বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: অধ্যক্ষ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a পাঁচটি
b ছয়টি
c সাতটি
d আটটি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আটটি ১. কেন সঠিক: সরকারি পত্রে বা চিঠিপত্রে মোট আটটি মূল বিষয়ের উল্লেখ থাকতে হয়, যা দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আটটি অংশ বা বিষয় হলো স্মারক নম্বর, তারিখ, প্রাপকের ঠিকানা, বিষয়, সূত্র, মূল বক্তব্য, নির্দেশ বা আদেশ এবং স্বাক্ষর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সরকারি পত্র বা দাপ্তরিক চিঠি লেখার নির্দিষ্ট কিছু প্রমিত নিয়ম ও কাঠামো রয়েছে। এই কাঠামোগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ না করলে দাপ্তরিক যোগাযোগ আনুষ্ঠানিক ও আইনগত বৈধতা হারায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি পত্রের শুরুতে স্মারক নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। ব্যাখ্যা: এটি পত্রের উৎস এবং প্রেরণের সঠিক সময় নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: মূল বক্তব্যের নিচে উপযুক্ত স্থানে প্রেরকের স্বাক্ষর ও পদবি থাকে। ব্যাখ্যা: স্বাক্ষর ও পদবি না থাকলে পত্রটি দাপ্তরিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচটি — সরকারি পত্রে পাঁচটির বেশি বিষয় থাকে বিধায় এটি সঠিক নয়। B) ছয়টি — ছয়টি বিষয়ের মধ্যে সরকারি পত্রের সব আবশ্যকীয় অংশ অন্তর্ভুক্ত হয় না। C) সাতটি — সাতটি বিষয়ও সরকারি পত্রের পূর্ণাঙ্গ কাঠামোর জন্য অপর্যাপ্ত। D) আটটি — এটি সরকারি পত্রের সঠিক ও প্রমিত বিষয়ের সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকারি চিঠির আটটি অংশ মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষরগুলো দিয়ে একটি ছোট ছন্দ মনে রাখতে পারো। স্মারক, তারিখ, প্রাপক, বিষয়, সূত্র, মূল বক্তব্য, নির্দেশ ও স্বাক্ষর মিলে মোট আটটি অংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক চিঠিপত্র বা সরকারি পত্রের অংশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সরকারি পত্রে স্মারক নম্বর বাম পাশে এবং তারিখ ডান পাশে বা নিয়ম অনুযায়ী প্রমিত বিন্যাসে লিখতে হয়।
a প্রজ্ঞাপন
b আদেশ
c নোটিশ
d প্রেসনোট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রেসনোট ১. কেন সঠিক: তথ্য অধিদপ্তর বা প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্টের সাথে পরামর্শক্রমে এবং তাদের মাধ্যমেই মূলত প্রেসনোট বা সরকারি বার্তা জারি করা হয়। রাষ্ট্রীয় বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, ব্যাখ্যা বা নীতিমালা গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য প্রেসনোট ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত বাংলা ভাষার পারিভাষিক শব্দ এবং প্রশাসনিক শব্দাবলি সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সরকারি চিঠিপত্র, প্রজ্ঞাপন, আদেশ এবং প্রেসনোটের কার্যপরিধি এবং জারির প্রক্রিয়া ভিন্ন হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করে গণমাধ্যমে প্রেসনোট পাঠানো হয়। ব্যাখ্যা: এটি জনস্বার্থে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার একটি আনুষ্ঠানিক মাধ্যম। উদাহরণ ২: কোনো বিশেষ জরুরি পরিস্থিতিতে তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রেসনোট জারি করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে ভুল তথ্য বা গুজব প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্ঞাপন — প্রজ্ঞাপন হলো সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ যা গেজেটে প্রকাশিত হয় এবং এটি তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে এককভাবে জারি হয় না। B) আদেশ — আদেশ হলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো নির্দেশ যা নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। C) নোটিশ — নোটিশ সাধারণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয় যা প্রেসনোটের মতো রাষ্ট্রীয় বা নীতিগত গুরুত্ব বহন করে না। D) প্রেসনোট — সঠিক উত্তর কারণ এটি তথ্য অধিদপ্তরের সাথে পরামর্শক্রমে ও তার মাধ্যমে জারি করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সরকারের প্রেস বা গণমাধ্যম সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বার্তা মানেই হলো প্রেসনোট যা তথ্য অধিদপ্তর থেকে আসে। মনে রাখবে প্রেস মানে গণমাধ্যম আর প্রেসনোট মানে গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য সরকারি বার্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক পরিভাষা থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কার্যাবলি ও তাদের প্রকাশিত প্রামাণ্য দলিল সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
a অধ্যাদেশ
b অবমাননা
c জরুরি অবস্থা
d অভিশংসন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অভিশংসন কেন সঠিক: - Impeachment শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে সংবিধানে অভিশংসন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - রাষ্ট্রপ্রধান বা উচ্চপদস্থ কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে অপসারণের আইনি প্রক্রিয়াকে অভিশংসন বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি প্রশাসনিক ও আইনগত পরিভাষা যা ইংরেজি শব্দ থেকে বাংলায় রূপান্তর করা হয়েছে। - আইনের শাসন বজায় রাখতে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে এই পরিভাষাটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। - যেমন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে এই প্রক্রিয়া প্রয়োগ করার বিধান আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অধ্যাদেশ — এটি Ordinance শব্দের সঠিক পরিভাষা, যা আইনসভা বন্ধ থাকা অবস্থায় জারি করা হয়। - B) অবমাননা — এটি Contempt শব্দের পরিভাষা, যা মূলত আদালত বা আইন অমান্য করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। - C) জরুরি অবস্থা — এটি Emergency শব্দের পরিভাষা, যা বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ঘোষণা করা হয়। - D) অভিশংসন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজিতে Impeachment শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিচার বা অপসারণ সম্পর্কিত বিষয়, যার বাংলা অভিশংসন।
a ধেনু
b অলক
c পাথর
d বিধু
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাথর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক। অশ্ব শব্দের অর্থ যেমন ঘোড়া, তেমনই অশ্বা শব্দের একটি বিশেষ অর্থ হলো পাথর। - বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ রয়েছে যা দেখতে প্রায় এক রকম হলেও বিশেষ অভিধানে তাদের ভিন্ন ও সুনির্দিষ্ট অর্থ পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা শব্দভান্ডারে কিছু তৎসম ও বিশেষ শব্দ রয়েছে যার বহুঅর্থকতা বা ভিন্নরূপী অর্থ লক্ষ করা যায়। - এই ধরনের শব্দ মূলত শব্দার্থ ও অভিধান জ্ঞানের আওতাভুক্ত, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ভিন্নার্থক প্রয়োগ যাচাইয়ের জন্য আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অশ্ব ডিম্ব ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব বস্তু বা যা কখনো ঘটে না। উদাহরণ ২: অশ্ব খুর ব্যাখ্যা: এর অর্থ ঘোড়ার পায়ের খুর, যা দিয়ে অশ্বের গতি নির্ধারণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধেনু — ধেনু শব্দের অর্থ গাভী বা ধেনু হলো পশুর নাম, যা অশ্বা শব্দের অর্থ নির্দেশ করে না। B) অলক — অলক শব্দের অর্থ চুলের গুচ্ছ বা কেশ, যা অশ্বা শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) পাথর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই সঠিক অর্থ বহন করে। D) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ, যা অশ্বা শব্দের অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অশ্ব মানে ঘোড়া আর অশ্বা শুনলে ঘোড়ার স্ত্রীবাচক মনে হতে পারে, কিন্তু অভিধান মতে এর অর্থ পাথর। - ব্যতিক্রমী শব্দার্থগুলো মনে রাখতে নিয়মিত শব্দার্থ চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রচলিত শব্দের পাশাপাশি এমন অপ্রচলিত ও ব্যতিক্রমী অর্থপূর্ণ শব্দ থেকেও প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নিয়ে এ ধরনের শব্দের অর্থ মনে রাখা উচিত।
a ইচ্ছাসূচক
b প্রার্থনা সূচক
c আবেগ সূচক
d অনুজ্ঞা সূচক
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইচ্ছাসূচক কেন সঠিক: - এই বাক্যের মাধ্যমে বক্তার মনের সুপ্ত ইচ্ছা বা আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। - কোনো শর্ত বা ভাবনার প্রকাশ থাকলে এবং তা ইচ্ছার সাথে মিলে গেলে তা ইচ্ছাসূচক বাক্য হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে বক্তার ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা বা মনের বাসনা প্রকাশ পায় তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য বলে। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় গানের কলি যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান বা কবিতার ভাবকে নির্দেশ করে। - যেমন: তোমার মঙ্গল হোক, অথবা এমনি করেই দিন যেন কেটে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ইচ্ছাসূচক — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - B) প্রার্থনা সূচক — ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার কাছে কোনো কিছু চাওয়া বোঝালে প্রার্থনা সূচক হয়, যা এখানে নেই। - C) আবেগ সূচক — মনের আকস্মিক আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করলে আবেগ সূচক বাক্য হয়। - D) অনুজ্ঞা সূচক — আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝালে অনুজ্ঞা সূচক বাক্য হয়। মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যদি কোনো কিছু পাওয়ার বা ঘটার ইচ্ছা বা কামনা প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a দুই প্রকার
b তিন প্রকার
c চার প্রকার
d পাঁচ প্রকার
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুই প্রকার ১. কেন সঠিক: ভাব প্রকাশের দিক থেকে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে ক্রিয়াপদকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় এবং শ্রোতার মনে আর কোনো কৌতূহল থাকে না, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে এবং যে ক্রিয়াপদ দ্বারা মনের ভাব অসম্পূর্ণ থাকে, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ক্রিয়াপদ বা কাজের নাম। বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশের ক্ষেত্রে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়ার পারস্পরিক মেলবন্ধন অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খাব। ব্যাখ্যা: এখানে খাব হলো সমাপিকা ক্রিয়া কারণ এটি দ্বারা বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয়েছে। উদাহরণ ২: আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব। ব্যাখ্যা: এখানে খেয়ে হলো অসমাপিকা ক্রিয়া কারণ এটি একা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাব প্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া সমাপিকা ও অসমাপিকা এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) তিন প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ ভাব প্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া কখনো তিন প্রকার হয় না। C) চার প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ চতুর্বিধ শ্রেণীবিভাগ ভাব প্রকাশের দিক থেকে প্রযোজ্য নয়। D) পাঁচ প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্রিয়ার ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাব প্রকাশ মানে মনের ভাব শেষ করা বা অসম্পূর্ণ রাখা। শেষ হলে সমাপিকা আর অসম্পূর্ণ থাকলে অসমাপিকা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ প্রকরণ থেকে প্রশ্ন আসে। ক্রিয়ার প্রকারভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে ব্যাকরণের বহু নির্বাচনী প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a বুদ্ধিজীবী
b ন্যূনতম
c সচল
d আকাঙ্ক্ষা
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ন্যূনতম ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নে 'ন্যূনতম' বানানটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধ রূপ হলো 'নূ্যনতম', যেখানে ন এর নিচে হসন্ত এবং জ ফলা বা উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক প্রমিত নিয়ম মানা হয়নি। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী নু-নতম বা ন্যূনতম বানানটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি, সঠিক বানান হলো ন্যূ্যনতম বা নূ্যনতম নয় বরং নু্যনতম। (এখানে লক্ষ্যণীয় যে, শুদ্ধ বানান হলো ন্যূনতম-এর পরিবর্তে ন্যূন + তমস = ন্যূনতম, যা দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে লেখা হয়)। প্রদত্ত প্রশ্নে ন্যূনতম বানানটি আসলে শুদ্ধ রূপ হিসেবেই অনেক সময় ধরা হয়, কিন্তু যদি এটি অশুদ্ধ ধরা হয় তবে এর গঠন বিশ্লেষণ করতে হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ বানান বা বাক্যশুদ্ধি সম্পর্কিত ব্যাকরণ প্রশ্ন। বাংলা বানানের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী পদাশ্রিত নির্দেশক, সন্ধি এবং প্রত্যয়যুক্ত শব্দে দীর্ঘ স্বরধ্বনি বা হ্রস্ব স্বরধ্বনি ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত শুদ্ধ বানান যেখানে দন্ত ন-এর ব্যবহার হয়। উদাহরণ ২: মনঃকষ্ট ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি সঠিক ও প্রমিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধিজীবী — এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এতে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। C) সচল — এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এটি একটি সাধারণ শব্দ। D) আকাঙ্ক্ষা — এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এতে ক-এর সঙ্গে ষ ও ষ্ণ-এর সঠিক প্রয়োগ রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বানান মনে রাখার জন্য প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম বই নিয়মিত চর্চা করতে হবে। সন্ধি বিচ্ছেদ ও প্রত্যয় ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বানানের ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
a একাদশ
b সদুপায়
c বাগদান
d পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একাদশ কেন সঠিক: - একাদশ শব্দটির গঠন সাধারণ কোনো সন্ধির নিয়মের অধীনে পড়ে না। - এটি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম ভেঙে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যোগ বা বিয়োগের সাধারণ নিয়ম না মেনে যে সন্ধি গঠিত হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। - একাদশ শব্দটি ব্যাকরণের কোনো সাধারণ নিয়ম মেনে চলে না। - এর সঠিক ভাঙন বা বিচ্ছেদ হলো চিত + দশ বা এক + দশ, যা নিপাতনে সিদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) একাদশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কোনো বিকল্প ধরা হলো না। - B) সদুপায় — এটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত, যেমন সৎ + উপায়। - C) বাগদান — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত, যেমন বাক + দান। - D) পরিচ্ছেদ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত, যেমন পরি + ছেদ। মনে রাখার টিপস: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো ব্যতিক্রম হিসেবে আলাদা করে মুখস্থ করতে হয়। - একাদশ, ষোড়শ, পরস্পর, বৃহস্পতি, গোষ্পদ ইত্যাদি হলো নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির জনপ্রিয় কিছু উদাহরণ।
a মৌলিক শব্দ
b রূঢ়/ রূঢ়ি শব্দ
c যৌগিক শব্দ
d যোগরূঢ় শব্দ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক শব্দ ১. কেন সঠিক: যৌগিক শব্দের ক্ষেত্রে ব্যুৎপত্তিগত অর্থ অর্থাৎ গঠনগত অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ একই হয়ে থাকে। এ ধরনের শব্দে প্রত্যয় বা সমাস সাধিত হয়ে যে অর্থের প্রকাশ ঘটায়, তার ব্যবহারিক জীবন বা প্রচলিত অর্থ তার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠন বা অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে মৌলিক, সাধিত এবং উৎসের দিক থেকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ক ব্যাখ্যা: গৈ যোগ অক সমান গায়ক, যার ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ গান করে যে, একই। উদাহরণ ২: মর্ত্য ব্যাখ্যা: মৃত যোগ য সমান মর্ত্য, যার ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ যা মরণশীল বা পৃথিবী, একই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক শব্দ — মৌলিক শব্দ হলো যা ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এর সঙ্গে কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত থাকে না। B) রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ — রূঢ় শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে ব্যবহারিক অর্থের কোনো মিল থাকে না এবং এটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। C) যৌগিক শব্দ — এটি সঠিক অপশন এবং এর ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। D) যোগরূঢ় শব্দ — যোগরূঢ় শব্দের ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ পদের মধ্য দিয়ে সমাসমান পদগুলোর অনুগামী অর্থ প্রকাশ না পেয়ে একটি বিশেষ বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ পায়। ৫ মনে রাখার টিপস: যৌগিক শব্দের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে যোগ অর্থ এক করা এবং এখানে শব্দের প্রকৃত অর্থ ও কাজের অর্থ এক থাকে। রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দের ক্ষেত্রে রীত বা প্রথা মনে রাখবে যা প্রথার বশে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থের মিল ও অমিল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় সাধারণত সন্দেশ, গবেষণা, হস্তী, বাশী ইত্যাদি শব্দ কোন শ্রেণির তা জানতে চাওয়া হয়।
a দ্বন্দ্ব
b কর্মধারয়
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিরই নিজস্ব অর্থের প্রাধান্য থাকে না, বরং সম্পূর্ণ নতুন বা অন্য কোনো তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - সমাসবদ্ধ পদটি সাধারণত একটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে এবং অন্য কোনো পদকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি শব্দের অর্থ বহুব্রীহি বা অনেক ধান যার, যা একটি সমাসের নাম এবং উদাহরণ উভয়ই। - এই সমাসে ব্যাসবাক্যের বাইরে নতুন পদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত ব্যাসবাক্যে যার, যাতে, যাতীয় ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীণাপাণি (বীণা পাণিতে যার) ব্যাখ্যা: এখানে বীণা বা পানি কোনো পদের অর্থ প্রধান না বুঝিয়ে দেবী সরস্বতীকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আয়তলোচনা (আয়ত লোচন যার) ব্যাখ্যা: এখানে আয়ত বা লোচন আলাদাভাবে না বুঝিয়ে সুন্দর চোখবিশিষ্ট কোনো নারীকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়। D) বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে অন্য পদ প্রধান অর্থাৎ পূর্বপদ বা পরপদ কাউকে না বুঝিয়ে তৃতীয় কাউকে বোঝাবে। - ব্যাসবাক্যের শেষে সাধারণত যার বা যাতে শব্দ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বহুব্রীহি সমাস মূলত বিশেষণ পদ গঠন করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত সমাসের নাম এবং ব্যাসবাক্য নির্ণয় করতে বেশি দেওয়া হয়।
a Expert
b Skill
c Education
d Extension
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Education কেন সঠিক: এখানে প্রথম জোড়ায় Art এবং Culture এর সম্পর্ক হলো সৃষ্টি বা চর্চার মাধ্যমে বৃহত্তর পরিসরে পৌঁছানো। একইভাবে Training এর মূল উদ্দেশ্য হলো Education বা শিক্ষার পূর্ণতা দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Expert — এটি ট্রেনিংয়ের ফলাফল হতে পারে কিন্তু মূল ধারণার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। B) Skill — দক্ষতা ট্রেনিংয়ের একটি অংশ মাত্র, সরাসরি সঠিক রূপান্তর নয়। C) Education — সঠিক উত্তর কারণ এটি ট্রেনিংয়ের বৃহত্তর পরিধিকে বোঝায়। D) Extension — এর সাথে ট্রেনিংয়ের কোনো তাত্ত্বিক বা গভীর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দ দুটির গভীরতা এবং ব্যাপ্তির মিল খুঁজে বের করবে।
a explanatory
b narrative
c argumentative
d descriptive
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) argumentative কেন সঠিক: এই ধরনের প্যাসেজে লেখকের একটি নির্দিষ্ট মতামত বা দাবি থাকে এবং তিনি যুক্তি দিয়ে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। লেখকের মূল উদ্দেশ্য থাকে তথ্য ও প্রমাণের মাধ্যমে পাঠকের চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করা। এখানে পক্ষে বা বিপক্ষে জোরালো যুক্তির উপস্থাপন থাকে। একটি সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠার জন্য এখানে তথ্য তুলে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) explanatory — এটি কোনো বিষয় বা প্রক্রিয়া কেবল ব্যাখ্যা করার জন্য লেখা হয় না, তাই এটি সঠিক নয়। B) narrative — এই প্যাসেজে কোনো গল্প বা ধারাবাহিক ঘটনা বর্ণনা করা হয় না, তাই এটি ভুল। C) argumentative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) descriptive — এখানে কোনো স্থান, বস্তু বা ঘটনার বিস্তারিত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয় না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যে প্যাসেজে লেখকের নির্দিষ্ট মতামত প্রতিষ্ঠার জন্য জোরালো যুক্তি বা তথ্য থাকে, তাকে argumentative প্যাসেজ বলে।
a state is stable if people willingly obey it
b people in class societies risked their lives to defend the state
c in a state dominating class dictates
d there was classless society in primitive times.
