বাংলাদেশ রেলওয়ে

বাংলাদেশ রেলওয়েতে ট্রেন এ্যাপ্রেন্টিস পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: ট্রেন এ্যাপ্রেন্টিস (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a সংস্কৃত উপসর্গ
b বিদেশি উপসর্গ
c উপমান স্থানীয় অব্যয়
d বাংলা উপসর্গ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত উপসর্গ ১. কেন সঠিক: 'প্র', 'পরা', 'অপ' হলো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ হলো বিশটি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব অব্যয়সূচক শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা উপসর্গগুলোকে সংস্কৃত উপসর্গ বলা হয় এবং এগুলোর সংখ্যা বিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার। ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে মূল ধাতু 'হার' এর অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে। উদাহরণ ২: অপ + মান = অপমান। ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে 'মান' শব্দের বিপরীতার্থক বা নতুন ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত উপসর্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'প্র, পরা, অপ' সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। B) বিদেশি উপসর্গ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিদেশি উপসর্গগুলো আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে, সংস্কৃত থেকে নয়। C) উপমান স্থানীয় অব্যয় — এই অপশনটি ভুল কারণ উপমান কর্মধারয় সমাসের সঙ্গে এই পদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি কোনো ব্যাকরণিক শ্রেণি নয়। D) বাংলা উপসর্গ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় খাটি বাংলা উপসর্গ কুড়িটি, যার মধ্যে 'প্র, পরা, অপ' অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি মুখস্থ রাখার সহজ ছন্দ হলো প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি পরি। এর মধ্যে প্র, পরা ও অপ প্রথম দিকেই রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় তৎসম উপসর্গের সংখ্যা বিশটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি। এই সংখ্যাগুলো বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a এয়াকুব আলী চৌধুরী
b কাজী এমদাদুল হক
c সৈয়দ এমদাদ আলী
d মোজাম্মেল হক
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোজাম্মেল হক ১. কেন সঠিক: - কবি মোজাম্মেল হক ফার্সি সাহিত্যের মহাকাব্য শাহনামার বাংলা অনুবাদ করেন। - এটি মূলত ফার্সি ভাষার বিখ্যাত কবি ফেরদৌসীর অমর মহাকাব্যের বাংলা রূপান্তর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মোজাম্মেল হক বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত অনুবাদক ও সাহিত্যিক ছিলেন। - তার অনূদিত শাহনামা বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের কাছে প্রাচ্যের বীরগাথা পরিচিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কায়কোবাদের মহাশ্মশান কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর রচিত। উদাহরণ ২: হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৃত্রসংহার কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের আরেকটি ধ্রুপদী মহাকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এয়াকুব আলী চৌধুরী — ইনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক হলেও শাহনামা অনুবাদ করেননি। B) কাজী এমদাদুল হক — ইনি মূলত শিক্ষা সংস্কারক ও সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত, শাহনামার অনুবাদক নন। C) সৈয়দ এমদাদ আলী — ইনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন সংগঠক ও লেখক, এই অনুবাদক নন। D) মোজাম্মেল হক — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি শাহনামা অনুবাদ করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শাহনামা মহাকাব্যের অনুবাদক মনে রাখতে নামের শেষাংশের হক শব্দটি মনে রাখতে পারেন। - ফেরদৌসীর শাহনামা অনুবাদ করেছেন মোজাম্মেল হক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি সাহিত্যের অনুবাদক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল গ্রন্থ এবং অনুবাদকের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর।
a হাসান আজিজুল হক
b আলাউদ্দীন আল আজাদ
c সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
d শওকত ওসমান
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শওকত ওসমান ১. কেন সঠিক: - কীতদাসের হাসি একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - এই উপন্যাসে মানুষের মৌলিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং পরাধীনতার বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যে এক জন সমাজসচেতন ও প্রগতিশীল লেখক হিসেবে পরিচিত যিনি উপন্যাসে রাজনৈতিক ও সামাজিক অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। - কীতদাসের হাসি উপন্যাসটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম যেখানে তৎকালীন শোষণমূলক সমাজব্যবস্থার রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাঙ্গী ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অমর উপন্যাস যা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান আজিজুল হক — হাসান আজিজুল হক প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও কীতদাসের হাসি তার রচনা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস আগুনের পরশমণি বা বৃত্তায়ন নয় বরং আগুনপাখি। B) আলাউদ্দীন আল আজাদ — আলাউদ্দীন আল আজাদ একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসটি তার নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস ক্ষুধা ও আশা এবং নাটক তিতুমীর। C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিখ্যাত আধুনিক ঔপন্যাসিক হলেও কীতদাসের হাসি তার সৃষ্টি নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো। D) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান এই উপন্যাসের সঠিক রচয়িতা বিধায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক ও গ্রহণযোগ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের নামের সঙ্গে কীতদাসের হাসি এবং ক্রীতদাস সমাজের মিল খুঁজে মনে রাখা যায়। - তার প্রায় সব উপন্যাসে সমাজের বঞ্চিত মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও প্রতিবাদের সুর থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত ওসমানের উপন্যাসগুলোর নাম প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে কীতদাসের হাসি, জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং বনী আদম উপন্যাসগুলো খুব ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ধর্মীয়
b প্রেমাখ্যান
c রূপকথা
d পালা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রেমাখ্যান ১. কেন সঠিক: পদ্মাবতী হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান বা প্রেমাখ্যান ধারার একটি মহাকাব্যিক রচনা। এই কাব্যের মূল কাহিনীতে নরনারীর প্রেমের আকূতি এবং নানা বাধা বিপত্তি পেরিয়ে প্রেমের মিলন অর্জনের বিষয়টি প্রধান হয়ে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি আলাওল ষোল শতকের মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও অনুবাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত। মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে তিনি এই কাব্য রচনা করেন যেখানে আধ্যাত্মিক সাধনা ও পার্থিব প্রেমের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের মুসলিম কবি রচিত একটি বিখ্যাত প্রেমাখ্যান জাতীয় কাব্য। উদাহরণ ২: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ গরিবুল্লাহ ও অন্যান্য কবি রচিত এই কাব্যটিও প্রেমাখ্যান ধারার অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধর্মীয় — পদ্মাবতী কোনো সরাসরি ধর্মীয় শাস্ত্র বা ধর্ম প্রচারমূলক গ্রন্থ নয় যদিও এতে সুফিবাদের প্রছন্ন প্রভাব রয়েছে। C) রূপকথা — এটি কোনো কাল্পনিক বা লোকজ রূপকথা নয় বরং এটি ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত প্রণয়মূলক কাব্য। D) পালা — পালা গান বা পালাসাহিত্য মূলত লোকসংস্কৃতির অংশ যা এই মহাকাব্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাওলের পদ্মাবতী নাম শুনলেই মাথায় রাখবে এটি প্রেম ও বিরহের কাব্য অর্থাৎ প্রেমাখ্যান। মধ্যযুগের প্রণয়মূলক কাব্যগুলো মূলত প্রেমকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের প্রথম কবি হলেন শাহ মোহাম্মদ সগীর এবং তার বিখ্যাত কাব্য ইউসুফ জোলেখা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধারার কবি ও কাব্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a ২০টি
b ২২টি
c ৩২টি
d ২৩টি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৩টি ১. কেন সঠিক: ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ ডিনেশচন্দ্র সেন সংকলিত বাংলা লোকসাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ এবং এটি বিশ্বের মোট তেইশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এই বিশ্বজনীন সাহিত্যকর্মটি বাংলার গ্রামীণ মানুষের সহজ সরল জীবন এবং লোকায়ত সংস্কৃতির বিশ্বজোড়া পরিচিতি বহন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দিনেশচন্দ্রের সম্পাদনায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই সংকলনটি প্রকাশিত হয় এবং এর লোকসাহিত্য বিশদভাবে মূল্যায়িত হয়। পল্লীবাংলার মরমী সুর ও লোকগাথার এই সংকলনটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমাদর লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়ার পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ট্র্যাজিক প্রেমের পালা। উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা ব্যাখ্যা: নারীর আত্মত্যাগ ও গ্রামীণ সমাজের চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য এই পালাটি বিশ্বসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০টি — এই সংখ্যাটি ময়মনসিংহ গীতিকার অনূদিত ভাষার সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না। B) ২২টি — প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী অনূদিত ভাষার সঠিক সংখ্যা এটি নয়। C) ৩২টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং সাহিত্যিক তথ্যের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। D) ২৩টি — এটিই সঠিক পরিসংখ্যান যা বিশ্বজুড়ে অনূদিত ভাষার প্রকৃত সংখ্যা নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকা অনূদিত হয়েছে তেইশটি ভাষায়, সংখ্যাটি মনে রাখতে দুই এবং তিন অর্থাৎ তেইশ মনে রাখতে হবে। লোকসাহিত্যের এই আন্তর্জাতিক গৌরব অর্জনের সংখ্যাটি পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা লোকসাহিত্যের আন্তর্জাতিক পরিধি বুঝতে এই ধরনের পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। সংকলক দিনেশচন্দ্র সেন এবং এর প্রকাশকাল সম্পর্কিত তথ্যগুলোও একই সঙ্গে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৩৬ টি
b ৩৮ টি
c ৩৯ টি
d ৩৭ টি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৭ টি কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক ধ্বনি সাঁইত্রিশটি নির্ধারিত হয়েছে। এর মধ্যে স্বরধ্বনি সাতটি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ত্রিশটি যুক্ত রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় অনেক ধ্বনি থাকলেও মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা নির্দিষ্ট। ভাষা বিজ্ঞানীরা মুখবিবরের সাহায্যে উচ্চারित স্বতন্ত্র ধ্বনিগুলোকে মৌলিক হিসেবে গণ্য করেন। যেমন অ আ ই উ এ ও এয়া হলো মৌলিক স্বরধ্বনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৬ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনির সঠিক গণনার সাথে মিলে না। B) ৩৮ টি — বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা আটত্রিশটি নয়। C) ৩৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক স্বর বা ব্যঞ্জনধ্বনির কোনো নির্দিষ্ট মাপকাঠি নয়। D) ৩৭ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনি ঠিক সাঁইত্রিশটি রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলা মৌলিক ধ্বনি সাত যোগ ত্রিশ সমান সাঁইত্রিশ এই সূত্র মনে রাখবে। স্বরধ্বনি সাতটি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ত্রিশটি মিলে মোট সাঁইত্রিশটি মৌলিক ধ্বনি হয়।
a চৌকশ
b চৌকস
c কী
d বালক
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চৌকস ১. কেন সঠিক: - যে শব্দ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। - চৌকস শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দক্ষতা, নিপুণতা বা গুণের প্রকাশ ঘটায়, যা বিশেষণ পদের সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পদ প্রকরণে বিশেষণ হলো সেই পদ যা বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা ও মাত্রা নির্দেশ করে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের প্রমিত ও সঠিক রূপ হলো চৌকস, যেখানে শেষ বর্ণে মূর্ধন্য স যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চালাক বালক ব্যাখ্যা: এখানে চালাক শব্দটি বালকের গুণ প্রকাশ করায় এটি একটি বিশেষণ পদ। উদাহরণ ২: লাল শাড়ি ব্যাখ্যা: এখানে লাল শব্দটি শাড়ির রঙ বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৌকশ — এটি বানানগতভাবে প্রমিত রূপ নয় কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দে মূর্ধন্য স ব্যবহার করতে হয়। C) কী — এটি একটি সর্বনাম পদ বা অব্যয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো গুণবাচক বিশেষণ পদ নয়। D) বালক — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো জাতি বা শ্রেণির নাম বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ শোনার পর যদি প্রশ্ন করা যায় কেমন বা কতটুকু, এবং তার উত্তর পাওয়া যায়, তবে সেটি বিশেষণ পদ হবে। - চৌকস শব্দটি মনে রাখার জন্য দক্ষ বা নিপুণ শব্দের সমার্থক হিসেবে একে বিশেষণ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দগুলোর প্রমিত বানান এবং পদের শ্রেণিবিভাগ একসঙ্গে জানতে চাওয়া হয়। - বিশেষণের প্রকারভেদ যেমন গুণবাচক, অবস্থাবাচক ও পরিমাণবাচক বিশেষণ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a জ্ঞানদাস
b চণ্ডীদাস
c বিদ্যাপতি
d শ্রীচৈতন্য
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - এই পদটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের পদাবলী সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত একটি উদ্ধৃতি, যা সখী বা রাধার জবানিতে উচ্চারিত হয়েছে। - এখানে শ্যাম অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণের নাম শোনার পর রাধার মনের ভাব এবং ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে, যা মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর মূল সুর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্তর্গত একটি পদ, যার রচয়িতা হিসেবে দ্বিজ চণ্ডীদাসের নাম সর্বাধিক স্বীকৃত। - বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা মানুষের আত্মাকে পরমাত্মার সঙ্গে মিলনের আকুলতা হিসেবে রূপক আকারে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সই কেমনে ধরিব হিয়া আমার এমনও হৃদয় বিদরে। ব্যাখ্যা: এটিও চণ্ডীদাসের লেখা একটি বিখ্যাত বৈষ্ণব পদ, যেখানে রাধার বিরহ ও মনের আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: পিরিতি বিষম বিষ কে না চেনে। ব্যাখ্যা: এই পংক্তিটি চণ্ডীদাসের রাধা-কৃষ্ণের প্রেম বিষয়ক পদের অন্তর্ভুক্ত, যা প্রেমের গভীরতা ও যন্ত্রণাকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা হলেও এই বিখ্যাত পদের রচয়িতা তিনি নন, তার পদগুলোতে রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণের বিচার দেখা যায়। B) চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ বৈষ্ণব পদাবলীর এই পদটি চণ্ডীদাসের ভণিতাযুক্ত এবং তার রচনা হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। C) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি এবং তার পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত, অথচ এই পদটি বাংলা ভাষার প্রাকৃত রূপের কাছাকাছি। D) শ্রীচৈতন্য — শ্রীচৈতন্যদেব মধ্যযুগের বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ও মহাপ্রভু ছিলেন, তিনি কোনো পদাবলী রচনা করেননি বরং তার ভক্তরা তার জীবন ও বাণী প্রচার করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্যাম নামের মধুরতা এবং মনের আকুলতা সম্পর্কিত বিখ্যাত পদের জন্য চণ্ডীদাসের নাম মনে রাখবে। - চণ্ডীদাসের পদে রাধার আকুলতা এবং সহজ সরল ভাবের প্রকাশ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈষ্ণব পদাবলীর বিখ্যাত পংক্তিগুলো কার রচনা, তা প্রায়ই আসে। - পদাবলীর ক্ষেত্রে ভণিতা লক্ষ করতে হয় কারণ প্রতিটি পদের শেষে কবির নাম বা ভণিতা উল্লেখ থাকে।
a না - বাচক
b হ্যাঁ - বাচক
c প্রশ্নবোধক
d বিস্ময়সূচক
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রশ্নবোধক ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে না শব্দটি কোনো কিছু অস্বীকার করছে না, বরং বক্তার অবাক হওয়া বা নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রশ্ন করার ভাব প্রকাশ করছে। - সাধারণ অর্থে না বাচক শব্দ হলেও বিশেষ বাক্যে সুরের ওঠানামার মাধ্যমে এটি হ্যাঁ বোধক উত্তরের প্রত্যাশা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে কখনো কখনো না কিংবা কি শব্দ অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে প্রশ্নবোধক বাক্যের সৃষ্টি করে। - এই ধরনের বাক্যে না ব্যবহার করলে তার মাধ্যমে শ্রোতার কাছ থেকে একটি হ্যাঁ সূচক বা নিশ্চিত করার উত্তর আশা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি না সেদিন ঢাকা গিয়েছিলে? ব্যাখ্যা: এখানে না শব্দটি ব্যবহার করে অতীতের একটি ঘটনা নিশ্চিত করার জন্য প্রশ্ন করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সে না কাল পরীক্ষা দেবে বলেছিল? ব্যাখ্যা: এই বাক্যে না শব্দটি নিশ্চিত হওয়ার উদ্দেশ্যে প্রশ্নবোধক অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) না - বাচক — এই বাক্যে না শব্দটি কোনো কিছু অস্বীকার বা নিষেধ করার অর্থে ব্যবহার করা হয়নি। B) হ্যাঁ - বাচক — না শব্দটি সরাসরি হ্যাঁ বোধক কোনো শব্দ নয়, এটি প্রশ্ন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। D) বিস্ময়সূচক — যদিও এখানে সামান্য বিস্ময় থাকতে পারে, তবে মূল ব্যাকরণগত কাজ হলো প্রশ্ন করা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের শুরুতে বা মাঝে না বসে যদি হ্যাঁ বোধক উত্তর প্রত্যাশা করে, তবে তা প্রশ্নবোধক অব্যয় হিসেবে গণ্য হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাক্যের ক্ষেত্রে না বা কি থাকলে তা মূলত প্রশ্নবোধক অব্যয় হিসেবে কাজ করে।
a কিন্তু
b একাদশ
c কুলটা
d নিশ্চয়
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একাদশ কেন সঠিক: - একাদশ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে কোনো সাধারণ ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম খাটে না। - এটি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম মেনে গঠিত না হয়ে প্রাকৃত ভাষা থেকে সরাসরি এসেছে বলে নিপাতনে সিদ্ধ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সব সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে চলে না এবং প্রচলিত নিয়মের বাইরে সাধিত হয়, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। - ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে এই বিশেষ রূপ গঠিত হয়। - এর অন্যান্য বিখ্যাত উদাহরণ হলো পরস্পর, বৃহস্পতি, পরিষ্কার, তস্কর ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কিন্তু — এটি কি+তু যুক্ত হয়ে ম এর স্থানে অনুস্বার হওয়াজনিত সাধারণ ব্যঞ্জন সন্ধি। - B) একাদশ — এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধির সঠিক উদাহরণ হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। - C) কুলটা — এটি কুল+অটা মিলে গঠিত হলেও এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ। - D) নিশ্চয় — এটি নিঃ+চয় মিলে গঠিত বিসর্গ সন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম। মনে রাখার টিপস: - একাদশ, পরস্পর, বৃহস্পতি শব্দগুলো দেখলে নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি হিসেবে ধরে নেবে। - সন্ধি বিচ্ছেদ করার পর যদি কোনো পরিচিত নিয়মের সাথে না মিলে, তবে তা নিপাতনে সিদ্ধ হবে।
a ১১ টি
b ৩৯ টি
c ৫০ টি
d ৮ টি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা পঞ্চাশটি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি মিলে মোট পঞ্চাশটি বর্ণ তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালাকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। স্বরবর্ণ হলো স্বাধীনভাবে উচ্চারিত ধ্বনির প্রতীক এবং ব্যঞ্জনবর্ণ হলো স্বরবর্ণের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনির প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ — এগুলো স্বরবর্ণের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই বর্ণগুলো অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। উদাহরণ ২: ক, খ, গ, ঘ — এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় স্বরবর্ণের সাহায্য নিতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ টি — এটি কেবল বাংলা বর্ণমালায় থাকা স্বরবর্ণের সংখ্যা, মোট বর্ণ নয়। B) ৩৯ টি — এটি কেবল বাংলা বর্ণমালায় থাকা ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, মোট বর্ণ নয়। C) ৫০ টি — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট সঠিক সংখ্যা। D) ৮ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার কোনো অংশের সঙ্গেই মিলrelated নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি যোগ করলে মোট পঞ্চাশ হয়। ১১ + ৩৯ = ৫০ এই হিসাবটি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে মোট বর্ণ এবং স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের আলাদা সংখ্যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তাই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a নেমেসিস
b সোনার তরী
c গড্ডালিকা
d কন্যাকুমারী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কন্যাকুমারী ১. কেন সঠিক: - কন্যাকুমারী একটি উপন্যাস, যা বাংলা কথাসাহিত্যে একটি পরিচিত সৃষ্টি। - প্রশ্নে উপন্যাস কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং কন্যাকুমারী ছাড়া বাকিগুলো অন্য সাহিত্যরূপের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কন্যাকুমারী প্রখ্যাত সাহিত্যিক গজেন্দ্রকুমার মিত্র রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজজীবন ও মানুষের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চোখের চশমা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেমেসিস — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, উপন্যাস নয়। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস নয়। C) গড্ডালিকা — এটি পরশুরাম খ্যাত রাজশেখর বসুর লেখা একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ছোটগল্প সংকলন, উপন্যাস নয়। D) কন্যাকুমারী — এটি উপন্যাস হওয়ার কারণে এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপন্যাসের নাম মনে রাখতে লেখকের নাম এবং রচনার ধরন একসাথে ছক করে পড়তে পারো। - নাটকের সাথে উপন্যাসের পার্থক্য বুঝতে রচনার মূল গঠন লক্ষ্য রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাটক, উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - তাই সাহিত্যকর্মের নাম দেখার সাথে সাথে তার শ্রেণি বা ধরন ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
a ১৭৫০-১৮৫০
b ১৭৬০-১৮৬০
c ১৯০০-১৯৫০
d ১৯৫১-২০০০
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৬০-১৮৬০ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে অবক্ষয় যুগ বলা হয়। এই সময়ে মানসম্মত কোনো বড় সাহিত্যকর্ম রচিত হয়নি এবং মধ্যযুগের ধারার পতন ঘটেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই শতকে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কোম্পানির শাসন চালুর ফলে সাহিত্যের ক্ষেত্রে এক স্থবিরতা নেমে আসে। মঙ্গলকাব্য ও রোমান্স ধারার অবক্ষয় এবং আধুনিক যুগের সূচনার আগের এই সময়টিকে অন্ধকার বা অবক্ষয়ের যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র এই যুগের শুরুতে অবস্থান করলেও তাঁর পরবর্তী সময়ে দীর্ঘকাল মানসম্মত কাব্যের সৃষ্টি বন্ধ ছিল। উদাহরণ ২: মঙ্গলকাব্য ধারা ব্যাখ্যা: অবক্ষয় যুগের ঠিক আগে মঙ্গলকাব্য ধারার চরম জনপ্রিয়তা থাকলেও এই যুগে এসে তা তার আবেদন হারিয়ে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৫০-১৮৫০ — এই সময়সীমাটি বাংলা সাহিত্যের অবক্ষয় যুগের প্রমিত বা পরীক্ষামূলকভাবে গৃহীত সময়কাল নয়। B) ১৭৬০-১৮৬০ — এটিই বাংলা সাহিত্যের অবক্ষয় যুগের সঠিক এবং প্রমিত সময়কাল হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে স্বীকৃত। C) ১৯০০-১৯৫০ — এই সময়কালটি আধুনিক যুগের রবীন্দ্রোত্তর ও বিশ শতকী আধুনিক কবিতার স্বর্ণালী সময়। D) ১৯৫১-২০০০ — এই সময়কালটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সমসাময়িক কাল, ভাষা আন্দোলন ওাত্তর এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সাহিত্যের সময়। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো পলাশীর যুদ্ধের পর অর্থাৎ ১৭৬০ সাল থেকে একশো বছরকে অবক্ষয় যুগ হিসেবে ধরা হয়। এই একশো বছর বাংলা সাহিত্যের জন্য একটি স্থবির সময় ছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগ। অবক্ষয় যুগ বা অন্ধকার যুগ মধ্যযুগের শেষ ভাগ ও আধুনিক যুগের ঠিক আগের একটি ক্রান্তিকাল।
