সঠিক উত্তর: D) নবমী
১. কেন সঠিক:
- পূরণবাচক শব্দের নারীবাচক রূপ বোঝাতে শব্দের শেষে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়, যেমন নবমী।
- সাধারণ পূরণবাচক শব্দগুলোকে পুংলিঙ্গ থেকে স্ত্রীলিঙ্গ বা নারীবাচক রূপ দেয়ার ব্যাকরণগত নিয়ম এটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সংখ্যাবাচক শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ক্রমিক অবস্থান বা সিরিয়াল বোঝায়, তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে।
- পূরণবাচক শব্দের নারীবাচক রূপ গঠনে শব্দের অন্তে দীর্ঘী-কার বা প্রত্যয় যুক্ত হয়, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম থেকে প্রথমা
ব্যাখ্যা: প্রথম শব্দের নারীবাচক পূরণবাচক রূপ হলো প্রথমা, যা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: ষষ্ঠ থেকে ষষ্ঠী
ব্যাখ্যা: ষষ্ঠ শব্দের নারীবাচক পূরণবাচক রূপ হিসেবে ষষ্ঠী ব্যবহৃত হয়, যা তিথির নামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষোড়শ — এটি একটি সাধারণ পূরণবাচক শব্দ হলেও এর নারীবাচক রূপ নয়, এটি পুংলিঙ্গ বা সাধারণ রূপ।
B) ষোলই — এটি তারিখবাচক শব্দ, যা বাংলা সনের মাসের দিন প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
C) অষ্টাদশ — এটি একটি সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাবাচক শব্দ, যা নারীবাচক রূপ নির্দেশ করে না।
D) নবমী — এটি সঠিক কারণ এটি সাধারণ পূরণবাচক শব্দের নারীবাচক রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তারিখ বা তিথির নামের সাথে সাধারণত দীর্ঘী-কার যুক্ত নারীবাচক পূরণবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন প্রতিপদ থেকে প্রথমা এবং অষ্টমী বা নবমী হলো এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দের রূপান্তর প্রায়ই আসে।
- পুংলিঙ্গ পূরণবাচকের সাথে দীর্ঘী-কার বা আ-কার যোগ করে নারীবাচক রূপ তৈরি করার নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ২১
কেন সঠিক:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের একবিংশ অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের সর্বদা জনগণের সেবা করার চেষ্টা করার কথা বলা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত একটি সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন যা বাংলা ব্যাকরণ বা সাহিত্যের আওতাভুক্ত নয়।
সংবিধানের অনুচ্ছেদগুলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতি ও নাগরিকদের অধিকার এবং কর্তব্য নির্ধারণ করে থাকে।
যেমন: ২১ অনুচ্ছেদের ১ নং দফায় সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ — একই অপশন হওয়ায় এটিও সঠিক অনুচ্ছেদ নির্দেশ করে তবে টাইপিং ত্রুটির কারণে বিকল্প হিসেবে এসেছে।
B) ২১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপশনগুলোর সাথে এর সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরি হয়েছে।
C) ২২ — এই অনুচ্ছেদে কার্যনির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
D) ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা ও সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
একুশ মানেই ভাষা আন্দোলন এবং একুশ অনুচ্ছেদ মানেই নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ কর্তব্য।
এভাবে সংখ্যাটি মনে রাখলে পরীক্ষা হলে সহজে সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা সম্ভব হবে।
সঠিক উত্তর: C) যোজক
১. কেন সঠিক:
একাধিক স্বাধীন বা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত বাক্য যখন কোনো যোজক বা অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
যৌগিক বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা, অথবা ইত্যাদি যোজক দ্বারা যুক্ত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগের একটি অন্যতম রূপ হলো যৌগিক বাক্য।
এই বাক্যে প্রতিটি খণ্ডবাক্য স্বাধীন বা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত হয় এবং তারা অর্থের দিক থেকে একে অপরের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে বাজারে গেল এবং মাছ কিনল।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য এবং যোজক দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: সে অনেক চেষ্টা করল কিন্তু সফল হতে পারল না।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি ভিন্ন মনোভাবের খণ্ডবাক্য কিন্তু যোজক দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম পদ, যা বাক্যের নামপদ হিসেবে কাজ করে কিন্তু বাক্যকে সংযুক্ত করতে পারে না।
B) অনুসর্গ — অনুসর্গ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে কারক বা বিভক্তি নির্দেশ করে, বাক্য সংযোগ করে না।
C) যোজক — এটি সঠিক কারণ যোজক একাধিক পদ বা বাক্যকে একত্রিত করতে সাহায্য করে।
D) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো কিছুর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, বাক্য গঠনের সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
যৌগিক বাক্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো এবং, কিন্তু, অথবা এই যোজকগুলো খোঁজা।
একাধিক স্বাধীন বাক্য যোজক দিয়ে যুক্ত থাকলে চোখ বন্ধ করে যৌগিক বাক্য দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের গঠনগত রূপ যেমন সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য প্রায়ই আসে।
বাক্যের ক্রিয়া এবং যোজকের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
- ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি পত্রিকাটি সাপ্তাহিক হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৯ সালে এটি দৈনিক রূপ লাভ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক এবং তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার সংযোগ সেতু হিসেবে পরিচিত। সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার মাধ্যমে তিনি সাহিত্য জগতে বহু গুণী লেখক ও কবিকে যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং দীনবন্ধু মিত্রকে তুলে এনেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ‘সংবাদ রত্নাবলী’
ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা ছিল, যা তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ‘বোধেন্দুদয়’
ব্যাখ্যা: সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বাংলা গদ্যের চর্চা ও প্রচারেও এই ধরনের গ্রন্থ ও পত্রিকা সম্পাদনায় অবদান রেখেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রমথনাথ চৌধুরী — তিনি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা।
B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি বিখ্যাত ‘নীলদর্পণ’ নাটকের রচয়িতা, তবে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসের রচয়িতা এবং ‘মাসিক পত্রিকা’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত হলেন সাংবাদিকতার ভোরের সূর্য। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রভাকরের সূর্য হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংবাদ প্রভাকর প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩১ সালে এবং এটি ১৮৩৯ সালে দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকী থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) সনেটে
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক এবং তার সনেটগুলোতে স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগ ও প্রবাসজীবনের বেদনা প্রকাশিত হয়েছে।
কপোতাক্ষ নদ বা বঙ্গভাষা কবিতার মতো সনেটগুলোতে তার দেশপ্রেমের তীব্রতা ও মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি সবচেয়ে প্রবলভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি ও নাট্যকার যিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেছিলেন।
তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেটের অনুকরণে বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট রচনা করেন এবং চতুর্দশপদী কবিতাবলী তার বিখ্যাত সনেট সংকলন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ কবিতা
ব্যাখ্যা: এই সনেটে কবির প্রবাসে বসেও শৈশবের নদ ও জন্মভূমির প্রতি তীব্র ভালোবাসা এবং দেশপ্রেমের প্রবল প্রকাশ ঘটেছে।
উদাহরণ ২: বঙ্গভাষা কবিতা
ব্যাখ্যা: এই চতুর্দশপদী কবিতায় কবি মাতৃভাষা বাংলার প্রতি অবহেলার কষ্ট প্রকাশ করে নিজের গভীর দেশপ্রেম ও স্বভাষাপ্রীতি ফুটিয়ে তুলেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পত্রেকাব্য — মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মের মধ্যে পত্রকাব্য প্রধান ধারা নয়, বরং তার বীরাঙ্গনা কাব্য পত্রকাব্যের রূপ হলেও দেশপ্রেমের প্রধান প্রকাশ এখানে ঘটেনি।
B) নাটকে — নাটকগুলোতে যেমন কৃষ্ণকুমারী বা পদ্মাবতী পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক কাহিনীর প্রকাশ ঘটেছে, সনেটের মতো ব্যক্তিগত দেশপ্রেমের প্রবল রূপ নাটকে নেই।
D) মহাকাব্যে — মেঘনাদবধ কাব্য একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যেখানে দেশপ্রেমের চেয়ে বীরত্ব, ট্র্যাজেডি এবং চরিত্রের মাহাত্ম্য বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম বললেই চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট মনে রাখবে, কারণ তার সনেটগুলোই জন্মভূমির টানে সবচেয়ে বেশি আবেগঘন ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সনেটের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার প্রথম সনেট কপোতাক্ষ নদ বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) তিন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা অনুবর্ণ মূলত তিনটি। ব্যঞ্জনবর্ণ যখন স্বরবর্ণের সাথে যুক্ত হয় তখন তাদের সংক্ষিপ্ত রূপকে অনুবর্ণ বা কার বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে এই অনুবর্ণ বা কার চিহ্নের সংখ্যা নির্দিষ্ট এবং এর সঠিক ব্যবহার শেখা বাংলা বানান ও শব্দ গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বা অনুবর্ণ বলা হয়। স্বরবর্ণ মোট এগারোটি হলেও এর মধ্যে অ বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই।
- বাকি দশটি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা অনুবর্ণ রয়েছে, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন শব্দ গঠন করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক + আ কার = কা (যেমন: কাজ)
ব্যাখ্যা: এখানে আ স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ আ-কার ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ক + ই কার = কি (যেমন: কিতাব)
ব্যাখ্যা: এখানে ই স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ই-কার ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলা অনুবর্ণের সংখ্যা দুই কিংবা তার কম নয়।
B) তিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নানুসারে অনুবর্ণ তিন প্রকার হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
C) পাঁচ — এটি সঠিক নয় কারণ অনুবর্ণের সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক নয়।
D) ছয় — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অনুবর্ণের এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাংলা অনুবর্ণ বা কার চিহ্ন এবং তাদের ব্যবহারের সংখ্যা মনে রাখার জন্য প্রমিত ব্যাকরণ বইয়ের অধ্যায়টি বারবার চর্চা করতে হবে।
- ব্যাকরণের মৌলিক নিয়মগুলো ছক আকারে খাতায় লিখে অনুশীলন করলে দীর্ঘস্থায়ী মনে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণ, কার এবং ফলা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ জাতীয় প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) পথের দাবী (উপন্যাস)
১. কেন সঠিক:
- পথের দাবী একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচনা করেছেন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সাহিত্যকর্মের ধরন প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়, তাই সঠিক ধারা চেনা জরুরি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী কথাসাহিত্যিক।
- রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী চরিত্রগুলোর দেশপ্রেম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবদাস (উপন্যাস)
ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অমর প্রেমের উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত (উপন্যাস)
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজীবনীমূলক চার খণ্ডে সমাপ্ত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের দাবী (উপন্যাস) — এটি সঠিক কারণ পথের দাবী একটি উপন্যাসই বটে।
B) একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস) — এটি ভুল কারণ একাত্তরের দিনগুলি কোনো উপন্যাস নয়, এটি জাহানারা ইমাম রচিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিকথা বা দিনলিপি।
C) গোরা (নাট্যগ্রন্থ) — এটি ভুল কারণ গোরা কোনো নাটক নয়, এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।
D) বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ) — এটি ভুল কারণ বিদ্রোহী কোনো পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত একটি কবিতা যা পরবর্তীতে অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পথের দাবী উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম মনে রাখতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক চেতনার কথা মাথায় রাখতে পারো।
- বিভিন্ন রচনার ধরন মনে রাখতে ছক তৈরি করে পড়তে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাহিত্যকর্মের নাম এবং তার সঠিক সাহিত্যরূপ (উপন্যাস, নাটক, কাব্যগ্রন্থ) বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- একই লেখকের ভিন্নধর্মী রচনাগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে
কেন সঠিক:
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব শব্দের ক্ষেত্রে দুটি পদ বা রূপমূলের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং সেখানে কারক বা বিভক্তি যুক্ত হতে পারে।
- এই ধরনের দ্বিত্বে মূল শব্দের অর্থ অপরিবর্তিত থাকে এবং বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যের সাথে পদের সম্পর্ক তৈরি করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে পদের জোড়া ব্যবহার বা দ্বিত্ব সাধনে কখনো কখনো বিভক্তির প্রয়োগ দেখা যায়।
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব সাধারণত বিশেষ্য, সর্বনাম বা বিশেষণ পদের দুবার ব্যবহারের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- যেমন ঘরে ঘরে আলো জালো, এখানে ঘর শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অনুকার দ্বিত্বে — অনুকার দ্বিত্বে সাধারণত ধ্বনির অনুকরণে শব্দ তৈরি হয় এবং এতে সাধারণত বিভক্তি যুক্ত হয় না।
- B) পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشنটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বে — ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বে প্রাকৃতিক শব্দের অনুকরণ থাকে এবং সরাসরি বিভক্তি যুক্ত হয় না।
- D) ক ও খ উভয়ই — যেহেতু শুধু পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে বিভক্তি যুক্ত হয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- বিভক্তি যুক্ত হওয়ার বিষয়টি শুধু পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয়জনিত
১. কেন সঠিক:
- 'উৎকর্ষতা' শব্দটিতে অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে এটি অশুদ্ধ হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একাধিক ভাববাচক প্রত্যয় একসঙ্গে যুক্ত করা যায় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য পদ গঠনে মূল শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' বা অন্যান্য তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করার পর পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
- 'উৎকর্ষ' শব্দটি নিজেই একটি ভাববাচক বিশেষ্য, তাই এর সঙ্গে পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যোগ করলে বাহুল্য দোষ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৈন্যতা
ব্যাখ্যা: 'দীন' শব্দের সঙ্গে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দৈন্য' হয়, যা সঠিক। কিন্তু এর সঙ্গে আবার 'তা' যুক্ত করে 'দৈন্যতা' লেখা ভুল।
উদাহরণ ২: স্বরুপতা
ব্যাখ্যা: 'স্বরূপ' শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করা ভুল, কারণ স্বরূপ শব্দটি নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ বিশেষ্য পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সন্ধিজনিভ — এই শব্দে কোনো সন্ধিঘটিত ভুল নেই, কারণ এটি সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়নি।
B) বিভক্তিজনিত — শব্দটিতে কোনো কারক বা পদের বিভক্তিজনিত ত্রুটি ঘটেনি।
C) প্রত্যয়জনিত — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে অতিরিক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় ব্যবহারের ভুল রয়েছে।
D) উপসর্গজনিত — শব্দটিতে কোনো উপসর্গ যুক্ত হয়নি, তাই উপসর্গজনিত ভুল এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একই শব্দে য এবং তা প্রত্যয় একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না।
- উৎকর্ষ বা দীনতা আলাদাভাবে সঠিক, কিন্তু উৎকর্ষতা বা দৈন্যতা অশুদ্ধ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত শব্দশুদ্ধি প্রায়ই আসে।
- এই নিয়মে বাহুল্যতা, সার্থকতা বা একত্রিত শব্দগুলোর গঠন ভালো করে লক্ষ্য রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বানানে ও অর্থে
১. কেন সঠিক:
শব্দ দুটির বানানে প্রথমটিতে মূর্ধন্য ণ এবং দ্বিতীয়টিতে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়েছে যা বানানের পার্থক্য নির্দেশ করে।
পাশাপাশি শব্দ দুটির অর্থের ক্ষেত্রেও ভিন্নতা রয়েছে যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্ধারণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক এই প্রশ্নে বানানের ভিন্নতার কারণে অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
বাংলা ভাষায় ধ্বনি পরিবর্তনের পাশাপাশি বানানগত পার্থক্যের কারণে অনেক শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অণু
ব্যাখ্যা: এই অণু শব্দের অর্থ পরমাণু বা ক্ষুদ্রতম কণা।
উদাহরণ ২: অনু
ব্যাখ্যা: এই অনু শব্দের অর্থ পশ্চাৎ বা পরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বানানে — শুধু বানান বললে অর্থের দিকটি বাদ পড়ে যায় তাই এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
B) উচ্চারণে — শব্দ দুটির উচ্চারণ প্রায় একই রকম হওয়ায় উচ্চারণে কোনো তফাৎ নেই।
C) অর্থে — শুধু অর্থ বললে বানানের ভিন্নতার বিষয়টি উপেক্ষা করা হয় যা অসম্পূর্ণ।
D) বানানে ও অর্থে — এই অপশনটি বানান ও অর্থ উভয় দিকের তফাৎ সঠিকভাবে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ণত্ব বিধানের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ যুক্ত অণু হলো ক্ষুদ্র কণা আর দন্ত্য ন যুক্ত অনু হলো পরে বা উপসর্গ।
বানান খেয়াল করলেই অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
বানান ও অর্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) -তি (করতি)
১. কেন সঠিক:
সাধু ও প্রমিত বাংলার ক্রিয়ার রূপের ক্ষেত্রে সাধারণ অতীতের নিত্যকাল বা নিত্য অতীত কালে শ্রোতা পক্ষের ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছার্থক রূপে ক্রিয়া বিভক্তি হিসেবে -তি যুক্ত হয়।
কর্তা যখন মধ্যম পুরুষ বা শ্রোতা পক্ষের খুব ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছ কাউকে বোঝায়, তখন ক্রিয়ামূলের সঙ্গে এই বিভক্তি যুক্ত হয়ে অতীত কালের অভ্যাস বা নিত্যতা প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ার কাল ও পুরুষভেদে বিভক্তির পরিবর্তন ঘটে থাকে।
মধ্যম পুরুষের ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছার্থক রূপে সাধারণ অতীতের নিত্যকালে ক্রিয়ার অন্তে -তি বিভক্তি যুক্ত হয়, যেমন তুই করতি, তুই আসতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুই প্রতিদিন সকালে মাঠে দৌড়াস না করে বরং হেঁটে বেড়াতি।
ব্যাখ্যা: এখানে মধ্যম পুরুষ ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছ বোঝাতে বেড়াতি ক্রিয়ায় -তি বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আগে তুই রোজ বিকেলে আমাদের বাড়িতে আসতি।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অতীতকালের নিত্যতা বোঝাতে আসতি ক্রিয়ায় -তি বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) -ব (করব) — এটি উত্তম পুরুষের সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াবিভক্তি, যা শ্রোতা পক্ষের রূপ নয়।
B) -বে (করবে) — এটি মধ্যম পুরুষের সাধারণ বা নাম পুরুষের ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াবিভক্তি, যা নিত্য অতীতের রূপ নয়।
C) -তি (করতি) — এটি সঠিক উত্তর।
D) -এন (করেন) — এটি নাম পুরুষের সম্মানসূচক বর্তমান বা অতীত কালের ক্রিয়াবিভক্তি, যা ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছ রূপের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিত্য অতীত কালে তুই বা ঘনিষ্ঠ শ্রোতার ক্ষেত্রে ক্রিয়ার শেষে -তি বা -টাস উচ্চারণ হয়।
যেমন তুই করতি, তুই বলতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যম পুরুষের ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছ রূপের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার কাল নির্ণয়ের সময় বিভক্তি চিহ্নিত করার প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ক্রিয়ার পুরুষ ও কাল ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) কৃতজ্ঞ
১. কেন সঠিক:
যেসব বিশেষণ শব্দ জন্মগতভাবেই পুরুষবাচক এবং এদের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই বা করা যায় না, সেগুলোকে নিত্য নরবাচক শব্দ বলা হয়। কৃতজ্ঞ একটি এমন শব্দ যা কেবল পুরুষবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো স্বতন্ত্র স্ত্রীবাচক শব্দ নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দ এমন রয়েছে যাদের নিজস্ব কোনো স্ত্রীবাচক রূপ থাকে না। নিত্য নরবাচক শব্দের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দই প্রধান এবং এদের স্ত্রীবাচক করতে হলে শব্দের আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যুক্ত করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যা: এটিও কৃতজ্ঞ শব্দের মতো নিত্য নরবাচক শব্দের একটি উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কবিরাজ
ব্যাখ্যা: কবিরাজ শব্দটিও নিত্য নরবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাবা — এটি একটি স্বাভাবিক পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ মা রয়েছে।
B) কৃতজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিত্য নরবাচক শব্দ।
C) নেতা — এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ নেত্রী রয়েছে।
D) ছেলে — এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ মেয়ে রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য নরবাচক শব্দ চেনার উপায় হলো যেগুলোর কোনো নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ ব্যাকরণে পাওয়া যায় না। কৃতজ্ঞ শব্দের মতো যেসব শব্দ স্বাধীনভাবে পুরুষবাচক হিসেবে টিকে থাকে, সেগুলোকে এ শ্রেণিতে রাখা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য নরবাচক ও নিত্য নারীবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। নিত্য নরবাচক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রীবাচক রূপ পরিবর্তনের চেষ্টা না করে সরাসরি মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
সঠিক উত্তর: C) উষা, কোনা এবং D) মুহুর্মুহু, মুহূর্ত (প্রদত্ত প্রশ্নে একাধিক অপশন সঠিক রয়েছে, তবে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী C এবং D উভয় অপশনের শব্দগুলোই শুদ্ধ।)
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী উষা এবং কোনা শব্দ দুটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য।
- মুহুর্মুহু এবং মুহূর্ত শব্দ দুটিতে হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়, যা বাংলা বানান নিয়মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দে হ্রস্ব ই-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে পদের শেষে বা মাঝে হ্রস্ব-উ কার এবং তার ব্যবহার প্রমিত বাংলা বানানে বিশেষভাবে অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপদেষ্টা
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত বাংলা শব্দ যেখানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: উপর্যুক্ত
ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বাংলা বানান যা দাপ্তরিক ও সাহিত্যিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্রিকোণ, উনবিংশ — ত্রিকোণ বানানটি সঠিক হলেও উনবিংশ শব্দে প্রমিত বানানে পরিবর্তন আসতে পারে বা এটি মূল প্রশ্নের একক সঠিকতার সাথে সম্পূর্ণ মেলে না।
B) অদ্যপি, যদ্যপি — অদ্যপি এবং যদ্যপি বানান দুটি ঐতিহ্যগত হলেও প্রমিত বানানে এগুলোর আধুনিক রূপ ব্যবহারে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যায়।
C) উষা, কোনা — এই অপশনের শব্দ দুটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
D) মুহুর্মুহু, মুহূর্ত — এই অপশনের শব্দ দুটিও বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল ও ব্যাকরণসিদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত এবং মুহুর্মুহু শব্দে সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করবে।
- বানানের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত নিয়মগুলো নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্রস্ব-উ কার ও দীর্ঘ-ঊ কার সংক্রান্ত বানানগুলো পরীক্ষকগণ দিয়ে থাকেন।
- একই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন পুঞ্জীভূত ও উপদেষ্টা ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) ৫ম
কেন সঠিক:
- মাতৃভাষী মানুষের সংখ্যার দিক থেকে বাংলা ভাষা সারা বিশ্বে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে।
- বর্তমান বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ৩০ কোটিরও বেশি মানুষের মাতৃভাষা বাংলা।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা বংশের দিক থেকে বাংলা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের শাখা থেকে এসেছে।
- নৃতাত্ত্বিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় মাতৃভাষীর সংখ্যার ওপর এই তালিকা তৈরি হয়।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির পর বিশ্বজুড়ে বাংলা ভাষার এই অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ৫ম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলা ভাষার সঠিক বৈশ্বিক অবস্থান নির্দেশ করে।
- B) ৬ষ্ঠ — এই অপশনটি ভুল কারণ অতীতে ষষ্ঠ অবস্থান থাকলেও বর্তমানে বাংলা পঞ্চম অবস্থানে উন্নীত হয়েছে।
- C) ৭ম — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বর্তমান মাতৃভাষার সংখ্যার সঠিক ক্রম নয়।
- D) ৮ম — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলা ভাষার বর্তমান বৈশ্বিক জনসংখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- বিশ্ব মাতৃভাষার র্যাঙ্কিং মনে রাখতে সংখ্যা ৫ মনে রাখবে।
- বাংলা ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ ৫ ভাষার একটি।
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দটি আমাদের ভাষা সরাসরি পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে।
- পর্তুগিজ বণিকদের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এই শব্দটি প্রবেশ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিদেশি শব্দ বা আগন্তুক শব্দ।
- প্রাচীন যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন বিদেশি শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে।
- পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা অন্যান্য শব্দের মধ্যে আনারস, চাবি, ও আলমারি উল্লেখযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
- B) গ্রীক — গ্রীক ভাষা থেকে এই শব্দটি বাংলায় নেওয়া হয়নি।
- C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় আসলেও ইংরেজি শব্দটি আসেনি।
- D) তুর্কী — তুর্কি ভাষা থেকেও এই শব্দটি বাংলায় প্রবেশ করেনি।
মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে এটি মনে রাখতে পর্তুগিজ শব্দতালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বাগধারা
১. কেন সঠিক:
- বাগধারা ভাষার বিশেষ সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশে অনন্য ভূমিকা রাখে। এটি বাক্যে সাধারণ অর্থের বাইরে গভীর ও ব্যঞ্জনাপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে ভাষা প্রাণবন্ত করে তোলে।
