সঠিক উত্তর: B) বাগধারা
১. কেন সঠিক:
'একাদশে বৃহস্পতি' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা।
বাংলা ভাষায় বিশেষ শব্দগুচ্ছ যখন আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে কোনো বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাগধারা বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাগধারা হলো ভাষার এমন এক রূপ যা মানুষের মুখের ভাষাকে সমৃদ্ধ ও সুন্দর করে তোলে।
এখানে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান একাদশে থাকার অর্থ জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী অত্যন্ত সৌভাগ্যের লক্ষণ, যা সুসময়ে সৌভাগ্যের প্রকাশ ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যবসায় প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় তার এখন একাদশে বৃহস্পতি চলছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সৌভাগ্য বা ভালো সময় বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বেকারত্ব দূর হওয়ার পর থেকেই তার দিনগুলো একাদশে বৃহস্পতির মতো কাটছে।
ব্যাখ্যা: জীবনের এই অনুকূল অবস্থাকে প্রকাশ করতে বাগধারাটি অত্যন্ত সার্থকভাবে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাদ — প্রবাদ হলো জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ফল যা একটি পূর্ণ বাক্যের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়, কিন্তু এটি একটি শব্দসমষ্টি মাত্র।
B) বাগধারা — এটি সঠিক কারণ শব্দগুচ্ছটি তার সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ সৌভাগ্যের ভাব প্রকাশ করছে।
C) সম্বন্ধ পদ — পদের ব্যাকরণগত শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী এটি কোনো পদের নাম নয়, কারণ এটি একটি একাধিক পদের ভাবার্থমূলক গুচ্ছ।
D) ব্যাসবাক্য — সমাস সাধনের জন্য যে বাক্য বা বাক্যাংশ ব্যবহার করা হয়, এটি তা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে থাকলে যেমন জ্যোতিষশাস্ত্রে ভাগ্য ভালো হয়, তেমনি মানুষের জীবনেও সুসময় বা সৌভাগ্য বোঝাতে একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সৌভাগ্য অর্থে ব্যবহৃত বিভিন্ন বাগধারা যেমন একাদশে বৃহস্পতি, সুসময়ের বন্ধু বা উনপঞ্চাশ বায়ু থেকে প্রশ্ন আসে।
বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষাকক্ষে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: A) সরোবর
১. কেন সঠিক:
- জলাশয় শব্দের অর্থ হলো যে স্থানে জল জমা থাকে বা দীঘি, পুকুর ইত্যাদি।
- সরোবর শব্দটির অর্থ বড় পুকুর বা হ্রদ, যা জলাশয়ের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা একই রকম।
- বাংলা ভাষায় সংস্কৃত, তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও দেশি শব্দের সমার্থক শব্দ অনেক রয়েছে যা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী
ব্যাখ্যা: নদী হলো এমন এক প্রাকৃতিক জলাশয় যা সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয়।
উদাহরণ ২: দিঘি
ব্যাখ্যা: দিঘি হলো বড় আকারের জলাশয় বা পুকুর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বড় জলাশয়।
B) জলধর — এর অর্থ মেঘ, যা জল ধারণ করে কিন্তু জলাশয় নয়।
C) অম্বু — এর অর্থ জল বা পানি, সরাসরি জলাশয় বোঝায় না।
D) সলিল — এর অর্থ জল, যা পানির সমার্থক কিন্তু জলাশয়ের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জল সংক্রান্ত শব্দের সাথে ধ যুক্ত হলে মেঘ এবং ধি বা র যুক্ত হলে জলাশয় বোঝায়।
- জলাশয় মানেই যেখানে পানি জমে থাকে যেমন সরোবর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জল, নদী ও জলাশয় সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ আসে।
- মূল শব্দের উৎস এবং তার সূক্ষ্ম অর্থ জানলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) অলস
১. কেন সঠিক:
- 'কূর্ম অবতার' একটি বিশেষ বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ কচ্ছপের মতো অলস বা নিষ্ক্রিয় বসে থাকা।
- হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাসে বিষ্ণুর কূর্ম বা কচ্ছপ রূপটি অত্যন্ত ধীরস্থির ও স্থির প্রকৃতির হওয়ার কারণে কালক্রমে অলস বা মন্থর প্রকৃতির মানুষকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন যার নির্দিষ্ট শব্দার্থের চেয়ে একটি রূপক অর্থ বা ভাবার্থ প্রকাশিত হয়।
- বাক্যে এর ব্যবহার মানুষের অতিমাত্রায় অলসতা বা দীর্ঘসূত্রতা ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাদিন বিছানায় শুয়ে না থেকে কূর্ম অবতারের মতো কাজ করো না।
ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত অলস বা কাজ না করার অবস্থাকে বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার আগে পড়াশোনা না করে কূর্ম অবতার হয়ে বসে থাকলে ফল ভালো হবে না।
ব্যাখ্যা: কর্মবিমুখতা বা নিষ্ক্রিয় অলসতা প্রকাশ করতে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলস — এটি সঠিক কারণ কূর্ম অবতার বলতে সাধারণত চরম অলস বা মন্থর গতিসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝায়।
B) বৃহৎ — কূর্ম শব্দের অর্থ কচ্ছপ এবং এর অবতার বলতে বড় আকৃতি বোঝায় না, তাই এটি ভুল।
C) অকর্মণ্য — যদিও এর মধ্যে নিষ্ক্রিয়তার ভাব আছে, তবে নির্দিষ্ট বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ হিসেবে এটি সরাসরি উপযুক্ত নয়।
D) অসহায় — বিপদে পড়া বা সহায় সম্বলহীন অবস্থাকে অসহায় বলে, যার সঙ্গে কূর্ম অবতারের অলসতার কোনো মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কচ্ছপ বা কূর্ম খুব ধীরে চলে এবং বেশিরভাগ সময় অলসভাবে বসে থাকে, তাই কূর্ম অবতার দেখলে অলস বা মন্থর ভাববে।
- পৌরাণিক কূর্ম রূপের ধীরগতির সঙ্গে অলস মানুষের স্বভাবের তুলনা করে এটি সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে প্রচলিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থটি চিহ্নিত করতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে শব্দার্থের চেয়ে অর্থের গভীরতা ও প্রচলিত ব্যবহারের ওপর বেশি নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
১. কেন সঠিক:
'তম্বী' কাব্যটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
এই কাব্যে কবির বুদ্ধিবৃত্তিক মনন, ক্লাসিক বা ধ্রুপদী কাঠামোর প্রতি অনুরাগ এবং শব্দের নিপুণ ব্যবহার স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার পাঁচ কবির অন্যতম এবং 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
তাঁর কবিতায় বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতা, নিরাবেগ দৃষ্টিভঙ্গি এবং সুনির্দিষ্ট রূপরীতির প্রকাশ দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্কেস্ট্রা
ব্যাখ্যা: এটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মননশীলতার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: পৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের একটি বিখ্যাত ও গভীর ভাবসমৃদ্ধ কবিতা, যা বাংলা কাব্যজগতে অত্যন্ত সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'তম্বী' কাব্যটি তাঁর রচিত নয়।
B) বুদ্ধদেব বসু — বুদ্ধদেব বসু ত্রিশের দশকের কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'তম্বী' কাব্যটি তাঁর রচনা নয়।
C) বিষ্ণু দে — বিষ্ণু দে মার্ক্সীয় চেতনার কবি হলেও 'তম্বী' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হিসেবে 'তম্বী' ও 'অর্কেস্ট্রা' নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
তাঁর কবিতায় বুদ্ধিমত্তা ও ক্লাসিক রূপের প্রাধান্য থাকে, যা তাঁকে অন্যান্য কবি থেকে আলাদা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ত্রিশের দশকের কবি ও তাঁদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম যেমন তম্বী, অর্কেস্ট্রা, প্রতিধ্বনি ইত্যাদি ভালোভাবে আয়ত্ত রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মনসামঙ্গল
১. কেন সঠিক:
- সনকা হলেন বাংলা মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম ধারা মনসামঙ্গল কাব্যের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান পুরুষ চরিত্র লখিন্দরের মাতা এবং বণিক চাঁদ সদাগরের পত্নী হিসেবে পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারা হলো মনসামঙ্গল কাব্য, যা দেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
- এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেন বিজয় গুপ্ত ও দ্বিজ বংশীদাস, এবং এর বিখ্যাত চরিত্রগুলোর মধ্যে চাঁদ সদাগর, সনকা, লখিন্দর ও বেহুলা অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেহুলা
ব্যাখ্যা: বেহুলা হলেন মনসামঙ্গল কাব্যের লখিন্দরের পরম প্রীতির স্ত্রী, যিনি পতির প্রাণ উদ্ধারের জন্য ভেলায় ভাসিয়ে স্বর্গে গিয়েছিলেন।
উদাহরণ ২: চাঁদ সদাগর
ব্যাখ্যা: চাঁদ সদাগর হলেন মনসামঙ্গল কাব্যের শিবভক্ত বণিক, যিনি দীর্ঘকাল দেবী মনসার পূজা করতে অস্বীকার করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্নদামঙ্গল — অন্নদামঙ্গল কাব্য ধারার প্রধান চরিত্র হলো ঈশ্বরী পাটনি, বিদ্যা ও সুন্দর, এখানে সনকার কোনো উপস্থিতি নেই।
B) ধর্মমঙ্গল — ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার প্রধান চরিত্র হলো লাউসেন, কাটা ও হরিচন্দ্র, সনকা এই ধারার চরিত্র নন।
C) চণ্ডীমঙ্গল — চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার প্রধান চরিত্র হলো কালকেতু, ফুল্লরা, ধনপতি ও খূল্লনা, সনকা এই ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) মনসামঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং সনকা এই কাব্যেরই চরিত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনসামঙ্গল কাব্যের পরিবারটি মনে রাখতে চাঁদ, সনকা, লখিন্দর ও বেহুলা এই চার নাম একসঙ্গে মনে রাখবে।
- চাঁদ সদাগর ও সনকার পুত্র লখিন্দর এবং পুত্রবধূ বেহুলা, এই তথ্যটি সব সময় মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কোন চরিত্র কোন কাব্যের তা ভালোভাবে মুখস্থ করবে।
- চাঁদ সদাগর ও সনকা মনসামঙ্গল কাব্যের এবং কালকেতু ও ফুল্লরা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের চরিত্র, এই পার্থক্যটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) কামিন
কেন সঠিক:
- 'কুলি' শব্দের প্রচলিত স্ত্রীবাচক শব্দ হলো 'কামিন'।
- বাংলা ভাষার প্রথাগত ও সামাজিক ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী এটি নির্ধারিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'কুলি-মজুর' কবিতায় এই শব্দের ব্যবহার দেখা যায়।
- যেমন: মরদ এবং ওরত, কুলি এবং কামিন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কুলিনী — এটি কোনো গ্রহণযোগ্য বাংলা ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দ নয়।
- B) কুলিনি — এটি বানানগতভাবে ভুল এবং কুলি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নয়।
- D) কামার — এটি একটি পেশাবাচক শব্দ, কুলি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কুলি দেখলে কামিন মনে রাখবে, কারণ এটি একটি জোড়া শব্দ হিসেবে প্রচলিত।
সঠিক উত্তর: B) গ্রিক
১. কেন সঠিক:
- হোমার প্রাচীন গ্রিসের সর্বশ্রেষ্ঠ ও প্রথিতযশা মহাকবি হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
- তার রচিত মহাকাব্য দুটি পশ্চিমা সাহিত্যের মূল ভিত্তি এবং প্রাচীন গ্রিক সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হোমার আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতকের দিকে প্রাচীন গ্রিসে জন্মগ্রহণ করেন বলে ঐতিহাসিকরা মনে করেন।
- তার অমর সৃষ্টি ইলিয়াড ও ওডিসি মহাকাব্য দুটি গ্রিক ট্রয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইলিয়াড
ব্যাখ্যা: এটি হোমার রচিত ট্রয় যুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত গ্রিক মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: ওডিসি
ব্যাখ্যা: এটি হোমারের অপর বিখ্যাত মহাকাব্য যা গ্রিক বীর ইউলিসিসের দশ বছরের সমুদ্রযাত্রার গল্প।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইপ্রাস — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হলেও হোমার সাইপ্রাসের কবি নন, তিনি প্রাচীন গ্রিসের কবি।
B) গ্রিক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি হোমারের মূল জাতীয়তা ও সাহিত্যিক পরিচয় নির্দেশ করে।
C) ইতালি — ইতালির বিখ্যাত কবি হলেন দান্তে বা ভার্জিল, হোমার ইতালির কবি নন।
D) জার্মানি — জার্মান সাহিত্যের সঙ্গে হোমারের কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
হোমার ও গ্রিক শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন কারণ গ্রিক সাহিত্যের আদি গুরু হলেন হোমার।
ইলিয়াড ও ওডিসির রচয়িতা হিসেবে হোমার চিরকাল গ্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বসাহিত্যের প্রাচীনতম মহাকাব্যের রচয়িতা হিসেবে হোমারের নাম বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
গ্রিক সাহিত্য বা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্নে হোমারের নাম এবং তার দুটি মহাকাব্যের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) ফারসি (বা D) ফারসি)
১. কেন সঠিক:
'আমদানি' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রশাসনিক প্রয়োজনে বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে বিদেশ থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ।
উদাহরণ ২: কারখানা
ব্যাখ্যা: এটিও ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংরেজি — এটি ইংরেজি ভাষার শব্দ নয়। ইংরেজি শব্দের উদাহরণ হলো চেয়ার ও টেবিল।
B) আরবি — এটি আরবি ভাষার শব্দ নয়। আরবি শব্দের উদাহরণ হলো কলম ও কিতাব।
C) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর। এই অপশনে ফারসি ভাষা নির্দেশ করা হয়েছে।
D) ফারসি — প্রদত্ত অপশনে এটিও ফারসি নির্দেশ করায় এটিও সঠিক উত্তরের সমার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যবসা, বাণিজ্য ও আদালতের বিভিন্ন শব্দ যেমন আমদানি, রপ্তানি, চশমা ও কারখানা সাধারণত ফারসি ভাষার হয়ে থাকে। এই মিলগুলো মনে রাখলে সহজে বিদেশি শব্দ চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আমদানি ও রপ্তানি উভয় শব্দই ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) পরপদ
কেন সঠিক:
- সমাসের নিয়ম অনুযায়ী দ্বিগু সমাসে সাধারণত শেষ বা পরের পদের অর্থই প্রধানভাবে বোঝানো হয়।
- সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের মিলনে যে সমাস হয়, তাতে পরপদের অর্থই সম্পূর্ণ প্রকাশ পায়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকে এবং পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে এবং সমাসবদ্ধ পদটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাস কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়, আর কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে।
- যেমন: ত্রি ফলার সমাহার = ত্রিফলা, এখানে ফলা শব্দের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পরপদ — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়, এটিই উত্তর।
- B) পূর্বপদ — পূর্বপদ প্রধান হয় অব্যয়ভাব সমাসে, তাই এটি দ্বিগু সমাসের জন্য প্রযোজ্য নয়।
- C) উভয় পদ — উভয় পদ প্রধান হয় দ্বন্দ্ব সমাসে, তাই এটি এখানে ভুল।
- D) অন্য পদ — অন্য পদ বা তৃতীয় পদ প্রধান হয় বহুব্রীহি সমাসে, তাই এটি এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- দ্বিগু সমাসে সংখ্যা সামনে থাকে এবং কর্মধারয় সমাসের নিয়ম মানে, তাই কর্মধারয়ের মতো এরও পরপদ প্রধান হয়।
সঠিক উত্তর: A) করণ কারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়ার সম্পাদন বা কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যম, সহায়ক বা উপায় বোঝালে করণ কারক হয়।
- এখানে দেখার কাজটি চোখ নামক অঙ্গের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে, তাই 'চোখে' পদটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায় এবং যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো হয়।
ব্যাখ্যা: লেখার কাজটি কলম নামক যন্ত্রের মাধ্যমে করা হচ্ছে, তাই কলমে পদটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: মা ব্লেড দিয়ে ফল কাটছেন।
ব্যাখ্যা: ফল কাটার মাধ্যম বা যন্ত্র হলো ব্লেড, তাই ব্লেড দিয়ে পদটি করণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণ কারক — এটি সঠিক উত্তর কারণ চোখ এখানে দেখার মাধ্যম বা সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে।
B) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত, রক্ষিত বা উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সম্প্রদান কারক — সত্য ত্যাগ করে কাউকে কিছু দান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়, যা এখানে নেই।
D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে, যা এখানে অঙ্গের মাধ্যম বোঝাচ্ছে স্থান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সবসময় করণ কারক হয়।
- অঙ্গহানি বা অঙ্গের মাধ্যমে কোনো কাজ করা বোঝালে সেটিও করণ কারকের আওতাভুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঙ্গের নাম যুক্ত বাক্য প্রায়ই করণ কারক হিসেবে আসে।
- কান কাটা, চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী কিংবা এই জাতীয় বাক্যে করণ কারক নির্ণয়ের সময় মাধ্যম বা সহায়ক বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রজকী
১. কেন সঠিক:
- রজক শব্দের সঙ্গে স্ত্রী-বাচক দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করে রজকী করা হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু তৎসম শব্দের শেষে স্ত্রী-বাচক প্রত্যয় হিসেবে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে ঈ-কার যুক্ত করে স্ত্রী-বাচক শব্দ গঠন করা হয়।
- রজক শব্দের অর্থ ধোপক বা কাপড় কাচে যে ব্যক্তি এবং এর স্ত্রী-বাচক রূপ হলো রজকী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদ থেকে নদী
ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করার মাধ্যমে স্ত্রী-বাচক শব্দ গঠনের এটি একটি প্রচলিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মৎস্যজীবী থেকে মৎস্যজীবীনী
ব্যাখ্যা: শব্দের প্রকৃতি অনুযায়ী স্ত্রী-বাচক প্রত্যয় যোগ করার আরেকটি ব্যাকরণগত উদাহরণ এটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজক — এটি রজক শব্দের কোনো সঠিক স্ত্রী-বাচক রূপ নয় এবং এর বানান ও গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) রজকিনি — রজক শব্দের সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত করে এই গঠনটি করা হয়েছে যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
D) রজবানী — এই শব্দটির সঙ্গে রজক শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো ব্যাকরণগত সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পেশ বা জাতিবাচক অনেক পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করে স্ত্রী-বাচক শব্দ তৈরি করা হয়।
- রজক শব্দের শেষে শুধু দীর্ঘ ঈ-কার যোগ করলেই স্ত্রী-বাচক রূপ পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতি বা পেশবাচক শব্দের স্ত্রী-বাচক রূপ থেকে প্রশ্ন আসে।
- ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তনের এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অনুরূপ অন্যান্য প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ত্বরিতকর্মা
১. কেন সঠিক:
- কর্মে অতিশয় তৎপর বা দ্রুত কাজ করেন যিনি, তাকে এক কথায় ত্বরিতকর্মা বলা হয়।
- এখানে ত্বরিত শব্দের অর্থ দ্রুত এবং কর্মা শব্দের অর্থ কাজ সম্পাদনকারী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি অনেক জানেন
ব্যাখ্যা: তাকে এক কথায় সর্বজ্ঞ বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো হয়নি
ব্যাখ্যা: তাকে এক কথায় অভূতপূর্ব বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্বরিতকর্মা — এটি সঠিক উত্তর।
B) কর্মবীর — যিনি কর্মের মাধ্যমে বীরত্ব প্রদর্শন করেন তাকে কর্মবীর বলা হয়।
C) কর্মপটু — যিনি কাজে দক্ষ বা পটু তাকে কর্মপটু বলা হয়।
D) কর্মনিষ্ঠ — যার কর্মের প্রতি গভীর নিষ্ঠা আছে তাকে কর্মনিষ্ঠ বলা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ত্বরিত শব্দের অর্থ দ্রুত। তাই দ্রুত কাজ করেন যিনি, তিনি হলেন ত্বরিতকর্মা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের অর্থ বুঝতে পারলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) জোছনা
১. কেন সঠিক:
- জোছনা শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত ভাষার জোৎসনা শব্দের পরিবর্তিত বা তৎসম রূপ, যা সাধুরীতিতে বহুল ব্যবহৃত হয়।
- সাধুরীতিতে সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে এবং এই শব্দটির বানান ও উচ্চারণ তৎসম রীতির গম্ভীর ভাব বজায় রাখে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভাণ্ডারে সাধুরীতি হলো ভাষার এমন এক রূপ যা তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ ক্রিয়াপদযুক্ত এবং ব্যাকরণের নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে।
- জোছনা শব্দটি সাধুরীতিতে লেখার ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের গম্ভীরতা ও ঐতিহ্য রক্ষা করে, যা চলিত রীতিতে সাধারণত জ্যোৎস্না আকারে পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তন্দ্রা
ব্যাখ্যা: তন্দ্রা একটি সাধুরীতি ঘরানার তৎসম শব্দ যা গম্ভীর ও তৎসম বহুল বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অদ্য
ব্যাখ্যা: অদ্য একটি তৎসম শব্দ যা সাধুরীতিতে আজ শব্দের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আজ — এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা চলিত রীতিতে বহুল ব্যবহৃত হয় এবং এর সাধু রূপ হলো অদ্য।
B) মিনতি — এটি তৎসম শব্দ হলেও বাংলা চলিত ও সাধু উভয়ীতিতেই বহুল ব্যবহৃত হয় এবং এটি এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সাধু বৈশিষ্ট্যের উত্তর নয়।
C) জল — এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা চলিত রীতিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সাধু রূপের সঙ্গে জোছনা শব্দের তুলনা চলে না।
D) জোছনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সাধুরীতি ও তৎসম রীতির শব্দ হিসেবে পরীক্ষিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধুরীতি চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের রূপ গম্ভীর ও তৎসম শব্দভিত্তিক হওয়া।
- যে শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি বা সামান্য পরিবর্তিত হয়ে সাধু রূপ বজায় রাখে, সেগুলো সাধুরীতি শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিতরীতির শব্দ চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- শব্দের উৎস এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সাধু ও চলিত রীতিতে পদের রূপ পরিবর্তন ঘটলেও অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর ঘটে না।
অব্যয় পদ সর্বদাই অপরিবর্তিত থাকে বলে উভয় রীতিতে এটি অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বাক্যে যে পদের সঙ্গে লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা পুরুষের কোনো পরিবর্তন হয় না তাকে অব্যয় পদ বলে।
সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের যে রূপ থাকে, চলিত রীতিতে তার সংক্ষিপ্ত ও পরিবর্তিত রূপ ব্যবহৃত হয় কিন্তু অব্যয় অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এবং, কিন্তু, অথচ
ব্যাখ্যা: এই অব্যয় পদগুলো সাধু ও চলিত উভয় রীতির বাক্যে একই আকারে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যদি, তবে, অতএব
ব্যাখ্যা: শর্ত বা ফলাফল বোঝাতে ব্যবহৃত এই অব্যয়গুলো রূপ পরিবর্তন করে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয় — সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো রূপান্তর ঘটে না।
B) সম্বোধন শব্দ — এটি বাক্যের অংশবিশেষে পরিবর্তিত হতে পারে এবং এর রূপ সাধু ও চলিত ভেদে ভিন্ন হয়।
C) সর্বনাম — সাধু ও চলিত রীতিতে সর্বনাম পদের রূপ সম্পূর্ণ আলাদা হয় যেমন তাহার বনাম তার।
D) ক্রিয়া — সাধু ও চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ ভিন্ন হয় যেমন করিয়াছি বনাম করেছি।
