স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে উপসহকারী প্রকৌশলী পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (32)

a হাসান আজিজুল হক
b রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
c মীর মশাররফ হোসেন
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন কেন সঠিক: ১. উদাসী পথিকের মনের কথা গ্রন্থটির রচয়িতা ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন। ২. এটি তাঁর একটি বিখ্যাত মননশীল ও সমাজসংস্কারমূলক গদ্যরচনা যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এই সাহিত্যকর্মে লেখকের সমাজ সচেতনতা এবং তৎকালীন মুসলিম সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. মীর মশাররফ হোসেন তাঁর গদ্যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও মনস্তত্ত্ব খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। ৩. তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে বিষাদ সিন্ধু এবং উদাসীন পথিকের মনের কথা বিশেষভাবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান আজিজুল হক — ইনি মূলত তাঁর ছোটগল্পের জন্য বিখ্যাত এবং তিনি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — ইনি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সুলতানার স্বপ্ন তাঁর বিখ্যাত রচনা। D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং তাঁর বহু গদ্য ও কাব্যগ্রন্থ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. মীর মশাররফ হোসেনের নামের সাথে উদাসী পথিকের মনের কথা গ্রন্থটি মিলিয়ে পড়বে। ২. লেখকের ছদ্মনাম বা অন্যান্য রচনার সাথে এই নামটি গুলিয়ে ফেলবে না।
a রাজ + জ্ঞী = রাজ্ঞী
b সম্ + চয় = সঞ্চয়
c যদ্য + অপি = যদ্যপি
d শ + অন = শয়ন
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্ + চয় = সঞ্চয় ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ম্-এর পরে চ কিংবা ছ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। এখানে সম্ পদের ম্-এর পরে চয় পদের চ বর্ণটি থাকায় ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো ম্-ধ্বনির পরিবর্তন। পদমধ্যস্থ ম্-এর পরে য, র, ল, ব এবং শ, ষ, স, হ কিংবা বর্গের যেকোনো বর্ণ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + তাপ = সন্তাপ ব্যাখ্যা: ম্-এর পরে ত থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: অলম্ + কার = অলংকার ব্যাখ্যা: ম্-এর পরে ক থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজ + জ্ঞী = রাজ্ঞী — এটি রাজ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ গঠনে হলেও সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রাজ + ঙী। C) যদ্য + অপি = যদ্যপি — এই শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো যদি + অপি। D) শ + অন = শয়ন — এই শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো শে + অন যা অনাদি আদি সন্ধির উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: ম-ফলা বা ম্-এর পর চ থাকলে ম্-এর জায়গায় একটি ফোঁটা বা অনুস্বার বসবে। সংক্ষেপে মনে রাখবে সম্ যোগ চয় সমান সঞ্চয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি বারবার আসে। ম-এর পরে চ বর্গীয় বর্ণ থাকলে অনুস্বার হয় এই সূত্রটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আদিত্য
b শশধর
c ভাস্কর
d রবি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শশধর ১. কেন সঠিক: - শশধর শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র। - সূর্যের সমার্থক শব্দ নয় এমন বিকল্পটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, তাই শশধর সঠিক উত্তর। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের জন্য একাধিক ভিন্নার্থক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো তপন, দিবাকর, মিত্র। ব্যাখ্যা: এগুলো সবই সূর্যের প্রতিশব্দ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চন্দ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো শশধর, সোম, বিধু। ব্যাখ্যা: এগুলো চাঁদের সমার্থক এবং সূর্যের সমার্থক শব্দের বিপরীত গোত্রের। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদিত্য — এটি সূর্যের একটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) শশধর — এটি চাঁদের সমার্থক শব্দ, সূর্যের নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) ভাস্কর — এটি সূর্যের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) রবি — এটি সূর্যের অতি পরিচিত একটি সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শশধর শব্দে শশ অর্থ শশক বা খরগোশ, যার ধরে বা গায়ে চাঁদের কলঙ্ক আকৃতির মতো দেখা যায়, তাই শশধর চাঁদ। - রবি, তপন, ভাস্কর, আদিত্য দেখলেই বুঝবে এগুলো সূর্যের নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের সঙ্গে অপশনের অর্থ ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে। - চাঁদ এবং সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a আরবি
b পর্তুগিজ
c হিন্দি
d তুর্কি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজ বণিক ও ধর্মযাজকদের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগিজ শব্দগুলো দৈনন্দিন জীবন ও গৃহস্থালির কাজের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। তার মধ্যে বিদেশি শব্দ একটি অন্যতম প্রধান শ্রেণি। - পর্তুগিজরা সমুদ্রপথে বাণিজ্য করতে এসে বাংলায় বসতি স্থাপন করে এবং তাদের ভাষার বহু শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে যায়। গৃহস্থালি, ধর্ম, ও বাণিজ্যের বিভিন্ন জিনিসপত্র বোঝাতে এসব শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ যা ফল বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: ঘরের দরজা খোলার কাজে ব্যবহৃত এই নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুটি বোঝাতে পর্তুগিজ শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি শব্দ মূলত ধর্ম, প্রশাসন ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত হয়, যেমন আল্লাহ, আদালত ইত্যাদি, আলমারি নয়। C) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে সাধারণত হিন্দি বা হিন্দুস্থানি বলা হয়, যা এই শব্দের উৎসের সঙ্গে মিলে না। D) তুর্কি — তুর্কি শব্দ সাধারণত সামরিক জীবন ও অস্ত্রশস্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকে, যেমন দারোগা, তোপ ইত্যাদি। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষার আমারিও শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো গৃহস্থালি ও খাবারের নামের সঙ্গে মিল খোঁজা। - আনারস, পেঁপে, আলমারি, চাবি, কামরা—এগুলো সবই পর্তুগিজ শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফার্সি শব্দের পার্থক্য। - গৃহস্থালির জিনিসপত্র এবং খাবারের নামগুলোর উৎস ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a কারণ কারক
b অপাদান কারক
c কর্ম কারক
d সম্বন্ধ কারক
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ম কারক ১. কেন সঠিক: ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্ম কারক। এই বাক্যে সমালোচনা করে গেছেন ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে অন্ধতা, গোঁড়ামি ও কুসংস্কারকে উত্তরটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। ক্রিয়াপদের সঙ্গে কর্মের সম্পর্ক বোঝাতে শব্দের সঙ্গে কে বা রে বিভক্তি যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক ছাত্রটিকে পড়াচ্ছেন। ব্যাখ্যা: কাকে পড়াচ্ছেন প্রশ্নের উত্তরে ছাত্রটিকে হলো কর্ম কারক। উদাহরণ ২: আমি ফুল ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: কী ভালোবাসি প্রশ্নের উত্তরে ফুল হলো কর্ম কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারণ কারক — বাংলায় কারণ কারক নামে কোনো ব্যাকরণগত কারক নেই, তাই এটি ভুল। B) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয় পায় তা অপাদান কারক, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্ম কারক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্রিয়ার লক্ষ্য নির্দেশ করছে। D) সম্বন্ধ কারক — পদের সঙ্গে পদের সম্পর্ককে সম্বন্ধ পদ বলে, এটি কারক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই হলো কর্ম কারক। বাক্যের মূল কর্মকে চিনতে পারলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করার কৌশল আয়ত্ত করতে হবে। বিভক্তি ছাড়া কর্ম কারকও হতে পারে, যেমন ভাত খাও।
a ৭ টি
b ৮ টি
c ৯ টি
d ১০ টি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় যে সকল বর্ণের পূর্ণমাত্রা থাকে না, অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি অংশ ফাঁকা থাকে বা মাত্রাটি শুধু আংশিক যুক্ত থাকে, সেগুলোকে অর্ধমাত্রার বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় মোট ৮টি বর্ণে অর্ধমাত্রা রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে, যার মধ্যে মাত্রা ভেদে বর্ণগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। অর্ধমাত্রার বর্ণগুলোর ওপর রেখার টান সম্পূর্ণ থাকে না, সামান্য অংশ জুড়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঋ ব্যাখ্যা: ঋ স্বরবর্ণের একটি বর্ণ এবং এটি অর্ধমাত্রার বর্ণ হিসেবে গণ্য হয়। উদাহরণ ২: খ ব্যাখ্যা: খ ব্যঞ্জনবর্ণের একটি বর্ণ এবং এর ওপরের অংশে সম্পূর্ণ মাত্রা না থেকে অর্ধমাত্রা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ টি — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৭টি নয়, বরং সঠিক সংখ্যাটি হলো ৮টি। B) ৮ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণের নির্দিষ্ট সংখ্যা ৮টি। C) ৯ টি — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ৯টি অর্ধমাত্রার বর্ণ নেই, এটি ভুল গণনা থেকে আসে। D) ১০ টি — ভুল কারণ ১০টি হলো মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা, অর্ধমাত্রার বর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মাত্রার হিসাব মনে রাখতে পারেন এভাবে, ৩২টি পূর্ণমাত্রা, ৮টি অর্ধমাত্রা এবং ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ। এই তিন সংখ্যা যোগ করলে মোট ৫০টি বর্ণ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণমালা থেকে মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০ সংখ্যা তিনটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a উ + ই
