বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB)

বাংলদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ২০২১

পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a টোডেরমল
b বীরবল
c আবুল ফজল
d তানসেন
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবুল ফজল ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ও ইতিহাসভিত্তিক। আবুল ফজল মুঘল সম্রাট আকবরের নবরত্নের অন্যতম এবং তাঁর রাজসভার বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ছিলেন। - 'আইন-ই- আকবরী' গ্রন্থটি সম্রাট আকবরের শাসনকাল ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর রচিত একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক দলিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবুল ফজল ফার্সি ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্যশিল্পী ও ঐতিহাসিক ছিলেন। তাঁর রচিত অপর বিখ্যাত গ্রন্থটি হলো 'আকবরনামা'। - মধ্যযুগের মুঘল রাজসভার ফার্সি সাহিত্যের ইতিহাস এবং প্রশাসনিক তথ্য জানার জন্য এই গ্রন্থদ্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকবরনামা ব্যাখ্যা: এটিও আবুল ফজলের অপর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা মুঘল সম্রাট আকবরের জীবনী ও শাসনকাল নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরী ব্যাখ্যা: এটি সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা মুঘল আমলের সাহিত্যের আরেকটি অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোডেরমল — টোডেরমল সম্রাট আকবরের রাজস্ব মন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেছিলেন, কোনো গ্রন্থ রচয়িতা নন। B) বীরবল — বীরবল সম্রাট আকবরের সভার একজন বুদ্ধিমান কৌতুকশিল্পী ও উপদেষ্টা ছিলেন, কোনো ঐতিহাসিক গ্রন্থ রচনা করেননি। C) আবুল ফজল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি আইন-ই- আকবরী গ্রন্থের রচয়িতা। D) তানসেন — তানসেন মুঘল রাজসভার বিখ্যাত সংগীতশিল্পী ও সুরকার ছিলেন, সাহিত্যের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: আইন প্রণয়ন করেন ফজল সাহেব। এই সহজ বাক্যটি মনে রাখলে 'আইন-ই- আকবরী' গ্রন্থের রচয়িতা আবুল ফজলকে সহজেই মনে রাখা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুঘল আমলের ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও রচয়িতাদের নাম প্রায়ই আসে। তাই আবুল ফজলের 'আইন-ই- আকবরী' এবং 'আকবরনামা' গ্রন্থদুটি খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
b মঙ্গল সমাচার
c কথোপকথন
d রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ ১. কেন সঠিক: - বাংলা গদ্য সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুদ্রিত গদ্যগ্রন্থ হলো ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁউ রচিত কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ। - পর্তুগাল থেকে বাংলা হরফে মুদ্রিত এই গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত খ্রিস্টধর্মের ক্যাটেকিজম বা প্রশ্নোত্তর মূলক গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ডন ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁউ একজন পর্তুগিজ মিশনারি ছিলেন যিনি ভাওয়াল অঞ্চলে ধর্ম প্রচারের কাজ করেছিলেন। - বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান অনেক পরে হলেও, প্রথম মুদ্রিত গদ্যগ্রন্থ হিসেবে এই গ্রন্থের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রজবুলী ভাষা ব্যাখ্যা: এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষা নয়, বরং কৃত্রিম এক কাব্যভাষা যা মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদসংকলন এবং সান্ধ্যভাষায় রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত গদ্যগ্রন্থ। B) মঙ্গল সমাচার — এটি উইলিয়াম কেরির শ্রীমদ্ভাগবত বা অন্য কোনো সুনির্দিষ্ট প্রাচীন গদ্যের ক্ষেত্রে সঠিক নয়, এটি পরে অনূদিত বাইবেলের অংশবিশেষ। C) কথোপকথন — এটি উইলিয়াম কেরি রচিত বাংলা গদ্য গ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়, তবে প্রথম গদ্যগ্রন্থ নয়। D) রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র — এটি রামরাম বসু রচিত প্রথম মৌলিক বাংলা গদ্য গ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়, কিন্তু প্রথম মুদ্রিত গদ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম গদ্য বইয়ের ক্ষেত্রে আসসুম্পসাঁউ এবং কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ সাল ১৭৪৩ মনে রাখতে হবে। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের আগের গদ্য রচনাগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে প্রাচীন মুদ্রিত রূপ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্যের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ এবং প্রথম মৌলিক গন্তগ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। - প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁউ এবং প্রথম মৌলিক গ্রন্থ রামরাম বসু।
a আশাবাদ
b আবেগ
c আনুগত্য
d আনন্দ
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আনন্দ ১. কেন সঠিক: এই চরণে 'আ' হলো একটি আবেগসূচক শব্দ বা অনন্যাব্যয়, যা মনের গভীর আবেগ প্রকাশ করে। এখানে মাতৃভাষা বাংলার রূপ ও মাধুর্য দেখে কবির মনে যে উল্লাস ও সুখের অনুভূতি জেগেছে, তা আনন্দের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের পদ প্রকরণের অন্তর্গত অনন্যাব্যয় পদের একটি সুন্দর উদাহরণ। যে অব্যয় শব্দ মনের নানা ভাব বা বিকার প্রকাশ করে তাকে আবেগবাচক অনন্যাব্যয় বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঃ কী চমৎকার দৃশ্য! ব্যাখ্যা: এখানে 'বাঃ' শব্দটি দিয়ে মনের আনন্দ ও উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: শাবাশ! দারুণ খেলেছ। ব্যাখ্যা: এখানে 'শাবাশ' শব্দটি দিয়ে উৎসাহ ও আনন্দ মিশ্রিত প্রশংসা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশাবাদ — আশাবাদ অর্থ ভবিষ্যতের কোনো ভালো কিছুর প্রত্যাশা করা, যা এই চরণের মূল ভাবের সঙ্গে মেলে না। B) আবেগ — আবেগ একটি ব্যাপক শব্দ; তবে এখানে সুনির্দিষ্টভাবে আনন্দের ভাব প্রকাশ পাওয়ায় সাধারণ আবেগ অপশনটি সঠিক নয়। C) আনুগত্য — আনুগত্য অর্থ অনুগত থাকা বা বাধ্য থাকা, যার সঙ্গে ভাষার সৌন্দর্যের কোনো সম্পর্ক নেই। D) আনন্দ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চরণে ভাষার প্রকাশে আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মনের হঠাৎ উৎসারিত সুখ বা উল্লাস প্রকাশ পেলে তা সর্বদা আনন্দের অভিব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবে। শব্দের প্রারম্ভিক অব্যয় দেখে তার ভাবার্থ অনুধাবন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন প্রায়ই অনন্যাব্যয় বা কারক থেকে আসে। বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে পদের ধরন নির্ধারণ করতে হয়।
a জটিল
b মিশ্র
c যৌগিক
d সরল
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক ১. কেন সঠিক: - বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য 'বুঝে শুনে উত্তর দাও' এবং 'ভুল হবে' একটি সংযোজক অব্যয় 'নতুবা' দ্বারা যুক্ত হয়েছে। - যৌগিক বাক্যে একাধিক প্রধান খণ্ডবাক্য বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা, নতুবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে এক বা একাধিক প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে একটি মাত্র আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। - যৌগিক বাক্যে খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয় না, বরং স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে এবং সংযোগকারী অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি অনেক পড়াশোনা করলেন, কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারলেন না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'তিনি অনেক পড়াশোনা করলেন' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারলেন না' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য উঠল এবং চারদিক আলোকিত হলো। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকালে সূর্য উঠল' এবং 'চারদিক আলোকিত হলো' দুটি স্বাধীন সরল বাক্য 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, কিন্তু এখানে কোনো আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য নেই। C) যৌগিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য নতুবা অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। D) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে দুটি আলাদা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত খণ্ডবাক্য আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝে এবং, কিন্তু, অথবা, নতুবা, কিংবা, অতএব প্রভৃতি অব্যয় খুঁজে দেখা। - সরল বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া একটি থাকে, আর যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দিয়ে জোড়া থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর ও বাক্য চিহ্নিতকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংযোজক অব্যয় দেখে খণ্ডবাক্যের স্বাধীনতা যাচাই করলে যৌগিক বাক্য খুব সহজেই চেনা যায়।
a অসমাপিকা
b সমাপিকা
c দিকর্মক
d প্রযোজক
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসমাপিকা ১. কেন সঠিক: যে ক্রিয়া পদ দ্বারা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পায় না এবং অর্থের পূর্ণতার জন্য অন্য কোনো সমাপিকা ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করতে হয়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। এখানে 'গিয়ে' ক্রিয়াটি শোনার পর শ্রোতার মনে আরও প্রশ্ন থেকে যায়, তাই এটি অসমাপিকা ক্রিয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের যে ক্রিয়া দ্বারা বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয় না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। অসমাপিকা ক্রিয়া সাধারণত ক্রিয়ার শেষে ই, ইতে বা তে বিভক্তি যুক্ত হয়ে গঠিত হয় এবং এটি বাক্যের শেষে বসে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়। ব্যাখ্যা: এখানে 'উঠলে' পদটি অসমাপিকা ক্রিয়া কারণ এর মাধ্যমে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়নি। উদাহরণ ২: সে ভাত খেয়ে স্কুলে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'খেয়ে' পদটি অসমাপিকা ক্রিয়া কারণ এটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ না করে পরবর্তী সমাপিকা ক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসমাপিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'গিয়ে' পদটি বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ করতে পারেনি এবং এটি সমাপিকা ক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। B) সমাপিকা — এই অপশনটি ভুল কারণ সমাপিকা ক্রিয়া মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, কিন্তু 'গিয়ে' তা করে না। C) দিকর্মক — এই অপশনটি ভুল কারণ দিকর্মক ক্রিয়া হলো সেই ক্রিয়া যার দুটি কর্ম থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) প্রযোজক — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রযোজক ক্রিয়া হলো একজনের চালনায় অন্য কর্তৃক পরিচালিত ক্রিয়া, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: যে ক্রিয়ার শেষে ই বা তে বিভক্তি থাকে এবং ভাব অসম্পূর্ণ থাকে, চোখ বুজে তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া দাগিয়ে দেবে। সমাপিকা ক্রিয়া সর্বদা বাক্যের শেষে বসে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়া চিহ্নিত করার সময় দেখতে হবে বাক্যটি সেখানে শেষ হলো কি না। বাক্যের মাঝখানে ই বা তে যুক্ত ক্রিয়া দেখলে সাধারণত তা অসমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
a সমাজ
b পানি
c মিছিল
d নদী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নদী ১. কেন সঠিক: - যে বিশেষ্য পদ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। - 'নদী' শব্দটি কোনো একটি নির্দিষ্ট নদীকে না বুঝিয়ে পৃথিবীর সমস্ত নদীকে সামগ্রিকভাবে বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা নামবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক ও গুণবাচক বিশেষ্য। - জাতিবাচক বিশেষ্যে একই শ্রেণি বা জাতির সকল সদস্যকে একত্রে নির্দেশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষ ব্যাখ্যা: 'মানুষ' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে সমগ্র মানবজাতিকে বোঝায়। উদাহরণ ২: পাখি ব্যাখ্যা: 'পাখি' শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো পাখিকে নির্দেশ না করে সকল উড্ডয়নক্ষম প্রাণীর সাধারণ শ্রেণি বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজ — এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ এটি অনেকগুলো মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়। B) পানি — এটি বস্তুবাচক বা উপাদানবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ এটি কোনো উপাদানের নাম। C) মিছিল — এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ এটি মানুষের সমাগম বা সমষ্টি বোঝায়। D) নদী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই জাতীয় নদীর সাধারণ নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - যা দেখে একটি নির্দিষ্ট নাম মনে না এসে পুরো শ্রেণি বা জাতের কথা মনে আসে, তাই জাতিবাচক বিশেষ্য। - নদী, পর্বত, পাখি, মানুষ বললেই পুরো জাতি বোঝায়, তাই এগুলো জাতিবাচক বিশেষ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নামবাচক এবং জাতিবাচক বিশেষ্যের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে যেমন 'পদ্মা' নামবাচক হলেও 'নদী' জাতিবাচক বিশেষ্য।
a ভাবের গভীরতা
b ধ্বনিব্যঞ্জনা
c পৌনঃপুনিকতা
d সামান্যতা
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিব্যঞ্জনা ১. কেন সঠিক: - 'ঝিরঝির' শব্দটি একটি অনুভূতিজাত বা প্রকৃতির বিশেষ ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দ, যা বাতাসের মৃদু ও অবিরাম বহমানতার শব্দগত রূপ ফুটিয়ে তোলে। - বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের শব্দকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা ধ্বনিব্যঞ্জনা বলা হয়, যা শোনার অনুভূতির মাধ্যমে বিশেষ কোনো ভাব বা দৃশ্যপট মনের ভেতর তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বিশেষ কোনো ভাব, শব্দ বা রূপ প্রকাশ করে, তাকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা ধ্বনিব্যঞ্জনা বলে। - পদপ্রকরণে এগুলো সাধারণত ক্রিয়ার বিশেষণ হিসেবে কাজ করে বাতাসের মৃদু গতি বা শব্দকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাতার ওপর বৃষ্টির ফোঁটা ঝিরঝির করে পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝিরঝির' শব্দটি বৃষ্টির মৃদু পতনের ধ্বনি ও দৃশ্য ফুটিয়ে তুলেছে। উদাহরণ ২: বাইরে হাওয়া সাঁ সাঁ করে বইছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সাঁ সাঁ' শব্দটি জোরালো বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ বা ধ্বনিব্যঞ্জনা প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাবের গভীরতা — 'ঝিরঝির' শব্দ দ্বারা কোনো গভীর ভাব বা দার্শনিক তত্ত্ব প্রকাশ পায় না, এটি কেবল বাতাসের মৃদু শব্দের প্রকাশ। B) ধ্বনিব্যঞ্জনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রকৃতির বিশেষ ধ্বনি বা অনুভূতির সফল প্রকাশ ঘটায়। C) পৌনঃপুনিকতা — পৌনঃপুনিকতা মানে বারবার ঘটা, কিন্তু 'ঝিরঝির' দ্বারা বাতাসের অবিরাম মৃদু বহমানতার ধ্বনি বা রূপ বোঝানো হয়েছে। D) সামান্যতা — সামান্যতা বলতে স্বল্পতা বোঝায়, কিন্তু এখানে বাতাসের মৃদু গতি বা শব্দের ধ্বনিগত প্রকাশই প্রধান। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঝিরঝির, রিমঝিম, পটাপট ইত্যাদি শব্দ শুনলেই বুঝতে হবে এগুলো কোনো না কোনো ধ্বনি বা অনুভূতির অনুকরণ, তাই এগুলো ধ্বনিব্যঞ্জনা। - পরীক্ষার হলে শব্দের রূপ দেখে শব্দের প্রকৃতি বা ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্য বোঝার চেষ্টা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধ্বন্যাত্মক শব্দ সাধারণত দুইবার ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব ফুটিয়ে তোলে। - এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ থেকে আসে।
a ভীতশোক
b শোকদূর
c নিঃশোক
d বীতশোক
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীতশোক কেন সঠিক: - 'শোক দূর হয়েছে যার' এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ বা বাক্য সংকোচন হলো বীতশোক। - এখানে বীত উপসর্গটি দূর হওয়া বা নিবৃত্ত হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - সমাস বা প্রত্যয় সাধিত পদের অর্থ সংক্ষিপ্ত করে একটি মাত্র পদে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াই হলো বাক্য সংকোচন। - যেমন: ভয় গত হয়েছে যার = বীতভদ্র, তেমনি শোক দূর হয়েছে যার = বীতশোক। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ভীতশোক — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই। - B) শোকদূর — এটি সমাসসিদ্ধ বা প্রমিত বাক্য সংকোচন পদের আওতাভুক্ত নয়। - C) নিঃশোক — এর অর্থ যার শোক নেই, যা প্রদত্ত বাক্যের অর্থের সাথে হুবহু মেলে না। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছু দূর বা গত হওয়া বোঝালে বীত শব্দ দিয়ে বাক্য সংকোচন করতে হয়।
a তম্ + বি
b তনু + ই
c তনু + ঈ
d তনু+ ম্বি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তনু + ঈ ১. কেন সঠিক: - তনু শব্দের শেষ উ-কার এবং ঈ মিলে ঈ-কার হয়েছে। - সন্ধির নিয়মে ই-কার বা উ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে য-ফলা বা ব-ফলায় রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ই-কার বা উ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার স্থানে য এবং উ-কার বা ঊ-কার স্থানে ব হয়। - তনু শব্দের উ-কারের সঙ্গে ঈ যুক্ত হয়ে ব-ফলা গঠিত হয়েছে এবং শব্দটি তন্যী না হয়ে তন্বী হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সু + আল্প = স্বল্প ব্যাখ্যা: উ-কারের পর অ থাকায় উ স্থানে ব হয়েছে। উদাহরণ ২: অনু + ইত = অন্বিত ব্যাখ্যা: উ-কারের পর ই থাকায় উ স্থানে ব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তম্ + বি — এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়মের আওতায় পড়ে না এবং সঠিক সন্ধি গঠন করে না। B) তনু + ই — ই-কার যুক্ত হলে তনুই হতো, যা তন্বী শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারের সঙ্গে মেলে না। D) তনু + ম্বি — ম্বি কোনো স্বতন্ত্র শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের বাইরে। ৫. মনে রাখার টিপস: - উ-কারান্ত শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ঈ যুক্ত হলে ব-ফলা সহ দীর্ঘ ঈ যুক্ত হয়। - শব্দের বানান ও উচ্চারণ খেয়াল রেখে সন্ধি বিচ্ছেদ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধির নিয়ম প্রায়ই আসে। - য-ফলা এবং ব-ফলা জেনারেটিং ই-কার ও উ-কার রূপান্তরের নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করবে।
a ফারসি
b আরবি
c ফরাসি
d পর্তুগিজ
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফারসি ১. কেন সঠিক: - চশমা একটি ফারসি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ চোখের কাচ বা উপরিভাগের আবরণ। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হাজার হাজার বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম প্রধান একটি উৎস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দ ধার করে সমৃদ্ধ হয়েছে এবং এর মধ্যে ফারসি ভাষা অন্যতম। - ফারসি শব্দ সাধারণত প্রশাসনিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা উপকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা চোখে পরার লেন্স বা কাচ বোঝাতে বাংলায় গৃহিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কাগজ ব্যাখ্যা: লেখার উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত কাগজ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — এটি সঠিক কারণ চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। B) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, ইসলামি সংস্কৃতি এবং প্রশাসন সংক্রান্ত অনেক শব্দ আসলেও চশমা আরবি শব্দ নয়। C) ফরাসি — ফরাসি বা ফ্রেঞ্চ ভাষা থেকে কার্তুজ বা কুপন জাতীয় কিছু শব্দ এসেছে, কিন্তু চশমা ফরাসি শব্দ নয়। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, বালতি জাতীয় শব্দ এলেও চশমা পর্তুগিজ শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখ বা মুখ সম্পর্কিত কিছু দৈনন্দিন বস্তু যেমন চশমা, চশমা পরিধানের অভ্যাস বা প্রসাধন ফারসি শব্দ হতে পারে। - পরীক্ষার হলে বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে ফারসি শব্দের একটি সাধারণ তালিকা বারবার চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়লে এমন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a তিনটি
b দুটি
c চারটি
d একটি
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) দুটি কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক স্বরবর্ণ সাতটি থাকলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ মাত্র দুটি। - এই দুটি বর্ণ একত্রে উচ্চারিত হয়ে একটি যৌগিক স্বরধ্বনি তৈরি করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যে সকল স্বরবর্ণ একত্রে উচ্চারিত হয় তাদেরকে যৌগিক স্বরবর্ণ বলে। - বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনিগুলোর পাশাপাশি এই দুটি বিশেষ বর্ণ দীর্ঘ স্বরের কাজ করে। - এই দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ হলো ঐ এবং ঔ। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) তিনটি — বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ তিনটি নয়, তাই এই অপশন ভুল। - খ) দুটি — এটি সঠিক অপশন এবং এর সংখ্যাগত মান সঠিক। - গ) চারটি — বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা চারটি নয়, তাই এটি ভুল। - ঘ) একটি — বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ একটির বেশি অর্থাৎ দুটি রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - বাংলা বর্ণমালার শেষ দুটি স্বরবর্ণ অর্থাৎ ঐ এবং ঔ হলো দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
a প্রাকৃতিক
b কৃত্তিম
c রাত্রিকালিন
d দিবাকালিন
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক ১. কেন সঠিক: নৈসর্গিক শব্দের অর্থ হলো প্রকৃতি সম্বন্ধীয় বা প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন। এর সরাসরি এবং সর্বজনস্বীকৃত বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রাকৃতিক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দের উৎস এবং অর্থের বিপরীত রূপ বিবেচনা করতে হয়। সংস্কৃত নৈসর্গিক শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে প্রাকৃতিক শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নৈসর্গিক সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: প্রকৃতির নিজস্ব যে সৌন্দর্য, তাকে নৈসর্গিক সৌন্দর্য বলা হয়। উদাহরণ ২: প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যাখ্যা: প্রকৃতির প্রভাবে ঘটে যাওয়া ঘটনা বোঝাতে প্রাকৃতিক শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক — এটি নৈসর্গিক শব্দের সমার্থক বা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলেও প্রদত্ত উত্তরে ত্রুটি ছিল। প্রশ্নকর্তার দেওয়া উত্তর সঠিক নয়। B) কৃত্তিম — বানান ভুল আছে, এর সঠিক রূপ কৃত্রিম। তবে অর্থের দিক থেকে কৃত্রিম শব্দটি নৈসর্গিক শব্দের বিপরীত হতে পারে, কিন্তু বানান অশুডির কারণে এটি সঠিক নয়। C) রাত্রিকালিন — বানান ভুল রয়েছে, সঠিক বানান রাত্রিকালীন। এটি দিনের বিপরীত রাত বোঝায়, নৈসর্গিক শব্দের বিপরীত নয়। D) দিবাকালিন — বানান ভুল আছে, সঠিক বানান দিবাকালীন। এটি দিবা বা দিন সময়কে নির্দেশ করে, যা নৈসর্গিক শব্দের বিপরীতার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নৈসর্গিক মানে যা প্রকৃতি থেকে আসে, তাই এর বিপরীত হলো যা প্রকৃতি থেকে সৃষ্ট বা প্রাকৃতিক। বানানের ক্ষেত্রে কৃত্রিম ও রাত্রিকালীন শব্দগুলোর বানান ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে বানানের শুদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় সঠিক অর্থ জানা থাকলেও ভুল বানানযুক্ত অপশন এড়িয়ে চলতে হয়।
