বাংলাদেশ ডাক বিভাগ

পোস্টমাস্টার জেনারেল এর কার্যালয়, পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রামে পোস্টম্যান পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: পোস্টম্যান (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a কর্তায় ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী কেন সঠিক: - 'পড়াশোনায়' শব্দটি দ্বারা স্থান, সময় বা বিষয় বোঝানো হয়েছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী বিষয় বা ক্ষেত্রে ৭মী বিভক্তির প্রয়োগ হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। - শব্দের সাথে 'য়' বা 'তে' যুক্ত থাকলে সাধারণত ৭মী বিভক্তি হয়। - ব্যাকরণে বিষয় বোঝালে তাকে অধিকরণ কারক ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কর্তায় ৭মী — এখানে কোনো কার্য সম্পাদনকারী বা কর্তা বোঝানো হয়নি। - B) কর্মে ৭মী — এখানে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা বোঝাচ্ছে না। - C) অপাদানে ৭মী — এখানে কোনো কিছু থেকে বিচ্যুতি, চ্যুতি বা ভয় বোঝায়নি। - D) অধিকরণে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিষয় বা ক্ষেত্র বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কোথায় বা কিসে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।
a কর্মধারয়
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d দ্বিগু
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়, নেই ওয়ারিশ যার। - সমাসবদ্ধ পদটি দিয়ে এমন একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে যা পূর্বপদ বা পরপদ কোনটিকেই সরাসরি বোঝায় না। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - এখানে 'বে' হলো উপসর্গ বা না-বোধক অব্যয় এবং 'ওয়ারিশ' হলো বিশেষ্য পদ। - যেমন: بے (নেই) ওয়ারিশ যার, অর্থাৎ বেওয়ারিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কর্মধারয় — এখানে পদের অর্থ প্রাধান্য পায় না এবং বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় না। - B) তৎপুরুষ — এখানে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। - C) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) দ্বিগু — এখানে সংখ্যাবাচক পূর্বপদের সাথে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের প্রথমে না-বোধক অব্যয় যুক্ত হয়ে যদি অন্য কাউকে বা কোনো অবস্থাকে বোঝায়, তবে সাধারণত সেটি নঞ বহুব্রীহি সমাস হয়।
a মুনীর চৌধুরী
b সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
c নির্মলেন্দু গুণ
d বিমল মিত্র
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিমল মিত্র ১. কেন সঠিক: - 'কড়ি দিয়ে কিনলাম' একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক বিমল মিত্র। - সমাজে মানুষের আত্মসম্মান, মূল্যবোধ এবং অর্থনৈতিক সংকটের সঙ্গে নৈতিকতার দ্বন্দ্ব এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিমল মিত্র বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন জনপ্রিয় ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। - 'কড়ি দিয়ে কিনলাম' ছাড়াও তাঁর রচিত 'সাহেব বিবি গোলাম' বাংলা কথাসাহিত্যে একটি অত্যন্ত কালজয়ী ও জনপ্রিয় উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাহেব বিবি গোলাম ব্যাখ্যা: এটি বিমল মিত্রের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তৎকালীন কলকাতার বাবু সমাজের পতন এবং সামন্তবাদী জীবনযাত্রার চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: বেগম জেসিকা ব্যাখ্যা: এটিও বিমল মিত্রের রচিত একটি সুপরিচিত উপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক খ্যাতির পরিধি আরও প্রসারিত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী যিনি 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ও 'মুখরা রমণী বশীকরণ' নাটকের জন্য বিখ্যাত। B) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — তিনি বাংলা উপন্যাসের মোড় পরিবর্তনকারী কথাসাহিত্যিক যিনি 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসের জন্য চিরস্মরণীয়। C) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও অনুবাদক যিনি 'হুলিয়া' ও 'স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো' কবিতার জন্য পরিচিত। D) বিমল মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'কড়ি দিয়ে কিনলাম' উপন্যাসটি তাঁরই অমর সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিমল মিত্রের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো কড়ি দিয়ে সাহেব বিবি গোলাম কিনলাম। - এর মাধ্যমে তাঁর দুটি প্রধান উপন্যাস কড়ি দিয়ে কিনলাম এবং সাহেব বিবি গোলাম একসাথে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উপন্যাস ও তার রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে ১৯৪৭ এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বাংলা সাহিত্য এবং এর বিখ্যাত ঔপন্যাসিকদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ফকির গরীবুল্লাহ
b আলাওল
c সৈয়দ হামজা
d সাবিরিদ খান
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ হামজা ১. কেন সঠিক: 'হাতেম তাই' কাব্যগ্রন্থটির রচিয়তা বা অনুবাদক হলেন মধ্যযুগের অন্যতম কবি সৈয়দ হামজা। পারস্যের বিখ্যাত দানবীর হাতেম তাইয়ের বদান্যতা ও জীবনকাহিনি অবলম্বনে তিনি এই কাব্যটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি সৈয়দ হামজা অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তিনি আরাকান রাজসভার পাশাপাশি বাংলার সাহিত্যধারার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার এই অনুবাদ গ্রন্থটিতে তৎকালীন মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের ধারা ও লোকগাথার চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে যা সেকালের মুসলিম সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লায়লী মজনু' কাব্যগ্রন্থটি দৌলত উজির বাহরাম খান কর্তৃক রচিত। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রেমের কাহিনিভিত্তিক একটি বিখ্যাত অনুবাদ সাহিত্য। উদাহরণ ২: 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যগ্রন্থটি শাহ মুহম্মদ সগর রচিত। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের প্রখ্যাত ইসলামিক পুথি সাহিত্য ও অনুবাদ ধারার অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফকির গরীবুল্লাহ — তিনি 'আমীর হামজা' ও 'সোনাভন' কাব্যের জন্য বিখ্যাত হলেও 'হাতেম তাই' এর অনুবাদক নন। B) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি এবং তার বিখ্যাত কাজ 'পদ্মাবতী' ও 'সপ্তপয়কর'। D) সাবিরিদ খান — তিনি মধ্যযুগের একজন কবি যিনি 'হানিফা ও করবালার যুদ্ধ' রচনা করেছেন কিন্তু হাতেম তাইয়ের অনুবাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: হাতেম তাই দানশীলতার প্রতীক এবং সৈয়দ হামজা নামটি মনে রাখতে 'হামজা' অংশটি মাথায় রাখতে পারো। মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের কবিদের তালিকা পড়ার সময় মূল গ্রন্থ ও অনুবাদকদের নাম একসাথে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্যের অনুবাদক ও মৌলিক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ফার্সি বা আরবি সাহিত্য থেকে বাংলায় অনূদিত কাব্যগুলোর নাম ও তাদের রচয়িতাদের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a হাঁসুলি বাঁকের উপকথা
b কবিতার কথা
c পথের পাঁচালী
d দিবারাত্রির কাব্য
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবিতার কথা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি উপন্যাস নয়, বরং প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। - প্রশ্নটিতে কোনটি উপন্যাস নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই যে অপশনটি উপন্যাস নয় সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংশ্লিষ্ট লেখক বা সাহিত্যিকের পরিচয়: কবিতার কথা গ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ। - রচনা বা সাহিত্যকর্মের প্রাসঙ্গিক পরিচিতি: কবিতার কথা মূলত আধুনিক বাংলা কবিতা, এর গঠনশৈলী এবং সৃষ্টিপ্রক্রিয়া নিয়ে লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঞ্চয়িতা ব্যাখ্যা: এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি কবির নির্বাচিত কবিতার একটি সংকলন গ্রন্থ। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটিও কোনো উপন্যাস নয়, এটি একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ ও রম্যরচনা সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঁসুলি বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় আঞ্চলিক উপন্যাস। B) কবিতার কথা — এটি জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি প্রাবন্ধিক গ্রন্থ, যা উপন্যাস নয়। C) পথের পাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিশ্বখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। D) দিবারাত্রির কাব্য — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশ মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি কিছু গদ্য ও প্রবন্ধ লিখেছেন যার মধ্যে কবিতার কথা অন্যতম। কবিতা সংক্রান্ত আলোচনা প্রবন্ধ আকারে এই বইটিতে স্থান পেয়েছে, তাই এটি উপন্যাস নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো কবিতার কথা। সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের সময় লেখক ও গ্রন্থের মূল ধারা উপন্যাস, নাটক বা প্রবন্ধ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ফররুখ আহমেদ
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা সাহিত্যে বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং পাশ্চাত্য রীতির সার্থক প্রয়োগকারী হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে প্রথম বিদ্রোহী কবি বলা হয়। বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্যগত পথ থেকে বেরিয়ে এসে তিনি নতুন ভাব ও বিদ্রোহী মানসিকতার সূচনা করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত উনিশ শতকের বাঙালি কবি ও নাট্যকার যিনি বাংলা নাটকের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর অমর সৃষ্টি মেঘনাদবধ কাব্য এবং তিলোত্তমা sambhav কাব্য বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি মহাকাব্য যেখানে রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্রকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকুমারী নাটক ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক যা মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফররুখ আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁর কবি ও পাকিস্তানপন্থী চিন্তাধারার সাহিত্যিক। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবে স্বীকৃত। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তাকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি বলা হয় কিন্তু প্রথম বিদ্রোহী কবি নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কবি ও বিশ্বকবি হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম বিদ্রোহী কবি বললে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং শুধু বিদ্রোহী কবি বললে কাজী নজরুল ইসলামকে মনে রাখবে। প্রথম শব্দটির উপস্থিতি মাইকেল মধুসূদন দত্তকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং বিদ্রোহী কবির মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। এই বিভ্রান্তি এড়াতে কবিদের উপাধিগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়ে রাখবে।
a সাবিরিদ খান
b আলাওল
c মালাধর বসু
d নরোত্তম দাস
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাবিরিদ খান ১. কেন সঠিক: 'বিদ্যাসুন্দর' কাব্যের একজন বিশিষ্ট অনুবাদক হলেন সাবিরিদ খান। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ও অনুবাদ সাহিত্যের ধারায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাবিরিদ খান সপ্তদশ শতাব্দীর একজন মধ্যযুগের মুসলিম কবি ও অনুবাদক। তিনি রোসাঙ্গ রাজসভার কবিদের সমসাময়িক বা কাছাকাছি সময়ের কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিদ্যাসুন্দর অনুবাদ কাব্যটি বেশ বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি প্রামাণিক কাব্য। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত বিখ্যাত একটি কাব্য যা ফার্সি ভাষার অনুবাদের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাবিরিদ খান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বিদ্যাসুন্দর গ্রন্থের অনুবাদক হিসেবে মধ্যযুগের সাহিত্যে পরিচিত। B) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের মহাকবি হলেও বিদ্যাসুন্দর কাব্যের অনুবাদক নন, তিনি পদ্মাবতী ও সয়ফুলমুলুক বদুদিওলের জন্য বিখ্যাত। C) মালাধর বসু — তিনি শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের রচয়িতা ও অনুবাদক, বিদ্যাসুন্দর কাব্যের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) নরোত্তম দাস — তিনি বৈষ্ণব পদকর্তা ও পদাবলীর জন্য পরিচিত, বিদ্যাসুন্দর গ্রন্থের অনুবাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: সাবিরিদ খান নামের সঙ্গে বিদ্যাসুন্দর কাব্যটি মনে রাখতে সাবিরিদ ও সুন্দর এই দুটি শব্দ মিলিয়ে একটি ছন্দ মনে রাখতে পারো। মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের লেখকদের নাম পড়ার সময় ছক করে পড়লে তা সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি ও তাঁদের বিখ্যাত অনুবাদ কাব্য থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই মূল কবি এবং তাঁদের অনূদিত বা মৌলিক গ্রন্থের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করা উচিত।
a ধূমকেতু
b লাঙ্গল
c নবযুগ
d সবগুলো
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে উল্লেখিত ধূমকেতু, লাঙ্গল এবং নবযুগ প্রতিটি পত্রিকাই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। - তিনি এই পত্রিকাগুলোর সঙ্গে সম্পাদক বা প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে যুক্ত ছিলেন এবং এর মাধ্যমে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন পরিচালনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি যিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তার লেখনি ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। - তার সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকাগুলো তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূমকেতু পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা যার প্রধান পরিচালক ছিলেন তিনি নিজে। উদাহরণ ২: লাঙ্গল পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত শ্রমিক ও প্রজার অধিকার আদায়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়া একটি সাময়িকী যার মূল ভূমিকায় ছিলেন নজরুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত একটি বিখ্যাত পত্রিকা হলেও অন্য অপশনগুলোও তার সম্পাদিত হওয়ায় এককভাবে সঠিক উত্তর হতে পারে না। B) লাঙ্গল — এটি নজরুল সম্পাদিত শ্রমিক দলের মুখপত্র হলেও এটি একা সঠিক উত্তর নয় কারণ বাকি পত্রিকাগুলোও তার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) নবযুগ — এটি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের সঙ্গে যৌথভাবে নজরুল সম্পাদিত একটি সান্ধ্য দৈনিক পত্রিকা যা এই প্রশ্নের একমাত্র উত্তর হতে পারে না। D) সবগুলো — ধূমকেতু, লাঙ্গল ও নবযুগ এই তিনটি পত্রিকার সঙ্গেই কাজী নজরুল ইসলাম গভীরভাবে যুক্ত থাকায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকাগুলো মনে রাখার জন্য ধুলান শব্দ মনে রাখতে পারো যেখানে ধুলান মানে ধূমকেতু, লাঙ্গল ও নবযুগ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের সাংবাদিকতা জীবন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রধান পত্রিকাগুলোর নাম মুখস্থ রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধূমকেতু পত্রিকার প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর জন্য আশীর্বাণী লিখেছিলেন। - নবযুগ পত্রিকার মাধ্যমে নজরুল ১৯২০ সালে প্রথম সাংবাদিকতা পেশায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছিলেন।
a হুতোম প্যাঁচা
b অবধূত
c বীরবল
d টেকচাঁদ ঠাকুর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরবল ১. কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, যেখানে তার মূল নাম আড়াল করে 'বীরবল' নামে তিনি লেখালেখি করতেন। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এই লেখকের ছদ্মনামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ ও রম্যরচনার জনক এবং তিনি 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। - তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'তেল নুন লাকড়ি' ও 'বীরবলের হালখাতা' এবং গল্পগ্রন্থ 'চার ইয়ারী কথা' বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বইপড়া' একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে তিনি শিক্ষার প্রধান মাধ্যম হিসেবে লাইব্রেরি ও বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর 'রায়তের কথা' একটি প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কৃষকদের অধিকার ও সামাজিক অবস্থা অত্যন্ত যুক্তিনির্ভর ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতোম প্যাঁচা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত ছদ্মনাম, যার মাধ্যমে তিনি 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' রচনা করেছিলেন। B) অবধূত — এটি মূলত সাহিত্যিক ও সন্ন্যাসী দুর্জাতি প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যিনি 'মরুতীর্থ হিংলাজ' উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) বীরবল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি প্রমথ চৌধুরীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম, যার মাধ্যমে তিনি বাংলার প্রথম সার্থক উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরী বীরের মতো সাহসিকতার সাথে চলিত রীতির প্রবর্তন করেছিলেন, তাই তার ছদ্মনাম বীরবল সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের ছদ্মনাম থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একটি প্রশ্ন প্রায়ই কমন থাকে, তাই লেখকদের আসল নাম ও ছদ্মনাম একসাথে তালিকা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d প্যারীচাঁদ মিত্র
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটির রচায়িতা হলেন বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - সাহিত্যচর্চা ও রচনারীতিতে শিল্পগুণ কতটা জরুরি, তা এই প্রবন্ধে অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার হিসেবে চিরস্মরণীয়। - তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'কমলাকান্তের দপ্তর', 'বিবিধার্থ সংগ্রহ' এবং 'প্রবন্ধমালা' বাংলা মননশীল সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি বিখ্যাত সামাজিক ও দার্শনিক প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে রসবোধের মাধ্যমে সমাজের নানা ত্রুটি তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'সাম্য' ব্যাখ্যা: সমতা ও অধিকার নিয়ে লেখা তাঁর একটি অত্যন্ত প্রগতিশীল ও চিন্তাজাগানিয়া প্রবন্ধগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের পতিযশা জনক ও সমাজ সংস্কারক হলেও 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটি তাঁর লেখা নয়। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নানুযায়ী নির্ণীত উত্তর। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত বাংলা গীতি কবিতার এক অন্যতম প্রধান কবি, প্রবন্ধকার নন। D) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' এর রচয়িতা, আলোচ্য প্রবন্ধের লেখক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসগুলো যেমন বিখ্যাত, তেমনি তাঁর সাহিত্য বিষয়ক প্রবন্ধগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। - রচনার শিল্পগুণ বা সাহিত্য ভাবনা সংক্রান্ত গভীর প্রবন্ধগুলোর জন্য বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধগ্রন্থ ও উপন্যাসের নাম বারবার আসে। - তাঁর রচিত 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
a সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
b আবু জাফর শামসুদ্দীন
c শামসুদ্দীন আবুল কালাম
d জসীম উদ্দীন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১. কেন সঠিক: - 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসের রচয়িতা শামসুদ্দীন আবুল কালাম, যিনি তাঁর উপন্যাসে বাংলার গ্রামীণ জনপদ ও সাধারণ মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন। - কাশবনের কন্যা বলতে মূলত গ্রামীণ পরিবেশের সরল প্রকৃতির এক নারীকে নির্দেশ করা হয়েছে, যা এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তুর সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুদ্দীন আবুল কালাম বিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি মূলত গ্রামীণ সমাজের নিদারুণ বাস্তবতা চিত্রায়ণ করেছেন। - তাঁর সাহিত্যকর্মে নিম্নবর্গীয় মানুষের সংগ্রাম, নদীমাতৃক বাংলার রূপ এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামীণ প্রকৃতি ও মানুষের জীবন নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন ও জীবিকা নিয়ে রচিত একটি ধ্রুপদী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও 'কাশবনের কন্যা' তাঁর লেখা নয়। B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি 'সংবাদ সাধনা' ও 'ভーク' উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন। D) জসীম উদ্দীন — তিনি মূলত পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এবং 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাশবনের কন্যা উপন্যাসের লেখক মনে রাখতে আবুল কালাম আজাদের নামের সঙ্গে শামসুদ্দীন আবুল কালাম নামটি মিলিয়ে নিতে পারো। - এভাবে মনে রাখবে যে নদীর ধারের কাশবন ও গ্রামের গল্প লিখেছেন শামসুদ্দীন আবুল কালাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উপন্যাস ও তাদের লেখকদের নাম প্রায়ই আসে। - গ্রামীণ পটভূমির উপন্যাসগুলোর লেখকদের নাম আলাদাভাবে তালিকা করে পড়লে পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হয়।
a ক+ষ
b ষ + ঞ
c ষ + ক্র
d ষ + জ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক+ষ ১. কেন সঠিক: - 'ক্ষ' একটি যুক্তবর্ণ যা ক এবং ষ বর্ণ দুটির মিলনে গঠিত হয়। - বাংলা বর্ণমালায় এটি একটি বিশেষ যুক্তবর্ণ যার উচ্চারণ অনেক সময় খ এর মতো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে কিছু বিশেষ যুক্তবর্ণ রয়েছে যা সাধারণ নিয়মের বাইরে আলাদা রূপ নেয়। - ক এবং ষ যুক্ত হয়ে ক্ষ গঠিত হয় এবং এর সাথে স্বরবর্ণ যোগ করে পূর্ণাক্ষর তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমা ব্যাখ্যা: ক্ষ যুক্তবর্ণটি শব্দের শুরুতে ব্যবহৃত হয়ে ক্ষমা শব্দটি গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষা ব্যাখ্যা: ক্ষ যুক্তবর্ণটি শব্দের মাঝে ব্যবহৃত হয়ে পরীক্ষা শব্দটি গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক+ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক এবং ষ মিলে ক্ষ গঠিত হয়। B) ষ + ঞ — এটি ভুল কারণ ষ এবং ঞ মিলে অন্য যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। C) ষ + ক্র — এটি ভুল কারণ এটি ষ এবং র ফলা যুক্ত রূপ। D) ষ + জ — এটি ভুল কারণ ষ এবং জ মিলে অন্য যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষ দেখলে মনে রাখবে এটি ক এবং ষ এর যোগফল। - ক এর সাথে ষ যোগ করলে ক্ষ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণের গঠন থেকে প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে ক্ষ, জ্ঞ, ত্র এবং श्र এই যুক্তবর্ণগুলোর গঠন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শয়ন
b অথবা
c মেধাবী
d তোমার