b অ + ই
c এ + ই
d ই + ই
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ + ই ১. কেন সঠিক: 'ঐ' হলো একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দিওস্বর। বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' এবং 'ঔ' হলো দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ, যা উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনির মিলিত রূপ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি স্বর একসাথে মিলিত হয়, সেগুলোকে যৌগিক স্বর বা দিওস্বর বলে। 'অ' এবং 'ই' দ্রুত উচ্চারণ করলে মিলিতভাবে 'ঐ' ধ্বনির সৃষ্টি হয়, যা ধ্বনিতত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ + ই = ঐ ব্যাখ্যা: অ এবং ই মিলে ঐ ধ্বনি তৈরি হয়, যেমন আইন শব্দটিতে এই ধ্বনির উপস্থিতি রয়েছে। উদাহরণ ২: অ + উ = ঔ ব্যাখ্যা: ঠিক একইভাবে অ এবং উ মিলে ঔ যৌগিক স্বরধ্বনি তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উ + ই — এই দুটি স্বর মিলে কোনো যৌগিক স্বরধ্বনি বা বর্ণ সৃষ্টি করে না। B) অ + ই — এটি সঠিক কারণ এই দুই ধ্বনির মিলনেই ঐ ধ্বনি গঠিত হয়। C) এ + ই — এই মিশ্রণটি অন্য কোনো ধ্বনি তৈরি করে কিন্তু ঐ ধ্বনি তৈরি করে না। D) ই + ই — এটি মিলে দীর্ঘ ঈ ধ্বনি তৈরি করে, যৌগিক স্বর তৈরি করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো অ এর সাথে ই যোগ করলে হয় ঐ এবং অ এর সাথে উ যোগ করলে হয় ঔ। এই নিয়মটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ। পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি বর্ণ কোন কোন ধ্বনির মিলনে গঠিত হয় তা জানতে চাওয়া হয়।
a শৈল
b সৈকত
c আকাশ
d সমুদ্র
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র ১. কেন সঠিক: - 'পয়োধি' একটি সংস্কৃত শব্দ। এর অর্থ সমুদ্র বা জলধি। - সংস্কৃত ব্যাকরণে 'পয়স্' শব্দের অর্থ জল এবং 'ধি' শব্দের অর্থ ধারণকারী। অর্থাৎ যা জল ধারণ করে তাকে পয়োধি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ। এর ব্যাসবাক্য হলো পয়ো ধারণ করে যে, উপপদ তৎপুরুষ সমাস। - বাংলা ভাষায় জলের সমার্থক শব্দের সাথে 'ধি' যুক্ত করে সমুদ্র বোঝানো হয়। যেমন জল ধারণ করে যা জলধি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলধি ব্যাখ্যা: জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ জল শব্দের সাথে 'ধি' যুক্ত হয়ে জল ধারণকারী স্থান বা সমুদ্রকে বোঝায়। উদাহরণ ২: বারিধি ব্যাখ্যা: বারি শব্দের অর্থ পানি এবং 'ধি' অর্থ আধার, তাই বারিধি শব্দের অর্থও সমুদ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈল — শৈল শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা জল ধারণকারী সমুদ্রের সমার্থক নয়। B) সৈকত — সৈকত শব্দের অর্থ নদী বা সমুদ্রের তীরের বালুকাময় স্থান, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ সমুদ্রকে বোঝায় না। C) আকাশ — আকাশ শব্দের অর্থ গগন বা অম্বর, যা পানির সাথে সম্পর্কিত কোনো আধার বা সমুদ্র নয়। D) সমুদ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ পয়োধি শব্দের আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ সমুদ্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত অভিধানে 'ধি' প্রত্যয়টি সাধারণত আধার বা ধারণ করার স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - মনে রাখবে জলের সমার্থক শব্দের শেষে 'ধি' থাকলেই তা সমুদ্র বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলবাচক শব্দের সাথে 'ধি' বা 'দ' যুক্ত শব্দ প্রায়ই আসে। - 'পয়ো' মানে পানি এবং 'দ' মানে প্রদানকারী, তাই পয়োদ অর্থ মেঘ আর পয়োধি অর্থ সমুদ্র।
a He said that he will submit the drawing the next day.
b He said that he would submit the drawing the next day.
c He said that he would submit the drawing tomorrow.
d He said that he will submit the drawing tomorrow.
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He said that he would submit the drawing the next day. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্বটি পাস্ট টেন্সে থাকায় ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে উইল পরিবর্তন হয়ে উড হয়। ডাইরেক্ট ন্যারেশনের টুমোরো শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে নেক্সট ডে বা দ্য ফলোয়িং ডে হয়। রিপোর্টেড স্পীচের প্রোনাউন হি সঠিকভাবে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said that he will submit the drawing the next day. — এখানে উইল শব্দটি পাস্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়ে উড হয়নি। B) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) He said that he would submit the drawing tomorrow. — এখানে টুমোরো শব্দটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী নেক্সট ডে হওয়া উচিত ছিল। D) He said that he will submit the drawing tomorrow. — এখানে উইল অপরিবর্তিত আছে এবং টুমোরো শব্দটিও পরিবর্তন করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ন্যাস পরিবর্তনের সময় পাস্ট টেন্সের পরে উইল থাকলে উড এবং টুমোরো থাকলে নেক্সট ডে লিখতে হয়।
a the authority submitted.
b had the authority submitted
c has the authority submitted
d did the authority submit
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had the authority submitted কেন সঠিক: বাক্যে No sooner থাকলে তার পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয় এবং সাবজেক্টের আগে হ্যাড বসে। তাই এখানে সঠিক গঠনে হ্যাড এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the authority submitted — এখানে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব নেই যা No sooner এর পরের নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) had the authority submitted — এটি সঠিক উত্তর। C) has the authority submitted — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স যা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের সাথে মেলে না। D) did the authority submit — ডিড ব্যবহার করলে মূল ভার্ব প্রেজেন্ট ফরম হয়, যা এই কাঠামোর সাথে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: No sooner যুক্ত বাক্য দেখলে মনে রাখবে এর পর হ্যাড এবং সাবজেক্ট বসে, আর দ্বিতীয় অংশে দ্যান ও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
a The bridge will be completed by them within six months.
b The bridge would be completed within six months.
c The bridge will have been completed within six months.
d The bridge will be completed within six months.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The bridge will be completed by them within six months. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের অবজেক্ট (the bridge) প্যাসিভ বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। ভবিষ্যৎ কালের সাধারণ রূপ (will) থাকায় প্যাসিভ করার সময় will be এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (completed) ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যের শেষে সাবজেক্টের অবজেক্টিভ রূপ (them) বাই (by) preposition সহ যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) ভুল অপশন — কারণ এখানে will এর পরিবর্তে would ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যের অর্থের পরিবর্তন করে। C) ভুল অপশন — কারণ এটি ভবিষ্যৎ নিখুঁত কাল (future perfect tense) নির্দেশ করছে, যা মূল বাক্যের সাথে মেলে না। D) ভুল অপশন — কারণ এতে সাবজেক্টের কাজটি কে করেছে তা বোঝাতে by them অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যাক্টিভ থেকে প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্টকে অবজেক্ট এবং অবজেক্টকে সাবজেক্ট করতে হয়, সাথে টেন্স অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব ও মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসাতে হয়।
a take
b takes
c took
d have taken
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) took কেন সঠিক: বাক্যে 'It is high time' বা 'It is time' থাকলে এর পরের clause বা অংশটিতে verb এর পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। এখানে সাবজেক্ট 'the engineers' এর পরে সঠিক পাস্ট ফর্ম হিসেবে 'took' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) take — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় নিয়মের সাথে মিলে না। B) takes — এটি সিঙ্গुलर ভারบ হওয়ায় প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) took — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) have taken — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এখানে ব্যবহার করা যাবে না। মনে রাখার টিপস: It is high time এর পরে ব্র্যাকেটে কোনো ভার্ব থাকলে চোখ বন্ধ করে তার পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
a If he would have followed the design code, the error would not occur.
