বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

ভূমি জরিপ অধিদপ্তরে সহকারী জরিপ কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী জরিপ কর্মকর্তা (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a মূর্ধন্য
b মূর্ধণ
c মূর্ধন্য
d মূর্ধণ্য
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মূর্ধন্য ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী মূর্ধন্য শব্দটি গঠনে মূর্ধন মূল শব্দের সঙ্গে য-ফলা যুক্ত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসারে তৎসম শব্দে মূর্ধন্য-র ব্যবহার সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়। - বানানের ক্ষেত্রে শব্দের অন্তে কিংবা যুক্তাক্ষরে দন্ত্য-ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ লেখার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: লণঘন ব্যাখ্যা: সঠিক বানান লঙ্ঘন হলেও এই ধরনের শব্দে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূর্ধন্য — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক বানানরূপ এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) মূর্ধণ — এই বানানে অন্ত্য বর্ণে হসন্ত বা য-ফলার অভাব থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ভুল। C) মূর্ধন্য — প্রদত্ত প্রশ্নপত্রে একই অপশন একাধিকবার থাকার কারণে এটি প্রথম সঠিক অপশনের রূপ হিসেবে বিবেচিত। D) মূর্ধন্য — এটিও সঠিক বানান ধারণ করার কারণে প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মূর্ধন্য বানানটি মনে রাখার জন্য মূর্ধন অংশ লেখার পর একটি য-ফলা যুক্ত করতে হয় তা মনে রাখতে হবে। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে নত্ব বিধানের নিয়ম অনুসরণ করলে এই বানান সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে যুক্তবর্ণ এবং য-ফলার ব্যবহার পরীক্ষা করা হয়। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে তৎসম শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
a চালান
b যোগান
c রশিদ
d বিপণন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চালান ১. কেন সঠিক: - Invoice শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো চালান, যা ব্যবসা ও বাণিজ্যে পণ্য সরবরাহের সময় বিবরণী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ব্যাংকিং লেনদেনে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ মূলত বিশেষ ক্ষেত্র যেমন প্রশাসন, আইন, বিজ্ঞান বা বাণিজ্যের নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। - এগুলো সাধারণত প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদ বা নিখুঁত রূপান্তর হিসেবে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পণ্য কেনার পর দোকানদার একটি চালান প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে ক্রয়কৃত পণ্যের বিবরণ বোঝাতে চালান শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যাংকে বৈদেশিক বাণিজ্যের জন্য চালান দাখিল করতে হয়। ব্যাখ্যা: বাণিজ্যের দাপ্তরিক নথিপত্র বোঝাতে এখানে পরিভাষার সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চালান — এটি Invoice শব্দের সঠিক এবং সর্বজনস্বীকৃত বাংলা পরিভাষা। B) যোগান — এটি Supply শব্দের বাংলা পরিভাষা, যা কোনো কিছুর সরবরাহ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) রশিদ — এটি Receipt শব্দের বাংলা পরিভাষা, যা অর্থ বা বস্তু প্রাপ্তির প্রমাণপত্র বোঝায়। D) বিপণন — এটি Marketing শব্দের বাংলা পরিভাষা, যা পণ্য কেনাবেচা ও প্রচারের প্রক্রিয়া বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাণিজ্য ও কেনাকাটার ক্ষেত্রে পণ্যের বিবরণী পেপার বা ক্যাশ মেমোর মতো বিষয় মাথায় রাখলে Invoice মানে চালান কথাটি সহজে মনে রাখা যায়। - মনে রাখবে, Supply মানে যোগান এবং Receipt মানে রশিদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও বাণিজ্যিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে নিত্যদিনের ব্যাংকিং ও বাণিজ্যিক ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপগুলো নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
a সংবর্ধনা
b সম্বন্ধনা
c সম্বর্ধনা
d সংশর্ধনা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংবর্ধনা ১. কেন সঠিক: সংবর্ধনা শব্দটি সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে যেখানে সম উপসর্গ এবং বর্ধনা যুক্ত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত শুদ্ধ বানান এবং উপসর্গজনিত শব্দ গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম উপসর্গ পদের পূর্বে বসে শব্দ গঠন করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংরক্ষণ ব্যাখ্যা: সম উপসর্গের সঙ্গে রক্ষণ যুক্ত হয়ে সংরক্ষণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সংস্থাপন ব্যাখ্যা: সম উপসর্গের সঙ্গে স্থাপন যুক্ত হয়ে সংস্থাপন শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবর্ধনা — এটি বাংলা একাডেমি অনুমোদিত শতভাগ শুদ্ধ বানান রূপ। B) সম্বন্ধনা — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপটি এখানে প্রার্থিত নয়। C) সম্বর্ধনা — এই বানানটিতে ম এর নিচে ধ যুক্ত হয়েছে যা ভুল রূপ। D) সংশর্ধনা — এই বানানটিতে ষ ব্যবহৃত হয়েছে যা এই শব্দের জন্য প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সম উপসর্গ যুক্ত শব্দে সাধারণত অনুস্বার এবং বর্ধনা মিলে সংবর্ধনা গঠিত হয়। বানান মনে রাখতে সম এবং বর্ধনা অংশ দুটি আলাদা করে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শুদ্ধ বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সঠিক করতে হলে প্রমিত বানান নিয়ম নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
a দুর্গেশনন্দিনী
b কপালকুণ্ডলা
c আলালের ঘরের দুলাল
d লালসালু
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলালের ঘরের দুলাল কেন সঠিক: টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে প্যারিচাঁদ মিত্র এটি রচনা করেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটিই প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারিচাঁদ মিত্র বাংলা উপন্যাসের ধারায় প্রথম বাস্তবধর্মী জীবনচিত্র তুলে ধরেন। এতে তৎকালীন বাঙালি সমাজের চিত্র এবং সাধু ভাষারীতির প্রাথমিক রূপ ফুটে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ, বাবু কালীয়ার চরিত্রটি এই উপন্যাসের একটি অমর সৃষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। B) কপালকুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস। C) আলালের ঘরের দুলাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত আধুনিক যুগের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং তার লেখা আলালের ঘরের দুলাল হলো প্রথম উপন্যাস। প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে আলাল শব্দটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে।
a হুতোম প্যাঁচার নকশা
b আলালের ঘরের দুলাল
c দুর্গেশনন্দিনী
d পথের দাবী
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলালের ঘরের দুলাল ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হলো প্যারিচাঁদ মিত্র রচিত আলালের ঘরের দুলাল। এটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারিচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি রচনা করেন। এই উপন্যাসে সমসাময়িক সমাজের অবক্ষয় ও ইংরেজি শিক্ষার অপব্যবহার সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত নকশা জাতীয় রচনা, উপন্যাস নয়। উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতোম প্যাঁচার নকশা — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত নকশাজাতীয় সামাজিক ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা। B) আলালের ঘরের দুলাল — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাস যা প্যারিচাঁদ মিত্র কর্তৃক রচিত ও ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। C) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস হলেও এটি বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস নয়, এটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। D) পথের দাবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস যা অনেক পরে ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল হলো প্রথম উপন্যাস আর বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী হলো প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম উপন্যাস এবং প্রথম সার্থক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। তাই রচয়িতা এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a মিথ্যা
b অস্বীকার
c সদালাপ
d দুরালাপনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্বীকার ১. কেন সঠিক: - ‘অপলাপ’ শব্দের আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো কোনো কিছু চেপে যাওয়া, অস্বীকার করা বা গোপন করার চেষ্টা করা। - প্রবঞ্চনা বা না-বোধক মানসিকতা প্রকাশ করতে বাংলা ভাষায় এই শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎসগত অর্থ অস্বীকার করা। - এটি মূলত উপসর্গযুক্ত শব্দ বা বিশেষ্য পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার চুরির কথাটি সে জোর দিয়ে অপলাপ করল। ব্যাখ্যা: এখানে অপরাধ ধামাচাপা দিতে স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করার অর্থে ‘অপলাপ’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সত্যের অপলাপ করে বেশিদূর টিকে থাকা যায় না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সত্যকে গোপন করা বা অস্বীকার করার ভাবটি ফুটিয়ে তুলতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথ্যা — মিথ্যা অর্থ হলো অসত্য বা যা সত্য নয়, যা ‘অপলাপ’ শব্দের মূল ভাব অস্বীকার করার সমার্থক নয়। B) অস্বীকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ‘অপলাপ’ শব্দের সরাসরি অর্থ হলো কোনো সত্য বা ঘটনা অস্বীকার করা। C) সদালাপ — সদালাপ শব্দের অর্থ ভালো বা মিষ্টি কথা বলা, যা অস্বীকার শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) দুরালাপনী — দুরালাপনী বা টেলিফোন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যার সঙ্গে অপলাপ শব্দের কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপলাপ শব্দের শুরুতে 'অ' আছে এবং অস্বীকার শব্দের শুরুতেও 'অ' আছে। - এভাবে দুটি শব্দের প্রারম্ভিক বর্ণ মিলিয়ে খুব সহজেই অর্থ মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন শব্দার্থ থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে এ ধরনের শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a পৃথিবী
b বৃক্ষ
c বন
d পর্বত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বন ১. কেন সঠিক: কুঞ্জ, কান্তার এবং বনানী শব্দগুলো মূলত গহন অরণ্য বা জঙ্গলকে বোঝায়। বাংলা ভাষায় গাছপালা পূর্ণ বিস্তীর্ণ এলাকা বা বন বোঝাতে এই সমার্থক শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর বা ধারণার একাধিক সমার্থক শব্দ ভাষার ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অরণ্য ব্যাখ্যা: এটি বনের আরেকটি অতি পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: বিপিন ব্যাখ্যা: এটিও বন বা জঙ্গল অর্থে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী শব্দের সমার্থক হলো অবনী, বসুন্ধরা, ধরা বা ধরিত্রী। এটি বন বোঝায় না। B) বৃক্ষ — বৃক্ষ হলো গাছ বা পাদপ। এটি বনের অংশ হলেও বন বা কুঞ্জর সমার্থক নয়। C) বন — এটি সঠিক উত্তর। D) পর্বত — পর্বত শব্দের সমার্থক হলো অচল, গিরি, পাহাড় বা শৈল। এটি বন নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কুঞ্জ মানে ছোট বাগান বা লতাগুল্মের ঘেরা জায়গা, কান্তার মানে বড় বন আর বনানী মানে বনের সমষ্টি। এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখলেই বনের সমার্থক শব্দগুলো আয়ত্তে চলে আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক শব্দের সমার্থকগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
a শ্বাশ্চত
b শাশ্বত
c শ্বাশ্বত
d শ্বাসত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাশ্বত ১. কেন সঠিক: - শাশ্বত বানানটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ শুদ্ধ। - এই শব্দের অর্থ যা চিরকাল ধরে আছে বা সর্বদা বিদ্যমান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ যা সংস্কত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে এসেছে। - বানানের ক্ষেত্রে তালব শ এর নিচে ব ফলা এবং শ এর নিচে ব ফলা যুক্ত হয়ে শাশ্বত রূপটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রকৃতিতে পরিবর্তন আসলেও সূর্যের আলো শাশ্বত সত্য। ব্যাখ্যা: এখানে শাশ্বত শব্দটি চিরন্তন বা অবিনশ্বর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের মনে ভালোবাসার টান চিরকাল শাশ্বত হয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে শাশ্বত শব্দটি চিরকালীন বা চিরন্তন ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্বাশ্চত — এই বানানে ব এর স্থানে চ যুক্ত হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল এবং ব্যাকরণসম্মত নয়। B) শাশ্বত — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নটির কাঙ্ক্ষিত উত্তর। C) শ্বাশ্বত — এই বানানে প্রথম শ এর সঙ্গে ব ফলা অতিরিক্ত যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল। D) শ্বাসত — এই বানানে মধ্যবর্তী ব ফলা বাদ দেওয়া হয়েছে যা সঠিক বানানরীতি সমর্থন করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - শাশ্বত শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর প্রথমে ও মাঝে তালব শ এর সঙ্গে ব ফলা যুক্ত হয়। - মূল শব্দটি মনে রাখতে শাশ্বত শব্দের শাশ অংশটি দুইবার উচ্চারণ করে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - একই রকম অন্যান্য শুদ্ধ বানান যেমন সান্ত্বনা, উজ্জ্বল বা প্রোজ্জ্বল শব্দগুলোর বানান বারবার চর্চা করা উচিত।
a রাবন
b মেঘনাদ
c রাম
d বিভীষণ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাম ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য থেকে উদ্ধৃত এই বাক্যে প্রমীলা রাবণের পুত্রবধূ এবং মেঘনাদের স্ত্রী। - এখানে রাঘব শব্দের অর্থ রঘুকুলের সন্তান, আর ভিখারী রাঘব বলতে বনবাসী ও সহায়সম্বলহীন রামচন্দ্রকে অবজ্ঞার সুরে বোঝানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হলো মেঘনাদবধ কাব্য। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই অমিত্রাক্ষর ছন্দের মহাকাব্যে রামচন্দ্রকে খলনায়ক এবং রাক্ষসরাজ রাবণ ও মেঘনাদকে বীর হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা কবিতাটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতাবলী থেকে নেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি কবির দেশপ্রেম ও মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগের একটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যে পৌরাণিক চরিত্রগুলোর মাধ্যমে নারীহৃদয়ের আবেগ ও অভিমান প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাবন — রাবণ লঙ্কার রাজা এবং মেঘনাদের পিতা ছিলেন, তাই তিনি ভিখারী রাঘব হতে পারেন না। B) মেঘনাদ — মেঘনাদ হলেন রাবণের বীর পুত্র ও প্রমিলার স্বামী, যা এই উক্তির বক্তার স্বামী। D) বিভীষণ — বিভীষণ হলেন রাবণের ছোট ভাই যিনি রামের পক্ষে যোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি রাঘব নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদবধ কাব্যে রাঘব বলতে রামচন্দ্রকে বোঝানো হয় এবং ভিখারী রাঘব বলে তাঁর বনবাসী জীবনকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রামের চেয়ে রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্রকে বেশি মহিমান্বিত করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত এবং এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই কাব্যের বিভিন্ন উদ্ধৃতি কার উক্তি বা কার সম্পর্কে বলা হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়।
a তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হলাম।
b তার বৈমাত্রেয় সহোদর ভাই কৃষক।
c তিনি মামলায় সাক্ষ্য দিবেন।
d দশচক্রে ঈশ্বর ভূত।
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তিনি মামলায় সাক্ষ্য দিবেন। ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে কর্তা, কারক এবং ক্রিয়াপদের ব্যবহার সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত ও প্রমিত। - সাক্ষ্য প্রদান করা অর্থে দিবেন বা দেবেন ক্রিয়াটি এখানে নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে পদপ্রকরণ ও অর্থসংগতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। - ক্রিয়াপদের সঠিক রূপ ও কারকের যথযথ ব্যবহার না করলে বাক্য ভুল বলে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি আদালতে সাক্ষ্য দিলেন। ব্যাখ্যা: এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য যেখানে অতীতকালের ক্রিয়াপদ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: আমি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছি। ব্যাখ্যা: পদবিন্যাস ও ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলা হয়েছে বলে বাক্যটি সঠিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হলাম। — সৌজন্য শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করে সৌজন্যতা করা ভুল, শুদ্ধ রূপ হবে সৌজন্য। B) তার বৈমাত্রেয় সহোদর ভাই কৃষক। — বৈমাত্রেয় ভাই মানে ভিন্ন মায়ের ভাই এবং সহোদর মানে একই মায়ের ভাই, যা পরস্পরবিরোধী। C) তিনি মামলায় সাক্ষ্য দিবেন। — এটি সঠিক অপশন। D) দশচক্রে ঈশ্বর ভূত। — এটি একটি প্রবাদ প্রবচন এবং এর সঠিক রূপ হলো দশচক্রে ভগবান ভূত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৌজন্যতা শব্দটি একটি বহুল প্রচলিত ভুল, সবসময় সৌজন্য ব্যবহার করবে। - বিপরীতার্থক শব্দ একই সাথে ব্যবহার করে বাক্যকে অসংগত করবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যশুদ্ধি নির্ণয়ের সময় প্রত্যয়জনিত ভুল এবং অর্থের পুনরুক্তি বা দ্বন্দ্বের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। - প্রবাদ প্রবচনের ক্ষেত্রে প্রচলিত সঠিক রূপটি মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
a মুমূর্ষু
b মুমুর্ষূ
c মুমুর্ষু
d মুমূর্ষূ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: মুমূর্ষু শব্দের সঠিক বানান হলো মএ হ্রস্বউ কার, মএ দীর্ঘউ কার, মূর্ষু। এর অর্থ হলো মরণের কাছাকাছি বা যার মৃত্যুর দশা উপস্থিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এই বানানটিতে প্রথম ম-এ হ্রস্বউ কার এবং দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘউ কার ব্যবহৃত হয়। বানানের শেষের অংশ ষ এবং হ্রস্বউ কার দিয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুমূর্ষু রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন। ব্যাখ্যা: এখানে মরণের কাছাকাছি অবস্থার রোগীকে বোঝাতে মুমূর্ষু বানানটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বন্যায় আক্রান্ত মুমূর্ষু মানুষগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। ব্যাখ্যা: মৃত্যুর মুখোমুখি বা আশঙ্কাজনক অবস্থাযুক্ত মানুষকে বোঝাতে এই বানানটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমূর্ষু - এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি নিখুঁতভাবে অনুসৃত হয়েছে। B) মুমুর্ষূ - এই অপশনে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় ম-এ হ্রস্বউ কার এবং শেষের ষ-এ দীর্ঘউ কার দেওয়া হয়েছে যা ভুল। C) মুমুর্ষু - এই অপশনে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় ম-এ হ্রস্বউ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়ম অনুযায়ী ভুল। D) মুমূর্ষূ - এই অপশনে শেষের ষ-এ দীর্ঘউ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানরীতির পরিপন্থী। ৫ মনে রাখার টিপস: মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো হ্রস্বউ দীর্ঘউ হ্রস্বউ এর ক্রম মনে রাখা। অর্থাৎ প্রথমে হ্রস্বউ, মাঝে দীর্ঘউ এবং শেষে আবার হ্রস্বউ বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে কারণ শিক্ষার্থীরা মাঝের দীর্ঘউ কার এবং শেষের হ্রস্বউ কার নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। একই নিয়মে সুচিকিৎসা বা অন্যান্য জটিল বানানগুলোর হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে।
a অনুমান
b অবকাশ
c অধ্যাদেশ
d অনুমোদন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুমোদন ১. কেন সঠিক: - Sanction শব্দটির বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অনুমোদন বা সরকারি মঞ্জুরি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দ হিসেবে এর ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহারের জন্য সরকারিভাবে নির্ধারিত হয়। - ইংরেজি প্রশাসনিক বা আইনগত শব্দের যথাযথ বাংলা রূপ তৈরি করতে পারিভাষিক শব্দের ব্যবহার অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The proposal received official sanction. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে প্রস্তাবটি সরকারি অনুমোদন পেয়েছে অর্থে Sanction শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: Budget sanction. ব্যাখ্যা: এখানে বাজেট অনুমোদন অর্থে Sanction শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুমান — অনুমান শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Guess বা Estimate. B) অবকাশ — অবকাশ শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Leave বা Vacation. C) অধ্যাদেশ — অধ্যাদেশ শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Ordinance. D) অনুমোদন — এটি Sanction শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - Sanction মানে কোনো কাজ করার জন্য সায় দেওয়া বা অনুমোদন দেওয়া। - অফিশিয়াল কাজের অনুমতির ক্ষেত্রে এই শব্দটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ইংরেজি শব্দের বাংলা পরিভাষা প্রায়ই আসে। - আইন ও প্রশাসনের পরিভাষাগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a মা যে জননী কান্দে
b ময়নামতির চর
c রস কদম্ব
d বনতুলসী
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মা যে জননী কান্দে ১. কেন সঠিক: - মা যে জননী কান্দে হলো পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যটিতে গ্রামীণ জনপদের মানুষের দুঃখ কষ্ট এবং শোকগাঁথা অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বাংলার পল্লী প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করে পল্লিকবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীন রচিত একটি বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয়ধর্মী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মা যে জননী কান্দে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জসীমউদ্দীনের কাব্য। B) ময়নামতির চর — এটি জসীমউদ্দীনের কাব্য নয়, তবে এটি কবি গোলাম মোস্তফার একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) রস কদম্ব — এটি জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি একটি ভিন্নধর্মী রচনা। D) বনতুলসী — এটিও জসীমউদ্দীনের রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের কাব্য মনে রাখতে তার নামের সঙ্গে পল্লী জীবন ও কান্নার মতো শোকগাথার বিষয়গুলো মিলিয়ে পড়তে হবে। মা যে জননী কান্দে কাব্যটির নামের ভেতরেই জসীমউদ্দীনের গ্রামীণ দুঃখ বেদনার সুর খুঁজে পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নকশী কাঁথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সাহিত্যকর্ম যা বারবার পরীক্ষাতে আসে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c কাজী নজরুল ইসলাম
d হুমায়ুন আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: 'রিক্তের বেদন' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। এই গ্রন্থে লেখকের গভীর মানবতাবোধ এবং বঞ্চিত মানুষের জীবনের প্রতি সহানুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক, কবি ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক। তার রচিত 'রিক্তের বেদন' গল্পগ্রন্থে সমাজের নিচুতলার মানুষের দুঃখ ও বঞ্চনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ব্যথার দান' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের প্রতিভার পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: 'মৃত্যুক্ষুধা' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যেখানে দরিদ্র মানুষের জীবনসংগ্রাম অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাধ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলনের মধ্যে 'গল্পগুচ্ছ' অন্যতম, তবে 'রিক্তের বেদন' তার রচিত নয়। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত সমাজসচেতন উপন্যাস রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা তিনি নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'রিক্তের বেদন' কাজী নজরুল ইসলামেরই একটি অনবদ্য ছোটগল্প সংকলন। D) হুমায়ুন আহমেদ — হুমায়ুন আহমেদ আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় লেখক হলেও 'রিক্তের বেদন' তার কোনো রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ 'ব্যথার দান' এবং প্রথম গল্প সংকলন 'রিক্তের বেদন' নামগুলো একসাথে মনে রাখতে পারেন। রিক্ত মানুষের বেদনা বা কষ্ট প্রকাশের মাধ্যমে নজরুল তার গল্পে বঞ্চিতদের কথা বলেছেন, এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গল্পগ্রন্থ ও গল্প সংকলন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। লেখকদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা গল্পগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a মায়ের
b হাতের
c পিঠা
d অমৃত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অমৃত ১. কেন সঠিক: - বাক্যে অমৃত শব্দটি পিঠার মিষ্টি স্বাদ বা গুণ প্রকাশ করতে বিশেষণ হিসেবে বসেছে। - তুলনামূলক বা রূপক অর্থে বিশেষ্য পদ যখন অন্য পদের গুণ বা শ্রেষ্ঠত্ব বোঝায়, তখন তা বিশেষণ হিসেবে কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ দ্বারা কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝায় তাকে বিশেষণ পদ বলে। - এখানে অমৃত শব্দটি মূলত বিশেষ্য পদ হলেও বাক্যে পিঠার গুণের উৎকর্ষ বোঝাতে বিশেষণের কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটি পানির মতো পরিষ্কার কথা বলে। ব্যাখ্যা: পানির মতো পদটি এখানে কথার স্বচ্ছতা বা গুণ প্রকাশ করায় বিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: ফুলটি দেখতে বরফের মতো সাদা। ব্যাখ্যা: বরফের মতো পদটি ফুলের রঙের গুণ বা বিশেষ অবস্থা প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মায়ের — এটি সম্বন্ধ পদ বা ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত বিশেষ্য পদ, যা মালিকানা বা সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। B) হাতের — এটিও সম্বন্ধ পদ, যা পিঠার সঙ্গে মায়ের অঙ্গের সম্পর্ক নির্দেশ করছে। C) পিঠা — এটি বিশেষ্য পদ, যার সম্পর্কে বা যাকে উদ্দেশ্য করে বাক্যটি বলা হয়েছে। D) অমৃত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পিঠার গুণ বা উৎকর্ষ প্রকাশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছুকে অন্য কোনো শ্রেষ্ঠ বস্তুর সাথে তুলনা করে তার গুণ প্রকাশ করলে সেই তুলনাচক পদটি বিশেষণ হয়। - বাক্যে কার বা কী দ্বারা প্রশ্ন করলে বিশেষ্য পাওয়া যায় এবং কেমন বা কী রূপ দ্বারা প্রশ্ন করলে বিশেষণ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষ্য পদ বাক্যের অর্থভেদে অনেক সময় বিশেষণের কাজ করতে পারে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে পদের রূপ নির্ণয় করতে হবে।
a স্বরসতী
b সরস্বতি
c সরস্বতী
d স্বরসতি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সরস্বতী ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সরস্বতী বানানটিতে ব-ফলা এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। - সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই তৎসম শব্দটির মূল বানান পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ব্যাকরণের বানানরীতি অপরিবর্তিত থাকে। - এই শব্দটিতে দন্ত্য স, ব-ফলা, দন্ত্য স, ব এবং দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধরণী ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মনস্বী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের নিয়মানুসারে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসতী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশে ব-ফলা ভুল স্থানে এবং শেষের বর্ণে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। B) সরস্বতি — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার না দিয়ে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সরস্বতী — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত রূপ। D) স্বরসতি — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশে ভুল বানানের পাশাপাশি শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেবী সরস্বতীর নামের বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার এবং দুবার স-এর নিচে ব-ফলা হয়। - সরস্বতী শব্দটি মনে রাখতে স-র-স-ব-ফলা-ত-দীর্ঘ ঈ-কার এই ক্রমটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত তৎসম শব্দগুলোর বানান ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a মেঘনাদবধ
b চণ্ডীমঙ্গল
c পদ্মাবতী
d শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেঘনাদবধ কেন সঠিক: - এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্যের ধারা সূচনা করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকাব্যের প্রচলিত বৈশিষ্ট্য যেমন স্বর্গ বা সর্গ বিভাজন, ট্র্যাজেডির উপস্থিতি এবং উন্নত ভাষা এতে সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। - রামায়ণের লঙ্কাযুদ্ধ কাহিনীর পটভূমিতে রাবণের চরিত্রকে ট্র্যাজিক নায়ক হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো এর অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার যা বাংলা কাব্যে নতুন বিপ্লব এনেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মেঘনাদবধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। - B) চণ্ডীমঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত, মহাকাব্য নয়। - C) পদ্মাবতী — এটি আলাওল রচিত একটি মধ্যযুগীয় রোমান্টিক কাব্য। - D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রাচীন নিদর্শন বা কাব্য। মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন মানেই মহাকাব্য এবং মেঘনাদবধ কাব্যের নাম প্রথম মনে রাখতে হবে।
a নদী, বিল, হাওড়
b হাট- বাজার
c বালি ও পাথরের মহাল
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: - সায়রাত মহাল বলতে সাধারণত সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎস এমন সব সম্পদ বা জলমহাল, স্থলমহাল ইত্যাদিকে বোঝায় যার মাধ্যমে সরকার কর বা ইজারা লভ্যাংশ পেয়ে থাকে। - প্রশ্নটিতে উল্লেখিত নদী, বিল, হাওড়, হাট-বাজার এবং বালি ও পাথরের মহাল সবই সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এগুলো সবই সায়রাত মহালের সংজ্ঞার অধীন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত শব্দার্থ, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং বাংলা সাধারণ জ্ঞান বা অর্থনৈতিক পরিভাষার একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা ভাষায় সায়রাত শব্দটি রাজস্ব বা কর সংক্রান্ত উৎস বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং মহাল বলতে কোনো নির্দিষ্ট এলাকা বা উৎসকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি জলমহাল যেমন নদী বা হাওড় ইজারা দিয়ে সরকার রাজস্ব সংগ্রহ করে থাকে। ব্যাখ্যা: এটি সায়রাত মহালের একটি জলভিত্তিক বা জলমহাল类型的 ক্লাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: স্থানীয় হাট-বাজার বা বালি ও পাথরের খনি থেকে সরকার রাজস্ব আদায় করে। ব্যাখ্যা: এগুলো স্থলভাগ বা খনিজ সম্পদভিত্তিক সায়রাত মহালের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদী, বিল, হাওড় — এটি জলমহাল বা সায়রাত মহালের একটি অংশ হলেও একমাত্র সঠিক উত্তর নয় কারণ অন্য অপশনগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত। B) হাট-বাজার — এটি রাজস্ব আদায়ের একটি ক্ষেত্র হলেও একা সায়রাত মহাল হিসেবে সম্পূর্ণ নয় কারণ জল ও খনিজ মহালও এর অংশ। C) বালি ও পাথরের মহাল — এটি পাথুরে বা খনিজ সায়রাত মহাল হলেও একাই সম্পূর্ণ অপশন নয়, তাই বাকিগুলোর সংযোগ প্রয়োজন। D) সবগুলো — এই অপশনটিতে সায়রাত মহালের সবকটি উৎস একসঙ্গে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সায়রাত মহাল মানেই সরকারের আয়ের উৎস এবং এর মধ্যে জল, স্থল, হাটবাজার ও খনিজ সম্পদ সবই একসঙ্গে যুক্ত থাকে। - সব মিলিয়ে রাজস্ব আয়ের খাতগুলোই সায়রাত মহাল হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক পরিভাষা এবং রাজস্ব সংক্রান্ত শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জেনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্নে একাধিক সঠিক উপাদান থাকলে সবগুলো বা উপরের সবগুলো অপশন নির্বাচন করার প্রবণতা রাখতে হবে।
a সাধারণ অতীত
b সাধারণ বর্তমান
c পুরাঘটিত বর্তমান
d পুরাঘটিত অতীত
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ বর্তমান ১. কেন সঠিক: - চিরন্তন সত্য, প্রবাদ-প্রবচন কিংবা সার্বজনীন বাণীর ক্ষেত্রে ক্রিয়ার কাল সবসময় সাধারণ বর্তমান হয়। - এখানে চণ্ডীদাসের বিখ্যাত বাণীতে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ও চিরন্তন সত্য প্রকাশ করা হয়েছে, তাই এটি সাধারণ বর্তমানকালের বাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে ক্রিয়া বর্তমানকালেই ঘটে বা যার কার্য চিরন্তন সত্য ও অভ্যাসগত, তাকে সাধারণ বর্তমানকাল বলা হয়। - মধ্যযুগের পদকর্তা চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য এবং তাঁর মানবতাবাদী দর্শন বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য ঘটনা, তাই এর ক্রিয়া সাধারণ বর্তমানকালের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ব্যাখ্যা: এটি একটি সর্বজনীন প্রবাদ ও অপরিবর্তনীয় সত্য, তাই এটি সাধারণ বর্তমানকাল নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ অতীত — অতীতকালের কোনো সাধারণ ঘটনা বোঝালে সাধারণ অতীত হয়, কিন্তু এই বাক্যটি অতীতকালের কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ নয়। B) সাধারণ বর্তমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ চিরন্তন সত্য ও সর্বজনীন বাণীর ক্ষেত্রে সাধারণ বর্তমানকাল ব্যবহৃত হয়। C) পুরাঘটিত বর্তমান — যে ক্রিয়া শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বর্তমান, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) পুরাঘটিত অতীত — অতীতকালে দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল তা পুরাঘটিত অতীত হয়, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অমূলক। ৫. মনে রাখার টিপস: - চিরন্তন সত্য, প্রবাদ-প্রবচন এবং অভ্যাসগত সত্য দেখলেই চোখ বন্ধ করে সাধারণ বর্তমানকাল দাগাবে। - চণ্ডীদাসের এই বিখ্যাত বাণীটি মানুষের জয়গান গায়, যা সব কালেই সমানভাবে বর্তমান ও প্রযোজ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্বজনীন সত্য ও প্রবাদের কাল প্রায়ই সাধারণ বর্তমানকাল হয়। - এই ধরনের উদ্ধৃতিমূলক বাক্যের ক্ষেত্রে বাক্যের ভেতরের ভাব বা অর্থ বিবেচনা করে কাল নির্ধারণ করতে হবে।
a অভিনয়
b ইচ্ছা
c ভারপ্রাপ্ত
d উপভাষা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারপ্রাপ্ত ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ 'Acting' এর বাংলা পারিভাষিক রূপ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে 'ভারপ্রাপ্ত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - যখন কোনো পদে মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অনুপস্থিত থাকেন, তখন সাময়িকভাবে অন্য কাউকে সেই পদের দায়িত্ব অর্পণ করা হলে তাকে ভারপ্রাপ্ত বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু সুনির্দিষ্ট শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে প্রচলিত সাধারণ অর্থের বাইরে একটি নির্দিষ্ট ও পরিশীলিত ভাব প্রকাশ করে। - প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা রূপ ব্যবহারের জন্য বাংলা একাডেমি নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Acting Principal ব্যাখ্যা: প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। উদাহরণ ২: Acting President ব্যাখ্যা: প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিনয় — এটি ইংরেজি শব্দ Acting এর সাধারণ সাধারণ বা আভিধানিক অর্থ হলেও দাপ্তরিক পারিভাষিক শব্দ হিসেবে এটি ভুল। B) ইচ্ছা — এটি ইংরেজি Desire বা Will শব্দের অর্থ, যা প্রশ্নকৃত শব্দটির সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। C) ভারপ্রাপ্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। D) উপভাষা — এটি ভাষা বিজ্ঞানের পরিভাষা, যার ইংরেজি রূপ Dialect এবং এটি প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো পদে থেকে যখন কেউ অতিরিক্ত বা সাময়িক দায়িত্ব পালন করেন, তখন তাকে ভারপ্রাপ্ত বা Acting বলা হয়। - দাপ্তরিক পরিভাষা মুখস্থ করার সময় মূল ইংরেজি শব্দের প্রশাসনিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের শব্দ অনুশীলনের সময় সাধারণ অর্থের পাশাপাশি দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a বাগধারা জনিত
b বানান জনিত
c বানান ও অর্থগত
d অর্থগত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বানান ও অর্থগত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'স্ববান্ধব' শব্দটি বানান এবং অর্থ উভয় দিক থেকেই ভুল রয়েছে। - ‘বান্ধব’ শব্দের সাথে ‘সহ’ বা ‘স্ব’ যুক্ত করার ক্ষেত্রে ব্যাকরণিক ও অর্থগত দিক বিবেচনা করতে হয়, যেখানে দ্বিরুক্তি বা অতিরিক্ত শব্দের প্রয়োগ ঘটে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির নিয়মানুযায়ী অনেক শব্দে অতিরিক্ত প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত করলে অর্থসংগতি নষ্ট হয়। - ‘সবান্ধব’ শব্দের অর্থ হলো বান্ধবসহ বা বন্ধুদের সাথে, তাই এর সাথে আলাদা করে ‘স্ব’ বা অন্য কোনো অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ ও অর্থগত ভুল দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবান্ধব আমন্ত্রিত ব্যাখ্যা: এখানে সঠিক রূপ হবে ‘সবান্ধব নিমন্ত্রিত’ অথবা ‘বান্ধবসহ আমন্ত্রিত’। উদাহরণ ২: স্বস্ত্রীক উপস্থিত ব্যাখ্যা: এটি ভুল, সঠিক রূপ হবে ‘সস্ত্রীক উপস্থিত’ কারণ ‘স্ত্রীসহ’ অর্থে ‘সস্ত্রীক’ শব্দটি নিজেই পূর্ণাঙ্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগধারা জনিত — বাক্যটিতে কোনো বাগধারার ভুল প্রয়োগ ঘটেনি, তাই এটি সঠিক নয়। B) বানান জনিত — কেবল বানান ভুল নয়, এর সাথে অর্থের দিকও জড়িত থাকায় এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। C) বানান ও অর্থগত — এটি সঠিক কারণ এখানে বানান ও অর্থ উভয় ত্রুটিই বিদ্যমান। D) অর্থগত — শুধুমাত্র অর্থ নয়, এখানে বানানগত ত্রুটিও রয়েছে তাই এটি আংশিক ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘সবান্ধব’ বানানটি সবসময় ব-ফলা দিয়ে লিখতে হয় এবং এর সাথে অতিরিক্ত উপসর্গ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ এবং শব্দের সঠিক গঠন ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a noun
b verb
c preposition
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adverb কেন সঠিক: ‘in’ শব্দটি এখানে ভার্ব ‘come’-কে মডিফাই করেছে এবং সে কোথায় আসবে তা নির্দেশ করছে। এটি কোনো বস্তুর নাম নয়, কাজ করার উপায় বা স্থান বোঝাচ্ছে। তাই এটি adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না তাই এটি noun নয়। B) verb — এটি কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায় না তাই এটি verb নয়। C) preposition — এর পরে কোনো অবজেক্ট নেই এবং এটি কোনো noun-এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেনি। D) adverb — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো verb-কে কোথায় বা কীভাবে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বোঝায়, সেটাই adverb।
a called for
b called in
c called out
d called off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) called off কেন সঠিক: এখানে বাক্যটির অর্থ হলো খারাপ আবহাওয়ার কারণে মিটিংটি বাতিল করা হয়েছিল। 'Call off' একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ কোনো কিছু বাতিল করা। প্রশ্নের শূন্যস্থানে বাতিল করার অর্থ প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) called for — এই ফ্রেজটির অর্থ কোনো কিছুর দাবি করা বা প্রয়োজন হওয়া, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) called in — এই ফ্রেজটির অর্থ কাউকে সাহায্য বা পরামর্শের জন্য ডেকে পাঠানো, যা এই বাক্যের সাথে মিলে না। C) called out — এই ফ্রেজটির অর্থ উচ্চস্বরে ডাকা বা প্রতিবাদ করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল হিসেবে গণ্য হবে না। মনে রাখার টিপস: খারাপ আবহাওয়া বা অন্য কোনো কারণে কোনো প্রোগ্রাম বা মিটিং বাতিল করতে হলে हमेशा 'call off' ব্যবহার করতে হয়।
a by
b with
c of
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - Accused শব্দের পরে সাধারণত অপরাধ বোঝাতে অবজেক্ট হিসেবে of প্রিপোজিশন বসে। - চুরির মতো নির্দিষ্ট অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে accused এর সাথে of ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — অপরাধীর ক্ষেত্রে Passive বাক্যে by বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট কোনো অপরাধের সাথে প্রিপোজিশন হিসেবে by বসে না। B) with — Charged শব্দের সাথে with বসে, কিন্তু accused শব্দের সাথে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী with বসে না। D) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে for বসে, কিন্তু এখানে অপরাধের নির্দিষ্ট নিয়মের কারণে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Accused শব্দের অর্থ অভিযুক্ত এবং এর সাথে সবসময় অবজেক্ট হিসেবে of প্রিপোজিশন বসে।
a Streotypical
b Striotypical
c Steriotypical
d Stereotypical
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Stereotypical কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে শুরুতে 'Stereo' অংশটি থাকে যা একটি সঠিক উপসর্গ। এর সাথে 'typical' যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। মধ্যবর্তী অংশে সঠিক স্বরবর্ণের ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Streotypical — প্রথম অংশে 'e' অক্ষরটি বাদ পড়ার কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। B) Striotypical — শুরুর দিকে 'Stereo' এর পরিবর্তে 'Strio' ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। C) Steriotypical — মাঝের অংশে 'eo' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'io' ব্যবহার করা হয়েছে। D) Stereotypical — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আদর্শ নিয়মে গঠিত। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে প্রথমে Stereo এবং পরে typical লিখে একসাথে যুক্ত করে ফেলবে।
a to submit the report on time, checking the date carefully, and that we follow the guidelines.
