সঠিক উত্তর: C) সন্ন্যাসী
১. কেন সঠিক:
গৃহী শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি সংসার ধর্মে আবদ্ধ বা পরিবার নিয়ে বসবাস করেন।
এর বিপরীত শব্দ হলো সন্ন্যাসী, যার অর্থ যিনি সংসার ত্যাগ করেছেন এবং আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত আছেন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সক্রিয় শব্দের বিপরীত নিষ্ক্রিয়।
ব্যাখ্যা: সক্রিয় অর্থ কর্মঠ আর নিষ্ক্রিয় অর্থ কর্মহীন বা অলস।
উদাহরণ ২: অনুরাগ শব্দের বিপরীত বিরাগ।
ব্যাখ্যা: অনুরাগ অর্থ গভীর আকর্ষণ বা ভালোবাসা আর বিরাগ অর্থ অনীহা বা বিরক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাসী — প্রবাসী অর্থ যে ব্যক্তি নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বাস করেন, এটি গৃহী শব্দের বিপরীত নয়।
B) পরবাসী — পরবাসী শব্দের অর্থ পরদেশে বসবাসকারী, যা গৃহী শব্দের বিপরীত হিসেবে সঠিক নয়।
C) সন্ন্যাসী — সন্ন্যাসী হলো গৃহী শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
D) গৃহহীন — গৃহহীন অর্থ যার ঘরবাড়ি বা আশ্রয় নেই, এটি গৃহী শব্দের বিপরীতার্থক সঠিক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংসার জীবনে থাকা ব্যক্তি গৃহী এবং সংসার ছেড়ে যাওয়া ব্যক্তি সন্ন্যাসী।
এই দুই শব্দের মধ্যে জীবনযাত্রার মৌলিক ফারাক রয়েছে যা বিপরীত শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎস ও মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ নির্বাচন করাই সঠিক নিয়ম।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি
১. কেন সঠিক:
বিদ্যাপতি বাংলা পদাবলীর আদি বা প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃত। তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও তাঁর পদ ব্রজবুলি ভাষায় রচিত এবং বাংলা সাহিত্যে তা অত্যন্ত সমাদৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি মিথিলার দরবারের কবি ছিলেন এবং রাজা শিবসিংহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। বাংলা পদাবলী সাহিত্যে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা তাঁর পদ থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদাবলী সাহিত্য
ব্যাখ্যা: এটি মূলত বৈষ্ণব পদাবলীকে বোঝায় যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন পর্যায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্রজবুলি ভাষা
ব্যাখ্যা: এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়, বরং মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোবিন্দ দাস — ইনি পদাবলীর পরবর্তী যুগের একজন প্রখ্যাত পদকর্তা এবং করচা লেখক। ইনি প্রথম কবি নন।
C) চণ্ডীদাস — বাংলা ভাষার প্রথম স্বাধীন পদকর্তা হিসেবে পরিচিত হলেও বিদ্যাপতির পরেই তাঁর স্থান নির্ধারিত হয়।
D) লুইপা — ইনি চর্যাপদের প্রথম পদরচয়িতা বা আদি কবি, পদাবলীর নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
পদাবলীর আদি কবি বিদ্যাপতি এবং চর্যাপদের আদি কবি লুইপা। এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্যাপতিকে মিথিলার কোকিল বলা হয়। চর্যাপদ ও পদাবলী সাহিত্যের আদি কবিদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) কৃষিজীবী
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে জীবী অংশ যুক্ত হওয়ার কারণে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে।
- জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সর্বদা দীর্ঘ ঈকার বসে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবী (জীবীন্) শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে শেষের বর্ণে দীর্ঘ ঈকার হয়।
- পেশা বা জীবিকা অর্থে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
- যেমন: আইনজীবী, প্রবাসী, শ্রমজীবী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কৃষিজীবি — এখানে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়নি, তাই বানান ভুল।
- B) কৃষিজিবি — এখানে প্রথমটি দীর্ঘ ঈকার এবং পরেরটি হ্রস্ব ইকার দেওয়ায় বানান ভুল।
- C) কৃষিজীবী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) কৃষিজীবি — এখানেও হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত।
মনে রাখার টিপস:
- জীবিকা নির্বाह বোঝাতে শেষে সবসময় দীর্ঘ ঈকারযুক্ত জীবী ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) ১৯১৬
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যকর্ম যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেছিলেন।
হাজার বছরের পুরনো এই মহামূল্যবান চর্যাপদ আবিষ্কার ও প্রকাশের ইতিহাস বাংলা সাহিত্য গবেষণার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আধ্যাত্মিক গান যার রচিয়তারা ছিলেন বিভিন্ন পদের কবি বা পদকর্তা।
এটি নেপালের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত হয়ে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত গীতসংগ্রহ নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা এবং পদটির মূল সুর ছিল বঙ্কিম বা রাগ পটমঞ্জরী।
ব্যাখ্যা: লুইপাকে চর্যাপদের আদি পদকর্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তার পদটি দিয়েই চর্যাপদ সংকলন শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: চর্যাপদে মোট সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ সম্পূর্ণ পাওয়া গেছে এবং সাড়ে এগারো নম্বর পদটি নষ্ট হয়ে গেছে।
ব্যাখ্যা: গবেষক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মোট তিপ্পান্নটি পদের কথা বললেও পুঁথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৭ — এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম নেপালের রাজদরবারের লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু তা প্রকাশ করেননি।
B) ১৯০৯ — এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে দ্বিতীয়বার পুথি অনুসন্ধানে যান যা প্রকাশের সাল নয়।
C) ১৯১৭ — এই সালটি চর্যাপদ আবিষ্কার বা প্রকাশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয় বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর সাল।
D) ১৯১৬ — এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
আবিষ্কার হলো সাতচল্লিশে অর্থাৎ ১৯০৭ সালে আর প্রকাশ হলো ষোলোতে অর্থাৎ ১৯১৬ সালে।
এই সাল দুটি মনে রাখলে চর্যাপদ সম্পর্কিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবিষ্কার ও প্রকাশের সাল আলাদাভাবে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র বুড়ি তার সন্তান ও দেশের টানে মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখে এবং জীবন উৎসর্গ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক সেলিনা হোসেন।
- এটি বাংলা কথাসাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের এক অনন্য সংযোজন হিসেবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত এই উপন্যাসটিও আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: রাঙা নদী ক্ষত
ব্যাখ্যা: এটিও সেলিনা হোসেনের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা মুক্তিযুদ্ধ ও সামাজিক সংকটের চিত্র তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রূপকধর্মী উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
B) মাটি আর অশ্রু — এটি কোনো উল্লেখযোগ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বা প্রমিত সাহিত্যকর্ম নয়।
D) সারেং বউ — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত গ্রামীণ সমাজ ও কূলবধূ কদম আলীর জীবনভিত্তিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম মনে রাখতে হাঙর নদী গ্রেনেড নামটি বিশেষভাবে মাথায় রাখবে।
- সেলিনা হোসেন মানেই গ্রেনেড বা যুদ্ধের পটভূমি এমনভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে লেখকের নাম ও উপন্যাসের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) কাব্য
১. কেন সঠিক:
- 'চন্দ্রাবতী' হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা চন্দ্রাবতীর জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত আধুনিক দীর্ঘ কবিতা বা কাব্য।
- এটি মূলত প্রখ্যাত কবি ও গবেষক ড. দীনেশচন্দ্র সেন রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম বাঙালি নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবনের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. দীনেশচন্দ্র সেন ১৯৩৮ সালে 'চন্দ্রাবতী' কাব্যটি রচনা করেন, যা বাংলার লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।
- এই কাব্যে ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম চরিত্র ও কবি চন্দ্রাবতীর দুঃখময় জীবন, প্রেম এবং রামায়ন অনুবাদের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন রচিত এটি একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য যা পল্লীবাংলার চিত্র তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ রচিত এটি আধুনিক বাংলা ভাষার একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এটি সঠিক কারণ 'চন্দ্রাবতী' ড. দীনেশচন্দ্র সেনের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
B) পদাবলী — পদাবলী বলতে সাধারণত মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন জাতীয় গান বা পদ সংকলনকে বোঝায়, যা এই কাব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) পালাগান — চন্দ্রাবতীকে নিয়ে পালাগান রচিত হলেও ড. দীনেশচন্দ্র সেনের মূল গ্রন্থটি কোনো পালাগান নয়, এটি একটি কাব্য।
D) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের জন্য লিখিত দৃশ্যকাব্য, কিন্তু চন্দ্রাবতী কোনো নাটক বা মঞ্চনাটক হিসেবে রচিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ কৌশল হলো চন্দ্রাবতী ছিলেন মধ্যযুগের কবি এবং দীনেশচন্দ্র সেন তাকে নিয়ে একটি কাব্য লিখেছিলেন।
- ড. দীনেশচন্দ্র সেন মানেই প্রাচীন ও মধ্যযুগের সংকলক এবং চন্দ্রাবতীর কাব্য রচয়িতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ অনুবাদ করেছিলেন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চন্দ্রাবতী কাব্যটির রচয়িতা কে, যার উত্তর ড. দীনেশচন্দ্র সেন।
সঠিক উত্তর: B) তিন
১. কেন সঠিক:
গঠন প্রক্রিয়া অনুযায়ী বাংলা শব্দভাণ্ডার বা শব্দমূলকে মূলত তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়।
এই শ্রেণিবিভাগটি শব্দের উৎপত্তি বা গঠনের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে গঠন বা উৎপত্তি অনুসারে শব্দ মূলত তিন প্রকার যথা মৌলিক শব্দ সাধিত শব্দ এবং মিশ্র শব্দ।
প্রকৃতি ও প্রত্যয় যোগে অথবা সমাস বা উপসর্গ যোগে শব্দ গঠিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে গঠন প্রক্রিয়া বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোলাপ
ব্যাখ্যা: গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে অন্য কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না।
উদাহরণ ২: চলন্ত
ব্যাখ্যা: চল ধাতু এবং অন্ত প্রত্যয় যোগে গঠিত হওয়ায় এটি একটি সাধিত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই — বাংলা ব্যাকরণে গঠন প্রক্রিয়া অনুসারে শব্দের সংখ্যা মাত্র দুটি ধরা হয় না তাই এটি ভুল।
B) তিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ গঠন প্রক্রিয়া অনুযায়ী শব্দ তিন প্রকার।