a অলৌকিক ব্যাক্তি
b লোকস্রুতি
c লোকপরস্পরা
d রাজকাহিনী
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লোকস্রুতি কেন সঠিক: - কিংবদন্তি শব্দটি এমন কিছু প্রাচীন কাহিনী বা ঘটনাকে বোঝায় যা মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসছে। - লোকস্রুতি বলতে মূলত জনশ্রুতি বা মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী গল্পকে বোঝানো হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা শব্দার্থে কিংবদন্তি বলতে প্রাচীনকালের কোনো বিখ্যাত ঘটনা বা ব্যক্তির সম্পর্কে প্রচলিত বিশ্বাসযোগ্য জনশ্রুতিকে বোঝায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা যা ইংরেজি লেজেন্ড শব্দের ভাবানুবাদ। - যেমন গ্রীক বা ভারতীয় পুরাণে বর্ণিত অনেক বীরের কাহিনী মূলত কিংবদন্তি বা লোকস্রুতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অলৌকিক ব্যাক্তি — এটি কোনো অলৌকিক বা সাধু ব্যক্তিকে বোঝায় না, বরং প্রচলিত গল্প বা কাহিনীকে বোঝায়। - B) লোকস্রুতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। - C) লোকপরস্পরা — এটি মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হলেও কিংবদন্তি শব্দের সরাসরি এবং সর্বজনগ্রাহ্য অর্থ হিসেবে লোকস্রুতি বেশি উপযুক্ত। - D) রাজকাহিনী — এটি রাজাদের জীবন বা রাজ্য নিয়ে রচিত ইতিহাস বা গল্প, যা কিংবদন্তির সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি লেজেন্ড শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো লোকস্রুতি বা কিংবদন্তি। - মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনীর ক্ষেত্রে সব সময় লোকস্রুতি শব্দটি মনে রাখবে।
a ছোট গল্প ও উপন্যাস
b কথা নিয়ে সাহিত্য
c নাটক ও আবৃতি
d সাহিত্যের কথা
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছোট গল্প ও উপন্যাস ১. কেন সঠিক: কথাসাহিত্য বলতে মূলত গদ্যে রচিত কল্পকাহিনিভিত্তিক সাহিত্যকর্মকে বোঝায়। এর মধ্যে প্রধান দুটি রূপ হলো ছোটগল্প এবং উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে কথাসাহিত্য হলো গদ্যরীতির এমন একটি বিভাগ যা মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তব বা কাল্পনিক চিত্র তুলে ধরে। ছোটগল্প ও উপন্যাস উভয়ই কাহিনিভিত্তিক তবে আয়তন ও পরিসরে ভিন্ন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা কথাসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যা কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোট গল্প ও উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ কথাসাহিত্যের প্রধান দুটি ধারা ছোটগল্প ও উপন্যাস। B) কথা নিয়ে সাহিত্য — এই কথাটি অর্থহীন এবং বাংলা সাহিত্য পরিভাষায় গ্রহণযোগ্য নয়। C) নাটক ও আবৃতি — নাটক কথাসাহিত্য নয় বরং এটি দৃশ্যকাব্য এবং আবৃতি পরিবেশন শিল্প। D) সাহিত্যের কথা — এটি কোনো নির্দিষ্ট সাহিত্যিক ধারা বা পরিভাষা নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কথা মানে গল্প বা উপন্যাস। গদ্যে লেখা গল্প বা উপন্যাসই কথাসাহিত্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এই তথ্যটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a সর্বযুগের
b আধুনিক যুগের
c প্রাচীন যুগের
d মধ্যযুগের
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আধুনিক যুগের ১. কেন সঠিক: উপন্যাস হলো গদ্যে রচিত দীর্ঘ আখ্যানমূলক সাহিত্যকর্ম, যা মানুষের বাস্তব জীবন, সমাজ ও মনস্তত্ত্বের গভীর প্রতিফলন ঘটায়। বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের উদ্ভব ও বিকাশ সম্পূর্ণভাবে আধুনিক যুগে ঘটেছে, যার সূচনা হয়েছিল উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রভাবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মূলত তিনটি যুগে বিভক্ত যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ। প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য প্রধানত পদ, কাব্য ও গীতিমূলক ছিল এবং তার বেশিরভাগই পদ্যে রচিত হতো, যেখানে গদ্যরীতির কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যবহার ছিল না। উনিশ শতকে ইংরেজি সাহিত্যের সংস্পর্শে এসে বাংলা সাহিত্যে গদ্যের বিস্তার ঘটে এবং এর মাধ্যমেই আত্মপ্রকাশ করে আধুনিক যুগের সৃষ্টি উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস, যা ১৮৬৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচনা করেন এবং এটি আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত এই গ্রন্থটিকে অনেকে বাংলার প্রথম উপন্যাসের মর্যাদা দেন, যা আধুনিক যুগের গদ্যরীতির প্রথম সফল প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বযুগের — উপন্যাস কোনো সর্বযুগের সৃষ্টি নয় কারণ প্রাচীন ও মধ্যযুগে গদ্যধর্মী কোনো উপন্যাসের অস্তিত্ব ছিল না। B) আধুনিক যুগের — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাস শুধুমাত্র আধুনিক যুগের সাহিত্যিক নিদর্শন। C) প্রাচীন যুগের — প্রাচীন যুগে চর্যাপদের মতো পদসাহিত্য রচিত হতো এবং তখন উপন্যাসের মতো কোনো গদ্যশিল্পের বিকাশ ঘটেনি। D) মধ্যযুগের — মধ্যযুগের সাহিত্য বলতে মূলত মঙ্গলকাব্য, রামায়ণ, মহাভারত ও বৈষ্ণব পদাবলি বোঝায়, যা পদ্যে রচিত হতো এবং উপন্যাস তখন ছিল অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখবে গদ্য মানেই আধুনিক যুগ এবং উপন্যাস হলো গদ্যের রূপ, তাই সব উপন্যাসই আধুনিক যুগের সৃষ্টি। প্রাচীন ও মধ্যযুগ ছিল পদ্য বা কবিতার যুগ, আর আধুনিক যুগ হলো গদ্য, উপন্যাস ও ছোটগল্পের যুগ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা উপন্যাসের জনক কে, যার সঠিক উত্তর হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। একইভাবে মনে রাখতে হবে বাংলা ছোটগল্প ও নাটকও আধুনিক যুগের সৃষ্টি।
a আলেয়া
b ঝিলিমিলি
c মধুমালা
d কুহেলিকা
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: - কুহেলিকা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলন, বিপ্লব এবং তারুণ্যের আদর্শের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, তবে তিনি ঔপন্যাসিক হিসেবেও পরিচিত। - তার রচিত মোট উপন্যাসের সংখ্যা তিনটি, যা হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুলের পত্রোপন্যাসের আকারে রচিত প্রথম উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত নৃত্যনাট্য ও গীতিনাট্য। B) ঝিলিমিলি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি জনপ্রিয় রূপক নাটক। C) মধুমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গীতিনাট্য ও রূপকধর্মী নাটক। D) কুহেলিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি তার রচিত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধন হারা মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। - নাটক ও উপন্যাস গুলিয়ে না ফেলে এই তালিকা আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের উপন্যাস ও নাটকের নাম প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়। - বাঁধন হারা হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস, যা পরীক্ষাকেন্দ্রিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
a বাংলা একাডেমি
b বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
c মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
d দি ইউনিভার্সিটি প্লেস লি
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও সমাজজীবন সম্পর্কিত তথ্য সংরক্ষণের জন্য বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করে। - এটি বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া হিসেবে ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচীন ও স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাপিডিয়া (প্রথম খণ্ড) ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষের একটি খণ্ড। উদাহরণ ২: এশিয়াটিক সোসাইটি জার্নাল ব্যাখ্যা: এটি এই প্রতিষ্ঠানের আরেকটি ঐতিহাসিক ও গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা একাডেমি — বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণা এবং প্রমিতকরণের সঙ্গে যুক্ত হলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোক্তা এটি নয়। B) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর — এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের সঙ্গে যুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান, জ্ঞানকোষ প্রকাশের সঙ্গে নয়। D) দি ইউনিভার্সিটি প্লেস লি — এটি একটি বেসরকারি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মূল উদ্যোক্তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পিডিয়া বা জ্ঞানকোষ প্রকাশের কাজটি সাধারণত সমাজের মতো বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠান করে থাকে। - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি মানেই জ্ঞানকোষ বা বাংলাপিডিয়ার সফল উদ্যোক্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে এবং এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন সিরাজুল ইসলাম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠান ও তাদের প্রধান প্রকাশনা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a গ্রাম বাংলার দুর্ভিক্ষ
b ২য় বিশ্বযুদ্ধের কাহিনি
c সামাজিক অবিচার ও লাঞ্ছনা
d নির্যাতন ও শোষণ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২য় বিশ্বযুদ্ধের কাহিনি ১. কেন সঠিক: - নেমেসিস নাটকের মূল উপজীব্য বিষয় হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ও মনস্তাত্ত্বিক সংকট। - নাটকে যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব এবং এর ফলে মানুষের জীবন কীভাবে ধ্বংস হয়ে যায় তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ও ট্র্যাজেডিধর্মী নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের গোঁড়ামি ও অন্ধবিশ্বাসের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি বিখ্যাত অস্তিত্ববাদী চেতনা সংবলিত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম বাংলার দুর্ভিক্ষ — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বহিপীর বা অন্য কোনো নাটকের মূল বিষয় নয় বরং এটি মূলত ২য় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট কৃত্রিম সংকটের দিকে ইঙ্গিত করে। B) ২য় বিশ্বযুদ্ধের কাহিনি — এটি সরাসরি নেমেসিস নাটকের মূল উপজীব্য বিষয় এবং নাটকের নামকরণের সার্থকতা এখানেই নিহিত। C) সামাজিক অবিচার ও লাঞ্ছনা — সমাজ জীবনের নানা অসঙ্গতি এখানে থাকলেও যুদ্ধের প্রত্যক্ষ করাল গ্রাস ও তার মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবই প্রধান। D) নির্যাতন ও শোষণ — নাটকে শোষণ কিছুটা থাকলেও সার্বিক প্রেক্ষাপটটি মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা ও কৃত্রিম দুর্দিনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - নেমেসিস নাটকের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং এর মূল বিষয় যুদ্ধকালীন মানুষের সংকট। - নামের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো গ্রিক পুরানের দেবী নেমেসিসের ন্যায় যুদ্ধও ডেকে আনে ধ্বংস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক ও উপন্যাসের বিষয়বস্তু প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাজের নাম ও প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত রাখবে।
a মুনীর চৌধুরী
b হাসান হাফিজুর রহমান
c শমসুর রাহমান
d গাজীউল হক
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলিত গ্রন্থ বা পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে হাসান হাফিজুর রহমানের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ঠিক পরপরই প্রগতিশীল তরুণ লেখকদের নিয়ে ২১শে ফেব্রুয়ারি স্মারকগ্রন্থ সম্পাদনা করেন যা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম প্রামাণ্য প্রকাশনা হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও প্রামাণ্য গ্রন্থ সম্পাদক। ১৯৫৩ সালে তার সম্পাদনায় একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনটি প্রকাশিত হয় যা ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণকারী প্রথম ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশে ফেব্রুয়ারি স্মারকগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের দলিল হিসেবে পরিচিত এবং প্রথম সংকলন। উদাহরণ ২: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র ব্যাখ্যা: হাসান হাফিজুর রহমানের অপর একটি ঐতিহাসিক ও মহা গ্রন্থ সম্পাদনা কর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত নাট্যকার ও ভাষা সৈনিক হলেও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদক নন। B) হাসান হাফিজুর রহমান — সঠিক উত্তর। C) শমসুর রাহমান — তিনি বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য কবি কিন্তু এই পত্রিকার সম্পাদক নন। D) গাজীউল হক — তিনি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় নেতা ও সংগঠক ছিলেন তবে এই পত্রিকার সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলনের সম্পাদক ছিলেন হাসান যিনি হাফিজুর রহমান নামে পরিচিত। মনে রাখতে পারেন ভাষা আন্দোলনের প্রথম হাঁক দিয়েছিলেন হাসান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন বা গ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি অত্যন্ত ঘন ঘন আসে।
a শব্দের পরিবর্তনের সাথে
b বাক্যের পরিবর্তনের সাথে
c ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে
d পদ পরিবর্তন এর সাথে
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে ১. কেন সঠিক: - ভাষার মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি, তাই ধ্বনির রূপান্তর ঘটলেই সামগ্রিকভাষার রূপ পরিবর্তিত হয়। - ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমেই একটি ভাষা কালক্রমে অন্য নতুন রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা হলো মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম এবং ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক। - মুখের ভাষা পরিবর্তনের মূল কারণ হলো ধ্বনি পরিবর্তন বা ধ্বনির আগমন, লোপ ও রূপান্তর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলাবু থেকে লাউ ব্যাখ্যা: আদি শব্দের ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন শব্দের সৃষ্টি হয়েছে যা ভাষা পরিবর্তনের নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ধর্ম থেকে ধম্ম ব্যাখ্যা: ধ্বনির পরিবর্তন বা ব্যঞ্জনধ্বনির দ্বিত্বকরণের মাধ্যমে ভাষারূপের বিবর্তন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের পরিবর্তনের সাথে — শব্দের পরিবর্তন মূলত ধ্বনি পরিবর্তনেরই ফল, তাই এটি প্রাথমিক বা মূল কারণ নয়। B) বাক্যের পরিবর্তনের সাথে — বাক্য গঠিত হয় পদের মাধ্যমে এবং পদের পেছনে থাকে শব্দ ও ধ্বনি। C) ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে — এটি সঠিক কারণ ধ্বনিই ভাষার পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। D) পদ পরিবর্তন এর সাথে — পদ ব্যাকরণগত সম্পর্কের সাথে যুক্ত, ভাষার ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সাথে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা বদলায় মুখে মুখে, আর মুখে উচ্চারিত হয় ধ্বনি। তাই ভাষা পরিবর্তন মানেই ধ্বনির পরিবর্তন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধ্বনি পরিবর্তন বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যা ভাষার ইতিহাস বুঝতে সাহায্য করে।
a were in
b was in
c put on
d get into
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) were in কেন সঠিক: বাক্যটিতে অসম্ভব কল্পনা বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে, তাই এখানে সাবজেক্টিভ মুড ব্যবহার করতে হবে। এ ধরনের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্বের প্লুরাল রূপ হিসেবে were বসে। ইন ইউর শুজ একটি ইডিয়ম যার অর্থ কারও অবস্থানে নিজেকে কল্পনা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were in — এটি সঠিক উত্তর কারণ অবাস্তব কল্পনায় were বসে। B) was in — এটি ভুল কারণ ফার্স্ট পারসন বা থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের পরেও এখানে was বসবে না। C) put on — এটি ভুল কারণ এর অর্থ পরিধান করা যা এখানে অর্থসংগত নয়। D) get into — এটি ভুল কারণ এটি বর্তমান কাল নির্দেশ করে এবং বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: আই উইশ যুক্ত বাক্যে কল্পনার অর্থ প্রকাশ পেলে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হলেও বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were বসে।
a Who are you called?
b Who were you begin called?
c Who was begin called by you?
d Who called by you?
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Who was begin called by you? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক বাক্যে whom থাকলে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে who বসে এবং পাস্ট কন্টিনুয়াস টেন্সের জন্য was বসে। মূল ভার্বের সাথে ing থাকার কারণে being যুক্ত হয় এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী by you বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who are you called? — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে এবং এতে continuous এর নিয়ম মানা হয়নি। B) Who were you begin called? — এখানে subject who এর সাথে were ব্যবহার করা হয়েছে যা grammatically incorrect। C) Who was begin called by you? — এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করেছে। D) Who called by you? — এটি incomplete এবং passive form এর auxiliary verb বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Whomযুক্ত interrogative sentence-কে passive করার সময় whom-এর পরিবর্তে who বসাতে হয় এবং tense অনুযায়ী be verb ও being ব্যবহার করতে হয়।
a I know who you are
b I know you
c I know who are you
d I know what are you
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I know who you are কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি মাত্র প্রিন্সিপাল ক্লজ আছে এবং একে জটিল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত করতে হয়। এখানে 'you' কে বুঝাতে 'who' প্রোনাউন ব্যবহার করে সাবঅর্ডিনেট ক্লজটি গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I know who you are — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি সম্পূর্ণ জটিল বাক্য। B) I know you — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী প্রদত্ত মূল সরল বাক্য, তাই এটি জটিল বাক্যের রূপান্তর নয়। C) I know who are you — এখানে ক্লজের ভেতরে সাবজেক্টের আগে ভার্ব বসার কারণে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। D) I know what are you — এখানে ব্যক্তির পরিবর্তে 'what' ব্যবহার করা হয়েছে এবং সাবজেক্টের আগে ভার্ব বসানো হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: সহজ বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করার সময় প্রিন্সিপাল ক্লজের সাথে who, what বা which যুক্ত করে নতুন ক্লজ বানাতে হয় এবং সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসাতে হয়।
a Copy
b Appreciate
c Encourage
d Abuse
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abuse কেন সঠিক: - Vituperate শব্দের অর্থ হলো কটু কথা বলা, তিরস্কার করা বা গালিগালাজ করা। - Abuse শব্দের অর্থও খারাপ ব্যবহার করা বা গালি দেওয়া, যা মূল শব্দের সঠিক সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Copy — এর অর্থ নকল করা, যা vituperate শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) Appreciate — এর অর্থ প্রশংসা করা, যা vituperate শব্দের বিপরীতার্থক। C) Encourage — এর অর্থ উৎসাহিত করা, যা vituperate শব্দের বিপরীতার্থক। D) Abuse — এর অর্থ অপব্যবহার করা বা গালি দেওয়া, যা vituperate শব্দের সঠিক সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Vituperate শব্দটিতে Vitu মানে বিষাক্ত কথা এবংperate মানে প্রচার করা মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ দাঁড়ায় কটু কথা বলা বা Abuse করা।
a Rush
b Expedite
c Impede
d Hasten
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Impede কেন সঠিক: Impede শব্দের অর্থ হলো কোনো কাজে বাধা সৃষ্টি করা বা বিলম্বিত করা। এটি বাকি শব্দগুলোর বিপরীতার্থক শব্দ এবং গতি কমানোর সাথে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rush — এই শব্দটির অর্থ দ্রুত দৌড়ানো বা তাড়াহুড়ো করা, যা গতির সাথে সম্পর্কিত। B) Expedite — এই শব্দটির অর্থ কোনো কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা বা ত্বরান্বিত করা। C) Impede — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কাজে বাধা সৃষ্টি করা। D) Hasten — এই শব্দটির অর্থ দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া বা কাজ ত্বরান্বিত করা। মনে রাখার টিপস: Impede বাদে বাকি তিনটি শব্দের অর্থ দ্রুত গতি বা কাজ ত্বরান্বিত করা বোঝায়।
a Rain: River
b Wind: Sleet
c Ice: Floe
d Snow: Blizzard
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Snow: Blizzard কেন সঠিক: - প্রশ্নে পানির আধিক্যের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ বা তীব্র রূপের সাদৃশ্য বোঝানো হয়েছে, যেমন অতিরিক্ত পানি থেকে বন্যা হয়। - ঠিক তেমনি প্রচুর তুষারপাতের ফলে তুষারঝড় বা ব্লিজার্ড সৃষ্টি হয়, যা মূল শব্দের তীব্র রূপ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rain: River — বৃষ্টি নদীর উৎস হতে পারে, কিন্তু এটি পানির অতিরিক্ত রূপ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বোঝায় না। B) Wind: Sleet — বাতাস এবং স্লিট বা শিলাবৃষ্টি ভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান, যা মূল প্রশ্নের কার্যকারণ সম্পর্কের সাথে মেলে না। C) Ice: Floe — বরফ এবং ভাসমান বরফখণ্ড একই পদার্থের বিভিন্ন অবস্থা, যা তীব্র দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্পর্ক নয়। D) Snow: Blizzard — এটি সঠিক উত্তরের অপশন, তাই এখানে তুষার এবং তীব্র তুষারঝড়ের সম্পর্কের পূর্ণ মিল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত পানি আনে বন্যা, আর অতিরিক্ত তুষার আনে তুষারঝড় বা ব্লিজার্ড।
a William Shakespeare
b G.B Shaw
c W.B. Yeats
d John Dryden
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Shakespeare কেন সঠিক: এটি বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কমেডি নাটক। এই নাটকটি ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিকে রচিত হয়েছিল। নাটকটিতে পেট্রুসিও এবং ক্যাথরিনা চরিত্রের মার্জিত কমেডি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) G.B Shaw — তিনি আধুনিক যুগের নাট্যকার এবং তিনি আন্ডার দ্য পিগম্যালিয়ন এর মতো নাটক লিখেছেন। C) W.B. Yeats — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন। D) John Dryden — তিনি পুনর্জাগরণ পরবর্তী যুগের বিখ্যাত কবি এবং প্রাবন্ধিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের কমেডি নাটক মনে রাখতে দ্য টেমিং অব দ্য শ্রিউ নামটি বারবার চর্চা করো।
a J.S. Mill
b Charles Dickens
c W.H. Newman
d Francis Bacon
