সঠিক উত্তর: C) ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
১. কেন সঠিক:
- ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থটির নাম এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীদের বাংলা ভাষা শেখানোর জন্য এই ব্যাকরণ রচিত হয়েছিল।
- এই গ্রন্থে বাংলা মুদ্রণের জন্য প্রথম বাংলা হরফ বা ফন্ট ব্যবহার করা হয়, যা তৈরি করেছিলেন চার্লস উইলকিন্স।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এটি ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় রচিত ইংরেজি ভাষায় লেখা বাংলা ব্যাকরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচয়িতা নন, তবে তিনি ১৮৩৩ সালে গৌড়ীয় ব্যাকরণ নামে বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ রচনা করেন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা ব্যাকরণের বিখ্যাত রচয়িতা হলেও প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন, তাঁর ব্যাকরণের নাম ব্যাকরণ কৌমুদী।
C) ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাট্যকার ও মহাকবি, কোনো ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচয়িতা হ্যালহেড, নামের সাথে হ্যাল যুক্ত করে মনে রাখতে পারো।
- হ্যালহেডের ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৭৮ সালে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম ও প্রকাশকাল বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
- হ্যালহেডের ব্যাকরণ গ্রন্থটি হুগলি থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) মাথা ঘোরা (বিপদে দিশেহারা)
১. কেন সঠিক:
- 'চোখে সর্ষে ফুল দেখা' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে গভীর বিপদ বা সংকটে পড়ে মানুষের মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা বা দিশেহারা হয়ে যাওয়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়।
- প্রখর রৌদ্রে হঠাৎ তীব্র আলো পড়লে যেমন মানুষের চোখে ঝিলমিল করে এবং সে চারপাশ দেখতে পায় না, তেমনি বিপদের ঝাপটায় মানুষের বুদ্ধি ও চেতনা আচ্ছন্ন হয়ে পড়াকে এই বাগধারার সাহায্যে প্রকাশ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় বিশেষ অর্থবোধক শব্দগুচ্ছকে বাগধারা বলা হয়, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো আমাদের দৈনন্দিন ভাষার রূপকে আরও সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের ভাবার্থ নির্ণয়ের জন্য আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকস্মিক ব্যবসায়ে বড় ধরনের লোকসানের খবর শুনে লোকটির চোখে সর্ষে ফুল দেখার দশা হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে হঠাৎ বিপদে পড়ে চরম মানসিক সংকট ও দিশেহারা অবস্থাকে বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুলিশের ধাওয়া খেয়ে চোরটি যখন ফাঁকা রাস্তায় আটকা পড়ল, তখন তার চোখে সর্ষে ফুল দেখার অবস্থা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আসন্ন বিপদ ও মুক্তির কোনো উপায় না পেয়ে ভয়ের চোটে দিশেহারা হয়ে পড়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিস্মিত হওয়া — বিস্মিত হওয়া মানে অবাক হওয়া, যা এই বাগধারার বিপদে দিশেহারা হওয়ার অর্থের সঙ্গে মিলছে না।
B) আনন্দ পাওয়া — আনন্দ পাওয়া একটি ইতিবাচক অনুভূতি, অথচ 'চোখে সর্ষে ফুল দেখা' একটি কঠিন সংকট বা বিপদের অবস্থাকে নির্দেশ করে।
C) সরিষা ক্ষেতে যাওয়া — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার রূপক বা বিশেষ অর্থই সবসময় বিবেচনা করা হয়।
D) মাথা ঘোরা (বিপদে দিশেহারা) — এটি এই নির্দিষ্ট বাগধারার নির্ধারিত সঠিক এবং পরীক্ষিত ভাবার্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তীব্র রোদে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার সঙ্গে বিপদের ধাক্কায় বুদ্ধি গুলিয়ে যাওয়ার অবস্থাকে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে চোখে সর্ষে ফুল দেখা মানেই বিপদে পড়ে দিশেহারা হওয়া।
- পরীক্ষার হলে আক্ষরিক অর্থ দাগানো থেকে বিরত থেকে সবসময় বাগধারার অন্তর্নিহিত বিশেষ ভাবার্থ খুঁজে বের করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো আয়ত্ত করতে হলে নিয়মিত বাক্য তৈරীর মাধ্যমে অনুশীলন করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
সঠিক উত্তর: A) প্রবাদ
কেন সঠিক:
১. অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী বাক্যটি মূলত একটি জনপ্রিয় লোকোক্তি বা প্রবাদ, যা সমাজে দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত আছে।
২. এই বাক্যের মাধ্যমে অল্প জ্ঞান নিয়ে বড় বড় কথা বলা বা অহংকার করার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. প্রবাদ হলো সমাজে বহুল ব্যবহৃত সংক্ষিপ্ত উক্তি, যা জীবনের কোনো গভীর সত্য বা অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে।
২. বাংলা সাহিত্যে নীতিশিক্ষা ও সমাজ সচেতনতা বাড়াতে এই ধরনের প্রবাদের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. যেমন, নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা কিংবা চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন প্রবাদগুলোর মতো এটিও একটি অর্থবহ প্রবাদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে কোনো সাধারণ বাক্য নয়, বরং একটি প্রচলিত প্রবাদ বাক্য।
B) প্রশ্নবোধক — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি বা জিজ্ঞাসাবাদের ভাব প্রকাশ পায়নি।
C) বর্ণনামূলক — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কেবল কোনো সাধারণ ঘটনার বিবরণ দেয় না, বরং এর একটি গভীর নৈতিক অর্থ রয়েছে।
D) আদেশমূলক — এই অপশনটি ভুল কারণ এই বাক্যের মাধ্যমে কাউকে কোনো হুকুম, অনুরোধ বা নির্দেশ প্রদান করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১. যে বাক্যগুলো যুগের পর যুগ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত থাকে এবং বিশেষ কোনো শিক্ষা দেয়, সেগুলোকে প্রবাদ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গুজব
১. কেন সঠিক:
- বার্তা, সংবাদ ও সন্দেশ হলো কোনো সত্য ঘটনা, তথ্য বা খবরের সমার্থক শব্দ, যা নির্দিষ্ট বা নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে আসে।
- অন্যদিকে গুজব হলো ভিত্তিহীন, অপ্রমাণিত বা কানকথা, যা সত্য খবরের বিপরীত এবং এর কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি থাকে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের শ্রেণিবিভাগ ও সমার্থক শব্দের অধ্যায়ভুক্ত একটি প্রশ্ন যেখানে শব্দের অর্থের সূক্ষ্ম পার্থক্য বুঝতে হয়।
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু প্রসঙ্গ ভেদে তাদের ব্যবহারের ভিন্নতা দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খবর
ব্যাখ্যা: এটি সংবাদ বা বার্তার সমার্থক শব্দ যা কোনো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে।
উদাহরণ ২: অপপ্রচার
ব্যাখ্যা: এটি গুজবের নিকটবর্তী অর্থ প্রকাশ করে কারণ এটিও ভিত্তিহীন ও অসত্য তথ্য ছড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্তা — এটি কোনো তথ্য বা সংবাদ প্রকাশের সমার্থক শব্দ হওয়ার কারণে সঠিক উত্তরের বিপরীত।
B) গুজব — এটি ভিত্তিহীন বা অসত্য তথ্য নির্দেশ করে বিধায় এটি সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) সংবাদ — এটি কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার বিশ্বস্ত খবর বোঝায় যা বার্তা শব্দের সমার্থক।
D) সন্দেশ — এটি প্রাচীন অর্থে সংবাদ বা খবর বোঝাত এবং আধুনিক বাংলাতেও খবরের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সত্য ও নির্ভরযোগ্য খবরের ক্ষেত্রে বার্তা, সংবাদ ও সন্দেশ ব্যবহার করা হয়।
- ভিত্তিহীন ও কানকথার ক্ষেত্রে গুজব শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ বা শেড অব মিনিং থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য খেয়াল রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) অভূতপূর্ব
১. কেন সঠিক:
'যা পূর্বে কখনো হয়নি' বাক্যটির সঠিক এককথায় প্রকাশ হলো অভূতপূর্ব। এখানে পূর্ব মানে আগে আর ভূত মানে যা ঘটে গেছে বা হয়েছে, ফলে যা আগে ঘটেনি তা অভূতপূর্ব বোঝায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার এই সাফল্য এক অভূতপূর্ব ঘটনা।
ব্যাখ্যা: এমন সাফল্য এর আগে কখনো দেখা যায়নি বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই দৃশ্যটি সত্যিই অভূতপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এমন সুন্দর দৃশ্য এর আগে কখনো দেখা যায়নি তা প্রকাশ করতে এই উদাহরণ প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূতপূর্ব — এই অপশন ভুল কারণ এর অর্থ যা পূর্বে ছিল কিন্তু এখন নেই।
B) অদৃষ্টপূর্ব — এই অপশন ভুল কারণ এর অর্থ যা পূর্বে দেখা যায়নি।
C) অশ্রুতপূর্ব — এই অপশন ভুল কারণ এর অর্থ যা পূর্বে কখনো শোনা যায়নি।
D) অভূতপূর্ব — এই অপশন সঠিক কারণ এর অর্থ যা পূর্বে কখনো হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ + ভূত + পূর্ব এই অংশগুলো বিশ্লেষণ করলে খুব সহজে মনে রাখা যায়। এখানে অ মানে না এবং ভূত মানে যা ঘটে গেছে, অর্থাৎ যা আগে ঘটেনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায় পূর্ব বা শোনা বা দেখার ওপর ভিত্তি করে এককথায় প্রকাশের প্রশ্ন আসে। তাই অভূতপূর্ব, অশ্রুতপূর্ব এবং অদৃষ্টপূর্ব শব্দগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কৌসুলি
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি শুদ্ধ বানান নয়, যার সঠিক উত্তর হবে কৌসুলি কারণ এর সঠিক রূপটি হলো কৌসুলী।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী আইন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিকে নির্দেশক এই শব্দটিতে দীর্ঘী ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী আইন পেশায় নিযুক্ত ব্যক্তিকে বোঝাতে 'কৌসুলী' শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
- অতীতে এই শব্দটিতে রস ই-কার ব্যবহার করা হলেও প্রমিত বাংলা বানানে এটি দীর্ঘীযুক্ত করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইন পেশার সাথে জড়িত ব্যক্তিকে বোঝাতে এই বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় এবং এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
উদাহরণ ২: প্রতিযোগী
ব্যাখ্যা: প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিকে বোঝাতে এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনজীবী — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং আইন পেশাজীবীকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) ঐক্যতান — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং এর বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শতভাগ শুদ্ধ।
C) কৌসুলি — এটি ভুল বানান কারণ এর শুদ্ধ রূপ হলো কৌসুলী যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার হবে।
D) কৌতূহল — এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং সঠিক বানান যার অর্থ গভীর আগ্রহ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আইন সংক্রান্ত পেশাদার পদ যেমন কৌসুলী এবং আইনজীবী শব্দগুলোতে দীর্ঘ ঈ-কার মনে রাখতে হবে।
- কৌতূহল শব্দটিতে ঔ-কার এবং হ-য়ে দীর্ঘ ঊ-কার হয়, এটি বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ই-কার ও দীর্ঘী-কার সংক্রান্ত বানানগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে শব্দের শেষবর্ণের ই-কার বা দীর্ঘী-কার ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অনধিকার
১. কেন সঠিক:
- 'অধিকার' শব্দের অর্থ কোনো কিছুর ওপর আইনগত বা নৈতিক মালিকানা কিংবা ক্ষমতা। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে 'অ' বা 'অন' উপসর্গ যুক্ত করা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু শব্দের আগে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হয়, যেমন অধিকার থেকে অনধিকার।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি অংশ। উপসর্গ বা নিপাতনের নিয়মে অনেক সময় মূল শব্দের পূর্বে বিপরীতার্থক উপসর্গ যোগ করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়।
- এখানে 'অধিকার' বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী বিশেষ্য পদ 'অনধিকার' গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইচ্ছা ও অনিচ্ছা
ব্যাখ্যা: এখানে 'ইচ্ছা' শব্দের পূর্বে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে এর বিপরীতার্থক শব্দ 'অনিচ্ছা' গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অনুমতি ও অনুমতি
ব্যাখ্যা: একইভাবে 'অনুমতি' শব্দের বিপরীত অর্থ বোঝাতে 'অনঅনুমতি' বা 'অনুমতি'র ক্ষেত্রেও উপসর্গ যোগের নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনধিকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অধিকার শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
B) দায়িত্ব — এটি অধিকার শব্দের বিপরীত শব্দ নয়, বরং দায়িত্ব ও অধিকার একে অপরের পরিপূরক হতে পারে।
C) ক্ষমতা — ক্ষমতা শব্দটি অধিকারের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীতার্থক নয়।
D) কর্তব্য — কর্তব্য হলো কোনো ব্যক্তির করণীয় কাজ, যা অধিকার শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের শুরুতে যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে তার বিপরীত শব্দ তৈরির সময় সাধারণত 'অন' উপসর্গ ব্যবহার করতে হয়। যেমন অধিকার থেকে অনধিকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগ করে গঠিত বিপরীতার্থক শব্দগুলো প্রায়ই আসে। তাই মূল শব্দের সঙ্গে কোন উপসর্গ যুক্ত হবে তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নদীসমূহ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাণিবাচক ও ইতর প্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে 'সমূহ' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়।
- 'নদী' একটি অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য পদ হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন গঠনে 'সমূহ' ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো এমন একটি ব্যাকরণিক রূপ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা নির্দেশ করে।
- অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচন বোঝাতে সাধারণত কুল, সমূহ, দাম, ঝাক, পাল ইত্যাদি শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পর্বতসমূহ
ব্যাখ্যা: পর্বত একটি অপ্রাণিবাচক শব্দ হওয়ায় এর বহুবচনে 'সমূহ' যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তারাসমূহ
ব্যাখ্যা: তারা অপ্রাণিবাচক বস্তু বোঝাতে এর বহুবচনে 'সমূহ' ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদীসমূহ — এটি সঠিক উত্তর।
B) নদীগুলি — নদী শব্দের সঙ্গে 'গুলি' যুক্ত হয় না কারণ 'গুলি' সাধারণত অপ্রাণিবাচক নির্দিষ্টবাচক শব্দে বসে।
C) নদীগণ — 'গণ' প্রত্যয়টি কেবল প্রাণিবাচক ও উত্তম শ্রেণির বিশেষ্য পদের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
D) নদীগুলি — প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে নদী শব্দের সঙ্গে 'গুলি' বা 'গুলো' বহুবচনে অপ্রাতিপিক হিসেবে গণ্য হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অপ্রাণিবাচক শব্দ দেখলে বহুবচনে 'সমূহ' বা 'কুল' ব্যবহার করার নিয়ম মনে রাখবে।
- নদীর মতো প্রাকৃতিক অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে সাধারণত 'সমূহ' সবচেয়ে উপযুক্ত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচন কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়।
- প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনের বিভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ক্রিয়া বিশেষণ
১. কেন সঠিক:
- 'দ্রুত' শব্দটি বাক্যের 'দৌড়ায়' ক্রিয়া পদটিকে বিশেষভাবে নির্দেশ করছে, তাই এটি ক্রিয়া বিশেষণ।
- ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রকাশ করার কারণে এটি মূলত ভাববাচক ক্রিয়া বিশেষণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদ ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয় পদের কার্যসম্পাদন বা দোষ-গুণ প্রকাশ করে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।
- এটি মূলত ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান, রীতি বা ভাব প্রকাশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে আস্তে হাঁটে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'আস্তে' শব্দটি হাঁটা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করায় এটি ক্রিয়া বিশেষণ।
উদাহরণ ২: ছেলেটি মনোযোগ সহকারে পড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'মনোযোগ সহকারে' পদগুচ্ছ পড়ার কাজকে বিশেষিত করায় এটি ক্রিয়া বিশেষণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়া — ক্রিয়া হলো এমন শব্দ যা দ্বারা কোনো কিছু করা, হওয়া বা ঘটা বোঝায়, কিন্তু 'দ্রুত' কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না।
B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝায়, কিন্তু এখানে এটি ক্রিয়ার ভাব বোঝাচ্ছে।
C) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি বা সমষ্টির নাম নির্দেশ করে, যা 'দ্রুত' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) ক্রিয়া বিশেষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পদটি ক্রিয়ার সম্পাদনের ধরণ বা ভাব প্রকাশ করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কীভাবে বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সাধারণত তাই ক্রিয়া বিশেষণ।
- ক্রিয়ার নিচে বিশেষত্ব খুঁজতে এই নিয়মটি অত্যন্ত কার্যকরী একটি শর্টকাট।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়া বিশেষণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- একই শব্দ বাক্যের ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে কখনো বিশেষণ আবার কখনো ক্রিয়া বিশেষণ হতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
সঠিক উত্তরটি লেখার কারণ হলো বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সমীচীন শব্দটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের বানানটিতে কোনো বিকল্প রূপ গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি একটি অত্যন্ত কমন ও গুরুত্বপূর্ণ বানান।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি নিয়মের আওতায় এই প্রশ্নটি পড়ে যেখানে তৎসম শব্দের বানান মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে নির্ধারিত হয়।
বাংলা টোলের ব্যাকরণ বা প্রমিত বানানরীতি অনুসারে কিছু নির্দিষ্ট শব্দে ই-কার ও ঈ-কার ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যা মনে রাখা আবশ্যক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভীষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার উভয়ের সঠিক ব্যবহার রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
উদাহরণ ২: মণীষী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও দীর্ঘ ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমিচীন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) সমিচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষ বর্ণে মূর্ধন্য ন ব্যবহার করা হয়েছে।
C) সমীচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
D) সমীচীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ও মূর্ধন্য ন সঠিকভাবে আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম ই দীর্ঘ এবং দ্বিতীয় ঈ দীর্ঘ অর্থাৎ দুইটাই দীর্ঘ ই-কার হবে।
পরীক্ষায় এই বানানটি বারবার আসে তাই শেষের ন-ত্ব বিধানের নিয়মটিও মাথায় রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বানান সংশোধনে দীর্ঘ ই-কার যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়া উচিত।
একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য প্রমিত শব্দগুলো অনুশীলন করলে বিসিএস বা ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) since
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজ বোঝায়।
নির্দিষ্ট কোনো সালের নাম বা শুরুর সময় বোঝাতে since বসে।
২০১৯ সাল একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় নির্দেশ করছে।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে since।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) since — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট সময় বোঝায়।
B) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা শেষ সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) for — এটি নির্দিষ্ট কোনো সাল নয় বরং সময়ের স্থায়িত্ব বা ব্যাপ্তি বোঝাতে বসে।
D) from — এটি সাধারণত future বা past tense এর ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট উৎস থেকে শুরু বোঝাতে বসে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট সময় বা সালের নাম থাকলে since বসে এবং সময়ের ব্যবdান বা স্থায়িত্ব থাকলে for বসে।
সঠিক উত্তর: A) Selfish
কেন সঠিক:
Generous শব্দের অর্থ হলো উদার বা দয়ালু, যার বিপরীত শব্দ হিসেবে Selfish বা স্বার্থপর কথাটি সবচেয়ে ভালোভাবে মানায়। এই শব্দটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যে কেবল নিজের কথাই ভাবে, যা উদারতার সম্পূর্ণ বিপরীত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Selfish — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উদার শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Kind — এটি একটি সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ দয়ালু।
C) Honest — এর অর্থ সৎ, যা উদার শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
D) Helpful — এর অর্থ সহায়ক, যা উদার শব্দের সাথে মিল রাখে।
মনে রাখার টিপস:
Generous মানে যে সবকিছু ভাগ করে দেয় আর Selfish মানে যে শুধু নিজের জন্য রাখে।
সঠিক উত্তর: A) would
কেন সঠিক:
এটি একটি কাল্পনিক বা অসম্ভব শর্তমূলক বাক্য (Second Conditional)। অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে ইফ ক্লজে পাস্ট টেন্স থাকলে প্রধান ক্লজে উড বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would — এটি সঠিক উত্তর।
B) may — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এই কাল্পনিক বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) can — এটি বর্তমানের সামর্থ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা অবাস্তব অতীতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) will — এটি নিশ্চিত ভবিষ্যতের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই ধরনের কাল্পনিক বাক্যে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ইফ এর পরে ওয়ার থাকলে পরের অংশে সবসময় উড প্লাস ভার্বের বেইজ ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: D) Stop trying
কেন সঠিক:
Give up একটি ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ কোনো কিছু করা থেকে বিরত থাকা বা ছেড়ে দেওয়া।
এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে বলে Stop trying সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Continue — এই শব্দটির অর্থ চালিয়ে যাওয়া, যা Give up এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Distribute — এর অর্থ বিতরণ করা, যা কোনোভাবেই হাল ছেড়ে দেওয়ার সমার্থক নয়।
C) Delay — এই শব্দের অর্থ দেরি করা, যার সাথে ফ্রেজাল ভার্বটির কোনো মিল নেই।
D) Stop trying — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি ভুল নয় বরং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কঠিন কাজে হেরে না গিয়ে চেষ্টা চিরতরে বন্ধ করে দেওয়াকেই ইংরেজিতে Give up বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে ইংরেজি adjectives যেমন good, clever ইত্যাদির পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে at বসে।
Mathematics একটি বিষয় হওয়ায় এর নামের পূর্বে at ব্যবহার করা নিয়মসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু দক্ষতার ক্ষেত্রে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) for — উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে উপযুক্ত নয়।
C) on — কোনো তলের ওপর কিছু বোঝাতে বা নির্দিষ্ট বারের পূর্বে বসে তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) at — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে সবসময় good এর পরে at প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) Assertive
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি দ্বারা একটি চিরন্তন সত্য বা সাধারণ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
- যে বাক্য দ্বারা কোনো কিছু বর্ণনা বা বিবৃতি প্রকাশ করা হয়, তাকে Assertive Sentence বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Exclamatory — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দ্বারা তীব্র আবেগ, হর্ষ বা বিষাদ প্রকাশ পায়নি।
B) Assertive — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটি একটি সাধারণ বিবৃতি বা সত্য প্রকাশ করছে।
C) Interrogative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দিয়ে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়নি।
D) Imperative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝায়নি।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্য কোনো সাধারণ সত্য, তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ করে এবং ফুলস্টপ দিয়ে শেষ হয়, তা সবসময় Assertive Sentence হয়।
সঠিক উত্তর: C) Proverb
কেন সঠিক:
'Time and tide wait for none' একটি প্রচলিত প্রবাদ যার অর্থ সময় এবং জোয়ার কারো জন্য অপেক্ষা করে না। এটি মানুষের জীবনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তৈরি একটি সার্বজনীন সত্য প্রকাশ করে। এটি কোনো সাধারণ বাক্যাংশ বা শব্দগুচ্ছ নয়। এটি মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Idiom — এটি কোনো ইডিয়ম বা বাগধারা নয় কারণ ইডিয়মের শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ আলংকারিক অর্থ থাকে।
B) Phrase — এটি শুধু একটি ফ্রেজ বা শব্দগুচ্ছ নয় কারণ এর মধ্যে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করার ক্ষমতা রয়েছে।
C) Proverb — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এই অপশনটি ভুল নয় বরং প্রবাদের সংজ্ঞাকেই সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে।
D) Clause — এটি কোনো ক্লজ বা খণ্ডবাক্য নয় কারণ ক্লজ হতে হলে সাধারণত একটি বড় বাক্যের অংশ হতে হয় এবং এর নিজস্ব সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব থাকতে হয় কিন্তু এটি নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবাদ।
মনে রাখার টিপস:
যেসব সুন্দর কথা মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত থাকে এবং জীবনের কোনো সত্য শিক্ষা দেয়, সেগুলোকে প্রবাদ বা Proverb বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) He turned down the invitation.
কেন সঠিক:
এখানে 'turn down' একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা।
তাই সঠিক বাক্যে আমন্ত্রণের ক্ষেত্রে 'turned down' ব্যবহার করা হয়েছে।
এই বাক্যটির অর্থ হলো সে আমন্ত্রণটি প্রত্যাখ্যান করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He turned on the invitation — 'Turn on' অর্থ চালু করা, যা আমন্ত্রণের সাথে ব্যবহার করা যায় না।
B) He turned off the invitation — 'Turn off' অর্থ বন্ধ করা, যা আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যানের অর্থে ভুল।
C) He turned up the invitation — 'Turn up' অর্থ হাজির হওয়া বা উপস্থিত হওয়া, যা এখানে অর্থহীন।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ বাতিল বা প্রত্যাখ্যান করতে সবসময় 'turn down' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) The work was completed by them.