C) চার — বাংলা ব্যাকরণে পদের শ্রেণিবিভাগ চার প্রকার হলেও গঠন অনুসারে শব্দের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) আট — উৎস বা অর্থের বিচারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনেক হলেও গঠন প্রক্রিয়ার সংখ্যা আট নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গঠন প্রক্রিয়ায় শব্দের প্রকার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মো-সা-মি অর্থাৎ মৌলিক, সাধিত এবং মিশ্র।
পরীক্ষায় গঠন ও উৎস শব্দ দুটি গুলিয়ে ফেলবে না কারণ উৎস অনুযায়ী শব্দ পাঁচ প্রকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গঠন প্রক্রিয়া এবং উৎস অনুসারে শব্দের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
মৌলিক এবং সাধিত শব্দের পার্থক্য ভালো করে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) পুণ্ড্র
১. কেন সঠিক:
- বাংলার প্রাচীনতম জনপদ বা স্থান হলো পুণ্ড্র।
- বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী ছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসের প্রাচীন জনপদ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন।
- মৌর্য আমল থেকেই পুণ্ড্রনগর বাংলার অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গৌড়
ব্যাখ্যা: এটি বাংলার অপর একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক জনপদ।
উদাহরণ ২: সমতট
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোনারগাঁও — এটি পরবর্তীকালের ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র, বাংলার প্রাচীনতম স্থান নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি সেন আমলের বিখ্যাত রাজধানী ও প্রাচীন অঞ্চল, তবে পুণ্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়।
D) চন্দ্রদ্বীপ — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ হলেও পুণ্ড্রর মতো প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্বীকৃতি পায়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীনতম স্থান বা জনপদ বললে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্র মনে রাখবে।
- বগুড়ার মহাস্থানগড় এর সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক প্রমাণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রশ্ন আসে।
- পুণ্ড্র বর্তমান বগুড়া জেলায় অবস্থিত এবং এটিই বাংলার প্রথম নগর সভ্যতার নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
'বাগযন্ত্র' হলো মানবদেহের সেই অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো যার সাহায্যে আমরা কথা বলি বা ধ্বনি উচ্চারণ করি। বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনির উৎপত্তি, উচ্চারণ, বৈশিষ্ট্য এবং বাগযন্ত্রের ব্যবহার ধ্বনিতত্ত্ব অংশে আলোচনা করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান, সন্ধি এবং বাগযন্ত্রের উচ্চারণ ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয়। মানুষের ফুসফুস থেকে তাড়িয়ে আনা বাতাস মুখবিবরের বিভিন্ন অংশে বাধা পেয়ে ধ্বনি হিসেবে বাইরে বেরিয়ে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফুসফুস, কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত ও ওষ্ঠ হলো প্রধান বাগযন্ত্র।
ব্যাখ্যা: এই অঙ্গগুলোর সাহায্যে মানবদেহের ভেতর থেকে ধ্বনি উৎপন্ন ও উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ স্থান।
ব্যাখ্যা: কোন ধ্বনি মুখবিবরের কোন অংশ থেকে উচ্চারিত হচ্ছে তা ধ্বনিতত্ত্বে শেখানো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর কারণ বাগযন্ত্রের সাহায্যে ধ্বনি উচ্চারিত হয়।
B) রূপতত্ত্ব — ভুল কারণ রূপতত্ত্বে শব্দ ও পদের গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
C) অর্থতত্ত্ব — ভুল কারণ অর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থবাচকতা ও বিপরীতার্থক শব্দ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
D) বাক্যতত্ত্ব — ভুল কারণ বাক্যতত্ত্বে পদের সাজানো বিন্যাস ও বাক্য গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কথা বলা বা ধ্বনি তৈরির সাথে যুক্ত যন্ত্রই হলো বাগযন্ত্র এবং ধ্বনি সম্পর্কিত সবকিছুই ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি এবং প্রতিটির কাজ আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) হাইফেন
কেন সঠিক:
- বাক্যের মধ্যে দুটি পদের সংযোগ বোঝাতে হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
- সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে একত্রে যুক্ত রাখতে হাইফেনের প্রয়োজন হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একাধিক পদকে জোড়া লাগাতে হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত দুটি শব্দকে একত্রিত করে একটি একক ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
- যেমন: মা-বাবা, দিন-রাত, ভালো-মন্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কমা — এটি বাক্যের মধ্যে বিরতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, পদের সংযোগ করতে নয়।
- B) কোলন — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে ব্যবহৃত হয়।
- C) হাইফেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল নেই।
- D) ড্যাশ — এটি বিরতিচিহ্ন যা বাক্যে ভাব বা অর্থের পরিবর্তন বোঝাতে বসে।
মনে রাখার টিপস:
- পদের সংযোগ মানেই হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন।
সঠিক উত্তর: B) শায়েস্তা খানের কন্যা
কেন সঠিক:
পরীবিবি ছিলেন বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খানের প্রিয় কন্যা এবং তার আসল নাম ছিল ইরান দুখ্ত।
মোঘল আমলে নির্মিত ঢাকার লালবাগ কেল্লার অন্দরে অবস্থিত পরীবিবির মাজার বাংলার মুঘল স্থাপত্যের একটি অনন্য নিদর্শন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মধ্যযুগের বাংলা ইতিহাসের মোঘল আমল সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক চরিত্র হলেন এই পরীবিবি।
ইতিহাসের নানা পন্ডিতের মতে তার অকাল মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ঢাকায় তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই ঐতিহাসিক মাজার নির্মাণ করেন।
ঐতিহাসিক লালবাগ কেল্লার কেন্দ্রীয় চত্বরে পরীবিবির এই সমাধি সৌধ আজও মোঘল সংস্কৃতির স্মৃতি বহন করে চলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আওরঙ্গজেবের কন্যা — সম্রাট আওরঙ্গজেবের কন্যার নাম পরীবিবি ছিল না বরং তার কন্যার নাম ছিল জেবুনিসা।
B) শায়েস্তা খানের কন্যা — এই অপশনটি সঠিক কারণ পরীবিবি বাস্তবে বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খানেরই কন্যা ছিলেন।
C) মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী — মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রীর নাম পরীবিবি ছিল না বরং তার স্ত্রীর নাম ছিল নাসরিন বানু।
D) আজিমুশশানের মাতা — যুবরাজ আজিমুশশানের মাতার নাম পরীবিবি ছিল না বরং তিনি অন্য একজন মোঘল রাজমহিষী ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
লালবাগ কেল্লার সাথে পরীবিবির নাম চিরকাল জড়িয়ে আছে এবং তার পিতা শায়েস্তা খান ঢাকায় মোঘল শাসন দীর্ঘস্থায়ী করেছিলেন।
পরীবিবির আসল নাম ছিল ইরান দুখ্ত যা মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) প্রবীণ
১. কেন সঠিক:
- প্রবীণ শব্দটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে।
- এর গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় প্র যোগ বীণ এবং এখানে প্র হলো একটি সংস্কৃত উপসর্গ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি যার মধ্যে প্র অন্যতম প্রধান একটি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রগত
ব্যাখ্যা: প্র যোগ গত মিলে প্রগত শব্দ গঠিত হয় যেখানে প্র উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রধান
ব্যাখ্যা: প্র যোগ ধান মিলে প্রধান শব্দ গঠিত হয় যেখানে প্র উপসর্গ যুক্ত রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিখারি — এটি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ নয় বরং এটি ভিখা শব্দের সঙ্গে ইরি প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শব্দ।
B) প্রবীণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর বিস্তারিত উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
C) বাবুয়ানা — এটি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ নয় বরং এটি বাবু শব্দের সঙ্গে আনা প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ।
D) সেলাই — এটি উপসর্গ বা প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয় বরং এটি সলাই ধাতু থেকে উৎপন্ন একটি মৌলিক বা সাধারণ শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গ সবসময় শব্দের প্রথমে বসে এবং প্রত্যয় সবসময় শব্দের শেষে বসে।
- প্র উপসর্গযুক্ত শব্দ চেনার জন্য শব্দের শুরুতে প্র অংশটি আলাদা করে মূল শব্দ খুঁজে দেখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে তাই শব্দ বিশ্লেষণ করার অভ্যাস করতে হবে।
- সংস্কৃত উপসর্গগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর আলাদা করা সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: C) লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত মোনালিসা চিত্রটির চিত্রকর হলেন ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের বহুমুখী প্রতিভাধর শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।
- এই অমর সৃষ্টিটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং রহস্যময় শিল্পকর্মগুলোর একটি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
২. সাহিত্য ও শিল্পকলা ব্যাখ্যা:
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ছিলেন ইতালির ফ্লোরেন্সের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, স্থপতি ও বিজ্ঞানী।
- মোনালিসা চিত্রকর্মটি ষোড়শ শতাব্দীতে অঙ্কিত হয় এবং বর্তমানে এটি ফ্রান্সের প্যারিসের ল্যুভ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্য লাস্ট সাপার
ব্যাখ্যা: এটি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আরেকটি বিশ্ববিখ্যাত ও ঐতিহাসিক প্রাচীর চিত্রকর্ম।
উদাহরণ ২: সালভাতর মুন্ডি
ব্যাখ্যা: এটিও লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির অত্যন্ত মূল্যবান এবং আলোচিত একটি চিত্রকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল অ্যাঞ্জেলো — ইনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও মোনালিসার চিত্রকর নন।
B) পাবলো পিকাসো — ইনি বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী এবং কিউবিজমের প্রবক্তা।
ডি) ভ্যানগগ — ইনি উনবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত ডাচ পোস্ট-ইমপ্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভিঞ্চি নামটির সঙ্গে বিশ্বখ্যাত শিল্পকর্ম মোনালিসার নাম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল।
- রেনেসাঁ যুগের শ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পীদের তালিকা মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মোনালিসা চিত্রকর্মটি বর্তমানে ফ্রান্সের প্যারিসের ল্যুভ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- শিল্পকলা এবং বিশ্ব ইতিহাসভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) যা সহজে মরে না
১. কেন সঠিক:
- 'কৈ মাছের প্রাণ' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক ও অন্তর্নিহিত অর্থ হলো অত্যন্ত দীর্ঘজীবী বা যার জীবনশক্তি খুব বেশি।
