতিশয়ন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে দুই বা ততোধিক বস্তু বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা করে কোনো একটিকে অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি বা কম গুণসম্পন্ন বলে চিহ্নিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ দেশের আকাশ আমাদের কাছে সবুজের চেয়েও সুন্দর। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি বিষয়ের তুলনার মাধ্যমে আকাশের রূপের উৎকর্ষ বা অতিশয়ন প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলার রূপ পৃথিবীর সব রূপকে ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: এটি বাংলার সৌন্দর্যের অতিশয়ন বা শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের একটি কাব্যিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণের অতিশয়ন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ক্যাটাগরিতে পড়ে কারণ এখানে তুলনা ও শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানো হয়েছে। B) রূপবাচক বিশেষণ — রূপবাচক বিশেষণ কোনো বস্তুর বাহ্যিক বর্ণ বা রূপ বোঝায় যেমন লাল ফুল বা নীল আকাশ কিন্তু এখানে সোনা রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি। C) উপাদানবাচক বিশেষণ — উপাদানবাচক বিশেষণ কোনো বস্তুর তৈরির উপাদান নির্দেশ করে যেমন সোনার আংটি কিন্তু এখানে মাটি সোনা দিয়ে তৈরি এমন অর্থ প্রকাশ পায়নি। D) বিধেয় বিশেষণ — বিধেয় বিশেষণ বিশেষ্যের পরে বসে তার গুণ প্রকাশ করে যেমন ফুলটি সুন্দর কিন্তু এখানে পদের তুলনা ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রধান বিষয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো বাক্যে যদি সাধারণ উপাদান বা রূপ না বুঝিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকর্ষ বোঝাতে বিশেষ্য পদ ব্যবহৃত হয়, তবে তা সাধারণত বিশেষণের অতিশয়ন হয়। তুলনামূলক বা শ্রেষ্ঠত্বের ভাব লক্ষ্য করলেই অতিশয়ন চিহ্নিত করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ দেখে তাৎক্ষণিক উপাদান বা রূপবাচক মনে করে ভুল করা যাবে না। বাক্যের পুরো অর্থ এবং ভাবার্থ বিশ্লেষণ করে তবেই পদের সঠিক রূপ নির্ণয় করতে হবে।
a কৃতি
b নির্মোক
c অজিন
d করত
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নির্মোক ১. কেন সঠিক: - ‘সাপের খোলস’ এক কথায় প্রকাশ করলে সঠিক শব্দ হয় ‘নির্মোক’। - নির্মোক শব্দের অর্থ হলো খোলস বা ত্যক্ত চর্ম যা সাপ ফেলে দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘের শব্দ ব্যাখ্যা: একে এক কথায় গর্জন বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি ব্যাখ্যা: একে এক কথায় অভূতপূর্ব বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃতি — এর অর্থ হলো কোনো বিশেষ কাজের সাফল্য বা কীর্তিমান ব্যক্তি, যা সাপের খোলসের সঙ্গে মেলে না। B) নির্মোক — এটি সঠিক উত্তর। C) অজিন — এর অর্থ হলো হরিণের চামড়া বা মৃত পশুর চর্ম। D) করত — এর অর্থ হলো হাত দ্বারা কৃত বা সম্পাদিত কর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাপ খোলস বদলায় আর নির্মোক শব্দটির মধ্যেও পরিবর্তনের একটি ভাব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারো। - পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ মুখস্থ রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবজন্তু ও তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন অনুশীলনের সময় মূল শব্দের সঠিক বানান ও অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a ছয়টি
b পাঁচটি
c চারটি
d তিনটি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিনটি ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্য হতে হলে তার তিনটি প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। এগুলো হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের প্রথম গুণ আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। দ্বিতীয় গুণ আসত্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করার জন্য পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে লেখার বা বলার ধারাবাহিকতা। তৃতীয় গুণ যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থের মিল ও ভাবগত সংগতি রক্ষা করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই সম্পূর্ণরূপে বিদ্যমান থাকায় এটি একটি সার্থক বাক্য হয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ষাকালে আকাশে মেঘ ডাকে। ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ এবং grammatically সঠিক বাক্য যেখানে বাক্যের তিনটি গুণই সফলভাবে রক্ষিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয়টি — একটি সার্থক বাক্যের গুণ ছয়টি নয়, কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের প্রধান গুণ মাত্র তিনটি। B) পাঁচটি — বাক্য গঠনে পদের বিভিন্ন শর্ত বা উপাদানের সংখ্যা পাঁচ না হয়ে বাক্যের মূল গুণ হিসেবে তিনটিকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। C) চারটি — বাক্যের প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য চারটির পরিবর্তে প্রমিত ব্যাকরণে তিনটি গুণের কথাই সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। D) তিনটি — এটি সঠিক কারণ একটি সার্থক বাক্যের অপরিহার্য গুণ তিনটি যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আ আ য, অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। এই তিনটি শব্দ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর সহজে নির্বাচন করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যশুদ্ধি বা বাক্যের গুণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে কোনো একটি গুণ অনুপস্থিত থাকলে বাক্যটি সার্থক হয় না।
a প্রথম পুরুষ
b নাম পুরুষ
c উত্তম পুরুষ
d মধ্যম পুরুষ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তম পুরুষ ১. কেন সঠিক: - সরকারি পত্রে সাধারণত আবেদনকারী বা ঘোষণাকারী নিজে বা নিজেদের পক্ষ থেকে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী আত্মপক্ষ সমর্থনে বা নিজেদের মতামত প্রকাশে উত্তম পুরুষ সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ তিন প্রকার যথা উত্তম পুরুষ মধ্যম পুরুষ ও নাম পুরুষ। - সরকারি পত্র দাপ্তরিক যোগাযোগ স্মারক বা আবেদনের ক্ষেত্রে যেহেতু বক্তব্য প্রদানকারী বা আবেদনকারী নিজে স্বাক্ষর করেন তাই সেখানে উত্তম পুরুষের একবচন যেমন আমি বা বহুচন যেমন আমরা ব্যবহার করা বা এর অন্তর্নিহিত ভাব প্রয়োগ করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি এতদ্বারা বিনীত নিবেদন এই করছি যে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আমি শব্দটি উত্তম পুরুষ নির্দেশ করে যা সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক পত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আমরা উপযুক্ত বিষয়ে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ব্যাখ্যা: এখানে আমরা শব্দটি উত্তম পুরুষের বহুবচন যা দাপ্তরিক চিঠিপত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম পুরুষ — বাংলা ব্যাকরণে প্রথম পুরুষ বলতে কিছু নেই বরং প্রমিত ব্যাকরণে নাম পুরুষকে অনেক সময় প্রথম পুরুষ বলা হলেও সরকারি পত্রে এটি প্রধান নয়। B) নাম পুরুষ — নাম পুরুষ হলো অন্য কোনো ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষকে বোঝাতে ব্যবহৃত সর্বনাম যা সরকারি পত্রে আবেদনকারী নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন না। D) মধ্যম পুরুষ — মধ্যম পুরুষ হলো শ্রোতা বা যার উদ্দেশ্যে কথা বলা হয় যেমন আপনি বা তোমরা যা সরকারি পত্রে লেখকের নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনে ব্যবহার করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সরকারি পত্র মানেই নিজের কথা বা প্রতিষ্ঠানের কথা আর নিজের কথা বলতে সবসময় উত্তম পুরুষ ব্যবহার করতে হয়। - চিঠি লেখার সময় মনে রাখবে আবেদনকারী নিজে যেহেতু বক্তব্য পেশ করেন তাই আমি বা আমরা অর্থাৎ উত্তম পুরুষ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দাপ্তরিক চিঠিপত্র বা স্মারকলিপিতে কোন পুরুষের প্রয়োগ ঘটে এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা ব্যাকরণের পুরুষ প্রকরণ অধ্যায় থেকে এই ধরনের প্রশ্নগুলো খুব সাবধানে উত্তর করতে হবে।
a বাহুল্যতামাত্র
b শুধুমাত্র
c অশ্রুজল
d নির্দেশ্য
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নির্দেশ্য ১. কেন সঠিক: - 'নির্দেশ্য' একটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ শব্দ, যার অর্থ যা নির্দেশ করা বা নির্দেশ করার যোগ্য। - এই শব্দটিতে কোনো বাহুল্য বা অপ্রাসঙ্গিক পদের সংযোজন ঘটেনি, তাই এটি অপপ্রয়োগের কোনো দৃষ্টান্ত নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাহুল্যদোষ বা পদের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বহু শব্দ অপপ্রয়োগে পরিণত হয়। - 'নির্দেশ্য' শব্দটিতে প্রত্যয়গত বা অর্থগত কোনো সংঘাত না থাকায় এটি প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে সম্পূর্ণরূপে গ্রহণযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব মানুষেরা ব্যাখ্যা: এটি একটি অপপ্রয়োগ, কারণ 'সব' ও 'মানুষেরা' উভয়ই বহুবচন নির্দেশ করে, সঠিক রূপ হবে 'সব মানুষ' অথবা 'মানুষেরা'। উদাহরণ ২: একত্রিত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত অপপ্রয়োগ, কারণ 'একত্র' শব্দটির সাথে 'িত' প্রত্যয় যুক্ত করে 'একত্রিত' করা বাহুল্য, সঠিক রূপ হবে 'একত্র'। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাহুল্যতামাত্র — এটি একটি অপপ্রয়োগ, কারণ 'বাহুল্য' শব্দের অর্থই অতিরিক্ত বা মাত্রাতিরিক্ত, তাই এর সাথে 'মাত্র' যুক্ত করা বাহুল্যদোষে দুষ্ট। B) শুধুমাত্র — এটি একটি অপপ্রয়োগ, কারণ 'শুধু' এবং 'মাত্র' সমার্থক শব্দ, দুটি একসাথে ব্যবহার না করে যেকোনো একটি ব্যবহার করতে হয়। C) অশ্রুজল — এটি একটি অপপ্রয়োগ, কারণ 'অশ্রু' অর্থই চোখের জল, তাই 'অশ্রুর সাথে 'জল' যুক্ত করা অর্থগত পুনরুক্তি বা বাহুল্য। D) নির্দেশ্য — এটি সঠিক শব্দ এবং অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত নয়, তাই এটিই প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমার্থক বা অতিরিক্ত অর্থ প্রকাশ করে এমন দুটি শব্দ একসাথে ব্যবহার করলে তা সাধারণত বাহুল্য বা অপপ্রয়োগ হয়। - শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে জানলে অপপ্রয়োগ সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি ও অপপ্রয়োগ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - 'সব সব', 'সব পক্ষগণ', বা 'অবশ্যই অবধারিত' জাতীয় বাহুল্য শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (10)

a the forest did not harden it
b the travelers wearing boots
c the shoes had nails on their sole and heel
d we enjoyed walking in the woods
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the forest did not harden it কেন সঠিক: বনের মাটি নরম ছিল কারণ সেখানে মানুষের পায়ে হাঁটা বা অন্য কোনো কারণে মাটি শক্ত হওয়ার মতো চাপ পড়েনি। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই বনের ঝরে পড়া পাতা ও মাটির গঠন একে নরম রেখেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the forest did not harden it — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বনের মাটির নরম থাকার সঠিক কারণ ব্যাখ্যা করে। B) the travelers wearing boots — যাত্রীদের জুতো পরা মাটির নরম হওয়ার কারণ হতে পারে না। C) the shoes had nails on their sole and heel — জুতোর নিচে পেরেক থাকা মাটির নরম হওয়ার সঠিক কারণ নয়। D) we enjoyed walking in the woods — বনে হাঁটা উপভোগ করা মাটির নরম হওয়ার কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: বনের মাটি নরম হওয়ার মূল কারণ হলো সেখানে মানুষের তৈরি কোনো কঠিন চাপ বা পাকা রাস্তা তৈরি হয়নি।
a it was good walking with nails in the boots
b it was sheer joy to walk in the forest
c the path was unaffected by the forest
d the walks were instigating
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) it was sheer joy to walk in the forest কেন সঠিক: পাইন বনের ভেতর দিয়ে হাঁটা সবসময় অত্যন্ত আনন্দের বিষয় ছিল কারণ সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ লেখকদের মনে দারুণ শান্তি দিত। বনের মনোরম সৌন্দর্য পথচারীদের ক্লান্তিকে নিমিষেই দূর করে দিত। এই হাঁটার অভিজ্ঞতা তাদের মনে এক বিশেষ ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nails in the boots — জুতোয় পেরেক থাকার কারণে হাঁটা ভালো লাগার বিষয়টি এখানে মূল কারণ হিসেবে বলা হয়নি। B) it was sheer joy to walk in the forest — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। C) the path was unaffected by the forest — বনের কারণে রাস্তা প্রভাবিত হয়নি এমন কোনো তথ্যের কথা মূল গদ্যে উল্লেখ নেই। D) the walks were instigating — হাঁটাগুলো প্ররোচনামূলক বা উত্তেজনাকর ছিল এমন কোনো অর্থ এখানে প্রকাশ পায়নি। মনে রাখার টিপস: গল্প বা প্রবন্ধের মূল অনুভূতির সাথে মিল রেখে আনন্দের প্রকাশ ঘটায় এমন অপশনটি বেছে নিতে হবে।
a we had nailed boots on
b it was good walking on the road
c the walk was refreshing
d the nails bit on the frozen roads
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) we had nailed boots on কেন সঠিক: রাডার বা বরফযুক্ত কঠিন রাস্তায় হাঁটার সময় পায়ের জুতো পিছলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু না লাগনো জুতো বা nailed boots বরফের ওপর দৃঢ় पकड़ তৈরি করে হাঁটাকে সহজ করে তোলে। এই বিশেষ জুতোর কারণে রাস্তার কাঠিন্য বা কষ্ট আমাদের মনে কোনো বিরক্তি তৈরি করতে পারেনি। তাই বরফ বা কঠিন রাস্তায় চলার এই প্রস্তুতি আমাদের ক্লান্তি ভুলিয়ে দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এই বিশেষ জুতো বরফ বা কঠিন রাস্তায় হাঁটার জন্য সবচেয়ে উপযোগী ছিল। B) it was good walking on the road — রাস্তাটি ভালো হাঁটার উপযোগী ছিল না বরং সেটি অত্যন্ত কঠিন ও বরফাবৃত ছিল। C) the walk was refreshing — হাঁটাটি সতেজায়ক ছিল না বরং কঠিন রাস্তার কারণে সেটি বেশ কষ্টকর হওয়ার কথা ছিল। D) the nails bit on the frozen roads — এটি কারণের অংশ হলেও মূল ঘটনাটি ঘটেছিল আমাদের পায়ে বিশেষ জুতো থাকার কারণে। মনে রাখার টিপস: কঠিন বা বরফাবৃত রাস্তায় হাঁটার সময় সঠিক জুতো বা nailed boots ব্যবহারের কারণে রাস্তার কষ্ট অনুভূত হয় না।
a at
b to
c after
d upon
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) upon কেন সঠিক: বাক્યটিতে গরিবদের অবজ্ঞা না করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। তাই এখানে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে upon ব্যবহৃত হবে। look down upon একটিPhrasal verb যার অর্থ অবজ্ঞা করা বা ঘৃণা করা। অন্য কোনো প্রিপজিশন এই অর্থের সাথে মিলে না। এই বিশেষ অর্থ প্রকাশের জন্য upon ছাড়া অন্য শব্দ সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — look at অর্থ তাকানো, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না। B) to — look to অর্থ আশা করা বা মনোযোগ দেওয়া, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) after — look after অর্থ দেখাশোনা করা, যা গরিবদের অবজ্ঞা না করার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। D) upon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: কাউকে অবজ্ঞা করা বা ছোট চোখে দেখা বোঝাতে সবসময় look down এর পরে upon ব্যবহার করবে।
a I am the man who work for you.