- বাগধারা ব্যবহারের মাধ্যমে বক্তা বা লেখক খুব অল্প কথায় মনের ভাব অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও প্রাঞ্জলভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ আলংকারিক বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। এটি ভাষার প্রকাশক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- বাংলা ভাষায় বাগধারার সঠিক প্রয়োগ বাক্যকে গাম্ভীর্য ও মাধুর্য দান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: আভিধানিক অর্থে এটি একটি বিশেষ জাতের কুমড়া হলেও, বাগধারা হিসেবে এর অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি।
উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি
ব্যাখ্যা: আভিধানিক অর্থে এটি বাদ্যযন্ত্রের কাঠি হলেও, বাগধারা হিসেবে এর অর্থ চাটুকার বা তোষামোদকারী ব্যক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপ বা মিলন। এটি পদের মিলন ঘটিয়ে বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করে, কিন্তু সরাসরি ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে না।
B) প্রত্যয় — প্রত্যয় হলো শব্দের মূলের সাথে যুক্ত হওয়া বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি। এটি নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে, বাক্যের ব্যঞ্জনা সৃষ্টি এর কাজ নয়।
C) বাগধারা — সঠিক উত্তর। এটি বাক্য অধিক ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করতে পারে এবং ভাষা প্রাণবন্ত করে।
D) কারক — কারক বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ক স্থাপন করে। এটি ব্যাকরণগত সম্পর্ক বোঝায়, ভাষার আলংকারিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভাষা প্রাণবন্ত ও ব্যঞ্জনাপূর্ণ করার জাদুকরী হাতিয়ার হলো বাগধারা। আলংকারিক বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত শব্দগুচ্ছই বাক্যের সৌন্দর্য বাড়ায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস, অর্থ এবং বাক্য প্রয়োগ প্রায়ই আসে। বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ইকুয়েডর
১. কেন সঠিক:
কিটো হলো দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের রাজধানী এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল শহর।
এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার আটশো পঞ্চাশ মিটার উঁচুতে আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম রাজধানী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত সাধারণ জ্ঞান বা আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি বিষয়ক একটি প্রশ্ন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব পরিচিতি অংশের জন্য নির্ধারিত।
বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মুদ্রার নাম মনে রাখা বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পেরুর রাজধানী লিমা।
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আমেরিকার আরেকটি দেশ এবং এর রাজধানী লিমা।
উদাহরণ ২: উরুগুয়ের রাজধানী মন্তেভিডিও।
ব্যাখ্যা: এটিও দক্ষিণ আমেরিকার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী মন্তেভিডিও।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইকুয়েডর — এটি সঠিক কারণ কিটো এই দেশেরই রাজধানী।
B) উরুগুয়ে — এটি ভুল কারণ এই দেশের রাজধানী মন্তেভিডিও।
C) পেরু — এটি ভুল কারণ এই দেশের রাজধানী লিমা।
D) প্যারাগুয়ে — এটি ভুল কারণ এই দেশের রাজধানী আসুনসিয়ন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইকুয়েডের রাজধানীর নাম মনে রাখার জন্য কিটো শব্দটি মাথায় রাখতে পারো।
দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর রাজধানী প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই মানচিত্র দেখে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দক্ষিণ আমেরিকান দেশগুলোর রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো করার জন্য মহাদেশভিত্তিক রাজধানীগুলো ছক করে মুখস্থ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) শব্দজোড়
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দের উচ্চারণ এক বা প্রায় এক কিন্তু অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা, সেগুলোকে ব্যাকরণের পরিভাষায় শব্দজোড় বা জোড়া শব্দ বলা হয়।
বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ আছে যা শুনতে একই রকম শোনায় কিন্তু তাদের অর্থের মধ্যে পার্থক্য থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দার্থের দিক থেকে বাংলা শব্দভাণ্ডারে এমন কিছু শব্দ পাওয়া যায় যা উচ্চারণে কাছাকাছি হলেও ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
এগুলো বাক্যে ব্যবহারের সময় অর্থের ভিন্নতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্ঘ ও অর্ঘ্য
ব্যাখ্যা: অর্ঘ অর্থ পূজার উপকরণ এবং অর্ঘ্য অর্থ মূল্য বা্য অর্পণ।
উদাহরণ ২: কুল ও কূল
ব্যাখ্যা: কুল অর্থ বংশ বা ফল এবং কূল অর্থ নদীর তীর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্গ — বর্গ বলতে ব্যাকরণে ব্যঞ্জনবর্ণের ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) প্রবাদ — প্রবাদ হলো দীর্ঘদিনের লোকঅভিজ্ঞতার প্রকাশ যা জীবনের কোনো সত্য তুলে ধরে, শব্দের উচ্চারণের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
C) শব্দদ্বৈত — শব্দদ্বৈত হলো একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহার করা, যেমন ভালো ভালো ফল, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
D) শব্দজোড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই বা প্রায় একই উচ্চারণের ভিন্নার্থক শব্দকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
উচ্চারণ একই কিন্তু অর্থ আলাদা হলে তাকে শব্দজোড় মনে রাখবে।
জোড়া মানেই দুটি ভিন্ন জিনিসের মিলন, তাই এখানে দুটি ভিন্ন অর্থের শব্দ বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বা শব্দজোড় থেকে প্রশ্ন আসে।
বানান ও অর্থের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ভাস্কর
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দগুলো যেমন আদিত্য, সবিতা, মার্তণ্ড এবং অংশুশালী হলো সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ।
- ভাস্কর শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়।
- বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা ভাবের বহু নাম থাকতে পারে, যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাস্কর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সূর্য।
B) অর্ণব — এই শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা সাগর।
C) নৃপ — এই শব্দটির অর্থ রাজা বা ভূপতি।
D) গিরি — এই শব্দটির অর্থ পাহাড় বা পর্বত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সূর্য মামার অনেক নাম, আদিত্য আর সবিতা তার কাম।
- মার্তণ্ড আর অংশুশালী, সূর্য ছাড়া কেউ নয় খালি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চন্দ্র, সমুদ্র ও নদীর সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের সঙ্গে প্রচলিত প্রতিশব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ক্রিয়া-বিশেষ্য
১. কেন সঠিক:
- কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে ভাববাচ্যে রূপান্তর করার সময় বাক্যের মূল ক্রিয়াটি মূলত ক্রিয়াবিশেষ্য বা ভাববাচক বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয় এবং তা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- ভাববাচ্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার ভাব বা অর্থই প্রধানভাবে প্রকাশিত হয় বলে ক্রিয়ামূল বা ক্রিয়াবিশেষ্য পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে বাচ্যে কর্তার বা কর্মের পদের চেয়ে ক্রিয়ার ভাব বা অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
- কর্তৃবাচ্যের ক্রিয়াপদকে ভাববাচ্যে রূপান্তর করতে হলে মূল ক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে তাকে বিশেষ্য পদে পরিণত বা নিয়ন্ত্রিত করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি যাব না।
ব্যাখ্যা: এটিকে ভাববাচ্যে রূপান্তর করলে হয়, আমার যাওয়া হবে না, যেখানে যাওয়া একটি ক্রিয়াবিশেষ্য পদ।
উদাহরণ ২: সে খেলছে।
ব্যাখ্যা: এটিকে ভাববাচ্যে রূপান্তর করলে হয়, তার খেলা হচ্ছে, যেখানে খেলা পদটি মূল ক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়া — ক্রিয়া সরাসরি ভাববাচ্যের রূপান্তরের একক নয়, বরং ক্রিয়াই এখানে ক্রিয়াবিশেষ্যে রূপান্তরিত হয়।
B) ক্রিয়া-বিশেষ্য — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ভাববাচ্যে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করতে এই পদটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।
C) বিশেষণ — বিশেষণ পদ বাচ্য রূপান্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রক নয়, এটি মূলত গুণ বা অবস্থা বোঝায়।
D) বিশেষ্য — সাধারণ বিশেষ্য পদ ভাববাচ্যের রূপান্তর প্রক্রিয়াকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে না, কেবল ক্রিয়াবিশেষ্যই প্রধান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, ভাববাচ্য মানেই ক্রিয়ার ভাব বা ক্রিয়াবিশেষ্যের প্রাধান্য।
- কর্তৃবাচ্যের ক্রয়াকে বিশেষ্য রূপ দিয়ে ভাববাচ্যে নিতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কর্তার অনুপস্থিতি এবং ক্রিয়ার ভাবের প্রধানতাই ভাববাচ্যের মূল চাবিকাঠি।
সঠিক উত্তর: D) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
যাতে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, বিরত, উৎপন্ন, রক্ষিত, ভীত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
‘জমি থেকে ফসল পাই’ বাক্যে ‘ফসল’ জমি থেকে উৎপন্ন বা প্রাপ্ত হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই ‘জমি থেকে’ অংশটি অপাদান কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে বাক্যের ক্রিয়াপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
অপাদান কারক হলো বাক্যের সেই বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ, যা থেকে কোনো কিছুর বিচ্যুতি, উৎপত্তি, ভয় বা দূরত্ব বোঝায় এবং এতে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই গাছ থেকে অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: হিমালয় থেকে নদী উৎপন্ন হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে নদী হিমালয় থেকে জাত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই হিমালয় থেকে অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণ কারক — করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়, যা বাক্যে ক্রিয়ার সম্পাদন মাধ্যম বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম নেই।
B) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক দ্বারা ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান, কাল বা সময়কে বোঝায় কিন্তু এখানে উৎস বা উৎপত্তি বোঝানো হয়েছে।
C) কর্ম কারক — কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, কিন্তু এখানে কর্ম নয় বরং উৎস নির্দেশ করা হয়েছে।
D) অপাদান কারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে জমি থেকে ফসল উৎপন্ন বা প্রাপ্ত হওয়ার উৎস বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোথাও থেকে উৎপন্ন, বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয় পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
কোথাও থেকে কিছু পাওয়া বা তৈরি হওয়া মানেই তা অপাদান কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
উৎপত্তি বা উৎস বোঝালে সবসময় অপাদান কারক হয়।
একই রকম নিয়মে গাছ থেকে আম পড়ে বা শক্তি থেকে বল পায় বাক্যগুলোতেও অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: C) কুবলয়
১. কেন সঠিক:
- 'কুবলয়' শব্দের অর্থ নীল পদ্ম, যা পদ্ম ফুলের একটি বিশেষ প্রজাতিকে নির্দেশ করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে পদ্মের বিভিন্ন প্রতিশব্দ প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা হয়।
- 'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মূলত এর বিভিন্ন রঙ, আকৃতি বা উৎপত্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎপল
ব্যাখ্যা: উৎপল শব্দের অর্থও পদ্মফুল, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে আসে।
উদাহরণ ২: পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্কজ শব্দের অর্থ যা পাঁকে জন্মে, অর্থাৎ পদ্মফুল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অম্বুবাহ — অম্বুবাহ শব্দের অর্থ মেঘ, কারণ এটি জল বহন করে।
B) পাদপ — পাদপ শব্দের অর্থ গাছ বা বৃক্ষ, যা উদ্ভিদকুলকে বোঝায়।
C) কুবলয় — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নীল পদ্ম।
D) অটবী — অটবী শব্দের অর্থ বন বা অরণ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদ্ম শব্দের সাথে পঙ্কজ, উৎপল, কুবলয়, নলিনী শব্দগুলো মনে রাখবে।
- জল সম্পর্কিত শব্দের সাথে বাহ যুক্ত হলে মেঘ বোঝায় যেমন অম্বুবাহ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রমিত বাংলা বানানে কুবলয় শব্দটি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
- সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে অর্থ বুঝে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) Call in a doctor
১. কেন সঠিক:
- কাউকে ডেকে আনা অর্থে ইংরেজিতে Call in ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব ব্যবহৃত হয়।
- রোগীকে দেখার জন্য বা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ডাক্তার ডেকে আনা বোঝাতে Call in a doctor লেখা প্রমিত নিয়ম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যেখানে ভার্বের পর preposition বা adverb যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
- Call in অর্থ কাউকে তলব করা বা ডেকে পাঠানো, বিশেষ করে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Call in the police.
ব্যাখ্যা: পুলিশকে ডেকে আনা অর্থে এখানে Call in ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: Call in an engineer to fix the machine.
ব্যাখ্যা: যন্ত্রপাতি ঠিক করার জন্য প্রকৌশলীকে ডেকে আনা অর্থে Call in সঠিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Call a doctor — এটি সোজাসুজি ডাক্তারকে ডাকো বোঝায়, কিন্তু কাউকে ডেকে পাঠানোর নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে না।
B) Call in a doctor — এটি সঠিক উত্তর।
C) Call for a doctor — Call for অর্থ কোনো কিছুর দাবি করা বা প্রয়োজন হওয়া, যা ডাক্তার ডেকে আনার ক্ষেত্রে কম উপযুক্ত।
D) Call in doctor — এখানে doctor পদের আগে কোনো a বা the আর্টিকেল ব্যবহার না করায় ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি অসম্পূর্ণ হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞকে বাড়ি ডেকে আনতে হলে Call এর সাথে ইন preposition ব্যবহার করতে হয়।
- রোগীকে বাঁচাতে ডাক্তারকে ঘরে ডেকে আনো, তাই মনে রাখবে Call in.
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপযুক্ত প্রিপজিশন বা ফ্রেজাল ভার্ব নির্বাচনে এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- Call দিয়ে গঠিত অন্যান্য গ্রুপ ভার্ব যেমন Call off বা Call out এর অর্থ ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ছিদ + ত্ত
১. কেন সঠিক:
- এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধি ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দ গঠনের বিশেষ নিয়ম যেখানে ছিদ ধাতুর সঙ্গে ত্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ছিন্ন শব্দটি গঠিত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দ বা ধ এর পর ত বা থ থাকলে দ বা ধ এর স্থানে ত এবং ত বা থ এর স্থানে থ বা ন হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়মে ধাতু বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে এবং এখানে ছিদ ধাতুর সঙ্গে ত্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে এই শব্দে ব্যঞ্জনসন্ধি ও প্রত্যয়ের যৌথ প্রক্রিয়া কাজ করেছে যা শব্দের মূল রূপ নির্ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভিদ + ত্ত = ভিন্ন
ব্যাখ্যা: ছিদ ধাতুর মতো ভিদ ধাতুর সঙ্গে ত্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভিন্ন শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: লব্ধ + ত = লব্ধ (লব ধাতু + ত্ত)
ব্যাখ্যা: একই নিয়ম অনুসরণ করে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছিদ + ন্ন — এখানে ন্ন প্রত্যয় হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ মূল প্রত্যয়টি ত্ত আকারে যুক্ত হয়।
C) ছিন + ন — ছিন কোনো মূল ধাতু নয় এবং এর গঠন প্রক্রিয়া বাংলা ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) ছিদ + ন — এখানে ন প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে যা ছিন্ন শব্দের প্রকৃত গঠনের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছিন্ন শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মনে রাখতে হবে যে এর মূলে রয়েছে ছিদ ধাতু এবং ত্ত প্রত্যয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দগুলোর ক্ষেত্রে ধাতু ও প্রত্যয়ের রূপ মুখস্থ রাখার বদলে নিয়ম চর্চা করা ভালো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এটি ব্যপ্তিমূলক ব্যাকরণ অংশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- একই ধরনের অন্যান্য শব্দ যেমন ভিন্ন বা ছিন্ন শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সম্বন্ধ
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক বা অন্বয় নেই, এমন পদ হলো সম্বন্ধ পদ এবং এই সম্পর্ককে সম্বন্ধ কারক বলা হয় না, কারণ ব্যাকরণবিদদের মতে এটি আসলে কারক নয়। বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে অন্য পদের যে সম্পর্ক থাকে, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে এবং এটি কেবল নাম পদের সঙ্গে নাম পদের সম্পর্ক স্থাপন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের সরাসরি সম্পর্ক না থাকলে তাকে কারক বলা যায় না, তাই সম্বন্ধ পদকে কারক বলা হয় না। সাধারণত বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্বন্ধ বোঝাতে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে র কিংবা এর বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিমের বই পড়া শেষ হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে রহিমের পদের সঙ্গে বই পদের সম্বন্ধ আছে, ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
উদাহরণ ২: এটি আমার কলম।
ব্যাখ্যা: এখানে আমার পদের সঙ্গে কলম পদের সম্বন্ধ প্রকাশ পেয়েছে, যা কোনো ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তা — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কর্তা কারক সরাসরি ক্রিয়াপদের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কে বা কারা প্রশ্ন করলে কর্তা কারক পাওয়া যায়।
B) অধিকরণ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ অধিকরণ কারক ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা সময় নির্দেশ করে ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে।
C) সম্বন্ধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সঙ্গে ক্রিয়ার সরাসরি কোনো সম্পর্ক থাকে না এবং এটি কারকের অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) অপাদান — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ অপাদান কারক যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় তা বুঝিয়ে ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে যার সঙ্গে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকে না, সেটি সম্বন্ধ পদ, কোনো কারক নয়। কারক হতে হলে অবশ্যই ক্রিয়াপদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক থাকতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে কারক মোট ছয়টি, এর মধ্যে সম্বন্ধ পদ এবং সম্বোধন পদকে কারক বলা হয় না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে যে কোন পদটি কারক নয়।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
এখানে প্রবাদ বাক্য বোঝানো হয়েছে যার অর্থ চকচক করলেই সোনা হয় না।
বাক্যের subject হলো All that glitters যা দেখতে বহুবচন মনে হলেও মূলত একটি সামগ্রিক ধারণাকে বোঝায়।
তাই এটি singular verb গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject-এর সাথে বসে না।
B) were — এটি past tense-এর plural form যা বর্তমানের প্রবাদ বাক্যের জন্য বেঠিক।
C) is — এই অপশনটি সঠিক তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) have — এটি auxiliary verb যা এই বাক্যের অর্থ ও গঠনের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্য বা Proverb সবসময় চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে এবং এদের ক্ষেত্রে singular verb ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) live
কেন সঠিক:
বাক্যে 'can' একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব।
মডাল ভার্বের পরে সবসময় মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lives — এটি ভার্বের সাথে এস যুক্ত রূপ যা মডাল ভার্বের পরে বসে না।
B) live — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি ভুল হিসেবে গণ্য হবে না।
C) living — এটি ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ যা একা মডাল ভার্বের পরে বসে না।
D) lived — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম যা মডাল ভার্বের পরে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ক্যান বা শ্যালের মতো মডাল ভার্ব দেখলে সবসময় মূল ভার্বের প্রেজেন্ট রূপ বসাবে।
সঠিক উত্তর: A) Plays
কেন সঠিক:
শেক্সপিয়ার মূলত নাটক রচনার জন্য বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিত এবং সমাদৃত।
তাঁর রচিত ট্র্যাজেডি ও কমেডি নাটকগুলো ইংরেজি সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
তিনি ৩৭টি নাটক লিখেছেন যা তাঁকে অমর করে রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Plays — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Autobiography — শেক্সপিয়ার কোনো আত্মজীবনী লেখেননি, তাই এটি ভুল।
C) Novels — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি, তিনি মূলত নাট্যকার ছিলেন।
D) Poetry — তিনি কবিতা বা সনেট লিখলেও তাঁর প্রধান খ্যাতি নাটকের জন্যই।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ার মানেই নাটক, তাই তাঁকে বলা হয় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার।
সঠিক উত্তর: C) Mass Rapid Transit
কেন সঠিক:
১. গণপরিবহন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে 'MRT' বলতে মূলত ভারী এবং দ্রুতগতির ট্রেনভিত্তিক শহরতলির যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বোঝায়।
২. এই ইংরেজি শব্দগুচ্ছটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং আমাদের দেশের মেট্রোরেল প্রকল্পের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Metro Rail Transit — এই শব্দগুচ্ছটি শুনতে মিল থাকলেও এটি স্ট্যান্ডার্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক পূর্ণরূপ নয়।
B) Metro Rapid Transit — এটি সঠিক ইংরেজি পরিভাষা বা শব্দবিন্যাসের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) Mass Rapid Transit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি নিয়ে কোনো ভুল নেই।
D) Mass Rapid Train — শেষের শব্দটি ট্রেন হওয়ায় পুরো রূপটি সঠিক পূর্ণরূপের মানদণ্ড পূরণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
এমআরটি মানেই হলো জনগণের দ্রুত যাতায়াত, তাই প্রথম শব্দ 'Mass' এবং পরের দুটি শব্দ 'Rapid' ও 'Transit' মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
বড় স্থান যেমন দেশ বা শহরের নামের পূর্বে preposition হিসেবে 'in' বসে।
Bangladesh একটি দেশ হওয়ায় এর আগে 'in' ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর।
B) to — সীমানার বাইরে কোনো স্থান বা নির্দিষ্ট দিকের ক্ষেত্রে এটি বসে, যা দেশের নামের আগে বসে না।
C) of — সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়, যা স্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) with — কোনো ব্যক্তি বা উপকরণের সাথে থাকা বোঝাতে এটি বসে, তাই স্থানের আগে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বড় দেশ বা শহরের নামের আগে সবসময় in বসাবে।
সঠিক উত্তর: D) Politics
কেন সঠিক:
plebiscite শব্দটির অর্থ গণভোট, যা সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনা ও সরকারের সাথে যুক্ত।
দেশের গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণে জনগণের মতামত নিতে এটি রাজনীতিতে ব্যবহার করা হয়।
এটি মূলত একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Medicine — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোনো টার্ম নয় এবং এর সাথে রোগের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) Technology — এটি প্রযুক্তিবিদ্যা বা যন্ত্রপাতির সাথে সম্পর্কিত কোনো শব্দ নয়।
C) Law — যদিও এটি রাষ্ট্রীয় আইনের আওতায় হতে পারে, তবে মূল বিষয়টি আইন নয় বরং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।
D) Politics — এটি রাজনীতি ও সরকারের সিদ্ধান্তের সাথে সরাসরি যুক্ত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
plebiscite শব্দটিতে public বা জনগণের ভোট দেওয়ার বিষয়টি বোঝায়, যা রাজনীতিতে ঘটে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
বিকল্প বা পরিবর্তে ইংরেজি শব্দ alternative এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে ہمیشہ to ব্যবহৃত হয়।
এটি একটি fixed preposition এর নিয়ম যা বাক্য গঠনে অপরিবর্তনীয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ alternative শব্দের পর সঠিক preposition হিসেবে to বসে।
B) for — এটি ভুল কারণ alternative শব্দের সঙ্গে for preposition ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
C) than — এটি ভুল কারণ alternative তুলনামূলক কোনো শব্দ নয় যার পর than বসবে।
D) of — এটি ভুল কারণ alternative এর পরে of ব্যবহার করলে বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
Alternative শব্দের পর সবসময় to বসে, এটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Briefly
কেন সঠিক:
‘In a nut shell’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার বাংলা অর্থ সংক্ষেপে বা অল্প কথায়। কোনো বড় বিষয়কে খুব কম কথায় প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক অপশন হিসেবে ‘Briefly’ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Large Description — এর অর্থ বড় বিবরণ, যা এই ইডিওমের ঠিক বিপরীত।
B) Elaborately — এর অর্থ বিস্তারিতভাবে, যা মূল অর্থের সাথে মেলে না।
C) In Details — এর অর্থ বিস্তারিতভাবে, যা সংক্ষেপে বোঝানোর বিপরীত।
D) Briefly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাট বা বাদামের খোসার ভেতরে যেমন সবকিছু খুব ছোট পরিসরে থাকে, তেমনি কোনো বিষয়ের ছোট রূপ বোঝাতে ‘In a nut shell’ ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) Let him and me go
কেন সঠিক:
Let এর পরে সব সময় pronoun এর objective form বসে।
তাই he এর পরিবর্তে him এবং I এর পরিবর্তে me ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let he and I go — এখানে he এবং I দুটিই subjective form এ আছে যা ভুল।
B) Let I and he go — এখানেও I এবং he দুটি subjective form এ ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Let me and he goes — এখানে he এবং singular verb ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে।
D) Let him and me go — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে objective form ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Let দেখার সাথে সাথেই মনে রাখবে এর পরে ہمیشہ objective form (me, him, her, us) বসে।
সঠিক উত্তর: C) play
কেন সঠিক:
বাক্যে let একটি Causative Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এরপরে Object থাকার পরেও verb এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to play — let এর পর সরাসরি to যুক্ত infinitive ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ।
B) playing — let এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত করে Gerund করা যায় না।