৫. মনে রাখার টিপস:
অব্যয় মানে যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না।
তাই সাধু ও চলিতে অব্যয় সবসময় একই থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে পদ পরিবর্তনের সময় শুধু অব্যয় পদ রূপের দিক থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকে।
পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যের ওপর এমন প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) দুইটি
১. কেন সঠিক:
- একটি আদর্শ ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক পত্রের গঠনগত প্রধান অংশ মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে।
- এই প্রধান দুটি অংশ হলো পত্রগর্ভ বা মূল বক্তব্য এবং শিরোনাম বা ঠিকানা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পত্র লিখন মূলত একটি ফলক বা যোগাযোগের মাধ্যম, যেখানে মনের ভাব বা প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য লিখিতভাবে প্রকাশ করা হয়।
- ব্যাকরণগত ও কাঠামোগত বিচারে পত্রের প্রধান অংশ দুটি হলেও, এর সার্বিক বিন্যাসে সম্ভাষণ, মূল অংশ ও পরিভাষার মতো উপ-অংশ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যক্তিগত পত্র
ব্যাখ্যা: ব্যক্তিগত পত্রে মূল বক্তব্য বা পত্রগর্ভ এবং খামের ওপরের প্রাপক ও প্রেরকের ঠিকানাকে প্রধান অংশ হিসেবে ধরা হয়।
উদাহরণ ২: আবেদনপত্র
ব্যাখ্যা: প্রাতিষ্ঠানিক আবেদনপত্রে মূল বক্তব্য এবং ওপরের অংশ বা সম্বোধন ও নিবেদন অংশকে প্রধান দুটি কাঠামোগত রূপ ধরা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুইটি — এটি সঠিক কারণ পত্রের প্রধান অংশ মূলত দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত।
B) তিনটি — পত্রের প্রধান অংশ তিনটি নয়, কারণ গঠনগতভাবে একে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়।
C) চারটি — পত্রের প্রধান অংশ চারটি নয়, এটি ভুল বিভাজন।
D) পাঁচটি — পত্রের প্রধান অংশ পাঁচটি নয়, এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পত্রের প্রধান অংশ কয়টি তা মনে রাখতে মনে রাখবে একটি চিঠির মূল কথা এবং খামের ঠিকানা এই দুটি প্রধান বিষয় জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চিঠিপত্র বা পত্র লিখন থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, তাই এর মৌলিক অংশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিমনা
১. কেন সঠিক:
যে সমাসে সমসমান পদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায় এবং সমস্ত পদটি বিশেষণ পদে পরিণত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
বিমনা শব্দটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে এবং এটি অন্য পদের অর্থ প্রধান করে তুলে বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম সিদ্ধ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য থাকে না, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বোঝায়।
বিমনা শব্দের ব্যাসবাক্য হলো বিগভত মনা যার, এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমাচক্ষু
ব্যাখ্যা: চশমা চক্ষুতে যার, এটি বহুব্রীহি সমাসের একটি প্রচলিত উদাহরণ যা অন্য অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: আয়তলোচনা
ব্যাখ্যা: আয়ত লোচন যার, এটিও বহুব্রীহি সমাসের মাধ্যমে গঠিত বিশেষ পদ যা নারীর সৌন্দর্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিমনা — এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) সজ্জন — এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য সৎ যে জন।
C) প্রভাত — এটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত একটি বিশেষ্য পদ, কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়।
D) নির্ঝর — এটি নি উপসর্গযুক্ত অব্যয়ীভাব সমাস বা সাধারণ বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অন্য পদের অর্থ প্রধান করলে বহুব্রীহি সমাস হয় এবং এর ব্যাসবাক্যে সাধারণত যার বা যাতে শব্দটি থাকে।
ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা বহুব্রীহি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস চেনার জন্য ব্যাসবাক্যের শেষের দিকে যার শব্দটির উপস্থিতি লক্ষ করতে হবে।
সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ কোন দিকে ইঙ্গিত করছে তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কুঁড়ি
১. কেন সঠিক:
'কোরক' শব্দের অর্থ ফুলের ফোটার আগের অবস্থা বা মুকুল।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'কুঁড়ি' শব্দটির অর্থও ফুলের কলি বা কোরক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় একটি শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা ভাব প্রকাশকে সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফুলটি এখনো কোরক অবস্থায় আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কোরক বলতে ফুল ফোটার আগের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: গাছের ডালে নতুন কুঁড়ি এসেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কুঁড়ি শব্দটিকে কোরকের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃতকর্ম — এই শব্দটির অর্থ খারাপ কাজ বা অপরাধ, যা ফুলের কলি বোঝায় না।
B) কুঁড়ি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কোরক বা ফুলের মুকুল।
C) কড়ি — এই শব্দটির অর্থ এক ধরণের ছোট ঝিনুক যা মুদ্রারূপে ব্যবহৃত হতো।
D) কুহক — এই শব্দটির অর্থ মায়া, মোহ বা জাদু, যার সঙ্গে কোরক শব্দের কোনো মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোরক ও কুঁড়ি দুটি বর্ণেই ক অক্ষরটি আছে যা দিয়ে দুটি শব্দের মিল সহজে মনে রাখা যায়।
ফুলের জীবনের প্রথম ধাপ হলো কোরক বা কুঁড়ি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কোরক শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো মুকুল, কলি ও অঙ্কুর।
সঠিক উত্তর: B) বিধু
১. কেন সঠিক:
- সোম শব্দের একটি প্রধান ও বহুল প্রচলিত অর্থ হলো চাঁদ বা চন্দ্র এবং বিধু শব্দের অর্থও চাঁদ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে এমন প্রশ্ন আসে যেখানে প্রমিত বাংলা শব্দকোষের অর্থ যাচাই করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দের আওতাভুক্ত একটি প্রশ্ন যেখানে একই অর্থের বিভিন্ন প্রতিশব্দ জানতে চাওয়া হয়।
- বাংলা ভাষায় চন্দ্র বা চাঁদের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যা মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস বুঝে পড়তে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধাকর
ব্যাখ্যা: সুধাকর শব্দটি সোম বা চন্দ্রের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা: শশাঙ্ক শব্দের অর্থ যার শীতে বা চিহ্নে শশ বা খরগোশ আছে অর্থাৎ চাঁদ, যা সোম শব্দের সমার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কান্তি — কান্তি শব্দের অর্থ দীপ্তি, উজ্জ্বলতা বা শোভা যা সোম বা চন্দ্র শব্দের সমার্থক নয়।
B) বিধু — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ।
C) শৈল — শৈল শব্দের অর্থ পর্বত বা পাহাড় যা সোম শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মিত্র — মিত্র শব্দের অর্থ বন্ধু বা সূর্য যা সোম শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সোম মানে সোমরস বা দেবতা, আর সোমবারে চাঁদ দেখার প্রথা মিলিয়ে মনে রাখতে পারো সোম অর্থ চাঁদ বা বিধু।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় চাঁদের অন্যান্য প্রতিশব্দ যেমন সুধাকর, শশাঙ্ক, বিধু একসাথে একলিস্টে পড়ে ফেলবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্র, সূর্য, আকাশ ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের শব্দগুলোর প্রচলিত অর্থ জানা থাকলে ভুল উত্তর এড়ানো সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: B) শিরশ্চেদ
১. কেন সঠিক:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়মে অ বা আ-ধ্বনির পরে অবস্থিত বিসর্গের পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ (শ) হয়।
- শিরঃ যোগ ছেদ মিলে বিসর্গ সন্ধির নিয়মে শিরশ্চেদ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো অ বা আ-ধ্বনির পরবর্তী বিসর্গের সঙ্গে চ, ছ বা শ যুক্ত হলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়।
- এখানে শিরঃ শব্দের শেষের বিসর্গের সঙ্গে ছেদ শব্দের ছ যুক্ত হয়ে বিসর্গটি শ-এ রূপান্তরিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুঃ যোগ চ্চু = পুশ্চ্যু
ব্যাখ্যা: অ-ধ্বনির পরের বিসর্গের সঙ্গে চ যুক্ত হওয়ায় বিসর্গ স্থানে শ হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনঃ যোগ চাক্ষুষ = মনশ্চাক্ষুষ
ব্যাখ্যা: একই নিয়মে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ-ফলা যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিরোচ্ছেদ — বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শিরোচ্ছেদ একটি ভুল বানান কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম লঙ্ঘন করে এখানে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) শিরশ্চেদ — এটি সঠিক বানান এবং বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে গঠিত হয়েছে।
C) শিরচ্ছেদ — এই বানানে বিসর্গ বা তার স্থানীয় শ-কে বাদ দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) শীরচ্ছেদ — শির শব্দের প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করায় এটি একটি বানানগত ভুল রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গের পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে সেখানে সল্ফ্ (শ) বসাবে।
- শিরঃ শব্দের সঙ্গে ছেদ যুক্ত করার সময় মাঝখানে একটি শ আনতে ভুলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান ও সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে আসে।
- মনঃ এবং শিরঃ সংক্রান্ত শব্দগুলোতে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে শ বা ষ হওয়ার নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) কৌতুহল
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নটি শুদ্ধ বানান বা বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক।
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কৌতূহল শব্দটি সঠিক হলেও, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র বা প্রশ্নে অনেক সময় কৌতুহল বানানটিও বিকল্প হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের বানান লেখার সময় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত রূপ বা প্রমিত রূপ অনুসরণ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক বানান জানা অত্যন্ত জরুরি।
অনেক শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কারের ব্যবহারে নিয়ম মেনে চলতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিমতী
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত ও শুদ্ধ স্ত্রীবাচক বিশেষণ শব্দ।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: নদী শব্দটিতে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৌতূহল — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক বানান হলেও প্রদত্ত উত্তরের ভিত্তিতে এটি ভুল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
B) কৌতুহল — এটি বর্তমান প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
C) কাংছিত — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান কাঙ্ক্ষিত যেখানে উয় যুক্ত হয়।
D) শ্রদ্ধাঁঞ্জলী — এটি ভুল বানান কারণ শ্রদ্ধাঞ্জলি শব্দটিতে চন্দ্রবিন্দু এবং দীর্ঘী-কার হবে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
শুদ্ধ বানান মনে রাখার জন্য শব্দটির উৎস ও প্রত্যয় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
নিয়মিত প্রমিত বানানের চর্চা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে।
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
ণ-ত্ব বিধান বলতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়মকে বোঝায়। বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত রূপে এসেছে, কেবল সে ক্ষেত্রেই এই নিয়মটি প্রযোজ্য।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ বসে এবং ত-বর্গীয় ধ্বনির আগে দন্ত্য ন বসে। বাংলা দেশি, বিদেশি ও তদ্ভব শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কোনো বিধান বা নিয়ম নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করুন
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং রেফ বা ঋ-কার ও র-এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৃণ
ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ-কার থাকার কারণে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত - এই অপশনটি সঠিক কারণ ণ-ত্ব বিধান কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বানানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
B) বিদেশি - এই অপশনটি ভুল কারণ আরবি, ফারসি বা ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না।
C) দেশি শব্দ - এই অপশনটি ভুল কারণ দেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহার হয় না, সেখানে সর্বদা দন্ত্য ন বসে।
D) তদ্ভব শব্দ - এই অপশনটি ভুল কারণ তদ্ভব শব্দ প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসায় তাতে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম কার্যকর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত শব্দের খাতিরেই ণ-ত্ব বিধানের জন্ম হয়েছে। তাই যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ণ-ত্ব বা ষ-ত্ব বিধানের প্রশ্ন দেখলে চোখ বন্ধ করে উত্তর তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় অপভ্রংশ বা তদ্ভব শব্দে কখনো মূর্ধন্য ণ বা ষ হয় না। ব্যাকরণের এই মৌলিক নিয়মটি মাথায় রাখলে শব্দের বানান শুদ্ধিকরণের বহু প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) বিরাগ
১. কেন সঠিক:
- অনুরাগ শব্দটির অর্থ হলো প্রীতি, গভীর আকর্ষণ, আসক্তি বা ভালোবাসার ভাব।
- এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো বিরাগ, যার অর্থ অনীহা, বিরূপতা বা বিতৃষ্ণা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- বিপরীত শব্দ চয়ন করার সময় মূল শব্দের উৎস, ভাব এবং প্রয়োগের ক্ষেত্র বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞতা ও অকৃতজ্ঞতা
ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো অকৃতজ্ঞ, যা ঠিক অনুরূপ একটি অর্থের বৈপরীত্য নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: জন্ম ও মৃত্যু
ব্যাখ্যা: জন্ম শব্দের বিপরীত শব্দ মৃত্যু, যা ভাবের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিরুক্ত — দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ দুইবারুক্ত বা পুনরাবৃত্তি, যা অনুরাগের বিপরীত শব্দ নয়।
B) উপহাস — উপহাস শব্দের অর্থ বিদ্রূপ বা ঠাট্টা, যা অনুরাগের সঙ্গে বিপরীত হিসেবে সম্পর্কিত নয়।
C) বিরাগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) প্রতিঘাত — প্রতিঘাত শব্দের অর্থ আঘাতের বদলে আঘাত বা প্রতিক্রিয়া, যা অনুরাগের বিপরীত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অনুরাগের আদি অক্ষর অ এবং বিরাগের আদি অক্ষর বি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো অ-তে আকর্ষণ আর বি-তে বিরূপতা।
- প্রীতি বা ভালোবাসার উল্টো দিকে থাকে অনীহা বা ঘৃণা, যা বিরাগ শব্দ দিয়ে প্রকাশ পায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে গঠিত হয়।
- এ ধরনের প্রশ্নে শব্দের প্রমিত অর্থ এবং ভাবার্থ ভালোভাবে অনুধাবন করে সঠিক বিকল্প নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) সিয়েরা লিওন
১. কেন সঠিক:
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি বা দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে।
২০০০ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক মর্যাদার ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা যুদ্ধবিধ্বস্ত সিয়েরা লিওনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মন জয় করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আরেকটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনা।
উদাহরণ ২: জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলার অন্তর্ভুক্তির দাবি।
ব্যাখ্যা: বিশ্ব দরবারে বাংলা ভাষার মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করার জন্য এটি একটি চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইভরি কোস্ট — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ হলেও বাংলা ভাষাকে কোনো সরকারি মর্যাদা দেয়নি।
B) লাইবেরিয়া — এটি আফ্রিকার একটি প্রাচীন প্রজাতন্ত্র হলেও বাংলা ভাষার সঙ্গে এর এমন কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সম্পর্ক নেই।
C) সিয়েরা লিওন — এই অপশনটি সঠিক এবং দেশটির সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়েছে।
D) মিশর — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রভাবশালী দেশ হলেও বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে এই ধরনের কোনো বিশেষ রাষ্ট্রীয় ঘোষণা দেয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
পশ্চিম আফ্রিকার যে দেশটি শান্তিরক্ষী বাহিনীর অবদানে বাংলা ভাষাকে সম্মান জানিয়েছে, সেটি সিয়েরা লিওন।
প্রশ্নে দেশগুলোর নাম দেখলে আফ্রিকার শান্তিরক্ষী মিশন ও সিয়েরা লিওনের কথা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে কত সালে স্বীকৃতি দেয় এবং কোন মহাদেশের দেশ, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলা ভাষার মর্যাদা সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বাটা যে লঙ্কা
কেন সঠিক:
- এটি কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
- এখানে লঙ্কার অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে বাটা পদটি পূর্বে বসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের কর্মধারয় সমাস হলে কখনো কখনো বিশেষণ পদটি পূর্বে বসে।
- এই নিয়মে সাধারণ নিয়ম উল্টে গিয়ে পরের পদটি আগে বসে।
- যেমন: সিদ্ধ যে আলু = আলু সিদ্ধ, সেদ্ধ যে লাউ = লাউ সেদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) লঙ্কা ও বাটা — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্য, যা অর্থ অনুসারে সঠিক নয়।
- B) যা লঙ্কা তাই বাটা — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) লঙ্কার বাটা — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস, যা পদের আসল অর্থ প্রকাশ করে না।
- D) বাটা যে লঙ্কা — এই অপশনটিই কর্মধারয় সমাসের নিয়মে সঠিক ব্যাসবাক্য।
মনে রাখার টিপস:
- রান্নার উপকরণের ক্ষেত্রে যে পদটি কাজের অবস্থা বোঝায় তা পরে না বসে আগে বসে।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তি খণ্ডন হয়েছে কিন্তু মুক্তি মেলেনি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে ক্রিয়াপদের প্রয়োগ এবং পদের বিন্যাস ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে।
- খণ্ডন শব্দের অর্থ কেটে ফেলা বা বাতিল করা, যা যুক্তি শব্দের সঙ্গে যথোপযুক্তভাবে খাপ খেয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে কারক, বচন ও পদের মিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এখানে খণ্ডন করা বা খণ্ডন হওয়া ক্রিয়াপদের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে ভাবটি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার কথা খণ্ডন করা সহজ নয়।
ব্যাখ্যা: এখানে যুক্তি বা বক্তব্য খণ্ডন করার অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অভিযোগ খণ্ডন করতে সে নতুন প্রমাণ পেশ করল।
ব্যাখ্যা: অভিযোগের ক্ষেত্রে খণ্ডন শব্দটি প্রমিত ও অর্থপূর্ণভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্য উদয় হয়েছে — সূর্য উদয় নয়, বরং সূর্য উদিত হয়েছে বা সূর্যোদয় হয়েছে বলা উচিত।
B) তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি — সৌজন্যতা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ, এর শুদ্ধ রূপ সৌজন্য।
C) যুক্তি খণ্ডন হয়েছে কিন্তু মুক্তি মেলেনি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের সব শর্ত পূরণ করে।
D) বিধি লঙ্ঘন হয়েছে — বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে বা বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বললে বাক্যটি আরও বেশি মানানসই হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সৌজন্যতার সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত থাকায় এটি একটি অনাবশ্যক দ্বিরুক্তিযুক্ত ভুল শব্দ।
- বাক্য শুদ্ধ করার সময় পদের গঠন এবং শব্দের প্রমিত রূপ ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই শব্দগত ভুল বা প্রত্যয়জনিত ভুল দিয়ে বাক্যশুদ্ধি আসে।
- বিশেষ করে সৌজন্য শব্দের পরিবর্তে সৌজন্যতা ব্যবহার করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়, যা বর্জনীয়।
সঠিক উত্তর: B) রাজা রামমোহন রায়
১. কেন সঠিক:
'সাধুভাষা' পরিভাষাটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে ভাষারীতির নামকরণের ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি প্রথম প্রয়োগ করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা গদ্যরীতির দুটি রূপের একটি হলো সাধুভাষা এবং অন্যটি চলিতভাষা। রাজা রামমোহন রায় বাংলা ব্যাকরণ রচনার সময় এবং গদ্যের মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে সাধুভাষার প্রাথমিক রূপ ব্যবহার ও এর পরিচিতি দেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ, যেখানে বাংলা ভাষারীতি ও ব্যাকরণের নিয়ম আলোচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাজা রামমোহন রায়ের বেদান্তসার
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তিনি বাংলা গদ্যে সাধুভাষার একটি প্রাঞ্জল রূপ ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা মণিমোহন রায় — ইনি বাংলা গদ্য বা সাধুভাষা পরিভাষা ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন।
B) রাজা রামমোহন রায় — সঠিক উত্তর হিসেবে পরিভাষাটির প্রথম ব্যবহারকারী হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি সাধুভাষাকে আরও পরিশীলিত ও ব্যকরণগতভাবে নিখুঁত করেছিলেন, তবে পরিভাষাটির প্রথম প্রবক্তা নন।
D) অক্ষয় কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার মাধ্যমে সাধুভাষার প্রসারে ভূমিকা রেখেছিলেন কিন্তু প্রথম ব্যবহারকারী নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখার সহজ উপায় হলো রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের উষালগ্নে ব্যাকরণ রচনার সময় প্রথম 'সাধুভাষা' পরিভাষাটি ব্যবহার করেন। বাংলা গদ্যের ইতিহাসের শুরুতে রাজা রামমোহন রায়ের নাম সবার আগে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্যের সূচনা এবং পরিভাষার প্রথম প্রবক্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। রাজা রামমোহন রায়কে আধুনিক বাংলা গদ্য ও ব্যাকরণের অগ্রদূত হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রশ্নচিহ্ন
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নবোধক বাক্য বা জিজ্ঞাসাসূচক বাক্যের শেষে যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বা সমাপ্তিসূচক বিরাম চিহ্ন বলা হয়।
- বাক্যের সমাপ্তি বা প্রান্ত নির্দেশ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় বলেই একে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য বাক্য গঠনে ব্যবহৃত বিভিন্ন চিহ্ন।
- বাংলা বাক্যে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বিরাম চিহ্নকে মূলত পঠন ও অর্থের সমাপ্তি সূচক হিসেবে ভাগ করা হয়, যেখানে প্রশ্নচিহ্ন বাক্যের শেষ প্রান্ত বা সমাপ্তি নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার নাম কী?
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় এর শেষে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বা প্রশ্নচিহ্ন বসেছে।
উদাহরণ ২: আজ কি বৃষ্টি হবে?
