সঠিক উত্তর: B) দীনবন্ধু মিত্র
১. কেন সঠিক:
- ‘কমলে কামিনী’ একটি বিখ্যাত নাটক এবং এর রচয়িতা ঊনবিংশ শতকের প্রখ্যাত নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র।
- দীনবন্ধু মিত্র মূলত তাঁর সামাজিক নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি পৌরাণিক ও প্রহসনমূলক নাটকও রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনবন্ধু মিত্র বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী নাম, যিনি বাংলা নাটকে বাস্তবতার ছোঁয়া এনেছিলেন।
- তাঁর রচিত ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি বাংলা নাট্যজগতে বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল এবং এটি নীলকর চাষিদের ওপর চালিত নির্যাতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীলদর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রভাবশালী নাটক, যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা নাটকের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: সধবার একাদশী
ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের একটি জনপ্রিয় প্রহসন, যেখানে সমাজের অবক্ষয় ও মদ্যপানের কুফল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের পথিকৃৎ এবং ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসের রচয়িতা, কোনো নাটক লেখেননি।
B) দীনবন্ধু মিত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ‘কমলে কামিনী’ নাটকের সফল রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
C) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও ‘কমলে কামিনী’ নাটকটি তাঁর রচিত নয়, তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘বিষাদ সিন্ধু’।
D) হরিশ চন্দ্র মিত্র — তিনি সেকালের একজন লেখক ও সাংবাদিক ছিলেন, তবে আলোচ্য ‘কমলে কামিনী’ নাটকের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দীনবন্ধু মিত্রের নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো, তিনি যেমন নীলদর্পণ লিখে বিখ্যাত হয়েছেন, তেমনই কমলে কামিনী নাটকটিও তাঁরই অনবদ্য সৃষ্টি।
- নাটক মনে রাখতে লেখকের অন্যান্য সামাজিক ও পৌরাণিক নাটকের তালিকা মিলিয়ে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীনবন্ধু মিত্রের নাটক এবং প্রহসনগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে ‘নীলদর্পণ’ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ কে করেছিলেন, তা প্রায়ই এমসিকিউ পরীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) ফররুখ আহমদ
১. কেন সঠিক:
ফররুখ আহমদকে বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় ইসলামী ইতিহাস ঐতিহ্য ও পুনর্জাগরণের চেতনা অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
তার 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতায় মুসলিম জনপদের আশা আকাঙ্ক্ষা এবং রেনেসাঁ বা নবজাগরণের এক অনন্য শিল্পরূপ হিসেবে পরিগণিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান মুসলিম কবি ও সনেটকার।
তার কবিতায় রোমান্টিকতা এবং ইসলামী সংস্কৃতির এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায় যা সেকালের বাঙালি মুসলিম সমাজে গভীর বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাহিত্যিক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাত সাগরের মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মুসলিম রেনেসাঁর চেতনায় সমৃদ্ধ।
উদাহরণ ২: পাখির বাসা
ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার যিনি মূলত রোমান্টিক ও ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনার জন্য বিখ্যাত।
B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এর কোনো ভুল নেই এবং এটি মুসলিম রেনেসাঁর কবির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) শওকত ওসমান — ইনি একজন প্রখ্যাত প্রগতিশীল কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক যিনি সমাজবাস্তবতা ও ইতিহাসাশ্রয়ী উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
D) সেলিনা হোসেন — ইনি সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি মূলত ইতিহাস ও সমাজভিত্তিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফররুখ আহমদের নাম মনে রাখলেই মাথায় আনতে হবে সাত সাগরের মাঝি এবং মুসলিম রেনেসাঁ।
মুসলিম ঐতিহ্য ও নবজাগরণের প্রতীক হিসেবে তাকে সবসময় রেনেসাঁর কবির সঙ্গে মিলিয়ে পড়বে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও তাদের উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
যেমন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং ছান্দসিক কবি বুদ্ধদেব বসু, তাই উপাধির অংশটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) শওকত ওসমান
১. কেন সঠিক:
- ‘আমলার মামলা’ নাটকের রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার শওকত ওসমান।
- বিউরোক্রেসি বা আমলাতন্ত্রের জটিলতা ও এর নেতিবাচক দিক এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হিসেবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যে মূলত সমাজসচেতন কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু নাটকও রচনা করেছেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজজীবনের নানা অসঙ্গতি ও মানুষের মনস্তত্ত্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘কাকপুরাণ’
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তাঁর সমাজসচেতন দৃষ্টিভভূমির পরিচায়ক।
উদাহরণ ২: ‘আমলার মামলা’
ব্যাখ্যা: প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে লেখা এই নাটকটি শওকত ওসমান রচিত অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিনা কবির — ইনি এই নাটকের রচয়িতা নন, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) রোকেয়া হোসেন — বেগম রোকেয়া নারীজাগরণের অগ্রদূত হলেও তিনি এই নাটকটি রচনা করেননি।
C) আবু ইসহাক — ইনি ‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও এই নাটকের লেখক নন।
D) শওকত ওসমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই ‘আমলার মামলা’ নাটকের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শওকত ওসমান ওমানের নামের সঙ্গে আমলাতান্ত্রিক মামলার বিষয় মিলিয়ে নাটকটি সহজে মনে রাখা যায়।
- নাটকের নামের প্রথম শব্দ আমলা এবং লেখকের নামের গুরুত্ব একত্রে স্মরণ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন ‘ক্রীতদাসের হাসি’ ও ‘জননী’ সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- নাট্যকার হিসেবে শওকত ওসমানের অবদান এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) আহসান হাবীব
কেন সঠিক:
- ‘মেঘ বলে চৈত্র যাব’ কাব্যগ্রন্থটি বিশিষ্ট কবি আহসান হাবীবের অন্যতম বিখ্যাত সৃষ্টি।
- বাংলা আধুনিক কবিতার অঙ্গনে আহসান হাবীব তার স্বকীয় কাব্যভাষার জন্য পরিচিত এবং এই গ্রন্থটি তার কাব্য প্রতিভার এক অনন্য স্বাক্ষর।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা আধুনিক কবিতার ইতিহাসে আহসান হাবীব একজন সংবেদনশীল ও চিত্রকল্পময় কবি হিসেবে পরিচিত।
- তার কবিতায় নাগরিক জীবনের একাকীত্ব, দুঃখ এবং প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।
- ‘মেঘ বলে চৈত্র যাব’ ছাড়াও তার ‘রাত্রি শেষ’, ‘বিদীর্ণ দর্পণে মুখ’ এবং ‘প্রেমের কবিতা’ অত্যন্ত সমাদৃত গ্রন্থ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মহাদেব সাহা — মহাদেব সাহা সমকালের একজন জনপ্রিয় প্রেমের ও দ্রোহের কবি হলেও ‘মেঘ বলে চৈত্র যাব’ তার লেখা নয়।
- B) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার নয়।
- C) আহসান হাবীব — এই অপশনটি প্রশ্নকর্তার ভুল বিন্যাসের কারণে এখানে দেওয়া হয়েছে, তবে মূল সঠিক উত্তর আহসান হাবীব নিজেই।
- D) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ বাংলা প্রকৃতির রূপময়তার শ্রেষ্ঠ কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘বনলতা সেন’ ও ‘ঝরা পালক’ অন্যতম, এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কবি আহসান হাবীবের নামের সাথে ‘মেঘ বলে চৈত্র যাব’ কাব্যগ্রন্থটি মিলিয়ে ছন্দে ছন্দে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- জীবনানন্দ দাশকে 'তিমির হননের কবি' বলা হয় কারণ তিনি বাংলা কবিতায় আধুনিক যুগের অন্ধাকার, হতাশা ও সংশয় ভেদ করে আলোর সন্ধান করেছেন।
- 'তিমির হনন' কথার অর্থ হলো অন্ধকার বা অজ্ঞতা দূর করা, যা তাঁর কাব্যের মূল সুরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যাকে বুদ্ধদেব বসু 'নির্জনতম কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'ঝরাপল্লব', 'বনলতা সেন', 'মহাপ্রিথিবী' ও 'সাতটি তারার তিমির' অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কবিতা, যা তাঁর কাব্য প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রকৃতিভিত্তিক একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁকে তিমির হননের কবি বলা হয়।
B) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী কবি ও জননেত্রী, তাঁকে 'জননী সাহসিকা' বলা হয়।
C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি এবং গণমানুষের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং গুরুদেব হিসেবে সমাদৃত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তিমির অর্থাৎ অন্ধকার দূর করতে জীবনানন্দ দাশের কবিতা আলো জ্বেলেছে, এভাবে মনে রাখা যায়।
- সাতটি তারার তিমির কাব্যগ্রন্থটি জীবনানন্দ দাশের লেখা, যা তিমির হননের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কবিদের ছদ্মনাম ও উপাধিগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- 'প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোচিত সৃষ্টি।
- এখানে জীবনের প্রকাশ, মৃত্যুচেতনা এবং সময়ের গভীর উপলব্ধিকে কাব্যিক রূপ দেওয়া হয়েছে, যা কবির সাহিত্যিক মুন্সিয়ানার এক অনন্য নিদর্শন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রধান আধুনিক বাংলা কবি যিনি নাগরিক জীবন, প্রতিবাদ এবং আত্মিক উপলব্ধির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির পরিশীলিত শিল্পবোধ এবং সমকালীন বাস্তবতার নান্দনিক রূপায়ণ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যা বাংলা আধুনিক কবিতার ধারায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রৌদ্র করোটিতে
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
উদাহরণ ২: বিধ্বস্ত প্রহর
ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমানের এই কাব্যগ্রন্থেও সমকালীন জীবনযাত্রা ও নান্দনিক ভাবনার গভীর প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও আলোচ্য কাব্যগ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাভুক্ত নয়।
D) আহমদ ছফা — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও চিন্তাবিদ হলেও এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আধুনিক নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের গান ও মৃত্যুর ভাবনা নিয়ে রচিত কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে প্রথম গান ও দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে কথাটি স্মরণ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) সুফিয়া কামাল
১. কেন সঠিক:
- ‘সাখের মায়া’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও জননেত্রী সুফিয়া কামাল।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম এবং বাঙালি নারীর স্বাধিকার আন্দোলনের গভীর প্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুফিয়া কামাল বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান নারী কবি ও সাহিত্যিক।
- তাঁর প্রকাশিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সাঁঝের মায়া, মায়াকাজল ও মন ও জীবন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৮ সালে।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে কবি সুফিয়া কামাল বাংলা সাহিত্যজগতে জোরালোভাবে পরিচিতি লাভ করেন।
উদাহরণ ২: একাত্তরের ডायরি সুফিয়া কামালের একটি প্রখ্যাত রচনা।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন তাঁর দিনলিপিভিত্তিক একটি ঐতিহাসিক ও প্রামাণিক দলিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি বিশ শতকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
B) দেবী চৌধুরানী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম এবং এটি কোনো কবির নাম নয়।
C) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, তাঁর প্রধান সৃষ্টি উপন্যাস ও ছোটগল্প।
D) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ‘সাখের মায়া’ বা ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুফিয়া কামալ মানেই প্রকৃতির রূপ ও মায়াভরা কবিতা, যা তাঁর 'সাঁঝের মায়া' কাব্যে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
- কবি সুফিয়া কামালের নামের সঙ্গে 'মায়া'যুক্ত কাব্যগ্রন্থগুলো মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি সুফিয়া কামালের জন্ম, মৃত্যু এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- সাহিত্যিকদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধদেব বসু
১. কেন সঠিক:
- ‘নির্জন স্বাক্ষর’ হলো বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- তিরিশের দশকের আধুনিক কবিদের মধ্যে বুদ্ধদেব বসু রোমান্টিকতা ও নাগরিক চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন, যা এই কাব্যে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বুদ্ধদেব বসু একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- ‘বন্দীর বন্দনা’, ‘পাতাল থেকে প্রলাপ’ এবং ‘চৈত্রালী রাত্রি’ তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘বন্দীর বন্দনা’
ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসুর প্রথম প্রকাশিত ও অত্যন্ত সমাদৃত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় নতুন সুর এনেছিল।
উদাহরণ ২: ‘মৌসুমি’
ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তাঁর গদ্য রচনার মুন্শিয়ানার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি তিরিশের দশকের আধুনিক কবি হলেও ‘নির্জন স্বাক্ষর’ তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নয়।
D) বিষ্ণু দে — তিনি একজন মার্ক্সবাদী মননশীল আধুনিক কবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বুদ্ধদেব বসুর নামের সঙ্গে ‘নির্জন স্বাক্ষর’ মনে রাখতে বুদ্ধদেব শব্দটি এবং নির্জন প্রকৃতির একটি মেলবন্ধন তৈরি করতে পারো।
- তিরিশের দশকের কবিদের কাব্যগ্রন্থগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে পরীক্ষার হলে কনফিউশন এড়ানো সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তিরিশের দশকের বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম জিজ্ঞেস করা হয়।
- কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম ও মৃত্যু এবং তাঁর সম্পাদিত বিখ্যাত ‘কবিতা’ পত্রিকা সম্পর্কে জেনে রাখা BCS পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) জসীম উদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- সোজন বাদিয়ার ঘাট একটি জনপ্রিয় কাহিনীকাব্য যার রচয়িতা পল্লীকবি জসীম উদ্দীন।
- গ্রামীণ জীবন ও প্রেমের সুন্দর রূপ এই কাব্যে ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীম উদ্দীন বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও মানুষের জীবন সহজভাবে এসেছে।
- সোজন বাদিয়ার ঘাট ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা রোমান্টিক কাহিনীকাব্যের একটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের লেখা আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাহিনীকাব্য।
উদাহরণ ২: রাখালী
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুফিয়া কামাল — তিনি একজন বিখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী হলেও এই কাব্যের রচয়িতা নন।
B) বন্দে আলী মিঞা — তিনি ময়ূর পঙ্খী রাজহংস ও অন্যান্য পল্লীগীতির জন্য পরিচিত হলেও এই কাব্যের রচয়িতা নন।
C) জসীম উদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত রচনা।
D) ফরিদা খাতুন — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রসিদ্ধ সাহিত্যিক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জসীম উদ্দীনের দুটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো নকশী কাথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট।
- পল্লীকবি বললেই জসীম উদ্দীনের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থের নাম বারবার আসে।
- তাঁর নকশী কাথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত মরনোত্তর কাব্যগ্রন্থ।
- কবি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর তাঁর সংগৃহীত অপ্রকাশিত কবিতা থেকে এই কাব্যগ্রন্থটি সংকলন ও প্রকাশ করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা, যাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়।
- তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নিঃসঙ্গতা, বিষণ্নতা এবং আধুনিক মানুষের মনস্তত্ত্ব গভীর শিল্পরূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি নিসর্গপ্রকৃতিভিত্তিক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মৃত্যুর পর আবিষ্কৃত ও প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: ঝরাপল্লব
ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের একটি উল্লেখযোগ্য মরনোত্তর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তাঁর অসামান্য পঙ্ক্তিমালা স্থান পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই রচিত এবং তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'বেলা অবেলা কালবেলা' তাঁর রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) আহমদ ছফা — তিনি বিশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও কবি, কিন্তু এই কাব্যটির রচয়িতা তিনি নন।
D) হেলাল হাফিজ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় আধুনিক কবি, যাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'যে জলে আগুন জ্বলে', কিন্তু আলোচ্য কাব্যটি তাঁর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীবনানন্দ দাশের নাম এবং তাঁর বিখ্যাত মরনোত্তর কাব্য 'বেলা অবেলা কালবেলা' একসঙ্গে মনে রাখতে "জীবনানন্দের বেলা অবেলা" এই সূত্রটি ব্যবহার করতে পারো।
- তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগুলোর নামের সঙ্গে সময়ের একটি ভাব বা কালচে ছায়া থাকে, যা দিয়ে সহজে চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের মরনোত্তর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরা পালক' এবং তাঁর অনন্য সৃষ্টি 'বনলতা সেন' সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) জিহীর্ষা
১. কেন সঠিক:
- হরণ করার ইচ্ছাকে এক কথায় প্রকাশ করলে জিহীর্ষা হয়।
- এখানে হরণ বা ছিনিয়ে নেওয়ার বাসনা বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জয়ের ইচ্ছা = জিগীষা
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার তীব্র বাসনাকে এক কথায় জিগীষা বলা হয়।
উদাহরণ ২: বেঁচে থাকার ইচ্ছা = জিদিবিষা
ব্যাখ্যা: জীবন ধরে রাখার বা দীর্ঘকাল বেঁচে থাকার বাসনাকে জিদিবিষা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিহীর্ষা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হরণ করার ইচ্ছা।
B) বিবিক্ষা — এই শব্দের অর্থ দেখার ইচ্ছা, যা হরণ করার ইচ্ছার সঙ্গে মিলে না।
C) জুগুপ্সা — এর সঠিক অর্থ ঘৃণা বা জুগুপ্সা করার ভাব, যা আলোচ্য প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বিদ্রমিষা — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক কোনো এককথায় প্রকাশের রূপ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হরণ করার ইচ্ছা থাকলে প্রথম অক্ষর জ এবং শেষের দিকে ষ যুক্ত হয়ে জিহীর্ষা গঠিত হয়।
- মিলযুক্ত শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- ইচ্ছা সংক্রান্ত শব্দগুলো যেমন জিগীষা, মুমূর্ষু, বিবিক্ষা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়ার আধার বা স্থান বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং আষাঢ়ে শব্দে এ বিভক্তি থাকায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
- এখানে আষাঢ় মাস হলো বৃষ্টি নামার সময় বা কাল, যা অধিকরণ কারকের কালবাচক বা সময়বাচক আধারের অন্তর্ভুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং শব্দের সাথে এ, য়, তে যুক্ত থাকলে তা সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি হয়।
- কালবাচক অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার অত্যন্ত কমন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: প্রভাত একটি সময় এবং এতে এ বিভক্তি থাকায় এটি কালবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বন একটি স্থান বা আধার এবং এতে এ বিভক্তি থাকায় এটি স্থানবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৫মী — কর্তাকারকে সাধারণত প্রথমা, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া বা সপ্তমী বিভক্তি হয়, পঞ্চমী বিভক্তি হয় না।
B) কর্মে ২য়া — কর্ম কারকে সাধারণত প্রথমা বা দ্বিতীয়া বিভক্তি হয়, কিন্তু এখানে বৃষ্টি নামার সময় বা কাল বোঝানো হয়েছে, কর্ম নয়।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে বা যাতায়াত বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান বা সময় বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণ কারক।
D) অধিকরণে ৭মী — এটি সঠিক কারণ এটি ক্রিয়ার কাল বা সময় প্রকাশ করেছে এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কখন বা কোথায় প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অধিকরণ কারক হয়।
- মাস বা ঋতুর নামের সাথে এ বা তে বিভক্তি থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণে সপ্তমী কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কালবাচক অধিকরণে সর্বদা সপ্তমী বিভক্তি হয়, যেমন সকালে, বর্ষায়, বসন্তে।
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তির রূপ দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে ৬ষ্ঠী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে চোখ থেকে জল ঝরে বা নির্গত হয়, আর যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন বা নির্গত হয় তাকে অপাদান কারক বলে।
- চোখের শব্দের সঙ্গে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে যে সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে কারক বলে।
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, ভীত, রক্ষিত, উৎপন্ন, নিষ্কৃত বা নির্গত হয় এবং যা দেখে কেউ বিরত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হচ্ছে, তাই গাছ থেকে অপাদানে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: হিমালয় থেকে নদী উৎপন্ন হয়েছে।
ব্যাখ্যা: হিমালয় থেকে নদী উৎপন্ন বা নির্গত হওয়ায় হিমালয় পদটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে ৬ষ্ঠী — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এখানে চোখ থেকে জল নির্গত হওয়া বোঝাচ্ছে এবং চোখের শব্দের সঙ্গে র বা এর বিভক্তি যুক্ত আছে।
B) করণে ৫মী — করণ কারক দ্বারা যন্ত্র বা সহায়ক বোঝায় এবং পঞ্চমী বিভক্তি হতে, থেকে, চেয়ে অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সম্প্রদানে ৭মী — সম্প্রদান কারক নিঃস্বার্থভাবে কিছু দান করা বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক দ্বারা স্থান বা কাল বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান বা সময় নয় বরং নির্গমন বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, বিচ্যুতি, নির্গমন, ভয় বা দূরত্ব বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- শব্দের শেষে র বা এর যুক্ত থাকলে তা ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে শব্দের সঙ্গে যুক্ত অনুসর্গ বা বিভক্তি দেখতে হবে।
- নির্গমন বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালে সাধারণত অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ অতীত
১. কেন সঠিক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের সাধারণ সময় নির্দেশ করায় বাক্যটি সাধারণ অতীতের উদাহরণ হয়েছে।
- অতীতকালের কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বোঝালে তাকে সাধারণ অতীতকাল বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে ক্রিয়া অতীতে সাধারণভাবে শেষ হয়েছে বা যার ফল শেষ হয়ে গেছে, তাকে সাধারণ অতীতকাল বলে।
- ক্রিয়ামূলের সঙ্গে ল (লাম, লি, লে, লেন) বিভক্তি যুক্ত হয়ে সাধারণ অতীতকাল গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি স্কুলে গিয়েছিলাম।
ব্যাখ্যা: এখানে যাওয়া ক্রিয়াটি অতীতে সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়েছে তাই এটি সাধারণ অতীতকাল।
উদাহরণ ২: সে একটি গান গেয়েছিল।
ব্যাখ্যা: গাওয়া ক্রিয়াটি অতীতে ঘটে গেছে এবং এর সাধারণ প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিত্যবৃত্ত অতীত — অতীতে যে কাজ নিয়মিত বা সচরাচর হতো তা বোঝালে নিত্যবৃত্ত অতীত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) সাধারণ অতীত — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্রিয়াটি অতীতে সাধারণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে।
C) পুরাঘটিত অতীত — যে কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং তার ফল এখনও বিদ্যমান, তাকে পুরাঘটিত অতীত বলে, যা এখানে নেই।
D) ঘটমান অতীত — অতীতে যে কাজ চলছিল বা ঘটছিল তা বোঝালে ঘটমান অতীত হয়, কিন্তু এখানে কাজ শেষ হয়ে গেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়ার শেষে ল, লাম, লি, লে, লেন থাকলে এবং কাজটি সাধারণভাবে শেষ বোঝালে সাধারণ অতীত হয়।
- বর্তমান কালের সাধারণ রূপের মতো অতীতেও সাধারণ ভাব প্রকাশ পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ক্রিয়ার বিভক্তি চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
- বাক্যের ক্রিয়াপদ কোন সময়ে শেষ হয়েছে তা খেয়াল করলে খুব সহজেই কাল নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) নিঃ + আকরণ
১. কেন সঠিক:
নিরাকরণ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো নিঃ যোগ আকরণ। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুসারে বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বরধ্বনি দীর্ঘ হয়। এখানে নিঃ এর বিসর্গের সঙ্গে আকরণ শব্দের আ যুক্ত হয়ে নিরাকরণ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আবিষ্কার = আবিঃ + কার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়।
উদাহরণ ২: মনস্তাপ = মনঃ + তাপ
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ত থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির + আকরণ — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক সন্ধি নয় কারণ এখানে বিসর্গ বাদ দিয়ে নির ব্যবহার করা হয়েছে।
B) নিঃ + করণ — এটি ভুল কারণ এখানে দ্বিতীয় অংশ আকরণ এর বদলে করণ ব্যবহার করা হয়েছে।
C) নিঃ + আকরণ — এটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্দিষ্ট উত্তর।
D) নিরা + করণ — এটি ভুল কারণ নিরা কোনো মৌলিক উপসর্গ বা সন্ধির সঠিক পূর্বপদ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিরাকরণ শব্দের সন্ধি মনে রাখতে নিঃ এর সঙ্গে আকরণ যুক্ত হওয়ার বিষয়টি খেয়াল রাখবে। বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে দীর্ঘ স্বর আসার নিয়মটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিসর্গ লোপ পাওয়ার নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) ষট্ + দশ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ট কিংবা ঠ-এর পরে দ কিংবা ধ থাকলে প্রথমটির স্থানে ড কিংবা ঢ হয় এবং দ বা ধ-এর স্থানে ধ হয়। এখানে ষট্ পদের ট-এর সঙ্গে দশ পদের দ যুক্ত হয়ে ষোড়শ শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে পদের অন্তস্থিত অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি ঘোষ ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়। বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে পরিবর্তন ঘটে তা ব্যঞ্জনসন্ধি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষট্ + দর্শন = ষোড়দর্শন।
ব্যাখ্যা: এখানে ট-এর সঙ্গে দ যুক্ত হয়ে ড এবং দ পরিবর্তিত হয়ে ধ হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৎ + দিন = তদ্দিন।
ব্যাখ্যা: ত-এর পরে দ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ তে পরিণত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষট + দশ — এই অপশনে হসন্ত নেই যা ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণ উচ্চারণ নির্দেশ করায় ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ।
C) ষড় + দশ — এই অপশনে প্রদত্ত মূল শব্দের প্রমিত রূপ বা হসন্তের ব্যবহার সঠিক নয়।
D) ষড়্ + দশ — এই অপশনে অতিরিক্ত ড-এর নিচে হসন্ত দেওয়া হয়েছে যা সঠিক সন্ধিনিয়মের পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে প্রথম পদে অবশ্যই হসন্তযুক্ত ট থাকতে হবে। ট-এর সঙ্গে দশ যোগ হয়ে ষোড়শ গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো প্রায়ই আসে। তাই হসন্তের ব্যবহার এবং নিয়মের ব্যতিক্রম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি মূলত ব্যাকরণগত দিক থেকে ত্রুটিপূর্ণ। ‘চিকিৎসাশাস্ত্র’ শব্দটি কর্মধারয় সমাস নয়, এটি নিশ্চিতভাবে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। সঠিক ব্যাসবাক্য হলো চিকিৎসার শাস্ত্র। এখানে পরপদ শাস্ত্রের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে এবং সম্বন্ধ পদে ষষ্ঠী বিভক্তির লোপ পেয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় উত্তরপত্রে ভুল থাকতে পারে, তাই আমাদের ব্যাকরণের সঠিক নিয়মের ওপর নির্ভর করতে হবে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। বিশেষ করে পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র বা এর) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয় তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলা হয়। চিকিৎসাশাস্ত্র শব্দটিতে চিকিৎসার শাস্ত্র ব্যাসবাক্য অনুসারে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চায়ের বাগান
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো চায়ের বাগান, যেখানে ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশসেবা
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো দেশের সেবা, যা ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও পরীক্ষামুখী উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — প্রদত্ত উত্তরপত্রে এটি সঠিক বলা হলেও ব্যাকরণগতভাবে এটি ভুল কারণ এখানে পদের তুলনা বা বিশেষ্য-বিশেষণের সম্পর্ক নেই।
B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদের অর্থ বোঝায় না সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, যা চিকিৎসাশাস্ত্র শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত পূর্বপদে অব্যয় থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
D) তৎপুরুষ — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং এটিই এই প্রশ্নের প্রকৃত ও সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
র বা এর বিভক্তিযুক্ত সম্বন্ধ পদের সমাস দেখলেই চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। চিকিৎসাশাস্ত্র মানে চিকিৎসার শাস্ত্র, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই ষষ্ঠী তৎপুরুষ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বইয়ের মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে উত্তর ভুল থাকতে পারে। তাই উত্তর মুখস্থ না করে সবসময় ব্যাকরণের মূল নিয়ম ও ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করে উত্তর করা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: C) শশবস্তু
১. কেন সঠিক:
- শশবস্তু একটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে শশ বা খরগোশের সাথে বস্তু বা অস্তিত্বের তুলনা বোঝানো হয়েছে।
- উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা করা হয় যেখানে উপমান পদটি দৃশ্যমান বা বাস্তব হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা করা হয় এবং এটি মূলত বাস্তব বা দৃশ্যমান বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
- শশবস্তু শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো শশের ব্যস্তু যার অর্থ খরগোশের শিং যা বাস্তবে অসম্ভব কিন্তু কল্পনার সাহায্যে তুলনা করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র
ব্যাখ্যা: তুষারের মতো শুভ্র এখানে তুষারের সাথে শুভ্রতার তুলনা করা হয়েছে এবং এটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: অজর অমর
ব্যাখ্যা: জরা নাই যার এবং মরণ নাই যার এটি অন্য সমাস হলেও উপমান কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে শশব্যস্ত বা তুষারশুভ্র বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালচক্র — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ কাল বা সময় এবং চক্রের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।
B) পরানপাখি — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ প্রাণ ও পাখির মধ্যে রূপ বা অভিন্নতা আরোপ করা হয়েছে।
D) বহুব্রীহি — এটি কোনো কর্মধারয় সমাস নয় বরং এটি একটি স্বতন্ত্র সমাসের নাম যার অর্থ ভিন্ন পদ প্রধান হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপমান মানে বাস্তব বা দৃশ্যমান উপমা আর উপমিত মানে কল্পিত বা কাল্পনিক তুলনা।
- শশবস্তু বা তুষারশুভ্র দেখলে মনে রাখবে এগুলো সবই উপমান কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই উপমান ও উপমিতর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয় করতে পারলে সমাস চেনা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) হুমায়ুন আজাদ
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে উল্লেখিত ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত লেখক হুমায়ুন আজাদ।
- বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল চিন্তা, প্রতিবাদী স্বর এবং ভাষা ও সমাজচেতনার অন্যতম প্রধান রূপকার ছিলেন এই লেখক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হুমায়ুন আজাদ একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও ভাষাবিজ্ঞানী হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত লাভ করেছিলেন।
- তার রচিত এই উপন্যাসটিতে বাংলাদেশের ভূখণ্ড, রাজনীতি, মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তত্ত্ব এবং সমকালীন রাষ্ট্রীয় সংকট গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাক স্যার ক্যাবল্লা
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যাঙ্গাত্মক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কবিত্ব
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি বিখ্যাত মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসটির রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে দেবী ও নন্দিত নরকে অন্যতম।
B) হুমায়ুন কবির — ইনি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তার পরিচিতি মূলত ভিন্ন ধারার রচনার জন্য।