C) play — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে verb এর সঠিক মূল রূপ বসেছে।
D) played — let এর পর verb এর Past form বা Past Participle বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে let থাকলে চোখ বন্ধ করে verb এর বেস ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
university শব্দটির শুরু ইউ বা ইউ-এর মতো উচ্চারণ দিয়ে হয়েছে। তাই এখানে সাধারণ নিয়মের বিপরীতে এন না বসে এ বসেছে।
এটি একটি মাত্রবাচক সাধারণ বিশেষ্য।
এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর।
B) an — ইউ উচ্চারণ হওয়ায় এখানে অ্যান বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) the — নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ ছাত্রকে বোঝানো হয়নি বলে দি বসবে না।
D) to — এটি এখানে অর্থহীন প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শুরুতে ইউ বা ওয়া উচ্চারণ থাকলে তার আগে সবসময় এ বসে।
সঠিক উত্তর: C) imperative
কেন সঠিক:
এই বাক্যে কোনো আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝানো হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী আদেশ বা উপদেশ মূলক বাক্য হলো ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স।
বাক্যের শুরুতেই 'Speak' মূল verb বা ক্রিয়া দ্বারা হয়েছে।
বাক্যের শুরুতে সাধারণত উহ্য কর্তা 'You' থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) assertive — এটি কোনো সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা মূলক বাক্য নয়, কারণ এখানে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
B) interrogative — এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয়, কারণ এর শেষে কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই।
C) imperative — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
D) optative — এটি কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ মূলক বাক্য নয়, কারণ এখানে মনের ইচ্ছা প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্য শুরু হয় মূল verb দিয়ে এবং আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায় তাকেই imperative sentence বলে।
সঠিক উত্তর: B) W. Wordsworth
কেন সঠিক:
ডব্লিউ ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ কবি যিনি মূলত প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত।
তিনি স্কটল্যান্ড ভ্রমণের সময় এক একা তরুণীর ধান কাটার গান শুনে এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছিলেন।
কবিতাটিতে গ্রামীণ প্রকৃতি ও মানুষের গানের সুর অপূর্বভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
এটি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ পোয়েমস ইন টু ভলিউমস এ প্রকাশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) W.W. Audea — এই নামের কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক ইংরেজি সাহিত্যে নেই এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) W. Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) W.B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস বিংশ শতাব্দীর একজন আইরিশ কবি যিনি মডার্ন ও সিম্বলিস্ট কবিতার জন্য বিখ্যাত।
D) Ezra Pound — এজরা পাউন্ড হলেন বিংশ শতাব্দীর একজন আমেরিকান কবি এবং সমালোচক যিনি ইমেশিজম আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই প্রকৃতি এবং একা মানুষের গান, তাই দ্য সলিটারি রিপার কবিতাটির সাথে তার নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) slowly
কেন সঠিক:
slowly শব্দটির শেষে ly যুক্ত আছে যা সাধারণত অ্যাডভার্ব গঠন করে।
এটি বাক্যে verb বা Adjective এর দোষ গুণ প্রকাশ করে।
শব্দটি কোনো কাজের ধরণ বা কীভাবে কাজ সম্পন্ন হয় তা নির্দেশ করে।
এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি নিখুঁত Adverb এর উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) slow — এটি একটি Adjective কারণ এটি কোনো বিশেষ্যের দোষ গুণ প্রকাশ করে।
B) slowly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) weak — এটি একটি Adjective যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দুর্বলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) weakness — এটি একটি Noun কারণ এর শেষে ness যুক্ত আছে যা অবস্থা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত কোনো Adjective এর শেষে ly যোগ করলে তা Adverb এ পরিণত হয়।
সঠিক উত্তর: C) one’s
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে যখন Subject হিসেবে one ব্যবহৃত হয়, তখন তার possessive form হিসেবে সর্বদা one’s ব্যবহার করতে হয়।
এই নিয়মটি pronoun এর agreement বা মিল রাখার ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) his — এই অপশনটি ভুল কারণ one থাকার কারণে এখানে masculine pronoun ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ঠিক নয়।
B) her — এই অপশনটি ভুল কারণ one এর ক্ষেত্রে feminine pronoun ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই।
C) one’s — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) the — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে নির্দিষ্ট কোনো article এর প্রয়োজন নেই, বরং possessive pronoun দরকার।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে one থাকলে তার possessive করার সময় সবসময় one's বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) beauty
কেন সঠিক:
‘Beautiful’ শব্দটির অর্থ সুন্দর এবং এটি একটি Adjective। এর সঠিক Noun রূপ হলো ‘beauty’ যার অর্থ সৌন্দর্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautify — এটি একটি Verb কারণ এর অর্থ সুন্দর করা।
B) beautiness — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দ নেই।
C) beauty — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) beautiful — এটি প্রশ্ন প্রদত্ত Adjective শব্দ নিজেই।
মনে রাখার টিপস:
শব্দশেষে ty যোগ করে সাধারণত Adjective থেকে Noun তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) are
কেন সঠিক:
বাক্যে Neither...nor দ্বারা দুটি সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসে।
এখানে শেষের সাবজেক্ট you হওয়ায় এর পর plural verb হিসেবে are বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — Past tense নির্দেশ করায় এটি বর্তমান কালের বাক্যের জন্য সঠিক নয়।
B) have — Pronoun you এর পর have বসলেও অর্থগতভাবে এখানে 'found guilty' বাক্যে passive voice এর গঠন অনুযায়ী are বেশি উপযুক্ত।
C) is — Subject you হলো plural, তাই এর সাথে singular verb is ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) are — এটি সঠিক কারণ you সাবজেক্টের সাথে বর্তমান কালে are বসে।
মনে রাখার টিপস:
Neither...nor যুক্ত বাক্যে শেষের সাবজেক্টকে দেখে সবসময় ভার্ব নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Collective
কেন সঠিক:
cattle শব্দটির অর্থ গবাদিপশু যা একটি নির্দিষ্ট দলের বা সমষ্টির সকল গরুকে একসাথে বোঝায়।
এটি দেখতে একবচন হলেও মূলত বহু সংখ্যক প্রাণীর সমষ্টি হিসেবে কাজ করে।
তাই এটি একটি Collective Noun হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper — কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের নাম নির্দেশ করে না।
B) Common — কারণ এটি সাধারণ কোনো একটি গরুকে না বুঝিয়ে একটি পুরো দলকে বোঝায়।
C) Material — কারণ এটি কোনো উপাদান বা বস্তুবাচক কিছু বোঝায় না।
D) Collective — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দ দেখতে singular কিন্তু মনে হলো অনেকগুলো প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টি, সেগুলোকে Collective Noun বলে।
সঠিক উত্তর: C) has been
কেন সঠিক:
এখানে ভগ্নাংশ বা পরিমাপ বোঝালেও কাজটি একটি একক কাজ হিসেবে ধরা হয়েছে।
তাই মূল ভাব অনুসারে এখানে সিঙ্গুলার ভার্ব বসবে।
কাজটি নিজে সম্পন্ন হয়নি, তাই এটি প্যাসিভ ভয়েস হবে।
এর ফলে সঠিক রূপটি হবে has been finished।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have been — এটি প্লুরাল ভার্ব হওয়ায় সিঙ্গুলার সাবজেক্টের সাথে বসে না।
B) had — এটি পাস্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা বর্তমান অর্থ প্রকাশে অনুপযুক্ত।
C) has been — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) were — এটি প্লুরাল এবং পাস্ট টেন্স হওয়ায় বর্তমানের প্যাসিভ বাক্যে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ভগ্নাংশের পর আনকাউন্টেবল নাউন থাকলে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Special
কেন সঠিক:
Special শব্দটির অর্থ বিশেষ, যা কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে।
বাক্যে এটি noun এর ঠিক পূর্বে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি পরিষ্কার Adjective বা বিশেষণ পদ।
অন্যান্য অপশনগুলো noun বা verb হলেও এটি নির্দিষ্টভাবে adjective এর কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Crime — এটি একটি noun কারণ এটি কোনো অপরাধ বা কাজের নাম বোঝায়।
B) Special — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
C) Miser — এটি একটি noun বা noun phrase হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো adjective নয়।
D) Laugh — এটি একটি verb বা ক্রিয়া পদ যার অর্থ হাসা।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ কোনো noun এর গুণ প্রকাশ করে এবং কেমন প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই adjective।
সঠিক উত্তর: B) Mice
কেন সঠিক:
- 'Mouse' একটি ব্যতিক্রমধর্মী নাউন, যার বহুবচন করার সময় শেষের অক্ষর পরিবর্তন না হয়ে ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তিত হয়।
- এর সঠিক প্লুরাল ফর্ম হলো 'Mice', যা ইংরেজি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মবহির্ভূত বা অনিয়মিত পরিবর্তন (Irregular Plural) হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mouses — এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভুল, কারণ সাধারণত শব্দের শেষে 's' বা 'es' যোগ করে প্লুরাল করার নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Mice — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) Mouse — এটি প্রদত্ত শব্দের একবচন (Singular) রূপ, তাই এটি প্লুরাল ফর্ম হিসেবে সঠিক নয়।
D) Mices — এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন, কারণ 'Mouse' শব্দের সাথে কখনোই 'es' যুক্ত করে প্লুরাল করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
অনিয়মিত কিছু নাউনের বহুবচন মনে রাখতে হয়, যেমন Mouse থেকে Mice এবং Louse থেকে Lice হয়।
সঠিক উত্তর: B) isn’t it
কেন সঠিক:
১. প্রদত্ত বাক্যটি হাবহুদবাচক বা পজিটিভ বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় নেগেটিভ হয়। মূল বাক্যের মূল ভার্ব হিসেবে 'is' ব্যবহৃত হয়েছে।
২. মূল বাক্যের subject হিসেবে 'The weather' আছে যার পরিবর্তে প্রোনাউন হিসেবে 'it' বসেছে।
৩. তাই সঠিক ট্যাগ কোশ্চেনটি হবে isn't it।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hasn’t it — মূল বাক্যে কোনো have বা has ভার্ব নেই, তাই এখানে hasn't ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
B) isn’t it — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) does it — মূল বাক্যে do, does বা did জাতীয় কোনো ভার্ব নেই, তাই এটি ভুল।
D) is it — মূল বাক্যটি পজিটিভ হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ হওয়া দরকার, কিন্তু এটি পজিটিভ।
মনে রাখার টিপস:
বাক্য পজিটিভ হলে ট্যাগ কোশ্চেন নেগেটিভ হয় এবং বাক্য নেগেটিভ হলে ট্যাগ কোশ্চেন পজিটিভ হয়।
সঠিক উত্তর: C) Forgive
কেন সঠিক:
pardon শব্দের বাংলা অর্থ হলো ক্ষমা করা বা মুক্তি দেওয়া। ঠিক তেমনি forgive শব্দের অর্থও ক্ষমা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Condemn — এর অর্থ নিন্দা করা, যা ক্ষমার বিপরীত।
B) Accuse — এর অর্থ অভিযুক্ত করা, যা ক্ষমা করার সাথে মিলে না।
C) Forgive — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Convict — এর অর্থ দণ্ড দেওয়া বা অপরাধী সাব্যস্ত করা।
মনে রাখার টিপস:
পি ফর পারডন আর এফ ফর ফরগিভ, এভাবে মনে রাখতে পারো যে দুটির অর্থই ক্ষমা করা।
সঠিক উত্তর: A) Important person
কেন সঠিক:
‘Big bug’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা।
এর আক্ষরিক অর্থ বড় পোকা হলেও রূপক অর্থে সমাজে বা প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিকে বোঝানো হয়।
এটি মূলত মানুষের সামাজিক অবস্থান বা গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাক্যে বড় কর্তাব্যক্তি প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Important person — এটি সঠিক উত্তর।
B) A large bug — এটি ইডিওমের আক্ষরিক অর্থ হলেও সঠিক বাগধারা নয়।
C) Big insect — এটিও পোকার সাধারণ ইংরেজি এবং এর কোনো রূপক অর্থ নেই।
D) Terrorist — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এর সাথে এই ইডিওমের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
পোকা সবসময় ছোট হয়, কিন্তু কেউ যদি নিজেকে অনেক বড় পোকা বা ‘Big bug’ ভাবে, তবে বুঝতে হবে সে নিজেকে সমাজের খুব গুরুত্বপূর্ণ বা ক্ষমতাবান ব্যক্তি মনে করছে।
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
শ্রেণিকক্ষে মোট দরজার সংখ্যা = ৩
ধরি,
শিক্ষক যে দরজা দিয়ে ঢুকবেন তার বিকল্প = ৩টি
অতএব,
শিক্ষক ঢোকার পর বের হওয়ার সময় বাকি থাকে = ৩ − ১ = ২টি দরজা
সুতরাং,
মোট যাতায়াতের উপায় সংখ্যা = ৩ × ২ = ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: C) ১ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
২ জন ব্যক্তির কাজ করতে সময় লাগে ১ দিন
৫ জন ব্যক্তির কাজ করতে হবে ৫ পৃষ্ঠা
ধরি,
১ জন ব্যক্তির ১ পৃষ্ঠা টাইপ করতে সময় লাগে = ২ × ১ দিন
অতএব,
১ জন ব্যক্তির ৫ পৃষ্ঠা টাইপ করতে সময় লাগে = ২ × ৫ দিন
= ১০ দিন
সুতরাং,
৫ জন ব্যক্তির ৫ পৃষ্ঠা টাইপ করতে সময় লাগে = ১০ ÷ ৫ দিন
= ২ দিন নয়, ১ দিন
উত্তর: ১ দিন
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি = ১,২৫০
ধরি,
সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
অতএব,
১,২৫০ এর উৎপাদকগুলো হলো
২ × ৫ × ৫ × ৫ × ৫ × ৫
সুতরাং,
জোড় তৈরি করার পর একটি ২ একা থাকে
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: C) ৯ ঃ ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩ ঃ ২
ধরি,
প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক
দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক
অতএব,
প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক) এর স্কয়ার
দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক) এর স্কয়ার
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯ × পাই × ক এর স্কয়ার) ঃ (৪ × পাই × ক এর স্কয়ার)
উত্তর: ৯ ঃ ৪
সঠিক উত্তর: B) ১৪৪
প্রদত্ত তথ্য:
বন্ধনীর ভেতরের সংখ্যাগুলো হলো চার, পাঁচ এবং তিন
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫
তৃতীয় সংখ্যাটি = ৩
অতএব,
সংখ্যা তিনটির যোগফল = ৪ + ৫ + ৩
যোগফলের মান = ১২
সুতরাং,
যোগফলের বর্গ = ১২ × ১২
উত্তর: ১৪৪
সঠিক উত্তর: B) ৬ সমকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
পঞ্চভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫
ধরি,
বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n
অতএব,
অন্তঃকোণের সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × দুই সমকোণ
সুতরাং,
(৫ − ২) × দুই সমকোণ = ৩ × দুই সমকোণ
উত্তর: ৬ সমকোণ
সঠিক উত্তর: D) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ দেওয়া আছে
লগ এক্স এর ভিত্তি ২৫ সমান দুই
ধরি,
সমীকরণটিকে সূচকের আকারে রূপান্তর করতে হবে
লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী ভিত্তি এবং মানের অবস্থান পরিবর্তন হবে
অতএব,
এক্স এর ওপর পাওয়ার দুই সমান পঁচিশ
এক্স স্কয়ার সমান পাঁচ স্কয়ার লেখা যায়
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে পাওয়ার বাদ দিলে পাওয়া যায়
এক্স এর মান পাঁচ
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: D) ০.০৫০৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো এক-দশমাংশ
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো এক সহস্রাংশ
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০ = ০.১
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০০০ = ০.০০১
অতএব,
সংখ্যা দুটি যোগ করলে পাই = ০.১ + ০.০০১ = ০.১০১
গড় বের করতে হলে যোগফলকে দুই দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
গড় = ০.১০১ ÷ ২ = ০.০৫০৫
উত্তর: ০.০৫০৫
সঠিক উত্তর: C) ৯০ কি. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ২৫ মিটার
ধরি,
১ ঘণ্টা সমান ৩৬০০ সেকেন্ড
১ কিলোমিটার সমান ১০০০ মিটার
অতএব,
১ সেকেন্ডে যায় ২৫ মিটার
৩৬০০ সেকেন্ড বা ১ ঘণ্টায় যায় ২৫ × ৩৬০০ মিটার
সুতরাং,
মোট দূরত্ব মিটারে = ৯০০০০ মিটার
কিলোমিটারে প্রকাশ করতে ১০০০০ দ্বারা ভাগ = ৯০ কি. মি.
উত্তর: ৯০ কি. মি.
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব = ১২০ কিলোমিটার
বাসটির গড় গতিবেগ = ১৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
ধরি,
বাসটির ঢাকা থেকে কুমিল্লায় পৌঁছাতে সময় লাগবে = ক ঘণ্টা
অতএব,
গতিবেগ × সময় = মোট দূরত্ব
১৫ × ক = ১২০
সুতরাং,
ক = ১২০ ÷ ১৫
ক = ৮
উত্তর: ৮ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: B) ৯/১১
প্রদত্ত তথ্য:
তুলনার জন্য দেওয়া মূল ভগ্নাংশটি হলো ২ ÷ ৩
অপশনগুলোতে থাকা চারটি ভিন্ন ভগ্নাংশ দেওয়া আছে
ধরি,
মূল ভগ্নাংশের দশমিক মান হলো ২ ÷ ৩ = ০.৬৭
অপশন এ এর মান হলো ৩১ ÷ ৫০ = ০.৬২
অতএব,
অপশন বি এর মান হলো ৯ ÷ ১১ = ০.৮২
অপশন সি এর মান হলো ৩ ÷ ৮ = ০.৩৭৫
অপশন ডি এর মান হলো ১১ ÷ ২৭ = ০.৪০
সুতরাং,
০.৮২ মানটি ০.৬৭ এর চেয়ে বড়
উত্তর: ৯ ÷ ১১
সঠিক উত্তর: C) অন্তর্কেন্দ্র
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণ এবং তাদের সমদ্বিখণ্ডক
ধরি,
ত্রিভুজের কোণত্রয় হলো ক, খ এবং গ
অতএব,
কোণ তিনটির সমদ্বিখণ্ডকগুলো একে অপরকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে ছেদ করে
সুতরাং,
এই ছেদবিন্দুটি ত্রিভুজের ভেতরে অবস্থান করে
উত্তর: অন্তর্কেন্দ্র
সঠিক উত্তর: A) x − ২
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x^৩ − ৮
ধরি,
রাশিটি সমান f(x) = x^৩ − ৮
অতএব,
f(x) এর মধ্যে x এর মান ২ বসালে পাই,
f(২) = (২)^৩ − ৮
সুতরাং,
f(২) = ৮ − ৮ = ০
উত্তর: x − ২ হলো উক্ত রাশির একটি উৎপাদক
সঠিক উত্তর: B) ১২৫°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের পরিমাপ = ৫৫°
সম্পূরক কোণ দুটি যোগ করলে মোট কোণ হয় ১৮০°
ধরি,
অজানা সম্পূরক কোণটির পরিমাণ = ক°
অতএব,
৫৫° + ক° = ১৮০°
সুতরাং,
ক° = ১৮০° − ৫৫°
উত্তর: ১২৫°
সঠিক উত্তর: D) ভূমি * উচ্চতা
প্রদত্ত তথ্য:
সামান্তরিকের একটি বাহুকে ভূমি ধরতে হয়
ভূমির বিপরীত শীর্ষবিন্দু থেকে অঙ্কিত লম্বকে উচ্চতা ধরতে হয়
ধরি,
সামান্তরিকের ভূমি = ক
সামান্তরিকের উচ্চতা = খ
অতএব,
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো ভূমির দৈর্ঘ্য এবং উচ্চতার গুণফল
ক্ষেত্রফলের পরিমাপ বর্গ এককে প্রকাশ করা হয়
সুতরাং,
নির্ণেয় ক্ষেত্রফল = ক × খ
উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
সঠিক উত্তর: C) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যা দেওয়া আছে
এখানে প্রথম সংখ্যা = ১ এবং শেষ সংখ্যা = ৪৯
ধরি,
সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিক যোগফল
মোট পদের সংখ্যা = ৪৯
অতএব,
সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × (মোট পদের সংখ্যা ÷ ২)
সমষ্টি = (১ + ৪৯) × (৪৯ ÷ ২)
সমষ্টি = ৫০ × ২৪.৫ = ১২২৫
সুতরাং,
গড় = মোট সমষ্টি ÷ মোট পদের সংখ্যা
গড় = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা তিন
দ্বিতীয় সংখ্যা শূন্য
তৃতীয় সংখ্যা শূন্য দশমিক তিন
ধরি,
প্রথম রাশি সমান তিন
দ্বিতীয় রাশি সমান শূন্য
তৃতীয় রাশি সমান শূন্য দশমিক তিন
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় রাশির গুণফল সমান তিন গুণ শূন্য
গুণফল হয় শূন্য
এখন এই শূন্যের সাথে তৃতীয় রাশি গুণ করতে হবে
সুতরাং,
শূন্য গুণ শূন্য দশমিক তিন
গুণফল হয় শূন্য
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: B) ১টি
প্রদত্ত তথ্য:
সমতলে দুটি স্বতন্ত্র বিন্দু দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম বিন্দুটির অবস্থান ক এবং দ্বিতীয় বিন্দুটির অবস্থান খ
অতএব,
ক বিন্দু থেকে খ বিন্দুর দিকে একটিমাত্র লম্বালম্বি পথ কল্পনা করা যায়
সুতরাং,
ইউক্লিডীয় জ্যামিতির স্বীকার্য অনুযায়ী দুটি বিন্দু দিয়ে একটি এবং কেবল একটি সরলরেখাই অঙ্কন করা সম্ভব
উত্তর: ১টি
সঠিক উত্তর: D) ২৬ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এই দিনটি থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়, তাই এটি বাংলাদেশের জাতীয় দিবস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বিজয় দিবস, কারণ এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল।
B) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ১৪ এপ্রিল — এটি পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ, যা বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান উৎসব।
D) ২৬ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতা অর্জিত হয় ২৬ মার্চ আর বিজয় অর্জিত হয় ১৬ ডিসেম্বর।
সঠিক উত্তর: B) ফরিদা আকতার ববিতা
কেন সঠিক:
- ফরিদা আকতার ববিতা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর অসামান্য অবদান এবং দীর্ঘ অভিনয়জীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক লাভ করেন।
- তিনি ঢাকাই সিনেমার একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গুণী অভিনেত্রী, যিনি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম বয়ে এনেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম উদ্দিন পালাকার — তিনি চলচ্চিত্র ক্ষেত্রের জন্য নন, বরং লোকসংস্কৃতি ও পালাগান চর্চার জন্য পরিচিত।
B) ফরিদা আকতার ববিতা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা চলচ্চিত্র ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নির্ধারিত।
C) মেরিনা তাবাসুম — তিনি একজন প্রখ্যাত স্থপতি বা আর্কিটেক্ট, চলচ্চিত্র শিল্পের সাথে সম্পর্কিত নন।
D) অর্থী আহমেদ — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো পরিচিত ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
চলচ্চিত্রে ববিতার অবদান বোঝাতে ব দিয়ে ববিতা এবং ব দিয়ে চলচ্চিত্র তারকা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) নরওয়ে
কেন সঠিক:
- নরওয়ে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের সুমেরু বৃত্তের কাছাকাছি অবস্থিত একটি দেশ, যেখানে গ্রীষ্মকালে বেশ কিছুদিন সূর্য অস্ত যায় না।
- এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত রাতের বেলাতেও আকাশে সূর্য দেখা যায়, তাই একে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউজিল্যান্ড — এটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি দেশ এবং এর জলবায়ু ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ আলাদা।
B) ফিনল্যান্ড — একে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়, যদিও এখানেও গ্রীষ্মকালে সূর্যের আলো থাকে তবে মূল উপাধিটি নরওয়ের।
C) নরওয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়।
D) সুইডেন — একে বলা হয় মধ্যরাতের সূর্যের ভূমি বা সমতল ভূমির দেশ, যা নরওয়ের ভৌগোলিক উপাধির চেয়ে কিছুটা ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
ন দিয়ে নরওয়ে এবং ন দিয়ে নিশীথ সূর্য, এভাবে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) রয়েল বেঙ্গল টাইগার
কেন সঠিক:
- রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু এবং বন্যপ্রাণী, এটি মানবসৃষ্ট কোনো ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নয়।
- ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য বলতে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কৃষিজ, প্রক্রিয়াজাত বা শিল্পজাত অনন্য পণ্যকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রয়েল বেঙ্গল টাইগার — এটি কোনো পণ্য বা নিবন্ধিত জিআই পণ্য নয়, বরং এটি সুন্দরবনের একটি বিখ্যাত বন্যপ্রাণী।
B) ইলিশ — এটি বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত পণ্য, যা এই তালিকায় সঠিক।
C) জামালপুরের নকশিকাঁথা — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প এবং নিবন্ধিত জিআই পণ্য।
D) শেরপুরের তুলশীমালা ধান — এটি শেরপুর অঞ্চলের একটি বিশেষ ও ঐতিহ্যবাহী ধানের জাত যা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জীবজন্তু জিআই পণ্য হতে পারে না, তাই প্রাণী দেখলেই বাদ দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৮
কেন সঠিক:
- সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠিত হলে এর সদস্য ছিল ৭টি দেশ।
- পরবর্তীতে ২০০৭ সালে আফগানিস্তান যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে এর মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮টিতে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সার্কের সদস্য কখনো ৬টি ছিল না।
B) ৭ — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা হলেও বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ৮টি।
C) ৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে সার্কের সদস্য দেশ আটটি।
D) ৯ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সার্কের সদস্য ৯টি দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে সংক্ষেপে মনে রাখুন, প্রথমে ছিল ৭ জন, পরে আফগানিস্তান যোগ হয়ে হলো ৮ জন।
প্রশンの ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ্য
কেন সঠিক:
- ‘পুণ্য’ একটি নামবাচক শব্দ যা কোনো গুণ বা ভাবকে নির্দেশ করে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, সমষ্টি বা গুণের নাম বোঝায় তা বিশেষ্য পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সাধারণত দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝায় যা বিশেষ্যের আগে বসে তার দোষ-গুণ প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে ‘পুণ্য’ নিজেই একটি নাম বা ভাববাচক বিশেষ্য।
B) বিশেষ্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যে ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যেমন সে, তারা, এটি, কিন্তু ‘পুণ্য’ কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে যে শব্দ দ্বারা কোনো নাম, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তা সবসময় বিশেষ্য পদ হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৪ টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের উভয় পাশে ধানের শীষ দ্বারা পরিবেষ্টিত পাটের পাতা রয়েছে।
- এই পাটের পাতার উপরে উভয় পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা বা স্টার সংযুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি — বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে তারকার সংখ্যা দুটি নয়, সঠিক সংখ্যাটি হলো চারটি।
B) ৩ টি — জাতীয় প্রতীকে তিনটি তারকা থাকার বিধান নেই, এখানে চারটি তারকা রয়েছে।
সি) ৪ টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) ৫ টি — বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে পাঁচটি তারকা থাকে না, বরং চারটি তারকা থাকে।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় প্রতীকের ওপরের চারকোনা নকশা মনে রাখতে ভাবুন পাট পাতার সাথে চার কোণায় চারটি তারকা রয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা অর্জন করে।
- সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — ফাইনালে বাংলাদেশের কাছে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয় এবং টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল।
B) ভুটান — তারা এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠতে পারেনি এবং সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেয়।
C) ভারত — সেমিফাইনালে বাংলাদেশের কাছে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ে।
D) বাংলাদেশ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ফাইনালে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
মনে রাখার টিপস:
সাফ নারী ফুটবলে বাংলাদেশ টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয় এবং ফাইনালে নেপালকে পরাজিত করে।
