বাংলাদেশ রেলওয়ে

বাংলাদেশ রেলওয়েতে ট্রেন এক্সামিনার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: ট্রেন এক্সামিনার (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a সংবাদ প্রভাকর
b বর্তমান
c দিগদর্শন
d কল্লোল
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংবাদ প্রভাকর ১. কেন সঠিক: - সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথমে ১৮৩১ সালের ৬ মার্চ সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালের ১৯ জুন থেকে দৈনিক রূপ লাভ করে। - এটি বাংলা ভাষার প্রথম সফল দৈনিক সংবাদপত্র হিসেবে ইতিহাসের পাতায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংবাদ প্রভাকরের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন বাংলার প্রথম আধুনিক কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। - উনিশ শতকের সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমেই বহু প্রতিভাবান লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গদূত ব্যাখ্যা: এটি ১৮২৯ সালে প্রকাশিত একটি বহুভাষিক সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল যার সঙ্গে রামমোহন রায় যুক্ত ছিলেন। উদাহরণ ২: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ প্রভাকর - এটি প্রথমে সাপ্তাহিক ও পরে দৈনিক রূপে প্রকাশিত হয়েছিল যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। B) বর্তমান - এটি একটি সমসাময়িক দৈনিক সংবাদপত্র যা কখনো সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশিত হয়নি। C) দিগদর্শন - এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা ছিল যা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকাশিত প্রথম সাময়িকী। D) কল্লোল - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা যা বিশ শতকে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর প্রথমে ছিল সাপ্তাহিক আর পরে হলো দৈনিক। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রভাত শুরু হয় সপ্তাহে একবার কিন্তু আলো ছড়ায় প্রতিদিন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে প্রথম সাপ্তাহিক ও প্রথম দৈনিক পত্রিকার আত্মপ্রকাশের সাল এবং সম্পাদকের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের প্রশ্নে পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b পেত্রার্ক
c তলস্তয়
d অতুলপ্রসাদ সেন
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পেত্রার্ক ১. কেন সঠিক: - ইতালীয় কবি ফ্রান্সেস্কো পেত্রার্ক সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবক্তা বা আদি কবি হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে স্বীকৃত। - চতুর্দশপদী কবিতায় নির্দিষ্ট নিয়ম ও ভাবের সংক্ষিপ্ত প্রকাশ ঘটিয়ে সনেট রূপটিকে তিনি পূর্ণতা ও জনপ্রিয়তা দিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের জন্ম ইতালিতে ত্রয়োদশ থেকে চতুর্দশ শতাব্দীতে রেনেসাঁস বা নবজাগরণের সময়। - ইতালীয় কবি পেত্রার্ক তার প্রিয়তমা লরাকে নিয়ে লেখা সনেটগুলোর মাধ্যমে এই কাব্যরূপকে বিশ্বসাহিত্যে স্থায়ী আসন দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গবানী বা কপোতাক্ষ নদ কবিতা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রথম সফল প্রয়োগ যেখানে ইতালীয় সনেটের ভাব ও গঠন অনুসরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সনেট পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত সনেট সংকলন যা এই কাব্যরীতির বহুমুখী ব্যবহারের পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের সনেটের প্রবক্তা, বিশ্বসাহিত্যের আদি কবি নন। B) পেত্রার্ক — এটি সঠিক উত্তর। C) তলস্তয় — তিনি রুশ সাহিত্যের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক, সনেটের আদি কবি নন। D) অতুলপ্রসাদ সেন — তিনি একজন প্রখ্যাত গীতিকার ও সুরকার, সনেট রচনার জন্য পরিচিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সনেটের জনক মনে রাখতে পেত্রার্ক নামটির সাথে প্রথম অক্ষর প মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - বিশ্বসাহিত্যের আদি পেত্রার্ক এবং বাংলার আদি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বসাহিত্যের সনেট প্রবক্তা পেত্রার্ক এবং বাংলা সনেটের প্রবক্তা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - পরীক্ষার প্রশ্নে আদি কবি বললে পেত্রার্ক এবং বাংলার সনেট বললে মাইকেল মধুসূদন দত্ত দাগাতে হবে।
a কতৃবাচ্য
b ভাববাচ্য
c কর্মবাচ্য
d কোনটিই নয়
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাববাচ্য ১. কেন সঠিক: এই বাক্যে কর্তার চেয়ে ক্রিয়ার ভাব বা অর্থই প্রধান হয়ে উঠেছে এবং এখানে কোনো স্পষ্ট বা প্রত্যক্ষ কর্তা নেই। সাধারণত কর্মহীন অকর্মক ক্রিয়া যখন ভাব প্রকাশ করে এবং বাক্যে কারের চেয়ে কাজের ভাবটি প্রধান হয়, তখন তা ভাববাচ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বাচ্যে কর্তার বা কর্মের প্রাধান্য না বুঝিয়ে ক্রিয়ার ভাব বা কাজটির অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। ভাববাচ্যের বাক্যে সাধারণত অকর্মক ক্রিয়া ব্যবহৃত হয় এবং ক্রিয়ার পুরুষ প্রধানত প্রথম বা তৃতীয় পুরুষ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার যাওয়া হবে না। ব্যাখ্যা: এখানে যাওয়া কাজটি প্রধান এবং কোনো নির্দিষ্ট কর্তা কাজটিকে এককভাবে পরিচালনা করছে না। উদাহরণ ২: সেদ্ধ চা খাওয়া চলে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও কাজের ভাবটি প্রাধান্য পেয়েছে এবং এটি ভাববাচ্যের একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কতৃবাচ্য — এই বাক্যে কর্তা সরাসরি প্রধান নয় এবং বাক্যটি কর্তার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। B) ভাববাচ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ক্রিয়ার ভাব প্রধান হয়েছে। C) কর্মবাচ্য — এই বাক্যে কোনো স্পষ্ট কর্ম নেই, তাই এটি কর্মবাচ্য হতে পারে না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাববাচ্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যে সাধারণত কে বা কারা প্রশ্ন করলে স্পষ্ট কোনো কর্তা পাওয়া যায় না। অকর্মক ক্রিয়ার সঙ্গে যখন ক্রিয়ার ভাব প্রধান হয়, চোখ বুজে তাকে ভাববাচ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কর্তৃবাচ্য থেকে ভাববাচ্যে রূপান্তরের সময় কর্তার সঙ্গে বিভক্তি যোগ হয় এবং ক্রিয়া বিশেষ রূপ লাভ করে।
a সন্দ্বীপ
b কুতুবদিয়া
c খুলনা
d রাজশাহী
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সন্দ্বীপ ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আব্দুল হাকিমের জন্মস্থান বর্তমান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার সুদখালি গ্রামে। তিনি সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি এবং সে সময়ে আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আব্দুল হাকিম মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ও নৈতিকতাবাদী ধারার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে সবিশেষ পরিচিত। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নূরনামা সমাজে ইসলামের আদর্শ প্রচার এবং মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগের এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নূরনামা কাব্যগ্রন্থটি কবি আব্দুল হাকিমের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত নৈতিক সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। ব্যাখ্যা: এই কাব্যে কবি ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ভাষার প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা ও প্রগাঢ় শ্রদ্ধাবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন। উদাহরণ ২: শিহাবউদ্দিননামা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম যা কবি আব্দুল হাকিমের পাণ্ডিত্য ও কাব্যপ্রতিভার দারুণ পরিচয় বহন করে। ব্যাখ্যা: এই রচনাটি মধ্যযুগের ইসলামী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর রচিত অন্যতম প্রধান একটি কাব্য হিসেবে গবেষকদের কাছে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্দ্বীপ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ কবি আব্দুল হাকিম এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। B) কুতুবদিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ হলেও আব্দুল হাকিমের জন্মস্থান এটি নয়। C) খুলনা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দক্ষিণবঙ্গের একটি জেলা এবং মধ্যযুগের এই কবির জন্মস্থানের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) রাজশাহী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি উত্তরবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা যেখানে এই কবির জন্ম হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: আব্দুল হাকিমের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে তিনি সন্দ্বীপের সন্তান এবং সন্দ্বীপের সাথে তার নাম চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। বাংলা ভাষার প্রতি তার বিখ্যাত পংক্তি যে সবে বঙ্গেতে জন্মে হংস বঙ্গবাণী সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি তার জন্মস্থান সন্দ্বীপের মাটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। বিশেষ করে আব্দুল হাকিমের নূরনামা কাব্যগ্রন্থটি কোন বিষয়ে রচিত এবং মাতৃভাষার পক্ষে তার মন্তব্য থেকে বারবার প্রশ্ন আসে।
a ২১ টি
b ৩৯ টি
c ১১ টি
d কোনটিই নয়
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীনভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। এগুলো ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ডক্টর সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মতে খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনা বৃষ্টি ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ বৃষ্টির পূর্বে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে অভাব অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আ বার্তা ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ বার্তার পূর্বে আ উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডক্টর সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মতে খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে একুশটি। B) ৩৯ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলায় এমন কোনো ব্যাকরণিক উপাদানের নির্দিষ্ট এই সংখ্যা নেই। C) ১১ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি বিদেশি উপসর্গ বা অন্য কোনো ব্যাকরণিক সংখ্যার সাথে মিলে যেতে পারে। D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর একুশটি অপশনে বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো একুশটি উপসর্গ একটি ছন্দের মাধ্যমে মুখস্থ রাখা। যেমন অঘা, অজ, অনা, আ, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পা, পতি, বি, ভর্, রাম, স, সু, হা, হতি, আধা, অর্। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা, তৎসম এবং বিদেশি উপসর্গের সংখ্যা আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখতে হবে তৎসম উপসর্গ বিশটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি।
a রায় নন্দিনী
b অগ্নিপ্রবাহ
c বহিপীর
d অগ্রপথিক
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রায় নন্দিনী ১. কেন সঠিক: - রায় নন্দিনী হলো বিখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন সামাজিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, কবি ও সমাজ সংস্কারক। - তিনি মূলত তাঁর প্যাট্রিওটিক বা দেশাত্মবোধক কবিতা এবং মুসলিম জাগরণের উপন্যাসের জন্য বিশেষ পরিচিত লাভ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তরুন প্রবর্তক ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: নলিনী মঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রায় নন্দিনী — এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) অগ্নিপ্রবাহ — এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর নয়। C) বহিপীর — এটি প্রখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা অন্য লেখকের সৃষ্টি। D) অগ্রপথিক — এটি কোনো বিখ্যাত মৌলিক সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এটি এখানে প্রাসঙ্গিক বা সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর নামের সাথে 'রায় নন্দিনী' উপন্যাসটি মনে রাখার জন্য সিরাজী সাহেবের ঐতিহাসিক উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে পড়তে পারো। - মুসলিম জাগরণের লেখকদের মধ্যে তাঁর উপন্যাসগুলো বেশ স্বকীয় বৈশিষ্ট্য বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের ঐতিহাসিক উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন কমন পাওয়ার জন্য লেখকদের নামের পাশে তাঁদের প্রধান উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা ছক আকারে মুখস্থ রাখা উচিত।
a রিক্সা
b আত্মরক্ষা
c আত্মহত্যা
d হারানো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আত্মহত্যা ১. কেন সঠিক: - হারিকিরি একটি জাপানি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো নিজের পেট কেটে আত্মহত্যা করা। - এটি মূলত প্রাচীন জাপানি সামুরাই যোদ্ধাদের একটি সামাজিক প্রথা বা সম্মান রক্ষার আত্মঘাতী পদ্ধতি ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ বা পারিভাষিক শব্দ বিশেষ। - জাপানি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলা সাহিত্যে এবং সাধারণ জ্ঞানে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনামি ব্যাখ্যা: এটিও একটি জাপানি শব্দ যার অর্থ সমুদ্রের তীরের বিশাল ঢেউ। উদাহরণ ২: নিনজা ব্যাখ্যা: এটি জাপানি সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিক্সা — এটি একটি জাপানি শব্দ হলেও এর অর্থ ভিন্ন, যার বাংলা অর্থ হলো চালকহীন ছোট গাড়ি। B) আত্মরক্ষা — এই শব্দের অর্থ নিজেকে রক্ষা করা, যা হারিকিরি শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) আত্মহত্যা — এটি সঠিক উত্তর। D) হারানো — এই শব্দের অর্থ কোনো কিছু হারিয়ে যাওয়া, যা জাপানি হারিকিরি শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - হারিকিরি শব্দের শুরুতে হা আছে এবং আত্মহত্যা শব্দের মধ্যেও হ বা আত্মর ব্যাপার আছে, এভাবে মনে রাখা যায়। - জাপানি শব্দগুলো মনে রাখতে হারিকিরি এবং সুনামি একসঙ্গে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - জাপানি শব্দ যেমন রিক্সা, সুনামি, হারিকিরি, নিনজা এগুলো ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
a কামিনী রায়
b বেগম রোকেয়া
c ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
d মুকুন্দরাম
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ১. কেন সঠিক: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' পংক্তিটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের বিখ্যাত কাব্য 'অন্নদামঙ্গল' থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই প্রার্থনাটি করেছেন ঈশ্বরী পাটানি, যিনি দেবী অন্নপূর্ণার আশীর্বাদ চাওয়ার সময় রাজকীয় ধনসম্পদ না চেয়ে কেবল সাধারণ ও মৌলিক অন্নবস্ত্রের নিরাপত্তা চেয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের শেষভাগের কবি, যিনি নদীয়া জেলার পেড়াগা গ্রাম জন্মগ্রহণ করেন এবং কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। - তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত এবং এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার অন্যতম শেষ ও জনপ্রিয় নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি কবি ভারতচন্দ্রের অমর সৃষ্টি যা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সম্পাদনায় পরবর্তীতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করে। উদাহরণ ২: নাগরমঙ্গল বা সত্যনারায়ণের পুথি ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রচিত অন্যান্য ছোট পরিসরের সাহিত্যকর্ম যা তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামিনী রায় — ইনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত নারী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত পংক্তি হলো নিশিতে যাইও ফুলবনে, যা এই প্রখ্যাত উদ্ধৃতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। B) বেগম রোকেয়া — ইনি আধুনিক যুগের নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সুলতানার স্বপ্ন ও পদ্মরাগ উপন্যাসের রচয়িতা, যার সঙ্গে এই পংক্তির কোনো মিল নেই। C) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটানির প্রার্থনা থেকে নেওয়া হয়েছে। D) মুকুন্দরাম — ইনি মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি, যা কবিকঙ্কণ নামে পরিচিত এবং এই পংক্তির স্রষ্টা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুধে ভাতে বেঁচে থাকার আকুতি প্রকাশ করেছিলেন গরিব ঈশ্বরী পাটানি, আর তাঁর স্রষ্টা হলেন ভারত রায় গুণাকর। - ভারতচন্দ্রকে মনে রাখার জন্য অন্নদামঙ্গল কাব্যের কথাটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের বিখ্যাত পংক্তি ও তার রচয়িতা প্রায়ই আসে, তাই কবি ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল খুব ভালোভাবে পড়তে হবে। - মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্রের অবদান এবং তাঁর উপাধি গুণাকর সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট রাখতে হবে।
a হিন্দি
b বাংলা
c তামিল
d ফারসি
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফারসি ১. কেন সঠিক: 'হিন্দি' শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ফারসি ভাষায় ভারত বা হিন্দুস্তান অঞ্চলের ভাষা ও সংস্কৃতি বোঝাতে এই শব্দের ব্যবহার শুরু হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থ ও উৎসের বিচারে 'হিন্দি' একটি বিদেশি শব্দ। ফারসি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলা শব্দভাণ্ডারে বহুকাল ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজ ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত ফারসি শব্দ যা আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও ফারসি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — এটি কোনো ভাষার নাম নির্দেশ করলেও 'হিন্দি' শব্দটির উৎপত্তির উৎস ভাষা হিন্দি নয়। B) বাংলা — 'হিন্দি' শব্দটি কোনো দেশি বা খাঁটি বাংলা শব্দ নয়। C) তামিল — এটি দক্ষিণ ভারতের একটি প্রাচীন ভাষা, যার সঙ্গে 'হিন্দি' শব্দের কোনো ব্যুৎপত্তিগত সম্পর্ক নেই। D) ফারসি — এটি সঠিক কারণ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশি বা ভারতীয় বিভিন্ন ভাষা যেমন হিন্দি, কাগজ, কলম—এগুলো মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ফারসি বিদেশি শব্দ মনে রাখার জন্য মধ্যযুগের বিভিন্ন প্রশাসনিক শব্দের তালিকা পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a নদী
b বই
c সৌন্দর্য
d কাঁঠাল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌন্দর্য ১. কেন সঠিক: - সৌন্দর্য শব্দটির মাধ্যমে কোনো বস্তু বা ব্যক্তির গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। - ব্যাকরণ অনুযায়ী, যে বিশেষ্য পদে কোনো গুণ, অবস্থা বা ভাবের নাম বোঝায় এবং যার বাহ্যিক কোনো রূপ বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অস্তিত্ব নেই, তাকে বিমূর্ত বা ভাববাচক বিশেষ্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় ভাগে বিভক্ত, যার একটি হলো গুণবাচক বা ভাববাচক বা বিমূর্ত বিশেষ্য। - যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে গুণবাচক বা বিমূর্ত বিশেষ্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুরতা ব্যাখ্যা: এটি একটি গুণের নাম, যা ইন্দ্রিয় দিয়ে সরাসরি ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। উদাহরণ ২: সততা ব্যাখ্যা: এটি মানুষের একটি নৈতিক গুণের নাম, তাই এটি বিমূর্ত বিশেষ্যের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদী — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ নদী দ্বারা নির্দিষ্ট বা অনিনির্দিষ্ট প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের সাধারণ নাম বোঝায়। B) বই — এটি একটি জাতিবাচক বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য হতে পারে, যা একটি দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় বস্তুবাচক বিশেষ্য। D) কাঁঠাল — এটি একটি নির্দিষ্ট ফল বা বস্তুর নাম বোঝায়, যা বস্তুবাচক বা জাতিবাচক বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত এবং দৃশ্যমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বিশেষ্যগুলো চোখ দিয়ে দেখা যায় না বা হাত দিয়ে ছোঁয়া যায় না, কেবল মন দিয়ে অনুভব করতে হয়, সেগুলোই বিমূর্ত বা গুণবাচক বিশেষ্য। - সততা, সৌন্দর্য, দয়া, শৈশব ইত্যাদি শব্দগুলো দেখলেই বিমূর্ত বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিমূর্ত বিশেষ্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দটির শেষাংশ লক্ষ করা, যেমন তা, ত্ব, পনা, ইমা ইত্যাদি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধারণত বিমূর্ত বিশেষ্য হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বস্তুবাচক এবং গুণবাচক বিশেষ্যের পার্থক্য প্রায়ই কনফিউশন তৈরি করে, তাই দৃশ্যমানতা ও স্পর্শনীয়তার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
a প্রতিকূল
b প্রতিদিন
c পরিভ্রমণ
d গৃহান্তর
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরিভ্রমণ ১. কেন সঠিক: প্রাদি সমাসের ক্ষেত্রে প্র, পরা, পরি ইত্যাদি উপসর্গ বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদের পূর্বে বসে যে সমাস গঠন করে, তাকে প্রাদি সমাস বলে। এখানে পরিভ্রমণ শব্দটি পরি উপসর্গের সঙ্গে ভ্রমণ শব্দের যোগে গঠিত হয়েছে এবং এটি প্রাদি সমাসের সঠিক উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে প্র, পরা, পরি, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ কৃৎ বা অব্যয় পদের পূর্বে বসে এবং বিশেষ্য পদরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে প্রাদি সমাস বলে। প্রাদি সমাসে সাধারণত উপসর্গ বা অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং এটি কৃদন্ত পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রগত = প্র যে গত ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গ গত শব্দের পূর্বে বসে প্রাদি সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পরিপাক = পরি যে পাক ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গ পাক শব্দের পূর্বে বসে প্রাদি সমাসের উদাহরণ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিকূল — এটি প্রতি উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস কারণ এখানে কুল শব্দের বিরুদ্ধে অর্থে প্রতি অব্যয় যুক্ত হয়েছে। B) প্রতিদিন — এটি দিন দিন বা প্রতি দিন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ যেখানে বিপ্সা বা পুনরাবৃত্তি বোঝানো হয়েছে। C) পরিভ্রমণ — এটি সঠিক উত্তর। D) গৃহান্তর — এটি অন্য গৃহ অর্থে নিত্য সমাসের উদাহরণ যেখানে পদের পরিবর্তন বোঝাতে অন্তর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাদি সমাস চেনার জন্য মনে রাখবে যে এখানে প্র, পরা, পরি ইত্যাদি উপসর্গ কৃদন্ত পদের আগে বসে সমাস তৈরি করে। বাক্য বিশ্লেষণ করার সময় প্র বা পরি এর পরে যে বা বিশেষ পদ ব্যবহার করে সমাসবাক্য তৈরি করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ীভাব ও প্রাদি সমাসের মধ্যে প্রায়ই শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়। উপসর্গ যুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে দেখতে হবে সেটি অব্যয়ীভাব সমাস নাকি কৃদন্ত পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রাদি সমাস গঠন করেছে।
a কাঠ
b কৃ
c মাগ
d গম্
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঠ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ধাতুগুলোকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হলো সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু এবং অন্যটি খাঁটি বাংলা বা দেশি ধাতু। কাঠ একটি খাঁটি বাংলা ধাতু যা প্রাকৃত বা দেশীয় উৎস থেকে এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব ধাতু সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় আসেনি বরং প্রাকৃত বা লোকমুখের ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে রূপ লাভ করেছে সেগুলোকে খাঁটি বাংলা ধাতু বলে। এই ধাতুগুলোর সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে নতুন শব্দ ও ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঠ ধাতু থেকে গঠিত ক্রিয়াপদ হলো কাটা বা কাটছে। এটি দৈনন্দিন কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: কাঠ ধাতুর সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত করে কাটা শব্দটি গঠন করা হয়েছে যা খাঁটি বাংলা শব্দের উদাহরণ। উদাহরণ ২: আঁক ধাতু থেকে গঠিত ক্রিয়াপদ হলো আঁকা বা আঁকছে। এটিও একটি খাঁটি বাংলা ধাতু। ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ভাষা থেকে সরাসরি পরিবর্তিত হয়ে আসা এই ধাতুগুলো বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি খাঁটি বাংলা ধাতু এবং এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে বাংলা ক্রিয়াপদ গঠন করা হয়। B) কৃ — এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু যার অর্থ হলো করা। C) মাগ — এটি ভুল অপশন কারণ মাগ কোনো স্বতন্ত্র বাংলা ধাতু নয়, এটি সংস্কৃত মাগ ধাতু থেকে এসেছে। D) গম্ — এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু যার অর্থ হলো গমন করা বা যাওয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত ধাতুগুলো সাধারণত একটু জটিল হয় যেমন কৃ, গম্, ভুব। অন্যদিকে খাঁটি বাংলা ধাতুগুলো তুলনামূলক সহজ ও প্রচলিত শব্দ যেমন কাঠ, আঁক, নাচ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু থেকে প্রশ্ন এলে তৎসম ও খাঁটি বাংলা ধাতুর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। সংস্কৃতির ছোঁয়া থাকা ধাতুগুলো তৎসম এবং প্রাকৃত থেকে আসা সহজ শব্দগুলো খাঁটি বাংলা ধাতু হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a সংস্কৃত