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে একটি জিজ্ঞাসা প্রকাশ পাওয়ায় এর শেষে প্রশ্নচিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমা — কমা সবচেয়ে কম বিরতি বোঝায় এবং এটি বাক্যের ভেতরে পদের সংযোগ বা পৃথকীকরণে ব্যবহৃত হয়, প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়।
B) ড্যাশ — ড্যাশ বা রেখা চিহ্ন বাক্যের ভেতরে যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে ভাবের সংগতি বোঝাতে বসে, প্রান্তিক চিহ্ন হিসেবে গণ্য হয় না।
C) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতি টানে এবং দুটি স্বাধীন উপবাক্যের সংযোগে বসে, যা প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়।
D) প্রশ্নচিহ্ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যের একদম শেষে বা প্রান্তে বসে জিজ্ঞাসা প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের শেষ প্রান্তে বসে মনের জিজ্ঞাসা বোঝায় যে চিহ্ন, সেটাই প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বা প্রশ্নচিহ্ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্ন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, বিশেষ করে কোন চিহ্ন কতটুকু বিরতি নেয় তা ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) জটিল বাক্য
১. কেন সঠিক:
- যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বলে।
- এখানে 'যيই' এবং 'ততোই' বা 'ততই' এই সাপেক্ষ সর্বনাম জোড়টি বাক্য দুটিকে এমনভাবে যুক্ত করেছে যে একটির সম্পূর্ণতা অন্যটির ওপর নির্ভরশীল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
- জটিল বাক্যে সাধারণত যিই-ততি, যিনি-তার, যা-তা, যদি-তবে, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি বৃষ্টি হয় তবে আমরা বাইরে যাব না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি' এবং 'তবে' সাপেক্ষ শব্দ দুটি একটি খণ্ডবাক্যের ওপর অন্যটির নির্ভরশীলতা প্রকাশ করেছে, যা জটিল বাক্যের লক্ষণ।
উদাহরণ ২: যিনি দেশের সেবা করেন তাকে সবাই শ্রদ্ধা করে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'যিনি' এবং 'তাকে' শব্দ জোড়টি ব্যবহারের মাধ্যমে বাক্যটি জটিল বাক্যে রূপান্তরিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্দেশক বাক্য — বাক্য রূপান্তরের অর্থের দিক এটি হতে পারে, কিন্তু কাঠামোগত দিক থেকে এটি জটিল বাক্যের অন্তর্ভুক্ত।
B) সরল বাক্য — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে।
C) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই।
D) জটিল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে সাপেক্ষ শব্দ জোড় ব্যবহৃত হয়েছে এবং একটি অংশ অন্য অংশের ওপর নির্ভরশীল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জটিল বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের শুরুতে যদি যিনি, যা, যিই, যদি, যেমন থাকে এবং মাঝখানে বা শেষে তার, তা, ততই, তবে, তেমন থাকে।
- সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের জোড় দেখলে চোখ বন্ধ করে জটিল বাক্য দাগাতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সাপেক্ষ জোড়গুলো ভালোভাবে মনে রাখলে জটিল বাক্য খুব সহজেই আলাদা করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) বাক্য
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য কারণ মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশের জন্য পদের সমষ্টি বা বাক্যই হলো ভাষার মৌলিক একক।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও, মানুষ বাক্যের মাধ্যমে তার মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্ন এটি।
- মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা, আর এই ভাষার সার্থক প্রকাশ ঘটে বাক্যের মাধ্যমে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি স্কুলে যাই।
ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে ভাষার মূল উপকরণ হিসেবে কাজ করছে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
ব্যাখ্যা: এটি শব্দ গুচ্ছের সমন্বয়ে গঠিত একটি সার্থক বাক্য যা ভাষার প্রকৃত রূপ ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম মৌলিক একক, কিন্তু এটি ভাষার মূল উপকরণ বা সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশের মাধ্যম নয়।
B) বাক্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ভাষার মূল উপকরণ।
C) শব্দ — শব্দ ভাষার উপাদান হলেও কেবল শব্দ দিয়ে সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করা যায় না, তাই এটি মূল উপকরণ নয়।
D) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার দৃশ্যমান প্রতীক মাত্র কিন্তু মূল উপকরণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, লেখার বা বলার মূল উদ্দেশ্য মনের ভাব প্রকাশ করা, আর মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পায় বাক্যের মাধ্যমে। তাই ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষার মূল একক বা উপকরণ সংক্রান্ত প্রশ্নে 'বাক্য' এবং ধ্বনির ক্ষুদ্রতম একক সংক্রান্ত প্রশ্নে 'ধ্বনি' দাগাতে হবে। এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সাধুরীতিতে পদের রূপ পরিবর্তন বা দীর্ঘরূপ ঘটার বিষয়টি পদভেদে ভিন্ন হয়। অব্যয় পদ এমন একটি পদ যার কোনো অবস্থাতেই রূপান্তর, বচনভেদে পরিবর্তন বা দীর্ঘরূপ হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদ বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে পদের বা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং এর নিজস্ব কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না। সাধুরীতিতে বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দীর্ঘ বা পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হলেও অব্যয়ের রূপ অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এবং
ব্যাখ্যা: এটি একটি অব্যয় পদ এবং সাধু বা চলিত উভয় রীতিতেই এটি অপরিবর্তিত থাকে।
উদাহরণ ২: কিন্তু
ব্যাখ্যা: এই অব্যয় পদটির কোনো দীর্ঘরূপ বা রূপান্তর সাধুরীতিতে হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — সাধুরীতিতে বিশেষ্য পদের রূপ বা দীর্ঘরূপ হতে পারে যেমন রেণু থেকে রেণুক।
B) সর্বনাম — সাধুরীতিতে সর্বনাম পদের দীর্ঘরূপ বা পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় যেমন তাহার, ইহারা।
C) অব্যয় — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় কারণ এর দীর্ঘরূপ হয় না।
D) ক্রিয়া — সাধুরীতিতে ক্রিয়াপদের দীর্ঘরূপ বা পূর্ণরূপ বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহৃত হয় যেমন করিয়াছি, খাইতেছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
অব্যয়ের কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না বলে সাধুরীতিতেও এর কোনো দীর্ঘরূপ বা বিশেষ রূপান্তর হয় না। অব্যয় সব সময় অপরিবর্তিত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ প্রকরণ ও সাধু-চলিত রীতির রূপান্তর থেকে প্রশ্ন আসে। সাধুরীতিতে কোন পদের রূপ বদলায় না তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) Wicked man
কেন সঠিক:
Idiom বা বাগধারা হিসেবে "A bad egg" বলতে এমন একজন মানুষকে বোঝায় যার চরিত্র খারাপ।
বাংলায় একে দুষ্ট প্রকৃতির বা অসৎ মানুষ বলা হয়।
এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে Wicked man নির্বাচিত হয়েছে।
অন্য কোনো বিকল্পের সাথে এর অর্থ মেলে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Out dated — এই কথাটির অর্থ সেকেলে বা পুরোনো, যা কোনো মানুষের স্বভাব বা চরিত্রের সাথে মেলে না।
B) False hope — এর অর্থ মিথ্যা আশা, যা মানুষের চরিত্রের পরিবর্তে কোনো পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত।
C) Unnecessary — এই শব্দটির অর্থ অপ্রয়োজনীয়, যা কোনোভাবেই মানুষের দুষ্ট বা অসৎ চরিত্রকে প্রকাশ করে না।
D) Wicked man — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিম পচে গেলে যেমন তা নষ্ট বা খারাপ হয়ে যায়, তেমনি সমাজে কোনো মানুষের চরিত্র খারাপ হলে তাকে বলা হয় আ ব্যাড এগ।
সঠিক উত্তর: A) Phycology
কেন সঠিক:
Phycology শব্দটি শৈবাল বিজ্ঞান বা অ্যালজি বিদ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এটি উদ্ভিদ বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যেখানে শৈবাল নিয়ে গবেষণা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phycology — এই বানানটি সঠিক এবং এটি শৈবাল বিজ্ঞান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Psychology — এই বানানটি সঠিক হলেও এটি মনস্তত্ত্ব বা মনোবিজ্ঞান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) Sychology — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর শুরুতে কোনো অতিরিক্ত এস বর্ণ বসে না।
D) Cycology — এই বানানটি ভুল কারণ সি বর্ণ দিয়ে এই বিষয়ের কোনো সঠিক শব্দ গঠিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
শৈবাল বিজ্ঞান বোঝাতে পি এইচ ওয়াই সি শব্দটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Inhuman
কেন সঠিক:
'Human' শব্দের বিপরীত বা বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'Inhuman' শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। এটি নিষ্ঠুর বা অমানবিক অর্থ প্রকাশ করে যা মানুষের স্বভাবের ঠিক উল্টো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Unhuman — এই শব্দটি ইংরেজিতে সাধারণত ব্যবহার করা হয় না।
B) Inhuman — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) Not human — এটি কোনো একক শব্দ নয় বরং একটি সাধারণ বাক্য।
D) Humanly — এটি একটি adverb যা মানুষের সাধ্যমতো বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
noun বা adjective এর বিপরীত শব্দ তৈরির জন্য নির্দিষ্ট কিছু prefix বসে। 'Human' এর ক্ষেত্রে সঠিক prefix হলো 'in'।
সঠিক উত্তর: D) Separate
কেন সঠিক:
Cut up একটি phrasal verb যার অর্থ কোনো কিছু কেটে আলাদা করা বা টুকরো করা।
অপশনের শব্দগুলোর মধ্যে Separate অর্থও আলাদা করা বা বিচ্ছিন্ন করা বোঝায়।
এই ক্ষেত্রে কেটে পৃথক করার ভাবটি প্রকাশ পায়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে D নির্বাচন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Discount — এর অর্থ মূল্য ছাড় দেওয়া, যা কাটার সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) Reduce — এর অর্থ কমানো বা হ্রাস করা, তবে এটি সরাসরি আলাদা করা বোঝায় না।
C) Dislocate — এর অর্থ স্থানচ্যুত করা, যা মূলত হাড় বা জোড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) Separate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
Cut up মানে কেটে টুকরো করা বা আলাদা করা, যা Separate শব্দের সমার্থক।
সঠিক উত্তর: B) memorable
কেন সঠিক:
"A red letter day" একটি প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ লাল অক্ষরের দিন হলেও এর ভাবার্থ একটি অত্যন্ত স্মরণীয় বা ঐতিহাসিক দিন। অতীতে ক্যালেন্ডারে ছুটির দিন বা বিশেষ দিনগুলো লাল কালিতে লেখা হতো বলে এই প্রবাদটি এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) red day — এটি প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) memorable — এটি সঠিক কারণ এটি এই বিশেষ দিনের সাথে মিলে যায়।
C) bloody day — এটি রক্তক্ষয়ী বা হিংসাত্মক দিন বোঝায় যা সম্পূর্ণ ভুল।
D) day of sorrows — এটি দুঃখের দিন বোঝায় যা এই প্রবাদের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ক্যালেন্ডারের লাল ছুটির দিন বা আনন্দের দিনগুলো আমাদের মনে থাকে, তাই রেড লেটার ডে মানেই স্মরণীয় দিন।
সঠিক উত্তর: D) No article
কেন সঠিক:
দ্বীপের নামের আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না। সন্দীপ একটি নির্দিষ্ট দ্বীপের নাম তাই এখানে শূন্যস্থান হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে বসে কিন্তু একক দ্বীপের নামের আগে দ্য বসে না।
B) A — অনির্দিষ্ট singular countable noun এর আগে বসে কিন্তু দ্বীপের নামে বসে না।
C) An — ভাওয়েল দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে কিন্তু দ্বীপের নামের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) No article — সঠিক কারণ দ্বীপের নামের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত কোনো একক দ্বীপ, দেশ বা হ্রদের নামের আগে আর্টিকেল বসে না।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) Loaves
কেন সঠিক:
- ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী যেসব noun-এর শেষে f বা fe থাকে, তাদের plural করার সময় f বা fe তুলে দিয়ে ves যুক্ত করতে হয়।
- Loaf শব্দের শেষ অক্ষর f থাকায় এর সঠিক plural রূপ Loaves হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Leaf — এটি একটি আলাদা singular noun যার অর্থ পাতা, এবং এর সঠিক plural হলো Leaves।
B) Loafs — এটি ভুল বানান কারণ f তুলে দিয়ে ves না যোগ করে সরাসরি s যুক্ত করা হয়েছে।
C) Loaves — এটি সঠিক উত্তর।
D) Leaves — এটি Leaf শব্দের plural form, যা Loaf শব্দের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে f থাকলে তা উঠিয়ে ves বসিয়ে plural করতে হয়, যেমন Loaf থেকে Loaves।
সঠিক উত্তর: D) nature
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে প্রকৃতির কবি বলা হয় কারণ তার কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো প্রকৃতি এবং গ্রামীণ পরিবেশ।
তিনি প্রকৃতির মাঝে খোদার রূপ ও শান্তি খুঁজে পেতেন।
তার বিখ্যাত কবিতাগুলিতে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য এবং মানুষের সাথে এর গভীর সম্পর্কের কথা ফুটে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beauty — সৌন্দর্য তার কবিতার অংশ হলেও তিনি মূলত সামগ্রিক প্রকৃতির কবি হিসেবে সমাদৃত।
B) love — প্রেম তার কবিতার প্রধান উপজীব্য নয়, বরং প্রকৃতি ও মানবজীবন তার লেখার মূল প্রেরণা।
C) hope — আশাবাদ তার কাব্যের একটি ভাব হতে পারে, কিন্তু এটি তার প্রধান পরিচয় নির্ধারণ করে না।
D) nature — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তার পুরো সাহিত্যজীবনে প্রকৃতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই প্রকৃতি, তাই পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে তার নাম দেখলে চোখ বন্ধ করে প্রকৃতি বা ন্যাচার দাগিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: C) Pallbearers
কেন সঠিক:
শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো যারা জানাজায় বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কফিন কাঁধে বহন করেন। ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী মৃতদেহ বহনকারী ব্যক্তিদের এই নির্দিষ্ট নামে ডাকা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Undertakers — এই শব্দটি দ্বারা সৎকারকর্মী বা যারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সার্বিক আয়োজন করেন তাদের বোঝানো হয়।
B) Supporters — এই সাধারণ শব্দটির অর্থ হলো যারা কাউকে সমর্থন বা সাহায্য করেন।
ড) Mourners — এই শব্দটি শোকসন্তপ্ত ব্যক্তি বা যারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় শোক প্রকাশ করতে আসেন তাদের বোঝায়।
D) Pallbearers — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে চলা হলো।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের অংশগুলো খেয়াল করো। Pall অর্থ কফিন বা চাদর এবং Bearer অর্থ বহনকারী।
সঠিক উত্তর: B) a little
কেন সঠিক:
পানি একটি অনগণ্য বা আনকাউন্টেবল নাউন, যার আগে পরিমাণের জন্য a little ব্যবহার করা হয়।
এটি অল্প পরিমাণ তরল পদার্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা গ্লাসে থাকতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) many - এটি শুধু কাউন্টেবল বা গণনযোগ্য নাউনের বহুবচনের সাথে বসে।
B) a little - এটি সঠিক উত্তর এবং আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে বসে।
C) a - পানি একটি আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর আগে সরাসরি a আর্টিকেল বসে না।
D) several - এটি কেবল কাউন্টেবল নাউনের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় না এমন বস্তুর অল্প পরিমাণ বোঝাতে a little ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Duchess
কেন সঠিক:
- Duke শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ বা ফেমিনিন জেন্ডার হলো Duchess, যার অর্থ ডাচেস বা ডাচের স্ত্রী।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু Masculine noun-এর শেষে ess যোগ করে Feminine noun গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Duck — এটি হাস বোঝায়, যা Duke শব্দের ফেমিনিন জেন্ডার নয়।
B) Duchess — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) Duchies — এটি Duchy শব্দের বহুবচন, যার অর্থ একাধিক জায়গির বা প্রদেশ।
D) Duchles — এটি একটি অর্থহীন শব্দ এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এর কোনো ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
Duke শব্দের শেষে ess যোগ করে Duchess তৈরি হয়, যেমন Prince থেকে Princess হয়।
সঠিক উত্তর: A) were having
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথমারংশ অতীতকালে ঘটেছে তাই পরের অংশেও অতীতকালের ধারাবাহিক কাজ বোঝাতে Past Continuous Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
Guest আসার ঠিক আগ মুহূর্তে বা সেই সময়ে লাঞ্চ করার কাজটি চলমান ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were having — এটি সঠিক উত্তর।
B) had — এটি Simple Past Tense হওয়ায় চলমান কাজ বোঝাতে পারে না।
C) have had — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় অতীতকালের ঘটনার সাথে মিলে না।
D) would have — এটি Conditional বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
While বা when যুক্ত অতীতকালের দুটি কাজের একটি চলমান থাকলে অন্যটি Past Continuous Tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) George Orwell
কেন সঠিক:
জর্জ অরওয়েল ১৯৪৫ সালে এই বিখ্যাত রাজনৈতিক রূপক উপন্যাসটি প্রকাশ করেছিলেন।
এটি মূলত সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর লেখা একটি কৌতুকপূর্ণ সমালোচনা।
বইটির মূল বিষয়বস্তু হলো পশুর খামারে প্রাণীদের বিপ্লব।
এটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা একটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jonathan Swift — তিনি একজন বিখ্যাত আইরিশ লেখক এবং সমালোচক ছিলেন। তিনি গুলিভার্স ট্রাভেলস উপন্যাসের জন্য বেশি পরিচিত।
B) Mark Twain — তিনি বিখ্যাত মার্কিন কথাসাহিত্যিক ও হাস্যরসাত্মক লেখক ছিলেন। টম সয়্যার তার বিখ্যাত একটি সৃষ্টি।
D) R. L. Stevenson — তিনি স্কটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন। ট্রেজার আইল্যান্ড তার লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস।
মনে রাখার টিপস:
অরওয়েল ও অ্যানিমাল ফার্ম দুটি শব্দই ইংরেজি এ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা সহজেই মনে রাখতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: A) Wireless Fidelity
কেন সঠিক:
ওয়াইফাই মূলত কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা অ্যাক্রোনিম নয়, এটি একটি ট্রেডমার্ক নাম। প্রযুক্তির দুনিয়ায় এই শব্দটির পূর্ণ রূপ হিসেবে ওয়্যারলেস ফিডেলিটি নামটিই দীর্ঘদিন ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) Wireless Fibre — এটি ভুল কারণ ফাইবার অপটিক বা ক্যাবলের সাথে ওয়াইফাই প্রযুক্তির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) Wireless first — এটি ভুল কারণ এই শব্দগুচ্ছটি ওয়াইফাই প্রযুক্তির সংজ্ঞার সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
D) Wireless Friend — এটি ভুল কারণ এটি একটি কাল্পনিক শব্দ এবং নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির কোনো পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওয়াইফাই মানে ক্যাবল ছাড়া সংযোগ, তাই প্রথম শব্দটি সর্বদা ওয়্যারলেস হবে।
সঠিক উত্তর: B) Electronic Money Transfer Service
কেন সঠিক:
EMTS একটি বহুল ব্যবহৃত আর্থিক সেবা যার পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস। এটি সাধারণত ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত টাকা পাঠানোর কাজের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Electronic Money Transaction Software — এটি মানি ট্রান্সফারের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সেবার নাম নয়, বরং একটি সফটওয়্যার নির্দেশ করে।
B) Electronic Money Transfer Service — এটি সঠিক কারণ ব্যাংকিং ও পোস্টাল সেবায় এই পূর্ণরূপটিই আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) Electronic Mail Transport Software — এটি ইমেইল আদান-প্রদানের সাথে সম্পর্কিত, আর্থিক লেনদেনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Express Mail Transfer System — এটি ডাক বিভাগের চিঠি বা পার্সেল পাঠানোর ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত, টাকার সাথে নয়।
মনে রাখার টিপস:
EMTS শব্দটিতে Money Transfer কথাটি থাকে কারণ এটি মূলত টাকা পাঠানোর একটি ইলেকট্রনিক সেবা।
সঠিক উত্তর: A) Spelling
কেন সঠিক:
সঠিক ইংরেজি বানান হলো এস-পি-ই-এল-এল-আই-এন-জি। এর অর্থ হলো কোনো শব্দের বানান সঠিকভাবে লেখা বা বলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Spelling — এটি সঠিক এবং নিখুঁত বানান।
B) Speling — এই বানানে একটি এল কম আছে তাই এটি ভুল।
C) Sleping — এই বানানে একটি ই কম আছে তাই এটি ভুল।
D) Slepping — এই বানানে অতিরিক্ত পি ও ই আছে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দ লেখার সময় ডাবল অক্ষর এবং সঠিক স্বরবর্ণের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Rude
কেন সঠিক:
'Gentle' শব্দটির অর্থ শান্ত, ভদ্র বা অমায়িক। এর বিপরীতার্থক বা সমার্থক হিসেবে রুক্ষ বা অভদ্র বোঝাতে 'Rude' সঠিক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।
'Gentle' মানুষের ব্যবহারের কোমলতা প্রকাশ করে।
'Rude' মানুষের ব্যবহারের কঠোরতা বা অভদ্রতা প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Harsh — এই শব্দটির অর্থ কঠোর বা কর্কশ, যা সাধারণত শব্দ বা আবহাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়।
B) Clever — এর অর্থ চালাক বা চতুর, যা বুদ্ধিমত্তার সাথে সম্পর্কিত এবং gentle শব্দের বিপরীত নয়।
C) Modest — এই শব্দটির অর্থ বিনীত বা বিনম্র, যা gentle শব্দের একটি সমর্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে।
D) Rude — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে ভুল হিসেবে গণ্য হবে না।
মনে রাখার টিপস:
শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের ইংরেজি হলো জেন্টল এবং এর ঠিক উল্টো অভদ্র বা রুক্ষ ব্যবহারের ইংরেজি হলো রুড।
সঠিক উত্তর: B) against
কেন সঠিক:
স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটা বোঝাতে against preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে নদী বা পানির গতির বিপরীত দিক বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) above — এটি উপরে বা উচ্চতা বোঝাতে বসে, স্রোতের বিপরীত গতি বোঝাতে এটি সঠিক নয়।
B) against — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রতিকূলতা বা স্রোতের উল্টো দিক নির্দেশ করে।
C) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
D) of — এটি সম্বন্ধ বা উৎস বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
স্রোত বা বাতাসের বিপরীতে কিছু করা বোঝালে সব সময় against preposition ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) The people of England
কেন সঠিক:
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ইংরেজি ভাষার আগে 'The' বসালে তা আর ভাষা বোঝায় না।
বরং এটি নির্দিষ্ট করে ইংল্যান্ডের সমগ্র জাতিকে বা সেখানকার জনগণকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) English language — 'The' ছাড়া শুধু English শব্দটি ভাষা বোঝায়, তাই এটি ভুল।
B) English literature — এর দ্বারা ইংরেজি সাহিত্য বোঝায়, যা সঠিক উত্তর নয়।
C) English speaking countries — এটি দিয়ে ইংরেজিভাষী দেশগুলোকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) The people of England — এটি সঠিক কারণ 'The' যুক্ত হলে জাতির মানুষকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষার নামের আগে 'The' বসালে তা ভাষা না বুঝিয়ে সেই দেশের জাতিকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বোঝাতে প্রতিষ্ঠানের নামের পূর্বে preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান হওয়ায় তার পূর্বে at বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — সাধারণত বড় শহর, দেশ বা সীমানাবন্ধ স্থানের পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বসে না।
B) of — এটি সাধারণত অধিকার, উৎস বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, স্থান বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বসে না।
C) at — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম বোঝাতে at বসে।
D) into — এটি সাধারণত গতিশীল অবস্থা বা এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ বা স্কুলের নামের আগে অবস্থান বোঝাতে সর্বদা at বসবে।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) live
কেন সঠিক:
- বাক্যে modal auxiliary verb (can) থাকার পর মূল verb-এর বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়।
- Subject (No man) singular হওয়া সত্ত্বেও modal verb-এর কারণে verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lives — Modal verb-এর পর verb-এর সাথে s যুক্ত হয় না বিধায় এটি ভুল।
B) live — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) living — Modal verb-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত continuous form হয় না।
D) lived — Modal verb-এর পর verb-এর past form বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Can, could, shall, should, will, would ইত্যাদি modal auxiliary verb-এর পরে সর্বদা verb-এর বেস ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: B) I do not take tea.
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে চা, কফি বা যেকোনো পানীয় গ্রহণের ক্ষেত্রে 'eat' ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে 'take' বা 'drink' ব্যবহার করা হলেও ব্রিটিশ ও আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী চা পানের ক্ষেত্রে 'take' ব্যবহার করা সবচেয়ে বেশি স্ট্যান্ডার্ড।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I do not eat tea — 'Eat' মানে খাওয়া, কিন্তু চা বা তরল খাবার চিবিয়ে খাওয়া যায় না তাই এটি ভুল।
B) I do not take tea — এটি ব্যাকরণগত ও ব্যবহারের দিক থেকে সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর।
C) I do not drink tea — 'Drink' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে ইংরেজিতে চায়ের সাথে 'take' বা 'have' শব্দটি সবচেয়ে বেশি মানানসই।
D) I do not like tea — এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে আমি চা পছন্দ করি না, যা মূল বাক্যের 'পান করি না' এর সঠিক অনুবাদ নয়।
মনে রাখার টিপস:
তরল খাবার যেমন চা বা কফি পানের ক্ষেত্রে 'eat' না বলে সবসময় 'take' বা 'drink' বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Oncologist
কেন সঠিক:
Onco শব্দটির অর্থ টিউমার বা ক্যান্সার। Ist suffix যুক্ত হয়ে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cardiologist — এই চিকিৎসক হৃদরোগ বা হার্টের চিকিৎসা করেন।
B) Neurologist — এই চিকিৎসক স্নায়ুরোগ বা ব্রেনের চিকিৎসা করেন।
C) Oncologist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো কারণ নেই।
D) Nephrologist — এই চিকিৎসক কিডনি সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসা করেন।
মনে রাখার টিপস:
Onco শব্দের অর্থ টিউমার, তাই টিউমার বা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হলো Oncologist।
সঠিক উত্তর: C) Soon
কেন সঠিক:
'by and by' একটি খুব পরিচিত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
এর বাংলা অর্থ হলো শীঘ্র বা অল্প সময়ের মধ্যে।
তাই এর সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Soon'।
অন্য কোনো অর্থ এখানে প্রযোজ্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) In course of taking — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু ইডিয়মটির সঠিক অর্থ বোঝায় না।
B) As it would be — এই কথাটির অর্থ যেমনটা হওয়ার কথা ছিল, যা মূল অর্থের সাথে মেলে না।
C) Soon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
D) Suddenly — এর অর্থ হঠাৎ করে, যা ধীরে ধীরে ঘটার ভাব প্রকাশ করা 'by and by' এর বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
'By and by' দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ ধীরে ধীরে বা শীঘ্রই।
সঠিক উত্তর: B) Curriculum Vitae
কেন সঠিক:
সিভি বা সিভিট হলো লাতিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ জীবনের গতিপথ বা কর্মজীবন।
চাকরি বা পেশাগত জীবনের ইতিহাস তুলে ধরার জন্য এটি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Curriculum Viral — এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ এবং চাকরির ক্ষেত্রে এর কোনো অর্থ নেই।
B) Curriculum Vitae — এটি সঠিক উত্তর এবং পেশাগত জীবনে এটিই ব্যবহার করা হয়।
C) Curriculum Value — এটি ভুল কারণ এখানে জীবনের ইতিহাস বোঝায় না।
D) Curriculum Voyage — এটি ভুল কারণ ভাইয়েজ শব্দের অর্থ সমুদ্রযাত্রা।
মনে রাখার টিপস:
সিভি লেখার সময় মনে রাখবে এর পূর্ণরূপ লাতিন ভাষা থেকে এসেছে।
সঠিক উত্তর: D) proper
কেন সঠিক:
সিলেট হলো একটি নির্দিষ্ট শহর বা স্থানের নাম। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নামকে Proper Noun বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) common - এটি কোনো সাধারণ জাতি বা শ্রেণীর নাম নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম।
B) collective - এটি কোনো সমষ্টি বা দলের নাম বোঝায় না, একটি নির্দিষ্ট একক শহর।
C) material noun - এটি কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় না, যা দিয়ে কোনো কিছু তৈরি হয়।
D) proper - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, নদী বা জায়গার নাম সবসময় Proper Noun হয়।
সঠিক উত্তর: C) I prefer death to dishonor.
কেন সঠিক:
১. তুলনা করার ক্ষেত্রে prefer শব্দের পরে to ব্যবহৃত হয়, কোনোভাবেই than বসে না।
২. দুটি নাউনের মধ্যে তুলনা বোঝাতে prefer এর পরে noun দুটি সরাসরি বসে এবং মাঝে preposition হিসেবে to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I prefer death from dishonor. — এখানে সঠিক preposition হিসেবে from ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) I like death more than dishonor. — prefer শব্দের সাথে more than ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত এবং এটি ভুল ইংরেজি গঠন।
C) I prefer death to dishonor. — এটি সঠিক উত্তর।
D) I prefer death more than dishonor. — এখানে prefer এর সাথে redundantly more than ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
prefer শব্দের পরে সবসময় to বসে, than বসে না। এটি মনে রাখলে এই ধরনের অনুবাদ সহজে সঠিক করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Let the door be shut
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে।
তাই Passive করার সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসাতে হয় এবং মূল verb এর Past Participle রূপ লিখতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The door is to be shut — এই গঠনে বাক্যটি মূল বাক্যের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি Imperative Sentence এর নিয়মের বাইরে।
B) সঠিক উত্তর — এটি Imperative Sentence কে Passive করার সঠিক নিয়ম অনুসরণ করেছে।
C) Let the door shut — এখানে be verb টি ব্যবহার করা হয়নি, যা Passive Voice এর নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
D) The door may be shut — এখানে modal auxiliary verb অতিরিক্ত যুক্ত করা হয়েছে, যার কোনো প্রয়োজন ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
Imperative Sentence এ Verb দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় প্রথমে Let বসিয়ে বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) but
কেন সঠিক:
- 'but' শব্দটি দুটি বিপরীত ভাব প্রকাশকারী স্বাধীন ক্লজ বা শব্দকে সংযুক্ত করেছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ দুটি শব্দ বা বাক্যংশকে যুক্ত করে তাকে কনজাংশন বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) poor — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, কারণ এটি বাক্যে কর্তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে।
B) honest — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যা সাবজেক্টের অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
C) but — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি কনজাংশন হিসেবে কাজ করেছে।
D) he — এটি একটি প্রোনাউন, যা বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীতধর্মী দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করতে যে সংযোগকারী শব্দ বসে, তাকে কনজাংশন বলে।
সঠিক উত্তর: খ) Princes
কেন সঠিক:
Princes শব্দটির শেষে es যুক্ত আছে যা এটিকে বহুবচন করে তোলে।
এটি Prince শব্দের বহুবচন রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Princess — এটি একটি একবচন শব্দ যার অর্থ রাজকুমারী।
খ) Princes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) Mistress — এটি একটি একবচন শব্দ যার অর্থ গিন্নি বা গৃহকর্ত্রী।
ঘ) Mattress — এটি একটি একবচন শব্দ যার অর্থ তোশক বা ম্যাট্রেস।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে s বা es দেখলে সাধারণত সেটি বহুবচন হয়।
সঠিক উত্তর: A) ২ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ১
দুধের পরিমাণ পানির পরিমাণ হতে ৮ লিটার বেশি
ধরি,
পানির পরিমাণ = ১ক লিটার
দুধের পরিমাণ = ৫ক লিটার
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৫ক − ১ক = ৮
৪ক = ৮
সুতরাং,
ক = ৮ ÷ ৪
ক = ২
উত্তর: ২ লিটার
সঠিক উত্তর: C) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর চারটি সংখ্যার গুণফল = ৩৬০
ধরি,
সংখ্যা চারটি যথাক্রমে ক, খ, গ এবং ঘ
অতএব,
৩৬০ সংখ্যাটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, ৩৬০ = ২ × ৩ × ৪ × ৫
সুতরাং,
সংখ্যা চারটি হলো ৩, ৪, ৫ এবং ৬
উত্তর: ৩ + ৪ + ৫ + ৬ = ১৮
সঠিক উত্তর: A) ২/৩
প্রদত্ত তথ্য:
শতকরা মান দেওয়া আছে ৬৬ সমস্ত দুইয়ের তিন %
এটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে
ধরি,
মিশ্র ভগ্নাংশটিকে অপকৃত ভগ্নাংশে রূপান্তর করা হলো
পূর্ণ সংখ্যাকে হর দিয়ে গুণ করে লব যোগ করতে হবে
অতএব,
৬৬ কে ৩ দিয়ে গুণ করলে হয় ১৯৮
তার সাথে ২ যোগ করলে হয় ২০০
সুতরাং,
২০০ ÷ ৩ %
= (২০০ ÷ ৩) ÷ ১০০ = ২ ÷ ৩
উত্তর: ২/৩
সঠিক উত্তর: C) ২৪ বর্গমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ বাদে অপর দুই বাহুর দৈর্ঘ্য ৮ মিটার এবং ৬ মিটার
ধরি,
ত্রিভুজটির ভূমি = ৮ মিটার
ত্রিভুজটির উচ্চতা = ৬ মিটার
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো দুই বাহুর গুণফলের অর্ধেক
ক্ষেত্রফল = (ভূমি × উচ্চতা) ÷ ২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (৮ × ৬) ÷ ২
ক্ষেত্রফল = ৪৮ ÷ ২ = ২৪ বর্গমিটার
উত্তর: ২৪ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: C) ৪.৫৪৮ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পরিমাপের আন্তর্জাতিক ও সাম্রাজ্যিক একক
তরল পদার্থের আয়তন পরিমাপের একক গ্যালন ও লিটার
ধরি,
১ ইম্পেরিয়াল গ্যালন বা ব্রিটিশ গ্যালনকে লিটারে রূপান্তর করতে হবে
অতএব,
১ ব্রিটিশ গ্যালন সমান ৪.৫৪৬১ লিটার ধরা হয়
সুতরাং,
সাধারণত গণিতের হিসেবে একে ৪.৫৪৮ লিটার হিসেবে ধরা হয়
উত্তর: ৪.৫৪৮ লিটার
সঠিক উত্তর: A) ২৪ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে. মি.