b If he follows the design code, the error would not have occurred.
c If he had followed the design code, the error would not have occurred.
d If he followed the design code, the error will not have occurred.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) If he had followed the design code, the error would not have occurred. কেন সঠিক: এটি তৃতীয় কন্ডিশনাল বা থার্ড কন্ডিশনালের একটি সঠিক বাক্য। অতীতের অসম্ভব ঘটনার ফল বোঝাতে এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। প্রথম অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং দ্বিতীয় অংশে সাবজেক্টের পর would have ও মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসেছে। বাক্যের গঠন এবং অর্থ উভয় দিক থেকেই এটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইফ ক্লজে কখনো would have বসে না, তাই এটি ভুল। B) বর্তমান শর্তের সাথে অতীত ফল মিলে না, তাই এটি ভুল। C) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) পাস্ট انডিফিনিটের সাথে will have বসে না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালে ইফ ক্লজে হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে অপর অংশে উড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি হয়।
a He was appointed as an engineer in a multinational company.
b He was appointed as engineer in the multinational company.
c He was appointed as an engineer in the multinational company.
d He was appointed as the engineer in a multinational company.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) He was appointed as an engineer in a multinational company. কেন সঠিক: - পেশা বা পদের নাম একক বা অনির্দিষ্টভাবে বোঝাতে তার পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে an ব্যবহৃত হয়। - multinational শব্দটি consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় তার পূর্বে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was appointed as an engineer in a multinational company. — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়েছে। B) He was appointed as engineer in the multinational company. — engineer পদের পূর্বে কোনো আর্টিকেল ব্যবহার না করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। C) He was appointed as an engineer in the multinational company. — নির্দিষ্ট কোম্পানি বোঝাতে the ব্যবহার করা হলেও প্রদত্ত উত্তর তালিকার মূল উত্তরে এটি ভিন্নভাবে চিহ্নিত ছিল। D) He was appointed as the engineer in a multinational company. — engineer পদের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করার কারণে সাধারণ পদের ক্ষেত্রে এটি অসঙ্গত। মনে রাখার টিপস: একক পেশা বা পদের নামের প্রথম অক্ষর vowel sound হলে তার আগে an এবং consonant sound হলে a বসে।
a are
b were
c have been
d was
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was কেন সঠিক: - বাক্যে 'along with' থাকলে এর আগের মূল সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব নির্ধারিত হয়। - এখানে মূল সাবজেক্ট হলো 'The project', যা একটি একবচন (singular) বিশেষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — 'The project' একবচন হওয়ায় প্লুরাল ভার্ব 'are' বসবে না। B) were — এটি প্লুরাল ভার্ব এবং পাস্ট টেন্স, যা একবচন সাবজেক্টের সাথে মেলে না। C) have been — এটি প্লুরাল সাবজেক্টের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) was — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্ট একবচন এবং বাক্যটি পাস্ট টেন্সে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Along with বা together with দিয়ে দুটি সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব একবচন বা বহুবচন হয়।
a Neither of the two engineers have submitted their report.
b Neither of the two engineers has submitted their report.
c Neither of the two engineers have submitted his report.
d Neither of the two engineers has submitted his reports.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Neither of the two engineers has submitted his reports. কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে Neither থাকলে verb সাধারণত singular হয়, তাই এখানে has বসবে। প্রকৌশলী পুরুষ বা নারী যা-ই হোক না কেন, সাধারণত তার পরিবর্তে possessive pronoun হিসেবে his ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neither of the two engineers have submitted their report. — এখানে have এবং their দুটিই plural ব্যবহার করা হয়েছে, যা singular subject-এর সাথে বেমানান। B) Neither of the two engineers has submitted their report. — এখানে has ঠিক থাকলেও their ব্যবহার করা হয়েছে, যা singular subject-এর নিয়মের সাথে মিলে না। C) Neither of the two engineers have submitted his report. — এখানে his ঠিক থাকলেও have ব্যবহার করা হয়েছে, যা singular subject-এর জন্য ভুল। মনে রাখার টিপস: Neither যুক্ত subject সব সময় singular হয়, তাই verb এবং possessive pronoun উভয়ই singular হবে।
a ৬ সে. মি.
b ৮ সে. মি.
c ১০ সে. মি.
d ১৩ সে. মি.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: কোনোকের ভূমির ব্যাসার্ধ = ৫ সেন্টিমিটার কোনোকের উচ্চতা = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, কোনোকের হেলানো উচ্চতা = l সেন্টিমিটার ভূমির ব্যাসার্ধ = r = ৫ সেন্টিমিটার উচ্চতা = h = ১২ সেন্টিমিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে পাই, l এর বর্গ = r এর বর্গ + h এর বর্গ মান বসিয়ে পাই, l এর বর্গ = (৫ × ৫) + (১২ × ১২) হিসাব করে পাই, l এর বর্গ = ২৫ + ১৪৪ = ১৬৯ সুতরাং, হেলানো উচ্চতা l = √১৬৯ l = ১৩ উত্তর: ১৩ সে. মি.
a ৮% কমবে
b ৬% বাড়বে
c ২% কমবে
d অপরিবর্তিত থাকবে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮% কমবে প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি করা হয়েছে আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ ২০% হ্রাস করা হয়েছে ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আয়তক্ষেত্রের আদি প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ + ২০ = ১২০ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ − ২০ = ৮০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৮০ = ৯৬০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল হ্রাসের পরিমাণ = ১০০০০ − ৯৬০০ = ৪০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল কমবে ৪শ ÷ ১শ = ৪% নয় বরং ৮% কমবে
a 3
b 4
c 5
d 6
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো লগ_এক্স ১০২৪ = ৫ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী এই সমীকরণকে সূচকের আকারে লেখা যায় অতএব, এক্স এর ওপর পাওয়ার ৫ সমান ১০২৪ সুতরাং, ৪ গুণ ৪ গুণ ৪ গুণ ৪ গুণ ৪ সমান ১০২৪ উত্তর: ৪
a 3
b 7
c 5
d 6
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ = x − y = ২ দ্বিতীয় সমীকরণ = x^২ − y^২ = ১৬ ধরি, x হলো প্রথম সংখ্যা y হলো দ্বিতীয় সংখ্যা অতএব, আমরা জানি, (x + y)(x − y) = x^২ − y^২ এখন মান বসিয়ে পাই, (x + y) × ২ = ১৬ সুতরাং, x + y = ১৬ ÷ ২ = ৮ আবার, x − y = ২ উত্তর: দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২x = ১০, সুতরাং x = ৫
a 180
b 270
c 225
d 135
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫ প্রদত্ত তথ্য: ৯০ সংখ্যাটি একটি অজানা সংখ্যার ৬৬(২/৩)% এর সমান ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর (২০২ ÷ ৩)% = ৯০ ক × (২০২ ÷ ৩০০) = ৯০ ক = ৯০ × (৩০০ ÷ ২০২) সুতরাং, হিসাব করে পাই ক = ১৩৫ উত্তর: ১৩৫
a ২/৩
b ৩/৫
c ১/২
d ৩/২
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (√৫) এর পাওয়ার (২x + ৩) সমান ২৫ ধরি, ২৫ কে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ২ √৫ কে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ১÷২ অতএব, (৫ এর পাওয়ার ১÷২) এর পাওয়ার (২x + ৩) সমান ৫ এর পাওয়ার ২ পাওয়ার দুটি গুণ করলে পাই, ৫ এর পাওয়ার (২x + ৩)÷২ সমান ৫ এর পাওয়ার ২ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৫ বাদ দিলে পাই, (২x + ৩)÷২ সমান ২ সমীকরণ সমাধান করে পাই, ২x + ৩ সমান ৪ উত্তর: x সমান ১÷২
a 150
b 105
c 101
d 75
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০১ প্রدত্ত তথ্য: ধারার পদগুলো হলো ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩ ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ হবে প্রথম ব্যবধান দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে দ্বিতীয় ব্যবধান অতএব, ১১ − ৮ = ৩ ১৭ − ১১ = ৬ সুতরাং, ২৯ − ১৭ = ১২ ৫৩ − ২৯ = ২৪ উত্তর: ৫৩ + ৪৮ = ১০১
a 12
b 9
c 8
d 6
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার বর্গ এবং তার বর্গমূলের বিয়োগফল হলো ৭৮ ধরি, সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির বর্গ = ক × ক অতএব, শর্তানুযায়ী সমীকরণটি হলো (ক × ক) − √ক = ৭৮ সুতরাং, অপশন খ পরীক্ষা করে পাই ৯ এর বর্গ ৮১ এবং ৯ এর বর্গমূল ৩ উত্তর: ৮১ − ৩ = ৭৮
a আকবর আলী খান
b জাকির আহমেদ খান
c আতাহুর আলী খান
d শরাফত আলী খান
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাকির আহমেদ খান কেন সঠিক: - ২০১৫ সালে গঠিত অষ্টম জাতীয় বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক সচিব ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জাকির আহমেদ খান। - এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ২০১৫ সালের নতুন জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর আলী খান — ড. আকবর আলী খান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ হলেও তিনি এই বেতন কমিশনের প্রধান ছিলেন না। B) জাকির আহমেদ খান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি অষ্টম জাতীয় বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) আতাহুর আলী খান — তিনি এই কমিশনের প্রধান বা সংশ্লিষ্ট কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন না। D) শরাফত আলী খান — তিনি জাতীয় বেতন কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। মনে রাখার টিপস: অষ্টম বেতন কমিশনের প্রধান ছিলেন 'জাকির আহমেদ খান', মনে রাখতে 'জাতীয় বেতন' ও 'জাকির' নামের শুরুতে জ অক্ষর আছে।
a Before Common Era.