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অথবা ১. কেন সঠিক: - যে পদ কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তিত হয় না অর্থাৎ লিঙ্গ, বচন, পুরুষ, কাল ও বিভক্তি ভেদে যার কোনো রূপান্তর ঘটে না তাকে অব্যয় পদ বলে। - 'অথবা' একটি সংযোজক অব্যয় যা দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর নিজস্ব কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না এবং যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে পদের সঙ্গে পদের বা বাক্যের সঙ্গে বাক্যের সংযোগ ঘটায় তাকে অব্যয় পদ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা সংযোগবাচক, বিয়োগবাচক, সংকোচনবাচক এবং অনুকার অব্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম অথবা করিম কাল বাজারে যাবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'অথবা' অব্যয় পদ দুটি ভিন্ন নাম পদকে বিকল্প অর্থে যুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: তিনি অনেক চেষ্টা করলেন কিন্তু সফল হলেন না। ব্যাখ্যা: এখানে 'কিন্তু' একটি অব্যয় পদ যা দুটি বিপরীতার্থক বাক্যকে সংযুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শয়ন — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি ঘুমানো কাজের নাম বা ভাববাচক বিশেষ্য বোঝাচ্ছে। B) অথবা — এটি অব্যয় পদ যা বিকল্প বা সংযোজন প্রকাশ করে। C) মেধাবী — এটি একটি বিশেষণ পদ যা বিশেষ পদের দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। D) তোমার — এটি একটি সর্বনাম পদ যা বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলোর কখনো রূপ বদলায় না এবং যা বাক্যের মধ্যে শব্দগুলোকে জুড়ে দেয় বা আলাদা করে তাকে অব্যয় বলে মনে রাখবে। - এবং, কিন্তু, অথবা, কিংবা, যদি, তবে ইত্যাদি শব্দগুলো সাধারণত অব্যয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ প্রকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং শব্দ দেখে তার শ্রেণিবিভাগ নির্ণয় করতে হয়। - কোনো শব্দের রূপ পরিবর্তন করা যায় কি না তা পরীক্ষা করে পদের সঠিক রূপ সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a জটিল বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d সরল বাক্য
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে কে চুল বেঁধে দেয়নি প্রশ্নের উত্তরে 'কেউ' হলো একমাত্র কর্তা এবং 'দেয়নি' হলো একমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া, যা বাক্যটির সমাপ্তি ঘটিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের দিক থেকে সরল বাক্যে একটিমাত্র প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে যেখানে অপ্রধান বা অধীন কোনো খণ্ডবাক্যের অস্তিত্ব থাকে না। এখানে মা ছিল না বলে অংশটি একটি অসমাপিকা ভাব প্রকাশ করলেও তা পূর্ণাঙ্গ বাক্যের রূপ নেয়নি বরং মূল সমাপিকা ক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল একটি পদগুচ্ছ হিসেবে কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য উদয় হলে অন্ধকার দূর হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া দূর হয় রয়েছে এবং এটি সরল বাক্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: পরিশ্রমে সফলতা লাভ করা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে কর্তা অদৃশ্য থাকলেও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকায় এটি সরল বাক্য হিসেবে গণ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল বাক্য — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বা নিরপেক্ষ বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। C) মিশ্র বাক্য — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যেরই অন্য নাম, যা সরল বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। D) সরল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া খুঁজবে এবং একাধিক খণ্ডবাক্যের সংযোগকারী অব্যয় না থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের জন্য সরল বাক্য চেনার এই মৌলিক কৌশলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও মূল সমাপিকা ক্রিয়া একটি হলে বাক্যটি সরলই থাকে।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c সংস্কৃত
d ফরাসি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - 'আনারস' শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - পর্তুগিজ বণিক ও প্তুর্গিজদের সংস্পর্শে এসে বাঙালিরা এই অপরিচিত ফলটির সঙ্গে পরিচিত হয় এবং তাদের ভাষাতেই এর নামকরণ গ্রহণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দে সমৃদ্ধ হয়েছে যার মধ্যে পর্তুগিজ শব্দ অন্যতম। - পর্তুগিজরা সমুদ্রপথে বাংলায় আসার কারণে সামুদ্রিক বা ব্যবসায়িক এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা নতুন বস্তু ও খাদ্যের নাম বাংলায় রেখে গেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুবাচক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক কারণ আনারস শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ বাংলায় এলেও আনারস ফারসি শব্দ নয়। C) সংস্কৃত — সংস্কৃত প্রাচীন ভাষা হলেও আনারস সংস্কৃত মূলের শব্দ নয়, এটি একটি বিদেশি শব্দ। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলায় এসেছে তবে আনারস ফরাসি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার কৌশল হলো বিদেশি ফল ও খাদ্যের নাম যেমন আনারস, পেঁপে, পাউরুটি সাধারণত পর্তুগিজ হয়। - দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু জিনিসপত্র যেমন চাবি, বালতি, গামলা পর্তুগিজ ভাষার অন্তর্ভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - খাদ্যদ্রব্য ও গৃহস্থালির সামগ্রীর নাম কোন ভাষা থেকে এসেছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a যক্ষের ধন
b টাকার বিষ
c ব্যাঙের আধুলি
d ছকড়া নকড়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টাকার বিষ ১. কেন সঠিক: - 'টাকার বিষ' বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো অর্থের কুপ্রভাব বা অহংকার। - অতিরিক্ত ধনসম্পদ বা অর্থ মানুষের চরিত্র নষ্ট করে এবং মনে অহংকার ও পাপাচার তৈরি করে, যা এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ পরিচিত বাগধারা, যা শব্দার্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - অর্থের কুপ্রভাব বা অহংকারগ্রস্ত হওয়া বোঝাতে প্রমিত বাংলা ভাষায় এই বাগধারাটির বহুল ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত ধনসম্পদ লাভ করার পর সে সবার সাথে খারাপ আচরণ করছে, একেই বলে টাকার বিষ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অতিরিক্ত অর্থের প্রভাবে মানুষের মানসিক বিকৃতি বা কুপ্রভাব বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্বের মূলে রয়েছে ওই টাকার বিষ। ব্যাখ্যা: এখানে অর্থের লোভ ও তার কুফল সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যক্ষের ধন — এই বাগধারাটির অর্থ কৃপণের ধন বা অত্যন্ত যত্নে রক্ষিত গুপ্তধন, যা অর্থের কুপ্রভাব বোঝায় না। B) টাকার বিষ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি অর্থের কুপ্রভাব প্রকাশ করে। C) ব্যাঙের আধুলি — এই বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব ব্যাপার বা সামান্য সম্পদ, যা মূল প্রশ্নের অর্থের সাথে মেলে না। D) ছকড়া নকড়া — এই বাগধারাটির অর্থ হেয় বস্তু বা অবমূল্যায়িত জিনিস, যা প্রশ্নের চাহিদার বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: - টাকার সাথে বিষ শব্দটি যুক্ত থাকলেই বুঝবে এটি অর্থের কুপ্রভাব বা খারাপ প্রভাবকে নির্দেশ করছে। - বিষ যেমন শরীরের জন্য ক্ষতিকর, তেমনই অতিরিক্ত টাকা বা টাকার অহংকার মানুষের মনের জন্য ক্ষতিকর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাগধারা মুখস্থ না করে এর ভেতরের অন্তর্নিহিত অর্থ ও ভাবার্থ বোঝার চেষ্টা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a নী + রব
b নি + রব
c নিঃ + রব
d নিঃ + রব
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিঃ + রব ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের আওতাধীন। - নিয়মানুযায়ী বিসর্গের পর র থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয় এবং তার আগের স্বরধ্বনি দীর্ঘ হয়। - এখানে নি বিসর্গ যুক্ত শব্দের সঙ্গে রব যুক্ত হয়ে নীরব গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গের পর র থাকলে বিসর্গের পূর্বে অবস্থিত হ্রস্ব স্বরধ্বনি দীর্ঘ স্বরধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - অর্থাৎ ই বা উ দীর্ঘ ঈ বা ঊ তে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি + রোগ = নীরোগ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর র থাকায় বিসর্গ লোপ পেয়েছে এবং নি এর ই দীর্ঘ ঈ হয়ে নীরোগ হয়েছে। উদাহরণ ২: নি + রস = নীরস ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর র যুক্ত হওয়ার কারণে বিসর্গ উঠে গেছে এবং আগের হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ স্বর হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নী + রব — এখানে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের সঙ্গে মেলে না। B) নি + রব — এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যা সঠিক গঠনের জন্য অপরিহার্য। C) নিঃ + রব — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে পালিত হয়েছে। D) নিঃ + রব — প্রদত্ত অপশনগুলোর বিন্যাস অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প রূপ হিসেবে নির্দেশিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে র দেখলে মনে রাখবে আগের হ্রস্ব ই বা উ দীর্ঘ ঈ বা ঊ হয়ে যায়। - সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় বিসর্গ চিহ্ন বসাতে ভুল করবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নীরোগ এবং নীরস শব্দগুলো বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ব্যয়
b জলহস্তী
c হরিণ
d সিংহ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হরিণ ১. কেন সঠিক: - শম্বর শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হরিণ বা একজাতীয় মৃগ বিশেষ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক বা শব্দের উৎসভিত্তিক প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক তৎসম ও পৌরাণিক শব্দ রয়েছে যার নির্দিষ্ট ঐতিহ্যিক অর্থ আছে। - শম্বর শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বিভিন্ন পৌরাণিক ও অভিধানিক অর্থ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুরঙ্গ ব্যাখ্যা: কুরঙ্গ শব্দের অর্থও হরিণ বা মৃগ, যা শম্বর শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সারঙ্গ ব্যাখ্যা: সারঙ্গ শব্দের বিভিন্ন অর্থের মধ্যে হরিণ অন্যতম একটি পরিচিত অর্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যয় — ব্যয় শব্দের অর্থ খরচ বা অপচয়, যা শম্বর শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) জলহস্তী — জলহস্তী একটি জলচর ও স্থলচর স্তন্যপায়ী বিশাল প্রাণী, এর সঙ্গে শম্বর শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। C) হরিণ — এটি সঠিক উত্তর। D) সিংহ — সিংহ হলো বন্য পশু বা পশুর রাজা, এটি শম্বর শব্দের অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শম্বর এবং হরিণ উভয় শব্দের শুরুর অক্ষর বা উচ্চারণ মনে রেখে একটি ছোট ছন্দ তৈরি করতে পারো। শম্বর দেখলেই হরিণ বা মৃগ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কঠিন ও অপরিচিত শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। তাই প্রমিত বাংলা অভিধান থেকে গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নীচ
b ইতর
c নম্র
d ক্ষুদ্র
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নম্র ১. কেন সঠিক: 'বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে' এই বাক্যে 'ছোট' শব্দটি মানুষের অহংকারহীনতা বা বিনয় প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে বাহ্যিক আকৃতি বা বয়স বোঝানো হয়নি, বরং নিজের অবস্থান নিচে নামিয়ে এনে বিনয়ী হওয়ার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ ও প্রবচন জাতীয় পঙ্‌ক্তি যার মাধ্যমে নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয়। বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ তাদের মূল বা আক্ষরিক অর্থ ছেড়ে রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুুষের জীবন নদী মাত্রই বহমান। ব্যাখ্যা: এখানে নদী শব্দটি মানুষের জীবনযাত্রার গতিশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতি সমাজকে পঙ্গু করে দেয়। ব্যাখ্যা: এখানে পঙ্গু শব্দটি আক্ষরিক অর্থে পা ভাঙা নয়, বরং অকার্যকর বা দুর্বল হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীচ — নীচ শব্দটি জঘন্য বা অসৎ চরিত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের ইতিবাচক শিক্ষার সঙ্গে মেলে না। B) ইতর — ইতর শব্দটি সাধারণ, নিচজাতীয় বা পশুতুল্য আচরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) ক্ষুদ্র — ক্ষুদ্র শব্দটি আয়তনে ছোট বা সংকীর্ণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের নৈতিক বিনয়ের পরিমাপ হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: বড় হওয়ার চাবিকাঠি হলো বিনয়ী হওয়া, তাই বড়র বিপরীতে ছোট মানে এখানে বয়স বা আকার নয় বরং বিনয় বা নম্রতা বোঝায়। প্রবাদ বা কবিতার লাইন বিশ্লেষণ করার সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ বুঝতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ-প্রবচন বা কবিতার চরণের বিশেষার্থ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দচয়নের প্রেক্ষাপট বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a রামরাম বসু
b চণ্ডীচরণ মুন্শি
c মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
d গোলকনাথ শর্মা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামরাম বসু ১. কেন সঠিক: রামরাম বসুকে কেরী সাহেবের মুন্সি বলা হয় কারণ তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান উইলিয়াম কেরীর অধীনে প্রধান মুন্সি বা পণ্ডিত হিসেবে কর্মরত ছিলেন। উইলিয়াম কেরীর নির্দেশেই তিনি বাংলা গদ্য রচনা ও গবেষণার কাজে সহায়তা করেছিলেন এবং তার গদ্যশৈলী ছিল অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও লোকভাষানির্ভর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামরাম বসু ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন অন্যতম প্রধান বাংলা পণ্ডিত ও লেখক যিনি বাংলা গদ্যের সূচনালগ্নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। তার বিখ্যাত গ্রন্থ রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রকাশিত মৌলিক গদ্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি রামরাম বসুর বিখ্যাত গ্রন্থ এবং এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: লিপিমালা ব্যাখ্যা: এটিও রামরাম বসুর রচিত একটি ঐতিহাসিক ও জীবনীমূলক গ্রন্থ যা বাংলা গদ্য বিকাশে সাহায্য করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামরাম বসু — ইনি উইলিয়াম কেরীর অধীনে প্রধান মুন্সি ছিলেন এবং তাকেই কেরী সাহেবের মুন্সি বলা হয়। B) চণ্ডীচরণ মুন্শি — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন তবে তাকে কেরী সাহেবের মুন্সি বলা হয় না। C) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রধান পণ্ডিত ছিলেন এবং কথোপকথন বা রাজাবলি গ্রন্থের রচয়িতা। D) গোলকনাথ শর্মা — ইনি হিতোপদেশ গ্রন্থের বাংলা অনুবাদক ছিলেন তবে কেরী সাহেবের মুন্সি উপাধিতে ভূষিত হননি। ৫ মনে রাখার টিপস: রামরাম বসু নামটির সাথে মুন্সি উপাধিটি মনে রাখতে পারেন কারণ তিনি উইলিয়াম কেরীর প্রধান সহকারী বা মুন্সি ছিলেন। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে তার নাম সবার আগে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক ও তাদের গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থটি কোন সালে প্রকাশিত হয়েছিল তা বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a Robert Browning
b Matthew Arnold
c Helen Keller
d a & b both
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a & b both কেন সঠিক: রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন অত্যন্ত বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার ছিলেন যিনি তার মনস্তাত্ত্বিক নাট্যধর্মী কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ম্যাথু আর্নল্ড এই একই যুগে একজন প্রধান কবি ও সাহিত্য সমালোচক হিসেবে সমানভাবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। উভয় কবিই এই নির্দিষ্ট যুগের সাহিত্য ধারার প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে বিকল্প ডি নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Browning — তিনি একা এই যুগের একমাত্র কবি নন কারণ ম্যাথু আর্নল্ডও একই যুগের কবি ছিলেন। B) Matthew Arnold — তিনি একা এই যুগের একমাত্র প্রতিনিধি নন কারণ রবার্ট ব্রাউনিংও এই যুগের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। C) Helen Keller — তিনি কোনো কবি নন বরং তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান লেখিকা ও সমাজকর্মী ছিলেন। D) a & b both — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় কবিই ভিক্টোরিয়ান যুগের সাহিত্যিক। মনে রাখার টিপস: ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবিদের মনে রাখতে ব্রাউনিং ও আর্নল্ড这两个 নাম একসঙ্গে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
a To get nervous
b to be puzzled
c to bear up
d to be sad
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To get nervous কেন সঠিক: এই ইংরেজি ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো বিপদ আসার আগেই অর্ধেক পথ এগিয়ে গিয়ে তার মুখোমুখি হওয়া। বাস্তব জীবনে এর অর্থ হলো কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সমস্যা আসার আগেই অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত বা নার্ভাস হয়ে পড়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To get nervous — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির মূল অর্থ হলো আশু বিপদে ঘাবড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হওয়া। B) to be puzzled — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিভ্রান্ত হওয়া, যা ফ্রেজটির মূল ভাবকে প্রকাশ করে না। C) to bear up — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো কোনো কঠিন অবস্থা সাহসিকতার সাথে সহ্য করা। D) to be sad — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কেবল দুঃখিত হওয়া, যা বিপদের আশঙ্কায় নার্ভাস হওয়ার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: বিপদ আসার আগেই অর্ধেক পথ গিয়ে আতঙ্কিত হওয়া মানেই নার্ভাস হয়ে যাওয়া।
a Promise
b Public opinion
c Boycott
d Flatter
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Public opinion কেন সঠিক: straw vote একটি ইংরেজি বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ খড়ের ভোট হলেও এর মূল ভাব হলো জনগণের মনের কথা বা সাধারণ মানুষের মতামত যাচাই করা। কোনো আনুষ্ঠানিক বা মূল নির্বাচন নয়, বরং কোনো বিষয়ে জনসাধারণের প্রাথমিক ধারণা বা মতামত জানার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত একটি অনানুষ্ঠানিক জরিপ হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে মানুষের সাধারণ মতপ্রকাশ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Promise — এই শব্দটির অর্থ প্রতিশ্রুতি, যা straw vote বাগধারার সাধারণ মানুষের মতামতের সাথে মিল নেই। B) Public opinion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Boycott — এই শব্দটির অর্থ বর্জন করা, যা কোনো মতামত প্রকাশের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Flatter — এই শব্দটির অর্থ তোষামোদ করা, যা এই বাগধারার অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: straw (খড়) বাতাসে কোন দিকে ওড়ে তা যেমন সহজে বোঝা যায়, তেমনি straw vote দিয়েও জনগণের (public) প্রাথমিক মতামত বোঝা যায়।
a a
b an
c the
d no article
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the কেন সঠিক: - 'get the upper hand' একটি নির্দিষ্ট প্রবাদ বা ইডিওম যার অর্থ হলো কোনো বিষয়ে বা কারো ওপর নিয়ন্ত্রণ বা শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করা। - নির্দিষ্ট এই ফ্রেজে অপরিবর্তনীয় নিয়ম হিসেবে definite article 'the' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি indefinite article এবং এই নির্দিষ্ট ইডিওমের কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) an — ভাওয়েল সাউন্ডের আগে বসে, যা এই প্রবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) the — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনে এই অংশটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) no article — এখানে আর্টিকেল ছাড়া এই ফ্রেজটি গঠিত হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: upper hand শব্দের আগে সবসময় definite article the বসে।
a The, the
b A, the
c The, a
d A, a
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The, the কেন সঠিক: ১. যখন কোনো বিশেষnoun বা abstract noun কোনো ব্যক্তির মধ্যে থাকা গুণ বা প্রবৃত্তি বোঝায়, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট article দি বসে। এখানে পিতার ভেতরের পিতৃস্নেহ বোঝাতে father শব্দের আগে দি বসেছে। ২. বাক্যের দ্বিতীয় অংশে নির্দিষ্ট একটি শিশুকে বোঝানো হয়েছে, তাই child শব্দের পূর্বেও দি বসবে। ৩. এই নিয়মে উভয় শূন্যস্থানেই নির্দিষ্টতা বোঝাতে দি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। B) A, the — প্রথম শূন্যস্থানে অনির্দিষ্ট article বসলে নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটির অর্থ সঠিক হয় না। C) The, a — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে অনির্দিষ্ট article বসলে নির্দিষ্ট কোনো শিশুকে বোঝানো যায় না। D) A, a — উভয় স্থানে অনির্দিষ্ট article বসলে বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো গুণ বা প্রবৃত্তি যখন ব্যক্তির মধ্যে জেগে ওঠে এবং নির্দিষ্ট কাউকে নির্দেশ করে, তখন উভয় শূন্যস্থানে দি বসে।
a Taxation
b Taxible
c Taxing
d Taxable
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Taxable কেন সঠিক: Taxable শব্দটি একটি এডজেক্টিভ কারণ এটি কোনো বস্তুর ওপর কর আরোপ করা যায় কি না তা প্রকাশ করে। Noun-এর পরে able যুক্ত হয়ে সাধারণত এডজেক্টিভ গঠিত হয়। এই নিয়মে Tax শব্দের সাথে able যুক্ত হয়ে Taxable এডজেক্টিভটি তৈরি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taxation - এটি একটি Noun যার অর্থ কর ধার্যকরণ বা করপদ্ধতি। B) Taxible - এটি একটি ভুল বানান, ইংরেজিতে এমন কোনো শব্দ নেই। C) Taxing - এটি একটি Verb-এর ing ফর্ম যা কষ্টকর বা ক্লান্তিকর অর্থ প্রকাশ করে। D) Taxable - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি এডজেক্টিভ। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শেষে able দেখলে সাধারণত সেটিকে এডজেক্টিভ হিসেবে চেনা যায়।
a approval
b aproval
c approof
d aproof
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) approval কেন সঠিক: Approve শব্দটির সাথে al প্রত্যय যুক্ত করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়েছে। ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু verb-এর শেষে al যোগ করে noun বানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) approval — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক বানান ও প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে। B) aproval — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে approve বানানের বানানটি ভুল লেখা হয়েছে। C) approof — এই অপশনটি ভুল কারণ approof বলে ইংরেজী ভাষায় কোনো শব্দ নেই। D) aproof — এই অপশনটি ভুল কারণ এর বানান এবং গঠন সম্পূর্ণ ব্যাকরণবিরুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: Verb শব্দের শেষে al যোগ করে সাধারণত Noun তৈরি করা হয়।
a The thief was caught by red handed.