a পানি
b স্ত্রীলোক
c পারি না
d খড়ের শেষাংশ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্ত্রীলোক ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে দুটি শব্দের মধ্যে ধ্বনিগত সাদৃশ্য বা শ্রুতিমধুরতার সম্পর্ক দেখানো হয়েছে, যা বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি মজার দিক। - নাড়ী শব্দের অর্থ শিরা বা ধমনী, আর দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত নারী শব্দের অর্থ অবলা, ললনা বা স্ত্রীলোক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বা জোড় শব্দ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন, যেখানে সামান্য বানানভেদে অর্থের বিশাল পরিবর্তন ঘটে। - বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দগুলোকে প্রায়শই শুদ্ধ বানান ও শব্দার্থ নির্ণয়ের জন্য গুরুত্ব দেওয়া হয়, কারণ সামান্য কার চিহ্নের ভুলের কারণে পুরো বাক্যের অর্থ বদলে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি মানে জল, পাণি মানে হাত। ব্যাখ্যা: দীর্ঘ স্বরবর্ণ বা কার চিহ্নের পার্থক্যের কারণে শব্দের অর্থে এই আকাশসম তফাত তৈরি হয়। উদাহরণ ২: অনু মানে পশ্চাৎ বা কণা, অণু মানে পরমাণু। ব্যাখ্যা: বানানের ক্ষুদ্র পরিবর্তনে শব্দের অর্থের এই ভিন্নতা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি — এই অপশনটি ভুল কারণ পানি শব্দের অর্থ জল, যা নারী শব্দের অর্থ নয়। B) স্ত্রীলোক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নারী শব্দের প্রমিত অর্থ। C) পারি না — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো শব্দের অর্থ নয়, বরং একটি অসমর্থসূচক বাক্য বা বাক্যাংশ। D) খড়ের শেষাংশ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি অন্য কোনো প্রবাদ বা বাগধারার অংশ হতে পারে, কিন্তু নারী শব্দের অর্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নারী বানানটিতে দীর্ঘ ঈ-কার আছে, যা মনে রাখতে পারেন যে নারী বা স্ত্রীলোকদের ক্ষেত্রে দীর্ঘ জীবন বা বিশেষ সম্মান বোঝাতে দীর্ঘ ই ব্যবহার হয়। - নাড়ী (শির বা নাড়ি) অর্থে চন্দ্রবিন্দু বা হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বা জোড় শব্দ খুব কমন। - বানান ও অর্থ একসাথে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই কমন ফেলা সম্ভব।
a বৃহৎ
b ক্ষুদ্রতম
c বর্ধমান
d কোনটিই নয়
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ধমান ১. কেন সঠিক: - ক্ষীয়মাণ শব্দের অর্থ যা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে বা হ্রাস পাচ্ছে। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন শব্দ প্রয়োজন যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বাড়ছে বোঝায়। - বর্ধমান শব্দের অর্থ যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা ক্রমবর্ধিষ্ণু, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থের বিপরীত ধারাটি বিবেচনা করতে হয়। - বিশেষ করে সংস্কৃত উৎসের শব্দগুলোর ক্ষেত্রে তৎসম বা সমজাতীয় বিপরীত শব্দ নির্বাচন করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য সবসময় অস্তমিত হয় না, কখনো উদিতও হয়। ব্যাখ্যা: উদিত শব্দটি ক্ষীয়মাণ বা অস্তমিত শব্দের বিপরীত অর্থ বহন করে। উদাহরণ ২: মানুষের চাহিদা সীমিত নয়, বরং তা বর্ধনশীল। ব্যাখ্যা: বর্ধনশীল বা বর্ধমান একই ধরনের ক্রমবৃদ্ধির ধারণা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃহৎ — বৃহৎ শব্দের অর্থ বড়, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে সরাসরি মানানসই নয়। B) ক্ষুদ্রতম — ক্ষুদ্রতম বলতে সবচেয়ে ছোট বোঝায়, যা পরিমাণের দিক থেকে ছোট হলেও ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার গতির বিপরীত নয়। C) বর্ধমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণে ভুল নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্ষ দিয়ে শুরু ক্ষীয়মাণ মানে যা কমে যায়, আর ব দিয়ে শুরু বর্ধমান মানে যা বেড়ে যায়। কমার বিপরীত বাড়া সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দগুলো প্রায়ই সরাসরি রূপ হিসেবে আসে। শব্দের মূল অর্থ বা মূল ধাতু জানা থাকলে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ সহজেই নির্বাচন করা সম্ভব।
a প্রত্যয়
b পদ
c বিভক্তি
d শব্দ
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে। - শব্দ একা থাকলে তা কেবল শব্দ, কিন্তু বাক্যে স্থান পেলে তার অর্থ ও সম্পর্ক নির্দিষ্ট হয় এবং তা পদে পরিণত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলে এবং তা যখন বাক্যে বসে অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তখন তাকে পদ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার যথা বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুল ফোটে। ব্যাখ্যা: এখানে ফুল ও ফোটে আলাদা শব্দ ছিল, কিন্তু বাক্যে বসার পর এরা পদ হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: ছেলেটি ভালো বই পড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের প্রতিটি শব্দই বিভক্তিযুক্ত হয়ে বা বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে একেকটি পদে পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যয় — শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে নতুন শব্দ গঠনের জন্য যা যুক্ত হয় তা প্রত্যয়, বাক্যে ব্যবহৃত শব্দ নয়। B) পদ — এটি সঠিক কারণ বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দ বা ধাতুই পদ। C) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যা যুক্ত হয়ে বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করে তা বিভক্তি, কিন্তু সম্পূর্ণ ব্যবহৃত রূপটি পদ। D) শব্দ — স্বাধীন অর্থবোধক বর্ণসমষ্টিকে শব্দ বলে, তবে বাক্যে ব্যবহারের পর তা আর শুধু শব্দ থাকে না, পদে রূপান্তরিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একা থাকলে শব্দ, বাক্যে বসলে পদ। - মনে রাখবে বাক্যের অনুগত প্রতিটি ঘটকই পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সব শব্দই পদ, কিন্তু সব পদ শব্দ নয় কারণ ক্রিয়ামূল বা ধাতু পদ হলেও তা স্বাধীন শব্দ নয়। - বিভক্তি যুক্ত না হয়েও অনেক সময় শব্দ বাক্যে পদ হিসেবে কাজ করতে পারে।
a মূল
b অন্তরা
c অষ্টক
d ষষ্ঠক
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষষ্ঠক ১. কেন সঠিক: সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম আট চরণকে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণকে ষষ্ঠক বলা হয়। এই নিয়মটি সনেট কবিতার মূল কাঠামোর অংশ, যেখানে ভাবের প্রবর্তন ও পরিণতি প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সনেট হলো চতুর্দশপদী কবিতা, যার প্রবর্তক ইতালির কবি পেত্রার্ক এবং বাংলায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত। সনেটের দুটি অংশ থাকে, যেখানে প্রথম আট চরণে ভাবের প্রবর্তনা এবং পরের ছয় চরণে ভাবের পরিণতি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত বাংলা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সনেট পঞ্চাশৎ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি সনেট সংকলন বা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল — এটি সনেটের কোনো নির্দিষ্ট অংশের নাম নয়। B) অন্তরা — এটি গানের একটি অংশের নাম, সনেটের অংশ নয়। C) অষ্টক — এটি সনেটের প্রথম আট চরণকে বোঝায়, দ্বিতীয় অংশকে নয়। D) ষষ্ঠক — এটি সনেটের দ্বিতীয় অংশ বা শেষ ছয় চরণকে বোঝায় এবং এটিই সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেট মানে চৌদ্দ চরণ, আট যোগ ছয় সমান চৌদ্দ। প্রথম অংশ অষ্টক এবং দ্বিতীয় অংশ ষষ্ঠক নামে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর প্রথম সনেট বঙ্গভাষা। সনেট সম্পর্কিত প্রশ্নে চরণ সংখ্যা এবং অংশের নাম প্রায়ই পরীক্ষায আসে।
a করণে শূন্য
b কর্তৃকারকে শূন্য
c কর্মকারকে শূন্য
d অপাদানে শূন্য
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মকারকে শূন্য কেন সঠিক: - বাক্যে ডাক্তারকে ডাকার কথা বলা হয়েছে এবং এখানে ডাক্তার পদটি কর্মকারক। - ডাক্তার শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। - শব্দের সাথে অ বা কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়। - ডাক্তার ডাক মানে ডাক্তারকে ডাক, এখানে ডাক্তার কর্মপদ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) করণে শূন্য — দ্বারা দিয়া মাধ্যম বোঝালে করণ কারক হয়, যা এখানে নেই। - B) কর্তৃকারকে শূন্য — কর্তা নিজে কাজ করলে কর্তৃকারক হয়, কিন্তু এখানে ডাক্তার নিজে কাজ করছে না বরং তাকে ডাকার কথা বলা হয়েছে। - C) কর্মকারকে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। - D) অপাদানে শূন্য — কোনো কিছু বিচ্যুত ভীত রক্ষিত হলে অপাদান কারক হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: - কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা কর্মকারক হয়।
a ইয়াসুন
b সিকান্দ্রা
c কাবুল
d আগ্রা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাবুল ১. কেন সঠিক: - মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর প্রথম জীবনে ভারতের আগ্রায় মারা গেলেও তাঁর অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁর মরদেহ পরবর্তীতে আফগানিস্তানের কাবুলে স্থানান্তরিত করা হয়। - কাবুলের বাগিচা ঘেরা যে স্থানে তাঁর সমাধি অবস্থিত, তা বাবরনামা এবং মুঘল ইতিহাসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক স্থান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি তথা মুঘল আমলের ইতিহাস সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই আসে। - মুঘল সম্রাটদের মধ্যে বাবর ছিলেন প্রথম যিনি ভারতে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর আত্মজীবনী বাবরনামা তুর্কি ভাষায় রচিত বিশ্বসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের সমাধি। ব্যাখ্যা: হুমায়ুনের সমাধি ভারতের দিল্লিতে অবস্থিত এবং এটি মুঘল স্থাপত্যের অন্যতম এক অপূর্ব নিদর্শন। উদাহরণ ২: মুঘল সম্রাট আকবরের সমাধি। ব্যাখ্যা: সম্রাট আকবরের সমাধি ভারতের উত্তর প্রদেশের সিকান্দ্রা নামক স্থানে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াসুন — এই অপশনটি সম্রাট বাবরের সমাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক স্থান। B) সিকান্দ্রা — সিকান্দ্রা ভারতের আগ্রার কাছে অবস্থিত এবং এটি মুঘল সম্রাট আকবরের সমাধিস্থল, বাবরের নয়। D) আগ্রা — সম্রাট বাবর প্রথমে আগ্রার আরামবাগে সমাহিত হলেও পরে তাঁর মরদেহ কাবুলে সরিয়ে নেওয়া হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুঘল সম্রাটদের মধ্যে একমাত্র বাবর এবং বাহাদুর শাহ জাফরের সমাধি ভারতের বাইরে অবস্থিত, বাবরের সমাধি কাবুলে এবং শেষ মুঘল সম্রাট জাফরের সমাধি ইয়াংগুনে। - প্রথম সম্রাট বাবর ভারত জয় করলেও তাঁর মন পড়েছিল কাবুলে, তাই তাঁর কবরও কাবুলেই অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্রাট বাবরের আত্মজীবনীর নাম বাবরনামা বা তুজুক ই বাবরী, যা তুর্কি ভাষায় রচিত। - ইতিহাসভিত্তিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্রাটদের সমাধিস্থল প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a losses
b louse
c lice
d lice
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) lice কেন সঠিক: ‘louse’ শব্দটির অর্থ হলো উকুন, যার বহুবচন বা plural form হলো ‘lice’। এটি ইংরেজি ভাষার একটি অনিয়মিত বা irregular plural noun-এর উদাহরণ। এখানে ভেতরের ভাওয়েল ‘ou’ পরিবর্তিত হয়ে ‘i’ রূপ ধারণ করে বহুবচন গঠিত হয়েছে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এর শেষে s বা es যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) losses — এটি ‘loss’ শব্দের বহুবচন, যার অর্থ ক্ষতিসমূহ। B) louse — এটি নিজেই একটি একবচন বা singular শব্দ। C) lice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটিই সঠিক বহুবচন। D) lice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটিও সঠিক বহুবচন। মনে রাখার টিপস: কিছু অনিয়মিত noun-এর বানান ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তনের মাধ্যমে plural হয়, যেমন: louse থেকে lice এবং mouse থেকে mice।
a sir
b buck
c drone
d cow
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) cow কেন সঠিক: - 'Cow' শব্দটি দ্বারা স্ত্রীবাচক প্রাণী অর্থাৎ গাভীকে বোঝায়। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণে Feminine Gender এর একটি সুনির্দিষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sir — এটি একটি Masculine Gender বা পুংলিঙ্গবাচক শব্দ, যা পুরুষকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) buck — এটি পুরুষ হরিণ বা খরগোশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি Masculine Gender। C) drone — এটি পুরুষ মৌমাছি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি Masculine Gender। D) cow — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই একটি Feminine Gender। মনে রাখার টিপস: নরবাচক শব্দগুলো Masculine এবং নারীবাচক শব্দগুলো Feminine Gender হিসেবে চিহ্নিত হয়।
a To be in a state of hostility
b At a standstill
c In a state of understanding
d State of friendship
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To be in a state of hostility কেন সঠিক: ‘At dagger drawn’ একটি ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ মারাত্মক শত্রুতা বা চরম বিরোধে লিপ্ত থাকা। এই ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ হলো খোলা খঞ্জর হাতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা যা শত্রুতার প্রকাশ ঘটায়। তাই শত্রুতার অবস্থাকে বোঝাতেই এই সঠিক উত্তরটি নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To be in a state of hostility — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) At a standstill — এর অর্থ অচলাবস্থা বা কোনো কাজের গতি থেমে যাওয়া, যা মূল ইডিওমের অর্থের সাথে মেলে না। C) In a state of understanding — এর অর্থ বোঝাপড়ার মধ্যে থাকা, যা শত্রুতার ঠিক বিপরীত একটি অবস্থা। D) State of friendship — এর অর্থ বন্ধুত্বের অবস্থা, যা এই ইডিওমের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ডাগার বা খঞ্জর হলো মারামারি করার অস্ত্র, তাই ডাগার দেখলে শত্রুতা বা ঝগড়ার কথা মনে রাখবে।
a Telecast
b Published
c Telecasted
d Broadcasted
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Telecast কেন সঠিক: বাংলাদেশ টেলিভিশনের মতো মাধ্যমে কোনো অনুষ্ঠান বা প্রোগ্রাম প্রচার করার ক্ষেত্রে Telecast শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত এবং এটি সঠিক ইংরেজি প্রয়োগ। এই শব্দটির তিনটি রূপই এক অর্থাৎ Telecast-Telecast-Telecast হয়। বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েস হওয়ায় এখানে সঠিক রূপটি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Telecast — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই বাক্যের শূন্যস্থানে নিখুঁতভাবে বসে। B) Published — কোনো বই, পত্রিকা বা আর্টিকেল প্রকাশের ক্ষেত্রে Published ব্যবহৃত হয়, টেলিভিশন বা পর্দার জন্য নয়। C) Telecasted — Telecast শব্দের কোনো Telecasted রূপ ইংরেজিতে সাধারণত মানসম্মত হিসেবে ধরা হয় না। D) Broadcasted — রেডিওর ক্ষেত্রে Broadcast ব্যবহৃত হলেও টিভির নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের জন্য Telecast বেশি নিখুঁত। মনে রাখার টিপস: টেলিভিশনে কিছু প্রচার করা বোঝালে Telecast ব্যবহার করবে এবং এর পাস্ট ফর্মও Telecast হয়।
a Cross the line
b Cut off the line
c Put off the line
d Pen through the line
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pen through the line কেন সঠিক: কোনো লেখার ওপর কলম দিয়ে কেটে বাদ দেওয়া বা পরিহার করার ইংরেজি ভাবানুবাদ হলো pen through. এখানে ছত্র বা লাইন কেটে দেওয়ার ক্ষেত্রে pen through the line সঠিক বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cross the line — এই কথাটির অর্থ সীমালঙ্ঘন করা বা নির্ধারিত সীমার বাইরে যাওয়া, যা লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Cut off the line — এর অর্থ কোনো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা বা কেটে ফেলা, যা লেখার লাইন কাটার ক্ষেত্রে ভুল। C) Put off the line — এই শব্দগুচ্ছের নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নেই এবং এটি বাক্য গঠনে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: লেখা কলম দিয়ে কেটে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় pen through ব্যবহার করতে হয়।
a সামঞ্জস্যপূর্ণ
b সংক্ষিপ্ত
c সাধনা
d স্বাদহীন
0 46 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংক্ষিপ্ত কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ 'Concise' এর বাংলা অর্থ হলো কোনো দীর্ঘ বিষয় বা লেখাকে সংক্ষেপে প্রকাশ করা। - এটি মূলত অতিরিক্ত কথা বাদ দিয়ে মূল ভাব বা সারসংক্ষেপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামঞ্জস্যপূর্ণ — এটি দিয়ে কোনো বিষয়ের মিল থাকা বা সংগতি বোঝায়, যা 'Concise' শব্দের অর্থ নয়। B) সংক্ষিপ্ত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং 'Concise' শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ। C) সাধনা — এটি কোনো কিছু অর্জনের জন্য কঠোর চেষ্টা বা তপস্যা বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) স্বাদহীন — এটি খাবারের স্বাদ না থাকা বা ফিকে হওয়া বোঝায়, যার সাথে শব্দের অর্থের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: 'Concise' শব্দের সাথে 'সংক্ষিপ্ত' মনে রাখতে পারেন যে, ছোট কথায় কাজ সারা বা সারসংক্ষেপ করা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
a Blood of blue color
b Sound Health
c Aristocratic Birth
d Scoundrel
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Aristocratic Birth কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে যেখানে অভিজাত ও রাজপরিবারের সদস্যদের রক্ত নীলচে মনে করা হতো কারণ তাদের ত্বক ছিল খুব ফর্সা। এটি মূলত বংশগত আভিজাত্য বা উচ্চবংশীয় পরিবারে জন্ম বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Blood of blue color — এটি কোনো প্রচলিত বাগধারা নয় এবং এর শাব্দিক অর্থ ধরা হয়েছে যা ভুল। B) Sound Health — এটি সুস্বাস্থ্য বোঝায় কিন্তু ব্লু ব্লাড ফ্রেজটির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) Aristocratic Birth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Scoundrel — এর অর্থ বদমাইশ বা দুর্বৃত্ত, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দার্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: রাজপরিবারের ফর্সা ত্বকে নীল শিরা দেখা যেত বলে তাদের কুলীন বা অভিজাত বোঝাতে ব্লু ব্লাড বলা হয়।
a The teacher ordered them to be quiet.
b The teacher asked them to be quiet.
c The teacher requested them to be quiet.
d The teacher instructed to be quiet.
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The teacher ordered them to be quiet. কেন সঠিক: প্রত্যক্ষ উক্তির বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের আদেশ বোঝাচ্ছেন। তাই রিপোর্টিং ভারబ్ হিসেবে ordered এবং রিপোর্টেড স্পিচ যুক্ত করতে infinitive to ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক অপশন — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হয়েছে। B) B) The teacher asked them to be quiet — এখানে asked ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণত প্রশ্ন বা অনুরোধ বোঝাতে বসে, তবে সরাসরি আদেশের ক্ষেত্রে ordered বেশি উপযুক্ত। C) C) The teacher requested them to be quiet — এখানে requested ব্যবহার করা হয়েছে যা শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রছাত্রীদের প্রতি বিনম্র অনুরোধ বোঝায়, কিন্তু বাক্যটিতে কঠোর আদেশ রয়েছে। D) D) The teacher instructed to be quiet — এখানে infinitive এর আগে কোনো object (যেমন them) ব্যবহার করা হয়নি, যা গ্রামারের নিয়মের দিক থেকে অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এ আদেশ বোঝালে indirect করার সময় reported speech-এর আগে to বসাতে হয় এবং reporting verb বদলে ordered লিখতে হয়।
a dusk
b dawn
c evening
d eclipse
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) dusk কেন সঠিক: Dusk শব্দটির অর্থ হলো গোধূলি বা সন্ধ্যা নামার আগের সময়। এটি দিনের আলো শেষ হয়ে রাতের অন্ধকার নামার ঠিক আগের মুহূর্তকে বোঝায়। twilight এবং night এর মধ্যবর্তী সময় এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dusk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) dawn — এটি রাতের শেষ এবং সূর্যোদয়ের আগের সময়কে বোঝায়, যা ভোর বা উষা নামে পরিচিত। C) evening — এটি সাধারণভাবে বিকেল থেকে রাতের শুরুর সময়কালকে বোঝায়, যা তুলনামূলক দীর্ঘ সময়। D) eclipse — এটি সূর্য বা চাঁদের গ্রহণ বোঝায়, যার সাথে সময়ের এই পার্থক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Dawn মানে ভোরের আলো আর Dusk মানে সন্ধ্যার আঁধার।
a ২৫ দিনে
b ৩০ দিনে
c ৩৫ দিনে
d ৪০ দিনে
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৩০ দিনে কেন সঠিক: ক এবং খ একত্রে ১ দিনে করে কাজটির ১২ ভাগের ১ অংশ। ক একা ১ দিনে করে কাজটির ২০ ভাগের ১ অংশ। খ একা ১ দিনে করে ১২ ভাগের ১ থেকে ২০ ভাগের ১ বিয়োগ করলে যা হয় তত অংশ। বিয়োগফল হিসাব করলে পাওয়া যায় ৩০ ভাগের ১ অংশ। অর্থাৎ খ একা কাজটি সম্পূর্ণ করতে ৩০ দিন সময় নেবে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ২৫ দিনে — এটি সঠিক হিসাবের সাথে মেলে না কারণ ১২ ও ২০ এর লসাগু ২৫ দ্বারা বিভাজ্য নয়। খ) ৩০ দিনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১২ ও ২০ এর লসাগু ৬০ এবং হিসাব করলে ৩০ দিন পাওয়া যায়। গ) ৩৫ দিনে — এটি ভুল কারণ ভগ্নাংশের বিয়োগফল সঠিকভাবে হিসাব করলে এই উত্তর আসে না। ঘ) ৪০ দিনে — এটি ভুল কারণ ৪০ দিনে কাজটি শেষ হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: একত্রে কাজের পরিমাণ থেকে একা কাজের পরিমাণ বিয়োগ করে একা কাজের সময় বের করতে হয়।
a The train is bound for Dhaka.
b The train is going to Dhaka.
c The train is leaving to Dhaka.
d The train will go to Dhaka.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The train is bound for Dhaka. কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা বোঝাতে bound for ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। - ট্রেনের গন্তব্য বোঝাতে প্রমিত ইংরেজি ব্যবহারে bound for সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The train is bound for Dhaka. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) The train is going to Dhaka. — এটি ব্যাকরণগতভাবে ঠিক হলেও নির্দিষ্ট গন্তব্যের স্থায়ী বা নিয়মিত যাত্রা বোঝাতে bound for বেশি নিখুঁত। C) The train is leaving to Dhaka. — leaving-এর পর গন্তব্য বোঝাতে to না বসে for বসে, তাই এই গঠনটি ভুল। D) The train will go to Dhaka. — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎকাল প্রকাশ করে, যা নিয়মিত বা নির্ধারিত চলাচলের ক্ষেত্রে কম উপযোগী। মনে রাখার টিপস: গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া বোঝাতে bound for ব্যবহার করবে।
a Leiftenant
b Leftenant
c Lieutenant
d Leftanant
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lieutenant কেন সঠিক: শব্দটির উৎপত্তি ফরাসি ভাষা থেকে যেখানে Lieu অর্থ স্থান এবং tenant অর্থ ধারণকারী। ইংরেজি বানানটিতে এই ফরাসি মূলরূপটি পুরোপুরি সংরক্ষিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে এটিই স্ট্যান্ডার্ড রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leiftenant — এখানে বানান গঠনে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। B) Leftenant — এটি শুধু উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে যা সঠিক বানান নয়। C) Lieutenant — এটি সঠিক বানান। D) Leftanant — এখানে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে চাইলে এভাবে ভাঙতে পারো: Lieu + ten + ant।
a A few of the three boys got a prize.
b Each of the three boys got a prize.
c Every of the three boys got a prize.
d All the three boys got a prize.