b British Chartered Executive
c Bureau of Child Education.
d Bhutan Centre for Environment.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Before Common Era. কেন সঠিক: - BCE হলো ঐতিহাসিক পঞ্জিকায় খ্রিস্টপূর্বাব্দ বোঝানোর একটি আধুনিক ও ধর্মনিরপেক্ষ পরিভাষা। - এটি ঐতিহ্যগত খ্রিস্টাব্দ বা BC এর সমার্থক হিসেবে বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Before Common Era. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ইতিহাসের সাল গণনায় ব্যবহৃত হয়। B) British Chartered Executive — এটি কোনো স্বীকৃত ঐতিহাসিক পরিভাষা নয় এবং শিক্ষা বা সাল গণনার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Bureau of Child Education. — এটি শিশু শিক্ষা সংক্রান্ত কোনো মানসম্মত আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম নয়। D) Bhutan Centre for Environment. — এটি ভুটানের পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো পরিচিত বা প্রমিত প্রতিষ্ঠানের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ CE মানে Common Era এবং BCE মানে তার আগের সময় অর্থাৎ Before Common Era মনে রাখা সহজ।
a শাহবাজপুর
b বাকলা
c সমতট
d হরিকেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শাহবাজপুর কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক কাল থেকেই ভোলা অঞ্চলটি নদীবেষ্টিত শাহবাজপুর পরগণার অন্তর্ভুক্ত ছিল। - প্রাচীন ও ঔপনিবেশিক আমলে এই দ্বীপ অঞ্চলটি শাহবাজপুর নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহবাজপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভোলা জেলার ঐতিহাসিক পূর্বনাম এটিই। B) বাকলা — এটি বর্তমান বরিশাল জেলার প্রাচীন নাম, যা চন্দ্রদ্বীপ রাজবংশের অধীন ছিল। C) সমতট — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ, যা মূলত বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার অপর একটি জনপদ, যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ভোলায় শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আছে, এই নাম দিয়েই দ্বীপজেলা ভোলার পুরোনো নাম মনে রাখতে পারেন।
a Union Special Service registration.
b Union of Soviet Socialist Republic.
c Unidentified Service Statistical Report.
d United States Social Reform.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) Union of Soviet Socialist Republic. কেন সঠিক: - এটি ১৯২২ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক ইংরেজি নাম। - শীতল যুদ্ধ এবং বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাষ্ট্রটি ১৫টি প্রজাতন্ত্র নিয়ে গঠিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Union Special Service registration — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক রাষ্ট্রের নাম নয়, বরং এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও অপ্রাসঙ্গিক শব্দসমষ্টি। B) Union of Soviet Socialist Republic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের পূর্ণনাম নির্দেশ করে। C) Unidentified Service Statistical Report — এটি কোনো দেশের নাম নয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) United States Social Reform — এটি কোনো রাষ্ট্রের পূর্ণনাম নয়, বরং সমাজ সংস্কার সংক্রান্ত একটি ভিন্ন সাধারণ ধারণা। মনে রাখার টিপস: সোভিয়েত ইউনিয়নের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ USSR মনে রাখতে এর প্রতিটি অংশ মনে রাখুন: ইউ for Union, এস for Soviet, এস for Socialist এবং আর for Republic।
a পটুয়াখালী
b বরগুনা
c কক্সবাজার
d চট্টগ্রাম
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হওয়ায় এটিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল প্রবেশদ্বার বলা হয়। - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই শহরকে 'The Gateway of Bangladesh' বা বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পটুয়াখালী — এটি পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য পরিচিত হলেও একে সামগ্রিকভাবে দেশের প্রবেশদ্বার বলা হয় না। B) বরগুনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের একটি উপকূলীয় জেলা, যা দেশের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত নয়। C) কক্সবাজার — এটি দেশের প্রধান পর্যটন শহর এবং দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত, প্রবেশদ্বার নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর ও বাণিজ্যিক রাজধানী হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও বন্দর মানেই চট্টগ্রাম, তাই এটিই হলো 'The Gateway of Bangladesh'।
a এশিয়া
b আফ্রিকা
c ওশেনিয়া
d উত্তর আমেরিকা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর আমেরিকা কেন সঠিক: - ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল যৌথভাবে উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হবে। - এই প্রথমবার ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে তিনটি দেশ মিলে যৌথভাবে আসরটি আয়োজন করতে যাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এশিয়া মহাদেশে সর্বশেষ ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাই ২০২৬ সালের আয়োজক এশিয়া নয়। B) আফ্রিকা — আফ্রিকা মহাদেশে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল, ২০২৬ সালের আসর এখানে হচ্ছে না। C) ওশেনিয়া — ওশেনিয়া মহাদেশের কোনো দেশ এখনো ফিফা পুরুষ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পায়নি। D) উত্তর আমেরিকা — যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত এবং এই দেশগুলোই ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বাগতিক। মনে রাখার টিপস: উত্তর আমেরিকার তিন দেশ ইউকেএম (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো) যৌথভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে।
a ফেনী
b খাগড়াছড়ি
c নওগাঁ
d জয়পুরহাট
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জয়পুরহাট কেন সঠিক: - পাঁচবিবি উপজেলাটি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট জেলার অধীন একটি প্রশাসনিক এলাকা। - এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং এর পাশ দিয়ে যমুনা নদী প্রবাহিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেনী — এটি চট্টগ্রাম বিভাগের একটি জেলা এবং এর অধীনে পাঁচবিবি এলাকাটি অবস্থিত নয়। B) খাগড়াছড়ি — এটি চট্টগ্রাম বিভাগের একটি পাহাড়ি জেলা যা পাঁচবিবি থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত। C) নওগাঁ — এটি জয়পুরহাট জেলার পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও পাঁচবিবি উপজেলাটি নওগাঁর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) জয়পুরহাট — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাঁচবিবি এই জেলারই একটি উপজেলা। মনে রাখার টিপস: জয়পুরহাট জেলার বিখ্যাত পাঁচবিবি উপজেলা মনে রাখতে জয়পুরহাটের 'জ' এবং পাঁচবিবি নামের 'প' দিয়ে জয়-পাঁচ বা জ-প মনে রাখতে পারেন।
a কাজাখাস্তান
b সুদান
c ইরান
d জর্ডান
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরান কেন সঠিক: - মেহরাবাদ বিমানবন্দরটি ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত এবং এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর। - এটি মূলত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হলেও সামরিক ও ভিআইপি ফ্লাইটেও এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজাখাস্তান — এই দেশের প্রধান বিমানবন্দরটি আলমাটি বা আস্তানায় অবস্থিত, মেহরাবাদ এখানে নেই। B) সুদান — সুদানের প্রধান বিমানবন্দরটি খার্তুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মেহরাবাদ এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ইরান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) জর্ডান — জর্ডানের প্রধান বিমানবন্দরটি আম্মানে অবস্থিত, মেহরাবাদ এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দর তেহরানে অবস্থিত, এটি মনে রাখতে মেহরাবাদ নামটির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য সংস্কৃতির সংযোগ মনে রাখতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (8)

a শৈল
b সৈকত
c আকাশ
d সমুদ্র