b The thief was caught red-handed.
c The thief was caught on red handed.
d The thief was caught badly.
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The thief was caught red-handed. কেন সঠিক: এখানে হাতে নাতে ধরার ইংরেজি হিসেবে সঠিক ইডিয়ম 'red-handed' ব্যবহার করা হয়েছে। passive voice গঠনের নিয়মে মূল verb এর past participle রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল হয়েছে। কোনো অতিরিক্ত প্রিপজিশনের প্রয়োজন হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The thief was caught by red handed. — এখানে সঠিক ইডিয়মের আগে ভুল প্রিপজিশন 'by' ব্যবহার করা হয়েছে। B) সঠিক উত্তর। C) The thief was caught on red handed. — এখানে 'red-handed' এর আগে ভুল প্রিপজিশন 'on' বসানো হয়েছে। D) The thief was caught badly. — এখানে 'badly' শব্দটির অর্থ খারাপভাবে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: হাতে নাতে ধরা পড়ার ইংরেজি ইডিয়ম হলো 'red-handed', যার আগে বা পরে কোনো প্রিপজিশন বসে না।
a I have not many relatives.
b I have no relatives,
c I have less relatives,
d I have few relatives.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I have few relatives. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে নাই বললেই চলে বা খুব কম বোঝাতে ইংরেজি গ্রামারে few শব্দটি ব্যবহার করা হয়। Relatives হলো কাউন্টেবল নাউন, যার আগে few বসে কিন্তু less বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have not many relatives. — এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু নাই বললেই চলে বোঝাতে few ব্যবহার করা নিয়ম। B) I have no relatives, — এর অর্থ আমার কোনো আত্মীয়ই নেই, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) I have less relatives, — less শব্দটি আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে বসে, কিন্তু relatives হলো কাউন্টেবল নাউন। D) I have few relatives. — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গ্রামার অনুযায়ী নিখুঁত। মনে রাখার টিপস: গণনা করা যায় এমন জিনিসের ক্ষেত্রে খুব কম বোঝাতে সবসময় few ব্যবহার করবে।
a masculine
b feminine
c Common
d neuter
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Common কেন সঠিক: Spouse শব্দটি এমন একটি লিঙ্গবাচক শব্দ যা স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে পারে। এটি নির্দিষ্ট করে শুধু পুরুষ বা শুধু নারী বোঝায় না। তাই এটি Common gender এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) masculine — এটি শুধু পুরুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। B) feminine — এটি শুধু স্ত্রী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। C) Common — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) neuter — এটি জড় পদার্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যসব শব্দ দিয়ে স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, তাদের Common gender বলে।
a Write
b Follower
c Garanter
d Voter
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Follower কেন সঠিক: এখানে সুই ও সুতার মধ্যে যেমন একটি কাজের সম্পর্ক আছে, তেমনই নেতা ও অনুসারীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। একটি সুইয়ের পেছনে যেমন সুতা থাকে, ঠিক তেমনি একজন নেতার পেছনে অনুসারী বা Follower থাকে। এই প্রশ্নটিতে মূলত দুটি জোড়ার সম্পর্ক বা সাদৃশ্য খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে। নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যেমন অনুসারীর প্রয়োজন হয়, তেমনি সুইয়ের কাজ সম্পন্ন করতে সুতার প্রয়োজন অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Write — লেখার সাথে সুই বা সুতার কোনো সরাসরি বা যৌক্তিক সাদৃশ্য নেই। B) Follower — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Garanter — জামিনদার শব্দের সাথে নেতার জোড়ার কোনো মিল পাওয়া যায় না। D) Voter — ভোটারের সাথে নেতার সম্পর্ক থাকলেও সুই ও সুতার সম্পর্কের সাথে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: সুইয়ের সাথে যেমন সুতা চলে, নেতার সাথে তেমনি অনুসারী চলে।
a T. S. Eliot
b Ernest Hemingway
c Plato
d John Milton
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Ernest Hemingway কেন সঠিক: এটি বিখ্যাত মার্কিন কথাসাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি অমর প্রেমের উপন্যাস। এই উপন্যাসে ফ্রেডেরিক হেনরি এবং ক্যাথরিন বার্কলে এর মধ্যকার করুণ প্রেমের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। বইটির শিরোনাম নেওয়া হয়েছে সপ্তদশ শতাব্দীর কবি জর্জ পিলের একটি কবিতা থেকে। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি হেমিংওয়েকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) T. S. Eliot — টি এস এলিয়ট একজন বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন এবং তিনি মূলত দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড কবিতার জন্য পরিচিত। খ) Ernest Hemingway — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। গ) Plato — প্লেটো একজন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ছিলেন যিনি দ্য রিপাবলিক গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। ঘ) John Milton — জন মিল্টন সপ্তদশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ইংরেজ কবি ও মহাকবি ছিলেন যিনি প্যারাডাইজ লস্ট রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের নামের সাথে অস্ত্র বা আর্মস শব্দটির সংযোগ মনে রাখলেই বইটি চেনা সহজ হবে।
a He is a miserly
b He is miserly man
c He is miserly
d He is miser
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) He is miserly কেন সঠিক: - Miserly শব্দটির শেষে ly থাকলেও এটি Adjective, কারণ এটি Noun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে। - Adjective সাধারণত Subject-এর Complement হিসেবে linking verb-এর পরে সরাসরি বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is a miserly — miserly একটি Adjective হওয়ায় এর পূর্বে indefinite article a বসা এবং তারপরে Noun না থাকা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He is miserly man — miserly একটি Adjective হলেও এর পূর্বে article a না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ভুল ফ্রেজ। D) He is miser — miser একটি Noun, তাই এটিকে Article ছাড়া ব্যবহার করা যায় না, সঠিক হতো He is a miser. মনে রাখার টিপস: কিছু শব্দে ly থাকায় দেখতে Adverb মনে হলেও আসলে সেগুলো Adjective, যেমন miserly, friendly, lovely.
a Go to fetch some water for me.
b Go and fetch some water me.
c Fetch and bring some water for me.
d Fetch some water for me.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fetch some water for me. কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে মূল verb সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছে যা আদেশমূলক বাক্য গঠনে সঠিক নিয়ম মেনে চলে। ২. পানি আনার ক্ষেত্রে go লেখার কোনো প্রয়োজন নেই কারণ fetch বললেই যাওয়া এবং আনা উভয় কাজ বোঝায়। ৩. এখানে preposition হিসেবে for সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Go to fetch some water for me. — এই বাক্যে go এবং fetch দুটি verb একসাথে ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় কারণ fetch একাই যথেষ্ট। B) Go and fetch some water me. — এই বাক্যের শেষে me এর আগে কোনো preposition না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Fetch and bring some water for me. — fetch এবং bring দুটি সমার্থক শব্দ একসাথে ব্যবহার করায় বাক্যটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়েছে। D) Fetch some water for me. — এটি সঠিক অপশন এবং এতে কোনো অতিরিক্ত শব্দ নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে একই অর্থের দুটি শব্দ যেমন go এবং fetch একসাথে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
a I was looked after by my uncle.
b I am look after by my uncle,
c I am begin looked after by my uncle.
d I am looked after by my uncle.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I am looked after by my uncle. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে এবং এর passive করার নিয়ਮ অনুযায়ী Object (me) Subject (I) হয়। - Tense ও Person অনুযায়ী am বসে এবং মূল verb (look)-এর Past Participle (looked) হওয়ার পর preposition (after) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was looked after by my uncle. — এটি Past Indefinite Tense-এর passive, কিন্তু মূল বাক্যটি Present Tense-এ ছিল। B) I am look after by my uncle, — এখানে look-এর Past Participle রূপ (looked) ব্যবহার করা হয়নি এবং শেষে ফুলস্টপের বদলে কমা দেওয়া হয়েছে। C) I am begin looked after by my uncle. — এখানে অতিরিক্ত শব্দ (begin) যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) I am looked after by my uncle. — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Present Indefinite Tense-এর passive করার সব নিয়ম নির্ভুলভাবে মেনে চলেছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর Present Tense-কে passive করার সময় Subject-এর পর am, is বা are বসিয়ে মূল verb-এর Past Participle করতে হয় এবং Group verb-এর preposition অপরিবর্তিত থাকে।
a Is English spoke well by him?
b Is English spoken well by to him?
c Is English spoken well by him?
d Was English spoken well by him?
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Is English spoken well by him? কেন সঠিক: বাকটি বর্তমান কালের ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স হওয়ায় প্যাসিভ করার সময় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে Is ব্যবহার করা হয়েছে। মূল ভার্ব speak এর পাস্ট পার্টিসিপল form spoken বসেছে এবং সাবजेक्ट he পরিবর্তিত হয়ে object হিসেবে by him হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Is English spoke well by him? — এখানে speak ভার্বের সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল form spoken ব্যবহার না করে spoke লেখা হয়েছে যা grammatically ভুল। B) Is English spoken well by to him? — এখানে বাই (by) এর পরিবর্তে অতিরিক্ত টু (to) ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম নয়। C) Is English spoken well by him? — এটি সঠিক উত্তর। D) Was English spoken well by him? — বাক্যটি বর্তমান কালের (Present tense) হওয়ায় এখানে অতীতকালের Was সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সকে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে টেন্স অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয় এবং মূল ভার্বটিকে সবসময় V৩ (Past participle) ফর্মে রূপান্তর করতে হয়।
a I said to him if he would follow me.
b I asked to him if he would follow me.
c I asked him if he would follow me.
d I said to him if he will follow me.