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) there was classless society in primitive times. কেন সঠিক: - আদিম সমাজে কোনো শ্রেণিভেদ বা শোষক শ্রেণি ছিল না বলে রচয়িতা এই বিষয়টি বলেননি। - প্রশ্নানুসারে লেখকের বক্তব্যের সাথে এই বিকল্পটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বা এটি লেখক ব্যাতিরেকে প্রকাশ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) state is stable if people willingly obey it — লেখক এই বিষয়টি বলেছেন যে মানুষ স্বেচ্ছায় মান্য করলে রাষ্ট্র স্থিতিশীল হয়। B) people in class societies risked their lives to defend the state — লেখক উল্লেখ করেছেন যে শ্রেণিভিত্তিক সমাজের মানুষ রাষ্ট্র রক্ষার্থে জীবন বাজি রাখে। C) in a state dominating class dictates — লেখক বলেছেন যে রাষ্ট্রে প্রভুত্বকারী শ্রেণি বা শাসকশ্রেণি আধিপত্য বিস্তার করে ও নির্দেশ দেয়। D) there was classless society in primitive times — এটি সঠিক উত্তর কারণ লেখক অনুচ্ছেদে আদিম সমাজের শ্রেণিহীনতার কথা বলেননি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনুধাবনমূলক প্রশ্নে except থাকলেই লেখক যা বলেননি বা ভিন্ন কথা বলেছেন তা খুঁজে বের করতে হবে।
a state's power and function
b state is an instrument of coercion
c Anarchist and Marxist's view of state
d state and individual
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Anarchist and Marxist's view of state কেন সঠিক: - পুরো প্যাসেজটিতে রাষ্ট্র সম্পর্কে নৈরাজ্যবাদী এবং মার্ক্সবাদী দার্শনিকদের দৃষ্টিভঙ্গি ও সমালোচনা আলোচনা করা হয়েছে। - লেখক বিভিন্ন মতবাদের তুলনামূলক বিশ্লেषণের মাধ্যমে এই দুটি দর্শনকে মূল থিম হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) state's power and function — প্যাসেজটি শুধু সাধারণ ক্ষমতার কথা বলেনি, বরং নির্দিষ্ট দুটি মতবাদের দৃষ্টিভঙ্গি ফুটিয়ে তুলেছে। B) state is an instrument of coercion — এটি মার্ক্সবাদী ধারণার একটি অংশ মাত্র, পুরো প্যাসেজের মূল বিষয়বস্তু নয়। C) Anarchist and Marxist's view of state — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্যাসেজের মূল ধারণার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) state and individual — রাষ্ট্র ও ব্যক্তির সম্পর্কের চেয়ে নির্দিষ্ট মতবাদ দুটির ব্যাখ্যাই এখানে প্রধান। মনে রাখার টিপস: প্যাসেজে একাধিক রাজনৈতিক মতবাদের তুলনা থাকলে লেখকের মূল আলোচনার ফোকাস বা দৃষ্টিভঙ্গি খেয়াল করলেই সঠিক শিরোনাম বেছে নেওয়া সহজ হয়।
a endanger
b to tell something
c accuse
d disturb
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) endanger কেন সঠিক: 'Tell upon' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলা বা ক্ষতি করা। এই অর্থের সাথে 'endanger' বা বিপদে ফেলা কথাটি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) endanger — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিপদে ফেলা বা ক্ষতি করা। B) to tell something — এটি এই ইডিওমের আক্ষরিক অর্থ হলেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। C) accuse — এর অর্থ অভিযুক্ত করা, যা ইডিওমটির সাথে মেলে না। D) disturb — এর অর্থ বিরক্ত করা, যা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলানোর সঠিক সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Tell upon' মানে কারো ওপর প্রভাব ফেলে তাকে বিপদে ফেলা বা ক্ষতি করা।
a site
b sight
c side
d cite
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) site কেন সঠিক: এখানে একটি ভবন বা কলেজের ভৌগোলিক অবস্থান বা নির্দিষ্ট জায়গার কথা বলা হয়েছে। ইংরেজি ভাষায় কোনো স্থাপনা বা ভবনের নির্দিষ্ট জমিকেন্দ্রিক অবস্থান বোঝাতে site শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) site — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা জমির অবস্থান। B) sight — এই শব্দটির অর্থ দৃষ্টি বা দৃশ্য, যা কোনো ভবনের ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ নয়। C) side — এর অর্থ পাশ বা দিক, যা কলেজের নামকরণের সাথে এই শূন্যস্থানে মানায় না। D) cite — এই শব্দের অর্থ কোনো তথ্য বা উদ্ধৃতি উল্লেখ করা, যা এখানে পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: ভবন বা প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট জায়গার ক্ষেত্রে বানানটি হবে s-i-t-e এবং চোখের দৃষ্টি বোঝাতে s-i-g-h-t ব্যবহার করতে হয়।
a An introduction
b a short eye-catching headline
c Name of the reporter
d Conclusion
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a short eye-catching headline কেন সঠিক: একটি নিউজ রিপোর্টের জন্য আকর্ষণীয় শিরোনাম অত্যন্ত জরুরি কারণ এটি পাঠকের মনোযোগ immediately আকর্ষণ করে। খবরের মূল বিষয়বস্তু কী তা শিরোনাম দেখেই পাঠক সহজেই বুঝতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An introduction — ভূমিকা রিপোর্টের অংশ হলেও শিরোনামের মতো এটি প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করে না। B) a short eye-catching headline — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Name of the reporter — রিপোর্টারের নাম গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি খবরের মূল আকর্ষণ বা প্রাণ নয়। D) Conclusion — নিউজ রিপোর্টে প্রথাগত কোনো বড় উপসংহার থাকে না, তাই এটি অপরিহার্য নয়। মনে রাখার টিপস: খবরের কাগজ পড়ার সময় খেয়াল রাখবে যে আমরা সবসময় আকর্ষণীয় শিরোনাম দেখেই ভেতরে কী আছে তা পড়তে শুরু করি।
a Gerund
b Participle
c Verbal Noun
d Verb
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Participle কেন সঠিক: - flying শব্দটি noun (bird)-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং একই সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করছে। - Verb যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে Participle বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — Gerund একই সাথে verb ও noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে flying শব্দটি noun-কে মডিফাই করছে তাই এটি gerund নয়। B) Participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Verbal Noun — Verbal Noun হলো এমন একটি word যা verb থেকে গঠিত হয়ে সম্পূর্ণভাবে noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে flying সরাসরি adjective-এর কাজ করছে। D) Verb — Verb বাক্যে কাজের সমাপিকা বা অসমাপিকা রূপ প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে flying সরাসরি প্রধান verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে যখন কোনো ing যুক্ত verb কেমন বা কোন ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়, তখন তা Participle হয়।
a for
b on
c at
d with
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: Pride oneself মানে হলো কোনো কিছু নিয়ে গর্ব করা। এই অর্থ প্রকাশের জন্য সবসময় on প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। বাক্যের ভাব অনুসারে ভদ্রমহিলা তার রূপের জন্য গর্ববোধ করেন বোঝাচ্ছে। এই বিশেষ অর্থ ও ব্যবহারের কারণে on সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — প্রাইড শব্দের সাথে সাধারণ নিয়মে ফর বসে না। B) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) at — রূপের প্রতি গর্ব প্রকাশ করতে অ্যাট বসে না। D) with — রূপের সাথে উইথ প্রিপজিশনটির কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Pride শব্দের পরে সবসময় on প্রিপজিশন বসে।
a lay
b lain
c laid
d lied
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) lay কেন সঠিক: শূন্যস্থানে শায়িত থাকা বা শোয়া অর্থে লাই ভার্বের পাস্ট ফরম প্রয়োজন। এখানে বাক্যটি পাস্ট টেন্সে থাকায় সঠিক উত্তর হবে লে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lay — এটি সঠিক কারণ এটি লাই ভার্বের সঠিক পাস্ট ফর্ম। B) lain — এটি ভুল কারণ এটি পারফেক্ট টেন্সে ব্যবহৃত হয় এবং এর আগে হ্যাভ বা হ্যাড লাগে। C) laid — এটি ভুল কারণ লেড অর্থ ডিম পাড়া বা কোনো কিছু রাখা। D) lied — এটি ভুল কারণ লাইড অর্থ মিথ্যা বলা। মনে রাখার টিপস: শোয়া অর্থে লাই এর পাস্ট ফরম লে এবং রাখা অর্থে লে এর পাস্ট ফরম লেড হয়।
a He asked me if I know him
b He asked me if I know him
c He asked me if I knew him
d He asked me if I had known him
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He asked me if I knew him কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্ব said to থাকলে ইন্টারোগেটিভ বাক্যে তা asked এ পরিবর্তিত হয়। ইনভার্টেড কমা তুলে সংযোগকারী হিসেবে if বসে। রিপোর্টেড স্পিচের প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে রূপান্তরিত হয়। সাবজেক্ট you পরিবর্তন হয়ে object me এর অনুসরণে I হয় এবং me পরিবর্তন হয়ে he এর অনুসরণে him হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He asked me if I know him — এখানে টেন্সের পরিবর্তন করা হয়নি এবং প্রেজেন্ট টেন্স রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) He asked me if I know him — এটি অপশন এ এর হুবহু অনুলিপি এবং ডিরেক্ট স্পিচ থেকে ইনডাইরেক্ট করার সঠিক নিয়ম মানেনি। D) He asked me if I had known him — এখানে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সকে ভুল করে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রূপান্তর করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নریشن পরিবর্তনের সময় ইন্টারোগেটিভ বাক্যে said to এর বদলে asked বসবে এবং প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে তা পাস্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হবে।
a ১৭ কি.মি
b ১৫ কি.মি
c ১৪ কি.মি
d ১৩ কি.মি
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ কি.মি প্রদত্ত তথ্য: লোকটি A স্থান থেকে উত্তর দিকে গেল = ১২ কিমি সেখান থেকে পূর্ব দিকে গেল = ৫ কিমি ধরি, A স্থান থেকে উত্তর দিকের দূরত্ব = লম্ব পূর্ব দিকের দূরত্ব = ভূমি A অবস্থান থেকে শেষ দূরত্বের দূরত্ব = অতিভুজ অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, অতিভুজ স্কয়ার = লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার দ্বিতীয় হিসাব: অতিভুজ স্কয়ার = ১২ স্কয়ার + ৫ স্কয়ার অতিভুজ স্কয়ার = ১৪৪ + ২৫ তৃতীয় হিসাব: অতিভুজ স্কয়ার = ১৬৯ অতিভুজ = √১৬৯ সুতরাং, A অবস্থান থেকে শেষ দূরত্বের পরিমাণ = ১৩ কিমি উত্তর: ১৩ কি.মি
a 85
b 98
c 99
d 121
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩ ধরি, প্রথম দুটি সংখ্যার পার্থক্য = ৩৩ − ১৯ = ১৪ দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ৫১ − ৩৩ = ১৮ অতএব, তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যার পার্থক্য = ৭৩ − ৫১ = ২২ পার্থক্যগুলোর ব্যবধান হলো ৪ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্যটি হবে ২২ + ৪ = ২৬ উত্তর: ৭৩ + ২৬ = ৯৯
a -6
b 6
c 7
d -7
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x ÷ ২ + ৩ = x ÷ ৩ + ৪ ধরি, চলকগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে আনা হলো অতএব, x ÷ ২ − x ÷ ৩ = ৪ − ৩ সুতরাং, (৩x − ২x) ÷ ৬ = ১ উত্তর: x = ৬
a 40 ডিগ্রি
b 140 ডিগ্রি
c 100 ডিগ্রি
d 180 ডিগ্রি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC-তে AB = AC কোণ B = ৪০° ধরি, কোণ C = কোণ B = ৪০° (যেহেতু সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুর বিপরীত কোণগুলো সমান) কোণ A = অজানা মান অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ A + কোণ B + কোণ C = ১৮০° সুতরাং, কোণ A + ৪০° + ৪০° = ১৮০° কোণ A + ৮০° = ১৮০° উত্তর: কোণ A = ১৮০° − ৮০° = ১০০ ডিগ্রি
a উপজেলা নির্বাহী অফিসার
b সভাপতি
c উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার
d কলেজ পরিদর্শক
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও শিক্ষা প্রশাসন সঠিক উত্তর: D) কলেজ পরিদর্শক কেন সঠিক: - বেসরকারি কলেজের গভর্নিং বডির সভা আহ্বান ও পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নিতে হয়। - এটি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী কলেজ প্রশাসনের কার্যক্রম তদারকি করার একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপজেলা নির্বাহী অফিসার — তিনি স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করেন, গভর্নিং বডির সভা অনুমোদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। B) সভাপতি — তিনি গভর্নিং বডির সভার সভাপতিত্ব করেন কিন্তু সভার অনুমোদনের জন্য বোর্ডের অনুমতি প্রয়োজন হয়। C) উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার — তিনি মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা তদারকি করেন, উচ্চ মাধ্যমিক বা কলেজ স্তরের সভার অনুমোদনদাতা নন। D) কলেজ পরিদর্শক — তিনি শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি হিসেবে গভর্নিং বডির সভা করার অনুমোদন দেন। মনে রাখার টিপস: কলেজের গভর্নিং বডি চালাতে হলে বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের অনুমতি নিতে হয়।
a ১০০ জন
b ১৫০ জন
c ২০০ জন
d ২৫০ জন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০ জন কেন সঠিক: - শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুযায়ী মফস্বল বা গ্রামীণ এলাকায় বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক স্বীকৃতি বা পাঠদানের অনুমতির জন্য ন্যূনতম ১৫০ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সচ্ছলতা ও টিকে থাকার সক্ষমতা নিশ্চিত করার জন্যই এই ন্যূনতম শিক্ষার্থীর সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ জন — এটি অপ্রতুল এবং মফস্বল এলাকার নতুন বিদ্যালয়ের স্বীকৃতির জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম সংখ্যার চেয়ে কম। B) ১৫০ জন — এটি সঠিক উত্তর এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা নীতিমালার শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত। C) ২০০ জন — এটি শহর বা পৌর এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, মফস্বলের জন্য নয়। D) ২৫০ জন — এটি বড় শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকার উচ্চ মাধ্যমিক বা বিশেষ ক্যাটাগরির বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: মফস্বল বা গ্রামের স্কুলে পাঠদানের স্বীকৃতি পেতে হলে কমপক্ষে ১৫০ জন ছাত্রছাত্রী লাগবে।
a প্রতি মাসে
b পরীক্ষার শেষে
c শিক্ষা-বর্ষ শুরু হওয়ার প্রথম মাসে
d পরীক্ষার সময়
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য সঠিক উত্তর: B) পরীক্ষার শেষে কেন সঠিক: - ছাত্র-ছাত্রীরা সাধারণত পরীক্ষার খরচ বা মূল্যায়ন সম্পন্ন হওয়ার পরই প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে ট্রাস্টের জন্য চাঁদা প্রদান করে থাকে। - শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার কার্যক্রমের শেষ ধাপে এই আর্থিক লেনদেন বা চাঁদা পরিশোধের বিধান থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি মাসে — ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে ট্রাস্টের চাঁদা মাসিক ভিত্তিতে নেওয়া হয় না বলে এই অপশনটি ভুল। B) পরীক্ষার শেষে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ পরীক্ষার সমাপ্তি লগ্নেই এই চাঁদা পরিশোধ করার প্রচলিত নিয়ম রয়েছে। C) শিক্ষা-বর্ষ শুরু হওয়ার প্রথম মাসে — শিক্ষাবর্ষের শুরুতে সাধারণত ভর্তি ও টিউশন ফি নেওয়া হয়, ট্রাস্টের চাঁদা নয়। D) পরীক্ষার সময় — পরীক্ষার চলাকালীন শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা ও উত্তরপত্র লেখায় ব্যস্ত থাকে, তাই চাঁদা প্রদানের সময় এটি নয়। মনে রাখার টিপস: পরীক্ষা শেষ, তবেই ট্রাস্টের চাঁদার রসিদ পেশ।
a ১ জন
b ২ জন
c ৩ জন
d ৪ জন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ জন কেন সঠিক: - মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রতিটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন উপ-পরিচালক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - এই আঞ্চলিক অফিসগুলো নির্দিষ্ট অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জন — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রতিটি আঞ্চলিক অফিসে প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে মাত্র একজন উপ-পরিচালক থাকেন। B) ২ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ আঞ্চলিক অফিসে উপ-পরিচালকের পদ একটিই নির্ধারিত থাকে। C) ৩ জন — এই সংখ্যাটি ভুল এবং প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। D) ৪ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ এতজন উপ-পরিচালক একটি আঞ্চলিক অফিসে থাকেন না। মনে রাখার টিপস: আঞ্চলিক মানে একটি অঞ্চল, আর অঞ্চলের প্রধান উপ-পরিচালকও মাত্র একজন।
a জেলা শিক্ষা অফিস
b উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস
c জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস
d a ও b উভয়ই
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a ও ব উভয়ই কেন সঠিক: - মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মাঠ-পর্যায়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলা পর্যায়ে জেলা শিক্ষা অফিস কাজ করে। - উপজেলা পর্যায়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা শিক্ষা অফিস — এটি সঠিক হলেও কেবল এটিই একমাত্র মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর নয়, উপজেলা স্তরেও দপ্তর রয়েছে। B) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস — এটিও মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর, তাই একা এটি সঠিক উত্তর হলে প্রথম অপশন বাদ পড়ে যায়। C) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস — এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার নয়। D) a ও ব উভয়ই — জেলা ও উপজেলা উভয় স্তরের অফিসই মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর হওয়ায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মাধ্যমিক শিক্ষার মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর খুঁজতে জেলা ও উপজেলা উভয় স্তরের শিক্ষা অফিসকে একসাথে মনে রাখতে হবে।
a সাজেদা চৌধুরী
b সুলতানা রাজিয়া
c রাজিয়া বানু
d রাকিয়া আক্তার
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজিয়া বানু কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ১১ই মার্চ গঠিত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু। - তিনি তৎকালীন গণপরিষদের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান রচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাজেদা চৌধুরী — তিনি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না। B) সুলতানা রাজিয়া — তিনি এই কমিটির সদস্য ছিলেন না, নামটি বিভ্রান্তিকর। C) রাজিয়া বানু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) রাকিয়া আক্তার — তিনি সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন 'রাজিয়া' (বেগম রাজিয়া বানু)।
a গভর্নিং বডি
b প্রতিষ্ঠান প্রধান
c উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস
d উপজেলা নির্বাহী অফিসার
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গভর্নিং বডি কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের ছুটি মঞ্জুর করার এখতিয়ার গভর্নিং বডি বা ব্যবস্থাপনা কমিটির ওপর ন্যস্ত থাকে। - সংগ নিরোধ বা কোয়ারেন্টাইন ছুটিও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস বিধিমালা অনুযায়ী গভর্নিং বডি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গভর্নিং বডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিধিমালা অনুযায়ী ছুটির অনুমোদন এই কমিটি দিয়ে থাকে। B) প্রতিষ্ঠান প্রধান — প্রতিষ্ঠান প্রধান বা প্রধান শিক্ষক সাধারণ ছুটি বা নৈমিত্তিক ছুটি অনুমোদন করতে পারেন, কিন্তু বিশেষ ছুটি গভর্নিং বডির অনুমোদন সাপেক্ষে হয়। C) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস — এটি একটি তদারকি ও প্রশাসনিক দফতর, যা সরাসরি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ছুটি মঞ্জুর করে না। D) উপজেলা নির্বাহী অফিসার — তিনি উপজেলার সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন, তবে সাধারণ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি মঞ্জুরের সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেকোনো বড় বা বিশেষ ছুটির জন্য গভর্নিং বডির অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
a ২০ জন
b ২৫ জন
c ৩০ জন
d ৩৫ জন
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ জন কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও ও জনবল কাঠামো অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন বা পঞ্চম বিষয় খোলার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। - নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ঐচ্ছিক বা পঞ্চম বিষয়ে কমপক্ষে পঁচিশ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জন — এটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম বিষয় খোলার জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম শিক্ষার্থীর সংখ্যা নয়। B) ২৫ জন — এটি সঠিক এবং এমপিও নীতিমালায় নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী সঠিক সংখ্যা। C) ৩০ জন — এটি নির্দিষ্ট এই বিধানের জন্য অতিরিক্ত সংখ্যা এবং নীতির সঙ্গে মিলে না। D) ৩৫ জন — এটি এই বিশেষ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শিক্ষার্থীর ন্যূনতম সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন পঞ্চম বিষয় খোলার জন্য মাথা পিছু পঁচিশ জন শিক্ষার্থীর হিসাব মনে রাখুন।
a ৪ জন
b ২ জন
c ৩ জন
d ১ জন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ জন কেন সঠিক: - ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতিটি বিষয়ের জন্য মাত্র ১ জন প্রভাষক পদ নির্ধারিত ছিল। - এই নীতিমালায় কলেজ স্তরে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ ছিল না, তাই প্রতি বিষয়ে ১ জন প্রভাষক থাকার নিয়ম ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ জন — এটি বর্তমান বা নির্দিষ্ট কোনো একক স্তরের মানসম্মত প্রভাষক সংখ্যা নয়। B) ২ জন — এটি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের অনুম디ত প্রভাষক সংখ্যা নয়। C) ৩ জন — এই সংখ্যাটি ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের প্রতি বিষয়ের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। D) ১ জন — এটি ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতি বিষয়ে প্রভাষক পder সঠিক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৫ সালের নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে প্রতিটি বিষয়ের জন্য ১ জন প্রভাষক বরাদ্দ ছিল।
a জন্ম তারিখ
b এমপিওভুক্তির তারিখ
c যোগদানের তারিখ
d নিয়মিতকরণের তারিখ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যোগদানের তারিখ কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের মূল ভিত্তি হলো প্রতিষ্ঠানে প্রথম যোগদানের তারিখ। - একই পদে একাধিক শিক্ষক কর্মরত থাকলে যোগদানের তারিখের ক্রমানুসারে জ্যেষ্ঠতালিকা প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্ম তারিখ — জন্ম তারিখ দিয়ে চাকরির জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হয় না, এটি মূলত বয়স ও অবসরের সময় হিসাব করতে ব্যবহৃত হয়। B) এমপিওভুক্তির তারিখ — এমপিওভুক্তির তারিখ পরে হতে পারে, কারণ এটি সরকারি অনুমোদন বা প্রক্রিয়াধীন সময়ের ওপর নির্ভর করে। C) যোগদানের তারিখ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) নিয়মিতকরণের তারিখ — চাকরি স্থায়ীকরণ বা নিয়মিতকরণ যোগদানের অনেক পরে সম্পন্ন হয়, তাই জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি মূল ভিত্তি নয়। মনে রাখার টিপস: চাকরির ক্ষেত্রে যিনি আগে যোগ দেন, তিনিই জ্যেষ্ঠ হন; তাই জ্যেষ্ঠতা মানেই যোগদানের তারিখ।
a ম্যানেজিং কমিটি
b শিক্ষা বোর্ডের আপিল আরবিট্রেশন কমিটি
c অধিদপ্তর
d মন্ত্রণালয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিক্ষা বোর্ডের আপিল আরবিট্রেশন কমিটি কেন সঠিক: - এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারীদের বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুতির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা শিক্ষা বোর্ডের আপিল আরবিট্রেশন কমিটির উপর ন্যস্ত থাকে। - ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি কেবল বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যা এই কমিটির অনুমোদন ছাড়া কার্যকর হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যানেজিং কমিটি — এই কমিটি কেবল শিক্ষক বরখাস্তের প্রাথমিক প্রস্তাব বা সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কিন্তু তা চূড়ান্ত করার আইনি এখতিয়ার তাদের নেই। C) অধিদপ্তর — মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে বরখাস্তের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বিশেষায়িত এই আরবিট্রেশন কমিটি নির্ধারিত। D) মন্ত্রণালয় — শিক্ষা মন্ত্রণালয় সামগ্রিক নীতি নির্ধারণ করে, কিন্তু ব্যক্তিগত শিক্ষক বরখাস্তের মতো বিষয়ে সরাসরি চূড়ান্ত অনুমোদন সাধারণত আপিল কমিটির মাধ্যমে হয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষকের চাকরি চূড়ান্ত বরখাস্তের শেষ কথা বলে শিক্ষা বোর্ডের আপিল কমিটি।
a দায়িত্ব
b ক্ষমতা
c কার্যবলি
d সীমাবদ্ধতা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সীমাবদ্ধতা কেন সঠিক: - বাজেট বা নির্ধারিত সীমার বাইরে অর্থ ব্যয় করা আইনগত বা প্রশাসনিক নিয়মের লঙ্ঘন। - প্রতিষ্ঠান প্রধানের খরচের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আর্থিক ক্ষমতা ও পরিধি নির্ধারিত থাকে, যা লঙ্ঘন করলে তা সীমাবদ্ধতার আওতাভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দায়িত্ব — দায়িত্ব বলতে নির্দিষ্ট কর্তব্য পালনের বিষয় বোঝায়, অতিরিক্ত অর্থ খরচ করা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। B) ক্ষমতা — ক্ষমতা হলো কাজের বৈধ এখতিয়ার, যা নির্দিষ্ট সীমার বাইরে অর্থ খরচের অনুমতি দেয় না। C) কার্যবলি — কার্যবলি বলতে প্রাতিষ্ঠানিক দৈনন্দিন কাজগুলোকে বোঝায়, এটি অতিরিক্ত ব্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) সীমাবদ্ধতা — এটি নিয়মের গণ্ডি বোঝায়, তাই বরাদ্দকৃত অর্থের বাইরে খরচ করা এই সীমাবদ্ধতার লংঘন বা পরিধি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বরাদ্দকৃত অর্থের বাইরে খরচ করা মানেই হলো নিয়মের গণ্ডি বা সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করা।
a SSDA
b NCTB
c BMED
d VTTI
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) SSDA কেন সঠিক: - SSDA যার পূর্ণরূপ হলো স্কিলস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট অথরিটি, এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি নবগঠিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। - দেশের জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর এবং কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নে এই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) SSDA — এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) NCTB — এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ হলেও এটি কোনো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি সংবিধিবদ্ধ সরকারি সংস্থা। C) BMED — এটি প্রচলিত কোনো স্বায়ত্তশাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন হিসেবে এখানে ব্যবহার করা হয়েছে। D) VTTI — এটি ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান মাত্র, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একমাত্র বিশেষায়িত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হলো এসএসডিএ বা স্কিলস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট অথরিটি।
a অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে
b জন সমক্ষে
c ট্রাস্টারের কাছে
d রাষ্ট্রপতির কাছে
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতির কাছে কেন সঠিক: - সংবিধানের ১২৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক তার বার্ষিক হিসাব রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করেন। - রাষ্ট্রপতি পরবর্তীতে এই রিপোর্ট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে — অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট ও আর্থিক নীতি প্রণয়ন করে, কিন্তু সাংবিধানিক পদ হিসেবে সিএজি সরাসরি মন্ত্রণালয়কে রিপোর্ট দেন না। B) জন সমক্ষে — সাংবিধানিক ও সরকারি হিসাব সরাসরি জনসমক্ষে প্রকাশ করার নিয়ম নেই, এটি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদে পেশ করা হয়। C) ট্রাস্টারের কাছে — ট্রাস্টার বলতে কোনো সাংবিধানিক বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষকে বোঝায় না, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। D) রাষ্ট্রপতির কাছে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী সিএজি তার হিসাব সংক্রান্ত প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে বাধ্য। মনে রাখার টিপস: মহা হিসাব-নিরীক্ষক (CAG) হলেন রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবরক্ষক, তাই তিনি রাষ্ট্রের প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট জমা দেন।
a খেলাপী ঋণদাতা হিসেবে
b খেলাপী করদাতা হিসেবে
c খেলাপী বিলদাতা হিসেবে