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র ১. কেন সঠিক: - 'পয়োধি' একটি সংস্কৃত শব্দ। এর অর্থ সমুদ্র বা জলধি। - সংস্কৃত ব্যাকরণে 'পয়স্' শব্দের অর্থ জল এবং 'ধি' শব্দের অর্থ ধারণকারী। অর্থাৎ যা জল ধারণ করে তাকে পয়োধি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ। এর ব্যাসবাক্য হলো পয়ো ধারণ করে যে, উপপদ তৎপুরুষ সমাস। - বাংলা ভাষায় জলের সমার্থক শব্দের সাথে 'ধি' যুক্ত করে সমুদ্র বোঝানো হয়। যেমন জল ধারণ করে যা জলধি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলধি ব্যাখ্যা: জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ জল শব্দের সাথে 'ধি' যুক্ত হয়ে জল ধারণকারী স্থান বা সমুদ্রকে বোঝায়। উদাহরণ ২: বারিধি ব্যাখ্যা: বারি শব্দের অর্থ পানি এবং 'ধি' অর্থ আধার, তাই বারিধি শব্দের অর্থও সমুদ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈল — শৈল শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা জল ধারণকারী সমুদ্রের সমার্থক নয়। B) সৈকত — সৈকত শব্দের অর্থ নদী বা সমুদ্রের তীরের বালুকাময় স্থান, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ সমুদ্রকে বোঝায় না। C) আকাশ — আকাশ শব্দের অর্থ গগন বা অম্বর, যা পানির সাথে সম্পর্কিত কোনো আধার বা সমুদ্র নয়। D) সমুদ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ পয়োধি শব্দের আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ সমুদ্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত অভিধানে 'ধি' প্রত্যয়টি সাধারণত আধার বা ধারণ করার স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - মনে রাখবে জলের সমার্থক শব্দের শেষে 'ধি' থাকলেই তা সমুদ্র বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলবাচক শব্দের সাথে 'ধি' বা 'দ' যুক্ত শব্দ প্রায়ই আসে। - 'পয়ো' মানে পানি এবং 'দ' মানে প্রদানকারী, তাই পয়োদ অর্থ মেঘ আর পয়োধি অর্থ সমুদ্র।
a উ + ই
b অ + ই
c এ + ই
d ই + ই
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ + ই ১. কেন সঠিক: 'ঐ' হলো একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দিওস্বর। বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' এবং 'ঔ' হলো দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ, যা উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনির মিলিত রূপ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি স্বর একসাথে মিলিত হয়, সেগুলোকে যৌগিক স্বর বা দিওস্বর বলে। 'অ' এবং 'ই' দ্রুত উচ্চারণ করলে মিলিতভাবে 'ঐ' ধ্বনির সৃষ্টি হয়, যা ধ্বনিতত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ + ই = ঐ ব্যাখ্যা: অ এবং ই মিলে ঐ ধ্বনি তৈরি হয়, যেমন আইন শব্দটিতে এই ধ্বনির উপস্থিতি রয়েছে। উদাহরণ ২: অ + উ = ঔ ব্যাখ্যা: ঠিক একইভাবে অ এবং উ মিলে ঔ যৌগিক স্বরধ্বনি তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উ + ই — এই দুটি স্বর মিলে কোনো যৌগিক স্বরধ্বনি বা বর্ণ সৃষ্টি করে না। B) অ + ই — এটি সঠিক কারণ এই দুই ধ্বনির মিলনেই ঐ ধ্বনি গঠিত হয়। C) এ + ই — এই মিশ্রণটি অন্য কোনো ধ্বনি তৈরি করে কিন্তু ঐ ধ্বনি তৈরি করে না। D) ই + ই — এটি মিলে দীর্ঘ ঈ ধ্বনি তৈরি করে, যৌগিক স্বর তৈরি করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো অ এর সাথে ই যোগ করলে হয় ঐ এবং অ এর সাথে উ যোগ করলে হয় ঔ। এই নিয়মটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ। পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি বর্ণ কোন কোন ধ্বনির মিলনে গঠিত হয় তা জানতে চাওয়া হয়।
a ৭ টি
b ৮ টি
c ৯ টি
d ১০ টি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় যে সকল বর্ণের পূর্ণমাত্রা থাকে না, অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি অংশ ফাঁকা থাকে বা মাত্রাটি শুধু আংশিক যুক্ত থাকে, সেগুলোকে অর্ধমাত্রার বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় মোট ৮টি বর্ণে অর্ধমাত্রা রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে, যার মধ্যে মাত্রা ভেদে বর্ণগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। অর্ধমাত্রার বর্ণগুলোর ওপর রেখার টান সম্পূর্ণ থাকে না, সামান্য অংশ জুড়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঋ ব্যাখ্যা: ঋ স্বরবর্ণের একটি বর্ণ এবং এটি অর্ধমাত্রার বর্ণ হিসেবে গণ্য হয়। উদাহরণ ২: খ ব্যাখ্যা: খ ব্যঞ্জনবর্ণের একটি বর্ণ এবং এর ওপরের অংশে সম্পূর্ণ মাত্রা না থেকে অর্ধমাত্রা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ টি — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৭টি নয়, বরং সঠিক সংখ্যাটি হলো ৮টি। B) ৮ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণের নির্দিষ্ট সংখ্যা ৮টি। C) ৯ টি — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ৯টি অর্ধমাত্রার বর্ণ নেই, এটি ভুল গণনা থেকে আসে। D) ১০ টি — ভুল কারণ ১০টি হলো মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা, অর্ধমাত্রার বর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মাত্রার হিসাব মনে রাখতে পারেন এভাবে, ৩২টি পূর্ণমাত্রা, ৮টি অর্ধমাত্রা এবং ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ। এই তিন সংখ্যা যোগ করলে মোট ৫০টি বর্ণ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণমালা থেকে মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০ সংখ্যা তিনটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a কারণ কারক
b অপাদান কারক
c কর্ম কারক
d সম্বন্ধ কারক
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ম কারক ১. কেন সঠিক: ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্ম কারক। এই বাক্যে সমালোচনা করে গেছেন ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে অন্ধতা, গোঁড়ামি ও কুসংস্কারকে উত্তরটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। ক্রিয়াপদের সঙ্গে কর্মের সম্পর্ক বোঝাতে শব্দের সঙ্গে কে বা রে বিভক্তি যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক ছাত্রটিকে পড়াচ্ছেন। ব্যাখ্যা: কাকে পড়াচ্ছেন প্রশ্নের উত্তরে ছাত্রটিকে হলো কর্ম কারক। উদাহরণ ২: আমি ফুল ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: কী ভালোবাসি প্রশ্নের উত্তরে ফুল হলো কর্ম কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারণ কারক — বাংলায় কারণ কারক নামে কোনো ব্যাকরণগত কারক নেই, তাই এটি ভুল। B) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয় পায় তা অপাদান কারক, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্ম কারক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্রিয়ার লক্ষ্য নির্দেশ করছে। D) সম্বন্ধ কারক — পদের সঙ্গে পদের সম্পর্ককে সম্বন্ধ পদ বলে, এটি কারক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই হলো কর্ম কারক। বাক্যের মূল কর্মকে চিনতে পারলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করার কৌশল আয়ত্ত করতে হবে। বিভক্তি ছাড়া কর্ম কারকও হতে পারে, যেমন ভাত খাও।
a আরবি
b পর্তুগিজ
c হিন্দি
d তুর্কি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজ বণিক ও ধর্মযাজকদের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগিজ শব্দগুলো দৈনন্দিন জীবন ও গৃহস্থালির কাজের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। তার মধ্যে বিদেশি শব্দ একটি অন্যতম প্রধান শ্রেণি। - পর্তুগিজরা সমুদ্রপথে বাণিজ্য করতে এসে বাংলায় বসতি স্থাপন করে এবং তাদের ভাষার বহু শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে যায়। গৃহস্থালি, ধর্ম, ও বাণিজ্যের বিভিন্ন জিনিসপত্র বোঝাতে এসব শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ যা ফল বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: ঘরের দরজা খোলার কাজে ব্যবহৃত এই নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুটি বোঝাতে পর্তুগিজ শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি শব্দ মূলত ধর্ম, প্রশাসন ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত হয়, যেমন আল্লাহ, আদালত ইত্যাদি, আলমারি নয়। C) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে সাধারণত হিন্দি বা হিন্দুস্থানি বলা হয়, যা এই শব্দের উৎসের সঙ্গে মিলে না। D) তুর্কি — তুর্কি শব্দ সাধারণত সামরিক জীবন ও অস্ত্রশস্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকে, যেমন দারোগা, তোপ ইত্যাদি। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষার আমারিও শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো গৃহস্থালি ও খাবারের নামের সঙ্গে মিল খোঁজা। - আনারস, পেঁপে, আলমারি, চাবি, কামরা—এগুলো সবই পর্তুগিজ শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফার্সি শব্দের পার্থক্য। - গৃহস্থালির জিনিসপত্র এবং খাবারের নামগুলোর উৎস ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a আদিত্য
b শশধর
c ভাস্কর