কেন সঠিক:
সক্রিয় বাক্যের মূল verb-টি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে থাকায় প্যাসিভ করার সময় সাহায্যকারী verb হিসেবে was বসে।
মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বা V3 বসে এবং সাবজেক্ট অবজেক্টে রূপান্তর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The work completed them — এটি অর্থহীন বাক্য কারণ কাজটি তাদের সম্পন্ন করেনি বরং তারা কাজটি করেছে।
B) The work is completed by them — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে যা প্রদত্ত পাস্ট টেন্সের বাক্যের সাথে মেলে না।
C) The work was completed by them — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) The work has completed — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের গঠন যা মূল বাক্যের টেন্সের নিয়মের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাক্টিভ ভয়েস পাস্ট টেন্সে থাকলে প্যাসিভ ভয়েসে was বা were ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Bold
কেন সঠিক:
Brave শব্দের অর্থ সাহসী এবং Bold শব্দের অর্থও সাহসী বা নির্ভীক।
ইংরেজি সমার্থক শব্দ হিসেবে এই দুটি শব্দ একই ভাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lazy — এই শব্দের অর্থ অলস, যা সাহসী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Weak — এই শব্দের অর্থ দুর্বল, যা সাহসী বা শক্তিশালী বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
C) Bold — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপশনটি পুনর্বৃত্তি হয়েছে এবং এটি সঠিক সমার্থক।
D) Coward — এই শব্দের অর্থ ভীরু, যা সাহসী শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীত শব্দ মনে রাখার চেয়ে সাহসিকতা বোঝাতে ইংরেজিতে যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়, যেমন ভোল্ড, সেগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে প্রতিদিন একবার পড়লে সহজে মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল = ৫
দুটি রাশির বিয়োগফল = ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y
অতএব,
x + y = ৫
x − y = ৩
সুতরাং,
আমরা জানি, xy এর সূত্র হলো (x + y ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর বর্গ
অথবা সরাসরি বীজগাণিতিক অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই,
xy = (x + y ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর বর্গ
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) ৩১
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজকগুলো হলো ৩, ৫ এবং ৬
প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকবে ১
ধরি,
সংখ্যাটি হবে ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু এর সাথে ১ যোগ
৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু হলো ৩০
অতএব,
লসাগু নির্ণয়ের প্রক্রিয়া ৩ × ৫ × ২ = ৩০
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ৩০ + ১ = ৩১
সুতরাং,
৩১ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ ১ থাকে
৩১ কে ৫ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ ১ থাকে
উত্তর: ৩১
সঠিক উত্তর: D) ৪,৫০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
পুত্র পেল সম্পত্তির ২/৩ অংশ
কন্যা পেল সম্পত্তির ১/৩ অংশ
ধরি,
সম্পত্তির মোট পরিমাণ = ১ অংশ
পুত্রের অংশ এবং কন্যার অংশের পার্থক্য = (২/৩) − (১/৩) অংশ
অতএব,
অংশের পার্থক্য = (২ − ১) ÷ ৩ অংশ
হিসাব করে পাই অংশের পার্থক্য = ১/৩ অংশ
সুতরাং,
সম্পত্তির ১/৩ অংশ = ১,৫০০ টাকা
সম্পত্তির সম্পূর্ণ মূল্য = ১,৫০০ × ৩ টাকা
উত্তর: ৪,৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ জন শ্রমিক কাজ করতে পারে ১০ দিনে
ধরি,
১ জন শ্রমিক ওই কাজ করতে পারবে = ১৫ × ১০ দিনে
৫ জন শ্রমিক ওই কাজ করতে পারবে = (১৫ × ১০) ÷ ৫ দিনে
অতএব,
১ জন শ্রমিকের বেশি দিন লাগবে তাই গুণ করতে হবে
৫ জন শ্রমিকের কম দিন লাগবে তাই ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
১৫ × ১০ = ১৫০
১৫০ ÷ ৫ = ৩০
উত্তর: ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর: A) গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
কেন সঠিক:
- এটি অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণার একটি প্রশ্ন, যার পূর্ণরূপ হলো গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা স্থূল দেশজ উৎপাদন।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে দেশের ভেতরে উৎপাদিত সব পণ্য ও সেবার মোট বাজারমূল্য নির্দেশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট - এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি জিডিপির সঠিক ইংরেজি রূপ।
B) গ্রস ডেভেলপমেন্ট প্রোডাক্ট - ডেভেলপমেন্ট শব্দটির সাথে জিডিপির পূর্ণরূপের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) গ্লোবাল ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট - গ্লোবাল শব্দটি বিশ্বব্যাপী বোঝায়, যা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ধারণার সাথে মেলে না।
D) জেনারেল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম - এটি জিডিপির পূর্ণরূপ নয় এবং এটি একটি ভিন্ন কর্মসূচি নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
জিডিপি মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষর দুটি মনে রাখুন, যেখানে জি তে গ্রস এবং ডি তে ডোমেস্টিক বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) আফগানিস্তান
কেন সঠিক:
- সার্ক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অনেক পরে ২০০৭ সালের চৌঠা এপ্রিল আফগানিস্তান এই সংস্থার অষ্টম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- এটিই এখন পর্যন্ত সার্কের সর্বশেষ বা নবীনতম সদস্য রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফগানিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, কারণ এটি সার্কের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র।
B) শ্রীলঙ্কা — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম, তাই সর্বশেষ রাষ্ট্র নয়।
সি) মালদ্বীপ — এটিও সার্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র, তাই সর্বশেষ রাষ্ট্র হওয়ার প্রশ্ন আসে না।
ডি) নেপাল — এটিও সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এর রাজধানী কাঠমান্ডুতে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
আব্বু বা আ দিয়ে আফগানিস্তান মনে রাখুন, যা সার্কের একেবারে শেষের অর্থাৎ অষ্টম সদস্য।
সঠিক উত্তর: A) রয়টার্স
কেন সঠিক:
- রয়টার্স বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এবং এটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক।
- ১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংবাদ পরিবেশন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রয়টার্স — এটি বিশ্বের বৃহত্তম সংবাদ সংস্থা হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) সানা — এটি সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা, বিশ্বের বৃহত্তম নয়।
C) সিএনএন — এটি একটি জনপ্রিয় মার্কিন টেলিভিশন নিউজ চ্যানেল, সংবাদ সংস্থা নয়।
D) তাস — এটি রাশিয়ার একটি প্রধান সংবাদ সংস্থা, তবে বৃহত্তম নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবাদ সংস্থা হলো রয়টার্স, যা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন সঠিক:
- ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা একে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে প্রমাণ করে।
- এটি ছিল ইতিহাসের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী একসঙ্গে পড়াশোনা ও গবেষণা করতেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় — এটি ইংল্যান্ডে অবস্থিত এবং একাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা নালন্দার চেয়ে অনেক পরের।
B) আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় — এটি মিশরের কায়রোতে অবস্থিত এবং ৯৭০ বা ৯৭২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা নালন্দার চেয়ে প্রাচীন নয়।
C) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম।
D) হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত এবং ১৬৩৬ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা আধুনিক যুগের বিশ্ববিদ্যালয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন শিক্ষার কথা উঠলেই মনে রাখবে ভারতের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় হলো ইতিহাসের সবচেয়ে পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭২ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ গণপরিষদে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর দেশের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়।
- একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই সংবিধান কার্যকর করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৫ সালে — এই সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী আনা হয়েছিল এবং বাকশাল গঠিত হয়েছিল, সংবিধান গৃহীত হয়নি।
B) ১৯৭২ সালে — এটি সঠিক উত্তর, এই সালে গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত ও পাস হয়।
C) ১৯৭১ সালে — এই সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে, সংবিধান তৈরি হয়নি।
D) ১৯৭৩ সালে — এই সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রথম সংবিধান সংশোধনী পাস হয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পরের বছর অর্থাৎ বাহাত্তর সালে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: C) দুই দেশের
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি দেশের, যার একটি ভারত এবং অন্যটি মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘতম এবং মিয়ানমারের সাথে southeastern সীমান্তে একটি ছোট স্থল সীমান্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক দেশের — বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্ত একটি দেশের বেশি, তাই এটি ভুল।
B) চার দেশের — বাংলাদেশের সাথে চারটি দেশের স্থল সীমান্ত নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) দুই দেশের — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ কেবল ভারত ও মিয়ানমার এই দুটি দেশের সাথেই স্থল সীমান্তে যুক্ত।
D) তিন দেশের — বাংলাদেশ তিনটি দেশের সাথে স্থল সীমান্ত দ্বারা যুক্ত নয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দুই বন্ধু দেশ হলো ভারত ও মিয়ানমার, যাদের সাথে আমাদের স্থল সীমান্ত রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) শিলিগুড়ি করিডোর
কেন সঠিক:
- এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অবস্থিত একটি অত্যন্ত সংকীর্ণ ভূখণ্ড বা ভূমি অংশ।
- এই করিডোরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যকে সংযুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিলিগুড়ি করিডোর — এটি চিকেন নেক বা মুরগির গলার আকৃতির মতো সংকীর্ণ হওয়ার কারণে এই নামে পরিচিত এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) কোলিল করিডোর — এই নামে ভূরাজনীতিতে কোনো পরিচিত করিডোর বা চিকেন নেক নেই।
C) দুই জার্মান সংযোগস্থল — এটি স্নায়ুযুদ্ধকালীন জার্মানির সংযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও একে চিকেন নেক বলা হয় না।
D) তিনবিঘা করিডোর — এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি ভূখণ্ড যা ভারতের দহগ্রাম ও আঙ্গারপোতা ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত, চিকেন নেক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সংকীর্ণ উত্তর-পূর্ব সংযোগ পথকে চিকেন নেক বা শিলিগুড়ি করিডোর বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ওপেন এআই
কেন সঠিক:
- ওপেন এআই একটি মার্কিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা ভাষাভিত্তিক মডেল জিপিটি এবং চ্যাটজিপিটি তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানীয় হিসেবে পরিচিত।
- এই প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির উন্নয়নে এবং এর বাণিজ্যিক প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘ শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার, সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিয়ে কাজ করে কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির প্রতিষ্ঠান নয়।
B) ওআইসি — এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে কিন্তু প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, কোনো প্রযুক্তি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নয়।
D) ওপেন এআই — এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখার টিপস:
চ্যাটজিপিটি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বললেই ওপেন এআই নামটি মনে রাখবে।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) শিবসা
কেন সঠিক:
- শিবসা নদী সুন্দরবনের পশ্চিম অংশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সুন্দরবন অঞ্চলটি প্রধানত শিবসা, পশুর ও হারিয়াভাঙ্গা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডাকাতিন — এটি সুন্দরবনের সরাসরি তীরবর্তী প্রধান নদী নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) রূপসা — রূপসা নদীটি খুলনা শহরের নিকট অবস্থিত এবং এটি ভৈরব নদের অংশ, সরাসরি সুন্দরবনের তীরবর্তী নয়।
C) শিবসা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
D) চিত্রা — চিত্রা নদীটি মূলত নড়াইল ও যশোর অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, সুন্দরবনের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের ভেতরের প্রধান নদী হলো শিবসা, তাই সুন্দরবন বললেই শিবসা নদীকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৭ সালে তার করা নকশার ওপর ভিত্তি করেই শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্কার বাদল — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সাথে এই নামটি সম্পর্কিত নয়।
