মোট প্রশ্ন (200)

a ইচ্ছামতি
b অশনি সংকেত
c আরণ্যক
d বিষাদসিন্ধু
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অশনি সংকেত ১. কেন সঠিক: - অশনি সংকেত হলো কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৩৫০ বঙ্গাব্দের বাংলা তথা মানব ইতিহাসের ভয়াবহ মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। - উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার সহজ-সরল জীবনে যুদ্ধের প্রভাব এবং কৃত্রিম সংকটের কারণে তৈরি হওয়া দুর্ভিক্ষ ও তার মানবিক বিপর্যয় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের এক অনন্য জাদুকর যিনি প্রকৃতি ও মানুষের নিবিড় সম্পর্ক তার লেখায় তুলে ধরেছেন। - অশনি সংকেত উপন্যাসে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার, খাদ্যাভাব এবং মানুষের টিকে থাকার লড়াইয়ের চিত্র অত্যন্ত দক্ষতার সাথে চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস, যেখানে গ্রামীণ জীবনের সুখ-দুঃখ ও অপু-দুর্গার শৈশব চিত্রিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রকৃতি ও অরণ্যনির্ভর উপন্যাস যা ভাগলপুরের জঙ্গলকেন্দ্রিক পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইচ্ছামতি — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত নদীভিত্তিক উপন্যাস হলেও তা ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে রচিত নয়। B) অশনি সংকেত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি সরাসরি ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে রচিত। C) আরণ্যক — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃতি ও অরণ্য জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে রচিত উপন্যাস, দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপট নয়। D) বিষাদসিন্ধু — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি ঐতিহাসিক ও কারবালার বিষাদময় ঘটনাভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিভূতিভূষণের যে উপন্যাসে দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা ও সংকেতের কথা আছে, তার নাম অশনি সংকেত এবং সালটি হলো ১৩৫০ বঙ্গাব্দ। - পরীক্ষার হলে মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষ দেখলেই মনে রাখবে এটি অশনি সংকেত উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ১৩৫০ বঙ্গাব্দের মন্বন্তর নিয়ে লেখা উপন্যাস হলো অশনি সংকেত এবং এর রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - এই উপন্যাস অবলম্বনে পরিচালক সত্যজিৎ রায় বিখ্যাত একই নামের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন।
a ৬টি
b ৪টি
c ৫টি
d ৭টি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫টি ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা নাটকের ইতিহাস ও নাট্যতত্ত্বের বিচারে এর বিকাশকে সামগ্রিকভাবে পাঁচটি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়। বাংলা নাটকের এই কালবিভাজন নাট্যরীতি, বিষয়বস্তু এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা নাটকের এই পাঁচটি পর্ব হলো আদি পর্ব বা সূচনা পর্ব, পৌরাণিক ও সামাজিক নাটক পর্ব, গিরিশচন্দ্র ও দ্বন্দ্বমূলক নাটক পর্ব, রবীন্দ্রনাথ ও এক্সপ্রেশনবাদী নাটক পর্ব এবং আধুনিক ও গ্রুপ থিয়েটার পর্ব। এই কালবিভাজনগুলো বাংলা নাট্যসাহিত্যের মোড় পরিবর্তনকারী বিভিন্ন ধারাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ ব্যাখ্যা: এটি সামাজিক নাটকের ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রথিতযশা নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর কবর ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক বাংলা নাট্যধারার একটি যুগান্তকারী ও পরীক্ষামূলক একাঙ্ক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — বাংলা নাটকের ইতিহাসের প্রমিত কালবিভাজনে ছয়টি পর্ব স্বীকৃত নয়, তাই এটি ভুল। B) ৪টি — নাটকের বিবর্তন ধারাকে চার ভাগে ভাগ করলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ যুগ বাদ পড়ে যায়। D) ৭টি — এই সংখ্যাটি বাংলা নাটকের প্রধান ঐতিহাসিক পর্বগুলোর সংখ্যার চেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা নাটকের প্রধান পর্ব পাঁচটি, এটি মনে রাখতে হাতের পাঁচটি আঙুলের কথা স্মরণ করতে পারো। নাটকের সূচনা থেকে গ্রুপ থিয়েটার পর্যন্ত মোট পাঁচটি ধাপ পার হয়ে আধুনিকতা এসেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বাংলা নাটকের কালবিভাজন এবং বিশিষ্ট নাট্যকারদের নাম খুব ভালো করে পড়তে হবে। এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত নাট্যসাহিত্যের ইতিহাস অংশ থেকে হয়ে থাকে।
a ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী
b পঞ্চাশের মন্বন্তর
c আদিবাসীদের জীবন চিত্র
d অসম ভালোবাসা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী ১. কেন সঠিক: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'কবি' উপন্যাসে মূলত ডোম সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা, তাদের সুখ-দুঃখ এবং সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনচিত্র প্রধানভাবে ফুটে উঠেছে। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র নিতাই একজন ডোম সম্প্রদায়ের মানুষ এবং সে পেশায় কবিগান গায়, যা এই জনগোষ্ঠীর অন্তরমহলকে তুলে ধরে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের এক অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক যিনি রাঢ় অঞ্চলের মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন। 'কবি' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪২ সালে এবং এতে সমাজের নিচুতলার মানুষের আবেগ, বেদনা ও অস্তিত্বের সংগ্রাম মূর্ত হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'গণদেবতা' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি রাঢ় অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজ ও তাঁতি সম্প্রদায়ের পরিবর্তনের গল্প নিয়ে রচিত তার অপর একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে কাহার সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা ও নদীকেন্দ্রিক জনপদের ইতিহাস অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল উপজীব্য ডোম সমাজের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি। B) পঞ্চাশের মন্বন্তর — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু নয়, যদিও তারাশঙ্করের অন্য লেখায় এই কালখণ্ড এসেছে। C) আদিবাসীদের জীবন চিত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ উপন্যাসটি প্রধানত ডোম সম্প্রদায়ের ওপর নিবদ্ধ, যা সাধারণ আদিবাসী থেকে কিছুটা আলাদা। D) অসম ভালোবাসা — এই অপশনটি ভুল কারণ উপন্যাসে প্রেমের প্রসঙ্গ থাকলেও তা প্রধান বিষয়বস্তু নয়, বরং সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবনই মুখ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নিতাই একজন ডোম কবি, তাই মনে রাখবে কবি মানেই ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী। ঔপন্যাসিক তারাশঙ্কর বরাবরই প্রান্তিক মানুষের জীবন নিয়ে লিখেছেন, যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ এই 'কবি' উপন্যাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে 'কবি' উপন্যাসের রচয়িতা কে কিংবা এর মূল চরিত্র কে। এই উপন্যাসের রচয়িতা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এর প্রধান চরিত্র নিতাই কবি, যা মনে রাখা জরুরি।
a মৃত্যুক্ষুধা
b সিন্ধু হিন্দোল
c যুগবাণী
d অগ্নিবীণা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুগবাণী ১. কেন সঠিক: - যুগবাণী হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ, যা সমাজ ও রাজনীতির সমসাময়িক সংকট নিয়ে রচিত। - এই গ্রন্থে ১৯২৬ সালে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রবন্ধের মাধ্যমে বাঙালি সমাজে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তিনি অনেক প্রবন্ধ ও নিবন্ধ রচনা করেছেন। - যুগবাণী গ্রন্থটি মূলত তার চিন্তাশীল ও সমাজসংস্কারমূলক গদ্য রচনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজবন্দীর জবানবন্দী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থ ও জবানবন্দী সাহিত্য। উদাহরণ ২: দুর্দিনের যাত্রী ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। B) সিন্ধু হিন্দোল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। C) যুগবাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের প্রবন্ধ মনে রাখার সূত্র হলো, সমাজ ও রাজনীতির বাণী থাকলে তা যুগবাণী বা দুর্দিনের যাত্রী প্রবন্ধ হবে। - কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের নামগুলোর সঙ্গে প্রবন্ধগুলোর নাম মিলিয়ে ফেললে চলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - যুগবাণী, রাজবন্দীর জবানবন্দী এবং দুর্দিনের যাত্রী হলো নজরুলের সবচেয়ে বেশি পরীক্ষাকেন্দ্রীক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
a Gazzete
b Gazzete
c Gaggete
d Gazette
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gazette ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো Gazette কারণ এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার সঠিক ইংরেজি বানান G-A-Z-E-T-T-E। - বাংলা ভাষায় বিদেশি বা ইংরেজি শব্দের বানানের ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ বজায় রাখার জন্য মূল ইংরেজি বানানটি মনে রাখা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শুদ্ধ বানান বা ইংরেজি পরিভাষা সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বিদেশি শব্দ বাংলায় লেখার সময় বা ইংরেজি বানান নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করার জন্য বানানের গঠন ও অক্ষর বিন্যাস ভালোভাবে খেয়াল করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Committee ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দটিতে দুটি m, দুটি t এবং দুটি e রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানान সংশোধনে খুব বেশি আসে। উদাহরণ ২: Lieutenant ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দটির বানান উচ্চারণ অনুযায়ী একটু জটিল এবং এটি প্রায়ই ভুল বানান হিসেবে অপশনে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gazzete — এই বানানে z এবং t এর বিন্যাস ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানানে মাঝখানে একটি z এবং শেষে দুটি t থাকে। B) Gazzete — প্রদত্ত অপশনটিতেও বানান ভুল রয়েছে এবং এটি অপশন এ এর পুনরাবৃত্তি। C) Gaggete — এই বানানে z এর পরিবর্তে g ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল এবং গ্রহণযোগ্য নয়। D) Gazette — এটি সঠিক বানান কারণ এর মধ্যে সঠিক ইংরেজি বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - Gazette বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো GA-ZET-TE এভাবে ভেঙে পড়া। - শেষ অংশে টি-ই (te) এর আগে ডাবল টি (tt) বসে এটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি ও ইংরেজি থেকে আগত শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন করা হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন উত্তরের জন্য মূল ইংরেজি বানানের সিলেবল বা অক্ষর বিন্যাস বারবার লিখে চর্চা করা উচিত।
a হরিধ্ব, বিবদান
b ক্ষিতি, উর্বী
c দিনমণি, দিন নাথ
d ত্রিদিব, সুরপুর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ত্রিদিব, সুরপুর ১. কেন সঠিক: - ত্রিদিব এবং সুরপুর উভয় শব্দটির অর্থ দেবালয় বা স্বর্গ, যা একই অর্থেরবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - স্বর্গ বলতে দেবতাদের আবাসভূমি বা পরকালের পুণ্যধামকে বোঝায়, যার সমার্থক শব্দ হিসেবে এই জোড়টি সম্পূর্ণ নির্ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের রূপ ভিন্ন হলেও অর্থ এক বা প্রায় এক। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেবালয়, স্বর্গ, পৃথিবী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্যুলোক, অমরধাম ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটিও স্বর্গের সমার্থক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বৈকুণ্ঠ, বেহেশত ব্যাখ্যা: ধর্মীয় ও সাহিত্যিক Kontext এ এগুলোকে স্বর্গের সমার্থক হিসেবে গণ্য করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরিধ্ব, বিবদান — এই শব্দগুলো কোনো অর্থবহ বা প্রমিত সমার্থক শব্দ নয়। B) ক্ষিতি, উর্বী — এই শব্দ দুটি স্বর্গের নয়, বরং পৃথিবীর সমার্থক শব্দ। C) দিনমণি, দিন নাথ — এই শব্দ দুটি স্বর্গের সমার্থক নয়, বরং সূর্যের সমার্থক শব্দ। D) ত্রিদিব, সুরপুর — এটি স্বর্গের সঠিক সমার্থক শব্দজোড় এবং প্রশ্নের দাবির সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেবতারা যেখানে থাকেন তা ত্রিদিব বা সুরপুর, আর মানুষ যেখানে থাকে তা ক্ষিতি বা উর্বী। - সুর মানে দেবতা, তাই সুরের পুর বা নগরী হলো সুরপুর বা স্বর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় জোড়ার দুটি শব্দই মূল শব্দের সাথে মিলছে কি না তা ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। - প্রায়ই একটি শব্দ সঠিক থাকলেও অন্যটি ভুল থাকে, তাই সম্পূর্ণ অপশনটি পড়ে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a লুইপা
b ভুসুকুপা
c শবরপা
d কাহ্নপা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুইপা ১. কেন সঠিক: 'কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল' বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের ১ নম্বর পদ। এই পদটির রচয়িতা বা পদকর্তা হলেন আদি কবি লুইপা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লুইপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও প্রথম কবি এবং তাঁর রচিত পদের সংখ্যা দুটি। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করে ১৯০৭ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপার অপর পদটি হলো ভব নিবেশ তরুবর চঞ্চল চীএ পইঠা কাল। এই পদটিতেও লুইপা মানুষের মন ও জীবনের নশ্বরতা ফুটিয়ে তুলেছেন। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের কবিরা রূপক ও সান্ধ্য ভাষার মাধ্যমে বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের তত্ত্ব প্রচার করতেন। উদাহরণ ২: কাহ্নপার রচিত পদ সংখ্যা তেরোটি যা চর্যাপদে সর্বাধিক। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদের রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই ১ নম্বর পদের রচয়িতা। B) ভুসুকুপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি এই পদের রচয়িতা নন, তিনি চর্যাপদের আটটি পদ রচনা করেছেন। C) শবরপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি এই পদের রচয়িতা নন, তিনি চর্যাপদের দুটি পদ রচনা করেছেন। D) কাহ্নপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি এই পদের রচয়িতা নন, তিনি চর্যাপদের সর্বাধিক তেরোটি পদ রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: লুইপা মানে প্রথম পা এবং তাঁর পদ দিয়েই চর্যাপদের শুরু হয়েছে। কাআ তরুবর পদটি প্রথম পদে থাকায় এটি লুইপার রচনা হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের প্রথম পদ এবং এর রচয়িতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং প্রকাশের সাল মনে রাখাও পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a শওকত ওসমান
b শহীদুল জহির
c শওকত আলী
d সেলিনা হোসেন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শওকত আলী ১. কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত 'যাত্রা' উপন্যাসের রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত আলী। - উপন্যাসটিতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাঙালি সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম ও আত্মত্যাগের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত আলী বাংলা কথাসাহিত্যে এক উজ্জ্বল নাম যিনি মূলত সমাজের বঞ্চিত মানুষের জীবন ও ঐতিহাসিক পটভূমি নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন। - তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ত্রয়ী উপন্যাস বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে যার মধ্যে 'যাত্রা' একটি অন্যতম সার্থক শিল্পকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত আলীর 'দক্ষিণায়নের দিন' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক খ্যাতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। উদাহরণ ২: শওকত আলীর 'কুপ্রাবিল' ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর রচিত একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা সমাজের বিভিন্ন স্তর ও বাস্তবতাকে তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী' বা 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' লিখেছেন, কিন্তু 'যাত্রা' তাঁর রচিত নয়। B) শহীদুল জহির — শহীদুল জহির মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' ছোটগল্পের জন্য পরিচিত, তবে 'যাত্রা' তাঁর উপন্যাস নয়। D) সেলিনা হোসেন — সেলিনা হোসেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' বা 'যাপিত জীবন' উপন্যাস লিখলেও 'যাত্রা' তাঁর উপন্যাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত আলীর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো তাঁর ত্রয়ী উপন্যাসগুলোর নাম একসাথে পড়া। - 'যাত্রা' নামটি জীবনের চলার পথ বা মুক্তিযুদ্ধের সময় মানুষের ঘর ছাড়ার সংগ্রামকে মনে করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটকের রচয়িতা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের নামের সাথে তাঁদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a রাজা ও পথ
b রাজার পথ
c বিশাল পথ
d পথের রাজা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পথের রাজা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ বিষয়ক। রাজপথ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো পথের রাজা। - এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বিশেষ রূপ বা ব্যতিক্রমী প্রয়োগ। যেখানে সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে পদ দুটির অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। রাজপথ শব্দটিতে পথের রাজা বোঝাতে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস ব্যবহার করা হয়েছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রধান বা বড় পথ বোঝাতে এই বিশেষ সমাস গঠিত হয়। যেখানে রাজ শব্দের অর্থ প্রধান বা শ্রেষ্ঠ হিসেবে প্রতিস্থাপিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহানদী ব্যাখ্যা: মহান যে নদী কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হলেও বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: রাজহাঁস ব্যাখ্যা: হাঁসের রাজা ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে গঠিত বিশেষ শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা ও পথ — এই ব্যাসবাক্যটি ভুল কারণ রাজপথ মানে কোনো রাজা ও পথ নয়। B) রাজার পথ — এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রচলিত রাজপথ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। C) বিশাল পথ — বিশাল পথ বোঝালেও রাজপথ শব্দের এটি সঠিক ব্যাসবাক্য বা অর্থ প্রকাশ করে না। D) পথের রাজা — এটি রাজপথ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষিত রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাজপথ বা রাজকীয় কোনো বিশেষ পদের ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় শেষের পদটি প্রথমে আনতে হয়। - রাজ শব্দটি দিয়ে শ্রেষ্ঠ বা প্রধান বোঝালে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয় এবং ব্যাসবাক্য লেখার সময় রাজা শব্দটি পরে চলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সমাস প্রায়ই আসে। - সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে পদের অবস্থান পরিবর্তন করে ব্যাসবাক্য লেখার নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a অলিপিক
b প্রভঞ্জন
c মহি
d তণ্ডুল
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তণ্ডুল ১. কেন সঠিক: - তণ্ডুল শব্দের অর্থ চাল বা খোসা ছাড়ানো ধান, যা রান্না করার পর ভাত হয়। - ব্যাকরণগত ও অভিধানিক দিক থেকে তণ্ডুল হলো ভাতের সমার্থক বা উৎসগত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎপত্তি ও রূপান্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - তণ্ডুল শব্দটির প্রাকৃত ও অপভ্রংশ রূপ হয়ে তা কালক্রমে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ন ব্যাখ্যা: অন্ন বলতেও রান্না করা ভাত বা খাদ্যকে বোঝায়, যা তণ্ডুল বা ভাতের অপর সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: চাল ব্যাখ্যা: চাল হলো অভাত বা কাঁচা তণ্ডুল, যা থেকে রন্ধনের মাধ্যমে ভাত প্রস্তুত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলিপিক — এই শব্দটির সঙ্গে ভাতের কোনো অর্থগত মিল নেই এবং এটি ভিন্ন একটি শব্দ। B) প্রভঞ্জন — এই শব্দটির অর্থ প্রবল বাতাস বা ঝড়, যা ভাতের সমার্থক শব্দ নয়। C) মহি — এই শব্দটির অর্থ পৃথিবী বা মাটি, যা ভাতের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। D) তণ্ডুল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তণ্ডুল মানে চাল বা কাঁচা ভাত, আর রান্না করা তণ্ডুলই হলো ভাত। - শব্দটির অর্থ মনে রাখতে ধান থেকে চাল এবং চাল থেকে ভাত প্রক্রিয়ার কথা মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বাংলা অভিধানের শব্দার্থ ভালোভাবে পড়তে হবে। - তণ্ডুল, অন্ন, ভক্ত ও ওদন শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে প্রায়ই পরীক্ষায় বিকল্প হিসেবে আসে।
a নঞ তৎপুরুষ, বহুব্রীহি সমাস
b কর্মধারয়, বহুব্রীহি সমাস
c অব্যয়ীভাব, তৎপুরুষ সমাস
d তৃতীয়া তৎপুরুষ, দ্বিগু সমাস
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নঞ তৎপুরুষ, বহুব্রীহি সমাস কেন সঠিক: - বেতার শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো তার নাই যার, যা নঞ তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। - বিপত্নীক শব্দটির ব্যাসবাক্য বিগত পত্নী যার, যা অন্য পদ অর্থ প্রকাশ করায় বহুব্রীহি সমাস হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নঞ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বা ন সূচক অব্যয় বসে এবং পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। - বহুব্রীহি সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়। - যেমন: বেতার (তার নাই যার), বিপত্নীক (বিগত পত্নী যার)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সঠিক উত্তর — এখানে দুটি শব্দের সঠিক সমাস নির্ণয় করা হয়েছে। - B) কর্মধারয়, বহুব্রীহি সমাস — বেতার শব্দটির ব্যাসবাক্য কর্মধারয় সমাসের নিয়মে হয় না। - C) অব্যয়ীভাব, তৎপুরুষ সমাস — কোনো শব্দটিরই পূর্বপদ অব্যয় বা সাধারণ তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে গঠন হয়নি। - D) তৃতীয়া তৎপুরুষ, দ্বিগু সমাস — শব্দ দুটির গঠন প্রক্রিয়ায় তৃতীয়া বিভক্তি বা সমাহার বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: - না বা নেই অর্থে নঞ তৎপুরুষ এবং যার বা যাতে থাকলে সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়।
a সে বই পড়ছে।
b সে গভীর চিন্তায় মগ্ন।
c আজ এমন ঘুম ঘুমিয়েছি!
d সে খেলা করছে।
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আজ এমন ঘুম ঘুমিয়েছি! ১. কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়া এবং কর্মপদটি যদি একই ধাতু থেকে গঠিত হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। - এখানে ঘুমিয়েছি ক্রিয়ার মূল ধাতু ঘুম এবং কর্মপদটি হলো ঘুম, যা একই উৎস থেকে এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে কর্মকারকের একটি বিশেষ রূপ হলো সমধাতুজ কর্ম বা ধাতুর্থক কর্ম। - বাক্য বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করার জন্য যখন ধাতু থেকে উৎপন্ন বিশেষ্য পদ কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এমন এক ঘুম ঘুমিয়েছি যে শরীর জুড়িয়ে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে ঘুম ক্রিয়া এবং কর্ম একই ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশবাস المقاس খেলা খেলছে। ব্যাখ্যা: খেলা খেলা সমধাতুজ কর্মের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সে বই পড়ছে — এখানে বই হলো সাধারণ কর্মপদ, যা পড়া ক্রিয়ার উৎস থেকে উৎপন্ন নয়। B) সে গভীর চিন্তায় মগ্ন — এখানে চিন্তায় হলো অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি, কোনো কর্মপদ নয়। D) সে খেলা করছে — এখানে খেলা শব্দটি মূল ক্রিয়ার সমধাতুজ নয়, এটি সাধারণ বস্তুবাচক কর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়া এবং কর্মের মাঝে যখন মিল খুঁজে পাবে, তখন সেটি সমধাতুজ কর্ম হিসেবে চিহ্নিত করবে। - ঘুম ঘুমিয়েছি, চাল চালছে, গান গেয়েছে এই ধরনের শব্দ জোড়ায় সমধাতুজ কর্ম থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমধাতুজ কর্ম শনাক্ত করার জন্য ক্রিয়া ও কর্মের মূল বা ধাতু খুঁজে বের করতে হয়। - সমধাতুজ কর্মকে অনেক সময় ধাতুর্থক কর্মও বলা হয়।
a প্রতীচী
b প্রাচীন
c অপ্রাচী
d নবীন
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতীচী কেন সঠিক: - 'প্রাচী' শব্দের অর্থ পূর্ব দিক এবং 'প্রতীচী' শব্দের অর্থ পশ্চিম দিক। - দিকবাচক অর্থে প্রাচী শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রতীচী। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে দিক বা গতির বিপরীত বোঝাতে নির্দিষ্ট তৎসম শব্দ ব্যবহৃত হয়। - প্রাচীন সংস্কৃত অভিধান ও সাহিত্যিক রীতি অনুযায়ী পূর্ব দিকের বিপরীত পশ্চিম দিক বোঝাতে এই জোড়টি নির্ধারিত হয়েছে। - যেমন সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয় অর্থাৎ প্রাচীতে এবং অস্ত যায় পশ্চিমে অর্থাৎ প্রতাচীতে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রতীচী — এটি সঠিক উত্তর। - B) প্রাচীন — এর অর্থ পুরাতন, যার বিপরীত শব্দ আধুনিক বা নবীন, প্রাচী শব্দের বিপরীত এটি নয়। - C) অপ্রাচী — এই শব্দের কোনো ব্যাকরণগত ও বাস্তব অস্তিত্ব বাংলা ভাষায় নেই। - D) নবীন — এর অর্থ নতুন বা তরুণ, যা মূলত প্রাচীন শব্দের বিপরীত শব্দ। মনে রাখার টিপস: - প্রাচী শব্দের প্রথম অক্ষর প্র এবং পূর্ব শব্দের প্রথম অক্ষর প, এভাবে মনে রেখো প্রাচী অর্থ পূর্ব দিক। - পূর্ব দিকের বিপরীত পশ্চিম দিক আর প্রাচীর বিপরীত প্রতীচী।
a সারথী, নিরীহ, নিরোগ
b প্রমান, অঙ্গন, দর্পণ
c অনাথা, সুকেশী, অনুসূয়েয়
d একত্রিত, ছায়াবৃত, অর্ধাঙ্গিনী
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একত্রিত, ছায়াবৃত, অর্ধাঙ্গিনী ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি নিয়ে বাংলা ব্যাকরণে কিছুটা দ্বিমত রয়েছে, কারণ বাংলা একাডেমি আধুনিক প্রমিত বানানরীতিতে 'একত্রিত' শব্দটি বর্জন করে কেবল 'একত্র' ব্যবহারের পরামর্শ দেয়। - তবে প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী ব্যাকরণ ও বহু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র অনুযায়ী বিকল্প ডি এর শব্দগুলোকে শুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যেখানে ছায়া যোগ আবৃত এবং অর্ধ যোগ অঙ্গিনী যুক্ত হয়ে যথাক্রমে ছায়াবৃত ও অর্ধাঙ্গিনী গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে প্রত্যয়, সমাস এবং সন্ধির সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। - সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দে অনেক সময় ই-কার বা উ-কারের ব্যবহার এবং যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ না জানার কারণে প্রায়ই পরীক্ষার্থীরা ভুল করে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার ব্যাখ্যা: অহংকার বানানটিতে অনুস্বার ব্যবহার করতে হয়, উঁ বা ঙ লিখলে বানান ভুল হয়। উদাহরণ ২: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: সান্ত্বনা বানানটিতে দন্ত্য ন এর সঙ্গে ত যুক্ত হয়, যা শুদ্ধ বানানের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারথী, নিরীহ, নিরোগ — এই অপশনটি ভুল কারণ সারথী বানানে দীর্ঘ ঈ-কার হবে না, এটি হবে সারেথি বা সারথি, তবে প্রমিত নিয়মে স-এর পরে র-ফলা এবং থ-এ ই-কার হয়, তবে নিরোগ বানানটি ভুল কারণ নি উপসর্গ দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে নিরোগ হয় না, এটি নি যোগ রোগ মিলে নীরোগ হয়। B) প্রমান, অঙ্গন, দর্পণ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রমান শব্দটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ হবে প্রমাণ কারণ প্র উপসর্গ যোগ মান শব্দে মূর্ধন্য ন হয়। C) অনাথা, সুকেশী, অনুসূয়েয় — এই অপশনটি ভুল কারণ অনুসূয়েয় শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ অশুদ্ধ, এর সঠিক রূপ হবে অনসূয়া। D) একত্রিত, ছায়াবৃত, অর্ধাঙ্গিনী — এই অপশনটি প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত আছে, যদিও একত্রিত শব্দের জায়গায় একক বা একত্র ব্যবহার করা অধিকতর প্রমিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বানান শেখার সময় দীর্ঘ ঈ-কার এবং হ্রস্ব ই-কারের নিয়মগুলো বারবার লিখে অভ্যাস করবে। - সমাস ও সন্ধির মাধ্যমে তৈরি হওয়া নতুন শব্দগুলোর মূল গঠন মনে রাখলে পরীক্ষার হলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান এবং অপ্রমিত বা প্রচলিত বানানের দ্বন্দ্ব থাকে, তাই বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ। - একই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন নীরোগ বানানটিতে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়, এটি পরীক্ষার্থীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a নূরনামা
b আমীর হামজা
c গোপি চন্দ্রের সন্ন্যাস
d মহুয়া
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমীর হামজা ১. কেন সঠিক: - আমীর হামজা বাংলা পুঁথি সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রামাণ্য নিদর্শন। - মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য ধারায় এই কাব্যটি ফার্সি সাহিত্যের প্রভাব এবং মিশ্র ভাষার ব্যবহারের এক অনন্য উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যটির প্রথম অংশ রচনা করেন মধ্যযুগের কবি শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ এবং পরবর্তী অংশ সমাপ্ত করেন সৈয়দ হামজা। - পুঁথি সাহিত্য মূলত মধ্যযুগের আরাকান রাজসভা এবং বিশেষ করে পুণ্যভূমি বাংলার গ্রামীণ সমাজে ইসলামি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও যুদ্ধভিত্তিক কাহিনি নিয়ে আরবি-ফার্সি শব্দে বাংলা হরফে রচিত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ রচিত অপর একটি বিখ্যাত পুঁথি সাহিত্য। উদাহরণ ২: সোনাভান ব্যাখ্যা: ফকির গরীবুল্লাহ রচিত পুঁথি সাহিত্যের আরেকটি জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরনামা — এটি পুঁথি সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কাব্য হলেও আব্দুল আলীম বা অন্যান্য কবিদের দ্বারা রচিত সুফি তত্ত্বমূলক রচনা, যা যুদ্ধের কাহিনীর চেয়ে ধর্মীয় অনুশাসন ও নসিহত প্রধান। B) আমীর হামজা — এটি সরাসরি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত সঠিক উত্তর। C) গোপি চন্দ্রের সন্ন্যাস — এটি নাথ সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত, যা পুঁথি সাহিত্য বা মধ্যযুগের ইসলামি ধারা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। D) মহুয়া — এটি মৈমনসিংহ গীতিকা বা লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রখ্যাত পালাগান, পুঁথি সাহিত্যের ধারাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পুঁথি সাহিত্যের প্রধান দুই দিকপাল কবি হলেন গরীবুল্লাহ ও সৈয়দ হামজা এবং তাদের অমর সৃষ্টি হলো আমীর হামজা। - পুঁথি সাহিত্যের নামের সাথে হামজা বা গরীবুল্লাহ শব্দটি থাকলে তা সাধারণত পুঁথি সাহিত্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক কবি হিসেবে শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহকে গণ্য করা হয়। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আমীর হামজা কাব্যটি কে সমাপ্ত করেন এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a স্ফুলিঙ্গ
b রোদসী
c পীতাভ
d আরক্ত
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোদসী কেন সঠিক: - রোদসী শব্দটির ব্যাসবাক্য বা অর্থ হলো আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল বা মধ্যবর্তী স্থান। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই বিশেষ অর্থ প্রকাশের জন্য রোদসী শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বড় ভাবকে একটি শব্দে প্রকাশ করে। - বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ বইয়ের এককথায় প্রকাশের অধ্যায়ে আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল বোঝাতে রোদসী শব্দটি নির্ধারিত আছে। - যেমন বহু শব্দের একটি গুচ্ছকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও গতি বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) স্ফুলিঙ্গ — এর অর্থ আগুনের কণা বা চingকী, যা আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল বোঝায় না। - B) রোদসী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) পীতাভ — এর অর্থ যা দেখতে হলদে বা ইষৎ হলুদ রঙের, তাই এটি ভুল। - D) আরক্ত — এর অর্থ হালকা লালচে বা ঈষৎ লাল রঙের, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: - আকাশ ও পৃথিবী দুটি বিশাল জগৎ, আর এদের মাঝের দূরত্ব বা অন্তরাল মনে রাখতে রোদসী শব্দটি মাথায় রাখবে।
a ২৩ টি
b ২০ টি
c ২২ টি
d ২৫ টি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৩ টি ১. কেন সঠিক: ময়মনসিংহ গীতিকা বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা বিশ্বের বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ডঃ দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত এই গীতিগুলো বিশ্ব দরবারে সমাদৃত হওয়ার কারণে মোট ২৩ টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকা বাংলা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডঃ দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মলুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম বিখ্যাত ও জনপ্রিয় একটি ট্র্যাজিক পালা। উদাহরণ ২: মহুয়া পালা ব্যাখ্যা: দ্বিজ কানাই রচিত এই পালাটি ময়মনসিংহ গীতিকার সবচেয়ে পুরনো ও জনপ্রিয় পালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ টি — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ বিশ্বসাহিত্যে প্রবেশের পর এটি ২৩ টি ভিন্ন ভাষায় রূপান্তর লাভ করেছে। B) ২০ টি — এটি সঠিক সংখ্যা নয় কারণ অন্যান্য ভাষার অনুবাদ সংখ্যা এর চেয়ে বেশি। C) ২২ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মিলে না। D) ২৫ টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ সঠিক অনূদিত ভাষার সংখ্যা এর চেয়ে কম। ৫. মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকার ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন ডঃ দীনেশচন্দ্র সেন। অনূদিত ভাষার সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো দুইয়ে তিন অর্থাৎ ২৩ টি ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক ডঃ দীনেশচন্দ্র সেন এবং এর প্রথম প্রকাশ সাল মনে রাখা জরুরি। লোকসাহিত্য সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন।
a আল মাহমুদ
b হেলাল হাফিজ
c নির্মলেন্দু গুণ
d শামসুর রাহমান
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - শামসুর রাহমান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান আধুনিক কবি যিনি তাঁর ছদ্মনামের জন্য পরিচিত। - মজলুম আদিব শব্দের অর্থ নির্যাতিত সাহিত্যিক, যা তিনি সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আধুনিক বাংলা কবিতায় এক অনন্য উচ্চতা অর্জন করেছিলেন। - নাগরিক জীবন, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তিনি এই ছদ্মনামে বিভিন্ন সাহসী কবিতা রচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত দেশপ্রেমমূলক কবিতা যেখানে সাধারণ মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার কথা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত শামসুর রাহমানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহাসিক কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামটি তাঁর নয়। B) হেলাল হাফিজ — তিনি জনপ্রিয় প্রেমের কবিতার কবি হলেও এই ছদ্মনামে কবিতা লেখেননি। C) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি রোমান্টিক ও রাজনৈতিক চেতনার কবি হলেও তাঁর অন্য ছদ্মনাম বা পরিচিতি রয়েছে। D) শামসুর রাহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সরাসরি সম্পর্কিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান মানেই নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কলম ধরা, তাই তাঁর ছদ্মনাম মজলুম আদিব বা নির্যাতিত সাহিত্যিক মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল।
a ইচ্ছাসূচক
b অনুজ্ঞাসূচক
c প্রশ্নবোধক
d অস্তিবাচক
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্তিবাচক ১. কেন সঠিক: - 'মা তাঁর সন্তানদের ভালোবাসেন' বাক্যটিতে কোনো কিছু স্বীকার করা হয়েছে বা হ্যাঁ বোধক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে বাক্যে কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে স্বীকার করা হয়, তাকে অস্তিবাচক বা হতিবাচক বাক্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্থগত দিক থেকে বাংলা বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার, যেমন অস্তিবাচক, নেতিবাচক, প্রশ্নবোধক, অনুজ্ঞাসূচক ও ইচ্ছাসূচক বাক্য। - যে বাক্যের মাধ্যমে কোনো বক্তব্য বা সত্যকে হ্যাঁ বোধকভাবে উপস্থাপন করা হয়, তাকে অস্তিবাচক বাক্য বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি অস্তিবাচক বাক্য কারণ এখানে সূর্যের পূর্ব দিকে ওঠার সত্য ঘটনাটি স্বীকার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: গোলাপ ফুল দেখতে খুব সুন্দর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গোলাপ ফুলের সৌন্দর্যের কথা হ্যাঁ বোধকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, তাই এটি অস্তিবাচক বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইচ্ছাসূচক — এই বাক্যে বক্তার কোনো ইচ্ছা বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়নি, তাই এটি ইচ্ছাসূচক বাক্য নয়। B) অনুজ্ঞাসূচক — এই বাক্যে কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝানো হয়নি, তাই এটি অনুজ্ঞাসূচক বাক্য হতে পারে না। C) প্রশ্নবোধক — এই বাক্যের শেষে কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা নেই, তাই এটি প্রশ্নবোধক বাক্য নয়। D) অস্তিবাচক — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে হ্যাঁ বোধক অর্থ বা স্বীকৃতি প্রকাশ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে কোনো প্রশ্ন, না বোধক শব্দ, আদেশ বা ইচ্ছা থাকে না এবং সাধারণ সত্য প্রকাশ পায়, তা সাধারণত অস্তিবাচক বাক্য হয়। - বাক্যে 'না' বা 'নি' বা 'নয়' না থাকলে এবং হ্যাঁ অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে অস্তিবাচক নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অর্থভেদে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বাক্য রূপান্তরের সময় অস্তিবাচক বাক্যকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a উর্দু
b ফারসি
c আরবি
d পর্তুগিজ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আরবি ১. কেন সঠিক: ময়দান, মুনাফা এবং বই শব্দ তিনটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় নানা ভাষার শব্দ মিশে আছে এবং উৎস অনুসারে শব্দগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। বিদেশি ভাষার শব্দগুলোর মধ্যে আরবি শব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি বহুল ব্যবহৃত প্রশাসনিক শব্দ। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এটি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উর্দু — উর্দু ভাষা থেকে বাংলায় সরাসরি অনেক শব্দ আসেনি, বরং এটি তুর্কি ও ফারসি ভাষার মিশ্রণে গঠিত একটি ভাষা। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় খোদা, চশমা বা বরফ শব্দগুলো এসেছে, কিন্তু ময়দান, মুনাফা বা বই ফারসি শব্দ নয়। C) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত তিনটি শব্দই সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় আনাচ, আনারস বা সাবান শব্দগুলো এসেছে, যা এই প্রশ্নটির জন্য প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ধর্ম, প্রশাসন এবং ব্যবসা সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ময়দান, মুনাফা এবং বই মনে রাখার জন্য ইসলাম ধর্ম ও ব্যবসায়ের পরিভাষাগুলো খেয়াল রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আরবি, ফারসি এবং পর্তুগিজ শব্দের তালিকাগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a চেতন
b আঁকড়ি
c পাগড়ি
d জোড় আঁকড়ি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চেতন ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালার মাত্রা যুক্ত বর্ণের ওপরের রেখাংশের নির্দিষ্ট কিছু অংশের ব্যাকরণগত ও লিপিবিদ্যাগত নাম রয়েছে। - 'ই' বর্ণ লেখার সময় মাত্রার ওপরে যে ছোট অংশটি যুক্ত থাকে, তাকে লিপিবিদ্যার পরিভাষায় চেতন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ এবং বাংলা লিপি শিল্পের ইতিহাস থেকে এই প্রশ্নটি এসেছে। - বাংলা বর্ণমালা লেখার সময় মাত্রা, অর্ধমাত্রা বা মাত্রাহীন বর্ণগুলোর গঠনবৈচিত্র্য এবং তাদের বিভিন্ন অংশের নির্দিষ্ট নাম রয়েছে যা মুদ্রণবিদ্যায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ই বর্ণ ব্যাখ্যা: ই বর্ণ লেখার সময় এর মাত্রার ওপরের বাঁকানো অংশটি চেতন নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ঈ বর্ণ ব্যাখ্যা: ঈ বর্ণেও ই এর মতো চেতন বা ওপরে মাত্রা সংক্রান্ত লিপিগত গঠন বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চেতন — এটি সঠিক উত্তর কারণ লিপিবিদ্যায় ই এর মাত্রার ওপরের অংশের নাম চেতন। B) আঁকড়ি — এটি ভুল অপশন কারণ আঁকড়ি সাধারণত বর্ণের নিচের বা কোনো বিশেষ অংশের বাঁকানো অংশকে বোঝায়। C) পাগড়ি — এটি ভুল অপশন কারণ পাগড়ি বর্ণের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক লিপিগত অংশের নাম নয়। D) জোড় আঁকড়ি — এটি ভুল অপশন কারণ জোড় আঁকড়ি বলতে বর্ণের সংযুক্ত বা বাঁকানো জোড়া অংশকে বোঝায়, চেতনার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ই দিয়ে ইঁদুর বা অন্য কিছু ভাবার সময় মাথার চেতন বা বুদ্ধি মাথায় রেখেই ই এর মাথার ওপরের অংশকে চেতন মনে রাখতে পারেন। - লিপিবিদ্যার এই পরিভাষাটি মনে রাখতে বর্ণের অঙ্গসংস্থানের নামগুলো আলাদা করে চর্চা করা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা লিপি ও বর্ণের গঠনগত বৈচিত্র্য থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। - বর্ণমালা লেখার সঠিক নিয়ম ও পরিভাষা জানার জন্য বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়টি ভালোভাবে পড়তে হবে।
a বিষাদ
b বিষণ্ণ
c বিষাক্ত
d বিষয়
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিষাদ ১. কেন সঠিক: 'বিষণ্ন' হলো একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ মন খারাপ বা মলিন। এর সঠিক বিশেষ্য রূপ হলো 'বিষাদ', যার অর্থ মনের দুঃখ বা গ্লানি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষণ পদকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার সময় শব্দের মূল ভাব বজায় রেখে তার নামবাচক রূপ নির্ধারণ করতে হয়। 'বিষণ্ন' বিশেষণটির মূল ভাব বা গুণবাচক নাম হলো 'বিষাদ'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর (বিশেষণ) থেকে সৌন্দর্য (বিশেষ্য)। ব্যাখ্যা: গুণের নাম প্রকাশ করতে বিশেষণ থেকে বিশেষ্য রূপান্তর করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মহান (বিশেষণ) থেকে মহত্ত্ব (বিশেষ্য)। ব্যাখ্যা: বিশেষণের ভাববাচক রূপ বোঝাতে বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষাদ — এটি সঠিক বিশেষ্য রূপ এবং বিষণ্ন শব্দের ভাব প্রকাশ করে। B) বিষণ্ণ — এটি মূল প্রশ্নের শব্দের বানান রূপ মাত্র, কোনো ভিন্ন পদের রূপ নয়। C) বিষাক্ত — এটি বিষযুক্ত অর্থে একটি ভিন্ন বিশেষণ পদ। D) বিষয় — এটি একটি সম্পূর্ণ আলাদা বিশেষ্য পদ যার অর্থ বস্তু বা প্রসঙ্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষণ থেকে বিশেষ্য রূপ নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ মিলিয়ে দেখতে হবে। বিষণ্ন মনের অবস্থাকে এক কথায় বিষাদ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ পরিবর্তন বা বিশেষ্য-বিশেষণ রূপান্তর প্রায়ই আসে। তাই শব্দগুলোর ভাবগত অর্থ বুঝে সঠিক রূপটি নির্বাচন করতে হবে।
a মাছ আকাশে উড়ে
b তাঁর খুব আনন্দ পেল
c আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত
d সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে শব্দের অর্থ এবং পদের ব্যবহার পুরোপুরি সঠিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২. বাক্যটিতে কোনো ধরনের বাহুল্য বা ব্যাকরণগত ভুল নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত বাক্যটিতে কার্পণ্য ও আবশ্যক শব্দ দুটি যথাযথভাবে বসেছে। ২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই বাক্যের পদবিন্যাস নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৩. যেমন: আবশ্যকীয় খরচে কৃপণতা করা উচিত নয়, এর শুদ্ধ রূপ হলো আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাছ আকাশে উড়ে — মাছ আকাশে উড়ে না, এটি বাস্তবের সাথে মেলে না এবং অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ অসম্ভব একটি বাক্য। B) তাঁর খুব আনন্দ পেল — এখানে কর্মকারকে ভুল বিভক্তি ব্যবহারের কারণে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণসম্মত হয়নি। C) আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী — সকল এবং গণ দুটি বহুবচনবাচক শব্দ একসাথে ব্যবহার করার ফলে এখানে বাহুল্য দোষ ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: ১. বাক্য শুদ্ধ করার সময় বাহুল্য দোষ এবং পদের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ২. একই সাথে দুটি বহুবচনবাচক শব্দ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
a তত্ত্ব-বোধিনী
b ধূমকেতু
c কালি ও কলম
d কল্লোল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কল্লোল ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি বাংলা ১৯২৭ সালের জানুয়ারি মাসে (পৌষ ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ) 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পরই কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যজগতে ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করেন এবং তাঁর কবিত্বশক্তির স্ফুরণ ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ছিলেন বাংলা রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি যিনি পল্লীপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনকে তাঁর কবিতায় রূপ দিয়েছেন। 'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যা পরবর্তীতে তাঁর 'রা রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনের 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি অমর প্রেমের গাথা এবং পল্লীসাহিত্যের এক অনন্য মাস্টারপিস। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামবাংলার লোকজীবন ও প্রেমের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তত্ত্ব-বোধিনী — এটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত ব্রাহ্ম সমাজের মুখপত্র ছিল যেখানে জসীমউদ্দীনের কবিতা প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক যোগসূত্র নেই। B) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিদ্রোহী চেতনার পত্রিকা হলেও 'কবর' কবিতাটি এতে প্রকাশিত হয়নি। C) কালি ও কলম — এটি আধুনিক সাহিত্যপত্রিকা যা জসীমউদ্দীনের জীবদ্দশায় তাঁর 'কবর' কবিতা প্রকাশের অনেক পরে প্রকাশিত হয়। D) কল্লোল — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি এই সাহিত্যপত্রিকাতেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি প্রকাশের জন্য বিখ্যাত 'কল্লোল' যুগের একটি সাহিত্যপত্রিকাকে মনে রাখতে হবে। কল্লোল পত্রিকার নামের সঙ্গে কবর কবিতার প্রকাশের সাল ও ইতিহাস মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জসীমউদ্দীনকে বাংলা সাহিত্যে পল্লীকবি বলা হয় এবং তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী'। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের বিখ্যাত কবিতা প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a পরম + এশ
b পরম + ঈশ
c পরম + ইশ
d পরম + ইস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরম + ঈশ ১. কেন সঠিক: - পরমেশ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো পরম + ঈশ। এটি স্বরসন্ধির একটি অতি পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে। - এখানে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর ধ্বনি ঈ মিলে দীর্ঘ ঈ কার তৈরি হয়েছে এবং তা পূর্ববর্ণের সাথে যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অ বা আ কারের পর ই বা ঈ কার থাকলে উভয় মিলে এ কার হয় এবং উ বা ঊ কার থাকলে ও কার হয় এবং ঋ কার থাকলে অর্ হয়। এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত গুণসন্ধির একটি ধ্রুপদী নিয়ম। - অ + ঈ = এ নিয়ম অনুযায়ী পরম শব্দের ম এর সাথে থাকা অ এবং ঈশ শব্দের ঈ মিলে এ কার অর্থাৎ মে তৈরি হয়েছে এবং শব্দটি পরমেশ হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা + ইশ = মহেশ ব্যাখ্যা: এখানে আ কার এবং ই কার মিলে এ কার উৎপন্ন হয়ে মহেশ শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুর + ইন্দ্র = সুরেন্দ্র ব্যাখ্যা: এখানে অ কার এবং ই কার মিলে এ কার উৎপন্ন হয়ে সুরেন্দ্র শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরম + এশ — এশ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলায় নেই, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণসম্মত নয়। B) পরম + ঈশ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ঈশ শব্দের অর্থ ঈশ্বর বা প্রভু এবং নিয়মানুযায়ী এটি সঠিক। C) পরম + ইশ — ইশ শব্দে হ্রস্ব ই ব্যবহৃত হয়, কিন্তু পরমেশ শব্দে দীর্ঘ ঈ কার থাকায় এই বিচ্ছেদটি ভুল। D) পরম + ইস — ইস শব্দটি বাংলা সন্ধির নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এর বানানরীতি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরমেশ শব্দটি ভাঙলে শেষের অংশ সবসময় দীর্ঘ ঈ দিয়ে ঈশ হবে, হ্রস্ব ই দিয়ে নয়। - গুণসন্ধির ক্ষেত্রে অ অথবা আ এর পর ই বা ঈ থাকলে সর্বদা এ কার হয়, এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঈশ্বরবাচক শব্দ যেমন মহেশ, পরমেশ, গণেশ এগুলো প্রায়ই সন্ধি বিচ্ছেদের জন্য আসে। - সন্ধি করার সময় শব্দের অর্থ ঠিক আছে কি না এবং সঠিক প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে কি না তা সবসময় যাচাই করবে।
a নিশিথিনি
b কথোপকথন
c পিপিালিকা
d সমিচিন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কথোপকথন ১. কেন সঠিক: - কথোপকথন শব্দটিতে সঠিক প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে কথ্য এবং সংলাপ অর্থ প্রকাশ করতে সঠিক হ্রস্ব ও দীর্ঘস্বর ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে কোনো অতিরিক্ত বা ভুল ধ্বনির ব্যবহার নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম ও তদ্ভব শব্দের বানান নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। - প্রত্যয় কিংবা সন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দগুলোতে ই-কার এবং উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত বিধান মানতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনস্তত্ত্ব ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রমিত ও শুদ্ধ বানানযুক্ত শব্দ যা পরীক্ষায় প্রায়শই আসে। উদাহরণ ২: পর্যালোচনা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানรมের সঠিক নিয়ম ও বর্ণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথিনি — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো নিশীথিনী যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়। B) কথোপকথন — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ সংলাপ বা কথপকথন। C) পিপিালিকা — এই বানানটি ভুল কারণ পিপিীলিকা বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ও হ্রস্ব ই-কারের সঠিক বিন্যাস প্রয়োজন। D) সমিচিন — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো সমীচীন যেখানে উভয় ই দীর্ঘ ঈ-কার হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কঠিন বানানগুলো বারবার লিখে অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। - বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান নিয়মগুলো আত্মস্থ করলে শুদ্ধ বানান সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমিচিন, নিশীথিনী এবং সমীচীন সংক্রান্ত বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বানান শেখার জন্য নিয়মিত শব্দ তালিকা চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি।
a ভারত চন্দ্র রায়
b কাজী দৌলত
c আব্দুল হাকিম
d ফকির গরীবুল্লাহ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফকির গরীবুল্লাহ কেন সঠিক: ১. ফকির গরীবুল্লাহকে বাংলা পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও প্রাচীনতম কবি হিসেবে গণ্য করা হয় যিনি আঠারো শতকের মধ্যভাগে সাহিত্য রচনা শুরু করেছিলেন। ২. তাঁর বিখ্যাত রচনা আমীর হামজা পুঁথি সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক যা এই ধারার প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য বলতে মূলত দোভাষী পুথিতে রচিত ইসলামি চেতনাসমৃদ্ধ আখ্যান কাব্যগুলোকে বোঝানো হয়ে থাকে। ২. মধ্যযুগের শেষের দিকে এবং আধুনিক যুগের শুরুর প্রাক্কালে বাংলা ও আরবি ফার্সি শব্দের মিশ্রণে এই সাহিত্যধারা গড়ে উঠেছিল। ৩. ফকির গরীবুল্লাহ রচিত আমীর হামজা এবং সত্যপীরের পুথি এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত চন্দ্র রায় — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি এবং রাজসভার কবি ছিলেন, পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন। B) কাজী দৌলত — ইনি আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেছিলেন, পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন। C) আব্দুল হাকিম — ইনি সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি নূরনাম C কাব্য রচনা করেছিলেন, তবে তিনি পুঁথি সাহিত্যের প্রথম লেখক নন। D) ফকির গরীবুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক হলেন ফকির গরীবুল্লাহ এবং তাঁর বিখ্যাত শ্রেষ্ঠ রচনা হলো আমীর হামজা।
a অনুজ্জ্বল
b উজ্জ্বল
c তীব্র
d ঝাঁঝালো
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনুজ্জ্বল ১. কেন সঠিক: 'ফিকা' একটি বিশেষণের রূপ যা সাধারণত কোনো রঙের তীব্রতা হ্রাস পাওয়া বা হালকা হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ফিকা কমলা বলতে অতিরিক্ত উজ্জ্বল বা তীব্র নয় এমন কমলা রংকে নির্দেশ করা হয়, যার সহজ বাংলা অর্থ অনুজ্জ্বল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যেখানে বিশেষণের সাহায্যে রঙের মাত্রা বোঝানো হয়েছে। বাংলা ভাষায় রঙের পূর্বে ফিকা বা হালকা শব্দ যুক্ত করে তার ঔজ্জ্বল্য কমানো বা লঘু প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিকা নীল আকাশ ব্যাখ্যা: এখানে নীল রঙের তীব্রতা কম বা হালকা বোঝাতে ফিকা শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ফিকা হলুদ শাড়ি ব্যাখ্যা: এখানে শাড়ির হলুদ রংটি তীব্র বা প্রখর নয়, বরং অনুজ্জ্বল তা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুজ্জ্বল — সঠিক উত্তর কারণ ফিকা অর্থ রঙের কম ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ করা। B) উজ্জ্বল — ভুল কারণ উজ্জ্বল শব্দের অর্থ দীপ্তিময় বা প্রখর, যা ফিকার বিপরীত। C) তীব্র — ভুল কারণ তীব্র শব্দের অর্থ প্রবল বা গভীর, যা ফিকার বিপরীতার্থক। D) ঝাঁঝালো — ভুল কারণ ঝাঁঝালো শব্দটি সাধারণত তীব্র স্বাদ বা গন্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: ফিকা মানে হালকা বা ম্লান। কোনো রঙের উজ্জ্বলতা হারিয়ে গেলে তাকে ফিকা বা অনুজ্জ্বল বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি বা প্রচলিত শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়। শব্দের সঠিক অর্থ মনে রাখতে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন রঙের ব্যবহারের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখতে হবে।
a Pygmalion
b The skin game
c Waiting for Godot
d Candida
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Waiting for Godot কেন সঠিক: এটি স্যামুয়েল বেকেটের লেখা একটি বিখ্যাত অ্যাবসার্ড নাটক। যেখানে অর্থহীন সংলাপ এবং সংলাপের পুনরাবৃত্তি রয়েছে। নাটকের চরিত্রগুলো প্রায়ই ভুলে যায় এবং বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলে। এই নাটকের মূল বৈশিষ্ট্য হলো উদ্দেশ্যহীন অপেক্ষা এবং অর্থহীন কথোপকথন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pygmalion — এটি জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি সামাজিক নাটক। ভাষার শিক্ষা এবং মানুষের রূপান্তর এর মূল বিষয়। B) The skin game — এটি জন গলসওয়ার্দির লেখা একটি নাটক। যেখানে দুটি পরিবারের মধ্যে সামাজিক সংঘাত দেখানো হয়েছে। C) Waiting for Godot — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Candida — এটি জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি রোমান্টিক কমেডি। যেখানে প্রেম এবং আদর্শবাদ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যাবসার্ড নাটক মানেই বেকেটের ওয়েটিং ফর গডো, যেখানে চরিত্রগুলো অর্থহীন কথা বলে অপেক্ষা করে।
a He was believed to be an honest leader.
b He was believed to have been an honest leader.
c He was believed he was an honest leader.
d He has been believed to be an honest leader.
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He was believed to be an honest leader. কেন সঠিক: Complex sentence কে passive করার সময় Principal clause এর subject কে নতুন sentence এর subject করা হয়। Verb এর passive রূপ লিখে বাকি অংশ infinitive phrase হিসেবে যুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম মেনে সঠিক গঠন তৈরি করেছে। B) He was believed to have been an honest leader — এখানে অতিরিক্ত perfect infinitive ব্যবহার করা হয়েছে যা অপ্রয়োজনীয়। C) He was believed he was an honest leader — এখানে ডাবল clause রেখে ভুলভাবে passive করা হয়েছে। D) He has been believed to be an honest leader — এখানে tense পরিবর্তন করে present perfect করা হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: People say বা Villagers believe জাতীয় বাক্যের passive করার সময় subject বসিয়ে verb এর passive রূপ লিখে to be আনতে হয়।
a A trigger-happy Mariner.
b The essential irrationality of man.
c Superstitious Mariner.
d the Mariner as a skillful fowler.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The essential irrationality of man. কেন সঠিক: - এস টি কোলরিজের বিখ্যাত কবিতা দ্য রিম অব দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার-এ নাবিক কর্তৃক বিনা কারণে আলবাট্রস পাখি হত্যা মানুষের স্বভাবসুলভ অযৌক্তিক ও ধ্বংসাত্মক আচরণের প্রতীক। - এই ঘটনাটি মানুষের বিচারবুদ্ধিহীন কাজের মাধ্যমে প্রকৃতি ও জীবনের শৃঙ্খলার প্রতি অযৌক্তিক নিষ্ঠুরতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A trigger-happy Mariner. — এটি পাখির হত্যার একটি বাহ্যিক বিবরণ দিতে পারে, কিন্তু এটি কবিতার গভীর দার্শনিক ও রূপক অর্থকে ফুটিয়ে তোলে না। B) The essential irrationality of man. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কবিতার মূল থিমের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) Superstitious Mariner. — নাবিকরা পাখিটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করলেও, এর হত্যা কুসংস্কারের ফল ছিল না, বরং এটি মানুষের অকারণে ধ্বংস করার প্রবৃত্তি নির্দেশ করে। D) the Mariner as a skillful fowler. — পাখি শিকার করা কোনো বিশেষ দক্ষতার বিষয় ছিল না, বরং এটি ছিল এক ধরনের আকস্মিক ও অর্থহীন নিষ্ঠুরতা। মনে রাখার টিপস: আলবাট্রস পাখি হত্যা মানে মানুষের ভেতরের অযৌক্তিক ধ্বংসাত্মক প্রবৃত্তি বোঝায়।
a since
b lest
c at
d so
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) so কেন সঠিক: coordinating conjunction হলো সেই পদ যা সমজাতীয় দুটি শব্দ বা clause কে যুক্ত করে। so এখানে ফল বা ফলাফল প্রকাশ করতে দুটি স্বাধীন clause কে যুক্ত করেছে। এটি FANBOYS সূত্রের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রধান conjunction। এটি বাক্যের দুটি অংশকে সমান গুরুত্ব দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) since — এটি একটি subordinating conjunction যা সাধারণত কারণ বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) lest — এটি একটি subordinating conjunction যার অর্থ যাতে না এবং এর পরে should বসে। C) at — এটি একটি preposition যা সাধারণত নির্দিষ্ট সময় বা স্থান নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) so — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি স্বাধীন clause কে যুক্ত করে ফলাফল প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: coordinating conjunction মনে রাখার সহজ উপায় হলো FANBOYS শব্দটির সাহায্য নেওয়া যেখানে For, And, Nor, But, Or, Yet, So অন্তর্ভুক্ত।
a pride
b lies
c peace & wisdom
d silly rules
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) peace & wisdom কেন সঠিক: জোনাথান সুইফট তার এই উপন্যাসে লিলিপুটদের অত্যন্ত সংকীর্ণমনা ও ঝগড়াকটে হিসেবে দেখিয়েছেন। তাই সেখানে শান্তি ও জ্ঞানের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pride — লিলিপুটদের রাজা ও বাসিন্দাদের মধ্যে অতিরিক্ত অহংকার ও আত্মপ্রীতি স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। B) lies — এই উপন্যাসের লিলিপুটরা মিথ্যা বলা এবং প্রতারণার নানা কৌশল খুব ভালোভাবেই জানত। C) peace & wisdom — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বৈশিষ্ট্যটি লিলিপুটদের চরিত্রে লেখক দেখাননি। D) silly rules — লিলিপুটদের সমাজে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে অদ্ভুত ও হাস্যকর আইনকানুন প্রচলিত ছিল। মনে রাখার টিপস: লিলিপুটরা আকারে ছোট হলেও তাদের অহংকার ও বোকামি ছিল অনেক বড়।
a Spencer
b Petrarch
c Shakespeare
d Donne
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shakespeare কেন সঠিক: উদ্ধৃত লাইনগুলো উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত সনেট নম্বর ১১৬ এর অংশ। এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় প্রেমের কবিতা যেখানে ভালোবাসার স্থায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spencer — এডমন্ড স্পেন্সার রেনেসাঁ যুগের কবি হলেও তিনি এমোরেটি সনেট চক্রের জন্য পরিচিত যার সাথে এই লাইনগুলোর মিল নেই। B) Petrarch — পেত্রার্ক ইতালীয় সনেটের জনক এবং তার কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল লরা প্রেমের বন্দনা যা শেক্সপিয়ারের এই ধারণার সাথে মেলে না। C) Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Donne — জন ডন মেটাফিজিক্যাল ধারার কবি এবং তার প্রেমের কবিতায় বুদ্ধিবৃত্তিক যুক্তি ও জটিলতার প্রকাশ থাকে। মনে রাখার টিপস: বিয়ে বা দাম্পত্য জীবনের মতো সত্য প্রেমের অবিচলতা নিয়ে কথা বললেই মনে রাখবে এটি শেক্সপিয়ারের সনেট ১১৬।
a clouds ands sunshine go hand in hand
b clouds often have shining surroundings
c every difficult situation has a more hopeful aspect though not apparent at the beginning
d bad weather is often replaced by good weather
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) every difficult situation has a more hopeful aspect though not apparent at the beginning কেন সঠিক: এই প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ হলো প্রতিটি মেঘের পেছনেই রূপালী আস্তরণ থাকে। অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি কঠিন বা দুঃখের পরিস্থিতির পেছনেই কোনো না কোনো আশার আলো লুকিয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) clouds ands sunshine go hand in hand — এটি মেঘ ও রোদের প্রকৃতি নিয়ে কথা বলে কিন্তু প্রবাদের মূল রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। B) clouds often have shining surroundings — এটি মেঘের বাহ্যিক রূপ বর্ণনা করে যা মানুষের জীবনের গভীর পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত নয়। C) every difficult situation has a more hopeful aspect though not apparent at the beginning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) bad weather is often replaced by good weather — এটি কেবল আবহাওয়া পরিবর্তনের কথা বলে যা প্রবাদের প্রকৃত রূপক অর্থকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: মেঘ দেখলে যেমন হতাশ হওয়া উচিত নয় কারণ তার পেছনেই রোদ থাকে, তেমনি বিপদে ঘাবড়ে না গিয়ে আশাবাদী হতে হবে।
a Ordinary life
b Everyday language
c Expression of feelings rather than action or plot
d Inane and gaudy phraseology
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Inane and gaudy phraseology কেন সঠিক: রোমান্টিক কবিরা কৃত্রিম ও জটিল ভাষার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন এবং সহজ-সরল ভাষা ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিলেন। তাই নির্বোধ ও জমকালো শব্দচয়ন রোমান্টিক কবিতার বৈশিষ্ট্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ordinary life — এটি রোমান্টিক কবিতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য কারণ তারা সাধারণ মানুষের জীবন ও প্রকৃতিকে কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। B) Everyday language — এই যুগের কবিরা অভিজাত ও কৃত্রিম ভাষার বদলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ভাষা কবিতায় ব্যবহার করার পক্ষে ছিলেন। C) Expression of feelings rather than action or plot — রোমান্টিক কবিতায় বাইরের কোনো ঘটনা বা কাহিনীর চেয়ে কবির ভেতরের আবেগ ও অনুভূতির প্রকাশ বেশি গুরুত্ব পেত। D) Inane and gaudy phraseology — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ধরনের কৃত্রিম ও চটকদার ভাষা রোমান্টিক কবিরা বর্জন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক কবিরা সাধারণ জীবন, সহজ ভাষা এবং অন্তরের আবেগকে প্রাধান্য দিতেন, তাই কৃত্রিম ও জমকালো ভাষা তাদের বৈশিষ্ট্য ছিল না।
a Shrewdness
b Dullness
c Discerning
d Astuteness
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Dullness কেন সঠিক: 'Percipience' শব্দটির অর্থ অনুধাবন ক্ষমতা, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা বা উপলব্ধি শক্তি। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'Dullness', যার অর্থ জড়তা, বোকামি বা অনুভূতির অভাব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shrewdness — এটি 'percipience' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বিচক্ষণতা বা তীক্ষ্ণ বুদ্ধি। B) Dullness — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ জড়তা যা মূল শব্দের বিপরীত। C) Discerning — এটি 'percipience' এর সাথে সম্পর্কিত একটি বিশেষণ যা বিচারবুদ্ধি বোঝায়। D) Astuteness — এটিও মূল শব্দের সমার্থক যার অর্থ চতুরতা বা বুদ্ধিমত্তা। মনে রাখার টিপস: 'Percipience' মানে হলো দেখার বা বোঝার ক্ষমতা, আর 'Dullness' মানে হলো বুঝতে না পারার জড়তা।
a Scholar Gipsy
b Dover Beach
c Rugby Chapel
d Immortality
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Dover Beach কেন সঠিক: ম্যাথু আর্নল্ড এই কবিতায় মানুষের বিশ্বাস হারিয়ে যাওয়ার বেদনা তুলে ধরেছেন এবং তৎকালীন ভিক্টোরীয় যুগের আগ্রাসী মনোভাবের সমালোচনা করেছেন। এখানে একটি দ্বন্দ্বপূর্ণ ও আনন্দহীন পৃথিবীর চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা কবির নিরাশাবাদী বিশ্বদৃষ্টির পরিচয় দেয়। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের মাধ্যমে কবি মানুষের জীবনে শান্তির অভাব এবং হতাশার গভীর রূপ খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Scholar Gipsy — এই কবিতায় মূলত বস্তুগত লোভ থেকে দূরে থাকা এক যুবকের জীবন এবং গ্রামীণ প্রকৃতির সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়েছে। C) Rugby Chapel — এই কবিতায় কবি তার বাবার আদর্শ জীবন এবং মানবকল্যাণে তার অবদানের কথা স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। D) Immortality — এটি ম্যাথু আর্নল্ডের লেখা কোনো বিখ্যাত কবিতা নয়, এটি মূলত উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের একটি বিখ্যাত কবিতা। মনে রাখার টিপস: সমুদ্র সৈকতের বিষণ্ণতা আর ভিক্টোরীয় যুগের হতাশার কথা থাকলেই চোখ বন্ধ করে ডোভা বিচ উত্তর বেছে নেবে।
a Coleridge
b William Wordsworth
c TS Eliot
d IA Richards
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth কেন সঠিক: উদ্ধৃতিটি ইংরেজি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা লিরিক্যাল ব্যালডস গ্রন্থের প্রিফেস থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতার সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নিয়ে এটি সাহিত্যের ইতিহাসে সবচেয়ে পরিচিত একটি মতামত। তিনি মনে করতেন কবিতা গভীর আবেগ থেকে জন্ম নেয়। এই আবেগ শান্ত পরিবেশে স্মরণ করে কবিতার রূপ দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Coleridge — এস টি কোলরিজ রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই বিখ্যাত সংজ্ঞাটি তার নয়। B) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) TS Eliot — টি এস এলিয়ট আধুনিক যুগের কবি ও সমালোচক যিনি রোমান্টিক ধারণার ভিন্ন সমালোচনা করেছিলেন। D) IA Richards — আই এ রিচার্ডস আধুনিক সাহিত্যের একজন সমালোচক যার লেখার সাথে এই সংজ্ঞার মিল নেই। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের কবিতার সংজ্ঞা মানেই উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের নাম মনে রাখতে হবে।
a Diletante
b Homonym
c Cromulent
d Accubation
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Diletante কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে A নম্বর বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো Dilettante যেখানে অতিরিক্ত একটি t এবং e বর্ণ বাদ পড়েছে। - এই শব্দটির অর্থ শৌখিন বা শিল্পকলার অনুরাগী যে কোনো বিষয়ে গভীরভাবে না জেনে কেবল শখের বশে চর্চা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Diletante — এটি ভুল বানান যার সঠিক রূপ Dilettante এবং এখানে একটি t বর্ণ কম রয়েছে। B) Homonym — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক যার অর্থ একই উচ্চারণ বা বানান কিন্তু ভিন্ন অর্থবিশিষ্ট শব্দ। C) Cromulent — এই বানানটি সঠিক এবং এটি একটি কাল্পনিক শব্দ যা গ্রহণযোগ্য বা উপযুক্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) Accubation — এই বানানটি সঠিক যার অর্থ আহারের সময় হেলান দিয়ে বা শোয়া অবস্থায় থাকার ভঙ্গি। মনে রাখার টিপস: Dilettante বানানটিতে ডাবল t এবং ডাবল l আছে, তাই লেখার সময় এই দ্বিত্ব বর্ণগুলোর প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
a Terminal
b Aerodrome
c Hanger
d Hangar
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hangar কেন সঠিক: ১. Hangar শব্দের অর্থ হলো বিমান রাখার বিশাল আকারের ঘর বা আচ্ছাদন। ২. বিমানকে আবহাওয়া ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই বিশেষ ভবনে রাখা হয়। ৩. বানানগত দিক থেকেও এটি বিমান রাখার স্থান বোঝাতে নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Terminal — এটি বিমানবন্দর বা স্টেশন যেখানে যাত্রীরা যাতায়াতের জন্য অপেক্ষা করেন এবং ওঠানামা করেন। B) Aerodrome — এটি পুরো বিমানবন্দর বা বিমান চলাচলের সম্পূর্ণ এলাকাকে বোঝায়। C) Hanger — এটি জামাকাপড় ঝোলানোর হাঙ্গার বোঝায়, যার সাথে বিমান রাখার কোনো সম্পর্ক নেই। D) Hangar — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিমান রাখার জায়গার বানানে শেষে a-r থাকে (Hangar) আর কাপড়ের হাঙ্গারের বানানে শেষে e-r থাকে (Hanger)।
a Nocturnal
b Diurnal
c Cathemerol
d Twilit
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Twilit কেন সঠিক: Crepuscular শব্দের অর্থ গোধূলি বা সন্ধ্যা সংক্রান্ত, যা মূলত সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময়কার ঝাপসা আলোকে বোঝায়। Twilit শব্দের অর্থও গোধূলি বা ক্ষীণ আলোকময় পরিবেশ, যা মূল শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে পুরোপুরি মিলে যায়। উভয় শব্দই আলোর একটি বিশেষ অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nocturnal — এই শব্দের অর্থ নিশাচর বা রাতকানা, যা মূলত রাতের বেলা সক্রিয় প্রাণীদের বোঝায় এবং এটি গোধূলি বোঝায় না। B) Diurnal — এই শব্দের অর্থ দিবালোক সংক্রান্ত বা দিনের বেলা সক্রিয়, যা সন্ধ্যার আলোর বিপরীত একটি অবস্থা। C) Cathemerol — এই শব্দটির অর্থ দিন বা রাত যেকোনো সময় সক্রিয় থাকা প্রাণী, যা নির্দিষ্ট করে গোধূলি বোঝায় না। D) Twilit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Crepuscular শব্দটির শুরুতে C আছে এবং Twilight শব্দের সাথে মিলিয়ে Twilit মনে রাখলে গোধূলি বা সন্ধ্যার আলো বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
a sleep
b arrive
c break
d die
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) break কেন সঠিক: break ভারбটি transitive হিসেবে কর্ম গ্রহণ করে অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে যেমন he broke the glass. আবার এটি intransitive হিসেবে কোনো কর্ম ছাড়াই নিজে নিজেই সম্পন্ন হতে পারে যেমন the glass broke. বাকি অপশন কেন ভুল: A) sleep — এটি সবসময় intransitive verb হিসেবে ব্যবহৃত হয় কারণ এর কোনো direct object বা কর্ম থাকে না। B) arrive — এটি একটি intransitive verb যা কখনোই কোনো direct object গ্রহণ করতে পারে না। C) break — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ট্রানজিটিভ ও ইন্ট্রানজিটিভ উভয় হিসেবেই ব্যবহার করা যায়। D) die — এটি একটি intransitive verb যা কেবল নিজে ঘটা বোঝায় এবং এর কোনো কর্ম হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব ভারб নিজে ঘটাও সম্ভব এবং কাউকে দিয়ে করানোও সম্ভব, সেগুলো সাধারণত transitive ও intransitive উভয়ই হতে পারে।
a to open fire
b to take a photograph
c to make a try
d to test a gun
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to make a try কেন সঠিক: 'To have a shot' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি idiom বা বাকধারা। এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো কিছুতে লক্ষ্য স্থির করে গুলি চালানো। তবে ইংরেজিতে এটি রূপক অর্থে কোনো কাজের চেষ্টা করা বা ভাগ্য পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to open fire — এটি idiom-টির আক্ষরিক অর্থ হলেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না কারণ এটি কেবল সরাসরি যুদ্ধ বা গোলাগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) to take a photograph — এই অপশনটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি কাজ বোঝায় এবং প্রদত্ত বাকধারার সাথে এর কোনো মিল নেই। C) to make a try — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে পুনরায় দেওয়া হয়েছে যা মূলত আগের সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি। D) to test a gun — এটি বন্দুকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার একটি প্রযুক্তিগত বিষয় যা এই বাকধারার রূপক অর্থকে সমর্থন করে না। মনে রাখার টিপস: খেলাধুলায় শট নেওয়া মানে যেমন গোল করার চেষ্টা করা, তেমনই ইংরেজি idioms-এ 'have a shot' মানে যেকোনো কাজে একবার চেষ্টা করে দেখা।
a at
b to
c in
d into
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: এখানে get to একটি সঠিক বাকধারা বা ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানো বা প্রবেশ করা। বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এখানে একটি গন্তব্যের দিকে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যাওয়ার ক্ষেত্রে to প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at - এটি সাধারণত ছোট স্থান বা স্থির অবস্থান বোঝাতে বসে। গন্তব্যের দিকে যাওয়ার গতি বোঝাতে এটি এখানে সঠিক নয়। B) to - এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানে গন্তব্য বোঝাতে বসেছে। C) in - এটি মূলত ভেতর বা মধ্যে অবস্থান করা বোঝায়। কোনো স্থানে প্রবেশ করার গতি বোঝাতে এটি বসে না। D) into - এটি বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশের গতি বোঝায়। তবে সেন্টারের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে get to ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও পৌঁছানো বা যাওয়ার অর্থ বোঝাতে সাধারণত get এর পরে প্রিপজিশন হিসেবে to বসে।
a He turned the volume up.
b Business confidence is on the up.
c Our system should be up by afternoon.
d We live just up the road.
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Business confidence is on the up. কেন সঠিক: ১. এখানে 'up' শব্দটির পূর্বে the আর্টিকেল বসেছে যা প্রমাণ করে এটি একটি নাউন। ২. সাধারণত দি এবং প্রিপজিশনের মাঝের শব্দটি নাউন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He turned the volume up. — এখানে 'up' একটি অ্যাডভার্ব হিসেবে ভার্বকে মডিফাই করেছে। C) Our system should be up by afternoon. — এখানে 'up' একটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) We live just up the road. — এখানে 'up' একটি প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আর্টিকেলের পরে যদি কোনো ছোট শব্দ বসে তবে সেটি সাধারণত নাউন হয়।
a Oliver
b Orlando
c Jaques
d Rosalind
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Jaques কেন সঠিক: নাটকটির দ্বিতীয় অঙ্কের সপ্তম দৃশ্যে মেলানকোলি বা বিষণ্ন চরিত্র জ্যাকস এই বিখ্যাত ভাষণটি দেন। এই ভাষণে মানুষের জীবনকে একটি নাট্যমঞ্চের সাথে তুলনা করে তাকে সাতটি ভিন্ন বয়সে ভাগ করা হয়েছে। ভাষণের বিখ্যাত লাইনটি হলো অল দ্য ওয়ার্ল্ডস এ স্টেজ। এটি শেকস্পিয়ারের নাটকের অন্যতম সেরা একটি দার্শনিক সংলাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oliver — ইনি অরল্যান্ডোর বড় ভাই এবং নাটকের শুরুতে তাঁর সাথে অরল্যান্ডোর সম্পর্ক বেশ তিক্ত ছিল। B) Orlando — ইনি নাটকের মূল নায়ক এবং রোসালিন্ডের প্রেমে পড়া এক তরুণ চরিত্র। D) Rosalind — ইনি নাটকের প্রধান নায়িকা যিনি পুরুষ বেশ ধারণ করে গ্যানিমেড নামে অরণ্যে ঘুরেছিলেন। মনে রাখার টিপস: জ্যাকস চরিত্রটির বিষণ্ন স্বভাবের কারণেই সে মানুষের জীবনের এই করুণ ও বাস্তবসম্মত সাতটি পর্যায় নিয়ে কথা বলেছিল।
a conjunction
b gerund
c participle
d preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) preposition কেন সঠিক: এখানে including শব্দটি তার ঠিক পরের noun phrase বা leadership, endurance ইত্যাদিকে বাক্যের মূল অংশের সাথে যুক্ত করেছে। Preposition হিসেবে এটি কোনো শব্দ বা বাক্যাংশের আগে বসে সম্পর্কের প্রকাশ ঘটায়। এটি এখানে কোনো verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun বা adjective এর কাজ করছে না। তাই grammatical নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি preposition হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) conjunction — conjunction হলো সেই শব্দ যা দুটি ভিন্ন clause বা word কে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে including তা করছে না। B) gerund — gerund বাক্যে noun এর কাজ করে, কিন্তু including এখানে কোনো কাজ বা noun বোঝাচ্ছে না। C) participle — participle সাধারণত adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে including কোনো noun কে modify করছে না। D) preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে preposition এর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মাঝে including, regarding, concerning ইত্যাদি শব্দ থাকলে সাধারণত preposition হয়।
a Jane Eyre
b Emma
c Wuthering Heights
d Persuasion
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Wuthering Heights কেন সঠিক: এমিলি ব্রন্টির এই উপন্যাসে হিথক্লিফ ও ক্যাথরিনের তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক প্রেমের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই প্রেমই পরবর্তীতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলা প্রতিশোধ এবং নিষ্ঠুরতার জন্ম দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jane Eyre — এটি শার্লট ব্রন্টির লেখা একটি উপন্যাস যেখানে নৈতিকতা এবং আত্ম-উপলব্ধির মাধ্যমে একটি স্বাধীন প্রেমের জয় দেখানো হয়েছে। B) Emma — এটি জেন অস্টেনের লেখা একটি উপন্যাস যা সামাজিক কৌতূহল এবং ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা রোমান্স নিয়ে কাজ করে। C) Wuthering Heights — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। D) Persuasion — এটি জেন অস্টেনের লেখা একটি উপন্যাস যেখানে দীর্ঘস্থায়ী অনুশোচনা এবং পরিপক্ক প্রেমের পুনর্মিলন দেখানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: উইদারিং হাইটস উপন্যাসের নাম শুনলেই হিথক্লিফের চরম প্রতিশোধ এবং ধ্বংসাত্মক প্রেমের কথা মনে রাখবে।
a relative clause
b independent clause
c adverbial clause
d noun clause
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) relative clause কেন সঠিক: ১. এই অংশটি ঠিক আগের noun 'The book'-কে নির্দেশ বা modify করছে। ২. এটি 'that' relative pronoun দিয়ে শুরু হয়েছে এবং এর নিজস্ব subject ও finite verb আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) relative clause — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটিই সঠিক উত্তর। B) independent clause — এটি নিজে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না এবং এটি subordinate clause এর অংশ। C) adverbial clause — এটি verb, adjective বা adverb-কে modify করে না, তাই এটি adverbial clause নয়। D) noun clause — এটি বাক্যে কোনো noun-এর কাজ করছে না বরং adjective-এর কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: যautha clause কোনো noun-এর ঠিক পরে বসে তাকে বিশেষিত করে এবং relative pronoun দিয়ে শুরু হয়, তাকে relative clause বলে।
a participle
b infinitive
c gerund
d verbal noun
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) gerund কেন সঠিক: বাক্যে 'It is no good' এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে। এটি preposition বা বিশেষ Phrase এর পরের নিয়ম অনুযায়ী gerund হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — এটি noun এর কাজ না করে adjective এর কাজ করে। B) infinitive — এর গঠন to + verb দিয়ে হয়, যা এখানে নেই। C) gerund — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) verbal noun — এর পূর্বে the এবং পরে of থাকে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: It is no good এর পর verb আসলে তার সাথে ing যোগ হয়ে gerund হয়।
a Shadow of the Moon by MM kaye
b Bhowani Junction by Jhon Masters
c Kim by Rudyard Kipling
d A Passage to India by EM Forster
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A Passage to India by EM Forster কেন সঠিক: উপন্যাসটিতে ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতবাসীর প্রতি ব্রিটিশদের জাতিগত বৈষম্য ও ঔপনিবেশিক শোষণের চিত্র স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিমা সংস্কৃতির মধ্যকার গভীর সামাজিক ও মানসিক দূরত্ব এতে প্রধান বিষয় হিসেবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shadow of the Moon by MM kaye — এটি সিপাহী বিদ্রোহের পটভূমিতে লেখা প্রেমের উপন্যাস, যেখানে সংস্কৃতির ব্যবধান মূল বিষয় নয়। B) Bhowani Junction by Jhon Masters — এটি অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান সম্প্রদায়ের আত্মপরিচয় ও রাজনৈতিক সংকট নিয়ে রচিত একটি উপন্যাস। C) Kim by Rudyard Kipling — এটি ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি ও বন্ধুত্বের গল্প তুলে ধরে, জাতিগত বৈষম্য এর মূল থিম নয়। D) A Passage to India by EM Forster — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের সংস্কৃতি ও ব্রিটিশদের দূরত্ব মনে রাখতে ই এম ফস্টার এর এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া উপন্যাসটি স্মরণ করবে।
a Holy Living and Holy Dying
b Areopagitica
c Religio Medici
d A Free Man's Worship
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Areopagitica কেন সঠিক: এটি জন মিলটনের লেখা একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক প্রবন্ধ। এখানে মুদ্রণ যন্ত্রের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতার জোরালো সমর্থন জানানো হয়েছে। সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে এটি একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Holy Living and Holy Dying — এটি জেরেমি টেলরের লেখা একটি বিখ্যাত ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গ্রন্থ। খ) Areopagitica — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। গ) Religio Medici — এটি স্যার থমাস ব্রাউনের লেখা চিকিৎসা ও ধর্মের সম্পর্ক বিষয়ক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ঘ) A Free Man's Worship — এটি বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখা মানব অস্তিত্ব ও দর্শন বিষয়ক একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ। মনে রাখার টিপস: মিলটন মানেই বাক স্বাধীনতা এবং Areopagitica নামের বিখ্যাত প্রবন্ধটি মনে রাখবে।
a Helena said that she took the laptop home with her.
b Helena said that she had taken the laptop home with her.
c Helena confirmed that she has taken the laptop home with her.
d Helena told that she had the laptop taken home with her.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Helena said that she had taken the laptop home with her. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্বটি অতীত কালে (said) থাকায় ইনডাইরেক্ট করার সময় ভেতরের পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - রিপোর্টেড স্পিচের ফার্স্ট পারসন (I) সাবজেক্ট (Helena) অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে she হয় এবং my বা me জাতীয় শব্দ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Helena said that she took the laptop home with her. — এখানে ভেতরের টেন্স অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা ন্যারেশনের নিয়মের বাইরে। B) Helena said that she had taken the laptop home with her. — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। C) Helena confirmed that she has taken the laptop home with her. — এখানে রিপোর্টিং ভার্বের পরিবর্তনের সাথে টেন্সের সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি। D) Helena told that she had the laptop taken home with her. — এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে এবং গঠনগত ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ন্যাসেশনের সময় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স থাকলে তাকে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
a Scoot Fitzgerald
b Edward FitzGerald
c William Fitzgerald
d Gerald Fitzgerald
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Edward FitzGerald কেন সঠিক: এই বিখ্যাত পঙক্তিগুলো ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ থেকে নেওয়া হয়েছে। অনুবাদক এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ড ফার্সি ভাষার এই কবিতাটিকে ইংরেজিতে রূপান্তর করে অমর সাহিত্যকর্ম তৈরি করেছেন। কবিতাটির লাইনগুলো বিশ্বসাহিত্যে অত্যন্ত পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Scoot Fitzgerald — ইনি একজন বিখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক ছিলেন, ওমর খৈয়ামের অনুবাদক নন। B) Edward FitzGerald — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) William Fitzgerald — এমন কোনো পরিচিত অনুবাদক বা সাহিত্যিক রুবাইয়াত অনুবাদের সাথে যুক্ত নন। D) Gerald Fitzgerald — এই নামে কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক বা অনুবাদকের ঐতিহাসিক উপস্থিতি নেই। মনে রাখার টিপস: রুবাইয়াত অনুবাদকের নামের সাথে ফিটজেরাল্ড শব্দটি মনে রাখলে সঠিক উত্তর সহজে চেনা যায়।
a Transition sentence.
b Topic sentence.
c Supporting sentence.
d Concluding sentence.
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Transition sentence. কেন সঠিক: প্যারাগ্রাফে ধারণার সাবলীল প্রবাহ বজায় রাখতে এটি সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে। এটি বাক্যের মধ্যে চমৎকার মেলবন্ধন তৈরি করে। লেখার গতি স্বাভাবিক রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transition sentence — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। B) Topic sentence — এটি প্যারাগ্রাফের মূল বিষয় বা প্রধান ধারণা তুলে ধরে। C) Supporting sentence — এটি প্রধান ধারণাকে তথ্য ও যুক্তি দিয়ে সমর্থন করে বা প্রমাণ করে। D) Concluding sentence — এটি পুরো প্যারাগ্রাফের সমাপ্তি বা সারসংক্ষেপ টানে। মনে রাখার টিপস: প্যারাগ্রাফে এক আইডিয়া থেকে অন্য আইডিয়ায় যাওয়ার সেতু হলো ট্রানজিশন।
a Either you do it or you will be fined.
b Do it or I shall fine you.
c You have to do it, otherwise I will fine you.
d All of the above
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of the above কেন সঠিক: ১. এই বাক্যের প্রতিটি অপশনে দুটি করে স্বাধীন ক্লজ বা বাক্য রয়েছে যা কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন দ্বারা যুক্ত। ২. একাধিক প্রধান ক্লজ বা স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকায় সবগুলো বাক্যই যৌগিক বা কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Either you do it or you will be fined — এটি ভুল নয় বরং একটি সঠিক কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। B) Do it or I shall fine you — এটিও ভুল নয় কারণ এটিও একটি সঠিক কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। C) You have to do it, otherwise I will fine you — এটিও ভুল নয় বরং এটিও একটি সঠিক কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। D) All of the above — এটি সঠিক কারণ এর আগের তিনটি অপশনের সবগুলোই কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যে অ্যান্ড, অর, বাট বা আদারওয়াইজ দিয়ে দুটি স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকে, সেটাই কম্পাউন্ড সেন্টেন্স।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: Monarch শব্দটি দ্বারা রাজা বা রানী উভয়কেই বোঝানো হয়। তাই এটি এমন একটি লিঙ্গ যা স্ত্রী বা পুরুষ উভয় হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি ভুল কারণ monarch শুধু পুরুষ বা রাজা বোঝায় না, রানীও হতে পারে। B) Feminine — এটি ভুল কারণ monarch শুধু নারী বা রানী বোঝায় না, রাজাও হতে পারে। C) Neuter — এটি ভুল কারণ monarch কোনো জড় বস্তু বা অচেতন কিছু নয়। D) Common — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়কেই নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো দিয়ে পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝায়, তাকে Common gender বলে।
a 2
b 81
c 0
d 76
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৬ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x^৪ − ২x + ১ ভাজক হলো x − ৩ ধরি, বহুপদী রাশিটি f(x) = x^৪ − ২x + ১ ভাগশেষ উপপাদ্য অনুযায়ী ভাজক x − ৩ থেকে পাই x = ৩ অতএব, f(৩) এর মান নির্ণয় করতে হবে f(৩) = (৩)^৪ − ২ × (৩) + ১ সুতরাং, (৩)^৪ = ৮১ এবং ২ × ৩ = ৬ f(৩) = ৮১ − ৬ + ১ উত্তর: ৭৬
a pi/6
b pi/3
c pi/2
d 2pi/3
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) π/6 প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত বা পরিমাণ হলো x, x ÷ ২ ও ৩x ÷ ২ ধরি, প্রথম কোণ = x দ্বিতীয় কোণ = x ÷ ২ তৃতীয় কোণ = ৩x ÷ ২ অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° বা π রেডিয়ান শর্তমতে, x + (x ÷ ২) + (৩x ÷ ২) = π সুতরাং, লসাগু করে পাই, (২x + x + ৩x) ÷ ২ = π বা, ৬x ÷ ২ = π বা ৩x = π উত্তর: x এর মান = π ÷ ৩, এবং ক্ষুদ্রতম কোণ (x ÷ ২) = π ÷ ৬
a 0
b 4
c 3/2
d 2/3
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলি হলো ২, ৩, ৪ এবং ৭ ধরি, সংখ্যাগুলির মোট পরিমাণ = ৪ টি সংখ্যা অতএব, সংখ্যাগুলির যোগফল = ২ + ৩ + ৪ + ৭ = ১৬ সংখ্যাগুলির গড় = ১৬ ÷ ৪ = ৪ সুতরাং, গড় থেকে সংখ্যাগুলির বিচ্যুতিগুলির পরম মানের যোগফল = |২ − ৪| + |৩ − ৪| + |৪ − ৪| + |৭ − ৪| = ২ + ১ + ০ + ৩ = ৬ উত্তর: গড় বিচ্যুতি = ৬ ÷ ৪ = ৩/২
a -2/3
b -3/2
c 2/3
d 3/2
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −২/৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো −১ + ১/২ − ১/৪ + ১/৮ − ১/১৬ + ... এটি একটি অসীম গুণোত্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ (a) = −১ সাধারণ অনুপাত (r) = (১/২) ÷ (−১) = −১/২ অতএব, এখানে সাধারণ অনুপাতের পরম মান ১ অপেক্ষা ছোট অর্থাৎ ১/২ < ১ সুতরাং, অসীম ধারার যোগফল (S) = a ÷ (১ − r) S = (−১) ÷ (১ − (−১/২)) উত্তর: −২/৩
a 3
b 7
c 8
d 9
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রدত্ত তথ্য: সেটের উপাদান সংখ্যা = ৩ ধরি, সেটের উপাদান সংখ্যা = n = ৩ অতএব, মোট উপসেটের সংখ্যা = ২ এর উপর ৩ পাওয়ার বা ৮ প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা = মোট উপসেট − ১ সুতরাং, প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা = ৮ − ১ = ৭ উত্তর: ৭
a পঞ্চম
b সপ্তম
c অষ্টম
d নবম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অষ্টম প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো x এর বর্গ বিয়োগ ২ যোগ ১ ভাগ x এর বর্গ, যার সম্পূর্ণ পাওয়ার ৭। রাশিটিকে সরল করে লেখা যায় x বিয়োগ ১ ভাগ x এর হোল স্কয়ার, যার সম্পূর্ণ পাওয়ার ৭। ধরি, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী পাওয়ার দুটি গুণ হয়ে যায়। ফলে রাশিটির নতুন রূপ দাঁড়ায় x বিয়োগ ১ ভাগ x এর পাওয়ার ১৪। অতএব, এখানে পদ সংখ্যা হলো পাওয়ার যোগ ১, অর্থাৎ ১৪ যোগ ১ সমান ১৫ টি। যেহেতু পদ সংখ্যা ১৫ একটি বিজোড় সংখ্যা, তাই একটিমাত্র মধ্যপদ থাকবে। সুতরাং, মধ্যপদ নির্ণয়ের সূত্র হলো মোট পদ সংখ্যার সাথে ১ যোগ করে ২ দ্বারা ভাগ। ১৫ যোগ ১ সমান ১৬, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করলে হয় ৮। উত্তর: অষ্টম পদ
a 5/8
b 8/5
c 5/2
d -5/8
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮/৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখা ৫x + ৪y − ১ = ০ দ্বিতীয় সরলরেখা ২x + ky − ৭ = ০ ধরি, প্রথম সমীকরণের x এর সহগ a১ = ৫ এবং y এর সহগ b১ = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণের x এর সহগ a২ = ২ এবং y এর সহগ b২ = k অতএব, সরলরেখা দুটি সমান্তরাল হওয়ার শর্ত হলো x এর সহগের অনুপাত এবং y এর সহগের অনুপাত সমান হবে অর্থাৎ a১ ÷ a২ = b১ ÷ b২ মান বসিয়ে পাই, ৫ ÷ ২ = ৪ ÷ k সুতরাং, কোণাকুণি গুণ করে পাই, ৫k = ৪ × ২ ৫k = ৮ উত্তর: k = ৮ ÷ ৫
a -0.75
b -0.125
c 1/8
d 3/4
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −০.১২৫ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো ২x^২ + ৩x + ১ ধরি, রাশিটির মান f(x) = ২x^২ + ৩x + ১ এখানে x এর সহগ হলো ৩ এবং x^২ এর সহগ হলো ২ ক্ষুদ্রতম মান নির্ণয়ের সূত্রটি হলো (৪ac − b^২) ÷ (৪a) অতএব, এখানে a = ২, b = ৩, এবং c = ১ সূত্র অনুযায়ী মানগুলো বসিয়ে পাই (৪ × ২ × ১) − (৩^২) ÷ (৪ × ২) সুতরাং, (৮ − ৯) ÷ ৮ = −১ ÷ ৮ = −০.১২৫ উত্তর: −০.১২৫
a 8*sqrt(3)
b 8*sqrt(5)
c 16*sqrt(3)
d 16*sqrt(5)
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮ মিটার ধরি, ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ৮ মিটার অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × ক^২ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (৮ × ৮) উত্তর: ১৬√৩ বর্গমিটার
a {p, q}
b {p, -q}
c {-p, q}
d {-p, -q}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) p, q প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x^2 − (p + q)x + pq = 0 ধরি, মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, x^2 − px − qx + pq = 0 সুতরাং, x(x − p) − q(x − p) = 0 উত্তর: p, q
a 5
b 6
c 7
d 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৩ + (৩ ÷ ২) + (৩ ÷ ৪) + ... + (৩ ÷ ৬৪) এটি একটি গুণোত্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ, ক = ৩ সাধারণ অনুপাত, র = (৩ ÷ ২) ÷ ৩ = ১ ÷ ২ শেষ পদ = ৩ ÷ ৬৪ অতএব, এন-তম পদ = ক × (র এর পাওয়ার (এন − ১)) ৩ ÷ ৬৪ = ৩ × (১ ÷ ২ এর পাওয়ার (এন − ১)) ১ ÷ ৬৪ = ১ ÷ ২ এর পাওয়ার (এন − ১) সুতরাং, ১ ÷ ২ এর পাওয়ার ৬ = ১ ÷ ২ এর পাওয়ার (এন − ১) এন − ১ = ৬ উত্তর: এন = ৭
a x
b 2x
c x^2
d x + 1
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: চলকটির মান শূন্য থেকে বড় এবং এক থেকে ছোট ধরি, চলকটির মান দুই ভাগের এক অংশ বা ০.৫ অতএব, প্রথম অপশনটির মান হবে ০.৫ দ্বিতীয় অপশনটির মান হবে দুই গুণ ০.৫ সমান ১ তৃতীয় অপশনটির মান হবে ০.৫ এর বর্গ সমান ০.২৫ সুতরাং, চতুর্থ অপশনটির মান হবে ০.৫ যোগ ১ সমান ১.৫ উত্তর: x + 1 সবচেয়ে বড়
a 10080
b 6720
c 3360
d 3359
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩৬০ প্রদত্ত তথ্য: ABSCISSA শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে ৮ টি ধরি, মোট বর্ণের সংখ্যা = ৮ এখানে এস বর্ণ আছে ২টি এখানে এ বর্ণ আছে ২টি অতএব, মোট বিন্যাস সংখ্যা বের করতে হবে ফ্যাক্টরিয়াল সূত্রের সাহায্যে মোট বিন্যাসের সূত্র হলো ফ্যাক্টরিয়াল ৮ ভাগ (ফ্যাক্টরিয়াল ২ গুণ ফ্যাক্টরিয়াল ২) সুতরাং, মোট বিন্যাস সংখ্যা = (৮ × ৭ × ৬ × ৫ × ৪ × ৩ × ২ × ১) ÷ ((২ × ১) × (২ × ১)) উত্তর: ৩৩৬০
a 5.17%
b 6.17%
c 7.17%
d 8.17%
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭.১৭% প্রদত্ত তথ্য: সময়কাল = ১০ বছর মূলধনের পরিমাণ = আসল চক্রবৃদ্ধি মূলধন = আসলের দ্বিগুণ ধরি, আসল = পি টাকা চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ২পি টাকা বার্ষিক মুনাফার হার = আর% অতএব, চক্রবৃদ্ধির সূত্র অনুযায়ী লেখা যায় পি × (১ + আর ÷ ১০০) এর পাওয়ার ১০ = ২পি উভয় পক্ষকে পি দ্বারা ভাগ করে পাই (১ + আর ÷ ১০০) এর পাওয়ার ১০ = ২ সুতরাং, উভয় পক্ষের দশম মূল বা পাওয়ার ১০ এর বিপরীত রুট করে পাই ১ + আর ÷ ১০০ = ২ এর দশম মূল হিসাব করে পাই ১ + আর ÷ ১০০ = ১.০৭১৭৭ উত্তর: আর এর মান = ৭.১৭%
a 0
b 1
c 2
d sqrt(2)
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √২ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ০ ধরি, x = −১ অতএব, √x = √(−১) সুতরাং, √x + (১ ÷ √x) এর মান হিসাব করলে √২ পাওয়া যায় উত্তর: √২
a (-1/3, 0)
b (1/3, infinity)
c (-1/3, 1)
d (infinity, 1/3)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (-১/৩, ১) প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো পরম মান ৩x − ১ এর মান ২ অপেক্ষা ছোট ধরি, পরম মানের সংজ্ঞা অনুসারে (−২) এবং (+২) এর মাঝে ৩x − ১ থাকবে অতএব, অসমতাটিকে লেখা যায় (−২) < ৩x − ১ < ২ সুতরাং, মাঝের অংশ থেকে ১ যোগ করে পাই (−১) < ৩x < ৩ উত্তর: পুরো অসমতাকে ৩ দিয়ে ভাগ করে সমাধান সেট পাওয়া যায় (−১/৩, ১)
a 2:3
b 3:4
c 4:9
d 9:4
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪:৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম অনুপাতটি হলো a ÷ b = ২ ÷ ৩ দ্বিতীয় অনুপাতটি হলো b ÷ c = ২ ÷ ৩ ধরি, a ÷ b = ২ ÷ ৩ b ÷ c = ২ ÷ ৩ অতএব, প্রথম অনুপাতের সাথে দ্বিতীয় অনুপাত গুণ করি (a ÷ b) × (b ÷ c) = (২ ÷ ৩) × (২ ÷ ৩) এখানে b কেটে যায় সুতরাং, a ÷ c = ৪ ÷ ৯ উত্তর: ৪:৯
a 4
b 2*sqrt(3)
c 3*sqrt(3)
d 3*sqrt(2)
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩×√(২) প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণটি হলো log_x ৩২৪ = ৪ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী বেস এবং ঘাত মিলে সংখ্যাটি সমান হবে অতএব x এর ওপর ৪ ঘাত বসালে মান হবে ৩২৪ অতএব, x^৪ = ৩২৪ x^৪ = (৩×√(২))^৪ সুতরাং, উভয় পাশ থেকে ঘাত ৪ বাদ দিয়ে পাই x = ৩×√(২) উত্তর: ৩×√(২)
a 0.125
b 0.0125
c 0.00125
d 0.000125
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০১২৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৫ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০৫ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০৫ ধরি, সংখ্যা তিনটির গুণফল নির্ণয় করতে হবে দশমিক বাদে সংখ্যাগুলোর গুণফল = ৫ × ৫ × ৫ = ১২৫ অতএব, প্রথম রাশিতে দশমিকের পর ঘর আছে ১টি দ্বিতীয় রাশিতে দশমিকের পর ঘর আছে ২টি তৃতীয় রাশিতে দশমিকের পর ঘর আছে ৩টি মোট দশমিকের ঘরের সংখ্যা = ১ + ২ + ৩ = ৬টি সুতরাং, ১২৫ এর আগে তিনটি শূন্য বসিয়ে দশমিক দিতে হবে গুণফল = ০.০০০১১২৫ ভুল, সঠিক হলো ০.০০০১২৫ উত্তর: ০.০০০১২৫
a 7/5
b 6/5
c 1/15
d 6/15
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬/৫ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো দুই পঞ্চমাংশ, তিন পঞ্চমাংশ এবং ছয় পঞ্চমাংশ ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ২/৫ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৩/৫ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ৬/১৫ অতএব, লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক বা লসাগু বের করার নিয়ম হলো লবগুলোর লসাগু এবং হরগুলোর গসাগু নির্ণয় করা লবগুলো হলো দুই, তিন এবং ছয় হরগুলো হলো পাঁচ, পাঁচ এবং পনেরো সুতরাং, লব দুই, তিন এবং ছয় এর লসাগু হলো ছয় হর পাঁচ, পাঁচ এবং পনেরো এর গসাগু হলো পাঁচ উত্তর: ৬/৫
a 64
b 32
c 16
d 8
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩২ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর উপাদানগুলো স্বাভাবিক সংখ্যা এবং পাঁচ এর সমান বা ছোট ধরি, স্বাভাবিক সংখ্যাগুলো হলো এক থেকে শুরু করে ক্রমানুসারে চলতে থাকা ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা সেট এ এর উপাদানগুলো হবে এক, দুই, তিন, চার এবং পাঁচ অতএব, সেট এ এর মোট উপাদান সংখ্যা, এন সমান পাঁচ পাওয়ার সেট বা পি অফ এ এর উপাদান সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই এর পাওয়ার এন সুতরাং, দুই এর পাওয়ার পাঁচ অর্থ হলো দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই উত্তর: ৩২
a 3/11
b 1/2
c 5/11
d 4/11
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/১১ প্রদত্ত তথ্য: ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে সংখ্যাগুলো হলো ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৪৯, ৫০ ধরি, মোট সংখ্যার পরিমাণ = ১১টি অতএব, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৪১, ৪৩, ৪৭ মৌলিক সংখ্যার মোট পরিমাণ = ৩টি সুতরাং, মৌলিক সংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা = ৩ ÷ ১১ উত্তর: ৩/১১
a 0.5
b 2
c 0.25
d 4
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির প্রাথমিক গতিবেগ = v গাড়ির পরিবর্তিত গতিবেগ = ২v ধরি, প্রথম ক্ষেত্রে গাড়ির ভর = m প্রথম ক্ষেত্রে গতিশক্তি E1 = (১ ÷ ২) × m × v^২ অতএব, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে গতিশক্তি E2 = (১ ÷ ২) × m × (২v)^২ E2 = (১ ÷ ২) × m × ৪ × v^২ E2 = ৪ × ((১ ÷ ২) × m × v^২) সুতরাং, E2 = ৪ × E1 উত্তর: ৪ গুণ
a ড. কুদরত-ই-খুদা
b কাজী মোতাহার হোসেন
c জামাল নজরুল ইসলাম
d অতীশ দীপংকর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জামাল নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ছিলেন যিনি মহাজাগতিক বিষয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. কুদরত-ই-খুদা — তিনি রসায়ন শাস্ত্রে গবেষণা ও দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিখ্যাত ছিলেন। B) কাজী মোতাহার হোসেন — তিনি মূলত পরিসংখ্যানবিদ এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। C) জামাল নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অতীশ দীপংকর — তিনি পাল যুগের একজন প্রাচীন বৌদ্ধ পন্ডিত ও দার্শনিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ ও কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণার কথা এলেই বিখ্যাত বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলামের নাম মনে রাখতে হবে।
a যুক্তরাজ্যে
b যুক্তরাষ্ট্রে
c ভারতে
d পাকিস্তানে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্যে কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বাইরে ইতিহাসের প্রথম শহীদ মিনারটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে স্থাপিত হয়। - বাংলা ভাষা আন্দোলন ও অমর একুশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি স্বরূপ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই শহীদ মিনার নির্মাণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — এই অপশনটি সঠিক কারণ লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে প্রথম আন্তর্জাতিক শহীদ মিনার নির্মিত হয়। B) যুক্তরাষ্ট্রে — যুক্তরাষ্ট্রে শহীদ মিনার থাকলেও এটি বাংলাদেশের বাইরে প্রথম স্থাপিত শহীদ মিনার নয়। C) ভারতে — ভারতের বিভিন্ন স্থানে শহীদ মিনার থাকলেও এটি বাংলাদেশের বাইরে প্রথম নির্মিত শহীদ মিনার হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) পাকিস্তানে — তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে শহীদ মিনার নির্মিত হলেও তা বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে ছিল না এবং এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাঙালিরা প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করে, তাই উত্তর হবে যুক্তরাজ্য।
a রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন
b আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ
c আয়কর ফাঁকি দেওয়া
d অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়কর ফাঁকি দেওয়া কেন সঠিক: - আয়কর ফাঁকি দেওয়া মূলত কর ফাঁকি বা ট্যাক্স ইভেশনের অপরাধ, যা সরাসরি অর্জিত বৈধ বা অবৈধ আয় রাষ্ট্রের নিকট গোপন করার সাথে সম্পর্কিত। - মুদ্রা পাচার বলতে সাধারণত অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বা সম্পদ বৈধ উপায়ে অর্জিত বলে দেখানোর প্রক্রিয়াকে বোঝায়, যা এই অপরাধের আওতাভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন — এটি বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচারের একটি পরিচিত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার করা হয়। B) আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ — এটি ওভারইনভয়েসিং নামে পরিচিত এবং মুদ্রা পাচারের একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম। C) আয়কর ফাঁকি দেওয়া — এটি কর সংক্রান্ত অপরাধ হলেও এটি সরাসরি মুদ্রা পাচারের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো — এটি হুন্ডি বা অন্যান্য অবৈধ মাধ্যমের সাহায্যে সরাসরি মুদ্রা পাচার করার প্রক্রিয়া। মনে রাখার টিপস: টাকা পাচার মানেই হলো দেশ থেকে অবৈধভাবে অর্থ বিদেশে পাঠানো বা বাণিজ্যের নামে মূল্য কম-বেশি করা, কিন্তু শুধু কর না দেওয়া হলো কর ফাঁকি।
a গুটিপোকা ও রেশম
b মৌমাছি ও মধু
c মৎস্য চাষ
d তামাক চাষ
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৌমাছি ও মধু কেন সঠিক: - এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন এবং এর মাধ্যমে মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া। - এটি মূলত বাণিজ্যিক ও কৃষিভিত্তিক মৌমাছি চাষের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুটিপোকা ও রেশম — গুটিপোকা ও রেশম চাষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদ্যাকে সেরিকালচার বলা হয়। B) মৌমাছি ও মধু — এটি এপিকালচার হিসেবে পরিচিত এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) মৎস্য চাষ — মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যাকে পিসিকালচার বা অ্যাকুাকালচার বলা হয়। D) তামাক চাষ — এটি কৃষির একটি বিশেষ ফসল উৎপাদনের অংশ, যার জন্য নির্দিষ্ট কোনো বৈজ্ঞানিক বিশেষায়িত নাম নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি এপি (Api) শব্দের সঙ্গে কালচার যুক্ত হয়ে এপিকালচার হয়েছে, যেখানে এপি শব্দটি মৌমাছির খামার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a ৭ ও ৯
b ১১ ও ১৩
c ৩ ও ৬
d ১ ও ২
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ ও ২ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) ২০৩০ সালের এজেন্ডার মধ্যে প্রধানত ক্ষুধা নিবারণ ও দারিদ্র্য দূরীকরণের ওপর কাজ করে। - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) প্রথম লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন এবং দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো ক্ষুধামুক্তি, যা ইফাদের কাজের মূল ক্ষেত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ ও ৯ — ৭ নম্বর লক্ষ্য হলো সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং ৯ নম্বর লক্ষ্য হলো শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, যা ইফাদের মূল কাজের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) ১১ ও ১৩ — ১১ নম্বর লক্ষ্য হলো টেকসই শহর ও জনবসতি এবং ১৩ নম্বর লক্ষ্য হলো জলবায়ু ação, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) ৩ ও ৬ — ৩ নম্বর লক্ষ্য হলো সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ এবং ৬ নম্বর লক্ষ্য হলো নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, যা ইফাদের নির্ধারিত এই লক্ষ্যটির সাথে মিলে না। D) ১ ও ২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ইফাদ বা কৃষি উন্নয়নের মূল কাজ হলো মানুষের পেট ও পকেট বাঁচানো, অর্থাৎ প্রথমে দারিদ্র্য (১) দূর করা এবং পরে ক্ষুধা (২) মেটানো।
a পরিকল্পনা কমিশন।
b অর্থ মন্ত্রণালয়।
c জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি।
d পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি। কেন সঠিক: - জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একেনেক হলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্তৃপক্ষ। - এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি এবং নির্দিষ্ট সীমার ওপরের বড় বড় সরকারি প্রকল্প চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিকল্পনা কমিশন — এটি দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে, তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ একেনেক। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের বাজেট প্রণয়ন ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে, তবে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ এটি নয়। C) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি — এটি সঠিক উত্তর। D) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় — এটি পরিকল্পনা কমিশন ও এর আওতাধীন সংস্থাসমূহ পরিচালনা করে, তবে এটি অর্থনৈতিক নীতি অনুমোদনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নয়। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্বাহী বা এক্সিকিউটিভ ক্ষমতা যার হাতে থাকে, তাকে একেনেক বা ECNEC বলা হয়।
a ১৯২০ সালে
b ১৯২৬ সালে
c ১৯২৫ সালে
d ১৯৩০ সালে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৬ সালে কেন সঠিক: - ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের মুখপত্র ছিল 'শিখা' নামক পত্রিকা এবং এর স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২০ সালে — এই সালে ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৯২৬ সালে — এটি সঠিক সাল এবং এই সালেই সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। C) ১৯২৫ সালে — এই সালে সংগঠনটির প্রাথমিক আলোচনা শুরু হলেও প্রতিষ্ঠা হয়নি। D) ১৯৩০ সালে — এই সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: ১৯২৬ সালে জন্ম নেওয়া সাহিত্য সমাজ বুদ্ধির মুক্তির আন্দোলন শুরু করেছিল।
a 1985
b 1984
c 1986
d 1983
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমসের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে офіিসিয়ালভাবে অংশগ্রহণ করে। - ১৯৮৪ সালের ২৮ জুলাই থেকে ১২ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে এই অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৫ — এই সালে কোনো গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি এবং বাংলাদেশ অলিম্পিকে অভিষেকও করেনি। B) ১৯৮৪ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত এবং বাংলাদেশ এই সালেই প্রথম অলিম্পিকে অংশ নেয়। C) ১৯৮৬ — এই সালে অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ অলিম্পিক প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। D) ১৯৮৩ — এই সালে কোনো গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর প্রথম অলিম্পিকে খেলেছে ১৯৮৪ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস আসরে।
a ঢাকা উত্তর
b কুমিল্লা
c ময়মনসিংহ
d রংপুর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের দ্বাদশ ও সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। - ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা উত্তর — এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ও পুরোনো সিটি কর্পোরেশন, সর্বশেষ নয়। B) কুমিল্লা — এটি ময়মনসিংহের আগে একাদশ সিটি কর্পোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। D) রংপুর — এটি ২০১২ সালে গঠিত হয়েছিল, যা ময়মনসিংহের তুলনায় অনেক আগের সিটি কর্পোরেশন। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ হলো বাংলাদেশের সর্বশেষ বা বারোতম সিটি কর্পোরেশন।
a 31
b 32
c 34
d 33
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে গ্রেফতার ও আটকের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে হেবিয়াস করপাস রিট অন্তর্ভুক্ত। - কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করা হলে এই অনুচ্ছেদের বিধানবলে হাইকোর্ট বিভাগের মাধ্যমে তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ চাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ অনুচ্ছেদ — এটি আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করে, যা হেবিয়াস করপাসের সরাসরি অংশ নয়। B) ৩২ অনুচ্ছেদ — এটি জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করে, তবে আটকের রক্ষাকবচ ও রিটের সুনির্দিষ্ট ধারা ৩৩। C) ৩৪ অনুচ্ছেদ — এটি বলপ্রয়োগে বাধ্যতামূলক শ্রম নিষিদ্ধকরণ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা গ্রেফতার বা আটকের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ৩৩ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি গ্রেফতার ও আটকের সুরক্ষার সাথে সরাসরি যুক্ত। মনে রাখার টিপস: আটক বা গ্রেফতারের বিরুদ্ধে মুক্তি বা হাজির করার জন্য সংবিধানের তেত্রিশ (৩৩) নম্বর অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য।
a ধামরাই
b কেরানীগঞ্জ
c কালিয়াকৈর
d সাভার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কালিয়াকৈর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল হালিম চৌধুরী সাভার, ধামরাই ও কেরানীগঞ্জ এলাকা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেন। - কালিয়াকৈর এলাকাটি এই নির্দিষ্ট আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন ছিল না, তাই এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধামরাই — এটি ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল। B) কেরানীগঞ্জ — এটিও ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল। C) কালিয়াকৈর — এটি এই আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাভুক্ত না থাকায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) সাভার — এটিও ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল। মনে রাখার টিপস: ক্যাপ্টেন হালিম চৌধুরীর বাহিনী মূলত সাভার, ধামরাই ও কেরানীগঞ্জে সক্রিয় ছিল, যার বাইরে কালিয়াকৈর অবস্থিত।
a ব্যক্তিগত
b সামাজিক
c রাষ্ট্রীয়
d নীতিগত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: B) সামাজিক কেন সঠিক: - সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মূলত নাগরিকের বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অংশ যা সমাজে তথ্য আদান প্রদান নিশ্চিত করে। - এটি সমাজের মানুষের অধিকার রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যক্তিগত — এটি কোনো একক ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো অধিকার নয়, বরং সমাজের সবার অধিকার। B) সামাজিক — এই উত্তরটি সঠিক কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সমাজ ও জনগণের অধিকারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। C) রাষ্ট্রীয় — এটি রাষ্ট্রের কোনো নিজস্ব সুযোগ সুবিধা বা সরকারি অধিকার নয়, বরং জনগণের মৌলিক অধিকার। D) নীতিগত — এটি শুধুমাত্র কোনো তাত্ত্বিক নৈতিক নীতি নয়, বরং সমাজে প্রয়োগ করার মতো বাস্তব অধিকার। মনে রাখার টিপস: সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ, তাই এর স্বাধীনতা একটি সামাজিক অধিকার।
a নির্দিষ্ট কোষের ইনসুলিন প্রতিরোধিতা
b বিটা কোষগুলির অটো-ইমিউন ধ্বংসের কারণে অগ্ন্যাশয় অপর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করে।
c প্রো-ইনসুলিন থেকে ইনসুলিনে রূপান্তরে ত্রুটি।
d অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ দ্বারা গ্লুকাগনের অতিরিক্ত উৎপাদন।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিটা কোষগুলির অটো-ইমিউন ধ্বংসের কারণে অগ্ন্যাশয় অপর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করে। কেন সঠিক: - টাইপ-১ ডায়াবেটিস একটি অটো-ইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী বিটা কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। - বিটা কোষ ধ্বংস হওয়ার ফলে দেহ পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্দিষ্ট কোষের ইনসুলিন প্রতিরোধিতা — এটি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ঘটে, যেখানে শরীর ইনসুলিন তৈরি করলেও কোষগুলো তা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। B) বিটা কোষগুলির অটো-ইমিউন ধ্বংসের কারণে অগ্ন্যাশয় অপর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করে। — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) প্রো-ইনসুলিন থেকে ইনসুলিনে রূপান্তরে ত্রুটি। — এটি একটি অত্যন্ত বিরল জেনেটিক ত্রুটি, যা সাধারণ টাইপ-১ ডায়াবেটিসের মূল কারণ নয়। D) অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ দ্বারা গ্লুকাগনের অতিরিক্ত উৎপাদন। — আলফা কোষ থেকে গ্লুকাগন উৎপাদনে সমস্যা ডায়াবেটিসে দেখা গেলেও এটি টাইপ-১ ডায়াবেটিসের মূল কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: টাইপ-১ মানেই অটো-ইমিউন আক্রমণ এবং ইনসুলিনের শূন্যতা।
a উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে দ্বৈত প্রশাসনিক কর্তৃত্ব
b সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতি কেন্দ্রীভূত
c পৌরসভা পর্যায়ে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের অভাব
d দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতি কেন্দ্রীভূত কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব আয়ের উৎস সীমিত এবং তাদের মূলত কেন্দ্রীয় অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হয়। - আর্থিক স্বায়ত্তশাসনের অভাব এবং বাজেটের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর অতি নির্ভরশীলতাই স্থানীয় সরকারের দুর্বলতার প্রধান কারণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে দ্বৈত প্রশাসনিক কর্তৃত্ব — এটি কাজের সমন্বয়হীনতা তৈরি করলেও মূল আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার সবচেয়ে বড় কারণ নয়। B) সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতি কেন্দ্রীভূত — এটিই স্থানীয় সরকার দুর্বল হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক দ্বন্দ্ব। C) পৌরসভা পর্যায়ে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের অভাব — এটি স্থানীয় উন্নয়নকে কিছুটা ব্যাহত করলেও সামগ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক কারণ নয়। D) দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা — এটি কিছু উন্নয়ন প্রকল্পে প্রভাব ফেলে, তবে পুরো স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতার জন্য এটি দায়ী নয়। মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকারের দুর্বলতার মূল কারণ হলো টাকার অভাব, অর্থাৎ আর্থিক ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে বন্দি থাকা।
a হরিধান, রূপালী
b ইরাটম, বর্ণালী
c ব্রি-শাইল, বলাকা
d হীরা, উত্তরণ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্রি-শাইল, বলাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল বা উফশী জাতের ধানের নাম ব্রি-শাইল। - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল বা উফশী জাতের গমের নাম বলাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরিধান, রূপালী — হরিধান স্থানীয় জাতের ধান এবং রূপালী অন্য কোনো প্রধান উফশী ধান বা গমের নাম নয়। B) ইরাটম, বর্ণালী — ইরাটম উফশী ধান হলেও বর্ণালী ধান বা গমের সঠিক উফশী জোড় হিসেবে এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ব্রি-শাইল, বলাকা — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক জোড়, যেখানে প্রথমটি উফশী ধান এবং দ্বিতীয়টি উফশী গম। D) হীরা, উত্তরণ — হীরা মূলত হাইব্রিড ধানের নাম এবং উত্তরণ অন্য কোনো ফসলের জাত। মনে রাখার টিপস: ধানের ক্ষেত্রে 'ব্রি-শাইল' এবং গমের ক্ষেত্রে 'বলাকা' নাম দুটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a পদ্মা
b মেঘনা
c যমুনা
d ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের নদীবিষয়ক প্রচলিত ও পাঠ্যপুস্তকের তথ্য অনুযায়ী পদ্মা হলো দেশের দীর্ঘতম নদী। - এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিলোমিটার এবং এটি ভারতে গঙ্গা নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী এবং এর উৎপত্তি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে। B) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ত ও গভীর নদী, দীর্ঘতম নদী নয়। C) যমুনা — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা। D) ব্রহ্মপুত্র — এটি একটি প্রধান আন্তর্জাতিক নদী হলেও বাংলাদেশে এর মূল প্রবাহ যমুনা নামে পরিচিত এবং দৈর্ঘ্য পদ্মার চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: পদ্মা হলো পা দিয়ে হাঁটার মতো সবচেয়ে দীর্ঘ পথ, তাই দীর্ঘতম নদী বললে পদ্মা মনে রাখবে।
a অর্থ ঋণ আদালত
b আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
c সামরিক আদালত
d সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সামরিক আদালত কেন সঠিক: - সামরিক আদালতের (Court Martial) বিচার প্রক্রিয়া এবং এর প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে দেশের সাধারণ উচ্চ আদালতে আপিল করার বিধান নেই। - সামরিক আইনের নিজস্ব আপিল ব্যবস্থা ও কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এসব মামলার নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ ঋণ আদালত — এই আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী উচ্চ আদালতে আপিল করার আইনি সুযোগ রয়েছে। B) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল — এই ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করার বিধান রয়েছে। C) সামরিক আদালত — এই আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণ আদালতে আপীল করা যায় না বলে এটি সঠিক উত্তর। D) সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন — এই ডিভিশনের আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা যায়। মনে রাখার টিপস: সামরিক আইনের নিয়ম আলাদা, তাই সামরিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ আদালতে আপিল করা যায় না।
a জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্থবিরতা সত্ত্বেও জিডিপির দ্রুত প্রবৃদ্ধি
b শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা
c রেমিট্যান্স বৃদ্ধি কিন্তু শ্রম অভিবাসন হ্রাস
d রপ্তানি বৃদ্ধি কিন্তু শিল্পায়ন কমে যাওয়া
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি মূলত রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি এবং উন্নয়ন বিজ্ঞানের কাঠামোগত বিশ্লেষণের অন্তর্গত। - দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয় বাড়লেও দুর্নীতি, বিচারহীনতা ও সুশাসনের অভাবে টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সামষ্টিক অর্থনীতি হলো জাতীয় উৎপাদন, আয় ও মুদ্রাস্ফীতির সামগ্রিক হিসাব। - কারণ ও ফলাফল: অর্থনৈতিক সূচক উন্নত হলেও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কারণে সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছায় না। - বাস্তব প্রয়োগ: বড় বড় অবকাঠামো নির্মিত হলেও সেবা খাতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা থেকে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে বড় বড় সেতু ও এক্সপ্রেসওয়ে নির্মিত হলেও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি দূর হয় না। ব্যাখ্যা: এটি শারীরিক অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার বৈপরীত্য নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: বাজেট বা জিডিপির আকার বাড়লেও কর আহরণে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা থাকে না। ব্যাখ্যা: এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার অমিল বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্থবিরতা সত্ত্বেও জিডিপির দ্রুত প্রবৃদ্ধি — এটি উন্নয়ন অর্জনের একটি ইতিবাচক দিক, কাঠামোগত কোনো সাংঘাতিক বৈপরীত্য নয়। B) শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা — এটি সঠিক এবং উন্নয়ন ধারার মূল কাঠামোগত সংকট। C) রেমিট্যান্স বৃদ্ধি কিন্তু শ্রম অভিবাসন হ্রাস — এই তথ্যটি বাস্তবসম্মত নয় কারণ অভিবাসী শ্রমিক বাড়লেই সাধারণত রেমিট্যান্স বাড়ে। D) রপ্তানি বৃদ্ধি কিন্তু শিল্পায়ন কমে যাওয়া — রপ্তানি বাড়লে দেশের শিল্পায়নও সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পায়, তাই এটি সাংঘর্ষিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্থনীতি ভালো কিন্তু শাসনব্যবস্থা খারাপ, এই দুটি মিলিয়েই উন্নয়ন ধারার প্রধান বৈপরীত্য মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসন ও অর্থনীতির সম্পর্ক নিয়ে প্রায়ই এই ধরনের বিশ্লেষণমূলক প্রশ্ন আসে।