d খেলাপী কর গ্রহীতা হিসেবে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খেলাপী করদাতা হিসেবে কেন সঠিক: - আয়কর আইন অনুযায়ী উৎস কর কর্তন বা সংগ্রহ করা ব্যক্তির আইনি দায়িত্ব। - এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তাকে খেলাপী করদাতা হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খেলাপী ঋণদাতা হিসেবে — ঋণ বিতরণে ব্যর্থতা বা ব্যাংক খাতের ঋণ খেলাপীর সঙ্গে উৎস কর কর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই। B) খেলাপী করদাতা হিসেবে — উৎস কর কর্তন বা সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হলে আইনগতভাবে তাকে এই হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। C) খেলাপী বিলদাতা হিসেবে — বিল প্রদান বা প্রস্তুত করার প্রক্রিয়ার সঙ্গে উৎস কর সংক্রান্ত আইনি বাধ্যবাধকতার সরাসরি মিল নেই। D) খেলাপী কর গ্রহীতা হিসেবে — কর আদায় বা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যর্থতার আইনি সংজ্ঞা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: কর কাটা বা সংগ্রহের দায়িত্ব পালন না করলেই সরাসরি খেলাপী করদাতা হিসেবে গণ্য করা হয়।
a ডেবিট ভাউচার
b সাপোর্টিং ভাউচার
c ক্রেডিট ভাউচার
d জার্নাল ভাউচার
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেবিট ভাউচার কেন সঠিক: - ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের খরচ বা ব্যয় সংঘটিত হলে বা নগদ টাকা প্রদান করা হলে ডেবিট ভাউচার প্রস্তুত করা হয়। - হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী খরচ হিসাব ডেবিট হয়, তাই খরচের ক্ষেত্র তৈরি করতে ডেবিট ভাউচার ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেবিট ভাউচার — এটি খরচের ক্ষেত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) সাপোর্টিং ভাউচার — এটি মূলত লেনদেনের প্রমাণপত্র বা দলিল হিসেবে কাজ করে, সরাসরি খরচের ক্ষেত্র তৈরি করে না। C) ক্রেডিট ভাউচার — এটি ব্যবসায়ে আয় হলে বা নগদ টাকা প্রাপ্তির সময় প্রস্তুত করা হয়, খরচের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) জার্নাল ভাউচার — এটি নগদ লেনদেন ছাড়া অন্যান্য সমাঞ্জস্য বা জাবেদা দাখিলার ক্ষেত্রে প্রস্তুত করা হয়। মনে রাখার টিপস: খরচ বা প্রদান মানেই ডেবিট, তাই খরচ বাড়লেই ডেবিট ভাউচার ব্যবহার করতে হবে।
a 1982
b 1984
c 1983
d 1985
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে আয়কর সংক্রান্ত আইন পরিচালনার জন্য ১৯৮৪ সালে দি ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স প্রণয়ন করা হয়। - পরবর্তীতে এর পরিবর্তে ২০২৪ সালে নতুন আয়কর আইন প্রণয়ন করা হলেও বিগত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি ১৯৮৪ সাল হিসেবেই নির্ধারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1982 — এই সালে বাংলাদেশে আয়কর অধ্যাদেশ জারি হয়নি, এটি ভুল সাল। B) 1984 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আয়কর অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। C) 1983 — এই সালে আয়কর অধ্যাদেশ পাস বা কার্যকর হয়নি। D) 1985 — এই সালটি আয়কর অধ্যাদেশের জারির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: আয়কর অধ্যাদেশের সাল মনে রাখতে শেষের দুটি অঙ্ক ৮৪ মাথায় রাখুন।
a সিনিয়র শিক্ষক
b ক্রয় উপ-কমিটির সদস্য
c ক্রয় উপ-কমিটির সদস্য ব্যতীত অভিজ্ঞ শিক্ষক
d অভিভাবক প্রতিনিধি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: D) অভিভাবক প্রতিনিধি কেন সঠিক: - অভ্যন্তরীণ অডিট উপ-কমিটির মূল কাজ হলো আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। - নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই কমিটিতে ক্রয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন এমন ব্যক্তি এবং অভিভাবক প্রতিনিধি রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিনিয়র শিক্ষক — এরা সাধারণত বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অন্যান্য একাডেমিক বা প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকেন, তাই নিরপেক্ষ অডিটের জন্য অডিট কমিটিতে রাখা হয় না। B) ক্রয় উপ-কমিটির সদস্য — এরা সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাই স্বার্থের সংঘাত এড়াতে এদের অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটিতে রাখা হয় না। C) ক্রয় উপ-কমিটির সদস্য ব্যতীত অভিজ্ঞ শিক্ষক — এরা বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকায় সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ অডিট নিশ্চিত করতে অডিট কমিটির সদস্য হতে পারেন না। D) অভিভাবক প্রতিনিধি — এরা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পারেন এবং ক্রয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকেন না বলে অডিট কমিটির সদস্য হতে পারবেন। মনে রাখার টিপস: নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অভ্যন্তরীণ অডিট উপ-কমিটিতে ক্রয় কাজের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন অভিভাবক প্রতিনিধিকে রাখা হয়।
a ৫০ লক্ষ টাকা
b ৫৫ লক্ষ টাকা
c ৬০ লক্ষ টাকা
d ৭৫ লক্ষ টাকা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ লক্ষ টাকা কেন সঠিক: - সরকারি ক্রয় বিধিমালা অনুযায়ী জেলা পর্যায়ের অফিসের জন্য কার্য ক্রয়ের আর্থিক সীমা সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা নির্ধারিত। - এর অধিক অর্থের কার্য ক্রয় করতে হলে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও নির্দিষ্ট পিপিআর নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫০ লক্ষ টাকা — এটি জেলা পর্যায়ের অফিসের জন্য কার্য ক্রয় চুক্তি অনুমোদনের সঠিক ও নির্ধারিত আর্থিক সীমা। B) ৫৫ লক্ষ টাকা — এটি জেলা পর্যায়ের অফিসের কার্য ক্রয় অনুমোদনের সঠিক আর্থিক সীমা নয়, তাই ভুল। C) ৬০ লক্ষ টাকা — এই পরিমাণ অর্থ জেলা পর্যায়ের অফিসের কার্য ক্রয় ক্ষমতার বাইরে অবস্থিত। D) ৭৫ লক্ষ টাকা — এটি জেলা পর্যায়ের অফিসের জন্য প্রযোজ্য নয়, এটি অপেক্ষাকৃত উচ্চতর পদের আর্থিক ক্ষমতার আওতাভুক্ত। মনে রাখার টিপস: জেলা অফিসের কার্য ক্রয় মনে রাখবে মাঝারী অংক অর্থাৎ ঠিক পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
a প্রধান শিক্ষক
b প্রধান শিক্ষক (স্বপদে)
c প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
d অধ্যক্ষ
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও শিক্ষা প্রশাসন সঠিক উত্তর: C) প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) কেন সঠিক: - মাধ্যমিক বিদ্যালয় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত হলে পদোন্নতি বা এমপিও বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক সরাসরি অধ্যক্ষ পদে স্থায়ী হন না। - নতুন বিধিমালা ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মরত প্রধান শিক্ষককে সাময়িকভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান শিক্ষক — বিদ্যালয়টি উন্নীত হওয়ায় শুধু এই পদে বহাল থাকা যায় না, কারণ প্রতিষ্ঠানটি এখন কলেজ স্তরে উন্নীত হয়েছে। B) প্রধান শিক্ষক (স্বপদে) — পদোন্নতির সুনির্দিষ্ট সরকারি প্রজ্ঞাপন বা বিধিগত যোগ্যতা পূর্ণ না হলে স্বপদে বহাল থাকার সুযোগ থাকে না। C) প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) — এই উত্তরটি সঠিক, কারণ উন্নীত প্রতিষ্ঠানে পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষ নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। D) অধ্যক্ষ — অধ্যক্ষ পদের জন্য নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা প্রয়োজন হওয়ায় কর্মরত প্রধান শিক্ষক স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই পদ পান না। মনে রাখার টিপস: বিদ্যালয় কলেজ হলে প্রধান হন ভারপ্রাপ্ত, পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষ হতে লাগে নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও বিধিমালা।
a মহাপরিচালক
b ব্যবস্থাপনা পরিচালক
c চেয়ারম্যান
d সচিব
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চেয়ারম্যান কেন সঠিক: - NTRCA এর পূর্ণরূপ হলো Non-Government Teachers Registration and Certification Authority, যার প্রশাসনিক প্রধান হলেন চেয়ারম্যান। - আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী বোর্ডের সকল সভায় চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করার ক্ষমতা রাখেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাপরিচালক — মহাপরিচালক কিছু দপ্তরে প্রধান হলেও এনটিআরসিএ-র নির্বাহী বোর্ডের প্রধান বা সভাপতি চেয়ারম্যান। B) ব্যবস্থাপনা পরিচালক — এই পদের কর্মকর্তা এনটিআরসিএ-র নির্বাহী বোর্ডের সভাপতিত্ব করার দায়িত্বে থাকেন না। C) চেয়ারম্যান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় নির্বাহী বোর্ডের সভায় তিনি সভাপতিত্ব করেন। D) সচিব — সচিব বোর্ডের কার্য পরিচালনা ও দাপ্তরিক কাজ দেখাশোনা করলেও সভার সভাপতি নন। মনে রাখার টিপস: বোর্ডের প্রধানই সভার প্রধান, তাই NTRCA-এর নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি হলেন চেয়ারম্যান।
a ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য
b বাহকের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য
c কোনো অভিযোগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য
d মৌখিক সাক্ষ্য প্রদানকারীর তথ্য
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য কেন সঠিক: - গণমাধ্যমে তথ্য প্রচার বা প্রকাশের পূর্বে তার সত্যতা যাঁচাই করা প্রতিষ্ঠান প্রধানের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। - বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধ করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিশ্চিত তথ্য প্রয়োজন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনে তথ্যের সত্যতা যাচাই বাধ্যতামূলক। B) বাহকের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য — বাহকের মাধ্যমে আসা তথ্য যাচাই না করে প্রকাশ করলে ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে। C) কোনো অভিযোগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য — অভিযোগ মাত্রই প্রমাণিত সত্য নয়, তাই তা যাচাই না করে প্রচার করা সমীচীন নয়। D) মৌখিক সাক্ষ্য প্রদানকারীর তথ্য — মৌখিক তথ্য অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও প্রমাণের অভাবে দুর্বল হতে পারে। মনে রাখার টিপস: গণমাধ্যমে তথ্য প্রচারের সময় সবসময় নিশ্চিত সত্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
a ২০০০ টাকা
b ১৫00 টাকা
c ১০০০ টাকা
d ৫০০ টাকা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০০ টাকা কেন সঠিক: - সরকারি ক্রয় বিধিমালা অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ লক্ষ টাকা ক্রয়ের ক্ষেত্রে মূল্যায়ন কমিটির সদস্যপ্রতি সম্মানি ১৫০০ টাকা নির্ধারিত। - সরকারি আর্থিক বিধি ও প্রকিউরমেন্ট নীতিমালা অনুযায়ী এই হার নির্ধারিত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০০ টাকা — এটি ১০ লক্ষ টাকা ক্রয়ের ক্ষেত্রে মূল্যায়ন কমিটির সদস্যপ্রতি নির্ধারিত সম্মানি নয়। B) ১৫০০ টাকা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী প্রযোজ্য। C) ১০০০ টাকা — এটি ১০ লক্ষ টাকা ক্রয়ের ক্ষেত্রে মূল্যায়ন কমিটির সদস্যের সম্মানি হিসেবে কম নির্ধারিত হার। D) ৫০০ টাকা — এটি বর্তমান প্রকিউরমেন্ট বিধি অনুযায়ী এই স্তরের মূল্যায়ন কমিটির সম্মানি নয়। মনে রাখার টিপস: উন্মুক্ত দরপত্রে ১০ লক্ষ টাকার জন্য মূল্যায়ন কমিটির সদস্যপ্রতি সম্মানি হলো পনেরো শ টাকা।
a সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর
b প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন
c এনসিটিবি
d রেড ক্রিসেন্ট
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতিতে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণ করে থাকে। - এটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর — এটি সার্বিক সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক প্রকাশের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত নয়। B) প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রতিষ্ঠানটি বিশেষভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের দায়িত্ব পালন করে। C) এনসিটিবি — এটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও প্রকাশ করে, তবে ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক তৈরির কাজটি প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। D) রেড ক্রিসেন্ট — এটি একটি আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী ত্রাণ সংস্থা, যা আপৎকালীন সেবা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কাজ করে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন, তাই ব্রেইল বইয়ের সঙ্গে এটি যুক্ত।
a না, বকেয়া প্রদান করা হবে না
b হ্যাঁ, পাওয়া যাবে
c পরবর্তী বছরে সমন্বয় হবে
d অর্ধেক পাওয়া যাবে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) না, বকেয়া প্রদান করা হবে না কেন সঠিক: - এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম প্রমাণিত হলে সেই প্রতিষ্ঠানের কোড স্থগিত করা হয়। - কোড স্থগিত থাকার সময়কালের জন্য কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী সরকারি বেতন-ভাতার বকেয়া প্রাপ্য হন না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) না, বকেয়া প্রদান করা হবে না — এই অপশনটি সঠিক কারণ কোড স্থগিতকালীন সময়ের জন্য সরকারি অনুদান বা বেতন প্রদান করা হয় না। B) হ্যাঁ, পাওয়া যাবে — এই অপশনটি ভুল কারণ অনিয়মের কারণে স্থগিত হওয়া সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পরে পরিশোধ করা হয় না। C) পরবর্তী বছরে সমন্বয় হবে — এই অপশনটি ভুল কারণ স্থগিত হওয়া বেতন পরবর্তী সময়ে সমন্বয় বা ছাড় করার কোনো বিধান নেই। D) অর্ধেক পাওয়া যাবে — এই অপশনটি ভুল কারণ স্থগিতকালীন সময়ের সম্পূর্ণ বেতন বা তার কোনো অংশই পরিশোধ করা হয় না। মনে রাখার টিপস: এমপিও কোড স্থগিত মানেই সরকারি বেতন পুরোপুরি বন্ধ, এই সময়ে কোনো বকেয়া বা অর্ধেক বেতন পাওয়ার সুযোগ নেই।
a প্রতিষ্ঠান প্রধান
b কমিটির সভাপতি
c উপজেলা নির্বাহী অফিসার
d সংশ্লিষ্ট বোর্ড
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমিটির সভাপতি কেন সঠিক: - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো সাধারণ সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে সভাপতির নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। - সভাপতির অনুমোদনের পরই সদস্যের পদত্যাগ কার্যকর হয় এবং শূন্য পদে নতুন সদস্য অর্ন্তভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠান প্রধান — প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন না, তিনি কেবল কমিটির সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। B) কমিটির সভাপতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিধি মোতাবেক সভাপতির নিকটই পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। সি) উপজেলা নির্বাহী অফিসার — ইউএনও প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেও পরিচালনা কমিটির অভ্যন্তরীণ পদত্যাগপত্র সরাসরি তাঁর নিকট জমা দেওয়ার নিয়ম নেই। D) সংশ্লিষ্ট বোর্ড — শিক্ষাবোর্ড হলো নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ, পরিচালনা কমিটির কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত পদত্যাগপত্র সরাসরি বোর্ডে পাঠানোর নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: পরিচালনা কমিটি সংক্রান্ত যেকোনো পদত্যাগপত্র সব সময় কমিটির প্রধান অর্থাৎ সভাপতির নিকট জমা দিতে হয়।
a যৌক্তিকতা
b সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন
c প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে কর্তৃপক্ষের চাওয়া
d আইন ও বিধি সম্মত হওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন কেন সঠিক: - যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক কমিটি বা বোর্ডের সিদ্ধান্ত বৈধতা পাওয়ার জন্য সভার উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট বা সমর্থন বাধ্যতামূলক। - সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত ছাড়া কোনো প্রস্তাব বা এজেন্ডা আইনিভাবে পাস বা কার্যকর করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌক্তিকতা — এটি সিদ্ধান্তের মান উন্নত করলেও রেজুলেশন পাসের জন্য আইনি বা প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যতামূলক পূর্বশর্ত নয়। B) সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন — এটিই সঠিক কারণ এটি রেজুলেশন পাসের মূল আইনি পূর্বশর্ত। C) প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে কর্তৃপক্ষের চাওয়া — এটি এককভাবে সিদ্ধান্ত পাসের জন্য যথেষ্ট নয়, পর্ষদের অনুমোদন বা সমর্থন প্রয়োজন হয়। D) আইন ও বিধি সম্মত হওয়া — এটি নীতিগত শর্ত হলেও কার্যকরের জন্য সভার সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট বা সমর্থন সবার আগে প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: কমিটির যেকোনো সিদ্ধান্ত পাসের মূল চাবিকাঠি হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন।
a ক্ষমাযোগ্য অপরাধ
b দণ্ডনীয় অপরাধ
c সাধারণ ভুল
d লঘু অপরাধ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দণ্ডনীয় অপরাধ কেন সঠিক: - জাল সনদ তৈরি বা ব্যবহার করা বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী একটি ফৌজদারি অপরাধ এবং প্রতারণার শামিল। - এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জন্য আইনি বিধান ও শাস্তির সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষমাযোগ্য অপরাধ — সনদ জালিয়াতি কোনো লঘু বা ক্ষমাযোগ্য বিষয় নয়, এটি দেশের প্রচলিত আইনে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। B) দণ্ডনীয় অপরাধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সনদ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে। C) সাধারণ ভুল — এটি অনিচ্ছাকৃত কোনো সাধারণ ভুল নয়, বরং জালিয়াতি একটি সুপরিকল্পিত অপরাধমূলক কার্যক্রম। D) লঘু অপরাধ — শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জালিয়াতি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ, তাই এটিকে লঘু বা হালকা অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: শিক্ষক নিবন্ধন বা যেকোনো সরকারি সনদে জালিয়াতি মানেই আইনগত শাস্তি, তাই এটি সবসময় দণ্ডনীয় অপরাধ।
a শিক্ষা ভবন
b বোর্ড
c এলজিইডি
d ব্যানবেইস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যানবেইস কেন সঠিক: - ব্যানবেইস শিক্ষা খাতের তথ্য সংগ্রহ ও পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করে। - প্রতিষ্ঠানটি দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভৌগোলিক অবস্থান জানতে জিআইএস ম্যাপিং সম্পন্ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষা ভবন — এটি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় হলেও সরাসরি জিআইএস ম্যাপিংয়ের মূল কাজ এটি করেনি। B) বোর্ড — শিক্ষা বোর্ডগুলো মূলত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ ও সনদ প্রদানে কাজ করে, ভৌগোলিক জরিপ তাদের কাজ নয়। C) এলজিইডি — এটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জিআইএস ম্যাপিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নয়। D) ব্যানবেইস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও জিআইএস ম্যাপিংয়ের কাজটি করেছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানচিত্র বা জিআইএস ম্যাপিংয়ের কাজ দেখলে ব্যানবেইস কথাটি মনে রাখবে।
a মালদ্বীপ
b শ্রীলঙ্কা
c আফগানিস্তান
d পাকিস্তান
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আফগানিস্তান কেন সঠিক: - ২০০৭ সালে ১৪ তম শীর্ষ সম্মেলনে আফগানিস্তান সার্কের অষ্টম সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে। - প্রতিষ্ঠার সময় সদস্য সংখ্যা ৭টি থাকলেও আফগানিস্তানের যোগদানের পর বর্তমান মোট সদস্য সংখ্যা হয়েছে ৮টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি ১৯৮৫ সালে সার্ক প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছে। B) শ্রীলঙ্কা — এটিও ১৯৮৫ সালে সার্ক গঠনের শুরু থেকেই এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। C) আফগানিস্তান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০০৭ সালে সর্বশেষে যুক্ত হওয়া সদস্য। D) পাকিস্তান — এটিও ১৯৮৫ সালে সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে একটি। মনে রাখার টিপস: সার্কের সদস্য মনে রাখার সূত্র হলো এমবিবিএস পিন (MBBS PIN)। এখানে শেষ অক্ষর এ (A) দিয়ে বোঝায় আফগানিস্তান, যা সর্বশেষ সদস্য।
a ইয়াঙ্গুন
b থিম্পু
c মালে
d নাইপিদো
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাইপিদো কেন সঠিক: - মিয়ানমারের বর্তমান রাজধানী নাইপিদো, যা ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে ইয়াঙ্গুন থেকে এখানে স্থানান্তরিত করা হয়। - এটি দেশটির প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং এটি দেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি পরিকল্পিত শহর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াঙ্গুন — এটি মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর এবং ২০০৫ সালের আগে দেশটির রাজধানী ছিল, বর্তমান রাজধানী নয়। B) থিম্পু — এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের রাজধানী, মিয়ানমারের রাজধানী নয়। C) মালে — এটি ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের রাজধানী, মিয়ানমারের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। D) নাইপিদো — এটি মিয়ানমারের বর্তমান রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারে নতুন বাড়ি গড়ি, রাজধানী এখন নাইপিদো।
a 15
b 27
c 39
d 39
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্পষ্টভাবে স্বীকৃত হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার অধিকার এবং বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ — এই অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকールの বন্দোবস্ত করার রাষ্ট্রীয় মূলনীতির কথা বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকার নয়। B) ২৭ — এই অনুচ্ছেদে আইনের চোখে সমতা এবং আইনের সমান আশ্রয়ের অধিকারের কথা বলা হয়েছে, বাক স্বাধীনতার কথা নয়। C) ৩৯ — এটি সঠিক অপশন এবং এই অনুচ্ছেদেই চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। D) ৩৯ — এটি সঠিক অপশন এবং এই অনুচ্ছেদেই চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে (প্রশ্নে অপশনটি দুবার এসেছে)। মনে রাখার টিপস: বাক স্বাধীনতা কথাটি বলতে ৩৯ বছর বয়সের একজন মানুষের পরিপক্ব চিন্তার কথা মনে রাখতে পারেন, যা ৩৯ অনুচ্ছেদকে নির্দেশ করে।
a ১৯০৫ সালে
b ১৭৫৭ সালে
c ১৯১১ সালে
d ১৮৫৭ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৫ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের লাট লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত নিলে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ঢাকাকে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী করা হয়। - এর মাধ্যমে দীর্ঘকাল অবহেলিত ঢাকার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব বিশেষভাবে বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ সালে — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই সালেই বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হওয়ার পর ঢাকাকে নতুন প্রদেশের রাজধানী ঘোষণা করা হয়েছিল। B) ১৭৫৭ সালে — এই সালে পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশরা বাংলা তথা ভারতের রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে, প্রাদেশিক রাজধানী ঘোষণার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং রাজধানী ঢাকা থেকে সরিয়ে পুনরায় কলকাতায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়। D) ১৮৫৭ সালে — এই সালে সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয় এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে ব্রিটিশ মহারানীর সরাসরি শাসন শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গভঙ্গ হয়েছিল ১৯০৫ সালে, আর এই বঙ্গভঙ্গের ফলেই ঢাকাকে প্রথমবার প্রাদেশিক রাজধানী করা হয়েছিল।
a ২০২২ সালে
b ২০২৩ সালে
c ২০২৪ সালে
d ২০২৫ সালে
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০২২ সালে কেন সঠিক: - পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (PPR) ২০০৮ সালের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সংশোধিত হয়েছে। - সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া সময়োপযোগী ও আধুনিক করার জন্য সর্বশেষ বড় ধরনের সংশোধন আনা হয় ২০২২ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২২ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা সর্বশেষ এই সালেই সংশোধন করা হয়েছে। B) ২০২৩ সালে — এই সালে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালার কোনো সর্বশেষ বা মূল সংশোধন করা হয়নি। C) ২০২৪ সালে — এটি বর্তমান বছরগুলোর একটি হলেও এই সালে বিধিমালা সংক্রান্ত কোনো নতুন সংশোধন কার্যকর হয়নি। D) ২০২৫ সালে — ভবিষ্যৎ সাল হওয়ায় এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও অবাস্তব। মনে রাখার টিপস: পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা বা PPR সর্বশেষ সংশোধিত হয় ২০২২ সালে, যেখানে দুই এবং দুই জোড়া মিলে এই সালটি গঠিত।
a ৪০ জন
b ৫০ জন
c ৫৫ জন
d ৬০ জন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০ জন কেন সঠিক: - ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কোনো ঐচ্ছিক বিষয় চালু করতে হলে ন্যূনতম ষাটজন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। - শিক্ষার মান রক্ষা এবং অপ্রয়োজনীয় বিষয় খোলা রোধ করতেই এই নির্দিষ্ট শিক্ষার্থী সংখ্যার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ জন — এটি এই নির্দিষ্ট এমপিও নীতিমালার শর্ত অনুযায়ী অপর্যাপ্ত এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক বিষয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ৫০ জন — এই সংখ্যাটি তৎকালীন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ঐচ্ছিক বিষয়ের জন্য নির্ধারিত ছিল না। C) ৫৫ জন — এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা যা ১৯৯৫ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো শ্রেণীতে শিক্ষার্থীর ন্যূনতম মানদণ্ড হিসেবে অনুমোদিত ছিল না। D) ৬০ জন — এটি সঠিক কারণ ১৯৯৫ সালের নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ঐচ্ছিক বিষয় খোলার ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটিই বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: উচ্চ মাধ্যমিকে ঐচ্ছিক বিষয় খোলার নিয়ম মনে রাখতে ষাট (৬০) সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যা উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম অক্ষ উ (ষাট-এর স-এর সাথে মিলিয়ে) মনে রাখতে পারেন।
a ৩য়
b ৮ম
c ৫ম
d ৬ষ্ঠ
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩য় কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো বা বিএনকিউএফ অনুযায়ী শিক্ষাক্রমের স্তরগুলোকে বিভিন্ন ধাপে ভাগ করা হয়েছে। - এই কাঠামো অনুযায়ী মাধ্যমিক বা এসএসসি স্তরটি ৩য় স্তরের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩য় — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিএনকিউএফ কাঠামোতে এসএসসি স্তরটিকে ৩য় স্তরে রাখা হয়েছে। B) ৮ম — ৮ম স্তরটি বিএনকিউএফ কাঠামোর প্রাথমিক বা মাধ্যমিক স্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৫ম — ৫ম স্তরটি সাধারণত প্রাথমিক শিক্ষা বা অন্য কোনো প্রারম্ভিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) ৬ষ্ঠ — ৬ষ্ঠ স্তরটি বিএনকিউএফ কাঠামোতে সাধারণত উচ্চশিক্ষা বা স্নাতক স্তরের জন্য নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বিএনকিউএফ কাঠামোতে এসএসসি হলো ৩য় ধাপ এবং এর পরের উচ্চতর ধাপগুলো ক্রমান্বয়ে উপরে ওঠে।
a ৮টি
b ১০টি
c ১২টি
d ১৪টি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০টি কেন সঠিক: - BNQF এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক যা শিক্ষাগত যোগ্যতার স্তর নির্ধারণ করে। - এই কাঠামোর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা মিলিয়ে মোট ১০টি স্তর বিন্যস্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি — এটি বিএনকিউএফ কাঠামোর মোট স্তরের সঠিক সংখ্যা নয়, বরং এটি ভুল তথ্য। B) ১০টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) ১২টি — এই সংখ্যাটি শিক্ষাগত যোগ্যতার এই নির্দিষ্ট কাঠামোর সঙ্গে মিলছে না। D) ১৪টি — এটি বিএনকিউএফ এর স্তরের সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং কাল্পনিক। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার মান ও স্তর দশটি আঙুলের মতো গোনা যায়, এভাবে BNQF এর মোট ১০টি স্তর মনে রাখতে পারেন।
a ২ বছরের কম নয় সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন
b ১ বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন
c শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন
d ২ বছরের কারাদণ্ডে ও এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন কেন সঠিক: - পাবলিক পরীক্ষা আইন বা সংশ্লিষ্ট অপরাধ আইন অনুযায়ী পরীক্ষার্থীকে নকল সরবরাহের অপরাধে ১ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। - এই ধরনের অপরাধ পরীক্ষার সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ বছরের কম নয় সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন — এই নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য আইন অনুযায়ী এই শাস্তির পরিমাণ প্রযোজ্য নয়। B) ১ বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন — এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক আইনি বিধান। C) শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন — আইন অনুযায়ী এই অপরাধে শুধুমাত্র অর্থদণ্ড নয়, কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। D) ২ বছরের কারাদণ্ডে ও এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন — এটি এই অপরাধের সঠিক শাস্তি নয়। মনে রাখার টিপস: নকল সরবরাহ করার মতো গুরুতর অপরাধে হাতেনাতে ধরা পড়লে কমপক্ষে ১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a স্থানীয় সংসদ সদস্য
b সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড
c উপজেলা নির্বাহী অফিসার
d কমিটির সভাপতি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কমিটির সভাপতি প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও শিক্ষা প্রশাসন সংক্রান্ত সাম্প্রতিক তথ্য। প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি (ভূমি) বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট বোর্ডের পূর্বঅনুমোদন প্রয়োজন হয়, কোনো একক ব্যক্তির যেমন কমিটির সভাপতির এখতিয়ার নেই। এই প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর ভুল, তাই সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো। কেন সঠিক: - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি বিক্রয় বা হস্তান্তরের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কঠোর আইনি বিধিমালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। - এককভাবে ম্যানেজিং কমিটি বা সভাপতির এই সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের কোনো আইনি এখতিয়ার বা ক্ষমতা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থানীয় সংসদ সদস্য — সংসদ সদস্যগণ আইনপ্রণেতা এবং তাঁদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বা স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ে অনুমোদন দেওয়ার কোনো প্রশাসনিক এখতিয়ার নেই। B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড — শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং হস্তান্তর সংক্রান্ত বিধিমালার চূড়ান্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন শিক্ষা বোর্ড বা সরকার প্রদান করে থাকে। C) উপজেলা নির্বাহী অফিসার — উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বে থাকলেও তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি বিক্রয়ের অনুমোদন এককভাবে দিতে পারেন না। D) কমিটির সভাপতি — কমিটির সভাপতি এককভাবে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি বিক্রয় বা হস্তান্তর করতে পারেন না, এটি সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি বা সম্পত্তি বিক্রয় ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বিষয় নয়, এর জন্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের বা বোর্ডের অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
a স্কুল কলেজের স্বীকৃতি প্রদান
b বোর্ডগুলোর তদারকি করা
c সারাদেশে অভিন্ন সময় সূচিতে SSC ও HSC পরীক্ষা আয়োজন
d শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সারাদেশে অভিন্ন সময় সূচিতে SSC ও HSC পরীক্ষা আয়োজন কেন সঠিক: - আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলোর কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। - এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সারা দেশে একযোগে বা অভিন্ন সময়সূচিতে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্কুল কলেজের স্বীকৃতি প্রদান — এটি আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কাজ নয়, বরং স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব এখতিয়ারভুক্ত। B) বোর্ডগুলোর তদারকি করা — এটি আংশিক মনে হলেও কমিটির মূল ও প্রধান সুনির্দিষ্ট কাজ হলো পরীক্ষা আয়োজনে সমন্বয় করা। C) সারাদেশে অভিন্ন সময় সূচি তে SSC ও HSC পরীক্ষা আয়োজন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া — শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব শিক্ষা বোর্ডের নয়, এটি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের কাজ। মনে রাখার টিপস: সমন্বয় কমিটির কাজ মানেই সারাদেশে একসঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা পরিচালনার ব্যবস্থা করা।
a মাউশি অধিদপ্তর
b NCTB
c শিক্ষা বোর্ড
d শিক্ষা মন্ত্রণালয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা সঠিক উত্তর: D) শিক্ষা মন্ত্রণালয় কেন সঠিক: - নতুন প্রতিষ্ঠিত স্কুল ও কলেজের একাডেমিক স্বীকৃতি বা পাঠদানের অনুমতি প্রদানের মূল ও চূড়ান্ত ক্ষমতা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত থাকে। - শিক্ষা বোর্ড বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক বা মাধ্যমিক স্তরের পরিদর্শন ও সুপারিশ করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রণালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউশি অধিদপ্তর — এটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি নির্বাহী সংস্থা মাত্র, স্বীকৃতি প্রদানকারী নীতিগত কর্তৃপক্ষ নয়। B) NCTB — এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, যা পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও পরিমার্জন করে, প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি দেয় না। C) শিক্ষা বোর্ড — শিক্ষা বোর্ড শুধু পাঠদান বা অনুমতির জন্য তদন্ত ও সুপারিশ করে, কিন্তু চূড়ান্ত একাডেমিক স্বীকৃতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেয়। D) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দেশের যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সরকারি অনুমোদন ও একাডেমিক স্বীকৃতি এই মন্ত্রণালয় প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বা স্বীকৃতির চাবিকাঠি শেষ পর্যন্ত সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতেই থাকে।
a কলেজ অধ্যক্ষ
b উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস
c চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড
d গভর্নিং বডি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড কেন সঠিক: - স্বীকৃতপ্রাপ্ত বেসরকারি ইন্টারমিডিয়েট কলেজ শিক্ষক বিধি- ১৯৭৯ অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা বা কর্তৃপক্ষ ছিলেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। - তৎকালীন বিধিমালা অনুযায়ী কলেজ শিক্ষকদের নিয়োগপ্রক্রিয়া ও অনুমোদন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের এখতিয়ারভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলেজ অধ্যক্ষ — অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক প্রধান হলেও এই বিধিমালার অধীনে তিনি সরাসরি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ছিলেন না। B) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস — এটি একটি প্রশাসনিক দপ্তর, যা তৎকালীন নিয়োগ বিধি অনুযায়ী নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে নির্ধারিত ছিল না। C) চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৭৯ সালের বিধি অনুযায়ী এই পদটিই নিয়োগের মূল কর্তৃপক্ষ ছিল। D) গভর্নিং বডি — বর্তমান বিধিমালায় গভর্নিং বডি নিয়োগ দিলেও, ১৯৭৯ সালের নির্দিষ্ট বিধি অনুযায়ী নিয়োগকর্তা ছিলেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। মনে রাখার টিপস: ইন্টারমিডিয়েট কলেজ শিক্ষক বিধি ১৯৭৯ সাল মনে রাখলে ভাববে তখন ক্ষমতা ছিল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের হাতে।
a প্রতিষ্ঠানের ধরন
b প্রতিষ্ঠানের অবস্থান
c প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের সংখ্যা
d প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর সংখ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিষ্ঠানের অবস্থান কেন সঠিক: - মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ভৌগোলিক অবস্থান, উপজেলা বা জেলার প্রশাসনিক কোড অনুসরণ করে এমআইএস বা কোড প্রদান করে থাকে। - প্রতিষ্ঠানের অবস্থানভিত্তিক বিন্যাস কোড তৈরির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিকতা রক্ষা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠানের ধরন — প্রতিষ্ঠানের ধরন বা স্তর যেমন নিম্ন মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক নির্দেশ করলেও কোডের মূল ভিত্তি হিসেবে অবস্থানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। B) প্রতিষ্ঠানের অবস্থান — এটি সঠিক কারণ কোড নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক এলাকা প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়। C) প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের সংখ্যা — শিক্ষকের সংখ্যা পরিবর্তনশীল তাই এটি স্থায়ী কোড নির্ধারণের মাপকাঠি হতে পারে না। D) প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর সংখ্যা — কর্মচারীর সংখ্যা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামোর অংশ কিন্তু কোড নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি বিবেচ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোড মানেই ঠিকানা, আর ঠিকানা নির্ধারিত হয় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান দিয়ে।
a শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান
b কোচিং সেন্টারের সংখ্যা কমানো
c প্রতিষ্ঠানে কোচিং করানো
d অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান কেন সঠিক: - শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত শিক্ষা পেলে অতিরিক্ত কোচিংয়ের প্রয়োজন অনুভব করে না। - শিক্ষকদের পাঠদান কার্যকর হলে কোচিং বাণিজ্যের মূল কারণ বা চাহিদা নিজেই দূর হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানসম্মত পাঠদান শিক্ষার্থীদের কোচিংমুখী হওয়া থেকে বিরত রাখে। B) কোচিং সেন্টারের সংখ্যা কমানো — এটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ, যা কোচিং বাণিজ্য বন্ধের স্থায়ী বা মূল সমাধান নয়। C) প্রতিষ্ঠানে কোচিং করানো — শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোচিং বা বৈধ উপায়ে বাণিজ্য চালু রাখলে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং সমস্যার সমাধান হয় না। D) অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি — অভিভাবকরা সচেতন হলেও শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনার মান খারাপ থাকলে তারা বাধ্য হয়েই বিকল্প খুঁজবেন। মনে রাখার টিপস: শ্রেণيكক্ষে পড়াশোনা ভালো হলে কোচিংয়ের পেছনে ছোটার প্রবণতা এমনিতেই কমে যায়।
a জেলা শিক্ষা অফিসার
b আঞ্চলিক পরিচালক
c ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি
d উপ-পরিচালক
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কেন সঠিক: - প্রধান শিক্ষক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক প্রধান এবং এমপিওভুক্ত বা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাঁর বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন লেখার প্রথম অংশ বা আবেদন গ্রহণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতির ওপর ন্যস্ত থাকে। - প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম, শৃংখলা এবং প্রধান শিক্ষকের কাজের মূল্যায়ন সরাসরি সভাপতির মাধ্যমেই শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা শিক্ষা অফিসার — ইনি প্রধান শিক্ষকের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের প্রথম আবেদনকারী নন, বরং এটি পরবর্তী উচ্চতর মূল্যায়ন বা অনুমোদনের ধাপ। B) আঞ্চলিক পরিচালক — ইনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান এবং বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের চূড়ান্ত বা উচ্চতর অনুস্বাক্ষরকারী কর্মকর্তা। C) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) উপ-পরিচালক — ইনি আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এবং প্রধান শিক্ষকের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন পর্যালোচনার সাথে যুক্ত উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। মনে রাখার টিপস: প্রধান শিক্ষকের ঠিক উপরে থাকেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, তাই তাঁর গোপনীয় প্রতিবেদনের আবেদনও সভাপতির মাধ্যমেই শুরু হয়।
a কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
b ভালুকা, ময়মনসিংহ
c কালিয়াকৈর, গাজীপুর
d আগারগাঁও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কালিয়াকৈর, গাজীপুর ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রথম ও বৃহত্তম সরকারি ডাটা সেন্টার বা তথ্য ভান্ডারটি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে অবস্থিত। এটি সরকারের আইসিটি খাতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো যা আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: টায়ার-৪ ডাটা সেন্টার হলো এমন একটি তথ্য সংরক্ষণাগার যার প্রাপ্যতা ৯৯ দশমিক ৯৯৫ শতাংশ এবং এটি সর্বোচ্চ স্তরের নিরবচ্ছিন্ন সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কার্যপদ্ধতি: এখানে একাধিক ব্যাকআপ পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং সিস্টেম এবং রিডানডেন্ট নেটওয়ার্ক থাকে যাতে কোনো একটি অংশ নষ্ট হলেও সিস্টেম বন্ধ হয় না। বৈশিষ্ট্য: এই ডাটা সেন্টারে ফল্ট টলারেন্স বা ত্রুটি সহনশীলতা থাকে এবং রক্ষণাবেক্ষণের সময়ও এর কার্যক্রম বন্ধ করতে হয় না। ব্যবহার: সরকারি ও বেসরকারি বড় বড় সার্ভার, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং বিশাল পরিমাণ ডিজিটাল তথ্য সুরক্ষিত রাখতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিভিন্ন ই-সেবার মূল সার্ভার এই ডাটা সেন্টারে সংরক্ষণ করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল সেবাগুলো ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে নাগরিকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং খাতের কোর ব্যাংকিং ডেটা এবং মোবাইল আর্থিক সেবার ব্যাকআপ। ব্যাখ্যা: সাইবার হামলা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও দেশের আর্থিক লেনদেন সচল রাখতে এই উন্নত ডাটা সেন্টার কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুয়াকাটা, পটুয়াখালী — এখানে দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন অবস্থিত, কোনো টায়ার-৪ ডাটা সেন্টার নয়। B) ভালুকা, ময়মনসিংহ — এটি একটি শিল্প এলাকা হলেও এখানে সরকারের এই নির্দিষ্ট টায়ার-৪ ডাটা সেন্টারটি অবস্থিত নয়। D) আগারগাঁও — এটি রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেখানে আইসিটি টাওয়ার ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যালয় আছে, কিন্তু মূল ডাটা সেন্টারটি এখানে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উচ্চ প্রযুক্তির এই সর্বাধুনিক ডাটা সেন্টারটি হাই-টেক পার্কের ভেতর কালিয়াকৈরে স্থাপন করা হয়েছে। মনে রাখার জন্য গাজীপুরের কালিয়াকৈর নামটির সঙ্গে টায়ার-৪ সংখ্যাটি যুক্ত করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ডাটা সেন্টারটি বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে নির্মিত হয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের ডাটা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাবমেরিন ক্যাবল এবং ডাটা সেন্টারের অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a Ctrl + A
b Ctrl + R
c Ctrl + Y
d Ctrl + Z
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Ctrl + Z ১. কেন সঠিক: - Ctrl + Z হলো মাইক্রোসফট ওয়ার্ডসহ প্রায় সব প্রসেসিং সফটওয়্যারের আন্ডু বা পূর্বাবস্থায় ফেরার শর্টকাট কমান্ড। - ভুলবশত কোনো লেখা মুছে গেলে বা কেটে ফেললে এই কিবোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে সেই লেখা ফিরিয়ে আনা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: আন্ডু বা পূর্বাবস্থায় ফেরা হলো এমন একটি কম্পিউটার ফাংশন যা ব্যবহারকারীকে সাম্প্রতিক সম্পাদিত কাজটি বাতিল করতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: সফটওয়্যারগুলো ব্যবহারকারীর প্রতিটি কাজের একটি ইতিহাস বা মেমোরি স্ট্যাক জমা রাখে এবং এই কমান্ড দিলে তা আগের ধাপে চলে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে একটি প্যারাগ্রাফ লিখে তা ভুল করে ব্যাকস্পেস দিয়ে মুছে ফেললেন। ব্যাখ্যা: কিবোর্ডে Ctrl + Z চাপলেই মুছে যাওয়া প্যারাগ্রাফটি আবার স্ক্রিনে ফিরে আসবে। উদাহরণ ২: একটি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড কাটার সময় ভুল অংশে ক্লিক করে ফেললেন। ব্যাখ্যা: Ctrl + Z চাপলে সেই ভুল অ্যাকশনটি বাতিল হয়ে আগের ঠিক অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + A — এটি ডকুমেন্টের সমস্ত টেক্সট বা উপাদান একসঙ্গে সিলেক্ট করার জন্য ব্যবহার করা হয়। B) Ctrl + R — এটি প্যারাগ্রাফ বা টেক্সটকে ডান দিকে অ্যালাইন করার জন্য ব্যবহার করা হয়। C) Ctrl + Y — এটি আন্ডু করা কাজকে আবার সামনে ফিরিয়ে আনার জন্য বা রিডু করার জন্য ব্যবহার করা হয়। D) Ctrl + Z — এটি ভুলবশত মুছে ফেলা বা সম্পাদিত টেক্সটকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ব্যবহৃত সঠিক কমান্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: - আন্ডু বা পূর্বাবস্থায় ফেরার কমান্ড মনে রাখতে Z অক্ষরটি মাথায় রাখুন কারণ এটি রিডু কমান্ডের ইউ বা ওয়াই এর বিপরীতে কাজ করে। - প্রায় সব উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারে কন্ট্রোল এবং জেড একসঙ্গে চাপলে এই কাজটি সম্পন্ন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটারের বিভিন্ন শর্টকাট কি যেমন আন্ডু রিডু কপি পেস্ট সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - রিডু কমান্ডের শর্টকাট কি হলো Ctrl + Y যা আন্ডু করা কাজের বিপরীত কাজ করে।
a Ctrl + B
b Alt + I
c Alt + B
d Ctrl + I
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Ctrl + I ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে নির্বাচিত যেকোনো লেখাকে বাঁকা বা ইটালিক করার জন্য কিবোর্ড শর্টকাট হলো কন্ট্রোল কি এবং আই কি এর একত্রে ব্যবহার। এটি টেক্সট ফরম্যাটিংয়ের একটি মৌলিক কমান্ড যা সাধারণত কোন বিশেষ শব্দ বা বাক্যকে আলাদাভাবে ফুটিয়ে তুলতে ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইটালিক ফরম্যাটিং হলো ফন্টের এমন একটি শৈলী যেখানে অক্ষরগুলো ডানে সামান্য হেলানো থাকে। কার্যপদ্ধতি: কিবোর্ড থেকে নির্দিষ্ট কী চাপলে সফটওয়্যারটি সক্রিয় ফন্টের স্টাইল পরিবর্তন করে বাঁকা রূপ প্রয়োগ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিজ্ঞান বিষয়ক নথিতে কোনো বৈজ্ঞানিক নাম লেখার সময় ইটালিক স্টাইল ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: নিয়ম অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক নাম আলাদা করে দেখানোর জন্য এই ফরম্যাটিং প্রয়োজন হয়। উদাহরণ ২: বইয়ের নামকরণে বা উদ্ধৃতি দেওয়ার সময় এই শর্টকাট ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: সাধারণ লেখার মাঝে বিশেষ অংশ চিহ্নিত করার জন্য এই কমান্ড অত্যন্ত কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + B — এই শর্টকাটটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা মোটা বা বোল্ড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, বাঁকা করার জন্য নয়। B) Alt + I — এটি কোনো ডিফল্ট বা সাধারণ টেক্সট ফরম্যাটিং শর্টকাট নয় এবং এর মাধ্যমে ইটালিক করা যায় না। C) Alt + B — এই কম্বিনেশনটি ওয়ার্ডের ডিফল্ট কোনো ফরম্যাটিং কমান্ডের জন্য নির্ধারিত নয়। D) Ctrl + I — এটি সঠিক কারণ এটি ডকুমেন্ট এডিটিংয়ের সময় টেক্সট বাঁকা বা ইটালিক করার স্ট্যান্ডার্ড শর্টকাট। ৫. মনে রাখার টিপস: ইটালিক শব্দের প্রথম অক্ষর আই দিয়ে শুরু হয়, তাই কন্ট্রোল এর সাথে আই চাপলে লেখা বাঁকা বা ইটালিক হয়। বোল্ড করার জন্য বি এবং আন্ডারলাইন করার জন্য ইউ ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও আইসিটি পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন কিবোর্ড শর্টকাট যেমন কন্ট্রোল প্লাস বি, কন্ট্রোল প্লাস আই এবং কন্ট্রোল প্লাস ইউ এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। প্রয়োজনীয় ফরম্যাটিং কমান্ডগুলো মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দ্রুত দেওয়া সম্ভব।
a পাতার সংখ্যা কমে যায়
b ফাইলের সাইজ কমে যায়
c পাতার সংখ্যা বেড়ে যায়
d ফাইলের সাইজ বেড়ে যায়
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফাইলের সাইজ কমে যায় ১. কেন সঠিক: PDF ফাইলকে কম্প্রেস করলে এর ভেতরের ডেটা বা উপাদানগুলো যেমন ছবি, ফন্ট ও অন্যান্য টেক্সট অপ্টিমাইজ বা সংকুচিত করা হয়। এর ফলে ফাইলটির ধারণক্ষমতা বা আকৃতি কমে যায়, যা খুব সহজে ই-মেইল বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফাইল কম্প্রেশন হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো ফাইলের আকার বা সাইজ ছোট করা হয় গুণগত মান বজায় রেখে বা সামান্য কমিয়ে। কার্যপদ্ধতি: এটি ফাইলের ভেতরের রিডানডেন্সি বা অতিরিক্ত ডেটা বাদ দিয়ে বা এনকোডিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ডেটাকে ছোট আকারে সংরক্ষণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৫ মেগাবাইটের একটি স্ক্যান করা পিডিএফ ফাইলকে কম্প্রেস করে ১ মেগাবাইটে নামিয়ে আনা। ব্যাখ্যা: ফাইলের ভেତরের অতিরিক্ত রেজুলেশন বা ডেটা কমিয়ে এর সাইজ ছোট করা হয়েছে যাতে তা সহজেই আপলোড করা যায়। উদাহরণ ২: ই-মেইলে পাঠানোর সময় বড় সাইজের পিডিএফ ফাইলকে জিপ বা কম্প্রেস ফরম্যাটে রূপান্তর করা। ব্যাখ্যা: বড় ফাইল একসাথে যুক্ত করার সীমাবদ্ধতা দূর করতে এটি কম্প্রেস করে ছোট করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাতার সংখ্যা কমে যায় — ফাইল কম্প্রেস করলে শুধু সাইজ কমে, ডকুমেন্টের ভেতরের পাতার সংখ্যা বা বিষয়বস্তু অপরিবর্তিত থাকে। B) ফাইলের সাইজ কমে যায় — এটি সঠিক কারণ কম্প্রেশন প্রযুক্তির মূল কাজই ফাইলের আকার বা সাইজ ছোট করা। C) পাতার সংখ্যা বেড়ে যায় — ফাইল কম্প্রেস করার কারণে পাতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) ফাইলের সাইজ বেড়ে যায় — সাইজ বেড়ে যাওয়া এক্সপান্ড বা আনকম্প্রেস প্রক্রিয়ার কাজ, কম্প্রেশনের কাজ এর বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্প্রেস শব্দটির অর্থ সংকুচিত করা বা ছোট করা। তাই পিডিএফ ফাইল কম্প্রেস করলে ফাইলের সাইজ সবসময় ছোট বা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্প্রেস করা ফাইল আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে আনকম্প্রেস বা এক্সট্রাক্ট বলা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা সাইজ হ্রাস এবং ফাইল ফরম্যাট সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a প্রশাসক
b পাবলিক প্রসিকিউটর
c প্রাইভেট প্রসিকিউটর
d বিচারক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাবলিক প্রসিকিউটর ১. কেন সঠিক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনালে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে গণ্য হন। আইনগত বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষে যেকোনো বিশেষ আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য সরকার কর্তৃক আইনজীবী নিয়োগ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: পাবলিক প্রসিকিউটর হলেন সরকারের মনোনীত আইনজীবী যিনি আদালতের মাধ্যমে রাষ্ট্রে সংঘটিত অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন। কার্যপদ্ধতি: তিনি সাইবার ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনি যুক্তি তুলে ধরে বিচার কাজে সরকারকে সহায়তা করেন। ব্যবহার: সাইবার অপরাধ যেমন হ্যাকিং, পর্নোগ্রাফি বা তথ্য ভাণ্ডার ধ্বংসের মতো অপরাধ দমনে ট্রাইব্যুনালে এই আইনি পদ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফৌজদারি আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। ব্যাখ্যা: যেভাবে একজন পাবলিক প্রসিকিউটর সাধারণ ফৌজদারি আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, ঠিক তেমনি সাইবার ট্রাইব্যুনালেও তিনি সরকারের পক্ষে আইনি লড়াই করেন। উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী। ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর আওতায় যেমন বিশেষ সংস্থার পক্ষে আইনজীবী মামলা পরিচালনা করেন, সাইবার ট্রাইব্যুনালেও প্রসিকিউটর একই ভূমিকা পালন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশাসক — প্রশাসক বলতে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালনাকারী ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য নির্ধারিত আইনি পদ নন। B) পাবলিক প্রসিকিউটর — এটি সঠিক উত্তর। C) প্রাইভেট প্রসিকিউটর — কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে মামলা পরিচালনা করলে তাকে বোঝায়, যা সরকারি সাইবার ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) বিচারক — বিচারক হলেন বিচারালয়ের সেই ব্যক্তি যিনি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে রায় প্রদান করেন, মামলা পরিচালনা করা তাঁর কাজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আদালতে সরকারের পক্ষে মামলা লড়েন যিনি, তাঁর নাম পাবলিক প্রসিকিউটর। মনে রাখতে হবে যে সরকার মানেই পাবলিক এবং মামলা পরিচালনা মানে প্রসিকিউশন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন প্রণয়ন করা হয় ২০০৬ সালে। সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত মামলা বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান এই আইনে রয়েছে।
a Sorting
b Back Packing
c Stacking
d Filtering
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sorting ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার সায়েন্স এবং ডেটা স্ট্রাকচারের ভাষায়, ডেটা বা উপাত্তকে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সুনির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলা হয়। এটি হতে পারে ছোট থেকে বড় (Ascending) অথবা বড় থেকে ছোট (Descending)। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মেমোরি বা ডেটাবেজে সংরক্ষিত রেকর্ডগুলোকে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে ক্রমানুসারে বিন্যস্ত করাই হলো সর্টিং। কার্যপদ্ধতি: অ্যালগরিদমের সাহায্যে কম্পিউটার ডেটাগুলোর তুলনামূলক মান যাচাই করে স্থান পরিবর্তন করে। ব্যবহার: টেলিফোন ডিরেক্টরিতে নাম খোঁজা বা পরীক্ষার ফলাফলের মেধাক্রম তৈরি করতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসের রোল নম্বর অনুসারে শিক্ষার্থীদের নাম সাজানো। ব্যাখ্যা: শিক্ষক যখন রোল এক থেকে শেষ পর্যন্ত খাতা সাজান, তখন তা একটি নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে সর্ট করা হয়। উদাহরণ ২: অনলাইন শপিং সাইটে দামের কম থেকে বেশি বা বেশি থেকে কম অনুযায়ী পণ্য দেখা। ব্যাখ্যা: ক্রেতার সুবিধার্থে বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ডেটাবেজ থেকে ডেটা সর্ট করে পর্দায় প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sorting — এটি ডেটা নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর সঠিক প্রক্রিয়া হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) Back Packing — এটি ডেটা অর্গানাইজেশনের কোনো টার্ম নয়, বরং এটি কম্পিউটার সায়েন্সের একটি অপটিমাইজেশন সমস্যা (Knapsack Problem) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Stacking — স্ট্যাকিং হলো একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে সবশেষ ডেটা সবার আগে বের হয় (LIFO পদ্ধতি), যা সর্টিংয়ের কাজ করে না। D) Filtering — ফিল্টারিং হলো নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ডেটা খুঁজে বের করা এবং বাকি ডেটা বাদ দেওয়া, সাজানো নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সর্ট (Sort) শব্দের অর্থ সাজানো, তাই ডেটা সাজানোর প্রশ্ন এলেই সর্টিং উত্তর হবে। ফিল্টার (Filter) মানে চালনি বা বাছাই করা, যা ক্রমানুসারে সাজানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সায়েন্সে জনপ্রিয় কিছু সর্টিং অ্যালগরিদম হলো বাবল সর্ট, মার্জ সর্ট এবং কুইক সর্ট। ডেটা প্রসেসিংয়ের গতি বাড়াতে সর্টিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।
a Chat GPT
b Gemini
c Bing
d Grok
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bing ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি ভুল ছিল কারণ Bing একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, যা মাইক্রোসফট পরিচালনা করে থাকে। প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়, কিন্তু অপশন সি এর Bing একটি পূর্ণাঙ্গ সার্চ ইঞ্জিন হওয়ায় সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হবে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার কাজে ব্যবহার করা হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করলে, এটি ডেটাবাস থেকে ওয়েব পেজ স্ক্যান করে প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল সার্চ (Google Search) ব্যাখ্যা: এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত একটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন। উদাহরণ ২: ইয়াহু সার্চ (Yahoo Search) ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রথাগত সার্চ ইঞ্জিন যা ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য ও ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Chat GPT — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট বা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল। B) Gemini — এটি গুগল কর্তৃক তৈরিকৃত একটি জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল, সার্চ ইঞ্জিন নয়। C) Bing — এটি মাইক্রোসফটের একটি শক্তিশালী সার্চ ইঞ্জিন, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম বা সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) Grok — এটি এক্স (পূর্বের টুইটার) প্ল্যাটফর্মের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট, যা সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: গুগল, বিং এবং ইয়াহু হলো ঐতিহ্যবাহী সার্চ ইঞ্জিন। চ্যাট জিপিটি, জেমিনি এবং গ্রক হলো এআই চ্যাটবট। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সার্চ ইঞ্জিন এবং এআই চ্যাটবটের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম বিং এবং গুগলের এআই মডেলের নাম জেমিনি।
a Google Classroom
b Google Forms