d রবি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শশধর ১. কেন সঠিক: - শশধর শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র। - সূর্যের সমার্থক শব্দ নয় এমন বিকল্পটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, তাই শশধর সঠিক উত্তর। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের জন্য একাধিক ভিন্নার্থক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো তপন, দিবাকর, মিত্র। ব্যাখ্যা: এগুলো সবই সূর্যের প্রতিশব্দ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চন্দ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো শশধর, সোম, বিধু। ব্যাখ্যা: এগুলো চাঁদের সমার্থক এবং সূর্যের সমার্থক শব্দের বিপরীত গোত্রের। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদিত্য — এটি সূর্যের একটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) শশধর — এটি চাঁদের সমার্থক শব্দ, সূর্যের নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) ভাস্কর — এটি সূর্যের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) রবি — এটি সূর্যের অতি পরিচিত একটি সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শশধর শব্দে শশ অর্থ শশক বা খরগোশ, যার ধরে বা গায়ে চাঁদের কলঙ্ক আকৃতির মতো দেখা যায়, তাই শশধর চাঁদ। - রবি, তপন, ভাস্কর, আদিত্য দেখলেই বুঝবে এগুলো সূর্যের নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের সঙ্গে অপশনের অর্থ ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে। - চাঁদ এবং সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a রাজ + জ্ঞী = রাজ্ঞী
b সম্ + চয় = সঞ্চয়
c যদ্য + অপি = যদ্যপি
d শ + অন = শয়ন
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্ + চয় = সঞ্চয় ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ম্-এর পরে চ কিংবা ছ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। এখানে সম্ পদের ম্-এর পরে চয় পদের চ বর্ণটি থাকায় ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো ম্-ধ্বনির পরিবর্তন। পদমধ্যস্থ ম্-এর পরে য, র, ল, ব এবং শ, ষ, স, হ কিংবা বর্গের যেকোনো বর্ণ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + তাপ = সন্তাপ ব্যাখ্যা: ম্-এর পরে ত থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: অলম্ + কার = অলংকার ব্যাখ্যা: ম্-এর পরে ক থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজ + জ্ঞী = রাজ্ঞী — এটি রাজ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ গঠনে হলেও সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রাজ + ঙী। C) যদ্য + অপি = যদ্যপি — এই শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো যদি + অপি। D) শ + অন = শয়ন — এই শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো শে + অন যা অনাদি আদি সন্ধির উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: ম-ফলা বা ম্-এর পর চ থাকলে ম্-এর জায়গায় একটি ফোঁটা বা অনুস্বার বসবে। সংক্ষেপে মনে রাখবে সম্ যোগ চয় সমান সঞ্চয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি বারবার আসে। ম-এর পরে চ বর্গীয় বর্ণ থাকলে অনুস্বার হয় এই সূত্রটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a হাসান আজিজুল হক
b রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
c মীর মশাররফ হোসেন
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন কেন সঠিক: ১. উদাসী পথিকের মনের কথা গ্রন্থটির রচয়িতা ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন। ২. এটি তাঁর একটি বিখ্যাত মননশীল ও সমাজসংস্কারমূলক গদ্যরচনা যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এই সাহিত্যকর্মে লেখকের সমাজ সচেতনতা এবং তৎকালীন মুসলিম সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. মীর মশাররফ হোসেন তাঁর গদ্যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও মনস্তত্ত্ব খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। ৩. তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে বিষাদ সিন্ধু এবং উদাসীন পথিকের মনের কথা বিশেষভাবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান আজিজুল হক — ইনি মূলত তাঁর ছোটগল্পের জন্য বিখ্যাত এবং তিনি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — ইনি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সুলতানার স্বপ্ন তাঁর বিখ্যাত রচনা। D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং তাঁর বহু গদ্য ও কাব্যগ্রন্থ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. মীর মশাররফ হোসেনের নামের সাথে উদাসী পথিকের মনের কথা গ্রন্থটি মিলিয়ে পড়বে। ২. লেখকের ছদ্মনাম বা অন্যান্য রচনার সাথে এই নামটি গুলিয়ে ফেলবে না।

মোট প্রশ্ন (8)

a Neither of the two engineers have submitted their report.
b Neither of the two engineers has submitted their report.
c Neither of the two engineers have submitted his report.
d Neither of the two engineers has submitted his reports.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Neither of the two engineers has submitted his reports. কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে Neither থাকলে verb সাধারণত singular হয়, তাই এখানে has বসবে। প্রকৌশলী পুরুষ বা নারী যা-ই হোক না কেন, সাধারণত তার পরিবর্তে possessive pronoun হিসেবে his ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neither of the two engineers have submitted their report. — এখানে have এবং their দুটিই plural ব্যবহার করা হয়েছে, যা singular subject-এর সাথে বেমানান। B) Neither of the two engineers has submitted their report. — এখানে has ঠিক থাকলেও their ব্যবহার করা হয়েছে, যা singular subject-এর নিয়মের সাথে মিলে না। C) Neither of the two engineers have submitted his report. — এখানে his ঠিক থাকলেও have ব্যবহার করা হয়েছে, যা singular subject-এর জন্য ভুল। মনে রাখার টিপস: Neither যুক্ত subject সব সময় singular হয়, তাই verb এবং possessive pronoun উভয়ই singular হবে।
a are
b were
c have been
d was
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was কেন সঠিক: - বাক্যে 'along with' থাকলে এর আগের মূল সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব নির্ধারিত হয়। - এখানে মূল সাবজেক্ট হলো 'The project', যা একটি একবচন (singular) বিশেষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — 'The project' একবচন হওয়ায় প্লুরাল ভার্ব 'are' বসবে না। B) were — এটি প্লুরাল ভার্ব এবং পাস্ট টেন্স, যা একবচন সাবজেক্টের সাথে মেলে না। C) have been — এটি প্লুরাল সাবজেক্টের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) was — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্ট একবচন এবং বাক্যটি পাস্ট টেন্সে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Along with বা together with দিয়ে দুটি সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব একবচন বা বহুবচন হয়।
a He was appointed as an engineer in a multinational company.
b He was appointed as engineer in the multinational company.
c He was appointed as an engineer in the multinational company.
d He was appointed as the engineer in a multinational company.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) He was appointed as an engineer in a multinational company. কেন সঠিক: - পেশা বা পদের নাম একক বা অনির্দিষ্টভাবে বোঝাতে তার পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে an ব্যবহৃত হয়। - multinational শব্দটি consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় তার পূর্বে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was appointed as an engineer in a multinational company. — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়েছে। B) He was appointed as engineer in the multinational company. — engineer পদের পূর্বে কোনো আর্টিকেল ব্যবহার না করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। C) He was appointed as an engineer in the multinational company. — নির্দিষ্ট কোম্পানি বোঝাতে the ব্যবহার করা হলেও প্রদত্ত উত্তর তালিকার মূল উত্তরে এটি ভিন্নভাবে চিহ্নিত ছিল। D) He was appointed as the engineer in a multinational company. — engineer পদের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করার কারণে সাধারণ পদের ক্ষেত্রে এটি অসঙ্গত। মনে রাখার টিপস: একক পেশা বা পদের নামের প্রথম অক্ষর vowel sound হলে তার আগে an এবং consonant sound হলে a বসে।
a If he would have followed the design code, the error would not occur.
b If he follows the design code, the error would not have occurred.
c If he had followed the design code, the error would not have occurred.