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Each of the three boys got a prize. কেন সঠিক: দুই বা ততোধিক নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝাতে Each ব্যবহার করা হয়। এখানে মোট তিনজন ছেলের প্রত্যেকে আলাদাভাবে পুরস্কার পেয়েছে বোঝাতে Each সঠিক। সংখ্যার ক্ষেত্রে দুইয়ের অধিক হলে Every ব্যবহার করা যায় না। নির্দিষ্ট তিনজনের ক্ষেত্রে All ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A few of the three boys got a prize — A few সাধারণত নির্দিষ্ট সংখ্যার ক্ষেত্রে এভাবে বসে না এবং এটি ভুল অর্থ প্রকাশ করে। B) Each of the three boys got a prize — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Every of the three boys got a prize — Every এর সাথে সরাসরি of বসে না, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) All the three boys got a prize — তিনজনের ক্ষেত্রে All বসলে অর্থের ধারাবাহিকতা নষ্ট হয় এবং এটি অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রত্যেকে বোঝাতে Each ব্যবহার করবে এবং Every এর পরে কখনো অবজেক্ট প্রোনাউন বা of বসে না।
a Flower
b Trees
c Fauna
d Deer
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Fauna কেন সঠিক: Botany বা উদ্ভিদবিদ্যা যেমন সমগ্র উদ্ভিদ জগত বা Plants নিয়ে আলোচনা করে, তেমনি Zoology বা প্রাণীবিদ্যা সমগ্র প্রাণী জগত বা Fauna নিয়ে আলোচনা করে। এখানে বিষয় এবং তার আলোচ্য বিষয়ের সদৃশ সম্পর্ক রয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো Fauna। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flower — এটি উদ্ভিদ জগতের শুধু একটি অংশ মাত্র, পুরো প্রাণী জগত বা Zoology-র সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Trees — এটি উদ্ভিদের একটি প্রকার বোঝায়, যা Botany-র অধীন কিন্তু Zoology-র সাথে এর কোনো মিল নেই। C) Fauna — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি Zoology-র প্রধান আলোচ্য বিষয়। D) Deer — এটি একটি নির্দিষ্ট প্রাণী, কিন্তু Zoology পুরো প্রাণী জগতকে নির্দেশ করে কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রাণীকে নয়। মনে রাখার টিপস: Botany মানে গাছপালা বা Plants এবং Zoology মানে প্রাণী বা Fauna, এই জোড়া সম্পর্কটি সবসময় মনে রাখবে।
a was
b are
c should
d did
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) should কেন সঠিক: should একটি মডেল অক্সিলিয়ারি ভার্ব যা পরামর্শ বা কর্তব্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূল ভার্বের পূর্বে বসে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি একটি প্রাইমারি অক্সিলিয়ারি ভার্ব যা অতীতকাল প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) are — এটি একটি প্রাইমারি অক্সিলিয়ারি ভার্ব যা বর্তমানকাল প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। C) should — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে গণ্য হবে না। D) did — এটি একটি প্রাইমারি অক্সিলিয়ারি বা ডু ভার্বের অতীত রূপ। মনে রাখার টিপস: can, could, shall, should, may, might, must ইত্যাদি শব্দগুলো মডেল অক্সিলিয়ারি হিসেবে পরিচিত।
a large
b man
c bad
d me
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) man কেন সঠিক: man শব্দটির অর্থ মানুষ, যা কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর নাম বোঝায়। কোনো কিছুর নাম বোঝালে তাকে ইংরেজি ব্যাকরণে নাউন বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) large — এটি একটি অ্যাজেক্টিভ কারণ এটি কোনো কিছুর আকার বা আকৃতি বোঝায়। খ) man — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। গ) bad — এটি একটি অ্যাজেক্টিভ কারণ এটি কোনো দোষ বা গুণ প্রকাশ করে। ঘ) me — এটি একটি প্রোনাউন কারণ এটি নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা প্রাণীর নাম বোঝায় এমন শব্দ দেখলেই সেটি নাউন হবে।
a Prosperity
b Present Time
c Later Generation
d Possession
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Later Generation কেন সঠিক: Posterity শব্দটির অর্থ হলো বংশধর বা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। এটি মূলত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার পরবর্তী প্রজন্মকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Prosperity — এর অর্থ হলো সমৃদ্ধি বা উন্নতি, যা posterity শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) Present Time — এর অর্থ হলো বর্তমান সময়, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বা posterity শব্দের বিপরীত। C) Later Generation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Possession — এর অর্থ হলো দখল বা সম্পত্তি, যা posterity শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Posterity শব্দে future বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বোঝায়, তাই এটি Later Generation এর সমার্থক।
a Tsunami
b Sunami
c Sunamee
d Tsunamy
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tsunami কেন সঠিক: শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে এসেছে যেখানে শুরুতে 'tsu' ধ্বনি থাকে এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবে এই বানান দিয়েই সর্বজনস্বীকৃত। এর শেষে 'mi' যুক্ত হয় এবং ইংরেজি বানানের নিয়মে এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tsunami — এটি সঠিক বানান। B) Sunami — এর শুরুতে 'T' অক্ষরটি বাদ পড়েছে যা জাপানি মূল শব্দের উচ্চারণের সাথে মেলে না। C) Sunamee — এর শেষের অংশ ভুল এবং এটি ইংরেজি প্রমিত বানানের নিয়ম মানে না। D) Tsunamy — এর শেষের অক্ষরটি 'y' দেওয়া হয়েছে যা সঠিক বানান নয়। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রথমে 'Tsu' এবং পরে 'nami' লিখে একত্রে 'Tsunami' তৈরি করা।
a Shelly
b William Wordsworth
c Lord Byron
d Jhon Keats
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং তাঁর বন্ধুরা ইংল্যান্ডের লেক ডিস্ট্রিক্ট এলাকায় বসবাস করতেন এবং কবিতা লিখতেন। তাঁদের লেখার মূল বিষয়বস্তু ছিল এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী এবং পাহাড়। এই কারণে সাহিত্য ইতিহাসে তাঁদের লেক পোয়েট হিসেবে অভিহিত করা হয়। তিনি এই দলের সবচেয়ে প্রধান এবং বিখ্যাত কবি ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shelly — পিবি শেলি একজন রোমান্টিক কবি হলেও তিনি লেক পোয়েটদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। B) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Lord Byron — লর্ড বায়রনও একজন বিখ্যাত রোমান্টিক কবি ছিলেন তবে তিনি অন্য ধারার কবিতা লিখতেন। D) Jhon Keats — জন কিটস হলেন সৌন্দর্য ও সংবেদনশীলতার কবি এবং তিনি লেক ডিস্ট্রিক্টের সাথে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: লেক বা হ্রদের সৌন্দর্য নিয়ে যিনি প্রথম ও বেশি লিখেছেন তিনিই হলেন ওয়ার্ডসওয়ার্থ।
a from
b on
c in
d since
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) since কেন সঠিক: - বাক্যে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং সময়ের নির্দিষ্ট শুরুর বিন্দু (Friday) বোঝানো হয়েছে। - নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা সময় থেকে কোনো কাজ শুরু হলে তার পূর্বে since বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সাধারণত future বা general time-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শুরুর বিন্দু বোঝাতে বসে, তবে perfect tense-এর ক্ষেত্রে since ব্যবহার করা নিয়ম। B) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা বারের নামের পূর্বে বসে, তবে ব্যাপ্ত thời নির্দেশ করতে since প্রয়োজন হয়। setC) in — এটি সাধারণত মাস, বছর বা ঋতুর মতো দীর্ঘ সময়ের পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট বারের পূর্বে নয়। D) since — এটি অতীত থেকে শুরু হওয়া নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম থাকলে since এবং নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্ব বোঝালে for বসে।
a counting number
b entry into register
c consider
d recommendation
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) consider কেন সঠিক: ‘Take into account’ একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা। বক্তာ বা লেখক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব পরিস্থিতি বা তথ্য মাথায় রাখছেন বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত কোনো বিষয়ের গভীরে গিয়ে তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করাকে নির্দেশ করে। এর সাথে সরাসরি মূল শব্দ ‘consider’ এর অর্থ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) counting number — এটি সরাসরি সংখ্যা গণনার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু এখানে কোনো গণনা করার কথা বলা হয়নি। B) entry into register — এটি খাতায় কোনো কিছু নাম বা তথ্য নথিভুক্ত করা বোঝায় যার সাথে এই ইডিওমের কোনো মিল নেই। C) consider — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) recommendation — এটি কাউকে কোনো কাজের জন্য সুপারিশ করা বা মত প্রকাশ করা বোঝায় যা এর মূল অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: ‘Account’ শব্দটি দেখে হিসাব করা মনে হলেও ‘take into account’ দেখলে সবসময় মনে রাখবে এর মানে হলো কোনো কিছু ‘বিবেচনা করা’।
a 0.05
b 0.11
c ১১*(১/৯)%
d ১২*(১/৯)
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১*(১/৯)% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য ১০% কমেছে খরচ একই রাখতে হবে ধরি, প্রথমে চিনির মূল্য ছিল ১০০ টাকা ১০% কমে বর্তমান মূল্য ৯০ টাকা অতএব, মূল্য কমেছে ১০ টাকা এখন ৯০ টাকায় কিনতে হবে ১০০ টাকার চিনি সুতরাং, খরচ একই রাখতে চিনি বাড়াতে হবে (১০ ÷ ৯০) × ১০০% সমান ১০৩*(১/৯)% উত্তর: ১১*(১/৯)%
a 18
b 12
c 9
d 6
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ১৪৪, ৮১ এবং ৩৬ ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১৪৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৮১ তৃতীয় সংখ্যা = ৩৬ অতএব, ১৪৪ সংখ্যাটি হলো ১২ এর বর্গ ৮১ সংখ্যাটি হলো ৯ এর বর্গ ৩৬ সংখ্যাটি হলো ৬ এর বর্গ সুতরাং, বর্গমূলগুলোর অন্তর হলো ১২ − ৯ = ৩ এবং ৯ − ৬ = ৩ উত্তর: পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৩ এর বর্গ অর্থাৎ ৯
a 60*sqrt(3)
b 60
c 77
d 70*sqrt(3)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৭ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৫√৩ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণের উভয় পক্ষকে বর্গ করতে হবে অতএব, (a − (১ ÷ a))² = (৫√৩)² সুতরাং, a² − ২(a)(১ ÷ a) + (১ ÷ a)² = ২৫ × ৩ উত্তর: a² + (১ ÷ a)² = ৭৫ + ২ = ৭৭
a ২৭৩ টাকা
b ২৬০ টাকা
c ২২০ টাকা
d ৩৭৩ টাকা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭৩ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬৫০ টাকা মুনাফার হার (r) = ৭ শতাংশ সময় (n) = ৬ বছর ধরি, মুনাফা = I টাকা অতএব, আমরা জানি, মুনাফা (I) = (P × n × r) ÷ ১০০ সুতরাং, I = (৬৫০ × ৬ × ৭) ÷ ১০০ উত্তর: ২৭৩ টাকা
a 8
b 8
c 12
d 16
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস ৪ গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের নতুন ব্যাসার্ধ = ৪r অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৪r) × (৪r) সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১৬ × (π × r × r) উত্তর: ১৬ গুণ
a ৬০৫০ ফুট
b ৬০০০ ফুট
c ৬০৮০ ফুট
d ৭০৫০ ফুট
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০৮০ ফুট প্রদত্ত তথ্য: সমুদ্রের দূরত্বের একক হলো নটিক্যাল মাইল আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ১ নটিক্যাল মাইল নির্ধারিত হয় ধরি, ১ নটিক্যাল মাইলের দৈর্ঘ্য হলো একটি নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক মান যা মিটার থেকে ফুটে রূপান্তরিত করা হয় অতএব, ১ নটিক্যাল মাইল সমান ১৮৫২ মিটার ১ মিটার সমান প্রায় ৩.২৮০৮৪ ফুট সুতরাং, ১৮৫২ গুণ ৩.২৮০৮৪ ফুট সমান প্রায় ৬০৮০ ফুট উত্তর: ৬০৮০ ফুট
a a=2, b=-5
b a=4, b=-3
c a=-2, b=-5
d a=5, b=2
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a=৫, b=২ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ৭ দুটি সংখ্যার গুণফল = ১০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = a দ্বিতীয় সংখ্যাটি = b অতএব, a + b = ৭ ab = ১০ সুতরাং, a=৫ এবং b=২ বসালে ৫ + ২ = ৭ হয় এবং ৫ × ২ = ১০ হয় উত্তর: a=৫, b=২
a 407
b 507
c 607
d 707
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০৭ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ২৭ ঘনক + ৫৪ বর্গ + ৩৬মি + ৩ এখানে মি এর মান হলো ২ ধরি, প্রথম পদ = ২৭ গুণ (২ এর ঘনক) দ্বিতীয় পদ = ৫৪ গুণ (২ এর বর্গ) তৃতীয় পদ = ৩৬ গুণ ২ অতএব, প্রথম পদের মান = ২৭ গুণ ৮ = ২১৬ দ্বিতীয় পদের মান = ৫৪ গুণ ৪ = ২১৬ তৃতীয় পদের মান = ৩৬ গুণ ২ = ৭২ সুতরাং, সবগুলো যোগ করে পাই ২১৬ + ২১৬ + ৭২ + ৩ = ৫০৭ উত্তর: ৫০৭
a লাভ ২৫%
b ক্ষতি ২৫%
c লাভ ৭৫%
d ক্ষতি ৫০%
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষতি ৫০% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ ধরি, বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ক্রয়মূল্য = ১০০ × ২ = ২০০ টাকা অতএব, এখানে ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ক্ষতির পরিমাণ = ২০০ − ১০০ = ১০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (১০১ ÷ ২০০) × ১০০% = ৫০% উত্তর: ক্ষতি ৫০%
a 3, 4
b 3, -4
c -3, 4
d -3, -4
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −৩, ৪ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x^২ − x − ১২ = ০ ধরি, মধ্যপদ ভেঙে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে এমন দুটি সংখ্যা খুঁজতে হবে যাদের গুণফল হবে বারো এবং বিয়োগফল হবে এক অতএব, x^২ − ৪x + ৩x − ১২ = ০ x(x − ৪) + ৩(x − ৪) = ০ সুতরাং, (x − ৪)(x + ৩) = ০ উত্তর: x = ৪ অথবা x = −৩
a ৩/৫
b ৪/৮
c ২/৫
d ৫/৭
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/৫ প্রদত্ত তথ্য: লবের সাথে ৭ যোগ করলে মান ২ হয় হর থেকে ২ বাদ দিলে মান ১ হয় ধরি, ভগ্নাংশটি ক ÷ খ অতএব, প্রথম শর্ত মতে, (ক + ৭) ÷ খ = ২ অর্থাৎ ক + ৭ = ২খ সুতরাং, দ্বিতীয় শর্ত মতে, ক ÷ (খ − ২) = ১ অর্থাৎ ক = খ − ২ এখন মান বসিয়ে পাই, খ − ২ + ৭ = ২খ বা, খ = ৫ তাহলে লব ক = ৫ − ২ = ৩ উত্তর: ৩ ÷ ৫
a -30.8377
b -29.0377
c -32.8264
d -31.0377
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −৩০.৮৩৭৭ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.১৬২৩ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ৩১ ধরি, বড় সংখ্যাটি হলো ৩১.০০০০ ছোট সংখ্যাটি হলো ০.১৬২৩ অতএব, ৩১ থেকে ০.১৬২৩ বিয়োগ করতে হবে যেহেতু ৩১ বড় তাই ফলাফল ঋণাত্মক হবে সুতরাং, ৩১.০০০০ − ০.১৬২৩ হিসাব করি দশমিকের নিচে দশমিক মিলিয়ে বিয়োগ সম্পন্ন করি উত্তর: −৩০.৮৩৭৭
a 0.9
b 0.11
c 0.325
d 0.091
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৯১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি দশমিক সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ০.৯, ০.১১, ০.৩২৫ এবং ০.০৯১ ধরি, সংখ্যাগুলোর দশমিকের পর সমান অঙ্কের সংখ্যা তৈরি করি সংখ্যাগুলোকে যথাক্রমে লেখা যায় ০.৯০০, ০.১১০০, ০.৩২৫০ এবং ০.০৯১০ অতএব, প্রথম সংখ্যাটি হলো নয়শত হাজার ভাগের নয়শত ভাগ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো নয়শত হাজার ভাগের একশ দশ ভাগ তৃতীয় সংখ্যাটি হলো নয়শত হাজার ভাগের তিনশত পঞ্চাশ ভাগ সুতরাং, চতুর্থ সংখ্যাটি হলো নয়শত হাজার ভাগের একানব্বই ভাগ যা সবচেয়ে ছোট উত্তর: ০.০৯১
a 40
b 60
c 70
d 80
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিনগুণ আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = ৩ক × ক বর্গমিটার ৩ক এর ওপর ২ ঘাত = ৩০০ বর্গমিটার ক এর ওপর ২ ঘাত = ১০০ বর্গমিটার সুতরাং, প্রস্থ ক = ১০ মিটার দৈর্ঘ্য = ৩ × ১০ = ৩০ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (৩০ + ১০) = ৮০ মিটার
a ৮০ হাত
b ৭৫ হাত
c ৭০ হাত
d ৯০ হাত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯০ হাত প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের ১/৩ অংশ কাদায় আছে বাঁশের ৩/৫ অংশ পানিতে আছে পানির উপরে আছে ৬ হাত ধরি, সম্পূর্ণ বাঁশটির দৈর্ঘ্য = ১ অংশ অতএব, কাদায় ও পানিতে আছে = (১ ÷ ৩) + (৩ ÷ ৫) অংশ লসাগু করে পাই = (৫ + ৯) ÷ ১৫ অংশ = ১৪ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, পানির উপরে আছে = ১ − (১৪ ÷ ১৫) অংশ = (১৫ − ১৪) ÷ ১৫ অংশ = ১ ÷ ১৫ অংশ উত্তর: বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য = ৬ × ১৫ হাত = ৯০ হাত
a 78
b 96
c 94
d 69
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দুই অঙ্কবিশিষ্ট সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টি ১৫ অঙ্কদ্বয়ের গুণফল ৫৬ ধরি, একক স্থানীয় অঙ্ক = ক দশক স্থানীয় অঙ্ক = খ অতএব, ক + খ = ১৫ ক × খ = ৫৬ সুতরাং, সংখ্যা দুটি ৭ ও ৮ হতে পারে কারণ ৭ + ৮ = ১৫ এবং ৭ × ৮ = ৫৬ উত্তর: ৭৮
a 0
b 10
c 9
d 3
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: গাণিতিক গণনা সহজ করার জন্য বিশেষ কিছু সংখ্যা ব্যবহৃত হয় শূন্য সংখ্যাটিকে অন্যান্য সংখ্যার সাথে সহযোগিতার জন্য ধরা হয় ধরি, যেকোনো মূল সংখ্যার সাথে শূন্য যোগ বা বিয়োগ করা যায় শূন্য নিজেই মান পরিবর্তন না করে অন্য সংখ্যাকে সহায়তা করে অতএব, সংখ্যা গঠনে এবং স্থানমানে শূন্যের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শূন্য ছাড়া বড় সংখ্যা লেখা বা পড়া সম্ভব হয় না সুতরাং, গণিতের বিভিন্ন হিসাবে শূন্যকে বিশেষ সাহায্যকারী সংখ্যা বলা হয় উত্তর: ০
a 4
b 8
c 15
d 16
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো a + b = ৮ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো a - b = ২ ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে হবে অতএব, ab এর সূত্র হলো (a + b ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (a - b ÷ ২) এর বর্গ সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, (৮ ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (২ ÷ ২) এর বর্গ উত্তর: ১৬ বিয়োগ ১ = ১৫
a 0.2
b 0.25
c 0.4
d 0.5
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.২৫ প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের চার বাই পাঁচ ভাগ ধরি, বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, ক্রয়মূল্য = ১ × (৪ ÷ ৫) টাকা ক্রয়মূল্য = ০.৮ টাকা সুতরাং, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ১ − ০.৮ = ০.২ টাকা উত্তর: লাভের হার = (০.২ ÷ ০.৮) = ০.২৫
a নেপচুন
b শনি
c বৃহস্পতি
d ইউরেনাস
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শনি ১. কেন সঠিক: শনি গ্রহের বর্তমানে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অনুমোদিত উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে যা আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। মহাকাশ গবেষণার আধুনিক তথ্য অনুযায়ী শনির উপগ্রহের সংখ্যা ১৪৬টি ছাড়িয়ে গেছে যা সৌরজগতের অন্য যেকোনো গ্রহের তুলনায় সর্বাধিক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ বিজ্ঞান অনুসারে গ্রহের মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে উপগ্রহ বা প্রাকৃতিক চাঁদ তার চারপাশ নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে। কারণ ও ফলাফল: শনি গ্রহের বিশাল আকার এবং শক্তিশালী মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের কারণে এটি দূরবর্তী মহাকাশ থেকে প্রচুর মহাজাগতিক ধূলিকণা, বরফ ও ক্ষুদ্র গ্রহাণু নিজের দিকে টেনে নিয়ে উপগ্রহে পরিণত করতে পেরেছে। বাস্তব প্রয়োগ: মহাকাশ গবেষণায় শনির উপগ্রহগুলোর কক্ষপথ ও গঠন পর্যবেক্ষণ করে সৌরজগতের উৎপত্তি এবং গ্রহগুলোর বিবর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা সম্ভব হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টাইটান ব্যাখ্যা: টাইটান হলো শনির সবচেয়ে বড় উপগ্রহ এবং সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপগ্রহ যার নিজস্ব ঘন বায়ুমণ্ডল রয়েছে। উদাহরণ ২: এনসেলাডাস ব্যাখ্যা: এনসেলাডাস হলো শনির আরেকটি বরফাবৃত উপগ্রহ যেখানে তরল পানির সমুদ্রের উপস্থিতি থাকার কারণে এটি বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপচুন — নেপচুন গ্রহের উপগ্রহ সংখ্যা শনির তুলনায় অনেক কম এবং এটি সৌরজগতের দূরবর্তী একটি বরফ দানব গ্রহ। B) শনি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী সৌরজগতে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনির। C) বৃহস্পতি — বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ হলেও এর উপগ্রহ সংখ্যা বর্তমানে শনির চেয়ে কম বা কাছাকাছি ওঠানামা করে। D) ইউরেনাস — ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ সংখ্যা শনির তুলনায় অনেক কম এবং এর ঘূর্ণন অক্ষ সম্পূর্ণ ভিন্ন কোণে হেলে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: শনি গ্রহের আক্ষরিক নামের সঙ্গে সুন্দর বা স্বর্ণালী বলয়ের যেমন মিল রয়েছে, তেমনি এর চাঁদের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি মনে রাখতে হবে। সৌরজগতের গ্যাসীয় ও বরফ দানব গ্রহগুলোর উপগ্রহের সংখ্যা সাধারণত পার্থিব গ্রহগুলোর চেয়ে অনেক বেশি হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সৌরজগতের কোন গ্রহের উপগ্রহ নেই এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর হলো বুধ ও শুক্র গ্রহ। একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে উপগ্রহের নাম সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যেমন টাইটান কোন গ্রহের উপগ্রহ।
a মিথেন গ্যাস
b অপরিশোধিত তেল
c ক্লিংকার
d অ্যামোনিয়া