a শরীরের ত্রি-মাত্রিক চিত্র তৈরি করতে এক্স-রে ব্যবহার করে।
b তেজস্ক্রিয় ট্রেসার দ্বারা নির্গত গামা-রে শনাক্তের মাধ্যমে।
c শক্তিশালী চুম্বক এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে।
d উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে।
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শক্তিশালী চুম্বক এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে। ১. কেন সঠিক: MRI বা ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং মূলত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গের মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে। এটি মানবদেহের ভেতরের অঙ্গ ও টিস্যুর অত্যন্ত নিখুঁত ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরি করতে ionizing radiation বা ক্ষতিকর এক্স-রে ব্যবহার করে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের কোষে থাকা পানির হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রোটন শক্তিশালী চুম্বকের প্রভাবে নির্দিষ্ট দিকে বিন্যস্ত হয় এবং রেডিও তরঙ্গ প্রয়োগ করলে সংকেত পাঠায়। কার্যপ্রণালি: কম্পিউটারের মাধ্যমে এই সংকেতগুলো বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরের নিখুঁত ছবি তৈরি করা হয় যা রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মস্তিষ্কের টিউমার বা রক্তনালীর সমস্যা শনাক্ত করতে ডাক্তাররা MRI স্ক্যান করার পরামর্শ দেন। ব্যাখ্যা: এটি নরম কলার ভেতরের সূক্ষ্ম পরিবর্তন এক্স-রে বা আল্ট্রাসাউন্ডের চেয়ে স্পষ্টভাবে দেখাতে পারে। উদাহরণ ২: হাঁটুর লিগামেন্ট বা স্পোর্টস ইনজুরির ক্ষেত্রে এমআরআই অত্যন্ত কার্যকরী। ব্যাখ্যা: হাড়ের পেছনের নরম পেশি ও টিস্যুর আঘাত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরীরের ত্রি-মাত্রিক চিত্র তৈরি করতে এক্স-রে ব্যবহার করে। — এটি এক্স-রে বা সিটি স্ক্যানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, এমআরআই এক্স-রে ব্যবহার করে না। B) তেজস্ক্রিয় ট্রেসার দ্বারা নির্গত গামা-রে শনাক্তের মাধ্যমে। — এটি পেট স্ক্যান বা গামা ক্যামেরা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সঠিক। C) শক্তিশালী চুম্বক এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে। — এটি সঠিক উত্তর। D) উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে। — এটি আল্ট্রাসনোগ্রাফি প্রযুক্তির মূল নীতি। ৫. মনে রাখার টিপস: MRI নামের মধ্যেই উত্তর লুকিয়ে আছে যেখানে এম মানে ম্যাগনেটিক বা চুম্বক এবং আর মানে রেজোন্যান্স বা রেডিও তরঙ্গ বোঝায়। চুম্বক ও রেডিও তরঙ্গের মেলবন্ধনেই এমআরআই কাজ করে কথাটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এমআরআই পরীক্ষায় তেজস্ক্রিয় এক্স-রে ব্যবহার করা হয় না বিধায় এটি মানবদেহের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রযুক্তির মূল নীতি হিসেবে আসে।
a তরুণাস্থি
b আরিউলার টিস্যু
c টেণ্ডন
d লিগামেন্ট
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টেণ্ডন ১. কেন সঠিক: টেণ্ডন হলো এক ধরণের শক্তিশালী ও অশ্বচ্ছ শ্বেত তন্তুময় সংযোজক টিস্যু। এটি মূলত পেশীকে হাড়ের সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত করে যাতে সঞ্চালন সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মাসকুলোস্কেলেটাল সিস্টেমের অংশ হিসেবে পেশী ও কঙ্কালের সংযোগ রক্ষা করা এই টিস্যুর প্রধান কাজ। এটি সংকোচনশীল নয়, তবে অত্যন্ত টান সহনশীল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের হাতের বাইসেপ পেশী যখন হাড়ের সাথে কাজ করে তখন হাতের কনুই বাঁকানো সম্ভব হয়। এই সংযোগটি টেণ্ডন দ্বারা সাধিত হয়। ব্যাখ্যা: পেশী সংকুচিত হলে টেণ্ডনের মাধ্যমে সেই বল হাড়ের ওপর স্থানান্তরিত হয় এবং হাড় নড়াচড়া করে। উদাহরণ ২: পায়ের গোড়ালির অ্যাকিলিস টেণ্ডন বা গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস পেশীকে ক্যালকানিয়াস হাড়ের সাথে যুক্ত করে। ব্যাখ্যা: হাঁটা, দৌড়ানো বা লাফানোর সময় এই টেণ্ডন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরুণাস্থি — এটি এক ধরণের নরম ও নমনীয় সংযোজক টিস্যু যা হাড়ের সংযোগস্থলে কুশন হিসেবে কাজ করে এবং নাক বা কানের গঠন বজায় রাখে। B) আরিউলার টিস্যু — এটি শরীরের অঙ্গগুলির মাঝে ফাঁকা স্থান পূর্ণ করে এবং ত্বকের নিচে অঙ্গসমূহকে ধরে রাখে। D) লিগামেন্ট — এটি এমন এক ধরণের টিস্যু যা এক হাড়কে অন্য হাড়ের সাথে সংযুক্ত করে, পেশীকে হাড়ের সাথে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বোন টু বোন লিগামেন্ট, মাসল টু বোন টেণ্ডন এই ছন্দটি মনে রাখলে আর কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। টেণ্ডন পেশীকে হাড়ের সাথে এবং লিগামেন্ট হাড়কে হাড়ের সাথে যুক্ত করে, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a উচ্চ তাপ বিকিরণ এবং খাদ্য কণাগুলোতে পরিবহন
b খাদ্য কণাগুলোতে ইনফ্রা-রেড বিকিরণ এবং শোষণ
c পানির অণুগুলোর ইনডাকশন হিটিং
d ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার গরম করার মূল কারণ হলো তড়িৎক্ষেত্রের দ্রুত পরিবর্তনের ফলে পানির অণুগুলোর ক্রমাগত দিক পরিবর্তন বা ঘূর্ণন। - খাদ্যের মধ্যে থাকা পোলার অণুগুলো (বিশেষ করে পানির অণু) মাইক্রোওয়েভের উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির তড়িৎ চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সাথে প্রতি সেকেন্ডে শত কোটি বার নিজেদের দিক পরিবর্তন করে ঘর্ষণের মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির তড়িৎ চৌম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে অন্তরক বা পোলার পদার্থের ভেতরের অণুগুলোকে উত্তপ্ত করা হয়। - কার্যপ্রণালি: মাইক্রোওয়েভ ওভেনে প্রায় দুই হাজার চারশ পঞ্চাশ মেগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সির মাইক্রোওয়েভ তৈরি করা হয় যা খাবারের ভেទরে প্রবেশ করে পানির অণুগুলোকে প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বার ঘুরাতে শুরু করে। - বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রযুক্তির সাহায্যে খুব কম সময়ে খাবারের ভেতরের অংশ সমানভাবে গরম করা সম্ভব হয় কারণ মাইক্রোওয়েভ সরাসরি খাবারের ভেতরের পানির অণুকে লক্ষ্য করে তাপ উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভেজা হাতে বৈদ্যুতিক সুইচ ধরতে গেলে তড়িৎ প্রবাহের ফলে বিপদের সৃষ্টি হয় কারণ পানির অণু বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি করে। ব্যাখ্যা: পানির অণুর মেরুবর্তী প্রকৃতির কারণে এটি তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের সাথে অত্যন্ত দ্রুত সাড়া দেয় এবং তাপশক্তি উৎপন্ন করতে পারে। উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেনে প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার গরম করা গেলেও শুকনো মুড়ি বা বিস্কুট গরম হয় না। ব্যাখ্যা: শুকনো খাবারে পানির পরিমাণ কম থাকে বলে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে ঘটে না এবং খাবার গরম হতে চায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উচ্চ তাপ বিকিরণ এবং খাদ্য কণাগুলোতে পরিবহন — ওভেনের কাজ তাপ বিকিরণ করে খাবার গরম করা নয় বরং তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ সরাসরি খাবারের ভেতরের অণুকে উত্তেজিত করা। B) খাদ্য কণাগুলোতে ইনফ্রা-রেড বিকিরণ এবং শোষণ — ইনফ্রা-রেড বিকিরণ সাধারণ বৈদ্যুতিক ওভেন বা গ্রিলারে ব্যবহৃত হয় কিন্তু মাইক্রোওয়েভ ওভেনে মাইক্রোওয়েভ বা রেডিও তরঙ্গের উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হয়। C) পানির অণুগুলোর ইনডাকশন হিটিং — ইনডাকশন হিটিং মূলত তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে কেবল ধাতব পাত্র গরম করার জন্য ব্যবহৃত হয় যা মাইক্রোওয়েভের কার্যনীতি নয়। D) ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং — এটি সঠিক কারণ তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে পানির অণুগুলোর দ্রুত ঘূর্ণন ও ঘর্ষণের মাধ্যমেই খাবার গরম হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইক্রোওয়েভ ওভেন মানেই পানির অণুর ঘূর্ণন এবং ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং প্রক্রিয়া। - মনে রাখবে ওভেনের তরঙ্গ খাবারের ভেতরের জলীয় অংশকে কাঁপায় এবং ঘর্ষণের ফলে তাপ তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ফ্রিকোয়েন্সি সাধারণত দুই হাজার চারশ পঞ্চাশ মেগাহার্জ হয়ে থাকে যা পানির অণুর সাথে সবচেয়ে ভালো অনুরণন তৈরি করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়, যার উত্তর হবে রেডিও তরঙ্গ বা মাইক্রোওয়েভ।
a অবলোহিত অঞ্চল
b দৃশ্যমান এবং নিকট- অবলোহিত অঞ্চল
c অতিবেগুনি এবং দৃশ্যমান অঞ্চল
d এক্স-রে এবং গামা-রে অঞ্চল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অবলোহিত অঞ্চল ১. কেন সঠিক: - জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মূলত অবলোহিত বা ইনফ্রারেড অঞ্চলে মহাবিশ্ব দেখার জন্য তৈরি করা হয়েছে। - মহাবিশ্বের অতি দূরের গ্যালাক্সি বা নক্ষত্র থেকে আসা আলো দীর্ঘ যাত্রায় লাল বিচ্যুতি বা রেডশিফটের শিকার হয়ে অবলোহিত আলোতে রূপান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎ-চুম্বকীয় বর্ণালীর অবলোহিত অংশ হলো সেই বিকিরণ যা দৃশ্যমান আলোর চেয়ে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কিন্তু মাইক্রোওয়েভের চেয়ে ছোট। - কার্যপ্রণালি: এই টেলিস্কোপের একটি বিশাল স্বর্ণের প্রলেপযুক্ত আয়না এবং বিশেষ শীতলীকরণ যন্ত্র রয়েছে যা মহাজাগতিক ধূলিকণা ভেদ করে প্রাচীন গ্যালাক্সির ছবি তুলতে সাহায্য করে। - বাস্তব প্রয়োগ: ইনফ্রারেড প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নাইট ভিশন ক্যামেরা এবং থার্মোমিটারে তাপীয় বিকিরণ শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতের সকালে কুয়াশা ভেদ করে দূরের বস্তু দেখার জন্য ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে অবলোহিত আলো ধূলিকণা ও কুয়াশা ভেদ করতে দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বেশি পটু। উদাহরণ ২: টেলিভিশন রিমোট কন্ট্রোল থেকে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: এই অদৃশ্য তরঙ্গ মাধ্যম ভেদ করে নির্দিষ্ট যন্ত্রে বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবলোহিত অঞ্চল — এই অপশনটি সঠিক কারণ জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ প্রধানত ইনফ্রারেড বা অবলোহিত তরঙ্গ দীর্ঘতা পর্যবেক্ষণে পারদর্শী। B) দৃশ্যমান এবং নিকট- অবলোহিত অঞ্চল — হাবল স্পেস টেলিস্কোপ প্রধানত দৃশ্যমান এবং অতিবেগুনি অঞ্চলে কাজ করে, তাই এটি জেমস ওয়েবের মূল লক্ষ্য নয়। C) অতিবেগুনি এবং দৃশ্যমান অঞ্চল — এই বর্ণালী অঞ্চলের পর্যবেক্ষণের জন্য গ্যালাক্স এক্সপ্লোরার বা হাবল টেলিস্কোপ ডিজাইন করা হয়েছিল। D) এক্স-রে এবং গামা-রে অঞ্চল — চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরি বা ফার্মি গামা-রিস স্পেস টেলিস্কোপ এই উচ্চ শক্তির রশ্মি নিয়ে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মানেই ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো, যা প্রাচীন মহাবিশ্বের ইতিহাস খুঁজতে সাহায্য করে। - হাবল দেখে দৃশ্যমান আলো আর জেমস ওয়েব দেখে ইনফ্রারেড আলো, এই পার্থক্য মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণ করা হয় ২০২১ সালের ২৫শে ডিসেম্বর এবং এটি নাসা, ইসা ও সিএসএ এর যৌথ প্রকল্প। - মহাকাশ গবেষণায় আলোর রেডশিফট বা লাল বিচ্যুতি এবং অবলোহিত রশ্মির ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ৪০ সেঃমিঃ
b ১৬০ সেঃমিঃ
c ৮০ সেঃমিঃ
d ০ সেঃমিঃ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০ সেঃমিঃ ১. কেন সঠিক: - সমতল আয়নার ক্ষেত্রে বস্তু আয়নার দিকে যত দূরত্ব অতিক্রম করে, প্রতিবিম্বও আয়নার দিকে ঠিক তত দূরত্বই এগিয়ে আসে। - বস্তুটি ৪ সেকেন্ডে লম্ব বরাবর মোট দূরত্ব অতিক্রম করে ১০ সেঃমিঃ প্রতি সেকেন্ড গুণ ৪ সেকেন্ড সমান ৪০ সেন্টিমিটার। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সমতল আয়নায় বস্তুর দূরত্ব এবং প্রতিবিম্বের দূরত্ব সবসময় সমান হয়। - কার্যপ্রণালি: বস্তু যদি আয়নার দিকে ভি বেগে চলে, তবে প্রতিবিম্বও আয়নার দিকে ভি বেগে এগিয়ে আসে। ফলে বস্তু ও প্রতিবিম্বের মধ্যকার আপেক্ষিক বেগ হয় দ্বিগুণ অর্থাৎ টুভি। - হিসাব: ৪ সেকেন্ডে বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্ব সমান ১০ সেঃমিঃ গুণ ৪ সমান ৪০ সেঃমিঃ। আয়না থেকে বস্তুর নতুন দূরত্ব এবং আয়না থেকে প্রতিবিম্বের নতুন দূরত্ব উভয়ই সমান। তাই বস্তু ও প্রতিবিম্বের মোট দূরত্ব সমান ৪০ সেন্টিমিটার যোগ ৪০ সেন্টিমিটার সমান ৮০ সেন্টিমিটার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে হাত এগিয়ে দিলে প্রতিবিম্বও আয়নার ভেতর থেকে আপনার দিকে এগিয়ে আসে। ব্যাখ্যা: এতে বোঝা যায় বস্তু ও প্রতিবিম্ব সর্বদা আয়না থেকে সমান দূরত্ব বজায় রেখে বিপরীত দিক থেকে গতিশীল থাকে। উদাহরণ ২: চলন্ত গাড়ির সাইড ভিউ আয়নায় পেছনের গাড়ি দেখতে পাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি আলোর প্রতিফলন এবং সমতল বা উত্তল আয়নার দূরত্ব সম্পর্কিত প্রতিবিম্বের নিয়মিত গাণিতিক নিয়মের বাস্তব প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ সেঃমিঃ — এটি কেবল বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্ব, বস্তু ও প্রতিবিম্বের মোট ব্যবধান নয়। B) ১৬০ সেঃমিঃ — এটি দ্বিগুণ দূরত্বের হিসাব ভুলভাবে চারগুণ করে বের করা হয়েছে। D) ০ সেঃমিঃ — বস্তুটি স্থির না থেকে গতিশীল থাকায় দূরত্ব শূন্য হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আয়না সম্পর্কিত গতিশীল বস্তুর দূরত্ব বের করতে হলে সবসময় বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্বকে দুই দিয়ে গুণ করতে হয়। - মনে রাখবেন, বস্তু এক ধাপ এগোলে প্রতিবিম্বও এক ধাপ এগিয়ে আসে, তাই মাঝখানের দূরত্ব দুই ধাপ কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের গাণিতিক সমস্যা প্রায়ই আসে। - এই একই ধারণা থেকে বেগ বা সময় পরিবর্তনের মাধ্যমে আরও নতুন এমসিকিউ প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
a অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ এবং চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ
b চুল্লির কেন্দ্রে উৎপন্ন তাপ স্থানান্তর করে শীতল করা
c দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো
d ক্ষতিকারক গামা বিকিরণ থেকে সুরক্ষা প্রদান
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো ১. কেন সঠিক: পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াসে আঘাত করার জন্য নিউট্রনের গতি কমানো প্রয়োজন হয়। দ্রুতগতির নিউট্রন সরাসরি ফিশন ঘটাতে পারে না, তাই মডারেটর এদের গতি কমিয়ে থার্মাল নিউট্রনে পরিণত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে নিউক্লীয় ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়। কার্যপ্রণালি: ফিশনের ফলে উৎপন্ন নিউট্রনগুলোর গতি অত্যন্ত বেশি থাকে, যা মডারেটর পদার্থের অণুর সঙ্গে সংঘর্ষের মাধ্যমে গতি হারায়। বাস্তব প্রয়োগ: গ্রাফাইট বা ভারী জল মডারেটর হিসেবে ব্যবহার করে নিউট্রনের গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলিয়ার্ড খেলায় একটি দ্রুতগতির বল অন্য বলকে আঘাত করলে তার গতি কমে যায়। ব্যাখ্যা: এই সংঘর্ষের প্রক্রিয়ায় গতিশক্তি স্থানান্তরিত হয়, যা পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটরের কাজের সঙ্গে তুলনীয়। উদাহরণ ২: ভারী জলের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: ক্যান্ডু চুল্লিতে ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড মডারেটর হিসেবে নিউট্রনের গতি কমিয়ে ফিশন প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ এবং চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ — এটি কন্ট্রোল রড বা নিয়ন্ত্রণ ১ এর কাজ, মডারেটরের কাজ নয়। B) চুল্লির কেন্দ্রে উৎপন্ন তাপ স্থানান্তর করে শীতল করা — এটি কুল্যান্ট বা শীতলকারকের কাজ, মডারেটরের কাজ তাপ স্থানান্তর করা নয়। C) দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো — এটি সঠিক উত্তর। D) ক্ষতিকারক গামা বিকিরণ থেকে সুরক্ষা প্রদান — এটি চুল্লির চারপাশে থাকা ভারী শিল্ড বা কংক্রিটের দেয়ালের কাজ। ৫. মনে রাখার টিপস: মডারেটর মানে মডারেট বা নিয়ন্ত্রণ করা, অর্থাৎ নিউট্রনের অতিরিক্ত গতি কমিয়ে তাকে শান্ত বা মডারেট করে। কন্ট্রোল রড শোষণ করে আর মডারেটর শুধু গতি কমায়, এই দুটি বিষয় আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারমাণবিক চুল্লিতে সাধারণত গ্রাফাইট, সাধারণ জল বা ভারী জল মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য পরীক্ষায় প্রায়শই মডারেটর এবং কন্ট্রোল রডের কাজের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a অভিশ্রুতি
b অপিনিহিতি
c সমীভবন
d স্বরসঙ্গতি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বরসঙ্গতি ১. কেন সঠিক: একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দের অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে তার প্রভাবে প্রভাবিত বা সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ার প্রক্রিয়াকে স্বরসঙ্গতি বলে। শব্দ উচ্চারণের সময় মুখবিবরের বিভিন্ন অঙ্গের সাচ্ছন্দ্য এবং ভাষার সহজীকরণের স্বাভাবিক প্রবণতা থেকেই এই ধ্বনিগত রূপান্তর ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: স্বরসঙ্গতি হলো দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনির পারস্পরিক প্রভাবে শব্দের মধ্যে স্বরসাম্য রক্ষা করার একটি স্বতঃস্ফূর্ত ভাষাতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া। কার্যপ্রণালি: শব্দ উচ্চারণের সময় জিহ্বা এবং ঠোঁটের অবস্থানের সুবিধার জন্য একটি স্বরের প্রভাবে অন্য স্বরটি পরিবর্তিত হয়ে পূর্ববর্তী বা পরবর্তী স্বরের কাছাকাছি বা একই রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলাতি থেকে বিলিতি। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম ই কারের প্রভাবে পরবর্তী আ কার পরিবর্তিত হয়ে ই কারে রূপান্তরিত হয়েছে এবং দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি সুষম রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: দেশি থেকে দিশি। ব্যাখ্যা: এই শব্দে আগের এককারের প্রভাবে পরবর্তী ই কারের কোনো পরিবর্তন না হলেও উচ্চারণের গতিশীলতার কারণে আদি স্বর পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক ধ্বনিসাম্য তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ই কার বা উ কার আগের স্বরের সাথে মিলে গেলে এবং তার আগের স্বরের পরিবর্তন ঘটালে তাকে অভিশ্রুতি বলে। B) অপিনিহিতি — যুক্তব্যঞ্জনবর্ণের আগে ই কার বা উ কার উচ্চারিত হওয়ার আগেই তা উচ্চারণ করাকে অপিনিহিতি বলা হয়। C) সমীভবন — দুটি ভিন্ন ধ্বনির একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমীভবন বলা হয়। D) স্বরসঙ্গতি — একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটার সঠিক বৈজ্ঞানিক ও ভাষাতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বরসঙ্গতি মনে রাখার সহজ উপায় হলো স্বরের সাথে স্বরের মিল বা সংগতি খোঁজা। শব্দে একই ধরনের স্বরের উপস্থিতি বা একটির প্রভাবে অন্যের পরিবর্তনই এই নিয়মের মূল ভিত্তি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি পরিবর্তন অধ্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়ই পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রশ্ন। এই ধারণা থেকে বিভিন্ন শব্দের উদাহরণ দিয়ে কোনটি কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন তা শনাক্ত করার প্রশ্ন আসতে পারে।
a Ni-Cd ব্যাটারির তুলনায় এদের শক্তির ঘনত্ব বেশি
b এতে লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড ক্যাথোড ব্যবহার করা হয়
c মেমোরি ইফেক্ট' এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয়
d এখানে অতিরিক্ত চার্জিং-এর ফলে আগুন লাগতে পারে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেমোরি ইফেক্ট এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয় ১. কেন সঠিক: - লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে মেমোরি ইফেক্ট বা স্মৃতি প্রভাব কাজ করে না, তাই এদের ব্যবহারের আগে সম্পূর্ণ ডিসচার্জ করার কোনো প্রয়োজন নেই। - ব্যাটারি পুরোপুরি খালি না করেই পুনরায় চার্জ করা যায় এবং এতে ব্যাটারির সামগ্রিক ধারণক্ষমতা কমে যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মেমোরি ইফেক্ট এমন একটি সমস্যা যেখানে কিছু ব্যাটারি আংশিক চার্জ অবস্থায় বারবার চার্জ দিলে তাদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। - কার্যপ্রণালি: লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ভেতরে লিথিয়াম আয়ন গ্রাফাইট অ্যানোড এবং মেটাল অক্সাইড ক্যাথোডের মাঝে যাতায়াত করে এবং এতে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক স্ফটিক তৈরি হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক স্মার্টফোন এবং ল্যাপটপ ব্যাখ্যা: আমরা প্রতিদিন মোবাইল বা ল্যাপটপের ব্যাটারি সম্পূর্ণ শেষ না করেই বারবার চার্জ করি এবং এতে ব্যাটারির স্থায়িত্ব নষ্ট হয় না। উদাহরণ ২: ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যাখ্যা: বৈদ্যুতিক গাড়িতে ব্যবহৃত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি যেকোনো শতাংশে চার্জে লাগানো যায় কারণ মেমোরি ইফেক্ট এদের প্রভাবিত করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ni-Cd ব্যাটারির তুলনায় এদের শক্তির ঘনত্ব বেশি — এই বিবৃতিটি সত্য কারণ নিকেল-ক্যাডমিয়াম ব্যাটারির তুলনায় লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে অনেক বেশি শক্তি সঞ্চয় করা যায়। B) এতে লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড ক্যাথোড ব্যবহার করা হয় — এই বিবৃতিটি সত্য কারণ সাধারণ ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসে ব্যবহৃত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে এই উপাদান ক্যাথোড হিসেবে থাকে। C) মেমোরি ইফেক্ট এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয় — এটি মিথ্যা বিবৃতি এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) এখানে অতিরিক্ত চার্জিং-এর ফলে আগুন লাগতে পারে — এই বিবৃতিটি সত্য কারণ লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে অতিরিক্ত চার্জ বা শর্টসার্কিট হলে তাপ উৎপন্ন হয়ে আগুন ধরতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি মানেই আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি, যেখানে মেমোরি ইফেক্ট বা স্মৃতি প্রভাবের কোনো স্থান নেই। - এগুলোকে যখন খুশি চার্জ করা যায়, সম্পূর্ণ খালি করার কোনো প্রয়োজন হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাটারির শক্তির ঘনত্ব এবং মেমোরি ইফেক্ট সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - নিকেল-ক্যাডমিয়াম ব্যাটারিতে মেমোরি ইফেক্ট দেখা যায় কিন্তু লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে তা দেখা যায় না, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
a শৈবাল
b ছত্রাক
c ভাইরাস
d ব্যাকটেরিয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাইরাস ১. কেন সঠিক: ভাইরাসের দেহে কোনো কোষীয় গঠন নেই, তাই এতে নিউক্লিয়াস বা সাইটোপ্লাজম থাকে না। এটি মূলত প্রোটিন আবরণে ঘেরা জিনগত উপাদান যা জীবদেহের বাইরে জড় বস্তুর মতো থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভাইরাস হলো অকোষীয় অণুজীব যা কোষের মৌলিক উপাদান যেমন নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ও কোষঝিল্লি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। কার্যপ্রণালি: জীবদেহের বাইরে ভাইরাস সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থাকে কিন্তু পোষক কোষের ভেতরে প্রবেশ করে নিজ নজির তৈরি করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তামাক গাছের মোজাইক ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের কোষে আক্রমণ করে রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু এর নিজস্ব কোনো বিপাকীয় সাইটোপ্লাজম নেই। উদাহরণ ২: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের কোষে বংশবৃদ্ধি করে কিন্তু স্বাধীনভাবে বাঁচার জন্য কোনো কোষীয় অঙ্গাণু বহন করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈবাল — শৈবাল হলো সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ যাদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমযুক্ত প্রকৃত কোষ থাকে। B) ছত্রাক — ছত্রাক ইউক্যারিওটিক বা প্রকৃত কোষী জীব, এদের কোষে সুনির্দিষ্ট নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম উপস্থিত। C) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভাইরাসের দেহে কোনো নিউক্লিয়াস বা সাইটোপ্লাজম থাকে না। D) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া প্রোক্যারিওটিক বা আদি কোষী জীব হলেও এদের কোষে সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লয়েড বা আদি নিউক্লিয়াস থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাইরাস হলো একমাত্র অকোষীয় জীব, যার ভেতর কোষের মৌলিক উপাদান অর্থাৎ নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম থাকে না। জীবজগতের বাইরে ভাইরাস জড় পদার্থের মতো আচরণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন অণুজীবটি অকোষীয়। মনে রাখবে ভাইরাস হলো প্রকৃত কোষী নয় বরং অকোষীয় কণা।
a মেরু অঞ্চল
b নিরক্ষীয় অঞ্চল
c একটি পাহাড়ের চূড়ায়
d পৃথিবীর কেন্দ্রে
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেরু অঞ্চল ১. কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুবীয় অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত। - কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি হয় এবং ওজনও সর্বাধিক হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বস্তুর ওজন হলো ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফল, যা ডব্লিউ সমান এম গুণ জি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। - সূত্র বা তত্ত্ব: নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী অভিকর্ষজ ত্বরণ জি সমান মহাকর্ষীয় ধ্রুবক গুণ পৃথিবীর ভর ভাগ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের বর্গ। - কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর ব্যাসার্ধ মেরু অঞ্চলে কম হওয়ায় ব্যাসার্ধের বর্গের মান কমে যায় এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বৃদ্ধি পায়। - বাস্তব প্রয়োগ: মেরু অঞ্চলে কোনো বস্তুর ওজন মাপলে যে পাঠ পাওয়া যায়, বিষুব অঞ্চলে গেলে সেই একই বস্তুর ওজন কিছুটা কম মনে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলে ১০০ কেজি ভরের কোনো বস্তুর ওপর মহাকর্ষীয় টান বিষুব অঞ্চলের তুলনায় কিছুটা বেশি অনুভূত হয়। ব্যাখ্যা: ব্যাসার্ধ কম থাকায় মেরুতে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান প্রায় ৯ দশমিক ৮৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড স্কয়ার হয়। উদাহরণ ২: একটি স্প্রিং তুলাযন্ত্রে কোনো বস্তুকে ঝুলিয়ে মেরু থেকে বিষুব অঞ্চলে নিয়ে গেলে কাঁটা একটু নিচের দিকে নেমে আসে। ব্যাখ্যা: স্থান পরিবর্তনের কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যাওয়ায় বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেরু অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সর্বনিম্ন এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বোচ্চ। B) নিরক্ষীয় অঞ্চল — এই অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বনিম্ন হয় এবং ওজনও কম হয়। C) একটি পাহাড়ের চূড়ায় — পাহাড়ের চূড়া ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত হওয়ায় কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়ে এবং ওজন হ্রাস পায়। D) পৃথিবীর কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় সেখানে কোনো বস্তুর ওজনও শূন্য হয়ে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেরু অঞ্চল ছোট তাই জোর বা বল বেশি, এই কথাটি মনে রাখলে সহজে ওজন বেশি কোথায় তা মনে রাখা যায়। - বিষুব অঞ্চলে পৃথিবী মোটা বা চওড়া তাই সেখানে দূরত্ব বেশি এবং ওজন কম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাকর্ষীয় ত্বরণ এবং ওজনের তারতম্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - মনে রাখতে হবে বস্তুর ভর সব স্থানে ধ্রুবক থাকলেও স্থানভেদে ওজনের পরিবর্তন ঘটে।
a লিগনিন
b রেজিন
c হেমি সেলুলোজ
d সেলুলোজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেলুলোজ ১. কেন সঠিক: - সেলুলোজ হলো উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরের মূল উপাদান যা কাগজ তৈরিতে ব্যবহৃত প্রধান রাসায়নিক যৌগ হিসেবে কাজ করে। - উদ্ভিদ কোষের তন্তুকে প্রক্রিয়াজাত করে কাগজ তৈরি করা হয় বলে সেলুলোজ কাগজের মৌলিক ভিত্তি গঠন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সেলুলোজ হলো গ্লুকোজের একটি দীর্ঘ শৃঙ্খল বা পলিমার যা হাজার হাজার বিটা ডি গ্লুকোজ অণু নিয়ে গঠিত। - রাসায়নিক গঠন: এর রাসায়নিক সংকেত হলো সি সিক্স এইচ টেন ও ফাইভ হোল এন, যেখানে এটি কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন দ্বারা গঠিত। - কার্যপ্রণালি: গাছ থেকে কাঠ সংগ্রহ করে তা থেকে লিগনিন ও অন্যান্য উপাদান আলাদা করে সেলুলোজ তন্তু দিয়ে কাগজ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুলা থেকে তৈরি কাগজ ব্যাখ্যা: তুলায় প্রায় নব্বই শতাংশ সেলুলোজ থাকে, যা দিয়ে অত্যন্ত টেকসই ও উন্নত মানের ব্যাংক নোট বা দলিলপত্র তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: বাঁশ বা কাঠ থেকে পেপার মিলের কাগজ ব্যাখ্যা: বাঁশ ও কাঠের মণ্ড থেকে সেলুলোজ তন্তু আলাদা করে আমাদের দৈনন্দিন লেখার খাতা বা বইয়ের কাগজ প্রস্তুত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিগনিন — এটি উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরকে শক্ত ও কাঠিন্য প্রদানকারী পলিমার, যা কাগজ তৈরিতে অপসারিত করা হয়। B) রেজিন — এটি উদ্ভিদের এক ধরণের চটচটে আঠালো পদার্থ, যা কাগজ তৈরির প্রধান রাসায়নিক উপাদান নয়। C) হেমি সেলুলোজ — এটি উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরের একটি উপাদান হলেও এটি সেলুলোজের মতো প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে না। D) সেলুলোজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাগজ তৈরির প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো এই সেলুলোজ তন্তু। ৫ মনে রাখার টিপস: - গাছের সেলুলোজ দিয়েই কাগজ তৈরি হয়, তাই মনে রাখতে হবে গাছ মানেই সেলুলোজ আর সেলুলোজ মানেই কাগজ। - উদ্ভিদ কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান সেলুলোজ, যা আমাদের লেখার কাগজ তৈরিতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিদের কোষ প্রাচীর কি দিয়ে গঠিত এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর সেলুলোজ। - তুলার মধ্যে সেলুলোজের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে, যা এই ধরণের পরীক্ষায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a এটি উৎপাদন করা সস্তা
b এতে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয়
c এটি সংরক্ষণ এবং পরিবহন করা সহজ
d প্রতি একক আয়তনে এর শক্তি ঘনত্ব বেশি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এতে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয় ১. কেন সঠিক: - গ্রীন-হাইড্রোজেন উৎপাদনের সময় কোনো ধরনের কার্বন ডাই-অক্সাইড বা গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয় না। - এটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয় বলে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে এটি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি যেমন সৌর বা বায়ুবিদ্যুৎ ব্যবহার করে পানির তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গ্রীন-হাইড্রোজেন উৎপাদন করা হয়। - কার্যপ্রণালি: এই প্রক্রিয়ায় পানি ভেঙে অক্সিজেন এবং হাইড্রোজেন আলাদা করা হয় এবং সম্পূর্ণ পদ্ধতিটি দূষণমুক্ত থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: শিল্পকারখানা, ভারী পরিবহন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌরবিদ্যুৎ চালিত ইলেকট্রোলাইজার ব্যবহার করে পানি থেকে গ্রীন-হাইড্রোজেন উৎপাদন করা। ব্যাখ্যা: এখানে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার না করায় কোনো কার্বন নিঃসরণ ঘটে না এবং প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার থাকে। উদাহরণ ২: হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলচালিত বাস বা গাড়ি। ব্যাখ্যা: এই বাহনগুলো জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন ব্যবহার করে এবং ধোঁয়ার পরিবর্তে কেবল জলীয় বাষ্প নির্গমন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটি উৎপাদন করা সস্তা — গ্রীন-হাইড্রোজেন উৎপাদন প্রক্রিয়া বেশ ব্যয়বহুল কারণ এতে উন্নত প্রযুক্তি এবং বেশি পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। B) এতে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই পদ্ধতিতে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না। C) এটি সংরক্ষণ এবং পরিবহন করা সহজ — হাইড্রোজেনের ঘনত্ব খুব কম হওয়ায় এটি সংরক্ষণ ও পরিবহন করা অত্যন্ত কঠিন এবং জটিল। D) প্রতি একক আয়তনে এর শক্তি ঘনত্ব বেশি — ওজনের তুলনায় হাইড্রোজেনের শক্তি বেশি হলেও প্রতি একক আয়তনে এর শক্তি ঘনত্ব কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - নামের রঙের সঙ্গে পরিবেশের মিল মনে রাখবে। গ্রীন মানে সবুজ বা পরিবেশবান্ধব, তাই এতে কার্বন থাকে না। আর গ্রে বা ধূসর মানে জীবাশ্ম জ্বালানি ভিত্তিক, যা কার্বন ছড়ায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাইড্রোজেন শক্তির রংভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ এবং কার্বন নিঃসরণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - গ্রে-হাইড্রোজেন প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে উৎপন্ন হয় এবং এতে প্রচুর কার্বন নির্গত হয়, যা গ্রীন-হাইড্রোজেনের বিপরীত।
a হোল
b ইলেকট্রন
c প্রোটন
d আয়ন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইলেকট্রন ১. কেন সঠিক: - NPN ট্রানজিস্টরে ইমিটার বা নিঃসারক থেকে পরিবাহীতে প্রধানত ইলেকট্রন সরবরাহ করা হয়। - ট্রানজিস্টরের মূল কার্যকারিতা এই মুক্ত ইলেকট্রনের প্রবাহের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ট্রানজিস্টর হলো একটি অর্ধপরিবাহী ডিভাইস যা বিবর্ধক বা সুইচ হিসেবে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: NPN ট্রানজিস্টরে দুটি এন টাইপ অর্ধপরিবাহীর মাঝে একটি পি টাইপ বেস বা ভিত্তি থাকে, যেখানে এন টাইপ অংশে ইলেকট্রন বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের প্রসেসর ব্যাখ্যা: প্রসেসরের ভেতরে কোটি কোটি ট্রানজিস্টর সুইচ হিসেবে কাজ করে ডেটা প্রক্রিয়া করে। উদাহরণ ২: অডিও অ্যামপ্লিফায়ার ব্যাখ্যা: অ্যামপ্লিফায়ারে ট্রানজিস্টর ছোট শব্দ সংকেতকে বড় ও জোরালো শব্দে রূপান্তর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হোল — হোল হলো পিএনপি ট্রানজিস্টরের প্রধান চার্জ বাহক। B) ইলেকট্রন — এটি সঠিক কারণ NPN ট্রানজিস্টরে এন টাইপ অংশ বেশি থাকে। C) প্রোটন — প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে এবং এটি তড়িৎ পরিবহনে অংশ নেয় না। D) আয়ন — আয়ন হলো চার্জযুক্ত পরমাণু যা অর্ধপরিবাহীর মধ্য দিয়ে মুক্তভাবে চলাচল করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - এনপিএন মানে নেগেটিভ, পজিটিভ, নেগেটিভ এবং নেগেটিভ মানেই হলো ইলেকট্রন। - এভাবে সহজেই মনে রাখা যায় যে NPN ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন প্রধান ভূমিকা পালন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ট্রানজিস্টরের চার্জ বাহক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পিএনপি ট্রানজিস্টরে প্রধান চার্জ বাহক কী, এই প্রশ্নটি এর বিকল্প হিসেবে পরীক্ষায় আসতে পারে।
a তথ্য রাখার হার্ডওয়্যারসমূহ
b তথ্য রাখার প্রোগ্রামসমূহ
c তথ্য সমূহের সুসংগঠিত রূপ
d তথ্য স্থানান্তরের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তথ্য সমূহের সুসংগঠিত রূপ ১. কেন সঠিক: - ডেটাবেজ হলো সুবিন্যস্ত উপাত্তের একটি সংগ্রহ, যা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। - এটি এলোমেলো উপাত্তকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় এনে তথ্য ব্যবস্থাপনাকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ডেটাবেজ হলো কম্পিউটার সিস্টেমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সংরক্ষিত সম্পর্কিত তথ্যের সুসংগঠিত ভাণ্ডার। - কার্যপদ্ধতি: এটি ফাইল বা টেবিলের সারিবদ্ধ قطار ও কলামের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ করে এবং বিভিন্ন কুয়েরির মাধ্যমে তা উপস্থাপন করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তথ্যের পুনরাবৃত্তি কমানো, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একাধিক ব্যবহারকারীকে ডেটা শেয়ার করার সুবিধা দেওয়া। - ব্যবহার: ব্যাংক ব্যবস্থার গ্রাহক হিসাব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীর রেকর্ড এবং সরকারি নিবন্ধনে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সফটওয়্যার ব্যাখ্যা: এখানে সব শিক্ষার্থীর নাম, রোল, ঠিকানা এবং পরীক্ষার নম্বর একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মে সাজানো থাকে, যা ডেটাবেজের বাস্তব রূপ। উদাহরণ ২: মোবাইল ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট ব্যাখ্যা: ফোনে সংরক্ষিত প্রতিটি নাম, ফোন নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা একটি ডেটাবেজ আকারে সংরক্ষিত থাকে, যা প্রয়োজনে সহজে অনুসন্ধান করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য রাখার হার্ডওয়্যারসমূহ — এটি ডেটাবেজ নয়, বরং হার্ডওয়্যার যেমন হার্ড ডিস্ক বা এসএসডি হলো স্টোরেজ ডিভাইস যাতে ডেটা রাখা হয়। B) তথ্য রাখার প্রোগ্রামসমূহ — এটি ডেটাবেজ নয়, বরং ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ডিবিএমএস হলো সেই সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ পরিচালনা করে। D) তথ্য স্থানান্তরের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা — এটি ডেটাবেজ নয়, বরং এটি হলো নেটওয়ার্ক বা যোগাযোগ মাধ্যম যার মাধ্যমে তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডেটা মানে কাঁচামাল বা এলোমেলো উপাত্ত এবং ডেটাবেজ মানে সেই উপাত্তের গোছানো রূপ। - ডেটাবেজের পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যারকে ডিবিএমএস বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডেটাবেজের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফিল্ড এবং একাধিক ফিল্ড মিলে তৈরি হয় রেকর্ড। - এমএস এক্সেস এবং ওরাকল হলো জনপ্রিয় ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
a 1010011100
b 10010010100
c 1110101111001011
d 001001000110100
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 001001000110100 ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে একটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা বা ASCII মানের ত্রুটিপূর্ণ টাইপ দেখা যাচ্ছে, যেখানে X বলতে কোনো অজানা মান বা ওয়াইল্ডকার্ড বোঝানো হয়েছে, তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর বিট সংখ্যা বিশ্লেষণ করে এটি একটি ইউনিকোড বা হেক্সাডেসিমেল রূপান্তরের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। - এখানে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্ককে চার বিটের বাইনারি মানে রূপান্তর করে সঠিক মানটি নির্ণয় করা হয়েছে, যা কম্পিউটার সায়েন্সের সংখ্যা পদ্ধতি রূপান্তরের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো কোনো সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতি, যার মধ্যে বাইনারি (ভিত্তিক দুই) ও হেক্সাডেসিমেল (ভিত্তিক ষোল) বহুল ব্যবহৃত। - কার্যপদ্ধতি: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে আলাদা করে চার বিটের বাইনারি কোডে রূপান্তর করে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষা তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেক্সাডেসিমেল এ এর বাইনারি মান ১০১০। ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমেলের প্রতিটি অঙ্ককে এভাবে চার বিটের বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়। উদাহরণ ২: ডেসিমেল ৫ এর বাইনারি মান ১০১। ব্যাখ্যা: ডেসিমেল সংখ্যাকে দুই দ্বারা ভাগ করে ভাগশেষগুলো উল্টো দিক থেকে সাজিয়ে বাইনারি মান পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1010011100 — এটি দশ বিটের বাইনারি সংখ্যা, যা প্রদত্ত উত্তরের বিট কাঠামোর সাথে মিলছে না। B) 10010010100 — এটি এগারো বিটের বাইনারি সংখ্যা এবং সঠিক মানের বিট বিন্যাসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) 1110101111001011 — এটি ষোল বিটের বাইনারি সংখ্যা হলেও এর মান প্রদত্ত উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। D) 001001000110100 — এটি সঠিক বাইনারি রূপ যা নির্ধারিত বিট সংখ্যা ও মানের দিক থেকে সম্পূর্ণ নির্ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারিতে রূপান্তরের সময় সর্বদা চার বিটের কম্বিনেশন মনে রাখতে হবে। - শূন্য থেকে পনেরো পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর চার বিটের বাইনারি রূপ মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার সময় খুব দ্রুত উত্তর করা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের জন্য বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। - বিট হলো কম্পিউটারের মেমোরির সবচেয়ে ছোট একক এবং আট বিটে এক বাইট হয়।
a শুধুমাত্র লোকাল স্টোরেজ
b ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্সেস
c শুধুমাত্র ভার্চুয়াল স্টোরেজ
d উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্সেস ১. কেন সঠিক: ক্লাউড কম্পিউটিং কেবল স্টোরেজ বা তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যম নয়, বরং এটি ইন্টারনেটভিত্তিক এমন একটি পরিষেবা যা প্রসেসিং পাওয়ার, মেমোরি, নেটওয়ার্কিং এবং সফটওয়্যারের মতো বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স দূরবর্তী সার্ভার থেকে সরবরাহ করে। ব্যবহারকারী নিজস্ব শারীরিক হার্ডওয়্যার বা ডেটা সেন্টার ছাড়াই প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় এই রিসোর্সগুলো ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে ডেটা সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং সেবা বা রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীর অনুরোধ অনুযায়ী ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী ডেটা সেন্টার থেকে ভার্চুয়াল সার্ভার বা প্রসেসিং ক্ষমতা সরবরাহ করা হয়। ব্যবহার: বড় বড় সফটওয়্যার চালানো, বিশাল ডেটা প্রসেসিং, ওয়েবসাইট হোস্টিং এবং অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন চালুর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ বা ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কেবল ফাইল জমা রাখেন না, বরং ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে অনলাইন ডকস বা স্প্রেডশিট সম্পাদনা ও পরিচালনা করেন। উদাহরণ ২: অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস বা মাইক্রোসফট আজুর এর সেবা গ্রহণ। ব্যাখ্যা: কোম্পানিগুলো নিজেদের কম্পিউটার না কিনে ক্লাউড থেকে ভার্চুয়াল প্রসেসর ও মেমোরি ভাড়া নিয়ে বড় সফটওয়্যার পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুধুমাত্র লোকাল স্টোরেজ — এটি ভুল কারণ ক্লাউড কম্পিউটিং লোকাল বা স্থানীয় হার্ডওয়্যারে নয়, বরং ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে কাজ করে। B) ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্সেস — এটি সঠিক কারণ ক্লাউড কম্পিউটিং প্রসেসিং, মেমোরি ও নেটওয়ার্কের মতো ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্স প্রদান করে। C) শুধুমাত্র ভার্চুয়াল স্টোরেজ — এটি আংশিক সঠিক কিন্তু সীমিত, কারণ ক্লাউড কেবল স্টোরেজ নয়, প্রসেসিং ও সফটওয়্যারের মতো অন্যান্য কম্পিউটিং রিসোর্সও প্রদান করে। D) উপরের সবগুলো — এটি ভুল কারণ প্রথম ও তৃতীয় অপশনে শুধুমাত্র স্টোরেজের কথা বলা হয়েছে, যা ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের পূর্ণাঙ্গ কাজকে প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্লাউড কম্পিউটিং মানেই নিজের কম্পিউটারের বাইরে ইন্টারনেটে অন্য কম্পিউটারের ক্ষমতা ও স্টোরেজ ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করা। স্টোরেজ এর পাশাপাশি প্রসেসিং পাওয়ার যুক্ত থাকলেই তা পূর্ণাঙ্গ ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সেবা মডেল তিনটি যথা আইআস, প্যাস এবং স্যাস। এসব সেবা মডেল থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a Facebook
b Amazon
c YouTube
d All of the above
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of the above ১. কেন সঠিক: ই-কমার্স বলতে ইন্টারনেট বা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা কেনাবেচাকে বোঝায়। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ডেডিকেটেড ই-কমার্স সাইট এবং ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম—সব মাধ্যমেই ব্যবসায়িক লেনদেন ও বিপণন সম্ভব। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে কোনো পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া। কার্যপদ্ধতি: বিক্রেতা ডিজিটাল মাধ্যমে পণ্যের প্রদর্শন ও বিজ্ঞাপন দেয় এবং ক্রেতা অনলাইনে পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে তা ক্রয় করে। ব্যবহার: খুচরা বিক্রি, পাইকারি ব্যবসা, ডিজিটাল সেবা প্রদান এবং বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেসবুক পেজ বা মার্কেটপ্লেস ব্যাখ্যা: ফেসবুকে যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পেজ খুলে তাদের পণ্যের ছবি ও বিবরণ দিয়ে সরাসরি ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে পারে। উদাহরণ ২: অ্যামাজন ওয়েবসাইট ব্যাখ্যা: অ্যামাজন হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ডেডিকেটেড ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেখানে সরাসরি লাখ লাখ বিক্রেতা ও ক্রেতা লেনদেন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Facebook — শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলেও বর্তমানে এটি কমার্স ও বিজ্ঞাপনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। B) Amazon — এটি সরাসরি একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেখানে পণ্য কেনাবেচা মূল উদ্দেশ্য। C) YouTube — ভিডিও প্ল্যাটফর্ম হলেও বর্তমানে এতে শপিং ফিচার ও পণ্যের বিজ্ঞাপন যুক্ত হয়েছে। D) All of the above — ওপরের সবগুলো মাধ্যমেই ই-কমার্স বা ব্যবসার কাজ পরিচালিত হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: ই-কমার্স মানে কেবল আলাদা কোনো ওয়েবসাইট নয়, ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেখানেই কেনাবেচা হয় সেটাই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-কমার্স মূলত চার প্রকার হয় যেমন বিটুবি, বিটুসি, সিটুসি এবং সিটুবি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a অডিও হতে টেক্সট
b ইমেজ হতে টেক্সট
c ভিডিও হতে টেক্সট
d বাইনারি হতে ডেসিমেল
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইমেজ হতে টেক্সট ১. কেন সঠিক: - OCR প্রযুক্তির পূর্ণরূপ হলো Optical Character Recognition, যার বাংলা অর্থ অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন। - এটি মূলত কোনো ছবি বা স্ক্যান করা ডকুমেন্টের ভেতরের লিখিত বা মুদ্রিত অক্ষরগুলোকে এডিটেবল টেক্সটে রূপান্তর করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OCR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা প্রিন্ট করা বা হাতের লেখা টেক্সটের ছবি স্ক্যান করে কম্পিউটার-পঠনযোগ্য টেক্সটে রূপান্তরিত করে। - কার্যপদ্ধতি: এই সফটওয়্যার ছবির প্রতিটি অক্ষরের আকৃতি বিশ্লেষণ করে এবং ফন্ট বা প্যাটার্নের সাথে মিলিয়ে তাকে আলাদা টেক্সট ফাইলে রূপান্তর করে। - ব্যবহার: পুরোনো বই স্ক্যান করে ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি করতে এবং চালানের কাগজ বা ফরমের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারে ইনপুট দিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজের তৈরি কোনো বইয়ের পৃষ্ঠা স্ক্যান করে তা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলে রূপান্তর করা। ব্যাখ্যা: স্ক্যান করা পাতাটি মূলত একটি ইমেজ, যা ওসিআর প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে সম্পাদনাযোগ্য টেক্সটে পরিণত হয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকের চেক স্ক্যান করে অ্যাকাউন্টের নম্বর বা টাকার পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিড করা। ব্যাখ্যা: ওসিআর দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে ইমেজে থাকা লেখা চিনে সিস্টেমের ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অডিও হতে টেক্সট — এই রূপান্তর কাজটি এসটিটি বা স্পিচ টু টেক্সট প্রযুক্তি করে, ওসিআর করে না। B) ইমেজ হতে টেক্সট — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওসিআর ছবির লেখাকে টেক্সটে রূপান্তর করে। C) ভিডিও হতে টেক্সট — ভিডিও থেকে টেক্সট রূপান্তর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাবটাইটেল জেনারেটর ব্যবহার করা হয়, ওসিআর নয়। D) বাইনারি হতে ডেসিমেল — এটি সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর, যা কোনো ইমেজ প্রসেসিং প্রযুক্তি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ও (O) দিয়ে অপটিক্যাল এবং সি (C) দিয়ে ক্যারেক্টার বোঝায়, যা সরাসরি ছবির লেখা বা ক্যারেক্টার পড়তে সাহায্য করে। - মনে রাখবে, ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুললে তা ইমেজ হয়, আর ওসিআর সেই ইমেজকে টেক্সটে বদলে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ওসিআর (OCR) কোন ধরনের ডিভাইস বা প্রযুক্তি, তা প্রায়ই ইনপুট ডিভাইস হিসেবে আসে। - কাছাকাছি আরেকটি প্রযুক্তি হলো ওএমআর (OMR), যা মূলত অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন এবং বিশেষ বৃত্ত বা দাগ চিনতে ব্যবহৃত হয়।
a এদের যেকোনো সিনথেটিক নিউট্রিয়েন্ট মিডিয়ামে কালচার করা যায়।
b এদের জেনেটিক উপাদান হিসেবে ডিএনএ এবং আরএনএ থাকে।
c এরা এক ধরনের অন্তঃকোষীয় পরজীবী।
d ভাইরাস হল অণুবীক্ষণিক জীবন্ত প্রাণী।
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এরা এক ধরনের অন্তঃকোষীয় পরজীবী। ১. কেন সঠিক: ভাইরাস হলো অকোষীয় এবং পরজীবী সত্তা যা কেবল জীবন্ত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। কোষের বাইরে এরা জড় পদার্থের মতো আচরণ করে, তাই এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা বাধ্যতামূলক অন্তঃকোষীয় পরজীবী। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ভাইরাস হলো অতিবিক্ষুদ্র অণুজীব যা একটি প্রোটিন আবরণ এবং ভেতরে জেনেটিক বস্তু নিয়ে গঠিত। কার্যপদ্ধতি: এরা নিজস্ব কোনো বিপাকীয় ব্যবস্থা ছাড়াই অন্য কোষের জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করে নিজেদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। বৈশিষ্ট্য: ভাইরাসের দেহে কোনো কোষ প্রাচীর, সাইটোপ্লাজম বা কোষীয় অঙ্গাণু থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: করোনা ভাইরাস বা সার্স কোভ টু মানবদেহের শ্বাসতন্ত্রের কোষ আক্রমণ করে সংখ্যা বৃদ্ধি করে। ব্যাখ্যা: কোষের ভেতরে প্রবেশ করার পরই কেবল ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে রোগ সৃষ্টি করতে পারে। উদাহরণ ২: ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাস কেবল ব্যাকটেরিয়া কোষকে আক্রমণ করে ধ্বংস করতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট পোষক কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে এবং পরবর্তীতে কোষ ফেটে বাইরে বেরিয়ে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এদের যেকোনো সিনথেটিক নিউট্রিয়েন্ট মিডিয়ামে কালচার করা যায়। — এটি ভুল কারণ ভাইরাস কৃত্রিম পুষ্টি মাধ্যমে বা জড় মাধ্যমে বাঁচতে পারে না, এদের বংশবৃদ্ধির জন্য জীবন্ত কোষের প্রয়োজন হয়। B) এদের জেনেটিক উপাদান হিসেবে ডিএনএ এবং আরএনএ থাকে। — এটি ভুল কারণ একটি ভাইরাসে সাধারণত ডিএনএ অথবা আরএনএ থাকে, একসঙ্গে উভয় জেনেটিক উপাদান থাকে না। D) ভাইরাস হল অণুবীক্ষণিক জীবন্ত প্রাণী। — এটি ভুল কারণ ভাইরাস কোষী জীব নয় এবং কোষের বাইরে এরা সম্পূর্ণ জড় বস্তুর মতো আচরণ করে, তাই এদের পূর্ণাঙ্গ জীবন্ত প্রাণী বলা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাইরাসকে মনে রাখতে হবে একটি অবিতর্কিত পরজীবী হিসেবে যা কোষের বাইরে মৃত এবং কোষের ভেতরে জীবন্ত। ভাইরাস শব্দের অর্থ বিষ এবং এটি জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী একটি সংযোগকারী সেতু হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন অণুজীব কোষের বাইরে নিষ্ক্রিয় থাকে, যার উত্তর হবে ভাইরাস। ব্যাকটেরিয়া কৃত্রিম মাধ্যমে জন্মানো গেলেও ভাইরাস জন্মানোর জন্য সবসময় জীবন্ত পোষক কোষের প্রয়োজন হয়।
a প্রোগ্রামটির জন্য এমন একটা এলগরিদম তৈরি করা যা Asymptotically faster
b পিসির Configuration উন্নত করা
c খুব দ্রুত গতির I/O devices লাগানো
d খ এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রোগ্রামটির জন্য এমন একটা এলগরিদম তৈরি করা যা Asymptotically faster ১. কেন সঠিক: - একটি সফটওয়্যারের পারফরম্যান্স মূলত নির্ভর করে এর কোডিং বা এলগরিদমের দক্ষতার ওপর। - Asymptotically faster এলগরিদম ডেটার পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রসেসিং সময় ও জটিলতা অনেক কমায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এলগরিদম হলো কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপভিত্তিক নির্দেশনার সমষ্টি। - কার্যপদ্ধতি: এটি ইনপুট ডেটা প্রসেস করে কম সময়ে ও কম মেমোরি ব্যবহারে সঠিক আউটপুট প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো স্কেলেবিলিটি এবং বিগ ও নোটেশন দ্বারা এর জটিলতা মাপা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্চ করার জন্য লিনিয়ার সার্চের বদলে বাইনারি সার্চ ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: ডেটা বেশি হলে বাইনারি সার্চ অনেক দ্রুত কাজ করে। উদাহরণ ২: সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশন। ব্যাখ্যা: অপ্রয়োজনীয় লুপ বা পুনরাবৃত্তি দূর করে কোড দ্রুত চালানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোগ্রামটির জন্য এমন একটা এলগরিদম তৈরি করা যা Asymptotically faster — এটি সঠিক কারণ এটি সফটওয়্যারের মূল কাঠামোগত উন্নতি ঘটায়। B) পিসির Configuration উন্নত করা — এটি সাময়িকভাবে হার্ডওয়্যারের ক্ষমতা বাড়ায় কিন্তু অদক্ষ কোডের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করতে পারে না। C) খুব দ্রুত গতির I/O devices লাগানো — এটি কেবল ডেটা আদান-প্রদান দ্রুত করে, কিন্তু প্রসেসিং লজিকের কর্মদক্ষতা বাড়াতে পারে না। D) খ এবং গ উভয়ই — ভুল কারণ খ এবং গ অপশন দুটি একা বা একত্রে ভালো এলগরিদমের বিকল্প হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার কেবল শক্তি বাড়ায়, কিন্তু ভালো এলগরিদম কাজের সঠিক পদ্ধতি শেখায়। - কোডের দক্ষতা বাড়াতে Always choose better Algorithm over fast Hardware. ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিগ ও নোটেশন দিয়ে এলগরিদমের দক্ষতা মাপা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ক্ষেত্রে এলগরিদমের ভূমিকাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
a 16
b 0
c 15
d কোনোটিই নয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: বাইনারি সিস্টেমটি ৪ বিটের মানটি হলো শূন্য ধরি, ৪ বিটে শূন্যর বাইনারি রূপ = ০০০০ অতএব, এর ১ এর পরিপূরক বা ১স কমপ্লিমেন্ট = ১১১১ এর সাথে ১ যোগ করলে হয় = ১১১১ + ১ = ১০০০০ সুতরাং, ৪ বিট হিসেবে ওভারফ্লো বাদ দিলে মান হয় = ০০০০ উত্তর: ০
a Shortest Path
b Triangulation
c Nearest- neighbor
d Encryption
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Triangulation ১. কেন সঠিক: মোবাইল ফোন অপারেটররা কোনো ব্যবহারকারীর অবস্থান বা লোকেশন শনাক্ত করার জন্য ট্রায়াঙ্গুলেশন বা বহুভুজভিত্তিক দূরত্ব নির্ণয় পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। এই পদ্ধতিতে মোবাইল টাওয়ার এবং ফোনের মধ্যকার সিগন্যাল পৌঁছানোর সময় বা দূরত্ব হিসাব করে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ট্রায়াঙ্গুলেশন হলো ত্রিকোণমিতির জ্যামিতিক নীতি ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুর সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান বের করার প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: একটি মোবাইল ফোন যখন চালু থাকে, তখন নিকটবর্তী অন্তত তিনটি মোবাইল টাওয়ারের সঙ্গে এর সিগন্যাল আদান-প্রদান হয় এবং সিগন্যালের যাতায়াতের সময় মাপা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম। ব্যাখ্যা: জিপিএস স্যাটেলাইটগুলো পৃথিবী থেকে প্রাপ্ত সিগন্যালের ত্রিভুজভিত্তিক দূরত্ব হিসাব করে চালকের সঠিক অবস্থান মানচিত্রে দেখায়। উদাহরণ ২: ইমার্জেন্সি কল ট্র্যাকিং। ব্যাখ্যা: জরুরি সেবার সময় ৯৯৯ বা অনুরূপ নম্বরে কল করলে পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিস এই প্রযুক্তির সাহায্যে कॉলারের কাছাকাছি লোকেশন ট্র্যাক করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shortest Path — এটি মূলত রাউটিং বা গ্রাফ থিওরির একটি অ্যালগরিদম, যা দুটি নেটওয়ার্ক বিন্দুর মধ্যে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ খুঁজতে ব্যবহৃত হয়। B) Triangulation — এটি সঠিক উত্তর। C) Nearest- neighbor — এটি মেশিন লার্নিং বা প্যাটার্ন রিকগনিশনের একটি ক্লাসিফিকেশন অ্যালগরিদম, যা লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের মূল পদ্ধতি নয়। D) Encryption — এটি ডেটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য ডেটাকে সাংকেতিক রূপে রূপান্তর করার পদ্ধতি, লোকেশন নির্ণয়ের জন্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করার জন্য কমপক্ষে তিনটি টাওয়ারের প্রয়োজন হয় এবং ত্রিভুজ বা তিন মাথার ধারণার সঙ্গে মিল রেখে এর নাম ট্রায়াঙ্গুলেশন মনে রাখা সহজ। টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে সেল টাওয়ারভিত্তিক অবস্থান নির্ণয়কে অনেক সময় মাল্টিলেটারেশন বা জিওলোকেশনও বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এবং মোবাইল কমিউনিকেশনে জিওলোকেশন প্রযুক্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলুলার নেটওয়ার্কের কার্যপদ্ধতি থেকে প্রায়শই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a Security
b Standardization
c Software
d Sense
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Security ১. কেন সঠিক: HTTP প্রোটোকলের সাথে সিকিউরিটি বা নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করে HTTPS তৈরি করা হয়েছে। এটি ডেটা স্থানান্তরের সময় এনক্রিপশন ব্যবহার করে হ্যাকারদের হাত থেকে তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: HTTPS-এর পূর্ণরূপ হলো Hypertext Transfer Protocol Secure এবং HTTP-এর পূর্ণরূপ Hypertext Transfer Protocol. কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগের সময় SSL বা TLS প্রোটোকল ব্যবহার করে সমস্ত ডেটা কোডে রূপান্তর করে পাঠায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ ওয়েবসাইটের ঠিকানা http:// দিয়ে শুরু হয়, যেখানে পাসওয়ার্ড বা তথ্য চুরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ব্যাখ্যা: এই ধরনের সাইটে ব্রাউজার সাধারণত নট সিকিউর দেখায়। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং বা ই-কমার্স সাইটের ঠিকানা https:// দিয়ে শুরু হয় এবং ব্রাউজারে তালা চিহ্ন থাকে। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর গোপনীয় তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকে এবং তৃতীয় কেউ তা পড়তে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Security — এটি সঠিক উত্তর কারণ HTTPS প্রোটোকল ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। B) Standardization — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রোটোকলের বিশেষ বৈশিষ্ট্য নয়, বরং সব প্রযুক্তির জন্য এটি একটি সাধারণ নিয়ম। C) Software — এটি কোনো সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি ইন্টারনেট যোগাযোগ প্রোটোকল। D) Sense — এটি একটি সাধারণ ইংরেজি শব্দ, যা নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির এই নির্দিষ্ট প্রোটোকলের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: HTTPS নামের শেষে থাকা S অক্ষরটি হলো Security বা নিরাপত্তার প্রতীক। HTTP হলো উন্মুক্ত এবং HTTPS হলো সুরক্ষিত প্রোটোকল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে নিরাপদ ওয়েবসাইটের জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। সঠিক উত্তর হবে HTTPS এবং এর পোর্ট নম্বর হলো ৪৪৩, অপরদিকে সাধারণ HTTP-এর পোর্ট নম্বর হলো ৮০।
a তথ্য উৎপাদনের গতি
b প্রসেসরের গতি
c তথ্য স্থানান্তরের গতি
d মেমরির আকার
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রসেসরের গতি ১. কেন সঠিক: GHz বা গিগাহার্জ হলো প্রসেসরের কাজের গতি বা ক্লক স্পিড পরিমাপের একক। এটি নির্দেশ করে একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত বিলিয়ন বা শত কোটি সাইকেল বা নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: GHz-এর পূর্ণরূপ হলো Gigahertz। এটি দ্বারা প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন সাইকেল বা কম্পাঙ্ক বোঝানো হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা ক্রিস্টাল অসিলেটর নির্দিষ্ট হারে ইলেকট্রনিক পালস তৈরি করে, যাকে ক্লক স্পিড বলে। এর মান যত বেশি হয়, প্রসেসর তত দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৩.০ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর ব্যাখ্যা: এই প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে তিন বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে, যা সাধারণ কাজের জন্য খুবই দ্রুত গতিশীল। উদাহরণ ২: স্মার্টফোন এবং কম্পিউটার প্রসেসর ব্যাখ্যা: আধুনিক প্রসেসরগুলোতে একাধিক কোর থাকে এবং প্রতিটির গতি গিগাহার্জ এককে মাপা হয়, যা তাদের বহুমুখী কাজের ক্ষমতা নির্ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য উৎপাদনের গতি — তথ্য উৎপাদনের গতি কোনো নির্দিষ্ট একক দিয়ে মাপা হয় না, এটি মূলত প্রসেসরের ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। B) প্রসেসরের গতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রসেসরের ক্লক স্পিড পরিমাপের একক হলো গিগাহার্জ। C) তথ্য স্থানান্তরের গতি — তথ্য স্থানান্তরের গতি পরিমাপের একক হলো বিট প্রতি সেকেন্ড বা Mbps কিংবা Gbps। D) মেমরির আকার — মেমরির আকার বা ধারণক্ষমতা পরিমাপের একক হলো বাইট, যেমন মেগাবাইট বা গিগাবাইট। ৫. মনে রাখার টিপস: GHz দেখলে মনে রাখবে এটি Hertz-এর বড় একক, যা কম্পাঙ্ক বা প্রসেসরের গতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। মেমরির ক্ষেত্রে GB এবং প্রসেসরের গতির ক্ষেত্রে GHz ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেমরির একক এবং প্রসেসরের গতির এককের মধ্যে কনফিউশন তৈরি করা হয়। প্রসেসর স্পিডের ক্ষেত্রে হার্জ বা গিগাহার্জ এবং মেমরির ক্ষেত্রে বাইট বা গিগাবাইট মনে রাখবে।
a অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার
b নেটওয়ার্ক লেয়ার
c ট্রান্সপোর্ট লেয়ার
d ডেটালিংক লেয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ট্রান্সপোর্ট লেয়ার ১. কেন সঠিক: Transmission Control Protocol বা TCP হলো OSI মডেলের ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রটোকল। এটি মূলত ডেটাকে ছোট ছোট ভাগে বা প্যাকেটে ভাগ করে এবং গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তা সঠিকভাবে পুনর্বিন্যাস করতে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ট্রান্সপোর্ট লেয়ার হলো OSI মডেলের চতুর্থ স্তর যা উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটার নির্ভরযোগ্য ও ক্রমানুসারে ডেলিভারি নিশ্চিত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রটোকল হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ ডেটা পাঠানোর আগে সেন্সরের সাথে রিসিভারের সংযোগ স্থাপন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি ডেটা লস্ট হলে তা পুনরায় পাঠানোর অনুরোধ করে এবং ফ্লো কন্ট্রোল ও এরর কন্ট্রোল নিশ্চিত করে। ব্যবহার: ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল পাঠানো এবং ফাইল স্থানান্তরের মতো কার্যক্রমে যেখানে ডেটা শতভাগ নিখুঁত হওয়া জরুরি, সেখানে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইট লোড করার সময় সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং সম্পূর্ণ পেজটি সঠিকভাবে প্রদর্শন। ব্যাখ্যা: TCP নিশ্চিত করে যেন ওয়েবসাইটের কোনো ছবি বা টেক্সট হারিয়ে না যায় এবং ব্যবহারকারী নিখুঁত ডেটা পায়। উদাহরণ ২: ইমেইল আদান-প্রদান করার সময় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে সম্পূর্ণ বার্তাটি পাঠানো। ব্যাখ্যা: প্রটোকলটি বড় ইমেইলকে ছোট প্যাকেটে ভেঙে গন্তব্যে পাঠায় এবং সিকোয়েন্স অনুযায়ী সাজিয়ে পুনরায় মূল বার্তা তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার — এটি ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে, যেমন HTTP বা FTP, যা ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের কাজ নয়। B) নেটওয়ার্ক লেয়ার — এটি মূলত আইপি অ্যাড্রেসিং এবং রাউটিংয়ের মাধ্যমে ডেটা প্যাকেট সঠিক পথে পরিচালনা করে, যা TCP-এর কাজ নয়। D) ডেটালিংক লেয়ার — এটি নোড থেকে নোডে নির্ভরযোগ্য ডেটা স্থানান্তর নিশ্চিত করে এবং ম্যাক অ্যাড্রেস নিয়ে কাজ করে, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: OSI মডেলের লেয়ারগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে পড়তে পারো। ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের মূল কাজ হলো নির্ভরযোগ্যভাবে ডেটা স্থানান্তর করা, যার জন্য TCP সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রটোকল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: TCP একটি কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রটোকল, অন্যদিকে এর বিপরীত আরেকটি প্রটোকল হলো UDP যা কানেকশনলেস। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে TCP কোন লেয়ারে কাজ করে অথবা এটি কেমন প্রটোকল।
a রেজিস্টার
b ডিকোডার
c মাল্টিপ্লেক্সার
d NAND গেট
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রেজিস্টার ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে লজিক সার্কিট প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট এবং সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট। রেজিস্টার হলো সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট, যা ফ্লিপ-ফ্লপের সমন্বয়ে তৈরি হয় এবং ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট এমন একটি সার্কিট যার আউটপুট কেবল বর্তমান ইনপুটের ওপর নির্ভর করে। কার্যপদ্ধতি: এই সার্কিটে কোনো মেমোরি বা পূর্ববর্তী অবস্থার ডেটা ধরে রাখার ব্যবস্থা থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিকোডার ও মাল্টিপ্লেক্সার ব্যাখ্যা: এরা ইনপুট সংকেত প্রক্রিয়াজাত করে তাৎক্ষণিক আউটপুট দেয়, মেমোরি হিসেবে কাজ করে না। উদাহরণ ২: রেজিস্টার ও কাউন্টার ব্যাখ্যা: এরা সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট হিসেবে ঘড়ির স্পন্দনের সাথে ডেটা সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেজিস্টার — এটি সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট কারণ এতে মেমোরি বা ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। B) ডিকোডার — এটি একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা কোডকে বোধগম্য তথ্যে রূপান্তর করে এবং এর কোনো মেমোরি নেই। C) মাল্টিপ্লেক্সার — এটি একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা বহু ইনপুট থেকে একটি একক আউটপুট নির্বাচন করে। D) NAND গেট — এটি একটি মৌলিক কম্বিনেশনাল লজিক গেট যার আউটপুট শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুটের ওপর নির্ভর করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কম্বিনেশনাল সার্কিট মানে কেবল গেটের সমাহার যেমন এনকোডার, ডিকোডার, মাল্টিপ্লেক্সার। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট মানে মেমোরিযুক্ত সার্কিট যেমন রেজিস্টার, ফ্লিপ-ফ্লপ ও কাউন্টার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্বিনেশনাল সার্কিটে অতীত ডেটা মনে রাখার ক্ষমতা থাকে না, কিন্তু সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমোরি বা ফ্লিপ-ফ্লপ আবশ্যিক। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোনটি সিকোয়েন্সিয়াল বা কম্বিনেশনাল সার্কিট।
a DHCP
b Accelerometer
c Satellite Signal
d Gyroscope
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Satellite Signal ১. কেন সঠিক: - স্মার্টফোনে জিপিএস ব্যবহারের জন্য স্যাটেলাইট সিগন্যাল বা উপগ্রহ সংকেত অপরিহার্য কারণ এটি ছাড়া অবস্থান নির্ধারণ করা অসম্ভব। - জিপিএস রিসিভার অন্তত চারটি উপগ্রহ থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে পৃথিবীর যেকোনো স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও উচ্চতা নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম হলো একটি স্যাটেলাইটভিত্তিক নেভিগেশন ব্যবস্থা যা ব্যবহারকারীকে ভৌগোলিক অবস্থান ও সময় জানাতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: মহাশূন্যে থাকা উপগ্রহগুলো থেকে ক্রমাগত রেডিও তরঙ্গ পাঠানো হয় এবং স্মার্টফোনের জিপিএস চিপ সেই সিগন্যাল বিশ্লেষণ করে দূরত্ব মাপে। - ব্যবহার: গুগল ম্যাপে দিকনির্দেশনা পাওয়া, রাইড শেয়ারিং অ্যাপে অবস্থান শনাক্ত করা এবং ট্র্যাকিংয়ের কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচেনা শহরে ঘুরতে যাওয়ার সময় জিপিএস ম্যাপ ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: জিপিএস স্যাটেলাইট থেকে সিগন্যাল নিয়ে রিয়েল-টাইমে মানচিত্রে ব্যবহারকারীর সঠিক অবস্থান ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: রাইড শেয়ারিং অ্যাপে গাড়ি বা বাইক ডাকলে চালক যাত্রীর অবস্থান দেখতে পাওয়া। ব্যাখ্যা: স্মার্টফোনের জিপিএস মডিউল স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করে বর্তমান স্থানাঙ্ক অ্যাপের মাধ্যমে চালকের কাছে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DHCP — এটি ডায়নামিক হোস্ট কনফিগারেশন প্রোটোকল যা নেটওয়ার্কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করে কিন্তু জিপিএসের অবস্থানের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) Accelerometer — এটি একটি সেন্সর যা ডিভাইসের গতি ও ত্বরণ মাপে কিন্তু স্যাটেলাইট সিগন্যাল ছাড়া শুধু এটি দিয়ে ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণ করা যায় না। C) Satellite Signal — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইট থেকে আসা রেডিও তরঙ্গ ছাড়া জিপিএস কাজ করতে পারে না। D) Gyroscope — এটি ডিভাইসের ঘূর্ণন ও অভিমুখ পরিবর্তন শনাক্ত করতে সাহায্য করে তবে জিপিএস পজিশনিংয়ের জন্য এটি মূল উপাদান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিপিএস মানে মহাশূন্যের স্যাটেলাইট বা উপগ্রহের খেলা। - জিপিএস সিগন্যালের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ বাধ্যতামূলক নয়, কেবল সরাসরি স্যাটেলাইট সিগন্যাল প্রয়োজন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জিপিএস মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি প্রযুক্তি যার পূর্ণরূপ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম। - একই ধরনের অন্যান্য গ্লোবাল নেভিগেশন সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার গ্লনাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্যালিলিও।
a ছবি এডিট করার সফটওয়্যার
b অপারেটিং সিস্টেম
c প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
d ম্যালওয়্যার
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ম্যালওয়্যার ১. কেন সঠিক: Trojan Horse হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা দেখতে বৈধ প্রোগ্রামের মতো ছদ্মবেশ ধারণ করে। কম্পিউটারে ইনস্টল হওয়ার পর এটি গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য চুরি করে বা বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ট্রোজান হর্স এমন একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা উপকারী বা বিনোদনমূলক সফটওয়্যারের আড়ালে ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে সিস্টেমে প্রবেশ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি নিজেরা নিজেদের প্রতিলিপি বা কপি তৈরি করতে পারে না, বরং ব্যবহারকারী নিজেই এটিকে ডাউনলোড বা ইনস্টল করে সিস্টেমে নিয়ে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্রি গেম বা এন্টিভাইরাস ডাউনলোড ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী কোনো জনপ্রিয় গেম বা ইউটিলিটি সফটওয়্যার ভেবে ইন্টারনেটে থাকা একটি ফাইল ডাউনলোড করে ইনস্টল করেন। উদাহরণ ২: ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট ব্যাখ্যা: পরিচিত কোনো সূত্র থেকে আসা লোভনীয় অফার বা কাজের ফাইলের সাথে ট্রোজান সংযুক্ত থাকে, যা ওপেন করলেই কম্পিউটারের ক্ষতি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছবি এডিট করার সফটওয়্যার — এটি কোনো ইমেজ প্রসেসিং টুল নয়, কারণ এটি ছবি পরিবর্তনের বদলে সিস্টেমের ক্ষতি করে। B) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কোনো সিস্টেম সফটওয়্যার বা প্ল্যাটফর্ম নয় যা কম্পিউটার পরিচালনা করে। C) প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ — এটি কোনো কোডিং ভাষা নয় যার মাধ্যমে সফটওয়্যার তৈরি করা যায়। D) ম্যালওয়্যার — এটি সঠিক কারণ ট্রোজান হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রিক পুরাণের ট্রয় নগরীর কাঠের ঘোড়ার কাহিনীর সাথে এটি তুলনীয়, যেখানে উপহারের ঘোড়ার ভেতর শত্রুসেনা লুকিয়ে ছিল। সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেও ভালো জিনিসের ভেতর ক্ষতিকারক কোড লুকিয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ভাইরাসের মতো ট্রোজান নিজে নিজে বংশবিস্তার করতে পারে না। সাইবার নিরাপত্তায় ক্ষতিকারক সফটওয়্যার শনাক্ত করতে বিশ্বস্ত সোর্স থেকে ফাইল ডাউনলোড করা উচিত।
a Picture element
b Person length
c Pixure length
d Pixie land
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Picture element ১. কেন সঠিক: Pixel শব্দটি মূলত Picture এবং element শব্দদুটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা Portmanteau। ডিজিটাল ইমেজ বা ছবির সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম একক হলো এই Pixel। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডিজিটাল ডিসপ্লে বা ছবির ক্ষুদ্রতম বিন্দু বা ডটকে Pixel বলা হয়, যা একটি নির্দিষ্ট রঙ ধারণ করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: লক্ষ লক্ষ পিক্সেল একত্রিত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ছবি বা স্ক্রিনের ডিসপ্লে তৈরি করে। বৈশিষ্ট্য: প্রতিটি পিক্সেলের নিজস্ব অবস্থান এবং রঙের মান থাকে, যা লাল, সবুজ এবং নীল আলোর মিশ্রণে গঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ক্যামেরা ব্যাখ্যা: ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা মানে হলো ছবিটিতে প্রায় এক কোটি বিশ লক্ষ পিক্সেল আছে। উদাহরণ ২: কম্পিউটার মনিটর ব্যাখ্যা: ১৯২০ গুণ ১০৮০ রেজুলেশনের মনিটরে স্ক্রিনজুড়ে এত সংখ্যক পিক্সেল পাশাপাশি সাজানো থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Picture element — এটি সঠিক কারণ Pixel শব্দের পূর্ণরূপ হলো Picture element। B) Person length — এটি মানুষের দৈর্ঘ্য বোঝায়, যা কম্পিউটার গ্রাফিক্স বা ছবির ক্ষুদ্রতম এককের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Pixure length — এটি একটি ভুল শব্দ বা বিভ্রান্তিকর অপশন, যার কোনো প্রযুক্তিগত ভিত্তি নেই। D) Pixie land — এটি কাল্পনিক কোনো স্থানের নাম বোঝায়, যা ডিজিটাল প্রযুক্তির পরিভাষা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: Picture শব্দের Pic এবং element শব্দের el অংশ মিলে তৈরি হয়েছে Pixel শব্দ। শব্দটির পূর্ণরূপ মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার স্ক্রিনের রেজুলেশন এবং ছবির কোয়ালিটি সরাসরি পিক্সেলের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। পিক্সেল যত বেশি হয়, ছবির স্পষ্টতা বা ধারালো ভাব তত বৃদ্ধি পায়।
a ফিশিং (Phishing)
b স্প্যাম ইমেইল (Spam e-mail)
c র‍্যানসমওয়্যার অ্যাটাক (Ransomware Attack)
d পরিচয় চুরি (Identity Theft)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) র‍্যানসমওয়্যার অ্যাটাক (Ransomware Attack) ১. কেন সঠিক: - র‍্যানসমওয়্যার বর্তমানে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অন্যতম বড় হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। - এটি কেবল ব্যক্তিগত কম্পিউটার আক্রমণ করে না, বরং বৃহৎ হাসপাতালের নেটওয়ার্ক, সরকারি সার্ভার ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে জিম্মি করে সাইবার যুদ্ধের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকারক সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপশন বা অবরুদ্ধ করে এবং তা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য মুক্তিপণ বা র‍্যানসম দাবি করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ফিশিং ইমেল বা দুর্বল সিকিউরিটির মাধ্যমে সিস্টেমে প্রবেশ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো শক্তিশালী এনক্রিপশন অ্যালগরিদম দিয়ে লক করে দেয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি আক্রমণের পর স্ক্রিনে একটি সতর্কবার্তা প্রদর্শন করে, যেখানে মুক্তিপণ পরিশোধের মাধ্যম হিসেবে সাধারণত ক্রিপ্টোকারেন্সি চাওয়া হয়। - ব্যবহার: সাইবার অপরাধীরা আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে এবং অনেক ক্ষেত্রে শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রগুলো ভূ-রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য এই আক্রমণ চালায়। - পার্থক্য: সাধারণ ভাইরাস বা ট্রোজান সিস্টেমের ক্ষতি বা তথ্য চুরি করে, কিন্তু র‍্যানসমওয়্যার সরাসরি ডেটার নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নিয়ে অর্থনৈতিক মুক্তিপণ দাবি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওয়ানা ক্রাই (WannaCry) র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ ব্যাখ্যা: ২০১৭ সালে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই আক্রমণ একসঙ্গে দেড়শটিরও বেশি দেশের লক্ষাধিক কম্পিউটার অচল করে দিয়েছিল এবং এর মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তার গুরুত্ব বিশ্ববাসীর সামনে স্পষ্ট হয়। উদাহরণ ২: কোলনিয়াল পাইপলাইন (Colonial Pipeline) সাইবার আক্রমণ ব্যাখ্যা: ২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে র‍্যানসমওয়্যার হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিশিং (Phishing) — এটি প্রবঞ্চনামূলক উপায়ে সংবেদনশীল তথ্য চুরির পদ্ধতি, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার চেয়ে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতারণার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। B) স্প্যাম ইমেইল (Spam e-mail) — এটি মূলত অনাকাঙ্ক্ষিত বা প্রচারণামূলক বার্তা, যা বিরক্তিকর হলেও সরাসরি কোনো ধ্বংসাত্মক সাইবার হুমকি বা আন্তর্জাতিক সংকটের সৃষ্টি করে না। D) পরিচয় চুরি (Identity Theft) — এটি ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য অপব্যবহার করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অপরাধ, যা সাইবার অপরাধের অংশ হলেও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার আলোচনায় র‍্যানসমওয়্যারের মতো ব্যাপক ধ্বংসাত্মক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - র‍্যানসম শব্দের অর্থ মুক্তিপণ এবং ওয়্যার এসেছে সফটওয়্যার থেকে, যার সম্মিলিত অর্থ দাঁড়ায় মুক্তিপণ আদায়ের সফটওয়্যার। - আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার বড় হুমকি হিসেবে পরীক্ষায় আসলে চোখ বুজে র‍্যানসমওয়্যার অ্যাটাক উত্তর নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ডেটার ব্যাকআপ রাখা এবং শক্তিশালী ফায়ারওয়াল ব্যবহার করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক সাইবার অপরাধ ও ম্যালওয়্যারের ধরন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a শিল্পাঞ্চলের অভাব
b রাজনৈতিক অস্থিরতা
c দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য
d ক্ষুদ্রঋণের স্বল্পতা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য ১. কেন সঠিক: - শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য কেবল পুঁজি বা অবকাঠামো যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন কারিগরি দক্ষ জনশক্তি এবং যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা। - আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা সার্টিফিকেট সর্বস্ব হওয়ায় তা কর্মক্ষেত্রের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যা এই রূপান্তরের পথে সবচেয়ে বড় কাঠামোগত বাধা। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা হলো রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধ এবং সুশাসনের একটি অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। - গুরুত্ব: এটি যুবসমাজকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করে উৎপাদনশীল শক্তিতে রূপান্তর করতে এবং দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী সাধারণ ডিগ্রি অর্জন করলেও কোনো ব্যবহারিক বা কারিগরি দক্ষতা না থাকায় চাকরির বাজারে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে এবং হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ব্যক্তির মেধা ও শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না, যা প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত উভয় স্তরেই উন্নয়নের অন্তরায়। উদাহরণ ২: একটি পোশাক কারখানায় আধুনিক প্রযুক্তি আমদানির পর দেখা গেল স্থানীয় কর্মীরা তা চালাতে পারছেন না, ফলে বিদেশ থেকে উচ্চ বেতনে বিশেষজ্ঞ আনতে হচ্ছে। ব্যাখ্যা: শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্যের কারণে দেশীয় অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং দক্ষ মানবসম্পদের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিল্পাঞ্চলের অভাব — বাংলাদেশে পর্যাপ্ত শিল্পাঞ্চল রয়েছে বা প্রতিনিয়ত নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠছে, কিন্তু দক্ষ কর্মীর অভাবে অনেক কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারে না। B) রাজনৈতিক অস্থিরতা — রাজনৈতিক অস্থিরতা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা শ্লথ করলেও এটি এককভাবে শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে রূপান্তরের প্রধান কাঠামোগত বাধা নয়। C) দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য — এটিই সঠিক কারণ প্রযুক্তিগত উৎপাদন ও আধুনিক শিল্পের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উপযুক্ত ও দক্ষ জনশক্তি। D) ক্ষুদ্রঋণের স্বল্পতা — ক্ষুদ্রঋণ মূলত প্রান্তিক মানুষের গ্রামীণ কুটিরশিল্প বা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে, কিন্তু বৃহৎ উৎপাদনভিত্তিক অর্থনীতির জন্য এটি প্রধান চালিকাশক্তি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্থনীতি রূপান্তরের মূল চাবিকাঠি হলো জ্ঞান ও দক্ষতা। - শিক্ষা যদি কর্মমুখী না হয়, তবে ডিগ্রি থাকলেও উৎপাদনশীলতা বাড়ে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবসম্পদ উন্নয়ন ও যুগোপযোগী শিক্ষানীতি সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন বা কর্মমুখী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কিত অনুধাবনমূলক প্রশ্ন হিসেবেও আসতে পারে।
a দ্রুত শিল্পায়ন নিশ্চিত করে।
b অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়ের ভারসাম্য রক্ষা করে।
c জনসংখ্যা হ্রাস করে।
d রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দূর করে।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়ের ভারসাম্য রক্ষা করে। ১. কেন সঠিক: - সুশাসন নিশ্চিত করে যে অর্থনৈতিক উন্নতির সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে সমভাবে পৌঁছাবে। - এটি কেবল ধনী শ্রেণীর উন্নয়ন নয়, বরং দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা করে টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে সাহায্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন ও সামাজিক ন্যায় এমন একটি নৈতিক ভিত্তি যা রাষ্ট্র ও সমাজে সমতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করে। - গুরুত্ব: এটি নিশ্চিত করে যে উন্নয়ন যেন কেবল সংখ্যাগত বৃদ্ধি না হয়ে মানবিক কল্যাণ সাধন করে। - প্রয়োগ: সরকারি সম্পদ ব্যবহারে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং নীতিনির্ধারণে সাধারণ মানুষের মতামতকে মূল্যায়ন করা। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি কোনো অনুদান বা সাহায্য বিতরণে স্বজনপ্রীতি না করে প্রকৃত দরিদ্র ও যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশ এবং এর মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়। উদাহরণ ২: কোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের সময় পরিবেশের ক্ষতি এড়ানো এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান রক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করা। ব্যাখ্যা: এটি টেকসই উন্নয়ন এবং নৈতিক দায়িত্ববোধের সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রুত শিল্পায়ন নিশ্চিত করে। — দ্রুত শিল্পায়ন সুশাসনের একমাত্র বা সরাসরি ফলাফল নয়, কারণ অপরিকল্পিত শিল্পায়ন পরিবেশ ও সমাজের ক্ষতি করতে পারে। B) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়ের ভারসাম্য রক্ষা করে। — এটি সঠিক কারণ টেকসই উন্নয়নের মূল শর্ত হলো অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি সামাজিক সাম্য বজায় রাখা। C) জনসংখ্যা হ্রাস করে। — সুশাসন পরোক্ষভাবে জীবনযাত্রার মান বাড়াতে পারে, তবে এটি সরাসরি জনসংখ্যা হ্রাসের কারণ নয়। D) রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দূর করে। — রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সম্পূর্ণ দূর করা সুশাসনের একক কাজ নয়, সুশাসন মূলত দ্বন্দ্ব নিরসনে নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া তৈরি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - টেকসই উন্নয়ন মানে কেবল টাকা-পয়সা বাড়ানো নয়, এর সাথে পরিবেশ ও সমাজের সবার ভালো থাকা জড়িত। - সুশাসন মানেই হলো অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সাথে সবার জন্য সমান অধিকার বা সামাজিক ন্যায় নিশ্চিত করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসনের মূল সম্পর্ক হলো ভারসাম্য রক্ষা করা। - এই নীতি থেকে ব্যাংক বা বিসিএস পরীক্ষায় সুশাসনের স্তম্ভ বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a আইনের নির্বাচনী প্রযোগ
b নাগরিকের অংশগ্রহণ
c কর্তৃত্ববাদ
d গোপনীয়তা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাগরিকের অংশগ্রহণ ১. কেন সঠিক: - সুশাসন ও মূল্যবোধসম্পন্ন শাসনব্যবস্থায় জনগণের সম্পৃক্ততা হলো ক্ষমতার মূল ভিত্তি, যা নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে। - গণতন্ত্র ও সুশাসনের নীতি অনুযায়ী, নাগরিকের অংশগ্রহণ কেবল অধিকার নয়, বরং এটি একটি দায়িত্বশীল সমাজ গঠনের নৈতিক পূর্বশর্ত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন ও জনঅংশগ্রহণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে সরকারের প্রতিটি কার্যক্রমে জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় স্থানীয় জনগণের মতামত গ্রহণ করা এবং তাদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজে এলাকার সাধারণ মানুষকে যুক্ত করে বাজেট প্রণয়ন করা। ব্যাখ্যা: এটি জবাবদিহি ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুশাসনের প্রকৃত মূল্যবোধ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অভিভাবকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন করা। ব্যাখ্যা: এতে অংশীদারিত্বমূলক আচরণের প্রকাশ ঘটে যা প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনের নির্বাচনী প্রয়োগ — আইনের দৃষ্টিতে সমতা বিনষ্ট করে এবং বৈষম্য তৈরি করে, যা সুশাসনের নৈতিক ভিত্তির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। C) কর্তৃত্ববাদ — এককেন্দ্রিক ক্ষমতা চর্চা ও জনমতের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করে, যা আধুনিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজের সঙ্গে অসংগত। D) গোপনীয়তা — জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে জবাবদিহি এড়াতে সহায়তা করে এবং সুশাসনের অন্যতম মূল স্তম্ভ স্বচ্ছতাকে বাধাগ্রস্ত করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের চারটি মূল স্তম্ভ হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং নাগরিকের অংশগ্রহণ। - যেখানে জনগণের কণ্ঠস্বর মূল্যায়িত হয়, সেখানেই কেবল মূল্যবোধসম্পন্ন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল চালিকাশক্তি হলো জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ও কার্যকর অংশগ্রহণ। - সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে নাগরিক অধিকার এবং নৈতিক নেতৃত্বের সম্পর্কগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আরোপিত নিয়ম।
b নৈতিক নির্দেশ ছাড়া প্রথা ও ঐতিহ্য।
c নৈতিক আচরণ নির্দেশক বিশ্বাস ও নীতি।
d সামাজিক শৃঙ্খলার আইনি বাধ্যবাধকতা।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নৈতিক আচরণ নির্দেশক বিশ্বাস ও নীতি। ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি মূল্যবোধের মূল ভিত্তি নির্দেশ করে যা মানুষের অভ্যন্তরীণ বিশ্বাস এবং নৈতিক মানদণ্ড থেকে উৎসারিত হয়। - নৈতিক মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের শুভবুদ্ধি জাগিয়ে তোলে এবং তাকে সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে সহায়তা করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো এমন কিছু বিশ্বাস ও নীতি যা মানুষের আচরণকে পরিচালিত করে এবং সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত হয়। - গুরুত্ব: এটি মানুষকে সৎ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হতে সাহায্য করে এবং সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো দোকানদার ভুল করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিলে তা ফিরিয়ে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সততার নীতি এবং অভ্যন্তরীণ নৈতিক বিশ্বাসের সঠিক প্রয়োগ। উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে কোনো অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর ভরসা রাখা। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তিগত সততা এবং সঠিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আরোপিত নিয়ম — এটি আইন বা শৃঙ্খলার অংশ হতে পারে, কিন্তু মানুষের নিজস্ব বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধ নয়। B) নৈতিক নির্দেশ ছাড়া প্রথা ও ঐতিহ্য — প্রথা অনেক সময় কুসংস্কার বা অনৈতিক হতে পারে, তাই তা প্রকৃত মূল্যবোধের সারসত্তা হতে পারে না। C) নৈতিক আচরণ নির্দেশক বিশ্বাস ও নীতি — এটি সঠিক এবং প্রশ্নটির মূল চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) সামাজিক শৃঙ্খলার আইনি বাধ্যবাধকতা — আইন বাধ্যবাধকতা তৈরি করে, কিন্তু তা মানুষের ভেতরের নৈতিক বিশ্বাস বা মূল্যবোধ তৈরি করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: মূল্যবোধ সবসময় ভেতর থেকে আসে, যা বাহ্যিক কোনো আইন বা জোরপূর্বক আরোপ করা নিয়ম নয় বরং নৈতিক বিশ্বাসের প্রতিফলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মূল্যবোধ ও আইনের মধ্যে পার্থক্য এবং কোনটি মানুষের অভ্যন্তরীণ বিশ্বাস তা পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় নৈতিকতার মূল ভিত্তি যাচাইয়ের জন্য আসে।
a এটি প্রশাসনিক চাপ বাড়ায়।
b এটি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কমায়।
c এটি জনগণের নজরদারি ও সচেতন মূল্যায়নের জন্য সুযোগ দেয়।
d উপরের সবগুলো।
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এটি জনগণের নজরদারি ও সচেতন মূল্যায়নের জন্য সুযোগ দেয়। ১. কেন সঠিক: স্বচ্ছতা হলো প্রশাসনিক কার্যাবলী ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া জনসমক্ষে উন্মুক্ত রাখা যাতে নাগরিকরা সহজেই তা জানতে পারেন। এটি সুশাসনের একটি অন্যতম প্রধান স্তম্ভ যা সরকার ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরি করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি হলো এমন নৈতিক আচরণ যা কাজের সত্যতা ও সততা নিশ্চিত করে। গুরুত্ব: এটি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি প্রতিরোধ করে এবং নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি কোনো উন্নয়নমূলক কাজের প্রাক্কলন ও ব্যয়ের হিসাব জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিকদের কাজের গুণগত মান যাচাই করার সুযোগ দেয় এবং অনিয়ম রোধ করে। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি বা পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে প্রকাশ করা। ব্যাখ্যা: এতে মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত হয় এবং শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের মনে আস্থার সৃষ্টি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটি প্রশাসনিক চাপ বাড়ায় — স্বচ্ছতা প্রশাসনিক চাপ বাড়ায় না, বরং কাজের জবাবদিহি নিশ্চিত করে দীর্ঘমেয়াদে প্রশাসনকে জনবান্ধব ও সহজ করে তোলে। B) এটি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কমায় — স্বচ্ছতা রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কমায় না, বরং সুস্থ ও নীতিভিত্তিক রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং সুশাসন উৎসাহিত করে। C) এটি জনগণের নজরদারি ও সচেতন মূল্যায়নের জন্য সুযোগ দেয় — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ স্বচ্ছতা তথ্য উন্মুক্ত করে সাধারণ মানুষকে কাজের তদারকি করার সুযোগ দেয়। D) উপরের সবগুলো — যেহেতু প্রথম দুটি অপশন সঠিক নয়, তাই এই বিকল্পটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সুশাসন মানেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, আর স্বচ্ছতা থাকলে জনগণ সহজেই সরকারের কাজ তদারকি করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি হলো সুশাসনের প্রাণশক্তি, যা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। একই নীতি থেকে প্রশাসনিক সততা ও দুর্নীতি রোধ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a নৈতিক নীতি, নিয়ম ও রাজনৈতিক নির্দেশ মানা।
b নৈতিক নীতি, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা।
c স্তরবিন্যাস, স্বচ্ছতা ও ঐতিহ্য।
d নৈতিকতা ছাড়া প্রশাসনিক দক্ষতা।
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নৈতিক নীতি, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। ১. কেন সঠিক: - সুশাসন নিশ্চিত করতে নৈতিক নীতি, কাজের স্বচ্ছতা এবং জনগণের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা অপরিহার্য উপাদান হিসেবে কাজ করে। - নৈতিকতা প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত রাখে, স্বচ্ছতা জনসচেতনতা বাড়ায় এবং দায়বদ্ধতা শাসকদের জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, আইনসম্মত, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল এবং জনকল্যাণমুখী। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া কোনো রাষ্ট্র বা সমাজ টেকসই উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে পারে না। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি প্রতিটি দপ্তরে নিয়মের সঠিক প্রয়োগ এবং জনগণের সেবা প্রদানে সততা বজায় রেখে এর বাস্তবায়ন করা যায়। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, জনকল্যাণ নিশ্চিত হয় এবং দুর্নীতি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করলেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও নৈতিক নীতির সঠিক প্রয়োগের উৎকৃষ্ট উদাহরণ যা প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ায়। উদাহরণ ২: কোনো সেবা গ্রহীতা অফিসে এসে সঠিক সেবা না পেয়ে অভিযোগ জানালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা গুরুত্বসহকারে সমাধান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তার সামাজিক দায়বদ্ধতা ও কর্তব্যপরায়ণতার মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৈতিক নীতি, নিয়ম ও রাজনৈতিক নির্দেশ মানা। — রাজনৈতিক নির্দেশ সবসময় জনস্বার্থের অনুকূল নাও হতে পারে, তাই কেবল নির্দেশ মানা সুশাসনের সম্পূর্ণ শর্ত নয়। B) নৈতিক নীতি, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। — এটি সুশাসন ও মূল্যবোধের প্রকৃত সম্পর্ককে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। C) স্তরবিন্যাস, স্বচ্ছতা ও ঐতিহ্য। — ঐতিহ্য বা প্রাতিষ্ঠানিক স্তরবিন্যাস সুশাসনের মূল চালিকাশক্তি নয়, বরং নৈতিকতা ও জবাবদিহি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। D) নৈতিকতা ছাড়া প্রশাসনিক দক্ষতা। — নৈতিকতা ছাড়া কেবল প্রশাসনিক দক্ষতা স্বৈরাচারী ও দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনব্যবস্থার জন্ম দিতে পারে, যা সুশাসনের পরিপন্থী। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানেই হলো নৈতিকতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার ত্রিমুখী সমন্বয়। - প্রশাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে সততা এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো এবং এর সঙ্গে নৈতিকতার সম্পর্ক প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে। - সুশাসনের প্রধান শর্তসমূহ এবং জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো একইভাবে অনুশীলন করা উচিত।
a স্বল্পমেয়াদি প্রবৃদ্ধি
b অবকাঠামো নির্মাণ
c মানব সম্পদ উন্নয়ন
d আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানব সম্পদ উন্নয়ন ১. কেন সঠিক: - সুশাসন ও নৈতিক মূল্যবোধ নিশ্চিত হলে সমাজের প্রতিটি মানুষের মেধা, দক্ষতা ও নৈতিকতার বিকাশ ঘটে, যা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় উন্নয়নকে টেকসই করে তোলে। - এটি এমন একটি সুশাসনভিত্তিক পরিবেশ তৈরি করে যেখানে নাগরিকরা তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতি ও সমাজ গঠনে স্থায়ী অবদান রাখতে পারে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মানব সম্পদ উন্নয়ন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মানুষের দক্ষতা, জ্ঞান, স্বাস্থ্য ও নৈতিক মান উন্নত করা হয়। - গুরুত্ব: এটি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নয়, বরং একটি নৈতিক ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: একটি প্রতিষ্ঠানে ঘুষ বা দুর্নীতির পরিবর্তে মেধার ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করা হলে কর্মীরা সৎভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা পায়। - ব্যাখ্যা: এখানে সঠিক মূল্যবোধের চর্চা কর্মীদের কাজের মান বাড়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘস্থায়ী উন্নতি নিশ্চিত করে। - উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যপুষ্ট্রে知識 নয়, বরং নৈতিকতা ও সততার শিক্ষা দেওয়া। - ব্যাখ্যা: এই শিক্ষা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে যা দেশের সার্বিক উন্নয়নকে টেকসই করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বল্পমেয়াদি প্রবৃদ্ধি — এটি তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক লাভ প্রকাশ করে, যা নৈতিক মূল্যবোধ বা সুশাসনের অভাবে দীর্ঘস্থায়ী হয় না। B) অবকাঠামো নির্মাণ — শুধু রাস্তাঘাট বা ভবন নির্মাণ করলেই জাতীয় উন্নয়ন টেকসই হয় না, যদি না তা পরিচালনার জন্য দক্ষ মানব সম্পদ থাকে। D) আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ — অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ অনেক সময় সুশাসন ও স্বাধীনতার পরিপন্থী এবং এটি টেকসই উন্নয়নের পরিবর্তে কাজের গতি কমিয়ে দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - টেকসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো মানুষ। তাই সুশাসন ও মূল্যবোধ মানুষের উন্নয়ন বা মানব সম্পদ উন্নয়নের সাথেই সবচেয়ে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসন, নৈতিকতা এবং মানব সম্পদ উন্নয়নের সম্পর্ক সবসময় পারস্পরিক পরিপূরক। এই নীতি থেকে ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন আসে।
a কর আদায়ের হার বৃদ্ধি।
b মেধা পাচার।
c অবকাঠামো সম্প্রসারণ।
d রপ্তানি আয় বৃদ্ধি।
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেধা পাচার। ১. কেন সঠিক: - সুশাসনের অভাবে রাষ্ট্রে মেধা পাচার ঘটে যা সমাজ অদৃশ্যভাবে বহন করে। - এটি সুশাসন, জবাবদিহি এবং আইনের শাসনের অনুপস্থিতির ফল। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন শাসন ব্যবস্থা যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়। - গুরুত্ব: সুশাসন না থাকলে যোগ্য ব্যক্তিরা মূল্যায়ন পায় না এবং হতাশ হয়ে দেশ ছাড়ে। - প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। - সম্ভাব্য প্রভাব: মেধা পাচার রোধ হলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন মেধাবী প্রকৌশলী দেশে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে ভালো চাকরি না পেয়ে বিদেশে চলে গেলেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অনুপস্থিতির কারণে মেধা পাচারের একটি স্পষ্ট উদাহরণ যা সমাজের জন্য একটি লুকানো ক্ষতি। উদাহরণ ২: একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্য প্রার্থীর বদলে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলো। ব্যাখ্যা: এই অনিয়মের ফলে প্রকৃত শিক্ষাবিদরা দেশত্যাগ করেন এবং জাতি তাদের সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর আদায়ের হার বৃদ্ধি — এটি সরাসরি দৃশ্যমান অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত, কোনো লুকানো ব্যয় বা সুশাসনের প্রত্যক্ষ অনুপস্থিতির ফল নয়। C) অবকাঠামো সম্প্রসারণ — এটি উন্নয়নের দৃশ্যমান অংশ যা সুশাসনের ইতিবাচক ফলাফল হিসেবে সমাজে প্রকাশ পায়। D) রপ্তানি আয় বৃদ্ধি — এটি দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সাফল্যের দৃশ্যমান নির্দেশক, লুকানো কোনো খরচ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন না থাকলে মেধা দেশ ছেড়ে চলে যায়। - এই লুকানো ক্ষতি বা হিডেন কস্ট সমাজকে দীর্ঘমেয়াদে পিছিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের উপাদান এবং এর অনুপস্থিতির ফলাফল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। - এই নীতি থেকে সুশাসনের অভাবজনিত নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a সম্পদের অভাব
b নাগরিকের বিরোধিতা
c সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব
d প্রযুক্তির অভাব
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব ১. কেন সঠিক: - দুর্বল শাসন ব্যবস্থায় উন্নয়ন প্রকল্প ব্যর্থ হওয়ার মূল কারণ হলো নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সততার অনুপস্থিতি। - স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সুশাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ যা প্রকল্পের দুর্নীতি রোধ করে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: প্রশ্নের ধরন: সুশাসন ও জবাবদিহি - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, consensus-oriented, accountable, transparent, responsive, effective এবং equitable হয়। - গুরুত্ব: সুশাসন নিশ্চিত হলে জনসম্পদের সঠিক ব্যবহার হয় এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজে স্বচ্ছতা বজায় রেখে জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষা করা। - সম্ভাব্য প্রভাব: সততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হলে প্রকল্পের ব্যয় হ্রাস পায় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি এলাকায় রাস্তা নির্মাণের জন্য সরকারি বরাদ্দ আসার পর কাজের মান যাচাই না করে ঠিকাদারের সাথে গোপন সমঝোতা করা। ব্যাখ্যা: এটি সততা ও পেশাগত দায়িত্বের চরম লঙ্ঘন, যা সুশাসনের অভাবেই ঘটে থাকে। উদাহরণ ২: স্কুল ভবন নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া উন্মুক্ত ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা যাতে যোগ্য ঠিকাদার কাজ পায়। ব্যাখ্যা: এখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে যা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পদের অভাব — অনেক সময় পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রকল্প ব্যর্থ হতে পারে। B) নাগরিকের বিরোধিতা — নাগরিকরা তখনই বিরোধিতা করে যখন প্রকল্পে স্বচ্ছতার অভাব থাকে এবং তাদের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়। C) সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই সুশাসনের মূল শর্ত। D) প্রযুক্তির অভাব — আধুনিক যুগে প্রযুক্তি সহায়ক হলেও সদিচ্ছা ও সততা না থাকলে শুধু প্রযুক্তি দিয়ে প্রকল্প সফল করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানেই স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি। - উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যর্থতার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে থাকে সততা ও জবাবদিহির ঘাটতির মধ্যে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের উপাদানগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অনুপস্থিতি কীভাবে দুর্নীতি তৈরি করে তা অনুধাবন করতে হবে।
a হার্টল্যান্ড তত্ত্ব
b কন্টেইনমেন্ট তত্ত্ব
c রিমল্যান্ড তত্ত্ব
d ডমিনো তত্ত্ব
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হার্টল্যান্ড তত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভূ-রাজনীতিবিদ স্যার হ্যালফোর্ড ম্যাকিন্ডার ১৯০৪ সালে বিশ্ব আধিপত্যের চাবিকাঠি হিসেবে ইউরেশিয়ার মূল ভূখণ্ড বা হার্টল্যান্ড নিয়ন্ত্রণের এই তাত্ত্বিক ধারণা প্রদান করেন। - কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে বিশ্ব রাজনীতিতে একক আধিপত্য বিস্তার করা সম্ভব বলে এই তত্ত্বে যুক্তি দেখানো হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: প্রশ্নের ধরন: ভূ-রাজনৈতিক কৌশল ও বৈশ্বিক দায়িত্ববোধ - মূল ধারণা: বৈশ্বিক সম্পদে আধিপত্য বিস্তারের নীতি। - গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সামরিক শক্তির চেয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমতা বেশি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আনে। - প্রয়োগ: রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে আধিপত্যকামী চিন্তার পরিবর্তে সহাবস্থান এবং ন্যায্যতার নীতি অনুসরণ করা উচিত। - সম্ভাব্য প্রভাব: আধিপত্যের লিপ্সা সংঘাত ও যুদ্ধ ডেকে আনে, অন্যদিকে সহযোগিতা বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্র এককভাবে কোনো ছোট দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা না করে ন্যায্য বাণিজ্যের নীতি মেনে চলে। ব্যাখ্যা: এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ যা বৈশ্বিক সুশাসন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক ক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা না করে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার নীতিমালার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হার্টল্যান্ড তত্ত্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি ইউরেশিয়ার মূল ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিশ্ব আধিপত্যের কথা বলে। B) কন্টেইনমেন্ট তত্ত্ব — এটি স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তার রোধ বা সীমিত করার একটি রাজনৈতিক ও সামরিক কৌশল ছিল। C) রিমল্যান্ড তত্ত্ব — এটি নিকোলাস স্পাইকম্যানের তত্ত্ব যা হার্টল্যান্ডের চারপাশের উপকূলীয় অঞ্চল বা রিমল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণকে বিশ্ব ক্ষমতার চাবিকাঠি মনে করে। D) ডমিনো তত্ত্ব — এটি এমন একটি ভূ-রাজনৈতিক ধারণা যেখানে একটি রাষ্ট্রে কমিউনিস্ট শাসন প্রতিষ্ঠা হলে আশেপাশের রাষ্ট্রেও একই ঘটনা ঘটবে বলে ধরে নেওয়া হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হার্টল্যান্ড মানে হৃদপিণ্ড বা মূল ভূখণ্ড, যা ইউরেশিয়ার ভেতরের অংশকে বোঝায়। - ম্যাকিন্ডারের নাম এবং হার্টল্যান্ড তত্ত্বের মূল কথা মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভূ-রাজনীতিতে ম্যাকিন্ডারের হার্টল্যান্ড এবং স্পাইকম্যানের রিমল্যান্ড তত্ত্বের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগের চেয়ে নৈতিক কূটনীতি ও সহযোগিতা কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা বুঝতে এই প্রশ্নটি সাহায্য করে।
a এটি শুধুমাত্র পরিমাপযোগ্য ফলাফলের উপর নির্ভরশীল
b এটি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেয়
c এটি নৈতিক মানদণ্ড ও জনস্বার্থ দ্বারা পরিচালিত
d এটি মূল্যবোধ-নিরপেক্ষ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এটি নৈতিক মানদণ্ড ও জনস্বার্থ দ্বারা পরিচালিত ১. কেন সঠিক: - সুশাসন কেবল সংখ্যাগত বা কাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং এটি মূলত জনকল্যাণ, সততা ও মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - নৈতিক মানদণ্ড ও জনস্বার্থ হলো সুশাসনের মূল চালিকাশক্তি যা প্রশাসনকে জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করে তোলে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন ও জবাবদিহি হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে আইনের শাসন, স্বচ্ছতা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়। - গুরুত্ব: এটি সমাজে বৈষম্য দূর করে, দুর্নীতি রোধ করে এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো ঠিকাদারি কাজের অনুমোদন দেওয়ার সময় ব্যক্তিগত লাভ না দেখে জনসাধারণের স্বার্থ এবং দীর্ঘমেয়াদী উপযোগিতাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের আদর্শের সঠিক প্রয়োগ কারণ এখানে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়বিচার ও নৈতিক মানদণ্ডের বাস্তব প্রতিফলন যা সুশাসন নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটি শুধুমাত্র পরিমাপযোগ্য ফলাফলের উপর নির্ভরশীল — সুশাসন কেবল সংখ্যা বা অর্জিত লক্ষ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সেবার মান ও নৈতিকতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। B) এটি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেয় — অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সুশাসনের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু জনস্বার্থ ও মানবাধিকার রক্ষা ছাড়া প্রকৃত সুশাসন হতে পারে না। D) এটি মূল্যবোধ-নিরপেক্ষ — সুশাসন কখনোই মূল্যবোধ-নিরপেক্ষ হতে পারে না, কারণ এটি নৈতিকতা, ন্যায়বিচার ও সততার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো জনগণ এবং তাদের কল্যাণ। যেখানে নৈতিকতা ও জনস্বার্থ অনুপস্থিত, সেখানে সুশাসন থাকতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো (স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, অংশগ্রহণ ও আইনের শাসন) সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a আইনসমূহ
b অবকাঠামোগত সুবিধাসমূহ
c গুণগত শিক্ষা
d টাকা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গুণগত শিক্ষা ১. কেন সঠিক: - গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরি করা, যা গুণগত শিক্ষা ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। - গুণগত শিক্ষা মানুষের মধ্যে বিবেক, পরমতসহিষ্ণুতা এবং নাগরিক অধিকারের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: গুণগত শিক্ষা হলো এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা যা ব্যক্তির নৈতিক চেতনা বিকাশ করে এবং সমাজে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। - গুরুত্ব: এটি নাগরিকদের শুধু স্বাক্ষর করে না, বরং তাদের অধিকার ও কর্ত সম্পর্কে সচেতন করে তোলে যা গণতন্ত্রের সুফল নিশ্চিত করে। - প্রয়োগ: সমাজে প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় যুক্তিবাদী হওয়া এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করা যায়। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে রাষ্ট্রে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি হ্রাস পেয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সচেতন ভোটার যখন কোনো প্রার্থীর অতীত রেকর্ড ও যোগ্যতা বিবেচনা করে ভোট দেন এবং টাকা বা প্রলোভনে প্রভাবিত হন না। ব্যাখ্যা: এটি গুণগত শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ, যা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। উদাহরণ ২: সংসদে বা স্থানীয় সরকারে কোনো আইন পাশের সময় সাধারণ মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসন ও নাগরিক অংশগ্রহণের চমৎকার উদাহরণ, যা গুণগত শিক্ষার ফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনসমূহ — আইন গণতন্ত্রের কাঠামো ঠিক রাখে কিন্তু নাগরিকদের সচেতনতা ছাড়া তা ফলপ্রসূ হতে পারে না। B) অবকাঠামোগত সুবিধাসমূহ — রাস্তাঘাট বা ভবন উন্নয়নের প্রতীক হলেও তা মানুষের নৈতিক চেতনা বৃদ্ধি করতে পারে না। D) টাকা — টাকা বা অর্থ দেশের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনে কিন্তু তা গণতন্ত্রের গুণগত মান নিশ্চিত করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - গণতন্ত্রের চাবিকাঠি হলো সচেতন নাগরিক, আর সচেতন নাগরিক তৈরির একমাত্র প্রধান মাধ্যম হলো গুণগত শিক্ষা। - অবকাঠামোগত উন্নয়ন দৃশ্যমান হলেও মানসিক ও নৈতিক উন্নয়ন ছাড়া গণতন্ত্র অর্থহীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গণতন্ত্র ও সুশাসনের মূল শর্ত হলো সচেতন নাগরিক সমাজ এবং এর ভিত্তি হলো শিক্ষা। - এই নীতি থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসন ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a প্রয়োজন
b প্রেষণা
c ইচ্ছা
d শারীরিক শক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রেষণা ১. কেন সঠিক: - প্রেষণা হলো এমন একটি অভ্যন্তরীণ মানসিক শক্তি বা তাড়না, যা মানুষকে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য উদ্দীপ্ত ও পরিচালিত করে। - নৈতিকতা ও আচরণগত মনোবিজ্ঞানে প্রেষণা মানুষের কাজের উদ্দেশ্য নির্ধারণ এবং তা পূরণে অবিচল থাকার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: প্রেষণা হলো অভ্যন্তরীণ শক্তি যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রিত ও লক্ষ্য অভিমুখী করে তোলে। - গুরুত্ব: এটি ব্যক্তিগত লক্ষ্য অর্জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনে ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা সততার সঙ্গে সেবা দেওয়ার জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেন। ব্যাখ্যা: জনসেবামূলক মনোভাবের অভ্যন্তরীণ প্রেষণা তাকে দুর্নীতি থেকে দূরে রাখে এবং সঠিক দায়িত্ব পালনে পরিচালিত করে। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো করার জন্য প্রতিদিন নিয়মমাফিক পড়াশোনা করে। ব্যাখ্যা: সফল হওয়ার তীব্র অভ্যন্তরীণ প্রেষণা তাকে বাধা অতিক্রম করে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রয়োজন — প্রয়োজন মানুষের অভাববোধকে নির্দেশ করে, যা প্রেষণার জন্ম দেয় কিন্তু সরাসরি লক্ষ্য অর্জনে চালিত করে না। B) প্রেষণা — সঠিক উত্তর। C) ইচ্ছা — ইচ্ছা মানুষের সাধারণ পছন্দ বা আকাক্ষা বোঝায়, যা অনেক সময় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট তাড়না তৈরি করে না। D) শারীরিক শক্তি — শারীরিক শক্তি শুধু কাজ করার সামর্থ্য জোগায়, কিন্তু কোন দিকে সেই শক্তি প্রয়োগ করতে হবে তা নির্ধারণ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - লক্ষ্য নির্ধারণে কাজ করে প্রেষণা এবং অভাববোধ থেকে জন্ম নেয় প্রয়োজন। - মনে রাখবে, শারীরিক শক্তি কাজের মাধ্যম হলেও মানসিক তাড়না বা প্রেষণা হলো মূল চালিকাশক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রেষণা এবং চাহিদার মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক পার্থক্য থেকে প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - লক্ষ্য অর্জনে অভ্যন্তরীণ প্রেষণার ভূমিকা সম্পর্কিত ধারণা সুশাসন ও নৈতিকতার প্রশ্ন সমাধানে সাহায্য করে।
a শুধুমাত্র কঠোর আইন প্রযোগের
b রাজনৈতিক প্রাধান্য ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের
c সংস্কার ছাড়া ঐতিহ্য সংরক্ষণের
d স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্বের
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্বের ১. কেন সঠিক: - সুশাসন এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে জনকল্যাণ নিশ্চিত করা হয় এবং এর মূল ভিত্তি হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্ব। - স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দুর্নীতি কমে যায় এবং নৈতিক নেতৃত্ব সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন ও জবাবদিহি হলো এমন একটি নৈতিক ভিত্তি যা সরকারের প্রতিটি স্তরে সততা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করে। - গুরুত্ব: এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করলেন। ব্যাখ্যা: এটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চমৎকার প্রয়োগ, যা সুশাসনের মূল লক্ষ্য অর্জনকে ত্বরান্বিত করে। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তহবিল বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক সবার সামনে খরচের হিসাব প্রকাশ করলেন। ব্যাখ্যা: এই আচরণটি প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও নৈতিক নেতৃত্বের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুধুমাত্র কঠোর আইন প্রযোগের — কঠোর আইন প্রয়োগ কখনো সুশাসনের একমাত্র শর্ত হতে পারে না, কারণ সুশাসনের জন্য জনসচেতনতা ও নৈতিক মূল্যবোধও সমানভাবে প্রয়োজন। B) রাজনৈতিক প্রাধান্য ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের — রাজনৈতিক প্রাধান্য ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সুশাসনের বদলে অনেক সময় একচেটিয়া ক্ষমতা চর্চাকে উৎসাহিত করে। C) সংস্কার ছাড়া ঐতিহ্য সংরক্ষণের — কেবল ঐতিহ্য সংরক্ষণ করলে যুগের চাহিদামমতো রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। D) স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্বের — এটি সুশাসনের মূল প্রতিশ্রুতি এবং সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানেই হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্বের সমন্বয়। - পরীক্ষার প্রশ্নে সুশাসন দেখলে তার সঙ্গে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা শব্দগুলো মিলিয়ে উত্তর নির্ধারণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো থেকে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই নীতি থেকে অংশীদারিত্ব বা আইনের শাসনসংক্রান্ত অন্য MCQ ও আসতে পারে।
a নিচু মানের
b উচ্চ মানের
c মাঝারি মানের
d কোনোটিই নয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাঝারি মানের কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংকের সুশাসন সূচক সাধারণত আড়াই থেকে ধনাত্মক আড়াই এবং ঋণাত্মক আড়াই থেকে শূন্যের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। - সূচকের মান শূন্য point শূন্য শূন্য হওয়ার অর্থ হলো দেশটির শাসনব্যবস্থা বিশ্ব গড়ের মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে। নৈতিক শিক্ষা: - সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব। - সুশাসনের অভাবে দুর্নীতি বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণ মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। - উদাহরণস্বরূপ, রাষ্ট্রে আইনের শাসন থাকলে নাগরিকরা সমান সুযোগ ও অধিকার লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নিচু মানের — এই অপশনটি ভুল কারণ সূচকের মান ঋণাত্মক হলে সুশাসন নিচু মানের বলে গণ্য হয়। - B) উচ্চ মানের — এই অপশনটি ভুল কারণ সূচকের মান ধনাত্মক আড়াইয়ের কাছাকাছি হলে সুশাসন উচ্চ মানের হয়। - C) মাঝারি মানের — এই অপশনটি সঠিক কারণ শূন্য point শূন্য শূন্য হলো বিশ্বব্যাংকের মাপকাঠিতে মধ্যবর্তী বা মাঝারি অবস্থা। - D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংকের সূচকে শূন্য মান পেলে বুঝতে হবে দেশটি মাঝারি মানের সুশাসনের অধিকারী।
a সম্পদ, ক্ষমতা ও সদগুণ
b সত্য, আনন্দ, সদগুণ
c সত্য, সুন্দর ও সদগুণ
d আনন্দ, বিবেক ও সাহস
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সত্য, সুন্দর ও সদগুণ ১. কেন সঠিক: - নৈতিক দর্শন অনুসারে মানবজীবনের চরম ও পরম প্রাপ্তি হলো সত্য, সুন্দর এবং সদগুণ অর্জন করা। - এটি মানুষের ভেতরের নৈতিক উৎকর্ষ, নান্দনিক রুচি এবং মানবিক সত্তার পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সত্য হলো পরম বাস্তব ও সততা, সুন্দর হলো নান্দনিকতা ও পরিশীলিত মন, এবং সদগুণ হলো নৈতিক চরিত্রের শ্রেষ্ঠ গুণাবলি। - গুরুত্ব: এই তিনটি মূল্যবোধ একত্রে মানুষকে একজন প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ মানবিক গুণসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে আপস না করে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করা। ব্যাখ্যা: এটি সত্য ও সদগুণের বাস্তব প্রয়োগ, যা সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: অন্যের মতামতের প্রতি সম্মান জানানো এবং পরিবেশের সৌন্দর্য রক্ষা করা। ব্যাখ্যা: এটি সুন্দরের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নৈতিক দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পদ, ক্ষমতা ও সদগুণ — সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষের নৈতিক উৎকর্ষের মূল মাপকাঠি নয় এবং এগুলো অনেক সময় অনৈতিকতার পথও দেখাতে পারে। B) সত্য, আনন্দ, সদগুণ — আনন্দ একটি সাময়িক মানসিক অনুভূতি, যা সবসময় নৈতিকতার সাথে যুক্ত থাকে না। D) আনন্দ, বিবেক ও সাহস — বিবেক ও সাহস গুরুত্বপূর্ণ হলেও আনন্দ জীবনের সর্বোচ্চ নৈতিক মূল্যবোধের মধ্যে প্রধান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মানবজীবনের ত্রিমুখী উৎকর্ষ বোঝাতে সত্য, সুন্দর ও সদগুণ এই তিনটি চিরন্তন মূল্যবোধ একসঙ্গে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নৈতিকতার বিচারে মানুষের জীবনের পরম লক্ষ্য হলো আত্মিক ও নৈতিক উন্নয়ন সাধন করা।
a আচরণ
b বৈষম্য
c প্রথা
d নীতি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রথা ১. কেন সঠিক: সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ হলো সমাজের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসের সমষ্টি যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত হয়। প্রথা বা সামাজিক রীতি থেকেই মূলত এই মূল্যবোধগুলোর উৎপত্তি ঘটে এবং তা সমাজের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ হলো সমাজের শেকড় যা মানুষের আচার-আচরণ ও বিশ্বাসকে পথ দেখায়। গুরুত্ব: এটি সমাজের মানুষের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে এবং নিজস্ব ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঙালি সমাজে বড়দের সম্মান করা এবং অতিথি আপ্যায়ন করা একটি দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক প্রথা। ব্যাখ্যা: এই প্রথা পালনের মাধ্যমেই আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সংস্কৃতির মূল মূল্যবোধ প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বিভিন্ন জাতীয় ও সামাজিক উৎসবে দলগতভাবে অংশ নেওয়া আমাদের যৌথ জীবনবোধকে শক্তিশালী করে। ব্যাখ্যা: প্রথার অনুসরণের মাধ্যমে সমাজের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আচরণ — এটি ব্যক্তির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যা সরাসরি পুরো সংস্কৃতির মূল ভিত্তি তৈরি করে না। B) বৈষম্য — এটি একটি সামাজিক ব্যাধি বা নেতিবাচক দিক, যা থেকে কোনো ইতিবাচক সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ উদ্ভূত হয় না। C) প্রথা — এটি সঠিক কারণ দীর্ঘদিনের প্রথাই সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। D) নীতি — নীতি মূলত ব্যক্তিগত বা নৈতিক বিচারবুদ্ধি থেকে আসে, যা সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের চেয়ে ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মূল উৎস হলো দীর্ঘদিনের প্রথা ও আচার-অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে প্রথা বা ঐতিহ্য শব্দটিকে প্রাধান্য দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সমাজের ঐতিহ্য ও প্রথার ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। এই নীতি থেকে ভবিষ্যতে সমাজবিজ্ঞান ও নাগরিকতা সম্পর্কিত নানা ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
a ঘন ঘন আইনের সংস্কার
b নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি
c নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমন্বয়
d আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমন্বয় ১. কেন সঠিক: - সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে শুধু বাহ্যিক নিয়মের ওপর নির্ভর করলে চলে না, বরং মানুষের ভেতরের নৈতিক চেতনা জাগিয়ে তুলতে হয়। - প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষা যুক্ত হলে নাগরিকরা ভেতর থেকে সৎ হতে শেখে এবং দায়িত্বশীল আচরণ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধ হলো এমন কিছু নীতি ও আদর্শ, যা কোনো সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতি এবং কাজের মান নির্ধারণ করে। - গুরুত্ব: এটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি রোধ করে এবং সেবার মান বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ফাইল আটকে রেখে উৎকোচ দাবি না করে নির্দিষ্ট সময়ে সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে পেশাগত নৈতিকতা এবং সততার সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই না পড়িয়ে সততা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দিলেন। ব্যাখ্যা: এটি নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমন্বয়ের বাস্তব রূপ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৎ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘন ঘন আইনের সংস্কার — শুধু আইন পরিবর্তন করে মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা যায় না যদি মানুষের মানসিকতা পরিবর্তন না হয়। B) নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি — আর্থিক সুবিধা বাড়লে দুর্নীতি কমতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি মূল্যবোধ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রধান কৌশল নয়। C) নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমন্বয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘস্থায়ীভাবে মানুষের আচরণ ও মানসিকতা পরিবর্তন করে। D) আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি — মাত্রাতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ কাজের গতি কমিয়ে দেয় এবং কর্মচারীদের ভেতর ভীতি তৈরি করে, যা প্রকৃত মূল্যবোধ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন ও মূল্যবোধের সম্পর্ক বুঝতে হলে মনে রাখতে হবে যে বাহ্যিক আইনের চেয়ে অভ্যন্তরীণ নৈতিকতা বেশি শক্তিশালী। - প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে শিক্ষা এবং চর্চার কোনো বিকল্প নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নৈতিকতা। - এই নীতি থেকে প্রায়ই নৈতিক শাসন ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a কৃষি রপ্তানি হ্রাস
b নগর জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব
c পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার (Total Factor Productivity) বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া
d প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার (Total Factor Productivity) বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া ১. কেন সঠিক: মধ্যম আয়ের ফাঁদ হলো এমন একটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যেখানে কোনো উন্নয়নশীল দেশ নিম্ন আয় থেকে মধ্যম আয়ে উন্নীত হওয়ার পর কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হতে ব্যর্থ হয়। এই অবস্থার প্রধান কারণ হলো শ্রম ও পুঁজি বেশি বিনিয়োগ করা হলেও প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবন এবং সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বা মোট উৎপাদনশীলতার হার আশানরূপ বৃদ্ধি পায় না। ২. অর্থনীতি ও উন্নয়ন: অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দিচ্ছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি না পেলে কম মজুরির প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয় এবং অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈরি পোশাক শিল্প ব্যাখ্যা: এই খাতে শুধু শ্রমিকের সংখ্যা ও কারখানার পুঁজি বাড়লেও অনেক ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও পণ্যের বহুমুখীকরণ তুলনামূলক কম হওয়ায় উৎপাদনশীলতা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাড়েনি। উদাহরণ ২: আইসিটি খাত ও স্টার্টআপ ব্যাখ্যা: ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি হলেও উচ্চ আয়ের ফাঁদ এড়াতে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও গবেষণা খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে যা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি রপ্তানি হ্রাস — বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি আয় কৃষি থেকে নয় বরং তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে, ফলে কৃষি রপ্তানি হ্রাসের সঙ্গে মধ্যম আয়ের ফাঁদের সরাসরি কাঠামোগত সম্পর্ক নেই। B) নগর জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব — নগরমুখী জনস্রোত শহরের ওপর চাপ বাড়ালেও এটি মধ্যম আয়ের ফাঁদের মূল অর্থনৈতিক কাঠামোগত কারণ নয়, বরং এটি নগরায়নের একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। D) প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি — রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহায়তা করে, তবে এটি সরাসরি উৎপাদনশীলতার ঘাটতি বা মধ্যম আয়ের ফাঁদের কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যম আয়ের ফাঁদ মানেই উৎপাদনশীলতার ঘাটতি বা মোট উৎপাদনশীলতার ধীর গতি। পুঁজি বা টাকা বাড়লেও যদি কাজের গতি বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা না বাড়ে, তবেই দেশ এই ফাঁদে আটকে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার লিখিত ও প্রিলিমিনারি উভয় ধাপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা এবং ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a বীরত্বগাথা ও ভক্তিমূলক
b মানবিক আবেগ ও দৈনন্দিন জীবন
c আধ্যাত্মিক প্রেম ও অন্তর্গত অনুসন্ধান
d পল্লী জীবনের সুখ দুঃখ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আধ্যাত্মিক প্রেম ও অন্তর্গত অনুসন্ধান ১. কেন সঠিক: - বাউল গান মূলত মরমী সাধনা, আধ্যাত্মিক প্রেম এবং মনের মানুষের অন্বেষণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই গানে বাহ্যিক আচার-সর্বস্ব ধর্মের পরিবর্তে দেহতত্ত্ব ও অন্তর্জগতের সাধনাকে প্রধান্য দেওয়া হয়। ২. বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলার লোকসংস্কৃতির এক অনন্য ধারা হলো বাউল গান, যা অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতাব্দীতে বিকাশ লাভ করে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বাউল সাধনার প্রধান পুরুষ লালন শাহ, যিনি কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় বাউল আড়া স্থাপন করে এই ধারাকে সমৃদ্ধ করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ইউনেস্কো ২০০৫ সালে বাংলাদেশের বাউল গানকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্গত অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালন শাহের গান সব লোক জেনেরে খাঁপা কি আর এমন দিনে পাবি রে। ব্যাখ্যা: এই গানে মানুষের দেহের মাঝেই পরম ঈশ্বরের অবস্থান এবং তাকে খোঁজার কথাই বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শাহ আবদুল করিমের গান বয়াতি ও বাউল ঘরানার লোকগান। ব্যাখ্যা: তাঁর গানেও অন্তরের প্রেম ও গ্রামীণ মানুষের আত্মিক অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরত্বগাথা ও ভক্তিমূলক — এটি বাউল গানের মূল বৈশিষ্ট্য নয়, কারণ বীরত্বগাথা মূলত মহাকাব্য বা ঐতিহাসিক যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত। B) মানবিক আবেগ ও দৈনন্দিন জীবন — এটি সাধারণ লোকসঙ্গীত বা ভাওয়াইয়া বা ভাটিয়ালি গানের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। D) পল্লী জীবনের সুখ দুঃখ — এটি মূলত পল্লিগীতির মূল বিষয়বস্তু, যা বাউল দর্শনের আধ্যাত্মিকতা থেকে আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাউল গান মানেই দেহতত্ত্ব এবং মনের মানুষের খোঁজ। বাউল সাধক লালন শাহের নাম মনে রাখলে আধ্যাত্মিক প্রেমের বিষয়টি সহজেই বোঝা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাউল গান কোন জেলার সঙ্গে বেশি সম্পৃক্ত এবং ইউনেস্কোর স্বীকৃতি কত সালে মিলেছে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে লালন শাহের মাজার কোথায় এবং বাউল গানকে কে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a স্বর্ণকুমারী দেবী
b সেলিনা হোসেন
c আল মাহমুদ
d কাদম্বরী দেবী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বর্ণকুমারী দেবী ১. কেন সঠিক: - স্বর্ণকুমারী দেবী উনবিংশ শতাব্দীতে নারী জাগরণ ও সাহিত্যচর্চা প্রসারের লক্ষ্যে বাংলা ভাষায় প্রথম কিশোর পত্রিকা হিসেবে 'বালক' প্রকাশ ও সম্পাদনা করেছিলেন। - এটি মূলত ঠাকুর পরিবারের সাহিত্যিক পরিবেশ ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার বহিঃপ্রকাশ ছিল, যা তৎকালীন বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি: এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য এবং উনিশ শতকের সাময়িকী প্রকাশের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন প্রখ্যাত কবি ও দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোন এবং জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের একজন প্রতিভাবান সাহিত্যিক। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে শিশু-কিশোর উপযোগী সাহিত্য রচনার ধারা উন্মোচিত হয় এবং নারী সমাজ সাহিত্যচর্চায় আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত এই পত্রিকাটি উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্য ও সংবাদচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: সন্দেশ পত্রিকা ব্যাখ্যা: উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী কর্তৃক প্রকাশিত এই কিশোর পত্রিকা শিশুসাহিত্যের বিকাশে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বর্ণকুমারী দেবী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৮৮৫ সালে 'বালক' পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন। B) সেলিনা হোসেন — তিনি বর্তমানকালের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, যিনি মুক্তিযুদ্ধ ও সামাজিক জীবনের ওপর বহু উপন্যাস লিখেছেন। C) আল মাহমুদ — তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি ও ঔপন্যাসিক, যিনি বাংলা কবিতায় গ্রামীণ জনপদ ও লোকজ উপাদান যুক্ত করেছেন। D) কাদম্বরী দেবী — তিনি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেও কিশোর পত্রিকা 'বালক' প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোটদের জন্য প্রকাশিত 'বালক' পত্রিকার নামের সঙ্গে স্বর্ণকুমারী দেবীর নাম মনে রাখতে 'বালক ও বালিকা' বা স্বর্ণকুমারী দেবীর সাহিত্যিক অবদানের কথা মাথায় রাখতে পারো। - ঠাকুর পরিবারের নারী সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম সফল ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক হিসেবে স্বর্ণকুমারী দেবীর নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সাময়িকী এবং সম্পাদকদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা উনিশ শতকের সাময়িকী ও নারী সাহিত্যিকদের অবদান সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
a মে
b মার্চ
c এপ্রিল
d ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মে ১. কেন সঠিক: - ১০০ মাসকে বছরে রূপান্তর করতে ১২ দিয়ে ভাগ করতে হবে কারণ এক বছর সমান ১২ মাস। - ১০০ মাসকে ১২ দিয়ে ভাগ করলে ৮ বছর এবং ৪ মাস অবশিষ্ট থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - গণিত ও কালগণনা: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানের অংশ হিসেবে সময় ও তারিখ সংক্রান্ত এই ধরনের গাণিতিক যুক্তি প্রায়ই আসে। - সময় ব্যবস্থাপনা: প্রশাসনিক কাজে এবং চাকরির পরীক্ষায় দিন ও মাসের হিসাব নির্ভুলভাবে করার জন্য এই দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয় এবং এর প্রায় ৯ মাস পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। ব্যাখ্যা: ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা ও সময়কাল সঠিকভাবে বোঝার জন্য মাস ও বছরের হিসাব জানা জরুরি। উদাহরণ ২: বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর বা ৬০ মাস। ব্যাখ্যা: সাংবিধানিক পদ ও মেয়াদের ক্ষেত্রে বছর এবং মাসের হিসাব সঠিকভাবে মনে রাখতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মে — সঠিক উত্তর কারণ জানুয়ারি মাস থেকে ৮ বছর ৪ মাস যোগ করলে মে মাস আসে। B) মার্চ — ভুল অপশন কারণ এটি গণনা করলে চতুর্থ মাস হয় না। C) এপ্রিল — ভুল অপশন কারণ এটি সঠিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না। D) ফেব্রুয়ারি — ভুল অপশন কারণ এটি ১০০ মাসের সঠিক অবশিষ্টাংশ নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রথমে ১০০ কে ১২ দিয়ে ভাগ করো, ফল হবে ৮ বছর এবং অবশিষ্ট থাকবে ৪ মাস। - বর্তমান মাস অর্থাৎ জানুয়ারির সঙ্গে অতিরিক্ত ৪ মাস যোগ করলে মে মাস পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের মানসিক দক্ষতা বা সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সময় ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে আসে। - মাস ও বছরের হিসাব করার সময় অবশিষ্টাংশ সঠিকভাবে যোগ করতে হয়।
a ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
b ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
c ২৬ মার্চ, ১৯৭২
d ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতে। এর মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা ও আইনের শাসন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং তা ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সংবিধানের মাধ্যমে বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ গণপরিষদ ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে এবং ড. কামাল হোসেনকে প্রধান করে খসড়া কমিটি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: সংবিধান দিবস ব্যাখ্যা: প্রতিবছর ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস পালিত হয়, যা শিক্ষার্থীদের সংবিধান গ্রহণের ইতিহাস জানতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশ স্বাধীন হয় কিন্তু সংবিধান কার্যকর হয়নি। B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই সংবিধান কার্যকর করা হয়। C) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এই দিনে স্বাধীনতার প্রথম বার্ষিকী উদযাপিত হয় কিন্তু সংবিধান কার্যকর হয়নি। D) ২৬ মার্চ, ১৯৭৩ — এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিজয়ের দিনই সংবিধান কার্যকর: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয় এবং ঠিক এক বছর পর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধান কার্যকর করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবিধান কবে গৃহীত হয় এবং কবে কার্যকর হয়, এই দুটি তারিখ নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৪ নভেম্বর গৃহীত এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর, এই পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে।
a 25
b 50
c 75
d 100
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 100 ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সংসদীয় সংস্কারের অংশ হিসেবে গঠিত সংস্কার কমিশন দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব করেছে। - এই প্রস্তাব অনুযায়ী জাতীয় সংসদের পাশাপাশি ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে, যা আইন প্রণয়নে ভারসাম্য আনবে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - সরকারব্যবস্থা ও সংসদ: বর্তমান একক্ষ বিশিষ্ট সংসদের পরিবর্তে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের নীতি অনুযায়ী দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থার রূপরেখা নিয়ে আলোচনা চলছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: উচ্চকক্ষ গঠিত হলে সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী, বিশেষজ্ঞ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা সহজ হবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতের সংসদ ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: ভারতের লোকসভা নিম্নকক্ষ এবং রাজ্যসভা উচ্চকক্ষ হিসেবে পরিচিত, যা আমাদের দেশের প্রস্তাবিত ব্যবস্থার একটি প্রথাগত উদাহরণ। উদাহরণ ২: যুক্তরাজ্যের সংসদ ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্যের হাউস অফ কমন্স এবং হাউস অফ লর্ডস এর দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় কাঠামোর সঙ্গে এই সংস্কার প্রস্তাবের তাত্ত্বিক মিল রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 25 — এই সংখ্যাটি প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি অত্যন্ত সীমিত প্রতিনিধিত্ব নির্দেশ করে। B) 50 — এই সংখ্যাটি আইনগত বা কাঠামোগতভাবে পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারে না বিধায় এটি সঠিক নয়। C) 75 — এই সংখ্যাটি বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রাথমিক আলোচনায় এলেও চুড়ান্ত বা প্রস্তাবিত মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়নি। D) 100 — সংস্কার কমিশন নতুন প্রস্তাবে বাংলাদেশ সংসদের উচ্চকক্ষের জন্য এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটিই সুপারিশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষের আসন সংখ্যা মনে রাখতে ১০০ শতক জমি বা পূর্ণাঙ্গ শতক সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারেন। - একক্ষ বিশিষ্ট বর্তমান সংসদের বাইরে নতুন উচ্চকক্ষের আসন সংখ্যা সবসময় তুলনামূলক বড় সংখ্যা অর্থাৎ ১০০ নির্ধারিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংসদীয় সংস্কার এবং সাংবিধানিক কাঠামোর পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে নিম্নকক্ষ বা বর্তমান সংসদের আসন সংখ্যা এবং নতুন সংস্কার কমিশনের অন্যান্য সুপারিশ সংক্রান্ত প্রশ্নও হতে পারে।
a গড়াই ও মধুমতী
b মহানন্দা ও বংশী
c মহানন্দা ও আত্রাই
d গড়াই ও ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গড়াই ও ধলেশ্বরী ১. কেন সঠিক: - পদ্মা ও যমুনা নদী বাংলাদেশের প্রধান দুটি নদ-নদী এবং এদের শাখা নদী হিসেবে গড়াই ও ধলেশ্বরী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - গড়াই নদী পদ্মা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে মধুমতী ও পশুর নদী নামে সাগরে পতিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: - নদ-নদীর গতিপ্রকৃতি: প্রধান নদী থেকে যখন কোনো জলধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন দিকে প্রবাহিত হয়, তখন তাকে শাখা নদী বলা হয়। - পদ্মা ও যমুনা: এই নদীগুলোর শাখা নদী দেশের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানি প্রবাহ ও ভূপ্রকৃতি নির্ধারণ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গড়াই নদী ব্যাখ্যা: এটি কুষ্টিয়ার কাছে পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সুন্দরবনাঞ্চলের দিকে পানি বহন করে। উদাহরণ ২: ধলেশ্বরী নদী ব্যাখ্যা: এটি যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শীতলক্ষ্যায় মিশেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গড়াই ও মধুমতী — মধুমতী নদী গড়াই নদীরই নিম্নপ্রবাহ, তাই এই জোড়াটি শুধুমাত্র শাখা নদী হিসেবে পূর্ণাঙ্গ নয়। B) মহানন্দা ও বংশী — মহানন্দা পদ্মা অববাহিকার একটি উপনদী এবং বংশী ব্রহ্মপুত্র-যমুনার অববাহিকার উপনদী। C) মহানন্দা ও আত্রাই — মহানন্দা ও আত্রাই উভয়ই প্রধানত উত্তরবঙ্গের নদী এবং এগুলো যমুনা বা পদ্মার শাখা নদী নয়। D) গড়াই ও ধলেশ্বরী — এই দুটি নদী যথাক্রমে পদ্মা ও যমুনার প্রধান শাখা নদী হিসেবে সঠিকভাবে চিহ্নিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্মা নদীর প্রধান শাখা হলো গড়াই এবং যমুনার প্রধান শাখা হলো ধলেশ্বরী। - নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ও প্রবাহের দিক মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নদী ও শাখা-উপনদী থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উপনদী এবং শাখা নদীর পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a জামালপুর
b পটুয়াখালী
c নাটোর
d নেত্রকোনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পটুয়াখালী ১. কেন সঠিক: - পটুয়াখালী জেলায় আজও পর্যন্ত কোনো রেললাইন বা ট্রেন যোগাযোগের ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। - বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ঐতিহাসিক ধারার কারণে এই জেলায় রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হয়নি। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: পটুয়াখালী বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি উপকূলীয় জেলা। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এখনো ট্রেন যোগাযোগ চালু হয়নি, যার মধ্যে পটুয়াখালী অন্যতম প্রধান একটি জেলা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরিশাল জেলা ব্যাখ্যা: পটুয়াখালীর মতো বরিশাল জেলাতেও এখনো রেল যোগাযোগ স্থাপন করা হয়নি। উদাহরণ ২: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ব্যাখ্যা: পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত কুয়াকাটা দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র, যা সড়কপথের ওপর নির্ভরশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জামালপুর — এই জেলায় রেল যোগাযোগ বিদ্যমান এবং এটি দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত প্রসারিত। B) পটুয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলায় কোনো রেল যোগাযোগ নেই। C) নাটোর — এটি একটি উত্তরবঙ্গের জেলা এবং এর ওপর দিয়ে প্রধান রেললাইন ও আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। D) নেত্রকোনা — এই জেলায় রেল যোগাযোগ চালু রয়েছে এবং ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনা ও মোহনগঞ্জ পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগে কোনো রেল যোগাযোগ নেই, তাই বরিশাল বিভাগের অন্তর্ভুক্ত পটুয়াখালী জেলায় রেল নেই এটি সহজে মনে রাখা যায়। - উপকূলীয় ও নদীপ্রধান জেলাগুলোতে সড়ক ও নৌপথের প্রাধান্য থাকায় সেখানে রেল যোগাযোগ তুলনামূলকভাবে কম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন জেলায় রেল যোগাযোগ নেই বা কোন বিভাগে রেল যোগাযোগ নেই তা জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে ভৌগোলিক ও অবকাঠামোগত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a প্রধান বিচারপতি
b প্রধানমন্ত্রী
c সেনাবাহিনী প্রধান
d রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রধান বিচারপতি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকর্তা হলেন প্রধান বিচারপতি কারণ সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর মৌলিক কাঠamo রক্ষার চূড়ান্ত দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের উপর ন্যস্ত থাকে। সংবিধানের কোনো বিধান অসাংবিধানিক ঘোষিত হলে তা বাতিল করার একমাত্র ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের রয়েছে, যার প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে গণ্য হয় এবং এর রক্ষাকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতি ভূমিকা পালন করেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে রাষ্ট্রে আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয় এবং কোনো অঙ্গ সাংবিধানিক সীমার বাইরে যেতে পারে না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা। ব্যাখ্যা: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করেছিলেন। উদাহরণ ২: বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা। ব্যাখ্যা: মাজদার হোসেন মামলার রায়ের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার ঐতিহাসিক রায় দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান বিচারপতি — সঠিক উত্তর কারণ তিনি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান এবং সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকর্তা। B) প্রধানমন্ত্রী — ইনি নির্বাহী প্রধান এবং সরকার পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন, সংবিধানের রক্ষাকর্তা নন। C) সেনাবাহিনী প্রধান — ইনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং দেশের প্রতিরক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। D) রাষ্ট্রপতি — ইনি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেও সংবিধানের অভিভাবক বা ব্যাখ্যাকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট বা প্রধান বিচারপতিকেই বিবেচনা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংবিধানের রক্ষাকর্তা মনে রাখতে মাথায় রাখুন আইনের শাসন। আইন ও সংবিধানের সর্বোচ্চ ব্যাখ্যার দায়িত্ব প্রধান বিচারপতির হাতে। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও সংবিধানের ব্যাখ্যার জন্য প্রধান বিচারপতির শরণাপন্ন হতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের অভিভাবক বা রক্ষাকর্তা কে তা প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে সংবিধানের ব্যাখ্যাকর্তা কে অথবা সংবিধানের মৌলিক কাঠamo পরিবর্তনের ক্ষমতা কার রয়েছে।
a রাজশাহী ও রংপুর
b চট্টগ্রাম ও সিলেট
c রাজশাহী ও খুলনা
d খুলনা ও ঢাকা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম ও সিলেট ১. কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে হরিকেল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ছিল। - বর্তমান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ এবং এর আশপাশের কিছু অংশ নিয়ে প্রাচীন হরিকেল জনপদ গঠিত হয়েছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীতে হরিকেল জনপদের অস্তিত্ব পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রাচীন লেখমালা ও মুদ্রায়। - ঐতিহাসিকদের মতে, এটি বর্তমান মিয়ানমারের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুণ্ড্র জনপদ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার উত্তরবঙ্গে অবস্থিত ছিল এবং এর প্রধান কেন্দ্র ছিল বর্তমান মহাস্থানগড়। উদাহরণ ২: সমতট জনপদ ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী ও রংপুর — এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে বরেন্দ্র বা পুণ্ড্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। C) রাজশাহী ও খুলনা — এই অঞ্চলটি প্রাচীন পুণ্ড্র, গৌড় ও বঙ্গ জনপদের অংশ ছিল। D) খুলনা ও ঢাকা — এই অঞ্চলটি মূলত প্রাচীন বঙ্গ ও সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - হরিকেল জনপদের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল মনে রাখতে চ ও স বর্ণ দুটি মনে রাখা যেতে পারে। - প্রাচীন জনপদগুলোর নাম এবং বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাচীন বাংলার প্রথম জনপদের নাম পুণ্ড্র এবং হরিকেল জনপদের প্রধান প্রাপ্তি ছিল প্রাচীন মুদ্রা। - এই টপিক থেকে জনপদ ও বর্তমান জেলার নাম মিলিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উদ্দীপিত করার জন্য দুর্বল ভাইরাসের একটি রূপ প্রবর্তন করে
b পরিশোধিত ভাইরাল প্রোটিনের সাবইউনিট প্রবিষ্ট করানোর মাধ্যমে
c হোস্ট কোষে জেনেটিক উপাদান বহন করার জন্য একটি ভাইরাস ঘটিত বাহক ব্যবহার করে
d mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয় ১. কেন সঠিক: - এই পদ্ধতিতে ভাইরাসের সম্পূর্ণ রূপ বা নিষ্ক্রিয় অংশ সরাসরি শরীরে প্রবেশ করানো হয় না, বরং জেনিটিক নির্দেশিকা বা মেসেঞ্জার আরএনএ ব্যবহার করা হয়। - ফাইজার বায়োটেক বা মডার্নার মতো আধুনিক কোভিড ১৯ টিকাগুলোতে এমআরএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যা মানবদেহের কোষকে নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০২০ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে প্রথম কোভিড ১৯ রোগী শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী চলা টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারও টিকা সংগ্রহ ও প্রয়োগ শুরু করে। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রোগতত্ত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই টিকাদান কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোভ্যাক্স সুবিধা ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জোট কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় পর্যায়ক্রমে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ফাইজার মডার্না ও সিনোফার্মের টিকা সংগ্রহ করে সাধারণ মানুষের মাঝে সফলভাবে বিতরণ করে। উদাহরণ ২: গণটিকাদান কর্মসূচি ব্যাখ্যা: ২০২১ সালের আগস্ট মাস থেকে বাংলাদেশে ইতিহাসের বৃহত্তম গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় যা দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উদ্দীপিত করার জন্য দুর্বল ভাইরাসের একটি রূপ প্রবর্তন করে — এটি ঐতিহ্যগত টিকা তৈরির পদ্ধতি যা এই প্রশ্নের এমআরএনএ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) পরিশোধিত ভাইরাল প্রোটিনের সাবইউনিট প্রবিষ্ট করানোর মাধ্যমে — এটি সাবইউনিট টিকার কার্যপদ্ধতি যা ফাইজার বা মডার্নার এমআরএনএ টিকার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) হোস্ট কোষে জেনেটিক উপাদান বহন করার জন্য একটি ভাইরাস ঘটিত বাহক ব্যবহার করে — এটি ভেক্টরভিত্তিক টিকার পদ্ধতি যেমন অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয় — এটি আধুনিক এমআরএনএ টিকার সঠিক কর্মপদ্ধতি যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - এমআরএনএ টিকা মানে হলো কোষে মেসেঞ্জার বা বার্তা পাঠানো যা স্পাইক প্রোটিন তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। - ভেক্টর টিকা হলো অন্য ভাইরাসের বাহক ব্যবহার করা এবং দুর্বল টিকা হলো নিষ্ক্রিয় ভাইরাস ব্যবহার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় টিকা তৈরির প্রযুক্তি যেমন এমআরএনএ ভেক্টর ও নিষ্ক্রিয় ভাইরাস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাংলাদেশ কত সালে গণটিকাদান শুরু করে এবং কোন কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ করে তা জানা জরুরি।
a ২০০৭, ২০০৮
b ২০০৮, ২০০৯
c ২০০৭, ২০০৯
d ২০০৭, ২০০৬
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৭, ২০০৯ ১. কেন সঠিক: - ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানার সঠিক সাল যথাক্রমে ২০০৭ এবং ২০০৯। - এই দুটি প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনজীবন, অর্থনীতি এবং পরিবেশের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। ২. ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রেক্ষাপট: - প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড়ের মুখোমুখি হয়। - তারিখ ও ক্ষয়ক্ষতি: সিডর ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর এবং আইলা ২০০৯ সালের ২৫ মে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘূর্ণিঝড় সিডর ব্যাখ্যা: এটি ২০০৭ সালে সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানে এবং এর বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২৬০ কিলোমিটার। উদাহরণ ২: ঘূর্ণিঝড় আইলা ব্যাখ্যা: এটি ২০০৯ সালে আঘাত হানে এবং এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ও বেড়িবাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৮, ২০০৮ — এই অপশনটি ভুল কারণ সিডর ২০০৮ সালে নয়, বরং ২০০৭ সালে আঘাত হেনেছিল। B) ২০০৮, ২০০৯ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম সালটি ২০০৮ উল্লেখ করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। C) ২০০৭, ২০০৯ — এই অপশনটি সঠিক এবং সিডর ও আইলার আঘাত হানার সঠিক সাল নির্দেশ করে। D) ২০০৭, ২০০৬ — এই অপশনটি ভুল কারণ আইলা ২০০৬ সালে নয়, বরং ২০০৯ সালে আঘাত হেনেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিডর ও আইলার সাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো সিডরের পেছনে সাত এবং আইলার পেছনে নয় সংখ্যাটি আছে। - সাল দুটি ক্রমানুসারে ২০০৭ এবং ২০০৯ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘূর্ণিঝড়ের নাম, আঘাত হানার সাল এবং ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণ এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত মৌলিক ধারণা পরিষ্কার রাখা জরুরি।
a ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫
b ৬ নভেম্বর ১৯৯৮
c ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
d ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৮
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (PCJSS) এর মধ্যে দীর্ঘ দেড় যুগের সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং পিসিজেএসএস নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা তথা সন্তু লারমার নেতৃত্বে ঐতিহাসিক এই শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলি তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তান আমল থেকেই কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণসহ বিভিন্ন কারণে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মনে বঞ্চনাবোধ তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে তা রাজনৈতিক ও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। - তারিখ ও স্থান: ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন সরকারের প্রধান হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পিসিজেএসএস-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান ঘটে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়, যার জন্য সন্তু লারমা ও শেখ হাসিনাকে ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ব্যাখ্যা: ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের ফলে পাহাড়ি অঞ্চলের বিশাল এলাকা প্লাবিত হয় এবং প্রায় এক লক্ষ মানুষ বাস্তুহারা হয়, যা পরবর্তীতে পার্বত্য সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দেয়। উদাহরণ ২: আঞ্চলিক পরিষদ গঠন ব্যাখ্যা: চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়, যা পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণের সমন্বয়ে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ — এই তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি একটি ভুল তারিখ এবং সে সময়ে শান্তি আলোচনা বিভিন্ন ধাপে চললেও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। B) ৬ নভেম্বর ১৯৯৮ — এটি শান্তিচুক্তির সাথে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা গুরুত্বপূর্ণ তারিখ নয় এবং এই সময়ে চুক্তি পরবর্তী বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চলমান ছিল। D) ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৮ — এই তারিখটি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির স্বাক্ষরের দিন নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন যা পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শান্তিচুক্তির সাল মনে রাখতে ১৯৯৭ সালটি মনে রাখুন এবং তারিখটি হলো ২ ডিসেম্বর, যা বিজয়ের মাসের শুরুর একটি ঐতিহাসিক দিন। - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদে (১৯৯৬ থেকে ২০০১) এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই চুক্তির তারিখ এবং স্বাক্ষরকারীদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই টপিক থেকে আঞ্চলিক পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান কে ছিলেন বা চুক্তির ধারা কয়টি, সে সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a আউশ ধান
b তেলবীজ
c পাট
d আলু
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলু ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রধানত ধান ও পাট উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল হলেও রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য আলু একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। - অতিরিক্ত উৎপাদিত আলু বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হচ্ছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য: বৈশ্বিক কৃষিবাজারে আলুর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আলু রপ্তানি করা হয়। - প্রেক্ষাপট: অভ্যন্তরীণ চাহিদার অতিরিক্ত আলু উৎপাদিত হওয়ায় উদ্বৃত্ত অংশ রপ্তানির মাধ্যমে কৃষকদের লাভবান করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নেদারল্যান্ডস ব্যাখ্যা: নেদারল্যান্ডস বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ আলু ও বীজ আলু রপ্তানিকারক দেশ, যা তাদের কৃষিবাজার বহুমুখীকরণের একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ব্যাখ্যা: বিএডিসি মানসম্মত বীজ আলু উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও রপ্তানিযোগ্য পণ্যের মান উন্নয়নে কাজ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউশ ধান — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী মৌসুমী ধান হলেও এটি প্রধান খাদ্যপণ্য এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদ মেটাতে ব্যবহৃত হয়, রপ্তানি বহুমুখীকরণের প্রধান পণ্য নয়। B) তেলবীজ — বাংলাদেশে ভোজ্যতেলের ঘাটতি রয়েছে এবং চাহিদার সিংহভাগ তেলবীজ বা ভোজ্যতেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, ফলে এটি রপ্তানির পরিবর্তে আমদানিনির্ভর। C) পাট — পাট ও পাটজাত পণ্য বাংলাদেশের অন্যতম traditional রপ্তানি পণ্য হলেও পাট নতুন কোনো বহুমুখী খাত নয়, বরং এটি আমাদের দীর্ঘদিনের প্রচলিত রপ্তানি খাত। D) আলু — এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - রপ্তানি বহুমুখীকরণের প্রশ্ন এলে খাদ্যশস্যের বাইরে উদ্যান ফসল হিসেবে আলুর নাম মনে রাখবে। - বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আলু বর্তমানে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ থেকে কোন কৃষিপণ্য বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হয়, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ সংক্রান্ত প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
a ডেজার্ট স্টর্ম
b এন্ডিউরিং ফ্রিডম
c প্রস্পারিটি গার্ডিয়ান
d ব্লু হেলমেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রস্পারিটি গার্ডিয়ান ১. কেন সঠিক: হুতি বিদ্রোহীদের আক্রমণ থেকে লোহিত সাগরে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক উদ্যোগ গ্রহণ করে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুটের সুরক্ষার ক্ষেত্রে বর্তমান ভূরাজনীতিতে এই অপারেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২. ভূরাজনীতি ও সংঘাতের প্রেক্ষাপট: সংঘাত: লোহিত সাগর সংকট এবং ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিক আক্রমণ। উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের প্রধান রুট সুয়েজ খালের প্রবেশদ্বার সুরক্ষিত রাখা এবং নৌচলাচল স্বাভাবিক রাখা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম ব্যাখ্যা: এটি ছিল ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ, যার মাধ্যমে কুয়েতকে মুক্ত করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: ন্যাটোর অপারেশন ওসান শিল্ড ব্যাখ্যা: সোমালি উপকূলে জলদস্যুতা দমনে ন্যাটোর এই উদ্যোগও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তার অংশ ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেজার্ট স্টর্ম — এটি ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সামরিক অভিযানের নাম, যা লোহিত সাগরের হুতি হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) এন্ডিউরিং ফ্রিডম — এটি ২০০১ সালের আফগানিস্তান যুদ্ধের সূচনায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানের নাম। D) ব্লু হেলমেট — এটি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর পোশাক ও তাদের সাধারণ পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত, কোনো সামরিক জোটের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: লোহিত সাগরে অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক সমৃদ্ধি রক্ষা করার জন্য যে গার্ড বা প্রহরা বসানো হয়েছে, তার নাম প্রস্পারিটি গার্ডিয়ান। ডেজার্ট স্টর্ম বা এন্ডিউরিং ফ্রিডম নামের সঙ্গে লোহিত সাগরের বর্তমান সংঘাতের কোনো মিল নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্য পথ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। হুতি বিদ্রোহী কোন দেশের এবং লোহিত সাগরের কৌশলগত গুরুত্ব কোথায়, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a বিশ্বব্যাংক গ্রুপ।
b আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
c এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB)।
d জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি।
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। ১. কেন সঠিক: মাল্টিল্যাটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করে। এই সংস্থাটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা প্রদান করে থাকে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: মাল্টিল্যাটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সি বা MIGA। প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অধীনে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ এবং মিগা। ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ মিগার সদস্য দেশ এবং এর মাধ্যমে দেশে বিভিন্ন বিদেশি বিনিয়োগে রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ও তার অন্যান্য অঙ্গসংস্থা। ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ মূলত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বব্যাংক গ্রুপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মিগা এই গ্রুপের একটি প্রধান আর্থিক ও বীমা প্রদানকারী অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। B) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল — এটি বিশ্বব্যাংকের সহযোগী হলেও একটি স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা বৈশ্বিক মুদ্রানীতি নিয়ে কাজ করে। C) এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB) — এটি চীন ও এশিয়ার দেশগুলোর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন আঞ্চলিক ব্যাংক। D) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি — এটি জাতিসংঘের একটি স্বতন্ত্র অঙ্গসংস্থা যা বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও মানব উন্নয়নে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার শেষ বা সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হলো মিগা ১৯৮৮ সালে গঠিত। আইবিআরডি, আইডিএ, আইএফসি, মিগা এবং সিআইজিডি এই পাঁচটি মিলে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ গঠিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কনিষ্ঠতম সদস্য কোনটি এমন প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। মিগার পূর্ণরূপ এবং এটি কোন ধরনের ঝুঁকি বীমা প্রদান করে তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আল শাবাব
b র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স
c ফ্রি সুদান মুভমেন্ট
d জান জাউইদ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স ১. কেন সঠিক: - ২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে সুদানের সামরিক বাহিনী সুদানিজ আর্মড ফোর্সেস এবং আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বের কারণে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। - সামরিক শাসক জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল বুরহান এবং র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগলো হেমেদতির মধ্যকার রাজনৈতিক মতপার্থক্য এই ভয়াবহ সংঘাতের মূল কারণ। ২. সংঘাতের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: - দেশ: সুদান, যার রাজধানী খার্তুম এবং মুদ্রা সুদানি পাউন্ড। - প্রেক্ষাপট: সুদান দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এই গৃহযুদ্ধের ফলে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: এই সংঘাত পূর্ব আফ্রিকা ও লোহিত সাগর অঞ্চলের ভূরাজনীতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ। ব্যাখ্যা: সুদান সংকটের মতো লিবিয়াতেও বিভিন্ন সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষমতার লড়াই দেশটির রাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস করেছে। উদাহরণ ২: ইথিওপিয়ার তিগ্রায় সংঘাত। ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকান দেশগুলোতে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও জাতিগত দ্বন্দ্বের আরেকটি বড় উদাহরণ যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল শাবাব — এটি সোমালিয়াভিত্তিক একটি উগ্র ইসলামপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী, যা সুদানের বর্তমান গৃহযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। C) ফ্রি সুদান মুভমেন্ট — এটি কোনো প্রধান বা স্বীকৃত বিদ্রোহী গোষ্ঠী নয় বরং সুদানের রাজনীতির সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করা একটি বিভ্রান্তিকর নাম। D) জান জাউইদ — এটি দারফুর অঞ্চলে অতীতে সক্রিয় একটি মিলিশিয়া বাহিনী, যাদের উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমান র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সকে গণ্য করা হয় তবে বর্তমান যুদ্ধের মূল পক্ষ নির্দিষ্ট আধাসামরিক বাহিনীটি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুদানের বর্তমান গৃহযুদ্ধে সামরিক বাহিনীর প্রতিপক্ষ হিসেবে র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স বা আরএসএফ নামটি মনে রাখতে হবে। - দারফুরের জান জাউইদ মিলিশিয়াই পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয়ে বর্তমানের এই শক্তিশালী আধাসামরিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক আফ্রিকান সংঘাতগুলোর মধ্যে সুদানের এই গৃহযুদ্ধ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে। - এখান থেকে সুদানের রাজধানী, সংঘাতের সূচনা সাল বা বিবদমান পক্ষগুলোর নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
a অর্থনৈতিক সহযোগিতা
b সামরিক সহযোগিতা
c পরিবেশ সুরক্ষা
d মহাকাশ গবেষণা সহযোগিতা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামরিক সহযোগিতা ১. কেন সঠিক: - আকাস একটি ত্রিমুখী নিরাপত্তা চুক্তি। এর মূল লক্ষ্য ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। - এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ প্রযুক্তিতে সহায়তা প্রদান করবে। ২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জোট: - দেশসমূহ: অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। - ঘোষণা ও তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে এই ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। - ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব ও আধিপত্য প্রতিহত করাই এই চুক্তির প্রধান কৌশলগত উদ্দেশ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ন্যাটো (NATO) ব্যাখ্যা: এটি একটি সামরিক জোট, যা আকাস চুক্তির মতো সদস্য দেশগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে। উদাহরণ ২: কোয়াড (QUAD) ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার একটি কৌশলগত ফোরাম, যা মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মুক্ত বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক সহযোগিতা — আকাস কোনো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা নয়, এর মূল ফোকাস প্রতিরক্ষা। C) পরিবেশ সুরক্ষা — জলবায়ু পরিবর্তন বা পরিবেশ সংরক্ষণ এই চুক্তির আওতাভুক্ত কোনো বিষয় নয়। D) মহাকাশ গবেষণা সহযোগিতা — নাসার মতো মহাকাশ গবেষণা এর উদ্দেশ্য নয়, এটি সম্পূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত চুক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - আকাস শব্দের প্রথম অক্ষরগুলো খেয়াল করলেই দেশগুলো চেনা যায়: A তে অস্ট্রেলিয়া, UK তে যুক্তরাজ্য এবং US তে যুক্তরাষ্ট্র। - এই চুক্তির মূল ভিত্তি হলো সামরিক প্রযুক্তি শেয়ার করা, তাই উত্তর সামরিক সহযোগিতাই হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আকাসের পূর্ণরূপ বা এর সদস্য দেশগুলোর নাম প্রায়ই আসে। - ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ভূরাজনীতি এবং চীনকে মোকাবেলায় গঠিত পশ্চিমা জোটগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a একুশে ফেব্রুয়ারি
b পহেলা বৈশাখ
c জামদানি বুনন শিল্প
d বিজয় দিবস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জামদানি বুনন শিল্প ১. কেন সঠিক: - জামদানি বুনন শিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মসলিনের আধুনিক রূপ এবং এটি ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে। - এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের প্রাচীন হস্তশিল্প ও বয়ন সংস্কৃতির আন্তর্জাতিক গুরুত্ব ও বৈশ্বিক মর্যাদাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: UNESCO (United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization). - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৬ নভেম্বর ১৯৪৫ সালে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং শিক্ষা ও বিজ্ঞানের প্রসারে কাজ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অনন্য প্রাকৃতিক ঐতিহ্য যা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা লাভ করেছে। উদাহরণ ২: রিকশা ও রিকশাচিত্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংযোজন যা ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একুশে ফেব্রুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত হলেও ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়। B) পহেলা বৈশাখ — এটি বাংলাদেশের বাঙালির নববর্ষ উৎসব এবং ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে তালিকাভুক্ত, তবে প্রদত্ত সঠিক উত্তরের প্রেক্ষাপটে এটি মূল উত্তর নয়। D) বিজয় দিবস — এটি বাংলাদেশের একটি জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস এবং মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের প্রতীক, ইউনেস্কোর ঐতিহ্য তালিকার বিষয় নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রশ্ন আসলে হস্তশিল্প বা কারুশিল্পের ক্ষেত্রে জামদানি বুনন শিল্পকে সবার আগে মনে রাখবে। - ঐতিহাসিক দিবস আর ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এক নয়, তাই অপশনগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইউনেস্কোর পূর্ণরূপ এবং সদর দপ্তর কোথায় তা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বাংলাদেশের অন্যান্য কোন ঐতিহ্যগুলো ইউনেস্কোর তালিকায় আছে, তা জেনে রাখা জরুরি।
a একটি নতুন আন্তর্জাতিক মুদ্রা প্রতিষ্ঠা করা
b নৌ ঘাঁটির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ
c বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থায়ন
d বাণিজ্য এবং অবকাঠামোর একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাণিজ্য এবং অবকাঠামোর একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করা ১. কেন সঠিক: বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ হলো চীনের একটি মেগা প্রকল্প যা প্রাচীন সিল্ক রোডের আদলে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ স্থাপন করতে চায়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে স্থল ও জলপথে বাণিজ্যের প্রসারের জন্য বন্দর, মহাসড়ক ও রেলপথ নির্মাণ করা। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: উদ্যোগ: বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই। ঘোষণা: ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই প্রকল্প ঘোষণা করেন। প্রেক্ষাপট: চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ক্ষমতা এবং অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা বিশ্ববাজারে ব্যবহারের জন্য এই কৌশল নেওয়া হয়। গুরুত্ব: এটি বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের আধিপত্য বিস্তার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ করার একটি বড় ভূরাজনৈতিক হাতিয়ার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চায়না পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর বা সিপিইসি। ব্যাখ্যা: এটি বিআরআই এর একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প যা পাকিস্তানের গাওদার বন্দরকে চীনের ঝিনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: হাম্বানটোটা বন্দর প্রকল্প। ব্যাখ্যা: শ্রীলঙ্কার এই বন্দরটি চীনের অর্থায়নে নির্মিত হলেও ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তা দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে চীনকে লিজ দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি নতুন আন্তর্জাতিক মুদ্রা প্রতিষ্ঠা করা — বিআরআই কোনো মুদ্রা তৈরির প্রকল্প নয় বরং এটি একটি অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক সংযোগ প্রকল্প। B) নৌ ঘাঁটির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ — এটি মূলত বাণিজ্যিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প, যদিও এর ভূরাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে উদ্বেগ রয়েছে। C) বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থায়ন — এটি বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফ এর মতো সাধারণ উন্নয়নে অর্থায়ন করে না, বরং নির্দিষ্ট বাণিজ্য রুটে অবকাঠামো নির্মাণে ঋণ দেয়। D) বাণিজ্য এবং অবকাঠামোর একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করা — এটিই এই প্রকল্পের মূল এবং সঠিক লক্ষ্য যা স্থলপথ ও জলপথের মাধ্যমে বাণিজ্যকে ত্বরান্বিত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: বেল্ট বলতে স্থলপথের সিল্ক রোড অর্থনৈতিক বেল্ট এবং রোড বলতে সমুদ্রপথের একবিংশ শতাব্দীর মেরিটাইম সিল্ক রোডকে বোঝায়। চীন ২০১৩ সালে এই প্রকল্প চালু করে যা অতীতে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড নামে পরিচিত ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিআরআই প্রকল্প কবে ঘোষণা করা হয় এবং এর পূর্বনাম কী ছিল, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন কোন মহাদেশকে এই প্রকল্প যুক্ত করতে চেয়েছে।
a স্টকহোম
b রোটারডাম
c বাসেল
d মিনামাটা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাসেল ১. কেন সঠিক: বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত পরিবহন নিয়ন্ত্রণ এবং এর অপসারণ তদারকির জন্য প্রণীত একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। উন্নত দেশগুলো থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ক্ষতিকারক ও বিষাক্ত বর্জ্য পাচার বা স্থানান্তর রোধ করাই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সম্মেলনের তথ্য: চুক্তির নাম: বাসেল কনভেনশন অন দ্য কন্ট্রোল অব ট্রান্সবাউন্ডারি মুভমেন্টস অব হ্যাজার্ডাস ওয়াস্টেস অ্যান্ড দেয়ার ডিসপোজাল। তারিখ ও স্থান: ১৯৮৯ সালের ২২ মার্চ সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে এটি গৃহীত হয় এবং ১৯৯২ সালের ৫ মে থেকে কার্যকর হয়। উদ্দেশ্য: বিপজ্জনক বর্জ্যের উৎপাদন ন্যূনতম রাখা এবং মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের সুরক্ষায় তা উৎপাদনস্থলে বা নিকটবর্তী স্থানে নিরাপদে অপসারণ করা। গুরুত্ব: এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বিষাক্ত বর্জ্য Dumping বা ফেলা রোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক আইনগত দলিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাক্ত ই-বর্জ্য বা ইলেকট্রনিক বর্জ্য স্থানান্তর। ব্যাখ্যা: উন্নত দেশগুলো অনেক সময় নষ্ট হওয়া কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন উন্নয়নশীল দেশে পাঠিয়ে দেয়, যা এই কনভেনশনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। উদাহরণ ২: প্লাস্টিক বর্জ্য বাণিজ্য। ব্যাখ্যা: বাসেল কনভেনশনের সাম্প্রতিক সংশোধনীতে বিপজ্জনক প্লাস্টিক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টকহোম — স্টকহোম কনভেনশন জৈব দূষক (POPs) নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত, বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত পরিবহনের সঙ্গে নয়। B) রোটারডাম — রোটারডাম কনভেনশন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নির্দিষ্ট কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিক দ্রব্য ও কীটনাশকের পূর্ব সম্মতি (PIC) পদ্ধতি নিয়ে কাজ করে। C) বাসেল — সঠিক উত্তর, যা বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত পরিবহন ও অপসারণ নিয়ন্ত্রণ করে। D) মিনামাটা — মিনামাটা কনভেনশন মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশকে পারদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দেশ বদলাতে হলে বা সীমান্ত পার হতে হলে 'বাসে' (বাসেল) করে যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো। স্টকহোম মানে দূষণ (POPs) এবং বাসেল মানে বর্জ্য পরিবহন, এই দুটি কনভেনশন প্রায়ই পরীক্ষায় একসাথে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাসেল কনভেনশন কত সালে স্বাক্ষরিত হয় তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে (উত্তর: ১৯৮৯ সাল)। পরিবেশ রক্ষায় এই ধরনের চুক্তিগুলো সাধারণত জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এর আওতায় পরিচালিত হয়।
a নেদারল্যান্ডস
b নিউ ইয়র্ক
c নিউ হ্যাম্পশায়ার
d নিউ জার্সি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউ হ্যাম্পশায়ার ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নিউ হ্যাম্পশায়ার কারণ ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের ব্রেটন উডস নামক স্থানে এই ঐতিহাসিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - বিশ্ব অর্থনীতির স্থায়িত্ব রক্ষা এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বৈশ্বিক বাণিজ্য পুনর্গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপনই ছিল এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও চুক্তি: - সম্মেলন: ব্রেটন উডস সম্মেলন যার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল ইউনাইটেড নেশনস মনিটরি অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল কনফারেন্স। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৪৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - স্থান: মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেল, ব্রেটন উডস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ এবং সদস্য দেশগুলোর মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল করার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মহামন্দা রোধ করা। - ফলাফল/প্রভাব: এই সম্মেলনের মাধ্যমেই বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ জন্ম নেয়, যা ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান নামে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ ব্যাখ্যা: ব্রেটন উডস সম্মেলনের সরাসরি ফলাফল হিসেবে ১৯৪৫ সালে এই সংস্থাটি গঠিত হয়, যা বিশ্বব্যাপী আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক বা আইবিআরডি ব্যাখ্যা: যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর পুনর্গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের জন্য ব্রেটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্তে এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেদারল্যান্ডস — এটি ইউরোপের একটি দেশ, যা আন্তর্জাতিক নানা আদালতের জন্য বিখ্যাত হলেও ব্রেটন উডস সম্মেলনের স্থান নয়। B) নিউ ইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর হলেও এই নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক সম্মেলন এখানে বসেনি। C) নিউ হ্যাম্পশায়ার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৪৪ সালের এই সম্মেলনটি এই অঙ্গরাজ্যের ব্রেটন উডসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। D) নিউ জার্সি — এটি যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি অঙ্গরাজ্য, যা ব্রেটন উডস সম্মেলনের সঙ্গে ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক দিক থেকে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্রেটন উডস সম্মেলন এবং নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের নাম একত্রে মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন যে পাহাড় ঘেরা ব্রেটন উডস এলাকার নামানুসারে এই যুগান্তকারী অর্থনৈতিক চুক্তি হয়েছিল। - বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ এর জন্মস্থান হিসেবে নিউ হ্যাম্পশায়ার নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্রেটন উডস সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর ফলশ্রুতিতে কোন দুটি সংস্থা গঠিত হয়, তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থার জন্মলগ্ন এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে ব্যাংক নিয়োগ ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a নাইরোবি
b আবিদজান
c আদিস আবাবা
d লাগোস
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবিদজান ১. কেন সঠিক: আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর কোত দিভোয়ার বা আইভরি কোস্টের অর্থনৈতিক রাজধানী আবিদজানে অবস্থিত। আফ্রিকা মহাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক প্রগতির গতি ত্বরান্বিত করার জন্য এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক বা আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর এবং কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৫ সালে। সদর দপ্তর: আবিদজান, কোত দিভোয়ার। তবে সংঘাতের কারণে কিছুকাল তিউনিসিয়ার তিউনিসে এর সাময়িক কার্যালয় ছিল। উদ্দেশ্য: আফ্রিকান দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতি সাধন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি। ব্যাখ্যা: এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের মান্দালুয়ংকে অবস্থিত। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক স্তরে দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে এবং এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইরোবি — এটি কেনিয়ার রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি বা ইউএনইপি এর সদর দপ্তর অবস্থিত। B) আবিদজান — এটি আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের প্রকৃত ও বর্তমান সদর দপ্তর। C) আদিস আবাবা — এটি ইথিওপিয়ার রাজধানী এবং এখানে আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর অবস্থিত। D) লাগোস — এটি নাইজেরিয়ার সাবেক রাজধানী ও প্রধান বাণিজ্যিক শহর, তবে এটি আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর মনে রাখতে আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে আইভরি কোস্টের আবিদজান শহরটি ব্যাংকিং বা আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে মাথায় রাখতে পারো। আদিস আবাবা এবং আবিদজান নামের মিল থাকায় গুলিয়ে ফেলা যাবে না, কারণ আদিস আবাবা হলো রাজনৈতিক সংস্থা আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আফ্রিকা মহাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে ব্যাংকের প্রধান বা সদস্যভুক্ত দেশ সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ইউনিসেফ
b ইউনেস্কো
c ডব্লিউটিও
d আইএলও
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডব্লিউটিও ১. কেন সঠিক: - ডব্লিউটিও জাতিসংঘের সরাসরি কোনো অঙ্গসংস্থা বা বিশেষায়িত সংস্থা নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থা যা বিশ্ব বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে। - ১৯৪৮ সালের গ্যাট চুক্তির ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এর নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ডব্লিউটিও অর্থ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: পহেলা জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে অবাধ ও শুল্কমুক্ত বাণিজ্য নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাটের চুক্তি ব্যাখ্যা: ডব্লিউটিও গঠনের আগে ১৯৪৭ সালের গ্যাট চুক্তি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করত। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ ব্যাখ্যা: এগুলো জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হলেও ডব্লিউটিও সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল এবং জাতিসংঘের একটি প্রধান অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। B) ইউনেস্কো — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষায়িত সংস্থা। সি) ডব্লিউটিও — এটি জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা নয়, বরং একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা। D) আইএলও — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এবং জাতিসংঘের অন্যতম প্রাচীন বিশেষায়িত সংস্থা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, ইউনেস্কো ও ইউনিসেফ জাতিসংঘের সাথে সরাসরি যুক্ত হলেও ডব্লিউটিও সম্পূর্ণ স্বাধীন। - বাণিজ্যসংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থাটি জেনেভায় অবস্থিত এবং এটি জাতিসংঘের কোনো শাখা নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন সংস্থাটি জাতিসংঘের আওতাধীন নয়। - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার পূর্বনাম গ্যাট এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
a 1846
b 1867
c 1898
d 1905
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬৭ ১. কেন সঠিক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালের ৩০ মার্চ রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা অঞ্চলটি ক্রয় করেছিল। মাত্র ৭২ লক্ষ মার্কিন ডলারে (প্রতি একরে প্রায় দুই সেন্ট) তৎকালীন রুশ সাম্রাজ্যের কাছ থেকে এই বিশাল ভূখণ্ডটি আমেরিকার দখলে আসে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: দেশ/সংস্থা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রুশ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৮৬৭ সালের ৩০ মার্চ ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং একই বছরের ১৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর সম্পন্ন হয়। প্রেক্ষাপট: ক্রিমিয়ার যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কাছে আলাস্কা হারানোর ভয়ে রাশিয়া এটি বিক্রি করতে বাধ্য হয়। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম সুয়ার্ডের উদ্যোগে এই চুক্তি হয়, যাকে সে সময় সমালোচকরা সুয়ার্ডের বোকামি বললেও পরবর্তীতে এটি আমেরিকার জন্য অত্যন্ত লাভজনক প্রমাণিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইসিয়ানা ক্রয় (১৮০৩) ব্যাখ্যা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের কাছ থেকে এই বিশাল ভূখণ্ড ক্রয় করে নিজেদের আয়তন দ্বিগুণ করেছিল, যা আমেরিকার ভূখণ্ডগত সম্প্রসারণের আরেকটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনা। উদাহরণ ২: পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ (১৯০৩) ব্যাখ্যা: ভূরাজনৈতিক কৌশল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধিপত্য বিস্তারের জন্য যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বৈশ্বিক ভূখণ্ড ও স্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করেছে, আলাস্কা ক্রয় তার প্রাথমিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৪৬ — এই সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রেট ব্রিটেনের মধ্যে ওরেগন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে উত্তর আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সীমানা নির্ধারিত হয়েছিল। B) ১৮৬৭ — এই সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ক্রয় করেছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ১৮৯৮ — এই সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পেনের সঙ্গে যুদ্ধে জয়লাভ করে ফিলিপাইন, গুয়াম ও পুয়ের্তো রিকো দখল করে এবং হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ annexation করে। D) ১৯০৫ — এই সালে রুশ-জাপান যুদ্ধ সমাপ্ত হয় এবং পোর্টসমাথ চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া এশিয়ায় তার প্রভাব হারাতে শুরু করে। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাস্কা ক্রয়ের সাল মনে রাখতে ১৮৬৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন। আমেরিকার সাম্রাজ্য বিস্তারের ইতিহাসে এটি উনিশ শতকের সবচেয়ে বড় ও লাভজনক কূটনৈতিক চুক্তি ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভূরাজনীতি এবং ঐতিহাসিক চুক্তি অংশে প্রায়ই আসে। আলাস্কা ক্রয়ের সঙ্গে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম সুয়ার্ডের নাম এবং ক্রয়ের মূল্য ৭২ লক্ষ ডলার ভালোভাবে মনে রাখবেন।
a ইউরেনিয়াম-২৩৫
b ইউরেনিয়াম-২৩৮
c থোরিয়াম-১৩২
d প্লুটোনিয়াম-২৪০
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরেনিয়াম-২৩৫ ১. কেন সঠিক: - ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলো এমন একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা পারমাণবিক চুল্লিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফিশন বা নিউক্লিয়াস বিভাজন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে। - এই আইসোটোপের নিউক্লিয়াসে মন্থর গতির নিউট্রন আঘাত হানলে তা ভেঙে বিপুল পরিমাণ তাপশক্তি উৎপাদন করে যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। ২. পারমাণবিক শক্তি ও জ্বালানি: - প্রেক্ষাপট: পরমাণু চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খল বিক্রিয়ার মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তিকে শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা হয়। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ছাড়াই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা রাশিয়ার প্রযুক্তি ও সহায়তায় পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মিত হচ্ছে এবং এতে পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চেরনোবিল দুর্ঘটনা ব্যাখ্যা: ১৯৮৬ সালে ইউক্রেনে অবস্থিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নিরাপত্তাগত ত্রুটির কারণে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যা পারমাণবিক শক্তির ঝুঁকির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরেনিয়াম-২৩৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর নিউক্লিয়াস সহজে ফিশনযোগ্য এবং পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। B) ইউরেনিয়াম-২৩৮ — এটি প্রকৃতিতে সর্বাধিক প্রাপ্ত ইউরেনিয়ামের রূপ হলেও সরাসরি ফিশন বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না, বরং একে রূপান্তর করে প্লুটোনিয়ামে পরিণত করতে হয়। C) থোরিয়াম-১৩২ — থোরিয়ামের এই আইসোটোপটি পারমাণবিক চুল্লির প্রচলিত জ্বালানি নয় এবং এটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। D) প্লুটোনিয়াম-২৪০ — প্লুটোনিয়ামের এই আইসোটোপটি সাধারণত পারমাণবিক অস্ত্রের উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় এবং চুল্লির প্রধান জ্বালানি হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চুল্লিতে জ্বালানির জন্য যে সংখ্যাটি মনে রাখবে তা হলো ২৩৫, অর্থাৎ ইউরেনিয়াম-২৩৫। - ইউরেনিয়ামের অন্যান্য আইসোটোপ যেমন ২৩৮ সরাসরি শক্তি উৎপাদনে কাজে লাগে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পারমাণবিক চুল্লিতে চেইন রিঅ্যাকশন বা শৃঙ্খল বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে ক্যাডমিয়াম বা বোরন রোড ব্যবহার করা হয়। - এই টপিক থেকে প্রায়শই পারমাণবিক চুল্লির মডারেটর এবং কুল্যান্ট সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
a বিশ্ব ব্যাংকের সুবিধা লাভ
b বিশেষ উত্তোলন অধিকার (SDR)
c স্বর্ণের মানসম্পন্ন ভিত্তিতে মুদ্রা
d ঘাটতি অর্থায়ন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ উত্তোলন অধিকার (SDR) ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব অর্থনীতিতে বিশেষ উত্তোলন অধিকার বা এসডিআরকে পেপার গোল্ড বলা হয় কারণ এটি কোনো প্রকৃত সোনা বা কাগজের মুদ্রা নয়, বরং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের একটি কৃত্রিম হিসাব একক। - এটি সদস্য দেশগুলোর আন্তর্জাতিক রিজার্ভের ঘাটতি পূরণে এবং বিশ্ব বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় সোনা বা মার্কিন ডলারের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৯ সালে এসডিআর ব্যবস্থা চালু করা হয়। - সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র। - উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং সদস্য দেশগুলোকে অর্থনৈতিক সংকটে সহায়তা করা। - গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে তারল্য বৃদ্ধি করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মার্কিন ডলার ব্যাখ্যা: বিশ্ব বাণিজ্যে ডলারের ওপর চাপ কমাতে এবং বিকল্প রিজার্ভ তৈরি করতে আইএমএফ এসডিআর বা পেপার গোল্ডের প্রবর্তন করে। উদাহরণ ২: ইউরো ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দেশের মুদ্রার একটি ঝুড়ির মাধ্যমে এসডিআর গঠিত হয় যেখানে ডলার ও ইউরোর মতো প্রধান মুদ্রাগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ব ব্যাংকের সুবিধা লাভ — বিশ্ব ব্যাংক মূলত দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন ঋণ প্রদান করে, যা পেপার গোল্ড বা এসডিআর ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) স্বর্ণের মানসম্পন্ন ভিত্তিতে মুদ্রা — ১৯৩০ এর দশকের পর বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বর্ণমান উঠে গেছে এবং পেপার গোল্ড কোনো প্রচলিত স্বর্ণমুদ্রা নয়। D) ঘাটতি অর্থায়ন — ঘাটতি অর্থায়ন হলো সরকারের বাজেট ঘাটতি মেটাতে নতুন মুদ্রা ছাপানো বা ঋণ নেওয়া, যা আন্তর্জাতিক রিজার্ভের পেপার গোল্ড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - পেপার গোল্ড মানেই হলো কাগজের সোনা অর্থাৎ বিশেষ উত্তোলন অধিকার বা এসডিআর। - এটি সোনা না হয়েও সোনার মতো কাজ করে তাই একে পেপার গোল্ড বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে এসডিআর কোন সংস্থার সঙ্গে জড়িত। - এই প্রশ্ন থেকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাজ এবং রিজার্ভ কারেন্সি সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a NDB
b ADB
c AIIB
d IFM
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) NDB ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো ব্রিকস জোটের সদস্য দেশগুলো পশ্চিমা আধيপতিত্বাধীন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বিকল্প হিসেবে এই ব্যাংকটি গঠন করে। - ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর নিজেদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করা এর প্রধান কাজ। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: এনডিবি বা নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (New Development Bank) - প্রতিষ্ঠা: ১৫ জুলাই ২০১৪ সালে ব্রাসিলিয়া ঘোষণাপত্র এবং উফা শীর্ষ সম্মেলনে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন। - উদ্দেশ্য: উদীয়মান বাজার অর্থনীতি এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB) ব্যাখ্যা: এটি চীনভিত্তিক অপর একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা ব্রিকসের এনডিবির সমান্তরালে এশিয়া অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ব্যাখ্যা: ঐতিহ্যগতভাবে পশ্চিমা দেশগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকা এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়নে কাজ করলেও ব্রিকস দেশগুলো নিজস্ব আর্থিক নিরাপত্তা বলয় তৈරিতে এনডিবি প্রতিষ্ঠা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) NDB — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ব্রিকস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একমাত্র ব্যাংক যা অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করে। B) ADB — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যার সদর দপ্তর ম্যানিলায় এবং এটি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবে পরিচালিত একটি আঞ্চলিক সংস্থা। C) AIIB — এটি এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক, যা চীনের উদ্যোগে গঠিত হলেও সরাসরি ব্রিকস জোটের আনুষ্ঠানিক ব্যাংক নয়। D) IFM — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ভুল সংক্ষিপ্ত রূপ, সঠিক রূপ হলো আইএমএফ বা IMF যা সদস্য দেশগুলোর ভারসাম্যহীনতা দূর করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্রিকস বা BRICS শব্দটির সঙ্গে নতুন উন্নয়ন ব্যাংকের মূল ইংরেজি নামের মিল রয়েছে, যার সংক্ষিপ্ত রূপ এনডিবি (NDB)। - মনে রাখবে এনডিবি ব্যাংকটি চীনভিত্তিক সাংহাই শহরে অবস্থিত এবং এটি ২০১৪ সালে গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্রিকস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এনডিবির প্রথম সভাপতি কে ছিলেন এবং এর বর্তমান সদস্য কারা, তা পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা ভালো।
a ব্রেটন উডস
b লিসবন
c জেনেভা
d মারাকেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মারাকেশ ১. কেন সঠিক: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও গঠনের জন্য ১৯৯৪ সালের ১৫ এপ্রিল মরক্কোর মারাকেশ শহরে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই মারাকেশ চুক্তি অনুমোদনের মাধ্যমেই ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা তার কার্যক্রম শুরু করে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন। প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক বাণিজ্যের অবাধ বিস্তার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাট বা জেনারেল এগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফস অ্যান্ড ট্রেড। ব্যাখ্যা: মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে গ্যাট চুক্তি বাতিল হয়ে তার স্থলাভিষিক্ত হয় বর্তমানের এই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা। উদাহরণ ২: ডব্লিউটিও মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স। ব্যাখ্যা: মারাকেশ চুক্তির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পর পর সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীদের নিয়ে এই সংস্থার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রেটন উডস — এটি এমন একটি সম্মেলন যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা নয়। B) লিসবন — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি চুক্তি যা ২০০৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তরের শহর, কিন্তু এর প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি এই শহরে স্বাক্ষরিত হয়নি। D) মারাকেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই ১৯৯৪ সালে ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য করতে হলে মরক্কোর মারাকেশে যেতে হবে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি মারাকেশেই হয়েছিল। জেনেভা হলো এর সদর দপ্তর, আর মারাকেশ হলো এর জন্মস্থান বা চুক্তির স্থান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা কোন চুক্তির মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। মারাকেশ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং ডব্লিউটিও কবে থেকে কার্যকর হয়, এই দুটি সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a দালাইলামা এবং চিংলু
b চোমোলাংমা এবং কোমোলাংমা
c কোমোলাংমা এবং চিংলু
d চোমোলাংমা এবং এলবার্গ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চোমোলাংমা এবং কোমোলাংমা ১. কেন সঠিক: এভারেস্ট শৃঙ্গ নেপাল ও তিব্বত (চীন) সীমান্তে অবস্থিত পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। স্থানীয় তিব্বতী ভাষায় এই শৃঙ্গের ঐতিহ্যগত নাম হলো চোমোলাংমা এবং চীনা মানচিত্রে এর প্রাতিষ্ঠানিক নাম কোমোলাংমা। ২. ভৌগোলিক তথ্য: দেশ বা অঞ্চল: তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত, এশিয়া মহাদেশ। উচ্চতা: ৮৮৪৮ দশমিক ৮৬ মিটার। প্রেক্ষাপট: বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে এই পর্বতটি পবিত্র এবং তাদের নিজস্ব ভাষায় এর পৃথক নামকরণ রয়েছে। উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: ভৌগোলিক এবং পর্বত আভিযানিক দৃষ্টিকোণ থেকে পৃথিবীর সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে এর বিশ্বজোড়া খ্যাতি রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাগরমাথা ব্যাখ্যা: নেপালি ভাষায় এভারেস্ট শৃঙ্গকে সাগরমাথা বলা হয় যার অর্থ স্বর্গের কপাল। উদাহরণ ২: জর্জ এভারেস্ট ব্যাখ্যা ব্রিটিশ জরিপকারী জর্জ এভারেস্টের নামানুਸারে এই শৃঙ্গের ইংরেজি নামকরণ করা হয়েছিল মাউন্ট এভারেস্ট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দালাইলামা এবং চিংলু — দালাইলামা কোনো পর্বতের নাম নয়, বরং এটি তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক গুরুর উপাধি। B) চোমোলাংমা এবং কোমোলাংমা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি এভারেস্টের যথাক্রমে তিব্বতী ও চীনা নাম নির্দেশ করে। C) কোমোলাংমা এবং চিংলু — এখানে চিংলু নামটি এভারেস্টের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য বহন করে। D) চোমোলাংমা এবং এলবার্গ — এলবার্গ কোনো পরিচিত শৃঙ্গ নয় এবং এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তিব্বতের মানুষ পাহাড়কে মা বা দেবী মানে, তাই তিব্বতী নাম চোমোলাংমা এবং চীনা নাম কোমোলাংমা মনে রাখা সহজ। ইংরেজি নামের সাথে স্থানীয় নামের পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ শৃঙ্গের বিভিন্ন আঞ্চলিক নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একই বিষয় থেকে নেপালি নাম সাগরমাথা বা এর সঠিক উচ্চতা নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
a রাশিয়া
b চীন
c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
d থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: মিয়ানমারে পরিচালিত সাইবার স্ক্যাম সেন্টারগুলো মোকাবিলায় সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 'স্ক্যাম সেন্টার স্ট্রাইক ফোর্স' গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মানব পাচার এবং অনলাইনে আর্থিক প্রতারণা চক্র দমনে মার্কিন সরকারের এটি একটি বড় কূটনৈতিক ও কৌশলগত পদক্ষেপ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ/সংস্থা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থা)। প্রেক্ষাপট: মিয়ানমারের সীমান্ত অঞ্চলে বিদ্রোহী ও অপরাধ চক্রের নিয়ন্ত্রণে গড়ে ওঠা স্ক্যাম সেন্টারগুলো থেকে বিশ্বজুড়ে বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: মানব পাচার রোধ, সাইবার অপরাধ দমন এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক অপরাধের চক্র গুঁড়িয়ে দেওয়া এই ফোর্সের মূল লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক অপরাধ পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপল) ব্যাখ্যা: সাইবার অপরাধ এবং আন্তঃসীমান্ত মানব পাচার দমনে ইন্টারপল বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সমন্বয় করে থাকে। উদাহরণ ২: মার্কিন বিচার বিভাগ (ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস) ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি গ্লোবাল টাস্কফোর্স গঠন করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — রাশিয়া এই বিশেষ স্ট্রাইক ফোর্স গঠন করেনি এবং মিয়ানমারের এই অভ্যন্তরীণ সাইবার অপরাধ দমনে তাদের এমন কোনো সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নেই। B) চীন — চীন এই অঞ্চলে সাইবার অপরাধ দমনে যৌথ অভিযান চালালেও মার্কিন 'স্ক্যাম সেন্টার স্ট্রাইক ফোর্স' মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ উদ্যোগ। D) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও তারা সরাসরি এই নামের কোনো স্ট্রাইক ফোর্স গঠন করেনি, যদিও তারা আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় কাজ করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধ ও স্ক্যাম সেন্টার দমনে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র যে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে, তা মনে রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নিরাপত্তা নীতির কথা মাথায় রাখতে হবে। পরীক্ষায় এই ধরনের ভূরাজনৈতিক পদক্ষেপে প্রায়ই যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা শক্তির উদ্যোগের কথা বেশি থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি এবং ভূরাজনীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা ব্যাংক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই উপযোগী। একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে সাইবার অপরাধের উৎস, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত বা আন্তর্জাতিক মানব পাচার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a বিদেশে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান
b তারল্য সংকট কাটিয়ে ওঠা
c খেলাপী ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনা
d রপ্তানি বাড়ানো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রপ্তানি বাড়ানো ১. কেন সঠিক: - টাকার অবমূল্যায়ন অর্থ হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিদেশি মুদ্রার তুলনায় দেশীয় মুদ্রার মান কমে যাওয়া। - এর ফলে বিদেশি ক্রেতারা কম খরচে দেশীয় পণ্য কিনতে পারেন, যা আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের চাহিদা বাড়িয়ে রপ্তানি বৃদ্ধি করে। ২. বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য: - প্রেক্ষাপট: বৈদেশিক মুদ্রার সাপেক্ষে কোনো দেশের মুদ্রার মান কৃত্রিম বা বাজার চাহিদা অনুযায়ী কমানো হলে তাকে অবমূল্যায়ন বলে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা তৈরি করা। - ফলাফল ও প্রভাব: রপ্তানিকারকরা বেশি মুনাফা পান এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চীন ব্যাখ্যা: চীন অনেক সময় তাদের মুদ্রার মান কমিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের পণ্যের দাম কমিয়ে রাখে, যাতে তাদের রপ্তানি বাণিজ্য তরান্বিত হয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আকি বাড়াতে টাকার বিনিময় হারে সমন্বয় করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদেশে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান — ভুল কারণ মুদ্রার মান কমলে বিদেশে বিনিয়োগের খরচ বেড়ে যায় এবং বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হয়। B) তারল্য সংকট কাটিয়ে ওঠা — ভুল কারণ তারল্য সংকট সরাসরি মুদ্রার অবমূল্যায়নের সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি ব্যাংকিং খাতের ঋণ ব্যবস্থাপনার ফল। C) খেলাপী ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনা — ভুল কারণ খেলাপী ঋণ অভ্যন্তরীণ সুদের হার ও ঋণগ্রহীতাদের পরিশোধ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। D) রপ্তানি বাড়ানো — এটি সঠিক কারণ মুদ্রার মান কমলে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য দেশীয় পণ্যের দাম সস্তা হয় এবং রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সহজ নিয়ম হলো টাকার মান কমলে আমদানি কমে এবং রপ্তানি বাড়ে। - অবমূল্যায়ন মানে নিজ দেশের মুদ্রার শক্তি কমা, যা বহির্বিশ্বে বিক্রেতার জন্য লাভজনক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং মুদ্রাস্ফীতি একে অপরের পরিপূরক হতে পারে কারণ এতে আমদানিকৃত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a জনশক্তি রপ্তানি
b তৈরি পোশাক রপ্তানি
c জাতিসংঘ শান্তি মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণ
d চামড়া জাতীয় পণ্য রপ্তানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৈরি পোশাক রপ্তানি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক শিল্প বা আরএমজি খাত রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস। দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ অর্জিত হয় এই খাত থেকে, যা জিডিপিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সস্তা শ্রমের প্রাপ্যতা এবং অনুকূল নীতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। ২. বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য প্রেক্ষাপট: ক্ষেত্র: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং বৈশ্বিক বস্ত্র বাজার। প্রেক্ষাপট: আশির দশকে কুটিড়শিল্প ও পাটজাত পণ্যের আধিপত্য পেরিয়ে নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান তৈরি করা এই খাতের প্রধান অর্থনৈতিক গুরুত্ব। প্রভাব: বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর এককভাবে তৈরি পোশাক খাতের এই নির্ভরতা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বৈদেশিক মুদ্রার ওঠানামাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র। ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার হলো এই অঞ্চলগুলো, যেখান থেকে সিংহভাগ বৈদেশিক আয় আসে। উদাহরণ ২: চামড়া ও পাট খাত। ব্যাখ্যা: একসময় পাট ও চামড়া প্রধান রপ্তানি খাত হলেও বৈশ্বিক চাহিদা পরিবর্তনের কারণে আজ তা তৈরি পোশাকের তুলনায় অনেক পেছনে রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনশক্তি রপ্তানি — এটি বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের অন্যতম বড় উৎস বা রেমিট্যান্সের প্রধান মাধ্যম হলেও সরাসরি পণ্য রপ্তানি আয়ের দিক থেকে এটি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) তৈরি পোশাক রপ্তানি — এটি সঠিক উত্তর। C) জাতিসংঘ শান্তি মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণ — এটি দেশের জন্য সম্মানজনক ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম উৎস হলেও তা পণ্য রপ্তানি খাতের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) চামড়া জাতীয় পণ্য রপ্তানি — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত হলেও তৈরি পোশাকের মতো এটি প্রধান রপ্তানি আয়ের উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। পোশাক খাতের ইংরেজি রূপ আরএমজি এবং এটি দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তৈরি পোশাক খাতের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি আয়কারী খাত কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। রপ্তানি বহুমুখীকরণের অভাব এবং পোশাক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়।
a ন্যাটোর সম্প্রসারণে সহায়তা প্রদান
b বিশ্ব আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার পূর্বক উদীয়মান অর্থনৈতিক দেশগুলোর স্বার্থরক্ষা
c ইউরোপের জন্য একক মুদ্রা প্রতিষ্ঠা করা
d জি-৭ এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার পূর্বক উদীয়মান অর্থনৈতিক দেশগুলোর স্বার্থরক্ষা ১. কেন সঠিক: ব্রিকস জোটের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতো ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কার আনা। এর মাধ্যমে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ব্রিকস (BRICS) হলো বিশ্বের প্রধান উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা জোট। প্রতিষ্ঠা: ২০০৬ সালে ব্রিক (BRIC) নামে গঠিত হলেও ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা যোগ দেওয়ার পর এটি ব্রিকস (BRICS) নামে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) ব্যাখ্যা: ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংকটি পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত বিশ্বব্যাংকের বিকল্প হিসেবে উদীয়মান দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করে। উদাহরণ ২: ব্রিকস সম্প্রসারণ ব্যাখ্যা: ২০২৪ সালে নতুন সদস্য হিসেবে মিশর, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইথিওপিয়া যুক্ত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে জোটটির প্রভাব বহুগুণ বেড়ে গেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যাটোর সম্প্রসারণে সহায়তা প্রদান — এটি ভুল কারণ ন্যাটো একটি পশ্চিমা সামরিক জোট এবং ব্রিকসের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ইউরোপের জন্য একক মুদ্রা প্রতিষ্ঠা করা — এটি ভুল কারণ ইউরোপের একক মুদ্রা ইউরো চালু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিকস নয়। D) জি-৭ এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা — এটি ভুল কারণ জি-৭ এবং ব্রিকস সম্পূর্ণ আলাদা দুটি স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রিকস মানেই উদীয়মান অর্থনীতির উত্থান এবং বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থায় নিজেদের অধিকার আদায়ের জোরালো কণ্ঠস্বর। আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের একক আধিপত্য কমানোই এই জোটের প্রতিষ্ঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রিকস জোটের পূর্ণরূপ, প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর ব্যাংক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সাম্প্রতিক সংযুক্তি এবং উদীয়মান অর্থনীতির ভূরাজনীতি বুঝতে এই জোটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
a ডোনাল্ড ট্রাম্প
b শিনজো অ্যাবে
c বারাক ওবামা
d জর্জ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিনজো অ্যাবে ১. কেন সঠিক: জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে প্রথম আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে ইন্দো-প্যাসিফিক বা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ধারণাটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন। তিনি ২০০৭ সালে ভারতের সংসদে দেওয়া কনফ্লুয়েন্স অব দ্য টু সিজ শীর্ষক ঐতিহাসিক ভাষণে এই অঞ্চলের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং পরবর্তীতে তার হাত ধরেই মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল বিশ্ব রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: দেশ/সংস্থা: জাপান ও ভারত প্রেক্ষাপট: এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনীতি এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষা করা। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলা এবং এই অঞ্চলে অবাধ বাণিজ্য ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। প্রভাব: বর্তমান বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও জাপানের সমন্বয়ে গঠিত কোয়াড বা চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ এই ধারণারই বাস্তব রূপ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোয়াড (QUAD) ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের একটি কৌশলগত ফোরাম যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: অকাস (AUKUS) ব্যাখ্যা: এটি অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তি যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখতে কাজ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডোনাল্ড ট্রাম্প — তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলকে মার্কিন নীতিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছিলেন কিন্তু এর প্রবক্তা তিনি নন। B) শিনজো অ্যাবে — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই প্রথম এই ধারণাকে বৈশ্বিক কূটনীতিতে জনপ্রিয় করেন। C) বারাক اوবামা — তিনি এশিয়া পিভট নীতি গ্রহণ করলেও ইন্দো-প্যাসিফিক শব্দটির মূল প্রবক্তা শিনজো অ্যাবে। D) জর্জ ডব্লিউ বুশ — তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নীতিতে বেশি মনোযোগী ছিলেন এবং এই ধারণার সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইন্দো-প্যাসিফিক বা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সমুদ্র কৌশল বললেই জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের নাম মনে রাখতে হবে। তিনি ২০০৭ সালে প্রথম এই শব্দটি কূটনৈতিক মহলে পরিচিত করেন যা পরবর্তীতে বিশ্ব রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূরাজনীতি এবং এশিয়া-প্যাসিফিক কূটনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে শিনজো অ্যাবে কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিংবা কোয়াড (QUAD) গঠনের পেছনে কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা মূল উদ্দেশ্য।
a বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
b বাংলাদেশ ব্যাংক
c অর্থ বিভাগ
d বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় উৎপাদন বা গ্রস ডমেস্টিক প্রোডাক্ট তথা জিডিপি হিসাব করার একমাত্র সরকারি ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম, কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন এবং মূল্যস্ফীতির তথ্য সংগ্রহ করে এই সংস্থাটি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সঠিক চিত্র প্রকাশ করে। ২. জাতীয় অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান: সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস এবং এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৪ সালে দেশের প্রথম আদমশুমারি ও পরিসংখ্যান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত পরিসংখ্যান ভবন থেকে এর সমগ্র কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মূল কাজ: জাতীয় আয় প্রাক্কলন, মূল্যস্ফীতি পরিমাপ, বিভিন্ন আদমশুমারি পরিচালনা এবং দেশের আর্থসামাজিক সূচক তৈরি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ ব্যাখ্যা: এটি বৈশ্বিক পর্যায়ে বিভিন্ন দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সূচক পর্যালোচনা করে এবং জাতীয় সংস্থার তথ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর উৎপাদিত জিডিপি ডেটা ব্যবহার করে দেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচন মূল্যায়ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি দেশের জিডিপি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার হিসাব ও প্রকাশ করে। B) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলেও জিডিপি হিসাব করে না, বরং দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিচালনা করে। C) অর্থ বিভাগ — অর্থ মন্ত্রণালয়ের এই বিভাগ বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ করে, কিন্তু সরাসরি জিডিপির তথ্য বা পরিসংখ্যান তৈরি করে না। D) বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন — এই কমিশন দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন করে, কিন্তু জাতীয় পরিসংখ্যান বা জিডিপি পরিমাপের কাজ পরিসংখ্যান ব্যুরো করে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: জিডিপি বা হিসাব সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের সঙ্গে 'পরিসংখ্যান' শব্দটি যুক্ত থাকে, তাই উত্তর হবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস। কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা ও ব্যাংক ব্যবস্থার হিসাব করে আর পরিসংখ্যান ব্যুরো সামগ্রিক উৎপাদন ও জিডিপির হিসাব করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির সর্বশেষ হার কত, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে দেশের মুদ্রানীতি কোন প্রতিষ্ঠান ঘোষণা করে, যার উত্তর হবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
a ক্যানকুন চুক্তি
b প্যারিস চুক্তি
c কিয়োটো প্রটোকল
d কোপেনহেগেন চুক্তি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যানকুন চুক্তি ১. কেন সঠিক: সবুজ জলবায়ু তহবিল বা গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড ২০১০ সালে মেক্সিকোর ক্যানকুনে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনের ক্যানকুন চুক্তির অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। উন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও অভিযোজনের জন্য আর্থিক সহায়তা দিতে এই তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পরিবেশ সংক্রান্ত তথ্য: চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: ইউএনএফসিসিসি ষোড়শ কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ বা কপ ষোল। তারিখ ও স্থান: ২০১০ সালে মেক্সিকোর ক্যানকুনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সদর দপ্তর: সবুজ জলবায়ু তহবিলের সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়ন শহরে অবস্থিত। প্রধান উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় আর্থিক সহায়তা প্রদান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত জলবায়ু চুক্তি যা গ্লোবাল ওয়ার্মিং দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: কিয়োটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় যা উন্নত দেশগুলোর গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যানকুন চুক্তি — এই চুক্তির মাধ্যমেই মূলত সবুজ জলবায়ু তহবিল বা গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। B) প্যারিস চুক্তি — এটি ২০১৫ সালের জলবায়ু চুক্তি যার মূল লক্ষ্য বিশ্ব উষ্ণায়ন প্রাক শিল্প যুগের তুলনায় দেড় থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। C) কিয়োটো প্রটোকল — এটি ১৯৯৭ সালের একটি ঐতিহাসিক প্রটোকল যা শিল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য প্রণয়ন করা হয়েছিল। D) কোপেনহেগেন চুক্তি — এটি ২০০৯ সালের জলবায়ু সম্মেলন হলেও এতে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছিল এবং ক্যানকুন চুক্তিতে তহবিলটি দাপ্তরিক রূপ পায়। ৫ মনে রাখার টিপস: সবুজায়ন বা গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ডের তহবিল গঠনের কথা এলেই মেক্সিকোর ক্যানকুন চুক্তির কথা স্মরণ করতে হবে। কোপেনহেগেনে তহবিল নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও ক্যানকুনে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজ জলবায়ু তহবিলের সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়নে অবস্থিত যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে তহবিল গঠনের সাল, এর সদর দপ্তর বা কোন সম্মেলনে এটি কার্যকর হয় তা নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে।
a মনরো
b ট্রুম্যান
c বুশ
d কার্টার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কার্টার ১. কেন সঠিক: পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি তেলের নির্বিঘ্ন সরবরাহ বজায় রাখতে এবং সে অঞ্চলে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তার রোধ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি ঘোষণা করে। ১৯৮০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে এই নীতি ঘোষণা করেন, যা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি বড় মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা ছিল। ২. ভূরাজনীতি ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রেক্ষাপট: ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তানে সামরিক আগ্রাসন চালায় এবং একই বছর ইরানে ইসলামিক বিপ্লব সংঘটিত হয়। উদ্দেশ্য: মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ রক্ষার্থে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪৮ সালের মার্শাল প্ল্যান ব্যাখ্যা: ইউরোপের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোকে অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করার জন্য এই মার্কিন নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: ১৯৭৩ সালের তেল সংকট ব্যাখ্যা: আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় আরব দেশগুলো তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিলে জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি মার্কিন ভূরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনরো — এটি ১৮২৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো কর্তৃক ঘোষিত হয়, যার মূল কথা ছিল আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপন বা হস্তক্ষেপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বরদাশত করবে না। B) ট্রুম্যান — এটি ১৯৪৭ সালে ঘোষিত হয়, যার লক্ষ্য ছিল গ্রীস ও তুরস্কে সাম্যবাদের বিস্তার রোধ করা এবং সোভিয়েত প্রভাব প্রতিহত করতে অর্থনৈতিক ও সামরিক সাহায্য প্রদান করা। C) বুশ — এটি সাধারণত একবিংশ শতাব্দীতে জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসন কর্তৃক অনুসৃত প্রাক্কল্পিক বা আগ্রাসী সামরিক হস্তক্ষেপ নীতিকে বোঝায়, যা কার্টার ডকট্রিনের অনেক পরের ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: পারস্য উপসাগরের তেল এবং কার্টার শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে হবে কারণ জিমি কার্টারের সময়ই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন শক্তির প্রক্ষেপণ শুরু হয়। মনরো আমেরিকার জন্য, ট্রুম্যান ইউরোপের জন্য এবং কার্টার মধ্যপ্রাচ্যের তেলের জন্য বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কার্টার ডকট্রিন মূলত মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি ভূরাজনৈতিক নীতি। এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি সম্পর্কিত বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a অস্ট্রেলিয়া এবং সুইজারল্যান্ড
b ইউক্রেন এবং জর্জিয়া
c সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড
d মলদোভা এবং বেলারুশ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড ১. কেন সঠিক: - ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর ইউরোপের ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তা বদলে যাওয়ায় সুইডেন ও ফিনল্যান্ড তাদের দীর্ঘদিনের সামরিক নিরপেক্ষতা নীতি ত্যাগ করে ন্যাটোতে যোগ দেয়। - এই দুটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা ন্যাটোর উত্তর ইউরোপীয় ও বাল্টিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে আরও বেশি শক্তিশালী করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ন্যাটো (NATO - North Atlantic Treaty Organization), একটি আন্তঃসরকার সামরিক জোট। - প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: ফিনল্যান্ড ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল এবং সুইডেন ২০২৪ সালের ৭ মার্চ ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: শীতল যুদ্ধের সময় গঠিত এই জোটের মূল উদ্দেশ্য ছিল যৌথ প্রতিরক্ষা এবং সমবেত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ডের রাশিয়া সীমান্ত ব্যাখ্যা: ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগ দেওয়ায় ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি সীমান্ত প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে, যা জোটের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। উদাহরণ ২: ঠান্ডা যুদ্ধোত্তর নিরপেক্ষতা ত্যাগ ব্যাখ্যা: সুইডেন প্রায় দুইশত বছর ধরে সামরিক জোটের বাইরে থাকার পর নিরাপত্তা আশঙ্কার কারণে ন্যাটোর সদস্য হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এক বড় পরিবর্তন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া এবং সুইজারল্যান্ড — অস্ট্রেলিয়া ইনডু-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশ এবং সুইজারল্যান্ড ঐতিহ্যগতভাবে সম্পূর্ণ সামরিক নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হওয়ায় ন্যাটোতে যোগ দেয়নি। B) ইউক্রেন এবং জর্জিয়া — ইউক্রেন ও জর্জিয়া ন্যাটোর সদস্যপদ পাওয়ার চেষ্টা করলেও তারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য হতে পারেনি। D) মলদোভা এবং বেলারুশ — মলদোভা সাংবিধানিকভাবে নিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং বেলারুশ রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়ায় ন্যাটোর সদস্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফিন ও সুইজারল্যান্ডের মতো উত্তর ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন সম্প্রতি একসঙ্গে ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে। - ফিনল্যান্ড সবার আগে ২০২৩ সালে এবং সুইডেন ঠিক তার পরের বছর ২০২৪ সালে সদস্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটো যোগদান এবং ন্যাটোর বর্তমান মোট সদস্যসংখ্যা কত, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্ন থেকে ন্যাটোর প্রতিষ্ঠা সাল, সদর দপ্তর বা ফিনল্যান্ডের ন্যাটো সদস্যপদ লাভের সঠিক সন সম্পর্কিত এমসিকিউ আসতে পারে।
a কোপেনহেগেন
b ওয়ারশ
c প্যারিস
d বন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বন ১. কেন সঠিক: জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (UNFCCC) প্রথম কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিস বা কপ-ওয়ান (COP1) ১৯৯৫ সালে জার্মানির বন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সম্মেলনেই বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে প্রথমবারের মতো দেশগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরির আলোচনা শুরু করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: UNFCCC হলো জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন, যা ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরোতে গ্রহীত হয়। সদর দপ্তর: এই সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় জার্মানির বন শহরে অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল (COP3) ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৭ সালে জাপানের কিওটোতে অনুষ্ঠিত হয় এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি (COP21) ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে ফ্রান্সে স্বাক্ষরিত হয় এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোপেনহেগেন — এটি ডেনমার্কের রাজধানী এবং এখানে ২০০৯ সালে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কপ-পনেরো সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ওয়ারশ — এটি পোল্যান্ডের রাজধানী এবং ২০১৩ সালে এখানে কপ-উনিশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ২০১৫ সালে এখানে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ঐতিহাসিক কপ-একুশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। D) বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম কপ সম্মেলন এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর সচিবালয় এখানেই অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউএনএফসিসিসি এর সচিবালয় জার্মানির বনে অবস্থিত এবং প্রথম কপ সম্মেলনও এই বন শহরেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বনের সাথে প্রথম কপ এর মিল মনে রাখলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত এই সম্মেলনগুলোকে সংক্ষেপে কপ (COP) বলা হয়। এই প্রশ্নটি থেকে আগামীতে কপ-পঁচিশ বা কপ-সাঁইত্রিশ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a রিও-ঘোষণা
b কিয়োটো প্রটোকল
c স্টকহোম ঘোষণা
d প্যারিস চুক্তি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রিও-ঘোষণা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো ১৯৯২ সালের রিও সম্মেলনে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সিবিডিআর নীতি স্বীকৃতি পায়। - এই নীতি অনুযায়ী বৈশ্বিক পরিবেশ ধ্বংসের জন্য উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায় বেশি এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর সক্ষমতা কম। ২. চুক্তি ও সম্মেলনের প্রেক্ষাপট: - সম্মেলনের নাম: রিও Earth Summit বা পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন। - তারিখ ও স্থান: ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - প্রধান উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন অর্জন এবং বৈশ্বিক পরিবেশ সুরক্ষায় ধনী ও দরিদ্র দেশের যৌথ কিন্তু ভিন্ন দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিয়োটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি রিও ঘোষণার সিবিডিআর নীতির ওপর ভিত্তি করেই গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসের আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এই চুক্তিতেও সিবিডিআর নীতি বজায় রাখা হয়েছে, তবে সব দেশের জন্যই কিছু অভিন্ন স্বচ্ছতার বিধান রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিও-ঘোষণা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে প্রথম সিবিডিআর নীতি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। B) কিয়োটো প্রটোকল — এটি ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং সিবিডিআর নীতি প্রয়োগ করে, কিন্তু এটি নীতিটির উদ্ভাবনস্থল নয়। C) স্টকহোম ঘোষণা — এটি ১৯৭২ সালের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন হলেও এখানে সিবিডিআর নীতিটি আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি। D) প্যারিস চুক্তি — এটি ২০১৫ সালের জলবায়ু চুক্তি যা রিও ঘোষণার নীতির ধারাবাহিকতা মাত্র, উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিবিডিআর নীতিটি ১৯৯২ সালের রিও ধরিত্রী সম্মেলনের সৃষ্টি। - পরিবেশ কূটনীতির বড় বড় নীতিমালা রিও সম্মেলন থেকেই মূলত শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রিও সম্মেলন থেকে এজেন্ডা ২১ এবং বায়োডাইভারসিটি কনভেনশনও এসেছে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিষয়ক যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a বিষুবরেখা
b কলোরাডো লাইন
c কারমান লাইন
d ট্রোপোপজ
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কারমান লাইন কেন সঠিক: এই কাল্পনিক রেখাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় একশত কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত এবং এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের সীমানা নির্ধারণ করে। এই উচ্চতার পর বায়ুমণ্ডল এতটাই পাতলা হয়ে যায় যে প্রচলিত বিমান সেখানে উড়তে পারে না এবং মহাকাশযান চলাচল শুরু হয়। ভৌগোলিক তথ্য: এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঠিক একশত কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা। হাঙ্গেরি বংশোদ্ভূত পদার্থবিজ্ঞানী থিওডোর ভন কারমান এই রেখাটির ধারণা প্রথম দেন। এই উচ্চতায় বায়ুর ঘনত্ব এতই কম যে বিমানকে মহাশূন্যে ওড়ার মতো অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষুবরেখা — এটি পৃথিবী গোলকের ঠিক মাঝখান দিয়ে লম্বালম্বিভাবে পূর্ব-পশ্চিম বিস্তৃত এবং পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে ভাগ করে। B) কলোরাডো লাইন — এটি কোনো ভৌগোলিক বা বায়ুমণ্ডলীয় সীমারেখা নয়, বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঞ্চলের সীমানা নির্দেশ করে। C) কারমান লাইন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিমান চলাচলের নিচের কোনো স্তর ধরা হয়েছে। D) ট্রোপোপজ — এটি ট্রপোমণ্ডল ও স্ট্রাটোমণ্ডলের মধ্যবর্তী সীমারেখা, যা মহাশূন্য এবং বায়ুমণ্ডলের সীমানা নয়। মনে রাখার টিপস: কারমান লাইনের ক অক্ষরটি মহাশূন্যের ক অক্ষরের সাথে মিলিয়ে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতা মনে রাখা সহজ।
a রকি, ভিসুভিওস, ব্ল্যাক ফরেস্ট
b হিমালয়, আল্পস, রকি
c হিমালয়, রকি, বিন্দ্যা
d আল্পস, হেনরি, ফুজিয়ামা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রকি, ভিসুভিওস, ব্ল্যাক ফরেস্ট কেন সঠিক: ১. রকি পর্বতমালা দুই প্লেটের সংঘর্ষের ফলে সৃষ্টি হওয়া একটি প্রধান ভঙ্গিল পর্বত। ২. ভিসুভিওস একটি সক্রিয় আগ্নেয় পর্বত যা লাভা ও ছাই উদগীরণের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। ৩. ভূত্বকের ফাটল বা চ্যুতির মাধ্যমে ওপরে উঠে ব্ল্যাক ফরেস্ট একটি স্তূপ পর্বত গঠন করেছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. রকি পর্বত উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিমে অবস্থিত এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় চার হাজার আটশো কিলোমিটার। ২. ভিসুভিওস ইতালি দেশে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান জীবন্ত আগ্নেয়গিরি হিসেবে পরিচিত। ৩. জার্মানির রাইন নদীর উপত্যকায় ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত অবস্থিত যা ভূত্বকের বিচ্যুতি দ্বারা গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এখানে ভঙ্গিল, আগ্নেয় ও স্তূপ পর্বতের সঠিক ক্রম দেওয়া হয়েছে। B) হিমালয়, আল্পস ও রকি — এই তিনটিই হলো ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ, তাই ক্রমটি ভুল। C) হিমালয়, রকি ও বিন্দ্যা — বিন্দ্যা একটি খণ্ডিত পর্বত হলেও এখানে সঠিক ক্রম নেই। D) আল্পস, হেনরি ও ফুজিয়ামা — এখানে প্রথমটি ভঙ্গিল এবং শেষ দুটি আগ্নেয় পর্বত। মনে রাখার টিপস: রকি ভঙ্গিল, ভিসু আগ্নেয় আর ব্ল্যাক স্তূপ জেনে রেখো, ভূগোলের এই তিন পর্বত সহজে মনে গেঁথে ফেলো।
a ৩৮°
b ৩৪°
c ৪৯°
d ২৩.৫০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৮° কেন সঠিক: ৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশটি কোরীয় উপদ্বীপকে ঠিক মাঝ বরাবর সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তি এই কাল্পনিক রেখা বরাবর কোরিয়াকে দুই ভাগে বিভক্ত করে। ভৌগোলিক তথ্য: এই রেখাটি এশিয়া মহাদেশের কোরীয় উপদ্বীপের ওপর দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রসারিত হয়েছে। এর উভয় পাশে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সামরিকভাবে সুরক্ষিত সীমানা এলাকা রয়েছে। শীতল যুদ্ধের সময় থেকে এই অঞ্চলটি বিশ্বের অন্যতম সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক সীমান্ত হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: B) ৩৪° — এটি উত্তর কোরিয়া বা দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত নির্ধারণ করে না এবং এর ভৌগোলিক গুরুত্ব আলাদা। C) ৪৯° — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার প্রধান সীমান্ত রেখা হিসেবে পরিচিত। D) ২৩.৫০° — এটি কর্কটক্রান্তি রেখা যা পৃথিবীর উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের সীমানা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম অক্ষর এবং ৩৮ সংখ্যাটি মনে রাখলেই এই সীমান্ত রেখা সহজেই মনে রাখা যায়।
a উদ্ধার
b পুনর্বাসন
c পুনর্গঠন
d প্রস্তুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রস্তুতি কেন সঠিক: দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য ঘটনার আগে থেকেই পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা তৈরি করা সবচেয়ে জরুরি কাজ। দুর্যোগ আসার পূর্বে প্রস্তুতি গ্রহণ করলে মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়। ভৌগোলিক তথ্য: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র সাধারণত চারটি প্রধান ধাপে বিভক্ত যা সমগ্র বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত ও অনুসরণ করা হয়। এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য হলো মানবজীবন রক্ষা করা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বে সাইক্লোন শেল প্রস্তুত রাখার প্রস্তুতি একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদ্ধার — এটি দুর্যোগ চলাকালীন বা ঠিক পরপরই প্রয়োগ করা হয়, যা ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ হতে পারে না। B) পুনর্বাসন — ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে পুনরায় জীবনযাত্রায় ফিরিয়ে দেওয়ার এই কাজটি দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে করা হয়ে থাকে। সি) পুনর্গঠন — ভেঙে যাওয়া অবকাঠামো ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার কাজটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার শেষ দিকের একটি ধাপ। D) প্রস্তুতি — এটি সঠিক কারণ দুর্যোগ মোকাবিলায় আগেই মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকা প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে হলে মনে রাখবে প্রথমে প্রস্তুতি নিতে হয় এবং তারপর বাকি কাজগুলো করতে হয়।
a পূর্ব, পশ্চিম
b দক্ষিণপশ্চিম, উত্তরপূর্ব
c উত্তর, দক্ষিণ
d উত্তর, পশ্চিম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণপশ্চিম, উত্তরপূর্ব কেন সঠিক: কর্কটক্রান্তি রেখা থেকে নিরক্ষরেখার দিকে প্রবাহিত হওয়ার সময় ফেরেলের সূত্রানুসারে বায়ু ডান দিকে বেঁকে যায়। এই কারণে উত্তর গোলার্ধে দক্ষিণপশ্চিম দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়। ভৌগোলিক তথ্য: প্রত্যয়ন বায়ু বা দক্ষিণপশ্চিম আয়ন বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের নিম্নচাপ বলয়ের দিকে ধাবিত হয়। এই বায়ু সাধারণত জলীয় বাষ্পে পূর্ণ থাকে এবং গ্রীষ্মকালে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায়। সমুদ্র বাণিজ্যের সুবিধার্থে প্রাচীনকালে এই বায়ুর ওপর নির্ভর করে পালতোলা জাহাজ চলাচল করত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ব, পশ্চিম — এই দিক বরাবর পৃথিবীর আবর্তনজনিত নিয়মে কোনো নিয়মিত স্থায়ী বায়ু প্রবাহিত হয় না। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপর কোনো ভুল বিকল্পের আলোচনা প্রযোজ্য নয়। C) উত্তর, দক্ষিণ — উত্তর ও দক্ষিণ দিক বরাবর সরাসরি বায়ু প্রবাহিত না হয়ে কোণাকোণিভাবে প্রবাহিত হয়। D) উত্তর, পশ্চিম — এই দিকটি আয়ন বায়ুর প্রবহমান গতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তর গোলার্ধে আয়ন বায়ু দক্ষিণপশ্চিম দিক থেকে শুরু হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে বয়ে যায়। আয়ন মানে পথ, তাই এটি নিয়মিত নির্দিষ্ট পথ ধরে চলাচল করে।
a 12
b 18
c 22
d 24
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির কাঁটাদ্বয়ের মিলিত হওয়ার ঘটনা দৈনিক হিসাব করতে হবে একদিন বলতে মোট চব্বিশ ঘণ্টাকে বোঝানো হয়েছে ধরি, ঘড়ির দুটি কাঁটা প্রতি ঘণ্টায় একবার একে অপরকে অতিক্রম করে বারো ঘণ্টায় কাঁটাদ্বয় এগারো বার মিলিত হয় অতএব, প্রথম বারো ঘণ্টায় কাঁটাদ্বয় মিলিত হয় এগারো বার পরবর্তী বারো ঘণ্টায় কাঁটাদ্বয় মিলিত হয় এগারো বার সুতরাং, একদিন বা চব্বিশ ঘণ্টায় মোট মিলনের সংখ্যা = ১১ + ১১ = ২২ বার উত্তর: ২২ বার
a পশ্চিম দিকে
b দক্ষিণ দিকে
c উত্তর দিকে
d পূর্ব দিকে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পশ্চিম দিকে প্রদত্ত তথ্য: চায়ের কাপের হ্যান্ডেলের প্রাথমিক অবস্থান = পূর্ব দিক কাপ ঘোরানোর দিক = ঘড়ির কাঁটার দিকে কাপ ঘোরানোর পরিমাণ = ১৮০ ডিগ্রি ধরি, পূর্ব দিকের বিপরীত দিক হলো পশ্চিম দিক সম্পূর্ণ ঘূর্ণন হলো ৩৬০ ডিগ্রি অর্ধেক ঘূর্ণন হলো ১৮০ ডিগ্রি অতএব, পূর্ব দিক থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০ ডিগ্রি ঘোরালে হয় দক্ষিণ দিক আরও ৯০ ডিগ্রি অর্থাৎ মোট ১৮০ ডিগ্রি ঘোরালে হয় পশ্চিম দিক সুতরাং, কাপটি ১৮০ ডিগ্রি ঘোরার পর হ্যান্ডেলটি পূর্ব দিকের ঠিক বিপরীতে চলে আসে উত্তর: পশ্চিম দিকে
a ঘনকটি পানির ২ সে.মি. গভীরে থাকবে
b ঘনকটি সম্পূর্ণভাবে ডুবে যাবে
c ঘনকটি আবার অর্ধেক ডুবে থাকা ও অর্ধেক ভেসে থাকা অবস্থায় ফিরে আসবে
d ঘনকটি প্রথমে যতটুকু ভেসে ছিল তার চেয়ে উপরে উঠবে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঘনকটি আবার অর্ধেক ডুবে থাকা ও অর্ধেক ভেসে থাকা অবস্থায় ফিরে আসবে প্রদত্ত তথ্য: কঠিন ঘনকটি প্রথমে অর্ধেক পানির উপরে ও অর্ধেক পানির নিচে ভাসছিল ঘনকটিকে বলপ্রয়োগ করে পানির মধ্যে অতিরিক্ত দুই সেন্টিমিটার গভীরে ঠেলে দেওয়া হলো ধরি, ঘনকটির স্বাভাবিক ভাসমান অবস্থা হলো অর্ধেক নিমজ্জিত থাকা অতিরিক্ত বলের কারণে ঘনকটি সাময়িকভাবে দুই সেন্টিমিটার নিচে নেমে যায় অতএব, ঘনকটি ছেড়ে দেওয়ার পর প্লাবন বলের কারণে এটি আবার উপরে উঠতে শুরু করে ঘর্ষণ বা অন্য কোনো বাধা না থাকায় এটি তার পূর্বের স্থিতাবস্থায় ফিরে আসে সুতরাং, ঘনকটি পূর্বের মতো আবার অর্ধেক ডুবে থাকা ও অর্ধেক ভেসে থাকা অবস্থায় ফিরে আসবে উত্তর: C) ঘনকটি আবার অর্ধেক ডুবে থাকা ও অর্ধেক ভেসে থাকা অবস্থায় ফিরে আসবে
a আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বর্গক্ষেত্রের চেয়ে বেশি।
b বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল আয়তক্ষেত্রের চেয়ে বেশি।
c উভয়ের ক্ষেত্রফল সমান।
d কোনটির ক্ষেত্রফল বেশি বা উভয়ের সমান কিনা তা বর্ণিত তথ্য থেকে নির্ণয় করা সম্ভব নয়।
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল আয়তক্ষেত্রের চেয়ে বেশি। প্রদত্ত তথ্য: সমান দৈর্ঘ্যের দুটি দড়ি দেওয়া আছে একটি দড়ি দিয়ে আয়তক্ষেত্র এবং অন্যটি দিয়ে বর্গক্ষেত্র তৈরি করা হয় ধরি, দড়ি দুটির দৈর্ঘ্য সমান এবং তা চার একক বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা চার একক এবং প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য এক একক আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা চার একক এবং দৈর্ঘ্য দুই একক ও প্রস্থ শূন্য দশমিক পাঁচ একক অতএব, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল সমান এক গুণ এক সমান এক বর্গ একক আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল সমান দুই গুণ শূন্য দশমিক পাঁচ সমান এক বর্গ একক নয় বরং শূন্য দশমিক পাঁচ বর্গ একক একই পরিসীমা বিশিষ্ট ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে বেশি হয় সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের চেয়ে বেশি হয় উত্তর: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বেশি
a পেন্সিলটি জানালার নিচে আছে।
b পেন্সিলটি জানালার উপরে আছে।
c পেন্সিলটি জানালার মধ্যে অবস্থান করছে।
d বাক্সটি পেন্সিলের নিচে অবস্থান করছে।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পেন্সিলটি জানালার নিচে আছে। প্রদত্ত তথ্য: বাক্সের মধ্যে একটি পেন্সিল আছে বাক্সটি একটি তাকের উপরে অবস্থান করছে ধরি, তাকটি জানালার নিচে অবস্থান করছে তাই বাক্সের অবস্থান তাকের উপরে এবং পেন্সিলের অবস্থান বাক্সের ভেতরে অতএব, তাকের অবস্থান জানালার সাপেক্ষে নিচে বাক্সটি তাকের ওপরে থাকায় তা জানালার কাছাকাছি পেন্সিলটি বাক্সের ভেতরে থাকায় তার মূল অবস্থানও নিচে সুতরাং, পেন্সিলসহ বাক্সটি জানালার নিচে রয়েছে তাই পেন্সিলটিও জানালার নিচে অবস্থান করছে উত্তর: A) পেন্সিলটি জানালার নিচে আছে।
a 44
b 45
c 46
d 48
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৪ প্রদত্ত তথ্য: সামনে থেকে লামiyার অবস্থান = নবম পিছন থেকে লামiyার অবস্থান = ছত্রিশতম ধরি, একই ব্যক্তির অবস্থান দুই দিক থেকে গণনায় ধরা হয়েছে অতএব, সামনে থেকে অবস্থান এবং পিছন থেকে অবস্থান যোগ করতে হবে সুতরাং, ৯ + ৩৬ = ৪৫ উত্তর: ৪৫ − ১ = ৪৪
a 2002
b 2008
c 2006
d 2010
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০৮ প্রদত্ত তথ্য: জারিনের জন্ম তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ধরি, যে সালগুলো লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ সেই সালেই ২৯ ফেব্রুয়ারি থাকতে পারে অতএব, চার দ্বারা বিভাজ্য সালগুলো সাধারণত লিপ ইয়ার হয় খ্রিস্টাব্দ ২০০২, ২০০৬ এবং ২০১০ সাল চার দ্বারা বিভাজ্য নয় সুতরাং, খ্রিস্টাব্দ ২০০৮ সাল চার দ্বারা বিভাজ্য এবং এটি একটি লিপ ইয়ার উত্তর: ২০০৮