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Francis Bacon কেন সঠিক: ফ্রান্সিস বেকন ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত। তাঁর রচিত প্রবন্ধগুলো জ্ঞানগর্ভ, জীবনঘনিষ্ঠ এবং প্রাবন্ধিক ধারার প্রকৃত নিদর্শন বহন করে। তিনি তাঁর চমৎকার গদ্যশৈলীর মাধ্যমে প্রবন্ধ সাহিত্যকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। ইংরেজ সাহিত্যে তাকে প্রাবন্ধিকের মুকুটহীন সম্রাট বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) J.S. Mill — ইনি মূলত একজন বিখ্যাত দার্শনিক এবং অর্থনীতিবিদ ছিলেন, প্রাবন্ধিক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত নন। B) Charles Dickens — ইনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার ছিলেন। C) W.H. Newman — ইনি ইংরেজি সাহিত্যের কোনো প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক বা সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব নন। D) Francis Bacon — ইনি ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও প্রধান প্রাবন্ধিক হিসেবে সর্বজনস্বীকृत। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম প্রাবন্ধিক বা Essayist বললে সবার আগে ফ্রান্সিস বেকনের নাম মনে রাখবে।
a lest,must
b or,should be
c lest,should
d and,must
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) lest,should কেন সঠিক: বাক্যে lest conjunction হিসেবে বসে যার অর্থ পাছে বা এই ভয়ে যে এমন কিছু ঘটে। lest এর পরের অংশে নিয়ম অনুযায়ী সাহায্যকারী verb হিসেবে should বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lest,must — lest এর পরে নিয়ম অনুযায়ী সর্বদা should বসে, তাই এখানে must বসা ভুল হয়েছে। B) or,should be — or বসালে পরের অংশে should এর সাথে be verb ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত প্রয়োজন নেই। C) lest,should — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) and,must — and বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত হয়ে যায় এবং must এর ব্যবহার এখানে বেমানান। মনে রাখার টিপস: বাক্যে lest থাকলে চোখ বন্ধ করে পরের শূন্যস্থানে should বসিয়ে দেবে।
a Adjective phrase
b adverbial phrase
c Proverb
d Idiom
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverbial phrase কেন সঠিক: বাক্যে safe and sound অংশটি verb reached কে কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা বোঝাচ্ছে। এটি মূলত কেমনভাবে পৌঁছেছে তার উত্তর দেয় এবং verb কে modify করে। ক্রিয়ার ভাব বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি একটি adverbial phrase। এটি একটি মাত্র শব্দ নয় বরং একাধিক শব্দের সমষ্টি যা adverb এর কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective phrase — এটি noun বা pronoun কে বিশেষিত করে না বরং verb কে বিশেষিত করে। B) adverbial phrase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Proverb — এটি কোনো প্রচলিত প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য নয়। D) Idiom — এটি কোনো বাগধারা বা বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী শব্দগুচ্ছ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb কে কীভাবে বা কেমন করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত adverbial phrase হয়।
a burnt
b is burning
c will burn
d was burning
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) burnt কেন সঠিক: - বাক্যের মাঝখানে যখন while বা when থাকে, তখন একটি অংশ Past Continuous Tense এবং অন্য অংশ Simple Past Tense হয়। - এখানে when-এর পরের অংশ was cooking (Past Continuous) হওয়ায় অপর অংশটি Simple Past Tense (burnt) হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) burnt — এটি Past Indefinite Tense, যা চলমান কাজের মাঝে হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক। B) is burning — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতের ঘটনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) will burn — এটি Future Indefinite Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) was burning — এটি Past Continuous Tense, একই বাক্যের দুটি অংশে এই Tense ব্যবহার করলে অর্থ অস্পষ্ট হয়। মনে রাখার টিপস: While-এর পরে Past Continuous Tense এবং When-এর পরে সাধারণত Simple Past Tense বসে।
a in
b on
c by
d at
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: ভবিষ্যত সময়ের ব্যপ্তiti বোঝাতে 'in' preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে পাঁচ মিনিট সময়ের মধ্যে কাজটি শুরু হবে অর্থে 'in five minutes' সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, কারণ এটি ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট সময়সীমা বোঝায়। B) on — এটি সাধারণত বার বা নির্দিষ্ট তারিখের নামের পূর্বে বসে, তাই এখানে বসা ভুল। C) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করা বোঝাতে বসে, তাই এখানে হবে না। D) at — এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রহরের সময় বা ঘড়ির কাটার সময়ের পূর্বে বসে, তাই এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতে কতক্ষণ পর কোনো কাজ শুরু হবে তা বোঝাতে সময়ের আগে সাধারণত 'in' ব্যবহার করা হয়।
a of
b on
c into
d at
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) into কেন সঠিক: স্লাইডিং ইনটু বলতে ধীরে ধীরে কোনো খারাপ অবস্থায় চলে যাওয়া বোঝায়। এখানে বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশনের মধ্যে ডুবে যাওয়ার ভাব প্রকাশ পাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — অফ সাধারণত মালিকানা বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এই শূন্যস্থানে অর্থহীন। B) on — অন সাধারণত কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝায় যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। C) into — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) at — এট সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো খারাপ অবস্থা বা পরিস্থিতির মধ্যে ধীরে ধীরে প্রবেশ করা বোঝালে ইনটু প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
a off, on
b in, with
c within, with
d on, within
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) on, within কেন সঠিক: নির্ধারিত সময়ে কাজটি শেষ বোঝাতে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে অন বসে। বাজেটের সীমার মধ্যে খরচ বোঝাতে উইথিন ব্যবহার করা হয়। তাই শূন্যস্থানে যথাক্রমে অন এবং উইথিন বসবে। এই নিয়মটি বাক্যটির সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) off, on — অফ প্রিপজিশনটি এখানে সময়ের সাথে মানানসই নয়। B) in, with — ইন এবং উইথ প্রিপজিশনগুলো যথোপযুক্ত অর্থ প্রকাশ করে না। C) within, with — উইথিন প্রথমে বসলে অর্থ সঠিক হয় না এবং উইথ ভুল। D) on, within — এটি সঠিক হওয়ায় কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন এবং সীমার ভেতরে বোঝাতে উইথিন ব্যবহার করতে হয়।
a Only for
b But for
c But also
d Due to
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) But for কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আপনার আন্তরিক সহযোগিতা না থাকলে আমি ব্যর্থ হতাম। এই ধরনের শর্তমূলক বাক্যে ব্যতিরেকে বা না থাকলে অর্থ প্রকাশ করতে But for ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Only for — এই শব্দগুচ্ছ কেবল কোনো নির্দিষ্ট কারণ বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে conditional অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে না। B) But for — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি ছাড়া বা ব্যতিরেকে অর্থে বসলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়। C) But also — এটি সাধারণত Not only এর সাথে জোড়া হিসেবে বসে এবং বাক্যের গঠন এখানে মেলে না। D) Due to — এটি সাধারণত কোনো কারণে অর্থে বসে কিন্তু এখানে ছাড়া অর্থে But for এর প্রয়োজন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো সাহায্য বা সহযোগিতার অভাব বোঝাতে এবং না থাকলে অর্থে শূন্যস্থানের পর noun থাকলে চোখ বন্ধ করে But for বসাবে।
a incase
b incase of
c if
d unless
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) incase কেন সঠিক: incase কথাটি কোনো সম্ভাব্য বিপদের প্রস্তুতি নিতে কাজের আগে ব্যবহার করা হয়। বৃষ্টি হতে পারে এমন আশঙ্কায় আমি ছাতা নিই বোঝালে এটিই সঠিক হয়। ভবিষ্যতের কোনো ঘটনার সম্ভাব্য ফল এড়াতে এটি বসে। বাক্যের দুটি অংশের অর্থ মিল রাখতে এটি উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) incase — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ সুন্দরভাবে প্রকাশ করে। B) incase of — এর পরে সাধারণত কোনো নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে কিন্তু এখানে একটি সম্পূর্ণ clause আছে। C) if — বসালে অর্থ দাঁড়ায় যদি বৃষ্টি হয় তবেই আমি ছাতা নিই যা বাস্তবসম্মত নয়। D) unless — এর অর্থ যদি না, যা বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত ও ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের কোনো সম্ভাব্য ঘটনা মাথায় রেখে আগে থেকেই কিছু করলে incase ব্যবহার করতে হয়।
a as high to
b as high as
c so high as
d as high for
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) as high as কেন সঠিক: বাক্যে তুলনা বা পরিমাণ বোঝাতে as high as ব্যবহৃত হয়। এখানে বাইসাইকেলের দাম তিরিশ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে তা বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high to — ইংরেজী ব্যাকরণে as high এর পরে কখনো to বসে না। সঠিক নিয়ম হলো as এর সাথে সবসময় as ব্যবহার করা। B) as high as — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটির সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) so high as — সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে so... as ব্যবহৃত হয়, যা এই affirmative বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) as high for — এখানে for preposition ব্যবহারের কারণে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর সর্বোচ্চ পরিমাণ বা দাম বোঝাতে সর্বদা as... as গঠনটি ব্যবহার করতে হয়।
a went to
b visited to
c gone
d been to
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) been to কেন সঠিক: কোথাও গিয়ে আবার ফিরে আসার ক্ষেত্রে 'have been to' ব্যবহার করা হয়। বাক্যে পুনরায় ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝানো হয়েছে বলে সঠিক উত্তর 'been to'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) went to — এটি পাস্ট টেন্স এবং 'have' এর পরে পাস্ট ফর্ম বসে না। B) visited to — 'visit' এর পরে অতিরিক্ত 'to' বসে না। C) gone — 'gone' বসালে চিরতরে চলে যাওয়া বোঝায়, যা এখানে অর্থসংগত নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও গিয়ে ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা বুঝাতে 'have been to' ব্যবহার করতে হয়।
a is, working
b was,work
c was, working
d in, worked
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) was,work কেন সঠিক: বাক্যের প্রথমাংশ অতীতকালের ঘটনা নির্দেশ করছে, তাই শূন্যস্থানে Past Tense এর সাহায্যকারী verb 'was' বসবে। Modal verb 'allowed to' এর পর verb এর base form বা present form বসে, তাই দ্বিতীয় শূন্যস্থানে 'work' হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is,working — প্রথম অংশে present tense এর 'is' ব্যবহার করায় বাক্যটির কালের সংগতি নষ্ট হয়েছে। B) was,work — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) was,working — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে 'working' (gerund) বসালে বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। D) in,worked — প্রথম শূন্যস্থানে preposition ব্যবহার করলে subject এবং verb এর সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভেঙে যায়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের ভেতরের ঘটনা যদি অতীতের হয়, তবে পুরো বাক্যটি অতীতকালে রাখতে হবে এবং modal verb এর পরে সবসময় verb এর মূল রূপ বসে।
a having to drink
b having
c drink
d to take
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) having কেন সঠিক: ইংরেজি Grammar এর নিয়ম অনুযায়ী Would you mind phrases টির পরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। এখানে চা খাওয়ার ক্ষেত্রে drink বা take এর বদলে having ব্যবহার করা সবচেয়ে বেশি মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) having to drink — এই অপশনে অতিরিক্ত to এবং drink থাকায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে। B) having — এটি সঠিক উত্তর কারণ mind এর পরে verb এর সাথে ing বসে। C) drink — এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত না থাকায় এটি grammatically ভুল। D) to take — Would you mind এর পরে সরাসরি infinitive বসানো যায় না। মনে রাখার টিপস: Would you mind এর ঠিক পরেই যে verb আসে, তার সাথে সবসময় ing যোগ করতে হয়।
a 75
b 80
c 72
d 82
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, কেরোসিনের পরিমাণ = ৭ক লিটার পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৬০ ১০ক = ৬০ বা ক = ৬ সুতরাং, কেরোসিনের পরিমাণ = ৭ × ৬ = ৪২ লিটার পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ × ৬ = ১৮ লিটার ধরি, নতুন পেট্রোল মেশাতে হবে = ঘ লিটার অতএব, (১৮ + ঘ) ÷ ৪২ = ৭ ÷ ৩ ৩ × (১৮ + ঘ) = ৪২ × ৭ সুতরাং, ৫৪ + ৩ঘ = ২৯৪ ৩ঘ = ২৯৪ − ৫৪ = ২৪০ বা ঘ = ৮০ উত্তর: ৮০ লিটার
a (২৫/৯)
b (৭/২২)
c (২২/৭)
d (৫/৩)
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (২২/৭) প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = d = ২r অতএব, বৃত্তের পরিধি = ২πr সুতরাং, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = (২πr) ÷ (২r) উত্তর: ২২/৭
a ৩২,৮
b ৩৫,১০
c ৩৫,১২
d ৩৬,১০
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫,১০ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭:২ পাঁচ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৮:৩ ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ৭ক বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ২ক বছর অতএব, ৫ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৭ক + ৫ বছর ৫ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ২ক + ৫ বছর সুতরাং, প্রশ্নমতে, (৭ক + ৫) ÷ (২ক + ৫) = ৮ ÷ ৩ উত্তর: পিতার বয়স ৩৫ বছর এবং পুত্রের বয়স ১০ বছর
a 74
b 111
c 140
d 200
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৩৭% থেকে ৩৭ বিয়োগ করলে বিয়োগফল ৩৭ হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৩৭% − ৩৭ = ৩৭ ক এর ৩৭% = ৩৭ + ৩৭ ক এর ৩৭% = ৭৪ সুতরাং, ক × (৩৭ ÷ ১০০) = ৭৪ ক = ৭৪ × ১০০ ÷ ৩৭ ক = ২০০ উত্তর: ২০০
a 6
b 18
c 24
d 12
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: ২টি ধনাত্মক সংখ্যার পার্থক্য ৬ বর্গের পার্থক্য ১০৮ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক − খ = ৬ ক এর বর্গ − খ এর বর্গ = ১০৮ সুতরাং, (ক + খ) × (ক − খ) = ১০৮ (ক + খ) × ৬ = ১০৮ উত্তর: ক + খ = ১০৮ ÷ ৬ = ১৮
a 220
b 120
c 210
d 180
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২২০ প্রদত্ত তথ্য: সমতল ক্ষেত্রটির মোট বাহুর সংখ্যা = ১২ ত্রিভুজ গঠন করতে প্রয়োজন কৌণিক বিন্দু = ৩ ধরি, মোট কৌণিক বিন্দুর সংখ্যা = ১২ যেকোনো ৩টি বিন্দু নিয়ে ত্রিভুজ গঠিত হয় অতএব, ত্রিভুজ সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ১২ থেকে ৩ এর কম্বিনেশন অর্থাৎ ১২! ÷ (৩! × (১২ − ৩)!) সুতরাং, ১২ × ১১ × ১০ ÷ (৩ × ২ × ১) ১৩২০ ÷ ৬ উত্তর: ২২০
a 251
b 261
c 161
d 165
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬১ প্রদত্ত তথ্য: মাঠের দৈর্ঘ্য = ৫০ মিটার মাঠের প্রস্থ = ৪০ মিটার রাস্তার চওড়া = ৩ মিটার ধরি, লম্বালম্বি রাস্তার ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × রাস্তার চওড়া আড়াআড়ি রাস্তার ক্ষেত্রফল = প্রস্থ × রাস্তার চওড়া মাঝের অংশের ক্ষেত্রফল = রাস্তার চওড়ার বর্গ অতএব, লম্বালম্বি রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৫০ × ৩ = ১৫০ বর্গমিটার আড়াআড়ি রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৪০ × ৩ = ১২০ বর্গমিটার মাঝের অংশের ক্ষেত্রফল = ৩ × ৩ = ৯ বর্গমিটার সুতরাং, রাস্তা দুটির মোট ক্ষেত্রফল = ১৫০ + ১২০ − ৯ = ২৬১ বর্গমিটার উত্তর: ২৬১ বর্গমিটার
a 453.6
b 435.6
c 345.6
d 450.5
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৩৫.৬ প্রদত্ত তথ্য: জমির পরিমাপের একক হলো শতক এক একর সমান সমান একশত শতক ধরি, এক একর সমান সমান ৪৩৬০০ বর্গফুট অতএব, এক শতক জমি সমান সমান ৪৩৬০০ ÷ ১০০ বর্গফুট সুতরাং, এক শতক জমি সমান সমান ৪৩৫.৬ বর্গফুট উত্তর: ৪৩৫.৬ বর্গফুট
a ৪৫°
b ৬০°
c ৯০°
d ১৮০°
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র O এবং AB একটি জ্যা D বিন্দু হলো AB জ্যা এর মধ্যবিন্দু ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র O থেকে D বিন্দু পর্যন্ত রেখাংশ আঁকা হলো এই রেখাংশটি জ্যা AB এর উপর লম্ব হবে অতএব, OD রেখাংশ জ্যা AB কে সমদ্বিখণ্ডিত করেছে কেন্দ্র থেকে জ্যা এর মধ্যবিন্দুর সংযোজক রেখা জ্যা এর উপর লম্ব হয় সুতরাং, কোণ ODA এর মান নব্বই ডিগ্রি হলো কোণ ODB এর মান নব্বই ডিগ্রি হলো উত্তর: ৯০°
a ৩য়
b ৫ম
c ৪র্থ
d ২য়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ম প্রদত্ত তথ্য: রাশিগুলো হলো ৫, ৪, ৮, ১১, ৭, ৯, ১২, ১০, ১৩ মোট রাশির সংখ্যা = ৯ ধরি, রাশিগুলোকে ছোট থেকে বড় বা মধ্যক্রমে সাজানো হলো অতএব, সাজানোর পর রাশিগুলো হয় ৪, ৫, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩ সুতরাং, ঠিক মাঝখানে বা মধ্যমে অবস্থিত রাশিটি হলো ৯ উত্তর: ৫ম
a 1304
b 1034
c 1044
d 1372
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩০৪ প্রদত্ত তথ্য: x − y = ৮ xy = ৫ অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করে পাই, (x + y)² = (x − y)² + ৪xy (x + y)² = (৮)² + ৪ × ৫ মান বসিয়ে পাই, (x + y)² = ৬৪ + ২০ (x + y)² = ৮৪ এখন প্রদত্ত রাশি হলো, x³ − y³ + ৮(x + y)² মানগুলো বসিয়ে পাই, (x − y)³ + ৩xy(x − y) + ৮ × ৮৪ (৮)³ + ৩ × ৫ × ৮ + ৬৭১২ হিসাব করে পাই, ৫১২ + ১২০ + ৬৭১২ ১৩০৪ উত্তর: ১৩০৪
a 220
b 240
c 225
d 272
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হতে সময় লাগে ১২ মিনিট দুটি নল একত্রে খোলা থাকলে চৌবাচ্চা পূর্ণ হতে সময় লাগে ৪৮ মিনিট ধরি, চৌবাচ্চাটিতে মোট পানি ধরে = ক লিটার অতএব, প্রথম নল ১ মিনিটে পূর্ণ করে = ক ÷ ১২ অংশ দুটি নল একত্রে ১ মিনিটে পূর্ণ করে = ক ÷ ৪৮ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় নল ১ মিনিটে পানি বের করে = (ক ÷ ১২) − (ক ÷ ৪৮ অংশ) = (৪ক − ক) ÷ ৪৮ = ৩ক ÷ ৪৮ = ক ÷ ১৬ অংশ প্রশ্নমতে, ক ÷ ১৬ = ১৫ ক = ১৫ × ১৬ উত্তর: ২৪০ লিটার
a 2a2-5ab-8b2
b 2a2-5ab+8b2
c 2a2+5ab-8b2
d কোনটিই নয়
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ক২ + ৫কখ − ৮খ২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ক৩ − ৯খ৩ + (ক + খ) রাশিটির একটি উৎপাদক হলো (ক − খ) ধরি, রাশিটিকে বহুপদী হিসেবে বিবেচনা করি এফ(ক) = ক৩ − ৯খ৩ + ক + খ অতএব, উৎপাদক উপপাদ্য অনুসারে (ক − খ) দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ শূন্য হবে তাই ক এর পরিবর্তে খ বসিয়ে পাই এফ(খ) = খ৩ − ৯খ৩ + খ + খ সুতরাং, মূল রাশিটিকে (ক − খ) দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল পাওয়া যাবে ভাগ করে পাই ২ক২ + ৫কখ − ৮খ২ উত্তর: C) ২ক২ + ৫কখ − ৮খ২
a 6
b 8
c 12
d 10
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ২০ জন শ্রমিকের মোট কাজ শেষ করতে সময় লাগে ১২ দিন কাজ শুরু করার ৪ দিন পর ১০ জন শ্রমিক চলে যায় ধরি, ২০ জন শ্রমিক ১ দিনে করে মোট কাজের ১ ভাগ ১২ অংশ ২০ জন শ্রমিক ৪ দিনে করে মোট কাজের ৪ ভাগ ১২ অংশ বা ১ ভাগ ৩ অংশ অতএব, বাকী কাজ থাকে ১ বিয়োগ ১ ভাগ ৩ অংশ বা ২ ভাগ ৩ অংশ ৪ দিন পর শ্রমিক অবশিষ্ট থাকে ২০ বিয়োগ ১০ সমান ১০ জন সুতরাং, ২০ জন শ্রমিক পুরো কাজ করে ১২ দিনে ১০ জন শ্রমিক পুরো কাজ করতে সময় নেয় ১২ গুণ ২ সমান ২৪ দিন উত্তর: ২৪ এর ২ ভাগ ৩ অংশ সমান ১৬ দিন, এবং ১৬ বিয়োগ ৮ সমান ৮ দিন
a 9
b 11
c 12
d 10
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলোর পরিসীমা হলো একচল্লিশ থেকে নব্বই পর্যন্ত ধরি, প্রথম দশক হলো একচল্লিশ থেকে পঞ্চাশ দ্বিতীয় দশক হলো একান্ন থেকে ষাট তৃতীয় দশক হলো একষষ্টি থেকে সত্তর চতুর্থ দশক হলো একাত্তর থেকে আশি পঞ্চম দশক হলো একাশিত থেকে নব্বই অতএব, একচল্লিশ থেকে পঞ্চাশ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা তিনটি যথা একচল্লিশ, তেতাল্লিশ, উনপঞ্চাশ নয় বরং সাতাশ নয়, ছিয়ানব্বই নয়, পঁয়তাল্লিশ নয়, সংক্ষেপে তেতাল্লিশ, উনপঞ্চাশ নয়, সাঁইচল্লিশ এবং উনপঞ্চাশ নয়, উনপঞ্চাশ মৌলিক নয় একচল্লিশ থেকে পঞ্চাশ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা তিনটি হলো একচল্লিশ, তেতাল্লিশ এবং সাঁইচল্লিশ একান্ন থেকে ষাট পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা দুটি হলো তিপ্পান্ন এবং উনষাট সুতরাং, একষষ্টি থেকে সত্তর পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা দুটি হলো একষষ্টি এবং সাতষষ্টি একাত্তর থেকে আশি পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা তিনটি হলো একাত্তর, তিয়াত্তর এবং উনআশি একাশিত থেকে নব্বই পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা দুটি হলো তিরাশি এবং সাতাশি উত্তর: ৩ + ২ + ২ + ৩ + ২ = ১২টি
a 25
b 30
c 35
d 49
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে শুরু করে ৪৯ পর্যন্ত ধারাবাহিক সংখ্যাগুলো দেওয়া আছে এখানে প্রথম সংখ্যাটি হলো ১ এবং শেষ সংখ্যাটি হলো ৪৯ ধরি, ধারাবাহিক সংখ্যাগুলোর মোট পদের সংখ্যা = ৪৯ প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ৪৯ অতএব, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = পদের সংখ্যা × (প্রথম পদ + শেষ পদ) ÷ ২ সমষ্টি = ৪৯ × (১ + ৪৯) ÷ ২ সমষ্টি = ৪৯ × ৫০ ÷ ২ সুতরাং, সমষ্টি = ১২২৫ গড় = সমষ্টি ÷ পদের সংখ্যা গড় = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫ উত্তর: ২৫
a 20
b 36
c 24
d 44
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৮ সে.মি. রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৯ সে.মি. ধরি, রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বাহুর দৈর্ঘ্য × বাহুর দৈর্ঘ্য অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৮ × ৯ বর্গ সে.মি. রম্বসের ক্ষেত্রফল = ৩৬ বর্গ সে.মি. প্রশ্নমতে, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৩৬ বর্গ সে.মি. সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = √৩৬ = ৬ সে.মি. বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ৬ = ২৪ সে.মি. উত্তর: ২৪
a 3
b 4
c 5
d 6
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজ আঁকার জন্য জ্যামিতিক শর্ত প্রয়োজন নির্দিষ্ট পরিমাপের জন্য উপাত্তের সংখ্যা নির্দিষ্ট ধরি, চতুর্ভুজের বাহু এবং কোণ মিলিয়ে মোট উপাত্ত দরকার অতএব, একটি সাধারণ চতুর্ভুজ অঙ্কনে বাহুর সংখ্যা চারটি এবং কোণ অথবা diagonals মিলিয়ে মোট উপাত্ত লাগে পাঁচটি সুতরাং, জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী চতুর্ভুজ আঁকতে ৫ টি উপাত্ত আবশ্যিক উত্তর: ৫
a 10650
b 10546
c 10648
d 10748
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০৬৪৮ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন বা আসল (P) = ৮০০০ টাকা বার্ষিক মুনাফার হার (r) = ১০% = ১০ ÷ ১০০ সময় (n) = ৩ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C অতএব, চক্রবৃদ্ধি মূলধনের সূত্র অনুযায়ী, C = P × (১ + r)^n এখানে, (১ + r) = ১ + (১০ ÷ ১০০) = ১ + ০.১ = ১.১ সুতরাং, C = ৮০০০ × (১.১) × (১.১) × (১.১) = ৮০০০ × ১.৩৩১ = ১০৬৪৮ টাকা উত্তর: ১০৬৪৮ টাকা