c Google Sheets
d Google Docs
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Google Forms ১. কেন সঠিক: অনলাইন জরিপ বা সার্ভে তৈরি এবং তা থেকে সহজেই তথ্য সংগ্রহের জন্য গুগল ফর্ম অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ক্লাউড ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন। এর মাধ্যমে খুব কম সময়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি করে লিংক শেয়ারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: গুগল ফর্ম হলো গুগল ড্রাইভের সঙ্গে সংযুক্ত একটি অনলাইন ভিত্তিক জরিপ তৈরির টুল। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন সাজিয়ে একটি ফর্ম তৈরি করেন এবং তা ইন্টারনেটের মাধ্যমে উত্তরদাতাদের কাছে পাঠান। ব্যবহার: মতামত জরিপ গ্রহণ, কুইজ বা পরীক্ষা নেওয়া এবং রেজিস্ট্রেশন ফরম তৈরি করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট কি না তা জানতে একটি অনলাইন মতামত জরিপ তৈরি করা। ব্যাখ্যা: গুগল ফর্ম ব্যবহার করে প্রশ্ন তৈরি করে কর্মীদের ইমেইলে লিংক পাঠানো হলে তারা সহজেই মতামত জমা দিতে পারেন। উদাহরণ ২: একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের নাম রেজিস্ট্রেশন করা। ব্যাখ্যা: গুগল ফর্মের মাধ্যমে নির্দিষ্ট তথ্য যেমন নাম, রোল ও ইভেন্টের নাম সংগ্রহ করে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগলে সংরক্ষণ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google Classroom — এটি একটি অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম যার মাধ্যমে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট ও পাঠদান পরিচালনা করেন, জরিপ তৈরির কাজে এটি ব্যবহৃত হয় না। B) Google Forms — এই অপশনটি সঠিক এবং অনলাইন জরিপ ও তথ্য সংগ্রহের জন্য এটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। C) Google Sheets — এটি একটি স্প্রেডশিট বা ডেটা প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন, যা হিসাব-নিকাশ ও ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, সরাসরি জরিপ তৈরি করে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যম নয়। D) Google Docs — এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা মূলত ডকুমেন্ট বা প্রতিবেদন লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়, অনলাইন জরিপ পরিচালনার জন্য এটি উপযুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গুগল ফর্ম মানেই ফরম পূরণ করা বা জরিপ চালানো। ফর্ম শব্দটির সঙ্গেই জরিপ বা তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি সরাসরি জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গুগল ডাইভের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কাজ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গুগল ফর্ম ডেটা কালেকশন এবং গুগল শিট ডেটা অ্যানালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
a Video Graphics Area
b Video Graphic Area
c Video Graphics Array
d Video Graphics Access
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Video Graphics Array ১. কেন সঠিক: - VGA এর পূর্ণরূপ হলো Video Graphics Array, যা কম্পিউটার থেকে মনিটরে অ্যানালগ ভিডিও সিগন্যাল প্রেরণের একটি বিশ্বজনীন স্ট্যান্ডার্ড। - ১৯৮৭ সালে আইবিএম কোম্পানি প্রথম এই ডিসপ্লে স্ট্যান্ডার্ড প্রবর্তন করে এবং দীর্ঘ সময় এটি ভিডিও প্রদর্শনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: VGA হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার স্ট্যান্ডার্ড যা ডিজিটাল কম্পিউটার ডেটাকে মনিটরে দৃশ্যমান রঙিন গ্রাফিক্সে রূপান্তর করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি গ্রাফিক্স কার্ড থেকে অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মাধ্যমে পিক্সেল হিসেবে তথ্য মনিটরে প্রেরণ করে। - ব্যবহার: পুরোনো কম্পিউটার, প্রজেক্টর এবং কিছু সাধারণ মনিটরের সঙ্গে সিপিইউ যুক্ত করতে এই পিনযুক্ত পোর্ট ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুরোনো অফিসিয়াল কম্পিউটার ও সিআরটি মনিটরের সংযোগ। ব্যাখ্যা: পুরোনো ডেস্কটপ কম্পিউটারগুলোতে সিপিইউ থেকে মনিটরে ছবি পাঠানোর একমাত্র মাধ্যম ছিল এই ভিজিএ ক্যাবল। উদাহরণ ২: মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে প্রেজেন্টেশন প্রদর্শন। ব্যাখ্যা: অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে প্রজেক্টরে ছবি বা স্লাইড দেখানোর জন্য এই স্ট্যান্ডার্ড পোর্ট ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Video Graphics Area — 'Area' শব্দটি কোনো ডিসপ্লে স্ট্যান্ডার্ডের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক বা প্রমিত নয়। B) Video Graphic Area — এখানে 'Graphic' একবচনে রয়েছে এবং 'Area' শব্দটি প্রযুক্তিগত নামের সঙ্গে অসংগত। D) Video Graphics Access — 'Access' শব্দটি ডেটা বা ফাইলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো ভিডিও স্ট্যান্ডার্ডের ক্ষেত্রে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভিজিএ এর পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো শেষের শব্দটি হলো অ্যারে বা এরে। - সংক্ষিপ্ত রূপ ভিজিএ এর ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স বহুবচন এবং এরে শব্দটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ১৯৮৭ সালে আইবিএম পিএস/টু কম্পিউটারের সঙ্গে প্রথম এই প্রযুক্তি বাজারে আসে। - বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তিতে ভিজিএ এর পরিবর্তে এইচডিএমআই এবং ডিসপ্লে পোর্ট বহুল ব্যবহৃত হয়।
a Twitter
b Facebook
c You tube
d Instagram
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Twitter ১. কেন সঠিক: স্বল্প দৈর্ঘ্যের টেক্সট ব্লগিং বা মাইক্রোব্লগিং করার জন্য বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে পরিচিত মাধ্যম হলো টুইটার। এখানে ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট অক্ষরের সীমার মধ্যে তাদের মতামত, খবর বা চিন্তা খুব দ্রুত প্রকাশ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাইক্রোব্লগিং হলো ব্লগিংয়ের একটি রূপ যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট আকারের কন্টেন্ট যেমন টেক্সট, ছবি বা লিংক প্রকাশ করতে পারেন। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীরা তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে ছোট বার্তা বা পোস্ট প্রকাশ করেন যা ফলোয়াররা দেখতে ও রিটুইট করতে পারেন। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো দ্রুত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং সীমিত অক্ষরের মধ্যে মনের ভাব প্রকাশ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রেকিং নিউজ ব্যাখ্যা: সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমগুলো জরুরি ও সাম্প্রতিক খবর মুহূর্তের মধ্যে প্রচার করতে টুইটার ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: মতামত প্রকাশ ব্যাখ্যা: সাধারণ ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাদের সংক্ষিপ্ত মতামত বা ঘোষণা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Twitter — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মাইক্রোব্লগিং বা স্বল্প দৈর্ঘ্যের টেক্সট প্রকাশের জন্য তৈরি। B) Facebook — এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেখানে বড় আকারের পোস্ট, ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা যায়। C) You tube — এটি মূলত একটি ভিডিও শেয়ারিং এবং স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, টেক্সট ব্লগিংয়ের জন্য নয়। D) Instagram — এটি ছবি এবং ছোট ভিডিও শেয়ার করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি ভিজ্যুয়াল সোশ্যাল মিডিয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: টুইটার শব্দের অর্থ পাখির কিচিরমিচির, যার মাধ্যমে ছোট ছোট বার্তা বোঝায়। মাইক্রোব্লগিং বললেই টুইটারের নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি এবং এর লোগোতে একটি পাখির ছবি থাকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ধরন নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (10)

a দ্বন্দ্ব
b কর্মধারয়
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিরই নিজস্ব অর্থের প্রাধান্য থাকে না, বরং সম্পূর্ণ নতুন বা অন্য কোনো তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - সমাসবদ্ধ পদটি সাধারণত একটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে এবং অন্য কোনো পদকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি শব্দের অর্থ বহুব্রীহি বা অনেক ধান যার, যা একটি সমাসের নাম এবং উদাহরণ উভয়ই। - এই সমাসে ব্যাসবাক্যের বাইরে নতুন পদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত ব্যাসবাক্যে যার, যাতে, যাতীয় ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীণাপাণি (বীণা পাণিতে যার) ব্যাখ্যা: এখানে বীণা বা পানি কোনো পদের অর্থ প্রধান না বুঝিয়ে দেবী সরস্বতীকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আয়তলোচনা (আয়ত লোচন যার) ব্যাখ্যা: এখানে আয়ত বা লোচন আলাদাভাবে না বুঝিয়ে সুন্দর চোখবিশিষ্ট কোনো নারীকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়। D) বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে অন্য পদ প্রধান অর্থাৎ পূর্বপদ বা পরপদ কাউকে না বুঝিয়ে তৃতীয় কাউকে বোঝাবে। - ব্যাসবাক্যের শেষে সাধারণত যার বা যাতে শব্দ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বহুব্রীহি সমাস মূলত বিশেষণ পদ গঠন করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত সমাসের নাম এবং ব্যাসবাক্য নির্ণয় করতে বেশি দেওয়া হয়।
a মৌলিক শব্দ
b রূঢ়/ রূঢ়ি শব্দ
c যৌগিক শব্দ
d যোগরূঢ় শব্দ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক শব্দ ১. কেন সঠিক: যৌগিক শব্দের ক্ষেত্রে ব্যুৎপত্তিগত অর্থ অর্থাৎ গঠনগত অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ একই হয়ে থাকে। এ ধরনের শব্দে প্রত্যয় বা সমাস সাধিত হয়ে যে অর্থের প্রকাশ ঘটায়, তার ব্যবহারিক জীবন বা প্রচলিত অর্থ তার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠন বা অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে মৌলিক, সাধিত এবং উৎসের দিক থেকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ক ব্যাখ্যা: গৈ যোগ অক সমান গায়ক, যার ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ গান করে যে, একই। উদাহরণ ২: মর্ত্য ব্যাখ্যা: মৃত যোগ য সমান মর্ত্য, যার ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ যা মরণশীল বা পৃথিবী, একই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক শব্দ — মৌলিক শব্দ হলো যা ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এর সঙ্গে কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত থাকে না। B) রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ — রূঢ় শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে ব্যবহারিক অর্থের কোনো মিল থাকে না এবং এটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। C) যৌগিক শব্দ — এটি সঠিক অপশন এবং এর ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। D) যোগরূঢ় শব্দ — যোগরূঢ় শব্দের ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ পদের মধ্য দিয়ে সমাসমান পদগুলোর অনুগামী অর্থ প্রকাশ না পেয়ে একটি বিশেষ বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ পায়। ৫ মনে রাখার টিপস: যৌগিক শব্দের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে যোগ অর্থ এক করা এবং এখানে শব্দের প্রকৃত অর্থ ও কাজের অর্থ এক থাকে। রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দের ক্ষেত্রে রীত বা প্রথা মনে রাখবে যা প্রথার বশে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থের মিল ও অমিল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় সাধারণত সন্দেশ, গবেষণা, হস্তী, বাশী ইত্যাদি শব্দ কোন শ্রেণির তা জানতে চাওয়া হয়।
a একাদশ
b সদুপায়
c বাগদান
d পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একাদশ কেন সঠিক: - একাদশ শব্দটির গঠন সাধারণ কোনো সন্ধির নিয়মের অধীনে পড়ে না। - এটি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম ভেঙে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যোগ বা বিয়োগের সাধারণ নিয়ম না মেনে যে সন্ধি গঠিত হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। - একাদশ শব্দটি ব্যাকরণের কোনো সাধারণ নিয়ম মেনে চলে না। - এর সঠিক ভাঙন বা বিচ্ছেদ হলো চিত + দশ বা এক + দশ, যা নিপাতনে সিদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) একাদশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কোনো বিকল্প ধরা হলো না। - B) সদুপায় — এটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত, যেমন সৎ + উপায়। - C) বাগদান — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত, যেমন বাক + দান। - D) পরিচ্ছেদ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত, যেমন পরি + ছেদ। মনে রাখার টিপস: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো ব্যতিক্রম হিসেবে আলাদা করে মুখস্থ করতে হয়। - একাদশ, ষোড়শ, পরস্পর, বৃহস্পতি, গোষ্পদ ইত্যাদি হলো নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির জনপ্রিয় কিছু উদাহরণ।
a বুদ্ধিজীবী
b ন্যূনতম
c সচল
d আকাঙ্ক্ষা
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ন্যূনতম ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নে 'ন্যূনতম' বানানটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধ রূপ হলো 'নূ্যনতম', যেখানে ন এর নিচে হসন্ত এবং জ ফলা বা উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক প্রমিত নিয়ম মানা হয়নি। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী নু-নতম বা ন্যূনতম বানানটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি, সঠিক বানান হলো ন্যূ্যনতম বা নূ্যনতম নয় বরং নু্যনতম। (এখানে লক্ষ্যণীয় যে, শুদ্ধ বানান হলো ন্যূনতম-এর পরিবর্তে ন্যূন + তমস = ন্যূনতম, যা দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে লেখা হয়)। প্রদত্ত প্রশ্নে ন্যূনতম বানানটি আসলে শুদ্ধ রূপ হিসেবেই অনেক সময় ধরা হয়, কিন্তু যদি এটি অশুদ্ধ ধরা হয় তবে এর গঠন বিশ্লেষণ করতে হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ বানান বা বাক্যশুদ্ধি সম্পর্কিত ব্যাকরণ প্রশ্ন। বাংলা বানানের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী পদাশ্রিত নির্দেশক, সন্ধি এবং প্রত্যয়যুক্ত শব্দে দীর্ঘ স্বরধ্বনি বা হ্রস্ব স্বরধ্বনি ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত শুদ্ধ বানান যেখানে দন্ত ন-এর ব্যবহার হয়। উদাহরণ ২: মনঃকষ্ট ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি সঠিক ও প্রমিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধিজীবী — এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এতে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। C) সচল — এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এটি একটি সাধারণ শব্দ। D) আকাঙ্ক্ষা — এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এতে ক-এর সঙ্গে ষ ও ষ্ণ-এর সঠিক প্রয়োগ রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বানান মনে রাখার জন্য প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম বই নিয়মিত চর্চা করতে হবে। সন্ধি বিচ্ছেদ ও প্রত্যয় ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বানানের ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
a দুই প্রকার
b তিন প্রকার
c চার প্রকার
d পাঁচ প্রকার
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুই প্রকার ১. কেন সঠিক: ভাব প্রকাশের দিক থেকে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে ক্রিয়াপদকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় এবং শ্রোতার মনে আর কোনো কৌতূহল থাকে না, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে এবং যে ক্রিয়াপদ দ্বারা মনের ভাব অসম্পূর্ণ থাকে, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ক্রিয়াপদ বা কাজের নাম। বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশের ক্ষেত্রে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়ার পারস্পরিক মেলবন্ধন অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খাব। ব্যাখ্যা: এখানে খাব হলো সমাপিকা ক্রিয়া কারণ এটি দ্বারা বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয়েছে। উদাহরণ ২: আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব। ব্যাখ্যা: এখানে খেয়ে হলো অসমাপিকা ক্রিয়া কারণ এটি একা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাব প্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া সমাপিকা ও অসমাপিকা এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) তিন প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ ভাব প্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া কখনো তিন প্রকার হয় না। C) চার প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ চতুর্বিধ শ্রেণীবিভাগ ভাব প্রকাশের দিক থেকে প্রযোজ্য নয়। D) পাঁচ প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্রিয়ার ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাব প্রকাশ মানে মনের ভাব শেষ করা বা অসম্পূর্ণ রাখা। শেষ হলে সমাপিকা আর অসম্পূর্ণ থাকলে অসমাপিকা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ প্রকরণ থেকে প্রশ্ন আসে। ক্রিয়ার প্রকারভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে ব্যাকরণের বহু নির্বাচনী প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ইচ্ছাসূচক
b প্রার্থনা সূচক
c আবেগ সূচক
d অনুজ্ঞা সূচক
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইচ্ছাসূচক কেন সঠিক: - এই বাক্যের মাধ্যমে বক্তার মনের সুপ্ত ইচ্ছা বা আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। - কোনো শর্ত বা ভাবনার প্রকাশ থাকলে এবং তা ইচ্ছার সাথে মিলে গেলে তা ইচ্ছাসূচক বাক্য হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে বক্তার ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা বা মনের বাসনা প্রকাশ পায় তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য বলে। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় গানের কলি যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান বা কবিতার ভাবকে নির্দেশ করে। - যেমন: তোমার মঙ্গল হোক, অথবা এমনি করেই দিন যেন কেটে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ইচ্ছাসূচক — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - B) প্রার্থনা সূচক — ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার কাছে কোনো কিছু চাওয়া বোঝালে প্রার্থনা সূচক হয়, যা এখানে নেই। - C) আবেগ সূচক — মনের আকস্মিক আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করলে আবেগ সূচক বাক্য হয়। - D) অনুজ্ঞা সূচক — আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝালে অনুজ্ঞা সূচক বাক্য হয়। মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যদি কোনো কিছু পাওয়ার বা ঘটার ইচ্ছা বা কামনা প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a ধেনু
b অলক
c পাথর
d বিধু
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাথর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক। অশ্ব শব্দের অর্থ যেমন ঘোড়া, তেমনই অশ্বা শব্দের একটি বিশেষ অর্থ হলো পাথর। - বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ রয়েছে যা দেখতে প্রায় এক রকম হলেও বিশেষ অভিধানে তাদের ভিন্ন ও সুনির্দিষ্ট অর্থ পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা শব্দভান্ডারে কিছু তৎসম ও বিশেষ শব্দ রয়েছে যার বহুঅর্থকতা বা ভিন্নরূপী অর্থ লক্ষ করা যায়। - এই ধরনের শব্দ মূলত শব্দার্থ ও অভিধান জ্ঞানের আওতাভুক্ত, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ভিন্নার্থক প্রয়োগ যাচাইয়ের জন্য আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অশ্ব ডিম্ব ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব বস্তু বা যা কখনো ঘটে না। উদাহরণ ২: অশ্ব খুর ব্যাখ্যা: এর অর্থ ঘোড়ার পায়ের খুর, যা দিয়ে অশ্বের গতি নির্ধারণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধেনু — ধেনু শব্দের অর্থ গাভী বা ধেনু হলো পশুর নাম, যা অশ্বা শব্দের অর্থ নির্দেশ করে না। B) অলক — অলক শব্দের অর্থ চুলের গুচ্ছ বা কেশ, যা অশ্বা শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) পাথর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই সঠিক অর্থ বহন করে। D) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ, যা অশ্বা শব্দের অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অশ্ব মানে ঘোড়া আর অশ্বা শুনলে ঘোড়ার স্ত্রীবাচক মনে হতে পারে, কিন্তু অভিধান মতে এর অর্থ পাথর। - ব্যতিক্রমী শব্দার্থগুলো মনে রাখতে নিয়মিত শব্দার্থ চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রচলিত শব্দের পাশাপাশি এমন অপ্রচলিত ও ব্যতিক্রমী অর্থপূর্ণ শব্দ থেকেও প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নিয়ে এ ধরনের শব্দের অর্থ মনে রাখা উচিত।
a অধ্যাদেশ
b অবমাননা
c জরুরি অবস্থা
d অভিশংসন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অভিশংসন কেন সঠিক: - Impeachment শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে সংবিধানে অভিশংসন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - রাষ্ট্রপ্রধান বা উচ্চপদস্থ কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে অপসারণের আইনি প্রক্রিয়াকে অভিশংসন বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি প্রশাসনিক ও আইনগত পরিভাষা যা ইংরেজি শব্দ থেকে বাংলায় রূপান্তর করা হয়েছে। - আইনের শাসন বজায় রাখতে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে এই পরিভাষাটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। - যেমন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে এই প্রক্রিয়া প্রয়োগ করার বিধান আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অধ্যাদেশ — এটি Ordinance শব্দের সঠিক পরিভাষা, যা আইনসভা বন্ধ থাকা অবস্থায় জারি করা হয়। - B) অবমাননা — এটি Contempt শব্দের পরিভাষা, যা মূলত আদালত বা আইন অমান্য করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। - C) জরুরি অবস্থা — এটি Emergency শব্দের পরিভাষা, যা বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ঘোষণা করা হয়। - D) অভিশংসন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজিতে Impeachment শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিচার বা অপসারণ সম্পর্কিত বিষয়, যার বাংলা অভিশংসন।
a প্রজ্ঞাপন
b আদেশ
c নোটিশ
d প্রেসনোট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রেসনোট ১. কেন সঠিক: তথ্য অধিদপ্তর বা প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্টের সাথে পরামর্শক্রমে এবং তাদের মাধ্যমেই মূলত প্রেসনোট বা সরকারি বার্তা জারি করা হয়। রাষ্ট্রীয় বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, ব্যাখ্যা বা নীতিমালা গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য প্রেসনোট ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত বাংলা ভাষার পারিভাষিক শব্দ এবং প্রশাসনিক শব্দাবলি সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সরকারি চিঠিপত্র, প্রজ্ঞাপন, আদেশ এবং প্রেসনোটের কার্যপরিধি এবং জারির প্রক্রিয়া ভিন্ন হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করে গণমাধ্যমে প্রেসনোট পাঠানো হয়। ব্যাখ্যা: এটি জনস্বার্থে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার একটি আনুষ্ঠানিক মাধ্যম। উদাহরণ ২: কোনো বিশেষ জরুরি পরিস্থিতিতে তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রেসনোট জারি করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে ভুল তথ্য বা গুজব প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্ঞাপন — প্রজ্ঞাপন হলো সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ যা গেজেটে প্রকাশিত হয় এবং এটি তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে এককভাবে জারি হয় না। B) আদেশ — আদেশ হলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো নির্দেশ যা নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। C) নোটিশ — নোটিশ সাধারণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয় যা প্রেসনোটের মতো রাষ্ট্রীয় বা নীতিগত গুরুত্ব বহন করে না। D) প্রেসনোট — সঠিক উত্তর কারণ এটি তথ্য অধিদপ্তরের সাথে পরামর্শক্রমে ও তার মাধ্যমে জারি করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সরকারের প্রেস বা গণমাধ্যম সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বার্তা মানেই হলো প্রেসনোট যা তথ্য অধিদপ্তর থেকে আসে। মনে রাখবে প্রেস মানে গণমাধ্যম আর প্রেসনোট মানে গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য সরকারি বার্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক পরিভাষা থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কার্যাবলি ও তাদের প্রকাশিত প্রামাণ্য দলিল সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
a পাঁচটি
b ছয়টি
c সাতটি
d আটটি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আটটি ১. কেন সঠিক: সরকারি পত্রে বা চিঠিপত্রে মোট আটটি মূল বিষয়ের উল্লেখ থাকতে হয়, যা দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আটটি অংশ বা বিষয় হলো স্মারক নম্বর, তারিখ, প্রাপকের ঠিকানা, বিষয়, সূত্র, মূল বক্তব্য, নির্দেশ বা আদেশ এবং স্বাক্ষর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সরকারি পত্র বা দাপ্তরিক চিঠি লেখার নির্দিষ্ট কিছু প্রমিত নিয়ম ও কাঠামো রয়েছে। এই কাঠামোগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ না করলে দাপ্তরিক যোগাযোগ আনুষ্ঠানিক ও আইনগত বৈধতা হারায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি পত্রের শুরুতে স্মারক নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। ব্যাখ্যা: এটি পত্রের উৎস এবং প্রেরণের সঠিক সময় নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: মূল বক্তব্যের নিচে উপযুক্ত স্থানে প্রেরকের স্বাক্ষর ও পদবি থাকে। ব্যাখ্যা: স্বাক্ষর ও পদবি না থাকলে পত্রটি দাপ্তরিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচটি — সরকারি পত্রে পাঁচটির বেশি বিষয় থাকে বিধায় এটি সঠিক নয়। B) ছয়টি — ছয়টি বিষয়ের মধ্যে সরকারি পত্রের সব আবশ্যকীয় অংশ অন্তর্ভুক্ত হয় না। C) সাতটি — সাতটি বিষয়ও সরকারি পত্রের পূর্ণাঙ্গ কাঠামোর জন্য অপর্যাপ্ত। D) আটটি — এটি সরকারি পত্রের সঠিক ও প্রমিত বিষয়ের সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকারি চিঠির আটটি অংশ মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষরগুলো দিয়ে একটি ছোট ছন্দ মনে রাখতে পারো। স্মারক, তারিখ, প্রাপক, বিষয়, সূত্র, মূল বক্তব্য, নির্দেশ ও স্বাক্ষর মিলে মোট আটটি অংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক চিঠিপত্র বা সরকারি পত্রের অংশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সরকারি পত্রে স্মারক নম্বর বাম পাশে এবং তারিখ ডান পাশে বা নিয়ম অনুযায়ী প্রমিত বিন্যাসে লিখতে হয়।

মোট প্রশ্ন (11)

a Expert
b Skill
c Education
d Extension
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Education কেন সঠিক: এখানে প্রথম জোড়ায় Art এবং Culture এর সম্পর্ক হলো সৃষ্টি বা চর্চার মাধ্যমে বৃহত্তর পরিসরে পৌঁছানো। একইভাবে Training এর মূল উদ্দেশ্য হলো Education বা শিক্ষার পূর্ণতা দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Expert — এটি ট্রেনিংয়ের ফলাফল হতে পারে কিন্তু মূল ধারণার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। B) Skill — দক্ষতা ট্রেনিংয়ের একটি অংশ মাত্র, সরাসরি সঠিক রূপান্তর নয়। C) Education — সঠিক উত্তর কারণ এটি ট্রেনিংয়ের বৃহত্তর পরিধিকে বোঝায়। D) Extension — এর সাথে ট্রেনিংয়ের কোনো তাত্ত্বিক বা গভীর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দ দুটির গভীরতা এবং ব্যাপ্তির মিল খুঁজে বের করবে।
a explanatory
b narrative
c argumentative
d descriptive
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) argumentative কেন সঠিক: এই ধরনের প্যাসেজে লেখকের একটি নির্দিষ্ট মতামত বা দাবি থাকে এবং তিনি যুক্তি দিয়ে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। লেখকের মূল উদ্দেশ্য থাকে তথ্য ও প্রমাণের মাধ্যমে পাঠকের চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করা। এখানে পক্ষে বা বিপক্ষে জোরালো যুক্তির উপস্থাপন থাকে। একটি সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠার জন্য এখানে তথ্য তুলে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) explanatory — এটি কোনো বিষয় বা প্রক্রিয়া কেবল ব্যাখ্যা করার জন্য লেখা হয় না, তাই এটি সঠিক নয়। B) narrative — এই প্যাসেজে কোনো গল্প বা ধারাবাহিক ঘটনা বর্ণনা করা হয় না, তাই এটি ভুল। C) argumentative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) descriptive — এখানে কোনো স্থান, বস্তু বা ঘটনার বিস্তারিত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয় না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যে প্যাসেজে লেখকের নির্দিষ্ট মতামত প্রতিষ্ঠার জন্য জোরালো যুক্তি বা তথ্য থাকে, তাকে argumentative প্যাসেজ বলে।
a state is stable if people willingly obey it
b people in class societies risked their lives to defend the state
c in a state dominating class dictates
d there was classless society in primitive times.