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I asked him if he would follow me. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি প্রশ্নবোধক হওয়ায় said to উঠে গিয়ে asked বসেছে। সংযোজক হিসেবে that এর পরিবর্তে if ব্যবহৃত হয়েছে এবং will পরিবর্তিত হয়ে would হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশ্নবোধক বাক্যে said to এর পরিবর্তে asked বসা দরকার ছিল যা এখানে করা হয়নি। B) asked এর পরে অতিরিক্ত to preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) এটি সঠিক উত্তর। D) will এর পাস্ট ফর্ম would না করে প্রেজেন্ট ফর্ম রেখে দেওয়া হয়েছে এবং asked ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনের সময় ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে said to এর বদলে asked এবং conjunction হিসেবে if বা whether বসে।
a Coward
b Hypocrite
c Sinful
d Honest
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Sinful কেন সঠিক: Virtuous শব্দের অর্থ সদগুণী বা ধার্মিক, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো পাপী বা অসৎ। Sinful শব্দের অর্থ পাপপূর্ণ বা দোষী, যা Virtuous শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Coward — এর অর্থ ভীরু, যা সদগুণী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Hypocrite — এর অর্থ ভণ্ড, যা সরাসরি নৈতিকভাবে পাপী বা অসৎ বোঝায় না। C) Sinful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Honest — এর অর্থ সৎ, যা Virtuous শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Virtue মানে গুণ এবং Sin মানে পাপ, তাই Virtuous এর বিপরীত হলো Sinful।
a Shy
b Emaciated
c Obese
d Playful
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Emaciated কেন সঠিক: Healthy শব্দের অর্থ হলো স্বাস্থ্যবান বা পুষ্টিকর দেহের অধিকারী। এর বিপরীত শব্দ হলো Emaciated যার অর্থ অত্যন্ত দুর্বল বা রোগা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shy — এই শব্দের অর্থ লাজুক, যা সুস্থতার বিপরীতার্থক নয়। B) Emaciated — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অতিরিক্ত রোগা বোঝায়। C) Obese — এই শব্দের অর্থ অতিরিক্ত স্থূল, যা পুরোপুরি বিপরীত নয়। D) Playful — এই শব্দের অর্থ চঞ্চল বা খেলাপ্রিয়, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Healthy মানে সুস্থ আর Emaciated মানে কঙ্কালসার বা খুব রোগা।
a Cry
b Forgive
c Admit
d Shout
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Admit কেন সঠিক: এখানে প্রথম জোড়াটিতে পাপ বা অন্যায় স্বীকার করার সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে। ঠিক তেমনি কোনো দোষ বা ত্রুটি স্বীকার করার ক্ষেত্রে সঠিক ইংরেজি শব্দ হলো অ্যাডমিট বা স্বীকার করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cry — ক্রাই অর্থ কান্না করা, যা দোষ স্বীকার করার সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। B) Forgive — ফরগিভ অর্থ ক্ষমা করা, যা অন্য ব্যক্তি করে কিন্তু এখানে নিজের দোষ স্বীকার করার কথা বলা হয়েছে। C) Admit — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Shout — শাউট অর্থ চিৎকার করা, যা দোষ স্বীকার করার সাথে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: এই ধরনের এনালজি বা সাদৃশ্যমূলক প্রশ্নে শব্দ দুটির শাব্দিক অর্থ ও কাজের মিল খুঁজে বের করতে হয়।
a তিনটি বাহু সমান
b তিনটি কোণ সমান
c মধ্যমাসমূহ সমান
d উপরের সবগুলো
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহু ও কোণের সম্পর্ক ত্রিভুজের জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য ধরি, ত্রিভুজটির বাহু তিনটি হলো ক, খ এবং গ অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি বাহু সমান হয় অর্থাৎ ক = খ = গ সুতরাং, তিনটি কোণ সমান হয় এবং মধ্যমাসমূহও সমান হয় উত্তর: উপরের সবগুলো
a স্থূলকোণ
b সূক্ষ্মকোণ
c সন্নিহিত কোণ
d সমকোণ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সূক্ষ্মকোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাপ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট ধরি, কোণের পরিমাপ = ক ডিগ্রি অতএব, ক এর মান শূন্য ডিগ্রি অপেক্ষা বড় এবং নব্বই ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট সুতরাং, এই শর্ত অনুযায়ী কোণটি সূক্ষ্মকোণ হবে উত্তর: সূক্ষ্মকোণ
a ১টি
b ৩টি
c ২টি
d ৪টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪টি প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সরলরেখা পরস্পর একটি বিন্দুতে মিলিত হয় ধরি, রেখা দুটি হলো এবি এবং সিডি রেখা দুটি বিন্দুতে ছেদ করে অতএব, ছেদবিন্দুতে মোট কোণের সৃষ্টি হয় এই কোণগুলো হলো চারটি কোণ সুতরাং, দুটি সরলরেখা পরস্পর ছেদ করলে মোট উৎপন্ন কোণের সংখ্যা হয় চারটি উত্তর: ৪টি
a সূক্ষ্মকোণ
b স্থূলকোণ
c পূরক কোণ
d প্রবৃদ্ধ কোণ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্থূলকোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাণ = ১২৫° ধরি, যে কোণের পরিমাণ নব্বই ডিগ্রির বেশি কিন্তু একশো আশি ডিগ্রির কম তাকে স্থূলকোণ বলে এখানে ১২৫° কোণটি নব্বই ডিগ্রির চেয়ে বড় অতএব, কোণের পরিমাপের এই পরিসীমা স্থূলকোণের সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিলে যায় সুতরাং, ১২৫° কোণটি একটি স্থূলকোণ উত্তর: স্থূলকোণ
a ৭০ বর্গ সেন্টিমিটার
b ১২০ বর্গ সেন্টিমিটার
c ৬০ বর্গ সেন্টিমিটার
d ৩০ বর্গ সেন্টিমিটার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ বর্গ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ১০ সেন্টিমিটার ত্রিভুজের উচ্চতা = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, ভূমি = ১০ সেন্টিমিটার উচ্চতা = ১২ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফল = ? অতএব, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ভূমি × উচ্চতা ÷ ২ ১০ × ১২ ÷ ২ সুতরাং, ১২০ ÷ ২ = ৬০ উত্তর: ৬০ বর্গ সেন্টিমিটার
a ৩৫°
b ২৩৫°
c ১৪৫°
d ৫৫°
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৫° প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের মান = ১২৫° ধরি, সম্পূরক কোণটির মান = ক° অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ১২৫° + ক° = ১৮০° উত্তর: ৫৫°
a 2
b 4
c 5
d 3
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর কিউব সমান সাতাশ ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো x অতএব, x এর কিউব সমান ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ সুতরাং, x এর মান সমান ৩ উত্তর: ৩
a 0
b অসীম
c 1
d 10
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান পরিবর্তিত হয় এই নিয়মের ব্যতিক্রম কেবল শূন্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে শূন্যের পাওয়ার শূন্য অনির্ধারিত ধরি, যেকোনো সংখ্যা ক হলো শূন্য থেকে বড় বা ছোট একটি বাস্তব সংখ্যা ক এর পাওয়ার ১ ভাগ ক এর পাওয়ার ১ লেখা যায় অতএব, ক এর পাওয়ার ১ ভাগ ক এর পাওয়ার ১ সমান লেখা যায় ক এর পাওয়ার (১ − ১) ক এর পাওয়ার (১ − ১) সমান হলো ক এর পাওয়ার শূন্য সুতরাং, যেকোনো সংখ্যাকে সেই সংখ্যা দিয়েই ভাগ করলে ভাগফল এক হয় তাই ক এর পাওয়ার শূন্য সমান এক পাওয়া যায় উত্তর: ১
a 27
b 7
c 9
d 4
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে a + (১ ÷ a) = ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান বের করতে হবে নির্ণেয় রাশিটি হলো a² + (১ ÷ a²) অতএব, বর্গ করার সূত্র অনুযায়ী লেখা যায় (a + (১ ÷ a))² = a² + (১ ÷ a²) + ২ × a × (১ ÷ a) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই ৩² = a² + (১ ÷ a²) + ২ বা, ৯ = a² + (১ ÷ a²) + ২ উত্তর: a² + (১ ÷ a²) = ৯ − ২ = ৭
a 120
b 180
c 220
d 240
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪০ প্রদত্ত তথ্য: ছাত্রদের ১০, ১২ বা ১৬ সারিতে সাজানো যায় ধরি, ন্যূনতম ছাত্র সংখ্যা হবে ১০, ১২ এবং ১৬ এর লসাগু অতএব, ১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫ ১২ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৩ ১৬ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২ সুতরাং, লসাগু = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫ = ২৪০ উত্তর: ২৪০
a 180
b 0
c 210
d 140
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: গুণ করার জন্য পাঁচটি সংখ্যা দেওয়া আছে। সংখ্যাগুলো হলো ৪, ৫, ০, ৭ এবং ১। ধরি, গুণফল বের করার জন্য সব সংখ্যা একসাথে গুণ করতে হবে। রাশিমমালাটি হলো ৪ × ৫ × ০ × ৭ × ১। অতএব, প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল = ৪ × ৫ = ২০। সেই গুণফলের সাথে পরের সংখ্যা গুণ করলে হয় ২০ × ০ = ০। সুতরাং, শূন্যের সাথে যেকোনো সংখ্যা গুণ করলে গুণফল সব সময় শূন্য হয়। উত্তর: ০
a ১/৩
b ২/৩
c ১/৮
d ৩/৮
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/৩ প্রদত্ত তথ্য: সময় দেওয়া আছে ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট এবং ৫ ঘণ্টা ধরি, মোট সময় ৫ ঘণ্টা এবং অংশ বের করতে হবে ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের অতএব, ১ ঘণ্টা সমান ৬০ মিনিট ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সমান ৬০ মিনিট + ৪০ মিনিট = ১০০ মিনিট সুতরাং, ৫ ঘণ্টা সমান ৫ × ৬০ মিনিট = ৩০০ মিনিট নির্ণয় অংশ সমান ১০০ ÷ ৩০০ = ১/৩ উত্তর: ১/৩
a 0.1
b 0.01
c 0.02
d 0.05
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ১ ÷ ২ ধরি, দশমিক সংখ্যাটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করা হলো ০.১ সমান ১ ÷ ১০ অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ১ ÷ ১০ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ১ ÷ ২ সুতরাং, (১ ÷ ১০) × (১ ÷ ২) = ১ ÷ ২০ ১ কে ২০ দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যায় ০.০৫ উত্তর: ০.০৫
a 10
b 30
c 60
d 90
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশ দুটি সমান দেওয়া আছে ধরি, প্রথম অনুপাতটি হলো নয় ভাগ দশ দ্বিতীয় অনুপাতটি হলো সাতাশ ভাগ ক অতএব, কোণাাকোণি গুণ করে পাই নয় গুণ ক এবং দশ গুণ সাতাশ হলো দুইশত সাতাশ সুতরাং, নয় গুণ ক সমান দুইশত সাতাশ উত্তর: ৩০
a 3
b 4
c 256
d 32
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো ১৬ ধরি, সংখ্যাটির বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে অতএব, √১৬ = ৪ × ৪ এর বর্গমূল সুতরাং, ৪ কে ৪ দ্বারা গুণ করলে ১৬ পাওয়া যায় উত্তর: ৪
a 60
b 600
c 6
d 6000
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ৬৬৬ ধরি, একক স্থানীয় অংক = ৬ দশক স্থানীয় অংক = ৬০ শতকের স্থানীয় অংক = ৬০০ অতএব, সর্বডানের ৬ এর স্থানীয় মান = ৬ মাঝের ৬ এর স্থানীয় মান = ৬০ সুতরাং, সর্ববামের ৬ এর স্থানীয় মান = ৬ × ১০০ উত্তর: ৬০০
a ৯ বিলিয়ন
b ৯ মিলিয়ন
c ৯০ মিলিয়ন
d ৯০ বিলিয়ন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০ মিলিয়ন প্রদত্ত তথ্য: আন্তর্জাতিক গণনা পদ্ধতিতে এক মিলিয়ন সমান দশ লক্ষ দেশীয় গণনা পদ্ধতিতে এক কোটি সমান এক কোটি ধরি, এক মিলিয়ন সমান ১০,০০,০০০ এক কোটি সমান ১,০০,০০,০০০ অতএব, ১ মিলিয়ন সমান ০.১ কোটি ৯০ মিলিয়ন সমান ৯০ × ০.১ কোটি = ৯ কোটি সুতরাং, ৯ কোটি সংখ্যাটি ৯০ মিলিয়নের সমান উত্তর: ৯০ মিলিয়ন
a 3
b 7
c 5
d 6
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি সংখ্যার গুণফল = ২১৬ প্রথম সংখ্যাটি = ৮ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৯ ধরি, তৃতীয় সংখ্যাটি = ক অতএব, ৮ × ৯ × ক = ২১৬ ৭২ × ক = ২১৬ সুতরাং, ক = ২১৬ ÷ ৭২ ক = ৩ উত্তর: ৩
a 0.33
b 0.3
c 1/3
d 2/3
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২/৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ০.৩৩, ০.৩, ১/৩ এবং ২/৩ ধরি, ভগ্নাংশগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করি অতএব, ১/৩ এর মান প্রায় ০.৩৩৩৩ এবং ২/৩ এর মান প্রায় ০.৬৬৬৭ সুতরাং, অপশন এ এর মান ০.৩৩ অপশন বি এর মান ০.৩ অপশন সি এর মান ০.৩৩৩৩ অপশন ডি এর মান ০.৬৬৬৭ উত্তর: ২/৩ হলো বৃহত্তম সংখ্যা
a 20
b 16
c 18
d 15
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ২ : ৩ এবং তাদের লসাগু ২৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ২ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক সংখ্যা দুইটির লসাগু = ২ × ৩ × ক = ৬ক অতএব, প্রশ্নমতে, ৬ক = ২৪ ক = ২৪ ÷ ৬ ক = ৪ সুতরাং, প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২ উত্তর: সংখ্যা দুইটির যোগফল = ৮ + ১২ = ২০
a নাউরু
b জাপান
c কিউবা
d মালদ্বীপ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাউরু কেন সঠিক: - ওশেনিয়া অঞ্চলের মাইক্রোনেশিয়া উপঅঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হলো নাউরু। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র এবং বিশ্বের ক্ষুদ্রতম প্রজাতন্ত্রগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাউরু — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত সঠিক দ্বীপ রাষ্ট্র। B) জাপান — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলে নয়, বরং এশিয়া মহাদেশের পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি দেশ। C) কিউবা — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলে নয়, বরং ক্যারিবীয় সাগর তথা উত্তর আমেরিকা অঞ্চলে অবস্থিত। D) মালদ্বীপ — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলে নয়, বরং এশিয়া মহাদেশের ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: ওশেনিয়ার ক্ষুদ্র দেশ নাউরু, যা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র।
a মক্কা
b জেদ্দা
c জেরুজালেম
d কায়রো
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেরুজালেম কেন সঠিক: - জেরুজালেম শহরটি ইসলাম, খ্রিস্টান এবং ইহুদি এই তিনটি প্রধান আব্রাহামিক ধর্মের কাছেই অত্যন্ত পবিত্র ও ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে বিবেচিত। - ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদ, খ্রিস্টধর্মের যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার স্থান এবং ইহুদিধর্মের পবিত্র পশ্চিম প্রাচীর বা ওয়েলিং ওয়াল এই শহরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মক্কা — এটি কেবল ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম শহর, খ্রিস্টান বা ইহুদি ধর্মের কাছে পবিত্র নয়। B) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি বন্দরনগরী এবং মক্কার প্রবেশদ্বার, যা ধর্মীয়ভাবে তিনটি ধর্মের পবিত্র স্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) জেরুজালেম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের পরিবর্তে সঠিক উত্তর হিসেবে তিনটি ধর্মের পবিত্রতার বিষয়টি প্রযোজ্য। D) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী এবং একটি ঐতিহাসিক ইসলামিক শহর, যা খ্রিস্টান বা ইহুদি ধর্মের প্রধান পবিত্র স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: তিন ধর্মের পবিত্র স্থান জেরুজালেম মনে রাখতে 'তিন অক্ষর' বা 'তিন ধর্ম' কথাটি মাথায় রাখতে পারেন।
a ভ্লাদিমির জেলেনস্কি
b ভলোদিমির মরিসন
c ভলোদিমির জেলেনস্কি
d ভ্লাদিমির পুতিন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভলোদিমির জেলেনস্কি কেন সঠিক: - তিনি ২০১৯ সাল থেকে পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের ষষ্ঠ এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। - রাজনীতিতে আসার আগে তিনি একজন জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা ও অভিনেতা ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ্লাদিমির জেলেনস্কি — নামের বানান ভুল থাকায় এটি সঠিক নয়, কারণ তার সঠিক নাম ভলোদিমির জেলেনস্কি। B) ভলোদিমির মরিসন — মরিসন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট নন, এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল নাম। C) ভলোদিমির জেলেনস্কি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি বর্তমান ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি। D) ভ্লাদিমির পুতিন — তিনি ইউক্রেনের নয়, বরং প্রতিবেশী দেশ রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট। মনে রাখার টিপস: ইউক্রেনের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নামের শুরুতে ভলোদিমির এবং পদবির শুরুতে জেলেনস্কি শব্দ দুটি থাকে।
a চীন
b ইতালি
c গ্রিক
d ফ্রান্স
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতালি কেন সঠিক: - চতুর্দশ শতাব্দীতে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে রেনেসাঁ বা পুনর্জাগরণ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। - প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতি এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে এই সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সূচনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি প্রাচীন সভ্যতার দেশ হলেও এখানে ইউরোপীয় রেনেসাঁ আন্দোলন শুরু হয়নি। B) ইতালি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দেশেই রেনেসাঁ আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটেছিল। C) গ্রিক — প্রাচীন গ্রিসের সংস্কৃতি রেনেসাঁয় প্রভাব ফেললেও আন্দোলনটি গ্রিসে শুরু হয়নি। D) ফ্রান্স — পরবর্তীতে ফ্রান্সে রেনেসাঁ ছড়িয়ে পড়েছিল, তবে এর সূতিকাগার ইতালি। মনে রাখার টিপস: রেনেসাঁ মানে পুনর্জাগরণ এবং এর জন্মস্থান ইতালির ফ্লোরেন্স শহর।
a যুক্তরাজ্য
b যুক্তরাষ্ট্র
c ডেেনমার্ক
d নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ হলেও এটি ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। - ডেনমার্কের রাজমুকুটের অধীন হলেও গ্রিনল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসন এবং নিজস্ব আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের একটি স্বাধীন দেশ হলেও গ্রিনল্যান্ডের ওপর এর কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেই। B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি পরাশক্তি এবং গ্রিনল্যান্ডের ওপর এর কৌশলগত প্রভাব থাকলেও এটি আমেরিকার ভূখণ্ড নয়। C) ডেনমার্ক — এই অপশনটি সঠিক, কারণ গ্রিনল্যান্ড আইনগত ও প্রশাসনিকভাবে ডেনমার্কের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। D) নেদারল্যান্ডস — নেদারল্যান্ডস ইউরোপের একটি দেশ এবং গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে এর কোনো শাসনতান্ত্রিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড বরফে ঢাকা হলেও এর রাজনৈতিক মালিকানা ইউরোপের ছোট্ট দেশ ডেনমার্কের হাতে।
a ০৯ সেপ্টেম্বর
b ০৯ অক্টোবর
c ০৯ নভেম্বর
d ০১ ডিসেম্বর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০৯ অক্টোবর কেন সঠিক: - ১৮৭৪ সালের এই দিনে সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরে ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন গঠিত হয়। - ১৯৬৯ সালের জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত ইউনিভার্সাল পোস্টাল কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক ডাক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৯ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক ডাক দিবস পালিত হয় না, এটি একটি ভুল তারিখ। B) ০৯ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ০৯ নভেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক ডাক দিবস নয়, বরং অন্য দিবস পালিত হয়। D) ০১ ডিসেম্বর — এটি বিশ্ব এইডস দিবস, আন্তর্জাতিক ডাক দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: ডাক বিভাগের সেবা পেতে এবং চিঠি পাঠাতে বছরের নবম মাসের নবম দিন অর্থাৎ অক্টোবর মাসের নয় তারিখকে মনে রাখুন।
a ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
b ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
c ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫
d ১০ জানুয়ারি, ১৯৭৩
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ — এই তারিখটি বাংলাদেশ কর্তৃক জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের সঠিক দিন। B) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এটি বঙ্গবন্ধুর পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঐতিহাসিক দিন। C) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫ — এই তারিখে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি সঠিক সালের চেয়ে এক বছর পরের ভুল তারিখ। D) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল, জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়, সংখ্যাটি মনে রাখতে সাল মনে রাখুন ১৯৭৪ এবং দিন মাস ১৭ সেপ্টেম্বর।
a ঈশ্বরদী, পাবনা
b ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া
c কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
d কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরদী, পাবনা কেন সঠিক: - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মার নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র যা রাশিয়ার প্রযুক্তি ও সহায়তায় নির্মিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরদী, পাবনা — এটি সঠিক অবস্থান হওয়ায় এই অপশনটি উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া — এটি কুষ্টিয়া জেলার একটি উপজেলা যেখানে ভেড়ামারা বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত, রূপপুর এখানে নয়। C) কেরানীগঞ্জ, ঢাকা — এটি ঢাকার একটি উপজেলা যা রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী এবং এর সাথে রূপপুরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি — এটি রাঙ্গামাটি জেলার একটি উপজেলা যেখানে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবস্থান মনে রাখতে পাবনার ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর তীর কথাটি মনে রাখুন।
a 15
b 16
c 17
d 18