a ১৮০°
b ১৭০°
c ২৭০°
d ৩৬০°
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে পর্যায়ক্রমে একই দিকে বর্ধিত করা হলো। ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০°। ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণ ক, খ এবং গ। ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ (১৮০° − ক), (১৮০° − খ) এবং (১৮০° − গ)। অতএব, তিনটি বহিঃস্থ কোণের যোগফল = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ) = (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ) সুতরাং, যোগফল = ৫৪০° − ১৮০° উত্তর: ৩৬০°
a হাউজ অব কমনস
b হাউজ অব সিনেট
c প্রতিনিধি সভা
d হাউজ অব লর্ডস
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাউজ অব সিনেট প্রশ্নের ধরন ও বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কংগ্রেস, যা দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত। - এর উচ্চকক্ষের নাম সিনেট এবং নিম্নকক্ষের নাম হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস বা প্রতিনিধি সভা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাউজ অব কমনস — এটি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নির্বাচিত নিম্নকক্ষের নাম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়। B) হাউজ অব সিনেট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ হিসেবে সঠিকভাবে নির্ধারিত। C) প্রতিনিধি সভা — এটি মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের নাম, উচ্চকক্ষ নয়। D) হাউজ অব লর্ডস — এটি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নাম, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ হলো সিনেট এবং যুক্তরাজ্যের উচ্চকক্ষ হলো হাউজ অব লর্ডস।
a 1976
b 1977
c 1960
d 1979
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও প্রতিষ্ঠান সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৯ (প্রদত্ত C) ১৯৬০ উত্তরটি ভুল। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ বা আইসিডিডিআর,বি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৯ সালে।) কেন সঠিক: - ১৯৬০ সালে এটি এসইটিআরসি নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালে আন্তর্জাতিক সংস্থার রূপ লাভ করে আইসিডিডিআর,বি নামে আত্মপ্রকাশ করে। - ঢাকাস্থ মহাখালীতে অবস্থিত এই আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি মূলত ডায়রিয়া ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1976 — এই সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি প্রতিষ্ঠালগ্ন ও রূপান্তরের সঠিক সাল নয়। B) 1977 — এই সালটি এই আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) 1960 — এই সালে তৎকালীন এসইটিআরসি প্রতিষ্ঠিত হলেও আইসিডিডিআর,বি হিসেবে এর পূর্ণাঙ্গ আত্মপ্রকাশ ১৯৭৯ সালে হয়। D) 1979 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই বর্তমান নামে প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। মনে রাখার টিপস: আইসিডিডিআর,বি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ১৯৭৯ সালটি মনে রাখতে হবে, যদিও এর পূর্বরূপ শুরু হয়েছিল ১৯৬০ সালে।
a 1976
b 1960
c 1978
d 1979
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) 1976 কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (ICDDR, B) ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এটি মহাখালী, ঢাকায় অবস্থিত এবং ডায়রিয়া রোগ নিয়ে বিশ্বমানের গবেষণা পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1976 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। B) 1960 — এই সালে প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সঠিক সন নয়। C) 1978 — এটি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল নয়, এটি পরবর্তীতে আইসিডিডিআরবি নামে রূপ নেয়। D) 1979 — এই সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়, তবে প্রতিষ্ঠার সূচনা সাল ১৯৭৬। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (ICDDR, B) প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ৭৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a নেপাল
b ভুটান
c বাংলাদেশ
d ভারত
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নেপাল কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নেপালের পার্লামেন্টে নারী সদস্যের হার সর্বাধিক। - নেপালের আইনসভায় নারীদের আসন সংরক্ষণের সুনির্দিষ্ট কোটা এবং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানকার পার্লামেন্টে নারীর প্রতিনিধিত্ব সবচেয়ে বেশি। B) ভুটান — ভুটানের পার্লামেন্টে নারী সদস্যের হার নেপালের তুলনায় বেশ কম। C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশের সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব থাকলেও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে তা সর্বোচ্চ নয়। D) ভারত — ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভায় নারী সদস্যের হার নেপালের তুলনায় কম। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ার পার্লামেন্টে নারী সদস্য বেশি নেপালে, নে দিয়ে নেপাল মনে রাখা যায়।
a গ্রানাডা ও নাউরু
b ফিজি ও গিনি বিসাউ
c নাউরু ও ফিজি
d গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - একই দিনে বাংলাদেশসহ গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রানাডা ও নাউরু — নাউরু এই দিনে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, তাই এটি ভুল। B) ফিজি ও গিনি বিসাউ — ফিজি এই নির্দিষ্ট তারিখে সদস্যপদ লাভ করেনি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) নাউরু ও ফিজি — এই দুটি দেশের মধ্যে ফিজি ও নাউরু ভিন্ন সময়ে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। D) গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ — এই দুটি দেশই বাংলাদেশের সাথে ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি বিসাউ একই দিনে জাতিসংঘে যোগ দেয়, যা মনে রাখতে বাংলা অক্ষর বা নামের প্রথম বর্ণ মিলিয়ে নিতে পারেন।
a বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন
b বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড
c ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ
d কোনটিই নয়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংস্থা যা দেশের পর্যটন খাতের বিকাশ ও উন্নয়নে কাজ করে। - এটি বাংলাদেশের প্রথম ও প্রধান জাতীয় পর্যটন সংস্থা হিসেবে পর্যটন শিল্পের অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দেশের সরকারি পর্যটন সংস্থা। B) বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড — এটি পর্যটন খাতের নিয়ন্ত্রক ও পরিকল্পনা প্রণয়নকারী জাতীয় পর্যটন বোর্ড, যা ২০১০ সালে গঠিত হয়। C) ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ — এটি পর্যটন ব্যবসায়ীদের একটি বেসরকারি বাণিজ্য সংগঠন, কোনো সরকারি জাতীয় সংস্থা নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর প্রথম অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পর্যটন খাতের মূল সরকারি সংস্থা কর্পোরেশন আর নিয়ন্ত্রক বোর্ড।
a চিত্তরঞ্জন দত্ত
b আবু ওসমান চৌধুরী
c আবু তাহের
d খালেদ মোশারফ
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চিত্তরঞ্জন দত্ত কেন সঠিক: - বাংলাদেশ রাইফেলস বর্তমান বিজিবি এর প্রতিষ্ঠাকালীন মহাপরিচালক ছিলেন মেজর জেনারেল চিত্তরঞ্জন দত্ত সিআর দত্ত। - তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিত্তরঞ্জন দত্ত - এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলাদেশ রাইফেলস এর প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন। B) আবু ওসমান চৌধুরী - তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, কিন্তু বাংলাদেশ রাইফেলস এর প্রথম মহাপরিচালক নন। C) আবু তাহের - তিনি একজন বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, এই পদের সাথে সম্পর্কিত নন। D) খালেদ মোশারফ - তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীতে কে ফোর্স এর কমান্ডার ছিলেন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ রাইফেলস এর প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার এবং বীর উত্তম সিআর দত্ত।
a 15
b 20
c 22
d 23
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৩ কেন সঠিক: - মার্কিন সাতারু মাইকেল ফেলপস অলিম্পিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ পদকধারী একজন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ। - তিনি তার বর্ণিল অলিম্পিক ক্যারিয়ারে মোট ২৩টি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ — এই সংখ্যাটি ফেলপসের মোট স্বর্ণপদকের সংখ্যার চেয়ে অনেক কম এবং এটি সঠিক পরিসংখ্যান নয়। B) ২০ — ফেলপস ২০টি স্বর্ণপদক জয়ের মাইলফলক অতিক্রম করে আরও বেশি পদক অর্জন করেছিলেন। C) ২২ — তিনি ২২টি স্বর্ণপদক অর্জনের পরও আরও একটি স্বর্ণপদক জিতে মোট সংখ্যা ২৩টিতে উন্নীত করেছিলেন। D) ২৩ — এটি মাইকেল ফেলপসের অর্জিত স্বর্ণপদকের সঠিক সংখ্যা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মাইকেল ফেলপসের নাম মনে রাখলেই মনে রাখবে তিনি দুই ডজন থেকে মাত্র একটি কম অর্থাৎ ২৩টি অলিম্পিক স্বর্ণপদক পেয়েছেন।
a 18
b 11
c 12
d 13
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ দীর্ঘকাল ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বাধিক শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। - বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা প্রায় ১৮টি দেশে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ — এটি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের বর্তমান কার্যরত দেশের সঠিক সংখ্যা। B) ১১ — এই সংখ্যাটি বর্তমান সক্রিয় মিশনের বাস্তব পরিসরের সঙ্গে মেলে না। সি) ১২ — এই সংখ্যাটি বর্তমান শান্তিরক্ষা মিশনের সঠিক হিসাবের চেয়ে কম। D) ১৩ — এই সংখ্যাটি দিয়ে বর্তমান শান্তিরক্ষী কার্যক্রমের প্রকৃত পরিধি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আঠারোটি দেশে শান্তি বজায় রাখতে কাজ করছে, সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৮ মনে রাখুন।
a ৩০ বছর
b ৪০ বছর
c ৫০ বছর
d ৭০ বছর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭০ বছর কেন সঠিক: - রাজা ভূমিবল (নবম রামা) ১৯৪৬ সালের ৯ই জুন থাইল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন। - তিনি ২০১৬ সালের ১৩ই অক্টোবর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় ৭০ বছর ১২৬ দিন রাজত্ব করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ বছর — এই মেয়াদটি রাজা ভূমিবলের দীর্ঘ রাজত্বকালের চেয়ে অনেক কম এবং বাস্তব ইতিহাসের সঙ্গে মেলে না। B) ৪০ বছর — থাইল্যান্ডের এই রাজার রাজত্বকাল এর চেয়েও অনেক দীর্ঘ ছিল। C) ৫০ বছর — সুবর্ণ জয়ন্তী বা ৫০ বছর রাজত্ব করলেও তিনি আরও দীর্ঘ সময় সিংহাসনে আসীন ছিলেন। D) ৭০ বছর — এটি রাজা ভূমিবলের সঠিক ও ঐতিহাসিক রাজত্বকাল। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল ছিলেন আধুনিক বিশ্বের দীর্ঘতম সময় রাজত্বকারী রাজাদের একজন, যার মেয়াদ ছিল প্রায় ৭০ বছর।
a সক্রেটিস
b প্লোটো
c এরিস্টোটল
d ভলতেয়ার
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এরিস্টোটল কেন সঠিক: - গ্রিক দার্শনিক এরিস্টোটল খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৫ অব্দে এথেন্সে লাইসিয়াম নামক বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা গিমনেসিয়াম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। - এখানে তিনি পেরিপেটেটিক দর্শন চর্চা করতেন এবং বিজ্ঞান, দর্শন ও রাজনীতি বিষয়ে পাঠদান করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্রেটিস — তিনি কোনো স্থায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেননি, বরং রাজপথে বা বাজারে ঘুরে তরুণদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে শিক্ষা দিতেন। B) প্লোটো — তিনি এথেন্সে একাডেমি নামক শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন, যা লাইসিয়াম নয়। D) ভলতেয়ার — তিনি ফরাসি প্রদীপ্ত যুগের একজন দার্শনিক ও লেখক ছিলেন, প্রাচীন গ্রিসের কোনো শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করেননি। মনে রাখার টিপস: প্লোটোর প্রতিষ্ঠান একাডেমি এবং এরিস্টোটলের প্রতিষ্ঠান লাইসিয়াম, নামের এই পার্থক্য মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
a 2
b 3
c 4
d 5
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 3 কেন সঠিক: - ওআইসি বা ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার দাপ্তরিক বা কার্যনির্বাহী ভাষা মোট তিনটি। - সংস্থাটির দাপ্তরিক ভাষাগুলো হলো আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2 — এটি সঠিক নয় কারণ ওআইসি-র দাপ্তরিক ভাষা দুটি নয়, বরং তিনটি। B) 3 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সংস্থাটিতে তিনটি ভাষা ব্যবহৃত হয়। C) 4 — এটি ভুল কারণ ওআইসি-র দাপ্তরিক ভাষা চারটি নয়। D) 5 — এটি ভুল কারণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা পাঁচটি হলেও ওআইসি-র ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ওআইসি-র ভাষা মনে রাখতে আ-এ-ফ (আরবি, ইংরেজি, ফরাসি) এই সংক্ষিপ্ত রূপটি মনে রাখতে পারেন।
a 10
b 15
c 18
d 20
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ একর কেন সঠিক: - পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্থায়ী কেন্দ্র হিসেবে এটি ২০ একর জমির ওপর নির্মিত হয়েছে। - চীন সরকারের আর্থিক সহায়তায় নির্মিত এই প্রদর্শনী কেন্দ্রটির মোট ফ্লোর স্পেস প্রায় ৩৩ হাজার বর্গমিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ একর — এটি নির্ধারিত জমির পরিমাণের অর্ধেক এবং এই প্রকল্পের আয়তনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) ১৫ একর — এটিও সঠিক জমির পরিমাপের চেয়ে কম এবং প্রকল্পটির প্রকৃত নকশার সাথে মেলে না। C) ১৮ একর — এই পরিমাণ জমি বাণিজ্য মেলার মূল নকশা বা বরাদ্দের পরিমাণের চেয়ে কম। D) ২০ একর — এটি সঠিক পরিমাপ এবং এই অপশনটিই নির্দিষ্ট তথ্যের সাথে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য মেলা মানেই বড় পরিসর, তাই মনে রাখুন বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি ঠিক কুড়ি একর জমির ওপর তৈরি হয়েছে।
a শামসুর রহমান
b বুদ্ধদেব বসু
c জীবনানন্দ দাশ
d সমর সেন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ কেন সঠিক: - কবি জীবনানন্দ দাশ ও লাবণ্য দাসের বিবাহবার্ষিকী এবং তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে ২২ অক্টোবর দিনটিকে তাঁর প্রণয় দিবস হিসেবে স্মরণ করা হয়। - বাংলা সাহিত্যে নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দ দাশের জীবন ও প্রেমে এই দিনটির বিশেষ আবেগঘন তাৎপর্য রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রহমান — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা আধুনিক কবি হলেও ২২ অক্টোবর তাঁর কোনো বিশেষ প্রণয় দিবস নয়। B) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক ও ত্রয়োবিংশ শতাব্দীর সাহিত্য আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হলেও এই তারিখটি তাঁর প্রণয় দিবস হিসেবে পরিচিত নয়। D) সমর সেন — ইনি বাংলা প্রগতিশীল ধারার আধুনিক কবি ও সাংবাদিক হলেও এই বিশেষ তারিখের সঙ্গে তাঁর প্রণয় দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের নামের সঙ্গে রূপসী বাংলার নির্জনতা যেমন যুক্ত, তেমনি তাঁর প্রণয় দিবস হিসেবে ২২ অক্টোবর তারিখটি মনে রাখতে হবে।
a দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে
b চট্টগ্রামের রাউজানে
c জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে
d কুমিল্লার ময়নামতিতে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রামের রাউজানে কেন সঠিক: - মহামুনি বিহার বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও প্রাচীন বৌদ্ধ তীর্থস্থান। - প্রতি বছর এখানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব মহামুনি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে — এটি উত্তরবঙ্গের একটি উপজেলা, যেখানে এই বিহারটি অবস্থিত নয়। B) চট্টগ্রামের রাউজানে — এই অপশনটি সঠিক এবং মহামুনি বিহার এখানেই অবস্থিত। C) জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে — এটি ময়মনসিংহ অঞ্চলের একটি এলাকা, যা এই বৌদ্ধ বিহারের অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। D) কুমিল্লার ময়নামতিতে — এটি প্রাচীন সমতটের বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র হলেও মহামুনি বিহার এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মহা মুনি, রাউজান শুনি।
a 1
b 2
c 3
d 4
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে মোট সদস্য ছিলেন চৌত্রিশ জন এবং একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু। - ১৯৭২ সালের তেসরা এপ্রিল গঠিত এই কমিটির প্রধান ছিলেন ড. কামাল হোসেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে বেগম রাজিয়া বানু অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। B) ২ — এই অপশনটি ভুল কারণ কমিটিতে একাধিক নারী সদস্য ছিলেন না, কেবল একজন নারী সদস্য ছিলেন। C) ৩ — এই অপশনটি ভুল কারণ কমিটিতে তিন জন নারী সদস্য থাকার ঐতিহাসিক কোনো তথ্য নেই। D) ৪ — এই অপশনটি ভুল কারণ কমিটিতে চার জন নারী সদস্যের কোনো উপস্থিতি ছিল না। মনে রাখার টিপস: সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে নারী সদস্য ছিলেন মাত্র একজন, আর তিনি হলেন বেগম রাজিয়া বানু।
a লন্ডন
b প্যারিস
c ব্রাসেলস
d মাদ্রিদ
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ব্রাসেলস (প্রদত্ত উত্তর লন্ডন ভুল ছিল, কারণ ন্যাটো-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল লন্ডনে নয়, বরং ১৯৪৯ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত এর অস্থায়ী সদর দপ্তর ছিল লন্ডনে এবং ১৯৫২ সালে তা প্যারিসে স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে এর স্থায়ী সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর বলতে সাধারণত প্রথম বা প্রাথমিক সদর দপ্তর বোঝানো হয়, যা লন্ডন ছিল। তবে প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি দিক বিবেচনায় বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য।) কেন সঠিক: - উত্তর এ লন্ডন সঠিক কারণ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার পর এর প্রথম সদর দপ্তর ১৯৪৯ সালে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে স্থাপন করা হয়েছিল। - পরবর্তীতে ১৯৫২ সালে সদর দপ্তর লন্ডন থেকে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে স্থানান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি ১৯৪৯ সালে ন্যাটোর প্রথম বা প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল, যা পরবর্তীতে স্থানান্তরিত হয়। B) প্যারিস — ১৯৫২ সালে লন্ডন থেকে সদর দপ্তর এখানে স্থানান্তরিত হয়েছিল এবং ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এটি এখানে ছিল। C) ব্রাসেলস — এটি ন্যাটোর বর্তমান ও স্থায়ী সদর দপ্তর, যা ১৯৬৭ সালে প্যারিস থেকে এখানে স্থানান্তরিত হয়। D) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং ন্যাটোর সদর দপ্তর বা এর ইতিহাস এর সঙ্গে কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: ন্যাটোর যাত্রা শুরু হয়েছিল লন্ডন দিয়ে, ঘুরে এলো প্যারিস, আর এখন স্থায়ী ঠিকানা হলো ব্রাসেলস।
a 1970
b 1973
c 1976
d 1977
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1973 কেন সঠিক: - ১৯১৩ সালের ১৭ জুলাই আফগানিস্তানের রাজা জহির শাহের শাসনামলে এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থান ঘটে। - এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটিতে দীর্ঘ রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং মোহাম্মদ দাউদ খান রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1970 — এই সালে আফগানিস্তানে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটেনি, তখন জহির শাহের রাজত্বকাল চলছিল। B) 1973 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই আফগানিস্তানে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। C) 1976 — এই সালে রাজতন্ত্রের পতন ঘটেনি, বরং এটি দাউদ খানের প্রজাতান্ত্রিক শাসনের একটি বছর ছিল। D) 1977 — এই সালটি রাজতন্ত্রের অবসানের নয়, বরং এই বছর নতুন সংবিধানের মাধ্যমে দাউদ খানের প্রেসিডেন্সিয়াল শাসন শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের রাজতন্ত্রের অবসান এবং প্রজাতন্ত্র চালুর সালটি মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ১৯১৩ এর উল্টো বা শেষের জোড় সাল ১৯৭৩।
a ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২
b ১৬ডিসেম্বর ১৯৭২
c ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৭৩
d ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭৩
0 203 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৭৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালের ১৫ই ডিসেম্বর সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সাতজন বীরশ্রেষ্ঠর খেতাব ঘোষণা করে। - বিজয়ের ঠিক এক বছর পূর্তির আগের দিন এই বীরদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে বীরশ্রেষ্ঠদের নাম ঘোষণা করা হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি বিজয়ের প্রথম বার্ষিকী, কিন্তু বীরশ্রেষ্ঠদের নাম এই দিনে ঘোষণা করা হয়নি। C) ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই তারিখেই গেজেট প্রকাশিত হয়। D) ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭৩ — এটি বিজয়ের দ্বিতীয় বার্ষিকী, এই তারিখের একদিন আগে খেতাব ঘোষণা করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের ঠিক একদিন আগে অর্থাৎ ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে বীরশ্রেষ্ঠদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল।
a 34
b 35
c 36
d 37
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫ কেন সঠিক: - পাকিস্তান সরকার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমনে এই মামলা করে। - এই মামলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৪ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মামলার চার্জশিটে আসামির সংখ্যা ছিল ৩৫ জন। B) ৩৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মামলায় মূল আসামির সংখ্যা ছিল ঠিক ৩৫ জন। C) ৩৬ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ অতিরিক্ত কোনো আসামিকে এই হিসাবে ধরা হয়নি। D) ৩৭ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ পরবর্তীতে আসামির সংখ্যা পরিবর্তিত হলেও মূল মামলার আসামি ৩৫ জন ছিল। মনে রাখার টিপস: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি সংখ্যা মনে রাখতে পাঁচের অংকটি মনে রাখুন, যেখানে মোট আসামি ছিলেন ৩৫ জন।

মোট প্রশ্ন (20)

a শব্দের পরিবর্তনের সাথে
b বাক্যের পরিবর্তনের সাথে
c ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে
d পদ পরিবর্তন এর সাথে