সঠিক উত্তর: C) ১০ ঃ ৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ ঃ ৬ (বা সরলীকরণ করলে ৫ ঃ ৩)।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারের অনুমোদন পাওয়া পটভূমি অনুযায়ী এই মাপ নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ ঃ ৭ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রথম সংস্করণের অনুপাত ছিল, যা পরবর্তীতে পরিবর্তন করা হয়।
B) ১০ ঃ ৮ — এই অনুপাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তৈরি হয় না, এটি ভুল পরিমাপ।
ডি) ৮ ঃ ৫ — এটি অন্য কোনো দেশের পতাকার অনুপাত হতে পারে, আমাদের জাতীয় পতাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় পতাকার ১০ দৈর্ঘ্য আর ৬ প্রস্থ, মনে রাখতে বল ১০টি মার্বেল আর ৬টি মিষ্টির কষ্ট।
সঠিক উত্তর: C) অক্সিজেন
কেন সঠিক:
- অক্সিজেন বায়ুমণ্ডলের একটি প্রধান ও নিষ্ক্রিয় উপাদান যা তাপ ধরে রাখতে পারে না।
- এটি গ্রিনহাউস গ্যাসের তালিকায় পড়ে না কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে তাপ শোষণ বা বিকিরণ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা মূলত কৃষি ও শিল্প থেকে উৎপন্ন হয়।
B) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্টি হয় এবং অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস।
C) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও গ্রিনহাউস গ্যাস নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
D) মিথেন — এটি একটি প্রভাবশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা পচনশীল জৈব পদার্থ ও গবাদি পশু থেকে নির্গত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যে গ্যাসগুলো তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডল গরম রাখে সেগুলো গ্রিনহাউস গ্যাস, আর অক্সিজেন আমাদের নিঃশ্বাসের গ্যাস যা তাপ ধরে রাখে না।
সঠিক উত্তর: B) ইউয়ান
কেন সঠিক:
- ইউয়ান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের আনুষ্ঠানিক মুদ্রা।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চীনের মুদ্রার আন্তর্জাতিক নাম রেনমিনবি এবং এর একক ইউয়ান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়েন — এটি জাপানের অফিসিয়াল মুদ্রা, চীনের নয়।
B) ইউয়ান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং চীনের মুদ্রা।
C) উয়ন — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রার নাম, যা চীনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) কিয়াত — এটি মিয়ানমারের প্রচলিত মুদ্রার নাম।
মনে রাখার টিপস:
চীন শব্দটির সাথে ইউয়ান নামের মিল মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
- পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের উদ্দেশ্যে দিনটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয় এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ১১ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এর সাথে এই প্রশ্নের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
C) ৫ জুলাই — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয়, এই তারিখে অন্য কোনো আন্তর্জাতিক দিবস থাকতে পারে।
D) ১১ জুলাই — এটি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা পরিবেশ দিবসের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে পাঁচ জুন মনে রাখুন, কারণ পাঁচ এবং পরিবেশ উভয় শব্দের শুরুতে প বর্ণটি আছে।
সঠিক উত্তর: B) সুন্দরবন
কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যাগ্রোভ বন বা সুন্দরবন অঞ্চলের অংশ।
- এর জীববৈচিত্র্য, বিশেষ করে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমাজন ফরেস্ট — এটি বিশ্বের বৃহত্তম ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল বন বা রেইনফরেস্ট, কোনো ম্যাগ্রোভ বন নয়।
B) সুন্দরবন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো কারণ নেই।
C) ব্ল্যাক ফরেস্ট — এটি জার্মানির একটি পাহাড়ি বনাঞ্চল, যা পাইন ও ফার গাছের জন্য পরিচিত এবং এটি ম্যাগ্রোভ বন নয়।
D) সাভানা — এটি মূলত তৃণভূমি অঞ্চল, কোনো ঘন বন বা ম্যাগ্রোভ বন নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যাগ্রোভ বা লবণাক্ত বনের নাম এলেই আমাদের দেশের গর্ব সুন্দরবনের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) বিভক্ত
কেন সঠিক:
- সংহত শব্দের অর্থ একত্রিত, ঘনীভূত বা সংঘবদ্ধ।
- বিভক্ত শব্দের অর্থ খণ্ডিত বা আলাদা করা, যা সংহত শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চঞ্চল — এটি স্থির বা ধীর শব্দের বিপরীত, সংহত শব্দের বিপরীত নয়।
B) পুরণ — এটি খালি বািক্ত শব্দের বিপরীত, সংহত শব্দের বিপরীত নয়।
C) সচেষ্ট — এটি নিশ্চেষ্ট শব্দের বিপরীত, সংহত শব্দের বিপরীত নয়।
D) বিভক্ত — এটি সংহত শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
সংহত অর্থ একসাথে থাকা এবং বিভক্ত অর্থ আলাদা থাকা, তাই এরা পরস্পর বিপরীত।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন এবং বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এই সদর দপ্তর থেকে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর নয়।
B) প্যারিস — এটি ইউনেস্কো সহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়।
C) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, তাই এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঠিক সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মানুষ জিন বা জেনিফার ডাক্তারের কাছে যায়, এভাবে জেনেভা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ১৯
কেন সঠিক:
- রোমান সংখ্যা পদ্ধতিতে I মানে ১ এবং X মানে ১০।
- এখানে X এর বামপাশে I লেখার অর্থ হলো ১০ এর থেকে ১ বিয়োগ করা, যার মান ৯।
- তাই XIX হলো ১০ + ৯ = ১৯।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ — ১৮ এর রোমান রূপ হলো XVIII, যা XIX এর সঠিক মান নয়।
B) ১৯ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রোমান সংখ্যা XIX এর সঠিক মান হলো ১৯।
C) ২০ — ২০ এর রোমান রূপ হলো XX, যা XIX এর চেয়ে এক বেশি।
D) ২১ — ২১ এর রোমান রূপ হলো XXI, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
রোমান সংখ্যায় ছোট প্রতীক বড় প্রতীকের বামে থাকলে বিয়োগ হয়, যেমন IX হলো ১০ − ১ = ৯ এবং এর আগে X যোগ করলে ১৯ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ২/৩
কেন সঠিক:
- সেপ্টেম্বর মাসে মোট দিন সংখ্যা ত্রিশ এবং বৃষ্টির দিন বিশ, যা সম্ভাবনার সাধারণ সূত্রে অনুকূল ঘটনাকে বুঝায়।
- বৃষ্টির দিন বিশ এবং মোট দিন ত্রিশ হলে অনুপাত দাঁড়ায় বিশ ভাগ ত্রিশ, যা লঘিষ্ঠ করলে দুই ভাগ তিন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩/৮ — এটি কোনোভাবেই বিশ ভাগ ত্রিশ এর লঘিষ্ঠ রূপ নয় এবং এর সাথে তথ্যের কোনো মিল নেই।
B) ২/৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ ভাগ ত্রিশ এর লঘিষ্ঠ রূপ করলে দুই ভাগ তিন পাওয়া যায়।
C) ২/৫ — এই ভগ্নাংশটি মূল অনুপাতের সাথে মিলে না এবং গণনার নিয়মে এটি ভুল ফলাফল দেয়।
D) ২/৮ — এই মানের সাথে সেপ্টেম্বর মাসের মোট দিন ও বৃষ্টির দিনের অনুপাতের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মোট দিন নিচে এবং ঘটনার দিন উপরে লিখে কাটাকাটি করলেই সঠিক ভগ্নাংশ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: C) মুখ্য
কেন সঠিক:
- বাচ্যার্থ শব্দের আভিধানিক বা সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে, যা পদের মূল বা প্রধান অর্থ।
- এটি কোনো রূপক বা গৌণ অর্থ প্রকাশ না করে সরাসরি মূল ভাবটি ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যক্ষ — এটি সরাসরি প্রকাশের ক্ষেত্রে আংশিক মিললেও ব্যাকরণের পরিভাষায় শব্দের মূল অর্থকে মুখ্যার্থ বলা হয়।
B) পরোক্ষ — পরোক্ষ অর্থ হলো ব্যঞ্জনা বা লক্ষণাভিত্তিক অর্থ, যা বাচ্যার্থের বিপরীত।
C) মুখ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং শব্দের মূল বা প্রধান অর্থ প্রকাশ করে।
D) গৌণ — গৌণ অর্থ হলো মূল অর্থের বাইরের অন্য কোনো আক্ষরিক বা রূপক অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
বাচ্যার্থ মানেই মুখ্য বা প্রধান অর্থ, যা কোনো শব্দের সরাসরি প্রকাশ পায়।
সঠিক উত্তর: B) মিশর
কেন সঠিক:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সমুদ্রগামী জলপথ।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে এবং এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও সুয়েজ খাল এই দেশে অবস্থিত নয়।
B) মিশর — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং সুয়েজ খাল এই দেশেই অবস্থিত।
C) সৌদি আরব — সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত হলেও সুয়েজ খালের সঙ্গে এর ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
D) জর্ডান — জর্ডান মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাষ্ট্র এবং এর ভূখণ্ডে সুয়েজ খাল নেই।
মনে রাখার টিপস:
সুয়েজ খাল মনে রাখতে 'মিশর' শব্দটির সঙ্গে 'ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর সংযোগকারী' কথাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
কেন সঠিক:
- প্রভাবতী সম্যাভাষণ গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত রচনা।
- এটি মূলত শোকগাথাধর্মী একটি রচনা, যেখানে তিনি প্রভাবতী নামক এক বালিকার অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি ইয়ং বেঙ্গল গ্রুপের একজন প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্মসমাজের নেতা ও ধর্মীয় সংস্কারক ছিলেন, তার সাহিত্যকর্মের ধরন ভিন্ন।
D) রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনা করলেও এই শোকগাথামূলক গ্রন্থটি তার লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগর মহাশয়ের নামের সাথে প্রভাবতীর শোকগাথা মনে রাখতে 'প্রভাবতী সম্যাভাষণ মানেই বিদ্যাসাগরের শোকরচিত ভাষণ' এভাবে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) He does not know how to swim
কেন সঠিক:
- কোনো কাজ কীভাবে করতে হয় তা জানা বা না জানা বোঝাতে know verb-এর পর how to ব্যবহার করতে হয়।
- সাঁতার কাটার কৌশল জানা অর্থে ইংরেজি করার সময় know-এর পর সরাসরি infinitive ব্যবহার না করে how to বসাতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He cannot swim — বাক্যটির অর্থ সে সাঁতার কাটতে পারে না, কিন্তু প্রশ্নে সাঁতার কাটার কৌশল জানা বা না জানার কথা বলা হয়েছে।
B) He does not know to swim — ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী know-এর পর সরাসরি to ব্যবহার করা ভুল, মাঝখানে how বসাতে হয়।
C) He does not know how to swim — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) None — যেহেতু অপশন সি সঠিক উত্তরটি বহন করে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজ কীভাবে করতে হয় তা বোঝাতে know-এর পরে অবশ্যই how to ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) বিমানবাহিনী
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ছিলেন।
- তিনি দেশের জন্য বিমান ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করার সময় শহীদ হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেনাবাহিনী — তিনি সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন না, কারণ তিনি বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।
B) নৌবাহিনী — তিনি নৌবাহিনীর সদস্য ছিলেন না, কারণ তার পেশাগত যুক্ততা ছিল বিমানবাহিনীর সঙ্গে।
D) ইপিআর — তিনি ইপিআর বা ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলের সদস্য ছিলেন না, বিমানবাহিনীই তার মূল বাহিনী ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মতিউর রহমান আকাশে ওড়ার বিমান চালাতেন, তাই তিনি বিমানবাহিনীর বীরশ্রেষ্ঠ।
সঠিক উত্তর: D) প্রিন্টার
১. কেন সঠিক:
প্রিন্টার হলো একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতর থেকে প্রসেস করা ডিজিটাল ডেটা বা ইনফরমেশনকে কাগজে প্রিন্ট করে মানুষের পড়ার উপযোগী দৃশ্যমান বা হার্ডকপি রূপ দেয়।
এটি কম্পিউটারের প্রসেসর থেকে প্রাপ্ত সংকেত গ্রহণ করে এবং তার ওপর ভিত্তি করে প্রিন্টিং মেকানিজম বা ইঙ্কজেট ও লেজার প্রযুক্তির মাধ্যমে আউটপুট প্রদান করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: যে সমস্ত হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে কোনো ফলাফল বা ডেটা প্রদর্শন বা প্রদান করে, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার থেকে পাঠানো সিগন্যাল বা ডেটা প্রিন্টারের কন্ট্রোল বোর্ডের মাধ্যমে প্রসেস হয়ে যান্ত্রিক বা তাপীয় প্রক্রিয়ায় কাগজে ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসিয়াল ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: কম্পিউটারে টাইপ করা কোনো চিঠি বা রিপোর্ট প্রিন্টারের সাহায্যে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ডকপি হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়।
উদাহরণ ২: ছবি প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: ডিজিটাল ক্যামেরা বা কম্পিউটার থেকে কোনো ছবি কালার প্রিন্টারের মাধ্যমে ফটো পেপারে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কী-বোর্ড — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশ প্রবেশ করায়।
B) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এর মাধ্যমে কাগজের কোনো ছবি বা ডকুমেন্ট স্ক্যান করে কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়া হয়।
C) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এর সাহায্যে স্ক্রিনে কার্সর নিয়ন্ত্রণ করে কম্পিউটারে বিভিন্ন কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়া হয়।
D) প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রসেস করা তথ্য বাইরে প্রকাশ বা প্রদর্শন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইনপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে তথ্য ভেতরে প্রবেশ করায় যেমন কী-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।
আউটপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ করে যেমন প্রিন্টার, মনিটর, স্পিকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার হার্ডওয়েকে প্রধানত ইনপুট, প্রসেসিং, স্টোরেজ এবং আউটপুট এই চার ভাগে ভাগ করা হয়।
প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপের একক হলো ডিপিআই অর্থাৎ ডটস পার ইন্চি।
সঠিক উত্তর:
B) WAN
১. কেন সঠিক:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network বা প্রশস্ত এলাকা নেটওয়ার্ক, যা ভৌগোলিকভাবে সবচেয়ে বড় এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নেটওয়ার্কটি সাধারণত পুরো দেশ, মহাদেশ কিংবা পুরো পৃথিবীজুড়ে একাধিক LAN এবং MAN কে সংযুক্ত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: বিশ্বব্যাপী বা বহু দূরে অবস্থিত কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কগুলোকে যুক্ত করার ব্যবস্থাকে WAN বলা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি অপটিক্যাল ফাইবার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিশাল দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেট হলো WAN এর সবচেয়ে বড় এবং সর্বজনীন বাস্তব উদাহরণ, যা সারা পৃথিবীর মানুষকে সংযুক্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা: সারা পৃথিবীর কোটি কোটি কম্পিউটার এবং সার্ভারকে যুক্ত করে তৈরি করা গ্লোবাল নেটওয়ার্ক হলো ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় WAN এর উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্লোবাল নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: একটি বহুজাতিক ব্যাংকের বিভিন্ন দেশের শাখাগুলোর মধ্যে নিরাপদ ও দ্রুত ডেটা যোগাযোগের জন্য WAN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) LAN — LAN এর পূর্ণরূপ Local Area Network। এটি একটি রুম, বিল্ডিং বা অফিস এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাই এটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয় না।
B) WAN — এটি সঠিক উত্তর। কারণ এটি ভূগোলের দিক থেকে সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
C) MAN — MAN এর পূর্ণরূপ Metropolitan Area Network। এটি একটি শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং LAN এর চেয়ে বড় হলেও WAN এর চেয়ে অনেক ছোট।
D) PAN — PAN এর পূর্ণরূপ Personal Area Network। এটি একজন ব্যক্তির কাছাকাছি প্রায় ১০ মিটার দূরত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, যেমন ব্লুটুথ সংযোগ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেটওয়ার্কের পরিধি মনে রাখার সহজ ক্রম হলো PAN, LAN, MAN, WAN।
- এর মধ্যে WAN সবচেয়ে বড় এবং PAN সবচেয়ে ছোট পরিধির নেটওয়ার্ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি হলো WAN বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নেটওয়ার্কের পরিধি ছোট থেকে বড় বা বড় থেকে ছোট ক্রমানুসারে সাজাতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর:
B) রম (ROM)
১. কেন সঠিক:
ROM-এর পূর্ণরূপ Read-Only Memory এবং বাংলা অর্থ কেবল পঠনযোগ্য স্মৃতি। এটি এমন একটি স্থায়ী স্মৃতি যেখানে কম্পিউটারের বায়োস বা বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম চিরতরে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও ডেটা মুছে যায় না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল স্মৃতি যার ডেটা শুধু পড়া যায় কিন্তু সহজে পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না।
কার্যপদ্ধতি: মাদারবোর্ডে থাকা এই চিরস্থায়ী চিপ থেকে কম্পিউটার চালুর সময় প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী সংগ্রহ করে প্রসেসর।
ব্যবহার: কম্পিউটারের স্টার্টিং বা বুটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এবং হার্ডওয়্যার সচল রাখতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে থাকা বায়োস চিপ।
ব্যাখ্যা: ডিভাইস চালু করার সময় অপারেটিং সিস্টেম লোড করার প্রয়োজনীয় কোড এর ভেতরে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: ইলেকট্রনিক ওভেন বা ওয়াশিং মেশিনের ভেতরে থাকা ফার্মওয়্যার।
ব্যাখ্যা: এই মেশিনগুলোর নির্দিষ্ট কাজ পরিচালনার নির্দেশাবলী রম চিপের মধ্যে আজীবন সংরক্ষিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) র্যাম (RAM) — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে এর সব ডেটা মুছে যায় তাই এটি স্থায়ী স্মৃতি নয়।
B) রম (ROM) — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি স্থায়ী স্মৃতি যা বিদ্যুৎহীন অবস্থাতেও ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে।
C) ক্যাশ (Cache) — এটি প্রসেসরের খুব দ্রুতগতির কিন্তু অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও অস্থায়ী একটি স্মৃতি, যা স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে না।
D) হার্ডডিস্ক (Hard Disk) — যদিও এটি স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে, তবে এটি একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, কম্পিউটারের প্রধান প্রাইমারি স্থায়ী স্মৃতি বা রম হিসেবে এটি গণ্য হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
র্যাম মানে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি যা অস্থায়ী বা ভোলাটাইল, আর রম মানে রিড অনলি মেমোরি যা স্থায়ী বা নন-ভোলাটাইল।
কম্পিউটার চালু করার সময় যে মেমোরি সাহায্য করে এবং তথ্য মুছে যায় না তা হলো রম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রম হলো এমন একটি মেমোরি যা নন-ভোলাটাইল বা অস্থিতিশীল নয়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা অক্ষুণ্ণ থাকে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাইমারি মেমোরি এবং স্থায়ী স্মৃতির মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
D) Gemini
১. কেন সঠিক:
গুগলের তৈরি আধুনিক ও শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেলটির নাম জেমিনি।
এটি গুগলের পূর্ববর্তী এআই মডেল বার্ড-এর উন্নত রূপ যা টেক্সট, কোড, ছবি এবং ভিডিও নিয়ে একসাথে কাজ করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো মানুষের চিন্তা ও বুদ্ধিমত্তাকে কম্পিউটার বা মেশিনের মাধ্যমে অনুকরণ করার প্রযুক্তি।
কার্যপদ্ধতি: জেমিনি একটি মাল্টিমোডাল লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল যা বিপুল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে মানুষের মতো বুঝতে ও উত্তর দিতে পারে।
ব্যবহার: চ্যাটবট পরিচালনা, কোডিং সহায়তা, ভাষা অনুবাদ এবং জটিল সমস্যার বিশ্লেষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে জেমিনি অ্যাপ ব্যবহার করে যেকোনো জটিল বিষয়ের সহজ সারাংশ তৈরি করা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীর প্রম্পট বা নির্দেশ দ্রুত বুঝে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করে।
উদাহরণ ২: জেমিনি ব্যবহার করে প্রোগ্রামিং কোডের ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং নতুন কোড লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি ডেভলপারদের কাজের গতি বৃদ্ধি করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ChatGPT — এটি ওপেনএআই দ্বারা তৈরিকৃত একটি জনপ্রিয় জেনারেটিভ এআই চ্যাটবট যা গুগলের পণ্য নয়।
B) Google AI — এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণাকারী গুগলের সামগ্রিক গবেষণা বিভাগের নাম, নির্দিষ্ট কোনো এআই মডেলের নাম নয়।
C) Deepseek — এটি চীনভিত্তিক একটি এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও তাদের তৈরি করা ভাষা মডেলের নাম যা গুগলের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Gemini — এটি গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
গুগল এআই-এর ক্ষেত্রে জেমিনি নামটি মনে রাখতে রাশিচক্রের মিথুন রাশি বা জেমিনি নামটি মাথায় রাখতে পারেন।
ওপেনএআই-এর ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি এবং গুগলের ক্ষেত্রে জেমিনি নাম দুটি আলাদা করে মনে রাখবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের এআই মডেলের নাম জানতে চাওয়া হয়।
ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি এবং গুগলের জেমিনি মডেলের পার্থক্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর:
D) Safari
১. কেন সঠিক:
- সাফারি একটি ওয়েব ব্রাউজার, কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়।
- এটি অ্যাপল ইনকরপোরেটেড কর্তৃক বিকশিত একটি জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েব পেজ বা তথ্য দেখতে সাহায্য করে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজার ব্যবহারকারীর দেওয়া ঠিকানা বা ইউআরএল গ্রহণ করে সার্ভার থেকে ডেটা এনে কম্পিউটারের পর্দায় প্রদর্শন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স হলো ওয়েব ব্রাউজার।
ব্যাখ্যা: এগুলো দিয়ে আমরা ইন্টারনেটে প্রবেশ করি এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করি।
উদাহরণ ২: গুগল সার্চ বা বিং হলো সার্চ ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: ব্রাউজারের ভেতর থেকে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা কি-ওয়ার্ড খুঁজে বের করার কাজে এগুলো ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bing — এটি মাইক্রোসফটের একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
B) Yahoo — এটি ইন্টারনেট জগতের অন্যতম পরিচিত একটি সার্চ ইঞ্জিন।
C) Google — এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রধান সার্চ ইঞ্জিন।
D) Safari — এটি অ্যাপলের তৈরি একটি ওয়েব ব্রাউজার, তাই এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্রাউজার হলো দরজা যার মাধ্যমে ইন্টারনেটে প্রবেশ করা যায়।
- সার্চ ইঞ্জিন হলো লাইব্রেরির ক্যাটালগ যা দিয়ে নির্দিষ্ট বই বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ক্রোম, সাফারি, ফায়ারফক্স এবং এজ হলো ব্রাউজার।
- গুগল, ইয়াহু এবং বিং হলো সার্চ ইঞ্জিন।
সঠিক উত্তর: D) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
১. কেন সঠিক:
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। এটি কম্পিউটারকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, শিখতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মেশিনের মধ্যে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তাশক্তি প্রতিস্থাপন করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে প্যাটার্ন খুঁজে বের করে এবং সেই অনুযায়ী নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেয়।
বৈশিষ্ট্য: এই প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের সাহায্য ছাড়াই জটিল সমস্যার সমাধান করা এবং অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ্যাপলের সিরি বা গুগলের অ্যাসিস্ট্যান্ট।
ব্যাখ্যা: এগুলো মানুষের কথা শুনে বুঝতে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ বা উত্তর দেয়।
উদাহরণ ২: স্বয়ংচালিত গাড়ি।
ব্যাখ্যা: এই গাড়িগুলো চারপাশের পরিবেশ বিশ্লেষণ করে নিজে থেকেই ব্রেক কষে এবং দিক পরিবর্তন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইক্রোপ্রসেসর — এটি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা সিলিকন চিপের ওপর হাজার হাজার ট্রানজিস্টর যুক্ত করে তৈরি করা হয়েছিল।
B) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট — এটি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল প্রযুক্তি, যা একটি ছোট সিলিকন চিপে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর স্থাপন করে।
C) ট্রানজিস্টর — এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান উপাদান, যা ভ্যাকুয়াম টিউবের স্থান দখল করে কম্পিউটারকে ছোট ও দ্রুত করেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রথম প্রজন্ম ভ্যাকুয়াম টিউব, দ্বিতীয় প্রজন্ম ট্রানজিস্টর, তৃতীয় প্রজন্ম ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, চতুর্থ প্রজন্ম মাইক্রোপ্রসেসর এবং পঞ্চম প্রজন্ম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে। প্রজন্ম পরিবর্তনের এই ধারা ক্রমান্বয়ে কম্পিউটারের আকার ছোট ও বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি করেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার প্রযুক্তির প্রজন্মগুলোর মূল উপাদান এবং তাদের আবিষ্কারের সময়কাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির মূল চালিকাশক্তি।
সঠিক উত্তর:
D) মিলিমিটার
১. কেন সঠিক:
দৈর্ঘ্য পরিমাপের মেট্রিক পদ্ধতিতে মিটার হলো মূল একক এবং এর ছোট রূপগুলো দশমিকের নিয়মে কমে যায়।
মিলিমিটার হলো মিটারের এক হাজার ভাগের এক ভাগ, যা এই অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মান নির্দেশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক হলো মিটার এবং এর ছোট অংশগুলোকে মিলিমিটার, সেন্টিমিটার ইত্যাদি দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: প্রতি এক হাজার মিলিমিটারে এক মিটার এবং প্রতি দশ মিলিমিটারে এক সেন্টিমিটার হয়।
ব্যবহার: অত্যন্ত সূক্ষ্ম পরিমাপের ক্ষেত্রে মিলিমিটার ব্যবহার করা হয়, যেমন যান্ত্রিক যন্ত্রাংশ বা প্রকৌশল নকশা তৈরিতে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি স্কেলের ছোট দাগগুলো মিলিমিটার নির্দেশ করে।
ব্যাখ্যা: স্কেলের সাহায্যে আমরা খুব নিখুঁতভাবে মিলিমিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্য পরিমাপ করতে পারি।
উদাহরণ ২: কাগজের পুরুত্ব মাপার ক্ষেত্রে মিলিমিটার একক ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: কাগজের মাপ অত্যন্ত কম হওয়ায় তা মিলিমিটারে প্রকাশ করা সহজ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডেসিমিটার — এটি মিটারের দশ ভাগের এক ভাগ এবং মিলিমিটারের চেয়ে বড় বিধви এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) সেন্টিমিটার — এটি মিটারের একশত ভাগের এক ভাগ এবং মিলিমিটারের চেয়ে বড় হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) ডেকামিটার — এটি মিটারের দশ গুণ বড় একটি একক হওয়ায় এটি সবচেয়ে ছোট মান হতে পারে না।
D) মিলিমিটার — এটি মিটারের এক হাজার ভাগের এক ভাগ এবং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
মেট্রিক এককের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে, মিলি মানে এক হাজার ভাগের এক ভাগ।
এককগুলোর ক্রম বড় থেকে ছোট সাজালে ডেকামিটার, ডেসিমিটার, সেন্টিমিটার এবং সবশেষে মিলিমিটার আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা পরিমাপ বা দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