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যামোনিয়া ১. কেন সঠিক: - ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান এবং সরাসরি কাঁচামাল হলো অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড। - প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রথমে মিথেন প্রক্রিয়াজাত করে হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন সংগ্রহ করা হয়, যা পরবর্তীতে অ্যামোনিয়া তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইউরিয়া একটি জৈব রাসায়নিক সার যার রাসায়নিক সংকেত CO(NH2)2 এবং এর রাসায়নিক নাম কার্বামাইড। - কার্যপ্রণালি: প্রথমে প্রাকৃতিক গ্যাসের মিথেনকে বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করিয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করা হয়। উৎপাদিত হাইড্রোজেন বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে হেবার বস প্রক্রিয়া মাধ্যমে অ্যামোনিয়া তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: পরবর্তীতে উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রায় তরল অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস বিক্রিয়া করে প্রথমে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট তৈরি করে এবং পরে তা থেকে ইউরিয়া সার উৎপন্ন হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: ইউরিয়া সার কৃষিক্ষেত্রে নাইট্রোজেনের উৎস হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় যা উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরিয়া কারখানা ব্যাখ্যা: ঘোড়াশাল বা পলাশ ইউরিয়া কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রথমে অ্যামোনিয়া গ্যাস তৈরি করা হয় এবং তা থেকেই চূড়ান্তভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের খাদ্য গ্রহণ ব্যাখ্যা: মাটিতে প্রয়োগ করার পর ইউরিয়া পানি ও এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয় যা উদ্ভিদ গ্রহণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথেন গ্যাস — মিথেন সরাসরি ইউরিয়ার কাঁচামাল নয়, বরং এটি অ্যামোনিয়া তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাথমিক উৎস মাত্র। B) অপরিশোধিত তেল — অপরিশোধিত তেল পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইউরিয়া সার উৎপাদনে এর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। C) ক্লিংকার — ক্লিংকার হলো সিমেন্ট উৎপাদনের প্রধান মধ্যবর্তী কাঁচামাল, যা চুনাপাথর ও অন্যান্য খনিজ পুড়িয়ে তৈরি করা হয়। D) অ্যামোনিয়া — অ্যামোনিয়া হলো ইউরিয়া সারের প্রত্যক্ষ ও মূল রাসায়নিক কাঁচামাল যা কার্বন ডাই-অক্সাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া তৈরি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউরিয়া সার তৈরির মূল উপাদান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মনে রাখা যে ইউরিয়া তৈরিতে নাইট্রোজেন দরকার আর নাইট্রোজেনের মূল উৎস অ্যামোনিয়া। - প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে অ্যামোনিয়া হয়ে ইউরিয়া প্রস্তুত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ইউরিয়া সারের কাঁচামাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে যেখানে অ্যামোনিয়া বা প্রাকৃতিক গ্যাস অপশনে থাকে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে ইউরিয়া উৎপাদনে কোন গ্যাস বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি ব্যবহৃত হয় অথবা ইউরিয়ায় নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত।
a ১ টি
b ৪ টি
c ২ টি
d ৫ টি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ টি ১. কেন সঠিক: - প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে এবং সেবা সহজ করার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়েকে প্রধানত দুটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। - এই দুটি অঞ্চল হলো বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল। ২. প্রশাসন ও অবকাঠামোগত তথ্য: - প্রশাসনিক কাঠামো: রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সদর দপ্তর চট্টগ্রামে এবং পশ্চিমাঞ্চলের সদর দপ্তর রাজশাহীর পাকশীতে অবস্থিত। - নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা: প্রতিটি অঞ্চলের নেতৃত্বে একজন মহাব্যবস্থাপক থাকেন যিনি সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল ব্যাখ্যা: চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ও ঢাকা রুটের ট্রেন চলাচল পূর্বাঞ্চল অফিসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল ব্যাখ্যা: রাজশাহী থেকে খুলনা ও রংপুর রুটের ট্রেন চলাচল পশ্চিমাঞ্চল অফিসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ টি — রেলওয়ের বিশাল কর্মপরিধি ও ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে একে একক প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় রাখা সম্ভব নয়। B) ৪ টি — বাংলাদেশ রেলওয়েকে প্রশাসনিক বা আঞ্চলিকভাবে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়নি। D) ৫ টি — রেলওয়ের বর্তমান প্রশাসনিক বিন্যাসে অঞ্চল সংখ্যা পাঁচটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের মানচিত্রে পূর্ব ও পশ্চিম এই দুই ভাগে রেলওয়েকে প্রধানত ভাগ করা হয়েছে মনে রাখবে। - সদর দপ্তর মনে রাখার কৌশল হলো পূর্বের জন্য চট্টগ্রাম এবং পশ্চিমের জন্য পাকশী, রাজশাহী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত, তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - রেলওয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়, এই ধরনের প্রশ্ন থেকেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
a বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
b পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
c অর্থ মন্ত্রণালয়
d কোনটিই নয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবিধিবদ্ধ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। দেশের বাণিজ্য নীতি প্রণয়ন, আমদানি শুল্ক পুনর্নির্ধারণ এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় এই কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সরাসরি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন ১৯৭৩ সালে গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ এর মাধ্যমে এর কার্যক্রম আরও সুসংহত করা হয়। দায়িত্ব: দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা, মুক্তবাজার অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পণ্যের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণে এই কমিশন সরকারের নিকট সুপারিশ পেশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ চা বোর্ড ব্যাখ্যা: এটিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষায়িত বোর্ড যা চা উৎপাদন, বিপণন ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ব্যাখ্যা: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসার ও বৈচিত্র্যকরণে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ ট্যারিফ কমিশন সরাসরি এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাণিজ্য নীতি ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে। B) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় — এটি দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৈরির কাজ করে, ট্যারিফ কমিশনের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি জাতীয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব সংগ্রহ এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে, তবে ট্যারিফ কমিশন সরাসরি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত যেকোনো কমিশন বা বোর্ড সাধারণত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। ট্যারিফ বা শুল্ক শব্দটির সঙ্গে বাণিজ্যের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে, তাই এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কোন আইনের আওতায় পরিচালিত হয় এবং এর মূল কাজ কী, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে ট্যারিফ কমিশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বা এর বর্তমান নাম কী, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a ঢাকা
b খুলনা
c সিলেট
d চট্টগ্রাম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ১. কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টর ছিল চট্টগ্রাম অঞ্চল। ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই গঠিত সেক্টরগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলা নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। - এই সেক্টরের প্রধান বা সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে মেজর রফিকুল ইসলাম। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে পুরো বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারগণ সামরিক অভিযান পরিচালনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টর ব্যাখ্যা: ঢাকা ও কুমিল্লা জেলা নিয়ে গঠিত ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ। উদাহরণ ২: মুক্তিযুদ্ধের ৮ নম্বর সেক্টর ব্যাখ্যা: কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। B) খুলনা — এটি মুক্তিযুদ্ধের ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। C) সিলেট — এটি মুক্তিযুদ্ধের ৪ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। D) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই এলাকাটি ১ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখার জন্য পূর্ব দিকের অঞ্চলগুলোকে প্রথম দিকে রাখা হয়েছে। - ১ নম্বর সেক্টর মানেই দেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তের পাহাড়ি ও উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন সেক্টরের কমান্ডার এবং তাদের এলাকার নাম জানতে চাওয়া হয়। - কোন সেক্টরে কে কমান্ডার ছিলেন, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a চট্টগ্রাম
b খুলনা
c নারায়ণগঞ্জ
d টঙ্গী
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নারায়ণগঞ্জ ১. কেন সঠিক: - নারায়ণগঞ্জ জেলাকে একসময় পাটশিল্প ও বাণিজ্যের জন্য বিশ্বজুড়ে ডান্ডি শহরের সঙ্গে তুলনা করা হতো। - এই অঞ্চলের উর্বর ভূমি ও শীতলক্ষ্যা নদীর যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এটি ব্রিটিশ আমল থেকেই পাট ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ আমলে স্কটল্যান্ডের ডান্ডি শহর পাটশিল্পের জন্য বিখ্যাত ছিল এবং এর সঙ্গে তুলনার কারণে নারায়ণগঞ্জ এই উপাধি লাভ করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: পাট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানিতে এই অঞ্চলের অবদানের কারণে অর্থনৈতিকভাবে নারায়ণগঞ্জ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী এই শহরটি বর্তমানে দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল এবং নদীবন্দর হিসেবে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদমজী জুট মিলস ব্যাখ্যা: এটি একসময় এশিয়ার সবচেয়ে বড় পাটকল ছিল যা নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত ছিল এবং প্রাচ্যের ডান্ডি খেতাবের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: পানাম নগর ব্যাখ্যা: সোনারগাঁয়ে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক স্থানটি তৎকালীন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও বাণিজ্যের প্রতীক যা এই অঞ্চলের গুরুত্ব তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং বাণিজ্য নগরী হলেও একে পোর্টের শহর বলা হয়, প্রাচ্যের ডান্ডি বলা হয় না। B) খুলনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের প্রধান শিল্প ও নদীবন্দর নগরী হলেও এই বিশেষ উপাধিতে পরিচিত নয়। C) নারায়ণগঞ্জ — পাটশিল্প ও বাণিজ্যের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এই নির্দিষ্ট উপাধিতে ভূষিত। D) টঙ্গী — এটি বর্তমান সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল হলেও প্রাচ্যের ডান্ডি হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডান্ডি মানে পাটশিল্প আর পাট মানেই শীতলক্ষ্যা নদী তীরবর্তী নারায়ণগঞ্জ। - স্কটল্যান্ডের ডান্ডি শহরের সঙ্গে তুলনা করে এই নামকরণ করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের উপনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বা প্রাচ্যের ভেনিস জাতীয় অন্যান্য উপাধির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a নওফেল ও হাতেম
b মুসলিম রেনেসাঁর কবি
c হাতেমতাই
d মুসলিম কবি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুসলিম রেনেসাঁর কবি ১. কেন সঠিক: - কবি ফররুখ আহমদকে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে ইসলামি মূল্যবোধ, ঐতিহ্য এবং পুনর্জাগরণের বার্তা সফলভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়। - তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি বাংলা কবিতায় এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে মুসলিম জাহানের ঐতিহ্য ও সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বিশ শতকের মধ্যভাগে ব্রিটিশ ভারত ও পরবর্তী সময়ে বাঙালি মুসলিম সমাজে আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক জাগরণের ক্ষেত্রে তার সাহিত্যিক অবদান অত্যন্ত গভীর। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: কবি ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ জেলার মহাশংকরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং দীর্ঘকাল রেডিও বাংলাদেশে কর্মরত ছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাত সাগরের মাঝি ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি তার রেনেসাঁবাদী চেতনার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন, যা মুসলিম সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে আধুনিক কাব্যে রূপ দিয়েছে। উদাহরণ ২: পাঞ্জেরী ব্যাখ্যা: এই কবিতায় তিনি মুসলিম জাতির দিকভ্রান্ত অবস্থার অবসান ঘটিয়ে সঠিক দিশা পাওয়ার আকুতি প্রকাশ করেছেন, যা পরীক্ষার্থীদের জন্য সাহিত্য মূল্যায়নে সহায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নওফেল ও হাতেম — এটি তার রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, কোনো উপাধি বা ব্যক্তি নয়। B) মুসলিম রেনেসাঁর কবি — এটি কবি ফররুখ আহমদের ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদত্ত সঠিক উপাধি। C) হাতেমতাই — এটি তার রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ, যা তার উপাধি নয়। D) মুসলিম কবি — এটি একটি সাধারণ শব্দ, যা অনেক কবির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হতে পারে তবে ফররুখ আহমদের নির্দিষ্ট সাহিত্যিক উপাধি এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফররুখ আহমদের সাহিত্যকর্ম মুসলিম সংস্কৃতির পুনর্জাগরণের সঙ্গে জড়িত, তাই তাকে রেনেসাঁর কবি মনে রাখা সহজ। - সাত সাগরের মাঝি ও পাঞ্জেরী কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখলে তার রেনেসাঁবাদী স্বরূপ স্পষ্ট হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ফররুখ আহমদের উপাধি এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - তার সাহিত্যকর্মের মূল সুর ছিল ইসলামি ঐতিহ্য ও স্বাদেশিকতার এক অপূর্ব সমন্বয়।
a ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ
b ৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ
c ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ
d ৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের রচনাকাল নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের রচনাকাল হলো সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি অর্থাৎ ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ। তিনি ভাষা ও তত্ত্বগত বিচার বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত উপনীত হন যে চর্যাপদের প্রাচীনতম পদটি সপ্তম শতকে রচিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: চর্যাপড বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যগ্রন্থ ও গান সংকলন। এটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটির লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও ভাষাতত্ত্বের একজন প্রবাদপ্রতীম পণ্ডিত। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে চর্যাপদ গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: চর্যাপদের আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরোনো। এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে সর্বস্বীকৃত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের চর্যাপদের রচনাকাল নির্ধারণ। ব্যাখ্যা: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক গবেষণা অনুযায়ী চর্যাপদের রচনাকাল হলো ৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর চর্যাপদ আবিষ্কার। ব্যাখ্যা: ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রাচীন বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতির অমূল্য সন্ধান পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ — ড. সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের রচনাকাল হলো দশম শতাব্দী। এই অপশনটি অন্য একজন প্রধান গবেষকের মত হলেও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নির্দিষ্ট মতের সঙ্গে মেলে না। B) ৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ — এই সালটি চর্যাপদের রচনাকালের ক্ষেত্রে কোনো প্রধান ভাষাবিদের নির্ধারিত প্রামাণ্য সাল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। এটি পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য একটি কাল্পনিক অপশন। C) ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের সঠিক রচনাকাল এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর। D) ৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ — আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি হলেও এটি সুনির্দিষ্টভাবে কোনো গবেষকের একক ও সর্বজনগ্রাহ্য মত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নামের সঙ্গে ৬৫০ সংখ্যাটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো শহীদুল্লাহর শ দিয়ে শুরু হয় এবং ৬৫০ এর প্রথম অঙ্ক ছয়। সুনীতিকুমারের সময়কাল ৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ আর শহীদুল্লাহর সময়কাল ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ এভাবে পাশাপাশি তুলনা করে পড়লে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের রচনাকাল কার মতে কত তা বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে চর্যাপদ কে আবিষ্কার করেন অথবা চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা কত।
a ৬০ টি
b ৬১ টি
c ৬৩ টি
d ৬২ টি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬২ টি ১. কেন সঠিক: - ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য বলতে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের বিশেষ বৈশিষ্ট্যযুক্ত পণ্যকে বোঝায় যা ওই অঞ্চলের ঐতিহ্য বহন করে। - শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর বাংলাদেশে এই জিআই পণ্যের স্বীকৃতি ও নিবন্ধন প্রদান করে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে জামদানি শাড়ি স্বীকৃতি পায় এবং পরবর্তীতে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য আইন ২০১৩ প্রণীত হয়। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর বাংলাদেশের জিআই পণ্যের জন্য আবেদন গ্রহণ ও মেধাসম্পদ রক্ষা করে থাকে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জিআই পণ্যের স্বীকৃতি অর্জনের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী হয় এবং রপ্তানি বাণিজ্যে সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিচিতি নিশ্চিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য যা এই অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটির কারণে বিশেষ মিষ্টি স্বাদের হয়। উদাহরণ ২: রংপুরের শতরঞ্জি ব্যাখ্যা: এটি হস্তশিল্পের একটি অনন্য জিআই পণ্য যা বাংলাদেশের লোকশিল্প ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬০ টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান হালনাগাদ তথ্যের সঙ্গে মিলে না কারণ সাম্প্রতিক সময়ে নিবন্ধিত পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। B) ৬১ টি — এটি সঠিক মোট সংখ্যার চেয়ে কম এবং সাম্প্রতিক জিআই পণ্যের স্বীকৃতির হিসাবের সঙ্গে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ৬৩ টি — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত গণনা করা হয়েছে যা পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের প্রকৃত প্রজ্ঞাপনের চেয়ে বেশি। D) ৬২ টি — এটি বর্তমান প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত মোট ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের সঠিক সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জিআই পণ্যের সংখ্যা হলো বাষ্পীয় বা ছয় দুই বা ৬২ টি। - প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি এবং সাম্প্রতিক স্বীকৃতির সংখ্যা মিলিয়ে সংখ্যাটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম জিআই পণ্য এবং সর্বশেষ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - আন্তর্জাতিক মেধাসম্পদ সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী দেশের ঐতিহ্য রক্ষা ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
a চীন
b বাংলাদেশ
c ভিয়েতনাম
d ভারত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সাম্প্রতিক বাণিজ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী বৈশ্বিক তৈরি পোশাক বা টেক্সটাইল রপ্তানিতে চীন দীর্ঘকাল ধরে বিশ্বে এককভাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। - বিশাল উৎপাদন সক্ষমতা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং কাঁচামালের সহজলভ্যতার কারণে চীন বিশ্ববাজারে পোশাক সরবরাহে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ২. বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য: - দেশ/সংস্থা: চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং শীর্ষস্থানীয় ম্যানুফ্যাকচারিং ও রপ্তানিকারক দেশ। - প্রেক্ষাপট: সস্তা শ্রম এবং বৃহৎ আকারের কারখানা ব্যবস্থার কারণে নব্বইয়ের দশক থেকে চীন বিশ্ব পোশাক বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: তৈরি পোশাক শিল্প বিশ্ব অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং এটি দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। উদাহরণ ২: ভিয়েতনাম ব্যাখ্যা: ভিয়েতনাম সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পোশাক রপ্তানিতে দ্রুত উন্নতি করে বৈশ্বিক বাজারে চীনের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী তৈরি পোশাক রপ্তানিতে এই দেশটি বিশ্ববাজারে প্রথম স্থান অধিকার করে আছে। B) বাংলাদেশ — এটি ভুল উত্তর কারণ বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, প্রথম নয়। C) ভিয়েতনাম — এটি ভুল উত্তর কারণ বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের অবস্থান সাধারণত তৃতীয় বা এর কাছাকাছি, শীর্ষস্থানে নয়। D) ভারত — এটি ভুল উত্তর কারণ বিশ্ব বাজারে পোশাক ও টেক্সটাইল রপ্তানিতে ভারত চীনের পেছনে এবং শীর্ষস্থান দখলকারী দেশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্ব বাণিজ্যের যেকোনো বড় উৎপাদন ও রপ্তানি সূচকে চীনকে সাধারণত প্রথম ধরে নেওয়া নিরাপদ, কারণ তারা পৃথিবীর শীর্ষ কারখানা হিসেবে পরিচিত। - বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) প্রতিবেদন অনুযায়ী বৈশ্বিক পোশাক বাজারে শীর্ষ দেশগুলোর অবস্থান প্রায়ই প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বৈশ্বিক বাণিজ্য, রপ্তানি এবং অর্থনৈতিক শীর্ষ দেশগুলো সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
a জাপান
b ভিয়েতনাম
c চীন
d দক্ষিণ কোরিয়া