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে ১. কেন সঠিক: - ভাষার মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি, তাই ধ্বনির রূপান্তর ঘটলেই সামগ্রিকভাষার রূপ পরিবর্তিত হয়। - ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমেই একটি ভাষা কালক্রমে অন্য নতুন রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা হলো মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম এবং ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক। - মুখের ভাষা পরিবর্তনের মূল কারণ হলো ধ্বনি পরিবর্তন বা ধ্বনির আগমন, লোপ ও রূপান্তর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলাবু থেকে লাউ ব্যাখ্যা: আদি শব্দের ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন শব্দের সৃষ্টি হয়েছে যা ভাষা পরিবর্তনের নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ধর্ম থেকে ধম্ম ব্যাখ্যা: ধ্বনির পরিবর্তন বা ব্যঞ্জনধ্বনির দ্বিত্বকরণের মাধ্যমে ভাষারূপের বিবর্তন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের পরিবর্তনের সাথে — শব্দের পরিবর্তন মূলত ধ্বনি পরিবর্তনেরই ফল, তাই এটি প্রাথমিক বা মূল কারণ নয়। B) বাক্যের পরিবর্তনের সাথে — বাক্য গঠিত হয় পদের মাধ্যমে এবং পদের পেছনে থাকে শব্দ ও ধ্বনি। C) ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে — এটি সঠিক কারণ ধ্বনিই ভাষার পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। D) পদ পরিবর্তন এর সাথে — পদ ব্যাকরণগত সম্পর্কের সাথে যুক্ত, ভাষার ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সাথে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা বদলায় মুখে মুখে, আর মুখে উচ্চারিত হয় ধ্বনি। তাই ভাষা পরিবর্তন মানেই ধ্বনির পরিবর্তন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধ্বনি পরিবর্তন বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যা ভাষার ইতিহাস বুঝতে সাহায্য করে।
a আশাবাদ
b আবেগ
c আনুগত্য
d আনন্দ
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আনন্দ ১. কেন সঠিক: এই চরণে 'আ' হলো একটি আবেগসূচক শব্দ বা অনন্যাব্যয়, যা মনের গভীর আবেগ প্রকাশ করে। এখানে মাতৃভাষা বাংলার রূপ ও মাধুর্য দেখে কবির মনে যে উল্লাস ও সুখের অনুভূতি জেগেছে, তা আনন্দের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের পদ প্রকরণের অন্তর্গত অনন্যাব্যয় পদের একটি সুন্দর উদাহরণ। যে অব্যয় শব্দ মনের নানা ভাব বা বিকার প্রকাশ করে তাকে আবেগবাচক অনন্যাব্যয় বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঃ কী চমৎকার দৃশ্য! ব্যাখ্যা: এখানে 'বাঃ' শব্দটি দিয়ে মনের আনন্দ ও উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: শাবাশ! দারুণ খেলেছ। ব্যাখ্যা: এখানে 'শাবাশ' শব্দটি দিয়ে উৎসাহ ও আনন্দ মিশ্রিত প্রশংসা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশাবাদ — আশাবাদ অর্থ ভবিষ্যতের কোনো ভালো কিছুর প্রত্যাশা করা, যা এই চরণের মূল ভাবের সঙ্গে মেলে না। B) আবেগ — আবেগ একটি ব্যাপক শব্দ; তবে এখানে সুনির্দিষ্টভাবে আনন্দের ভাব প্রকাশ পাওয়ায় সাধারণ আবেগ অপশনটি সঠিক নয়। C) আনুগত্য — আনুগত্য অর্থ অনুগত থাকা বা বাধ্য থাকা, যার সঙ্গে ভাষার সৌন্দর্যের কোনো সম্পর্ক নেই। D) আনন্দ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চরণে ভাষার প্রকাশে আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মনের হঠাৎ উৎসারিত সুখ বা উল্লাস প্রকাশ পেলে তা সর্বদা আনন্দের অভিব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবে। শব্দের প্রারম্ভিক অব্যয় দেখে তার ভাবার্থ অনুধাবন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন প্রায়ই অনন্যাব্যয় বা কারক থেকে আসে। বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে পদের ধরন নির্ধারণ করতে হয়।
a জটিল
b মিশ্র
c যৌগিক
d সরল
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক ১. কেন সঠিক: - বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য 'বুঝে শুনে উত্তর দাও' এবং 'ভুল হবে' একটি সংযোজক অব্যয় 'নতুবা' দ্বারা যুক্ত হয়েছে। - যৌগিক বাক্যে একাধিক প্রধান খণ্ডবাক্য বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা, নতুবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে এক বা একাধিক প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে একটি মাত্র আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। - যৌগিক বাক্যে খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয় না, বরং স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে এবং সংযোগকারী অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি অনেক পড়াশোনা করলেন, কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারলেন না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'তিনি অনেক পড়াশোনা করলেন' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারলেন না' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য উঠল এবং চারদিক আলোকিত হলো। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকালে সূর্য উঠল' এবং 'চারদিক আলোকিত হলো' দুটি স্বাধীন সরল বাক্য 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, কিন্তু এখানে কোনো আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য নেই। C) যৌগিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য নতুবা অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। D) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে দুটি আলাদা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত খণ্ডবাক্য আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝে এবং, কিন্তু, অথবা, নতুবা, কিংবা, অতএব প্রভৃতি অব্যয় খুঁজে দেখা। - সরল বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া একটি থাকে, আর যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দিয়ে জোড়া থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর ও বাক্য চিহ্নিতকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংযোজক অব্যয় দেখে খণ্ডবাক্যের স্বাধীনতা যাচাই করলে যৌগিক বাক্য খুব সহজেই চেনা যায়।
a অসমাপিকা
b সমাপিকা
c দিকর্মক
d প্রযোজক
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসমাপিকা ১. কেন সঠিক: যে ক্রিয়া পদ দ্বারা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পায় না এবং অর্থের পূর্ণতার জন্য অন্য কোনো সমাপিকা ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করতে হয়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। এখানে 'গিয়ে' ক্রিয়াটি শোনার পর শ্রোতার মনে আরও প্রশ্ন থেকে যায়, তাই এটি অসমাপিকা ক্রিয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের যে ক্রিয়া দ্বারা বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয় না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। অসমাপিকা ক্রিয়া সাধারণত ক্রিয়ার শেষে ই, ইতে বা তে বিভক্তি যুক্ত হয়ে গঠিত হয় এবং এটি বাক্যের শেষে বসে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়। ব্যাখ্যা: এখানে 'উঠলে' পদটি অসমাপিকা ক্রিয়া কারণ এর মাধ্যমে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়নি। উদাহরণ ২: সে ভাত খেয়ে স্কুলে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'খেয়ে' পদটি অসমাপিকা ক্রিয়া কারণ এটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ না করে পরবর্তী সমাপিকা ক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসমাপিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'গিয়ে' পদটি বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ করতে পারেনি এবং এটি সমাপিকা ক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। B) সমাপিকা — এই অপশনটি ভুল কারণ সমাপিকা ক্রিয়া মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, কিন্তু 'গিয়ে' তা করে না। C) দিকর্মক — এই অপশনটি ভুল কারণ দিকর্মক ক্রিয়া হলো সেই ক্রিয়া যার দুটি কর্ম থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) প্রযোজক — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রযোজক ক্রিয়া হলো একজনের চালনায় অন্য কর্তৃক পরিচালিত ক্রিয়া, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: যে ক্রিয়ার শেষে ই বা তে বিভক্তি থাকে এবং ভাব অসম্পূর্ণ থাকে, চোখ বুজে তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া দাগিয়ে দেবে। সমাপিকা ক্রিয়া সর্বদা বাক্যের শেষে বসে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়া চিহ্নিত করার সময় দেখতে হবে বাক্যটি সেখানে শেষ হলো কি না। বাক্যের মাঝখানে ই বা তে যুক্ত ক্রিয়া দেখলে সাধারণত তা অসমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
a সমাজ
b পানি
c মিছিল
d নদী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নদী ১. কেন সঠিক: - যে বিশেষ্য পদ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। - 'নদী' শব্দটি কোনো একটি নির্দিষ্ট নদীকে না বুঝিয়ে পৃথিবীর সমস্ত নদীকে সামগ্রিকভাবে বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা নামবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক ও গুণবাচক বিশেষ্য। - জাতিবাচক বিশেষ্যে একই শ্রেণি বা জাতির সকল সদস্যকে একত্রে নির্দেশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষ ব্যাখ্যা: 'মানুষ' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে সমগ্র মানবজাতিকে বোঝায়। উদাহরণ ২: পাখি ব্যাখ্যা: 'পাখি' শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো পাখিকে নির্দেশ না করে সকল উড্ডয়নক্ষম প্রাণীর সাধারণ শ্রেণি বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজ — এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ এটি অনেকগুলো মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়। B) পানি — এটি বস্তুবাচক বা উপাদানবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ এটি কোনো উপাদানের নাম। C) মিছিল — এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ এটি মানুষের সমাগম বা সমষ্টি বোঝায়। D) নদী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই জাতীয় নদীর সাধারণ নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - যা দেখে একটি নির্দিষ্ট নাম মনে না এসে পুরো শ্রেণি বা জাতের কথা মনে আসে, তাই জাতিবাচক বিশেষ্য। - নদী, পর্বত, পাখি, মানুষ বললেই পুরো জাতি বোঝায়, তাই এগুলো জাতিবাচক বিশেষ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নামবাচক এবং জাতিবাচক বিশেষ্যের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে যেমন 'পদ্মা' নামবাচক হলেও 'নদী' জাতিবাচক বিশেষ্য।
a ভাবের গভীরতা
b ধ্বনিব্যঞ্জনা
c পৌনঃপুনিকতা
d সামান্যতা
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিব্যঞ্জনা ১. কেন সঠিক: - 'ঝিরঝির' শব্দটি একটি অনুভূতিজাত বা প্রকৃতির বিশেষ ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দ, যা বাতাসের মৃদু ও অবিরাম বহমানতার শব্দগত রূপ ফুটিয়ে তোলে। - বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের শব্দকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা ধ্বনিব্যঞ্জনা বলা হয়, যা শোনার অনুভূতির মাধ্যমে বিশেষ কোনো ভাব বা দৃশ্যপট মনের ভেতর তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বিশেষ কোনো ভাব, শব্দ বা রূপ প্রকাশ করে, তাকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা ধ্বনিব্যঞ্জনা বলে। - পদপ্রকরণে এগুলো সাধারণত ক্রিয়ার বিশেষণ হিসেবে কাজ করে বাতাসের মৃদু গতি বা শব্দকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাতার ওপর বৃষ্টির ফোঁটা ঝিরঝির করে পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝিরঝির' শব্দটি বৃষ্টির মৃদু পতনের ধ্বনি ও দৃশ্য ফুটিয়ে তুলেছে। উদাহরণ ২: বাইরে হাওয়া সাঁ সাঁ করে বইছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সাঁ সাঁ' শব্দটি জোরালো বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ বা ধ্বনিব্যঞ্জনা প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাবের গভীরতা — 'ঝিরঝির' শব্দ দ্বারা কোনো গভীর ভাব বা দার্শনিক তত্ত্ব প্রকাশ পায় না, এটি কেবল বাতাসের মৃদু শব্দের প্রকাশ। B) ধ্বনিব্যঞ্জনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রকৃতির বিশেষ ধ্বনি বা অনুভূতির সফল প্রকাশ ঘটায়। C) পৌনঃপুনিকতা — পৌনঃপুনিকতা মানে বারবার ঘটা, কিন্তু 'ঝিরঝির' দ্বারা বাতাসের অবিরাম মৃদু বহমানতার ধ্বনি বা রূপ বোঝানো হয়েছে। D) সামান্যতা — সামান্যতা বলতে স্বল্পতা বোঝায়, কিন্তু এখানে বাতাসের মৃদু গতি বা শব্দের ধ্বনিগত প্রকাশই প্রধান। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঝিরঝির, রিমঝিম, পটাপট ইত্যাদি শব্দ শুনলেই বুঝতে হবে এগুলো কোনো না কোনো ধ্বনি বা অনুভূতির অনুকরণ, তাই এগুলো ধ্বনিব্যঞ্জনা। - পরীক্ষার হলে শব্দের রূপ দেখে শব্দের প্রকৃতি বা ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্য বোঝার চেষ্টা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধ্বন্যাত্মক শব্দ সাধারণত দুইবার ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব ফুটিয়ে তোলে। - এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ থেকে আসে।
a ভীতশোক
b শোকদূর
c নিঃশোক
d বীতশোক
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীতশোক কেন সঠিক: - 'শোক দূর হয়েছে যার' এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ বা বাক্য সংকোচন হলো বীতশোক। - এখানে বীত উপসর্গটি দূর হওয়া বা নিবৃত্ত হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - সমাস বা প্রত্যয় সাধিত পদের অর্থ সংক্ষিপ্ত করে একটি মাত্র পদে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াই হলো বাক্য সংকোচন। - যেমন: ভয় গত হয়েছে যার = বীতভদ্র, তেমনি শোক দূর হয়েছে যার = বীতশোক। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ভীতশোক — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই। - B) শোকদূর — এটি সমাসসিদ্ধ বা প্রমিত বাক্য সংকোচন পদের আওতাভুক্ত নয়। - C) নিঃশোক — এর অর্থ যার শোক নেই, যা প্রদত্ত বাক্যের অর্থের সাথে হুবহু মেলে না। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছু দূর বা গত হওয়া বোঝালে বীত শব্দ দিয়ে বাক্য সংকোচন করতে হয়।
a তম্ + বি
b তনু + ই
c তনু + ঈ
d তনু+ ম্বি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তনু + ঈ ১. কেন সঠিক: - তনু শব্দের শেষ উ-কার এবং ঈ মিলে ঈ-কার হয়েছে। - সন্ধির নিয়মে ই-কার বা উ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে য-ফলা বা ব-ফলায় রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ই-কার বা উ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার স্থানে য এবং উ-কার বা ঊ-কার স্থানে ব হয়। - তনু শব্দের উ-কারের সঙ্গে ঈ যুক্ত হয়ে ব-ফলা গঠিত হয়েছে এবং শব্দটি তন্যী না হয়ে তন্বী হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সু + আল্প = স্বল্প ব্যাখ্যা: উ-কারের পর অ থাকায় উ স্থানে ব হয়েছে। উদাহরণ ২: অনু + ইত = অন্বিত ব্যাখ্যা: উ-কারের পর ই থাকায় উ স্থানে ব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তম্ + বি — এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়মের আওতায় পড়ে না এবং সঠিক সন্ধি গঠন করে না। B) তনু + ই — ই-কার যুক্ত হলে তনুই হতো, যা তন্বী শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারের সঙ্গে মেলে না। D) তনু + ম্বি — ম্বি কোনো স্বতন্ত্র শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের বাইরে। ৫. মনে রাখার টিপস: - উ-কারান্ত শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ঈ যুক্ত হলে ব-ফলা সহ দীর্ঘ ঈ যুক্ত হয়। - শব্দের বানান ও উচ্চারণ খেয়াল রেখে সন্ধি বিচ্ছেদ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধির নিয়ম প্রায়ই আসে। - য-ফলা এবং ব-ফলা জেনারেটিং ই-কার ও উ-কার রূপান্তরের নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করবে।
a ফারসি
b আরবি
c ফরাসি
d পর্তুগিজ
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফারসি ১. কেন সঠিক: - চশমা একটি ফারসি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ চোখের কাচ বা উপরিভাগের আবরণ। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হাজার হাজার বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম প্রধান একটি উৎস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দ ধার করে সমৃদ্ধ হয়েছে এবং এর মধ্যে ফারসি ভাষা অন্যতম। - ফারসি শব্দ সাধারণত প্রশাসনিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা উপকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা চোখে পরার লেন্স বা কাচ বোঝাতে বাংলায় গৃহিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কাগজ ব্যাখ্যা: লেখার উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত কাগজ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — এটি সঠিক কারণ চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। B) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, ইসলামি সংস্কৃতি এবং প্রশাসন সংক্রান্ত অনেক শব্দ আসলেও চশমা আরবি শব্দ নয়। C) ফরাসি — ফরাসি বা ফ্রেঞ্চ ভাষা থেকে কার্তুজ বা কুপন জাতীয় কিছু শব্দ এসেছে, কিন্তু চশমা ফরাসি শব্দ নয়। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, বালতি জাতীয় শব্দ এলেও চশমা পর্তুগিজ শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখ বা মুখ সম্পর্কিত কিছু দৈনন্দিন বস্তু যেমন চশমা, চশমা পরিধানের অভ্যাস বা প্রসাধন ফারসি শব্দ হতে পারে। - পরীক্ষার হলে বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে ফারসি শব্দের একটি সাধারণ তালিকা বারবার চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়লে এমন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a তিনটি
b দুটি
c চারটি
d একটি
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) দুটি কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক স্বরবর্ণ সাতটি থাকলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ মাত্র দুটি। - এই দুটি বর্ণ একত্রে উচ্চারিত হয়ে একটি যৌগিক স্বরধ্বনি তৈরি করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যে সকল স্বরবর্ণ একত্রে উচ্চারিত হয় তাদেরকে যৌগিক স্বরবর্ণ বলে। - বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনিগুলোর পাশাপাশি এই দুটি বিশেষ বর্ণ দীর্ঘ স্বরের কাজ করে। - এই দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ হলো ঐ এবং ঔ। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) তিনটি — বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ তিনটি নয়, তাই এই অপশন ভুল। - খ) দুটি — এটি সঠিক অপশন এবং এর সংখ্যাগত মান সঠিক। - গ) চারটি — বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা চারটি নয়, তাই এটি ভুল। - ঘ) একটি — বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ একটির বেশি অর্থাৎ দুটি রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - বাংলা বর্ণমালার শেষ দুটি স্বরবর্ণ অর্থাৎ ঐ এবং ঔ হলো দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
a কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
b মঙ্গল সমাচার
c কথোপকথন
d রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ ১. কেন সঠিক: - বাংলা গদ্য সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুদ্রিত গদ্যগ্রন্থ হলো ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁউ রচিত কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ। - পর্তুগাল থেকে বাংলা হরফে মুদ্রিত এই গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত খ্রিস্টধর্মের ক্যাটেকিজম বা প্রশ্নোত্তর মূলক গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ডন ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁউ একজন পর্তুগিজ মিশনারি ছিলেন যিনি ভাওয়াল অঞ্চলে ধর্ম প্রচারের কাজ করেছিলেন। - বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান অনেক পরে হলেও, প্রথম মুদ্রিত গদ্যগ্রন্থ হিসেবে এই গ্রন্থের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রজবুলী ভাষা ব্যাখ্যা: এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষা নয়, বরং কৃত্রিম এক কাব্যভাষা যা মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদসংকলন এবং সান্ধ্যভাষায় রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত গদ্যগ্রন্থ। B) মঙ্গল সমাচার — এটি উইলিয়াম কেরির শ্রীমদ্ভাগবত বা অন্য কোনো সুনির্দিষ্ট প্রাচীন গদ্যের ক্ষেত্রে সঠিক নয়, এটি পরে অনূদিত বাইবেলের অংশবিশেষ। C) কথোপকথন — এটি উইলিয়াম কেরি রচিত বাংলা গদ্য গ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়, তবে প্রথম গদ্যগ্রন্থ নয়। D) রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র — এটি রামরাম বসু রচিত প্রথম মৌলিক বাংলা গদ্য গ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়, কিন্তু প্রথম মুদ্রিত গদ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম গদ্য বইয়ের ক্ষেত্রে আসসুম্পসাঁউ এবং কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ সাল ১৭৪৩ মনে রাখতে হবে। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের আগের গদ্য রচনাগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে প্রাচীন মুদ্রিত রূপ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্যের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ এবং প্রথম মৌলিক গন্তগ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। - প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁউ এবং প্রথম মৌলিক গ্রন্থ রামরাম বসু।
a প্রাকৃতিক
b কৃত্তিম
c রাত্রিকালিন
d দিবাকালিন
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক ১. কেন সঠিক: নৈসর্গিক শব্দের অর্থ হলো প্রকৃতি সম্বন্ধীয় বা প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন। এর সরাসরি এবং সর্বজনস্বীকৃত বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রাকৃতিক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দের উৎস এবং অর্থের বিপরীত রূপ বিবেচনা করতে হয়। সংস্কৃত নৈসর্গিক শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে প্রাকৃতিক শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নৈসর্গিক সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: প্রকৃতির নিজস্ব যে সৌন্দর্য, তাকে নৈসর্গিক সৌন্দর্য বলা হয়। উদাহরণ ২: প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যাখ্যা: প্রকৃতির প্রভাবে ঘটে যাওয়া ঘটনা বোঝাতে প্রাকৃতিক শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক — এটি নৈসর্গিক শব্দের সমার্থক বা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলেও প্রদত্ত উত্তরে ত্রুটি ছিল। প্রশ্নকর্তার দেওয়া উত্তর সঠিক নয়। B) কৃত্তিম — বানান ভুল আছে, এর সঠিক রূপ কৃত্রিম। তবে অর্থের দিক থেকে কৃত্রিম শব্দটি নৈসর্গিক শব্দের বিপরীত হতে পারে, কিন্তু বানান অশুডির কারণে এটি সঠিক নয়। C) রাত্রিকালিন — বানান ভুল রয়েছে, সঠিক বানান রাত্রিকালীন। এটি দিনের বিপরীত রাত বোঝায়, নৈসর্গিক শব্দের বিপরীত নয়। D) দিবাকালিন — বানান ভুল আছে, সঠিক বানান দিবাকালীন। এটি দিবা বা দিন সময়কে নির্দেশ করে, যা নৈসর্গিক শব্দের বিপরীতার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নৈসর্গিক মানে যা প্রকৃতি থেকে আসে, তাই এর বিপরীত হলো যা প্রকৃতি থেকে সৃষ্ট বা প্রাকৃতিক। বানানের ক্ষেত্রে কৃত্রিম ও রাত্রিকালীন শব্দগুলোর বানান ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে বানানের শুদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় সঠিক অর্থ জানা থাকলেও ভুল বানানযুক্ত অপশন এড়িয়ে চলতে হয়।
a অলৌকিক ব্যাক্তি
b লোকস্রুতি
c লোকপরস্পরা
d রাজকাহিনী