কেন্দ্র হতে জ্যা-এর দূরত্ব = ৫ সে. মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হতে জ্যা এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
ব্যাসার্ধ, লম্ব এবং অর্ধ-জ্যা মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৩ সে. মি.
সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ৫ সে. মি.
অর্ধ-জ্যা = √(১৩ × ১৩ − ৫ × ৫)
সুতরাং,
অর্ধ-জ্যা = √(১৬৯ − ২৫) = √১৪৪ = ১২ সে. মি.
সম্পূর্ণ জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ১২ × ২ = ২৪ সে. মি.
উত্তর: ২৪ সে. মি.
সঠিক উত্তর: C) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির গসাগু = ২
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০
একটি সংখ্যা = ৩৬
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু
অতএব,
৩৬ × ক = ২ × ৩৬০
৩৬ × ক = ৭২০
ক = ৭২০ ÷ ৩৬
সুতরাং,
ক = ২০
উত্তর: ২০
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা লিখতে হবে
চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা লিখতে হবে
ধরি,
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০০
চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯
অতএব,
সংখ্যা দুটির বিয়োগফল বের করতে হবে
অর্থাৎ ১০০০১০ থেকে ৯৯৯৯ বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
বিয়োগফল হবে ১০০০০০ − ৯৯৯৯
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রدত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে
সংখ্যাগুলো হলো ২, ৯, ৩৯ এবং ১১৫
ধরি,
মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়
অতএব,
৯ সংখ্যাটি ১, ৩ এবং ৯ দ্বারা বিভাজ্য
৩৯ সংখ্যাটি ১, ৩, ১৩ এবং ৩৯ দ্বারা বিভাজ্য
সুতরাং,
১১৫ সংখ্যাটি ১, ৫, ২৩ এবং ১১৫ দ্বারা বিভাজ্য
এবং ২ সংখ্যাটি কেবল ১ এবং ২ দ্বারা বিভাজ্য
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: B) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল x + y = ৬
দুটি রাশির বিয়োগফল x − y = ৪
ধরি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করতে হবে
এখানে xy এর মান বের করার সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
xy এর সূত্র হলো (x + y ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর বর্গ
অথবা সরাসরি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত (x + y + ২) এর বর্গ বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর বর্গ
সুতরাং,
xy এর অনুসিদ্ধান্ত সূত্রটি হলো (x + y) এর বর্গ বিয়োগ (x − y) এর বর্গ, পুরোটা ভাগ চার
উত্তর: মান বসিয়ে পাই, ছয় এর বর্গ মাইনাস চার এর বর্গ ভাগ চার সমান সমান পাঁচ
সঠিক উত্তর: D) ১,৩৫০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন বা আসল = ৪,৫০০ টাকা
সুদের হার = ১০% বা বার্ষিক ১০ টাকা
সময় = ৩ বছর
ধরি,
আসল হলো P = ৪,৫০০ টাকা
সুদের হার হলো r = ১০%
সময় হলো n = ৩ বছর
অতএব,
সরল সুদের সূত্র হলো I = (P × n × r) ÷ ১০০
এখানে মানগুলো বসিয়ে পাই
সুতরাং,
সুদ = (৪,৫০০ × ৩ × ১০) ÷ ১০০
= ১,৩৫,০০০ ÷ ১০০
উত্তর: ১,৩৫০ টাকা
সঠিক উত্তর: D) ৩ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
অপু কাজটি করতে পারে ৬ দিনে
নিপু কাজটি করতে পারে ১০ দিনে
নীলু কাজটি করতে পারে ১৫ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
অপু ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ কাজ
নিপু ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ কাজ
নীলু ১ দিনে করে ১ ÷ ১৫ অংশ কাজ
সুতরাং,
তিনজন একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ কাজ
= (৫ + ৩ + ২) ÷ ৩০ অংশ কাজ
= ১০ ÷ ৩০ অংশ কাজ
= ১ ÷ ৩ অংশ কাজ
উত্তর: ৩ দিনে
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট কমলার সংখ্যা = ১১৫টি
মোট কলার সংখ্যা = ১৩৫টি
ধরি,
শিশুর সংখ্যা হবে ১১৫ এবং ১৩৫ এর গসাগু
অতএব,
১১৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৩, ১১৫
১৩৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৩, ৫, ৯, ১৫, ২৭, ৪৫, ১৩৫
সুতরাং,
১১৫ এবং ১৩৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক বা গসাগু = ৫
উত্তর: ৫ জন শিশুর মধ্যে ফলগুলো সমানভাগে ভাগ করে দেওয়া যাবে
সঠিক উত্তর: D) ৪১ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি সমকোণী ত্রিভুজ
সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের অন্তর ৮ ডিগ্রি
ধরি,
ক্ষুদ্রতম সূক্ষ্ম কোণটি = ক ডিগ্রি
অপর সূক্ষ্ম কোণটি = ক + ৮ ডিগ্রি
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের দুই সূক্ষ্ম কোণের সমষ্টি = ৯০ ডিগ্রি
প্রশ্নানুসারে, ক + ক + ৮ = ৯০
সুতরাং,
২ক + ৮ = ৯০
২ক = ৯০ − ৮
উত্তর: ক = ৮২ ÷ ২ = ৪১ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) ১২টি
প্রদত্ত তথ্য:
অংকগুলো হলো ১, ২, ৩ এবং ৪
গঠিত সংখ্যাটি ৪ অংকের হতে হবে
ধরি,
সংখ্যাটি ৩০০০ অপেক্ষা বৃহত্তম হবে
হাজার এর ঘরে ৩ অথবা ৪ বসবে
অতএব,
হাজার এর ঘরে বসানোর উপায় = ২টি
শতক এর ঘরে বাকি ৩টি অংক থেকে বসানোর উপায় = ৩টি
সুতরাং,
দশক এর ঘরে বসানোর উপায় = ২টি
একক এর ঘরে বসানোর উপায় = ১টি
উত্তর: ২ × ৩ × ২ × ১ = ১২টি
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা তিনটি হলো ৫, ৭ এবং ২৪
দ্বিতীয় সংখ্যা দুটি হলো ৭, ৯ এবং অজানা সংখ্যাটি
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
প্রথম তিনটি সংখ্যার যোগফল = ৫ + ৭ + ২৪ = ৩৬
প্রথম তিনটি সংখ্যার গাণিতিক গড় = ৩৬ ÷ ৩ = ১২
সুতরাং,
দ্বিতীয় তিনটি সংখ্যার যোগফল হবে ১২ × ৩ = ৩৬
৭ + ৯ + ক = ৩৬
উত্তর: ক = ২০
সঠিক উত্তর: C) a^3 − 3a
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + 1/x = a
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে x^3 + 1/x^3 এর
অতএব,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, x^3 + 1/x^3 = (x + 1/x)^3 − 3 × (x + 1/x)
সুতরাং,
এখন মানের জায়গায় a বসিয়ে পাই, a^3 − 3a
উত্তর: a^3 − 3a
সঠিক উত্তর: B) ১২.৫
প্রদত্ত তথ্য:
সুদের হার = ৮%
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
সুদ = ১০০ টাকা
অতএব,
আমরা জানি, সুদ = (আসল × সময় × হার) ÷ ১০০
এখানে মান বসিয়ে পাই, ১০০ = (১০০ × সময় × ৮) ÷ ১০০
সুতরাং,
সময় × ৮ = ১০০
সময় = ১০০ ÷ ৮
উত্তর: ১২.৫ বছর
সঠিক উত্তর: C) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বিয়োগ করতে হবে
বিয়োগফল মূল সংখ্যা অপেক্ষা পাঁচ বেশি হবে
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি = ক
শর্ত অনুযায়ী সমীকরণটি হবে ২৫ − ক = ক + ৫
অতএব,
২৫ − ৫ = ক + ক
২০ = ২ক
সুতরাং,
ক = ২০ ÷ ২
ক = ১০
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: A) ১০(১/২)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম মিশ্র ভগ্নাংশ = ৩(৩/৮)
দ্বিতীয় মিশ্র ভগ্নাংশ = ১(৫/৮)
তৃতীয় মিশ্র ভগ্নাংশ = ৫(১/৮)
ধরি,
পূর্ণসংখ্যাগুলো আলাদা করি = ৩ + ১ + ৫
ভগ্নাংশগুলো আলাদা করি = (৩/৮) + (৫/৮) + (১/৮)
অতএব,
পূর্ণসংখ্যাগুলোর যোগফল = ৩ + ১ + ৫ = ৯
ভগ্নাংশগুলোর হর এক হওয়ায় লবগুলোর যোগফল = ৩ + ৫ + ১ = ৯
সুতরাং,
ভগ্নাংশের যোগফল = ৯/৮ = ১(১/৮)
মোট যোগফল = ৯ + ১(১/৮) = ১০(১/৮) ভুল, হিসাব সংশোধন করি
পূর্ণসংখ্যা যোগ ভগ্নাংশ = ৯ + (৯/৮) = ৯ + ১(১/৮) = ১০(১/৮) হবে না, অপশন অনুযায়ী ১০(৪/৮) বা ১০(১/২)
উত্তর: ১০(১/২)
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি = ৪
নির্ণয় করতে হবে = ৪ এর ৭৫%
ধরি,
সংখ্যাটি হলো চার
অতএব,
চার এর ৭৫ শতাংশ হিসাব করতে হবে
সুতরাং,
৪ × ৭৫ ÷ ১০০
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: B) ৮/৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
দশমিক সংখ্যাটি শূন্য দশমিক দুই চার চার এর ওপর পৌণিক বা আবৃত্ত দশমিক
ধরি,
সংখ্যাটি ক = শূন্য দশমিক দুই চার চার এর ওপর পৌণিক
অতএব,
উভয় পক্ষকে একশ দিয়ে গুণ করে পাই, একশ গুণ ক = চব্বিশ দশমিক চার চার এর ওপর পৌণিক
সুতরাং,
দশ দিয়ে গুণ করে পাই, দশ গুণ ক = দুই দশমিক চার চার এর ওপর পৌণিক
বিয়োগ করে পাই, নব্বই গুণ ক = বাইশ
অতএব,
ক = বাইশ ভাগ নব্বই
সুতরাং,
লব ও হরকে দুই দিয়ে ভাগ করে পাই আট ভাগ তেত্রিশ
উত্তর: ৮/৩৩
সঠিক উত্তর: A) ৩ঃ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ২৫ মিটার
অপর বাহুদ্বয়ের একটি অপরটির ৩/৪ অংশ
ধরি,
ত্রিভুজের একটি বাহু = ক মিটার
অপর বাহুটির দৈর্ঘ্য = (৩/৪) × ক মিটার
অতএব,
বাহু দুটির অনুপাত হবে ক : (৩/৪) ক
বা বাহু দুটির অনুপাত হবে ১ : (৩/৪)
সুতরাং,
ভগ্নাংশ দূর করতে উভয় পক্ষকে ৪ দ্বারা গুণ করে পাই ৪ : ৩
কিন্তু প্রশ্নে অপর বাহুদ্বয়ের একটি অপরটির ৩/৪ অংশ বলা হয়েছে, তাই তাদের অনুপাত ৩ : ৪
উত্তর: ৩ঃ৪
সঠিক উত্তর: B) ১০টি
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য হলো টাকায় দুটি কমলা
লাভের হার হলো শতকরা চল্লিশ টাকা
ধরি,
একটি কমলার ক্রয়মূল্য হলো এক টাকা ভাগ দুই সমান শূন্য দশমিক পাঁচ টাকা
অতএব,
চল্লিশ শতাংশ লাভে একটি কমলার বিক্রয়মূল্য হবে শূন্য দশমিক পাঁচ গুণ একশো চল্লিশ ভাগ একশো সমান শূন্য দশমিক সাত টাকা
সুতরাং,
শূন্য দশমিক সাত টাকায় বিক্রি করতে হবে একটি কমলা
উত্তর: পঁয়ত্রিশ টাকায় বিক্রি করতে হবে পঁয়ত্রিশ ভাগ শূন্য দশমিক সাত সমান দশটি কমলা
সঠিক উত্তর: A) নেপাল
কেন সঠিক:
- সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার মূল সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত।
- ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে সংস্থাটি গঠিত হওয়ার পর ১৯৮৭ সালের ১৬ই জানুয়ারি এই সচিবালয় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এই দেশটিতেই সার্কের মূল সচিবালয় অবস্থিত।
B) ভারত — এই দেশটিতে সার্কের সচিবালয় নেই, তবে এর সদস্য রাষ্ট্র এবং প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক।
C) পাকিস্তান — এই দেশটিতেও সার্কের সচিবালয় নেই, এটি সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
D) বাংলাদেশ — এই দেশের রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে সার্ক গঠিত হলেও এর সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের জন্ম ঢাকায় হলেও এর স্থায়ী ঠিকানা বা সচিবালয় পাহাড়ঘেরা নেপালের কাঠমাণ্ডুতে।
সঠিক উত্তর: D) ধর্মপাল
কেন সঠিক:
- পাল বংশের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতাব্দীর শেষের দিকে বা নবম শতাব্দীর শুরুতে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান বৌদ্ধ বিহার এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — ইনি মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং প্রাচীন ভারতের মগধে শাসন করতেন, পাহাড়পুর বিহারের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) আদিশূর — ইনি বাংলার সেন বংশের আগের একজন প্রাচীন রাজা ছিলেন, যাঁর সঙ্গে বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
সি) রাজা রামপাল — ইনি পাল বংশের অপর একজন শক্তিশালী রাজা হলেও পাহাড়পুর বিহারের নির্মাতা নন, তিনি রামপাল মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
D) ধর্মপাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী তিনিই সোমপুর মহাবিহার বা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ধর্মের পথ ধরে পাল রাজারা পাহাড় গড়ে তুললেন, তাই পাহাড়পুর বিহারের নির্মাতা ধর্মপাল।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২
কেন সঠিক:
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিটির সুপারিশে ১৯৮২ সালে বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রশাসনিক ক্ষমতা স্থানীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ এবং গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮১ — এই সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন এবং দেশে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, উপজেলা পরিষদ চালুর সাল এটি নয়।
B) ১৯৮২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ১৯৮৩ — ১৯৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম দফতে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত ও উপজেলা কার্যক্রমের বিস্তার ঘটে, কিন্তু উপজেলা পরিষদ চালু হয় ১৯৮২ সালে।
D) ১৯৮৪ — ১৯৮৪ সালে অনেক নতুন উপজেলা গঠিত ও উন্নীত করা হয়, কিন্তু উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা চালুর বছর এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
উপজেলা চালুর সাল মনে রাখতে দুই এর অঙ্কটি মনে রাখুন, কারণ এরশাদ সরকারের আমলে ১৯৮২ সালে প্রথম উপজেলা চালু হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো এর সদস্যপদ লাভ করে।
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে সদস্যপদ লাভ করার পর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৩ — এটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
B) ১৮৮ — অতীতে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা এই সংখ্যা অতিক্রম করেছিল, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ১৯৩ — এটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য।
D) ১৯৭ — বিশ্বজুড়ে স্বাধীন রাষ্ট্রের সংখ্যা এর আশপাশে হলেও জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা এই সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে একটি সাধারণ কৌশল হলো শেষের সংখ্যাটি তিন, অর্থাৎ একশো তিরানব্বই।
বিষয়ের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) মোনাকো
কেন সঠিক:
- মোনাকো বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ বা সর্বোচ্চ জনবসতিপূর্ণ দেশ, যার প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- দেশটির আয়তন অত্যন্ত কম কিন্তু জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় এখানকার জনঘনত্ব বিশ্বে সর্বোচ্চ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোনাকো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) রাশিয়া — আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এর জনসংখ্যার ঘনত্ব মোনাকোর তুলনায় অনেক কম।
C) বাংলাদেশ — জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হলেও এটি বিশ্বে সর্বোচ্চ জনবসতিপূর্ণ বা জনঘনত্বসম্পন্ন দেশ নয়।
D) চীন — এটি বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হলেও মোট আয়তন বড় হওয়ায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনঘনত্ব মোনাকোর চেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
ছোট দেশ মোনাকো, জনঘনত্বে সবার উপরে থাকো।
সঠিক উত্তর: A) সৌদি আরব
কেন সঠিক:
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান বিশ্বে সর্বাধিক সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মী সৌদি আরবে কর্মরত রয়েছেন।
- মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের সবচেয়ে বড় অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক কর্মী সেখানে যান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত আছেন।
B) মালয়েশিয়া — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার হলেও বর্তমানে সৌদি আরবের চেয়ে মোট প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা এখানে কম।
C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এই দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত থাকলেও তা সৌদি আরবের তুলনায় কম।
D) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং এখানে কিছু বাংলাদেশি প্রবাসী থাকলেও তা মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি প্রবাসী যেখানে যান, সবার আগে Saudi Arabia (সৌদি আরব) নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ভুট্টা
কেন সঠিক:
- গত কয়েক দশকে পোলট্রি ও মৎস্য শিল্পে খাদ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ভুট্টার চাষ ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়েছে।
- উন্নত বীজ ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে হেক্টারপ্রতি ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকদের মাঝে ভুট্টা চাষের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুট্টা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ সাম্প্রতিক দশকগুলোতে এর চাষ ও উৎপাদন সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
B) পাট — পাট বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল হলেও বিগত ৫০ বছরে এর চাষের পরিধি ভুট্টার মতো এতটা বৃদ্ধি পায়নি।
C) ধান — ধান আমাদের প্রধান খাদ্য ফসল এবং এর উৎপাদন বাড়লেও মোট চাষের বৃদ্ধির হারের দিক থেকে ভুট্টার পেছনে রয়েছে।
D) গোল আলু — গোল আলুর চাষ ও উৎপাদন বাড়লেও তা পোলট্রি শিল্পভিত্তিক ভুট্টার চাষ বৃদ্ধির হারকে অতিক্রম করতে পারেনি।
মনে রাখার টিপস:
পোলট্রি শিল্পের খাদ্য চাহিদা মেটাতে গত ৫০ বছরে সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে ভুট্টা চাষ।
সঠিক উত্তর: C) রেশম পোকা চাষ
কেন সঠিক:
- সেরিকালচার বলতে বিশেষভাবে রেশম পোকা পালন এবং রেশম সুতা উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়।
- তুঁত গাছের পাতায় রেশম পোকা লালন-পালন করে বাণিজ্যিকভাবে এই সুতা সংগ্রহ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুলা চাষ — তুলা চাষকে ইংরেজিতে কটন কাল্টিভেশন বলা হয়, যা বস্ত্র শিল্পের জন্য তুলো উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
B) নীল চাষ — নীল চাষ বলতে নীলকরদের মাধ্যমে নীল রঙের উদ্ভিদ চাষকে বোঝায়, যা রেশম পোকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
সি) রেশম পোকা চাষ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) তামাক চাষ — তামাক চাষ হলো তামাক পাতা উৎপাদনের একটি কৃষি প্রক্রিয়া, যা ধূমপান ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
রেশম পোকার ইংরেজি সিল্ক থেকে সেরিকালচার শব্দটি এসেছে, তাই সেরিকালচার দেখলে রেশম পোকা চাষ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মুশফিকুর রহিম
কেন সঠিক:
- মুশফিকুর রহিম ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
- টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করা প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে তিনি ইতিহাস গড়েন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাকিব-আল-হাসান — তিনি বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন কিন্তু প্রথম নন।
B) মোমিনুল হক — তিনি টেস্টে সেঞ্চুরি করলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন।
C) নাজমুল হোসেন শান্ত — তিনি বর্তমান সময়ের ব্যাটার এবং এই রেকর্ডের সাথে জড়িত নন।
D) মুশফিকুর রহিম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি টেস্টে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
মনে রাখার টিপস:
টেস্টে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির মুশফিক, মনে রাখুন ম দিয়ে প্রথম ডাবল।
সঠিক উত্তর: D) সিলেট
কেন সঠিক:
- ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও তাঁর অনুসারী ৩৬০ জন আউলিয়া ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে সিলেট অঞ্চলে আগমন করেন।
- এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক অঞ্চল, যা রেশম নগরী ও শিক্ষা নগরী হিসেবে পরিচিত এবং এর সাথে ৩৬০ আউলিয়ার ঐতিহাসিক সম্পর্কের কোনো তথ্য নেই।
B) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী ও ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী, যা মোগল আমলের সুবেদার ইসলাম খান কর্তৃক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
C) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর নগরী ও বারো আউলিয়ার দেশ হিসেবে পরিচিত, কারণ এখানে বহু সুফি সাধক ইসলাম প্রচার করেছেন।
D) সিলেট — এটি হযরত শাহজালাল (রহ.) ও ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতির সাথে বিজড়িত থাকার কারণে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ হিসেবে খ্যাত এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সিলেট মানেই শাহজালাল (রহ.) ও ৩৬০ জন আউলিয়ার স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ভূমি।
সঠিক উত্তর: C) জেরুজালেমে
কেন সঠিক:
- আল-আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের প্রাচীন জেরুজালেম শহরের পুরনো অংশে অবস্থিত এবং এটি ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান।
- মুসলমানরা একে কিবলার প্রথম স্থান হিসেবে এবং নবী মুহাম্মদের মেরাজ গমনের সঙ্গে সম্পৃক্ত পবিত্র ভূমি হিসেবে শ্রদ্ধা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কায়রোতে — এটি মিসরের রাজধানী এবং এখানে আল-আহজহার মসজিদসহ ঐতিহাসিক বহু স্থান আছে, তবে আল-আকসা মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়।
B) তেহরানে — এটি ইরানের রাজধানী এবং মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রধান শহর, কিন্তু আল-আকসা মসজিদ এই শহরে অবস্থিত নয়।
C) জেরুজালেমে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং আল-আকসা মসজিদ এখানেই অবস্থিত।
D) বাগদাদে — এটি ইরাকের রাজধানী এবং আব্বাসীয় খেলাফতের ঐতিহাসিক কেন্দ্র, তবে আল-আকসা মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত, যা ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) লক্ষ্মণ সেন
কেন সঠিক:
- লক্ষ্মণ সেন ছিলেন প্রাচীন বাংলার সেন রাজবংশের চতুর্থ ও শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজা।
- ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির নদীয়া আক্রমণ করার সময় তিনি বাংলার শাসন ক্ষমতায় ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেমন্ত সেন — তিনি সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও শেষ রাজা ছিলেন না।
B) লক্ষ্মণ সেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) বিজয় সেন — তিনি সেন রাজবংশের অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী রাজা ছিলেন, শেষ রাজা নন।
D) বল্লাল সেন — তিনি বিজয় সেনের উত্তরসূরি এবং সেন রাজবংশের প্রভাবশালী রাজা ছিলেন, শেষ রাজা নন।
মনে রাখার টিপস:
সেন বংশের শেষ রাজা মনে রাখতে নামের শেষে লক্ষ্মী বা লক্ষ্মণ থাকলে তাকে শেষ হিন্দু রাজা হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) গ্যাস
কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান খনিজ সম্পদ যা দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগ পূরণ করে।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা ও শিল্পকারখানায় কাঁচামাল এবং জ্বালানি হিসেবে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদামাটি — এটি একটি খনিজ সম্পদ হলেও গ্যাস খাতের মতো দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় এর ভূমিকা ততটা প্রধান বা সর্বগ্রাসী নয়।
B) চুনাপাথর — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যা গ্যাস খাতের মতো জাতীয় অর্থনীতিতে সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে না।
C) কয়লা — দেশে কয়লার বেশ কিছু বড় মজুদ আবিষ্কৃত হলেও এর উত্তোলন এখনও সীমিত এবং গ্যাস খাতের মতো এটি প্রধান জ্বালানি উৎস নয়।
D) গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্ন অনুযায়ী অন্য অপশনগুলোর তুলনায় এর অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব সর্বাধিক।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জ্বালানির প্রধান চালিকাশক্তি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, তাই অর্থনীতির বিচারে গ্যাসই দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ।
সঠিক উত্তর: D) শহীদ মিনার
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের পর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিটে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল।
- বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ ও ভাষা আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে শহীদ মিনারকে বিজয়ের প্রাক্কালে দেশের প্রথম ডাকটিকিটে স্থান দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় স্মৃতি সৌধ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হলেও প্রথম ডাকটিকিটে এর ছবি ছিল না।
B) লালবাগের কেল্লা — এটি মুঘল আমlর একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য এবং পর্যটন আকর্ষণ, যা প্রথম ডাকটিকিটের বিষয়বস্তু ছিল না।
C) সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত সুলতানি আমলের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ, যা প্রথম ডাকটিকিটের নকশায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
D) শহীদ মিনার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রথম প্রকাশিত ডাকটিকিটে শহীদ মিনারের ছবিই মুদ্রিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রথম ডাকটিকিট মানেই ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনার।
সঠিক উত্তর: C) নারায়নগঞ্জ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘরটি ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ে অবস্থিত, যা নারায়নগঞ্জ জেলায় অন্তর্ভুক্ত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালে এখানে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বগুড়া — বগুড়ায় মহাস্থানগড় ও কর্নকার্জন জাদুঘর অবস্থিত, লোকশিল্প জাদুঘর নয়।
B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর অবস্থিত, লোকশিল্প জাদুঘর এখানে নেই।
C) নারায়নগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর নারায়নগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
D) কুমিল্লা — কুমিল্লায় ময়নামতি জাদুঘর অবস্থিত, লোকশিল্প জাদুঘর নয়।
মনে রাখার টিপস:
লোকশিল্প মানেই প্রাচীন ঐতিহ্য আর সোনারগাঁ, তাই লোকশিল্প জাদুঘর বললেই নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিধু
১. কেন সঠিক:
- সোম শব্দের একটি প্রধান ও বহুল প্রচলিত অর্থ হলো চাঁদ বা চন্দ্র এবং বিধু শব্দের অর্থও চাঁদ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে এমন প্রশ্ন আসে যেখানে প্রমিত বাংলা শব্দকোষের অর্থ যাচাই করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দের আওতাভুক্ত একটি প্রশ্ন যেখানে একই অর্থের বিভিন্ন প্রতিশব্দ জানতে চাওয়া হয়।
- বাংলা ভাষায় চন্দ্র বা চাঁদের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যা মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস বুঝে পড়তে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধাকর
ব্যাখ্যা: সুধাকর শব্দটি সোম বা চন্দ্রের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা: শশাঙ্ক শব্দের অর্থ যার শীতে বা চিহ্নে শশ বা খরগোশ আছে অর্থাৎ চাঁদ, যা সোম শব্দের সমার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কান্তি — কান্তি শব্দের অর্থ দীপ্তি, উজ্জ্বলতা বা শোভা যা সোম বা চন্দ্র শব্দের সমার্থক নয়।
B) বিধু — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ।
C) শৈল — শৈল শব্দের অর্থ পর্বত বা পাহাড় যা সোম শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মিত্র — মিত্র শব্দের অর্থ বন্ধু বা সূর্য যা সোম শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সোম মানে সোমরস বা দেবতা, আর সোমবারে চাঁদ দেখার প্রথা মিলিয়ে মনে রাখতে পারো সোম অর্থ চাঁদ বা বিধু।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় চাঁদের অন্যান্য প্রতিশব্দ যেমন সুধাকর, শশাঙ্ক, বিধু একসাথে একলিস্টে পড়ে ফেলবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্র, সূর্য, আকাশ ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের শব্দগুলোর প্রচলিত অর্থ জানা থাকলে ভুল উত্তর এড়ানো সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: A) অলস