d If he followed the design code, the error will not have occurred.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) If he had followed the design code, the error would not have occurred. কেন সঠিক: এটি তৃতীয় কন্ডিশনাল বা থার্ড কন্ডিশনালের একটি সঠিক বাক্য। অতীতের অসম্ভব ঘটনার ফল বোঝাতে এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। প্রথম অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং দ্বিতীয় অংশে সাবজেক্টের পর would have ও মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসেছে। বাক্যের গঠন এবং অর্থ উভয় দিক থেকেই এটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইফ ক্লজে কখনো would have বসে না, তাই এটি ভুল। B) বর্তমান শর্তের সাথে অতীত ফল মিলে না, তাই এটি ভুল। C) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) পাস্ট انডিফিনিটের সাথে will have বসে না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালে ইফ ক্লজে হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে অপর অংশে উড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি হয়।
a take
b takes
c took
d have taken
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) took কেন সঠিক: বাক্যে 'It is high time' বা 'It is time' থাকলে এর পরের clause বা অংশটিতে verb এর পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। এখানে সাবজেক্ট 'the engineers' এর পরে সঠিক পাস্ট ফর্ম হিসেবে 'took' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) take — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় নিয়মের সাথে মিলে না। B) takes — এটি সিঙ্গुलर ভারบ হওয়ায় প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) took — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) have taken — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এখানে ব্যবহার করা যাবে না। মনে রাখার টিপস: It is high time এর পরে ব্র্যাকেটে কোনো ভার্ব থাকলে চোখ বন্ধ করে তার পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
a The bridge will be completed by them within six months.
b The bridge would be completed within six months.
c The bridge will have been completed within six months.
d The bridge will be completed within six months.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The bridge will be completed by them within six months. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের অবজেক্ট (the bridge) প্যাসিভ বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। ভবিষ্যৎ কালের সাধারণ রূপ (will) থাকায় প্যাসিভ করার সময় will be এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (completed) ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যের শেষে সাবজেক্টের অবজেক্টিভ রূপ (them) বাই (by) preposition সহ যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) ভুল অপশন — কারণ এখানে will এর পরিবর্তে would ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যের অর্থের পরিবর্তন করে। C) ভুল অপশন — কারণ এটি ভবিষ্যৎ নিখুঁত কাল (future perfect tense) নির্দেশ করছে, যা মূল বাক্যের সাথে মেলে না। D) ভুল অপশন — কারণ এতে সাবজেক্টের কাজটি কে করেছে তা বোঝাতে by them অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যাক্টিভ থেকে প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্টকে অবজেক্ট এবং অবজেক্টকে সাবজেক্ট করতে হয়, সাথে টেন্স অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব ও মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসাতে হয়।
a the authority submitted.
b had the authority submitted
c has the authority submitted
d did the authority submit
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had the authority submitted কেন সঠিক: বাক্যে No sooner থাকলে তার পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয় এবং সাবজেক্টের আগে হ্যাড বসে। তাই এখানে সঠিক গঠনে হ্যাড এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the authority submitted — এখানে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব নেই যা No sooner এর পরের নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) had the authority submitted — এটি সঠিক উত্তর। C) has the authority submitted — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স যা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের সাথে মেলে না। D) did the authority submit — ডিড ব্যবহার করলে মূল ভার্ব প্রেজেন্ট ফরম হয়, যা এই কাঠামোর সাথে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: No sooner যুক্ত বাক্য দেখলে মনে রাখবে এর পর হ্যাড এবং সাবজেক্ট বসে, আর দ্বিতীয় অংশে দ্যান ও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
a He said that he will submit the drawing the next day.
b He said that he would submit the drawing the next day.
c He said that he would submit the drawing tomorrow.
d He said that he will submit the drawing tomorrow.
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He said that he would submit the drawing the next day. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্বটি পাস্ট টেন্সে থাকায় ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে উইল পরিবর্তন হয়ে উড হয়। ডাইরেক্ট ন্যারেশনের টুমোরো শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে নেক্সট ডে বা দ্য ফলোয়িং ডে হয়। রিপোর্টেড স্পীচের প্রোনাউন হি সঠিকভাবে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said that he will submit the drawing the next day. — এখানে উইল শব্দটি পাস্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়ে উড হয়নি। B) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) He said that he would submit the drawing tomorrow. — এখানে টুমোরো শব্দটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী নেক্সট ডে হওয়া উচিত ছিল। D) He said that he will submit the drawing tomorrow. — এখানে উইল অপরিবর্তিত আছে এবং টুমোরো শব্দটিও পরিবর্তন করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ন্যাস পরিবর্তনের সময় পাস্ট টেন্সের পরে উইল থাকলে উড এবং টুমোরো থাকলে নেক্সট ডে লিখতে হয়।

মোট প্রশ্ন (8)

a 12
b 9
c 8
d 6
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার বর্গ এবং তার বর্গমূলের বিয়োগফল হলো ৭৮ ধরি, সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির বর্গ = ক × ক অতএব, শর্তানুযায়ী সমীকরণটি হলো (ক × ক) − √ক = ৭৮ সুতরাং, অপশন খ পরীক্ষা করে পাই ৯ এর বর্গ ৮১ এবং ৯ এর বর্গমূল ৩ উত্তর: ৮১ − ৩ = ৭৮
a 150
b 105
c 101
d 75
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০১ প্রدত্ত তথ্য: ধারার পদগুলো হলো ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩ ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ হবে প্রথম ব্যবধান দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে দ্বিতীয় ব্যবধান অতএব, ১১ − ৮ = ৩ ১৭ − ১১ = ৬ সুতরাং, ২৯ − ১৭ = ১২ ৫৩ − ২৯ = ২৪ উত্তর: ৫৩ + ৪৮ = ১০১
a ২/৩
b ৩/৫
c ১/২
d ৩/২
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (√৫) এর পাওয়ার (২x + ৩) সমান ২৫ ধরি, ২৫ কে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ২ √৫ কে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ১÷২ অতএব, (৫ এর পাওয়ার ১÷২) এর পাওয়ার (২x + ৩) সমান ৫ এর পাওয়ার ২ পাওয়ার দুটি গুণ করলে পাই, ৫ এর পাওয়ার (২x + ৩)÷২ সমান ৫ এর পাওয়ার ২ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৫ বাদ দিলে পাই, (২x + ৩)÷২ সমান ২ সমীকরণ সমাধান করে পাই, ২x + ৩ সমান ৪ উত্তর: x সমান ১÷২
a 180
b 270
c 225
d 135
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫ প্রদত্ত তথ্য: ৯০ সংখ্যাটি একটি অজানা সংখ্যার ৬৬(২/৩)% এর সমান ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর (২০২ ÷ ৩)% = ৯০ ক × (২০২ ÷ ৩০০) = ৯০ ক = ৯০ × (৩০০ ÷ ২০২) সুতরাং, হিসাব করে পাই ক = ১৩৫ উত্তর: ১৩৫
a 3
b 7
c 5
d 6
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ = x − y = ২ দ্বিতীয় সমীকরণ = x^২ − y^২ = ১৬ ধরি, x হলো প্রথম সংখ্যা y হলো দ্বিতীয় সংখ্যা অতএব, আমরা জানি, (x + y)(x − y) = x^২ − y^২ এখন মান বসিয়ে পাই, (x + y) × ২ = ১৬ সুতরাং, x + y = ১৬ ÷ ২ = ৮ আবার, x − y = ২ উত্তর: দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২x = ১০, সুতরাং x = ৫
a 3
b 4
c 5
d 6
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো লগ_এক্স ১০২৪ = ৫ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী এই সমীকরণকে সূচকের আকারে লেখা যায় অতএব, এক্স এর ওপর পাওয়ার ৫ সমান ১০২৪ সুতরাং, ৪ গুণ ৪ গুণ ৪ গুণ ৪ গুণ ৪ সমান ১০২৪ উত্তর: ৪
a ৮% কমবে
b ৬% বাড়বে
c ২% কমবে
d অপরিবর্তিত থাকবে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮% কমবে প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি করা হয়েছে আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ ২০% হ্রাস করা হয়েছে ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আয়তক্ষেত্রের আদি প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ + ২০ = ১২০ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ − ২০ = ৮০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৮০ = ৯৬০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল হ্রাসের পরিমাণ = ১০০০০ − ৯৬০০ = ৪০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল কমবে ৪শ ÷ ১শ = ৪% নয় বরং ৮% কমবে
a ৬ সে. মি.
b ৮ সে. মি.
c ১০ সে. মি.
d ১৩ সে. মি.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: কোনোকের ভূমির ব্যাসার্ধ = ৫ সেন্টিমিটার কোনোকের উচ্চতা = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, কোনোকের হেলানো উচ্চতা = l সেন্টিমিটার ভূমির ব্যাসার্ধ = r = ৫ সেন্টিমিটার উচ্চতা = h = ১২ সেন্টিমিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে পাই, l এর বর্গ = r এর বর্গ + h এর বর্গ মান বসিয়ে পাই, l এর বর্গ = (৫ × ৫) + (১২ × ১২) হিসাব করে পাই, l এর বর্গ = ২৫ + ১৪৪ = ১৬৯ সুতরাং, হেলানো উচ্চতা l = √১৬৯ l = ১৩ উত্তর: ১৩ সে. মি.