মোট প্রশ্ন (28)

a নূরনামা
b আমীর হামজা
c গোপি চন্দ্রের সন্ন্যাস
d মহুয়া
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমীর হামজা ১. কেন সঠিক: - আমীর হামজা বাংলা পুঁথি সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রামাণ্য নিদর্শন। - মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য ধারায় এই কাব্যটি ফার্সি সাহিত্যের প্রভাব এবং মিশ্র ভাষার ব্যবহারের এক অনন্য উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যটির প্রথম অংশ রচনা করেন মধ্যযুগের কবি শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ এবং পরবর্তী অংশ সমাপ্ত করেন সৈয়দ হামজা। - পুঁথি সাহিত্য মূলত মধ্যযুগের আরাকান রাজসভা এবং বিশেষ করে পুণ্যভূমি বাংলার গ্রামীণ সমাজে ইসলামি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও যুদ্ধভিত্তিক কাহিনি নিয়ে আরবি-ফার্সি শব্দে বাংলা হরফে রচিত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ রচিত অপর একটি বিখ্যাত পুঁথি সাহিত্য। উদাহরণ ২: সোনাভান ব্যাখ্যা: ফকির গরীবুল্লাহ রচিত পুঁথি সাহিত্যের আরেকটি জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরনামা — এটি পুঁথি সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কাব্য হলেও আব্দুল আলীম বা অন্যান্য কবিদের দ্বারা রচিত সুফি তত্ত্বমূলক রচনা, যা যুদ্ধের কাহিনীর চেয়ে ধর্মীয় অনুশাসন ও নসিহত প্রধান। B) আমীর হামজা — এটি সরাসরি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত সঠিক উত্তর। C) গোপি চন্দ্রের সন্ন্যাস — এটি নাথ সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত, যা পুঁথি সাহিত্য বা মধ্যযুগের ইসলামি ধারা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। D) মহুয়া — এটি মৈমনসিংহ গীতিকা বা লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রখ্যাত পালাগান, পুঁথি সাহিত্যের ধারাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পুঁথি সাহিত্যের প্রধান দুই দিকপাল কবি হলেন গরীবুল্লাহ ও সৈয়দ হামজা এবং তাদের অমর সৃষ্টি হলো আমীর হামজা। - পুঁথি সাহিত্যের নামের সাথে হামজা বা গরীবুল্লাহ শব্দটি থাকলে তা সাধারণত পুঁথি সাহিত্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক কবি হিসেবে শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহকে গণ্য করা হয়। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আমীর হামজা কাব্যটি কে সমাপ্ত করেন এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a ইচ্ছামতি
b অশনি সংকেত
c আরণ্যক
d বিষাদসিন্ধু
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অশনি সংকেত ১. কেন সঠিক: - অশনি সংকেত হলো কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৩৫০ বঙ্গাব্দের বাংলা তথা মানব ইতিহাসের ভয়াবহ মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। - উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার সহজ-সরল জীবনে যুদ্ধের প্রভাব এবং কৃত্রিম সংকটের কারণে তৈরি হওয়া দুর্ভিক্ষ ও তার মানবিক বিপর্যয় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের এক অনন্য জাদুকর যিনি প্রকৃতি ও মানুষের নিবিড় সম্পর্ক তার লেখায় তুলে ধরেছেন। - অশনি সংকেত উপন্যাসে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার, খাদ্যাভাব এবং মানুষের টিকে থাকার লড়াইয়ের চিত্র অত্যন্ত দক্ষতার সাথে চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস, যেখানে গ্রামীণ জীবনের সুখ-দুঃখ ও অপু-দুর্গার শৈশব চিত্রিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রকৃতি ও অরণ্যনির্ভর উপন্যাস যা ভাগলপুরের জঙ্গলকেন্দ্রিক পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইচ্ছামতি — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত নদীভিত্তিক উপন্যাস হলেও তা ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে রচিত নয়। B) অশনি সংকেত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি সরাসরি ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে রচিত। C) আরণ্যক — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃতি ও অরণ্য জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে রচিত উপন্যাস, দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপট নয়। D) বিষাদসিন্ধু — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি ঐতিহাসিক ও কারবালার বিষাদময় ঘটনাভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিভূতিভূষণের যে উপন্যাসে দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা ও সংকেতের কথা আছে, তার নাম অশনি সংকেত এবং সালটি হলো ১৩৫০ বঙ্গাব্দ। - পরীক্ষার হলে মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষ দেখলেই মনে রাখবে এটি অশনি সংকেত উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ১৩৫০ বঙ্গাব্দের মন্বন্তর নিয়ে লেখা উপন্যাস হলো অশনি সংকেত এবং এর রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - এই উপন্যাস অবলম্বনে পরিচালক সত্যজিৎ রায় বিখ্যাত একই নামের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন।
a ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী
b পঞ্চাশের মন্বন্তর
c আদিবাসীদের জীবন চিত্র
d অসম ভালোবাসা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী ১. কেন সঠিক: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'কবি' উপন্যাসে মূলত ডোম সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা, তাদের সুখ-দুঃখ এবং সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনচিত্র প্রধানভাবে ফুটে উঠেছে। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র নিতাই একজন ডোম সম্প্রদায়ের মানুষ এবং সে পেশায় কবিগান গায়, যা এই জনগোষ্ঠীর অন্তরমহলকে তুলে ধরে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের এক অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক যিনি রাঢ় অঞ্চলের মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন। 'কবি' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪২ সালে এবং এতে সমাজের নিচুতলার মানুষের আবেগ, বেদনা ও অস্তিত্বের সংগ্রাম মূর্ত হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'গণদেবতা' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি রাঢ় অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজ ও তাঁতি সম্প্রদায়ের পরিবর্তনের গল্প নিয়ে রচিত তার অপর একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে কাহার সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা ও নদীকেন্দ্রিক জনপদের ইতিহাস অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল উপজীব্য ডোম সমাজের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি। B) পঞ্চাশের মন্বন্তর — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু নয়, যদিও তারাশঙ্করের অন্য লেখায় এই কালখণ্ড এসেছে। C) আদিবাসীদের জীবন চিত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ উপন্যাসটি প্রধানত ডোম সম্প্রদায়ের ওপর নিবদ্ধ, যা সাধারণ আদিবাসী থেকে কিছুটা আলাদা। D) অসম ভালোবাসা — এই অপশনটি ভুল কারণ উপন্যাসে প্রেমের প্রসঙ্গ থাকলেও তা প্রধান বিষয়বস্তু নয়, বরং সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবনই মুখ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নিতাই একজন ডোম কবি, তাই মনে রাখবে কবি মানেই ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী। ঔপন্যাসিক তারাশঙ্কর বরাবরই প্রান্তিক মানুষের জীবন নিয়ে লিখেছেন, যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ এই 'কবি' উপন্যাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে 'কবি' উপন্যাসের রচয়িতা কে কিংবা এর মূল চরিত্র কে। এই উপন্যাসের রচয়িতা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এর প্রধান চরিত্র নিতাই কবি, যা মনে রাখা জরুরি।
a ৬টি
b ৪টি
c ৫টি
d ৭টি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫টি ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা নাটকের ইতিহাস ও নাট্যতত্ত্বের বিচারে এর বিকাশকে সামগ্রিকভাবে পাঁচটি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়। বাংলা নাটকের এই কালবিভাজন নাট্যরীতি, বিষয়বস্তু এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা নাটকের এই পাঁচটি পর্ব হলো আদি পর্ব বা সূচনা পর্ব, পৌরাণিক ও সামাজিক নাটক পর্ব, গিরিশচন্দ্র ও দ্বন্দ্বমূলক নাটক পর্ব, রবীন্দ্রনাথ ও এক্সপ্রেশনবাদী নাটক পর্ব এবং আধুনিক ও গ্রুপ থিয়েটার পর্ব। এই কালবিভাজনগুলো বাংলা নাট্যসাহিত্যের মোড় পরিবর্তনকারী বিভিন্ন ধারাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ ব্যাখ্যা: এটি সামাজিক নাটকের ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রথিতযশা নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর কবর ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক বাংলা নাট্যধারার একটি যুগান্তকারী ও পরীক্ষামূলক একাঙ্ক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — বাংলা নাটকের ইতিহাসের প্রমিত কালবিভাজনে ছয়টি পর্ব স্বীকৃত নয়, তাই এটি ভুল। B) ৪টি — নাটকের বিবর্তন ধারাকে চার ভাগে ভাগ করলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ যুগ বাদ পড়ে যায়। D) ৭টি — এই সংখ্যাটি বাংলা নাটকের প্রধান ঐতিহাসিক পর্বগুলোর সংখ্যার চেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা নাটকের প্রধান পর্ব পাঁচটি, এটি মনে রাখতে হাতের পাঁচটি আঙুলের কথা স্মরণ করতে পারো। নাটকের সূচনা থেকে গ্রুপ থিয়েটার পর্যন্ত মোট পাঁচটি ধাপ পার হয়ে আধুনিকতা এসেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বাংলা নাটকের কালবিভাজন এবং বিশিষ্ট নাট্যকারদের নাম খুব ভালো করে পড়তে হবে। এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত নাট্যসাহিত্যের ইতিহাস অংশ থেকে হয়ে থাকে।
a Gazzete
b Gazzete
c Gaggete
d Gazette
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gazette ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো Gazette কারণ এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার সঠিক ইংরেজি বানান G-A-Z-E-T-T-E। - বাংলা ভাষায় বিদেশি বা ইংরেজি শব্দের বানানের ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ বজায় রাখার জন্য মূল ইংরেজি বানানটি মনে রাখা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শুদ্ধ বানান বা ইংরেজি পরিভাষা সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বিদেশি শব্দ বাংলায় লেখার সময় বা ইংরেজি বানান নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করার জন্য বানানের গঠন ও অক্ষর বিন্যাস ভালোভাবে খেয়াল করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Committee ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দটিতে দুটি m, দুটি t এবং দুটি e রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানान সংশোধনে খুব বেশি আসে। উদাহরণ ২: Lieutenant ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দটির বানান উচ্চারণ অনুযায়ী একটু জটিল এবং এটি প্রায়ই ভুল বানান হিসেবে অপশনে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gazzete — এই বানানে z এবং t এর বিন্যাস ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানানে মাঝখানে একটি z এবং শেষে দুটি t থাকে। B) Gazzete — প্রদত্ত অপশনটিতেও বানান ভুল রয়েছে এবং এটি অপশন এ এর পুনরাবৃত্তি। C) Gaggete — এই বানানে z এর পরিবর্তে g ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল এবং গ্রহণযোগ্য নয়। D) Gazette — এটি সঠিক বানান কারণ এর মধ্যে সঠিক ইংরেজি বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - Gazette বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো GA-ZET-TE এভাবে ভেঙে পড়া। - শেষ অংশে টি-ই (te) এর আগে ডাবল টি (tt) বসে এটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি ও ইংরেজি থেকে আগত শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন করা হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন উত্তরের জন্য মূল ইংরেজি বানানের সিলেবল বা অক্ষর বিন্যাস বারবার লিখে চর্চা করা উচিত।
a হরিধ্ব, বিবদান
b ক্ষিতি, উর্বী
c দিনমণি, দিন নাথ
d ত্রিদিব, সুরপুর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ত্রিদিব, সুরপুর ১. কেন সঠিক: - ত্রিদিব এবং সুরপুর উভয় শব্দটির অর্থ দেবালয় বা স্বর্গ, যা একই অর্থেরবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - স্বর্গ বলতে দেবতাদের আবাসভূমি বা পরকালের পুণ্যধামকে বোঝায়, যার সমার্থক শব্দ হিসেবে এই জোড়টি সম্পূর্ণ নির্ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের রূপ ভিন্ন হলেও অর্থ এক বা প্রায় এক। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেবালয়, স্বর্গ, পৃথিবী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্যুলোক, অমরধাম ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটিও স্বর্গের সমার্থক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বৈকুণ্ঠ, বেহেশত ব্যাখ্যা: ধর্মীয় ও সাহিত্যিক Kontext এ এগুলোকে স্বর্গের সমার্থক হিসেবে গণ্য করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরিধ্ব, বিবদান — এই শব্দগুলো কোনো অর্থবহ বা প্রমিত সমার্থক শব্দ নয়। B) ক্ষিতি, উর্বী — এই শব্দ দুটি স্বর্গের নয়, বরং পৃথিবীর সমার্থক শব্দ। C) দিনমণি, দিন নাথ — এই শব্দ দুটি স্বর্গের সমার্থক নয়, বরং সূর্যের সমার্থক শব্দ। D) ত্রিদিব, সুরপুর — এটি স্বর্গের সঠিক সমার্থক শব্দজোড় এবং প্রশ্নের দাবির সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেবতারা যেখানে থাকেন তা ত্রিদিব বা সুরপুর, আর মানুষ যেখানে থাকে তা ক্ষিতি বা উর্বী। - সুর মানে দেবতা, তাই সুরের পুর বা নগরী হলো সুরপুর বা স্বর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় জোড়ার দুটি শব্দই মূল শব্দের সাথে মিলছে কি না তা ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। - প্রায়ই একটি শব্দ সঠিক থাকলেও অন্যটি ভুল থাকে, তাই সম্পূর্ণ অপশনটি পড়ে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a লুইপা
b ভুসুকুপা
c শবরপা
d কাহ্নপা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুইপা ১. কেন সঠিক: 'কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল' বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের ১ নম্বর পদ। এই পদটির রচয়িতা বা পদকর্তা হলেন আদি কবি লুইপা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লুইপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও প্রথম কবি এবং তাঁর রচিত পদের সংখ্যা দুটি। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করে ১৯০৭ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপার অপর পদটি হলো ভব নিবেশ তরুবর চঞ্চল চীএ পইঠা কাল। এই পদটিতেও লুইপা মানুষের মন ও জীবনের নশ্বরতা ফুটিয়ে তুলেছেন। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের কবিরা রূপক ও সান্ধ্য ভাষার মাধ্যমে বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের তত্ত্ব প্রচার করতেন। উদাহরণ ২: কাহ্নপার রচিত পদ সংখ্যা তেরোটি যা চর্যাপদে সর্বাধিক। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদের রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই ১ নম্বর পদের রচয়িতা। B) ভুসুকুপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি এই পদের রচয়িতা নন, তিনি চর্যাপদের আটটি পদ রচনা করেছেন। C) শবরপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি এই পদের রচয়িতা নন, তিনি চর্যাপদের দুটি পদ রচনা করেছেন। D) কাহ্নপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি এই পদের রচয়িতা নন, তিনি চর্যাপদের সর্বাধিক তেরোটি পদ রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: লুইপা মানে প্রথম পা এবং তাঁর পদ দিয়েই চর্যাপদের শুরু হয়েছে। কাআ তরুবর পদটি প্রথম পদে থাকায় এটি লুইপার রচনা হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের প্রথম পদ এবং এর রচয়িতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং প্রকাশের সাল মনে রাখাও পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a শওকত ওসমান
b শহীদুল জহির
c শওকত আলী
d সেলিনা হোসেন
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শওকত আলী ১. কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত 'যাত্রা' উপন্যাসের রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত আলী। - উপন্যাসটিতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাঙালি সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম ও আত্মত্যাগের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত আলী বাংলা কথাসাহিত্যে এক উজ্জ্বল নাম যিনি মূলত সমাজের বঞ্চিত মানুষের জীবন ও ঐতিহাসিক পটভূমি নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন। - তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ত্রয়ী উপন্যাস বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে যার মধ্যে 'যাত্রা' একটি অন্যতম সার্থক শিল্পকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত আলীর 'দক্ষিণায়নের দিন' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক খ্যাতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। উদাহরণ ২: শওকত আলীর 'কুপ্রাবিল' ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর রচিত একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা সমাজের বিভিন্ন স্তর ও বাস্তবতাকে তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী' বা 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' লিখেছেন, কিন্তু 'যাত্রা' তাঁর রচিত নয়। B) শহীদুল জহির — শহীদুল জহির মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' ছোটগল্পের জন্য পরিচিত, তবে 'যাত্রা' তাঁর উপন্যাস নয়। D) সেলিনা হোসেন — সেলিনা হোসেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' বা 'যাপিত জীবন' উপন্যাস লিখলেও 'যাত্রা' তাঁর উপন্যাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত আলীর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো তাঁর ত্রয়ী উপন্যাসগুলোর নাম একসাথে পড়া। - 'যাত্রা' নামটি জীবনের চলার পথ বা মুক্তিযুদ্ধের সময় মানুষের ঘর ছাড়ার সংগ্রামকে মনে করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটকের রচয়িতা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের নামের সাথে তাঁদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a রাজা ও পথ
b রাজার পথ
c বিশাল পথ
d পথের রাজা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পথের রাজা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ বিষয়ক। রাজপথ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো পথের রাজা। - এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বিশেষ রূপ বা ব্যতিক্রমী প্রয়োগ। যেখানে সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে পদ দুটির অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। রাজপথ শব্দটিতে পথের রাজা বোঝাতে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস ব্যবহার করা হয়েছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রধান বা বড় পথ বোঝাতে এই বিশেষ সমাস গঠিত হয়। যেখানে রাজ শব্দের অর্থ প্রধান বা শ্রেষ্ঠ হিসেবে প্রতিস্থাপিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহানদী ব্যাখ্যা: মহান যে নদী কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হলেও বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: রাজহাঁস ব্যাখ্যা: হাঁসের রাজা ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে গঠিত বিশেষ শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা ও পথ — এই ব্যাসবাক্যটি ভুল কারণ রাজপথ মানে কোনো রাজা ও পথ নয়। B) রাজার পথ — এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রচলিত রাজপথ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। C) বিশাল পথ — বিশাল পথ বোঝালেও রাজপথ শব্দের এটি সঠিক ব্যাসবাক্য বা অর্থ প্রকাশ করে না। D) পথের রাজা — এটি রাজপথ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষিত রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাজপথ বা রাজকীয় কোনো বিশেষ পদের ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় শেষের পদটি প্রথমে আনতে হয়। - রাজ শব্দটি দিয়ে শ্রেষ্ঠ বা প্রধান বোঝালে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয় এবং ব্যাসবাক্য লেখার সময় রাজা শব্দটি পরে চলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সমাস প্রায়ই আসে। - সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে পদের অবস্থান পরিবর্তন করে ব্যাসবাক্য লেখার নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a অলিপিক
b প্রভঞ্জন
c মহি
d তণ্ডুল
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তণ্ডুল ১. কেন সঠিক: - তণ্ডুল শব্দের অর্থ চাল বা খোসা ছাড়ানো ধান, যা রান্না করার পর ভাত হয়। - ব্যাকরণগত ও অভিধানিক দিক থেকে তণ্ডুল হলো ভাতের সমার্থক বা উৎসগত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎপত্তি ও রূপান্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - তণ্ডুল শব্দটির প্রাকৃত ও অপভ্রংশ রূপ হয়ে তা কালক্রমে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ন ব্যাখ্যা: অন্ন বলতেও রান্না করা ভাত বা খাদ্যকে বোঝায়, যা তণ্ডুল বা ভাতের অপর সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: চাল ব্যাখ্যা: চাল হলো অভাত বা কাঁচা তণ্ডুল, যা থেকে রন্ধনের মাধ্যমে ভাত প্রস্তুত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলিপিক — এই শব্দটির সঙ্গে ভাতের কোনো অর্থগত মিল নেই এবং এটি ভিন্ন একটি শব্দ। B) প্রভঞ্জন — এই শব্দটির অর্থ প্রবল বাতাস বা ঝড়, যা ভাতের সমার্থক শব্দ নয়। C) মহি — এই শব্দটির অর্থ পৃথিবী বা মাটি, যা ভাতের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। D) তণ্ডুল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তণ্ডুল মানে চাল বা কাঁচা ভাত, আর রান্না করা তণ্ডুলই হলো ভাত। - শব্দটির অর্থ মনে রাখতে ধান থেকে চাল এবং চাল থেকে ভাত প্রক্রিয়ার কথা মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বাংলা অভিধানের শব্দার্থ ভালোভাবে পড়তে হবে। - তণ্ডুল, অন্ন, ভক্ত ও ওদন শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে প্রায়ই পরীক্ষায় বিকল্প হিসেবে আসে।
a নঞ তৎপুরুষ, বহুব্রীহি সমাস
b কর্মধারয়, বহুব্রীহি সমাস
c অব্যয়ীভাব, তৎপুরুষ সমাস
d তৃতীয়া তৎপুরুষ, দ্বিগু সমাস
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নঞ তৎপুরুষ, বহুব্রীহি সমাস কেন সঠিক: - বেতার শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো তার নাই যার, যা নঞ তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। - বিপত্নীক শব্দটির ব্যাসবাক্য বিগত পত্নী যার, যা অন্য পদ অর্থ প্রকাশ করায় বহুব্রীহি সমাস হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নঞ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বা ন সূচক অব্যয় বসে এবং পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। - বহুব্রীহি সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়। - যেমন: বেতার (তার নাই যার), বিপত্নীক (বিগত পত্নী যার)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সঠিক উত্তর — এখানে দুটি শব্দের সঠিক সমাস নির্ণয় করা হয়েছে। - B) কর্মধারয়, বহুব্রীহি সমাস — বেতার শব্দটির ব্যাসবাক্য কর্মধারয় সমাসের নিয়মে হয় না। - C) অব্যয়ীভাব, তৎপুরুষ সমাস — কোনো শব্দটিরই পূর্বপদ অব্যয় বা সাধারণ তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে গঠন হয়নি। - D) তৃতীয়া তৎপুরুষ, দ্বিগু সমাস — শব্দ দুটির গঠন প্রক্রিয়ায় তৃতীয়া বিভক্তি বা সমাহার বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: - না বা নেই অর্থে নঞ তৎপুরুষ এবং যার বা যাতে থাকলে সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়।
a সে বই পড়ছে।
b সে গভীর চিন্তায় মগ্ন।
c আজ এমন ঘুম ঘুমিয়েছি!
d সে খেলা করছে।
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আজ এমন ঘুম ঘুমিয়েছি! ১. কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়া এবং কর্মপদটি যদি একই ধাতু থেকে গঠিত হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। - এখানে ঘুমিয়েছি ক্রিয়ার মূল ধাতু ঘুম এবং কর্মপদটি হলো ঘুম, যা একই উৎস থেকে এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে কর্মকারকের একটি বিশেষ রূপ হলো সমধাতুজ কর্ম বা ধাতুর্থক কর্ম। - বাক্য বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করার জন্য যখন ধাতু থেকে উৎপন্ন বিশেষ্য পদ কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এমন এক ঘুম ঘুমিয়েছি যে শরীর জুড়িয়ে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে ঘুম ক্রিয়া এবং কর্ম একই ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশবাস المقاس খেলা খেলছে। ব্যাখ্যা: খেলা খেলা সমধাতুজ কর্মের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সে বই পড়ছে — এখানে বই হলো সাধারণ কর্মপদ, যা পড়া ক্রিয়ার উৎস থেকে উৎপন্ন নয়। B) সে গভীর চিন্তায় মগ্ন — এখানে চিন্তায় হলো অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি, কোনো কর্মপদ নয়। D) সে খেলা করছে — এখানে খেলা শব্দটি মূল ক্রিয়ার সমধাতুজ নয়, এটি সাধারণ বস্তুবাচক কর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়া এবং কর্মের মাঝে যখন মিল খুঁজে পাবে, তখন সেটি সমধাতুজ কর্ম হিসেবে চিহ্নিত করবে। - ঘুম ঘুমিয়েছি, চাল চালছে, গান গেয়েছে এই ধরনের শব্দ জোড়ায় সমধাতুজ কর্ম থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমধাতুজ কর্ম শনাক্ত করার জন্য ক্রিয়া ও কর্মের মূল বা ধাতু খুঁজে বের করতে হয়। - সমধাতুজ কর্মকে অনেক সময় ধাতুর্থক কর্মও বলা হয়।
a প্রতীচী
b প্রাচীন
c অপ্রাচী
d নবীন
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতীচী কেন সঠিক: - 'প্রাচী' শব্দের অর্থ পূর্ব দিক এবং 'প্রতীচী' শব্দের অর্থ পশ্চিম দিক। - দিকবাচক অর্থে প্রাচী শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রতীচী। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে দিক বা গতির বিপরীত বোঝাতে নির্দিষ্ট তৎসম শব্দ ব্যবহৃত হয়। - প্রাচীন সংস্কৃত অভিধান ও সাহিত্যিক রীতি অনুযায়ী পূর্ব দিকের বিপরীত পশ্চিম দিক বোঝাতে এই জোড়টি নির্ধারিত হয়েছে। - যেমন সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয় অর্থাৎ প্রাচীতে এবং অস্ত যায় পশ্চিমে অর্থাৎ প্রতাচীতে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রতীচী — এটি সঠিক উত্তর। - B) প্রাচীন — এর অর্থ পুরাতন, যার বিপরীত শব্দ আধুনিক বা নবীন, প্রাচী শব্দের বিপরীত এটি নয়। - C) অপ্রাচী — এই শব্দের কোনো ব্যাকরণগত ও বাস্তব অস্তিত্ব বাংলা ভাষায় নেই। - D) নবীন — এর অর্থ নতুন বা তরুণ, যা মূলত প্রাচীন শব্দের বিপরীত শব্দ। মনে রাখার টিপস: - প্রাচী শব্দের প্রথম অক্ষর প্র এবং পূর্ব শব্দের প্রথম অক্ষর প, এভাবে মনে রেখো প্রাচী অর্থ পূর্ব দিক। - পূর্ব দিকের বিপরীত পশ্চিম দিক আর প্রাচীর বিপরীত প্রতীচী।
a সারথী, নিরীহ, নিরোগ
b প্রমান, অঙ্গন, দর্পণ
c অনাথা, সুকেশী, অনুসূয়েয়
d একত্রিত, ছায়াবৃত, অর্ধাঙ্গিনী
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একত্রিত, ছায়াবৃত, অর্ধাঙ্গিনী ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি নিয়ে বাংলা ব্যাকরণে কিছুটা দ্বিমত রয়েছে, কারণ বাংলা একাডেমি আধুনিক প্রমিত বানানরীতিতে 'একত্রিত' শব্দটি বর্জন করে কেবল 'একত্র' ব্যবহারের পরামর্শ দেয়। - তবে প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী ব্যাকরণ ও বহু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র অনুযায়ী বিকল্প ডি এর শব্দগুলোকে শুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যেখানে ছায়া যোগ আবৃত এবং অর্ধ যোগ অঙ্গিনী যুক্ত হয়ে যথাক্রমে ছায়াবৃত ও অর্ধাঙ্গিনী গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে প্রত্যয়, সমাস এবং সন্ধির সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। - সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দে অনেক সময় ই-কার বা উ-কারের ব্যবহার এবং যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ না জানার কারণে প্রায়ই পরীক্ষার্থীরা ভুল করে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার ব্যাখ্যা: অহংকার বানানটিতে অনুস্বার ব্যবহার করতে হয়, উঁ বা ঙ লিখলে বানান ভুল হয়। উদাহরণ ২: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: সান্ত্বনা বানানটিতে দন্ত্য ন এর সঙ্গে ত যুক্ত হয়, যা শুদ্ধ বানানের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারথী, নিরীহ, নিরোগ — এই অপশনটি ভুল কারণ সারথী বানানে দীর্ঘ ঈ-কার হবে না, এটি হবে সারেথি বা সারথি, তবে প্রমিত নিয়মে স-এর পরে র-ফলা এবং থ-এ ই-কার হয়, তবে নিরোগ বানানটি ভুল কারণ নি উপসর্গ দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে নিরোগ হয় না, এটি নি যোগ রোগ মিলে নীরোগ হয়। B) প্রমান, অঙ্গন, দর্পণ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রমান শব্দটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ হবে প্রমাণ কারণ প্র উপসর্গ যোগ মান শব্দে মূর্ধন্য ন হয়। C) অনাথা, সুকেশী, অনুসূয়েয় — এই অপশনটি ভুল কারণ অনুসূয়েয় শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ অশুদ্ধ, এর সঠিক রূপ হবে অনসূয়া। D) একত্রিত, ছায়াবৃত, অর্ধাঙ্গিনী — এই অপশনটি প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত আছে, যদিও একত্রিত শব্দের জায়গায় একক বা একত্র ব্যবহার করা অধিকতর প্রমিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বানান শেখার সময় দীর্ঘ ঈ-কার এবং হ্রস্ব ই-কারের নিয়মগুলো বারবার লিখে অভ্যাস করবে। - সমাস ও সন্ধির মাধ্যমে তৈরি হওয়া নতুন শব্দগুলোর মূল গঠন মনে রাখলে পরীক্ষার হলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান এবং অপ্রমিত বা প্রচলিত বানানের দ্বন্দ্ব থাকে, তাই বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ। - একই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন নীরোগ বানানটিতে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়, এটি পরীক্ষার্থীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a অনুজ্জ্বল
b উজ্জ্বল
c তীব্র
d ঝাঁঝালো
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনুজ্জ্বল ১. কেন সঠিক: 'ফিকা' একটি বিশেষণের রূপ যা সাধারণত কোনো রঙের তীব্রতা হ্রাস পাওয়া বা হালকা হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ফিকা কমলা বলতে অতিরিক্ত উজ্জ্বল বা তীব্র নয় এমন কমলা রংকে নির্দেশ করা হয়, যার সহজ বাংলা অর্থ অনুজ্জ্বল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যেখানে বিশেষণের সাহায্যে রঙের মাত্রা বোঝানো হয়েছে। বাংলা ভাষায় রঙের পূর্বে ফিকা বা হালকা শব্দ যুক্ত করে তার ঔজ্জ্বল্য কমানো বা লঘু প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিকা নীল আকাশ ব্যাখ্যা: এখানে নীল রঙের তীব্রতা কম বা হালকা বোঝাতে ফিকা শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ফিকা হলুদ শাড়ি ব্যাখ্যা: এখানে শাড়ির হলুদ রংটি তীব্র বা প্রখর নয়, বরং অনুজ্জ্বল তা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুজ্জ্বল — সঠিক উত্তর কারণ ফিকা অর্থ রঙের কম ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ করা। B) উজ্জ্বল — ভুল কারণ উজ্জ্বল শব্দের অর্থ দীপ্তিময় বা প্রখর, যা ফিকার বিপরীত। C) তীব্র — ভুল কারণ তীব্র শব্দের অর্থ প্রবল বা গভীর, যা ফিকার বিপরীতার্থক। D) ঝাঁঝালো — ভুল কারণ ঝাঁঝালো শব্দটি সাধারণত তীব্র স্বাদ বা গন্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: ফিকা মানে হালকা বা ম্লান। কোনো রঙের উজ্জ্বলতা হারিয়ে গেলে তাকে ফিকা বা অনুজ্জ্বল বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি বা প্রচলিত শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়। শব্দের সঠিক অর্থ মনে রাখতে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন রঙের ব্যবহারের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখতে হবে।
a স্ফুলিঙ্গ
b রোদসী
c পীতাভ
d আরক্ত
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোদসী কেন সঠিক: - রোদসী শব্দটির ব্যাসবাক্য বা অর্থ হলো আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল বা মধ্যবর্তী স্থান। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই বিশেষ অর্থ প্রকাশের জন্য রোদসী শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বড় ভাবকে একটি শব্দে প্রকাশ করে। - বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ বইয়ের এককথায় প্রকাশের অধ্যায়ে আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল বোঝাতে রোদসী শব্দটি নির্ধারিত আছে। - যেমন বহু শব্দের একটি গুচ্ছকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও গতি বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) স্ফুলিঙ্গ — এর অর্থ আগুনের কণা বা চingকী, যা আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল বোঝায় না। - B) রোদসী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) পীতাভ — এর অর্থ যা দেখতে হলদে বা ইষৎ হলুদ রঙের, তাই এটি ভুল। - D) আরক্ত — এর অর্থ হালকা লালচে বা ঈষৎ লাল রঙের, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: - আকাশ ও পৃথিবী দুটি বিশাল জগৎ, আর এদের মাঝের দূরত্ব বা অন্তরাল মনে রাখতে রোদসী শব্দটি মাথায় রাখবে।
a ২৩ টি
b ২০ টি
c ২২ টি
d ২৫ টি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৩ টি ১. কেন সঠিক: ময়মনসিংহ গীতিকা বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা বিশ্বের বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ডঃ দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত এই গীতিগুলো বিশ্ব দরবারে সমাদৃত হওয়ার কারণে মোট ২৩ টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকা বাংলা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডঃ দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মলুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম বিখ্যাত ও জনপ্রিয় একটি ট্র্যাজিক পালা। উদাহরণ ২: মহুয়া পালা ব্যাখ্যা: দ্বিজ কানাই রচিত এই পালাটি ময়মনসিংহ গীতিকার সবচেয়ে পুরনো ও জনপ্রিয় পালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ টি — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ বিশ্বসাহিত্যে প্রবেশের পর এটি ২৩ টি ভিন্ন ভাষায় রূপান্তর লাভ করেছে। B) ২০ টি — এটি সঠিক সংখ্যা নয় কারণ অন্যান্য ভাষার অনুবাদ সংখ্যা এর চেয়ে বেশি। C) ২২ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মিলে না। D) ২৫ টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ সঠিক অনূদিত ভাষার সংখ্যা এর চেয়ে কম। ৫. মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকার ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন ডঃ দীনেশচন্দ্র সেন। অনূদিত ভাষার সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো দুইয়ে তিন অর্থাৎ ২৩ টি ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক ডঃ দীনেশচন্দ্র সেন এবং এর প্রথম প্রকাশ সাল মনে রাখা জরুরি। লোকসাহিত্য সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন।
a আল মাহমুদ
b হেলাল হাফিজ
c নির্মলেন্দু গুণ
d শামসুর রাহমান
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - শামসুর রাহমান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান আধুনিক কবি যিনি তাঁর ছদ্মনামের জন্য পরিচিত। - মজলুম আদিব শব্দের অর্থ নির্যাতিত সাহিত্যিক, যা তিনি সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আধুনিক বাংলা কবিতায় এক অনন্য উচ্চতা অর্জন করেছিলেন। - নাগরিক জীবন, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তিনি এই ছদ্মনামে বিভিন্ন সাহসী কবিতা রচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত দেশপ্রেমমূলক কবিতা যেখানে সাধারণ মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার কথা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত শামসুর রাহমানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহাসিক কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামটি তাঁর নয়। B) হেলাল হাফিজ — তিনি জনপ্রিয় প্রেমের কবিতার কবি হলেও এই ছদ্মনামে কবিতা লেখেননি। C) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি রোমান্টিক ও রাজনৈতিক চেতনার কবি হলেও তাঁর অন্য ছদ্মনাম বা পরিচিতি রয়েছে। D) শামসুর রাহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সরাসরি সম্পর্কিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান মানেই নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কলম ধরা, তাই তাঁর ছদ্মনাম মজলুম আদিব বা নির্যাতিত সাহিত্যিক মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল।
a ইচ্ছাসূচক
b অনুজ্ঞাসূচক
c প্রশ্নবোধক
d অস্তিবাচক
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্তিবাচক ১. কেন সঠিক: - 'মা তাঁর সন্তানদের ভালোবাসেন' বাক্যটিতে কোনো কিছু স্বীকার করা হয়েছে বা হ্যাঁ বোধক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে বাক্যে কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে স্বীকার করা হয়, তাকে অস্তিবাচক বা হতিবাচক বাক্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্থগত দিক থেকে বাংলা বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার, যেমন অস্তিবাচক, নেতিবাচক, প্রশ্নবোধক, অনুজ্ঞাসূচক ও ইচ্ছাসূচক বাক্য। - যে বাক্যের মাধ্যমে কোনো বক্তব্য বা সত্যকে হ্যাঁ বোধকভাবে উপস্থাপন করা হয়, তাকে অস্তিবাচক বাক্য বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি অস্তিবাচক বাক্য কারণ এখানে সূর্যের পূর্ব দিকে ওঠার সত্য ঘটনাটি স্বীকার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: গোলাপ ফুল দেখতে খুব সুন্দর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গোলাপ ফুলের সৌন্দর্যের কথা হ্যাঁ বোধকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, তাই এটি অস্তিবাচক বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইচ্ছাসূচক — এই বাক্যে বক্তার কোনো ইচ্ছা বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়নি, তাই এটি ইচ্ছাসূচক বাক্য নয়। B) অনুজ্ঞাসূচক — এই বাক্যে কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝানো হয়নি, তাই এটি অনুজ্ঞাসূচক বাক্য হতে পারে না। C) প্রশ্নবোধক — এই বাক্যের শেষে কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা নেই, তাই এটি প্রশ্নবোধক বাক্য নয়। D) অস্তিবাচক — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে হ্যাঁ বোধক অর্থ বা স্বীকৃতি প্রকাশ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে কোনো প্রশ্ন, না বোধক শব্দ, আদেশ বা ইচ্ছা থাকে না এবং সাধারণ সত্য প্রকাশ পায়, তা সাধারণত অস্তিবাচক বাক্য হয়। - বাক্যে 'না' বা 'নি' বা 'নয়' না থাকলে এবং হ্যাঁ অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে অস্তিবাচক নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অর্থভেদে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বাক্য রূপান্তরের সময় অস্তিবাচক বাক্যকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a উর্দু
b ফারসি
c আরবি
d পর্তুগিজ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আরবি ১. কেন সঠিক: ময়দান, মুনাফা এবং বই শব্দ তিনটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় নানা ভাষার শব্দ মিশে আছে এবং উৎস অনুসারে শব্দগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। বিদেশি ভাষার শব্দগুলোর মধ্যে আরবি শব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি বহুল ব্যবহৃত প্রশাসনিক শব্দ। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এটি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উর্দু — উর্দু ভাষা থেকে বাংলায় সরাসরি অনেক শব্দ আসেনি, বরং এটি তুর্কি ও ফারসি ভাষার মিশ্রণে গঠিত একটি ভাষা। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় খোদা, চশমা বা বরফ শব্দগুলো এসেছে, কিন্তু ময়দান, মুনাফা বা বই ফারসি শব্দ নয়। C) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত তিনটি শব্দই সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় আনাচ, আনারস বা সাবান শব্দগুলো এসেছে, যা এই প্রশ্নটির জন্য প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ধর্ম, প্রশাসন এবং ব্যবসা সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ময়দান, মুনাফা এবং বই মনে রাখার জন্য ইসলাম ধর্ম ও ব্যবসায়ের পরিভাষাগুলো খেয়াল রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আরবি, ফারসি এবং পর্তুগিজ শব্দের তালিকাগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a চেতন
b আঁকড়ি
c পাগড়ি
d জোড় আঁকড়ি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চেতন ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালার মাত্রা যুক্ত বর্ণের ওপরের রেখাংশের নির্দিষ্ট কিছু অংশের ব্যাকরণগত ও লিপিবিদ্যাগত নাম রয়েছে। - 'ই' বর্ণ লেখার সময় মাত্রার ওপরে যে ছোট অংশটি যুক্ত থাকে, তাকে লিপিবিদ্যার পরিভাষায় চেতন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ এবং বাংলা লিপি শিল্পের ইতিহাস থেকে এই প্রশ্নটি এসেছে। - বাংলা বর্ণমালা লেখার সময় মাত্রা, অর্ধমাত্রা বা মাত্রাহীন বর্ণগুলোর গঠনবৈচিত্র্য এবং তাদের বিভিন্ন অংশের নির্দিষ্ট নাম রয়েছে যা মুদ্রণবিদ্যায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ই বর্ণ ব্যাখ্যা: ই বর্ণ লেখার সময় এর মাত্রার ওপরের বাঁকানো অংশটি চেতন নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ঈ বর্ণ ব্যাখ্যা: ঈ বর্ণেও ই এর মতো চেতন বা ওপরে মাত্রা সংক্রান্ত লিপিগত গঠন বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চেতন — এটি সঠিক উত্তর কারণ লিপিবিদ্যায় ই এর মাত্রার ওপরের অংশের নাম চেতন। B) আঁকড়ি — এটি ভুল অপশন কারণ আঁকড়ি সাধারণত বর্ণের নিচের বা কোনো বিশেষ অংশের বাঁকানো অংশকে বোঝায়। C) পাগড়ি — এটি ভুল অপশন কারণ পাগড়ি বর্ণের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক লিপিগত অংশের নাম নয়। D) জোড় আঁকড়ি — এটি ভুল অপশন কারণ জোড় আঁকড়ি বলতে বর্ণের সংযুক্ত বা বাঁকানো জোড়া অংশকে বোঝায়, চেতনার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ই দিয়ে ইঁদুর বা অন্য কিছু ভাবার সময় মাথার চেতন বা বুদ্ধি মাথায় রেখেই ই এর মাথার ওপরের অংশকে চেতন মনে রাখতে পারেন। - লিপিবিদ্যার এই পরিভাষাটি মনে রাখতে বর্ণের অঙ্গসংস্থানের নামগুলো আলাদা করে চর্চা করা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা লিপি ও বর্ণের গঠনগত বৈচিত্র্য থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। - বর্ণমালা লেখার সঠিক নিয়ম ও পরিভাষা জানার জন্য বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়টি ভালোভাবে পড়তে হবে।
a বিষাদ
b বিষণ্ণ
c বিষাক্ত
d বিষয়
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিষাদ ১. কেন সঠিক: 'বিষণ্ন' হলো একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ মন খারাপ বা মলিন। এর সঠিক বিশেষ্য রূপ হলো 'বিষাদ', যার অর্থ মনের দুঃখ বা গ্লানি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষণ পদকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার সময় শব্দের মূল ভাব বজায় রেখে তার নামবাচক রূপ নির্ধারণ করতে হয়। 'বিষণ্ন' বিশেষণটির মূল ভাব বা গুণবাচক নাম হলো 'বিষাদ'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর (বিশেষণ) থেকে সৌন্দর্য (বিশেষ্য)। ব্যাখ্যা: গুণের নাম প্রকাশ করতে বিশেষণ থেকে বিশেষ্য রূপান্তর করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মহান (বিশেষণ) থেকে মহত্ত্ব (বিশেষ্য)। ব্যাখ্যা: বিশেষণের ভাববাচক রূপ বোঝাতে বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষাদ — এটি সঠিক বিশেষ্য রূপ এবং বিষণ্ন শব্দের ভাব প্রকাশ করে। B) বিষণ্ণ — এটি মূল প্রশ্নের শব্দের বানান রূপ মাত্র, কোনো ভিন্ন পদের রূপ নয়। C) বিষাক্ত — এটি বিষযুক্ত অর্থে একটি ভিন্ন বিশেষণ পদ। D) বিষয় — এটি একটি সম্পূর্ণ আলাদা বিশেষ্য পদ যার অর্থ বস্তু বা প্রসঙ্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষণ থেকে বিশেষ্য রূপ নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ মিলিয়ে দেখতে হবে। বিষণ্ন মনের অবস্থাকে এক কথায় বিষাদ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ পরিবর্তন বা বিশেষ্য-বিশেষণ রূপান্তর প্রায়ই আসে। তাই শব্দগুলোর ভাবগত অর্থ বুঝে সঠিক রূপটি নির্বাচন করতে হবে।
a মাছ আকাশে উড়ে
b তাঁর খুব আনন্দ পেল
c আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত
d সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে শব্দের অর্থ এবং পদের ব্যবহার পুরোপুরি সঠিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২. বাক্যটিতে কোনো ধরনের বাহুল্য বা ব্যাকরণগত ভুল নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত বাক্যটিতে কার্পণ্য ও আবশ্যক শব্দ দুটি যথাযথভাবে বসেছে। ২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই বাক্যের পদবিন্যাস নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৩. যেমন: আবশ্যকীয় খরচে কৃপণতা করা উচিত নয়, এর শুদ্ধ রূপ হলো আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাছ আকাশে উড়ে — মাছ আকাশে উড়ে না, এটি বাস্তবের সাথে মেলে না এবং অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ অসম্ভব একটি বাক্য। B) তাঁর খুব আনন্দ পেল — এখানে কর্মকারকে ভুল বিভক্তি ব্যবহারের কারণে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণসম্মত হয়নি। C) আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী — সকল এবং গণ দুটি বহুবচনবাচক শব্দ একসাথে ব্যবহার করার ফলে এখানে বাহুল্য দোষ ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: ১. বাক্য শুদ্ধ করার সময় বাহুল্য দোষ এবং পদের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ২. একই সাথে দুটি বহুবচনবাচক শব্দ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
a তত্ত্ব-বোধিনী
b ধূমকেতু
c কালি ও কলম
d কল্লোল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কল্লোল ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি বাংলা ১৯২৭ সালের জানুয়ারি মাসে (পৌষ ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ) 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পরই কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যজগতে ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করেন এবং তাঁর কবিত্বশক্তির স্ফুরণ ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ছিলেন বাংলা রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি যিনি পল্লীপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনকে তাঁর কবিতায় রূপ দিয়েছেন। 'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যা পরবর্তীতে তাঁর 'রা রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনের 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি অমর প্রেমের গাথা এবং পল্লীসাহিত্যের এক অনন্য মাস্টারপিস। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামবাংলার লোকজীবন ও প্রেমের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তত্ত্ব-বোধিনী — এটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত ব্রাহ্ম সমাজের মুখপত্র ছিল যেখানে জসীমউদ্দীনের কবিতা প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক যোগসূত্র নেই। B) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিদ্রোহী চেতনার পত্রিকা হলেও 'কবর' কবিতাটি এতে প্রকাশিত হয়নি। C) কালি ও কলম — এটি আধুনিক সাহিত্যপত্রিকা যা জসীমউদ্দীনের জীবদ্দশায় তাঁর 'কবর' কবিতা প্রকাশের অনেক পরে প্রকাশিত হয়। D) কল্লোল — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি এই সাহিত্যপত্রিকাতেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি প্রকাশের জন্য বিখ্যাত 'কল্লোল' যুগের একটি সাহিত্যপত্রিকাকে মনে রাখতে হবে। কল্লোল পত্রিকার নামের সঙ্গে কবর কবিতার প্রকাশের সাল ও ইতিহাস মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জসীমউদ্দীনকে বাংলা সাহিত্যে পল্লীকবি বলা হয় এবং তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী'। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের বিখ্যাত কবিতা প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a পরম + এশ
b পরম + ঈশ
c পরম + ইশ
d পরম + ইস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরম + ঈশ ১. কেন সঠিক: - পরমেশ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো পরম + ঈশ। এটি স্বরসন্ধির একটি অতি পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে। - এখানে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর ধ্বনি ঈ মিলে দীর্ঘ ঈ কার তৈরি হয়েছে এবং তা পূর্ববর্ণের সাথে যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অ বা আ কারের পর ই বা ঈ কার থাকলে উভয় মিলে এ কার হয় এবং উ বা ঊ কার থাকলে ও কার হয় এবং ঋ কার থাকলে অর্ হয়। এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত গুণসন্ধির একটি ধ্রুপদী নিয়ম। - অ + ঈ = এ নিয়ম অনুযায়ী পরম শব্দের ম এর সাথে থাকা অ এবং ঈশ শব্দের ঈ মিলে এ কার অর্থাৎ মে তৈরি হয়েছে এবং শব্দটি পরমেশ হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা + ইশ = মহেশ ব্যাখ্যা: এখানে আ কার এবং ই কার মিলে এ কার উৎপন্ন হয়ে মহেশ শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুর + ইন্দ্র = সুরেন্দ্র ব্যাখ্যা: এখানে অ কার এবং ই কার মিলে এ কার উৎপন্ন হয়ে সুরেন্দ্র শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরম + এশ — এশ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলায় নেই, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণসম্মত নয়। B) পরম + ঈশ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ঈশ শব্দের অর্থ ঈশ্বর বা প্রভু এবং নিয়মানুযায়ী এটি সঠিক। C) পরম + ইশ — ইশ শব্দে হ্রস্ব ই ব্যবহৃত হয়, কিন্তু পরমেশ শব্দে দীর্ঘ ঈ কার থাকায় এই বিচ্ছেদটি ভুল। D) পরম + ইস — ইস শব্দটি বাংলা সন্ধির নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এর বানানরীতি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরমেশ শব্দটি ভাঙলে শেষের অংশ সবসময় দীর্ঘ ঈ দিয়ে ঈশ হবে, হ্রস্ব ই দিয়ে নয়। - গুণসন্ধির ক্ষেত্রে অ অথবা আ এর পর ই বা ঈ থাকলে সর্বদা এ কার হয়, এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঈশ্বরবাচক শব্দ যেমন মহেশ, পরমেশ, গণেশ এগুলো প্রায়ই সন্ধি বিচ্ছেদের জন্য আসে। - সন্ধি করার সময় শব্দের অর্থ ঠিক আছে কি না এবং সঠিক প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে কি না তা সবসময় যাচাই করবে।
a নিশিথিনি
b কথোপকথন
c পিপিালিকা
d সমিচিন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কথোপকথন ১. কেন সঠিক: - কথোপকথন শব্দটিতে সঠিক প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে কথ্য এবং সংলাপ অর্থ প্রকাশ করতে সঠিক হ্রস্ব ও দীর্ঘস্বর ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে কোনো অতিরিক্ত বা ভুল ধ্বনির ব্যবহার নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম ও তদ্ভব শব্দের বানান নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। - প্রত্যয় কিংবা সন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দগুলোতে ই-কার এবং উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত বিধান মানতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনস্তত্ত্ব ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রমিত ও শুদ্ধ বানানযুক্ত শব্দ যা পরীক্ষায় প্রায়শই আসে। উদাহরণ ২: পর্যালোচনা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানรมের সঠিক নিয়ম ও বর্ণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথিনি — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো নিশীথিনী যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়। B) কথোপকথন — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ সংলাপ বা কথপকথন। C) পিপিালিকা — এই বানানটি ভুল কারণ পিপিীলিকা বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ও হ্রস্ব ই-কারের সঠিক বিন্যাস প্রয়োজন। D) সমিচিন — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো সমীচীন যেখানে উভয় ই দীর্ঘ ঈ-কার হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কঠিন বানানগুলো বারবার লিখে অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। - বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান নিয়মগুলো আত্মস্থ করলে শুদ্ধ বানান সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমিচিন, নিশীথিনী এবং সমীচীন সংক্রান্ত বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বানান শেখার জন্য নিয়মিত শব্দ তালিকা চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি।
a ভারত চন্দ্র রায়
b কাজী দৌলত
c আব্দুল হাকিম
d ফকির গরীবুল্লাহ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফকির গরীবুল্লাহ কেন সঠিক: ১. ফকির গরীবুল্লাহকে বাংলা পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও প্রাচীনতম কবি হিসেবে গণ্য করা হয় যিনি আঠারো শতকের মধ্যভাগে সাহিত্য রচনা শুরু করেছিলেন। ২. তাঁর বিখ্যাত রচনা আমীর হামজা পুঁথি সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক যা এই ধারার প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য বলতে মূলত দোভাষী পুথিতে রচিত ইসলামি চেতনাসমৃদ্ধ আখ্যান কাব্যগুলোকে বোঝানো হয়ে থাকে। ২. মধ্যযুগের শেষের দিকে এবং আধুনিক যুগের শুরুর প্রাক্কালে বাংলা ও আরবি ফার্সি শব্দের মিশ্রণে এই সাহিত্যধারা গড়ে উঠেছিল। ৩. ফকির গরীবুল্লাহ রচিত আমীর হামজা এবং সত্যপীরের পুথি এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত চন্দ্র রায় — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি এবং রাজসভার কবি ছিলেন, পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন। B) কাজী দৌলত — ইনি আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেছিলেন, পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন। C) আব্দুল হাকিম — ইনি সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি নূরনাম C কাব্য রচনা করেছিলেন, তবে তিনি পুঁথি সাহিত্যের প্রথম লেখক নন। D) ফকির গরীবুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক হলেন ফকির গরীবুল্লাহ এবং তাঁর বিখ্যাত শ্রেষ্ঠ রচনা হলো আমীর হামজা।
a মৃত্যুক্ষুধা
b সিন্ধু হিন্দোল
c যুগবাণী
d অগ্নিবীণা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুগবাণী ১. কেন সঠিক: - যুগবাণী হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ, যা সমাজ ও রাজনীতির সমসাময়িক সংকট নিয়ে রচিত। - এই গ্রন্থে ১৯২৬ সালে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রবন্ধের মাধ্যমে বাঙালি সমাজে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তিনি অনেক প্রবন্ধ ও নিবন্ধ রচনা করেছেন। - যুগবাণী গ্রন্থটি মূলত তার চিন্তাশীল ও সমাজসংস্কারমূলক গদ্য রচনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজবন্দীর জবানবন্দী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থ ও জবানবন্দী সাহিত্য। উদাহরণ ২: দুর্দিনের যাত্রী ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। B) সিন্ধু হিন্দোল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। C) যুগবাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের প্রবন্ধ মনে রাখার সূত্র হলো, সমাজ ও রাজনীতির বাণী থাকলে তা যুগবাণী বা দুর্দিনের যাত্রী প্রবন্ধ হবে। - কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের নামগুলোর সঙ্গে প্রবন্ধগুলোর নাম মিলিয়ে ফেললে চলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - যুগবাণী, রাজবন্দীর জবানবন্দী এবং দুর্দিনের যাত্রী হলো নজরুলের সবচেয়ে বেশি পরীক্ষাকেন্দ্রীক প্রবন্ধ গ্রন্থ।