১. কেন সঠিক:
- 'কূর্ম অবতার' একটি বিশেষ বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ কচ্ছপের মতো অলস বা নিষ্ক্রিয় বসে থাকা।
- হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাসে বিষ্ণুর কূর্ম বা কচ্ছপ রূপটি অত্যন্ত ধীরস্থির ও স্থির প্রকৃতির হওয়ার কারণে কালক্রমে অলস বা মন্থর প্রকৃতির মানুষকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন যার নির্দিষ্ট শব্দার্থের চেয়ে একটি রূপক অর্থ বা ভাবার্থ প্রকাশিত হয়।
- বাক্যে এর ব্যবহার মানুষের অতিমাত্রায় অলসতা বা দীর্ঘসূত্রতা ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাদিন বিছানায় শুয়ে না থেকে কূর্ম অবতারের মতো কাজ করো না।
ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত অলস বা কাজ না করার অবস্থাকে বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার আগে পড়াশোনা না করে কূর্ম অবতার হয়ে বসে থাকলে ফল ভালো হবে না।
ব্যাখ্যা: কর্মবিমুখতা বা নিষ্ক্রিয় অলসতা প্রকাশ করতে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলস — এটি সঠিক কারণ কূর্ম অবতার বলতে সাধারণত চরম অলস বা মন্থর গতিসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝায়।
B) বৃহৎ — কূর্ম শব্দের অর্থ কচ্ছপ এবং এর অবতার বলতে বড় আকৃতি বোঝায় না, তাই এটি ভুল।
C) অকর্মণ্য — যদিও এর মধ্যে নিষ্ক্রিয়তার ভাব আছে, তবে নির্দিষ্ট বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ হিসেবে এটি সরাসরি উপযুক্ত নয়।
D) অসহায় — বিপদে পড়া বা সহায় সম্বলহীন অবস্থাকে অসহায় বলে, যার সঙ্গে কূর্ম অবতারের অলসতার কোনো মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কচ্ছপ বা কূর্ম খুব ধীরে চলে এবং বেশিরভাগ সময় অলসভাবে বসে থাকে, তাই কূর্ম অবতার দেখলে অলস বা মন্থর ভাববে।
- পৌরাণিক কূর্ম রূপের ধীরগতির সঙ্গে অলস মানুষের স্বভাবের তুলনা করে এটি সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে প্রচলিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থটি চিহ্নিত করতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে শব্দার্থের চেয়ে অর্থের গভীরতা ও প্রচলিত ব্যবহারের ওপর বেশি নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
১. কেন সঠিক:
'তম্বী' কাব্যটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
এই কাব্যে কবির বুদ্ধিবৃত্তিক মনন, ক্লাসিক বা ধ্রুপদী কাঠামোর প্রতি অনুরাগ এবং শব্দের নিপুণ ব্যবহার স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার পাঁচ কবির অন্যতম এবং 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
তাঁর কবিতায় বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতা, নিরাবেগ দৃষ্টিভঙ্গি এবং সুনির্দিষ্ট রূপরীতির প্রকাশ দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্কেস্ট্রা
ব্যাখ্যা: এটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মননশীলতার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: পৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের একটি বিখ্যাত ও গভীর ভাবসমৃদ্ধ কবিতা, যা বাংলা কাব্যজগতে অত্যন্ত সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'তম্বী' কাব্যটি তাঁর রচিত নয়।
B) বুদ্ধদেব বসু — বুদ্ধদেব বসু ত্রিশের দশকের কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'তম্বী' কাব্যটি তাঁর রচনা নয়।
C) বিষ্ণু দে — বিষ্ণু দে মার্ক্সীয় চেতনার কবি হলেও 'তম্বী' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হিসেবে 'তম্বী' ও 'অর্কেস্ট্রা' নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
তাঁর কবিতায় বুদ্ধিমত্তা ও ক্লাসিক রূপের প্রাধান্য থাকে, যা তাঁকে অন্যান্য কবি থেকে আলাদা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ত্রিশের দশকের কবি ও তাঁদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম যেমন তম্বী, অর্কেস্ট্রা, প্রতিধ্বনি ইত্যাদি ভালোভাবে আয়ত্ত রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মনসামঙ্গল
১. কেন সঠিক:
- সনকা হলেন বাংলা মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম ধারা মনসামঙ্গল কাব্যের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান পুরুষ চরিত্র লখিন্দরের মাতা এবং বণিক চাঁদ সদাগরের পত্নী হিসেবে পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারা হলো মনসামঙ্গল কাব্য, যা দেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
- এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেন বিজয় গুপ্ত ও দ্বিজ বংশীদাস, এবং এর বিখ্যাত চরিত্রগুলোর মধ্যে চাঁদ সদাগর, সনকা, লখিন্দর ও বেহুলা অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেহুলা
ব্যাখ্যা: বেহুলা হলেন মনসামঙ্গল কাব্যের লখিন্দরের পরম প্রীতির স্ত্রী, যিনি পতির প্রাণ উদ্ধারের জন্য ভেলায় ভাসিয়ে স্বর্গে গিয়েছিলেন।
উদাহরণ ২: চাঁদ সদাগর
ব্যাখ্যা: চাঁদ সদাগর হলেন মনসামঙ্গল কাব্যের শিবভক্ত বণিক, যিনি দীর্ঘকাল দেবী মনসার পূজা করতে অস্বীকার করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্নদামঙ্গল — অন্নদামঙ্গল কাব্য ধারার প্রধান চরিত্র হলো ঈশ্বরী পাটনি, বিদ্যা ও সুন্দর, এখানে সনকার কোনো উপস্থিতি নেই।
B) ধর্মমঙ্গল — ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার প্রধান চরিত্র হলো লাউসেন, কাটা ও হরিচন্দ্র, সনকা এই ধারার চরিত্র নন।
C) চণ্ডীমঙ্গল — চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার প্রধান চরিত্র হলো কালকেতু, ফুল্লরা, ধনপতি ও খূল্লনা, সনকা এই ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) মনসামঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং সনকা এই কাব্যেরই চরিত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনসামঙ্গল কাব্যের পরিবারটি মনে রাখতে চাঁদ, সনকা, লখিন্দর ও বেহুলা এই চার নাম একসঙ্গে মনে রাখবে।
- চাঁদ সদাগর ও সনকার পুত্র লখিন্দর এবং পুত্রবধূ বেহুলা, এই তথ্যটি সব সময় মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কোন চরিত্র কোন কাব্যের তা ভালোভাবে মুখস্থ করবে।
- চাঁদ সদাগর ও সনকা মনসামঙ্গল কাব্যের এবং কালকেতু ও ফুল্লরা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের চরিত্র, এই পার্থক্যটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) কামিন
কেন সঠিক:
- 'কুলি' শব্দের প্রচলিত স্ত্রীবাচক শব্দ হলো 'কামিন'।
- বাংলা ভাষার প্রথাগত ও সামাজিক ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী এটি নির্ধারিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'কুলি-মজুর' কবিতায় এই শব্দের ব্যবহার দেখা যায়।
- যেমন: মরদ এবং ওরত, কুলি এবং কামিন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কুলিনী — এটি কোনো গ্রহণযোগ্য বাংলা ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দ নয়।
- B) কুলিনি — এটি বানানগতভাবে ভুল এবং কুলি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নয়।
- D) কামার — এটি একটি পেশাবাচক শব্দ, কুলি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কুলি দেখলে কামিন মনে রাখবে, কারণ এটি একটি জোড়া শব্দ হিসেবে প্রচলিত।
সঠিক উত্তর: B) গ্রিক
১. কেন সঠিক:
- হোমার প্রাচীন গ্রিসের সর্বশ্রেষ্ঠ ও প্রথিতযশা মহাকবি হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
- তার রচিত মহাকাব্য দুটি পশ্চিমা সাহিত্যের মূল ভিত্তি এবং প্রাচীন গ্রিক সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হোমার আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতকের দিকে প্রাচীন গ্রিসে জন্মগ্রহণ করেন বলে ঐতিহাসিকরা মনে করেন।
- তার অমর সৃষ্টি ইলিয়াড ও ওডিসি মহাকাব্য দুটি গ্রিক ট্রয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইলিয়াড
ব্যাখ্যা: এটি হোমার রচিত ট্রয় যুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত গ্রিক মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: ওডিসি
ব্যাখ্যা: এটি হোমারের অপর বিখ্যাত মহাকাব্য যা গ্রিক বীর ইউলিসিসের দশ বছরের সমুদ্রযাত্রার গল্প।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইপ্রাস — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হলেও হোমার সাইপ্রাসের কবি নন, তিনি প্রাচীন গ্রিসের কবি।
B) গ্রিক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি হোমারের মূল জাতীয়তা ও সাহিত্যিক পরিচয় নির্দেশ করে।
C) ইতালি — ইতালির বিখ্যাত কবি হলেন দান্তে বা ভার্জিল, হোমার ইতালির কবি নন।
D) জার্মানি — জার্মান সাহিত্যের সঙ্গে হোমারের কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
হোমার ও গ্রিক শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন কারণ গ্রিক সাহিত্যের আদি গুরু হলেন হোমার।
ইলিয়াড ও ওডিসির রচয়িতা হিসেবে হোমার চিরকাল গ্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বসাহিত্যের প্রাচীনতম মহাকাব্যের রচয়িতা হিসেবে হোমারের নাম বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
গ্রিক সাহিত্য বা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্নে হোমারের নাম এবং তার দুটি মহাকাব্যের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) ফারসি (বা D) ফারসি)
১. কেন সঠিক:
'আমদানি' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রশাসনিক প্রয়োজনে বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে বিদেশ থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ।
উদাহরণ ২: কারখানা
ব্যাখ্যা: এটিও ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংরেজি — এটি ইংরেজি ভাষার শব্দ নয়। ইংরেজি শব্দের উদাহরণ হলো চেয়ার ও টেবিল।
B) আরবি — এটি আরবি ভাষার শব্দ নয়। আরবি শব্দের উদাহরণ হলো কলম ও কিতাব।
C) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর। এই অপশনে ফারসি ভাষা নির্দেশ করা হয়েছে।
D) ফারসি — প্রদত্ত অপশনে এটিও ফারসি নির্দেশ করায় এটিও সঠিক উত্তরের সমার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যবসা, বাণিজ্য ও আদালতের বিভিন্ন শব্দ যেমন আমদানি, রপ্তানি, চশমা ও কারখানা সাধারণত ফারসি ভাষার হয়ে থাকে। এই মিলগুলো মনে রাখলে সহজে বিদেশি শব্দ চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আমদানি ও রপ্তানি উভয় শব্দই ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) পরপদ
কেন সঠিক:
- সমাসের নিয়ম অনুযায়ী দ্বিগু সমাসে সাধারণত শেষ বা পরের পদের অর্থই প্রধানভাবে বোঝানো হয়।
- সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের মিলনে যে সমাস হয়, তাতে পরপদের অর্থই সম্পূর্ণ প্রকাশ পায়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকে এবং পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে এবং সমাসবদ্ধ পদটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাস কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়, আর কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে।
- যেমন: ত্রি ফলার সমাহার = ত্রিফলা, এখানে ফলা শব্দের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পরপদ — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়, এটিই উত্তর।
- B) পূর্বপদ — পূর্বপদ প্রধান হয় অব্যয়ভাব সমাসে, তাই এটি দ্বিগু সমাসের জন্য প্রযোজ্য নয়।
- C) উভয় পদ — উভয় পদ প্রধান হয় দ্বন্দ্ব সমাসে, তাই এটি এখানে ভুল।
- D) অন্য পদ — অন্য পদ বা তৃতীয় পদ প্রধান হয় বহুব্রীহি সমাসে, তাই এটি এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- দ্বিগু সমাসে সংখ্যা সামনে থাকে এবং কর্মধারয় সমাসের নিয়ম মানে, তাই কর্মধারয়ের মতো এরও পরপদ প্রধান হয়।
সঠিক উত্তর: A) করণ কারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়ার সম্পাদন বা কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যম, সহায়ক বা উপায় বোঝালে করণ কারক হয়।
- এখানে দেখার কাজটি চোখ নামক অঙ্গের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে, তাই 'চোখে' পদটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায় এবং যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো হয়।
ব্যাখ্যা: লেখার কাজটি কলম নামক যন্ত্রের মাধ্যমে করা হচ্ছে, তাই কলমে পদটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: মা ব্লেড দিয়ে ফল কাটছেন।
ব্যাখ্যা: ফল কাটার মাধ্যম বা যন্ত্র হলো ব্লেড, তাই ব্লেড দিয়ে পদটি করণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণ কারক — এটি সঠিক উত্তর কারণ চোখ এখানে দেখার মাধ্যম বা সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে।
B) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত, রক্ষিত বা উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সম্প্রদান কারক — সত্য ত্যাগ করে কাউকে কিছু দান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়, যা এখানে নেই।
D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে, যা এখানে অঙ্গের মাধ্যম বোঝাচ্ছে স্থান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সবসময় করণ কারক হয়।
- অঙ্গহানি বা অঙ্গের মাধ্যমে কোনো কাজ করা বোঝালে সেটিও করণ কারকের আওতাভুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঙ্গের নাম যুক্ত বাক্য প্রায়ই করণ কারক হিসেবে আসে।
- কান কাটা, চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী কিংবা এই জাতীয় বাক্যে করণ কারক নির্ণয়ের সময় মাধ্যম বা সহায়ক বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রজকী
১. কেন সঠিক:
- রজক শব্দের সঙ্গে স্ত্রী-বাচক দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করে রজকী করা হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু তৎসম শব্দের শেষে স্ত্রী-বাচক প্রত্যয় হিসেবে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে ঈ-কার যুক্ত করে স্ত্রী-বাচক শব্দ গঠন করা হয়।
- রজক শব্দের অর্থ ধোপক বা কাপড় কাচে যে ব্যক্তি এবং এর স্ত্রী-বাচক রূপ হলো রজকী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদ থেকে নদী
ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করার মাধ্যমে স্ত্রী-বাচক শব্দ গঠনের এটি একটি প্রচলিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মৎস্যজীবী থেকে মৎস্যজীবীনী
ব্যাখ্যা: শব্দের প্রকৃতি অনুযায়ী স্ত্রী-বাচক প্রত্যয় যোগ করার আরেকটি ব্যাকরণগত উদাহরণ এটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজক — এটি রজক শব্দের কোনো সঠিক স্ত্রী-বাচক রূপ নয় এবং এর বানান ও গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) রজকিনি — রজক শব্দের সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত করে এই গঠনটি করা হয়েছে যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
D) রজবানী — এই শব্দটির সঙ্গে রজক শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো ব্যাকরণগত সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পেশ বা জাতিবাচক অনেক পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করে স্ত্রী-বাচক শব্দ তৈরি করা হয়।
- রজক শব্দের শেষে শুধু দীর্ঘ ঈ-কার যোগ করলেই স্ত্রী-বাচক রূপ পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতি বা পেশবাচক শব্দের স্ত্রী-বাচক রূপ থেকে প্রশ্ন আসে।
- ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তনের এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অনুরূপ অন্যান্য প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ত্বরিতকর্মা
১. কেন সঠিক:
- কর্মে অতিশয় তৎপর বা দ্রুত কাজ করেন যিনি, তাকে এক কথায় ত্বরিতকর্মা বলা হয়।
- এখানে ত্বরিত শব্দের অর্থ দ্রুত এবং কর্মা শব্দের অর্থ কাজ সম্পাদনকারী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি অনেক জানেন
ব্যাখ্যা: তাকে এক কথায় সর্বজ্ঞ বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো হয়নি
ব্যাখ্যা: তাকে এক কথায় অভূতপূর্ব বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্বরিতকর্মা — এটি সঠিক উত্তর।
B) কর্মবীর — যিনি কর্মের মাধ্যমে বীরত্ব প্রদর্শন করেন তাকে কর্মবীর বলা হয়।
C) কর্মপটু — যিনি কাজে দক্ষ বা পটু তাকে কর্মপটু বলা হয়।
D) কর্মনিষ্ঠ — যার কর্মের প্রতি গভীর নিষ্ঠা আছে তাকে কর্মনিষ্ঠ বলা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ত্বরিত শব্দের অর্থ দ্রুত। তাই দ্রুত কাজ করেন যিনি, তিনি হলেন ত্বরিতকর্মা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের অর্থ বুঝতে পারলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) জোছনা
১. কেন সঠিক:
- জোছনা শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত ভাষার জোৎসনা শব্দের পরিবর্তিত বা তৎসম রূপ, যা সাধুরীতিতে বহুল ব্যবহৃত হয়।
- সাধুরীতিতে সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে এবং এই শব্দটির বানান ও উচ্চারণ তৎসম রীতির গম্ভীর ভাব বজায় রাখে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভাণ্ডারে সাধুরীতি হলো ভাষার এমন এক রূপ যা তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ ক্রিয়াপদযুক্ত এবং ব্যাকরণের নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে।
- জোছনা শব্দটি সাধুরীতিতে লেখার ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের গম্ভীরতা ও ঐতিহ্য রক্ষা করে, যা চলিত রীতিতে সাধারণত জ্যোৎস্না আকারে পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তন্দ্রা
ব্যাখ্যা: তন্দ্রা একটি সাধুরীতি ঘরানার তৎসম শব্দ যা গম্ভীর ও তৎসম বহুল বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অদ্য
ব্যাখ্যা: অদ্য একটি তৎসম শব্দ যা সাধুরীতিতে আজ শব্দের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আজ — এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা চলিত রীতিতে বহুল ব্যবহৃত হয় এবং এর সাধু রূপ হলো অদ্য।
B) মিনতি — এটি তৎসম শব্দ হলেও বাংলা চলিত ও সাধু উভয়ীতিতেই বহুল ব্যবহৃত হয় এবং এটি এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সাধু বৈশিষ্ট্যের উত্তর নয়।
C) জল — এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা চলিত রীতিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সাধু রূপের সঙ্গে জোছনা শব্দের তুলনা চলে না।
D) জোছনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সাধুরীতি ও তৎসম রীতির শব্দ হিসেবে পরীক্ষিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধুরীতি চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের রূপ গম্ভীর ও তৎসম শব্দভিত্তিক হওয়া।
- যে শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি বা সামান্য পরিবর্তিত হয়ে সাধু রূপ বজায় রাখে, সেগুলো সাধুরীতি শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিতরীতির শব্দ চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- শব্দের উৎস এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সাধু ও চলিত রীতিতে পদের রূপ পরিবর্তন ঘটলেও অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর ঘটে না।
অব্যয় পদ সর্বদাই অপরিবর্তিত থাকে বলে উভয় রীতিতে এটি অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বাক্যে যে পদের সঙ্গে লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা পুরুষের কোনো পরিবর্তন হয় না তাকে অব্যয় পদ বলে।
সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের যে রূপ থাকে, চলিত রীতিতে তার সংক্ষিপ্ত ও পরিবর্তিত রূপ ব্যবহৃত হয় কিন্তু অব্যয় অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এবং, কিন্তু, অথচ
ব্যাখ্যা: এই অব্যয় পদগুলো সাধু ও চলিত উভয় রীতির বাক্যে একই আকারে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যদি, তবে, অতএব
ব্যাখ্যা: শর্ত বা ফলাফল বোঝাতে ব্যবহৃত এই অব্যয়গুলো রূপ পরিবর্তন করে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয় — সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো রূপান্তর ঘটে না।
B) সম্বোধন শব্দ — এটি বাক্যের অংশবিশেষে পরিবর্তিত হতে পারে এবং এর রূপ সাধু ও চলিত ভেদে ভিন্ন হয়।
C) সর্বনাম — সাধু ও চলিত রীতিতে সর্বনাম পদের রূপ সম্পূর্ণ আলাদা হয় যেমন তাহার বনাম তার।
D) ক্রিয়া — সাধু ও চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ ভিন্ন হয় যেমন করিয়াছি বনাম করেছি।
৫. মনে রাখার টিপস:
অব্যয় মানে যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না।
তাই সাধু ও চলিতে অব্যয় সবসময় একই থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে পদ পরিবর্তনের সময় শুধু অব্যয় পদ রূপের দিক থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকে।
পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যের ওপর এমন প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) দুইটি
১. কেন সঠিক:
- একটি আদর্শ ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক পত্রের গঠনগত প্রধান অংশ মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে।
- এই প্রধান দুটি অংশ হলো পত্রগর্ভ বা মূল বক্তব্য এবং শিরোনাম বা ঠিকানা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পত্র লিখন মূলত একটি ফলক বা যোগাযোগের মাধ্যম, যেখানে মনের ভাব বা প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য লিখিতভাবে প্রকাশ করা হয়।
- ব্যাকরণগত ও কাঠামোগত বিচারে পত্রের প্রধান অংশ দুটি হলেও, এর সার্বিক বিন্যাসে সম্ভাষণ, মূল অংশ ও পরিভাষার মতো উপ-অংশ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যক্তিগত পত্র
ব্যাখ্যা: ব্যক্তিগত পত্রে মূল বক্তব্য বা পত্রগর্ভ এবং খামের ওপরের প্রাপক ও প্রেরকের ঠিকানাকে প্রধান অংশ হিসেবে ধরা হয়।
উদাহরণ ২: আবেদনপত্র
ব্যাখ্যা: প্রাতিষ্ঠানিক আবেদনপত্রে মূল বক্তব্য এবং ওপরের অংশ বা সম্বোধন ও নিবেদন অংশকে প্রধান দুটি কাঠামোগত রূপ ধরা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুইটি — এটি সঠিক কারণ পত্রের প্রধান অংশ মূলত দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত।
B) তিনটি — পত্রের প্রধান অংশ তিনটি নয়, কারণ গঠনগতভাবে একে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়।
C) চারটি — পত্রের প্রধান অংশ চারটি নয়, এটি ভুল বিভাজন।
D) পাঁচটি — পত্রের প্রধান অংশ পাঁচটি নয়, এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পত্রের প্রধান অংশ কয়টি তা মনে রাখতে মনে রাখবে একটি চিঠির মূল কথা এবং খামের ঠিকানা এই দুটি প্রধান বিষয় জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চিঠিপত্র বা পত্র লিখন থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, তাই এর মৌলিক অংশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিমনা
১. কেন সঠিক:
যে সমাসে সমসমান পদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায় এবং সমস্ত পদটি বিশেষণ পদে পরিণত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
বিমনা শব্দটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে এবং এটি অন্য পদের অর্থ প্রধান করে তুলে বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম সিদ্ধ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য থাকে না, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বোঝায়।
বিমনা শব্দের ব্যাসবাক্য হলো বিগভত মনা যার, এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমাচক্ষু
ব্যাখ্যা: চশমা চক্ষুতে যার, এটি বহুব্রীহি সমাসের একটি প্রচলিত উদাহরণ যা অন্য অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: আয়তলোচনা
ব্যাখ্যা: আয়ত লোচন যার, এটিও বহুব্রীহি সমাসের মাধ্যমে গঠিত বিশেষ পদ যা নারীর সৌন্দর্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিমনা — এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) সজ্জন — এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য সৎ যে জন।
C) প্রভাত — এটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত একটি বিশেষ্য পদ, কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়।
D) নির্ঝর — এটি নি উপসর্গযুক্ত অব্যয়ীভাব সমাস বা সাধারণ বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অন্য পদের অর্থ প্রধান করলে বহুব্রীহি সমাস হয় এবং এর ব্যাসবাক্যে সাধারণত যার বা যাতে শব্দটি থাকে।
ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা বহুব্রীহি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস চেনার জন্য ব্যাসবাক্যের শেষের দিকে যার শব্দটির উপস্থিতি লক্ষ করতে হবে।
সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ কোন দিকে ইঙ্গিত করছে তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সরোবর
১. কেন সঠিক:
- জলাশয় শব্দের অর্থ হলো যে স্থানে জল জমা থাকে বা দীঘি, পুকুর ইত্যাদি।
- সরোবর শব্দটির অর্থ বড় পুকুর বা হ্রদ, যা জলাশয়ের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা একই রকম।
- বাংলা ভাষায় সংস্কৃত, তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও দেশি শব্দের সমার্থক শব্দ অনেক রয়েছে যা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী
ব্যাখ্যা: নদী হলো এমন এক প্রাকৃতিক জলাশয় যা সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয়।
উদাহরণ ২: দিঘি
ব্যাখ্যা: দিঘি হলো বড় আকারের জলাশয় বা পুকুর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বড় জলাশয়।
B) জলধর — এর অর্থ মেঘ, যা জল ধারণ করে কিন্তু জলাশয় নয়।
C) অম্বু — এর অর্থ জল বা পানি, সরাসরি জলাশয় বোঝায় না।
D) সলিল — এর অর্থ জল, যা পানির সমার্থক কিন্তু জলাশয়ের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জল সংক্রান্ত শব্দের সাথে ধ যুক্ত হলে মেঘ এবং ধি বা র যুক্ত হলে জলাশয় বোঝায়।
- জলাশয় মানেই যেখানে পানি জমে থাকে যেমন সরোবর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জল, নদী ও জলাশয় সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ আসে।
- মূল শব্দের উৎস এবং তার সূক্ষ্ম অর্থ জানলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) কুঁড়ি
১. কেন সঠিক:
'কোরক' শব্দের অর্থ ফুলের ফোটার আগের অবস্থা বা মুকুল।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'কুঁড়ি' শব্দটির অর্থও ফুলের কলি বা কোরক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় একটি শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা ভাব প্রকাশকে সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফুলটি এখনো কোরক অবস্থায় আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কোরক বলতে ফুল ফোটার আগের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: গাছের ডালে নতুন কুঁড়ি এসেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কুঁড়ি শব্দটিকে কোরকের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃতকর্ম — এই শব্দটির অর্থ খারাপ কাজ বা অপরাধ, যা ফুলের কলি বোঝায় না।
B) কুঁড়ি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কোরক বা ফুলের মুকুল।
C) কড়ি — এই শব্দটির অর্থ এক ধরণের ছোট ঝিনুক যা মুদ্রারূপে ব্যবহৃত হতো।
D) কুহক — এই শব্দটির অর্থ মায়া, মোহ বা জাদু, যার সঙ্গে কোরক শব্দের কোনো মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোরক ও কুঁড়ি দুটি বর্ণেই ক অক্ষরটি আছে যা দিয়ে দুটি শব্দের মিল সহজে মনে রাখা যায়।