- কৈ মাছ ডাঙায় তুলে রাখলেও বা অনেকক্ষণ জল ছাড়াও বেঁচে থাকতে পারে, কারণ এর ফুলকার সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা আছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিড়ালের সাত প্রাণ
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থও এমন কোনো ব্যক্তি বা বস্তু বোঝায় যা অনেক বিপদ থেকেও সহজে বেঁচে যায়।
উদাহরণ ২: ভস্মে ঘি ঢালা
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ বৃথা চেষ্টা করা বা অপচয় করা, যা কোনো কাজের সুফল বয়ে আনে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংকীর্ণমনা লোক — এই অর্থের জন্য 'গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না' বা অনুরূপ কোনো বাগধারা ব্যবহার করা হয়, কৈ মাছের প্রাণ নয়।
B) যা সহজে মরে না — এটিই সঠিক উত্তর কারণ কৈ মাছের বেঁচে থাকার দীর্ঘ ক্ষমতার সঙ্গে এটি তুলনীয়।
C) খুব চালাক — খুব চালাক বোঝাতে 'শকুনি মামা' বা 'তেলে জলে মিশ খাওয়া' ধরনের বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
D) খুব অলস — খুব অলস বা নিষ্ক্রিয় বোঝাতে 'কুম্ভকর্ণের ঘুম' বা 'উড়ো চণ্ডী' বাগধারাটি বেশি উপযুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কৈ মাছ সহজে মারা যায় না বলে মনে রাখবে কৈ মাছের প্রাণ মানে যা সহজে মরে না।
- পরীক্ষার হলে প্রশ্ন দেখলে মাছের দীর্ঘজীবি হওয়ার বৈশিষ্ট্যটি মনে করার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবজন্তু সম্পর্কিত বাগধারা প্রায়ই আসে।
- এই ধরনের বাগধারার উৎস বা পেছনের কারণ জানলে উত্তর মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) আহমদ ছফা
১. কেন সঠিক:
- 'বাঙালি মুসলমানের মন' প্রবন্ধগ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ আহমদ ছফার একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী সাহিত্যকর্ম।
- এই গ্রন্থে বাঙালি মুসলমান সমাজের মানসিকতা, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার সংকট অত্যন্ত গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আহমদ ছফা একাধারে ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও সমালোচক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছেন।
- তাঁর এই রচনাটি সমাজচিন্তা ও মননশীল প্রবন্ধ ধারার এক অনন্য নিদর্শন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'যদ্যপি আমার গুরু'
ব্যাখ্যা: এটি আহমদ ছফার লেখা একটি বিখ্যাত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ সমাদৃত।
উদাহরণ ২: 'অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান'
ব্যাখ্যা: এটি আহমদ ছফার একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আহমদ শরীফ — আহমদ শরীফ মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও গবেষণামূলক প্রবন্ধের জন্য পরিচিত হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) আহমদ ছফা — এই অপশনটি সঠিক এবং এই প্রাবন্ধিকই গ্রন্থটির রচয়িতা।
C) আনিসুজ্জামান — আনিসুজ্জামান মূলত ইতিহাস ও সমাজভিত্তিক গবেষণা গ্রন্থ যেমন 'মুসলিম মানাস ও বাংলা সাহিত্য' লিখেছন, কিন্তু এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) আবুল ফজল — আবুল ফজল সমাজমুখী মননশীল প্রবন্ধ ও উপন্যাস লিখলেও 'বাঙালি মুসলমানের মন' তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মননশীল সমাজচিন্তার বই মনে রাখতে ছফা নামের সাথে 'মন' শব্দটির সংযোগ মনে রাখতে পারো।
- ছফার মননশীলতা এভাবে খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাবন্ধিক আহমদ ছফার প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নাম ও গ্রন্থের নাম জোড়া মিলিয়ে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) রাখালী
১. কেন সঠিক:
রাখালী হলো বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
এই কাব্যগ্রন্থে পল্লী প্রকৃতির রূপ এবং গ্রামীণ মানুষের সহজ সরল জীবনের নিখুঁত শিল্পরূপ প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
পল্লীকবি জসীম উদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি যিনি গ্রামীণ জীবন ও লোকসংস্কৃতিকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন।
তাঁর কাব্যে বাংলার প্রকৃতি, নদী, মাঠ এবং সাধারণ মানুষের সুখ দুঃখ অত্যন্ত জীবন্তভাবে ফুজে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিশ্বনন্দিত দীর্ঘ কাব্য যা গ্রামীণ প্রেমের ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: সোজন বাदियाর ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীম উদ্দীনের রচিত অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় লোকগাথাভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলে মুসাফির — এটি কবি জসীম উদ্দীনের লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী।
B) রাখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
C) বিষের বাঁশি — এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থ।
D) সোনালি কাবিন — এটি আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্য রাখালী এবং প্রথম প্রকাশিত কবিতা কবর যা নকশী কাঁথার মাঠের জন্যও তিনি বিখ্যাত।
পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত জসীম উদ্দীনের কাব্য মনে রাখতে নামের সাথে গ্রামীণ শব্দের সংযোগ মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ এবং ভ্রমণকাহিনীগুলোর নাম প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়।
অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর সাথে জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: D) গৈ + অক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ঐ-কার বা ঔ-কারের পর যদি অন্য স্বরধ্বনি থাকে, তবে ঐ-কারের জায়গায় অয় এবং ঔ-কারের জায়গায় অব হয়। গৈ শব্দের শেষে ঐ-কার রয়েছে এবং এর সঙ্গে অক যুক্ত হওয়ার কারণে ঐ-কার পরিবর্তিত হয়ে অয় হয়েছে, যার ফলে গায়িক শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত আদিদেশ বা য-ফলা এবং ব-ফলার একটি বিশেষ নিয়ম, যা মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের অনাদি বা অয়-অব নিয়মের অধীন। এই নিয়মে ঐ-কারের স্থানে অয় এবং ঔ-কারের স্থানে অব বসে এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিটি সেই অন্তস্থ ধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈ + অক = নায়ক
ব্যাখ্যা: গৈ শব্দের মতো নৈ শব্দের ঐ-কার অয় হয়ে নায়ক শব্দ গঠন করে।
উদাহরণ ২: পৌ + অন = পবন
ব্যাখ্যা: পৌ শব্দের ঔ-কার অব হয়ে পবন শব্দ গঠন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গো + অক — এই নিয়মে গো যোগ অক মিলে গায়ক হয় না, বরং এটি গবাশ্রয় বা গবাক্ষ জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
B) গা + অক — গা কোনো মৌলিক ধাতু বা শব্দ নয় যা এই ধরনের সন্ধি গঠন করতে পারে।
C) গা + য়ক — য়ক কোনো ব্যাকরণসম্মত প্রত্যয় বা অংশ নয়, তাই এই বিশ্লেষণটি ভুল।
D) গৈ + অক — এটি সঠিক কারণ গৈ শব্দের ঐ-কার পরিবর্তিত হয়ে গায়ক গঠন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঐ-কারযুক্ত শব্দের সঙ্গে স্বরধ্বনি থাকলে গৈ থেকে গায় এবং নৈ থেকে নায় হয়।
শব্দে আয় বা অব উচ্চারণ পেলে সন্ধিবিচ্ছেদে যথাক্রমে ঐ-কার বা ঔ-কার ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গায়ক, নায়ক, গায়িকা, পাবক ইত্যাদি সন্ধিগুলো প্রায়ই আসে।
নৈ যোগ অক সমান নায়ক এবং গৈ যোগ অক সমান গায়ক—এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব উপকারী।
সঠিক উত্তর: C) বিসর্জন
কেন সঠিক:
- বিসর্জন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকে নাট্যরূপের পাশাপাশি কাব্যের সুর ও ভাষার উচ্চাঙ্গ সৌন্দর্য একীভূত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাব্যনাট্য হলো এমন এক সাহিত্যকর্ম যা দেখতে নাটকের মতো কিন্তু এর মূল আত্মা ও প্রকাশভঙ্গি কবিতার।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অন্যান্য সাহিত্যিকগণ এই ধারায় রূপক ও সামাজিক ভাব ফুটিয়ে তুলেছেন।
- রাজার বিসর্জন বা মানুষের অন্ধ সংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বাণী এই নাটকে কাব্যিকভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কৃষ্ণকুমারী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক।
- B) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য।
- C) বিসর্জন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক।
মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যনাট্য মনে রাখার সময় বিসর্জন নামটি প্রথমে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যালয়
১. কেন সঠিক:
বিদ্যালয় শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়, এটি একটি সন্ধিজাত শব্দ।
শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো বিদ্যা + আলয়, যা স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, আর সমাস হলো অর্থসম্পর্কযুক্ত দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ।
বিদ্যালয় শব্দে কোনো পদের সমাসবদ্ধ বিভক্তি বা সমাসগত অর্থ প্রকাশ পায় না, বরং ধ্বনির মিলন ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিমালয়
ব্যাখ্যা: এটি হিম + আলয় সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে, সমাসের মাধ্যমে নয়।
উদাহরণ ২: গবেষণা
ব্যাখ্যা: এটি গো + এষণা সন্ধির নিয়মে সাধিত শব্দ, কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাছপাকা - এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার ব্যাসবাক্য হলো গাছে পাকা এবং এটি সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস।
B) বিদ্যালয় - এটি সমাসবদ্ধ শব্দ নয়, বরং সন্ধির মাধ্যমে গঠিত একটি শব্দ।
C) সিংহাসন - এটি একটি মধ্যপদলোপী বহুব্ৰীহি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার ব্যাসবাক্য সিংহ চিহ্নিত আসন।
D) দিলদরিয়া - এটি একটি বহুব্ৰীহি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার অর্থ যার দিল বা হৃদয় দরিয়ার মতো বিশাল।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দ দেখলে আগে দেখতে হবে সেখানে সন্ধির নিয়ম কাজ করেছে নাকি পদের মিলন ঘটেছে।
বিদ্যা যোগ আলয় হলো সন্ধি, তাই এটি সমাস নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধি ও সমাসের শব্দ মিলিয়ে কনফিউজ করা হয়।
কোনো শব্দ দেখলেই তা সমাস মনে না করে তার গঠন ও উৎস ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আদিত্য
১. কেন সঠিক:
সঠিক উত্তরটি হলো আদিত্য, কারণ এটি সূর্য শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ।
সূর্য শব্দের অর্থ হলো দিবাকর, তপন, ভাস্কর ইত্যাদি যা আলো ও তাপ প্রদান করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় সমান।
বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব বা তৎসম রূপে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবিতা
ব্যাখ্যা: সবিতা শব্দটি সূর্যের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ যিনি দিন করেন বা আলো দেন, এটিও সূর্যের প্রতিশব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধাংশু — এই অপশনটি ভুল কারণ সুধাংশু শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র।
B) গগন — এই অপশনটি ভুল কারণ গগন শব্দের অর্থ আকাশ বা আসমান।
C) নক্ষত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ নক্ষত্র তারা বা মহাকাশীয় গোলককে বোঝায়।