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লোকস্রুতি কেন সঠিক: - কিংবদন্তি শব্দটি এমন কিছু প্রাচীন কাহিনী বা ঘটনাকে বোঝায় যা মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসছে। - লোকস্রুতি বলতে মূলত জনশ্রুতি বা মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী গল্পকে বোঝানো হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা শব্দার্থে কিংবদন্তি বলতে প্রাচীনকালের কোনো বিখ্যাত ঘটনা বা ব্যক্তির সম্পর্কে প্রচলিত বিশ্বাসযোগ্য জনশ্রুতিকে বোঝায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা যা ইংরেজি লেজেন্ড শব্দের ভাবানুবাদ। - যেমন গ্রীক বা ভারতীয় পুরাণে বর্ণিত অনেক বীরের কাহিনী মূলত কিংবদন্তি বা লোকস্রুতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অলৌকিক ব্যাক্তি — এটি কোনো অলৌকিক বা সাধু ব্যক্তিকে বোঝায় না, বরং প্রচলিত গল্প বা কাহিনীকে বোঝায়। - B) লোকস্রুতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। - C) লোকপরস্পরা — এটি মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হলেও কিংবদন্তি শব্দের সরাসরি এবং সর্বজনগ্রাহ্য অর্থ হিসেবে লোকস্রুতি বেশি উপযুক্ত। - D) রাজকাহিনী — এটি রাজাদের জীবন বা রাজ্য নিয়ে রচিত ইতিহাস বা গল্প, যা কিংবদন্তির সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি লেজেন্ড শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো লোকস্রুতি বা কিংবদন্তি। - মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনীর ক্ষেত্রে সব সময় লোকস্রুতি শব্দটি মনে রাখবে।
a ছোট গল্প ও উপন্যাস
b কথা নিয়ে সাহিত্য
c নাটক ও আবৃতি
d সাহিত্যের কথা
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছোট গল্প ও উপন্যাস ১. কেন সঠিক: কথাসাহিত্য বলতে মূলত গদ্যে রচিত কল্পকাহিনিভিত্তিক সাহিত্যকর্মকে বোঝায়। এর মধ্যে প্রধান দুটি রূপ হলো ছোটগল্প এবং উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে কথাসাহিত্য হলো গদ্যরীতির এমন একটি বিভাগ যা মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তব বা কাল্পনিক চিত্র তুলে ধরে। ছোটগল্প ও উপন্যাস উভয়ই কাহিনিভিত্তিক তবে আয়তন ও পরিসরে ভিন্ন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা কথাসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যা কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোট গল্প ও উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ কথাসাহিত্যের প্রধান দুটি ধারা ছোটগল্প ও উপন্যাস। B) কথা নিয়ে সাহিত্য — এই কথাটি অর্থহীন এবং বাংলা সাহিত্য পরিভাষায় গ্রহণযোগ্য নয়। C) নাটক ও আবৃতি — নাটক কথাসাহিত্য নয় বরং এটি দৃশ্যকাব্য এবং আবৃতি পরিবেশন শিল্প। D) সাহিত্যের কথা — এটি কোনো নির্দিষ্ট সাহিত্যিক ধারা বা পরিভাষা নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কথা মানে গল্প বা উপন্যাস। গদ্যে লেখা গল্প বা উপন্যাসই কথাসাহিত্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এই তথ্যটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a সর্বযুগের
b আধুনিক যুগের
c প্রাচীন যুগের
d মধ্যযুগের
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আধুনিক যুগের ১. কেন সঠিক: উপন্যাস হলো গদ্যে রচিত দীর্ঘ আখ্যানমূলক সাহিত্যকর্ম, যা মানুষের বাস্তব জীবন, সমাজ ও মনস্তত্ত্বের গভীর প্রতিফলন ঘটায়। বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের উদ্ভব ও বিকাশ সম্পূর্ণভাবে আধুনিক যুগে ঘটেছে, যার সূচনা হয়েছিল উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রভাবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মূলত তিনটি যুগে বিভক্ত যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ। প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য প্রধানত পদ, কাব্য ও গীতিমূলক ছিল এবং তার বেশিরভাগই পদ্যে রচিত হতো, যেখানে গদ্যরীতির কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যবহার ছিল না। উনিশ শতকে ইংরেজি সাহিত্যের সংস্পর্শে এসে বাংলা সাহিত্যে গদ্যের বিস্তার ঘটে এবং এর মাধ্যমেই আত্মপ্রকাশ করে আধুনিক যুগের সৃষ্টি উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস, যা ১৮৬৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচনা করেন এবং এটি আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত এই গ্রন্থটিকে অনেকে বাংলার প্রথম উপন্যাসের মর্যাদা দেন, যা আধুনিক যুগের গদ্যরীতির প্রথম সফল প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বযুগের — উপন্যাস কোনো সর্বযুগের সৃষ্টি নয় কারণ প্রাচীন ও মধ্যযুগে গদ্যধর্মী কোনো উপন্যাসের অস্তিত্ব ছিল না। B) আধুনিক যুগের — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাস শুধুমাত্র আধুনিক যুগের সাহিত্যিক নিদর্শন। C) প্রাচীন যুগের — প্রাচীন যুগে চর্যাপদের মতো পদসাহিত্য রচিত হতো এবং তখন উপন্যাসের মতো কোনো গদ্যশিল্পের বিকাশ ঘটেনি। D) মধ্যযুগের — মধ্যযুগের সাহিত্য বলতে মূলত মঙ্গলকাব্য, রামায়ণ, মহাভারত ও বৈষ্ণব পদাবলি বোঝায়, যা পদ্যে রচিত হতো এবং উপন্যাস তখন ছিল অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখবে গদ্য মানেই আধুনিক যুগ এবং উপন্যাস হলো গদ্যের রূপ, তাই সব উপন্যাসই আধুনিক যুগের সৃষ্টি। প্রাচীন ও মধ্যযুগ ছিল পদ্য বা কবিতার যুগ, আর আধুনিক যুগ হলো গদ্য, উপন্যাস ও ছোটগল্পের যুগ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা উপন্যাসের জনক কে, যার সঠিক উত্তর হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। একইভাবে মনে রাখতে হবে বাংলা ছোটগল্প ও নাটকও আধুনিক যুগের সৃষ্টি।
a আলেয়া
b ঝিলিমিলি
c মধুমালা
d কুহেলিকা
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: - কুহেলিকা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলন, বিপ্লব এবং তারুণ্যের আদর্শের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, তবে তিনি ঔপন্যাসিক হিসেবেও পরিচিত। - তার রচিত মোট উপন্যাসের সংখ্যা তিনটি, যা হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুলের পত্রোপন্যাসের আকারে রচিত প্রথম উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত নৃত্যনাট্য ও গীতিনাট্য। B) ঝিলিমিলি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি জনপ্রিয় রূপক নাটক। C) মধুমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গীতিনাট্য ও রূপকধর্মী নাটক। D) কুহেলিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি তার রচিত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধন হারা মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। - নাটক ও উপন্যাস গুলিয়ে না ফেলে এই তালিকা আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের উপন্যাস ও নাটকের নাম প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়। - বাঁধন হারা হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস, যা পরীক্ষাকেন্দ্রিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
a বাংলা একাডেমি
b বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
c মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
d দি ইউনিভার্সিটি প্লেস লি
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও সমাজজীবন সম্পর্কিত তথ্য সংরক্ষণের জন্য বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করে। - এটি বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া হিসেবে ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচীন ও স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাপিডিয়া (প্রথম খণ্ড) ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষের একটি খণ্ড। উদাহরণ ২: এশিয়াটিক সোসাইটি জার্নাল ব্যাখ্যা: এটি এই প্রতিষ্ঠানের আরেকটি ঐতিহাসিক ও গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা একাডেমি — বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণা এবং প্রমিতকরণের সঙ্গে যুক্ত হলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোক্তা এটি নয়। B) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর — এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের সঙ্গে যুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান, জ্ঞানকোষ প্রকাশের সঙ্গে নয়। D) দি ইউনিভার্সিটি প্লেস লি — এটি একটি বেসরকারি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মূল উদ্যোক্তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পিডিয়া বা জ্ঞানকোষ প্রকাশের কাজটি সাধারণত সমাজের মতো বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠান করে থাকে। - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি মানেই জ্ঞানকোষ বা বাংলাপিডিয়ার সফল উদ্যোক্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে এবং এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন সিরাজুল ইসলাম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠান ও তাদের প্রধান প্রকাশনা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a গ্রাম বাংলার দুর্ভিক্ষ
b ২য় বিশ্বযুদ্ধের কাহিনি
c সামাজিক অবিচার ও লাঞ্ছনা
d নির্যাতন ও শোষণ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২য় বিশ্বযুদ্ধের কাহিনি ১. কেন সঠিক: - নেমেসিস নাটকের মূল উপজীব্য বিষয় হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ও মনস্তাত্ত্বিক সংকট। - নাটকে যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব এবং এর ফলে মানুষের জীবন কীভাবে ধ্বংস হয়ে যায় তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ও ট্র্যাজেডিধর্মী নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের গোঁড়ামি ও অন্ধবিশ্বাসের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি বিখ্যাত অস্তিত্ববাদী চেতনা সংবলিত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম বাংলার দুর্ভিক্ষ — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বহিপীর বা অন্য কোনো নাটকের মূল বিষয় নয় বরং এটি মূলত ২য় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট কৃত্রিম সংকটের দিকে ইঙ্গিত করে। B) ২য় বিশ্বযুদ্ধের কাহিনি — এটি সরাসরি নেমেসিস নাটকের মূল উপজীব্য বিষয় এবং নাটকের নামকরণের সার্থকতা এখানেই নিহিত। C) সামাজিক অবিচার ও লাঞ্ছনা — সমাজ জীবনের নানা অসঙ্গতি এখানে থাকলেও যুদ্ধের প্রত্যক্ষ করাল গ্রাস ও তার মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবই প্রধান। D) নির্যাতন ও শোষণ — নাটকে শোষণ কিছুটা থাকলেও সার্বিক প্রেক্ষাপটটি মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা ও কৃত্রিম দুর্দিনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - নেমেসিস নাটকের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং এর মূল বিষয় যুদ্ধকালীন মানুষের সংকট। - নামের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো গ্রিক পুরানের দেবী নেমেসিসের ন্যায় যুদ্ধও ডেকে আনে ধ্বংস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক ও উপন্যাসের বিষয়বস্তু প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাজের নাম ও প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত রাখবে।
a মুনীর চৌধুরী
b হাসান হাফিজুর রহমান
c শমসুর রাহমান
d গাজীউল হক
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলিত গ্রন্থ বা পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে হাসান হাফিজুর রহমানের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ঠিক পরপরই প্রগতিশীল তরুণ লেখকদের নিয়ে ২১শে ফেব্রুয়ারি স্মারকগ্রন্থ সম্পাদনা করেন যা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম প্রামাণ্য প্রকাশনা হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও প্রামাণ্য গ্রন্থ সম্পাদক। ১৯৫৩ সালে তার সম্পাদনায় একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনটি প্রকাশিত হয় যা ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণকারী প্রথম ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশে ফেব্রুয়ারি স্মারকগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের দলিল হিসেবে পরিচিত এবং প্রথম সংকলন। উদাহরণ ২: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র ব্যাখ্যা: হাসান হাফিজুর রহমানের অপর একটি ঐতিহাসিক ও মহা গ্রন্থ সম্পাদনা কর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত নাট্যকার ও ভাষা সৈনিক হলেও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদক নন। B) হাসান হাফিজুর রহমান — সঠিক উত্তর। C) শমসুর রাহমান — তিনি বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য কবি কিন্তু এই পত্রিকার সম্পাদক নন। D) গাজীউল হক — তিনি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় নেতা ও সংগঠক ছিলেন তবে এই পত্রিকার সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলনের সম্পাদক ছিলেন হাসান যিনি হাফিজুর রহমান নামে পরিচিত। মনে রাখতে পারেন ভাষা আন্দোলনের প্রথম হাঁক দিয়েছিলেন হাসান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন বা গ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি অত্যন্ত ঘন ঘন আসে।
a টোডেরমল
b বীরবল
c আবুল ফজল
d তানসেন
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবুল ফজল ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ও ইতিহাসভিত্তিক। আবুল ফজল মুঘল সম্রাট আকবরের নবরত্নের অন্যতম এবং তাঁর রাজসভার বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ছিলেন। - 'আইন-ই- আকবরী' গ্রন্থটি সম্রাট আকবরের শাসনকাল ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর রচিত একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক দলিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবুল ফজল ফার্সি ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্যশিল্পী ও ঐতিহাসিক ছিলেন। তাঁর রচিত অপর বিখ্যাত গ্রন্থটি হলো 'আকবরনামা'। - মধ্যযুগের মুঘল রাজসভার ফার্সি সাহিত্যের ইতিহাস এবং প্রশাসনিক তথ্য জানার জন্য এই গ্রন্থদ্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকবরনামা ব্যাখ্যা: এটিও আবুল ফজলের অপর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা মুঘল সম্রাট আকবরের জীবনী ও শাসনকাল নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরী ব্যাখ্যা: এটি সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা মুঘল আমলের সাহিত্যের আরেকটি অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোডেরমল — টোডেরমল সম্রাট আকবরের রাজস্ব মন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেছিলেন, কোনো গ্রন্থ রচয়িতা নন। B) বীরবল — বীরবল সম্রাট আকবরের সভার একজন বুদ্ধিমান কৌতুকশিল্পী ও উপদেষ্টা ছিলেন, কোনো ঐতিহাসিক গ্রন্থ রচনা করেননি। C) আবুল ফজল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি আইন-ই- আকবরী গ্রন্থের রচয়িতা। D) তানসেন — তানসেন মুঘল রাজসভার বিখ্যাত সংগীতশিল্পী ও সুরকার ছিলেন, সাহিত্যের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: আইন প্রণয়ন করেন ফজল সাহেব। এই সহজ বাক্যটি মনে রাখলে 'আইন-ই- আকবরী' গ্রন্থের রচয়িতা আবুল ফজলকে সহজেই মনে রাখা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুঘল আমলের ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও রচয়িতাদের নাম প্রায়ই আসে। তাই আবুল ফজলের 'আইন-ই- আকবরী' এবং 'আকবরনামা' গ্রন্থদুটি খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a having to drink
b having
c drink
d to take
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) having কেন সঠিক: ইংরেজি Grammar এর নিয়ম অনুযায়ী Would you mind phrases টির পরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। এখানে চা খাওয়ার ক্ষেত্রে drink বা take এর বদলে having ব্যবহার করা সবচেয়ে বেশি মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) having to drink — এই অপশনে অতিরিক্ত to এবং drink থাকায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে। B) having — এটি সঠিক উত্তর কারণ mind এর পরে verb এর সাথে ing বসে। C) drink — এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত না থাকায় এটি grammatically ভুল। D) to take — Would you mind এর পরে সরাসরি infinitive বসানো যায় না। মনে রাখার টিপস: Would you mind এর ঠিক পরেই যে verb আসে, তার সাথে সবসময় ing যোগ করতে হয়।
a Adjective phrase
b adverbial phrase
c Proverb
d Idiom
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverbial phrase কেন সঠিক: বাক্যে safe and sound অংশটি verb reached কে কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা বোঝাচ্ছে। এটি মূলত কেমনভাবে পৌঁছেছে তার উত্তর দেয় এবং verb কে modify করে। ক্রিয়ার ভাব বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি একটি adverbial phrase। এটি একটি মাত্র শব্দ নয় বরং একাধিক শব্দের সমষ্টি যা adverb এর কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective phrase — এটি noun বা pronoun কে বিশেষিত করে না বরং verb কে বিশেষিত করে। B) adverbial phrase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Proverb — এটি কোনো প্রচলিত প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য নয়। D) Idiom — এটি কোনো বাগধারা বা বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী শব্দগুচ্ছ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb কে কীভাবে বা কেমন করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত adverbial phrase হয়।
a J.S. Mill
b Charles Dickens
c W.H. Newman
d Francis Bacon
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Francis Bacon কেন সঠিক: ফ্রান্সিস বেকন ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত। তাঁর রচিত প্রবন্ধগুলো জ্ঞানগর্ভ, জীবনঘনিষ্ঠ এবং প্রাবন্ধিক ধারার প্রকৃত নিদর্শন বহন করে। তিনি তাঁর চমৎকার গদ্যশৈলীর মাধ্যমে প্রবন্ধ সাহিত্যকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। ইংরেজ সাহিত্যে তাকে প্রাবন্ধিকের মুকুটহীন সম্রাট বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) J.S. Mill — ইনি মূলত একজন বিখ্যাত দার্শনিক এবং অর্থনীতিবিদ ছিলেন, প্রাবন্ধিক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত নন। B) Charles Dickens — ইনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার ছিলেন। C) W.H. Newman — ইনি ইংরেজি সাহিত্যের কোনো প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক বা সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব নন। D) Francis Bacon — ইনি ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও প্রধান প্রাবন্ধিক হিসেবে সর্বজনস্বীকृत। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম প্রাবন্ধিক বা Essayist বললে সবার আগে ফ্রান্সিস বেকনের নাম মনে রাখবে।
a William Shakespeare
b G.B Shaw
c W.B. Yeats
d John Dryden
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Shakespeare কেন সঠিক: এটি বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কমেডি নাটক। এই নাটকটি ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিকে রচিত হয়েছিল। নাটকটিতে পেট্রুসিও এবং ক্যাথরিনা চরিত্রের মার্জিত কমেডি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) G.B Shaw — তিনি আধুনিক যুগের নাট্যকার এবং তিনি আন্ডার দ্য পিগম্যালিয়ন এর মতো নাটক লিখেছেন। C) W.B. Yeats — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন। D) John Dryden — তিনি পুনর্জাগরণ পরবর্তী যুগের বিখ্যাত কবি এবং প্রাবন্ধিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের কমেডি নাটক মনে রাখতে দ্য টেমিং অব দ্য শ্রিউ নামটি বারবার চর্চা করো।
a Rain: River
b Wind: Sleet
c Ice: Floe
d Snow: Blizzard
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Snow: Blizzard কেন সঠিক: - প্রশ্নে পানির আধিক্যের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ বা তীব্র রূপের সাদৃশ্য বোঝানো হয়েছে, যেমন অতিরিক্ত পানি থেকে বন্যা হয়। - ঠিক তেমনি প্রচুর তুষারপাতের ফলে তুষারঝড় বা ব্লিজার্ড সৃষ্টি হয়, যা মূল শব্দের তীব্র রূপ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rain: River — বৃষ্টি নদীর উৎস হতে পারে, কিন্তু এটি পানির অতিরিক্ত রূপ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বোঝায় না। B) Wind: Sleet — বাতাস এবং স্লিট বা শিলাবৃষ্টি ভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান, যা মূল প্রশ্নের কার্যকারণ সম্পর্কের সাথে মেলে না। C) Ice: Floe — বরফ এবং ভাসমান বরফখণ্ড একই পদার্থের বিভিন্ন অবস্থা, যা তীব্র দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্পর্ক নয়। D) Snow: Blizzard — এটি সঠিক উত্তরের অপশন, তাই এখানে তুষার এবং তীব্র তুষারঝড়ের সম্পর্কের পূর্ণ মিল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত পানি আনে বন্যা, আর অতিরিক্ত তুষার আনে তুষারঝড় বা ব্লিজার্ড।
a Rush
b Expedite
c Impede
d Hasten
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Impede কেন সঠিক: Impede শব্দের অর্থ হলো কোনো কাজে বাধা সৃষ্টি করা বা বিলম্বিত করা। এটি বাকি শব্দগুলোর বিপরীতার্থক শব্দ এবং গতি কমানোর সাথে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rush — এই শব্দটির অর্থ দ্রুত দৌড়ানো বা তাড়াহুড়ো করা, যা গতির সাথে সম্পর্কিত। B) Expedite — এই শব্দটির অর্থ কোনো কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা বা ত্বরান্বিত করা। C) Impede — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কাজে বাধা সৃষ্টি করা। D) Hasten — এই শব্দটির অর্থ দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া বা কাজ ত্বরান্বিত করা। মনে রাখার টিপস: Impede বাদে বাকি তিনটি শব্দের অর্থ দ্রুত গতি বা কাজ ত্বরান্বিত করা বোঝায়।
a Copy
b Appreciate
c Encourage
d Abuse
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abuse কেন সঠিক: - Vituperate শব্দের অর্থ হলো কটু কথা বলা, তিরস্কার করা বা গালিগালাজ করা। - Abuse শব্দের অর্থও খারাপ ব্যবহার করা বা গালি দেওয়া, যা মূল শব্দের সঠিক সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Copy — এর অর্থ নকল করা, যা vituperate শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) Appreciate — এর অর্থ প্রশংসা করা, যা vituperate শব্দের বিপরীতার্থক। C) Encourage — এর অর্থ উৎসাহিত করা, যা vituperate শব্দের বিপরীতার্থক। D) Abuse — এর অর্থ অপব্যবহার করা বা গালি দেওয়া, যা vituperate শব্দের সঠিক সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Vituperate শব্দটিতে Vitu মানে বিষাক্ত কথা এবংperate মানে প্রচার করা মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ দাঁড়ায় কটু কথা বলা বা Abuse করা।
a I know who you are
b I know you
c I know who are you
d I know what are you
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I know who you are কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি মাত্র প্রিন্সিপাল ক্লজ আছে এবং একে জটিল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত করতে হয়। এখানে 'you' কে বুঝাতে 'who' প্রোনাউন ব্যবহার করে সাবঅর্ডিনেট ক্লজটি গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I know who you are — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি সম্পূর্ণ জটিল বাক্য। B) I know you — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী প্রদত্ত মূল সরল বাক্য, তাই এটি জটিল বাক্যের রূপান্তর নয়। C) I know who are you — এখানে ক্লজের ভেতরে সাবজেক্টের আগে ভার্ব বসার কারণে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। D) I know what are you — এখানে ব্যক্তির পরিবর্তে 'what' ব্যবহার করা হয়েছে এবং সাবজেক্টের আগে ভার্ব বসানো হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: সহজ বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করার সময় প্রিন্সিপাল ক্লজের সাথে who, what বা which যুক্ত করে নতুন ক্লজ বানাতে হয় এবং সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসাতে হয়।
a Who are you called?
b Who were you begin called?
c Who was begin called by you?
d Who called by you?