মোট প্রশ্ন (30)

a He turned the volume up.
b Business confidence is on the up.
c Our system should be up by afternoon.
d We live just up the road.
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Business confidence is on the up. কেন সঠিক: ১. এখানে 'up' শব্দটির পূর্বে the আর্টিকেল বসেছে যা প্রমাণ করে এটি একটি নাউন। ২. সাধারণত দি এবং প্রিপজিশনের মাঝের শব্দটি নাউন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He turned the volume up. — এখানে 'up' একটি অ্যাডভার্ব হিসেবে ভার্বকে মডিফাই করেছে। C) Our system should be up by afternoon. — এখানে 'up' একটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) We live just up the road. — এখানে 'up' একটি প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আর্টিকেলের পরে যদি কোনো ছোট শব্দ বসে তবে সেটি সাধারণত নাউন হয়।
a A trigger-happy Mariner.
b The essential irrationality of man.
c Superstitious Mariner.
d the Mariner as a skillful fowler.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The essential irrationality of man. কেন সঠিক: - এস টি কোলরিজের বিখ্যাত কবিতা দ্য রিম অব দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার-এ নাবিক কর্তৃক বিনা কারণে আলবাট্রস পাখি হত্যা মানুষের স্বভাবসুলভ অযৌক্তিক ও ধ্বংসাত্মক আচরণের প্রতীক। - এই ঘটনাটি মানুষের বিচারবুদ্ধিহীন কাজের মাধ্যমে প্রকৃতি ও জীবনের শৃঙ্খলার প্রতি অযৌক্তিক নিষ্ঠুরতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A trigger-happy Mariner. — এটি পাখির হত্যার একটি বাহ্যিক বিবরণ দিতে পারে, কিন্তু এটি কবিতার গভীর দার্শনিক ও রূপক অর্থকে ফুটিয়ে তোলে না। B) The essential irrationality of man. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কবিতার মূল থিমের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) Superstitious Mariner. — নাবিকরা পাখিটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করলেও, এর হত্যা কুসংস্কারের ফল ছিল না, বরং এটি মানুষের অকারণে ধ্বংস করার প্রবৃত্তি নির্দেশ করে। D) the Mariner as a skillful fowler. — পাখি শিকার করা কোনো বিশেষ দক্ষতার বিষয় ছিল না, বরং এটি ছিল এক ধরনের আকস্মিক ও অর্থহীন নিষ্ঠুরতা। মনে রাখার টিপস: আলবাট্রস পাখি হত্যা মানে মানুষের ভেতরের অযৌক্তিক ধ্বংসাত্মক প্রবৃত্তি বোঝায়।
a He was believed to be an honest leader.
b He was believed to have been an honest leader.
c He was believed he was an honest leader.
d He has been believed to be an honest leader.
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He was believed to be an honest leader. কেন সঠিক: Complex sentence কে passive করার সময় Principal clause এর subject কে নতুন sentence এর subject করা হয়। Verb এর passive রূপ লিখে বাকি অংশ infinitive phrase হিসেবে যুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম মেনে সঠিক গঠন তৈরি করেছে। B) He was believed to have been an honest leader — এখানে অতিরিক্ত perfect infinitive ব্যবহার করা হয়েছে যা অপ্রয়োজনীয়। C) He was believed he was an honest leader — এখানে ডাবল clause রেখে ভুলভাবে passive করা হয়েছে। D) He has been believed to be an honest leader — এখানে tense পরিবর্তন করে present perfect করা হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: People say বা Villagers believe জাতীয় বাক্যের passive করার সময় subject বসিয়ে verb এর passive রূপ লিখে to be আনতে হয়।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: Monarch শব্দটি দ্বারা রাজা বা রানী উভয়কেই বোঝানো হয়। তাই এটি এমন একটি লিঙ্গ যা স্ত্রী বা পুরুষ উভয় হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি ভুল কারণ monarch শুধু পুরুষ বা রাজা বোঝায় না, রানীও হতে পারে। B) Feminine — এটি ভুল কারণ monarch শুধু নারী বা রানী বোঝায় না, রাজাও হতে পারে। C) Neuter — এটি ভুল কারণ monarch কোনো জড় বস্তু বা অচেতন কিছু নয়। D) Common — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়কেই নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো দিয়ে পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝায়, তাকে Common gender বলে।
a Either you do it or you will be fined.
b Do it or I shall fine you.
c You have to do it, otherwise I will fine you.
d All of the above
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of the above কেন সঠিক: ১. এই বাক্যের প্রতিটি অপশনে দুটি করে স্বাধীন ক্লজ বা বাক্য রয়েছে যা কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন দ্বারা যুক্ত। ২. একাধিক প্রধান ক্লজ বা স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকায় সবগুলো বাক্যই যৌগিক বা কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Either you do it or you will be fined — এটি ভুল নয় বরং একটি সঠিক কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। B) Do it or I shall fine you — এটিও ভুল নয় কারণ এটিও একটি সঠিক কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। C) You have to do it, otherwise I will fine you — এটিও ভুল নয় বরং এটিও একটি সঠিক কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। D) All of the above — এটি সঠিক কারণ এর আগের তিনটি অপশনের সবগুলোই কম্পাউন্ড সেন্টেন্স। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যে অ্যান্ড, অর, বাট বা আদারওয়াইজ দিয়ে দুটি স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকে, সেটাই কম্পাউন্ড সেন্টেন্স।
a Transition sentence.
b Topic sentence.
c Supporting sentence.
d Concluding sentence.
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Transition sentence. কেন সঠিক: প্যারাগ্রাফে ধারণার সাবলীল প্রবাহ বজায় রাখতে এটি সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে। এটি বাক্যের মধ্যে চমৎকার মেলবন্ধন তৈরি করে। লেখার গতি স্বাভাবিক রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transition sentence — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। B) Topic sentence — এটি প্যারাগ্রাফের মূল বিষয় বা প্রধান ধারণা তুলে ধরে। C) Supporting sentence — এটি প্রধান ধারণাকে তথ্য ও যুক্তি দিয়ে সমর্থন করে বা প্রমাণ করে। D) Concluding sentence — এটি পুরো প্যারাগ্রাফের সমাপ্তি বা সারসংক্ষেপ টানে। মনে রাখার টিপস: প্যারাগ্রাফে এক আইডিয়া থেকে অন্য আইডিয়ায় যাওয়ার সেতু হলো ট্রানজিশন।
a Scoot Fitzgerald
b Edward FitzGerald
c William Fitzgerald
d Gerald Fitzgerald
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Edward FitzGerald কেন সঠিক: এই বিখ্যাত পঙক্তিগুলো ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ থেকে নেওয়া হয়েছে। অনুবাদক এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ড ফার্সি ভাষার এই কবিতাটিকে ইংরেজিতে রূপান্তর করে অমর সাহিত্যকর্ম তৈরি করেছেন। কবিতাটির লাইনগুলো বিশ্বসাহিত্যে অত্যন্ত পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Scoot Fitzgerald — ইনি একজন বিখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক ছিলেন, ওমর খৈয়ামের অনুবাদক নন। B) Edward FitzGerald — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) William Fitzgerald — এমন কোনো পরিচিত অনুবাদক বা সাহিত্যিক রুবাইয়াত অনুবাদের সাথে যুক্ত নন। D) Gerald Fitzgerald — এই নামে কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক বা অনুবাদকের ঐতিহাসিক উপস্থিতি নেই। মনে রাখার টিপস: রুবাইয়াত অনুবাদকের নামের সাথে ফিটজেরাল্ড শব্দটি মনে রাখলে সঠিক উত্তর সহজে চেনা যায়।
a Helena said that she took the laptop home with her.
b Helena said that she had taken the laptop home with her.
c Helena confirmed that she has taken the laptop home with her.
d Helena told that she had the laptop taken home with her.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Helena said that she had taken the laptop home with her. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্বটি অতীত কালে (said) থাকায় ইনডাইরেক্ট করার সময় ভেতরের পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - রিপোর্টেড স্পিচের ফার্স্ট পারসন (I) সাবজেক্ট (Helena) অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে she হয় এবং my বা me জাতীয় শব্দ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Helena said that she took the laptop home with her. — এখানে ভেতরের টেন্স অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা ন্যারেশনের নিয়মের বাইরে। B) Helena said that she had taken the laptop home with her. — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। C) Helena confirmed that she has taken the laptop home with her. — এখানে রিপোর্টিং ভার্বের পরিবর্তনের সাথে টেন্সের সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি। D) Helena told that she had the laptop taken home with her. — এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে এবং গঠনগত ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ন্যাসেশনের সময় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স থাকলে তাকে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
a Holy Living and Holy Dying
b Areopagitica
c Religio Medici
d A Free Man's Worship
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Areopagitica কেন সঠিক: এটি জন মিলটনের লেখা একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক প্রবন্ধ। এখানে মুদ্রণ যন্ত্রের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতার জোরালো সমর্থন জানানো হয়েছে। সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে এটি একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Holy Living and Holy Dying — এটি জেরেমি টেলরের লেখা একটি বিখ্যাত ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গ্রন্থ। খ) Areopagitica — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। গ) Religio Medici — এটি স্যার থমাস ব্রাউনের লেখা চিকিৎসা ও ধর্মের সম্পর্ক বিষয়ক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ঘ) A Free Man's Worship — এটি বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখা মানব অস্তিত্ব ও দর্শন বিষয়ক একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ। মনে রাখার টিপস: মিলটন মানেই বাক স্বাধীনতা এবং Areopagitica নামের বিখ্যাত প্রবন্ধটি মনে রাখবে।
a Shadow of the Moon by MM kaye
b Bhowani Junction by Jhon Masters
c Kim by Rudyard Kipling
d A Passage to India by EM Forster
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A Passage to India by EM Forster কেন সঠিক: উপন্যাসটিতে ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতবাসীর প্রতি ব্রিটিশদের জাতিগত বৈষম্য ও ঔপনিবেশিক শোষণের চিত্র স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিমা সংস্কৃতির মধ্যকার গভীর সামাজিক ও মানসিক দূরত্ব এতে প্রধান বিষয় হিসেবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shadow of the Moon by MM kaye — এটি সিপাহী বিদ্রোহের পটভূমিতে লেখা প্রেমের উপন্যাস, যেখানে সংস্কৃতির ব্যবধান মূল বিষয় নয়। B) Bhowani Junction by Jhon Masters — এটি অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান সম্প্রদায়ের আত্মপরিচয় ও রাজনৈতিক সংকট নিয়ে রচিত একটি উপন্যাস। C) Kim by Rudyard Kipling — এটি ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি ও বন্ধুত্বের গল্প তুলে ধরে, জাতিগত বৈষম্য এর মূল থিম নয়। D) A Passage to India by EM Forster — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের সংস্কৃতি ও ব্রিটিশদের দূরত্ব মনে রাখতে ই এম ফস্টার এর এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া উপন্যাসটি স্মরণ করবে।
a participle
b infinitive
c gerund
d verbal noun
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) gerund কেন সঠিক: বাক্যে 'It is no good' এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে। এটি preposition বা বিশেষ Phrase এর পরের নিয়ম অনুযায়ী gerund হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — এটি noun এর কাজ না করে adjective এর কাজ করে। B) infinitive — এর গঠন to + verb দিয়ে হয়, যা এখানে নেই। C) gerund — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) verbal noun — এর পূর্বে the এবং পরে of থাকে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: It is no good এর পর verb আসলে তার সাথে ing যোগ হয়ে gerund হয়।
a relative clause
b independent clause
c adverbial clause
d noun clause
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) relative clause কেন সঠিক: ১. এই অংশটি ঠিক আগের noun 'The book'-কে নির্দেশ বা modify করছে। ২. এটি 'that' relative pronoun দিয়ে শুরু হয়েছে এবং এর নিজস্ব subject ও finite verb আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) relative clause — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটিই সঠিক উত্তর। B) independent clause — এটি নিজে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না এবং এটি subordinate clause এর অংশ। C) adverbial clause — এটি verb, adjective বা adverb-কে modify করে না, তাই এটি adverbial clause নয়। D) noun clause — এটি বাক্যে কোনো noun-এর কাজ করছে না বরং adjective-এর কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: যautha clause কোনো noun-এর ঠিক পরে বসে তাকে বিশেষিত করে এবং relative pronoun দিয়ে শুরু হয়, তাকে relative clause বলে।
a Jane Eyre
b Emma
c Wuthering Heights
d Persuasion
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Wuthering Heights কেন সঠিক: এমিলি ব্রন্টির এই উপন্যাসে হিথক্লিফ ও ক্যাথরিনের তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক প্রেমের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই প্রেমই পরবর্তীতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলা প্রতিশোধ এবং নিষ্ঠুরতার জন্ম দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jane Eyre — এটি শার্লট ব্রন্টির লেখা একটি উপন্যাস যেখানে নৈতিকতা এবং আত্ম-উপলব্ধির মাধ্যমে একটি স্বাধীন প্রেমের জয় দেখানো হয়েছে। B) Emma — এটি জেন অস্টেনের লেখা একটি উপন্যাস যা সামাজিক কৌতূহল এবং ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা রোমান্স নিয়ে কাজ করে। C) Wuthering Heights — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। D) Persuasion — এটি জেন অস্টেনের লেখা একটি উপন্যাস যেখানে দীর্ঘস্থায়ী অনুশোচনা এবং পরিপক্ক প্রেমের পুনর্মিলন দেখানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: উইদারিং হাইটস উপন্যাসের নাম শুনলেই হিথক্লিফের চরম প্রতিশোধ এবং ধ্বংসাত্মক প্রেমের কথা মনে রাখবে।
a conjunction
b gerund
c participle
d preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) preposition কেন সঠিক: এখানে including শব্দটি তার ঠিক পরের noun phrase বা leadership, endurance ইত্যাদিকে বাক্যের মূল অংশের সাথে যুক্ত করেছে। Preposition হিসেবে এটি কোনো শব্দ বা বাক্যাংশের আগে বসে সম্পর্কের প্রকাশ ঘটায়। এটি এখানে কোনো verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun বা adjective এর কাজ করছে না। তাই grammatical নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি preposition হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) conjunction — conjunction হলো সেই শব্দ যা দুটি ভিন্ন clause বা word কে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে including তা করছে না। B) gerund — gerund বাক্যে noun এর কাজ করে, কিন্তু including এখানে কোনো কাজ বা noun বোঝাচ্ছে না। C) participle — participle সাধারণত adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে including কোনো noun কে modify করছে না। D) preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে preposition এর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মাঝে including, regarding, concerning ইত্যাদি শব্দ থাকলে সাধারণত preposition হয়।
a Oliver
b Orlando
c Jaques
d Rosalind
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Jaques কেন সঠিক: নাটকটির দ্বিতীয় অঙ্কের সপ্তম দৃশ্যে মেলানকোলি বা বিষণ্ন চরিত্র জ্যাকস এই বিখ্যাত ভাষণটি দেন। এই ভাষণে মানুষের জীবনকে একটি নাট্যমঞ্চের সাথে তুলনা করে তাকে সাতটি ভিন্ন বয়সে ভাগ করা হয়েছে। ভাষণের বিখ্যাত লাইনটি হলো অল দ্য ওয়ার্ল্ডস এ স্টেজ। এটি শেকস্পিয়ারের নাটকের অন্যতম সেরা একটি দার্শনিক সংলাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oliver — ইনি অরল্যান্ডোর বড় ভাই এবং নাটকের শুরুতে তাঁর সাথে অরল্যান্ডোর সম্পর্ক বেশ তিক্ত ছিল। B) Orlando — ইনি নাটকের মূল নায়ক এবং রোসালিন্ডের প্রেমে পড়া এক তরুণ চরিত্র। D) Rosalind — ইনি নাটকের প্রধান নায়িকা যিনি পুরুষ বেশ ধারণ করে গ্যানিমেড নামে অরণ্যে ঘুরেছিলেন। মনে রাখার টিপস: জ্যাকস চরিত্রটির বিষণ্ন স্বভাবের কারণেই সে মানুষের জীবনের এই করুণ ও বাস্তবসম্মত সাতটি পর্যায় নিয়ে কথা বলেছিল।
a Pygmalion
b The skin game
c Waiting for Godot
d Candida
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Waiting for Godot কেন সঠিক: এটি স্যামুয়েল বেকেটের লেখা একটি বিখ্যাত অ্যাবসার্ড নাটক। যেখানে অর্থহীন সংলাপ এবং সংলাপের পুনরাবৃত্তি রয়েছে। নাটকের চরিত্রগুলো প্রায়ই ভুলে যায় এবং বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলে। এই নাটকের মূল বৈশিষ্ট্য হলো উদ্দেশ্যহীন অপেক্ষা এবং অর্থহীন কথোপকথন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pygmalion — এটি জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি সামাজিক নাটক। ভাষার শিক্ষা এবং মানুষের রূপান্তর এর মূল বিষয়। B) The skin game — এটি জন গলসওয়ার্দির লেখা একটি নাটক। যেখানে দুটি পরিবারের মধ্যে সামাজিক সংঘাত দেখানো হয়েছে। C) Waiting for Godot — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Candida — এটি জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি রোমান্টিক কমেডি। যেখানে প্রেম এবং আদর্শবাদ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যাবসার্ড নাটক মানেই বেকেটের ওয়েটিং ফর গডো, যেখানে চরিত্রগুলো অর্থহীন কথা বলে অপেক্ষা করে।
a since
b lest
c at
d so
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) so কেন সঠিক: coordinating conjunction হলো সেই পদ যা সমজাতীয় দুটি শব্দ বা clause কে যুক্ত করে। so এখানে ফল বা ফলাফল প্রকাশ করতে দুটি স্বাধীন clause কে যুক্ত করেছে। এটি FANBOYS সূত্রের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রধান conjunction। এটি বাক্যের দুটি অংশকে সমান গুরুত্ব দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) since — এটি একটি subordinating conjunction যা সাধারণত কারণ বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) lest — এটি একটি subordinating conjunction যার অর্থ যাতে না এবং এর পরে should বসে। C) at — এটি একটি preposition যা সাধারণত নির্দিষ্ট সময় বা স্থান নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) so — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি স্বাধীন clause কে যুক্ত করে ফলাফল প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: coordinating conjunction মনে রাখার সহজ উপায় হলো FANBOYS শব্দটির সাহায্য নেওয়া যেখানে For, And, Nor, But, Or, Yet, So অন্তর্ভুক্ত।
a at
b to
c in
d into
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: এখানে get to একটি সঠিক বাকধারা বা ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানো বা প্রবেশ করা। বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এখানে একটি গন্তব্যের দিকে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যাওয়ার ক্ষেত্রে to প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at - এটি সাধারণত ছোট স্থান বা স্থির অবস্থান বোঝাতে বসে। গন্তব্যের দিকে যাওয়ার গতি বোঝাতে এটি এখানে সঠিক নয়। B) to - এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানে গন্তব্য বোঝাতে বসেছে। C) in - এটি মূলত ভেতর বা মধ্যে অবস্থান করা বোঝায়। কোনো স্থানে প্রবেশ করার গতি বোঝাতে এটি বসে না। D) into - এটি বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশের গতি বোঝায়। তবে সেন্টারের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে get to ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও পৌঁছানো বা যাওয়ার অর্থ বোঝাতে সাধারণত get এর পরে প্রিপজিশন হিসেবে to বসে।
a to open fire
b to take a photograph
c to make a try
d to test a gun
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to make a try কেন সঠিক: 'To have a shot' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি idiom বা বাকধারা। এর শাব্দিক অর্থ হলো কোনো কিছুতে লক্ষ্য স্থির করে গুলি চালানো। তবে ইংরেজিতে এটি রূপক অর্থে কোনো কাজের চেষ্টা করা বা ভাগ্য পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to open fire — এটি idiom-টির আক্ষরিক অর্থ হলেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না কারণ এটি কেবল সরাসরি যুদ্ধ বা গোলাগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) to take a photograph — এই অপশনটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি কাজ বোঝায় এবং প্রদত্ত বাকধারার সাথে এর কোনো মিল নেই। C) to make a try — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে পুনরায় দেওয়া হয়েছে যা মূলত আগের সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি। D) to test a gun — এটি বন্দুকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার একটি প্রযুক্তিগত বিষয় যা এই বাকধারার রূপক অর্থকে সমর্থন করে না। মনে রাখার টিপস: খেলাধুলায় শট নেওয়া মানে যেমন গোল করার চেষ্টা করা, তেমনই ইংরেজি idioms-এ 'have a shot' মানে যেকোনো কাজে একবার চেষ্টা করে দেখা।
a sleep
b arrive
c break
d die
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) break কেন সঠিক: break ভারбটি transitive হিসেবে কর্ম গ্রহণ করে অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে যেমন he broke the glass. আবার এটি intransitive হিসেবে কোনো কর্ম ছাড়াই নিজে নিজেই সম্পন্ন হতে পারে যেমন the glass broke. বাকি অপশন কেন ভুল: A) sleep — এটি সবসময় intransitive verb হিসেবে ব্যবহৃত হয় কারণ এর কোনো direct object বা কর্ম থাকে না। B) arrive — এটি একটি intransitive verb যা কখনোই কোনো direct object গ্রহণ করতে পারে না। C) break — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ট্রানজিটিভ ও ইন্ট্রানজিটিভ উভয় হিসেবেই ব্যবহার করা যায়। D) die — এটি একটি intransitive verb যা কেবল নিজে ঘটা বোঝায় এবং এর কোনো কর্ম হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব ভারб নিজে ঘটাও সম্ভব এবং কাউকে দিয়ে করানোও সম্ভব, সেগুলো সাধারণত transitive ও intransitive উভয়ই হতে পারে।
a Nocturnal
b Diurnal
c Cathemerol
d Twilit
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Twilit কেন সঠিক: Crepuscular শব্দের অর্থ গোধূলি বা সন্ধ্যা সংক্রান্ত, যা মূলত সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময়কার ঝাপসা আলোকে বোঝায়। Twilit শব্দের অর্থও গোধূলি বা ক্ষীণ আলোকময় পরিবেশ, যা মূল শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে পুরোপুরি মিলে যায়। উভয় শব্দই আলোর একটি বিশেষ অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nocturnal — এই শব্দের অর্থ নিশাচর বা রাতকানা, যা মূলত রাতের বেলা সক্রিয় প্রাণীদের বোঝায় এবং এটি গোধূলি বোঝায় না। B) Diurnal — এই শব্দের অর্থ দিবালোক সংক্রান্ত বা দিনের বেলা সক্রিয়, যা সন্ধ্যার আলোর বিপরীত একটি অবস্থা। C) Cathemerol — এই শব্দটির অর্থ দিন বা রাত যেকোনো সময় সক্রিয় থাকা প্রাণী, যা নির্দিষ্ট করে গোধূলি বোঝায় না। D) Twilit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Crepuscular শব্দটির শুরুতে C আছে এবং Twilight শব্দের সাথে মিলিয়ে Twilit মনে রাখলে গোধূলি বা সন্ধ্যার আলো বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
a Terminal
b Aerodrome
c Hanger
d Hangar
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hangar কেন সঠিক: ১. Hangar শব্দের অর্থ হলো বিমান রাখার বিশাল আকারের ঘর বা আচ্ছাদন। ২. বিমানকে আবহাওয়া ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই বিশেষ ভবনে রাখা হয়। ৩. বানানগত দিক থেকেও এটি বিমান রাখার স্থান বোঝাতে নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Terminal — এটি বিমানবন্দর বা স্টেশন যেখানে যাত্রীরা যাতায়াতের জন্য অপেক্ষা করেন এবং ওঠানামা করেন। B) Aerodrome — এটি পুরো বিমানবন্দর বা বিমান চলাচলের সম্পূর্ণ এলাকাকে বোঝায়। C) Hanger — এটি জামাকাপড় ঝোলানোর হাঙ্গার বোঝায়, যার সাথে বিমান রাখার কোনো সম্পর্ক নেই। D) Hangar — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিমান রাখার জায়গার বানানে শেষে a-r থাকে (Hangar) আর কাপড়ের হাঙ্গারের বানানে শেষে e-r থাকে (Hanger)।
a Diletante
b Homonym
c Cromulent
d Accubation
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Diletante কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে A নম্বর বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো Dilettante যেখানে অতিরিক্ত একটি t এবং e বর্ণ বাদ পড়েছে। - এই শব্দটির অর্থ শৌখিন বা শিল্পকলার অনুরাগী যে কোনো বিষয়ে গভীরভাবে না জেনে কেবল শখের বশে চর্চা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Diletante — এটি ভুল বানান যার সঠিক রূপ Dilettante এবং এখানে একটি t বর্ণ কম রয়েছে। B) Homonym — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক যার অর্থ একই উচ্চারণ বা বানান কিন্তু ভিন্ন অর্থবিশিষ্ট শব্দ। C) Cromulent — এই বানানটি সঠিক এবং এটি একটি কাল্পনিক শব্দ যা গ্রহণযোগ্য বা উপযুক্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) Accubation — এই বানানটি সঠিক যার অর্থ আহারের সময় হেলান দিয়ে বা শোয়া অবস্থায় থাকার ভঙ্গি। মনে রাখার টিপস: Dilettante বানানটিতে ডাবল t এবং ডাবল l আছে, তাই লেখার সময় এই দ্বিত্ব বর্ণগুলোর প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
a Coleridge
b William Wordsworth
c TS Eliot
d IA Richards
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth কেন সঠিক: উদ্ধৃতিটি ইংরেজি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা লিরিক্যাল ব্যালডস গ্রন্থের প্রিফেস থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতার সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নিয়ে এটি সাহিত্যের ইতিহাসে সবচেয়ে পরিচিত একটি মতামত। তিনি মনে করতেন কবিতা গভীর আবেগ থেকে জন্ম নেয়। এই আবেগ শান্ত পরিবেশে স্মরণ করে কবিতার রূপ দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Coleridge — এস টি কোলরিজ রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই বিখ্যাত সংজ্ঞাটি তার নয়। B) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) TS Eliot — টি এস এলিয়ট আধুনিক যুগের কবি ও সমালোচক যিনি রোমান্টিক ধারণার ভিন্ন সমালোচনা করেছিলেন। D) IA Richards — আই এ রিচার্ডস আধুনিক সাহিত্যের একজন সমালোচক যার লেখার সাথে এই সংজ্ঞার মিল নেই। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের কবিতার সংজ্ঞা মানেই উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের নাম মনে রাখতে হবে।
a Scholar Gipsy
b Dover Beach
c Rugby Chapel
d Immortality
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Dover Beach কেন সঠিক: ম্যাথু আর্নল্ড এই কবিতায় মানুষের বিশ্বাস হারিয়ে যাওয়ার বেদনা তুলে ধরেছেন এবং তৎকালীন ভিক্টোরীয় যুগের আগ্রাসী মনোভাবের সমালোচনা করেছেন। এখানে একটি দ্বন্দ্বপূর্ণ ও আনন্দহীন পৃথিবীর চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা কবির নিরাশাবাদী বিশ্বদৃষ্টির পরিচয় দেয়। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের মাধ্যমে কবি মানুষের জীবনে শান্তির অভাব এবং হতাশার গভীর রূপ খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Scholar Gipsy — এই কবিতায় মূলত বস্তুগত লোভ থেকে দূরে থাকা এক যুবকের জীবন এবং গ্রামীণ প্রকৃতির সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়েছে। C) Rugby Chapel — এই কবিতায় কবি তার বাবার আদর্শ জীবন এবং মানবকল্যাণে তার অবদানের কথা স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। D) Immortality — এটি ম্যাথু আর্নল্ডের লেখা কোনো বিখ্যাত কবিতা নয়, এটি মূলত উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের একটি বিখ্যাত কবিতা। মনে রাখার টিপস: সমুদ্র সৈকতের বিষণ্ণতা আর ভিক্টোরীয় যুগের হতাশার কথা থাকলেই চোখ বন্ধ করে ডোভা বিচ উত্তর বেছে নেবে।
a Shrewdness
b Dullness
c Discerning
d Astuteness
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Dullness কেন সঠিক: 'Percipience' শব্দটির অর্থ অনুধাবন ক্ষমতা, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা বা উপলব্ধি শক্তি। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'Dullness', যার অর্থ জড়তা, বোকামি বা অনুভূতির অভাব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shrewdness — এটি 'percipience' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বিচক্ষণতা বা তীক্ষ্ণ বুদ্ধি। B) Dullness — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ জড়তা যা মূল শব্দের বিপরীত। C) Discerning — এটি 'percipience' এর সাথে সম্পর্কিত একটি বিশেষণ যা বিচারবুদ্ধি বোঝায়। D) Astuteness — এটিও মূল শব্দের সমার্থক যার অর্থ চতুরতা বা বুদ্ধিমত্তা। মনে রাখার টিপস: 'Percipience' মানে হলো দেখার বা বোঝার ক্ষমতা, আর 'Dullness' মানে হলো বুঝতে না পারার জড়তা।
a Ordinary life
b Everyday language
c Expression of feelings rather than action or plot
d Inane and gaudy phraseology
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Inane and gaudy phraseology কেন সঠিক: রোমান্টিক কবিরা কৃত্রিম ও জটিল ভাষার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন এবং সহজ-সরল ভাষা ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিলেন। তাই নির্বোধ ও জমকালো শব্দচয়ন রোমান্টিক কবিতার বৈশিষ্ট্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ordinary life — এটি রোমান্টিক কবিতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য কারণ তারা সাধারণ মানুষের জীবন ও প্রকৃতিকে কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। B) Everyday language — এই যুগের কবিরা অভিজাত ও কৃত্রিম ভাষার বদলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ভাষা কবিতায় ব্যবহার করার পক্ষে ছিলেন। C) Expression of feelings rather than action or plot — রোমান্টিক কবিতায় বাইরের কোনো ঘটনা বা কাহিনীর চেয়ে কবির ভেতরের আবেগ ও অনুভূতির প্রকাশ বেশি গুরুত্ব পেত। D) Inane and gaudy phraseology — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ধরনের কৃত্রিম ও চটকদার ভাষা রোমান্টিক কবিরা বর্জন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক কবিরা সাধারণ জীবন, সহজ ভাষা এবং অন্তরের আবেগকে প্রাধান্য দিতেন, তাই কৃত্রিম ও জমকালো ভাষা তাদের বৈশিষ্ট্য ছিল না।
a clouds ands sunshine go hand in hand
b clouds often have shining surroundings
c every difficult situation has a more hopeful aspect though not apparent at the beginning
d bad weather is often replaced by good weather
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) every difficult situation has a more hopeful aspect though not apparent at the beginning কেন সঠিক: এই প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ হলো প্রতিটি মেঘের পেছনেই রূপালী আস্তরণ থাকে। অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি কঠিন বা দুঃখের পরিস্থিতির পেছনেই কোনো না কোনো আশার আলো লুকিয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) clouds ands sunshine go hand in hand — এটি মেঘ ও রোদের প্রকৃতি নিয়ে কথা বলে কিন্তু প্রবাদের মূল রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। B) clouds often have shining surroundings — এটি মেঘের বাহ্যিক রূপ বর্ণনা করে যা মানুষের জীবনের গভীর পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত নয়। C) every difficult situation has a more hopeful aspect though not apparent at the beginning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) bad weather is often replaced by good weather — এটি কেবল আবহাওয়া পরিবর্তনের কথা বলে যা প্রবাদের প্রকৃত রূপক অর্থকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: মেঘ দেখলে যেমন হতাশ হওয়া উচিত নয় কারণ তার পেছনেই রোদ থাকে, তেমনি বিপদে ঘাবড়ে না গিয়ে আশাবাদী হতে হবে।
a Spencer
b Petrarch
c Shakespeare
d Donne
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shakespeare কেন সঠিক: উদ্ধৃত লাইনগুলো উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত সনেট নম্বর ১১৬ এর অংশ। এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় প্রেমের কবিতা যেখানে ভালোবাসার স্থায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spencer — এডমন্ড স্পেন্সার রেনেসাঁ যুগের কবি হলেও তিনি এমোরেটি সনেট চক্রের জন্য পরিচিত যার সাথে এই লাইনগুলোর মিল নেই। B) Petrarch — পেত্রার্ক ইতালীয় সনেটের জনক এবং তার কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল লরা প্রেমের বন্দনা যা শেক্সপিয়ারের এই ধারণার সাথে মেলে না। C) Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Donne — জন ডন মেটাফিজিক্যাল ধারার কবি এবং তার প্রেমের কবিতায় বুদ্ধিবৃত্তিক যুক্তি ও জটিলতার প্রকাশ থাকে। মনে রাখার টিপস: বিয়ে বা দাম্পত্য জীবনের মতো সত্য প্রেমের অবিচলতা নিয়ে কথা বললেই মনে রাখবে এটি শেক্সপিয়ারের সনেট ১১৬।
a pride
b lies
c peace & wisdom
d silly rules
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) peace & wisdom কেন সঠিক: জোনাথান সুইফট তার এই উপন্যাসে লিলিপুটদের অত্যন্ত সংকীর্ণমনা ও ঝগড়াকটে হিসেবে দেখিয়েছেন। তাই সেখানে শান্তি ও জ্ঞানের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pride — লিলিপুটদের রাজা ও বাসিন্দাদের মধ্যে অতিরিক্ত অহংকার ও আত্মপ্রীতি স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। B) lies — এই উপন্যাসের লিলিপুটরা মিথ্যা বলা এবং প্রতারণার নানা কৌশল খুব ভালোভাবেই জানত। C) peace & wisdom — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বৈশিষ্ট্যটি লিলিপুটদের চরিত্রে লেখক দেখাননি। D) silly rules — লিলিপুটদের সমাজে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে অদ্ভুত ও হাস্যকর আইনকানুন প্রচলিত ছিল। মনে রাখার টিপস: লিলিপুটরা আকারে ছোট হলেও তাদের অহংকার ও বোকামি ছিল অনেক বড়।