b I am the man who works for you.
c I am the man, who am working for you.
d I am a man who work for you.
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I am the man who works for you. কেন সঠিক: বাক্যের মাঝে থাকা Relative Pronoun 'who' তার ঠিক আগের Noun বা Pronoun কে antecedent হিসেবে ধরে। এখানে 'who' এর আগের Noun হলো 'the man', যা Third Person Singular Number। তাই এর পরের verb টিও Singular Number অর্থাৎ 'works' হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am the man who work for you. — এখানে 'who' এর antecedent হলো 'the man', কিন্তু verb হিসেবে Plural 'work' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I am the man who works for you. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে antecedent অনুযায়ী সঠিক singular verb ব্যবহার করা হয়েছে। C) I am the man, who am working for you. — এখানে কমা ব্যবহার করা এবং antecedent 'the man' এর পরিবর্তে 'I' কে ধরে verb 'am' ব্যবহার করা নিয়ম বহির্ভূত। D) I am a man who work for you. — এখানে 'a man' এর পরে Singular verb হওয়ার কথা থাকলেও Plural verb 'work' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Relative pronoun এর আগের word অনুযায়ী verb বসবে।
a I was annoyed by her.
b I was annoyed by her conduct.
c I was annoyed at her conduct.
d I was annoyed for her conduct
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was annoyed at her conduct. কেন সঠিক: Active voice এর subject (His conduct) passive voice এ object হবে এবং object (me) subject (I) হবে। ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ের ওপর রাগ প্রকাশ করলে annoyed এর পরে by না বসে at বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was annoyed by her — এখানে pronoun ভুল দেওয়া হয়েছে এবং at এর পরিবর্তে by ব্যবহার করা হয়েছে। B) I was annoyed by her conduct — এখানে conduct ঠিক থাকলেও preposition হিসেবে by ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। C) I was annoyed at her conduct — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি করা হয়েছে। D) I was annoyed for her conduct — এখানে preposition হিসেবে for এর ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বস্তু বা আচরণের ওপর বিরক্ত হলে annoyed এর পরে at বসে এবং ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হলে with বসে।
a a brother
b a sister
c a brother or sister
d a brother and sister
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a brother or sister কেন সঠিক: ‘Sibling’ শব্দের অর্থ হলো সহোদর ভাই অথবা বোন। অর্থাৎ একই পিতা-মাতার সন্তানকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a brother — এটি শুধু ভাইকে বোঝায়, কিন্তু বোনকেও এর মধ্যে থাকতে হয়। B) a sister — এটি শুধু বোনকে বোঝায়, কিন্তু ভাইকেও এর মধ্যে থাকতে হয়। C) a brother or sister — এটি সঠিক কারণ এতে ভাই ও বোন উভয়কেই বোঝায়। D) a brother and sister — এটি ভুল কারণ এতে একসাথে উভয়কে বোঝায়, কিন্তু আলাদাভাবে যেকোনো একজনকেও বোঝাতে পারে। মনে রাখার টিপস: ‘Sibling’ শুনলেই মনে রাখবে এটি ভাই বা বোন যেকোনো একজনকে বোঝায়।
a The address of the receiver.
b The address of the writer.
c The signature of the writer.
d The body of the letter.
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The body of the letter. কেন সঠিক: চিঠির মূল উদ্দেশ্য বা বার্তা এই অংশে লেখা থাকে। তাই এটি চিঠির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The address of the receiver. — এটি শুধু প্রাপককে শনাক্ত করতে সাহায্য করে কিন্তু মূল বার্তা বহন করে না। B) The address of the writer. — এটি প্রেরকের অবস্থান জানায় তবে চিঠির মূল ভাব প্রকাশ করে না। C) The signature of the writer. — এটি লেখকের পরিচয় নিশ্চিত করে কিন্তু চিঠির মূল তথ্য এটি নয়। D) The body of the letter. — এটি চিঠির মূল অংশ যা সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: চিঠির প্রাণ হলো তার মূল বক্তব্য, তাই body হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
a don't they
b isn't it
c doesn't he
d doesn't its
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) don't they কেন সঠিক: - বাক্যের সাবজেক্ট Everybody অনির্দিষ্টবাচক প্রোনাউন হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনে তার পরিবর্তে plural প্রোনাউন they ব্যবহৃত হয়। - মূল বাক্যটি affirmative (হ্যাঁ-বোধকতা) হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি negative (না-বোধকতা) এবং present indefinite tense অনুযায়ী don't হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) don't they — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর গঠন এবং প্রোনাউনের ব্যবহার প্রশ্ন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল। B) isn't it — এটি ভুল, কারণ Everybody ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যার জন্য it প্রোনাউন ব্যবহার করা যায় না। C) doesn't he — এটি ভুল, কারণ Everybody বা Everyone বুঝাতে singular প্রোনাউন he না বসিয়ে they বসাতে হয়। D) doesn't its — এটি ভুল, কারণ its হলো possessive form এবং এটি কোনো ট্যাগের সাবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Everybody বা Everyone যুক্ত বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেনে সবসময় don't they বা didn't they ব্যবহার করতে হয়।
a Happy
b Unhappy
c Angry
d Rich
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Happy কেন সঠিক: content শব্দের অর্থ হলো সন্তুষ্ট বা খুশি থাকা। Happy শব্দের অর্থও খুশি বা আনন্দিত। তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Happy — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ সন্তুষ্ট। B) Unhappy — এর অর্থ অখুশি বা অসন্তুষ্ট, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। C) Angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা content শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) Rich — এর অর্থ ধনী, যা মানসিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Content মানে মনের ভেতর শান্তি থাকা, তাই এর সমার্থক শব্দ হলো Happy।

মোট প্রশ্ন (3)

a ২: ৩০ মিনিট
b ৪: ৩০ মিনিট
c ৩: ৩০ মিনিট
d ৬: ৩০ মিনিট
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২: ৩০ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: আয়নায় প্রতিবিম্বের সময় = ৯: ৩০ মিনিট ধরি, প্রকৃত সময় নির্ণয়ের জন্য মানটি ১২:০০ ঘণ্টা থেকে বিয়োগ করতে হবে অতএব, ১২:০০ ঘণ্টাকে ১১:৬০ মিনিট হিসেবে লেখা যায় সুতরাং, ১১:৬০ মিনিট − ৯:৩০ মিনিট = ২:৩০ মিনিট উত্তর: ২: ৩০ মিনিট
a ১৭ কি.মি
b ১৫ কি.মি
c ১৪ কি.মি
d ১৩ কি.মি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ কি.মি প্রদত্ত তথ্য: লোকটি A স্থান থেকে উত্তর দিকে গেল = ১২ কিমি সেখান থেকে পূর্ব দিকে গেল = ৫ কিমি ধরি, A স্থান থেকে উত্তর দিকের দূরত্ব = লম্ব (১২ কিমি) পূর্ব দিকের দূরত্ব = ভূমি (৫ কিমি) A অবস্থান থেকে শেষ বিন্দুর সরলরৈখিক দূরত্ব = অতিভুজ অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, অতিভুজ স্কয়ার = (লম্ব স্কয়ার) + (ভূমি স্কয়ার) সুতরাং, দূরত্ব = √(১২ × ১২ + ৫ × ৫) দূরত্ব = √(১৪৪ + ২৫) = √১৬৯ = ১৩ কিমি উত্তর: ১৩ কি.মি
a 2^12
b 2^14
c 2^13
d 2^10
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২^১৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৬৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১২৮ ধরি, ৬৪ এর ভিত্তি দুই এবং সূচক গণনা করতে হবে ১২৮ এর ভিত্তি দুই এবং সূচক গণনা করতে হবে অতএব, ৬৪ = ২ × ২ × ২ × ২ × ২ × ২ ৬৪ = ২^৬ দ্বিতীয় হিসাব: ১২৮ = ২ × ২ × ২ × ২ × ২ × ২ × ২ ১২৮ = ২^৭ সুতরাং, ৬৪ × ১২৮ = ২^৬ × ২^৭ উত্তর: ২^(৬ + ৭) = ২^১৩

মোট প্রশ্ন (46)

a সহকারী প্রধান - সিনিয়ার শিক্ষক
b ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি
c হিসাবরক্ষক
d বিদ্যোৎসাহী সদস্য
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কেন সঠিক: - প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকলে বা পদ শূন্য হলে আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্বাক্ষর করার এখতিয়ার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ওপর ন্যস্ত থাকে। - সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক দায়িত্ব পালনে সভাপতির এই ক্ষমতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সহকারী প্রধান - সিনিয়ার শিক্ষক — এরা দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে সহায়তা করলেও প্রধান অনুপস্থিত থাকলে বেতন-ভাতা বিলে এককভাবে স্বাক্ষরের পূর্ণ আর্থিক এখতিয়ার রাখেন না। B) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রধানের अनुपস্থিতিতে আর্থিক বিলে স্বাক্ষরের ক্ষমতা সভাপতির নিকট অর্পিত হয়। C) হিসাবরক্ষক — হিসাবরক্ষক কেবল হিসাব তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন, বিলে স্বাক্ষর করার আইনগত ক্ষমতা তার নেই। D) বিদ্যোৎসাহী সদস্য — ইনি কমিটির একজন সাধারণ সদস্য মাত্র, প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক বিলে স্বাক্ষর করার কোনো আইনি ক্ষমতা তার নেই। মনে রাখার টিপস: প্রধান অনুপস্থিত থাকলে টাকার বিলে সই করবেন সভাপতির সাইন।
a Average Procurement Policy
b Annual Procurement Plan
c Actual Procurement Process
d Annual Procurement Policy
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Annual Procurement Plan কেন সঠিক: - সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্রয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বার্ষিক ভিত্তিতে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তাকে Annual Procurement Plan বলা হয়। - সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রতিটি সংস্থাকে নির্দিষ্ট অর্থবছরে তাদের ক্রয়ের পরিকল্পনা আগেই তৈরি করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Average Procurement Policy — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড ক্রয় ব্যবস্থাপনা পরিভাষা নয়, বরং গড় ক্রয়ের একটি কাল্পনিক ধারণা। B) Annual Procurement Plan — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য। C) Actual Procurement Process — এটি কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনার নাম নয়, বরং ক্রয় কাজ বাস্তবায়নের প্রকৃত পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া বোঝায়। D) Annual Procurement Policy — এটি ক্রয়ের কোনো সাধারণ নীতি বা নির্দেশিকা বোঝায়, নির্দিষ্ট ক্রয় পরিকল্পনা বা Plan নয়। মনে রাখার টিপস: ক্রয় সংক্রান্ত বার্ষিক পরিকল্পনা বুঝাতে Plan শব্দযুক্ত Annual Procurement Plan সঠিক হবে।
a ১৪ দিন
b ১২ দিন
c ১০ দিন
d ২১ দিন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৪ দিন কেন সঠিক: - পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সীমার অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে দরপত্র বিজ্ঞাপনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা মানতে হয়। - ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে পণ্য সরবরাহের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর দরপত্র দাখিলের ন্যূনতম সময়কাল হলো চৌদ্দ দিন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ দিন — এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় বিধিমালা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহের দরপত্র দাখিলের সঠিক সময়সীমা। B) ১২ দিন — এই সময়সীমাটি সাধারণ অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের পণ্য সরবরাহের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) ১০ দিন — এটি কিছু নির্দিষ্ট ছোট বা কোটেশন পদ্ধতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, তবে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত উন্মুক্ত ক্রয়ের জন্য নয়। D) ২১ দিন — এটি ১ কোটি টাকার বেশি বা অন্য কোনো বৃহৎ পরিসরের ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সময়সীমা। মনে রাখার টিপস: পণ্য সরবরাহের অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত দরপত্রে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত সীমা থাকলে চৌদ্দ দিন সময় ধরতে হবে।
a ১ কি.মি
b ২ কি.মি
c ৩ কি.মি
d ৪ কি.মি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ কি.মি কেন সঠিক: - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে এবং অতিরিক্ত জট কমাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী দূরত্ব নির্ধারণ করা হয়। - সিটি কর্পোরেশন ও প্রথম শ্রেণির পৌর এলাকায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম দূরত্ব ১ কিলোমিটার হতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ কি.মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ নীতিমালা অনুযায়ী ঘনবসতিপূর্ণ শহরে এই দূরত্বের বিধান রাখা হয়েছে। B) ২ কি.মি — এটি ভুল কারণ প্রথম শ্রেণির পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের জন্য এই দূরত্ব প্রযোজ্য নয়। C) ৩ কি.মি — এটি ভুল কারণ এই দূরত্বটি সাধারণত গ্রামীণ বা অন্যান্য অনুন্নত এলাকার প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত হতে পারে। D) ৪ কি.মি — এটি ভুল কারণ প্রদত্ত দূরত্বের মানটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের নীতিমালার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শহরের ভেতরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দূরত্ব কম রাখা হয়, তাই সিটি কর্পোরেশন ও প্রথম শ্রেণির পৌরসভার জন্য মাত্র ১ কিলোমিটার দূরত্ব মনে রাখুন।
a 2002
b 2003
c 2005
d 2006