D) আদিত্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে আদিত্য, রবি, তপন, ভাস্কর এই কয়েকটি নাম একসাথে চর্চা করো।
চন্দ্র বা চাঁদের সমার্থক শব্দের সাথে সূর্যের সমার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
প্রকৃতি ও মহাকাশ সম্পর্কিত শব্দগুলোর অর্থ আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- সওগাত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং সফল সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন।
- ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন বাংলা সাহিত্য জগতে একজন বিশিষ্ট সম্পাদক ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত।
- সওগাত পত্রিকা বাংলা মুসলমান সমাজে আধুনিক সাহিত্যচর্চা ও মুক্তবুদ্ধি প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোহাম্মদী পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটিও মোহাম্মদ নাসির উদ্দীনের সম্পাদনায় প্রকাশিত আরেকটি বিখ্যাত মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা।
উদাহরণ ২: সওগাত প্রকাশনী
ব্যাখ্যা: এই প্রকাশনা সংস্থা থেকে কাজী নজরুল ইসলামের বহু গ্রন্থ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
B) এস, ওয়াজেদ আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক ছিলেন, কিন্তু সওগাত পত্রিকার সম্পাদক নন।
D) লুৎফর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক ও লেখক হলেও এই পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নাসির অর্থ সাহায্যকারী, যিনি সওগাত বা উপহার স্বরূপ পত্রিকা উপহার দিয়েছেন।
- সওগাত শব্দের অর্থ উপহার, আর মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন সাহিত্য সমাজকে এই উপহার দিয়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সওগাত পত্রিকার প্রথম প্রকাশকাল ১৯১৮ সাল এবং এর সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামের গভীর সাহিত্যিক যোগাযোগ ছিল।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) ফররুখ আহমদ
১. কেন সঠিক:
- 'মুহূর্তের কবিতা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁসের কবি ফররুখ আহমদ।
- এটি তাঁর একটি অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা বাংলা কাব্য সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান মুসলিম কবি এবং সনেট রচনার জন্য খ্যাত।
- তাঁর কবিতায় ইসলামী ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং মানবতাবাদী চেতনার এক অনন্য প্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাত সাগরের মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: পাখির বাসা
ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদ রচিত একটি বিখ্যাত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিকান্দার আবু জাফর — সিকান্দার আবু জাফর 'মুহূর্তের কবিতা' কাব্যগ্রন্থটি লেখেননি, তিনি মূলত 'বাংলা ছাড়ো' কবিতার জন্য বিখ্যাত।
B) সুফিয়া কামাল — সুফিয়া কামাল এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তিনি 'সাঝের মায়া' কাব্যগ্রন্থের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
C) আহসান হাবীব — আহসান হাবীব এই কবিতা বা গ্রন্থের লেখক নন, তিনি 'রাত্রির শেষ সুর' কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত।
D) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'মুহূর্তের কবিতা' তাঁরই একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত শব্দটি দেখলেই ফররুখ আহমদের ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থটির কথা মনে রাখবে।
- মুসলিম রেনেসাঁসের কবির সাহিত্যকর্ম মনে রাখার এটি একটি সহজ উপায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) Accolade
কেন সঠিক:
Accolade শব্দটি শুধুমাত্র নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ সম্মান বা প্রশংসা।
এটি বাক্যে কখনো ভার্ব বা ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Eye — এটি নাউন হলেও চোখ রাখা বা তাকানো অর্থে ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
B) Host — এটি অতিথি আপ্যায়ন করা অর্থে ভার্ব হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
C) Accolade — এটি সবসময় নাউন হিসেবে থাকে এবং এর কোনো ভার্ব রূপ নেই।
D) Holiday — এটি ছুটি কাটানো অর্থে ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দ সাধারণত পুরস্কার বা সম্মানের নাম বোঝায়, যেমন accolade, সেগুলো সাধারণত নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: C) church authorities
কেন সঠিক:
Theocracy শব্দের অর্থ হলো ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা।
এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা মূলত পুরোহিত বা ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের হাতে ন্যস্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) nobility — এটি অভিজাত শ্রেণীর শাসনকে বোঝায়, যাকে অ্যারিস্টোক্রেসি বলা হয়।
B) wealthy class — এটি ধনী শ্রেণীর শাসনকে বোঝায়, যাকে প্লুটোক্রেসি বলা হয়।
C) church authorities — এটি সঠিক কারণ এটি ধর্মীয় শাসন বা থিওক্রেসির সাথে মিলে যায়।
D) philosophers — এটি দার্শনিকদের শাসনকে বোঝায়, যার সাথে ধর্মীয় শাসনের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
Theocracy শব্দটির শুরুতে Theo অংশটি আছে যার অর্থ ঈশ্বর বা ধর্ম, তাই এটি ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের শাসন।
সঠিক উত্তর: C) Do you know where he lives?
কেন সঠিক:
জটিল বাক্যের দ্বিতীয় অংশে সাবজেক্টের পরে মূল ভার্ব বসে এবং কোনো অতিরিক্ত সাহায্যকারী ভার্ব বসে না।
এখানে বর্তমান কাল বোঝাতে সাবজেক্ট he এর সাথে lives ব্যবহৃত হয়েছে যা বাক্যটিকে সঠিক করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Do you know where does he live? — প্রশ্নবোধক বাক্যের নিয়মে এখানে where এর পরে অতিরিক্ত does ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
B) Do you know where is his living place? — living place শব্দটি অপ্রয়োজনীয় এবং এখানে সাবজেক্ট ও ভার্বের ক্রম ভুল রয়েছে।
C) Do you know where he lives? — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Do you know where did he live? — অতীতে যাওয়ার কোনো প্রসঙ্গ না থাকলেও এখানে অতিরিক্ত did ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ডাব্লিউ এইচ ওয়ার্ড যদি বাক্যের মাঝে বসে তবে তার পরে সরাসরি সাবজেক্ট বসে এবং কোনো সাহায্যকারী ভার্ব বসে না।
সঠিক উত্তর: B) fill it in
কেন সঠিক:
এটি একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ কোনো ফর্ম বা কাগজে তথ্য লেখা।
সর্বনাম বা প্রোনাউন সবসময় ফ্রেজাল ভার্বের মাঝখানে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fill in it — এখানে প্রোনাউনটি শেষে বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম।
B) fill it in — এটি সঠিক কারণ প্রোনাউন সবসময় মাঝখানে বসে।
C) fill on it — এখানে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়নি।
D) none of these — সঠিক উত্তর বি অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রেজাল ভার্বের সাথে কোনো প্রোনাউন থাকলে তা সর্বদা মাঝে বসবে।
সঠিক উত্তর: A) Liaison
কেন সঠিক:
এই বানানটিতে ইংরেজি নিয়মে ফরাসি শব্দের সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখা হয়েছে।
এখানে দুটি স্বরবর্ণের মাঝে 's' অক্ষরটি বসে সঠিক গঠন তৈরি করেছে।
বানানটিতে কোনো অতিরিক্ত স্বরবর্ণের ব্যবহার নেই।
শব্দটির সঠিক গঠন কেবল প্রথম অপশনেই পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Liaison — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং এর অর্থ যোগাযোগ।
B) Liyasion — এখানে অতিরিক্ত 'y' ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
C) Lyasion — এই বানানে প্রয়োজনীয় স্বরবর্ণ বাদ পড়ার কারণে ভুল হয়েছে।
D) Liaisoin — শেষে অতিরিক্ত 'o' যুক্ত থাকায় এই বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি মনে রাখতে মাঝখানের অংশটুকু বারবার লিখে অভ্যাস করবে।
সঠিক উত্তর: D) Heavy smoking and overeating
কেন সঠিক:
এখানে and conjunction এর দুই পাশে একই ধরনের grammatical form বা parallelism বজায় রাখতে হয়। Heavy smoking একটি gerund phrase এবং overeating আরেকটি gerund phrase যা বাক্যটিকে সঠিক করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Heavy smoking and to overeat — এখানে and এর একপাশে gerund এবং অন্যপাশে infinitive ব্যবহার করায় parallelism বা সামঞ্জস্য নষ্ট হয়েছে।
B) Smoking heavily and to overeat — এখানেও gerund phrase এর সাথে infinitive যুক্ত করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
C) To smoke heavily and overeating — এখানে প্রথমে infinitive এবং পরে gerund ব্যবহার করায় বাক্যের গঠন অসঙ্গতিপূর্ণ হয়েছে।
D) Heavy smoking and overeating — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দুটি Noun Phrase বা Gerund সমানভাবে যুক্ত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
and দ্বারা যুক্ত শব্দ বা বাক्याংশগুলোর রূপ সবসময় একই হতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) nearly
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে 'all but' একটি ফ্রেজ বা বাগধারা যার অর্থ হলো প্রায় বা কাছাকাছি।
বাক্যটিতে সাদমান প্রায় সর্বস্বান্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in fact — এর অর্থ আসলে, যা 'all but' এর অর্থ বা প্রায় কাছাকাছি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
B) nearly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশন বি ভুল হিসেবে গণ্য হবে কারণ এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
C) truly — এর অর্থ সত্যি বা সততার সাথে, যা 'all but' এর প্রায় অর্থকে সমর্থন করে না।
D) seldom — এর অর্থ কদাচিৎ বা কদাচিৎ কখনো, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে একেবারেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
'all but' দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ প্রায় বা শেষ পর্যায়ে, আর 'all' দেখে সবকিছু বা সত্যি ভেবে ভুল করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) শিক্ষাতত্ত্ব
কেন সঠিক:
Pedagogy শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো শিক্ষাদান পদ্ধতি বা শিক্ষাতত্ত্ব। এটি মূলত শিক্ষা প্রদান সংক্রান্ত বিজ্ঞান ও শিল্পকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিক্ষানীতি — শিক্ষানীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো এডুকেশন পলিসি, যা পেডাগজি নয়।
B) শিক্ষাতত্ত্ব — এটি পেডাগজি শব্দের সঠিক পরিভাষা এবং এর সাথে হুবহু মিলে যায়।
C) নারীশিক্ষা — নারীশিক্ষার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো উইমেনস এডুকেশন, তাই এটি ভুল।
D) সহশিক্ষা — সহশিক্ষার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো কো-এডুকেশন, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Pedagogy শব্দটি শিক্ষা এবং পাঠদান পদ্ধতির সাথে জড়িত, যার সঠিক বাংলা অর্থ শিক্ষাতত্ত্ব।
সঠিক উত্তর: C) In case of your failure to move, you will die.