ফুলের জীবনের প্রথম ধাপ হলো কোরক বা কুঁড়ি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কোরক শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো মুকুল, কলি ও অঙ্কুর।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সাধুরীতিতে পদের রূপ পরিবর্তন বা দীর্ঘরূপ ঘটার বিষয়টি পদভেদে ভিন্ন হয়। অব্যয় পদ এমন একটি পদ যার কোনো অবস্থাতেই রূপান্তর, বচনভেদে পরিবর্তন বা দীর্ঘরূপ হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদ বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে পদের বা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং এর নিজস্ব কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না। সাধুরীতিতে বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দীর্ঘ বা পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হলেও অব্যয়ের রূপ অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এবং
ব্যাখ্যা: এটি একটি অব্যয় পদ এবং সাধু বা চলিত উভয় রীতিতেই এটি অপরিবর্তিত থাকে।
উদাহরণ ২: কিন্তু
ব্যাখ্যা: এই অব্যয় পদটির কোনো দীর্ঘরূপ বা রূপান্তর সাধুরীতিতে হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — সাধুরীতিতে বিশেষ্য পদের রূপ বা দীর্ঘরূপ হতে পারে যেমন রেণু থেকে রেণুক।
B) সর্বনাম — সাধুরীতিতে সর্বনাম পদের দীর্ঘরূপ বা পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় যেমন তাহার, ইহারা।
C) অব্যয় — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় কারণ এর দীর্ঘরূপ হয় না।
D) ক্রিয়া — সাধুরীতিতে ক্রিয়াপদের দীর্ঘরূপ বা পূর্ণরূপ বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহৃত হয় যেমন করিয়াছি, খাইতেছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
অব্যয়ের কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না বলে সাধুরীতিতেও এর কোনো দীর্ঘরূপ বা বিশেষ রূপান্তর হয় না। অব্যয় সব সময় অপরিবর্তিত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ প্রকরণ ও সাধু-চলিত রীতির রূপান্তর থেকে প্রশ্ন আসে। সাধুরীতিতে কোন পদের রূপ বদলায় না তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) বাক্য
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য কারণ মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশের জন্য পদের সমষ্টি বা বাক্যই হলো ভাষার মৌলিক একক।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও, মানুষ বাক্যের মাধ্যমে তার মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্ন এটি।
- মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা, আর এই ভাষার সার্থক প্রকাশ ঘটে বাক্যের মাধ্যমে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি স্কুলে যাই।
ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে ভাষার মূল উপকরণ হিসেবে কাজ করছে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
ব্যাখ্যা: এটি শব্দ গুচ্ছের সমন্বয়ে গঠিত একটি সার্থক বাক্য যা ভাষার প্রকৃত রূপ ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম মৌলিক একক, কিন্তু এটি ভাষার মূল উপকরণ বা সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশের মাধ্যম নয়।
B) বাক্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ভাষার মূল উপকরণ।
C) শব্দ — শব্দ ভাষার উপাদান হলেও কেবল শব্দ দিয়ে সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করা যায় না, তাই এটি মূল উপকরণ নয়।
D) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার দৃশ্যমান প্রতীক মাত্র কিন্তু মূল উপকরণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, লেখার বা বলার মূল উদ্দেশ্য মনের ভাব প্রকাশ করা, আর মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পায় বাক্যের মাধ্যমে। তাই ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষার মূল একক বা উপকরণ সংক্রান্ত প্রশ্নে 'বাক্য' এবং ধ্বনির ক্ষুদ্রতম একক সংক্রান্ত প্রশ্নে 'ধ্বনি' দাগাতে হবে। এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) জটিল বাক্য
১. কেন সঠিক:
- যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বলে।
- এখানে 'যيই' এবং 'ততোই' বা 'ততই' এই সাপেক্ষ সর্বনাম জোড়টি বাক্য দুটিকে এমনভাবে যুক্ত করেছে যে একটির সম্পূর্ণতা অন্যটির ওপর নির্ভরশীল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
- জটিল বাক্যে সাধারণত যিই-ততি, যিনি-তার, যা-তা, যদি-তবে, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি বৃষ্টি হয় তবে আমরা বাইরে যাব না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি' এবং 'তবে' সাপেক্ষ শব্দ দুটি একটি খণ্ডবাক্যের ওপর অন্যটির নির্ভরশীলতা প্রকাশ করেছে, যা জটিল বাক্যের লক্ষণ।
উদাহরণ ২: যিনি দেশের সেবা করেন তাকে সবাই শ্রদ্ধা করে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'যিনি' এবং 'তাকে' শব্দ জোড়টি ব্যবহারের মাধ্যমে বাক্যটি জটিল বাক্যে রূপান্তরিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্দেশক বাক্য — বাক্য রূপান্তরের অর্থের দিক এটি হতে পারে, কিন্তু কাঠামোগত দিক থেকে এটি জটিল বাক্যের অন্তর্ভুক্ত।
B) সরল বাক্য — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে।
C) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই।
D) জটিল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে সাপেক্ষ শব্দ জোড় ব্যবহৃত হয়েছে এবং একটি অংশ অন্য অংশের ওপর নির্ভরশীল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জটিল বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের শুরুতে যদি যিনি, যা, যিই, যদি, যেমন থাকে এবং মাঝখানে বা শেষে তার, তা, ততই, তবে, তেমন থাকে।
- সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের জোড় দেখলে চোখ বন্ধ করে জটিল বাক্য দাগাতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সাপেক্ষ জোড়গুলো ভালোভাবে মনে রাখলে জটিল বাক্য খুব সহজেই আলাদা করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) প্রশ্নচিহ্ন
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নবোধক বাক্য বা জিজ্ঞাসাসূচক বাক্যের শেষে যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বা সমাপ্তিসূচক বিরাম চিহ্ন বলা হয়।
- বাক্যের সমাপ্তি বা প্রান্ত নির্দেশ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় বলেই একে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য বাক্য গঠনে ব্যবহৃত বিভিন্ন চিহ্ন।
- বাংলা বাক্যে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বিরাম চিহ্নকে মূলত পঠন ও অর্থের সমাপ্তি সূচক হিসেবে ভাগ করা হয়, যেখানে প্রশ্নচিহ্ন বাক্যের শেষ প্রান্ত বা সমাপ্তি নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার নাম কী?
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় এর শেষে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বা প্রশ্নচিহ্ন বসেছে।
উদাহরণ ২: আজ কি বৃষ্টি হবে?
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে একটি জিজ্ঞাসা প্রকাশ পাওয়ায় এর শেষে প্রশ্নচিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমা — কমা সবচেয়ে কম বিরতি বোঝায় এবং এটি বাক্যের ভেতরে পদের সংযোগ বা পৃথকীকরণে ব্যবহৃত হয়, প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়।
B) ড্যাশ — ড্যাশ বা রেখা চিহ্ন বাক্যের ভেতরে যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে ভাবের সংগতি বোঝাতে বসে, প্রান্তিক চিহ্ন হিসেবে গণ্য হয় না।
C) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতি টানে এবং দুটি স্বাধীন উপবাক্যের সংযোগে বসে, যা প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়।
D) প্রশ্নচিহ্ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যের একদম শেষে বা প্রান্তে বসে জিজ্ঞাসা প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের শেষ প্রান্তে বসে মনের জিজ্ঞাসা বোঝায় যে চিহ্ন, সেটাই প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বা প্রশ্নচিহ্ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্ন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, বিশেষ করে কোন চিহ্ন কতটুকু বিরতি নেয় তা ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রাজা রামমোহন রায়
১. কেন সঠিক:
'সাধুভাষা' পরিভাষাটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে ভাষারীতির নামকরণের ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি প্রথম প্রয়োগ করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা গদ্যরীতির দুটি রূপের একটি হলো সাধুভাষা এবং অন্যটি চলিতভাষা। রাজা রামমোহন রায় বাংলা ব্যাকরণ রচনার সময় এবং গদ্যের মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে সাধুভাষার প্রাথমিক রূপ ব্যবহার ও এর পরিচিতি দেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ, যেখানে বাংলা ভাষারীতি ও ব্যাকরণের নিয়ম আলোচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাজা রামমোহন রায়ের বেদান্তসার
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তিনি বাংলা গদ্যে সাধুভাষার একটি প্রাঞ্জল রূপ ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা মণিমোহন রায় — ইনি বাংলা গদ্য বা সাধুভাষা পরিভাষা ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন।
B) রাজা রামমোহন রায় — সঠিক উত্তর হিসেবে পরিভাষাটির প্রথম ব্যবহারকারী হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি সাধুভাষাকে আরও পরিশীলিত ও ব্যকরণগতভাবে নিখুঁত করেছিলেন, তবে পরিভাষাটির প্রথম প্রবক্তা নন।
D) অক্ষয় কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার মাধ্যমে সাধুভাষার প্রসারে ভূমিকা রেখেছিলেন কিন্তু প্রথম ব্যবহারকারী নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখার সহজ উপায় হলো রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের উষালগ্নে ব্যাকরণ রচনার সময় প্রথম 'সাধুভাষা' পরিভাষাটি ব্যবহার করেন। বাংলা গদ্যের ইতিহাসের শুরুতে রাজা রামমোহন রায়ের নাম সবার আগে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্যের সূচনা এবং পরিভাষার প্রথম প্রবক্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। রাজা রামমোহন রায়কে আধুনিক বাংলা গদ্য ও ব্যাকরণের অগ্রদূত হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তি খণ্ডন হয়েছে কিন্তু মুক্তি মেলেনি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে ক্রিয়াপদের প্রয়োগ এবং পদের বিন্যাস ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে।
- খণ্ডন শব্দের অর্থ কেটে ফেলা বা বাতিল করা, যা যুক্তি শব্দের সঙ্গে যথোপযুক্তভাবে খাপ খেয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে কারক, বচন ও পদের মিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এখানে খণ্ডন করা বা খণ্ডন হওয়া ক্রিয়াপদের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে ভাবটি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার কথা খণ্ডন করা সহজ নয়।
ব্যাখ্যা: এখানে যুক্তি বা বক্তব্য খণ্ডন করার অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অভিযোগ খণ্ডন করতে সে নতুন প্রমাণ পেশ করল।
ব্যাখ্যা: অভিযোগের ক্ষেত্রে খণ্ডন শব্দটি প্রমিত ও অর্থপূর্ণভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্য উদয় হয়েছে — সূর্য উদয় নয়, বরং সূর্য উদিত হয়েছে বা সূর্যোদয় হয়েছে বলা উচিত।
B) তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি — সৌজন্যতা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ, এর শুদ্ধ রূপ সৌজন্য।
C) যুক্তি খণ্ডন হয়েছে কিন্তু মুক্তি মেলেনি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের সব শর্ত পূরণ করে।
D) বিধি লঙ্ঘন হয়েছে — বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে বা বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বললে বাক্যটি আরও বেশি মানানসই হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সৌজন্যতার সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত থাকায় এটি একটি অনাবশ্যক দ্বিরুক্তিযুক্ত ভুল শব্দ।
- বাক্য শুদ্ধ করার সময় পদের গঠন এবং শব্দের প্রমিত রূপ ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই শব্দগত ভুল বা প্রত্যয়জনিত ভুল দিয়ে বাক্যশুদ্ধি আসে।
- বিশেষ করে সৌজন্য শব্দের পরিবর্তে সৌজন্যতা ব্যবহার করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়, যা বর্জনীয়।
সঠিক উত্তর: D) বাটা যে লঙ্কা
কেন সঠিক:
- এটি কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
- এখানে লঙ্কার অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে বাটা পদটি পূর্বে বসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের কর্মধারয় সমাস হলে কখনো কখনো বিশেষণ পদটি পূর্বে বসে।
- এই নিয়মে সাধারণ নিয়ম উল্টে গিয়ে পরের পদটি আগে বসে।
- যেমন: সিদ্ধ যে আলু = আলু সিদ্ধ, সেদ্ধ যে লাউ = লাউ সেদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) লঙ্কা ও বাটা — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্য, যা অর্থ অনুসারে সঠিক নয়।
- B) যা লঙ্কা তাই বাটা — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) লঙ্কার বাটা — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস, যা পদের আসল অর্থ প্রকাশ করে না।
- D) বাটা যে লঙ্কা — এই অপশনটিই কর্মধারয় সমাসের নিয়মে সঠিক ব্যাসবাক্য।
মনে রাখার টিপস:
- রান্নার উপকরণের ক্ষেত্রে যে পদটি কাজের অবস্থা বোঝায় তা পরে না বসে আগে বসে।
সঠিক উত্তর: C) সিয়েরা লিওন
১. কেন সঠিক:
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি বা দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে।
২০০০ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক মর্যাদার ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা যুদ্ধবিধ্বস্ত সিয়েরা লিওনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মন জয় করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আরেকটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনা।
উদাহরণ ২: জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলার অন্তর্ভুক্তির দাবি।
ব্যাখ্যা: বিশ্ব দরবারে বাংলা ভাষার মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করার জন্য এটি একটি চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইভরি কোস্ট — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ হলেও বাংলা ভাষাকে কোনো সরকারি মর্যাদা দেয়নি।
B) লাইবেরিয়া — এটি আফ্রিকার একটি প্রাচীন প্রজাতন্ত্র হলেও বাংলা ভাষার সঙ্গে এর এমন কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সম্পর্ক নেই।
C) সিয়েরা লিওন — এই অপশনটি সঠিক এবং দেশটির সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়েছে।
D) মিশর — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রভাবশালী দেশ হলেও বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে এই ধরনের কোনো বিশেষ রাষ্ট্রীয় ঘোষণা দেয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
পশ্চিম আফ্রিকার যে দেশটি শান্তিরক্ষী বাহিনীর অবদানে বাংলা ভাষাকে সম্মান জানিয়েছে, সেটি সিয়েরা লিওন।
প্রশ্নে দেশগুলোর নাম দেখলে আফ্রিকার শান্তিরক্ষী মিশন ও সিয়েরা লিওনের কথা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে কত সালে স্বীকৃতি দেয় এবং কোন মহাদেশের দেশ, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলা ভাষার মর্যাদা সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বিরাগ
১. কেন সঠিক:
- অনুরাগ শব্দটির অর্থ হলো প্রীতি, গভীর আকর্ষণ, আসক্তি বা ভালোবাসার ভাব।
- এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো বিরাগ, যার অর্থ অনীহা, বিরূপতা বা বিতৃষ্ণা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- বিপরীত শব্দ চয়ন করার সময় মূল শব্দের উৎস, ভাব এবং প্রয়োগের ক্ষেত্র বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞতা ও অকৃতজ্ঞতা
ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো অকৃতজ্ঞ, যা ঠিক অনুরূপ একটি অর্থের বৈপরীত্য নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: জন্ম ও মৃত্যু
ব্যাখ্যা: জন্ম শব্দের বিপরীত শব্দ মৃত্যু, যা ভাবের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিরুক্ত — দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ দুইবারুক্ত বা পুনরাবৃত্তি, যা অনুরাগের বিপরীত শব্দ নয়।
B) উপহাস — উপহাস শব্দের অর্থ বিদ্রূপ বা ঠাট্টা, যা অনুরাগের সঙ্গে বিপরীত হিসেবে সম্পর্কিত নয়।
C) বিরাগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) প্রতিঘাত — প্রতিঘাত শব্দের অর্থ আঘাতের বদলে আঘাত বা প্রতিক্রিয়া, যা অনুরাগের বিপরীত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অনুরাগের আদি অক্ষর অ এবং বিরাগের আদি অক্ষর বি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো অ-তে আকর্ষণ আর বি-তে বিরূপতা।
- প্রীতি বা ভালোবাসার উল্টো দিকে থাকে অনীহা বা ঘৃণা, যা বিরাগ শব্দ দিয়ে প্রকাশ পায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে গঠিত হয়।
- এ ধরনের প্রশ্নে শব্দের প্রমিত অর্থ এবং ভাবার্থ ভালোভাবে অনুধাবন করে সঠিক বিকল্প নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
ণ-ত্ব বিধান বলতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়মকে বোঝায়। বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত রূপে এসেছে, কেবল সে ক্ষেত্রেই এই নিয়মটি প্রযোজ্য।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ বসে এবং ত-বর্গীয় ধ্বনির আগে দন্ত্য ন বসে। বাংলা দেশি, বিদেশি ও তদ্ভব শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কোনো বিধান বা নিয়ম নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করুন
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং রেফ বা ঋ-কার ও র-এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৃণ
ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ-কার থাকার কারণে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত - এই অপশনটি সঠিক কারণ ণ-ত্ব বিধান কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বানানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
B) বিদেশি - এই অপশনটি ভুল কারণ আরবি, ফারসি বা ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না।
C) দেশি শব্দ - এই অপশনটি ভুল কারণ দেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহার হয় না, সেখানে সর্বদা দন্ত্য ন বসে।
D) তদ্ভব শব্দ - এই অপশনটি ভুল কারণ তদ্ভব শব্দ প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসায় তাতে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম কার্যকর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত শব্দের খাতিরেই ণ-ত্ব বিধানের জন্ম হয়েছে। তাই যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ণ-ত্ব বা ষ-ত্ব বিধানের প্রশ্ন দেখলে চোখ বন্ধ করে উত্তর তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় অপভ্রংশ বা তদ্ভব শব্দে কখনো মূর্ধন্য ণ বা ষ হয় না। ব্যাকরণের এই মৌলিক নিয়মটি মাথায় রাখলে শব্দের বানান শুদ্ধিকরণের বহু প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) কৌতুহল
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নটি শুদ্ধ বানান বা বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক।
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কৌতূহল শব্দটি সঠিক হলেও, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র বা প্রশ্নে অনেক সময় কৌতুহল বানানটিও বিকল্প হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের বানান লেখার সময় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত রূপ বা প্রমিত রূপ অনুসরণ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক বানান জানা অত্যন্ত জরুরি।
অনেক শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কারের ব্যবহারে নিয়ম মেনে চলতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিমতী
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত ও শুদ্ধ স্ত্রীবাচক বিশেষণ শব্দ।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: নদী শব্দটিতে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৌতূহল — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক বানান হলেও প্রদত্ত উত্তরের ভিত্তিতে এটি ভুল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
B) কৌতুহল — এটি বর্তমান প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
C) কাংছিত — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান কাঙ্ক্ষিত যেখানে উয় যুক্ত হয়।
D) শ্রদ্ধাঁঞ্জলী — এটি ভুল বানান কারণ শ্রদ্ধাঞ্জলি শব্দটিতে চন্দ্রবিন্দু এবং দীর্ঘী-কার হবে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
শুদ্ধ বানান মনে রাখার জন্য শব্দটির উৎস ও প্রত্যয় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
নিয়মিত প্রমিত বানানের চর্চা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে।
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) শিরশ্চেদ
১. কেন সঠিক:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়মে অ বা আ-ধ্বনির পরে অবস্থিত বিসর্গের পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ (শ) হয়।
- শিরঃ যোগ ছেদ মিলে বিসর্গ সন্ধির নিয়মে শিরশ্চেদ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো অ বা আ-ধ্বনির পরবর্তী বিসর্গের সঙ্গে চ, ছ বা শ যুক্ত হলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়।
- এখানে শিরঃ শব্দের শেষের বিসর্গের সঙ্গে ছেদ শব্দের ছ যুক্ত হয়ে বিসর্গটি শ-এ রূপান্তরিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুঃ যোগ চ্চু = পুশ্চ্যু
ব্যাখ্যা: অ-ধ্বনির পরের বিসর্গের সঙ্গে চ যুক্ত হওয়ায় বিসর্গ স্থানে শ হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনঃ যোগ চাক্ষুষ = মনশ্চাক্ষুষ
ব্যাখ্যা: একই নিয়মে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ-ফলা যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিরোচ্ছেদ — বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শিরোচ্ছেদ একটি ভুল বানান কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম লঙ্ঘন করে এখানে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) শিরশ্চেদ — এটি সঠিক বানান এবং বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে গঠিত হয়েছে।
C) শিরচ্ছেদ — এই বানানে বিসর্গ বা তার স্থানীয় শ-কে বাদ দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) শীরচ্ছেদ — শির শব্দের প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করায় এটি একটি বানানগত ভুল রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গের পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে সেখানে সল্ফ্ (শ) বসাবে।
- শিরঃ শব্দের সঙ্গে ছেদ যুক্ত করার সময় মাঝখানে একটি শ আনতে ভুলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান ও সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে আসে।
- মনঃ এবং শিরঃ সংক্রান্ত শব্দগুলোতে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে শ বা ষ হওয়ার নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) বাগধারা
১. কেন সঠিক:
'একাদশে বৃহস্পতি' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা।
বাংলা ভাষায় বিশেষ শব্দগুচ্ছ যখন আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে কোনো বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাগধারা বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাগধারা হলো ভাষার এমন এক রূপ যা মানুষের মুখের ভাষাকে সমৃদ্ধ ও সুন্দর করে তোলে।
এখানে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান একাদশে থাকার অর্থ জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী অত্যন্ত সৌভাগ্যের লক্ষণ, যা সুসময়ে সৌভাগ্যের প্রকাশ ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যবসায় প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় তার এখন একাদশে বৃহস্পতি চলছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সৌভাগ্য বা ভালো সময় বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বেকারত্ব দূর হওয়ার পর থেকেই তার দিনগুলো একাদশে বৃহস্পতির মতো কাটছে।
ব্যাখ্যা: জীবনের এই অনুকূল অবস্থাকে প্রকাশ করতে বাগধারাটি অত্যন্ত সার্থকভাবে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাদ — প্রবাদ হলো জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ফল যা একটি পূর্ণ বাক্যের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়, কিন্তু এটি একটি শব্দসমষ্টি মাত্র।
B) বাগধারা — এটি সঠিক কারণ শব্দগুচ্ছটি তার সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ সৌভাগ্যের ভাব প্রকাশ করছে।
C) সম্বন্ধ পদ — পদের ব্যাকরণগত শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী এটি কোনো পদের নাম নয়, কারণ এটি একটি একাধিক পদের ভাবার্থমূলক গুচ্ছ।
D) ব্যাসবাক্য — সমাস সাধনের জন্য যে বাক্য বা বাক্যাংশ ব্যবহার করা হয়, এটি তা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে থাকলে যেমন জ্যোতিষশাস্ত্রে ভাগ্য ভালো হয়, তেমনি মানুষের জীবনেও সুসময় বা সৌভাগ্য বোঝাতে একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সৌভাগ্য অর্থে ব্যবহৃত বিভিন্ন বাগধারা যেমন একাদশে বৃহস্পতি, সুসময়ের বন্ধু বা উনপঞ্চাশ বায়ু থেকে প্রশ্ন আসে।
বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষাকক্ষে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: D) Wicked man
কেন সঠিক:
Idiom বা বাগধারা হিসেবে "A bad egg" বলতে এমন একজন মানুষকে বোঝায় যার চরিত্র খারাপ।
বাংলায় একে দুষ্ট প্রকৃতির বা অসৎ মানুষ বলা হয়।
এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে Wicked man নির্বাচিত হয়েছে।
অন্য কোনো বিকল্পের সাথে এর অর্থ মেলে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Out dated — এই কথাটির অর্থ সেকেলে বা পুরোনো, যা কোনো মানুষের স্বভাব বা চরিত্রের সাথে মেলে না।
B) False hope — এর অর্থ মিথ্যা আশা, যা মানুষের চরিত্রের পরিবর্তে কোনো পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত।
C) Unnecessary — এই শব্দটির অর্থ অপ্রয়োজনীয়, যা কোনোভাবেই মানুষের দুষ্ট বা অসৎ চরিত্রকে প্রকাশ করে না।
D) Wicked man — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিম পচে গেলে যেমন তা নষ্ট বা খারাপ হয়ে যায়, তেমনি সমাজে কোনো মানুষের চরিত্র খারাপ হলে তাকে বলা হয় আ ব্যাড এগ।
সঠিক উত্তর: B) Electronic Money Transfer Service
কেন সঠিক:
EMTS একটি বহুল ব্যবহৃত আর্থিক সেবা যার পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস। এটি সাধারণত ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত টাকা পাঠানোর কাজের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Electronic Money Transaction Software — এটি মানি ট্রান্সফারের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সেবার নাম নয়, বরং একটি সফটওয়্যার নির্দেশ করে।