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৫ কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন প্রণীত হয় ২০০৫ সালে। - এই আইনের মাধ্যমেই NTRCA সংস্থাটি গঠিত হয় এবং বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে মেধার মূল্যায়ন শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০২ — এই সালে NTRCA আইন প্রণয়ন করা হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ২০০৩ — এই সালে NTRCA প্রতিষ্ঠার কোনো আইন পাস হয়নি। C) ২০০৫ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) ২০০৬ — এই সালটি NTRCA আইন প্রণয়নের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষক নিবন্ধনের জন্য NTRCA গঠিত হয় ২০০৫ সালে, যা পাঁচ সংখ্যাটি দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়।
a www.nctb.gov.bd
b www.moedu.gov.bd
c www.dshe.gov.bd
d www.nctb.net
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) www.nctb.gov.bd কেন সঠিক: - এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (NCTB) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, যেখান থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সব পাঠ্যবই ডিজিটাল বিন্যাসে বিনামূল্যে পড়া ও ডাউনলোড করা যায়। - সরকারের শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই পোর্টালের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক সহজলভ্য করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) www.nctb.gov.bd — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এনসিটিবির মূল ওয়েবসাইট। B) www.moedu.gov.bd — এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, যা নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, পাঠ্যবই পড়ার জন্য নয়। C) www.dshe.gov.bd — এটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, যা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান তদারকি করে। D) www.nctb.net — এটি এনসিটিবির আসল ওয়েবসাইটের ঠিকানা নয়, এটি একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক ডোমেইন নাম। মনে রাখার টিপস: এনসিটিবি (NCTB) পাঠ্যবইয়ের সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এর সঠিক ওয়েবসাইটের নামের শেষে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে gov.bd যুক্ত থাকে।
a শিক্ষাবোর্ড
b বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ
c শিক্ষা মন্ত্রণালয়
d অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও তাদের প্রোগ্রামগুলোর মান নির্ধারণ এবং সনদ সমতাকরণের মূল দায়িত্ব পালন করে। - বিদেশ থেকে অর্জিত ডিগ্রির সঙ্গে দেশীয় ডিগ্রির সমতা বিধানের একমাত্র আইনগত কর্তৃপক্ষ এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষাবোর্ড — এটি মূলত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা পরিচালনা এবং সার্টিফিকেট প্রদান করে, সনদ সমতাকরণ এর কাজ নয়। B) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ — এটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ ও সনদ প্রদান করে। C) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সামগ্রিক শিক্ষা নীতি প্রণয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে সরাসরি সনদ সমতাকরণ করে না। D) অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি উচ্চশিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ ও সনদ সমতাকরণের法定 প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: উচ্চশিক্ষা ও সনদের মান ঠিক করতে এবং সমতা বিধান করতে এ-সি-ডি বা অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল কাজ করে।
a ১ দিন
b ২ দিন
c ৩ দিন
d ৪ দিন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ দিন কেন সঠিক: - শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কলেজসমূহের বার্ষিক ছুটির তালিকায় অধ্যক্ষের জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সংরক্ষিত ছুটি থাকে। - নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কলেজ প্রধান বা অধ্যক্ষ এই ৩ দিন ছুটি প্রয়োজন সাপেক্ষে কলেজ পরিচালনার স্বার্থে মঞ্জুর করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ দিন — এই সংখ্যাটি অধ্যক্ষের সংরক্ষিত ছুটির নির্ধারিত নিয়মের চেয়ে কম। B) ২ দিন — এই সংখ্যাটি কলেজ ছুটির তালিকার নীতিমালায় অধ্যক্ষের জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত ছুটির পরিমাণের সঙ্গে মিলে না। C) ৩ দিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ নীতিমালা অনুযায়ী কলেজ প্রধানের জন্য ঠিক এই পরিমাণ সংরক্ষিত ছুটি বরাদ্দ থাকে। D) ৪ দিন — এই সংখ্যাটি ছুটির তালিকার বিধানের চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কলেজের অধ্যক্ষ জরুরি কাজের জন্য ৩ দিন বিশেষ ছুটি বা সংরক্ষিত ছুটি কাটাতে পারেন, এই সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে ৩ সংখ্যাটি অধ্যক্ষের ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২টি কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ নির্ধারিত রয়েছে। - এই নীতিমালা অনুযায়ী একটি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে এই পদে দুজন কর্মচারী নিয়োগের বিধান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এটি ভুল কারণ নীতিমালায় এই পদের সংখ্যা একটির বেশি অর্থাৎ দুটি নির্ধারিত রয়েছে। B) ২টি — এটি সঠিক কারণ নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে এই পদের সংখ্যা দুটি। C) ৩টি — এটি ভুল কারণ এই পদে তিনজন জনবল নিয়োগের কোনো বিধান নীতিমালায় নেই। D) ৪টি — এটি ভুল কারণ নীতিমালায় উল্লেখিত পদের সংখ্যার চেয়ে এটি বেশি। মনে রাখার টিপস: উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে কম্পিউটার সম্পর্কিত পদের জন্য দুটি সিট বরাদ্দ থাকে।
a শিক্ষা মন্ত্রণালয়
b সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
c শিক্ষাবোর্ড
d মাউশি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন সঠিক: - নীতিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত জনবল কাঠামোর বাইরে অতিরিক্ত শিক্ষক বা কর্মচারী নিয়োগ করা হলে সরকার তার বেতন-ভাতার সরকারি অংশ বহন করে না। - প্যাটার্ন বহির্ভূত এই সকল শিক্ষক-কর্মচারীর সম্পূর্ণ বেতন-ভাতা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের তহবিল থেকে বহন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি নীতিমালার সামগ্রিক তদারকি করলেও প্যাটার্ন বহির্ভূত পদের বেতন বহন করে না। B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিধি বহির্ভূত পদের আর্থিক দায় প্রতিষ্ঠানের ওপর বর্তায়। C) শিক্ষাবোর্ড — শিক্ষাবোর্ড মূলত পরীক্ষা পরিচালনা ও একাডেমিক অনুমোদন সংক্রান্ত কাজ করে, বেতন প্রদান তাদের কাজ নয়। D) মাউশি — মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ছাড় করলেও প্যাটার্ন বহির্ভূত পদের জন্য তা প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নিয়মের বাইরে (প্যাটার্ন বহির্ভূত) কিছু করলে তার খরচ নিজেকেই (সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে) দিতে হয়।
a উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ
b স্নাতক পাস কলেজ
c স্নাতক সম্মান কলেজ
d স্নাতকোত্তর কলেজ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্নাতকোত্তর কলেজ কেন সঠিক: - ১১শ থেকে ১৭শ শিক্ষার্থী পাঠদানের সক্ষমতা সম্পন্ন কলেজগুলো সাধারণত স্নাতকোত্তর বা মাস্টার্স পর্যায়ের কলেজ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। - এই স্তরের কলেজগুলোতে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি নির্দিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর বা মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ — এই স্তরের শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাধারণত অনেক কম থাকে এবং এখানে কেবল একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠদান করা হয়। B) স্নাতক পাস কলেজ — এই কলেজগুলোতে উচ্চ মাধ্যমিকের পাশাপাশি শুধু স্নাতক পাস কোর্স পর্যন্ত পাঠদান করা হয়, যার ছাত্রছাত্রী সংখ্যা এর চেয়ে কম থাকে। C) স্নাতক সম্মান কলেজ — এখানে স্নাতক পাস ও সম্মান কোর্সের পাঠদান করা হলেও স্নাতকোত্তর কোর্স থাকে না এবং ছাত্রসংখ্যা এই পরিসীমার নিচে থাকে। D) স্নাতকোত্তর কলেজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ শিক্ষার্থীর আসন সংখ্যা ও পাঠদানের পরিধি এই স্তরের সঙ্গেই পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার্থীর সংখ্যা এগারোশ থেকে সতেরোশ হলে তা সর্বোচ্চ স্তর অর্থাৎ স্নাতকোত্তর কলেজের নির্দেশক।
a প্রতি ২৪ দিনে ১ দিন
b প্রতি ২২ দিনে ১ দিন
c প্রতি ১২ দিনে ১ দিন
d প্রতি ১১ দিনে ১ দিন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: C) প্রতি ১২ দিনে ১ দিন কেন সঠিক: - সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এবং বাংলাদেশ সেবা বিধিমালা অনুযায়ী কর্মচারীরা পূর্ণ গড় বেতনে অর্জিত ছুটি পেয়ে থাকেন। - চাকরির প্রতি ১২ দিনের কার্যকর সেভার জন্য ১ দিন হারে এই ছুটি জমা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি ২৪ দিনে ১ দিন — এই হিসাবটি অর্জিত ছুটির নিয়মের সঙ্গে মেলে না কারণ ছুটির জমার হার এর দ্বিগুণ। B) প্রতি ২২ দিনে ১ দিন — এটি সরকারি অর্জিত ছুটির বিধানের কোনো নির্ধারিত হার নয়। C) প্রতি ১২ দিনে ১ দিন — এটি সঠিক হার হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) প্রতি ১১ দিনে ১ দিন — এই সংখ্যাটি ছুটির হিসাবের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: অর্জিত ছুটির হিসাব মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন বারো, যেখানে প্রতি ১২ দিনে জমা হয় ১ দিন ছুটি।
a মূল বেতনের ১০%
b মূল বেতনের ৮%
c মূল বেতনের ৮%
d মূল বেতনের ৬%
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মূল বেতনের ৬% কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন থেকে ৬ শতাংশ কর্তন করা হয়। - এই তহবিলে সরকারও সমপরিমাণ বা নির্ধারিত অনুদান প্রদান করে থাকে যা শিক্ষকদের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল বেতনের ১০% — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা জিপিএফ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, অবসর সুবিধা তহবিলের চাঁদা হার নয়। B) মূল বেতনের ৮% — এটি কল্যাণ ট্রাস্ট বা অন্য কোনো তহবিলের হার হতে পারে, তবে অবসর সুবিধা তহবিলের বাধ্যতামূলক হার এটি নয়। C) মূল বেতনের ৮% — এই অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং প্রশ্নের নির্ধারিত ৬ শতাংশ হারের সাথে মিলছে না। D) মূল বেতনের ৬% — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অবসর মানেই ছয় অক্ষরের শব্দ, তাই অবসর সুবিধা তহবিলের চাঁদার হার হলো মূল বেতনের ৬%।
a ১ বছর
b ২ বছর
c ৩ বছর
d ৪ বছর
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ বছর কেন সঠিক: - এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি পরিবর্তন বা পদত্যাগের পর নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদানের ক্ষেত্রে ইনডেক্স নম্বর বহাল রাখার নির্ধারিত সর্বোচ্চ সময়সীমা দুই বছর। - এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অন্য কোনো এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে পূর্বের ইনডেক্স ও জ্যেষ্ঠতা বহাল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ বছর — নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কম হওয়ায় এই মেয়াদ ইনডেক্স বহাল রাখার জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ২ বছর — এটি ইনডেক্স নম্বর বহাল রাখার সঠিক এবং নির্ধারিত সময়সীমা। C) ৩ বছর — সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ইনডেক্স বহাল রাখার মেয়াদ তিন বছর নয়, বরং দুই বছর। D) ৪ বছর — এই দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলে পূর্বের ইনডেক্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: চাকরি বদলের ক্ষেত্রে ইনডেক্স বাঁচাতে সময় লাগে মাত্র দুই বছর।
a জেলা শিক্ষা অফিস
b উপজেলা শিক্ষা অফিস
c জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস
d a ও b উভয়ই
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেলা শিক্ষা অফিস কেন সঠিক: - মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা স্তরের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। - মাঠ পর্যায়ে এই অধিদপ্তরের সরাসরি প্রশাসনিক ও তদারকি দপ্তর হলো জেলা শিক্ষা অফিস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা শিক্ষা অফিস — এটি সঠিক কারণ এটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার মাঠ পর্যায়ের নির্ধারিত দপ্তর। B) উপজেলা শিক্ষা অফিস — এটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের দপ্তর, মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য নয়। সি) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস — এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাথমিক শিক্ষার মাঠ পর্যায়ের দপ্তর। ডি) a ও b উভয়ই — যেহেতু উপজেলা শিক্ষা অফিস মাধ্যমিক শিক্ষার নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: মাধ্যমিকের মাঠ অফিস জেলা পর্যায়ে সীমাবদ্ধ, আর প্রাথমিক শিক্ষা অফিস উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃত।
a ১০ম
b ১১শ
c ৮ম
d ৯ম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১শ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো বা বিএনকিউএফ অনুযায়ী শিক্ষা স্তরকে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পিএইচডি পর্যন্ত মোট দশটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। - পিএইচডি বা সমমানের ডক্টরেট ডিগ্রি এই কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর তথা দশম স্তরে অন্তর্ভুক্ত। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর ১১শ বলা হলেও, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত বিএনকিউএফ কাঠামো অনুযায়ী পিএইচডি মূলত দশম স্তরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ পিএইচডি ডিগ্রি বিএনকিউএফ কাঠামোর দশম স্তরে নির্ধারিত। B) ১১শ — বিএনকিউএফ কাঠামোতে এই নামের কোনো স্তর নেই কারণ এর স্তর সংখ্যা দশটি। C) ৮ম — এটি বিএনকিউএফ কাঠামোতে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রির স্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) ৯ম — এটি বিএনকিউএফ কাঠামোতে মাস্টার্স বা সমমানের ডিগ্রির স্তর হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বিএনকিউএফ কাঠামোতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শুরু হয় প্রথম স্তর থেকে এবং সর্বোচ্চ ডক্টরেট বা পিএইচডি ডিগ্রি শেষ হয় দশম স্তরে।