C) ফররুখ আহমদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী ভাবধারার কবি হলেও উপন্যাস রচনার চেয়ে কাব্যরচনার জন্যই সর্বাধিক পরিচিত।
D) হুমায়ুন আজাদ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটিই এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ুন আজাদের ছ নাম দিয়ে শুরু উপন্যাসের সংখ্যা কম, এর মধ্যে ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল তার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক উপন্যাস।
- লেখক নামের সাথে উপন্যাসের নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে পড়ার কৌশল ব্যবহার করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ুন আজাদের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের জন্ম ও মৃত্যুর সাল পাশাপাশি তার বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ লাল নীল দীপাবলি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সেলিনা হোসেন
কেন সঠিক:
১. ‘জলবতী মেঘের বাতাস’ গল্পটি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত সাহিত্যকর্ম।
২. তাঁর রচনার মূল উপজীব্য হলো সমাজবাস্তবতা, নারীর সংগ্রাম এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা যা এই গল্পেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি আধুনিক বাংলা গল্পের কাঠামোর মধ্যে রচিত যেখানে গ্রামীণ জনজীবন ও প্রকৃতির রূপ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সেলিনা হোসেন তাঁর উপন্যাস ও ছোটগল্পে সমসাময়িক সামাজিক সমস্যা এবং মানুষের আবেগ অত্যন্ত মুনশিয়ানার সাথে তুলে ধরেন।
৩. তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গল্পের মধ্যে ‘জলবতী মেঘের বাতাস’ বিশেষ সাহিত্যিক মর্যাদার অধিকারী এবং পাঠ্যপুস্তকে বহুল পঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম রোকেয়া — তিনি মূলত মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং ‘সুলতানার স্বপ্ন’ ও ‘পদ্মরাগ’ এর মতো প্রখ্যাত রচনার রচয়িতা।
B) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক যিনি মূলত তাঁর প্রকৃতি ও স্বাধিকার আন্দোলনের কবিতার জন্য পরিচিত।
C) সেলিনা হোসেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং তিনি নিজেই এই গল্পের রচয়িতা।
D) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি সমকালীন বাংলা কবিতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি গদ্যের চেয়ে মূলত শক্তিশালী কাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
১. সেলিনা হোসেনের নামের সাথে ‘জলবতী মেঘের বাতাস’ গল্পটি মিলিয়ে একটি ছোট বাক্য তৈরি করে মনে রাখতে পারো।
২. মেঘ এবং বাতাসের মতো প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে সেলিনা হোসেনের গ্রামীণ পটভূমির গল্পের সংযোগটি বারবার অনুশীলন করো।
সঠিক উত্তর: C) যোগরূঢ়
১. কেন সঠিক:
- সুহৃদ শব্দটি যোগরূঢ় শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে তার সাধারণ বা সরাসরি অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করেছে।
- সুহৃদ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো সুহৃদ (সু অর্থ ভালো এবং হৃদ অর্থ হৃদয়), যার আক্ষরিক অর্থ ভালো হৃদয় যার, কিন্তু যোগরূঢ় নিয়মে এটি নির্দিষ্ট করে বন্ধু বা হিতাকাঙ্ক্ষী অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সব শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে পদের পেছনের সাধারণ অর্থ বজায় না রেখে সম্পূর্ণ আলাদা কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলা হয়।
- এটি মূলত যৌগিক ও রূঢ় শব্দের সংমিশ্রণে গঠিত হয় যেখানে সমাসের সাহায্যে শব্দ গঠিত হলেও তা প্রত্যয় বা প্রাকৃতিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো অর্থ গ্রহণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা, কিন্তু সাধারণ অর্থে পঙ্কজ না বুঝিয়ে এটি কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপথ
ব্যাখ্যা: রাজার পথ, কিন্তু সাধারণ অর্থে রাজার যাতায়াতের পথ না বুঝিয়ে এটি প্রধান সড়ক বা বড় রাস্তাকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৌলিক — মৌলিক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙা যায় না যেমন হাত, নাক, কলম।
B) রুঢি — রুঢি শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হয়ে মূল অর্থ প্রকাশ না করে অন্য বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে যেমন হস্তী।
D) যৌগিক — যৌগিক শব্দ গঠিত হওয়ার পর তার অংশগুলোর মিলিত অর্থ প্রকাশ করে যেমন গায়ক, গৈ + অক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমাস নিষ্পন্ন হয়ে যে শব্দগুলো সাধারণ অর্থ ছেড়ে বিশেষ কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝায়, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ মনে রাখবে।
- পঙ্কজ, রাজপথ, জলধি এবং সুহৃদ—এই কয়েকটি যোগরূঢ় শব্দ ভালো করে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই যোগরূঢ় শব্দ শনাক্ত করতে বলা হয়।
- বিশেষ করে পঙ্কজ, রাজপথ ও সুহৃদ এই তিনটি শব্দ বারবার বিসিএস ও অন্যান্য চাকরীর পরীক্ষায় অপশনে আসে।
সঠিক উত্তর: B) ফরাসি
কেন সঠিক:
- রেস্তোরাঁ শব্দটি বাংলা ভাষায় সরাসরি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে।
- খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির আদানপ্রদানের মাধ্যমে এই বিদেশি শব্দটি আমাদের ভাষায় স্থান করে নিয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ বা আগন্তুক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- ফরাসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে রেস্তোরাঁ একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ।
- এই শব্দগুলোর বানান এবং উচ্চারণ সাধারণত মূল ফরাসি ভাষার কাছাকাছি রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় নানা শব্দ এলেও রেস্তোরাঁ ফারসি শব্দ নয়।
- B) ফরাসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) দৈনিক — দৈনিক কোনো বিদেশি ভাষার শব্দ নয়, এটি আরবি দিন শব্দ থেকে উদ্ভূত একটি তদ্ভব বা মিশ্র শব্দ প্রকৃতির।
- D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি শব্দ এলেও রেস্তোরাঁ আসেনি।
মনে রাখার টিপস:
- খাদ্য ও আতিথেয়তা বোঝাতে ফরাসি শব্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়, যেমন রেস্তোরাঁ একটি ফরাসি শব্দ।
সঠিক উত্তর: D) ঠ
১. কেন সঠিক:
মহাপ্রাণ ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্য বা হ-কারের মতো ধ্বনি থাকে এবং অঘোষ ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না।
ঠ ধ্বনিটি উচ্চারণ করার সময় ফুসফুস থেকে বেশি বাতাস নির্গত হয় এবং এর স্বরতন্ত্রী কাপে না, তাই এটি মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে ঘোষ ও অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
প্রতিটি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ ঘোষ ধ্বনি।
প্রতিটি বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি।
ট বর্গীয় ধ্বনিগুলোর মধ্যে প্রথম বর্ণ ট অল্পপ্রাণ অঘোষ এবং দ্বিতীয় বর্ণ ঠ মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থ
ব্যাখ্যা: থ ধ্বনিটি ত বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ এবং এটি মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনির একটি আদর্শ উদাহরণ।
উদাহরণ ২: খ
ব্যাখ্যা: খ ধ্বনিটি ক বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ এবং এটি মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনির অপর একটি নির্ভুল উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চ — চ ধ্বনিটি মহাপ্রাণ নয়, এটি একটি অল্পপ্রাণ অঘোষ ধ্বনি কারণ এটি বর্গের প্রথম বর্ণ।
B) ধ — ধ ধ্বনিটি অঘোষ নয়, এটি একটি মহাপ্রাণ ঘোষ ধ্বনি কারণ এটি ত বর্গের চতুর্থ বর্ণ।
C) ম — ম ধ্বনিটি অঘোষ বা মহাপ্রাণ নয়, এটি প বর্গের একটি নাসিক্য বা ঘোষ ধ্বনি।
D) ঠ — এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রতিটি বর্গের প্রথম বর্ণ অল্পপ্রাণ অঘোষ এবং দ্বিতীয় বর্ণ মহাপ্রাণ অঘোষ।
ঠ বর্ণটি ট বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় এটি নিশ্চিতভাবে মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘোষ ও অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি নির্ণয় করতে ছক মনে রাখা জরুরি।
বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ মনে রাখলে অঘোষ ধ্বনি সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) পরাজিত
১. কেন সঠিক:
বিজিত শব্দটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যার অর্থ যাকে জয় করা হয়েছে অর্থাৎ পরাজিত।
বি উপসর্গ যোগে জি ধাতুর সঙ্গে ক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিজিত শব্দ গঠিত হয়েছে, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো বিজয়ী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক এই প্রশ্নটি শব্দার্থের গভীরতা নির্দেশ করে।
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দগুলোর মূল অর্থ ব্যাকরণের নিয়ম মেনে নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনীত
ব্যাখ্যা: বিনয় আছে যার, এককথায় প্রকাশ।
উদাহরণ ২: ভীতি
ব্যাখ্যা: ভীত হওয়ার ভাব বা অবস্থা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়ী — এটি বিজিত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, কারণ জয়ী অর্থ যে জয়লাভ করেছে।
C) পুরস্কৃত — এটি আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, যার অর্থ কাউকে সম্মাননা বা পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
D) হাতিয়ার — এটি একটি ভিন্নার্থক শব্দ, যার অর্থ অস্ত্র বা যুদ্ধের সরঞ্জাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
বি উপসর্গ অনেক সময় বিপরীত বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। বিজিত অর্থ জয় করা হয়েছে যার ওপর, অর্থাৎ পরাজিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অর্থ নির্ণয় করতে বলা হয়। শব্দের মূল ধাতু ও প্রত্যয় জানলে সহজেই সঠিক অর্থ বের করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) হাতি
১. কেন সঠিক:
- ‘মাতঙ্গ’ শব্দের অর্থ হাতি। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষ্য পদটি মূলত বিশাল আকৃতির বন্য প্রাণীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- হাতির আরও কিছু সমার্থক শব্দ হলো হস্তি, গজ, করী, দন্তী, বারণ ইত্যাদি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সংশ্লিষ্ট ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক সংস্কৃত শব্দ তৎসম রূপে ব্যবহৃত হয় যেগুলোর নির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাণীবাচক পশুর বিভিন্ন সমার্থক শব্দ যেমন হাতি, ঘোড়া, সিংহ ইত্যাদির সংস্কৃত ও প্রমিত রূপ জানতে চাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গজ
ব্যাখ্যা: এটি হাতির আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্যে পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: করী
ব্যাখ্যা: সুর বা কর বা শুঁড় আছে যার, তাকে করী বলা হয় এবং এটিও হাতির সমার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিণ — হরিণ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো মৃগ, কুরঙ্গ, সারঙ্গ ইত্যাদি কিন্তু মাতঙ্গ নয়।
B) ভুজঙ্গ — ভুজঙ্গ শব্দের অর্থ সাপ বা সর্প, যা হাতির সমার্থক শব্দ নয়।
C) হাতি — এই অপশনটি সঠিক এবং মাতঙ্গ শব্দের সরাসরি অর্থ এটি।
D) হাতিয়ার — হাতিয়ার শব্দের অর্থ অস্ত্র বা যুদ্ধাস্ত্র, যার সঙ্গে মাতঙ্গ শব্দের কোনো মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাতঙ্গ শব্দের শেষে গঙ্গ বা অঙ্গ আছে যা দিয়ে বিশাল দেহী প্রাণীকে বোঝানো যায়। এভাবে মনে রাখতে পারেন মাতঙ্গ মানে বিশাল দেহী হাতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাচক শব্দের তৎসম রূপ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই হস্তি, গজ, মাতঙ্গ ও করী শব্দগুলো একই অর্থে ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) কারিগর
কেন সঠিক:
- ‘Artisan’ ইংরেজি শব্দটির সঠিক আধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বাংলা পরিভাষা হলো ‘কারিগর’।
- যে ব্যক্তি নিজ হাতে কোনো শিল্পসম্মত বা কারুকার্যময় জিনিস তৈরি করেন, তাকে ইংরেজিতে ‘Artisan’ এবং বাংলায় ‘কারিগর’ বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পরিভাষা হলো কোনো বিদেশি শব্দের সমার্থক সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া।
- ইংরেজি বিশেষ্য পদ ‘Artisan’ মূলত হস্তশিল্পী বা নিপুণ কারিগর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
- যেমন, মৃৎশিল্পী বা তাঁতিদের কাজের ক্ষেত্রে ‘Artisan’ শব্দটির ব্যবহার দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কারিগর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ‘Artisan’ শব্দের সরাসরি পরিভাষা।
- B) কৃত্রিমতা — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো ‘Artificiality’ বা ‘Artificially’।
- C) প্রচ্ছন্ন — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো ‘Latent’ বা ‘Hidden’।
- D) কারুশিল্প — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো ‘Craft’ বা ‘Arts and Crafts’।
মনে রাখার টিপস:
- ‘Art’ শব্দটির সাথে কারু বা শিল্প যুক্ত থাকে এবং এর সাথে সম্পর্কিত ‘Artisan’ অর্থ হলো যিনি এই শিল্প বা কারকাজ করেন অর্থাৎ কারিগর।
সঠিক উত্তর: C) সাধু
১. কেন সঠিক:
- তস্কর শব্দের অর্থ হলো চোর বা তস্করবৃত্তি করে যে।
- এর সরাসরি বিপরীতার্থক বাার্থক শব্দ হলো সাধু, যার অর্থ সৎ ব্যক্তি বা সজ্জন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষণ পদ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোর এবং সাধু
ব্যাখ্যা: চোর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ সাধু, যা চরিত্রগত দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: কুখ্যাত এবং খ্যাত
ব্যাখ্যা: কুখ্যাত শব্দের অর্থ যার দুর্নাম আছে এবং খ্যাত শব্দের অর্থ যার সুনাম বা পরিচিতি আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লস্কর — লস্কর শব্দের অর্থ হলো সৈনিক বা নৌসেনা, এটি তস্কর শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
B) নিরীহ — নিরীহ শব্দের অর্থ হলো সহজ সরল বা যার কোনো হিংস্রতা নেই, এটি তস্করের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
C) সাধু — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) নির্লোভ — নির্লোভ শব্দের অর্থ যার লোভ নেই, এটি তস্কর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তস্কর মানে চোর আর চোরের উল্টো হলো সাধু মানুষ।
- শব্দার্থ মিলিয়ে পড়লে বিপরীতার্থক শব্দ খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) তোষামোদকারী
১. কেন সঠিক:
- 'ধামাধরা' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা যার অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি।
- যে ব্যক্তি নিজের স্বার্থে বা লাভের আশায় অন্যকে অন্ধভাবে সমর্থন করে এবং অযথা প্রশংসা করে, তাকে ধামাধরা বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন ধরনের বাগধারা রয়েছে যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের বড় কর্তার সামনে সবসময় ধামাধরা লোকদের ভিড় লেগেই থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা চাটুকার অর্থে ধামাধরা শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের বিবেক বিসর্জন দিয়ে কারও ধামাধরা হওয়া কোনো কাজের কথা নয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অন্ধ আনুগত্য বা তোষামোদ করার প্রবৃত্তি বোঝাতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কদরহীন লোক — এই অপশনটি ভুল কারণ কদরহীন লোক বলতে যার কোনো মূল্যায়ন বা সম্মান নেই তাকে বোঝায়।
B) তোষামোদকারী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধামাধরা বাগধারাটি সরাসরি চাটুকার বা তোষামোদকারী অর্থ প্রকাশ করে।
C) চক্ষুষ্মান — এই অপশনটি ভুল কারণ চক্ষুষ্মান শব্দের আক্ষরিক অর্থ যার চোখ আছে বা দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তি।
D) হতভাগ্য — এই অপশনটি ভুল কারণ হতভাগ্য বলতে যার ভাগ্য খারাপ বা কপাল মন্দ তাকে বোঝানো হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধামা ধরে যে সবসময় অন্যের তোষামোদ করে বেড়ায়, তাকেই ধামাধরা বলা হয়।
- এই কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বভাব ও চরিত্র নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শ্রু + য
১. কেন সঠিক:
- ‘শ্রব্য’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো শ্রু ধাতু যোগ য প্রত্যয়। এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
- ‘শ্রব্য’ শব্দের অর্থ যা শোনা উচিত বা শোনার যোগ্য। এটি শ্রবণ করার যোগ্য অর্থে তদ্ধিত বা কৃৎ সাধিত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয়। এখানে ‘শ্রু’ হলো সংস্কৃত ধাতু এবং ‘য’ হলো কৃৎ প্রত্যয়।
- নিয়মানুযায়ী ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত ধাতুর উত্তর ঘ্যঞ বা য প্রত্যয় যুক্ত হলে গুণের নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন ঘটে এবং পদের রূপ সাধিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √দৃশ + য = দৃশ্য
ব্যাখ্যা: দেখার যোগ্য অর্থে দৃশ ধাতুর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৃশ্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: √শ্রু + ত = শ্রুত
ব্যাখ্যা: শোনা হয়েছে এমন অর্থে শ্রু ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রুত শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রু + ব — এই অপশনটি ভুল কারণ শ্রু ধাতুর সঙ্গে ব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শ্রব্য শব্দ গঠিত হয় না।
B) শ্র + ব — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘শ্র’ কোনো মূল সংস্কৃত ধাতু নয়, এর মূল ধাতু হলো ‘শ্রু’।
C) শ্রু + য — এটি সঠিক অপশন কারণ শ্রু ধাতুর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়েই শ্রব্য শব্দটি সঠিকভাবে সাধিত হয়।
D) অপশনটিতে শ্র + ব উল্লেখ আছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং মূল ধাতুর সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শ্রবণ সম্পর্কিত শব্দ যেমন শ্রব্য, শ্রবণ ইত্যাদির মূল ধাতু হলো শ্রু। যোগ্য বা উচিত অর্থে সাধারণত য প্রত্যয় যুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল ধাতু চেনা অত্যন্ত জরুরি। কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) নিকটবর্তী
কেন সঠিক:
Adjacent to একটি ইংরেজি গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজ যার বাংলা অর্থ খুব কাছে বা পাশে অবস্থিত।
ইংরেজি গ্রামারে এই ফ্রেজটি সাধারণত কোনো স্থান বা বস্তুর কাছাকাছি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
এটি একে অপরের কাছাকাছি অবস্থান নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
এই কারণে সঠিক উত্তরটি নিকটবর্তী হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরক্ত হওয়া — এই অর্থটি সম্পূর্ণ আলাদা এবং এর সঠিক ইংরেজি শব্দ বিরক্ত করা বা বিরক্ত হওয়া বোঝায়।
B) নিকটবর্তী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপਸ਼ਨটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
C) বিপরীত দিক — এই অর্থটি বোঝাতে সাধারণত অপজিট বা বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) খাপ খাওয়া — এই অর্থটি মানিয়ে নেওয়া বা এডজাস্ট করা বোঝায় যা এই ফ্রেজের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Adjacent শব্দের সাথে সবসময় টু বসে এবং এর মানে পাশে বা কাছে থাকা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) preposition
কেন সঠিক:
এখানে following শব্দটি একটি noun phrase এর পূর্বে বসেছে এবং তার সাথে বাক্যের অন্য শব্দের সম্পর্ক বুঝিয়েছে।
তাই এটি সাধারণত preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না।
B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কে মডিফাই করছে না।
C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না বা subject অথবা object এর কাজ করছে না।
D) preposition — এটি বাক্যে সঠিক অর্থ প্রকাশ করতে সফলভাবে preposition এর কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ing যুক্ত শব্দ যদি noun বা pronoun এর আগে বসে relation বোঝায়, তবে তা preposition হয়।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
এখানে admit of একটি বিশেষ ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এর অর্থ হলো কোনো কিছুর সুযোগ রাখা বা অবকাশ দেওয়া।
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় তোমার আচরণের কোনো ক্ষমা নেই।
তাই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে of বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — admit এর পর for প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) at — admit এর সাথে at যুক্ত হয়ে কোনো উপযুক্ত বা গ্রহণযোগ্য অর্থ তৈরি করে না।
C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) from — admit এর পর from প্রিপজিশন ব্যবহার করলে বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুর অবকাশ বা সুযোগ বোঝাতে admit শব্দের পরে সবসময় of প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) in
কেন সঠিক:
দক্ষ বা পারদর্শী অর্থে কোনো বিষয়ে বোঝাতে expert শব্দের পরে সাধারণত in প্রিপজিশন বসে।
পদার্থবিজ্ঞানের মতো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা বোঝাতে এখানে in ব্যবহার করা হয়েছে।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় মিস্টার আনোয়ার পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট কাজে দক্ষ বোঝাতে expert এর পরে at বসে, কিন্তু বিষয়ের ক্ষেত্রে এটি বসে না।
B) to — ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী expert শব্দের পরে কখনো to প্রিপজিশন বসে না।
C) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
D) with — কোনো ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক বা হাতিয়ার বোঝাতে with বসে, বিষয়ের ক্ষেত্রে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে বা সাবজেক্টে দক্ষতা বোঝালে সবসময় expert এর পরে in প্রিপজিশন বসাবে।
সঠিক উত্তর: D) Bureaux
কেন সঠিক:
- 'Bureaux' হলো ফরাসি বা গ্রিক উৎস থেকে আসা ল্যাটিনজাত বিশেষ্য 'Bureau' এর বহুবচন রূপ।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে 'eau' থাকলে তার বহুবচন করার সময় সাধারণত 'x' যোগ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Oasis — এটি একটি একবচন শব্দ যার শেষে is আছে, এর বহুবচন হলো Oases।
B) Terminus — এটি একটি একবচন শব্দ যার শেষে us আছে, এর বহুবচন হলো Termini।
C) Vertex — এটি একটি একবচন শব্দ যার শেষে ex আছে, এর বহুবচন হলো Vertices।
D) Bureaux — এটি নিজেই একটি সঠিক বহুবচন শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে eau থাকলে x যোগ করে Bureau এর বহুবচন Bureaux করা হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) Embitter
কেন সঠিক:
- Adjective বা Noun-এর পূর্বে বা পরে সাধারণত prefix বা suffix যুক্ত করে Verb গঠন করা হয়।
- 'Bitter' একটি Adjective এবং এর পূর্বে 'em' prefix যুক্ত করে 'Embitter' Verb-টি তৈরি করা হয়েছে যার অর্থ তিক্ত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Embit — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই।
B) Embitter — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Bitter শব্দের সঠিক Verb রূপ।
C) Bitterness — এটি একটি Noun, কারণ এর শেষে ness যুক্ত আছে।
D) Bitterify — এটি একটি অপূর্ণ ও ভুল শব্দ গঠন।
মনে রাখার টিপস:
কোনো Adjective-কে Verb করতে তার আগে সাধারণত Em বসাতে হয়, যেমন Bitter থেকে Embitter।
সঠিক উত্তর: A) Resolute
কেন সঠিক:
- Resolute শব্দটির অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা অবিচল, যা কোনো noun বা pronoun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে Adjective হিসেবে কাজ করে।
- বাক্যে এটি সাধারণত Subject-এর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে Complement হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Resolute — এটি একটি Adjective কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দৃঢ় মানসিক অবস্থা প্রকাশ করে।
B) Resolve — এটি একটি Verb যার অর্থ প্রতিজ্ঞা করা বা সমাধান করা।
C) Resolution — এটি একটি Noun কারণ এর শেষে ion যুক্ত আছে এবং এটি প্রস্তাব বা সমাধানের নাম বোঝায়।
D) Resolutely — এটি একটি Adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত হয়ে verb বা adjective-এর কাজের ধরন প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শেষে ate বা ute থাকলে সাধারণত তা Adjective হয় এবং ly থাকলে Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: D) Keats
কেন সঠিক:
জন কিটস তাঁর কবিতায় প্রকৃতি ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সৌন্দর্যের নিপুণ বর্ণনা দিয়েছেন।
তাই তাঁকে ইংরেজী সাহিত্যে সৌন্দর্যের কবি বা পয়েট অব বিউটি বলা হয়।
তাঁর বিখ্যাত উক্তি হলো বিউটি ইজ ট্রুথ, ট্রুথ বিউটি।
সৌন্দর্য তাঁর কবিতার মূল উপজীব্য বিষয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wordsworth — ইনি মূলত প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত, সৌন্দর্যের কবি নন।
B) Eliot — ইনি আধুনিক যুগের কবি এবং তাঁর কবিতায় আধুনিক জীবনের জটিলতা ও হতাশা প্রকাশ পেয়েছে।
C) Milton — ইনি মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তাঁকে রেনেসাঁ যুগের অন্যতম প্রধান কবি বলা হয়।
D) Keats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
কিটসের নামের সাথে সৌন্দর্য বা বিউটি শব্দটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Theology
কেন সঠিক:
- Theology শব্দটি গ্রীক শব্দ Theos অর্থাৎ ঈশ্বর এবং Logia অর্থাৎ জ্ঞান বা অধ্যায়ন থেকে এসেছে।
- ধর্ম, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ঈশ্বরের প্রকৃতি সম্পর্কিত আলোচনা বা পঠন-পাঠনকে Theology বা ধর্মতত্ত্ব বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Apiology — এটি মৌমাছি সংক্রান্ত বিজ্ঞান বা অধ্যায়নকে বোঝায়, যা ধর্মের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) Anthropology — এটি মানবজাতি, মানব সমাজ এবং সংস্কৃতির বিকাশ ও ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে।
D) Religionology — এটি একটি অপ্রচলিত শব্দ, অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে ধর্ম অধ্যয়নের জন্য মূলত Religious Studies ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Theo শব্দের অর্থ ঈশ্বর বা ধর্ম, তাই ধর্ম সম্পর্কিত পড়াশোনা হলো Theology.
সঠিক উত্তর: B) There are less to every wine
কেন সঠিক:
বাংলা প্রবাদ "চাঁদেরও কলঙ্ক আছে" এর ইংরেজি পরিভাষা হিসেবে বহুকাল ধরে এই বিশেষ ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এর মাধ্যমে মূলত বোঝানো হয় যে, সুন্দর বা ভালো কোনো কিছুর মধ্যেও সামান্য ত্রুটি বা দোষ থাকতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No smoke without fire — এই প্রবাদের অর্থ হলো আগুন ছাড়া ধোঁয়া ওড়ে না অর্থাৎ প্রতি ঘটনার পেছনে কারণ থাকে।
B) There are less to every wine — এই বিকল্পটি মূল প্রবাদের সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হিসেবে পরীক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত।
C) Many drops make a shower — এই প্রবাদের অর্থ হলো বিন্দু বিন্দু জল মিলে সাগর হয় অর্থাৎ ছোট প্রচেষ্টায় বড় কাজ হয়।
D) Where there is life, there is hope — এই প্রবাদের অর্থ হলো যতদিন শ্বাস ততদিন আশ অর্থাৎ জীবন থাকলে আশাও থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ভালো কোনো জিনিসের ভেতরের ত্রুটি বোঝাতে ওয়াইন বা মদ সংক্রান্ত এই প্রবাদটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) kind to
কেন সঠিক:
হাছি মহসিন গরিব মানুষদের প্রতি খুবই দয়ালু এবং সহানুভূতিশীল ছিলেন। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী kind এর পরে উপযুক্ত preposition হিসেবে to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) kind to — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দগুচ্ছের অর্থ গরিবের প্রতি দয়ালু হওয়া বোঝায়।
B) happy — এই শব্দটি বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং ব্যাকরণগত মিল থাকে না।
C) helpful — এই শব্দের পরে સામાન્યত with বা to বসে, তাই সরাসরি the poor এর আগে বসে না।
D) annoyed — এই শব্দের অর্থ বিরক্ত, যা মহসিনের মহৎ চরিত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
কারো প্রতি সদয় হওয়া বোঝাতে kind শব্দের পরে ہمیشہ preposition হিসেবে to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Ova
কেন সঠিক:
শাব্দের শেষে um থাকলে অনেক সময় লাতিন নিয়মে um বাদ দিয়ে a যোগ করে বহুবচন করতে হয়।
Ovum শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে তাই এর সঠিক বহুবচন হলো Ova।
অন্যান্য ব্যাকরণগত নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
এই নিয়মটি লাতিন উৎসের শব্দের জন্য নির্দিষ্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ovams — ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী s যোগ করা হলেও লাতিন শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি এখানে ভুল।
B) Ovames — es যোগ করে বহুবচন করার নিয়মটি এই শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল।
C) Ova — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) None — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে موجود থাকায় এই অপशनটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
উভয় শব্দের শেষে um দেখলে লাতিন নিয়ম মেনে a যোগ করে বহুবচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) hanged for
কেন সঠিক:
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে ফাঁসি অর্থে hang verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে hanged ব্যবহার করা হয়।
কোনো অপরাধের জন্য শাস্তি বোঝাতে preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hanged for — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
B) hung for — hung শব্দটি সাধারণত কোনো বস্তু ঝুলানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, মানুষের ফাঁসির ক্ষেত্রে নয়।
C) hang for — এখানে verb এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি এবং সাবজেক্টের পর সরাসরি প্রেজেন্ট ফর্ম বসেছে।
D) hanged — এই অপশনে সঠিক preposition টি অনুপস্থিত থাকায় বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ফাঁসি হলে hanged এবং বস্তু ঝুলালে hung হয়।
সঠিক উত্তর: A) Give a false alarm
কেন সঠিক:
cry wolf একটি ইংরেজি idiom বা প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ বাঘ আসার মিথ্যা চিৎকার করা।
এর মাধ্যমে মূলত এমন কোনো পরিস্থিতির কথা বোঝানো হয় যেখানে কোনো বিপদের আশঙ্কা না থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Give a false alarm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাক্যাংশটি মিথ্যা আতঙ্ক সৃষ্টি করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Bare one’s teeth — এর অর্থ দাঁত বের করা বা কাউকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যা মূল প্রবচনের সাথে মিলে না।
C) Clear the road — এর অর্থ রাস্তা পরিষ্কার করা বা চলাচলের পথ সুগম করা যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Show anger — এর অর্থ রাগ প্রকাশ করা কিন্তু cry wolf প্রবচনটি রাগ প্রকাশ করার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Aesop এর রাখাল বালক ও বাঘের গল্পটি মনে রাখবে যেখানে বালকটি বারবার মিথ্যা বিপদ বা বাঘ আসার ডাক দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছিল।
সঠিক উত্তর: C) Practical
কেন সঠিক:
pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তবধর্মী বা ব্যবহারিক।
এটি মূলত বাস্তবসম্মত চিন্তা ও কাজের সাথে সম্পর্কিত।
তাই প্রাগম্যাটিক ব্যক্তি সবসময় বাস্তববাদী হন।
এর সাথে Practical শব্দের সরাসরি মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wasteful — এই শব্দের অর্থ অপচয়কারী, যা প্রাগম্যাটিক শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Productive — এর অর্থ উৎপাদনশীল, যা কাজের ফল প্রকাশ করে কিন্তু সরাসরি বাস্তববাদ বোঝায় না।
C) Practical — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Powerful — এই শব্দের অর্থ শক্তিশালী, যা বাস্তববাদিতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Pragmatic শব্দটিকে Practical বা বাস্তবসম্মত কাজের সাথে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) Parliament
কেন সঠিক:
সঠিক বানানটিতে শুরুতে পার (Par) এবং শেষেিয়ামেন্ট (liament) অংশ আছে।
মাঝখানের আই (i) অক্ষরটি এই বানানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Parliament — এই বানানটিও সঠিক এবং একই রকম।
B) Perlament — এখানে আই (i) অক্ষরের বদলে ই (e) ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Palament — এখানে মাঝখানের লি (li) অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
D) Parliament — এটি সঠিক অপশন এবং মূল বানানের নিয়ম মেনে চলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার জন্য পার (Par) এবং লিয়ামেন্ট (liament) আলাদা করে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) Irresistible
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রথমে i, এরপর r, এরপর resistible যুক্ত হয়। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি বিশেষণ পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Irresistable — এখানে বানান ভুল কারণ শেষে able এর পরিবর্তে ible হবে।
B) Iresistalbe — এখানে শুরুতে ডাবল r এর জায়গায় সিঙ্গেল r এবং শেষে বানান ভুল আছে।
C) Iresistible — এখানে প্রথম অংশে একটি r কম দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
resist শব্দের সাথে ible যোগ করে বানানটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) exciting
কেন সঠিক:
Insipid শব্দের অর্থ স্বাদহীন, নিরানন্দ বা নিরাসক্ত।
Exciting শব্দের অর্থ রোমাঞ্চকর বা উদ্দীপক, যা এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cold — এর অর্থ ঠান্ডা বা শীতল, যা insipid শব্দের সঠিক বিপরীত নয়।
B) dull — এর অর্থ নিষ্প্রভ বা নিરસ, যা insipid শব্দের সমার্থক শব্দ।
C) exciting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) sanguine — এর অর্থ আশাবাদী, যা insipid শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Insipid মানে স্বাদহীন খাবার বা বিরক্তিকর কিছু, আর exciting মানে তার সম্পূর্ণ উল্টো রোমাঞ্চকর বিষয়।
সঠিক উত্তর: D) He talks as if he knew everything.