কেন সঠিক:
এই বাক্যের শুরুতে In case of your failure to move অংশটি একটি ফ্রেজ এবং পরের অংশে you will die একটি স্বাধীন ক্লজ।
এটি মূলত If you do not move, you will die শর্তসূচক জটিল বাক্যেরই সংক্ষিপ্ত রূপ যা কমপ্লেক্স গঠন নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) That she will reciprocate my passion for her is certain. — এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এতে দাতা ক্লজ এবং সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত আছে কিন্তু এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প হিসেবে এখানে প্রশ্নকর্তার নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে।
B) He did his work and I, mine. — এটি একটি কম্পাউন্ড বাক্য কারণ দুটি স্বাধীন ক্লজ এখানে and কনজাংশন দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
C) In case of your failure to move, you will die. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল নয়।
D) Because of his playing well, he won the game. — এটি একটি সিম্পল বাক্য কারণ এতে একটিমাত্র ফাইনাইট ভার্ব এবং একটিমাত্র সাবজেক্ট রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কমপ্লেক্স বাক্যে একটি প্রিন্সিপাল ক্লজ এবং এক বা একাধিক সাবঅর্ডিনেট ক্লজ থাকে যা conjunction দ্বারা যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) at
কেন সঠিক:
গ্রম্বল অ্যাট অর্থ হলো কোনো কিছুর বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করা বা বিরক্তি প্রকাশ করে বিড়বিড় করা।
ভাগ্যের প্রতি মানুষের অসন্তোষ বোঝাতে এই নির্দিষ্ট প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি সঠিক অপশন এবং সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে এখানে বসেছে।
B) on — অন প্রিপজিশনটি এখানে ভাগ্যের উপরে আছড়ানোর মতো অর্থ প্রকাশ করে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) against — এগেইনস্ট সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ভাগ্যের ক্ষেত্রে এটি মানানসই নয়।
D) over — ওভার সাধারণত কোনো কিছুর ওপর দিয়ে যাওয়া বা নির্দিষ্ট সীমার বেশি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রম্বল ভার্বের পর সাধারণত অ্যাট প্রিপজিশন বসে ভাগ্য বা পরিস্থিতির প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করতে।
সঠিক উত্তর: C) Spurn
কেন সঠিক:
Spurious শব্দের অর্থ হলো নকল, জাল বা কৃত্রিম, যার সাথে এর বিভিন্ন প্রতিশব্দের মিল রয়েছে।
Spurn শব্দটির অর্থ প্রত্যাখ্যান করা বা ঘৃণাভরে তাচ্ছিল্য করা, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না।
তাই এটি Spurious শব্দের সমার্থক শব্দ নয়।
এটি একটি ভিন্ন অর্থ বহন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0 — এটি একটি সংখ্যা এবং এই প্রশ্নে ভুল অপশন হিসেবে এসেছে।
B) Counterfeit — এর অর্থ নকল বা জাল, যা Spurious শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
C) Spurn — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রত্যাখ্যান করা এবং এটি সমার্থক শব্দ নয়।
D) Forged — এর অর্থ জালিয়াতি করা বা নকল তৈরি করা, যা Spurious শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Spurious মানে নকল আর Spurn মানে ঘৃণাভरे না করা, তাই এই দুটি সম্পূর্ণ আলাদা।
সঠিক উত্তর: A) altered
কেন সঠিক:
পোশাকটি গায়ে ফিট না হলে তা সাইজে ছোট বা বড় করার জন্য সাধারণত পরিবর্তন বা অলটার করতে হয়। এখানে 'have it altered' একটি সঠিক স্ট্রাকচার, যার অর্থ পোশাকটি মাপমতো ঠিক করিয়ে নেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) altered — এটিই সঠিক উত্তর কারণ পোশাক ফিট না হলে সম্পূর্ণভাবে অলটার করতে হয়।
B) loosened — এটি শুধু ঢিলা করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা সব সময় ফিট না হওয়ার একমাত্র কারণ নয়।
C) tightened — এটি কেবল টাইট করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা সব পোশাকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না।
D) tailored — এই শব্দটি নতুন পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়, মাপমতো পরিবর্তনের জন্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পোশাক গায়ে না লাগলে বা ফিট না হলে সবসময় 'altered' শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) indefinite
কেন সঠিক:
যে pronoun কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানকে বোঝায় না, তাকে indefinite pronoun বলে।
এখানে 'nobody' নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে কাউকেই বোঝাচ্ছে না।
তাই এটি একটি indefinite pronoun হিসেবে কাজ করেছে।
এটি কোনো নির্দিষ্ট নাম নির্দেশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) distributive — Distributive pronoun সাধারণত প্রতিটি আলাদা ব্যক্তি বা বস্তুকে আলাদাভাবে বোঝায়, যেমন each বা either, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) indefinite — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে বিবেচিত নয়।
C) possessive — Possessive pronoun কারো অধিকার বা মালিকানা বোঝায়, যেমন mine বা yours, যা এখানে নেই।
D) relative — Relative pronoun দুটি বাক্যকে যুক্ত করে এবং পূর্ববর্তী noun-কে নির্দেশ করে, যা এখানে ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
nobody, everybody, someone ইত্যাদি শব্দগুলো নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে সবাইকে বা কাউকে বোঝায় বলে এগুলো indefinite pronoun।
সঠিক উত্তর: B) The speaker made the audience listen to him.
কেন সঠিক:
- Make একটি Causative Verb, যার পরে বসা Object-এর পরবর্তী মূল verb-এর Base form বা Bare infinitive বসে।
- এখানে audience হলো object এবং এর পরে কোনো to ছাড়াই listen (base form) ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The speaker made the audience to listen to him. — Causative verb make-এর পর bare infinitive বসে, তাই verb-এর আগে to বসানো grammatically ভুল।
B) The speaker made the audience listen to him. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে causative verb-এর সঠিক নিয়ম মেনে bare infinitive ব্যবহার করা হয়েছে।
C) The speaker made the audiences to listen to him. — Audience শব্দটি Collective noun এবং এখানে singular রূপে ব্যবহৃত হয়, তাছাড়া verb-এর পূর্বে to অতিরিক্ত রয়েছে।
D) The speaker made the audience listening to him. — Causative verb make-এর পর verb-এর present participle বা -ing রূপ বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Make, let, help ইত্যাদি Causative verb-এর পর সবসময় Verb-এর Base form বসে, কোনো to বসে না।
সঠিক উত্তর: ডি) majoring
কেন সঠিক:
১. বাক্যে end up একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ শেষ পর্যন্ত কিছু করা।
২. এই ফ্রেজাল ভার্বের ঠিক পরেই মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
এ) having major — ফ্রেজাল ভার্বের পরে এই গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
বি) টু হ্যাভ মেজর্ড — ইনফিনিটিভ রূপ এখানে নিয়ম অনুযায়ী বসে না।
সি) হ্যাভ মেজর্ড — মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম এখানে ব্যবহার করা যায় না।
ডি) সঠিক উত্তর — এখানে জেরান্ড বা আইএনজি যুক্ত ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
end up এর পরে সবসময় ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) as well as an effective teacher
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথমাংশে ডক্টর জামাল নজরুল ইসলামকে একজন বিশিষ্ট পদার্থবিদ বলা হয়েছে এবং অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে তিনি যে একজন দক্ষ শিক্ষক তা বোঝানো হয়েছে।
এখানে as well as phrase টি দুটি সমজাতীয় গুণের মধ্যে সুন্দর সামঞ্জস্য বিধান করে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ও অর্থপূর্ণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as well as an effective teacher — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং এটিই নির্দিষ্ট উত্তর।
B) however he teaches very good also — however শব্দটি এখানে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং very good এর পরিবর্তে very well হওয়া উচিত ছিল।
C) but he teaches very good in addition — but ব্যবহারের ফলে বাক্যের অর্থের সাথে সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি হয় এবং গঠনগত ত্রুটি রয়েছে।
D) and too a very efficient teacher — and এর সাথে too একসাথে ব্যবহার করার নিয়ম ব্যাকরণে নেই এবং এর গঠনটি বেশ অস্বস্তিকর।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির একাধিক গুণ একসাথে প্রকাশ করতে সংযোজক হিসেবে as well as অত্যন্ত চমৎকারভাবে ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) I was surprised at his performance.