a প্রতিষ্ঠান প্রধান
b উপজেলা চেয়ারম্যান
c ব্যবস্থাপনা কমিটি
d ইউএনও
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতিষ্ঠান প্রধান কেন সঠিক: - প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার মূল দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর ন্যস্ত থাকে। - শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শান্তি এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক উদ্যোগ তিনিই গ্রহণ করে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠান প্রধান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সরাসরি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থী কল্যাণের দায়িত্ব পালন করেন। B) উপজেলা চেয়ারম্যান — তিনি উপজেলার সার্বিক উন্নয়নের সাথে যুক্ত, তবে সরাসরি একক কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নন। C) ব্যবস্থাপনা কমিটি — এই কমিটি নীতিনির্ধারণী ও সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা করে, কিন্তু জনসচেতনতা বৃদ্ধির মূল প্রশাসনিক উদ্যোগ প্রধানের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হয়। D) ইউএনও — তিনি উপজেলা প্রশাসনের প্রধান হলেও সরাসরি একটি নির্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ শিক্ষার্থীদের মানসিক শান্তি বা সচেতনতা তৈরির একক নির্বাহী দায়িত্বে থাকেন না। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরের শান্তি ও পরিবেশ রক্ষার প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব পালন করেন সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধান।
a তার এমপিও বাতিল করা হবে
b তাকে আর্থিক জরিমানা করা হবে
c সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করা হবে
d তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়ে দায়মুক্ত দেওয়া যাবে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তার এমপিও বাতিল করা হবে কেন সঠিক: - এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী একজন শিক্ষক একই সঙ্গে একাধিক প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত হতে পারেন না। - একাধিক প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত হওয়া বিধিমালা বহির্ভূত অপরাধ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এমপিও বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তার এমপিও বাতিল করা হবে — এটি সঠিক কারণ, কারণ একাধিক প্রতিষ্ঠানে এমপিও নেওয়া নীতিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। B) তাকে আর্থিক জরিমানা করা হবে — এমপিও নীতিমালায় সাধারণত সরাসরি আর্থিক জরিমানার পরিবর্তে এমপিও বাতিলের বিধান রয়েছে। C) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করা হবে — অপরাধ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের ব্যক্তিগত, তাই পুরো প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করা আইনসম্মত নয়। D) তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়ে দায়মুক্ত দেওয়া যাবে — একাধিক এমপিও নেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধে দায়মুক্তি দেওয়ার সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: একাধিক এমপিও মানেই অনিয়ম, আর এর একমাত্র শাস্তি হলো সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের এমপিও বাতিল।
a সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিবে
b সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বেতন বন্ধ করবে
c প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বরখাস্ত করবে
d পরিচালনা পরিষদ ভেঙে দিতে পারবে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বেতন বন্ধ করবে কেন সঠিক: - এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে এবং পরিচালনা পরিষদ ব্যবস্থা না নিলে সরকারের সরাসরি বেতন-ভাতা স্থগিত বা বন্ধ করার আইনি ক্ষমতা রয়েছে। - শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কোচিং বাণিজ্য বন্ধে এই শাস্তিমূলক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিবে — একজন শিক্ষকের অপরাধের জন্য সম্পূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া প্রশাসনিক নিয়মের মধ্যে পড়ে না। B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বেতন বন্ধ করবে — এটি সঠিক এবং প্রযোজ্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা। C) প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বরখাস্ত করবে — প্রতিষ্ঠান প্রধান সরাসরি জড়িত না থাকলে তাকে সরাসরি বরখাস্ত করার বিধান নেই, তবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হতে পারে। D) পরিচালনা পরিষদ ভেঙে দিতে পারবে — পরিচালনা পরিষদ অবহেলার জন্য গঠিত বিধিমালা অনুযায়ী সতর্ক বা বাতিল হতে পারে, তবে এই নির্দিষ্ট অপরাধে সরাসরি বেতন বন্ধ করার বিধানটি প্রথম কার্যকর হয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষক কোচিং করলে এবং কমিটি ব্যবস্থা না নিলে সরকার সরাসরি শিক্ষকের বেতন বন্ধ করতে পারে।
a বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে
b নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে আবেদন দাখিল করতে হবে
c বিদেশি নাগরিক বিবাহ করা যাবে না
d উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - সরকারি চাকরির সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীর নাগরিকত্ব, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন এবং আইনসম্মত শর্ত পালন করা বাধ্যতামূলক। - উল্লিখিত প্রতিটি শর্তই সরকারি চাকরির নিয়োগ বিধিমালার সাধারণ ও অবশ্য পালনীয় শর্তের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে — এটি সঠিক শর্ত হলেও পদের জন্য একমাত্র শর্ত নয়, কারণ অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হয়। B) নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে আবেদন দাখিল করতে হবে — এটি একটি বাধ্যতামূলক শর্ত হলেও একা এটিই সকল নিয়োগের পূর্ণাঙ্গ শর্ত হতে পারে না। সি) বিদেশি নাগরিক বিবাহ করা যাবে না — সরকারি চাকরি আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী বিদেশি নাগরিক বিবাহ করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ ও শর্ত থাকে। D) উপরের সবগুলো — কারণ একটি পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব, আবেদনের সময়সীমা এবং ব্যক্তিগত যোগ্যতার সব শর্তই একত্রে প্রযোজ্য হয়। মনে রাখার টিপস: সরকারি চাকরির শর্ত মনে রাখতে নাগরিকত্ব, আবেদনের সময় এবং বৈবাহিক বিধিমালার মতো সব মৌলিক বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।
a ৫৫ বছর
b ৫৪ বছর
c ৫২ বছর
d ৫০ বছর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫২ বছর কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ তহবিল এবং কল্যাণ ট্রাস্টের বিধিমালা অনুযায়ী ৫২ বছর বয়সে অফেরতযোগ্য অগ্রিম তোলার সুযোগ রয়েছে। - এই বয়সের পরে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের জমানো তহবিল থেকে বিশেষ প্রয়োজনে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫৫ বছর — এটি সাধারণ অবসর গ্রহণের বয়সসীমা বা অন্য কোনো বিশেষ আর্থিক সুবিধার বয়স হওয়ায় এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ৫৪ বছর — এটি নির্ধারিত অফেরতযোগ্য অগ্রিমের বয়সসীমার সাথে মিলে না। D) ৫০ বছর — এই বয়সে অগ্রিম উত্তোলনের বিধান সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় নেই। মনে রাখার টিপস: অগ্রিম তোলার বয়স হলো বায়ান্ন বছর, যা মনে রাখতে ৫২ সংখ্যাটি याद রাখুন।
a অর্ধেক
b দুই-তৃতীয়াংশ
c এক-তৃতীয়াংশ
d এক-চতুর্থাংশ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অর্ধেক কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা - ২০২৪ অনুযায়ী কমিটির বৈধ সভার জন্য কোরাম নির্ধারিত আছে। - বিধিমালা অনুযায়ী মোট সদস্য সংখ্যার অর্ধেক সদস্য উপস্থিত থাকলেই কেবল ম্যানেজিং কমিটির সভার কোরাম পূর্ণ হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ধেক — এই বিধানটি প্রবিধানমালা - ২০২৪ এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং এটিই কোরাম পূরণের জন্য প্রযোজ্য। B) দুই-তৃতীয়াংশ — এই সংখ্যাটি কোরামের নিয়ম বহির্ভূত এবং সাধারণ সভার কোরামের জন্য এটি নির্ধারিত নয়। C) এক-তৃতীয়াংশ — এই অনুপাতটি কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাধারণ কোরামে ব্যবহৃত হলেও এই প্রবিধানমালায় এটি সঠিক নয়। D) এক-চতুর্থাংশ — এই সংখ্যাটি অত্যন্ত কম এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি পরিচালনার জন্য তা গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যানেজিং কমিটির সভা বসাতে হলে অর্ধেক সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
a স্থানীয় সংসদ সদস্যের
b সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের
c কমিটির সভাপতির
d উপজেলা নির্বাহী অফিসারের
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের কেন সঠিক: - ২০২৫ সালের সংশোধনী প্রবিধানমালা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের পূর্বঅনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। - শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ সুরক্ষার আইনি এখতিয়ার ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ শিক্ষাবোর্ডের ওপর ন্যস্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থানীয় সংসদ সদস্যের — শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি হস্তান্তরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কোনো প্রশাসনিক বা আইনি অনুমোদন দেওয়ার এখতিয়ার নেই। B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিধিমালা অনুযায়ী সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের অনুমতি দেওয়ার একমাত্র কর্তৃপক্ষ হলো সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড। C) কমিটির সভাপতির — ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি একা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তর করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অনুমোদন দিতে পারেন না। D) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের — উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি হস্তান্তরের অনুমোদন দেওয়ার প্রধান কর্তৃপক্ষ নন। মনে রাখার টিপস: স্কুলের জমি বা সম্পত্তি কেনাবেচার অনুমতি সবসময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড থেকে নিতে হয়।
a আনুষ্ঠানিক শিক্ষা
b উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা
c অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা
d প্রথাগত শিক্ষা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন সঠিক: - পরিবার, সমাজ ও পরিবেশ থেকে মানুষ যে স্বাভাবিক ও প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতা অর্জন করে, তাকে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা বলা হয়। - এর কোনো নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম, নিয়মকানুন বা প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি থাকে না, এটি জীবনব্যাপী চলতে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও পাঠ্যক্রমের অধীনে প্রদান করা হয়। B) উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে বিকল্প উপায়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয়। C) অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) প্রথাগত শিক্ষা — এটি আনুষ্ঠানিক শিক্ষার আরেকটি সমার্থক রূপ যা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। মনে রাখার টিপস: স্কুল-কলেজের বাইরে পরিবার ও সমাজ থেকে জীবনব্যাপী যা শিখি, সেটাই অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা।
a লেবানন
b ইরান
c সৌদি আরব
d ইসরাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইসরাইল কেন সঠিক: - মোসাদ হলো ইসরাইলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা, যা ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এটি আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রভাবশালী ও কার্যকর সংস্থা হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেবানন — লেবাননের প্রধান নিরাপত্তা সংস্থার নাম জেনারেল সিকিউরিটি, মোসাদ লেবাননের নয়। B) ইরান — ইরানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম মিনিস্ট্রি অফ ইন্টেলিজেন্স, মোসাদ ইরানের নয়। C) সৌদি আরব — সৌদি আরবের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম প্রেসিডেন্সি অফ ইন্টেলিজেন্স, মোসাদ সৌদি আরবের নয়। D) ইসরাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ মোসাদ ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। মনে রাখার টিপস: ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ, যা নামের শুরুতেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বেশ আলোচিত।
a মেঘালয়
b মিজোরাম
c নাগাল্যান্ড
d অরুণাচল
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অরুণাচল কেন সঠিক: - অরুণাচল প্রদেশ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং চীন এই অঞ্চলটিকে দক্ষিণ তিব্বত বলে দাবি করে থাকে। - এই পাহাড়ি অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে ভারত ও চীনের মধ্যে ভূরাজনৈতিক ও সীমান্ত বিরোধ চলে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘালয় — এটি ভারতের একটি রাজ্য এবং এর সঙ্গে চীনের কোনো সীমান্ত বিরোধ নেই। B) মিজোরাম — এটি ভারতের একটি রাজ্য যা মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী, চীনের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই। C) নাগাল্যান্ড — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং চীনের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক বিরোধ নেই। D) অরুণাচল — এটি ভারত ও চীনের মধ্যে প্রধান বিরোধপূর্ণ রাজ্য। মনে রাখার টিপস: ভারতের যে রাজ্যটি নিয়ে চীনের সঙ্গে বেশি ঝামেলা, সেটি হলো অরুণাচল প্রদেশ।
a ১৯৯৯ সালে
b ২০০০ সালে
c ২০০১ সালে
d ২০০২ সালে