b প্রমিত
c সমাসবদ্ধ
d কোনটিই নয়
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: চারুকলা শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ। সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো অপরিবর্তিত রূপে সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে তৎসম শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চন্দ্র ব্যাখ্যা: চন্দ্র শব্দটিও সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ চারুকলা একটি তৎসম শব্দ। B) প্রমিত — প্রমিত কোনো শব্দের উৎসের শ্রেণিবিভাগ নয়, এটি ভাষার মান্য রূপ। C) সমাসবদ্ধ — সমাসবদ্ধ শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া, এটি শব্দের উৎস নির্দেশ করে না। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দে ঋ-কার বা যুক্তাক্ষর সাধারণত তৎসম শব্দের মতো প্রতীয়মান হয়, সেগুলোর উৎস মূলত সংস্কৃত ভাষা। চারুকলা শব্দের গঠনও এর প্রমাণ দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় শব্দের বানান ও গঠন লক্ষ করতে হবে। তৎসম শব্দগুলো সাধারণত সরাসরি সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত হয়।
a মিশ্র
b সরল
c যৌগিক
d বিভ্রমপূর্ণ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিশ্র ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে একটি প্রধান বা খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি বা একাধিক নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য বা উপবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে। - 'তুমি আসবে বলে' অংশটি একটি অধীন খণ্ডবাক্য এবং 'সখিনা বিবির কপাল ভাঙল' অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য বা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত বাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা অধীন খণ্ডবাক্য ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। - এই ধরনের বাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, যদি-তবে, যা-তা কিংবা সাপেক্ষবাচক শব্দ বা বিভক্তি যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব। ব্যাখ্যা: এখানে একটি শর্তযুক্ত অধীন খণ্ডবাক্যের ওপর প্রধান খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল হওয়ায় এটি মিশ্র বাক্য হয়েছে। উদাহরণ ২: যিনি সততা বজায় চলেন, তিনি কখনো বিপদে পড়েন না। ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনামের সাপেক্ষ ব্যবহার এবং একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির ওপর নির্ভরশীল থাকায় এটি মিশ্র বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে একটি প্রধান ও একটি অধীন খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) সরল — এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এই বাক্যের গঠনরীতি নয়। C) যৌগিক — এই বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে না, তাই এটি যৌগিক বাক্য নয়। D) বিভ্রমপূর্ণ — এটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো স্বীকৃত বা প্রমিত বাক্যরীতির নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মিশ্র বা জটিল বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝখানে যদি, তবে, যিনি, যিনি-তিনি কিংবা কারণবাচক সাপেক্ষ শব্দ খোঁজা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের প্রকারভেদ নির্ণয়ের সময় প্রধান ও অধীন খণ্ডবাক্যের সম্পর্ক ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a ধ্বনিতত্ত্বে
b রূপতত্ত্বে
c শব্দতত্ত্বে
d বাক্যতত্ত্বে
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্যতত্ত্বে ১. কেন সঠিক: - বাগধারা একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী শব্দসমষ্টি, যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দ বা পদ যখন বাক্যের মধ্যে বসে অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা বাক্যতত্ত্বের আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম অংশে বাক্যের গঠন, বাক্যের বিভিন্ন উপাদানের অবস্থান এবং বাগধারার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়। - বাগধারা শব্দটির আভিধানিক অর্থ কথার কথা হলেও ব্যাকরণে এটি বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রয়োগ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটি বাক্যে অপদার্থ বা অকর্মণ্য অর্থে প্রযুক্ত হয় এবং সম্পূর্ণ বাক্যের ভাবকে প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটি বাক্যে মোসাহেপ বা তোষামোদকারী অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যকে অর্থবহ করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ এবং নত্ব বিধান বা ষত্ব বিধান নিয়ে এই শাখায় আলোচনা করা হয়। B) রূপতত্ত্বে — শব্দমূল, প্রত্যয়, উপসর্গ, লিঙ্গ, বচন এবং পদের শ্রেণিবিভাগ নিয়ে রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। C) শব্দতত্ত্বে — শব্দের উৎপত্তি, অর্থ এবং শব্দের বিভিন্ন শ্রেণিবিভাগ বা উৎস নিয়ে শব্দতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। D) বাক্যতত্ত্বে — বাক্য ও বাক্যের গঠন, বাগধারা এবং প্রবাদ-প্রবচনের ব্যবহার বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য ও অর্থ বাড়ায়, তাই এটি বাক্যতত্ত্বের বিষয়। - মনে রাখবে বাক্যের অংশ হিসেবেই বাগধারা তার বিশেষ অর্থ ফুটিয়ে তোলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাগধারা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়। - প্রবাদ-প্রবচন এবং বাগধারা উভয়ই বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়।
a অধিকরণে তৃতীয়া
b করণে সপ্তমী
c অধিকরণে সপ্তমী
d করণে তৃতীয়া
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) করণে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে সম্পন্ন করা হচ্ছে তা বোঝালে করণ কারক হয়। - 'ফুলে ফুলে' পদটিতে ফুল নামক উপকরণের সাহায্যে ঘর সাজানোর কাজ করা হয়েছে, তাই এটি করণ কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফুল শব্দের সঙ্গে বহুচন বা পুনরুক্তি বোঝাতে 'ফুল + এ' যুক্ত হয়েছে এবং এর সঙ্গে আবারও 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে সপ্তমী বিভক্তি সাধিত হয়েছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এ, য়, তে ইত্যাদি ধ্বনি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে তা সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকে মধু আছে। ব্যাখ্যা: স্থান বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: কলমে লেখা যায়। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম বা উপকরণ বোঝানোর কারণে এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণে তৃতীয়া — অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী বা প্রথমা বিভক্তি হয়, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) করণে সপ্তমী — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে মাধ্যম বোঝাতে করণ কারক এবং এ বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। C) অধিকরণে সপ্তমী — স্থান বা কাল বোঝালে অধিকরণ হয়, কিন্তু এখানে সাজানোর উপকরণ বোঝানো হয়েছে। D) করণে তৃতীয়া — করণ কারক ঠিক থাকলেও এতে তৃতীয়ার বিভক্তি যেমন দিয়া, দ্বারা, কর্ত্তৃক বা এ, তে অনুসর্গ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছু দিয়ে বা উপকরণের সাহায্যে কোনো কাজ করা বুঝালে করণ কারক হয় এবং বিভক্তির ঘরে এ বা তে থাকলে সপ্তমী বিভক্তি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এক শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে করণ কারক নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাক্যে মাধ্যম বা উপকরণ খুঁজে পেলে প্রথমে করণ কারক নিশ্চিত করবে এবং শব্দের শেষে এ বা তে থাকলে সপ্তমী বিভক্তি চিহ্নিত করবে।
a বারিধি
b বারীশ
c সুধাকর
d রত্নাকর
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুধাকর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সমার্থক শব্দের প্রশ্ন এবং এর অর্থ চন্দ্র বা চাঁদ, যা সমুদ্র বা জলধিতোবাচক শব্দের সঙ্গে মেলে না। - বারিধি, বারীশ এবং রত্নাকর শব্দগুলো সমুদ্রের সমার্থক হলেও সুধাকর সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থের মধ্যে সাদৃশ্য বা মিল থাকে। - এখানে বারি, বারিধি এবং রত্নাকর শব্দের মূল উৎস জল বা সমুদ্রের ভাণ্ডার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলধি ব্যাখ্যা: এটি সমুদ্রের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যার অর্থ জলের আধার। উদাহরণ ২: শশাঙ্ক ব্যাখ্যা: এটি সুধাকর বা চাঁদের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ যার অর্থ যার শিংয়ের মতো অংশ আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারিধি — এটি সমুদ্রের সমার্থক শব্দ কারণ বারি অর্থ জল এবং ধি অর্থ আধার। B) বারীশ — এটি সমুদ্রের সমার্থক শব্দ কারণ বারি অর্থ জল এবং ঈশ অর্থ অধিপতি। C) সুধাকর — এটি চাঁদের সমার্থক শব্দ, সমুদ্রের নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর। D) রত্নাকর — এটি সমুদ্রের সমার্থক শব্দ কারণ সমুদ্রকে মণি রত্নের আধার বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দের শেষে ইশ, ধি বা কর (রত্নাকর অর্থে) থাকে সেগুলো সাধারণত সমুদ্র বোঝায় আর কর যদি সুধা বা অমৃতের সঙ্গে যুক্ত হয় তবে তা চাঁদ বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমুদ্র এবং চন্দ্রবাচক শব্দগুলোর মধ্যে প্রায়ই প্যাচ লাগিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - শব্দের মূল উৎস বা অংশগুলো আলাদা করতে পারলে সহজে সমার্থক শব্দ নির্ণয় করা যায়।
a বাতাসের চাপ
b জিহ্বার অগ্রভাগ হতে উচ্চারণ
c জিহ্বার কম্পন
d কোনটি নয়
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় ১. কেন সঠিক: - শিষ ধ্বনি এবং উষ্ম ধ্বনি মূলত একই ধ্বনিগুলোর দুটি ভিন্ন নাম। বাংলা বর্ণমালায় তালব্য শ, মূর্ধন্য স, দন্ত স এবং হ - এই চারটি বর্ণকে একত্রে শিষ ধ্বনি বা উষ্ম ধ্বনি বলা হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে যে পার্থক্যগুলোর কথা বলা হয়েছে (বাতাসের চাপ, জিহ্বার অগ্রভাগ, জিহ্বার কম্পন), তার কোনোটির মাধ্যমেই এই দুটি ধ্বনির মধ্যে প্রকৃত পার্থক্য নিরূপণ করা যায় না কারণ দুটি শব্দ একই ব্যাকরণিক পদের সমার্থক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের শ্রেণিবিন্যাসে যে বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় মুখে বাতাস ঘষা খেয়ে বের হয়, সেগুলোকে উষ্ম ধ্বনি বা শিষ ধ্বনি বলে। - বাংলা ব্যাকরণে শ, ষ, স এবং হ বর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় বাঁশির মতো শিস দেওয়ার মতো শব্দ হয় বলে এদের শিষ ধ্বনি এবং দীর্ঘশ্বাস বা উষ্মতার অনুভূতি হয় বলে এদের উষ্ম ধ্বনি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ, ষ, স, হ ব্যাখ্যা: এই চারটি বর্ণই একসঙ্গে শিষ ধ্বনি এবং উষ্ম ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: বাতাস ঘষা খাওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা: এই বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখের বিভিন্ন স্থানে ঘষা লেগে বাইরে বেরিয়ে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতাসের চাপ — বাতাসের চাপের তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ হিসেবে ভাগ করা হয়, শিষ বা উষ্ম ধ্বনি হিসেবে নয়। B) জিহ্বার অগ্রভাগ হতে উচ্চারণ — জিহ্বার অগ্রভাগ বা বিভিন্ন অংশের অবস্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনবর্ণকে কণ্ঠ্য, তালব্য, মূর্ধন্য ইত্যাদি ভাগে ভাগ করা হয়। C) জিহ্বার কম্পন — জিহ্বার কম্পনের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে কম্পিত ধ্বনি বা তারিত ধ্বনি বলা হয়, যা শিষ বা উষ্ম ধ্বনির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু শিষ ধ্বনি এবং উষ্ম ধ্বনি একই, তাই A, B ও C অপশনের কোনোটিই এদের প্রকৃত পার্থক্যের কারণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিষ ধ্বনি ও উষ্ম ধ্বনি একই মুদ্রার এপিঠ ও ওপিঠ। এই চারটি বর্ণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো তিন শ (শ, ষ, স) এবং হ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একই ব্যাকরণিক পদের বিভিন্ন নাম নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে, তাই সমার্থক পরিভাষাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। - উষ্ম ধ্বনির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Fricative Sound।
a মাথার বোঝা
b মহাবিপদ
c আসন্ন বিপদ
d সামান্য বিপদ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আসন্ন বিপদ ১. কেন সঠিক: 'শিরে সংক্রান্তি' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক ও ভাবার্থ মিলিয়ে সঠিক অর্থ দাঁড়ায় আসন্ন বিপদ বা মাথার ওপর এসে উপস্থিত হওয়া অবধারিত সংকট। সংক্রান্তি শব্দের অর্থ হলো সমাপনী বা শেষ দিন, বিশেষ করে পৌষ বা চৈত্র সংক্রান্তি, আর শিরে অর্থ মাথায়, তাই শিরে সংক্রান্তি বলতে বোঝায় মাথার ওপর বিপদ ঘনীভূত হওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন, যা কোনো সাধারণ শব্দের ডিকশনারি অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। বাক্যে শব্দের আলংকারিক ও রূপক প্রয়োগের মাধ্যমে মানবজীবনের তাৎক্ষণিক সংকট বা অবধারিত বিপদ বোঝাতে এই বাগধারাটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা এক সপ্তাহ পরে অথচ এখনো প্রস্তুতি শুরু করিসনি, এখন তো শিরে সংক্রান্তি অবস্থা। ব্যাখ্যা: পরীক্ষার ঠিক আগের মুহূর্তে চরম বিপদের বা সংকটের পরিস্থিতি বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে ব্যবসার এই মন্দায় আমাদের শিরে সংক্রান্তি পরিস্থিতি তৈরি হবে। ব্যাখ্যা: অবধারিত আর্থিক সংকট বা আসন্ন বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কা বোঝাতে এখানে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাথার বোঝা — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও বাগধারার ভাবার্থ অনুযায়ী সঠিক নয় কারণ এটি কোনো শারীরিক বা মানসিক ভার বোঝায় না। B) মহাবিপদ — এটি বিপদের মাত্রা বোঝায় কিন্তু শিরে সংক্রান্তি প্রধানত বিপদ কতটা কাছাকাছি বা আসন্ন তা নির্দেশ করে, যা এই অপশনের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না। C) আসন্ন বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংক্রান্তির আগমনের মতো বিপদ মাথার ওপর এসে উপস্থিত হওয়াকে এই বাগধারায় বোঝানো হয়। D) সামান্য বিপদ — এই অপশনটি ভুল কারণ শিরে সংক্রান্তি বলতে কোনো ছোটখাটো বা তুচ্ছ বিপদ বোঝায় না, বরং একটি গুরুতর ও অবধারিত সংকটকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: সংক্রান্তি মানেই তো একটি নির্দিষ্ট সময়ের শেষ বা ঘনীভূত মুহূর্ত, আর তা যখন শিরে বা মাথায় এসে পৌঁছায় তখন বিপদ একেবারে সামনে চলে আসে। এইভাবে সংক্রান্তির সময়সীমার ধারণাটি মাথায় রেখে খুব সহজেই আসন্ন বিপদের কথাটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সময় বা বিপদ সংক্রান্ত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই শিরে সংক্রান্তি এবং খড়্গ কৃপাণ বা তলোয়ার মাথার ওপর ঝোলা জাতীয় বাগধারার অর্থগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। বিশেষ করে বাংলা ভাষার রূপক ও ভাবার্থমূলক শব্দগুলো মুখস্থ না করে তাদের উৎসের পটভূমি বুঝে পড়লে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a Aristotle
b Socrates
c Plato
d Confucius
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Confucius কেন সঠিক: এই বিখ্যাত বাণীটি প্রাচীন চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের নৈতিক দর্শন এবং মানবতাবাদের মূল ভিত্তির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তিনি মানবপ্রেম এবং নৈতিকতাকে সব গুণের ভিত্তি হিসেবে প্রচার করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aristotle — তিনি মূলত যুক্তিবিদ্যা, রাজনীতি এবং বিজ্ঞান নিয়ে বেশি আলোচনা করেছিলেন। B) Socrates — তার মূল দর্শন ছিল আত্মোপলব্ধি এবং নৈতিক জ্ঞানের চর্চা করা। C) Plato — তার দর্শনে আদর্শ রাষ্ট্র এবং রূপের তত্ত্বের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। D) Confucius — ইনি এই উক্তির মূল প্রবক্তা এবং তার লেখায় মানবতার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মানবতা বা Humanity সম্পর্কিত প্রাচীন নৈতিক উক্তি দেখলে সাধারণত চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসকে মনে রাখবে।
a Personification
b Metaphor
c Satire
d Simile
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Personification কেন সঠিক: মৃত্যুর মতো একটি জড় বা অবাস্তব ধারণাকে মানুষের চোয়ালের সাথে তুলনা করে জীবন্ত করে তোলা হয়েছে। এখানে অজীব বস্তুকে মানুষের গুণ বা অঙ্গ দিয়ে রূপায়িত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Personification — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এখানে অবস্তুগত বিষয়কে মানবীয় রূপ দেওয়া হয়েছে। B) Metaphor — এটি রূপক হলেও এখানে সরাসরি তুলনা না করে মৃত্যুর চোয়াল বা গ্রাস বোঝানো হয়েছে। C) Satire — এটি কোনো ব্যঙ্গাত্মক রচনা বা বক্তব্য নয়। D) Simile — এতে তুলনার ক্ষেত্রে মতো বা as শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: যখন কোনো জড় বা অবাস্তব বিষয় মানুষের মতো আচরণ করে বা অঙ্গ ধারণ করে, তখন তাকে Personification বলে।
a Lyrics
b Ode
c Hymn
d Ballad
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hymn কেন সঠিক: Hymn শব্দের অর্থ হলো ভজন বা ধর্মীয় গান যা মূলত সৃষ্টিকর্তার বন্দনা এবং পবিত্র আবেগের প্রকাশ ঘটিয়ে থাকে। এই ধরণের গানগুলোতে সাধারণত স্রষ্টার প্রতি ভক্তি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের গভীর ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়। এটি ধর্মীয় উপাসনার সময় গাওয়া হয়। এর মূল বিষয়বস্তুই হলো পবিত্র অনুভূতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lyrics — এটি সাধারণত যেকোনো গানের কথা বা কবিতা বোঝায় যার সাথে ধর্মীয় অনুভূতির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। B) Ode — এটি হলো কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রশংসায় রচিত উচ্চাঙ্গের গীতিকবিতা যা ধর্মীয় গান নয়। C) Hymn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় এটি ধর্মীয় গান বোঝাতে পারে না। D) Ballad — এটি হলো লোকগাথা বা বীরত্বপূর্ণ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত এক ধরণের ঐতিহ্যবাহী গান বা কবিতা। মনে রাখার টিপস: Hymn শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এটি হরে কৃষ্ণ বা ঈশ্বরের বন্দনার মতো কোনো পবিত্র ধর্মীয় গানকে নির্দেশ করে।
a envious
b charitable
c offensive
d hateful
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) charitable কেন সঠিক: ইনভিডিয়াস শব্দের অর্থ হলো ক্ষতিকর, বিদ্বেষপূর্ণ বা অন্যায্য যা মানুষের মনে কষ্ট দেয়। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো উদার, দয়ালু বা উপকারী যা চ্যারিটেবল অপশনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। দাতব্য বা কল্যাণমূলক কাজ বিদ্বেষপূর্ণ আচরণের সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই সঠিক উত্তরটি হলো চ্যারিটেবল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) envious — এই শব্দটির অর্থ ঈর্ষান্বিত, যা ইনভিডিয়াস শব্দের কাছাকাছি একটি সমার্থক শব্দ। B) charitable — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ উদার ও দানশীল যা প্রদত্ত শব্দের বিপরীত। C) offensive — এই শব্দটির অর্থ আপত্তিকর, যা ইনভিডিয়াস শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) hateful — এই শব্দটির অর্থ ঘৃণ্য, যা মূল শব্দের সমার্থক অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: ইনভিডিয়াস মানে খারাপ বা ক্ষতিকর কাজ, আর চ্যারিটেবল মানে ভালো বা সাহায্যকারী কাজ।
a William Wordsworth
b Lord Byron
c P.B. Shelly
d S.T. Coleridge
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি। তিনি তার বিখ্যাত 'লুসি পোয়েমস' ধারায় এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Lord Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও লুসি সিরিজের কোনো কবিতা লেখেননি। C) P.B. Shelly — তিনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন কবি যিনি প্রমিথিউস আনবাউন্ডের জন্য বিখ্যাত। D) S.T. Coleridge — তিনি 'লিয়াবেলা ডেম স্যান্স ম্যার্সি' বা রিমত অফ দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার এর লেখক। মনে রাখার টিপস: লুসি কবিতাগুলোর কথা মনে আসলেই উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের নাম স্মরণ করতে হবে।
a feeling bad
b reading books
c expression of good wish
d conduct something
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) expression of good wish কেন সঠিক: Felicitation শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সংবর্ধনা বা কাউকে অভিনন্দন জানানো। শুভ কামনা প্রকাশ করা অর্থে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) feeling bad — এর অর্থ খারাপ বোধ করা, যা Felicitation শব্দের সাথে মেলে না। B) reading books — এর অর্থ বই পড়া, যার সাথে অভিনন্দন জানানোর কোনো সম্পর্ক নেই। C) expression of good wish — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) conduct something — এর অর্থ কোনো কিছু পরিচালনা করা, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়। মনে রাখার টিপস: Felicitation শব্দটির শুরুতে 'Felici' অংশ রয়েছে যার সাথে Happy বা সুখের সম্পর্ক আছে, তাই এটি সবসময় শুভকামনা প্রকাশ করে।
a A crisis in a drama
b Point of great intensity
c Climbing apparatus
d The last scene in a drama
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Point of great intensity কেন সঠিক: ক্লাইম্যাক্স হলো সাহিত্য বা নাটকের এমন একটি পর্যায় যেখানে গল্পের উত্তেজনা বা আবেগের মাত্রা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়। এটি পুরো কাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নাটকীয় মুহূর্ত নির্দেশ করে। এই বিন্দুতে এসে গল্পের মূল দ্বন্দ্বের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A crisis in a drama — ক্রাইসিস বা সংকট হলো নাটকের জটিল মুহূর্ত, যা ক্লাইম্যাক্সের আগের অবস্থা বোঝায়। B) Point of great intensity — এটি সঠিক কারণ ক্লাইম্যাক্স ঠিক এই তীব্রতার সর্বোচ্চ বিন্দুকেই বোঝায়। C) Climbing apparatus — এটি আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও সাহিত্য বা নাটকের পরিভাষায় এটি সম্পূর্ণ ভুল। D) The last scene in a drama — নাটকের শেষ দৃশ্য সবসময় ক্লাইম্যাক্স হয় না, এটি রেজলিউশন বা সমাপ্তিও হতে পারে। মনে রাখার টিপস: ক্লাইম্যাক্স মানেই হলো গল্পের সবচেয়ে উত্তেজনাকর এবং চরম মুহূর্ত।
a calendar, calender
b love, affection
c sharp, blunt
d fair, fare
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) love, affection কেন সঠিক: love এবং affection শব্দ দুটি সমার্থক বা সমঅর্থ প্রকাশ করে। এরা অন্য অপশনগুলোর মতো বিপরীতার্থক শব্দ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) calendar, calender — এগুলো হলো হোমোফোন বা সমোচ্চারিত শব্দ, যাদের বানান ও অর্থ ভিন্ন। B) love, affection — এগুলো ভুল নয়, বরং এরা একই অর্থ প্রকাশ করায় অন্য জোড়াগুলোর থেকে আলাদা। C) sharp, blunt — এগুলো একে অপরের বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম। D) fair, fare — এগুলোও হোমোফোন বা সমোচ্চারিত শব্দ, যাদের বানান ও অর্থ ভিন্ন। মনে রাখার টিপস: শব্দগুলোর অর্থ এবং সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল করলে সহজেই বোঝা যায় কোনটি সমার্থক এবং কোনটি বিপরীতার্থক।
a to
b for
c into
d up
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) up কেন সঠিক: - Look up একটিPhrase, যার অর্থ হলো অভিধান বা কোনো বই থেকে তথ্য বা শব্দ খুঁজে বের করা। - বাক্যে ডিকশনারি থেকে শব্দ খোঁজার অর্থ প্রকাশ করতে Look up সঠিক উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — Look to অর্থ কোনো কিছুর দিকে তাকানো বা আশা করা, যা ডিকশনারির শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) for — Look for অর্থ কোনো কিছু খোঁজা, তবে কোনো নির্দিষ্ট শব্দ বা তথ্য ডিকশনারি থেকে বের করার ক্ষেত্রে এটি বসে না। সি) into — Look into অর্থ কোনো বিষয় তদন্ত বা অনুসন্ধান করা, যা শব্দ খোঁজার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) up — এটি সঠিক অপশন কারণ Look up অর্থ অভিধান থেকে কোনো শব্দ খুঁজে দেখা। মনে রাখার টিপস: অভিধানে কোনো শব্দ খুঁজতে হলে ওপরের পাতার দিকে তাকাতে হয়, তাই মনে রাখুন Look up the word.