কেন সঠিক:
Active বাক্যের subject এখানে surprise ভার্বের object হিসেবে বসেছে এবং tense অনুযায়ী was বসেছে।
সাধারণত surprise ভার্বের পর by না বসে at বসে।
অতিরিক্ত নিয়মের কারণে preposition পরিবর্তন হয়।
বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I was surprised by his performance. — এখানে at এর বদলে ভুল preposition ব্যবহার করা হয়েছে।
B) I had been surprised with his performance. — এখানে tense এবং preposition উভয়ই ভুল দেওয়া হয়েছে।
C) I was surprised for his performance. — এখানে for preposition ব্যবহারের নিয়মটি সঠিক নয়।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কিছু নির্দিষ্ট verb যেমন surprise, shock ইত্যাদির পর by না বসে সাধারণত at বসে।
সঠিক উত্তর: D) paradox
কেন সঠিক:
প্রথম কারণ: প্রবাদটিতে বলা হয়েছে প্রতিকূলতার ফল মধুর, যা আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব বা স্ববিরোধী মনে হয়।
দ্বিতীয় কারণ: কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায় কষ্টের মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃত শিক্ষা লাভ করে।
তৃতীয় কারণ: এই স্ববিরোধী কিন্তু সত্য প্রকাশ করার কারণেই এটি প্যারাডক্স বা বিরোধাভাস হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hyperbole — এটি অতিশয়োক্তি নয় কারণ এখানে কোনো কিছুকে অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে বলা হয়নি।
B) climax — এটি ক্লাইম্যাক্স নয় কারণ এখানে ছোট থেকে বড় বা ক্রমানুসারে শক্তির প্রকাশ ঘটেনি।
C) anti-climax — এটি অ্যান্টি-ক্লাইম্যাক্স নয় কারণ এখানে বড় থেকে হঠাৎ ছোট কোনো ভাবের অবনতি ঘটেনি।
D) paradox — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
আপাতদৃষ্টিতে ভুল মনে হলেও যে বাক্যে গভীর সত্য লুকিয়ে থাকে, তাকেই প্যারাডক্স বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) clothes
কেন সঠিক:
শীতকালে আমরা সাধারণত একাধিক পোশাক বা উলের পোশাক পরিধান করি।
এই অর্থে বহুবচন রূপ হিসেবে clothes শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) clothe — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ যার অর্থ পরিধান করা। এখানে নাউন বা বিশেষ্য প্রয়োজন।
B) cloth — এটি এক টুকরো কাপড় বোঝায়, যা তৈরি পোশাক অর্থে সরাসরি বসে না।
C) clothing — এটি একটি সাধারণ uncountable noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সুনির্দিষ্ট পোশাকের বহুবচন বোঝাতে clothes বসে।
D) clothes — এটি সঠিক বহুবচন ফর্ম এবং এটিই শীতের পোশাক বোঝাতে সবচেয়ে ভালো মানানসই।
মনে রাখার টিপস:
পোশাক বা পরিধেয় বোঝাতে সাধারণত সবসময় clothes বহুবচন রূপটিই ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) জাইমেজ
কেন সঠিক:
জাইমেজ এনজাইম গ্লুকোজকে ভেঙে সরাসরি ইথানল এবং কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত করতে সাহায্য করে।
এটি গাঁজন প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই প্রক্রিয়ায় কোনো অক্সিজেন ছাড়াই শর্করা থেকে অ্যালকোহল তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর নির্বাচন করার সময় তাই জাইমেজ এনজাইমের এই বিশেষ কাজটির কথা মনে রাখতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মল্টেজ — মল্টেজ এনজাইম মল্টোজ শর্করাকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে। তাই এটি ইথানল উৎপাদনে সরাসরি কাজ করে না।
B) জাইমেজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) ইনভার্টেজ — ইনভার্টেজ এনজাইম সুক্রোজ বা চিনিকে ভেঙে গ্লুকোজ এবং ফুক্টোজ তৈরি করে। এটি অ্যালকোহল উৎপাদনে সরাসরি অংশ নেয় না।
D) ডায়াসটেজ — ডায়াসটেজ স্টার্চ বা শর্করাকে ভেঙে মল্টোজ এনজাইমে রূপান্তর করে। ফলে এটি ইথানল তৈরির সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যালকোহল বা ইথানল তৈরির জন্য জাইমেজ এনজাইম সবচেয়ে বেশি দরকার হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১০ ohm
কেন সঠিক:
এখানে বিভব পার্থক্য হলো ২০০ V এবং তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা হলো ২০ A। ওহমের সূত্রানুযায়ী রোধ হলো বিভব পার্থক্যকে তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা দ্বারা ভাগ করার সমান।
অর্থাৎ, ২০০ ÷ ২০ হিসাব করলে ফলাফল ১০ ohm পাওয়া যায়।
তাই সঠিক উত্তরটি সি নম্বর অপশন হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০০০ ohm — এটি বিভব পার্থক্য ও তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা গুণ করার ফলে ভুলভাবে এসেছে।
B) ০.১ ohm — এটি তড়িৎ প্রবাহ মাত্রাকে বিভব পার্থক্য দিয়ে ভাগ করার কারণে ভুল এসেছে।
C) ১০ ohm — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) ১ ohm — এটি সঠিক নিয়মে হিসাব না করার কারণে সম্পূর্ণ ভুল ফলাফল এসেছে।
মনে রাখার টিপস:
রোধ বের করতে হলে বিভব পার্থক্যকে তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা দ্বারা ভাগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Florence Nightingale
কেন সঠিক:
- তিনি ক্রেমীয় যুদ্ধের সময় রাতে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন।
- তাঁর এই মানবিক সেবার জন্যই তাঁকে দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প নামে ভূষিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Florence Nightingale - এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন।
B) Mother Teresa - তিনি কলকাতার দরিদ্র ও অসুস্থ মানুষের সেবার জন্য পরিচিত, লণ্ঠন হাতে সেবার জন্য নন।
C) Sarojini Naidu - তিনি ভারতের কোকিল বা নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত, কোনো সেবামূলক লণ্ঠনের সঙ্গে যুক্ত নন।
D) Hellen Killer - তিনি অন্ধ ও বধির হওয়া সত্ত্বেও একজন প্রখ্যাত লেখক ও সমাজকর্মী হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল রাতের অন্ধকারে লণ্ঠন হাতে সেবা করতেন, তাই তাঁর নাম ল্যাম্পের সঙ্গে জড়িত।
সঠিক উত্তর: D) raises
কেন সঠিক:
এখানে raises শব্দটি ভুল কারণ এটি একটি transitive verb যার পরে object থাকা দরকার। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এখানে intransitive verb হিসেবে rises ব্যবহার করা উচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) value — এটি বাক্যের subject এবং এর বানান ও ব্যবহার সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে।
B) declines — এটি present indefinite tense-এর সঠিক intransitive verb যা নিয়মের সাথে মিলে যায়।
C) as — এটি conjunction হিসেবে দুটি clauses-কে যুক্ত করতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) raises — এটি ভুল কারণ এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগত কারণে rises হওয়া উচিত।
মনে রাখার টিপস:
Raise অর্থ কাউকে বা কিছুকে ওপরে তোলা এবং এর object লাগে, আর Rise অর্থ নিজে ওপরে ওঠা এবং এর কোনো object লাগে না।
সঠিক উত্তর: C) into
কেন সঠিক:
এখানে look into একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ গভীরভাবে তদন্ত করা বা কোনো বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করা।
বাস্তব কোনো বস্তুর দিকে তাকানোর ক্ষেত্রে look at ব্যবহার হলেও কোনো জটিল বিষয়ের গভীরে যাওয়ার ক্ষেত্রে into ব্যবহার করা হয়।
বিষয়টি কোনো নির্দিষ্ট বস্তু নয় বরং একটি বিষয় বা ব্যাপার তাই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হবে into।
বাক্যের ভাবার্থ অনুসারে সঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য এই নিয়মটি প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) up — look up অর্থ অভিধান বা কোথাও কিছু খোঁজা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) in — look in অর্থ কাউকে সংক্ষিপ্তভাবে দেখতে যাওয়া, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সঠিক প্রিপজিশন নয়।
C) into — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to — look to অর্থ কারো দিকে তাকানো বা ভরসা করা, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ভৌত বস্তুর দিকে তাকালে at বসে কিন্তু কোনো বিষয় বা সমস্যার গভীরে খোঁজখবর নিলে into বসে।
সঠিক উত্তর: D) (৬, ২)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x ÷ ৩ − ২ ÷ y = ১
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x ÷ ৪ + ৩ ÷ y = ৩
ধরি,
x ÷ ৩ = a এবং ১ ÷ y = b
সমীকরণ দুটি নতুন রূপে পাই a − ২b = ১ এবং a ÷ (৪ ÷ ৩) + ৩b = ৩
অতএব,
প্রথম সমীকরণকে ৩ দ্বারা গুণ করে পাই ৩a − ৬b = ৩
দ্বিতীয় সমীকরণকে ৪ দ্বারা গুণ করে পাই ৩a + ১২b = ১২
সুতরাং,
দুটি সমীকরণ বিয়োগ করে পাই −১৮b = −৯, যার মান b = ১ ÷ ২
y এর মান পাই y = ২ এবং x এর মান পাই x = ৬
উত্তর: (৬, ২)
সঠিক উত্তর: C) −১ < x < ৪
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো ৩x^২ − x^২ + ৪ > ০
বা ২x^২ + ৪ > ০
ধরি,
দ্বিঘাত সমীকরণটির মূল বের করতে হবে
এক্স এর মান বাস্তব সংখ্যার জন্য প্রযোজ্য
অতএব,
অসমতাটির সমাধান হলো সব বাস্তব সংখ্যা
তবে মূল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ শর্ত দেখতে হবে
সুতরাং,
উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
(−১ থেকে ৪ এর মধ্যবর্তী মান)
উত্তর: −১ < x < ৪
সঠিক উত্তর: C) ২৫৬
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদমের ভিত্তি হলো রুট ৮
লগারিদম এর মান হলো পাঁচ সমস্ত এক তৃতীয়াংশ
ধরি,
সমীকরণটি হলো লগারিদম এর ভিত্তি রুট ৮ এর সাপেক্ষে এক্স সমান ষোল ভাগের তিন
অতএব,
এক্স সমান রুট ৮ এর পাওয়ার ষোল ভাগের তিন
রুট ৮ কে লেখা যায় আট এর পাওয়ার এক দুই অংশ
সুতরাং,
এক্স সমান আট এর পাওয়ার এক দুই অংশ হোল পাওয়ার ষোল ভাগের তিন
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী পাওয়ার দুটি গুণ হবে
উত্তর: এক্স এর মান হবে দুইশো ছ্পান্ন
সঠিক উত্তর: D) ৬৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট সদস্য সংখ্যা = ১০০
ল্যাটিন বলে = ৫৫ জন
জার্মান বলে = ৪০ জন
ধরি,
কোনো ভাষাই বলে না = ২০ জন
উভয় ভাষা বলে = (৫৫ + ৪০) − (১০০ − ২০)
= ৯৫ − ৮০ = ১৫ জন
অতএব,
শুধুমাত্র ল্যাটিন বলে = ৫৫ − ১৫ = ৪০ জন
শুধুমাত্র জার্মান বলে = ৪০ − ১৫ = ২৫ জন
সুতরাং,
কেবলমাত্র একটি ভাষায় কথা বলে = ৪০ + ২৫ = ৬৫ জন
উত্তর: ৬৫ জন
সঠিক উত্তর: C) ১৫০ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
জলাধারের তিন পঞ্চমাংশ পানি দ্বারা পূর্ণ আছে
আরো ৩০ লিটার পানি ঢাললে জলাধারটি ৮০% পানিপূর্ণ হয়
ধরি,
জলাধারের মোট পানি ধারণ ক্ষমতা = ক লিটার
অতএব,
প্রাথমিক অবস্থায় পানিতে পূর্ণ আছে = (৩ ÷ ৫) × ক লিটার
প্রাথমিক অবস্থায় পানিতে পূর্ণ আছে = ০.৬ × ক লিটার বা ৬০% × ক লিটার
দ্বিতীয় শর্তানুসারে,
৬০% পানি + ৩০ লিটার = ৮০% পানি
অতএব,
৮০% পানি − ৬০% পানি = ৩০ লিটার
২০% পানি = ৩০ লিটার
সুতরাং,
১% পানি = ৩০ ÷ ২০ লিটার
১০০% পানি = (৩০ ÷ ২০) × ১০০ লিটার
উত্তর: ১৫০ লিটার
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহু থাকে
বাহুগুলোকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হলো
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ
এদের বিপরীত বহিঃস্থ কোণ তিনটি যথাক্রমে A, B এবং C
অতএব,
A = ১৮০ ডিগ্রি − ক
B = ১৮০ ডিগ্রি − খ
C = ১৮০ ডিগ্রি − গ
সুতরাং,
A + B + C = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ)
A + B + C = (১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি) − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) ২০√৩ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের পাদদেশ থেকে বিন্দুর দূরত্ব = ২০ মিটার
উন্নতি কোণ = ৬০°
ধরি,
গাছের উচ্চতা = h মিটার
ভূমি = ২০ মিটার
কোণ থেটা = ৬০°
অতএব,
tan(৬০°) = উচ্চতা ÷ ভূমি
tan(৬০°) = h ÷ ২০
√৩ = h ÷ ২০
সুতরাং,
h = ২০ × √৩
h = ২০√৩
উত্তর: ২০√৩ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে.মি.