b submitting the report on time, to check the data carefully, and following the guidelines.
c to submit the report on time, to check the data carefully, and to follow the guidelines.
d to submit the report on time, checking the data carefully, and to follow the guidelines.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to submit the report on time, to check the data carefully, and to follow the guidelines. কেন সঠিক: - বাক্যে Parallelism বা সমান্তরাল গঠনের নিয়ম অনুসারে conjunction (and) এর উভয় পাশের বা সিরিজের প্রতিটি পদের grammatical form একই হতে হয়। - এখানে infinitives (to submit, to check, to follow) এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় অপশন সি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to submit the report on time, checking the date carefully, and that we follow the guidelines. — এখানে infinitive, gerund এবং clause এর মিশ্রণ থাকায় Parallelism নিয়ম মানা হয়নি। B) submitting the report on time, to check the data carefully, and following the guidelines. — এখানে gerund, infinitive এবং gerund এলোমেলোভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) to submit the report on time, checking the data carefully, and to follow the guidelines. — এখানে checking শব্দটি gerund হওয়ায় অন্য দুটি infinitive এর সাথে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: and দ্বারা যুক্ত একাধিক verb এর রূপ একই রাখতে হয়। যেমন: to do A, to do B, and to do C.
a had had
b would have
c had
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had had কেন সঠিক: এটি Third Conditional এর বাক্য, যার গঠন হলো If এর পর Past Perfect Tense এবং পরের অংশে would have এর সাথে verb এর past participle বসে। বাক্যের দ্বিতীয় অংশে would have bought থাকায় প্রথম অংশে Past Perfect Tense অর্থাৎ had had ব্যবহার করতে হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি Past Perfect Tense নির্দেশ করে যা নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) would have — এটি IfClauses এর নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অংশে বসে না, এটি দ্বিতীয় অংশে বসে। C) had — এটি শুধু Past Simple Tense নির্দেশ করে যা থাকলে পরের অংশে শুধু would + V১ হতো। D) have — এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে যা এই বাক্যের গঠনের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের অন্য অংশে would have থাকলে প্রথম অংশে অবশ্যই had had বসবে।
a Rate of Return
b Record of Rights
c Record of Research
d Registry of Records
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Record of Rights কেন সঠিক: ১. জমিজমা সংক্রান্ত আইন ও ভূমি রেকর্ডের ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. এটি জমির মালিকানা এবং স্বত্ব সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রমাণ করে। ৩. ভূমি ব্যবস্থাপনার দলিলাদিতে এই পূর্ণরূপটি আইনগতভাবে সর্বসম্মত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rate of Return — এটি সাধারণত বিনিয়োগ বা ব্যবসার ক্ষেত্রে মুনাফার হার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Record of Research — এটি গবেষণা কার্যক্রমের তথ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ। D) Registry of Records — এটি বিভিন্ন নথিপত্র সংরক্ষণের সাধারণ একটি স্থান বা রেজিস্ট্রি অফিস বোঝায়। মনে রাখার টিপস: জমিজমার কাগজপত্র বা খতিয়ান সংক্রান্ত প্রশ্ন এলেই মাথায় রাখবে এটি আসলে জমির স্বত্ব বা অধিকারের রেকর্ড।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - এখানে look শব্দের পূর্বে possessive pronoun his বসেছে এবং এর পরে কোনো অবজেক্ট নেই। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী possessive pronoun-এর ঠিক পরে কোনো শব্দ বসলে তা সাধারণত noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে look শব্দটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) verb — verb হতে হলে শব্দটিকে কোনো কাজ বোঝাতে হতো, কিন্তু এখানে তা নেই। C) adjective — adjective হতে হলে শব্দটিকে পরবর্তী কোনো noun-কে বিশেষিত করতে হতো। D) adverb — adverb হতে হলে শব্দটিকে verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে নির্দেশ করতে হতো। মনে রাখার টিপস: Article বা possessive-এর পরে একটিমাত্র শব্দ থাকলে তা সাধারণত noun হয়।
a goes
b go
c went
d will go
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) goes কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'with' বা 'along with' থাকলে প্রথম Subject অনুসারে verb বসে। এখানে Masum singular subject হওয়ায় এর সাথে singular verb 'goes' ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যে 'daily' শব্দটি থাকায় এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) goes — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) go — এটি plural verb, যা singular subject 'Masum' এর সাথে বসে না। C) went — এটি Past Tense, কিন্তু বাক্যের 'daily' শব্দটি Present Tense নির্দেশ করে। D) will go — এটি Future Tense, কিন্তু বাক্যের নিয়মিত অভ্যাস বোঝাতে Simple Present Tense দরকার। মনে রাখার টিপস: subject এর সাথে with থাকলে প্রথম subject অনুযায়ী verb singular বা plural হবে।
a is attending
b are attending
c have attended
d have been attended
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) are attending কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে Two-thirds এর মতো ভগ্নাংশ থাকলে এবং তার পরে plural noun (the team এর সদস্যরা) থাকলে verb টি plural হয়। এখানে দলটির সদস্যরা আলাদাভাবে কনফারেন্সে যোগ দিচ্ছেন বোঝাচ্ছে। তাই singular verb না হয়ে plural verb বসেছে। এছাড়াও বর্তমান সময়ের ধারাবাহিক কাজ বোঝাতে present continuous tense ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is attending — Subject plural হওয়ায় এখানে singular verb is বসতে পারে না। B) are attending — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) have attended — এটি present perfect tense নির্দেশ করে, যা এখানে প্রসঙ্গ অনুযায়ী সঠিক নয়। D) have been attended — এটি passive voice গঠন করে, কিন্তু এখানে subject নিজেই কাজ করছে তাই active voice হবে। মনে রাখার টিপস: ভগ্নাংশের পরে plural noun থাকলে verb সবসময় plural হয়।
a present form of the verb
b past form of the verb
c past participle form of the verb
d base infinitive form of the verb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) past participle form of the verb কেন সঠিক: বাক্যটিতে 'have/get' এর পর অবজেক্ট এবং তারপর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসেছে। 'Cut' ভার্বের প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই হলেও এখানে এটি Causative Verb-এর প্যাসিভ অর্থ প্রকাশ করায় পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) present form of the verb — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হলে সাবজেক্টের পর সরাসরি বসত এবং থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলে এর সাথে এস যুক্ত হতো। B) past form of the verb — এটি পাস্ট ফর্ম হলে এর আগে কোনো অক্সিলারি ভার্ব ছাড়া সরাসরি পাস্ট অর্থ প্রকাশ করত কিন্তু এখানে তা হয়নি। C) past participle form of the verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) base infinitive form of the verb — এটি বেস ইনফিনিটিভ হলে এর আগে টু থাকতো অথবা এটি সাহায্যকারী ভার্বের পর সরাসরি বসতো না। মনে রাখার টিপস: Causative verb-এর পর বস্তুবাচক অবজেক্ট থাকলে পরের মূল ভার্বটি সবসময় পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হয়।
a answer
b answering
c answered
d to answer
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to answer কেন সঠিক: এখানে get একটি causative verb এবং এরপরে একজন ব্যক্তিবাচক object (the assistant) রয়েছে। ব্যক্তিবাচক object-এর পর causative verb হিসেবে get বসলে পরবর্তী verb-এর আগে to বসে। তাই এখানে to answer ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) answer — get-এর পর ব্যক্তিবাচক object থাকলে base form বসে না, কারণ এটি causative verb-এর নিয়ম লঙ্ঘন করে। B) answering — get-এর পর ব্যক্তিবাচক object থাকলে verb-এর সাথে ing যুক্ত gerund বা participle বসে না। C) answered — এই বাক্যে কাজটি সম্পন্ন করার জন্য past participle form ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। D) এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে get থাকলে এবং তারপর ব্যক্তি থাকলে infinitive অর্থাৎ to + verb ব্যবহার করতে হয়।
a is
b are
c was
d were
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) was কেন সঠিক: বাক্যে 'More than one' থাকলে তার পর noun এবং verb দুটিই singular হয়। এখানে গতকালের কথা বলা হয়েছে তাই past tense ব্যবহার করতে হবে এবং subject singular হওয়ায় was বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি singular হলেও present tense হওয়ায় অতীতের সূচক yesterday শব্দের সাথে মিলে না। B) are — এটি plural হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না এবং present tense। C) was — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) were — এটি past tense হলেও plural হওয়ায় singular subject 'More than one boy' এর সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: More than one এর পরে noun ও verb সবসময় singular হয়।
a must have been deleting
b must have deleted
c must have delete
d must be deleting
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) must have deleted কেন সঠিক: অতীতে কোনো কাজ নিশ্চিতভাবে ঘটেছিল বোঝাতে must have এর পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। এখানে ডকুমেন্টটি খুঁজে না পাওয়ার কারণ হিসেবে অতীতে সেটি ডিলিট করা নিশ্চিত বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) must have been deleting — এটি ভুল কারণ এখানে ডিলিট করার কাজটি চলমান ছিল বোঝায়, যা অর্থসংগত নয়। B) must have deleted — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) must have delete — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ have এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল form বসে, প্রেজেন্ট form বসে না। D) must be deleting — এটি বর্তমান কালের জন্য ব্যবহার হয়, কিন্তু ঘটনাটি অতীতের। মনে রাখার টিপস: অতীতের কোনো নিশ্চিত অনুমানের ক্ষেত্রে must have এর পরে সবসময় ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a to go
b go
c going
d gone
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) go কেন সঠিক: বাক্যটিতে let হলো একটি causative verb যার পর active voice এ bare infinitive বসে। তাই to বা অন্য কোনো suffix ছাড়াই মূল verb এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to go — let এর পর সরাসরি infinitive বা to বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) go — এটি সঠিক কারণ let এর পর verb এর base form বসে। C) going — let এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ বসে না। D) gone — let এর পর verb এর past participle রূপ বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে let দেখলে সবসময় মনে রাখবে এর পরে সরাসরি মূল verb বসে এবং কোনো to বসে না।
a go
b went
c should go
d have gone
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) went কেন সঠিক: বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তার পরের clause টি সবসময় Past Indefinite Tense এর হয়। এখানে Subject এর পরে verb এর পাস্ট ফর্ম বসে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো went। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় নিয়মের সাথে মেলে না। B) went — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে। C) should go — It is high time এর পরে modal auxiliary verb ব্যবহার করা যায় না। D) have gone — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় এই নিয়মের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is high time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর পাস্ট ফর্ম বা V2 বসিয়ে দেবে।
a on/ of
b into/ of
c in/ for
d about/ for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) into/ of কেন সঠিক: Insight শব্দের পরে সাধারণত into বসে যার অর্থ হলো কোনো বিষয়ের ভেতরে প্রবেশ করা বা গভীর কোনো ধারণা লাভ করা। Evidence শব্দের পরে of বসে যা কোনো বিষয়ের প্রমাণ বা সত্যতা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on/ of — Insight শব্দের পরে on preposition সঠিক নয় কারণ এটি গভীর জ্ঞান অর্থ বোঝায় না। B) into/ of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) in/ for — Insight এর পরে in এবং evidence এর পরে for ব্যবহার করলে সঠিক অর্থ প্রকাশ পায় না। D) about/ for — Insight এর পরে about এবং evidence এর পরে for বসালে ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম লঙ্ঘন হয়। মনে রাখার টিপস: Insight এর পরে ہمیشہ into এবং Evidence এর পরে সাধারণত of বসে।
a Renaissance
b Renessance
c Renassance
d Renesa
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Renaissance কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো রেনেসাঁ বোঝাতে Renaissance, যার অর্থ পুনর্জন্ম বা পুনर्जागरण। এখানে Re-nas-sance এই অংশগুলো সঠিকভাবে সাজানো হয়েছে। বানানটিতে সঠিক জায়গায় 'i' এবং 's' বর্ণ দুটি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি ফরাসি শব্দ থেকে ইংরেজিতে এসেছে যার বানান অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Renaissance — এটি সঠিক বানান এবং এর গঠন নির্ভুল। B) Renessance — বানানটিতে মাঝখানের উচ্চারণ অনুযায়ী ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। C) Renassance — এখানে প্রয়োজনীয় স্বরবর্ণের সঠিক বিন্যাস করা হয়নি। D) Renesa — বানানটি অসম্পূর্ণ এবং এর শেষ অংশ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য Re, na, ssi, ance এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে মুখস্থ করতে পারো।
a is
b be
c was
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) be কেন সঠিক: বাক্যটিতে It is crucial that এর মতো Subjunctive mood ব্যবহৃত হয়েছে। এর ফলে শূন্যস্থানে verb এর base form বা મૂળ রূপ বসে। এখানে committee একটি collective noun হলেও Subjunctive mood এর নিয়মে verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না। তাই এখানে be হলো সঠিক এবং একমাত্র গ্রহণযোগ্য verb রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি Present tense এর singular রূপ হলেও Subjunctive mood এর নিয়মে এখানে সরাসরি is বসতে পারে না। B) be — এটিই সঠিক উত্তর কারণ Subjunctive mood এ verb এর base form বসে। C) was — এটি Past tense এর singular রূপ হওয়ায় বর্তমানের কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা বাধ্যতামূলক পরামর্শ প্রকাশ করতে এটি বসে না। D) were — এটি Past tense এর plural রূপ হলেও Subjunctive mood এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে past form ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে It is crucial, It is important বা It is vital থাকলে পরের cluase এ verb এর base form বসে।
a ১.১২%
b ১.১৫%
c ১.৩০%
d ১.১৯%
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.১২% প্রদত্ত তথ্য: অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিসংখ্যান অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ সালের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ধরি, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রাক্কলন হলো প্রারম্ভিক চলক জনসংখ্যা বৃদ্ধির নির্ণেয় হার হলো মূল চলক অতএব, বিগত বছরের জনসংখ্যার তুলনামূলক হিসাব বর্তমান বছরের প্রাক্কলিত বৃদ্ধির পরিমাণ সুতরাং, অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ এর তথ্য বিশ্লেষণ উত্তর: ১.১২%
a 345.6
b 435.6
c 535.6
d 453.6
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৩৫.৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ একর জমি = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট ১ একর জমি = ১০০ শতাংশ ধরি, ১ শতাংশ জমির পরিমাণ = ১ একর ÷ ১০০ অতএব, ১ শতাংশ = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট ÷ ১০০ সুতরাং, ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬ বর্গফুট উত্তর: ৪৩৫.৬ বর্গফুট
a ৮২.৫ ফুট
b ৬৬ ফুট
c ৩৩০ ফুট
d ১১০ ফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩০ ফুট প্রদত্ত তথ্য: স্কেলের মাপ = ১৬ ইঞ্চিতে ১ মাইল ১ মাইল = ১৭৬০ গজ বা ৫২৮০ ফুট ধরি, নকশার ১ ইঞ্চি সমান সরজমিনের দূরত্ব = ক ফুট অতএব, ১৬ ইঞ্চিতে সরজমিনে দূরত্ব হয় ৫২৮০ ফুট সুতরাং, ১ ইঞ্চিতে সরজমিনে দূরত্ব হবে ৫২৮০ ÷ ১৬ = ৩৩০ ফুট উত্তর: ৩৩০ ফুট
a Leave the message with whom answers the phone.
b Leave the message with whoever answers the phone.
c Leave the message with whomever answer the phone.