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও খেলাধুলা সঠিক উত্তর: B) ২০০০ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণ সদস্য পদ বা টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। - এই স্ট্যাটাস অর্জনের ফলে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট প্লেয়িং নেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে এবং পাকিস্তানকে পরাজিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করে, কিন্তু টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি। B) ২০০০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। C) ২০০১ সালে — এই সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল, তবে টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছিল ২০০০ সালে। D) ২০০২ সালে — এই সালের মধ্যে বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি টেস্ট ম্যাচ খেলে ফেলেছিল, তাই এই সালটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভালো খেলার ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ২০০০ সালে টেস্ট খেলার সম্মান অর্জন করে।
a গ্রামীণ ফোন
b সিটিসেল
c বাংলা লিংক
d টেলিটক
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিটিসেল কেন সঠিক: - সিটিসেল বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল অপারেটর যা ১৯৮৯ সালে প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড নামে কার্যক্রম শুরু করে। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম অ্যানালগ সেলুলার টেলিফোন নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামীণ ফোন — এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জিএসএম মোবাইল অপারেটর, যা ১৯৯৭ সালে চালু হয়। C) বাংলা লিংক — এটি একটি জিএসএম মোবাইল অপারেটর যা পরবর্তীতে ২০০৫ সালে কার্যক্রম শুরু করে। D) টেলিটক — এটি বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জিএসএম মোবাইল অপারেটর যা ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন মানেই সি দিয়ে শুরু সিটিসেল।
a জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
b ওজন স্তর ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ
c মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ
d জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ কেন সঠিক: - ২০২৩ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ সম্মেলনে বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনার ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সম্মেলনে মূল গুরুত্ব এটিকেই দেওয়া হয়েছিল। B) ওজন স্তর ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ — এটি ওজন স্তর সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা মন্ট্রিল প্রটোকলের মূল বিষয় এবং কপ-২৮ এর মূল ফোকাস ছিল না। C) মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ — এটি মূলত জাতিসংঘ মরুকরণ রোধ কনভেনশনের কাজ, জলবায়ু সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয় নয়। D) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ — এটি জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের মূল লক্ষ্য, যা কপ-২৮ সম্মেলনের প্রধান ফোকাস ছিল না। মনে রাখার টিপস: দুবাইয়ের কপ-২৮ মানেই তেল ও কয়লার মতো জীবাশ্ম জ্বালানি কমানোর ঐতিহাসিক চুক্তি।
a প্রাথমিক পর্যায়ে
b মাধ্যমিক পর্যায়ে
c মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে
d উচ্চ শিক্ষা পর্যায়ে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে কেন সঠিক: - HSTTI এর পূর্ণরূপ হলো হাই স্কুল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, যা মূলত মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়। - পরবর্তী সময়ে এর কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি করে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাথমিক পর্যায়ে — প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট যেমন পিটিআই রয়েছে, এইচএসটিটিআই নয়। B) মাধ্যমিক পর্যায়ে — এটি আংশিক সঠিক হলেও প্রতিষ্ঠানটি কেবল মাধ্যমিক নয়, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। C) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ প্রতিষ্ঠানটি এই উভয় স্তরের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে। D) উচ্চ শিক্ষা পর্যায়ে — বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চ শিক্ষার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য ইউজিসির অধীনে আলাদা একাডেমি রয়েছে, এইচএসটিটিআই নয়। মনে রাখার টিপস: HSTTI নামের প্রথম অংশ হাই স্কুল হলেও এটি কলেজ বা উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
a 75
b 76
c 77
d 78
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৭ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। - সংসদ কর্তৃক কোনো আইনের মাধ্যমে ন্যায়পাল নিয়োগ ও তার ক্ষমতা নির্ধারণের কথা এতে বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫ অনুচ্ছেদ — এটি সংসদ সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া এবং সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। B) ৭৬ অনুচ্ছেদ — এটি জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ গঠন ও তাদের কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান। C) ৭৭ অনুচ্ছেদ — এটি ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠার কথা বলে, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ডি) ৭৮ অনুচ্ছেদ — এটি সংসদ ও এর সদস্যদের বিশেষ অধিকার এবং দায়মুক্তি সম্পর্কিত বিধান। মনে রাখার টিপস: সাতের ঘরে ডাবল সাত (৭৭) মানেই সংবিধানে ন্যায়পালের অবস্থান।
a প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়
b দুর্নীতি হ্রাস পায়
c প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে লেখাপাড়া নিশ্চিত হয়
d সামাজিক অবক্ষয় রোধ হয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায় কেন সঠিক: - ই-গভর্ন্যান্স বা ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সরকারি সেবাকে সহজলভ্য ও জবাবদিহিমূলক করা। - এর মাধ্যমে সরকারি দপ্তরের কাজে গতিশীলতা আসে এবং লাল ফিতার দৌরাত্ম্য বা দুর্নীতি কমে গিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায় — এটি ই-গভর্ন্যান্সের মূল লক্ষ্য ও সঠিক উত্তর। B) দুর্নীতি হ্রাস পায় — এটি ই-গভর্ন্যান্সের একটি ইতিবাচক ফলাফল হলেও সামগ্রিক মূল উদ্দেশ্য বা সবচেয়ে উপযুক্ত সংজ্ঞা নয়। C) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে লেখাপাড়া নিশ্চিত হয় — এটি ই-গভর্ন্যান্সের কাজ নয়, বরং এটি ই-লার্নিং বা দূরশিক্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সামাজিক অবক্ষয় রোধ হয় — এটি সরাসরি ই-গভর্ন্যান্সের কাজ নয়, বরং সমাজ সংস্কার ও নৈতিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: ই-গভর্ন্যান্স মানেই প্রযুক্তির ছোঁয়া, আর প্রযুক্তির ছোঁয়া মানেই কাজের গতি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি।
a গেজেট
b আদেশ
c অধ্যাদেশ
d প্রজ্ঞাপন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গেজেট কেন সঠিক: সরকারের নতুন নীতি, আইন ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে জনসাধারণের অবগতির জন্য সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়। এটি আইনগতভাবে সরকারি সিদ্ধান্ত প্রকাশের একমাত্র প্রামাণিক দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গেজেট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) আদেশ — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর অর্পিত নির্দেশ, যা সমগ্র রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত প্রকাশের মাধ্যম নয়। C) অধ্যাদেশ — এটি আইন প্রণয়নের একটি বিশেষ মাধ্যম, যা শুধুমাত্র সংসদ অধিবেশন বন্ধ থাকা অবস্থায় জারি করা হয়। D) প্রজ্ঞাপন — এটি সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ জারির আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি, যা গেজেটের অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো সরকারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আইন সবার জন্য প্রকাশ করার প্রধান মাধ্যম হলো গেজেট।
a পরীক্ষা গ্রহণ
b শিক্ষক নিয়োগ
c শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
d শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করা
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা কেন সঠিক: - এই অধিদপ্তর দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক কার্যক্রম ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা যাচাই করে থাকে। - সরকারি অনুদান ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এটি শিক্ষা খাতে জবাবদিহিতা বজায় রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরীক্ষা গ্রহণ — পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্ব শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের নয়। B) শিক্ষক নিয়োগ — শিক্ষক নিয়োগের মূল দায়িত্ব শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়কর্তা কর্তৃপক্ষ বা কমিশনের, এই অধিদপ্তরের নয়। C) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা — এটি এই অধিদপ্তরের নির্ধারিত মূল কাজ। D) শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করা — শিক্ষকদের বেতন ও আর্থিক সুবিধা সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, এই অধিদপ্তরের কাজ শুধু নিরীক্ষা করা। মনে রাখার টিপস: পরিদর্শন ও নিরীক্ষা মানেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও আর্থিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
a হ্যাঁ
b অর্ধেক পাওয়া যাবে
c সমন্বয় হবে
d না
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) না কেন সঠিক: - এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট অনিয়ম বা ভুলের কারণে কোড স্থগিত হলে সেই স্থগিতকালীন সময়ের বকেয়া বেতন পরিশোধের কোনো বিধান নেই। - কোড স্থগিত থাকা অবস্থায় শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাজের বৈধতা থাকে না বিধール বকেয়া পাওনা আদায়ের সুযোগ থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যাঁ — নিয়মবহির্ভূতভাবে স্থগিত কোডের বকেয়া বেতন পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে এটি সঠিক নয়। B) অর্ধেক পাওয়া যাবে — স্থগিতকালীন সময়ের সম্পূর্ণ বেতন বা আংশিক বেতন পাওয়ার কোনো আইনি বিধান নেই। সি) সমন্বয় হবে — পরবর্তীতে কোড সচল হলেও অতীতের স্থগিত সময়ের বেতন অন্য কোনো খাতের সাথে সমন্বয় করা যায় না। D) না — প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের কারণে কোড স্থগিত হলে ঐ সময়ের বকেয়া বেতন পাওয়া যায় না বিধায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে এমপিও স্থগিত হলে বকেয়া বেতনও বন্ধ, এই নিয়মটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a পরিচ্ছন্নতা
b পবিত্রতা
c সততা
d গভীরতা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পবিত্রতা কেন সঠিক: - নৈতিকতার বিচারে মনের পবিত্রতা মানুষের চরিত্রকে মহিমান্বিত করে তোলে। - সুচিচিন্তা মানুষের মনকে কলুষমুক্ত ও পবিত্র রাখতে সরাসরি সহায়তা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিচ্ছন্নতা — এটি মূলত শারীরিক বা বাহ্যিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বোঝায়, যা মানসিক উৎকর্ষের চেয়ে শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। B) পবিত্রতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ মন ও চিন্তার উচ্চ পর্যায় বোঝাতে পবিত্রতা শব্দটি উপযুক্ত। C) সততা — এটি মানুষের একটি নৈতিক গুণ ও আচরণের প্রকাশ, কিন্তু সরাসরি মনের সুচিচিন্তার সঙ্গে পবিত্রতার ধারণাটি বেশি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। D) গভীরতা — এটি জ্ঞানের পরিধি বা চিন্তার প্রখরতা বোঝায়, যা মহৎ হওয়ার প্রাথমিক শর্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মন ও সুচিচিন্তার সঙ্গে পবিত্রতা শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই মহৎ হওয়ার ক্ষেত্রে পবিত্রতা বেছে নিতে হবে।
a সুশাসন নিশ্চিত করা
b দুর্নীতি রোধ করা
c জনসচেতনতা সৃষ্টি করা
d নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা কেন সঠিক: - সিটিজেন চার্টার বা নাগরিক ঘোষণাপত্র হলো এমন একটি দালিলিক প্রতিশ্রুতি, যার মাধ্যমে সরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত সেবা দিতে বাধ্য থাকে। - এটি মূলত সেবাগ্রহীতাদের অধিকার রক্ষা এবং সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুশাসন নিশ্চিত করা — সুশাসন একটি ব্যাপক ধারণা, যার মধ্যে নাগরিক সেবা ছাড়াও অংশীদারিত্ব, আইনের শাসন ও সমতা অন্তর্ভুক্ত; তাই এটি সরাসরি সিটিজেন চার্টারের মূল কাজ নয়। B) দুর্নীতি রোধ করা — সিটিজেন চার্টার দুর্নীতি কিছুটা কমাতে সাহায্য করলেও এর মূল এবং প্রত্যক্ষ কাজ হলো সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা। C) জনসচেতনতা সৃষ্টি করা — জনসচেতনতা সৃষ্টি মূলত প্রচারণামূলক কাজের অংশ, যা সিটিজেন চার্টারের নির্দিষ্ট কোনো সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার সরাসরি লক্ষ্য নয়। D) নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা — এটি সরাসরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতির সাথে যুক্ত এবং নাগরিক চার্টারের মূল উদ্দেশ্য। মনে রাখার টিপস: সিটিজেন চার্টার মানেই হলো নাগরিকের অধিকার ও সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার একটি লিখিত প্রতিশ্রুতিপত্র।
a জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
b প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
c মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
d শিক্ষা মন্ত্রণালয়