মেট্রিক উপসর্গগুলোর মান ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দটি আমাদের ভাষা সরাসরি পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে।
- পর্তুগিজ বণিকদের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এই শব্দটি প্রবেশ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিদেশি শব্দ বা আগন্তুক শব্দ।
- প্রাচীন যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন বিদেশি শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে।
- পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা অন্যান্য শব্দের মধ্যে আনারস, চাবি, ও আলমারি উল্লেখযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
- B) গ্রীক — গ্রীক ভাষা থেকে এই শব্দটি বাংলায় নেওয়া হয়নি।
- C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় আসলেও ইংরেজি শব্দটি আসেনি।
- D) তুর্কী — তুর্কি ভাষা থেকেও এই শব্দটি বাংলায় প্রবেশ করেনি।
মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে এটি মনে রাখতে পর্তুগিজ শব্দতালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ক্রিয়া-বিশেষ্য
১. কেন সঠিক:
- কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে ভাববাচ্যে রূপান্তর করার সময় বাক্যের মূল ক্রিয়াটি মূলত ক্রিয়াবিশেষ্য বা ভাববাচক বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয় এবং তা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- ভাববাচ্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার ভাব বা অর্থই প্রধানভাবে প্রকাশিত হয় বলে ক্রিয়ামূল বা ক্রিয়াবিশেষ্য পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে বাচ্যে কর্তার বা কর্মের পদের চেয়ে ক্রিয়ার ভাব বা অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
- কর্তৃবাচ্যের ক্রিয়াপদকে ভাববাচ্যে রূপান্তর করতে হলে মূল ক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে তাকে বিশেষ্য পদে পরিণত বা নিয়ন্ত্রিত করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি যাব না।
ব্যাখ্যা: এটিকে ভাববাচ্যে রূপান্তর করলে হয়, আমার যাওয়া হবে না, যেখানে যাওয়া একটি ক্রিয়াবিশেষ্য পদ।
উদাহরণ ২: সে খেলছে।
ব্যাখ্যা: এটিকে ভাববাচ্যে রূপান্তর করলে হয়, তার খেলা হচ্ছে, যেখানে খেলা পদটি মূল ক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়া — ক্রিয়া সরাসরি ভাববাচ্যের রূপান্তরের একক নয়, বরং ক্রিয়াই এখানে ক্রিয়াবিশেষ্যে রূপান্তরিত হয়।
B) ক্রিয়া-বিশেষ্য — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ভাববাচ্যে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করতে এই পদটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।
C) বিশেষণ — বিশেষণ পদ বাচ্য রূপান্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রক নয়, এটি মূলত গুণ বা অবস্থা বোঝায়।
D) বিশেষ্য — সাধারণ বিশেষ্য পদ ভাববাচ্যের রূপান্তর প্রক্রিয়াকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে না, কেবল ক্রিয়াবিশেষ্যই প্রধান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, ভাববাচ্য মানেই ক্রিয়ার ভাব বা ক্রিয়াবিশেষ্যের প্রাধান্য।
- কর্তৃবাচ্যের ক্রয়াকে বিশেষ্য রূপ দিয়ে ভাববাচ্যে নিতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কর্তার অনুপস্থিতি এবং ক্রিয়ার ভাবের প্রধানতাই ভাববাচ্যের মূল চাবিকাঠি।
সঠিক উত্তর: B) ২১
কেন সঠিক:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের একবিংশ অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের সর্বদা জনগণের সেবা করার চেষ্টা করার কথা বলা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত একটি সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন যা বাংলা ব্যাকরণ বা সাহিত্যের আওতাভুক্ত নয়।
সংবিধানের অনুচ্ছেদগুলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতি ও নাগরিকদের অধিকার এবং কর্তব্য নির্ধারণ করে থাকে।
যেমন: ২১ অনুচ্ছেদের ১ নং দফায় সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ — একই অপশন হওয়ায় এটিও সঠিক অনুচ্ছেদ নির্দেশ করে তবে টাইপিং ত্রুটির কারণে বিকল্প হিসেবে এসেছে।
B) ২১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপশনগুলোর সাথে এর সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরি হয়েছে।
C) ২২ — এই অনুচ্ছেদে কার্যনির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
D) ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা ও সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
একুশ মানেই ভাষা আন্দোলন এবং একুশ অনুচ্ছেদ মানেই নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ কর্তব্য।
এভাবে সংখ্যাটি মনে রাখলে পরীক্ষা হলে সহজে সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা সম্ভব হবে।
সঠিক উত্তর: C) যোজক
১. কেন সঠিক:
একাধিক স্বাধীন বা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত বাক্য যখন কোনো যোজক বা অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
যৌগিক বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা, অথবা ইত্যাদি যোজক দ্বারা যুক্ত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগের একটি অন্যতম রূপ হলো যৌগিক বাক্য।
এই বাক্যে প্রতিটি খণ্ডবাক্য স্বাধীন বা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত হয় এবং তারা অর্থের দিক থেকে একে অপরের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে বাজারে গেল এবং মাছ কিনল।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য এবং যোজক দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: সে অনেক চেষ্টা করল কিন্তু সফল হতে পারল না।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি ভিন্ন মনোভাবের খণ্ডবাক্য কিন্তু যোজক দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম পদ, যা বাক্যের নামপদ হিসেবে কাজ করে কিন্তু বাক্যকে সংযুক্ত করতে পারে না।
B) অনুসর্গ — অনুসর্গ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে কারক বা বিভক্তি নির্দেশ করে, বাক্য সংযোগ করে না।
C) যোজক — এটি সঠিক কারণ যোজক একাধিক পদ বা বাক্যকে একত্রিত করতে সাহায্য করে।
D) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো কিছুর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, বাক্য গঠনের সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
যৌগিক বাক্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো এবং, কিন্তু, অথবা এই যোজকগুলো খোঁজা।
একাধিক স্বাধীন বাক্য যোজক দিয়ে যুক্ত থাকলে চোখ বন্ধ করে যৌগিক বাক্য দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের গঠনগত রূপ যেমন সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য প্রায়ই আসে।
বাক্যের ক্রিয়া এবং যোজকের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) -তি (করতি)
১. কেন সঠিক:
সাধু ও প্রমিত বাংলার ক্রিয়ার রূপের ক্ষেত্রে সাধারণ অতীতের নিত্যকাল বা নিত্য অতীত কালে শ্রোতা পক্ষের ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছার্থক রূপে ক্রিয়া বিভক্তি হিসেবে -তি যুক্ত হয়।
কর্তা যখন মধ্যম পুরুষ বা শ্রোতা পক্ষের খুব ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছ কাউকে বোঝায়, তখন ক্রিয়ামূলের সঙ্গে এই বিভক্তি যুক্ত হয়ে অতীত কালের অভ্যাস বা নিত্যতা প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ার কাল ও পুরুষভেদে বিভক্তির পরিবর্তন ঘটে থাকে।
মধ্যম পুরুষের ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছার্থক রূপে সাধারণ অতীতের নিত্যকালে ক্রিয়ার অন্তে -তি বিভক্তি যুক্ত হয়, যেমন তুই করতি, তুই আসতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুই প্রতিদিন সকালে মাঠে দৌড়াস না করে বরং হেঁটে বেড়াতি।
ব্যাখ্যা: এখানে মধ্যম পুরুষ ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছ বোঝাতে বেড়াতি ক্রিয়ায় -তি বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আগে তুই রোজ বিকেলে আমাদের বাড়িতে আসতি।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অতীতকালের নিত্যতা বোঝাতে আসতি ক্রিয়ায় -তি বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) -ব (করব) — এটি উত্তম পুরুষের সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াবিভক্তি, যা শ্রোতা পক্ষের রূপ নয়।
B) -বে (করবে) — এটি মধ্যম পুরুষের সাধারণ বা নাম পুরুষের ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াবিভক্তি, যা নিত্য অতীতের রূপ নয়।
C) -তি (করতি) — এটি সঠিক উত্তর।
D) -এন (করেন) — এটি নাম পুরুষের সম্মানসূচক বর্তমান বা অতীত কালের ক্রিয়াবিভক্তি, যা ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছ রূপের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিত্য অতীত কালে তুই বা ঘনিষ্ঠ শ্রোতার ক্ষেত্রে ক্রিয়ার শেষে -তি বা -টাস উচ্চারণ হয়।
যেমন তুই করতি, তুই বলতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যম পুরুষের ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছ রূপের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার কাল নির্ণয়ের সময় বিভক্তি চিহ্নিত করার প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ক্রিয়ার পুরুষ ও কাল ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) কৃতজ্ঞ
১. কেন সঠিক:
যেসব বিশেষণ শব্দ জন্মগতভাবেই পুরুষবাচক এবং এদের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই বা করা যায় না, সেগুলোকে নিত্য নরবাচক শব্দ বলা হয়। কৃতজ্ঞ একটি এমন শব্দ যা কেবল পুরুষবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো স্বতন্ত্র স্ত্রীবাচক শব্দ নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দ এমন রয়েছে যাদের নিজস্ব কোনো স্ত্রীবাচক রূপ থাকে না। নিত্য নরবাচক শব্দের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দই প্রধান এবং এদের স্ত্রীবাচক করতে হলে শব্দের আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যুক্ত করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যা: এটিও কৃতজ্ঞ শব্দের মতো নিত্য নরবাচক শব্দের একটি উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কবিরাজ
ব্যাখ্যা: কবিরাজ শব্দটিও নিত্য নরবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাবা — এটি একটি স্বাভাবিক পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ মা রয়েছে।
B) কৃতজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিত্য নরবাচক শব্দ।
C) নেতা — এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ নেত্রী রয়েছে।
D) ছেলে — এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ মেয়ে রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য নরবাচক শব্দ চেনার উপায় হলো যেগুলোর কোনো নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ ব্যাকরণে পাওয়া যায় না। কৃতজ্ঞ শব্দের মতো যেসব শব্দ স্বাধীনভাবে পুরুষবাচক হিসেবে টিকে থাকে, সেগুলোকে এ শ্রেণিতে রাখা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য নরবাচক ও নিত্য নারীবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। নিত্য নরবাচক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রীবাচক রূপ পরিবর্তনের চেষ্টা না করে সরাসরি মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
সঠিক উত্তর: C) উষা, কোনা এবং D) মুহুর্মুহু, মুহূর্ত (প্রদত্ত প্রশ্নে একাধিক অপশন সঠিক রয়েছে, তবে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী C এবং D উভয় অপশনের শব্দগুলোই শুদ্ধ।)
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী উষা এবং কোনা শব্দ দুটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য।
- মুহুর্মুহু এবং মুহূর্ত শব্দ দুটিতে হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়, যা বাংলা বানান নিয়মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দে হ্রস্ব ই-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে পদের শেষে বা মাঝে হ্রস্ব-উ কার এবং তার ব্যবহার প্রমিত বাংলা বানানে বিশেষভাবে অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপদেষ্টা
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত বাংলা শব্দ যেখানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: উপর্যুক্ত
ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বাংলা বানান যা দাপ্তরিক ও সাহিত্যিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্রিকোণ, উনবিংশ — ত্রিকোণ বানানটি সঠিক হলেও উনবিংশ শব্দে প্রমিত বানানে পরিবর্তন আসতে পারে বা এটি মূল প্রশ্নের একক সঠিকতার সাথে সম্পূর্ণ মেলে না।
B) অদ্যপি, যদ্যপি — অদ্যপি এবং যদ্যপি বানান দুটি ঐতিহ্যগত হলেও প্রমিত বানানে এগুলোর আধুনিক রূপ ব্যবহারে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যায়।
C) উষা, কোনা — এই অপশনের শব্দ দুটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
D) মুহুর্মুহু, মুহূর্ত — এই অপশনের শব্দ দুটিও বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল ও ব্যাকরণসিদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত এবং মুহুর্মুহু শব্দে সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করবে।
- বানানের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত নিয়মগুলো নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্রস্ব-উ কার ও দীর্ঘ-ঊ কার সংক্রান্ত বানানগুলো পরীক্ষকগণ দিয়ে থাকেন।
- একই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন পুঞ্জীভূত ও উপদেষ্টা ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) ৫ম
কেন সঠিক:
- মাতৃভাষী মানুষের সংখ্যার দিক থেকে বাংলা ভাষা সারা বিশ্বে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে।
- বর্তমান বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ৩০ কোটিরও বেশি মানুষের মাতৃভাষা বাংলা।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা বংশের দিক থেকে বাংলা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের শাখা থেকে এসেছে।
- নৃতাত্ত্বিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় মাতৃভাষীর সংখ্যার ওপর এই তালিকা তৈরি হয়।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির পর বিশ্বজুড়ে বাংলা ভাষার এই অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ৫ম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলা ভাষার সঠিক বৈশ্বিক অবস্থান নির্দেশ করে।
- B) ৬ষ্ঠ — এই অপশনটি ভুল কারণ অতীতে ষষ্ঠ অবস্থান থাকলেও বর্তমানে বাংলা পঞ্চম অবস্থানে উন্নীত হয়েছে।
- C) ৭ম — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বর্তমান মাতৃভাষার সংখ্যার সঠিক ক্রম নয়।
- D) ৮ম — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলা ভাষার বর্তমান বৈশ্বিক জনসংখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- বিশ্ব মাতৃভাষার র্যাঙ্কিং মনে রাখতে সংখ্যা ৫ মনে রাখবে।
- বাংলা ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ ৫ ভাষার একটি।
সঠিক উত্তর: C) বাগধারা
১. কেন সঠিক:
- বাগধারা ভাষার বিশেষ সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশে অনন্য ভূমিকা রাখে। এটি বাক্যে সাধারণ অর্থের বাইরে গভীর ও ব্যঞ্জনাপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে ভাষা প্রাণবন্ত করে তোলে।
- বাগধারা ব্যবহারের মাধ্যমে বক্তা বা লেখক খুব অল্প কথায় মনের ভাব অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও প্রাঞ্জলভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ আলংকারিক বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। এটি ভাষার প্রকাশক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- বাংলা ভাষায় বাগধারার সঠিক প্রয়োগ বাক্যকে গাম্ভীর্য ও মাধুর্য দান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: আভিধানিক অর্থে এটি একটি বিশেষ জাতের কুমড়া হলেও, বাগধারা হিসেবে এর অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি।
উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি
ব্যাখ্যা: আভিধানিক অর্থে এটি বাদ্যযন্ত্রের কাঠি হলেও, বাগধারা হিসেবে এর অর্থ চাটুকার বা তোষামোদকারী ব্যক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপ বা মিলন। এটি পদের মিলন ঘটিয়ে বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করে, কিন্তু সরাসরি ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে না।
B) প্রত্যয় — প্রত্যয় হলো শব্দের মূলের সাথে যুক্ত হওয়া বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি। এটি নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে, বাক্যের ব্যঞ্জনা সৃষ্টি এর কাজ নয়।
C) বাগধারা — সঠিক উত্তর। এটি বাক্য অধিক ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করতে পারে এবং ভাষা প্রাণবন্ত করে।
D) কারক — কারক বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ক স্থাপন করে। এটি ব্যাকরণগত সম্পর্ক বোঝায়, ভাষার আলংকারিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভাষা প্রাণবন্ত ও ব্যঞ্জনাপূর্ণ করার জাদুকরী হাতিয়ার হলো বাগধারা। আলংকারিক বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত শব্দগুচ্ছই বাক্যের সৌন্দর্য বাড়ায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস, অর্থ এবং বাক্য প্রয়োগ প্রায়ই আসে। বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) শব্দজোড়
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দের উচ্চারণ এক বা প্রায় এক কিন্তু অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা, সেগুলোকে ব্যাকরণের পরিভাষায় শব্দজোড় বা জোড়া শব্দ বলা হয়।
বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ আছে যা শুনতে একই রকম শোনায় কিন্তু তাদের অর্থের মধ্যে পার্থক্য থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দার্থের দিক থেকে বাংলা শব্দভাণ্ডারে এমন কিছু শব্দ পাওয়া যায় যা উচ্চারণে কাছাকাছি হলেও ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
এগুলো বাক্যে ব্যবহারের সময় অর্থের ভিন্নতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্ঘ ও অর্ঘ্য
ব্যাখ্যা: অর্ঘ অর্থ পূজার উপকরণ এবং অর্ঘ্য অর্থ মূল্য বা্য অর্পণ।
উদাহরণ ২: কুল ও কূল
ব্যাখ্যা: কুল অর্থ বংশ বা ফল এবং কূল অর্থ নদীর তীর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্গ — বর্গ বলতে ব্যাকরণে ব্যঞ্জনবর্ণের ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) প্রবাদ — প্রবাদ হলো দীর্ঘদিনের লোকঅভিজ্ঞতার প্রকাশ যা জীবনের কোনো সত্য তুলে ধরে, শব্দের উচ্চারণের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
C) শব্দদ্বৈত — শব্দদ্বৈত হলো একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহার করা, যেমন ভালো ভালো ফল, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
D) শব্দজোড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই বা প্রায় একই উচ্চারণের ভিন্নার্থক শব্দকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
উচ্চারণ একই কিন্তু অর্থ আলাদা হলে তাকে শব্দজোড় মনে রাখবে।
জোড়া মানেই দুটি ভিন্ন জিনিসের মিলন, তাই এখানে দুটি ভিন্ন অর্থের শব্দ বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বা শব্দজোড় থেকে প্রশ্ন আসে।
বানান ও অর্থের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে
কেন সঠিক:
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব শব্দের ক্ষেত্রে দুটি পদ বা রূপমূলের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং সেখানে কারক বা বিভক্তি যুক্ত হতে পারে।
- এই ধরনের দ্বিত্বে মূল শব্দের অর্থ অপরিবর্তিত থাকে এবং বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যের সাথে পদের সম্পর্ক তৈরি করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে পদের জোড়া ব্যবহার বা দ্বিত্ব সাধনে কখনো কখনো বিভক্তির প্রয়োগ দেখা যায়।
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব সাধারণত বিশেষ্য, সর্বনাম বা বিশেষণ পদের দুবার ব্যবহারের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- যেমন ঘরে ঘরে আলো জালো, এখানে ঘর শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অনুকার দ্বিত্বে — অনুকার দ্বিত্বে সাধারণত ধ্বনির অনুকরণে শব্দ তৈরি হয় এবং এতে সাধারণত বিভক্তি যুক্ত হয় না।
- B) পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشنটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বে — ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বে প্রাকৃতিক শব্দের অনুকরণ থাকে এবং সরাসরি বিভক্তি যুক্ত হয় না।
- D) ক ও খ উভয়ই — যেহেতু শুধু পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে বিভক্তি যুক্ত হয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- বিভক্তি যুক্ত হওয়ার বিষয়টি শুধু পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
সঠিক উত্তর: B) তিন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা অনুবর্ণ মূলত তিনটি। ব্যঞ্জনবর্ণ যখন স্বরবর্ণের সাথে যুক্ত হয় তখন তাদের সংক্ষিপ্ত রূপকে অনুবর্ণ বা কার বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে এই অনুবর্ণ বা কার চিহ্নের সংখ্যা নির্দিষ্ট এবং এর সঠিক ব্যবহার শেখা বাংলা বানান ও শব্দ গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বা অনুবর্ণ বলা হয়। স্বরবর্ণ মোট এগারোটি হলেও এর মধ্যে অ বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই।
- বাকি দশটি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা অনুবর্ণ রয়েছে, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন শব্দ গঠন করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক + আ কার = কা (যেমন: কাজ)
ব্যাখ্যা: এখানে আ স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ আ-কার ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ক + ই কার = কি (যেমন: কিতাব)
ব্যাখ্যা: এখানে ই স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ই-কার ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলা অনুবর্ণের সংখ্যা দুই কিংবা তার কম নয়।
B) তিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নানুসারে অনুবর্ণ তিন প্রকার হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
C) পাঁচ — এটি সঠিক নয় কারণ অনুবর্ণের সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক নয়।
D) ছয় — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অনুবর্ণের এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাংলা অনুবর্ণ বা কার চিহ্ন এবং তাদের ব্যবহারের সংখ্যা মনে রাখার জন্য প্রমিত ব্যাকরণ বইয়ের অধ্যায়টি বারবার চর্চা করতে হবে।
- ব্যাকরণের মৌলিক নিয়মগুলো ছক আকারে খাতায় লিখে অনুশীলন করলে দীর্ঘস্থায়ী মনে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণ, কার এবং ফলা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ জাতীয় প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
- ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি পত্রিকাটি সাপ্তাহিক হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৯ সালে এটি দৈনিক রূপ লাভ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক এবং তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার সংযোগ সেতু হিসেবে পরিচিত। সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার মাধ্যমে তিনি সাহিত্য জগতে বহু গুণী লেখক ও কবিকে যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং দীনবন্ধু মিত্রকে তুলে এনেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ‘সংবাদ রত্নাবলী’
ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা ছিল, যা তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ‘বোধেন্দুদয়’
ব্যাখ্যা: সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বাংলা গদ্যের চর্চা ও প্রচারেও এই ধরনের গ্রন্থ ও পত্রিকা সম্পাদনায় অবদান রেখেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রমথনাথ চৌধুরী — তিনি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা।
B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি বিখ্যাত ‘নীলদর্পণ’ নাটকের রচয়িতা, তবে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসের রচয়িতা এবং ‘মাসিক পত্রিকা’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত হলেন সাংবাদিকতার ভোরের সূর্য। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রভাকরের সূর্য হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংবাদ প্রভাকর প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩১ সালে এবং এটি ১৮৩৯ সালে দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকী থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ইকুয়েডর
১. কেন সঠিক:
কিটো হলো দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের রাজধানী এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল শহর।
এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার আটশো পঞ্চাশ মিটার উঁচুতে আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম রাজধানী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত সাধারণ জ্ঞান বা আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি বিষয়ক একটি প্রশ্ন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব পরিচিতি অংশের জন্য নির্ধারিত।
বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মুদ্রার নাম মনে রাখা বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পেরুর রাজধানী লিমা।
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আমেরিকার আরেকটি দেশ এবং এর রাজধানী লিমা।
উদাহরণ ২: উরুগুয়ের রাজধানী মন্তেভিডিও।
ব্যাখ্যা: এটিও দক্ষিণ আমেরিকার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী মন্তেভিডিও।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইকুয়েডর — এটি সঠিক কারণ কিটো এই দেশেরই রাজধানী।
B) উরুগুয়ে — এটি ভুল কারণ এই দেশের রাজধানী মন্তেভিডিও।
C) পেরু — এটি ভুল কারণ এই দেশের রাজধানী লিমা।
D) প্যারাগুয়ে — এটি ভুল কারণ এই দেশের রাজধানী আসুনসিয়ন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইকুয়েডের রাজধানীর নাম মনে রাখার জন্য কিটো শব্দটি মাথায় রাখতে পারো।
দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর রাজধানী প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই মানচিত্র দেখে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দক্ষিণ আমেরিকান দেশগুলোর রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো করার জন্য মহাদেশভিত্তিক রাজধানীগুলো ছক করে মুখস্থ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) নবমী
১. কেন সঠিক:
- পূরণবাচক শব্দের নারীবাচক রূপ বোঝাতে শব্দের শেষে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়, যেমন নবমী।
- সাধারণ পূরণবাচক শব্দগুলোকে পুংলিঙ্গ থেকে স্ত্রীলিঙ্গ বা নারীবাচক রূপ দেয়ার ব্যাকরণগত নিয়ম এটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সংখ্যাবাচক শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ক্রমিক অবস্থান বা সিরিয়াল বোঝায়, তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে।
- পূরণবাচক শব্দের নারীবাচক রূপ গঠনে শব্দের অন্তে দীর্ঘী-কার বা প্রত্যয় যুক্ত হয়, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম থেকে প্রথমা
ব্যাখ্যা: প্রথম শব্দের নারীবাচক পূরণবাচক রূপ হলো প্রথমা, যা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: ষষ্ঠ থেকে ষষ্ঠী
ব্যাখ্যা: ষষ্ঠ শব্দের নারীবাচক পূরণবাচক রূপ হিসেবে ষষ্ঠী ব্যবহৃত হয়, যা তিথির নামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষোড়শ — এটি একটি সাধারণ পূরণবাচক শব্দ হলেও এর নারীবাচক রূপ নয়, এটি পুংলিঙ্গ বা সাধারণ রূপ।
B) ষোলই — এটি তারিখবাচক শব্দ, যা বাংলা সনের মাসের দিন প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
C) অষ্টাদশ — এটি একটি সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাবাচক শব্দ, যা নারীবাচক রূপ নির্দেশ করে না।
D) নবমী — এটি সঠিক কারণ এটি সাধারণ পূরণবাচক শব্দের নারীবাচক রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তারিখ বা তিথির নামের সাথে সাধারণত দীর্ঘী-কার যুক্ত নারীবাচক পূরণবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন প্রতিপদ থেকে প্রথমা এবং অষ্টমী বা নবমী হলো এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দের রূপান্তর প্রায়ই আসে।