a Hum
b Hiss
c Croak
d Bray
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bray কেন সঠিক: আস্স বা গাধার নির্দিষ্ট ডাককে ইংরেজিতে ব্রেই বলা হয়। অন্যান্য পশুর মতো গাধার ডাকের ও একটি নির্দিষ্ট নাম রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hum — হাম হলো মৌমাছি বা ভমরার গুঞ্জন শব্দ। B) Hiss — হিস হলো সাপ বা হাঁসের ফোঁস ফোঁস শব্দ। C) Croak — ক্রোক হলো ব্যাঙ বা কাকের কর্কশ ডাক। D) Bray — এটি গাধার সঠিক ও নির্দিষ্ট ডাক। মনে রাখার টিপস: গাধার ডাক হলো ব্রেই এবং কুকুরের ডাক হলো বার্ক।
a P.B Shelley
b Francis Bacon
c Geoffery Chaucer
d King Alfred the Great
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) King Alfred the Great কেন সঠিক: King Alfred the Great প্রাচীন ইংরেজি যুগে শাসন করেছিলেন এবং তিনি অনেক ল্যাটিন গ্রন্থ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। তার এই অনুবাদের মাধ্যমেই ইংরেজিতে গদ্য সাহিত্যের প্রথম সার্থক রূপ বিকাশ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P.B Shelley — ইনি রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, গদ্য সাহিত্যের জনক নন। B) Francis Bacon — ইনি ইংরেজি প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক হিসেবে পরিচিত, তবে গদ্যের জনক নন। C) Geoffery Chaucer — ইনি মধ্যযুগীয় ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি এবং কবিতার জনক হিসেবে পরিচিত। D) King Alfred the Great — ইনি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। মনে রাখার টিপস: গদ্য লেখার রাজত্ব শুরু করেছিলেন রাজা আলফ্রেড, তাই তাকে গদ্যের জনক বলা হয়।
a to help
b help
c helping
d for helping
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) helping কেন সঠিক: mind একটি নির্দিষ্ট ভার্ব যার পরে সবসময় Gerund বা ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ বসে। তাই এখানে to help না হয়ে সঠিক রূপটি হবে helping। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to help — mind ভার্বের পর ইনফিনিটিভ বা to বসে না, তাই এটি ভুল। B) help — মূল ভার্ব সরাসরি বসতে পারে না কারণ mind-এর পর জেরুন্ড প্রয়োজন। C) helping — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) for helping — এখানে অতিরিক্ত for preposition ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: mind, enjoy, finish এই ধরনের কিছু ভার্বের পর সবসময় ing যুক্ত ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a Adverb
b Noun
c Pronoun
d Verb
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noun কেন সঠিক: tormentor শব্দটির অর্থ নির্যাতনকারী বা কষ্টদাতা, যা কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীকে বোঝায়। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নামকে Noun বলা হয়। শব্দের শেষে or যুক্ত থাকার কারণে এটি সাধারণত Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই শব্দটি বাক্যে Subject বা Object হিসেবে অবস্থান করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — Adverb সাধারণত কোনো Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb এর দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করে কিন্তু এটি তা করে না। B) Noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ tormentor একটি বিশেষ্য পদ। C) Pronoun — Pronoun হলো এমন শব্দ যা Noun এর পরিবর্তে বসে কিন্তু tormentor নিজে একটি পূর্ণাঙ্গ Noun। D) Verb — Verb হলো কোনো কাজ করা বোঝায় কিন্তু tormentor কোনো কাজের নাম বা কাজ সম্পন্নকারীকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে or বা er থাকে এবং তা দ্বারা কোনো কাজ সম্পাদনকারী ব্যক্তিকে বোঝায়, তারা সাধারণত Noun হয়।
a Aqua
b Aquariums
c Aquaria
d None
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Aquariums কেন সঠিক: ল্যাটিন বা গ্রিক মূলের অনেক শব্দের ইংরেজি বহুবচন গঠনের ক্ষেত্রে আধুনিক ইংরেজিতে সাধারণ নিয়ম বা এস যোগ করার প্রচলন রয়েছে। একাউরিয়াম শব্দের ক্ষেত্রে আধুনিক ইংরেজি ব্যাকরণে একাউরিয়ামস বহুবচন হিসেবে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও প্রচলিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aqua — এটি একাউরিয়াম শব্দের মূল অংশ বা মূল ল্যাটিন শব্দের মূল রূপ, কোনো বহুবচন রূপ নয়। B) Aquariums — এটি এই প্রশ্নের সঠিক বহুবচন রূপ যা আধুনিক ইংরেজিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। C) Aquaria — এটি প্রাচীন ল্যাটিন নিয়ম অনুযায়ী গঠিত বহুবচন হলেও আধুনিক ব্যবহারে এটি তুলনামূলক কম গ্রহণযোগ্য। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় অনেক ল্যাটিন শব্দের শেষে এস যোগ করে খুব সহজেই আধুনিক বহুবচন তৈরি করা যায়।
a the, no article
b no article, a
c no article, have
d the, a
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) no article, a কেন সঠিক: - হাসপাতালে রোগী হিসেবে গেলে hospital শব্দের পূর্বে কোনো article বসে না। - heart attack একটি সাধারণ countable noun হওয়ায় এর পূর্বে indefinite article a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the, no article — প্রথম শূন্যস্থানে the বসলে বোঝাত নির্দিষ্ট কোনো হাসপাতালে বেড়াতে যাওয়া হয়েছে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) no article, a — এটি সঠিক কারণ হাসপাতালে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়ায় প্রথম শূন্যস্থানে article বসে না এবং heart attack এর পূর্বে a বসে। C) no article, have — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে have verb ব্যবহৃত হতে পারে না কারণ এখানে একটি noun এর পূর্বে article প্রয়োজন। D) কেহ, a — প্রথম শূন্যস্থানে the ব্যবহার করায় তা ব্যাখ্যার নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: প্রাথমিক উদ্দেশ্যে হাসপাতালে গেলে article বসে না, তবে রোগের নাম বা heart attack এর মতো ক্ষেত্রে a বসে।
a greatfulness
b gratefullness
c gratefulness
d greatfollness
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) gratefulness কেন সঠিক: সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে grateful এবং ness প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। এখানে মূল শব্দ হিসেবে grate ব্যবহৃত হয় এবং শেষে অতিরিক্ত l বা e যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) greatfulness — এই বানানে grateful শব্দের জায়গায় ভুলভাবে great ব্যবহার করা হয়েছে। B) gratefullness — এই বানানে শব্দের শেষে অতিরিক্ত l এবং ness এ দুটি l ব্যবহার করা হয়েছে। C) gratefulness — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) greatfollness — এই বানানে great এবং foll ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সঠিক বানান মনে রাখতে প্রথমে grateful লিখে তার সাথে সরাসরি ness যুক্ত করতে হবে।
a all types of food
b only meat
c grass and plants
d only flowers
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) grass and plants কেন সঠিক: Herbivorous শব্দটির বাংলা অর্থ হলো তৃণভোজী বা ঘাস ও লতাপাতা খায় এমন প্রাণী। ইংরাজীতে এই শব্দের মূল অর্থ হলো ঘাস ও উদ্ভিদ জাতীয় খাবার খাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) all types of food — সব ধরনের খাবার খাওয়া প্রাণীদের অম্নিভোরস বা সর্বভুক বলা হয়। B) only meat — কেবল মাংসাশী প্রাণীদের কার্নিভোরস বলা হয়। C) grass and plants — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) only flowers — কেবল ফুল খায় এমন প্রাণীদের ফ্লোরিভোরস বলা হয়। মনে রাখার টিপস: Herb শব্দটির অর্থ ঘাস বা শাকসবজি, তাই এর সাথে যুক্ত হয়ে herbivorous মানে ঘাস ও লতাপাতা খাদক বোঝায়।
a felon
b heretic
c malcontent
d surrogate
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) malcontent কেন সঠিক: malcontent শব্দটির অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি বর্তমান পরিস্থিতি বা ব্যবস্থার প্রতি সবসময় অসন্তুষ্ট থাকেন। এই শব্দটি মানুষের একটি বিশেষ মানসিক অবস্থাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) felon — এর অর্থ হলো অপরাধী বা গুরুতর অপরাধের সাথে যুক্ত কোনো ব্যক্তি। B) heretic — এর অর্থ হলো এমন ব্যক্তি যিনি প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাসের বিরোধিতা করেন। C) malcontent — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো অর্থ প্রযোজ্য নয়। D) surrogate — এর অর্থ হলো বিকল্প বা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে এমন কেউ। মনে রাখার টিপস: mal শব্দের অর্থ খারাপ এবং content শব্দের অর্থ সন্তুষ্টি, যার মিলনে অসন্তুষ্ট ব্যক্তি বোঝায়।
a News
b Crises
c Mathematics
d Economics
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Crises কেন সঠিক: Crises শব্দটি মূলত Crisis শব্দের বহুবচন রূপ। ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রীক বা ল্যাটিন উৎসের যেসব শব্দের শেষে is থাকে, সেগুলোর বহুবচন করার সময় শেষের is উঠে গিয়ে es যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) News — এটি দেখতে বহুবচনের মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি অপ্রাণবাচক একবচন বিশেষ্য যার অর্থ সংবাদ। C) Mathematics — এটি একটি বিষয়ের নাম এবং এর শেষে s থাকলেও এটি সর্বদা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Economics — এটিও একটি শাস্ত্র বা বিষয়ের নাম এবং ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি একবচন বিশেষ্য। মনে রাখার টিপস: যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে is থাকে, সেগুলোর শেষের is কে es এ রূপান্তর করলে সাধারণত বহুবচন গঠিত হয়।
a as if
b when
c since
d let alone
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) since কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগের অংশে কারণের ফলাফল এবং পরের অংশে কারণ দেওয়া আছে। এখানে since conjunction হিসেবে কারণ বা কারণবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে since উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as if — এর অর্থ যেন, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) when — এর অর্থ যখন, যা ঘটনার কারণ বোঝাতে ব্যর্থ। C) since — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) let alone — এর অর্থ দূরে থাক, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের একটি অংশে কারণ এবং অন্য অংশে ফলাফল থাকলে কারণ বোঝাতে since ব্যবহার করতে হয়।
a ২০০ টাকা
b ২৫০ টাকা
c ৩৫০ টাকা
d ৩০০ টাকা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ছাগল ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো বিক্রয় মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হয় ধরি, ছাগলটির ক্রয় মূল্য = ক টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় মূল্য = ক − (ক এর ১০%) = ক − (০.১০ × ক) = ০.৯০ × ক টাকা ৫% লাভে বিক্রয় মূল্য = ক + (ক এর ৫%) = ক + (০.০৫ × ক) = ১.০৫ × ক টাকা সুতরাং, শর্তমতে, (১.০৫ × ক) − (০.৯০ × ক) = ৪৫ বা, ০.১৫ × ক = ৪৫ উত্তর: ক = ৪৫ ÷ ০.১৫ = ৩০০ টাকা
a আসল ১,০০০ টাকা, মুনাফা ১০%
b আসল ১,০০০ টাকা, মুনাফা ১২%
c আসল ১,২০০ টাকা, মুনাফা ১০.৫%
d আসল ১,১০০ টাকা, মুনাফা ১০%
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আসল ১,২০০ টাকা, মুনাফা ১০.৫% প্রদত্ত তথ্য: ৫ বছরের মুনাফা-আসল = ১,৮৩০ টাকা ৩ বছরের মুনাফা-আসল = ১,৫৭৮ টাকা ধরি, আসল = ক টাকা মুনাফা = খ টাকা অতএব, ২ বছরের মুনাফা = ১,৮৩০ − ১,৫৭৮ টাকা = ২৫২ টাকা ১ বছরের মুনাফা = ২৫২ ÷ ২ টাকা = ১২৬ টাকা সুতরাং, ৩ বছরের মুনাফা = ১২৬ × ৩ টাকা = ৩৭৮ টাকা আসল = ১,৫৭৮ − ৩৭৮ টাকা = ১,২০০ টাকা উত্তর: আসল ১,২০০ টাকা, মুনাফা ১০.৫%
a ১০ঃ৬
b ৯ঃ১০
c ২০ঃ৯
d ১৮ঃ৫
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ঃ৬ প্রদত্ত তথ্য: রুনা ১(১/২) ঘণ্টায় হাঁটে ৫ কিলোমিটার রুনি ৫ মিনিটে হাঁটে ২৫০ মিটার ধরি, রুনির সময় = ৩/২ ঘণ্টা বা ৯০ মিনিট রুনির অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৫০০০ মিটার অতএব, রুনির গতিবেগ = ৫০০০ মিটার ÷ ৯০ মিনিট = ৫০০/৯ মিটার প্রতি মিনিট রুনির গতিবেগ = ২৫০ মিটার ÷ ৫ মিনিট = ৫০ মিটার প্রতি মিনিট সুতরাং, রুনির গতিবেগ ও রুনির গতিবেগের অনুপাত = (৫০০/৯) ঃ ৫০ উত্তর: ১০ঃ৬
a ১৮০ জন
b ৯০ জন
c ৪৫ জন
d সঠিক উত্তর নেই
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সঠিক উত্তর নেই প্রদত্ত তথ্য: নিরক্ষর কর্মচারী = ৪০% অবশিষ্ট কর্মচারীর এসএসসি পাশ = ৫০% গ্রাজুয়েট কর্মচারী = ১০ জন ধরি, মোট কর্মচারীর সংখ্যা = ১০০ জন অতএব, নিরক্ষর কর্মচারী = ১০০ এর ৪০% = ৪০ জন স্বাক্ষর বা বাকি কর্মচারী = ১০০ − ৪০ = ৬০ জন এসএসসি পাশ = ৬০ এর ৫০% = ৩০ জন সুতরাং, গ্রাজুয়েট কর্মচারী = ৬০ − ৩০ = ৩০ জন কিন্তু প্রশ্নানুযায়ী গ্রাজুয়েট = ১০ জন, যা ৩০ জনের সাথে মিলছে না উত্তর: সঠিক উত্তর নেই
a 4
b 2
c 1
d 8
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো a^৪ + a^২b^২ + b^৪ = ৩ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো a^২ + ab + b^২ = ৩ ধরি, প্রথম উৎপাদকটি হলো a^২ + ab + b^২ = ৩ দ্বিতীয় উৎপাদকটি হলো a^২ − ab + b^২ অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী a^৪ + a^২b^২ + b^৪ সমান (a^২ + ab + b^২) × (a^২ − ab + b^২) মান বসিয়ে পাই, ৩ × (a^২ − ab + b^২) = ৩ সুতরাং, a^২ − ab + b^২ এর মান হলো ১ এখন দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২(a^২ + b^২) = ৩ + ১ = ৪ উত্তর: ৪
a 50
b 60
c 70
d 80
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: প্রতি বেঞ্চে ছাত্র সংখ্যা চার জন হলে তিনটি বেঞ্চ খালি থাকে প্রতি বেঞ্চে ছাত্র সংখ্যা তিন জন হলে ছয় জন ছাত্র দাঁড়িয়ে থাকে ধরি, মোট বেঞ্চের সংখ্যা = ক অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪ × (ক − ৩) দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী মোট ছাত্র সংখ্যা = (৩ × ক) + ৬ সুতরাং, ৪ × (ক − ৩) = (৩ × ক) + ৬ ৪ক − ১২ = ৩ক + ৬ উত্তর: ক = ১৮ এবং মোট ছাত্র সংখ্যা = (৩ × ১৮) + ৬ = ৬০ জন
a 20
b 30
c 10
d কোনটিই নয়
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার লসাগু = ৬০ দুটি সংখ্যার গসাগু = ১০ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ৩ক বড় সংখ্যাটি = ২ক × (৩÷২) = ২ক অতএব, সংখ্যা দুটির গুণফল = লসাগু × গসাগু ৩ক × ২ক = ৬০ × ১০ সুতরাং, ৬ক বর্গ = ৬০০ ক বর্গ = ১০০ উত্তর: ছোট সংখ্যাটি = ২০
a 18
b 20
c 22
d 24
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার অর্ধেকের সঙ্গে ৬ যোগ করলে যে ফল পাওয়া যায় অপর সংখ্যাটির দ্বিগুণ থেকে ২১ বিয়োগ করলে একই ফল পাওয়া যায় ধরি, সংখ্যাটি = ১৮ অতএব, ১৮ এর অর্ধেক = ৯ ৯ + ৬ = ১৫ অপরপক্ষে, ১৮ এর দ্বিগুণ = ৩৬ ৩৬ − ২১ = ১৫ সুতরাং, উভয় ক্ষেত্রে প্রাপ্ত ফল সমান হয় উত্তর: ১৮
a ৯,৬০০ টাকা
b ১০,০৪০ টাকা
c ১১,৭৬০ টাকা
d কোনটিই নয়
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১,৭৬০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৩টি ঘোড়ার দাম ৫টি গরুর দামের সমান ৩টি গরুর দাম ৫টি গাধার দামের সমান ১৫টি ঘোড়ার দাম ৯,০০০ টাকা ধরি, ১টি ঘোড়ার দাম = ক টাকা ১টি গরুর দাম = খ টাকা ১টি গাধার দাম = গ টাকা অতএব, ১৫টি ঘোড়ার দাম ৯,০০০ টাকা হলে ১টি ঘোড়ার দাম = ৯,০০০ ÷ ১৫ = ৬০০ টাকা ৩টি ঘোড়ার দাম ৬০০ × ৩ = ১,৮০০ টাকা এবং ৫টি গরুর দাম ১,৮০০ টাকা ১টি গরুর দাম = ১,৮০০ ÷ ৫ = ৩৬০ টাকা সুতরাং, ৩টি গরুর দাম ৩৬০ × ৩ = ১,০৮০ টাকা এবং ৫টি গাধার দাম ১,০৮০ টাকা ১টি গাধার দাম = ১,০৮০ ÷ ৫ = ২১৬ টাকা উত্তর: ১০টি ঘোড়া, ১০টি গরু ও ১০টি গাধার দাম একত্রে = (৬০০ × ১০) + (৩৬০ × ১০) + (২১৬ × ১০) = ৬,০০০ + ৩,৬০০ + ২,১৬০ = ১১,৭৬০ টাকা
a 3/7
b 6/7
c 5/6
d 7/6
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬÷৭ প্রদত্ত তথ্য: a − ৬÷a = ১ ধরি, সমীকরণটির উভয়পক্ষকে a দ্বারা গুণ করে পাই a এর ওপর বর্গ − a − ৬ = ০ অতএব, মিডল টার্ম করে পাই (a − ৩)(a + ২) = ০ যেহেতু a এর মান ধনাত্মক হতে হবে তাই a = ৩ সুতরাং, নির্ণেয় রাশিটি হলো ৬ ÷ ((a এর ওপর বর্গ) − a + ১) মান বসিয়ে পাই ৬ ÷ (৩ এর ওপর বর্গ − ৩ + ১) উত্তর: ৬÷৭
a 32a^2b^2c
b 24a^2b^2c
c 24a^2b^2c^2
d 48a^2bc
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪a^২b^২c প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = ৪a^২bc দ্বিতীয় রাশি = ৮ab^২c তৃতীয় রাশি = ৬a^২b^২c ধরি, সাংখ্যিক সহগগুলো হলো ৪, ৮ এবং ৬ চলকগুলো হলো a, b এবং c অতএব, সাংখ্যিক সহগগুলোর লসাগু হলো ২৪ চলকগুলোর মধ্যে a এর সর্বোচ্চ পাওয়ার হলো a^২ সুতরাং, b এর সর্বোচ্চ পাওয়ার হলো b^২ c এর সর্বোচ্চ পাওয়ার হলো c উত্তর: ২৪a^২b^২c
a ৩০ ডিগ্রী
b ৬০ ডিগ্রী
c ৯০ ডিগ্রী
d ৪৫ ডিগ্রী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ১ : ২√২ : ৩ ধরি, প্রথম বাহু ক = ১x দ্বিতীয় বাহু খ = ২√২x তৃতীয় বাহু গ = ৩x অতএব, প্রথম বাহুর বর্গ ক² = ১x² দ্বিতীয় বাহুর বর্গ খ² = ৮x² তৃতীয় বাহুর বর্গ গ² = ৯x² সুতরাং, ক² + খ² = ১x² + ৮x² = ৯x² যা গ² এর সমান উত্তর: ৯০°
a ৬ ঘনমিটার
b ২ ঘনমিটার
c ৩ ঘনমিটার
d ৪ ঘনমিটার
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ঘনমিটার প্রদত্ত তথ্য: বাক্সের দৈর্ঘ্য = ২ মিটার বাক্সের প্রস্থ = ১ মিটার ৫০ সেন্টিমিটার বা ১.৫ মিটার বাক্সের উচ্চতা = ১ মিটার ধরি, দৈর্ঘ্য = ২ মিটার প্রস্থ = ১.৫ মিটার উচ্চতা = ১ মিটার অতএব, বাক্সের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা আয়তন = ২ × ১.৫ × ১ ঘনমিটার সুতরাং, আয়তন = ৩ ঘনমিটার উত্তর: ৩ ঘনমিটার
a ১২১%
b ২১%
c ২০%
d ১০০%
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০০ বর্গমিটার প্রতিটি বাহু ১০% বৃদ্ধি করা হলো ধরি, মূল বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ মিটার কারণ ১০ মিটার বাহু বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০০ বর্গমিটার অতএব, বাহু ১০% বৃদ্ধি পেলে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য হয় = ১০ + (১০ এর ১০%) = ১১ মিটার নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল হয় = ১১ × ১১ = ১২১ বর্গমিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১২১ − ১০০ = ২১ বর্গমিটার উত্তর: ২১%
a ৪২ জন
b ৮৪ জন
c ১৬৮ জন
d ১২৬ জন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৪ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট সৈন্য সংখ্যা = ৫৬৭২৮ জন ধরি, সৈন্য দলকে বর্গাকারে সাজাতে চাইলে সৈন্য সংখ্যা হতে হবে একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা তাই ৫৬৭২৮ এর বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে অতএব, ভাগ প্রক্রিয়ায় ৫৬৭২৮ এর বর্গমূল নির্ণয় করি ভাগফল এর পূর্ণসংখ্যা অংশ পাই ২৩৮ এবং অবশিষ্ট বা ভাগশেষ থাকে ৮৪ সুতরাং, এই অবশিষ্ট ৮৪ জন সৈন্য সরিয়ে রাখলে বাকি সৈন্য সংখ্যা পূর্ণবর্গ হবে উত্তর: ৮৪ জন
a পিরোজপুর
b চুয়াডাঙ্গা
c রাজশাহী
d কুমিল্লা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিরোজপুর ১. কেন সঠিক: - ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পিরোজপুর জেলায় স্বাক্ষরতার হার সর্বাধিক। - এই জনমিতিক তথ্যে ৭ বছর ও ততোধিক বয়সের জনগোষ্ঠীর পঠন ও লিখন দক্ষতাকে স্বাক্ষরতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ২. জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি: - জনশুমারি ও গৃহগণনা: স্বাধীন বাংলাদেশে এটি ছিল ষষ্ঠ জনশুমারি, যা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত হয়। - জাতীয় স্বাক্ষরতা: ২০২২ সালের শুমারি অনুযায়ী জাতীয় পর্যায়ে স্বাক্ষরতার হার দাঁড়িয়েছে ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা জেলা ব্যাখ্যা: অর্থনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও সামগ্রিক স্বাক্ষরতার হারে পিরোজপুর জেলা এগিয়ে রয়েছে। উদাহরণ ২: বান্দরবান জেলা ব্যাখ্যা: জনমিতিক সূচকে ভৌগোলিক ও পাহাড়ি অঞ্চলের কারণে এই জেলাগুলোতে স্বাক্ষরতার হার তুলনামূলক কম দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিরোজপুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী পিরোজপুর জেলায় স্বাক্ষরতার হার সর্বোচ্চ। B) চুয়াডাঙ্গা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা এবং এখানে স্বাক্ষরতার হার শীর্ষস্থানীয় নয়। C) রাজশাহী — এই অপশনটি ভুল কারণ রাজশাহী শিক্ষা নগরী হলেও জনশুমারির সামগ্রিক সূচকে এটি শীর্ষ স্বাক্ষরতার জেলা নয়। D) কুমিল্লা — এই অপশনটি ভুল কারণ কুমিল্লা জনবহুল জেলা হওয়া সত্ত্বেও স্বাক্ষরতার হারে পিরোজপুরের পেছনে রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - প দিয়ে পিরোজপুর এবং প দিয়ে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে স্বাক্ষরতার হারে প্রথম জেলা পিরোজপুর। - ৬ষ্ঠ জনুমারির সকল সূচক মনে না রেখে কেবল শীর্ষ ও সর্বনিম্ন জেলাগুলোর নাম নোট করে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ৬ষ্ঠ জনশুমারির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক যেমন জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং লিঙ্গানুপাত ভালোভাবে দেখে রাখবে। - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস প্রকাশিত সর্বশেষ জনমিতিক প্রতিবেদন থেকেই মূলত এই ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে।
a ১২৩৪ জন
b ১২৫০ জন
c ১৯২৭ জন
d ১২২২ জন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২২২ জন ১. কেন সঠিক: - নির্বাচন কমিশন ও জনমিতি সংক্রান্ত প্রশ্ন এটি, যেখানে দেশের তৃতীয় লিঙ্গের নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা চাওয়া হয়েছে। - হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশে তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটারের সংখ্যা ১২২২ জন, যা তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতকরণের একটি ধাপ। ২. জনসংখ্যা ও জনমিতি: - সাংবিধানিক অধিকার: বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে। - নাগরিক অধিকার: তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে ২০১৩ সালে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে হিজড়া হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ২০১৪ সালে তাদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে ভোটার হওয়ার অধিকার প্রদান করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ ব্যাখ্যা: এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের নাগরিকদের তথ্য সংরক্ষণ করে এবং তৃতীয় লিঙ্গসহ সব নাগরিকের ভোটারের তালিকা তৈরি করে। উদাহরণ ২: হিজড়া জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন কর্মসূচি ব্যাখ্যা: সমাজসেবা অধিদপ্তর এই জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন ভাতা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৩৪ জন — এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা এবং নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যের সঙ্গে মিলে না। B) ১২৫০ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক ভোটার তালিকার পরিসংখ্যানের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) ১৯২৭ জন — এটি তৃতীয় লিঙ্গের প্রকৃত ভোটার সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি এবং ভুল তথ্য। D) ১২২২ জন — এটি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী সঠিক এবং নির্ভুল সংখ্যা। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা মনে রাখতে শেষ দুটি অঙ্ক ২২ (২২) মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ মোট সংখ্যা ১২২২ জন। - ২০১৪ সাল থেকে তারা ভোটাধিকার পান, এই সালটি ভোটার হওয়ার সঙ্গে যুক্ত করে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় জনমিতি ও সামাজিক উন্নয়ন অংশে প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ বা সংবিধানে নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a মধুমতি রেলসেতু
b রূপসা রেলসেতু
c যমুনা রেলসেতু
d হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যমুনা রেলসেতু ১. কেন সঠিক: যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর ঠিক ৩০০ মিটার উত্তরে সমান্তরালভাবে নির্মিত যমুনা রেলসেতু বর্তমানে বাংলাদেশের দীর্ঘতম একক রেলসেতু। এটি একটি ডেডিকেটেড ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক রেলসেতু, যার মাধ্যমে ট্রেন চলাচলের গতি ও ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২. ভৌগোলিক ও অবকাঠামোগত বৈশিষ্ট্য: ভৌগোলিক অবস্থান: সেতুটি যমুনা নদীর ওপর টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর এবং সিরাজগঞ্জ জেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। দৈর্ঘ্য ও গঠন: সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার এবং এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৩০.৭৩ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট ও লুপ লাইন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ব্যাখ্যা: এটি পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বিখ্যাত রেলসেতু, যা দীর্ঘকাল দীর্ঘতম রেলসেতু হিসেবে পরিচিত ছিল। উদাহরণ ২: রূপসা রেলসেতু ব্যাখ্যা: এটি খুলনা জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলসেতু, যা মোংলা পোর্টের সাথে রেলযোগাযোগ স্থাপনে ভূমিকা রাখছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুমতি রেলসেতু — এটি মধুমতি নদীর ওপর নির্মিত একটি সড়ক ও রেলসেতু নয়, এটি প্রধানত সড়ক সেতু বা অন্য প্রকল্পের অংশ যা যমুনা রেলসেতুর মতো দীর্ঘ একক রেলসেতু নয়। B) রূপসা রেলসেতু — এটি খুলনার রূপসা নদীর ওপর নির্মিত একটি রেলসেতু হলেও এর দৈর্ঘ্য যমুনা রেলসেতুর চেয়ে অনেক কম। C) যমুনা রেলসেতু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে দেশের দীর্ঘতম একক ডেডিকেটেড রেলসেতু। D) হার্ডিঞ্জ ব্রিজ — এটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ঐতিহাসিক রেলসেতু যার দৈর্ঘ্য ১.৮ কিলোমিটারের মতো, যা যমুনা রেলসেতুর চেয়ে ছোট। ৫ মনে রাখার টিপস: যমুনা নদী দেশের সবচেয়ে বড় নদীগুলোর একটি, তাই এর ওপর নির্মিত রেলসেতুটিও দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে অবস্থিত এই রেলসেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪.৮ কিলোমিটার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের বর্তমান মেগা প্রকল্প এবং যোগাযোগ অবকাঠামো খাতের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় সেতুটির দৈর্ঘ্য, অবস্থান কিংবা এর ট্র্যাকের ধরন (ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক) সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
b মুহম্মদ বিন কাসেম
c সুলতান মাহমুদ
d খান জাহান আলী
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুহম্মদ বিন কাসেম ১. কেন সঠিক: - মুহম্মদ বিন কাসেম ছিলেন উমাইয়া খিলাফতের একজন বিখ্যাত তরুণ সেনাপতি যিনি ৭১২ খ্রিস্টাব্দে সিন্ধু ও মুলতান অঞ্চল জয় করেন। - এটি ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম সফল মুসলিম সামরিক অভিযান যার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় ইসলামি শাসনের সূচনা ঘটেছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সিন্ধুর রাজা দাহিরের জলদস্যুরা আরব বণিকদের জাহাজ লুট করার পর এই অভিযানের মূল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পটভূমি তৈরি হয়। - তারিখ ও স্থান: ৭১২ খ্রিস্টাব্দে তরুণ সেনাপতি মুহম্মদ বিন কাসেম বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের দেবল বন্দরে পদার্পণ করেন এবং রাজা দাহিরকে পরাজিত করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয় ব্যাখ্যা: মুহম্মদ বিন কাসেমের সিন্ধু অভিযানের অনেক পরে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন যা উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের বিস্তার ঘটায়। উদাহরণ ২: সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযান ব্যাখ্যা: মুহম্মদ বিন কাসেমের প্রায় তিন শতাব্দী পর সুলতান মাহমুদ ভারত আক্রমণ করলেও তিনি স্থায়ী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার বদলে সম্পদ লুট ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে মনোযোগী ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাজ্জাজ বিন ইউসুফ — ইনি ছিলেন তৎকালীন ইরাকের উমাইয়া গভর্নর যিনি মুহম্মদ বিন কাসেমকে সিন্ধু অভিযانের জন্য প্রেরণ করেছিলেন কিন্তু সরাসরি সেনাপতি ছিলেন না। B) মুহম্মদ বিন কাসেম — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সরাসরি সেনাপতি হিসেবে সিন্ধু অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। C) সুলতান মাহমুদ — ইনি গজনির সুলতান যিনি একাদশ শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশে একাধিক আক্রমণ পরিচালনা করেছিলেন কিন্তু সিন্ধু অভিযানের সেনাপতি ছিলেন না। D) খান জাহান আলী — ইনি একজন ষোড়শ শতাব্দীর সুফি সাধক ও প্রশাসক যিনি বাগেরহাট অঞ্চলে সুন্দরবন আবাদ করে খানজাহানি স্থাপত্যের বিকাশ ঘটিয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিন্ধু বিজয়ে কাসেমের নাম মনে রাখতে 'সিন্ধু ও কাসেম' শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে হবে। - মনে রাখতে হবে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ছিলেন নির্দেশদাতা আর মুহম্মদ বিন কাসেম ছিলেন মাঠে লড়াই করা সেনাপতি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুসলিম বিজয়ী বা সেনাপতি কে তা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা সিন্ধু অভিযান এবং বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের মধ্যকার ঐতিহাসিক ক্রমপর্যায় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে।