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কেন সঠিক: - জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা এনএসডিএ একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা দেশের শ্রমশক্তির দক্ষতা উন্নয়ন ও সমন্বয়ের জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। - এটি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে গঠিত হয়ে দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করার নীতিনির্ধারণী কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় — এটি সরকারি চাকুরিজীবীদের ব্যবস্থাপনা, পদায়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষা নিয়ে কাজ করে, দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের administrative control এখানে নেই। B) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ — এটি সরকারের নীতিনির্ধারণী ও প্রশাসনিক সমন্বয় সাধনের প্রধান দপ্তর, যা এই নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে নেই। D) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার তদারকি করে, তবে এনএসডিএ একটি স্বাধীন কর্তৃপক্ষ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে ন্যস্ত। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা উন্নয়নের মতো দেশের বিশাল কর্মসংস্থান ও পরিকল্পনা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নজরদারিতে থাকে, তাই এনএসডিএ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন।
a শুধু সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের
b শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধানের
c প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মচারীর
d নিয়োগ কমিটির সকল সদস্যের
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মচারীর কেন সঠিক: - জাল নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে এমপিওভুক্তির আবেদন করলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারী উভয়েই সরাসরি প্রতারণার সাথে যুক্ত থাকেন। - নীতিমালা অনুযায়ী এই ধরনের অপরাধে প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রশাসনিক দায় এবং আবেদনকারী শিক্ষক বা কর্মচারীর বেতন-ভাতা বাতিল ও আইনগত শাস্তি উভয়ই প্রযোজ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুধু সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের — জাল সনদে আবেদন একা শুধু শিক্ষক করেন না, এর সাথে প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়ন বা সংশ্লিষ্টতা থাকে বিধায় শুধু এক পক্ষের শাস্তি হয় না। B) শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধানের — এককভাবে শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধান নন, মূল সুবিধাভোগী হিসেবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীও সমানভাবে অপরাধের অংশীদার হন। C) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মচারীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাল সনদের এমপিও আবেদনে উভয় পক্ষই বিধিভঙ্গ ও জালিয়াতির দায়ে শাস্তি ও বেতন-ভাতা বাতিলের আওতাভুক্ত হন। D) নিয়োগ কমিটির সকল সদস্যের — নিয়োগ কমিটি প্রাথমিক নিয়োগের সাথে যুক্ত থাকে, কিন্তু পরবর্তী সময়ে জাল সনদে এমপিওভুক্তির আবেদনের দায় প্রধানত প্রধান শিক্ষক ও আবেদনকারীর ওপর বর্তায়। মনে রাখার টিপস: জাল সনদে এমপিও তুললে আবেদনকারী শিক্ষক এবং প্রত্যয়নকারী প্রধান শিক্ষক উভয়েই একসাথে শাস্তি পাবেন।
a ৬০%
b ৭০%
c ৮০%
d ৯০%
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০% কেন সঠিক: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি গঠনের ক্ষেত্রে আইনি বিধান অনুযায়ী মোট পদের কমপক্ষে শতকরা আশি ভাগ পদে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া বাধ্যতামূলক। এই নির্ধারিত কোরাম পূরণ না হলে কমিটি বৈধ বলে গণ্য হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬০% — এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে কম এবং গভর্নিং বডি বৈধভাবে গঠনের জন্য পর্যাপ্ত নয়। B) ৭০% — এই পরিমাণ পদ পূর্ণ হলে আইনি বিধান অনুযায়ী কমিটি গঠন বৈধ হয় না। C) ৮০% — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) ৯০% — শতকরা নব্বই ভাগ পদের কথা আইনে বলা হয়নি কারণ ন্যূনতম সীমা আশি ভাগ নির্ধারণ করা আছে। মনে রাখার টিপস: গভর্নিং বডি বৈধ হতে আশি ভাগ পদের নির্বাচন দরকার হয়।
a সাধারণ তহবিল
b বিবিধ তহবিল
c ক্রীড়া তহবিল
d উন্নয়ন তহবিল
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধারণ তহবিল কেন সঠিক: - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন আয় যেমন টিউশন ফি, ভর্তি ফি ও অন্যান্য নিয়মিত আদায় সরাসরি সাধারণ তহবিলে জমা হয়। - এই তহবিল থেকে প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত খরচ যেমন কর্মচারীদের বেতন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ তহবিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়মিত আদায়কৃত অর্থ এই তহবিলেই জমা রাখা হয়। B) বিবিধ তহবিল — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা অনিয়মিত আয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, নিয়মিত আয়ের জন্য নয়। সি) ক্রীড়া তহবিল — এটি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা সংক্রান্ত খরচের জন্য নির্দিষ্ট থাকে। ডি) উন্নয়ন তহবিল — এটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: প্রতিষ্ঠান চালানোর নিয়মিত আয় সবসময় সাধারণ তহবিলে জমা হয়।
a বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনে
b স্টেশনারি ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্রয়ে
c বিবিধ সভা ও আপ্যায়নে
d উপরের সবগুলো
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও বাজেট বিধান অনুযায়ী বিবিধ খাতের বরাদ্দকৃত অর্থ দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ও আনুষঙ্গিক প্রশাসনিক খরচে ব্যবহার করা যায়। - জাতীয় দিবস উদযাপন, স্টেশনারি ক্রয় এবং সভা ও আপ্যায়ন ইত্যাদি সবই দাপ্তরিক বিবিধ ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনে — এটি বিবিধ খাতের একটি বৈধ ব্যয় হলেও কেবল এটিই একমাত্র খাত নয়, তাই এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) স্টেশনারি ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্রয়ে — এটিও বিবিধ ব্যয়ের অংশ, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও এর আওতাভুক্ত থাকায় এটি আংশিক উত্তর। C) বিবিধ সভা ও আপ্যায়নে — এটিও দৈনন্দিন দাপ্তরিক বিবিধ ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত, তবে এর পাশাপাশি বাকি কাজগুলোতেও এই তহবিল খরচ করা যায়। D) উপরের সবগুলো — উল্লেখিত তিনটি কাজই বিবিধ খাতের অর্থ দ্বারা সম্পন্ন করা যায় বিধায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সরকারি দপ্তরের বিবিধ বা মিসলেনিয়াস তহবিল মানেই দিবস উদযাপন, কেনাকাটা এবং আপ্যায়নের মতো আনুষঙ্গিক সব সাধারণ খরচ।
a প্রতিষ্ঠান
b ব্যাংক
c সভাপতি
d স্টেকহোল্ডার
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতিষ্ঠান কেন সঠিক: - ব্যাংক হিসাবের বই এবং প্রতিষ্ঠানের নগদান বইয়ের জেরের মধ্যে অমিল খুঁজে বের করে মিলকরণের জন্য প্রতিষ্ঠান নিজেই ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুত করে থাকে। - এটি অভ্যন্তরীণ হিসাব নিয়ন্ত্রণের একটি অংশ, যা প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ প্রস্তুত করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী নিজ প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই এবং ব্যাংকের হিসাবের বই মেলানোর জন্য প্রতিষ্ঠান নিজেই তৈরি করে। B) ব্যাংক — ব্যাংক কখনোই গ্রাহকের হিসাবের অভ্যন্তরীণ মিলকরণের জন্য এই বিবরণী তৈরি করে না, ব্যাংক শুধু ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রদান করে। C) সভাপতি — সভাপতি প্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত থাকেন, তিনি দৈনন্দিন বা হিসাব সংক্রান্ত বিবরণী প্রস্তুত করেন না। D) স্টেকহোল্ডার — স্টেকহোল্ডার বা অংশীজনরা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত থাকেন, কিন্তু তারা হিসাব সংক্রান্ত বিবরণী প্রস্তুত করেন না। মনে রাখার টিপস: হিসাবের মিল রাখতে প্রতিষ্ঠান নিজের তাগিদেই ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি করে।
a চেয়ারম্যান ও সচিব
b ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব সচিব
c সচিব ও কোষাধক্ষ্য
d ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব সচিব কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা প্রবিধানমালা অনুযায়ী তহবিলের আর্থিক লেনদেন ও ব্যাংক হিসাব পরিচালনার নির্দিষ্ট প্রশাসনিক এখতিয়ার রয়েছে। - এই বিধিমালার নিয়ম অনুযায়ী তহবিলের ব্যাংক হিসাবটি যৌথভাবে ভাইস চেয়ারম্যান এবং সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হওয়ার বিধান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চেয়ারম্যান ও সচিব — প্রবিধানমালা অনুযায়ী তহবিলের হিসাব পরিচালনায় চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের পরিবর্তে ভাইস চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের নিয়ম নির্ধারিত আছে। B) ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব সচিব — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিধিমালা অনুযায়ী এই দুজন কর্মকর্তার যুগ্ম-স্বাক্ষরেই ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হয়। C) সচিব ও কোষাধক্ষ্য — এই তহবিলের হিসাব পরিচালনায় কোষাধক্ষ্যের যৌথ স্বাক্ষরের কোনো আইনি বিধান নেই। D) ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিব — এই অপশনে সচিব শব্দ একবার থাকায় এবং প্রদত্ত উত্তরপত্রে সচিব শব্দ দুইবার থাকায় এটি মূলত সঠিক উত্তরের অংশ, তবে অপশনের বানানগত ত্রুটির কারণে অন্য অপশনগুলোর তুলনায় এটি পরিহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অবসর সুবিধা বোর্ডের তহবিল পরিচালনায় আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ভাইস চেয়ারম্যান ও সচিবের জুটি মনে রাখবে।
a যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন
b যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন না
c ইচ্ছে হলে যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন
d উপরে সবগুলো
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন না কেন সঠিক: - এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করলে বা উচ্চতর পদে যোগ দিলে পূর্ববর্তী পদের এমপিও বহাল থাকে না। - নতুন কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও তোলার আইনি কোনো সুযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন — এটি নীতিমালার বিধানের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অবৈধ। B) যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন না — এটি নীতিমালা অনুযায়ী সঠিক ও প্রযোজ্য বিধান। C) ইচ্ছে হলে যোগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন — এমপিও উত্তোলনের ক্ষেত্রে শিক্ষকের ইচ্ছার কোনো সুযোগ নেই, এটি সম্পূর্ণ নীতিমালার অধীন। D) উপরে সবগুলো — যেহেতু শুধু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পদ পরিবর্তন করলে আগের পদের এমপিও বন্ধ, নতুন কর্মস্থল থেকেই শুরু হবে নিয়ম।
a মন্ত্রণালয় / বিভাগ
b অধিদপ্তর / পরিদপ্তর
c বিভাগীয় / আঞ্চলিক অফিস
d উপজেলা পর্যায়ের অফিস
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মন্ত্রণালয় / বিভাগ কেন সঠিক: - সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী বড় অংকের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত আর্থিক মঞ্জুরি প্রদানের চূড়ান্ত ক্ষমতা মন্ত্রণালয় বা বিভাগের হাতে ন্যস্ত থাকে। - প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে নীতিগত অনুমোদন ও বাজেট বরাদ্দ কেবল মন্ত্রণালয় বা বিভাগই প্রদান করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্ত্রণালয় / বিভাগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়, এটিই আর্থিক মঞ্জুরি প্রদানের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। B) অধিদপ্তর / পরিদপ্তর — এরা মূলত বাস্তবায়কারী কর্তৃপক্ষ এবং এদের আর্থিক ক্ষমতার একটি নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সীমা থাকে, যা বড় প্রশিক্ষণ মঞ্জুরির জন্য যথেষ্ট নয়। C) বিভাগীয় / আঞ্চলিক অফিস — এরা মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কার্যালয় এবং নীতিগত বা বড় আর্থিক মঞ্জুরি প্রদানের এখতিয়ার এদের নেই। D) উপজেলা পর্যায়ের অফিস — এরা সর্বনিম্ন স্তরের বাস্তবায়নকারী অফিস এবং এদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা খুবই সীমিত। মনে রাখার টিপস: বড় আর্থিক মঞ্জুরি মানেই সর্বোচ্চ পর্যায়, তাই প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত আর্থিক মঞ্জুরির ক্ষেত্রে সবসময় মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (11)

a Certified Copy
b Carbon Copy
c Collected Copy
d Carbon Certificate
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ই-মেইল পাঠানোর সময় প্রাপক বা রিসিভার ছাড়াও অন্য কাউকে একই বার্তা অবগতির জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা হলো কার্বন কপি বা সিসি। এই পদ্ধতিতে মূল প্রাপকের কাছে পাঠানো ই-মেইলের একটি হুবহু প্রতিলিপি বা অনুলিপি নির্দিষ্ট অন্যান্য ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-মেইলে সিসি বা কার্বন কপি হলো এমন একটি ফিল্ড যেখানে মূল প্রাপক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত করে একই বার্তা পাঠানো হয়। কার্যপদ্ধতি: মূল বার্তাটি পাঠানোর সময় সার্ভার মূল প্রাপক এবং সিসি বক্সে থাকা প্রতিটি ঠিকানায় একযোগে ই-মেইলের একটি করে কপি বিতরণ করে। ব্যবহার: দাপ্তরিক কাজে বা কোনো তথ্যের অবগতি বা ইনফরমেশন জানানোর জন্য সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ই-মেইলে যুক্ত করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসে ছুটির আবেদন করার সময় প্রধান কর্মকর্তার পাশাপাশি নিজের বিভাগীয় প্রধানকে সিসিতে রাখা। ব্যাখ্যা: এতে মূল ছুটির আবেদন প্রধান কর্মকর্তা পাওয়ার পাশাপাশি বিভাগীয় প্রধানও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকেন। উদাহরণ ২: কোনো প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন ক্লায়েন্টকে পাঠানোর সময় নিজের টিম মেম্বারদের সিসিতে রাখা। ব্যাখ্যা: প্রকল্প সম্পর্কিত তথ্য ক্লায়েন্টের কাছে পৌঁছানোর সাথে সাথে পুরো টিমও একই সাথে আপডেটটি পেয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Certified Copy — এটি প্রত্যয়িত বা সত্যায়িত অনুলিপির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যা ই-মেইলের প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। B) Carbon Copy — এটি সঠিক উত্তর কারণ ই-মেইলে সিসি বলতে এই অপশনটিকেই বোঝায়। C) Collected Copy — এটি কোনো স্বীকৃত কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কিং পরিভাষা নয়। D) Carbon Certificate — এটি ই-মেইল প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সঠিক শব্দ বা পরিভাষা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সিসি বা কার্বন কপি মনে রাখার সহজ উপায় হলো কাগজের যুগে কার্বন পেপার ব্যবহার করে যেভাবে একবারে একাধিক কপি তৈরি করা হতো, তারই ডিজিটাল রূপ এটি। বিপরীতে, বিসিসি বা ব্লাইন্ড কার্বন কপি ব্যবহার করলে অন্য প্রাপকরা বুঝতে পারেন না যে কাকে গোপনে অনুলিপিটি পাঠানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-মেইলের সিসি এবং বিসিসির পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে। সিসি ক্ষেত্রে সকল প্রাপক দেখতে পান কার কার কাছে ই-মেইলটি গেছে, কিন্তু বিসিসির ক্ষেত্রে তা গোপন থাকে।