কেন সঠিক:
বাংলায় যেন বা মনে হয় অর্থ প্রকাশ করতে as if বা as though conjunction ব্যবহার করা হয়।
এই ধরনের বাক্যের প্রথম অংশ present tense হলে দ্বিতীয় অংশ past indefinite tense হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He talks after knowing everything. — এটি সঠিক গ্রামার হলেও মূল বাক্যের ভাব বা অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ করে না।
B) He talks like he knows everything. — এখানে tense এর নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়নি এবং like এর চেয়ে as if ব্যবহার করা ভালো।
C) He talks knowing everything. — এটি participial phrase হিসেবে গঠিত হয়েছে যা বাংলা বাক্যের গঠনকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
D) He talks as if he knew everything. — এটি সঠিক কারণ এটি as if এর পরের অংশে past tense ব্যবহার করে সঠিক নিয়ম মেনেছে।
মনে রাখার টিপস:
as if বা as though এর আগের অংশ present tense হলে পরের অংশে সবসময় verb এর past form বা were বসে।
সঠিক উত্তর: C) Proprietor
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানানে Pro-pri-e-tor এই অংশগুলো সঠিকভাবে বিন্যস্ত আছে।
এর অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিক বা সত্ত্বাধিকারী।
বানানটিতে সঠিক স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মেলবন্ধন ঘটেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Propritor — বানানে মাঝের e বর্ণটি বাদ পড়েছে।
B) Proitor — বানানে প্রয়োজনীয় অক্ষরগুলো অনুপস্থিত রয়েছে।
C) Proprietor — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক।
D) Proprietoere — বানানে শেষে অতিরিক্ত ere বর্ণ যুক্ত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে Pro-pri-e-tor এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে শিখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) Book : Preface
কেন সঠিক:
সংবিধানের সূচনা বা প্রাথমিক ঘোষণাকে প্রস্তাবনা বা Preamble বলা হয়। ঠিক একইভাবে একটি বইয়ের শুরু বা প্রাথমিক অংশকে ভূমিকা বা Preface বলা হয়।
এই দুটি জোড়ার মধ্যে মূল বিষয় এবং তার সূচনামূলক অংশের সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।
প্রধান বিষyu শুরু করার আগের ঘোষণাকে এখানে বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Legislation : Assembly — আইনসভা এবং বিধানসভা একই ধরণের বিষয়ের পরিপূরক নয়।
B) Book : Preface — এটি সঠিক জোড়া হওয়ায় এখানে ভুল নয়, এটিই মূল উত্তর।
C) Prelude : Overture — এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই ধরণের সূচনা, তাই এদের সম্পর্ক আলাদা।
D) Opera : Music — অপেরা একটি সঙ্গীত নাট্যরূপ এবং সঙ্গীত হলো তার অংশ, ভূমিকা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল বিষয়ের শুরুর অংশ মনে রাখলে এই ধরণের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) some time
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের আগে spent verbটি রয়েছে যার পরে সময় কাটানো অর্থে noun phrase বসে।
some time কথাটি একটি noun phrase যার অর্থ কিছু সময়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে some time।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sometimes — এটি একটি adverb যার অর্থ মাঝে মাঝে এবং তা এখানে বসে না।
B) sometimes — এটিও একই শব্দ এবং বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
C) some time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় নেই।
D) some times — এর অর্থ হলো কয়েকটি বার, যা সময় কাটানোর পরিমাণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
একসাথে some time লিখলে তা সময় বোঝায় এবং আলাদা লিখলে some times লিখলে তা বার বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) acme
কেন সঠিক:
acme শব্দের অর্থ হলো কোনো ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ শিখা বা চরম উৎকর্ষ।
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সাহিত্যজীবনের সর্বোচ্চ বিন্দু বোঝাতে acme শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) abattor — এই শব্দটির অর্থ হলো পশু জবাইয়ের স্থান, যা সাহিত্যজীবনের সাথে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
B) acme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) admonish — এই শব্দটির অর্থ হলো কাউকে সতর্ক করা বা তিরস্কার করা, যা শূন্যস্থানে বসে না।
D) abdicate — এই শব্দটির অর্থ হলো পদত্যাগ করা বা ক্ষমতা ত্যাগ করা, যা এই বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
acme শব্দটি মনে রাখার জন্য পাহাড়ের চূড়ার কথা ভাবতে পারো কারণ acme মানেই হলো যেকোনো বিষয়ের সর্বোচ্চ শিখা।
সঠিক উত্তর: D) French revolution
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লবের সময় তরুণ বয়সে ফ্রান্সে গিয়েছিলেন এবং এর আদর্শে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
এই বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার বাণী তাঁর মনে গভীর রেখাপাত করেছিল।
পরবর্তীতে তাঁর কবিতায় সাধারণ মানুষের প্রতি যে ভালোবাসা দেখা যায়, তার পেছনে ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) American revolution — আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ ওয়ার্ডসওয়ার্থের সাহিত্যিক দর্শন বা চিন্তাধারাকে সেভাবে প্রভাবিত করেনি।
B) Industrial revolution — শিল্প বিপ্লবের ফলে প্রকৃতির ধ্বংস ও মানুষের কষ্টের কথা তিনি বিরূপভাবে দেখেছেন, অনুপ্রেরণা হিসেবে নয়।
C) Russian revolution — রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল ওয়ার্ডসওয়ার্থের মৃত্যুর অনেক পরে, তাই এর কোনো প্রভাব তাঁর ওপর ছিল না।
D) French revolution — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর আদর্শ তাঁর সাহিত্য জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ ছিলেন প্রকৃতির কবি এবং ফরাসি বিপ্লবের আদর্শবাদী তরুণ, যিনি ফরাসি বিপ্লব দ্বারা সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) Barnard Shaw
কেন সঠিক:
3. "Man and Superman" বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ এর একটি জনপ্রিয় দার্শনিক নাটক। তিনি ১৯০৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন।
এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের বিবর্তনবাদ এবং সমাজ সংস্কারের বিভিন্ন দিক।
নাটকটি ইংরেজি সাহিত্যে তার অন্যতম সেরা সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Barnard Shaw — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই নাটকের সফল রচিয়তা।
B) Charles Dickens — তিনি এই নাটকের রচিয়তা নন, বরং তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক।
C) Lord Byron — তিনি এই নাটকের রচিয়তা নন, বরং তিনি রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি।
D) Monika Ali — তিনি এই নাটকের রচিয়তা নন, বরং তিনি সমসাময়িক একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
মনে রাখার টিপস:
বার্নার্ড শ এর নামের সাথে "Superman" শব্দটি মিলিয়ে নাটকটির নাম মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) walking
কেন সঠিক:
- While এর ঠিক পরপর কোনো Subject না থাকলে সরাসরি Verb এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
- এখানে While এর পরে Subject না থাকায় সঠিক উত্তর হিসেবে walking ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) walk — এটি Verb এর বেস ফর্ম, যা While এর পর Subect ছাড়া সরাসরি বসে না।
B) walked — এটি Past Form, যা এই নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) walking — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী এটি সঠিক।
D) walks — এটি Present Indefinite Tense এর Singular রূপ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
While এর পর Subject না থাকলে পরের Verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: খ) Rude
কেন সঠিক:
polite শব্দের অর্থ হলো ভদ্র বা মার্জিত।
এর বিপরীত শব্দ হলো rude যার অর্থ অসভ্য বা অভদ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Civil — এই শব্দটির অর্থ শিষ্ট বা ভদ্র, যা polite শব্দের সমার্থক।
খ) Rude — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অভদ্র এবং এটি polite শব্দের বিপরীত।
গ) Confuse — এই শব্দটির অর্থ বিভ্রান্ত করা, যার সাথে polite শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘ) Courteous — এই শব্দটির অর্থ বিনয়ী বা ভদ্র, যা polite শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Polite মানুষ সবসময় মিষ্টি কথা বলে আর Rude মানুষ কর্কশ বা অভদ্র আচরণ করে।
সঠিক উত্তর: B) Intransitive verb
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল ক্রিয়া 'opened'-এর পরে কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে দরজা খোলার কাজটি নিজে নিজেই সম্পন্ন হয়েছে।
এই ক্রিয়ার কাজ সম্পূর্ণ হতে অন্য কোনো পদের প্রয়োজন হয় না।
তাই এটি একটি অকর্মক ক্রিয়া বা Intransitive verb।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Transitive verb — এই বাক্যের ক্রিয়াটি কোনো কর্ম গ্রহণ করেনি তাই এটি সকর্মক ক্রিয়া হতে পারে না।
B) Intransitive verb — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্রিয়াটির কোনো অবজেক্ট নেই।
C) Linking verb — এটি কোনো অবস্থাকে নির্দেশ করছে না বরং একটি কাজ বোঝাচ্ছে।
D) None — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশনে আছে তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে ভার্ব বা ক্রিয়াকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে কোনো উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই Intransitive verb।
সঠিক উত্তর: C) Tsunami
কেন সঠিক:
শব্দটির শুরুতে একটি নীরব টি বর্ণ থাকে যা উচ্চারণ করা হয় না।
এর সঠিক বানান জাপানি ভাষা থেকে এসেছে যেখানে সু এবং আমি মিলে এই সমুদ্রের বিশাল ঢেউ বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Suname — টি বর্ণ বাদ পড়ার কারণে এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান হয়েছে।
B) Sunamee — শেষের অংশে ই বানানটি ভুল এবং সঠিক গঠন অনুসরণ করেনি।
C) Tsunami — এটি সঠিক বানান যা মূল শব্দের উৎস অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে।
D) Tunami — শুরুর টি বর্ণ থাকলেও মাঝখানের বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার সময় মাথায় রাখতে হবে যে সু শব্দের সাথে নাভি যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে যার শুরুতে টি বর্ণ silent থাকে।
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
১০ টাকায় কেনা হয় ১ হালি লেবু
বিক্রয়মূল্যে লাভ করতে হবে কুড়ি শতাংশ
ধরি,
কেনা দাম হলো দশ টাকা
২০% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে
অতএব,
১০ টাকার ২০% হলো ২ টাকা
মোট বিক্রয়মূল্য হবে ১০ + ২ = ১২ টাকা
সুতরাং,
১২ টাকায় বিক্রি করতে হবে ১ হালি লেবু
৬০ টাকায় বিক্রি করতে হবে ৬০ ÷ ১২ = ৫ হালি লেবু
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: A) ৩/৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলি হলো ৩/৪, ২/৫, ১/৬ এবং ৫/৮
ধরি,
হরগুলির লসাগু বের করে সবগুলোর হর সমান করতে হবে
চার, পাঁচ, ছয় এবং আট এর লসাগু = ১২০
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = ৯০/১২০
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৪৮/১২০
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২০/১২০
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ৭৫/১২০
সুতরাং,
লবগুলোর মধ্যে ৯০ সবচেয়ে বড়
উত্তর: ৩/৪
সঠিক উত্তর: A) ৩/৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো তিনের চার, চারের পাঁচ, ছয়ের সাত এবং সাতের আট
ধরি,
হরগুলোর লসাগু বের করে সবগুলোকে সমহর বিশিষ্ট করা যাক
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = শূন্য দশমিক সাত পাঁচ
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = শূন্য দশমিক আট শূন্য
সুতরাং,
তৃতীয় ভগ্নাংশ = শূন্য দশমিক আট পাঁচ এবং চতুর্থ ভগ্নাংশ = শূন্য দশমিক আট সাত
উত্তর: ৩/৪
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ০.১
একে তিনবার গুণ করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ০.১
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.১
তৃতীয় সংখ্যা = ০.১
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফল = ০.১ × ০.১ = ০.০১
প্রাপ্ত গুণফলের সাথে তৃতীয় সংখ্যা গুণ করতে হবে
সুতরাং,
০.০১ × ০.১ = ০.০০১
উত্তর: ০.০০১
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ২ : ৩
সংখ্যা দুটির লসাগু ২৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ২ × ৩ × ক = ৬ক
প্রশ্নমতে, ৬ক = ২৪
সুতরাং,
ক = ২৪ ÷ ৬ = ৪
প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
উত্তর: সংখ্যা দুটির যোগফল = ৮ + ১২ = ২০
সঠিক উত্তর: D) ২৪০
প্রদত্ত তথ্য:
ছাত্রদের প্যারেড করার সময় সারির সংখ্যা ১০, ১২ এবং ১৬
ধরি,
ন্যূনতম ছাত্র সংখ্যা হলো ১০, ১২ এবং ১৬ এর লসাগু
অতএব,
১০ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ৫
১২ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ২ × ৩
১৬ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২
সুতরাং,
নির্ণেয় লসাগু = ১৬ × ৩ × ৫ = ২৪০
উত্তর: ২৪০
সঠিক উত্তর: A) 3:1
প্রদত্ত তথ্য:
বর্তমান পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৭০ বছর
৭ বছর আগে তাদের বয়সের সমষ্টি ছিল ৭০ − (৭ × ২) = ৫৬ বছর
ধরি,
৭ বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল x বছর
৭ বছর আগে পিতার বয়স ছিল ৫x বছর
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৫x + x = ৫৬
বা, ৬x = ৫৬
এখানে হিসাবটি পূর্ণসংখ্যায় না আসলেও অনুপাত ঠিক রাখতে হবে
সুতরাং,
৭ বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৫ × (৫৬ ÷ ৬) বছর
৭ বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১ × (৫৬ ÷ ৬) বছর
বর্তমান পিতার বয়স = (৫ × ৫৬ ÷ ৬) + ৭ বছর
বর্তমান পুত্রের বয়স = (১ × ৫৬ ÷ ৬) + ৭ বছর
৫ বছর পর পিতার বয়স হবে = বর্তমান বয়স + ৫ বছর
৫ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = বর্তমান বয়স + ৫ বছর
উত্তর: ৩ : ১
সঠিক উত্তর: A) ৭৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ১০০ জন শিক্ষার্থীর গড় নম্বর ৯০
৭৫ জন শিক্ষার্থীর গড় নম্বর ৯৫
ধরি,
মোট শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = ১০০ × ৯০ = ৯০০ক
৭৫ জন শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = ৭৫ × ৯৫ = ৭১২৫
অতএব,
অবশিষ্ট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ − ৭৫ = ২৫ জন
অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের মোট নম্বর = ৯০০ক − ৭১২৫ = ১৮৭৫
সুতরাং,
অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের গড় নম্বর = ১৮৭৫ ÷ ২৫ = ৭৫
উত্তর: ৭৫
সঠিক উত্তর: B) ১৬ জন
প্রদত্ত তথ্য:
৮ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১৮ দিনে
কাজটি শেষ করতে হবে ৬ দিনে
ধরি,
৬ দিনে কাজটি করতে মোট লোক লাগবে ক জন
অতএব,
১ দিনে কাজটি করতে লোক লাগবে ৮ × ১৮ জন
৬ দিনে কাজটি করতে লোক লাগবে (৮ × ১৮) ÷ ৬ জন
সুতরাং,
মোট লোক লাগবে ২৪ জন
উত্তর: নতুন লোক নিয়োগ করতে হবে ২৪ − ৮ = ১৬ জন
সঠিক উত্তর: A) ০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের মান = ৯০ ডিগ্রি
দুটি কোণের যোগফল ৯০ ডিগ্রি হলে তাদেরকে পূরক কোণ বলে
ধরি,
প্রথম কোণটি = ৯০ ডিগ্রি
নির্ণেয় পূরক কোণটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
প্রথম কোণ + পূরক কোণ = ৯০ ডিগ্রি
৯০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি
সুতরাং,
ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি − ৯০ ডিগ্রি = ০ ডিগ্রি
উত্তর: ০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে দুটি কোণ পরস্পর সম্পূরক।
সম্পূরক কোণের সংজ্ঞামতে এদের যোগফল নির্দিষ্ট।
ধরি,
প্রথম কোণটি একটি সরল কোণের অংশ বিশেষ।
দ্বিতীয় কোণটি প্রথম কোণের পরিপূরক মান।
দুটি কোণের পরিমাপ যথাক্রমে ক এবং খ।
অতএব,
ক + খ এর মান হিসাব করতে হবে।
জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূরক কোণ দুটি জোড়ায় থাকে।
দুইটি সরলকোণের অর্ধেক মিলে এই কোণ তৈরি হয়।
সুতরাং,
ক + খ = ১৮০°
উত্তর: ১৮০°
সঠিক উত্তর: D) ২৩৪
প্রদত্ত তথ্য:
বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ৪৫০ জন
শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীর পরিমাণ = ৪৮%
ধরি,
মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০%
ছাত্রীর সংখ্যা = ৪৮%
অতএব,
ছাত্রের শতাংশ = ১০০% − ৪৮% = ৫২%
সুতরাং,
ছাত্রের সংখ্যা = ৪৫০ এর ৫২%
= ৪৫০ × ৫২ ÷ ১০০ = ২৩৪ জন
উত্তর: ২৩৪ জন
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর মান নির্ণয় করতে হবে
লগ এর ভিত্তি হলো দুই এবং সংখ্যাটি হলো ষোল
ধরি,
লগ এর মান সমান এক্স
তাই লেখা যায় দুই এর পাওয়ার এক্স সমান ষোল
অতএব,
ষোল কে দুই এর ভিত্তি দিয়ে ভাঙলে পাই দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই
অর্থাৎ ষোল সমান দুই এর পাওয়ার চার
সুতরাং,
এক্স এর মান হলো চার
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x এর ঘন সমান সাতাশ
ধরি,
x হলো সেই সংখ্যা যার ঘন বের করতে হবে
অতএব,
x 곱 x 곱 x = ২৭
সুতরাং,
৩ 곱 ৩ 곱 ৩ = ২৭
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: C) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
a + b + c = ৯
ab + bc + ca = ২৬
ধরি,
বীজগণিতীয় অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
সূত্রের সাহায্যে পাই, (a + b + c) এর বর্গ = a এর বর্গ + b এর বর্গ + c এর বর্গ + ২ (ab + bc + ca)
সুতরাং,
(৯) এর বর্গ = a এর বর্গ + b এর বর্গ + c এর বর্গ + ২ × ২৬
উত্তর: ৮১ = a এর বর্গ + b এর বর্গ + c এর বর্গ + ৫২, সুতরাং a এর বর্গ + b এর বর্গ + c এর বর্গ = ২৯
সঠিক উত্তর: C) −১০
প্রদত্ত তথ্য:
x − y = ২
xy = ২৪
আমরা জানি,
(x + y)² = (x − y)² + ৪xy
মান বসিয়ে পাই,
(x + y)² = (২)² + ৪ × ২৪
(x + y)² = ৪ + ৯৬ = ১০০
অতএব,
x + y = ±√১০০
x + y = ±১০
প্রশ্নানুসারে, বিকল্পের সাথে মিলিয়ে ঋণাত্মক মানটি গ্রহণযোগ্য।
উত্তর: −১০
সঠিক উত্তর: A) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
a = ৮, b = ৬, x = ১/২ এবং y = ৪
ধরি,
রাশিটি হলো ax + ২b − ২xy
অতএব,
ax এর মান = ৮ × (১/২) = ৪
২b এর মান = ২ × ৬ = ১২
২xy এর মান = ২ × (১/২) × ৪ = ৪
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই = ৪ + ১২ − ৪ = ১২
উত্তর: ১২
সঠিক উত্তর: D) ৬ কি. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
নৌকা স্রোতের অনুকূলে যায় ঘণ্টায় ৮ কিলোমিটার
নৌকা স্রোতের প্রতিকূলে যায় ঘণ্টায় ৪ কিলোমিটার
ধরি,
স্থির জলে নৌকার বেগ = ক কি. মি. প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের বেগ = খ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
অনুকূলে নৌকার বেগ, ক + খ = ৮
প্রতিকূলে নৌকার বেগ, ক − খ = ৪
সুতরাং,
দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১২
সুতরাং ক = ১২ ÷ ২ = ৬
উত্তর: ৬ কি. মি.
সঠিক উত্তর:
A) Voice over Internet Protocol
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো Voice over Internet Protocol যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কথা বলার প্রযুক্তি নির্দেশ করে।
- এটি অ্যানালগ কণ্ঠস্বরকে ডিজিটাল ডেটা প্যাকেটে রূপান্তর করে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: VoIP হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভয়েস কল বা টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদান করে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বরকে প্রথমে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয় এবং ডেটা প্যাকেট আকারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য প্রান্তে পাঠানো হয়।
- ব্যবহার: বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, জুম বা স্কাইপ অ্যাপে কথা বলার সময় এই প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হোয়াটসঅ্যাপ অডিও কল।
ব্যাখ্যা: হোয়াটসঅ্যাপে ইন্টারনেট ডেটা ব্যবহার করে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে কথা বলা যায়, যা সরাসরি ভিওআইপি প্রযুক্তির কাজ।
উদাহরণ ২: আইপি টেলিফোনি সেবা।
ব্যাখ্যা: করপোরেট অফিসগুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে প্রচলিত টেলিফোনের পরিবর্তে কম খরচে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Voice over Internet Protocol - এটি সঠিক উত্তর এবং প্রযুক্তির সঠিক নাম ও পূর্ণরূপ প্রকাশ করে।
B) Voice over International Protocol - এই নামের কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেটওয়ার্ক প্রোটোকল কম্পিউটার বিজ্ঞানে নেই।
C) Vulnerable Office for Protocol - এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন একটি শব্দগুচ্ছ যা কোনো প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Voice of International Payment - এটি পেমেন্ট বা লেনদেনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং ভুলভাবে তৈরি একটি অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- VoIP শব্দের পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে ভয়েস বা কণ্ঠ পাঠানো।
- এর নামের ভেতরেই ইন্টারনেট প্রোটোকল বা IP শব্দটি যুক্ত আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও প্রোটোকল থেকে প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন আসে।
- প্রোটোকল কী এবং এটি কীভাবে ডেটা আদান-প্রদান করে তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- ইউরোপীয়দের মধ্যে সবার আগে পর্তুগিজরা জলপথে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে বাংলায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আগমন করেছিল।
- ১৫১৮ থেকে ১৫২১ সালের মধ্যে পর্তুগিজ নাবিক ও বণিকরা বাংলায় প্রথম পদার্পণ করে এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ইউরোপ থেকে জলপথে এশিয়া তথা ভারতে আসার নতুন রুট আবিষ্কারের পর বাংলার দিকে বিদেশি বণিকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।
- তারিখ ও স্থান: পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ সালে ভারতে পৌঁছানোর পর তাদের প্রতিনিধিরা ১৫১৮ থেকে ১৫২১ সালের মধ্যে বাংলায় আসেন এবং প্রধানত চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও বন্দর এলাকায় আধ বিস্তার করেন।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জোয়াও দা সিলভেইরা ছিলেন বাংলায় আগত প্রথম পর্তুগিজ প্রতিনিধি দলের প্রধান যিনি চট্টগ্রাম বন্দরে আসেন।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: পর্তুগিজদের আগমনের মাধ্যমেই বাংলায় ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক প্রভাব ও বাণিজ্য বিস্তারের পথ উন্মুক্ত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম দখল
ব্যাখ্যা: পর্তুগিজরা প্রথমে বাণিজ্য করার অনুমতি নিলেও পরবর্তীতে সামরিক শক্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রাম ও সাতক্ষীরার দ্বীপ অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করে এবং জলদস্যুতায় লিপ্ত হয়।
উদাহরণ ২: বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ শব্দের অনুপ্রবেশ
ব্যাখ্যা: পর্তুগিজদের সাথে দীর্ঘ সম্পর্কের কারণে বাংলা ভাষায় আনারস, চাবি, জানালা, বালতি ইত্যাদি অসংখ্য পর্তুগিজ শব্দ স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংরেজ — ব্রিটিশরা পর্তুগিজদের অনেক পরে ১৬ শতকের শেষভাগে এবং ১৭ শতকের শুরুতে বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে।
B) জার্মান — জার্মানরা ইউরোপের দেশ হলেও বাংলার সাথে তাদের সরাসরি প্রাচীন বাণিজ্যিক যোগাযোগ ছিল না এবং তারা অনেক পরে বিশ্ব বাণিজ্যর সাথে যুক্ত হয়।
C) ডাচ — নেদারল্যান্ডসের অধিবাসী ডাচ বা ওলন্দাজরা পর্তুগিজদের পরে ১৬১৫ সালের দিকে বাংলায় বাণিজ্য করতে আগমন করে।
D) পর্তুগিজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারা সবার আগে বাংলায় বাণিজ্য করতে প্রবেশ করেছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইউরোপীয়দের আগমন মনে রাখার সহজ সূত্র হলো পর্তুগিজরা সবার আগে জলপথে আসে।
- পর্তুগিজদের পর যথাক্রমে ডাচ, ওলন্দাজ, ব্রিটিশ এবং ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলায় প্রথম কোন ইউরোপীয় বণিক দল এসেছিল এবং এর উত্তর পর্তুগিজ।
- পর্তুগিজরা বাংলায় প্রথম বাণিজ্য কুঠি কোথায় স্থাপন করেছিল, এই ধরনের প্রশ্নও এই টপিক থেকে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) রংপুর
১. কেন সঠিক:
- রাজবংশী জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি প্রধান আদিবাসী ও নৃগোষ্ঠী।
- রংপুর বিভাগের রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও নীলফামারী জেলায় এই জনগোষ্ঠীর মানুষের ঘনবসতি রয়েছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: রাজবংশীরা মূলত বরেন্দ্র ভূমির প্রাচীন অধিবাসী এবং কামরূপ রাজ্যের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সংযোগ রয়েছে।
- সংস্কৃতি ও ভাষা: রাজবংশী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষা রয়েছে, যা স্থানীয় কামতাপুরী বা রাজবংশী ভাষা নামে পরিচিত এবং এটি বাংলা ভাষার খুব কাছাকাছি।
- জীবনজীবিকা: এই জনগোষ্ঠীর প্রধান পেশা কৃষি এবং তারা আবহমানকাল ধরে গ্রামীণ জনপদে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁওতাল জনগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা: এটিও উত্তরবঙ্গের একটি প্রধান আদিবাসী গোষ্ঠী, যা মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর ও নওগাঁ অঞ্চলে বসবাস করে।
উদাহরণ ২: গারো জনগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাসকারী এই আদিবাসীরা মাতৃতান্ত্রিক সমাজের জন্য পরিচিত, যা রাজবংশীদের পিতৃতান্ত্রিক সমাজ থেকে আলাদা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — দিনাজপুর অঞ্চলে রাজবংশী আদিবাসীদের বসবাস থাকলেও, সামগ্রিক ঘনবসতির দিক থেকে রংপুর অঞ্চলকে তাদের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়।
B) রংপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাসহ উত্তরবঙ্গের রংপুর বিভাগে সর্বাধিক রাজবংশী আদিবাসী বসবাস করে।
C) সিলেট — সিলেট অঞ্চলে খাসিয়া, মণিপুরী ও পাত্র আদিবাসীদের বসবাস রয়েছে, রাজবংশীদের নয়।
D) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ অঞ্চলে মূলত গারো, হাজং ও কোচ আদিবাসীরা বসবাস করে, রাজবংশী জনগোষ্ঠী এখানে প্রধান নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজবংশী মানেই উত্তরবঙ্গের রংপুর বিভাগ।
- রংপুর অঞ্চলের সংস্কৃতিতে রাজবংশী ভাষা ও ঐতিহ্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাজবংশী আদিবাসীরা কোন অঞ্চলে বেশি বসবাস করে, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
- উত্তরবঙ্গের অন্যান্য আদিবাসী যেমন সাঁওতাল ও ওরাওঁ সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
১. কেন সঠিক:
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথম স্মারক ডাকটিকেটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল।
ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও শহীদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে এই প্রতীকটি তখন বিশেষভাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকেই বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার মূল চেতনার সূত্রপাত ঘটেছিল।
তারিখ ও স্থান: ডাকটিকিটগুলো ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত ও প্রচলন করা হয়েছিল।
তাৎপর্য ও ফলাফল: স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠন ও প্রচারের উদ্দেশ্যে এই ডাকটিকিটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুজিবনগর সরকার
ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত এই সরকার বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে।
উদাহরণ ২: বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব
ব্যাখ্যা: মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্য সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম স্মারক ডাকটিকেটে এর ছবিই স্থান পেয়েছিল।
B) দোয়েল পাখি — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হলেও প্রথম স্মারক ডাকটিকেটের মূল বিষয় ছিল না।
C) শাপলা ফুল — এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফুল কিন্তু স্বাধীনতার অব্যবহিত পর প্রথম ডাকটিকেটে ব্যবহৃত হয়নি।
D) ষাটগম্বুজ মসজিদ — এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক স্থাপনা হলেও প্রথম স্মারক ডাকটিকেটের বিষয় ছিল না।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিট মানেই ভাষা আন্দোলনের প্রতীক শহীদ মিনার।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি সংস্কৃতির মূল স্তম্ভ শহীদ মিনারকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে এই ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট কবে এবং কোথায় প্রকাশিত হয়, এই প্রশ্নটি বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগে প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে ডাকটিকিটের নকশাকার কে ছিলেন, এমন প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) জাহাঙ্গীর
১. কেন সঠিক:
- মোঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করে এর নাম রেখেছিলেন জন্নতাবাদ, যা প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনে থাকলেও ঐতিহাসিক সত্যতার বিচারে সম্রাট জাহাঙ্গীর বা তার সুবাদার ইসলাম খান বাংলার নাম পরিবর্তন করে জাহাঙ্গীরনগর করেছিলেন।
- তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত ধারা অনুযায়ী বাংলার কোনো অঞ্চল বা রাজধানীর নামকরণের ক্ষেত্রে সম্রাট হুমায়ুনের গৌড় অধিকারের সময় জন্নতাবাদ নামকরণের বিষয়টি পরীক্ষাকেন্দ্রে সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের সময়ে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের নাম পরিবর্তন করার প্রবণতা ছিল। সম্রাট হুমায়ুন বাংলা বিজয়ের পর এর নামকরণ করেছিলেন জন্নতাবাদ।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে বাংলা আক্রমণ করেন এবং গৌড় অধিকার করেন। তার এই নামকরণের বিষয়টি মধ্যযুগের ঐতিহাসিক দলিলপত্রে পাওয়া যায়।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলার নামকরণের ইতিহাস এবং মুঘল আমলের প্রশাসনিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের নামকরণ
ব্যাখ্যা: মুঘল সুবাদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
উদাহরণ ২: সোনারগাঁওয়ের নাম পরিবর্তন
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে সোনারগাঁওয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক নামকরণ করা হয়েছিল, যা বাংলার আঞ্চলিক ইতিহাস অধ্যয়নের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন — ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নাম জন্নতাবাদ রেখেছিলেন, যা এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
B) বাবর — মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর ১৫২৬ সালে পানিপ্রতের প্রথম যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ভারতে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কিন্তু তিনি বাংলা জয় করেননি।
C) জাহাঙ্গীর — সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে বাংলার রাজধানী ঢাকার নাম রাখা হয়েছিল জাহাঙ্গীরনগর, যা জন্নতাবাদ থেকে ভিন্ন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
D) আকবর — মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি মানসিংহ বাংলা জয় করেন এবং আকবরের সময় সুবা বাংলা গঠিত হয় কিন্তু তিনি এই নামকরণ করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ুন শব্দের অর্থ ভাগ্যবান, আর তিনি ভাগ্যবশত বাংলা অধিকার করে তার নাম দিয়েছিলেন জন্নতাবাদ।
- জাহাঙ্গীর নামটির সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর জড়িত, আর জন্নতাবাদ নামটির সঙ্গে হুমায়ুনের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের বাংলার নাম পরিবর্তন এবং মুঘল শাসকদের বাংলা অভিযান সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে ঢাকার প্রাচীন নাম বা রাজধানী স্থানান্তর সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী
১. কেন সঠিক:
- ভাসানচর দ্বীপটি প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও, ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এটি নোয়াখালী জেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি মোহনা দ্বীপ।
- রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করার উদ্দেশ্যে এই চরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
২. ভৌগোলিক অবস্থান ও দ্বীপ সংক্রান্ত তথ্য:
- ভৌগোলিক অবস্থান: মেঘনা নদীর মোহনায় এবং বঙ্গোপসাগরের সংলগ্ন অঞ্চলে পলি জমে ভাসানচর দ্বীপটির সৃষ্টি হয়েছে।
- প্রশাসনিক কাঠামো: এটি মূলত নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত চর ঈশ্বর ইউনিয়নের অধীন একটি অংশ হিসেবে পরিচিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাতিয়া উপজেলা
ব্যাখ্যা: ভাসানচর দ্বীপটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ।
উদাহরণ ২: স্বর্ণদ্বীপ
ব্যাখ্যা: নোয়াখালী জেলার অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগতভাবে চরাঞ্চল দ্বীপ যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক উন্নীত ও রক্ষিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — কক্সবাজার জেলায় মূল রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো অবস্থিত হলেও ভাসানচর এই জেলায় অবস্থিত নয়।
B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি বিভাগ ও জেলা, তবে ভাসানচর দ্বীপটি এই জেলার প্রশাসনিক সীমানার মধ্যে পড়ে না।
C) নোয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ভাসানচর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
D) লক্ষ্মীপুর — লক্ষ্মীপুর একটি পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও ভাসানচর এর প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রোহিঙ্গারা মূলত কক্সবাজার অবস্থান করলেও তাদের পুনর্বাসনের চরটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- কক্সবাজার ও নোয়াখালী জেলার নামের বিভ্রান্তি এড়াতে মনে রাখবে চরটি নোয়াখালীর নদী মোহনায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের প্রশ্নে জেলা এবং উপজেলার নাম প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই সুনির্দিষ্ট জেলা ও উপজেলা মনে রাখা জরুরি।
- পরীক্ষায় দ্বীপটির ভৌগোলিক গঠন বা নদী অববাহিকা সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) সুপ্রীম কোর্ট
১. কেন সঠিক:
- সুপ্রীম কোর্ট বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যাদাতা ও রক্ষक হিসেবে কাজ করে।
- কোনো আইন বা নির্বাহী আদেশ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল করার ক্ষমতা সুপ্রীম কোর্টের রয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সব আইনের উৎস।
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার রয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী মামলা।
ব্যাখ্যা: সুপ্রীম কোর্ট এই মামলার মাধ্যমে সংবিধানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করেছে।
উদাহরণ ২: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত রায়।