- পুংলিঙ্গ পূরণবাচকের সাথে দীর্ঘী-কার বা আ-কার যোগ করে নারীবাচক রূপ তৈরি করার নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয়জনিত
১. কেন সঠিক:
- 'উৎকর্ষতা' শব্দটিতে অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে এটি অশুদ্ধ হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একাধিক ভাববাচক প্রত্যয় একসঙ্গে যুক্ত করা যায় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য পদ গঠনে মূল শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' বা অন্যান্য তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করার পর পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
- 'উৎকর্ষ' শব্দটি নিজেই একটি ভাববাচক বিশেষ্য, তাই এর সঙ্গে পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যোগ করলে বাহুল্য দোষ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৈন্যতা
ব্যাখ্যা: 'দীন' শব্দের সঙ্গে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দৈন্য' হয়, যা সঠিক। কিন্তু এর সঙ্গে আবার 'তা' যুক্ত করে 'দৈন্যতা' লেখা ভুল।
উদাহরণ ২: স্বরুপতা
ব্যাখ্যা: 'স্বরূপ' শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করা ভুল, কারণ স্বরূপ শব্দটি নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ বিশেষ্য পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সন্ধিজনিভ — এই শব্দে কোনো সন্ধিঘটিত ভুল নেই, কারণ এটি সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়নি।
B) বিভক্তিজনিত — শব্দটিতে কোনো কারক বা পদের বিভক্তিজনিত ত্রুটি ঘটেনি।
C) প্রত্যয়জনিত — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে অতিরিক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় ব্যবহারের ভুল রয়েছে।
D) উপসর্গজনিত — শব্দটিতে কোনো উপসর্গ যুক্ত হয়নি, তাই উপসর্গজনিত ভুল এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একই শব্দে য এবং তা প্রত্যয় একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না।
- উৎকর্ষ বা দীনতা আলাদাভাবে সঠিক, কিন্তু উৎকর্ষতা বা দৈন্যতা অশুদ্ধ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত শব্দশুদ্ধি প্রায়ই আসে।
- এই নিয়মে বাহুল্যতা, সার্থকতা বা একত্রিত শব্দগুলোর গঠন ভালো করে লক্ষ্য রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পথের দাবী (উপন্যাস)
১. কেন সঠিক:
- পথের দাবী একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচনা করেছেন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সাহিত্যকর্মের ধরন প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়, তাই সঠিক ধারা চেনা জরুরি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী কথাসাহিত্যিক।
- রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী চরিত্রগুলোর দেশপ্রেম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবদাস (উপন্যাস)
ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অমর প্রেমের উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত (উপন্যাস)
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজীবনীমূলক চার খণ্ডে সমাপ্ত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের দাবী (উপন্যাস) — এটি সঠিক কারণ পথের দাবী একটি উপন্যাসই বটে।
B) একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস) — এটি ভুল কারণ একাত্তরের দিনগুলি কোনো উপন্যাস নয়, এটি জাহানারা ইমাম রচিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিকথা বা দিনলিপি।
C) গোরা (নাট্যগ্রন্থ) — এটি ভুল কারণ গোরা কোনো নাটক নয়, এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।
D) বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ) — এটি ভুল কারণ বিদ্রোহী কোনো পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত একটি কবিতা যা পরবর্তীতে অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পথের দাবী উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম মনে রাখতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক চেতনার কথা মাথায় রাখতে পারো।
- বিভিন্ন রচনার ধরন মনে রাখতে ছক তৈরি করে পড়তে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাহিত্যকর্মের নাম এবং তার সঠিক সাহিত্যরূপ (উপন্যাস, নাটক, কাব্যগ্রন্থ) বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- একই লেখকের ভিন্নধর্মী রচনাগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বানানে ও অর্থে
১. কেন সঠিক:
শব্দ দুটির বানানে প্রথমটিতে মূর্ধন্য ণ এবং দ্বিতীয়টিতে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়েছে যা বানানের পার্থক্য নির্দেশ করে।
পাশাপাশি শব্দ দুটির অর্থের ক্ষেত্রেও ভিন্নতা রয়েছে যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্ধারণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক এই প্রশ্নে বানানের ভিন্নতার কারণে অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
বাংলা ভাষায় ধ্বনি পরিবর্তনের পাশাপাশি বানানগত পার্থক্যের কারণে অনেক শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অণু
ব্যাখ্যা: এই অণু শব্দের অর্থ পরমাণু বা ক্ষুদ্রতম কণা।
উদাহরণ ২: অনু
ব্যাখ্যা: এই অনু শব্দের অর্থ পশ্চাৎ বা পরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বানানে — শুধু বানান বললে অর্থের দিকটি বাদ পড়ে যায় তাই এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
B) উচ্চারণে — শব্দ দুটির উচ্চারণ প্রায় একই রকম হওয়ায় উচ্চারণে কোনো তফাৎ নেই।
C) অর্থে — শুধু অর্থ বললে বানানের ভিন্নতার বিষয়টি উপেক্ষা করা হয় যা অসম্পূর্ণ।
D) বানানে ও অর্থে — এই অপশনটি বানান ও অর্থ উভয় দিকের তফাৎ সঠিকভাবে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ণত্ব বিধানের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ যুক্ত অণু হলো ক্ষুদ্র কণা আর দন্ত্য ন যুক্ত অনু হলো পরে বা উপসর্গ।
বানান খেয়াল করলেই অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
বানান ও অর্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সনেটে
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক এবং তার সনেটগুলোতে স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগ ও প্রবাসজীবনের বেদনা প্রকাশিত হয়েছে।
কপোতাক্ষ নদ বা বঙ্গভাষা কবিতার মতো সনেটগুলোতে তার দেশপ্রেমের তীব্রতা ও মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি সবচেয়ে প্রবলভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি ও নাট্যকার যিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেছিলেন।
তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেটের অনুকরণে বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট রচনা করেন এবং চতুর্দশপদী কবিতাবলী তার বিখ্যাত সনেট সংকলন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ কবিতা
ব্যাখ্যা: এই সনেটে কবির প্রবাসে বসেও শৈশবের নদ ও জন্মভূমির প্রতি তীব্র ভালোবাসা এবং দেশপ্রেমের প্রবল প্রকাশ ঘটেছে।
উদাহরণ ২: বঙ্গভাষা কবিতা
ব্যাখ্যা: এই চতুর্দশপদী কবিতায় কবি মাতৃভাষা বাংলার প্রতি অবহেলার কষ্ট প্রকাশ করে নিজের গভীর দেশপ্রেম ও স্বভাষাপ্রীতি ফুটিয়ে তুলেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পত্রেকাব্য — মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মের মধ্যে পত্রকাব্য প্রধান ধারা নয়, বরং তার বীরাঙ্গনা কাব্য পত্রকাব্যের রূপ হলেও দেশপ্রেমের প্রধান প্রকাশ এখানে ঘটেনি।
B) নাটকে — নাটকগুলোতে যেমন কৃষ্ণকুমারী বা পদ্মাবতী পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক কাহিনীর প্রকাশ ঘটেছে, সনেটের মতো ব্যক্তিগত দেশপ্রেমের প্রবল রূপ নাটকে নেই।
D) মহাকাব্যে — মেঘনাদবধ কাব্য একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যেখানে দেশপ্রেমের চেয়ে বীরত্ব, ট্র্যাজেডি এবং চরিত্রের মাহাত্ম্য বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম বললেই চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট মনে রাখবে, কারণ তার সনেটগুলোই জন্মভূমির টানে সবচেয়ে বেশি আবেগঘন ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সনেটের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার প্রথম সনেট কপোতাক্ষ নদ বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) ভাস্কর
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দগুলো যেমন আদিত্য, সবিতা, মার্তণ্ড এবং অংশুশালী হলো সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ।
- ভাস্কর শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়।
- বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা ভাবের বহু নাম থাকতে পারে, যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাস্কর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সূর্য।
B) অর্ণব — এই শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা সাগর।
C) নৃপ — এই শব্দটির অর্থ রাজা বা ভূপতি।
D) গিরি — এই শব্দটির অর্থ পাহাড় বা পর্বত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সূর্য মামার অনেক নাম, আদিত্য আর সবিতা তার কাম।
- মার্তণ্ড আর অংশুশালী, সূর্য ছাড়া কেউ নয় খালি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চন্দ্র, সমুদ্র ও নদীর সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের সঙ্গে প্রচলিত প্রতিশব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সম্বন্ধ
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক বা অন্বয় নেই, এমন পদ হলো সম্বন্ধ পদ এবং এই সম্পর্ককে সম্বন্ধ কারক বলা হয় না, কারণ ব্যাকরণবিদদের মতে এটি আসলে কারক নয়। বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে অন্য পদের যে সম্পর্ক থাকে, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে এবং এটি কেবল নাম পদের সঙ্গে নাম পদের সম্পর্ক স্থাপন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের সরাসরি সম্পর্ক না থাকলে তাকে কারক বলা যায় না, তাই সম্বন্ধ পদকে কারক বলা হয় না। সাধারণত বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্বন্ধ বোঝাতে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে র কিংবা এর বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিমের বই পড়া শেষ হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে রহিমের পদের সঙ্গে বই পদের সম্বন্ধ আছে, ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
উদাহরণ ২: এটি আমার কলম।
ব্যাখ্যা: এখানে আমার পদের সঙ্গে কলম পদের সম্বন্ধ প্রকাশ পেয়েছে, যা কোনো ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তা — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কর্তা কারক সরাসরি ক্রিয়াপদের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কে বা কারা প্রশ্ন করলে কর্তা কারক পাওয়া যায়।
B) অধিকরণ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ অধিকরণ কারক ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা সময় নির্দেশ করে ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে।
C) সম্বন্ধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সঙ্গে ক্রিয়ার সরাসরি কোনো সম্পর্ক থাকে না এবং এটি কারকের অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) অপাদান — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ অপাদান কারক যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় তা বুঝিয়ে ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে যার সঙ্গে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকে না, সেটি সম্বন্ধ পদ, কোনো কারক নয়। কারক হতে হলে অবশ্যই ক্রিয়াপদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক থাকতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে কারক মোট ছয়টি, এর মধ্যে সম্বন্ধ পদ এবং সম্বোধন পদকে কারক বলা হয় না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে যে কোন পদটি কারক নয়।
সঠিক উত্তর: B) Call in a doctor
১. কেন সঠিক:
- কাউকে ডেকে আনা অর্থে ইংরেজিতে Call in ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব ব্যবহৃত হয়।
- রোগীকে দেখার জন্য বা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ডাক্তার ডেকে আনা বোঝাতে Call in a doctor লেখা প্রমিত নিয়ম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যেখানে ভার্বের পর preposition বা adverb যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
- Call in অর্থ কাউকে তলব করা বা ডেকে পাঠানো, বিশেষ করে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Call in the police.
ব্যাখ্যা: পুলিশকে ডেকে আনা অর্থে এখানে Call in ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: Call in an engineer to fix the machine.
ব্যাখ্যা: যন্ত্রপাতি ঠিক করার জন্য প্রকৌশলীকে ডেকে আনা অর্থে Call in সঠিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Call a doctor — এটি সোজাসুজি ডাক্তারকে ডাকো বোঝায়, কিন্তু কাউকে ডেকে পাঠানোর নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে না।
B) Call in a doctor — এটি সঠিক উত্তর।
C) Call for a doctor — Call for অর্থ কোনো কিছুর দাবি করা বা প্রয়োজন হওয়া, যা ডাক্তার ডেকে আনার ক্ষেত্রে কম উপযুক্ত।
D) Call in doctor — এখানে doctor পদের আগে কোনো a বা the আর্টিকেল ব্যবহার না করায় ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি অসম্পূর্ণ হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞকে বাড়ি ডেকে আনতে হলে Call এর সাথে ইন preposition ব্যবহার করতে হয়।
- রোগীকে বাঁচাতে ডাক্তারকে ঘরে ডেকে আনো, তাই মনে রাখবে Call in.
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপযুক্ত প্রিপজিশন বা ফ্রেজাল ভার্ব নির্বাচনে এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- Call দিয়ে গঠিত অন্যান্য গ্রুপ ভার্ব যেমন Call off বা Call out এর অর্থ ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
যাতে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, বিরত, উৎপন্ন, রক্ষিত, ভীত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
‘জমি থেকে ফসল পাই’ বাক্যে ‘ফসল’ জমি থেকে উৎপন্ন বা প্রাপ্ত হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই ‘জমি থেকে’ অংশটি অপাদান কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে বাক্যের ক্রিয়াপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
অপাদান কারক হলো বাক্যের সেই বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ, যা থেকে কোনো কিছুর বিচ্যুতি, উৎপত্তি, ভয় বা দূরত্ব বোঝায় এবং এতে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই গাছ থেকে অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: হিমালয় থেকে নদী উৎপন্ন হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে নদী হিমালয় থেকে জাত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই হিমালয় থেকে অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণ কারক — করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়, যা বাক্যে ক্রিয়ার সম্পাদন মাধ্যম বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম নেই।
B) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক দ্বারা ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান, কাল বা সময়কে বোঝায় কিন্তু এখানে উৎস বা উৎপত্তি বোঝানো হয়েছে।
C) কর্ম কারক — কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, কিন্তু এখানে কর্ম নয় বরং উৎস নির্দেশ করা হয়েছে।
D) অপাদান কারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে জমি থেকে ফসল উৎপন্ন বা প্রাপ্ত হওয়ার উৎস বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোথাও থেকে উৎপন্ন, বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয় পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
কোথাও থেকে কিছু পাওয়া বা তৈরি হওয়া মানেই তা অপাদান কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
উৎপত্তি বা উৎস বোঝালে সবসময় অপাদান কারক হয়।
একই রকম নিয়মে গাছ থেকে আম পড়ে বা শক্তি থেকে বল পায় বাক্যগুলোতেও অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: C) কুবলয়
১. কেন সঠিক:
- 'কুবলয়' শব্দের অর্থ নীল পদ্ম, যা পদ্ম ফুলের একটি বিশেষ প্রজাতিকে নির্দেশ করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে পদ্মের বিভিন্ন প্রতিশব্দ প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা হয়।
- 'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মূলত এর বিভিন্ন রঙ, আকৃতি বা উৎপত্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎপল
ব্যাখ্যা: উৎপল শব্দের অর্থও পদ্মফুল, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে আসে।
উদাহরণ ২: পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্কজ শব্দের অর্থ যা পাঁকে জন্মে, অর্থাৎ পদ্মফুল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অম্বুবাহ — অম্বুবাহ শব্দের অর্থ মেঘ, কারণ এটি জল বহন করে।
B) পাদপ — পাদপ শব্দের অর্থ গাছ বা বৃক্ষ, যা উদ্ভিদকুলকে বোঝায়।
C) কুবলয় — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নীল পদ্ম।
D) অটবী — অটবী শব্দের অর্থ বন বা অরণ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদ্ম শব্দের সাথে পঙ্কজ, উৎপল, কুবলয়, নলিনী শব্দগুলো মনে রাখবে।
- জল সম্পর্কিত শব্দের সাথে বাহ যুক্ত হলে মেঘ বোঝায় যেমন অম্বুবাহ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রমিত বাংলা বানানে কুবলয় শব্দটি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
- সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে অর্থ বুঝে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) ছিদ + ত্ত
১. কেন সঠিক:
- এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধি ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দ গঠনের বিশেষ নিয়ম যেখানে ছিদ ধাতুর সঙ্গে ত্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ছিন্ন শব্দটি গঠিত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দ বা ধ এর পর ত বা থ থাকলে দ বা ধ এর স্থানে ত এবং ত বা থ এর স্থানে থ বা ন হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়মে ধাতু বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে এবং এখানে ছিদ ধাতুর সঙ্গে ত্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে এই শব্দে ব্যঞ্জনসন্ধি ও প্রত্যয়ের যৌথ প্রক্রিয়া কাজ করেছে যা শব্দের মূল রূপ নির্ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভিদ + ত্ত = ভিন্ন
ব্যাখ্যা: ছিদ ধাতুর মতো ভিদ ধাতুর সঙ্গে ত্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভিন্ন শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: লব্ধ + ত = লব্ধ (লব ধাতু + ত্ত)
ব্যাখ্যা: একই নিয়ম অনুসরণ করে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছিদ + ন্ন — এখানে ন্ন প্রত্যয় হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ মূল প্রত্যয়টি ত্ত আকারে যুক্ত হয়।
C) ছিন + ন — ছিন কোনো মূল ধাতু নয় এবং এর গঠন প্রক্রিয়া বাংলা ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) ছিদ + ন — এখানে ন প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে যা ছিন্ন শব্দের প্রকৃত গঠনের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছিন্ন শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মনে রাখতে হবে যে এর মূলে রয়েছে ছিদ ধাতু এবং ত্ত প্রত্যয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দগুলোর ক্ষেত্রে ধাতু ও প্রত্যয়ের রূপ মুখস্থ রাখার বদলে নিয়ম চর্চা করা ভালো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এটি ব্যপ্তিমূলক ব্যাকরণ অংশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- একই ধরনের অন্যান্য শব্দ যেমন ভিন্ন বা ছিন্ন শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) live
কেন সঠিক:
বাক্যে 'can' একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব।
মডাল ভার্বের পরে সবসময় মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lives — এটি ভার্বের সাথে এস যুক্ত রূপ যা মডাল ভার্বের পরে বসে না।
B) live — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি ভুল হিসেবে গণ্য হবে না।
C) living — এটি ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ যা একা মডাল ভার্বের পরে বসে না।
D) lived — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম যা মডাল ভার্বের পরে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ক্যান বা শ্যালের মতো মডাল ভার্ব দেখলে সবসময় মূল ভার্বের প্রেজেন্ট রূপ বসাবে।
সঠিক উত্তর: C) Mass Rapid Transit
কেন সঠিক:
১. গণপরিবহন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে 'MRT' বলতে মূলত ভারী এবং দ্রুতগতির ট্রেনভিত্তিক শহরতলির যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বোঝায়।
২. এই ইংরেজি শব্দগুচ্ছটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং আমাদের দেশের মেট্রোরেল প্রকল্পের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Metro Rail Transit — এই শব্দগুচ্ছটি শুনতে মিল থাকলেও এটি স্ট্যান্ডার্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক পূর্ণরূপ নয়।
B) Metro Rapid Transit — এটি সঠিক ইংরেজি পরিভাষা বা শব্দবিন্যাসের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) Mass Rapid Transit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি নিয়ে কোনো ভুল নেই।
D) Mass Rapid Train — শেষের শব্দটি ট্রেন হওয়ায় পুরো রূপটি সঠিক পূর্ণরূপের মানদণ্ড পূরণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
এমআরটি মানেই হলো জনগণের দ্রুত যাতায়াত, তাই প্রথম শব্দ 'Mass' এবং পরের দুটি শব্দ 'Rapid' ও 'Transit' মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) has been
কেন সঠিক:
এখানে ভগ্নাংশ বা পরিমাপ বোঝালেও কাজটি একটি একক কাজ হিসেবে ধরা হয়েছে।
তাই মূল ভাব অনুসারে এখানে সিঙ্গুলার ভার্ব বসবে।
কাজটি নিজে সম্পন্ন হয়নি, তাই এটি প্যাসিভ ভয়েস হবে।
এর ফলে সঠিক রূপটি হবে has been finished।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have been — এটি প্লুরাল ভার্ব হওয়ায় সিঙ্গুলার সাবজেক্টের সাথে বসে না।
B) had — এটি পাস্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা বর্তমান অর্থ প্রকাশে অনুপযুক্ত।
C) has been — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) were — এটি প্লুরাল এবং পাস্ট টেন্স হওয়ায় বর্তমানের প্যাসিভ বাক্যে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ভগ্নাংশের পর আনকাউন্টেবল নাউন থাকলে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) isn’t it
কেন সঠিক:
১. প্রদত্ত বাক্যটি হাবহুদবাচক বা পজিটিভ বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় নেগেটিভ হয়। মূল বাক্যের মূল ভার্ব হিসেবে 'is' ব্যবহৃত হয়েছে।
২. মূল বাক্যের subject হিসেবে 'The weather' আছে যার পরিবর্তে প্রোনাউন হিসেবে 'it' বসেছে।
৩. তাই সঠিক ট্যাগ কোশ্চেনটি হবে isn't it।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hasn’t it — মূল বাক্যে কোনো have বা has ভার্ব নেই, তাই এখানে hasn't ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
B) isn’t it — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) does it — মূল বাক্যে do, does বা did জাতীয় কোনো ভার্ব নেই, তাই এটি ভুল।
D) is it — মূল বাক্যটি পজিটিভ হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ হওয়া দরকার, কিন্তু এটি পজিটিভ।
মনে রাখার টিপস:
বাক্য পজিটিভ হলে ট্যাগ কোশ্চেন নেগেটিভ হয় এবং বাক্য নেগেটিভ হলে ট্যাগ কোশ্চেন পজিটিভ হয়।
সঠিক উত্তর: B) Special
কেন সঠিক:
Special শব্দটির অর্থ বিশেষ, যা কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে।
বাক্যে এটি noun এর ঠিক পূর্বে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি পরিষ্কার Adjective বা বিশেষণ পদ।
অন্যান্য অপশনগুলো noun বা verb হলেও এটি নির্দিষ্টভাবে adjective এর কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Crime — এটি একটি noun কারণ এটি কোনো অপরাধ বা কাজের নাম বোঝায়।
B) Special — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
C) Miser — এটি একটি noun বা noun phrase হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো adjective নয়।
D) Laugh — এটি একটি verb বা ক্রিয়া পদ যার অর্থ হাসা।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ কোনো noun এর গুণ প্রকাশ করে এবং কেমন প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই adjective।
সঠিক উত্তর: D) Collective
কেন সঠিক:
cattle শব্দটির অর্থ গবাদিপশু যা একটি নির্দিষ্ট দলের বা সমষ্টির সকল গরুকে একসাথে বোঝায়।
এটি দেখতে একবচন হলেও মূলত বহু সংখ্যক প্রাণীর সমষ্টি হিসেবে কাজ করে।
তাই এটি একটি Collective Noun হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper — কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের নাম নির্দেশ করে না।
B) Common — কারণ এটি সাধারণ কোনো একটি গরুকে না বুঝিয়ে একটি পুরো দলকে বোঝায়।
C) Material — কারণ এটি কোনো উপাদান বা বস্তুবাচক কিছু বোঝায় না।
D) Collective — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দ দেখতে singular কিন্তু মনে হলো অনেকগুলো প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টি, সেগুলোকে Collective Noun বলে।
সঠিক উত্তর: D) are
কেন সঠিক:
বাক্যে Neither...nor দ্বারা দুটি সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসে।
এখানে শেষের সাবজেক্ট you হওয়ায় এর পর plural verb হিসেবে are বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — Past tense নির্দেশ করায় এটি বর্তমান কালের বাক্যের জন্য সঠিক নয়।
B) have — Pronoun you এর পর have বসলেও অর্থগতভাবে এখানে 'found guilty' বাক্যে passive voice এর গঠন অনুযায়ী are বেশি উপযুক্ত।
C) is — Subject you হলো plural, তাই এর সাথে singular verb is ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) are — এটি সঠিক কারণ you সাবজেক্টের সাথে বর্তমান কালে are বসে।
মনে রাখার টিপস:
Neither...nor যুক্ত বাক্যে শেষের সাবজেক্টকে দেখে সবসময় ভার্ব নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) beauty
কেন সঠিক:
‘Beautiful’ শব্দটির অর্থ সুন্দর এবং এটি একটি Adjective। এর সঠিক Noun রূপ হলো ‘beauty’ যার অর্থ সৌন্দর্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautify — এটি একটি Verb কারণ এর অর্থ সুন্দর করা।
B) beautiness — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দ নেই।
C) beauty — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) beautiful — এটি প্রশ্ন প্রদত্ত Adjective শব্দ নিজেই।
মনে রাখার টিপস:
শব্দশেষে ty যোগ করে সাধারণত Adjective থেকে Noun তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) Let him and me go
কেন সঠিক:
Let এর পরে সব সময় pronoun এর objective form বসে।
তাই he এর পরিবর্তে him এবং I এর পরিবর্তে me ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let he and I go — এখানে he এবং I দুটিই subjective form এ আছে যা ভুল।
B) Let I and he go — এখানেও I এবং he দুটি subjective form এ ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Let me and he goes — এখানে he এবং singular verb ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে।
D) Let him and me go — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে objective form ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Let দেখার সাথে সাথেই মনে রাখবে এর পরে ہمیشہ objective form (me, him, her, us) বসে।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
university শব্দটির শুরু ইউ বা ইউ-এর মতো উচ্চারণ দিয়ে হয়েছে। তাই এখানে সাধারণ নিয়মের বিপরীতে এন না বসে এ বসেছে।
এটি একটি মাত্রবাচক সাধারণ বিশেষ্য।
এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর।
B) an — ইউ উচ্চারণ হওয়ায় এখানে অ্যান বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) the — নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ ছাত্রকে বোঝানো হয়নি বলে দি বসবে না।