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Who was begin called by you? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক বাক্যে whom থাকলে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে who বসে এবং পাস্ট কন্টিনুয়াস টেন্সের জন্য was বসে। মূল ভার্বের সাথে ing থাকার কারণে being যুক্ত হয় এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী by you বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who are you called? — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে এবং এতে continuous এর নিয়ম মানা হয়নি। B) Who were you begin called? — এখানে subject who এর সাথে were ব্যবহার করা হয়েছে যা grammatically incorrect। C) Who was begin called by you? — এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করেছে। D) Who called by you? — এটি incomplete এবং passive form এর auxiliary verb বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Whomযুক্ত interrogative sentence-কে passive করার সময় whom-এর পরিবর্তে who বসাতে হয় এবং tense অনুযায়ী be verb ও being ব্যবহার করতে হয়।
a were in
b was in
c put on
d get into
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) were in কেন সঠিক: বাক্যটিতে অসম্ভব কল্পনা বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে, তাই এখানে সাবজেক্টিভ মুড ব্যবহার করতে হবে। এ ধরনের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্বের প্লুরাল রূপ হিসেবে were বসে। ইন ইউর শুজ একটি ইডিয়ম যার অর্থ কারও অবস্থানে নিজেকে কল্পনা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were in — এটি সঠিক উত্তর কারণ অবাস্তব কল্পনায় were বসে। B) was in — এটি ভুল কারণ ফার্স্ট পারসন বা থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের পরেও এখানে was বসবে না। C) put on — এটি ভুল কারণ এর অর্থ পরিধান করা যা এখানে অর্থসংগত নয়। D) get into — এটি ভুল কারণ এটি বর্তমান কাল নির্দেশ করে এবং বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: আই উইশ যুক্ত বাক্যে কল্পনার অর্থ প্রকাশ পেলে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হলেও বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were বসে।
a in
b on
c by
d at
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: ভবিষ্যত সময়ের ব্যপ্তiti বোঝাতে 'in' preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে পাঁচ মিনিট সময়ের মধ্যে কাজটি শুরু হবে অর্থে 'in five minutes' সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, কারণ এটি ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট সময়সীমা বোঝায়। B) on — এটি সাধারণত বার বা নির্দিষ্ট তারিখের নামের পূর্বে বসে, তাই এখানে বসা ভুল। C) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করা বোঝাতে বসে, তাই এখানে হবে না। D) at — এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রহরের সময় বা ঘড়ির কাটার সময়ের পূর্বে বসে, তাই এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতে কতক্ষণ পর কোনো কাজ শুরু হবে তা বোঝাতে সময়ের আগে সাধারণত 'in' ব্যবহার করা হয়।
a burnt
b is burning
c will burn
d was burning
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) burnt কেন সঠিক: - বাক্যের মাঝখানে যখন while বা when থাকে, তখন একটি অংশ Past Continuous Tense এবং অন্য অংশ Simple Past Tense হয়। - এখানে when-এর পরের অংশ was cooking (Past Continuous) হওয়ায় অপর অংশটি Simple Past Tense (burnt) হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) burnt — এটি Past Indefinite Tense, যা চলমান কাজের মাঝে হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক। B) is burning — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতের ঘটনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) will burn — এটি Future Indefinite Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) was burning — এটি Past Continuous Tense, একই বাক্যের দুটি অংশে এই Tense ব্যবহার করলে অর্থ অস্পষ্ট হয়। মনে রাখার টিপস: While-এর পরে Past Continuous Tense এবং When-এর পরে সাধারণত Simple Past Tense বসে।
a is, working
b was,work
c was, working
d in, worked
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) was,work কেন সঠিক: বাক্যের প্রথমাংশ অতীতকালের ঘটনা নির্দেশ করছে, তাই শূন্যস্থানে Past Tense এর সাহায্যকারী verb 'was' বসবে। Modal verb 'allowed to' এর পর verb এর base form বা present form বসে, তাই দ্বিতীয় শূন্যস্থানে 'work' হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is,working — প্রথম অংশে present tense এর 'is' ব্যবহার করায় বাক্যটির কালের সংগতি নষ্ট হয়েছে। B) was,work — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) was,working — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে 'working' (gerund) বসালে বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। D) in,worked — প্রথম শূন্যস্থানে preposition ব্যবহার করলে subject এবং verb এর সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভেঙে যায়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের ভেতরের ঘটনা যদি অতীতের হয়, তবে পুরো বাক্যটি অতীতকালে রাখতে হবে এবং modal verb এর পরে সবসময় verb এর মূল রূপ বসে।
a went to
b visited to
c gone
d been to
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) been to কেন সঠিক: কোথাও গিয়ে আবার ফিরে আসার ক্ষেত্রে 'have been to' ব্যবহার করা হয়। বাক্যে পুনরায় ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝানো হয়েছে বলে সঠিক উত্তর 'been to'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) went to — এটি পাস্ট টেন্স এবং 'have' এর পরে পাস্ট ফর্ম বসে না। B) visited to — 'visit' এর পরে অতিরিক্ত 'to' বসে না। C) gone — 'gone' বসালে চিরতরে চলে যাওয়া বোঝায়, যা এখানে অর্থসংগত নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও গিয়ে ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা বুঝাতে 'have been to' ব্যবহার করতে হয়।
a as high to
b as high as
c so high as
d as high for
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) as high as কেন সঠিক: বাক্যে তুলনা বা পরিমাণ বোঝাতে as high as ব্যবহৃত হয়। এখানে বাইসাইকেলের দাম তিরিশ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে তা বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high to — ইংরেজী ব্যাকরণে as high এর পরে কখনো to বসে না। সঠিক নিয়ম হলো as এর সাথে সবসময় as ব্যবহার করা। B) as high as — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটির সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) so high as — সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে so... as ব্যবহৃত হয়, যা এই affirmative বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) as high for — এখানে for preposition ব্যবহারের কারণে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর সর্বোচ্চ পরিমাণ বা দাম বোঝাতে সর্বদা as... as গঠনটি ব্যবহার করতে হয়।
a lest,must
b or,should be
c lest,should
d and,must
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) lest,should কেন সঠিক: বাক্যে lest conjunction হিসেবে বসে যার অর্থ পাছে বা এই ভয়ে যে এমন কিছু ঘটে। lest এর পরের অংশে নিয়ম অনুযায়ী সাহায্যকারী verb হিসেবে should বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lest,must — lest এর পরে নিয়ম অনুযায়ী সর্বদা should বসে, তাই এখানে must বসা ভুল হয়েছে। B) or,should be — or বসালে পরের অংশে should এর সাথে be verb ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত প্রয়োজন নেই। C) lest,should — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) and,must — and বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত হয়ে যায় এবং must এর ব্যবহার এখানে বেমানান। মনে রাখার টিপস: বাক্যে lest থাকলে চোখ বন্ধ করে পরের শূন্যস্থানে should বসিয়ে দেবে।
a incase
b incase of
c if
d unless
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) incase কেন সঠিক: incase কথাটি কোনো সম্ভাব্য বিপদের প্রস্তুতি নিতে কাজের আগে ব্যবহার করা হয়। বৃষ্টি হতে পারে এমন আশঙ্কায় আমি ছাতা নিই বোঝালে এটিই সঠিক হয়। ভবিষ্যতের কোনো ঘটনার সম্ভাব্য ফল এড়াতে এটি বসে। বাক্যের দুটি অংশের অর্থ মিল রাখতে এটি উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) incase — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ সুন্দরভাবে প্রকাশ করে। B) incase of — এর পরে সাধারণত কোনো নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে কিন্তু এখানে একটি সম্পূর্ণ clause আছে। C) if — বসালে অর্থ দাঁড়ায় যদি বৃষ্টি হয় তবেই আমি ছাতা নিই যা বাস্তবসম্মত নয়। D) unless — এর অর্থ যদি না, যা বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত ও ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের কোনো সম্ভাব্য ঘটনা মাথায় রেখে আগে থেকেই কিছু করলে incase ব্যবহার করতে হয়।
a Only for
b But for
c But also
d Due to
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) But for কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আপনার আন্তরিক সহযোগিতা না থাকলে আমি ব্যর্থ হতাম। এই ধরনের শর্তমূলক বাক্যে ব্যতিরেকে বা না থাকলে অর্থ প্রকাশ করতে But for ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Only for — এই শব্দগুচ্ছ কেবল কোনো নির্দিষ্ট কারণ বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে conditional অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে না। B) But for — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি ছাড়া বা ব্যতিরেকে অর্থে বসলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়। C) But also — এটি সাধারণত Not only এর সাথে জোড়া হিসেবে বসে এবং বাক্যের গঠন এখানে মেলে না। D) Due to — এটি সাধারণত কোনো কারণে অর্থে বসে কিন্তু এখানে ছাড়া অর্থে But for এর প্রয়োজন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো সাহায্য বা সহযোগিতার অভাব বোঝাতে এবং না থাকলে অর্থে শূন্যস্থানের পর noun থাকলে চোখ বন্ধ করে But for বসাবে।
a off, on
b in, with
c within, with
d on, within
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) on, within কেন সঠিক: নির্ধারিত সময়ে কাজটি শেষ বোঝাতে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে অন বসে। বাজেটের সীমার মধ্যে খরচ বোঝাতে উইথিন ব্যবহার করা হয়। তাই শূন্যস্থানে যথাক্রমে অন এবং উইথিন বসবে। এই নিয়মটি বাক্যটির সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) off, on — অফ প্রিপজিশনটি এখানে সময়ের সাথে মানানসই নয়। B) in, with — ইন এবং উইথ প্রিপজিশনগুলো যথোপযুক্ত অর্থ প্রকাশ করে না। C) within, with — উইথিন প্রথমে বসলে অর্থ সঠিক হয় না এবং উইথ ভুল। D) on, within — এটি সঠিক হওয়ায় কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন এবং সীমার ভেতরে বোঝাতে উইথিন ব্যবহার করতে হয়।
a of
b on
c into
d at
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) into কেন সঠিক: স্লাইডিং ইনটু বলতে ধীরে ধীরে কোনো খারাপ অবস্থায় চলে যাওয়া বোঝায়। এখানে বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশনের মধ্যে ডুবে যাওয়ার ভাব প্রকাশ পাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — অফ সাধারণত মালিকানা বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এই শূন্যস্থানে অর্থহীন। B) on — অন সাধারণত কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝায় যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। C) into — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) at — এট সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো খারাপ অবস্থা বা পরিস্থিতির মধ্যে ধীরে ধীরে প্রবেশ করা বোঝালে ইনটু প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a 3
b 4
c 5
d 6
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজ আঁকার জন্য জ্যামিতিক শর্ত প্রয়োজন নির্দিষ্ট পরিমাপের জন্য উপাত্তের সংখ্যা নির্দিষ্ট ধরি, চতুর্ভুজের বাহু এবং কোণ মিলিয়ে মোট উপাত্ত দরকার অতএব, একটি সাধারণ চতুর্ভুজ অঙ্কনে বাহুর সংখ্যা চারটি এবং কোণ অথবা diagonals মিলিয়ে মোট উপাত্ত লাগে পাঁচটি সুতরাং, জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী চতুর্ভুজ আঁকতে ৫ টি উপাত্ত আবশ্যিক উত্তর: ৫
a (২৫/৯)
b (৭/২২)
c (২২/৭)
d (৫/৩)
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (২২/৭) প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = d = ২r অতএব, বৃত্তের পরিধি = ২πr সুতরাং, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = (২πr) ÷ (২r) উত্তর: ২২/৭
a ৩২,৮
b ৩৫,১০
c ৩৫,১২
d ৩৬,১০
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫,১০ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭:২ পাঁচ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৮:৩ ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ৭ক বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ২ক বছর অতএব, ৫ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৭ক + ৫ বছর ৫ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ২ক + ৫ বছর সুতরাং, প্রশ্নমতে, (৭ক + ৫) ÷ (২ক + ৫) = ৮ ÷ ৩ উত্তর: পিতার বয়স ৩৫ বছর এবং পুত্রের বয়স ১০ বছর
a 74
b 111
c 140
d 200
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৩৭% থেকে ৩৭ বিয়োগ করলে বিয়োগফল ৩৭ হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৩৭% − ৩৭ = ৩৭ ক এর ৩৭% = ৩৭ + ৩৭ ক এর ৩৭% = ৭৪ সুতরাং, ক × (৩৭ ÷ ১০০) = ৭৪ ক = ৭৪ × ১০০ ÷ ৩৭ ক = ২০০ উত্তর: ২০০
a 6
b 18
c 24
d 12
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: ২টি ধনাত্মক সংখ্যার পার্থক্য ৬ বর্গের পার্থক্য ১০৮ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক − খ = ৬ ক এর বর্গ − খ এর বর্গ = ১০৮ সুতরাং, (ক + খ) × (ক − খ) = ১০৮ (ক + খ) × ৬ = ১০৮ উত্তর: ক + খ = ১০৮ ÷ ৬ = ১৮
a 220
b 120
c 210
d 180
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২২০ প্রদত্ত তথ্য: সমতল ক্ষেত্রটির মোট বাহুর সংখ্যা = ১২ ত্রিভুজ গঠন করতে প্রয়োজন কৌণিক বিন্দু = ৩ ধরি, মোট কৌণিক বিন্দুর সংখ্যা = ১২ যেকোনো ৩টি বিন্দু নিয়ে ত্রিভুজ গঠিত হয় অতএব, ত্রিভুজ সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ১২ থেকে ৩ এর কম্বিনেশন অর্থাৎ ১২! ÷ (৩! × (১২ − ৩)!) সুতরাং, ১২ × ১১ × ১০ ÷ (৩ × ২ × ১) ১৩২০ ÷ ৬ উত্তর: ২২০
a 251
b 261
c 161
d 165
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬১ প্রদত্ত তথ্য: মাঠের দৈর্ঘ্য = ৫০ মিটার মাঠের প্রস্থ = ৪০ মিটার রাস্তার চওড়া = ৩ মিটার ধরি, লম্বালম্বি রাস্তার ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × রাস্তার চওড়া আড়াআড়ি রাস্তার ক্ষেত্রফল = প্রস্থ × রাস্তার চওড়া মাঝের অংশের ক্ষেত্রফল = রাস্তার চওড়ার বর্গ অতএব, লম্বালম্বি রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৫০ × ৩ = ১৫০ বর্গমিটার আড়াআড়ি রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৪০ × ৩ = ১২০ বর্গমিটার মাঝের অংশের ক্ষেত্রফল = ৩ × ৩ = ৯ বর্গমিটার সুতরাং, রাস্তা দুটির মোট ক্ষেত্রফল = ১৫০ + ১২০ − ৯ = ২৬১ বর্গমিটার উত্তর: ২৬১ বর্গমিটার
a 453.6
b 435.6
c 345.6
d 450.5
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৩৫.৬ প্রদত্ত তথ্য: জমির পরিমাপের একক হলো শতক এক একর সমান সমান একশত শতক ধরি, এক একর সমান সমান ৪৩৬০০ বর্গফুট অতএব, এক শতক জমি সমান সমান ৪৩৬০০ ÷ ১০০ বর্গফুট সুতরাং, এক শতক জমি সমান সমান ৪৩৫.৬ বর্গফুট উত্তর: ৪৩৫.৬ বর্গফুট
a ৪৫°
b ৬০°
c ৯০°
d ১৮০°
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র O এবং AB একটি জ্যা D বিন্দু হলো AB জ্যা এর মধ্যবিন্দু ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র O থেকে D বিন্দু পর্যন্ত রেখাংশ আঁকা হলো এই রেখাংশটি জ্যা AB এর উপর লম্ব হবে অতএব, OD রেখাংশ জ্যা AB কে সমদ্বিখণ্ডিত করেছে কেন্দ্র থেকে জ্যা এর মধ্যবিন্দুর সংযোজক রেখা জ্যা এর উপর লম্ব হয় সুতরাং, কোণ ODA এর মান নব্বই ডিগ্রি হলো কোণ ODB এর মান নব্বই ডিগ্রি হলো উত্তর: ৯০°
a ৩য়
b ৫ম
c ৪র্থ
d ২য়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ম প্রদত্ত তথ্য: রাশিগুলো হলো ৫, ৪, ৮, ১১, ৭, ৯, ১২, ১০, ১৩ মোট রাশির সংখ্যা = ৯ ধরি, রাশিগুলোকে ছোট থেকে বড় বা মধ্যক্রমে সাজানো হলো অতএব, সাজানোর পর রাশিগুলো হয় ৪, ৫, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩ সুতরাং, ঠিক মাঝখানে বা মধ্যমে অবস্থিত রাশিটি হলো ৯ উত্তর: ৫ম
a 10650
b 10546
c 10648
d 10748
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০৬৪৮ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন বা আসল (P) = ৮০০০ টাকা বার্ষিক মুনাফার হার (r) = ১০% = ১০ ÷ ১০০ সময় (n) = ৩ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C অতএব, চক্রবৃদ্ধি মূলধনের সূত্র অনুযায়ী, C = P × (১ + r)^n এখানে, (১ + r) = ১ + (১০ ÷ ১০০) = ১ + ০.১ = ১.১ সুতরাং, C = ৮০০০ × (১.১) × (১.১) × (১.১) = ৮০০০ × ১.৩৩১ = ১০৬৪৮ টাকা উত্তর: ১০৬৪৮ টাকা
a 1304
b 1034
c 1044
d 1372
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩০৪ প্রদত্ত তথ্য: x − y = ৮ xy = ৫ অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করে পাই, (x + y)² = (x − y)² + ৪xy (x + y)² = (৮)² + ৪ × ৫ মান বসিয়ে পাই, (x + y)² = ৬৪ + ২০ (x + y)² = ৮৪ এখন প্রদত্ত রাশি হলো, x³ − y³ + ৮(x + y)² মানগুলো বসিয়ে পাই, (x − y)³ + ৩xy(x − y) + ৮ × ৮৪ (৮)³ + ৩ × ৫ × ৮ + ৬৭১২ হিসাব করে পাই, ৫১২ + ১২০ + ৬৭১২ ১৩০৪ উত্তর: ১৩০৪
a 220
b 240
c 225
d 272
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হতে সময় লাগে ১২ মিনিট দুটি নল একত্রে খোলা থাকলে চৌবাচ্চা পূর্ণ হতে সময় লাগে ৪৮ মিনিট ধরি, চৌবাচ্চাটিতে মোট পানি ধরে = ক লিটার অতএব, প্রথম নল ১ মিনিটে পূর্ণ করে = ক ÷ ১২ অংশ দুটি নল একত্রে ১ মিনিটে পূর্ণ করে = ক ÷ ৪৮ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় নল ১ মিনিটে পানি বের করে = (ক ÷ ১২) − (ক ÷ ৪৮ অংশ) = (৪ক − ক) ÷ ৪৮ = ৩ক ÷ ৪৮ = ক ÷ ১৬ অংশ প্রশ্নমতে, ক ÷ ১৬ = ১৫ ক = ১৫ × ১৬ উত্তর: ২৪০ লিটার
a 2a2-5ab-8b2
b 2a2-5ab+8b2
c 2a2+5ab-8b2
d কোনটিই নয়
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ক২ + ৫কখ − ৮খ২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ক৩ − ৯খ৩ + (ক + খ) রাশিটির একটি উৎপাদক হলো (ক − খ) ধরি, রাশিটিকে বহুপদী হিসেবে বিবেচনা করি এফ(ক) = ক৩ − ৯খ৩ + ক + খ অতএব, উৎপাদক উপপাদ্য অনুসারে (ক − খ) দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ শূন্য হবে তাই ক এর পরিবর্তে খ বসিয়ে পাই এফ(খ) = খ৩ − ৯খ৩ + খ + খ সুতরাং, মূল রাশিটিকে (ক − খ) দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল পাওয়া যাবে ভাগ করে পাই ২ক২ + ৫কখ − ৮খ২ উত্তর: C) ২ক২ + ৫কখ − ৮খ২
a 6
b 8
c 12
d 10
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ২০ জন শ্রমিকের মোট কাজ শেষ করতে সময় লাগে ১২ দিন কাজ শুরু করার ৪ দিন পর ১০ জন শ্রমিক চলে যায় ধরি, ২০ জন শ্রমিক ১ দিনে করে মোট কাজের ১ ভাগ ১২ অংশ ২০ জন শ্রমিক ৪ দিনে করে মোট কাজের ৪ ভাগ ১২ অংশ বা ১ ভাগ ৩ অংশ অতএব, বাকী কাজ থাকে ১ বিয়োগ ১ ভাগ ৩ অংশ বা ২ ভাগ ৩ অংশ ৪ দিন পর শ্রমিক অবশিষ্ট থাকে ২০ বিয়োগ ১০ সমান ১০ জন সুতরাং, ২০ জন শ্রমিক পুরো কাজ করে ১২ দিনে ১০ জন শ্রমিক পুরো কাজ করতে সময় নেয় ১২ গুণ ২ সমান ২৪ দিন উত্তর: ২৪ এর ২ ভাগ ৩ অংশ সমান ১৬ দিন, এবং ১৬ বিয়োগ ৮ সমান ৮ দিন
a 9
b 11
c 12
d 10
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলোর পরিসীমা হলো একচল্লিশ থেকে নব্বই পর্যন্ত ধরি, প্রথম দশক হলো একচল্লিশ থেকে পঞ্চাশ দ্বিতীয় দশক হলো একান্ন থেকে ষাট তৃতীয় দশক হলো একষষ্টি থেকে সত্তর চতুর্থ দশক হলো একাত্তর থেকে আশি পঞ্চম দশক হলো একাশিত থেকে নব্বই অতএব, একচল্লিশ থেকে পঞ্চাশ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা তিনটি যথা একচল্লিশ, তেতাল্লিশ, উনপঞ্চাশ নয় বরং সাতাশ নয়, ছিয়ানব্বই নয়, পঁয়তাল্লিশ নয়, সংক্ষেপে তেতাল্লিশ, উনপঞ্চাশ নয়, সাঁইচল্লিশ এবং উনপঞ্চাশ নয়, উনপঞ্চাশ মৌলিক নয় একচল্লিশ থেকে পঞ্চাশ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা তিনটি হলো একচল্লিশ, তেতাল্লিশ এবং সাঁইচল্লিশ একান্ন থেকে ষাট পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা দুটি হলো তিপ্পান্ন এবং উনষাট সুতরাং, একষষ্টি থেকে সত্তর পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা দুটি হলো একষষ্টি এবং সাতষষ্টি একাত্তর থেকে আশি পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা তিনটি হলো একাত্তর, তিয়াত্তর এবং উনআশি একাশিত থেকে নব্বই পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা দুটি হলো তিরাশি এবং সাতাশি উত্তর: ৩ + ২ + ২ + ৩ + ২ = ১২টি
a 25
b 30
c 35
d 49
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে শুরু করে ৪৯ পর্যন্ত ধারাবাহিক সংখ্যাগুলো দেওয়া আছে এখানে প্রথম সংখ্যাটি হলো ১ এবং শেষ সংখ্যাটি হলো ৪৯ ধরি, ধারাবাহিক সংখ্যাগুলোর মোট পদের সংখ্যা = ৪৯ প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ৪৯ অতএব, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = পদের সংখ্যা × (প্রথম পদ + শেষ পদ) ÷ ২ সমষ্টি = ৪৯ × (১ + ৪৯) ÷ ২ সমষ্টি = ৪৯ × ৫০ ÷ ২ সুতরাং, সমষ্টি = ১২২৫ গড় = সমষ্টি ÷ পদের সংখ্যা গড় = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫ উত্তর: ২৫
a 20
b 36
c 24
d 44
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৮ সে.মি. রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৯ সে.মি. ধরি, রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বাহুর দৈর্ঘ্য × বাহুর দৈর্ঘ্য অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৮ × ৯ বর্গ সে.মি. রম্বসের ক্ষেত্রফল = ৩৬ বর্গ সে.মি. প্রশ্নমতে, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৩৬ বর্গ সে.মি. সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = √৩৬ = ৬ সে.মি. বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ৬ = ২৪ সে.মি. উত্তর: ২৪
a ১৮০°
b ১৭০°
c ২৭০°
d ৩৬০°
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে পর্যায়ক্রমে একই দিকে বর্ধিত করা হলো। ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০°। ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণ ক, খ এবং গ। ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ (১৮০° − ক), (১৮০° − খ) এবং (১৮০° − গ)। অতএব, তিনটি বহিঃস্থ কোণের যোগফল = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ) = (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ) সুতরাং, যোগফল = ৫৪০° − ১৮০° উত্তর: ৩৬০°