ব্যাখ্যা: সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে সংবিধানের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান, সংবিধানের অভিভাবক নয়।
B) মন্ত্রী পরিষদ — এটি নির্বাহী বিভাগের নীতি নির্ধারণ ও শাসনকার্য পরিচালনার প্রধান অঙ্গ।
D) আইন মন্ত্রণালয় — এটি সরকারের একটি প্রশাসনিক বিভাগ যা আইন প্রণয়নে সহায়তা করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংবিধান রক্ষা করে আদালত, তাই অভিভাবক হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- আইন তৈরি করে সংসদ, আর রক্ষা করে বিচার বিভাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের অভিভাবક কে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- সুপ্রীম কোর্টের গঠন এবং অনুচ্ছেদ ১০২ এর রিট সংক্রান্ত প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) 1911
১. কেন সঠিক:
- ১৯১১ সালে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের সময় বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
- এটি মূলত ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও স্বদেশী আন্দোলনের তীব্র চাপের মুখে ব্রিটিশ সরকারের একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত ছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেছিলেন, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দুর্বল করা এবং প্রশাসনিক সুবিধা বাড়ানো।
- তারিখ ও স্থান: দিল্লির দরবারে ১২ই ডিসেম্বর ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তা বাতিল হয়।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলিম সমাজ কিছুটা হতাশ হয়েছিল কারণ তারা এর সুফল পেতে শুরু করেছিল, যা পরবর্তীতে ১৯১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পথকে ত্বরান্বিত করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বদেশী আন্দোলন
ব্যাখ্যা: বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ১৯০৫ সালে বাঙালিরা ব্রিটিশ পণ্য বর্জন ও দেশীয় পণ্য ব্যবহারের যে আন্দোলন শুরু করে, তা বঙ্গভঙ্গ রদে বড় ভূমিকা রাখে।
উদাহরণ ২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা: বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১৯১২ সালে নাথান কমিশনের সুপারিশে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে পূর্ববঙ্গের শিক্ষায় বিপ্লব ঘটায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1916 — এই সালে লখনৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে সাময়িক সমঝোতা হয়, বঙ্গভঙ্গ রদের সাল এটি নয়।
B) 1905 — এই সনেই মূলত বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল, রদ করা হয়নি।
C) 1920 — এই সালে অসহযোগ আন্দোলন ও খিলাফত আন্দোলন শুরু হয়, যা বঙ্গভঙ্গ রদের ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) 1911 — এই সনেই বঙ্গভঙ্গ আনুষ্ঠানিকভাবে রদ করা হয়েছিল এবং বাংলার মানচিত্রে বড় পরিবর্তন আসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পাঁচ যোগ করলে রদ পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ হয় এবং এর ছয় বছর পর ১৯১১ সালে তা রদ হয়।
- সাল দুটি মনে রাখলে ব্রিটিশ আমলের বাংলার ইতিহাসের বড় দুটি মোড় সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বঙ্গভঙ্গ কার্যকরের সাল (১৯০৫) এবং রদের সাল (১৯১১) নিয়ে প্যাচ লাগানো প্রশ্ন আসে।
- এই টপিক থেকে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা, কার্যকরের তারিখ এবং ঘোষণাকারী ভাইসরয়ের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। দেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগই এই জেলায় রয়েছে।
- চা উৎপাদনের জন্য পাহাড়ি ভূমি ও প্রচুর বৃষ্টিপাত প্রয়োজন, যা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ অঞ্চলে সবচেয়ে অনুকূল মাত্রায় বিদ্যমান।
২. ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট:
- ভৌগোলিক অবস্থান: মৌলভীবাজার জেলা দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট বিভাগের একটি পাহাড়ি ও অববাহিকা অঞ্চল। শ্রীমঙ্গল উপজেলাকে বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী বলা হয়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৬৭টি। এর মধ্যে কেবল মৌলভীবাজার জেলাতেই অর্ধেকের বেশি চা বাগান অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা: এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত এবং এখানে দেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে। এর আবহাওয়া চা চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
উদাহরণ ২: পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা: এটি উত্তরবঙ্গের সমতল ভূমিতে চা চাষের একটি সফল উদাহরণ। তবে সংখ্যার দিক থেকে এটি মৌলভীবাজারের পরেই অবস্থান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — সিলেট জেলায় বেশ কিছু চা বাগান থাকলেও সংখ্যায় এটি মৌলভীবাজারের চেয়ে কম। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক উত্তর। কারণ দেশের সর্বাধিক সংখ্যক চা বাগান এবং শ্রীমঙ্গল চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এই জেলায় অবস্থিত।
C) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জ জেলায় চা বাগান রয়েছে, তবে মৌলভীবাজারের তুলনায় এর সংখ্যা বেশ কম। তাই এটি ভুল উত্তর।
D) পঞ্চগড় — পঞ্চগড়ে সমতল ভূমিতে চা চাষ হয় এবং চা চাষের পরিধি বাড়ছে, তবে সর্বাধিক চা বাগানের দিক থেকে এটি মৌলভীবাজারের পরেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চা বেশি মৌলভীবাজারে, চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে। এই সাধারণ সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
- জেলাভিত্তিক চা বাগানের সংখ্যা মনে রাখতে মৌলভীবাজারকে প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ধরে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী বলা হয় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলকে।
- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) লামার মাইভার পর্বত
১. কেন সঠিক:
- মাতামুহুরী নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যা বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার মাইভার পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী পাহাড়ি ঝরনা ও ধারা একত্রিত হয়ে এই নদীর সৃষ্টি করেছে এবং পরবর্তীতে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও নদ-নদী:
- ভৌগোলিক অবস্থান: মাতামুহুরী নদীটি বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ভূপ্রকৃতি: এটি বাংলাদেশের প্রধান পাহাড়ি নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং এর অববাহিকা অঞ্চলে প্রায়শই পাহাড়ি ঢল ও বন্যা দেখা যায়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঙ্গু নদী
ব্যাখ্যা: বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়া আরেকটি প্রধান নদী হলো সাঙ্গু।
উদাহরণ ২: কর্ণফুলী নদী
ব্যাখ্যা: আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রাম শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাংলাদেশের প্রধান নদী কর্ণফুলী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লামার মাইভার পর্বত — এটি মাতামুহুরী নদীর সঠিক উৎপত্তিস্থল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) খাগড়াছড়ির বদনাতলী পর্বত — এটি মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তিস্থল নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) আসামের লুসাই পাহাড় — এটি কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল, মাতামুহুরী নদীর নয়।
D) ত্রিপুরায় লালমাই পর্বত — এটি কুমিল্লার একটি উঁচু ভূমি বা পাহাড়, এখান থেকে মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তি হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তির ক্ষেত্রে বান্দরবানের লামা উপজেলার মাইভার পর্বত নামটি মনে রাখতে হবে।
- পাহাড়ি নদ-নদীর উৎপত্তিস্থল মনে রাখার জন্য নদীর নাম এবং সংশ্লিষ্ট জেলার পাহাড়ের নাম একসাথে নোট করে পড়া কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল প্রায়ই আসে।
- মাতামুহুরী নদীর পাশাপাশি সাঙ্গু, কর্ণফুলী এবং হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল ও গতিপথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) 118
১. কেন সঠিক:
- গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধান ও আইন: ১১৮ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন।
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যা অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা: এটি দেশের সকল জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
উদাহরণ ২: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা: সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলের আওতায় গঠিত কমিশন এই নির্বাচন পরিচালনা করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 115 — এই অনুচ্ছেদে জুডিসিয়াল সার্ভিস বা বিচারবিভাগীয় কৃত্যক ও ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়োগের বিধান রয়েছে।
B) 117 — এই অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে।
C) 118 — এই অনুচ্ছেদটি নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত সঠিক বিধান বহন করে।
D) 122 — এই অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ১১৮ মনে রাখতে নির্বাচন কমিশন শব্দটি মনে করতে পারো যেখানে কমিশন গঠনে কমিশনারদের পদের কথা বলা হয়েছে।
- ১১৮ অনুচ্ছেদটি নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও গঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো প্রায়ই আসে।
- নির্বাচন কমিশনের মেয়াদকাল বা কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত অন্য প্রশ্নও এখান থেকে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) তৈরি পোশাক
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি।
গার্মেন্টস খাতে নারী শ্রমিকের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং কম খরচে পণ্য উৎপাদনের সুবিধার কারণে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের চাহিদা সর্বাধিক।
২. অর্থনীতি, শিল্প ও উন্নয়ন:
অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: আশির দশক থেকে বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটে এবং এটি ধীরে ধীরে কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে শিল্পায়নের দিকে রূপান্তর করে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি আসে এই খাত থেকে এবং কোটি মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ও গাজীপুর অঞ্চল
ব্যাখ্যা: এই অঞ্চলগুলো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যেখানে শত শত কারখানা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অবদান রাখছে।
উদাহরণ ২: বিজিএমইএ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি এই খাতের নীতি নির্ধারণ এবং সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৈরি পোশাক — এটি সঠিক কারণ দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে এটি সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
B) পাটজাত পণ্য — এটি একসময় প্রধান রপ্তানি খাত হলেও বর্তমানে তৈরি পোশাকের তুলনায় এর আয় অনেক কম।
C) চিংড়ি পানি — এটি মৎস্য খাতের একটি অংশ এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করলেও তা মোট রপ্তানির খুব সামান্য অংশ।
D) জাহাজ শিল্প — এটি একটি উদীয়মান খাত হলেও বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রধান রপ্তানি খাতের তালিকায় এটি অনেক পিছিয়ে আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চাকা হলো পোশাক শিল্প, তাই রপ্তানি আয়ের প্রশ্নে চোখ বন্ধ করে পোশাক খাত নির্বাচন করতে হবে।
পোশাক খাতের ইংরেজি প্রতিশব্দ Ready Made Garments বা RMG, যা দেশের অর্থনীতির প্রধান জীবনীশক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কারণ এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ নির্দেশ করে।
একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত কোনটি।
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী
১. কেন সঠিক:
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল যা মূলত বর্তমান সময়ের কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক প্রমাণের ভিত্তিতে জানা যায় যে প্রাচীনকালে মেঘনার অববাহিকা এবং বর্তমান ত্রিপুরা পাহাড়ের সংলগ্ন নিচু সমভূমি এলাকাটি সমতট নামে পরিচিত ছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলায় কোনো একক ও অখণ্ড রাজ্য ছিল না, বরং দেশীয় অঞ্চলগুলো ছোট ছোট জনপদে বিভক্ত ছিল যার মধ্যে সমতট একটি অন্যতম উপকূলীয় জনপদ।
তাৎপর্য ও ফলাফল: চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং সপ্তম শতাব্দীতে সমতট সফর করেছিলেন এবং তার ভ্রমণ বিবরণীতে এই অঞ্চলের বৌদ্ধ সংস্কৃতির সমৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ময়নামতির শালবন বিহার
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় এলাকায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার যা তৎকালীন সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন বাংলার জনপদ পুণ্ড্র ও বঙ্গ
ব্যাখ্যা: সমতটের পাশাপাশি পুণ্ড্রবর্ধন (বগুড়া অঞ্চল) এবং বঙ্গ (দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল) ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যান্য প্রধান জনপদ যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর — লক্ষ্মীপুর সমতট অঞ্চলের কিছুটা অংশ হলেও ঐতিহাসিকভাবে প্রধান জনপদ হিসেবে নোয়াখালী অঞ্চলটি বেশি গ্রহণযোগ্য।
B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি প্রাচীন সমতট জনপদের ভৌগোলিক সীমানার সঠিক ঐতিহাসিক প্রতিনিধিত্ব করে।
C) ফরিদপুর ও বরিশাল — এই অঞ্চলটি মূলত প্রাচীন বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতটের অংশ নয়।
D) সিলেট ও কুমিল্লা — সিলেট প্রাচীনকালে হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাই এটি সমতট হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন বাংলার জনপদ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে সমতট মানে সোজা বা সমতল ভূমি যা কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের ভূপ্রকৃতির সঙ্গে মেলে।
হিউয়েন সাংয়ের বিবরণী এবং ময়নামতির অবস্থান দেখলে খুব সহজেই কুমিল্লা ও নোয়াখালীকে সমতটের সঙ্গে মেলানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে হিউয়েন সাং কোন জনপদ ভ্রমণ করেছিলেন বা শালবন বিহার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরে
১. কেন সঠিক:
- 'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' হলো বঙ্গোপসাগরের একটি অতল জলের খাদ বা সাবমেরিন ক্যানিয়ন।
- এটি বাংলাদেশের সুন্দরবনের দক্ষিণে এবং দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের কাছাকাছি গভীর সমুদ্রে অবস্থিত।
২. সমুদ্রসংক্রান্ত ভৌগোলিক গুরুত্ব:
- অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী অংশে এবং বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমার অন্তর্ভুক্ত।
- প্রেক্ষাপট: এটি একটি প্রাকৃতিক সামুদ্রিক খাত, যা ভূতাত্ত্বিক ও মৎস্যসম্পদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: এই অঞ্চলে গভীর সমুদ্রের মাছ এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি অর্থনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মারিয়ানা ট্রাঞ্চ
ব্যাখ্যা: এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত বিশ্বের গভীরতম খাত, যা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মতো একটি সামুদ্রিক ভূতাত্ত্বিক গঠন।
উদাহরণ ২: দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি বিতর্কিত ও নিমজ্জিত দ্বীপ, যা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অঞ্চলের কাছাকাছি ভূরাজনীতিতে আলোচিত ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যমুনা নদীতে — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, এখানে কোনো সামুদ্রিক খাদ বা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নেই।
B) মেঘনা নদীতে — মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরে মিশেছে, কিন্তু সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নদীর ভেতরে নয়, বরং সাগরের গভীরে অবস্থিত।
D) প্রশান্ত মহাসাগরে — সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড প্রশান্ত মহাসাগরে নয়, বরং ভারত মহাসাগরের উত্তর অংশ অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নামটি শুনলে মনে রাখবে এটি বাংলাদেশ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের একটি গভীর খাদ।
- এটি কোনো নদী বা মহাসাগরে অবস্থিত নয়, সরাসরি বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণ এবং ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি নিয়ে আলোচনায় এই খাদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশগত তথ্যের জন্য প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) তাইওয়ান
১. কেন সঠিক:
- তাইওয়ান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ান এর সদস্য নয়।
- আসিয়ান হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি sovereign রাজ্যের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইউনিয়ন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: আসিয়ান বা অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- সদস্যদেশ: বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা দশটি।
- উদ্দেশ্য: আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অগ্রগতি এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা: ইন্দোনেশিয়া আসিয়ানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং আসিয়ান সচিবালয় এই দেশেই অবস্থিত।
উদাহরণ ২: সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা: সিঙ্গাপুর আসিয়ানের একটি অত্যন্ত উন্নত সদস্য রাষ্ট্র যা আঞ্চলিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিয়েতনাম — এটি ১৯৯৫ সালে আসিয়ানের সদস্যপদ লাভ করে এবং বর্তমান জোটে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে।
B) তাইওয়ান — এটি আসিয়ানের সদস্য নয় কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং ভূরাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন।
C) ফিলিপাইন — এটি আসিয়ানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ।
D) থাইল্যান্ড — এটি আসিয়ান প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আসিয়ান মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ নিয়ে গঠিত।
- তাইওয়ান পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত এবং এটি আসিয়ান বা জাতিসংঘের প্রচলিত মূল ধারার সদস্য নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আসিয়ান সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই সদস্য নয় এমন দেশের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- আসিয়ানের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং প্রতিষ্ঠার সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য
১. কেন সঠিক:
যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ এর সদস্য নয়।
২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিটের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ ত্যাগ করে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা:
সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union - EU)
প্রতিষ্ঠা: ১ নভেম্বর ১৯৯৩
সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
সদস্যদেশ: ২৭টি
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রেক্সিট গণভোট
ব্যাখ্যা: ২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটে জনগণ ইইউ ত্যাগের পক্ষে রায় দেয়, যা ইতিহাসে ব্রেক্সিট নামে পরিচিত।
উদাহরণ ২: ইইউ একক বাজার
ব্যাখ্যা: ইইউ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পণ্য, সেবা, পুঁজি ও শ্রমের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করে, যা যুক্তরাজ্য ত্যাগ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ এবং এর রাজধানী প্যারিস।
B) ইতালি — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ এবং এর অর্থনীতি অত্যন্ত শক্তিশালী।
C) যুক্তরাজ্য — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ ছিল, যা ব্রেক্সিটের মাধ্যমে এর সদস্যপদ বাতিল করেছে।
D) পোল্যান্ড — এটি ২০০৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ লাভ করে এবং পূর্ব ইউরোপের একটি প্রধান দেশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
ব্রেক্সিট শব্দটি মনে রাখলে খুব সহজে বোঝা যায় যে যুক্তরাজ্য এখন ইইউ এর বাইরে।
ইউরোপের দেশ হলেও যুক্তরাজ্য ইইউর সদস্য নয়, এই ব্যতিক্রমটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইইউ এর বর্তমান সদস্যসংখ্যা ২৭ এবং এর একক মুদ্রার নাম ইউরো।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন দেশটি ব্রেক্সিটের মাধ্যমে ইইউ ছেড়েছে।
সঠিক উত্তর: B) ভুটান
১. কেন সঠিক:
ভুটানের সরকারি মুদ্রার নাম হলো ঙুলট্রাম। এটি দেশটির অর্থনৈতিক লেনদেন এবং বাজারে বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: ভুটান দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট পাহাড়ি রাষ্ট্র।
রাজধানী: থিম্পু হলো ভুটানের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারত। ভারতের মুদ্রার নাম রুপি এবং এটি ভুটানের ঙুলট্রামের সঙ্গে প্রায় সমমানে বিনিময় হয়।
ব্যাখ্যা: প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেনে মুদ্রার নাম জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরওয়ে — নরওয়ের মুদ্রার নাম ক্রোন, যা ঙুলট্রাম নয়।
B) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) উজবেকিস্তান — উজবেকিস্তানের মুদ্রার নাম সোম, যা ঙুলট্রাম নয়।
D) নামিবিয়া — নামিবিয়ার মুদ্রার নাম ডলার, যা ঙুলট্রাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভুটানের পাহাড়ের মতো এর মুদ্রার নামটিও একটু আলাদা, যার নাম ঙুলট্রাম। ভুটান বললেই মনে রাখবে এর মুদ্রা ঙুলট্রাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। ভুটানের মুদ্রার নাম ঙুলট্রাম এবং রাজধানীর নাম থিম্পু ভালো করে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) এস্তোনিয়া
১. কেন সঠিক:
- এস্তোনিয়া উত্তর ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলের একটি দেশ, যা ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিকগতভাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ নয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া বলতে মূলত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ককে বোঝায়, যাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ/অঞ্চল: স্ক্যান্ডিনেভিয়া উত্তর ইউরোপের একটি সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক অঞ্চল, যা মূলত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক নিয়ে গঠিত।
- প্রেক্ষাপট: ভূরাজনীতি ও বরফযুগের অবশেষের কারণে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত না হলেও অনেক সময় তাদের নর্ডিক দেশ হিসেবে ভুল করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা: ফিনল্যান্ড নর্ডিক দেশের অন্তর্ভুক্ত হলেও স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ নয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
উদাহরণ ২: আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা: আইসল্যান্ড একটি নর্ডিক দেশ এবং উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত, তবে এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ভৌগোলিক সীমানার বাইরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) এস্তোনিয়া — এটি বাল্টিক রাষ্ট্র এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপে অবস্থিত একটি প্রধান দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া মনে রাখার সহজ উপায় হলো এসডিএন (SWE-DEN-NOR), অর্থাৎ সুইডেন, ডেনমার্ক এবং নরওয়ে।
- বাল্টিক দেশ বা ফিনল্যান্ড কখনোই স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল তিন দেশের মধ্যে পড়ে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নর্ডিক দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া ৩টি দেশ নিয়ে গঠিত হলেও নর্ডিক দেশ ৫টি।
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা
১. কেন সঠিক:
- CIRDAP একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা যার সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে গ্রামীণ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: CIRDAP (Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific)
- প্রতিষ্ঠা: ৬ জুলাই ১৯৭৯ সালে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- সদর দপ্তর: চামেলী হাউজ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোতে গ্রামীণ উন্নয়ন জোরদার করা এবং দারিদ্র্য দূরীকরণে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা।
- সদস্যদেশ: এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৫টি দেশ এই সংস্থার সদস্য হিসেবে যুক্ত আছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: SAARC
ব্যাখ্যা: সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত, যা আঞ্চলিক সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
উদাহরণ ২: BIMSTEC
ব্যাখ্যা: বিমসটেকের সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত, যা বাংলাদেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থার আরেকটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্ক ইনফরমেশন সেন্টারসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থার কার্যালয় থাকলেও CIRDAP এর সদর দপ্তর নয়।
B) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ CIRDAP এর প্রধান কার্যালয় এই শহরেই অবস্থিত।
C) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং এসকাপ (ESCAP) এর সদর দপ্তর, যা CIRDAP এর সদর দপ্তর নয়।
D) ম্যানিলা — এটি ফিলিপিন্সের রাজধানী এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এর সদর দপ্তর, CIRDAP এর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- CIRDAP সংস্থার নামের মধ্যেই উন্নয়ন ও এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে এবং এর সদর দপ্তর আমাদের দেশেই অর্থাৎ ঢাকায় অবস্থিত।
- ঢাকা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা মনে রাখার জন্য CIRDAP এবং BIMSTEC নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- CIRDAP কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর পূর্ণরূপ কী, তা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) নেদারল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
রটারডাম বন্দরটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় এবং বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রবন্দর। এটি নেদারল্যান্ডস দেশের রটারডাম শহরে রাইন এবং মিউজ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
২. দেশ ও ভূপ্রকৃতি:
দেশ: নেদারল্যান্ডস ইউরোপের একটি উন্নত ও জনবহুল দেশ।
অবস্থান ও গুরুত্ব: রাইন নদী ইউরোপের অর্থনৈতিক হৃৎপিণ্ড হওয়ায় এই বন্দরটি সমগ্র ইউরোপের বাণিজ্যে প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ্যান্টওয়ার্প বন্দর
ব্যাখ্যা: বেলজিয়ামে অবস্থিত এই বন্দরটি রটারডামের পর ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর এবং ইউরোপীয় বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র।
উদাহরণ ২: হামবুর্গ বন্দর
ব্যাখ্যা: জার্মানিতে অবস্থিত এই বন্দরটি উত্তর ইউরোপের প্রধান বাণিজ্য বন্দর এবং এটি বিশ্ব বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান শিল্পপ্রধান দেশ হলেও এর প্রধান বন্দর হলো হামবুর্গ ও ব্রেমেন।
B) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার একটি দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো গোটেনবার্গ যা বল্টিক সাগর বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত।
C) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপের একটি নর্ডিক দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো কোপেনহেগেন যা বাল্টিক সাগরের প্রবেশদ্বারে অবস্থিত।
D) নেদারল্যান্ড — এই অপশনটি সঠিক কারণ রটারডাম বন্দরটি নেদারল্যান্ডসেই অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
রটারডাম নামটির সঙ্গে নেদারল্যান্ডস শব্দটি মনে রাখতে পারেন কারণ এটি ইউরোপের ডাচ অর্থনীতির মূল শক্তি। বন্দর মানেই রটারডাম এবং রটারডাম মানেই নেদারল্যান্ডস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রটারডাম বন্দরটি ইউরোপের প্রবেশদ্বার নামে পরিচিত। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় রটারডাম বন্দর কোন দেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) সিয়েরা লিওন
১. কেন সঠিক:
সিয়েরা লিওন ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি বা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
দেশটিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদান এবং ত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
দেশ: সিয়েরা লিওন, পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী ফ্রিটাউন।
প্রেক্ষাপট: নব্বইয়ের দশকের গৃহযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত সিয়েরা লিওনে শান্তি ফেরাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
গুরুত্ব: অন্য কোনো দেশের মাতৃভাষাকে সম্মান জানানোর বিরল কূটনৈতিক দৃষ্টান্ত এটি এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলা ভাষার মর্যাদাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা: লাইবেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ হলেও বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, বরং এটি মুক্তিকামী কৃষ্ণাঙ্গদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
ব্যাখ্যা: একুশে ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলা ভাষাকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় সিয়েরা লিওনের মতো দেশ বাংলা ভাষাকে সম্মান জানিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইবেরিয়া — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং মার্কিন মুক্ত দাসদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।
B) নামিবিয়া — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি দেশ যা ১৯৯০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে এবং এর সঙ্গে বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির কোনো সম্পর্ক নেই।
C) হাইতি — এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর রাষ্ট্রভাষা মূলত ফ্রেঞ্চ ও হাইতিয়ান ক্রেওল, বাংলা নয়।
D) সিয়েরা লিওন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের সম্মানে বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করেছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিয়েরা লিওন নামটি মনে রাখলেই বুঝবেন এটি আফ্রিকার সেই দেশ যা বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা ভাষাকে ভালোবেসে রাষ্ট্রভাষা করেছিল।
শান্তিরক্ষা মিশন এবং সিয়েরা লিওন এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন দেশ বাংলাদেশকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যার উত্তর সিয়েরা লিওন।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে সিয়েরা লিওনের রাজধানী কোথায় বা শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা কত সালে শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) হাতি
১. কেন সঠিক:
- ‘মাতঙ্গ’ শব্দের অর্থ হাতি। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষ্য পদটি মূলত বিশাল আকৃতির বন্য প্রাণীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- হাতির আরও কিছু সমার্থক শব্দ হলো হস্তি, গজ, করী, দন্তী, বারণ ইত্যাদি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সংশ্লিষ্ট ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক সংস্কৃত শব্দ তৎসম রূপে ব্যবহৃত হয় যেগুলোর নির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাণীবাচক পশুর বিভিন্ন সমার্থক শব্দ যেমন হাতি, ঘোড়া, সিংহ ইত্যাদির সংস্কৃত ও প্রমিত রূপ জানতে চাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গজ
ব্যাখ্যা: এটি হাতির আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্যে পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: করী
ব্যাখ্যা: সুর বা কর বা শুঁড় আছে যার, তাকে করী বলা হয় এবং এটিও হাতির সমার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিণ — হরিণ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো মৃগ, কুরঙ্গ, সারঙ্গ ইত্যাদি কিন্তু মাতঙ্গ নয়।
B) ভুজঙ্গ — ভুজঙ্গ শব্দের অর্থ সাপ বা সর্প, যা হাতির সমার্থক শব্দ নয়।
C) হাতি — এই অপশনটি সঠিক এবং মাতঙ্গ শব্দের সরাসরি অর্থ এটি।
D) হাতিয়ার — হাতিয়ার শব্দের অর্থ অস্ত্র বা যুদ্ধাস্ত্র, যার সঙ্গে মাতঙ্গ শব্দের কোনো মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাতঙ্গ শব্দের শেষে গঙ্গ বা অঙ্গ আছে যা দিয়ে বিশাল দেহী প্রাণীকে বোঝানো যায়। এভাবে মনে রাখতে পারেন মাতঙ্গ মানে বিশাল দেহী হাতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাচক শব্দের তৎসম রূপ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই হস্তি, গজ, মাতঙ্গ ও করী শব্দগুলো একই অর্থে ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত মরনোত্তর কাব্যগ্রন্থ।
- কবি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর তাঁর সংগৃহীত অপ্রকাশিত কবিতা থেকে এই কাব্যগ্রন্থটি সংকলন ও প্রকাশ করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা, যাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়।
- তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নিঃসঙ্গতা, বিষণ্নতা এবং আধুনিক মানুষের মনস্তত্ত্ব গভীর শিল্পরূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি নিসর্গপ্রকৃতিভিত্তিক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মৃত্যুর পর আবিষ্কৃত ও প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: ঝরাপল্লব
ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের একটি উল্লেখযোগ্য মরনোত্তর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তাঁর অসামান্য পঙ্ক্তিমালা স্থান পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই রচিত এবং তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'বেলা অবেলা কালবেলা' তাঁর রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) আহমদ ছফা — তিনি বিশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও কবি, কিন্তু এই কাব্যটির রচয়িতা তিনি নন।
D) হেলাল হাফিজ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় আধুনিক কবি, যাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'যে জলে আগুন জ্বলে', কিন্তু আলোচ্য কাব্যটি তাঁর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীবনানন্দ দাশের নাম এবং তাঁর বিখ্যাত মরনোত্তর কাব্য 'বেলা অবেলা কালবেলা' একসঙ্গে মনে রাখতে "জীবনানন্দের বেলা অবেলা" এই সূত্রটি ব্যবহার করতে পারো।
- তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগুলোর নামের সঙ্গে সময়ের একটি ভাব বা কালচে ছায়া থাকে, যা দিয়ে সহজে চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের মরনোত্তর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরা পালক' এবং তাঁর অনন্য সৃষ্টি 'বনলতা সেন' সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) জসীম উদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- সোজন বাদিয়ার ঘাট একটি জনপ্রিয় কাহিনীকাব্য যার রচয়িতা পল্লীকবি জসীম উদ্দীন।
- গ্রামীণ জীবন ও প্রেমের সুন্দর রূপ এই কাব্যে ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীম উদ্দীন বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও মানুষের জীবন সহজভাবে এসেছে।
- সোজন বাদিয়ার ঘাট ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা রোমান্টিক কাহিনীকাব্যের একটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের লেখা আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাহিনীকাব্য।
উদাহরণ ২: রাখালী
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুফিয়া কামাল — তিনি একজন বিখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী হলেও এই কাব্যের রচয়িতা নন।
B) বন্দে আলী মিঞা — তিনি ময়ূর পঙ্খী রাজহংস ও অন্যান্য পল্লীগীতির জন্য পরিচিত হলেও এই কাব্যের রচয়িতা নন।
C) জসীম উদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত রচনা।
D) ফরিদা খাতুন — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রসিদ্ধ সাহিত্যিক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জসীম উদ্দীনের দুটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো নকশী কাথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট।
- পল্লীকবি বললেই জসীম উদ্দীনের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থের নাম বারবার আসে।
- তাঁর নকশী কাথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধদেব বসু
১. কেন সঠিক:
- ‘নির্জন স্বাক্ষর’ হলো বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- তিরিশের দশকের আধুনিক কবিদের মধ্যে বুদ্ধদেব বসু রোমান্টিকতা ও নাগরিক চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন, যা এই কাব্যে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বুদ্ধদেব বসু একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- ‘বন্দীর বন্দনা’, ‘পাতাল থেকে প্রলাপ’ এবং ‘চৈত্রালী রাত্রি’ তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘বন্দীর বন্দনা’
ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসুর প্রথম প্রকাশিত ও অত্যন্ত সমাদৃত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় নতুন সুর এনেছিল।
উদাহরণ ২: ‘মৌসুমি’
ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তাঁর গদ্য রচনার মুন্শিয়ানার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি তিরিশের দশকের আধুনিক কবি হলেও ‘নির্জন স্বাক্ষর’ তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নয়।
D) বিষ্ণু দে — তিনি একজন মার্ক্সবাদী মননশীল আধুনিক কবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বুদ্ধদেব বসুর নামের সঙ্গে ‘নির্জন স্বাক্ষর’ মনে রাখতে বুদ্ধদেব শব্দটি এবং নির্জন প্রকৃতির একটি মেলবন্ধন তৈরি করতে পারো।
- তিরিশের দশকের কবিদের কাব্যগ্রন্থগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে পরীক্ষার হলে কনফিউশন এড়ানো সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তিরিশের দশকের বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম জিজ্ঞেস করা হয়।
- কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম ও মৃত্যু এবং তাঁর সম্পাদিত বিখ্যাত ‘কবিতা’ পত্রিকা সম্পর্কে জেনে রাখা BCS পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) সুফিয়া কামাল
১. কেন সঠিক:
- ‘সাখের মায়া’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও জননেত্রী সুফিয়া কামাল।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম এবং বাঙালি নারীর স্বাধিকার আন্দোলনের গভীর প্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুফিয়া কামাল বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান নারী কবি ও সাহিত্যিক।
- তাঁর প্রকাশিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সাঁঝের মায়া, মায়াকাজল ও মন ও জীবন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৮ সালে।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে কবি সুফিয়া কামাল বাংলা সাহিত্যজগতে জোরালোভাবে পরিচিতি লাভ করেন।
উদাহরণ ২: একাত্তরের ডायরি সুফিয়া কামালের একটি প্রখ্যাত রচনা।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন তাঁর দিনলিপিভিত্তিক একটি ঐতিহাসিক ও প্রামাণিক দলিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি বিশ শতকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
B) দেবী চৌধুরানী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম এবং এটি কোনো কবির নাম নয়।
C) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, তাঁর প্রধান সৃষ্টি উপন্যাস ও ছোটগল্প।
D) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ‘সাখের মায়া’ বা ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুফিয়া কামալ মানেই প্রকৃতির রূপ ও মায়াভরা কবিতা, যা তাঁর 'সাঁঝের মায়া' কাব্যে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
- কবি সুফিয়া কামালের নামের সঙ্গে 'মায়া'যুক্ত কাব্যগ্রন্থগুলো মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি সুফিয়া কামালের জন্ম, মৃত্যু এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- সাহিত্যিকদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- 'প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোচিত সৃষ্টি।
- এখানে জীবনের প্রকাশ, মৃত্যুচেতনা এবং সময়ের গভীর উপলব্ধিকে কাব্যিক রূপ দেওয়া হয়েছে, যা কবির সাহিত্যিক মুন্সিয়ানার এক অনন্য নিদর্শন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রধান আধুনিক বাংলা কবি যিনি নাগরিক জীবন, প্রতিবাদ এবং আত্মিক উপলব্ধির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির পরিশীলিত শিল্পবোধ এবং সমকালীন বাস্তবতার নান্দনিক রূপায়ণ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যা বাংলা আধুনিক কবিতার ধারায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রৌদ্র করোটিতে
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
উদাহরণ ২: বিধ্বস্ত প্রহর
ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমানের এই কাব্যগ্রন্থেও সমকালীন জীবনযাত্রা ও নান্দনিক ভাবনার গভীর প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও আলোচ্য কাব্যগ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাভুক্ত নয়।
D) আহমদ ছফা — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও চিন্তাবিদ হলেও এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আধুনিক নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের গান ও মৃত্যুর ভাবনা নিয়ে রচিত কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে প্রথম গান ও দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে কথাটি স্মরণ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- জীবনানন্দ দাশকে 'তিমির হননের কবি' বলা হয় কারণ তিনি বাংলা কবিতায় আধুনিক যুগের অন্ধাকার, হতাশা ও সংশয় ভেদ করে আলোর সন্ধান করেছেন।
- 'তিমির হনন' কথার অর্থ হলো অন্ধকার বা অজ্ঞতা দূর করা, যা তাঁর কাব্যের মূল সুরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যাকে বুদ্ধদেব বসু 'নির্জনতম কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'ঝরাপল্লব', 'বনলতা সেন', 'মহাপ্রিথিবী' ও 'সাতটি তারার তিমির' অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কবিতা, যা তাঁর কাব্য প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রকৃতিভিত্তিক একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁকে তিমির হননের কবি বলা হয়।
B) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী কবি ও জননেত্রী, তাঁকে 'জননী সাহসিকা' বলা হয়।
C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি এবং গণমানুষের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং গুরুদেব হিসেবে সমাদৃত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তিমির অর্থাৎ অন্ধকার দূর করতে জীবনানন্দ দাশের কবিতা আলো জ্বেলেছে, এভাবে মনে রাখা যায়।
- সাতটি তারার তিমির কাব্যগ্রন্থটি জীবনানন্দ দাশের লেখা, যা তিমির হননের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কবিদের ছদ্মনাম ও উপাধিগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আহসান হাবীব
কেন সঠিক:
- ‘মেঘ বলে চৈত্র যাব’ কাব্যগ্রন্থটি বিশিষ্ট কবি আহসান হাবীবের অন্যতম বিখ্যাত সৃষ্টি।
- বাংলা আধুনিক কবিতার অঙ্গনে আহসান হাবীব তার স্বকীয় কাব্যভাষার জন্য পরিচিত এবং এই গ্রন্থটি তার কাব্য প্রতিভার এক অনন্য স্বাক্ষর।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা আধুনিক কবিতার ইতিহাসে আহসান হাবীব একজন সংবেদনশীল ও চিত্রকল্পময় কবি হিসেবে পরিচিত।
- তার কবিতায় নাগরিক জীবনের একাকীত্ব, দুঃখ এবং প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।
- ‘মেঘ বলে চৈত্র যাব’ ছাড়াও তার ‘রাত্রি শেষ’, ‘বিদীর্ণ দর্পণে মুখ’ এবং ‘প্রেমের কবিতা’ অত্যন্ত সমাদৃত গ্রন্থ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মহাদেব সাহা — মহাদেব সাহা সমকালের একজন জনপ্রিয় প্রেমের ও দ্রোহের কবি হলেও ‘মেঘ বলে চৈত্র যাব’ তার লেখা নয়।
- B) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার নয়।
- C) আহসান হাবীব — এই অপশনটি প্রশ্নকর্তার ভুল বিন্যাসের কারণে এখানে দেওয়া হয়েছে, তবে মূল সঠিক উত্তর আহসান হাবীব নিজেই।
- D) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ বাংলা প্রকৃতির রূপময়তার শ্রেষ্ঠ কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘বনলতা সেন’ ও ‘ঝরা পালক’ অন্যতম, এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কবি আহসান হাবীবের নামের সাথে ‘মেঘ বলে চৈত্র যাব’ কাব্যগ্রন্থটি মিলিয়ে ছন্দে ছন্দে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) শওকত ওসমান
১. কেন সঠিক:
- ‘আমলার মামলা’ নাটকের রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার শওকত ওসমান।
- বিউরোক্রেসি বা আমলাতন্ত্রের জটিলতা ও এর নেতিবাচক দিক এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হিসেবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যে মূলত সমাজসচেতন কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু নাটকও রচনা করেছেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজজীবনের নানা অসঙ্গতি ও মানুষের মনস্তত্ত্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘কাকপুরাণ’
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তাঁর সমাজসচেতন দৃষ্টিভভূমির পরিচায়ক।
উদাহরণ ২: ‘আমলার মামলা’
ব্যাখ্যা: প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে লেখা এই নাটকটি শওকত ওসমান রচিত অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিনা কবির — ইনি এই নাটকের রচয়িতা নন, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) রোকেয়া হোসেন — বেগম রোকেয়া নারীজাগরণের অগ্রদূত হলেও তিনি এই নাটকটি রচনা করেননি।
C) আবু ইসহাক — ইনি ‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও এই নাটকের লেখক নন।
D) শওকত ওসমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই ‘আমলার মামলা’ নাটকের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শওকত ওসমান ওমানের নামের সঙ্গে আমলাতান্ত্রিক মামলার বিষয় মিলিয়ে নাটকটি সহজে মনে রাখা যায়।
- নাটকের নামের প্রথম শব্দ আমলা এবং লেখকের নামের গুরুত্ব একত্রে স্মরণ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন ‘ক্রীতদাসের হাসি’ ও ‘জননী’ সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- নাট্যকার হিসেবে শওকত ওসমানের অবদান এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) ফররুখ আহমদ
১. কেন সঠিক:
ফররুখ আহমদকে বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় ইসলামী ইতিহাস ঐতিহ্য ও পুনর্জাগরণের চেতনা অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
তার 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতায় মুসলিম জনপদের আশা আকাঙ্ক্ষা এবং রেনেসাঁ বা নবজাগরণের এক অনন্য শিল্পরূপ হিসেবে পরিগণিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান মুসলিম কবি ও সনেটকার।
তার কবিতায় রোমান্টিকতা এবং ইসলামী সংস্কৃতির এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায় যা সেকালের বাঙালি মুসলিম সমাজে গভীর বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাহিত্যিক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাত সাগরের মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মুসলিম রেনেসাঁর চেতনায় সমৃদ্ধ।
উদাহরণ ২: পাখির বাসা
ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার যিনি মূলত রোমান্টিক ও ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনার জন্য বিখ্যাত।
B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এর কোনো ভুল নেই এবং এটি মুসলিম রেনেসাঁর কবির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) শওকত ওসমান — ইনি একজন প্রখ্যাত প্রগতিশীল কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক যিনি সমাজবাস্তবতা ও ইতিহাসাশ্রয়ী উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
D) সেলিনা হোসেন — ইনি সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি মূলত ইতিহাস ও সমাজভিত্তিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফররুখ আহমদের নাম মনে রাখলেই মাথায় আনতে হবে সাত সাগরের মাঝি এবং মুসলিম রেনেসাঁ।
মুসলিম ঐতিহ্য ও নবজাগরণের প্রতীক হিসেবে তাকে সবসময় রেনেসাঁর কবির সঙ্গে মিলিয়ে পড়বে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও তাদের উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
যেমন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং ছান্দসিক কবি বুদ্ধদেব বসু, তাই উপাধির অংশটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) দীনবন্ধু মিত্র
১. কেন সঠিক:
- ‘কমলে কামিনী’ একটি বিখ্যাত নাটক এবং এর রচয়িতা ঊনবিংশ শতকের প্রখ্যাত নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র।
- দীনবন্ধু মিত্র মূলত তাঁর সামাজিক নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি পৌরাণিক ও প্রহসনমূলক নাটকও রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনবন্ধু মিত্র বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী নাম, যিনি বাংলা নাটকে বাস্তবতার ছোঁয়া এনেছিলেন।
- তাঁর রচিত ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি বাংলা নাট্যজগতে বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল এবং এটি নীলকর চাষিদের ওপর চালিত নির্যাতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীলদর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রভাবশালী নাটক, যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা নাটকের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: সধবার একাদশী
ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের একটি জনপ্রিয় প্রহসন, যেখানে সমাজের অবক্ষয় ও মদ্যপানের কুফল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের পথিকৃৎ এবং ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসের রচয়িতা, কোনো নাটক লেখেননি।
B) দীনবন্ধু মিত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ‘কমলে কামিনী’ নাটকের সফল রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
C) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও ‘কমলে কামিনী’ নাটকটি তাঁর রচিত নয়, তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘বিষাদ সিন্ধু’।
D) হরিশ চন্দ্র মিত্র — তিনি সেকালের একজন লেখক ও সাংবাদিক ছিলেন, তবে আলোচ্য ‘কমলে কামিনী’ নাটকের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দীনবন্ধু মিত্রের নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো, তিনি যেমন নীলদর্পণ লিখে বিখ্যাত হয়েছেন, তেমনই কমলে কামিনী নাটকটিও তাঁরই অনবদ্য সৃষ্টি।
- নাটক মনে রাখতে লেখকের অন্যান্য সামাজিক ও পৌরাণিক নাটকের তালিকা মিলিয়ে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীনবন্ধু মিত্রের নাটক এবং প্রহসনগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে ‘নীলদর্পণ’ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ কে করেছিলেন, তা প্রায়ই এমসিকিউ পরীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) জিহীর্ষা
১. কেন সঠিক:
- হরণ করার ইচ্ছাকে এক কথায় প্রকাশ করলে জিহীর্ষা হয়।
- এখানে হরণ বা ছিনিয়ে নেওয়ার বাসনা বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জয়ের ইচ্ছা = জিগীষা
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার তীব্র বাসনাকে এক কথায় জিগীষা বলা হয়।
উদাহরণ ২: বেঁচে থাকার ইচ্ছা = জিদিবিষা
ব্যাখ্যা: জীবন ধরে রাখার বা দীর্ঘকাল বেঁচে থাকার বাসনাকে জিদিবিষা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিহীর্ষা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হরণ করার ইচ্ছা।
B) বিবিক্ষা — এই শব্দের অর্থ দেখার ইচ্ছা, যা হরণ করার ইচ্ছার সঙ্গে মিলে না।
C) জুগুপ্সা — এর সঠিক অর্থ ঘৃণা বা জুগুপ্সা করার ভাব, যা আলোচ্য প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বিদ্রমিষা — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক কোনো এককথায় প্রকাশের রূপ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হরণ করার ইচ্ছা থাকলে প্রথম অক্ষর জ এবং শেষের দিকে ষ যুক্ত হয়ে জিহীর্ষা গঠিত হয়।
- মিলযুক্ত শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- ইচ্ছা সংক্রান্ত শব্দগুলো যেমন জিগীষা, মুমূর্ষু, বিবিক্ষা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) তোষামোদকারী
১. কেন সঠিক:
- 'ধামাধরা' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা যার অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি।
- যে ব্যক্তি নিজের স্বার্থে বা লাভের আশায় অন্যকে অন্ধভাবে সমর্থন করে এবং অযথা প্রশংসা করে, তাকে ধামাধরা বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন ধরনের বাগধারা রয়েছে যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের বড় কর্তার সামনে সবসময় ধামাধরা লোকদের ভিড় লেগেই থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা চাটুকার অর্থে ধামাধরা শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের বিবেক বিসর্জন দিয়ে কারও ধামাধরা হওয়া কোনো কাজের কথা নয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অন্ধ আনুগত্য বা তোষামোদ করার প্রবৃত্তি বোঝাতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কদরহীন লোক — এই অপশনটি ভুল কারণ কদরহীন লোক বলতে যার কোনো মূল্যায়ন বা সম্মান নেই তাকে বোঝায়।
B) তোষামোদকারী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধামাধরা বাগধারাটি সরাসরি চাটুকার বা তোষামোদকারী অর্থ প্রকাশ করে।
C) চক্ষুষ্মান — এই অপশনটি ভুল কারণ চক্ষুষ্মান শব্দের আক্ষরিক অর্থ যার চোখ আছে বা দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তি।
D) হতভাগ্য — এই অপশনটি ভুল কারণ হতভাগ্য বলতে যার ভাগ্য খারাপ বা কপাল মন্দ তাকে বোঝানো হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধামা ধরে যে সবসময় অন্যের তোষামোদ করে বেড়ায়, তাকেই ধামাধরা বলা হয়।
- এই কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বভাব ও চরিত্র নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সাধু
১. কেন সঠিক:
- তস্কর শব্দের অর্থ হলো চোর বা তস্করবৃত্তি করে যে।
- এর সরাসরি বিপরীতার্থক বাার্থক শব্দ হলো সাধু, যার অর্থ সৎ ব্যক্তি বা সজ্জন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষণ পদ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোর এবং সাধু
ব্যাখ্যা: চোর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ সাধু, যা চরিত্রগত দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: কুখ্যাত এবং খ্যাত
ব্যাখ্যা: কুখ্যাত শব্দের অর্থ যার দুর্নাম আছে এবং খ্যাত শব্দের অর্থ যার সুনাম বা পরিচিতি আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লস্কর — লস্কর শব্দের অর্থ হলো সৈনিক বা নৌসেনা, এটি তস্কর শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
B) নিরীহ — নিরীহ শব্দের অর্থ হলো সহজ সরল বা যার কোনো হিংস্রতা নেই, এটি তস্করের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
C) সাধু — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) নির্লোভ — নির্লোভ শব্দের অর্থ যার লোভ নেই, এটি তস্কর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তস্কর মানে চোর আর চোরের উল্টো হলো সাধু মানুষ।
- শব্দার্থ মিলিয়ে পড়লে বিপরীতার্থক শব্দ খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) কারিগর
কেন সঠিক:
- ‘Artisan’ ইংরেজি শব্দটির সঠিক আধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বাংলা পরিভাষা হলো ‘কারিগর’।
- যে ব্যক্তি নিজ হাতে কোনো শিল্পসম্মত বা কারুকার্যময় জিনিস তৈরি করেন, তাকে ইংরেজিতে ‘Artisan’ এবং বাংলায় ‘কারিগর’ বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পরিভাষা হলো কোনো বিদেশি শব্দের সমার্থক সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া।
- ইংরেজি বিশেষ্য পদ ‘Artisan’ মূলত হস্তশিল্পী বা নিপুণ কারিগর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
- যেমন, মৃৎশিল্পী বা তাঁতিদের কাজের ক্ষেত্রে ‘Artisan’ শব্দটির ব্যবহার দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কারিগর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ‘Artisan’ শব্দের সরাসরি পরিভাষা।
- B) কৃত্রিমতা — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো ‘Artificiality’ বা ‘Artificially’।
- C) প্রচ্ছন্ন — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো ‘Latent’ বা ‘Hidden’।
- D) কারুশিল্প — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো ‘Craft’ বা ‘Arts and Crafts’।
মনে রাখার টিপস:
- ‘Art’ শব্দটির সাথে কারু বা শিল্প যুক্ত থাকে এবং এর সাথে সম্পর্কিত ‘Artisan’ অর্থ হলো যিনি এই শিল্প বা কারকাজ করেন অর্থাৎ কারিগর।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়ার আধার বা স্থান বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং আষাঢ়ে শব্দে এ বিভক্তি থাকায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
- এখানে আষাঢ় মাস হলো বৃষ্টি নামার সময় বা কাল, যা অধিকরণ কারকের কালবাচক বা সময়বাচক আধারের অন্তর্ভুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং শব্দের সাথে এ, য়, তে যুক্ত থাকলে তা সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি হয়।
- কালবাচক অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার অত্যন্ত কমন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: প্রভাত একটি সময় এবং এতে এ বিভক্তি থাকায় এটি কালবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বন একটি স্থান বা আধার এবং এতে এ বিভক্তি থাকায় এটি স্থানবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৫মী — কর্তাকারকে সাধারণত প্রথমা, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া বা সপ্তমী বিভক্তি হয়, পঞ্চমী বিভক্তি হয় না।
B) কর্মে ২য়া — কর্ম কারকে সাধারণত প্রথমা বা দ্বিতীয়া বিভক্তি হয়, কিন্তু এখানে বৃষ্টি নামার সময় বা কাল বোঝানো হয়েছে, কর্ম নয়।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে বা যাতায়াত বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান বা সময় বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণ কারক।
D) অধিকরণে ৭মী — এটি সঠিক কারণ এটি ক্রিয়ার কাল বা সময় প্রকাশ করেছে এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কখন বা কোথায় প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অধিকরণ কারক হয়।
- মাস বা ঋতুর নামের সাথে এ বা তে বিভক্তি থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণে সপ্তমী কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কালবাচক অধিকরণে সর্বদা সপ্তমী বিভক্তি হয়, যেমন সকালে, বর্ষায়, বসন্তে।
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তির রূপ দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) পরাজিত
১. কেন সঠিক:
বিজিত শব্দটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যার অর্থ যাকে জয় করা হয়েছে অর্থাৎ পরাজিত।
বি উপসর্গ যোগে জি ধাতুর সঙ্গে ক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিজিত শব্দ গঠিত হয়েছে, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো বিজয়ী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক এই প্রশ্নটি শব্দার্থের গভীরতা নির্দেশ করে।
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দগুলোর মূল অর্থ ব্যাকরণের নিয়ম মেনে নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনীত
ব্যাখ্যা: বিনয় আছে যার, এককথায় প্রকাশ।
উদাহরণ ২: ভীতি
ব্যাখ্যা: ভীত হওয়ার ভাব বা অবস্থা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়ী — এটি বিজিত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, কারণ জয়ী অর্থ যে জয়লাভ করেছে।
C) পুরস্কৃত — এটি আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, যার অর্থ কাউকে সম্মাননা বা পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
D) হাতিয়ার — এটি একটি ভিন্নার্থক শব্দ, যার অর্থ অস্ত্র বা যুদ্ধের সরঞ্জাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
বি উপসর্গ অনেক সময় বিপরীত বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। বিজিত অর্থ জয় করা হয়েছে যার ওপর, অর্থাৎ পরাজিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অর্থ নির্ণয় করতে বলা হয়। শব্দের মূল ধাতু ও প্রত্যয় জানলে সহজেই সঠিক অর্থ বের করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) ঠ
১. কেন সঠিক:
মহাপ্রাণ ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্য বা হ-কারের মতো ধ্বনি থাকে এবং অঘোষ ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না।
ঠ ধ্বনিটি উচ্চারণ করার সময় ফুসফুস থেকে বেশি বাতাস নির্গত হয় এবং এর স্বরতন্ত্রী কাপে না, তাই এটি মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে ঘোষ ও অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
প্রতিটি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ ঘোষ ধ্বনি।
প্রতিটি বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি।
ট বর্গীয় ধ্বনিগুলোর মধ্যে প্রথম বর্ণ ট অল্পপ্রাণ অঘোষ এবং দ্বিতীয় বর্ণ ঠ মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থ
ব্যাখ্যা: থ ধ্বনিটি ত বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ এবং এটি মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনির একটি আদর্শ উদাহরণ।
উদাহরণ ২: খ
ব্যাখ্যা: খ ধ্বনিটি ক বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ এবং এটি মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনির অপর একটি নির্ভুল উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চ — চ ধ্বনিটি মহাপ্রাণ নয়, এটি একটি অল্পপ্রাণ অঘোষ ধ্বনি কারণ এটি বর্গের প্রথম বর্ণ।
B) ধ — ধ ধ্বনিটি অঘোষ নয়, এটি একটি মহাপ্রাণ ঘোষ ধ্বনি কারণ এটি ত বর্গের চতুর্থ বর্ণ।
C) ম — ম ধ্বনিটি অঘোষ বা মহাপ্রাণ নয়, এটি প বর্গের একটি নাসিক্য বা ঘোষ ধ্বনি।
D) ঠ — এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রতিটি বর্গের প্রথম বর্ণ অল্পপ্রাণ অঘোষ এবং দ্বিতীয় বর্ণ মহাপ্রাণ অঘোষ।
ঠ বর্ণটি ট বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় এটি নিশ্চিতভাবে মহাপ্রাণ অঘোষ ধ্বনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘোষ ও অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি নির্ণয় করতে ছক মনে রাখা জরুরি।
বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ মনে রাখলে অঘোষ ধ্বনি সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ফরাসি
কেন সঠিক:
- রেস্তোরাঁ শব্দটি বাংলা ভাষায় সরাসরি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে।
- খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির আদানপ্রদানের মাধ্যমে এই বিদেশি শব্দটি আমাদের ভাষায় স্থান করে নিয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ বা আগন্তুক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- ফরাসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে রেস্তোরাঁ একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ।
- এই শব্দগুলোর বানান এবং উচ্চারণ সাধারণত মূল ফরাসি ভাষার কাছাকাছি রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় নানা শব্দ এলেও রেস্তোরাঁ ফারসি শব্দ নয়।
- B) ফরাসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) দৈনিক — দৈনিক কোনো বিদেশি ভাষার শব্দ নয়, এটি আরবি দিন শব্দ থেকে উদ্ভূত একটি তদ্ভব বা মিশ্র শব্দ প্রকৃতির।
- D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি শব্দ এলেও রেস্তোরাঁ আসেনি।
মনে রাখার টিপস:
- খাদ্য ও আতিথেয়তা বোঝাতে ফরাসি শব্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়, যেমন রেস্তোরাঁ একটি ফরাসি শব্দ।
সঠিক উত্তর: C) যোগরূঢ়
১. কেন সঠিক:
- সুহৃদ শব্দটি যোগরূঢ় শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে তার সাধারণ বা সরাসরি অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করেছে।
- সুহৃদ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো সুহৃদ (সু অর্থ ভালো এবং হৃদ অর্থ হৃদয়), যার আক্ষরিক অর্থ ভালো হৃদয় যার, কিন্তু যোগরূঢ় নিয়মে এটি নির্দিষ্ট করে বন্ধু বা হিতাকাঙ্ক্ষী অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সব শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে পদের পেছনের সাধারণ অর্থ বজায় না রেখে সম্পূর্ণ আলাদা কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলা হয়।
- এটি মূলত যৌগিক ও রূঢ় শব্দের সংমিশ্রণে গঠিত হয় যেখানে সমাসের সাহায্যে শব্দ গঠিত হলেও তা প্রত্যয় বা প্রাকৃতিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো অর্থ গ্রহণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা, কিন্তু সাধারণ অর্থে পঙ্কজ না বুঝিয়ে এটি কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপথ
ব্যাখ্যা: রাজার পথ, কিন্তু সাধারণ অর্থে রাজার যাতায়াতের পথ না বুঝিয়ে এটি প্রধান সড়ক বা বড় রাস্তাকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৌলিক — মৌলিক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙা যায় না যেমন হাত, নাক, কলম।
B) রুঢি — রুঢি শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হয়ে মূল অর্থ প্রকাশ না করে অন্য বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে যেমন হস্তী।
D) যৌগিক — যৌগিক শব্দ গঠিত হওয়ার পর তার অংশগুলোর মিলিত অর্থ প্রকাশ করে যেমন গায়ক, গৈ + অক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমাস নিষ্পন্ন হয়ে যে শব্দগুলো সাধারণ অর্থ ছেড়ে বিশেষ কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝায়, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ মনে রাখবে।
- পঙ্কজ, রাজপথ, জলধি এবং সুহৃদ—এই কয়েকটি যোগরূঢ় শব্দ ভালো করে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই যোগরূঢ় শব্দ শনাক্ত করতে বলা হয়।
- বিশেষ করে পঙ্কজ, রাজপথ ও সুহৃদ এই তিনটি শব্দ বারবার বিসিএস ও অন্যান্য চাকরীর পরীক্ষায় অপশনে আসে।
সঠিক উত্তর: C) শ্রু + য
১. কেন সঠিক:
- ‘শ্রব্য’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো শ্রু ধাতু যোগ য প্রত্যয়। এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
- ‘শ্রব্য’ শব্দের অর্থ যা শোনা উচিত বা শোনার যোগ্য। এটি শ্রবণ করার যোগ্য অর্থে তদ্ধিত বা কৃৎ সাধিত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয়। এখানে ‘শ্রু’ হলো সংস্কৃত ধাতু এবং ‘য’ হলো কৃৎ প্রত্যয়।
- নিয়মানুযায়ী ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত ধাতুর উত্তর ঘ্যঞ বা য প্রত্যয় যুক্ত হলে গুণের নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন ঘটে এবং পদের রূপ সাধিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √দৃশ + য = দৃশ্য
ব্যাখ্যা: দেখার যোগ্য অর্থে দৃশ ধাতুর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৃশ্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: √শ্রু + ত = শ্রুত
ব্যাখ্যা: শোনা হয়েছে এমন অর্থে শ্রু ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রুত শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রু + ব — এই অপশনটি ভুল কারণ শ্রু ধাতুর সঙ্গে ব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শ্রব্য শব্দ গঠিত হয় না।
B) শ্র + ব — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘শ্র’ কোনো মূল সংস্কৃত ধাতু নয়, এর মূল ধাতু হলো ‘শ্রু’।
C) শ্রু + য — এটি সঠিক অপশন কারণ শ্রু ধাতুর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়েই শ্রব্য শব্দটি সঠিকভাবে সাধিত হয়।
D) অপশনটিতে শ্র + ব উল্লেখ আছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং মূল ধাতুর সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শ্রবণ সম্পর্কিত শব্দ যেমন শ্রব্য, শ্রবণ ইত্যাদির মূল ধাতু হলো শ্রু। যোগ্য বা উচিত অর্থে সাধারণত য প্রত্যয় যুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল ধাতু চেনা অত্যন্ত জরুরি। কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সেলিনা হোসেন
কেন সঠিক:
১. ‘জলবতী মেঘের বাতাস’ গল্পটি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত সাহিত্যকর্ম।
২. তাঁর রচনার মূল উপজীব্য হলো সমাজবাস্তবতা, নারীর সংগ্রাম এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা যা এই গল্পেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি আধুনিক বাংলা গল্পের কাঠামোর মধ্যে রচিত যেখানে গ্রামীণ জনজীবন ও প্রকৃতির রূপ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সেলিনা হোসেন তাঁর উপন্যাস ও ছোটগল্পে সমসাময়িক সামাজিক সমস্যা এবং মানুষের আবেগ অত্যন্ত মুনশিয়ানার সাথে তুলে ধরেন।
৩. তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গল্পের মধ্যে ‘জলবতী মেঘের বাতাস’ বিশেষ সাহিত্যিক মর্যাদার অধিকারী এবং পাঠ্যপুস্তকে বহুল পঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম রোকেয়া — তিনি মূলত মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং ‘সুলতানার স্বপ্ন’ ও ‘পদ্মরাগ’ এর মতো প্রখ্যাত রচনার রচয়িতা।
B) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক যিনি মূলত তাঁর প্রকৃতি ও স্বাধিকার আন্দোলনের কবিতার জন্য পরিচিত।
C) সেলিনা হোসেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং তিনি নিজেই এই গল্পের রচয়িতা।
D) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি সমকালীন বাংলা কবিতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি গদ্যের চেয়ে মূলত শক্তিশালী কাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
১. সেলিনা হোসেনের নামের সাথে ‘জলবতী মেঘের বাতাস’ গল্পটি মিলিয়ে একটি ছোট বাক্য তৈরি করে মনে রাখতে পারো।