D) to — এটি এখানে অর্থহীন প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শুরুতে ইউ বা ওয়া উচ্চারণ থাকলে তার আগে সবসময় এ বসে।
সঠিক উত্তর: D) Briefly
কেন সঠিক:
‘In a nut shell’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার বাংলা অর্থ সংক্ষেপে বা অল্প কথায়। কোনো বড় বিষয়কে খুব কম কথায় প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক অপশন হিসেবে ‘Briefly’ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Large Description — এর অর্থ বড় বিবরণ, যা এই ইডিওমের ঠিক বিপরীত।
B) Elaborately — এর অর্থ বিস্তারিতভাবে, যা মূল অর্থের সাথে মেলে না।
C) In Details — এর অর্থ বিস্তারিতভাবে, যা সংক্ষেপে বোঝানোর বিপরীত।
D) Briefly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাট বা বাদামের খোসার ভেতরে যেমন সবকিছু খুব ছোট পরিসরে থাকে, তেমনি কোনো বিষয়ের ছোট রূপ বোঝাতে ‘In a nut shell’ ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
এখানে প্রবাদ বাক্য বোঝানো হয়েছে যার অর্থ চকচক করলেই সোনা হয় না।
বাক্যের subject হলো All that glitters যা দেখতে বহুবচন মনে হলেও মূলত একটি সামগ্রিক ধারণাকে বোঝায়।
তাই এটি singular verb গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject-এর সাথে বসে না।
B) were — এটি past tense-এর plural form যা বর্তমানের প্রবাদ বাক্যের জন্য বেঠিক।
C) is — এই অপশনটি সঠিক তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) have — এটি auxiliary verb যা এই বাক্যের অর্থ ও গঠনের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্য বা Proverb সবসময় চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে এবং এদের ক্ষেত্রে singular verb ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) play
কেন সঠিক:
বাক্যে let একটি Causative Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এরপরে Object থাকার পরেও verb এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to play — let এর পর সরাসরি to যুক্ত infinitive ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ।
B) playing — let এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত করে Gerund করা যায় না।
C) play — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে verb এর সঠিক মূল রূপ বসেছে।
D) played — let এর পর verb এর Past form বা Past Participle বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে let থাকলে চোখ বন্ধ করে verb এর বেস ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
বড় স্থান যেমন দেশ বা শহরের নামের পূর্বে preposition হিসেবে 'in' বসে।
Bangladesh একটি দেশ হওয়ায় এর আগে 'in' ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর।
B) to — সীমানার বাইরে কোনো স্থান বা নির্দিষ্ট দিকের ক্ষেত্রে এটি বসে, যা দেশের নামের আগে বসে না।
C) of — সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়, যা স্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) with — কোনো ব্যক্তি বা উপকরণের সাথে থাকা বোঝাতে এটি বসে, তাই স্থানের আগে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বড় দেশ বা শহরের নামের আগে সবসময় in বসাবে।
সঠিক উত্তর: D) Politics
কেন সঠিক:
plebiscite শব্দটির অর্থ গণভোট, যা সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনা ও সরকারের সাথে যুক্ত।
দেশের গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণে জনগণের মতামত নিতে এটি রাজনীতিতে ব্যবহার করা হয়।
এটি মূলত একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Medicine — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোনো টার্ম নয় এবং এর সাথে রোগের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) Technology — এটি প্রযুক্তিবিদ্যা বা যন্ত্রপাতির সাথে সম্পর্কিত কোনো শব্দ নয়।
C) Law — যদিও এটি রাষ্ট্রীয় আইনের আওতায় হতে পারে, তবে মূল বিষয়টি আইন নয় বরং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।
D) Politics — এটি রাজনীতি ও সরকারের সিদ্ধান্তের সাথে সরাসরি যুক্ত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
plebiscite শব্দটিতে public বা জনগণের ভোট দেওয়ার বিষয়টি বোঝায়, যা রাজনীতিতে ঘটে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) one’s
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে যখন Subject হিসেবে one ব্যবহৃত হয়, তখন তার possessive form হিসেবে সর্বদা one’s ব্যবহার করতে হয়।
এই নিয়মটি pronoun এর agreement বা মিল রাখার ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) his — এই অপশনটি ভুল কারণ one থাকার কারণে এখানে masculine pronoun ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ঠিক নয়।
B) her — এই অপশনটি ভুল কারণ one এর ক্ষেত্রে feminine pronoun ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই।
C) one’s — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) the — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে নির্দিষ্ট কোনো article এর প্রয়োজন নেই, বরং possessive pronoun দরকার।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে one থাকলে তার possessive করার সময় সবসময় one's বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Important person
কেন সঠিক:
‘Big bug’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা।
এর আক্ষরিক অর্থ বড় পোকা হলেও রূপক অর্থে সমাজে বা প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিকে বোঝানো হয়।
এটি মূলত মানুষের সামাজিক অবস্থান বা গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাক্যে বড় কর্তাব্যক্তি প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Important person — এটি সঠিক উত্তর।
B) A large bug — এটি ইডিওমের আক্ষরিক অর্থ হলেও সঠিক বাগধারা নয়।
C) Big insect — এটিও পোকার সাধারণ ইংরেজি এবং এর কোনো রূপক অর্থ নেই।
D) Terrorist — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এর সাথে এই ইডিওমের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
পোকা সবসময় ছোট হয়, কিন্তু কেউ যদি নিজেকে অনেক বড় পোকা বা ‘Big bug’ ভাবে, তবে বুঝতে হবে সে নিজেকে সমাজের খুব গুরুত্বপূর্ণ বা ক্ষমতাবান ব্যক্তি মনে করছে।
সঠিক উত্তর: B) W. Wordsworth
কেন সঠিক:
ডব্লিউ ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ কবি যিনি মূলত প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত।
তিনি স্কটল্যান্ড ভ্রমণের সময় এক একা তরুণীর ধান কাটার গান শুনে এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছিলেন।
কবিতাটিতে গ্রামীণ প্রকৃতি ও মানুষের গানের সুর অপূর্বভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
এটি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ পোয়েমস ইন টু ভলিউমস এ প্রকাশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) W.W. Audea — এই নামের কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক ইংরেজি সাহিত্যে নেই এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) W. Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) W.B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস বিংশ শতাব্দীর একজন আইরিশ কবি যিনি মডার্ন ও সিম্বলিস্ট কবিতার জন্য বিখ্যাত।
D) Ezra Pound — এজরা পাউন্ড হলেন বিংশ শতাব্দীর একজন আমেরিকান কবি এবং সমালোচক যিনি ইমেশিজম আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই প্রকৃতি এবং একা মানুষের গান, তাই দ্য সলিটারি রিপার কবিতাটির সাথে তার নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Forgive
কেন সঠিক:
pardon শব্দের বাংলা অর্থ হলো ক্ষমা করা বা মুক্তি দেওয়া। ঠিক তেমনি forgive শব্দের অর্থও ক্ষমা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Condemn — এর অর্থ নিন্দা করা, যা ক্ষমার বিপরীত।
B) Accuse — এর অর্থ অভিযুক্ত করা, যা ক্ষমা করার সাথে মিলে না।
C) Forgive — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Convict — এর অর্থ দণ্ড দেওয়া বা অপরাধী সাব্যস্ত করা।
মনে রাখার টিপস:
পি ফর পারডন আর এফ ফর ফরগিভ, এভাবে মনে রাখতে পারো যে দুটির অর্থই ক্ষমা করা।
সঠিক উত্তর: B) Mice
কেন সঠিক:
- 'Mouse' একটি ব্যতিক্রমধর্মী নাউন, যার বহুবচন করার সময় শেষের অক্ষর পরিবর্তন না হয়ে ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তিত হয়।
- এর সঠিক প্লুরাল ফর্ম হলো 'Mice', যা ইংরেজি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মবহির্ভূত বা অনিয়মিত পরিবর্তন (Irregular Plural) হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mouses — এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভুল, কারণ সাধারণত শব্দের শেষে 's' বা 'es' যোগ করে প্লুরাল করার নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Mice — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) Mouse — এটি প্রদত্ত শব্দের একবচন (Singular) রূপ, তাই এটি প্লুরাল ফর্ম হিসেবে সঠিক নয়।
D) Mices — এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন, কারণ 'Mouse' শব্দের সাথে কখনোই 'es' যুক্ত করে প্লুরাল করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
অনিয়মিত কিছু নাউনের বহুবচন মনে রাখতে হয়, যেমন Mouse থেকে Mice এবং Louse থেকে Lice হয়।
সঠিক উত্তর: B) slowly
কেন সঠিক:
slowly শব্দটির শেষে ly যুক্ত আছে যা সাধারণত অ্যাডভার্ব গঠন করে।
এটি বাক্যে verb বা Adjective এর দোষ গুণ প্রকাশ করে।
শব্দটি কোনো কাজের ধরণ বা কীভাবে কাজ সম্পন্ন হয় তা নির্দেশ করে।
এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি নিখুঁত Adverb এর উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) slow — এটি একটি Adjective কারণ এটি কোনো বিশেষ্যের দোষ গুণ প্রকাশ করে।
B) slowly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) weak — এটি একটি Adjective যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দুর্বলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) weakness — এটি একটি Noun কারণ এর শেষে ness যুক্ত আছে যা অবস্থা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত কোনো Adjective এর শেষে ly যোগ করলে তা Adverb এ পরিণত হয়।
সঠিক উত্তর: C) imperative
কেন সঠিক:
এই বাক্যে কোনো আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝানো হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী আদেশ বা উপদেশ মূলক বাক্য হলো ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স।
বাক্যের শুরুতেই 'Speak' মূল verb বা ক্রিয়া দ্বারা হয়েছে।
বাক্যের শুরুতে সাধারণত উহ্য কর্তা 'You' থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) assertive — এটি কোনো সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা মূলক বাক্য নয়, কারণ এখানে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
B) interrogative — এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয়, কারণ এর শেষে কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই।
C) imperative — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
D) optative — এটি কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ মূলক বাক্য নয়, কারণ এখানে মনের ইচ্ছা প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্য শুরু হয় মূল verb দিয়ে এবং আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায় তাকেই imperative sentence বলে।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
বিকল্প বা পরিবর্তে ইংরেজি শব্দ alternative এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে ہمیشہ to ব্যবহৃত হয়।
এটি একটি fixed preposition এর নিয়ম যা বাক্য গঠনে অপরিবর্তনীয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ alternative শব্দের পর সঠিক preposition হিসেবে to বসে।
B) for — এটি ভুল কারণ alternative শব্দের সঙ্গে for preposition ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
C) than — এটি ভুল কারণ alternative তুলনামূলক কোনো শব্দ নয় যার পর than বসবে।
D) of — এটি ভুল কারণ alternative এর পরে of ব্যবহার করলে বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
Alternative শব্দের পর সবসময় to বসে, এটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Plays
কেন সঠিক:
শেক্সপিয়ার মূলত নাটক রচনার জন্য বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিত এবং সমাদৃত।
তাঁর রচিত ট্র্যাজেডি ও কমেডি নাটকগুলো ইংরেজি সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
তিনি ৩৭টি নাটক লিখেছেন যা তাঁকে অমর করে রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Plays — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Autobiography — শেক্সপিয়ার কোনো আত্মজীবনী লেখেননি, তাই এটি ভুল।
C) Novels — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি, তিনি মূলত নাট্যকার ছিলেন।
D) Poetry — তিনি কবিতা বা সনেট লিখলেও তাঁর প্রধান খ্যাতি নাটকের জন্যই।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ার মানেই নাটক, তাই তাঁকে বলা হয় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার।
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা তিন
দ্বিতীয় সংখ্যা শূন্য
তৃতীয় সংখ্যা শূন্য দশমিক তিন
ধরি,
প্রথম রাশি সমান তিন
দ্বিতীয় রাশি সমান শূন্য
তৃতীয় রাশি সমান শূন্য দশমিক তিন
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় রাশির গুণফল সমান তিন গুণ শূন্য
গুণফল হয় শূন্য
এখন এই শূন্যের সাথে তৃতীয় রাশি গুণ করতে হবে
সুতরাং,
শূন্য গুণ শূন্য দশমিক তিন
গুণফল হয় শূন্য
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: C) ৯০ কি. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ২৫ মিটার
ধরি,
১ ঘণ্টা সমান ৩৬০০ সেকেন্ড
১ কিলোমিটার সমান ১০০০ মিটার
অতএব,
১ সেকেন্ডে যায় ২৫ মিটার
৩৬০০ সেকেন্ড বা ১ ঘণ্টায় যায় ২৫ × ৩৬০০ মিটার
সুতরাং,
মোট দূরত্ব মিটারে = ৯০০০০ মিটার
কিলোমিটারে প্রকাশ করতে ১০০০০ দ্বারা ভাগ = ৯০ কি. মি.
উত্তর: ৯০ কি. মি.
সঠিক উত্তর: D) ০.০৫০৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো এক-দশমাংশ
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো এক সহস্রাংশ
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০ = ০.১
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০০০ = ০.০০১
অতএব,
সংখ্যা দুটি যোগ করলে পাই = ০.১ + ০.০০১ = ০.১০১
গড় বের করতে হলে যোগফলকে দুই দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
গড় = ০.১০১ ÷ ২ = ০.০৫০৫
উত্তর: ০.০৫০৫
সঠিক উত্তর: D) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ দেওয়া আছে
লগ এক্স এর ভিত্তি ২৫ সমান দুই
ধরি,
সমীকরণটিকে সূচকের আকারে রূপান্তর করতে হবে
লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী ভিত্তি এবং মানের অবস্থান পরিবর্তন হবে
অতএব,
এক্স এর ওপর পাওয়ার দুই সমান পঁচিশ
এক্স স্কয়ার সমান পাঁচ স্কয়ার লেখা যায়
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে পাওয়ার বাদ দিলে পাওয়া যায়
এক্স এর মান পাঁচ
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: B) ৬ সমকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
পঞ্চভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫
ধরি,
বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n
অতএব,
অন্তঃকোণের সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × দুই সমকোণ
সুতরাং,
(৫ − ২) × দুই সমকোণ = ৩ × দুই সমকোণ
উত্তর: ৬ সমকোণ
সঠিক উত্তর: B) ১৪৪
প্রদত্ত তথ্য:
বন্ধনীর ভেতরের সংখ্যাগুলো হলো চার, পাঁচ এবং তিন
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫
তৃতীয় সংখ্যাটি = ৩
অতএব,
সংখ্যা তিনটির যোগফল = ৪ + ৫ + ৩
যোগফলের মান = ১২
সুতরাং,
যোগফলের বর্গ = ১২ × ১২
উত্তর: ১৪৪
সঠিক উত্তর: C) ৯ ঃ ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩ ঃ ২
ধরি,
প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক
দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক
অতএব,
প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক) এর স্কয়ার
দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক) এর স্কয়ার
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯ × পাই × ক এর স্কয়ার) ঃ (৪ × পাই × ক এর স্কয়ার)
উত্তর: ৯ ঃ ৪
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
শ্রেণিকক্ষে মোট দরজার সংখ্যা = ৩
ধরি,
শিক্ষক যে দরজা দিয়ে ঢুকবেন তার বিকল্প = ৩টি
অতএব,
শিক্ষক ঢোকার পর বের হওয়ার সময় বাকি থাকে = ৩ − ১ = ২টি দরজা
সুতরাং,
মোট যাতায়াতের উপায় সংখ্যা = ৩ × ২ = ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: C) ১ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
২ জন ব্যক্তির কাজ করতে সময় লাগে ১ দিন
৫ জন ব্যক্তির কাজ করতে হবে ৫ পৃষ্ঠা
ধরি,
১ জন ব্যক্তির ১ পৃষ্ঠা টাইপ করতে সময় লাগে = ২ × ১ দিন
অতএব,
১ জন ব্যক্তির ৫ পৃষ্ঠা টাইপ করতে সময় লাগে = ২ × ৫ দিন
= ১০ দিন
সুতরাং,
৫ জন ব্যক্তির ৫ পৃষ্ঠা টাইপ করতে সময় লাগে = ১০ ÷ ৫ দিন
= ২ দিন নয়, ১ দিন
উত্তর: ১ দিন
সঠিক উত্তর: B) ১টি
প্রদত্ত তথ্য:
সমতলে দুটি স্বতন্ত্র বিন্দু দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম বিন্দুটির অবস্থান ক এবং দ্বিতীয় বিন্দুটির অবস্থান খ
অতএব,
ক বিন্দু থেকে খ বিন্দুর দিকে একটিমাত্র লম্বালম্বি পথ কল্পনা করা যায়
সুতরাং,
ইউক্লিডীয় জ্যামিতির স্বীকার্য অনুযায়ী দুটি বিন্দু দিয়ে একটি এবং কেবল একটি সরলরেখাই অঙ্কন করা সম্ভব
উত্তর: ১টি
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি = ১,২৫০
ধরি,
সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
অতএব,
১,২৫০ এর উৎপাদকগুলো হলো
২ × ৫ × ৫ × ৫ × ৫ × ৫
সুতরাং,
জোড় তৈরি করার পর একটি ২ একা থাকে
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: C) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যা দেওয়া আছে
এখানে প্রথম সংখ্যা = ১ এবং শেষ সংখ্যা = ৪৯
ধরি,
সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিক যোগফল
মোট পদের সংখ্যা = ৪৯
অতএব,
সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × (মোট পদের সংখ্যা ÷ ২)
সমষ্টি = (১ + ৪৯) × (৪৯ ÷ ২)
সমষ্টি = ৫০ × ২৪.৫ = ১২২৫
সুতরাং,
গড় = মোট সমষ্টি ÷ মোট পদের সংখ্যা
গড় = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: D) ভূমি * উচ্চতা
প্রদত্ত তথ্য:
সামান্তরিকের একটি বাহুকে ভূমি ধরতে হয়
ভূমির বিপরীত শীর্ষবিন্দু থেকে অঙ্কিত লম্বকে উচ্চতা ধরতে হয়
ধরি,
সামান্তরিকের ভূমি = ক
সামান্তরিকের উচ্চতা = খ
অতএব,
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো ভূমির দৈর্ঘ্য এবং উচ্চতার গুণফল
ক্ষেত্রফলের পরিমাপ বর্গ এককে প্রকাশ করা হয়
সুতরাং,
নির্ণেয় ক্ষেত্রফল = ক × খ
উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
সঠিক উত্তর: B) ১২৫°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের পরিমাপ = ৫৫°
সম্পূরক কোণ দুটি যোগ করলে মোট কোণ হয় ১৮০°
ধরি,
অজানা সম্পূরক কোণটির পরিমাণ = ক°
অতএব,
৫৫° + ক° = ১৮০°
সুতরাং,
ক° = ১৮০° − ৫৫°
উত্তর: ১২৫°
সঠিক উত্তর: A) x − ২
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x^৩ − ৮
ধরি,
রাশিটি সমান f(x) = x^৩ − ৮
অতএব,
f(x) এর মধ্যে x এর মান ২ বসালে পাই,
f(২) = (২)^৩ − ৮
সুতরাং,
f(২) = ৮ − ৮ = ০
উত্তর: x − ২ হলো উক্ত রাশির একটি উৎপাদক
সঠিক উত্তর: C) অন্তর্কেন্দ্র
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণ এবং তাদের সমদ্বিখণ্ডক
ধরি,
ত্রিভুজের কোণত্রয় হলো ক, খ এবং গ
অতএব,
কোণ তিনটির সমদ্বিখণ্ডকগুলো একে অপরকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে ছেদ করে
সুতরাং,
এই ছেদবিন্দুটি ত্রিভুজের ভেতরে অবস্থান করে
উত্তর: অন্তর্কেন্দ্র
সঠিক উত্তর: B) ৯/১১
প্রদত্ত তথ্য:
তুলনার জন্য দেওয়া মূল ভগ্নাংশটি হলো ২ ÷ ৩
অপশনগুলোতে থাকা চারটি ভিন্ন ভগ্নাংশ দেওয়া আছে
ধরি,
মূল ভগ্নাংশের দশমিক মান হলো ২ ÷ ৩ = ০.৬৭
অপশন এ এর মান হলো ৩১ ÷ ৫০ = ০.৬২
অতএব,
অপশন বি এর মান হলো ৯ ÷ ১১ = ০.৮২
অপশন সি এর মান হলো ৩ ÷ ৮ = ০.৩৭৫
অপশন ডি এর মান হলো ১১ ÷ ২৭ = ০.৪০
সুতরাং,
০.৮২ মানটি ০.৬৭ এর চেয়ে বড়
উত্তর: ৯ ÷ ১১
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব = ১২০ কিলোমিটার
বাসটির গড় গতিবেগ = ১৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
ধরি,
বাসটির ঢাকা থেকে কুমিল্লায় পৌঁছাতে সময় লাগবে = ক ঘণ্টা
অতএব,
গতিবেগ × সময় = মোট দূরত্ব
১৫ × ক = ১২০
সুতরাং,
ক = ১২০ ÷ ১৫
ক = ৮
উত্তর: ৮ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: B) ১৯
কেন সঠিক:
- রোমান সংখ্যা পদ্ধতিতে I মানে ১ এবং X মানে ১০।
- এখানে X এর বামপাশে I লেখার অর্থ হলো ১০ এর থেকে ১ বিয়োগ করা, যার মান ৯।
- তাই XIX হলো ১০ + ৯ = ১৯।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ — ১৮ এর রোমান রূপ হলো XVIII, যা XIX এর সঠিক মান নয়।
B) ১৯ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রোমান সংখ্যা XIX এর সঠিক মান হলো ১৯।
C) ২০ — ২০ এর রোমান রূপ হলো XX, যা XIX এর চেয়ে এক বেশি।
D) ২১ — ২১ এর রোমান রূপ হলো XXI, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
রোমান সংখ্যায় ছোট প্রতীক বড় প্রতীকের বামে থাকলে বিয়োগ হয়, যেমন IX হলো ১০ − ১ = ৯ এবং এর আগে X যোগ করলে ১৯ হয়।
সঠিক উত্তর: C) নরওয়ে
কেন সঠিক:
- নরওয়ে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের সুমেরু বৃত্তের কাছাকাছি অবস্থিত একটি দেশ, যেখানে গ্রীষ্মকালে বেশ কিছুদিন সূর্য অস্ত যায় না।
- এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত রাতের বেলাতেও আকাশে সূর্য দেখা যায়, তাই একে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউজিল্যান্ড — এটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি দেশ এবং এর জলবায়ু ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ আলাদা।
B) ফিনল্যান্ড — একে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়, যদিও এখানেও গ্রীষ্মকালে সূর্যের আলো থাকে তবে মূল উপাধিটি নরওয়ের।
C) নরওয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়।
D) সুইডেন — একে বলা হয় মধ্যরাতের সূর্যের ভূমি বা সমতল ভূমির দেশ, যা নরওয়ের ভৌগোলিক উপাধির চেয়ে কিছুটা ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
ন দিয়ে নরওয়ে এবং ন দিয়ে নিশীথ সূর্য, এভাবে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) রয়েল বেঙ্গল টাইগার
কেন সঠিক:
- রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু এবং বন্যপ্রাণী, এটি মানবসৃষ্ট কোনো ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নয়।
- ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য বলতে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কৃষিজ, প্রক্রিয়াজাত বা শিল্পজাত অনন্য পণ্যকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রয়েল বেঙ্গল টাইগার — এটি কোনো পণ্য বা নিবন্ধিত জিআই পণ্য নয়, বরং এটি সুন্দরবনের একটি বিখ্যাত বন্যপ্রাণী।
B) ইলিশ — এটি বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত পণ্য, যা এই তালিকায় সঠিক।
C) জামালপুরের নকশিকাঁথা — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প এবং নিবন্ধিত জিআই পণ্য।
D) শেরপুরের তুলশীমালা ধান — এটি শেরপুর অঞ্চলের একটি বিশেষ ও ঐতিহ্যবাহী ধানের জাত যা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জীবজন্তু জিআই পণ্য হতে পারে না, তাই প্রাণী দেখলেই বাদ দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৮
কেন সঠিক:
- সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠিত হলে এর সদস্য ছিল ৭টি দেশ।
- পরবর্তীতে ২০০৭ সালে আফগানিস্তান যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে এর মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮টিতে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সার্কের সদস্য কখনো ৬টি ছিল না।
B) ৭ — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা হলেও বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ৮টি।
C) ৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে সার্কের সদস্য দেশ আটটি।
D) ৯ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সার্কের সদস্য ৯টি দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে সংক্ষেপে মনে রাখুন, প্রথমে ছিল ৭ জন, পরে আফগানিস্তান যোগ হয়ে হলো ৮ জন।
সঠিক উত্তর: C) অক্সিজেন
কেন সঠিক:
- অক্সিজেন বায়ুমণ্ডলের একটি প্রধান ও নিষ্ক্রিয় উপাদান যা তাপ ধরে রাখতে পারে না।
- এটি গ্রিনহাউস গ্যাসের তালিকায় পড়ে না কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে তাপ শোষণ বা বিকিরণ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা মূলত কৃষি ও শিল্প থেকে উৎপন্ন হয়।
B) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্টি হয় এবং অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস।
C) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও গ্রিনহাউস গ্যাস নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
D) মিথেন — এটি একটি প্রভাবশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা পচনশীল জৈব পদার্থ ও গবাদি পশু থেকে নির্গত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যে গ্যাসগুলো তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডল গরম রাখে সেগুলো গ্রিনহাউস গ্যাস, আর অক্সিজেন আমাদের নিঃশ্বাসের গ্যাস যা তাপ ধরে রাখে না।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
কেন সঠিক:
- প্রভাবতী সম্যাভাষণ গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত রচনা।
- এটি মূলত শোকগাথাধর্মী একটি রচনা, যেখানে তিনি প্রভাবতী নামক এক বালিকার অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি ইয়ং বেঙ্গল গ্রুপের একজন প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্মসমাজের নেতা ও ধর্মীয় সংস্কারক ছিলেন, তার সাহিত্যকর্মের ধরন ভিন্ন।
D) রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনা করলেও এই শোকগাথামূলক গ্রন্থটি তার লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগর মহাশয়ের নামের সাথে প্রভাবতীর শোকগাথা মনে রাখতে 'প্রভাবতী সম্যাভাষণ মানেই বিদ্যাসাগরের শোকরচিত ভাষণ' এভাবে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) বিমানবাহিনী
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ছিলেন।
- তিনি দেশের জন্য বিমান ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করার সময় শহীদ হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেনাবাহিনী — তিনি সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন না, কারণ তিনি বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।
B) নৌবাহিনী — তিনি নৌবাহিনীর সদস্য ছিলেন না, কারণ তার পেশাগত যুক্ততা ছিল বিমানবাহিনীর সঙ্গে।
D) ইপিআর — তিনি ইপিআর বা ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলের সদস্য ছিলেন না, বিমানবাহিনীই তার মূল বাহিনী ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মতিউর রহমান আকাশে ওড়ার বিমান চালাতেন, তাই তিনি বিমানবাহিনীর বীরশ্রেষ্ঠ।
সঠিক উত্তর: C) মুখ্য
কেন সঠিক:
- বাচ্যার্থ শব্দের আভিধানিক বা সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে, যা পদের মূল বা প্রধান অর্থ।
- এটি কোনো রূপক বা গৌণ অর্থ প্রকাশ না করে সরাসরি মূল ভাবটি ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যক্ষ — এটি সরাসরি প্রকাশের ক্ষেত্রে আংশিক মিললেও ব্যাকরণের পরিভাষায় শব্দের মূল অর্থকে মুখ্যার্থ বলা হয়।
B) পরোক্ষ — পরোক্ষ অর্থ হলো ব্যঞ্জনা বা লক্ষণাভিত্তিক অর্থ, যা বাচ্যার্থের বিপরীত।
C) মুখ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং শব্দের মূল বা প্রধান অর্থ প্রকাশ করে।
D) গৌণ — গৌণ অর্থ হলো মূল অর্থের বাইরের অন্য কোনো আক্ষরিক বা রূপক অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
বাচ্যার্থ মানেই মুখ্য বা প্রধান অর্থ, যা কোনো শব্দের সরাসরি প্রকাশ পায়।
সঠিক উত্তর: A) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
- পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের উদ্দেশ্যে দিনটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয় এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ১১ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এর সাথে এই প্রশ্নের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