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) there was classless society in primitive times. কেন সঠিক: - আদিম সমাজে কোনো শ্রেণিভেদ বা শোষক শ্রেণি ছিল না বলে রচয়িতা এই বিষয়টি বলেননি। - প্রশ্নানুসারে লেখকের বক্তব্যের সাথে এই বিকল্পটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বা এটি লেখক ব্যাতিরেকে প্রকাশ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) state is stable if people willingly obey it — লেখক এই বিষয়টি বলেছেন যে মানুষ স্বেচ্ছায় মান্য করলে রাষ্ট্র স্থিতিশীল হয়। B) people in class societies risked their lives to defend the state — লেখক উল্লেখ করেছেন যে শ্রেণিভিত্তিক সমাজের মানুষ রাষ্ট্র রক্ষার্থে জীবন বাজি রাখে। C) in a state dominating class dictates — লেখক বলেছেন যে রাষ্ট্রে প্রভুত্বকারী শ্রেণি বা শাসকশ্রেণি আধিপত্য বিস্তার করে ও নির্দেশ দেয়। D) there was classless society in primitive times — এটি সঠিক উত্তর কারণ লেখক অনুচ্ছেদে আদিম সমাজের শ্রেণিহীনতার কথা বলেননি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনুধাবনমূলক প্রশ্নে except থাকলেই লেখক যা বলেননি বা ভিন্ন কথা বলেছেন তা খুঁজে বের করতে হবে।
a state's power and function
b state is an instrument of coercion
c Anarchist and Marxist's view of state
d state and individual
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Anarchist and Marxist's view of state কেন সঠিক: - পুরো প্যাসেজটিতে রাষ্ট্র সম্পর্কে নৈরাজ্যবাদী এবং মার্ক্সবাদী দার্শনিকদের দৃষ্টিভঙ্গি ও সমালোচনা আলোচনা করা হয়েছে। - লেখক বিভিন্ন মতবাদের তুলনামূলক বিশ্লেषণের মাধ্যমে এই দুটি দর্শনকে মূল থিম হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) state's power and function — প্যাসেজটি শুধু সাধারণ ক্ষমতার কথা বলেনি, বরং নির্দিষ্ট দুটি মতবাদের দৃষ্টিভঙ্গি ফুটিয়ে তুলেছে। B) state is an instrument of coercion — এটি মার্ক্সবাদী ধারণার একটি অংশ মাত্র, পুরো প্যাসেজের মূল বিষয়বস্তু নয়। C) Anarchist and Marxist's view of state — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্যাসেজের মূল ধারণার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) state and individual — রাষ্ট্র ও ব্যক্তির সম্পর্কের চেয়ে নির্দিষ্ট মতবাদ দুটির ব্যাখ্যাই এখানে প্রধান। মনে রাখার টিপস: প্যাসেজে একাধিক রাজনৈতিক মতবাদের তুলনা থাকলে লেখকের মূল আলোচনার ফোকাস বা দৃষ্টিভঙ্গি খেয়াল করলেই সঠিক শিরোনাম বেছে নেওয়া সহজ হয়।
a endanger
b to tell something
c accuse
d disturb
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) endanger কেন সঠিক: 'Tell upon' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলা বা ক্ষতি করা। এই অর্থের সাথে 'endanger' বা বিপদে ফেলা কথাটি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) endanger — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিপদে ফেলা বা ক্ষতি করা। B) to tell something — এটি এই ইডিওমের আক্ষরিক অর্থ হলেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। C) accuse — এর অর্থ অভিযুক্ত করা, যা ইডিওমটির সাথে মেলে না। D) disturb — এর অর্থ বিরক্ত করা, যা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলানোর সঠিক সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Tell upon' মানে কারো ওপর প্রভাব ফেলে তাকে বিপদে ফেলা বা ক্ষতি করা।
a site
b sight
c side
d cite
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) site কেন সঠিক: এখানে একটি ভবন বা কলেজের ভৌগোলিক অবস্থান বা নির্দিষ্ট জায়গার কথা বলা হয়েছে। ইংরেজি ভাষায় কোনো স্থাপনা বা ভবনের নির্দিষ্ট জমিকেন্দ্রিক অবস্থান বোঝাতে site শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) site — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা জমির অবস্থান। B) sight — এই শব্দটির অর্থ দৃষ্টি বা দৃশ্য, যা কোনো ভবনের ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ নয়। C) side — এর অর্থ পাশ বা দিক, যা কলেজের নামকরণের সাথে এই শূন্যস্থানে মানায় না। D) cite — এই শব্দের অর্থ কোনো তথ্য বা উদ্ধৃতি উল্লেখ করা, যা এখানে পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: ভবন বা প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট জায়গার ক্ষেত্রে বানানটি হবে s-i-t-e এবং চোখের দৃষ্টি বোঝাতে s-i-g-h-t ব্যবহার করতে হয়।
a An introduction
b a short eye-catching headline
c Name of the reporter
d Conclusion
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a short eye-catching headline কেন সঠিক: একটি নিউজ রিপোর্টের জন্য আকর্ষণীয় শিরোনাম অত্যন্ত জরুরি কারণ এটি পাঠকের মনোযোগ immediately আকর্ষণ করে। খবরের মূল বিষয়বস্তু কী তা শিরোনাম দেখেই পাঠক সহজেই বুঝতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An introduction — ভূমিকা রিপোর্টের অংশ হলেও শিরোনামের মতো এটি প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করে না। B) a short eye-catching headline — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Name of the reporter — রিপোর্টারের নাম গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি খবরের মূল আকর্ষণ বা প্রাণ নয়। D) Conclusion — নিউজ রিপোর্টে প্রথাগত কোনো বড় উপসংহার থাকে না, তাই এটি অপরিহার্য নয়। মনে রাখার টিপস: খবরের কাগজ পড়ার সময় খেয়াল রাখবে যে আমরা সবসময় আকর্ষণীয় শিরোনাম দেখেই ভেতরে কী আছে তা পড়তে শুরু করি।
a Gerund
b Participle
c Verbal Noun
d Verb
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Participle কেন সঠিক: - flying শব্দটি noun (bird)-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং একই সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করছে। - Verb যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে Participle বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — Gerund একই সাথে verb ও noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে flying শব্দটি noun-কে মডিফাই করছে তাই এটি gerund নয়। B) Participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Verbal Noun — Verbal Noun হলো এমন একটি word যা verb থেকে গঠিত হয়ে সম্পূর্ণভাবে noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে flying সরাসরি adjective-এর কাজ করছে। D) Verb — Verb বাক্যে কাজের সমাপিকা বা অসমাপিকা রূপ প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে flying সরাসরি প্রধান verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে যখন কোনো ing যুক্ত verb কেমন বা কোন ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়, তখন তা Participle হয়।
a for
b on
c at
d with
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: Pride oneself মানে হলো কোনো কিছু নিয়ে গর্ব করা। এই অর্থ প্রকাশের জন্য সবসময় on প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। বাক্যের ভাব অনুসারে ভদ্রমহিলা তার রূপের জন্য গর্ববোধ করেন বোঝাচ্ছে। এই বিশেষ অর্থ ও ব্যবহারের কারণে on সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — প্রাইড শব্দের সাথে সাধারণ নিয়মে ফর বসে না। B) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) at — রূপের প্রতি গর্ব প্রকাশ করতে অ্যাট বসে না। D) with — রূপের সাথে উইথ প্রিপজিশনটির কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Pride শব্দের পরে সবসময় on প্রিপজিশন বসে।
a lay
b lain
c laid
d lied
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) lay কেন সঠিক: শূন্যস্থানে শায়িত থাকা বা শোয়া অর্থে লাই ভার্বের পাস্ট ফরম প্রয়োজন। এখানে বাক্যটি পাস্ট টেন্সে থাকায় সঠিক উত্তর হবে লে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lay — এটি সঠিক কারণ এটি লাই ভার্বের সঠিক পাস্ট ফর্ম। B) lain — এটি ভুল কারণ এটি পারফেক্ট টেন্সে ব্যবহৃত হয় এবং এর আগে হ্যাভ বা হ্যাড লাগে। C) laid — এটি ভুল কারণ লেড অর্থ ডিম পাড়া বা কোনো কিছু রাখা। D) lied — এটি ভুল কারণ লাইড অর্থ মিথ্যা বলা। মনে রাখার টিপস: শোয়া অর্থে লাই এর পাস্ট ফরম লে এবং রাখা অর্থে লে এর পাস্ট ফরম লেড হয়।
a He asked me if I know him
b He asked me if I know him
c He asked me if I knew him
d He asked me if I had known him
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He asked me if I knew him কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্ব said to থাকলে ইন্টারোগেটিভ বাক্যে তা asked এ পরিবর্তিত হয়। ইনভার্টেড কমা তুলে সংযোগকারী হিসেবে if বসে। রিপোর্টেড স্পিচের প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে রূপান্তরিত হয়। সাবজেক্ট you পরিবর্তন হয়ে object me এর অনুসরণে I হয় এবং me পরিবর্তন হয়ে he এর অনুসরণে him হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He asked me if I know him — এখানে টেন্সের পরিবর্তন করা হয়নি এবং প্রেজেন্ট টেন্স রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) He asked me if I know him — এটি অপশন এ এর হুবহু অনুলিপি এবং ডিরেক্ট স্পিচ থেকে ইনডাইরেক্ট করার সঠিক নিয়ম মানেনি। D) He asked me if I had known him — এখানে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সকে ভুল করে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রূপান্তর করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নریشن পরিবর্তনের সময় ইন্টারোগেটিভ বাক্যে said to এর বদলে asked বসবে এবং প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে তা পাস্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (4)

a 85
b 98
c 99
d 121
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩ ধরি, প্রথম দুটি সংখ্যার পার্থক্য = ৩৩ − ১৯ = ১৪ দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ৫১ − ৩৩ = ১৮ অতএব, তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যার পার্থক্য = ৭৩ − ৫১ = ২২ পার্থক্যগুলোর ব্যবধান হলো ৪ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্যটি হবে ২২ + ৪ = ২৬ উত্তর: ৭৩ + ২৬ = ৯৯
a -6
b 6
c 7
d -7
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x ÷ ২ + ৩ = x ÷ ৩ + ৪ ধরি, চলকগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে আনা হলো অতএব, x ÷ ২ − x ÷ ৩ = ৪ − ৩ সুতরাং, (৩x − ২x) ÷ ৬ = ১ উত্তর: x = ৬
a 40 ডিগ্রি
b 140 ডিগ্রি
c 100 ডিগ্রি
d 180 ডিগ্রি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC-তে AB = AC কোণ B = ৪০° ধরি, কোণ C = কোণ B = ৪০° (যেহেতু সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুর বিপরীত কোণগুলো সমান) কোণ A = অজানা মান অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ A + কোণ B + কোণ C = ১৮০° সুতরাং, কোণ A + ৪০° + ৪০° = ১৮০° কোণ A + ৮০° = ১৮০° উত্তর: কোণ A = ১৮০° − ৮০° = ১০০ ডিগ্রি
a ১৭ কি.মি
b ১৫ কি.মি
c ১৪ কি.মি
d ১৩ কি.মি
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ কি.মি প্রদত্ত তথ্য: লোকটি A স্থান থেকে উত্তর দিকে গেল = ১২ কিমি সেখান থেকে পূর্ব দিকে গেল = ৫ কিমি ধরি, A স্থান থেকে উত্তর দিকের দূরত্ব = লম্ব পূর্ব দিকের দূরত্ব = ভূমি A অবস্থান থেকে শেষ দূরত্বের দূরত্ব = অতিভুজ অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, অতিভুজ স্কয়ার = লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার দ্বিতীয় হিসাব: অতিভুজ স্কয়ার = ১২ স্কয়ার + ৫ স্কয়ার অতিভুজ স্কয়ার = ১৪৪ + ২৫ তৃতীয় হিসাব: অতিভুজ স্কয়ার = ১৬৯ অতিভুজ = √১৬৯ সুতরাং, A অবস্থান থেকে শেষ দূরত্বের পরিমাণ = ১৩ কিমি উত্তর: ১৩ কি.মি

মোট প্রশ্ন (45)

a ৪০ জন
b ৫০ জন
c ৫৫ জন
d ৬০ জন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০ জন কেন সঠিক: - ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কোনো ঐচ্ছিক বিষয় চালু করতে হলে ন্যূনতম ষাটজন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। - শিক্ষার মান রক্ষা এবং অপ্রয়োজনীয় বিষয় খোলা রোধ করতেই এই নির্দিষ্ট শিক্ষার্থী সংখ্যার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ জন — এটি এই নির্দিষ্ট এমপিও নীতিমালার শর্ত অনুযায়ী অপর্যাপ্ত এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক বিষয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ৫০ জন — এই সংখ্যাটি তৎকালীন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ঐচ্ছিক বিষয়ের জন্য নির্ধারিত ছিল না। C) ৫৫ জন — এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা যা ১৯৯৫ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো শ্রেণীতে শিক্ষার্থীর ন্যূনতম মানদণ্ড হিসেবে অনুমোদিত ছিল না। D) ৬০ জন — এটি সঠিক কারণ ১৯৯৫ সালের নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ঐচ্ছিক বিষয় খোলার ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটিই বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: উচ্চ মাধ্যমিকে ঐচ্ছিক বিষয় খোলার নিয়ম মনে রাখতে ষাট (৬০) সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যা উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম অক্ষ উ (ষাট-এর স-এর সাথে মিলিয়ে) মনে রাখতে পারেন।
a ২০০০ টাকা
b ১৫00 টাকা
c ১০০০ টাকা
d ৫০০ টাকা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০০ টাকা কেন সঠিক: - সরকারি ক্রয় বিধিমালা অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ লক্ষ টাকা ক্রয়ের ক্ষেত্রে মূল্যায়ন কমিটির সদস্যপ্রতি সম্মানি ১৫০০ টাকা নির্ধারিত। - সরকারি আর্থিক বিধি ও প্রকিউরমেন্ট নীতিমালা অনুযায়ী এই হার নির্ধারিত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০০ টাকা — এটি ১০ লক্ষ টাকা ক্রয়ের ক্ষেত্রে মূল্যায়ন কমিটির সদস্যপ্রতি নির্ধারিত সম্মানি নয়। B) ১৫০০ টাকা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী প্রযোজ্য। C) ১০০০ টাকা — এটি ১০ লক্ষ টাকা ক্রয়ের ক্ষেত্রে মূল্যায়ন কমিটির সদস্যের সম্মানি হিসেবে কম নির্ধারিত হার। D) ৫০০ টাকা — এটি বর্তমান প্রকিউরমেন্ট বিধি অনুযায়ী এই স্তরের মূল্যায়ন কমিটির সম্মানি নয়। মনে রাখার টিপস: উন্মুক্ত দরপত্রে ১০ লক্ষ টাকার জন্য মূল্যায়ন কমিটির সদস্যপ্রতি সম্মানি হলো পনেরো শ টাকা।
a ২০২২ সালে
b ২০২৩ সালে
c ২০২৪ সালে
d ২০২৫ সালে
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০২২ সালে কেন সঠিক: - পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (PPR) ২০০৮ সালের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সংশোধিত হয়েছে। - সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া সময়োপযোগী ও আধুনিক করার জন্য সর্বশেষ বড় ধরনের সংশোধন আনা হয় ২০২২ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২২ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা সর্বশেষ এই সালেই সংশোধন করা হয়েছে। B) ২০২৩ সালে — এই সালে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালার কোনো সর্বশেষ বা মূল সংশোধন করা হয়নি। C) ২০২৪ সালে — এটি বর্তমান বছরগুলোর একটি হলেও এই সালে বিধিমালা সংক্রান্ত কোনো নতুন সংশোধন কার্যকর হয়নি। D) ২০২৫ সালে — ভবিষ্যৎ সাল হওয়ায় এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও অবাস্তব। মনে রাখার টিপস: পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা বা PPR সর্বশেষ সংশোধিত হয় ২০২২ সালে, যেখানে দুই এবং দুই জোড়া মিলে এই সালটি গঠিত।
a শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান
b কোচিং সেন্টারের সংখ্যা কমানো
c প্রতিষ্ঠানে কোচিং করানো
d অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান কেন সঠিক: - শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত শিক্ষা পেলে অতিরিক্ত কোচিংয়ের প্রয়োজন অনুভব করে না। - শিক্ষকদের পাঠদান কার্যকর হলে কোচিং বাণিজ্যের মূল কারণ বা চাহিদা নিজেই দূর হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানসম্মত পাঠদান শিক্ষার্থীদের কোচিংমুখী হওয়া থেকে বিরত রাখে। B) কোচিং সেন্টারের সংখ্যা কমানো — এটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ, যা কোচিং বাণিজ্য বন্ধের স্থায়ী বা মূল সমাধান নয়। C) প্রতিষ্ঠানে কোচিং করানো — শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোচিং বা বৈধ উপায়ে বাণিজ্য চালু রাখলে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং সমস্যার সমাধান হয় না। D) অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি — অভিভাবকরা সচেতন হলেও শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনার মান খারাপ থাকলে তারা বাধ্য হয়েই বিকল্প খুঁজবেন। মনে রাখার টিপস: শ্রেণيكক্ষে পড়াশোনা ভালো হলে কোচিংয়ের পেছনে ছোটার প্রবণতা এমনিতেই কমে যায়।
a প্রতিষ্ঠানের ধরন
b প্রতিষ্ঠানের অবস্থান
c প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের সংখ্যা
d প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর সংখ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিষ্ঠানের অবস্থান কেন সঠিক: - মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ভৌগোলিক অবস্থান, উপজেলা বা জেলার প্রশাসনিক কোড অনুসরণ করে এমআইএস বা কোড প্রদান করে থাকে। - প্রতিষ্ঠানের অবস্থানভিত্তিক বিন্যাস কোড তৈরির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিকতা রক্ষা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠানের ধরন — প্রতিষ্ঠানের ধরন বা স্তর যেমন নিম্ন মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক নির্দেশ করলেও কোডের মূল ভিত্তি হিসেবে অবস্থানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। B) প্রতিষ্ঠানের অবস্থান — এটি সঠিক কারণ কোড নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক এলাকা প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়। C) প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের সংখ্যা — শিক্ষকের সংখ্যা পরিবর্তনশীল তাই এটি স্থায়ী কোড নির্ধারণের মাপকাঠি হতে পারে না। D) প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর সংখ্যা — কর্মচারীর সংখ্যা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামোর অংশ কিন্তু কোড নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি বিবেচ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোড মানেই ঠিকানা, আর ঠিকানা নির্ধারিত হয় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান দিয়ে।
a কলেজ অধ্যক্ষ
b উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস
c চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড
d গভর্নিং বডি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড কেন সঠিক: - স্বীকৃতপ্রাপ্ত বেসরকারি ইন্টারমিডিয়েট কলেজ শিক্ষক বিধি- ১৯৭৯ অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা বা কর্তৃপক্ষ ছিলেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। - তৎকালীন বিধিমালা অনুযায়ী কলেজ শিক্ষকদের নিয়োগপ্রক্রিয়া ও অনুমোদন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের এখতিয়ারভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলেজ অধ্যক্ষ — অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক প্রধান হলেও এই বিধিমালার অধীনে তিনি সরাসরি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ছিলেন না। B) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস — এটি একটি প্রশাসনিক দপ্তর, যা তৎকালীন নিয়োগ বিধি অনুযায়ী নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে নির্ধারিত ছিল না। C) চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৭৯ সালের বিধি অনুযায়ী এই পদটিই নিয়োগের মূল কর্তৃপক্ষ ছিল। D) গভর্নিং বডি — বর্তমান বিধিমালায় গভর্নিং বডি নিয়োগ দিলেও, ১৯৭৯ সালের নির্দিষ্ট বিধি অনুযায়ী নিয়োগকর্তা ছিলেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। মনে রাখার টিপস: ইন্টারমিডিয়েট কলেজ শিক্ষক বিধি ১৯৭৯ সাল মনে রাখলে ভাববে তখন ক্ষমতা ছিল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের হাতে।
a মাউশি অধিদপ্তর
b NCTB
c শিক্ষা বোর্ড
d শিক্ষা মন্ত্রণালয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা সঠিক উত্তর: D) শিক্ষা মন্ত্রণালয় কেন সঠিক: - নতুন প্রতিষ্ঠিত স্কুল ও কলেজের একাডেমিক স্বীকৃতি বা পাঠদানের অনুমতি প্রদানের মূল ও চূড়ান্ত ক্ষমতা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত থাকে। - শিক্ষা বোর্ড বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক বা মাধ্যমিক স্তরের পরিদর্শন ও সুপারিশ করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রণালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউশি অধিদপ্তর — এটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি নির্বাহী সংস্থা মাত্র, স্বীকৃতি প্রদানকারী নীতিগত কর্তৃপক্ষ নয়। B) NCTB — এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, যা পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও পরিমার্জন করে, প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি দেয় না। C) শিক্ষা বোর্ড — শিক্ষা বোর্ড শুধু পাঠদান বা অনুমতির জন্য তদন্ত ও সুপারিশ করে, কিন্তু চূড়ান্ত একাডেমিক স্বীকৃতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেয়। D) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দেশের যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সরকারি অনুমোদন ও একাডেমিক স্বীকৃতি এই মন্ত্রণালয় প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বা স্বীকৃতির চাবিকাঠি শেষ পর্যন্ত সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতেই থাকে।
a স্কুল কলেজের স্বীকৃতি প্রদান
b বোর্ডগুলোর তদারকি করা
c সারাদেশে অভিন্ন সময় সূচিতে SSC ও HSC পরীক্ষা আয়োজন
d শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সারাদেশে অভিন্ন সময় সূচিতে SSC ও HSC পরীক্ষা আয়োজন কেন সঠিক: - আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলোর কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। - এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সারা দেশে একযোগে বা অভিন্ন সময়সূচিতে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্কুল কলেজের স্বীকৃতি প্রদান — এটি আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কাজ নয়, বরং স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব এখতিয়ারভুক্ত। B) বোর্ডগুলোর তদারকি করা — এটি আংশিক মনে হলেও কমিটির মূল ও প্রধান সুনির্দিষ্ট কাজ হলো পরীক্ষা আয়োজনে সমন্বয় করা। C) সারাদেশে অভিন্ন সময় সূচি তে SSC ও HSC পরীক্ষা আয়োজন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া — শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব শিক্ষা বোর্ডের নয়, এটি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের কাজ। মনে রাখার টিপস: সমন্বয় কমিটির কাজ মানেই সারাদেশে একসঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা পরিচালনার ব্যবস্থা করা।
a স্থানীয় সংসদ সদস্য
b সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড
c উপজেলা নির্বাহী অফিসার
d কমিটির সভাপতি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কমিটির সভাপতি প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও শিক্ষা প্রশাসন সংক্রান্ত সাম্প্রতিক তথ্য। প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি (ভূমি) বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট বোর্ডের পূর্বঅনুমোদন প্রয়োজন হয়, কোনো একক ব্যক্তির যেমন কমিটির সভাপতির এখতিয়ার নেই। এই প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর ভুল, তাই সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো। কেন সঠিক: - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি বিক্রয় বা হস্তান্তরের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কঠোর আইনি বিধিমালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। - এককভাবে ম্যানেজিং কমিটি বা সভাপতির এই সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের কোনো আইনি এখতিয়ার বা ক্ষমতা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থানীয় সংসদ সদস্য — সংসদ সদস্যগণ আইনপ্রণেতা এবং তাঁদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বা স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ে অনুমোদন দেওয়ার কোনো প্রশাসনিক এখতিয়ার নেই। B) সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড — শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং হস্তান্তর সংক্রান্ত বিধিমালার চূড়ান্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন শিক্ষা বোর্ড বা সরকার প্রদান করে থাকে। C) উপজেলা নির্বাহী অফিসার — উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বে থাকলেও তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি বিক্রয়ের অনুমোদন এককভাবে দিতে পারেন না। D) কমিটির সভাপতি — কমিটির সভাপতি এককভাবে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি বিক্রয় বা হস্তান্তর করতে পারেন না, এটি সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি বা সম্পত্তি বিক্রয় ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বিষয় নয়, এর জন্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের বা বোর্ডের অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
a ২ বছরের কম নয় সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন
b ১ বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন
c শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন
d ২ বছরের কারাদণ্ডে ও এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন কেন সঠিক: - পাবলিক পরীক্ষা আইন বা সংশ্লিষ্ট অপরাধ আইন অনুযায়ী পরীক্ষার্থীকে নকল সরবরাহের অপরাধে ১ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। - এই ধরনের অপরাধ পরীক্ষার সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ বছরের কম নয় সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন — এই নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য আইন অনুযায়ী এই শাস্তির পরিমাণ প্রযোজ্য নয়। B) ১ বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন — এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক আইনি বিধান। C) শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন — আইন অনুযায়ী এই অপরাধে শুধুমাত্র অর্থদণ্ড নয়, কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। D) ২ বছরের কারাদণ্ডে ও এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন — এটি এই অপরাধের সঠিক শাস্তি নয়। মনে রাখার টিপস: নকল সরবরাহ করার মতো গুরুতর অপরাধে হাতেনাতে ধরা পড়লে কমপক্ষে ১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a ৮টি
b ১০টি
c ১২টি
d ১৪টি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০টি কেন সঠিক: - BNQF এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক যা শিক্ষাগত যোগ্যতার স্তর নির্ধারণ করে। - এই কাঠামোর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা মিলিয়ে মোট ১০টি স্তর বিন্যস্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি — এটি বিএনকিউএফ কাঠামোর মোট স্তরের সঠিক সংখ্যা নয়, বরং এটি ভুল তথ্য। B) ১০টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) ১২টি — এই সংখ্যাটি শিক্ষাগত যোগ্যতার এই নির্দিষ্ট কাঠামোর সঙ্গে মিলছে না। D) ১৪টি — এটি বিএনকিউএফ এর স্তরের সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং কাল্পনিক। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার মান ও স্তর দশটি আঙুলের মতো গোনা যায়, এভাবে BNQF এর মোট ১০টি স্তর মনে রাখতে পারেন।
a ৩য়
b ৮ম
c ৫ম
d ৬ষ্ঠ
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩য় কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো বা বিএনকিউএফ অনুযায়ী শিক্ষাক্রমের স্তরগুলোকে বিভিন্ন ধাপে ভাগ করা হয়েছে। - এই কাঠামো অনুযায়ী মাধ্যমিক বা এসএসসি স্তরটি ৩য় স্তরের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩য় — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিএনকিউএফ কাঠামোতে এসএসসি স্তরটিকে ৩য় স্তরে রাখা হয়েছে। B) ৮ম — ৮ম স্তরটি বিএনকিউএফ কাঠামোর প্রাথমিক বা মাধ্যমিক স্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৫ম — ৫ম স্তরটি সাধারণত প্রাথমিক শিক্ষা বা অন্য কোনো প্রারম্ভিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) ৬ষ্ঠ — ৬ষ্ঠ স্তরটি বিএনকিউএফ কাঠামোতে সাধারণত উচ্চশিক্ষা বা স্নাতক স্তরের জন্য নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বিএনকিউএফ কাঠামোতে এসএসসি হলো ৩য় ধাপ এবং এর পরের উচ্চতর ধাপগুলো ক্রমান্বয়ে উপরে ওঠে।
a দায়িত্ব
b ক্ষমতা
c কার্যবলি
d সীমাবদ্ধতা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সীমাবদ্ধতা কেন সঠিক: - বাজেট বা নির্ধারিত সীমার বাইরে অর্থ ব্যয় করা আইনগত বা প্রশাসনিক নিয়মের লঙ্ঘন। - প্রতিষ্ঠান প্রধানের খরচের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আর্থিক ক্ষমতা ও পরিধি নির্ধারিত থাকে, যা লঙ্ঘন করলে তা সীমাবদ্ধতার আওতাভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দায়িত্ব — দায়িত্ব বলতে নির্দিষ্ট কর্তব্য পালনের বিষয় বোঝায়, অতিরিক্ত অর্থ খরচ করা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। B) ক্ষমতা — ক্ষমতা হলো কাজের বৈধ এখতিয়ার, যা নির্দিষ্ট সীমার বাইরে অর্থ খরচের অনুমতি দেয় না। C) কার্যবলি — কার্যবলি বলতে প্রাতিষ্ঠানিক দৈনন্দিন কাজগুলোকে বোঝায়, এটি অতিরিক্ত ব্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) সীমাবদ্ধতা — এটি নিয়মের গণ্ডি বোঝায়, তাই বরাদ্দকৃত অর্থের বাইরে খরচ করা এই সীমাবদ্ধতার লংঘন বা পরিধি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বরাদ্দকৃত অর্থের বাইরে খরচ করা মানেই হলো নিয়মের গণ্ডি বা সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করা।
a জেলা শিক্ষা অফিসার
b আঞ্চলিক পরিচালক
c ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি
d উপ-পরিচালক
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কেন সঠিক: - প্রধান শিক্ষক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক প্রধান এবং এমপিওভুক্ত বা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাঁর বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন লেখার প্রথম অংশ বা আবেদন গ্রহণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতির ওপর ন্যস্ত থাকে। - প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম, শৃংখলা এবং প্রধান শিক্ষকের কাজের মূল্যায়ন সরাসরি সভাপতির মাধ্যমেই শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা শিক্ষা অফিসার — ইনি প্রধান শিক্ষকের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের প্রথম আবেদনকারী নন, বরং এটি পরবর্তী উচ্চতর মূল্যায়ন বা অনুমোদনের ধাপ। B) আঞ্চলিক পরিচালক — ইনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান এবং বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের চূড়ান্ত বা উচ্চতর অনুস্বাক্ষরকারী কর্মকর্তা। C) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) উপ-পরিচালক — ইনি আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এবং প্রধান শিক্ষকের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন পর্যালোচনার সাথে যুক্ত উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। মনে রাখার টিপস: প্রধান শিক্ষকের ঠিক উপরে থাকেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, তাই তাঁর গোপনীয় প্রতিবেদনের আবেদনও সভাপতির মাধ্যমেই শুরু হয়।
a জন্ম তারিখ
b এমপিওভুক্তির তারিখ
c যোগদানের তারিখ
d নিয়মিতকরণের তারিখ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যোগদানের তারিখ কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের মূল ভিত্তি হলো প্রতিষ্ঠানে প্রথম যোগদানের তারিখ। - একই পদে একাধিক শিক্ষক কর্মরত থাকলে যোগদানের তারিখের ক্রমানুসারে জ্যেষ্ঠতালিকা প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্ম তারিখ — জন্ম তারিখ দিয়ে চাকরির জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হয় না, এটি মূলত বয়স ও অবসরের সময় হিসাব করতে ব্যবহৃত হয়। B) এমপিওভুক্তির তারিখ — এমপিওভুক্তির তারিখ পরে হতে পারে, কারণ এটি সরকারি অনুমোদন বা প্রক্রিয়াধীন সময়ের ওপর নির্ভর করে। C) যোগদানের তারিখ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) নিয়মিতকরণের তারিখ — চাকরি স্থায়ীকরণ বা নিয়মিতকরণ যোগদানের অনেক পরে সম্পন্ন হয়, তাই জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি মূল ভিত্তি নয়। মনে রাখার টিপস: চাকরির ক্ষেত্রে যিনি আগে যোগ দেন, তিনিই জ্যেষ্ঠ হন; তাই জ্যেষ্ঠতা মানেই যোগদানের তারিখ।