a মেহেরপুর গ্রেড
b চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
c ঝিনাইদহ গ্রেড
d কুষ্টিয়া গ্রেড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুষ্টিয়া গ্রেড ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছে। - এই চামড়ার গঠনগত বৈশিষ্ট্য, উন্নত মানের পশম এবং টেকসই গুণমানের কারণে বিশ্ব বাজারে এর আলাদা কদর রয়েছে। ২. অর্থনীতি ও সম্পদ: - কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের ইতিহাসে কুষ্টিয়া গ্রেড একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিশ্বখ্যাত এর মাংসের গুণগত মান এবং সুস্বাদু চামড়ার জন্য, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ট্যানারি শিল্প ব্যাখ্যা: কুষ্টিয়া গ্রেডসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চামড়া সংগ্রহ করে সাভারের হেমায়েতসরে অবস্থিত চামড়া শিল্প নগরীতে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। উদাহরণ ২: চামড়া রপ্তানি ব্যাখ্যা: ঈদুল আজহা এবং সারা বছর ধরে সংগৃহীত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে বিদেশে রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেহেরপুর গ্রেড — এটি ছাগলের চামড়ার কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গ্রেড নয়, যদিও মেহেরপুরে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল প্রচুর পালিত হয়। B) চুয়াডাঙ্গা গ্রেড — এটি চামড়ার গ্রেডিং ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রমিত নাম বা ঐতিহাসিক টার্ম নয়। C) ঝিনাইদহ গ্রেড — এই নামটি চামড়ার আন্তর্জাতিক বা জাতীয় বাজার মূল্যায়নে ব্যবহৃত কোনো মানদণ্ড নির্দেশ করে না। D) কুষ্টিয়া গ্রেড — এটি বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার নির্ধারিত ও পরিচিত মানদণ্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছাগলের চামড়ার বিশ্ববাজারের মান মানেই কুষ্টিয়া গ্রেড। - কুষ্টিয়া জেলা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া সংগ্রহের একটি প্রধান ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলকে বাংলাদেশের একটি জিনগত সম্পদ বা জিআই পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। - এই প্রশ্নটি কৃষি, অর্থনীতি এবং রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a 1976
b 1982
c 1985
d 1988
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২ ১. কেন সঠিক: - ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা বানান Dacca কে পরিবর্তন করে স্থানীয় উচ্চারণ ও ধ্বনিবিন্যাসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে Dhaka করা হয় ১৯৮২ সালে। - প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও ঔপনিবেশিক প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটানোর উদ্দেশ্যে এই বানান পরিবর্তন করা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঔপনিবেশিক শাসনামলে ইংরেজি উচ্চারণের সুবিধার জন্য ঢাকাকে Dacca লেখা হতো। - তারিখ ও স্থান: ১৯৮২ সালে তৎকালীন সরকারের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই পরিবর্তন কার্যকর করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পরিবর্তনের ফলে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে বাংলাদেশের রাজধানী শহরের প্রকৃত বাংলা উচ্চারণের সঠিক ইংরেজি রূপ প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: Comilla বানান পরিবর্তন করে Cumilla থেকে Comilla করা। ব্যাখ্যা: এটিও ব্রিটিশ আমলের ভুল বানান সংশোধনের একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। উদাহরণ ২: Barisal বানান পরিবর্তন করে Barishal করা। ব্যাখ্যা: স্থানীয় উচ্চারণের সঠিক রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই ধরনের বানান পরিবর্তন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৬ — এটি সঠিক বছর নয় কারণ এই সময়ে বানান পরিবর্তনের কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। B) ১৯৮২ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সালেই Dacca বানানকে Dhaka করা হয়। C) ১৯৮৫ — এই সালে বানান পরিবর্তন করা হয়নি বরং এটি অন্য একটি প্রশাসনিক বছরের সাথে সম্পর্কিত। D) ১৯৮৮ — এই বছরে বানান পরিবর্তন করা হয়নি কারণ এর অনেক আগেই ১৯৮২ সালে এই পরিবর্তন সম্পন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯৮২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশে অনেক প্রশাসনিক ও কাঠামোগত পরিবর্তন আসে এবং এই সালেই রাজধানী ঢাকার ইংরেজি বানান বর্তমান রূপে স্থির হয়। - Dacca থেকে Dhaka রূপান্তরের সাল মনে রাখতে ৮২ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশাসনিক ও ঐতিহাসিক নামকরণের সাল প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে বিভিন্ন শহরের নাম পরিবর্তনের সাল বা প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a কুমিল্লা
b ভৈরব
c কিশোরগঞ্জ
d ব্রাহ্মণবাড়িয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১. কেন সঠিক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাটি তিতাস নদীর তীরে অবস্থিত। তিতাস নদী মূলত মেঘনার একটি শাখা নদী যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট: নদ-নদী: তিতাস নদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে এবং এটি স্থানীয় অর্থনীতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। সাহিত্যিক গুরুত্ব: অদ্বৈত মল্লবর্মণের বিখ্যাত তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু এই নদী ও এর তীরবর্তী মানুষের জীবন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা শহর বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক প্রশ্নগুলোতে শহরের নাম এবং তার পাশের নদীর নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: রাজশাহী শহর পদ্মার তীরে অবস্থিত। ব্যাখ্যা: নদীভিত্তিক জনবসতি ও শহরের অবস্থান চেনার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — কুমিল্লা শহর গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত, তিতাস নদীর তীরে নয়। B) ভৈরব — ভৈরব উপজেলাটি মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত। C) কিশোরগঞ্জ — কিশোরগঞ্জ জেলা নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। D) ব্রাহ্মণবাড়িয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিতাস নদী এই শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদী বিখ্যাত উপন্যাস তিতাস একটি নদীর নামের জন্য মনে রাখা সহজ। নদী ও শহরের জোড় মুখস্থ করার সময় মূল প্রধান নদী ও উপনদীর পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি নদীমাতৃক বাংলাদেশের ভূগোল এবং সাহিত্যভিত্তিক সাধারণ জ্ঞানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের প্রশ্ন থেকে কোন নদী কোন শহরের পাশে তা মিলকরণ বা একক এমসিকিউ আসতে পারে।
a ফরিদপুর
b পাবনা
c রাজবাড়ী
d রাজশাহী
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাবনা ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী পাবনা জেলা পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। - ভৌগোলিক ও মৃত্তিকা বৈশিষ্ট্যের কারণে পাবনা অঞ্চলে পেঁয়াজ চাষ অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এখানে বাণিজ্যিকভিত্তিতে এর ফলন বেশি হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে মসলা জাতীয় ফসল হিসেবে পেঁয়াজের গুরুত্ব অপরিসীম। সংশ্লিষ্ট তথ্য: পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য দেশজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত এবং একে পেঁয়াজের রাজধানী বলা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাটোর জেলা ব্যাখ্যা: নাটোর জেলা কাঁচামরিচ ও আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও এটি পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষে নয়। উদাহরণ ২: রাজশাহী জেলা ব্যাখ্যা: রাজশাহী জেলা সিল্ক ও আম উৎপাদনের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত হলেও প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে এটি পরিচিত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — ফরিদপুর জেলা পেঁয়াজ উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং এটি পাট ও পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত একটি অঞ্চল। B) পাবনা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দেশের সর্বোচ্চ পেঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে স্বীকৃত। C) রাজবাড়ী — রাজবাড়ী জেলা কৃষি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা নয়। D) রাজশাহী — রাজশাহী জেলা আম ও লটকন উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও পেঁয়াজে শীর্ষস্থান অধিকার করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: পাবনা জেলার 'প' এবং পেঁয়াজের 'প' দিয়ে খুব সহজেই মনে রাখতে পারো যে পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হলো পাবনা। পরীক্ষায় প্রায়ই জেলাভিত্তিক শীর্ষ কৃষিপণ্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল উৎপাদক অঞ্চলগুলো ছক আকারে পড়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃষি উৎপাদনে শীর্ষ জেলাগুলোর নাম বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে পেঁয়াজের রাজধানী বলা হয় কোন উপজেলাকে।
a Mount Tasman
b Mount Haast
c Mount Taranaki
d Malte Brun
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mount Taranaki ১. কেন সঠিক: - মাউন্ট তারানাকি পর্বতটিকে আইনিভাবে একজন জীবন্ত ব্যক্তি বা মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী মাওরি সংস্কৃতির অধিকার রক্ষার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। - প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ না করে নদী বা পর্বতকে আইনি সত্তা বা ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার এই ধারা আধুনিক পরিবেশ আইন ও বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন ধারণা যোগ করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: নিউজিল্যান্ড, ওশেনিয়া মহাদেশের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যার রাজধানী ওয়েলিংটন এবং মুদ্রা নিউজিল্যান্ড ডলার। - প্রেক্ষাপট: মাওরি উপজাতির দীর্ঘ আইনি লড়াই ও চুক্তির ফলে দেশটির সরকার এই পর্বতকে মানুষ হিসেবে আইনি অধিকার প্রদান করে। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: প্রকৃতির ওপর মানুষের আধিপত্য নয় বরং প্রকৃতির নিজস্ব আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে নতুন মানদণ্ড তৈরি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হোয়াংগানু নদী ব্যাখ্যা: নিউজিল্যান্ডের এই নদীটিকে ২০১৭ সালে বিশ্বের প্রথম নদী হিসেবে আইনি সত্তা বা মানুষের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। উদাহরণ ২: আমাজন নদী ব্যাখ্যা: দক্ষিণ আমেরিকার এই নদী সংরক্ষণের জন্যও বিভিন্ন দেশে আইনি অধিকার দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে, যা প্রকৃতি সংরক্ষণের বৈশ্বিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mount Tasman — এটি নিউজিল্যান্ডের একটি উচ্চ পর্বত হলেও একে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। B) Mount Haast — এটি নিউজিল্যান্ডের আরেকটি উল্লেখযোগ্য পর্বত, তবে এই বিশেষ আইনি স্বীকৃতির আওতাভুক্ত নয়। C) Mount Taranaki — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পর্বতটিকেই ২০২৫ সালে এই বিশেষ আইনি মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। D) Malte Brun — এটি নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় আল্পস পর্বতমালার একটি শৃঙ্গ যা এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিউজিল্যান্ডের তারানাকি পর্বত নামের সঙ্গে মানুষ স্বীকৃতির বিষয়টি মনে রাখতে তারানাকি শব্দটিকে একজন ব্যক্তির নামের সঙ্গে মেলানো যেতে পারে। - নদী বা পর্বতকে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড বিশ্বে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশ আইন ও আদিবাসী অধিকার রক্ষায় নিউজিল্যান্ডের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি বা পরিবেশগত কূটনীতি ক্যাটাগরি থেকে আসতে পারে।
a পার্ল এস বাক
b জাঁ পল সার্ত্রে
c কাহলিল জিবরান
d সল বেলো
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাঁ পল সার্ত্রে ১. কেন সঠিক: ফরাসি দার্শনিক ও ঔপন্যাসিক জাঁ পল সার্ত্রে ১৯৬৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেও তা স্বেচ্ছায় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি আজীবন প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা, সরকারি উপাধি ও যেকোনো ধরনের পুরস্কার বর্জন করার নীতিতে অচল ছিলেন। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: পুরস্কার ও সাহিত্য: জাঁ পল সার্ত্রে ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান অস্তিত্ববাদী দার্শনিক ও রাজনৈতিক কর্মী। তিনি মনে করতেন, একজন লেখকের স্বাধীনতা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পুরস্কার বা সংস্থার দ্বারা প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরিস পাস্তেরনাক ব্যাখ্যা: সোভিয়েত ঔপন্যাসিক বরিস পাস্তেরনাক ১৯৫৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পেলেও সোভিয়েত সরকারের চাপের মুখে তা গ্রহণে বাধ্য হননি। এটি রাজনৈতিক কারণে পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: লে ক ডাক থো ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ সালে ভিয়েতনামের রাজনীতিক লে ক ডাক থো নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। দেশের তৎকালীন যুদ্ধাবস্থা ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে তিনি এই সম্মান নেননি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্ল এস বাক — মার্কিন এই কথাসাহিত্যিক ১৯৩৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং সানন্দে তা গ্রহণ করেছিলেন। B) জাঁ পল সার্ত্রে — তিনি ১৯৬৪ সালে সাহিত্যের জন্য মনোনীত হন এবং স্বেচ্ছায় তা প্রত্যাখ্যান করেন। C) কাহলিল জিবরান — লেবানিজ-মার্কিন এই কবি ও দার্শনিক তাঁর জীবদ্দশায় কখনো নোবেল পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হননি। D) সল বেলো — মার্কিন ঔপন্যাসিক সল বেলো ১৯৭৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন এবং তা গ্রহণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: সার্ত্রে নামের সঙ্গে ফরাসি অস্তিত্ববাদ ও পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের ইতিহাস মনে রাখা সহজ। সার্ত্রে মানেই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি বর্জনকারী এক বিদ্রোহী মনীষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাহিত্যের নোবেল ইতিহাসে একমাত্র লেখক হিসেবে জাঁ পল সার্ত্রে স্বেচ্ছায় এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ইংল্যান্ড
b ফ্রান্স
c ডেনমার্ক
d পর্তুগাল
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগাল ১. কেন সঠিক: ম্যাকাও ছিল এশিয়ার প্রথম এবং সর্বশেষ ইউরোপীয় উপনিবেশ যা দীর্ঘদিন পর্তুগালের অধীনে শাসিত হয়েছিল। পর্তুগিজরা ষোল শতকে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ম্যাকাওতে বসতি স্থাপন করে এবং পরবর্তীতে একে নিজেদের উপনিবেশে পরিণত করে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ: ম্যাকাও হলো চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল যা দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত। প্রেক্ষাপট: ১৯৯৯ সালের বিশ ডিসেম্বর পর্তুগাল ম্যাকাওয়ের শাসনভার চীনের কাছে হস্তান্তর করে। গুরুত্ব: এক দেশ দুই নীতি নীতির আওতায় ম্যাকাও বর্তমানে চীনের নিয়ন্ত্রণে বিশেষ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হংকং ব্যাখ্যা: হংকং ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং উনআংশ শতকে তা যুক্তরাজ্যের হাতে চলে যায় যা পরে ম্যাকাওয়ের মতো চীনের কাছে ফেরত দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: গোয়া ব্যাখ্যা: গোয়া ছিল ভারতের একটি অঞ্চল যা দীর্ঘকাল পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল এবং পরবর্তীতে সামরিক অভিযאןর মাধ্যমে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড বিশ্বজুড়ে উপনিবেশ স্থাপন করলেও ম্যাকাও তাদের উপনিবেশ ছিল না বরং তারা হংকং শাসন করেছিল। B) ফ্রান্স — ফ্রান্স মূলত ইন্দোচীন এবং আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল কিন্তু ম্যাকাও তাদের দখলে ছিল না। C) ডেনমার্ক — ডেনমার্কের কিছু ছোট উপনিবেশ থাকলেও এশিয়ার এই অঞ্চলে তাদের আধিপত্য ছিল না। D) পর্তুগাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ পর্তুগিজরা শত শত বছর ম্যাকাও শাসন করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ম্যাকাও নামটি শুনলে পর্তুগালের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের কথা মনে রাখবে কারণ পর্তুগিজরাই এশিয়ায় প্রথম উপনিবেশ স্থাপন শুরু করেছিল। চীন ও পর্তুগালের মধ্যকার চুক্তির মাধ্যমে এর অবসান ঘটে যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ম্যাকাও কত সালে চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয় তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে হংকং কোন দেশের উপনিবেশ ছিল বা ঔপনিবেশিক ইতিহাস সম্পর্কিত অন্যান্য সাধারণ জ্ঞান থেকে।
a ৮টি
b ৯টি
c ১০টি
d ১২টি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২টি ১. কেন সঠিক: ওপেক প্লাস মূলত ওপেকভুক্ত দেশ এবং এর বাইরে তেল উৎপাদনকারী প্রধান দেশগুলোর একটি জোট। এই জোটে ওপেকবহির্ভূত ১০টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত রয়েছে, যার ফলে মূল ওপেক এবং এই ১০টি দেশ মিলে মোট সদস্য বা অংশীদার দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২টিতে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: ওপেক প্লাস (OPEC Plus) বা বর্ধিত পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থা। প্রেক্ষাপট: বৈশ্বিক তেলবাজার নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে ২০১৬ সালে এই জোট গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: ওপেকের একক ক্ষমতার বাইরে গিয়ে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মূল্য যৌথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া। ব্যাখ্যা: রাশিয়া ওপেক প্লাস জোটের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও অন্যতম প্রধান অ-ওপেক সদস্য দেশ। উদাহরণ ২: সৌদি আরব। ব্যাখ্যা: সৌদি আরব ওপেক জোটের নেতৃত্ব দেয় এবং ওপেক প্লাস গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি — এটি সঠিক নয় কারণ ওপেক প্লাস জোটে অ-ওপেক দেশের সংখ্যা আটটির বেশি। B) ৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ প্রাথমিক বা বর্তমান হিসাব অনুযায়ী অ-ওপেক সদস্যের সংখ্যা ভিন্ন। C) ১০টি — এটি কেবল ওপেকবহির্ভূত দেশের সংখ্যা, কিন্তু প্রশ্নে মোট দেশের কথা বলা হয়েছে। D) ১২টি — এটি সঠিক কারণ মূল ওপেক এবং অ-ওপেক ১০টি দেশ মিলে মোট অংশীদার দেশের সংখ্যা নির্ধারিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মূল ওপেকের দেশ এবং বাইরের ১০টি দেশ মিলে মোট ওপেক প্লাস গঠিত হয়। সংখ্যা মনে রাখার জন্য মূল অংশীদার দেশগুলোর হিসাব আলাদাভাবে মনে রাখা দরকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে ওপেক প্লাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই জোট থেকে প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a A23a
b B - 15a
c B - 15
d C - 19
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A23a ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ A23a বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় আইসবার্গ বা হিমশৈল হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। - এটি ১৯৮৬ সালে আন্টার্কটিকার ফিলchner বরফ তাক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল এবং দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে ওয়েডেল সাগরে আটকা থাকার পর বর্তমানে মহাসাগরে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - প্রেক্ষাপট: জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে বিশাল আকৃতির হিমশৈলগুলো মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহাসাগরে ভেসে বেড়ায়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এই বিশাল হিমশৈলগুলোর গতিবিধি সামুদ্রিক পরিবেশ, বৈশ্বিক সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এবং অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলনের হার পর্যবেক্ষণে বিজ্ঞানীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - ফলাফল/প্রভাব: ভাসমান অবস্থায় উষ্ণ পানির সংস্পর্শে আসার কারণে এটি ধীরে ধীরে গলে যাচ্ছে এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে এর মিশ্রণ ঘটছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: B-15 হিমশৈল ব্যাখ্যা: ২০০০ সালে অ্যান্টার্কটিকা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া B-15 অতীতে বিশ্বের বৃহত্তম হিমশৈল হিসেবে রেকর্ড গড়েছিল এবং পরবর্তীতে এটি খণ্ডিত হয়ে বিভিন্ন টুকরোতে বিভক্ত হয়ে যায়। উদাহরণ ২: জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বৈশ্বিক সম্মেলন ব্যাখ্যা: অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলা এবং আইসবার্গ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা বিশ্ব নেতাদের প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নে এবং কার্বণ নিঃসরণ কমাতে আরও বেশি বাধ্য করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A23a — এটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় হিমশৈল এবং দীর্ঘকাল আটকা থাকার পর বর্তমানে আটলান্টিক মহাসাগরের দিকে ভাসমান রয়েছে। B) B - 15a — এটি মূলত ঐতিহাসিক বৃহত্তম হিমশৈল B-15 এর একটি প্রধান অংশ ছিল যা মূল অংশ থেকে ভেঙে আলাদা হয়ে গিয়েছিল। C) B - 15 — এটি ২০০০ সালে মূল অ্যান্টার্কটিকা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সময় ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ হিমশৈল হিসেবে রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল। D) C - 19 — এটি ২০০২ সালে রস আইস শেল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া অন্য একটি বিশাল আকৃতির ঐতিহাসিক হিমশৈল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্তমানে সবচেয়ে বড় আইসবার্গ মনে রাখার সহজ উপায় হলো নামের শেষে একটি ছোট হাতের 'a' অক্ষর থাকা A23a কে মনে রাখা। - B দিয়ে শুরু হওয়া নামগুলো অতীতে বড় হলেও বর্তমানে A23a ই সবচেয়ে আলোচিত ও বৃহত্তম হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাম্প্রতিক পরিবেশগত পরিবর্তন বা ভূগোল অংশ থেকে আসে। - একই বিষয় থেকে আইসবার্গটি কোন অঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে বা এর বর্তমান অবস্থা কী, সে সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ডেনমার্কে
b নরওয়েতে
c ফিনল্যান্ডে
d সুইডেনে
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্কে ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বাংলাদেশের শিপিং শিল্প ও জাহাজ নির্মাণ খাতের ইতিহাসে 'স্টেলা মেরিস' নামক জাহাজটি প্রথম ডেনমার্কে রপ্তানি করা হয়েছিল। - প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জলযান রপ্তানির এই ঘটনাটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাকের বাইরে অন্য খাতের সম্প্রসারণকে নির্দেশ করে। ২. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনীতি: - দেশ: বাংলাদেশ ও ডেনমার্ক। ডেনমার্ক ইউরোপের একটি উন্নত দেশ যার রাজধানী কোপেনহেগেন এবং মুদ্রা হলো ডেনিশ ক্রোন। - প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শুধু পাট ও পোশাক রপ্তানি করলেও ভারী শিল্পপণ্য বিশেষ করে সমুদ্রগামী জাহাজ তৈরিতে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: উন্নত বিশ্বে জাহাজ রপ্তানি বাংলাদেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং ভারী শিল্পে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশি জাহাজ রপ্তানি ব্যাখ্যা: ডেনমার্কের পাশাপাশি ফিনল্যান্ড এবং জার্মানির মতো ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাংলাদেশ থেকে পরবর্তীতে ছোট ও মাঝারি আকারের কন্টেইনার ভেসেল এবং মালবাহী জাহাজ রপ্তানি করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীর শেখা উচিত যে বাংলাদেশ কেবল শ্রমনির্ভর শিল্প নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে জাহাজ নির্মাণের মতো ভারী শিল্পেও সফলতার পরিচয় দিচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্কে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের তৈরি প্রথম সমুদ্রগামী বাণিজ্যিক জাহাজ এই দেশটিতেই আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি করা হয়েছিল। B) নরওয়েতে — নরওয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিপিং নেশন হলেও 'স্টেলা মেরিস' জাহাজটি এই দেশে রপ্তানি করা হয়নি, এটি অন্য একটি অপশনের দেশ সম্পর্কিত। C) ফিনল্যান্ডে — ফিনল্যান্ডে পরবর্তীতে বাংলাদেশের কিছু জলযান বা পন্টুন রপ্তানি হতে পারে, তবে আলোচিত 'স্টেলা মেরিস' জাহাজটির গন্তব্য এই দেশ ছিল না। D) সুইডেনে — সুইডেন ইউরোপের একটি উন্নত অর্থনৈতিক দেশ হলেও বাংলাদেশের জাহাজ রপ্তানির ইতিহাসের প্রথম গন্তব্য হিসেবে এই দেশটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্টেলা মেরিস জাহাজটির নাম মনে রাখতে ড এর সঙ্গে ড এর মিল অর্থাৎ ডেনমার্ক মনে রাখতে পারেন। - ডেনমার্ক ইউরোপের দেশ এবং ড দিয়ে শুরু, আর জাহাজ রপ্তানির প্রথম ইতিহাসও এই ড দিয়ে শুরু দেশের সঙ্গেই জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি থেকে শেখার মতো তথ্য হলো বাংলাদেশ এখন উদীয়মান জাহাজ নির্মাণকারী দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে। - একই বিষয় থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে যে বাংলাদেশ কোন দেশ প্রথম সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে অথবা বাংলাদেশের জাহাজ শিল্পের প্রধান বাজার কোনটি।
a ডেনমার্কে
b সুইজারল্যান্ডে
c ফিনল্যান্ডে
d গ্রীনল্যান্ডে
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুইজারল্যান্ডে ১. কেন সঠিক: সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে গণভোট বা রেফারেন্ডামের আধুনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের চর্চায় সুইজারল্যান্ড বিশ্বে অগ্রপথিক এবং এর ক্যনটনগুলোতে এই পদ্ধতি চালু ছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: সুইজারল্যান্ড হলো মধ্য ইউরোপের একটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং এটি তার নিরপেক্ষ নীতির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। প্রেক্ষাপট: ঐতিহাসিক কাল থেকেই সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে নাগরিকদের সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আইন প্রণয়নের প্রচলন ছিল। গুরুত্ব: সুইজারল্যান্ডের শাসনব্যবস্থায় গণভোট একটি অপরিহার্য অংশ, যা নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রেক্সিট গণভোট ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ২০১৬ সালে একটি ঐতিহাসিক গণভোটের আয়োজন করেছিল। উদাহরণ ২: স্কটল্যান্ডের গণভোট ব্যাখ্যা: ২০১৪ সালে স্কটল্যান্ড যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একটি গণভোটের আয়োজন করেছিল যেখানে জনগণ স্বাধীনতার বিপক্ষে মত দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্কে — ডেনমার্ক একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র এবং কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হলেও এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম গণভোট চালুকৃত দেশ নয়। B) সুইজারল্যান্ডে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম গণভোট বা প্রত্যক্ষ গণতান্তিক পদ্ধতির প্রাতিষ্ঠানিক প্রচলন শুরু হয়। C) ফিনল্যান্ডে — ফিনল্যান্ড একটি উত্তর ইউরোপীয় দেশ এবং এটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও গণভোটের সূচনালগ্নে এর ভূমিকা ছিল না। D) গ্রীনল্যান্ডে — গ্রীনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এটি ১৯৭৯ সালে স্বায়ত্তশাসনের জন্য গণভোট করেছিল কিন্তু এটি প্রথম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি যেমন নিখুঁত, তেমনি তাদের গণতন্ত্রও সরাসরি ও নিখুঁত যেখানে প্রথম গণভোট শুরু হয়েছিল। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র এবং সুইজারল্যান্ড সমার্থক শব্দ হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গণভোট বা রেফারেন্ডাম হলো সরাসরি গণতন্ত্রের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দেশ হিসেবে প্রায়ই সুইজারল্যান্ডের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a জাপান - চীন