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান ১. কেন সঠিক: সামুরাই শব্দটি জাপানের প্রাক-আধুনিক সামরিক বা যোদ্ধা শ্রেণীর সদস্যদের বোঝাতে ঐতিহাসিক ও পারিভাষিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। সামুরাই সংস্কৃতি জাপানের প্রাচীন সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এবং বুশিডো নামক কঠোর সামরিক নৈতিক কোডের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: জাপান প্রেক্ষাপট: দ্বাদশ শতাব্দী থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত জাপানে সামুরাইরা দেশ শাসন ও সামরিক সুরক্ষায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। গুরুত্ব: মেইজি পুনর্গঠনের মাধ্যমে আধুনিকীকরণ শুরু হলে সামুরাই শ্রেণীর পতন ঘটে এবং জাপানি সেনাবাহিনী আধুনিক রূপ লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুশিডো কোড ব্যাখ্যা: এটি সামুরাইদের জীবনযাপন, আনুগত্য এবং আত্মত্যাগের নিয়মাবলী নির্দেশ করত, যা আজও জাপানি সংস্কৃতির মূল ভিত্তি। উদাহরণ ২: মেইজি সংস্কার ব্যাখ্যা: ১৮৬৮ সালের এই সংস্কারের মাধ্যমে সামুরাই প্রথার অবসান ঘটে এবং জাপান একটি আধুনিক শিল্পোন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এই অপশনটি সঠিক কারণ সামুরাই ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি সরাসরি জাপানের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। B) ভিয়েতনাম — এই দেশের ইতিহাস ভিন্ন ধরনের গেরিলা যুদ্ধ ও ফরাসি বা আমেরিকান উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের জন্য পরিচিত, সামুরাই সংস্কৃতির সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। C) চীন — এই দেশে সামুরাইয়ের পরিবর্তে সাম্রাজ্যবাদী শাসনব্যবস্থায় ম্যান্ডারিন বা বিভিন্ন রাজবংশীয় সেনাদল প্রভাব বিস্তার করেছিল। D) দক্ষিণ কোরিয়া — এই উপদ্বীপের ঐতিহাসিক সামরিক শ্রেণী ও সংস্কৃতি জাপানের সামুরাই প্রথা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: সামুরাই শুনলেই জাপানি অ্যানিমে, তরবারি এবং নিনজা সংস্কৃতির কথা মাথায় আনবে। জাপানের ঐতিহাসিক যোদ্ধা শ্রেণী হিসেবে সামুরাই নামটি চিরকাল স্মরণ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের ঐতিহাসিক উপাধি বা যোদ্ধা শ্রেণী সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। জাপানের প্রাচীন যোদ্ধা শ্রেণী কী নামে পরিচিত ছিল, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন রূপ নিয়ে পরীক্ষায় আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (19)

a এয়াকুব আলী চৌধুরী
b কাজী এমদাদুল হক
c সৈয়দ এমদাদ আলী
d মোজাম্মেল হক
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোজাম্মেল হক ১. কেন সঠিক: - কবি মোজাম্মেল হক ফার্সি সাহিত্যের মহাকাব্য শাহনামার বাংলা অনুবাদ করেন। - এটি মূলত ফার্সি ভাষার বিখ্যাত কবি ফেরদৌসীর অমর মহাকাব্যের বাংলা রূপান্তর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মোজাম্মেল হক বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত অনুবাদক ও সাহিত্যিক ছিলেন। - তার অনূদিত শাহনামা বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের কাছে প্রাচ্যের বীরগাথা পরিচিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কায়কোবাদের মহাশ্মশান কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর রচিত। উদাহরণ ২: হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৃত্রসংহার কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের আরেকটি ধ্রুপদী মহাকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এয়াকুব আলী চৌধুরী — ইনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক হলেও শাহনামা অনুবাদ করেননি। B) কাজী এমদাদুল হক — ইনি মূলত শিক্ষা সংস্কারক ও সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত, শাহনামার অনুবাদক নন। C) সৈয়দ এমদাদ আলী — ইনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন সংগঠক ও লেখক, এই অনুবাদক নন। D) মোজাম্মেল হক — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি শাহনামা অনুবাদ করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শাহনামা মহাকাব্যের অনুবাদক মনে রাখতে নামের শেষাংশের হক শব্দটি মনে রাখতে পারেন। - ফেরদৌসীর শাহনামা অনুবাদ করেছেন মোজাম্মেল হক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি সাহিত্যের অনুবাদক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল গ্রন্থ এবং অনুবাদকের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর।
a করণে শূন্য
b কর্তৃকারকে শূন্য
c কর্মকারকে শূন্য
d অপাদানে শূন্য
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মকারকে শূন্য কেন সঠিক: - বাক্যে ডাক্তারকে ডাকার কথা বলা হয়েছে এবং এখানে ডাক্তার পদটি কর্মকারক। - ডাক্তার শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। - শব্দের সাথে অ বা কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়। - ডাক্তার ডাক মানে ডাক্তারকে ডাক, এখানে ডাক্তার কর্মপদ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) করণে শূন্য — দ্বারা দিয়া মাধ্যম বোঝালে করণ কারক হয়, যা এখানে নেই। - B) কর্তৃকারকে শূন্য — কর্তা নিজে কাজ করলে কর্তৃকারক হয়, কিন্তু এখানে ডাক্তার নিজে কাজ করছে না বরং তাকে ডাকার কথা বলা হয়েছে। - C) কর্মকারকে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। - D) অপাদানে শূন্য — কোনো কিছু বিচ্যুত ভীত রক্ষিত হলে অপাদান কারক হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: - কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা কর্মকারক হয়।
a জ্ঞানদাস
b চণ্ডীদাস
c বিদ্যাপতি
d শ্রীচৈতন্য
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - এই পদটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের পদাবলী সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত একটি উদ্ধৃতি, যা সখী বা রাধার জবানিতে উচ্চারিত হয়েছে। - এখানে শ্যাম অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণের নাম শোনার পর রাধার মনের ভাব এবং ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে, যা মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর মূল সুর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্তর্গত একটি পদ, যার রচয়িতা হিসেবে দ্বিজ চণ্ডীদাসের নাম সর্বাধিক স্বীকৃত। - বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা মানুষের আত্মাকে পরমাত্মার সঙ্গে মিলনের আকুলতা হিসেবে রূপক আকারে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সই কেমনে ধরিব হিয়া আমার এমনও হৃদয় বিদরে। ব্যাখ্যা: এটিও চণ্ডীদাসের লেখা একটি বিখ্যাত বৈষ্ণব পদ, যেখানে রাধার বিরহ ও মনের আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: পিরিতি বিষম বিষ কে না চেনে। ব্যাখ্যা: এই পংক্তিটি চণ্ডীদাসের রাধা-কৃষ্ণের প্রেম বিষয়ক পদের অন্তর্ভুক্ত, যা প্রেমের গভীরতা ও যন্ত্রণাকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা হলেও এই বিখ্যাত পদের রচয়িতা তিনি নন, তার পদগুলোতে রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণের বিচার দেখা যায়। B) চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ বৈষ্ণব পদাবলীর এই পদটি চণ্ডীদাসের ভণিতাযুক্ত এবং তার রচনা হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। C) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি এবং তার পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত, অথচ এই পদটি বাংলা ভাষার প্রাকৃত রূপের কাছাকাছি। D) শ্রীচৈতন্য — শ্রীচৈতন্যদেব মধ্যযুগের বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ও মহাপ্রভু ছিলেন, তিনি কোনো পদাবলী রচনা করেননি বরং তার ভক্তরা তার জীবন ও বাণী প্রচার করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্যাম নামের মধুরতা এবং মনের আকুলতা সম্পর্কিত বিখ্যাত পদের জন্য চণ্ডীদাসের নাম মনে রাখবে। - চণ্ডীদাসের পদে রাধার আকুলতা এবং সহজ সরল ভাবের প্রকাশ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈষ্ণব পদাবলীর বিখ্যাত পংক্তিগুলো কার রচনা, তা প্রায়ই আসে। - পদাবলীর ক্ষেত্রে ভণিতা লক্ষ করতে হয় কারণ প্রতিটি পদের শেষে কবির নাম বা ভণিতা উল্লেখ থাকে।
a ২০টি
b ২২টি
c ৩২টি
d ২৩টি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৩টি ১. কেন সঠিক: ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ ডিনেশচন্দ্র সেন সংকলিত বাংলা লোকসাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ এবং এটি বিশ্বের মোট তেইশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এই বিশ্বজনীন সাহিত্যকর্মটি বাংলার গ্রামীণ মানুষের সহজ সরল জীবন এবং লোকায়ত সংস্কৃতির বিশ্বজোড়া পরিচিতি বহন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দিনেশচন্দ্রের সম্পাদনায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই সংকলনটি প্রকাশিত হয় এবং এর লোকসাহিত্য বিশদভাবে মূল্যায়িত হয়। পল্লীবাংলার মরমী সুর ও লোকগাথার এই সংকলনটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমাদর লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়ার পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ট্র্যাজিক প্রেমের পালা। উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা ব্যাখ্যা: নারীর আত্মত্যাগ ও গ্রামীণ সমাজের চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য এই পালাটি বিশ্বসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০টি — এই সংখ্যাটি ময়মনসিংহ গীতিকার অনূদিত ভাষার সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না। B) ২২টি — প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী অনূদিত ভাষার সঠিক সংখ্যা এটি নয়। C) ৩২টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং সাহিত্যিক তথ্যের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। D) ২৩টি — এটিই সঠিক পরিসংখ্যান যা বিশ্বজুড়ে অনূদিত ভাষার প্রকৃত সংখ্যা নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকা অনূদিত হয়েছে তেইশটি ভাষায়, সংখ্যাটি মনে রাখতে দুই এবং তিন অর্থাৎ তেইশ মনে রাখতে হবে। লোকসাহিত্যের এই আন্তর্জাতিক গৌরব অর্জনের সংখ্যাটি পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা লোকসাহিত্যের আন্তর্জাতিক পরিধি বুঝতে এই ধরনের পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। সংকলক দিনেশচন্দ্র সেন এবং এর প্রকাশকাল সম্পর্কিত তথ্যগুলোও একই সঙ্গে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a হাসান আজিজুল হক
b আলাউদ্দীন আল আজাদ
c সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
d শওকত ওসমান
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শওকত ওসমান ১. কেন সঠিক: - কীতদাসের হাসি একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - এই উপন্যাসে মানুষের মৌলিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং পরাধীনতার বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যে এক জন সমাজসচেতন ও প্রগতিশীল লেখক হিসেবে পরিচিত যিনি উপন্যাসে রাজনৈতিক ও সামাজিক অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। - কীতদাসের হাসি উপন্যাসটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম যেখানে তৎকালীন শোষণমূলক সমাজব্যবস্থার রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাঙ্গী ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অমর উপন্যাস যা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান আজিজুল হক — হাসান আজিজুল হক প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও কীতদাসের হাসি তার রচনা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস আগুনের পরশমণি বা বৃত্তায়ন নয় বরং আগুনপাখি। B) আলাউদ্দীন আল আজাদ — আলাউদ্দীন আল আজাদ একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসটি তার নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস ক্ষুধা ও আশা এবং নাটক তিতুমীর। C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিখ্যাত আধুনিক ঔপন্যাসিক হলেও কীতদাসের হাসি তার সৃষ্টি নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো। D) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান এই উপন্যাসের সঠিক রচয়িতা বিধায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক ও গ্রহণযোগ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের নামের সঙ্গে কীতদাসের হাসি এবং ক্রীতদাস সমাজের মিল খুঁজে মনে রাখা যায়। - তার প্রায় সব উপন্যাসে সমাজের বঞ্চিত মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও প্রতিবাদের সুর থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত ওসমানের উপন্যাসগুলোর নাম প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে কীতদাসের হাসি, জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং বনী আদম উপন্যাসগুলো খুব ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ধর্মীয়
b প্রেমাখ্যান
c রূপকথা
d পালা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রেমাখ্যান ১. কেন সঠিক: পদ্মাবতী হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান বা প্রেমাখ্যান ধারার একটি মহাকাব্যিক রচনা। এই কাব্যের মূল কাহিনীতে নরনারীর প্রেমের আকূতি এবং নানা বাধা বিপত্তি পেরিয়ে প্রেমের মিলন অর্জনের বিষয়টি প্রধান হয়ে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি আলাওল ষোল শতকের মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও অনুবাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত। মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে তিনি এই কাব্য রচনা করেন যেখানে আধ্যাত্মিক সাধনা ও পার্থিব প্রেমের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের মুসলিম কবি রচিত একটি বিখ্যাত প্রেমাখ্যান জাতীয় কাব্য। উদাহরণ ২: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ গরিবুল্লাহ ও অন্যান্য কবি রচিত এই কাব্যটিও প্রেমাখ্যান ধারার অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধর্মীয় — পদ্মাবতী কোনো সরাসরি ধর্মীয় শাস্ত্র বা ধর্ম প্রচারমূলক গ্রন্থ নয় যদিও এতে সুফিবাদের প্রছন্ন প্রভাব রয়েছে। C) রূপকথা — এটি কোনো কাল্পনিক বা লোকজ রূপকথা নয় বরং এটি ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত প্রণয়মূলক কাব্য। D) পালা — পালা গান বা পালাসাহিত্য মূলত লোকসংস্কৃতির অংশ যা এই মহাকাব্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাওলের পদ্মাবতী নাম শুনলেই মাথায় রাখবে এটি প্রেম ও বিরহের কাব্য অর্থাৎ প্রেমাখ্যান। মধ্যযুগের প্রণয়মূলক কাব্যগুলো মূলত প্রেমকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের প্রথম কবি হলেন শাহ মোহাম্মদ সগীর এবং তার বিখ্যাত কাব্য ইউসুফ জোলেখা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধারার কবি ও কাব্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a চৌকশ
b চৌকস
c কী
d বালক
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চৌকস ১. কেন সঠিক: - যে শব্দ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। - চৌকস শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দক্ষতা, নিপুণতা বা গুণের প্রকাশ ঘটায়, যা বিশেষণ পদের সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পদ প্রকরণে বিশেষণ হলো সেই পদ যা বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা ও মাত্রা নির্দেশ করে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের প্রমিত ও সঠিক রূপ হলো চৌকস, যেখানে শেষ বর্ণে মূর্ধন্য স যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চালাক বালক ব্যাখ্যা: এখানে চালাক শব্দটি বালকের গুণ প্রকাশ করায় এটি একটি বিশেষণ পদ। উদাহরণ ২: লাল শাড়ি ব্যাখ্যা: এখানে লাল শব্দটি শাড়ির রঙ বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৌকশ — এটি বানানগতভাবে প্রমিত রূপ নয় কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দে মূর্ধন্য স ব্যবহার করতে হয়। C) কী — এটি একটি সর্বনাম পদ বা অব্যয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো গুণবাচক বিশেষণ পদ নয়। D) বালক — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো জাতি বা শ্রেণির নাম বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ শোনার পর যদি প্রশ্ন করা যায় কেমন বা কতটুকু, এবং তার উত্তর পাওয়া যায়, তবে সেটি বিশেষণ পদ হবে। - চৌকস শব্দটি মনে রাখার জন্য দক্ষ বা নিপুণ শব্দের সমার্থক হিসেবে একে বিশেষণ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দগুলোর প্রমিত বানান এবং পদের শ্রেণিবিভাগ একসঙ্গে জানতে চাওয়া হয়। - বিশেষণের প্রকারভেদ যেমন গুণবাচক, অবস্থাবাচক ও পরিমাণবাচক বিশেষণ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ইয়াসুন
b সিকান্দ্রা
c কাবুল
d আগ্রা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাবুল ১. কেন সঠিক: - মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর প্রথম জীবনে ভারতের আগ্রায় মারা গেলেও তাঁর অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁর মরদেহ পরবর্তীতে আফগানিস্তানের কাবুলে স্থানান্তরিত করা হয়। - কাবুলের বাগিচা ঘেরা যে স্থানে তাঁর সমাধি অবস্থিত, তা বাবরনামা এবং মুঘল ইতিহাসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক স্থান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি তথা মুঘল আমলের ইতিহাস সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই আসে। - মুঘল সম্রাটদের মধ্যে বাবর ছিলেন প্রথম যিনি ভারতে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর আত্মজীবনী বাবরনামা তুর্কি ভাষায় রচিত বিশ্বসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের সমাধি। ব্যাখ্যা: হুমায়ুনের সমাধি ভারতের দিল্লিতে অবস্থিত এবং এটি মুঘল স্থাপত্যের অন্যতম এক অপূর্ব নিদর্শন। উদাহরণ ২: মুঘল সম্রাট আকবরের সমাধি। ব্যাখ্যা: সম্রাট আকবরের সমাধি ভারতের উত্তর প্রদেশের সিকান্দ্রা নামক স্থানে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াসুন — এই অপশনটি সম্রাট বাবরের সমাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক স্থান। B) সিকান্দ্রা — সিকান্দ্রা ভারতের আগ্রার কাছে অবস্থিত এবং এটি মুঘল সম্রাট আকবরের সমাধিস্থল, বাবরের নয়। D) আগ্রা — সম্রাট বাবর প্রথমে আগ্রার আরামবাগে সমাহিত হলেও পরে তাঁর মরদেহ কাবুলে সরিয়ে নেওয়া হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুঘল সম্রাটদের মধ্যে একমাত্র বাবর এবং বাহাদুর শাহ জাফরের সমাধি ভারতের বাইরে অবস্থিত, বাবরের সমাধি কাবুলে এবং শেষ মুঘল সম্রাট জাফরের সমাধি ইয়াংগুনে। - প্রথম সম্রাট বাবর ভারত জয় করলেও তাঁর মন পড়েছিল কাবুলে, তাই তাঁর কবরও কাবুলেই অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্রাট বাবরের আত্মজীবনীর নাম বাবরনামা বা তুজুক ই বাবরী, যা তুর্কি ভাষায় রচিত। - ইতিহাসভিত্তিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্রাটদের সমাধিস্থল প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a নেমেসিস
b সোনার তরী
c গড্ডালিকা
d কন্যাকুমারী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কন্যাকুমারী ১. কেন সঠিক: - কন্যাকুমারী একটি উপন্যাস, যা বাংলা কথাসাহিত্যে একটি পরিচিত সৃষ্টি। - প্রশ্নে উপন্যাস কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং কন্যাকুমারী ছাড়া বাকিগুলো অন্য সাহিত্যরূপের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কন্যাকুমারী প্রখ্যাত সাহিত্যিক গজেন্দ্রকুমার মিত্র রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজজীবন ও মানুষের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চোখের চশমা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেমেসিস — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, উপন্যাস নয়। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস নয়। C) গড্ডালিকা — এটি পরশুরাম খ্যাত রাজশেখর বসুর লেখা একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ছোটগল্প সংকলন, উপন্যাস নয়। D) কন্যাকুমারী — এটি উপন্যাস হওয়ার কারণে এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপন্যাসের নাম মনে রাখতে লেখকের নাম এবং রচনার ধরন একসাথে ছক করে পড়তে পারো। - নাটকের সাথে উপন্যাসের পার্থক্য বুঝতে রচনার মূল গঠন লক্ষ্য রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাটক, উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - তাই সাহিত্যকর্মের নাম দেখার সাথে সাথে তার শ্রেণি বা ধরন ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
a ৩৬ টি
b ৩৮ টি
c ৩৯ টি
d ৩৭ টি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৭ টি কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক ধ্বনি সাঁইত্রিশটি নির্ধারিত হয়েছে। এর মধ্যে স্বরধ্বনি সাতটি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ত্রিশটি যুক্ত রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় অনেক ধ্বনি থাকলেও মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা নির্দিষ্ট। ভাষা বিজ্ঞানীরা মুখবিবরের সাহায্যে উচ্চারित স্বতন্ত্র ধ্বনিগুলোকে মৌলিক হিসেবে গণ্য করেন। যেমন অ আ ই উ এ ও এয়া হলো মৌলিক স্বরধ্বনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৬ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনির সঠিক গণনার সাথে মিলে না। B) ৩৮ টি — বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা আটত্রিশটি নয়। C) ৩৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক স্বর বা ব্যঞ্জনধ্বনির কোনো নির্দিষ্ট মাপকাঠি নয়। D) ৩৭ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনি ঠিক সাঁইত্রিশটি রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলা মৌলিক ধ্বনি সাত যোগ ত্রিশ সমান সাঁইত্রিশ এই সূত্র মনে রাখবে। স্বরধ্বনি সাতটি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ত্রিশটি মিলে মোট সাঁইত্রিশটি মৌলিক ধ্বনি হয়।
a সংস্কৃত উপসর্গ
b বিদেশি উপসর্গ
c উপমান স্থানীয় অব্যয়
d বাংলা উপসর্গ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত উপসর্গ ১. কেন সঠিক: 'প্র', 'পরা', 'অপ' হলো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ হলো বিশটি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব অব্যয়সূচক শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা উপসর্গগুলোকে সংস্কৃত উপসর্গ বলা হয় এবং এগুলোর সংখ্যা বিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার। ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে মূল ধাতু 'হার' এর অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে। উদাহরণ ২: অপ + মান = অপমান। ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে 'মান' শব্দের বিপরীতার্থক বা নতুন ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত উপসর্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'প্র, পরা, অপ' সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। B) বিদেশি উপসর্গ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিদেশি উপসর্গগুলো আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে, সংস্কৃত থেকে নয়। C) উপমান স্থানীয় অব্যয় — এই অপশনটি ভুল কারণ উপমান কর্মধারয় সমাসের সঙ্গে এই পদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি কোনো ব্যাকরণিক শ্রেণি নয়। D) বাংলা উপসর্গ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় খাটি বাংলা উপসর্গ কুড়িটি, যার মধ্যে 'প্র, পরা, অপ' অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি মুখস্থ রাখার সহজ ছন্দ হলো প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি পরি। এর মধ্যে প্র, পরা ও অপ প্রথম দিকেই রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় তৎসম উপসর্গের সংখ্যা বিশটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি। এই সংখ্যাগুলো বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a না - বাচক