a ৪ জন
b ২ জন
c ৩ জন
d ১ জন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ জন কেন সঠিক: - ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতিটি বিষয়ের জন্য মাত্র ১ জন প্রভাষক পদ নির্ধারিত ছিল। - এই নীতিমালায় কলেজ স্তরে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ ছিল না, তাই প্রতি বিষয়ে ১ জন প্রভাষক থাকার নিয়ম ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ জন — এটি বর্তমান বা নির্দিষ্ট কোনো একক স্তরের মানসম্মত প্রভাষক সংখ্যা নয়। B) ২ জন — এটি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের অনুম디ত প্রভাষক সংখ্যা নয়। C) ৩ জন — এই সংখ্যাটি ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের প্রতি বিষয়ের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। D) ১ জন — এটি ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতি বিষয়ে প্রভাষক পder সঠিক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৫ সালের নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে প্রতিটি বিষয়ের জন্য ১ জন প্রভাষক বরাদ্দ ছিল।
a ২০ জন
b ২৫ জন
c ৩০ জন
d ৩৫ জন
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ জন কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও ও জনবল কাঠামো অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন বা পঞ্চম বিষয় খোলার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। - নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ঐচ্ছিক বা পঞ্চম বিষয়ে কমপক্ষে পঁচিশ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জন — এটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম বিষয় খোলার জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম শিক্ষার্থীর সংখ্যা নয়। B) ২৫ জন — এটি সঠিক এবং এমপিও নীতিমালায় নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী সঠিক সংখ্যা। C) ৩০ জন — এটি নির্দিষ্ট এই বিধানের জন্য অতিরিক্ত সংখ্যা এবং নীতির সঙ্গে মিলে না। D) ৩৫ জন — এটি এই বিশেষ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শিক্ষার্থীর ন্যূনতম সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন পঞ্চম বিষয় খোলার জন্য মাথা পিছু পঁচিশ জন শিক্ষার্থীর হিসাব মনে রাখুন।
a গভর্নিং বডি
b প্রতিষ্ঠান প্রধান
c উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস
d উপজেলা নির্বাহী অফিসার
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গভর্নিং বডি কেন সঠিক: - বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের ছুটি মঞ্জুর করার এখতিয়ার গভর্নিং বডি বা ব্যবস্থাপনা কমিটির ওপর ন্যস্ত থাকে। - সংগ নিরোধ বা কোয়ারেন্টাইন ছুটিও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস বিধিমালা অনুযায়ী গভর্নিং বডি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গভর্নিং বডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিধিমালা অনুযায়ী ছুটির অনুমোদন এই কমিটি দিয়ে থাকে। B) প্রতিষ্ঠান প্রধান — প্রতিষ্ঠান প্রধান বা প্রধান শিক্ষক সাধারণ ছুটি বা নৈমিত্তিক ছুটি অনুমোদন করতে পারেন, কিন্তু বিশেষ ছুটি গভর্নিং বডির অনুমোদন সাপেক্ষে হয়। C) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস — এটি একটি তদারকি ও প্রশাসনিক দফতর, যা সরাসরি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ছুটি মঞ্জুর করে না। D) উপজেলা নির্বাহী অফিসার — তিনি উপজেলার সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন, তবে সাধারণ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি মঞ্জুরের সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেকোনো বড় বা বিশেষ ছুটির জন্য গভর্নিং বডির অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
a উপজেলা নির্বাহী অফিসার
b সভাপতি
c উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার
d কলেজ পরিদর্শক
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও শিক্ষা প্রশাসন সঠিক উত্তর: D) কলেজ পরিদর্শক কেন সঠিক: - বেসরকারি কলেজের গভর্নিং বডির সভা আহ্বান ও পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নিতে হয়। - এটি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী কলেজ প্রশাসনের কার্যক্রম তদারকি করার একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপজেলা নির্বাহী অফিসার — তিনি স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করেন, গভর্নিং বডির সভা অনুমোদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। B) সভাপতি — তিনি গভর্নিং বডির সভার সভাপতিত্ব করেন কিন্তু সভার অনুমোদনের জন্য বোর্ডের অনুমতি প্রয়োজন হয়। C) উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার — তিনি মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা তদারকি করেন, উচ্চ মাধ্যমিক বা কলেজ স্তরের সভার অনুমোদনদাতা নন। D) কলেজ পরিদর্শক — তিনি শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি হিসেবে গভর্নিং বডির সভা করার অনুমোদন দেন। মনে রাখার টিপস: কলেজের গভর্নিং বডি চালাতে হলে বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের অনুমতি নিতে হয়।
a জেলা শিক্ষা অফিস
b উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস
c জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস
d a ও b উভয়ই
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a ও ব উভয়ই কেন সঠিক: - মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মাঠ-পর্যায়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলা পর্যায়ে জেলা শিক্ষা অফিস কাজ করে। - উপজেলা পর্যায়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা শিক্ষা অফিস — এটি সঠিক হলেও কেবল এটিই একমাত্র মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর নয়, উপজেলা স্তরেও দপ্তর রয়েছে। B) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস — এটিও মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর, তাই একা এটি সঠিক উত্তর হলে প্রথম অপশন বাদ পড়ে যায়। C) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস — এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার নয়। D) a ও ব উভয়ই — জেলা ও উপজেলা উভয় স্তরের অফিসই মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর হওয়ায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মাধ্যমিক শিক্ষার মাঠ-পর্যায়ের দপ্তর খুঁজতে জেলা ও উপজেলা উভয় স্তরের শিক্ষা অফিসকে একসাথে মনে রাখতে হবে।
a ১ জন
b ২ জন
c ৩ জন
d ৪ জন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ জন কেন সঠিক: - মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রতিটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন উপ-পরিচালক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - এই আঞ্চলিক অফিসগুলো নির্দিষ্ট অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জন — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রতিটি আঞ্চলিক অফিসে প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে মাত্র একজন উপ-পরিচালক থাকেন। B) ২ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ আঞ্চলিক অফিসে উপ-পরিচালকের পদ একটিই নির্ধারিত থাকে। C) ৩ জন — এই সংখ্যাটি ভুল এবং প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। D) ৪ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ এতজন উপ-পরিচালক একটি আঞ্চলিক অফিসে থাকেন না। মনে রাখার টিপস: আঞ্চলিক মানে একটি অঞ্চল, আর অঞ্চলের প্রধান উপ-পরিচালকও মাত্র একজন।
a প্রতি মাসে
b পরীক্ষার শেষে
c শিক্ষা-বর্ষ শুরু হওয়ার প্রথম মাসে
d পরীক্ষার সময়
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য সঠিক উত্তর: B) পরীক্ষার শেষে কেন সঠিক: - ছাত্র-ছাত্রীরা সাধারণত পরীক্ষার খরচ বা মূল্যায়ন সম্পন্ন হওয়ার পরই প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে ট্রাস্টের জন্য চাঁদা প্রদান করে থাকে। - শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার কার্যক্রমের শেষ ধাপে এই আর্থিক লেনদেন বা চাঁদা পরিশোধের বিধান থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি মাসে — ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে ট্রাস্টের চাঁদা মাসিক ভিত্তিতে নেওয়া হয় না বলে এই অপশনটি ভুল। B) পরীক্ষার শেষে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ পরীক্ষার সমাপ্তি লগ্নেই এই চাঁদা পরিশোধ করার প্রচলিত নিয়ম রয়েছে। C) শিক্ষা-বর্ষ শুরু হওয়ার প্রথম মাসে — শিক্ষাবর্ষের শুরুতে সাধারণত ভর্তি ও টিউশন ফি নেওয়া হয়, ট্রাস্টের চাঁদা নয়। D) পরীক্ষার সময় — পরীক্ষার চলাকালীন শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা ও উত্তরপত্র লেখায় ব্যস্ত থাকে, তাই চাঁদা প্রদানের সময় এটি নয়। মনে রাখার টিপস: পরীক্ষা শেষ, তবেই ট্রাস্টের চাঁদার রসিদ পেশ।
a ১০০ জন
b ১৫০ জন
c ২০০ জন
d ২৫০ জন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০ জন কেন সঠিক: - শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুযায়ী মফস্বল বা গ্রামীণ এলাকায় বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক স্বীকৃতি বা পাঠদানের অনুমতির জন্য ন্যূনতম ১৫০ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সচ্ছলতা ও টিকে থাকার সক্ষমতা নিশ্চিত করার জন্যই এই ন্যূনতম শিক্ষার্থীর সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ জন — এটি অপ্রতুল এবং মফস্বল এলাকার নতুন বিদ্যালয়ের স্বীকৃতির জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম সংখ্যার চেয়ে কম। B) ১৫০ জন — এটি সঠিক উত্তর এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা নীতিমালার শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত। C) ২০০ জন — এটি শহর বা পৌর এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, মফস্বলের জন্য নয়। D) ২৫০ জন — এটি বড় শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকার উচ্চ মাধ্যমিক বা বিশেষ ক্যাটাগরির বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: মফস্বল বা গ্রামের স্কুলে পাঠদানের স্বীকৃতি পেতে হলে কমপক্ষে ১৫০ জন ছাত্রছাত্রী লাগবে।
a ম্যানেজিং কমিটি
b শিক্ষা বোর্ডের আপিল আরবিট্রেশন কমিটি
c অধিদপ্তর
d মন্ত্রণালয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিক্ষা বোর্ডের আপিল আরবিট্রেশন কমিটি কেন সঠিক: - এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারীদের বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুতির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা শিক্ষা বোর্ডের আপিল আরবিট্রেশন কমিটির উপর ন্যস্ত থাকে। - ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি কেবল বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যা এই কমিটির অনুমোদন ছাড়া কার্যকর হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যানেজিং কমিটি — এই কমিটি কেবল শিক্ষক বরখাস্তের প্রাথমিক প্রস্তাব বা সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কিন্তু তা চূড়ান্ত করার আইনি এখতিয়ার তাদের নেই। C) অধিদপ্তর — মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে বরখাস্তের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বিশেষায়িত এই আরবিট্রেশন কমিটি নির্ধারিত। D) মন্ত্রণালয় — শিক্ষা মন্ত্রণালয় সামগ্রিক নীতি নির্ধারণ করে, কিন্তু ব্যক্তিগত শিক্ষক বরখাস্তের মতো বিষয়ে সরাসরি চূড়ান্ত অনুমোদন সাধারণত আপিল কমিটির মাধ্যমে হয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষকের চাকরি চূড়ান্ত বরখাস্তের শেষ কথা বলে শিক্ষা বোর্ডের আপিল কমিটি।
a ১৯০৫ সালে
b ১৭৫৭ সালে
c ১৯১১ সালে
d ১৮৫৭ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৫ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের লাট লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত নিলে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ঢাকাকে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী করা হয়। - এর মাধ্যমে দীর্ঘকাল অবহেলিত ঢাকার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব বিশেষভাবে বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ সালে — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই সালেই বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হওয়ার পর ঢাকাকে নতুন প্রদেশের রাজধানী ঘোষণা করা হয়েছিল। B) ১৭৫৭ সালে — এই সালে পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশরা বাংলা তথা ভারতের রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে, প্রাদেশিক রাজধানী ঘোষণার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং রাজধানী ঢাকা থেকে সরিয়ে পুনরায় কলকাতায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়। D) ১৮৫৭ সালে — এই সালে সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয় এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে ব্রিটিশ মহারানীর সরাসরি শাসন শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গভঙ্গ হয়েছিল ১৯০৫ সালে, আর এই বঙ্গভঙ্গের ফলেই ঢাকাকে প্রথমবার প্রাদেশিক রাজধানী করা হয়েছিল।
a 15
b 27
c 39
d 39
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্পষ্টভাবে স্বীকৃত হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার অধিকার এবং বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ — এই অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকールの বন্দোবস্ত করার রাষ্ট্রীয় মূলনীতির কথা বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকার নয়। B) ২৭ — এই অনুচ্ছেদে আইনের চোখে সমতা এবং আইনের সমান আশ্রয়ের অধিকারের কথা বলা হয়েছে, বাক স্বাধীনতার কথা নয়। C) ৩৯ — এটি সঠিক অপশন এবং এই অনুচ্ছেদেই চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। D) ৩৯ — এটি সঠিক অপশন এবং এই অনুচ্ছেদেই চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে (প্রশ্নে অপশনটি দুবার এসেছে)। মনে রাখার টিপস: বাক স্বাধীনতা কথাটি বলতে ৩৯ বছর বয়সের একজন মানুষের পরিপক্ব চিন্তার কথা মনে রাখতে পারেন, যা ৩৯ অনুচ্ছেদকে নির্দেশ করে।
a ইয়াঙ্গুন
b থিম্পু
c মালে
d নাইপিদো
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাইপিদো কেন সঠিক: - মিয়ানমারের বর্তমান রাজধানী নাইপিদো, যা ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে ইয়াঙ্গুন থেকে এখানে স্থানান্তরিত করা হয়। - এটি দেশটির প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং এটি দেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি পরিকল্পিত শহর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াঙ্গুন — এটি মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর এবং ২০০৫ সালের আগে দেশটির রাজধানী ছিল, বর্তমান রাজধানী নয়। B) থিম্পু — এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের রাজধানী, মিয়ানমারের রাজধানী নয়। C) মালে — এটি ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের রাজধানী, মিয়ানমারের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। D) নাইপিদো — এটি মিয়ানমারের বর্তমান রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারে নতুন বাড়ি গড়ি, রাজধানী এখন নাইপিদো।
a মালদ্বীপ
b শ্রীলঙ্কা
c আফগানিস্তান
d পাকিস্তান
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আফগানিস্তান কেন সঠিক: - ২০০৭ সালে ১৪ তম শীর্ষ সম্মেলনে আফগানিস্তান সার্কের অষ্টম সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে। - প্রতিষ্ঠার সময় সদস্য সংখ্যা ৭টি থাকলেও আফগানিস্তানের যোগদানের পর বর্তমান মোট সদস্য সংখ্যা হয়েছে ৮টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি ১৯৮৫ সালে সার্ক প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছে। B) শ্রীলঙ্কা — এটিও ১৯৮৫ সালে সার্ক গঠনের শুরু থেকেই এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। C) আফগানিস্তান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০০৭ সালে সর্বশেষে যুক্ত হওয়া সদস্য। D) পাকিস্তান — এটিও ১৯৮৫ সালে সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে একটি। মনে রাখার টিপস: সার্কের সদস্য মনে রাখার সূত্র হলো এমবিবিএস পিন (MBBS PIN)। এখানে শেষ অক্ষর এ (A) দিয়ে বোঝায় আফগানিস্তান, যা সর্বশেষ সদস্য।
a শিক্ষা ভবন
b বোর্ড
c এলজিইডি
d ব্যানবেইস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যানবেইস কেন সঠিক: - ব্যানবেইস শিক্ষা খাতের তথ্য সংগ্রহ ও পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করে। - প্রতিষ্ঠানটি দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভৌগোলিক অবস্থান জানতে জিআইএস ম্যাপিং সম্পন্ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষা ভবন — এটি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় হলেও সরাসরি জিআইএস ম্যাপিংয়ের মূল কাজ এটি করেনি। B) বোর্ড — শিক্ষা বোর্ডগুলো মূলত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ ও সনদ প্রদানে কাজ করে, ভৌগোলিক জরিপ তাদের কাজ নয়। C) এলজিইডি — এটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জিআইএস ম্যাপিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নয়। D) ব্যানবেইস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও জিআইএস ম্যাপিংয়ের কাজটি করেছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানচিত্র বা জিআইএস ম্যাপিংয়ের কাজ দেখলে ব্যানবেইস কথাটি মনে রাখবে।
a ক্ষমাযোগ্য অপরাধ
b দণ্ডনীয় অপরাধ
c সাধারণ ভুল
d লঘু অপরাধ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দণ্ডনীয় অপরাধ কেন সঠিক: - জাল সনদ তৈরি বা ব্যবহার করা বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী একটি ফৌজদারি অপরাধ এবং প্রতারণার শামিল। - এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জন্য আইনি বিধান ও শাস্তির সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষমাযোগ্য অপরাধ — সনদ জালিয়াতি কোনো লঘু বা ক্ষমাযোগ্য বিষয় নয়, এটি দেশের প্রচলিত আইনে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। B) দণ্ডনীয় অপরাধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সনদ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে। C) সাধারণ ভুল — এটি অনিচ্ছাকৃত কোনো সাধারণ ভুল নয়, বরং জালিয়াতি একটি সুপরিকল্পিত অপরাধমূলক কার্যক্রম। D) লঘু অপরাধ — শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জালিয়াতি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ, তাই এটিকে লঘু বা হালকা অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: শিক্ষক নিবন্ধন বা যেকোনো সরকারি সনদে জালিয়াতি মানেই আইনগত শাস্তি, তাই এটি সবসময় দণ্ডনীয় অপরাধ।
a যৌক্তিকতা
b সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন
c প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে কর্তৃপক্ষের চাওয়া
d আইন ও বিধি সম্মত হওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন কেন সঠিক: - যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক কমিটি বা বোর্ডের সিদ্ধান্ত বৈধতা পাওয়ার জন্য সভার উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট বা সমর্থন বাধ্যতামূলক। - সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত ছাড়া কোনো প্রস্তাব বা এজেন্ডা আইনিভাবে পাস বা কার্যকর করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌক্তিকতা — এটি সিদ্ধান্তের মান উন্নত করলেও রেজুলেশন পাসের জন্য আইনি বা প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যতামূলক পূর্বশর্ত নয়। B) সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন — এটিই সঠিক কারণ এটি রেজুলেশন পাসের মূল আইনি পূর্বশর্ত। C) প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে কর্তৃপক্ষের চাওয়া — এটি এককভাবে সিদ্ধান্ত পাসের জন্য যথেষ্ট নয়, পর্ষদের অনুমোদন বা সমর্থন প্রয়োজন হয়। D) আইন ও বিধি সম্মত হওয়া — এটি নীতিগত শর্ত হলেও কার্যকরের জন্য সভার সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট বা সমর্থন সবার আগে প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: কমিটির যেকোনো সিদ্ধান্ত পাসের মূল চাবিকাঠি হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন।
a প্রতিষ্ঠান প্রধান
b কমিটির সভাপতি
c উপজেলা নির্বাহী অফিসার
d সংশ্লিষ্ট বোর্ড
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমিটির সভাপতি কেন সঠিক: - শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো সাধারণ সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে সভাপতির নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। - সভাপতির অনুমোদনের পরই সদস্যের পদত্যাগ কার্যকর হয় এবং শূন্য পদে নতুন সদস্য অর্ন্তভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠান প্রধান — প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন না, তিনি কেবল কমিটির সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। B) কমিটির সভাপতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিধি মোতাবেক সভাপতির নিকটই পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। সি) উপজেলা নির্বাহী অফিসার — ইউএনও প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেও পরিচালনা কমিটির অভ্যন্তরীণ পদত্যাগপত্র সরাসরি তাঁর নিকট জমা দেওয়ার নিয়ম নেই। D) সংশ্লিষ্ট বোর্ড — শিক্ষাবোর্ড হলো নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ, পরিচালনা কমিটির কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত পদত্যাগপত্র সরাসরি বোর্ডে পাঠানোর নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: পরিচালনা কমিটি সংক্রান্ত যেকোনো পদত্যাগপত্র সব সময় কমিটির প্রধান অর্থাৎ সভাপতির নিকট জমা দিতে হয়।
a না, বকেয়া প্রদান করা হবে না
b হ্যাঁ, পাওয়া যাবে
c পরবর্তী বছরে সমন্বয় হবে
d অর্ধেক পাওয়া যাবে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) না, বকেয়া প্রদান করা হবে না কেন সঠিক: - এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম প্রমাণিত হলে সেই প্রতিষ্ঠানের কোড স্থগিত করা হয়। - কোড স্থগিত থাকার সময়কালের জন্য কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী সরকারি বেতন-ভাতার বকেয়া প্রাপ্য হন না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) না, বকেয়া প্রদান করা হবে না — এই অপশনটি সঠিক কারণ কোড স্থগিতকালীন সময়ের জন্য সরকারি অনুদান বা বেতন প্রদান করা হয় না। B) হ্যাঁ, পাওয়া যাবে — এই অপশনটি ভুল কারণ অনিয়মের কারণে স্থগিত হওয়া সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পরে পরিশোধ করা হয় না। C) পরবর্তী বছরে সমন্বয় হবে — এই অপশনটি ভুল কারণ স্থগিত হওয়া বেতন পরবর্তী সময়ে সমন্বয় বা ছাড় করার কোনো বিধান নেই। D) অর্ধেক পাওয়া যাবে — এই অপশনটি ভুল কারণ স্থগিতকালীন সময়ের সম্পূর্ণ বেতন বা তার কোনো অংশই পরিশোধ করা হয় না। মনে রাখার টিপস: এমপিও কোড স্থগিত মানেই সরকারি বেতন পুরোপুরি বন্ধ, এই সময়ে কোনো বকেয়া বা অর্ধেক বেতন পাওয়ার সুযোগ নেই।
a সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর
b প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন
c এনসিটিবি
d রেড ক্রিসেন্ট
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতিতে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণ করে থাকে। - এটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর — এটি সার্বিক সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক প্রকাশের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত নয়। B) প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রতিষ্ঠানটি বিশেষভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের দায়িত্ব পালন করে। C) এনসিটিবি — এটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও প্রকাশ করে, তবে ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক তৈরির কাজটি প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। D) রেড ক্রিসেন্ট — এটি একটি আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী ত্রাণ সংস্থা, যা আপৎকালীন সেবা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কাজ করে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন, তাই ব্রেইল বইয়ের সঙ্গে এটি যুক্ত।
a সাজেদা চৌধুরী
b সুলতানা রাজিয়া
c রাজিয়া বানু
d রাকিয়া আক্তার
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজিয়া বানু কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ১১ই মার্চ গঠিত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু। - তিনি তৎকালীন গণপরিষদের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান রচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাজেদা চৌধুরী — তিনি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না। B) সুলতানা রাজিয়া — তিনি এই কমিটির সদস্য ছিলেন না, নামটি বিভ্রান্তিকর। C) রাজিয়া বানু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) রাকিয়া আক্তার — তিনি সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন 'রাজিয়া' (বেগম রাজিয়া বানু)।
a ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য
b বাহকের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য
c কোনো অভিযোগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য
d মৌখিক সাক্ষ্য প্রদানকারীর তথ্য
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য কেন সঠিক: - গণমাধ্যমে তথ্য প্রচার বা প্রকাশের পূর্বে তার সত্যতা যাঁচাই করা প্রতিষ্ঠান প্রধানের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। - বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধ করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিশ্চিত তথ্য প্রয়োজন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনে তথ্যের সত্যতা যাচাই বাধ্যতামূলক। B) বাহকের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য — বাহকের মাধ্যমে আসা তথ্য যাচাই না করে প্রকাশ করলে ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে। C) কোনো অভিযোগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য — অভিযোগ মাত্রই প্রমাণিত সত্য নয়, তাই তা যাচাই না করে প্রচার করা সমীচীন নয়। D) মৌখিক সাক্ষ্য প্রদানকারীর তথ্য — মৌখিক তথ্য অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও প্রমাণের অভাবে দুর্বল হতে পারে। মনে রাখার টিপস: গণমাধ্যমে তথ্য প্রচারের সময় সবসময় নিশ্চিত সত্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
a মহাপরিচালক
b ব্যবস্থাপনা পরিচালক
c চেয়ারম্যান
d সচিব
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চেয়ারম্যান কেন সঠিক: - NTRCA এর পূর্ণরূপ হলো Non-Government Teachers Registration and Certification Authority, যার প্রশাসনিক প্রধান হলেন চেয়ারম্যান। - আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী বোর্ডের সকল সভায় চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করার ক্ষমতা রাখেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাপরিচালক — মহাপরিচালক কিছু দপ্তরে প্রধান হলেও এনটিআরসিএ-র নির্বাহী বোর্ডের প্রধান বা সভাপতি চেয়ারম্যান। B) ব্যবস্থাপনা পরিচালক — এই পদের কর্মকর্তা এনটিআরসিএ-র নির্বাহী বোর্ডের সভাপতিত্ব করার দায়িত্বে থাকেন না। C) চেয়ারম্যান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় নির্বাহী বোর্ডের সভায় তিনি সভাপতিত্ব করেন। D) সচিব — সচিব বোর্ডের কার্য পরিচালনা ও দাপ্তরিক কাজ দেখাশোনা করলেও সভার সভাপতি নন। মনে রাখার টিপস: বোর্ডের প্রধানই সভার প্রধান, তাই NTRCA-এর নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি হলেন চেয়ারম্যান।
a প্রধান শিক্ষক
b প্রধান শিক্ষক (স্বপদে)
c প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
d অধ্যক্ষ
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও শিক্ষা প্রশাসন সঠিক উত্তর: C) প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) কেন সঠিক: - মাধ্যমিক বিদ্যালয় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত হলে পদোন্নতি বা এমপিও বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক সরাসরি অধ্যক্ষ পদে স্থায়ী হন না। - নতুন বিধিমালা ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মরত প্রধান শিক্ষককে সাময়িকভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান শিক্ষক — বিদ্যালয়টি উন্নীত হওয়ায় শুধু এই পদে বহাল থাকা যায় না, কারণ প্রতিষ্ঠানটি এখন কলেজ স্তরে উন্নীত হয়েছে। B) প্রধান শিক্ষক (স্বপদে) — পদোন্নতির সুনির্দিষ্ট সরকারি প্রজ্ঞাপন বা বিধিগত যোগ্যতা পূর্ণ না হলে স্বপদে বহাল থাকার সুযোগ থাকে না। C) প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) — এই উত্তরটি সঠিক, কারণ উন্নীত প্রতিষ্ঠানে পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষ নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। D) অধ্যক্ষ — অধ্যক্ষ পদের জন্য নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা প্রয়োজন হওয়ায় কর্মরত প্রধান শিক্ষক স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই পদ পান না। মনে রাখার টিপস: বিদ্যালয় কলেজ হলে প্রধান হন ভারপ্রাপ্ত, পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষ হতে লাগে নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও বিধিমালা।
a ৫০ লক্ষ টাকা
b ৫৫ লক্ষ টাকা
c ৬০ লক্ষ টাকা
d ৭৫ লক্ষ টাকা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ লক্ষ টাকা কেন সঠিক: - সরকারি ক্রয় বিধিমালা অনুযায়ী জেলা পর্যায়ের অফিসের জন্য কার্য ক্রয়ের আর্থিক সীমা সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা নির্ধারিত। - এর অধিক অর্থের কার্য ক্রয় করতে হলে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও নির্দিষ্ট পিপিআর নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫০ লক্ষ টাকা — এটি জেলা পর্যায়ের অফিসের জন্য কার্য ক্রয় চুক্তি অনুমোদনের সঠিক ও নির্ধারিত আর্থিক সীমা। B) ৫৫ লক্ষ টাকা — এটি জেলা পর্যায়ের অফিসের কার্য ক্রয় অনুমোদনের সঠিক আর্থিক সীমা নয়, তাই ভুল। C) ৬০ লক্ষ টাকা — এই পরিমাণ অর্থ জেলা পর্যায়ের অফিসের কার্য ক্রয় ক্ষমতার বাইরে অবস্থিত। D) ৭৫ লক্ষ টাকা — এটি জেলা পর্যায়ের অফিসের জন্য প্রযোজ্য নয়, এটি অপেক্ষাকৃত উচ্চতর পদের আর্থিক ক্ষমতার আওতাভুক্ত। মনে রাখার টিপস: জেলা অফিসের কার্য ক্রয় মনে রাখবে মাঝারী অংক অর্থাৎ ঠিক পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
a সিনিয়র শিক্ষক
b ক্রয় উপ-কমিটির সদস্য
c ক্রয় উপ-কমিটির সদস্য ব্যতীত অভিজ্ঞ শিক্ষক
d অভিভাবক প্রতিনিধি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: D) অভিভাবক প্রতিনিধি কেন সঠিক: - অভ্যন্তরীণ অডিট উপ-কমিটির মূল কাজ হলো আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। - নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই কমিটিতে ক্রয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন এমন ব্যক্তি এবং অভিভাবক প্রতিনিধি রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিনিয়র শিক্ষক — এরা সাধারণত বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অন্যান্য একাডেমিক বা প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকেন, তাই নিরপেক্ষ অডিটের জন্য অডিট কমিটিতে রাখা হয় না। B) ক্রয় উপ-কমিটির সদস্য — এরা সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাই স্বার্থের সংঘাত এড়াতে এদের অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটিতে রাখা হয় না। C) ক্রয় উপ-কমিটির সদস্য ব্যতীত অভিজ্ঞ শিক্ষক — এরা বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকায় সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ অডিট নিশ্চিত করতে অডিট কমিটির সদস্য হতে পারেন না। D) অভিভাবক প্রতিনিধি — এরা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পারেন এবং ক্রয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকেন না বলে অডিট কমিটির সদস্য হতে পারবেন। মনে রাখার টিপস: নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অভ্যন্তরীণ অডিট উপ-কমিটিতে ক্রয় কাজের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন অভিভাবক প্রতিনিধিকে রাখা হয়।