মোট প্রশ্ন (23)

a pi/6
b pi/3
c pi/2
d 2pi/3
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) π/6 প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত বা পরিমাণ হলো x, x ÷ ২ ও ৩x ÷ ২ ধরি, প্রথম কোণ = x দ্বিতীয় কোণ = x ÷ ২ তৃতীয় কোণ = ৩x ÷ ২ অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° বা π রেডিয়ান শর্তমতে, x + (x ÷ ২) + (৩x ÷ ২) = π সুতরাং, লসাগু করে পাই, (২x + x + ৩x) ÷ ২ = π বা, ৬x ÷ ২ = π বা ৩x = π উত্তর: x এর মান = π ÷ ৩, এবং ক্ষুদ্রতম কোণ (x ÷ ২) = π ÷ ৬
a 0.5
b 2
c 0.25
d 4
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির প্রাথমিক গতিবেগ = v গাড়ির পরিবর্তিত গতিবেগ = ২v ধরি, প্রথম ক্ষেত্রে গাড়ির ভর = m প্রথম ক্ষেত্রে গতিশক্তি E1 = (১ ÷ ২) × m × v^২ অতএব, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে গতিশক্তি E2 = (১ ÷ ২) × m × (২v)^২ E2 = (১ ÷ ২) × m × ৪ × v^২ E2 = ৪ × ((১ ÷ ২) × m × v^২) সুতরাং, E2 = ৪ × E1 উত্তর: ৪ গুণ
a 64
b 32
c 16
d 8
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩২ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর উপাদানগুলো স্বাভাবিক সংখ্যা এবং পাঁচ এর সমান বা ছোট ধরি, স্বাভাবিক সংখ্যাগুলো হলো এক থেকে শুরু করে ক্রমানুসারে চলতে থাকা ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা সেট এ এর উপাদানগুলো হবে এক, দুই, তিন, চার এবং পাঁচ অতএব, সেট এ এর মোট উপাদান সংখ্যা, এন সমান পাঁচ পাওয়ার সেট বা পি অফ এ এর উপাদান সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই এর পাওয়ার এন সুতরাং, দুই এর পাওয়ার পাঁচ অর্থ হলো দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই উত্তর: ৩২
a 7/5
b 6/5
c 1/15
d 6/15
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬/৫ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো দুই পঞ্চমাংশ, তিন পঞ্চমাংশ এবং ছয় পঞ্চমাংশ ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ২/৫ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৩/৫ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ৬/১৫ অতএব, লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক বা লসাগু বের করার নিয়ম হলো লবগুলোর লসাগু এবং হরগুলোর গসাগু নির্ণয় করা লবগুলো হলো দুই, তিন এবং ছয় হরগুলো হলো পাঁচ, পাঁচ এবং পনেরো সুতরাং, লব দুই, তিন এবং ছয় এর লসাগু হলো ছয় হর পাঁচ, পাঁচ এবং পনেরো এর গসাগু হলো পাঁচ উত্তর: ৬/৫
a 0.125
b 0.0125
c 0.00125
d 0.000125
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০১২৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৫ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০৫ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০৫ ধরি, সংখ্যা তিনটির গুণফল নির্ণয় করতে হবে দশমিক বাদে সংখ্যাগুলোর গুণফল = ৫ × ৫ × ৫ = ১২৫ অতএব, প্রথম রাশিতে দশমিকের পর ঘর আছে ১টি দ্বিতীয় রাশিতে দশমিকের পর ঘর আছে ২টি তৃতীয় রাশিতে দশমিকের পর ঘর আছে ৩টি মোট দশমিকের ঘরের সংখ্যা = ১ + ২ + ৩ = ৬টি সুতরাং, ১২৫ এর আগে তিনটি শূন্য বসিয়ে দশমিক দিতে হবে গুণফল = ০.০০০১১২৫ ভুল, সঠিক হলো ০.০০০১২৫ উত্তর: ০.০০০১২৫
a 4
b 2*sqrt(3)
c 3*sqrt(3)
d 3*sqrt(2)
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩×√(২) প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণটি হলো log_x ৩২৪ = ৪ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী বেস এবং ঘাত মিলে সংখ্যাটি সমান হবে অতএব x এর ওপর ৪ ঘাত বসালে মান হবে ৩২৪ অতএব, x^৪ = ৩২৪ x^৪ = (৩×√(২))^৪ সুতরাং, উভয় পাশ থেকে ঘাত ৪ বাদ দিয়ে পাই x = ৩×√(২) উত্তর: ৩×√(২)
a 2:3
b 3:4
c 4:9
d 9:4
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪:৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম অনুপাতটি হলো a ÷ b = ২ ÷ ৩ দ্বিতীয় অনুপাতটি হলো b ÷ c = ২ ÷ ৩ ধরি, a ÷ b = ২ ÷ ৩ b ÷ c = ২ ÷ ৩ অতএব, প্রথম অনুপাতের সাথে দ্বিতীয় অনুপাত গুণ করি (a ÷ b) × (b ÷ c) = (২ ÷ ৩) × (২ ÷ ৩) এখানে b কেটে যায় সুতরাং, a ÷ c = ৪ ÷ ৯ উত্তর: ৪:৯
a 2
b 81
c 0
d 76
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৬ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x^৪ − ২x + ১ ভাজক হলো x − ৩ ধরি, বহুপদী রাশিটি f(x) = x^৪ − ২x + ১ ভাগশেষ উপপাদ্য অনুযায়ী ভাজক x − ৩ থেকে পাই x = ৩ অতএব, f(৩) এর মান নির্ণয় করতে হবে f(৩) = (৩)^৪ − ২ × (৩) + ১ সুতরাং, (৩)^৪ = ৮১ এবং ২ × ৩ = ৬ f(৩) = ৮১ − ৬ + ১ উত্তর: ৭৬
a (-1/3, 0)
b (1/3, infinity)
c (-1/3, 1)
d (infinity, 1/3)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (-১/৩, ১) প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো পরম মান ৩x − ১ এর মান ২ অপেক্ষা ছোট ধরি, পরম মানের সংজ্ঞা অনুসারে (−২) এবং (+২) এর মাঝে ৩x − ১ থাকবে অতএব, অসমতাটিকে লেখা যায় (−২) < ৩x − ১ < ২ সুতরাং, মাঝের অংশ থেকে ১ যোগ করে পাই (−১) < ৩x < ৩ উত্তর: পুরো অসমতাকে ৩ দিয়ে ভাগ করে সমাধান সেট পাওয়া যায় (−১/৩, ১)
a 0
b 1
c 2
d sqrt(2)
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √২ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ০ ধরি, x = −১ অতএব, √x = √(−১) সুতরাং, √x + (১ ÷ √x) এর মান হিসাব করলে √২ পাওয়া যায় উত্তর: √২
a 5.17%
b 6.17%
c 7.17%
d 8.17%
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭.১৭% প্রদত্ত তথ্য: সময়কাল = ১০ বছর মূলধনের পরিমাণ = আসল চক্রবৃদ্ধি মূলধন = আসলের দ্বিগুণ ধরি, আসল = পি টাকা চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ২পি টাকা বার্ষিক মুনাফার হার = আর% অতএব, চক্রবৃদ্ধির সূত্র অনুযায়ী লেখা যায় পি × (১ + আর ÷ ১০০) এর পাওয়ার ১০ = ২পি উভয় পক্ষকে পি দ্বারা ভাগ করে পাই (১ + আর ÷ ১০০) এর পাওয়ার ১০ = ২ সুতরাং, উভয় পক্ষের দশম মূল বা পাওয়ার ১০ এর বিপরীত রুট করে পাই ১ + আর ÷ ১০০ = ২ এর দশম মূল হিসাব করে পাই ১ + আর ÷ ১০০ = ১.০৭১৭৭ উত্তর: আর এর মান = ৭.১৭%
a 10080
b 6720
c 3360
d 3359
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩৬০ প্রদত্ত তথ্য: ABSCISSA শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে ৮ টি ধরি, মোট বর্ণের সংখ্যা = ৮ এখানে এস বর্ণ আছে ২টি এখানে এ বর্ণ আছে ২টি অতএব, মোট বিন্যাস সংখ্যা বের করতে হবে ফ্যাক্টরিয়াল সূত্রের সাহায্যে মোট বিন্যাসের সূত্র হলো ফ্যাক্টরিয়াল ৮ ভাগ (ফ্যাক্টরিয়াল ২ গুণ ফ্যাক্টরিয়াল ২) সুতরাং, মোট বিন্যাস সংখ্যা = (৮ × ৭ × ৬ × ৫ × ৪ × ৩ × ২ × ১) ÷ ((২ × ১) × (২ × ১)) উত্তর: ৩৩৬০
a 3/11
b 1/2
c 5/11
d 4/11
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/১১ প্রদত্ত তথ্য: ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে সংখ্যাগুলো হলো ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৪৯, ৫০ ধরি, মোট সংখ্যার পরিমাণ = ১১টি অতএব, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৪১, ৪৩, ৪৭ মৌলিক সংখ্যার মোট পরিমাণ = ৩টি সুতরাং, মৌলিক সংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা = ৩ ÷ ১১ উত্তর: ৩/১১
a x
b 2x
c x^2
d x + 1
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: চলকটির মান শূন্য থেকে বড় এবং এক থেকে ছোট ধরি, চলকটির মান দুই ভাগের এক অংশ বা ০.৫ অতএব, প্রথম অপশনটির মান হবে ০.৫ দ্বিতীয় অপশনটির মান হবে দুই গুণ ০.৫ সমান ১ তৃতীয় অপশনটির মান হবে ০.৫ এর বর্গ সমান ০.২৫ সুতরাং, চতুর্থ অপশনটির মান হবে ০.৫ যোগ ১ সমান ১.৫ উত্তর: x + 1 সবচেয়ে বড়
a 5
b 6
c 7
d 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৩ + (৩ ÷ ২) + (৩ ÷ ৪) + ... + (৩ ÷ ৬৪) এটি একটি গুণোত্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ, ক = ৩ সাধারণ অনুপাত, র = (৩ ÷ ২) ÷ ৩ = ১ ÷ ২ শেষ পদ = ৩ ÷ ৬৪ অতএব, এন-তম পদ = ক × (র এর পাওয়ার (এন − ১)) ৩ ÷ ৬৪ = ৩ × (১ ÷ ২ এর পাওয়ার (এন − ১)) ১ ÷ ৬৪ = ১ ÷ ২ এর পাওয়ার (এন − ১) সুতরাং, ১ ÷ ২ এর পাওয়ার ৬ = ১ ÷ ২ এর পাওয়ার (এন − ১) এন − ১ = ৬ উত্তর: এন = ৭
a {p, q}
b {p, -q}
c {-p, q}
d {-p, -q}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) p, q প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x^2 − (p + q)x + pq = 0 ধরি, মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, x^2 − px − qx + pq = 0 সুতরাং, x(x − p) − q(x − p) = 0 উত্তর: p, q
a 8*sqrt(3)
b 8*sqrt(5)
c 16*sqrt(3)
d 16*sqrt(5)
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮ মিটার ধরি, ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ৮ মিটার অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × ক^২ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (৮ × ৮) উত্তর: ১৬√৩ বর্গমিটার
a -0.75
b -0.125
c 1/8
d 3/4
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −০.১২৫ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো ২x^২ + ৩x + ১ ধরি, রাশিটির মান f(x) = ২x^২ + ৩x + ১ এখানে x এর সহগ হলো ৩ এবং x^২ এর সহগ হলো ২ ক্ষুদ্রতম মান নির্ণয়ের সূত্রটি হলো (৪ac − b^২) ÷ (৪a) অতএব, এখানে a = ২, b = ৩, এবং c = ১ সূত্র অনুযায়ী মানগুলো বসিয়ে পাই (৪ × ২ × ১) − (৩^২) ÷ (৪ × ২) সুতরাং, (৮ − ৯) ÷ ৮ = −১ ÷ ৮ = −০.১২৫ উত্তর: −০.১২৫
a 5/8
b 8/5
c 5/2
d -5/8
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮/৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখা ৫x + ৪y − ১ = ০ দ্বিতীয় সরলরেখা ২x + ky − ৭ = ০ ধরি, প্রথম সমীকরণের x এর সহগ a১ = ৫ এবং y এর সহগ b১ = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণের x এর সহগ a২ = ২ এবং y এর সহগ b২ = k অতএব, সরলরেখা দুটি সমান্তরাল হওয়ার শর্ত হলো x এর সহগের অনুপাত এবং y এর সহগের অনুপাত সমান হবে অর্থাৎ a১ ÷ a২ = b১ ÷ b২ মান বসিয়ে পাই, ৫ ÷ ২ = ৪ ÷ k সুতরাং, কোণাকুণি গুণ করে পাই, ৫k = ৪ × ২ ৫k = ৮ উত্তর: k = ৮ ÷ ৫
a পঞ্চম
b সপ্তম
c অষ্টম
d নবম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অষ্টম প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো x এর বর্গ বিয়োগ ২ যোগ ১ ভাগ x এর বর্গ, যার সম্পূর্ণ পাওয়ার ৭। রাশিটিকে সরল করে লেখা যায় x বিয়োগ ১ ভাগ x এর হোল স্কয়ার, যার সম্পূর্ণ পাওয়ার ৭। ধরি, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী পাওয়ার দুটি গুণ হয়ে যায়। ফলে রাশিটির নতুন রূপ দাঁড়ায় x বিয়োগ ১ ভাগ x এর পাওয়ার ১৪। অতএব, এখানে পদ সংখ্যা হলো পাওয়ার যোগ ১, অর্থাৎ ১৪ যোগ ১ সমান ১৫ টি। যেহেতু পদ সংখ্যা ১৫ একটি বিজোড় সংখ্যা, তাই একটিমাত্র মধ্যপদ থাকবে। সুতরাং, মধ্যপদ নির্ণয়ের সূত্র হলো মোট পদ সংখ্যার সাথে ১ যোগ করে ২ দ্বারা ভাগ। ১৫ যোগ ১ সমান ১৬, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করলে হয় ৮। উত্তর: অষ্টম পদ
a 3
b 7
c 8
d 9
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রدত্ত তথ্য: সেটের উপাদান সংখ্যা = ৩ ধরি, সেটের উপাদান সংখ্যা = n = ৩ অতএব, মোট উপসেটের সংখ্যা = ২ এর উপর ৩ পাওয়ার বা ৮ প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা = মোট উপসেট − ১ সুতরাং, প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা = ৮ − ১ = ৭ উত্তর: ৭
a -2/3
b -3/2
c 2/3
d 3/2
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −২/৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো −১ + ১/২ − ১/৪ + ১/৮ − ১/১৬ + ... এটি একটি অসীম গুণোত্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ (a) = −১ সাধারণ অনুপাত (r) = (১/২) ÷ (−১) = −১/২ অতএব, এখানে সাধারণ অনুপাতের পরম মান ১ অপেক্ষা ছোট অর্থাৎ ১/২ < ১ সুতরাং, অসীম ধারার যোগফল (S) = a ÷ (১ − r) S = (−১) ÷ (১ − (−১/২)) উত্তর: −২/৩
a 0
b 4
c 3/2
d 2/3
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলি হলো ২, ৩, ৪ এবং ৭ ধরি, সংখ্যাগুলির মোট পরিমাণ = ৪ টি সংখ্যা অতএব, সংখ্যাগুলির যোগফল = ২ + ৩ + ৪ + ৭ = ১৬ সংখ্যাগুলির গড় = ১৬ ÷ ৪ = ৪ সুতরাং, গড় থেকে সংখ্যাগুলির বিচ্যুতিগুলির পরম মানের যোগফল = |২ − ৪| + |৩ − ৪| + |৪ − ৪| + |৭ − ৪| = ২ + ১ + ০ + ৩ = ৬ উত্তর: গড় বিচ্যুতি = ৬ ÷ ৪ = ৩/২

মোট প্রশ্ন (17)

a নির্দিষ্ট কোষের ইনসুলিন প্রতিরোধিতা
b বিটা কোষগুলির অটো-ইমিউন ধ্বংসের কারণে অগ্ন্যাশয় অপর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করে।
c প্রো-ইনসুলিন থেকে ইনসুলিনে রূপান্তরে ত্রুটি।
d অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ দ্বারা গ্লুকাগনের অতিরিক্ত উৎপাদন।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিটা কোষগুলির অটো-ইমিউন ধ্বংসের কারণে অগ্ন্যাশয় অপর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করে। কেন সঠিক: - টাইপ-১ ডায়াবেটিস একটি অটো-ইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী বিটা কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। - বিটা কোষ ধ্বংস হওয়ার ফলে দেহ পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্দিষ্ট কোষের ইনসুলিন প্রতিরোধিতা — এটি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ঘটে, যেখানে শরীর ইনসুলিন তৈরি করলেও কোষগুলো তা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। B) বিটা কোষগুলির অটো-ইমিউন ধ্বংসের কারণে অগ্ন্যাশয় অপর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করে। — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) প্রো-ইনসুলিন থেকে ইনসুলিনে রূপান্তরে ত্রুটি। — এটি একটি অত্যন্ত বিরল জেনেটিক ত্রুটি, যা সাধারণ টাইপ-১ ডায়াবেটিসের মূল কারণ নয়। D) অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ দ্বারা গ্লুকাগনের অতিরিক্ত উৎপাদন। — আলফা কোষ থেকে গ্লুকাগন উৎপাদনে সমস্যা ডায়াবেটিসে দেখা গেলেও এটি টাইপ-১ ডায়াবেটিসের মূল কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: টাইপ-১ মানেই অটো-ইমিউন আক্রমণ এবং ইনসুলিনের শূন্যতা।
a ৭ ও ৯
b ১১ ও ১৩
c ৩ ও ৬
d ১ ও ২
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ ও ২ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) ২০৩০ সালের এজেন্ডার মধ্যে প্রধানত ক্ষুধা নিবারণ ও দারিদ্র্য দূরীকরণের ওপর কাজ করে। - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) প্রথম লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন এবং দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো ক্ষুধামুক্তি, যা ইফাদের কাজের মূল ক্ষেত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ ও ৯ — ৭ নম্বর লক্ষ্য হলো সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং ৯ নম্বর লক্ষ্য হলো শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, যা ইফাদের মূল কাজের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) ১১ ও ১৩ — ১১ নম্বর লক্ষ্য হলো টেকসই শহর ও জনবসতি এবং ১৩ নম্বর লক্ষ্য হলো জলবায়ু ação, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) ৩ ও ৬ — ৩ নম্বর লক্ষ্য হলো সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ এবং ৬ নম্বর লক্ষ্য হলো নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, যা ইফাদের নির্ধারিত এই লক্ষ্যটির সাথে মিলে না। D) ১ ও ২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ইফাদ বা কৃষি উন্নয়নের মূল কাজ হলো মানুষের পেট ও পকেট বাঁচানো, অর্থাৎ প্রথমে দারিদ্র্য (১) দূর করা এবং পরে ক্ষুধা (২) মেটানো।
a পরিকল্পনা কমিশন।
b অর্থ মন্ত্রণালয়।
c জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি।
d পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি। কেন সঠিক: - জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একেনেক হলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্তৃপক্ষ। - এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি এবং নির্দিষ্ট সীমার ওপরের বড় বড় সরকারি প্রকল্প চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিকল্পনা কমিশন — এটি দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে, তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ একেনেক। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের বাজেট প্রণয়ন ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে, তবে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ এটি নয়। C) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি — এটি সঠিক উত্তর। D) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় — এটি পরিকল্পনা কমিশন ও এর আওতাধীন সংস্থাসমূহ পরিচালনা করে, তবে এটি অর্থনৈতিক নীতি অনুমোদনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নয়। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্বাহী বা এক্সিকিউটিভ ক্ষমতা যার হাতে থাকে, তাকে একেনেক বা ECNEC বলা হয়।
a ১৯২০ সালে
b ১৯২৬ সালে
c ১৯২৫ সালে
d ১৯৩০ সালে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৬ সালে কেন সঠিক: - ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের মুখপত্র ছিল 'শিখা' নামক পত্রিকা এবং এর স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২০ সালে — এই সালে ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৯২৬ সালে — এটি সঠিক সাল এবং এই সালেই সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। C) ১৯২৫ সালে — এই সালে সংগঠনটির প্রাথমিক আলোচনা শুরু হলেও প্রতিষ্ঠা হয়নি। D) ১৯৩০ সালে — এই সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: ১৯২৬ সালে জন্ম নেওয়া সাহিত্য সমাজ বুদ্ধির মুক্তির আন্দোলন শুরু করেছিল।
a 1985
b 1984
c 1986
d 1983
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমসের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে офіিসিয়ালভাবে অংশগ্রহণ করে। - ১৯৮৪ সালের ২৮ জুলাই থেকে ১২ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে এই অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৫ — এই সালে কোনো গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি এবং বাংলাদেশ অলিম্পিকে অভিষেকও করেনি। B) ১৯৮৪ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত এবং বাংলাদেশ এই সালেই প্রথম অলিম্পিকে অংশ নেয়। C) ১৯৮৬ — এই সালে অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ অলিম্পিক প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। D) ১৯৮৩ — এই সালে কোনো গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর প্রথম অলিম্পিকে খেলেছে ১৯৮৪ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস আসরে।
a ঢাকা উত্তর
b কুমিল্লা
c ময়মনসিংহ
d রংপুর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের দ্বাদশ ও সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। - ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা উত্তর — এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ও পুরোনো সিটি কর্পোরেশন, সর্বশেষ নয়। B) কুমিল্লা — এটি ময়মনসিংহের আগে একাদশ সিটি কর্পোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। D) রংপুর — এটি ২০১২ সালে গঠিত হয়েছিল, যা ময়মনসিংহের তুলনায় অনেক আগের সিটি কর্পোরেশন। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ হলো বাংলাদেশের সর্বশেষ বা বারোতম সিটি কর্পোরেশন।
a 31
b 32
c 34
d 33
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে গ্রেফতার ও আটকের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে হেবিয়াস করপাস রিট অন্তর্ভুক্ত। - কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করা হলে এই অনুচ্ছেদের বিধানবলে হাইকোর্ট বিভাগের মাধ্যমে তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ চাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ অনুচ্ছেদ — এটি আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করে, যা হেবিয়াস করপাসের সরাসরি অংশ নয়। B) ৩২ অনুচ্ছেদ — এটি জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করে, তবে আটকের রক্ষাকবচ ও রিটের সুনির্দিষ্ট ধারা ৩৩। C) ৩৪ অনুচ্ছেদ — এটি বলপ্রয়োগে বাধ্যতামূলক শ্রম নিষিদ্ধকরণ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা গ্রেফতার বা আটকের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ৩৩ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি গ্রেফতার ও আটকের সুরক্ষার সাথে সরাসরি যুক্ত। মনে রাখার টিপস: আটক বা গ্রেফতারের বিরুদ্ধে মুক্তি বা হাজির করার জন্য সংবিধানের তেত্রিশ (৩৩) নম্বর অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য।
a ধামরাই
b কেরানীগঞ্জ
c কালিয়াকৈর
d সাভার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কালিয়াকৈর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল হালিম চৌধুরী সাভার, ধামরাই ও কেরানীগঞ্জ এলাকা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেন। - কালিয়াকৈর এলাকাটি এই নির্দিষ্ট আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন ছিল না, তাই এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধামরাই — এটি ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল। B) কেরানীগঞ্জ — এটিও ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল। C) কালিয়াকৈর — এটি এই আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাভুক্ত না থাকায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) সাভার — এটিও ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল। মনে রাখার টিপস: ক্যাপ্টেন হালিম চৌধুরীর বাহিনী মূলত সাভার, ধামরাই ও কেরানীগঞ্জে সক্রিয় ছিল, যার বাইরে কালিয়াকৈর অবস্থিত।
a ব্যক্তিগত
b সামাজিক
c রাষ্ট্রীয়
d নীতিগত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: B) সামাজিক কেন সঠিক: - সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মূলত নাগরিকের বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অংশ যা সমাজে তথ্য আদান প্রদান নিশ্চিত করে। - এটি সমাজের মানুষের অধিকার রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যক্তিগত — এটি কোনো একক ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো অধিকার নয়, বরং সমাজের সবার অধিকার। B) সামাজিক — এই উত্তরটি সঠিক কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সমাজ ও জনগণের অধিকারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। C) রাষ্ট্রীয় — এটি রাষ্ট্রের কোনো নিজস্ব সুযোগ সুবিধা বা সরকারি অধিকার নয়, বরং জনগণের মৌলিক অধিকার। D) নীতিগত — এটি শুধুমাত্র কোনো তাত্ত্বিক নৈতিক নীতি নয়, বরং সমাজে প্রয়োগ করার মতো বাস্তব অধিকার। মনে রাখার টিপস: সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ, তাই এর স্বাধীনতা একটি সামাজিক অধিকার।
a রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন
b আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ
c আয়কর ফাঁকি দেওয়া
d অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়কর ফাঁকি দেওয়া কেন সঠিক: - আয়কর ফাঁকি দেওয়া মূলত কর ফাঁকি বা ট্যাক্স ইভেশনের অপরাধ, যা সরাসরি অর্জিত বৈধ বা অবৈধ আয় রাষ্ট্রের নিকট গোপন করার সাথে সম্পর্কিত। - মুদ্রা পাচার বলতে সাধারণত অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বা সম্পদ বৈধ উপায়ে অর্জিত বলে দেখানোর প্রক্রিয়াকে বোঝায়, যা এই অপরাধের আওতাভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন — এটি বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচারের একটি পরিচিত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার করা হয়। B) আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ — এটি ওভারইনভয়েসিং নামে পরিচিত এবং মুদ্রা পাচারের একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম। C) আয়কর ফাঁকি দেওয়া — এটি কর সংক্রান্ত অপরাধ হলেও এটি সরাসরি মুদ্রা পাচারের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো — এটি হুন্ডি বা অন্যান্য অবৈধ মাধ্যমের সাহায্যে সরাসরি মুদ্রা পাচার করার প্রক্রিয়া। মনে রাখার টিপস: টাকা পাচার মানেই হলো দেশ থেকে অবৈধভাবে অর্থ বিদেশে পাঠানো বা বাণিজ্যের নামে মূল্য কম-বেশি করা, কিন্তু শুধু কর না দেওয়া হলো কর ফাঁকি।
a পদ্মা
b মেঘনা
c যমুনা
d ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের নদীবিষয়ক প্রচলিত ও পাঠ্যপুস্তকের তথ্য অনুযায়ী পদ্মা হলো দেশের দীর্ঘতম নদী। - এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিলোমিটার এবং এটি ভারতে গঙ্গা নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী এবং এর উৎপত্তি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে। B) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ত ও গভীর নদী, দীর্ঘতম নদী নয়। C) যমুনা — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা। D) ব্রহ্মপুত্র — এটি একটি প্রধান আন্তর্জাতিক নদী হলেও বাংলাদেশে এর মূল প্রবাহ যমুনা নামে পরিচিত এবং দৈর্ঘ্য পদ্মার চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: পদ্মা হলো পা দিয়ে হাঁটার মতো সবচেয়ে দীর্ঘ পথ, তাই দীর্ঘতম নদী বললে পদ্মা মনে রাখবে।
a অর্থ ঋণ আদালত
b আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
c সামরিক আদালত
d সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সামরিক আদালত কেন সঠিক: - সামরিক আদালতের (Court Martial) বিচার প্রক্রিয়া এবং এর প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে দেশের সাধারণ উচ্চ আদালতে আপিল করার বিধান নেই। - সামরিক আইনের নিজস্ব আপিল ব্যবস্থা ও কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এসব মামলার নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ ঋণ আদালত — এই আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী উচ্চ আদালতে আপিল করার আইনি সুযোগ রয়েছে। B) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল — এই ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করার বিধান রয়েছে। C) সামরিক আদালত — এই আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণ আদালতে আপীল করা যায় না বলে এটি সঠিক উত্তর। D) সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন — এই ডিভিশনের আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা যায়। মনে রাখার টিপস: সামরিক আইনের নিয়ম আলাদা, তাই সামরিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ আদালতে আপিল করা যায় না।
a হরিধান, রূপালী
b ইরাটম, বর্ণালী
c ব্রি-শাইল, বলাকা
d হীরা, উত্তরণ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্রি-শাইল, বলাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল বা উফশী জাতের ধানের নাম ব্রি-শাইল। - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল বা উফশী জাতের গমের নাম বলাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরিধান, রূপালী — হরিধান স্থানীয় জাতের ধান এবং রূপালী অন্য কোনো প্রধান উফশী ধান বা গমের নাম নয়। B) ইরাটম, বর্ণালী — ইরাটম উফশী ধান হলেও বর্ণালী ধান বা গমের সঠিক উফশী জোড় হিসেবে এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ব্রি-শাইল, বলাকা — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক জোড়, যেখানে প্রথমটি উফশী ধান এবং দ্বিতীয়টি উফশী গম। D) হীরা, উত্তরণ — হীরা মূলত হাইব্রিড ধানের নাম এবং উত্তরণ অন্য কোনো ফসলের জাত। মনে রাখার টিপস: ধানের ক্ষেত্রে 'ব্রি-শাইল' এবং গমের ক্ষেত্রে 'বলাকা' নাম দুটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে দ্বৈত প্রশাসনিক কর্তৃত্ব
b সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতি কেন্দ্রীভূত
c পৌরসভা পর্যায়ে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের অভাব
d দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতি কেন্দ্রীভূত কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব আয়ের উৎস সীমিত এবং তাদের মূলত কেন্দ্রীয় অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হয়। - আর্থিক স্বায়ত্তশাসনের অভাব এবং বাজেটের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর অতি নির্ভরশীলতাই স্থানীয় সরকারের দুর্বলতার প্রধান কারণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে দ্বৈত প্রশাসনিক কর্তৃত্ব — এটি কাজের সমন্বয়হীনতা তৈরি করলেও মূল আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার সবচেয়ে বড় কারণ নয়। B) সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতি কেন্দ্রীভূত — এটিই স্থানীয় সরকার দুর্বল হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক দ্বন্দ্ব। C) পৌরসভা পর্যায়ে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের অভাব — এটি স্থানীয় উন্নয়নকে কিছুটা ব্যাহত করলেও সামগ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক কারণ নয়। D) দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা — এটি কিছু উন্নয়ন প্রকল্পে প্রভাব ফেলে, তবে পুরো স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতার জন্য এটি দায়ী নয়। মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকারের দুর্বলতার মূল কারণ হলো টাকার অভাব, অর্থাৎ আর্থিক ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে বন্দি থাকা।
a যুক্তরাজ্যে
b যুক্তরাষ্ট্রে
c ভারতে
d পাকিস্তানে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্যে কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বাইরে ইতিহাসের প্রথম শহীদ মিনারটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে স্থাপিত হয়। - বাংলা ভাষা আন্দোলন ও অমর একুশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি স্বরূপ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই শহীদ মিনার নির্মাণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — এই অপশনটি সঠিক কারণ লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে প্রথম আন্তর্জাতিক শহীদ মিনার নির্মিত হয়। B) যুক্তরাষ্ট্রে — যুক্তরাষ্ট্রে শহীদ মিনার থাকলেও এটি বাংলাদেশের বাইরে প্রথম স্থাপিত শহীদ মিনার নয়। C) ভারতে — ভারতের বিভিন্ন স্থানে শহীদ মিনার থাকলেও এটি বাংলাদেশের বাইরে প্রথম নির্মিত শহীদ মিনার হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) পাকিস্তানে — তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে শহীদ মিনার নির্মিত হলেও তা বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে ছিল না এবং এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাঙালিরা প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করে, তাই উত্তর হবে যুক্তরাজ্য।
a ড. কুদরত-ই-খুদা
b কাজী মোতাহার হোসেন
c জামাল নজরুল ইসলাম
d অতীশ দীপংকর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জামাল নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ছিলেন যিনি মহাজাগতিক বিষয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. কুদরত-ই-খুদা — তিনি রসায়ন শাস্ত্রে গবেষণা ও দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিখ্যাত ছিলেন। B) কাজী মোতাহার হোসেন — তিনি মূলত পরিসংখ্যানবিদ এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। C) জামাল নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অতীশ দীপংকর — তিনি পাল যুগের একজন প্রাচীন বৌদ্ধ পন্ডিত ও দার্শনিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ ও কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণার কথা এলেই বিখ্যাত বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলামের নাম মনে রাখতে হবে।
a গুটিপোকা ও রেশম
b মৌমাছি ও মধু
c মৎস্য চাষ
d তামাক চাষ
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৌমাছি ও মধু কেন সঠিক: - এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন এবং এর মাধ্যমে মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া। - এটি মূলত বাণিজ্যিক ও কৃষিভিত্তিক মৌমাছি চাষের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুটিপোকা ও রেশম — গুটিপোকা ও রেশম চাষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদ্যাকে সেরিকালচার বলা হয়। B) মৌমাছি ও মধু — এটি এপিকালচার হিসেবে পরিচিত এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) মৎস্য চাষ — মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যাকে পিসিকালচার বা অ্যাকুাকালচার বলা হয়। D) তামাক চাষ — এটি কৃষির একটি বিশেষ ফসল উৎপাদনের অংশ, যার জন্য নির্দিষ্ট কোনো বৈজ্ঞানিক বিশেষায়িত নাম নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি এপি (Api) শব্দের সঙ্গে কালচার যুক্ত হয়ে এপিকালচার হয়েছে, যেখানে এপি শব্দটি মৌমাছির খামার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

মোট প্রশ্ন (14)

a ৪০ সেঃমিঃ
b ১৬০ সেঃমিঃ
c ৮০ সেঃমিঃ
d ০ সেঃমিঃ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০ সেঃমিঃ ১. কেন সঠিক: - সমতল আয়নার ক্ষেত্রে বস্তু আয়নার দিকে যত দূরত্ব অতিক্রম করে, প্রতিবিম্বও আয়নার দিকে ঠিক তত দূরত্বই এগিয়ে আসে। - বস্তুটি ৪ সেকেন্ডে লম্ব বরাবর মোট দূরত্ব অতিক্রম করে ১০ সেঃমিঃ প্রতি সেকেন্ড গুণ ৪ সেকেন্ড সমান ৪০ সেন্টিমিটার। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সমতল আয়নায় বস্তুর দূরত্ব এবং প্রতিবিম্বের দূরত্ব সবসময় সমান হয়। - কার্যপ্রণালি: বস্তু যদি আয়নার দিকে ভি বেগে চলে, তবে প্রতিবিম্বও আয়নার দিকে ভি বেগে এগিয়ে আসে। ফলে বস্তু ও প্রতিবিম্বের মধ্যকার আপেক্ষিক বেগ হয় দ্বিগুণ অর্থাৎ টুভি। - হিসাব: ৪ সেকেন্ডে বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্ব সমান ১০ সেঃমিঃ গুণ ৪ সমান ৪০ সেঃমিঃ। আয়না থেকে বস্তুর নতুন দূরত্ব এবং আয়না থেকে প্রতিবিম্বের নতুন দূরত্ব উভয়ই সমান। তাই বস্তু ও প্রতিবিম্বের মোট দূরত্ব সমান ৪০ সেন্টিমিটার যোগ ৪০ সেন্টিমিটার সমান ৮০ সেন্টিমিটার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে হাত এগিয়ে দিলে প্রতিবিম্বও আয়নার ভেতর থেকে আপনার দিকে এগিয়ে আসে। ব্যাখ্যা: এতে বোঝা যায় বস্তু ও প্রতিবিম্ব সর্বদা আয়না থেকে সমান দূরত্ব বজায় রেখে বিপরীত দিক থেকে গতিশীল থাকে। উদাহরণ ২: চলন্ত গাড়ির সাইড ভিউ আয়নায় পেছনের গাড়ি দেখতে পাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি আলোর প্রতিফলন এবং সমতল বা উত্তল আয়নার দূরত্ব সম্পর্কিত প্রতিবিম্বের নিয়মিত গাণিতিক নিয়মের বাস্তব প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ সেঃমিঃ — এটি কেবল বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্ব, বস্তু ও প্রতিবিম্বের মোট ব্যবধান নয়। B) ১৬০ সেঃমিঃ — এটি দ্বিগুণ দূরত্বের হিসাব ভুলভাবে চারগুণ করে বের করা হয়েছে। D) ০ সেঃমিঃ — বস্তুটি স্থির না থেকে গতিশীল থাকায় দূরত্ব শূন্য হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আয়না সম্পর্কিত গতিশীল বস্তুর দূরত্ব বের করতে হলে সবসময় বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্বকে দুই দিয়ে গুণ করতে হয়। - মনে রাখবেন, বস্তু এক ধাপ এগোলে প্রতিবিম্বও এক ধাপ এগিয়ে আসে, তাই মাঝখানের দূরত্ব দুই ধাপ কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের গাণিতিক সমস্যা প্রায়ই আসে। - এই একই ধারণা থেকে বেগ বা সময় পরিবর্তনের মাধ্যমে আরও নতুন এমসিকিউ প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
a অভিশ্রুতি
b অপিনিহিতি
c সমীভবন
d স্বরসঙ্গতি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বরসঙ্গতি ১. কেন সঠিক: একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দের অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে তার প্রভাবে প্রভাবিত বা সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ার প্রক্রিয়াকে স্বরসঙ্গতি বলে। শব্দ উচ্চারণের সময় মুখবিবরের বিভিন্ন অঙ্গের সাচ্ছন্দ্য এবং ভাষার সহজীকরণের স্বাভাবিক প্রবণতা থেকেই এই ধ্বনিগত রূপান্তর ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: স্বরসঙ্গতি হলো দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনির পারস্পরিক প্রভাবে শব্দের মধ্যে স্বরসাম্য রক্ষা করার একটি স্বতঃস্ফূর্ত ভাষাতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া। কার্যপ্রণালি: শব্দ উচ্চারণের সময় জিহ্বা এবং ঠোঁটের অবস্থানের সুবিধার জন্য একটি স্বরের প্রভাবে অন্য স্বরটি পরিবর্তিত হয়ে পূর্ববর্তী বা পরবর্তী স্বরের কাছাকাছি বা একই রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলাতি থেকে বিলিতি। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম ই কারের প্রভাবে পরবর্তী আ কার পরিবর্তিত হয়ে ই কারে রূপান্তরিত হয়েছে এবং দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি সুষম রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: দেশি থেকে দিশি। ব্যাখ্যা: এই শব্দে আগের এককারের প্রভাবে পরবর্তী ই কারের কোনো পরিবর্তন না হলেও উচ্চারণের গতিশীলতার কারণে আদি স্বর পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক ধ্বনিসাম্য তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ই কার বা উ কার আগের স্বরের সাথে মিলে গেলে এবং তার আগের স্বরের পরিবর্তন ঘটালে তাকে অভিশ্রুতি বলে। B) অপিনিহিতি — যুক্তব্যঞ্জনবর্ণের আগে ই কার বা উ কার উচ্চারিত হওয়ার আগেই তা উচ্চারণ করাকে অপিনিহিতি বলা হয়। C) সমীভবন — দুটি ভিন্ন ধ্বনির একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমীভবন বলা হয়। D) স্বরসঙ্গতি — একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটার সঠিক বৈজ্ঞানিক ও ভাষাতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বরসঙ্গতি মনে রাখার সহজ উপায় হলো স্বরের সাথে স্বরের মিল বা সংগতি খোঁজা। শব্দে একই ধরনের স্বরের উপস্থিতি বা একটির প্রভাবে অন্যের পরিবর্তনই এই নিয়মের মূল ভিত্তি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি পরিবর্তন অধ্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়ই পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রশ্ন। এই ধারণা থেকে বিভিন্ন শব্দের উদাহরণ দিয়ে কোনটি কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন তা শনাক্ত করার প্রশ্ন আসতে পারে।
a অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ এবং চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ
b চুল্লির কেন্দ্রে উৎপন্ন তাপ স্থানান্তর করে শীতল করা
c দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো
d ক্ষতিকারক গামা বিকিরণ থেকে সুরক্ষা প্রদান
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো ১. কেন সঠিক: পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াসে আঘাত করার জন্য নিউট্রনের গতি কমানো প্রয়োজন হয়। দ্রুতগতির নিউট্রন সরাসরি ফিশন ঘটাতে পারে না, তাই মডারেটর এদের গতি কমিয়ে থার্মাল নিউট্রনে পরিণত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে নিউক্লীয় ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়। কার্যপ্রণালি: ফিশনের ফলে উৎপন্ন নিউট্রনগুলোর গতি অত্যন্ত বেশি থাকে, যা মডারেটর পদার্থের অণুর সঙ্গে সংঘর্ষের মাধ্যমে গতি হারায়। বাস্তব প্রয়োগ: গ্রাফাইট বা ভারী জল মডারেটর হিসেবে ব্যবহার করে নিউট্রনের গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলিয়ার্ড খেলায় একটি দ্রুতগতির বল অন্য বলকে আঘাত করলে তার গতি কমে যায়। ব্যাখ্যা: এই সংঘর্ষের প্রক্রিয়ায় গতিশক্তি স্থানান্তরিত হয়, যা পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটরের কাজের সঙ্গে তুলনীয়। উদাহরণ ২: ভারী জলের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: ক্যান্ডু চুল্লিতে ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড মডারেটর হিসেবে নিউট্রনের গতি কমিয়ে ফিশন প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ এবং চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ — এটি কন্ট্রোল রড বা নিয়ন্ত্রণ ১ এর কাজ, মডারেটরের কাজ নয়। B) চুল্লির কেন্দ্রে উৎপন্ন তাপ স্থানান্তর করে শীতল করা — এটি কুল্যান্ট বা শীতলকারকের কাজ, মডারেটরের কাজ তাপ স্থানান্তর করা নয়। C) দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো — এটি সঠিক উত্তর। D) ক্ষতিকারক গামা বিকিরণ থেকে সুরক্ষা প্রদান — এটি চুল্লির চারপাশে থাকা ভারী শিল্ড বা কংক্রিটের দেয়ালের কাজ। ৫. মনে রাখার টিপস: মডারেটর মানে মডারেট বা নিয়ন্ত্রণ করা, অর্থাৎ নিউট্রনের অতিরিক্ত গতি কমিয়ে তাকে শান্ত বা মডারেট করে। কন্ট্রোল রড শোষণ করে আর মডারেটর শুধু গতি কমায়, এই দুটি বিষয় আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারমাণবিক চুল্লিতে সাধারণত গ্রাফাইট, সাধারণ জল বা ভারী জল মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য পরীক্ষায় প্রায়শই মডারেটর এবং কন্ট্রোল রডের কাজের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a Ni-Cd ব্যাটারির তুলনায় এদের শক্তির ঘনত্ব বেশি
b এতে লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড ক্যাথোড ব্যবহার করা হয়
c মেমোরি ইফেক্ট' এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয়
d এখানে অতিরিক্ত চার্জিং-এর ফলে আগুন লাগতে পারে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেমোরি ইফেক্ট এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয় ১. কেন সঠিক: - লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে মেমোরি ইফেক্ট বা স্মৃতি প্রভাব কাজ করে না, তাই এদের ব্যবহারের আগে সম্পূর্ণ ডিসচার্জ করার কোনো প্রয়োজন নেই। - ব্যাটারি পুরোপুরি খালি না করেই পুনরায় চার্জ করা যায় এবং এতে ব্যাটারির সামগ্রিক ধারণক্ষমতা কমে যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মেমোরি ইফেক্ট এমন একটি সমস্যা যেখানে কিছু ব্যাটারি আংশিক চার্জ অবস্থায় বারবার চার্জ দিলে তাদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। - কার্যপ্রণালি: লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ভেতরে লিথিয়াম আয়ন গ্রাফাইট অ্যানোড এবং মেটাল অক্সাইড ক্যাথোডের মাঝে যাতায়াত করে এবং এতে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক স্ফটিক তৈরি হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক স্মার্টফোন এবং ল্যাপটপ ব্যাখ্যা: আমরা প্রতিদিন মোবাইল বা ল্যাপটপের ব্যাটারি সম্পূর্ণ শেষ না করেই বারবার চার্জ করি এবং এতে ব্যাটারির স্থায়িত্ব নষ্ট হয় না। উদাহরণ ২: ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যাখ্যা: বৈদ্যুতিক গাড়িতে ব্যবহৃত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি যেকোনো শতাংশে চার্জে লাগানো যায় কারণ মেমোরি ইফেক্ট এদের প্রভাবিত করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ni-Cd ব্যাটারির তুলনায় এদের শক্তির ঘনত্ব বেশি — এই বিবৃতিটি সত্য কারণ নিকেল-ক্যাডমিয়াম ব্যাটারির তুলনায় লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে অনেক বেশি শক্তি সঞ্চয় করা যায়। B) এতে লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড ক্যাথোড ব্যবহার করা হয় — এই বিবৃতিটি সত্য কারণ সাধারণ ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসে ব্যবহৃত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে এই উপাদান ক্যাথোড হিসেবে থাকে। C) মেমোরি ইফেক্ট এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয় — এটি মিথ্যা বিবৃতি এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) এখানে অতিরিক্ত চার্জিং-এর ফলে আগুন লাগতে পারে — এই বিবৃতিটি সত্য কারণ লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে অতিরিক্ত চার্জ বা শর্টসার্কিট হলে তাপ উৎপন্ন হয়ে আগুন ধরতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি মানেই আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি, যেখানে মেমোরি ইফেক্ট বা স্মৃতি প্রভাবের কোনো স্থান নেই। - এগুলোকে যখন খুশি চার্জ করা যায়, সম্পূর্ণ খালি করার কোনো প্রয়োজন হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাটারির শক্তির ঘনত্ব এবং মেমোরি ইফেক্ট সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - নিকেল-ক্যাডমিয়াম ব্যাটারিতে মেমোরি ইফেক্ট দেখা যায় কিন্তু লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে তা দেখা যায় না, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
a এটি উৎপাদন করা সস্তা
b এতে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয়
c এটি সংরক্ষণ এবং পরিবহন করা সহজ
d প্রতি একক আয়তনে এর শক্তি ঘনত্ব বেশি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এতে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয় ১. কেন সঠিক: - গ্রীন-হাইড্রোজেন উৎপাদনের সময় কোনো ধরনের কার্বন ডাই-অক্সাইড বা গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয় না। - এটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয় বলে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে এটি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি যেমন সৌর বা বায়ুবিদ্যুৎ ব্যবহার করে পানির তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গ্রীন-হাইড্রোজেন উৎপাদন করা হয়। - কার্যপ্রণালি: এই প্রক্রিয়ায় পানি ভেঙে অক্সিজেন এবং হাইড্রোজেন আলাদা করা হয় এবং সম্পূর্ণ পদ্ধতিটি দূষণমুক্ত থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: শিল্পকারখানা, ভারী পরিবহন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌরবিদ্যুৎ চালিত ইলেকট্রোলাইজার ব্যবহার করে পানি থেকে গ্রীন-হাইড্রোজেন উৎপাদন করা। ব্যাখ্যা: এখানে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার না করায় কোনো কার্বন নিঃসরণ ঘটে না এবং প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার থাকে। উদাহরণ ২: হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলচালিত বাস বা গাড়ি। ব্যাখ্যা: এই বাহনগুলো জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন ব্যবহার করে এবং ধোঁয়ার পরিবর্তে কেবল জলীয় বাষ্প নির্গমন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটি উৎপাদন করা সস্তা — গ্রীন-হাইড্রোজেন উৎপাদন প্রক্রিয়া বেশ ব্যয়বহুল কারণ এতে উন্নত প্রযুক্তি এবং বেশি পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। B) এতে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই পদ্ধতিতে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না। C) এটি সংরক্ষণ এবং পরিবহন করা সহজ — হাইড্রোজেনের ঘনত্ব খুব কম হওয়ায় এটি সংরক্ষণ ও পরিবহন করা অত্যন্ত কঠিন এবং জটিল। D) প্রতি একক আয়তনে এর শক্তি ঘনত্ব বেশি — ওজনের তুলনায় হাইড্রোজেনের শক্তি বেশি হলেও প্রতি একক আয়তনে এর শক্তি ঘনত্ব কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - নামের রঙের সঙ্গে পরিবেশের মিল মনে রাখবে। গ্রীন মানে সবুজ বা পরিবেশবান্ধব, তাই এতে কার্বন থাকে না। আর গ্রে বা ধূসর মানে জীবাশ্ম জ্বালানি ভিত্তিক, যা কার্বন ছড়ায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাইড্রোজেন শক্তির রংভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ এবং কার্বন নিঃসরণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - গ্রে-হাইড্রোজেন প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে উৎপন্ন হয় এবং এতে প্রচুর কার্বন নির্গত হয়, যা গ্রীন-হাইড্রোজেনের বিপরীত।
a হোল
b ইলেকট্রন
c প্রোটন
d আয়ন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইলেকট্রন ১. কেন সঠিক: - NPN ট্রানজিস্টরে ইমিটার বা নিঃসারক থেকে পরিবাহীতে প্রধানত ইলেকট্রন সরবরাহ করা হয়। - ট্রানজিস্টরের মূল কার্যকারিতা এই মুক্ত ইলেকট্রনের প্রবাহের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ট্রানজিস্টর হলো একটি অর্ধপরিবাহী ডিভাইস যা বিবর্ধক বা সুইচ হিসেবে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: NPN ট্রানজিস্টরে দুটি এন টাইপ অর্ধপরিবাহীর মাঝে একটি পি টাইপ বেস বা ভিত্তি থাকে, যেখানে এন টাইপ অংশে ইলেকট্রন বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের প্রসেসর ব্যাখ্যা: প্রসেসরের ভেতরে কোটি কোটি ট্রানজিস্টর সুইচ হিসেবে কাজ করে ডেটা প্রক্রিয়া করে। উদাহরণ ২: অডিও অ্যামপ্লিফায়ার ব্যাখ্যা: অ্যামপ্লিফায়ারে ট্রানজিস্টর ছোট শব্দ সংকেতকে বড় ও জোরালো শব্দে রূপান্তর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হোল — হোল হলো পিএনপি ট্রানজিস্টরের প্রধান চার্জ বাহক। B) ইলেকট্রন — এটি সঠিক কারণ NPN ট্রানজিস্টরে এন টাইপ অংশ বেশি থাকে। C) প্রোটন — প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে এবং এটি তড়িৎ পরিবহনে অংশ নেয় না। D) আয়ন — আয়ন হলো চার্জযুক্ত পরমাণু যা অর্ধপরিবাহীর মধ্য দিয়ে মুক্তভাবে চলাচল করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - এনপিএন মানে নেগেটিভ, পজিটিভ, নেগেটিভ এবং নেগেটিভ মানেই হলো ইলেকট্রন। - এভাবে সহজেই মনে রাখা যায় যে NPN ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন প্রধান ভূমিকা পালন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ট্রানজিস্টরের চার্জ বাহক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পিএনপি ট্রানজিস্টরে প্রধান চার্জ বাহক কী, এই প্রশ্নটি এর বিকল্প হিসেবে পরীক্ষায় আসতে পারে।
a মেরু অঞ্চল
b নিরক্ষীয় অঞ্চল
c একটি পাহাড়ের চূড়ায়
d পৃথিবীর কেন্দ্রে
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেরু অঞ্চল ১. কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুবীয় অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত। - কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি হয় এবং ওজনও সর্বাধিক হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বস্তুর ওজন হলো ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফল, যা ডব্লিউ সমান এম গুণ জি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। - সূত্র বা তত্ত্ব: নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী অভিকর্ষজ ত্বরণ জি সমান মহাকর্ষীয় ধ্রুবক গুণ পৃথিবীর ভর ভাগ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের বর্গ। - কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর ব্যাসার্ধ মেরু অঞ্চলে কম হওয়ায় ব্যাসার্ধের বর্গের মান কমে যায় এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বৃদ্ধি পায়। - বাস্তব প্রয়োগ: মেরু অঞ্চলে কোনো বস্তুর ওজন মাপলে যে পাঠ পাওয়া যায়, বিষুব অঞ্চলে গেলে সেই একই বস্তুর ওজন কিছুটা কম মনে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলে ১০০ কেজি ভরের কোনো বস্তুর ওপর মহাকর্ষীয় টান বিষুব অঞ্চলের তুলনায় কিছুটা বেশি অনুভূত হয়। ব্যাখ্যা: ব্যাসার্ধ কম থাকায় মেরুতে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান প্রায় ৯ দশমিক ৮৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড স্কয়ার হয়। উদাহরণ ২: একটি স্প্রিং তুলাযন্ত্রে কোনো বস্তুকে ঝুলিয়ে মেরু থেকে বিষুব অঞ্চলে নিয়ে গেলে কাঁটা একটু নিচের দিকে নেমে আসে। ব্যাখ্যা: স্থান পরিবর্তনের কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যাওয়ায় বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেরু অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সর্বনিম্ন এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বোচ্চ। B) নিরক্ষীয় অঞ্চল — এই অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বনিম্ন হয় এবং ওজনও কম হয়। C) একটি পাহাড়ের চূড়ায় — পাহাড়ের চূড়া ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত হওয়ায় কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়ে এবং ওজন হ্রাস পায়। D) পৃথিবীর কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় সেখানে কোনো বস্তুর ওজনও শূন্য হয়ে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেরু অঞ্চল ছোট তাই জোর বা বল বেশি, এই কথাটি মনে রাখলে সহজে ওজন বেশি কোথায় তা মনে রাখা যায়। - বিষুব অঞ্চলে পৃথিবী মোটা বা চওড়া তাই সেখানে দূরত্ব বেশি এবং ওজন কম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাকর্ষীয় ত্বরণ এবং ওজনের তারতম্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - মনে রাখতে হবে বস্তুর ভর সব স্থানে ধ্রুবক থাকলেও স্থানভেদে ওজনের পরিবর্তন ঘটে।
a লিগনিন
b রেজিন
c হেমি সেলুলোজ
d সেলুলোজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেলুলোজ ১. কেন সঠিক: - সেলুলোজ হলো উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরের মূল উপাদান যা কাগজ তৈরিতে ব্যবহৃত প্রধান রাসায়নিক যৌগ হিসেবে কাজ করে। - উদ্ভিদ কোষের তন্তুকে প্রক্রিয়াজাত করে কাগজ তৈরি করা হয় বলে সেলুলোজ কাগজের মৌলিক ভিত্তি গঠন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সেলুলোজ হলো গ্লুকোজের একটি দীর্ঘ শৃঙ্খল বা পলিমার যা হাজার হাজার বিটা ডি গ্লুকোজ অণু নিয়ে গঠিত। - রাসায়নিক গঠন: এর রাসায়নিক সংকেত হলো সি সিক্স এইচ টেন ও ফাইভ হোল এন, যেখানে এটি কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন দ্বারা গঠিত। - কার্যপ্রণালি: গাছ থেকে কাঠ সংগ্রহ করে তা থেকে লিগনিন ও অন্যান্য উপাদান আলাদা করে সেলুলোজ তন্তু দিয়ে কাগজ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুলা থেকে তৈরি কাগজ ব্যাখ্যা: তুলায় প্রায় নব্বই শতাংশ সেলুলোজ থাকে, যা দিয়ে অত্যন্ত টেকসই ও উন্নত মানের ব্যাংক নোট বা দলিলপত্র তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: বাঁশ বা কাঠ থেকে পেপার মিলের কাগজ ব্যাখ্যা: বাঁশ ও কাঠের মণ্ড থেকে সেলুলোজ তন্তু আলাদা করে আমাদের দৈনন্দিন লেখার খাতা বা বইয়ের কাগজ প্রস্তুত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিগনিন — এটি উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরকে শক্ত ও কাঠিন্য প্রদানকারী পলিমার, যা কাগজ তৈরিতে অপসারিত করা হয়। B) রেজিন — এটি উদ্ভিদের এক ধরণের চটচটে আঠালো পদার্থ, যা কাগজ তৈরির প্রধান রাসায়নিক উপাদান নয়। C) হেমি সেলুলোজ — এটি উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরের একটি উপাদান হলেও এটি সেলুলোজের মতো প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে না। D) সেলুলোজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাগজ তৈরির প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো এই সেলুলোজ তন্তু। ৫ মনে রাখার টিপস: - গাছের সেলুলোজ দিয়েই কাগজ তৈরি হয়, তাই মনে রাখতে হবে গাছ মানেই সেলুলোজ আর সেলুলোজ মানেই কাগজ। - উদ্ভিদ কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান সেলুলোজ, যা আমাদের লেখার কাগজ তৈরিতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিদের কোষ প্রাচীর কি দিয়ে গঠিত এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর সেলুলোজ। - তুলার মধ্যে সেলুলোজের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে, যা এই ধরণের পরীক্ষায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a শৈবাল
b ছত্রাক
c ভাইরাস
d ব্যাকটেরিয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাইরাস ১. কেন সঠিক: ভাইরাসের দেহে কোনো কোষীয় গঠন নেই, তাই এতে নিউক্লিয়াস বা সাইটোপ্লাজম থাকে না। এটি মূলত প্রোটিন আবরণে ঘেরা জিনগত উপাদান যা জীবদেহের বাইরে জড় বস্তুর মতো থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভাইরাস হলো অকোষীয় অণুজীব যা কোষের মৌলিক উপাদান যেমন নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ও কোষঝিল্লি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। কার্যপ্রণালি: জীবদেহের বাইরে ভাইরাস সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থাকে কিন্তু পোষক কোষের ভেতরে প্রবেশ করে নিজ নজির তৈরি করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তামাক গাছের মোজাইক ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের কোষে আক্রমণ করে রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু এর নিজস্ব কোনো বিপাকীয় সাইটোপ্লাজম নেই। উদাহরণ ২: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের কোষে বংশবৃদ্ধি করে কিন্তু স্বাধীনভাবে বাঁচার জন্য কোনো কোষীয় অঙ্গাণু বহন করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈবাল — শৈবাল হলো সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ যাদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমযুক্ত প্রকৃত কোষ থাকে। B) ছত্রাক — ছত্রাক ইউক্যারিওটিক বা প্রকৃত কোষী জীব, এদের কোষে সুনির্দিষ্ট নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম উপস্থিত। C) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভাইরাসের দেহে কোনো নিউক্লিয়াস বা সাইটোপ্লাজম থাকে না। D) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া প্রোক্যারিওটিক বা আদি কোষী জীব হলেও এদের কোষে সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লয়েড বা আদি নিউক্লিয়াস থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাইরাস হলো একমাত্র অকোষীয় জীব, যার ভেতর কোষের মৌলিক উপাদান অর্থাৎ নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম থাকে না। জীবজগতের বাইরে ভাইরাস জড় পদার্থের মতো আচরণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন অণুজীবটি অকোষীয়। মনে রাখবে ভাইরাস হলো প্রকৃত কোষী নয় বরং অকোষীয় কণা।
a উচ্চ তাপ বিকিরণ এবং খাদ্য কণাগুলোতে পরিবহন
b খাদ্য কণাগুলোতে ইনফ্রা-রেড বিকিরণ এবং শোষণ
c পানির অণুগুলোর ইনডাকশন হিটিং
d ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার গরম করার মূল কারণ হলো তড়িৎক্ষেত্রের দ্রুত পরিবর্তনের ফলে পানির অণুগুলোর ক্রমাগত দিক পরিবর্তন বা ঘূর্ণন। - খাদ্যের মধ্যে থাকা পোলার অণুগুলো (বিশেষ করে পানির অণু) মাইক্রোওয়েভের উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির তড়িৎ চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সাথে প্রতি সেকেন্ডে শত কোটি বার নিজেদের দিক পরিবর্তন করে ঘর্ষণের মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির তড়িৎ চৌম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে অন্তরক বা পোলার পদার্থের ভেতরের অণুগুলোকে উত্তপ্ত করা হয়। - কার্যপ্রণালি: মাইক্রোওয়েভ ওভেনে প্রায় দুই হাজার চারশ পঞ্চাশ মেগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সির মাইক্রোওয়েভ তৈরি করা হয় যা খাবারের ভেទরে প্রবেশ করে পানির অণুগুলোকে প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বার ঘুরাতে শুরু করে। - বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রযুক্তির সাহায্যে খুব কম সময়ে খাবারের ভেতরের অংশ সমানভাবে গরম করা সম্ভব হয় কারণ মাইক্রোওয়েভ সরাসরি খাবারের ভেতরের পানির অণুকে লক্ষ্য করে তাপ উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভেজা হাতে বৈদ্যুতিক সুইচ ধরতে গেলে তড়িৎ প্রবাহের ফলে বিপদের সৃষ্টি হয় কারণ পানির অণু বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি করে। ব্যাখ্যা: পানির অণুর মেরুবর্তী প্রকৃতির কারণে এটি তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের সাথে অত্যন্ত দ্রুত সাড়া দেয় এবং তাপশক্তি উৎপন্ন করতে পারে। উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেনে প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার গরম করা গেলেও শুকনো মুড়ি বা বিস্কুট গরম হয় না। ব্যাখ্যা: শুকনো খাবারে পানির পরিমাণ কম থাকে বলে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে ঘটে না এবং খাবার গরম হতে চায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উচ্চ তাপ বিকিরণ এবং খাদ্য কণাগুলোতে পরিবহন — ওভেনের কাজ তাপ বিকিরণ করে খাবার গরম করা নয় বরং তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ সরাসরি খাবারের ভেতরের অণুকে উত্তেজিত করা। B) খাদ্য কণাগুলোতে ইনফ্রা-রেড বিকিরণ এবং শোষণ — ইনফ্রা-রেড বিকিরণ সাধারণ বৈদ্যুতিক ওভেন বা গ্রিলারে ব্যবহৃত হয় কিন্তু মাইক্রোওয়েভ ওভেনে মাইক্রোওয়েভ বা রেডিও তরঙ্গের উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হয়। C) পানির অণুগুলোর ইনডাকশন হিটিং — ইনডাকশন হিটিং মূলত তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে কেবল ধাতব পাত্র গরম করার জন্য ব্যবহৃত হয় যা মাইক্রোওয়েভের কার্যনীতি নয়। D) ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং — এটি সঠিক কারণ তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে পানির অণুগুলোর দ্রুত ঘূর্ণন ও ঘর্ষণের মাধ্যমেই খাবার গরম হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইক্রোওয়েভ ওভেন মানেই পানির অণুর ঘূর্ণন এবং ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং প্রক্রিয়া। - মনে রাখবে ওভেনের তরঙ্গ খাবারের ভেতরের জলীয় অংশকে কাঁপায় এবং ঘর্ষণের ফলে তাপ তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ফ্রিকোয়েন্সি সাধারণত দুই হাজার চারশ পঞ্চাশ মেগাহার্জ হয়ে থাকে যা পানির অণুর সাথে সবচেয়ে ভালো অনুরণন তৈরি করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়, যার উত্তর হবে রেডিও তরঙ্গ বা মাইক্রোওয়েভ।
a জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্থবিরতা সত্ত্বেও জিডিপির দ্রুত প্রবৃদ্ধি
b শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা
c রেমিট্যান্স বৃদ্ধি কিন্তু শ্রম অভিবাসন হ্রাস
d রপ্তানি বৃদ্ধি কিন্তু শিল্পায়ন কমে যাওয়া
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি মূলত রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি এবং উন্নয়ন বিজ্ঞানের কাঠামোগত বিশ্লেষণের অন্তর্গত। - দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয় বাড়লেও দুর্নীতি, বিচারহীনতা ও সুশাসনের অভাবে টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সামষ্টিক অর্থনীতি হলো জাতীয় উৎপাদন, আয় ও মুদ্রাস্ফীতির সামগ্রিক হিসাব। - কারণ ও ফলাফল: অর্থনৈতিক সূচক উন্নত হলেও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কারণে সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছায় না। - বাস্তব প্রয়োগ: বড় বড় অবকাঠামো নির্মিত হলেও সেবা খাতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা থেকে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে বড় বড় সেতু ও এক্সপ্রেসওয়ে নির্মিত হলেও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি দূর হয় না। ব্যাখ্যা: এটি শারীরিক অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার বৈপরীত্য নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: বাজেট বা জিডিপির আকার বাড়লেও কর আহরণে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা থাকে না। ব্যাখ্যা: এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার অমিল বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্থবিরতা সত্ত্বেও জিডিপির দ্রুত প্রবৃদ্ধি — এটি উন্নয়ন অর্জনের একটি ইতিবাচক দিক, কাঠামোগত কোনো সাংঘাতিক বৈপরীত্য নয়। B) শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা — এটি সঠিক এবং উন্নয়ন ধারার মূল কাঠামোগত সংকট। C) রেমিট্যান্স বৃদ্ধি কিন্তু শ্রম অভিবাসন হ্রাস — এই তথ্যটি বাস্তবসম্মত নয় কারণ অভিবাসী শ্রমিক বাড়লেই সাধারণত রেমিট্যান্স বাড়ে। D) রপ্তানি বৃদ্ধি কিন্তু শিল্পায়ন কমে যাওয়া — রপ্তানি বাড়লে দেশের শিল্পায়নও সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পায়, তাই এটি সাংঘর্ষিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্থনীতি ভালো কিন্তু শাসনব্যবস্থা খারাপ, এই দুটি মিলিয়েই উন্নয়ন ধারার প্রধান বৈপরীত্য মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসন ও অর্থনীতির সম্পর্ক নিয়ে প্রায়ই এই ধরনের বিশ্লেষণমূলক প্রশ্ন আসে।
a অবলোহিত অঞ্চল
b দৃশ্যমান এবং নিকট- অবলোহিত অঞ্চল
c অতিবেগুনি এবং দৃশ্যমান অঞ্চল
d এক্স-রে এবং গামা-রে অঞ্চল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অবলোহিত অঞ্চল ১. কেন সঠিক: - জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মূলত অবলোহিত বা ইনফ্রারেড অঞ্চলে মহাবিশ্ব দেখার জন্য তৈরি করা হয়েছে। - মহাবিশ্বের অতি দূরের গ্যালাক্সি বা নক্ষত্র থেকে আসা আলো দীর্ঘ যাত্রায় লাল বিচ্যুতি বা রেডশিফটের শিকার হয়ে অবলোহিত আলোতে রূপান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎ-চুম্বকীয় বর্ণালীর অবলোহিত অংশ হলো সেই বিকিরণ যা দৃশ্যমান আলোর চেয়ে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কিন্তু মাইক্রোওয়েভের চেয়ে ছোট। - কার্যপ্রণালি: এই টেলিস্কোপের একটি বিশাল স্বর্ণের প্রলেপযুক্ত আয়না এবং বিশেষ শীতলীকরণ যন্ত্র রয়েছে যা মহাজাগতিক ধূলিকণা ভেদ করে প্রাচীন গ্যালাক্সির ছবি তুলতে সাহায্য করে। - বাস্তব প্রয়োগ: ইনফ্রারেড প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নাইট ভিশন ক্যামেরা এবং থার্মোমিটারে তাপীয় বিকিরণ শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতের সকালে কুয়াশা ভেদ করে দূরের বস্তু দেখার জন্য ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে অবলোহিত আলো ধূলিকণা ও কুয়াশা ভেদ করতে দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বেশি পটু। উদাহরণ ২: টেলিভিশন রিমোট কন্ট্রোল থেকে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: এই অদৃশ্য তরঙ্গ মাধ্যম ভেদ করে নির্দিষ্ট যন্ত্রে বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবলোহিত অঞ্চল — এই অপশনটি সঠিক কারণ জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ প্রধানত ইনফ্রারেড বা অবলোহিত তরঙ্গ দীর্ঘতা পর্যবেক্ষণে পারদর্শী। B) দৃশ্যমান এবং নিকট- অবলোহিত অঞ্চল — হাবল স্পেস টেলিস্কোপ প্রধানত দৃশ্যমান এবং অতিবেগুনি অঞ্চলে কাজ করে, তাই এটি জেমস ওয়েবের মূল লক্ষ্য নয়। C) অতিবেগুনি এবং দৃশ্যমান অঞ্চল — এই বর্ণালী অঞ্চলের পর্যবেক্ষণের জন্য গ্যালাক্স এক্সপ্লোরার বা হাবল টেলিস্কোপ ডিজাইন করা হয়েছিল। D) এক্স-রে এবং গামা-রে অঞ্চল — চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরি বা ফার্মি গামা-রিস স্পেস টেলিস্কোপ এই উচ্চ শক্তির রশ্মি নিয়ে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মানেই ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো, যা প্রাচীন মহাবিশ্বের ইতিহাস খুঁজতে সাহায্য করে। - হাবল দেখে দৃশ্যমান আলো আর জেমস ওয়েব দেখে ইনফ্রারেড আলো, এই পার্থক্য মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণ করা হয় ২০২১ সালের ২৫শে ডিসেম্বর এবং এটি নাসা, ইসা ও সিএসএ এর যৌথ প্রকল্প। - মহাকাশ গবেষণায় আলোর রেডশিফট বা লাল বিচ্যুতি এবং অবলোহিত রশ্মির ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a তরুণাস্থি
b আরিউলার টিস্যু
c টেণ্ডন
d লিগামেন্ট
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টেণ্ডন ১. কেন সঠিক: টেণ্ডন হলো এক ধরণের শক্তিশালী ও অশ্বচ্ছ শ্বেত তন্তুময় সংযোজক টিস্যু। এটি মূলত পেশীকে হাড়ের সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত করে যাতে সঞ্চালন সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মাসকুলোস্কেলেটাল সিস্টেমের অংশ হিসেবে পেশী ও কঙ্কালের সংযোগ রক্ষা করা এই টিস্যুর প্রধান কাজ। এটি সংকোচনশীল নয়, তবে অত্যন্ত টান সহনশীল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের হাতের বাইসেপ পেশী যখন হাড়ের সাথে কাজ করে তখন হাতের কনুই বাঁকানো সম্ভব হয়। এই সংযোগটি টেণ্ডন দ্বারা সাধিত হয়। ব্যাখ্যা: পেশী সংকুচিত হলে টেণ্ডনের মাধ্যমে সেই বল হাড়ের ওপর স্থানান্তরিত হয় এবং হাড় নড়াচড়া করে। উদাহরণ ২: পায়ের গোড়ালির অ্যাকিলিস টেণ্ডন বা গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস পেশীকে ক্যালকানিয়াস হাড়ের সাথে যুক্ত করে। ব্যাখ্যা: হাঁটা, দৌড়ানো বা লাফানোর সময় এই টেণ্ডন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরুণাস্থি — এটি এক ধরণের নরম ও নমনীয় সংযোজক টিস্যু যা হাড়ের সংযোগস্থলে কুশন হিসেবে কাজ করে এবং নাক বা কানের গঠন বজায় রাখে। B) আরিউলার টিস্যু — এটি শরীরের অঙ্গগুলির মাঝে ফাঁকা স্থান পূর্ণ করে এবং ত্বকের নিচে অঙ্গসমূহকে ধরে রাখে। D) লিগামেন্ট — এটি এমন এক ধরণের টিস্যু যা এক হাড়কে অন্য হাড়ের সাথে সংযুক্ত করে, পেশীকে হাড়ের সাথে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বোন টু বোন লিগামেন্ট, মাসল টু বোন টেণ্ডন এই ছন্দটি মনে রাখলে আর কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। টেণ্ডন পেশীকে হাড়ের সাথে এবং লিগামেন্ট হাড়কে হাড়ের সাথে যুক্ত করে, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শরীরের ত্রি-মাত্রিক চিত্র তৈরি করতে এক্স-রে ব্যবহার করে।
b তেজস্ক্রিয় ট্রেসার দ্বারা নির্গত গামা-রে শনাক্তের মাধ্যমে।
c শক্তিশালী চুম্বক এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে।
d উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে।
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শক্তিশালী চুম্বক এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে। ১. কেন সঠিক: MRI বা ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং মূলত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গের মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে। এটি মানবদেহের ভেতরের অঙ্গ ও টিস্যুর অত্যন্ত নিখুঁত ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরি করতে ionizing radiation বা ক্ষতিকর এক্স-রে ব্যবহার করে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের কোষে থাকা পানির হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রোটন শক্তিশালী চুম্বকের প্রভাবে নির্দিষ্ট দিকে বিন্যস্ত হয় এবং রেডিও তরঙ্গ প্রয়োগ করলে সংকেত পাঠায়। কার্যপ্রণালি: কম্পিউটারের মাধ্যমে এই সংকেতগুলো বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরের নিখুঁত ছবি তৈরি করা হয় যা রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মস্তিষ্কের টিউমার বা রক্তনালীর সমস্যা শনাক্ত করতে ডাক্তাররা MRI স্ক্যান করার পরামর্শ দেন। ব্যাখ্যা: এটি নরম কলার ভেতরের সূক্ষ্ম পরিবর্তন এক্স-রে বা আল্ট্রাসাউন্ডের চেয়ে স্পষ্টভাবে দেখাতে পারে। উদাহরণ ২: হাঁটুর লিগামেন্ট বা স্পোর্টস ইনজুরির ক্ষেত্রে এমআরআই অত্যন্ত কার্যকরী। ব্যাখ্যা: হাড়ের পেছনের নরম পেশি ও টিস্যুর আঘাত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরীরের ত্রি-মাত্রিক চিত্র তৈরি করতে এক্স-রে ব্যবহার করে। — এটি এক্স-রে বা সিটি স্ক্যানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, এমআরআই এক্স-রে ব্যবহার করে না। B) তেজস্ক্রিয় ট্রেসার দ্বারা নির্গত গামা-রে শনাক্তের মাধ্যমে। — এটি পেট স্ক্যান বা গামা ক্যামেরা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সঠিক। C) শক্তিশালী চুম্বক এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে। — এটি সঠিক উত্তর। D) উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে। — এটি আল্ট্রাসনোগ্রাফি প্রযুক্তির মূল নীতি। ৫. মনে রাখার টিপস: MRI নামের মধ্যেই উত্তর লুকিয়ে আছে যেখানে এম মানে ম্যাগনেটিক বা চুম্বক এবং আর মানে রেজোন্যান্স বা রেডিও তরঙ্গ বোঝায়। চুম্বক ও রেডিও তরঙ্গের মেলবন্ধনেই এমআরআই কাজ করে কথাটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এমআরআই পরীক্ষায় তেজস্ক্রিয় এক্স-রে ব্যবহার করা হয় না বিধায় এটি মানবদেহের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রযুক্তির মূল নীতি হিসেবে আসে।

মোট প্রশ্ন (17)