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর সংশোধন: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (A) ১৫ ভুল। শিক্ষার অধিকার বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে। ১৫ অনুচ্ছেদে কেবল মৌলিক প্রয়োজনের (অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের উপকরণের) বন্দোবস্ত করার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার সুনির্দিষ্ট অধিকারের কথা বলা হয়েছে। সঠিক উত্তর: C) ১৭ কেন সঠিক: - সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে দেশের সকল শিশুর জন্য অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সমাজের চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে একটি দক্ষ ও জনমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ — এই অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা সহ মৌলিক প্রয়োজনের বন্দোবস্ত করার রাষ্ট্রীয় মূলনীতির কথা বলা হয়েছে, শিক্ষার বিশেষ অধিকার ১৭ অনুচ্ছেদে। B) ১৬ — এই অনুচ্ছেদে গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে শহর ও গ্রামের জীবনযাত্রার মানের ব্যবধান দূর করার কথা বলা হয়েছে। D) ১৮ — এই অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও নৈতিকতার উন্নয়ন এবং মাদক ও জুয়া নিবারণের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা সংক্রান্ত বিশেষ অনুচ্ছেদটি ১৭, যেখানে সাত মানে শিক্ষা এমন একটি সাধারণ মিল ধরে মনে রাখতে পারেন।
a ১৫১০ সালে
b ১৫৯০ সালে
c ১৬০০ সালে
d ১৬১০ সালে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬১০ সালে কেন সঠিক: - মোঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ চিশতী ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। - বাংলার বিদ্রোহী ভূঁইয়াদের দমন ও প্রশাসনিক সুবিধার্থে কৌশলগত কারণে ঢাকাকে রাজধানী করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫১০ সালে — এই সময়ে ঢাকায় কোনো মোঘল রাজধানী স্থাপন করা হয়নি এবং এটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে মেলে না। B) ১৫৯০ সালে — এই সালে ঢাকার প্রশাসনিক বা রাজধানী সংক্রান্ত কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। C) ১৬০০ সালে — এই সময়ে মোঘলরা সুবে বাংলা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি এবং রাজধানী পরিবর্তনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। D) ১৬১০ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ঢাকা প্রথম বাংলার রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ইসলাম খাঁ ১৬১০ সালে ঢাকাকে রাজধানী করেছিলেন, তাই ইসলাম খাঁর নাম ও ১৬১০ সাল একসাথে মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a রামরাম বসু
b চণ্ডীচরণ মুন্শি
c মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
d গোলকনাথ শর্মা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামরাম বসু ১. কেন সঠিক: রামরাম বসুকে কেরী সাহেবের মুন্সি বলা হয় কারণ তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান উইলিয়াম কেরীর অধীনে প্রধান মুন্সি বা পণ্ডিত হিসেবে কর্মরত ছিলেন। উইলিয়াম কেরীর নির্দেশেই তিনি বাংলা গদ্য রচনা ও গবেষণার কাজে সহায়তা করেছিলেন এবং তার গদ্যশৈলী ছিল অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও লোকভাষানির্ভর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামরাম বসু ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন অন্যতম প্রধান বাংলা পণ্ডিত ও লেখক যিনি বাংলা গদ্যের সূচনালগ্নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। তার বিখ্যাত গ্রন্থ রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রকাশিত মৌলিক গদ্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি রামরাম বসুর বিখ্যাত গ্রন্থ এবং এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: লিপিমালা ব্যাখ্যা: এটিও রামরাম বসুর রচিত একটি ঐতিহাসিক ও জীবনীমূলক গ্রন্থ যা বাংলা গদ্য বিকাশে সাহায্য করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামরাম বসু — ইনি উইলিয়াম কেরীর অধীনে প্রধান মুন্সি ছিলেন এবং তাকেই কেরী সাহেবের মুন্সি বলা হয়। B) চণ্ডীচরণ মুন্শি — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন তবে তাকে কেরী সাহেবের মুন্সি বলা হয় না। C) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রধান পণ্ডিত ছিলেন এবং কথোপকথন বা রাজাবলি গ্রন্থের রচয়িতা। D) গোলকনাথ শর্মা — ইনি হিতোপদেশ গ্রন্থের বাংলা অনুবাদক ছিলেন তবে কেরী সাহেবের মুন্সি উপাধিতে ভূষিত হননি। ৫ মনে রাখার টিপস: রামরাম বসু নামটির সাথে মুন্সি উপাধিটি মনে রাখতে পারেন কারণ তিনি উইলিয়াম কেরীর প্রধান সহকারী বা মুন্সি ছিলেন। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে তার নাম সবার আগে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক ও তাদের গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থটি কোন সালে প্রকাশিত হয়েছিল তা বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a মুনীর চৌধুরী
b সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
c নির্মলেন্দু গুণ
d বিমল মিত্র
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিমল মিত্র ১. কেন সঠিক: - 'কড়ি দিয়ে কিনলাম' একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক বিমল মিত্র। - সমাজে মানুষের আত্মসম্মান, মূল্যবোধ এবং অর্থনৈতিক সংকটের সঙ্গে নৈতিকতার দ্বন্দ্ব এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিমল মিত্র বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন জনপ্রিয় ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। - 'কড়ি দিয়ে কিনলাম' ছাড়াও তাঁর রচিত 'সাহেব বিবি গোলাম' বাংলা কথাসাহিত্যে একটি অত্যন্ত কালজয়ী ও জনপ্রিয় উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাহেব বিবি গোলাম ব্যাখ্যা: এটি বিমল মিত্রের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তৎকালীন কলকাতার বাবু সমাজের পতন এবং সামন্তবাদী জীবনযাত্রার চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: বেগম জেসিকা ব্যাখ্যা: এটিও বিমল মিত্রের রচিত একটি সুপরিচিত উপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক খ্যাতির পরিধি আরও প্রসারিত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী যিনি 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ও 'মুখরা রমণী বশীকরণ' নাটকের জন্য বিখ্যাত। B) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — তিনি বাংলা উপন্যাসের মোড় পরিবর্তনকারী কথাসাহিত্যিক যিনি 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসের জন্য চিরস্মরণীয়। C) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও অনুবাদক যিনি 'হুলিয়া' ও 'স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো' কবিতার জন্য পরিচিত। D) বিমল মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'কড়ি দিয়ে কিনলাম' উপন্যাসটি তাঁরই অমর সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিমল মিত্রের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো কড়ি দিয়ে সাহেব বিবি গোলাম কিনলাম। - এর মাধ্যমে তাঁর দুটি প্রধান উপন্যাস কড়ি দিয়ে কিনলাম এবং সাহেব বিবি গোলাম একসাথে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উপন্যাস ও তার রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে ১৯৪৭ এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বাংলা সাহিত্য এবং এর বিখ্যাত ঔপন্যাসিকদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ফকির গরীবুল্লাহ
b আলাওল
c সৈয়দ হামজা
d সাবিরিদ খান
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ হামজা ১. কেন সঠিক: 'হাতেম তাই' কাব্যগ্রন্থটির রচিয়তা বা অনুবাদক হলেন মধ্যযুগের অন্যতম কবি সৈয়দ হামজা। পারস্যের বিখ্যাত দানবীর হাতেম তাইয়ের বদান্যতা ও জীবনকাহিনি অবলম্বনে তিনি এই কাব্যটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি সৈয়দ হামজা অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তিনি আরাকান রাজসভার পাশাপাশি বাংলার সাহিত্যধারার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার এই অনুবাদ গ্রন্থটিতে তৎকালীন মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের ধারা ও লোকগাথার চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে যা সেকালের মুসলিম সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লায়লী মজনু' কাব্যগ্রন্থটি দৌলত উজির বাহরাম খান কর্তৃক রচিত। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রেমের কাহিনিভিত্তিক একটি বিখ্যাত অনুবাদ সাহিত্য। উদাহরণ ২: 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যগ্রন্থটি শাহ মুহম্মদ সগর রচিত। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের প্রখ্যাত ইসলামিক পুথি সাহিত্য ও অনুবাদ ধারার অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফকির গরীবুল্লাহ — তিনি 'আমীর হামজা' ও 'সোনাভন' কাব্যের জন্য বিখ্যাত হলেও 'হাতেম তাই' এর অনুবাদক নন। B) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি এবং তার বিখ্যাত কাজ 'পদ্মাবতী' ও 'সপ্তপয়কর'। D) সাবিরিদ খান — তিনি মধ্যযুগের একজন কবি যিনি 'হানিফা ও করবালার যুদ্ধ' রচনা করেছেন কিন্তু হাতেম তাইয়ের অনুবাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: হাতেম তাই দানশীলতার প্রতীক এবং সৈয়দ হামজা নামটি মনে রাখতে 'হামজা' অংশটি মাথায় রাখতে পারো। মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের কবিদের তালিকা পড়ার সময় মূল গ্রন্থ ও অনুবাদকদের নাম একসাথে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্যের অনুবাদক ও মৌলিক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ফার্সি বা আরবি সাহিত্য থেকে বাংলায় অনূদিত কাব্যগুলোর নাম ও তাদের রচয়িতাদের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a হাঁসুলি বাঁকের উপকথা
b কবিতার কথা
c পথের পাঁচালী
d দিবারাত্রির কাব্য
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবিতার কথা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি উপন্যাস নয়, বরং প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। - প্রশ্নটিতে কোনটি উপন্যাস নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই যে অপশনটি উপন্যাস নয় সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংশ্লিষ্ট লেখক বা সাহিত্যিকের পরিচয়: কবিতার কথা গ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ। - রচনা বা সাহিত্যকর্মের প্রাসঙ্গিক পরিচিতি: কবিতার কথা মূলত আধুনিক বাংলা কবিতা, এর গঠনশৈলী এবং সৃষ্টিপ্রক্রিয়া নিয়ে লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঞ্চয়িতা ব্যাখ্যা: এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি কবির নির্বাচিত কবিতার একটি সংকলন গ্রন্থ। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটিও কোনো উপন্যাস নয়, এটি একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ ও রম্যরচনা সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঁসুলি বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় আঞ্চলিক উপন্যাস। B) কবিতার কথা — এটি জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি প্রাবন্ধিক গ্রন্থ, যা উপন্যাস নয়। C) পথের পাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিশ্বখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। D) দিবারাত্রির কাব্য — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশ মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি কিছু গদ্য ও প্রবন্ধ লিখেছেন যার মধ্যে কবিতার কথা অন্যতম। কবিতা সংক্রান্ত আলোচনা প্রবন্ধ আকারে এই বইটিতে স্থান পেয়েছে, তাই এটি উপন্যাস নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো কবিতার কথা। সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের সময় লেখক ও গ্রন্থের মূল ধারা উপন্যাস, নাটক বা প্রবন্ধ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ফররুখ আহমেদ
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা সাহিত্যে বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং পাশ্চাত্য রীতির সার্থক প্রয়োগকারী হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে প্রথম বিদ্রোহী কবি বলা হয়। বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্যগত পথ থেকে বেরিয়ে এসে তিনি নতুন ভাব ও বিদ্রোহী মানসিকতার সূচনা করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত উনিশ শতকের বাঙালি কবি ও নাট্যকার যিনি বাংলা নাটকের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর অমর সৃষ্টি মেঘনাদবধ কাব্য এবং তিলোত্তমা sambhav কাব্য বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি মহাকাব্য যেখানে রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্রকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকুমারী নাটক ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক যা মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফররুখ আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁর কবি ও পাকিস্তানপন্থী চিন্তাধারার সাহিত্যিক। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবে স্বীকৃত। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তাকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি বলা হয় কিন্তু প্রথম বিদ্রোহী কবি নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কবি ও বিশ্বকবি হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম বিদ্রোহী কবি বললে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং শুধু বিদ্রোহী কবি বললে কাজী নজরুল ইসলামকে মনে রাখবে। প্রথম শব্দটির উপস্থিতি মাইকেল মধুসূদন দত্তকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং বিদ্রোহী কবির মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। এই বিভ্রান্তি এড়াতে কবিদের উপাধিগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়ে রাখবে।
a সাবিরিদ খান
b আলাওল
c মালাধর বসু
d নরোত্তম দাস
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাবিরিদ খান ১. কেন সঠিক: 'বিদ্যাসুন্দর' কাব্যের একজন বিশিষ্ট অনুবাদক হলেন সাবিরিদ খান। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ও অনুবাদ সাহিত্যের ধারায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাবিরিদ খান সপ্তদশ শতাব্দীর একজন মধ্যযুগের মুসলিম কবি ও অনুবাদক। তিনি রোসাঙ্গ রাজসভার কবিদের সমসাময়িক বা কাছাকাছি সময়ের কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিদ্যাসুন্দর অনুবাদ কাব্যটি বেশ বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি প্রামাণিক কাব্য। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত বিখ্যাত একটি কাব্য যা ফার্সি ভাষার অনুবাদের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাবিরিদ খান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বিদ্যাসুন্দর গ্রন্থের অনুবাদক হিসেবে মধ্যযুগের সাহিত্যে পরিচিত। B) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের মহাকবি হলেও বিদ্যাসুন্দর কাব্যের অনুবাদক নন, তিনি পদ্মাবতী ও সয়ফুলমুলুক বদুদিওলের জন্য বিখ্যাত। C) মালাধর বসু — তিনি শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের রচয়িতা ও অনুবাদক, বিদ্যাসুন্দর কাব্যের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) নরোত্তম দাস — তিনি বৈষ্ণব পদকর্তা ও পদাবলীর জন্য পরিচিত, বিদ্যাসুন্দর গ্রন্থের অনুবাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: সাবিরিদ খান নামের সঙ্গে বিদ্যাসুন্দর কাব্যটি মনে রাখতে সাবিরিদ ও সুন্দর এই দুটি শব্দ মিলিয়ে একটি ছন্দ মনে রাখতে পারো। মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের লেখকদের নাম পড়ার সময় ছক করে পড়লে তা সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি ও তাঁদের বিখ্যাত অনুবাদ কাব্য থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই মূল কবি এবং তাঁদের অনূদিত বা মৌলিক গ্রন্থের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করা উচিত।
a ধূমকেতু
b লাঙ্গল
c নবযুগ
d সবগুলো
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে উল্লেখিত ধূমকেতু, লাঙ্গল এবং নবযুগ প্রতিটি পত্রিকাই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। - তিনি এই পত্রিকাগুলোর সঙ্গে সম্পাদক বা প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে যুক্ত ছিলেন এবং এর মাধ্যমে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন পরিচালনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি যিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তার লেখনি ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। - তার সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকাগুলো তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূমকেতু পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা যার প্রধান পরিচালক ছিলেন তিনি নিজে। উদাহরণ ২: লাঙ্গল পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত শ্রমিক ও প্রজার অধিকার আদায়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়া একটি সাময়িকী যার মূল ভূমিকায় ছিলেন নজরুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত একটি বিখ্যাত পত্রিকা হলেও অন্য অপশনগুলোও তার সম্পাদিত হওয়ায় এককভাবে সঠিক উত্তর হতে পারে না। B) লাঙ্গল — এটি নজরুল সম্পাদিত শ্রমিক দলের মুখপত্র হলেও এটি একা সঠিক উত্তর নয় কারণ বাকি পত্রিকাগুলোও তার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) নবযুগ — এটি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের সঙ্গে যৌথভাবে নজরুল সম্পাদিত একটি সান্ধ্য দৈনিক পত্রিকা যা এই প্রশ্নের একমাত্র উত্তর হতে পারে না। D) সবগুলো — ধূমকেতু, লাঙ্গল ও নবযুগ এই তিনটি পত্রিকার সঙ্গেই কাজী নজরুল ইসলাম গভীরভাবে যুক্ত থাকায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকাগুলো মনে রাখার জন্য ধুলান শব্দ মনে রাখতে পারো যেখানে ধুলান মানে ধূমকেতু, লাঙ্গল ও নবযুগ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের সাংবাদিকতা জীবন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রধান পত্রিকাগুলোর নাম মুখস্থ রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধূমকেতু পত্রিকার প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর জন্য আশীর্বাণী লিখেছিলেন। - নবযুগ পত্রিকার মাধ্যমে নজরুল ১৯২০ সালে প্রথম সাংবাদিকতা পেশায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছিলেন।
a হুতোম প্যাঁচা
b অবধূত
c বীরবল
d টেকচাঁদ ঠাকুর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরবল ১. কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, যেখানে তার মূল নাম আড়াল করে 'বীরবল' নামে তিনি লেখালেখি করতেন। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এই লেখকের ছদ্মনামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ ও রম্যরচনার জনক এবং তিনি 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। - তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'তেল নুন লাকড়ি' ও 'বীরবলের হালখাতা' এবং গল্পগ্রন্থ 'চার ইয়ারী কথা' বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বইপড়া' একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে তিনি শিক্ষার প্রধান মাধ্যম হিসেবে লাইব্রেরি ও বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর 'রায়তের কথা' একটি প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কৃষকদের অধিকার ও সামাজিক অবস্থা অত্যন্ত যুক্তিনির্ভর ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতোম প্যাঁচা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত ছদ্মনাম, যার মাধ্যমে তিনি 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' রচনা করেছিলেন। B) অবধূত — এটি মূলত সাহিত্যিক ও সন্ন্যাসী দুর্জাতি প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যিনি 'মরুতীর্থ হিংলাজ' উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) বীরবল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি প্রমথ চৌধুরীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম, যার মাধ্যমে তিনি বাংলার প্রথম সার্থক উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরী বীরের মতো সাহসিকতার সাথে চলিত রীতির প্রবর্তন করেছিলেন, তাই তার ছদ্মনাম বীরবল সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের ছদ্মনাম থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একটি প্রশ্ন প্রায়ই কমন থাকে, তাই লেখকদের আসল নাম ও ছদ্মনাম একসাথে তালিকা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d প্যারীচাঁদ মিত্র
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটির রচায়িতা হলেন বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - সাহিত্যচর্চা ও রচনারীতিতে শিল্পগুণ কতটা জরুরি, তা এই প্রবন্ধে অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার হিসেবে চিরস্মরণীয়। - তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'কমলাকান্তের দপ্তর', 'বিবিধার্থ সংগ্রহ' এবং 'প্রবন্ধমালা' বাংলা মননশীল সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি বিখ্যাত সামাজিক ও দার্শনিক প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে রসবোধের মাধ্যমে সমাজের নানা ত্রুটি তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'সাম্য' ব্যাখ্যা: সমতা ও অধিকার নিয়ে লেখা তাঁর একটি অত্যন্ত প্রগতিশীল ও চিন্তাজাগানিয়া প্রবন্ধগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের পতিযশা জনক ও সমাজ সংস্কারক হলেও 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটি তাঁর লেখা নয়। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নানুযায়ী নির্ণীত উত্তর। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত বাংলা গীতি কবিতার এক অন্যতম প্রধান কবি, প্রবন্ধকার নন। D) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' এর রচয়িতা, আলোচ্য প্রবন্ধের লেখক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসগুলো যেমন বিখ্যাত, তেমনি তাঁর সাহিত্য বিষয়ক প্রবন্ধগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। - রচনার শিল্পগুণ বা সাহিত্য ভাবনা সংক্রান্ত গভীর প্রবন্ধগুলোর জন্য বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধগ্রন্থ ও উপন্যাসের নাম বারবার আসে। - তাঁর রচিত 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
a সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
b আবু জাফর শামসুদ্দীন
c শামসুদ্দীন আবুল কালাম