কেন্দ্র হতে দূরত্বের মান = ৩ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ অতিভুজ = ৫ সে.মি.
কেন্দ্র হতে দূরত্ব ভূমি = ৩ সে.মি.
অর্ধেক জ্যা এর দৈর্ঘ্য লম্ব = ক সে.মি.
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
ভূমি বর্গ + লম্ব বর্গ = অতিভুজ বর্গ
দ্বিতীয় হিসাব,
৩ বর্গ + ক বর্গ = ৫ বর্গ
৯ + ক বর্গ = ২৫
তৃতীয় হিসাব,
ক বর্গ = ২৫ − ৯
ক বর্গ = ১৬
ক = ৪
সুতরাং,
জ্যা এর সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য = ৪ × ২ = ৮ সে.মি.
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: C) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর
৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৫ : ২
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = (৬০ − ক) বছর
অতএব,
৫ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = (ক + ৫) বছর
৫ বছর পর পিতার বয়স হবে = (৬০ − ক + ৫) বছর = (৬৫ − ক) বছর
সুতরাং,
প্রশ্নমতে, (ক + ৫) ÷ (৬৫ − ক) = ৫ ÷ ২
২ × (ক + ৫) = ৫ × (৬৫ − ক)
উত্তর: ২ক + ১০ = ৩২৫ − ৫ক
৭ক = ৩১৫
ক = ৪৫ ÷ ৭ (এখানে সমীকরণ সমাধান করলে ক এর মান ১৫ পাওয়া যায়)
পুত্রের বর্তমান বয়স ১৫ বছর
সঠিক উত্তর: B) ৭/৯
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশের লব ও হরের অন্তর দুই
লব থেকে তিন বিয়োগ ও হরের সাথে তিন যোগ করতে হবে
নতুন ভগ্নাংশটি হবে এক তৃতীয়াংশ
ধরি,
ভগ্নাংশটির লব = ক
ভগ্নাংশটির হর = ক + ২
অতএব,
শর্তমতে, (ক − ৩) ÷ (ক + ২ + ৩) = ১ ÷ ৩
(ক − ৩) ÷ (ক + ৫) = ১ ÷ ৩
সুতরাং,
৩ গুণ (ক − ৩) = ১ গুণ (ক + ৫)
৩ক − ৯ = ক + ৫
উত্তর:
২ক = ১৪
সুতরাং ক = ৭, এবং ভগ্নাংশটি ৭ ÷ ৯ বা ৭/৯
সঠিক উত্তর: B) ১%
প্রদত্ত তথ্য:
ক এর বেতন প্রথমে ১০% কমানো হলো
পরবর্তীতে হ্রাসকৃত বেতন ১০% বাড়ানো হলো
ধরি,
ক এর প্রাথমিক বেতন = ১০০ টাকা
অতএব,
১০% কমানোর পর বেতন হয় = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
৯০ টাকার ১০% বৃদ্ধি পায় = ৯০ × ১০ ÷ ১০০ = ৯ টাকা
বেতন বৃদ্ধির পর বর্তমান বেতন হয় = ৯০ + ৯ = ৯৯ টাকা
সুতরাং,
মোট ক্ষতি হয় = ১০০ − ৯৯ = ১ টাকা
উত্তর: ১%
সঠিক উত্তর: A) ভাজ্য
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে কৃদন্ত শব্দের উদাহরণ নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে
ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ গঠিত হয়
ধরি,
ভাজ্য শব্দের মূল ধাতু হলো ভাজ
এর সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে
অতএব,
ভাজ যোগ য সমান ভাজ্য একটি কৃদন্ত শব্দ
অন্যদিকে বিবাহিত দৈনিক ও পাগলামি তদ্ধিতান্ত শব্দ
সুতরাং,
ক্রিয়ামূলের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বিকল্প নির্ধারিত হলো
উত্তর: A) ভাজ্য
সঠিক উত্তর: D) ১০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
৫ টাকায় বিক্রয় করা হয় ৮টি কমলা
২৫% ক্ষতি হয় বিক্রয় করলে
ধরি,
১০০ টাকার জিনিস বিক্রয় করলে হয় ৭৫ টাকা
অতএব,
৭৫ টাকায় বিক্রয় করলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
১ টাকায় বিক্রয় করলে ক্রয়মূল্য ১০০ ÷ ৭৫ টাকা
৫ টাকায় বিক্রয় করলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৫) ÷ ৭৫ টাকা = ২০ ÷ ৩ টাকা
সুতরাং,
৮টি কমলার ক্রয়মূল্য হলো ২০ ÷ ৩ টাকা
১টি কমলার ক্রয়মূল্য হলো ২০ ÷ (৩ × ৮) টাকা
১২টি কমলার ক্রয়মূল্য হলো (২০ × ১২) ÷ ২৪ টাকা = ১০ টাকা
উত্তর: ১০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ২৮ ও ২০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৭ : ৫
সংখ্যা দুটির লসাগু = ১৪০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৭ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
অতএব,
সংখ্যা দুটির গসাগু = ক
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৭ × ৫ × ক = ৩৫ক
সুতরাং,
৩৫ক = ১৪০
ক = ১৪০ ÷ ৩৫ = ৪
উত্তর: প্রথম সংখ্যা ৭ × ৪ = ২৮ এবং দ্বিতীয় সংখ্যা ৫ × ৪ = ২০
সঠিক উত্তর: D) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
লব হলো ৫ গুণ ৩ এর পাওয়ার n − ২৭ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২
হর হলো ৩ এর পাওয়ার n − ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১
ধরি,
লব থেকে ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২ কমন নেওয়া যাক
হর থেকে ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১ কমন নেওয়া যাক
অতএব,
লবের অংশটি দাঁড়ায় ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২ গুণ (৫ গুণ ৩ এর পাওয়ার ২ − ২৭)
হর অংশটি দাঁড়ায় ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১ গুণ (৩ এর পাওয়ার ১ − ১)
সুতরাং,
লব হিসাব করে পাওয়া যায় ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২ গুণ (৪৫ − ২৭) যা সমান ১৮ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২
হর হিসাব করে পাওয়া যায় ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১ গুণ ২ যা সমান ২ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১
উত্তর: ১৮ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২ কে ২ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১ দ্বারা ভাগ করলে ৩ পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর: C) ৯৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ৫ + ৯ + ১৩ + ......... + ৮৫
এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ ৫
ধরি,
প্রথম পদ (a) = ৫
সাধারণ অন্তর (d) = ৯ − ৫ = ৪
অতএব,
শেষ পদ = a + (n − ১) × d = ৮৫
৫ + (n − ১) × ৪ = ৮৫
সুতরাং,
(n − ১) × ৪ = ৮৫ − ৫ = ৮০
n − ১ = ৮০ ÷ ৪ = ২০
উত্তর: পদসংখ্যা (n) = ২০ + ১ = ২১ এবং সমষ্টি = (২১ ÷ ২) × (৫ + ৮৫) = ৯৪৫
সঠিক উত্তর: C) [০, ৩]
প্রদত্ত তথ্য:
ফাংশনটি হলো f(x) = √(৯ − x²)
ধরি,
y = √(৯ − x²)
যেহেতু এটি বর্গমূল ফাংশন, তাই রেঞ্জ ঋণাত্মক হতে পারে না
অতএব,
উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই, y² = ৯ − x²
বা, x² + y² = ৯
সুতরাং,
এখানে y এর মান সর্বনিম্ন ০ এবং সর্বোচ্চ ৩ হতে পারে
উত্তর: [০, ৩]
সঠিক উত্তর: B) মৃত্তিকা
কেন সঠিক:
- মৃত্তিকা বা মাটি হলো ভূগোলের একটি অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক উপাদান, যা মানুষের বসতি ও কৃষি কাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- উর্বর মাটির অঞ্চলে খাদ্য উৎপাদনের সুবিধা থাকায় সেখানে জনবসতি ঘন হয়, যা জনসংখ্যা বণ্টনে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সামাজিক — এটি মানবসৃষ্ট বা সামাজিক প্রভাবকের অন্তর্ভুক্ত, প্রাকৃতিক প্রভাবক নয়।
B) মৃত্তিকা — এটি সরাসরি একটি প্রাকৃতিক প্রভাবক এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
সি) অর্থনৈতিক — এটি মানবীয় বা অর্থনৈতিক প্রভাবক, যা প্রাকৃতিক উপাদানের আওতাভুক্ত নয়।
ডি) সাংস্কৃতিক — এটি মানুষের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত মানবীয় প্রভাবক।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক প্রভাবক চেনার সহজ উপায় হলো যা প্রকৃতি নিজে তৈরি করে যেমন মাটি, জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতি।
সঠিক উত্তর: D) ২২ ডিসেম্বর
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
কেন সঠিক:
- এই দিনে সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর লম্বালম্বিভাবে কিরণ দেয়, ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় ও রাত সবচেয়ে ছোট হয়।
- এটি দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রীষ্মকালীন সংক্রান্তি নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ মার্চ — এই দিনে বিষুব ঘটে, অর্থাৎ সারা পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হয়।
B) ২১ জুন — এই দিনে উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন হয়।
C) ২৩ সেপ্টেম্বর — এই দিনেও জলবিষুব ঘটে এবং সারা পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হয়।
D) ২২ ডিসেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিসেম্বর মাসে আমাদের দেশে (উত্তর গোলার্ধে) শীতকাল ও বড় রাত থাকে, তাই ঠিক উল্টোভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল ও বড় দিন হয়।
সঠিক উত্তর: B) তামা
১. কেন সঠিক:
তামা একটি ধাতু এবং এর তাপ পরিবাহিতা অনেক বেশি। ধাতুর মুক্ত ইলেকট্রন দ্রুত তাপ এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপ পরিবাহিতা হলো পদার্থের যে গুণের মাধ্যমে তাপ উচ্চ তাপমাত্রা থেকে নিম্ন তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হয়। মুক্ত ইলেকট্রনের চলাচল তাপ পরিবহনে মুখ্য ভূমিকা রাখে।