a এদের যেকোনো সিনথেটিক নিউট্রিয়েন্ট মিডিয়ামে কালচার করা যায়।
b এদের জেনেটিক উপাদান হিসেবে ডিএনএ এবং আরএনএ থাকে।
c এরা এক ধরনের অন্তঃকোষীয় পরজীবী।
d ভাইরাস হল অণুবীক্ষণিক জীবন্ত প্রাণী।
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এরা এক ধরনের অন্তঃকোষীয় পরজীবী। ১. কেন সঠিক: ভাইরাস হলো অকোষীয় এবং পরজীবী সত্তা যা কেবল জীবন্ত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। কোষের বাইরে এরা জড় পদার্থের মতো আচরণ করে, তাই এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা বাধ্যতামূলক অন্তঃকোষীয় পরজীবী। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ভাইরাস হলো অতিবিক্ষুদ্র অণুজীব যা একটি প্রোটিন আবরণ এবং ভেতরে জেনেটিক বস্তু নিয়ে গঠিত। কার্যপদ্ধতি: এরা নিজস্ব কোনো বিপাকীয় ব্যবস্থা ছাড়াই অন্য কোষের জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করে নিজেদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। বৈশিষ্ট্য: ভাইরাসের দেহে কোনো কোষ প্রাচীর, সাইটোপ্লাজম বা কোষীয় অঙ্গাণু থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: করোনা ভাইরাস বা সার্স কোভ টু মানবদেহের শ্বাসতন্ত্রের কোষ আক্রমণ করে সংখ্যা বৃদ্ধি করে। ব্যাখ্যা: কোষের ভেতরে প্রবেশ করার পরই কেবল ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে রোগ সৃষ্টি করতে পারে। উদাহরণ ২: ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাস কেবল ব্যাকটেরিয়া কোষকে আক্রমণ করে ধ্বংস করতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট পোষক কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে এবং পরবর্তীতে কোষ ফেটে বাইরে বেরিয়ে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এদের যেকোনো সিনথেটিক নিউট্রিয়েন্ট মিডিয়ামে কালচার করা যায়। — এটি ভুল কারণ ভাইরাস কৃত্রিম পুষ্টি মাধ্যমে বা জড় মাধ্যমে বাঁচতে পারে না, এদের বংশবৃদ্ধির জন্য জীবন্ত কোষের প্রয়োজন হয়। B) এদের জেনেটিক উপাদান হিসেবে ডিএনএ এবং আরএনএ থাকে। — এটি ভুল কারণ একটি ভাইরাসে সাধারণত ডিএনএ অথবা আরএনএ থাকে, একসঙ্গে উভয় জেনেটিক উপাদান থাকে না। D) ভাইরাস হল অণুবীক্ষণিক জীবন্ত প্রাণী। — এটি ভুল কারণ ভাইরাস কোষী জীব নয় এবং কোষের বাইরে এরা সম্পূর্ণ জড় বস্তুর মতো আচরণ করে, তাই এদের পূর্ণাঙ্গ জীবন্ত প্রাণী বলা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাইরাসকে মনে রাখতে হবে একটি অবিতর্কিত পরজীবী হিসেবে যা কোষের বাইরে মৃত এবং কোষের ভেতরে জীবন্ত। ভাইরাস শব্দের অর্থ বিষ এবং এটি জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী একটি সংযোগকারী সেতু হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন অণুজীব কোষের বাইরে নিষ্ক্রিয় থাকে, যার উত্তর হবে ভাইরাস। ব্যাকটেরিয়া কৃত্রিম মাধ্যমে জন্মানো গেলেও ভাইরাস জন্মানোর জন্য সবসময় জীবন্ত পোষক কোষের প্রয়োজন হয়।
a রেজিস্টার
b ডিকোডার
c মাল্টিপ্লেক্সার
d NAND গেট
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রেজিস্টার ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে লজিক সার্কিট প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট এবং সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট। রেজিস্টার হলো সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট, যা ফ্লিপ-ফ্লপের সমন্বয়ে তৈরি হয় এবং ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট এমন একটি সার্কিট যার আউটপুট কেবল বর্তমান ইনপুটের ওপর নির্ভর করে। কার্যপদ্ধতি: এই সার্কিটে কোনো মেমোরি বা পূর্ববর্তী অবস্থার ডেটা ধরে রাখার ব্যবস্থা থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিকোডার ও মাল্টিপ্লেক্সার ব্যাখ্যা: এরা ইনপুট সংকেত প্রক্রিয়াজাত করে তাৎক্ষণিক আউটপুট দেয়, মেমোরি হিসেবে কাজ করে না। উদাহরণ ২: রেজিস্টার ও কাউন্টার ব্যাখ্যা: এরা সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট হিসেবে ঘড়ির স্পন্দনের সাথে ডেটা সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেজিস্টার — এটি সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট কারণ এতে মেমোরি বা ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। B) ডিকোডার — এটি একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা কোডকে বোধগম্য তথ্যে রূপান্তর করে এবং এর কোনো মেমোরি নেই। C) মাল্টিপ্লেক্সার — এটি একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা বহু ইনপুট থেকে একটি একক আউটপুট নির্বাচন করে। D) NAND গেট — এটি একটি মৌলিক কম্বিনেশনাল লজিক গেট যার আউটপুট শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুটের ওপর নির্ভর করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কম্বিনেশনাল সার্কিট মানে কেবল গেটের সমাহার যেমন এনকোডার, ডিকোডার, মাল্টিপ্লেক্সার। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট মানে মেমোরিযুক্ত সার্কিট যেমন রেজিস্টার, ফ্লিপ-ফ্লপ ও কাউন্টার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্বিনেশনাল সার্কিটে অতীত ডেটা মনে রাখার ক্ষমতা থাকে না, কিন্তু সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমোরি বা ফ্লিপ-ফ্লপ আবশ্যিক। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোনটি সিকোয়েন্সিয়াল বা কম্বিনেশনাল সার্কিট।
a DHCP
b Accelerometer
c Satellite Signal
d Gyroscope
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Satellite Signal ১. কেন সঠিক: - স্মার্টফোনে জিপিএস ব্যবহারের জন্য স্যাটেলাইট সিগন্যাল বা উপগ্রহ সংকেত অপরিহার্য কারণ এটি ছাড়া অবস্থান নির্ধারণ করা অসম্ভব। - জিপিএস রিসিভার অন্তত চারটি উপগ্রহ থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে পৃথিবীর যেকোনো স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও উচ্চতা নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম হলো একটি স্যাটেলাইটভিত্তিক নেভিগেশন ব্যবস্থা যা ব্যবহারকারীকে ভৌগোলিক অবস্থান ও সময় জানাতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: মহাশূন্যে থাকা উপগ্রহগুলো থেকে ক্রমাগত রেডিও তরঙ্গ পাঠানো হয় এবং স্মার্টফোনের জিপিএস চিপ সেই সিগন্যাল বিশ্লেষণ করে দূরত্ব মাপে। - ব্যবহার: গুগল ম্যাপে দিকনির্দেশনা পাওয়া, রাইড শেয়ারিং অ্যাপে অবস্থান শনাক্ত করা এবং ট্র্যাকিংয়ের কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচেনা শহরে ঘুরতে যাওয়ার সময় জিপিএস ম্যাপ ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: জিপিএস স্যাটেলাইট থেকে সিগন্যাল নিয়ে রিয়েল-টাইমে মানচিত্রে ব্যবহারকারীর সঠিক অবস্থান ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: রাইড শেয়ারিং অ্যাপে গাড়ি বা বাইক ডাকলে চালক যাত্রীর অবস্থান দেখতে পাওয়া। ব্যাখ্যা: স্মার্টফোনের জিপিএস মডিউল স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করে বর্তমান স্থানাঙ্ক অ্যাপের মাধ্যমে চালকের কাছে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DHCP — এটি ডায়নামিক হোস্ট কনফিগারেশন প্রোটোকল যা নেটওয়ার্কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করে কিন্তু জিপিএসের অবস্থানের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) Accelerometer — এটি একটি সেন্সর যা ডিভাইসের গতি ও ত্বরণ মাপে কিন্তু স্যাটেলাইট সিগন্যাল ছাড়া শুধু এটি দিয়ে ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণ করা যায় না। C) Satellite Signal — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইট থেকে আসা রেডিও তরঙ্গ ছাড়া জিপিএস কাজ করতে পারে না। D) Gyroscope — এটি ডিভাইসের ঘূর্ণন ও অভিমুখ পরিবর্তন শনাক্ত করতে সাহায্য করে তবে জিপিএস পজিশনিংয়ের জন্য এটি মূল উপাদান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিপিএস মানে মহাশূন্যের স্যাটেলাইট বা উপগ্রহের খেলা। - জিপিএস সিগন্যালের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ বাধ্যতামূলক নয়, কেবল সরাসরি স্যাটেলাইট সিগন্যাল প্রয়োজন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জিপিএস মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি প্রযুক্তি যার পূর্ণরূপ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম। - একই ধরনের অন্যান্য গ্লোবাল নেভিগেশন সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার গ্লনাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্যালিলিও।
a Picture element
b Person length
c Pixure length
d Pixie land
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Picture element ১. কেন সঠিক: Pixel শব্দটি মূলত Picture এবং element শব্দদুটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা Portmanteau। ডিজিটাল ইমেজ বা ছবির সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম একক হলো এই Pixel। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডিজিটাল ডিসপ্লে বা ছবির ক্ষুদ্রতম বিন্দু বা ডটকে Pixel বলা হয়, যা একটি নির্দিষ্ট রঙ ধারণ করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: লক্ষ লক্ষ পিক্সেল একত্রিত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ছবি বা স্ক্রিনের ডিসপ্লে তৈরি করে। বৈশিষ্ট্য: প্রতিটি পিক্সেলের নিজস্ব অবস্থান এবং রঙের মান থাকে, যা লাল, সবুজ এবং নীল আলোর মিশ্রণে গঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ক্যামেরা ব্যাখ্যা: ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা মানে হলো ছবিটিতে প্রায় এক কোটি বিশ লক্ষ পিক্সেল আছে। উদাহরণ ২: কম্পিউটার মনিটর ব্যাখ্যা: ১৯২০ গুণ ১০৮০ রেজুলেশনের মনিটরে স্ক্রিনজুড়ে এত সংখ্যক পিক্সেল পাশাপাশি সাজানো থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Picture element — এটি সঠিক কারণ Pixel শব্দের পূর্ণরূপ হলো Picture element। B) Person length — এটি মানুষের দৈর্ঘ্য বোঝায়, যা কম্পিউটার গ্রাফিক্স বা ছবির ক্ষুদ্রতম এককের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Pixure length — এটি একটি ভুল শব্দ বা বিভ্রান্তিকর অপশন, যার কোনো প্রযুক্তিগত ভিত্তি নেই। D) Pixie land — এটি কাল্পনিক কোনো স্থানের নাম বোঝায়, যা ডিজিটাল প্রযুক্তির পরিভাষা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: Picture শব্দের Pic এবং element শব্দের el অংশ মিলে তৈরি হয়েছে Pixel শব্দ। শব্দটির পূর্ণরূপ মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার স্ক্রিনের রেজুলেশন এবং ছবির কোয়ালিটি সরাসরি পিক্সেলের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। পিক্সেল যত বেশি হয়, ছবির স্পষ্টতা বা ধারালো ভাব তত বৃদ্ধি পায়।
a তথ্য উৎপাদনের গতি
b প্রসেসরের গতি
c তথ্য স্থানান্তরের গতি
d মেমরির আকার
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রসেসরের গতি ১. কেন সঠিক: GHz বা গিগাহার্জ হলো প্রসেসরের কাজের গতি বা ক্লক স্পিড পরিমাপের একক। এটি নির্দেশ করে একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত বিলিয়ন বা শত কোটি সাইকেল বা নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: GHz-এর পূর্ণরূপ হলো Gigahertz। এটি দ্বারা প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন সাইকেল বা কম্পাঙ্ক বোঝানো হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা ক্রিস্টাল অসিলেটর নির্দিষ্ট হারে ইলেকট্রনিক পালস তৈরি করে, যাকে ক্লক স্পিড বলে। এর মান যত বেশি হয়, প্রসেসর তত দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৩.০ গিগাহার্জ গতির প্রসেসর ব্যাখ্যা: এই প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে তিন বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে, যা সাধারণ কাজের জন্য খুবই দ্রুত গতিশীল। উদাহরণ ২: স্মার্টফোন এবং কম্পিউটার প্রসেসর ব্যাখ্যা: আধুনিক প্রসেসরগুলোতে একাধিক কোর থাকে এবং প্রতিটির গতি গিগাহার্জ এককে মাপা হয়, যা তাদের বহুমুখী কাজের ক্ষমতা নির্ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য উৎপাদনের গতি — তথ্য উৎপাদনের গতি কোনো নির্দিষ্ট একক দিয়ে মাপা হয় না, এটি মূলত প্রসেসরের ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। B) প্রসেসরের গতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রসেসরের ক্লক স্পিড পরিমাপের একক হলো গিগাহার্জ। C) তথ্য স্থানান্তরের গতি — তথ্য স্থানান্তরের গতি পরিমাপের একক হলো বিট প্রতি সেকেন্ড বা Mbps কিংবা Gbps। D) মেমরির আকার — মেমরির আকার বা ধারণক্ষমতা পরিমাপের একক হলো বাইট, যেমন মেগাবাইট বা গিগাবাইট। ৫. মনে রাখার টিপস: GHz দেখলে মনে রাখবে এটি Hertz-এর বড় একক, যা কম্পাঙ্ক বা প্রসেসরের গতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। মেমরির ক্ষেত্রে GB এবং প্রসেসরের গতির ক্ষেত্রে GHz ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেমরির একক এবং প্রসেসরের গতির এককের মধ্যে কনফিউশন তৈরি করা হয়। প্রসেসর স্পিডের ক্ষেত্রে হার্জ বা গিগাহার্জ এবং মেমরির ক্ষেত্রে বাইট বা গিগাবাইট মনে রাখবে।
a ফিশিং (Phishing)
b স্প্যাম ইমেইল (Spam e-mail)
c র‍্যানসমওয়্যার অ্যাটাক (Ransomware Attack)
d পরিচয় চুরি (Identity Theft)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) র‍্যানসমওয়্যার অ্যাটাক (Ransomware Attack) ১. কেন সঠিক: - র‍্যানসমওয়্যার বর্তমানে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অন্যতম বড় হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। - এটি কেবল ব্যক্তিগত কম্পিউটার আক্রমণ করে না, বরং বৃহৎ হাসপাতালের নেটওয়ার্ক, সরকারি সার্ভার ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে জিম্মি করে সাইবার যুদ্ধের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকারক সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপশন বা অবরুদ্ধ করে এবং তা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য মুক্তিপণ বা র‍্যানসম দাবি করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ফিশিং ইমেল বা দুর্বল সিকিউরিটির মাধ্যমে সিস্টেমে প্রবেশ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো শক্তিশালী এনক্রিপশন অ্যালগরিদম দিয়ে লক করে দেয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি আক্রমণের পর স্ক্রিনে একটি সতর্কবার্তা প্রদর্শন করে, যেখানে মুক্তিপণ পরিশোধের মাধ্যম হিসেবে সাধারণত ক্রিপ্টোকারেন্সি চাওয়া হয়। - ব্যবহার: সাইবার অপরাধীরা আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে এবং অনেক ক্ষেত্রে শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রগুলো ভূ-রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য এই আক্রমণ চালায়। - পার্থক্য: সাধারণ ভাইরাস বা ট্রোজান সিস্টেমের ক্ষতি বা তথ্য চুরি করে, কিন্তু র‍্যানসমওয়্যার সরাসরি ডেটার নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নিয়ে অর্থনৈতিক মুক্তিপণ দাবি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওয়ানা ক্রাই (WannaCry) র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ ব্যাখ্যা: ২০১৭ সালে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই আক্রমণ একসঙ্গে দেড়শটিরও বেশি দেশের লক্ষাধিক কম্পিউটার অচল করে দিয়েছিল এবং এর মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তার গুরুত্ব বিশ্ববাসীর সামনে স্পষ্ট হয়। উদাহরণ ২: কোলনিয়াল পাইপলাইন (Colonial Pipeline) সাইবার আক্রমণ ব্যাখ্যা: ২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে র‍্যানসমওয়্যার হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিশিং (Phishing) — এটি প্রবঞ্চনামূলক উপায়ে সংবেদনশীল তথ্য চুরির পদ্ধতি, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার চেয়ে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতারণার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। B) স্প্যাম ইমেইল (Spam e-mail) — এটি মূলত অনাকাঙ্ক্ষিত বা প্রচারণামূলক বার্তা, যা বিরক্তিকর হলেও সরাসরি কোনো ধ্বংসাত্মক সাইবার হুমকি বা আন্তর্জাতিক সংকটের সৃষ্টি করে না। D) পরিচয় চুরি (Identity Theft) — এটি ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য অপব্যবহার করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অপরাধ, যা সাইবার অপরাধের অংশ হলেও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার আলোচনায় র‍্যানসমওয়্যারের মতো ব্যাপক ধ্বংসাত্মক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - র‍্যানসম শব্দের অর্থ মুক্তিপণ এবং ওয়্যার এসেছে সফটওয়্যার থেকে, যার সম্মিলিত অর্থ দাঁড়ায় মুক্তিপণ আদায়ের সফটওয়্যার। - আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার বড় হুমকি হিসেবে পরীক্ষায় আসলে চোখ বুজে র‍্যানসমওয়্যার অ্যাটাক উত্তর নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ডেটার ব্যাকআপ রাখা এবং শক্তিশালী ফায়ারওয়াল ব্যবহার করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক সাইবার অপরাধ ও ম্যালওয়্যারের ধরন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a ছবি এডিট করার সফটওয়্যার
b অপারেটিং সিস্টেম
c প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
d ম্যালওয়্যার
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ম্যালওয়্যার ১. কেন সঠিক: Trojan Horse হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা দেখতে বৈধ প্রোগ্রামের মতো ছদ্মবেশ ধারণ করে। কম্পিউটারে ইনস্টল হওয়ার পর এটি গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য চুরি করে বা বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ট্রোজান হর্স এমন একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা উপকারী বা বিনোদনমূলক সফটওয়্যারের আড়ালে ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে সিস্টেমে প্রবেশ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি নিজেরা নিজেদের প্রতিলিপি বা কপি তৈরি করতে পারে না, বরং ব্যবহারকারী নিজেই এটিকে ডাউনলোড বা ইনস্টল করে সিস্টেমে নিয়ে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্রি গেম বা এন্টিভাইরাস ডাউনলোড ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী কোনো জনপ্রিয় গেম বা ইউটিলিটি সফটওয়্যার ভেবে ইন্টারনেটে থাকা একটি ফাইল ডাউনলোড করে ইনস্টল করেন। উদাহরণ ২: ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট ব্যাখ্যা: পরিচিত কোনো সূত্র থেকে আসা লোভনীয় অফার বা কাজের ফাইলের সাথে ট্রোজান সংযুক্ত থাকে, যা ওপেন করলেই কম্পিউটারের ক্ষতি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছবি এডিট করার সফটওয়্যার — এটি কোনো ইমেজ প্রসেসিং টুল নয়, কারণ এটি ছবি পরিবর্তনের বদলে সিস্টেমের ক্ষতি করে। B) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কোনো সিস্টেম সফটওয়্যার বা প্ল্যাটফর্ম নয় যা কম্পিউটার পরিচালনা করে। C) প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ — এটি কোনো কোডিং ভাষা নয় যার মাধ্যমে সফটওয়্যার তৈরি করা যায়। D) ম্যালওয়্যার — এটি সঠিক কারণ ট্রোজান হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রিক পুরাণের ট্রয় নগরীর কাঠের ঘোড়ার কাহিনীর সাথে এটি তুলনীয়, যেখানে উপহারের ঘোড়ার ভেতর শত্রুসেনা লুকিয়ে ছিল। সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেও ভালো জিনিসের ভেতর ক্ষতিকারক কোড লুকিয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ভাইরাসের মতো ট্রোজান নিজে নিজে বংশবিস্তার করতে পারে না। সাইবার নিরাপত্তায় ক্ষতিকারক সফটওয়্যার শনাক্ত করতে বিশ্বস্ত সোর্স থেকে ফাইল ডাউনলোড করা উচিত।
a অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার
b নেটওয়ার্ক লেয়ার
c ট্রান্সপোর্ট লেয়ার
d ডেটালিংক লেয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ট্রান্সপোর্ট লেয়ার ১. কেন সঠিক: Transmission Control Protocol বা TCP হলো OSI মডেলের ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রটোকল। এটি মূলত ডেটাকে ছোট ছোট ভাগে বা প্যাকেটে ভাগ করে এবং গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তা সঠিকভাবে পুনর্বিন্যাস করতে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ট্রান্সপোর্ট লেয়ার হলো OSI মডেলের চতুর্থ স্তর যা উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটার নির্ভরযোগ্য ও ক্রমানুসারে ডেলিভারি নিশ্চিত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রটোকল হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ ডেটা পাঠানোর আগে সেন্সরের সাথে রিসিভারের সংযোগ স্থাপন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি ডেটা লস্ট হলে তা পুনরায় পাঠানোর অনুরোধ করে এবং ফ্লো কন্ট্রোল ও এরর কন্ট্রোল নিশ্চিত করে। ব্যবহার: ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল পাঠানো এবং ফাইল স্থানান্তরের মতো কার্যক্রমে যেখানে ডেটা শতভাগ নিখুঁত হওয়া জরুরি, সেখানে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইট লোড করার সময় সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং সম্পূর্ণ পেজটি সঠিকভাবে প্রদর্শন। ব্যাখ্যা: TCP নিশ্চিত করে যেন ওয়েবসাইটের কোনো ছবি বা টেক্সট হারিয়ে না যায় এবং ব্যবহারকারী নিখুঁত ডেটা পায়। উদাহরণ ২: ইমেইল আদান-প্রদান করার সময় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে সম্পূর্ণ বার্তাটি পাঠানো। ব্যাখ্যা: প্রটোকলটি বড় ইমেইলকে ছোট প্যাকেটে ভেঙে গন্তব্যে পাঠায় এবং সিকোয়েন্স অনুযায়ী সাজিয়ে পুনরায় মূল বার্তা তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার — এটি ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে, যেমন HTTP বা FTP, যা ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের কাজ নয়। B) নেটওয়ার্ক লেয়ার — এটি মূলত আইপি অ্যাড্রেসিং এবং রাউটিংয়ের মাধ্যমে ডেটা প্যাকেট সঠিক পথে পরিচালনা করে, যা TCP-এর কাজ নয়। D) ডেটালিংক লেয়ার — এটি নোড থেকে নোডে নির্ভরযোগ্য ডেটা স্থানান্তর নিশ্চিত করে এবং ম্যাক অ্যাড্রেস নিয়ে কাজ করে, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: OSI মডেলের লেয়ারগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে পড়তে পারো। ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের মূল কাজ হলো নির্ভরযোগ্যভাবে ডেটা স্থানান্তর করা, যার জন্য TCP সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রটোকল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: TCP একটি কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রটোকল, অন্যদিকে এর বিপরীত আরেকটি প্রটোকল হলো UDP যা কানেকশনলেস। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে TCP কোন লেয়ারে কাজ করে অথবা এটি কেমন প্রটোকল।
a প্রোগ্রামটির জন্য এমন একটা এলগরিদম তৈরি করা যা Asymptotically faster
b পিসির Configuration উন্নত করা
c খুব দ্রুত গতির I/O devices লাগানো
d খ এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রোগ্রামটির জন্য এমন একটা এলগরিদম তৈরি করা যা Asymptotically faster ১. কেন সঠিক: - একটি সফটওয়্যারের পারফরম্যান্স মূলত নির্ভর করে এর কোডিং বা এলগরিদমের দক্ষতার ওপর। - Asymptotically faster এলগরিদম ডেটার পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রসেসিং সময় ও জটিলতা অনেক কমায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এলগরিদম হলো কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপভিত্তিক নির্দেশনার সমষ্টি। - কার্যপদ্ধতি: এটি ইনপুট ডেটা প্রসেস করে কম সময়ে ও কম মেমোরি ব্যবহারে সঠিক আউটপুট প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো স্কেলেবিলিটি এবং বিগ ও নোটেশন দ্বারা এর জটিলতা মাপা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্চ করার জন্য লিনিয়ার সার্চের বদলে বাইনারি সার্চ ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: ডেটা বেশি হলে বাইনারি সার্চ অনেক দ্রুত কাজ করে। উদাহরণ ২: সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশন। ব্যাখ্যা: অপ্রয়োজনীয় লুপ বা পুনরাবৃত্তি দূর করে কোড দ্রুত চালানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোগ্রামটির জন্য এমন একটা এলগরিদম তৈরি করা যা Asymptotically faster — এটি সঠিক কারণ এটি সফটওয়্যারের মূল কাঠামোগত উন্নতি ঘটায়। B) পিসির Configuration উন্নত করা — এটি সাময়িকভাবে হার্ডওয়্যারের ক্ষমতা বাড়ায় কিন্তু অদক্ষ কোডের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করতে পারে না। C) খুব দ্রুত গতির I/O devices লাগানো — এটি কেবল ডেটা আদান-প্রদান দ্রুত করে, কিন্তু প্রসেসিং লজিকের কর্মদক্ষতা বাড়াতে পারে না। D) খ এবং গ উভয়ই — ভুল কারণ খ এবং গ অপশন দুটি একা বা একত্রে ভালো এলগরিদমের বিকল্প হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার কেবল শক্তি বাড়ায়, কিন্তু ভালো এলগরিদম কাজের সঠিক পদ্ধতি শেখায়। - কোডের দক্ষতা বাড়াতে Always choose better Algorithm over fast Hardware. ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিগ ও নোটেশন দিয়ে এলগরিদমের দক্ষতা মাপা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ক্ষেত্রে এলগরিদমের ভূমিকাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
a 16
b 0
c 15
d কোনোটিই নয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: বাইনারি সিস্টেমটি ৪ বিটের মানটি হলো শূন্য ধরি, ৪ বিটে শূন্যর বাইনারি রূপ = ০০০০ অতএব, এর ১ এর পরিপূরক বা ১স কমপ্লিমেন্ট = ১১১১ এর সাথে ১ যোগ করলে হয় = ১১১১ + ১ = ১০০০০ সুতরাং, ৪ বিট হিসেবে ওভারফ্লো বাদ দিলে মান হয় = ০০০০ উত্তর: ০
a অডিও হতে টেক্সট
b ইমেজ হতে টেক্সট
c ভিডিও হতে টেক্সট
d বাইনারি হতে ডেসিমেল
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইমেজ হতে টেক্সট ১. কেন সঠিক: - OCR প্রযুক্তির পূর্ণরূপ হলো Optical Character Recognition, যার বাংলা অর্থ অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন। - এটি মূলত কোনো ছবি বা স্ক্যান করা ডকুমেন্টের ভেতরের লিখিত বা মুদ্রিত অক্ষরগুলোকে এডিটেবল টেক্সটে রূপান্তর করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OCR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা প্রিন্ট করা বা হাতের লেখা টেক্সটের ছবি স্ক্যান করে কম্পিউটার-পঠনযোগ্য টেক্সটে রূপান্তরিত করে। - কার্যপদ্ধতি: এই সফটওয়্যার ছবির প্রতিটি অক্ষরের আকৃতি বিশ্লেষণ করে এবং ফন্ট বা প্যাটার্নের সাথে মিলিয়ে তাকে আলাদা টেক্সট ফাইলে রূপান্তর করে। - ব্যবহার: পুরোনো বই স্ক্যান করে ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি করতে এবং চালানের কাগজ বা ফরমের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারে ইনপুট দিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজের তৈরি কোনো বইয়ের পৃষ্ঠা স্ক্যান করে তা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলে রূপান্তর করা। ব্যাখ্যা: স্ক্যান করা পাতাটি মূলত একটি ইমেজ, যা ওসিআর প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে সম্পাদনাযোগ্য টেক্সটে পরিণত হয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকের চেক স্ক্যান করে অ্যাকাউন্টের নম্বর বা টাকার পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিড করা। ব্যাখ্যা: ওসিআর দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে ইমেজে থাকা লেখা চিনে সিস্টেমের ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অডিও হতে টেক্সট — এই রূপান্তর কাজটি এসটিটি বা স্পিচ টু টেক্সট প্রযুক্তি করে, ওসিআর করে না। B) ইমেজ হতে টেক্সট — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওসিআর ছবির লেখাকে টেক্সটে রূপান্তর করে। C) ভিডিও হতে টেক্সট — ভিডিও থেকে টেক্সট রূপান্তর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাবটাইটেল জেনারেটর ব্যবহার করা হয়, ওসিআর নয়। D) বাইনারি হতে ডেসিমেল — এটি সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর, যা কোনো ইমেজ প্রসেসিং প্রযুক্তি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ও (O) দিয়ে অপটিক্যাল এবং সি (C) দিয়ে ক্যারেক্টার বোঝায়, যা সরাসরি ছবির লেখা বা ক্যারেক্টার পড়তে সাহায্য করে। - মনে রাখবে, ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুললে তা ইমেজ হয়, আর ওসিআর সেই ইমেজকে টেক্সটে বদলে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ওসিআর (OCR) কোন ধরনের ডিভাইস বা প্রযুক্তি, তা প্রায়ই ইনপুট ডিভাইস হিসেবে আসে। - কাছাকাছি আরেকটি প্রযুক্তি হলো ওএমআর (OMR), যা মূলত অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন এবং বিশেষ বৃত্ত বা দাগ চিনতে ব্যবহৃত হয়।
a Facebook
b Amazon
c YouTube
d All of the above
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of the above ১. কেন সঠিক: ই-কমার্স বলতে ইন্টারনেট বা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা কেনাবেচাকে বোঝায়। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ডেডিকেটেড ই-কমার্স সাইট এবং ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম—সব মাধ্যমেই ব্যবসায়িক লেনদেন ও বিপণন সম্ভব। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে কোনো পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া। কার্যপদ্ধতি: বিক্রেতা ডিজিটাল মাধ্যমে পণ্যের প্রদর্শন ও বিজ্ঞাপন দেয় এবং ক্রেতা অনলাইনে পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে তা ক্রয় করে। ব্যবহার: খুচরা বিক্রি, পাইকারি ব্যবসা, ডিজিটাল সেবা প্রদান এবং বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেসবুক পেজ বা মার্কেটপ্লেস ব্যাখ্যা: ফেসবুকে যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পেজ খুলে তাদের পণ্যের ছবি ও বিবরণ দিয়ে সরাসরি ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে পারে। উদাহরণ ২: অ্যামাজন ওয়েবসাইট ব্যাখ্যা: অ্যামাজন হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ডেডিকেটেড ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেখানে সরাসরি লাখ লাখ বিক্রেতা ও ক্রেতা লেনদেন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Facebook — শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলেও বর্তমানে এটি কমার্স ও বিজ্ঞাপনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। B) Amazon — এটি সরাসরি একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেখানে পণ্য কেনাবেচা মূল উদ্দেশ্য। C) YouTube — ভিডিও প্ল্যাটফর্ম হলেও বর্তমানে এতে শপিং ফিচার ও পণ্যের বিজ্ঞাপন যুক্ত হয়েছে। D) All of the above — ওপরের সবগুলো মাধ্যমেই ই-কমার্স বা ব্যবসার কাজ পরিচালিত হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: ই-কমার্স মানে কেবল আলাদা কোনো ওয়েবসাইট নয়, ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেখানেই কেনাবেচা হয় সেটাই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-কমার্স মূলত চার প্রকার হয় যেমন বিটুবি, বিটুসি, সিটুসি এবং সিটুবি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a 1010011100
b 10010010100
c 1110101111001011
d 001001000110100
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 001001000110100 ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে একটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা বা ASCII মানের ত্রুটিপূর্ণ টাইপ দেখা যাচ্ছে, যেখানে X বলতে কোনো অজানা মান বা ওয়াইল্ডকার্ড বোঝানো হয়েছে, তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর বিট সংখ্যা বিশ্লেষণ করে এটি একটি ইউনিকোড বা হেক্সাডেসিমেল রূপান্তরের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। - এখানে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্ককে চার বিটের বাইনারি মানে রূপান্তর করে সঠিক মানটি নির্ণয় করা হয়েছে, যা কম্পিউটার সায়েন্সের সংখ্যা পদ্ধতি রূপান্তরের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো কোনো সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতি, যার মধ্যে বাইনারি (ভিত্তিক দুই) ও হেক্সাডেসিমেল (ভিত্তিক ষোল) বহুল ব্যবহৃত। - কার্যপদ্ধতি: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে আলাদা করে চার বিটের বাইনারি কোডে রূপান্তর করে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষা তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেক্সাডেসিমেল এ এর বাইনারি মান ১০১০। ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমেলের প্রতিটি অঙ্ককে এভাবে চার বিটের বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়। উদাহরণ ২: ডেসিমেল ৫ এর বাইনারি মান ১০১। ব্যাখ্যা: ডেসিমেল সংখ্যাকে দুই দ্বারা ভাগ করে ভাগশেষগুলো উল্টো দিক থেকে সাজিয়ে বাইনারি মান পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1010011100 — এটি দশ বিটের বাইনারি সংখ্যা, যা প্রদত্ত উত্তরের বিট কাঠামোর সাথে মিলছে না। B) 10010010100 — এটি এগারো বিটের বাইনারি সংখ্যা এবং সঠিক মানের বিট বিন্যাসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) 1110101111001011 — এটি ষোল বিটের বাইনারি সংখ্যা হলেও এর মান প্রদত্ত উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। D) 001001000110100 — এটি সঠিক বাইনারি রূপ যা নির্ধারিত বিট সংখ্যা ও মানের দিক থেকে সম্পূর্ণ নির্ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারিতে রূপান্তরের সময় সর্বদা চার বিটের কম্বিনেশন মনে রাখতে হবে। - শূন্য থেকে পনেরো পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর চার বিটের বাইনারি রূপ মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার সময় খুব দ্রুত উত্তর করা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের জন্য বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। - বিট হলো কম্পিউটারের মেমোরির সবচেয়ে ছোট একক এবং আট বিটে এক বাইট হয়।
a শুধুমাত্র লোকাল স্টোরেজ
b ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্সেস
c শুধুমাত্র ভার্চুয়াল স্টোরেজ
d উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্সেস ১. কেন সঠিক: ক্লাউড কম্পিউটিং কেবল স্টোরেজ বা তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যম নয়, বরং এটি ইন্টারনেটভিত্তিক এমন একটি পরিষেবা যা প্রসেসিং পাওয়ার, মেমোরি, নেটওয়ার্কিং এবং সফটওয়্যারের মতো বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স দূরবর্তী সার্ভার থেকে সরবরাহ করে। ব্যবহারকারী নিজস্ব শারীরিক হার্ডওয়্যার বা ডেটা সেন্টার ছাড়াই প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় এই রিসোর্সগুলো ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে ডেটা সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং সেবা বা রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীর অনুরোধ অনুযায়ী ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী ডেটা সেন্টার থেকে ভার্চুয়াল সার্ভার বা প্রসেসিং ক্ষমতা সরবরাহ করা হয়। ব্যবহার: বড় বড় সফটওয়্যার চালানো, বিশাল ডেটা প্রসেসিং, ওয়েবসাইট হোস্টিং এবং অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন চালুর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ বা ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কেবল ফাইল জমা রাখেন না, বরং ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে অনলাইন ডকস বা স্প্রেডশিট সম্পাদনা ও পরিচালনা করেন। উদাহরণ ২: অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস বা মাইক্রোসফট আজুর এর সেবা গ্রহণ। ব্যাখ্যা: কোম্পানিগুলো নিজেদের কম্পিউটার না কিনে ক্লাউড থেকে ভার্চুয়াল প্রসেসর ও মেমোরি ভাড়া নিয়ে বড় সফটওয়্যার পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুধুমাত্র লোকাল স্টোরেজ — এটি ভুল কারণ ক্লাউড কম্পিউটিং লোকাল বা স্থানীয় হার্ডওয়্যারে নয়, বরং ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে কাজ করে। B) ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্সেস — এটি সঠিক কারণ ক্লাউড কম্পিউটিং প্রসেসিং, মেমোরি ও নেটওয়ার্কের মতো ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্স প্রদান করে। C) শুধুমাত্র ভার্চুয়াল স্টোরেজ — এটি আংশিক সঠিক কিন্তু সীমিত, কারণ ক্লাউড কেবল স্টোরেজ নয়, প্রসেসিং ও সফটওয়্যারের মতো অন্যান্য কম্পিউটিং রিসোর্সও প্রদান করে। D) উপরের সবগুলো — এটি ভুল কারণ প্রথম ও তৃতীয় অপশনে শুধুমাত্র স্টোরেজের কথা বলা হয়েছে, যা ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের পূর্ণাঙ্গ কাজকে প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্লাউড কম্পিউটিং মানেই নিজের কম্পিউটারের বাইরে ইন্টারনেটে অন্য কম্পিউটারের ক্ষমতা ও স্টোরেজ ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করা। স্টোরেজ এর পাশাপাশি প্রসেসিং পাওয়ার যুক্ত থাকলেই তা পূর্ণাঙ্গ ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সেবা মডেল তিনটি যথা আইআস, প্যাস এবং স্যাস। এসব সেবা মডেল থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a তথ্য রাখার হার্ডওয়্যারসমূহ
b তথ্য রাখার প্রোগ্রামসমূহ
c তথ্য সমূহের সুসংগঠিত রূপ
d তথ্য স্থানান্তরের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তথ্য সমূহের সুসংগঠিত রূপ ১. কেন সঠিক: - ডেটাবেজ হলো সুবিন্যস্ত উপাত্তের একটি সংগ্রহ, যা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। - এটি এলোমেলো উপাত্তকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় এনে তথ্য ব্যবস্থাপনাকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ডেটাবেজ হলো কম্পিউটার সিস্টেমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সংরক্ষিত সম্পর্কিত তথ্যের সুসংগঠিত ভাণ্ডার। - কার্যপদ্ধতি: এটি ফাইল বা টেবিলের সারিবদ্ধ قطار ও কলামের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ করে এবং বিভিন্ন কুয়েরির মাধ্যমে তা উপস্থাপন করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তথ্যের পুনরাবৃত্তি কমানো, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একাধিক ব্যবহারকারীকে ডেটা শেয়ার করার সুবিধা দেওয়া। - ব্যবহার: ব্যাংক ব্যবস্থার গ্রাহক হিসাব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীর রেকর্ড এবং সরকারি নিবন্ধনে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সফটওয়্যার ব্যাখ্যা: এখানে সব শিক্ষার্থীর নাম, রোল, ঠিকানা এবং পরীক্ষার নম্বর একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মে সাজানো থাকে, যা ডেটাবেজের বাস্তব রূপ। উদাহরণ ২: মোবাইল ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট ব্যাখ্যা: ফোনে সংরক্ষিত প্রতিটি নাম, ফোন নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা একটি ডেটাবেজ আকারে সংরক্ষিত থাকে, যা প্রয়োজনে সহজে অনুসন্ধান করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য রাখার হার্ডওয়্যারসমূহ — এটি ডেটাবেজ নয়, বরং হার্ডওয়্যার যেমন হার্ড ডিস্ক বা এসএসডি হলো স্টোরেজ ডিভাইস যাতে ডেটা রাখা হয়। B) তথ্য রাখার প্রোগ্রামসমূহ — এটি ডেটাবেজ নয়, বরং ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ডিবিএমএস হলো সেই সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ পরিচালনা করে। D) তথ্য স্থানান্তরের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা — এটি ডেটাবেজ নয়, বরং এটি হলো নেটওয়ার্ক বা যোগাযোগ মাধ্যম যার মাধ্যমে তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডেটা মানে কাঁচামাল বা এলোমেলো উপাত্ত এবং ডেটাবেজ মানে সেই উপাত্তের গোছানো রূপ। - ডেটাবেজের পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যারকে ডিবিএমএস বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডেটাবেজের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফিল্ড এবং একাধিক ফিল্ড মিলে তৈরি হয় রেকর্ড। - এমএস এক্সেস এবং ওরাকল হলো জনপ্রিয় ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
a Security
b Standardization
c Software
d Sense
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Security ১. কেন সঠিক: HTTP প্রোটোকলের সাথে সিকিউরিটি বা নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করে HTTPS তৈরি করা হয়েছে। এটি ডেটা স্থানান্তরের সময় এনক্রিপশন ব্যবহার করে হ্যাকারদের হাত থেকে তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: HTTPS-এর পূর্ণরূপ হলো Hypertext Transfer Protocol Secure এবং HTTP-এর পূর্ণরূপ Hypertext Transfer Protocol. কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগের সময় SSL বা TLS প্রোটোকল ব্যবহার করে সমস্ত ডেটা কোডে রূপান্তর করে পাঠায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ ওয়েবসাইটের ঠিকানা http:// দিয়ে শুরু হয়, যেখানে পাসওয়ার্ড বা তথ্য চুরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ব্যাখ্যা: এই ধরনের সাইটে ব্রাউজার সাধারণত নট সিকিউর দেখায়। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং বা ই-কমার্স সাইটের ঠিকানা https:// দিয়ে শুরু হয় এবং ব্রাউজারে তালা চিহ্ন থাকে। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর গোপনীয় তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকে এবং তৃতীয় কেউ তা পড়তে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Security — এটি সঠিক উত্তর কারণ HTTPS প্রোটোকল ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। B) Standardization — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রোটোকলের বিশেষ বৈশিষ্ট্য নয়, বরং সব প্রযুক্তির জন্য এটি একটি সাধারণ নিয়ম। C) Software — এটি কোনো সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি ইন্টারনেট যোগাযোগ প্রোটোকল। D) Sense — এটি একটি সাধারণ ইংরেজি শব্দ, যা নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির এই নির্দিষ্ট প্রোটোকলের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: HTTPS নামের শেষে থাকা S অক্ষরটি হলো Security বা নিরাপত্তার প্রতীক। HTTP হলো উন্মুক্ত এবং HTTPS হলো সুরক্ষিত প্রোটোকল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে নিরাপদ ওয়েবসাইটের জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। সঠিক উত্তর হবে HTTPS এবং এর পোর্ট নম্বর হলো ৪৪৩, অপরদিকে সাধারণ HTTP-এর পোর্ট নম্বর হলো ৮০।
a Shortest Path
b Triangulation
c Nearest- neighbor
d Encryption
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Triangulation ১. কেন সঠিক: মোবাইল ফোন অপারেটররা কোনো ব্যবহারকারীর অবস্থান বা লোকেশন শনাক্ত করার জন্য ট্রায়াঙ্গুলেশন বা বহুভুজভিত্তিক দূরত্ব নির্ণয় পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। এই পদ্ধতিতে মোবাইল টাওয়ার এবং ফোনের মধ্যকার সিগন্যাল পৌঁছানোর সময় বা দূরত্ব হিসাব করে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ট্রায়াঙ্গুলেশন হলো ত্রিকোণমিতির জ্যামিতিক নীতি ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুর সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান বের করার প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: একটি মোবাইল ফোন যখন চালু থাকে, তখন নিকটবর্তী অন্তত তিনটি মোবাইল টাওয়ারের সঙ্গে এর সিগন্যাল আদান-প্রদান হয় এবং সিগন্যালের যাতায়াতের সময় মাপা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম। ব্যাখ্যা: জিপিএস স্যাটেলাইটগুলো পৃথিবী থেকে প্রাপ্ত সিগন্যালের ত্রিভুজভিত্তিক দূরত্ব হিসাব করে চালকের সঠিক অবস্থান মানচিত্রে দেখায়। উদাহরণ ২: ইমার্জেন্সি কল ট্র্যাকিং। ব্যাখ্যা: জরুরি সেবার সময় ৯৯৯ বা অনুরূপ নম্বরে কল করলে পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিস এই প্রযুক্তির সাহায্যে कॉলারের কাছাকাছি লোকেশন ট্র্যাক করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shortest Path — এটি মূলত রাউটিং বা গ্রাফ থিওরির একটি অ্যালগরিদম, যা দুটি নেটওয়ার্ক বিন্দুর মধ্যে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ খুঁজতে ব্যবহৃত হয়। B) Triangulation — এটি সঠিক উত্তর। C) Nearest- neighbor — এটি মেশিন লার্নিং বা প্যাটার্ন রিকগনিশনের একটি ক্লাসিফিকেশন অ্যালগরিদম, যা লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের মূল পদ্ধতি নয়। D) Encryption — এটি ডেটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য ডেটাকে সাংকেতিক রূপে রূপান্তর করার পদ্ধতি, লোকেশন নির্ণয়ের জন্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করার জন্য কমপক্ষে তিনটি টাওয়ারের প্রয়োজন হয় এবং ত্রিভুজ বা তিন মাথার ধারণার সঙ্গে মিল রেখে এর নাম ট্রায়াঙ্গুলেশন মনে রাখা সহজ। টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে সেল টাওয়ারভিত্তিক অবস্থান নির্ণয়কে অনেক সময় মাল্টিলেটারেশন বা জিওলোকেশনও বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এবং মোবাইল কমিউনিকেশনে জিওলোকেশন প্রযুক্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলুলার নেটওয়ার্কের কার্যপদ্ধতি থেকে প্রায়শই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (18)

a আচরণ
b বৈষম্য
c প্রথা
d নীতি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রথা ১. কেন সঠিক: সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ হলো সমাজের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসের সমষ্টি যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত হয়। প্রথা বা সামাজিক রীতি থেকেই মূলত এই মূল্যবোধগুলোর উৎপত্তি ঘটে এবং তা সমাজের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ হলো সমাজের শেকড় যা মানুষের আচার-আচরণ ও বিশ্বাসকে পথ দেখায়। গুরুত্ব: এটি সমাজের মানুষের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে এবং নিজস্ব ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঙালি সমাজে বড়দের সম্মান করা এবং অতিথি আপ্যায়ন করা একটি দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক প্রথা। ব্যাখ্যা: এই প্রথা পালনের মাধ্যমেই আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সংস্কৃতির মূল মূল্যবোধ প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বিভিন্ন জাতীয় ও সামাজিক উৎসবে দলগতভাবে অংশ নেওয়া আমাদের যৌথ জীবনবোধকে শক্তিশালী করে। ব্যাখ্যা: প্রথার অনুসরণের মাধ্যমে সমাজের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আচরণ — এটি ব্যক্তির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যা সরাসরি পুরো সংস্কৃতির মূল ভিত্তি তৈরি করে না। B) বৈষম্য — এটি একটি সামাজিক ব্যাধি বা নেতিবাচক দিক, যা থেকে কোনো ইতিবাচক সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ উদ্ভূত হয় না। C) প্রথা — এটি সঠিক কারণ দীর্ঘদিনের প্রথাই সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। D) নীতি — নীতি মূলত ব্যক্তিগত বা নৈতিক বিচারবুদ্ধি থেকে আসে, যা সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের চেয়ে ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মূল উৎস হলো দীর্ঘদিনের প্রথা ও আচার-অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে প্রথা বা ঐতিহ্য শব্দটিকে প্রাধান্য দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সমাজের ঐতিহ্য ও প্রথার ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। এই নীতি থেকে ভবিষ্যতে সমাজবিজ্ঞান ও নাগরিকতা সম্পর্কিত নানা ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
a দ্রুত শিল্পায়ন নিশ্চিত করে।
b অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়ের ভারসাম্য রক্ষা করে।
c জনসংখ্যা হ্রাস করে।
d রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দূর করে।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়ের ভারসাম্য রক্ষা করে। ১. কেন সঠিক: - সুশাসন নিশ্চিত করে যে অর্থনৈতিক উন্নতির সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে সমভাবে পৌঁছাবে। - এটি কেবল ধনী শ্রেণীর উন্নয়ন নয়, বরং দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা করে টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে সাহায্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন ও সামাজিক ন্যায় এমন একটি নৈতিক ভিত্তি যা রাষ্ট্র ও সমাজে সমতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করে। - গুরুত্ব: এটি নিশ্চিত করে যে উন্নয়ন যেন কেবল সংখ্যাগত বৃদ্ধি না হয়ে মানবিক কল্যাণ সাধন করে। - প্রয়োগ: সরকারি সম্পদ ব্যবহারে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং নীতিনির্ধারণে সাধারণ মানুষের মতামতকে মূল্যায়ন করা। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি কোনো অনুদান বা সাহায্য বিতরণে স্বজনপ্রীতি না করে প্রকৃত দরিদ্র ও যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশ এবং এর মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়। উদাহরণ ২: কোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের সময় পরিবেশের ক্ষতি এড়ানো এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান রক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করা। ব্যাখ্যা: এটি টেকসই উন্নয়ন এবং নৈতিক দায়িত্ববোধের সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রুত শিল্পায়ন নিশ্চিত করে। — দ্রুত শিল্পায়ন সুশাসনের একমাত্র বা সরাসরি ফলাফল নয়, কারণ অপরিকল্পিত শিল্পায়ন পরিবেশ ও সমাজের ক্ষতি করতে পারে। B) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়ের ভারসাম্য রক্ষা করে। — এটি সঠিক কারণ টেকসই উন্নয়নের মূল শর্ত হলো অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি সামাজিক সাম্য বজায় রাখা। C) জনসংখ্যা হ্রাস করে। — সুশাসন পরোক্ষভাবে জীবনযাত্রার মান বাড়াতে পারে, তবে এটি সরাসরি জনসংখ্যা হ্রাসের কারণ নয়। D) রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দূর করে। — রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সম্পূর্ণ দূর করা সুশাসনের একক কাজ নয়, সুশাসন মূলত দ্বন্দ্ব নিরসনে নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া তৈরি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - টেকসই উন্নয়ন মানে কেবল টাকা-পয়সা বাড়ানো নয়, এর সাথে পরিবেশ ও সমাজের সবার ভালো থাকা জড়িত। - সুশাসন মানেই হলো অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সাথে সবার জন্য সমান অধিকার বা সামাজিক ন্যায় নিশ্চিত করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসনের মূল সম্পর্ক হলো ভারসাম্য রক্ষা করা। - এই নীতি থেকে ব্যাংক বা বিসিএস পরীক্ষায় সুশাসনের স্তম্ভ বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আরোপিত নিয়ম।
b নৈতিক নির্দেশ ছাড়া প্রথা ও ঐতিহ্য।
c নৈতিক আচরণ নির্দেশক বিশ্বাস ও নীতি।
d সামাজিক শৃঙ্খলার আইনি বাধ্যবাধকতা।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নৈতিক আচরণ নির্দেশক বিশ্বাস ও নীতি। ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি মূল্যবোধের মূল ভিত্তি নির্দেশ করে যা মানুষের অভ্যন্তরীণ বিশ্বাস এবং নৈতিক মানদণ্ড থেকে উৎসারিত হয়। - নৈতিক মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের শুভবুদ্ধি জাগিয়ে তোলে এবং তাকে সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে সহায়তা করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো এমন কিছু বিশ্বাস ও নীতি যা মানুষের আচরণকে পরিচালিত করে এবং সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত হয়। - গুরুত্ব: এটি মানুষকে সৎ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হতে সাহায্য করে এবং সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো দোকানদার ভুল করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিলে তা ফিরিয়ে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সততার নীতি এবং অভ্যন্তরীণ নৈতিক বিশ্বাসের সঠিক প্রয়োগ। উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে কোনো অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর ভরসা রাখা। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তিগত সততা এবং সঠিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আরোপিত নিয়ম — এটি আইন বা শৃঙ্খলার অংশ হতে পারে, কিন্তু মানুষের নিজস্ব বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধ নয়। B) নৈতিক নির্দেশ ছাড়া প্রথা ও ঐতিহ্য — প্রথা অনেক সময় কুসংস্কার বা অনৈতিক হতে পারে, তাই তা প্রকৃত মূল্যবোধের সারসত্তা হতে পারে না। C) নৈতিক আচরণ নির্দেশক বিশ্বাস ও নীতি — এটি সঠিক এবং প্রশ্নটির মূল চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) সামাজিক শৃঙ্খলার আইনি বাধ্যবাধকতা — আইন বাধ্যবাধকতা তৈরি করে, কিন্তু তা মানুষের ভেতরের নৈতিক বিশ্বাস বা মূল্যবোধ তৈরি করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: মূল্যবোধ সবসময় ভেতর থেকে আসে, যা বাহ্যিক কোনো আইন বা জোরপূর্বক আরোপ করা নিয়ম নয় বরং নৈতিক বিশ্বাসের প্রতিফলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মূল্যবোধ ও আইনের মধ্যে পার্থক্য এবং কোনটি মানুষের অভ্যন্তরীণ বিশ্বাস তা পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় নৈতিকতার মূল ভিত্তি যাচাইয়ের জন্য আসে।
a এটি প্রশাসনিক চাপ বাড়ায়।
b এটি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কমায়।
c এটি জনগণের নজরদারি ও সচেতন মূল্যায়নের জন্য সুযোগ দেয়।
d উপরের সবগুলো।
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এটি জনগণের নজরদারি ও সচেতন মূল্যায়নের জন্য সুযোগ দেয়। ১. কেন সঠিক: স্বচ্ছতা হলো প্রশাসনিক কার্যাবলী ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া জনসমক্ষে উন্মুক্ত রাখা যাতে নাগরিকরা সহজেই তা জানতে পারেন। এটি সুশাসনের একটি অন্যতম প্রধান স্তম্ভ যা সরকার ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরি করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি হলো এমন নৈতিক আচরণ যা কাজের সত্যতা ও সততা নিশ্চিত করে। গুরুত্ব: এটি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি প্রতিরোধ করে এবং নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি কোনো উন্নয়নমূলক কাজের প্রাক্কলন ও ব্যয়ের হিসাব জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিকদের কাজের গুণগত মান যাচাই করার সুযোগ দেয় এবং অনিয়ম রোধ করে। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি বা পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে প্রকাশ করা। ব্যাখ্যা: এতে মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত হয় এবং শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের মনে আস্থার সৃষ্টি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটি প্রশাসনিক চাপ বাড়ায় — স্বচ্ছতা প্রশাসনিক চাপ বাড়ায় না, বরং কাজের জবাবদিহি নিশ্চিত করে দীর্ঘমেয়াদে প্রশাসনকে জনবান্ধব ও সহজ করে তোলে। B) এটি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কমায় — স্বচ্ছতা রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কমায় না, বরং সুস্থ ও নীতিভিত্তিক রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং সুশাসন উৎসাহিত করে। C) এটি জনগণের নজরদারি ও সচেতন মূল্যায়নের জন্য সুযোগ দেয় — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ স্বচ্ছতা তথ্য উন্মুক্ত করে সাধারণ মানুষকে কাজের তদারকি করার সুযোগ দেয়। D) উপরের সবগুলো — যেহেতু প্রথম দুটি অপশন সঠিক নয়, তাই এই বিকল্পটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সুশাসন মানেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, আর স্বচ্ছতা থাকলে জনগণ সহজেই সরকারের কাজ তদারকি করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি হলো সুশাসনের প্রাণশক্তি, যা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। একই নীতি থেকে প্রশাসনিক সততা ও দুর্নীতি রোধ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a নৈতিক নীতি, নিয়ম ও রাজনৈতিক নির্দেশ মানা।
b নৈতিক নীতি, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা।
c স্তরবিন্যাস, স্বচ্ছতা ও ঐতিহ্য।
d নৈতিকতা ছাড়া প্রশাসনিক দক্ষতা।
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নৈতিক নীতি, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। ১. কেন সঠিক: - সুশাসন নিশ্চিত করতে নৈতিক নীতি, কাজের স্বচ্ছতা এবং জনগণের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা অপরিহার্য উপাদান হিসেবে কাজ করে। - নৈতিকতা প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত রাখে, স্বচ্ছতা জনসচেতনতা বাড়ায় এবং দায়বদ্ধতা শাসকদের জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, আইনসম্মত, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল এবং জনকল্যাণমুখী। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া কোনো রাষ্ট্র বা সমাজ টেকসই উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে পারে না। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি প্রতিটি দপ্তরে নিয়মের সঠিক প্রয়োগ এবং জনগণের সেবা প্রদানে সততা বজায় রেখে এর বাস্তবায়ন করা যায়। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, জনকল্যাণ নিশ্চিত হয় এবং দুর্নীতি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করলেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও নৈতিক নীতির সঠিক প্রয়োগের উৎকৃষ্ট উদাহরণ যা প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ায়। উদাহরণ ২: কোনো সেবা গ্রহীতা অফিসে এসে সঠিক সেবা না পেয়ে অভিযোগ জানালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা গুরুত্বসহকারে সমাধান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তার সামাজিক দায়বদ্ধতা ও কর্তব্যপরায়ণতার মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৈতিক নীতি, নিয়ম ও রাজনৈতিক নির্দেশ মানা। — রাজনৈতিক নির্দেশ সবসময় জনস্বার্থের অনুকূল নাও হতে পারে, তাই কেবল নির্দেশ মানা সুশাসনের সম্পূর্ণ শর্ত নয়। B) নৈতিক নীতি, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। — এটি সুশাসন ও মূল্যবোধের প্রকৃত সম্পর্ককে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। C) স্তরবিন্যাস, স্বচ্ছতা ও ঐতিহ্য। — ঐতিহ্য বা প্রাতিষ্ঠানিক স্তরবিন্যাস সুশাসনের মূল চালিকাশক্তি নয়, বরং নৈতিকতা ও জবাবদিহি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। D) নৈতিকতা ছাড়া প্রশাসনিক দক্ষতা। — নৈতিকতা ছাড়া কেবল প্রশাসনিক দক্ষতা স্বৈরাচারী ও দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনব্যবস্থার জন্ম দিতে পারে, যা সুশাসনের পরিপন্থী। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানেই হলো নৈতিকতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার ত্রিমুখী সমন্বয়। - প্রশাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে সততা এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো এবং এর সঙ্গে নৈতিকতার সম্পর্ক প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে। - সুশাসনের প্রধান শর্তসমূহ এবং জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো একইভাবে অনুশীলন করা উচিত।
a কর আদায়ের হার বৃদ্ধি।
b মেধা পাচার।
c অবকাঠামো সম্প্রসারণ।
d রপ্তানি আয় বৃদ্ধি।
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেধা পাচার। ১. কেন সঠিক: - সুশাসনের অভাবে রাষ্ট্রে মেধা পাচার ঘটে যা সমাজ অদৃশ্যভাবে বহন করে। - এটি সুশাসন, জবাবদিহি এবং আইনের শাসনের অনুপস্থিতির ফল। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন শাসন ব্যবস্থা যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়। - গুরুত্ব: সুশাসন না থাকলে যোগ্য ব্যক্তিরা মূল্যায়ন পায় না এবং হতাশ হয়ে দেশ ছাড়ে। - প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। - সম্ভাব্য প্রভাব: মেধা পাচার রোধ হলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন মেধাবী প্রকৌশলী দেশে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে ভালো চাকরি না পেয়ে বিদেশে চলে গেলেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অনুপস্থিতির কারণে মেধা পাচারের একটি স্পষ্ট উদাহরণ যা সমাজের জন্য একটি লুকানো ক্ষতি। উদাহরণ ২: একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্য প্রার্থীর বদলে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলো। ব্যাখ্যা: এই অনিয়মের ফলে প্রকৃত শিক্ষাবিদরা দেশত্যাগ করেন এবং জাতি তাদের সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর আদায়ের হার বৃদ্ধি — এটি সরাসরি দৃশ্যমান অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত, কোনো লুকানো ব্যয় বা সুশাসনের প্রত্যক্ষ অনুপস্থিতির ফল নয়। C) অবকাঠামো সম্প্রসারণ — এটি উন্নয়নের দৃশ্যমান অংশ যা সুশাসনের ইতিবাচক ফলাফল হিসেবে সমাজে প্রকাশ পায়। D) রপ্তানি আয় বৃদ্ধি — এটি দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সাফল্যের দৃশ্যমান নির্দেশক, লুকানো কোনো খরচ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন না থাকলে মেধা দেশ ছেড়ে চলে যায়। - এই লুকানো ক্ষতি বা হিডেন কস্ট সমাজকে দীর্ঘমেয়াদে পিছিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের উপাদান এবং এর অনুপস্থিতির ফলাফল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। - এই নীতি থেকে সুশাসনের অভাবজনিত নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a শিল্পাঞ্চলের অভাব
b রাজনৈতিক অস্থিরতা
c দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য
d ক্ষুদ্রঋণের স্বল্পতা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য ১. কেন সঠিক: - শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য কেবল পুঁজি বা অবকাঠামো যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন কারিগরি দক্ষ জনশক্তি এবং যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা। - আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা সার্টিফিকেট সর্বস্ব হওয়ায় তা কর্মক্ষেত্রের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যা এই রূপান্তরের পথে সবচেয়ে বড় কাঠামোগত বাধা। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা হলো রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধ এবং সুশাসনের একটি অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। - গুরুত্ব: এটি যুবসমাজকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করে উৎপাদনশীল শক্তিতে রূপান্তর করতে এবং দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী সাধারণ ডিগ্রি অর্জন করলেও কোনো ব্যবহারিক বা কারিগরি দক্ষতা না থাকায় চাকরির বাজারে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে এবং হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ব্যক্তির মেধা ও শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না, যা প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত উভয় স্তরেই উন্নয়নের অন্তরায়। উদাহরণ ২: একটি পোশাক কারখানায় আধুনিক প্রযুক্তি আমদানির পর দেখা গেল স্থানীয় কর্মীরা তা চালাতে পারছেন না, ফলে বিদেশ থেকে উচ্চ বেতনে বিশেষজ্ঞ আনতে হচ্ছে। ব্যাখ্যা: শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্যের কারণে দেশীয় অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং দক্ষ মানবসম্পদের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিল্পাঞ্চলের অভাব — বাংলাদেশে পর্যাপ্ত শিল্পাঞ্চল রয়েছে বা প্রতিনিয়ত নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠছে, কিন্তু দক্ষ কর্মীর অভাবে অনেক কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারে না। B) রাজনৈতিক অস্থিরতা — রাজনৈতিক অস্থিরতা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা শ্লথ করলেও এটি এককভাবে শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে রূপান্তরের প্রধান কাঠামোগত বাধা নয়। C) দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য — এটিই সঠিক কারণ প্রযুক্তিগত উৎপাদন ও আধুনিক শিল্পের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উপযুক্ত ও দক্ষ জনশক্তি। D) ক্ষুদ্রঋণের স্বল্পতা — ক্ষুদ্রঋণ মূলত প্রান্তিক মানুষের গ্রামীণ কুটিরশিল্প বা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে, কিন্তু বৃহৎ উৎপাদনভিত্তিক অর্থনীতির জন্য এটি প্রধান চালিকাশক্তি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্থনীতি রূপান্তরের মূল চাবিকাঠি হলো জ্ঞান ও দক্ষতা। - শিক্ষা যদি কর্মমুখী না হয়, তবে ডিগ্রি থাকলেও উৎপাদনশীলতা বাড়ে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবসম্পদ উন্নয়ন ও যুগোপযোগী শিক্ষানীতি সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন বা কর্মমুখী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কিত অনুধাবনমূলক প্রশ্ন হিসেবেও আসতে পারে।
a স্বল্পমেয়াদি প্রবৃদ্ধি
b অবকাঠামো নির্মাণ
c মানব সম্পদ উন্নয়ন
d আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানব সম্পদ উন্নয়ন ১. কেন সঠিক: - সুশাসন ও নৈতিক মূল্যবোধ নিশ্চিত হলে সমাজের প্রতিটি মানুষের মেধা, দক্ষতা ও নৈতিকতার বিকাশ ঘটে, যা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় উন্নয়নকে টেকসই করে তোলে। - এটি এমন একটি সুশাসনভিত্তিক পরিবেশ তৈরি করে যেখানে নাগরিকরা তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতি ও সমাজ গঠনে স্থায়ী অবদান রাখতে পারে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মানব সম্পদ উন্নয়ন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মানুষের দক্ষতা, জ্ঞান, স্বাস্থ্য ও নৈতিক মান উন্নত করা হয়। - গুরুত্ব: এটি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নয়, বরং একটি নৈতিক ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: একটি প্রতিষ্ঠানে ঘুষ বা দুর্নীতির পরিবর্তে মেধার ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করা হলে কর্মীরা সৎভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা পায়। - ব্যাখ্যা: এখানে সঠিক মূল্যবোধের চর্চা কর্মীদের কাজের মান বাড়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘস্থায়ী উন্নতি নিশ্চিত করে। - উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যপুষ্ট্রে知識 নয়, বরং নৈতিকতা ও সততার শিক্ষা দেওয়া। - ব্যাখ্যা: এই শিক্ষা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে যা দেশের সার্বিক উন্নয়নকে টেকসই করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বল্পমেয়াদি প্রবৃদ্ধি — এটি তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক লাভ প্রকাশ করে, যা নৈতিক মূল্যবোধ বা সুশাসনের অভাবে দীর্ঘস্থায়ী হয় না। B) অবকাঠামো নির্মাণ — শুধু রাস্তাঘাট বা ভবন নির্মাণ করলেই জাতীয় উন্নয়ন টেকসই হয় না, যদি না তা পরিচালনার জন্য দক্ষ মানব সম্পদ থাকে। D) আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ — অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ অনেক সময় সুশাসন ও স্বাধীনতার পরিপন্থী এবং এটি টেকসই উন্নয়নের পরিবর্তে কাজের গতি কমিয়ে দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - টেকসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো মানুষ। তাই সুশাসন ও মূল্যবোধ মানুষের উন্নয়ন বা মানব সম্পদ উন্নয়নের সাথেই সবচেয়ে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসন, নৈতিকতা এবং মানব সম্পদ উন্নয়নের সম্পর্ক সবসময় পারস্পরিক পরিপূরক। এই নীতি থেকে ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন আসে।
a আইনের নির্বাচনী প্রযোগ
b নাগরিকের অংশগ্রহণ
c কর্তৃত্ববাদ
d গোপনীয়তা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাগরিকের অংশগ্রহণ ১. কেন সঠিক: - সুশাসন ও মূল্যবোধসম্পন্ন শাসনব্যবস্থায় জনগণের সম্পৃক্ততা হলো ক্ষমতার মূল ভিত্তি, যা নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে। - গণতন্ত্র ও সুশাসনের নীতি অনুযায়ী, নাগরিকের অংশগ্রহণ কেবল অধিকার নয়, বরং এটি একটি দায়িত্বশীল সমাজ গঠনের নৈতিক পূর্বশর্ত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন ও জনঅংশগ্রহণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে সরকারের প্রতিটি কার্যক্রমে জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় স্থানীয় জনগণের মতামত গ্রহণ করা এবং তাদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজে এলাকার সাধারণ মানুষকে যুক্ত করে বাজেট প্রণয়ন করা। ব্যাখ্যা: এটি জবাবদিহি ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুশাসনের প্রকৃত মূল্যবোধ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অভিভাবকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন করা। ব্যাখ্যা: এতে অংশীদারিত্বমূলক আচরণের প্রকাশ ঘটে যা প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনের নির্বাচনী প্রয়োগ — আইনের দৃষ্টিতে সমতা বিনষ্ট করে এবং বৈষম্য তৈরি করে, যা সুশাসনের নৈতিক ভিত্তির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। C) কর্তৃত্ববাদ — এককেন্দ্রিক ক্ষমতা চর্চা ও জনমতের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করে, যা আধুনিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজের সঙ্গে অসংগত। D) গোপনীয়তা — জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে জবাবদিহি এড়াতে সহায়তা করে এবং সুশাসনের অন্যতম মূল স্তম্ভ স্বচ্ছতাকে বাধাগ্রস্ত করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের চারটি মূল স্তম্ভ হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং নাগরিকের অংশগ্রহণ। - যেখানে জনগণের কণ্ঠস্বর মূল্যায়িত হয়, সেখানেই কেবল মূল্যবোধসম্পন্ন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল চালিকাশক্তি হলো জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ও কার্যকর অংশগ্রহণ। - সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে নাগরিক অধিকার এবং নৈতিক নেতৃত্বের সম্পর্কগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সম্পদের অভাব
b নাগরিকের বিরোধিতা
c সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব
d প্রযুক্তির অভাব
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব ১. কেন সঠিক: - দুর্বল শাসন ব্যবস্থায় উন্নয়ন প্রকল্প ব্যর্থ হওয়ার মূল কারণ হলো নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সততার অনুপস্থিতি। - স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সুশাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ যা প্রকল্পের দুর্নীতি রোধ করে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: প্রশ্নের ধরন: সুশাসন ও জবাবদিহি - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, consensus-oriented, accountable, transparent, responsive, effective এবং equitable হয়। - গুরুত্ব: সুশাসন নিশ্চিত হলে জনসম্পদের সঠিক ব্যবহার হয় এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজে স্বচ্ছতা বজায় রেখে জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষা করা। - সম্ভাব্য প্রভাব: সততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হলে প্রকল্পের ব্যয় হ্রাস পায় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি এলাকায় রাস্তা নির্মাণের জন্য সরকারি বরাদ্দ আসার পর কাজের মান যাচাই না করে ঠিকাদারের সাথে গোপন সমঝোতা করা। ব্যাখ্যা: এটি সততা ও পেশাগত দায়িত্বের চরম লঙ্ঘন, যা সুশাসনের অভাবেই ঘটে থাকে। উদাহরণ ২: স্কুল ভবন নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া উন্মুক্ত ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা যাতে যোগ্য ঠিকাদার কাজ পায়। ব্যাখ্যা: এখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে যা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পদের অভাব — অনেক সময় পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রকল্প ব্যর্থ হতে পারে। B) নাগরিকের বিরোধিতা — নাগরিকরা তখনই বিরোধিতা করে যখন প্রকল্পে স্বচ্ছতার অভাব থাকে এবং তাদের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়। C) সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই সুশাসনের মূল শর্ত। D) প্রযুক্তির অভাব — আধুনিক যুগে প্রযুক্তি সহায়ক হলেও সদিচ্ছা ও সততা না থাকলে শুধু প্রযুক্তি দিয়ে প্রকল্প সফল করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানেই স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি। - উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যর্থতার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে থাকে সততা ও জবাবদিহির ঘাটতির মধ্যে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের উপাদানগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অনুপস্থিতি কীভাবে দুর্নীতি তৈরি করে তা অনুধাবন করতে হবে।
a প্রয়োজন
b প্রেষণা
c ইচ্ছা
d শারীরিক শক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রেষণা ১. কেন সঠিক: - প্রেষণা হলো এমন একটি অভ্যন্তরীণ মানসিক শক্তি বা তাড়না, যা মানুষকে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য উদ্দীপ্ত ও পরিচালিত করে। - নৈতিকতা ও আচরণগত মনোবিজ্ঞানে প্রেষণা মানুষের কাজের উদ্দেশ্য নির্ধারণ এবং তা পূরণে অবিচল থাকার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: প্রেষণা হলো অভ্যন্তরীণ শক্তি যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রিত ও লক্ষ্য অভিমুখী করে তোলে। - গুরুত্ব: এটি ব্যক্তিগত লক্ষ্য অর্জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনে ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা সততার সঙ্গে সেবা দেওয়ার জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেন। ব্যাখ্যা: জনসেবামূলক মনোভাবের অভ্যন্তরীণ প্রেষণা তাকে দুর্নীতি থেকে দূরে রাখে এবং সঠিক দায়িত্ব পালনে পরিচালিত করে। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো করার জন্য প্রতিদিন নিয়মমাফিক পড়াশোনা করে। ব্যাখ্যা: সফল হওয়ার তীব্র অভ্যন্তরীণ প্রেষণা তাকে বাধা অতিক্রম করে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রয়োজন — প্রয়োজন মানুষের অভাববোধকে নির্দেশ করে, যা প্রেষণার জন্ম দেয় কিন্তু সরাসরি লক্ষ্য অর্জনে চালিত করে না। B) প্রেষণা — সঠিক উত্তর। C) ইচ্ছা — ইচ্ছা মানুষের সাধারণ পছন্দ বা আকাক্ষা বোঝায়, যা অনেক সময় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট তাড়না তৈরি করে না। D) শারীরিক শক্তি — শারীরিক শক্তি শুধু কাজ করার সামর্থ্য জোগায়, কিন্তু কোন দিকে সেই শক্তি প্রয়োগ করতে হবে তা নির্ধারণ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - লক্ষ্য নির্ধারণে কাজ করে প্রেষণা এবং অভাববোধ থেকে জন্ম নেয় প্রয়োজন। - মনে রাখবে, শারীরিক শক্তি কাজের মাধ্যম হলেও মানসিক তাড়না বা প্রেষণা হলো মূল চালিকাশক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রেষণা এবং চাহিদার মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক পার্থক্য থেকে প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - লক্ষ্য অর্জনে অভ্যন্তরীণ প্রেষণার ভূমিকা সম্পর্কিত ধারণা সুশাসন ও নৈতিকতার প্রশ্ন সমাধানে সাহায্য করে।
a শুধুমাত্র কঠোর আইন প্রযোগের
b রাজনৈতিক প্রাধান্য ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের
c সংস্কার ছাড়া ঐতিহ্য সংরক্ষণের
d স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্বের
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্বের ১. কেন সঠিক: - সুশাসন এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে জনকল্যাণ নিশ্চিত করা হয় এবং এর মূল ভিত্তি হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্ব। - স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দুর্নীতি কমে যায় এবং নৈতিক নেতৃত্ব সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন ও জবাবদিহি হলো এমন একটি নৈতিক ভিত্তি যা সরকারের প্রতিটি স্তরে সততা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করে। - গুরুত্ব: এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করলেন। ব্যাখ্যা: এটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চমৎকার প্রয়োগ, যা সুশাসনের মূল লক্ষ্য অর্জনকে ত্বরান্বিত করে। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তহবিল বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক সবার সামনে খরচের হিসাব প্রকাশ করলেন। ব্যাখ্যা: এই আচরণটি প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও নৈতিক নেতৃত্বের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুধুমাত্র কঠোর আইন প্রযোগের — কঠোর আইন প্রয়োগ কখনো সুশাসনের একমাত্র শর্ত হতে পারে না, কারণ সুশাসনের জন্য জনসচেতনতা ও নৈতিক মূল্যবোধও সমানভাবে প্রয়োজন। B) রাজনৈতিক প্রাধান্য ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের — রাজনৈতিক প্রাধান্য ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সুশাসনের বদলে অনেক সময় একচেটিয়া ক্ষমতা চর্চাকে উৎসাহিত করে। C) সংস্কার ছাড়া ঐতিহ্য সংরক্ষণের — কেবল ঐতিহ্য সংরক্ষণ করলে যুগের চাহিদামমতো রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। D) স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্বের — এটি সুশাসনের মূল প্রতিশ্রুতি এবং সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানেই হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্বের সমন্বয়। - পরীক্ষার প্রশ্নে সুশাসন দেখলে তার সঙ্গে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা শব্দগুলো মিলিয়ে উত্তর নির্ধারণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো থেকে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই নীতি থেকে অংশীদারিত্ব বা আইনের শাসনসংক্রান্ত অন্য MCQ ও আসতে পারে।
a ঘন ঘন আইনের সংস্কার
b নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি
c নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমন্বয়
d আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমন্বয় ১. কেন সঠিক: - সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে শুধু বাহ্যিক নিয়মের ওপর নির্ভর করলে চলে না, বরং মানুষের ভেতরের নৈতিক চেতনা জাগিয়ে তুলতে হয়। - প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষা যুক্ত হলে নাগরিকরা ভেতর থেকে সৎ হতে শেখে এবং দায়িত্বশীল আচরণ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধ হলো এমন কিছু নীতি ও আদর্শ, যা কোনো সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতি এবং কাজের মান নির্ধারণ করে। - গুরুত্ব: এটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি রোধ করে এবং সেবার মান বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ফাইল আটকে রেখে উৎকোচ দাবি না করে নির্দিষ্ট সময়ে সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে পেশাগত নৈতিকতা এবং সততার সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই না পড়িয়ে সততা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দিলেন। ব্যাখ্যা: এটি নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমন্বয়ের বাস্তব রূপ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৎ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘন ঘন আইনের সংস্কার — শুধু আইন পরিবর্তন করে মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা যায় না যদি মানুষের মানসিকতা পরিবর্তন না হয়। B) নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি — আর্থিক সুবিধা বাড়লে দুর্নীতি কমতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি মূল্যবোধ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রধান কৌশল নয়। C) নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমন্বয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘস্থায়ীভাবে মানুষের আচরণ ও মানসিকতা পরিবর্তন করে। D) আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি — মাত্রাতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ কাজের গতি কমিয়ে দেয় এবং কর্মচারীদের ভেতর ভীতি তৈরি করে, যা প্রকৃত মূল্যবোধ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন ও মূল্যবোধের সম্পর্ক বুঝতে হলে মনে রাখতে হবে যে বাহ্যিক আইনের চেয়ে অভ্যন্তরীণ নৈতিকতা বেশি শক্তিশালী। - প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে শিক্ষা এবং চর্চার কোনো বিকল্প নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নৈতিকতা। - এই নীতি থেকে প্রায়ই নৈতিক শাসন ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a আইনসমূহ
b অবকাঠামোগত সুবিধাসমূহ
c গুণগত শিক্ষা
d টাকা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গুণগত শিক্ষা ১. কেন সঠিক: - গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরি করা, যা গুণগত শিক্ষা ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। - গুণগত শিক্ষা মানুষের মধ্যে বিবেক, পরমতসহিষ্ণুতা এবং নাগরিক অধিকারের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: গুণগত শিক্ষা হলো এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা যা ব্যক্তির নৈতিক চেতনা বিকাশ করে এবং সমাজে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। - গুরুত্ব: এটি নাগরিকদের শুধু স্বাক্ষর করে না, বরং তাদের অধিকার ও কর্ত সম্পর্কে সচেতন করে তোলে যা গণতন্ত্রের সুফল নিশ্চিত করে। - প্রয়োগ: সমাজে প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় যুক্তিবাদী হওয়া এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করা যায়। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে রাষ্ট্রে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি হ্রাস পেয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সচেতন ভোটার যখন কোনো প্রার্থীর অতীত রেকর্ড ও যোগ্যতা বিবেচনা করে ভোট দেন এবং টাকা বা প্রলোভনে প্রভাবিত হন না। ব্যাখ্যা: এটি গুণগত শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ, যা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। উদাহরণ ২: সংসদে বা স্থানীয় সরকারে কোনো আইন পাশের সময় সাধারণ মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসন ও নাগরিক অংশগ্রহণের চমৎকার উদাহরণ, যা গুণগত শিক্ষার ফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনসমূহ — আইন গণতন্ত্রের কাঠামো ঠিক রাখে কিন্তু নাগরিকদের সচেতনতা ছাড়া তা ফলপ্রসূ হতে পারে না। B) অবকাঠামোগত সুবিধাসমূহ — রাস্তাঘাট বা ভবন উন্নয়নের প্রতীক হলেও তা মানুষের নৈতিক চেতনা বৃদ্ধি করতে পারে না। D) টাকা — টাকা বা অর্থ দেশের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনে কিন্তু তা গণতন্ত্রের গুণগত মান নিশ্চিত করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - গণতন্ত্রের চাবিকাঠি হলো সচেতন নাগরিক, আর সচেতন নাগরিক তৈরির একমাত্র প্রধান মাধ্যম হলো গুণগত শিক্ষা। - অবকাঠামোগত উন্নয়ন দৃশ্যমান হলেও মানসিক ও নৈতিক উন্নয়ন ছাড়া গণতন্ত্র অর্থহীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গণতন্ত্র ও সুশাসনের মূল শর্ত হলো সচেতন নাগরিক সমাজ এবং এর ভিত্তি হলো শিক্ষা। - এই নীতি থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসন ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a নিচু মানের
b উচ্চ মানের
c মাঝারি মানের
d কোনোটিই নয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাঝারি মানের কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংকের সুশাসন সূচক সাধারণত আড়াই থেকে ধনাত্মক আড়াই এবং ঋণাত্মক আড়াই থেকে শূন্যের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। - সূচকের মান শূন্য point শূন্য শূন্য হওয়ার অর্থ হলো দেশটির শাসনব্যবস্থা বিশ্ব গড়ের মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে। নৈতিক শিক্ষা: - সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব। - সুশাসনের অভাবে দুর্নীতি বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণ মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। - উদাহরণস্বরূপ, রাষ্ট্রে আইনের শাসন থাকলে নাগরিকরা সমান সুযোগ ও অধিকার লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নিচু মানের — এই অপশনটি ভুল কারণ সূচকের মান ঋণাত্মক হলে সুশাসন নিচু মানের বলে গণ্য হয়। - B) উচ্চ মানের — এই অপশনটি ভুল কারণ সূচকের মান ধনাত্মক আড়াইয়ের কাছাকাছি হলে সুশাসন উচ্চ মানের হয়। - C) মাঝারি মানের — এই অপশনটি সঠিক কারণ শূন্য point শূন্য শূন্য হলো বিশ্বব্যাংকের মাপকাঠিতে মধ্যবর্তী বা মাঝারি অবস্থা। - D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংকের সূচকে শূন্য মান পেলে বুঝতে হবে দেশটি মাঝারি মানের সুশাসনের অধিকারী।
a সম্পদ, ক্ষমতা ও সদগুণ
b সত্য, আনন্দ, সদগুণ
c সত্য, সুন্দর ও সদগুণ
d আনন্দ, বিবেক ও সাহস
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সত্য, সুন্দর ও সদগুণ ১. কেন সঠিক: - নৈতিক দর্শন অনুসারে মানবজীবনের চরম ও পরম প্রাপ্তি হলো সত্য, সুন্দর এবং সদগুণ অর্জন করা। - এটি মানুষের ভেতরের নৈতিক উৎকর্ষ, নান্দনিক রুচি এবং মানবিক সত্তার পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সত্য হলো পরম বাস্তব ও সততা, সুন্দর হলো নান্দনিকতা ও পরিশীলিত মন, এবং সদগুণ হলো নৈতিক চরিত্রের শ্রেষ্ঠ গুণাবলি। - গুরুত্ব: এই তিনটি মূল্যবোধ একত্রে মানুষকে একজন প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ মানবিক গুণসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে আপস না করে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করা। ব্যাখ্যা: এটি সত্য ও সদগুণের বাস্তব প্রয়োগ, যা সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: অন্যের মতামতের প্রতি সম্মান জানানো এবং পরিবেশের সৌন্দর্য রক্ষা করা। ব্যাখ্যা: এটি সুন্দরের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নৈতিক দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পদ, ক্ষমতা ও সদগুণ — সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষের নৈতিক উৎকর্ষের মূল মাপকাঠি নয় এবং এগুলো অনেক সময় অনৈতিকতার পথও দেখাতে পারে। B) সত্য, আনন্দ, সদগুণ — আনন্দ একটি সাময়িক মানসিক অনুভূতি, যা সবসময় নৈতিকতার সাথে যুক্ত থাকে না। D) আনন্দ, বিবেক ও সাহস — বিবেক ও সাহস গুরুত্বপূর্ণ হলেও আনন্দ জীবনের সর্বোচ্চ নৈতিক মূল্যবোধের মধ্যে প্রধান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মানবজীবনের ত্রিমুখী উৎকর্ষ বোঝাতে সত্য, সুন্দর ও সদগুণ এই তিনটি চিরন্তন মূল্যবোধ একসঙ্গে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নৈতিকতার বিচারে মানুষের জীবনের পরম লক্ষ্য হলো আত্মিক ও নৈতিক উন্নয়ন সাধন করা।
a এটি শুধুমাত্র পরিমাপযোগ্য ফলাফলের উপর নির্ভরশীল
b এটি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেয়
c এটি নৈতিক মানদণ্ড ও জনস্বার্থ দ্বারা পরিচালিত
d এটি মূল্যবোধ-নিরপেক্ষ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এটি নৈতিক মানদণ্ড ও জনস্বার্থ দ্বারা পরিচালিত ১. কেন সঠিক: - সুশাসন কেবল সংখ্যাগত বা কাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং এটি মূলত জনকল্যাণ, সততা ও মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - নৈতিক মানদণ্ড ও জনস্বার্থ হলো সুশাসনের মূল চালিকাশক্তি যা প্রশাসনকে জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করে তোলে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন ও জবাবদিহি হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে আইনের শাসন, স্বচ্ছতা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়। - গুরুত্ব: এটি সমাজে বৈষম্য দূর করে, দুর্নীতি রোধ করে এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো ঠিকাদারি কাজের অনুমোদন দেওয়ার সময় ব্যক্তিগত লাভ না দেখে জনসাধারণের স্বার্থ এবং দীর্ঘমেয়াদী উপযোগিতাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের আদর্শের সঠিক প্রয়োগ কারণ এখানে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়বিচার ও নৈতিক মানদণ্ডের বাস্তব প্রতিফলন যা সুশাসন নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটি শুধুমাত্র পরিমাপযোগ্য ফলাফলের উপর নির্ভরশীল — সুশাসন কেবল সংখ্যা বা অর্জিত লক্ষ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সেবার মান ও নৈতিকতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। B) এটি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেয় — অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সুশাসনের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু জনস্বার্থ ও মানবাধিকার রক্ষা ছাড়া প্রকৃত সুশাসন হতে পারে না। D) এটি মূল্যবোধ-নিরপেক্ষ — সুশাসন কখনোই মূল্যবোধ-নিরপেক্ষ হতে পারে না, কারণ এটি নৈতিকতা, ন্যায়বিচার ও সততার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো জনগণ এবং তাদের কল্যাণ। যেখানে নৈতিকতা ও জনস্বার্থ অনুপস্থিত, সেখানে সুশাসন থাকতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো (স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, অংশগ্রহণ ও আইনের শাসন) সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a হার্টল্যান্ড তত্ত্ব
b কন্টেইনমেন্ট তত্ত্ব
c রিমল্যান্ড তত্ত্ব
d ডমিনো তত্ত্ব
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হার্টল্যান্ড তত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভূ-রাজনীতিবিদ স্যার হ্যালফোর্ড ম্যাকিন্ডার ১৯০৪ সালে বিশ্ব আধিপত্যের চাবিকাঠি হিসেবে ইউরেশিয়ার মূল ভূখণ্ড বা হার্টল্যান্ড নিয়ন্ত্রণের এই তাত্ত্বিক ধারণা প্রদান করেন। - কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে বিশ্ব রাজনীতিতে একক আধিপত্য বিস্তার করা সম্ভব বলে এই তত্ত্বে যুক্তি দেখানো হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: প্রশ্নের ধরন: ভূ-রাজনৈতিক কৌশল ও বৈশ্বিক দায়িত্ববোধ - মূল ধারণা: বৈশ্বিক সম্পদে আধিপত্য বিস্তারের নীতি। - গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সামরিক শক্তির চেয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমতা বেশি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আনে। - প্রয়োগ: রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে আধিপত্যকামী চিন্তার পরিবর্তে সহাবস্থান এবং ন্যায্যতার নীতি অনুসরণ করা উচিত। - সম্ভাব্য প্রভাব: আধিপত্যের লিপ্সা সংঘাত ও যুদ্ধ ডেকে আনে, অন্যদিকে সহযোগিতা বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্র এককভাবে কোনো ছোট দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা না করে ন্যায্য বাণিজ্যের নীতি মেনে চলে। ব্যাখ্যা: এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ যা বৈশ্বিক সুশাসন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক ক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা না করে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার নীতিমালার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হার্টল্যান্ড তত্ত্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি ইউরেশিয়ার মূল ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিশ্ব আধিপত্যের কথা বলে। B) কন্টেইনমেন্ট তত্ত্ব — এটি স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তার রোধ বা সীমিত করার একটি রাজনৈতিক ও সামরিক কৌশল ছিল। C) রিমল্যান্ড তত্ত্ব — এটি নিকোলাস স্পাইকম্যানের তত্ত্ব যা হার্টল্যান্ডের চারপাশের উপকূলীয় অঞ্চল বা রিমল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণকে বিশ্ব ক্ষমতার চাবিকাঠি মনে করে। D) ডমিনো তত্ত্ব — এটি এমন একটি ভূ-রাজনৈতিক ধারণা যেখানে একটি রাষ্ট্রে কমিউনিস্ট শাসন প্রতিষ্ঠা হলে আশেপাশের রাষ্ট্রেও একই ঘটনা ঘটবে বলে ধরে নেওয়া হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হার্টল্যান্ড মানে হৃদপিণ্ড বা মূল ভূখণ্ড, যা ইউরেশিয়ার ভেতরের অংশকে বোঝায়। - ম্যাকিন্ডারের নাম এবং হার্টল্যান্ড তত্ত্বের মূল কথা মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভূ-রাজনীতিতে ম্যাকিন্ডারের হার্টল্যান্ড এবং স্পাইকম্যানের রিমল্যান্ড তত্ত্বের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগের চেয়ে নৈতিক কূটনীতি ও সহযোগিতা কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা বুঝতে এই প্রশ্নটি সাহায্য করে।

মোট প্রশ্ন (13)

a ২০০৭, ২০০৮
b ২০০৮, ২০০৯
c ২০০৭, ২০০৯
d ২০০৭, ২০০৬
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৭, ২০০৯ ১. কেন সঠিক: - ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানার সঠিক সাল যথাক্রমে ২০০৭ এবং ২০০৯। - এই দুটি প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনজীবন, অর্থনীতি এবং পরিবেশের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। ২. ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রেক্ষাপট: - প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড়ের মুখোমুখি হয়। - তারিখ ও ক্ষয়ক্ষতি: সিডর ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর এবং আইলা ২০০৯ সালের ২৫ মে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘূর্ণিঝড় সিডর ব্যাখ্যা: এটি ২০০৭ সালে সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানে এবং এর বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২৬০ কিলোমিটার। উদাহরণ ২: ঘূর্ণিঝড় আইলা ব্যাখ্যা: এটি ২০০৯ সালে আঘাত হানে এবং এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ও বেড়িবাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৮, ২০০৮ — এই অপশনটি ভুল কারণ সিডর ২০০৮ সালে নয়, বরং ২০০৭ সালে আঘাত হেনেছিল। B) ২০০৮, ২০০৯ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম সালটি ২০০৮ উল্লেখ করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। C) ২০০৭, ২০০৯ — এই অপশনটি সঠিক এবং সিডর ও আইলার আঘাত হানার সঠিক সাল নির্দেশ করে। D) ২০০৭, ২০০৬ — এই অপশনটি ভুল কারণ আইলা ২০০৬ সালে নয়, বরং ২০০৯ সালে আঘাত হেনেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিডর ও আইলার সাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো সিডরের পেছনে সাত এবং আইলার পেছনে নয় সংখ্যাটি আছে। - সাল দুটি ক্রমানুসারে ২০০৭ এবং ২০০৯ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘূর্ণিঝড়ের নাম, আঘাত হানার সাল এবং ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণ এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত মৌলিক ধারণা পরিষ্কার রাখা জরুরি।
a ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
b ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
c ২৬ মার্চ, ১৯৭২
d ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতে। এর মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা ও আইনের শাসন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং তা ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সংবিধানের মাধ্যমে বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ গণপরিষদ ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে এবং ড. কামাল হোসেনকে প্রধান করে খসড়া কমিটি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: সংবিধান দিবস ব্যাখ্যা: প্রতিবছর ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস পালিত হয়, যা শিক্ষার্থীদের সংবিধান গ্রহণের ইতিহাস জানতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশ স্বাধীন হয় কিন্তু সংবিধান কার্যকর হয়নি। B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই সংবিধান কার্যকর করা হয়। C) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এই দিনে স্বাধীনতার প্রথম বার্ষিকী উদযাপিত হয় কিন্তু সংবিধান কার্যকর হয়নি। D) ২৬ মার্চ, ১৯৭৩ — এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিজয়ের দিনই সংবিধান কার্যকর: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয় এবং ঠিক এক বছর পর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধান কার্যকর করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবিধান কবে গৃহীত হয় এবং কবে কার্যকর হয়, এই দুটি তারিখ নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৪ নভেম্বর গৃহীত এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর, এই পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে।
a 25
b 50
c 75
d 100
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 100 ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সংসদীয় সংস্কারের অংশ হিসেবে গঠিত সংস্কার কমিশন দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব করেছে। - এই প্রস্তাব অনুযায়ী জাতীয় সংসদের পাশাপাশি ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে, যা আইন প্রণয়নে ভারসাম্য আনবে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - সরকারব্যবস্থা ও সংসদ: বর্তমান একক্ষ বিশিষ্ট সংসদের পরিবর্তে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের নীতি অনুযায়ী দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থার রূপরেখা নিয়ে আলোচনা চলছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: উচ্চকক্ষ গঠিত হলে সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী, বিশেষজ্ঞ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা সহজ হবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতের সংসদ ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: ভারতের লোকসভা নিম্নকক্ষ এবং রাজ্যসভা উচ্চকক্ষ হিসেবে পরিচিত, যা আমাদের দেশের প্রস্তাবিত ব্যবস্থার একটি প্রথাগত উদাহরণ। উদাহরণ ২: যুক্তরাজ্যের সংসদ ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্যের হাউস অফ কমন্স এবং হাউস অফ লর্ডস এর দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় কাঠামোর সঙ্গে এই সংস্কার প্রস্তাবের তাত্ত্বিক মিল রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 25 — এই সংখ্যাটি প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি অত্যন্ত সীমিত প্রতিনিধিত্ব নির্দেশ করে। B) 50 — এই সংখ্যাটি আইনগত বা কাঠামোগতভাবে পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারে না বিধায় এটি সঠিক নয়। C) 75 — এই সংখ্যাটি বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রাথমিক আলোচনায় এলেও চুড়ান্ত বা প্রস্তাবিত মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়নি। D) 100 — সংস্কার কমিশন নতুন প্রস্তাবে বাংলাদেশ সংসদের উচ্চকক্ষের জন্য এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটিই সুপারিশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষের আসন সংখ্যা মনে রাখতে ১০০ শতক জমি বা পূর্ণাঙ্গ শতক সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারেন। - একক্ষ বিশিষ্ট বর্তমান সংসদের বাইরে নতুন উচ্চকক্ষের আসন সংখ্যা সবসময় তুলনামূলক বড় সংখ্যা অর্থাৎ ১০০ নির্ধারিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংসদীয় সংস্কার এবং সাংবিধানিক কাঠামোর পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে নিম্নকক্ষ বা বর্তমান সংসদের আসন সংখ্যা এবং নতুন সংস্কার কমিশনের অন্যান্য সুপারিশ সংক্রান্ত প্রশ্নও হতে পারে।
a গড়াই ও মধুমতী
b মহানন্দা ও বংশী
c মহানন্দা ও আত্রাই
d গড়াই ও ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গড়াই ও ধলেশ্বরী ১. কেন সঠিক: - পদ্মা ও যমুনা নদী বাংলাদেশের প্রধান দুটি নদ-নদী এবং এদের শাখা নদী হিসেবে গড়াই ও ধলেশ্বরী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - গড়াই নদী পদ্মা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে মধুমতী ও পশুর নদী নামে সাগরে পতিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: - নদ-নদীর গতিপ্রকৃতি: প্রধান নদী থেকে যখন কোনো জলধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন দিকে প্রবাহিত হয়, তখন তাকে শাখা নদী বলা হয়। - পদ্মা ও যমুনা: এই নদীগুলোর শাখা নদী দেশের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানি প্রবাহ ও ভূপ্রকৃতি নির্ধারণ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গড়াই নদী ব্যাখ্যা: এটি কুষ্টিয়ার কাছে পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সুন্দরবনাঞ্চলের দিকে পানি বহন করে। উদাহরণ ২: ধলেশ্বরী নদী ব্যাখ্যা: এটি যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শীতলক্ষ্যায় মিশেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গড়াই ও মধুমতী — মধুমতী নদী গড়াই নদীরই নিম্নপ্রবাহ, তাই এই জোড়াটি শুধুমাত্র শাখা নদী হিসেবে পূর্ণাঙ্গ নয়। B) মহানন্দা ও বংশী — মহানন্দা পদ্মা অববাহিকার একটি উপনদী এবং বংশী ব্রহ্মপুত্র-যমুনার অববাহিকার উপনদী। C) মহানন্দা ও আত্রাই — মহানন্দা ও আত্রাই উভয়ই প্রধানত উত্তরবঙ্গের নদী এবং এগুলো যমুনা বা পদ্মার শাখা নদী নয়। D) গড়াই ও ধলেশ্বরী — এই দুটি নদী যথাক্রমে পদ্মা ও যমুনার প্রধান শাখা নদী হিসেবে সঠিকভাবে চিহ্নিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্মা নদীর প্রধান শাখা হলো গড়াই এবং যমুনার প্রধান শাখা হলো ধলেশ্বরী। - নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ও প্রবাহের দিক মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নদী ও শাখা-উপনদী থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উপনদী এবং শাখা নদীর পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a জামালপুর
b পটুয়াখালী
c নাটোর
d নেত্রকোনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পটুয়াখালী ১. কেন সঠিক: - পটুয়াখালী জেলায় আজও পর্যন্ত কোনো রেললাইন বা ট্রেন যোগাযোগের ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। - বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ঐতিহাসিক ধারার কারণে এই জেলায় রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হয়নি। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: পটুয়াখালী বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি উপকূলীয় জেলা। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এখনো ট্রেন যোগাযোগ চালু হয়নি, যার মধ্যে পটুয়াখালী অন্যতম প্রধান একটি জেলা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরিশাল জেলা ব্যাখ্যা: পটুয়াখালীর মতো বরিশাল জেলাতেও এখনো রেল যোগাযোগ স্থাপন করা হয়নি। উদাহরণ ২: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ব্যাখ্যা: পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত কুয়াকাটা দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র, যা সড়কপথের ওপর নির্ভরশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জামালপুর — এই জেলায় রেল যোগাযোগ বিদ্যমান এবং এটি দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত প্রসারিত। B) পটুয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলায় কোনো রেল যোগাযোগ নেই। C) নাটোর — এটি একটি উত্তরবঙ্গের জেলা এবং এর ওপর দিয়ে প্রধান রেললাইন ও আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। D) নেত্রকোনা — এই জেলায় রেল যোগাযোগ চালু রয়েছে এবং ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনা ও মোহনগঞ্জ পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগে কোনো রেল যোগাযোগ নেই, তাই বরিশাল বিভাগের অন্তর্ভুক্ত পটুয়াখালী জেলায় রেল নেই এটি সহজে মনে রাখা যায়। - উপকূলীয় ও নদীপ্রধান জেলাগুলোতে সড়ক ও নৌপথের প্রাধান্য থাকায় সেখানে রেল যোগাযোগ তুলনামূলকভাবে কম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন জেলায় রেল যোগাযোগ নেই বা কোন বিভাগে রেল যোগাযোগ নেই তা জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে ভৌগোলিক ও অবকাঠামোগত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a প্রধান বিচারপতি
b প্রধানমন্ত্রী
c সেনাবাহিনী প্রধান
d রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রধান বিচারপতি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকর্তা হলেন প্রধান বিচারপতি কারণ সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর মৌলিক কাঠamo রক্ষার চূড়ান্ত দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের উপর ন্যস্ত থাকে। সংবিধানের কোনো বিধান অসাংবিধানিক ঘোষিত হলে তা বাতিল করার একমাত্র ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের রয়েছে, যার প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে গণ্য হয় এবং এর রক্ষাকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতি ভূমিকা পালন করেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে রাষ্ট্রে আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয় এবং কোনো অঙ্গ সাংবিধানিক সীমার বাইরে যেতে পারে না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা। ব্যাখ্যা: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করেছিলেন। উদাহরণ ২: বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা। ব্যাখ্যা: মাজদার হোসেন মামলার রায়ের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার ঐতিহাসিক রায় দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান বিচারপতি — সঠিক উত্তর কারণ তিনি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান এবং সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকর্তা। B) প্রধানমন্ত্রী — ইনি নির্বাহী প্রধান এবং সরকার পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন, সংবিধানের রক্ষাকর্তা নন। C) সেনাবাহিনী প্রধান — ইনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং দেশের প্রতিরক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। D) রাষ্ট্রপতি — ইনি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেও সংবিধানের অভিভাবক বা ব্যাখ্যাকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট বা প্রধান বিচারপতিকেই বিবেচনা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংবিধানের রক্ষাকর্তা মনে রাখতে মাথায় রাখুন আইনের শাসন। আইন ও সংবিধানের সর্বোচ্চ ব্যাখ্যার দায়িত্ব প্রধান বিচারপতির হাতে। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও সংবিধানের ব্যাখ্যার জন্য প্রধান বিচারপতির শরণাপন্ন হতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের অভিভাবক বা রক্ষাকর্তা কে তা প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে সংবিধানের ব্যাখ্যাকর্তা কে অথবা সংবিধানের মৌলিক কাঠamo পরিবর্তনের ক্ষমতা কার রয়েছে।
a রাজশাহী ও রংপুর
b চট্টগ্রাম ও সিলেট
c রাজশাহী ও খুলনা
d খুলনা ও ঢাকা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম ও সিলেট ১. কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে হরিকেল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ছিল। - বর্তমান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ এবং এর আশপাশের কিছু অংশ নিয়ে প্রাচীন হরিকেল জনপদ গঠিত হয়েছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীতে হরিকেল জনপদের অস্তিত্ব পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রাচীন লেখমালা ও মুদ্রায়। - ঐতিহাসিকদের মতে, এটি বর্তমান মিয়ানমারের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুণ্ড্র জনপদ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার উত্তরবঙ্গে অবস্থিত ছিল এবং এর প্রধান কেন্দ্র ছিল বর্তমান মহাস্থানগড়। উদাহরণ ২: সমতট জনপদ ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী ও রংপুর — এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে বরেন্দ্র বা পুণ্ড্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। C) রাজশাহী ও খুলনা — এই অঞ্চলটি প্রাচীন পুণ্ড্র, গৌড় ও বঙ্গ জনপদের অংশ ছিল। D) খুলনা ও ঢাকা — এই অঞ্চলটি মূলত প্রাচীন বঙ্গ ও সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - হরিকেল জনপদের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল মনে রাখতে চ ও স বর্ণ দুটি মনে রাখা যেতে পারে। - প্রাচীন জনপদগুলোর নাম এবং বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাচীন বাংলার প্রথম জনপদের নাম পুণ্ড্র এবং হরিকেল জনপদের প্রধান প্রাপ্তি ছিল প্রাচীন মুদ্রা। - এই টপিক থেকে জনপদ ও বর্তমান জেলার নাম মিলিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উদ্দীপিত করার জন্য দুর্বল ভাইরাসের একটি রূপ প্রবর্তন করে
b পরিশোধিত ভাইরাল প্রোটিনের সাবইউনিট প্রবিষ্ট করানোর মাধ্যমে
c হোস্ট কোষে জেনেটিক উপাদান বহন করার জন্য একটি ভাইরাস ঘটিত বাহক ব্যবহার করে
d mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয় ১. কেন সঠিক: - এই পদ্ধতিতে ভাইরাসের সম্পূর্ণ রূপ বা নিষ্ক্রিয় অংশ সরাসরি শরীরে প্রবেশ করানো হয় না, বরং জেনিটিক নির্দেশিকা বা মেসেঞ্জার আরএনএ ব্যবহার করা হয়। - ফাইজার বায়োটেক বা মডার্নার মতো আধুনিক কোভিড ১৯ টিকাগুলোতে এমআরএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যা মানবদেহের কোষকে নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০২০ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে প্রথম কোভিড ১৯ রোগী শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী চলা টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারও টিকা সংগ্রহ ও প্রয়োগ শুরু করে। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রোগতত্ত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই টিকাদান কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোভ্যাক্স সুবিধা ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জোট কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় পর্যায়ক্রমে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ফাইজার মডার্না ও সিনোফার্মের টিকা সংগ্রহ করে সাধারণ মানুষের মাঝে সফলভাবে বিতরণ করে। উদাহরণ ২: গণটিকাদান কর্মসূচি ব্যাখ্যা: ২০২১ সালের আগস্ট মাস থেকে বাংলাদেশে ইতিহাসের বৃহত্তম গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় যা দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উদ্দীপিত করার জন্য দুর্বল ভাইরাসের একটি রূপ প্রবর্তন করে — এটি ঐতিহ্যগত টিকা তৈরির পদ্ধতি যা এই প্রশ্নের এমআরএনএ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) পরিশোধিত ভাইরাল প্রোটিনের সাবইউনিট প্রবিষ্ট করানোর মাধ্যমে — এটি সাবইউনিট টিকার কার্যপদ্ধতি যা ফাইজার বা মডার্নার এমআরএনএ টিকার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) হোস্ট কোষে জেনেটিক উপাদান বহন করার জন্য একটি ভাইরাস ঘটিত বাহক ব্যবহার করে — এটি ভেক্টরভিত্তিক টিকার পদ্ধতি যেমন অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয় — এটি আধুনিক এমআরএনএ টিকার সঠিক কর্মপদ্ধতি যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - এমআরএনএ টিকা মানে হলো কোষে মেসেঞ্জার বা বার্তা পাঠানো যা স্পাইক প্রোটিন তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। - ভেক্টর টিকা হলো অন্য ভাইরাসের বাহক ব্যবহার করা এবং দুর্বল টিকা হলো নিষ্ক্রিয় ভাইরাস ব্যবহার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় টিকা তৈরির প্রযুক্তি যেমন এমআরএনএ ভেক্টর ও নিষ্ক্রিয় ভাইরাস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাংলাদেশ কত সালে গণটিকাদান শুরু করে এবং কোন কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ করে তা জানা জরুরি।
a বীরত্বগাথা ও ভক্তিমূলক
b মানবিক আবেগ ও দৈনন্দিন জীবন
c আধ্যাত্মিক প্রেম ও অন্তর্গত অনুসন্ধান
d পল্লী জীবনের সুখ দুঃখ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আধ্যাত্মিক প্রেম ও অন্তর্গত অনুসন্ধান ১. কেন সঠিক: - বাউল গান মূলত মরমী সাধনা, আধ্যাত্মিক প্রেম এবং মনের মানুষের অন্বেষণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই গানে বাহ্যিক আচার-সর্বস্ব ধর্মের পরিবর্তে দেহতত্ত্ব ও অন্তর্জগতের সাধনাকে প্রধান্য দেওয়া হয়। ২. বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলার লোকসংস্কৃতির এক অনন্য ধারা হলো বাউল গান, যা অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতাব্দীতে বিকাশ লাভ করে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বাউল সাধনার প্রধান পুরুষ লালন শাহ, যিনি কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় বাউল আড়া স্থাপন করে এই ধারাকে সমৃদ্ধ করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ইউনেস্কো ২০০৫ সালে বাংলাদেশের বাউল গানকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্গত অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালন শাহের গান সব লোক জেনেরে খাঁপা কি আর এমন দিনে পাবি রে। ব্যাখ্যা: এই গানে মানুষের দেহের মাঝেই পরম ঈশ্বরের অবস্থান এবং তাকে খোঁজার কথাই বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শাহ আবদুল করিমের গান বয়াতি ও বাউল ঘরানার লোকগান। ব্যাখ্যা: তাঁর গানেও অন্তরের প্রেম ও গ্রামীণ মানুষের আত্মিক অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরত্বগাথা ও ভক্তিমূলক — এটি বাউল গানের মূল বৈশিষ্ট্য নয়, কারণ বীরত্বগাথা মূলত মহাকাব্য বা ঐতিহাসিক যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত। B) মানবিক আবেগ ও দৈনন্দিন জীবন — এটি সাধারণ লোকসঙ্গীত বা ভাওয়াইয়া বা ভাটিয়ালি গানের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। D) পল্লী জীবনের সুখ দুঃখ — এটি মূলত পল্লিগীতির মূল বিষয়বস্তু, যা বাউল দর্শনের আধ্যাত্মিকতা থেকে আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাউল গান মানেই দেহতত্ত্ব এবং মনের মানুষের খোঁজ। বাউল সাধক লালন শাহের নাম মনে রাখলে আধ্যাত্মিক প্রেমের বিষয়টি সহজেই বোঝা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাউল গান কোন জেলার সঙ্গে বেশি সম্পৃক্ত এবং ইউনেস্কোর স্বীকৃতি কত সালে মিলেছে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে লালন শাহের মাজার কোথায় এবং বাউল গানকে কে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a মে
b মার্চ
c এপ্রিল
d ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মে ১. কেন সঠিক: - ১০০ মাসকে বছরে রূপান্তর করতে ১২ দিয়ে ভাগ করতে হবে কারণ এক বছর সমান ১২ মাস। - ১০০ মাসকে ১২ দিয়ে ভাগ করলে ৮ বছর এবং ৪ মাস অবশিষ্ট থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - গণিত ও কালগণনা: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানের অংশ হিসেবে সময় ও তারিখ সংক্রান্ত এই ধরনের গাণিতিক যুক্তি প্রায়ই আসে। - সময় ব্যবস্থাপনা: প্রশাসনিক কাজে এবং চাকরির পরীক্ষায় দিন ও মাসের হিসাব নির্ভুলভাবে করার জন্য এই দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয় এবং এর প্রায় ৯ মাস পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। ব্যাখ্যা: ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা ও সময়কাল সঠিকভাবে বোঝার জন্য মাস ও বছরের হিসাব জানা জরুরি। উদাহরণ ২: বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর বা ৬০ মাস। ব্যাখ্যা: সাংবিধানিক পদ ও মেয়াদের ক্ষেত্রে বছর এবং মাসের হিসাব সঠিকভাবে মনে রাখতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মে — সঠিক উত্তর কারণ জানুয়ারি মাস থেকে ৮ বছর ৪ মাস যোগ করলে মে মাস আসে। B) মার্চ — ভুল অপশন কারণ এটি গণনা করলে চতুর্থ মাস হয় না। C) এপ্রিল — ভুল অপশন কারণ এটি সঠিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না। D) ফেব্রুয়ারি — ভুল অপশন কারণ এটি ১০০ মাসের সঠিক অবশিষ্টাংশ নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রথমে ১০০ কে ১২ দিয়ে ভাগ করো, ফল হবে ৮ বছর এবং অবশিষ্ট থাকবে ৪ মাস। - বর্তমান মাস অর্থাৎ জানুয়ারির সঙ্গে অতিরিক্ত ৪ মাস যোগ করলে মে মাস পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের মানসিক দক্ষতা বা সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সময় ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে আসে। - মাস ও বছরের হিসাব করার সময় অবশিষ্টাংশ সঠিকভাবে যোগ করতে হয়।
a স্বর্ণকুমারী দেবী
b সেলিনা হোসেন
c আল মাহমুদ
d কাদম্বরী দেবী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বর্ণকুমারী দেবী ১. কেন সঠিক: - স্বর্ণকুমারী দেবী উনবিংশ শতাব্দীতে নারী জাগরণ ও সাহিত্যচর্চা প্রসারের লক্ষ্যে বাংলা ভাষায় প্রথম কিশোর পত্রিকা হিসেবে 'বালক' প্রকাশ ও সম্পাদনা করেছিলেন। - এটি মূলত ঠাকুর পরিবারের সাহিত্যিক পরিবেশ ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার বহিঃপ্রকাশ ছিল, যা তৎকালীন বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি: এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য এবং উনিশ শতকের সাময়িকী প্রকাশের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন প্রখ্যাত কবি ও দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোন এবং জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের একজন প্রতিভাবান সাহিত্যিক। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে শিশু-কিশোর উপযোগী সাহিত্য রচনার ধারা উন্মোচিত হয় এবং নারী সমাজ সাহিত্যচর্চায় আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত এই পত্রিকাটি উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্য ও সংবাদচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: সন্দেশ পত্রিকা ব্যাখ্যা: উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী কর্তৃক প্রকাশিত এই কিশোর পত্রিকা শিশুসাহিত্যের বিকাশে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বর্ণকুমারী দেবী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৮৮৫ সালে 'বালক' পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন। B) সেলিনা হোসেন — তিনি বর্তমানকালের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, যিনি মুক্তিযুদ্ধ ও সামাজিক জীবনের ওপর বহু উপন্যাস লিখেছেন। C) আল মাহমুদ — তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি ও ঔপন্যাসিক, যিনি বাংলা কবিতায় গ্রামীণ জনপদ ও লোকজ উপাদান যুক্ত করেছেন। D) কাদম্বরী দেবী — তিনি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেও কিশোর পত্রিকা 'বালক' প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোটদের জন্য প্রকাশিত 'বালক' পত্রিকার নামের সঙ্গে স্বর্ণকুমারী দেবীর নাম মনে রাখতে 'বালক ও বালিকা' বা স্বর্ণকুমারী দেবীর সাহিত্যিক অবদানের কথা মাথায় রাখতে পারো। - ঠাকুর পরিবারের নারী সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম সফল ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক হিসেবে স্বর্ণকুমারী দেবীর নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সাময়িকী এবং সম্পাদকদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা উনিশ শতকের সাময়িকী ও নারী সাহিত্যিকদের অবদান সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
a কৃষি রপ্তানি হ্রাস
b নগর জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব
c পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার (Total Factor Productivity) বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া
d প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার (Total Factor Productivity) বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া ১. কেন সঠিক: মধ্যম আয়ের ফাঁদ হলো এমন একটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যেখানে কোনো উন্নয়নশীল দেশ নিম্ন আয় থেকে মধ্যম আয়ে উন্নীত হওয়ার পর কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হতে ব্যর্থ হয়। এই অবস্থার প্রধান কারণ হলো শ্রম ও পুঁজি বেশি বিনিয়োগ করা হলেও প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবন এবং সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বা মোট উৎপাদনশীলতার হার আশানরূপ বৃদ্ধি পায় না। ২. অর্থনীতি ও উন্নয়ন: অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দিচ্ছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি না পেলে কম মজুরির প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয় এবং অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈরি পোশাক শিল্প ব্যাখ্যা: এই খাতে শুধু শ্রমিকের সংখ্যা ও কারখানার পুঁজি বাড়লেও অনেক ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও পণ্যের বহুমুখীকরণ তুলনামূলক কম হওয়ায় উৎপাদনশীলতা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাড়েনি। উদাহরণ ২: আইসিটি খাত ও স্টার্টআপ ব্যাখ্যা: ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি হলেও উচ্চ আয়ের ফাঁদ এড়াতে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও গবেষণা খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে যা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি রপ্তানি হ্রাস — বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি আয় কৃষি থেকে নয় বরং তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে, ফলে কৃষি রপ্তানি হ্রাসের সঙ্গে মধ্যম আয়ের ফাঁদের সরাসরি কাঠামোগত সম্পর্ক নেই। B) নগর জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব — নগরমুখী জনস্রোত শহরের ওপর চাপ বাড়ালেও এটি মধ্যম আয়ের ফাঁদের মূল অর্থনৈতিক কাঠামোগত কারণ নয়, বরং এটি নগরায়নের একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। D) প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি — রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহায়তা করে, তবে এটি সরাসরি উৎপাদনশীলতার ঘাটতি বা মধ্যম আয়ের ফাঁদের কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যম আয়ের ফাঁদ মানেই উৎপাদনশীলতার ঘাটতি বা মোট উৎপাদনশীলতার ধীর গতি। পুঁজি বা টাকা বাড়লেও যদি কাজের গতি বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা না বাড়ে, তবেই দেশ এই ফাঁদে আটকে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার লিখিত ও প্রিলিমিনারি উভয় ধাপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা এবং ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫
b ৬ নভেম্বর ১৯৯৮
c ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
d ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৮
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (PCJSS) এর মধ্যে দীর্ঘ দেড় যুগের সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং পিসিজেএসএস নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা তথা সন্তু লারমার নেতৃত্বে ঐতিহাসিক এই শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলি তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তান আমল থেকেই কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণসহ বিভিন্ন কারণে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মনে বঞ্চনাবোধ তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে তা রাজনৈতিক ও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। - তারিখ ও স্থান: ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন সরকারের প্রধান হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পিসিজেএসএস-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান ঘটে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়, যার জন্য সন্তু লারমা ও শেখ হাসিনাকে ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ব্যাখ্যা: ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের ফলে পাহাড়ি অঞ্চলের বিশাল এলাকা প্লাবিত হয় এবং প্রায় এক লক্ষ মানুষ বাস্তুহারা হয়, যা পরবর্তীতে পার্বত্য সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দেয়। উদাহরণ ২: আঞ্চলিক পরিষদ গঠন ব্যাখ্যা: চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়, যা পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণের সমন্বয়ে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ — এই তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি একটি ভুল তারিখ এবং সে সময়ে শান্তি আলোচনা বিভিন্ন ধাপে চললেও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। B) ৬ নভেম্বর ১৯৯৮ — এটি শান্তিচুক্তির সাথে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা গুরুত্বপূর্ণ তারিখ নয় এবং এই সময়ে চুক্তি পরবর্তী বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চলমান ছিল। D) ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৮ — এই তারিখটি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির স্বাক্ষরের দিন নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন যা পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শান্তিচুক্তির সাল মনে রাখতে ১৯৯৭ সালটি মনে রাখুন এবং তারিখটি হলো ২ ডিসেম্বর, যা বিজয়ের মাসের শুরুর একটি ঐতিহাসিক দিন। - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদে (১৯৯৬ থেকে ২০০১) এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই চুক্তির তারিখ এবং স্বাক্ষরকারীদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই টপিক থেকে আঞ্চলিক পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান কে ছিলেন বা চুক্তির ধারা কয়টি, সে সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (28)