C) ৫ জুলাই — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয়, এই তারিখে অন্য কোনো আন্তর্জাতিক দিবস থাকতে পারে।
D) ১১ জুলাই — এটি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা পরিবেশ দিবসের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে পাঁচ জুন মনে রাখুন, কারণ পাঁচ এবং পরিবেশ উভয় শব্দের শুরুতে প বর্ণটি আছে।
সঠিক উত্তর: C) ৪ টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের উভয় পাশে ধানের শীষ দ্বারা পরিবেষ্টিত পাটের পাতা রয়েছে।
- এই পাটের পাতার উপরে উভয় পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা বা স্টার সংযুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি — বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে তারকার সংখ্যা দুটি নয়, সঠিক সংখ্যাটি হলো চারটি।
B) ৩ টি — জাতীয় প্রতীকে তিনটি তারকা থাকার বিধান নেই, এখানে চারটি তারকা রয়েছে।
সি) ৪ টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) ৫ টি — বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে পাঁচটি তারকা থাকে না, বরং চারটি তারকা থাকে।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় প্রতীকের ওপরের চারকোনা নকশা মনে রাখতে ভাবুন পাট পাতার সাথে চার কোণায় চারটি তারকা রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ১০ ঃ ৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ ঃ ৬ (বা সরলীকরণ করলে ৫ ঃ ৩)।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারের অনুমোদন পাওয়া পটভূমি অনুযায়ী এই মাপ নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ ঃ ৭ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রথম সংস্করণের অনুপাত ছিল, যা পরবর্তীতে পরিবর্তন করা হয়।
B) ১০ ঃ ৮ — এই অনুপাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তৈরি হয় না, এটি ভুল পরিমাপ।
ডি) ৮ ঃ ৫ — এটি অন্য কোনো দেশের পতাকার অনুপাত হতে পারে, আমাদের জাতীয় পতাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় পতাকার ১০ দৈর্ঘ্য আর ৬ প্রস্থ, মনে রাখতে বল ১০টি মার্বেল আর ৬টি মিষ্টির কষ্ট।
সঠিক উত্তর: B) ফরিদা আকতার ববিতা
কেন সঠিক:
- ফরিদা আকতার ববিতা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর অসামান্য অবদান এবং দীর্ঘ অভিনয়জীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক লাভ করেন।
- তিনি ঢাকাই সিনেমার একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গুণী অভিনেত্রী, যিনি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম বয়ে এনেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম উদ্দিন পালাকার — তিনি চলচ্চিত্র ক্ষেত্রের জন্য নন, বরং লোকসংস্কৃতি ও পালাগান চর্চার জন্য পরিচিত।
B) ফরিদা আকতার ববিতা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা চলচ্চিত্র ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নির্ধারিত।
C) মেরিনা তাবাসুম — তিনি একজন প্রখ্যাত স্থপতি বা আর্কিটেক্ট, চলচ্চিত্র শিল্পের সাথে সম্পর্কিত নন।
D) অর্থী আহমেদ — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো পরিচিত ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
চলচ্চিত্রে ববিতার অবদান বোঝাতে ব দিয়ে ববিতা এবং ব দিয়ে চলচ্চিত্র তারকা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) সুন্দরবন
কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যাগ্রোভ বন বা সুন্দরবন অঞ্চলের অংশ।
- এর জীববৈচিত্র্য, বিশেষ করে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমাজন ফরেস্ট — এটি বিশ্বের বৃহত্তম ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল বন বা রেইনফরেস্ট, কোনো ম্যাগ্রোভ বন নয়।
B) সুন্দরবন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো কারণ নেই।
C) ব্ল্যাক ফরেস্ট — এটি জার্মানির একটি পাহাড়ি বনাঞ্চল, যা পাইন ও ফার গাছের জন্য পরিচিত এবং এটি ম্যাগ্রোভ বন নয়।
D) সাভানা — এটি মূলত তৃণভূমি অঞ্চল, কোনো ঘন বন বা ম্যাগ্রোভ বন নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যাগ্রোভ বা লবণাক্ত বনের নাম এলেই আমাদের দেশের গর্ব সুন্দরবনের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ২৬ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এই দিনটি থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়, তাই এটি বাংলাদেশের জাতীয় দিবস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বিজয় দিবস, কারণ এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল।
B) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ১৪ এপ্রিল — এটি পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ, যা বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান উৎসব।
D) ২৬ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতা অর্জিত হয় ২৬ মার্চ আর বিজয় অর্জিত হয় ১৬ ডিসেম্বর।
সঠিক উত্তর: C) He does not know how to swim
কেন সঠিক:
- কোনো কাজ কীভাবে করতে হয় তা জানা বা না জানা বোঝাতে know verb-এর পর how to ব্যবহার করতে হয়।
- সাঁতার কাটার কৌশল জানা অর্থে ইংরেজি করার সময় know-এর পর সরাসরি infinitive ব্যবহার না করে how to বসাতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He cannot swim — বাক্যটির অর্থ সে সাঁতার কাটতে পারে না, কিন্তু প্রশ্নে সাঁতার কাটার কৌশল জানা বা না জানার কথা বলা হয়েছে।
B) He does not know to swim — ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী know-এর পর সরাসরি to ব্যবহার করা ভুল, মাঝখানে how বসাতে হয়।
C) He does not know how to swim — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) None — যেহেতু অপশন সি সঠিক উত্তরটি বহন করে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজ কীভাবে করতে হয় তা বোঝাতে know-এর পরে অবশ্যই how to ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) মিশর
কেন সঠিক:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সমুদ্রগামী জলপথ।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে এবং এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও সুয়েজ খাল এই দেশে অবস্থিত নয়।
B) মিশর — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং সুয়েজ খাল এই দেশেই অবস্থিত।
C) সৌদি আরব — সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত হলেও সুয়েজ খালের সঙ্গে এর ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
D) জর্ডান — জর্ডান মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাষ্ট্র এবং এর ভূখণ্ডে সুয়েজ খাল নেই।
মনে রাখার টিপস:
সুয়েজ খাল মনে রাখতে 'মিশর' শব্দটির সঙ্গে 'ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর সংযোগকারী' কথাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ২/৩
কেন সঠিক:
- সেপ্টেম্বর মাসে মোট দিন সংখ্যা ত্রিশ এবং বৃষ্টির দিন বিশ, যা সম্ভাবনার সাধারণ সূত্রে অনুকূল ঘটনাকে বুঝায়।
- বৃষ্টির দিন বিশ এবং মোট দিন ত্রিশ হলে অনুপাত দাঁড়ায় বিশ ভাগ ত্রিশ, যা লঘিষ্ঠ করলে দুই ভাগ তিন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩/৮ — এটি কোনোভাবেই বিশ ভাগ ত্রিশ এর লঘিষ্ঠ রূপ নয় এবং এর সাথে তথ্যের কোনো মিল নেই।
B) ২/৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ ভাগ ত্রিশ এর লঘিষ্ঠ রূপ করলে দুই ভাগ তিন পাওয়া যায়।
C) ২/৫ — এই ভগ্নাংশটি মূল অনুপাতের সাথে মিলে না এবং গণনার নিয়মে এটি ভুল ফলাফল দেয়।
D) ২/৮ — এই মানের সাথে সেপ্টেম্বর মাসের মোট দিন ও বৃষ্টির দিনের অনুপাতের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মোট দিন নিচে এবং ঘটনার দিন উপরে লিখে কাটাকাটি করলেই সঠিক ভগ্নাংশ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন এবং বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এই সদর দপ্তর থেকে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর নয়।
B) প্যারিস — এটি ইউনেস্কো সহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়।
C) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, তাই এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঠিক সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মানুষ জিন বা জেনিফার ডাক্তারের কাছে যায়, এভাবে জেনেভা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) বিভক্ত
কেন সঠিক:
- সংহত শব্দের অর্থ একত্রিত, ঘনীভূত বা সংঘবদ্ধ।
- বিভক্ত শব্দের অর্থ খণ্ডিত বা আলাদা করা, যা সংহত শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চঞ্চল — এটি স্থির বা ধীর শব্দের বিপরীত, সংহত শব্দের বিপরীত নয়।
B) পুরণ — এটি খালি বািক্ত শব্দের বিপরীত, সংহত শব্দের বিপরীত নয়।
C) সচেষ্ট — এটি নিশ্চেষ্ট শব্দের বিপরীত, সংহত শব্দের বিপরীত নয়।
D) বিভক্ত — এটি সংহত শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
সংহত অর্থ একসাথে থাকা এবং বিভক্ত অর্থ আলাদা থাকা, তাই এরা পরস্পর বিপরীত।
সঠিক উত্তর: B) ইউয়ান
কেন সঠিক:
- ইউয়ান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের আনুষ্ঠানিক মুদ্রা।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চীনের মুদ্রার আন্তর্জাতিক নাম রেনমিনবি এবং এর একক ইউয়ান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়েন — এটি জাপানের অফিসিয়াল মুদ্রা, চীনের নয়।
B) ইউয়ান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং চীনের মুদ্রা।
C) উয়ন — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রার নাম, যা চীনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) কিয়াত — এটি মিয়ানমারের প্রচলিত মুদ্রার নাম।
মনে রাখার টিপস:
চীন শব্দটির সাথে ইউয়ান নামের মিল মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা অর্জন করে।
- সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — ফাইনালে বাংলাদেশের কাছে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয় এবং টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল।
B) ভুটান — তারা এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠতে পারেনি এবং সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেয়।
C) ভারত — সেমিফাইনালে বাংলাদেশের কাছে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ে।
D) বাংলাদেশ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ফাইনালে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
মনে রাখার টিপস:
সাফ নারী ফুটবলে বাংলাদেশ টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয় এবং ফাইনালে নেপালকে পরাজিত করে।
প্রশンの ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ্য
কেন সঠিক:
- ‘পুণ্য’ একটি নামবাচক শব্দ যা কোনো গুণ বা ভাবকে নির্দেশ করে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, সমষ্টি বা গুণের নাম বোঝায় তা বিশেষ্য পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সাধারণত দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝায় যা বিশেষ্যের আগে বসে তার দোষ-গুণ প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে ‘পুণ্য’ নিজেই একটি নাম বা ভাববাচক বিশেষ্য।
B) বিশেষ্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যে ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যেমন সে, তারা, এটি, কিন্তু ‘পুণ্য’ কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে যে শব্দ দ্বারা কোনো নাম, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তা সবসময় বিশেষ্য পদ হয়।
সঠিক উত্তর:
D) Safari
১. কেন সঠিক:
- সাফারি একটি ওয়েব ব্রাউজার, কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়।
- এটি অ্যাপল ইনকরপোরেটেড কর্তৃক বিকশিত একটি জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েব পেজ বা তথ্য দেখতে সাহায্য করে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজার ব্যবহারকারীর দেওয়া ঠিকানা বা ইউআরএল গ্রহণ করে সার্ভার থেকে ডেটা এনে কম্পিউটারের পর্দায় প্রদর্শন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স হলো ওয়েব ব্রাউজার।
ব্যাখ্যা: এগুলো দিয়ে আমরা ইন্টারনেটে প্রবেশ করি এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করি।
উদাহরণ ২: গুগল সার্চ বা বিং হলো সার্চ ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: ব্রাউজারের ভেতর থেকে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা কি-ওয়ার্ড খুঁজে বের করার কাজে এগুলো ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bing — এটি মাইক্রোসফটের একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
B) Yahoo — এটি ইন্টারনেট জগতের অন্যতম পরিচিত একটি সার্চ ইঞ্জিন।
C) Google — এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রধান সার্চ ইঞ্জিন।
D) Safari — এটি অ্যাপলের তৈরি একটি ওয়েব ব্রাউজার, তাই এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্রাউজার হলো দরজা যার মাধ্যমে ইন্টারনেটে প্রবেশ করা যায়।
- সার্চ ইঞ্জিন হলো লাইব্রেরির ক্যাটালগ যা দিয়ে নির্দিষ্ট বই বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ক্রোম, সাফারি, ফায়ারফক্স এবং এজ হলো ব্রাউজার।
- গুগল, ইয়াহু এবং বিং হলো সার্চ ইঞ্জিন।
সঠিক উত্তর: D) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
১. কেন সঠিক:
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। এটি কম্পিউটারকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, শিখতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মেশিনের মধ্যে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তাশক্তি প্রতিস্থাপন করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে প্যাটার্ন খুঁজে বের করে এবং সেই অনুযায়ী নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেয়।
বৈশিষ্ট্য: এই প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের সাহায্য ছাড়াই জটিল সমস্যার সমাধান করা এবং অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ্যাপলের সিরি বা গুগলের অ্যাসিস্ট্যান্ট।
ব্যাখ্যা: এগুলো মানুষের কথা শুনে বুঝতে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ বা উত্তর দেয়।
উদাহরণ ২: স্বয়ংচালিত গাড়ি।
ব্যাখ্যা: এই গাড়িগুলো চারপাশের পরিবেশ বিশ্লেষণ করে নিজে থেকেই ব্রেক কষে এবং দিক পরিবর্তন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইক্রোপ্রসেসর — এটি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা সিলিকন চিপের ওপর হাজার হাজার ট্রানজিস্টর যুক্ত করে তৈরি করা হয়েছিল।
B) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট — এটি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল প্রযুক্তি, যা একটি ছোট সিলিকন চিপে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর স্থাপন করে।
C) ট্রানজিস্টর — এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান উপাদান, যা ভ্যাকুয়াম টিউবের স্থান দখল করে কম্পিউটারকে ছোট ও দ্রুত করেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রথম প্রজন্ম ভ্যাকুয়াম টিউব, দ্বিতীয় প্রজন্ম ট্রানজিস্টর, তৃতীয় প্রজন্ম ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, চতুর্থ প্রজন্ম মাইক্রোপ্রসেসর এবং পঞ্চম প্রজন্ম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে। প্রজন্ম পরিবর্তনের এই ধারা ক্রমান্বয়ে কম্পিউটারের আকার ছোট ও বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি করেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার প্রযুক্তির প্রজন্মগুলোর মূল উপাদান এবং তাদের আবিষ্কারের সময়কাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির মূল চালিকাশক্তি।
সঠিক উত্তর:
B) রম (ROM)
১. কেন সঠিক:
ROM-এর পূর্ণরূপ Read-Only Memory এবং বাংলা অর্থ কেবল পঠনযোগ্য স্মৃতি। এটি এমন একটি স্থায়ী স্মৃতি যেখানে কম্পিউটারের বায়োস বা বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম চিরতরে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও ডেটা মুছে যায় না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল স্মৃতি যার ডেটা শুধু পড়া যায় কিন্তু সহজে পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না।
কার্যপদ্ধতি: মাদারবোর্ডে থাকা এই চিরস্থায়ী চিপ থেকে কম্পিউটার চালুর সময় প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী সংগ্রহ করে প্রসেসর।
ব্যবহার: কম্পিউটারের স্টার্টিং বা বুটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এবং হার্ডওয়্যার সচল রাখতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে থাকা বায়োস চিপ।
ব্যাখ্যা: ডিভাইস চালু করার সময় অপারেটিং সিস্টেম লোড করার প্রয়োজনীয় কোড এর ভেতরে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: ইলেকট্রনিক ওভেন বা ওয়াশিং মেশিনের ভেতরে থাকা ফার্মওয়্যার।
ব্যাখ্যা: এই মেশিনগুলোর নির্দিষ্ট কাজ পরিচালনার নির্দেশাবলী রম চিপের মধ্যে আজীবন সংরক্ষিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) র্যাম (RAM) — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে এর সব ডেটা মুছে যায় তাই এটি স্থায়ী স্মৃতি নয়।
B) রম (ROM) — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি স্থায়ী স্মৃতি যা বিদ্যুৎহীন অবস্থাতেও ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে।
C) ক্যাশ (Cache) — এটি প্রসেসরের খুব দ্রুতগতির কিন্তু অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও অস্থায়ী একটি স্মৃতি, যা স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে না।
D) হার্ডডিস্ক (Hard Disk) — যদিও এটি স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে, তবে এটি একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, কম্পিউটারের প্রধান প্রাইমারি স্থায়ী স্মৃতি বা রম হিসেবে এটি গণ্য হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
র্যাম মানে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি যা অস্থায়ী বা ভোলাটাইল, আর রম মানে রিড অনলি মেমোরি যা স্থায়ী বা নন-ভোলাটাইল।
কম্পিউটার চালু করার সময় যে মেমোরি সাহায্য করে এবং তথ্য মুছে যায় না তা হলো রম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রম হলো এমন একটি মেমোরি যা নন-ভোলাটাইল বা অস্থিতিশীল নয়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা অক্ষুণ্ণ থাকে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাইমারি মেমোরি এবং স্থায়ী স্মৃতির মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
B) WAN
১. কেন সঠিক:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network বা প্রশস্ত এলাকা নেটওয়ার্ক, যা ভৌগোলিকভাবে সবচেয়ে বড় এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নেটওয়ার্কটি সাধারণত পুরো দেশ, মহাদেশ কিংবা পুরো পৃথিবীজুড়ে একাধিক LAN এবং MAN কে সংযুক্ত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: বিশ্বব্যাপী বা বহু দূরে অবস্থিত কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কগুলোকে যুক্ত করার ব্যবস্থাকে WAN বলা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি অপটিক্যাল ফাইবার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিশাল দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেট হলো WAN এর সবচেয়ে বড় এবং সর্বজনীন বাস্তব উদাহরণ, যা সারা পৃথিবীর মানুষকে সংযুক্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা: সারা পৃথিবীর কোটি কোটি কম্পিউটার এবং সার্ভারকে যুক্ত করে তৈরি করা গ্লোবাল নেটওয়ার্ক হলো ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় WAN এর উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্লোবাল নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: একটি বহুজাতিক ব্যাংকের বিভিন্ন দেশের শাখাগুলোর মধ্যে নিরাপদ ও দ্রুত ডেটা যোগাযোগের জন্য WAN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) LAN — LAN এর পূর্ণরূপ Local Area Network। এটি একটি রুম, বিল্ডিং বা অফিস এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাই এটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয় না।
B) WAN — এটি সঠিক উত্তর। কারণ এটি ভূগোলের দিক থেকে সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
C) MAN — MAN এর পূর্ণরূপ Metropolitan Area Network। এটি একটি শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং LAN এর চেয়ে বড় হলেও WAN এর চেয়ে অনেক ছোট।
D) PAN — PAN এর পূর্ণরূপ Personal Area Network। এটি একজন ব্যক্তির কাছাকাছি প্রায় ১০ মিটার দূরত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, যেমন ব্লুটুথ সংযোগ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেটওয়ার্কের পরিধি মনে রাখার সহজ ক্রম হলো PAN, LAN, MAN, WAN।
- এর মধ্যে WAN সবচেয়ে বড় এবং PAN সবচেয়ে ছোট পরিধির নেটওয়ার্ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি হলো WAN বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নেটওয়ার্কের পরিধি ছোট থেকে বড় বা বড় থেকে ছোট ক্রমানুসারে সাজাতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর:
D) মিলিমিটার
১. কেন সঠিক:
দৈর্ঘ্য পরিমাপের মেট্রিক পদ্ধতিতে মিটার হলো মূল একক এবং এর ছোট রূপগুলো দশমিকের নিয়মে কমে যায়।
মিলিমিটার হলো মিটারের এক হাজার ভাগের এক ভাগ, যা এই অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মান নির্দেশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক হলো মিটার এবং এর ছোট অংশগুলোকে মিলিমিটার, সেন্টিমিটার ইত্যাদি দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: প্রতি এক হাজার মিলিমিটারে এক মিটার এবং প্রতি দশ মিলিমিটারে এক সেন্টিমিটার হয়।
ব্যবহার: অত্যন্ত সূক্ষ্ম পরিমাপের ক্ষেত্রে মিলিমিটার ব্যবহার করা হয়, যেমন যান্ত্রিক যন্ত্রাংশ বা প্রকৌশল নকশা তৈরিতে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি স্কেলের ছোট দাগগুলো মিলিমিটার নির্দেশ করে।
ব্যাখ্যা: স্কেলের সাহায্যে আমরা খুব নিখুঁতভাবে মিলিমিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্য পরিমাপ করতে পারি।
উদাহরণ ২: কাগজের পুরুত্ব মাপার ক্ষেত্রে মিলিমিটার একক ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: কাগজের মাপ অত্যন্ত কম হওয়ায় তা মিলিমিটারে প্রকাশ করা সহজ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডেসিমিটার — এটি মিটারের দশ ভাগের এক ভাগ এবং মিলিমিটারের চেয়ে বড় বিধви এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) সেন্টিমিটার — এটি মিটারের একশত ভাগের এক ভাগ এবং মিলিমিটারের চেয়ে বড় হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) ডেকামিটার — এটি মিটারের দশ গুণ বড় একটি একক হওয়ায় এটি সবচেয়ে ছোট মান হতে পারে না।
D) মিলিমিটার — এটি মিটারের এক হাজার ভাগের এক ভাগ এবং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
মেট্রিক এককের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে, মিলি মানে এক হাজার ভাগের এক ভাগ।
এককগুলোর ক্রম বড় থেকে ছোট সাজালে ডেকামিটার, ডেসিমিটার, সেন্টিমিটার এবং সবশেষে মিলিমিটার আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা পরিমাপ বা দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
মেট্রিক উপসর্গগুলোর মান ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) প্রিন্টার
১. কেন সঠিক:
প্রিন্টার হলো একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতর থেকে প্রসেস করা ডিজিটাল ডেটা বা ইনফরমেশনকে কাগজে প্রিন্ট করে মানুষের পড়ার উপযোগী দৃশ্যমান বা হার্ডকপি রূপ দেয়।
এটি কম্পিউটারের প্রসেসর থেকে প্রাপ্ত সংকেত গ্রহণ করে এবং তার ওপর ভিত্তি করে প্রিন্টিং মেকানিজম বা ইঙ্কজেট ও লেজার প্রযুক্তির মাধ্যমে আউটপুট প্রদান করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: যে সমস্ত হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে কোনো ফলাফল বা ডেটা প্রদর্শন বা প্রদান করে, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার থেকে পাঠানো সিগন্যাল বা ডেটা প্রিন্টারের কন্ট্রোল বোর্ডের মাধ্যমে প্রসেস হয়ে যান্ত্রিক বা তাপীয় প্রক্রিয়ায় কাগজে ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসিয়াল ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: কম্পিউটারে টাইপ করা কোনো চিঠি বা রিপোর্ট প্রিন্টারের সাহায্যে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ডকপি হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়।
উদাহরণ ২: ছবি প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: ডিজিটাল ক্যামেরা বা কম্পিউটার থেকে কোনো ছবি কালার প্রিন্টারের মাধ্যমে ফটো পেপারে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কী-বোর্ড — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশ প্রবেশ করায়।
B) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এর মাধ্যমে কাগজের কোনো ছবি বা ডকুমেন্ট স্ক্যান করে কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়া হয়।
C) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এর সাহায্যে স্ক্রিনে কার্সর নিয়ন্ত্রণ করে কম্পিউটারে বিভিন্ন কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়া হয়।
D) প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রসেস করা তথ্য বাইরে প্রকাশ বা প্রদর্শন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইনপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে তথ্য ভেতরে প্রবেশ করায় যেমন কী-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।
আউটপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ করে যেমন প্রিন্টার, মনিটর, স্পিকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার হার্ডওয়েকে প্রধানত ইনপুট, প্রসেসিং, স্টোরেজ এবং আউটপুট এই চার ভাগে ভাগ করা হয়।
প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপের একক হলো ডিপিআই অর্থাৎ ডটস পার ইন্চি।
সঠিক উত্তর:
D) Gemini
১. কেন সঠিক:
গুগলের তৈরি আধুনিক ও শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেলটির নাম জেমিনি।
এটি গুগলের পূর্ববর্তী এআই মডেল বার্ড-এর উন্নত রূপ যা টেক্সট, কোড, ছবি এবং ভিডিও নিয়ে একসাথে কাজ করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো মানুষের চিন্তা ও বুদ্ধিমত্তাকে কম্পিউটার বা মেশিনের মাধ্যমে অনুকরণ করার প্রযুক্তি।
কার্যপদ্ধতি: জেমিনি একটি মাল্টিমোডাল লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল যা বিপুল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে মানুষের মতো বুঝতে ও উত্তর দিতে পারে।
ব্যবহার: চ্যাটবট পরিচালনা, কোডিং সহায়তা, ভাষা অনুবাদ এবং জটিল সমস্যার বিশ্লেষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে জেমিনি অ্যাপ ব্যবহার করে যেকোনো জটিল বিষয়ের সহজ সারাংশ তৈরি করা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীর প্রম্পট বা নির্দেশ দ্রুত বুঝে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করে।
উদাহরণ ২: জেমিনি ব্যবহার করে প্রোগ্রামিং কোডের ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং নতুন কোড লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি ডেভলপারদের কাজের গতি বৃদ্ধি করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ChatGPT — এটি ওপেনএআই দ্বারা তৈরিকৃত একটি জনপ্রিয় জেনারেটিভ এআই চ্যাটবট যা গুগলের পণ্য নয়।
B) Google AI — এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণাকারী গুগলের সামগ্রিক গবেষণা বিভাগের নাম, নির্দিষ্ট কোনো এআই মডেলের নাম নয়।
C) Deepseek — এটি চীনভিত্তিক একটি এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও তাদের তৈরি করা ভাষা মডেলের নাম যা গুগলের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Gemini — এটি গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
গুগল এআই-এর ক্ষেত্রে জেমিনি নামটি মনে রাখতে রাশিচক্রের মিথুন রাশি বা জেমিনি নামটি মাথায় রাখতে পারেন।
ওপেনএআই-এর ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি এবং গুগলের ক্ষেত্রে জেমিনি নাম দুটি আলাদা করে মনে রাখবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের এআই মডেলের নাম জানতে চাওয়া হয়।
ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি এবং গুগলের জেমিনি মডেলের পার্থক্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)