২. মেঘ এবং বাতাসের মতো প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে সেলিনা হোসেনের গ্রামীণ পটভূমির গল্পের সংযোগটি বারবার অনুশীলন করো।
সঠিক উত্তর: D) হুমায়ুন আজাদ
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে উল্লেখিত ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত লেখক হুমায়ুন আজাদ।
- বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল চিন্তা, প্রতিবাদী স্বর এবং ভাষা ও সমাজচেতনার অন্যতম প্রধান রূপকার ছিলেন এই লেখক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হুমায়ুন আজাদ একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও ভাষাবিজ্ঞানী হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত লাভ করেছিলেন।
- তার রচিত এই উপন্যাসটিতে বাংলাদেশের ভূখণ্ড, রাজনীতি, মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তত্ত্ব এবং সমকালীন রাষ্ট্রীয় সংকট গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাক স্যার ক্যাবল্লা
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যাঙ্গাত্মক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কবিত্ব
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি বিখ্যাত মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসটির রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে দেবী ও নন্দিত নরকে অন্যতম।
B) হুমায়ুন কবির — ইনি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তার পরিচিতি মূলত ভিন্ন ধারার রচনার জন্য।
C) ফররুখ আহমদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী ভাবধারার কবি হলেও উপন্যাস রচনার চেয়ে কাব্যরচনার জন্যই সর্বাধিক পরিচিত।
D) হুমায়ুন আজাদ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটিই এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ুন আজাদের ছ নাম দিয়ে শুরু উপন্যাসের সংখ্যা কম, এর মধ্যে ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল তার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক উপন্যাস।
- লেখক নামের সাথে উপন্যাসের নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে পড়ার কৌশল ব্যবহার করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ুন আজাদের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের জন্ম ও মৃত্যুর সাল পাশাপাশি তার বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ লাল নীল দীপাবলি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শশবস্তু
১. কেন সঠিক:
- শশবস্তু একটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে শশ বা খরগোশের সাথে বস্তু বা অস্তিত্বের তুলনা বোঝানো হয়েছে।
- উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা করা হয় যেখানে উপমান পদটি দৃশ্যমান বা বাস্তব হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা করা হয় এবং এটি মূলত বাস্তব বা দৃশ্যমান বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
- শশবস্তু শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো শশের ব্যস্তু যার অর্থ খরগোশের শিং যা বাস্তবে অসম্ভব কিন্তু কল্পনার সাহায্যে তুলনা করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র
ব্যাখ্যা: তুষারের মতো শুভ্র এখানে তুষারের সাথে শুভ্রতার তুলনা করা হয়েছে এবং এটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: অজর অমর
ব্যাখ্যা: জরা নাই যার এবং মরণ নাই যার এটি অন্য সমাস হলেও উপমান কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে শশব্যস্ত বা তুষারশুভ্র বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালচক্র — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ কাল বা সময় এবং চক্রের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।
B) পরানপাখি — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ প্রাণ ও পাখির মধ্যে রূপ বা অভিন্নতা আরোপ করা হয়েছে।
D) বহুব্রীহি — এটি কোনো কর্মধারয় সমাস নয় বরং এটি একটি স্বতন্ত্র সমাসের নাম যার অর্থ ভিন্ন পদ প্রধান হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপমান মানে বাস্তব বা দৃশ্যমান উপমা আর উপমিত মানে কল্পিত বা কাল্পনিক তুলনা।
- শশবস্তু বা তুষারশুভ্র দেখলে মনে রাখবে এগুলো সবই উপমান কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই উপমান ও উপমিতর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয় করতে পারলে সমাস চেনা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি মূলত ব্যাকরণগত দিক থেকে ত্রুটিপূর্ণ। ‘চিকিৎসাশাস্ত্র’ শব্দটি কর্মধারয় সমাস নয়, এটি নিশ্চিতভাবে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। সঠিক ব্যাসবাক্য হলো চিকিৎসার শাস্ত্র। এখানে পরপদ শাস্ত্রের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে এবং সম্বন্ধ পদে ষষ্ঠী বিভক্তির লোপ পেয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় উত্তরপত্রে ভুল থাকতে পারে, তাই আমাদের ব্যাকরণের সঠিক নিয়মের ওপর নির্ভর করতে হবে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। বিশেষ করে পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র বা এর) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয় তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলা হয়। চিকিৎসাশাস্ত্র শব্দটিতে চিকিৎসার শাস্ত্র ব্যাসবাক্য অনুসারে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চায়ের বাগান
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো চায়ের বাগান, যেখানে ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশসেবা
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো দেশের সেবা, যা ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও পরীক্ষামুখী উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — প্রদত্ত উত্তরপত্রে এটি সঠিক বলা হলেও ব্যাকরণগতভাবে এটি ভুল কারণ এখানে পদের তুলনা বা বিশেষ্য-বিশেষণের সম্পর্ক নেই।
B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদের অর্থ বোঝায় না সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, যা চিকিৎসাশাস্ত্র শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত পূর্বপদে অব্যয় থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
D) তৎপুরুষ — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং এটিই এই প্রশ্নের প্রকৃত ও সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
র বা এর বিভক্তিযুক্ত সম্বন্ধ পদের সমাস দেখলেই চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। চিকিৎসাশাস্ত্র মানে চিকিৎসার শাস্ত্র, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই ষষ্ঠী তৎপুরুষ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বইয়ের মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে উত্তর ভুল থাকতে পারে। তাই উত্তর মুখস্থ না করে সবসময় ব্যাকরণের মূল নিয়ম ও ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করে উত্তর করা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: B) ষট্ + দশ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ট কিংবা ঠ-এর পরে দ কিংবা ধ থাকলে প্রথমটির স্থানে ড কিংবা ঢ হয় এবং দ বা ধ-এর স্থানে ধ হয়। এখানে ষট্ পদের ট-এর সঙ্গে দশ পদের দ যুক্ত হয়ে ষোড়শ শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে পদের অন্তস্থিত অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি ঘোষ ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়। বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে পরিবর্তন ঘটে তা ব্যঞ্জনসন্ধি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষট্ + দর্শন = ষোড়দর্শন।
ব্যাখ্যা: এখানে ট-এর সঙ্গে দ যুক্ত হয়ে ড এবং দ পরিবর্তিত হয়ে ধ হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৎ + দিন = তদ্দিন।
ব্যাখ্যা: ত-এর পরে দ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ তে পরিণত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষট + দশ — এই অপশনে হসন্ত নেই যা ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণ উচ্চারণ নির্দেশ করায় ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ।
C) ষড় + দশ — এই অপশনে প্রদত্ত মূল শব্দের প্রমিত রূপ বা হসন্তের ব্যবহার সঠিক নয়।
D) ষড়্ + দশ — এই অপশনে অতিরিক্ত ড-এর নিচে হসন্ত দেওয়া হয়েছে যা সঠিক সন্ধিনিয়মের পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে প্রথম পদে অবশ্যই হসন্তযুক্ত ট থাকতে হবে। ট-এর সঙ্গে দশ যোগ হয়ে ষোড়শ গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো প্রায়ই আসে। তাই হসন্তের ব্যবহার এবং নিয়মের ব্যতিক্রম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) নিঃ + আকরণ
১. কেন সঠিক:
নিরাকরণ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো নিঃ যোগ আকরণ। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুসারে বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বরধ্বনি দীর্ঘ হয়। এখানে নিঃ এর বিসর্গের সঙ্গে আকরণ শব্দের আ যুক্ত হয়ে নিরাকরণ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আবিষ্কার = আবিঃ + কার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়।
উদাহরণ ২: মনস্তাপ = মনঃ + তাপ
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ত থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির + আকরণ — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক সন্ধি নয় কারণ এখানে বিসর্গ বাদ দিয়ে নির ব্যবহার করা হয়েছে।
B) নিঃ + করণ — এটি ভুল কারণ এখানে দ্বিতীয় অংশ আকরণ এর বদলে করণ ব্যবহার করা হয়েছে।
C) নিঃ + আকরণ — এটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্দিষ্ট উত্তর।
D) নিরা + করণ — এটি ভুল কারণ নিরা কোনো মৌলিক উপসর্গ বা সন্ধির সঠিক পূর্বপদ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিরাকরণ শব্দের সন্ধি মনে রাখতে নিঃ এর সঙ্গে আকরণ যুক্ত হওয়ার বিষয়টি খেয়াল রাখবে। বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে দীর্ঘ স্বর আসার নিয়মটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিসর্গ লোপ পাওয়ার নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ অতীত
১. কেন সঠিক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের সাধারণ সময় নির্দেশ করায় বাক্যটি সাধারণ অতীতের উদাহরণ হয়েছে।
- অতীতকালের কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বোঝালে তাকে সাধারণ অতীতকাল বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে ক্রিয়া অতীতে সাধারণভাবে শেষ হয়েছে বা যার ফল শেষ হয়ে গেছে, তাকে সাধারণ অতীতকাল বলে।
- ক্রিয়ামূলের সঙ্গে ল (লাম, লি, লে, লেন) বিভক্তি যুক্ত হয়ে সাধারণ অতীতকাল গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি স্কুলে গিয়েছিলাম।
ব্যাখ্যা: এখানে যাওয়া ক্রিয়াটি অতীতে সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়েছে তাই এটি সাধারণ অতীতকাল।
উদাহরণ ২: সে একটি গান গেয়েছিল।
ব্যাখ্যা: গাওয়া ক্রিয়াটি অতীতে ঘটে গেছে এবং এর সাধারণ প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিত্যবৃত্ত অতীত — অতীতে যে কাজ নিয়মিত বা সচরাচর হতো তা বোঝালে নিত্যবৃত্ত অতীত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) সাধারণ অতীত — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্রিয়াটি অতীতে সাধারণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে।
C) পুরাঘটিত অতীত — যে কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং তার ফল এখনও বিদ্যমান, তাকে পুরাঘটিত অতীত বলে, যা এখানে নেই।
D) ঘটমান অতীত — অতীতে যে কাজ চলছিল বা ঘটছিল তা বোঝালে ঘটমান অতীত হয়, কিন্তু এখানে কাজ শেষ হয়ে গেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়ার শেষে ল, লাম, লি, লে, লেন থাকলে এবং কাজটি সাধারণভাবে শেষ বোঝালে সাধারণ অতীত হয়।
- বর্তমান কালের সাধারণ রূপের মতো অতীতেও সাধারণ ভাব প্রকাশ পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ক্রিয়ার বিভক্তি চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
- বাক্যের ক্রিয়াপদ কোন সময়ে শেষ হয়েছে তা খেয়াল করলে খুব সহজেই কাল নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে ৬ষ্ঠী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে চোখ থেকে জল ঝরে বা নির্গত হয়, আর যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন বা নির্গত হয় তাকে অপাদান কারক বলে।
- চোখের শব্দের সঙ্গে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে যে সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে কারক বলে।
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, ভীত, রক্ষিত, উৎপন্ন, নিষ্কৃত বা নির্গত হয় এবং যা দেখে কেউ বিরত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হচ্ছে, তাই গাছ থেকে অপাদানে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: হিমালয় থেকে নদী উৎপন্ন হয়েছে।
ব্যাখ্যা: হিমালয় থেকে নদী উৎপন্ন বা নির্গত হওয়ায় হিমালয় পদটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে ৬ষ্ঠী — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এখানে চোখ থেকে জল নির্গত হওয়া বোঝাচ্ছে এবং চোখের শব্দের সঙ্গে র বা এর বিভক্তি যুক্ত আছে।
B) করণে ৫মী — করণ কারক দ্বারা যন্ত্র বা সহায়ক বোঝায় এবং পঞ্চমী বিভক্তি হতে, থেকে, চেয়ে অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সম্প্রদানে ৭মী — সম্প্রদান কারক নিঃস্বার্থভাবে কিছু দান করা বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক দ্বারা স্থান বা কাল বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান বা সময় নয় বরং নির্গমন বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, বিচ্যুতি, নির্গমন, ভয় বা দূরত্ব বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- শব্দের শেষে র বা এর যুক্ত থাকলে তা ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে শব্দের সঙ্গে যুক্ত অনুসর্গ বা বিভক্তি দেখতে হবে।
- নির্গমন বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালে সাধারণত অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: D) preposition
কেন সঠিক:
এখানে following শব্দটি একটি noun phrase এর পূর্বে বসেছে এবং তার সাথে বাক্যের অন্য শব্দের সম্পর্ক বুঝিয়েছে।
তাই এটি সাধারণত preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না।
B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কে মডিফাই করছে না।
C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না বা subject অথবা object এর কাজ করছে না।
D) preposition — এটি বাক্যে সঠিক অর্থ প্রকাশ করতে সফলভাবে preposition এর কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ing যুক্ত শব্দ যদি noun বা pronoun এর আগে বসে relation বোঝায়, তবে তা preposition হয়।
সঠিক উত্তর: C) walking
কেন সঠিক:
- While এর ঠিক পরপর কোনো Subject না থাকলে সরাসরি Verb এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
- এখানে While এর পরে Subject না থাকায় সঠিক উত্তর হিসেবে walking ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) walk — এটি Verb এর বেস ফর্ম, যা While এর পর Subect ছাড়া সরাসরি বসে না।
B) walked — এটি Past Form, যা এই নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) walking — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী এটি সঠিক।
D) walks — এটি Present Indefinite Tense এর Singular রূপ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
While এর পর Subject না থাকলে পরের Verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Barnard Shaw
কেন সঠিক:
3. "Man and Superman" বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ এর একটি জনপ্রিয় দার্শনিক নাটক। তিনি ১৯০৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন।
এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের বিবর্তনবাদ এবং সমাজ সংস্কারের বিভিন্ন দিক।
নাটকটি ইংরেজি সাহিত্যে তার অন্যতম সেরা সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Barnard Shaw — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই নাটকের সফল রচিয়তা।
B) Charles Dickens — তিনি এই নাটকের রচিয়তা নন, বরং তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক।
C) Lord Byron — তিনি এই নাটকের রচিয়তা নন, বরং তিনি রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি।
D) Monika Ali — তিনি এই নাটকের রচিয়তা নন, বরং তিনি সমসাময়িক একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
মনে রাখার টিপস:
বার্নার্ড শ এর নামের সাথে "Superman" শব্দটি মিলিয়ে নাটকটির নাম মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) French revolution
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লবের সময় তরুণ বয়সে ফ্রান্সে গিয়েছিলেন এবং এর আদর্শে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
এই বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার বাণী তাঁর মনে গভীর রেখাপাত করেছিল।
পরবর্তীতে তাঁর কবিতায় সাধারণ মানুষের প্রতি যে ভালোবাসা দেখা যায়, তার পেছনে ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) American revolution — আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ ওয়ার্ডসওয়ার্থের সাহিত্যিক দর্শন বা চিন্তাধারাকে সেভাবে প্রভাবিত করেনি।
B) Industrial revolution — শিল্প বিপ্লবের ফলে প্রকৃতির ধ্বংস ও মানুষের কষ্টের কথা তিনি বিরূপভাবে দেখেছেন, অনুপ্রেরণা হিসেবে নয়।
C) Russian revolution — রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল ওয়ার্ডসওয়ার্থের মৃত্যুর অনেক পরে, তাই এর কোনো প্রভাব তাঁর ওপর ছিল না।
D) French revolution — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর আদর্শ তাঁর সাহিত্য জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ ছিলেন প্রকৃতির কবি এবং ফরাসি বিপ্লবের আদর্শবাদী তরুণ, যিনি ফরাসি বিপ্লব দ্বারা সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) acme
কেন সঠিক:
acme শব্দের অর্থ হলো কোনো ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ শিখা বা চরম উৎকর্ষ।
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সাহিত্যজীবনের সর্বোচ্চ বিন্দু বোঝাতে acme শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) abattor — এই শব্দটির অর্থ হলো পশু জবাইয়ের স্থান, যা সাহিত্যজীবনের সাথে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
B) acme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) admonish — এই শব্দটির অর্থ হলো কাউকে সতর্ক করা বা তিরস্কার করা, যা শূন্যস্থানে বসে না।
D) abdicate — এই শব্দটির অর্থ হলো পদত্যাগ করা বা ক্ষমতা ত্যাগ করা, যা এই বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
acme শব্দটি মনে রাখার জন্য পাহাড়ের চূড়ার কথা ভাবতে পারো কারণ acme মানেই হলো যেকোনো বিষয়ের সর্বোচ্চ শিখা।
সঠিক উত্তর: C) some time
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের আগে spent verbটি রয়েছে যার পরে সময় কাটানো অর্থে noun phrase বসে।
some time কথাটি একটি noun phrase যার অর্থ কিছু সময়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে some time।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sometimes — এটি একটি adverb যার অর্থ মাঝে মাঝে এবং তা এখানে বসে না।
B) sometimes — এটিও একই শব্দ এবং বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
C) some time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় নেই।
D) some times — এর অর্থ হলো কয়েকটি বার, যা সময় কাটানোর পরিমাণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
একসাথে some time লিখলে তা সময় বোঝায় এবং আলাদা লিখলে some times লিখলে তা বার বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) Book : Preface
কেন সঠিক:
সংবিধানের সূচনা বা প্রাথমিক ঘোষণাকে প্রস্তাবনা বা Preamble বলা হয়। ঠিক একইভাবে একটি বইয়ের শুরু বা প্রাথমিক অংশকে ভূমিকা বা Preface বলা হয়।
এই দুটি জোড়ার মধ্যে মূল বিষয় এবং তার সূচনামূলক অংশের সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।
প্রধান বিষyu শুরু করার আগের ঘোষণাকে এখানে বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Legislation : Assembly — আইনসভা এবং বিধানসভা একই ধরণের বিষয়ের পরিপূরক নয়।
B) Book : Preface — এটি সঠিক জোড়া হওয়ায় এখানে ভুল নয়, এটিই মূল উত্তর।
C) Prelude : Overture — এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই ধরণের সূচনা, তাই এদের সম্পর্ক আলাদা।
D) Opera : Music — অপেরা একটি সঙ্গীত নাট্যরূপ এবং সঙ্গীত হলো তার অংশ, ভূমিকা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল বিষয়ের শুরুর অংশ মনে রাখলে এই ধরণের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Proprietor
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানানে Pro-pri-e-tor এই অংশগুলো সঠিকভাবে বিন্যস্ত আছে।
এর অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিক বা সত্ত্বাধিকারী।
বানানটিতে সঠিক স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মেলবন্ধন ঘটেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Propritor — বানানে মাঝের e বর্ণটি বাদ পড়েছে।
B) Proitor — বানানে প্রয়োজনীয় অক্ষরগুলো অনুপস্থিত রয়েছে।
C) Proprietor — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক।
D) Proprietoere — বানানে শেষে অতিরিক্ত ere বর্ণ যুক্ত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে Pro-pri-e-tor এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে শিখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) He talks as if he knew everything.
কেন সঠিক:
বাংলায় যেন বা মনে হয় অর্থ প্রকাশ করতে as if বা as though conjunction ব্যবহার করা হয়।
এই ধরনের বাক্যের প্রথম অংশ present tense হলে দ্বিতীয় অংশ past indefinite tense হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He talks after knowing everything. — এটি সঠিক গ্রামার হলেও মূল বাক্যের ভাব বা অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ করে না।
B) He talks like he knows everything. — এখানে tense এর নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়নি এবং like এর চেয়ে as if ব্যবহার করা ভালো।
C) He talks knowing everything. — এটি participial phrase হিসেবে গঠিত হয়েছে যা বাংলা বাক্যের গঠনকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
D) He talks as if he knew everything. — এটি সঠিক কারণ এটি as if এর পরের অংশে past tense ব্যবহার করে সঠিক নিয়ম মেনেছে।
মনে রাখার টিপস:
as if বা as though এর আগের অংশ present tense হলে পরের অংশে সবসময় verb এর past form বা were বসে।
সঠিক উত্তর: C) exciting
কেন সঠিক:
Insipid শব্দের অর্থ স্বাদহীন, নিরানন্দ বা নিরাসক্ত।
Exciting শব্দের অর্থ রোমাঞ্চকর বা উদ্দীপক, যা এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cold — এর অর্থ ঠান্ডা বা শীতল, যা insipid শব্দের সঠিক বিপরীত নয়।
B) dull — এর অর্থ নিষ্প্রভ বা নিરસ, যা insipid শব্দের সমার্থক শব্দ।
C) exciting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) sanguine — এর অর্থ আশাবাদী, যা insipid শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Insipid মানে স্বাদহীন খাবার বা বিরক্তিকর কিছু, আর exciting মানে তার সম্পূর্ণ উল্টো রোমাঞ্চকর বিষয়।
সঠিক উত্তর: A) Irresistible
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রথমে i, এরপর r, এরপর resistible যুক্ত হয়। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি বিশেষণ পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Irresistable — এখানে বানান ভুল কারণ শেষে able এর পরিবর্তে ible হবে।
B) Iresistalbe — এখানে শুরুতে ডাবল r এর জায়গায় সিঙ্গেল r এবং শেষে বানান ভুল আছে।
C) Iresistible — এখানে প্রথম অংশে একটি r কম দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
resist শব্দের সাথে ible যোগ করে বানানটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) Parliament
কেন সঠিক:
সঠিক বানানটিতে শুরুতে পার (Par) এবং শেষেিয়ামেন্ট (liament) অংশ আছে।
মাঝখানের আই (i) অক্ষরটি এই বানানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Parliament — এই বানানটিও সঠিক এবং একই রকম।
B) Perlament — এখানে আই (i) অক্ষরের বদলে ই (e) ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Palament — এখানে মাঝখানের লি (li) অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
D) Parliament — এটি সঠিক অপশন এবং মূল বানানের নিয়ম মেনে চলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার জন্য পার (Par) এবং লিয়ামেন্ট (liament) আলাদা করে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) Practical
কেন সঠিক:
pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তবধর্মী বা ব্যবহারিক।
এটি মূলত বাস্তবসম্মত চিন্তা ও কাজের সাথে সম্পর্কিত।
তাই প্রাগম্যাটিক ব্যক্তি সবসময় বাস্তববাদী হন।
এর সাথে Practical শব্দের সরাসরি মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wasteful — এই শব্দের অর্থ অপচয়কারী, যা প্রাগম্যাটিক শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Productive — এর অর্থ উৎপাদনশীল, যা কাজের ফল প্রকাশ করে কিন্তু সরাসরি বাস্তববাদ বোঝায় না।
C) Practical — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Powerful — এই শব্দের অর্থ শক্তিশালী, যা বাস্তববাদিতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Pragmatic শব্দটিকে Practical বা বাস্তবসম্মত কাজের সাথে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) Give a false alarm
কেন সঠিক:
cry wolf একটি ইংরেজি idiom বা প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ বাঘ আসার মিথ্যা চিৎকার করা।
এর মাধ্যমে মূলত এমন কোনো পরিস্থিতির কথা বোঝানো হয় যেখানে কোনো বিপদের আশঙ্কা না থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Give a false alarm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাক্যাংশটি মিথ্যা আতঙ্ক সৃষ্টি করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Bare one’s teeth — এর অর্থ দাঁত বের করা বা কাউকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যা মূল প্রবচনের সাথে মিলে না।
C) Clear the road — এর অর্থ রাস্তা পরিষ্কার করা বা চলাচলের পথ সুগম করা যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Show anger — এর অর্থ রাগ প্রকাশ করা কিন্তু cry wolf প্রবচনটি রাগ প্রকাশ করার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Aesop এর রাখাল বালক ও বাঘের গল্পটি মনে রাখবে যেখানে বালকটি বারবার মিথ্যা বিপদ বা বাঘ আসার ডাক দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছিল।
সঠিক উত্তর: B) নিকটবর্তী
কেন সঠিক:
Adjacent to একটি ইংরেজি গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজ যার বাংলা অর্থ খুব কাছে বা পাশে অবস্থিত।
ইংরেজি গ্রামারে এই ফ্রেজটি সাধারণত কোনো স্থান বা বস্তুর কাছাকাছি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
এটি একে অপরের কাছাকাছি অবস্থান নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
এই কারণে সঠিক উত্তরটি নিকটবর্তী হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরক্ত হওয়া — এই অর্থটি সম্পূর্ণ আলাদা এবং এর সঠিক ইংরেজি শব্দ বিরক্ত করা বা বিরক্ত হওয়া বোঝায়।
B) নিকটবর্তী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপਸ਼ਨটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
C) বিপরীত দিক — এই অর্থটি বোঝাতে সাধারণত অপজিট বা বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) খাপ খাওয়া — এই অর্থটি মানিয়ে নেওয়া বা এডজাস্ট করা বোঝায় যা এই ফ্রেজের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Adjacent শব্দের সাথে সবসময় টু বসে এবং এর মানে পাশে বা কাছে থাকা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Tsunami
কেন সঠিক:
শব্দটির শুরুতে একটি নীরব টি বর্ণ থাকে যা উচ্চারণ করা হয় না।
এর সঠিক বানান জাপানি ভাষা থেকে এসেছে যেখানে সু এবং আমি মিলে এই সমুদ্রের বিশাল ঢেউ বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Suname — টি বর্ণ বাদ পড়ার কারণে এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান হয়েছে।
B) Sunamee — শেষের অংশে ই বানানটি ভুল এবং সঠিক গঠন অনুসরণ করেনি।
C) Tsunami — এটি সঠিক বানান যা মূল শব্দের উৎস অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে।
D) Tunami — শুরুর টি বর্ণ থাকলেও মাঝখানের বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার সময় মাথায় রাখতে হবে যে সু শব্দের সাথে নাভি যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে যার শুরুতে টি বর্ণ silent থাকে।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
এখানে admit of একটি বিশেষ ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এর অর্থ হলো কোনো কিছুর সুযোগ রাখা বা অবকাশ দেওয়া।
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় তোমার আচরণের কোনো ক্ষমা নেই।
তাই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে of বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — admit এর পর for প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) at — admit এর সাথে at যুক্ত হয়ে কোনো উপযুক্ত বা গ্রহণযোগ্য অর্থ তৈরি করে না।
C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) from — admit এর পর from প্রিপজিশন ব্যবহার করলে বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুর অবকাশ বা সুযোগ বোঝাতে admit শব্দের পরে সবসময় of প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) in
কেন সঠিক:
দক্ষ বা পারদর্শী অর্থে কোনো বিষয়ে বোঝাতে expert শব্দের পরে সাধারণত in প্রিপজিশন বসে।
পদার্থবিজ্ঞানের মতো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা বোঝাতে এখানে in ব্যবহার করা হয়েছে।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় মিস্টার আনোয়ার পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট কাজে দক্ষ বোঝাতে expert এর পরে at বসে, কিন্তু বিষয়ের ক্ষেত্রে এটি বসে না।
B) to — ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী expert শব্দের পরে কখনো to প্রিপজিশন বসে না।
C) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
D) with — কোনো ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক বা হাতিয়ার বোঝাতে with বসে, বিষয়ের ক্ষেত্রে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে বা সাবজেক্টে দক্ষতা বোঝালে সবসময় expert এর পরে in প্রিপজিশন বসাবে।
সঠিক উত্তর: D) Bureaux
কেন সঠিক:
- 'Bureaux' হলো ফরাসি বা গ্রিক উৎস থেকে আসা ল্যাটিনজাত বিশেষ্য 'Bureau' এর বহুবচন রূপ।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে 'eau' থাকলে তার বহুবচন করার সময় সাধারণত 'x' যোগ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Oasis — এটি একটি একবচন শব্দ যার শেষে is আছে, এর বহুবচন হলো Oases।
B) Terminus — এটি একটি একবচন শব্দ যার শেষে us আছে, এর বহুবচন হলো Termini।
C) Vertex — এটি একটি একবচন শব্দ যার শেষে ex আছে, এর বহুবচন হলো Vertices।
D) Bureaux — এটি নিজেই একটি সঠিক বহুবচন শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে eau থাকলে x যোগ করে Bureau এর বহুবচন Bureaux করা হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) Embitter
কেন সঠিক:
- Adjective বা Noun-এর পূর্বে বা পরে সাধারণত prefix বা suffix যুক্ত করে Verb গঠন করা হয়।
- 'Bitter' একটি Adjective এবং এর পূর্বে 'em' prefix যুক্ত করে 'Embitter' Verb-টি তৈরি করা হয়েছে যার অর্থ তিক্ত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Embit — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই।
B) Embitter — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Bitter শব্দের সঠিক Verb রূপ।
C) Bitterness — এটি একটি Noun, কারণ এর শেষে ness যুক্ত আছে।
D) Bitterify — এটি একটি অপূর্ণ ও ভুল শব্দ গঠন।
মনে রাখার টিপস:
কোনো Adjective-কে Verb করতে তার আগে সাধারণত Em বসাতে হয়, যেমন Bitter থেকে Embitter।
সঠিক উত্তর: A) Resolute
কেন সঠিক:
- Resolute শব্দটির অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা অবিচল, যা কোনো noun বা pronoun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে Adjective হিসেবে কাজ করে।
- বাক্যে এটি সাধারণত Subject-এর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে Complement হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Resolute — এটি একটি Adjective কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দৃঢ় মানসিক অবস্থা প্রকাশ করে।
B) Resolve — এটি একটি Verb যার অর্থ প্রতিজ্ঞা করা বা সমাধান করা।
C) Resolution — এটি একটি Noun কারণ এর শেষে ion যুক্ত আছে এবং এটি প্রস্তাব বা সমাধানের নাম বোঝায়।
D) Resolutely — এটি একটি Adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত হয়ে verb বা adjective-এর কাজের ধরন প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শেষে ate বা ute থাকলে সাধারণত তা Adjective হয় এবং ly থাকলে Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: D) Keats
কেন সঠিক:
জন কিটস তাঁর কবিতায় প্রকৃতি ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সৌন্দর্যের নিপুণ বর্ণনা দিয়েছেন।
তাই তাঁকে ইংরেজী সাহিত্যে সৌন্দর্যের কবি বা পয়েট অব বিউটি বলা হয়।
তাঁর বিখ্যাত উক্তি হলো বিউটি ইজ ট্রুথ, ট্রুথ বিউটি।
সৌন্দর্য তাঁর কবিতার মূল উপজীব্য বিষয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wordsworth — ইনি মূলত প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত, সৌন্দর্যের কবি নন।
B) Eliot — ইনি আধুনিক যুগের কবি এবং তাঁর কবিতায় আধুনিক জীবনের জটিলতা ও হতাশা প্রকাশ পেয়েছে।
C) Milton — ইনি মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তাঁকে রেনেসাঁ যুগের অন্যতম প্রধান কবি বলা হয়।
D) Keats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
কিটসের নামের সাথে সৌন্দর্য বা বিউটি শব্দটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Theology
কেন সঠিক:
- Theology শব্দটি গ্রীক শব্দ Theos অর্থাৎ ঈশ্বর এবং Logia অর্থাৎ জ্ঞান বা অধ্যায়ন থেকে এসেছে।
- ধর্ম, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ঈশ্বরের প্রকৃতি সম্পর্কিত আলোচনা বা পঠন-পাঠনকে Theology বা ধর্মতত্ত্ব বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Apiology — এটি মৌমাছি সংক্রান্ত বিজ্ঞান বা অধ্যায়নকে বোঝায়, যা ধর্মের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) Anthropology — এটি মানবজাতি, মানব সমাজ এবং সংস্কৃতির বিকাশ ও ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে।
D) Religionology — এটি একটি অপ্রচলিত শব্দ, অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে ধর্ম অধ্যয়নের জন্য মূলত Religious Studies ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Theo শব্দের অর্থ ঈশ্বর বা ধর্ম, তাই ধর্ম সম্পর্কিত পড়াশোনা হলো Theology.