b জাপান - দক্ষিণ কোরিয়া
c উত্তর কোরিয়া - দক্ষিণ কোরিয়া
d চীন - দক্ষিণ কোরিয়া
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তর কোরিয়া - দক্ষিণ কোরিয়া ১. কেন সঠিক: - সানশাইন পলিসি মূলত উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের বৈরিতা দূর করার একটি ঐতিহাসিক কূটনৈতিক উদ্যোগ। - দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি কিম দায়ে জং ১৯৯৮ সালে এই নীতি ঘোষণা করেন এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা। ২. ভূরাজনীতি ও কূটনীতি: - প্রেক্ষাপট: ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধ এবং পরবর্তীতে স্নায়ুযুদ্ধের প্রভাবে দুই কোরিয়ার সম্পর্ক চরম শত্রুতাপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং সীমান্তে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। - উদ্দেশ্য: দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, যোগাযোগ স্থাপন এবং মানবিক সম্পর্কের উন্নয়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। - ফলাফল/প্রভাব: এই নীতির ফলে দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং বিভক্ত পরিবারের সদস্যদের পুনর্মিলনীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রকল্প চালু হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জার্মানির একত্রীকরণ ব্যাখ্যা: পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানির শান্তিপূর্ণ একত্রীকরণের মতো কোরীয় উপদ্বীপেও শান্তি ও সমঝোতার পথ খুঁজতে সানশাইন পলিসি প্রণয়ন করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: চীন ও তাইওয়ানের ক্রস-স্ট্রেইট সম্পর্ক ব্যাখ্যা: প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ থাকা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই ধরনের নীতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান - চীন — জাপান ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও তাদের মধ্যকার কূটনীতি সানশাইন পলিসি নামে পরিচিত নয়, বরং তা ঐতিহাসিক ও আঞ্চলিক ভূরাজনীতির ওপর নির্ভরশীল। B) জাপান - দক্ষিণ কোরিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যে ঔপনিবেশিক ইতিহাস ও বাণিজ্য নিয়ে বিভিন্ন সময় মতবিরোধ থাকে এবং তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অন্য কূটনৈতিক কাঠামোর আওতাধীন। D) চীন - দক্ষিণ কোরিয়া — চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক মূলত বাণিজ্যিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত, যা কোরীয় উপদ্বীপের এই বিশেষ নীতির অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সানশাইন পলিসি শব্দটি শুনলেই মনে রাখবে এটি কোরীয় উপদ্বীপের দুই প্রতিবেশী দেশ তথা উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বরফ গলানোর বা শান্তির কূটনৈতিক প্রচেষ্টা। - দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি কিম দায়ে জং এই শান্তির নীতি চালুর জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন রাষ্ট্রপতি সানশাইন পলিসি ঘোষণা করেছিলেন, যার উত্তর হলো কিম দায়ে জং। - একই বিষয় থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তি এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (19)

a কাঠ
b কৃ
c মাগ
d গম্
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঠ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ধাতুগুলোকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হলো সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু এবং অন্যটি খাঁটি বাংলা বা দেশি ধাতু। কাঠ একটি খাঁটি বাংলা ধাতু যা প্রাকৃত বা দেশীয় উৎস থেকে এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব ধাতু সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় আসেনি বরং প্রাকৃত বা লোকমুখের ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে রূপ লাভ করেছে সেগুলোকে খাঁটি বাংলা ধাতু বলে। এই ধাতুগুলোর সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে নতুন শব্দ ও ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঠ ধাতু থেকে গঠিত ক্রিয়াপদ হলো কাটা বা কাটছে। এটি দৈনন্দিন কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: কাঠ ধাতুর সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত করে কাটা শব্দটি গঠন করা হয়েছে যা খাঁটি বাংলা শব্দের উদাহরণ। উদাহরণ ২: আঁক ধাতু থেকে গঠিত ক্রিয়াপদ হলো আঁকা বা আঁকছে। এটিও একটি খাঁটি বাংলা ধাতু। ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ভাষা থেকে সরাসরি পরিবর্তিত হয়ে আসা এই ধাতুগুলো বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি খাঁটি বাংলা ধাতু এবং এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে বাংলা ক্রিয়াপদ গঠন করা হয়। B) কৃ — এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু যার অর্থ হলো করা। C) মাগ — এটি ভুল অপশন কারণ মাগ কোনো স্বতন্ত্র বাংলা ধাতু নয়, এটি সংস্কৃত মাগ ধাতু থেকে এসেছে। D) গম্ — এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু যার অর্থ হলো গমন করা বা যাওয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত ধাতুগুলো সাধারণত একটু জটিল হয় যেমন কৃ, গম্, ভুব। অন্যদিকে খাঁটি বাংলা ধাতুগুলো তুলনামূলক সহজ ও প্রচলিত শব্দ যেমন কাঠ, আঁক, নাচ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু থেকে প্রশ্ন এলে তৎসম ও খাঁটি বাংলা ধাতুর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। সংস্কৃতির ছোঁয়া থাকা ধাতুগুলো তৎসম এবং প্রাকৃত থেকে আসা সহজ শব্দগুলো খাঁটি বাংলা ধাতু হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a মাথার বোঝা
b মহাবিপদ
c আসন্ন বিপদ
d সামান্য বিপদ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আসন্ন বিপদ ১. কেন সঠিক: 'শিরে সংক্রান্তি' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক ও ভাবার্থ মিলিয়ে সঠিক অর্থ দাঁড়ায় আসন্ন বিপদ বা মাথার ওপর এসে উপস্থিত হওয়া অবধারিত সংকট। সংক্রান্তি শব্দের অর্থ হলো সমাপনী বা শেষ দিন, বিশেষ করে পৌষ বা চৈত্র সংক্রান্তি, আর শিরে অর্থ মাথায়, তাই শিরে সংক্রান্তি বলতে বোঝায় মাথার ওপর বিপদ ঘনীভূত হওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন, যা কোনো সাধারণ শব্দের ডিকশনারি অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। বাক্যে শব্দের আলংকারিক ও রূপক প্রয়োগের মাধ্যমে মানবজীবনের তাৎক্ষণিক সংকট বা অবধারিত বিপদ বোঝাতে এই বাগধারাটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা এক সপ্তাহ পরে অথচ এখনো প্রস্তুতি শুরু করিসনি, এখন তো শিরে সংক্রান্তি অবস্থা। ব্যাখ্যা: পরীক্ষার ঠিক আগের মুহূর্তে চরম বিপদের বা সংকটের পরিস্থিতি বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে ব্যবসার এই মন্দায় আমাদের শিরে সংক্রান্তি পরিস্থিতি তৈরি হবে। ব্যাখ্যা: অবধারিত আর্থিক সংকট বা আসন্ন বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কা বোঝাতে এখানে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাথার বোঝা — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও বাগধারার ভাবার্থ অনুযায়ী সঠিক নয় কারণ এটি কোনো শারীরিক বা মানসিক ভার বোঝায় না। B) মহাবিপদ — এটি বিপদের মাত্রা বোঝায় কিন্তু শিরে সংক্রান্তি প্রধানত বিপদ কতটা কাছাকাছি বা আসন্ন তা নির্দেশ করে, যা এই অপশনের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না। C) আসন্ন বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংক্রান্তির আগমনের মতো বিপদ মাথার ওপর এসে উপস্থিত হওয়াকে এই বাগধারায় বোঝানো হয়। D) সামান্য বিপদ — এই অপশনটি ভুল কারণ শিরে সংক্রান্তি বলতে কোনো ছোটখাটো বা তুচ্ছ বিপদ বোঝায় না, বরং একটি গুরুতর ও অবধারিত সংকটকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: সংক্রান্তি মানেই তো একটি নির্দিষ্ট সময়ের শেষ বা ঘনীভূত মুহূর্ত, আর তা যখন শিরে বা মাথায় এসে পৌঁছায় তখন বিপদ একেবারে সামনে চলে আসে। এইভাবে সংক্রান্তির সময়সীমার ধারণাটি মাথায় রেখে খুব সহজেই আসন্ন বিপদের কথাটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সময় বা বিপদ সংক্রান্ত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই শিরে সংক্রান্তি এবং খড়্গ কৃপাণ বা তলোয়ার মাথার ওপর ঝোলা জাতীয় বাগধারার অর্থগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। বিশেষ করে বাংলা ভাষার রূপক ও ভাবার্থমূলক শব্দগুলো মুখস্থ না করে তাদের উৎসের পটভূমি বুঝে পড়লে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a বাতাসের চাপ
b জিহ্বার অগ্রভাগ হতে উচ্চারণ
c জিহ্বার কম্পন
d কোনটি নয়
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় ১. কেন সঠিক: - শিষ ধ্বনি এবং উষ্ম ধ্বনি মূলত একই ধ্বনিগুলোর দুটি ভিন্ন নাম। বাংলা বর্ণমালায় তালব্য শ, মূর্ধন্য স, দন্ত স এবং হ - এই চারটি বর্ণকে একত্রে শিষ ধ্বনি বা উষ্ম ধ্বনি বলা হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে যে পার্থক্যগুলোর কথা বলা হয়েছে (বাতাসের চাপ, জিহ্বার অগ্রভাগ, জিহ্বার কম্পন), তার কোনোটির মাধ্যমেই এই দুটি ধ্বনির মধ্যে প্রকৃত পার্থক্য নিরূপণ করা যায় না কারণ দুটি শব্দ একই ব্যাকরণিক পদের সমার্থক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের শ্রেণিবিন্যাসে যে বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় মুখে বাতাস ঘষা খেয়ে বের হয়, সেগুলোকে উষ্ম ধ্বনি বা শিষ ধ্বনি বলে। - বাংলা ব্যাকরণে শ, ষ, স এবং হ বর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় বাঁশির মতো শিস দেওয়ার মতো শব্দ হয় বলে এদের শিষ ধ্বনি এবং দীর্ঘশ্বাস বা উষ্মতার অনুভূতি হয় বলে এদের উষ্ম ধ্বনি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ, ষ, স, হ ব্যাখ্যা: এই চারটি বর্ণই একসঙ্গে শিষ ধ্বনি এবং উষ্ম ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: বাতাস ঘষা খাওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা: এই বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখের বিভিন্ন স্থানে ঘষা লেগে বাইরে বেরিয়ে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতাসের চাপ — বাতাসের চাপের তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ হিসেবে ভাগ করা হয়, শিষ বা উষ্ম ধ্বনি হিসেবে নয়। B) জিহ্বার অগ্রভাগ হতে উচ্চারণ — জিহ্বার অগ্রভাগ বা বিভিন্ন অংশের অবস্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনবর্ণকে কণ্ঠ্য, তালব্য, মূর্ধন্য ইত্যাদি ভাগে ভাগ করা হয়। C) জিহ্বার কম্পন — জিহ্বার কম্পনের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে কম্পিত ধ্বনি বা তারিত ধ্বনি বলা হয়, যা শিষ বা উষ্ম ধ্বনির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু শিষ ধ্বনি এবং উষ্ম ধ্বনি একই, তাই A, B ও C অপশনের কোনোটিই এদের প্রকৃত পার্থক্যের কারণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিষ ধ্বনি ও উষ্ম ধ্বনি একই মুদ্রার এপিঠ ও ওপিঠ। এই চারটি বর্ণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো তিন শ (শ, ষ, স) এবং হ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একই ব্যাকরণিক পদের বিভিন্ন নাম নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে, তাই সমার্থক পরিভাষাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। - উষ্ম ধ্বনির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Fricative Sound।
a অধিকরণে তৃতীয়া
b করণে সপ্তমী
c অধিকরণে সপ্তমী
d করণে তৃতীয়া
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) করণে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে সম্পন্ন করা হচ্ছে তা বোঝালে করণ কারক হয়। - 'ফুলে ফুলে' পদটিতে ফুল নামক উপকরণের সাহায্যে ঘর সাজানোর কাজ করা হয়েছে, তাই এটি করণ কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফুল শব্দের সঙ্গে বহুচন বা পুনরুক্তি বোঝাতে 'ফুল + এ' যুক্ত হয়েছে এবং এর সঙ্গে আবারও 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে সপ্তমী বিভক্তি সাধিত হয়েছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এ, য়, তে ইত্যাদি ধ্বনি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে তা সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকে মধু আছে। ব্যাখ্যা: স্থান বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: কলমে লেখা যায়। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম বা উপকরণ বোঝানোর কারণে এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণে তৃতীয়া — অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী বা প্রথমা বিভক্তি হয়, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) করণে সপ্তমী — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে মাধ্যম বোঝাতে করণ কারক এবং এ বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। C) অধিকরণে সপ্তমী — স্থান বা কাল বোঝালে অধিকরণ হয়, কিন্তু এখানে সাজানোর উপকরণ বোঝানো হয়েছে। D) করণে তৃতীয়া — করণ কারক ঠিক থাকলেও এতে তৃতীয়ার বিভক্তি যেমন দিয়া, দ্বারা, কর্ত্তৃক বা এ, তে অনুসর্গ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছু দিয়ে বা উপকরণের সাহায্যে কোনো কাজ করা বুঝালে করণ কারক হয় এবং বিভক্তির ঘরে এ বা তে থাকলে সপ্তমী বিভক্তি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এক শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে করণ কারক নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাক্যে মাধ্যম বা উপকরণ খুঁজে পেলে প্রথমে করণ কারক নিশ্চিত করবে এবং শব্দের শেষে এ বা তে থাকলে সপ্তমী বিভক্তি চিহ্নিত করবে।
a সংস্কৃত
b প্রমিত
c সমাসবদ্ধ
d কোনটিই নয়
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: চারুকলা শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ। সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো অপরিবর্তিত রূপে সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে তৎসম শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চন্দ্র ব্যাখ্যা: চন্দ্র শব্দটিও সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ চারুকলা একটি তৎসম শব্দ। B) প্রমিত — প্রমিত কোনো শব্দের উৎসের শ্রেণিবিভাগ নয়, এটি ভাষার মান্য রূপ। C) সমাসবদ্ধ — সমাসবদ্ধ শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া, এটি শব্দের উৎস নির্দেশ করে না। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দে ঋ-কার বা যুক্তাক্ষর সাধারণত তৎসম শব্দের মতো প্রতীয়মান হয়, সেগুলোর উৎস মূলত সংস্কৃত ভাষা। চারুকলা শব্দের গঠনও এর প্রমাণ দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় শব্দের বানান ও গঠন লক্ষ করতে হবে। তৎসম শব্দগুলো সাধারণত সরাসরি সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত হয়।
a নদী
b বই
c সৌন্দর্য
d কাঁঠাল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌন্দর্য ১. কেন সঠিক: - সৌন্দর্য শব্দটির মাধ্যমে কোনো বস্তু বা ব্যক্তির গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। - ব্যাকরণ অনুযায়ী, যে বিশেষ্য পদে কোনো গুণ, অবস্থা বা ভাবের নাম বোঝায় এবং যার বাহ্যিক কোনো রূপ বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অস্তিত্ব নেই, তাকে বিমূর্ত বা ভাববাচক বিশেষ্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় ভাগে বিভক্ত, যার একটি হলো গুণবাচক বা ভাববাচক বা বিমূর্ত বিশেষ্য। - যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে গুণবাচক বা বিমূর্ত বিশেষ্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুরতা ব্যাখ্যা: এটি একটি গুণের নাম, যা ইন্দ্রিয় দিয়ে সরাসরি ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। উদাহরণ ২: সততা ব্যাখ্যা: এটি মানুষের একটি নৈতিক গুণের নাম, তাই এটি বিমূর্ত বিশেষ্যের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদী — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ নদী দ্বারা নির্দিষ্ট বা অনিনির্দিষ্ট প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের সাধারণ নাম বোঝায়। B) বই — এটি একটি জাতিবাচক বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য হতে পারে, যা একটি দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় বস্তুবাচক বিশেষ্য। D) কাঁঠাল — এটি একটি নির্দিষ্ট ফল বা বস্তুর নাম বোঝায়, যা বস্তুবাচক বা জাতিবাচক বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত এবং দৃশ্যমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বিশেষ্যগুলো চোখ দিয়ে দেখা যায় না বা হাত দিয়ে ছোঁয়া যায় না, কেবল মন দিয়ে অনুভব করতে হয়, সেগুলোই বিমূর্ত বা গুণবাচক বিশেষ্য। - সততা, সৌন্দর্য, দয়া, শৈশব ইত্যাদি শব্দগুলো দেখলেই বিমূর্ত বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিমূর্ত বিশেষ্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দটির শেষাংশ লক্ষ করা, যেমন তা, ত্ব, পনা, ইমা ইত্যাদি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধারণত বিমূর্ত বিশেষ্য হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বস্তুবাচক এবং গুণবাচক বিশেষ্যের পার্থক্য প্রায়ই কনফিউশন তৈরি করে, তাই দৃশ্যমানতা ও স্পর্শনীয়তার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
a রিক্সা
b আত্মরক্ষা
c আত্মহত্যা
d হারানো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আত্মহত্যা ১. কেন সঠিক: - হারিকিরি একটি জাপানি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো নিজের পেট কেটে আত্মহত্যা করা। - এটি মূলত প্রাচীন জাপানি সামুরাই যোদ্ধাদের একটি সামাজিক প্রথা বা সম্মান রক্ষার আত্মঘাতী পদ্ধতি ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ বা পারিভাষিক শব্দ বিশেষ। - জাপানি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলা সাহিত্যে এবং সাধারণ জ্ঞানে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনামি ব্যাখ্যা: এটিও একটি জাপানি শব্দ যার অর্থ সমুদ্রের তীরের বিশাল ঢেউ। উদাহরণ ২: নিনজা ব্যাখ্যা: এটি জাপানি সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিক্সা — এটি একটি জাপানি শব্দ হলেও এর অর্থ ভিন্ন, যার বাংলা অর্থ হলো চালকহীন ছোট গাড়ি। B) আত্মরক্ষা — এই শব্দের অর্থ নিজেকে রক্ষা করা, যা হারিকিরি শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) আত্মহত্যা — এটি সঠিক উত্তর। D) হারানো — এই শব্দের অর্থ কোনো কিছু হারিয়ে যাওয়া, যা জাপানি হারিকিরি শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - হারিকিরি শব্দের শুরুতে হা আছে এবং আত্মহত্যা শব্দের মধ্যেও হ বা আত্মর ব্যাপার আছে, এভাবে মনে রাখা যায়। - জাপানি শব্দগুলো মনে রাখতে হারিকিরি এবং সুনামি একসঙ্গে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - জাপানি শব্দ যেমন রিক্সা, সুনামি, হারিকিরি, নিনজা এগুলো ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
a ২১ টি
b ৩৯ টি
c ১১ টি
d কোনটিই নয়
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীনভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। এগুলো ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ডক্টর সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মতে খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনা বৃষ্টি ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ বৃষ্টির পূর্বে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে অভাব অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আ বার্তা ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ বার্তার পূর্বে আ উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডক্টর সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মতে খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে একুশটি। B) ৩৯ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলায় এমন কোনো ব্যাকরণিক উপাদানের নির্দিষ্ট এই সংখ্যা নেই। C) ১১ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি বিদেশি উপসর্গ বা অন্য কোনো ব্যাকরণিক সংখ্যার সাথে মিলে যেতে পারে। D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর একুশটি অপশনে বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো একুশটি উপসর্গ একটি ছন্দের মাধ্যমে মুখস্থ রাখা। যেমন অঘা, অজ, অনা, আ, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পা, পতি, বি, ভর্, রাম, স, সু, হা, হতি, আধা, অর্। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা, তৎসম এবং বিদেশি উপসর্গের সংখ্যা আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখতে হবে তৎসম উপসর্গ বিশটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি।
a সংবাদ প্রভাকর
b বর্তমান
c দিগদর্শন
d কল্লোল
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংবাদ প্রভাকর ১. কেন সঠিক: - সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথমে ১৮৩১ সালের ৬ মার্চ সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালের ১৯ জুন থেকে দৈনিক রূপ লাভ করে। - এটি বাংলা ভাষার প্রথম সফল দৈনিক সংবাদপত্র হিসেবে ইতিহাসের পাতায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংবাদ প্রভাকরের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন বাংলার প্রথম আধুনিক কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। - উনিশ শতকের সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমেই বহু প্রতিভাবান লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গদূত ব্যাখ্যা: এটি ১৮২৯ সালে প্রকাশিত একটি বহুভাষিক সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল যার সঙ্গে রামমোহন রায় যুক্ত ছিলেন। উদাহরণ ২: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ প্রভাকর - এটি প্রথমে সাপ্তাহিক ও পরে দৈনিক রূপে প্রকাশিত হয়েছিল যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। B) বর্তমান - এটি একটি সমসাময়িক দৈনিক সংবাদপত্র যা কখনো সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশিত হয়নি। C) দিগদর্শন - এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা ছিল যা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকাশিত প্রথম সাময়িকী। D) কল্লোল - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা যা বিশ শতকে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর প্রথমে ছিল সাপ্তাহিক আর পরে হলো দৈনিক। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রভাত শুরু হয় সপ্তাহে একবার কিন্তু আলো ছড়ায় প্রতিদিন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে প্রথম সাপ্তাহিক ও প্রথম দৈনিক পত্রিকার আত্মপ্রকাশের সাল এবং সম্পাদকের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের প্রশ্নে পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a মিশ্র
b সরল
c যৌগিক
d বিভ্রমপূর্ণ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিশ্র ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে একটি প্রধান বা খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি বা একাধিক নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য বা উপবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে। - 'তুমি আসবে বলে' অংশটি একটি অধীন খণ্ডবাক্য এবং 'সখিনা বিবির কপাল ভাঙল' অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য বা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত বাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা অধীন খণ্ডবাক্য ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। - এই ধরনের বাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, যদি-তবে, যা-তা কিংবা সাপেক্ষবাচক শব্দ বা বিভক্তি যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব। ব্যাখ্যা: এখানে একটি শর্তযুক্ত অধীন খণ্ডবাক্যের ওপর প্রধান খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল হওয়ায় এটি মিশ্র বাক্য হয়েছে। উদাহরণ ২: যিনি সততা বজায় চলেন, তিনি কখনো বিপদে পড়েন না। ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনামের সাপেক্ষ ব্যবহার এবং একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির ওপর নির্ভরশীল থাকায় এটি মিশ্র বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে একটি প্রধান ও একটি অধীন খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) সরল — এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এই বাক্যের গঠনরীতি নয়। C) যৌগিক — এই বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে না, তাই এটি যৌগিক বাক্য নয়। D) বিভ্রমপূর্ণ — এটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো স্বীকৃত বা প্রমিত বাক্যরীতির নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মিশ্র বা জটিল বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝখানে যদি, তবে, যিনি, যিনি-তিনি কিংবা কারণবাচক সাপেক্ষ শব্দ খোঁজা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের প্রকারভেদ নির্ণয়ের সময় প্রধান ও অধীন খণ্ডবাক্যের সম্পর্ক ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a বারিধি
b বারীশ
c সুধাকর
d রত্নাকর
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুধাকর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সমার্থক শব্দের প্রশ্ন এবং এর অর্থ চন্দ্র বা চাঁদ, যা সমুদ্র বা জলধিতোবাচক শব্দের সঙ্গে মেলে না। - বারিধি, বারীশ এবং রত্নাকর শব্দগুলো সমুদ্রের সমার্থক হলেও সুধাকর সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থের মধ্যে সাদৃশ্য বা মিল থাকে। - এখানে বারি, বারিধি এবং রত্নাকর শব্দের মূল উৎস জল বা সমুদ্রের ভাণ্ডার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলধি ব্যাখ্যা: এটি সমুদ্রের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যার অর্থ জলের আধার। উদাহরণ ২: শশাঙ্ক ব্যাখ্যা: এটি সুধাকর বা চাঁদের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ যার অর্থ যার শিংয়ের মতো অংশ আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারিধি — এটি সমুদ্রের সমার্থক শব্দ কারণ বারি অর্থ জল এবং ধি অর্থ আধার। B) বারীশ — এটি সমুদ্রের সমার্থক শব্দ কারণ বারি অর্থ জল এবং ঈশ অর্থ অধিপতি। C) সুধাকর — এটি চাঁদের সমার্থক শব্দ, সমুদ্রের নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর। D) রত্নাকর — এটি সমুদ্রের সমার্থক শব্দ কারণ সমুদ্রকে মণি রত্নের আধার বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দের শেষে ইশ, ধি বা কর (রত্নাকর অর্থে) থাকে সেগুলো সাধারণত সমুদ্র বোঝায় আর কর যদি সুধা বা অমৃতের সঙ্গে যুক্ত হয় তবে তা চাঁদ বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমুদ্র এবং চন্দ্রবাচক শব্দগুলোর মধ্যে প্রায়ই প্যাচ লাগিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - শব্দের মূল উৎস বা অংশগুলো আলাদা করতে পারলে সহজে সমার্থক শব্দ নির্ণয় করা যায়।
a প্রতিকূল
b প্রতিদিন
c পরিভ্রমণ
d গৃহান্তর
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরিভ্রমণ ১. কেন সঠিক: প্রাদি সমাসের ক্ষেত্রে প্র, পরা, পরি ইত্যাদি উপসর্গ বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদের পূর্বে বসে যে সমাস গঠন করে, তাকে প্রাদি সমাস বলে। এখানে পরিভ্রমণ শব্দটি পরি উপসর্গের সঙ্গে ভ্রমণ শব্দের যোগে গঠিত হয়েছে এবং এটি প্রাদি সমাসের সঠিক উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে প্র, পরা, পরি, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ কৃৎ বা অব্যয় পদের পূর্বে বসে এবং বিশেষ্য পদরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে প্রাদি সমাস বলে। প্রাদি সমাসে সাধারণত উপসর্গ বা অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং এটি কৃদন্ত পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রগত = প্র যে গত ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গ গত শব্দের পূর্বে বসে প্রাদি সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পরিপাক = পরি যে পাক ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গ পাক শব্দের পূর্বে বসে প্রাদি সমাসের উদাহরণ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিকূল — এটি প্রতি উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস কারণ এখানে কুল শব্দের বিরুদ্ধে অর্থে প্রতি অব্যয় যুক্ত হয়েছে। B) প্রতিদিন — এটি দিন দিন বা প্রতি দিন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ যেখানে বিপ্সা বা পুনরাবৃত্তি বোঝানো হয়েছে। C) পরিভ্রমণ — এটি সঠিক উত্তর। D) গৃহান্তর — এটি অন্য গৃহ অর্থে নিত্য সমাসের উদাহরণ যেখানে পদের পরিবর্তন বোঝাতে অন্তর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাদি সমাস চেনার জন্য মনে রাখবে যে এখানে প্র, পরা, পরি ইত্যাদি উপসর্গ কৃদন্ত পদের আগে বসে সমাস তৈরি করে। বাক্য বিশ্লেষণ করার সময় প্র বা পরি এর পরে যে বা বিশেষ পদ ব্যবহার করে সমাসবাক্য তৈরি করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ীভাব ও প্রাদি সমাসের মধ্যে প্রায়ই শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়। উপসর্গ যুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে দেখতে হবে সেটি অব্যয়ীভাব সমাস নাকি কৃদন্ত পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রাদি সমাস গঠন করেছে।