d জসীম উদ্দীন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১. কেন সঠিক: - 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসের রচয়িতা শামসুদ্দীন আবুল কালাম, যিনি তাঁর উপন্যাসে বাংলার গ্রামীণ জনপদ ও সাধারণ মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন। - কাশবনের কন্যা বলতে মূলত গ্রামীণ পরিবেশের সরল প্রকৃতির এক নারীকে নির্দেশ করা হয়েছে, যা এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তুর সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুদ্দীন আবুল কালাম বিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি মূলত গ্রামীণ সমাজের নিদারুণ বাস্তবতা চিত্রায়ণ করেছেন। - তাঁর সাহিত্যকর্মে নিম্নবর্গীয় মানুষের সংগ্রাম, নদীমাতৃক বাংলার রূপ এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামীণ প্রকৃতি ও মানুষের জীবন নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন ও জীবিকা নিয়ে রচিত একটি ধ্রুপদী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও 'কাশবনের কন্যা' তাঁর লেখা নয়। B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি 'সংবাদ সাধনা' ও 'ভーク' উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন। D) জসীম উদ্দীন — তিনি মূলত পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এবং 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাশবনের কন্যা উপন্যাসের লেখক মনে রাখতে আবুল কালাম আজাদের নামের সঙ্গে শামসুদ্দীন আবুল কালাম নামটি মিলিয়ে নিতে পারো। - এভাবে মনে রাখবে যে নদীর ধারের কাশবন ও গ্রামের গল্প লিখেছেন শামসুদ্দীন আবুল কালাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উপন্যাস ও তাদের লেখকদের নাম প্রায়ই আসে। - গ্রামীণ পটভূমির উপন্যাসগুলোর লেখকদের নাম আলাদাভাবে তালিকা করে পড়লে পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হয়।
a কর্মধারয়
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d দ্বিগু
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়, নেই ওয়ারিশ যার। - সমাসবদ্ধ পদটি দিয়ে এমন একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে যা পূর্বপদ বা পরপদ কোনটিকেই সরাসরি বোঝায় না। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - এখানে 'বে' হলো উপসর্গ বা না-বোধক অব্যয় এবং 'ওয়ারিশ' হলো বিশেষ্য পদ। - যেমন: بے (নেই) ওয়ারিশ যার, অর্থাৎ বেওয়ারিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কর্মধারয় — এখানে পদের অর্থ প্রাধান্য পায় না এবং বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় না। - B) তৎপুরুষ — এখানে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। - C) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) দ্বিগু — এখানে সংখ্যাবাচক পূর্বপদের সাথে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের প্রথমে না-বোধক অব্যয় যুক্ত হয়ে যদি অন্য কাউকে বা কোনো অবস্থাকে বোঝায়, তবে সাধারণত সেটি নঞ বহুব্রীহি সমাস হয়।
a ক+ষ
b ষ + ঞ
c ষ + ক্র
d ষ + জ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক+ষ ১. কেন সঠিক: - 'ক্ষ' একটি যুক্তবর্ণ যা ক এবং ষ বর্ণ দুটির মিলনে গঠিত হয়। - বাংলা বর্ণমালায় এটি একটি বিশেষ যুক্তবর্ণ যার উচ্চারণ অনেক সময় খ এর মতো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে কিছু বিশেষ যুক্তবর্ণ রয়েছে যা সাধারণ নিয়মের বাইরে আলাদা রূপ নেয়। - ক এবং ষ যুক্ত হয়ে ক্ষ গঠিত হয় এবং এর সাথে স্বরবর্ণ যোগ করে পূর্ণাক্ষর তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমা ব্যাখ্যা: ক্ষ যুক্তবর্ণটি শব্দের শুরুতে ব্যবহৃত হয়ে ক্ষমা শব্দটি গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষা ব্যাখ্যা: ক্ষ যুক্তবর্ণটি শব্দের মাঝে ব্যবহৃত হয়ে পরীক্ষা শব্দটি গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক+ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক এবং ষ মিলে ক্ষ গঠিত হয়। B) ষ + ঞ — এটি ভুল কারণ ষ এবং ঞ মিলে অন্য যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। C) ষ + ক্র — এটি ভুল কারণ এটি ষ এবং র ফলা যুক্ত রূপ। D) ষ + জ — এটি ভুল কারণ ষ এবং জ মিলে অন্য যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষ দেখলে মনে রাখবে এটি ক এবং ষ এর যোগফল। - ক এর সাথে ষ যোগ করলে ক্ষ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণের গঠন থেকে প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে ক্ষ, জ্ঞ, ত্র এবং श्र এই যুক্তবর্ণগুলোর গঠন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শয়ন
b অথবা
c মেধাবী
d তোমার
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অথবা ১. কেন সঠিক: - যে পদ কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তিত হয় না অর্থাৎ লিঙ্গ, বচন, পুরুষ, কাল ও বিভক্তি ভেদে যার কোনো রূপান্তর ঘটে না তাকে অব্যয় পদ বলে। - 'অথবা' একটি সংযোজক অব্যয় যা দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর নিজস্ব কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না এবং যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে পদের সঙ্গে পদের বা বাক্যের সঙ্গে বাক্যের সংযোগ ঘটায় তাকে অব্যয় পদ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা সংযোগবাচক, বিয়োগবাচক, সংকোচনবাচক এবং অনুকার অব্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম অথবা করিম কাল বাজারে যাবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'অথবা' অব্যয় পদ দুটি ভিন্ন নাম পদকে বিকল্প অর্থে যুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: তিনি অনেক চেষ্টা করলেন কিন্তু সফল হলেন না। ব্যাখ্যা: এখানে 'কিন্তু' একটি অব্যয় পদ যা দুটি বিপরীতার্থক বাক্যকে সংযুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শয়ন — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি ঘুমানো কাজের নাম বা ভাববাচক বিশেষ্য বোঝাচ্ছে। B) অথবা — এটি অব্যয় পদ যা বিকল্প বা সংযোজন প্রকাশ করে। C) মেধাবী — এটি একটি বিশেষণ পদ যা বিশেষ পদের দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। D) তোমার — এটি একটি সর্বনাম পদ যা বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলোর কখনো রূপ বদলায় না এবং যা বাক্যের মধ্যে শব্দগুলোকে জুড়ে দেয় বা আলাদা করে তাকে অব্যয় বলে মনে রাখবে। - এবং, কিন্তু, অথবা, কিংবা, যদি, তবে ইত্যাদি শব্দগুলো সাধারণত অব্যয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ প্রকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং শব্দ দেখে তার শ্রেণিবিভাগ নির্ণয় করতে হয়। - কোনো শব্দের রূপ পরিবর্তন করা যায় কি না তা পরীক্ষা করে পদের সঠিক রূপ সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a জটিল বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d সরল বাক্য
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে কে চুল বেঁধে দেয়নি প্রশ্নের উত্তরে 'কেউ' হলো একমাত্র কর্তা এবং 'দেয়নি' হলো একমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া, যা বাক্যটির সমাপ্তি ঘটিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের দিক থেকে সরল বাক্যে একটিমাত্র প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে যেখানে অপ্রধান বা অধীন কোনো খণ্ডবাক্যের অস্তিত্ব থাকে না। এখানে মা ছিল না বলে অংশটি একটি অসমাপিকা ভাব প্রকাশ করলেও তা পূর্ণাঙ্গ বাক্যের রূপ নেয়নি বরং মূল সমাপিকা ক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল একটি পদগুচ্ছ হিসেবে কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য উদয় হলে অন্ধকার দূর হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া দূর হয় রয়েছে এবং এটি সরল বাক্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: পরিশ্রমে সফলতা লাভ করা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে কর্তা অদৃশ্য থাকলেও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকায় এটি সরল বাক্য হিসেবে গণ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল বাক্য — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বা নিরপেক্ষ বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। C) মিশ্র বাক্য — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যেরই অন্য নাম, যা সরল বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। D) সরল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া খুঁজবে এবং একাধিক খণ্ডবাক্যের সংযোগকারী অব্যয় না থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের জন্য সরল বাক্য চেনার এই মৌলিক কৌশলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও মূল সমাপিকা ক্রিয়া একটি হলে বাক্যটি সরলই থাকে।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c সংস্কৃত
d ফরাসি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - 'আনারস' শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - পর্তুগিজ বণিক ও প্তুর্গিজদের সংস্পর্শে এসে বাঙালিরা এই অপরিচিত ফলটির সঙ্গে পরিচিত হয় এবং তাদের ভাষাতেই এর নামকরণ গ্রহণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দে সমৃদ্ধ হয়েছে যার মধ্যে পর্তুগিজ শব্দ অন্যতম। - পর্তুগিজরা সমুদ্রপথে বাংলায় আসার কারণে সামুদ্রিক বা ব্যবসায়িক এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা নতুন বস্তু ও খাদ্যের নাম বাংলায় রেখে গেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুবাচক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক কারণ আনারস শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ বাংলায় এলেও আনারস ফারসি শব্দ নয়। C) সংস্কৃত — সংস্কৃত প্রাচীন ভাষা হলেও আনারস সংস্কৃত মূলের শব্দ নয়, এটি একটি বিদেশি শব্দ। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলায় এসেছে তবে আনারস ফরাসি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার কৌশল হলো বিদেশি ফল ও খাদ্যের নাম যেমন আনারস, পেঁপে, পাউরুটি সাধারণত পর্তুগিজ হয়। - দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু জিনিসপত্র যেমন চাবি, বালতি, গামলা পর্তুগিজ ভাষার অন্তর্ভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - খাদ্যদ্রব্য ও গৃহস্থালির সামগ্রীর নাম কোন ভাষা থেকে এসেছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a যক্ষের ধন
b টাকার বিষ
c ব্যাঙের আধুলি
d ছকড়া নকড়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টাকার বিষ ১. কেন সঠিক: - 'টাকার বিষ' বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো অর্থের কুপ্রভাব বা অহংকার। - অতিরিক্ত ধনসম্পদ বা অর্থ মানুষের চরিত্র নষ্ট করে এবং মনে অহংকার ও পাপাচার তৈরি করে, যা এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ পরিচিত বাগধারা, যা শব্দার্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - অর্থের কুপ্রভাব বা অহংকারগ্রস্ত হওয়া বোঝাতে প্রমিত বাংলা ভাষায় এই বাগধারাটির বহুল ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত ধনসম্পদ লাভ করার পর সে সবার সাথে খারাপ আচরণ করছে, একেই বলে টাকার বিষ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অতিরিক্ত অর্থের প্রভাবে মানুষের মানসিক বিকৃতি বা কুপ্রভাব বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্বের মূলে রয়েছে ওই টাকার বিষ। ব্যাখ্যা: এখানে অর্থের লোভ ও তার কুফল সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যক্ষের ধন — এই বাগধারাটির অর্থ কৃপণের ধন বা অত্যন্ত যত্নে রক্ষিত গুপ্তধন, যা অর্থের কুপ্রভাব বোঝায় না। B) টাকার বিষ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি অর্থের কুপ্রভাব প্রকাশ করে। C) ব্যাঙের আধুলি — এই বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব ব্যাপার বা সামান্য সম্পদ, যা মূল প্রশ্নের অর্থের সাথে মেলে না। D) ছকড়া নকড়া — এই বাগধারাটির অর্থ হেয় বস্তু বা অবমূল্যায়িত জিনিস, যা প্রশ্নের চাহিদার বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: - টাকার সাথে বিষ শব্দটি যুক্ত থাকলেই বুঝবে এটি অর্থের কুপ্রভাব বা খারাপ প্রভাবকে নির্দেশ করছে। - বিষ যেমন শরীরের জন্য ক্ষতিকর, তেমনই অতিরিক্ত টাকা বা টাকার অহংকার মানুষের মনের জন্য ক্ষতিকর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাগধারা মুখস্থ না করে এর ভেতরের অন্তর্নিহিত অর্থ ও ভাবার্থ বোঝার চেষ্টা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a নী + রব
b নি + রব
c নিঃ + রব
d নিঃ + রব
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিঃ + রব ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের আওতাধীন। - নিয়মানুযায়ী বিসর্গের পর র থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয় এবং তার আগের স্বরধ্বনি দীর্ঘ হয়। - এখানে নি বিসর্গ যুক্ত শব্দের সঙ্গে রব যুক্ত হয়ে নীরব গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গের পর র থাকলে বিসর্গের পূর্বে অবস্থিত হ্রস্ব স্বরধ্বনি দীর্ঘ স্বরধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - অর্থাৎ ই বা উ দীর্ঘ ঈ বা ঊ তে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি + রোগ = নীরোগ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর র থাকায় বিসর্গ লোপ পেয়েছে এবং নি এর ই দীর্ঘ ঈ হয়ে নীরোগ হয়েছে। উদাহরণ ২: নি + রস = নীরস ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর র যুক্ত হওয়ার কারণে বিসর্গ উঠে গেছে এবং আগের হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ স্বর হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নী + রব — এখানে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের সঙ্গে মেলে না। B) নি + রব — এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যা সঠিক গঠনের জন্য অপরিহার্য। C) নিঃ + রব — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে পালিত হয়েছে। D) নিঃ + রব — প্রদত্ত অপশনগুলোর বিন্যাস অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প রূপ হিসেবে নির্দেশিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে র দেখলে মনে রাখবে আগের হ্রস্ব ই বা উ দীর্ঘ ঈ বা ঊ হয়ে যায়। - সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় বিসর্গ চিহ্ন বসাতে ভুল করবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নীরোগ এবং নীরস শব্দগুলো বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ব্যয়
b জলহস্তী
c হরিণ
d সিংহ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হরিণ ১. কেন সঠিক: - শম্বর শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হরিণ বা একজাতীয় মৃগ বিশেষ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক বা শব্দের উৎসভিত্তিক প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক তৎসম ও পৌরাণিক শব্দ রয়েছে যার নির্দিষ্ট ঐতিহ্যিক অর্থ আছে। - শম্বর শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বিভিন্ন পৌরাণিক ও অভিধানিক অর্থ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুরঙ্গ ব্যাখ্যা: কুরঙ্গ শব্দের অর্থও হরিণ বা মৃগ, যা শম্বর শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সারঙ্গ ব্যাখ্যা: সারঙ্গ শব্দের বিভিন্ন অর্থের মধ্যে হরিণ অন্যতম একটি পরিচিত অর্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যয় — ব্যয় শব্দের অর্থ খরচ বা অপচয়, যা শম্বর শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) জলহস্তী — জলহস্তী একটি জলচর ও স্থলচর স্তন্যপায়ী বিশাল প্রাণী, এর সঙ্গে শম্বর শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। C) হরিণ — এটি সঠিক উত্তর। D) সিংহ — সিংহ হলো বন্য পশু বা পশুর রাজা, এটি শম্বর শব্দের অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শম্বর এবং হরিণ উভয় শব্দের শুরুর অক্ষর বা উচ্চারণ মনে রেখে একটি ছোট ছন্দ তৈরি করতে পারো। শম্বর দেখলেই হরিণ বা মৃগ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কঠিন ও অপরিচিত শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। তাই প্রমিত বাংলা অভিধান থেকে গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নীচ
b ইতর
c নম্র
d ক্ষুদ্র
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নম্র ১. কেন সঠিক: 'বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে' এই বাক্যে 'ছোট' শব্দটি মানুষের অহংকারহীনতা বা বিনয় প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে বাহ্যিক আকৃতি বা বয়স বোঝানো হয়নি, বরং নিজের অবস্থান নিচে নামিয়ে এনে বিনয়ী হওয়ার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ ও প্রবচন জাতীয় পঙ্‌ক্তি যার মাধ্যমে নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয়। বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ তাদের মূল বা আক্ষরিক অর্থ ছেড়ে রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুুষের জীবন নদী মাত্রই বহমান। ব্যাখ্যা: এখানে নদী শব্দটি মানুষের জীবনযাত্রার গতিশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতি সমাজকে পঙ্গু করে দেয়। ব্যাখ্যা: এখানে পঙ্গু শব্দটি আক্ষরিক অর্থে পা ভাঙা নয়, বরং অকার্যকর বা দুর্বল হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীচ — নীচ শব্দটি জঘন্য বা অসৎ চরিত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের ইতিবাচক শিক্ষার সঙ্গে মেলে না। B) ইতর — ইতর শব্দটি সাধারণ, নিচজাতীয় বা পশুতুল্য আচরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) ক্ষুদ্র — ক্ষুদ্র শব্দটি আয়তনে ছোট বা সংকীর্ণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের নৈতিক বিনয়ের পরিমাপ হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: বড় হওয়ার চাবিকাঠি হলো বিনয়ী হওয়া, তাই বড়র বিপরীতে ছোট মানে এখানে বয়স বা আকার নয় বরং বিনয় বা নম্রতা বোঝায়। প্রবাদ বা কবিতার লাইন বিশ্লেষণ করার সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ বুঝতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ-প্রবচন বা কবিতার চরণের বিশেষার্থ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দচয়নের প্রেক্ষাপট বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a কর্তায় ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী কেন সঠিক: - 'পড়াশোনায়' শব্দটি দ্বারা স্থান, সময় বা বিষয় বোঝানো হয়েছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী বিষয় বা ক্ষেত্রে ৭মী বিভক্তির প্রয়োগ হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। - শব্দের সাথে 'য়' বা 'তে' যুক্ত থাকলে সাধারণত ৭মী বিভক্তি হয়। - ব্যাকরণে বিষয় বোঝালে তাকে অধিকরণ কারক ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কর্তায় ৭মী — এখানে কোনো কার্য সম্পাদনকারী বা কর্তা বোঝানো হয়নি। - B) কর্মে ৭মী — এখানে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা বোঝাচ্ছে না। - C) অপাদানে ৭মী — এখানে কোনো কিছু থেকে বিচ্যুতি, চ্যুতি বা ভয় বোঝায়নি। - D) অধিকরণে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিষয় বা ক্ষেত্র বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কোথায় বা কিসে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a Robert Browning
b Matthew Arnold
c Helen Keller
d a & b both
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a & b both কেন সঠিক: রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন অত্যন্ত বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার ছিলেন যিনি তার মনস্তাত্ত্বিক নাট্যধর্মী কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ম্যাথু আর্নল্ড এই একই যুগে একজন প্রধান কবি ও সাহিত্য সমালোচক হিসেবে সমানভাবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। উভয় কবিই এই নির্দিষ্ট যুগের সাহিত্য ধারার প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে বিকল্প ডি নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Browning — তিনি একা এই যুগের একমাত্র কবি নন কারণ ম্যাথু আর্নল্ডও একই যুগের কবি ছিলেন। B) Matthew Arnold — তিনি একা এই যুগের একমাত্র প্রতিনিধি নন কারণ রবার্ট ব্রাউনিংও এই যুগের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। C) Helen Keller — তিনি কোনো কবি নন বরং তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান লেখিকা ও সমাজকর্মী ছিলেন। D) a & b both — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় কবিই ভিক্টোরিয়ান যুগের সাহিত্যিক। মনে রাখার টিপস: ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবিদের মনে রাখতে ব্রাউনিং ও আর্নল্ড这两个 নাম একসঙ্গে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
a masculine
b feminine
c Common
d neuter
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Common কেন সঠিক: Spouse শব্দটি এমন একটি লিঙ্গবাচক শব্দ যা স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে পারে। এটি নির্দিষ্ট করে শুধু পুরুষ বা শুধু নারী বোঝায় না। তাই এটি Common gender এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) masculine — এটি শুধু পুরুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। B) feminine — এটি শুধু স্ত্রী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। C) Common — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) neuter — এটি জড় পদার্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যসব শব্দ দিয়ে স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, তাদের Common gender বলে।
a I have not many relatives.
b I have no relatives,
c I have less relatives,
d I have few relatives.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I have few relatives. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে নাই বললেই চলে বা খুব কম বোঝাতে ইংরেজি গ্রামারে few শব্দটি ব্যবহার করা হয়। Relatives হলো কাউন্টেবল নাউন, যার আগে few বসে কিন্তু less বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have not many relatives. — এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু নাই বললেই চলে বোঝাতে few ব্যবহার করা নিয়ম। B) I have no relatives, — এর অর্থ আমার কোনো আত্মীয়ই নেই, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) I have less relatives, — less শব্দটি আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে বসে, কিন্তু relatives হলো কাউন্টেবল নাউন। D) I have few relatives. — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গ্রামার অনুযায়ী নিখুঁত। মনে রাখার টিপস: গণনা করা যায় এমন জিনিসের ক্ষেত্রে খুব কম বোঝাতে সবসময় few ব্যবহার করবে।
a The thief was caught by red handed.
b The thief was caught red-handed.
c The thief was caught on red handed.
d The thief was caught badly.