B) Electronic Money Transfer Service — এটি সঠিক কারণ ব্যাংকিং ও পোস্টাল সেবায় এই পূর্ণরূপটিই আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) Electronic Mail Transport Software — এটি ইমেইল আদান-প্রদানের সাথে সম্পর্কিত, আর্থিক লেনদেনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Express Mail Transfer System — এটি ডাক বিভাগের চিঠি বা পার্সেল পাঠানোর ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত, টাকার সাথে নয়।
মনে রাখার টিপস:
EMTS শব্দটিতে Money Transfer কথাটি থাকে কারণ এটি মূলত টাকা পাঠানোর একটি ইলেকট্রনিক সেবা।
সঠিক উত্তর: A) Wireless Fidelity
কেন সঠিক:
ওয়াইফাই মূলত কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা অ্যাক্রোনিম নয়, এটি একটি ট্রেডমার্ক নাম। প্রযুক্তির দুনিয়ায় এই শব্দটির পূর্ণ রূপ হিসেবে ওয়্যারলেস ফিডেলিটি নামটিই দীর্ঘদিন ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) Wireless Fibre — এটি ভুল কারণ ফাইবার অপটিক বা ক্যাবলের সাথে ওয়াইফাই প্রযুক্তির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) Wireless first — এটি ভুল কারণ এই শব্দগুচ্ছটি ওয়াইফাই প্রযুক্তির সংজ্ঞার সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
D) Wireless Friend — এটি ভুল কারণ এটি একটি কাল্পনিক শব্দ এবং নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির কোনো পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওয়াইফাই মানে ক্যাবল ছাড়া সংযোগ, তাই প্রথম শব্দটি সর্বদা ওয়্যারলেস হবে।
সঠিক উত্তর: C) George Orwell
কেন সঠিক:
জর্জ অরওয়েল ১৯৪৫ সালে এই বিখ্যাত রাজনৈতিক রূপক উপন্যাসটি প্রকাশ করেছিলেন।
এটি মূলত সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর লেখা একটি কৌতুকপূর্ণ সমালোচনা।
বইটির মূল বিষয়বস্তু হলো পশুর খামারে প্রাণীদের বিপ্লব।
এটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা একটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jonathan Swift — তিনি একজন বিখ্যাত আইরিশ লেখক এবং সমালোচক ছিলেন। তিনি গুলিভার্স ট্রাভেলস উপন্যাসের জন্য বেশি পরিচিত।
B) Mark Twain — তিনি বিখ্যাত মার্কিন কথাসাহিত্যিক ও হাস্যরসাত্মক লেখক ছিলেন। টম সয়্যার তার বিখ্যাত একটি সৃষ্টি।
D) R. L. Stevenson — তিনি স্কটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন। ট্রেজার আইল্যান্ড তার লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস।
মনে রাখার টিপস:
অরওয়েল ও অ্যানিমাল ফার্ম দুটি শব্দই ইংরেজি এ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা সহজেই মনে রাখতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: A) were having
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথমারংশ অতীতকালে ঘটেছে তাই পরের অংশেও অতীতকালের ধারাবাহিক কাজ বোঝাতে Past Continuous Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
Guest আসার ঠিক আগ মুহূর্তে বা সেই সময়ে লাঞ্চ করার কাজটি চলমান ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were having — এটি সঠিক উত্তর।
B) had — এটি Simple Past Tense হওয়ায় চলমান কাজ বোঝাতে পারে না।
C) have had — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় অতীতকালের ঘটনার সাথে মিলে না।
D) would have — এটি Conditional বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
While বা when যুক্ত অতীতকালের দুটি কাজের একটি চলমান থাকলে অন্যটি Past Continuous Tense হয়।
সঠিক উত্তর: B) Duchess
কেন সঠিক:
- Duke শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ বা ফেমিনিন জেন্ডার হলো Duchess, যার অর্থ ডাচেস বা ডাচের স্ত্রী।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু Masculine noun-এর শেষে ess যোগ করে Feminine noun গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Duck — এটি হাস বোঝায়, যা Duke শব্দের ফেমিনিন জেন্ডার নয়।
B) Duchess — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) Duchies — এটি Duchy শব্দের বহুবচন, যার অর্থ একাধিক জায়গির বা প্রদেশ।
D) Duchles — এটি একটি অর্থহীন শব্দ এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এর কোনো ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
Duke শব্দের শেষে ess যোগ করে Duchess তৈরি হয়, যেমন Prince থেকে Princess হয়।
সঠিক উত্তর: B) a little
কেন সঠিক:
পানি একটি অনগণ্য বা আনকাউন্টেবল নাউন, যার আগে পরিমাণের জন্য a little ব্যবহার করা হয়।
এটি অল্প পরিমাণ তরল পদার্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা গ্লাসে থাকতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) many - এটি শুধু কাউন্টেবল বা গণনযোগ্য নাউনের বহুবচনের সাথে বসে।
B) a little - এটি সঠিক উত্তর এবং আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে বসে।
C) a - পানি একটি আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর আগে সরাসরি a আর্টিকেল বসে না।
D) several - এটি কেবল কাউন্টেবল নাউনের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় না এমন বস্তুর অল্প পরিমাণ বোঝাতে a little ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Pallbearers
কেন সঠিক:
শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো যারা জানাজায় বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কফিন কাঁধে বহন করেন। ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী মৃতদেহ বহনকারী ব্যক্তিদের এই নির্দিষ্ট নামে ডাকা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Undertakers — এই শব্দটি দ্বারা সৎকারকর্মী বা যারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সার্বিক আয়োজন করেন তাদের বোঝানো হয়।
B) Supporters — এই সাধারণ শব্দটির অর্থ হলো যারা কাউকে সমর্থন বা সাহায্য করেন।
ড) Mourners — এই শব্দটি শোকসন্তপ্ত ব্যক্তি বা যারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় শোক প্রকাশ করতে আসেন তাদের বোঝায়।
D) Pallbearers — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে চলা হলো।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের অংশগুলো খেয়াল করো। Pall অর্থ কফিন বা চাদর এবং Bearer অর্থ বহনকারী।
সঠিক উত্তর: D) nature
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে প্রকৃতির কবি বলা হয় কারণ তার কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো প্রকৃতি এবং গ্রামীণ পরিবেশ।
তিনি প্রকৃতির মাঝে খোদার রূপ ও শান্তি খুঁজে পেতেন।
তার বিখ্যাত কবিতাগুলিতে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য এবং মানুষের সাথে এর গভীর সম্পর্কের কথা ফুটে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beauty — সৌন্দর্য তার কবিতার অংশ হলেও তিনি মূলত সামগ্রিক প্রকৃতির কবি হিসেবে সমাদৃত।
B) love — প্রেম তার কবিতার প্রধান উপজীব্য নয়, বরং প্রকৃতি ও মানবজীবন তার লেখার মূল প্রেরণা।
C) hope — আশাবাদ তার কাব্যের একটি ভাব হতে পারে, কিন্তু এটি তার প্রধান পরিচয় নির্ধারণ করে না।
D) nature — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তার পুরো সাহিত্যজীবনে প্রকৃতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই প্রকৃতি, তাই পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে তার নাম দেখলে চোখ বন্ধ করে প্রকৃতি বা ন্যাচার দাগিয়ে দেবে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) Loaves
কেন সঠিক:
- ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী যেসব noun-এর শেষে f বা fe থাকে, তাদের plural করার সময় f বা fe তুলে দিয়ে ves যুক্ত করতে হয়।
- Loaf শব্দের শেষ অক্ষর f থাকায় এর সঠিক plural রূপ Loaves হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Leaf — এটি একটি আলাদা singular noun যার অর্থ পাতা, এবং এর সঠিক plural হলো Leaves।
B) Loafs — এটি ভুল বানান কারণ f তুলে দিয়ে ves না যোগ করে সরাসরি s যুক্ত করা হয়েছে।
C) Loaves — এটি সঠিক উত্তর।
D) Leaves — এটি Leaf শব্দের plural form, যা Loaf শব্দের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে f থাকলে তা উঠিয়ে ves বসিয়ে plural করতে হয়, যেমন Loaf থেকে Loaves।
সঠিক উত্তর: D) No article
কেন সঠিক:
দ্বীপের নামের আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না। সন্দীপ একটি নির্দিষ্ট দ্বীপের নাম তাই এখানে শূন্যস্থান হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে বসে কিন্তু একক দ্বীপের নামের আগে দ্য বসে না।
B) A — অনির্দিষ্ট singular countable noun এর আগে বসে কিন্তু দ্বীপের নামে বসে না।
C) An — ভাওয়েল দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে কিন্তু দ্বীপের নামের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) No article — সঠিক কারণ দ্বীপের নামের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত কোনো একক দ্বীপ, দেশ বা হ্রদের নামের আগে আর্টিকেল বসে না।
সঠিক উত্তর: B) memorable
কেন সঠিক:
"A red letter day" একটি প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ লাল অক্ষরের দিন হলেও এর ভাবার্থ একটি অত্যন্ত স্মরণীয় বা ঐতিহাসিক দিন। অতীতে ক্যালেন্ডারে ছুটির দিন বা বিশেষ দিনগুলো লাল কালিতে লেখা হতো বলে এই প্রবাদটি এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) red day — এটি প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) memorable — এটি সঠিক কারণ এটি এই বিশেষ দিনের সাথে মিলে যায়।
C) bloody day — এটি রক্তক্ষয়ী বা হিংসাত্মক দিন বোঝায় যা সম্পূর্ণ ভুল।
D) day of sorrows — এটি দুঃখের দিন বোঝায় যা এই প্রবাদের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ক্যালেন্ডারের লাল ছুটির দিন বা আনন্দের দিনগুলো আমাদের মনে থাকে, তাই রেড লেটার ডে মানেই স্মরণীয় দিন।
সঠিক উত্তর: D) Separate
কেন সঠিক:
Cut up একটি phrasal verb যার অর্থ কোনো কিছু কেটে আলাদা করা বা টুকরো করা।
অপশনের শব্দগুলোর মধ্যে Separate অর্থও আলাদা করা বা বিচ্ছিন্ন করা বোঝায়।
এই ক্ষেত্রে কেটে পৃথক করার ভাবটি প্রকাশ পায়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে D নির্বাচন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Discount — এর অর্থ মূল্য ছাড় দেওয়া, যা কাটার সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) Reduce — এর অর্থ কমানো বা হ্রাস করা, তবে এটি সরাসরি আলাদা করা বোঝায় না।
C) Dislocate — এর অর্থ স্থানচ্যুত করা, যা মূলত হাড় বা জোড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) Separate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
Cut up মানে কেটে টুকরো করা বা আলাদা করা, যা Separate শব্দের সমার্থক।
সঠিক উত্তর: B) Inhuman
কেন সঠিক:
'Human' শব্দের বিপরীত বা বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'Inhuman' শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। এটি নিষ্ঠুর বা অমানবিক অর্থ প্রকাশ করে যা মানুষের স্বভাবের ঠিক উল্টো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Unhuman — এই শব্দটি ইংরেজিতে সাধারণত ব্যবহার করা হয় না।
B) Inhuman — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) Not human — এটি কোনো একক শব্দ নয় বরং একটি সাধারণ বাক্য।
D) Humanly — এটি একটি adverb যা মানুষের সাধ্যমতো বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
noun বা adjective এর বিপরীত শব্দ তৈরির জন্য নির্দিষ্ট কিছু prefix বসে। 'Human' এর ক্ষেত্রে সঠিক prefix হলো 'in'।
সঠিক উত্তর: A) Phycology
কেন সঠিক:
Phycology শব্দটি শৈবাল বিজ্ঞান বা অ্যালজি বিদ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এটি উদ্ভিদ বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যেখানে শৈবাল নিয়ে গবেষণা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phycology — এই বানানটি সঠিক এবং এটি শৈবাল বিজ্ঞান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Psychology — এই বানানটি সঠিক হলেও এটি মনস্তত্ত্ব বা মনোবিজ্ঞান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) Sychology — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর শুরুতে কোনো অতিরিক্ত এস বর্ণ বসে না।
D) Cycology — এই বানানটি ভুল কারণ সি বর্ণ দিয়ে এই বিষয়ের কোনো সঠিক শব্দ গঠিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
শৈবাল বিজ্ঞান বোঝাতে পি এইচ ওয়াই সি শব্দটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) Spelling
কেন সঠিক:
সঠিক ইংরেজি বানান হলো এস-পি-ই-এল-এল-আই-এন-জি। এর অর্থ হলো কোনো শব্দের বানান সঠিকভাবে লেখা বা বলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Spelling — এটি সঠিক এবং নিখুঁত বানান।
B) Speling — এই বানানে একটি এল কম আছে তাই এটি ভুল।
C) Sleping — এই বানানে একটি ই কম আছে তাই এটি ভুল।
D) Slepping — এই বানানে অতিরিক্ত পি ও ই আছে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দ লেখার সময় ডাবল অক্ষর এবং সঠিক স্বরবর্ণের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Rude
কেন সঠিক:
'Gentle' শব্দটির অর্থ শান্ত, ভদ্র বা অমায়িক। এর বিপরীতার্থক বা সমার্থক হিসেবে রুক্ষ বা অভদ্র বোঝাতে 'Rude' সঠিক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।
'Gentle' মানুষের ব্যবহারের কোমলতা প্রকাশ করে।
'Rude' মানুষের ব্যবহারের কঠোরতা বা অভদ্রতা প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Harsh — এই শব্দটির অর্থ কঠোর বা কর্কশ, যা সাধারণত শব্দ বা আবহাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়।
B) Clever — এর অর্থ চালাক বা চতুর, যা বুদ্ধিমত্তার সাথে সম্পর্কিত এবং gentle শব্দের বিপরীত নয়।
C) Modest — এই শব্দটির অর্থ বিনীত বা বিনম্র, যা gentle শব্দের একটি সমর্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে।
D) Rude — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে ভুল হিসেবে গণ্য হবে না।
মনে রাখার টিপস:
শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের ইংরেজি হলো জেন্টল এবং এর ঠিক উল্টো অভদ্র বা রুক্ষ ব্যবহারের ইংরেজি হলো রুড।
সঠিক উত্তর: B) Curriculum Vitae
কেন সঠিক:
সিভি বা সিভিট হলো লাতিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ জীবনের গতিপথ বা কর্মজীবন।
চাকরি বা পেশাগত জীবনের ইতিহাস তুলে ধরার জন্য এটি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Curriculum Viral — এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ এবং চাকরির ক্ষেত্রে এর কোনো অর্থ নেই।
B) Curriculum Vitae — এটি সঠিক উত্তর এবং পেশাগত জীবনে এটিই ব্যবহার করা হয়।
C) Curriculum Value — এটি ভুল কারণ এখানে জীবনের ইতিহাস বোঝায় না।
D) Curriculum Voyage — এটি ভুল কারণ ভাইয়েজ শব্দের অর্থ সমুদ্রযাত্রা।
মনে রাখার টিপস:
সিভি লেখার সময় মনে রাখবে এর পূর্ণরূপ লাতিন ভাষা থেকে এসেছে।
সঠিক উত্তর: D) proper
কেন সঠিক:
সিলেট হলো একটি নির্দিষ্ট শহর বা স্থানের নাম। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নামকে Proper Noun বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) common - এটি কোনো সাধারণ জাতি বা শ্রেণীর নাম নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম।
B) collective - এটি কোনো সমষ্টি বা দলের নাম বোঝায় না, একটি নির্দিষ্ট একক শহর।
C) material noun - এটি কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় না, যা দিয়ে কোনো কিছু তৈরি হয়।
D) proper - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, নদী বা জায়গার নাম সবসময় Proper Noun হয়।
সঠিক উত্তর: C) I prefer death to dishonor.
কেন সঠিক:
১. তুলনা করার ক্ষেত্রে prefer শব্দের পরে to ব্যবহৃত হয়, কোনোভাবেই than বসে না।
২. দুটি নাউনের মধ্যে তুলনা বোঝাতে prefer এর পরে noun দুটি সরাসরি বসে এবং মাঝে preposition হিসেবে to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I prefer death from dishonor. — এখানে সঠিক preposition হিসেবে from ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) I like death more than dishonor. — prefer শব্দের সাথে more than ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত এবং এটি ভুল ইংরেজি গঠন।
C) I prefer death to dishonor. — এটি সঠিক উত্তর।
D) I prefer death more than dishonor. — এখানে prefer এর সাথে redundantly more than ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
prefer শব্দের পরে সবসময় to বসে, than বসে না। এটি মনে রাখলে এই ধরনের অনুবাদ সহজে সঠিক করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Let the door be shut
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে।
তাই Passive করার সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসাতে হয় এবং মূল verb এর Past Participle রূপ লিখতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The door is to be shut — এই গঠনে বাক্যটি মূল বাক্যের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি Imperative Sentence এর নিয়মের বাইরে।
B) সঠিক উত্তর — এটি Imperative Sentence কে Passive করার সঠিক নিয়ম অনুসরণ করেছে।
C) Let the door shut — এখানে be verb টি ব্যবহার করা হয়নি, যা Passive Voice এর নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
D) The door may be shut — এখানে modal auxiliary verb অতিরিক্ত যুক্ত করা হয়েছে, যার কোনো প্রয়োজন ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
Imperative Sentence এ Verb দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় প্রথমে Let বসিয়ে বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) but
কেন সঠিক:
- 'but' শব্দটি দুটি বিপরীত ভাব প্রকাশকারী স্বাধীন ক্লজ বা শব্দকে সংযুক্ত করেছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ দুটি শব্দ বা বাক্যংশকে যুক্ত করে তাকে কনজাংশন বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) poor — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, কারণ এটি বাক্যে কর্তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে।
B) honest — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যা সাবজেক্টের অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
C) but — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি কনজাংশন হিসেবে কাজ করেছে।
D) he — এটি একটি প্রোনাউন, যা বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীতধর্মী দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করতে যে সংযোগকারী শব্দ বসে, তাকে কনজাংশন বলে।
সঠিক উত্তর: C) Soon
কেন সঠিক:
'by and by' একটি খুব পরিচিত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
এর বাংলা অর্থ হলো শীঘ্র বা অল্প সময়ের মধ্যে।
তাই এর সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Soon'।
অন্য কোনো অর্থ এখানে প্রযোজ্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) In course of taking — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু ইডিয়মটির সঠিক অর্থ বোঝায় না।
B) As it would be — এই কথাটির অর্থ যেমনটা হওয়ার কথা ছিল, যা মূল অর্থের সাথে মেলে না।
C) Soon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
D) Suddenly — এর অর্থ হঠাৎ করে, যা ধীরে ধীরে ঘটার ভাব প্রকাশ করা 'by and by' এর বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
'By and by' দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ ধীরে ধীরে বা শীঘ্রই।
সঠিক উত্তর: খ) Princes
কেন সঠিক:
Princes শব্দটির শেষে es যুক্ত আছে যা এটিকে বহুবচন করে তোলে।
এটি Prince শব্দের বহুবচন রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Princess — এটি একটি একবচন শব্দ যার অর্থ রাজকুমারী।
খ) Princes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) Mistress — এটি একটি একবচন শব্দ যার অর্থ গিন্নি বা গৃহকর্ত্রী।
ঘ) Mattress — এটি একটি একবচন শব্দ যার অর্থ তোশক বা ম্যাট্রেস।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে s বা es দেখলে সাধারণত সেটি বহুবচন হয়।
সঠিক উত্তর: C) Oncologist
কেন সঠিক:
Onco শব্দটির অর্থ টিউমার বা ক্যান্সার। Ist suffix যুক্ত হয়ে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cardiologist — এই চিকিৎসক হৃদরোগ বা হার্টের চিকিৎসা করেন।
B) Neurologist — এই চিকিৎসক স্নায়ুরোগ বা ব্রেনের চিকিৎসা করেন।
C) Oncologist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো কারণ নেই।
D) Nephrologist — এই চিকিৎসক কিডনি সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসা করেন।
মনে রাখার টিপস:
Onco শব্দের অর্থ টিউমার, তাই টিউমার বা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হলো Oncologist।
সঠিক উত্তর: B) I do not take tea.
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে চা, কফি বা যেকোনো পানীয় গ্রহণের ক্ষেত্রে 'eat' ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে 'take' বা 'drink' ব্যবহার করা হলেও ব্রিটিশ ও আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী চা পানের ক্ষেত্রে 'take' ব্যবহার করা সবচেয়ে বেশি স্ট্যান্ডার্ড।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I do not eat tea — 'Eat' মানে খাওয়া, কিন্তু চা বা তরল খাবার চিবিয়ে খাওয়া যায় না তাই এটি ভুল।
B) I do not take tea — এটি ব্যাকরণগত ও ব্যবহারের দিক থেকে সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর।
C) I do not drink tea — 'Drink' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে ইংরেজিতে চায়ের সাথে 'take' বা 'have' শব্দটি সবচেয়ে বেশি মানানসই।
D) I do not like tea — এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে আমি চা পছন্দ করি না, যা মূল বাক্যের 'পান করি না' এর সঠিক অনুবাদ নয়।
মনে রাখার টিপস:
তরল খাবার যেমন চা বা কফি পানের ক্ষেত্রে 'eat' না বলে সবসময় 'take' বা 'drink' বলতে হয়।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) live
কেন সঠিক:
- বাক্যে modal auxiliary verb (can) থাকার পর মূল verb-এর বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়।
- Subject (No man) singular হওয়া সত্ত্বেও modal verb-এর কারণে verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lives — Modal verb-এর পর verb-এর সাথে s যুক্ত হয় না বিধায় এটি ভুল।
B) live — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) living — Modal verb-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত continuous form হয় না।
D) lived — Modal verb-এর পর verb-এর past form বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Can, could, shall, should, will, would ইত্যাদি modal auxiliary verb-এর পরে সর্বদা verb-এর বেস ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বোঝাতে প্রতিষ্ঠানের নামের পূর্বে preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান হওয়ায় তার পূর্বে at বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — সাধারণত বড় শহর, দেশ বা সীমানাবন্ধ স্থানের পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বসে না।
B) of — এটি সাধারণত অধিকার, উৎস বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, স্থান বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বসে না।
C) at — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম বোঝাতে at বসে।
D) into — এটি সাধারণত গতিশীল অবস্থা বা এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ বা স্কুলের নামের আগে অবস্থান বোঝাতে সর্বদা at বসবে।
সঠিক উত্তর: D) The people of England
কেন সঠিক:
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ইংরেজি ভাষার আগে 'The' বসালে তা আর ভাষা বোঝায় না।
বরং এটি নির্দিষ্ট করে ইংল্যান্ডের সমগ্র জাতিকে বা সেখানকার জনগণকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) English language — 'The' ছাড়া শুধু English শব্দটি ভাষা বোঝায়, তাই এটি ভুল।
B) English literature — এর দ্বারা ইংরেজি সাহিত্য বোঝায়, যা সঠিক উত্তর নয়।
C) English speaking countries — এটি দিয়ে ইংরেজিভাষী দেশগুলোকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) The people of England — এটি সঠিক কারণ 'The' যুক্ত হলে জাতির মানুষকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষার নামের আগে 'The' বসালে তা ভাষা না বুঝিয়ে সেই দেশের জাতিকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) against
কেন সঠিক:
স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটা বোঝাতে against preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে নদী বা পানির গতির বিপরীত দিক বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) above — এটি উপরে বা উচ্চতা বোঝাতে বসে, স্রোতের বিপরীত গতি বোঝাতে এটি সঠিক নয়।
B) against — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রতিকূলতা বা স্রোতের উল্টো দিক নির্দেশ করে।
C) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
D) of — এটি সম্বন্ধ বা উৎস বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
স্রোত বা বাতাসের বিপরীতে কিছু করা বোঝালে সব সময় against preposition ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) ২ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ১
দুধের পরিমাণ পানির পরিমাণ হতে ৮ লিটার বেশি
ধরি,
পানির পরিমাণ = ১ক লিটার
দুধের পরিমাণ = ৫ক লিটার
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৫ক − ১ক = ৮
৪ক = ৮
সুতরাং,
ক = ৮ ÷ ৪
ক = ২
উত্তর: ২ লিটার
সঠিক উত্তর: C) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর চারটি সংখ্যার গুণফল = ৩৬০
ধরি,
সংখ্যা চারটি যথাক্রমে ক, খ, গ এবং ঘ
অতএব,
৩৬০ সংখ্যাটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, ৩৬০ = ২ × ৩ × ৪ × ৫
সুতরাং,
সংখ্যা চারটি হলো ৩, ৪, ৫ এবং ৬
উত্তর: ৩ + ৪ + ৫ + ৬ = ১৮
সঠিক উত্তর: A) ২/৩
প্রদত্ত তথ্য:
শতকরা মান দেওয়া আছে ৬৬ সমস্ত দুইয়ের তিন %
এটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে
ধরি,
মিশ্র ভগ্নাংশটিকে অপকৃত ভগ্নাংশে রূপান্তর করা হলো
পূর্ণ সংখ্যাকে হর দিয়ে গুণ করে লব যোগ করতে হবে
অতএব,
৬৬ কে ৩ দিয়ে গুণ করলে হয় ১৯৮
তার সাথে ২ যোগ করলে হয় ২০০
সুতরাং,
২০০ ÷ ৩ %
= (২০০ ÷ ৩) ÷ ১০০ = ২ ÷ ৩
উত্তর: ২/৩
সঠিক উত্তর: C) ২৪ বর্গমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ বাদে অপর দুই বাহুর দৈর্ঘ্য ৮ মিটার এবং ৬ মিটার
ধরি,
ত্রিভুজটির ভূমি = ৮ মিটার
ত্রিভুজটির উচ্চতা = ৬ মিটার
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো দুই বাহুর গুণফলের অর্ধেক
ক্ষেত্রফল = (ভূমি × উচ্চতা) ÷ ২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (৮ × ৬) ÷ ২
ক্ষেত্রফল = ৪৮ ÷ ২ = ২৪ বর্গমিটার
উত্তর: ২৪ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: C) ৪.৫৪৮ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পরিমাপের আন্তর্জাতিক ও সাম্রাজ্যিক একক
তরল পদার্থের আয়তন পরিমাপের একক গ্যালন ও লিটার
ধরি,
১ ইম্পেরিয়াল গ্যালন বা ব্রিটিশ গ্যালনকে লিটারে রূপান্তর করতে হবে
অতএব,
১ ব্রিটিশ গ্যালন সমান ৪.৫৪৬১ লিটার ধরা হয়
সুতরাং,
সাধারণত গণিতের হিসেবে একে ৪.৫৪৮ লিটার হিসেবে ধরা হয়
উত্তর: ৪.৫৪৮ লিটার
সঠিক উত্তর: A) ২৪ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে. মি.