b হ্যাঁ - বাচক
c প্রশ্নবোধক
d বিস্ময়সূচক
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রশ্নবোধক ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে না শব্দটি কোনো কিছু অস্বীকার করছে না, বরং বক্তার অবাক হওয়া বা নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রশ্ন করার ভাব প্রকাশ করছে। - সাধারণ অর্থে না বাচক শব্দ হলেও বিশেষ বাক্যে সুরের ওঠানামার মাধ্যমে এটি হ্যাঁ বোধক উত্তরের প্রত্যাশা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে কখনো কখনো না কিংবা কি শব্দ অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে প্রশ্নবোধক বাক্যের সৃষ্টি করে। - এই ধরনের বাক্যে না ব্যবহার করলে তার মাধ্যমে শ্রোতার কাছ থেকে একটি হ্যাঁ সূচক বা নিশ্চিত করার উত্তর আশা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি না সেদিন ঢাকা গিয়েছিলে? ব্যাখ্যা: এখানে না শব্দটি ব্যবহার করে অতীতের একটি ঘটনা নিশ্চিত করার জন্য প্রশ্ন করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সে না কাল পরীক্ষা দেবে বলেছিল? ব্যাখ্যা: এই বাক্যে না শব্দটি নিশ্চিত হওয়ার উদ্দেশ্যে প্রশ্নবোধক অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) না - বাচক — এই বাক্যে না শব্দটি কোনো কিছু অস্বীকার বা নিষেধ করার অর্থে ব্যবহার করা হয়নি। B) হ্যাঁ - বাচক — না শব্দটি সরাসরি হ্যাঁ বোধক কোনো শব্দ নয়, এটি প্রশ্ন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। D) বিস্ময়সূচক — যদিও এখানে সামান্য বিস্ময় থাকতে পারে, তবে মূল ব্যাকরণগত কাজ হলো প্রশ্ন করা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের শুরুতে বা মাঝে না বসে যদি হ্যাঁ বোধক উত্তর প্রত্যাশা করে, তবে তা প্রশ্নবোধক অব্যয় হিসেবে গণ্য হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাক্যের ক্ষেত্রে না বা কি থাকলে তা মূলত প্রশ্নবোধক অব্যয় হিসেবে কাজ করে।
a কিন্তু
b একাদশ
c কুলটা
d নিশ্চয়
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একাদশ কেন সঠিক: - একাদশ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে কোনো সাধারণ ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম খাটে না। - এটি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম মেনে গঠিত না হয়ে প্রাকৃত ভাষা থেকে সরাসরি এসেছে বলে নিপাতনে সিদ্ধ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সব সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে চলে না এবং প্রচলিত নিয়মের বাইরে সাধিত হয়, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। - ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে এই বিশেষ রূপ গঠিত হয়। - এর অন্যান্য বিখ্যাত উদাহরণ হলো পরস্পর, বৃহস্পতি, পরিষ্কার, তস্কর ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কিন্তু — এটি কি+তু যুক্ত হয়ে ম এর স্থানে অনুস্বার হওয়াজনিত সাধারণ ব্যঞ্জন সন্ধি। - B) একাদশ — এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধির সঠিক উদাহরণ হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। - C) কুলটা — এটি কুল+অটা মিলে গঠিত হলেও এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ। - D) নিশ্চয় — এটি নিঃ+চয় মিলে গঠিত বিসর্গ সন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম। মনে রাখার টিপস: - একাদশ, পরস্পর, বৃহস্পতি শব্দগুলো দেখলে নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি হিসেবে ধরে নেবে। - সন্ধি বিচ্ছেদ করার পর যদি কোনো পরিচিত নিয়মের সাথে না মিলে, তবে তা নিপাতনে সিদ্ধ হবে।
a ১১ টি
b ৩৯ টি
c ৫০ টি
d ৮ টি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা পঞ্চাশটি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি মিলে মোট পঞ্চাশটি বর্ণ তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালাকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। স্বরবর্ণ হলো স্বাধীনভাবে উচ্চারিত ধ্বনির প্রতীক এবং ব্যঞ্জনবর্ণ হলো স্বরবর্ণের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনির প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ — এগুলো স্বরবর্ণের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই বর্ণগুলো অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। উদাহরণ ২: ক, খ, গ, ঘ — এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় স্বরবর্ণের সাহায্য নিতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ টি — এটি কেবল বাংলা বর্ণমালায় থাকা স্বরবর্ণের সংখ্যা, মোট বর্ণ নয়। B) ৩৯ টি — এটি কেবল বাংলা বর্ণমালায় থাকা ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, মোট বর্ণ নয়। C) ৫০ টি — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট সঠিক সংখ্যা। D) ৮ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার কোনো অংশের সঙ্গেই মিলrelated নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি যোগ করলে মোট পঞ্চাশ হয়। ১১ + ৩৯ = ৫০ এই হিসাবটি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে মোট বর্ণ এবং স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের আলাদা সংখ্যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তাই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a ১৭৫০-১৮৫০
b ১৭৬০-১৮৬০
c ১৯০০-১৯৫০
d ১৯৫১-২০০০
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৬০-১৮৬০ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে অবক্ষয় যুগ বলা হয়। এই সময়ে মানসম্মত কোনো বড় সাহিত্যকর্ম রচিত হয়নি এবং মধ্যযুগের ধারার পতন ঘটেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই শতকে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কোম্পানির শাসন চালুর ফলে সাহিত্যের ক্ষেত্রে এক স্থবিরতা নেমে আসে। মঙ্গলকাব্য ও রোমান্স ধারার অবক্ষয় এবং আধুনিক যুগের সূচনার আগের এই সময়টিকে অন্ধকার বা অবক্ষয়ের যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র এই যুগের শুরুতে অবস্থান করলেও তাঁর পরবর্তী সময়ে দীর্ঘকাল মানসম্মত কাব্যের সৃষ্টি বন্ধ ছিল। উদাহরণ ২: মঙ্গলকাব্য ধারা ব্যাখ্যা: অবক্ষয় যুগের ঠিক আগে মঙ্গলকাব্য ধারার চরম জনপ্রিয়তা থাকলেও এই যুগে এসে তা তার আবেদন হারিয়ে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৫০-১৮৫০ — এই সময়সীমাটি বাংলা সাহিত্যের অবক্ষয় যুগের প্রমিত বা পরীক্ষামূলকভাবে গৃহীত সময়কাল নয়। B) ১৭৬০-১৮৬০ — এটিই বাংলা সাহিত্যের অবক্ষয় যুগের সঠিক এবং প্রমিত সময়কাল হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে স্বীকৃত। C) ১৯০০-১৯৫০ — এই সময়কালটি আধুনিক যুগের রবীন্দ্রোত্তর ও বিশ শতকী আধুনিক কবিতার স্বর্ণালী সময়। D) ১৯৫১-২০০০ — এই সময়কালটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সমসাময়িক কাল, ভাষা আন্দোলন ওাত্তর এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সাহিত্যের সময়। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো পলাশীর যুদ্ধের পর অর্থাৎ ১৭৬০ সাল থেকে একশো বছরকে অবক্ষয় যুগ হিসেবে ধরা হয়। এই একশো বছর বাংলা সাহিত্যের জন্য একটি স্থবির সময় ছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগ। অবক্ষয় যুগ বা অন্ধকার যুগ মধ্যযুগের শেষ ভাগ ও আধুনিক যুগের ঠিক আগের একটি ক্রান্তিকাল।
a পানি
b স্ত্রীলোক
c পারি না
d খড়ের শেষাংশ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্ত্রীলোক ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে দুটি শব্দের মধ্যে ধ্বনিগত সাদৃশ্য বা শ্রুতিমধুরতার সম্পর্ক দেখানো হয়েছে, যা বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি মজার দিক। - নাড়ী শব্দের অর্থ শিরা বা ধমনী, আর দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত নারী শব্দের অর্থ অবলা, ললনা বা স্ত্রীলোক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বা জোড় শব্দ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন, যেখানে সামান্য বানানভেদে অর্থের বিশাল পরিবর্তন ঘটে। - বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দগুলোকে প্রায়শই শুদ্ধ বানান ও শব্দার্থ নির্ণয়ের জন্য গুরুত্ব দেওয়া হয়, কারণ সামান্য কার চিহ্নের ভুলের কারণে পুরো বাক্যের অর্থ বদলে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি মানে জল, পাণি মানে হাত। ব্যাখ্যা: দীর্ঘ স্বরবর্ণ বা কার চিহ্নের পার্থক্যের কারণে শব্দের অর্থে এই আকাশসম তফাত তৈরি হয়। উদাহরণ ২: অনু মানে পশ্চাৎ বা কণা, অণু মানে পরমাণু। ব্যাখ্যা: বানানের ক্ষুদ্র পরিবর্তনে শব্দের অর্থের এই ভিন্নতা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি — এই অপশনটি ভুল কারণ পানি শব্দের অর্থ জল, যা নারী শব্দের অর্থ নয়। B) স্ত্রীলোক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নারী শব্দের প্রমিত অর্থ। C) পারি না — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো শব্দের অর্থ নয়, বরং একটি অসমর্থসূচক বাক্য বা বাক্যাংশ। D) খড়ের শেষাংশ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি অন্য কোনো প্রবাদ বা বাগধারার অংশ হতে পারে, কিন্তু নারী শব্দের অর্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নারী বানানটিতে দীর্ঘ ঈ-কার আছে, যা মনে রাখতে পারেন যে নারী বা স্ত্রীলোকদের ক্ষেত্রে দীর্ঘ জীবন বা বিশেষ সম্মান বোঝাতে দীর্ঘ ই ব্যবহার হয়। - নাড়ী (শির বা নাড়ি) অর্থে চন্দ্রবিন্দু বা হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বা জোড় শব্দ খুব কমন। - বানান ও অর্থ একসাথে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই কমন ফেলা সম্ভব।
a বৃহৎ
b ক্ষুদ্রতম
c বর্ধমান
d কোনটিই নয়
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ধমান ১. কেন সঠিক: - ক্ষীয়মাণ শব্দের অর্থ যা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে বা হ্রাস পাচ্ছে। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন শব্দ প্রয়োজন যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বাড়ছে বোঝায়। - বর্ধমান শব্দের অর্থ যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা ক্রমবর্ধিষ্ণু, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থের বিপরীত ধারাটি বিবেচনা করতে হয়। - বিশেষ করে সংস্কৃত উৎসের শব্দগুলোর ক্ষেত্রে তৎসম বা সমজাতীয় বিপরীত শব্দ নির্বাচন করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য সবসময় অস্তমিত হয় না, কখনো উদিতও হয়। ব্যাখ্যা: উদিত শব্দটি ক্ষীয়মাণ বা অস্তমিত শব্দের বিপরীত অর্থ বহন করে। উদাহরণ ২: মানুষের চাহিদা সীমিত নয়, বরং তা বর্ধনশীল। ব্যাখ্যা: বর্ধনশীল বা বর্ধমান একই ধরনের ক্রমবৃদ্ধির ধারণা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃহৎ — বৃহৎ শব্দের অর্থ বড়, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে সরাসরি মানানসই নয়। B) ক্ষুদ্রতম — ক্ষুদ্রতম বলতে সবচেয়ে ছোট বোঝায়, যা পরিমাণের দিক থেকে ছোট হলেও ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার গতির বিপরীত নয়। C) বর্ধমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণে ভুল নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্ষ দিয়ে শুরু ক্ষীয়মাণ মানে যা কমে যায়, আর ব দিয়ে শুরু বর্ধমান মানে যা বেড়ে যায়। কমার বিপরীত বাড়া সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দগুলো প্রায়ই সরাসরি রূপ হিসেবে আসে। শব্দের মূল অর্থ বা মূল ধাতু জানা থাকলে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ সহজেই নির্বাচন করা সম্ভব।
a প্রত্যয়
b পদ
c বিভক্তি
d শব্দ
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে। - শব্দ একা থাকলে তা কেবল শব্দ, কিন্তু বাক্যে স্থান পেলে তার অর্থ ও সম্পর্ক নির্দিষ্ট হয় এবং তা পদে পরিণত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলে এবং তা যখন বাক্যে বসে অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তখন তাকে পদ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার যথা বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুল ফোটে। ব্যাখ্যা: এখানে ফুল ও ফোটে আলাদা শব্দ ছিল, কিন্তু বাক্যে বসার পর এরা পদ হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: ছেলেটি ভালো বই পড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের প্রতিটি শব্দই বিভক্তিযুক্ত হয়ে বা বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে একেকটি পদে পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যয় — শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে নতুন শব্দ গঠনের জন্য যা যুক্ত হয় তা প্রত্যয়, বাক্যে ব্যবহৃত শব্দ নয়। B) পদ — এটি সঠিক কারণ বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দ বা ধাতুই পদ। C) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যা যুক্ত হয়ে বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করে তা বিভক্তি, কিন্তু সম্পূর্ণ ব্যবহৃত রূপটি পদ। D) শব্দ — স্বাধীন অর্থবোধক বর্ণসমষ্টিকে শব্দ বলে, তবে বাক্যে ব্যবহারের পর তা আর শুধু শব্দ থাকে না, পদে রূপান্তরিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একা থাকলে শব্দ, বাক্যে বসলে পদ। - মনে রাখবে বাক্যের অনুগত প্রতিটি ঘটকই পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সব শব্দই পদ, কিন্তু সব পদ শব্দ নয় কারণ ক্রিয়ামূল বা ধাতু পদ হলেও তা স্বাধীন শব্দ নয়। - বিভক্তি যুক্ত না হয়েও অনেক সময় শব্দ বাক্যে পদ হিসেবে কাজ করতে পারে।
a মূল
b অন্তরা
c অষ্টক
d ষষ্ঠক
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষষ্ঠক ১. কেন সঠিক: সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম আট চরণকে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণকে ষষ্ঠক বলা হয়। এই নিয়মটি সনেট কবিতার মূল কাঠামোর অংশ, যেখানে ভাবের প্রবর্তন ও পরিণতি প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সনেট হলো চতুর্দশপদী কবিতা, যার প্রবর্তক ইতালির কবি পেত্রার্ক এবং বাংলায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত। সনেটের দুটি অংশ থাকে, যেখানে প্রথম আট চরণে ভাবের প্রবর্তনা এবং পরের ছয় চরণে ভাবের পরিণতি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত বাংলা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সনেট পঞ্চাশৎ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি সনেট সংকলন বা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল — এটি সনেটের কোনো নির্দিষ্ট অংশের নাম নয়। B) অন্তরা — এটি গানের একটি অংশের নাম, সনেটের অংশ নয়। C) অষ্টক — এটি সনেটের প্রথম আট চরণকে বোঝায়, দ্বিতীয় অংশকে নয়। D) ষষ্ঠক — এটি সনেটের দ্বিতীয় অংশ বা শেষ ছয় চরণকে বোঝায় এবং এটিই সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেট মানে চৌদ্দ চরণ, আট যোগ ছয় সমান চৌদ্দ। প্রথম অংশ অষ্টক এবং দ্বিতীয় অংশ ষষ্ঠক নামে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর প্রথম সনেট বঙ্গভাষা। সনেট সম্পর্কিত প্রশ্নে চরণ সংখ্যা এবং অংশের নাম প্রায়ই পরীক্ষায আসে।

মোট প্রশ্ন (21)

a sir
b buck
c drone
d cow
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) cow কেন সঠিক: - 'Cow' শব্দটি দ্বারা স্ত্রীবাচক প্রাণী অর্থাৎ গাভীকে বোঝায়। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণে Feminine Gender এর একটি সুনির্দিষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sir — এটি একটি Masculine Gender বা পুংলিঙ্গবাচক শব্দ, যা পুরুষকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) buck — এটি পুরুষ হরিণ বা খরগোশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি Masculine Gender। C) drone — এটি পুরুষ মৌমাছি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি Masculine Gender। D) cow — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই একটি Feminine Gender। মনে রাখার টিপস: নরবাচক শব্দগুলো Masculine এবং নারীবাচক শব্দগুলো Feminine Gender হিসেবে চিহ্নিত হয়।
a from
b on
c in
d since
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) since কেন সঠিক: - বাক্যে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং সময়ের নির্দিষ্ট শুরুর বিন্দু (Friday) বোঝানো হয়েছে। - নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা সময় থেকে কোনো কাজ শুরু হলে তার পূর্বে since বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সাধারণত future বা general time-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শুরুর বিন্দু বোঝাতে বসে, তবে perfect tense-এর ক্ষেত্রে since ব্যবহার করা নিয়ম। B) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা বারের নামের পূর্বে বসে, তবে ব্যাপ্ত thời নির্দেশ করতে since প্রয়োজন হয়। setC) in — এটি সাধারণত মাস, বছর বা ঋতুর মতো দীর্ঘ সময়ের পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট বারের পূর্বে নয়। D) since — এটি অতীত থেকে শুরু হওয়া নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম থাকলে since এবং নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্ব বোঝালে for বসে।
a large
b man
c bad
d me
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) man কেন সঠিক: man শব্দটির অর্থ মানুষ, যা কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর নাম বোঝায়। কোনো কিছুর নাম বোঝালে তাকে ইংরেজি ব্যাকরণে নাউন বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) large — এটি একটি অ্যাজেক্টিভ কারণ এটি কোনো কিছুর আকার বা আকৃতি বোঝায়। খ) man — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। গ) bad — এটি একটি অ্যাজেক্টিভ কারণ এটি কোনো দোষ বা গুণ প্রকাশ করে। ঘ) me — এটি একটি প্রোনাউন কারণ এটি নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা প্রাণীর নাম বোঝায় এমন শব্দ দেখলেই সেটি নাউন হবে।
a Flower
b Trees
c Fauna
d Deer
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Fauna কেন সঠিক: Botany বা উদ্ভিদবিদ্যা যেমন সমগ্র উদ্ভিদ জগত বা Plants নিয়ে আলোচনা করে, তেমনি Zoology বা প্রাণীবিদ্যা সমগ্র প্রাণী জগত বা Fauna নিয়ে আলোচনা করে। এখানে বিষয় এবং তার আলোচ্য বিষয়ের সদৃশ সম্পর্ক রয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো Fauna। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flower — এটি উদ্ভিদ জগতের শুধু একটি অংশ মাত্র, পুরো প্রাণী জগত বা Zoology-র সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Trees — এটি উদ্ভিদের একটি প্রকার বোঝায়, যা Botany-র অধীন কিন্তু Zoology-র সাথে এর কোনো মিল নেই। C) Fauna — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি Zoology-র প্রধান আলোচ্য বিষয়। D) Deer — এটি একটি নির্দিষ্ট প্রাণী, কিন্তু Zoology পুরো প্রাণী জগতকে নির্দেশ করে কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রাণীকে নয়। মনে রাখার টিপস: Botany মানে গাছপালা বা Plants এবং Zoology মানে প্রাণী বা Fauna, এই জোড়া সম্পর্কটি সবসময় মনে রাখবে।
a The train is bound for Dhaka.
b The train is going to Dhaka.
c The train is leaving to Dhaka.
d The train will go to Dhaka.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The train is bound for Dhaka. কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা বোঝাতে bound for ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। - ট্রেনের গন্তব্য বোঝাতে প্রমিত ইংরেজি ব্যবহারে bound for সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The train is bound for Dhaka. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) The train is going to Dhaka. — এটি ব্যাকরণগতভাবে ঠিক হলেও নির্দিষ্ট গন্তব্যের স্থায়ী বা নিয়মিত যাত্রা বোঝাতে bound for বেশি নিখুঁত। C) The train is leaving to Dhaka. — leaving-এর পর গন্তব্য বোঝাতে to না বসে for বসে, তাই এই গঠনটি ভুল। D) The train will go to Dhaka. — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎকাল প্রকাশ করে, যা নিয়মিত বা নির্ধারিত চলাচলের ক্ষেত্রে কম উপযোগী। মনে রাখার টিপস: গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া বোঝাতে bound for ব্যবহার করবে।
a A few of the three boys got a prize.
b Each of the three boys got a prize.
c Every of the three boys got a prize.
d All the three boys got a prize.
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Each of the three boys got a prize. কেন সঠিক: দুই বা ততোধিক নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝাতে Each ব্যবহার করা হয়। এখানে মোট তিনজন ছেলের প্রত্যেকে আলাদাভাবে পুরস্কার পেয়েছে বোঝাতে Each সঠিক। সংখ্যার ক্ষেত্রে দুইয়ের অধিক হলে Every ব্যবহার করা যায় না। নির্দিষ্ট তিনজনের ক্ষেত্রে All ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A few of the three boys got a prize — A few সাধারণত নির্দিষ্ট সংখ্যার ক্ষেত্রে এভাবে বসে না এবং এটি ভুল অর্থ প্রকাশ করে। B) Each of the three boys got a prize — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Every of the three boys got a prize — Every এর সাথে সরাসরি of বসে না, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) All the three boys got a prize — তিনজনের ক্ষেত্রে All বসলে অর্থের ধারাবাহিকতা নষ্ট হয় এবং এটি অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রত্যেকে বোঝাতে Each ব্যবহার করবে এবং Every এর পরে কখনো অবজেক্ট প্রোনাউন বা of বসে না।
a ২৫ দিনে
b ৩০ দিনে
c ৩৫ দিনে
d ৪০ দিনে
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৩০ দিনে কেন সঠিক: ক এবং খ একত্রে ১ দিনে করে কাজটির ১২ ভাগের ১ অংশ। ক একা ১ দিনে করে কাজটির ২০ ভাগের ১ অংশ। খ একা ১ দিনে করে ১২ ভাগের ১ থেকে ২০ ভাগের ১ বিয়োগ করলে যা হয় তত অংশ। বিয়োগফল হিসাব করলে পাওয়া যায় ৩০ ভাগের ১ অংশ। অর্থাৎ খ একা কাজটি সম্পূর্ণ করতে ৩০ দিন সময় নেবে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ২৫ দিনে — এটি সঠিক হিসাবের সাথে মেলে না কারণ ১২ ও ২০ এর লসাগু ২৫ দ্বারা বিভাজ্য নয়। খ) ৩০ দিনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১২ ও ২০ এর লসাগু ৬০ এবং হিসাব করলে ৩০ দিন পাওয়া যায়। গ) ৩৫ দিনে — এটি ভুল কারণ ভগ্নাংশের বিয়োগফল সঠিকভাবে হিসাব করলে এই উত্তর আসে না। ঘ) ৪০ দিনে — এটি ভুল কারণ ৪০ দিনে কাজটি শেষ হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: একত্রে কাজের পরিমাণ থেকে একা কাজের পরিমাণ বিয়োগ করে একা কাজের সময় বের করতে হয়।
a The teacher ordered them to be quiet.
b The teacher asked them to be quiet.
c The teacher requested them to be quiet.
d The teacher instructed to be quiet.
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The teacher ordered them to be quiet. কেন সঠিক: প্রত্যক্ষ উক্তির বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের আদেশ বোঝাচ্ছেন। তাই রিপোর্টিং ভারబ్ হিসেবে ordered এবং রিপোর্টেড স্পিচ যুক্ত করতে infinitive to ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক অপশন — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হয়েছে। B) B) The teacher asked them to be quiet — এখানে asked ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণত প্রশ্ন বা অনুরোধ বোঝাতে বসে, তবে সরাসরি আদেশের ক্ষেত্রে ordered বেশি উপযুক্ত। C) C) The teacher requested them to be quiet — এখানে requested ব্যবহার করা হয়েছে যা শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রছাত্রীদের প্রতি বিনম্র অনুরোধ বোঝায়, কিন্তু বাক্যটিতে কঠোর আদেশ রয়েছে। D) D) The teacher instructed to be quiet — এখানে infinitive এর আগে কোনো object (যেমন them) ব্যবহার করা হয়নি, যা গ্রামারের নিয়মের দিক থেকে অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এ আদেশ বোঝালে indirect করার সময় reported speech-এর আগে to বসাতে হয় এবং reporting verb বদলে ordered লিখতে হয়।
a সামঞ্জস্যপূর্ণ
b সংক্ষিপ্ত
c সাধনা
d স্বাদহীন
0 46 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংক্ষিপ্ত কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ 'Concise' এর বাংলা অর্থ হলো কোনো দীর্ঘ বিষয় বা লেখাকে সংক্ষেপে প্রকাশ করা। - এটি মূলত অতিরিক্ত কথা বাদ দিয়ে মূল ভাব বা সারসংক্ষেপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামঞ্জস্যপূর্ণ — এটি দিয়ে কোনো বিষয়ের মিল থাকা বা সংগতি বোঝায়, যা 'Concise' শব্দের অর্থ নয়। B) সংক্ষিপ্ত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং 'Concise' শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ। C) সাধনা — এটি কোনো কিছু অর্জনের জন্য কঠোর চেষ্টা বা তপস্যা বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) স্বাদহীন — এটি খাবারের স্বাদ না থাকা বা ফিকে হওয়া বোঝায়, যার সাথে শব্দের অর্থের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: 'Concise' শব্দের সাথে 'সংক্ষিপ্ত' মনে রাখতে পারেন যে, ছোট কথায় কাজ সারা বা সারসংক্ষেপ করা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
a Blood of blue color
b Sound Health
c Aristocratic Birth
d Scoundrel
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Aristocratic Birth কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে যেখানে অভিজাত ও রাজপরিবারের সদস্যদের রক্ত নীলচে মনে করা হতো কারণ তাদের ত্বক ছিল খুব ফর্সা। এটি মূলত বংশগত আভিজাত্য বা উচ্চবংশীয় পরিবারে জন্ম বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Blood of blue color — এটি কোনো প্রচলিত বাগধারা নয় এবং এর শাব্দিক অর্থ ধরা হয়েছে যা ভুল। B) Sound Health — এটি সুস্বাস্থ্য বোঝায় কিন্তু ব্লু ব্লাড ফ্রেজটির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) Aristocratic Birth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Scoundrel — এর অর্থ বদমাইশ বা দুর্বৃত্ত, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দার্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: রাজপরিবারের ফর্সা ত্বকে নীল শিরা দেখা যেত বলে তাদের কুলীন বা অভিজাত বোঝাতে ব্লু ব্লাড বলা হয়।
a Telecast
b Published
c Telecasted
d Broadcasted
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Telecast কেন সঠিক: বাংলাদেশ টেলিভিশনের মতো মাধ্যমে কোনো অনুষ্ঠান বা প্রোগ্রাম প্রচার করার ক্ষেত্রে Telecast শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত এবং এটি সঠিক ইংরেজি প্রয়োগ। এই শব্দটির তিনটি রূপই এক অর্থাৎ Telecast-Telecast-Telecast হয়। বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েস হওয়ায় এখানে সঠিক রূপটি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Telecast — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই বাক্যের শূন্যস্থানে নিখুঁতভাবে বসে। B) Published — কোনো বই, পত্রিকা বা আর্টিকেল প্রকাশের ক্ষেত্রে Published ব্যবহৃত হয়, টেলিভিশন বা পর্দার জন্য নয়। C) Telecasted — Telecast শব্দের কোনো Telecasted রূপ ইংরেজিতে সাধারণত মানসম্মত হিসেবে ধরা হয় না। D) Broadcasted — রেডিওর ক্ষেত্রে Broadcast ব্যবহৃত হলেও টিভির নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের জন্য Telecast বেশি নিখুঁত। মনে রাখার টিপস: টেলিভিশনে কিছু প্রচার করা বোঝালে Telecast ব্যবহার করবে এবং এর পাস্ট ফর্মও Telecast হয়।
a Tsunami
b Sunami
c Sunamee
d Tsunamy
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tsunami কেন সঠিক: শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে এসেছে যেখানে শুরুতে 'tsu' ধ্বনি থাকে এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবে এই বানান দিয়েই সর্বজনস্বীকৃত। এর শেষে 'mi' যুক্ত হয় এবং ইংরেজি বানানের নিয়মে এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tsunami — এটি সঠিক বানান। B) Sunami — এর শুরুতে 'T' অক্ষরটি বাদ পড়েছে যা জাপানি মূল শব্দের উচ্চারণের সাথে মেলে না। C) Sunamee — এর শেষের অংশ ভুল এবং এটি ইংরেজি প্রমিত বানানের নিয়ম মানে না। D) Tsunamy — এর শেষের অক্ষরটি 'y' দেওয়া হয়েছে যা সঠিক বানান নয়। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রথমে 'Tsu' এবং পরে 'nami' লিখে একত্রে 'Tsunami' তৈরি করা।
a losses
b louse
c lice
d lice
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) lice কেন সঠিক: ‘louse’ শব্দটির অর্থ হলো উকুন, যার বহুবচন বা plural form হলো ‘lice’। এটি ইংরেজি ভাষার একটি অনিয়মিত বা irregular plural noun-এর উদাহরণ। এখানে ভেতরের ভাওয়েল ‘ou’ পরিবর্তিত হয়ে ‘i’ রূপ ধারণ করে বহুবচন গঠিত হয়েছে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এর শেষে s বা es যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) losses — এটি ‘loss’ শব্দের বহুবচন, যার অর্থ ক্ষতিসমূহ। B) louse — এটি নিজেই একটি একবচন বা singular শব্দ। C) lice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটিই সঠিক বহুবচন। D) lice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটিও সঠিক বহুবচন। মনে রাখার টিপস: কিছু অনিয়মিত noun-এর বানান ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তনের মাধ্যমে plural হয়, যেমন: louse থেকে lice এবং mouse থেকে mice।
a To be in a state of hostility
b At a standstill
c In a state of understanding
d State of friendship
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To be in a state of hostility কেন সঠিক: ‘At dagger drawn’ একটি ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ মারাত্মক শত্রুতা বা চরম বিরোধে লিপ্ত থাকা। এই ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ হলো খোলা খঞ্জর হাতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা যা শত্রুতার প্রকাশ ঘটায়। তাই শত্রুতার অবস্থাকে বোঝাতেই এই সঠিক উত্তরটি নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To be in a state of hostility — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) At a standstill — এর অর্থ অচলাবস্থা বা কোনো কাজের গতি থেমে যাওয়া, যা মূল ইডিওমের অর্থের সাথে মেলে না। C) In a state of understanding — এর অর্থ বোঝাপড়ার মধ্যে থাকা, যা শত্রুতার ঠিক বিপরীত একটি অবস্থা। D) State of friendship — এর অর্থ বন্ধুত্বের অবস্থা, যা এই ইডিওমের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ডাগার বা খঞ্জর হলো মারামারি করার অস্ত্র, তাই ডাগার দেখলে শত্রুতা বা ঝগড়ার কথা মনে রাখবে।
a Cross the line
b Cut off the line
c Put off the line
d Pen through the line
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pen through the line কেন সঠিক: কোনো লেখার ওপর কলম দিয়ে কেটে বাদ দেওয়া বা পরিহার করার ইংরেজি ভাবানুবাদ হলো pen through. এখানে ছত্র বা লাইন কেটে দেওয়ার ক্ষেত্রে pen through the line সঠিক বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cross the line — এই কথাটির অর্থ সীমালঙ্ঘন করা বা নির্ধারিত সীমার বাইরে যাওয়া, যা লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Cut off the line — এর অর্থ কোনো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা বা কেটে ফেলা, যা লেখার লাইন কাটার ক্ষেত্রে ভুল। C) Put off the line — এই শব্দগুচ্ছের নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নেই এবং এটি বাক্য গঠনে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: লেখা কলম দিয়ে কেটে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় pen through ব্যবহার করতে হয়।
a Leiftenant
b Leftenant
c Lieutenant
d Leftanant
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lieutenant কেন সঠিক: শব্দটির উৎপত্তি ফরাসি ভাষা থেকে যেখানে Lieu অর্থ স্থান এবং tenant অর্থ ধারণকারী। ইংরেজি বানানটিতে এই ফরাসি মূলরূপটি পুরোপুরি সংরক্ষিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে এটিই স্ট্যান্ডার্ড রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leiftenant — এখানে বানান গঠনে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। B) Leftenant — এটি শুধু উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে যা সঠিক বানান নয়। C) Lieutenant — এটি সঠিক বানান। D) Leftanant — এখানে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে চাইলে এভাবে ভাঙতে পারো: Lieu + ten + ant।
a dusk
b dawn
c evening
d eclipse
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) dusk কেন সঠিক: Dusk শব্দটির অর্থ হলো গোধূলি বা সন্ধ্যা নামার আগের সময়। এটি দিনের আলো শেষ হয়ে রাতের অন্ধকার নামার ঠিক আগের মুহূর্তকে বোঝায়। twilight এবং night এর মধ্যবর্তী সময় এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dusk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) dawn — এটি রাতের শেষ এবং সূর্যোদয়ের আগের সময়কে বোঝায়, যা ভোর বা উষা নামে পরিচিত। C) evening — এটি সাধারণভাবে বিকেল থেকে রাতের শুরুর সময়কালকে বোঝায়, যা তুলনামূলক দীর্ঘ সময়। D) eclipse — এটি সূর্য বা চাঁদের গ্রহণ বোঝায়, যার সাথে সময়ের এই পার্থক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Dawn মানে ভোরের আলো আর Dusk মানে সন্ধ্যার আঁধার।
a was
b are
c should
d did
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) should কেন সঠিক: should একটি মডেল অক্সিলিয়ারি ভার্ব যা পরামর্শ বা কর্তব্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূল ভার্বের পূর্বে বসে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি একটি প্রাইমারি অক্সিলিয়ারি ভার্ব যা অতীতকাল প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) are — এটি একটি প্রাইমারি অক্সিলিয়ারি ভার্ব যা বর্তমানকাল প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। C) should — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে গণ্য হবে না। D) did — এটি একটি প্রাইমারি অক্সিলিয়ারি বা ডু ভার্বের অতীত রূপ। মনে রাখার টিপস: can, could, shall, should, may, might, must ইত্যাদি শব্দগুলো মডেল অক্সিলিয়ারি হিসেবে পরিচিত।
a Prosperity
b Present Time
c Later Generation
d Possession
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Later Generation কেন সঠিক: Posterity শব্দটির অর্থ হলো বংশধর বা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। এটি মূলত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার পরবর্তী প্রজন্মকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Prosperity — এর অর্থ হলো সমৃদ্ধি বা উন্নতি, যা posterity শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) Present Time — এর অর্থ হলো বর্তমান সময়, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বা posterity শব্দের বিপরীত। C) Later Generation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Possession — এর অর্থ হলো দখল বা সম্পত্তি, যা posterity শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Posterity শব্দে future বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বোঝায়, তাই এটি Later Generation এর সমার্থক।
a Shelly
b William Wordsworth
c Lord Byron
d Jhon Keats
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং তাঁর বন্ধুরা ইংল্যান্ডের লেক ডিস্ট্রিক্ট এলাকায় বসবাস করতেন এবং কবিতা লিখতেন। তাঁদের লেখার মূল বিষয়বস্তু ছিল এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী এবং পাহাড়। এই কারণে সাহিত্য ইতিহাসে তাঁদের লেক পোয়েট হিসেবে অভিহিত করা হয়। তিনি এই দলের সবচেয়ে প্রধান এবং বিখ্যাত কবি ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shelly — পিবি শেলি একজন রোমান্টিক কবি হলেও তিনি লেক পোয়েটদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। B) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Lord Byron — লর্ড বায়রনও একজন বিখ্যাত রোমান্টিক কবি ছিলেন তবে তিনি অন্য ধারার কবিতা লিখতেন। D) Jhon Keats — জন কিটস হলেন সৌন্দর্য ও সংবেদনশীলতার কবি এবং তিনি লেক ডিস্ট্রিক্টের সাথে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: লেক বা হ্রদের সৌন্দর্য নিয়ে যিনি প্রথম ও বেশি লিখেছেন তিনিই হলেন ওয়ার্ডসওয়ার্থ।
a counting number
b entry into register
c consider
d recommendation
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) consider কেন সঠিক: ‘Take into account’ একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা। বক্তာ বা লেখক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব পরিস্থিতি বা তথ্য মাথায় রাখছেন বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত কোনো বিষয়ের গভীরে গিয়ে তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করাকে নির্দেশ করে। এর সাথে সরাসরি মূল শব্দ ‘consider’ এর অর্থ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) counting number — এটি সরাসরি সংখ্যা গণনার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু এখানে কোনো গণনা করার কথা বলা হয়নি। B) entry into register — এটি খাতায় কোনো কিছু নাম বা তথ্য নথিভুক্ত করা বোঝায় যার সাথে এই ইডিওমের কোনো মিল নেই। C) consider — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) recommendation — এটি কাউকে কোনো কাজের জন্য সুপারিশ করা বা মত প্রকাশ করা বোঝায় যা এর মূল অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: ‘Account’ শব্দটি দেখে হিসাব করা মনে হলেও ‘take into account’ দেখলে সবসময় মনে রাখবে এর মানে হলো কোনো কিছু ‘বিবেচনা করা’।

মোট প্রশ্ন (19)

a 3, 4
b 3, -4
c -3, 4
d -3, -4
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −৩, ৪ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x^২ − x − ১২ = ০ ধরি, মধ্যপদ ভেঙে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে এমন দুটি সংখ্যা খুঁজতে হবে যাদের গুণফল হবে বারো এবং বিয়োগফল হবে এক অতএব, x^২ − ৪x + ৩x − ১২ = ০ x(x − ৪) + ৩(x − ৪) = ০ সুতরাং, (x − ৪)(x + ৩) = ০ উত্তর: x = ৪ অথবা x = −৩
a 18
b 12
c 9
d 6
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ১৪৪, ৮১ এবং ৩৬ ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১৪৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৮১ তৃতীয় সংখ্যা = ৩৬ অতএব, ১৪৪ সংখ্যাটি হলো ১২ এর বর্গ ৮১ সংখ্যাটি হলো ৯ এর বর্গ ৩৬ সংখ্যাটি হলো ৬ এর বর্গ সুতরাং, বর্গমূলগুলোর অন্তর হলো ১২ − ৯ = ৩ এবং ৯ − ৬ = ৩ উত্তর: পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৩ এর বর্গ অর্থাৎ ৯
a 8
b 8
c 12
d 16
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস ৪ গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের নতুন ব্যাসার্ধ = ৪r অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৪r) × (৪r) সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১৬ × (π × r × r) উত্তর: ১৬ গুণ
a ৬০৫০ ফুট
b ৬০০০ ফুট
c ৬০৮০ ফুট
d ৭০৫০ ফুট
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০৮০ ফুট প্রদত্ত তথ্য: সমুদ্রের দূরত্বের একক হলো নটিক্যাল মাইল আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ১ নটিক্যাল মাইল নির্ধারিত হয় ধরি, ১ নটিক্যাল মাইলের দৈর্ঘ্য হলো একটি নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক মান যা মিটার থেকে ফুটে রূপান্তরিত করা হয় অতএব, ১ নটিক্যাল মাইল সমান ১৮৫২ মিটার ১ মিটার সমান প্রায় ৩.২৮০৮৪ ফুট সুতরাং, ১৮৫২ গুণ ৩.২৮০৮৪ ফুট সমান প্রায় ৬০৮০ ফুট উত্তর: ৬০৮০ ফুট
a ২৭৩ টাকা
b ২৬০ টাকা
c ২২০ টাকা
d ৩৭৩ টাকা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭৩ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬৫০ টাকা মুনাফার হার (r) = ৭ শতাংশ সময় (n) = ৬ বছর ধরি, মুনাফা = I টাকা অতএব, আমরা জানি, মুনাফা (I) = (P × n × r) ÷ ১০০ সুতরাং, I = (৬৫০ × ৬ × ৭) ÷ ১০০ উত্তর: ২৭৩ টাকা
a 60*sqrt(3)
b 60
c 77
d 70*sqrt(3)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৭ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৫√৩ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণের উভয় পক্ষকে বর্গ করতে হবে অতএব, (a − (১ ÷ a))² = (৫√৩)² সুতরাং, a² − ২(a)(১ ÷ a) + (১ ÷ a)² = ২৫ × ৩ উত্তর: a² + (১ ÷ a)² = ৭৫ + ২ = ৭৭
a 0.05
b 0.11
c ১১*(১/৯)%
d ১২*(১/৯)
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১*(১/৯)% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য ১০% কমেছে খরচ একই রাখতে হবে ধরি, প্রথমে চিনির মূল্য ছিল ১০০ টাকা ১০% কমে বর্তমান মূল্য ৯০ টাকা অতএব, মূল্য কমেছে ১০ টাকা এখন ৯০ টাকায় কিনতে হবে ১০০ টাকার চিনি সুতরাং, খরচ একই রাখতে চিনি বাড়াতে হবে (১০ ÷ ৯০) × ১০০% সমান ১০৩*(১/৯)% উত্তর: ১১*(১/৯)%
a 78
b 96
c 94
d 69
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দুই অঙ্কবিশিষ্ট সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টি ১৫ অঙ্কদ্বয়ের গুণফল ৫৬ ধরি, একক স্থানীয় অঙ্ক = ক দশক স্থানীয় অঙ্ক = খ অতএব, ক + খ = ১৫ ক × খ = ৫৬ সুতরাং, সংখ্যা দুটি ৭ ও ৮ হতে পারে কারণ ৭ + ৮ = ১৫ এবং ৭ × ৮ = ৫৬ উত্তর: ৭৮
a 407
b 507
c 607
d 707
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০৭ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ২৭ ঘনক + ৫৪ বর্গ + ৩৬মি + ৩ এখানে মি এর মান হলো ২ ধরি, প্রথম পদ = ২৭ গুণ (২ এর ঘনক) দ্বিতীয় পদ = ৫৪ গুণ (২ এর বর্গ) তৃতীয় পদ = ৩৬ গুণ ২ অতএব, প্রথম পদের মান = ২৭ গুণ ৮ = ২১৬ দ্বিতীয় পদের মান = ৫৪ গুণ ৪ = ২১৬ তৃতীয় পদের মান = ৩৬ গুণ ২ = ৭২ সুতরাং, সবগুলো যোগ করে পাই ২১৬ + ২১৬ + ৭২ + ৩ = ৫০৭ উত্তর: ৫০৭
a লাভ ২৫%
b ক্ষতি ২৫%
c লাভ ৭৫%
d ক্ষতি ৫০%
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষতি ৫০% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ ধরি, বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ক্রয়মূল্য = ১০০ × ২ = ২০০ টাকা অতএব, এখানে ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ক্ষতির পরিমাণ = ২০০ − ১০০ = ১০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (১০১ ÷ ২০০) × ১০০% = ৫০% উত্তর: ক্ষতি ৫০%
a a=2, b=-5
b a=4, b=-3
c a=-2, b=-5
d a=5, b=2
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a=৫, b=২ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ৭ দুটি সংখ্যার গুণফল = ১০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = a দ্বিতীয় সংখ্যাটি = b অতএব, a + b = ৭ ab = ১০ সুতরাং, a=৫ এবং b=২ বসালে ৫ + ২ = ৭ হয় এবং ৫ × ২ = ১০ হয় উত্তর: a=৫, b=২
a ৩/৫
b ৪/৮
c ২/৫
d ৫/৭
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/৫ প্রদত্ত তথ্য: লবের সাথে ৭ যোগ করলে মান ২ হয় হর থেকে ২ বাদ দিলে মান ১ হয় ধরি, ভগ্নাংশটি ক ÷ খ অতএব, প্রথম শর্ত মতে, (ক + ৭) ÷ খ = ২ অর্থাৎ ক + ৭ = ২খ সুতরাং, দ্বিতীয় শর্ত মতে, ক ÷ (খ − ২) = ১ অর্থাৎ ক = খ − ২ এখন মান বসিয়ে পাই, খ − ২ + ৭ = ২খ বা, খ = ৫ তাহলে লব ক = ৫ − ২ = ৩ উত্তর: ৩ ÷ ৫
a 40
b 60
c 70
d 80
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিনগুণ আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = ৩ক × ক বর্গমিটার ৩ক এর ওপর ২ ঘাত = ৩০০ বর্গমিটার ক এর ওপর ২ ঘাত = ১০০ বর্গমিটার সুতরাং, প্রস্থ ক = ১০ মিটার দৈর্ঘ্য = ৩ × ১০ = ৩০ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (৩০ + ১০) = ৮০ মিটার
a 4
b 8
c 15
d 16
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো a + b = ৮ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো a - b = ২ ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে হবে অতএব, ab এর সূত্র হলো (a + b ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (a - b ÷ ২) এর বর্গ সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, (৮ ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (২ ÷ ২) এর বর্গ উত্তর: ১৬ বিয়োগ ১ = ১৫
a 0.2
b 0.25
c 0.4
d 0.5
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.২৫ প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের চার বাই পাঁচ ভাগ ধরি, বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, ক্রয়মূল্য = ১ × (৪ ÷ ৫) টাকা ক্রয়মূল্য = ০.৮ টাকা সুতরাং, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ১ − ০.৮ = ০.২ টাকা উত্তর: লাভের হার = (০.২ ÷ ০.৮) = ০.২৫
a 0
b 10
c 9
d 3
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: গাণিতিক গণনা সহজ করার জন্য বিশেষ কিছু সংখ্যা ব্যবহৃত হয় শূন্য সংখ্যাটিকে অন্যান্য সংখ্যার সাথে সহযোগিতার জন্য ধরা হয় ধরি, যেকোনো মূল সংখ্যার সাথে শূন্য যোগ বা বিয়োগ করা যায় শূন্য নিজেই মান পরিবর্তন না করে অন্য সংখ্যাকে সহায়তা করে অতএব, সংখ্যা গঠনে এবং স্থানমানে শূন্যের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শূন্য ছাড়া বড় সংখ্যা লেখা বা পড়া সম্ভব হয় না সুতরাং, গণিতের বিভিন্ন হিসাবে শূন্যকে বিশেষ সাহায্যকারী সংখ্যা বলা হয় উত্তর: ০
a ৮০ হাত
b ৭৫ হাত
c ৭০ হাত
d ৯০ হাত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯০ হাত প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের ১/৩ অংশ কাদায় আছে বাঁশের ৩/৫ অংশ পানিতে আছে পানির উপরে আছে ৬ হাত ধরি, সম্পূর্ণ বাঁশটির দৈর্ঘ্য = ১ অংশ অতএব, কাদায় ও পানিতে আছে = (১ ÷ ৩) + (৩ ÷ ৫) অংশ লসাগু করে পাই = (৫ + ৯) ÷ ১৫ অংশ = ১৪ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, পানির উপরে আছে = ১ − (১৪ ÷ ১৫) অংশ = (১৫ − ১৪) ÷ ১৫ অংশ = ১ ÷ ১৫ অংশ উত্তর: বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য = ৬ × ১৫ হাত = ৯০ হাত
a 0.9
b 0.11
c 0.325
d 0.091
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৯১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি দশমিক সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ০.৯, ০.১১, ০.৩২৫ এবং ০.০৯১ ধরি, সংখ্যাগুলোর দশমিকের পর সমান অঙ্কের সংখ্যা তৈরি করি সংখ্যাগুলোকে যথাক্রমে লেখা যায় ০.৯০০, ০.১১০০, ০.৩২৫০ এবং ০.০৯১০ অতএব, প্রথম সংখ্যাটি হলো নয়শত হাজার ভাগের নয়শত ভাগ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো নয়শত হাজার ভাগের একশ দশ ভাগ তৃতীয় সংখ্যাটি হলো নয়শত হাজার ভাগের তিনশত পঞ্চাশ ভাগ সুতরাং, চতুর্থ সংখ্যাটি হলো নয়শত হাজার ভাগের একানব্বই ভাগ যা সবচেয়ে ছোট উত্তর: ০.০৯১
a -30.8377
b -29.0377
c -32.8264
d -31.0377
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −৩০.৮৩৭৭ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.১৬২৩ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ৩১ ধরি, বড় সংখ্যাটি হলো ৩১.০০০০ ছোট সংখ্যাটি হলো ০.১৬২৩ অতএব, ৩১ থেকে ০.১৬২৩ বিয়োগ করতে হবে যেহেতু ৩১ বড় তাই ফলাফল ঋণাত্মক হবে সুতরাং, ৩১.০০০০ − ০.১৬২৩ হিসাব করি দশমিকের নিচে দশমিক মিলিয়ে বিয়োগ সম্পন্ন করি উত্তর: −৩০.৮৩৭৭

মোট প্রশ্ন (2)

a মিথেন গ্যাস
b অপরিশোধিত তেল
c ক্লিংকার
d অ্যামোনিয়া
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যামোনিয়া ১. কেন সঠিক: - ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান এবং সরাসরি কাঁচামাল হলো অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড। - প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রথমে মিথেন প্রক্রিয়াজাত করে হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন সংগ্রহ করা হয়, যা পরবর্তীতে অ্যামোনিয়া তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইউরিয়া একটি জৈব রাসায়নিক সার যার রাসায়নিক সংকেত CO(NH2)2 এবং এর রাসায়নিক নাম কার্বামাইড। - কার্যপ্রণালি: প্রথমে প্রাকৃতিক গ্যাসের মিথেনকে বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করিয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করা হয়। উৎপাদিত হাইড্রোজেন বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে হেবার বস প্রক্রিয়া মাধ্যমে অ্যামোনিয়া তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: পরবর্তীতে উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রায় তরল অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস বিক্রিয়া করে প্রথমে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট তৈরি করে এবং পরে তা থেকে ইউরিয়া সার উৎপন্ন হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: ইউরিয়া সার কৃষিক্ষেত্রে নাইট্রোজেনের উৎস হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় যা উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরিয়া কারখানা ব্যাখ্যা: ঘোড়াশাল বা পলাশ ইউরিয়া কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রথমে অ্যামোনিয়া গ্যাস তৈরি করা হয় এবং তা থেকেই চূড়ান্তভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের খাদ্য গ্রহণ ব্যাখ্যা: মাটিতে প্রয়োগ করার পর ইউরিয়া পানি ও এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয় যা উদ্ভিদ গ্রহণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথেন গ্যাস — মিথেন সরাসরি ইউরিয়ার কাঁচামাল নয়, বরং এটি অ্যামোনিয়া তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাথমিক উৎস মাত্র। B) অপরিশোধিত তেল — অপরিশোধিত তেল পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইউরিয়া সার উৎপাদনে এর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। C) ক্লিংকার — ক্লিংকার হলো সিমেন্ট উৎপাদনের প্রধান মধ্যবর্তী কাঁচামাল, যা চুনাপাথর ও অন্যান্য খনিজ পুড়িয়ে তৈরি করা হয়। D) অ্যামোনিয়া — অ্যামোনিয়া হলো ইউরিয়া সারের প্রত্যক্ষ ও মূল রাসায়নিক কাঁচামাল যা কার্বন ডাই-অক্সাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া তৈরি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউরিয়া সার তৈরির মূল উপাদান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মনে রাখা যে ইউরিয়া তৈরিতে নাইট্রোজেন দরকার আর নাইট্রোজেনের মূল উৎস অ্যামোনিয়া। - প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে অ্যামোনিয়া হয়ে ইউরিয়া প্রস্তুত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ইউরিয়া সারের কাঁচামাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে যেখানে অ্যামোনিয়া বা প্রাকৃতিক গ্যাস অপশনে থাকে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে ইউরিয়া উৎপাদনে কোন গ্যাস বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি ব্যবহৃত হয় অথবা ইউরিয়ায় নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত।
a নেপচুন
b শনি
c বৃহস্পতি
d ইউরেনাস
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শনি ১. কেন সঠিক: শনি গ্রহের বর্তমানে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অনুমোদিত উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে যা আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। মহাকাশ গবেষণার আধুনিক তথ্য অনুযায়ী শনির উপগ্রহের সংখ্যা ১৪৬টি ছাড়িয়ে গেছে যা সৌরজগতের অন্য যেকোনো গ্রহের তুলনায় সর্বাধিক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ বিজ্ঞান অনুসারে গ্রহের মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে উপগ্রহ বা প্রাকৃতিক চাঁদ তার চারপাশ নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে। কারণ ও ফলাফল: শনি গ্রহের বিশাল আকার এবং শক্তিশালী মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের কারণে এটি দূরবর্তী মহাকাশ থেকে প্রচুর মহাজাগতিক ধূলিকণা, বরফ ও ক্ষুদ্র গ্রহাণু নিজের দিকে টেনে নিয়ে উপগ্রহে পরিণত করতে পেরেছে। বাস্তব প্রয়োগ: মহাকাশ গবেষণায় শনির উপগ্রহগুলোর কক্ষপথ ও গঠন পর্যবেক্ষণ করে সৌরজগতের উৎপত্তি এবং গ্রহগুলোর বিবর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা সম্ভব হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টাইটান ব্যাখ্যা: টাইটান হলো শনির সবচেয়ে বড় উপগ্রহ এবং সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপগ্রহ যার নিজস্ব ঘন বায়ুমণ্ডল রয়েছে। উদাহরণ ২: এনসেলাডাস ব্যাখ্যা: এনসেলাডাস হলো শনির আরেকটি বরফাবৃত উপগ্রহ যেখানে তরল পানির সমুদ্রের উপস্থিতি থাকার কারণে এটি বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপচুন — নেপচুন গ্রহের উপগ্রহ সংখ্যা শনির তুলনায় অনেক কম এবং এটি সৌরজগতের দূরবর্তী একটি বরফ দানব গ্রহ। B) শনি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী সৌরজগতে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনির। C) বৃহস্পতি — বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ হলেও এর উপগ্রহ সংখ্যা বর্তমানে শনির চেয়ে কম বা কাছাকাছি ওঠানামা করে। D) ইউরেনাস — ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ সংখ্যা শনির তুলনায় অনেক কম এবং এর ঘূর্ণন অক্ষ সম্পূর্ণ ভিন্ন কোণে হেলে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: শনি গ্রহের আক্ষরিক নামের সঙ্গে সুন্দর বা স্বর্ণালী বলয়ের যেমন মিল রয়েছে, তেমনি এর চাঁদের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি মনে রাখতে হবে। সৌরজগতের গ্যাসীয় ও বরফ দানব গ্রহগুলোর উপগ্রহের সংখ্যা সাধারণত পার্থিব গ্রহগুলোর চেয়ে অনেক বেশি হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সৌরজগতের কোন গ্রহের উপগ্রহ নেই এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর হলো বুধ ও শুক্র গ্রহ। একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে উপগ্রহের নাম সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যেমন টাইটান কোন গ্রহের উপগ্রহ।

মোট প্রশ্ন (7)

a চট্টগ্রাম
b খুলনা
c নারায়ণগঞ্জ
d টঙ্গী
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নারায়ণগঞ্জ ১. কেন সঠিক: - নারায়ণগঞ্জ জেলাকে একসময় পাটশিল্প ও বাণিজ্যের জন্য বিশ্বজুড়ে ডান্ডি শহরের সঙ্গে তুলনা করা হতো। - এই অঞ্চলের উর্বর ভূমি ও শীতলক্ষ্যা নদীর যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এটি ব্রিটিশ আমল থেকেই পাট ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ আমলে স্কটল্যান্ডের ডান্ডি শহর পাটশিল্পের জন্য বিখ্যাত ছিল এবং এর সঙ্গে তুলনার কারণে নারায়ণগঞ্জ এই উপাধি লাভ করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: পাট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানিতে এই অঞ্চলের অবদানের কারণে অর্থনৈতিকভাবে নারায়ণগঞ্জ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী এই শহরটি বর্তমানে দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল এবং নদীবন্দর হিসেবে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদমজী জুট মিলস ব্যাখ্যা: এটি একসময় এশিয়ার সবচেয়ে বড় পাটকল ছিল যা নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত ছিল এবং প্রাচ্যের ডান্ডি খেতাবের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: পানাম নগর ব্যাখ্যা: সোনারগাঁয়ে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক স্থানটি তৎকালীন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও বাণিজ্যের প্রতীক যা এই অঞ্চলের গুরুত্ব তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং বাণিজ্য নগরী হলেও একে পোর্টের শহর বলা হয়, প্রাচ্যের ডান্ডি বলা হয় না। B) খুলনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের প্রধান শিল্প ও নদীবন্দর নগরী হলেও এই বিশেষ উপাধিতে পরিচিত নয়। C) নারায়ণগঞ্জ — পাটশিল্প ও বাণিজ্যের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এই নির্দিষ্ট উপাধিতে ভূষিত। D) টঙ্গী — এটি বর্তমান সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল হলেও প্রাচ্যের ডান্ডি হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডান্ডি মানে পাটশিল্প আর পাট মানেই শীতলক্ষ্যা নদী তীরবর্তী নারায়ণগঞ্জ। - স্কটল্যান্ডের ডান্ডি শহরের সঙ্গে তুলনা করে এই নামকরণ করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের উপনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বা প্রাচ্যের ভেনিস জাতীয় অন্যান্য উপাধির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ১ টি
b ৪ টি
c ২ টি
d ৫ টি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ টি ১. কেন সঠিক: - প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে এবং সেবা সহজ করার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়েকে প্রধানত দুটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। - এই দুটি অঞ্চল হলো বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল। ২. প্রশাসন ও অবকাঠামোগত তথ্য: - প্রশাসনিক কাঠামো: রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সদর দপ্তর চট্টগ্রামে এবং পশ্চিমাঞ্চলের সদর দপ্তর রাজশাহীর পাকশীতে অবস্থিত। - নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা: প্রতিটি অঞ্চলের নেতৃত্বে একজন মহাব্যবস্থাপক থাকেন যিনি সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল ব্যাখ্যা: চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ও ঢাকা রুটের ট্রেন চলাচল পূর্বাঞ্চল অফিসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল ব্যাখ্যা: রাজশাহী থেকে খুলনা ও রংপুর রুটের ট্রেন চলাচল পশ্চিমাঞ্চল অফিসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ টি — রেলওয়ের বিশাল কর্মপরিধি ও ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে একে একক প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় রাখা সম্ভব নয়। B) ৪ টি — বাংলাদেশ রেলওয়েকে প্রশাসনিক বা আঞ্চলিকভাবে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়নি। D) ৫ টি — রেলওয়ের বর্তমান প্রশাসনিক বিন্যাসে অঞ্চল সংখ্যা পাঁচটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের মানচিত্রে পূর্ব ও পশ্চিম এই দুই ভাগে রেলওয়েকে প্রধানত ভাগ করা হয়েছে মনে রাখবে। - সদর দপ্তর মনে রাখার কৌশল হলো পূর্বের জন্য চট্টগ্রাম এবং পশ্চিমের জন্য পাকশী, রাজশাহী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত, তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - রেলওয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়, এই ধরনের প্রশ্ন থেকেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
a নওফেল ও হাতেম
b মুসলিম রেনেসাঁর কবি
c হাতেমতাই
d মুসলিম কবি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুসলিম রেনেসাঁর কবি ১. কেন সঠিক: - কবি ফররুখ আহমদকে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে ইসলামি মূল্যবোধ, ঐতিহ্য এবং পুনর্জাগরণের বার্তা সফলভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়। - তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি বাংলা কবিতায় এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে মুসলিম জাহানের ঐতিহ্য ও সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বিশ শতকের মধ্যভাগে ব্রিটিশ ভারত ও পরবর্তী সময়ে বাঙালি মুসলিম সমাজে আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক জাগরণের ক্ষেত্রে তার সাহিত্যিক অবদান অত্যন্ত গভীর। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: কবি ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ জেলার মহাশংকরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং দীর্ঘকাল রেডিও বাংলাদেশে কর্মরত ছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাত সাগরের মাঝি ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি তার রেনেসাঁবাদী চেতনার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন, যা মুসলিম সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে আধুনিক কাব্যে রূপ দিয়েছে। উদাহরণ ২: পাঞ্জেরী ব্যাখ্যা: এই কবিতায় তিনি মুসলিম জাতির দিকভ্রান্ত অবস্থার অবসান ঘটিয়ে সঠিক দিশা পাওয়ার আকুতি প্রকাশ করেছেন, যা পরীক্ষার্থীদের জন্য সাহিত্য মূল্যায়নে সহায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নওফেল ও হাতেম — এটি তার রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, কোনো উপাধি বা ব্যক্তি নয়। B) মুসলিম রেনেসাঁর কবি — এটি কবি ফররুখ আহমদের ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদত্ত সঠিক উপাধি। C) হাতেমতাই — এটি তার রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ, যা তার উপাধি নয়। D) মুসলিম কবি — এটি একটি সাধারণ শব্দ, যা অনেক কবির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হতে পারে তবে ফররুখ আহমদের নির্দিষ্ট সাহিত্যিক উপাধি এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফররুখ আহমদের সাহিত্যকর্ম মুসলিম সংস্কৃতির পুনর্জাগরণের সঙ্গে জড়িত, তাই তাকে রেনেসাঁর কবি মনে রাখা সহজ। - সাত সাগরের মাঝি ও পাঞ্জেরী কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখলে তার রেনেসাঁবাদী স্বরূপ স্পষ্ট হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ফররুখ আহমদের উপাধি এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - তার সাহিত্যকর্মের মূল সুর ছিল ইসলামি ঐতিহ্য ও স্বাদেশিকতার এক অপূর্ব সমন্বয়।
a ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ
b ৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ
c ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ
d ৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের রচনাকাল নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের রচনাকাল হলো সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি অর্থাৎ ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ। তিনি ভাষা ও তত্ত্বগত বিচার বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত উপনীত হন যে চর্যাপদের প্রাচীনতম পদটি সপ্তম শতকে রচিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: চর্যাপড বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যগ্রন্থ ও গান সংকলন। এটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটির লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও ভাষাতত্ত্বের একজন প্রবাদপ্রতীম পণ্ডিত। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে চর্যাপদ গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: চর্যাপদের আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরোনো। এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে সর্বস্বীকৃত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের চর্যাপদের রচনাকাল নির্ধারণ। ব্যাখ্যা: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক গবেষণা অনুযায়ী চর্যাপদের রচনাকাল হলো ৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর চর্যাপদ আবিষ্কার। ব্যাখ্যা: ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রাচীন বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতির অমূল্য সন্ধান পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ — ড. সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের রচনাকাল হলো দশম শতাব্দী। এই অপশনটি অন্য একজন প্রধান গবেষকের মত হলেও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নির্দিষ্ট মতের সঙ্গে মেলে না। B) ৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ — এই সালটি চর্যাপদের রচনাকালের ক্ষেত্রে কোনো প্রধান ভাষাবিদের নির্ধারিত প্রামাণ্য সাল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। এটি পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য একটি কাল্পনিক অপশন। C) ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের সঠিক রচনাকাল এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর। D) ৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ — আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি হলেও এটি সুনির্দিষ্টভাবে কোনো গবেষকের একক ও সর্বজনগ্রাহ্য মত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নামের সঙ্গে ৬৫০ সংখ্যাটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো শহীদুল্লাহর শ দিয়ে শুরু হয় এবং ৬৫০ এর প্রথম অঙ্ক ছয়। সুনীতিকুমারের সময়কাল ৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ আর শহীদুল্লাহর সময়কাল ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ এভাবে পাশাপাশি তুলনা করে পড়লে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের রচনাকাল কার মতে কত তা বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে চর্যাপদ কে আবিষ্কার করেন অথবা চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা কত।
a ৬০ টি
b ৬১ টি
c ৬৩ টি
d ৬২ টি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬২ টি ১. কেন সঠিক: - ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য বলতে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের বিশেষ বৈশিষ্ট্যযুক্ত পণ্যকে বোঝায় যা ওই অঞ্চলের ঐতিহ্য বহন করে। - শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর বাংলাদেশে এই জিআই পণ্যের স্বীকৃতি ও নিবন্ধন প্রদান করে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে জামদানি শাড়ি স্বীকৃতি পায় এবং পরবর্তীতে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য আইন ২০১৩ প্রণীত হয়। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর বাংলাদেশের জিআই পণ্যের জন্য আবেদন গ্রহণ ও মেধাসম্পদ রক্ষা করে থাকে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জিআই পণ্যের স্বীকৃতি অর্জনের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী হয় এবং রপ্তানি বাণিজ্যে সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিচিতি নিশ্চিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য যা এই অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটির কারণে বিশেষ মিষ্টি স্বাদের হয়। উদাহরণ ২: রংপুরের শতরঞ্জি ব্যাখ্যা: এটি হস্তশিল্পের একটি অনন্য জিআই পণ্য যা বাংলাদেশের লোকশিল্প ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬০ টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান হালনাগাদ তথ্যের সঙ্গে মিলে না কারণ সাম্প্রতিক সময়ে নিবন্ধিত পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। B) ৬১ টি — এটি সঠিক মোট সংখ্যার চেয়ে কম এবং সাম্প্রতিক জিআই পণ্যের স্বীকৃতির হিসাবের সঙ্গে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ৬৩ টি — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত গণনা করা হয়েছে যা পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের প্রকৃত প্রজ্ঞাপনের চেয়ে বেশি। D) ৬২ টি — এটি বর্তমান প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত মোট ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের সঠিক সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জিআই পণ্যের সংখ্যা হলো বাষ্পীয় বা ছয় দুই বা ৬২ টি। - প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি এবং সাম্প্রতিক স্বীকৃতির সংখ্যা মিলিয়ে সংখ্যাটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম জিআই পণ্য এবং সর্বশেষ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - আন্তর্জাতিক মেধাসম্পদ সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী দেশের ঐতিহ্য রক্ষা ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
a ঢাকা
b খুলনা
c সিলেট
d চট্টগ্রাম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ১. কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টর ছিল চট্টগ্রাম অঞ্চল। ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই গঠিত সেক্টরগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলা নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। - এই সেক্টরের প্রধান বা সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে মেজর রফিকুল ইসলাম। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে পুরো বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারগণ সামরিক অভিযান পরিচালনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টর ব্যাখ্যা: ঢাকা ও কুমিল্লা জেলা নিয়ে গঠিত ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ। উদাহরণ ২: মুক্তিযুদ্ধের ৮ নম্বর সেক্টর ব্যাখ্যা: কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। B) খুলনা — এটি মুক্তিযুদ্ধের ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। C) সিলেট — এটি মুক্তিযুদ্ধের ৪ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। D) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই এলাকাটি ১ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখার জন্য পূর্ব দিকের অঞ্চলগুলোকে প্রথম দিকে রাখা হয়েছে। - ১ নম্বর সেক্টর মানেই দেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তের পাহাড়ি ও উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন সেক্টরের কমান্ডার এবং তাদের এলাকার নাম জানতে চাওয়া হয়। - কোন সেক্টরে কে কমান্ডার ছিলেন, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
b পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
c অর্থ মন্ত্রণালয়
d কোনটিই নয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবিধিবদ্ধ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। দেশের বাণিজ্য নীতি প্রণয়ন, আমদানি শুল্ক পুনর্নির্ধারণ এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় এই কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সরাসরি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন ১৯৭৩ সালে গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ এর মাধ্যমে এর কার্যক্রম আরও সুসংহত করা হয়। দায়িত্ব: দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা, মুক্তবাজার অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পণ্যের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণে এই কমিশন সরকারের নিকট সুপারিশ পেশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ চা বোর্ড ব্যাখ্যা: এটিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষায়িত বোর্ড যা চা উৎপাদন, বিপণন ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ব্যাখ্যা: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসার ও বৈচিত্র্যকরণে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ ট্যারিফ কমিশন সরাসরি এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাণিজ্য নীতি ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে। B) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় — এটি দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৈরির কাজ করে, ট্যারিফ কমিশনের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি জাতীয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব সংগ্রহ এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে, তবে ট্যারিফ কমিশন সরাসরি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত যেকোনো কমিশন বা বোর্ড সাধারণত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। ট্যারিফ বা শুল্ক শব্দটির সঙ্গে বাণিজ্যের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে, তাই এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কোন আইনের আওতায় পরিচালিত হয় এবং এর মূল কাজ কী, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে ট্যারিফ কমিশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বা এর বর্তমান নাম কী, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (2)

a চীন
b বাংলাদেশ
c ভিয়েতনাম
d ভারত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সাম্প্রতিক বাণিজ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী বৈশ্বিক তৈরি পোশাক বা টেক্সটাইল রপ্তানিতে চীন দীর্ঘকাল ধরে বিশ্বে এককভাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। - বিশাল উৎপাদন সক্ষমতা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং কাঁচামালের সহজলভ্যতার কারণে চীন বিশ্ববাজারে পোশাক সরবরাহে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ২. বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য: - দেশ/সংস্থা: চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং শীর্ষস্থানীয় ম্যানুফ্যাকচারিং ও রপ্তানিকারক দেশ। - প্রেক্ষাপট: সস্তা শ্রম এবং বৃহৎ আকারের কারখানা ব্যবস্থার কারণে নব্বইয়ের দশক থেকে চীন বিশ্ব পোশাক বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: তৈরি পোশাক শিল্প বিশ্ব অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং এটি দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। উদাহরণ ২: ভিয়েতনাম ব্যাখ্যা: ভিয়েতনাম সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পোশাক রপ্তানিতে দ্রুত উন্নতি করে বৈশ্বিক বাজারে চীনের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী তৈরি পোশাক রপ্তানিতে এই দেশটি বিশ্ববাজারে প্রথম স্থান অধিকার করে আছে। B) বাংলাদেশ — এটি ভুল উত্তর কারণ বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, প্রথম নয়। C) ভিয়েতনাম — এটি ভুল উত্তর কারণ বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের অবস্থান সাধারণত তৃতীয় বা এর কাছাকাছি, শীর্ষস্থানে নয়। D) ভারত — এটি ভুল উত্তর কারণ বিশ্ব বাজারে পোশাক ও টেক্সটাইল রপ্তানিতে ভারত চীনের পেছনে এবং শীর্ষস্থান দখলকারী দেশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্ব বাণিজ্যের যেকোনো বড় উৎপাদন ও রপ্তানি সূচকে চীনকে সাধারণত প্রথম ধরে নেওয়া নিরাপদ, কারণ তারা পৃথিবীর শীর্ষ কারখানা হিসেবে পরিচিত। - বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) প্রতিবেদন অনুযায়ী বৈশ্বিক পোশাক বাজারে শীর্ষ দেশগুলোর অবস্থান প্রায়ই প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বৈশ্বিক বাণিজ্য, রপ্তানি এবং অর্থনৈতিক শীর্ষ দেশগুলো সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
a জাপান
b ভিয়েতনাম
c চীন
d দক্ষিণ কোরিয়া
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান ১. কেন সঠিক: সামুরাই শব্দটি জাপানের প্রাক-আধুনিক সামরিক বা যোদ্ধা শ্রেণীর সদস্যদের বোঝাতে ঐতিহাসিক ও পারিভাষিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। সামুরাই সংস্কৃতি জাপানের প্রাচীন সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এবং বুশিডো নামক কঠোর সামরিক নৈতিক কোডের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: জাপান প্রেক্ষাপট: দ্বাদশ শতাব্দী থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত জাপানে সামুরাইরা দেশ শাসন ও সামরিক সুরক্ষায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। গুরুত্ব: মেইজি পুনর্গঠনের মাধ্যমে আধুনিকীকরণ শুরু হলে সামুরাই শ্রেণীর পতন ঘটে এবং জাপানি সেনাবাহিনী আধুনিক রূপ লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুশিডো কোড ব্যাখ্যা: এটি সামুরাইদের জীবনযাপন, আনুগত্য এবং আত্মত্যাগের নিয়মাবলী নির্দেশ করত, যা আজও জাপানি সংস্কৃতির মূল ভিত্তি। উদাহরণ ২: মেইজি সংস্কার ব্যাখ্যা: ১৮৬৮ সালের এই সংস্কারের মাধ্যমে সামুরাই প্রথার অবসান ঘটে এবং জাপান একটি আধুনিক শিল্পোন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এই অপশনটি সঠিক কারণ সামুরাই ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি সরাসরি জাপানের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। B) ভিয়েতনাম — এই দেশের ইতিহাস ভিন্ন ধরনের গেরিলা যুদ্ধ ও ফরাসি বা আমেরিকান উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের জন্য পরিচিত, সামুরাই সংস্কৃতির সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। C) চীন — এই দেশে সামুরাইয়ের পরিবর্তে সাম্রাজ্যবাদী শাসনব্যবস্থায় ম্যান্ডারিন বা বিভিন্ন রাজবংশীয় সেনাদল প্রভাব বিস্তার করেছিল। D) দক্ষিণ কোরিয়া — এই উপদ্বীপের ঐতিহাসিক সামরিক শ্রেণী ও সংস্কৃতি জাপানের সামুরাই প্রথা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: সামুরাই শুনলেই জাপানি অ্যানিমে, তরবারি এবং নিনজা সংস্কৃতির কথা মাথায় আনবে। জাপানের ঐতিহাসিক যোদ্ধা শ্রেণী হিসেবে সামুরাই নামটি চিরকাল স্মরণ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের ঐতিহাসিক উপাধি বা যোদ্ধা শ্রেণী সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। জাপানের প্রাচীন যোদ্ধা শ্রেণী কী নামে পরিচিত ছিল, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন রূপ নিয়ে পরীক্ষায় আসতে পারে।