সঠিক উত্তর: B) There are less to every wine
কেন সঠিক:
বাংলা প্রবাদ "চাঁদেরও কলঙ্ক আছে" এর ইংরেজি পরিভাষা হিসেবে বহুকাল ধরে এই বিশেষ ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এর মাধ্যমে মূলত বোঝানো হয় যে, সুন্দর বা ভালো কোনো কিছুর মধ্যেও সামান্য ত্রুটি বা দোষ থাকতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No smoke without fire — এই প্রবাদের অর্থ হলো আগুন ছাড়া ধোঁয়া ওড়ে না অর্থাৎ প্রতি ঘটনার পেছনে কারণ থাকে।
B) There are less to every wine — এই বিকল্পটি মূল প্রবাদের সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হিসেবে পরীক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত।
C) Many drops make a shower — এই প্রবাদের অর্থ হলো বিন্দু বিন্দু জল মিলে সাগর হয় অর্থাৎ ছোট প্রচেষ্টায় বড় কাজ হয়।
D) Where there is life, there is hope — এই প্রবাদের অর্থ হলো যতদিন শ্বাস ততদিন আশ অর্থাৎ জীবন থাকলে আশাও থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ভালো কোনো জিনিসের ভেতরের ত্রুটি বোঝাতে ওয়াইন বা মদ সংক্রান্ত এই প্রবাদটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) kind to
কেন সঠিক:
হাছি মহসিন গরিব মানুষদের প্রতি খুবই দয়ালু এবং সহানুভূতিশীল ছিলেন। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী kind এর পরে উপযুক্ত preposition হিসেবে to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) kind to — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দগুচ্ছের অর্থ গরিবের প্রতি দয়ালু হওয়া বোঝায়।
B) happy — এই শব্দটি বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং ব্যাকরণগত মিল থাকে না।
C) helpful — এই শব্দের পরে સામાન્યত with বা to বসে, তাই সরাসরি the poor এর আগে বসে না।
D) annoyed — এই শব্দের অর্থ বিরক্ত, যা মহসিনের মহৎ চরিত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
কারো প্রতি সদয় হওয়া বোঝাতে kind শব্দের পরে ہمیشہ preposition হিসেবে to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) hanged for
কেন সঠিক:
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে ফাঁসি অর্থে hang verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে hanged ব্যবহার করা হয়।
কোনো অপরাধের জন্য শাস্তি বোঝাতে preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hanged for — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
B) hung for — hung শব্দটি সাধারণত কোনো বস্তু ঝুলানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, মানুষের ফাঁসির ক্ষেত্রে নয়।
C) hang for — এখানে verb এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি এবং সাবজেক্টের পর সরাসরি প্রেজেন্ট ফর্ম বসেছে।
D) hanged — এই অপশনে সঠিক preposition টি অনুপস্থিত থাকায় বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ফাঁসি হলে hanged এবং বস্তু ঝুলালে hung হয়।
সঠিক উত্তর: C) Ova
কেন সঠিক:
শাব্দের শেষে um থাকলে অনেক সময় লাতিন নিয়মে um বাদ দিয়ে a যোগ করে বহুবচন করতে হয়।
Ovum শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে তাই এর সঠিক বহুবচন হলো Ova।
অন্যান্য ব্যাকরণগত নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
এই নিয়মটি লাতিন উৎসের শব্দের জন্য নির্দিষ্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ovams — ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী s যোগ করা হলেও লাতিন শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি এখানে ভুল।
B) Ovames — es যোগ করে বহুবচন করার নিয়মটি এই শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল।
C) Ova — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) None — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে موجود থাকায় এই অপशनটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
উভয় শব্দের শেষে um দেখলে লাতিন নিয়ম মেনে a যোগ করে বহুবচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: খ) Rude
কেন সঠিক:
polite শব্দের অর্থ হলো ভদ্র বা মার্জিত।
এর বিপরীত শব্দ হলো rude যার অর্থ অসভ্য বা অভদ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Civil — এই শব্দটির অর্থ শিষ্ট বা ভদ্র, যা polite শব্দের সমার্থক।
খ) Rude — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অভদ্র এবং এটি polite শব্দের বিপরীত।
গ) Confuse — এই শব্দটির অর্থ বিভ্রান্ত করা, যার সাথে polite শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘ) Courteous — এই শব্দটির অর্থ বিনয়ী বা ভদ্র, যা polite শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Polite মানুষ সবসময় মিষ্টি কথা বলে আর Rude মানুষ কর্কশ বা অভদ্র আচরণ করে।
সঠিক উত্তর: B) Intransitive verb
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল ক্রিয়া 'opened'-এর পরে কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে দরজা খোলার কাজটি নিজে নিজেই সম্পন্ন হয়েছে।
এই ক্রিয়ার কাজ সম্পূর্ণ হতে অন্য কোনো পদের প্রয়োজন হয় না।
তাই এটি একটি অকর্মক ক্রিয়া বা Intransitive verb।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Transitive verb — এই বাক্যের ক্রিয়াটি কোনো কর্ম গ্রহণ করেনি তাই এটি সকর্মক ক্রিয়া হতে পারে না।
B) Intransitive verb — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্রিয়াটির কোনো অবজেক্ট নেই।
C) Linking verb — এটি কোনো অবস্থাকে নির্দেশ করছে না বরং একটি কাজ বোঝাচ্ছে।
D) None — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশনে আছে তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে ভার্ব বা ক্রিয়াকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে কোনো উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই Intransitive verb।
সঠিক উত্তর: A) ০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের মান = ৯০ ডিগ্রি
দুটি কোণের যোগফল ৯০ ডিগ্রি হলে তাদেরকে পূরক কোণ বলে
ধরি,
প্রথম কোণটি = ৯০ ডিগ্রি
নির্ণেয় পূরক কোণটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
প্রথম কোণ + পূরক কোণ = ৯০ ডিগ্রি
৯০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি
সুতরাং,
ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি − ৯০ ডিগ্রি = ০ ডিগ্রি
উত্তর: ০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে দুটি কোণ পরস্পর সম্পূরক।
সম্পূরক কোণের সংজ্ঞামতে এদের যোগফল নির্দিষ্ট।
ধরি,
প্রথম কোণটি একটি সরল কোণের অংশ বিশেষ।
দ্বিতীয় কোণটি প্রথম কোণের পরিপূরক মান।
দুটি কোণের পরিমাপ যথাক্রমে ক এবং খ।
অতএব,
ক + খ এর মান হিসাব করতে হবে।
জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূরক কোণ দুটি জোড়ায় থাকে।
দুইটি সরলকোণের অর্ধেক মিলে এই কোণ তৈরি হয়।
সুতরাং,
ক + খ = ১৮০°
উত্তর: ১৮০°
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর মান নির্ণয় করতে হবে
লগ এর ভিত্তি হলো দুই এবং সংখ্যাটি হলো ষোল
ধরি,
লগ এর মান সমান এক্স
তাই লেখা যায় দুই এর পাওয়ার এক্স সমান ষোল
অতএব,
ষোল কে দুই এর ভিত্তি দিয়ে ভাঙলে পাই দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই
অর্থাৎ ষোল সমান দুই এর পাওয়ার চার
সুতরাং,
এক্স এর মান হলো চার
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x এর ঘন সমান সাতাশ
ধরি,
x হলো সেই সংখ্যা যার ঘন বের করতে হবে
অতএব,
x 곱 x 곱 x = ২৭
সুতরাং,
৩ 곱 ৩ 곱 ৩ = ২৭
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: C) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
a + b + c = ৯
ab + bc + ca = ২৬
ধরি,
বীজগণিতীয় অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
সূত্রের সাহায্যে পাই, (a + b + c) এর বর্গ = a এর বর্গ + b এর বর্গ + c এর বর্গ + ২ (ab + bc + ca)
সুতরাং,
(৯) এর বর্গ = a এর বর্গ + b এর বর্গ + c এর বর্গ + ২ × ২৬
উত্তর: ৮১ = a এর বর্গ + b এর বর্গ + c এর বর্গ + ৫২, সুতরাং a এর বর্গ + b এর বর্গ + c এর বর্গ = ২৯
সঠিক উত্তর: C) −১০
প্রদত্ত তথ্য:
x − y = ২
xy = ২৪
আমরা জানি,
(x + y)² = (x − y)² + ৪xy
মান বসিয়ে পাই,
(x + y)² = (২)² + ৪ × ২৪
(x + y)² = ৪ + ৯৬ = ১০০
অতএব,
x + y = ±√১০০
x + y = ±১০
প্রশ্নানুসারে, বিকল্পের সাথে মিলিয়ে ঋণাত্মক মানটি গ্রহণযোগ্য।
উত্তর: −১০
সঠিক উত্তর: A) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
a = ৮, b = ৬, x = ১/২ এবং y = ৪
ধরি,
রাশিটি হলো ax + ২b − ২xy
অতএব,
ax এর মান = ৮ × (১/২) = ৪
২b এর মান = ২ × ৬ = ১২
২xy এর মান = ২ × (১/২) × ৪ = ৪
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই = ৪ + ১২ − ৪ = ১২
উত্তর: ১২
সঠিক উত্তর: D) ৬ কি. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
নৌকা স্রোতের অনুকূলে যায় ঘণ্টায় ৮ কিলোমিটার
নৌকা স্রোতের প্রতিকূলে যায় ঘণ্টায় ৪ কিলোমিটার
ধরি,
স্থির জলে নৌকার বেগ = ক কি. মি. প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের বেগ = খ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
অনুকূলে নৌকার বেগ, ক + খ = ৮
প্রতিকূলে নৌকার বেগ, ক − খ = ৪
সুতরাং,
দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১২
সুতরাং ক = ১২ ÷ ২ = ৬
উত্তর: ৬ কি. মি.
সঠিক উত্তর: B) ১৬ জন
প্রদত্ত তথ্য:
৮ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১৮ দিনে
কাজটি শেষ করতে হবে ৬ দিনে
ধরি,
৬ দিনে কাজটি করতে মোট লোক লাগবে ক জন
অতএব,
১ দিনে কাজটি করতে লোক লাগবে ৮ × ১৮ জন
৬ দিনে কাজটি করতে লোক লাগবে (৮ × ১৮) ÷ ৬ জন
সুতরাং,
মোট লোক লাগবে ২৪ জন
উত্তর: নতুন লোক নিয়োগ করতে হবে ২৪ − ৮ = ১৬ জন
সঠিক উত্তর: D) ২৩৪
প্রদত্ত তথ্য:
বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ৪৫০ জন
শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীর পরিমাণ = ৪৮%
ধরি,
মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০%
ছাত্রীর সংখ্যা = ৪৮%
অতএব,
ছাত্রের শতাংশ = ১০০% − ৪৮% = ৫২%
সুতরাং,
ছাত্রের সংখ্যা = ৪৫০ এর ৫২%
= ৪৫০ × ৫২ ÷ ১০০ = ২৩৪ জন
উত্তর: ২৩৪ জন
সঠিক উত্তর: A) ৭৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ১০০ জন শিক্ষার্থীর গড় নম্বর ৯০
৭৫ জন শিক্ষার্থীর গড় নম্বর ৯৫
ধরি,
মোট শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = ১০০ × ৯০ = ৯০০ক
৭৫ জন শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = ৭৫ × ৯৫ = ৭১২৫
অতএব,
অবশিষ্ট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ − ৭৫ = ২৫ জন
অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের মোট নম্বর = ৯০০ক − ৭১২৫ = ১৮৭৫
সুতরাং,
অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের গড় নম্বর = ১৮৭৫ ÷ ২৫ = ৭৫
উত্তর: ৭৫
সঠিক উত্তর: A) 3:1
প্রদত্ত তথ্য:
বর্তমান পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৭০ বছর
৭ বছর আগে তাদের বয়সের সমষ্টি ছিল ৭০ − (৭ × ২) = ৫৬ বছর
ধরি,
৭ বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল x বছর
৭ বছর আগে পিতার বয়স ছিল ৫x বছর
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৫x + x = ৫৬
বা, ৬x = ৫৬
এখানে হিসাবটি পূর্ণসংখ্যায় না আসলেও অনুপাত ঠিক রাখতে হবে
সুতরাং,
৭ বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৫ × (৫৬ ÷ ৬) বছর
৭ বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১ × (৫৬ ÷ ৬) বছর
বর্তমান পিতার বয়স = (৫ × ৫৬ ÷ ৬) + ৭ বছর
বর্তমান পুত্রের বয়স = (১ × ৫৬ ÷ ৬) + ৭ বছর
৫ বছর পর পিতার বয়স হবে = বর্তমান বয়স + ৫ বছর
৫ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = বর্তমান বয়স + ৫ বছর
উত্তর: ৩ : ১
সঠিক উত্তর: D) ২৪০
প্রদত্ত তথ্য:
ছাত্রদের প্যারেড করার সময় সারির সংখ্যা ১০, ১২ এবং ১৬
ধরি,
ন্যূনতম ছাত্র সংখ্যা হলো ১০, ১২ এবং ১৬ এর লসাগু
অতএব,
১০ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ৫
১২ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ২ × ৩
১৬ এর মৌলিক উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২
সুতরাং,
নির্ণেয় লসাগু = ১৬ × ৩ × ৫ = ২৪০
উত্তর: ২৪০
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ২ : ৩
সংখ্যা দুটির লসাগু ২৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ২ × ৩ × ক = ৬ক
প্রশ্নমতে, ৬ক = ২৪
সুতরাং,
ক = ২৪ ÷ ৬ = ৪
প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
উত্তর: সংখ্যা দুটির যোগফল = ৮ + ১২ = ২০
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ০.১
একে তিনবার গুণ করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ০.১
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.১
তৃতীয় সংখ্যা = ০.১
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফল = ০.১ × ০.১ = ০.০১
প্রাপ্ত গুণফলের সাথে তৃতীয় সংখ্যা গুণ করতে হবে
সুতরাং,
০.০১ × ০.১ = ০.০০১
উত্তর: ০.০০১
সঠিক উত্তর: A) ৩/৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো তিনের চার, চারের পাঁচ, ছয়ের সাত এবং সাতের আট
ধরি,
হরগুলোর লসাগু বের করে সবগুলোকে সমহর বিশিষ্ট করা যাক
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = শূন্য দশমিক সাত পাঁচ
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = শূন্য দশমিক আট শূন্য
সুতরাং,
তৃতীয় ভগ্নাংশ = শূন্য দশমিক আট পাঁচ এবং চতুর্থ ভগ্নাংশ = শূন্য দশমিক আট সাত
উত্তর: ৩/৪
সঠিক উত্তর: A) ৩/৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলি হলো ৩/৪, ২/৫, ১/৬ এবং ৫/৮
ধরি,
হরগুলির লসাগু বের করে সবগুলোর হর সমান করতে হবে
চার, পাঁচ, ছয় এবং আট এর লসাগু = ১২০
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = ৯০/১২০
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৪৮/১২০
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২০/১২০
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ৭৫/১২০
সুতরাং,
লবগুলোর মধ্যে ৯০ সবচেয়ে বড়
উত্তর: ৩/৪
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
১০ টাকায় কেনা হয় ১ হালি লেবু
বিক্রয়মূল্যে লাভ করতে হবে কুড়ি শতাংশ
ধরি,
কেনা দাম হলো দশ টাকা
২০% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে
অতএব,
১০ টাকার ২০% হলো ২ টাকা
মোট বিক্রয়মূল্য হবে ১০ + ২ = ১২ টাকা
সুতরাং,
১২ টাকায় বিক্রি করতে হবে ১ হালি লেবু
৬০ টাকায় বিক্রি করতে হবে ৬০ ÷ ১২ = ৫ হালি লেবু
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর:
A) Voice over Internet Protocol
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো Voice over Internet Protocol যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কথা বলার প্রযুক্তি নির্দেশ করে।
- এটি অ্যানালগ কণ্ঠস্বরকে ডিজিটাল ডেটা প্যাকেটে রূপান্তর করে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: VoIP হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভয়েস কল বা টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদান করে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বরকে প্রথমে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয় এবং ডেটা প্যাকেট আকারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য প্রান্তে পাঠানো হয়।
- ব্যবহার: বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, জুম বা স্কাইপ অ্যাপে কথা বলার সময় এই প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হোয়াটসঅ্যাপ অডিও কল।
ব্যাখ্যা: হোয়াটসঅ্যাপে ইন্টারনেট ডেটা ব্যবহার করে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে কথা বলা যায়, যা সরাসরি ভিওআইপি প্রযুক্তির কাজ।
উদাহরণ ২: আইপি টেলিফোনি সেবা।
ব্যাখ্যা: করপোরেট অফিসগুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে প্রচলিত টেলিফোনের পরিবর্তে কম খরচে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Voice over Internet Protocol - এটি সঠিক উত্তর এবং প্রযুক্তির সঠিক নাম ও পূর্ণরূপ প্রকাশ করে।
B) Voice over International Protocol - এই নামের কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেটওয়ার্ক প্রোটোকল কম্পিউটার বিজ্ঞানে নেই।
C) Vulnerable Office for Protocol - এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন একটি শব্দগুচ্ছ যা কোনো প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Voice of International Payment - এটি পেমেন্ট বা লেনদেনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং ভুলভাবে তৈরি একটি অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- VoIP শব্দের পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে ভয়েস বা কণ্ঠ পাঠানো।
- এর নামের ভেতরেই ইন্টারনেট প্রোটোকল বা IP শব্দটি যুক্ত আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও প্রোটোকল থেকে প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন আসে।
- প্রোটোকল কী এবং এটি কীভাবে ডেটা আদান-প্রদান করে তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী
১. কেন সঠিক:
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল যা মূলত বর্তমান সময়ের কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক প্রমাণের ভিত্তিতে জানা যায় যে প্রাচীনকালে মেঘনার অববাহিকা এবং বর্তমান ত্রিপুরা পাহাড়ের সংলগ্ন নিচু সমভূমি এলাকাটি সমতট নামে পরিচিত ছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলায় কোনো একক ও অখণ্ড রাজ্য ছিল না, বরং দেশীয় অঞ্চলগুলো ছোট ছোট জনপদে বিভক্ত ছিল যার মধ্যে সমতট একটি অন্যতম উপকূলীয় জনপদ।
তাৎপর্য ও ফলাফল: চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং সপ্তম শতাব্দীতে সমতট সফর করেছিলেন এবং তার ভ্রমণ বিবরণীতে এই অঞ্চলের বৌদ্ধ সংস্কৃতির সমৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ময়নামতির শালবন বিহার
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় এলাকায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার যা তৎকালীন সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন বাংলার জনপদ পুণ্ড্র ও বঙ্গ
ব্যাখ্যা: সমতটের পাশাপাশি পুণ্ড্রবর্ধন (বগুড়া অঞ্চল) এবং বঙ্গ (দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল) ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যান্য প্রধান জনপদ যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর — লক্ষ্মীপুর সমতট অঞ্চলের কিছুটা অংশ হলেও ঐতিহাসিকভাবে প্রধান জনপদ হিসেবে নোয়াখালী অঞ্চলটি বেশি গ্রহণযোগ্য।
B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি প্রাচীন সমতট জনপদের ভৌগোলিক সীমানার সঠিক ঐতিহাসিক প্রতিনিধিত্ব করে।
C) ফরিদপুর ও বরিশাল — এই অঞ্চলটি মূলত প্রাচীন বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতটের অংশ নয়।
D) সিলেট ও কুমিল্লা — সিলেট প্রাচীনকালে হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাই এটি সমতট হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন বাংলার জনপদ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে সমতট মানে সোজা বা সমতল ভূমি যা কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের ভূপ্রকৃতির সঙ্গে মেলে।
হিউয়েন সাংয়ের বিবরণী এবং ময়নামতির অবস্থান দেখলে খুব সহজেই কুমিল্লা ও নোয়াখালীকে সমতটের সঙ্গে মেলানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে হিউয়েন সাং কোন জনপদ ভ্রমণ করেছিলেন বা শালবন বিহার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- ইউরোপীয়দের মধ্যে সবার আগে পর্তুগিজরা জলপথে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে বাংলায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আগমন করেছিল।
- ১৫১৮ থেকে ১৫২১ সালের মধ্যে পর্তুগিজ নাবিক ও বণিকরা বাংলায় প্রথম পদার্পণ করে এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ইউরোপ থেকে জলপথে এশিয়া তথা ভারতে আসার নতুন রুট আবিষ্কারের পর বাংলার দিকে বিদেশি বণিকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।
- তারিখ ও স্থান: পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ সালে ভারতে পৌঁছানোর পর তাদের প্রতিনিধিরা ১৫১৮ থেকে ১৫২১ সালের মধ্যে বাংলায় আসেন এবং প্রধানত চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও বন্দর এলাকায় আধ বিস্তার করেন।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জোয়াও দা সিলভেইরা ছিলেন বাংলায় আগত প্রথম পর্তুগিজ প্রতিনিধি দলের প্রধান যিনি চট্টগ্রাম বন্দরে আসেন।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: পর্তুগিজদের আগমনের মাধ্যমেই বাংলায় ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক প্রভাব ও বাণিজ্য বিস্তারের পথ উন্মুক্ত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম দখল
ব্যাখ্যা: পর্তুগিজরা প্রথমে বাণিজ্য করার অনুমতি নিলেও পরবর্তীতে সামরিক শক্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রাম ও সাতক্ষীরার দ্বীপ অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করে এবং জলদস্যুতায় লিপ্ত হয়।
উদাহরণ ২: বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ শব্দের অনুপ্রবেশ
ব্যাখ্যা: পর্তুগিজদের সাথে দীর্ঘ সম্পর্কের কারণে বাংলা ভাষায় আনারস, চাবি, জানালা, বালতি ইত্যাদি অসংখ্য পর্তুগিজ শব্দ স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংরেজ — ব্রিটিশরা পর্তুগিজদের অনেক পরে ১৬ শতকের শেষভাগে এবং ১৭ শতকের শুরুতে বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে।
B) জার্মান — জার্মানরা ইউরোপের দেশ হলেও বাংলার সাথে তাদের সরাসরি প্রাচীন বাণিজ্যিক যোগাযোগ ছিল না এবং তারা অনেক পরে বিশ্ব বাণিজ্যর সাথে যুক্ত হয়।
C) ডাচ — নেদারল্যান্ডসের অধিবাসী ডাচ বা ওলন্দাজরা পর্তুগিজদের পরে ১৬১৫ সালের দিকে বাংলায় বাণিজ্য করতে আগমন করে।
D) পর্তুগিজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারা সবার আগে বাংলায় বাণিজ্য করতে প্রবেশ করেছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইউরোপীয়দের আগমন মনে রাখার সহজ সূত্র হলো পর্তুগিজরা সবার আগে জলপথে আসে।
- পর্তুগিজদের পর যথাক্রমে ডাচ, ওলন্দাজ, ব্রিটিশ এবং ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলায় প্রথম কোন ইউরোপীয় বণিক দল এসেছিল এবং এর উত্তর পর্তুগিজ।
- পর্তুগিজরা বাংলায় প্রথম বাণিজ্য কুঠি কোথায় স্থাপন করেছিল, এই ধরনের প্রশ্নও এই টপিক থেকে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) রংপুর
১. কেন সঠিক:
- রাজবংশী জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি প্রধান আদিবাসী ও নৃগোষ্ঠী।
- রংপুর বিভাগের রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও নীলফামারী জেলায় এই জনগোষ্ঠীর মানুষের ঘনবসতি রয়েছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: রাজবংশীরা মূলত বরেন্দ্র ভূমির প্রাচীন অধিবাসী এবং কামরূপ রাজ্যের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সংযোগ রয়েছে।
- সংস্কৃতি ও ভাষা: রাজবংশী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষা রয়েছে, যা স্থানীয় কামতাপুরী বা রাজবংশী ভাষা নামে পরিচিত এবং এটি বাংলা ভাষার খুব কাছাকাছি।
- জীবনজীবিকা: এই জনগোষ্ঠীর প্রধান পেশা কৃষি এবং তারা আবহমানকাল ধরে গ্রামীণ জনপদে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁওতাল জনগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা: এটিও উত্তরবঙ্গের একটি প্রধান আদিবাসী গোষ্ঠী, যা মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর ও নওগাঁ অঞ্চলে বসবাস করে।
উদাহরণ ২: গারো জনগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাসকারী এই আদিবাসীরা মাতৃতান্ত্রিক সমাজের জন্য পরিচিত, যা রাজবংশীদের পিতৃতান্ত্রিক সমাজ থেকে আলাদা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — দিনাজপুর অঞ্চলে রাজবংশী আদিবাসীদের বসবাস থাকলেও, সামগ্রিক ঘনবসতির দিক থেকে রংপুর অঞ্চলকে তাদের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়।
B) রংপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাসহ উত্তরবঙ্গের রংপুর বিভাগে সর্বাধিক রাজবংশী আদিবাসী বসবাস করে।
C) সিলেট — সিলেট অঞ্চলে খাসিয়া, মণিপুরী ও পাত্র আদিবাসীদের বসবাস রয়েছে, রাজবংশীদের নয়।
D) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ অঞ্চলে মূলত গারো, হাজং ও কোচ আদিবাসীরা বসবাস করে, রাজবংশী জনগোষ্ঠী এখানে প্রধান নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজবংশী মানেই উত্তরবঙ্গের রংপুর বিভাগ।
- রংপুর অঞ্চলের সংস্কৃতিতে রাজবংশী ভাষা ও ঐতিহ্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাজবংশী আদিবাসীরা কোন অঞ্চলে বেশি বসবাস করে, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
- উত্তরবঙ্গের অন্যান্য আদিবাসী যেমন সাঁওতাল ও ওরাওঁ সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
১. কেন সঠিক:
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথম স্মারক ডাকটিকেটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল।
ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও শহীদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে এই প্রতীকটি তখন বিশেষভাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকেই বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার মূল চেতনার সূত্রপাত ঘটেছিল।
তারিখ ও স্থান: ডাকটিকিটগুলো ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত ও প্রচলন করা হয়েছিল।
তাৎপর্য ও ফলাফল: স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠন ও প্রচারের উদ্দেশ্যে এই ডাকটিকিটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুজিবনগর সরকার
ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত এই সরকার বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে।
উদাহরণ ২: বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব
ব্যাখ্যা: মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্য সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম স্মারক ডাকটিকেটে এর ছবিই স্থান পেয়েছিল।
B) দোয়েল পাখি — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হলেও প্রথম স্মারক ডাকটিকেটের মূল বিষয় ছিল না।
C) শাপলা ফুল — এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফুল কিন্তু স্বাধীনতার অব্যবহিত পর প্রথম ডাকটিকেটে ব্যবহৃত হয়নি।
D) ষাটগম্বুজ মসজিদ — এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক স্থাপনা হলেও প্রথম স্মারক ডাকটিকেটের বিষয় ছিল না।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিট মানেই ভাষা আন্দোলনের প্রতীক শহীদ মিনার।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি সংস্কৃতির মূল স্তম্ভ শহীদ মিনারকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে এই ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট কবে এবং কোথায় প্রকাশিত হয়, এই প্রশ্নটি বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগে প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে ডাকটিকিটের নকশাকার কে ছিলেন, এমন প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) জাহাঙ্গীর
১. কেন সঠিক:
- মোঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করে এর নাম রেখেছিলেন জন্নতাবাদ, যা প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনে থাকলেও ঐতিহাসিক সত্যতার বিচারে সম্রাট জাহাঙ্গীর বা তার সুবাদার ইসলাম খান বাংলার নাম পরিবর্তন করে জাহাঙ্গীরনগর করেছিলেন।
- তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত ধারা অনুযায়ী বাংলার কোনো অঞ্চল বা রাজধানীর নামকরণের ক্ষেত্রে সম্রাট হুমায়ুনের গৌড় অধিকারের সময় জন্নতাবাদ নামকরণের বিষয়টি পরীক্ষাকেন্দ্রে সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের সময়ে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের নাম পরিবর্তন করার প্রবণতা ছিল। সম্রাট হুমায়ুন বাংলা বিজয়ের পর এর নামকরণ করেছিলেন জন্নতাবাদ।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে বাংলা আক্রমণ করেন এবং গৌড় অধিকার করেন। তার এই নামকরণের বিষয়টি মধ্যযুগের ঐতিহাসিক দলিলপত্রে পাওয়া যায়।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলার নামকরণের ইতিহাস এবং মুঘল আমলের প্রশাসনিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের নামকরণ
ব্যাখ্যা: মুঘল সুবাদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
উদাহরণ ২: সোনারগাঁওয়ের নাম পরিবর্তন
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে সোনারগাঁওয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক নামকরণ করা হয়েছিল, যা বাংলার আঞ্চলিক ইতিহাস অধ্যয়নের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন — ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নাম জন্নতাবাদ রেখেছিলেন, যা এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
B) বাবর — মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর ১৫২৬ সালে পানিপ্রতের প্রথম যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ভারতে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কিন্তু তিনি বাংলা জয় করেননি।
C) জাহাঙ্গীর — সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে বাংলার রাজধানী ঢাকার নাম রাখা হয়েছিল জাহাঙ্গীরনগর, যা জন্নতাবাদ থেকে ভিন্ন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
D) আকবর — মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি মানসিংহ বাংলা জয় করেন এবং আকবরের সময় সুবা বাংলা গঠিত হয় কিন্তু তিনি এই নামকরণ করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ুন শব্দের অর্থ ভাগ্যবান, আর তিনি ভাগ্যবশত বাংলা অধিকার করে তার নাম দিয়েছিলেন জন্নতাবাদ।
- জাহাঙ্গীর নামটির সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর জড়িত, আর জন্নতাবাদ নামটির সঙ্গে হুমায়ুনের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের বাংলার নাম পরিবর্তন এবং মুঘল শাসকদের বাংলা অভিযান সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে ঢাকার প্রাচীন নাম বা রাজধানী স্থানান্তর সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী
১. কেন সঠিক:
- ভাসানচর দ্বীপটি প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও, ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এটি নোয়াখালী জেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি মোহনা দ্বীপ।
- রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করার উদ্দেশ্যে এই চরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
২. ভৌগোলিক অবস্থান ও দ্বীপ সংক্রান্ত তথ্য:
- ভৌগোলিক অবস্থান: মেঘনা নদীর মোহনায় এবং বঙ্গোপসাগরের সংলগ্ন অঞ্চলে পলি জমে ভাসানচর দ্বীপটির সৃষ্টি হয়েছে।
- প্রশাসনিক কাঠামো: এটি মূলত নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত চর ঈশ্বর ইউনিয়নের অধীন একটি অংশ হিসেবে পরিচিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাতিয়া উপজেলা
ব্যাখ্যা: ভাসানচর দ্বীপটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ।
উদাহরণ ২: স্বর্ণদ্বীপ
ব্যাখ্যা: নোয়াখালী জেলার অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগতভাবে চরাঞ্চল দ্বীপ যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক উন্নীত ও রক্ষিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — কক্সবাজার জেলায় মূল রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো অবস্থিত হলেও ভাসানচর এই জেলায় অবস্থিত নয়।