a হিন্দি
b বাংলা
c তামিল
d ফারসি
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফারসি ১. কেন সঠিক: 'হিন্দি' শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ফারসি ভাষায় ভারত বা হিন্দুস্তান অঞ্চলের ভাষা ও সংস্কৃতি বোঝাতে এই শব্দের ব্যবহার শুরু হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থ ও উৎসের বিচারে 'হিন্দি' একটি বিদেশি শব্দ। ফারসি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলা শব্দভাণ্ডারে বহুকাল ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজ ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত ফারসি শব্দ যা আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও ফারসি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — এটি কোনো ভাষার নাম নির্দেশ করলেও 'হিন্দি' শব্দটির উৎপত্তির উৎস ভাষা হিন্দি নয়। B) বাংলা — 'হিন্দি' শব্দটি কোনো দেশি বা খাঁটি বাংলা শব্দ নয়। C) তামিল — এটি দক্ষিণ ভারতের একটি প্রাচীন ভাষা, যার সঙ্গে 'হিন্দি' শব্দের কোনো ব্যুৎপত্তিগত সম্পর্ক নেই। D) ফারসি — এটি সঠিক কারণ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশি বা ভারতীয় বিভিন্ন ভাষা যেমন হিন্দি, কাগজ, কলম—এগুলো মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ফারসি বিদেশি শব্দ মনে রাখার জন্য মধ্যযুগের বিভিন্ন প্রশাসনিক শব্দের তালিকা পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a কামিনী রায়
b বেগম রোকেয়া
c ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
d মুকুন্দরাম
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ১. কেন সঠিক: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' পংক্তিটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের বিখ্যাত কাব্য 'অন্নদামঙ্গল' থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই প্রার্থনাটি করেছেন ঈশ্বরী পাটানি, যিনি দেবী অন্নপূর্ণার আশীর্বাদ চাওয়ার সময় রাজকীয় ধনসম্পদ না চেয়ে কেবল সাধারণ ও মৌলিক অন্নবস্ত্রের নিরাপত্তা চেয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের শেষভাগের কবি, যিনি নদীয়া জেলার পেড়াগা গ্রাম জন্মগ্রহণ করেন এবং কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। - তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত এবং এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার অন্যতম শেষ ও জনপ্রিয় নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি কবি ভারতচন্দ্রের অমর সৃষ্টি যা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সম্পাদনায় পরবর্তীতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করে। উদাহরণ ২: নাগরমঙ্গল বা সত্যনারায়ণের পুথি ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রচিত অন্যান্য ছোট পরিসরের সাহিত্যকর্ম যা তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামিনী রায় — ইনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত নারী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত পংক্তি হলো নিশিতে যাইও ফুলবনে, যা এই প্রখ্যাত উদ্ধৃতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। B) বেগম রোকেয়া — ইনি আধুনিক যুগের নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সুলতানার স্বপ্ন ও পদ্মরাগ উপন্যাসের রচয়িতা, যার সঙ্গে এই পংক্তির কোনো মিল নেই। C) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটানির প্রার্থনা থেকে নেওয়া হয়েছে। D) মুকুন্দরাম — ইনি মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি, যা কবিকঙ্কণ নামে পরিচিত এবং এই পংক্তির স্রষ্টা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুধে ভাতে বেঁচে থাকার আকুতি প্রকাশ করেছিলেন গরিব ঈশ্বরী পাটানি, আর তাঁর স্রষ্টা হলেন ভারত রায় গুণাকর। - ভারতচন্দ্রকে মনে রাখার জন্য অন্নদামঙ্গল কাব্যের কথাটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের বিখ্যাত পংক্তি ও তার রচয়িতা প্রায়ই আসে, তাই কবি ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল খুব ভালোভাবে পড়তে হবে। - মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্রের অবদান এবং তাঁর উপাধি গুণাকর সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট রাখতে হবে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b পেত্রার্ক
c তলস্তয়
d অতুলপ্রসাদ সেন
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পেত্রার্ক ১. কেন সঠিক: - ইতালীয় কবি ফ্রান্সেস্কো পেত্রার্ক সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবক্তা বা আদি কবি হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে স্বীকৃত। - চতুর্দশপদী কবিতায় নির্দিষ্ট নিয়ম ও ভাবের সংক্ষিপ্ত প্রকাশ ঘটিয়ে সনেট রূপটিকে তিনি পূর্ণতা ও জনপ্রিয়তা দিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের জন্ম ইতালিতে ত্রয়োদশ থেকে চতুর্দশ শতাব্দীতে রেনেসাঁস বা নবজাগরণের সময়। - ইতালীয় কবি পেত্রার্ক তার প্রিয়তমা লরাকে নিয়ে লেখা সনেটগুলোর মাধ্যমে এই কাব্যরূপকে বিশ্বসাহিত্যে স্থায়ী আসন দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গবানী বা কপোতাক্ষ নদ কবিতা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রথম সফল প্রয়োগ যেখানে ইতালীয় সনেটের ভাব ও গঠন অনুসরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সনেট পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত সনেট সংকলন যা এই কাব্যরীতির বহুমুখী ব্যবহারের পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের সনেটের প্রবক্তা, বিশ্বসাহিত্যের আদি কবি নন। B) পেত্রার্ক — এটি সঠিক উত্তর। C) তলস্তয় — তিনি রুশ সাহিত্যের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক, সনেটের আদি কবি নন। D) অতুলপ্রসাদ সেন — তিনি একজন প্রখ্যাত গীতিকার ও সুরকার, সনেট রচনার জন্য পরিচিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সনেটের জনক মনে রাখতে পেত্রার্ক নামটির সাথে প্রথম অক্ষর প মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - বিশ্বসাহিত্যের আদি পেত্রার্ক এবং বাংলার আদি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বসাহিত্যের সনেট প্রবক্তা পেত্রার্ক এবং বাংলা সনেটের প্রবক্তা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - পরীক্ষার প্রশ্নে আদি কবি বললে পেত্রার্ক এবং বাংলার সনেট বললে মাইকেল মধুসূদন দত্ত দাগাতে হবে।
a কতৃবাচ্য
b ভাববাচ্য
c কর্মবাচ্য
d কোনটিই নয়
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাববাচ্য ১. কেন সঠিক: এই বাক্যে কর্তার চেয়ে ক্রিয়ার ভাব বা অর্থই প্রধান হয়ে উঠেছে এবং এখানে কোনো স্পষ্ট বা প্রত্যক্ষ কর্তা নেই। সাধারণত কর্মহীন অকর্মক ক্রিয়া যখন ভাব প্রকাশ করে এবং বাক্যে কারের চেয়ে কাজের ভাবটি প্রধান হয়, তখন তা ভাববাচ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বাচ্যে কর্তার বা কর্মের প্রাধান্য না বুঝিয়ে ক্রিয়ার ভাব বা কাজটির অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। ভাববাচ্যের বাক্যে সাধারণত অকর্মক ক্রিয়া ব্যবহৃত হয় এবং ক্রিয়ার পুরুষ প্রধানত প্রথম বা তৃতীয় পুরুষ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার যাওয়া হবে না। ব্যাখ্যা: এখানে যাওয়া কাজটি প্রধান এবং কোনো নির্দিষ্ট কর্তা কাজটিকে এককভাবে পরিচালনা করছে না। উদাহরণ ২: সেদ্ধ চা খাওয়া চলে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও কাজের ভাবটি প্রাধান্য পেয়েছে এবং এটি ভাববাচ্যের একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কতৃবাচ্য — এই বাক্যে কর্তা সরাসরি প্রধান নয় এবং বাক্যটি কর্তার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। B) ভাববাচ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ক্রিয়ার ভাব প্রধান হয়েছে। C) কর্মবাচ্য — এই বাক্যে কোনো স্পষ্ট কর্ম নেই, তাই এটি কর্মবাচ্য হতে পারে না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাববাচ্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যে সাধারণত কে বা কারা প্রশ্ন করলে স্পষ্ট কোনো কর্তা পাওয়া যায় না। অকর্মক ক্রিয়ার সঙ্গে যখন ক্রিয়ার ভাব প্রধান হয়, চোখ বুজে তাকে ভাববাচ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কর্তৃবাচ্য থেকে ভাববাচ্যে রূপান্তরের সময় কর্তার সঙ্গে বিভক্তি যোগ হয় এবং ক্রিয়া বিশেষ রূপ লাভ করে।
a সন্দ্বীপ
b কুতুবদিয়া
c খুলনা
d রাজশাহী
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সন্দ্বীপ ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আব্দুল হাকিমের জন্মস্থান বর্তমান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার সুদখালি গ্রামে। তিনি সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি এবং সে সময়ে আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আব্দুল হাকিম মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ও নৈতিকতাবাদী ধারার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে সবিশেষ পরিচিত। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নূরনামা সমাজে ইসলামের আদর্শ প্রচার এবং মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগের এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নূরনামা কাব্যগ্রন্থটি কবি আব্দুল হাকিমের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত নৈতিক সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। ব্যাখ্যা: এই কাব্যে কবি ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ভাষার প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা ও প্রগাঢ় শ্রদ্ধাবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন। উদাহরণ ২: শিহাবউদ্দিননামা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম যা কবি আব্দুল হাকিমের পাণ্ডিত্য ও কাব্যপ্রতিভার দারুণ পরিচয় বহন করে। ব্যাখ্যা: এই রচনাটি মধ্যযুগের ইসলামী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর রচিত অন্যতম প্রধান একটি কাব্য হিসেবে গবেষকদের কাছে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্দ্বীপ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ কবি আব্দুল হাকিম এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। B) কুতুবদিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ হলেও আব্দুল হাকিমের জন্মস্থান এটি নয়। C) খুলনা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দক্ষিণবঙ্গের একটি জেলা এবং মধ্যযুগের এই কবির জন্মস্থানের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) রাজশাহী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি উত্তরবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা যেখানে এই কবির জন্ম হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: আব্দুল হাকিমের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে তিনি সন্দ্বীপের সন্তান এবং সন্দ্বীপের সাথে তার নাম চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। বাংলা ভাষার প্রতি তার বিখ্যাত পংক্তি যে সবে বঙ্গেতে জন্মে হংস বঙ্গবাণী সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি তার জন্মস্থান সন্দ্বীপের মাটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। বিশেষ করে আব্দুল হাকিমের নূরনামা কাব্যগ্রন্থটি কোন বিষয়ে রচিত এবং মাতৃভাষার পক্ষে তার মন্তব্য থেকে বারবার প্রশ্ন আসে।
a রায় নন্দিনী
b অগ্নিপ্রবাহ
c বহিপীর
d অগ্রপথিক
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রায় নন্দিনী ১. কেন সঠিক: - রায় নন্দিনী হলো বিখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন সামাজিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, কবি ও সমাজ সংস্কারক। - তিনি মূলত তাঁর প্যাট্রিওটিক বা দেশাত্মবোধক কবিতা এবং মুসলিম জাগরণের উপন্যাসের জন্য বিশেষ পরিচিত লাভ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তরুন প্রবর্তক ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: নলিনী মঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রায় নন্দিনী — এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) অগ্নিপ্রবাহ — এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর নয়। C) বহিপীর — এটি প্রখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা অন্য লেখকের সৃষ্টি। D) অগ্রপথিক — এটি কোনো বিখ্যাত মৌলিক সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এটি এখানে প্রাসঙ্গিক বা সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর নামের সাথে 'রায় নন্দিনী' উপন্যাসটি মনে রাখার জন্য সিরাজী সাহেবের ঐতিহাসিক উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে পড়তে পারো। - মুসলিম জাগরণের লেখকদের মধ্যে তাঁর উপন্যাসগুলো বেশ স্বকীয় বৈশিষ্ট্য বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের ঐতিহাসিক উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন কমন পাওয়ার জন্য লেখকদের নামের পাশে তাঁদের প্রধান উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা ছক আকারে মুখস্থ রাখা উচিত।
a ধ্বনিতত্ত্বে
b রূপতত্ত্বে
c শব্দতত্ত্বে
d বাক্যতত্ত্বে
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্যতত্ত্বে ১. কেন সঠিক: - বাগধারা একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী শব্দসমষ্টি, যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দ বা পদ যখন বাক্যের মধ্যে বসে অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা বাক্যতত্ত্বের আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম অংশে বাক্যের গঠন, বাক্যের বিভিন্ন উপাদানের অবস্থান এবং বাগধারার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়। - বাগধারা শব্দটির আভিধানিক অর্থ কথার কথা হলেও ব্যাকরণে এটি বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রয়োগ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটি বাক্যে অপদার্থ বা অকর্মণ্য অর্থে প্রযুক্ত হয় এবং সম্পূর্ণ বাক্যের ভাবকে প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটি বাক্যে মোসাহেপ বা তোষামোদকারী অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যকে অর্থবহ করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ এবং নত্ব বিধান বা ষত্ব বিধান নিয়ে এই শাখায় আলোচনা করা হয়। B) রূপতত্ত্বে — শব্দমূল, প্রত্যয়, উপসর্গ, লিঙ্গ, বচন এবং পদের শ্রেণিবিভাগ নিয়ে রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। C) শব্দতত্ত্বে — শব্দের উৎপত্তি, অর্থ এবং শব্দের বিভিন্ন শ্রেণিবিভাগ বা উৎস নিয়ে শব্দতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। D) বাক্যতত্ত্বে — বাক্য ও বাক্যের গঠন, বাগধারা এবং প্রবাদ-প্রবচনের ব্যবহার বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য ও অর্থ বাড়ায়, তাই এটি বাক্যতত্ত্বের বিষয়। - মনে রাখবে বাক্যের অংশ হিসেবেই বাগধারা তার বিশেষ অর্থ ফুটিয়ে তোলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাগধারা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়। - প্রবাদ-প্রবচন এবং বাগধারা উভয়ই বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a calendar, calender
b love, affection
c sharp, blunt
d fair, fare
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) love, affection কেন সঠিক: love এবং affection শব্দ দুটি সমার্থক বা সমঅর্থ প্রকাশ করে। এরা অন্য অপশনগুলোর মতো বিপরীতার্থক শব্দ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) calendar, calender — এগুলো হলো হোমোফোন বা সমোচ্চারিত শব্দ, যাদের বানান ও অর্থ ভিন্ন। B) love, affection — এগুলো ভুল নয়, বরং এরা একই অর্থ প্রকাশ করায় অন্য জোড়াগুলোর থেকে আলাদা। C) sharp, blunt — এগুলো একে অপরের বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম। D) fair, fare — এগুলোও হোমোফোন বা সমোচ্চারিত শব্দ, যাদের বানান ও অর্থ ভিন্ন। মনে রাখার টিপস: শব্দগুলোর অর্থ এবং সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল করলে সহজেই বোঝা যায় কোনটি সমার্থক এবং কোনটি বিপরীতার্থক।
a as if
b when
c since
d let alone
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) since কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগের অংশে কারণের ফলাফল এবং পরের অংশে কারণ দেওয়া আছে। এখানে since conjunction হিসেবে কারণ বা কারণবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে since উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as if — এর অর্থ যেন, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) when — এর অর্থ যখন, যা ঘটনার কারণ বোঝাতে ব্যর্থ। C) since — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) let alone — এর অর্থ দূরে থাক, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের একটি অংশে কারণ এবং অন্য অংশে ফলাফল থাকলে কারণ বোঝাতে since ব্যবহার করতে হয়।
a News
b Crises
c Mathematics
d Economics
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Crises কেন সঠিক: Crises শব্দটি মূলত Crisis শব্দের বহুবচন রূপ। ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রীক বা ল্যাটিন উৎসের যেসব শব্দের শেষে is থাকে, সেগুলোর বহুবচন করার সময় শেষের is উঠে গিয়ে es যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) News — এটি দেখতে বহুবচনের মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি অপ্রাণবাচক একবচন বিশেষ্য যার অর্থ সংবাদ। C) Mathematics — এটি একটি বিষয়ের নাম এবং এর শেষে s থাকলেও এটি সর্বদা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Economics — এটিও একটি শাস্ত্র বা বিষয়ের নাম এবং ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি একবচন বিশেষ্য। মনে রাখার টিপস: যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে is থাকে, সেগুলোর শেষের is কে es এ রূপান্তর করলে সাধারণত বহুবচন গঠিত হয়।
a the, no article
b no article, a
c no article, have
d the, a
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) no article, a কেন সঠিক: - হাসপাতালে রোগী হিসেবে গেলে hospital শব্দের পূর্বে কোনো article বসে না। - heart attack একটি সাধারণ countable noun হওয়ায় এর পূর্বে indefinite article a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the, no article — প্রথম শূন্যস্থানে the বসলে বোঝাত নির্দিষ্ট কোনো হাসপাতালে বেড়াতে যাওয়া হয়েছে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) no article, a — এটি সঠিক কারণ হাসপাতালে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়ায় প্রথম শূন্যস্থানে article বসে না এবং heart attack এর পূর্বে a বসে। C) no article, have — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে have verb ব্যবহৃত হতে পারে না কারণ এখানে একটি noun এর পূর্বে article প্রয়োজন। D) কেহ, a — প্রথম শূন্যস্থানে the ব্যবহার করায় তা ব্যাখ্যার নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: প্রাথমিক উদ্দেশ্যে হাসপাতালে গেলে article বসে না, তবে রোগের নাম বা heart attack এর মতো ক্ষেত্রে a বসে।
a Aqua
b Aquariums
c Aquaria
d None
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Aquariums কেন সঠিক: ল্যাটিন বা গ্রিক মূলের অনেক শব্দের ইংরেজি বহুবচন গঠনের ক্ষেত্রে আধুনিক ইংরেজিতে সাধারণ নিয়ম বা এস যোগ করার প্রচলন রয়েছে। একাউরিয়াম শব্দের ক্ষেত্রে আধুনিক ইংরেজি ব্যাকরণে একাউরিয়ামস বহুবচন হিসেবে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও প্রচলিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aqua — এটি একাউরিয়াম শব্দের মূল অংশ বা মূল ল্যাটিন শব্দের মূল রূপ, কোনো বহুবচন রূপ নয়। B) Aquariums — এটি এই প্রশ্নের সঠিক বহুবচন রূপ যা আধুনিক ইংরেজিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। C) Aquaria — এটি প্রাচীন ল্যাটিন নিয়ম অনুযায়ী গঠিত বহুবচন হলেও আধুনিক ব্যবহারে এটি তুলনামূলক কম গ্রহণযোগ্য। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় অনেক ল্যাটিন শব্দের শেষে এস যোগ করে খুব সহজেই আধুনিক বহুবচন তৈরি করা যায়।
a Adverb
b Noun
c Pronoun
d Verb
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noun কেন সঠিক: tormentor শব্দটির অর্থ নির্যাতনকারী বা কষ্টদাতা, যা কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীকে বোঝায়। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নামকে Noun বলা হয়। শব্দের শেষে or যুক্ত থাকার কারণে এটি সাধারণত Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই শব্দটি বাক্যে Subject বা Object হিসেবে অবস্থান করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — Adverb সাধারণত কোনো Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb এর দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করে কিন্তু এটি তা করে না। B) Noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ tormentor একটি বিশেষ্য পদ। C) Pronoun — Pronoun হলো এমন শব্দ যা Noun এর পরিবর্তে বসে কিন্তু tormentor নিজে একটি পূর্ণাঙ্গ Noun। D) Verb — Verb হলো কোনো কাজ করা বোঝায় কিন্তু tormentor কোনো কাজের নাম বা কাজ সম্পন্নকারীকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে or বা er থাকে এবং তা দ্বারা কোনো কাজ সম্পাদনকারী ব্যক্তিকে বোঝায়, তারা সাধারণত Noun হয়।
a to
b for
c into
d up
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) up কেন সঠিক: - Look up একটিPhrase, যার অর্থ হলো অভিধান বা কোনো বই থেকে তথ্য বা শব্দ খুঁজে বের করা। - বাক্যে ডিকশনারি থেকে শব্দ খোঁজার অর্থ প্রকাশ করতে Look up সঠিক উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — Look to অর্থ কোনো কিছুর দিকে তাকানো বা আশা করা, যা ডিকশনারির শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) for — Look for অর্থ কোনো কিছু খোঁজা, তবে কোনো নির্দিষ্ট শব্দ বা তথ্য ডিকশনারি থেকে বের করার ক্ষেত্রে এটি বসে না। সি) into — Look into অর্থ কোনো বিষয় তদন্ত বা অনুসন্ধান করা, যা শব্দ খোঁজার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) up — এটি সঠিক অপশন কারণ Look up অর্থ অভিধান থেকে কোনো শব্দ খুঁজে দেখা। মনে রাখার টিপস: অভিধানে কোনো শব্দ খুঁজতে হলে ওপরের পাতার দিকে তাকাতে হয়, তাই মনে রাখুন Look up the word.
a William Wordsworth
b Lord Byron
c P.B. Shelly
d S.T. Coleridge
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি। তিনি তার বিখ্যাত 'লুসি পোয়েমস' ধারায় এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Lord Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও লুসি সিরিজের কোনো কবিতা লেখেননি। C) P.B. Shelly — তিনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন কবি যিনি প্রমিথিউস আনবাউন্ডের জন্য বিখ্যাত। D) S.T. Coleridge — তিনি 'লিয়াবেলা ডেম স্যান্স ম্যার্সি' বা রিমত অফ দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার এর লেখক। মনে রাখার টিপস: লুসি কবিতাগুলোর কথা মনে আসলেই উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের নাম স্মরণ করতে হবে।
a Lyrics
b Ode
c Hymn
d Ballad
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hymn কেন সঠিক: Hymn শব্দের অর্থ হলো ভজন বা ধর্মীয় গান যা মূলত সৃষ্টিকর্তার বন্দনা এবং পবিত্র আবেগের প্রকাশ ঘটিয়ে থাকে। এই ধরণের গানগুলোতে সাধারণত স্রষ্টার প্রতি ভক্তি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের গভীর ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়। এটি ধর্মীয় উপাসনার সময় গাওয়া হয়। এর মূল বিষয়বস্তুই হলো পবিত্র অনুভূতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lyrics — এটি সাধারণত যেকোনো গানের কথা বা কবিতা বোঝায় যার সাথে ধর্মীয় অনুভূতির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। B) Ode — এটি হলো কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রশংসায় রচিত উচ্চাঙ্গের গীতিকবিতা যা ধর্মীয় গান নয়। C) Hymn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় এটি ধর্মীয় গান বোঝাতে পারে না। D) Ballad — এটি হলো লোকগাথা বা বীরত্বপূর্ণ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত এক ধরণের ঐতিহ্যবাহী গান বা কবিতা। মনে রাখার টিপস: Hymn শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এটি হরে কৃষ্ণ বা ঈশ্বরের বন্দনার মতো কোনো পবিত্র ধর্মীয় গানকে নির্দেশ করে।
a envious
b charitable
c offensive
d hateful
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) charitable কেন সঠিক: ইনভিডিয়াস শব্দের অর্থ হলো ক্ষতিকর, বিদ্বেষপূর্ণ বা অন্যায্য যা মানুষের মনে কষ্ট দেয়। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো উদার, দয়ালু বা উপকারী যা চ্যারিটেবল অপশনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। দাতব্য বা কল্যাণমূলক কাজ বিদ্বেষপূর্ণ আচরণের সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই সঠিক উত্তরটি হলো চ্যারিটেবল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) envious — এই শব্দটির অর্থ ঈর্ষান্বিত, যা ইনভিডিয়াস শব্দের কাছাকাছি একটি সমার্থক শব্দ। B) charitable — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ উদার ও দানশীল যা প্রদত্ত শব্দের বিপরীত। C) offensive — এই শব্দটির অর্থ আপত্তিকর, যা ইনভিডিয়াস শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) hateful — এই শব্দটির অর্থ ঘৃণ্য, যা মূল শব্দের সমার্থক অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: ইনভিডিয়াস মানে খারাপ বা ক্ষতিকর কাজ, আর চ্যারিটেবল মানে ভালো বা সাহায্যকারী কাজ।
a Aristotle
b Socrates
c Plato
d Confucius
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Confucius কেন সঠিক: এই বিখ্যাত বাণীটি প্রাচীন চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের নৈতিক দর্শন এবং মানবতাবাদের মূল ভিত্তির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তিনি মানবপ্রেম এবং নৈতিকতাকে সব গুণের ভিত্তি হিসেবে প্রচার করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aristotle — তিনি মূলত যুক্তিবিদ্যা, রাজনীতি এবং বিজ্ঞান নিয়ে বেশি আলোচনা করেছিলেন। B) Socrates — তার মূল দর্শন ছিল আত্মোপলব্ধি এবং নৈতিক জ্ঞানের চর্চা করা। C) Plato — তার দর্শনে আদর্শ রাষ্ট্র এবং রূপের তত্ত্বের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। D) Confucius — ইনি এই উক্তির মূল প্রবক্তা এবং তার লেখায় মানবতার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মানবতা বা Humanity সম্পর্কিত প্রাচীন নৈতিক উক্তি দেখলে সাধারণত চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসকে মনে রাখবে।
a Personification
b Metaphor
c Satire
d Simile
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Personification কেন সঠিক: মৃত্যুর মতো একটি জড় বা অবাস্তব ধারণাকে মানুষের চোয়ালের সাথে তুলনা করে জীবন্ত করে তোলা হয়েছে। এখানে অজীব বস্তুকে মানুষের গুণ বা অঙ্গ দিয়ে রূপায়িত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Personification — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এখানে অবস্তুগত বিষয়কে মানবীয় রূপ দেওয়া হয়েছে। B) Metaphor — এটি রূপক হলেও এখানে সরাসরি তুলনা না করে মৃত্যুর চোয়াল বা গ্রাস বোঝানো হয়েছে। C) Satire — এটি কোনো ব্যঙ্গাত্মক রচনা বা বক্তব্য নয়। D) Simile — এতে তুলনার ক্ষেত্রে মতো বা as শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: যখন কোনো জড় বা অবাস্তব বিষয় মানুষের মতো আচরণ করে বা অঙ্গ ধারণ করে, তখন তাকে Personification বলে।
a feeling bad
b reading books
c expression of good wish
d conduct something
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) expression of good wish কেন সঠিক: Felicitation শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সংবর্ধনা বা কাউকে অভিনন্দন জানানো। শুভ কামনা প্রকাশ করা অর্থে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) feeling bad — এর অর্থ খারাপ বোধ করা, যা Felicitation শব্দের সাথে মেলে না। B) reading books — এর অর্থ বই পড়া, যার সাথে অভিনন্দন জানানোর কোনো সম্পর্ক নেই। C) expression of good wish — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) conduct something — এর অর্থ কোনো কিছু পরিচালনা করা, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়। মনে রাখার টিপস: Felicitation শব্দটির শুরুতে 'Felici' অংশ রয়েছে যার সাথে Happy বা সুখের সম্পর্ক আছে, তাই এটি সবসময় শুভকামনা প্রকাশ করে।