কেন্দ্র হতে জ্যা-এর দূরত্ব = ৫ সে. মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হতে জ্যা এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
ব্যাসার্ধ, লম্ব এবং অর্ধ-জ্যা মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৩ সে. মি.
সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ৫ সে. মি.
অর্ধ-জ্যা = √(১৩ × ১৩ − ৫ × ৫)
সুতরাং,
অর্ধ-জ্যা = √(১৬৯ − ২৫) = √১৪৪ = ১২ সে. মি.
সম্পূর্ণ জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ১২ × ২ = ২৪ সে. মি.
উত্তর: ২৪ সে. মি.
সঠিক উত্তর: C) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির গসাগু = ২
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০
একটি সংখ্যা = ৩৬
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু
অতএব,
৩৬ × ক = ২ × ৩৬০
৩৬ × ক = ৭২০
ক = ৭২০ ÷ ৩৬
সুতরাং,
ক = ২০
উত্তর: ২০
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা লিখতে হবে
চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা লিখতে হবে
ধরি,
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০০
চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯
অতএব,
সংখ্যা দুটির বিয়োগফল বের করতে হবে
অর্থাৎ ১০০০১০ থেকে ৯৯৯৯ বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
বিয়োগফল হবে ১০০০০০ − ৯৯৯৯
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রدত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে
সংখ্যাগুলো হলো ২, ৯, ৩৯ এবং ১১৫
ধরি,
মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়
অতএব,
৯ সংখ্যাটি ১, ৩ এবং ৯ দ্বারা বিভাজ্য
৩৯ সংখ্যাটি ১, ৩, ১৩ এবং ৩৯ দ্বারা বিভাজ্য
সুতরাং,
১১৫ সংখ্যাটি ১, ৫, ২৩ এবং ১১৫ দ্বারা বিভাজ্য
এবং ২ সংখ্যাটি কেবল ১ এবং ২ দ্বারা বিভাজ্য
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: B) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল x + y = ৬
দুটি রাশির বিয়োগফল x − y = ৪
ধরি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করতে হবে
এখানে xy এর মান বের করার সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
xy এর সূত্র হলো (x + y ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর বর্গ
অথবা সরাসরি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত (x + y + ২) এর বর্গ বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর বর্গ
সুতরাং,
xy এর অনুসিদ্ধান্ত সূত্রটি হলো (x + y) এর বর্গ বিয়োগ (x − y) এর বর্গ, পুরোটা ভাগ চার
উত্তর: মান বসিয়ে পাই, ছয় এর বর্গ মাইনাস চার এর বর্গ ভাগ চার সমান সমান পাঁচ
সঠিক উত্তর: D) ১,৩৫০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন বা আসল = ৪,৫০০ টাকা
সুদের হার = ১০% বা বার্ষিক ১০ টাকা
সময় = ৩ বছর
ধরি,
আসল হলো P = ৪,৫০০ টাকা
সুদের হার হলো r = ১০%
সময় হলো n = ৩ বছর
অতএব,
সরল সুদের সূত্র হলো I = (P × n × r) ÷ ১০০
এখানে মানগুলো বসিয়ে পাই
সুতরাং,
সুদ = (৪,৫০০ × ৩ × ১০) ÷ ১০০
= ১,৩৫,০০০ ÷ ১০০
উত্তর: ১,৩৫০ টাকা
সঠিক উত্তর: D) ৩ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
অপু কাজটি করতে পারে ৬ দিনে
নিপু কাজটি করতে পারে ১০ দিনে
নীলু কাজটি করতে পারে ১৫ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
অপু ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ কাজ
নিপু ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ কাজ
নীলু ১ দিনে করে ১ ÷ ১৫ অংশ কাজ
সুতরাং,
তিনজন একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ কাজ
= (৫ + ৩ + ২) ÷ ৩০ অংশ কাজ
= ১০ ÷ ৩০ অংশ কাজ
= ১ ÷ ৩ অংশ কাজ
উত্তর: ৩ দিনে
সঠিক উত্তর: B) ১২টি
প্রদত্ত তথ্য:
অংকগুলো হলো ১, ২, ৩ এবং ৪
গঠিত সংখ্যাটি ৪ অংকের হতে হবে
ধরি,
সংখ্যাটি ৩০০০ অপেক্ষা বৃহত্তম হবে
হাজার এর ঘরে ৩ অথবা ৪ বসবে
অতএব,
হাজার এর ঘরে বসানোর উপায় = ২টি
শতক এর ঘরে বাকি ৩টি অংক থেকে বসানোর উপায় = ৩টি
সুতরাং,
দশক এর ঘরে বসানোর উপায় = ২টি
একক এর ঘরে বসানোর উপায় = ১টি
উত্তর: ২ × ৩ × ২ × ১ = ১২টি
সঠিক উত্তর: D) ৪১ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি সমকোণী ত্রিভুজ
সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের অন্তর ৮ ডিগ্রি
ধরি,
ক্ষুদ্রতম সূক্ষ্ম কোণটি = ক ডিগ্রি
অপর সূক্ষ্ম কোণটি = ক + ৮ ডিগ্রি
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের দুই সূক্ষ্ম কোণের সমষ্টি = ৯০ ডিগ্রি
প্রশ্নানুসারে, ক + ক + ৮ = ৯০
সুতরাং,
২ক + ৮ = ৯০
২ক = ৯০ − ৮
উত্তর: ক = ৮২ ÷ ২ = ৪১ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট কমলার সংখ্যা = ১১৫টি
মোট কলার সংখ্যা = ১৩৫টি
ধরি,
শিশুর সংখ্যা হবে ১১৫ এবং ১৩৫ এর গসাগু
অতএব,
১১৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৩, ১১৫
১৩৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৩, ৫, ৯, ১৫, ২৭, ৪৫, ১৩৫
সুতরাং,
১১৫ এবং ১৩৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক বা গসাগু = ৫
উত্তর: ৫ জন শিশুর মধ্যে ফলগুলো সমানভাগে ভাগ করে দেওয়া যাবে
সঠিক উত্তর: B) ১০টি
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য হলো টাকায় দুটি কমলা
লাভের হার হলো শতকরা চল্লিশ টাকা
ধরি,
একটি কমলার ক্রয়মূল্য হলো এক টাকা ভাগ দুই সমান শূন্য দশমিক পাঁচ টাকা
অতএব,
চল্লিশ শতাংশ লাভে একটি কমলার বিক্রয়মূল্য হবে শূন্য দশমিক পাঁচ গুণ একশো চল্লিশ ভাগ একশো সমান শূন্য দশমিক সাত টাকা
সুতরাং,
শূন্য দশমিক সাত টাকায় বিক্রি করতে হবে একটি কমলা
উত্তর: পঁয়ত্রিশ টাকায় বিক্রি করতে হবে পঁয়ত্রিশ ভাগ শূন্য দশমিক সাত সমান দশটি কমলা
সঠিক উত্তর: A) ৩ঃ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ২৫ মিটার
অপর বাহুদ্বয়ের একটি অপরটির ৩/৪ অংশ
ধরি,
ত্রিভুজের একটি বাহু = ক মিটার
অপর বাহুটির দৈর্ঘ্য = (৩/৪) × ক মিটার
অতএব,
বাহু দুটির অনুপাত হবে ক : (৩/৪) ক
বা বাহু দুটির অনুপাত হবে ১ : (৩/৪)
সুতরাং,
ভগ্নাংশ দূর করতে উভয় পক্ষকে ৪ দ্বারা গুণ করে পাই ৪ : ৩
কিন্তু প্রশ্নে অপর বাহুদ্বয়ের একটি অপরটির ৩/৪ অংশ বলা হয়েছে, তাই তাদের অনুপাত ৩ : ৪
উত্তর: ৩ঃ৪
সঠিক উত্তর: B) ৮/৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
দশমিক সংখ্যাটি শূন্য দশমিক দুই চার চার এর ওপর পৌণিক বা আবৃত্ত দশমিক
ধরি,
সংখ্যাটি ক = শূন্য দশমিক দুই চার চার এর ওপর পৌণিক
অতএব,
উভয় পক্ষকে একশ দিয়ে গুণ করে পাই, একশ গুণ ক = চব্বিশ দশমিক চার চার এর ওপর পৌণিক
সুতরাং,
দশ দিয়ে গুণ করে পাই, দশ গুণ ক = দুই দশমিক চার চার এর ওপর পৌণিক
বিয়োগ করে পাই, নব্বই গুণ ক = বাইশ
অতএব,
ক = বাইশ ভাগ নব্বই
সুতরাং,
লব ও হরকে দুই দিয়ে ভাগ করে পাই আট ভাগ তেত্রিশ
উত্তর: ৮/৩৩
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি = ৪
নির্ণয় করতে হবে = ৪ এর ৭৫%
ধরি,
সংখ্যাটি হলো চার
অতএব,
চার এর ৭৫ শতাংশ হিসাব করতে হবে
সুতরাং,
৪ × ৭৫ ÷ ১০০
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: A) ১০(১/২)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম মিশ্র ভগ্নাংশ = ৩(৩/৮)
দ্বিতীয় মিশ্র ভগ্নাংশ = ১(৫/৮)
তৃতীয় মিশ্র ভগ্নাংশ = ৫(১/৮)
ধরি,
পূর্ণসংখ্যাগুলো আলাদা করি = ৩ + ১ + ৫
ভগ্নাংশগুলো আলাদা করি = (৩/৮) + (৫/৮) + (১/৮)
অতএব,
পূর্ণসংখ্যাগুলোর যোগফল = ৩ + ১ + ৫ = ৯
ভগ্নাংশগুলোর হর এক হওয়ায় লবগুলোর যোগফল = ৩ + ৫ + ১ = ৯
সুতরাং,
ভগ্নাংশের যোগফল = ৯/৮ = ১(১/৮)
মোট যোগফল = ৯ + ১(১/৮) = ১০(১/৮) ভুল, হিসাব সংশোধন করি
পূর্ণসংখ্যা যোগ ভগ্নাংশ = ৯ + (৯/৮) = ৯ + ১(১/৮) = ১০(১/৮) হবে না, অপশন অনুযায়ী ১০(৪/৮) বা ১০(১/২)
উত্তর: ১০(১/২)
সঠিক উত্তর: C) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বিয়োগ করতে হবে
বিয়োগফল মূল সংখ্যা অপেক্ষা পাঁচ বেশি হবে
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি = ক
শর্ত অনুযায়ী সমীকরণটি হবে ২৫ − ক = ক + ৫
অতএব,
২৫ − ৫ = ক + ক
২০ = ২ক
সুতরাং,
ক = ২০ ÷ ২
ক = ১০
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: B) ১২.৫
প্রদত্ত তথ্য:
সুদের হার = ৮%
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
সুদ = ১০০ টাকা
অতএব,
আমরা জানি, সুদ = (আসল × সময় × হার) ÷ ১০০
এখানে মান বসিয়ে পাই, ১০০ = (১০০ × সময় × ৮) ÷ ১০০
সুতরাং,
সময় × ৮ = ১০০
সময় = ১০০ ÷ ৮
উত্তর: ১২.৫ বছর
সঠিক উত্তর: C) a^3 − 3a
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + 1/x = a
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে x^3 + 1/x^3 এর
অতএব,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, x^3 + 1/x^3 = (x + 1/x)^3 − 3 × (x + 1/x)
সুতরাং,
এখন মানের জায়গায় a বসিয়ে পাই, a^3 − 3a
উত্তর: a^3 − 3a
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা তিনটি হলো ৫, ৭ এবং ২৪
দ্বিতীয় সংখ্যা দুটি হলো ৭, ৯ এবং অজানা সংখ্যাটি
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
প্রথম তিনটি সংখ্যার যোগফল = ৫ + ৭ + ২৪ = ৩৬
প্রথম তিনটি সংখ্যার গাণিতিক গড় = ৩৬ ÷ ৩ = ১২
সুতরাং,
দ্বিতীয় তিনটি সংখ্যার যোগফল হবে ১২ × ৩ = ৩৬
৭ + ৯ + ক = ৩৬
উত্তর: ক = ২০
সঠিক উত্তর: C) নারায়নগঞ্জ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘরটি ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ে অবস্থিত, যা নারায়নগঞ্জ জেলায় অন্তর্ভুক্ত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালে এখানে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বগুড়া — বগুড়ায় মহাস্থানগড় ও কর্নকার্জন জাদুঘর অবস্থিত, লোকশিল্প জাদুঘর নয়।
B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর অবস্থিত, লোকশিল্প জাদুঘর এখানে নেই।
C) নারায়নগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর নারায়নগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
D) কুমিল্লা — কুমিল্লায় ময়নামতি জাদুঘর অবস্থিত, লোকশিল্প জাদুঘর নয়।
মনে রাখার টিপস:
লোকশিল্প মানেই প্রাচীন ঐতিহ্য আর সোনারগাঁ, তাই লোকশিল্প জাদুঘর বললেই নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) শহীদ মিনার
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের পর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিটে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল।
- বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ ও ভাষা আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে শহীদ মিনারকে বিজয়ের প্রাক্কালে দেশের প্রথম ডাকটিকিটে স্থান দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় স্মৃতি সৌধ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হলেও প্রথম ডাকটিকিটে এর ছবি ছিল না।
B) লালবাগের কেল্লা — এটি মুঘল আমlর একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য এবং পর্যটন আকর্ষণ, যা প্রথম ডাকটিকিটের বিষয়বস্তু ছিল না।
C) সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত সুলতানি আমলের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ, যা প্রথম ডাকটিকিটের নকশায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
D) শহীদ মিনার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রথম প্রকাশিত ডাকটিকিটে শহীদ মিনারের ছবিই মুদ্রিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রথম ডাকটিকিট মানেই ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনার।
সঠিক উত্তর: D) গ্যাস
কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান খনিজ সম্পদ যা দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগ পূরণ করে।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা ও শিল্পকারখানায় কাঁচামাল এবং জ্বালানি হিসেবে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদামাটি — এটি একটি খনিজ সম্পদ হলেও গ্যাস খাতের মতো দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় এর ভূমিকা ততটা প্রধান বা সর্বগ্রাসী নয়।
B) চুনাপাথর — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যা গ্যাস খাতের মতো জাতীয় অর্থনীতিতে সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে না।
C) কয়লা — দেশে কয়লার বেশ কিছু বড় মজুদ আবিষ্কৃত হলেও এর উত্তোলন এখনও সীমিত এবং গ্যাস খাতের মতো এটি প্রধান জ্বালানি উৎস নয়।
D) গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্ন অনুযায়ী অন্য অপশনগুলোর তুলনায় এর অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব সর্বাধিক।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জ্বালানির প্রধান চালিকাশক্তি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, তাই অর্থনীতির বিচারে গ্যাসই দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ।
সঠিক উত্তর: B) লক্ষ্মণ সেন
কেন সঠিক:
- লক্ষ্মণ সেন ছিলেন প্রাচীন বাংলার সেন রাজবংশের চতুর্থ ও শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজা।
- ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির নদীয়া আক্রমণ করার সময় তিনি বাংলার শাসন ক্ষমতায় ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেমন্ত সেন — তিনি সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও শেষ রাজা ছিলেন না।
B) লক্ষ্মণ সেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) বিজয় সেন — তিনি সেন রাজবংশের অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী রাজা ছিলেন, শেষ রাজা নন।
D) বল্লাল সেন — তিনি বিজয় সেনের উত্তরসূরি এবং সেন রাজবংশের প্রভাবশালী রাজা ছিলেন, শেষ রাজা নন।
মনে রাখার টিপস:
সেন বংশের শেষ রাজা মনে রাখতে নামের শেষে লক্ষ্মী বা লক্ষ্মণ থাকলে তাকে শেষ হিন্দু রাজা হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) জেরুজালেমে
কেন সঠিক:
- আল-আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের প্রাচীন জেরুজালেম শহরের পুরনো অংশে অবস্থিত এবং এটি ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান।
- মুসলমানরা একে কিবলার প্রথম স্থান হিসেবে এবং নবী মুহাম্মদের মেরাজ গমনের সঙ্গে সম্পৃক্ত পবিত্র ভূমি হিসেবে শ্রদ্ধা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কায়রোতে — এটি মিসরের রাজধানী এবং এখানে আল-আহজহার মসজিদসহ ঐতিহাসিক বহু স্থান আছে, তবে আল-আকসা মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়।
B) তেহরানে — এটি ইরানের রাজধানী এবং মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রধান শহর, কিন্তু আল-আকসা মসজিদ এই শহরে অবস্থিত নয়।
C) জেরুজালেমে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং আল-আকসা মসজিদ এখানেই অবস্থিত।
D) বাগদাদে — এটি ইরাকের রাজধানী এবং আব্বাসীয় খেলাফতের ঐতিহাসিক কেন্দ্র, তবে আল-আকসা মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত, যা ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) সিলেট
কেন সঠিক:
- ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও তাঁর অনুসারী ৩৬০ জন আউলিয়া ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে সিলেট অঞ্চলে আগমন করেন।
- এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক অঞ্চল, যা রেশম নগরী ও শিক্ষা নগরী হিসেবে পরিচিত এবং এর সাথে ৩৬০ আউলিয়ার ঐতিহাসিক সম্পর্কের কোনো তথ্য নেই।
B) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী ও ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী, যা মোগল আমলের সুবেদার ইসলাম খান কর্তৃক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
C) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর নগরী ও বারো আউলিয়ার দেশ হিসেবে পরিচিত, কারণ এখানে বহু সুফি সাধক ইসলাম প্রচার করেছেন।
D) সিলেট — এটি হযরত শাহজালাল (রহ.) ও ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতির সাথে বিজড়িত থাকার কারণে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ হিসেবে খ্যাত এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সিলেট মানেই শাহজালাল (রহ.) ও ৩৬০ জন আউলিয়ার স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ভূমি।
সঠিক উত্তর: D) মুশফিকুর রহিম
কেন সঠিক:
- মুশফিকুর রহিম ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
- টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করা প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে তিনি ইতিহাস গড়েন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাকিব-আল-হাসান — তিনি বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন কিন্তু প্রথম নন।
B) মোমিনুল হক — তিনি টেস্টে সেঞ্চুরি করলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন।
C) নাজমুল হোসেন শান্ত — তিনি বর্তমান সময়ের ব্যাটার এবং এই রেকর্ডের সাথে জড়িত নন।
D) মুশফিকুর রহিম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি টেস্টে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
মনে রাখার টিপস:
টেস্টে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির মুশফিক, মনে রাখুন ম দিয়ে প্রথম ডাবল।
সঠিক উত্তর: C) রেশম পোকা চাষ
কেন সঠিক:
- সেরিকালচার বলতে বিশেষভাবে রেশম পোকা পালন এবং রেশম সুতা উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়।
- তুঁত গাছের পাতায় রেশম পোকা লালন-পালন করে বাণিজ্যিকভাবে এই সুতা সংগ্রহ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুলা চাষ — তুলা চাষকে ইংরেজিতে কটন কাল্টিভেশন বলা হয়, যা বস্ত্র শিল্পের জন্য তুলো উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
B) নীল চাষ — নীল চাষ বলতে নীলকরদের মাধ্যমে নীল রঙের উদ্ভিদ চাষকে বোঝায়, যা রেশম পোকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
সি) রেশম পোকা চাষ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) তামাক চাষ — তামাক চাষ হলো তামাক পাতা উৎপাদনের একটি কৃষি প্রক্রিয়া, যা ধূমপান ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
রেশম পোকার ইংরেজি সিল্ক থেকে সেরিকালচার শব্দটি এসেছে, তাই সেরিকালচার দেখলে রেশম পোকা চাষ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ভুট্টা
কেন সঠিক:
- গত কয়েক দশকে পোলট্রি ও মৎস্য শিল্পে খাদ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ভুট্টার চাষ ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়েছে।
- উন্নত বীজ ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে হেক্টারপ্রতি ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকদের মাঝে ভুট্টা চাষের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুট্টা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ সাম্প্রতিক দশকগুলোতে এর চাষ ও উৎপাদন সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
B) পাট — পাট বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল হলেও বিগত ৫০ বছরে এর চাষের পরিধি ভুট্টার মতো এতটা বৃদ্ধি পায়নি।
C) ধান — ধান আমাদের প্রধান খাদ্য ফসল এবং এর উৎপাদন বাড়লেও মোট চাষের বৃদ্ধির হারের দিক থেকে ভুট্টার পেছনে রয়েছে।
D) গোল আলু — গোল আলুর চাষ ও উৎপাদন বাড়লেও তা পোলট্রি শিল্পভিত্তিক ভুট্টার চাষ বৃদ্ধির হারকে অতিক্রম করতে পারেনি।
মনে রাখার টিপস:
পোলট্রি শিল্পের খাদ্য চাহিদা মেটাতে গত ৫০ বছরে সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে ভুট্টা চাষ।
সঠিক উত্তর: A) সৌদি আরব
কেন সঠিক:
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান বিশ্বে সর্বাধিক সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মী সৌদি আরবে কর্মরত রয়েছেন।
- মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের সবচেয়ে বড় অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক কর্মী সেখানে যান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত আছেন।
B) মালয়েশিয়া — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার হলেও বর্তমানে সৌদি আরবের চেয়ে মোট প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা এখানে কম।
C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এই দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত থাকলেও তা সৌদি আরবের তুলনায় কম।
D) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং এখানে কিছু বাংলাদেশি প্রবাসী থাকলেও তা মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি প্রবাসী যেখানে যান, সবার আগে Saudi Arabia (সৌদি আরব) নামটি মনে রাখুন।
বিষয়ের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) মোনাকো
কেন সঠিক:
- মোনাকো বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ বা সর্বোচ্চ জনবসতিপূর্ণ দেশ, যার প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- দেশটির আয়তন অত্যন্ত কম কিন্তু জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় এখানকার জনঘনত্ব বিশ্বে সর্বোচ্চ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোনাকো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) রাশিয়া — আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এর জনসংখ্যার ঘনত্ব মোনাকোর তুলনায় অনেক কম।
C) বাংলাদেশ — জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হলেও এটি বিশ্বে সর্বোচ্চ জনবসতিপূর্ণ বা জনঘনত্বসম্পন্ন দেশ নয়।
D) চীন — এটি বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হলেও মোট আয়তন বড় হওয়ায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনঘনত্ব মোনাকোর চেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
ছোট দেশ মোনাকো, জনঘনত্বে সবার উপরে থাকো।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো এর সদস্যপদ লাভ করে।
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে সদস্যপদ লাভ করার পর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৩ — এটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
B) ১৮৮ — অতীতে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা এই সংখ্যা অতিক্রম করেছিল, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ১৯৩ — এটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য।
D) ১৯৭ — বিশ্বজুড়ে স্বাধীন রাষ্ট্রের সংখ্যা এর আশপাশে হলেও জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা এই সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে একটি সাধারণ কৌশল হলো শেষের সংখ্যাটি তিন, অর্থাৎ একশো তিরানব্বই।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২
কেন সঠিক:
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিটির সুপারিশে ১৯৮২ সালে বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রশাসনিক ক্ষমতা স্থানীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ এবং গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮১ — এই সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন এবং দেশে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, উপজেলা পরিষদ চালুর সাল এটি নয়।
B) ১৯৮২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ১৯৮৩ — ১৯৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম দফতে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত ও উপজেলা কার্যক্রমের বিস্তার ঘটে, কিন্তু উপজেলা পরিষদ চালু হয় ১৯৮২ সালে।
D) ১৯৮৪ — ১৯৮৪ সালে অনেক নতুন উপজেলা গঠিত ও উন্নীত করা হয়, কিন্তু উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা চালুর বছর এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
উপজেলা চালুর সাল মনে রাখতে দুই এর অঙ্কটি মনে রাখুন, কারণ এরশাদ সরকারের আমলে ১৯৮২ সালে প্রথম উপজেলা চালু হয়।
সঠিক উত্তর: D) ধর্মপাল
কেন সঠিক:
- পাল বংশের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতাব্দীর শেষের দিকে বা নবম শতাব্দীর শুরুতে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান বৌদ্ধ বিহার এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — ইনি মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং প্রাচীন ভারতের মগধে শাসন করতেন, পাহাড়পুর বিহারের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) আদিশূর — ইনি বাংলার সেন বংশের আগের একজন প্রাচীন রাজা ছিলেন, যাঁর সঙ্গে বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
সি) রাজা রামপাল — ইনি পাল বংশের অপর একজন শক্তিশালী রাজা হলেও পাহাড়পুর বিহারের নির্মাতা নন, তিনি রামপাল মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
D) ধর্মপাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী তিনিই সোমপুর মহাবিহার বা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ধর্মের পথ ধরে পাল রাজারা পাহাড় গড়ে তুললেন, তাই পাহাড়পুর বিহারের নির্মাতা ধর্মপাল।
সঠিক উত্তর: A) নেপাল
কেন সঠিক:
- সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার মূল সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত।
- ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে সংস্থাটি গঠিত হওয়ার পর ১৯৮৭ সালের ১৬ই জানুয়ারি এই সচিবালয় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এই দেশটিতেই সার্কের মূল সচিবালয় অবস্থিত।
B) ভারত — এই দেশটিতে সার্কের সচিবালয় নেই, তবে এর সদস্য রাষ্ট্র এবং প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক।
C) পাকিস্তান — এই দেশটিতেও সার্কের সচিবালয় নেই, এটি সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
D) বাংলাদেশ — এই দেশের রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে সার্ক গঠিত হলেও এর সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের জন্ম ঢাকায় হলেও এর স্থায়ী ঠিকানা বা সচিবালয় পাহাড়ঘেরা নেপালের কাঠমাণ্ডুতে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)