a 1982
b 1984
c 1983
d 1985
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে আয়কর সংক্রান্ত আইন পরিচালনার জন্য ১৯৮৪ সালে দি ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স প্রণয়ন করা হয়। - পরবর্তীতে এর পরিবর্তে ২০২৪ সালে নতুন আয়কর আইন প্রণয়ন করা হলেও বিগত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি ১৯৮৪ সাল হিসেবেই নির্ধারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1982 — এই সালে বাংলাদেশে আয়কর অধ্যাদেশ জারি হয়নি, এটি ভুল সাল। B) 1984 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আয়কর অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। C) 1983 — এই সালে আয়কর অধ্যাদেশ পাস বা কার্যকর হয়নি। D) 1985 — এই সালটি আয়কর অধ্যাদেশের জারির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: আয়কর অধ্যাদেশের সাল মনে রাখতে শেষের দুটি অঙ্ক ৮৪ মাথায় রাখুন।
a ডেবিট ভাউচার
b সাপোর্টিং ভাউচার
c ক্রেডিট ভাউচার
d জার্নাল ভাউচার
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেবিট ভাউচার কেন সঠিক: - ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের খরচ বা ব্যয় সংঘটিত হলে বা নগদ টাকা প্রদান করা হলে ডেবিট ভাউচার প্রস্তুত করা হয়। - হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী খরচ হিসাব ডেবিট হয়, তাই খরচের ক্ষেত্র তৈরি করতে ডেবিট ভাউচার ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেবিট ভাউচার — এটি খরচের ক্ষেত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) সাপোর্টিং ভাউচার — এটি মূলত লেনদেনের প্রমাণপত্র বা দলিল হিসেবে কাজ করে, সরাসরি খরচের ক্ষেত্র তৈরি করে না। C) ক্রেডিট ভাউচার — এটি ব্যবসায়ে আয় হলে বা নগদ টাকা প্রাপ্তির সময় প্রস্তুত করা হয়, খরচের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) জার্নাল ভাউচার — এটি নগদ লেনদেন ছাড়া অন্যান্য সমাঞ্জস্য বা জাবেদা দাখিলার ক্ষেত্রে প্রস্তুত করা হয়। মনে রাখার টিপস: খরচ বা প্রদান মানেই ডেবিট, তাই খরচ বাড়লেই ডেবিট ভাউচার ব্যবহার করতে হবে।
a খেলাপী ঋণদাতা হিসেবে
b খেলাপী করদাতা হিসেবে
c খেলাপী বিলদাতা হিসেবে
d খেলাপী কর গ্রহীতা হিসেবে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খেলাপী করদাতা হিসেবে কেন সঠিক: - আয়কর আইন অনুযায়ী উৎস কর কর্তন বা সংগ্রহ করা ব্যক্তির আইনি দায়িত্ব। - এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তাকে খেলাপী করদাতা হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খেলাপী ঋণদাতা হিসেবে — ঋণ বিতরণে ব্যর্থতা বা ব্যাংক খাতের ঋণ খেলাপীর সঙ্গে উৎস কর কর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই। B) খেলাপী করদাতা হিসেবে — উৎস কর কর্তন বা সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হলে আইনগতভাবে তাকে এই হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। C) খেলাপী বিলদাতা হিসেবে — বিল প্রদান বা প্রস্তুত করার প্রক্রিয়ার সঙ্গে উৎস কর সংক্রান্ত আইনি বাধ্যবাধকতার সরাসরি মিল নেই। D) খেলাপী কর গ্রহীতা হিসেবে — কর আদায় বা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যর্থতার আইনি সংজ্ঞা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: কর কাটা বা সংগ্রহের দায়িত্ব পালন না করলেই সরাসরি খেলাপী করদাতা হিসেবে গণ্য করা হয়।
a অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে
b জন সমক্ষে
c ট্রাস্টারের কাছে
d রাষ্ট্রপতির কাছে
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতির কাছে কেন সঠিক: - সংবিধানের ১২৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক তার বার্ষিক হিসাব রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করেন। - রাষ্ট্রপতি পরবর্তীতে এই রিপোর্ট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে — অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট ও আর্থিক নীতি প্রণয়ন করে, কিন্তু সাংবিধানিক পদ হিসেবে সিএজি সরাসরি মন্ত্রণালয়কে রিপোর্ট দেন না। B) জন সমক্ষে — সাংবিধানিক ও সরকারি হিসাব সরাসরি জনসমক্ষে প্রকাশ করার নিয়ম নেই, এটি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদে পেশ করা হয়। C) ট্রাস্টারের কাছে — ট্রাস্টার বলতে কোনো সাংবিধানিক বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষকে বোঝায় না, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। D) রাষ্ট্রপতির কাছে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী সিএজি তার হিসাব সংক্রান্ত প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে বাধ্য। মনে রাখার টিপস: মহা হিসাব-নিরীক্ষক (CAG) হলেন রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবরক্ষক, তাই তিনি রাষ্ট্রের প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট জমা দেন।
a SSDA
b NCTB
c BMED
d VTTI
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) SSDA কেন সঠিক: - SSDA যার পূর্ণরূপ হলো স্কিলস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট অথরিটি, এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি নবগঠিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। - দেশের জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর এবং কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নে এই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) SSDA — এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) NCTB — এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ হলেও এটি কোনো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি সংবিধিবদ্ধ সরকারি সংস্থা। C) BMED — এটি প্রচলিত কোনো স্বায়ত্তশাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন হিসেবে এখানে ব্যবহার করা হয়েছে। D) VTTI — এটি ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান মাত্র, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একমাত্র বিশেষায়িত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হলো এসএসডিএ বা স্কিলস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট অথরিটি।

মোট প্রশ্ন (10)

a Ctrl + B
b Alt + I
c Alt + B
d Ctrl + I
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Ctrl + I ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে নির্বাচিত যেকোনো লেখাকে বাঁকা বা ইটালিক করার জন্য কিবোর্ড শর্টকাট হলো কন্ট্রোল কি এবং আই কি এর একত্রে ব্যবহার। এটি টেক্সট ফরম্যাটিংয়ের একটি মৌলিক কমান্ড যা সাধারণত কোন বিশেষ শব্দ বা বাক্যকে আলাদাভাবে ফুটিয়ে তুলতে ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইটালিক ফরম্যাটিং হলো ফন্টের এমন একটি শৈলী যেখানে অক্ষরগুলো ডানে সামান্য হেলানো থাকে। কার্যপদ্ধতি: কিবোর্ড থেকে নির্দিষ্ট কী চাপলে সফটওয়্যারটি সক্রিয় ফন্টের স্টাইল পরিবর্তন করে বাঁকা রূপ প্রয়োগ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিজ্ঞান বিষয়ক নথিতে কোনো বৈজ্ঞানিক নাম লেখার সময় ইটালিক স্টাইল ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: নিয়ম অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক নাম আলাদা করে দেখানোর জন্য এই ফরম্যাটিং প্রয়োজন হয়। উদাহরণ ২: বইয়ের নামকরণে বা উদ্ধৃতি দেওয়ার সময় এই শর্টকাট ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: সাধারণ লেখার মাঝে বিশেষ অংশ চিহ্নিত করার জন্য এই কমান্ড অত্যন্ত কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + B — এই শর্টকাটটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা মোটা বা বোল্ড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, বাঁকা করার জন্য নয়। B) Alt + I — এটি কোনো ডিফল্ট বা সাধারণ টেক্সট ফরম্যাটিং শর্টকাট নয় এবং এর মাধ্যমে ইটালিক করা যায় না। C) Alt + B — এই কম্বিনেশনটি ওয়ার্ডের ডিফল্ট কোনো ফরম্যাটিং কমান্ডের জন্য নির্ধারিত নয়। D) Ctrl + I — এটি সঠিক কারণ এটি ডকুমেন্ট এডিটিংয়ের সময় টেক্সট বাঁকা বা ইটালিক করার স্ট্যান্ডার্ড শর্টকাট। ৫. মনে রাখার টিপস: ইটালিক শব্দের প্রথম অক্ষর আই দিয়ে শুরু হয়, তাই কন্ট্রোল এর সাথে আই চাপলে লেখা বাঁকা বা ইটালিক হয়। বোল্ড করার জন্য বি এবং আন্ডারলাইন করার জন্য ইউ ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও আইসিটি পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন কিবোর্ড শর্টকাট যেমন কন্ট্রোল প্লাস বি, কন্ট্রোল প্লাস আই এবং কন্ট্রোল প্লাস ইউ এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। প্রয়োজনীয় ফরম্যাটিং কমান্ডগুলো মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দ্রুত দেওয়া সম্ভব।
a Ctrl + A
b Ctrl + R
c Ctrl + Y
d Ctrl + Z
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Ctrl + Z ১. কেন সঠিক: - Ctrl + Z হলো মাইক্রোসফট ওয়ার্ডসহ প্রায় সব প্রসেসিং সফটওয়্যারের আন্ডু বা পূর্বাবস্থায় ফেরার শর্টকাট কমান্ড। - ভুলবশত কোনো লেখা মুছে গেলে বা কেটে ফেললে এই কিবোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে সেই লেখা ফিরিয়ে আনা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: আন্ডু বা পূর্বাবস্থায় ফেরা হলো এমন একটি কম্পিউটার ফাংশন যা ব্যবহারকারীকে সাম্প্রতিক সম্পাদিত কাজটি বাতিল করতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: সফটওয়্যারগুলো ব্যবহারকারীর প্রতিটি কাজের একটি ইতিহাস বা মেমোরি স্ট্যাক জমা রাখে এবং এই কমান্ড দিলে তা আগের ধাপে চলে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে একটি প্যারাগ্রাফ লিখে তা ভুল করে ব্যাকস্পেস দিয়ে মুছে ফেললেন। ব্যাখ্যা: কিবোর্ডে Ctrl + Z চাপলেই মুছে যাওয়া প্যারাগ্রাফটি আবার স্ক্রিনে ফিরে আসবে। উদাহরণ ২: একটি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড কাটার সময় ভুল অংশে ক্লিক করে ফেললেন। ব্যাখ্যা: Ctrl + Z চাপলে সেই ভুল অ্যাকশনটি বাতিল হয়ে আগের ঠিক অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + A — এটি ডকুমেন্টের সমস্ত টেক্সট বা উপাদান একসঙ্গে সিলেক্ট করার জন্য ব্যবহার করা হয়। B) Ctrl + R — এটি প্যারাগ্রাফ বা টেক্সটকে ডান দিকে অ্যালাইন করার জন্য ব্যবহার করা হয়। C) Ctrl + Y — এটি আন্ডু করা কাজকে আবার সামনে ফিরিয়ে আনার জন্য বা রিডু করার জন্য ব্যবহার করা হয়। D) Ctrl + Z — এটি ভুলবশত মুছে ফেলা বা সম্পাদিত টেক্সটকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ব্যবহৃত সঠিক কমান্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: - আন্ডু বা পূর্বাবস্থায় ফেরার কমান্ড মনে রাখতে Z অক্ষরটি মাথায় রাখুন কারণ এটি রিডু কমান্ডের ইউ বা ওয়াই এর বিপরীতে কাজ করে। - প্রায় সব উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারে কন্ট্রোল এবং জেড একসঙ্গে চাপলে এই কাজটি সম্পন্ন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটারের বিভিন্ন শর্টকাট কি যেমন আন্ডু রিডু কপি পেস্ট সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - রিডু কমান্ডের শর্টকাট কি হলো Ctrl + Y যা আন্ডু করা কাজের বিপরীত কাজ করে।
a কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
b ভালুকা, ময়মনসিংহ
c কালিয়াকৈর, গাজীপুর
d আগারগাঁও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কালিয়াকৈর, গাজীপুর ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রথম ও বৃহত্তম সরকারি ডাটা সেন্টার বা তথ্য ভান্ডারটি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে অবস্থিত। এটি সরকারের আইসিটি খাতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো যা আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: টায়ার-৪ ডাটা সেন্টার হলো এমন একটি তথ্য সংরক্ষণাগার যার প্রাপ্যতা ৯৯ দশমিক ৯৯৫ শতাংশ এবং এটি সর্বোচ্চ স্তরের নিরবচ্ছিন্ন সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কার্যপদ্ধতি: এখানে একাধিক ব্যাকআপ পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং সিস্টেম এবং রিডানডেন্ট নেটওয়ার্ক থাকে যাতে কোনো একটি অংশ নষ্ট হলেও সিস্টেম বন্ধ হয় না। বৈশিষ্ট্য: এই ডাটা সেন্টারে ফল্ট টলারেন্স বা ত্রুটি সহনশীলতা থাকে এবং রক্ষণাবেক্ষণের সময়ও এর কার্যক্রম বন্ধ করতে হয় না। ব্যবহার: সরকারি ও বেসরকারি বড় বড় সার্ভার, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং বিশাল পরিমাণ ডিজিটাল তথ্য সুরক্ষিত রাখতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিভিন্ন ই-সেবার মূল সার্ভার এই ডাটা সেন্টারে সংরক্ষণ করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল সেবাগুলো ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে নাগরিকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং খাতের কোর ব্যাংকিং ডেটা এবং মোবাইল আর্থিক সেবার ব্যাকআপ। ব্যাখ্যা: সাইবার হামলা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও দেশের আর্থিক লেনদেন সচল রাখতে এই উন্নত ডাটা সেন্টার কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুয়াকাটা, পটুয়াখালী — এখানে দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন অবস্থিত, কোনো টায়ার-৪ ডাটা সেন্টার নয়। B) ভালুকা, ময়মনসিংহ — এটি একটি শিল্প এলাকা হলেও এখানে সরকারের এই নির্দিষ্ট টায়ার-৪ ডাটা সেন্টারটি অবস্থিত নয়। D) আগারগাঁও — এটি রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেখানে আইসিটি টাওয়ার ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যালয় আছে, কিন্তু মূল ডাটা সেন্টারটি এখানে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উচ্চ প্রযুক্তির এই সর্বাধুনিক ডাটা সেন্টারটি হাই-টেক পার্কের ভেতর কালিয়াকৈরে স্থাপন করা হয়েছে। মনে রাখার জন্য গাজীপুরের কালিয়াকৈর নামটির সঙ্গে টায়ার-৪ সংখ্যাটি যুক্ত করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ডাটা সেন্টারটি বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে নির্মিত হয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের ডাটা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাবমেরিন ক্যাবল এবং ডাটা সেন্টারের অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a পাতার সংখ্যা কমে যায়
b ফাইলের সাইজ কমে যায়
c পাতার সংখ্যা বেড়ে যায়
d ফাইলের সাইজ বেড়ে যায়
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফাইলের সাইজ কমে যায় ১. কেন সঠিক: PDF ফাইলকে কম্প্রেস করলে এর ভেতরের ডেটা বা উপাদানগুলো যেমন ছবি, ফন্ট ও অন্যান্য টেক্সট অপ্টিমাইজ বা সংকুচিত করা হয়। এর ফলে ফাইলটির ধারণক্ষমতা বা আকৃতি কমে যায়, যা খুব সহজে ই-মেইল বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফাইল কম্প্রেশন হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো ফাইলের আকার বা সাইজ ছোট করা হয় গুণগত মান বজায় রেখে বা সামান্য কমিয়ে। কার্যপদ্ধতি: এটি ফাইলের ভেতরের রিডানডেন্সি বা অতিরিক্ত ডেটা বাদ দিয়ে বা এনকোডিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ডেটাকে ছোট আকারে সংরক্ষণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৫ মেগাবাইটের একটি স্ক্যান করা পিডিএফ ফাইলকে কম্প্রেস করে ১ মেগাবাইটে নামিয়ে আনা। ব্যাখ্যা: ফাইলের ভেତরের অতিরিক্ত রেজুলেশন বা ডেটা কমিয়ে এর সাইজ ছোট করা হয়েছে যাতে তা সহজেই আপলোড করা যায়। উদাহরণ ২: ই-মেইলে পাঠানোর সময় বড় সাইজের পিডিএফ ফাইলকে জিপ বা কম্প্রেস ফরম্যাটে রূপান্তর করা। ব্যাখ্যা: বড় ফাইল একসাথে যুক্ত করার সীমাবদ্ধতা দূর করতে এটি কম্প্রেস করে ছোট করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাতার সংখ্যা কমে যায় — ফাইল কম্প্রেস করলে শুধু সাইজ কমে, ডকুমেন্টের ভেতরের পাতার সংখ্যা বা বিষয়বস্তু অপরিবর্তিত থাকে। B) ফাইলের সাইজ কমে যায় — এটি সঠিক কারণ কম্প্রেশন প্রযুক্তির মূল কাজই ফাইলের আকার বা সাইজ ছোট করা। C) পাতার সংখ্যা বেড়ে যায় — ফাইল কম্প্রেস করার কারণে পাতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) ফাইলের সাইজ বেড়ে যায় — সাইজ বেড়ে যাওয়া এক্সপান্ড বা আনকম্প্রেস প্রক্রিয়ার কাজ, কম্প্রেশনের কাজ এর বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্প্রেস শব্দটির অর্থ সংকুচিত করা বা ছোট করা। তাই পিডিএফ ফাইল কম্প্রেস করলে ফাইলের সাইজ সবসময় ছোট বা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্প্রেস করা ফাইল আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে আনকম্প্রেস বা এক্সট্রাক্ট বলা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা সাইজ হ্রাস এবং ফাইল ফরম্যাট সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a প্রশাসক
b পাবলিক প্রসিকিউটর
c প্রাইভেট প্রসিকিউটর
d বিচারক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাবলিক প্রসিকিউটর ১. কেন সঠিক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনালে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে গণ্য হন। আইনগত বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষে যেকোনো বিশেষ আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য সরকার কর্তৃক আইনজীবী নিয়োগ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: পাবলিক প্রসিকিউটর হলেন সরকারের মনোনীত আইনজীবী যিনি আদালতের মাধ্যমে রাষ্ট্রে সংঘটিত অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন। কার্যপদ্ধতি: তিনি সাইবার ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনি যুক্তি তুলে ধরে বিচার কাজে সরকারকে সহায়তা করেন। ব্যবহার: সাইবার অপরাধ যেমন হ্যাকিং, পর্নোগ্রাফি বা তথ্য ভাণ্ডার ধ্বংসের মতো অপরাধ দমনে ট্রাইব্যুনালে এই আইনি পদ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফৌজদারি আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। ব্যাখ্যা: যেভাবে একজন পাবলিক প্রসিকিউটর সাধারণ ফৌজদারি আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, ঠিক তেমনি সাইবার ট্রাইব্যুনালেও তিনি সরকারের পক্ষে আইনি লড়াই করেন। উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী। ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর আওতায় যেমন বিশেষ সংস্থার পক্ষে আইনজীবী মামলা পরিচালনা করেন, সাইবার ট্রাইব্যুনালেও প্রসিকিউটর একই ভূমিকা পালন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশাসক — প্রশাসক বলতে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালনাকারী ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য নির্ধারিত আইনি পদ নন। B) পাবলিক প্রসিকিউটর — এটি সঠিক উত্তর। C) প্রাইভেট প্রসিকিউটর — কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে মামলা পরিচালনা করলে তাকে বোঝায়, যা সরকারি সাইবার ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) বিচারক — বিচারক হলেন বিচারালয়ের সেই ব্যক্তি যিনি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে রায় প্রদান করেন, মামলা পরিচালনা করা তাঁর কাজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আদালতে সরকারের পক্ষে মামলা লড়েন যিনি, তাঁর নাম পাবলিক প্রসিকিউটর। মনে রাখতে হবে যে সরকার মানেই পাবলিক এবং মামলা পরিচালনা মানে প্রসিকিউশন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন প্রণয়ন করা হয় ২০০৬ সালে। সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত মামলা বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান এই আইনে রয়েছে।
a Sorting
b Back Packing
c Stacking
d Filtering
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sorting ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার সায়েন্স এবং ডেটা স্ট্রাকচারের ভাষায়, ডেটা বা উপাত্তকে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সুনির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলা হয়। এটি হতে পারে ছোট থেকে বড় (Ascending) অথবা বড় থেকে ছোট (Descending)। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মেমোরি বা ডেটাবেজে সংরক্ষিত রেকর্ডগুলোকে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে ক্রমানুসারে বিন্যস্ত করাই হলো সর্টিং। কার্যপদ্ধতি: অ্যালগরিদমের সাহায্যে কম্পিউটার ডেটাগুলোর তুলনামূলক মান যাচাই করে স্থান পরিবর্তন করে। ব্যবহার: টেলিফোন ডিরেক্টরিতে নাম খোঁজা বা পরীক্ষার ফলাফলের মেধাক্রম তৈরি করতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসের রোল নম্বর অনুসারে শিক্ষার্থীদের নাম সাজানো। ব্যাখ্যা: শিক্ষক যখন রোল এক থেকে শেষ পর্যন্ত খাতা সাজান, তখন তা একটি নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে সর্ট করা হয়। উদাহরণ ২: অনলাইন শপিং সাইটে দামের কম থেকে বেশি বা বেশি থেকে কম অনুযায়ী পণ্য দেখা। ব্যাখ্যা: ক্রেতার সুবিধার্থে বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ডেটাবেজ থেকে ডেটা সর্ট করে পর্দায় প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sorting — এটি ডেটা নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর সঠিক প্রক্রিয়া হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) Back Packing — এটি ডেটা অর্গানাইজেশনের কোনো টার্ম নয়, বরং এটি কম্পিউটার সায়েন্সের একটি অপটিমাইজেশন সমস্যা (Knapsack Problem) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Stacking — স্ট্যাকিং হলো একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে সবশেষ ডেটা সবার আগে বের হয় (LIFO পদ্ধতি), যা সর্টিংয়ের কাজ করে না। D) Filtering — ফিল্টারিং হলো নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ডেটা খুঁজে বের করা এবং বাকি ডেটা বাদ দেওয়া, সাজানো নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সর্ট (Sort) শব্দের অর্থ সাজানো, তাই ডেটা সাজানোর প্রশ্ন এলেই সর্টিং উত্তর হবে। ফিল্টার (Filter) মানে চালনি বা বাছাই করা, যা ক্রমানুসারে সাজানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সায়েন্সে জনপ্রিয় কিছু সর্টিং অ্যালগরিদম হলো বাবল সর্ট, মার্জ সর্ট এবং কুইক সর্ট। ডেটা প্রসেসিংয়ের গতি বাড়াতে সর্টিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।
a Chat GPT
b Gemini
c Bing
d Grok
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bing ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি ভুল ছিল কারণ Bing একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, যা মাইক্রোসফট পরিচালনা করে থাকে। প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়, কিন্তু অপশন সি এর Bing একটি পূর্ণাঙ্গ সার্চ ইঞ্জিন হওয়ায় সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হবে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার কাজে ব্যবহার করা হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করলে, এটি ডেটাবাস থেকে ওয়েব পেজ স্ক্যান করে প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল সার্চ (Google Search) ব্যাখ্যা: এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত একটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন। উদাহরণ ২: ইয়াহু সার্চ (Yahoo Search) ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রথাগত সার্চ ইঞ্জিন যা ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য ও ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Chat GPT — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট বা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল। B) Gemini — এটি গুগল কর্তৃক তৈরিকৃত একটি জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল, সার্চ ইঞ্জিন নয়। C) Bing — এটি মাইক্রোসফটের একটি শক্তিশালী সার্চ ইঞ্জিন, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম বা সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) Grok — এটি এক্স (পূর্বের টুইটার) প্ল্যাটফর্মের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট, যা সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: গুগল, বিং এবং ইয়াহু হলো ঐতিহ্যবাহী সার্চ ইঞ্জিন। চ্যাট জিপিটি, জেমিনি এবং গ্রক হলো এআই চ্যাটবট। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সার্চ ইঞ্জিন এবং এআই চ্যাটবটের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম বিং এবং গুগলের এআই মডেলের নাম জেমিনি।
a Google Classroom
b Google Forms
c Google Sheets
d Google Docs
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Google Forms ১. কেন সঠিক: অনলাইন জরিপ বা সার্ভে তৈরি এবং তা থেকে সহজেই তথ্য সংগ্রহের জন্য গুগল ফর্ম অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ক্লাউড ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন। এর মাধ্যমে খুব কম সময়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি করে লিংক শেয়ারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: গুগল ফর্ম হলো গুগল ড্রাইভের সঙ্গে সংযুক্ত একটি অনলাইন ভিত্তিক জরিপ তৈরির টুল। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন সাজিয়ে একটি ফর্ম তৈরি করেন এবং তা ইন্টারনেটের মাধ্যমে উত্তরদাতাদের কাছে পাঠান। ব্যবহার: মতামত জরিপ গ্রহণ, কুইজ বা পরীক্ষা নেওয়া এবং রেজিস্ট্রেশন ফরম তৈরি করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট কি না তা জানতে একটি অনলাইন মতামত জরিপ তৈরি করা। ব্যাখ্যা: গুগল ফর্ম ব্যবহার করে প্রশ্ন তৈরি করে কর্মীদের ইমেইলে লিংক পাঠানো হলে তারা সহজেই মতামত জমা দিতে পারেন। উদাহরণ ২: একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের নাম রেজিস্ট্রেশন করা। ব্যাখ্যা: গুগল ফর্মের মাধ্যমে নির্দিষ্ট তথ্য যেমন নাম, রোল ও ইভেন্টের নাম সংগ্রহ করে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগলে সংরক্ষণ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google Classroom — এটি একটি অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম যার মাধ্যমে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট ও পাঠদান পরিচালনা করেন, জরিপ তৈরির কাজে এটি ব্যবহৃত হয় না। B) Google Forms — এই অপশনটি সঠিক এবং অনলাইন জরিপ ও তথ্য সংগ্রহের জন্য এটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। C) Google Sheets — এটি একটি স্প্রেডশিট বা ডেটা প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন, যা হিসাব-নিকাশ ও ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, সরাসরি জরিপ তৈরি করে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যম নয়। D) Google Docs — এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা মূলত ডকুমেন্ট বা প্রতিবেদন লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়, অনলাইন জরিপ পরিচালনার জন্য এটি উপযুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গুগল ফর্ম মানেই ফরম পূরণ করা বা জরিপ চালানো। ফর্ম শব্দটির সঙ্গেই জরিপ বা তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি সরাসরি জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গুগল ডাইভের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কাজ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গুগল ফর্ম ডেটা কালেকশন এবং গুগল শিট ডেটা অ্যানালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
a Video Graphics Area
b Video Graphic Area
c Video Graphics Array
d Video Graphics Access
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Video Graphics Array ১. কেন সঠিক: - VGA এর পূর্ণরূপ হলো Video Graphics Array, যা কম্পিউটার থেকে মনিটরে অ্যানালগ ভিডিও সিগন্যাল প্রেরণের একটি বিশ্বজনীন স্ট্যান্ডার্ড। - ১৯৮৭ সালে আইবিএম কোম্পানি প্রথম এই ডিসপ্লে স্ট্যান্ডার্ড প্রবর্তন করে এবং দীর্ঘ সময় এটি ভিডিও প্রদর্শনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: VGA হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার স্ট্যান্ডার্ড যা ডিজিটাল কম্পিউটার ডেটাকে মনিটরে দৃশ্যমান রঙিন গ্রাফিক্সে রূপান্তর করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি গ্রাফিক্স কার্ড থেকে অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মাধ্যমে পিক্সেল হিসেবে তথ্য মনিটরে প্রেরণ করে। - ব্যবহার: পুরোনো কম্পিউটার, প্রজেক্টর এবং কিছু সাধারণ মনিটরের সঙ্গে সিপিইউ যুক্ত করতে এই পিনযুক্ত পোর্ট ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুরোনো অফিসিয়াল কম্পিউটার ও সিআরটি মনিটরের সংযোগ। ব্যাখ্যা: পুরোনো ডেস্কটপ কম্পিউটারগুলোতে সিপিইউ থেকে মনিটরে ছবি পাঠানোর একমাত্র মাধ্যম ছিল এই ভিজিএ ক্যাবল। উদাহরণ ২: মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে প্রেজেন্টেশন প্রদর্শন। ব্যাখ্যা: অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে প্রজেক্টরে ছবি বা স্লাইড দেখানোর জন্য এই স্ট্যান্ডার্ড পোর্ট ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Video Graphics Area — 'Area' শব্দটি কোনো ডিসপ্লে স্ট্যান্ডার্ডের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক বা প্রমিত নয়। B) Video Graphic Area — এখানে 'Graphic' একবচনে রয়েছে এবং 'Area' শব্দটি প্রযুক্তিগত নামের সঙ্গে অসংগত। D) Video Graphics Access — 'Access' শব্দটি ডেটা বা ফাইলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো ভিডিও স্ট্যান্ডার্ডের ক্ষেত্রে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভিজিএ এর পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো শেষের শব্দটি হলো অ্যারে বা এরে। - সংক্ষিপ্ত রূপ ভিজিএ এর ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স বহুবচন এবং এরে শব্দটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ১৯৮৭ সালে আইবিএম পিএস/টু কম্পিউটারের সঙ্গে প্রথম এই প্রযুক্তি বাজারে আসে। - বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তিতে ভিজিএ এর পরিবর্তে এইচডিএমআই এবং ডিসপ্লে পোর্ট বহুল ব্যবহৃত হয়।
a Twitter
b Facebook
c You tube
d Instagram
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Twitter ১. কেন সঠিক: স্বল্প দৈর্ঘ্যের টেক্সট ব্লগিং বা মাইক্রোব্লগিং করার জন্য বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে পরিচিত মাধ্যম হলো টুইটার। এখানে ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট অক্ষরের সীমার মধ্যে তাদের মতামত, খবর বা চিন্তা খুব দ্রুত প্রকাশ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাইক্রোব্লগিং হলো ব্লগিংয়ের একটি রূপ যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট আকারের কন্টেন্ট যেমন টেক্সট, ছবি বা লিংক প্রকাশ করতে পারেন। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীরা তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে ছোট বার্তা বা পোস্ট প্রকাশ করেন যা ফলোয়াররা দেখতে ও রিটুইট করতে পারেন। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো দ্রুত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং সীমিত অক্ষরের মধ্যে মনের ভাব প্রকাশ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রেকিং নিউজ ব্যাখ্যা: সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমগুলো জরুরি ও সাম্প্রতিক খবর মুহূর্তের মধ্যে প্রচার করতে টুইটার ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: মতামত প্রকাশ ব্যাখ্যা: সাধারণ ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাদের সংক্ষিপ্ত মতামত বা ঘোষণা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Twitter — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মাইক্রোব্লগিং বা স্বল্প দৈর্ঘ্যের টেক্সট প্রকাশের জন্য তৈরি। B) Facebook — এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেখানে বড় আকারের পোস্ট, ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা যায়। C) You tube — এটি মূলত একটি ভিডিও শেয়ারিং এবং স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, টেক্সট ব্লগিংয়ের জন্য নয়। D) Instagram — এটি ছবি এবং ছোট ভিডিও শেয়ার করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি ভিজ্যুয়াল সোশ্যাল মিডিয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: টুইটার শব্দের অর্থ পাখির কিচিরমিচির, যার মাধ্যমে ছোট ছোট বার্তা বোঝায়। মাইক্রোব্লগিং বললেই টুইটারের নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি এবং এর লোগোতে একটি পাখির ছবি থাকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ধরন নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।