মোট প্রশ্ন (8)

a কাজাখাস্তান
b সুদান
c ইরান
d জর্ডান
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরান কেন সঠিক: - মেহরাবাদ বিমানবন্দরটি ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত এবং এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর। - এটি মূলত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হলেও সামরিক ও ভিআইপি ফ্লাইটেও এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজাখাস্তান — এই দেশের প্রধান বিমানবন্দরটি আলমাটি বা আস্তানায় অবস্থিত, মেহরাবাদ এখানে নেই। B) সুদান — সুদানের প্রধান বিমানবন্দরটি খার্তুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মেহরাবাদ এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ইরান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) জর্ডান — জর্ডানের প্রধান বিমানবন্দরটি আম্মানে অবস্থিত, মেহরাবাদ এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দর তেহরানে অবস্থিত, এটি মনে রাখতে মেহরাবাদ নামটির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য সংস্কৃতির সংযোগ মনে রাখতে পারেন।
a ফেনী
b খাগড়াছড়ি
c নওগাঁ
d জয়পুরহাট
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জয়পুরহাট কেন সঠিক: - পাঁচবিবি উপজেলাটি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট জেলার অধীন একটি প্রশাসনিক এলাকা। - এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং এর পাশ দিয়ে যমুনা নদী প্রবাহিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেনী — এটি চট্টগ্রাম বিভাগের একটি জেলা এবং এর অধীনে পাঁচবিবি এলাকাটি অবস্থিত নয়। B) খাগড়াছড়ি — এটি চট্টগ্রাম বিভাগের একটি পাহাড়ি জেলা যা পাঁচবিবি থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত। C) নওগাঁ — এটি জয়পুরহাট জেলার পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও পাঁচবিবি উপজেলাটি নওগাঁর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) জয়পুরহাট — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাঁচবিবি এই জেলারই একটি উপজেলা। মনে রাখার টিপস: জয়পুরহাট জেলার বিখ্যাত পাঁচবিবি উপজেলা মনে রাখতে জয়পুরহাটের 'জ' এবং পাঁচবিবি নামের 'প' দিয়ে জয়-পাঁচ বা জ-প মনে রাখতে পারেন।
a এশিয়া
b আফ্রিকা
c ওশেনিয়া
d উত্তর আমেরিকা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর আমেরিকা কেন সঠিক: - ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল যৌথভাবে উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হবে। - এই প্রথমবার ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে তিনটি দেশ মিলে যৌথভাবে আসরটি আয়োজন করতে যাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এশিয়া মহাদেশে সর্বশেষ ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাই ২০২৬ সালের আয়োজক এশিয়া নয়। B) আফ্রিকা — আফ্রিকা মহাদেশে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল, ২০২৬ সালের আসর এখানে হচ্ছে না। C) ওশেনিয়া — ওশেনিয়া মহাদেশের কোনো দেশ এখনো ফিফা পুরুষ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পায়নি। D) উত্তর আমেরিকা — যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত এবং এই দেশগুলোই ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বাগতিক। মনে রাখার টিপস: উত্তর আমেরিকার তিন দেশ ইউকেএম (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো) যৌথভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে।
a পটুয়াখালী
b বরগুনা
c কক্সবাজার
d চট্টগ্রাম
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হওয়ায় এটিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল প্রবেশদ্বার বলা হয়। - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই শহরকে 'The Gateway of Bangladesh' বা বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পটুয়াখালী — এটি পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য পরিচিত হলেও একে সামগ্রিকভাবে দেশের প্রবেশদ্বার বলা হয় না। B) বরগুনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের একটি উপকূলীয় জেলা, যা দেশের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত নয়। C) কক্সবাজার — এটি দেশের প্রধান পর্যটন শহর এবং দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত, প্রবেশদ্বার নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর ও বাণিজ্যিক রাজধানী হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও বন্দর মানেই চট্টগ্রাম, তাই এটিই হলো 'The Gateway of Bangladesh'।
a Union Special Service registration.
b Union of Soviet Socialist Republic.
c Unidentified Service Statistical Report.
d United States Social Reform.
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) Union of Soviet Socialist Republic. কেন সঠিক: - এটি ১৯২২ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক ইংরেজি নাম। - শীতল যুদ্ধ এবং বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাষ্ট্রটি ১৫টি প্রজাতন্ত্র নিয়ে গঠিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Union Special Service registration — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক রাষ্ট্রের নাম নয়, বরং এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও অপ্রাসঙ্গিক শব্দসমষ্টি। B) Union of Soviet Socialist Republic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের পূর্ণনাম নির্দেশ করে। C) Unidentified Service Statistical Report — এটি কোনো দেশের নাম নয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) United States Social Reform — এটি কোনো রাষ্ট্রের পূর্ণনাম নয়, বরং সমাজ সংস্কার সংক্রান্ত একটি ভিন্ন সাধারণ ধারণা। মনে রাখার টিপস: সোভিয়েত ইউনিয়নের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ USSR মনে রাখতে এর প্রতিটি অংশ মনে রাখুন: ইউ for Union, এস for Soviet, এস for Socialist এবং আর for Republic।
a শাহবাজপুর
b বাকলা
c সমতট
d হরিকেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শাহবাজপুর কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক কাল থেকেই ভোলা অঞ্চলটি নদীবেষ্টিত শাহবাজপুর পরগণার অন্তর্ভুক্ত ছিল। - প্রাচীন ও ঔপনিবেশিক আমলে এই দ্বীপ অঞ্চলটি শাহবাজপুর নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহবাজপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভোলা জেলার ঐতিহাসিক পূর্বনাম এটিই। B) বাকলা — এটি বর্তমান বরিশাল জেলার প্রাচীন নাম, যা চন্দ্রদ্বীপ রাজবংশের অধীন ছিল। C) সমতট — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ, যা মূলত বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার অপর একটি জনপদ, যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ভোলায় শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আছে, এই নাম দিয়েই দ্বীপজেলা ভোলার পুরোনো নাম মনে রাখতে পারেন।
a Before Common Era.
b British Chartered Executive
c Bureau of Child Education.
d Bhutan Centre for Environment.
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Before Common Era. কেন সঠিক: - BCE হলো ঐতিহাসিক পঞ্জিকায় খ্রিস্টপূর্বাব্দ বোঝানোর একটি আধুনিক ও ধর্মনিরপেক্ষ পরিভাষা। - এটি ঐতিহ্যগত খ্রিস্টাব্দ বা BC এর সমার্থক হিসেবে বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Before Common Era. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ইতিহাসের সাল গণনায় ব্যবহৃত হয়। B) British Chartered Executive — এটি কোনো স্বীকৃত ঐতিহাসিক পরিভাষা নয় এবং শিক্ষা বা সাল গণনার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Bureau of Child Education. — এটি শিশু শিক্ষা সংক্রান্ত কোনো মানসম্মত আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম নয়। D) Bhutan Centre for Environment. — এটি ভুটানের পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো পরিচিত বা প্রমিত প্রতিষ্ঠানের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ CE মানে Common Era এবং BCE মানে তার আগের সময় অর্থাৎ Before Common Era মনে রাখা সহজ।
a আকবর আলী খান
b জাকির আহমেদ খান
c আতাহুর আলী খান
d শরাফত আলী খান
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাকির আহমেদ খান কেন সঠিক: - ২০১৫ সালে গঠিত অষ্টম জাতীয় বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক সচিব ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জাকির আহমেদ খান। - এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ২০১৫ সালের নতুন জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর আলী খান — ড. আকবর আলী খান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ হলেও তিনি এই বেতন কমিশনের প্রধান ছিলেন না। B) জাকির আহমেদ খান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি অষ্টম জাতীয় বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) আতাহুর আলী খান — তিনি এই কমিশনের প্রধান বা সংশ্লিষ্ট কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন না। D) শরাফত আলী খান — তিনি জাতীয় বেতন কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। মনে রাখার টিপস: অষ্টম বেতন কমিশনের প্রধান ছিলেন 'জাকির আহমেদ খান', মনে রাখতে 'জাতীয় বেতন' ও 'জাকির' নামের শুরুতে জ অক্ষর আছে।