B) হামিদুর রহমান — এটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতির সঠিক নাম।
C) তানভীর কবির — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) হামিদুজ্জামান — তিনি ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের স্থপতি মনে রাখতে মনে রাখুন, ভাষা শহীদের স্মৃতি রক্ষায় হাত দিয়ে (হামিদ) সুন্দর মিনার গড়েছিলেন হামিদুর রহমান।
সঠিক উত্তর: C) হেগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে হলো জাতিসংঘের প্রধান বিচারসংস্থা, যার সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- এই আদালত পিস প্যালেস বা শান্তি প্রাসাদে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ডব্লিউটিও-এর মতো সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে কিন্তু আন্তর্জাতিক আদালত নেই।
B) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক আদালতের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) হেগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী, যেখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা অবস্থিত কিন্তু আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বিচারকরা রায় দেন হেগ শহরে বসে।
সঠিক উত্তর: D) ৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি রাষ্ট্র স্থায়ী এবং দশটি রাষ্ট্র অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন এবং ফ্রান্স, যাদের ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এটি একটি ভুল সংখ্যা, কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ছয়টি নয়।
B) ৪ — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ স্থায়ী সদস্যের সংখ্যা চারটির বেশি।
C) ১০ — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা, স্থায়ী সদস্যের সংখ্যা নয়।
D) ৫ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ ঠিক পাঁচটি।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ দেশ মনে রাখতে USA, UK, রাশিয়া, চীন এবং ফ্রান্স এই পাঁচটি দেশের প্রথম অক্ষর বা নাম মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) স্পিকার
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার।
- রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন, যা শপথ পাঠের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি সাধারণত প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান, রাষ্ট্রপতিকে নন।
B) প্রধান নির্বাচন কমিশনার — প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান না, তিনি নিজে রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন।
D) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান না।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতি জাতির অভিভাবক এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার সংসদ সদস্যদের প্রধান, তাই স্পিকারই রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ান।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীমঙ্গল
কেন সঠিক:
- শ্রীমঙ্গলকে বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী বলা হয় এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে দেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
- পাহাড়ি ঢাল ও বনভূমির কারণে এখানে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টেকনাফ — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং এখানে অনেক বৃষ্টি হলেও এটি সর্বাধিক বৃষ্টিবহুল স্থান নয়।
B) পঞ্চগড় — এটি উত্তরের সীমান্তবর্তী সমতল ও হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চল, যেখানে তুলনামূলক কম বৃষ্টিপাত হয়।
C) সাজেক — এটি পার্বত্য অঞ্চলের একটি সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র হলেও এটি সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের স্থান হিসেবে পরিচিত নয়।
D) শ্রীমঙ্গল — এটি বাংলাদেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলে চা গাছ বাঁচাতে প্রকৃতির আশীর্বাদ হিসেবে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়।
সঠিক উত্তর: A) বাথ
কেন সঠিক:
- থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় ও প্রচলিত মুদ্রার নাম বাথ।
- দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক অফ থাইল্যান্ড এই মুদ্রা প্রচলন ও নিয়ন্ত্রণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের সঠিক ও প্রচলিত মুদ্রা।
B) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য, মিশর ও কিছু অন্যান্য দেশের মুদ্রার নাম, থাইল্যান্ডের নয়।
C) দিনার — এটি কুয়েত, জর্ডন ও ইরাকসহ বেশ কিছু মধ্যপ্রাচ্যের দেশের মুদ্রার নাম।
D) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা সহ অনেক দেশের মুদ্রার নাম।
মনে রাখার টিপস:
থাইল্যান্ডের মানুষ খুব আরাম বা বাথ নেয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে থাইল্যান্ডের মুদ্রা বাথ।
সঠিক উত্তর: C) জেরুজালেম
কেন সঠিক:
- জেরুজালেম শহরটি ইসলাম ধর্মে আল আকসা মসজিদ ও মিরাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে পবিত্র।
- খ্রিস্ট ধর্মে এটি যিশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়া ও পুনরুত্থানের স্থান এবং ইহুদি ধর্মে এটি সুলাইমানের পবিত্র মন্দিরের স্থান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, যা তিন ধর্মের পবিত্র ভূমি হিসেবে পরিচিত নয়।
B) প্যালেস্টাইন — এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ও ঐতিহাসিক অঞ্চল, যা জেরুজালেমের অবস্থানস্থল হলেও সমগ্র অঞ্চলটি এককভাবে তিন ধর্মের পবিত্র ভূমি হিসেবে বিবেচিত হয় না।
C) জেরুজালেম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদি তিন ধর্মের কাছেই পবিত্র ভূমি হিসেবে স্বীকৃত।
D) মক্কা — এটি ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম শহর হলেও খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মের কাছে এটি পবিত্র ভূমি নয়।
মনে রাখার টিপস:
তিন ধর্মের পবিত্র ভূমি জেরুজালেম মনে রাখতে 'তিন অক্ষর জেরু' বা জেরুজালেমে তিন ধর্মের মিলনস্থল কথাটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) কেরালা
কেন সঠিক:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে একত্রে 'সেভেন সিস্টার্স' বা সাতটি বোন বলা হয়।
- কেরালা ভারতের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি রাজ্য, যা উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্রিপুরা — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত।
B) মিজোরাম — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি পাহাড়ি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত।
C) মণিপুর — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত।
D) কেরালা — এটি দক্ষিণ ভারতের একটি রাজ্য এবং ভৌগোলিকভাবে সেভেন সিস্টার্স-এর অংশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোকে মনে রাখতে অদম্য ত্রিমিক মেমে (অসম, অরুণাচল, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয়, মণিপুর, নাগাল্যান্ড) এই সংকেতটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) আলজেরিয়া
কেন সঠিক:
- আয়তনের দিক থেকে আলজেরিয়া বর্তমানে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ।
- সুদান বিভক্তির পর আলজেরিয়া এই শীর্ষ স্থানটি অর্জন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুদান — দক্ষিণ সুদান আলাদা হওয়ার পর এটি বর্তমানে আয়তনে আফ্রিকার তৃতীয় বৃহত্তম দেশ।
B) লিবিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের একটি বড় দেশ হলেও আয়তনের দিক থেকে আলজেরিয়ার চেয়ে ছোট।
C) আলজেরিয়া — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ।
D) মিশর — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত এবং আলজেরিয়ার চেয়ে আয়তনে অনেক ছোট।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার বড় দেশ মনে রাখার কৌশল হলো আলজেরিয়ার আল অংশটি দিয়ে বৃহত্তম দেশ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) নবাব আব্দুল গনি
কেন সঠিক:
- ঢাকার প্রখ্যাত জমিদার নবাব আব্দুল গনি ১৮৭২ সালে প্রাচীন ফরাসি কুঠির স্থানে এই ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় আহসান মঞ্জিল, যা পরবর্তীতে মুসলিম নবাবদের প্রাতিষ্ঠানিক ও আবাসিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবাব আব্দুল গনি — তিনি আহসান মঞ্জিল ভবনটি নির্মাণ করেন এবং এর ভিত্তি স্থাপন করেন।
B) নবাব আব্দুল লতিফ — তিনি উনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক ছিলেন, আহসান মঞ্জিল নির্মাণের সাথে তার সম্পর্ক নেই।
C) নবাব হাফিজুর রহমান — তিনি এই ঐতিহাসিক স্থাপনা নির্মাণের সাথে যুক্ত ছিলেন না।
D) নবাব কুতুব উদ্দিন — তিনি ঢাকার কোনো নবাব নন যিনি আহসান মঞ্জিল নির্মাণ করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
আহসান মঞ্জিল মানেই আব্দুল গনি, যিনি এটি নির্মাণ শুরু করেছিলেন এবং তার ছেলের নাম ছিল আহসানুল্লাহ।
সঠিক উত্তর: D) ক্রিপ্টোকারেন্সি
কেন সঠিক:
- এটি কোনো সরকারি বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রাধীন নয়, বরং ক্রিপ্টোগ্রাফি বা কোডিং নিরাপত্তার মাধ্যমে পরিচালিত ডিজিটাল মুদ্রা।
- ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো নামক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রথম বিকেন্দ্রীভূত ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েন চালু করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধাতব মুদ্রা — বিটকয়েন কোনো দৃশ্যমান ধাতু যেমন সোনা, রূপা বা তামা দিয়ে তৈরি নয়।
B) সরকারী বন্ড — এটি কোনো সরকারি ঋণপত্র বা বিনিয়োগের কাগজ নয়, এটি সম্পূর্ণরূপে একটি বিনিময় মাধ্যম।
C) কাগজে মুদ্রা — বিটকয়েনের কোনো ভৌতিক বা কাগজের রূপ নেই, এটি কেবল ইন্টারনেটে ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত থাকে।
D) ক্রিপ্টোকারেন্সি — এটি সঠিক কারণ বিটকয়েন ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
বিটকয়েন মানেই অদৃশ্য ডিজিটাল অর্থ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি, যার কোনো কাগজের নোট বা ধাতব রূপ নেই।
সঠিক উত্তর: C) 1835
কেন সঠিক:
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮৩৫ সালে আইনি ও প্রশাসনিক কাজে ফারসি ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি ভাষাকে সরকারি ভাষা হিসেবে প্রবর্তন করেন।
- মেকলের মিনিট বা প্রস্তাবের ভিত্তিতে এ উপমহাদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সরকারি দপ্তরে ইংরেজি ভাষার প্রচলন বাধ্যতামূলক করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1857 — এই সালে সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল এবং ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়।
B) 1824 — এই সালটি প্রথম ইঙ্গ-বর্মী যুদ্ধের শুরুর সাথে সম্পর্কিত এবং এর সাথে সরকারি ভাষার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) 1835 — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি চালু করা হয়।
D) 1765 — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে, যা ইংরেজি চালুর বছর নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৮৩৫ সালে মেকলের শিক্ষানীতি চালুর মাধ্যমে সরকারি কাজে ইংরেজি ভাষার ব্যবহার শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) কক্সবাজার
কেন সঠিক:
- ডুলা হাজরা সাফারি পার্ক বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক যা ১৯৯৯ সালে কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডুলা হাজরা সাফারি পার্কটি এই জেলাতেই অবস্থিত।
B) সিলেট — এই অপশনটি ভুল কারণ সিলেট অঞ্চলে এটি অবস্থিত নয়, যদিও সেখানে বেশ কিছু চা বাগান ও সংরক্ষিত বন আছে।
C) বরিশাল — এই অপশনটি ভুল কারণ বরিশাল বিভাগে কোনো সাফারি পার্ক নেই।
D) রংপুর — এই অপশনটি ভুল কারণ রংপুর বিভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক বা ডুলা হাজরা পার্ক অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডুলা হাজরা পার্ক কক্সবাজারে অবস্থিত, মনে রাখার জন্য ক দিয়ে কক্সবাজার এবং ক দিয়ে চকরিয়ার কথা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) তৈরি পোশাক শিল্প
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ অর্জিত হয় তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাত থেকে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের উচ্চ চাহিদা এবং এর বিশাল কর্মসংস্থান এই খাতকে শীর্ষে রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৈরি পোশাক শিল্প — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি আয়কারী খাত।
B) মৎস্য — মৎস্য সম্পদ দেশের আমিরাতের চাহিদা মেটালেও এটি প্রধান রপ্তানি খাত নয়।
C) চা শিল্প — চা আমাদের ঐতিহ্যবাহী পণ্য হলেও রপ্তানি আয়ে এর অবদান তুলনামূলকভাবে বেশ কম।
D) কৃষি — কৃষি পণ্যের রপ্তানি থাকলেও তা তৈরি পোশাক খাতের মতো প্রধান রপ্তানি আয়ের উৎস নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো পোশাক শিল্প, যা আন্তর্জাতিক বাজারে মেট লিস্টে সবার ওপরে অবস্থান করে।
সঠিক উত্তর: C) দো-আঁশ
কেন সঠিক:
- দো-আঁশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমাণ সমভাবে থাকে বলে এটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- এই মাটির পানি ধারণক্ষমতা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থা পাট গাছের বৃদ্ধির জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলে — বেলে মাটিতে পানি বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে না এবং পুষ্টি উপাদানের অভাব থাকে বলে পাট চাষের উপযোগী নয়।
B) কংকর — কংকরময় মাটিতে প্রচুর পাথর ও নুড়ি থাকে, যা পাট গাছের শিকড় বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।
সি) দো-আঁশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) এঁটেল — এঁটেল মাটিতে পানি জমে থাকে কিন্তু সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে না, যা পাটের শিকড়ের জন্য ক্ষতিকর।
মনে রাখার টিপস:
পাট চাষের ভালো ফলন পেতে হলে দো-আঁশ মাটির কথা মাথায় রাখবে, কারণ এতে বালি ও কাদা সমানভাবে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Istanbul
কেন সঠিক:
- ইস্তামুল শহরটি বসফরাস প্রণালী দ্বারা বিভক্ত হয়ে এশিয়া ও ইউরোপ এই দুটি মহাদেশে বিস্তৃত হয়েছে।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই শহরটি প্রাচীনকাল থেকেই দুই মহাদেশের সংযোগস্থল হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Paris — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং সম্পূর্ণভাবে ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
B) Istanbul — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটি এশিয়া ও ইউরোপ দুই মহাদেশেই অবস্থিত।
C) Cairo — এটি মিশরের রাজধানী এবং সম্পূর্ণভাবে আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
D) Casablanca — এটি মরক্কোর একটি প্রধান শহর যা আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইস্তাম্বুল নামটির প্রথম অক্ষর ই দিয়ে ইউরোপ এবং এশিয়া উভয় মহাদেশের মিলনস্থল মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
১. কেন সঠিক:
- ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থটির নাম এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীদের বাংলা ভাষা শেখানোর জন্য এই ব্যাকরণ রচিত হয়েছিল।
- এই গ্রন্থে বাংলা মুদ্রণের জন্য প্রথম বাংলা হরফ বা ফন্ট ব্যবহার করা হয়, যা তৈরি করেছিলেন চার্লস উইলকিন্স।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এটি ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় রচিত ইংরেজি ভাষায় লেখা বাংলা ব্যাকরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচয়িতা নন, তবে তিনি ১৮৩৩ সালে গৌড়ীয় ব্যাকরণ নামে বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ রচনা করেন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা ব্যাকরণের বিখ্যাত রচয়িতা হলেও প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন, তাঁর ব্যাকরণের নাম ব্যাকরণ কৌমুদী।
C) ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাট্যকার ও মহাকবি, কোনো ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচয়িতা হ্যালহেড, নামের সাথে হ্যাল যুক্ত করে মনে রাখতে পারো।
- হ্যালহেডের ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৭৮ সালে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম ও প্রকাশকাল বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
- হ্যালহেডের ব্যাকরণ গ্রন্থটি হুগলি থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) মাথা ঘোরা (বিপদে দিশেহারা)
১. কেন সঠিক:
- 'চোখে সর্ষে ফুল দেখা' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে গভীর বিপদ বা সংকটে পড়ে মানুষের মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা বা দিশেহারা হয়ে যাওয়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়।
- প্রখর রৌদ্রে হঠাৎ তীব্র আলো পড়লে যেমন মানুষের চোখে ঝিলমিল করে এবং সে চারপাশ দেখতে পায় না, তেমনি বিপদের ঝাপটায় মানুষের বুদ্ধি ও চেতনা আচ্ছন্ন হয়ে পড়াকে এই বাগধারার সাহায্যে প্রকাশ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় বিশেষ অর্থবোধক শব্দগুচ্ছকে বাগধারা বলা হয়, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো আমাদের দৈনন্দিন ভাষার রূপকে আরও সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের ভাবার্থ নির্ণয়ের জন্য আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকস্মিক ব্যবসায়ে বড় ধরনের লোকসানের খবর শুনে লোকটির চোখে সর্ষে ফুল দেখার দশা হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে হঠাৎ বিপদে পড়ে চরম মানসিক সংকট ও দিশেহারা অবস্থাকে বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুলিশের ধাওয়া খেয়ে চোরটি যখন ফাঁকা রাস্তায় আটকা পড়ল, তখন তার চোখে সর্ষে ফুল দেখার অবস্থা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আসন্ন বিপদ ও মুক্তির কোনো উপায় না পেয়ে ভয়ের চোটে দিশেহারা হয়ে পড়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিস্মিত হওয়া — বিস্মিত হওয়া মানে অবাক হওয়া, যা এই বাগধারার বিপদে দিশেহারা হওয়ার অর্থের সঙ্গে মিলছে না।
B) আনন্দ পাওয়া — আনন্দ পাওয়া একটি ইতিবাচক অনুভূতি, অথচ 'চোখে সর্ষে ফুল দেখা' একটি কঠিন সংকট বা বিপদের অবস্থাকে নির্দেশ করে।
C) সরিষা ক্ষেতে যাওয়া — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার রূপক বা বিশেষ অর্থই সবসময় বিবেচনা করা হয়।
D) মাথা ঘোরা (বিপদে দিশেহারা) — এটি এই নির্দিষ্ট বাগধারার নির্ধারিত সঠিক এবং পরীক্ষিত ভাবার্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তীব্র রোদে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার সঙ্গে বিপদের ধাক্কায় বুদ্ধি গুলিয়ে যাওয়ার অবস্থাকে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে চোখে সর্ষে ফুল দেখা মানেই বিপদে পড়ে দিশেহারা হওয়া।
- পরীক্ষার হলে আক্ষরিক অর্থ দাগানো থেকে বিরত থেকে সবসময় বাগধারার অন্তর্নিহিত বিশেষ ভাবার্থ খুঁজে বের করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো আয়ত্ত করতে হলে নিয়মিত বাক্য তৈරীর মাধ্যমে অনুশীলন করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
সঠিক উত্তর: A) প্রবাদ
কেন সঠিক:
১. অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী বাক্যটি মূলত একটি জনপ্রিয় লোকোক্তি বা প্রবাদ, যা সমাজে দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত আছে।
২. এই বাক্যের মাধ্যমে অল্প জ্ঞান নিয়ে বড় বড় কথা বলা বা অহংকার করার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. প্রবাদ হলো সমাজে বহুল ব্যবহৃত সংক্ষিপ্ত উক্তি, যা জীবনের কোনো গভীর সত্য বা অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে।
২. বাংলা সাহিত্যে নীতিশিক্ষা ও সমাজ সচেতনতা বাড়াতে এই ধরনের প্রবাদের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. যেমন, নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা কিংবা চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন প্রবাদগুলোর মতো এটিও একটি অর্থবহ প্রবাদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে কোনো সাধারণ বাক্য নয়, বরং একটি প্রচলিত প্রবাদ বাক্য।
B) প্রশ্নবোধক — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি বা জিজ্ঞাসাবাদের ভাব প্রকাশ পায়নি।
C) বর্ণনামূলক — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কেবল কোনো সাধারণ ঘটনার বিবরণ দেয় না, বরং এর একটি গভীর নৈতিক অর্থ রয়েছে।
D) আদেশমূলক — এই অপশনটি ভুল কারণ এই বাক্যের মাধ্যমে কাউকে কোনো হুকুম, অনুরোধ বা নির্দেশ প্রদান করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১. যে বাক্যগুলো যুগের পর যুগ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত থাকে এবং বিশেষ কোনো শিক্ষা দেয়, সেগুলোকে প্রবাদ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গুজব
১. কেন সঠিক:
- বার্তা, সংবাদ ও সন্দেশ হলো কোনো সত্য ঘটনা, তথ্য বা খবরের সমার্থক শব্দ, যা নির্দিষ্ট বা নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে আসে।
- অন্যদিকে গুজব হলো ভিত্তিহীন, অপ্রমাণিত বা কানকথা, যা সত্য খবরের বিপরীত এবং এর কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি থাকে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের শ্রেণিবিভাগ ও সমার্থক শব্দের অধ্যায়ভুক্ত একটি প্রশ্ন যেখানে শব্দের অর্থের সূক্ষ্ম পার্থক্য বুঝতে হয়।
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু প্রসঙ্গ ভেদে তাদের ব্যবহারের ভিন্নতা দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খবর
ব্যাখ্যা: এটি সংবাদ বা বার্তার সমার্থক শব্দ যা কোনো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে।
উদাহরণ ২: অপপ্রচার
ব্যাখ্যা: এটি গুজবের নিকটবর্তী অর্থ প্রকাশ করে কারণ এটিও ভিত্তিহীন ও অসত্য তথ্য ছড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্তা — এটি কোনো তথ্য বা সংবাদ প্রকাশের সমার্থক শব্দ হওয়ার কারণে সঠিক উত্তরের বিপরীত।
B) গুজব — এটি ভিত্তিহীন বা অসত্য তথ্য নির্দেশ করে বিধায় এটি সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) সংবাদ — এটি কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার বিশ্বস্ত খবর বোঝায় যা বার্তা শব্দের সমার্থক।
D) সন্দেশ — এটি প্রাচীন অর্থে সংবাদ বা খবর বোঝাত এবং আধুনিক বাংলাতেও খবরের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সত্য ও নির্ভরযোগ্য খবরের ক্ষেত্রে বার্তা, সংবাদ ও সন্দেশ ব্যবহার করা হয়।
- ভিত্তিহীন ও কানকথার ক্ষেত্রে গুজব শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ বা শেড অব মিনিং থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য খেয়াল রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) অভূতপূর্ব
১. কেন সঠিক:
'যা পূর্বে কখনো হয়নি' বাক্যটির সঠিক এককথায় প্রকাশ হলো অভূতপূর্ব। এখানে পূর্ব মানে আগে আর ভূত মানে যা ঘটে গেছে বা হয়েছে, ফলে যা আগে ঘটেনি তা অভূতপূর্ব বোঝায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার এই সাফল্য এক অভূতপূর্ব ঘটনা।
ব্যাখ্যা: এমন সাফল্য এর আগে কখনো দেখা যায়নি বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই দৃশ্যটি সত্যিই অভূতপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এমন সুন্দর দৃশ্য এর আগে কখনো দেখা যায়নি তা প্রকাশ করতে এই উদাহরণ প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূতপূর্ব — এই অপশন ভুল কারণ এর অর্থ যা পূর্বে ছিল কিন্তু এখন নেই।
B) অদৃষ্টপূর্ব — এই অপশন ভুল কারণ এর অর্থ যা পূর্বে দেখা যায়নি।
C) অশ্রুতপূর্ব — এই অপশন ভুল কারণ এর অর্থ যা পূর্বে কখনো শোনা যায়নি।
D) অভূতপূর্ব — এই অপশন সঠিক কারণ এর অর্থ যা পূর্বে কখনো হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ + ভূত + পূর্ব এই অংশগুলো বিশ্লেষণ করলে খুব সহজে মনে রাখা যায়। এখানে অ মানে না এবং ভূত মানে যা ঘটে গেছে, অর্থাৎ যা আগে ঘটেনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায় পূর্ব বা শোনা বা দেখার ওপর ভিত্তি করে এককথায় প্রকাশের প্রশ্ন আসে। তাই অভূতপূর্ব, অশ্রুতপূর্ব এবং অদৃষ্টপূর্ব শব্দগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কৌসুলি
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি শুদ্ধ বানান নয়, যার সঠিক উত্তর হবে কৌসুলি কারণ এর সঠিক রূপটি হলো কৌসুলী।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী আইন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিকে নির্দেশক এই শব্দটিতে দীর্ঘী ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী আইন পেশায় নিযুক্ত ব্যক্তিকে বোঝাতে 'কৌসুলী' শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
- অতীতে এই শব্দটিতে রস ই-কার ব্যবহার করা হলেও প্রমিত বাংলা বানানে এটি দীর্ঘীযুক্ত করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইন পেশার সাথে জড়িত ব্যক্তিকে বোঝাতে এই বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় এবং এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
উদাহরণ ২: প্রতিযোগী
ব্যাখ্যা: প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিকে বোঝাতে এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনজীবী — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং আইন পেশাজীবীকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) ঐক্যতান — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং এর বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শতভাগ শুদ্ধ।
C) কৌসুলি — এটি ভুল বানান কারণ এর শুদ্ধ রূপ হলো কৌসুলী যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার হবে।
D) কৌতূহল — এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং সঠিক বানান যার অর্থ গভীর আগ্রহ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আইন সংক্রান্ত পেশাদার পদ যেমন কৌসুলী এবং আইনজীবী শব্দগুলোতে দীর্ঘ ঈ-কার মনে রাখতে হবে।
- কৌতূহল শব্দটিতে ঔ-কার এবং হ-য়ে দীর্ঘ ঊ-কার হয়, এটি বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ই-কার ও দীর্ঘী-কার সংক্রান্ত বানানগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে শব্দের শেষবর্ণের ই-কার বা দীর্ঘী-কার ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অনধিকার
১. কেন সঠিক:
- 'অধিকার' শব্দের অর্থ কোনো কিছুর ওপর আইনগত বা নৈতিক মালিকানা কিংবা ক্ষমতা। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে 'অ' বা 'অন' উপসর্গ যুক্ত করা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু শব্দের আগে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হয়, যেমন অধিকার থেকে অনধিকার।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি অংশ। উপসর্গ বা নিপাতনের নিয়মে অনেক সময় মূল শব্দের পূর্বে বিপরীতার্থক উপসর্গ যোগ করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়।
- এখানে 'অধিকার' বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী বিশেষ্য পদ 'অনধিকার' গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইচ্ছা ও অনিচ্ছা
ব্যাখ্যা: এখানে 'ইচ্ছা' শব্দের পূর্বে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে এর বিপরীতার্থক শব্দ 'অনিচ্ছা' গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অনুমতি ও অনুমতি
ব্যাখ্যা: একইভাবে 'অনুমতি' শব্দের বিপরীত অর্থ বোঝাতে 'অনঅনুমতি' বা 'অনুমতি'র ক্ষেত্রেও উপসর্গ যোগের নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনধিকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অধিকার শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
B) দায়িত্ব — এটি অধিকার শব্দের বিপরীত শব্দ নয়, বরং দায়িত্ব ও অধিকার একে অপরের পরিপূরক হতে পারে।
C) ক্ষমতা — ক্ষমতা শব্দটি অধিকারের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীতার্থক নয়।
D) কর্তব্য — কর্তব্য হলো কোনো ব্যক্তির করণীয় কাজ, যা অধিকার শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের শুরুতে যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে তার বিপরীত শব্দ তৈরির সময় সাধারণত 'অন' উপসর্গ ব্যবহার করতে হয়। যেমন অধিকার থেকে অনধিকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগ করে গঠিত বিপরীতার্থক শব্দগুলো প্রায়ই আসে। তাই মূল শব্দের সঙ্গে কোন উপসর্গ যুক্ত হবে তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নদীসমূহ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাণিবাচক ও ইতর প্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে 'সমূহ' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়।
- 'নদী' একটি অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য পদ হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন গঠনে 'সমূহ' ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো এমন একটি ব্যাকরণিক রূপ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা নির্দেশ করে।
- অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচন বোঝাতে সাধারণত কুল, সমূহ, দাম, ঝাক, পাল ইত্যাদি শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পর্বতসমূহ
ব্যাখ্যা: পর্বত একটি অপ্রাণিবাচক শব্দ হওয়ায় এর বহুবচনে 'সমূহ' যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তারাসমূহ
ব্যাখ্যা: তারা অপ্রাণিবাচক বস্তু বোঝাতে এর বহুবচনে 'সমূহ' ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদীসমূহ — এটি সঠিক উত্তর।
B) নদীগুলি — নদী শব্দের সঙ্গে 'গুলি' যুক্ত হয় না কারণ 'গুলি' সাধারণত অপ্রাণিবাচক নির্দিষ্টবাচক শব্দে বসে।
C) নদীগণ — 'গণ' প্রত্যয়টি কেবল প্রাণিবাচক ও উত্তম শ্রেণির বিশেষ্য পদের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
D) নদীগুলি — প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে নদী শব্দের সঙ্গে 'গুলি' বা 'গুলো' বহুবচনে অপ্রাতিপিক হিসেবে গণ্য হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অপ্রাণিবাচক শব্দ দেখলে বহুবচনে 'সমূহ' বা 'কুল' ব্যবহার করার নিয়ম মনে রাখবে।
- নদীর মতো প্রাকৃতিক অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে সাধারণত 'সমূহ' সবচেয়ে উপযুক্ত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচন কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়।
- প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনের বিভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ক্রিয়া বিশেষণ
১. কেন সঠিক:
- 'দ্রুত' শব্দটি বাক্যের 'দৌড়ায়' ক্রিয়া পদটিকে বিশেষভাবে নির্দেশ করছে, তাই এটি ক্রিয়া বিশেষণ।
- ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রকাশ করার কারণে এটি মূলত ভাববাচক ক্রিয়া বিশেষণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদ ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয় পদের কার্যসম্পাদন বা দোষ-গুণ প্রকাশ করে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।
- এটি মূলত ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান, রীতি বা ভাব প্রকাশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে আস্তে হাঁটে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'আস্তে' শব্দটি হাঁটা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করায় এটি ক্রিয়া বিশেষণ।
উদাহরণ ২: ছেলেটি মনোযোগ সহকারে পড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'মনোযোগ সহকারে' পদগুচ্ছ পড়ার কাজকে বিশেষিত করায় এটি ক্রিয়া বিশেষণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়া — ক্রিয়া হলো এমন শব্দ যা দ্বারা কোনো কিছু করা, হওয়া বা ঘটা বোঝায়, কিন্তু 'দ্রুত' কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না।
B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝায়, কিন্তু এখানে এটি ক্রিয়ার ভাব বোঝাচ্ছে।
C) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি বা সমষ্টির নাম নির্দেশ করে, যা 'দ্রুত' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) ক্রিয়া বিশেষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পদটি ক্রিয়ার সম্পাদনের ধরণ বা ভাব প্রকাশ করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কীভাবে বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সাধারণত তাই ক্রিয়া বিশেষণ।
- ক্রিয়ার নিচে বিশেষত্ব খুঁজতে এই নিয়মটি অত্যন্ত কার্যকরী একটি শর্টকাট।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়া বিশেষণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- একই শব্দ বাক্যের ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে কখনো বিশেষণ আবার কখনো ক্রিয়া বিশেষণ হতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
সঠিক উত্তরটি লেখার কারণ হলো বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সমীচীন শব্দটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের বানানটিতে কোনো বিকল্প রূপ গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি একটি অত্যন্ত কমন ও গুরুত্বপূর্ণ বানান।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি নিয়মের আওতায় এই প্রশ্নটি পড়ে যেখানে তৎসম শব্দের বানান মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে নির্ধারিত হয়।
বাংলা টোলের ব্যাকরণ বা প্রমিত বানানরীতি অনুসারে কিছু নির্দিষ্ট শব্দে ই-কার ও ঈ-কার ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যা মনে রাখা আবশ্যক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভীষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার উভয়ের সঠিক ব্যবহার রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
উদাহরণ ২: মণীষী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও দীর্ঘ ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমিচীন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) সমিচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষ বর্ণে মূর্ধন্য ন ব্যবহার করা হয়েছে।
C) সমীচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
D) সমীচীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ও মূর্ধন্য ন সঠিকভাবে আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম ই দীর্ঘ এবং দ্বিতীয় ঈ দীর্ঘ অর্থাৎ দুইটাই দীর্ঘ ই-কার হবে।
পরীক্ষায় এই বানানটি বারবার আসে তাই শেষের ন-ত্ব বিধানের নিয়মটিও মাথায় রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বানান সংশোধনে দীর্ঘ ই-কার যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়া উচিত।
একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য প্রমিত শব্দগুলো অনুশীলন করলে বিসিএস বা ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) Selfish
কেন সঠিক:
Generous শব্দের অর্থ হলো উদার বা দয়ালু, যার বিপরীত শব্দ হিসেবে Selfish বা স্বার্থপর কথাটি সবচেয়ে ভালোভাবে মানায়। এই শব্দটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যে কেবল নিজের কথাই ভাবে, যা উদারতার সম্পূর্ণ বিপরীত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Selfish — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উদার শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Kind — এটি একটি সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ দয়ালু।
C) Honest — এর অর্থ সৎ, যা উদার শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
D) Helpful — এর অর্থ সহায়ক, যা উদার শব্দের সাথে মিল রাখে।
মনে রাখার টিপস:
Generous মানে যে সবকিছু ভাগ করে দেয় আর Selfish মানে যে শুধু নিজের জন্য রাখে।
সঠিক উত্তর: A) would
কেন সঠিক:
এটি একটি কাল্পনিক বা অসম্ভব শর্তমূলক বাক্য (Second Conditional)। অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে ইফ ক্লজে পাস্ট টেন্স থাকলে প্রধান ক্লজে উড বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would — এটি সঠিক উত্তর।
B) may — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এই কাল্পনিক বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) can — এটি বর্তমানের সামর্থ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা অবাস্তব অতীতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) will — এটি নিশ্চিত ভবিষ্যতের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই ধরনের কাল্পনিক বাক্যে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ইফ এর পরে ওয়ার থাকলে পরের অংশে সবসময় উড প্লাস ভার্বের বেইজ ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: D) Stop trying
কেন সঠিক:
Give up একটি ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ কোনো কিছু করা থেকে বিরত থাকা বা ছেড়ে দেওয়া।
এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে বলে Stop trying সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Continue — এই শব্দটির অর্থ চালিয়ে যাওয়া, যা Give up এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Distribute — এর অর্থ বিতরণ করা, যা কোনোভাবেই হাল ছেড়ে দেওয়ার সমার্থক নয়।
C) Delay — এই শব্দের অর্থ দেরি করা, যার সাথে ফ্রেজাল ভার্বটির কোনো মিল নেই।
D) Stop trying — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি ভুল নয় বরং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কঠিন কাজে হেরে না গিয়ে চেষ্টা চিরতরে বন্ধ করে দেওয়াকেই ইংরেজিতে Give up বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে ইংরেজি adjectives যেমন good, clever ইত্যাদির পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে at বসে।
Mathematics একটি বিষয় হওয়ায় এর নামের পূর্বে at ব্যবহার করা নিয়মসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু দক্ষতার ক্ষেত্রে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) for — উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে উপযুক্ত নয়।
C) on — কোনো তলের ওপর কিছু বোঝাতে বা নির্দিষ্ট বারের পূর্বে বসে তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) at — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে সবসময় good এর পরে at প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) Assertive
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি দ্বারা একটি চিরন্তন সত্য বা সাধারণ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
- যে বাক্য দ্বারা কোনো কিছু বর্ণনা বা বিবৃতি প্রকাশ করা হয়, তাকে Assertive Sentence বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Exclamatory — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দ্বারা তীব্র আবেগ, হর্ষ বা বিষাদ প্রকাশ পায়নি।
B) Assertive — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটি একটি সাধারণ বিবৃতি বা সত্য প্রকাশ করছে।
C) Interrogative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দিয়ে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়নি।
D) Imperative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝায়নি।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্য কোনো সাধারণ সত্য, তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ করে এবং ফুলস্টপ দিয়ে শেষ হয়, তা সবসময় Assertive Sentence হয়।
সঠিক উত্তর: C) Proverb
কেন সঠিক:
'Time and tide wait for none' একটি প্রচলিত প্রবাদ যার অর্থ সময় এবং জোয়ার কারো জন্য অপেক্ষা করে না। এটি মানুষের জীবনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তৈরি একটি সার্বজনীন সত্য প্রকাশ করে। এটি কোনো সাধারণ বাক্যাংশ বা শব্দগুচ্ছ নয়। এটি মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Idiom — এটি কোনো ইডিয়ম বা বাগধারা নয় কারণ ইডিয়মের শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ আলংকারিক অর্থ থাকে।
B) Phrase — এটি শুধু একটি ফ্রেজ বা শব্দগুচ্ছ নয় কারণ এর মধ্যে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করার ক্ষমতা রয়েছে।
C) Proverb — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এই অপশনটি ভুল নয় বরং প্রবাদের সংজ্ঞাকেই সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে।
D) Clause — এটি কোনো ক্লজ বা খণ্ডবাক্য নয় কারণ ক্লজ হতে হলে সাধারণত একটি বড় বাক্যের অংশ হতে হয় এবং এর নিজস্ব সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব থাকতে হয় কিন্তু এটি নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবাদ।
মনে রাখার টিপস:
যেসব সুন্দর কথা মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত থাকে এবং জীবনের কোনো সত্য শিক্ষা দেয়, সেগুলোকে প্রবাদ বা Proverb বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) He turned down the invitation.
কেন সঠিক:
এখানে 'turn down' একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা।
তাই সঠিক বাক্যে আমন্ত্রণের ক্ষেত্রে 'turned down' ব্যবহার করা হয়েছে।
এই বাক্যটির অর্থ হলো সে আমন্ত্রণটি প্রত্যাখ্যান করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He turned on the invitation — 'Turn on' অর্থ চালু করা, যা আমন্ত্রণের সাথে ব্যবহার করা যায় না।
B) He turned off the invitation — 'Turn off' অর্থ বন্ধ করা, যা আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যানের অর্থে ভুল।
C) He turned up the invitation — 'Turn up' অর্থ হাজির হওয়া বা উপস্থিত হওয়া, যা এখানে অর্থহীন।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ বাতিল বা প্রত্যাখ্যান করতে সবসময় 'turn down' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) The work was completed by them.
কেন সঠিক:
সক্রিয় বাক্যের মূল verb-টি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে থাকায় প্যাসিভ করার সময় সাহায্যকারী verb হিসেবে was বসে।
মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বা V3 বসে এবং সাবজেক্ট অবজেক্টে রূপান্তর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The work completed them — এটি অর্থহীন বাক্য কারণ কাজটি তাদের সম্পন্ন করেনি বরং তারা কাজটি করেছে।
B) The work is completed by them — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে যা প্রদত্ত পাস্ট টেন্সের বাক্যের সাথে মেলে না।
C) The work was completed by them — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) The work has completed — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের গঠন যা মূল বাক্যের টেন্সের নিয়মের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাক্টিভ ভয়েস পাস্ট টেন্সে থাকলে প্যাসিভ ভয়েসে was বা were ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Bold
কেন সঠিক:
Brave শব্দের অর্থ সাহসী এবং Bold শব্দের অর্থও সাহসী বা নির্ভীক।
ইংরেজি সমার্থক শব্দ হিসেবে এই দুটি শব্দ একই ভাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lazy — এই শব্দের অর্থ অলস, যা সাহসী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Weak — এই শব্দের অর্থ দুর্বল, যা সাহসী বা শক্তিশালী বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
C) Bold — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপশনটি পুনর্বৃত্তি হয়েছে এবং এটি সঠিক সমার্থক।
D) Coward — এই শব্দের অর্থ ভীরু, যা সাহসী শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীত শব্দ মনে রাখার চেয়ে সাহসিকতা বোঝাতে ইংরেজিতে যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়, যেমন ভোল্ড, সেগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে প্রতিদিন একবার পড়লে সহজে মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: A) since
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজ বোঝায়।
নির্দিষ্ট কোনো সালের নাম বা শুরুর সময় বোঝাতে since বসে।
২০১৯ সাল একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় নির্দেশ করছে।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে since।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) since — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট সময় বোঝায়।
B) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা শেষ সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) for — এটি নির্দিষ্ট কোনো সাল নয় বরং সময়ের স্থায়িত্ব বা ব্যাপ্তি বোঝাতে বসে।
D) from — এটি সাধারণত future বা past tense এর ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট উৎস থেকে শুরু বোঝাতে বসে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট সময় বা সালের নাম থাকলে since বসে এবং সময়ের ব্যবdান বা স্থায়িত্ব থাকলে for বসে।
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল = ৫
দুটি রাশির বিয়োগফল = ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y
অতএব,
x + y = ৫
x − y = ৩
সুতরাং,
আমরা জানি, xy এর সূত্র হলো (x + y ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর বর্গ
অথবা সরাসরি বীজগাণিতিক অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই,
xy = (x + y ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর বর্গ
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ জন শ্রমিক কাজ করতে পারে ১০ দিনে
ধরি,
১ জন শ্রমিক ওই কাজ করতে পারবে = ১৫ × ১০ দিনে
৫ জন শ্রমিক ওই কাজ করতে পারবে = (১৫ × ১০) ÷ ৫ দিনে
অতএব,
১ জন শ্রমিকের বেশি দিন লাগবে তাই গুণ করতে হবে
৫ জন শ্রমিকের কম দিন লাগবে তাই ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
১৫ × ১০ = ১৫০
১৫০ ÷ ৫ = ৩০
উত্তর: ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর: D) ৪,৫০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
পুত্র পেল সম্পত্তির ২/৩ অংশ
কন্যা পেল সম্পত্তির ১/৩ অংশ
ধরি,
সম্পত্তির মোট পরিমাণ = ১ অংশ
পুত্রের অংশ এবং কন্যার অংশের পার্থক্য = (২/৩) − (১/৩) অংশ
অতএব,
অংশের পার্থক্য = (২ − ১) ÷ ৩ অংশ
হিসাব করে পাই অংশের পার্থক্য = ১/৩ অংশ
সুতরাং,
সম্পত্তির ১/৩ অংশ = ১,৫০০ টাকা
সম্পত্তির সম্পূর্ণ মূল্য = ১,৫০০ × ৩ টাকা
উত্তর: ৪,৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর: D) ৩১
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজকগুলো হলো ৩, ৫ এবং ৬
প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকবে ১
ধরি,
সংখ্যাটি হবে ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু এর সাথে ১ যোগ
৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু হলো ৩০
অতএব,
লসাগু নির্ণয়ের প্রক্রিয়া ৩ × ৫ × ২ = ৩০
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ৩০ + ১ = ৩১
সুতরাং,
৩১ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ ১ থাকে
৩১ কে ৫ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ ১ থাকে
উত্তর: ৩১
সঠিক উত্তর: C) স্পিকার
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার।
- রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন, যা শপথ পাঠের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি সাধারণত প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান, রাষ্ট্রপতিকে নন।
B) প্রধান নির্বাচন কমিশনার — প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান না, তিনি নিজে রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন।
D) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান না।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতি জাতির অভিভাবক এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার সংসদ সদস্যদের প্রধান, তাই স্পিকারই রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ান।
সঠিক উত্তর: B) Istanbul
কেন সঠিক:
- ইস্তামুল শহরটি বসফরাস প্রণালী দ্বারা বিভক্ত হয়ে এশিয়া ও ইউরোপ এই দুটি মহাদেশে বিস্তৃত হয়েছে।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই শহরটি প্রাচীনকাল থেকেই দুই মহাদেশের সংযোগস্থল হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Paris — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং সম্পূর্ণভাবে ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
B) Istanbul — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটি এশিয়া ও ইউরোপ দুই মহাদেশেই অবস্থিত।
C) Cairo — এটি মিশরের রাজধানী এবং সম্পূর্ণভাবে আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
D) Casablanca — এটি মরক্কোর একটি প্রধান শহর যা আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইস্তাম্বুল নামটির প্রথম অক্ষর ই দিয়ে ইউরোপ এবং এশিয়া উভয় মহাদেশের মিলনস্থল মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) দো-আঁশ
কেন সঠিক:
- দো-আঁশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমাণ সমভাবে থাকে বলে এটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- এই মাটির পানি ধারণক্ষমতা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থা পাট গাছের বৃদ্ধির জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলে — বেলে মাটিতে পানি বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে না এবং পুষ্টি উপাদানের অভাব থাকে বলে পাট চাষের উপযোগী নয়।
B) কংকর — কংকরময় মাটিতে প্রচুর পাথর ও নুড়ি থাকে, যা পাট গাছের শিকড় বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।
সি) দো-আঁশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) এঁটেল — এঁটেল মাটিতে পানি জমে থাকে কিন্তু সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে না, যা পাটের শিকড়ের জন্য ক্ষতিকর।
মনে রাখার টিপস:
পাট চাষের ভালো ফলন পেতে হলে দো-আঁশ মাটির কথা মাথায় রাখবে, কারণ এতে বালি ও কাদা সমানভাবে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) তৈরি পোশাক শিল্প
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ অর্জিত হয় তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাত থেকে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের উচ্চ চাহিদা এবং এর বিশাল কর্মসংস্থান এই খাতকে শীর্ষে রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৈরি পোশাক শিল্প — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি আয়কারী খাত।
B) মৎস্য — মৎস্য সম্পদ দেশের আমিরাতের চাহিদা মেটালেও এটি প্রধান রপ্তানি খাত নয়।
C) চা শিল্প — চা আমাদের ঐতিহ্যবাহী পণ্য হলেও রপ্তানি আয়ে এর অবদান তুলনামূলকভাবে বেশ কম।
D) কৃষি — কৃষি পণ্যের রপ্তানি থাকলেও তা তৈরি পোশাক খাতের মতো প্রধান রপ্তানি আয়ের উৎস নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো পোশাক শিল্প, যা আন্তর্জাতিক বাজারে মেট লিস্টে সবার ওপরে অবস্থান করে।
সঠিক উত্তর: A) কক্সবাজার
কেন সঠিক:
- ডুলা হাজরা সাফারি পার্ক বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক যা ১৯৯৯ সালে কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডুলা হাজরা সাফারি পার্কটি এই জেলাতেই অবস্থিত।
B) সিলেট — এই অপশনটি ভুল কারণ সিলেট অঞ্চলে এটি অবস্থিত নয়, যদিও সেখানে বেশ কিছু চা বাগান ও সংরক্ষিত বন আছে।
C) বরিশাল — এই অপশনটি ভুল কারণ বরিশাল বিভাগে কোনো সাফারি পার্ক নেই।
D) রংপুর — এই অপশনটি ভুল কারণ রংপুর বিভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক বা ডুলা হাজরা পার্ক অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডুলা হাজরা পার্ক কক্সবাজারে অবস্থিত, মনে রাখার জন্য ক দিয়ে কক্সবাজার এবং ক দিয়ে চকরিয়ার কথা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) 1835
কেন সঠিক:
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮৩৫ সালে আইনি ও প্রশাসনিক কাজে ফারসি ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি ভাষাকে সরকারি ভাষা হিসেবে প্রবর্তন করেন।
- মেকলের মিনিট বা প্রস্তাবের ভিত্তিতে এ উপমহাদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সরকারি দপ্তরে ইংরেজি ভাষার প্রচলন বাধ্যতামূলক করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1857 — এই সালে সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল এবং ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়।
B) 1824 — এই সালটি প্রথম ইঙ্গ-বর্মী যুদ্ধের শুরুর সাথে সম্পর্কিত এবং এর সাথে সরকারি ভাষার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) 1835 — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি চালু করা হয়।
D) 1765 — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে, যা ইংরেজি চালুর বছর নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৮৩৫ সালে মেকলের শিক্ষানীতি চালুর মাধ্যমে সরকারি কাজে ইংরেজি ভাষার ব্যবহার শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) ক্রিপ্টোকারেন্সি
কেন সঠিক:
- এটি কোনো সরকারি বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রাধীন নয়, বরং ক্রিপ্টোগ্রাফি বা কোডিং নিরাপত্তার মাধ্যমে পরিচালিত ডিজিটাল মুদ্রা।
- ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো নামক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রথম বিকেন্দ্রীভূত ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েন চালু করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধাতব মুদ্রা — বিটকয়েন কোনো দৃশ্যমান ধাতু যেমন সোনা, রূপা বা তামা দিয়ে তৈরি নয়।
B) সরকারী বন্ড — এটি কোনো সরকারি ঋণপত্র বা বিনিয়োগের কাগজ নয়, এটি সম্পূর্ণরূপে একটি বিনিময় মাধ্যম।
C) কাগজে মুদ্রা — বিটকয়েনের কোনো ভৌতিক বা কাগজের রূপ নেই, এটি কেবল ইন্টারনেটে ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত থাকে।
D) ক্রিপ্টোকারেন্সি — এটি সঠিক কারণ বিটকয়েন ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
বিটকয়েন মানেই অদৃশ্য ডিজিটাল অর্থ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি, যার কোনো কাগজের নোট বা ধাতব রূপ নেই।
সঠিক উত্তর: A) নবাব আব্দুল গনি
কেন সঠিক:
- ঢাকার প্রখ্যাত জমিদার নবাব আব্দুল গনি ১৮৭২ সালে প্রাচীন ফরাসি কুঠির স্থানে এই ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় আহসান মঞ্জিল, যা পরবর্তীতে মুসলিম নবাবদের প্রাতিষ্ঠানিক ও আবাসিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবাব আব্দুল গনি — তিনি আহসান মঞ্জিল ভবনটি নির্মাণ করেন এবং এর ভিত্তি স্থাপন করেন।
B) নবাব আব্দুল লতিফ — তিনি উনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক ছিলেন, আহসান মঞ্জিল নির্মাণের সাথে তার সম্পর্ক নেই।
C) নবাব হাফিজুর রহমান — তিনি এই ঐতিহাসিক স্থাপনা নির্মাণের সাথে যুক্ত ছিলেন না।
D) নবাব কুতুব উদ্দিন — তিনি ঢাকার কোনো নবাব নন যিনি আহসান মঞ্জিল নির্মাণ করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
আহসান মঞ্জিল মানেই আব্দুল গনি, যিনি এটি নির্মাণ শুরু করেছিলেন এবং তার ছেলের নাম ছিল আহসানুল্লাহ।
সঠিক উত্তর: C) আলজেরিয়া
কেন সঠিক:
- আয়তনের দিক থেকে আলজেরিয়া বর্তমানে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ।
- সুদান বিভক্তির পর আলজেরিয়া এই শীর্ষ স্থানটি অর্জন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুদান — দক্ষিণ সুদান আলাদা হওয়ার পর এটি বর্তমানে আয়তনে আফ্রিকার তৃতীয় বৃহত্তম দেশ।
B) লিবিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের একটি বড় দেশ হলেও আয়তনের দিক থেকে আলজেরিয়ার চেয়ে ছোট।
C) আলজেরিয়া — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ।
D) মিশর — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত এবং আলজেরিয়ার চেয়ে আয়তনে অনেক ছোট।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার বড় দেশ মনে রাখার কৌশল হলো আলজেরিয়ার আল অংশটি দিয়ে বৃহত্তম দেশ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) কেরালা
কেন সঠিক:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে একত্রে 'সেভেন সিস্টার্স' বা সাতটি বোন বলা হয়।
- কেরালা ভারতের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি রাজ্য, যা উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্রিপুরা — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত।
B) মিজোরাম — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি পাহাড়ি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত।
C) মণিপুর — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত।
D) কেরালা — এটি দক্ষিণ ভারতের একটি রাজ্য এবং ভৌগোলিকভাবে সেভেন সিস্টার্স-এর অংশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোকে মনে রাখতে অদম্য ত্রিমিক মেমে (অসম, অরুণাচল, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয়, মণিপুর, নাগাল্যান্ড) এই সংকেতটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) জেরুজালেম
কেন সঠিক:
- জেরুজালেম শহরটি ইসলাম ধর্মে আল আকসা মসজিদ ও মিরাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে পবিত্র।
- খ্রিস্ট ধর্মে এটি যিশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়া ও পুনরুত্থানের স্থান এবং ইহুদি ধর্মে এটি সুলাইমানের পবিত্র মন্দিরের স্থান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, যা তিন ধর্মের পবিত্র ভূমি হিসেবে পরিচিত নয়।
B) প্যালেস্টাইন — এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ও ঐতিহাসিক অঞ্চল, যা জেরুজালেমের অবস্থানস্থল হলেও সমগ্র অঞ্চলটি এককভাবে তিন ধর্মের পবিত্র ভূমি হিসেবে বিবেচিত হয় না।
C) জেরুজালেম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদি তিন ধর্মের কাছেই পবিত্র ভূমি হিসেবে স্বীকৃত।
D) মক্কা — এটি ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম শহর হলেও খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মের কাছে এটি পবিত্র ভূমি নয়।
মনে রাখার টিপস:
তিন ধর্মের পবিত্র ভূমি জেরুজালেম মনে রাখতে 'তিন অক্ষর জেরু' বা জেরুজালেমে তিন ধর্মের মিলনস্থল কথাটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) বাথ
কেন সঠিক:
- থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় ও প্রচলিত মুদ্রার নাম বাথ।
- দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক অফ থাইল্যান্ড এই মুদ্রা প্রচলন ও নিয়ন্ত্রণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের সঠিক ও প্রচলিত মুদ্রা।
B) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য, মিশর ও কিছু অন্যান্য দেশের মুদ্রার নাম, থাইল্যান্ডের নয়।
C) দিনার — এটি কুয়েত, জর্ডন ও ইরাকসহ বেশ কিছু মধ্যপ্রাচ্যের দেশের মুদ্রার নাম।
D) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা সহ অনেক দেশের মুদ্রার নাম।
মনে রাখার টিপস:
থাইল্যান্ডের মানুষ খুব আরাম বা বাথ নেয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে থাইল্যান্ডের মুদ্রা বাথ।
সঠিক উত্তর: A) গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
কেন সঠিক:
- এটি অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণার একটি প্রশ্ন, যার পূর্ণরূপ হলো গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা স্থূল দেশজ উৎপাদন।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে দেশের ভেতরে উৎপাদিত সব পণ্য ও সেবার মোট বাজারমূল্য নির্দেশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট - এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি জিডিপির সঠিক ইংরেজি রূপ।
B) গ্রস ডেভেলপমেন্ট প্রোডাক্ট - ডেভেলপমেন্ট শব্দটির সাথে জিডিপির পূর্ণরূপের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) গ্লোবাল ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট - গ্লোবাল শব্দটি বিশ্বব্যাপী বোঝায়, যা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ধারণার সাথে মেলে না।
D) জেনারেল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম - এটি জিডিপির পূর্ণরূপ নয় এবং এটি একটি ভিন্ন কর্মসূচি নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
জিডিপি মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষর দুটি মনে রাখুন, যেখানে জি তে গ্রস এবং ডি তে ডোমেস্টিক বোঝায়।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীমঙ্গল
কেন সঠিক:
- শ্রীমঙ্গলকে বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী বলা হয় এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে দেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
- পাহাড়ি ঢাল ও বনভূমির কারণে এখানে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টেকনাফ — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং এখানে অনেক বৃষ্টি হলেও এটি সর্বাধিক বৃষ্টিবহুল স্থান নয়।
B) পঞ্চগড় — এটি উত্তরের সীমান্তবর্তী সমতল ও হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চল, যেখানে তুলনামূলক কম বৃষ্টিপাত হয়।
C) সাজেক — এটি পার্বত্য অঞ্চলের একটি সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র হলেও এটি সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের স্থান হিসেবে পরিচিত নয়।
D) শ্রীমঙ্গল — এটি বাংলাদেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলে চা গাছ বাঁচাতে প্রকৃতির আশীর্বাদ হিসেবে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি রাষ্ট্র স্থায়ী এবং দশটি রাষ্ট্র অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন এবং ফ্রান্স, যাদের ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এটি একটি ভুল সংখ্যা, কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ছয়টি নয়।
B) ৪ — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ স্থায়ী সদস্যের সংখ্যা চারটির বেশি।
C) ১০ — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা, স্থায়ী সদস্যের সংখ্যা নয়।
D) ৫ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ ঠিক পাঁচটি।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ দেশ মনে রাখতে USA, UK, রাশিয়া, চীন এবং ফ্রান্স এই পাঁচটি দেশের প্রথম অক্ষর বা নাম মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) হেগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে হলো জাতিসংঘের প্রধান বিচারসংস্থা, যার সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- এই আদালত পিস প্যালেস বা শান্তি প্রাসাদে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ডব্লিউটিও-এর মতো সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে কিন্তু আন্তর্জাতিক আদালত নেই।
B) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক আদালতের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) হেগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী, যেখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা অবস্থিত কিন্তু আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বিচারকরা রায় দেন হেগ শহরে বসে।
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৭ সালে তার করা নকশার ওপর ভিত্তি করেই শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্কার বাদল — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সাথে এই নামটি সম্পর্কিত নয়।
B) হামিদুর রহমান — এটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতির সঠিক নাম।
C) তানভীর কবির — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) হামিদুজ্জামান — তিনি ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের স্থপতি মনে রাখতে মনে রাখুন, ভাষা শহীদের স্মৃতি রক্ষায় হাত দিয়ে (হামিদ) সুন্দর মিনার গড়েছিলেন হামিদুর রহমান।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) শিবসা
কেন সঠিক:
- শিবসা নদী সুন্দরবনের পশ্চিম অংশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সুন্দরবন অঞ্চলটি প্রধানত শিবসা, পশুর ও হারিয়াভাঙ্গা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডাকাতিন — এটি সুন্দরবনের সরাসরি তীরবর্তী প্রধান নদী নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) রূপসা — রূপসা নদীটি খুলনা শহরের নিকট অবস্থিত এবং এটি ভৈরব নদের অংশ, সরাসরি সুন্দরবনের তীরবর্তী নয়।
C) শিবসা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
D) চিত্রা — চিত্রা নদীটি মূলত নড়াইল ও যশোর অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, সুন্দরবনের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের ভেতরের প্রধান নদী হলো শিবসা, তাই সুন্দরবন বললেই শিবসা নদীকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ওপেন এআই
কেন সঠিক:
- ওপেন এআই একটি মার্কিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা ভাষাভিত্তিক মডেল জিপিটি এবং চ্যাটজিপিটি তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানীয় হিসেবে পরিচিত।
- এই প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির উন্নয়নে এবং এর বাণিজ্যিক প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘ শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার, সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিয়ে কাজ করে কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির প্রতিষ্ঠান নয়।
B) ওআইসি — এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে কিন্তু প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, কোনো প্রযুক্তি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নয়।
D) ওপেন এআই — এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখার টিপস:
চ্যাটজিপিটি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বললেই ওপেন এআই নামটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) শিলিগুড়ি করিডোর
কেন সঠিক:
- এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অবস্থিত একটি অত্যন্ত সংকীর্ণ ভূখণ্ড বা ভূমি অংশ।
- এই করিডোরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যকে সংযুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিলিগুড়ি করিডোর — এটি চিকেন নেক বা মুরগির গলার আকৃতির মতো সংকীর্ণ হওয়ার কারণে এই নামে পরিচিত এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) কোলিল করিডোর — এই নামে ভূরাজনীতিতে কোনো পরিচিত করিডোর বা চিকেন নেক নেই।
C) দুই জার্মান সংযোগস্থল — এটি স্নায়ুযুদ্ধকালীন জার্মানির সংযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও একে চিকেন নেক বলা হয় না।
D) তিনবিঘা করিডোর — এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি ভূখণ্ড যা ভারতের দহগ্রাম ও আঙ্গারপোতা ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত, চিকেন নেক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সংকীর্ণ উত্তর-পূর্ব সংযোগ পথকে চিকেন নেক বা শিলিগুড়ি করিডোর বলা হয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: C) দুই দেশের
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি দেশের, যার একটি ভারত এবং অন্যটি মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘতম এবং মিয়ানমারের সাথে southeastern সীমান্তে একটি ছোট স্থল সীমান্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক দেশের — বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্ত একটি দেশের বেশি, তাই এটি ভুল।
B) চার দেশের — বাংলাদেশের সাথে চারটি দেশের স্থল সীমান্ত নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) দুই দেশের — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ কেবল ভারত ও মিয়ানমার এই দুটি দেশের সাথেই স্থল সীমান্তে যুক্ত।
D) তিন দেশের — বাংলাদেশ তিনটি দেশের সাথে স্থল সীমান্ত দ্বারা যুক্ত নয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দুই বন্ধু দেশ হলো ভারত ও মিয়ানমার, যাদের সাথে আমাদের স্থল সীমান্ত রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭২ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ গণপরিষদে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর দেশের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়।
- একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই সংবিধান কার্যকর করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৫ সালে — এই সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী আনা হয়েছিল এবং বাকশাল গঠিত হয়েছিল, সংবিধান গৃহীত হয়নি।
B) ১৯৭২ সালে — এটি সঠিক উত্তর, এই সালে গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত ও পাস হয়।
C) ১৯৭১ সালে — এই সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে, সংবিধান তৈরি হয়নি।
D) ১৯৭৩ সালে — এই সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রথম সংবিধান সংশোধনী পাস হয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পরের বছর অর্থাৎ বাহাত্তর সালে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
সঠিক উত্তর: C) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন সঠিক:
- ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা একে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে প্রমাণ করে।
- এটি ছিল ইতিহাসের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী একসঙ্গে পড়াশোনা ও গবেষণা করতেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় — এটি ইংল্যান্ডে অবস্থিত এবং একাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা নালন্দার চেয়ে অনেক পরের।
B) আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় — এটি মিশরের কায়রোতে অবস্থিত এবং ৯৭০ বা ৯৭২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা নালন্দার চেয়ে প্রাচীন নয়।
C) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম।
D) হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত এবং ১৬৩৬ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা আধুনিক যুগের বিশ্ববিদ্যালয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন শিক্ষার কথা উঠলেই মনে রাখবে ভারতের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় হলো ইতিহাসের সবচেয়ে পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি।
সঠিক উত্তর: A) রয়টার্স
কেন সঠিক:
- রয়টার্স বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এবং এটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক।
- ১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংবাদ পরিবেশন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রয়টার্স — এটি বিশ্বের বৃহত্তম সংবাদ সংস্থা হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) সানা — এটি সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা, বিশ্বের বৃহত্তম নয়।
C) সিএনএন — এটি একটি জনপ্রিয় মার্কিন টেলিভিশন নিউজ চ্যানেল, সংবাদ সংস্থা নয়।
D) তাস — এটি রাশিয়ার একটি প্রধান সংবাদ সংস্থা, তবে বৃহত্তম নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবাদ সংস্থা হলো রয়টার্স, যা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) আফগানিস্তান
কেন সঠিক:
- সার্ক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অনেক পরে ২০০৭ সালের চৌঠা এপ্রিল আফগানিস্তান এই সংস্থার অষ্টম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- এটিই এখন পর্যন্ত সার্কের সর্বশেষ বা নবীনতম সদস্য রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফগানিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, কারণ এটি সার্কের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র।
B) শ্রীলঙ্কা — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম, তাই সর্বশেষ রাষ্ট্র নয়।
সি) মালদ্বীপ — এটিও সার্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র, তাই সর্বশেষ রাষ্ট্র হওয়ার প্রশ্ন আসে না।
ডি) নেপাল — এটিও সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এর রাজধানী কাঠমান্ডুতে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
আব্বু বা আ দিয়ে আফগানিস্তান মনে রাখুন, যা সার্কের একেবারে শেষের অর্থাৎ অষ্টম সদস্য।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)