a Over The Top
b Over Time Password
c One Time Password
d Other Than Password
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One Time Password ১. কেন সঠিক: - OTP বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড হলো একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেটেড কোড যা শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট লগইন সেশন বা ট্রানজেকশনের জন্য কার্যকর থাকে। - এটি টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন ব্যবস্থার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড হলো এমন একটি নিরাপত্তা কোড যা একবার ব্যবহারের পর তাৎক্ষণিকভাবে অকার্যকর হয়ে যায়। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো সিস্টেমে প্রবেশ করতে চাইলে সিস্টেমে নিবন্ধিত মোবাইল বা ইমেইলে একটি স্বল্পমেয়াদী কোড পাঠানো হয়। - ব্যবহার: অনলাইন ব্যাংকিং, এটিএম লেনদেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লগইন এবং ই-কমার্স পেমেন্টে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অনলাইনে টাকা স্থানান্তরের সময় মোবাইলে আসা কোড। ব্যাখ্যা: এই কোডটি কেবল একবারই লেনদেন সম্পূর্ণ করতে ব্যবহার করা যায় এবং পরবর্তীতে এটি বাতিল হয়ে যায়। উদাহরণ ২: জিমেইল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অচেনা ডিভাইস থেকে লগইন করার সময় কোড চাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী আসল ব্যক্তি কি না, যা পাসওয়ার্ড চুরির ঝুঁকি কমায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Over The Top — এটি একটি প্রযুক্তিগত পরিভাষা যা ইন্টারনেট প্রটোকলের মাধ্যমে ভিডিও বা অডিও স্ট্রিমিং সেবাকে বোঝায়। B) Over Time Password — এই নামে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক নিরাপত্তায় কোনো আদর্শ বা প্রচলিত পাসওয়ার্ড প্রযুক্তি নেই। D) Other Than Password — এটি কোনো প্রযুক্তিগত বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিভাষা নয়, বরং একটি সাধারণ ইংরেজি বাক্যাংশ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, যে পাসওয়ার্ড শুধু একবার বা একবারের বেশি ব্যবহার করা যায় না, সেটাই ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওয়ান টাইম পিন। - এই কোডগুলো সাধারণত কয়েক মিনিট পর নিজে থেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড মূলত ফিশিং ও পাসওয়ার্ড চুরি রোধে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। - এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডেটা সুরক্ষা আইনের অধীনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
a হ্যাকিং
b ফিশিং
c পাইরেসি
d প্লেজিয়ারিজম
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্লেজিয়ারিজম ১. কেন সঠিক: - অন্যের লেখা, আইডিয়া বা সৃষ্টি নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা কৃতিত্ব নেওয়াকে প্লেজিয়ারিজম বা চৌর্যবৃত্তি বলা হয়। - এই ছাত্রটি ফেসবুক পেজ থেকে লেখকের অনুমতি না নিয়ে এবং তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে গল্পটি নিজের নামে ছাপানোর মাধ্যমে এই নৈতিক অপরাধটি করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বা লেখার জেনেশুনে বা না জেনে অননুমোদিত ব্যবহার করা। - বৈশিষ্ট্য: এতে প্রকৃত লেখকের নাম গোপন করা হয় এবং নিজের মৌলিক কাজ হিসেবে প্রচার করা হয়। - ব্যবহার: এটি শিক্ষা ও প্রকাশনা জগতে একটি দণ্ডনীয় অপরাধ এবং নীতিশাস্ত্রের পরিপন্থী কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইন্টারনেট থেকে একটি প্রবন্ধ হুবহু কপি করে নিজের অ্যাসাইনমেন্টে জমা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্লেজিয়ারিজমের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ কারণ অন্যের গবেষণালব্ধ কাজ নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: অন্যের তৈরি করা কোনো কম্পিউটার কোডের মূল উৎস গোপন করে নিজের প্রজেক্টে ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এটি সফটওয়্যার জগতের চৌর্যবৃত্তি, যা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যাকিং — হ্যাকিং হলো কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে বা নেটওয়ার্কে অননুমোদিত প্রবেশ করা, যা এখানে ঘটেনি। B) ফিশিং — ফিশিং হলো জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সাইবার অপরাধ। C) পাইরেসি — পাইরেসি হলো সফটওয়্যার বা ডিজিটাল মিডিয়ার অবৈধ অনুলিপি তৈরি ও বিতরণ, অন্যের লেখা নিজের নামে ছাপানো নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্লেজিয়ারিজম শব্দের অর্থ চৌর্যবৃত্তি বা সাহিত্য চুরি। - লেখা চুরি করা মানেই হলো প্লেজিয়ারিজম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিকতা ও তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে এই টার্মটি প্রায়ই আসে। - অন্যের কাজ ব্যবহার করতে হলে সবসময় তথ্যসূত্র বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয়।
a Line Chart
b Bar Chart
c Pie Chart
d Box Chart
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Pie Chart ১. কেন সঠিক: - পাই চার্ট বা বৃত্তাকার চিত্র সমগ্র ডেটার বিভিন্ন অংশের অনুপাত বা শতকরা হার প্রকাশ করার জন্য সবচেয়ে উপযোগী গ্রাফ। - একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষায় পাস ও ফেলের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যাকে একটি বৃত্তের বিভিন্ন অংশে শতকরা বা অনুপাতে ভাগ করে দেখানোর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: পাই চার্ট হলো একটি বৃত্তাকার গ্রাফ যা বৃত্তের বিভিন্ন সেক্টর বা খণ্ডের মাধ্যমে ডেটার অনুপাত বা শতকরা অংশ প্রদর্শন করে। - কার্যপদ্ধতি: পুরো বৃত্তটিকে মোট ১০০ শতাংশ বা ৩৬০ ডিগ্রি ধরে ডেটার প্রতিটি অংশের মান অনুযায়ী অনুপাতে ক্ষেত্র বা কোণ ভাগ করা হয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের বা ক্যাটাগরির অংশগুলোর পারস্পরিক তুলনা করতে এবং সামগ্রিকের মধ্যে কার অংশ কত তা দেখতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসের মোট ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮০ জন পাস এবং ২০ জন ফেল করলে তা পাই চার্টে যথাক্রমে ৮০ শতাংশ এবং ২০ শতাংশ হিসেবে দেখানো হয়। ব্যাখ্যা: এই দৃশ্যকল্পটি পুরো ছাত্রছাত্রী সংখ্যার সাথে পাস ও ফেলের অনুপাত পরিষ্কারভাবে একটি বৃত্তের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: একটি বিদ্যালয়ের বার্ষিক বাজেটের বিভিন্ন খাতের ব্যয় যেমন শিক্ষক বেতন, ভবন মেরামত ও ক্রীড়া সামগ্রী ক্রয়ের অনুপাত প্রদর্শন করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় সমগ্র বাজেটের কোন খাতে কত অংশ ব্যয় হলো তা পাই চার্টের মাধ্যমে শতকরা হারে দৃশ্যমান করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Line Chart — এটি সাধারণত সময়ের সাথে ডেটার পরিবর্তন বা প্রবণতা দেখাতে ব্যবহৃত হয়, পাস-ফেলের অনুপাত দেখাতে নয়। B) Bar Chart — এটি বিভিন্ন স্বতন্ত্র ক্যাটাগরির মধ্যে পরিমাণের তুলনা করতে বেশি উপযোগী, যা বৃত্তাকার অনুপাত দেখানোর চেয়ে তুলনামূলক কম সুবিধাজনক। D) Box Chart — এটি মূলত পরিসংখ্যানগত ডেটার বিস্তার, মধ্যক এবং চতুর্থক বা আউটলায়ার চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুপাত বা শতকরা অংশ (Percentage) বোঝাতে সবসময় পাই চার্ট বা বৃত্তাকার চিত্র ব্যবহার করা হয়। - পাই (Pie) শব্দটি খাবারের গোল বৃত্তাকার পিঠার কথা মনে করিয়ে দেয়, যা দিয়ে গোল বৃত্ত বা বৃত্তাকার চার্ট মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন বা গ্রাফের ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - কোন ডেটার জন্য কোন চার্ট উপযোগী, যেমন ট্রেন্ডের জন্য লাইন চার্ট এবং অনুপাতের জন্য পাই চার্ট, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তথ্য অধিকার আইন
b পরিচয় সুরক্ষা আইন
c তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন
d ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ১. কেন সঠিক: - ২০১৮ সালে প্রণীত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করে ২০২৩ সালে এর নাম পরিবর্তন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়। - এই আইনের মূল উদ্দেশ্য সাইবার অপরাধ দমন, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করা। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সাইবার নিরাপত্তা আইন হলো এমন একটি আইনি কাঠামো যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেটে সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন করতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ যেমন হ্যাকিং, তথ্য চুরি, মানহানি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো ব্যক্তি যদি অনলাইনে অন্য কারো নামে ফেক আইডি খুলে অপপ্রচার চালায়, তবে সাইবার নিরাপত্তা আইনের আওতায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এই আইনটি ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে সরাসরি প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং খাতের সার্ভারে ম্যালওয়্যার বা র‍্যানসমওয়্যার হামলা চালিয়ে অর্থ চুরির চেষ্টা করা হলে এই আইনের অধীনে তদন্ত ও বিচার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি অনলাইন পরিকাঠামো ও ডিজিটাল সম্পদ রক্ষায় সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য অধিকার আইন — এই আইনটি ২০০৯ সালে প্রণীত হয়, যার মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা এবং সরকারি স্বচ্ছতা বাড়ানো। B) পরিচয় সুরক্ষা আইন — এটি কোনো প্রধান আইন নয় এবং প্রশ্নোক্ত সাইবার নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তনের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত নয়। C) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন — এটি ২০০৬ সালে প্রণীত হয় এবং পরে এটি সংশোধন করা হলেও এর নাম পরিবর্তন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন রাখা হয়নি। D) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ২০১৮ সালের এই আইনটির নাম পরিবর্তন করেই ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন রাখা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরবর্তী সময়ে পরিবর্তিত হয়ে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইনে রূপ নেয়। - আইন সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় আইনের সাল এবং সংশোধিত নামগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখা সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক আইনি পরিবর্তন ও সংশোধনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের প্রধান পার্থক্য ও সংশোধনের সালগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a Date
b Time
c Percentage
d Memo
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Memo ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel) হলো একটি স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম, যা মূলত সংখ্যাগত ও আর্থিক ডেটা নিয়ে কাজ করে। - এখানে মেমো (Memo) ডেটা ফরম্যাটটি সমর্থিত নয়, কারণ এটি মাইক্রোসফট এক্সেসের (Microsoft Access) মতো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারে দীর্ঘ লেখা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্প্রেডশিট ডেটা ফরম্যাট হলো এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে সেল বা ঘরের ডেটাকে তারিখ, সময়, সংখ্যা বা টেক্সট হিসেবে প্রদর্শন করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: এক্সেল ব্যবহারকারীর ইনপুট করা ডেটার ধরন শনাক্ত করে এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুযায়ী তা স্ক্রিনে প্রদর্শন ও প্রক্রিয়াজাত করে। - ব্যবহার: হিসাব-নিকাশ, বাজেট তৈরি, গ্রাফ তৈরি এবং সাধারণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য এক্সেল ডেটা ফরম্যাট ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেট ফরম্যাট ব্যাখ্যা: সেলে তারিখ ইনপুট করলে এক্সেল তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা নির্দিষ্ট ফরম্যাটে যেমন দিন, মাস ও বছর আকারে প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: পার্সেন্টেজ ফরম্যাট ব্যাখ্যা: কোনো সংখ্যার সাথে শতকরা চিহ্ন যোগ করে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শতকরা হারে রূপান্তর করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Date — এটি একটি বৈধ ফরম্যাট যা এক্সেলের সেলে দিন, মাস ও বছর প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। B) Time — এটি একটি বৈধ ফরম্যাট যা এক্সেলের সেলে ঘণ্টা, মিনিট ও সেকেন্ড প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। C) Percentage — এটি একটি বৈধ ফরম্যাট যা সংখ্যাকে শতকরারূপে প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) Memo — এটি এক্সেলের কোনো ডেটা ফরম্যাট নয়, বরং এটি ডেটাবেজ সফটওয়্যারের টেক্সট ফিল্ডের একটি প্রকার। ৫. মনে রাখার টিপস: - এক্সেল হলো স্প্রেডশিট আর স্প্রেডশিটে সংখ্যা, তারিখ, সময় ও শতকরা হিসাব থাকে, কোনো মেমো বা দীর্ঘ বর্ণনামূলক ফিল্ড থাকে না। - ডেটাবেজ সফটওয়্যারে মেমো বা লং টেক্সট ব্যবহার করা হয়, এক্সেলে নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলের মৌলিক কাজ হলো সংখ্যা নিয়ে হিসাব-নিকাশ করা এবং গ্রাফ তৈরি করা। - ডেটাবেজ ও স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের ডেটা টাইপের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a Insert
b Format
c Desing
d Layout