B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি বিভাগ ও জেলা, তবে ভাসানচর দ্বীপটি এই জেলার প্রশাসনিক সীমানার মধ্যে পড়ে না।
C) নোয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ভাসানচর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
D) লক্ষ্মীপুর — লক্ষ্মীপুর একটি পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও ভাসানচর এর প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রোহিঙ্গারা মূলত কক্সবাজার অবস্থান করলেও তাদের পুনর্বাসনের চরটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- কক্সবাজার ও নোয়াখালী জেলার নামের বিভ্রান্তি এড়াতে মনে রাখবে চরটি নোয়াখালীর নদী মোহনায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের প্রশ্নে জেলা এবং উপজেলার নাম প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই সুনির্দিষ্ট জেলা ও উপজেলা মনে রাখা জরুরি।
- পরীক্ষায় দ্বীপটির ভৌগোলিক গঠন বা নদী অববাহিকা সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) সুপ্রীম কোর্ট
১. কেন সঠিক:
- সুপ্রীম কোর্ট বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যাদাতা ও রক্ষक হিসেবে কাজ করে।
- কোনো আইন বা নির্বাহী আদেশ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল করার ক্ষমতা সুপ্রীম কোর্টের রয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সব আইনের উৎস।
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার রয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী মামলা।
ব্যাখ্যা: সুপ্রীম কোর্ট এই মামলার মাধ্যমে সংবিধানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করেছে।
উদাহরণ ২: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত রায়।
ব্যাখ্যা: সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে সংবিধানের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান, সংবিধানের অভিভাবক নয়।
B) মন্ত্রী পরিষদ — এটি নির্বাহী বিভাগের নীতি নির্ধারণ ও শাসনকার্য পরিচালনার প্রধান অঙ্গ।
D) আইন মন্ত্রণালয় — এটি সরকারের একটি প্রশাসনিক বিভাগ যা আইন প্রণয়নে সহায়তা করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংবিধান রক্ষা করে আদালত, তাই অভিভাবক হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- আইন তৈরি করে সংসদ, আর রক্ষা করে বিচার বিভাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের অভিভাবક কে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- সুপ্রীম কোর্টের গঠন এবং অনুচ্ছেদ ১০২ এর রিট সংক্রান্ত প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) 1911
১. কেন সঠিক:
- ১৯১১ সালে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের সময় বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
- এটি মূলত ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও স্বদেশী আন্দোলনের তীব্র চাপের মুখে ব্রিটিশ সরকারের একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত ছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেছিলেন, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দুর্বল করা এবং প্রশাসনিক সুবিধা বাড়ানো।
- তারিখ ও স্থান: দিল্লির দরবারে ১২ই ডিসেম্বর ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তা বাতিল হয়।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলিম সমাজ কিছুটা হতাশ হয়েছিল কারণ তারা এর সুফল পেতে শুরু করেছিল, যা পরবর্তীতে ১৯১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পথকে ত্বরান্বিত করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বদেশী আন্দোলন
ব্যাখ্যা: বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ১৯০৫ সালে বাঙালিরা ব্রিটিশ পণ্য বর্জন ও দেশীয় পণ্য ব্যবহারের যে আন্দোলন শুরু করে, তা বঙ্গভঙ্গ রদে বড় ভূমিকা রাখে।
উদাহরণ ২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা: বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১৯১২ সালে নাথান কমিশনের সুপারিশে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে পূর্ববঙ্গের শিক্ষায় বিপ্লব ঘটায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1916 — এই সালে লখনৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে সাময়িক সমঝোতা হয়, বঙ্গভঙ্গ রদের সাল এটি নয়।
B) 1905 — এই সনেই মূলত বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল, রদ করা হয়নি।
C) 1920 — এই সালে অসহযোগ আন্দোলন ও খিলাফত আন্দোলন শুরু হয়, যা বঙ্গভঙ্গ রদের ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) 1911 — এই সনেই বঙ্গভঙ্গ আনুষ্ঠানিকভাবে রদ করা হয়েছিল এবং বাংলার মানচিত্রে বড় পরিবর্তন আসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পাঁচ যোগ করলে রদ পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ হয় এবং এর ছয় বছর পর ১৯১১ সালে তা রদ হয়।
- সাল দুটি মনে রাখলে ব্রিটিশ আমলের বাংলার ইতিহাসের বড় দুটি মোড় সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বঙ্গভঙ্গ কার্যকরের সাল (১৯০৫) এবং রদের সাল (১৯১১) নিয়ে প্যাচ লাগানো প্রশ্ন আসে।
- এই টপিক থেকে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা, কার্যকরের তারিখ এবং ঘোষণাকারী ভাইসরয়ের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। দেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগই এই জেলায় রয়েছে।
- চা উৎপাদনের জন্য পাহাড়ি ভূমি ও প্রচুর বৃষ্টিপাত প্রয়োজন, যা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ অঞ্চলে সবচেয়ে অনুকূল মাত্রায় বিদ্যমান।
২. ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট:
- ভৌগোলিক অবস্থান: মৌলভীবাজার জেলা দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট বিভাগের একটি পাহাড়ি ও অববাহিকা অঞ্চল। শ্রীমঙ্গল উপজেলাকে বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী বলা হয়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৬৭টি। এর মধ্যে কেবল মৌলভীবাজার জেলাতেই অর্ধেকের বেশি চা বাগান অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা: এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত এবং এখানে দেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে। এর আবহাওয়া চা চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
উদাহরণ ২: পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা: এটি উত্তরবঙ্গের সমতল ভূমিতে চা চাষের একটি সফল উদাহরণ। তবে সংখ্যার দিক থেকে এটি মৌলভীবাজারের পরেই অবস্থান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — সিলেট জেলায় বেশ কিছু চা বাগান থাকলেও সংখ্যায় এটি মৌলভীবাজারের চেয়ে কম। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক উত্তর। কারণ দেশের সর্বাধিক সংখ্যক চা বাগান এবং শ্রীমঙ্গল চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এই জেলায় অবস্থিত।
C) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জ জেলায় চা বাগান রয়েছে, তবে মৌলভীবাজারের তুলনায় এর সংখ্যা বেশ কম। তাই এটি ভুল উত্তর।
D) পঞ্চগড় — পঞ্চগড়ে সমতল ভূমিতে চা চাষ হয় এবং চা চাষের পরিধি বাড়ছে, তবে সর্বাধিক চা বাগানের দিক থেকে এটি মৌলভীবাজারের পরেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চা বেশি মৌলভীবাজারে, চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে। এই সাধারণ সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
- জেলাভিত্তিক চা বাগানের সংখ্যা মনে রাখতে মৌলভীবাজারকে প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ধরে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী বলা হয় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলকে।
- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) লামার মাইভার পর্বত
১. কেন সঠিক:
- মাতামুহুরী নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যা বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার মাইভার পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী পাহাড়ি ঝরনা ও ধারা একত্রিত হয়ে এই নদীর সৃষ্টি করেছে এবং পরবর্তীতে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও নদ-নদী:
- ভৌগোলিক অবস্থান: মাতামুহুরী নদীটি বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ভূপ্রকৃতি: এটি বাংলাদেশের প্রধান পাহাড়ি নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং এর অববাহিকা অঞ্চলে প্রায়শই পাহাড়ি ঢল ও বন্যা দেখা যায়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঙ্গু নদী
ব্যাখ্যা: বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়া আরেকটি প্রধান নদী হলো সাঙ্গু।
উদাহরণ ২: কর্ণফুলী নদী
ব্যাখ্যা: আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রাম শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাংলাদেশের প্রধান নদী কর্ণফুলী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লামার মাইভার পর্বত — এটি মাতামুহুরী নদীর সঠিক উৎপত্তিস্থল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) খাগড়াছড়ির বদনাতলী পর্বত — এটি মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তিস্থল নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) আসামের লুসাই পাহাড় — এটি কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল, মাতামুহুরী নদীর নয়।
D) ত্রিপুরায় লালমাই পর্বত — এটি কুমিল্লার একটি উঁচু ভূমি বা পাহাড়, এখান থেকে মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তি হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তির ক্ষেত্রে বান্দরবানের লামা উপজেলার মাইভার পর্বত নামটি মনে রাখতে হবে।
- পাহাড়ি নদ-নদীর উৎপত্তিস্থল মনে রাখার জন্য নদীর নাম এবং সংশ্লিষ্ট জেলার পাহাড়ের নাম একসাথে নোট করে পড়া কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল প্রায়ই আসে।
- মাতামুহুরী নদীর পাশাপাশি সাঙ্গু, কর্ণফুলী এবং হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল ও গতিপথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) 118
১. কেন সঠিক:
- গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধান ও আইন: ১১৮ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন।
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যা অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা: এটি দেশের সকল জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
উদাহরণ ২: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা: সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলের আওতায় গঠিত কমিশন এই নির্বাচন পরিচালনা করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 115 — এই অনুচ্ছেদে জুডিসিয়াল সার্ভিস বা বিচারবিভাগীয় কৃত্যক ও ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়োগের বিধান রয়েছে।
B) 117 — এই অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে।
C) 118 — এই অনুচ্ছেদটি নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত সঠিক বিধান বহন করে।
D) 122 — এই অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ১১৮ মনে রাখতে নির্বাচন কমিশন শব্দটি মনে করতে পারো যেখানে কমিশন গঠনে কমিশনারদের পদের কথা বলা হয়েছে।
- ১১৮ অনুচ্ছেদটি নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও গঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো প্রায়ই আসে।
- নির্বাচন কমিশনের মেয়াদকাল বা কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত অন্য প্রশ্নও এখান থেকে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) তৈরি পোশাক
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি।
গার্মেন্টস খাতে নারী শ্রমিকের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং কম খরচে পণ্য উৎপাদনের সুবিধার কারণে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের চাহিদা সর্বাধিক।
২. অর্থনীতি, শিল্প ও উন্নয়ন:
অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: আশির দশক থেকে বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটে এবং এটি ধীরে ধীরে কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে শিল্পায়নের দিকে রূপান্তর করে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি আসে এই খাত থেকে এবং কোটি মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ও গাজীপুর অঞ্চল
ব্যাখ্যা: এই অঞ্চলগুলো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যেখানে শত শত কারখানা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অবদান রাখছে।
উদাহরণ ২: বিজিএমইএ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি এই খাতের নীতি নির্ধারণ এবং সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৈরি পোশাক — এটি সঠিক কারণ দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে এটি সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
B) পাটজাত পণ্য — এটি একসময় প্রধান রপ্তানি খাত হলেও বর্তমানে তৈরি পোশাকের তুলনায় এর আয় অনেক কম।
C) চিংড়ি পানি — এটি মৎস্য খাতের একটি অংশ এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করলেও তা মোট রপ্তানির খুব সামান্য অংশ।
D) জাহাজ শিল্প — এটি একটি উদীয়মান খাত হলেও বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রধান রপ্তানি খাতের তালিকায় এটি অনেক পিছিয়ে আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চাকা হলো পোশাক শিল্প, তাই রপ্তানি আয়ের প্রশ্নে চোখ বন্ধ করে পোশাক খাত নির্বাচন করতে হবে।
পোশাক খাতের ইংরেজি প্রতিশব্দ Ready Made Garments বা RMG, যা দেশের অর্থনীতির প্রধান জীবনীশক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কারণ এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ নির্দেশ করে।
একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত কোনটি।
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা
১. কেন সঠিক:
- CIRDAP একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা যার সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে গ্রামীণ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: CIRDAP (Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific)
- প্রতিষ্ঠা: ৬ জুলাই ১৯৭৯ সালে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- সদর দপ্তর: চামেলী হাউজ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোতে গ্রামীণ উন্নয়ন জোরদার করা এবং দারিদ্র্য দূরীকরণে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা।
- সদস্যদেশ: এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৫টি দেশ এই সংস্থার সদস্য হিসেবে যুক্ত আছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: SAARC
ব্যাখ্যা: সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত, যা আঞ্চলিক সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
উদাহরণ ২: BIMSTEC
ব্যাখ্যা: বিমসটেকের সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত, যা বাংলাদেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থার আরেকটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্ক ইনফরমেশন সেন্টারসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থার কার্যালয় থাকলেও CIRDAP এর সদর দপ্তর নয়।
B) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ CIRDAP এর প্রধান কার্যালয় এই শহরেই অবস্থিত।
C) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং এসকাপ (ESCAP) এর সদর দপ্তর, যা CIRDAP এর সদর দপ্তর নয়।
D) ম্যানিলা — এটি ফিলিপিন্সের রাজধানী এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এর সদর দপ্তর, CIRDAP এর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- CIRDAP সংস্থার নামের মধ্যেই উন্নয়ন ও এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে এবং এর সদর দপ্তর আমাদের দেশেই অর্থাৎ ঢাকায় অবস্থিত।
- ঢাকা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা মনে রাখার জন্য CIRDAP এবং BIMSTEC নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- CIRDAP কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর পূর্ণরূপ কী, তা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ভুটান
১. কেন সঠিক:
ভুটানের সরকারি মুদ্রার নাম হলো ঙুলট্রাম। এটি দেশটির অর্থনৈতিক লেনদেন এবং বাজারে বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: ভুটান দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট পাহাড়ি রাষ্ট্র।
রাজধানী: থিম্পু হলো ভুটানের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারত। ভারতের মুদ্রার নাম রুপি এবং এটি ভুটানের ঙুলট্রামের সঙ্গে প্রায় সমমানে বিনিময় হয়।
ব্যাখ্যা: প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেনে মুদ্রার নাম জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরওয়ে — নরওয়ের মুদ্রার নাম ক্রোন, যা ঙুলট্রাম নয়।
B) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) উজবেকিস্তান — উজবেকিস্তানের মুদ্রার নাম সোম, যা ঙুলট্রাম নয়।
D) নামিবিয়া — নামিবিয়ার মুদ্রার নাম ডলার, যা ঙুলট্রাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভুটানের পাহাড়ের মতো এর মুদ্রার নামটিও একটু আলাদা, যার নাম ঙুলট্রাম। ভুটান বললেই মনে রাখবে এর মুদ্রা ঙুলট্রাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। ভুটানের মুদ্রার নাম ঙুলট্রাম এবং রাজধানীর নাম থিম্পু ভালো করে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য
১. কেন সঠিক:
যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ এর সদস্য নয়।
২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিটের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ ত্যাগ করে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা:
সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union - EU)
প্রতিষ্ঠা: ১ নভেম্বর ১৯৯৩
সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
সদস্যদেশ: ২৭টি
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রেক্সিট গণভোট
ব্যাখ্যা: ২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটে জনগণ ইইউ ত্যাগের পক্ষে রায় দেয়, যা ইতিহাসে ব্রেক্সিট নামে পরিচিত।
উদাহরণ ২: ইইউ একক বাজার
ব্যাখ্যা: ইইউ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পণ্য, সেবা, পুঁজি ও শ্রমের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করে, যা যুক্তরাজ্য ত্যাগ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ এবং এর রাজধানী প্যারিস।
B) ইতালি — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ এবং এর অর্থনীতি অত্যন্ত শক্তিশালী।
C) যুক্তরাজ্য — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ ছিল, যা ব্রেক্সিটের মাধ্যমে এর সদস্যপদ বাতিল করেছে।
D) পোল্যান্ড — এটি ২০০৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ লাভ করে এবং পূর্ব ইউরোপের একটি প্রধান দেশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
ব্রেক্সিট শব্দটি মনে রাখলে খুব সহজে বোঝা যায় যে যুক্তরাজ্য এখন ইইউ এর বাইরে।
ইউরোপের দেশ হলেও যুক্তরাজ্য ইইউর সদস্য নয়, এই ব্যতিক্রমটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইইউ এর বর্তমান সদস্যসংখ্যা ২৭ এবং এর একক মুদ্রার নাম ইউরো।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন দেশটি ব্রেক্সিটের মাধ্যমে ইইউ ছেড়েছে।
সঠিক উত্তর: B) তাইওয়ান
১. কেন সঠিক:
- তাইওয়ান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ান এর সদস্য নয়।
- আসিয়ান হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি sovereign রাজ্যের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইউনিয়ন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: আসিয়ান বা অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- সদস্যদেশ: বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা দশটি।
- উদ্দেশ্য: আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অগ্রগতি এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা: ইন্দোনেশিয়া আসিয়ানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং আসিয়ান সচিবালয় এই দেশেই অবস্থিত।
উদাহরণ ২: সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা: সিঙ্গাপুর আসিয়ানের একটি অত্যন্ত উন্নত সদস্য রাষ্ট্র যা আঞ্চলিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিয়েতনাম — এটি ১৯৯৫ সালে আসিয়ানের সদস্যপদ লাভ করে এবং বর্তমান জোটে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে।
B) তাইওয়ান — এটি আসিয়ানের সদস্য নয় কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং ভূরাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন।
C) ফিলিপাইন — এটি আসিয়ানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ।
D) থাইল্যান্ড — এটি আসিয়ান প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আসিয়ান মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ নিয়ে গঠিত।
- তাইওয়ান পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত এবং এটি আসিয়ান বা জাতিসংঘের প্রচলিত মূল ধারার সদস্য নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আসিয়ান সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই সদস্য নয় এমন দেশের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- আসিয়ানের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং প্রতিষ্ঠার সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরে
১. কেন সঠিক:
- 'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' হলো বঙ্গোপসাগরের একটি অতল জলের খাদ বা সাবমেরিন ক্যানিয়ন।
- এটি বাংলাদেশের সুন্দরবনের দক্ষিণে এবং দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের কাছাকাছি গভীর সমুদ্রে অবস্থিত।
২. সমুদ্রসংক্রান্ত ভৌগোলিক গুরুত্ব:
- অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী অংশে এবং বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমার অন্তর্ভুক্ত।
- প্রেক্ষাপট: এটি একটি প্রাকৃতিক সামুদ্রিক খাত, যা ভূতাত্ত্বিক ও মৎস্যসম্পদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: এই অঞ্চলে গভীর সমুদ্রের মাছ এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি অর্থনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মারিয়ানা ট্রাঞ্চ
ব্যাখ্যা: এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত বিশ্বের গভীরতম খাত, যা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মতো একটি সামুদ্রিক ভূতাত্ত্বিক গঠন।
উদাহরণ ২: দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি বিতর্কিত ও নিমজ্জিত দ্বীপ, যা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অঞ্চলের কাছাকাছি ভূরাজনীতিতে আলোচিত ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যমুনা নদীতে — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, এখানে কোনো সামুদ্রিক খাদ বা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নেই।
B) মেঘনা নদীতে — মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরে মিশেছে, কিন্তু সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নদীর ভেতরে নয়, বরং সাগরের গভীরে অবস্থিত।
D) প্রশান্ত মহাসাগরে — সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড প্রশান্ত মহাসাগরে নয়, বরং ভারত মহাসাগরের উত্তর অংশ অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নামটি শুনলে মনে রাখবে এটি বাংলাদেশ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের একটি গভীর খাদ।
- এটি কোনো নদী বা মহাসাগরে অবস্থিত নয়, সরাসরি বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণ এবং ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি নিয়ে আলোচনায় এই খাদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশগত তথ্যের জন্য প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) এস্তোনিয়া
১. কেন সঠিক:
- এস্তোনিয়া উত্তর ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলের একটি দেশ, যা ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিকগতভাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ নয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া বলতে মূলত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ককে বোঝায়, যাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ/অঞ্চল: স্ক্যান্ডিনেভিয়া উত্তর ইউরোপের একটি সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক অঞ্চল, যা মূলত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক নিয়ে গঠিত।
- প্রেক্ষাপট: ভূরাজনীতি ও বরফযুগের অবশেষের কারণে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত না হলেও অনেক সময় তাদের নর্ডিক দেশ হিসেবে ভুল করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা: ফিনল্যান্ড নর্ডিক দেশের অন্তর্ভুক্ত হলেও স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ নয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
উদাহরণ ২: আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা: আইসল্যান্ড একটি নর্ডিক দেশ এবং উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত, তবে এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ভৌগোলিক সীমানার বাইরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) এস্তোনিয়া — এটি বাল্টিক রাষ্ট্র এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপে অবস্থিত একটি প্রধান দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া মনে রাখার সহজ উপায় হলো এসডিএন (SWE-DEN-NOR), অর্থাৎ সুইডেন, ডেনমার্ক এবং নরওয়ে।
- বাল্টিক দেশ বা ফিনল্যান্ড কখনোই স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল তিন দেশের মধ্যে পড়ে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নর্ডিক দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া ৩টি দেশ নিয়ে গঠিত হলেও নর্ডিক দেশ ৫টি।
সঠিক উত্তর: D) নেদারল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
রটারডাম বন্দরটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় এবং বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রবন্দর। এটি নেদারল্যান্ডস দেশের রটারডাম শহরে রাইন এবং মিউজ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
২. দেশ ও ভূপ্রকৃতি:
দেশ: নেদারল্যান্ডস ইউরোপের একটি উন্নত ও জনবহুল দেশ।
অবস্থান ও গুরুত্ব: রাইন নদী ইউরোপের অর্থনৈতিক হৃৎপিণ্ড হওয়ায় এই বন্দরটি সমগ্র ইউরোপের বাণিজ্যে প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ্যান্টওয়ার্প বন্দর
ব্যাখ্যা: বেলজিয়ামে অবস্থিত এই বন্দরটি রটারডামের পর ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর এবং ইউরোপীয় বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র।
উদাহরণ ২: হামবুর্গ বন্দর
ব্যাখ্যা: জার্মানিতে অবস্থিত এই বন্দরটি উত্তর ইউরোপের প্রধান বাণিজ্য বন্দর এবং এটি বিশ্ব বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান শিল্পপ্রধান দেশ হলেও এর প্রধান বন্দর হলো হামবুর্গ ও ব্রেমেন।
B) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার একটি দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো গোটেনবার্গ যা বল্টিক সাগর বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত।
C) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপের একটি নর্ডিক দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো কোপেনহেগেন যা বাল্টিক সাগরের প্রবেশদ্বারে অবস্থিত।
D) নেদারল্যান্ড — এই অপশনটি সঠিক কারণ রটারডাম বন্দরটি নেদারল্যান্ডসেই অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
রটারডাম নামটির সঙ্গে নেদারল্যান্ডস শব্দটি মনে রাখতে পারেন কারণ এটি ইউরোপের ডাচ অর্থনীতির মূল শক্তি। বন্দর মানেই রটারডাম এবং রটারডাম মানেই নেদারল্যান্ডস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রটারডাম বন্দরটি ইউরোপের প্রবেশদ্বার নামে পরিচিত। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় রটারডাম বন্দর কোন দেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) সিয়েরা লিওন
১. কেন সঠিক:
সিয়েরা লিওন ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি বা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
দেশটিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদান এবং ত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
দেশ: সিয়েরা লিওন, পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী ফ্রিটাউন।
প্রেক্ষাপট: নব্বইয়ের দশকের গৃহযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত সিয়েরা লিওনে শান্তি ফেরাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
গুরুত্ব: অন্য কোনো দেশের মাতৃভাষাকে সম্মান জানানোর বিরল কূটনৈতিক দৃষ্টান্ত এটি এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলা ভাষার মর্যাদাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা: লাইবেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ হলেও বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, বরং এটি মুক্তিকামী কৃষ্ণাঙ্গদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
ব্যাখ্যা: একুশে ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলা ভাষাকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় সিয়েরা লিওনের মতো দেশ বাংলা ভাষাকে সম্মান জানিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইবেরিয়া — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং মার্কিন মুক্ত দাসদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।
B) নামিবিয়া — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি দেশ যা ১৯৯০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে এবং এর সঙ্গে বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির কোনো সম্পর্ক নেই।
C) হাইতি — এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর রাষ্ট্রভাষা মূলত ফ্রেঞ্চ ও হাইতিয়ান ক্রেওল, বাংলা নয়।
D) সিয়েরা লিওন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের সম্মানে বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করেছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিয়েরা লিওন নামটি মনে রাখলেই বুঝবেন এটি আফ্রিকার সেই দেশ যা বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা ভাষাকে ভালোবেসে রাষ্ট্রভাষা করেছিল।
শান্তিরক্ষা মিশন এবং সিয়েরা লিওন এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন দেশ বাংলাদেশকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যার উত্তর সিয়েরা লিওন।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে সিয়েরা লিওনের রাজধানী কোথায় বা শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা কত সালে শুরু হয়েছিল।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)