a ইউরেনিয়াম-২৩৫
b ইউরেনিয়াম-২৩৮
c থোরিয়াম-১৩২
d প্লুটোনিয়াম-২৪০
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরেনিয়াম-২৩৫ ১. কেন সঠিক: - ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলো এমন একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা পারমাণবিক চুল্লিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফিশন বা নিউক্লিয়াস বিভাজন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে। - এই আইসোটোপের নিউক্লিয়াসে মন্থর গতির নিউট্রন আঘাত হানলে তা ভেঙে বিপুল পরিমাণ তাপশক্তি উৎপাদন করে যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। ২. পারমাণবিক শক্তি ও জ্বালানি: - প্রেক্ষাপট: পরমাণু চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খল বিক্রিয়ার মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তিকে শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা হয়। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ছাড়াই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা রাশিয়ার প্রযুক্তি ও সহায়তায় পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মিত হচ্ছে এবং এতে পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চেরনোবিল দুর্ঘটনা ব্যাখ্যা: ১৯৮৬ সালে ইউক্রেনে অবস্থিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নিরাপত্তাগত ত্রুটির কারণে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যা পারমাণবিক শক্তির ঝুঁকির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরেনিয়াম-২৩৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর নিউক্লিয়াস সহজে ফিশনযোগ্য এবং পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। B) ইউরেনিয়াম-২৩৮ — এটি প্রকৃতিতে সর্বাধিক প্রাপ্ত ইউরেনিয়ামের রূপ হলেও সরাসরি ফিশন বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না, বরং একে রূপান্তর করে প্লুটোনিয়ামে পরিণত করতে হয়। C) থোরিয়াম-১৩২ — থোরিয়ামের এই আইসোটোপটি পারমাণবিক চুল্লির প্রচলিত জ্বালানি নয় এবং এটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। D) প্লুটোনিয়াম-২৪০ — প্লুটোনিয়ামের এই আইসোটোপটি সাধারণত পারমাণবিক অস্ত্রের উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় এবং চুল্লির প্রধান জ্বালানি হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চুল্লিতে জ্বালানির জন্য যে সংখ্যাটি মনে রাখবে তা হলো ২৩৫, অর্থাৎ ইউরেনিয়াম-২৩৫। - ইউরেনিয়ামের অন্যান্য আইসোটোপ যেমন ২৩৮ সরাসরি শক্তি উৎপাদনে কাজে লাগে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পারমাণবিক চুল্লিতে চেইন রিঅ্যাকশন বা শৃঙ্খল বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে ক্যাডমিয়াম বা বোরন রোড ব্যবহার করা হয়। - এই টপিক থেকে প্রায়শই পারমাণবিক চুল্লির মডারেটর এবং কুল্যান্ট সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
a রিও-ঘোষণা
b কিয়োটো প্রটোকল
c স্টকহোম ঘোষণা
d প্যারিস চুক্তি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রিও-ঘোষণা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো ১৯৯২ সালের রিও সম্মেলনে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সিবিডিআর নীতি স্বীকৃতি পায়। - এই নীতি অনুযায়ী বৈশ্বিক পরিবেশ ধ্বংসের জন্য উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায় বেশি এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর সক্ষমতা কম। ২. চুক্তি ও সম্মেলনের প্রেক্ষাপট: - সম্মেলনের নাম: রিও Earth Summit বা পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন। - তারিখ ও স্থান: ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - প্রধান উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন অর্জন এবং বৈশ্বিক পরিবেশ সুরক্ষায় ধনী ও দরিদ্র দেশের যৌথ কিন্তু ভিন্ন দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিয়োটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি রিও ঘোষণার সিবিডিআর নীতির ওপর ভিত্তি করেই গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসের আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এই চুক্তিতেও সিবিডিআর নীতি বজায় রাখা হয়েছে, তবে সব দেশের জন্যই কিছু অভিন্ন স্বচ্ছতার বিধান রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিও-ঘোষণা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে প্রথম সিবিডিআর নীতি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। B) কিয়োটো প্রটোকল — এটি ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং সিবিডিআর নীতি প্রয়োগ করে, কিন্তু এটি নীতিটির উদ্ভাবনস্থল নয়। C) স্টকহোম ঘোষণা — এটি ১৯৭২ সালের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন হলেও এখানে সিবিডিআর নীতিটি আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি। D) প্যারিস চুক্তি — এটি ২০১৫ সালের জলবায়ু চুক্তি যা রিও ঘোষণার নীতির ধারাবাহিকতা মাত্র, উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিবিডিআর নীতিটি ১৯৯২ সালের রিও ধরিত্রী সম্মেলনের সৃষ্টি। - পরিবেশ কূটনীতির বড় বড় নীতিমালা রিও সম্মেলন থেকেই মূলত শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রিও সম্মেলন থেকে এজেন্ডা ২১ এবং বায়োডাইভারসিটি কনভেনশনও এসেছে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিষয়ক যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a বিশ্বব্যাংক গ্রুপ।
b আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
c এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB)।
d জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি।
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। ১. কেন সঠিক: মাল্টিল্যাটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করে। এই সংস্থাটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা প্রদান করে থাকে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: মাল্টিল্যাটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সি বা MIGA। প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অধীনে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ এবং মিগা। ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ মিগার সদস্য দেশ এবং এর মাধ্যমে দেশে বিভিন্ন বিদেশি বিনিয়োগে রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ও তার অন্যান্য অঙ্গসংস্থা। ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ মূলত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বব্যাংক গ্রুপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মিগা এই গ্রুপের একটি প্রধান আর্থিক ও বীমা প্রদানকারী অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। B) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল — এটি বিশ্বব্যাংকের সহযোগী হলেও একটি স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা বৈশ্বিক মুদ্রানীতি নিয়ে কাজ করে। C) এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB) — এটি চীন ও এশিয়ার দেশগুলোর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন আঞ্চলিক ব্যাংক। D) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি — এটি জাতিসংঘের একটি স্বতন্ত্র অঙ্গসংস্থা যা বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও মানব উন্নয়নে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার শেষ বা সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হলো মিগা ১৯৮৮ সালে গঠিত। আইবিআরডি, আইডিএ, আইএফসি, মিগা এবং সিআইজিডি এই পাঁচটি মিলে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ গঠিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কনিষ্ঠতম সদস্য কোনটি এমন প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। মিগার পূর্ণরূপ এবং এটি কোন ধরনের ঝুঁকি বীমা প্রদান করে তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a স্টকহোম
b রোটারডাম
c বাসেল
d মিনামাটা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাসেল ১. কেন সঠিক: বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত পরিবহন নিয়ন্ত্রণ এবং এর অপসারণ তদারকির জন্য প্রণীত একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। উন্নত দেশগুলো থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ক্ষতিকারক ও বিষাক্ত বর্জ্য পাচার বা স্থানান্তর রোধ করাই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সম্মেলনের তথ্য: চুক্তির নাম: বাসেল কনভেনশন অন দ্য কন্ট্রোল অব ট্রান্সবাউন্ডারি মুভমেন্টস অব হ্যাজার্ডাস ওয়াস্টেস অ্যান্ড দেয়ার ডিসপোজাল। তারিখ ও স্থান: ১৯৮৯ সালের ২২ মার্চ সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে এটি গৃহীত হয় এবং ১৯৯২ সালের ৫ মে থেকে কার্যকর হয়। উদ্দেশ্য: বিপজ্জনক বর্জ্যের উৎপাদন ন্যূনতম রাখা এবং মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের সুরক্ষায় তা উৎপাদনস্থলে বা নিকটবর্তী স্থানে নিরাপদে অপসারণ করা। গুরুত্ব: এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বিষাক্ত বর্জ্য Dumping বা ফেলা রোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক আইনগত দলিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাক্ত ই-বর্জ্য বা ইলেকট্রনিক বর্জ্য স্থানান্তর। ব্যাখ্যা: উন্নত দেশগুলো অনেক সময় নষ্ট হওয়া কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন উন্নয়নশীল দেশে পাঠিয়ে দেয়, যা এই কনভেনশনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। উদাহরণ ২: প্লাস্টিক বর্জ্য বাণিজ্য। ব্যাখ্যা: বাসেল কনভেনশনের সাম্প্রতিক সংশোধনীতে বিপজ্জনক প্লাস্টিক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টকহোম — স্টকহোম কনভেনশন জৈব দূষক (POPs) নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত, বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত পরিবহনের সঙ্গে নয়। B) রোটারডাম — রোটারডাম কনভেনশন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নির্দিষ্ট কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিক দ্রব্য ও কীটনাশকের পূর্ব সম্মতি (PIC) পদ্ধতি নিয়ে কাজ করে। C) বাসেল — সঠিক উত্তর, যা বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত পরিবহন ও অপসারণ নিয়ন্ত্রণ করে। D) মিনামাটা — মিনামাটা কনভেনশন মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশকে পারদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দেশ বদলাতে হলে বা সীমান্ত পার হতে হলে 'বাসে' (বাসেল) করে যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো। স্টকহোম মানে দূষণ (POPs) এবং বাসেল মানে বর্জ্য পরিবহন, এই দুটি কনভেনশন প্রায়ই পরীক্ষায় একসাথে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাসেল কনভেনশন কত সালে স্বাক্ষরিত হয় তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে (উত্তর: ১৯৮৯ সাল)। পরিবেশ রক্ষায় এই ধরনের চুক্তিগুলো সাধারণত জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এর আওতায় পরিচালিত হয়।
a নেদারল্যান্ডস
b নিউ ইয়র্ক
c নিউ হ্যাম্পশায়ার
d নিউ জার্সি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউ হ্যাম্পশায়ার ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নিউ হ্যাম্পশায়ার কারণ ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের ব্রেটন উডস নামক স্থানে এই ঐতিহাসিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - বিশ্ব অর্থনীতির স্থায়িত্ব রক্ষা এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বৈশ্বিক বাণিজ্য পুনর্গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপনই ছিল এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও চুক্তি: - সম্মেলন: ব্রেটন উডস সম্মেলন যার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল ইউনাইটেড নেশনস মনিটরি অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল কনফারেন্স। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৪৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - স্থান: মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেল, ব্রেটন উডস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ এবং সদস্য দেশগুলোর মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল করার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মহামন্দা রোধ করা। - ফলাফল/প্রভাব: এই সম্মেলনের মাধ্যমেই বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ জন্ম নেয়, যা ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান নামে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ ব্যাখ্যা: ব্রেটন উডস সম্মেলনের সরাসরি ফলাফল হিসেবে ১৯৪৫ সালে এই সংস্থাটি গঠিত হয়, যা বিশ্বব্যাপী আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক বা আইবিআরডি ব্যাখ্যা: যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর পুনর্গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের জন্য ব্রেটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্তে এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেদারল্যান্ডস — এটি ইউরোপের একটি দেশ, যা আন্তর্জাতিক নানা আদালতের জন্য বিখ্যাত হলেও ব্রেটন উডস সম্মেলনের স্থান নয়। B) নিউ ইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর হলেও এই নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক সম্মেলন এখানে বসেনি। C) নিউ হ্যাম্পশায়ার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৪৪ সালের এই সম্মেলনটি এই অঙ্গরাজ্যের ব্রেটন উডসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। D) নিউ জার্সি — এটি যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি অঙ্গরাজ্য, যা ব্রেটন উডস সম্মেলনের সঙ্গে ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক দিক থেকে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্রেটন উডস সম্মেলন এবং নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের নাম একত্রে মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন যে পাহাড় ঘেরা ব্রেটন উডস এলাকার নামানুসারে এই যুগান্তকারী অর্থনৈতিক চুক্তি হয়েছিল। - বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ এর জন্মস্থান হিসেবে নিউ হ্যাম্পশায়ার নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্রেটন উডস সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর ফলশ্রুতিতে কোন দুটি সংস্থা গঠিত হয়, তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থার জন্মলগ্ন এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে ব্যাংক নিয়োগ ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a নাইরোবি
b আবিদজান
c আদিস আবাবা
d লাগোস
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবিদজান ১. কেন সঠিক: আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর কোত দিভোয়ার বা আইভরি কোস্টের অর্থনৈতিক রাজধানী আবিদজানে অবস্থিত। আফ্রিকা মহাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক প্রগতির গতি ত্বরান্বিত করার জন্য এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক বা আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর এবং কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৫ সালে। সদর দপ্তর: আবিদজান, কোত দিভোয়ার। তবে সংঘাতের কারণে কিছুকাল তিউনিসিয়ার তিউনিসে এর সাময়িক কার্যালয় ছিল। উদ্দেশ্য: আফ্রিকান দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতি সাধন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি। ব্যাখ্যা: এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের মান্দালুয়ংকে অবস্থিত। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক স্তরে দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে এবং এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইরোবি — এটি কেনিয়ার রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি বা ইউএনইপি এর সদর দপ্তর অবস্থিত। B) আবিদজান — এটি আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের প্রকৃত ও বর্তমান সদর দপ্তর। C) আদিস আবাবা — এটি ইথিওপিয়ার রাজধানী এবং এখানে আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর অবস্থিত। D) লাগোস — এটি নাইজেরিয়ার সাবেক রাজধানী ও প্রধান বাণিজ্যিক শহর, তবে এটি আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর মনে রাখতে আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে আইভরি কোস্টের আবিদজান শহরটি ব্যাংকিং বা আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে মাথায় রাখতে পারো। আদিস আবাবা এবং আবিদজান নামের মিল থাকায় গুলিয়ে ফেলা যাবে না, কারণ আদিস আবাবা হলো রাজনৈতিক সংস্থা আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আফ্রিকা মহাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে ব্যাংকের প্রধান বা সদস্যভুক্ত দেশ সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a আউশ ধান
b তেলবীজ
c পাট
d আলু
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলু ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রধানত ধান ও পাট উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল হলেও রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য আলু একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। - অতিরিক্ত উৎপাদিত আলু বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হচ্ছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য: বৈশ্বিক কৃষিবাজারে আলুর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আলু রপ্তানি করা হয়। - প্রেক্ষাপট: অভ্যন্তরীণ চাহিদার অতিরিক্ত আলু উৎপাদিত হওয়ায় উদ্বৃত্ত অংশ রপ্তানির মাধ্যমে কৃষকদের লাভবান করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নেদারল্যান্ডস ব্যাখ্যা: নেদারল্যান্ডস বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ আলু ও বীজ আলু রপ্তানিকারক দেশ, যা তাদের কৃষিবাজার বহুমুখীকরণের একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ব্যাখ্যা: বিএডিসি মানসম্মত বীজ আলু উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও রপ্তানিযোগ্য পণ্যের মান উন্নয়নে কাজ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউশ ধান — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী মৌসুমী ধান হলেও এটি প্রধান খাদ্যপণ্য এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদ মেটাতে ব্যবহৃত হয়, রপ্তানি বহুমুখীকরণের প্রধান পণ্য নয়। B) তেলবীজ — বাংলাদেশে ভোজ্যতেলের ঘাটতি রয়েছে এবং চাহিদার সিংহভাগ তেলবীজ বা ভোজ্যতেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, ফলে এটি রপ্তানির পরিবর্তে আমদানিনির্ভর। C) পাট — পাট ও পাটজাত পণ্য বাংলাদেশের অন্যতম traditional রপ্তানি পণ্য হলেও পাট নতুন কোনো বহুমুখী খাত নয়, বরং এটি আমাদের দীর্ঘদিনের প্রচলিত রপ্তানি খাত। D) আলু — এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - রপ্তানি বহুমুখীকরণের প্রশ্ন এলে খাদ্যশস্যের বাইরে উদ্যান ফসল হিসেবে আলুর নাম মনে রাখবে। - বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আলু বর্তমানে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ থেকে কোন কৃষিপণ্য বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হয়, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ সংক্রান্ত প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
a NDB
b ADB
c AIIB
d IFM
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) NDB ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো ব্রিকস জোটের সদস্য দেশগুলো পশ্চিমা আধيপতিত্বাধীন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বিকল্প হিসেবে এই ব্যাংকটি গঠন করে। - ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর নিজেদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করা এর প্রধান কাজ। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: এনডিবি বা নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (New Development Bank) - প্রতিষ্ঠা: ১৫ জুলাই ২০১৪ সালে ব্রাসিলিয়া ঘোষণাপত্র এবং উফা শীর্ষ সম্মেলনে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন। - উদ্দেশ্য: উদীয়মান বাজার অর্থনীতি এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB) ব্যাখ্যা: এটি চীনভিত্তিক অপর একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা ব্রিকসের এনডিবির সমান্তরালে এশিয়া অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ব্যাখ্যা: ঐতিহ্যগতভাবে পশ্চিমা দেশগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকা এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়নে কাজ করলেও ব্রিকস দেশগুলো নিজস্ব আর্থিক নিরাপত্তা বলয় তৈරিতে এনডিবি প্রতিষ্ঠা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) NDB — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ব্রিকস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একমাত্র ব্যাংক যা অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করে। B) ADB — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যার সদর দপ্তর ম্যানিলায় এবং এটি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবে পরিচালিত একটি আঞ্চলিক সংস্থা। C) AIIB — এটি এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক, যা চীনের উদ্যোগে গঠিত হলেও সরাসরি ব্রিকস জোটের আনুষ্ঠানিক ব্যাংক নয়। D) IFM — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ভুল সংক্ষিপ্ত রূপ, সঠিক রূপ হলো আইএমএফ বা IMF যা সদস্য দেশগুলোর ভারসাম্যহীনতা দূর করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্রিকস বা BRICS শব্দটির সঙ্গে নতুন উন্নয়ন ব্যাংকের মূল ইংরেজি নামের মিল রয়েছে, যার সংক্ষিপ্ত রূপ এনডিবি (NDB)। - মনে রাখবে এনডিবি ব্যাংকটি চীনভিত্তিক সাংহাই শহরে অবস্থিত এবং এটি ২০১৪ সালে গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্রিকস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এনডিবির প্রথম সভাপতি কে ছিলেন এবং এর বর্তমান সদস্য কারা, তা পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা ভালো।
a ইউনিসেফ
b ইউনেস্কো
c ডব্লিউটিও
d আইএলও
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডব্লিউটিও ১. কেন সঠিক: - ডব্লিউটিও জাতিসংঘের সরাসরি কোনো অঙ্গসংস্থা বা বিশেষায়িত সংস্থা নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থা যা বিশ্ব বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে। - ১৯৪৮ সালের গ্যাট চুক্তির ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এর নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ডব্লিউটিও অর্থ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: পহেলা জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে অবাধ ও শুল্কমুক্ত বাণিজ্য নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাটের চুক্তি ব্যাখ্যা: ডব্লিউটিও গঠনের আগে ১৯৪৭ সালের গ্যাট চুক্তি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করত। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ ব্যাখ্যা: এগুলো জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হলেও ডব্লিউটিও সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল এবং জাতিসংঘের একটি প্রধান অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। B) ইউনেস্কো — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষায়িত সংস্থা। সি) ডব্লিউটিও — এটি জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা নয়, বরং একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা। D) আইএলও — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এবং জাতিসংঘের অন্যতম প্রাচীন বিশেষায়িত সংস্থা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, ইউনেস্কো ও ইউনিসেফ জাতিসংঘের সাথে সরাসরি যুক্ত হলেও ডব্লিউটিও সম্পূর্ণ স্বাধীন। - বাণিজ্যসংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থাটি জেনেভায় অবস্থিত এবং এটি জাতিসংঘের কোনো শাখা নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন সংস্থাটি জাতিসংঘের আওতাধীন নয়। - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার পূর্বনাম গ্যাট এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
a আল শাবাব
b র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স
c ফ্রি সুদান মুভমেন্ট
d জান জাউইদ
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স ১. কেন সঠিক: - ২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে সুদানের সামরিক বাহিনী সুদানিজ আর্মড ফোর্সেস এবং আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বের কারণে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। - সামরিক শাসক জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল বুরহান এবং র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগলো হেমেদতির মধ্যকার রাজনৈতিক মতপার্থক্য এই ভয়াবহ সংঘাতের মূল কারণ। ২. সংঘাতের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: - দেশ: সুদান, যার রাজধানী খার্তুম এবং মুদ্রা সুদানি পাউন্ড। - প্রেক্ষাপট: সুদান দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এই গৃহযুদ্ধের ফলে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: এই সংঘাত পূর্ব আফ্রিকা ও লোহিত সাগর অঞ্চলের ভূরাজনীতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ। ব্যাখ্যা: সুদান সংকটের মতো লিবিয়াতেও বিভিন্ন সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষমতার লড়াই দেশটির রাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস করেছে। উদাহরণ ২: ইথিওপিয়ার তিগ্রায় সংঘাত। ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকান দেশগুলোতে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও জাতিগত দ্বন্দ্বের আরেকটি বড় উদাহরণ যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল শাবাব — এটি সোমালিয়াভিত্তিক একটি উগ্র ইসলামপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী, যা সুদানের বর্তমান গৃহযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। C) ফ্রি সুদান মুভমেন্ট — এটি কোনো প্রধান বা স্বীকৃত বিদ্রোহী গোষ্ঠী নয় বরং সুদানের রাজনীতির সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করা একটি বিভ্রান্তিকর নাম। D) জান জাউইদ — এটি দারফুর অঞ্চলে অতীতে সক্রিয় একটি মিলিশিয়া বাহিনী, যাদের উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমান র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সকে গণ্য করা হয় তবে বর্তমান যুদ্ধের মূল পক্ষ নির্দিষ্ট আধাসামরিক বাহিনীটি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুদানের বর্তমান গৃহযুদ্ধে সামরিক বাহিনীর প্রতিপক্ষ হিসেবে র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স বা আরএসএফ নামটি মনে রাখতে হবে। - দারফুরের জান জাউইদ মিলিশিয়াই পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয়ে বর্তমানের এই শক্তিশালী আধাসামরিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক আফ্রিকান সংঘাতগুলোর মধ্যে সুদানের এই গৃহযুদ্ধ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে। - এখান থেকে সুদানের রাজধানী, সংঘাতের সূচনা সাল বা বিবদমান পক্ষগুলোর নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
a বিশ্ব ব্যাংকের সুবিধা লাভ
b বিশেষ উত্তোলন অধিকার (SDR)
c স্বর্ণের মানসম্পন্ন ভিত্তিতে মুদ্রা
d ঘাটতি অর্থায়ন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ উত্তোলন অধিকার (SDR) ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব অর্থনীতিতে বিশেষ উত্তোলন অধিকার বা এসডিআরকে পেপার গোল্ড বলা হয় কারণ এটি কোনো প্রকৃত সোনা বা কাগজের মুদ্রা নয়, বরং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের একটি কৃত্রিম হিসাব একক। - এটি সদস্য দেশগুলোর আন্তর্জাতিক রিজার্ভের ঘাটতি পূরণে এবং বিশ্ব বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় সোনা বা মার্কিন ডলারের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৯ সালে এসডিআর ব্যবস্থা চালু করা হয়। - সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র। - উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং সদস্য দেশগুলোকে অর্থনৈতিক সংকটে সহায়তা করা। - গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে তারল্য বৃদ্ধি করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মার্কিন ডলার ব্যাখ্যা: বিশ্ব বাণিজ্যে ডলারের ওপর চাপ কমাতে এবং বিকল্প রিজার্ভ তৈরি করতে আইএমএফ এসডিআর বা পেপার গোল্ডের প্রবর্তন করে। উদাহরণ ২: ইউরো ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দেশের মুদ্রার একটি ঝুড়ির মাধ্যমে এসডিআর গঠিত হয় যেখানে ডলার ও ইউরোর মতো প্রধান মুদ্রাগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ব ব্যাংকের সুবিধা লাভ — বিশ্ব ব্যাংক মূলত দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন ঋণ প্রদান করে, যা পেপার গোল্ড বা এসডিআর ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) স্বর্ণের মানসম্পন্ন ভিত্তিতে মুদ্রা — ১৯৩০ এর দশকের পর বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বর্ণমান উঠে গেছে এবং পেপার গোল্ড কোনো প্রচলিত স্বর্ণমুদ্রা নয়। D) ঘাটতি অর্থায়ন — ঘাটতি অর্থায়ন হলো সরকারের বাজেট ঘাটতি মেটাতে নতুন মুদ্রা ছাপানো বা ঋণ নেওয়া, যা আন্তর্জাতিক রিজার্ভের পেপার গোল্ড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - পেপার গোল্ড মানেই হলো কাগজের সোনা অর্থাৎ বিশেষ উত্তোলন অধিকার বা এসডিআর। - এটি সোনা না হয়েও সোনার মতো কাজ করে তাই একে পেপার গোল্ড বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে এসডিআর কোন সংস্থার সঙ্গে জড়িত। - এই প্রশ্ন থেকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাজ এবং রিজার্ভ কারেন্সি সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a অর্থনৈতিক সহযোগিতা
b সামরিক সহযোগিতা
c পরিবেশ সুরক্ষা
d মহাকাশ গবেষণা সহযোগিতা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামরিক সহযোগিতা ১. কেন সঠিক: - আকাস একটি ত্রিমুখী নিরাপত্তা চুক্তি। এর মূল লক্ষ্য ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। - এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ প্রযুক্তিতে সহায়তা প্রদান করবে। ২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জোট: - দেশসমূহ: অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। - ঘোষণা ও তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে এই ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। - ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব ও আধিপত্য প্রতিহত করাই এই চুক্তির প্রধান কৌশলগত উদ্দেশ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ন্যাটো (NATO) ব্যাখ্যা: এটি একটি সামরিক জোট, যা আকাস চুক্তির মতো সদস্য দেশগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে। উদাহরণ ২: কোয়াড (QUAD) ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার একটি কৌশলগত ফোরাম, যা মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মুক্ত বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক সহযোগিতা — আকাস কোনো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা নয়, এর মূল ফোকাস প্রতিরক্ষা। C) পরিবেশ সুরক্ষা — জলবায়ু পরিবর্তন বা পরিবেশ সংরক্ষণ এই চুক্তির আওতাভুক্ত কোনো বিষয় নয়। D) মহাকাশ গবেষণা সহযোগিতা — নাসার মতো মহাকাশ গবেষণা এর উদ্দেশ্য নয়, এটি সম্পূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত চুক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - আকাস শব্দের প্রথম অক্ষরগুলো খেয়াল করলেই দেশগুলো চেনা যায়: A তে অস্ট্রেলিয়া, UK তে যুক্তরাজ্য এবং US তে যুক্তরাষ্ট্র। - এই চুক্তির মূল ভিত্তি হলো সামরিক প্রযুক্তি শেয়ার করা, তাই উত্তর সামরিক সহযোগিতাই হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আকাসের পূর্ণরূপ বা এর সদস্য দেশগুলোর নাম প্রায়ই আসে। - ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ভূরাজনীতি এবং চীনকে মোকাবেলায় গঠিত পশ্চিমা জোটগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a ডেজার্ট স্টর্ম
b এন্ডিউরিং ফ্রিডম
c প্রস্পারিটি গার্ডিয়ান
d ব্লু হেলমেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রস্পারিটি গার্ডিয়ান ১. কেন সঠিক: হুতি বিদ্রোহীদের আক্রমণ থেকে লোহিত সাগরে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক উদ্যোগ গ্রহণ করে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুটের সুরক্ষার ক্ষেত্রে বর্তমান ভূরাজনীতিতে এই অপারেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২. ভূরাজনীতি ও সংঘাতের প্রেক্ষাপট: সংঘাত: লোহিত সাগর সংকট এবং ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিক আক্রমণ। উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের প্রধান রুট সুয়েজ খালের প্রবেশদ্বার সুরক্ষিত রাখা এবং নৌচলাচল স্বাভাবিক রাখা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম ব্যাখ্যা: এটি ছিল ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ, যার মাধ্যমে কুয়েতকে মুক্ত করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: ন্যাটোর অপারেশন ওসান শিল্ড ব্যাখ্যা: সোমালি উপকূলে জলদস্যুতা দমনে ন্যাটোর এই উদ্যোগও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তার অংশ ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেজার্ট স্টর্ম — এটি ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সামরিক অভিযানের নাম, যা লোহিত সাগরের হুতি হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) এন্ডিউরিং ফ্রিডম — এটি ২০০১ সালের আফগানিস্তান যুদ্ধের সূচনায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানের নাম। D) ব্লু হেলমেট — এটি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর পোশাক ও তাদের সাধারণ পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত, কোনো সামরিক জোটের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: লোহিত সাগরে অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক সমৃদ্ধি রক্ষা করার জন্য যে গার্ড বা প্রহরা বসানো হয়েছে, তার নাম প্রস্পারিটি গার্ডিয়ান। ডেজার্ট স্টর্ম বা এন্ডিউরিং ফ্রিডম নামের সঙ্গে লোহিত সাগরের বর্তমান সংঘাতের কোনো মিল নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্য পথ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। হুতি বিদ্রোহী কোন দেশের এবং লোহিত সাগরের কৌশলগত গুরুত্ব কোথায়, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a একুশে ফেব্রুয়ারি
b পহেলা বৈশাখ
c জামদানি বুনন শিল্প
d বিজয় দিবস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জামদানি বুনন শিল্প ১. কেন সঠিক: - জামদানি বুনন শিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মসলিনের আধুনিক রূপ এবং এটি ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে। - এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের প্রাচীন হস্তশিল্প ও বয়ন সংস্কৃতির আন্তর্জাতিক গুরুত্ব ও বৈশ্বিক মর্যাদাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: UNESCO (United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization). - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৬ নভেম্বর ১৯৪৫ সালে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং শিক্ষা ও বিজ্ঞানের প্রসারে কাজ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অনন্য প্রাকৃতিক ঐতিহ্য যা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা লাভ করেছে। উদাহরণ ২: রিকশা ও রিকশাচিত্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংযোজন যা ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একুশে ফেব্রুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত হলেও ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়। B) পহেলা বৈশাখ — এটি বাংলাদেশের বাঙালির নববর্ষ উৎসব এবং ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে তালিকাভুক্ত, তবে প্রদত্ত সঠিক উত্তরের প্রেক্ষাপটে এটি মূল উত্তর নয়। D) বিজয় দিবস — এটি বাংলাদেশের একটি জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস এবং মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের প্রতীক, ইউনেস্কোর ঐতিহ্য তালিকার বিষয় নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রশ্ন আসলে হস্তশিল্প বা কারুশিল্পের ক্ষেত্রে জামদানি বুনন শিল্পকে সবার আগে মনে রাখবে। - ঐতিহাসিক দিবস আর ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এক নয়, তাই অপশনগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইউনেস্কোর পূর্ণরূপ এবং সদর দপ্তর কোথায় তা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বাংলাদেশের অন্যান্য কোন ঐতিহ্যগুলো ইউনেস্কোর তালিকায় আছে, তা জেনে রাখা জরুরি।
a ব্রেটন উডস
b লিসবন
c জেনেভা
d মারাকেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মারাকেশ ১. কেন সঠিক: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও গঠনের জন্য ১৯৯৪ সালের ১৫ এপ্রিল মরক্কোর মারাকেশ শহরে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই মারাকেশ চুক্তি অনুমোদনের মাধ্যমেই ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা তার কার্যক্রম শুরু করে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন। প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক বাণিজ্যের অবাধ বিস্তার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাট বা জেনারেল এগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফস অ্যান্ড ট্রেড। ব্যাখ্যা: মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে গ্যাট চুক্তি বাতিল হয়ে তার স্থলাভিষিক্ত হয় বর্তমানের এই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা। উদাহরণ ২: ডব্লিউটিও মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স। ব্যাখ্যা: মারাকেশ চুক্তির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পর পর সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীদের নিয়ে এই সংস্থার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রেটন উডস — এটি এমন একটি সম্মেলন যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা নয়। B) লিসবন — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি চুক্তি যা ২০০৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তরের শহর, কিন্তু এর প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি এই শহরে স্বাক্ষরিত হয়নি। D) মারাকেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই ১৯৯৪ সালে ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য করতে হলে মরক্কোর মারাকেশে যেতে হবে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি মারাকেশেই হয়েছিল। জেনেভা হলো এর সদর দপ্তর, আর মারাকেশ হলো এর জন্মস্থান বা চুক্তির স্থান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা কোন চুক্তির মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। মারাকেশ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং ডব্লিউটিও কবে থেকে কার্যকর হয়, এই দুটি সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a 1846
b 1867
c 1898
d 1905
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬৭ ১. কেন সঠিক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালের ৩০ মার্চ রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা অঞ্চলটি ক্রয় করেছিল। মাত্র ৭২ লক্ষ মার্কিন ডলারে (প্রতি একরে প্রায় দুই সেন্ট) তৎকালীন রুশ সাম্রাজ্যের কাছ থেকে এই বিশাল ভূখণ্ডটি আমেরিকার দখলে আসে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: দেশ/সংস্থা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রুশ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৮৬৭ সালের ৩০ মার্চ ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং একই বছরের ১৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর সম্পন্ন হয়। প্রেক্ষাপট: ক্রিমিয়ার যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কাছে আলাস্কা হারানোর ভয়ে রাশিয়া এটি বিক্রি করতে বাধ্য হয়। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম সুয়ার্ডের উদ্যোগে এই চুক্তি হয়, যাকে সে সময় সমালোচকরা সুয়ার্ডের বোকামি বললেও পরবর্তীতে এটি আমেরিকার জন্য অত্যন্ত লাভজনক প্রমাণিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইসিয়ানা ক্রয় (১৮০৩) ব্যাখ্যা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের কাছ থেকে এই বিশাল ভূখণ্ড ক্রয় করে নিজেদের আয়তন দ্বিগুণ করেছিল, যা আমেরিকার ভূখণ্ডগত সম্প্রসারণের আরেকটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনা। উদাহরণ ২: পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ (১৯০৩) ব্যাখ্যা: ভূরাজনৈতিক কৌশল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধিপত্য বিস্তারের জন্য যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বৈশ্বিক ভূখণ্ড ও স্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করেছে, আলাস্কা ক্রয় তার প্রাথমিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৪৬ — এই সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রেট ব্রিটেনের মধ্যে ওরেগন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে উত্তর আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সীমানা নির্ধারিত হয়েছিল। B) ১৮৬৭ — এই সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ক্রয় করেছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ১৮৯৮ — এই সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পেনের সঙ্গে যুদ্ধে জয়লাভ করে ফিলিপাইন, গুয়াম ও পুয়ের্তো রিকো দখল করে এবং হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ annexation করে। D) ১৯০৫ — এই সালে রুশ-জাপান যুদ্ধ সমাপ্ত হয় এবং পোর্টসমাথ চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া এশিয়ায় তার প্রভাব হারাতে শুরু করে। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাস্কা ক্রয়ের সাল মনে রাখতে ১৮৬৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন। আমেরিকার সাম্রাজ্য বিস্তারের ইতিহাসে এটি উনিশ শতকের সবচেয়ে বড় ও লাভজনক কূটনৈতিক চুক্তি ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভূরাজনীতি এবং ঐতিহাসিক চুক্তি অংশে প্রায়ই আসে। আলাস্কা ক্রয়ের সঙ্গে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম সুয়ার্ডের নাম এবং ক্রয়ের মূল্য ৭২ লক্ষ ডলার ভালোভাবে মনে রাখবেন।
a একটি নতুন আন্তর্জাতিক মুদ্রা প্রতিষ্ঠা করা
b নৌ ঘাঁটির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ
c বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থায়ন
d বাণিজ্য এবং অবকাঠামোর একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাণিজ্য এবং অবকাঠামোর একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করা ১. কেন সঠিক: বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ হলো চীনের একটি মেগা প্রকল্প যা প্রাচীন সিল্ক রোডের আদলে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ স্থাপন করতে চায়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে স্থল ও জলপথে বাণিজ্যের প্রসারের জন্য বন্দর, মহাসড়ক ও রেলপথ নির্মাণ করা। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: উদ্যোগ: বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই। ঘোষণা: ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই প্রকল্প ঘোষণা করেন। প্রেক্ষাপট: চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ক্ষমতা এবং অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা বিশ্ববাজারে ব্যবহারের জন্য এই কৌশল নেওয়া হয়। গুরুত্ব: এটি বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের আধিপত্য বিস্তার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ করার একটি বড় ভূরাজনৈতিক হাতিয়ার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চায়না পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর বা সিপিইসি। ব্যাখ্যা: এটি বিআরআই এর একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প যা পাকিস্তানের গাওদার বন্দরকে চীনের ঝিনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: হাম্বানটোটা বন্দর প্রকল্প। ব্যাখ্যা: শ্রীলঙ্কার এই বন্দরটি চীনের অর্থায়নে নির্মিত হলেও ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তা দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে চীনকে লিজ দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি নতুন আন্তর্জাতিক মুদ্রা প্রতিষ্ঠা করা — বিআরআই কোনো মুদ্রা তৈরির প্রকল্প নয় বরং এটি একটি অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক সংযোগ প্রকল্প। B) নৌ ঘাঁটির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ — এটি মূলত বাণিজ্যিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প, যদিও এর ভূরাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে উদ্বেগ রয়েছে। C) বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থায়ন — এটি বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফ এর মতো সাধারণ উন্নয়নে অর্থায়ন করে না, বরং নির্দিষ্ট বাণিজ্য রুটে অবকাঠামো নির্মাণে ঋণ দেয়। D) বাণিজ্য এবং অবকাঠামোর একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করা — এটিই এই প্রকল্পের মূল এবং সঠিক লক্ষ্য যা স্থলপথ ও জলপথের মাধ্যমে বাণিজ্যকে ত্বরান্বিত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: বেল্ট বলতে স্থলপথের সিল্ক রোড অর্থনৈতিক বেল্ট এবং রোড বলতে সমুদ্রপথের একবিংশ শতাব্দীর মেরিটাইম সিল্ক রোডকে বোঝায়। চীন ২০১৩ সালে এই প্রকল্প চালু করে যা অতীতে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড নামে পরিচিত ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিআরআই প্রকল্প কবে ঘোষণা করা হয় এবং এর পূর্বনাম কী ছিল, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন কোন মহাদেশকে এই প্রকল্প যুক্ত করতে চেয়েছে।
a অস্ট্রেলিয়া এবং সুইজারল্যান্ড
b ইউক্রেন এবং জর্জিয়া
c সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড
d মলদোভা এবং বেলারুশ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড ১. কেন সঠিক: - ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর ইউরোপের ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তা বদলে যাওয়ায় সুইডেন ও ফিনল্যান্ড তাদের দীর্ঘদিনের সামরিক নিরপেক্ষতা নীতি ত্যাগ করে ন্যাটোতে যোগ দেয়। - এই দুটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা ন্যাটোর উত্তর ইউরোপীয় ও বাল্টিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে আরও বেশি শক্তিশালী করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ন্যাটো (NATO - North Atlantic Treaty Organization), একটি আন্তঃসরকার সামরিক জোট। - প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: ফিনল্যান্ড ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল এবং সুইডেন ২০২৪ সালের ৭ মার্চ ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: শীতল যুদ্ধের সময় গঠিত এই জোটের মূল উদ্দেশ্য ছিল যৌথ প্রতিরক্ষা এবং সমবেত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ডের রাশিয়া সীমান্ত ব্যাখ্যা: ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগ দেওয়ায় ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি সীমান্ত প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে, যা জোটের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। উদাহরণ ২: ঠান্ডা যুদ্ধোত্তর নিরপেক্ষতা ত্যাগ ব্যাখ্যা: সুইডেন প্রায় দুইশত বছর ধরে সামরিক জোটের বাইরে থাকার পর নিরাপত্তা আশঙ্কার কারণে ন্যাটোর সদস্য হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এক বড় পরিবর্তন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া এবং সুইজারল্যান্ড — অস্ট্রেলিয়া ইনডু-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশ এবং সুইজারল্যান্ড ঐতিহ্যগতভাবে সম্পূর্ণ সামরিক নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হওয়ায় ন্যাটোতে যোগ দেয়নি। B) ইউক্রেন এবং জর্জিয়া — ইউক্রেন ও জর্জিয়া ন্যাটোর সদস্যপদ পাওয়ার চেষ্টা করলেও তারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য হতে পারেনি। D) মলদোভা এবং বেলারুশ — মলদোভা সাংবিধানিকভাবে নিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং বেলারুশ রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়ায় ন্যাটোর সদস্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফিন ও সুইজারল্যান্ডের মতো উত্তর ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন সম্প্রতি একসঙ্গে ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে। - ফিনল্যান্ড সবার আগে ২০২৩ সালে এবং সুইডেন ঠিক তার পরের বছর ২০২৪ সালে সদস্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটো যোগদান এবং ন্যাটোর বর্তমান মোট সদস্যসংখ্যা কত, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্ন থেকে ন্যাটোর প্রতিষ্ঠা সাল, সদর দপ্তর বা ফিনল্যান্ডের ন্যাটো সদস্যপদ লাভের সঠিক সন সম্পর্কিত এমসিকিউ আসতে পারে।
a মনরো
b ট্রুম্যান
c বুশ
d কার্টার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কার্টার ১. কেন সঠিক: পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি তেলের নির্বিঘ্ন সরবরাহ বজায় রাখতে এবং সে অঞ্চলে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তার রোধ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি ঘোষণা করে। ১৯৮০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে এই নীতি ঘোষণা করেন, যা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি বড় মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা ছিল। ২. ভূরাজনীতি ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রেক্ষাপট: ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তানে সামরিক আগ্রাসন চালায় এবং একই বছর ইরানে ইসলামিক বিপ্লব সংঘটিত হয়। উদ্দেশ্য: মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ রক্ষার্থে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪৮ সালের মার্শাল প্ল্যান ব্যাখ্যা: ইউরোপের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোকে অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করার জন্য এই মার্কিন নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: ১৯৭৩ সালের তেল সংকট ব্যাখ্যা: আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় আরব দেশগুলো তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিলে জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি মার্কিন ভূরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনরো — এটি ১৮২৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো কর্তৃক ঘোষিত হয়, যার মূল কথা ছিল আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপন বা হস্তক্ষেপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বরদাশত করবে না। B) ট্রুম্যান — এটি ১৯৪৭ সালে ঘোষিত হয়, যার লক্ষ্য ছিল গ্রীস ও তুরস্কে সাম্যবাদের বিস্তার রোধ করা এবং সোভিয়েত প্রভাব প্রতিহত করতে অর্থনৈতিক ও সামরিক সাহায্য প্রদান করা। C) বুশ — এটি সাধারণত একবিংশ শতাব্দীতে জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসন কর্তৃক অনুসৃত প্রাক্কল্পিক বা আগ্রাসী সামরিক হস্তক্ষেপ নীতিকে বোঝায়, যা কার্টার ডকট্রিনের অনেক পরের ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: পারস্য উপসাগরের তেল এবং কার্টার শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে হবে কারণ জিমি কার্টারের সময়ই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন শক্তির প্রক্ষেপণ শুরু হয়। মনরো আমেরিকার জন্য, ট্রুম্যান ইউরোপের জন্য এবং কার্টার মধ্যপ্রাচ্যের তেলের জন্য বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কার্টার ডকট্রিন মূলত মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি ভূরাজনৈতিক নীতি। এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি সম্পর্কিত বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a ক্যানকুন চুক্তি
b প্যারিস চুক্তি
c কিয়োটো প্রটোকল
d কোপেনহেগেন চুক্তি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যানকুন চুক্তি ১. কেন সঠিক: সবুজ জলবায়ু তহবিল বা গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড ২০১০ সালে মেক্সিকোর ক্যানকুনে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনের ক্যানকুন চুক্তির অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। উন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও অভিযোজনের জন্য আর্থিক সহায়তা দিতে এই তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পরিবেশ সংক্রান্ত তথ্য: চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: ইউএনএফসিসিসি ষোড়শ কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ বা কপ ষোল। তারিখ ও স্থান: ২০১০ সালে মেক্সিকোর ক্যানকুনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সদর দপ্তর: সবুজ জলবায়ু তহবিলের সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়ন শহরে অবস্থিত। প্রধান উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় আর্থিক সহায়তা প্রদান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত জলবায়ু চুক্তি যা গ্লোবাল ওয়ার্মিং দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: কিয়োটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় যা উন্নত দেশগুলোর গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যানকুন চুক্তি — এই চুক্তির মাধ্যমেই মূলত সবুজ জলবায়ু তহবিল বা গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। B) প্যারিস চুক্তি — এটি ২০১৫ সালের জলবায়ু চুক্তি যার মূল লক্ষ্য বিশ্ব উষ্ণায়ন প্রাক শিল্প যুগের তুলনায় দেড় থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। C) কিয়োটো প্রটোকল — এটি ১৯৯৭ সালের একটি ঐতিহাসিক প্রটোকল যা শিল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য প্রণয়ন করা হয়েছিল। D) কোপেনহেগেন চুক্তি — এটি ২০০৯ সালের জলবায়ু সম্মেলন হলেও এতে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছিল এবং ক্যানকুন চুক্তিতে তহবিলটি দাপ্তরিক রূপ পায়। ৫ মনে রাখার টিপস: সবুজায়ন বা গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ডের তহবিল গঠনের কথা এলেই মেক্সিকোর ক্যানকুন চুক্তির কথা স্মরণ করতে হবে। কোপেনহেগেনে তহবিল নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও ক্যানকুনে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজ জলবায়ু তহবিলের সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়নে অবস্থিত যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে তহবিল গঠনের সাল, এর সদর দপ্তর বা কোন সম্মেলনে এটি কার্যকর হয় তা নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে।
a জনশক্তি রপ্তানি
b তৈরি পোশাক রপ্তানি
c জাতিসংঘ শান্তি মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণ
d চামড়া জাতীয় পণ্য রপ্তানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৈরি পোশাক রপ্তানি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক শিল্প বা আরএমজি খাত রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস। দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ অর্জিত হয় এই খাত থেকে, যা জিডিপিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সস্তা শ্রমের প্রাপ্যতা এবং অনুকূল নীতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। ২. বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য প্রেক্ষাপট: ক্ষেত্র: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং বৈশ্বিক বস্ত্র বাজার। প্রেক্ষাপট: আশির দশকে কুটিড়শিল্প ও পাটজাত পণ্যের আধিপত্য পেরিয়ে নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান তৈরি করা এই খাতের প্রধান অর্থনৈতিক গুরুত্ব। প্রভাব: বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর এককভাবে তৈরি পোশাক খাতের এই নির্ভরতা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বৈদেশিক মুদ্রার ওঠানামাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র। ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার হলো এই অঞ্চলগুলো, যেখান থেকে সিংহভাগ বৈদেশিক আয় আসে। উদাহরণ ২: চামড়া ও পাট খাত। ব্যাখ্যা: একসময় পাট ও চামড়া প্রধান রপ্তানি খাত হলেও বৈশ্বিক চাহিদা পরিবর্তনের কারণে আজ তা তৈরি পোশাকের তুলনায় অনেক পেছনে রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনশক্তি রপ্তানি — এটি বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের অন্যতম বড় উৎস বা রেমিট্যান্সের প্রধান মাধ্যম হলেও সরাসরি পণ্য রপ্তানি আয়ের দিক থেকে এটি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) তৈরি পোশাক রপ্তানি — এটি সঠিক উত্তর। C) জাতিসংঘ শান্তি মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণ — এটি দেশের জন্য সম্মানজনক ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম উৎস হলেও তা পণ্য রপ্তানি খাতের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) চামড়া জাতীয় পণ্য রপ্তানি — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত হলেও তৈরি পোশাকের মতো এটি প্রধান রপ্তানি আয়ের উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। পোশাক খাতের ইংরেজি রূপ আরএমজি এবং এটি দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তৈরি পোশাক খাতের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি আয়কারী খাত কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। রপ্তানি বহুমুখীকরণের অভাব এবং পোশাক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়।
a বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
b বাংলাদেশ ব্যাংক
c অর্থ বিভাগ
d বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় উৎপাদন বা গ্রস ডমেস্টিক প্রোডাক্ট তথা জিডিপি হিসাব করার একমাত্র সরকারি ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম, কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন এবং মূল্যস্ফীতির তথ্য সংগ্রহ করে এই সংস্থাটি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সঠিক চিত্র প্রকাশ করে। ২. জাতীয় অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান: সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস এবং এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৪ সালে দেশের প্রথম আদমশুমারি ও পরিসংখ্যান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত পরিসংখ্যান ভবন থেকে এর সমগ্র কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মূল কাজ: জাতীয় আয় প্রাক্কলন, মূল্যস্ফীতি পরিমাপ, বিভিন্ন আদমশুমারি পরিচালনা এবং দেশের আর্থসামাজিক সূচক তৈরি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ ব্যাখ্যা: এটি বৈশ্বিক পর্যায়ে বিভিন্ন দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সূচক পর্যালোচনা করে এবং জাতীয় সংস্থার তথ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর উৎপাদিত জিডিপি ডেটা ব্যবহার করে দেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচন মূল্যায়ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি দেশের জিডিপি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার হিসাব ও প্রকাশ করে। B) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলেও জিডিপি হিসাব করে না, বরং দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিচালনা করে। C) অর্থ বিভাগ — অর্থ মন্ত্রণালয়ের এই বিভাগ বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ করে, কিন্তু সরাসরি জিডিপির তথ্য বা পরিসংখ্যান তৈরি করে না। D) বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন — এই কমিশন দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন করে, কিন্তু জাতীয় পরিসংখ্যান বা জিডিপি পরিমাপের কাজ পরিসংখ্যান ব্যুরো করে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: জিডিপি বা হিসাব সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের সঙ্গে 'পরিসংখ্যান' শব্দটি যুক্ত থাকে, তাই উত্তর হবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস। কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা ও ব্যাংক ব্যবস্থার হিসাব করে আর পরিসংখ্যান ব্যুরো সামগ্রিক উৎপাদন ও জিডিপির হিসাব করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির সর্বশেষ হার কত, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে দেশের মুদ্রানীতি কোন প্রতিষ্ঠান ঘোষণা করে, যার উত্তর হবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
a রাশিয়া
b চীন
c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
d থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: মিয়ানমারে পরিচালিত সাইবার স্ক্যাম সেন্টারগুলো মোকাবিলায় সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 'স্ক্যাম সেন্টার স্ট্রাইক ফোর্স' গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মানব পাচার এবং অনলাইনে আর্থিক প্রতারণা চক্র দমনে মার্কিন সরকারের এটি একটি বড় কূটনৈতিক ও কৌশলগত পদক্ষেপ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ/সংস্থা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থা)। প্রেক্ষাপট: মিয়ানমারের সীমান্ত অঞ্চলে বিদ্রোহী ও অপরাধ চক্রের নিয়ন্ত্রণে গড়ে ওঠা স্ক্যাম সেন্টারগুলো থেকে বিশ্বজুড়ে বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: মানব পাচার রোধ, সাইবার অপরাধ দমন এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক অপরাধের চক্র গুঁড়িয়ে দেওয়া এই ফোর্সের মূল লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক অপরাধ পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপল) ব্যাখ্যা: সাইবার অপরাধ এবং আন্তঃসীমান্ত মানব পাচার দমনে ইন্টারপল বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সমন্বয় করে থাকে। উদাহরণ ২: মার্কিন বিচার বিভাগ (ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস) ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি গ্লোবাল টাস্কফোর্স গঠন করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — রাশিয়া এই বিশেষ স্ট্রাইক ফোর্স গঠন করেনি এবং মিয়ানমারের এই অভ্যন্তরীণ সাইবার অপরাধ দমনে তাদের এমন কোনো সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নেই। B) চীন — চীন এই অঞ্চলে সাইবার অপরাধ দমনে যৌথ অভিযান চালালেও মার্কিন 'স্ক্যাম সেন্টার স্ট্রাইক ফোর্স' মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ উদ্যোগ। D) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও তারা সরাসরি এই নামের কোনো স্ট্রাইক ফোর্স গঠন করেনি, যদিও তারা আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় কাজ করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধ ও স্ক্যাম সেন্টার দমনে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র যে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে, তা মনে রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নিরাপত্তা নীতির কথা মাথায় রাখতে হবে। পরীক্ষায় এই ধরনের ভূরাজনৈতিক পদক্ষেপে প্রায়ই যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা শক্তির উদ্যোগের কথা বেশি থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি এবং ভূরাজনীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা ব্যাংক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই উপযোগী। একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে সাইবার অপরাধের উৎস, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত বা আন্তর্জাতিক মানব পাচার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a বিদেশে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান
b তারল্য সংকট কাটিয়ে ওঠা
c খেলাপী ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনা
d রপ্তানি বাড়ানো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রপ্তানি বাড়ানো ১. কেন সঠিক: - টাকার অবমূল্যায়ন অর্থ হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিদেশি মুদ্রার তুলনায় দেশীয় মুদ্রার মান কমে যাওয়া। - এর ফলে বিদেশি ক্রেতারা কম খরচে দেশীয় পণ্য কিনতে পারেন, যা আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের চাহিদা বাড়িয়ে রপ্তানি বৃদ্ধি করে। ২. বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য: - প্রেক্ষাপট: বৈদেশিক মুদ্রার সাপেক্ষে কোনো দেশের মুদ্রার মান কৃত্রিম বা বাজার চাহিদা অনুযায়ী কমানো হলে তাকে অবমূল্যায়ন বলে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা তৈরি করা। - ফলাফল ও প্রভাব: রপ্তানিকারকরা বেশি মুনাফা পান এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চীন ব্যাখ্যা: চীন অনেক সময় তাদের মুদ্রার মান কমিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের পণ্যের দাম কমিয়ে রাখে, যাতে তাদের রপ্তানি বাণিজ্য তরান্বিত হয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আকি বাড়াতে টাকার বিনিময় হারে সমন্বয় করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদেশে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান — ভুল কারণ মুদ্রার মান কমলে বিদেশে বিনিয়োগের খরচ বেড়ে যায় এবং বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হয়। B) তারল্য সংকট কাটিয়ে ওঠা — ভুল কারণ তারল্য সংকট সরাসরি মুদ্রার অবমূল্যায়নের সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি ব্যাংকিং খাতের ঋণ ব্যবস্থাপনার ফল। C) খেলাপী ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনা — ভুল কারণ খেলাপী ঋণ অভ্যন্তরীণ সুদের হার ও ঋণগ্রহীতাদের পরিশোধ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। D) রপ্তানি বাড়ানো — এটি সঠিক কারণ মুদ্রার মান কমলে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য দেশীয় পণ্যের দাম সস্তা হয় এবং রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সহজ নিয়ম হলো টাকার মান কমলে আমদানি কমে এবং রপ্তানি বাড়ে। - অবমূল্যায়ন মানে নিজ দেশের মুদ্রার শক্তি কমা, যা বহির্বিশ্বে বিক্রেতার জন্য লাভজনক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং মুদ্রাস্ফীতি একে অপরের পরিপূরক হতে পারে কারণ এতে আমদানিকৃত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ন্যাটোর সম্প্রসারণে সহায়তা প্রদান
b বিশ্ব আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার পূর্বক উদীয়মান অর্থনৈতিক দেশগুলোর স্বার্থরক্ষা
c ইউরোপের জন্য একক মুদ্রা প্রতিষ্ঠা করা
d জি-৭ এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার পূর্বক উদীয়মান অর্থনৈতিক দেশগুলোর স্বার্থরক্ষা ১. কেন সঠিক: ব্রিকস জোটের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতো ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কার আনা। এর মাধ্যমে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ব্রিকস (BRICS) হলো বিশ্বের প্রধান উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা জোট। প্রতিষ্ঠা: ২০০৬ সালে ব্রিক (BRIC) নামে গঠিত হলেও ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা যোগ দেওয়ার পর এটি ব্রিকস (BRICS) নামে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) ব্যাখ্যা: ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংকটি পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত বিশ্বব্যাংকের বিকল্প হিসেবে উদীয়মান দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করে। উদাহরণ ২: ব্রিকস সম্প্রসারণ ব্যাখ্যা: ২০২৪ সালে নতুন সদস্য হিসেবে মিশর, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইথিওপিয়া যুক্ত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে জোটটির প্রভাব বহুগুণ বেড়ে গেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যাটোর সম্প্রসারণে সহায়তা প্রদান — এটি ভুল কারণ ন্যাটো একটি পশ্চিমা সামরিক জোট এবং ব্রিকসের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ইউরোপের জন্য একক মুদ্রা প্রতিষ্ঠা করা — এটি ভুল কারণ ইউরোপের একক মুদ্রা ইউরো চালু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিকস নয়। D) জি-৭ এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা — এটি ভুল কারণ জি-৭ এবং ব্রিকস সম্পূর্ণ আলাদা দুটি স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রিকস মানেই উদীয়মান অর্থনীতির উত্থান এবং বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থায় নিজেদের অধিকার আদায়ের জোরালো কণ্ঠস্বর। আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের একক আধিপত্য কমানোই এই জোটের প্রতিষ্ঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রিকস জোটের পূর্ণরূপ, প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর ব্যাংক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সাম্প্রতিক সংযুক্তি এবং উদীয়মান অর্থনীতির ভূরাজনীতি বুঝতে এই জোটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
a ডোনাল্ড ট্রাম্প
b শিনজো অ্যাবে
c বারাক ওবামা
d জর্জ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিনজো অ্যাবে ১. কেন সঠিক: জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে প্রথম আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে ইন্দো-প্যাসিফিক বা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ধারণাটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন। তিনি ২০০৭ সালে ভারতের সংসদে দেওয়া কনফ্লুয়েন্স অব দ্য টু সিজ শীর্ষক ঐতিহাসিক ভাষণে এই অঞ্চলের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং পরবর্তীতে তার হাত ধরেই মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল বিশ্ব রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: দেশ/সংস্থা: জাপান ও ভারত প্রেক্ষাপট: এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনীতি এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষা করা। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলা এবং এই অঞ্চলে অবাধ বাণিজ্য ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। প্রভাব: বর্তমান বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও জাপানের সমন্বয়ে গঠিত কোয়াড বা চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ এই ধারণারই বাস্তব রূপ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোয়াড (QUAD) ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের একটি কৌশলগত ফোরাম যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: অকাস (AUKUS) ব্যাখ্যা: এটি অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তি যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখতে কাজ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডোনাল্ড ট্রাম্প — তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলকে মার্কিন নীতিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছিলেন কিন্তু এর প্রবক্তা তিনি নন। B) শিনজো অ্যাবে — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই প্রথম এই ধারণাকে বৈশ্বিক কূটনীতিতে জনপ্রিয় করেন। C) বারাক اوবামা — তিনি এশিয়া পিভট নীতি গ্রহণ করলেও ইন্দো-প্যাসিফিক শব্দটির মূল প্রবক্তা শিনজো অ্যাবে। D) জর্জ ডব্লিউ বুশ — তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নীতিতে বেশি মনোযোগী ছিলেন এবং এই ধারণার সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইন্দো-প্যাসিফিক বা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সমুদ্র কৌশল বললেই জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের নাম মনে রাখতে হবে। তিনি ২০০৭ সালে প্রথম এই শব্দটি কূটনৈতিক মহলে পরিচিত করেন যা পরবর্তীতে বিশ্ব রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূরাজনীতি এবং এশিয়া-প্যাসিফিক কূটনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে শিনজো অ্যাবে কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিংবা কোয়াড (QUAD) গঠনের পেছনে কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা মূল উদ্দেশ্য।
a কোপেনহেগেন
b ওয়ারশ
c প্যারিস
d বন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বন ১. কেন সঠিক: জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (UNFCCC) প্রথম কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিস বা কপ-ওয়ান (COP1) ১৯৯৫ সালে জার্মানির বন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সম্মেলনেই বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে প্রথমবারের মতো দেশগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরির আলোচনা শুরু করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: UNFCCC হলো জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন, যা ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরোতে গ্রহীত হয়। সদর দপ্তর: এই সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় জার্মানির বন শহরে অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল (COP3) ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৭ সালে জাপানের কিওটোতে অনুষ্ঠিত হয় এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি (COP21) ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে ফ্রান্সে স্বাক্ষরিত হয় এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোপেনহেগেন — এটি ডেনমার্কের রাজধানী এবং এখানে ২০০৯ সালে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কপ-পনেরো সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ওয়ারশ — এটি পোল্যান্ডের রাজধানী এবং ২০১৩ সালে এখানে কপ-উনিশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ২০১৫ সালে এখানে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ঐতিহাসিক কপ-একুশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। D) বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম কপ সম্মেলন এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর সচিবালয় এখানেই অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউএনএফসিসিসি এর সচিবালয় জার্মানির বনে অবস্থিত এবং প্রথম কপ সম্মেলনও এই বন শহরেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বনের সাথে প্রথম কপ এর মিল মনে রাখলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত এই সম্মেলনগুলোকে সংক্ষেপে কপ (COP) বলা হয়। এই প্রশ্নটি থেকে আগামীতে কপ-পঁচিশ বা কপ-সাঁইত্রিশ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a দালাইলামা এবং চিংলু
b চোমোলাংমা এবং কোমোলাংমা
c কোমোলাংমা এবং চিংলু
d চোমোলাংমা এবং এলবার্গ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চোমোলাংমা এবং কোমোলাংমা ১. কেন সঠিক: এভারেস্ট শৃঙ্গ নেপাল ও তিব্বত (চীন) সীমান্তে অবস্থিত পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। স্থানীয় তিব্বতী ভাষায় এই শৃঙ্গের ঐতিহ্যগত নাম হলো চোমোলাংমা এবং চীনা মানচিত্রে এর প্রাতিষ্ঠানিক নাম কোমোলাংমা। ২. ভৌগোলিক তথ্য: দেশ বা অঞ্চল: তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত, এশিয়া মহাদেশ। উচ্চতা: ৮৮৪৮ দশমিক ৮৬ মিটার। প্রেক্ষাপট: বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে এই পর্বতটি পবিত্র এবং তাদের নিজস্ব ভাষায় এর পৃথক নামকরণ রয়েছে। উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: ভৌগোলিক এবং পর্বত আভিযানিক দৃষ্টিকোণ থেকে পৃথিবীর সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে এর বিশ্বজোড়া খ্যাতি রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাগরমাথা ব্যাখ্যা: নেপালি ভাষায় এভারেস্ট শৃঙ্গকে সাগরমাথা বলা হয় যার অর্থ স্বর্গের কপাল। উদাহরণ ২: জর্জ এভারেস্ট ব্যাখ্যা ব্রিটিশ জরিপকারী জর্জ এভারেস্টের নামানুਸারে এই শৃঙ্গের ইংরেজি নামকরণ করা হয়েছিল মাউন্ট এভারেস্ট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দালাইলামা এবং চিংলু — দালাইলামা কোনো পর্বতের নাম নয়, বরং এটি তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক গুরুর উপাধি। B) চোমোলাংমা এবং কোমোলাংমা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি এভারেস্টের যথাক্রমে তিব্বতী ও চীনা নাম নির্দেশ করে। C) কোমোলাংমা এবং চিংলু — এখানে চিংলু নামটি এভারেস্টের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য বহন করে। D) চোমোলাংমা এবং এলবার্গ — এলবার্গ কোনো পরিচিত শৃঙ্গ নয় এবং এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তিব্বতের মানুষ পাহাড়কে মা বা দেবী মানে, তাই তিব্বতী নাম চোমোলাংমা এবং চীনা নাম কোমোলাংমা মনে রাখা সহজ। ইংরেজি নামের সাথে স্থানীয় নামের পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ শৃঙ্গের বিভিন্ন আঞ্চলিক নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একই বিষয় থেকে নেপালি নাম সাগরমাথা বা এর সঠিক উচ্চতা নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।

মোট প্রশ্ন (5)

a পূর্ব, পশ্চিম
b দক্ষিণপশ্চিম, উত্তরপূর্ব
c উত্তর, দক্ষিণ
d উত্তর, পশ্চিম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণপশ্চিম, উত্তরপূর্ব কেন সঠিক: কর্কটক্রান্তি রেখা থেকে নিরক্ষরেখার দিকে প্রবাহিত হওয়ার সময় ফেরেলের সূত্রানুসারে বায়ু ডান দিকে বেঁকে যায়। এই কারণে উত্তর গোলার্ধে দক্ষিণপশ্চিম দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়। ভৌগোলিক তথ্য: প্রত্যয়ন বায়ু বা দক্ষিণপশ্চিম আয়ন বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের নিম্নচাপ বলয়ের দিকে ধাবিত হয়। এই বায়ু সাধারণত জলীয় বাষ্পে পূর্ণ থাকে এবং গ্রীষ্মকালে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায়। সমুদ্র বাণিজ্যের সুবিধার্থে প্রাচীনকালে এই বায়ুর ওপর নির্ভর করে পালতোলা জাহাজ চলাচল করত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ব, পশ্চিম — এই দিক বরাবর পৃথিবীর আবর্তনজনিত নিয়মে কোনো নিয়মিত স্থায়ী বায়ু প্রবাহিত হয় না। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপর কোনো ভুল বিকল্পের আলোচনা প্রযোজ্য নয়। C) উত্তর, দক্ষিণ — উত্তর ও দক্ষিণ দিক বরাবর সরাসরি বায়ু প্রবাহিত না হয়ে কোণাকোণিভাবে প্রবাহিত হয়। D) উত্তর, পশ্চিম — এই দিকটি আয়ন বায়ুর প্রবহমান গতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তর গোলার্ধে আয়ন বায়ু দক্ষিণপশ্চিম দিক থেকে শুরু হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে বয়ে যায়। আয়ন মানে পথ, তাই এটি নিয়মিত নির্দিষ্ট পথ ধরে চলাচল করে।
a উদ্ধার
b পুনর্বাসন
c পুনর্গঠন
d প্রস্তুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রস্তুতি কেন সঠিক: দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য ঘটনার আগে থেকেই পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা তৈরি করা সবচেয়ে জরুরি কাজ। দুর্যোগ আসার পূর্বে প্রস্তুতি গ্রহণ করলে মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়। ভৌগোলিক তথ্য: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র সাধারণত চারটি প্রধান ধাপে বিভক্ত যা সমগ্র বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত ও অনুসরণ করা হয়। এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য হলো মানবজীবন রক্ষা করা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বে সাইক্লোন শেল প্রস্তুত রাখার প্রস্তুতি একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদ্ধার — এটি দুর্যোগ চলাকালীন বা ঠিক পরপরই প্রয়োগ করা হয়, যা ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ হতে পারে না। B) পুনর্বাসন — ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে পুনরায় জীবনযাত্রায় ফিরিয়ে দেওয়ার এই কাজটি দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে করা হয়ে থাকে। সি) পুনর্গঠন — ভেঙে যাওয়া অবকাঠামো ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার কাজটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার শেষ দিকের একটি ধাপ। D) প্রস্তুতি — এটি সঠিক কারণ দুর্যোগ মোকাবিলায় আগেই মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকা প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে হলে মনে রাখবে প্রথমে প্রস্তুতি নিতে হয় এবং তারপর বাকি কাজগুলো করতে হয়।
a রকি, ভিসুভিওস, ব্ল্যাক ফরেস্ট
b হিমালয়, আল্পস, রকি
c হিমালয়, রকি, বিন্দ্যা
d আল্পস, হেনরি, ফুজিয়ামা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রকি, ভিসুভিওস, ব্ল্যাক ফরেস্ট কেন সঠিক: ১. রকি পর্বতমালা দুই প্লেটের সংঘর্ষের ফলে সৃষ্টি হওয়া একটি প্রধান ভঙ্গিল পর্বত। ২. ভিসুভিওস একটি সক্রিয় আগ্নেয় পর্বত যা লাভা ও ছাই উদগীরণের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। ৩. ভূত্বকের ফাটল বা চ্যুতির মাধ্যমে ওপরে উঠে ব্ল্যাক ফরেস্ট একটি স্তূপ পর্বত গঠন করেছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. রকি পর্বত উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিমে অবস্থিত এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় চার হাজার আটশো কিলোমিটার। ২. ভিসুভিওস ইতালি দেশে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান জীবন্ত আগ্নেয়গিরি হিসেবে পরিচিত। ৩. জার্মানির রাইন নদীর উপত্যকায় ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত অবস্থিত যা ভূত্বকের বিচ্যুতি দ্বারা গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এখানে ভঙ্গিল, আগ্নেয় ও স্তূপ পর্বতের সঠিক ক্রম দেওয়া হয়েছে। B) হিমালয়, আল্পস ও রকি — এই তিনটিই হলো ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ, তাই ক্রমটি ভুল। C) হিমালয়, রকি ও বিন্দ্যা — বিন্দ্যা একটি খণ্ডিত পর্বত হলেও এখানে সঠিক ক্রম নেই। D) আল্পস, হেনরি ও ফুজিয়ামা — এখানে প্রথমটি ভঙ্গিল এবং শেষ দুটি আগ্নেয় পর্বত। মনে রাখার টিপস: রকি ভঙ্গিল, ভিসু আগ্নেয় আর ব্ল্যাক স্তূপ জেনে রেখো, ভূগোলের এই তিন পর্বত সহজে মনে গেঁথে ফেলো।
a বিষুবরেখা
b কলোরাডো লাইন
c কারমান লাইন
d ট্রোপোপজ
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কারমান লাইন কেন সঠিক: এই কাল্পনিক রেখাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় একশত কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত এবং এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের সীমানা নির্ধারণ করে। এই উচ্চতার পর বায়ুমণ্ডল এতটাই পাতলা হয়ে যায় যে প্রচলিত বিমান সেখানে উড়তে পারে না এবং মহাকাশযান চলাচল শুরু হয়। ভৌগোলিক তথ্য: এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঠিক একশত কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা। হাঙ্গেরি বংশোদ্ভূত পদার্থবিজ্ঞানী থিওডোর ভন কারমান এই রেখাটির ধারণা প্রথম দেন। এই উচ্চতায় বায়ুর ঘনত্ব এতই কম যে বিমানকে মহাশূন্যে ওড়ার মতো অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষুবরেখা — এটি পৃথিবী গোলকের ঠিক মাঝখান দিয়ে লম্বালম্বিভাবে পূর্ব-পশ্চিম বিস্তৃত এবং পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে ভাগ করে। B) কলোরাডো লাইন — এটি কোনো ভৌগোলিক বা বায়ুমণ্ডলীয় সীমারেখা নয়, বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঞ্চলের সীমানা নির্দেশ করে। C) কারমান লাইন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিমান চলাচলের নিচের কোনো স্তর ধরা হয়েছে। D) ট্রোপোপজ — এটি ট্রপোমণ্ডল ও স্ট্রাটোমণ্ডলের মধ্যবর্তী সীমারেখা, যা মহাশূন্য এবং বায়ুমণ্ডলের সীমানা নয়। মনে রাখার টিপস: কারমান লাইনের ক অক্ষরটি মহাশূন্যের ক অক্ষরের সাথে মিলিয়ে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতা মনে রাখা সহজ।
a ৩৮°
b ৩৪°
c ৪৯°
d ২৩.৫০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৮° কেন সঠিক: ৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশটি কোরীয় উপদ্বীপকে ঠিক মাঝ বরাবর সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তি এই কাল্পনিক রেখা বরাবর কোরিয়াকে দুই ভাগে বিভক্ত করে। ভৌগোলিক তথ্য: এই রেখাটি এশিয়া মহাদেশের কোরীয় উপদ্বীপের ওপর দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রসারিত হয়েছে। এর উভয় পাশে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সামরিকভাবে সুরক্ষিত সীমানা এলাকা রয়েছে। শীতল যুদ্ধের সময় থেকে এই অঞ্চলটি বিশ্বের অন্যতম সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক সীমান্ত হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: B) ৩৪° — এটি উত্তর কোরিয়া বা দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত নির্ধারণ করে না এবং এর ভৌগোলিক গুরুত্ব আলাদা। C) ৪৯° — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার প্রধান সীমান্ত রেখা হিসেবে পরিচিত। D) ২৩.৫০° — এটি কর্কটক্রান্তি রেখা যা পৃথিবীর উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের সীমানা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম অক্ষর এবং ৩৮ সংখ্যাটি মনে রাখলেই এই সীমান্ত রেখা সহজেই মনে রাখা যায়।

মোট প্রশ্ন (7)

a 2002
b 2008
c 2006
d 2010
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০৮ প্রদত্ত তথ্য: জারিনের জন্ম তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ধরি, যে সালগুলো লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ সেই সালেই ২৯ ফেব্রুয়ারি থাকতে পারে অতএব, চার দ্বারা বিভাজ্য সালগুলো সাধারণত লিপ ইয়ার হয় খ্রিস্টাব্দ ২০০২, ২০০৬ এবং ২০১০ সাল চার দ্বারা বিভাজ্য নয় সুতরাং, খ্রিস্টাব্দ ২০০৮ সাল চার দ্বারা বিভাজ্য এবং এটি একটি লিপ ইয়ার উত্তর: ২০০৮
a 12
b 18
c 22
d 24
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির কাঁটাদ্বয়ের মিলিত হওয়ার ঘটনা দৈনিক হিসাব করতে হবে একদিন বলতে মোট চব্বিশ ঘণ্টাকে বোঝানো হয়েছে ধরি, ঘড়ির দুটি কাঁটা প্রতি ঘণ্টায় একবার একে অপরকে অতিক্রম করে বারো ঘণ্টায় কাঁটাদ্বয় এগারো বার মিলিত হয় অতএব, প্রথম বারো ঘণ্টায় কাঁটাদ্বয় মিলিত হয় এগারো বার পরবর্তী বারো ঘণ্টায় কাঁটাদ্বয় মিলিত হয় এগারো বার সুতরাং, একদিন বা চব্বিশ ঘণ্টায় মোট মিলনের সংখ্যা = ১১ + ১১ = ২২ বার উত্তর: ২২ বার
a পশ্চিম দিকে
b দক্ষিণ দিকে
c উত্তর দিকে
d পূর্ব দিকে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পশ্চিম দিকে প্রদত্ত তথ্য: চায়ের কাপের হ্যান্ডেলের প্রাথমিক অবস্থান = পূর্ব দিক কাপ ঘোরানোর দিক = ঘড়ির কাঁটার দিকে কাপ ঘোরানোর পরিমাণ = ১৮০ ডিগ্রি ধরি, পূর্ব দিকের বিপরীত দিক হলো পশ্চিম দিক সম্পূর্ণ ঘূর্ণন হলো ৩৬০ ডিগ্রি অর্ধেক ঘূর্ণন হলো ১৮০ ডিগ্রি অতএব, পূর্ব দিক থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০ ডিগ্রি ঘোরালে হয় দক্ষিণ দিক আরও ৯০ ডিগ্রি অর্থাৎ মোট ১৮০ ডিগ্রি ঘোরালে হয় পশ্চিম দিক সুতরাং, কাপটি ১৮০ ডিগ্রি ঘোরার পর হ্যান্ডেলটি পূর্ব দিকের ঠিক বিপরীতে চলে আসে উত্তর: পশ্চিম দিকে
a ঘনকটি পানির ২ সে.মি. গভীরে থাকবে
b ঘনকটি সম্পূর্ণভাবে ডুবে যাবে
c ঘনকটি আবার অর্ধেক ডুবে থাকা ও অর্ধেক ভেসে থাকা অবস্থায় ফিরে আসবে
d ঘনকটি প্রথমে যতটুকু ভেসে ছিল তার চেয়ে উপরে উঠবে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঘনকটি আবার অর্ধেক ডুবে থাকা ও অর্ধেক ভেসে থাকা অবস্থায় ফিরে আসবে প্রদত্ত তথ্য: কঠিন ঘনকটি প্রথমে অর্ধেক পানির উপরে ও অর্ধেক পানির নিচে ভাসছিল ঘনকটিকে বলপ্রয়োগ করে পানির মধ্যে অতিরিক্ত দুই সেন্টিমিটার গভীরে ঠেলে দেওয়া হলো ধরি, ঘনকটির স্বাভাবিক ভাসমান অবস্থা হলো অর্ধেক নিমজ্জিত থাকা অতিরিক্ত বলের কারণে ঘনকটি সাময়িকভাবে দুই সেন্টিমিটার নিচে নেমে যায় অতএব, ঘনকটি ছেড়ে দেওয়ার পর প্লাবন বলের কারণে এটি আবার উপরে উঠতে শুরু করে ঘর্ষণ বা অন্য কোনো বাধা না থাকায় এটি তার পূর্বের স্থিতাবস্থায় ফিরে আসে সুতরাং, ঘনকটি পূর্বের মতো আবার অর্ধেক ডুবে থাকা ও অর্ধেক ভেসে থাকা অবস্থায় ফিরে আসবে উত্তর: C) ঘনকটি আবার অর্ধেক ডুবে থাকা ও অর্ধেক ভেসে থাকা অবস্থায় ফিরে আসবে
a আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বর্গক্ষেত্রের চেয়ে বেশি।
b বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল আয়তক্ষেত্রের চেয়ে বেশি।
c উভয়ের ক্ষেত্রফল সমান।
d কোনটির ক্ষেত্রফল বেশি বা উভয়ের সমান কিনা তা বর্ণিত তথ্য থেকে নির্ণয় করা সম্ভব নয়।
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল আয়তক্ষেত্রের চেয়ে বেশি। প্রদত্ত তথ্য: সমান দৈর্ঘ্যের দুটি দড়ি দেওয়া আছে একটি দড়ি দিয়ে আয়তক্ষেত্র এবং অন্যটি দিয়ে বর্গক্ষেত্র তৈরি করা হয় ধরি, দড়ি দুটির দৈর্ঘ্য সমান এবং তা চার একক বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা চার একক এবং প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য এক একক আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা চার একক এবং দৈর্ঘ্য দুই একক ও প্রস্থ শূন্য দশমিক পাঁচ একক অতএব, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল সমান এক গুণ এক সমান এক বর্গ একক আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল সমান দুই গুণ শূন্য দশমিক পাঁচ সমান এক বর্গ একক নয় বরং শূন্য দশমিক পাঁচ বর্গ একক একই পরিসীমা বিশিষ্ট ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে বেশি হয় সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের চেয়ে বেশি হয় উত্তর: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বেশি
a 44
b 45
c 46
d 48
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৪ প্রদত্ত তথ্য: সামনে থেকে লামiyার অবস্থান = নবম পিছন থেকে লামiyার অবস্থান = ছত্রিশতম ধরি, একই ব্যক্তির অবস্থান দুই দিক থেকে গণনায় ধরা হয়েছে অতএব, সামনে থেকে অবস্থান এবং পিছন থেকে অবস্থান যোগ করতে হবে সুতরাং, ৯ + ৩৬ = ৪৫ উত্তর: ৪৫ − ১ = ৪৪
a পেন্সিলটি জানালার নিচে আছে।
b পেন্সিলটি জানালার উপরে আছে।
c পেন্সিলটি জানালার মধ্যে অবস্থান করছে।
d বাক্সটি পেন্সিলের নিচে অবস্থান করছে।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পেন্সিলটি জানালার নিচে আছে। প্রদত্ত তথ্য: বাক্সের মধ্যে একটি পেন্সিল আছে বাক্সটি একটি তাকের উপরে অবস্থান করছে ধরি, তাকটি জানালার নিচে অবস্থান করছে তাই বাক্সের অবস্থান তাকের উপরে এবং পেন্সিলের অবস্থান বাক্সের ভেতরে অতএব, তাকের অবস্থান জানালার সাপেক্ষে নিচে বাক্সটি তাকের ওপরে থাকায় তা জানালার কাছাকাছি পেন্সিলটি বাক্সের ভেতরে থাকায় তার মূল অবস্থানও নিচে সুতরাং, পেন্সিলসহ বাক্সটি জানালার নিচে রয়েছে তাই পেন্সিলটিও জানালার নিচে অবস্থান করছে উত্তর: A) পেন্সিলটি জানালার নিচে আছে।