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Insert ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ডকুমেন্টের পৃষ্ঠা নম্বর যুক্ত করার জন্য রিবন বারে থাকা ইনসার্ট ট্যাবের সহায়তা নিতে হয়। ইনসার্ট ট্যাবের হেডার অ্যান্ড ফুটার গ্রুপ থেকে পেজ নম্বর কমান্ড ব্যবহার করে খুব সহজেই পৃষ্ঠার নম্বর বসানো যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড রিবন হলো একটি ইউজার ইন্টারফেস যেখানে বিভিন্ন ট্যাব ও কমান্ডের মাধ্যমে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের সব কাজ সহজে সম্পন্ন করা হয়। কার্যপদ্ধতি: ইনসার্ট ট্যাবে ক্লিক করার পর হেডার ও ফুটার অংশে গিয়ে পেজ নম্বর নির্বাচন করলে ডকুমেন্টের ওপর বা নিচে নম্বর বসে যায়। ব্যবহার: বড় কোনো রিপোর্ট, থিসিস পেপার বা বই লেখার সময় পৃষ্ঠার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই অপশন ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি যখন একটি একশ পৃষ্ঠার গবেষণাপত্র তৈরি করেন তখন প্রতিটি পৃষ্ঠায় ম্যানুয়াল নম্বর না দিয়ে ইনসার্ট থেকে পেজ নম্বর ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিটি পৃষ্ঠায় ক্রমানুসারে নম্বর বসিয়ে দেয় এবং পৃষ্ঠা যোগ বা বাদ দিলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়। উদাহরণ ২: একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন বা চিঠিতে পৃষ্ঠা সংখ্যা যুক্ত করার জন্য ফুটার অংশে পেজ নম্বর দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে নথিপত্র প্রিন্ট করার পর পৃষ্ঠা হারিয়ে গেলে বা এলোমেলো হয়ে গেলে সহজেই তা সাজানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Insert — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রিবন ট্যাবেই পেজ নম্বর, টেবিল ও পিকচার যুক্ত করার কমান্ড থাকে। B) Format — এই অপশনটি ডকুমেন্টের মার্জিন, প্যারাগ্রাফ স্পেস বা পেপার সাইজ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Desing — এই ট্যাবের মাধ্যমে ডকুমেন্টের থিম, কালার প্যালেট ও পেজ বর্ডার ডিজাইন করা হয়। D) Layout — এটি পাতার ওরিয়েন্টেশন, কলাম ও পেপার সাইজ সাজানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু ডকুমেন্টে নতুন যোগ করতে হলে ইনসার্ট বা প্রবেশ করাতে হবে এই ধারণা মাথায় রাখুন। ইনসার্ট ট্যাবের নামের অর্থই হলো ভেতরে প্রবেশ করানো বা যুক্ত করা, তাই পেজ নম্বর যুক্ত করতে এখানেই যেতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কীবোর্ডের মাধ্যমে শর্টকাট ব্যবহার করে পেজ নম্বর সরাসরি যোগ করার নির্দিষ্ট কোনো ডিফল্ট কী নেই। পরীক্ষায় প্রায়ই পেজ নম্বর, হেডার বা ফুটার কোন ট্যাবে থাকে তা জানতে চাওয়া হয়, যার উত্তর সবসময় ইনসার্ট ট্যাব।
a বিল গেটস
b লারি পেইজ
c সে্গেই ব্রিন
d b ও c উভয়ই
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) b ও c উভয়ই ১. কেন সঠিক: বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল (Google) প্রতিষ্ঠা করেছেন লারি পেইজ এবং সের্গেই ব্রিন। ১৯৯৮ সালের চতুর্থ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সময় তারা দুজন যৌথভাবে এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেছিলেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: গুগল হলো একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা ইন্টারনেট ভিত্তিক সেবা, সার্চ ইঞ্জিন প্রযুক্তি, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ করে থাকে। কার্যপদ্ধতি: এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন তথ্যের সন্ধান দিতে বিশেষ ধরনের ওয়েব ক্রলার এবং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে থাকে। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে তথ্য খোঁজা, ইমেইল আদান-প্রদান, ভিডিও দেখা এবং মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনার জন্য এর সেবা ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লারি পেইজ ব্যাখ্যা: তিনি গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং এর প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। উদাহরণ ২: সের্গেই ব্রিন ব্যাখ্যা: তিনি গুগলের অন্যতি সহ-প্রতিষ্ঠাতা যিনি মূলত প্রযুক্তিগত গবেষণার দিকটি পরিচালনা করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল গেটস — তিনি গুগলের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। B) লারি পেইজ — তিনি গুগলের একজন প্রতিষ্ঠাতা হলেও একা নন, তাই শুধু এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ সের্গেই ব্রিনও এর সঙ্গে যুক্ত। C) সের্গেই ব্রিন — তিনি গুগলের একজন প্রতিষ্ঠাতা হলেও একা নন, তাই শুধু এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ লারি পেইজও এর সঙ্গে যুক্ত। D) b ও c উভয়ই — এই অপশনে লারি পেইজ এবং সের্গেই ব্রিন উভয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটি সঠিক উত্তর হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: গুগলের প্রতিষ্ঠাতাদের মনে রাখতে পেইজ এবং ব্রিন এই দুটি পদবি একসঙ্গে মনে রাখতে হবে। দুজনে মিলে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এই সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও আবিষ্কারকদের নাম আসে। গুগল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে এবং এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই।
a বিষয়টি ইন্টারনেটে সংঘটিত হয়েছে বলে এড়িয়ে যাবেন
b বিষয়টি সাইবার বুলিং হিসেবে চিহ্নিত করে গুরুত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন
c বিষয়টি সমাধানের জন্য পুলিশের সাইবার ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন
d বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করে ফেলতে অভিভাবককে পরামর্শ দেবেন
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিষয়টি সমাধানের জন্য পুলিশের সাইবার ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন ১. কেন সঠিক: - ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং সাইবার অপরাধ ব্যবস্থাপনার নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্ক বা শিক্ষার্থীদের সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া বাধ্যতামূলক। - প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে ছাত্রীটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের সাইবার ইউনিটের সাহায্য নেওয়া প্রশাসনিক দায়িত্ব। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সাইবার বুলিং হলো ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে কাউকে অনলাইনে বিব্রত, ভয় দেখানো বা মানসিকভাবে হেনস্তা করা। - কার্যপদ্ধতি: অপরাধীরা হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আপত্তিকর মেসেজ পাঠিয়ে মানসিক নির্যাতন চালায়। - ব্যবহার: এ ধরনের অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন বা সাইবার সাপোর্ট উইং ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করে অপরাধী শনাক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো শিক্ষার্থীকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কুরুচিপূর্ণ ছবি বা মেসেজ পাঠানো হলে তা সাইবার বুলিং হিসেবে গণ্য হয়। ব্যাখ্যা: ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত এই অপরাধের প্রমাণ সংরক্ষণ করে সাইবার ইউনিটে অভিযোগ দাখিল করতে হয়। উদাহরণ ২: সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেক আইডি থেকে বুলিং করার সময় আইপি অ্যাড্রেস বা ডিভাইস আইডি ট্র্যাক করা। ব্যাখ্যা: সাইবার ইউনিটের প্রযুক্তিগত সহায়তায় খুব সহজেই অপরাধীর আসল অবস্থান ও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষয়টি ইন্টারনেটে সংঘটিত হয়েছে বলে এড়িয়ে যাবেন — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ সাইবার বুলিং অপরাধ এবং আইনিভাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। B) বিষয়টি সাইবার বুলিং হিসেবে চিহ্নিত করে গুরুত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন — এই অপশনটি আংশিক সঠিক কিন্তু কেবল চিহ্নিত করলেই সমস্যার আইনি সমাধান হয় না। D) বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করে ফেলতে অভিভাবককে পরামর্শ দেবেন — অপরাধের মাত্রা গুরুতর হওয়ায় তা কেবল নিজেদের মধ্যে সমাধান করা আইনসম্মত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে বা ডিজিটাল অপরাধ দেখলে সরাসরি পুলিশের সাইবার সাপোর্ট উইং বা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে যোগাযোগ করতে হয়। - প্রমাণ হিসেবে মেসেজের স্ক্রিনশট ও ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণ করা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাইবার অপরাধ দমনে বাংলাদেশে প্রচলিত আইসিটি আইন ও সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত সরকারি উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা রাখা আবশ্যক। - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বুলিং প্রতিরোধে শিক্ষকদের ভূমিকা ও আইনি পদক্ষেপ প্রশ্ন হিসেবে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a LAN
b PAN
c CAN
d WAN
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) LAN ১. কেন সঠিক: Wi-Fi প্রযুক্তির সাহায্যে মূলত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, যা একটি নির্দিষ্ট ভবন বা ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এটি তারবিহীন যোগাযোগের মাধ্যমে একটি সীমিত পরিসরের ডিভাইসগুলোকে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত করে ইন্টারনেট বা ডেটা শেয়ারিং সুবিধা দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: LAN-এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network এবং বাংলা অর্থ হলো স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক। কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে রাউটার বা এক্সেস পয়েন্টের সঙ্গে ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করে। ব্যবহার: বাসা-বাড়ি, অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ এবং প্রিন্টার শেয়ার করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনার বাসার ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোন একই ওয়াই-ফাই রাউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ব্যাখ্যা: এটি একটি গৃহস্থালি LAN-এর ক্লাসিক উদাহরণ, যেখানে সীমিত পরিসরে ডিভাইসগুলো যুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির কম্পিউটারগুলো ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে সেন্ট্রাল সার্ভার থেকে তথ্য নিচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি প্রাতিষ্ঠানিক LAN-এর কার্যপদ্ধতি নির্দেশ করে, যা তারের ঝামেলা ছাড়াই উচ্চগতির সংযোগ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) LAN — এটি সঠিক কারণ ওয়াই-ফাই সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ভবন বা ঘরের মতো সীমিত এলাকায় নেটওয়ার্ক তৈরি করে। B) PAN — এই অপশনটি ভুল কারণ পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক মূলত ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে খুব কাছাকাছি দূরত্বে থাকা ডিভাইস যেমন ফোন ও হেডফোনের মধ্যে তৈরি হয়। C) CAN — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক সাধারণত একাধিক বিল্ডিং বা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো চত্বর জুড়ে বিস্তৃত থাকে, যা শুধু সাধারণ ওয়াই-ফাইয়ের চেয়ে অনেক বড়। D) WAN — এই অপশনটি ভুল কারণ ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক পুরো পৃথিবী বা দেশজুড়ে বিস্তৃত বৃহৎ নেটওয়ার্ক, যা তৈরি করতে ফাইবার অপটিক ক্যাবল বা স্যাটেলাইট যোগাযোগের প্রয়োজন হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: Wi-Fi এবং LAN দুটিই স্বল্প দূরত্বের তারবিহীন যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখবেন ছোট পরিসর মানেই LAN, আর বড় পরিসর মানেই WAN। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: Wi-Fi-এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity এবং এটি IEEE ৮১১.১১ স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ওয়াই-ফাই কোন ধরনের নেটওয়ার্ক প্রোটোকল ব্যবহার করে।
a Furniture
b Wood
c Hammer
d Chair
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wood ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি একটি সাদৃশ্যমূলক বা অ্যানালজি (Analogy) প্রশ্ন, যা কম্পিউটার বা আইসিটি পরীক্ষার মানসিক দক্ষতা অংশের জন্য প্রযোজ্য। এখানে একজন মুচি (Cobbler) চামড়া (Leather) ব্যবহার করে তার কাজ করেন, ঠিক তেমনি একজন কাঠমিস্ত্রি (Carpenter) কাঠ (Wood) ব্যবহার করে তার কাজ করেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এই ধরনের প্রশ্ন পেশা এবং সেই পেশার প্রধান কাঁচামালের মধ্যকার সম্পর্ক নির্দেশ করে। কার্যপদ্ধতি: পেশাজীবী ব্যক্তি নির্দিষ্ট কাঁচামাল সংগ্রহ করে তা প্রক্রিয়াজাত করে উপযোগী পণ্য তৈরি করেন। ব্যবহার: মেধা যাচাই ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যৌক্তিক সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Tailor এবং Cloth ব্যাখ্যা: দর্জি যেমন কাপড় দিয়ে পোশাক তৈরি করেন, তেমনি পেশার সঙ্গে উপকরণের সম্পর্ক এখানে প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: Potter এবং Clay ব্যাখ্যা: কুমার যেমন মাটি ব্যবহার করে মৃৎশিল্প তৈরি করেন, এটিও একই ধরনের পেশাগত সম্পর্কের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Furniture — এটি কাঠমিস্ত্রির কাঁচামাল নয়, বরং কাঠ দিয়ে তৈরি প্রস্তুতকৃত পণ্য। B) Wood — এটি কাঠমিস্ত্রির প্রাথমিক কাঁচামাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) Hammer — এটি কাঠমিস্ত্রির কাজ করার একটি হাতিয়ার বা যন্ত্র, কাঁচামাল নয়। D) Chair — এটি কাঠ দিয়ে তৈরি একটি নির্দিষ্ট আসবাবপত্র বা আউটপুট পণ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: পেশা এবং তার মূল কাঁচামালের সম্পর্ক মনে রাখার জন্য প্রস্তুতকারক এবং উপকরণের অনুপাত খেয়াল করতে হবে। প্রথম শব্দ পেশাজীবী এবং দ্বিতীয় শব্দ তার ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইসিটি বিষয়ের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা অংশে এ ধরনের শব্দগত সাদৃশ্য প্রায়ই আসে। পেশা, কাঁচামাল এবং উৎপাদিত পণ্যের মধ্যকার পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।