a A crisis in a drama
b Point of great intensity
c Climbing apparatus
d The last scene in a drama
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Point of great intensity কেন সঠিক: ক্লাইম্যাক্স হলো সাহিত্য বা নাটকের এমন একটি পর্যায় যেখানে গল্পের উত্তেজনা বা আবেগের মাত্রা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়। এটি পুরো কাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নাটকীয় মুহূর্ত নির্দেশ করে। এই বিন্দুতে এসে গল্পের মূল দ্বন্দ্বের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A crisis in a drama — ক্রাইসিস বা সংকট হলো নাটকের জটিল মুহূর্ত, যা ক্লাইম্যাক্সের আগের অবস্থা বোঝায়। B) Point of great intensity — এটি সঠিক কারণ ক্লাইম্যাক্স ঠিক এই তীব্রতার সর্বোচ্চ বিন্দুকেই বোঝায়। C) Climbing apparatus — এটি আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও সাহিত্য বা নাটকের পরিভাষায় এটি সম্পূর্ণ ভুল। D) The last scene in a drama — নাটকের শেষ দৃশ্য সবসময় ক্লাইম্যাক্স হয় না, এটি রেজলিউশন বা সমাপ্তিও হতে পারে। মনে রাখার টিপস: ক্লাইম্যাক্স মানেই হলো গল্পের সবচেয়ে উত্তেজনাকর এবং চরম মুহূর্ত।
a Hum
b Hiss
c Croak
d Bray
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bray কেন সঠিক: আস্স বা গাধার নির্দিষ্ট ডাককে ইংরেজিতে ব্রেই বলা হয়। অন্যান্য পশুর মতো গাধার ডাকের ও একটি নির্দিষ্ট নাম রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hum — হাম হলো মৌমাছি বা ভমরার গুঞ্জন শব্দ। B) Hiss — হিস হলো সাপ বা হাঁসের ফোঁস ফোঁস শব্দ। C) Croak — ক্রোক হলো ব্যাঙ বা কাকের কর্কশ ডাক। D) Bray — এটি গাধার সঠিক ও নির্দিষ্ট ডাক। মনে রাখার টিপস: গাধার ডাক হলো ব্রেই এবং কুকুরের ডাক হলো বার্ক।
a P.B Shelley
b Francis Bacon
c Geoffery Chaucer
d King Alfred the Great
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) King Alfred the Great কেন সঠিক: King Alfred the Great প্রাচীন ইংরেজি যুগে শাসন করেছিলেন এবং তিনি অনেক ল্যাটিন গ্রন্থ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। তার এই অনুবাদের মাধ্যমেই ইংরেজিতে গদ্য সাহিত্যের প্রথম সার্থক রূপ বিকাশ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P.B Shelley — ইনি রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, গদ্য সাহিত্যের জনক নন। B) Francis Bacon — ইনি ইংরেজি প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক হিসেবে পরিচিত, তবে গদ্যের জনক নন। C) Geoffery Chaucer — ইনি মধ্যযুগীয় ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি এবং কবিতার জনক হিসেবে পরিচিত। D) King Alfred the Great — ইনি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। মনে রাখার টিপস: গদ্য লেখার রাজত্ব শুরু করেছিলেন রাজা আলফ্রেড, তাই তাকে গদ্যের জনক বলা হয়।
a to help
b help
c helping
d for helping
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) helping কেন সঠিক: mind একটি নির্দিষ্ট ভার্ব যার পরে সবসময় Gerund বা ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ বসে। তাই এখানে to help না হয়ে সঠিক রূপটি হবে helping। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to help — mind ভার্বের পর ইনফিনিটিভ বা to বসে না, তাই এটি ভুল। B) help — মূল ভার্ব সরাসরি বসতে পারে না কারণ mind-এর পর জেরুন্ড প্রয়োজন। C) helping — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) for helping — এখানে অতিরিক্ত for preposition ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: mind, enjoy, finish এই ধরনের কিছু ভার্বের পর সবসময় ing যুক্ত ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a greatfulness
b gratefullness
c gratefulness
d greatfollness
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) gratefulness কেন সঠিক: সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে grateful এবং ness প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। এখানে মূল শব্দ হিসেবে grate ব্যবহৃত হয় এবং শেষে অতিরিক্ত l বা e যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) greatfulness — এই বানানে grateful শব্দের জায়গায় ভুলভাবে great ব্যবহার করা হয়েছে। B) gratefullness — এই বানানে শব্দের শেষে অতিরিক্ত l এবং ness এ দুটি l ব্যবহার করা হয়েছে। C) gratefulness — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) greatfollness — এই বানানে great এবং foll ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সঠিক বানান মনে রাখতে প্রথমে grateful লিখে তার সাথে সরাসরি ness যুক্ত করতে হবে।
a all types of food
b only meat
c grass and plants
d only flowers
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) grass and plants কেন সঠিক: Herbivorous শব্দটির বাংলা অর্থ হলো তৃণভোজী বা ঘাস ও লতাপাতা খায় এমন প্রাণী। ইংরাজীতে এই শব্দের মূল অর্থ হলো ঘাস ও উদ্ভিদ জাতীয় খাবার খাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) all types of food — সব ধরনের খাবার খাওয়া প্রাণীদের অম্নিভোরস বা সর্বভুক বলা হয়। B) only meat — কেবল মাংসাশী প্রাণীদের কার্নিভোরস বলা হয়। C) grass and plants — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) only flowers — কেবল ফুল খায় এমন প্রাণীদের ফ্লোরিভোরস বলা হয়। মনে রাখার টিপস: Herb শব্দটির অর্থ ঘাস বা শাকসবজি, তাই এর সাথে যুক্ত হয়ে herbivorous মানে ঘাস ও লতাপাতা খাদক বোঝায়।
a felon
b heretic
c malcontent
d surrogate
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) malcontent কেন সঠিক: malcontent শব্দটির অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি বর্তমান পরিস্থিতি বা ব্যবস্থার প্রতি সবসময় অসন্তুষ্ট থাকেন। এই শব্দটি মানুষের একটি বিশেষ মানসিক অবস্থাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) felon — এর অর্থ হলো অপরাধী বা গুরুতর অপরাধের সাথে যুক্ত কোনো ব্যক্তি। B) heretic — এর অর্থ হলো এমন ব্যক্তি যিনি প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাসের বিরোধিতা করেন। C) malcontent — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো অর্থ প্রযোজ্য নয়। D) surrogate — এর অর্থ হলো বিকল্প বা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে এমন কেউ। মনে রাখার টিপস: mal শব্দের অর্থ খারাপ এবং content শব্দের অর্থ সন্তুষ্টি, যার মিলনে অসন্তুষ্ট ব্যক্তি বোঝায়।

মোট প্রশ্ন (15)

a 4
b 2
c 1
d 8
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো a^৪ + a^২b^২ + b^৪ = ৩ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো a^২ + ab + b^২ = ৩ ধরি, প্রথম উৎপাদকটি হলো a^২ + ab + b^২ = ৩ দ্বিতীয় উৎপাদকটি হলো a^২ − ab + b^২ অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী a^৪ + a^২b^২ + b^৪ সমান (a^২ + ab + b^২) × (a^২ − ab + b^২) মান বসিয়ে পাই, ৩ × (a^২ − ab + b^২) = ৩ সুতরাং, a^২ − ab + b^২ এর মান হলো ১ এখন দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২(a^২ + b^২) = ৩ + ১ = ৪ উত্তর: ৪
a 50
b 60
c 70
d 80
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: প্রতি বেঞ্চে ছাত্র সংখ্যা চার জন হলে তিনটি বেঞ্চ খালি থাকে প্রতি বেঞ্চে ছাত্র সংখ্যা তিন জন হলে ছয় জন ছাত্র দাঁড়িয়ে থাকে ধরি, মোট বেঞ্চের সংখ্যা = ক অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪ × (ক − ৩) দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী মোট ছাত্র সংখ্যা = (৩ × ক) + ৬ সুতরাং, ৪ × (ক − ৩) = (৩ × ক) + ৬ ৪ক − ১২ = ৩ক + ৬ উত্তর: ক = ১৮ এবং মোট ছাত্র সংখ্যা = (৩ × ১৮) + ৬ = ৬০ জন
a 20
b 30
c 10
d কোনটিই নয়
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার লসাগু = ৬০ দুটি সংখ্যার গসাগু = ১০ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ৩ক বড় সংখ্যাটি = ২ক × (৩÷২) = ২ক অতএব, সংখ্যা দুটির গুণফল = লসাগু × গসাগু ৩ক × ২ক = ৬০ × ১০ সুতরাং, ৬ক বর্গ = ৬০০ ক বর্গ = ১০০ উত্তর: ছোট সংখ্যাটি = ২০
a 18
b 20
c 22
d 24
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার অর্ধেকের সঙ্গে ৬ যোগ করলে যে ফল পাওয়া যায় অপর সংখ্যাটির দ্বিগুণ থেকে ২১ বিয়োগ করলে একই ফল পাওয়া যায় ধরি, সংখ্যাটি = ১৮ অতএব, ১৮ এর অর্ধেক = ৯ ৯ + ৬ = ১৫ অপরপক্ষে, ১৮ এর দ্বিগুণ = ৩৬ ৩৬ − ২১ = ১৫ সুতরাং, উভয় ক্ষেত্রে প্রাপ্ত ফল সমান হয় উত্তর: ১৮
a ৯,৬০০ টাকা
b ১০,০৪০ টাকা
c ১১,৭৬০ টাকা
d কোনটিই নয়
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১,৭৬০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৩টি ঘোড়ার দাম ৫টি গরুর দামের সমান ৩টি গরুর দাম ৫টি গাধার দামের সমান ১৫টি ঘোড়ার দাম ৯,০০০ টাকা ধরি, ১টি ঘোড়ার দাম = ক টাকা ১টি গরুর দাম = খ টাকা ১টি গাধার দাম = গ টাকা অতএব, ১৫টি ঘোড়ার দাম ৯,০০০ টাকা হলে ১টি ঘোড়ার দাম = ৯,০০০ ÷ ১৫ = ৬০০ টাকা ৩টি ঘোড়ার দাম ৬০০ × ৩ = ১,৮০০ টাকা এবং ৫টি গরুর দাম ১,৮০০ টাকা ১টি গরুর দাম = ১,৮০০ ÷ ৫ = ৩৬০ টাকা সুতরাং, ৩টি গরুর দাম ৩৬০ × ৩ = ১,০৮০ টাকা এবং ৫টি গাধার দাম ১,০৮০ টাকা ১টি গাধার দাম = ১,০৮০ ÷ ৫ = ২১৬ টাকা উত্তর: ১০টি ঘোড়া, ১০টি গরু ও ১০টি গাধার দাম একত্রে = (৬০০ × ১০) + (৩৬০ × ১০) + (২১৬ × ১০) = ৬,০০০ + ৩,৬০০ + ২,১৬০ = ১১,৭৬০ টাকা
a 3/7
b 6/7
c 5/6
d 7/6
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬÷৭ প্রদত্ত তথ্য: a − ৬÷a = ১ ধরি, সমীকরণটির উভয়পক্ষকে a দ্বারা গুণ করে পাই a এর ওপর বর্গ − a − ৬ = ০ অতএব, মিডল টার্ম করে পাই (a − ৩)(a + ২) = ০ যেহেতু a এর মান ধনাত্মক হতে হবে তাই a = ৩ সুতরাং, নির্ণেয় রাশিটি হলো ৬ ÷ ((a এর ওপর বর্গ) − a + ১) মান বসিয়ে পাই ৬ ÷ (৩ এর ওপর বর্গ − ৩ + ১) উত্তর: ৬÷৭
a 32a^2b^2c
b 24a^2b^2c
c 24a^2b^2c^2
d 48a^2bc
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪a^২b^২c প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = ৪a^২bc দ্বিতীয় রাশি = ৮ab^২c তৃতীয় রাশি = ৬a^২b^২c ধরি, সাংখ্যিক সহগগুলো হলো ৪, ৮ এবং ৬ চলকগুলো হলো a, b এবং c অতএব, সাংখ্যিক সহগগুলোর লসাগু হলো ২৪ চলকগুলোর মধ্যে a এর সর্বোচ্চ পাওয়ার হলো a^২ সুতরাং, b এর সর্বোচ্চ পাওয়ার হলো b^২ c এর সর্বোচ্চ পাওয়ার হলো c উত্তর: ২৪a^২b^২c
a ৩০ ডিগ্রী
b ৬০ ডিগ্রী
c ৯০ ডিগ্রী
d ৪৫ ডিগ্রী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ১ : ২√২ : ৩ ধরি, প্রথম বাহু ক = ১x দ্বিতীয় বাহু খ = ২√২x তৃতীয় বাহু গ = ৩x অতএব, প্রথম বাহুর বর্গ ক² = ১x² দ্বিতীয় বাহুর বর্গ খ² = ৮x² তৃতীয় বাহুর বর্গ গ² = ৯x² সুতরাং, ক² + খ² = ১x² + ৮x² = ৯x² যা গ² এর সমান উত্তর: ৯০°
a ৬ ঘনমিটার
b ২ ঘনমিটার
c ৩ ঘনমিটার
d ৪ ঘনমিটার
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ঘনমিটার প্রদত্ত তথ্য: বাক্সের দৈর্ঘ্য = ২ মিটার বাক্সের প্রস্থ = ১ মিটার ৫০ সেন্টিমিটার বা ১.৫ মিটার বাক্সের উচ্চতা = ১ মিটার ধরি, দৈর্ঘ্য = ২ মিটার প্রস্থ = ১.৫ মিটার উচ্চতা = ১ মিটার অতএব, বাক্সের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা আয়তন = ২ × ১.৫ × ১ ঘনমিটার সুতরাং, আয়তন = ৩ ঘনমিটার উত্তর: ৩ ঘনমিটার
a ১০ঃ৬
b ৯ঃ১০
c ২০ঃ৯
d ১৮ঃ৫
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ঃ৬ প্রদত্ত তথ্য: রুনা ১(১/২) ঘণ্টায় হাঁটে ৫ কিলোমিটার রুনি ৫ মিনিটে হাঁটে ২৫০ মিটার ধরি, রুনির সময় = ৩/২ ঘণ্টা বা ৯০ মিনিট রুনির অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৫০০০ মিটার অতএব, রুনির গতিবেগ = ৫০০০ মিটার ÷ ৯০ মিনিট = ৫০০/৯ মিটার প্রতি মিনিট রুনির গতিবেগ = ২৫০ মিটার ÷ ৫ মিনিট = ৫০ মিটার প্রতি মিনিট সুতরাং, রুনির গতিবেগ ও রুনির গতিবেগের অনুপাত = (৫০০/৯) ঃ ৫০ উত্তর: ১০ঃ৬
a ৪২ জন
b ৮৪ জন
c ১৬৮ জন
d ১২৬ জন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৪ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট সৈন্য সংখ্যা = ৫৬৭২৮ জন ধরি, সৈন্য দলকে বর্গাকারে সাজাতে চাইলে সৈন্য সংখ্যা হতে হবে একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা তাই ৫৬৭২৮ এর বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে অতএব, ভাগ প্রক্রিয়ায় ৫৬৭২৮ এর বর্গমূল নির্ণয় করি ভাগফল এর পূর্ণসংখ্যা অংশ পাই ২৩৮ এবং অবশিষ্ট বা ভাগশেষ থাকে ৮৪ সুতরাং, এই অবশিষ্ট ৮৪ জন সৈন্য সরিয়ে রাখলে বাকি সৈন্য সংখ্যা পূর্ণবর্গ হবে উত্তর: ৮৪ জন
a ১৮০ জন
b ৯০ জন
c ৪৫ জন
d সঠিক উত্তর নেই
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সঠিক উত্তর নেই প্রদত্ত তথ্য: নিরক্ষর কর্মচারী = ৪০% অবশিষ্ট কর্মচারীর এসএসসি পাশ = ৫০% গ্রাজুয়েট কর্মচারী = ১০ জন ধরি, মোট কর্মচারীর সংখ্যা = ১০০ জন অতএব, নিরক্ষর কর্মচারী = ১০০ এর ৪০% = ৪০ জন স্বাক্ষর বা বাকি কর্মচারী = ১০০ − ৪০ = ৬০ জন এসএসসি পাশ = ৬০ এর ৫০% = ৩০ জন সুতরাং, গ্রাজুয়েট কর্মচারী = ৬০ − ৩০ = ৩০ জন কিন্তু প্রশ্নানুযায়ী গ্রাজুয়েট = ১০ জন, যা ৩০ জনের সাথে মিলছে না উত্তর: সঠিক উত্তর নেই
a ১২১%
b ২১%
c ২০%
d ১০০%
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০০ বর্গমিটার প্রতিটি বাহু ১০% বৃদ্ধি করা হলো ধরি, মূল বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ মিটার কারণ ১০ মিটার বাহু বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০০ বর্গমিটার অতএব, বাহু ১০% বৃদ্ধি পেলে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য হয় = ১০ + (১০ এর ১০%) = ১১ মিটার নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল হয় = ১১ × ১১ = ১২১ বর্গমিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১২১ − ১০০ = ২১ বর্গমিটার উত্তর: ২১%
a ২০০ টাকা
b ২৫০ টাকা
c ৩৫০ টাকা
d ৩০০ টাকা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ছাগল ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো বিক্রয় মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হয় ধরি, ছাগলটির ক্রয় মূল্য = ক টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় মূল্য = ক − (ক এর ১০%) = ক − (০.১০ × ক) = ০.৯০ × ক টাকা ৫% লাভে বিক্রয় মূল্য = ক + (ক এর ৫%) = ক + (০.০৫ × ক) = ১.০৫ × ক টাকা সুতরাং, শর্তমতে, (১.০৫ × ক) − (০.৯০ × ক) = ৪৫ বা, ০.১৫ × ক = ৪৫ উত্তর: ক = ৪৫ ÷ ০.১৫ = ৩০০ টাকা
a আসল ১,০০০ টাকা, মুনাফা ১০%
b আসল ১,০০০ টাকা, মুনাফা ১২%
c আসল ১,২০০ টাকা, মুনাফা ১০.৫%
d আসল ১,১০০ টাকা, মুনাফা ১০%
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আসল ১,২০০ টাকা, মুনাফা ১০.৫% প্রদত্ত তথ্য: ৫ বছরের মুনাফা-আসল = ১,৮৩০ টাকা ৩ বছরের মুনাফা-আসল = ১,৫৭৮ টাকা ধরি, আসল = ক টাকা মুনাফা = খ টাকা অতএব, ২ বছরের মুনাফা = ১,৮৩০ − ১,৫৭৮ টাকা = ২৫২ টাকা ১ বছরের মুনাফা = ২৫২ ÷ ২ টাকা = ১২৬ টাকা সুতরাং, ৩ বছরের মুনাফা = ১২৬ × ৩ টাকা = ৩৭৮ টাকা আসল = ১,৫৭৮ − ৩৭৮ টাকা = ১,২০০ টাকা উত্তর: আসল ১,২০০ টাকা, মুনাফা ১০.৫%

মোট প্রশ্ন (8)

a ১২৩৪ জন
b ১২৫০ জন
c ১৯২৭ জন
d ১২২২ জন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২২২ জন ১. কেন সঠিক: - নির্বাচন কমিশন ও জনমিতি সংক্রান্ত প্রশ্ন এটি, যেখানে দেশের তৃতীয় লিঙ্গের নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা চাওয়া হয়েছে। - হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশে তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটারের সংখ্যা ১২২২ জন, যা তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতকরণের একটি ধাপ। ২. জনসংখ্যা ও জনমিতি: - সাংবিধানিক অধিকার: বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে। - নাগরিক অধিকার: তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে ২০১৩ সালে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে হিজড়া হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ২০১৪ সালে তাদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে ভোটার হওয়ার অধিকার প্রদান করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ ব্যাখ্যা: এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের নাগরিকদের তথ্য সংরক্ষণ করে এবং তৃতীয় লিঙ্গসহ সব নাগরিকের ভোটারের তালিকা তৈরি করে। উদাহরণ ২: হিজড়া জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন কর্মসূচি ব্যাখ্যা: সমাজসেবা অধিদপ্তর এই জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন ভাতা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৩৪ জন — এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা এবং নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যের সঙ্গে মিলে না। B) ১২৫০ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক ভোটার তালিকার পরিসংখ্যানের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) ১৯২৭ জন — এটি তৃতীয় লিঙ্গের প্রকৃত ভোটার সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি এবং ভুল তথ্য। D) ১২২২ জন — এটি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী সঠিক এবং নির্ভুল সংখ্যা। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা মনে রাখতে শেষ দুটি অঙ্ক ২২ (২২) মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ মোট সংখ্যা ১২২২ জন। - ২০১৪ সাল থেকে তারা ভোটাধিকার পান, এই সালটি ভোটার হওয়ার সঙ্গে যুক্ত করে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় জনমিতি ও সামাজিক উন্নয়ন অংশে প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ বা সংবিধানে নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a মধুমতি রেলসেতু
b রূপসা রেলসেতু
c যমুনা রেলসেতু
d হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যমুনা রেলসেতু ১. কেন সঠিক: যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর ঠিক ৩০০ মিটার উত্তরে সমান্তরালভাবে নির্মিত যমুনা রেলসেতু বর্তমানে বাংলাদেশের দীর্ঘতম একক রেলসেতু। এটি একটি ডেডিকেটেড ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক রেলসেতু, যার মাধ্যমে ট্রেন চলাচলের গতি ও ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২. ভৌগোলিক ও অবকাঠামোগত বৈশিষ্ট্য: ভৌগোলিক অবস্থান: সেতুটি যমুনা নদীর ওপর টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর এবং সিরাজগঞ্জ জেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। দৈর্ঘ্য ও গঠন: সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার এবং এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৩০.৭৩ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট ও লুপ লাইন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ব্যাখ্যা: এটি পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বিখ্যাত রেলসেতু, যা দীর্ঘকাল দীর্ঘতম রেলসেতু হিসেবে পরিচিত ছিল। উদাহরণ ২: রূপসা রেলসেতু ব্যাখ্যা: এটি খুলনা জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলসেতু, যা মোংলা পোর্টের সাথে রেলযোগাযোগ স্থাপনে ভূমিকা রাখছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুমতি রেলসেতু — এটি মধুমতি নদীর ওপর নির্মিত একটি সড়ক ও রেলসেতু নয়, এটি প্রধানত সড়ক সেতু বা অন্য প্রকল্পের অংশ যা যমুনা রেলসেতুর মতো দীর্ঘ একক রেলসেতু নয়। B) রূপসা রেলসেতু — এটি খুলনার রূপসা নদীর ওপর নির্মিত একটি রেলসেতু হলেও এর দৈর্ঘ্য যমুনা রেলসেতুর চেয়ে অনেক কম। C) যমুনা রেলসেতু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে দেশের দীর্ঘতম একক ডেডিকেটেড রেলসেতু। D) হার্ডিঞ্জ ব্রিজ — এটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ঐতিহাসিক রেলসেতু যার দৈর্ঘ্য ১.৮ কিলোমিটারের মতো, যা যমুনা রেলসেতুর চেয়ে ছোট। ৫ মনে রাখার টিপস: যমুনা নদী দেশের সবচেয়ে বড় নদীগুলোর একটি, তাই এর ওপর নির্মিত রেলসেতুটিও দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে অবস্থিত এই রেলসেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪.৮ কিলোমিটার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের বর্তমান মেগা প্রকল্প এবং যোগাযোগ অবকাঠামো খাতের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় সেতুটির দৈর্ঘ্য, অবস্থান কিংবা এর ট্র্যাকের ধরন (ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক) সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a কুমিল্লা
b ভৈরব
c কিশোরগঞ্জ
d ব্রাহ্মণবাড়িয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১. কেন সঠিক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাটি তিতাস নদীর তীরে অবস্থিত। তিতাস নদী মূলত মেঘনার একটি শাখা নদী যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট: নদ-নদী: তিতাস নদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে এবং এটি স্থানীয় অর্থনীতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। সাহিত্যিক গুরুত্ব: অদ্বৈত মল্লবর্মণের বিখ্যাত তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু এই নদী ও এর তীরবর্তী মানুষের জীবন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা শহর বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক প্রশ্নগুলোতে শহরের নাম এবং তার পাশের নদীর নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: রাজশাহী শহর পদ্মার তীরে অবস্থিত। ব্যাখ্যা: নদীভিত্তিক জনবসতি ও শহরের অবস্থান চেনার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — কুমিল্লা শহর গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত, তিতাস নদীর তীরে নয়। B) ভৈরব — ভৈরব উপজেলাটি মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত। C) কিশোরগঞ্জ — কিশোরগঞ্জ জেলা নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। D) ব্রাহ্মণবাড়িয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিতাস নদী এই শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদী বিখ্যাত উপন্যাস তিতাস একটি নদীর নামের জন্য মনে রাখা সহজ। নদী ও শহরের জোড় মুখস্থ করার সময় মূল প্রধান নদী ও উপনদীর পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি নদীমাতৃক বাংলাদেশের ভূগোল এবং সাহিত্যভিত্তিক সাধারণ জ্ঞানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের প্রশ্ন থেকে কোন নদী কোন শহরের পাশে তা মিলকরণ বা একক এমসিকিউ আসতে পারে।
a ফরিদপুর
b পাবনা
c রাজবাড়ী
d রাজশাহী
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাবনা ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী পাবনা জেলা পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। - ভৌগোলিক ও মৃত্তিকা বৈশিষ্ট্যের কারণে পাবনা অঞ্চলে পেঁয়াজ চাষ অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এখানে বাণিজ্যিকভিত্তিতে এর ফলন বেশি হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে মসলা জাতীয় ফসল হিসেবে পেঁয়াজের গুরুত্ব অপরিসীম। সংশ্লিষ্ট তথ্য: পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য দেশজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত এবং একে পেঁয়াজের রাজধানী বলা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাটোর জেলা ব্যাখ্যা: নাটোর জেলা কাঁচামরিচ ও আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও এটি পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষে নয়। উদাহরণ ২: রাজশাহী জেলা ব্যাখ্যা: রাজশাহী জেলা সিল্ক ও আম উৎপাদনের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত হলেও প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে এটি পরিচিত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — ফরিদপুর জেলা পেঁয়াজ উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং এটি পাট ও পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত একটি অঞ্চল। B) পাবনা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দেশের সর্বোচ্চ পেঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে স্বীকৃত। C) রাজবাড়ী — রাজবাড়ী জেলা কৃষি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা নয়। D) রাজশাহী — রাজশাহী জেলা আম ও লটকন উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও পেঁয়াজে শীর্ষস্থান অধিকার করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: পাবনা জেলার 'প' এবং পেঁয়াজের 'প' দিয়ে খুব সহজেই মনে রাখতে পারো যে পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হলো পাবনা। পরীক্ষায় প্রায়ই জেলাভিত্তিক শীর্ষ কৃষিপণ্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল উৎপাদক অঞ্চলগুলো ছক আকারে পড়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃষি উৎপাদনে শীর্ষ জেলাগুলোর নাম বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে পেঁয়াজের রাজধানী বলা হয় কোন উপজেলাকে।
a পিরোজপুর
b চুয়াডাঙ্গা
c রাজশাহী
d কুমিল্লা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিরোজপুর ১. কেন সঠিক: - ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পিরোজপুর জেলায় স্বাক্ষরতার হার সর্বাধিক। - এই জনমিতিক তথ্যে ৭ বছর ও ততোধিক বয়সের জনগোষ্ঠীর পঠন ও লিখন দক্ষতাকে স্বাক্ষরতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ২. জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি: - জনশুমারি ও গৃহগণনা: স্বাধীন বাংলাদেশে এটি ছিল ষষ্ঠ জনশুমারি, যা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত হয়। - জাতীয় স্বাক্ষরতা: ২০২২ সালের শুমারি অনুযায়ী জাতীয় পর্যায়ে স্বাক্ষরতার হার দাঁড়িয়েছে ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা জেলা ব্যাখ্যা: অর্থনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও সামগ্রিক স্বাক্ষরতার হারে পিরোজপুর জেলা এগিয়ে রয়েছে। উদাহরণ ২: বান্দরবান জেলা ব্যাখ্যা: জনমিতিক সূচকে ভৌগোলিক ও পাহাড়ি অঞ্চলের কারণে এই জেলাগুলোতে স্বাক্ষরতার হার তুলনামূলক কম দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিরোজপুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী পিরোজপুর জেলায় স্বাক্ষরতার হার সর্বোচ্চ। B) চুয়াডাঙ্গা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা এবং এখানে স্বাক্ষরতার হার শীর্ষস্থানীয় নয়। C) রাজশাহী — এই অপশনটি ভুল কারণ রাজশাহী শিক্ষা নগরী হলেও জনশুমারির সামগ্রিক সূচকে এটি শীর্ষ স্বাক্ষরতার জেলা নয়। D) কুমিল্লা — এই অপশনটি ভুল কারণ কুমিল্লা জনবহুল জেলা হওয়া সত্ত্বেও স্বাক্ষরতার হারে পিরোজপুরের পেছনে রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - প দিয়ে পিরোজপুর এবং প দিয়ে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে স্বাক্ষরতার হারে প্রথম জেলা পিরোজপুর। - ৬ষ্ঠ জনুমারির সকল সূচক মনে না রেখে কেবল শীর্ষ ও সর্বনিম্ন জেলাগুলোর নাম নোট করে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ৬ষ্ঠ জনশুমারির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক যেমন জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং লিঙ্গানুপাত ভালোভাবে দেখে রাখবে। - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস প্রকাশিত সর্বশেষ জনমিতিক প্রতিবেদন থেকেই মূলত এই ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে।
a 1976
b 1982
c 1985
d 1988
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২ ১. কেন সঠিক: - ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা বানান Dacca কে পরিবর্তন করে স্থানীয় উচ্চারণ ও ধ্বনিবিন্যাসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে Dhaka করা হয় ১৯৮২ সালে। - প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও ঔপনিবেশিক প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটানোর উদ্দেশ্যে এই বানান পরিবর্তন করা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঔপনিবেশিক শাসনামলে ইংরেজি উচ্চারণের সুবিধার জন্য ঢাকাকে Dacca লেখা হতো। - তারিখ ও স্থান: ১৯৮২ সালে তৎকালীন সরকারের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই পরিবর্তন কার্যকর করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পরিবর্তনের ফলে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে বাংলাদেশের রাজধানী শহরের প্রকৃত বাংলা উচ্চারণের সঠিক ইংরেজি রূপ প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: Comilla বানান পরিবর্তন করে Cumilla থেকে Comilla করা। ব্যাখ্যা: এটিও ব্রিটিশ আমলের ভুল বানান সংশোধনের একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। উদাহরণ ২: Barisal বানান পরিবর্তন করে Barishal করা। ব্যাখ্যা: স্থানীয় উচ্চারণের সঠিক রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই ধরনের বানান পরিবর্তন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৬ — এটি সঠিক বছর নয় কারণ এই সময়ে বানান পরিবর্তনের কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। B) ১৯৮২ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সালেই Dacca বানানকে Dhaka করা হয়। C) ১৯৮৫ — এই সালে বানান পরিবর্তন করা হয়নি বরং এটি অন্য একটি প্রশাসনিক বছরের সাথে সম্পর্কিত। D) ১৯৮৮ — এই বছরে বানান পরিবর্তন করা হয়নি কারণ এর অনেক আগেই ১৯৮২ সালে এই পরিবর্তন সম্পন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯৮২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশে অনেক প্রশাসনিক ও কাঠামোগত পরিবর্তন আসে এবং এই সালেই রাজধানী ঢাকার ইংরেজি বানান বর্তমান রূপে স্থির হয়। - Dacca থেকে Dhaka রূপান্তরের সাল মনে রাখতে ৮২ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশাসনিক ও ঐতিহাসিক নামকরণের সাল প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে বিভিন্ন শহরের নাম পরিবর্তনের সাল বা প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a মেহেরপুর গ্রেড
b চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
c ঝিনাইদহ গ্রেড
d কুষ্টিয়া গ্রেড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুষ্টিয়া গ্রেড ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছে। - এই চামড়ার গঠনগত বৈশিষ্ট্য, উন্নত মানের পশম এবং টেকসই গুণমানের কারণে বিশ্ব বাজারে এর আলাদা কদর রয়েছে। ২. অর্থনীতি ও সম্পদ: - কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের ইতিহাসে কুষ্টিয়া গ্রেড একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিশ্বখ্যাত এর মাংসের গুণগত মান এবং সুস্বাদু চামড়ার জন্য, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ট্যানারি শিল্প ব্যাখ্যা: কুষ্টিয়া গ্রেডসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চামড়া সংগ্রহ করে সাভারের হেমায়েতসরে অবস্থিত চামড়া শিল্প নগরীতে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। উদাহরণ ২: চামড়া রপ্তানি ব্যাখ্যা: ঈদুল আজহা এবং সারা বছর ধরে সংগৃহীত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে বিদেশে রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেহেরপুর গ্রেড — এটি ছাগলের চামড়ার কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গ্রেড নয়, যদিও মেহেরপুরে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল প্রচুর পালিত হয়। B) চুয়াডাঙ্গা গ্রেড — এটি চামড়ার গ্রেডিং ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রমিত নাম বা ঐতিহাসিক টার্ম নয়। C) ঝিনাইদহ গ্রেড — এই নামটি চামড়ার আন্তর্জাতিক বা জাতীয় বাজার মূল্যায়নে ব্যবহৃত কোনো মানদণ্ড নির্দেশ করে না। D) কুষ্টিয়া গ্রেড — এটি বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার নির্ধারিত ও পরিচিত মানদণ্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছাগলের চামড়ার বিশ্ববাজারের মান মানেই কুষ্টিয়া গ্রেড। - কুষ্টিয়া জেলা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া সংগ্রহের একটি প্রধান ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলকে বাংলাদেশের একটি জিনগত সম্পদ বা জিআই পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। - এই প্রশ্নটি কৃষি, অর্থনীতি এবং রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
b মুহম্মদ বিন কাসেম
c সুলতান মাহমুদ
d খান জাহান আলী
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুহম্মদ বিন কাসেম ১. কেন সঠিক: - মুহম্মদ বিন কাসেম ছিলেন উমাইয়া খিলাফতের একজন বিখ্যাত তরুণ সেনাপতি যিনি ৭১২ খ্রিস্টাব্দে সিন্ধু ও মুলতান অঞ্চল জয় করেন। - এটি ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম সফল মুসলিম সামরিক অভিযান যার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় ইসলামি শাসনের সূচনা ঘটেছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সিন্ধুর রাজা দাহিরের জলদস্যুরা আরব বণিকদের জাহাজ লুট করার পর এই অভিযানের মূল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পটভূমি তৈরি হয়। - তারিখ ও স্থান: ৭১২ খ্রিস্টাব্দে তরুণ সেনাপতি মুহম্মদ বিন কাসেম বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের দেবল বন্দরে পদার্পণ করেন এবং রাজা দাহিরকে পরাজিত করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয় ব্যাখ্যা: মুহম্মদ বিন কাসেমের সিন্ধু অভিযানের অনেক পরে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন যা উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের বিস্তার ঘটায়। উদাহরণ ২: সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযান ব্যাখ্যা: মুহম্মদ বিন কাসেমের প্রায় তিন শতাব্দী পর সুলতান মাহমুদ ভারত আক্রমণ করলেও তিনি স্থায়ী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার বদলে সম্পদ লুট ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে মনোযোগী ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাজ্জাজ বিন ইউসুফ — ইনি ছিলেন তৎকালীন ইরাকের উমাইয়া গভর্নর যিনি মুহম্মদ বিন কাসেমকে সিন্ধু অভিযانের জন্য প্রেরণ করেছিলেন কিন্তু সরাসরি সেনাপতি ছিলেন না। B) মুহম্মদ বিন কাসেম — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সরাসরি সেনাপতি হিসেবে সিন্ধু অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। C) সুলতান মাহমুদ — ইনি গজনির সুলতান যিনি একাদশ শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশে একাধিক আক্রমণ পরিচালনা করেছিলেন কিন্তু সিন্ধু অভিযানের সেনাপতি ছিলেন না। D) খান জাহান আলী — ইনি একজন ষোড়শ শতাব্দীর সুফি সাধক ও প্রশাসক যিনি বাগেরহাট অঞ্চলে সুন্দরবন আবাদ করে খানজাহানি স্থাপত্যের বিকাশ ঘটিয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিন্ধু বিজয়ে কাসেমের নাম মনে রাখতে 'সিন্ধু ও কাসেম' শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে হবে। - মনে রাখতে হবে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ছিলেন নির্দেশদাতা আর মুহম্মদ বিন কাসেম ছিলেন মাঠে লড়াই করা সেনাপতি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুসলিম বিজয়ী বা সেনাপতি কে তা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা সিন্ধু অভিযান এবং বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের মধ্যকার ঐতিহাসিক ক্রমপর্যায় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে।

মোট প্রশ্ন (8)

a ৮টি
b ৯টি
c ১০টি
d ১২টি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২টি ১. কেন সঠিক: ওপেক প্লাস মূলত ওপেকভুক্ত দেশ এবং এর বাইরে তেল উৎপাদনকারী প্রধান দেশগুলোর একটি জোট। এই জোটে ওপেকবহির্ভূত ১০টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত রয়েছে, যার ফলে মূল ওপেক এবং এই ১০টি দেশ মিলে মোট সদস্য বা অংশীদার দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২টিতে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: ওপেক প্লাস (OPEC Plus) বা বর্ধিত পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থা। প্রেক্ষাপট: বৈশ্বিক তেলবাজার নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে ২০১৬ সালে এই জোট গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: ওপেকের একক ক্ষমতার বাইরে গিয়ে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মূল্য যৌথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া। ব্যাখ্যা: রাশিয়া ওপেক প্লাস জোটের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও অন্যতম প্রধান অ-ওপেক সদস্য দেশ। উদাহরণ ২: সৌদি আরব। ব্যাখ্যা: সৌদি আরব ওপেক জোটের নেতৃত্ব দেয় এবং ওপেক প্লাস গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি — এটি সঠিক নয় কারণ ওপেক প্লাস জোটে অ-ওপেক দেশের সংখ্যা আটটির বেশি। B) ৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ প্রাথমিক বা বর্তমান হিসাব অনুযায়ী অ-ওপেক সদস্যের সংখ্যা ভিন্ন। C) ১০টি — এটি কেবল ওপেকবহির্ভূত দেশের সংখ্যা, কিন্তু প্রশ্নে মোট দেশের কথা বলা হয়েছে। D) ১২টি — এটি সঠিক কারণ মূল ওপেক এবং অ-ওপেক ১০টি দেশ মিলে মোট অংশীদার দেশের সংখ্যা নির্ধারিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মূল ওপেকের দেশ এবং বাইরের ১০টি দেশ মিলে মোট ওপেক প্লাস গঠিত হয়। সংখ্যা মনে রাখার জন্য মূল অংশীদার দেশগুলোর হিসাব আলাদাভাবে মনে রাখা দরকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে ওপেক প্লাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই জোট থেকে প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ইংল্যান্ড
b ফ্রান্স
c ডেনমার্ক
d পর্তুগাল
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগাল ১. কেন সঠিক: ম্যাকাও ছিল এশিয়ার প্রথম এবং সর্বশেষ ইউরোপীয় উপনিবেশ যা দীর্ঘদিন পর্তুগালের অধীনে শাসিত হয়েছিল। পর্তুগিজরা ষোল শতকে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ম্যাকাওতে বসতি স্থাপন করে এবং পরবর্তীতে একে নিজেদের উপনিবেশে পরিণত করে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ: ম্যাকাও হলো চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল যা দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত। প্রেক্ষাপট: ১৯৯৯ সালের বিশ ডিসেম্বর পর্তুগাল ম্যাকাওয়ের শাসনভার চীনের কাছে হস্তান্তর করে। গুরুত্ব: এক দেশ দুই নীতি নীতির আওতায় ম্যাকাও বর্তমানে চীনের নিয়ন্ত্রণে বিশেষ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হংকং ব্যাখ্যা: হংকং ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং উনআংশ শতকে তা যুক্তরাজ্যের হাতে চলে যায় যা পরে ম্যাকাওয়ের মতো চীনের কাছে ফেরত দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: গোয়া ব্যাখ্যা: গোয়া ছিল ভারতের একটি অঞ্চল যা দীর্ঘকাল পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল এবং পরবর্তীতে সামরিক অভিযאןর মাধ্যমে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড বিশ্বজুড়ে উপনিবেশ স্থাপন করলেও ম্যাকাও তাদের উপনিবেশ ছিল না বরং তারা হংকং শাসন করেছিল। B) ফ্রান্স — ফ্রান্স মূলত ইন্দোচীন এবং আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল কিন্তু ম্যাকাও তাদের দখলে ছিল না। C) ডেনমার্ক — ডেনমার্কের কিছু ছোট উপনিবেশ থাকলেও এশিয়ার এই অঞ্চলে তাদের আধিপত্য ছিল না। D) পর্তুগাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ পর্তুগিজরা শত শত বছর ম্যাকাও শাসন করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ম্যাকাও নামটি শুনলে পর্তুগালের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের কথা মনে রাখবে কারণ পর্তুগিজরাই এশিয়ায় প্রথম উপনিবেশ স্থাপন শুরু করেছিল। চীন ও পর্তুগালের মধ্যকার চুক্তির মাধ্যমে এর অবসান ঘটে যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ম্যাকাও কত সালে চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয় তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে হংকং কোন দেশের উপনিবেশ ছিল বা ঔপনিবেশিক ইতিহাস সম্পর্কিত অন্যান্য সাধারণ জ্ঞান থেকে।
a পার্ল এস বাক
b জাঁ পল সার্ত্রে
c কাহলিল জিবরান
d সল বেলো
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাঁ পল সার্ত্রে ১. কেন সঠিক: ফরাসি দার্শনিক ও ঔপন্যাসিক জাঁ পল সার্ত্রে ১৯৬৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেও তা স্বেচ্ছায় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি আজীবন প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা, সরকারি উপাধি ও যেকোনো ধরনের পুরস্কার বর্জন করার নীতিতে অচল ছিলেন। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: পুরস্কার ও সাহিত্য: জাঁ পল সার্ত্রে ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান অস্তিত্ববাদী দার্শনিক ও রাজনৈতিক কর্মী। তিনি মনে করতেন, একজন লেখকের স্বাধীনতা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পুরস্কার বা সংস্থার দ্বারা প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরিস পাস্তেরনাক ব্যাখ্যা: সোভিয়েত ঔপন্যাসিক বরিস পাস্তেরনাক ১৯৫৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পেলেও সোভিয়েত সরকারের চাপের মুখে তা গ্রহণে বাধ্য হননি। এটি রাজনৈতিক কারণে পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: লে ক ডাক থো ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ সালে ভিয়েতনামের রাজনীতিক লে ক ডাক থো নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। দেশের তৎকালীন যুদ্ধাবস্থা ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে তিনি এই সম্মান নেননি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্ল এস বাক — মার্কিন এই কথাসাহিত্যিক ১৯৩৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং সানন্দে তা গ্রহণ করেছিলেন। B) জাঁ পল সার্ত্রে — তিনি ১৯৬৪ সালে সাহিত্যের জন্য মনোনীত হন এবং স্বেচ্ছায় তা প্রত্যাখ্যান করেন। C) কাহলিল জিবরান — লেবানিজ-মার্কিন এই কবি ও দার্শনিক তাঁর জীবদ্দশায় কখনো নোবেল পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হননি। D) সল বেলো — মার্কিন ঔপন্যাসিক সল বেলো ১৯৭৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন এবং তা গ্রহণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: সার্ত্রে নামের সঙ্গে ফরাসি অস্তিত্ববাদ ও পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের ইতিহাস মনে রাখা সহজ। সার্ত্রে মানেই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি বর্জনকারী এক বিদ্রোহী মনীষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাহিত্যের নোবেল ইতিহাসে একমাত্র লেখক হিসেবে জাঁ পল সার্ত্রে স্বেচ্ছায় এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ডেনমার্কে
b সুইজারল্যান্ডে
c ফিনল্যান্ডে
d গ্রীনল্যান্ডে
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুইজারল্যান্ডে ১. কেন সঠিক: সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে গণভোট বা রেফারেন্ডামের আধুনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের চর্চায় সুইজারল্যান্ড বিশ্বে অগ্রপথিক এবং এর ক্যনটনগুলোতে এই পদ্ধতি চালু ছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: সুইজারল্যান্ড হলো মধ্য ইউরোপের একটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং এটি তার নিরপেক্ষ নীতির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। প্রেক্ষাপট: ঐতিহাসিক কাল থেকেই সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে নাগরিকদের সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আইন প্রণয়নের প্রচলন ছিল। গুরুত্ব: সুইজারল্যান্ডের শাসনব্যবস্থায় গণভোট একটি অপরিহার্য অংশ, যা নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রেক্সিট গণভোট ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ২০১৬ সালে একটি ঐতিহাসিক গণভোটের আয়োজন করেছিল। উদাহরণ ২: স্কটল্যান্ডের গণভোট ব্যাখ্যা: ২০১৪ সালে স্কটল্যান্ড যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একটি গণভোটের আয়োজন করেছিল যেখানে জনগণ স্বাধীনতার বিপক্ষে মত দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্কে — ডেনমার্ক একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র এবং কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হলেও এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম গণভোট চালুকৃত দেশ নয়। B) সুইজারল্যান্ডে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম গণভোট বা প্রত্যক্ষ গণতান্তিক পদ্ধতির প্রাতিষ্ঠানিক প্রচলন শুরু হয়। C) ফিনল্যান্ডে — ফিনল্যান্ড একটি উত্তর ইউরোপীয় দেশ এবং এটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও গণভোটের সূচনালগ্নে এর ভূমিকা ছিল না। D) গ্রীনল্যান্ডে — গ্রীনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এটি ১৯৭৯ সালে স্বায়ত্তশাসনের জন্য গণভোট করেছিল কিন্তু এটি প্রথম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি যেমন নিখুঁত, তেমনি তাদের গণতন্ত্রও সরাসরি ও নিখুঁত যেখানে প্রথম গণভোট শুরু হয়েছিল। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র এবং সুইজারল্যান্ড সমার্থক শব্দ হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গণভোট বা রেফারেন্ডাম হলো সরাসরি গণতন্ত্রের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দেশ হিসেবে প্রায়ই সুইজারল্যান্ডের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a ডেনমার্কে
b নরওয়েতে
c ফিনল্যান্ডে
d সুইডেনে
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্কে ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বাংলাদেশের শিপিং শিল্প ও জাহাজ নির্মাণ খাতের ইতিহাসে 'স্টেলা মেরিস' নামক জাহাজটি প্রথম ডেনমার্কে রপ্তানি করা হয়েছিল। - প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জলযান রপ্তানির এই ঘটনাটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাকের বাইরে অন্য খাতের সম্প্রসারণকে নির্দেশ করে। ২. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনীতি: - দেশ: বাংলাদেশ ও ডেনমার্ক। ডেনমার্ক ইউরোপের একটি উন্নত দেশ যার রাজধানী কোপেনহেগেন এবং মুদ্রা হলো ডেনিশ ক্রোন। - প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শুধু পাট ও পোশাক রপ্তানি করলেও ভারী শিল্পপণ্য বিশেষ করে সমুদ্রগামী জাহাজ তৈরিতে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: উন্নত বিশ্বে জাহাজ রপ্তানি বাংলাদেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং ভারী শিল্পে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশি জাহাজ রপ্তানি ব্যাখ্যা: ডেনমার্কের পাশাপাশি ফিনল্যান্ড এবং জার্মানির মতো ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাংলাদেশ থেকে পরবর্তীতে ছোট ও মাঝারি আকারের কন্টেইনার ভেসেল এবং মালবাহী জাহাজ রপ্তানি করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীর শেখা উচিত যে বাংলাদেশ কেবল শ্রমনির্ভর শিল্প নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে জাহাজ নির্মাণের মতো ভারী শিল্পেও সফলতার পরিচয় দিচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্কে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের তৈরি প্রথম সমুদ্রগামী বাণিজ্যিক জাহাজ এই দেশটিতেই আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি করা হয়েছিল। B) নরওয়েতে — নরওয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিপিং নেশন হলেও 'স্টেলা মেরিস' জাহাজটি এই দেশে রপ্তানি করা হয়নি, এটি অন্য একটি অপশনের দেশ সম্পর্কিত। C) ফিনল্যান্ডে — ফিনল্যান্ডে পরবর্তীতে বাংলাদেশের কিছু জলযান বা পন্টুন রপ্তানি হতে পারে, তবে আলোচিত 'স্টেলা মেরিস' জাহাজটির গন্তব্য এই দেশ ছিল না। D) সুইডেনে — সুইডেন ইউরোপের একটি উন্নত অর্থনৈতিক দেশ হলেও বাংলাদেশের জাহাজ রপ্তানির ইতিহাসের প্রথম গন্তব্য হিসেবে এই দেশটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্টেলা মেরিস জাহাজটির নাম মনে রাখতে ড এর সঙ্গে ড এর মিল অর্থাৎ ডেনমার্ক মনে রাখতে পারেন। - ডেনমার্ক ইউরোপের দেশ এবং ড দিয়ে শুরু, আর জাহাজ রপ্তানির প্রথম ইতিহাসও এই ড দিয়ে শুরু দেশের সঙ্গেই জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি থেকে শেখার মতো তথ্য হলো বাংলাদেশ এখন উদীয়মান জাহাজ নির্মাণকারী দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে। - একই বিষয় থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে যে বাংলাদেশ কোন দেশ প্রথম সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে অথবা বাংলাদেশের জাহাজ শিল্পের প্রধান বাজার কোনটি।
a জাপান - চীন
b জাপান - দক্ষিণ কোরিয়া
c উত্তর কোরিয়া - দক্ষিণ কোরিয়া
d চীন - দক্ষিণ কোরিয়া
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তর কোরিয়া - দক্ষিণ কোরিয়া ১. কেন সঠিক: - সানশাইন পলিসি মূলত উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের বৈরিতা দূর করার একটি ঐতিহাসিক কূটনৈতিক উদ্যোগ। - দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি কিম দায়ে জং ১৯৯৮ সালে এই নীতি ঘোষণা করেন এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা। ২. ভূরাজনীতি ও কূটনীতি: - প্রেক্ষাপট: ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধ এবং পরবর্তীতে স্নায়ুযুদ্ধের প্রভাবে দুই কোরিয়ার সম্পর্ক চরম শত্রুতাপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং সীমান্তে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। - উদ্দেশ্য: দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, যোগাযোগ স্থাপন এবং মানবিক সম্পর্কের উন্নয়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। - ফলাফল/প্রভাব: এই নীতির ফলে দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং বিভক্ত পরিবারের সদস্যদের পুনর্মিলনীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রকল্প চালু হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জার্মানির একত্রীকরণ ব্যাখ্যা: পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানির শান্তিপূর্ণ একত্রীকরণের মতো কোরীয় উপদ্বীপেও শান্তি ও সমঝোতার পথ খুঁজতে সানশাইন পলিসি প্রণয়ন করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: চীন ও তাইওয়ানের ক্রস-স্ট্রেইট সম্পর্ক ব্যাখ্যা: প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ থাকা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই ধরনের নীতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান - চীন — জাপান ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও তাদের মধ্যকার কূটনীতি সানশাইন পলিসি নামে পরিচিত নয়, বরং তা ঐতিহাসিক ও আঞ্চলিক ভূরাজনীতির ওপর নির্ভরশীল। B) জাপান - দক্ষিণ কোরিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যে ঔপনিবেশিক ইতিহাস ও বাণিজ্য নিয়ে বিভিন্ন সময় মতবিরোধ থাকে এবং তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অন্য কূটনৈতিক কাঠামোর আওতাধীন। D) চীন - দক্ষিণ কোরিয়া — চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক মূলত বাণিজ্যিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত, যা কোরীয় উপদ্বীপের এই বিশেষ নীতির অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সানশাইন পলিসি শব্দটি শুনলেই মনে রাখবে এটি কোরীয় উপদ্বীপের দুই প্রতিবেশী দেশ তথা উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বরফ গলানোর বা শান্তির কূটনৈতিক প্রচেষ্টা। - দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি কিম দায়ে জং এই শান্তির নীতি চালুর জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন রাষ্ট্রপতি সানশাইন পলিসি ঘোষণা করেছিলেন, যার উত্তর হলো কিম দায়ে জং। - একই বিষয় থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তি এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a A23a
b B - 15a
c B - 15
d C - 19
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A23a ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ A23a বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় আইসবার্গ বা হিমশৈল হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। - এটি ১৯৮৬ সালে আন্টার্কটিকার ফিলchner বরফ তাক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল এবং দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে ওয়েডেল সাগরে আটকা থাকার পর বর্তমানে মহাসাগরে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - প্রেক্ষাপট: জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে বিশাল আকৃতির হিমশৈলগুলো মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহাসাগরে ভেসে বেড়ায়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এই বিশাল হিমশৈলগুলোর গতিবিধি সামুদ্রিক পরিবেশ, বৈশ্বিক সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এবং অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলনের হার পর্যবেক্ষণে বিজ্ঞানীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - ফলাফল/প্রভাব: ভাসমান অবস্থায় উষ্ণ পানির সংস্পর্শে আসার কারণে এটি ধীরে ধীরে গলে যাচ্ছে এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে এর মিশ্রণ ঘটছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: B-15 হিমশৈল ব্যাখ্যা: ২০০০ সালে অ্যান্টার্কটিকা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া B-15 অতীতে বিশ্বের বৃহত্তম হিমশৈল হিসেবে রেকর্ড গড়েছিল এবং পরবর্তীতে এটি খণ্ডিত হয়ে বিভিন্ন টুকরোতে বিভক্ত হয়ে যায়। উদাহরণ ২: জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বৈশ্বিক সম্মেলন ব্যাখ্যা: অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলা এবং আইসবার্গ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা বিশ্ব নেতাদের প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নে এবং কার্বণ নিঃসরণ কমাতে আরও বেশি বাধ্য করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A23a — এটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় হিমশৈল এবং দীর্ঘকাল আটকা থাকার পর বর্তমানে আটলান্টিক মহাসাগরের দিকে ভাসমান রয়েছে। B) B - 15a — এটি মূলত ঐতিহাসিক বৃহত্তম হিমশৈল B-15 এর একটি প্রধান অংশ ছিল যা মূল অংশ থেকে ভেঙে আলাদা হয়ে গিয়েছিল। C) B - 15 — এটি ২০০০ সালে মূল অ্যান্টার্কটিকা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সময় ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ হিমশৈল হিসেবে রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল। D) C - 19 — এটি ২০০২ সালে রস আইস শেল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া অন্য একটি বিশাল আকৃতির ঐতিহাসিক হিমশৈল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্তমানে সবচেয়ে বড় আইসবার্গ মনে রাখার সহজ উপায় হলো নামের শেষে একটি ছোট হাতের 'a' অক্ষর থাকা A23a কে মনে রাখা। - B দিয়ে শুরু হওয়া নামগুলো অতীতে বড় হলেও বর্তমানে A23a ই সবচেয়ে আলোচিত ও বৃহত্তম হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাম্প্রতিক পরিবেশগত পরিবর্তন বা ভূগোল অংশ থেকে আসে। - একই বিষয় থেকে আইসবার্গটি কোন অঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে বা এর বর্তমান অবস্থা কী, সে সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a Mount Tasman
b Mount Haast
c Mount Taranaki
d Malte Brun
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mount Taranaki ১. কেন সঠিক: - মাউন্ট তারানাকি পর্বতটিকে আইনিভাবে একজন জীবন্ত ব্যক্তি বা মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী মাওরি সংস্কৃতির অধিকার রক্ষার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। - প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ না করে নদী বা পর্বতকে আইনি সত্তা বা ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার এই ধারা আধুনিক পরিবেশ আইন ও বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন ধারণা যোগ করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: নিউজিল্যান্ড, ওশেনিয়া মহাদেশের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যার রাজধানী ওয়েলিংটন এবং মুদ্রা নিউজিল্যান্ড ডলার। - প্রেক্ষাপট: মাওরি উপজাতির দীর্ঘ আইনি লড়াই ও চুক্তির ফলে দেশটির সরকার এই পর্বতকে মানুষ হিসেবে আইনি অধিকার প্রদান করে। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: প্রকৃতির ওপর মানুষের আধিপত্য নয় বরং প্রকৃতির নিজস্ব আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে নতুন মানদণ্ড তৈরি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হোয়াংগানু নদী ব্যাখ্যা: নিউজিল্যান্ডের এই নদীটিকে ২০১৭ সালে বিশ্বের প্রথম নদী হিসেবে আইনি সত্তা বা মানুষের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। উদাহরণ ২: আমাজন নদী ব্যাখ্যা: দক্ষিণ আমেরিকার এই নদী সংরক্ষণের জন্যও বিভিন্ন দেশে আইনি অধিকার দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে, যা প্রকৃতি সংরক্ষণের বৈশ্বিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mount Tasman — এটি নিউজিল্যান্ডের একটি উচ্চ পর্বত হলেও একে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। B) Mount Haast — এটি নিউজিল্যান্ডের আরেকটি উল্লেখযোগ্য পর্বত, তবে এই বিশেষ আইনি স্বীকৃতির আওতাভুক্ত নয়। C) Mount Taranaki — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পর্বতটিকেই ২০২৫ সালে এই বিশেষ আইনি মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। D) Malte Brun — এটি নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় আল্পস পর্বতমালার একটি শৃঙ্গ যা এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিউজিল্যান্ডের তারানাকি পর্বত নামের সঙ্গে মানুষ স্বীকৃতির বিষয়টি মনে রাখতে তারানাকি শব্দটিকে একজন ব্যক্তির নামের সঙ্গে মেলানো যেতে পারে। - নদী বা পর্বতকে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড বিশ্বে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশ আইন ও আদিবাসী অধিকার রক্ষায় নিউজিল্যান্ডের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি বা পরিবেশগত কূটনীতি ক্যাটাগরি থেকে আসতে পারে।