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The thief was caught red-handed. কেন সঠিক: এখানে হাতে নাতে ধরার ইংরেজি হিসেবে সঠিক ইডিয়ম 'red-handed' ব্যবহার করা হয়েছে। passive voice গঠনের নিয়মে মূল verb এর past participle রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল হয়েছে। কোনো অতিরিক্ত প্রিপজিশনের প্রয়োজন হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The thief was caught by red handed. — এখানে সঠিক ইডিয়মের আগে ভুল প্রিপজিশন 'by' ব্যবহার করা হয়েছে। B) সঠিক উত্তর। C) The thief was caught on red handed. — এখানে 'red-handed' এর আগে ভুল প্রিপজিশন 'on' বসানো হয়েছে। D) The thief was caught badly. — এখানে 'badly' শব্দটির অর্থ খারাপভাবে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: হাতে নাতে ধরা পড়ার ইংরেজি ইডিয়ম হলো 'red-handed', যার আগে বা পরে কোনো প্রিপজিশন বসে না।
a approval
b aproval
c approof
d aproof
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) approval কেন সঠিক: Approve শব্দটির সাথে al প্রত্যय যুক্ত করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়েছে। ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু verb-এর শেষে al যোগ করে noun বানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) approval — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক বানান ও প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে। B) aproval — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে approve বানানের বানানটি ভুল লেখা হয়েছে। C) approof — এই অপশনটি ভুল কারণ approof বলে ইংরেজী ভাষায় কোনো শব্দ নেই। D) aproof — এই অপশনটি ভুল কারণ এর বানান এবং গঠন সম্পূর্ণ ব্যাকরণবিরুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: Verb শব্দের শেষে al যোগ করে সাধারণত Noun তৈরি করা হয়।
a Taxation
b Taxible
c Taxing
d Taxable
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Taxable কেন সঠিক: Taxable শব্দটি একটি এডজেক্টিভ কারণ এটি কোনো বস্তুর ওপর কর আরোপ করা যায় কি না তা প্রকাশ করে। Noun-এর পরে able যুক্ত হয়ে সাধারণত এডজেক্টিভ গঠিত হয়। এই নিয়মে Tax শব্দের সাথে able যুক্ত হয়ে Taxable এডজেক্টিভটি তৈরি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taxation - এটি একটি Noun যার অর্থ কর ধার্যকরণ বা করপদ্ধতি। B) Taxible - এটি একটি ভুল বানান, ইংরেজিতে এমন কোনো শব্দ নেই। C) Taxing - এটি একটি Verb-এর ing ফর্ম যা কষ্টকর বা ক্লান্তিকর অর্থ প্রকাশ করে। D) Taxable - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি এডজেক্টিভ। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শেষে able দেখলে সাধারণত সেটিকে এডজেক্টিভ হিসেবে চেনা যায়।
a The, the
b A, the
c The, a
d A, a
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The, the কেন সঠিক: ১. যখন কোনো বিশেষnoun বা abstract noun কোনো ব্যক্তির মধ্যে থাকা গুণ বা প্রবৃত্তি বোঝায়, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট article দি বসে। এখানে পিতার ভেতরের পিতৃস্নেহ বোঝাতে father শব্দের আগে দি বসেছে। ২. বাক্যের দ্বিতীয় অংশে নির্দিষ্ট একটি শিশুকে বোঝানো হয়েছে, তাই child শব্দের পূর্বেও দি বসবে। ৩. এই নিয়মে উভয় শূন্যস্থানেই নির্দিষ্টতা বোঝাতে দি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। B) A, the — প্রথম শূন্যস্থানে অনির্দিষ্ট article বসলে নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটির অর্থ সঠিক হয় না। C) The, a — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে অনির্দিষ্ট article বসলে নির্দিষ্ট কোনো শিশুকে বোঝানো যায় না। D) A, a — উভয় স্থানে অনির্দিষ্ট article বসলে বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো গুণ বা প্রবৃত্তি যখন ব্যক্তির মধ্যে জেগে ওঠে এবং নির্দিষ্ট কাউকে নির্দেশ করে, তখন উভয় শূন্যস্থানে দি বসে।
a a
b an
c the
d no article
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the কেন সঠিক: - 'get the upper hand' একটি নির্দিষ্ট প্রবাদ বা ইডিওম যার অর্থ হলো কোনো বিষয়ে বা কারো ওপর নিয়ন্ত্রণ বা শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করা। - নির্দিষ্ট এই ফ্রেজে অপরিবর্তনীয় নিয়ম হিসেবে definite article 'the' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি indefinite article এবং এই নির্দিষ্ট ইডিওমের কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) an — ভাওয়েল সাউন্ডের আগে বসে, যা এই প্রবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) the — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনে এই অংশটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) no article — এখানে আর্টিকেল ছাড়া এই ফ্রেজটি গঠিত হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: upper hand শব্দের আগে সবসময় definite article the বসে।
a Promise
b Public opinion
c Boycott
d Flatter
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Public opinion কেন সঠিক: straw vote একটি ইংরেজি বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ খড়ের ভোট হলেও এর মূল ভাব হলো জনগণের মনের কথা বা সাধারণ মানুষের মতামত যাচাই করা। কোনো আনুষ্ঠানিক বা মূল নির্বাচন নয়, বরং কোনো বিষয়ে জনসাধারণের প্রাথমিক ধারণা বা মতামত জানার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত একটি অনানুষ্ঠানিক জরিপ হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে মানুষের সাধারণ মতপ্রকাশ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Promise — এই শব্দটির অর্থ প্রতিশ্রুতি, যা straw vote বাগধারার সাধারণ মানুষের মতামতের সাথে মিল নেই। B) Public opinion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Boycott — এই শব্দটির অর্থ বর্জন করা, যা কোনো মতামত প্রকাশের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Flatter — এই শব্দটির অর্থ তোষামোদ করা, যা এই বাগধারার অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: straw (খড়) বাতাসে কোন দিকে ওড়ে তা যেমন সহজে বোঝা যায়, তেমনি straw vote দিয়েও জনগণের (public) প্রাথমিক মতামত বোঝা যায়।
a To get nervous
b to be puzzled
c to bear up
d to be sad
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To get nervous কেন সঠিক: এই ইংরেজি ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো বিপদ আসার আগেই অর্ধেক পথ এগিয়ে গিয়ে তার মুখোমুখি হওয়া। বাস্তব জীবনে এর অর্থ হলো কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সমস্যা আসার আগেই অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত বা নার্ভাস হয়ে পড়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To get nervous — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির মূল অর্থ হলো আশু বিপদে ঘাবড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হওয়া। B) to be puzzled — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিভ্রান্ত হওয়া, যা ফ্রেজটির মূল ভাবকে প্রকাশ করে না। C) to bear up — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো কোনো কঠিন অবস্থা সাহসিকতার সাথে সহ্য করা। D) to be sad — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কেবল দুঃখিত হওয়া, যা বিপদের আশঙ্কায় নার্ভাস হওয়ার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: বিপদ আসার আগেই অর্ধেক পথ গিয়ে আতঙ্কিত হওয়া মানেই নার্ভাস হয়ে যাওয়া।
a He is a miserly
b He is miserly man
c He is miserly
d He is miser
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) He is miserly কেন সঠিক: - Miserly শব্দটির শেষে ly থাকলেও এটি Adjective, কারণ এটি Noun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে। - Adjective সাধারণত Subject-এর Complement হিসেবে linking verb-এর পরে সরাসরি বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is a miserly — miserly একটি Adjective হওয়ায় এর পূর্বে indefinite article a বসা এবং তারপরে Noun না থাকা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He is miserly man — miserly একটি Adjective হলেও এর পূর্বে article a না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ভুল ফ্রেজ। D) He is miser — miser একটি Noun, তাই এটিকে Article ছাড়া ব্যবহার করা যায় না, সঠিক হতো He is a miser. মনে রাখার টিপস: কিছু শব্দে ly থাকায় দেখতে Adverb মনে হলেও আসলে সেগুলো Adjective, যেমন miserly, friendly, lovely.
a T. S. Eliot
b Ernest Hemingway
c Plato
d John Milton
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Ernest Hemingway কেন সঠিক: এটি বিখ্যাত মার্কিন কথাসাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি অমর প্রেমের উপন্যাস। এই উপন্যাসে ফ্রেডেরিক হেনরি এবং ক্যাথরিন বার্কলে এর মধ্যকার করুণ প্রেমের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। বইটির শিরোনাম নেওয়া হয়েছে সপ্তদশ শতাব্দীর কবি জর্জ পিলের একটি কবিতা থেকে। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি হেমিংওয়েকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) T. S. Eliot — টি এস এলিয়ট একজন বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন এবং তিনি মূলত দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড কবিতার জন্য পরিচিত। খ) Ernest Hemingway — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। গ) Plato — প্লেটো একজন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ছিলেন যিনি দ্য রিপাবলিক গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। ঘ) John Milton — জন মিল্টন সপ্তদশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ইংরেজ কবি ও মহাকবি ছিলেন যিনি প্যারাডাইজ লস্ট রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের নামের সাথে অস্ত্র বা আর্মস শব্দটির সংযোগ মনে রাখলেই বইটি চেনা সহজ হবে।
a Write
b Follower
c Garanter
d Voter
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Follower কেন সঠিক: এখানে সুই ও সুতার মধ্যে যেমন একটি কাজের সম্পর্ক আছে, তেমনই নেতা ও অনুসারীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। একটি সুইয়ের পেছনে যেমন সুতা থাকে, ঠিক তেমনি একজন নেতার পেছনে অনুসারী বা Follower থাকে। এই প্রশ্নটিতে মূলত দুটি জোড়ার সম্পর্ক বা সাদৃশ্য খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে। নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যেমন অনুসারীর প্রয়োজন হয়, তেমনি সুইয়ের কাজ সম্পন্ন করতে সুতার প্রয়োজন অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Write — লেখার সাথে সুই বা সুতার কোনো সরাসরি বা যৌক্তিক সাদৃশ্য নেই। B) Follower — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Garanter — জামিনদার শব্দের সাথে নেতার জোড়ার কোনো মিল পাওয়া যায় না। D) Voter — ভোটারের সাথে নেতার সম্পর্ক থাকলেও সুই ও সুতার সম্পর্কের সাথে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: সুইয়ের সাথে যেমন সুতা চলে, নেতার সাথে তেমনি অনুসারী চলে।
a Cry
b Forgive
c Admit
d Shout
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Admit কেন সঠিক: এখানে প্রথম জোড়াটিতে পাপ বা অন্যায় স্বীকার করার সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে। ঠিক তেমনি কোনো দোষ বা ত্রুটি স্বীকার করার ক্ষেত্রে সঠিক ইংরেজি শব্দ হলো অ্যাডমিট বা স্বীকার করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cry — ক্রাই অর্থ কান্না করা, যা দোষ স্বীকার করার সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। B) Forgive — ফরগিভ অর্থ ক্ষমা করা, যা অন্য ব্যক্তি করে কিন্তু এখানে নিজের দোষ স্বীকার করার কথা বলা হয়েছে। C) Admit — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Shout — শাউট অর্থ চিৎকার করা, যা দোষ স্বীকার করার সাথে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: এই ধরনের এনালজি বা সাদৃশ্যমূলক প্রশ্নে শব্দ দুটির শাব্দিক অর্থ ও কাজের মিল খুঁজে বের করতে হয়।
a Shy
b Emaciated
c Obese
d Playful
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Emaciated কেন সঠিক: Healthy শব্দের অর্থ হলো স্বাস্থ্যবান বা পুষ্টিকর দেহের অধিকারী। এর বিপরীত শব্দ হলো Emaciated যার অর্থ অত্যন্ত দুর্বল বা রোগা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shy — এই শব্দের অর্থ লাজুক, যা সুস্থতার বিপরীতার্থক নয়। B) Emaciated — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অতিরিক্ত রোগা বোঝায়। C) Obese — এই শব্দের অর্থ অতিরিক্ত স্থূল, যা পুরোপুরি বিপরীত নয়। D) Playful — এই শব্দের অর্থ চঞ্চল বা খেলাপ্রিয়, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Healthy মানে সুস্থ আর Emaciated মানে কঙ্কালসার বা খুব রোগা।
a Coward
b Hypocrite
c Sinful
d Honest
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Sinful কেন সঠিক: Virtuous শব্দের অর্থ সদগুণী বা ধার্মিক, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো পাপী বা অসৎ। Sinful শব্দের অর্থ পাপপূর্ণ বা দোষী, যা Virtuous শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Coward — এর অর্থ ভীরু, যা সদগুণী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Hypocrite — এর অর্থ ভণ্ড, যা সরাসরি নৈতিকভাবে পাপী বা অসৎ বোঝায় না। C) Sinful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Honest — এর অর্থ সৎ, যা Virtuous শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Virtue মানে গুণ এবং Sin মানে পাপ, তাই Virtuous এর বিপরীত হলো Sinful।
a I said to him if he would follow me.
b I asked to him if he would follow me.
c I asked him if he would follow me.
d I said to him if he will follow me.
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I asked him if he would follow me. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি প্রশ্নবোধক হওয়ায় said to উঠে গিয়ে asked বসেছে। সংযোজক হিসেবে that এর পরিবর্তে if ব্যবহৃত হয়েছে এবং will পরিবর্তিত হয়ে would হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশ্নবোধক বাক্যে said to এর পরিবর্তে asked বসা দরকার ছিল যা এখানে করা হয়নি। B) asked এর পরে অতিরিক্ত to preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) এটি সঠিক উত্তর। D) will এর পাস্ট ফর্ম would না করে প্রেজেন্ট ফর্ম রেখে দেওয়া হয়েছে এবং asked ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনের সময় ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে said to এর বদলে asked এবং conjunction হিসেবে if বা whether বসে।
a Is English spoke well by him?
b Is English spoken well by to him?
c Is English spoken well by him?
d Was English spoken well by him?
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Is English spoken well by him? কেন সঠিক: বাকটি বর্তমান কালের ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স হওয়ায় প্যাসিভ করার সময় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে Is ব্যবহার করা হয়েছে। মূল ভার্ব speak এর পাস্ট পার্টিসিপল form spoken বসেছে এবং সাবजेक्ट he পরিবর্তিত হয়ে object হিসেবে by him হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Is English spoke well by him? — এখানে speak ভার্বের সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল form spoken ব্যবহার না করে spoke লেখা হয়েছে যা grammatically ভুল। B) Is English spoken well by to him? — এখানে বাই (by) এর পরিবর্তে অতিরিক্ত টু (to) ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম নয়। C) Is English spoken well by him? — এটি সঠিক উত্তর। D) Was English spoken well by him? — বাক্যটি বর্তমান কালের (Present tense) হওয়ায় এখানে অতীতকালের Was সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সকে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে টেন্স অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয় এবং মূল ভার্বটিকে সবসময় V৩ (Past participle) ফর্মে রূপান্তর করতে হয়।
a I was looked after by my uncle.
b I am look after by my uncle,
c I am begin looked after by my uncle.
d I am looked after by my uncle.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I am looked after by my uncle. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে এবং এর passive করার নিয়ਮ অনুযায়ী Object (me) Subject (I) হয়। - Tense ও Person অনুযায়ী am বসে এবং মূল verb (look)-এর Past Participle (looked) হওয়ার পর preposition (after) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was looked after by my uncle. — এটি Past Indefinite Tense-এর passive, কিন্তু মূল বাক্যটি Present Tense-এ ছিল। B) I am look after by my uncle, — এখানে look-এর Past Participle রূপ (looked) ব্যবহার করা হয়নি এবং শেষে ফুলস্টপের বদলে কমা দেওয়া হয়েছে। C) I am begin looked after by my uncle. — এখানে অতিরিক্ত শব্দ (begin) যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) I am looked after by my uncle. — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Present Indefinite Tense-এর passive করার সব নিয়ম নির্ভুলভাবে মেনে চলেছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর Present Tense-কে passive করার সময় Subject-এর পর am, is বা are বসিয়ে মূল verb-এর Past Participle করতে হয় এবং Group verb-এর preposition অপরিবর্তিত থাকে।
a Go to fetch some water for me.
b Go and fetch some water me.
c Fetch and bring some water for me.
d Fetch some water for me.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fetch some water for me. কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে মূল verb সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছে যা আদেশমূলক বাক্য গঠনে সঠিক নিয়ম মেনে চলে। ২. পানি আনার ক্ষেত্রে go লেখার কোনো প্রয়োজন নেই কারণ fetch বললেই যাওয়া এবং আনা উভয় কাজ বোঝায়। ৩. এখানে preposition হিসেবে for সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Go to fetch some water for me. — এই বাক্যে go এবং fetch দুটি verb একসাথে ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় কারণ fetch একাই যথেষ্ট। B) Go and fetch some water me. — এই বাক্যের শেষে me এর আগে কোনো preposition না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Fetch and bring some water for me. — fetch এবং bring দুটি সমার্থক শব্দ একসাথে ব্যবহার করায় বাক্যটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়েছে। D) Fetch some water for me. — এটি সঠিক অপশন এবং এতে কোনো অতিরিক্ত শব্দ নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে একই অর্থের দুটি শব্দ যেমন go এবং fetch একসাথে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a 120
b 180
c 220
d 240
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪০ প্রদত্ত তথ্য: ছাত্রদের ১০, ১২ বা ১৬ সারিতে সাজানো যায় ধরি, ন্যূনতম ছাত্র সংখ্যা হবে ১০, ১২ এবং ১৬ এর লসাগু অতএব, ১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫ ১২ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৩ ১৬ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২ সুতরাং, লসাগু = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫ = ২৪০ উত্তর: ২৪০
a তিনটি বাহু সমান
b তিনটি কোণ সমান
c মধ্যমাসমূহ সমান
d উপরের সবগুলো
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহু ও কোণের সম্পর্ক ত্রিভুজের জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য ধরি, ত্রিভুজটির বাহু তিনটি হলো ক, খ এবং গ অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি বাহু সমান হয় অর্থাৎ ক = খ = গ সুতরাং, তিনটি কোণ সমান হয় এবং মধ্যমাসমূহও সমান হয় উত্তর: উপরের সবগুলো
a স্থূলকোণ
b সূক্ষ্মকোণ
c সন্নিহিত কোণ
d সমকোণ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সূক্ষ্মকোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাপ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট ধরি, কোণের পরিমাপ = ক ডিগ্রি অতএব, ক এর মান শূন্য ডিগ্রি অপেক্ষা বড় এবং নব্বই ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট সুতরাং, এই শর্ত অনুযায়ী কোণটি সূক্ষ্মকোণ হবে উত্তর: সূক্ষ্মকোণ
a ১টি
b ৩টি
c ২টি
d ৪টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪টি প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সরলরেখা পরস্পর একটি বিন্দুতে মিলিত হয় ধরি, রেখা দুটি হলো এবি এবং সিডি রেখা দুটি বিন্দুতে ছেদ করে অতএব, ছেদবিন্দুতে মোট কোণের সৃষ্টি হয় এই কোণগুলো হলো চারটি কোণ সুতরাং, দুটি সরলরেখা পরস্পর ছেদ করলে মোট উৎপন্ন কোণের সংখ্যা হয় চারটি উত্তর: ৪টি
a সূক্ষ্মকোণ
b স্থূলকোণ
c পূরক কোণ
d প্রবৃদ্ধ কোণ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্থূলকোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাণ = ১২৫° ধরি, যে কোণের পরিমাণ নব্বই ডিগ্রির বেশি কিন্তু একশো আশি ডিগ্রির কম তাকে স্থূলকোণ বলে এখানে ১২৫° কোণটি নব্বই ডিগ্রির চেয়ে বড় অতএব, কোণের পরিমাপের এই পরিসীমা স্থূলকোণের সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিলে যায় সুতরাং, ১২৫° কোণটি একটি স্থূলকোণ উত্তর: স্থূলকোণ
a ৭০ বর্গ সেন্টিমিটার
b ১২০ বর্গ সেন্টিমিটার
c ৬০ বর্গ সেন্টিমিটার
d ৩০ বর্গ সেন্টিমিটার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ বর্গ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ১০ সেন্টিমিটার ত্রিভুজের উচ্চতা = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, ভূমি = ১০ সেন্টিমিটার উচ্চতা = ১২ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফল = ? অতএব, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ভূমি × উচ্চতা ÷ ২ ১০ × ১২ ÷ ২ সুতরাং, ১২০ ÷ ২ = ৬০ উত্তর: ৬০ বর্গ সেন্টিমিটার
a ৩৫°
b ২৩৫°
c ১৪৫°
d ৫৫°
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৫° প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের মান = ১২৫° ধরি, সম্পূরক কোণটির মান = ক° অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ১২৫° + ক° = ১৮০° উত্তর: ৫৫°
a 2
b 4
c 5
d 3
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর কিউব সমান সাতাশ ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো x অতএব, x এর কিউব সমান ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ সুতরাং, x এর মান সমান ৩ উত্তর: ৩
a 0
b অসীম
c 1
d 10
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান পরিবর্তিত হয় এই নিয়মের ব্যতিক্রম কেবল শূন্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে শূন্যের পাওয়ার শূন্য অনির্ধারিত ধরি, যেকোনো সংখ্যা ক হলো শূন্য থেকে বড় বা ছোট একটি বাস্তব সংখ্যা ক এর পাওয়ার ১ ভাগ ক এর পাওয়ার ১ লেখা যায় অতএব, ক এর পাওয়ার ১ ভাগ ক এর পাওয়ার ১ সমান লেখা যায় ক এর পাওয়ার (১ − ১) ক এর পাওয়ার (১ − ১) সমান হলো ক এর পাওয়ার শূন্য সুতরাং, যেকোনো সংখ্যাকে সেই সংখ্যা দিয়েই ভাগ করলে ভাগফল এক হয় তাই ক এর পাওয়ার শূন্য সমান এক পাওয়া যায় উত্তর: ১
a 27
b 7
c 9
d 4
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে a + (১ ÷ a) = ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান বের করতে হবে নির্ণেয় রাশিটি হলো a² + (১ ÷ a²) অতএব, বর্গ করার সূত্র অনুযায়ী লেখা যায় (a + (১ ÷ a))² = a² + (১ ÷ a²) + ২ × a × (১ ÷ a) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই ৩² = a² + (১ ÷ a²) + ২ বা, ৯ = a² + (১ ÷ a²) + ২ উত্তর: a² + (১ ÷ a²) = ৯ − ২ = ৭
a 0.33
b 0.3
c 1/3
d 2/3
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২/৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ০.৩৩, ০.৩, ১/৩ এবং ২/৩ ধরি, ভগ্নাংশগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করি অতএব, ১/৩ এর মান প্রায় ০.৩৩৩৩ এবং ২/৩ এর মান প্রায় ০.৬৬৬৭ সুতরাং, অপশন এ এর মান ০.৩৩ অপশন বি এর মান ০.৩ অপশন সি এর মান ০.৩৩৩৩ অপশন ডি এর মান ০.৬৬৬৭ উত্তর: ২/৩ হলো বৃহত্তম সংখ্যা
a 20
b 16
c 18
d 15
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ২ : ৩ এবং তাদের লসাগু ২৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ২ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক সংখ্যা দুইটির লসাগু = ২ × ৩ × ক = ৬ক অতএব, প্রশ্নমতে, ৬ক = ২৪ ক = ২৪ ÷ ৬ ক = ৪ সুতরাং, প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২ উত্তর: সংখ্যা দুইটির যোগফল = ৮ + ১২ = ২০
a 180
b 0
c 210
d 140
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: গুণ করার জন্য পাঁচটি সংখ্যা দেওয়া আছে। সংখ্যাগুলো হলো ৪, ৫, ০, ৭ এবং ১। ধরি, গুণফল বের করার জন্য সব সংখ্যা একসাথে গুণ করতে হবে। রাশিমমালাটি হলো ৪ × ৫ × ০ × ৭ × ১। অতএব, প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল = ৪ × ৫ = ২০। সেই গুণফলের সাথে পরের সংখ্যা গুণ করলে হয় ২০ × ০ = ০। সুতরাং, শূন্যের সাথে যেকোনো সংখ্যা গুণ করলে গুণফল সব সময় শূন্য হয়। উত্তর: ০
a ১/৩
b ২/৩
c ১/৮
d ৩/৮
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/৩ প্রদত্ত তথ্য: সময় দেওয়া আছে ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট এবং ৫ ঘণ্টা ধরি, মোট সময় ৫ ঘণ্টা এবং অংশ বের করতে হবে ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের অতএব, ১ ঘণ্টা সমান ৬০ মিনিট ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সমান ৬০ মিনিট + ৪০ মিনিট = ১০০ মিনিট সুতরাং, ৫ ঘণ্টা সমান ৫ × ৬০ মিনিট = ৩০০ মিনিট নির্ণয় অংশ সমান ১০০ ÷ ৩০০ = ১/৩ উত্তর: ১/৩
a 0.1
b 0.01
c 0.02
d 0.05
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ১ ÷ ২ ধরি, দশমিক সংখ্যাটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করা হলো ০.১ সমান ১ ÷ ১০ অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ১ ÷ ১০ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ১ ÷ ২ সুতরাং, (১ ÷ ১০) × (১ ÷ ২) = ১ ÷ ২০ ১ কে ২০ দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যায় ০.০৫ উত্তর: ০.০৫
a 10
b 30
c 60
d 90
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশ দুটি সমান দেওয়া আছে ধরি, প্রথম অনুপাতটি হলো নয় ভাগ দশ দ্বিতীয় অনুপাতটি হলো সাতাশ ভাগ ক অতএব, কোণাাকোণি গুণ করে পাই নয় গুণ ক এবং দশ গুণ সাতাশ হলো দুইশত সাতাশ সুতরাং, নয় গুণ ক সমান দুইশত সাতাশ উত্তর: ৩০
a 3
b 4
c 256
d 32
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো ১৬ ধরি, সংখ্যাটির বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে অতএব, √১৬ = ৪ × ৪ এর বর্গমূল সুতরাং, ৪ কে ৪ দ্বারা গুণ করলে ১৬ পাওয়া যায় উত্তর: ৪
a 60
b 600
c 6
d 6000
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ৬৬৬ ধরি, একক স্থানীয় অংক = ৬ দশক স্থানীয় অংক = ৬০ শতকের স্থানীয় অংক = ৬০০ অতএব, সর্বডানের ৬ এর স্থানীয় মান = ৬ মাঝের ৬ এর স্থানীয় মান = ৬০ সুতরাং, সর্ববামের ৬ এর স্থানীয় মান = ৬ × ১০০ উত্তর: ৬০০
a ৯ বিলিয়ন
b ৯ মিলিয়ন
c ৯০ মিলিয়ন
d ৯০ বিলিয়ন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০ মিলিয়ন প্রদত্ত তথ্য: আন্তর্জাতিক গণনা পদ্ধতিতে এক মিলিয়ন সমান দশ লক্ষ দেশীয় গণনা পদ্ধতিতে এক কোটি সমান এক কোটি ধরি, এক মিলিয়ন সমান ১০,০০,০০০ এক কোটি সমান ১,০০,০০,০০০ অতএব, ১ মিলিয়ন সমান ০.১ কোটি ৯০ মিলিয়ন সমান ৯০ × ০.১ কোটি = ৯ কোটি সুতরাং, ৯ কোটি সংখ্যাটি ৯০ মিলিয়নের সমান উত্তর: ৯০ মিলিয়ন
a 3
b 7
c 5
d 6
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি সংখ্যার গুণফল = ২১৬ প্রথম সংখ্যাটি = ৮ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৯ ধরি, তৃতীয় সংখ্যাটি = ক অতএব, ৮ × ৯ × ক = ২১৬ ৭২ × ক = ২১৬ সুতরাং, ক = ২১৬ ÷ ৭২ ক = ৩ উত্তর: ৩

মোট প্রশ্ন (10)

a ১৫১০ সালে
b ১৫৯০ সালে
c ১৬০০ সালে
d ১৬১০ সালে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬১০ সালে কেন সঠিক: - মোঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ চিশতী ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। - বাংলার বিদ্রোহী ভূঁইয়াদের দমন ও প্রশাসনিক সুবিধার্থে কৌশলগত কারণে ঢাকাকে রাজধানী করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫১০ সালে — এই সময়ে ঢাকায় কোনো মোঘল রাজধানী স্থাপন করা হয়নি এবং এটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে মেলে না। B) ১৫৯০ সালে — এই সালে ঢাকার প্রশাসনিক বা রাজধানী সংক্রান্ত কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। C) ১৬০০ সালে — এই সময়ে মোঘলরা সুবে বাংলা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি এবং রাজধানী পরিবর্তনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। D) ১৬১০ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ঢাকা প্রথম বাংলার রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ইসলাম খাঁ ১৬১০ সালে ঢাকাকে রাজধানী করেছিলেন, তাই ইসলাম খাঁর নাম ও ১৬১০ সাল একসাথে মনে রাখবে।
a 15
b 16
c 17
d 18
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর সংশোধন: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (A) ১৫ ভুল। শিক্ষার অধিকার বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে। ১৫ অনুচ্ছেদে কেবল মৌলিক প্রয়োজনের (অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের উপকরণের) বন্দোবস্ত করার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার সুনির্দিষ্ট অধিকারের কথা বলা হয়েছে। সঠিক উত্তর: C) ১৭ কেন সঠিক: - সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে দেশের সকল শিশুর জন্য অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সমাজের চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে একটি দক্ষ ও জনমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ — এই অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা সহ মৌলিক প্রয়োজনের বন্দোবস্ত করার রাষ্ট্রীয় মূলনীতির কথা বলা হয়েছে, শিক্ষার বিশেষ অধিকার ১৭ অনুচ্ছেদে। B) ১৬ — এই অনুচ্ছেদে গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে শহর ও গ্রামের জীবনযাত্রার মানের ব্যবধান দূর করার কথা বলা হয়েছে। D) ১৮ — এই অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও নৈতিকতার উন্নয়ন এবং মাদক ও জুয়া নিবারণের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা সংক্রান্ত বিশেষ অনুচ্ছেদটি ১৭, যেখানে সাত মানে শিক্ষা এমন একটি সাধারণ মিল ধরে মনে রাখতে পারেন।
a ঈশ্বরদী, পাবনা
b ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া
c কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
d কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরদী, পাবনা কেন সঠিক: - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মার নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র যা রাশিয়ার প্রযুক্তি ও সহায়তায় নির্মিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরদী, পাবনা — এটি সঠিক অবস্থান হওয়ায় এই অপশনটি উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া — এটি কুষ্টিয়া জেলার একটি উপজেলা যেখানে ভেড়ামারা বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত, রূপপুর এখানে নয়। C) কেরানীগঞ্জ, ঢাকা — এটি ঢাকার একটি উপজেলা যা রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী এবং এর সাথে রূপপুরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি — এটি রাঙ্গামাটি জেলার একটি উপজেলা যেখানে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবস্থান মনে রাখতে পাবনার ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর তীর কথাটি মনে রাখুন।
a ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
b ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
c ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫
d ১০ জানুয়ারি, ১৯৭৩
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ — এই তারিখটি বাংলাদেশ কর্তৃক জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের সঠিক দিন। B) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এটি বঙ্গবন্ধুর পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঐতিহাসিক দিন। C) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫ — এই তারিখে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি সঠিক সালের চেয়ে এক বছর পরের ভুল তারিখ। D) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল, জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়, সংখ্যাটি মনে রাখতে সাল মনে রাখুন ১৯৭৪ এবং দিন মাস ১৭ সেপ্টেম্বর।
a ০৯ সেপ্টেম্বর
b ০৯ অক্টোবর
c ০৯ নভেম্বর
d ০১ ডিসেম্বর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০৯ অক্টোবর কেন সঠিক: - ১৮৭৪ সালের এই দিনে সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরে ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন গঠিত হয়। - ১৯৬৯ সালের জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত ইউনিভার্সাল পোস্টাল কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক ডাক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৯ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক ডাক দিবস পালিত হয় না, এটি একটি ভুল তারিখ। B) ০৯ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ০৯ নভেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক ডাক দিবস নয়, বরং অন্য দিবস পালিত হয়। D) ০১ ডিসেম্বর — এটি বিশ্ব এইডস দিবস, আন্তর্জাতিক ডাক দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: ডাক বিভাগের সেবা পেতে এবং চিঠি পাঠাতে বছরের নবম মাসের নবম দিন অর্থাৎ অক্টোবর মাসের নয় তারিখকে মনে রাখুন।
a যুক্তরাজ্য
b যুক্তরাষ্ট্র
c ডেেনমার্ক
d নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ হলেও এটি ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। - ডেনমার্কের রাজমুকুটের অধীন হলেও গ্রিনল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসন এবং নিজস্ব আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের একটি স্বাধীন দেশ হলেও গ্রিনল্যান্ডের ওপর এর কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেই। B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি পরাশক্তি এবং গ্রিনল্যান্ডের ওপর এর কৌশলগত প্রভাব থাকলেও এটি আমেরিকার ভূখণ্ড নয়। C) ডেনমার্ক — এই অপশনটি সঠিক, কারণ গ্রিনল্যান্ড আইনগত ও প্রশাসনিকভাবে ডেনমার্কের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। D) নেদারল্যান্ডস — নেদারল্যান্ডস ইউরোপের একটি দেশ এবং গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে এর কোনো শাসনতান্ত্রিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড বরফে ঢাকা হলেও এর রাজনৈতিক মালিকানা ইউরোপের ছোট্ট দেশ ডেনমার্কের হাতে।
a চীন
b ইতালি
c গ্রিক
d ফ্রান্স
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতালি কেন সঠিক: - চতুর্দশ শতাব্দীতে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে রেনেসাঁ বা পুনর্জাগরণ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। - প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতি এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে এই সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সূচনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি প্রাচীন সভ্যতার দেশ হলেও এখানে ইউরোপীয় রেনেসাঁ আন্দোলন শুরু হয়নি। B) ইতালি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দেশেই রেনেসাঁ আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটেছিল। C) গ্রিক — প্রাচীন গ্রিসের সংস্কৃতি রেনেসাঁয় প্রভাব ফেললেও আন্দোলনটি গ্রিসে শুরু হয়নি। D) ফ্রান্স — পরবর্তীতে ফ্রান্সে রেনেসাঁ ছড়িয়ে পড়েছিল, তবে এর সূতিকাগার ইতালি। মনে রাখার টিপস: রেনেসাঁ মানে পুনর্জাগরণ এবং এর জন্মস্থান ইতালির ফ্লোরেন্স শহর।
a ভ্লাদিমির জেলেনস্কি
b ভলোদিমির মরিসন
c ভলোদিমির জেলেনস্কি
d ভ্লাদিমির পুতিন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভলোদিমির জেলেনস্কি কেন সঠিক: - তিনি ২০১৯ সাল থেকে পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের ষষ্ঠ এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। - রাজনীতিতে আসার আগে তিনি একজন জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা ও অভিনেতা ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ্লাদিমির জেলেনস্কি — নামের বানান ভুল থাকায় এটি সঠিক নয়, কারণ তার সঠিক নাম ভলোদিমির জেলেনস্কি। B) ভলোদিমির মরিসন — মরিসন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট নন, এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল নাম। C) ভলোদিমির জেলেনস্কি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি বর্তমান ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি। D) ভ্লাদিমির পুতিন — তিনি ইউক্রেনের নয়, বরং প্রতিবেশী দেশ রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট। মনে রাখার টিপস: ইউক্রেনের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নামের শুরুতে ভলোদিমির এবং পদবির শুরুতে জেলেনস্কি শব্দ দুটি থাকে।
a মক্কা
b জেদ্দা
c জেরুজালেম
d কায়রো
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেরুজালেম কেন সঠিক: - জেরুজালেম শহরটি ইসলাম, খ্রিস্টান এবং ইহুদি এই তিনটি প্রধান আব্রাহামিক ধর্মের কাছেই অত্যন্ত পবিত্র ও ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে বিবেচিত। - ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদ, খ্রিস্টধর্মের যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার স্থান এবং ইহুদিধর্মের পবিত্র পশ্চিম প্রাচীর বা ওয়েলিং ওয়াল এই শহরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মক্কা — এটি কেবল ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম শহর, খ্রিস্টান বা ইহুদি ধর্মের কাছে পবিত্র নয়। B) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি বন্দরনগরী এবং মক্কার প্রবেশদ্বার, যা ধর্মীয়ভাবে তিনটি ধর্মের পবিত্র স্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) জেরুজালেম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের পরিবর্তে সঠিক উত্তর হিসেবে তিনটি ধর্মের পবিত্রতার বিষয়টি প্রযোজ্য। D) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী এবং একটি ঐতিহাসিক ইসলামিক শহর, যা খ্রিস্টান বা ইহুদি ধর্মের প্রধান পবিত্র স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: তিন ধর্মের পবিত্র স্থান জেরুজালেম মনে রাখতে 'তিন অক্ষর' বা 'তিন ধর্ম' কথাটি মাথায় রাখতে পারেন।
a নাউরু
b জাপান
c কিউবা
d মালদ্বীপ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাউরু কেন সঠিক: - ওশেনিয়া অঞ্চলের মাইক্রোনেশিয়া উপঅঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হলো নাউরু। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র এবং বিশ্বের ক্ষুদ্রতম প্রজাতন্ত্রগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাউরু — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত সঠিক দ্বীপ রাষ্ট্র। B) জাপান — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলে নয়, বরং এশিয়া মহাদেশের পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি দেশ। C) কিউবা — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলে নয়, বরং ক্যারিবীয় সাগর তথা উত্তর আমেরিকা অঞ্চলে অবস্থিত। D) মালদ্বীপ — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলে নয়, বরং এশিয়া মহাদেশের ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: ওশেনিয়ার ক্ষুদ্র দেশ নাউরু, যা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র।