a 75
b 80
c 72
d 82
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, কেরোসিনের পরিমাণ = ৭ক লিটার পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৬০ ১০ক = ৬০ বা ক = ৬ সুতরাং, কেরোসিনের পরিমাণ = ৭ × ৬ = ৪২ লিটার পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ × ৬ = ১৮ লিটার ধরি, নতুন পেট্রোল মেশাতে হবে = ঘ লিটার অতএব, (১৮ + ঘ) ÷ ৪২ = ৭ ÷ ৩ ৩ × (১৮ + ঘ) = ৪২ × ৭ সুতরাং, ৫৪ + ৩ঘ = ২৯৪ ৩ঘ = ২৯৪ − ৫৪ = ২৪০ বা ঘ = ৮০ উত্তর: ৮০ লিটার

মোট প্রশ্ন (20)

a ৩০ বছর
b ৪০ বছর
c ৫০ বছর
d ৭০ বছর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭০ বছর কেন সঠিক: - রাজা ভূমিবল (নবম রামা) ১৯৪৬ সালের ৯ই জুন থাইল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন। - তিনি ২০১৬ সালের ১৩ই অক্টোবর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় ৭০ বছর ১২৬ দিন রাজত্ব করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ বছর — এই মেয়াদটি রাজা ভূমিবলের দীর্ঘ রাজত্বকালের চেয়ে অনেক কম এবং বাস্তব ইতিহাসের সঙ্গে মেলে না। B) ৪০ বছর — থাইল্যান্ডের এই রাজার রাজত্বকাল এর চেয়েও অনেক দীর্ঘ ছিল। C) ৫০ বছর — সুবর্ণ জয়ন্তী বা ৫০ বছর রাজত্ব করলেও তিনি আরও দীর্ঘ সময় সিংহাসনে আসীন ছিলেন। D) ৭০ বছর — এটি রাজা ভূমিবলের সঠিক ও ঐতিহাসিক রাজত্বকাল। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল ছিলেন আধুনিক বিশ্বের দীর্ঘতম সময় রাজত্বকারী রাজাদের একজন, যার মেয়াদ ছিল প্রায় ৭০ বছর।
a 1976
b 1977
c 1960
d 1979
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও প্রতিষ্ঠান সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৯ (প্রদত্ত C) ১৯৬০ উত্তরটি ভুল। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ বা আইসিডিডিআর,বি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৯ সালে।) কেন সঠিক: - ১৯৬০ সালে এটি এসইটিআরসি নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালে আন্তর্জাতিক সংস্থার রূপ লাভ করে আইসিডিডিআর,বি নামে আত্মপ্রকাশ করে। - ঢাকাস্থ মহাখালীতে অবস্থিত এই আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি মূলত ডায়রিয়া ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1976 — এই সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি প্রতিষ্ঠালগ্ন ও রূপান্তরের সঠিক সাল নয়। B) 1977 — এই সালটি এই আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) 1960 — এই সালে তৎকালীন এসইটিআরসি প্রতিষ্ঠিত হলেও আইসিডিডিআর,বি হিসেবে এর পূর্ণাঙ্গ আত্মপ্রকাশ ১৯৭৯ সালে হয়। D) 1979 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই বর্তমান নামে প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। মনে রাখার টিপস: আইসিডিডিআর,বি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ১৯৭৯ সালটি মনে রাখতে হবে, যদিও এর পূর্বরূপ শুরু হয়েছিল ১৯৬০ সালে।
a 18
b 11
c 12
d 13
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ দীর্ঘকাল ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বাধিক শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। - বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা প্রায় ১৮টি দেশে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ — এটি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের বর্তমান কার্যরত দেশের সঠিক সংখ্যা। B) ১১ — এই সংখ্যাটি বর্তমান সক্রিয় মিশনের বাস্তব পরিসরের সঙ্গে মেলে না। সি) ১২ — এই সংখ্যাটি বর্তমান শান্তিরক্ষা মিশনের সঠিক হিসাবের চেয়ে কম। D) ১৩ — এই সংখ্যাটি দিয়ে বর্তমান শান্তিরক্ষী কার্যক্রমের প্রকৃত পরিধি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আঠারোটি দেশে শান্তি বজায় রাখতে কাজ করছে, সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৮ মনে রাখুন।
a 15
b 20
c 22
d 23
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৩ কেন সঠিক: - মার্কিন সাতারু মাইকেল ফেলপস অলিম্পিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ পদকধারী একজন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ। - তিনি তার বর্ণিল অলিম্পিক ক্যারিয়ারে মোট ২৩টি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ — এই সংখ্যাটি ফেলপসের মোট স্বর্ণপদকের সংখ্যার চেয়ে অনেক কম এবং এটি সঠিক পরিসংখ্যান নয়। B) ২০ — ফেলপস ২০টি স্বর্ণপদক জয়ের মাইলফলক অতিক্রম করে আরও বেশি পদক অর্জন করেছিলেন। C) ২২ — তিনি ২২টি স্বর্ণপদক অর্জনের পরও আরও একটি স্বর্ণপদক জিতে মোট সংখ্যা ২৩টিতে উন্নীত করেছিলেন। D) ২৩ — এটি মাইকেল ফেলপসের অর্জিত স্বর্ণপদকের সঠিক সংখ্যা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মাইকেল ফেলপসের নাম মনে রাখলেই মনে রাখবে তিনি দুই ডজন থেকে মাত্র একটি কম অর্থাৎ ২৩টি অলিম্পিক স্বর্ণপদক পেয়েছেন।
a চিত্তরঞ্জন দত্ত
b আবু ওসমান চৌধুরী
c আবু তাহের
d খালেদ মোশারফ
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চিত্তরঞ্জন দত্ত কেন সঠিক: - বাংলাদেশ রাইফেলস বর্তমান বিজিবি এর প্রতিষ্ঠাকালীন মহাপরিচালক ছিলেন মেজর জেনারেল চিত্তরঞ্জন দত্ত সিআর দত্ত। - তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিত্তরঞ্জন দত্ত - এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলাদেশ রাইফেলস এর প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন। B) আবু ওসমান চৌধুরী - তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, কিন্তু বাংলাদেশ রাইফেলস এর প্রথম মহাপরিচালক নন। C) আবু তাহের - তিনি একজন বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, এই পদের সাথে সম্পর্কিত নন। D) খালেদ মোশারফ - তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীতে কে ফোর্স এর কমান্ডার ছিলেন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ রাইফেলস এর প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার এবং বীর উত্তম সিআর দত্ত।
a বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন
b বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড
c ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ
d কোনটিই নয়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংস্থা যা দেশের পর্যটন খাতের বিকাশ ও উন্নয়নে কাজ করে। - এটি বাংলাদেশের প্রথম ও প্রধান জাতীয় পর্যটন সংস্থা হিসেবে পর্যটন শিল্পের অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দেশের সরকারি পর্যটন সংস্থা। B) বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড — এটি পর্যটন খাতের নিয়ন্ত্রক ও পরিকল্পনা প্রণয়নকারী জাতীয় পর্যটন বোর্ড, যা ২০১০ সালে গঠিত হয়। C) ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ — এটি পর্যটন ব্যবসায়ীদের একটি বেসরকারি বাণিজ্য সংগঠন, কোনো সরকারি জাতীয় সংস্থা নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর প্রথম অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পর্যটন খাতের মূল সরকারি সংস্থা কর্পোরেশন আর নিয়ন্ত্রক বোর্ড।
a গ্রানাডা ও নাউরু
b ফিজি ও গিনি বিসাউ
c নাউরু ও ফিজি
d গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - একই দিনে বাংলাদেশসহ গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রানাডা ও নাউরু — নাউরু এই দিনে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, তাই এটি ভুল। B) ফিজি ও গিনি বিসাউ — ফিজি এই নির্দিষ্ট তারিখে সদস্যপদ লাভ করেনি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) নাউরু ও ফিজি — এই দুটি দেশের মধ্যে ফিজি ও নাউরু ভিন্ন সময়ে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। D) গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ — এই দুটি দেশই বাংলাদেশের সাথে ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি বিসাউ একই দিনে জাতিসংঘে যোগ দেয়, যা মনে রাখতে বাংলা অক্ষর বা নামের প্রথম বর্ণ মিলিয়ে নিতে পারেন।
a নেপাল
b ভুটান
c বাংলাদেশ
d ভারত
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নেপাল কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নেপালের পার্লামেন্টে নারী সদস্যের হার সর্বাধিক। - নেপালের আইনসভায় নারীদের আসন সংরক্ষণের সুনির্দিষ্ট কোটা এবং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানকার পার্লামেন্টে নারীর প্রতিনিধিত্ব সবচেয়ে বেশি। B) ভুটান — ভুটানের পার্লামেন্টে নারী সদস্যের হার নেপালের তুলনায় বেশ কম। C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশের সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব থাকলেও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে তা সর্বোচ্চ নয়। D) ভারত — ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভায় নারী সদস্যের হার নেপালের তুলনায় কম। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ার পার্লামেন্টে নারী সদস্য বেশি নেপালে, নে দিয়ে নেপাল মনে রাখা যায়।
a 1976
b 1960
c 1978
d 1979
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) 1976 কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (ICDDR, B) ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এটি মহাখালী, ঢাকায় অবস্থিত এবং ডায়রিয়া রোগ নিয়ে বিশ্বমানের গবেষণা পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1976 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। B) 1960 — এই সালে প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সঠিক সন নয়। C) 1978 — এটি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল নয়, এটি পরবর্তীতে আইসিডিডিআরবি নামে রূপ নেয়। D) 1979 — এই সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়, তবে প্রতিষ্ঠার সূচনা সাল ১৯৭৬। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (ICDDR, B) প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ৭৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a হাউজ অব কমনস
b হাউজ অব সিনেট
c প্রতিনিধি সভা
d হাউজ অব লর্ডস
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাউজ অব সিনেট প্রশ্নের ধরন ও বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কংগ্রেস, যা দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত। - এর উচ্চকক্ষের নাম সিনেট এবং নিম্নকক্ষের নাম হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস বা প্রতিনিধি সভা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাউজ অব কমনস — এটি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নির্বাচিত নিম্নকক্ষের নাম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়। B) হাউজ অব সিনেট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ হিসেবে সঠিকভাবে নির্ধারিত। C) প্রতিনিধি সভা — এটি মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের নাম, উচ্চকক্ষ নয়। D) হাউজ অব লর্ডস — এটি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নাম, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ হলো সিনেট এবং যুক্তরাজ্যের উচ্চকক্ষ হলো হাউজ অব লর্ডস।
a 34
b 35
c 36
d 37
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫ কেন সঠিক: - পাকিস্তান সরকার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমনে এই মামলা করে। - এই মামলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৪ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মামলার চার্জশিটে আসামির সংখ্যা ছিল ৩৫ জন। B) ৩৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মামলায় মূল আসামির সংখ্যা ছিল ঠিক ৩৫ জন। C) ৩৬ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ অতিরিক্ত কোনো আসামিকে এই হিসাবে ধরা হয়নি। D) ৩৭ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ পরবর্তীতে আসামির সংখ্যা পরিবর্তিত হলেও মূল মামলার আসামি ৩৫ জন ছিল। মনে রাখার টিপস: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি সংখ্যা মনে রাখতে পাঁচের অংকটি মনে রাখুন, যেখানে মোট আসামি ছিলেন ৩৫ জন।
a সক্রেটিস
b প্লোটো
c এরিস্টোটল
d ভলতেয়ার
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এরিস্টোটল কেন সঠিক: - গ্রিক দার্শনিক এরিস্টোটল খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৫ অব্দে এথেন্সে লাইসিয়াম নামক বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা গিমনেসিয়াম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। - এখানে তিনি পেরিপেটেটিক দর্শন চর্চা করতেন এবং বিজ্ঞান, দর্শন ও রাজনীতি বিষয়ে পাঠদান করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্রেটিস — তিনি কোনো স্থায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেননি, বরং রাজপথে বা বাজারে ঘুরে তরুণদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে শিক্ষা দিতেন। B) প্লোটো — তিনি এথেন্সে একাডেমি নামক শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন, যা লাইসিয়াম নয়। D) ভলতেয়ার — তিনি ফরাসি প্রদীপ্ত যুগের একজন দার্শনিক ও লেখক ছিলেন, প্রাচীন গ্রিসের কোনো শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করেননি। মনে রাখার টিপস: প্লোটোর প্রতিষ্ঠান একাডেমি এবং এরিস্টোটলের প্রতিষ্ঠান লাইসিয়াম, নামের এই পার্থক্য মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
a 2
b 3
c 4
d 5
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 3 কেন সঠিক: - ওআইসি বা ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার দাপ্তরিক বা কার্যনির্বাহী ভাষা মোট তিনটি। - সংস্থাটির দাপ্তরিক ভাষাগুলো হলো আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2 — এটি সঠিক নয় কারণ ওআইসি-র দাপ্তরিক ভাষা দুটি নয়, বরং তিনটি। B) 3 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সংস্থাটিতে তিনটি ভাষা ব্যবহৃত হয়। C) 4 — এটি ভুল কারণ ওআইসি-র দাপ্তরিক ভাষা চারটি নয়। D) 5 — এটি ভুল কারণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা পাঁচটি হলেও ওআইসি-র ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ওআইসি-র ভাষা মনে রাখতে আ-এ-ফ (আরবি, ইংরেজি, ফরাসি) এই সংক্ষিপ্ত রূপটি মনে রাখতে পারেন।
a 10
b 15
c 18
d 20
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ একর কেন সঠিক: - পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্থায়ী কেন্দ্র হিসেবে এটি ২০ একর জমির ওপর নির্মিত হয়েছে। - চীন সরকারের আর্থিক সহায়তায় নির্মিত এই প্রদর্শনী কেন্দ্রটির মোট ফ্লোর স্পেস প্রায় ৩৩ হাজার বর্গমিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ একর — এটি নির্ধারিত জমির পরিমাণের অর্ধেক এবং এই প্রকল্পের আয়তনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) ১৫ একর — এটিও সঠিক জমির পরিমাপের চেয়ে কম এবং প্রকল্পটির প্রকৃত নকশার সাথে মেলে না। C) ১৮ একর — এই পরিমাণ জমি বাণিজ্য মেলার মূল নকশা বা বরাদ্দের পরিমাণের চেয়ে কম। D) ২০ একর — এটি সঠিক পরিমাপ এবং এই অপশনটিই নির্দিষ্ট তথ্যের সাথে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য মেলা মানেই বড় পরিসর, তাই মনে রাখুন বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি ঠিক কুড়ি একর জমির ওপর তৈরি হয়েছে।
a শামসুর রহমান
b বুদ্ধদেব বসু
c জীবনানন্দ দাশ
d সমর সেন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ কেন সঠিক: - কবি জীবনানন্দ দাশ ও লাবণ্য দাসের বিবাহবার্ষিকী এবং তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে ২২ অক্টোবর দিনটিকে তাঁর প্রণয় দিবস হিসেবে স্মরণ করা হয়। - বাংলা সাহিত্যে নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দ দাশের জীবন ও প্রেমে এই দিনটির বিশেষ আবেগঘন তাৎপর্য রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রহমান — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা আধুনিক কবি হলেও ২২ অক্টোবর তাঁর কোনো বিশেষ প্রণয় দিবস নয়। B) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক ও ত্রয়োবিংশ শতাব্দীর সাহিত্য আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হলেও এই তারিখটি তাঁর প্রণয় দিবস হিসেবে পরিচিত নয়। D) সমর সেন — ইনি বাংলা প্রগতিশীল ধারার আধুনিক কবি ও সাংবাদিক হলেও এই বিশেষ তারিখের সঙ্গে তাঁর প্রণয় দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের নামের সঙ্গে রূপসী বাংলার নির্জনতা যেমন যুক্ত, তেমনি তাঁর প্রণয় দিবস হিসেবে ২২ অক্টোবর তারিখটি মনে রাখতে হবে।
a দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে
b চট্টগ্রামের রাউজানে
c জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে
d কুমিল্লার ময়নামতিতে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রামের রাউজানে কেন সঠিক: - মহামুনি বিহার বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও প্রাচীন বৌদ্ধ তীর্থস্থান। - প্রতি বছর এখানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব মহামুনি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে — এটি উত্তরবঙ্গের একটি উপজেলা, যেখানে এই বিহারটি অবস্থিত নয়। B) চট্টগ্রামের রাউজানে — এই অপশনটি সঠিক এবং মহামুনি বিহার এখানেই অবস্থিত। C) জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে — এটি ময়মনসিংহ অঞ্চলের একটি এলাকা, যা এই বৌদ্ধ বিহারের অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। D) কুমিল্লার ময়নামতিতে — এটি প্রাচীন সমতটের বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র হলেও মহামুনি বিহার এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মহা মুনি, রাউজান শুনি।
a 1
b 2
c 3
d 4
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে মোট সদস্য ছিলেন চৌত্রিশ জন এবং একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু। - ১৯৭২ সালের তেসরা এপ্রিল গঠিত এই কমিটির প্রধান ছিলেন ড. কামাল হোসেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে বেগম রাজিয়া বানু অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। B) ২ — এই অপশনটি ভুল কারণ কমিটিতে একাধিক নারী সদস্য ছিলেন না, কেবল একজন নারী সদস্য ছিলেন। C) ৩ — এই অপশনটি ভুল কারণ কমিটিতে তিন জন নারী সদস্য থাকার ঐতিহাসিক কোনো তথ্য নেই। D) ৪ — এই অপশনটি ভুল কারণ কমিটিতে চার জন নারী সদস্যের কোনো উপস্থিতি ছিল না। মনে রাখার টিপস: সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে নারী সদস্য ছিলেন মাত্র একজন, আর তিনি হলেন বেগম রাজিয়া বানু।
a লন্ডন
b প্যারিস
c ব্রাসেলস
d মাদ্রিদ
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ব্রাসেলস (প্রদত্ত উত্তর লন্ডন ভুল ছিল, কারণ ন্যাটো-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল লন্ডনে নয়, বরং ১৯৪৯ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত এর অস্থায়ী সদর দপ্তর ছিল লন্ডনে এবং ১৯৫২ সালে তা প্যারিসে স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে এর স্থায়ী সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর বলতে সাধারণত প্রথম বা প্রাথমিক সদর দপ্তর বোঝানো হয়, যা লন্ডন ছিল। তবে প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি দিক বিবেচনায় বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য।) কেন সঠিক: - উত্তর এ লন্ডন সঠিক কারণ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার পর এর প্রথম সদর দপ্তর ১৯৪৯ সালে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে স্থাপন করা হয়েছিল। - পরবর্তীতে ১৯৫২ সালে সদর দপ্তর লন্ডন থেকে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে স্থানান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি ১৯৪৯ সালে ন্যাটোর প্রথম বা প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল, যা পরবর্তীতে স্থানান্তরিত হয়। B) প্যারিস — ১৯৫২ সালে লন্ডন থেকে সদর দপ্তর এখানে স্থানান্তরিত হয়েছিল এবং ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এটি এখানে ছিল। C) ব্রাসেলস — এটি ন্যাটোর বর্তমান ও স্থায়ী সদর দপ্তর, যা ১৯৬৭ সালে প্যারিস থেকে এখানে স্থানান্তরিত হয়। D) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং ন্যাটোর সদর দপ্তর বা এর ইতিহাস এর সঙ্গে কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: ন্যাটোর যাত্রা শুরু হয়েছিল লন্ডন দিয়ে, ঘুরে এলো প্যারিস, আর এখন স্থায়ী ঠিকানা হলো ব্রাসেলস।
a 1970
b 1973
c 1976
d 1977
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1973 কেন সঠিক: - ১৯১৩ সালের ১৭ জুলাই আফগানিস্তানের রাজা জহির শাহের শাসনামলে এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থান ঘটে। - এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটিতে দীর্ঘ রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং মোহাম্মদ দাউদ খান রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1970 — এই সালে আফগানিস্তানে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটেনি, তখন জহির শাহের রাজত্বকাল চলছিল। B) 1973 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই আফগানিস্তানে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। C) 1976 — এই সালে রাজতন্ত্রের পতন ঘটেনি, বরং এটি দাউদ খানের প্রজাতান্ত্রিক শাসনের একটি বছর ছিল। D) 1977 — এই সালটি রাজতন্ত্রের অবসানের নয়, বরং এই বছর নতুন সংবিধানের মাধ্যমে দাউদ খানের প্রেসিডেন্সিয়াল শাসন শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের রাজতন্ত্রের অবসান এবং প্রজাতন্ত্র চালুর সালটি মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ১৯১৩ এর উল্টো বা শেষের জোড় সাল ১৯৭৩।
a ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২
b ১৬ডিসেম্বর ১৯৭২
c ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৭৩
d ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭৩
0 203 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৭৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালের ১৫ই ডিসেম্বর সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সাতজন বীরশ্রেষ্ঠর খেতাব ঘোষণা করে। - বিজয়ের ঠিক এক বছর পূর্তির আগের দিন এই বীরদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে বীরশ্রেষ্ঠদের নাম ঘোষণা করা হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি বিজয়ের প্রথম বার্ষিকী, কিন্তু বীরশ্রেষ্ঠদের নাম এই দিনে ঘোষণা করা হয়নি। C) ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই তারিখেই গেজেট প্রকাশিত হয়। D) ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭৩ — এটি বিজয়ের দ্বিতীয় বার্ষিকী, এই তারিখের একদিন আগে খেতাব ঘোষণা করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের ঠিক একদিন আগে অর্থাৎ ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে বীরশ্রেষ্ঠদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল।