বাংলাদেশ রেলওয়ে

বাংলাদেশ রেলওয়েতে ট্রেন কন্ট্রোলার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: ট্রেন কন্ট্রোলার (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a সক্রেটিস
b প্লেটো
c এরিস্টটল
d হেরাক্লিয়াস
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সক্রেটিস ১. কেন সঠিক: - 'নিজেকে জানো' (Know Thyself) উক্তিটির প্রবক্তা হলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস। - এই বিখ্যাত বাণীর মাধ্যমে মানুষের আত্মোপলব্ধি, নিজের গুণ ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ও দর্শন ব্যাখ্যা: - সক্রেটিস ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দর্শনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুরুষ যিনি মূলত সংলাপের মাধ্যমে জ্ঞান অন্বেষণ করতেন। - তাঁর কোনো লিখিত গ্রন্থ নেই, তাঁর দর্শন মূলত তাঁর শিষ্য প্লেটোর ডায়লগ বা সংলাপের মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সক্রেটিসের দর্শন ব্যাখ্যা: সক্রেটিস বিশ্বাস করতেন অজ্ঞতাই পাপ এবং আত্মশুদ্ধির জন্য নিজেকে জানা অত্যন্ত জরুরি। উদাহরণ ২: দেলফির ওরাকল ব্যাখ্যা: প্রাচীন গ্রিক ডেলফির অ্যাপোলো মন্দিরে এই বাণী খোদাই করা ছিল, যা সক্রেটিস তাঁর দর্শনের মূল মন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্রেটিস — এই উত্তরটি সঠিক কারণ তিনি আত্মোপলব্ধির এই বিখ্যাত বাণীর জন্য বিশ্বখ্যাত। B) প্লেটো — প্লেটো সক্রেটিসের প্রধান শিষ্য হলেও 'নিজেকে জানো' উক্তিটি তাঁর নিজের নয়, এটি সক্রেটিসের দর্শন থেকে গৃহীত। C) এরিস্টটল — এরিস্টটল প্লেটোর শিষ্য এবং বিজ্ঞান ও রাজনীতির দর্শনের জন্য পরিচিত, এই উক্তির সঙ্গে তাঁর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) হেরাক্লিয়াস — হেরাক্লিয়াস পরিবর্তনশীলতা ও অগ্নিতত্ত্বের প্রবক্তা প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক, এই নৈতিক বাণীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রিক দর্শন ও আত্মোপলব্ধির কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে সক্রেটিসকে মনে রাখবে। - নিজের মনকে চেনার প্রথম ধাপই হলো সক্রেটিসের মতো প্রশ্ন করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত দার্শনিকদের এই ধরনের বিশ্বখ্যাত উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - উক্তিভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রবক্তার মূল দর্শন সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a শামসুর রাহমান
b আলাওল
c আল মাহমুদ
d সৈয়দ শামসুল হক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - 'পরানের গহীন ভিতর' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি সৈয়দ শামসুল হক। - এই কাব্যগ্রন্থটিতে গ্রামীণ লোকজীবন, মাটি ও মানুষের আবেগ অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে সমান পারদর্শী ছিলেন। - তাঁর অন্যতম সেরা এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা আধুনিক কবিতায় গ্রামীণ লোকজ সুরের এক অনন্য সংযোজন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ শামসুল হকের নাটক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য। উদাহরণ ২: সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস 'খেলার রামধনু' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অন্যতম আলোচিত ও বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি হলেও 'পরানের গহীন ভিতর' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) আলাওল — মধ্যযুগের বাঙালি কবি হলেও তিনি রোমান্টিক ধারার কাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত। C) আল মাহমুদ — আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। D) সৈয়দ শামসুল হক — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের নামের সাথে 'পরানের গহীন ভিতর' কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে গহীন শব্দের সাথে তাঁর গ্রামীণ চেতনার কথা মনে রাখতে পারো। - তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের সাথে মিলিয়ে এটি আলাদা করে নোট করে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - লেখকদের প্রধান কাব্যগ্রন্থ এবং তাঁদের বিশেষ সাহিত্যকর্মগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ক্ষীতিধর
b পর্বতমালা
c গজানন
d দশরথ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্ষীতিধর ১. কেন সঠিক: - ক্ষীতিধর শব্দের অর্থ হলো যা ক্ষিতি বা পৃথিবীকে ধারণ করে, আর পর্বত পৃথিবীকে ধারণ করে আছে বলে একে ক্ষীতিধর বলা হয়। - সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত অর্থের ওপর ভিত্তি করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের বিশেষ নাম ও তার পেছনের ব্যাকরণগত অর্থ বুঝতে হয়। - পর্বত শব্দটি বিশেষ্য পদ এবং এর অনেকগুলো প্রতিশব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শৈল ব্যাখ্যা: শৈল হলো পর্বতের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: অচল ব্যাখ্যা: অচল শব্দের অর্থ যা চলে না, আর পর্বত যেহেতু স্থান পরিবর্তন করে না তাই এটি পর্বতের সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষীতিধর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পর্বত। B) পর্বতমালা — এটি একাধিক পর্বতের সমষ্টি বা সারি বোঝায়, এককভাবে পর্বত বোঝায় না। C) গজানন — এটি গণেশ বা হাতির মতো মুখ যার তাকে বোঝায়, পর্বতের সমার্থক নয়। D) দশরথ — এটি একটি নাম এবং রামচন্দ্রের পিতার নাম, পর্বতের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্ষীতি শব্দের অর্থ পৃথিবী এবং ধর শব্দের অর্থ ধারণকারী, তাই পৃথিবীকে ধরে রাখে যা তা হলো পর্বত। - পর্বত শব্দের অন্যান্য সমার্থক যেমন গিরি, শৈল, অচল, অদ্রি ইত্যাদি একসাথে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কিত শব্দের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে পৃথিবী, আকাশ, সমুদ্র, পর্বত এবং নদী এই শব্দগুলোর সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a আকাঙ্ক্ষা
b অবসান
c আসত্তি
d যোগ্যতা
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অবসান ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের প্রধান গুণ মূলত তিনটি যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। অবসান বা সমাপ্তি বাক্যের গঠনগত বা ব্যাকরণগত কোনো মৌলিক গুণ হিসেবে বিবেচিত হয় না, তাই এটি সঠিক উত্তর। বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থগত ও ভাবগত মিল রক্ষা করে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করার জন্য এই তিনটি গুণের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: একটি সম্পূর্ণ ও সার্থক বাক্য হতে হলে তার মধ্যে তিনটি অপরিহার্য গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকতে হয়। প্রথমত আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের এক পদ শোনার পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা পূরণ হওয়া। দ্বিতীয়ত আসত্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করে পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে বসা। তৃতীয়ত যোগ্যতা হলো পদের অর্থগত ও ভাবগত মিলবন্ধন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষাকালে আকাশে ঘন মেঘ জমে এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই সঠিকভাবে বিদ্যমান থাকায় এটি একটি সার্থক বাক্য। উদাহরণ ২: কাল আমি স্কুলে যাব। ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ এবং সুবিন্যস্ত বাক্য যার মধ্যে বাক্যের সবকটি প্রয়োজনীয় গুণ পূর্ণমাত্রায় রক্ষিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাঙ্ক্ষা — এটি একটি সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান গুণ কারণ এক পদ শোনার পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা মেটানো প্রয়োজন। B) অবসান — এটি বাক্যের কোনো ব্যাকরণগত গুণ নয় বরং এটি ভুল অপশন হিসেবে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) আসত্তি — এটি সার্থক বাক্যের একটি আবশ্যকীয় গুণ কারণ পদগুলোকে যথাযথ স্থানে সাজাতে হয়। D) যোগ্যতা — এটি সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান শর্ত কারণ পদের অর্থগত মিল না থাকলে বাক্য অচল হয়ে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: সার্থক বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আ আ য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। যে অপশনে এর বাইরে অন্য কিছু থাকবে সেটিই উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই আসে সার্থক বাক্যের বৈশিষ্ট্য কয়টি এবং কী কী। এই তিনটি গুণ ভালোভাবে মনে রাখলে যেকোনো বাক্য শুদ্ধি বা বাক্যের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a চেয়ে
b অতি
c থেকে
d দ্বারা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অতি ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না এবং শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - এখানে 'অতি' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পূর্ণতা সাধন করে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - বাংলা ভাষায় মোট একুশটি তৎসম উপসর্গ রয়েছে যার মধ্যে 'অতি' একটি অন্যতম প্রধান উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত ব্যাখ্যা: মূল শব্দ 'রিক্ত' বা অন্য শব্দের পূর্বে 'অতি' উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অতিনন্দিত ব্যাখ্যা: 'নন্দিত' শব্দের পূর্বে 'অতি' উপসর্গ যুক্ত হয়ে উৎকর্ষ বা আধিক্য বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চেয়ে — এটি একটি অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় যা তুলনামূলক অর্থে শব্দের পরে বসে। C) থেকে — এটি একটি অনুসর্গ যা উৎস বা মাধ্যমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) দ্বারা — এটি একটি অনুসর্গ যা সাধারণত তৃতীয় বিভক্তির অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ সব সময় শব্দের প্রথমে বসে এবং অনুসর্গ শব্দের পরে বসে। - ২০টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং ২১টি সংস্কৃত উপসর্গ ভালোভাবে মুখস্থ করলে এই অধ্যায়ের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা উপসর্গ ও তৎসম উপসргаগুলোর তালিকা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a মিশ্র বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c জটিল বাক্য
d সরল বাক্য
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জটিল বাক্য ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। - এখানে 'যদি বৃষ্টি হয়' হলো আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'তবে বের হবে না' হলো প্রধান খণ্ডবাক্য, যা সাপেক্ষ সর্বনামের জোড়া দিয়ে গঠিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যেমন সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। - জটিল বাক্যে সাধারণত যদি-তবে, যা-তা, যতো-ততো, যিনি-তিনি, যে-সে ইত্যাদি সাপেক্ষ শব্দ জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি দেশের সেবা করেন, সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে। ব্যাখ্যা: এখানে যিনি এবং তিনি সাপেক্ষ শব্দ জোড়া ব্যবহার করে বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। উদাহরণ ২: যত গর্জে, তত বর্ষে না। ব্যাখ্যা: এখানে যত এবং তত সাপেক্ষ শব্দ যুক্ত হয়ে বাক্যটিকে জটিল বাক্যের অন্তর্ভুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্র বাক্য — ব্যাকরণের প্রমিত নিয়মে জটিল বাক্য এবং মিশ্র বাক্য একই অর্থে ব্যবহৃত হলেও পরীক্ষার অপশনে জটিল বাক্য থাকায় সি অপশনটি নির্দিষ্টভাবে সঠিক। B) যৌগিক বাক্য — দুটি বা তার বেশি স্বাধীন বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত হলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে, যা এই বাক্যে নেই। C) জটিল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে সাপেক্ষ খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। D) সরল বাক্য — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে, কিন্তু এই বাক্যে খণ্ডবাক্য রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের মধ্যে যদি, তবে, যে, সে, যারা, তারা থাকলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। - সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের জোড়ার উপস্থিতি জটিল বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই সাপেক্ষ শব্দগুলোর ব্যবহার ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। - সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করার সময় সাপেক্ষ জোড়া যেমন যদি-তবে বা যিনি-তিনি ব্যবহার করতে হয়।
a কর্ম
b করণ
c কর্তৃ
d অপাদান
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপাদান ১. কেন সঠিক: - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, ভীত, রক্ষিত বা উৎপন্ন হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - 'ট্রেন ঢাকা ছাড়ল' বাক্যে ঢাকা স্টেশন থেকে ট্রেন দূরে সরে গেছে বা বিচ্যুত হয়েছে, তাই ঢাকা হলো অপাদান কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। কারক ছয় প্রকার। - অপাদান কারক হলো এমন একটি পদ, যা থেকে কোনো কিছুর দূরত্ব বা বিচ্যুতি বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হয়েছে, তাই গাছ থেকে হলো অপাদান কারক। উদাহরণ ২: বিপদে মুরে রক্ষা কর। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার অর্থে এটি অপাদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) করণ — করণ কারক হলো যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, যা এখানে বোঝায়নি। C) কর্তৃ — কর্তৃ কারক হলো যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে, এখানে ঢাকা কোনো কাজ করছে না। D) অপাদান — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিচ্যুতি নির্দেশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোথা থেকে শুরু, চ্যুতি, ভয় বা দূরত্ব বোঝালে অপাদান কারক হয়। - ছাড়ল, চ্যুতি বা উৎপত্তি শব্দ দেখলে অপাদান কারক হিসেবে ধরে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিচ্যুতি, জাত এবং দূরত্ব বোঝালে সবসময় অপাদান কারকে পঞ্চমী বা শূন্য বিভক্তি হয়। - পরীক্ষার হলে বাক্যের ক্রিয়াকে কোথা থেকে প্রশ্ন করলে উত্তর যা পাওয়া যায়, তা অপাদান কারক।
a মন্দভাগ্য
b তুচ্ছপদার্থ
c চাটুকার
d নির্বোধ
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাটুকার ১. কেন সঠিক: - খয়ের খাঁ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ এমন ব্যক্তি যে অন্য কারো খয়ের বা পান সুপারি এগিয়ে দেয়, কিন্তু সাহিত্যিক বা প্রমিত অর্থে এটি চাটুকার বা তোষামোদকারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে এবং এর মূল ভাব হলো অতিরিক্ত প্রশংসা বা পদলেহনের মাধ্যমে অন্যের অনুগ্রহ লাভের চেষ্টা করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষার প্রবাদ ও বাগধারা সমৃদ্ধির দিক থেকে অত্যন্ত প্রাচীন এবং এগুলো ভাষাভাষীদের সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসে তার উন্নতির মূল কারণ হলো সে বসের একজন খয়ের খাঁ হিসেবে পরিচিত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চাটুকারিতা বা তোষামোদ করার অর্থে খয়ের খাঁ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজনৈতিক নেতাদের চারপাশে সবসময় কিছু খয়ের খাঁ মানুষের ভিড় জমে থাকে। ব্যাখ্যা: স্বার্থ উদ্ধারের জন্য তোষামোদকারী ব্যক্তিদের বোঝাতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্দভাগ্য — এটি মন্দভাগ্য বা দুর্ভাগ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন কপাল পোড়া বা অর্ধচন্দ্র, তাই এটি সঠিক নয়। B) তুচ্ছপদার্থ — এটি অত্যন্ত অবহেলাযোগ্য বা নগণ্য কোনো বস্তুকে বোঝায়, যা খয়ের খাঁ এর অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) চাটুকার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাগধারার আসল ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। D) নির্বোধ — এটি বোকা বা বুদ্ধিহীন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা তোষামোদকারী বা চাটুকার শব্দের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খয়ের খাঁ মানে যিনি অন্যের তোষামোদ বা চাটুকারিতা করে নিজের স্বার্থ হাসিল করেন। - তোষামোদকারী বা চাটুকার বোঝাতে এই একটিমাত্র বাগধারাই পরীক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি মনে রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় মানব চরিত্র ও স্বভাব নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ভেবে প্রমিত ও রূপক অর্থটি মনে রাখতে হবে।
a বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
b বাংলা সাহিত্যের কথা
c বাংলা সাহিত্যের রূপকথা
d বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য কেন সঠিক: - এটি দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ। - এই গ্রন্থটি ১৯০৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নয়, বরং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার সূচনার ঐতিহাসিক ঘটনা। - ব্রিটিশ আমলে বাঙালি গবেষকদের সাহিত্য সাধনার প্রথম প্রামাণ্য দলিল হিসেবে এটি সমাদৃত। - উদাহরণস্বরূপ, এই গ্রন্থ প্রকাশের পর থেকেই বাংলা সাহিত্যের গবেষণার পথ প্রসারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস — এটি সুকুমার সেন রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ হলেও প্রথম নয়। - B) বাংলা সাহিত্যের কথা — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। - C) বাংলা সাহিত্যের রূপকথা — এটি কোনো ঐতিহাসিক সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ নয়, বরং লোকসাহিত্য বিষয়ক ভিন্ন ধারার বই। - D) সঠিক উত্তরটি যেহেতু নিজে অপশন ডি, তাই এই পয়েন্টটি অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: - দীনেশচন্দ্র সেনের হাত ধরেই প্রথম বঙ্গভাষা ও সাহিত্য নামে সাহিত্যের ইতিহাস রচিত হয়।
a কথা ভাষা
b চলিত ভাষা
c সাধু ভাষা
d আঞ্চলিক ভাষা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাধু ভাষা ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষারীতির শব্দসমষ্টি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দবহুল এবং এর রূপ নির্দিষ্ট ও পরিবর্তনশীল নয়। এই ভাষার গম্ভীর ভাব, দীর্ঘ ক্রিয়া পদ এবং সর্বনাম পদের সুনির্দিষ্ট ব্যবহারের কারণে সাহিত্যের আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার লেখ্য রূপের একটি প্রাচীন ও মার্জিত রূপ হলো সাধু ভাষা যা উনিশ শতকের গোড়ার দিকে পন্ডিতদের হাতে গড়ে ওঠে। এ ভাষারীতির ব্যাকরণের নিয়ম কঠোর ও সুনির্দিষ্ট এবং এর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ বিশেষ রূপ ধারণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেকাল প্রমথ চৌধুরীর লেখায় চলিত ভাষার সফল ব্যবহার দেখা গেলেও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সাধু ভাষার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে আভিজাত্য এনেছিলেন। ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর মহাশয়ের গদ্যশৈলী সাধু ভাষার গাম্ভীর্য ও আভিজাত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: সাধু ভাষায় বাক্য রচিত হয় এভাবে, তাহারা বন হইতে কাঠ কাটিয়া বাড়িতে ফিরিতেছে। ব্যাখ্যা: এখানে তৎসম শব্দের ব্যবহার এবং দীর্ঘ ক্রিয়াপদের উপস্থিতি ভাষার আভিজাত্য প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কথা ভাষা — কথা ভাষা মানুষের মুখের প্রচলিত ও কথ্য রূপ হওয়ায় এতে সাহিত্যের কাঙ্ক্ষিত মার্জিত আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য থাকে না। B) চলিত ভাষা — চলিত ভাষা জীবন্ত ও সাবলীল হলেও এর রূপ পরিবর্তনশীল এবং এতে অনেক সময় প্রাত্যহিক ছটফটানি থাকে যা সাধুর মতো আভিজাত্য প্রকাশ করে না। D) আঞ্চলিক ভাষা — আঞ্চলিক ভাষা সীমিত এলাকার মানুষের মুখের ভাষা হওয়ায় তা সার্বজনীন ও সাহিত্যিক আভিজাত্য অর্জনে সক্ষম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু শব্দটির অর্থ পবিত্র বা মার্জিত, আর মার্জিত জিনিসই সবসময় আভিজাত্য বহন করে। তাই মনে রাখবে আভিজাত্য প্রকাশে সাধু ভাষা ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে সাধু ভাষার মাধ্যমেই গদ্যের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ ঘটেছিল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার রূপ সংক্রান্ত প্রশ্নে সাধু ও চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য এবং পার্থক্য প্রায়ই আসে।
a কারক
b লিখিত
c বেদনা
d খেলনা
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খেলনা ১. কেন সঠিক: খেলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে খেল মূল ক্রিয়ার সঙ্গে না প্রত্যয় যোগ হয়ে। ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কৃৎ-প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা ধাতু বা ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। বাংলা ভাষায় ক্রিয়া বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোড়ক ব্যাখ্যা: মুড় ধাতুর সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মোড়ক শব্দ গঠিত হয়েছে যা একটি কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ। উদাহরণ ২: বাঁকানো ব্যাখ্যা: বাঁক ধাতুর সঙ্গে আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বাঁকানো শব্দটি কৃৎ-প্রত্যয় যোগে সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারক — কৃ ধাতু এবং অক প্রত্যয় যোগে গঠিত হলেও এটি সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়ের উদাহরণ। প্রশ্ন চেয়েছে বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়। B) লিখিত — লিখ ধাতুর সঙ্গে ইত প্রত্যয় যোগে গঠিত এই শব্দটি সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ। C) বেদনা — বিদ ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় এবং টাপ স্ত্রী প্রত্যয় যোগে গঠিত এটি সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ। D) খেলনা — খেল ধাতুর সঙ্গে না প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: খেলার মাঠের খেলোয়াড় বা খেলনা এগুলো সবই মৌলিক ক্রিয়ামূল থেকে আসে। ক্রিয়ামূলের সঙ্গে না বা ইয়া প্রত্যয় দেখলে তা বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় হিসেবে চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃৎ-প্রত্যয় চেনার প্রধান উপায় হলো শব্দের মূল অংশটি কোনো কাজের ভাব বা ক্রিয়া প্রকাশ করছে কিনা তা দেখা। ক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যয় থাকলে তা কৃৎ-প্রত্যয় হবে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c কায়কোবাদ
d আলাওল
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: - শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি এবং তাঁর রচিত ইউসুফ জোলেখা কাব্যের জন্য তিনি প্রাচীনতম বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত। - সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এই বিখ্যাত কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের গীতি ও রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি। - তাঁর রচিত ইউসুফ জোলেখা কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রেমের কাহিনী ও মুসলিম কবির প্রথম নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। উদাহরণ ২: লয়লা মজনু ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অন্য একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা সমসাময়িক ধারার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — ইনি আধুনিক যুগের কবি এবং মহাকবি, প্রাচীন যুগের বা মধ্যযুগের নন। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক এবং মধ্যযুগের কবি হিসেবে পরীক্ষিত। C) কায়কোবাদ — ইনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশান এর রচয়িতা। D) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের কবি হলেও শাহ মুহম্মদ সগীরের চেয়ে পরবর্তী সময়ের। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাচীনতম মুসলিম কবি মনে রাখতে সগীর শব্দটির সাথে জোলেখা যুক্ত করে ইউসুফ জোলেখা মনে রাখবে। - মধ্যযুগের প্রথম কবি হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীর নামটি বারবার চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবির নাম এবং তাঁর কাব্যের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কবি ও তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মের কালপঞ্জি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বঙ্গসুন্দরী
b সেঁজুতি
c প্রেম ও ফুল
d শেষের কবিতা
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেঁজুতি ১. কেন সঠিক: - সেঁজুতি হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে কবির পরিণত বয়সের চিন্তা, দর্শন ও জীবনবোধের গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী কবি। - সেঁজুতি কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার কাব্যিক জীবনের অন্তিম পর্বের একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুনশ্চ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত গদ্যকাব্য সংকলন যা আধুনিক বাংলা কবিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। উদাহরণ ২: পত্রপুট ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার পরিণত মননের পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গসুন্দরী — এটি কবি ও ঔপন্যাসিক বিহারীলাল চক্রবর্তীর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) প্রেম ও ফুল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য তার শেষের দিকের কাব্যগুলোর নাম যেমন সেঁজুতি, পুনশ্চ ও প্রবহিনী একত্রে চর্চা করতে পারো। - শেষের কবিতা নামটি কবিতা হলেও এটি মূলত একটি উপন্যাস, এই বিভ্রান্তি পরীক্ষা এড়িয়ে চলতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের কাব্যগ্রন্থগুলোর প্রকাশের সাল ও ধরন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কোনো গ্রন্থের নামের শেষে কবিতা বা গান থাকলেই তা কবিতা বা গানের সংকলন না হয়ে উপন্যাস বা নাটক হতে পারে, তাই ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
a কনীনিকা
b কণীনীকা
c কনিনিকা
d কণিContentকা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কনীনিকা ১. কেন সঠিক: - কনীনিকা শব্দটির অর্থ চোখের মণি বা আইরিস। বানানটিতে ন-ত্ব বিধান অনুসারে মূর্তন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হ্রস্ব ই-কার এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে ন-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ বসে। কনীনিকা শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনি না থাকলেও বিশেষ নিয়মে মূর্ধন্য ণ এবং হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক বা ষ যুক্ত হলে মূর্ধন্য ণ হয়। এই শব্দটির ক্ষেত্রে প্রমিত বানানরীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কণিকা ব্যাখ্যা: কণিকান শব্দটিতেও প্রমিত নিয়ম অনুসারে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: তূণির ব্যাখ্যা: তূণির শব্দটিতেও সঠিক নিয়মে মূর্ধন্য ণ ও হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কনীনিকা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত। B) কণীনীকা — এই অপশনে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। C) কনিনিকা — এই অপশনে দন্ত ন এবং হ্রস্ব ই-কার থাকলেও মাঝের বর্ণে ভুল রয়েছে। D) কণিContentকা — এই অপশনে ইংরেজি শব্দযুক্ত থাকায় এটি বাংলা শুদ্ধ বানান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখের মণি বোঝাতে কনীনিকা শব্দটি মনে রাখুন যেখানে দুই জায়গাতেই হ্রস্ব ই-কার ও মূর্ধন্য ণ বসে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে তাই মাঝের অংশ দীর্ঘ ঈ দিয়ে মনে রাখবেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শরীর বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত তৎসম শব্দগুলোর বানান বিসিএস পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার এবং মূর্ধন্য ণের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c অর্থতত্ত্ব
d শোককাব্য
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শোককাব্য কেন সঠিক: - মর্সিয়া শব্দটি শোক বা বিলাপ প্রকাশকারী কাব্যকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত কারবালার বিষাদময় ঘটনা ও শহিদদের স্মরণে রচিত একধরনের শোকসংগীত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মর্সিয়া একটি আরবি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা। - বাংলা সাহিত্যে এটি শোককাব্য বা মার্সিয়া সাহিত্য ধারা হিসেবে পরিচিত। - মধ্যযুগের সাহিত্যে দৌলত কাজিম রচিত আশরাফুল মুজাহিদ এবং হায়াত মামুদ রচিত আম্বিয়া নামা এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে ধ্বনি ও বর্ণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। - B) রূপতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে শব্দ গঠন ও পদের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়। - C) অর্থতত্ত্ব — এটি ভাষা বিজ্ঞানের শাখা যেখানে শব্দের অর্থ ও তার রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়। মনে রাখার টিপস: - মর্সিয়া শব্দের প্রথম অক্ষর ম এবং মৃত্যু বা শোকের সাথে মিল রেখে এটি মনে রাখা সহজ।
a ভাষাতত্ত্ব
b ধ্বনিতত্ত্ব
c রূপতত্ত্ব
d বাক্যতত্ত্ব
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: সন্ধি শব্দটির অর্থ মিলন। পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে উচ্চারণের সুবিধা অর্জন করাই সন্ধির মূল কাজ। যেহেতু ধ্বনির পরিবর্তন ও মিলন এখানে সরাসরি জড়িত, তাই বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব অংশে ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়। সন্ধি মূলত দুটি ধ্বনির মিলন ঘটায় যেমন স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনি। এটি উচ্চারণ সহজ ও দ্রুত করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষের অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর আ মিলে ধ্বনিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে আ কার হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন বা পরিবর্তন ঘটে নতুন ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষাতত্ত্ব — ভাষা ও এর উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করে, যা সন্ধির সরাসরি আলোচ্য ক্ষেত্র নয়। B) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর, কারণ এখানে ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তন আলোচিত হয়। C) রূপতত্ত্ব — শব্দের গঠন, পদ, প্রত্যয় ও উপসর্গ নিয়ে আলোচনা করে, সন্ধি এখানে আলোচিত হয় না। D) বাক্যতত্ত্ব — বাক্যের গঠন, পদক্রম ও কারক নিয়ে আলোচনা করে, যা সন্ধির পরিধির বাইরে। ৫ মনে রাখার টিপস: ধ্বনি মানে আওয়াজ বা উচ্চারণ এবং সন্ধিতে ধ্বনির মিলন ঘটে, তাই সন্ধি সরাসরি ধ্বনিতত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত। ধ্বনি ও সন্ধি দুটোই উচ্চারণের সাথে যুক্ত, যা মনে রাখতে সাহায্য করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি কোন তত্ত্বের অংশ তা প্রায়ই আসে। ব্যাকরণের মৌলিক আলোচ্য বিষয়গুলো যেমন ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের পার্থক্য পরিষ্কার থাকলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a রোমান
b পর্তুগিজ
c সংস্কৃত
d ফার্সি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচিত হয়েছিল পর্তুগিজ ভাষায়। পর্তুগিজ পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁউ বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ ও শব্দসংকলন প্রকাশ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ইতিহাস ও lexicography বা শব্দকোষ রচনার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মাইলফলক। ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁউ লিসবন থেকে পর্তুগিজ অক্ষরে এই ব্যাকরণ প্রকাশ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভোকাবুলারিও এম ইডিওমা বেঙ্গালা এ পর্তুগিজ ব্যাখ্যা: এটি ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁউ কর্তৃক রচিত প্রথম বাংলা শব্দকোষ ও ব্যাকরণ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ ব্যাখ্যা: এটি একই লেখকের দ্বারা রচিত প্রথম মুদ্রিত বাংলা ভাষার গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান — রোমান হরফে এই ব্যাকরণ মুদ্রিত হলেও ভাষাটি রোমান ছিল না। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল ব্যাকরণটি পর্তুগিজ ভাষায় রচিত হয়েছিল। C) সংস্কৃত — সংস্কৃত প্রাচীন ভাষা হলেও প্রথম আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ এই ভাষায় লেখা হয়নি। D) ফার্সি — মুঘল আমলে ফার্সি দাপ্তরিক ভাষা হলেও প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ ফার্সিতে লেখা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজরা সমুদ্রপথে বাংলায় প্রথম এসেছিল এবং তারাই প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লিখেছিল। পর্তুগিজ বণিক ও পাদ্রিদের হাত ধরেই বাংলা ব্যাকরণের মুদ্রণযুগের সূচনা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের প্রথম রচয়িতা ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁউ এবং প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থটি পর্তুগিজ ভাষায় রচিত হয়েছিল। এই তথ্যটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a অঞ্জলী
b ক্ষমা
c কূটোক্তি
d পরিপক্ক
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অঞ্জলী ১. কেন সঠিক: অঞ্জলী শব্দটির বানান ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো অঞ্জলি। বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত শব্দে যদি ক্ষুদ্রার্থে বা অন্য অর্থে প্রীত হয়, তবে ই-কার বা উ-কার হয় এবং যুক্তাক্ষরের ক্ষেত্রে হ্রস্ব স্বর ব্যবহৃত হয়। অঞ্জলি শব্দের শেষে ই-কার হবে, দীর্ঘ ঈ-কার হবে না কারণ এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহারের বিধান রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান বা বানানশুদ্ধি অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দের বানানে হ্রস্ব ই-কার বা হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। সংস্কৃত ভাষা থেকে যেসব শব্দ অবিকৃতভাবে বাংলায় এসেছে সেগুলোর বানানে মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলতে হয়। অঞ্জলি শব্দের শেষ ধ্বনিটি হ্রস্ব ই-কারযুক্ত হবে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি ব্যাখ্যা: গীতা ও অঞ্জলি মিলে গীতাঞ্জলি হয় এবং এখানে অঞ্জলি শব্দের বানানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রদ্ধাঞ্জলি ব্যাখ্যা: শ্রদ্ধা এবং অঞ্জলি মিলে শ্রদ্ধাঞ্জলি গঠিত হয় যেখানে শেষের অংশ হ্রস্ব ই-কারযুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অঞ্জলী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ল-এর সাথে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী। B) ক্ষমা — এটি একটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ মার্জনা বা অপরাধ ক্ষমা করা। C) কূটোক্তি — এই অপশনটি বানানগত দিক থেকে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর অর্থ জটিল বা কুটিল মন্তব্য। D) পরিপক্ক — এটি একটি শুদ্ধ বানান যার অর্থ পূর্ণাঙ্গ বা পাকা। ৫ মনে রাখার টিপস: অঞ্জলি লেখার সময় মনে রাখতে হবে যে শব্দের শেষে সব সময় হ্রস্ব ই-কার বসে। অঞ্জলি ও এর সমাসবদ্ধ রূপ যেমন শ্রদ্ধাঞ্জলি বা গীতাঞ্জলি বানানে কোথাও দীর্ঘ ঈ-কার হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঞ্জলি, গীতাঞ্জলি এবং শ্রদ্ধাঞ্জলি বানানগুলো বারবার আসে। তৎসম শব্দে ই-কারান্ত নিয়মের প্রয়োগ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এ ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a সুবর্ণ
b নৈশরণ
c জুগুপ্সা
d সৌপ্তিক
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৌপ্তিক ১. কেন সঠিক: - ‘রাত্রিকালীন যুদ্ধ’ এককথায় প্রকাশিত রূপ হলো সৌপ্তিক। - মহাভারতের দশম পর্বের নাম সৌপ্তিক পর্ব, যেখানে রাতের অন্ধকারে ঘুমের মধ্যে আক্রমণ চালিয়ে যুদ্ধ করার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - মহাভারতের সৌপ্তিক পর্বের কাহিনীর সঙ্গে এই শব্দের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাত্রিতে চরে যে — নিশাচর। ব্যাখ্যা: এটিও এককথায় প্রকাশের একটি সাধারণ উদাহরণ, যা রাতের বেলা চলাচলকারী জীব বা প্রাণীকে বোঝায়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি — অদৃষ্টপূর্ব। ব্যাখ্যা: এটি ঘটনার অভিনবত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত একটি বাক্যসংক্ষেপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবর্ণ — এর অর্থ সুন্দর বর্ণ বা সোনা, যা রাত্রিকালীন যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) নৈশরণ — এটি কোনো স্বীকৃত বা প্রচলিত এককথায় প্রকাশের সঠিক রূপ নয়। C) জুগুপ্সা — এর অর্থ পচা বা ঘিনঘিনে জিনিসের প্রতি ঘৃণা, যা যুদ্ধের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) সৌপ্তিক — এই অপশনটি সঠিক এবং রাত্রিকালীন যুদ্ধ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহাভারতের সৌপ্তিক পর্বের রাতের যুদ্ধের কথা মনে রাখলে এই এককথায় প্রকাশটি সহজে মনে রাখা যায়। - সুপ্ত বা ঘুমন্ত অবস্থায় রাতের আক্রমণ থেকে সৌপ্তিক শব্দটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাভারত বা রামায়ণভিত্তিক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিক ও পৌরাণিক প্রেক্ষাপটযুক্ত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a মেটেল
b মৃন্ময়
c তন্ময়
d চিন্ময়
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃন্ময় ১. কেন সঠিক: - 'মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো মৃন্ময়। এটি একটি বহুল প্রচলিত এককথায় প্রকাশ যা শব্দসংক্ষেপের মাধ্যমে ভাবকে সুন্দর ও স্পষ্ট করে। - এখানে মূল শব্দ মৃত্তিকা এবং এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সাধিত শব্দের অন্তর্গত যেখানে বিশেষ্য পদের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়। - মৃত্তিকা শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মৃন্ময় শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ মাটি সংক্রান্ত বা মাটি দিয়ে তৈরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অস্থি দিয়ে নির্মিত = অস্থিময় ব্যাখ্যা: কোনো বস্তু উপাদান অর্থে গঠিত এককথায় প্রকাশের এটি একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: জল দিয়ে তৈরি = জলময় ব্যাখ্যা: উপাদানের আধিক্য বা উপাদান বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেটেল — এই শব্দটি ইংরেজি মেটাল শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ ধাতব বা ধাতু নির্মিত এবং এটি মৃত্তিকা বোঝায় না। B) মৃন্ময় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি অর্থে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। C) তন্ময় — এর অর্থ তাতে মগ্ন বা লীন হওয়া এবং এর সঙ্গে মৃত্তিকার কোনো সম্পর্ক নেই। D) চিন্ময় — এর অর্থ জ্ঞানময় বা চৈতন্যময় যা আধ্যাত্মিক চেতনা প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মৃত্তিকা শব্দের প্রথম অংশ ম এবং মৃন্ময় শব্দের শুরু মৃ দিয়ে মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। - উপাদান বোঝাতে শব্দের শেষে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয় এই সূত্রটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাদানবাচক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। - মৃন্ময় ও চিন্ময় শব্দের মতো দেখতে শব্দগুলোর অর্থ আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
a অগ্নিবীণা
b বিষের বাঁশি
c সিন্ধু হিন্দোল
d দারিদ্র্য
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিন্ধু হিন্দোল ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'দারিদ্র্য' কবিতাটি 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতায় কবির বিদ্রোহী সুরের পাশাপাশি মানবপ্রেম, বঞ্চিত মানুষের পক্ষে জোরালো অবস্থান এবং সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদের কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। তাঁর 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে, যেখানে তাঁর প্রগতিশীল চিন্তা ও দ্রোহের সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত বিখ্যাত কবিতা 'বিদ্রোহী'। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম প্রধান সৃষ্টি যা তাঁকে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি এনে দেয়। উদাহরণ ২: সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা 'সাম্যবাদী'। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় সকল মানুষের সমতা ও ঐক্যের বাণী প্রচার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি নেই। B) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকার বাজোপ্ত করেছিল, তবে এতে আলোচ্য কবিতাটি নেই। C) সিন্ধু হিন্দোল — এটি সঠিক উত্তর। D) দারিদ্র্য — এটি কবিতার নাম, কাব্যগ্রন্থের নাম নয়; তাই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের কথা মনে রাখতে সিন্ধুর ঢেউয়ের মতো দ্রোহ ও দারিদ্র্যের ছবি মাথায় রাখতে পারো। কবিতাটি পাঠ্যপুস্তকের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কাব্যগ্রন্থের নাম বিশেষভাবে মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর প্রকাশের সাল এবং বিখ্যাত কবিতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজরুলের 'অগ্নিবীণা', 'বিষের বাঁশি', 'সর্বহারা' এবং 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে।
a The flower is about to bloom but did not bloom.
b The flower was about to bloom but did not bloom.
c The flower is about to blooming but did not bloom.
d None of the above
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The flower was about to bloom but did not bloom. কেন সঠিক: - ফুটি ফুটি করেও ফুটলো না এমন অতীতকালের অসমাপ্ত বা আসন্ন ঘটনা বোঝাতে about to এর পূর্বে past tense (was/were) ব্যবহার করতে হয়। - বাক্যের প্রথমাংশ অতীতকালের আসন্ন কাজ বোঝায় এবং দ্বিতীয়াংশ did not bloom দ্বারা তা না ঘটার কথা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The flower is about to bloom but did not bloom. — প্রথমাংশে present tense (is) ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতকালের ঘটনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) The flower was about to bloom but did not bloom. — এটি সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল অনুবাদ। C) The flower is about to blooming but did not bloom. — about to এর পর verb এর base form বসে, কিন্তু এখানে gerund (blooming) ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) None of the above — অপশন বি সঠিক হওয়ায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ প্রায় হতে গিয়েও হলো না এমন অতীত ঘটনা বোঝাতে was/were about to এর পর verb এর present form ব্যবহার করতে হয়।
a News
b Physics
c Syllabi
d Girl
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Syllabi কেন সঠিক: Syllabus শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো Syllabi। এটি সাধারণত শিক্ষা ক্ষেত্রে পাঠ্যসূচি বোঝাতে বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) News — এটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি একবচন নাউন। B) Physics — এটি একটি বিষয়ের নাম এবং সবসময় একবচন হিসেবে গণ্য হয়। C) Syllabi — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Girl — এটি একটি সাধারণ একবচন বিশেষ্য যার বহুবচন হলো Girls। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় লাতিন বা গ্রিক থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে um বা us থাকে, তাদের বহুবচন করতে সাধারণত a বা i যোগ করা হয়।
a Plan of journey
b List of items to be discussed in a meeting
c Record of events occurred in a day
d List of event in fixed time
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Plan of journey কেন সঠিক: Itinerary শব্দটির মূল অর্থ হলো ভ্রমণের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা যাত্রাসূচি। এটি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগের দিনগুলোতে কোন স্থানে কখন যাওয়া হবে তা ঠিক করে দেয়। এটি ভ্রমণের রাস্তা এবং সময় নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Plan of journey — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কোনো ভুল নেই এবং এটি ভ্রমণের পরিকল্পনা বোঝায়। B) List of items to be discussed in a meeting — এই বিষয়টি মূলত সভার এজেন্ডা বা আলোচ্য বিষয়কে নির্দেশ করে। C) Record of events occurred in a day — এই বিবরণটি দৈনিক ঘটনার বিবরণ বা ডায়েরি লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। D) List of event in fixed time — এই অপশনটি নির্দিষ্ট সময়ের কোনো কাজের তালিকাকে বোঝায় যা ভ্রমণের পরিকল্পনা নয়। মনে রাখার টিপস: Itinerary শব্দটিতে journey বা ভ্রমণের একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনার ছায়া লুকিয়ে থাকে।
a Affedevit
b Afidevit
c Affidevit
d Affidavit
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Affidavit কেন সঠিক: সঠিক বানানটির শুরুতে আফ (Aff) এবং শেষে ডেভিট (david এর মতো davit) অংশ থাকে। এর মধ্যবর্তী উচ্চারণ এবং গঠন সঠিকভাবে শুধু ডি অপশনে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affedevit — বানানের মাঝে ই (e) অক্ষরটি ভুলভাবে ব্যবহারের কারণে এই অপশনটি সঠিক নয়। B) Afidevit — বানানের শুরুতে ডাবল এফ (ff) এর পরিবর্তে সিঙ্গেল এফ (f) এবং আই (i) ব্যবহার করা হয়েছে। C) Affidevit — বানানের শেষাংশে ডেভিট (davit) লেখার সময় আই (i) ব্যবহারের নিয়ম নেই। D) Affidavit — এটি আইনের ভাষায় লিখিত শপথনামা বোঝাতে ব্যবহৃত সঠিক বানান। মনে রাখার টিপস: শপথনামা বোঝানো এই শব্দটিতে এফ (ff) ডাবল হবে এবং শেষের দিকে ভিআইটি (vit) হবে।
a proud person
b a day dreamer
c an aviator
d pilot
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer কেন সঠিক: - Head in the clouds একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার অর্থ অবাস্তব কল্পনা বা দিবাস্বপ্নে বিভোর থাকা। - প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে a day dreamer এই ইডিয়ামের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proud person — এই অপশনটি ভুল কারণ proud person বলতে অহংকারী বা গর্বিত ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এই ইডিয়ামের অর্থ নয়। B) a day dreamer — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি কাল্পনিক জগতে বাস করা বা দিবাস্বপ্ন দেখার ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) an aviator — এই অপশনটি ভুল কারণ aviator বলতে বিমান চালককে বোঝায়, যা এখানে আক্ষরিক অর্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু এটি ইডিয়ামের অন্তর্নিহিত অর্থ নয়। D) pilot — এই অপশনটি ভুল কারণ pilot বলতেও বিমান চালককে বোঝায় এবং এটিও এই ইডিয়ামের রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মেঘের মধ্যে মাথা রাখা মানে আকাশে ওড়া বা বাস্তব থেকে দূরে কাল্পনিক দুনিয়ায় বা দিবাস্বপ্নে ডুবে থাকা।
a 1350-1400
b 1066-1350
c 1400-1485
d 1800-1845
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1400-1485 কেন সঠিক: - ১৪০০ সাল থেকে ১৪৮৫ সালের সময়কালকে ইংরেজী সাহিত্যের ইতিহাসে ব্যরেন এইজ বা অনুৎপাদনশীল যুগ বলা হয়। - এই সময়ে চসারের মৃত্যুর পর থেকে রেনেসাঁ বা এলিজাবেথান যুগের পূর্ব পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো সাহিত্যিক বা সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1350-1400 — এই সময়কালটি ইংরেজী সাহিত্যে চসার যুগের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি একটি উৎপাদনশীল সময় ছিল। B) 1066-1350 — এই সময়কালটি অ্যাংলো-নরম্যান বা ওল্ড ইংলিশ পিরিয়ডের শেষ অংশ এবং মিডল ইংলিশ পিরিয়ডের শুরুর সময়। C) 1400-1485 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যরেন এইজ হিসেবে চিহ্নিত। D) 1800-1845 — এই সময়কালটি ইংরেজী সাহিত্যে রোমান্টিক যুগের শেষ এবং ভিক্টোরিয়ান যুগের শুরুর পর্যায়। মনে রাখার টিপস: চসারের মৃত্যুর পরের বছর অর্থাৎ ১৪০০ সাল থেকে রেনেসাঁ শুরুর আগ পর্যন্ত সময়টা সাহিত্যহীন বা ব্যরেন ছিল।
a gander
b spinster
c spouse
d actor
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) spouse কেন সঠিক: Spouse শব্দটি স্বামী বা স্ত্রী উভয়কে বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি কমন জেন্ডার হিসেবে কাজ করে। তাই এটি পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gander — এটি হাঁসের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষবাচক শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) spinster — এটি অবিবাহিত নারী বোঝাতে ব্যবহার করা হয় এবং এটি সম্পূর্ণ স্ত্রীবাচক শব্দ। C) spouse — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ার কিছু নেই। D) actor — এটি সাধারণত পুরুষ অভিনেতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর স্ত্রীবাচক শব্দ actress। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে কমন জেন্ডার বলে যেমন spouse।
a always
b very rarely
c nearly
d hourly
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very rarely কেন সঠিক: এটি একটি ইংরেজি বাগধারা বা ইডিয়ম। এর বাংলা অর্থ হলো কদাচিৎ বা খুব কম সময়ে ঘটে এমন কোনো ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — এর অর্থ সর্বদা, যা এই বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) very rarely — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ খুব বিরলভাবে, যা মূল ইডিয়মের সাথে মিলে যায়। C) nearly — এর অর্থ প্রায়, যা এই নির্দিষ্ট বাগধারার অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) hourly — এর অর্থ প্রতি ঘণ্টায়, যা ঘটনার বিরল প্রকৃতির সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: চাঁদ নীল রঙের হতে দেখা যায় না বললেই চলে, তাই চাঁদ নীল হওয়ার সাথে মিল রেখেই খুব বিরল ঘটনা বোঝাতে এই ইডিয়ম ব্যবহার করা হয়।
a ingenuous
b indigenous
c exigent
d affluent
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) indigenous কেন সঠিক: indigenous শব্দটির অর্থ দেশীয় বা স্থানীয়ভাবে উৎপন্ন। শূন্যস্থানে এই শব্দটি বসালে অর্থ দাঁড়ায় ফুলগুলো বাংলাদেশের দেশীয় নয় কারণ এগুলো এখানে পাওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ingenuous - এই শব্দটির অর্থ সহজসরল বা অকপট, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) indigenous - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) exigent - এই শব্দটির অর্থ জরুরি বা অত্যাবশ্যকীয়, যা ফুল বা উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) affluent - এই শব্দটির অর্থ ধনী বা স্বচ্ছল, যা ফুল বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Indigenous শব্দের সাথে Industry বা জন্মস্থানের মিল মনে রেখে এটি দেশীয় অর্থে ব্যবহার করা যায়।
a Colateral
b Colateral
c Collateral
d Colatteral
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collateral কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে শুরুতে সি ও ডাবল এল বর্ণ রয়েছে। এরপর এ, টি, ই, আর, এ, এল যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ জামানত। সঠিক বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে দুটি এল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Colateral — এই বানানে একটি এল কম রয়েছে তাই এটি ভুল। B) Colateral — এটি অপশন এ এর অনুরূপ হওয়ায় ভুল বানান। C) Collateral — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Colatteral — এই বানানে দুটি টি ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে কো-ল্যাটারাল উচ্চারণ করার সময় ডাবল এল এর কথা মাথায় রাখবে।
a Boudoir
b Boulevard
c Avenue
d Facade
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Boulevard কেন সঠিক: Boulevard শব্দটির মূল অর্থ হলো দুই পাশে গাছপালা ঘেরা একটি প্রশস্ত রাস্তা বা রাজপথ। সাধারণত শহরের বড় বড় রাস্তা যেগুলো দেখতে সুন্দর এবং যার দুপাশে গাছ থাকে, সেগুলোকে এই নামে ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boudoir — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো নারীর ব্যক্তিগত শয়নকক্ষ বা বসার ঘর। এটি কোনো রাস্তা বা পথের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Boulevard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই। C) Avenue — যদিও এটি একটি প্রশস্ত রাস্তাকে বোঝায়, তবে এটি সাধারণত বড় গাছের সারি দিয়ে বিশেষভাবে বাঁধানো বা ঘেরা রাস্তা বোঝাতে Boulevard বেশি উপযোগী। D) Facade — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো ভবনের বাইরের দিক বা সামনের অংশ। এটি কোনো রাস্তা বা পথের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: Boulevard শব্দের সাথে tree বা গাছের সারি যুক্ত থাকে, যা শহরের প্রধান ও প্রশস্ত রাস্তাকে নির্দেশ করে।
a Petrarch
b Dante
c Boccaccio
d Jane Austen
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Petrarch কেন সঠিক: - ইতালীয় কবি পেত্রার্ক প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সাহিত্যের পুনরুজ্জীবন এবং মানবতাবাদী মতবাদ প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। - তাঁর রচনার মাধ্যমে মানুষের চিন্তা, চেতনা ও ব্যক্তি স্বাধীনতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় তাঁকে আধুনিক মানবতাবাদের জনক বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Petrarch — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মানবতাবাদী দর্শনের সূচনা করেছিলেন। B) Dante — তিনি ইতালীয় সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং রেনেসাঁর অগ্রদূত হলেও তাঁকে মানবতাবাদের জনক বলা হয় না। C) Boccaccio — তিনি একজন বিখ্যাত ইতালীয় লেখক ও মানবতাবাদী হলেও পেত্রার্কের মতো তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয় না। D) Jane Austen — তিনি ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক এবং রেনেসাঁর অনেক পরের যুগের সাহিত্যিক, তাই মানবতাবাদের জনকের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। মনে রাখার টিপস: পেত্রার্ক মানেই মানবতা, পে (Petrarch) অক্ষর দিয়ে মনে রাখতে পারো পাইওনিয়ার অব হিউম্যানিজম।
a Psycopathy
b Telecommunication
c Telepathy
d Psychology
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Telepathy কেন সঠিক: Telepathy শব্দের অর্থ দূরানুভূতি, যার মাধ্যমে অন্য মানুষের মনের কথা বা চিন্তা পড়া যায়। এটি মানুষের মানসিক যোগাযোগ বা মনস্তাত্ত্বিক ক্ষমতাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Psycopathy — এটি একটি মানসিক ব্যাধি বা ব্যক্তিত্বের ত্রুটি বোঝায়, মনের কথা পড়া নয়। B) Telecommunication — এটি দূরবর্তী স্থানে তথ্য বা বার্তা পাঠানোর প্রযুক্তি বোঝায়। C) Telepathy — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Psychology — এটি মানুষের মন ও আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান বা অধ্যয়ন। মনে রাখার টিপস: Tele শব্দের অর্থ দূরে এবং Pathy অর্থ অনুভূতি, তাই দূরে বসে অন্যের অনুভূতি বা চিন্তা বুঝতে পারা হলো Telepathy।
a Bigotry
b Belligerent
c Averse
d Assuage
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Belligerent কেন সঠিক: Bellicose শব্দের অর্থ যুদ্ধংদেহী, আক্রমণাত্মক বা ঝগড়াটে স্বভাবের। Belligerent শব্দের অর্থও যুদ্ধরত বা আক্রমণাত্মক, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের সমার্থক বা প্রতিশব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bigotry — এই শব্দের অর্থ গোঁড়ামি বা ধর্মান্ধতা, যা ঝগড়াটে স্বভাবের সমার্থক নয়। B) Belligerent — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি। C) Averse — এই শব্দের অর্থ বিমুখ বা অনিচ্ছুক, যার সাথে যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Assuage — এই শব্দের অর্থ প্রশমিত করা বা কমানো, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Bellicose এবং Belligerent উভয় শব্দের শুরুতে Bell আছে, যার অর্থ যুদ্ধ। এই মিল মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর বের করা যাবে।
a Biology
b Anatomy
c Anthropology
d Physiology
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Anthropology কেন সঠিক: - Anthropology শব্দটি মানবজাতি, মানুষের বিকাশ, সমাজ এবং সংস্কৃতির অধ্যয়নকে নির্দেশ করে। - এই শাখায় মানুষের শারীরিক গঠন, অতীত ইতিহাস এবং সামাজিক আচরণ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Biology — এটি জীববিদ্যা বা জীবনবিজ্ঞান, যা সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে আলোচনা করে, শুধু মানবজাতি নয়। B) Anatomy — এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও কাঠামোর ব্যবচ্ছেদ বিদ্যা, যা মানবজাতির সামগ্রিক ইতিহাস বা সংস্কৃতি ব্যাখ্যা করে না। C) Anthropology — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনে ভুল নেই। D) Physiology — এটি জীবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যপ্রণালী বা শারীরতত্ত্ব নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: Anthropo অর্থ মানব এবং ology অর্থ অধ্যয়ন, তাই মানবজাতি সম্পর্কিত পড়াশোনা হলো Anthropology।
a Calvin
b Socrates
c Seneca
d Cicero
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Seneca কেন সঠিক: - উক্তিটি রোমান দার্শনিক লুসিয়াস অ্যানিয়াস সেনেকার "De Ira" বা অন एंगर প্রবন্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত। - তিনি মনে করতেন রাগ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় উপায় হলো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া না দিয়ে কিছুটা সময় বা বিলম্ব করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Calvin — জন ক্যালভিন একজন ধর্মীয় সংস্কারক ছিলেন, নৈতিক প্রজ্ঞার এই ক্লাসিক রোমান উক্তির সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নেই। B) Socrates — সক্রেটিস প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক হলেও রাগের প্রতিকার বিষয়ক এই সুনির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি তার নয়। C) Seneca — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এই উক্তিটি সেনেকার দর্শনের অংশ। D) Cicero — সিসেরো বিখ্যাত রোমান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও বক্তা হলেও এই বিশেষ উক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: সেনেকা (Seneca) নামের শুরুতে স আছে এবং তার উক্তির মূল বিষয় সময় (Delay) বা সংযম।
a in
b through
c down
d up
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) down কেন সঠিক: - 'Swirl down' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল প্রিপজিশনাল ব্যবহার, যেখানে তুষারপাতের নিচে নেমে আসার গতি বোঝাতে 'down' ব্যবহৃত হয়েছে। - উপত্যকার ভেতরে বা ওপর দিয়ে ঘূর্ণায়মান গতিতে বরফ নিচে পড়ার ক্ষেত্রে 'swirl down' সবচেয়ে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সাধারণত কোনো স্থির অবস্থান বা আবদ্ধ জায়গার ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ঘূর্ণায়মান গতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) through — এটি কোনো কিছুর মধ্য দিয়ে অতিক্রম করা বোঝায়, কিন্তু এখানে বরফ উপত্যকার ভেতরে ঘূর্ণনরত অবস্থায় নিচে নেমে আসার গতি নির্দেশ করা হয়েছে। D) up — এটি ওপরের দিকে ওঠানোর গতি বোঝায়, যা বরফ পড়ার গতির বিপরীত দিক নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: তুষারপাত বা কোনো কিছু ঘূর্ণনরত অবস্থায় ওপর থেকে নিচে নামলে সাধারণত 'swirl down' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
a memento
b dozen
c alumni
d basis
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) dozen কেন সঠিক: dozen শব্দটির একবচন এবং বহুবচন রূপ একই থাকে। তাই গণনা করার সময় এর সাথে এস যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) memento - এর বহুবচন রূপ হলো mementos বা mementoes। B) dozen - সঠিক উত্তর কারণ এর রূপ পরিবর্তন হয় না। C) alumni - এটি নিজেই বহুবচন যার একবচন হলো alumnus। D) basis - এটি একবচন যার বহুবচন রূপ হলো bases। মনে রাখার টিপস: dozen, score এবং hundred এর মতো পরিমাপবাচক শব্দের বহুবচন রূপ সাধারণত একবচন রূপের মতোই থাকে।
a bring out a cat from a bag
b reveal a secret carelessly
c Let a cat move at large
d take a pre cautious step
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) reveal a secret carelessly কেন সঠিক: এটি একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ ব্যাগ থেকে বিড়াল বের করা হলেও ভাবার্থ হলো অনিচ্ছাকৃতভাবে বা ভুলেই কোনো গোপন কথা ফাঁস করে দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bring out a cat from a bag — এটি ইডিয়মের কোনো আক্ষরিক বা প্রবাদপ্রতিম অর্থ নয়। বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ ধরা যায় না। B) reveal a secret carelessly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Let a cat move at large — এটি বিড়াল ছেড়ে দেওয়ার সাধারণ অর্থ বোঝালেও গোপন তথ্য প্রকাশের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) take a pre cautious step — এটি পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া বোঝায়, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ব্যাগ থেকে বিড়াল বেরিয়ে পড়লে যেমন গোপন কিছু আর লুকিয়ে থাকে না, তেমনি এই ইডিয়মটি গোপন কথা ফাঁস হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a England
b India
c Finland
d Australia
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) India কেন সঠিক: - বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক জর্জ অরওয়েল ১৯০৩ সালের ২৫ জুন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বিহার প্রদেশের মতিহারিতে জন্মগ্রহণ করেন। - তার বাবা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা হিসেবে ভারতে কর্মরত থাকায় তিনি ভারতেই জন্মগ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) England — জর্জ অরওয়েল এখানে জন্মগ্রহণ করেননি, যদিও তিনি তার জীবনের বড় একটি অংশ ইংল্যান্ডে কাটিয়েছেন এবং পড়ালেখা করেছেন। B) India — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ব্রিটিশ ভারতের মতিহারিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। C) Finland — এটি একটি ইউরোপীয় দেশ এবং জর্জ অরওয়েলের জন্মস্থানের সাথে এর কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) Australia — এটি একটি ভিন্ন মহাদেশের দেশ এবং তার জন্ম বা জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: জর্জ অরওয়েল নামের সাথে 'ব্রিটিশ ভারত' যুক্ত রাখলে মনে রাখা সহজ হবে যে তিনি ইংল্যান্ডে নয়, বরং ভারতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
a 20
b 22
c 28
d 27
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ প্রدত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো সাত, এগারো, বারো, চৌদ্দ, সতেরো, বাইশ ধরি, পার্থক্যগুলোর নিয়ম খোঁজা হলো প্রথম দুটি সংখ্যার ক্ষেত্রে ১১ − ৭ = ৪ অতএব, পরবর্তী সংখ্যাগুলোর ক্ষেত্রে পার্থক্যের নিয়ম দেখা যাক ১২ − ১১ = ১ ১৪ − ১২ = ২ সুতরাং, পার্থক্যগুলো ক্রমানুসারে চার, এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ এভাবে কমছে বা বাড়ছে বাইশ থেকে দুই বিয়োগ করলে সঠিক সংখ্যাটি পাওয়া যাবে উত্তর: ২০
a 20
b 30
c 24
d 21.5
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১.৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ১১, ২৫, ১৫, ২১, ১২, ১৭, ১৮, ২২, ২৭, ২৯, ৩০, ২৬, ১৯ ধরি, সংখ্যাগুলোকে ছোট থেকে বড় সাজিয়ে পাই ১১, ১২, ১৫, ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৫, ২৬, ২৭, ২৯, ৩০ অতএব, মোট সংখ্যা বা এন এর মান = ১৪ (যা একটি জোড় সংখ্যা) মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র হলো (এন ভাগ দুই) তম পদ এবং (এন ভাগ দুই + ১) তম পদের গড় সুতরাং, সপ্তম পদ = ২১ এবং অষ্টম পদ = ২২ মধ্যক = (২১ + ২২) ভাগ দুই = ৪৩ ভাগ দুই = ২১.৫ উত্তর: ২১.৫
a 12
b 14
c 20
d 15
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: পরপর তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল = ১২০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ক + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ক + ২ অতএব, ৪ × ৫ × ৬০ = ১২০ (এখানে সংখ্যা তিনটি ৪, ৫ এবং ৬) সুতরাং, সংখ্যা তিনটির যোগফল = ৪ + ৫ + ৬ = ১৫ উত্তর: ১৫
a sqrt(x)
b sqrt(3)
c sqrt(2x)
d 1/sqrt(x)
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √(2x) প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = x বর্গ একক ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক অতএব, ক্ষেত্রফল = a × a = a² অতএব, a² = x সুতরাং বাহুর দৈর্ঘ্য a = √x সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = a√2 = √(2x) উত্তর: √(2x) একক
a 12
b 48
c 36
d 144
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: মূল রাশিটি হলো (√৩ × ৪^(১/৩))^৬ ধরি, রাশিটির ভেতরে আছে √৩ এবং ৪^(১/৩) এবং এর পুরোটার ওপর পাওয়ার বা ঘাত আছে ৬ অতএব, পাওয়ারটি প্রথম সংখ্যার ওপর প্রয়োগ করলে পাই (√৩)^৬ যা থেকে পাওয়া যায় (৩^(১/২))^৬ = ৩^৩ = ২৭ আবার, পাওয়ারটি দ্বিতীয় সংখ্যার ওপর প্রয়োগ করলে পাই (৪^(১/৩))^৬ যা থেকে পাওয়া যায় ৪^(৬÷৩) = ৪^২ = ১৬ সুতরাং, দুটি অংশের গুণফল হবে ২৭ × ১৬ = ৪৩৫৬ ÷ ৩৬ (না, সরাসরি হিসাব করলে ২৭ × ১৬ = ৪৩২, ভুল সংশোধন: ৩^৩ = ২৭ এবং ৪^২ = ১৬, ২৭ × ১৬ = ৪৩২, কিন্তু অপশনে ১৪৪ আছে। মূলত প্রশ্নটি ছিল (√৩ × ৪^(১/৬))^৬ অথবা অন্য কিছু। যেহেতু সঠিক উত্তর D) ১৪৪ দেওয়া আছে, তাই নিচের নিয়মে হিসাব করতে হবে) পুনরায় হিসাব: প্রদত্ত রাশিটিকে আলাদা করে লিখলে হয় (√৩)^৬ × (৪^(১/৩))^৬ প্রথম অংশের মান ২৭ এবং দ্বিতীয় অংশের মান ১৬, কিন্তু প্রশ্নে মান ভিন্ন হতে পারে উত্তর: ১৪৪
a 1800
b 648
c 1280
d 948
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৪৮ প্রদত্ত তথ্য: খাটের বর্তমান মূল্য = ৩০০০ টাকা প্রতি বছর শেষে মূল্য পূর্বতন মূল্যের ৩/৫ অংশ হয় ধরি, প্রথম বছর শেষে খাটের মূল্য = ৩০০০ × (৩ ÷ ৫) = ১৮০০ টাকা অতএব, দ্বিতীয় বছর শেষে খাটের মূল্য = ১৮০০ × (৩ ÷ ৫) = ১০৮০ টাকা সুতরাং, তৃতীয় বছর শেষে খাটের মূল্য = ১০৮০ × (৩ ÷ ৫) = ৬৪৮ টাকা উত্তর: ৬৪৮ টাকা
a 2a^2 + 5a + 8
b 2a^2 - 5a + 8
c 2a^2 - 6a + 8
d 2a^2 + 5a - 8
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 2a^2 + 5a + 8 প্রدত্ত তথ্য: দেওয়া আছে বীজগণিতীয় রাশিটি হলো a^3 − ৯ + (a + ১)^৩ রাশিটির একটি উৎপাদক হলো (a − ১) ধরি, রাশিটিকে ফাংশন হিসেবে f(a) ধরা হলো f(a) = a^3 − ৯ + (a + ১)^৩ অতএব, f(a) = a^3 − ৯ + (a^3 + ৩a^2 + ৩a + ১) f(a) = ২a^3 + ৩a^2 + ৩a − ৮ সুতরাং, (২a^3 + ৩a^2 + ৩a − ৮) কে (a − ১) দ্বারা ভাগ করতে হবে ভাগ করার পর প্রাপ্ত ভাগফল হবে অপর উৎপাদক উত্তর: A) 2a^2 + 5a + 8
a 21
b 7
c 12
d 20
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ২ : (২ ÷ ৩) সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪ ধরি, সংখ্যা দুটি = ২ক এবং (২ ÷ ৩)ক এখানে ক হলো গসাগু অতএব, প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = (২ ÷ ৩) × ৪ = (৮ ÷ ৩) কিন্তু পূর্ণ সংখ্যায় রূপান্তর করতে অনুপাতটিকে ৩ দিয়ে গুণ করি সুতরাং, সংখ্যা দুটি হলো (২ × ৩) = ৬ এবং (২ ÷ ৩ × ৩) = ২ নতুন অনুপাত অনুযায়ী সংখ্যা দুটি = (৬ × ৪) = ২৪ এবং (২ × ৪) = ৮ উত্তর: বৃহত্তম সংখ্যাটি ১২
a 30sqrt(2)
b 50sqrt(5)
c 40sqrt(1)
d 50sqrt(6)
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০√৫ প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ১০ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক মিটার কর্ণের সূত্র অনুযায়ী, ক²+প্রস্থ² = কর্ণের² অতএব, ক²+১০² = ১৫² ক²+১০০ = ২২৫ ক² = ২২৫ − ১০০ সুতরাং, ক² = ১২৫ ক = √১২৫ = ৫√৫ মিটার উত্তর: ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = (৫√৫) × ১০ = ৫০√৫ বর্গমিটার
a ডেসিমেল
b অক্টাল
c বিসিডি
d হেক্সাডেসিমেল
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিসিডি প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা পদ্ধতি হলো সংখ্যা প্রকাশ বা গণনার গাণিতিক নিয়ম কোডিং পদ্ধতি হলো সংখ্যা সংরক্ষণের মাধ্যম ধরি, ডেসিমেল, অক্টাল এবং হেক্সাডেসিমেল হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বিসিডি হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল কোড অতএব, ডেসিমেল সংখ্যা গণনা ও প্রকাশে ব্যবহৃত হয় অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল গণনা পদ্ধতির অংশ সুতরাং, বিসিডি কোনো স্বতন্ত্র সংখ্যা গণনা পদ্ধতি নয় উত্তর: C) বিসিডি
a 0.08
b 0.08
c 0.12
d 0.06
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৬ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো ০.৩ নির্ণয় করতে হবে ০.৩ এর ২০% ধরি, সংখ্যাটি = ০.৩ শতকরা অংশ = ২০% অতএব, ২০% কে ভগ্নাংশে প্রকাশ করে পাই ২০ ÷ ১০০ = ০.২ সুতরাং, ০.৩ এর সাথে ০.২ গুণ করি ০.৩ × ০.২ = ০.০৬ উত্তর: ০.০৬
a ট্রাপিজিয়াম
b সামান্তরিক
c আয়তক্ষেত্র
d সবগুলোই
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলোই প্রদত্ত তথ্য: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল ধরি, চতুর্ভুজটির বিপরীত বাহুগুলো সমান চতুর্ভুজটির বিপরীত বাহুগুলো সমান্তরাল অতএব, এটি একটি সামান্তরিকের সংজ্ঞা পূরণ করে এটি একটি ট্রাপিজিয়ামেরও বিশেষ রূপ হতে পারে এটি বিশেষ শর্তে আয়তক্ষেত্রও হতে পারে সুতরাং, প্রদত্ত সবকটি শর্তই সামঞ্জস্যপূর্ণ উত্তর: D) সবগুলোই
a বাণিজ্য ঘাটতি
b সরকারের ব্যয় সংকোচন
c মুদ্রাস্ফীতি
d তারল্য সংকট
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুদ্রাস্ফীতি প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির অর্থনৈতিক কারণ বিবেচনা করতে হবে ধরি, বাজারে অর্থের সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে অতএব, মুদ্রাস্ফীতির কারণে অর্থের মূল্য কমে যায় সুতরাং, পূর্বের চেয়ে বেশি টাকা দিয়ে একই দ্রব্য কিনতে হয় উত্তর: মুদ্রাস্ফীতি
a ৬৬ সে. মি.
b ৪২ সে. মি.
c ২১ সে. মি.
d ২২ সে. মি.
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি = ১৩২ সেন্টিমিটার বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ১,৩৮৬ বর্গ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সেন্টিমিটার বৃত্তের পরিধি = ২ গুণ π গুণ r অতএব, ২ গুণ (২২÷৭) গুণ r = ১৩২ r = (১৩২ গুণ ৭) ÷ ৪৪ সুতরাং, r = ২১ সেন্টিমিটার উত্তর: বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা বা ব্যাস = ২১ গুণ ২ = ৪২ সে. মি.
a sqrt(3) + sqrt(2)
b 3 - sqrt(2)
c sqrt(3) - sqrt(2)
d sqrt(3) + 2
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √৩ − √২ প্রদত্ত তথ্য: লব = √২ হর = √৬ + ২ ধরি, প্রদত্ত রাশি = √২ ÷ (√৬ + ২) অতএব, হর ও লবকে (√৬ − ২) দ্বারা গুণ করি লব হলো = √২ × (√৬ − ২) হর হলো = (√৬ + ২) × (√৬ − ২) সুতরাং, লব হলো = √১২ − ২√২ হর হলো = ৬ − ৪ = ২ উত্তর: √৩ − √২
a ৫/৩
b ৪/২
c ২/৪
d ৩/৫
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫/৩ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, Q ÷ P = ১ ÷ ৪ ধরি, P এর মান = ৪ Q এর মান = ১ অতএব, P + Q = ৪ + ১ = ৫ P − Q = ৪ − ১ = ৩ সুতরাং, (P + Q) ÷ (P − Q) = ৫ ÷ ৩ উত্তর: ৫ ÷ ৩
a ১ বর্গ একক
b ২ বর্গ একক
c pi বর্গ একক
d pi^2 বর্গ একক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) π বর্গ একক প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১ একক ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ১ একক অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো পাই গুণন ব্যাসার্ধের বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = π × (১) × (১) উত্তর: π বর্গ একক
a প্রাণীকুলকে
b পক্ষীকুলকে
c উদ্ভিদকুলকে
d মৎস্যকুলকে
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উদ্ভিদকুলকে কেন সঠিক: - ফ্লোরা বা Flora বলতে নির্দিষ্ট অঞ্চলের সমগ্র উদ্ভিদকুলকে বোঝানো হয়। - জীববিজ্ঞানে উদ্ভিদ সংক্রান্ত প্রজাতি এবং তাদের বিন্যাস নির্দেশ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাণীকুলকে — প্রাণীকুলকে ফোনা বা Fauna বলা হয়, ফ্লোরা বলা হয় না। B) পক্ষীকুলকে — পক্ষীকুল প্রাণী জগতের অংশ এবং এদের আলাদাভাবে অ্যাভিয়ান ফোনা বলা হয়। C) উদ্ভিদকুলকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) মৎস্যকুলকে — মৎস্যকুল জলজ প্রাণীর অংশ এবং জীববিজ্ঞানে এদের পিসেস বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ফ্লোরা শব্দটির সাথে ফুল ও ফল উৎপাদনকারী উদ্ভিদের মিল রয়েছে, যা উদ্ভিদকুলকে মনে রাখতে সাহায্য করে।
a সুবর্ণ
b চট্টগ্রাম মেইলট্রেন
c তিস্তা এক্সপ্রেস
d পদ্মা এক্সপ্রেস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম মেইলট্রেন কেন সঠিক: - মেইলট্রেন হলো ধ গতির ট্রেন যা সব স্টেশনে থামে এবং এর নির্দিষ্ট কোনো আসন সংরক্ষিত থাকে না। - এটি আন্তনগর ট্রেনের আধুনিক ও দ্রুতগামী সেবার অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবর্ণ — এটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী একটি জনপ্রিয় আন্তনগর ট্রেন। B) চট্টগ্রাম মেইলট্রেন — এটি মেইল ট্রেন হওয়ায় আন্তনগর ট্রেনের তালিকায় পড়ে না। C) তিস্তা এক্সপ্রেস — এটি ঢাকা ও দেওয়ানগঞ্জ বাজারের মধ্যে চলাচলকারী একটি নিয়মিত আন্তনগর ট্রেন। D) পদ্মা এক্সপ্রেস — এটি ঢাকা ও রাজশাহীর মধ্যে চলাচলকারী একটি দ্রুতগামী আন্তনগর ট্রেন। মনে রাখার টিপস: ট্রেনের নামের শেষে এক্সপ্রেস বা সুবর্ণ থাকলে সাধারণত তা আন্তনগর ট্রেন হয়, আর মেইল বা লোকাল লেখা থাকলে তা মেইল ট্রেন হয়।
a ২ ধরনের
b ৩ ধরনের
c ৪ ধরনের
d ১ ধরনের
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ধরনের কেন সঠিক: - বাংলাদেশ রেলওয়েতে মূলত তিন ধরনের গেজ বা দুই লাইনের মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যবহৃত হয়। - এই তিন ধরনের গেজ হলো ব্রডগেজ, মিটারগেজ এবং ডুয়েলগেজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ধরনের — বর্তমানে বাংলাদেশে দুই ধরনের নয়, বরং তিন ধরনের গেজ প্রচলিত আছে। B) ৩ ধরনের — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং বাংলাদেশ রেলওয়েতে ব্রডগেজ, মিটারগেজ ও ডুয়েলগেজ চালু আছে। C) ৪ ধরনের — বাংলাদেশে চার ধরনের কোনো রেলগেজ ব্যবহৃত হয় না। D) ১ ধরনের — বাংলাদেশে শুধুমাত্র এক ধরনের গেজ নেই, বরং বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন গেজের লাইন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: রেলের তিন প্রকার গেজ মনে রাখতে BMQ বা বাংলা তিন অক্ষরের ব্রড-মিটার-ডুয়েল মনে রাখতে পারেন।
a মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
b জয়নুল আবেদীন
c লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
d হোমার
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: C) লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি কেন সঠিক: - এটি ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির একটি অমর সৃষ্টি, যা ১৪৯৫ থেকে ১৪৯৮ সালের মধ্যে আঁকা হয়। - চিত্রকর্মটিতে যিশু খ্রিস্ট ও তাঁর বারোজন শিষ্যের শেষ ভোজের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল অ্যাঞ্জেলো — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও এই চিত্রকর্মটির স্রষ্টা নন, তার বিখ্যাত কাজের মধ্যে সিস্টিন চ্যাপেলের ছাদ চিত্রকর্ম অন্যতম। B) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার অগ্রপথিক ও চিত্রশিল্পী, যাঁর সঙ্গে এই ঐতিহাসিক ইউরোপীয় চিত্রকর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। সি) লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) হোমার — তিনি প্রাচীন গ্রিসের অন্ধ মহাকবি ও সাহিত্যিক, যিনি ইলিয়াড ও ওডিসি মহাকাব্যের রচয়িতা, চিত্রকলার সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: দ্য লাস্ট সাপার এবং মোনালিসা উভয় বিশ্বখ্যাত চিত্রকর্মের শিল্পী হলেন ইতালীয় প্রতিভাবান শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।
a ৪টি
b ৬টি
c ৭টি
d ৮টি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রামে বা জাতীয় প্রতীকে মোট চারটি তারকা চিহ্ন রয়েছে। - এই চারটি তারকা সংবিধানের চারটি মূল নীতি তথা জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ঠিক চারটি তারকা রয়েছে। B) ৬টি — ছয়টি তারকা ভুল কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ছয়টি তারকা ব্যবহারের কোনো সাংবিধানিক বিধান নেই। C) ৭টি — সাতটি তারকা ভুল কারণ এটি বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত আগের প্রতীক বা অন্য কোনো প্রতীকের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যা মনোগ্রামের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ৮টি — আটটি তারকা ভুল কারণ এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূল নীতির সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের মূল নীতি চারটি, তাই মনোগ্রামের তারকার সংখ্যাও ঠিক চারটি।
a মিশ্র বাক্য
b বিটকয়েন
c ক্রেডিট কার্ড
d সবগুলোই
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিটকয়েন কেন সঠিক: - বিটকয়েন হলো একটি বিকেন্দ্রীভূত ক্রিপ্টোকারেন্সি যা সম্পূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন করা হয় এবং এর কোনো físicas রূপ নেই। - এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্রিপ্টোগ্রাফি বা কোডিং নিরাপত্তার সাহায্যে সরাসরি লেনদেন করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্র বাক্য — এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য প্রকরণের একটি অংশ, ডিজিটাল মুদ্রা নয়। B) বিটকয়েন — এটি ডিজিটাল মুদ্রার একটি সুপরিচিত ও সফল উদাহরণ। সি) ক্রেডিট কার্ড — এটি কোনো মুদ্রা নয়, বরং এটি লেনদেন বা পেমেন্ট করার একটি প্লাস্টিক কার্ড বা মাধ্যম মাত্র। ডি) সবগুলোই — যেহেতু অপশন এ এবং সি ডিজিটাল মুদ্রা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল মুদ্রার অপর নাম ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং বিটকয়েন হলো বিশ্বের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি।
a এশিয়া
b উত্তর আমেরিকা
c দক্ষিণ আমেরিকা
d ওশেনিয়া
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর আমেরিকা ১. কেন সঠিক: ভৌগোলিক অবস্থান এবং মহাদেশীয় প্লেট বা টেকটনিক কাঠামোর দিক থেকে গ্রীনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং এর বেশিরভাগ অংশ বরফে আচ্ছাদিত। রাজনৈতিকভাবে গ্রীনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও, এটি ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশে আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত। ২. ভূরাজনৈতিক তথ্য: দেশ বা অঞ্চল: গ্রীনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত। অধীনতা: এটি ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অংশ, যা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে স্বাধীনতা ভোগ করে। অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরের সংগমস্থলে এটি অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইসল্যান্ড ব্যাখ্যা: আইসল্যান্ড ইউরোপের কাছাকাছি এবং ইউরোপীয় সংস্কৃতির অংশ হলেও ভৌগোলিকভাবে এটি আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্য-আটলান্টিক রিজের ওপর অবস্থিত একটি দ্বীপ দেশ। উদাহরণ ২: তাইওয়ান ব্যাখ্যা: তাইওয়ান ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অংশ এবং এশিয়ার মূল ভূখণ্ডের কাছাকাছি অবস্থিত একটি দ্বীপ অঞ্চল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এবং গ্রীনল্যান্ড এশিয়ার ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত হওয়ায় এই অপশন সঠিক নয়। B) উত্তর আমেরিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী গ্রীনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশেরই অংশ। C) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকা একটি ভিন্ন মহাদেশ এবং গ্রীনল্যান্ড এই মহাদেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) ওশেনিয়া — ওশেনিয়া হলো অস্ট্রেলিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ অঞ্চলের মহাদেশ, যার সঙ্গে গ্রীনল্যান্ডের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রীনল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এটি উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব কোণে কানাডার ঠিক ওপরে অবস্থিত। রাজনৈতিক মালিকানা ডেনমার্ক (ইউরোপ) হলেও মহাদেশের ক্ষেত্রে উত্তর আমেরিকা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাজনৈতিক মালিকানা এবং ভৌগোলিক মহাদেশের মধ্যে কনফিউশন তৈরি করে প্রশ্ন করা হয়। গ্রীনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন হলেও মহাদেশের বিচারে উত্তর আমেরিকার অংশ, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
a ডুরান্ড লাইন
b ম্যাকনামারা লাইন
c সনোরা লাইন
d হিন্ডারবার্গ লাইন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সনোরা লাইন ১. কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যকার ভৌগোলিক সীমান্ত রেখার একটি নির্দিষ্ট অংশকে বোঝাতে সনোরা মরুভূমি ও সংশ্লিষ্ট সীমান্ত অঞ্চল আলোচনার অংশ হয়। - তবে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে বিভক্তকারী প্রধান আন্তর্জাতিক সীমারেখা হলো রিও গ্রান্দে নদী এবং মানচিত্রের কৃত্রিম সীমান্ত পিলারগুলো। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো যুক্তরাষ্ট্র। - প্রেক্ষাপট: ১৮৪৮ সালের গুয়াদালুপ হিডালগো চুক্তির মাধ্যমে মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সীমান্ত নির্ধারিত হয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: দুই দেশের মধ্যকার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডুরান্ড লাইন ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে বিভক্তকারী সীমান্ত রেখা, যা ঔপনিবেশিক আমলে ব্রিটিশ ভারতে নির্ধারিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ম্যাকমোহন লাইন ব্যাখ্যা: এটি ভারত ও চীনের মধ্যকার পূর্বাঞ্চলীয় বিতর্কিত সীমান্ত রেখা, যা তিব্বত ও ব্রিটিশ ভারতের মধ্যে ১৯১৪ সালে নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডুরান্ড লাইন — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেখা হওয়ায় মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ম্যাকনামারা লাইন — এটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব রবার্ট ম্যাকনামারার প্রস্তাবিত একটি সামরিক বাধার রেখা ছিল। C) সনোরা লাইন — মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত অঞ্চলের কাছাকাছি সনোরা মরুভূমি অবস্থিত হলেও এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সীমারেখার নাম নয়। D) হিন্ডারবার্গ লাইন — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি ও মিত্রবাহিনীর মধ্যকার একটি সামরিক প্রতিরক্ষা লাইন ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নদীভিত্তিক হলে তাকে রিও গ্রান্দে নদী বলা হয়। - মরুভূমিভিত্তিক সীমান্ত বুঝতে সনোরা মরুভূমির নাম আসে, যা দুই দেশের সীমান্ত অঞ্চলেই বিস্তৃত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সীমান্ত বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম স্থল সীমান্ত। - সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্নে নদীর নাম বা চুক্তির নাম প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a বিখ্যাত জলপ্রপাত
b বিখ্যাত নদী
c বিখ্যাত গিরিপথ
d বিখ্যাত শহর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিখ্যাত জলপ্রপাত ১. কেন সঠিক: - স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন জলপ্রপাত দুটি আফ্রিকা মহাদেশের কঙ্গো নদীর প্রবাহে অবস্থিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দুটি জলপ্রপাত। - বিখ্যাত ব্রিটিশ অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন এবং হেনরি মর্টন স্ট্যানলির নামানুসারে এই জলপ্রপাত দুটির নামকরণ করা হয়েছে, যা উনবিংশ শতাব্দীর আফ্রিকান আবিষ্কারের ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: কঙ্গো নদী অববাহিকা, মধ্য আফ্রিকা। - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯ শতকে ইউরোপীয় অভিযাত্রীদের আফ্রিকা মহাদেশের অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ড অনুসন্ধানের সময় এই জলপ্রপাতগুলো আবিষ্কৃত হয়। - গুরুত্ব: ভৌগোলিক গবেষণা এবং কঙ্গো নদীর গতিপথের মানচিত্র তৈরিতে এই স্থানগুলোর ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত ব্যাখ্যা: এটি জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং বিখ্যাত জলপ্রপাত, যা ডেভিড লিভিংস্টোন আবিষ্কার করেছিলেন। উদাহরণ ২: নায়াগ্রা জলপ্রপাত ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম পরিচিত জলপ্রপাত এবং এটি ভৌগোলিক গুরুত্বের জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিখ্যাত জলপ্রপাত — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন উভয়েই কঙ্গো নদীর বিখ্যাত জলপ্রপাত হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) বিখ্যাত নদী — এটি ভুল কারণ স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন কোনো নদী নয়, বরং কঙ্গো নদীর বিভিন্ন অংশে অবস্থিত জলপ্রপাত। C) বিখ্যাত গিরিপথ — এটি ভুল কারণ গিরিপথ পাহাড়ি এলাকার যাতায়াত পথ বোঝায়, যা এই জলপ্রপাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) বিখ্যাত শহর — এটি ভুল কারণ এটি কোনো জনবসতিপূর্ণ শহর বা নগর নয়, বরং প্রাকৃতিকভাবে গঠিত জলপ্রপাত। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন নাম দুটি দুই বিখ্যাত অভিযাত্রীর সাথে জড়িত এবং তারা কঙ্গো নদী অঞ্চলে অভিযান চালিয়েছিলেন। - নদী বা শহর না ভেবে মনে রাখবেন যে অভিযাত্রীদের নামে নামকরণ করা জলপ্রপাতগুলোর মধ্যে এগুলো বেশ পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক আবিষ্কার এবং বিশ্বের বিখ্যাত জলপ্রপাত সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - জলপ্রপাত ও সংশ্লিষ্ট নদীর নাম মিলিয়ে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a জর্ডান
b মেক্সিকো
c সুদান
d তুরস্ক
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক ১. কেন সঠিক: তুরস্ক একটি আন্তর্মহাদেশীয় দেশ। এর মূল ভূখণ্ডের শতকরা সাতানব্বই ভাগ এশিয়া মহাদেশের আনাতোলিয়া অঞ্চলে এবং বাকি তিন ভাগ ইউরোপ মহাদেশের বলকান অঞ্চলের থ্রেস অংশে অবস্থিত। বিশ্বের ভূরাজনীতিতে এমন দেশগুলোকে ট্রান্সকন্টিনেন্টাল বা আন্তর্মহাদেশীয় দেশ বলা হয়, যা দুটি মহাদেশকে সংযুক্ত করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: তুরস্ক প্রজাতন্ত্র রাজধানী: আঙ্কারা ভৌগোলিক অবস্থান: এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত গুরুত্ব: বসফরাস ও দারদানেলিস প্রণালী ব্ল্যাক সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে, যা তুরস্ককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বাণিজ্যিক অবস্থানে রেখেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া ব্যাখ্যা: রাশিয়ার বিশাল ভূখণ্ড ইউরোপ ও এশিয়া উভয় মহাদেশেই বিস্তৃত, যার কারণে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান আন্তর্মহাদেশীয় দেশ। উদাহরণ ২: মিশর ব্যাখ্যা: মিশরের মূল ভূখণ্ড আফ্রিকায় হলেও এর সিনাই উপদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা একে আন্তর্মহাদেশীয় দেশের মর্যাদা দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্ডান — এটি সম্পূর্ণভাবে এশিয়া মহাদেশের মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি আরব রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে ইউরোপের কোনো ভূখণ্ড নেই। B) মেক্সিকো — এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি স্বাধীন দেশ এবং এটি কোনো আন্তর্মহাদেশীয় দেশ নয়। C) সুদান — এটি পূর্ব আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং এর কোনো অংশ অন্য কোনো মহাদেশে বিস্তৃত নয়। D) তুরস্ক — এটি এশিয়া ও ইউরোপ দুটি মহাদেশেই অবস্থিত বিধায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরটি বসফরাস প্রণালী দ্বারা বিভক্ত, যার একপাশ ইউরোপ এবং অন্যপাশ এশিয়ায় পড়েছে। দুই মহাদেশে বিস্তৃত দেশ মনে রাখার জন্য তুরস্ক এবং রাশিয়ার নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্মহাদেশীয় দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ট্রানজিট রুট হিসেবে বিশেষ ভূরাজনৈতিক সুবিধা ভোগ করে। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই কোন দেশ কোন মহাদেশে অবস্থিত বা প্রণালীর অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a সৌদি আরব
b রাশিয়া
c ইরাক
d যুক্তরাষ্ট্র
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। দেশটির টেক্সাস ও নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে আধুনিক প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ এর মূল কারণ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ/নাম: যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অর্থনৈতিক ও শিল্পোন্নত দেশ। প্রেক্ষাপট: শेल অয়েল এবং শেল গ্যাসের বাণিজ্যিক উৎপাদনে বিপ্লব ঘটার পর যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষস্থান অর্জন করে। গুরুত্ব: এই উৎপাদনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা অনেক কমে গেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওপেকের ভূমিকা ব্যাখ্যা: ওপেকের মতো সংস্থা তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করলেও যুক্তরাষ্ট্র এখন বিশ্ববাজারে প্রধান সরবরাহকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: টেকনোলজি ও উৎপাদন ব্যাখ্যা: আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে দেশের অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে, এটি তার বড় উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — অতীতে শীর্ষস্থানে থাকলেও বর্তমানে দেশটি উৎপাদনের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পেছনে রয়েছে। B) রাশিয়া — বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের নিচে অবস্থান করছে। C) ইরাক — মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও উৎপাদনের পরিমাণে শীর্ষে নেই। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রই সর্বোচ্চ তেল উৎপাদন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তির দিক থেকে এগিয়ে থাকায় তেল উৎপাদনেও শীর্ষে অবস্থান করছে। শেল অয়েল বিপ্লবের কথা মনে রাখলে সহজেই যুক্তরাষ্ট্রের নাম মনে আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যে শীর্ষ উৎপাদক দেশ কোনটি। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা রাখতে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ভোলা
b কক্সবাজার
c কুষ্টিয়া
d চট্টগ্রাম
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কক্সবাজার ১. কেন সঠিক: - এলিফ্যান্ট পয়েন্ট বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক স্থান। - ব্রিটিশ আমলে সমুদ্রের জলস্তর মাপা এবং জোয়ার ভাটা পর্যবেক্ষণের জন্য এই স্থানটিকে বেঞ্চমার্ক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২. ভৌগোলিক গুরুত্ব: - স্থান: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকা। - প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ভূ জরিপ বিভাগের সময়কালে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা নির্ধারণের প্রাথমিক মাপকাঠি হিসেবে এটি ব্যবহৃত হতো। - উদ্দেশ্য: সমুদ্রতলের উচ্চতা পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী তথ্য সংগ্রহ এবং গবেষণার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও ভূখণ্ডগত এলাকা। উদাহরণ ২: পাটুয়াখালী জেলা ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের একটি উপকূলীয় জেলা যেখানে পায়রা সমুদ্রবন্দর অবস্থিত এবং সমুদ্র উপকূলীয় নানা ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের একটি দ্বীপ জেলা এবং এর সঙ্গে এলিফ্যান্ট পয়েন্টের কোনো সম্পর্ক নেই। B) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এলিফ্যান্ট পয়েন্ট এখানেই অবস্থিত। C) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া বাংলাদেশের একটি স্থলবেষ্টিত জেলা এবং এর সঙ্গে সমুদ্র উপকূলের উচ্চতা মাপার এই পয়েন্টের কোনো সংযোগ নেই। D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম প্রধান বন্দরনগরী হলেও এলিফ্যান্ট পয়েন্ট নামক নির্দিষ্ট সমুদ্র পরিমাপক স্থানটি এখানে অবস্থিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - এলিফ্যান্ট পয়েন্ট নাম শুনলেই মনে রাখবে এটি বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষা বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারে অবস্থিত। - সমুদ্রের উচ্চতা মাপার ঐতিহাসিক এই স্থানটি কক্সবাজার জেলার সমুদ্র সৈকত এলাকার সঙ্গেই যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক উপাত্ত এবং উপকূলীয় গবেষণার ক্ষেত্রে এলিফ্যান্ট পয়েন্ট একটি পরীক্ষামুখী সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভূগোলের উপরিগত তথ্য হিসেবে আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (21)

a কর্ম
b করণ
c কর্তৃ
d অপাদান
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপাদান ১. কেন সঠিক: - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, ভীত, রক্ষিত বা উৎপন্ন হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - 'ট্রেন ঢাকা ছাড়ল' বাক্যে ঢাকা স্টেশন থেকে ট্রেন দূরে সরে গেছে বা বিচ্যুত হয়েছে, তাই ঢাকা হলো অপাদান কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। কারক ছয় প্রকার। - অপাদান কারক হলো এমন একটি পদ, যা থেকে কোনো কিছুর দূরত্ব বা বিচ্যুতি বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হয়েছে, তাই গাছ থেকে হলো অপাদান কারক। উদাহরণ ২: বিপদে মুরে রক্ষা কর। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার অর্থে এটি অপাদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) করণ — করণ কারক হলো যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, যা এখানে বোঝায়নি। C) কর্তৃ — কর্তৃ কারক হলো যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে, এখানে ঢাকা কোনো কাজ করছে না। D) অপাদান — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিচ্যুতি নির্দেশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোথা থেকে শুরু, চ্যুতি, ভয় বা দূরত্ব বোঝালে অপাদান কারক হয়। - ছাড়ল, চ্যুতি বা উৎপত্তি শব্দ দেখলে অপাদান কারক হিসেবে ধরে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিচ্যুতি, জাত এবং দূরত্ব বোঝালে সবসময় অপাদান কারকে পঞ্চমী বা শূন্য বিভক্তি হয়। - পরীক্ষার হলে বাক্যের ক্রিয়াকে কোথা থেকে প্রশ্ন করলে উত্তর যা পাওয়া যায়, তা অপাদান কারক।
a ভাষাতত্ত্ব
b ধ্বনিতত্ত্ব
c রূপতত্ত্ব
d বাক্যতত্ত্ব
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: সন্ধি শব্দটির অর্থ মিলন। পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে উচ্চারণের সুবিধা অর্জন করাই সন্ধির মূল কাজ। যেহেতু ধ্বনির পরিবর্তন ও মিলন এখানে সরাসরি জড়িত, তাই বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব অংশে ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়। সন্ধি মূলত দুটি ধ্বনির মিলন ঘটায় যেমন স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনি। এটি উচ্চারণ সহজ ও দ্রুত করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষের অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর আ মিলে ধ্বনিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে আ কার হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন বা পরিবর্তন ঘটে নতুন ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষাতত্ত্ব — ভাষা ও এর উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করে, যা সন্ধির সরাসরি আলোচ্য ক্ষেত্র নয়। B) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর, কারণ এখানে ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তন আলোচিত হয়। C) রূপতত্ত্ব — শব্দের গঠন, পদ, প্রত্যয় ও উপসর্গ নিয়ে আলোচনা করে, সন্ধি এখানে আলোচিত হয় না। D) বাক্যতত্ত্ব — বাক্যের গঠন, পদক্রম ও কারক নিয়ে আলোচনা করে, যা সন্ধির পরিধির বাইরে। ৫ মনে রাখার টিপস: ধ্বনি মানে আওয়াজ বা উচ্চারণ এবং সন্ধিতে ধ্বনির মিলন ঘটে, তাই সন্ধি সরাসরি ধ্বনিতত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত। ধ্বনি ও সন্ধি দুটোই উচ্চারণের সাথে যুক্ত, যা মনে রাখতে সাহায্য করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি কোন তত্ত্বের অংশ তা প্রায়ই আসে। ব্যাকরণের মৌলিক আলোচ্য বিষয়গুলো যেমন ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের পার্থক্য পরিষ্কার থাকলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a সুবর্ণ
b নৈশরণ
c জুগুপ্সা
d সৌপ্তিক
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৌপ্তিক ১. কেন সঠিক: - ‘রাত্রিকালীন যুদ্ধ’ এককথায় প্রকাশিত রূপ হলো সৌপ্তিক। - মহাভারতের দশম পর্বের নাম সৌপ্তিক পর্ব, যেখানে রাতের অন্ধকারে ঘুমের মধ্যে আক্রমণ চালিয়ে যুদ্ধ করার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - মহাভারতের সৌপ্তিক পর্বের কাহিনীর সঙ্গে এই শব্দের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাত্রিতে চরে যে — নিশাচর। ব্যাখ্যা: এটিও এককথায় প্রকাশের একটি সাধারণ উদাহরণ, যা রাতের বেলা চলাচলকারী জীব বা প্রাণীকে বোঝায়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি — অদৃষ্টপূর্ব। ব্যাখ্যা: এটি ঘটনার অভিনবত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত একটি বাক্যসংক্ষেপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবর্ণ — এর অর্থ সুন্দর বর্ণ বা সোনা, যা রাত্রিকালীন যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) নৈশরণ — এটি কোনো স্বীকৃত বা প্রচলিত এককথায় প্রকাশের সঠিক রূপ নয়। C) জুগুপ্সা — এর অর্থ পচা বা ঘিনঘিনে জিনিসের প্রতি ঘৃণা, যা যুদ্ধের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) সৌপ্তিক — এই অপশনটি সঠিক এবং রাত্রিকালীন যুদ্ধ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহাভারতের সৌপ্তিক পর্বের রাতের যুদ্ধের কথা মনে রাখলে এই এককথায় প্রকাশটি সহজে মনে রাখা যায়। - সুপ্ত বা ঘুমন্ত অবস্থায় রাতের আক্রমণ থেকে সৌপ্তিক শব্দটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাভারত বা রামায়ণভিত্তিক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিক ও পৌরাণিক প্রেক্ষাপটযুক্ত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a অগ্নিবীণা
b বিষের বাঁশি
c সিন্ধু হিন্দোল
d দারিদ্র্য
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিন্ধু হিন্দোল ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'দারিদ্র্য' কবিতাটি 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতায় কবির বিদ্রোহী সুরের পাশাপাশি মানবপ্রেম, বঞ্চিত মানুষের পক্ষে জোরালো অবস্থান এবং সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদের কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। তাঁর 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে, যেখানে তাঁর প্রগতিশীল চিন্তা ও দ্রোহের সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত বিখ্যাত কবিতা 'বিদ্রোহী'। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম প্রধান সৃষ্টি যা তাঁকে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি এনে দেয়। উদাহরণ ২: সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা 'সাম্যবাদী'। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় সকল মানুষের সমতা ও ঐক্যের বাণী প্রচার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি নেই। B) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকার বাজোপ্ত করেছিল, তবে এতে আলোচ্য কবিতাটি নেই। C) সিন্ধু হিন্দোল — এটি সঠিক উত্তর। D) দারিদ্র্য — এটি কবিতার নাম, কাব্যগ্রন্থের নাম নয়; তাই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের কথা মনে রাখতে সিন্ধুর ঢেউয়ের মতো দ্রোহ ও দারিদ্র্যের ছবি মাথায় রাখতে পারো। কবিতাটি পাঠ্যপুস্তকের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কাব্যগ্রন্থের নাম বিশেষভাবে মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর প্রকাশের সাল এবং বিখ্যাত কবিতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজরুলের 'অগ্নিবীণা', 'বিষের বাঁশি', 'সর্বহারা' এবং 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে।
a কনীনিকা
b কণীনীকা
c কনিনিকা
d কণিContentকা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কনীনিকা ১. কেন সঠিক: - কনীনিকা শব্দটির অর্থ চোখের মণি বা আইরিস। বানানটিতে ন-ত্ব বিধান অনুসারে মূর্তন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হ্রস্ব ই-কার এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে ন-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ বসে। কনীনিকা শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনি না থাকলেও বিশেষ নিয়মে মূর্ধন্য ণ এবং হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক বা ষ যুক্ত হলে মূর্ধন্য ণ হয়। এই শব্দটির ক্ষেত্রে প্রমিত বানানরীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কণিকা ব্যাখ্যা: কণিকান শব্দটিতেও প্রমিত নিয়ম অনুসারে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: তূণির ব্যাখ্যা: তূণির শব্দটিতেও সঠিক নিয়মে মূর্ধন্য ণ ও হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কনীনিকা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত। B) কণীনীকা — এই অপশনে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। C) কনিনিকা — এই অপশনে দন্ত ন এবং হ্রস্ব ই-কার থাকলেও মাঝের বর্ণে ভুল রয়েছে। D) কণিContentকা — এই অপশনে ইংরেজি শব্দযুক্ত থাকায় এটি বাংলা শুদ্ধ বানান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখের মণি বোঝাতে কনীনিকা শব্দটি মনে রাখুন যেখানে দুই জায়গাতেই হ্রস্ব ই-কার ও মূর্ধন্য ণ বসে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে তাই মাঝের অংশ দীর্ঘ ঈ দিয়ে মনে রাখবেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শরীর বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত তৎসম শব্দগুলোর বানান বিসিএস পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার এবং মূর্ধন্য ণের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সক্রেটিস
b প্লেটো
c এরিস্টটল
d হেরাক্লিয়াস
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সক্রেটিস ১. কেন সঠিক: - 'নিজেকে জানো' (Know Thyself) উক্তিটির প্রবক্তা হলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস। - এই বিখ্যাত বাণীর মাধ্যমে মানুষের আত্মোপলব্ধি, নিজের গুণ ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ও দর্শন ব্যাখ্যা: - সক্রেটিস ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দর্শনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুরুষ যিনি মূলত সংলাপের মাধ্যমে জ্ঞান অন্বেষণ করতেন। - তাঁর কোনো লিখিত গ্রন্থ নেই, তাঁর দর্শন মূলত তাঁর শিষ্য প্লেটোর ডায়লগ বা সংলাপের মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সক্রেটিসের দর্শন ব্যাখ্যা: সক্রেটিস বিশ্বাস করতেন অজ্ঞতাই পাপ এবং আত্মশুদ্ধির জন্য নিজেকে জানা অত্যন্ত জরুরি। উদাহরণ ২: দেলফির ওরাকল ব্যাখ্যা: প্রাচীন গ্রিক ডেলফির অ্যাপোলো মন্দিরে এই বাণী খোদাই করা ছিল, যা সক্রেটিস তাঁর দর্শনের মূল মন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্রেটিস — এই উত্তরটি সঠিক কারণ তিনি আত্মোপলব্ধির এই বিখ্যাত বাণীর জন্য বিশ্বখ্যাত। B) প্লেটো — প্লেটো সক্রেটিসের প্রধান শিষ্য হলেও 'নিজেকে জানো' উক্তিটি তাঁর নিজের নয়, এটি সক্রেটিসের দর্শন থেকে গৃহীত। C) এরিস্টটল — এরিস্টটল প্লেটোর শিষ্য এবং বিজ্ঞান ও রাজনীতির দর্শনের জন্য পরিচিত, এই উক্তির সঙ্গে তাঁর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) হেরাক্লিয়াস — হেরাক্লিয়াস পরিবর্তনশীলতা ও অগ্নিতত্ত্বের প্রবক্তা প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক, এই নৈতিক বাণীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রিক দর্শন ও আত্মোপলব্ধির কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে সক্রেটিসকে মনে রাখবে। - নিজের মনকে চেনার প্রথম ধাপই হলো সক্রেটিসের মতো প্রশ্ন করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত দার্শনিকদের এই ধরনের বিশ্বখ্যাত উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - উক্তিভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রবক্তার মূল দর্শন সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a মিশ্র বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c জটিল বাক্য
d সরল বাক্য
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জটিল বাক্য ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। - এখানে 'যদি বৃষ্টি হয়' হলো আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'তবে বের হবে না' হলো প্রধান খণ্ডবাক্য, যা সাপেক্ষ সর্বনামের জোড়া দিয়ে গঠিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যেমন সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। - জটিল বাক্যে সাধারণত যদি-তবে, যা-তা, যতো-ততো, যিনি-তিনি, যে-সে ইত্যাদি সাপেক্ষ শব্দ জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি দেশের সেবা করেন, সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে। ব্যাখ্যা: এখানে যিনি এবং তিনি সাপেক্ষ শব্দ জোড়া ব্যবহার করে বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। উদাহরণ ২: যত গর্জে, তত বর্ষে না। ব্যাখ্যা: এখানে যত এবং তত সাপেক্ষ শব্দ যুক্ত হয়ে বাক্যটিকে জটিল বাক্যের অন্তর্ভুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্র বাক্য — ব্যাকরণের প্রমিত নিয়মে জটিল বাক্য এবং মিশ্র বাক্য একই অর্থে ব্যবহৃত হলেও পরীক্ষার অপশনে জটিল বাক্য থাকায় সি অপশনটি নির্দিষ্টভাবে সঠিক। B) যৌগিক বাক্য — দুটি বা তার বেশি স্বাধীন বা সরল বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত হলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে, যা এই বাক্যে নেই। C) জটিল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে সাপেক্ষ খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। D) সরল বাক্য — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে, কিন্তু এই বাক্যে খণ্ডবাক্য রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের মধ্যে যদি, তবে, যে, সে, যারা, তারা থাকলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। - সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের জোড়ার উপস্থিতি জটিল বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই সাপেক্ষ শব্দগুলোর ব্যবহার ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। - সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করার সময় সাপেক্ষ জোড়া যেমন যদি-তবে বা যিনি-তিনি ব্যবহার করতে হয়।
a আকাঙ্ক্ষা
b অবসান
c আসত্তি
d যোগ্যতা
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অবসান ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের প্রধান গুণ মূলত তিনটি যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। অবসান বা সমাপ্তি বাক্যের গঠনগত বা ব্যাকরণগত কোনো মৌলিক গুণ হিসেবে বিবেচিত হয় না, তাই এটি সঠিক উত্তর। বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থগত ও ভাবগত মিল রক্ষা করে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করার জন্য এই তিনটি গুণের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: একটি সম্পূর্ণ ও সার্থক বাক্য হতে হলে তার মধ্যে তিনটি অপরিহার্য গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকতে হয়। প্রথমত আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের এক পদ শোনার পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা পূরণ হওয়া। দ্বিতীয়ত আসত্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করে পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে বসা। তৃতীয়ত যোগ্যতা হলো পদের অর্থগত ও ভাবগত মিলবন্ধন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষাকালে আকাশে ঘন মেঘ জমে এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই সঠিকভাবে বিদ্যমান থাকায় এটি একটি সার্থক বাক্য। উদাহরণ ২: কাল আমি স্কুলে যাব। ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ এবং সুবিন্যস্ত বাক্য যার মধ্যে বাক্যের সবকটি প্রয়োজনীয় গুণ পূর্ণমাত্রায় রক্ষিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাঙ্ক্ষা — এটি একটি সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান গুণ কারণ এক পদ শোনার পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা মেটানো প্রয়োজন। B) অবসান — এটি বাক্যের কোনো ব্যাকরণগত গুণ নয় বরং এটি ভুল অপশন হিসেবে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) আসত্তি — এটি সার্থক বাক্যের একটি আবশ্যকীয় গুণ কারণ পদগুলোকে যথাযথ স্থানে সাজাতে হয়। D) যোগ্যতা — এটি সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান শর্ত কারণ পদের অর্থগত মিল না থাকলে বাক্য অচল হয়ে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: সার্থক বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আ আ য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। যে অপশনে এর বাইরে অন্য কিছু থাকবে সেটিই উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই আসে সার্থক বাক্যের বৈশিষ্ট্য কয়টি এবং কী কী। এই তিনটি গুণ ভালোভাবে মনে রাখলে যেকোনো বাক্য শুদ্ধি বা বাক্যের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a শামসুর রাহমান
b আলাওল
c আল মাহমুদ
d সৈয়দ শামসুল হক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - 'পরানের গহীন ভিতর' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি সৈয়দ শামসুল হক। - এই কাব্যগ্রন্থটিতে গ্রামীণ লোকজীবন, মাটি ও মানুষের আবেগ অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে সমান পারদর্শী ছিলেন। - তাঁর অন্যতম সেরা এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা আধুনিক কবিতায় গ্রামীণ লোকজ সুরের এক অনন্য সংযোজন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ শামসুল হকের নাটক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য। উদাহরণ ২: সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস 'খেলার রামধনু' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অন্যতম আলোচিত ও বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি হলেও 'পরানের গহীন ভিতর' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) আলাওল — মধ্যযুগের বাঙালি কবি হলেও তিনি রোমান্টিক ধারার কাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত। C) আল মাহমুদ — আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। D) সৈয়দ শামসুল হক — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের নামের সাথে 'পরানের গহীন ভিতর' কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে গহীন শব্দের সাথে তাঁর গ্রামীণ চেতনার কথা মনে রাখতে পারো। - তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের সাথে মিলিয়ে এটি আলাদা করে নোট করে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - লেখকদের প্রধান কাব্যগ্রন্থ এবং তাঁদের বিশেষ সাহিত্যকর্মগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ক্ষীতিধর
b পর্বতমালা
c গজানন
d দশরথ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্ষীতিধর ১. কেন সঠিক: - ক্ষীতিধর শব্দের অর্থ হলো যা ক্ষিতি বা পৃথিবীকে ধারণ করে, আর পর্বত পৃথিবীকে ধারণ করে আছে বলে একে ক্ষীতিধর বলা হয়। - সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত অর্থের ওপর ভিত্তি করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের বিশেষ নাম ও তার পেছনের ব্যাকরণগত অর্থ বুঝতে হয়। - পর্বত শব্দটি বিশেষ্য পদ এবং এর অনেকগুলো প্রতিশব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শৈল ব্যাখ্যা: শৈল হলো পর্বতের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: অচল ব্যাখ্যা: অচল শব্দের অর্থ যা চলে না, আর পর্বত যেহেতু স্থান পরিবর্তন করে না তাই এটি পর্বতের সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষীতিধর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পর্বত। B) পর্বতমালা — এটি একাধিক পর্বতের সমষ্টি বা সারি বোঝায়, এককভাবে পর্বত বোঝায় না। C) গজানন — এটি গণেশ বা হাতির মতো মুখ যার তাকে বোঝায়, পর্বতের সমার্থক নয়। D) দশরথ — এটি একটি নাম এবং রামচন্দ্রের পিতার নাম, পর্বতের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্ষীতি শব্দের অর্থ পৃথিবী এবং ধর শব্দের অর্থ ধারণকারী, তাই পৃথিবীকে ধরে রাখে যা তা হলো পর্বত। - পর্বত শব্দের অন্যান্য সমার্থক যেমন গিরি, শৈল, অচল, অদ্রি ইত্যাদি একসাথে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কিত শব্দের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে পৃথিবী, আকাশ, সমুদ্র, পর্বত এবং নদী এই শব্দগুলোর সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a চেয়ে
b অতি
c থেকে
d দ্বারা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অতি ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না এবং শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - এখানে 'অতি' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পূর্ণতা সাধন করে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - বাংলা ভাষায় মোট একুশটি তৎসম উপসর্গ রয়েছে যার মধ্যে 'অতি' একটি অন্যতম প্রধান উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত ব্যাখ্যা: মূল শব্দ 'রিক্ত' বা অন্য শব্দের পূর্বে 'অতি' উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অতিনন্দিত ব্যাখ্যা: 'নন্দিত' শব্দের পূর্বে 'অতি' উপসর্গ যুক্ত হয়ে উৎকর্ষ বা আধিক্য বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চেয়ে — এটি একটি অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় যা তুলনামূলক অর্থে শব্দের পরে বসে। C) থেকে — এটি একটি অনুসর্গ যা উৎস বা মাধ্যমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) দ্বারা — এটি একটি অনুসর্গ যা সাধারণত তৃতীয় বিভক্তির অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ সব সময় শব্দের প্রথমে বসে এবং অনুসর্গ শব্দের পরে বসে। - ২০টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং ২১টি সংস্কৃত উপসর্গ ভালোভাবে মুখস্থ করলে এই অধ্যায়ের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা উপসর্গ ও তৎসম উপসргаগুলোর তালিকা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a রোমান
b পর্তুগিজ
c সংস্কৃত
d ফার্সি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচিত হয়েছিল পর্তুগিজ ভাষায়। পর্তুগিজ পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁউ বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ ও শব্দসংকলন প্রকাশ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ইতিহাস ও lexicography বা শব্দকোষ রচনার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মাইলফলক। ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁউ লিসবন থেকে পর্তুগিজ অক্ষরে এই ব্যাকরণ প্রকাশ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভোকাবুলারিও এম ইডিওমা বেঙ্গালা এ পর্তুগিজ ব্যাখ্যা: এটি ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁউ কর্তৃক রচিত প্রথম বাংলা শব্দকোষ ও ব্যাকরণ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ ব্যাখ্যা: এটি একই লেখকের দ্বারা রচিত প্রথম মুদ্রিত বাংলা ভাষার গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান — রোমান হরফে এই ব্যাকরণ মুদ্রিত হলেও ভাষাটি রোমান ছিল না। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল ব্যাকরণটি পর্তুগিজ ভাষায় রচিত হয়েছিল। C) সংস্কৃত — সংস্কৃত প্রাচীন ভাষা হলেও প্রথম আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ এই ভাষায় লেখা হয়নি। D) ফার্সি — মুঘল আমলে ফার্সি দাপ্তরিক ভাষা হলেও প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ ফার্সিতে লেখা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজরা সমুদ্রপথে বাংলায় প্রথম এসেছিল এবং তারাই প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লিখেছিল। পর্তুগিজ বণিক ও পাদ্রিদের হাত ধরেই বাংলা ব্যাকরণের মুদ্রণযুগের সূচনা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের প্রথম রচয়িতা ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁউ এবং প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থটি পর্তুগিজ ভাষায় রচিত হয়েছিল। এই তথ্যটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a মন্দভাগ্য
b তুচ্ছপদার্থ
c চাটুকার
d নির্বোধ
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাটুকার ১. কেন সঠিক: - খয়ের খাঁ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ এমন ব্যক্তি যে অন্য কারো খয়ের বা পান সুপারি এগিয়ে দেয়, কিন্তু সাহিত্যিক বা প্রমিত অর্থে এটি চাটুকার বা তোষামোদকারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে এবং এর মূল ভাব হলো অতিরিক্ত প্রশংসা বা পদলেহনের মাধ্যমে অন্যের অনুগ্রহ লাভের চেষ্টা করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষার প্রবাদ ও বাগধারা সমৃদ্ধির দিক থেকে অত্যন্ত প্রাচীন এবং এগুলো ভাষাভাষীদের সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসে তার উন্নতির মূল কারণ হলো সে বসের একজন খয়ের খাঁ হিসেবে পরিচিত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চাটুকারিতা বা তোষামোদ করার অর্থে খয়ের খাঁ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজনৈতিক নেতাদের চারপাশে সবসময় কিছু খয়ের খাঁ মানুষের ভিড় জমে থাকে। ব্যাখ্যা: স্বার্থ উদ্ধারের জন্য তোষামোদকারী ব্যক্তিদের বোঝাতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্দভাগ্য — এটি মন্দভাগ্য বা দুর্ভাগ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন কপাল পোড়া বা অর্ধচন্দ্র, তাই এটি সঠিক নয়। B) তুচ্ছপদার্থ — এটি অত্যন্ত অবহেলাযোগ্য বা নগণ্য কোনো বস্তুকে বোঝায়, যা খয়ের খাঁ এর অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) চাটুকার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাগধারার আসল ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। D) নির্বোধ — এটি বোকা বা বুদ্ধিহীন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা তোষামোদকারী বা চাটুকার শব্দের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খয়ের খাঁ মানে যিনি অন্যের তোষামোদ বা চাটুকারিতা করে নিজের স্বার্থ হাসিল করেন। - তোষামোদকারী বা চাটুকার বোঝাতে এই একটিমাত্র বাগধারাই পরীক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি মনে রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় মানব চরিত্র ও স্বভাব নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ভেবে প্রমিত ও রূপক অর্থটি মনে রাখতে হবে।
a বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
b বাংলা সাহিত্যের কথা
c বাংলা সাহিত্যের রূপকথা
d বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য কেন সঠিক: - এটি দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ। - এই গ্রন্থটি ১৯০৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নয়, বরং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার সূচনার ঐতিহাসিক ঘটনা। - ব্রিটিশ আমলে বাঙালি গবেষকদের সাহিত্য সাধনার প্রথম প্রামাণ্য দলিল হিসেবে এটি সমাদৃত। - উদাহরণস্বরূপ, এই গ্রন্থ প্রকাশের পর থেকেই বাংলা সাহিত্যের গবেষণার পথ প্রসারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস — এটি সুকুমার সেন রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ হলেও প্রথম নয়। - B) বাংলা সাহিত্যের কথা — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। - C) বাংলা সাহিত্যের রূপকথা — এটি কোনো ঐতিহাসিক সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ নয়, বরং লোকসাহিত্য বিষয়ক ভিন্ন ধারার বই। - D) সঠিক উত্তরটি যেহেতু নিজে অপশন ডি, তাই এই পয়েন্টটি অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: - দীনেশচন্দ্র সেনের হাত ধরেই প্রথম বঙ্গভাষা ও সাহিত্য নামে সাহিত্যের ইতিহাস রচিত হয়।
a কথা ভাষা
b চলিত ভাষা
c সাধু ভাষা
d আঞ্চলিক ভাষা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাধু ভাষা ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষারীতির শব্দসমষ্টি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দবহুল এবং এর রূপ নির্দিষ্ট ও পরিবর্তনশীল নয়। এই ভাষার গম্ভীর ভাব, দীর্ঘ ক্রিয়া পদ এবং সর্বনাম পদের সুনির্দিষ্ট ব্যবহারের কারণে সাহিত্যের আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার লেখ্য রূপের একটি প্রাচীন ও মার্জিত রূপ হলো সাধু ভাষা যা উনিশ শতকের গোড়ার দিকে পন্ডিতদের হাতে গড়ে ওঠে। এ ভাষারীতির ব্যাকরণের নিয়ম কঠোর ও সুনির্দিষ্ট এবং এর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ বিশেষ রূপ ধারণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেকাল প্রমথ চৌধুরীর লেখায় চলিত ভাষার সফল ব্যবহার দেখা গেলেও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সাধু ভাষার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে আভিজাত্য এনেছিলেন। ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর মহাশয়ের গদ্যশৈলী সাধু ভাষার গাম্ভীর্য ও আভিজাত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: সাধু ভাষায় বাক্য রচিত হয় এভাবে, তাহারা বন হইতে কাঠ কাটিয়া বাড়িতে ফিরিতেছে। ব্যাখ্যা: এখানে তৎসম শব্দের ব্যবহার এবং দীর্ঘ ক্রিয়াপদের উপস্থিতি ভাষার আভিজাত্য প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কথা ভাষা — কথা ভাষা মানুষের মুখের প্রচলিত ও কথ্য রূপ হওয়ায় এতে সাহিত্যের কাঙ্ক্ষিত মার্জিত আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য থাকে না। B) চলিত ভাষা — চলিত ভাষা জীবন্ত ও সাবলীল হলেও এর রূপ পরিবর্তনশীল এবং এতে অনেক সময় প্রাত্যহিক ছটফটানি থাকে যা সাধুর মতো আভিজাত্য প্রকাশ করে না। D) আঞ্চলিক ভাষা — আঞ্চলিক ভাষা সীমিত এলাকার মানুষের মুখের ভাষা হওয়ায় তা সার্বজনীন ও সাহিত্যিক আভিজাত্য অর্জনে সক্ষম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু শব্দটির অর্থ পবিত্র বা মার্জিত, আর মার্জিত জিনিসই সবসময় আভিজাত্য বহন করে। তাই মনে রাখবে আভিজাত্য প্রকাশে সাধু ভাষা ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে সাধু ভাষার মাধ্যমেই গদ্যের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ ঘটেছিল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার রূপ সংক্রান্ত প্রশ্নে সাধু ও চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য এবং পার্থক্য প্রায়ই আসে।
a কারক
b লিখিত
c বেদনা
d খেলনা
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খেলনা ১. কেন সঠিক: খেলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে খেল মূল ক্রিয়ার সঙ্গে না প্রত্যয় যোগ হয়ে। ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কৃৎ-প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা ধাতু বা ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। বাংলা ভাষায় ক্রিয়া বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোড়ক ব্যাখ্যা: মুড় ধাতুর সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মোড়ক শব্দ গঠিত হয়েছে যা একটি কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ। উদাহরণ ২: বাঁকানো ব্যাখ্যা: বাঁক ধাতুর সঙ্গে আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বাঁকানো শব্দটি কৃৎ-প্রত্যয় যোগে সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারক — কৃ ধাতু এবং অক প্রত্যয় যোগে গঠিত হলেও এটি সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়ের উদাহরণ। প্রশ্ন চেয়েছে বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়। B) লিখিত — লিখ ধাতুর সঙ্গে ইত প্রত্যয় যোগে গঠিত এই শব্দটি সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ। C) বেদনা — বিদ ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় এবং টাপ স্ত্রী প্রত্যয় যোগে গঠিত এটি সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ। D) খেলনা — খেল ধাতুর সঙ্গে না প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: খেলার মাঠের খেলোয়াড় বা খেলনা এগুলো সবই মৌলিক ক্রিয়ামূল থেকে আসে। ক্রিয়ামূলের সঙ্গে না বা ইয়া প্রত্যয় দেখলে তা বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় হিসেবে চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃৎ-প্রত্যয় চেনার প্রধান উপায় হলো শব্দের মূল অংশটি কোনো কাজের ভাব বা ক্রিয়া প্রকাশ করছে কিনা তা দেখা। ক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যয় থাকলে তা কৃৎ-প্রত্যয় হবে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c কায়কোবাদ
d আলাওল
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: - শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি এবং তাঁর রচিত ইউসুফ জোলেখা কাব্যের জন্য তিনি প্রাচীনতম বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত। - সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এই বিখ্যাত কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের গীতি ও রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি। - তাঁর রচিত ইউসুফ জোলেখা কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রেমের কাহিনী ও মুসলিম কবির প্রথম নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। উদাহরণ ২: লয়লা মজনু ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অন্য একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা সমসাময়িক ধারার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — ইনি আধুনিক যুগের কবি এবং মহাকবি, প্রাচীন যুগের বা মধ্যযুগের নন। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক এবং মধ্যযুগের কবি হিসেবে পরীক্ষিত। C) কায়কোবাদ — ইনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশান এর রচয়িতা। D) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের কবি হলেও শাহ মুহম্মদ সগীরের চেয়ে পরবর্তী সময়ের। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাচীনতম মুসলিম কবি মনে রাখতে সগীর শব্দটির সাথে জোলেখা যুক্ত করে ইউসুফ জোলেখা মনে রাখবে। - মধ্যযুগের প্রথম কবি হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীর নামটি বারবার চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবির নাম এবং তাঁর কাব্যের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কবি ও তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মের কালপঞ্জি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বঙ্গসুন্দরী
b সেঁজুতি
c প্রেম ও ফুল
d শেষের কবিতা
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেঁজুতি ১. কেন সঠিক: - সেঁজুতি হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে কবির পরিণত বয়সের চিন্তা, দর্শন ও জীবনবোধের গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী কবি। - সেঁজুতি কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার কাব্যিক জীবনের অন্তিম পর্বের একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুনশ্চ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত গদ্যকাব্য সংকলন যা আধুনিক বাংলা কবিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। উদাহরণ ২: পত্রপুট ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার পরিণত মননের পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গসুন্দরী — এটি কবি ও ঔপন্যাসিক বিহারীলাল চক্রবর্তীর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) প্রেম ও ফুল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য তার শেষের দিকের কাব্যগুলোর নাম যেমন সেঁজুতি, পুনশ্চ ও প্রবহিনী একত্রে চর্চা করতে পারো। - শেষের কবিতা নামটি কবিতা হলেও এটি মূলত একটি উপন্যাস, এই বিভ্রান্তি পরীক্ষা এড়িয়ে চলতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের কাব্যগ্রন্থগুলোর প্রকাশের সাল ও ধরন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কোনো গ্রন্থের নামের শেষে কবিতা বা গান থাকলেই তা কবিতা বা গানের সংকলন না হয়ে উপন্যাস বা নাটক হতে পারে, তাই ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c অর্থতত্ত্ব
d শোককাব্য
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শোককাব্য কেন সঠিক: - মর্সিয়া শব্দটি শোক বা বিলাপ প্রকাশকারী কাব্যকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত কারবালার বিষাদময় ঘটনা ও শহিদদের স্মরণে রচিত একধরনের শোকসংগীত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মর্সিয়া একটি আরবি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা। - বাংলা সাহিত্যে এটি শোককাব্য বা মার্সিয়া সাহিত্য ধারা হিসেবে পরিচিত। - মধ্যযুগের সাহিত্যে দৌলত কাজিম রচিত আশরাফুল মুজাহিদ এবং হায়াত মামুদ রচিত আম্বিয়া নামা এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে ধ্বনি ও বর্ণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। - B) রূপতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে শব্দ গঠন ও পদের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়। - C) অর্থতত্ত্ব — এটি ভাষা বিজ্ঞানের শাখা যেখানে শব্দের অর্থ ও তার রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়। মনে রাখার টিপস: - মর্সিয়া শব্দের প্রথম অক্ষর ম এবং মৃত্যু বা শোকের সাথে মিল রেখে এটি মনে রাখা সহজ।
a মেটেল
b মৃন্ময়
c তন্ময়
d চিন্ময়
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃন্ময় ১. কেন সঠিক: - 'মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো মৃন্ময়। এটি একটি বহুল প্রচলিত এককথায় প্রকাশ যা শব্দসংক্ষেপের মাধ্যমে ভাবকে সুন্দর ও স্পষ্ট করে। - এখানে মূল শব্দ মৃত্তিকা এবং এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সাধিত শব্দের অন্তর্গত যেখানে বিশেষ্য পদের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়। - মৃত্তিকা শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মৃন্ময় শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ মাটি সংক্রান্ত বা মাটি দিয়ে তৈরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অস্থি দিয়ে নির্মিত = অস্থিময় ব্যাখ্যা: কোনো বস্তু উপাদান অর্থে গঠিত এককথায় প্রকাশের এটি একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: জল দিয়ে তৈরি = জলময় ব্যাখ্যা: উপাদানের আধিক্য বা উপাদান বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেটেল — এই শব্দটি ইংরেজি মেটাল শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ ধাতব বা ধাতু নির্মিত এবং এটি মৃত্তিকা বোঝায় না। B) মৃন্ময় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি অর্থে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। C) তন্ময় — এর অর্থ তাতে মগ্ন বা লীন হওয়া এবং এর সঙ্গে মৃত্তিকার কোনো সম্পর্ক নেই। D) চিন্ময় — এর অর্থ জ্ঞানময় বা চৈতন্যময় যা আধ্যাত্মিক চেতনা প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মৃত্তিকা শব্দের প্রথম অংশ ম এবং মৃন্ময় শব্দের শুরু মৃ দিয়ে মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। - উপাদান বোঝাতে শব্দের শেষে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয় এই সূত্রটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাদানবাচক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। - মৃন্ময় ও চিন্ময় শব্দের মতো দেখতে শব্দগুলোর অর্থ আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
a অঞ্জলী
b ক্ষমা
c কূটোক্তি
d পরিপক্ক
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অঞ্জলী ১. কেন সঠিক: অঞ্জলী শব্দটির বানান ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো অঞ্জলি। বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত শব্দে যদি ক্ষুদ্রার্থে বা অন্য অর্থে প্রীত হয়, তবে ই-কার বা উ-কার হয় এবং যুক্তাক্ষরের ক্ষেত্রে হ্রস্ব স্বর ব্যবহৃত হয়। অঞ্জলি শব্দের শেষে ই-কার হবে, দীর্ঘ ঈ-কার হবে না কারণ এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহারের বিধান রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান বা বানানশুদ্ধি অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দের বানানে হ্রস্ব ই-কার বা হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। সংস্কৃত ভাষা থেকে যেসব শব্দ অবিকৃতভাবে বাংলায় এসেছে সেগুলোর বানানে মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলতে হয়। অঞ্জলি শব্দের শেষ ধ্বনিটি হ্রস্ব ই-কারযুক্ত হবে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি ব্যাখ্যা: গীতা ও অঞ্জলি মিলে গীতাঞ্জলি হয় এবং এখানে অঞ্জলি শব্দের বানানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রদ্ধাঞ্জলি ব্যাখ্যা: শ্রদ্ধা এবং অঞ্জলি মিলে শ্রদ্ধাঞ্জলি গঠিত হয় যেখানে শেষের অংশ হ্রস্ব ই-কারযুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অঞ্জলী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ল-এর সাথে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী। B) ক্ষমা — এটি একটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ মার্জনা বা অপরাধ ক্ষমা করা। C) কূটোক্তি — এই অপশনটি বানানগত দিক থেকে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর অর্থ জটিল বা কুটিল মন্তব্য। D) পরিপক্ক — এটি একটি শুদ্ধ বানান যার অর্থ পূর্ণাঙ্গ বা পাকা। ৫ মনে রাখার টিপস: অঞ্জলি লেখার সময় মনে রাখতে হবে যে শব্দের শেষে সব সময় হ্রস্ব ই-কার বসে। অঞ্জলি ও এর সমাসবদ্ধ রূপ যেমন শ্রদ্ধাঞ্জলি বা গীতাঞ্জলি বানানে কোথাও দীর্ঘ ঈ-কার হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঞ্জলি, গীতাঞ্জলি এবং শ্রদ্ধাঞ্জলি বানানগুলো বারবার আসে। তৎসম শব্দে ই-কারান্ত নিয়মের প্রয়োগ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এ ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

মোট প্রশ্ন (20)

a gander
b spinster
c spouse
d actor
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) spouse কেন সঠিক: Spouse শব্দটি স্বামী বা স্ত্রী উভয়কে বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি কমন জেন্ডার হিসেবে কাজ করে। তাই এটি পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gander — এটি হাঁসের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষবাচক শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) spinster — এটি অবিবাহিত নারী বোঝাতে ব্যবহার করা হয় এবং এটি সম্পূর্ণ স্ত্রীবাচক শব্দ। C) spouse — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ার কিছু নেই। D) actor — এটি সাধারণত পুরুষ অভিনেতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর স্ত্রীবাচক শব্দ actress। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে কমন জেন্ডার বলে যেমন spouse।
a Boudoir
b Boulevard
c Avenue
d Facade
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Boulevard কেন সঠিক: Boulevard শব্দটির মূল অর্থ হলো দুই পাশে গাছপালা ঘেরা একটি প্রশস্ত রাস্তা বা রাজপথ। সাধারণত শহরের বড় বড় রাস্তা যেগুলো দেখতে সুন্দর এবং যার দুপাশে গাছ থাকে, সেগুলোকে এই নামে ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boudoir — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো নারীর ব্যক্তিগত শয়নকক্ষ বা বসার ঘর। এটি কোনো রাস্তা বা পথের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Boulevard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই। C) Avenue — যদিও এটি একটি প্রশস্ত রাস্তাকে বোঝায়, তবে এটি সাধারণত বড় গাছের সারি দিয়ে বিশেষভাবে বাঁধানো বা ঘেরা রাস্তা বোঝাতে Boulevard বেশি উপযোগী। D) Facade — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো ভবনের বাইরের দিক বা সামনের অংশ। এটি কোনো রাস্তা বা পথের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: Boulevard শব্দের সাথে tree বা গাছের সারি যুক্ত থাকে, যা শহরের প্রধান ও প্রশস্ত রাস্তাকে নির্দেশ করে।
a 1350-1400
b 1066-1350
c 1400-1485
d 1800-1845
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1400-1485 কেন সঠিক: - ১৪০০ সাল থেকে ১৪৮৫ সালের সময়কালকে ইংরেজী সাহিত্যের ইতিহাসে ব্যরেন এইজ বা অনুৎপাদনশীল যুগ বলা হয়। - এই সময়ে চসারের মৃত্যুর পর থেকে রেনেসাঁ বা এলিজাবেথান যুগের পূর্ব পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো সাহিত্যিক বা সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1350-1400 — এই সময়কালটি ইংরেজী সাহিত্যে চসার যুগের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি একটি উৎপাদনশীল সময় ছিল। B) 1066-1350 — এই সময়কালটি অ্যাংলো-নরম্যান বা ওল্ড ইংলিশ পিরিয়ডের শেষ অংশ এবং মিডল ইংলিশ পিরিয়ডের শুরুর সময়। C) 1400-1485 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যরেন এইজ হিসেবে চিহ্নিত। D) 1800-1845 — এই সময়কালটি ইংরেজী সাহিত্যে রোমান্টিক যুগের শেষ এবং ভিক্টোরিয়ান যুগের শুরুর পর্যায়। মনে রাখার টিপস: চসারের মৃত্যুর পরের বছর অর্থাৎ ১৪০০ সাল থেকে রেনেসাঁ শুরুর আগ পর্যন্ত সময়টা সাহিত্যহীন বা ব্যরেন ছিল।
a News
b Physics
c Syllabi
d Girl
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Syllabi কেন সঠিক: Syllabus শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো Syllabi। এটি সাধারণত শিক্ষা ক্ষেত্রে পাঠ্যসূচি বোঝাতে বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) News — এটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি একবচন নাউন। B) Physics — এটি একটি বিষয়ের নাম এবং সবসময় একবচন হিসেবে গণ্য হয়। C) Syllabi — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Girl — এটি একটি সাধারণ একবচন বিশেষ্য যার বহুবচন হলো Girls। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় লাতিন বা গ্রিক থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে um বা us থাকে, তাদের বহুবচন করতে সাধারণত a বা i যোগ করা হয়।
a Plan of journey
b List of items to be discussed in a meeting
c Record of events occurred in a day
d List of event in fixed time
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Plan of journey কেন সঠিক: Itinerary শব্দটির মূল অর্থ হলো ভ্রমণের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা যাত্রাসূচি। এটি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগের দিনগুলোতে কোন স্থানে কখন যাওয়া হবে তা ঠিক করে দেয়। এটি ভ্রমণের রাস্তা এবং সময় নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Plan of journey — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কোনো ভুল নেই এবং এটি ভ্রমণের পরিকল্পনা বোঝায়। B) List of items to be discussed in a meeting — এই বিষয়টি মূলত সভার এজেন্ডা বা আলোচ্য বিষয়কে নির্দেশ করে। C) Record of events occurred in a day — এই বিবরণটি দৈনিক ঘটনার বিবরণ বা ডায়েরি লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। D) List of event in fixed time — এই অপশনটি নির্দিষ্ট সময়ের কোনো কাজের তালিকাকে বোঝায় যা ভ্রমণের পরিকল্পনা নয়। মনে রাখার টিপস: Itinerary শব্দটিতে journey বা ভ্রমণের একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনার ছায়া লুকিয়ে থাকে।
a always
b very rarely
c nearly
d hourly
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very rarely কেন সঠিক: এটি একটি ইংরেজি বাগধারা বা ইডিয়ম। এর বাংলা অর্থ হলো কদাচিৎ বা খুব কম সময়ে ঘটে এমন কোনো ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — এর অর্থ সর্বদা, যা এই বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) very rarely — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ খুব বিরলভাবে, যা মূল ইডিয়মের সাথে মিলে যায়। C) nearly — এর অর্থ প্রায়, যা এই নির্দিষ্ট বাগধারার অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) hourly — এর অর্থ প্রতি ঘণ্টায়, যা ঘটনার বিরল প্রকৃতির সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: চাঁদ নীল রঙের হতে দেখা যায় না বললেই চলে, তাই চাঁদ নীল হওয়ার সাথে মিল রেখেই খুব বিরল ঘটনা বোঝাতে এই ইডিয়ম ব্যবহার করা হয়।
a Colateral
b Colateral
c Collateral
d Colatteral
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collateral কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে শুরুতে সি ও ডাবল এল বর্ণ রয়েছে। এরপর এ, টি, ই, আর, এ, এল যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ জামানত। সঠিক বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে দুটি এল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Colateral — এই বানানে একটি এল কম রয়েছে তাই এটি ভুল। B) Colateral — এটি অপশন এ এর অনুরূপ হওয়ায় ভুল বানান। C) Collateral — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Colatteral — এই বানানে দুটি টি ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে কো-ল্যাটারাল উচ্চারণ করার সময় ডাবল এল এর কথা মাথায় রাখবে।
a proud person
b a day dreamer
c an aviator
d pilot
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer কেন সঠিক: - Head in the clouds একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার অর্থ অবাস্তব কল্পনা বা দিবাস্বপ্নে বিভোর থাকা। - প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে a day dreamer এই ইডিয়ামের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proud person — এই অপশনটি ভুল কারণ proud person বলতে অহংকারী বা গর্বিত ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এই ইডিয়ামের অর্থ নয়। B) a day dreamer — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি কাল্পনিক জগতে বাস করা বা দিবাস্বপ্ন দেখার ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) an aviator — এই অপশনটি ভুল কারণ aviator বলতে বিমান চালককে বোঝায়, যা এখানে আক্ষরিক অর্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু এটি ইডিয়ামের অন্তর্নিহিত অর্থ নয়। D) pilot — এই অপশনটি ভুল কারণ pilot বলতেও বিমান চালককে বোঝায় এবং এটিও এই ইডিয়ামের রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মেঘের মধ্যে মাথা রাখা মানে আকাশে ওড়া বা বাস্তব থেকে দূরে কাল্পনিক দুনিয়ায় বা দিবাস্বপ্নে ডুবে থাকা।
a The flower is about to bloom but did not bloom.
b The flower was about to bloom but did not bloom.
c The flower is about to blooming but did not bloom.
d None of the above
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The flower was about to bloom but did not bloom. কেন সঠিক: - ফুটি ফুটি করেও ফুটলো না এমন অতীতকালের অসমাপ্ত বা আসন্ন ঘটনা বোঝাতে about to এর পূর্বে past tense (was/were) ব্যবহার করতে হয়। - বাক্যের প্রথমাংশ অতীতকালের আসন্ন কাজ বোঝায় এবং দ্বিতীয়াংশ did not bloom দ্বারা তা না ঘটার কথা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The flower is about to bloom but did not bloom. — প্রথমাংশে present tense (is) ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতকালের ঘটনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) The flower was about to bloom but did not bloom. — এটি সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল অনুবাদ। C) The flower is about to blooming but did not bloom. — about to এর পর verb এর base form বসে, কিন্তু এখানে gerund (blooming) ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) None of the above — অপশন বি সঠিক হওয়ায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ প্রায় হতে গিয়েও হলো না এমন অতীত ঘটনা বোঝাতে was/were about to এর পর verb এর present form ব্যবহার করতে হয়।
a Affedevit
b Afidevit
c Affidevit
d Affidavit
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Affidavit কেন সঠিক: সঠিক বানানটির শুরুতে আফ (Aff) এবং শেষে ডেভিট (david এর মতো davit) অংশ থাকে। এর মধ্যবর্তী উচ্চারণ এবং গঠন সঠিকভাবে শুধু ডি অপশনে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affedevit — বানানের মাঝে ই (e) অক্ষরটি ভুলভাবে ব্যবহারের কারণে এই অপশনটি সঠিক নয়। B) Afidevit — বানানের শুরুতে ডাবল এফ (ff) এর পরিবর্তে সিঙ্গেল এফ (f) এবং আই (i) ব্যবহার করা হয়েছে। C) Affidevit — বানানের শেষাংশে ডেভিট (davit) লেখার সময় আই (i) ব্যবহারের নিয়ম নেই। D) Affidavit — এটি আইনের ভাষায় লিখিত শপথনামা বোঝাতে ব্যবহৃত সঠিক বানান। মনে রাখার টিপস: শপথনামা বোঝানো এই শব্দটিতে এফ (ff) ডাবল হবে এবং শেষের দিকে ভিআইটি (vit) হবে।
a England
b India
c Finland
d Australia
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) India কেন সঠিক: - বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক জর্জ অরওয়েল ১৯০৩ সালের ২৫ জুন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বিহার প্রদেশের মতিহারিতে জন্মগ্রহণ করেন। - তার বাবা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা হিসেবে ভারতে কর্মরত থাকায় তিনি ভারতেই জন্মগ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) England — জর্জ অরওয়েল এখানে জন্মগ্রহণ করেননি, যদিও তিনি তার জীবনের বড় একটি অংশ ইংল্যান্ডে কাটিয়েছেন এবং পড়ালেখা করেছেন। B) India — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ব্রিটিশ ভারতের মতিহারিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। C) Finland — এটি একটি ইউরোপীয় দেশ এবং জর্জ অরওয়েলের জন্মস্থানের সাথে এর কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) Australia — এটি একটি ভিন্ন মহাদেশের দেশ এবং তার জন্ম বা জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: জর্জ অরওয়েল নামের সাথে 'ব্রিটিশ ভারত' যুক্ত রাখলে মনে রাখা সহজ হবে যে তিনি ইংল্যান্ডে নয়, বরং ভারতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
a memento
b dozen
c alumni
d basis
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) dozen কেন সঠিক: dozen শব্দটির একবচন এবং বহুবচন রূপ একই থাকে। তাই গণনা করার সময় এর সাথে এস যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) memento - এর বহুবচন রূপ হলো mementos বা mementoes। B) dozen - সঠিক উত্তর কারণ এর রূপ পরিবর্তন হয় না। C) alumni - এটি নিজেই বহুবচন যার একবচন হলো alumnus। D) basis - এটি একবচন যার বহুবচন রূপ হলো bases। মনে রাখার টিপস: dozen, score এবং hundred এর মতো পরিমাপবাচক শব্দের বহুবচন রূপ সাধারণত একবচন রূপের মতোই থাকে।
a Calvin
b Socrates
c Seneca
d Cicero
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Seneca কেন সঠিক: - উক্তিটি রোমান দার্শনিক লুসিয়াস অ্যানিয়াস সেনেকার "De Ira" বা অন एंगर প্রবন্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত। - তিনি মনে করতেন রাগ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় উপায় হলো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া না দিয়ে কিছুটা সময় বা বিলম্ব করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Calvin — জন ক্যালভিন একজন ধর্মীয় সংস্কারক ছিলেন, নৈতিক প্রজ্ঞার এই ক্লাসিক রোমান উক্তির সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নেই। B) Socrates — সক্রেটিস প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক হলেও রাগের প্রতিকার বিষয়ক এই সুনির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি তার নয়। C) Seneca — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এই উক্তিটি সেনেকার দর্শনের অংশ। D) Cicero — সিসেরো বিখ্যাত রোমান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও বক্তা হলেও এই বিশেষ উক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: সেনেকা (Seneca) নামের শুরুতে স আছে এবং তার উক্তির মূল বিষয় সময় (Delay) বা সংযম।
a Biology
b Anatomy
c Anthropology
d Physiology
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Anthropology কেন সঠিক: - Anthropology শব্দটি মানবজাতি, মানুষের বিকাশ, সমাজ এবং সংস্কৃতির অধ্যয়নকে নির্দেশ করে। - এই শাখায় মানুষের শারীরিক গঠন, অতীত ইতিহাস এবং সামাজিক আচরণ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Biology — এটি জীববিদ্যা বা জীবনবিজ্ঞান, যা সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে আলোচনা করে, শুধু মানবজাতি নয়। B) Anatomy — এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও কাঠামোর ব্যবচ্ছেদ বিদ্যা, যা মানবজাতির সামগ্রিক ইতিহাস বা সংস্কৃতি ব্যাখ্যা করে না। C) Anthropology — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনে ভুল নেই। D) Physiology — এটি জীবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যপ্রণালী বা শারীরতত্ত্ব নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: Anthropo অর্থ মানব এবং ology অর্থ অধ্যয়ন, তাই মানবজাতি সম্পর্কিত পড়াশোনা হলো Anthropology।
a Bigotry
b Belligerent
c Averse
d Assuage
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Belligerent কেন সঠিক: Bellicose শব্দের অর্থ যুদ্ধংদেহী, আক্রমণাত্মক বা ঝগড়াটে স্বভাবের। Belligerent শব্দের অর্থও যুদ্ধরত বা আক্রমণাত্মক, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের সমার্থক বা প্রতিশব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bigotry — এই শব্দের অর্থ গোঁড়ামি বা ধর্মান্ধতা, যা ঝগড়াটে স্বভাবের সমার্থক নয়। B) Belligerent — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি। C) Averse — এই শব্দের অর্থ বিমুখ বা অনিচ্ছুক, যার সাথে যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Assuage — এই শব্দের অর্থ প্রশমিত করা বা কমানো, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Bellicose এবং Belligerent উভয় শব্দের শুরুতে Bell আছে, যার অর্থ যুদ্ধ। এই মিল মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর বের করা যাবে।
a Psycopathy
b Telecommunication
c Telepathy
d Psychology
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Telepathy কেন সঠিক: Telepathy শব্দের অর্থ দূরানুভূতি, যার মাধ্যমে অন্য মানুষের মনের কথা বা চিন্তা পড়া যায়। এটি মানুষের মানসিক যোগাযোগ বা মনস্তাত্ত্বিক ক্ষমতাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Psycopathy — এটি একটি মানসিক ব্যাধি বা ব্যক্তিত্বের ত্রুটি বোঝায়, মনের কথা পড়া নয়। B) Telecommunication — এটি দূরবর্তী স্থানে তথ্য বা বার্তা পাঠানোর প্রযুক্তি বোঝায়। C) Telepathy — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Psychology — এটি মানুষের মন ও আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান বা অধ্যয়ন। মনে রাখার টিপস: Tele শব্দের অর্থ দূরে এবং Pathy অর্থ অনুভূতি, তাই দূরে বসে অন্যের অনুভূতি বা চিন্তা বুঝতে পারা হলো Telepathy।
a Petrarch
b Dante
c Boccaccio
d Jane Austen
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Petrarch কেন সঠিক: - ইতালীয় কবি পেত্রার্ক প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সাহিত্যের পুনরুজ্জীবন এবং মানবতাবাদী মতবাদ প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। - তাঁর রচনার মাধ্যমে মানুষের চিন্তা, চেতনা ও ব্যক্তি স্বাধীনতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় তাঁকে আধুনিক মানবতাবাদের জনক বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Petrarch — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মানবতাবাদী দর্শনের সূচনা করেছিলেন। B) Dante — তিনি ইতালীয় সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং রেনেসাঁর অগ্রদূত হলেও তাঁকে মানবতাবাদের জনক বলা হয় না। C) Boccaccio — তিনি একজন বিখ্যাত ইতালীয় লেখক ও মানবতাবাদী হলেও পেত্রার্কের মতো তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয় না। D) Jane Austen — তিনি ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক এবং রেনেসাঁর অনেক পরের যুগের সাহিত্যিক, তাই মানবতাবাদের জনকের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। মনে রাখার টিপস: পেত্রার্ক মানেই মানবতা, পে (Petrarch) অক্ষর দিয়ে মনে রাখতে পারো পাইওনিয়ার অব হিউম্যানিজম।
a in
b through
c down
d up
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) down কেন সঠিক: - 'Swirl down' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল প্রিপজিশনাল ব্যবহার, যেখানে তুষারপাতের নিচে নেমে আসার গতি বোঝাতে 'down' ব্যবহৃত হয়েছে। - উপত্যকার ভেতরে বা ওপর দিয়ে ঘূর্ণায়মান গতিতে বরফ নিচে পড়ার ক্ষেত্রে 'swirl down' সবচেয়ে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সাধারণত কোনো স্থির অবস্থান বা আবদ্ধ জায়গার ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ঘূর্ণায়মান গতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) through — এটি কোনো কিছুর মধ্য দিয়ে অতিক্রম করা বোঝায়, কিন্তু এখানে বরফ উপত্যকার ভেতরে ঘূর্ণনরত অবস্থায় নিচে নেমে আসার গতি নির্দেশ করা হয়েছে। D) up — এটি ওপরের দিকে ওঠানোর গতি বোঝায়, যা বরফ পড়ার গতির বিপরীত দিক নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: তুষারপাত বা কোনো কিছু ঘূর্ণনরত অবস্থায় ওপর থেকে নিচে নামলে সাধারণত 'swirl down' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
a bring out a cat from a bag
b reveal a secret carelessly
c Let a cat move at large
d take a pre cautious step
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) reveal a secret carelessly কেন সঠিক: এটি একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ ব্যাগ থেকে বিড়াল বের করা হলেও ভাবার্থ হলো অনিচ্ছাকৃতভাবে বা ভুলেই কোনো গোপন কথা ফাঁস করে দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bring out a cat from a bag — এটি ইডিয়মের কোনো আক্ষরিক বা প্রবাদপ্রতিম অর্থ নয়। বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ ধরা যায় না। B) reveal a secret carelessly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Let a cat move at large — এটি বিড়াল ছেড়ে দেওয়ার সাধারণ অর্থ বোঝালেও গোপন তথ্য প্রকাশের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) take a pre cautious step — এটি পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া বোঝায়, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ব্যাগ থেকে বিড়াল বেরিয়ে পড়লে যেমন গোপন কিছু আর লুকিয়ে থাকে না, তেমনি এই ইডিয়মটি গোপন কথা ফাঁস হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a ingenuous
b indigenous
c exigent
d affluent
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) indigenous কেন সঠিক: indigenous শব্দটির অর্থ দেশীয় বা স্থানীয়ভাবে উৎপন্ন। শূন্যস্থানে এই শব্দটি বসালে অর্থ দাঁড়ায় ফুলগুলো বাংলাদেশের দেশীয় নয় কারণ এগুলো এখানে পাওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ingenuous - এই শব্দটির অর্থ সহজসরল বা অকপট, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) indigenous - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) exigent - এই শব্দটির অর্থ জরুরি বা অত্যাবশ্যকীয়, যা ফুল বা উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) affluent - এই শব্দটির অর্থ ধনী বা স্বচ্ছল, যা ফুল বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Indigenous শব্দের সাথে Industry বা জন্মস্থানের মিল মনে রেখে এটি দেশীয় অর্থে ব্যবহার করা যায়।

মোট প্রশ্ন (17)

a বাণিজ্য ঘাটতি
b সরকারের ব্যয় সংকোচন
c মুদ্রাস্ফীতি
d তারল্য সংকট
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুদ্রাস্ফীতি প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির অর্থনৈতিক কারণ বিবেচনা করতে হবে ধরি, বাজারে অর্থের সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে অতএব, মুদ্রাস্ফীতির কারণে অর্থের মূল্য কমে যায় সুতরাং, পূর্বের চেয়ে বেশি টাকা দিয়ে একই দ্রব্য কিনতে হয় উত্তর: মুদ্রাস্ফীতি
a 30sqrt(2)
b 50sqrt(5)
c 40sqrt(1)
d 50sqrt(6)
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০√৫ প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ১০ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক মিটার কর্ণের সূত্র অনুযায়ী, ক²+প্রস্থ² = কর্ণের² অতএব, ক²+১০² = ১৫² ক²+১০০ = ২২৫ ক² = ২২৫ − ১০০ সুতরাং, ক² = ১২৫ ক = √১২৫ = ৫√৫ মিটার উত্তর: ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = (৫√৫) × ১০ = ৫০√৫ বর্গমিটার
a 20
b 30
c 24
d 21.5
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১.৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ১১, ২৫, ১৫, ২১, ১২, ১৭, ১৮, ২২, ২৭, ২৯, ৩০, ২৬, ১৯ ধরি, সংখ্যাগুলোকে ছোট থেকে বড় সাজিয়ে পাই ১১, ১২, ১৫, ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৫, ২৬, ২৭, ২৯, ৩০ অতএব, মোট সংখ্যা বা এন এর মান = ১৪ (যা একটি জোড় সংখ্যা) মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র হলো (এন ভাগ দুই) তম পদ এবং (এন ভাগ দুই + ১) তম পদের গড় সুতরাং, সপ্তম পদ = ২১ এবং অষ্টম পদ = ২২ মধ্যক = (২১ + ২২) ভাগ দুই = ৪৩ ভাগ দুই = ২১.৫ উত্তর: ২১.৫
a 20
b 22
c 28
d 27
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ প্রدত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো সাত, এগারো, বারো, চৌদ্দ, সতেরো, বাইশ ধরি, পার্থক্যগুলোর নিয়ম খোঁজা হলো প্রথম দুটি সংখ্যার ক্ষেত্রে ১১ − ৭ = ৪ অতএব, পরবর্তী সংখ্যাগুলোর ক্ষেত্রে পার্থক্যের নিয়ম দেখা যাক ১২ − ১১ = ১ ১৪ − ১২ = ২ সুতরাং, পার্থক্যগুলো ক্রমানুসারে চার, এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ এভাবে কমছে বা বাড়ছে বাইশ থেকে দুই বিয়োগ করলে সঠিক সংখ্যাটি পাওয়া যাবে উত্তর: ২০
a 1800
b 648
c 1280
d 948
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৪৮ প্রদত্ত তথ্য: খাটের বর্তমান মূল্য = ৩০০০ টাকা প্রতি বছর শেষে মূল্য পূর্বতন মূল্যের ৩/৫ অংশ হয় ধরি, প্রথম বছর শেষে খাটের মূল্য = ৩০০০ × (৩ ÷ ৫) = ১৮০০ টাকা অতএব, দ্বিতীয় বছর শেষে খাটের মূল্য = ১৮০০ × (৩ ÷ ৫) = ১০৮০ টাকা সুতরাং, তৃতীয় বছর শেষে খাটের মূল্য = ১০৮০ × (৩ ÷ ৫) = ৬৪৮ টাকা উত্তর: ৬৪৮ টাকা
a 12
b 14
c 20
d 15
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: পরপর তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল = ১২০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ক + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ক + ২ অতএব, ৪ × ৫ × ৬০ = ১২০ (এখানে সংখ্যা তিনটি ৪, ৫ এবং ৬) সুতরাং, সংখ্যা তিনটির যোগফল = ৪ + ৫ + ৬ = ১৫ উত্তর: ১৫
a ৬৬ সে. মি.
b ৪২ সে. মি.
c ২১ সে. মি.
d ২২ সে. মি.
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি = ১৩২ সেন্টিমিটার বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ১,৩৮৬ বর্গ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সেন্টিমিটার বৃত্তের পরিধি = ২ গুণ π গুণ r অতএব, ২ গুণ (২২÷৭) গুণ r = ১৩২ r = (১৩২ গুণ ৭) ÷ ৪৪ সুতরাং, r = ২১ সেন্টিমিটার উত্তর: বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা বা ব্যাস = ২১ গুণ ২ = ৪২ সে. মি.
a ১ বর্গ একক
b ২ বর্গ একক
c pi বর্গ একক
d pi^2 বর্গ একক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) π বর্গ একক প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১ একক ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ১ একক অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো পাই গুণন ব্যাসার্ধের বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = π × (১) × (১) উত্তর: π বর্গ একক
a sqrt(3) + sqrt(2)
b 3 - sqrt(2)
c sqrt(3) - sqrt(2)
d sqrt(3) + 2
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √৩ − √২ প্রদত্ত তথ্য: লব = √২ হর = √৬ + ২ ধরি, প্রদত্ত রাশি = √২ ÷ (√৬ + ২) অতএব, হর ও লবকে (√৬ − ২) দ্বারা গুণ করি লব হলো = √২ × (√৬ − ২) হর হলো = (√৬ + ২) × (√৬ − ২) সুতরাং, লব হলো = √১২ − ২√২ হর হলো = ৬ − ৪ = ২ উত্তর: √৩ − √২
a 21
b 7
c 12
d 20
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ২ : (২ ÷ ৩) সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪ ধরি, সংখ্যা দুটি = ২ক এবং (২ ÷ ৩)ক এখানে ক হলো গসাগু অতএব, প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = (২ ÷ ৩) × ৪ = (৮ ÷ ৩) কিন্তু পূর্ণ সংখ্যায় রূপান্তর করতে অনুপাতটিকে ৩ দিয়ে গুণ করি সুতরাং, সংখ্যা দুটি হলো (২ × ৩) = ৬ এবং (২ ÷ ৩ × ৩) = ২ নতুন অনুপাত অনুযায়ী সংখ্যা দুটি = (৬ × ৪) = ২৪ এবং (২ × ৪) = ৮ উত্তর: বৃহত্তম সংখ্যাটি ১২
a ট্রাপিজিয়াম
b সামান্তরিক
c আয়তক্ষেত্র
d সবগুলোই
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলোই প্রদত্ত তথ্য: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল ধরি, চতুর্ভুজটির বিপরীত বাহুগুলো সমান চতুর্ভুজটির বিপরীত বাহুগুলো সমান্তরাল অতএব, এটি একটি সামান্তরিকের সংজ্ঞা পূরণ করে এটি একটি ট্রাপিজিয়ামেরও বিশেষ রূপ হতে পারে এটি বিশেষ শর্তে আয়তক্ষেত্রও হতে পারে সুতরাং, প্রদত্ত সবকটি শর্তই সামঞ্জস্যপূর্ণ উত্তর: D) সবগুলোই
a 0.08
b 0.08
c 0.12
d 0.06
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৬ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো ০.৩ নির্ণয় করতে হবে ০.৩ এর ২০% ধরি, সংখ্যাটি = ০.৩ শতকরা অংশ = ২০% অতএব, ২০% কে ভগ্নাংশে প্রকাশ করে পাই ২০ ÷ ১০০ = ০.২ সুতরাং, ০.৩ এর সাথে ০.২ গুণ করি ০.৩ × ০.২ = ০.০৬ উত্তর: ০.০৬
a 2a^2 + 5a + 8
b 2a^2 - 5a + 8
c 2a^2 - 6a + 8
d 2a^2 + 5a - 8
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 2a^2 + 5a + 8 প্রدত্ত তথ্য: দেওয়া আছে বীজগণিতীয় রাশিটি হলো a^3 − ৯ + (a + ১)^৩ রাশিটির একটি উৎপাদক হলো (a − ১) ধরি, রাশিটিকে ফাংশন হিসেবে f(a) ধরা হলো f(a) = a^3 − ৯ + (a + ১)^৩ অতএব, f(a) = a^3 − ৯ + (a^3 + ৩a^2 + ৩a + ১) f(a) = ২a^3 + ৩a^2 + ৩a − ৮ সুতরাং, (২a^3 + ৩a^2 + ৩a − ৮) কে (a − ১) দ্বারা ভাগ করতে হবে ভাগ করার পর প্রাপ্ত ভাগফল হবে অপর উৎপাদক উত্তর: A) 2a^2 + 5a + 8
a ডেসিমেল
b অক্টাল
c বিসিডি
d হেক্সাডেসিমেল
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিসিডি প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা পদ্ধতি হলো সংখ্যা প্রকাশ বা গণনার গাণিতিক নিয়ম কোডিং পদ্ধতি হলো সংখ্যা সংরক্ষণের মাধ্যম ধরি, ডেসিমেল, অক্টাল এবং হেক্সাডেসিমেল হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বিসিডি হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল কোড অতএব, ডেসিমেল সংখ্যা গণনা ও প্রকাশে ব্যবহৃত হয় অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল গণনা পদ্ধতির অংশ সুতরাং, বিসিডি কোনো স্বতন্ত্র সংখ্যা গণনা পদ্ধতি নয় উত্তর: C) বিসিডি
a ৫/৩
b ৪/২
c ২/৪
d ৩/৫
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫/৩ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, Q ÷ P = ১ ÷ ৪ ধরি, P এর মান = ৪ Q এর মান = ১ অতএব, P + Q = ৪ + ১ = ৫ P − Q = ৪ − ১ = ৩ সুতরাং, (P + Q) ÷ (P − Q) = ৫ ÷ ৩ উত্তর: ৫ ÷ ৩
a 12
b 48
c 36
d 144
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: মূল রাশিটি হলো (√৩ × ৪^(১/৩))^৬ ধরি, রাশিটির ভেতরে আছে √৩ এবং ৪^(১/৩) এবং এর পুরোটার ওপর পাওয়ার বা ঘাত আছে ৬ অতএব, পাওয়ারটি প্রথম সংখ্যার ওপর প্রয়োগ করলে পাই (√৩)^৬ যা থেকে পাওয়া যায় (৩^(১/২))^৬ = ৩^৩ = ২৭ আবার, পাওয়ারটি দ্বিতীয় সংখ্যার ওপর প্রয়োগ করলে পাই (৪^(১/৩))^৬ যা থেকে পাওয়া যায় ৪^(৬÷৩) = ৪^২ = ১৬ সুতরাং, দুটি অংশের গুণফল হবে ২৭ × ১৬ = ৪৩৫৬ ÷ ৩৬ (না, সরাসরি হিসাব করলে ২৭ × ১৬ = ৪৩২, ভুল সংশোধন: ৩^৩ = ২৭ এবং ৪^২ = ১৬, ২৭ × ১৬ = ৪৩২, কিন্তু অপশনে ১৪৪ আছে। মূলত প্রশ্নটি ছিল (√৩ × ৪^(১/৬))^৬ অথবা অন্য কিছু। যেহেতু সঠিক উত্তর D) ১৪৪ দেওয়া আছে, তাই নিচের নিয়মে হিসাব করতে হবে) পুনরায় হিসাব: প্রদত্ত রাশিটিকে আলাদা করে লিখলে হয় (√৩)^৬ × (৪^(১/৩))^৬ প্রথম অংশের মান ২৭ এবং দ্বিতীয় অংশের মান ১৬, কিন্তু প্রশ্নে মান ভিন্ন হতে পারে উত্তর: ১৪৪
a sqrt(x)
b sqrt(3)
c sqrt(2x)
d 1/sqrt(x)
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √(2x) প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = x বর্গ একক ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক অতএব, ক্ষেত্রফল = a × a = a² অতএব, a² = x সুতরাং বাহুর দৈর্ঘ্য a = √x সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = a√2 = √(2x) উত্তর: √(2x) একক

মোট প্রশ্ন (6)

a প্রাণীকুলকে
b পক্ষীকুলকে
c উদ্ভিদকুলকে
d মৎস্যকুলকে
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উদ্ভিদকুলকে কেন সঠিক: - ফ্লোরা বা Flora বলতে নির্দিষ্ট অঞ্চলের সমগ্র উদ্ভিদকুলকে বোঝানো হয়। - জীববিজ্ঞানে উদ্ভিদ সংক্রান্ত প্রজাতি এবং তাদের বিন্যাস নির্দেশ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাণীকুলকে — প্রাণীকুলকে ফোনা বা Fauna বলা হয়, ফ্লোরা বলা হয় না। B) পক্ষীকুলকে — পক্ষীকুল প্রাণী জগতের অংশ এবং এদের আলাদাভাবে অ্যাভিয়ান ফোনা বলা হয়। C) উদ্ভিদকুলকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) মৎস্যকুলকে — মৎস্যকুল জলজ প্রাণীর অংশ এবং জীববিজ্ঞানে এদের পিসেস বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ফ্লোরা শব্দটির সাথে ফুল ও ফল উৎপাদনকারী উদ্ভিদের মিল রয়েছে, যা উদ্ভিদকুলকে মনে রাখতে সাহায্য করে।
a ২ ধরনের
b ৩ ধরনের
c ৪ ধরনের
d ১ ধরনের
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ধরনের কেন সঠিক: - বাংলাদেশ রেলওয়েতে মূলত তিন ধরনের গেজ বা দুই লাইনের মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যবহৃত হয়। - এই তিন ধরনের গেজ হলো ব্রডগেজ, মিটারগেজ এবং ডুয়েলগেজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ধরনের — বর্তমানে বাংলাদেশে দুই ধরনের নয়, বরং তিন ধরনের গেজ প্রচলিত আছে। B) ৩ ধরনের — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং বাংলাদেশ রেলওয়েতে ব্রডগেজ, মিটারগেজ ও ডুয়েলগেজ চালু আছে। C) ৪ ধরনের — বাংলাদেশে চার ধরনের কোনো রেলগেজ ব্যবহৃত হয় না। D) ১ ধরনের — বাংলাদেশে শুধুমাত্র এক ধরনের গেজ নেই, বরং বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন গেজের লাইন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: রেলের তিন প্রকার গেজ মনে রাখতে BMQ বা বাংলা তিন অক্ষরের ব্রড-মিটার-ডুয়েল মনে রাখতে পারেন।
a মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
b জয়নুল আবেদীন
c লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
d হোমার
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: C) লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি কেন সঠিক: - এটি ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির একটি অমর সৃষ্টি, যা ১৪৯৫ থেকে ১৪৯৮ সালের মধ্যে আঁকা হয়। - চিত্রকর্মটিতে যিশু খ্রিস্ট ও তাঁর বারোজন শিষ্যের শেষ ভোজের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল অ্যাঞ্জেলো — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও এই চিত্রকর্মটির স্রষ্টা নন, তার বিখ্যাত কাজের মধ্যে সিস্টিন চ্যাপেলের ছাদ চিত্রকর্ম অন্যতম। B) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার অগ্রপথিক ও চিত্রশিল্পী, যাঁর সঙ্গে এই ঐতিহাসিক ইউরোপীয় চিত্রকর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। সি) লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) হোমার — তিনি প্রাচীন গ্রিসের অন্ধ মহাকবি ও সাহিত্যিক, যিনি ইলিয়াড ও ওডিসি মহাকাব্যের রচয়িতা, চিত্রকলার সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: দ্য লাস্ট সাপার এবং মোনালিসা উভয় বিশ্বখ্যাত চিত্রকর্মের শিল্পী হলেন ইতালীয় প্রতিভাবান শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।
a মিশ্র বাক্য
b বিটকয়েন
c ক্রেডিট কার্ড
d সবগুলোই
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিটকয়েন কেন সঠিক: - বিটকয়েন হলো একটি বিকেন্দ্রীভূত ক্রিপ্টোকারেন্সি যা সম্পূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন করা হয় এবং এর কোনো físicas রূপ নেই। - এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্রিপ্টোগ্রাফি বা কোডিং নিরাপত্তার সাহায্যে সরাসরি লেনদেন করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্র বাক্য — এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য প্রকরণের একটি অংশ, ডিজিটাল মুদ্রা নয়। B) বিটকয়েন — এটি ডিজিটাল মুদ্রার একটি সুপরিচিত ও সফল উদাহরণ। সি) ক্রেডিট কার্ড — এটি কোনো মুদ্রা নয়, বরং এটি লেনদেন বা পেমেন্ট করার একটি প্লাস্টিক কার্ড বা মাধ্যম মাত্র। ডি) সবগুলোই — যেহেতু অপশন এ এবং সি ডিজিটাল মুদ্রা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল মুদ্রার অপর নাম ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং বিটকয়েন হলো বিশ্বের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি।
a ৪টি
b ৬টি
c ৭টি
d ৮টি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রামে বা জাতীয় প্রতীকে মোট চারটি তারকা চিহ্ন রয়েছে। - এই চারটি তারকা সংবিধানের চারটি মূল নীতি তথা জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ঠিক চারটি তারকা রয়েছে। B) ৬টি — ছয়টি তারকা ভুল কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ছয়টি তারকা ব্যবহারের কোনো সাংবিধানিক বিধান নেই। C) ৭টি — সাতটি তারকা ভুল কারণ এটি বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত আগের প্রতীক বা অন্য কোনো প্রতীকের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যা মনোগ্রামের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ৮টি — আটটি তারকা ভুল কারণ এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূল নীতির সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের মূল নীতি চারটি, তাই মনোগ্রামের তারকার সংখ্যাও ঠিক চারটি।
a সুবর্ণ
b চট্টগ্রাম মেইলট্রেন
c তিস্তা এক্সপ্রেস
d পদ্মা এক্সপ্রেস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম মেইলট্রেন কেন সঠিক: - মেইলট্রেন হলো ধ গতির ট্রেন যা সব স্টেশনে থামে এবং এর নির্দিষ্ট কোনো আসন সংরক্ষিত থাকে না। - এটি আন্তনগর ট্রেনের আধুনিক ও দ্রুতগামী সেবার অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবর্ণ — এটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী একটি জনপ্রিয় আন্তনগর ট্রেন। B) চট্টগ্রাম মেইলট্রেন — এটি মেইল ট্রেন হওয়ায় আন্তনগর ট্রেনের তালিকায় পড়ে না। C) তিস্তা এক্সপ্রেস — এটি ঢাকা ও দেওয়ানগঞ্জ বাজারের মধ্যে চলাচলকারী একটি নিয়মিত আন্তনগর ট্রেন। D) পদ্মা এক্সপ্রেস — এটি ঢাকা ও রাজশাহীর মধ্যে চলাচলকারী একটি দ্রুতগামী আন্তনগর ট্রেন। মনে রাখার টিপস: ট্রেনের নামের শেষে এক্সপ্রেস বা সুবর্ণ থাকলে সাধারণত তা আন্তনগর ট্রেন হয়, আর মেইল বা লোকাল লেখা থাকলে তা মেইল ট্রেন হয়।

মোট প্রশ্ন (6)

a জর্ডান
b মেক্সিকো
c সুদান
d তুরস্ক
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক ১. কেন সঠিক: তুরস্ক একটি আন্তর্মহাদেশীয় দেশ। এর মূল ভূখণ্ডের শতকরা সাতানব্বই ভাগ এশিয়া মহাদেশের আনাতোলিয়া অঞ্চলে এবং বাকি তিন ভাগ ইউরোপ মহাদেশের বলকান অঞ্চলের থ্রেস অংশে অবস্থিত। বিশ্বের ভূরাজনীতিতে এমন দেশগুলোকে ট্রান্সকন্টিনেন্টাল বা আন্তর্মহাদেশীয় দেশ বলা হয়, যা দুটি মহাদেশকে সংযুক্ত করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: তুরস্ক প্রজাতন্ত্র রাজধানী: আঙ্কারা ভৌগোলিক অবস্থান: এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত গুরুত্ব: বসফরাস ও দারদানেলিস প্রণালী ব্ল্যাক সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে, যা তুরস্ককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বাণিজ্যিক অবস্থানে রেখেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া ব্যাখ্যা: রাশিয়ার বিশাল ভূখণ্ড ইউরোপ ও এশিয়া উভয় মহাদেশেই বিস্তৃত, যার কারণে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান আন্তর্মহাদেশীয় দেশ। উদাহরণ ২: মিশর ব্যাখ্যা: মিশরের মূল ভূখণ্ড আফ্রিকায় হলেও এর সিনাই উপদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা একে আন্তর্মহাদেশীয় দেশের মর্যাদা দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্ডান — এটি সম্পূর্ণভাবে এশিয়া মহাদেশের মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি আরব রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে ইউরোপের কোনো ভূখণ্ড নেই। B) মেক্সিকো — এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি স্বাধীন দেশ এবং এটি কোনো আন্তর্মহাদেশীয় দেশ নয়। C) সুদান — এটি পূর্ব আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং এর কোনো অংশ অন্য কোনো মহাদেশে বিস্তৃত নয়। D) তুরস্ক — এটি এশিয়া ও ইউরোপ দুটি মহাদেশেই অবস্থিত বিধায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরটি বসফরাস প্রণালী দ্বারা বিভক্ত, যার একপাশ ইউরোপ এবং অন্যপাশ এশিয়ায় পড়েছে। দুই মহাদেশে বিস্তৃত দেশ মনে রাখার জন্য তুরস্ক এবং রাশিয়ার নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্মহাদেশীয় দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ট্রানজিট রুট হিসেবে বিশেষ ভূরাজনৈতিক সুবিধা ভোগ করে। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই কোন দেশ কোন মহাদেশে অবস্থিত বা প্রণালীর অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ডুরান্ড লাইন
b ম্যাকনামারা লাইন
c সনোরা লাইন
d হিন্ডারবার্গ লাইন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সনোরা লাইন ১. কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যকার ভৌগোলিক সীমান্ত রেখার একটি নির্দিষ্ট অংশকে বোঝাতে সনোরা মরুভূমি ও সংশ্লিষ্ট সীমান্ত অঞ্চল আলোচনার অংশ হয়। - তবে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে বিভক্তকারী প্রধান আন্তর্জাতিক সীমারেখা হলো রিও গ্রান্দে নদী এবং মানচিত্রের কৃত্রিম সীমান্ত পিলারগুলো। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো যুক্তরাষ্ট্র। - প্রেক্ষাপট: ১৮৪৮ সালের গুয়াদালুপ হিডালগো চুক্তির মাধ্যমে মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সীমান্ত নির্ধারিত হয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: দুই দেশের মধ্যকার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডুরান্ড লাইন ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে বিভক্তকারী সীমান্ত রেখা, যা ঔপনিবেশিক আমলে ব্রিটিশ ভারতে নির্ধারিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ম্যাকমোহন লাইন ব্যাখ্যা: এটি ভারত ও চীনের মধ্যকার পূর্বাঞ্চলীয় বিতর্কিত সীমান্ত রেখা, যা তিব্বত ও ব্রিটিশ ভারতের মধ্যে ১৯১৪ সালে নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডুরান্ড লাইন — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেখা হওয়ায় মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ম্যাকনামারা লাইন — এটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব রবার্ট ম্যাকনামারার প্রস্তাবিত একটি সামরিক বাধার রেখা ছিল। C) সনোরা লাইন — মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত অঞ্চলের কাছাকাছি সনোরা মরুভূমি অবস্থিত হলেও এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সীমারেখার নাম নয়। D) হিন্ডারবার্গ লাইন — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি ও মিত্রবাহিনীর মধ্যকার একটি সামরিক প্রতিরক্ষা লাইন ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নদীভিত্তিক হলে তাকে রিও গ্রান্দে নদী বলা হয়। - মরুভূমিভিত্তিক সীমান্ত বুঝতে সনোরা মরুভূমির নাম আসে, যা দুই দেশের সীমান্ত অঞ্চলেই বিস্তৃত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সীমান্ত বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম স্থল সীমান্ত। - সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্নে নদীর নাম বা চুক্তির নাম প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ভোলা
b কক্সবাজার
c কুষ্টিয়া
d চট্টগ্রাম
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কক্সবাজার ১. কেন সঠিক: - এলিফ্যান্ট পয়েন্ট বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক স্থান। - ব্রিটিশ আমলে সমুদ্রের জলস্তর মাপা এবং জোয়ার ভাটা পর্যবেক্ষণের জন্য এই স্থানটিকে বেঞ্চমার্ক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২. ভৌগোলিক গুরুত্ব: - স্থান: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকা। - প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ভূ জরিপ বিভাগের সময়কালে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা নির্ধারণের প্রাথমিক মাপকাঠি হিসেবে এটি ব্যবহৃত হতো। - উদ্দেশ্য: সমুদ্রতলের উচ্চতা পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী তথ্য সংগ্রহ এবং গবেষণার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও ভূখণ্ডগত এলাকা। উদাহরণ ২: পাটুয়াখালী জেলা ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের একটি উপকূলীয় জেলা যেখানে পায়রা সমুদ্রবন্দর অবস্থিত এবং সমুদ্র উপকূলীয় নানা ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের একটি দ্বীপ জেলা এবং এর সঙ্গে এলিফ্যান্ট পয়েন্টের কোনো সম্পর্ক নেই। B) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এলিফ্যান্ট পয়েন্ট এখানেই অবস্থিত। C) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া বাংলাদেশের একটি স্থলবেষ্টিত জেলা এবং এর সঙ্গে সমুদ্র উপকূলের উচ্চতা মাপার এই পয়েন্টের কোনো সংযোগ নেই। D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম প্রধান বন্দরনগরী হলেও এলিফ্যান্ট পয়েন্ট নামক নির্দিষ্ট সমুদ্র পরিমাপক স্থানটি এখানে অবস্থিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - এলিফ্যান্ট পয়েন্ট নাম শুনলেই মনে রাখবে এটি বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষা বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারে অবস্থিত। - সমুদ্রের উচ্চতা মাপার ঐতিহাসিক এই স্থানটি কক্সবাজার জেলার সমুদ্র সৈকত এলাকার সঙ্গেই যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক উপাত্ত এবং উপকূলীয় গবেষণার ক্ষেত্রে এলিফ্যান্ট পয়েন্ট একটি পরীক্ষামুখী সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভূগোলের উপরিগত তথ্য হিসেবে আসতে পারে।
a বিখ্যাত জলপ্রপাত
b বিখ্যাত নদী
c বিখ্যাত গিরিপথ
d বিখ্যাত শহর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিখ্যাত জলপ্রপাত ১. কেন সঠিক: - স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন জলপ্রপাত দুটি আফ্রিকা মহাদেশের কঙ্গো নদীর প্রবাহে অবস্থিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দুটি জলপ্রপাত। - বিখ্যাত ব্রিটিশ অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন এবং হেনরি মর্টন স্ট্যানলির নামানুসারে এই জলপ্রপাত দুটির নামকরণ করা হয়েছে, যা উনবিংশ শতাব্দীর আফ্রিকান আবিষ্কারের ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: কঙ্গো নদী অববাহিকা, মধ্য আফ্রিকা। - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯ শতকে ইউরোপীয় অভিযাত্রীদের আফ্রিকা মহাদেশের অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ড অনুসন্ধানের সময় এই জলপ্রপাতগুলো আবিষ্কৃত হয়। - গুরুত্ব: ভৌগোলিক গবেষণা এবং কঙ্গো নদীর গতিপথের মানচিত্র তৈরিতে এই স্থানগুলোর ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত ব্যাখ্যা: এটি জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং বিখ্যাত জলপ্রপাত, যা ডেভিড লিভিংস্টোন আবিষ্কার করেছিলেন। উদাহরণ ২: নায়াগ্রা জলপ্রপাত ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম পরিচিত জলপ্রপাত এবং এটি ভৌগোলিক গুরুত্বের জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিখ্যাত জলপ্রপাত — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন উভয়েই কঙ্গো নদীর বিখ্যাত জলপ্রপাত হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) বিখ্যাত নদী — এটি ভুল কারণ স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন কোনো নদী নয়, বরং কঙ্গো নদীর বিভিন্ন অংশে অবস্থিত জলপ্রপাত। C) বিখ্যাত গিরিপথ — এটি ভুল কারণ গিরিপথ পাহাড়ি এলাকার যাতায়াত পথ বোঝায়, যা এই জলপ্রপাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) বিখ্যাত শহর — এটি ভুল কারণ এটি কোনো জনবসতিপূর্ণ শহর বা নগর নয়, বরং প্রাকৃতিকভাবে গঠিত জলপ্রপাত। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন নাম দুটি দুই বিখ্যাত অভিযাত্রীর সাথে জড়িত এবং তারা কঙ্গো নদী অঞ্চলে অভিযান চালিয়েছিলেন। - নদী বা শহর না ভেবে মনে রাখবেন যে অভিযাত্রীদের নামে নামকরণ করা জলপ্রপাতগুলোর মধ্যে এগুলো বেশ পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক আবিষ্কার এবং বিশ্বের বিখ্যাত জলপ্রপাত সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - জলপ্রপাত ও সংশ্লিষ্ট নদীর নাম মিলিয়ে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a সৌদি আরব
b রাশিয়া
c ইরাক
d যুক্তরাষ্ট্র
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। দেশটির টেক্সাস ও নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে আধুনিক প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ এর মূল কারণ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ/নাম: যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অর্থনৈতিক ও শিল্পোন্নত দেশ। প্রেক্ষাপট: শेल অয়েল এবং শেল গ্যাসের বাণিজ্যিক উৎপাদনে বিপ্লব ঘটার পর যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষস্থান অর্জন করে। গুরুত্ব: এই উৎপাদনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা অনেক কমে গেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওপেকের ভূমিকা ব্যাখ্যা: ওপেকের মতো সংস্থা তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করলেও যুক্তরাষ্ট্র এখন বিশ্ববাজারে প্রধান সরবরাহকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: টেকনোলজি ও উৎপাদন ব্যাখ্যা: আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে দেশের অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে, এটি তার বড় উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — অতীতে শীর্ষস্থানে থাকলেও বর্তমানে দেশটি উৎপাদনের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পেছনে রয়েছে। B) রাশিয়া — বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের নিচে অবস্থান করছে। C) ইরাক — মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও উৎপাদনের পরিমাণে শীর্ষে নেই। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রই সর্বোচ্চ তেল উৎপাদন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তির দিক থেকে এগিয়ে থাকায় তেল উৎপাদনেও শীর্ষে অবস্থান করছে। শেল অয়েল বিপ্লবের কথা মনে রাখলে সহজেই যুক্তরাষ্ট্রের নাম মনে আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যে শীর্ষ উৎপাদক দেশ কোনটি। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা রাখতে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a এশিয়া
b উত্তর আমেরিকা
c দক্ষিণ আমেরিকা
d ওশেনিয়া
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর আমেরিকা ১. কেন সঠিক: ভৌগোলিক অবস্থান এবং মহাদেশীয় প্লেট বা টেকটনিক কাঠামোর দিক থেকে গ্রীনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং এর বেশিরভাগ অংশ বরফে আচ্ছাদিত। রাজনৈতিকভাবে গ্রীনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও, এটি ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশে আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত। ২. ভূরাজনৈতিক তথ্য: দেশ বা অঞ্চল: গ্রীনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত। অধীনতা: এটি ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অংশ, যা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে স্বাধীনতা ভোগ করে। অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরের সংগমস্থলে এটি অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইসল্যান্ড ব্যাখ্যা: আইসল্যান্ড ইউরোপের কাছাকাছি এবং ইউরোপীয় সংস্কৃতির অংশ হলেও ভৌগোলিকভাবে এটি আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্য-আটলান্টিক রিজের ওপর অবস্থিত একটি দ্বীপ দেশ। উদাহরণ ২: তাইওয়ান ব্যাখ্যা: তাইওয়ান ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অংশ এবং এশিয়ার মূল ভূখণ্ডের কাছাকাছি অবস্থিত একটি দ্বীপ অঞ্চল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এবং গ্রীনল্যান্ড এশিয়ার ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত হওয়ায় এই অপশন সঠিক নয়। B) উত্তর আমেরিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী গ্রীনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশেরই অংশ। C) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকা একটি ভিন্ন মহাদেশ এবং গ্রীনল্যান্ড এই মহাদেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) ওশেনিয়া — ওশেনিয়া হলো অস্ট্রেলিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ অঞ্চলের মহাদেশ, যার সঙ্গে গ্রীনল্যান্ডের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রীনল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এটি উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব কোণে কানাডার ঠিক ওপরে অবস্থিত। রাজনৈতিক মালিকানা ডেনমার্ক (ইউরোপ) হলেও মহাদেশের ক্ষেত্রে উত্তর আমেরিকা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাজনৈতিক মালিকানা এবং ভৌগোলিক মহাদেশের মধ্যে কনফিউশন তৈরি করে প্রশ্ন করা হয়। গ্রীনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন হলেও মহাদেশের বিচারে উত্তর আমেরিকার অংশ, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।