d Leave the message with whichever answers the phone.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Leave the message with whoever answers the phone. প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে শূন্যস্থানে সঠিক প্রোনাউন নির্বাচন করতে হবে। এখানে preposition "with" এর পরে একটি সম্পূর্ণ noun clause বসবে। ধরি, clause এর ভেতরের verb হলো "answers"। এই verb এর subject প্রয়োজন। অতএব, subject হিসেবে subjective pronoun বসবে। "whoever" হলো subjective form এবং "whomever" হলো objective form। সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে B) Leave the message with whoever answers the phone. উত্তর: B
a Impassive
b Temperamental
c Sentimental
d Stoic
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Stoic প্রদত্ত তথ্য: প্রশ্নটি ইংরেজি শব্দার্থ বা এক কথায় প্রকাশের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে যেখানে আবেগ দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে বলা হয়েছে ধরি, অপশন এ হলো আবেগহীন বা ভাবলেশহীন কিন্তু এটি নির্দিষ্ট দর্শন বোঝায় না অপশন বি হলো বদমেজাজি বা খিটখিটে স্বভাবের ব্যক্তি অতএব, অপশন সি হলো অতিরিক্ত সংবেদনশীল বা আবেগপ্রবণ ব্যক্তি অপশন ডি হলো সেই ব্যক্তি যিনি সুখে ও দুঃখে সমানভাবে অবিচল থাকেন সুতরাং, আবেগ দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া বা উদাসীন ব্যক্তির সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো স্টোয়িক উত্তর: D) Stoic
a ৪৬০ একর
b ১৭৬০ একর
c ৬৪০ একর
d ২৪৭ একর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪০ একর প্রদত্ত তথ্য: ১ বর্গমাইল ক্ষেত্রফলের পরিমাপ নির্ণয় করতে হবে ১ মাইল সমান ১৭৬০ গজ এবং ১ একর সমান ৪৮৪০ বর্গ গজ ধরি, ১ মাইলের দৈর্ঘ্য = ১৭৬০ গজ অতএব, ১ বর্গমাইল ক্ষেত্রফল = ১৭৬০ গজ × ১৭৬০ গজ = ৩০৯৭৬০০ বর্গ গজ সুতরাং, ৩০৯৭৬০০ বর্গ গজ ক্ষেত্রফলকে ৪৮৪০ দ্বারা ভাগ করতে হবে উত্তর: ৬৪০ একর
a ১ একর
b ১.৯৭ একর
c ২.৫০ একর
d ২.৪৭ একর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২.৪৭ একর প্রদত্ত তথ্য: এক হেক্টর জমির পরিমাপ নির্ণয় করতে হবে। ১ একর এবং ১ হেক্টরের মধ্যে আন্তর্জাতিক মান জানা প্রয়োজন। ধরি, ১ একর = ০.৪০৪৭ হেক্টর অতএব, ১ হেক্টর = ১ ÷ ০.৪০৪৭ একর সুতরাং, হিসাব করলে ১ হেক্টর সমান প্রায় ২.৪৭ একর পাওয়া যায়। উত্তর: ২.৪৭ একর
a আয়কর
b মূল্য সংযোজন কর
c শুল্ক
d ভূমি উন্নয়ন কর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মূল্য সংযোজন কর কেন সঠিক: - মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে পরিচালিত কর ব্যবস্থার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব জোগান দেয়। - দৈনন্দিন ব্যবহার্য পণ্য ও সেবার ওপর এই পরোক্ষ কর আদায় করা হয় বলে এটি সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়কর — এটি সরকারের রাজস্ব আদায়ের একটি বড় উৎস হলেও বর্তমানে প্রত্যক্ষ কর হিসেবে ভ্যাটের চেয়ে এর অবদান দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) শুল্ক — আমদানি ও রপ্তানির ওপর ধার্যকৃত এই শুল্ক মোট রাজস্ব আয়ের একটি অংশ হলেও এটি প্রধান উৎস নয়। D) ভূমি উন্নয়ন কর — এটি ভূমি মালিকদের নিকট থেকে আদায় করা হয় এবং এর পরিমাণ সামগ্রिक রাজস্ব আয়ে তুলনামূলকভাবে বেশ কম। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সরকারের বেশি রাজস্ব আসে কেনাকাটার ওপর দেওয়া ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর থেকে।
a বান্দরবান
b কক্সবাজার
c খাগড়াছড়ি
d রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - রাঙ্গামাটি জেলার পূর্ব দিকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য এবং দক্ষিণ-পূর্বে মায়ানমার রাষ্ট্র অবস্থিত। - বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোর মধ্যে একমাত্র রাঙ্গামাটি জেলার সাথেই ভারত ও মায়ানমার উভয় দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এই জেলার সাথে শুধুমাত্র মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে, ভারতের কোনো সীমান্ত নেই। B) কক্সবাজার — এই জেলার সাথে শুধু মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে এবং এটি কোনো দেশের সাথে যৌথ সীমান্ত ভাগ করে না। C) খাগড়াছড়ি — এই জেলার সাথে শুধুমাত্র ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে, মায়ানমারের কোনো সীমান্ত নেই। D) রাঙ্গামাটি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর সাথে ভারত ও মায়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: রাঙা মাটি দুই দেশের সাথে লাগোয়া, অর্থাৎ রাঙ্গামাটি জেলার সীমান্ত ভারত ও মায়ানমার উভয়ের সাথেই যুক্ত।
a CS
b RS
c SA
d BDS
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) CS কেন সঠিক: - উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নদীর আদি ও প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করতে ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে বা সিএস নকশাকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরতে হবে। - সিএস জরিপ হলো ব্রিটিশ আমলে প্রস্তুতকৃত প্রথম নির্ভরযোগ্য ভূমি রেকর্ড, যা নদী ও খালের মূল সীমানা নির্ধারণের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CS — এটি ব্রিটিশ আমলের প্রথম ভূমি জরিপ এবং নদী খাল উদ্ধারের জন্য উচ্চ আদালত কর্তৃক নির্দেশিত প্রামাণ্য দলিল। B) RS — রিভিশনাল সার্ভে বা আরএস জরিপে অনেক ক্ষেত্রে নদীর জায়গা জবরদখলকারীদের নামে রেকর্ড হয়ে গেছে বলে আদালত এটি অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। C) SA — স্টেট একুইজিশন সার্ভে বা এসএ জরিপও অনেক ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় নদী উদ্ধারে এটিকে প্রধান ভিত্তি হিসেবে ধরা হয় না। D) BDS — বাংলাদেশ ডিটেইলড সার্ভে বা বিডিএস হলো আধুনিক ডিজিটাল জরিপ, যা নদী উদ্ধারের ক্ষেত্রে আদি সীমানা নির্ধারণের জন্য সিএস জরিপের পরে বিবেচনা করা হয়। মনে রাখার টিপস: নদী উদ্ধার মানেই আদি রূপ ফেরানো, আর আদি রূপ পেতে হলে ব্রিটিশ আমলের আদি বা সিএস জরিপ ফলো করতে হবে।
a PCA
b ICJ
c ICC
d ITLOS
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) PCA কেন সঠিক: - ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সালিশ আদালত বা পার্মানেন্ট কোর্ট অব আরবিট্রেশন রায় প্রদান করেছিল। - ২০১৪ সালের জুলাই মাসে এই সালিশ আদালত রায় ঘোষণা করে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) PCA (Permanent Court of Arbitration) — এই সালিশ আদালতই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধের রায় দিয়েছিল। B) ICJ (International Court of Justice) — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ, যা রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আইনি বিবাদ নিষ্পত্তি করে কিন্তু এই মামলার রায় দেয়নি। C) ICC (International Criminal Court) — এটি যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের আন্তর্জাতিক আদালত, সমুদ্রসীমা বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ITLOS (International Tribunal for the Law of the Sea) — মায়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে এই আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছিল, ভারতের সঙ্গে নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে সালিশ আদালত বা PCA রায় দিয়েছিল, আর মিয়ানমারের সঙ্গে রায় দিয়েছিল ITLOS।
a অনুচ্ছেদ ১৯
b অনুচ্ছেদ ২৭
c অনুচ্ছেদ ২৮
d অনুচ্ছেদ ২৯
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ২৭ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়ের অধিকারী বলে ঘোষণা করা হয়েছে। - এটি বাংলাদেশের সংবিধানে প্রদত্ত অন্যতম একটি মৌলিক অধিকার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ১৯ — সুযোগের সমতার সাথে সম্পর্কিত। B) অনুচ্ছেদ ২৭ — এটি সঠিক উত্তর। C) অনুচ্ছেদ ২৮ — ধর্ম, বর্ণ ইত্যাদির ভিত্তিতে বৈষম্যের নিষেধের সাথে সম্পর্কিত। D) অনুচ্ছেদ ২৯ — সরকারি চাকরিতে নিয়োগলাভের সুযোগের সমতার সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: আইনের চোখে সবাই সমান, এই কথাটি মনে রাখতে ২৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a তৌজি
b পেরিফেরি
c হালট
d জমাবন্দী
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পেরিফেরি কেন সঠিক: - পেরিফেরি শব্দের অর্থ হলো পরিধি বা সীমানা নির্ধারণ করা। - হাট বাজারের নকশা তৈরি এবং এর চারপাশের চতুসীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিকভাবে পেরিফেরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৌজি — তৌজি হলো সরকারের রাজস্ব আদায়ের জন্য প্রস্তুতকৃত জমির হিসাব বা রেজিস্টার, যা হাট বাজারের নকশার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) পেরিফেরি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সীমানা বা পরিধি নির্ধারণ করা। C) হালট — হালট হলো চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট গ্রামীণ রাস্তা বা গোচারণ ভূমি, যা হাট বাজারের নকশার সঙ্গে মেলে না। D) জমাবন্দী — জমাবন্দী হলো কৃষকের জমির মালিকানা এবং খাজনার বিবরণী সংক্রান্ত রাজস্ব রেকর্ড। মনে রাখার টিপস: চারপাশের সীমানা বা পরিধি বোঝাতে পেরিফেরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যা হাট বাজারের চতুসীমা নির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত।
a ম্যাকমোহন লাইন
b নেহেরু-লিযাকত চুক্তি
c র‍্যাডক্লিফ অ্যাওয়ার্ড
d লুই মাউন্টব্যাটেন অ্যাওয়ার্ড
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) র‍্যাডক্লিফ অ্যাওয়ার্ড কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের সীমানা নির্ধারণের জন্য স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বে সীমানা কমিশন গঠিত হয় এবং তার প্রদত্ত রোয়েদাদ অনুযায়ী ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারিত হয়। - এই সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক ভূখণ্ড আলাদা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাকমোহন লাইন — এটি মূলত ১৯৪৭ সালের সীমানা নয়, বরং ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বতের মধ্যে নির্ধারিত সীমানা রেখা। B) নেহেরু-লিযাকত চুক্তি — এটি ১৯৫০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রক্ষা সংক্রান্ত একটি রাজনৈতিক চুক্তি ছিল, সীমানা নির্ধারণের জন্য নয়। C) র‍্যাডক্লিফ অ্যাওয়ার্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৪৭ সালে বঙ্গ প্রদেশ ও পাঞ্জাবের সীমানা নির্ধারণের কাজটি এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। D) লুই মাউন্টব্যাটেন অ্যাওয়ার্ড — এমন কোনো ঐতিহাসিক অ্যাওয়ার্ড নেই, লুই মাউন্টব্যাটেন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় যিনি দেশভাগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৭ সালের দেশভাগে কাটাছেঁড়া বা সীমানা কাটার কাজটি করেছিলেন স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ, তাই মনে রাখুন কাটাকুটি মানেই র‍্যাডক্লিফ।
a 143
b 144
c 145
d 146
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 144 কেন সঠিক: - রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ধারা ১৪৪ অনুযায়ী জমি জরিপ শেষে খতিয়ান বা রেকর্ড অব রাইটস (ROR) প্রস্তুত করার বিধান রয়েছে। - এই ধারার আওতায় ভূমি রাজস্ব কর্মকর্তা নির্ধারিত এলাকার জন্য খতিয়ান প্রস্তুত ও প্রকাশ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 143 — এই ধারায় সাধারণত রেকর্ড অব রাইটস এর আগের প্রস্তুতি বা জরিপ সংক্রান্ত প্রাথমিক কার্যক্রমের কথা বলা হয়েছে, সরাসরি প্রস্তুতের বিধান ১৪৪ ধারায়। B) 144 — এটি সঠিক ধারা হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক। C) 145 — এই ধারায় খতিয়ান বা রেকর্ড অব রাইটস এর ওপর আপত্তি বা শুনানির বিধান রয়েছে, প্রস্তুতের বিধান নয়। D) 146 — এই ধারায় প্রস্তুতকৃত রেকর্ড অব রাইটস চূড়ান্তভাবে প্রকাশ ও ফাইনাল প্রকাশের বিধান উল্লেখ আছে। মনে রাখার টিপস: আইন ১৯৫০ এর ১৪৪ ধারা মানেই খতিয়ান বা ROR প্রস্তুত করার বিধান।
a জেলা পরিষদ
b সিটি কর্পোরেশন
c উপজেলা প্রশাসন
d ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপজেলা প্রশাসন কেন সঠিক: - উপজেলা প্রশাসন হলো সরকারি বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত একটি সরকারি দপ্তর, যা স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান নয়। - স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত পরিষদগুলোই কেবল স্থানীয় সরকারের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা পরিষদ — এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও নির্বাচিত স্তর, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) সিটি কর্পোরেশন — এটি শহরাঞ্চলের জন্য গঠিত একটি স্বায়ত্বশাসিত ও নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। C) উপজেলা প্রশাসন — এটি সরাসরি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত নয় বরং এটি সরকারি প্রশাসনিক ইউনিট। D) ইউনিয়ন পরিষদ — এটি গ্রামীণ অঞ্চলের সর্বনিম্ন স্তরের নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: প্রশাসনের সাথে সরকারি কর্মকর্তা জড়িত থাকেন আর পরিষদের সাথে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা থাকেন, তাই প্রশাসন স্থানীয় সরকার নয়।
a ৪ ইঞ্চি = ১ মাইল
b ৮ ইঞ্চি = ১ মাইল
c ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল
d ৩২ ইঞ্চি = ১ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল কেন সঠিক: - ভূমি জরিপ ও ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্র প্রস্তুতের আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মানদণ্ড অনুযায়ী সাধারণ মৌজা ম্যাপের স্কেল ১৬ ইঞ্চি সমান ১ মাইল নির্ধারণ করা হয়। - এই স্কেলে ১ মাইলের ভূখণ্ডকে মানচিত্রে ১৬ ইঞ্চি দূরত্বে প্রদর্শন করা হয়, যা গ্রামীণ জমির প্লট বা দাগ স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করার জন্য আদর্শ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ইঞ্চি = ১ মাইল — এই স্কেল সাধারণ মৌজা ম্যাপের জন্য খুব ছোট এবং এটি বৃহত্তর এলাকা বা থানা ম্যাপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। B) ৮ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটিও মৌজা ম্যাপের আদর্শ স্কেল নয়, সাধারণত বিশেষ অঞ্চলের কম বিস্তারিত নকশার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়। C) ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের ক্যাডাস্ট্রাল বা মৌজা ম্যাপের জন্য নির্ধারিত আদর্শ স্কেল। D) ৩২ ইঞ্চি = ১ মাইল — এই স্কেলটি সাধারণ মৌজা ম্যাপের চেয়ে দ্বিগুণ বড় এবং এটি সাধারণত ঘনবসতিপূর্ণ শহর বা মিউনিসিপ্যাল এলাকার বিশদ মানচিত্রের জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মৌজা ম্যাপ মানেই ১৬ ইঞ্চি সমান ১ মাইল, কারণ জমির সঠিক সীমানা ও দাগ নম্বর স্পষ্টভাবে দেখাতে এই ১৬ সংখ্যাটি মনে রাখা জরুরি।
a ১০০ গজ
b ১৫০ গজ
c ৫০০ গজ
d ১০০০ গজ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০ গজ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন ও প্রোটোকল অনুযায়ী আন্তর্জাতিক সীমান্ত বা জিরো পয়েন্ট থেকে ১৫০ গজের মধ্যে স্থায়ী কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। - সীমান্ত সুরক্ষা বজায় রাখা, চোরাচালান রোধ এবং দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা সামরিক উত্তেজনা এড়ানোর উদ্দেশ্যে এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ গজ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন অনুযায়ী ১৫০ গজের মধ্যে স্থায়ী স্থাপনা নিষিদ্ধ, ১০০ গজ নয়। B) ১৫০ গজ — এটি সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত নীতিমালায় স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট দূরত্ব নির্ধারিত রয়েছে। C) ৫০০ গজ — এটি ভুল কারণ জিরো পয়েন্ট থেকে স্থায়ী স্থাপনা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে ৫০০ গজের কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। D) ১০০০ গজ — এটি সঠিক নয় কারণ সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থাপনা নিষিদ্ধের ক্ষেত্রে এই দীর্ঘ দূরত্ব আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে নিরাপদ দূরত্বের জন্য দেড় শ বা ১৫০ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a GNSS & GPS
b Gunter’s Chain
c ETS
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) GNSS & GPS কেন সঠিক: - জিওডেটিক কন্ট্রোল পিলারের নিখুঁত ভৌগোলিক অবস্থান ও উচ্চতা নির্ধারণের জন্য স্যাটেলাইটভিত্তিক প্রযুক্তি GNSS এবং GPS ব্যবহার করা হয়। - আধুনিক সার্ভে ও পরিমাপে এই প্রযুক্তি সর্বোচ্চ নির্ভুলতা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) GNSS & GPS — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইট সিগন্যালের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট জিওডেটিক মান পাওয়া যায়। B) Gunter’s Chain — এটি জমি পরিমাপের একটি ঐতিহ্যগত শিকল বা চেইন, যা স্যাটেলাইট পজিশনিংয়ের কাজে ব্যবহৃত হয় না। C) ETS — এটি ইলেকট্রনিক টোটাল স্টেশন, যা কোণ ও দূরত্ব মাপে কিন্তু সরাসরি জিওডেটিক স্যাটেলাইট কন্ট্রোল পিলারের মান নির্ধারণের প্রধান প্রযুক্তি নয়। D) none — এটি প্রযোজ্য নয় কারণ অপশন এ তে সঠিক উত্তর বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: জিওডেটিক মান মানেই স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, তাই সংক্ষেপে মনে রাখুন জিওডেটিক পiller মানেই জিপিএস বা জিএনএসএস।
a জুরিসডিকশন লিস্ট
b জুরিসডিকশন লেজার
c জুরিসডিকশন লিমিট
d জয়েন্ট ল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জুরিসডিকশন লিস্ট কেন সঠিক: - জে. এল (J. L) এর পূর্ণরূপ হলো জুরিসডিকশন লিস্ট, যার বাংলা অর্থ এক্তিয়ার তালিকা বা এলাকাভিত্তিক নম্বর। - ভূমি বা জমির রেকর্ডে প্রতিটি মৌজার একটি নির্দিষ্ট ক্রমিক নম্বর থাকে, যা জুরিসডিকশন লিস্ট নম্বর বা জেএল নম্বর নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুরিসডিকশন লিস্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভূমি প্রশাসনের মৌজা শনাক্তকরণে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। B) জুরিসডিকশন লেজার — এটি ভুল কারণ ভূমি রেকর্ডে লেজার বলতে খতিয়ান বোঝায়, মৌজা নম্বর বোঝায় না। C) জুরিসডিকশন লিমিট — এটি ভুল কারণ এই শব্দগুচ্ছ দিয়ে সীমানা বোঝায়, মৌজার ক্রমিক নম্বর বোঝায় না। D) জয়েন্ট ল্যান্ড — এটি ভুল কারণ এটি যৌথ জমি বোঝায়, যা জে. এল এর পূর্ণরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: জমির জে. এল (J. L) নম্বর মনে রাখার জন্য জে-তে জুরিসডিকশন এবং এল-তে লিস্ট বা তালিকা কথাটি মনে রাখতে হবে।
a দূরত্ব মাপতে
b উচ্চতা মাপতে
c কোণ মাপতে
d আয়তন মাপতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কোণ মাপতে কেন সঠিক: - থিওডোলাইট হলো জরিপ কাজের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র যা ভূমির উপরে দুটি বিন্দুর মধ্যে আনুভূমিক ও উলম্ব কোণ নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - ত্রিভুজভিত্তিক জরিপ পদ্ধতি বা ট্রাভার্স সার্ভিংয়ে বিভিন্ন রেখার মধ্যকার কোণ নির্ধারণে এই যন্ত্রের ব্যবহার অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূরত্ব মাপতে — দূরত্ব মাপার জন্য সাধারণত চেইন, ফিতা বা আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিস্টন্স মিটার ব্যবহার করা হয়, থিওডোলাইট কোণ মাপার জন্য প্রধানত ব্যবহৃত হয়। B) উচ্চতা মাপতে — উচ্চতা বা ত্রিকোণমিতিক উচ্চতা পরিমাপে এটি পরোক্ষভাবে সাহায্য করলেও এর মূল কাজ কোণ মাপা। D) আয়তন মাপতে — আয়তন সরাসরি জরিপ যন্ত্র দিয়ে মাপা যায় না, এটি বিভিন্ন পরিমাপের ডেটা দিয়ে গাণিতিক সূত্রে হিসাব করা হয়। মনে রাখার টিপস: থিওডোলাইট নামের সাথে কোণ শব্দটির মিল মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a ১১ নভেম্বর, ২০২৪
b ২৯ আগস্ট, ২০২৪
c ৩০ আগস্ট, ২০২৪
d ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৯ আগস্ট, ২০২৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক কনভেনশনে (International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance) স্বাক্ষর করে। - প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই দলিলে স্বাক্ষর করেন, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষায় সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ নভেম্বর, ২০২৪ — এই তারিখে গুমবিরোধী কনভেনশনের সঙ্গে সরাসরি এই স্বাক্ষরের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) ২৯ আগস্ট, ২০২৪ — এটি সঠিক তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গৃহিত হয়েছে। C) ৩০ আগস্ট, ২০২৪ — আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস হলেও বাংলাদেশ এর আগের দিন এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করে। D) ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ — এই তারিখটি গুমবিরোধী কনভেনশন স্বাক্ষরের দিন হিসেবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে অর্থাৎ ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।
a জেলা প্রশাসক
b জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার
c বিভাগীয় কমিশনার
d সহকারী কমিশনার (ভূমি)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেন সঠিক: - ভূমি ব্যবস্থাপনা ও রেকর্ড সংশোধনের আইন অনুযায়ী খতিয়ান বা রেকর্ড চূড়ান্ত প্রকাশের পর সামান্য করণিক বা মুসাবিদা ভুল সংশোধনের এখতিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর ওপর ন্যস্ত থাকে। - এটি মাঠপর্যায়ে ভূমি সংক্রান্ত ছোটখাটো ভুল দ্রুত সমাধানের একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা প্রশাসক — তিনি পুরো জেলার প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা হলেও সরাসরি সাধারণ করণিক ভুল সংশোধনের কাজটি এই স্তরে করা হয় না। B) জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার — জরিপ চলাকালীন রেকর্ড সংশোধনের ক্ষমতা তাদের থাকলেও গেজেট প্রকাশের পর এই ক্ষমতা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নিকট হস্তান্তরিত হয়। C) বিভাগীয় কমিশনার — তিনি বিভাগীয় স্তরের প্রশাসনিক প্রধান এবং ভূমি রেকর্ড প্রকাশের পরবর্তী করণিক সংশোধনের সরাসরি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নন। D) সহকারী কমিশনার (ভূমি) — রেকর্ড চূড়ান্ত প্রকাশের পর করণিক ভুল সংশোধনের ক্ষমতা আইনগতভাবে এই কর্মকর্তারই রয়েছে। মনে রাখার টিপস: চূড়ান্ত রেকর্ড প্রকাশের পর ছোটখাটো করণিক ভুল সংশোধনের শেষ ঠিকানা হলো এসি ল্যান্ড অফিস।
a EVEREST 1830
b WGS 84
c NAD27
d ED-50
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) WGS 84 কেন সঠিক: - WGS 84 (World Geodetic System 1984) হলো একটি বিশ্বজনীন আদর্শ স্থানাংক ব্যবস্থা যা বর্তমানের গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম এবং আন্তর্জাতিক সীমানা জরিপে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - এটি সমগ্র পৃথিবীকে কেন্দ্র করে একটি একক ত্রিমাত্রিক রেফারেন্স ফ্রেম তৈরি করে, যা আধুনিক স্যাটেলাইটভিত্তিক জিপিএস প্রযুক্তির সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EVEREST 1830 — এটি একটি অত্যন্ত পুরোনো স্থানীয় ডেটাম যা মূলত ব্রিটিশ আমলে দক্ষিণ এশিয়ার জরিপের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, বর্তমান বৈশ্বিক বা স্যাটেলাইট জরিপের জন্য উপযুক্ত নয়। B) WGS 84 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা আধুনিক আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ এবং বৈশ্বিক অবস্থান নির্ণয়ে সর্বজনীনভাবে ব্যবহৃত হয়। C) NAD27 — এটি নর্থ আমেরিকান ডেটাম ১৯২৭ (North American Datum 1927), যা শুধুমাত্র উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের ভৌগোলিক জরিপের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। D) ED-50 — এটি ইউরোপিয়ান ডেটাম ১৯৫০ (European Datum 1950), যা কেবল ইউরোপীয় অঞ্চলের পুরোনো জরিপ কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো, বৈশ্বিক মাপকাঠির জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৮৪ সালে প্রযুক্তির আধুনিকায়নের ফলে ওয়ার্ল্ড জিওডেটিক সিস্টেম চালু হয়, যা বর্তমান বিশ্বের যেকোনো স্থান নিখুঁতভাবে মাপতে ডব্লিউজিএস চৌুরাশি (WGS 84) নামে পরিচিত।
a ১০০ গজ
b ১০০ ফুট
c ২০ গজ
d ২২ গজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ গজ কেন সঠিক: - গান্টার চেইন হলো ব্রিটিশ surveyors বা ভূমি জরিপকারীদের ব্যবহৃত একটি ঐতিহ্যবাহী পরিমাপক শিকল। - ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক অনুসারে ১ গান্টার চেইনের দৈর্ঘ্য হলো ঠিক ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ গজ — এটি গান্টার চেইনের দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক বেশি এবং ভূমি পরিমাপে চেইনের এই মাপ ব্যবহার করা হয় না। B) ১০০ ফুট — ১ গান্টার চেইন কখনো ১০০ ফুট হয় না, কারণ এর দৈর্ঘ্য মাত্র ৬৬ ফুট বা ২২ গজ। C) ২০ গজ — এটি ভুল মাপ, কারণ গান্টার চেইনের নির্দিষ্ট আদর্শ দৈর্ঘ্য হলো ২২ গজ। D) ২২ গজ — এটি সঠিক মাপ এবং ১ গান্টার চেইন সর্বদা ২২ গজ বা ৬৬ ফুট দীর্ঘ হয়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ এবং ১ গান্টার চেইনের দৈর্ঘ্যও ২২ গজ; এই মিলটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যাবে।
a উপন্যাস
b গল্প
c নাটক
d গীতিকাব্য
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গল্প কেন সঠিক: - ‘পানকৌড়ির রক্ত’ হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি সুপরিচিত ছোটগল্প। - এটি মূলত বাংলা কথাসাহিত্যের ছোটগল্প ধারার একটি অনন্য সংযোজন, যা চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে সমৃদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এটি কোনো দীর্ঘ আকৃতির উপন্যাস নয়, বরং সীমিত পরিসরে সমাপ্ত একটি ছোটগল্প। B) গল্প — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রাসঙ্গিক। C) নাটক — এর মধ্যে কোনো দৃশ্যপট বা সংলাপভিত্তিক নাট্যরূপের বৈশিষ্ট্য নেই। D) গীতিকাব্য — এটি কোনো পদ্য বা ছন্দের আকারে রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত। মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘পানকৌড়ির রক্ত’ একটি বিখ্যাত গল্প, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে তাঁর কলমে ছোটগল্পেও জীবনের গভীর সত্য ফুটে ওঠে।
a ইচ্ছামতি
b রায়মঙ্গল
c হাড়িভাঙা
d পশুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাড়িভাঙা কেন সঠিক: - দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার নিকট হাড়িভাঙা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত ছিল। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি হাড়িভাঙা নদীর মোহনার ঠিক পূর্ব দিকে বাংলাদেশ সীমানার ভেতরে অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইচ্ছামতি — এটি একটি আন্তঃসীমান্ত নদী যা মূলত সাতক্ষীরা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত, হাড়িভাঙা নদীর মোহনার সঙ্গে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান এখানে মেলেনি। B) রায়মঙ্গল — এটি সুন্দরবনের পাশ দিয়ে প্রবাহিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী হলেও দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি এর মোহনায় অবস্থিত ছিল না। C) হাড়িভাঙা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) পশুর — এটি মোংলা বন্দর সংলগ্ন একটি নদী যা সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত, এর মোহনায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ ও হাড়িভাঙা নদী উভয়ই সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা অঞ্চলে অবস্থিত, তাই দ্বীপটির অবস্থান মনে রাখতে হাড়িভাঙা নদীর নাম মনে রাখুন।
a ১৭৮৮ সালে বান্দরবানে
b ১৮৮৮ সালে দিনাজপুরে
c ১৮৮৮ সালে কক্সবাজারে
d ১৮৮৮ সালে ঢাকায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৮৮ সালে কক্সবাজারে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ আমলে জমি জরিপ ও বন্দোবস্তের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে বা সিএস জরিপ প্রবর্তন করা হয়। - অবিভক্ত বাংলায় প্রথম ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে বা সিএস জরিপ ১৮৮৮ সালে তৎকালীন বৃহত্তর চট্টগ্রামের কক্সবাজারে শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৮৮ সালে বান্দরবানে — এই সালে বা স্থানে সিএস জরিপ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। B) ১৮৮৮ সালে দিনাজপুরে — সাল মিলে গেলেও এটি কক্সবাজারের পরিবর্তে অন্য জেলা হওয়ায় সঠিক নয়। D) ১৮৮৮ সালে ঢাকায় — সাল ঠিক থাকলেও ঢাকা সিএস জরিপের প্রথম স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: সিএস জরিপ মানেই প্রথম কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের কাছে ১৮৮৮ সালে শুরু হয়েছিল।
a ভূমি আপিল বোর্ড
b ভূমি সংস্কার বোর্ড
c সাব - রেজিস্ট্রি অফিস
d জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাব - রেজিস্ট্রি অফিস কেন সঠিক: - সাব - রেজিস্ট্রি অফিস ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, এটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন নিবন্ধন অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত। - ভূমি সংক্রান্ত অন্যান্য প্রধান প্রতিষ্ঠান ও বোর্ড সরাসরি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমি আপিল বোর্ড — এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ আপিল কর্তৃপক্ষ যা ভূমি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে। B) ভূমি সংস্কার বোর্ড — এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যা ভূমি সংস্কার ও ব্যবস্থাপনা নীতিনির্ধারণে কাজ করে। C) সাব - রেজিস্ট্রি অফিস — এটি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন নিবন্ধন অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। D) জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস — এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাঠপর্যায়ের কার্যালয়। মনে রাখার টিপস: জমির মালিকানা দলিল বা রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত কাজ আইন মন্ত্রণালয় দেখে, আর বাকি সব ভূমি ব্যবস্থাপনা ও জরিপ দেখে ভূমি মন্ত্রণালয়।
a ফেডারেল সরকার
b মন্ত্রিপরিষদ শাসিত
c সংসদীয় সরকার
d রাষ্ট্রপতি শাসিত
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংসদীয় সরকার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালনার জন্য সংসদীয় বা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছে। - এই ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান এবং রাষ্ট্রপতি নামমাত্র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেডারেল সরকার — বাংলাদেশ একটি একক রাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্রীয় বা ফেডারেল শাসন ব্যবস্থা এখানে প্রচলিত নেই। B) মন্ত্রিপরিষদ শাসিত — এটি সঠিক উত্তর C এর সমার্থক হলেও অপশনের বিন্যাসে C সঠিক হিসেবে নির্ধারিত। C) সংসদীয় সরকার — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে এটি সংবিধানে নির্ধারিত। D) রাষ্ট্রপতি শাসিত — এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির হাতে সকল নির্বাহী ক্ষমতা থাকে, যা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতির সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থায় সংসদ প্রধান বা প্রধানমন্ত্রীই হলেন মূল ক্ষমতার অধিকারী, তাই এটি সংসদীয় সরকার।
a 1997
b 1999
c 2000
d 2001
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - ওই বছর ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দলের ঐতিহাসিক অভিষেক টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1997 — এই সালে বাংলাদেশ দল আইসিসি ট্রফি জয় করে ওয়ানডে মর্যাদার কাছাকাছি পৌঁছায়, তবে টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) 1999 — এই সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে এবং পাকিস্তানকে পরাজিত করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে। C) 2000 — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। D) 2001 — এই সালের মধ্যে বাংলাদেশ দল টেস্ট খেলা শুরু করে দিলেও এটি টেস্ট মর্যাদা অর্জনের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ দল শতাব্দি পূর্ণ হওয়ার বছর অর্থাৎ ২০০০ সালে টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করে।
a হাইড্রোলজিক্যাল সার্ভে
b ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে
c ফোটগ্রামমেট্রি সার্ভে
d ট্র্যাভার্স সার্ভে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফোটগ্রামমেট্রি সার্ভে কেন সঠিক: - ফোটগ্রামমেট্রি সার্ভে হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যার মাধ্যমে বিমান বা ড্রোন থেকে ছবি তুলে পৃথিবীর পৃষ্ঠের বিভিন্ন ভূখণ্ডের নিখুঁত পরিমাপ ও মানচিত্র তৈরি করা হয়। - এটি মূলত রিমোট সেন্সিং বা দূরসংবেদনের একটি অংশ, যা দুর্গম এলাকার সঠিক জরিপ কাজের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোলজিক্যাল সার্ভে — এটি জলবায়ু ও ভূগর্ভস্থ পানি, নদী, হ্রদ এবং সমুদ্রের পানির গতিপ্রকৃতি ও উৎস সম্পর্কিত জরিপের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে — এটি মূলত জমির মালিকানা নির্ধারণ, সীমানা নির্ধারণ এবং খাজনা আদায়ের উদ্দেশ্যে করা ভূ-সম্পত্তির আইনি জরিপ। D) ট্র্যাভার্স সার্ভে — এটি ভূমির ওপর চেইন, ফিতা বা থিওডোলাইট ব্যবহার করে কৌণিক দূরত্ব মেপে মাটির ওপর সরাসরি করা এক ধরনের জরিপ পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: ফোটো বা ছবি থেকে যে সার্ভে হয় তাকে ফোটগ্রামমেট্রি সার্ভে বলে।
a 1973
b 1974
c 1981
d 1991
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৪ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার এই আদমশুমারি পরিচালনা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৩ — এই সালে কোনো আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন ও পরিকল্পনার বছর ছিল। B) ১৯৫৪ — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯৮১ — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জনসংখ্যা ও গৃহগণনা বর্ষ। D) ১৯৯১ — এটি বাংলাদেশের চতুর্থ জনসংখ্যা ও গৃহগণনা বর্ষ। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি হয়।
a একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার
b জমির নকশা
c জমির দুটি নকশার মধ্যে তুলনামূলক চিত্র
d একটি জমি মাপার স্কেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটি জমি মাপার স্কেল কেন সঠিক: - পেন্টাগ্রাফ এমন একটি যান্ত্রিক যন্ত্র বা স্কেল যা ব্যবহার করে যেকোনো জমির নকশা বা মানচিত্র ছোট বা বড় আকারে নিখুঁতভাবে পুনর্নির্মাণ করা হয়। - এটি মূলত জ্যামিতিক সামান্তরিক সূত্রের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যা সার্ভে ও কার্টোগ্রাফি বা মানচিত্রাঙ্কন খাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার — পেন্টাগ্রাফ কোনো সফটওয়্যার নয়, এটি একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ভৌত বা যান্ত্রিক অঙ্কন সরঞ্জাম। B) জমির নকশা — জমির নকশাকে মৌজা ম্যাপ বা প্লট বলা হয়, কিন্তু পেন্টাগ্রাফ নকশা নিজেই নয়, বরং নকশা আঁকার একটি মাপক যন্ত্র। C) জমির দুটি নকশার মধ্যে তুলনামূলক চিত্র — এটি কোনো তুলনামূলক চিত্র বা প্রতিবেদন প্রকাশ করে না, এটি কেবল নকশা পরিমাপ ও পুনরুৎপাদন করতে সাহায্য করে। D) একটি জমি মাপার স্কেল — এটি সঠিক কারণ পেন্টাগ্রাফ মানচিত্র বা নকশা পরিমাপ ও পরিবর্ধনের কাজে ব্যবহৃত একটি বিশেষ স্কেল বা যন্ত্র। মনে রাখার টিপস: পেন্টাগ্রাফ শব্দটি মনে রাখুন নকশা বড় বা ছোট করার স্কেল হিসেবে, যা জমি মাপার কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
a বারাং
b মৌজা
c পুঞ্জি
d পাড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুঞ্জি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের খাসিয়া আদিবাসীদের বসতি ও গ্রামগুলোকে ঐতিহ্যগতভাবে পুঞ্জি বলা হয়। - খাসিয়া প্রধান বা মন্ত্রীর নেতৃত্বে এই পুঞ্জিগুলো পরিচালিত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারাং — এটি খাসিয়া গ্রামের নাম নয়, এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক শব্দ। B) মৌজা — এটি ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের একটি প্রশাসনিক একক, কোনো উপজাতীয় গ্রাম নয়। D) পাড়া — এটি সাধারণ বাঙালি গ্রামীণ বসতির অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, খাসিয়াদের নির্দিষ্ট গ্রাম নয়। মনে রাখার টিপস: খাসিয়াদের চা বাগান ও পান চাষের গ্রামগুলো পুঞ্জি নামে পরিচিত।
a ৩০ বিধি
b ৩১ বিধি
c ৪২ বিধি
d ৪৩ বিধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ বিধি কেন সঠিক: - জমি জরিপ বা কাদায়ে খতিয়ান প্রকাশের পর তসদিক পর্যায়ে কোনো ভুলত্রুটি দেখা দিলে তা সংশোধনের জন্য এই বিধিমতে আপত্তি বা দাবি পেশ করতে হয়। - ভূমি ব্যবস্থাপনা ও জরিপ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিধির আওতায় সাধারণ মানুষ তাদের জমির ভুল সংশোধনের সুযোগ পেয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ বিধি — এটি জমি জরিপ বা তসদিক পর্যায়ে ভুল সংশোধনের জন্য আপত্তি জানানোর সঠিক বিধান হিসেবে প্রযোজ্য। B) ৩১ বিধি — এই বিধিটি তসদিক পর্যায়ে প্রাথমিক আপত্তি জানানোর সরাসরি বিধান নয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) ৪২ বিধি — এই বিধিটি জরিপ প্রক্রিয়ার অন্য কোনো ধারার সাথে সম্পর্কিত, যা আপত্তি জানানোর সাথে সরাসরি মেলে না। D) ৪৩ বিধি — এটি জরিপ কাজের পরবর্তী বা অন্য কোনো আইনি প্রক্রিয়ার বিধান নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: জরিপের ভুল সংশোধনে তসদিক পর্যায়ে আপত্তি জানাতে প্রথমে ৩০ নম্বর বিধির কথা মনে রাখতে হবে।
a বাসেল কনভেনশন
b কিয়োটো প্রোটোকল
c মন্ট্রিল প্রোটোকল
d প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যারিস চুক্তি প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ কেন সঠিক: - প্যারিস চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি যার মূল লক্ষ্য বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমিত রাখা। - এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশসহ স্বাক্ষরকারী দেশগুলো গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর জন্য জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান জমা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাসেল কনভেনশন — এটি বিপজ্জনক বর্জ্য পদার্থের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) কিয়োটো প্রোটোকল — এটি গ্রিন হাউস গ্যাস কমানোর প্রথম চুক্তি হলেও বাংলাদেশ এতে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক জলবায়ু কর্মপদ্ধতি প্যারিস চুক্তির ওপর অধিক নির্ভরশীল। C) মন্ট্রিল প্রোটোকল — এটি ওজন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থগুলোর ব্যবহার ও উৎপাদন হ্রাসের জন্য প্রণীত একটি চুক্তি, যা গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) প্যারিস চুক্তি — এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু চুক্তি যা গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেছে। মনে রাখার টিপস: গ্রিন হাউস গ্যাস কমানোর বর্তমান বিশ্বজনীন মূল চুক্তি হলো প্যারিস চুক্তি, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
a 1972
b 1973
c 1974
d 1976
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1974 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - একই দিনে পাকিস্তানও জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করায় স্বাধীন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1972 — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের আবেদন করলেও বিরোধিতার কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। B) 1973 — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষায়িত সংস্থার সদস্য হলেও মূল জাতিসংঘের সদস্য হয়নি। C) 1974 — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। D) 1976 — এই সালের অনেক আগেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করেছিল। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর প্রায় তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
a মৌজার ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে ডাটা সংগ্রহ করে।
b মৌজার আয়তন পরিমাপ করে।
c মৌজার সীমানা পরিমাপ করে।
d জমির মালিকের তথ্য সংগ্রহ করে।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৌজার আয়তন পরিমাপ করে। কেন সঠিক: - ইএসটি (EST) মেশিনের মূল কাজ হলো ইলেকট্রনিক উপায়ে জমির ক্ষেত্রফল বা আয়তন নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা। - ভূমি জরিপের সময় মৌজার ভেতরের বিভিন্ন প্লটের মোট আয়তন বা পরিধি নির্ধারণ করতে এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌজার ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে ডাটা সংগ্রহ করে। — এটি ডিজিটাল সার্ভে বা সিএস সার্ভের সামগ্রিক প্রক্রিয়ার অংশ, কোনো একক মেশিনের নির্দিষ্ট কাজ নয়। B) মৌজার আয়তন পরিমাপ করে। — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মেশিনটি বিশেষভাবে ক্ষেত্রফল বা আয়তন মাপার কাজেই ব্যবহৃত হয়। C) মৌজার সীমানা পরিমাপ করে। — সীমানা নির্ধারণের জন্য সাধারণত থিওডোলাইট বা জিপিএস মেশিন ব্যবহার করা হয়। D) জমির মালিকের তথ্য সংগ্রহ করে। — এই কাজটি মাঠপর্যায়ে জরিপকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা সরাসরি সাক্ষাত্কার ও দলিলের মাধ্যমে সম্পন্ন করেন। মনে রাখার টিপস: ইএসটি (EST) মানে হলো ইলেকট্রনিক স্ক্যানিং টুল বা পরিমাপক, যা দিয়ে জমির আয়তন মাপা হয়।
a ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩
b বঙ্গীয় প্রজা স্বত্ব আইন ১৮৮৫
c রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০
d সার্ভে আইন ১৮৭৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ কেন সঠিক: - এই আইনের মাধ্যমে জমিদারী প্রথার বিলুপ্তি ঘটে এবং কৃষকরা সরাসরি সরকারের অধীনে জমির মালিকানা লাভ করে। - কৃষকদের দীর্ঘদিনের শোষণ থেকে মুক্তি দেওয়ায় এবং ঐতিহাসিক অধিকার নিশ্চিত করায় এই আইনকে রায়তের ম্যগনাকার্টা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ — এটি আধুনিক ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধ ও তার প্রতিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত সাম্প্রতিক আইন, ঐতিহাসিক প্রজা অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বি) বঙ্গীয় প্রজা স্বত্ব আইন ১৮৮৫ — এটি ব্রিটিশ আমলে প্রজাদের কিছু অধিকার দিলেও এর মাধ্যমে জমিদারী প্রথার অবসান বা রায়তের ম্যগনাকার্টা বলা হয় না। সি) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ — এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ডি) সার্ভে আইন ১৮৭৫ — এটি ভূমি জরিপ ও পরিমাপ সংক্রান্ত কাজের নিয়মাবলী নির্ধারণের জন্য প্রণীত আইন, প্রজা অধিকারের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ম্যগনাকার্টা মানে মুক্তির সনদ। ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইন কৃষকদের জমিদারদের শোষণ থেকে মুক্তি দিয়েছিল বলেই একে রায়তের ম্যগনাকার্টা বলা হয়।
a পয়স্তি
b সিকস্তি
c চর
d দিয়ারা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিকস্তি কেন সঠিক: - নদীভাঙনের ফলে কোনো জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়াকে বা নদী কর্তৃক জমি কেটে নেওয়ার ভূগোলের পরিভাষায় সিকস্তি বলা হয়। - এটি মূলত প্রমত্তা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকায় জমি হারানোর একটি আইনি ও ঐতিহাসিক ভূমি পরিভাষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পয়স্তি — নদীগর্ভ থেকে পলি জমে যে নতুন ভূমি বা জমির জেগে ওঠা বোঝায়, তাকে পয়স্তি বলে, যা নদীভাঙনের উল্টো প্রক্রিয়া। B) সিকস্তি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ নদীর ভাঙনে জমি হারিয়ে যাওয়াকে সিকস্তি বলা হয়। C) চর — নদী বা সাগরের বুকে পলি জমে যে অস্থায়ী বা স্থায়ী দ্বীপ সদৃশ উঁচু ভূমি জেগে ওঠে, তাকে চর বলা হয়। D) দিয়ারা — নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নদীর মাঝে পলি জমে গঠিত উর্বর পলভূমি বা পলিদ্বীপকে দিয়ারা বলা হয়। মনে রাখার টিপস: সিকস্তি শব্দটিতে 'ক্ষতি' বা শেষ হয়ে যাওয়ার ভাব আছে, তাই মনে রাখবেন নদীভাঙনে জমি ক্ষয় হয়ে শেষ বা বিলীন হওয়া মানেই সিকস্তি।
a সরকারি কমিশনার
b অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)
c জেলা প্রশাসক
d ভূমি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেলা প্রশাসক কেন সঠিক: - ভূমি আইন ও রেকর্ড ম্যানুয়াল অনুযায়ী খাস জমি এবং অর্পিত বা সরকারি সম্পত্তি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে থাকে। - জরিপকালে নতুন সৃষ্টি হওয়া বা সরকারের অনুকُلে খাস হওয়া সকল জমি আইনগতভাবে জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডভুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরকারি কমিশনার — এই পদটি বাংলাদেশের ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থায় প্রচলিত বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো নির্দিষ্ট পদ নয়। B) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) — তিনি জেলা প্রশাসককে রাজস্ব কাজে সহায়তা করেন, তবে জমির রেকর্ড তার নামে নয়, জেলা প্রশাসকের নামে হয়। D) ভূমি মন্ত্রণালয় — এটি নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়, কিন্তু মাঠপর্যায়ে জমির আইনি রেকর্ড বা মালিকানা মন্ত্রণালয়ের নামে হয় না। মনে রাখার টিপস: খাস জমির অভিভাবক জেলা প্রশাসক, তাই জরিপে খাস জমি সবসময় জেলা প্রশাসকের নামেই রেকর্ড করা হয়।
a প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
b স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
c সার্ভে অব বাংলাদেশ
d ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) সার্ভে অব বাংলাদেশ কেন সঠিক: - সার্ভে অব বাংলাদেশ দেশের সরকারি জরিপ ও মানচিত্র প্রস্তুতকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান। - আন্তর্জাতিক সীমানা চিহ্নিতকরণ, সীমানা পিলার স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব এই প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি দেশের সামরিক বাহিনী পরিচালনা ও জাতীয় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত, সীমানা পিলার রক্ষণাবেক্ষণ এর কাজ নয়। B) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় — এটি দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষী বিজিবি পরিচালনা করে, তবে জরিপ বা পিলার মেরামতের কাজ এটি করে না। C) সার্ভে অব বাংলাদেশ — আন্তর্জাতিক সীমানা চিহ্নিতকরণ ও সীমানা পিলার রক্ষণাবেক্ষণের কাজটি সরাসরি এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। D) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — এটি দেশের অভ্যন্তরীণ জমির মালিকানা নির্ধারণ ও ক্যাডাস্ট্রাল জরিপের কাজ করে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার এর আওতাভুক্ত নয়। (নোট: প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, সঠিক উত্তর সার্ভে অব বাংলাদেশ) মনে রাখার টিপস: সীমানা ও পিলারের মাপজোখ বা জরিপের কাজ মানেই মানচিত্র প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান সার্ভে অব বাংলাদেশ।
a শিশির
b চাঁদ
c বাতাস
d জোছনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিশির কেন সঠিক: - 'নীহার' একটি তৎসম শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো প্রাতঃকালে ঘাস বা পাতার ওপর জমে থাকা শিশিরবিন্দু। - বাংলা সাহিত্য ও কাব্যে শীতের সকালে ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশির — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'নীহার' শব্দের অর্থ শিশির। B) চাঁদ — চাঁদের সংস্কৃত প্রতিশব্দ চন্দ্র, শশাঙ্ক বা সুধাংশু, নীহার নয়। C) বাতাস — বাতাসের প্রতিশব্দ হলো বায়ু, অনিল বা বাতাস, নীহার এর অর্থ নয়। D) জোছনা — চাঁদের আলোর প্রচলিত রূপ হলো জোছনা, যা নীহার শব্দ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: সকালে গাছের পাতায় জমে থাকা শিশির দেখতে নীহার বা কুহেলি বা কুয়াশার মতো লাগে।
a ভোজ্য তেল
b খাদ্য শস্য
c যন্ত্রপাতি
d জ্বালানি তেল
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জ্বালানি তেল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ তার অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে সিংহভাগ জ্বালানি তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে। - দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন খাত এবং শিল্প কারখানার প্রধান চালিকাশক্তি হলো এই আমদানিকৃত জ্বালানি তেল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোজ্য তেল — বাংলাদেশ ভোজ্য তেল আমদানি করলেও এটি সর্বাধিক আমদানিকৃত পণ্যের তালিকায় শীর্ষস্থানে নেই। B) খাদ্য শস্য — দেশ কৃষিপ্রধান হওয়ায় এবং খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগিয়ে থাকায় খাদ্য শস্য সর্বাধিক আমদানিকৃত পণ্য নয়। C) যন্ত্রপাতি — কলকারখানা ও উন্নয়নের জন্য যন্ত্রপাতি আমদানি করা হলেও জ্বালানি তেলের তুলনায় এর পরিমাণ কম। D) জ্বালানি তেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি খরচ করে চাকা সচল রাখতে এবং আলো জ্বালাতে, যার মূল উপাদান জ্বালানি তেল।
a General Point System
b Global Point System
c Global Positioning System
d Global Precision Survey
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Global Positioning System কেন সঠিক: - এটি একটি স্যাটেলাইটভিত্তিক নেভিগেশন সিস্টেম যা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে নিখুঁত অবস্থান ও সময় নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়। - সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই এই প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী দিকনির্দেশনা এবং মানচিত্র তৈরিতে অপরিহার্যভাবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) General Point System - এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেভিগেশন বা স্যাটেলাইট প্রযুক্তির নাম নয় এবং জিপিএস এর রূপের সঙ্গে মেলে না। B) Global Point System - এটি দেখতে জিপিএস এর কাছাকাছি হলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক শব্দগুচ্ছ বা বৈশ্বিক পরিভাষা নয়। C) Global Positioning System - এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Global Precision Survey - এটি জিপিএস এর পূর্ণরূপ নয়, এটি মূলত সার্ভে বা জরিপ কাজের একটি ভিন্ন প্রযুক্তিগত ধারণা। মনে রাখার টিপস: জিপিএস বা জিপিএস প্রযুক্তির প্রধান কাজ অবস্থান বা পজিশন নির্ণয় করা, তাই পজিশনিং শব্দটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে চিনে নেওয়া যায়।
a ১২ বছর
b ২০ বছর
c ৩০ বছর
d ৫০ বছর
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০ বছর কেন সঠিক: - নদী সিকস্তি জমি বা নদীভাঙনে হারিয়ে যাওয়া জমি পরবর্তীতে জেগে উঠলে মূল মালিক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি করার অধিকার রাখেন। - বর্তমান ভূমি আইন অনুযায়ী নদী সিকস্তি জমি পয়োন্ত হওয়ার পর ৩০ বছরের মধ্যে মূল মালিক তার স্বত্ব দাবি করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ বছর — এটি সাধারণ স্থাবর সম্পত্তির adverse possession বা বেদখলি স্বত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নদী সিকস্তি জমির জন্য নয়। B) ২০ বছর — এটি নদী সিকস্তি জমির মালিকানা ফিরে পাওয়ার আইনি সময়সীমা হিসেবে সঠিক নয়। D) ৫০ বছর — এই দীর্ঘ সময়সীমা নদী সিকস্তি জমির মালিকানা দাবির ক্ষেত্রে প্রচলিত ভূমি আইনে নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: নদী সিকস্তি জমির মালিকানা ফিরে পেতে ৩০ বছর সময়সীমা মনে রাখতে তিন দশক বা ৩০ সংখ্যাটি নদীর ভাঙন ও গড়ার চক্রের সাথে মিলিয়ে মনে রাখুন।
a তৌজি নাম্বার
b মৌজা নাম্বার
c জে.এল.নাম্বার
d দাগ নাম্বার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জে.এল.নাম্বার কেন সঠিক: - রাজস্ব জরিপের সময় প্রতিটি মৌজাকে একটি নির্দিষ্ট ক্রমিক নম্বর দেওয়া হয়, যা জুরিসডিকশন লিস্ট বা জে.এল.নাম্বার নামে পরিচিত। - এই নম্বরের মাধ্যমে দেশের যেকোনো অঞ্চলের নির্দিষ্ট মৌজা সহজে শনাক্ত করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৌজি নাম্বার — এটি জমিদারি বা মহালের রাজস্ব আদায়ের হিসাব রাখার জন্য ব্যবহৃত পরিচিতি নম্বর, মৌজার পরিচিতি নয়। B) মৌজা নাম্বার — এটি প্রচলিত কোনো প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়, মৌজার সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি হলো জে.এল.নাম্বার। C) জে.এল.নাম্বার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মৌজার পরিচিতিমূলক নাম্বার হিসেবে প্রমাণিত। D) দাগ নাম্বার — এটি মৌজার ভেতর অবস্থিত নির্দিষ্ট জমির প্লট বা ভূখণ্ডের নম্বর, পুরো মৌজার পরিচিতি নয়। মনে রাখার টিপস: মৌজার পরিচিতির জন্য জুডিসিশয়াল লিস্ট বা জে.এল. নম্বর ব্যবহার করা হয়।
a সৈয়দ মাইনুল হোসেন
b হামিদুর রহমান
c কামরুল হাসান
d ফজলুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা করেছিলেন শিল্পী হামিদুর রহমান। - তাঁর নকশায় মায়ের কোলে শহীদ সন্তানের প্রতীক এবং ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক চেতনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ মাইনুল হোসেন — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নয়। B) হামিদুর রহমান — ইনিই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি, তাই এটি সঠিক উত্তর। সি) কামরুল হাসান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নকশাকার, শহীদ মিনারের স্থপতি নন। ডি) ফজলুর রহমান — তিনি এই ঐতিহাসিক স্থাপনার নকশা প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনার মানেই হামিদুর রহমান, আর স্মৃতিসৌধ মানেই সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
a নারায়ণগঞ্জ
b ঝালকাঠি
c মেহেরপুর
d মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঝালকাঠি বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর নারায়ণগঞ্জ দেওয়া হয়েছে, যা ভুল। আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা ঝালকাঠি (ঝালকাঠির আয়তন প্রায় ৭৫৮ বর্গকিলোমিটার এবং নারায়ণগঞ্জের আয়তন প্রায় ৬৮৪ বর্গকিলোমিটার)। তবে সরকারি ও প্রশাসনিক বিভিন্ন তথ্যে নারায়ণগঞ্জকে অনেক সময় ক্ষুদ্রতম জেলা বলা হলেও, ভৌগোলিক আয়তনের দিক থেকে ঝালকাঠিই সবচেয়ে ছোট। কেন সঠিক: - ঝালকাঠি জেলার আয়তন প্রায় ৭৫৮ বর্গকিলোমিটার, যা ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশের সব জেলার মধ্যে সর্বনিম্ন। - আয়তনের ক্ষুদ্রতার পাশাপাশি এই জেলাটি সুগন্ধা ও বিশখালী নদীর অববাহিকায় গঠিত একটি নদীমাতৃক অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ণগঞ্জ — এটি আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম জেলা এবং এর আয়তন প্রায় ৬৮৪ বর্গকিলোমিটার। C) মেহেরপুর — এটি বাংলাদেশের একটি ছোট জেলা হলেও আয়তনে ঝালকাঠির চেয়ে বড় এবং এটি দেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী। D) মুন্সীগঞ্জ — এটি ঢাকা বিভাগের একটি জনবহুল জেলা এবং আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এর আলাদা ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ক্ষুদ্রতম জেলা মনে রাখতে ঝ দিয়ে ঝালকাঠি এবং ছোট মনে রাখতে ঝ-এর সাথে ছোট মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
a 999
b 333
c 16122
d 16111
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬১২২ কেন সঠিক: - ১৬১২২ হলো ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন নম্বর, যার মাধ্যমে নাগরিকেরা যেকোনো সময় ভূমি সেবা সংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পেতে পারেন। - ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সমস্যা সমাধানে এই নম্বরে কল করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৯৯ — এটি বাংলাদেশ পুলিশের জরুরি সেবা হটলাইন নম্বর, যা ভূমি সেবার জন্য ব্যবহৃত হয় না। B) ৩৩৩ — এটি বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় কল সেন্টার নম্বর, যা সাধারণ সরকারি তথ্য ও সেবার জন্য নির্ধারিত। ডি) ১৬১১১ — এটি কোনো নির্দিষ্ট ভূমি সেবা হটলাইন নম্বর নয়, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ভূমি সেবার জন্য ১৬১২২ নম্বরটি মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে ১৬ ডিসেম্বরের সঙ্গে মিল রেখে ভূমি সেবার ১৬ এবং ১২২ যোগ করে ১৬১২২ হয়।
a ২২৬২ কি. মি.
b ৪৪২৭ কি. মি.
c ৪১৫৬ কি. মি.
d ৫১৩৮ কি. মি.
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) ৪১৫৬ কি. মি. কেন সঠিক: - ভারতের সাথে বাংলাদেশের মোট স্থলসীমান্তের দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার বা ৪১৫০ কিলোমিটার হিসেবেও অনেক বইয়ে উল্লেখ থাকে। - এটি বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের (পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও মিজোরাম) সীমান্ত স্পর্শ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২৬২ কি. মি. — এটি ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য নয়, বরং এটি ভুল তথ্য। B) ৪৪২৭ কি. মি. — এটি সঠিক সীমান্ত দৈর্ঘ্য নয়, এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর সংখ্যা। C) ৪১৫৬ কি. মি. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অফিসিয়াল ও পরীক্ষিত সীমান্ত দৈর্ঘ্য। D) ৫১৩৮ কি. মি. — এটি ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা মনে রাখতে চার-এক-পাচ-ছয় সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a খতিয়ান
b দাগ
c মৌজা
d জে. এল. নম্বর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌজা কেন সঠিক: - ভূমি জরিপের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমানা বিশিষ্ট একটি গ্রাম বা এলাকাকে মৌজা বলা হয়, যা এই প্রশাসনিক কাজের সর্বনিম্ন একক। - ক্যাডাস্ট্রাল জরিপের সময় প্রতিটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা গ্রামকে আলাদা মৌজা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খতিয়ান — এটি জমির মালিকদের নাম ও স্বত্বের বিবরণী সংবলিত একটি আইনি দলিল, ভৌগোলিক একক নয়। B) দাগ — এটি মৌজার অন্তর্ভুক্ত নির্দিষ্ট জমান বা ভূখণ্ডের নির্দিষ্ট নম্বর বা পরিমাপকে বোঝায়, পুরো ভৌগোলিক এলাকা নয়। C) মৌজা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন প্রসঙ্গে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) জে. এল. নম্বর — এটি মৌজা চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত একটি ক্রমিক নম্বর বা জুরিসডিকশন লিস্ট নম্বর, এলাকা নিজে নয়। মনে রাখার টিপস: ভূমি জরিপের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে ছোট গ্রাম বা এলাকা হলো মৌজা এবং তার ভেতরের নির্দিষ্ট জমিটার নম্বর হলো দাগ।
a 51
b 95
c 111
d 162
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১১ কেন সঠিক: - ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময় চুক্তি কার্যকর হয়। - এই চুক্তির ফলে ভারতের ভূখণ্ডে থাকা বাংলাদেশের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫১০ - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলাদেশ ভারতের ভেতরে থাকা ১১১টি ছিটমহল লাভ করে। B) ৯৫ - এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না এবং চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ছিটমহলের সংখ্যার হিসাব নয়। C) ১১১ - এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ এই সংখ্যক ছিটমহল ভারতের কাছ থেকে লাভ করে। D) ১৬২ - এটি মোট ছিটমহল বিনিময়ের সংখ্যা, যেখানে বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ছিটমহল ছিল ৫১টি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বড় তাই বেশি পায়, অর্থাৎ ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশ পায় ১১১টি এবং ভারতের পায় ৫১টি।
a Amnesty International
b Human Rights Watch
c Human Rights council
d International Crisis Group
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Human Rights Watch কেন সঠিক: - ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কার ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এই মানবাধিকার সংস্থাটি একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। - প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগ এবং দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amnesty International — এটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করলেও উল্লিখিত শিরোনামের সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদনটি এই সংস্থা প্রকাশ করেনি। B) Human Rights Watch — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটিই নির্ধারিত শিরোনামে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। C) Human Rights council — এটি জাতিসংঘের একটি আন্তঃসরকার সংস্থা, যা এই ধরনের বেসরকারি গবেষণাভিত্তিক একক প্রতিবেদন প্রকাশের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয়। D) International Crisis Group — এটি মূলত বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন নিয়ে কাজ করে, তবে এই নির্দিষ্ট প্রতিবেদনটি তাদের নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের সংস্কার ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির ক্ষেত্রে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বা এইচআরডব্লিউ নামρο স্মরণ রাখতে হবে।
a Global Information Strategy
b Geographic Intellectual System
c Global Information System
d Geographic Information System
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) Geographic Information System কেন সঠিক: - GIS হলো এমন একটি কম্পিউটারভিত্তিক প্রযুক্তি যা পৃথিবী পৃষ্ঠের ভৌগোলিক উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত ভূগোল সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি বিশেষ একটি সফটওয়্যার ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Global Information Strategy — এটি কোনো স্বীকৃত প্রযুক্তিগত পরিভাষা বা GIS-এর পূর্ণরূপ নয়। B) Geographic Intellectual System — এটি ভূগোলের কোনো প্রযুক্তির সঠিক বা গ্রহণযোগ্য নাম নয়। C) Global Information System — এই শব্দগুলো সঠিক মনে হলেও এটি জিআইএস প্রযুক্তির নির্ধারিত রূপ নয়। D) Geographic Information System — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রযুক্তিগতভাবে সর্বজনস্বীকৃত রূপ। মনে রাখার টিপস: জিআইএস মনে রাখতে জি দিয়ে জিওগ্রাফিক এবং আই দিয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম কথাটি মনে রাখবে।
a বিশ্বব্যাংক
b IMF
c জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)
d ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন (WTO)
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) কেন সঠিক: - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি ১৯৯০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন সূচক বা এইচডিআই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। - স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান এই তিনটি প্রধান সূচকের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন দেশের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বব্যাংক — এটি প্রধানত সদস্য দেশগুলোকে আর্থিক ঋণ ও দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়তা প্রদান করে, মানব উন্নয়ন সূচক প্রকাশ করে না। B) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল হিসেবে বিশ্ব অর্থনীতি এবং মুদ্রানীতির স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে। D) ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন (WTO) — এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতি ও নিয়মকানুন প্রণয়ন এবং তদারকি করে থাকে। মনে রাখার টিপস: মানব উন্নয়ন সূচক মনে রাখতে মনে রাখবেন মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে জাতিসংঘ বা ইউএনডিপি।
a বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
b অর্থ মন্ত্রণালয়
c আইএমএফ (IMF)
d বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো দেশের সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। - দারিদ্র্য মাপার জন্য এই প্রতিষ্ঠান নিয়মিত খানা আয় ও ব্যয় জরিপ পরিচালনা করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠান দেশের দারিদ্র্য ও আর্থসামাজিক জরিপ পরিচালনা করে। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের অর্থনৈতিক নীতিমালা ও বাজেট প্রণয়ন করে, তবে মাঠপর্যায়ে সরাসরি দারিদ্র্য জরিপ পরিচালনা করে না। C) আইএমএফ (IMF) — এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নীতি ও ঋণ সহায়তা নিয়ে কাজ করে। D) বিশ্বব্যাংক — এটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যা বিভিন্ন দেশের দারিদ্র্য নিয়ে গবেষণা করলেও বাংলাদেশে নিয়মিত পরিসংখ্যান জরিপ পরিচালনা করে না। মনে রাখার টিপস: পরিসংখ্যান মানেই সংখ্যা বা তথ্য গণনা, তাই দেশের দারিদ্র্য সংখ্যাও গণনা করে পরিসংখ্যান ব্যুরো।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c খুলনা
d কুমিল্লা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় স্থাপিত হয়। - বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ ও রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা ইপিজেড পরবর্তীতে আশুলিয়ায় স্থাপিত হয়, যা প্রথম নয়। B) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল নেই। C) খুলনা — খুলনা বা মংলা এলাকায় ইপিজেড অনেক পরে স্থাপিত হয়েছে। D) কুমিল্লা — কুমিল্লা ইপিজেডও পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো স্থাপিত হয়। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম থেকেই বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড বা বাণিজ্য যাত্রার সূচনা হয়েছিল।
a ArcGIS
b Auto-CAD
c MS-Word
d Adobe
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ArcGIS কেন সঠিক: - ArcGIS হলো বিশ্বখ্যাত ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা সফটওয়্যার যা নির্ভুল ডিজিটাল ক্যাডাস্ট্রাল ম্যাপ ও জিওস্পেশিয়াল ডেটা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। - এটি জমির সীমানা, মালিকানা এবং ভৌগোলিক উপাত্ত নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ ও সম্পাদনা করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ArcGIS — এটি ডিজিটাল ক্যাডাস্ট্রাল ম্যাপ তৈরিতে সবচেয়ে নির্ভুল তথ্য দেয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) Auto-CAD — এটি মূলত প্রকৌশল, স্থাপত্য ও নকশা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, ক্যাডাস্ট্রাল বা ভূমি মানচিত্রের ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য এটি প্রধান সফটওয়্যার নয়। C) MS-Word — এটি একটি সাধারণ ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যার সাথে মানচিত্র তৈরি বা ভৌগোলিক উপাত্তের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Adobe — এটি গ্রাফিক ডিজাইন, ছবি সম্পাদনা ও প্রকাশনার কাজ করে, যা ভৌগোলিক বা ক্যাডাস্ট্রাল ম্যাপ তৈরির কাজে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: ম্যাপ বা মানচিত্র সম্পর্কিত ডিজিটাল কাজের ক্ষেত্রে সবসময় GIS বা ArcGIS সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (21)

a তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হলাম।
b তার বৈমাত্রেয় সহোদর ভাই কৃষক।
c তিনি মামলায় সাক্ষ্য দিবেন।
d দশচক্রে ঈশ্বর ভূত।
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তিনি মামলায় সাক্ষ্য দিবেন। ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে কর্তা, কারক এবং ক্রিয়াপদের ব্যবহার সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত ও প্রমিত। - সাক্ষ্য প্রদান করা অর্থে দিবেন বা দেবেন ক্রিয়াটি এখানে নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে পদপ্রকরণ ও অর্থসংগতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। - ক্রিয়াপদের সঠিক রূপ ও কারকের যথযথ ব্যবহার না করলে বাক্য ভুল বলে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি আদালতে সাক্ষ্য দিলেন। ব্যাখ্যা: এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য যেখানে অতীতকালের ক্রিয়াপদ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: আমি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছি। ব্যাখ্যা: পদবিন্যাস ও ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলা হয়েছে বলে বাক্যটি সঠিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হলাম। — সৌজন্য শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করে সৌজন্যতা করা ভুল, শুদ্ধ রূপ হবে সৌজন্য। B) তার বৈমাত্রেয় সহোদর ভাই কৃষক। — বৈমাত্রেয় ভাই মানে ভিন্ন মায়ের ভাই এবং সহোদর মানে একই মায়ের ভাই, যা পরস্পরবিরোধী। C) তিনি মামলায় সাক্ষ্য দিবেন। — এটি সঠিক অপশন। D) দশচক্রে ঈশ্বর ভূত। — এটি একটি প্রবাদ প্রবচন এবং এর সঠিক রূপ হলো দশচক্রে ভগবান ভূত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৌজন্যতা শব্দটি একটি বহুল প্রচলিত ভুল, সবসময় সৌজন্য ব্যবহার করবে। - বিপরীতার্থক শব্দ একই সাথে ব্যবহার করে বাক্যকে অসংগত করবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যশুদ্ধি নির্ণয়ের সময় প্রত্যয়জনিত ভুল এবং অর্থের পুনরুক্তি বা দ্বন্দ্বের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। - প্রবাদ প্রবচনের ক্ষেত্রে প্রচলিত সঠিক রূপটি মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c কাজী নজরুল ইসলাম
d হুমায়ুন আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: 'রিক্তের বেদন' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। এই গ্রন্থে লেখকের গভীর মানবতাবোধ এবং বঞ্চিত মানুষের জীবনের প্রতি সহানুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক, কবি ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক। তার রচিত 'রিক্তের বেদন' গল্পগ্রন্থে সমাজের নিচুতলার মানুষের দুঃখ ও বঞ্চনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ব্যথার দান' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের প্রতিভার পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: 'মৃত্যুক্ষুধা' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যেখানে দরিদ্র মানুষের জীবনসংগ্রাম অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাধ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলনের মধ্যে 'গল্পগুচ্ছ' অন্যতম, তবে 'রিক্তের বেদন' তার রচিত নয়। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত সমাজসচেতন উপন্যাস রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা তিনি নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'রিক্তের বেদন' কাজী নজরুল ইসলামেরই একটি অনবদ্য ছোটগল্প সংকলন। D) হুমায়ুন আহমেদ — হুমায়ুন আহমেদ আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় লেখক হলেও 'রিক্তের বেদন' তার কোনো রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ 'ব্যথার দান' এবং প্রথম গল্প সংকলন 'রিক্তের বেদন' নামগুলো একসাথে মনে রাখতে পারেন। রিক্ত মানুষের বেদনা বা কষ্ট প্রকাশের মাধ্যমে নজরুল তার গল্পে বঞ্চিতদের কথা বলেছেন, এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গল্পগ্রন্থ ও গল্প সংকলন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। লেখকদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা গল্পগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a অনুমান
b অবকাশ
c অধ্যাদেশ
d অনুমোদন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুমোদন ১. কেন সঠিক: - Sanction শব্দটির বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অনুমোদন বা সরকারি মঞ্জুরি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দ হিসেবে এর ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহারের জন্য সরকারিভাবে নির্ধারিত হয়। - ইংরেজি প্রশাসনিক বা আইনগত শব্দের যথাযথ বাংলা রূপ তৈরি করতে পারিভাষিক শব্দের ব্যবহার অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The proposal received official sanction. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে প্রস্তাবটি সরকারি অনুমোদন পেয়েছে অর্থে Sanction শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: Budget sanction. ব্যাখ্যা: এখানে বাজেট অনুমোদন অর্থে Sanction শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুমান — অনুমান শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Guess বা Estimate. B) অবকাশ — অবকাশ শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Leave বা Vacation. C) অধ্যাদেশ — অধ্যাদেশ শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Ordinance. D) অনুমোদন — এটি Sanction শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - Sanction মানে কোনো কাজ করার জন্য সায় দেওয়া বা অনুমোদন দেওয়া। - অফিশিয়াল কাজের অনুমতির ক্ষেত্রে এই শব্দটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ইংরেজি শব্দের বাংলা পরিভাষা প্রায়ই আসে। - আইন ও প্রশাসনের পরিভাষাগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a রাবন
b মেঘনাদ
c রাম
d বিভীষণ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাম ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য থেকে উদ্ধৃত এই বাক্যে প্রমীলা রাবণের পুত্রবধূ এবং মেঘনাদের স্ত্রী। - এখানে রাঘব শব্দের অর্থ রঘুকুলের সন্তান, আর ভিখারী রাঘব বলতে বনবাসী ও সহায়সম্বলহীন রামচন্দ্রকে অবজ্ঞার সুরে বোঝানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হলো মেঘনাদবধ কাব্য। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই অমিত্রাক্ষর ছন্দের মহাকাব্যে রামচন্দ্রকে খলনায়ক এবং রাক্ষসরাজ রাবণ ও মেঘনাদকে বীর হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা কবিতাটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতাবলী থেকে নেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি কবির দেশপ্রেম ও মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগের একটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যে পৌরাণিক চরিত্রগুলোর মাধ্যমে নারীহৃদয়ের আবেগ ও অভিমান প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাবন — রাবণ লঙ্কার রাজা এবং মেঘনাদের পিতা ছিলেন, তাই তিনি ভিখারী রাঘব হতে পারেন না। B) মেঘনাদ — মেঘনাদ হলেন রাবণের বীর পুত্র ও প্রমিলার স্বামী, যা এই উক্তির বক্তার স্বামী। D) বিভীষণ — বিভীষণ হলেন রাবণের ছোট ভাই যিনি রামের পক্ষে যোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি রাঘব নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদবধ কাব্যে রাঘব বলতে রামচন্দ্রকে বোঝানো হয় এবং ভিখারী রাঘব বলে তাঁর বনবাসী জীবনকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রামের চেয়ে রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্রকে বেশি মহিমান্বিত করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত এবং এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই কাব্যের বিভিন্ন উদ্ধৃতি কার উক্তি বা কার সম্পর্কে বলা হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়।
a হুতোম প্যাঁচার নকশা
b আলালের ঘরের দুলাল
c দুর্গেশনন্দিনী
d পথের দাবী
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলালের ঘরের দুলাল ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হলো প্যারিচাঁদ মিত্র রচিত আলালের ঘরের দুলাল। এটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারিচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি রচনা করেন। এই উপন্যাসে সমসাময়িক সমাজের অবক্ষয় ও ইংরেজি শিক্ষার অপব্যবহার সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত নকশা জাতীয় রচনা, উপন্যাস নয়। উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতোম প্যাঁচার নকশা — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত নকশাজাতীয় সামাজিক ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা। B) আলালের ঘরের দুলাল — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাস যা প্যারিচাঁদ মিত্র কর্তৃক রচিত ও ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। C) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস হলেও এটি বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস নয়, এটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। D) পথের দাবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস যা অনেক পরে ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল হলো প্রথম উপন্যাস আর বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী হলো প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম উপন্যাস এবং প্রথম সার্থক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। তাই রচয়িতা এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a মিথ্যা
b অস্বীকার
c সদালাপ
d দুরালাপনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্বীকার ১. কেন সঠিক: - ‘অপলাপ’ শব্দের আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো কোনো কিছু চেপে যাওয়া, অস্বীকার করা বা গোপন করার চেষ্টা করা। - প্রবঞ্চনা বা না-বোধক মানসিকতা প্রকাশ করতে বাংলা ভাষায় এই শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎসগত অর্থ অস্বীকার করা। - এটি মূলত উপসর্গযুক্ত শব্দ বা বিশেষ্য পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার চুরির কথাটি সে জোর দিয়ে অপলাপ করল। ব্যাখ্যা: এখানে অপরাধ ধামাচাপা দিতে স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করার অর্থে ‘অপলাপ’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সত্যের অপলাপ করে বেশিদূর টিকে থাকা যায় না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সত্যকে গোপন করা বা অস্বীকার করার ভাবটি ফুটিয়ে তুলতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথ্যা — মিথ্যা অর্থ হলো অসত্য বা যা সত্য নয়, যা ‘অপলাপ’ শব্দের মূল ভাব অস্বীকার করার সমার্থক নয়। B) অস্বীকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ‘অপলাপ’ শব্দের সরাসরি অর্থ হলো কোনো সত্য বা ঘটনা অস্বীকার করা। C) সদালাপ — সদালাপ শব্দের অর্থ ভালো বা মিষ্টি কথা বলা, যা অস্বীকার শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) দুরালাপনী — দুরালাপনী বা টেলিফোন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যার সঙ্গে অপলাপ শব্দের কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপলাপ শব্দের শুরুতে 'অ' আছে এবং অস্বীকার শব্দের শুরুতেও 'অ' আছে। - এভাবে দুটি শব্দের প্রারম্ভিক বর্ণ মিলিয়ে খুব সহজেই অর্থ মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন শব্দার্থ থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে এ ধরনের শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সংবর্ধনা
b সম্বন্ধনা
c সম্বর্ধনা
d সংশর্ধনা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংবর্ধনা ১. কেন সঠিক: সংবর্ধনা শব্দটি সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে যেখানে সম উপসর্গ এবং বর্ধনা যুক্ত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত শুদ্ধ বানান এবং উপসর্গজনিত শব্দ গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম উপসর্গ পদের পূর্বে বসে শব্দ গঠন করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংরক্ষণ ব্যাখ্যা: সম উপসর্গের সঙ্গে রক্ষণ যুক্ত হয়ে সংরক্ষণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সংস্থাপন ব্যাখ্যা: সম উপসর্গের সঙ্গে স্থাপন যুক্ত হয়ে সংস্থাপন শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবর্ধনা — এটি বাংলা একাডেমি অনুমোদিত শতভাগ শুদ্ধ বানান রূপ। B) সম্বন্ধনা — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপটি এখানে প্রার্থিত নয়। C) সম্বর্ধনা — এই বানানটিতে ম এর নিচে ধ যুক্ত হয়েছে যা ভুল রূপ। D) সংশর্ধনা — এই বানানটিতে ষ ব্যবহৃত হয়েছে যা এই শব্দের জন্য প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সম উপসর্গ যুক্ত শব্দে সাধারণত অনুস্বার এবং বর্ধনা মিলে সংবর্ধনা গঠিত হয়। বানান মনে রাখতে সম এবং বর্ধনা অংশ দুটি আলাদা করে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শুদ্ধ বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সঠিক করতে হলে প্রমিত বানান নিয়ম নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
a চালান
b যোগান
c রশিদ
d বিপণন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চালান ১. কেন সঠিক: - Invoice শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো চালান, যা ব্যবসা ও বাণিজ্যে পণ্য সরবরাহের সময় বিবরণী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ব্যাংকিং লেনদেনে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ মূলত বিশেষ ক্ষেত্র যেমন প্রশাসন, আইন, বিজ্ঞান বা বাণিজ্যের নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। - এগুলো সাধারণত প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদ বা নিখুঁত রূপান্তর হিসেবে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পণ্য কেনার পর দোকানদার একটি চালান প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে ক্রয়কৃত পণ্যের বিবরণ বোঝাতে চালান শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যাংকে বৈদেশিক বাণিজ্যের জন্য চালান দাখিল করতে হয়। ব্যাখ্যা: বাণিজ্যের দাপ্তরিক নথিপত্র বোঝাতে এখানে পরিভাষার সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চালান — এটি Invoice শব্দের সঠিক এবং সর্বজনস্বীকৃত বাংলা পরিভাষা। B) যোগান — এটি Supply শব্দের বাংলা পরিভাষা, যা কোনো কিছুর সরবরাহ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) রশিদ — এটি Receipt শব্দের বাংলা পরিভাষা, যা অর্থ বা বস্তু প্রাপ্তির প্রমাণপত্র বোঝায়। D) বিপণন — এটি Marketing শব্দের বাংলা পরিভাষা, যা পণ্য কেনাবেচা ও প্রচারের প্রক্রিয়া বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাণিজ্য ও কেনাকাটার ক্ষেত্রে পণ্যের বিবরণী পেপার বা ক্যাশ মেমোর মতো বিষয় মাথায় রাখলে Invoice মানে চালান কথাটি সহজে মনে রাখা যায়। - মনে রাখবে, Supply মানে যোগান এবং Receipt মানে রশিদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও বাণিজ্যিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে নিত্যদিনের ব্যাংকিং ও বাণিজ্যিক ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপগুলো নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
a দুর্গেশনন্দিনী
b কপালকুণ্ডলা
c আলালের ঘরের দুলাল
d লালসালু
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলালের ঘরের দুলাল কেন সঠিক: টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে প্যারিচাঁদ মিত্র এটি রচনা করেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটিই প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারিচাঁদ মিত্র বাংলা উপন্যাসের ধারায় প্রথম বাস্তবধর্মী জীবনচিত্র তুলে ধরেন। এতে তৎকালীন বাঙালি সমাজের চিত্র এবং সাধু ভাষারীতির প্রাথমিক রূপ ফুটে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ, বাবু কালীয়ার চরিত্রটি এই উপন্যাসের একটি অমর সৃষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। B) কপালকুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস। C) আলালের ঘরের দুলাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত আধুনিক যুগের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং তার লেখা আলালের ঘরের দুলাল হলো প্রথম উপন্যাস। প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে আলাল শব্দটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে।
a পৃথিবী
b বৃক্ষ
c বন
d পর্বত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বন ১. কেন সঠিক: কুঞ্জ, কান্তার এবং বনানী শব্দগুলো মূলত গহন অরণ্য বা জঙ্গলকে বোঝায়। বাংলা ভাষায় গাছপালা পূর্ণ বিস্তীর্ণ এলাকা বা বন বোঝাতে এই সমার্থক শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর বা ধারণার একাধিক সমার্থক শব্দ ভাষার ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অরণ্য ব্যাখ্যা: এটি বনের আরেকটি অতি পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: বিপিন ব্যাখ্যা: এটিও বন বা জঙ্গল অর্থে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী শব্দের সমার্থক হলো অবনী, বসুন্ধরা, ধরা বা ধরিত্রী। এটি বন বোঝায় না। B) বৃক্ষ — বৃক্ষ হলো গাছ বা পাদপ। এটি বনের অংশ হলেও বন বা কুঞ্জর সমার্থক নয়। C) বন — এটি সঠিক উত্তর। D) পর্বত — পর্বত শব্দের সমার্থক হলো অচল, গিরি, পাহাড় বা শৈল। এটি বন নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কুঞ্জ মানে ছোট বাগান বা লতাগুল্মের ঘেরা জায়গা, কান্তার মানে বড় বন আর বনানী মানে বনের সমষ্টি। এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখলেই বনের সমার্থক শব্দগুলো আয়ত্তে চলে আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক শব্দের সমার্থকগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
a শ্বাশ্চত
b শাশ্বত
c শ্বাশ্বত
d শ্বাসত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাশ্বত ১. কেন সঠিক: - শাশ্বত বানানটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ শুদ্ধ। - এই শব্দের অর্থ যা চিরকাল ধরে আছে বা সর্বদা বিদ্যমান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ যা সংস্কত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে এসেছে। - বানানের ক্ষেত্রে তালব শ এর নিচে ব ফলা এবং শ এর নিচে ব ফলা যুক্ত হয়ে শাশ্বত রূপটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রকৃতিতে পরিবর্তন আসলেও সূর্যের আলো শাশ্বত সত্য। ব্যাখ্যা: এখানে শাশ্বত শব্দটি চিরন্তন বা অবিনশ্বর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের মনে ভালোবাসার টান চিরকাল শাশ্বত হয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে শাশ্বত শব্দটি চিরকালীন বা চিরন্তন ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্বাশ্চত — এই বানানে ব এর স্থানে চ যুক্ত হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল এবং ব্যাকরণসম্মত নয়। B) শাশ্বত — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নটির কাঙ্ক্ষিত উত্তর। C) শ্বাশ্বত — এই বানানে প্রথম শ এর সঙ্গে ব ফলা অতিরিক্ত যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল। D) শ্বাসত — এই বানানে মধ্যবর্তী ব ফলা বাদ দেওয়া হয়েছে যা সঠিক বানানরীতি সমর্থন করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - শাশ্বত শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর প্রথমে ও মাঝে তালব শ এর সঙ্গে ব ফলা যুক্ত হয়। - মূল শব্দটি মনে রাখতে শাশ্বত শব্দের শাশ অংশটি দুইবার উচ্চারণ করে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - একই রকম অন্যান্য শুদ্ধ বানান যেমন সান্ত্বনা, উজ্জ্বল বা প্রোজ্জ্বল শব্দগুলোর বানান বারবার চর্চা করা উচিত।
a মূর্ধন্য
b মূর্ধণ
c মূর্ধন্য
d মূর্ধণ্য
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মূর্ধন্য ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী মূর্ধন্য শব্দটি গঠনে মূর্ধন মূল শব্দের সঙ্গে য-ফলা যুক্ত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসারে তৎসম শব্দে মূর্ধন্য-র ব্যবহার সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়। - বানানের ক্ষেত্রে শব্দের অন্তে কিংবা যুক্তাক্ষরে দন্ত্য-ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ লেখার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: লণঘন ব্যাখ্যা: সঠিক বানান লঙ্ঘন হলেও এই ধরনের শব্দে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূর্ধন্য — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক বানানরূপ এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) মূর্ধণ — এই বানানে অন্ত্য বর্ণে হসন্ত বা য-ফলার অভাব থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ভুল। C) মূর্ধন্য — প্রদত্ত প্রশ্নপত্রে একই অপশন একাধিকবার থাকার কারণে এটি প্রথম সঠিক অপশনের রূপ হিসেবে বিবেচিত। D) মূর্ধন্য — এটিও সঠিক বানান ধারণ করার কারণে প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মূর্ধন্য বানানটি মনে রাখার জন্য মূর্ধন অংশ লেখার পর একটি য-ফলা যুক্ত করতে হয় তা মনে রাখতে হবে। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে নত্ব বিধানের নিয়ম অনুসরণ করলে এই বানান সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে যুক্তবর্ণ এবং য-ফলার ব্যবহার পরীক্ষা করা হয়। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে তৎসম শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
a মুমূর্ষু
b মুমুর্ষূ
c মুমুর্ষু
d মুমূর্ষূ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: মুমূর্ষু শব্দের সঠিক বানান হলো মএ হ্রস্বউ কার, মএ দীর্ঘউ কার, মূর্ষু। এর অর্থ হলো মরণের কাছাকাছি বা যার মৃত্যুর দশা উপস্থিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এই বানানটিতে প্রথম ম-এ হ্রস্বউ কার এবং দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘউ কার ব্যবহৃত হয়। বানানের শেষের অংশ ষ এবং হ্রস্বউ কার দিয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুমূর্ষু রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন। ব্যাখ্যা: এখানে মরণের কাছাকাছি অবস্থার রোগীকে বোঝাতে মুমূর্ষু বানানটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বন্যায় আক্রান্ত মুমূর্ষু মানুষগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। ব্যাখ্যা: মৃত্যুর মুখোমুখি বা আশঙ্কাজনক অবস্থাযুক্ত মানুষকে বোঝাতে এই বানানটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমূর্ষু - এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি নিখুঁতভাবে অনুসৃত হয়েছে। B) মুমুর্ষূ - এই অপশনে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় ম-এ হ্রস্বউ কার এবং শেষের ষ-এ দীর্ঘউ কার দেওয়া হয়েছে যা ভুল। C) মুমুর্ষু - এই অপশনে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় ম-এ হ্রস্বউ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়ম অনুযায়ী ভুল। D) মুমূর্ষূ - এই অপশনে শেষের ষ-এ দীর্ঘউ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানরীতির পরিপন্থী। ৫ মনে রাখার টিপস: মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো হ্রস্বউ দীর্ঘউ হ্রস্বউ এর ক্রম মনে রাখা। অর্থাৎ প্রথমে হ্রস্বউ, মাঝে দীর্ঘউ এবং শেষে আবার হ্রস্বউ বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে কারণ শিক্ষার্থীরা মাঝের দীর্ঘউ কার এবং শেষের হ্রস্বউ কার নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। একই নিয়মে সুচিকিৎসা বা অন্যান্য জটিল বানানগুলোর হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে।
a মা যে জননী কান্দে
b ময়নামতির চর
c রস কদম্ব
d বনতুলসী
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মা যে জননী কান্দে ১. কেন সঠিক: - মা যে জননী কান্দে হলো পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যটিতে গ্রামীণ জনপদের মানুষের দুঃখ কষ্ট এবং শোকগাঁথা অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বাংলার পল্লী প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করে পল্লিকবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীন রচিত একটি বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয়ধর্মী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মা যে জননী কান্দে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জসীমউদ্দীনের কাব্য। B) ময়নামতির চর — এটি জসীমউদ্দীনের কাব্য নয়, তবে এটি কবি গোলাম মোস্তফার একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) রস কদম্ব — এটি জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি একটি ভিন্নধর্মী রচনা। D) বনতুলসী — এটিও জসীমউদ্দীনের রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের কাব্য মনে রাখতে তার নামের সঙ্গে পল্লী জীবন ও কান্নার মতো শোকগাথার বিষয়গুলো মিলিয়ে পড়তে হবে। মা যে জননী কান্দে কাব্যটির নামের ভেতরেই জসীমউদ্দীনের গ্রামীণ দুঃখ বেদনার সুর খুঁজে পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নকশী কাঁথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সাহিত্যকর্ম যা বারবার পরীক্ষাতে আসে।
a মায়ের
b হাতের
c পিঠা
d অমৃত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অমৃত ১. কেন সঠিক: - বাক্যে অমৃত শব্দটি পিঠার মিষ্টি স্বাদ বা গুণ প্রকাশ করতে বিশেষণ হিসেবে বসেছে। - তুলনামূলক বা রূপক অর্থে বিশেষ্য পদ যখন অন্য পদের গুণ বা শ্রেষ্ঠত্ব বোঝায়, তখন তা বিশেষণ হিসেবে কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ দ্বারা কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝায় তাকে বিশেষণ পদ বলে। - এখানে অমৃত শব্দটি মূলত বিশেষ্য পদ হলেও বাক্যে পিঠার গুণের উৎকর্ষ বোঝাতে বিশেষণের কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটি পানির মতো পরিষ্কার কথা বলে। ব্যাখ্যা: পানির মতো পদটি এখানে কথার স্বচ্ছতা বা গুণ প্রকাশ করায় বিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: ফুলটি দেখতে বরফের মতো সাদা। ব্যাখ্যা: বরফের মতো পদটি ফুলের রঙের গুণ বা বিশেষ অবস্থা প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মায়ের — এটি সম্বন্ধ পদ বা ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত বিশেষ্য পদ, যা মালিকানা বা সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। B) হাতের — এটিও সম্বন্ধ পদ, যা পিঠার সঙ্গে মায়ের অঙ্গের সম্পর্ক নির্দেশ করছে। C) পিঠা — এটি বিশেষ্য পদ, যার সম্পর্কে বা যাকে উদ্দেশ্য করে বাক্যটি বলা হয়েছে। D) অমৃত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পিঠার গুণ বা উৎকর্ষ প্রকাশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছুকে অন্য কোনো শ্রেষ্ঠ বস্তুর সাথে তুলনা করে তার গুণ প্রকাশ করলে সেই তুলনাচক পদটি বিশেষণ হয়। - বাক্যে কার বা কী দ্বারা প্রশ্ন করলে বিশেষ্য পাওয়া যায় এবং কেমন বা কী রূপ দ্বারা প্রশ্ন করলে বিশেষণ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষ্য পদ বাক্যের অর্থভেদে অনেক সময় বিশেষণের কাজ করতে পারে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে পদের রূপ নির্ণয় করতে হবে।
a বাগধারা জনিত
b বানান জনিত
c বানান ও অর্থগত
d অর্থগত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বানান ও অর্থগত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'স্ববান্ধব' শব্দটি বানান এবং অর্থ উভয় দিক থেকেই ভুল রয়েছে। - ‘বান্ধব’ শব্দের সাথে ‘সহ’ বা ‘স্ব’ যুক্ত করার ক্ষেত্রে ব্যাকরণিক ও অর্থগত দিক বিবেচনা করতে হয়, যেখানে দ্বিরুক্তি বা অতিরিক্ত শব্দের প্রয়োগ ঘটে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির নিয়মানুযায়ী অনেক শব্দে অতিরিক্ত প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত করলে অর্থসংগতি নষ্ট হয়। - ‘সবান্ধব’ শব্দের অর্থ হলো বান্ধবসহ বা বন্ধুদের সাথে, তাই এর সাথে আলাদা করে ‘স্ব’ বা অন্য কোনো অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ ও অর্থগত ভুল দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবান্ধব আমন্ত্রিত ব্যাখ্যা: এখানে সঠিক রূপ হবে ‘সবান্ধব নিমন্ত্রিত’ অথবা ‘বান্ধবসহ আমন্ত্রিত’। উদাহরণ ২: স্বস্ত্রীক উপস্থিত ব্যাখ্যা: এটি ভুল, সঠিক রূপ হবে ‘সস্ত্রীক উপস্থিত’ কারণ ‘স্ত্রীসহ’ অর্থে ‘সস্ত্রীক’ শব্দটি নিজেই পূর্ণাঙ্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগধারা জনিত — বাক্যটিতে কোনো বাগধারার ভুল প্রয়োগ ঘটেনি, তাই এটি সঠিক নয়। B) বানান জনিত — কেবল বানান ভুল নয়, এর সাথে অর্থের দিকও জড়িত থাকায় এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। C) বানান ও অর্থগত — এটি সঠিক কারণ এখানে বানান ও অর্থ উভয় ত্রুটিই বিদ্যমান। D) অর্থগত — শুধুমাত্র অর্থ নয়, এখানে বানানগত ত্রুটিও রয়েছে তাই এটি আংশিক ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘সবান্ধব’ বানানটি সবসময় ব-ফলা দিয়ে লিখতে হয় এবং এর সাথে অতিরিক্ত উপসর্গ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ এবং শব্দের সঠিক গঠন ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a অভিনয়
b ইচ্ছা
c ভারপ্রাপ্ত
d উপভাষা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারপ্রাপ্ত ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ 'Acting' এর বাংলা পারিভাষিক রূপ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে 'ভারপ্রাপ্ত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - যখন কোনো পদে মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অনুপস্থিত থাকেন, তখন সাময়িকভাবে অন্য কাউকে সেই পদের দায়িত্ব অর্পণ করা হলে তাকে ভারপ্রাপ্ত বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু সুনির্দিষ্ট শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে প্রচলিত সাধারণ অর্থের বাইরে একটি নির্দিষ্ট ও পরিশীলিত ভাব প্রকাশ করে। - প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা রূপ ব্যবহারের জন্য বাংলা একাডেমি নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Acting Principal ব্যাখ্যা: প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। উদাহরণ ২: Acting President ব্যাখ্যা: প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিনয় — এটি ইংরেজি শব্দ Acting এর সাধারণ সাধারণ বা আভিধানিক অর্থ হলেও দাপ্তরিক পারিভাষিক শব্দ হিসেবে এটি ভুল। B) ইচ্ছা — এটি ইংরেজি Desire বা Will শব্দের অর্থ, যা প্রশ্নকৃত শব্দটির সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। C) ভারপ্রাপ্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। D) উপভাষা — এটি ভাষা বিজ্ঞানের পরিভাষা, যার ইংরেজি রূপ Dialect এবং এটি প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো পদে থেকে যখন কেউ অতিরিক্ত বা সাময়িক দায়িত্ব পালন করেন, তখন তাকে ভারপ্রাপ্ত বা Acting বলা হয়। - দাপ্তরিক পরিভাষা মুখস্থ করার সময় মূল ইংরেজি শব্দের প্রশাসনিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের শব্দ অনুশীলনের সময় সাধারণ অর্থের পাশাপাশি দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a সাধারণ অতীত
b সাধারণ বর্তমান
c পুরাঘটিত বর্তমান
d পুরাঘটিত অতীত
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ বর্তমান ১. কেন সঠিক: - চিরন্তন সত্য, প্রবাদ-প্রবচন কিংবা সার্বজনীন বাণীর ক্ষেত্রে ক্রিয়ার কাল সবসময় সাধারণ বর্তমান হয়। - এখানে চণ্ডীদাসের বিখ্যাত বাণীতে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ও চিরন্তন সত্য প্রকাশ করা হয়েছে, তাই এটি সাধারণ বর্তমানকালের বাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে ক্রিয়া বর্তমানকালেই ঘটে বা যার কার্য চিরন্তন সত্য ও অভ্যাসগত, তাকে সাধারণ বর্তমানকাল বলা হয়। - মধ্যযুগের পদকর্তা চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য এবং তাঁর মানবতাবাদী দর্শন বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য ঘটনা, তাই এর ক্রিয়া সাধারণ বর্তমানকালের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ব্যাখ্যা: এটি একটি সর্বজনীন প্রবাদ ও অপরিবর্তনীয় সত্য, তাই এটি সাধারণ বর্তমানকাল নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ অতীত — অতীতকালের কোনো সাধারণ ঘটনা বোঝালে সাধারণ অতীত হয়, কিন্তু এই বাক্যটি অতীতকালের কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ নয়। B) সাধারণ বর্তমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ চিরন্তন সত্য ও সর্বজনীন বাণীর ক্ষেত্রে সাধারণ বর্তমানকাল ব্যবহৃত হয়। C) পুরাঘটিত বর্তমান — যে ক্রিয়া শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বর্তমান, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) পুরাঘটিত অতীত — অতীতকালে দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল তা পুরাঘটিত অতীত হয়, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অমূলক। ৫. মনে রাখার টিপস: - চিরন্তন সত্য, প্রবাদ-প্রবচন এবং অভ্যাসগত সত্য দেখলেই চোখ বন্ধ করে সাধারণ বর্তমানকাল দাগাবে। - চণ্ডীদাসের এই বিখ্যাত বাণীটি মানুষের জয়গান গায়, যা সব কালেই সমানভাবে বর্তমান ও প্রযোজ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্বজনীন সত্য ও প্রবাদের কাল প্রায়ই সাধারণ বর্তমানকাল হয়। - এই ধরনের উদ্ধৃতিমূলক বাক্যের ক্ষেত্রে বাক্যের ভেতরের ভাব বা অর্থ বিবেচনা করে কাল নির্ধারণ করতে হবে।
a স্বরসতী
b সরস্বতি
c সরস্বতী
d স্বরসতি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সরস্বতী ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সরস্বতী বানানটিতে ব-ফলা এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। - সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই তৎসম শব্দটির মূল বানান পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ব্যাকরণের বানানরীতি অপরিবর্তিত থাকে। - এই শব্দটিতে দন্ত্য স, ব-ফলা, দন্ত্য স, ব এবং দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধরণী ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মনস্বী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের নিয়মানুসারে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসতী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশে ব-ফলা ভুল স্থানে এবং শেষের বর্ণে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। B) সরস্বতি — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার না দিয়ে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সরস্বতী — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত রূপ। D) স্বরসতি — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশে ভুল বানানের পাশাপাশি শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেবী সরস্বতীর নামের বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার এবং দুবার স-এর নিচে ব-ফলা হয়। - সরস্বতী শব্দটি মনে রাখতে স-র-স-ব-ফলা-ত-দীর্ঘ ঈ-কার এই ক্রমটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত তৎসম শব্দগুলোর বানান ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a নদী, বিল, হাওড়
b হাট- বাজার
c বালি ও পাথরের মহাল
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: - সায়রাত মহাল বলতে সাধারণত সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎস এমন সব সম্পদ বা জলমহাল, স্থলমহাল ইত্যাদিকে বোঝায় যার মাধ্যমে সরকার কর বা ইজারা লভ্যাংশ পেয়ে থাকে। - প্রশ্নটিতে উল্লেখিত নদী, বিল, হাওড়, হাট-বাজার এবং বালি ও পাথরের মহাল সবই সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এগুলো সবই সায়রাত মহালের সংজ্ঞার অধীন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত শব্দার্থ, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং বাংলা সাধারণ জ্ঞান বা অর্থনৈতিক পরিভাষার একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা ভাষায় সায়রাত শব্দটি রাজস্ব বা কর সংক্রান্ত উৎস বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং মহাল বলতে কোনো নির্দিষ্ট এলাকা বা উৎসকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি জলমহাল যেমন নদী বা হাওড় ইজারা দিয়ে সরকার রাজস্ব সংগ্রহ করে থাকে। ব্যাখ্যা: এটি সায়রাত মহালের একটি জলভিত্তিক বা জলমহাল类型的 ক্লাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: স্থানীয় হাট-বাজার বা বালি ও পাথরের খনি থেকে সরকার রাজস্ব আদায় করে। ব্যাখ্যা: এগুলো স্থলভাগ বা খনিজ সম্পদভিত্তিক সায়রাত মহালের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদী, বিল, হাওড় — এটি জলমহাল বা সায়রাত মহালের একটি অংশ হলেও একমাত্র সঠিক উত্তর নয় কারণ অন্য অপশনগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত। B) হাট-বাজার — এটি রাজস্ব আদায়ের একটি ক্ষেত্র হলেও একা সায়রাত মহাল হিসেবে সম্পূর্ণ নয় কারণ জল ও খনিজ মহালও এর অংশ। C) বালি ও পাথরের মহাল — এটি পাথুরে বা খনিজ সায়রাত মহাল হলেও একাই সম্পূর্ণ অপশন নয়, তাই বাকিগুলোর সংযোগ প্রয়োজন। D) সবগুলো — এই অপশনটিতে সায়রাত মহালের সবকটি উৎস একসঙ্গে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সায়রাত মহাল মানেই সরকারের আয়ের উৎস এবং এর মধ্যে জল, স্থল, হাটবাজার ও খনিজ সম্পদ সবই একসঙ্গে যুক্ত থাকে। - সব মিলিয়ে রাজস্ব আয়ের খাতগুলোই সায়রাত মহাল হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক পরিভাষা এবং রাজস্ব সংক্রান্ত শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জেনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্নে একাধিক সঠিক উপাদান থাকলে সবগুলো বা উপরের সবগুলো অপশন নির্বাচন করার প্রবণতা রাখতে হবে।
a মেঘনাদবধ
b চণ্ডীমঙ্গল
c পদ্মাবতী
d শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেঘনাদবধ কেন সঠিক: - এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্যের ধারা সূচনা করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকাব্যের প্রচলিত বৈশিষ্ট্য যেমন স্বর্গ বা সর্গ বিভাজন, ট্র্যাজেডির উপস্থিতি এবং উন্নত ভাষা এতে সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। - রামায়ণের লঙ্কাযুদ্ধ কাহিনীর পটভূমিতে রাবণের চরিত্রকে ট্র্যাজিক নায়ক হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো এর অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার যা বাংলা কাব্যে নতুন বিপ্লব এনেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মেঘনাদবধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। - B) চণ্ডীমঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত, মহাকাব্য নয়। - C) পদ্মাবতী — এটি আলাওল রচিত একটি মধ্যযুগীয় রোমান্টিক কাব্য। - D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রাচীন নিদর্শন বা কাব্য। মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন মানেই মহাকাব্য এবং মেঘনাদবধ কাব্যের নাম প্রথম মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (19)

a noun
b verb
c preposition
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adverb কেন সঠিক: ‘in’ শব্দটি এখানে ভার্ব ‘come’-কে মডিফাই করেছে এবং সে কোথায় আসবে তা নির্দেশ করছে। এটি কোনো বস্তুর নাম নয়, কাজ করার উপায় বা স্থান বোঝাচ্ছে। তাই এটি adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না তাই এটি noun নয়। B) verb — এটি কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায় না তাই এটি verb নয়। C) preposition — এর পরে কোনো অবজেক্ট নেই এবং এটি কোনো noun-এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেনি। D) adverb — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো verb-কে কোথায় বা কীভাবে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বোঝায়, সেটাই adverb।
a go
b went
c should go
d have gone
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) went কেন সঠিক: বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তার পরের clause টি সবসময় Past Indefinite Tense এর হয়। এখানে Subject এর পরে verb এর পাস্ট ফর্ম বসে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো went। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় নিয়মের সাথে মেলে না। B) went — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে। C) should go — It is high time এর পরে modal auxiliary verb ব্যবহার করা যায় না। D) have gone — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় এই নিয়মের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is high time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর পাস্ট ফর্ম বা V2 বসিয়ে দেবে।
a to go
b go
c going
d gone
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) go কেন সঠিক: বাক্যটিতে let হলো একটি causative verb যার পর active voice এ bare infinitive বসে। তাই to বা অন্য কোনো suffix ছাড়াই মূল verb এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to go — let এর পর সরাসরি infinitive বা to বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) go — এটি সঠিক কারণ let এর পর verb এর base form বসে। C) going — let এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ বসে না। D) gone — let এর পর verb এর past participle রূপ বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে let দেখলে সবসময় মনে রাখবে এর পরে সরাসরি মূল verb বসে এবং কোনো to বসে না।
a is
b be
c was
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) be কেন সঠিক: বাক্যটিতে It is crucial that এর মতো Subjunctive mood ব্যবহৃত হয়েছে। এর ফলে শূন্যস্থানে verb এর base form বা મૂળ রূপ বসে। এখানে committee একটি collective noun হলেও Subjunctive mood এর নিয়মে verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না। তাই এখানে be হলো সঠিক এবং একমাত্র গ্রহণযোগ্য verb রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি Present tense এর singular রূপ হলেও Subjunctive mood এর নিয়মে এখানে সরাসরি is বসতে পারে না। B) be — এটিই সঠিক উত্তর কারণ Subjunctive mood এ verb এর base form বসে। C) was — এটি Past tense এর singular রূপ হওয়ায় বর্তমানের কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা বাধ্যতামূলক পরামর্শ প্রকাশ করতে এটি বসে না। D) were — এটি Past tense এর plural রূপ হলেও Subjunctive mood এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে past form ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে It is crucial, It is important বা It is vital থাকলে পরের cluase এ verb এর base form বসে।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - এখানে look শব্দের পূর্বে possessive pronoun his বসেছে এবং এর পরে কোনো অবজেক্ট নেই। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী possessive pronoun-এর ঠিক পরে কোনো শব্দ বসলে তা সাধারণত noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে look শব্দটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) verb — verb হতে হলে শব্দটিকে কোনো কাজ বোঝাতে হতো, কিন্তু এখানে তা নেই। C) adjective — adjective হতে হলে শব্দটিকে পরবর্তী কোনো noun-কে বিশেষিত করতে হতো। D) adverb — adverb হতে হলে শব্দটিকে verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে নির্দেশ করতে হতো। মনে রাখার টিপস: Article বা possessive-এর পরে একটিমাত্র শব্দ থাকলে তা সাধারণত noun হয়।
a Rate of Return
b Record of Rights
c Record of Research
d Registry of Records
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Record of Rights কেন সঠিক: ১. জমিজমা সংক্রান্ত আইন ও ভূমি রেকর্ডের ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. এটি জমির মালিকানা এবং স্বত্ব সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রমাণ করে। ৩. ভূমি ব্যবস্থাপনার দলিলাদিতে এই পূর্ণরূপটি আইনগতভাবে সর্বসম্মত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rate of Return — এটি সাধারণত বিনিয়োগ বা ব্যবসার ক্ষেত্রে মুনাফার হার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Record of Research — এটি গবেষণা কার্যক্রমের তথ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ। D) Registry of Records — এটি বিভিন্ন নথিপত্র সংরক্ষণের সাধারণ একটি স্থান বা রেজিস্ট্রি অফিস বোঝায়। মনে রাখার টিপস: জমিজমার কাগজপত্র বা খতিয়ান সংক্রান্ত প্রশ্ন এলেই মাথায় রাখবে এটি আসলে জমির স্বত্ব বা অধিকারের রেকর্ড।
a called for
b called in
c called out
d called off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) called off কেন সঠিক: এখানে বাক্যটির অর্থ হলো খারাপ আবহাওয়ার কারণে মিটিংটি বাতিল করা হয়েছিল। 'Call off' একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ কোনো কিছু বাতিল করা। প্রশ্নের শূন্যস্থানে বাতিল করার অর্থ প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) called for — এই ফ্রেজটির অর্থ কোনো কিছুর দাবি করা বা প্রয়োজন হওয়া, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) called in — এই ফ্রেজটির অর্থ কাউকে সাহায্য বা পরামর্শের জন্য ডেকে পাঠানো, যা এই বাক্যের সাথে মিলে না। C) called out — এই ফ্রেজটির অর্থ উচ্চস্বরে ডাকা বা প্রতিবাদ করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল হিসেবে গণ্য হবে না। মনে রাখার টিপস: খারাপ আবহাওয়া বা অন্য কোনো কারণে কোনো প্রোগ্রাম বা মিটিং বাতিল করতে হলে हमेशा 'call off' ব্যবহার করতে হয়।
a to submit the report on time, checking the date carefully, and that we follow the guidelines.
b submitting the report on time, to check the data carefully, and following the guidelines.
c to submit the report on time, to check the data carefully, and to follow the guidelines.
d to submit the report on time, checking the data carefully, and to follow the guidelines.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to submit the report on time, to check the data carefully, and to follow the guidelines. কেন সঠিক: - বাক্যে Parallelism বা সমান্তরাল গঠনের নিয়ম অনুসারে conjunction (and) এর উভয় পাশের বা সিরিজের প্রতিটি পদের grammatical form একই হতে হয়। - এখানে infinitives (to submit, to check, to follow) এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় অপশন সি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to submit the report on time, checking the date carefully, and that we follow the guidelines. — এখানে infinitive, gerund এবং clause এর মিশ্রণ থাকায় Parallelism নিয়ম মানা হয়নি। B) submitting the report on time, to check the data carefully, and following the guidelines. — এখানে gerund, infinitive এবং gerund এলোমেলোভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) to submit the report on time, checking the data carefully, and to follow the guidelines. — এখানে checking শব্দটি gerund হওয়ায় অন্য দুটি infinitive এর সাথে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: and দ্বারা যুক্ত একাধিক verb এর রূপ একই রাখতে হয়। যেমন: to do A, to do B, and to do C.
a Renaissance
b Renessance
c Renassance
d Renesa
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Renaissance কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো রেনেসাঁ বোঝাতে Renaissance, যার অর্থ পুনর্জন্ম বা পুনर्जागरण। এখানে Re-nas-sance এই অংশগুলো সঠিকভাবে সাজানো হয়েছে। বানানটিতে সঠিক জায়গায় 'i' এবং 's' বর্ণ দুটি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি ফরাসি শব্দ থেকে ইংরেজিতে এসেছে যার বানান অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Renaissance — এটি সঠিক বানান এবং এর গঠন নির্ভুল। B) Renessance — বানানটিতে মাঝখানের উচ্চারণ অনুযায়ী ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। C) Renassance — এখানে প্রয়োজনীয় স্বরবর্ণের সঠিক বিন্যাস করা হয়নি। D) Renesa — বানানটি অসম্পূর্ণ এবং এর শেষ অংশ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য Re, na, ssi, ance এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে মুখস্থ করতে পারো।
a had had
b would have
c had
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had had কেন সঠিক: এটি Third Conditional এর বাক্য, যার গঠন হলো If এর পর Past Perfect Tense এবং পরের অংশে would have এর সাথে verb এর past participle বসে। বাক্যের দ্বিতীয় অংশে would have bought থাকায় প্রথম অংশে Past Perfect Tense অর্থাৎ had had ব্যবহার করতে হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি Past Perfect Tense নির্দেশ করে যা নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) would have — এটি IfClauses এর নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অংশে বসে না, এটি দ্বিতীয় অংশে বসে। C) had — এটি শুধু Past Simple Tense নির্দেশ করে যা থাকলে পরের অংশে শুধু would + V১ হতো। D) have — এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে যা এই বাক্যের গঠনের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের অন্য অংশে would have থাকলে প্রথম অংশে অবশ্যই had had বসবে।
a answer
b answering
c answered
d to answer
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to answer কেন সঠিক: এখানে get একটি causative verb এবং এরপরে একজন ব্যক্তিবাচক object (the assistant) রয়েছে। ব্যক্তিবাচক object-এর পর causative verb হিসেবে get বসলে পরবর্তী verb-এর আগে to বসে। তাই এখানে to answer ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) answer — get-এর পর ব্যক্তিবাচক object থাকলে base form বসে না, কারণ এটি causative verb-এর নিয়ম লঙ্ঘন করে। B) answering — get-এর পর ব্যক্তিবাচক object থাকলে verb-এর সাথে ing যুক্ত gerund বা participle বসে না। C) answered — এই বাক্যে কাজটি সম্পন্ন করার জন্য past participle form ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। D) এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে get থাকলে এবং তারপর ব্যক্তি থাকলে infinitive অর্থাৎ to + verb ব্যবহার করতে হয়।
a is
b are
c was
d were
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) was কেন সঠিক: বাক্যে 'More than one' থাকলে তার পর noun এবং verb দুটিই singular হয়। এখানে গতকালের কথা বলা হয়েছে তাই past tense ব্যবহার করতে হবে এবং subject singular হওয়ায় was বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি singular হলেও present tense হওয়ায় অতীতের সূচক yesterday শব্দের সাথে মিলে না। B) are — এটি plural হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না এবং present tense। C) was — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) were — এটি past tense হলেও plural হওয়ায় singular subject 'More than one boy' এর সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: More than one এর পরে noun ও verb সবসময় singular হয়।
a by
b with
c of
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - Accused শব্দের পরে সাধারণত অপরাধ বোঝাতে অবজেক্ট হিসেবে of প্রিপোজিশন বসে। - চুরির মতো নির্দিষ্ট অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে accused এর সাথে of ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — অপরাধীর ক্ষেত্রে Passive বাক্যে by বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট কোনো অপরাধের সাথে প্রিপোজিশন হিসেবে by বসে না। B) with — Charged শব্দের সাথে with বসে, কিন্তু accused শব্দের সাথে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী with বসে না। D) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে for বসে, কিন্তু এখানে অপরাধের নির্দিষ্ট নিয়মের কারণে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Accused শব্দের অর্থ অভিযুক্ত এবং এর সাথে সবসময় অবজেক্ট হিসেবে of প্রিপোজিশন বসে।
a goes
b go
c went
d will go
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) goes কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'with' বা 'along with' থাকলে প্রথম Subject অনুসারে verb বসে। এখানে Masum singular subject হওয়ায় এর সাথে singular verb 'goes' ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যে 'daily' শব্দটি থাকায় এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) goes — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) go — এটি plural verb, যা singular subject 'Masum' এর সাথে বসে না। C) went — এটি Past Tense, কিন্তু বাক্যের 'daily' শব্দটি Present Tense নির্দেশ করে। D) will go — এটি Future Tense, কিন্তু বাক্যের নিয়মিত অভ্যাস বোঝাতে Simple Present Tense দরকার। মনে রাখার টিপস: subject এর সাথে with থাকলে প্রথম subject অনুযায়ী verb singular বা plural হবে।
a is attending
b are attending
c have attended
d have been attended
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) are attending কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে Two-thirds এর মতো ভগ্নাংশ থাকলে এবং তার পরে plural noun (the team এর সদস্যরা) থাকলে verb টি plural হয়। এখানে দলটির সদস্যরা আলাদাভাবে কনফারেন্সে যোগ দিচ্ছেন বোঝাচ্ছে। তাই singular verb না হয়ে plural verb বসেছে। এছাড়াও বর্তমান সময়ের ধারাবাহিক কাজ বোঝাতে present continuous tense ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is attending — Subject plural হওয়ায় এখানে singular verb is বসতে পারে না। B) are attending — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) have attended — এটি present perfect tense নির্দেশ করে, যা এখানে প্রসঙ্গ অনুযায়ী সঠিক নয়। D) have been attended — এটি passive voice গঠন করে, কিন্তু এখানে subject নিজেই কাজ করছে তাই active voice হবে। মনে রাখার টিপস: ভগ্নাংশের পরে plural noun থাকলে verb সবসময় plural হয়।
a present form of the verb
b past form of the verb
c past participle form of the verb
d base infinitive form of the verb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) past participle form of the verb কেন সঠিক: বাক্যটিতে 'have/get' এর পর অবজেক্ট এবং তারপর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসেছে। 'Cut' ভার্বের প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই হলেও এখানে এটি Causative Verb-এর প্যাসিভ অর্থ প্রকাশ করায় পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) present form of the verb — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হলে সাবজেক্টের পর সরাসরি বসত এবং থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলে এর সাথে এস যুক্ত হতো। B) past form of the verb — এটি পাস্ট ফর্ম হলে এর আগে কোনো অক্সিলারি ভার্ব ছাড়া সরাসরি পাস্ট অর্থ প্রকাশ করত কিন্তু এখানে তা হয়নি। C) past participle form of the verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) base infinitive form of the verb — এটি বেস ইনফিনিটিভ হলে এর আগে টু থাকতো অথবা এটি সাহায্যকারী ভার্বের পর সরাসরি বসতো না। মনে রাখার টিপস: Causative verb-এর পর বস্তুবাচক অবজেক্ট থাকলে পরের মূল ভার্বটি সবসময় পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হয়।
a on/ of
b into/ of
c in/ for
d about/ for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) into/ of কেন সঠিক: Insight শব্দের পরে সাধারণত into বসে যার অর্থ হলো কোনো বিষয়ের ভেতরে প্রবেশ করা বা গভীর কোনো ধারণা লাভ করা। Evidence শব্দের পরে of বসে যা কোনো বিষয়ের প্রমাণ বা সত্যতা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on/ of — Insight শব্দের পরে on preposition সঠিক নয় কারণ এটি গভীর জ্ঞান অর্থ বোঝায় না। B) into/ of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) in/ for — Insight এর পরে in এবং evidence এর পরে for ব্যবহার করলে সঠিক অর্থ প্রকাশ পায় না। D) about/ for — Insight এর পরে about এবং evidence এর পরে for বসালে ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম লঙ্ঘন হয়। মনে রাখার টিপস: Insight এর পরে ہمیشہ into এবং Evidence এর পরে সাধারণত of বসে।
a Streotypical
b Striotypical
c Steriotypical
d Stereotypical
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Stereotypical কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে শুরুতে 'Stereo' অংশটি থাকে যা একটি সঠিক উপসর্গ। এর সাথে 'typical' যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। মধ্যবর্তী অংশে সঠিক স্বরবর্ণের ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Streotypical — প্রথম অংশে 'e' অক্ষরটি বাদ পড়ার কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। B) Striotypical — শুরুর দিকে 'Stereo' এর পরিবর্তে 'Strio' ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। C) Steriotypical — মাঝের অংশে 'eo' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'io' ব্যবহার করা হয়েছে। D) Stereotypical — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আদর্শ নিয়মে গঠিত। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে প্রথমে Stereo এবং পরে typical লিখে একসাথে যুক্ত করে ফেলবে।
a must have been deleting
b must have deleted
c must have delete
d must be deleting
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) must have deleted কেন সঠিক: অতীতে কোনো কাজ নিশ্চিতভাবে ঘটেছিল বোঝাতে must have এর পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। এখানে ডকুমেন্টটি খুঁজে না পাওয়ার কারণ হিসেবে অতীতে সেটি ডিলিট করা নিশ্চিত বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) must have been deleting — এটি ভুল কারণ এখানে ডিলিট করার কাজটি চলমান ছিল বোঝায়, যা অর্থসংগত নয়। B) must have deleted — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) must have delete — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ have এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল form বসে, প্রেজেন্ট form বসে না। D) must be deleting — এটি বর্তমান কালের জন্য ব্যবহার হয়, কিন্তু ঘটনাটি অতীতের। মনে রাখার টিপস: অতীতের কোনো নিশ্চিত অনুমানের ক্ষেত্রে must have এর পরে সবসময় ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (7)

a 345.6
b 435.6
c 535.6
d 453.6
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৩৫.৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ একর জমি = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট ১ একর জমি = ১০০ শতাংশ ধরি, ১ শতাংশ জমির পরিমাণ = ১ একর ÷ ১০০ অতএব, ১ শতাংশ = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট ÷ ১০০ সুতরাং, ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬ বর্গফুট উত্তর: ৪৩৫.৬ বর্গফুট
a ৮২.৫ ফুট
b ৬৬ ফুট
c ৩৩০ ফুট
d ১১০ ফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩০ ফুট প্রদত্ত তথ্য: স্কেলের মাপ = ১৬ ইঞ্চিতে ১ মাইল ১ মাইল = ১৭৬০ গজ বা ৫২৮০ ফুট ধরি, নকশার ১ ইঞ্চি সমান সরজমিনের দূরত্ব = ক ফুট অতএব, ১৬ ইঞ্চিতে সরজমিনে দূরত্ব হয় ৫২৮০ ফুট সুতরাং, ১ ইঞ্চিতে সরজমিনে দূরত্ব হবে ৫২৮০ ÷ ১৬ = ৩৩০ ফুট উত্তর: ৩৩০ ফুট
a Leave the message with whom answers the phone.
b Leave the message with whoever answers the phone.
c Leave the message with whomever answer the phone.
d Leave the message with whichever answers the phone.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Leave the message with whoever answers the phone. প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে শূন্যস্থানে সঠিক প্রোনাউন নির্বাচন করতে হবে। এখানে preposition "with" এর পরে একটি সম্পূর্ণ noun clause বসবে। ধরি, clause এর ভেতরের verb হলো "answers"। এই verb এর subject প্রয়োজন। অতএব, subject হিসেবে subjective pronoun বসবে। "whoever" হলো subjective form এবং "whomever" হলো objective form। সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে B) Leave the message with whoever answers the phone. উত্তর: B
a Impassive
b Temperamental
c Sentimental
d Stoic
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Stoic প্রদত্ত তথ্য: প্রশ্নটি ইংরেজি শব্দার্থ বা এক কথায় প্রকাশের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে যেখানে আবেগ দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে বলা হয়েছে ধরি, অপশন এ হলো আবেগহীন বা ভাবলেশহীন কিন্তু এটি নির্দিষ্ট দর্শন বোঝায় না অপশন বি হলো বদমেজাজি বা খিটখিটে স্বভাবের ব্যক্তি অতএব, অপশন সি হলো অতিরিক্ত সংবেদনশীল বা আবেগপ্রবণ ব্যক্তি অপশন ডি হলো সেই ব্যক্তি যিনি সুখে ও দুঃখে সমানভাবে অবিচল থাকেন সুতরাং, আবেগ দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া বা উদাসীন ব্যক্তির সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো স্টোয়িক উত্তর: D) Stoic
a ১ একর
b ১.৯৭ একর
c ২.৫০ একর
d ২.৪৭ একর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২.৪৭ একর প্রদত্ত তথ্য: এক হেক্টর জমির পরিমাপ নির্ণয় করতে হবে। ১ একর এবং ১ হেক্টরের মধ্যে আন্তর্জাতিক মান জানা প্রয়োজন। ধরি, ১ একর = ০.৪০৪৭ হেক্টর অতএব, ১ হেক্টর = ১ ÷ ০.৪০৪৭ একর সুতরাং, হিসাব করলে ১ হেক্টর সমান প্রায় ২.৪৭ একর পাওয়া যায়। উত্তর: ২.৪৭ একর
a ১.১২%
b ১.১৫%
c ১.৩০%
d ১.১৯%
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.১২% প্রদত্ত তথ্য: অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিসংখ্যান অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ সালের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ধরি, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রাক্কলন হলো প্রারম্ভিক চলক জনসংখ্যা বৃদ্ধির নির্ণেয় হার হলো মূল চলক অতএব, বিগত বছরের জনসংখ্যার তুলনামূলক হিসাব বর্তমান বছরের প্রাক্কলিত বৃদ্ধির পরিমাণ সুতরাং, অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ এর তথ্য বিশ্লেষণ উত্তর: ১.১২%
a ৪৬০ একর
b ১৭৬০ একর
c ৬৪০ একর
d ২৪৭ একর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪০ একর প্রদত্ত তথ্য: ১ বর্গমাইল ক্ষেত্রফলের পরিমাপ নির্ণয় করতে হবে ১ মাইল সমান ১৭৬০ গজ এবং ১ একর সমান ৪৮৪০ বর্গ গজ ধরি, ১ মাইলের দৈর্ঘ্য = ১৭৬০ গজ অতএব, ১ বর্গমাইল ক্ষেত্রফল = ১৭৬০ গজ × ১৭৬০ গজ = ৩০৯৭৬০০ বর্গ গজ সুতরাং, ৩০৯৭৬০০ বর্গ গজ ক্ষেত্রফলকে ৪৮৪০ দ্বারা ভাগ করতে হবে উত্তর: ৬৪০ একর

মোট প্রশ্ন (53)

a 143
b 144
c 145
d 146
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 144 কেন সঠিক: - রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ধারা ১৪৪ অনুযায়ী জমি জরিপ শেষে খতিয়ান বা রেকর্ড অব রাইটস (ROR) প্রস্তুত করার বিধান রয়েছে। - এই ধারার আওতায় ভূমি রাজস্ব কর্মকর্তা নির্ধারিত এলাকার জন্য খতিয়ান প্রস্তুত ও প্রকাশ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 143 — এই ধারায় সাধারণত রেকর্ড অব রাইটস এর আগের প্রস্তুতি বা জরিপ সংক্রান্ত প্রাথমিক কার্যক্রমের কথা বলা হয়েছে, সরাসরি প্রস্তুতের বিধান ১৪৪ ধারায়। B) 144 — এটি সঠিক ধারা হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক। C) 145 — এই ধারায় খতিয়ান বা রেকর্ড অব রাইটস এর ওপর আপত্তি বা শুনানির বিধান রয়েছে, প্রস্তুতের বিধান নয়। D) 146 — এই ধারায় প্রস্তুতকৃত রেকর্ড অব রাইটস চূড়ান্তভাবে প্রকাশ ও ফাইনাল প্রকাশের বিধান উল্লেখ আছে। মনে রাখার টিপস: আইন ১৯৫০ এর ১৪৪ ধারা মানেই খতিয়ান বা ROR প্রস্তুত করার বিধান।
a Amnesty International
b Human Rights Watch
c Human Rights council
d International Crisis Group
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Human Rights Watch কেন সঠিক: - ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কার ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এই মানবাধিকার সংস্থাটি একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। - প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগ এবং দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amnesty International — এটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করলেও উল্লিখিত শিরোনামের সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদনটি এই সংস্থা প্রকাশ করেনি। B) Human Rights Watch — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটিই নির্ধারিত শিরোনামে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। C) Human Rights council — এটি জাতিসংঘের একটি আন্তঃসরকার সংস্থা, যা এই ধরনের বেসরকারি গবেষণাভিত্তিক একক প্রতিবেদন প্রকাশের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয়। D) International Crisis Group — এটি মূলত বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন নিয়ে কাজ করে, তবে এই নির্দিষ্ট প্রতিবেদনটি তাদের নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের সংস্কার ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির ক্ষেত্রে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বা এইচআরডব্লিউ নামρο স্মরণ রাখতে হবে।
a Global Information Strategy
b Geographic Intellectual System
c Global Information System
d Geographic Information System
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) Geographic Information System কেন সঠিক: - GIS হলো এমন একটি কম্পিউটারভিত্তিক প্রযুক্তি যা পৃথিবী পৃষ্ঠের ভৌগোলিক উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত ভূগোল সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি বিশেষ একটি সফটওয়্যার ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Global Information Strategy — এটি কোনো স্বীকৃত প্রযুক্তিগত পরিভাষা বা GIS-এর পূর্ণরূপ নয়। B) Geographic Intellectual System — এটি ভূগোলের কোনো প্রযুক্তির সঠিক বা গ্রহণযোগ্য নাম নয়। C) Global Information System — এই শব্দগুলো সঠিক মনে হলেও এটি জিআইএস প্রযুক্তির নির্ধারিত রূপ নয়। D) Geographic Information System — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রযুক্তিগতভাবে সর্বজনস্বীকৃত রূপ। মনে রাখার টিপস: জিআইএস মনে রাখতে জি দিয়ে জিওগ্রাফিক এবং আই দিয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম কথাটি মনে রাখবে।
a বিশ্বব্যাংক
b IMF
c জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)
d ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন (WTO)
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) কেন সঠিক: - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি ১৯৯০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন সূচক বা এইচডিআই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। - স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান এই তিনটি প্রধান সূচকের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন দেশের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বব্যাংক — এটি প্রধানত সদস্য দেশগুলোকে আর্থিক ঋণ ও দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়তা প্রদান করে, মানব উন্নয়ন সূচক প্রকাশ করে না। B) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল হিসেবে বিশ্ব অর্থনীতি এবং মুদ্রানীতির স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে। D) ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন (WTO) — এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতি ও নিয়মকানুন প্রণয়ন এবং তদারকি করে থাকে। মনে রাখার টিপস: মানব উন্নয়ন সূচক মনে রাখতে মনে রাখবেন মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে জাতিসংঘ বা ইউএনডিপি।
a বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
b অর্থ মন্ত্রণালয়
c আইএমএফ (IMF)
d বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো দেশের সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। - দারিদ্র্য মাপার জন্য এই প্রতিষ্ঠান নিয়মিত খানা আয় ও ব্যয় জরিপ পরিচালনা করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠান দেশের দারিদ্র্য ও আর্থসামাজিক জরিপ পরিচালনা করে। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের অর্থনৈতিক নীতিমালা ও বাজেট প্রণয়ন করে, তবে মাঠপর্যায়ে সরাসরি দারিদ্র্য জরিপ পরিচালনা করে না। C) আইএমএফ (IMF) — এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নীতি ও ঋণ সহায়তা নিয়ে কাজ করে। D) বিশ্বব্যাংক — এটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যা বিভিন্ন দেশের দারিদ্র্য নিয়ে গবেষণা করলেও বাংলাদেশে নিয়মিত পরিসংখ্যান জরিপ পরিচালনা করে না। মনে রাখার টিপস: পরিসংখ্যান মানেই সংখ্যা বা তথ্য গণনা, তাই দেশের দারিদ্র্য সংখ্যাও গণনা করে পরিসংখ্যান ব্যুরো।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c খুলনা
d কুমিল্লা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় স্থাপিত হয়। - বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ ও রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা ইপিজেড পরবর্তীতে আশুলিয়ায় স্থাপিত হয়, যা প্রথম নয়। B) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল নেই। C) খুলনা — খুলনা বা মংলা এলাকায় ইপিজেড অনেক পরে স্থাপিত হয়েছে। D) কুমিল্লা — কুমিল্লা ইপিজেডও পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো স্থাপিত হয়। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম থেকেই বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড বা বাণিজ্য যাত্রার সূচনা হয়েছিল।
a ArcGIS
b Auto-CAD
c MS-Word
d Adobe
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ArcGIS কেন সঠিক: - ArcGIS হলো বিশ্বখ্যাত ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা সফটওয়্যার যা নির্ভুল ডিজিটাল ক্যাডাস্ট্রাল ম্যাপ ও জিওস্পেশিয়াল ডেটা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। - এটি জমির সীমানা, মালিকানা এবং ভৌগোলিক উপাত্ত নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ ও সম্পাদনা করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ArcGIS — এটি ডিজিটাল ক্যাডাস্ট্রাল ম্যাপ তৈরিতে সবচেয়ে নির্ভুল তথ্য দেয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) Auto-CAD — এটি মূলত প্রকৌশল, স্থাপত্য ও নকশা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, ক্যাডাস্ট্রাল বা ভূমি মানচিত্রের ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য এটি প্রধান সফটওয়্যার নয়। C) MS-Word — এটি একটি সাধারণ ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যার সাথে মানচিত্র তৈরি বা ভৌগোলিক উপাত্তের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Adobe — এটি গ্রাফিক ডিজাইন, ছবি সম্পাদনা ও প্রকাশনার কাজ করে, যা ভৌগোলিক বা ক্যাডাস্ট্রাল ম্যাপ তৈরির কাজে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: ম্যাপ বা মানচিত্র সম্পর্কিত ডিজিটাল কাজের ক্ষেত্রে সবসময় GIS বা ArcGIS সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
a ভোজ্য তেল
b খাদ্য শস্য
c যন্ত্রপাতি
d জ্বালানি তেল
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জ্বালানি তেল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ তার অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে সিংহভাগ জ্বালানি তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে। - দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন খাত এবং শিল্প কারখানার প্রধান চালিকাশক্তি হলো এই আমদানিকৃত জ্বালানি তেল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোজ্য তেল — বাংলাদেশ ভোজ্য তেল আমদানি করলেও এটি সর্বাধিক আমদানিকৃত পণ্যের তালিকায় শীর্ষস্থানে নেই। B) খাদ্য শস্য — দেশ কৃষিপ্রধান হওয়ায় এবং খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগিয়ে থাকায় খাদ্য শস্য সর্বাধিক আমদানিকৃত পণ্য নয়। C) যন্ত্রপাতি — কলকারখানা ও উন্নয়নের জন্য যন্ত্রপাতি আমদানি করা হলেও জ্বালানি তেলের তুলনায় এর পরিমাণ কম। D) জ্বালানি তেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি খরচ করে চাকা সচল রাখতে এবং আলো জ্বালাতে, যার মূল উপাদান জ্বালানি তেল।
a ম্যাকমোহন লাইন
b নেহেরু-লিযাকত চুক্তি
c র‍্যাডক্লিফ অ্যাওয়ার্ড
d লুই মাউন্টব্যাটেন অ্যাওয়ার্ড
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) র‍্যাডক্লিফ অ্যাওয়ার্ড কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের সীমানা নির্ধারণের জন্য স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বে সীমানা কমিশন গঠিত হয় এবং তার প্রদত্ত রোয়েদাদ অনুযায়ী ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারিত হয়। - এই সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক ভূখণ্ড আলাদা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাকমোহন লাইন — এটি মূলত ১৯৪৭ সালের সীমানা নয়, বরং ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বতের মধ্যে নির্ধারিত সীমানা রেখা। B) নেহেরু-লিযাকত চুক্তি — এটি ১৯৫০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রক্ষা সংক্রান্ত একটি রাজনৈতিক চুক্তি ছিল, সীমানা নির্ধারণের জন্য নয়। C) র‍্যাডক্লিফ অ্যাওয়ার্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৪৭ সালে বঙ্গ প্রদেশ ও পাঞ্জাবের সীমানা নির্ধারণের কাজটি এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। D) লুই মাউন্টব্যাটেন অ্যাওয়ার্ড — এমন কোনো ঐতিহাসিক অ্যাওয়ার্ড নেই, লুই মাউন্টব্যাটেন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় যিনি দেশভাগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৭ সালের দেশভাগে কাটাছেঁড়া বা সীমানা কাটার কাজটি করেছিলেন স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ, তাই মনে রাখুন কাটাকুটি মানেই র‍্যাডক্লিফ।
a PCA
b ICJ
c ICC
d ITLOS
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) PCA কেন সঠিক: - ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সালিশ আদালত বা পার্মানেন্ট কোর্ট অব আরবিট্রেশন রায় প্রদান করেছিল। - ২০১৪ সালের জুলাই মাসে এই সালিশ আদালত রায় ঘোষণা করে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) PCA (Permanent Court of Arbitration) — এই সালিশ আদালতই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধের রায় দিয়েছিল। B) ICJ (International Court of Justice) — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ, যা রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আইনি বিবাদ নিষ্পত্তি করে কিন্তু এই মামলার রায় দেয়নি। C) ICC (International Criminal Court) — এটি যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের আন্তর্জাতিক আদালত, সমুদ্রসীমা বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ITLOS (International Tribunal for the Law of the Sea) — মায়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে এই আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছিল, ভারতের সঙ্গে নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে সালিশ আদালত বা PCA রায় দিয়েছিল, আর মিয়ানমারের সঙ্গে রায় দিয়েছিল ITLOS।
a CS
b RS
c SA
d BDS
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) CS কেন সঠিক: - উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নদীর আদি ও প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করতে ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে বা সিএস নকশাকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরতে হবে। - সিএস জরিপ হলো ব্রিটিশ আমলে প্রস্তুতকৃত প্রথম নির্ভরযোগ্য ভূমি রেকর্ড, যা নদী ও খালের মূল সীমানা নির্ধারণের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CS — এটি ব্রিটিশ আমলের প্রথম ভূমি জরিপ এবং নদী খাল উদ্ধারের জন্য উচ্চ আদালত কর্তৃক নির্দেশিত প্রামাণ্য দলিল। B) RS — রিভিশনাল সার্ভে বা আরএস জরিপে অনেক ক্ষেত্রে নদীর জায়গা জবরদখলকারীদের নামে রেকর্ড হয়ে গেছে বলে আদালত এটি অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। C) SA — স্টেট একুইজিশন সার্ভে বা এসএ জরিপও অনেক ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় নদী উদ্ধারে এটিকে প্রধান ভিত্তি হিসেবে ধরা হয় না। D) BDS — বাংলাদেশ ডিটেইলড সার্ভে বা বিডিএস হলো আধুনিক ডিজিটাল জরিপ, যা নদী উদ্ধারের ক্ষেত্রে আদি সীমানা নির্ধারণের জন্য সিএস জরিপের পরে বিবেচনা করা হয়। মনে রাখার টিপস: নদী উদ্ধার মানেই আদি রূপ ফেরানো, আর আদি রূপ পেতে হলে ব্রিটিশ আমলের আদি বা সিএস জরিপ ফলো করতে হবে।
a আয়কর
b মূল্য সংযোজন কর
c শুল্ক
d ভূমি উন্নয়ন কর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মূল্য সংযোজন কর কেন সঠিক: - মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে পরিচালিত কর ব্যবস্থার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব জোগান দেয়। - দৈনন্দিন ব্যবহার্য পণ্য ও সেবার ওপর এই পরোক্ষ কর আদায় করা হয় বলে এটি সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়কর — এটি সরকারের রাজস্ব আদায়ের একটি বড় উৎস হলেও বর্তমানে প্রত্যক্ষ কর হিসেবে ভ্যাটের চেয়ে এর অবদান দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) শুল্ক — আমদানি ও রপ্তানির ওপর ধার্যকৃত এই শুল্ক মোট রাজস্ব আয়ের একটি অংশ হলেও এটি প্রধান উৎস নয়। D) ভূমি উন্নয়ন কর — এটি ভূমি মালিকদের নিকট থেকে আদায় করা হয় এবং এর পরিমাণ সামগ্রिक রাজস্ব আয়ে তুলনামূলকভাবে বেশ কম। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সরকারের বেশি রাজস্ব আসে কেনাকাটার ওপর দেওয়া ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর থেকে।
a তৌজি
b পেরিফেরি
c হালট
d জমাবন্দী
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পেরিফেরি কেন সঠিক: - পেরিফেরি শব্দের অর্থ হলো পরিধি বা সীমানা নির্ধারণ করা। - হাট বাজারের নকশা তৈরি এবং এর চারপাশের চতুসীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিকভাবে পেরিফেরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৌজি — তৌজি হলো সরকারের রাজস্ব আদায়ের জন্য প্রস্তুতকৃত জমির হিসাব বা রেজিস্টার, যা হাট বাজারের নকশার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) পেরিফেরি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সীমানা বা পরিধি নির্ধারণ করা। C) হালট — হালট হলো চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট গ্রামীণ রাস্তা বা গোচারণ ভূমি, যা হাট বাজারের নকশার সঙ্গে মেলে না। D) জমাবন্দী — জমাবন্দী হলো কৃষকের জমির মালিকানা এবং খাজনার বিবরণী সংক্রান্ত রাজস্ব রেকর্ড। মনে রাখার টিপস: চারপাশের সীমানা বা পরিধি বোঝাতে পেরিফেরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যা হাট বাজারের চতুসীমা নির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত।
a অনুচ্ছেদ ১৯
b অনুচ্ছেদ ২৭
c অনুচ্ছেদ ২৮
d অনুচ্ছেদ ২৯
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ২৭ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়ের অধিকারী বলে ঘোষণা করা হয়েছে। - এটি বাংলাদেশের সংবিধানে প্রদত্ত অন্যতম একটি মৌলিক অধিকার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ১৯ — সুযোগের সমতার সাথে সম্পর্কিত। B) অনুচ্ছেদ ২৭ — এটি সঠিক উত্তর। C) অনুচ্ছেদ ২৮ — ধর্ম, বর্ণ ইত্যাদির ভিত্তিতে বৈষম্যের নিষেধের সাথে সম্পর্কিত। D) অনুচ্ছেদ ২৯ — সরকারি চাকরিতে নিয়োগলাভের সুযোগের সমতার সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: আইনের চোখে সবাই সমান, এই কথাটি মনে রাখতে ২৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a 51
b 95
c 111
d 162
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১১ কেন সঠিক: - ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময় চুক্তি কার্যকর হয়। - এই চুক্তির ফলে ভারতের ভূখণ্ডে থাকা বাংলাদেশের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫১০ - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলাদেশ ভারতের ভেতরে থাকা ১১১টি ছিটমহল লাভ করে। B) ৯৫ - এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না এবং চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ছিটমহলের সংখ্যার হিসাব নয়। C) ১১১ - এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ এই সংখ্যক ছিটমহল ভারতের কাছ থেকে লাভ করে। D) ১৬২ - এটি মোট ছিটমহল বিনিময়ের সংখ্যা, যেখানে বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ছিটমহল ছিল ৫১টি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বড় তাই বেশি পায়, অর্থাৎ ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশ পায় ১১১টি এবং ভারতের পায় ৫১টি।
a জেলা পরিষদ
b সিটি কর্পোরেশন
c উপজেলা প্রশাসন
d ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপজেলা প্রশাসন কেন সঠিক: - উপজেলা প্রশাসন হলো সরকারি বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত একটি সরকারি দপ্তর, যা স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান নয়। - স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত পরিষদগুলোই কেবল স্থানীয় সরকারের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা পরিষদ — এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও নির্বাচিত স্তর, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) সিটি কর্পোরেশন — এটি শহরাঞ্চলের জন্য গঠিত একটি স্বায়ত্বশাসিত ও নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। C) উপজেলা প্রশাসন — এটি সরাসরি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত নয় বরং এটি সরকারি প্রশাসনিক ইউনিট। D) ইউনিয়ন পরিষদ — এটি গ্রামীণ অঞ্চলের সর্বনিম্ন স্তরের নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: প্রশাসনের সাথে সরকারি কর্মকর্তা জড়িত থাকেন আর পরিষদের সাথে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা থাকেন, তাই প্রশাসন স্থানীয় সরকার নয়।
a ৪ ইঞ্চি = ১ মাইল
b ৮ ইঞ্চি = ১ মাইল
c ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল
d ৩২ ইঞ্চি = ১ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল কেন সঠিক: - ভূমি জরিপ ও ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্র প্রস্তুতের আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মানদণ্ড অনুযায়ী সাধারণ মৌজা ম্যাপের স্কেল ১৬ ইঞ্চি সমান ১ মাইল নির্ধারণ করা হয়। - এই স্কেলে ১ মাইলের ভূখণ্ডকে মানচিত্রে ১৬ ইঞ্চি দূরত্বে প্রদর্শন করা হয়, যা গ্রামীণ জমির প্লট বা দাগ স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করার জন্য আদর্শ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ইঞ্চি = ১ মাইল — এই স্কেল সাধারণ মৌজা ম্যাপের জন্য খুব ছোট এবং এটি বৃহত্তর এলাকা বা থানা ম্যাপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। B) ৮ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটিও মৌজা ম্যাপের আদর্শ স্কেল নয়, সাধারণত বিশেষ অঞ্চলের কম বিস্তারিত নকশার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়। C) ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের ক্যাডাস্ট্রাল বা মৌজা ম্যাপের জন্য নির্ধারিত আদর্শ স্কেল। D) ৩২ ইঞ্চি = ১ মাইল — এই স্কেলটি সাধারণ মৌজা ম্যাপের চেয়ে দ্বিগুণ বড় এবং এটি সাধারণত ঘনবসতিপূর্ণ শহর বা মিউনিসিপ্যাল এলাকার বিশদ মানচিত্রের জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মৌজা ম্যাপ মানেই ১৬ ইঞ্চি সমান ১ মাইল, কারণ জমির সঠিক সীমানা ও দাগ নম্বর স্পষ্টভাবে দেখাতে এই ১৬ সংখ্যাটি মনে রাখা জরুরি।
a ১০০ গজ
b ১৫০ গজ
c ৫০০ গজ
d ১০০০ গজ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০ গজ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন ও প্রোটোকল অনুযায়ী আন্তর্জাতিক সীমান্ত বা জিরো পয়েন্ট থেকে ১৫০ গজের মধ্যে স্থায়ী কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। - সীমান্ত সুরক্ষা বজায় রাখা, চোরাচালান রোধ এবং দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা সামরিক উত্তেজনা এড়ানোর উদ্দেশ্যে এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ গজ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন অনুযায়ী ১৫০ গজের মধ্যে স্থায়ী স্থাপনা নিষিদ্ধ, ১০০ গজ নয়। B) ১৫০ গজ — এটি সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত নীতিমালায় স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট দূরত্ব নির্ধারিত রয়েছে। C) ৫০০ গজ — এটি ভুল কারণ জিরো পয়েন্ট থেকে স্থায়ী স্থাপনা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে ৫০০ গজের কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। D) ১০০০ গজ — এটি সঠিক নয় কারণ সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থাপনা নিষিদ্ধের ক্ষেত্রে এই দীর্ঘ দূরত্ব আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে নিরাপদ দূরত্বের জন্য দেড় শ বা ১৫০ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a GNSS & GPS
b Gunter’s Chain
c ETS
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) GNSS & GPS কেন সঠিক: - জিওডেটিক কন্ট্রোল পিলারের নিখুঁত ভৌগোলিক অবস্থান ও উচ্চতা নির্ধারণের জন্য স্যাটেলাইটভিত্তিক প্রযুক্তি GNSS এবং GPS ব্যবহার করা হয়। - আধুনিক সার্ভে ও পরিমাপে এই প্রযুক্তি সর্বোচ্চ নির্ভুলতা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) GNSS & GPS — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইট সিগন্যালের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট জিওডেটিক মান পাওয়া যায়। B) Gunter’s Chain — এটি জমি পরিমাপের একটি ঐতিহ্যগত শিকল বা চেইন, যা স্যাটেলাইট পজিশনিংয়ের কাজে ব্যবহৃত হয় না। C) ETS — এটি ইলেকট্রনিক টোটাল স্টেশন, যা কোণ ও দূরত্ব মাপে কিন্তু সরাসরি জিওডেটিক স্যাটেলাইট কন্ট্রোল পিলারের মান নির্ধারণের প্রধান প্রযুক্তি নয়। D) none — এটি প্রযোজ্য নয় কারণ অপশন এ তে সঠিক উত্তর বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: জিওডেটিক মান মানেই স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, তাই সংক্ষেপে মনে রাখুন জিওডেটিক পiller মানেই জিপিএস বা জিএনএসএস।
a জুরিসডিকশন লিস্ট
b জুরিসডিকশন লেজার
c জুরিসডিকশন লিমিট
d জয়েন্ট ল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জুরিসডিকশন লিস্ট কেন সঠিক: - জে. এল (J. L) এর পূর্ণরূপ হলো জুরিসডিকশন লিস্ট, যার বাংলা অর্থ এক্তিয়ার তালিকা বা এলাকাভিত্তিক নম্বর। - ভূমি বা জমির রেকর্ডে প্রতিটি মৌজার একটি নির্দিষ্ট ক্রমিক নম্বর থাকে, যা জুরিসডিকশন লিস্ট নম্বর বা জেএল নম্বর নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুরিসডিকশন লিস্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভূমি প্রশাসনের মৌজা শনাক্তকরণে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। B) জুরিসডিকশন লেজার — এটি ভুল কারণ ভূমি রেকর্ডে লেজার বলতে খতিয়ান বোঝায়, মৌজা নম্বর বোঝায় না। C) জুরিসডিকশন লিমিট — এটি ভুল কারণ এই শব্দগুচ্ছ দিয়ে সীমানা বোঝায়, মৌজার ক্রমিক নম্বর বোঝায় না। D) জয়েন্ট ল্যান্ড — এটি ভুল কারণ এটি যৌথ জমি বোঝায়, যা জে. এল এর পূর্ণরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: জমির জে. এল (J. L) নম্বর মনে রাখার জন্য জে-তে জুরিসডিকশন এবং এল-তে লিস্ট বা তালিকা কথাটি মনে রাখতে হবে।
a দূরত্ব মাপতে
b উচ্চতা মাপতে
c কোণ মাপতে
d আয়তন মাপতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কোণ মাপতে কেন সঠিক: - থিওডোলাইট হলো জরিপ কাজের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র যা ভূমির উপরে দুটি বিন্দুর মধ্যে আনুভূমিক ও উলম্ব কোণ নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - ত্রিভুজভিত্তিক জরিপ পদ্ধতি বা ট্রাভার্স সার্ভিংয়ে বিভিন্ন রেখার মধ্যকার কোণ নির্ধারণে এই যন্ত্রের ব্যবহার অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূরত্ব মাপতে — দূরত্ব মাপার জন্য সাধারণত চেইন, ফিতা বা আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিস্টন্স মিটার ব্যবহার করা হয়, থিওডোলাইট কোণ মাপার জন্য প্রধানত ব্যবহৃত হয়। B) উচ্চতা মাপতে — উচ্চতা বা ত্রিকোণমিতিক উচ্চতা পরিমাপে এটি পরোক্ষভাবে সাহায্য করলেও এর মূল কাজ কোণ মাপা। D) আয়তন মাপতে — আয়তন সরাসরি জরিপ যন্ত্র দিয়ে মাপা যায় না, এটি বিভিন্ন পরিমাপের ডেটা দিয়ে গাণিতিক সূত্রে হিসাব করা হয়। মনে রাখার টিপস: থিওডোলাইট নামের সাথে কোণ শব্দটির মিল মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a ১১ নভেম্বর, ২০২৪
b ২৯ আগস্ট, ২০২৪
c ৩০ আগস্ট, ২০২৪
d ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৯ আগস্ট, ২০২৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক কনভেনশনে (International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance) স্বাক্ষর করে। - প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই দলিলে স্বাক্ষর করেন, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষায় সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ নভেম্বর, ২০২৪ — এই তারিখে গুমবিরোধী কনভেনশনের সঙ্গে সরাসরি এই স্বাক্ষরের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) ২৯ আগস্ট, ২০২৪ — এটি সঠিক তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গৃহিত হয়েছে। C) ৩০ আগস্ট, ২০২৪ — আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস হলেও বাংলাদেশ এর আগের দিন এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করে। D) ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ — এই তারিখটি গুমবিরোধী কনভেনশন স্বাক্ষরের দিন হিসেবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে অর্থাৎ ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।
a জেলা প্রশাসক
b জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার
c বিভাগীয় কমিশনার
d সহকারী কমিশনার (ভূমি)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেন সঠিক: - ভূমি ব্যবস্থাপনা ও রেকর্ড সংশোধনের আইন অনুযায়ী খতিয়ান বা রেকর্ড চূড়ান্ত প্রকাশের পর সামান্য করণিক বা মুসাবিদা ভুল সংশোধনের এখতিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর ওপর ন্যস্ত থাকে। - এটি মাঠপর্যায়ে ভূমি সংক্রান্ত ছোটখাটো ভুল দ্রুত সমাধানের একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা প্রশাসক — তিনি পুরো জেলার প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা হলেও সরাসরি সাধারণ করণিক ভুল সংশোধনের কাজটি এই স্তরে করা হয় না। B) জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার — জরিপ চলাকালীন রেকর্ড সংশোধনের ক্ষমতা তাদের থাকলেও গেজেট প্রকাশের পর এই ক্ষমতা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নিকট হস্তান্তরিত হয়। C) বিভাগীয় কমিশনার — তিনি বিভাগীয় স্তরের প্রশাসনিক প্রধান এবং ভূমি রেকর্ড প্রকাশের পরবর্তী করণিক সংশোধনের সরাসরি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নন। D) সহকারী কমিশনার (ভূমি) — রেকর্ড চূড়ান্ত প্রকাশের পর করণিক ভুল সংশোধনের ক্ষমতা আইনগতভাবে এই কর্মকর্তারই রয়েছে। মনে রাখার টিপস: চূড়ান্ত রেকর্ড প্রকাশের পর ছোটখাটো করণিক ভুল সংশোধনের শেষ ঠিকানা হলো এসি ল্যান্ড অফিস।
a EVEREST 1830
b WGS 84
c NAD27
d ED-50
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) WGS 84 কেন সঠিক: - WGS 84 (World Geodetic System 1984) হলো একটি বিশ্বজনীন আদর্শ স্থানাংক ব্যবস্থা যা বর্তমানের গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম এবং আন্তর্জাতিক সীমানা জরিপে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - এটি সমগ্র পৃথিবীকে কেন্দ্র করে একটি একক ত্রিমাত্রিক রেফারেন্স ফ্রেম তৈরি করে, যা আধুনিক স্যাটেলাইটভিত্তিক জিপিএস প্রযুক্তির সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EVEREST 1830 — এটি একটি অত্যন্ত পুরোনো স্থানীয় ডেটাম যা মূলত ব্রিটিশ আমলে দক্ষিণ এশিয়ার জরিপের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, বর্তমান বৈশ্বিক বা স্যাটেলাইট জরিপের জন্য উপযুক্ত নয়। B) WGS 84 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা আধুনিক আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ এবং বৈশ্বিক অবস্থান নির্ণয়ে সর্বজনীনভাবে ব্যবহৃত হয়। C) NAD27 — এটি নর্থ আমেরিকান ডেটাম ১৯২৭ (North American Datum 1927), যা শুধুমাত্র উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের ভৌগোলিক জরিপের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। D) ED-50 — এটি ইউরোপিয়ান ডেটাম ১৯৫০ (European Datum 1950), যা কেবল ইউরোপীয় অঞ্চলের পুরোনো জরিপ কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো, বৈশ্বিক মাপকাঠির জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৮৪ সালে প্রযুক্তির আধুনিকায়নের ফলে ওয়ার্ল্ড জিওডেটিক সিস্টেম চালু হয়, যা বর্তমান বিশ্বের যেকোনো স্থান নিখুঁতভাবে মাপতে ডব্লিউজিএস চৌুরাশি (WGS 84) নামে পরিচিত।
a ১০০ গজ
b ১০০ ফুট
c ২০ গজ
d ২২ গজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ গজ কেন সঠিক: - গান্টার চেইন হলো ব্রিটিশ surveyors বা ভূমি জরিপকারীদের ব্যবহৃত একটি ঐতিহ্যবাহী পরিমাপক শিকল। - ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক অনুসারে ১ গান্টার চেইনের দৈর্ঘ্য হলো ঠিক ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ গজ — এটি গান্টার চেইনের দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক বেশি এবং ভূমি পরিমাপে চেইনের এই মাপ ব্যবহার করা হয় না। B) ১০০ ফুট — ১ গান্টার চেইন কখনো ১০০ ফুট হয় না, কারণ এর দৈর্ঘ্য মাত্র ৬৬ ফুট বা ২২ গজ। C) ২০ গজ — এটি ভুল মাপ, কারণ গান্টার চেইনের নির্দিষ্ট আদর্শ দৈর্ঘ্য হলো ২২ গজ। D) ২২ গজ — এটি সঠিক মাপ এবং ১ গান্টার চেইন সর্বদা ২২ গজ বা ৬৬ ফুট দীর্ঘ হয়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ এবং ১ গান্টার চেইনের দৈর্ঘ্যও ২২ গজ; এই মিলটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যাবে।
a উপন্যাস
b গল্প
c নাটক
d গীতিকাব্য
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গল্প কেন সঠিক: - ‘পানকৌড়ির রক্ত’ হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি সুপরিচিত ছোটগল্প। - এটি মূলত বাংলা কথাসাহিত্যের ছোটগল্প ধারার একটি অনন্য সংযোজন, যা চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে সমৃদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এটি কোনো দীর্ঘ আকৃতির উপন্যাস নয়, বরং সীমিত পরিসরে সমাপ্ত একটি ছোটগল্প। B) গল্প — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রাসঙ্গিক। C) নাটক — এর মধ্যে কোনো দৃশ্যপট বা সংলাপভিত্তিক নাট্যরূপের বৈশিষ্ট্য নেই। D) গীতিকাব্য — এটি কোনো পদ্য বা ছন্দের আকারে রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত। মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘পানকৌড়ির রক্ত’ একটি বিখ্যাত গল্প, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে তাঁর কলমে ছোটগল্পেও জীবনের গভীর সত্য ফুটে ওঠে।
a বান্দরবান
b কক্সবাজার
c খাগড়াছড়ি
d রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - রাঙ্গামাটি জেলার পূর্ব দিকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য এবং দক্ষিণ-পূর্বে মায়ানমার রাষ্ট্র অবস্থিত। - বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোর মধ্যে একমাত্র রাঙ্গামাটি জেলার সাথেই ভারত ও মায়ানমার উভয় দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এই জেলার সাথে শুধুমাত্র মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে, ভারতের কোনো সীমান্ত নেই। B) কক্সবাজার — এই জেলার সাথে শুধু মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে এবং এটি কোনো দেশের সাথে যৌথ সীমান্ত ভাগ করে না। C) খাগড়াছড়ি — এই জেলার সাথে শুধুমাত্র ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে, মায়ানমারের কোনো সীমান্ত নেই। D) রাঙ্গামাটি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর সাথে ভারত ও মায়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: রাঙা মাটি দুই দেশের সাথে লাগোয়া, অর্থাৎ রাঙ্গামাটি জেলার সীমান্ত ভারত ও মায়ানমার উভয়ের সাথেই যুক্ত।
a হাইড্রোলজিক্যাল সার্ভে
b ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে
c ফোটগ্রামমেট্রি সার্ভে
d ট্র্যাভার্স সার্ভে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফোটগ্রামমেট্রি সার্ভে কেন সঠিক: - ফোটগ্রামমেট্রি সার্ভে হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যার মাধ্যমে বিমান বা ড্রোন থেকে ছবি তুলে পৃথিবীর পৃষ্ঠের বিভিন্ন ভূখণ্ডের নিখুঁত পরিমাপ ও মানচিত্র তৈরি করা হয়। - এটি মূলত রিমোট সেন্সিং বা দূরসংবেদনের একটি অংশ, যা দুর্গম এলাকার সঠিক জরিপ কাজের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোলজিক্যাল সার্ভে — এটি জলবায়ু ও ভূগর্ভস্থ পানি, নদী, হ্রদ এবং সমুদ্রের পানির গতিপ্রকৃতি ও উৎস সম্পর্কিত জরিপের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে — এটি মূলত জমির মালিকানা নির্ধারণ, সীমানা নির্ধারণ এবং খাজনা আদায়ের উদ্দেশ্যে করা ভূ-সম্পত্তির আইনি জরিপ। D) ট্র্যাভার্স সার্ভে — এটি ভূমির ওপর চেইন, ফিতা বা থিওডোলাইট ব্যবহার করে কৌণিক দূরত্ব মেপে মাটির ওপর সরাসরি করা এক ধরনের জরিপ পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: ফোটো বা ছবি থেকে যে সার্ভে হয় তাকে ফোটগ্রামমেট্রি সার্ভে বলে।
a শিশির
b চাঁদ
c বাতাস
d জোছনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিশির কেন সঠিক: - 'নীহার' একটি তৎসম শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো প্রাতঃকালে ঘাস বা পাতার ওপর জমে থাকা শিশিরবিন্দু। - বাংলা সাহিত্য ও কাব্যে শীতের সকালে ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশির — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'নীহার' শব্দের অর্থ শিশির। B) চাঁদ — চাঁদের সংস্কৃত প্রতিশব্দ চন্দ্র, শশাঙ্ক বা সুধাংশু, নীহার নয়। C) বাতাস — বাতাসের প্রতিশব্দ হলো বায়ু, অনিল বা বাতাস, নীহার এর অর্থ নয়। D) জোছনা — চাঁদের আলোর প্রচলিত রূপ হলো জোছনা, যা নীহার শব্দ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: সকালে গাছের পাতায় জমে থাকা শিশির দেখতে নীহার বা কুহেলি বা কুয়াশার মতো লাগে।
a প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
b স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
c সার্ভে অব বাংলাদেশ
d ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) সার্ভে অব বাংলাদেশ কেন সঠিক: - সার্ভে অব বাংলাদেশ দেশের সরকারি জরিপ ও মানচিত্র প্রস্তুতকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান। - আন্তর্জাতিক সীমানা চিহ্নিতকরণ, সীমানা পিলার স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব এই প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি দেশের সামরিক বাহিনী পরিচালনা ও জাতীয় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত, সীমানা পিলার রক্ষণাবেক্ষণ এর কাজ নয়। B) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় — এটি দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষী বিজিবি পরিচালনা করে, তবে জরিপ বা পিলার মেরামতের কাজ এটি করে না। C) সার্ভে অব বাংলাদেশ — আন্তর্জাতিক সীমানা চিহ্নিতকরণ ও সীমানা পিলার রক্ষণাবেক্ষণের কাজটি সরাসরি এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। D) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — এটি দেশের অভ্যন্তরীণ জমির মালিকানা নির্ধারণ ও ক্যাডাস্ট্রাল জরিপের কাজ করে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার এর আওতাভুক্ত নয়। (নোট: প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, সঠিক উত্তর সার্ভে অব বাংলাদেশ) মনে রাখার টিপস: সীমানা ও পিলারের মাপজোখ বা জরিপের কাজ মানেই মানচিত্র প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান সার্ভে অব বাংলাদেশ।
a সরকারি কমিশনার
b অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)
c জেলা প্রশাসক
d ভূমি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেলা প্রশাসক কেন সঠিক: - ভূমি আইন ও রেকর্ড ম্যানুয়াল অনুযায়ী খাস জমি এবং অর্পিত বা সরকারি সম্পত্তি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে থাকে। - জরিপকালে নতুন সৃষ্টি হওয়া বা সরকারের অনুকُلে খাস হওয়া সকল জমি আইনগতভাবে জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডভুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরকারি কমিশনার — এই পদটি বাংলাদেশের ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থায় প্রচলিত বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো নির্দিষ্ট পদ নয়। B) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) — তিনি জেলা প্রশাসককে রাজস্ব কাজে সহায়তা করেন, তবে জমির রেকর্ড তার নামে নয়, জেলা প্রশাসকের নামে হয়। D) ভূমি মন্ত্রণালয় — এটি নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়, কিন্তু মাঠপর্যায়ে জমির আইনি রেকর্ড বা মালিকানা মন্ত্রণালয়ের নামে হয় না। মনে রাখার টিপস: খাস জমির অভিভাবক জেলা প্রশাসক, তাই জরিপে খাস জমি সবসময় জেলা প্রশাসকের নামেই রেকর্ড করা হয়।
a পয়স্তি
b সিকস্তি
c চর
d দিয়ারা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিকস্তি কেন সঠিক: - নদীভাঙনের ফলে কোনো জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়াকে বা নদী কর্তৃক জমি কেটে নেওয়ার ভূগোলের পরিভাষায় সিকস্তি বলা হয়। - এটি মূলত প্রমত্তা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকায় জমি হারানোর একটি আইনি ও ঐতিহাসিক ভূমি পরিভাষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পয়স্তি — নদীগর্ভ থেকে পলি জমে যে নতুন ভূমি বা জমির জেগে ওঠা বোঝায়, তাকে পয়স্তি বলে, যা নদীভাঙনের উল্টো প্রক্রিয়া। B) সিকস্তি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ নদীর ভাঙনে জমি হারিয়ে যাওয়াকে সিকস্তি বলা হয়। C) চর — নদী বা সাগরের বুকে পলি জমে যে অস্থায়ী বা স্থায়ী দ্বীপ সদৃশ উঁচু ভূমি জেগে ওঠে, তাকে চর বলা হয়। D) দিয়ারা — নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নদীর মাঝে পলি জমে গঠিত উর্বর পলভূমি বা পলিদ্বীপকে দিয়ারা বলা হয়। মনে রাখার টিপস: সিকস্তি শব্দটিতে 'ক্ষতি' বা শেষ হয়ে যাওয়ার ভাব আছে, তাই মনে রাখবেন নদীভাঙনে জমি ক্ষয় হয়ে শেষ বা বিলীন হওয়া মানেই সিকস্তি।
a ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩
b বঙ্গীয় প্রজা স্বত্ব আইন ১৮৮৫
c রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০
d সার্ভে আইন ১৮৭৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ কেন সঠিক: - এই আইনের মাধ্যমে জমিদারী প্রথার বিলুপ্তি ঘটে এবং কৃষকরা সরাসরি সরকারের অধীনে জমির মালিকানা লাভ করে। - কৃষকদের দীর্ঘদিনের শোষণ থেকে মুক্তি দেওয়ায় এবং ঐতিহাসিক অধিকার নিশ্চিত করায় এই আইনকে রায়তের ম্যগনাকার্টা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ — এটি আধুনিক ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধ ও তার প্রতিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত সাম্প্রতিক আইন, ঐতিহাসিক প্রজা অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বি) বঙ্গীয় প্রজা স্বত্ব আইন ১৮৮৫ — এটি ব্রিটিশ আমলে প্রজাদের কিছু অধিকার দিলেও এর মাধ্যমে জমিদারী প্রথার অবসান বা রায়তের ম্যগনাকার্টা বলা হয় না। সি) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ — এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ডি) সার্ভে আইন ১৮৭৫ — এটি ভূমি জরিপ ও পরিমাপ সংক্রান্ত কাজের নিয়মাবলী নির্ধারণের জন্য প্রণীত আইন, প্রজা অধিকারের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ম্যগনাকার্টা মানে মুক্তির সনদ। ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইন কৃষকদের জমিদারদের শোষণ থেকে মুক্তি দিয়েছিল বলেই একে রায়তের ম্যগনাকার্টা বলা হয়।
a মৌজার ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে ডাটা সংগ্রহ করে।
b মৌজার আয়তন পরিমাপ করে।
c মৌজার সীমানা পরিমাপ করে।
d জমির মালিকের তথ্য সংগ্রহ করে।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৌজার আয়তন পরিমাপ করে। কেন সঠিক: - ইএসটি (EST) মেশিনের মূল কাজ হলো ইলেকট্রনিক উপায়ে জমির ক্ষেত্রফল বা আয়তন নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা। - ভূমি জরিপের সময় মৌজার ভেতরের বিভিন্ন প্লটের মোট আয়তন বা পরিধি নির্ধারণ করতে এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌজার ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে ডাটা সংগ্রহ করে। — এটি ডিজিটাল সার্ভে বা সিএস সার্ভের সামগ্রিক প্রক্রিয়ার অংশ, কোনো একক মেশিনের নির্দিষ্ট কাজ নয়। B) মৌজার আয়তন পরিমাপ করে। — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মেশিনটি বিশেষভাবে ক্ষেত্রফল বা আয়তন মাপার কাজেই ব্যবহৃত হয়। C) মৌজার সীমানা পরিমাপ করে। — সীমানা নির্ধারণের জন্য সাধারণত থিওডোলাইট বা জিপিএস মেশিন ব্যবহার করা হয়। D) জমির মালিকের তথ্য সংগ্রহ করে। — এই কাজটি মাঠপর্যায়ে জরিপকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা সরাসরি সাক্ষাত্কার ও দলিলের মাধ্যমে সম্পন্ন করেন। মনে রাখার টিপস: ইএসটি (EST) মানে হলো ইলেকট্রনিক স্ক্যানিং টুল বা পরিমাপক, যা দিয়ে জমির আয়তন মাপা হয়।
a 1972
b 1973
c 1974
d 1976
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1974 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - একই দিনে পাকিস্তানও জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করায় স্বাধীন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1972 — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের আবেদন করলেও বিরোধিতার কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। B) 1973 — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষায়িত সংস্থার সদস্য হলেও মূল জাতিসংঘের সদস্য হয়নি। C) 1974 — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। D) 1976 — এই সালের অনেক আগেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করেছিল। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর প্রায় তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
a ১৭৮৮ সালে বান্দরবানে
b ১৮৮৮ সালে দিনাজপুরে
c ১৮৮৮ সালে কক্সবাজারে
d ১৮৮৮ সালে ঢাকায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৮৮ সালে কক্সবাজারে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ আমলে জমি জরিপ ও বন্দোবস্তের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে বা সিএস জরিপ প্রবর্তন করা হয়। - অবিভক্ত বাংলায় প্রথম ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে বা সিএস জরিপ ১৮৮৮ সালে তৎকালীন বৃহত্তর চট্টগ্রামের কক্সবাজারে শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৮৮ সালে বান্দরবানে — এই সালে বা স্থানে সিএস জরিপ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। B) ১৮৮৮ সালে দিনাজপুরে — সাল মিলে গেলেও এটি কক্সবাজারের পরিবর্তে অন্য জেলা হওয়ায় সঠিক নয়। D) ১৮৮৮ সালে ঢাকায় — সাল ঠিক থাকলেও ঢাকা সিএস জরিপের প্রথম স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: সিএস জরিপ মানেই প্রথম কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের কাছে ১৮৮৮ সালে শুরু হয়েছিল।
a ৩০ বিধি
b ৩১ বিধি
c ৪২ বিধি
d ৪৩ বিধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ বিধি কেন সঠিক: - জমি জরিপ বা কাদায়ে খতিয়ান প্রকাশের পর তসদিক পর্যায়ে কোনো ভুলত্রুটি দেখা দিলে তা সংশোধনের জন্য এই বিধিমতে আপত্তি বা দাবি পেশ করতে হয়। - ভূমি ব্যবস্থাপনা ও জরিপ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিধির আওতায় সাধারণ মানুষ তাদের জমির ভুল সংশোধনের সুযোগ পেয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ বিধি — এটি জমি জরিপ বা তসদিক পর্যায়ে ভুল সংশোধনের জন্য আপত্তি জানানোর সঠিক বিধান হিসেবে প্রযোজ্য। B) ৩১ বিধি — এই বিধিটি তসদিক পর্যায়ে প্রাথমিক আপত্তি জানানোর সরাসরি বিধান নয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) ৪২ বিধি — এই বিধিটি জরিপ প্রক্রিয়ার অন্য কোনো ধারার সাথে সম্পর্কিত, যা আপত্তি জানানোর সাথে সরাসরি মেলে না। D) ৪৩ বিধি — এটি জরিপ কাজের পরবর্তী বা অন্য কোনো আইনি প্রক্রিয়ার বিধান নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: জরিপের ভুল সংশোধনে তসদিক পর্যায়ে আপত্তি জানাতে প্রথমে ৩০ নম্বর বিধির কথা মনে রাখতে হবে।
a বারাং
b মৌজা
c পুঞ্জি
d পাড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুঞ্জি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের খাসিয়া আদিবাসীদের বসতি ও গ্রামগুলোকে ঐতিহ্যগতভাবে পুঞ্জি বলা হয়। - খাসিয়া প্রধান বা মন্ত্রীর নেতৃত্বে এই পুঞ্জিগুলো পরিচালিত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারাং — এটি খাসিয়া গ্রামের নাম নয়, এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক শব্দ। B) মৌজা — এটি ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের একটি প্রশাসনিক একক, কোনো উপজাতীয় গ্রাম নয়। D) পাড়া — এটি সাধারণ বাঙালি গ্রামীণ বসতির অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, খাসিয়াদের নির্দিষ্ট গ্রাম নয়। মনে রাখার টিপস: খাসিয়াদের চা বাগান ও পান চাষের গ্রামগুলো পুঞ্জি নামে পরিচিত।
a একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার
b জমির নকশা
c জমির দুটি নকশার মধ্যে তুলনামূলক চিত্র
d একটি জমি মাপার স্কেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটি জমি মাপার স্কেল কেন সঠিক: - পেন্টাগ্রাফ এমন একটি যান্ত্রিক যন্ত্র বা স্কেল যা ব্যবহার করে যেকোনো জমির নকশা বা মানচিত্র ছোট বা বড় আকারে নিখুঁতভাবে পুনর্নির্মাণ করা হয়। - এটি মূলত জ্যামিতিক সামান্তরিক সূত্রের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যা সার্ভে ও কার্টোগ্রাফি বা মানচিত্রাঙ্কন খাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার — পেন্টাগ্রাফ কোনো সফটওয়্যার নয়, এটি একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ভৌত বা যান্ত্রিক অঙ্কন সরঞ্জাম। B) জমির নকশা — জমির নকশাকে মৌজা ম্যাপ বা প্লট বলা হয়, কিন্তু পেন্টাগ্রাফ নকশা নিজেই নয়, বরং নকশা আঁকার একটি মাপক যন্ত্র। C) জমির দুটি নকশার মধ্যে তুলনামূলক চিত্র — এটি কোনো তুলনামূলক চিত্র বা প্রতিবেদন প্রকাশ করে না, এটি কেবল নকশা পরিমাপ ও পুনরুৎপাদন করতে সাহায্য করে। D) একটি জমি মাপার স্কেল — এটি সঠিক কারণ পেন্টাগ্রাফ মানচিত্র বা নকশা পরিমাপ ও পরিবর্ধনের কাজে ব্যবহৃত একটি বিশেষ স্কেল বা যন্ত্র। মনে রাখার টিপস: পেন্টাগ্রাফ শব্দটি মনে রাখুন নকশা বড় বা ছোট করার স্কেল হিসেবে, যা জমি মাপার কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
a 1973
b 1974
c 1981
d 1991
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৪ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার এই আদমশুমারি পরিচালনা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৩ — এই সালে কোনো আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন ও পরিকল্পনার বছর ছিল। B) ১৯৫৪ — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯৮১ — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জনসংখ্যা ও গৃহগণনা বর্ষ। D) ১৯৯১ — এটি বাংলাদেশের চতুর্থ জনসংখ্যা ও গৃহগণনা বর্ষ। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি হয়।
a ইচ্ছামতি
b রায়মঙ্গল
c হাড়িভাঙা
d পশুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাড়িভাঙা কেন সঠিক: - দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার নিকট হাড়িভাঙা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত ছিল। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি হাড়িভাঙা নদীর মোহনার ঠিক পূর্ব দিকে বাংলাদেশ সীমানার ভেতরে অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইচ্ছামতি — এটি একটি আন্তঃসীমান্ত নদী যা মূলত সাতক্ষীরা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত, হাড়িভাঙা নদীর মোহনার সঙ্গে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান এখানে মেলেনি। B) রায়মঙ্গল — এটি সুন্দরবনের পাশ দিয়ে প্রবাহিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী হলেও দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি এর মোহনায় অবস্থিত ছিল না। C) হাড়িভাঙা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) পশুর — এটি মোংলা বন্দর সংলগ্ন একটি নদী যা সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত, এর মোহনায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ ও হাড়িভাঙা নদী উভয়ই সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা অঞ্চলে অবস্থিত, তাই দ্বীপটির অবস্থান মনে রাখতে হাড়িভাঙা নদীর নাম মনে রাখুন।
a 1997
b 1999
c 2000
d 2001
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - ওই বছর ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দলের ঐতিহাসিক অভিষেক টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1997 — এই সালে বাংলাদেশ দল আইসিসি ট্রফি জয় করে ওয়ানডে মর্যাদার কাছাকাছি পৌঁছায়, তবে টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) 1999 — এই সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে এবং পাকিস্তানকে পরাজিত করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে। C) 2000 — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। D) 2001 — এই সালের মধ্যে বাংলাদেশ দল টেস্ট খেলা শুরু করে দিলেও এটি টেস্ট মর্যাদা অর্জনের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ দল শতাব্দি পূর্ণ হওয়ার বছর অর্থাৎ ২০০০ সালে টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করে।
a ফেডারেল সরকার
b মন্ত্রিপরিষদ শাসিত
c সংসদীয় সরকার
d রাষ্ট্রপতি শাসিত
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংসদীয় সরকার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালনার জন্য সংসদীয় বা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছে। - এই ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান এবং রাষ্ট্রপতি নামমাত্র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেডারেল সরকার — বাংলাদেশ একটি একক রাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্রীয় বা ফেডারেল শাসন ব্যবস্থা এখানে প্রচলিত নেই। B) মন্ত্রিপরিষদ শাসিত — এটি সঠিক উত্তর C এর সমার্থক হলেও অপশনের বিন্যাসে C সঠিক হিসেবে নির্ধারিত। C) সংসদীয় সরকার — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে এটি সংবিধানে নির্ধারিত। D) রাষ্ট্রপতি শাসিত — এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির হাতে সকল নির্বাহী ক্ষমতা থাকে, যা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতির সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থায় সংসদ প্রধান বা প্রধানমন্ত্রীই হলেন মূল ক্ষমতার অধিকারী, তাই এটি সংসদীয় সরকার।
a ভূমি আপিল বোর্ড
b ভূমি সংস্কার বোর্ড
c সাব - রেজিস্ট্রি অফিস
d জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাব - রেজিস্ট্রি অফিস কেন সঠিক: - সাব - রেজিস্ট্রি অফিস ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, এটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন নিবন্ধন অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত। - ভূমি সংক্রান্ত অন্যান্য প্রধান প্রতিষ্ঠান ও বোর্ড সরাসরি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমি আপিল বোর্ড — এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ আপিল কর্তৃপক্ষ যা ভূমি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে। B) ভূমি সংস্কার বোর্ড — এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যা ভূমি সংস্কার ও ব্যবস্থাপনা নীতিনির্ধারণে কাজ করে। C) সাব - রেজিস্ট্রি অফিস — এটি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন নিবন্ধন অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। D) জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস — এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাঠপর্যায়ের কার্যালয়। মনে রাখার টিপস: জমির মালিকানা দলিল বা রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত কাজ আইন মন্ত্রণালয় দেখে, আর বাকি সব ভূমি ব্যবস্থাপনা ও জরিপ দেখে ভূমি মন্ত্রণালয়।
a বাসেল কনভেনশন
b কিয়োটো প্রোটোকল
c মন্ট্রিল প্রোটোকল
d প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যারিস চুক্তি প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ কেন সঠিক: - প্যারিস চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি যার মূল লক্ষ্য বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমিত রাখা। - এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশসহ স্বাক্ষরকারী দেশগুলো গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর জন্য জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান জমা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাসেল কনভেনশন — এটি বিপজ্জনক বর্জ্য পদার্থের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) কিয়োটো প্রোটোকল — এটি গ্রিন হাউস গ্যাস কমানোর প্রথম চুক্তি হলেও বাংলাদেশ এতে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক জলবায়ু কর্মপদ্ধতি প্যারিস চুক্তির ওপর অধিক নির্ভরশীল। C) মন্ট্রিল প্রোটোকল — এটি ওজন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থগুলোর ব্যবহার ও উৎপাদন হ্রাসের জন্য প্রণীত একটি চুক্তি, যা গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) প্যারিস চুক্তি — এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু চুক্তি যা গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেছে। মনে রাখার টিপস: গ্রিন হাউস গ্যাস কমানোর বর্তমান বিশ্বজনীন মূল চুক্তি হলো প্যারিস চুক্তি, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
a General Point System
b Global Point System
c Global Positioning System
d Global Precision Survey
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Global Positioning System কেন সঠিক: - এটি একটি স্যাটেলাইটভিত্তিক নেভিগেশন সিস্টেম যা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে নিখুঁত অবস্থান ও সময় নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়। - সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই এই প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী দিকনির্দেশনা এবং মানচিত্র তৈরিতে অপরিহার্যভাবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) General Point System - এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেভিগেশন বা স্যাটেলাইট প্রযুক্তির নাম নয় এবং জিপিএস এর রূপের সঙ্গে মেলে না। B) Global Point System - এটি দেখতে জিপিএস এর কাছাকাছি হলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক শব্দগুচ্ছ বা বৈশ্বিক পরিভাষা নয়। C) Global Positioning System - এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Global Precision Survey - এটি জিপিএস এর পূর্ণরূপ নয়, এটি মূলত সার্ভে বা জরিপ কাজের একটি ভিন্ন প্রযুক্তিগত ধারণা। মনে রাখার টিপস: জিপিএস বা জিপিএস প্রযুক্তির প্রধান কাজ অবস্থান বা পজিশন নির্ণয় করা, তাই পজিশনিং শব্দটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে চিনে নেওয়া যায়।
a ১২ বছর
b ২০ বছর
c ৩০ বছর
d ৫০ বছর
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০ বছর কেন সঠিক: - নদী সিকস্তি জমি বা নদীভাঙনে হারিয়ে যাওয়া জমি পরবর্তীতে জেগে উঠলে মূল মালিক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি করার অধিকার রাখেন। - বর্তমান ভূমি আইন অনুযায়ী নদী সিকস্তি জমি পয়োন্ত হওয়ার পর ৩০ বছরের মধ্যে মূল মালিক তার স্বত্ব দাবি করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ বছর — এটি সাধারণ স্থাবর সম্পত্তির adverse possession বা বেদখলি স্বত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নদী সিকস্তি জমির জন্য নয়। B) ২০ বছর — এটি নদী সিকস্তি জমির মালিকানা ফিরে পাওয়ার আইনি সময়সীমা হিসেবে সঠিক নয়। D) ৫০ বছর — এই দীর্ঘ সময়সীমা নদী সিকস্তি জমির মালিকানা দাবির ক্ষেত্রে প্রচলিত ভূমি আইনে নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: নদী সিকস্তি জমির মালিকানা ফিরে পেতে ৩০ বছর সময়সীমা মনে রাখতে তিন দশক বা ৩০ সংখ্যাটি নদীর ভাঙন ও গড়ার চক্রের সাথে মিলিয়ে মনে রাখুন।
a তৌজি নাম্বার
b মৌজা নাম্বার
c জে.এল.নাম্বার
d দাগ নাম্বার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জে.এল.নাম্বার কেন সঠিক: - রাজস্ব জরিপের সময় প্রতিটি মৌজাকে একটি নির্দিষ্ট ক্রমিক নম্বর দেওয়া হয়, যা জুরিসডিকশন লিস্ট বা জে.এল.নাম্বার নামে পরিচিত। - এই নম্বরের মাধ্যমে দেশের যেকোনো অঞ্চলের নির্দিষ্ট মৌজা সহজে শনাক্ত করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৌজি নাম্বার — এটি জমিদারি বা মহালের রাজস্ব আদায়ের হিসাব রাখার জন্য ব্যবহৃত পরিচিতি নম্বর, মৌজার পরিচিতি নয়। B) মৌজা নাম্বার — এটি প্রচলিত কোনো প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়, মৌজার সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি হলো জে.এল.নাম্বার। C) জে.এল.নাম্বার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মৌজার পরিচিতিমূলক নাম্বার হিসেবে প্রমাণিত। D) দাগ নাম্বার — এটি মৌজার ভেতর অবস্থিত নির্দিষ্ট জমির প্লট বা ভূখণ্ডের নম্বর, পুরো মৌজার পরিচিতি নয়। মনে রাখার টিপস: মৌজার পরিচিতির জন্য জুডিসিশয়াল লিস্ট বা জে.এল. নম্বর ব্যবহার করা হয়।
a সৈয়দ মাইনুল হোসেন
b হামিদুর রহমান
c কামরুল হাসান
d ফজলুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা করেছিলেন শিল্পী হামিদুর রহমান। - তাঁর নকশায় মায়ের কোলে শহীদ সন্তানের প্রতীক এবং ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক চেতনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ মাইনুল হোসেন — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নয়। B) হামিদুর রহমান — ইনিই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি, তাই এটি সঠিক উত্তর। সি) কামরুল হাসান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নকশাকার, শহীদ মিনারের স্থপতি নন। ডি) ফজলুর রহমান — তিনি এই ঐতিহাসিক স্থাপনার নকশা প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনার মানেই হামিদুর রহমান, আর স্মৃতিসৌধ মানেই সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
a নারায়ণগঞ্জ
b ঝালকাঠি
c মেহেরপুর
d মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঝালকাঠি বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর নারায়ণগঞ্জ দেওয়া হয়েছে, যা ভুল। আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা ঝালকাঠি (ঝালকাঠির আয়তন প্রায় ৭৫৮ বর্গকিলোমিটার এবং নারায়ণগঞ্জের আয়তন প্রায় ৬৮৪ বর্গকিলোমিটার)। তবে সরকারি ও প্রশাসনিক বিভিন্ন তথ্যে নারায়ণগঞ্জকে অনেক সময় ক্ষুদ্রতম জেলা বলা হলেও, ভৌগোলিক আয়তনের দিক থেকে ঝালকাঠিই সবচেয়ে ছোট। কেন সঠিক: - ঝালকাঠি জেলার আয়তন প্রায় ৭৫৮ বর্গকিলোমিটার, যা ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশের সব জেলার মধ্যে সর্বনিম্ন। - আয়তনের ক্ষুদ্রতার পাশাপাশি এই জেলাটি সুগন্ধা ও বিশখালী নদীর অববাহিকায় গঠিত একটি নদীমাতৃক অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ণগঞ্জ — এটি আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম জেলা এবং এর আয়তন প্রায় ৬৮৪ বর্গকিলোমিটার। C) মেহেরপুর — এটি বাংলাদেশের একটি ছোট জেলা হলেও আয়তনে ঝালকাঠির চেয়ে বড় এবং এটি দেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী। D) মুন্সীগঞ্জ — এটি ঢাকা বিভাগের একটি জনবহুল জেলা এবং আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এর আলাদা ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ক্ষুদ্রতম জেলা মনে রাখতে ঝ দিয়ে ঝালকাঠি এবং ছোট মনে রাখতে ঝ-এর সাথে ছোট মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
a 999
b 333
c 16122
d 16111
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬১২২ কেন সঠিক: - ১৬১২২ হলো ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন নম্বর, যার মাধ্যমে নাগরিকেরা যেকোনো সময় ভূমি সেবা সংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পেতে পারেন। - ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সমস্যা সমাধানে এই নম্বরে কল করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৯৯ — এটি বাংলাদেশ পুলিশের জরুরি সেবা হটলাইন নম্বর, যা ভূমি সেবার জন্য ব্যবহৃত হয় না। B) ৩৩৩ — এটি বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় কল সেন্টার নম্বর, যা সাধারণ সরকারি তথ্য ও সেবার জন্য নির্ধারিত। ডি) ১৬১১১ — এটি কোনো নির্দিষ্ট ভূমি সেবা হটলাইন নম্বর নয়, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ভূমি সেবার জন্য ১৬১২২ নম্বরটি মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে ১৬ ডিসেম্বরের সঙ্গে মিল রেখে ভূমি সেবার ১৬ এবং ১২২ যোগ করে ১৬১২২ হয়।
a ২২৬২ কি. মি.
b ৪৪২৭ কি. মি.
c ৪১৫৬ কি. মি.
d ৫১৩৮ কি. মি.
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) ৪১৫৬ কি. মি. কেন সঠিক: - ভারতের সাথে বাংলাদেশের মোট স্থলসীমান্তের দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার বা ৪১৫০ কিলোমিটার হিসেবেও অনেক বইয়ে উল্লেখ থাকে। - এটি বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের (পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও মিজোরাম) সীমান্ত স্পর্শ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২৬২ কি. মি. — এটি ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য নয়, বরং এটি ভুল তথ্য। B) ৪৪২৭ কি. মি. — এটি সঠিক সীমান্ত দৈর্ঘ্য নয়, এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর সংখ্যা। C) ৪১৫৬ কি. মি. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অফিসিয়াল ও পরীক্ষিত সীমান্ত দৈর্ঘ্য। D) ৫১৩৮ কি. মি. — এটি ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা মনে রাখতে চার-এক-পাচ-ছয় সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a খতিয়ান
b দাগ
c মৌজা
d জে. এল. নম্বর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌজা কেন সঠিক: - ভূমি জরিপের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমানা বিশিষ্ট একটি গ্রাম বা এলাকাকে মৌজা বলা হয়, যা এই প্রশাসনিক কাজের সর্বনিম্ন একক। - ক্যাডাস্ট্রাল জরিপের সময় প্রতিটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা গ্রামকে আলাদা মৌজা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খতিয়ান — এটি জমির মালিকদের নাম ও স্বত্বের বিবরণী সংবলিত একটি আইনি দলিল, ভৌগোলিক একক নয়। B) দাগ — এটি মৌজার অন্তর্ভুক্ত নির্দিষ্ট জমান বা ভূখণ্ডের নির্দিষ্ট নম্বর বা পরিমাপকে বোঝায়, পুরো ভৌগোলিক এলাকা নয়। C) মৌজা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন প্রসঙ্গে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) জে. এল. নম্বর — এটি মৌজা চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত একটি ক্রমিক নম্বর বা জুরিসডিকশন লিস্ট নম্বর, এলাকা নিজে নয়। মনে রাখার টিপস: ভূমি জরিপের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে ছোট গ্রাম বা এলাকা হলো মৌজা এবং তার ভেতরের নির্দিষ্ট জমিটার নম্বর হলো দাগ।