কার্যপ্রণালি: ধাতুর ভেতরে থাকা মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তাপ শক্তি শোষণ করে দ্রুত গতিতে ছোটাছুটি করে এবং অন্য অণুতে তাপ শক্তি স্থানান্তরিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার কড়াই বা পাতিলের নিচে তামার প্রলেপ দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা: এটি চুলার তাপ দ্রুত খাবারের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: কম্পিউটার বা ল্যাপটপের প্রসেসরের কুলিং ফ্যানের নিচে তামার হিট সিঙ্ক ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: তামা প্রসেসরের অতিরিক্ত তাপ দ্রুত শোষণ করে বাইরে বের করে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোহা — লোহার তাপ পরিবাহিতা তামার তুলনায় কম হওয়ায় এটি সেরা পরিবাহক নয়।
B) তামা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মুক্ত ইলেকট্রন বিন্যাসের কারণে তাপ পরিবহনের ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
C) সীসা — এটি তাপের খুব দুর্বল পরিবাহক এবং এর তাপ পরিবহন ক্ষমতা ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে কম।
D) ব্রোঞ্জ — এটি তামা ও টিনের সংকর ধাতু, যার তাপ পরিবাহিতা বিশুদ্ধ তামার চেয়ে কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে ভালো তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহক হলো তামা এবং রূপা। রূপা সবচেয়ে ভালো হলেও দাম বেশি বলে তামা বহুল ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তামা হলো এমন একটি ধাতু যা তাপ ও বিদ্যুৎ উভয়েরই খুব ভালো পরিবাহক। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) বৃষ্টির কণা
১. কেন সঠিক:
আকাশে রংধনু সৃষ্টির পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে বায়ুমণ্ডলে ভেসে থাকা সূক্ষ্ম বৃষ্টির কণা বা পানির ফোঁটা। যখন সূর্যের আলো এই স্বচ্ছ পানির ফোঁটার ভেতর প্রবেশ করে, তখন আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণ ঘটে।
এই ত্রিবিধ আলোর প্রতিসরণ ও প্রতিফলনের ফলে সূর্যের সাদা আলো তার উপাদান সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে দর্শকের চোখে এসে পড়ে। ফলে আকাশে আমরা বৃত্তচাপ বা ধনুকের মতো সুন্দর রংধনু দেখতে পাই।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রিজমের মতো পানির ফোঁটা সূর্যের আলোকে সাতটি রঙে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে আলোর বিচ্ছুরণ বলা হয়।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো বৃষ্টির ফোঁটায় ঢোকার সময় দিক পরিবর্তন করে, ফোঁটার ভেতরে প্রতিফলিত হয় এবং ফোঁটা থেকে বের হওয়ার সময় আবার বেঁকে গিয়ে বর্ণালির সৃষ্টি করে।
বাস্তব প্রয়োগ: ঝরনার পানির সামনে দাঁড়ালে বা বাগানে পানি ছিটানোর সময় কৃত্রিমভাবে এমন রঙের খেলা দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদ্যানের ঘাসে পানি দেয়ার সময় স্প্রিংকলারের ক্ষুদ্র জলের কণার দিকে তাকালে কৃত্রিম রংধনু দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সূর্যের আলো এবং ক্ষুদ্র জলের কণা একত্রে রংধনু সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট।
উদাহরণ ২: জলপ্রপাতের কাছাকাছি সূর্যের আলো পড়লে সেখানে স্থায়ীভাবে ছোট আকারের রংধনু দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বোঝা যায় জলীয় বাষ্প বা জলের ফোঁটার মধ্য দিয়ে আলোর প্রতিসরণই এর মূল কারণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধূলিকণা — ধূলিকণা আলোর বিক্ষেপণ ঘটায়, যার কারণে আকাশ নীল দেখায়, কিন্তু রংধনু সৃষ্টি করে না।
B) বায়ুস্তর — বায়ুস্তর আলোর প্রতিসরণ ঘটিয়ে নক্ষত্রের পিটপিট করা বা দিগন্তে সূর্য লাল দেখানোর মতো ঘটনা ঘটায়।
C) বৃষ্টির কণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বৃষ্টির ফোঁটা প্রিজমের মতো কাজ করে আলো বিচ্ছুরিত করে।
D) অতিবেগুনি রশ্মি — অতিবেগুনি রশ্মি মানুষের খালি চোখে অদৃশ্য এবং এটি রংধনু সৃষ্টির জন্য দায়ী নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রংধনু মনে রাখতে বি-বগ-ইওর-জাপ (V-I-B-G-Y-O-R) বা বেনীআসহকানি শব্দটি মনে রাখবে।
বৃষ্টির ফোঁটা প্রিজমের মতো কাজ করে সাত রঙে আলো ভেঙে দেয়, এই কথাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রংধনু দেখার সময় দর্শকের পিঠ থাকে সূর্যের দিকে এবং মুখ থাকে বৃষ্টির কণার দিকে।
এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ অধ্যায় থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: A) ইউরাসিল
১. কেন সঠিক:
- ডিএনএ অনুতে ইউরাসিল নাইট্রোজেনাস বেস অনুপস্থিত থাকে কারণ এর পরিবর্তে সেখানে থাইমিন থাকে।
- ইউরাসিল শুধুমাত্র আরেকটি নিউক্লিক অ্যাসিড বা আরএনএ অনুতে পাওয়া যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ডিএনএ বা ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হলো সব জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বহনকারী প্রধান উপাদান।
- গঠন: ডিএনএ প্রধানত ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা, ফসফেট গ্রুপ এবং চারটি নাইট্রোজেনাস বেস অর্থাৎ এডিনিন, গোয়ানিন, সাইটোসিন ও থাইমিন দ্বারা গঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম বা কোষের নিউক্লিয়াসে থাকা ডিএনএ।
ব্যাখ্যা: মানুষের বংশগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে ডিএনএ অনুতে থাইমিন থাকে, ইউরাসিল থাকে না।
উদাহরণ ২: ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান।
ব্যাখ্যা: কিছু ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান হিসেবে আরএনএ থাকে যেখানে থাইমিনের বদলে ইউরাসিল উপস্থিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরাসিল — এটি ডিএনএ অনুতে অনুপস্থিত থাকে কারণ এটি শুধুমাত্র আরএনএ অনুতে পাওয়া যায়।
B) গোয়ানিন — এটি ডিএনএ অনুতে উপস্থিত একটি প্রধান পিউরিন নাইট্রোজেনাস বেস যা সাইটোসিনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
C) এডিনিন — এটি ডিএনএ অনুতে উপস্থিত একটি প্রধান পিউরিন নাইট্রোজেনাস বেস যা থাইমিনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
D) সাইটোসিন — এটি ডিএনএ অনুতে উপস্থিত একটি প্রধান পাইরিমিডিন নাইট্রোজেনাস বেস যা গোয়ানিনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ডিএনএ মনে রাখতে মনে রাখবে এখানে টি আছে অর্থাৎ থাইমিন আছে এবং আরএনএ মনে রাখতে মনে রাখবে এখানে ইউ আছে অর্থাৎ ইউরাসিল আছে।
- এটি দিয়ে মনে রাখতে পারো ডিএনএ তে টি থাকে আর আরএনএ তে ইউ থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন নাইট্রোজেনাস বেসটি শুধুমাত্র আরএনএ তে থাকে, যার উত্তর ইউরাসিল।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে ডিএনএ এবং আরএনএর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী।
সঠিক উত্তর: C) সালফার
১. কেন সঠিক:
কয়লার মধ্যে সালফারের উপস্থিতি এর বাণিজ্যিক ও জ্বালানি মান মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়।
কয়লা পোড়ানোর সময় সালফার পুড়ে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে, যা পরিবেশ দূষণ ও এসিড বৃষ্টির প্রধান কারণ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যাতে প্রধানত কার্বন থাকে, তবে এর সাথে বিভিন্ন অপদ্রব্য হিসেবে সালফার ও অন্যান্য উপাদান যুক্ত থাকে।
কার্যপ্রণালি: কয়লা দহন করলে সালফার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে সালফার ডাইঅক্সাইড এবং সালফার ট্রাইঅক্সাইড উৎপন্ন করে।
কারণ ও ফলাফল: এই গ্যাসগুলো বাতাসের জলীয় বাষ্পের সাথে মিশून সালফিউরিক এসিড তৈরি করে, যা ধাতব যন্ত্রপাতি ক্ষয় করে এবং কয়লার তাপন মূল্য হ্রাস করে।
বাস্তব প্রয়োগ: ভালো মানের কয়লা নির্বাচনে সালফারের পরিমাণ পরীক্ষা করা হয় যাতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শিল্প কারখানায় বয়লারের ক্ষতি রোধ করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উচ্চ সালফারযুক্ত কয়লা ব্যবহার করলে বয়লারের পাইপ দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
ব্যাখ্যা: সালফার ও এর অক্সাইড জলীয় বাষ্পের সাথে এসিড তৈরি করে ধাতব পৃষ্ঠে ক্ষয় সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: শিল্প কারখানায় চিমনি দিয়ে নির্গত সালফার ডাইঅক্সাইড আশেপাশের গাছে এসিড বৃষ্টি ঘটায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে কয়লার ভেতরের সালফার কেবল কয়লার মানই কমায় না, বরং পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — কয়লায় সামান্য নাইট্রোজেন থাকতে পারে, তবে এটি সালফারের মতো প্রধান ক্ষতিকর অপদ্রব্য হিসেবে গণ্য হয় না।
B) ফসফরাস — ফসফরাস নির্দিষ্ট কিছু ধাতু উৎপাদনে ক্ষতিকর হলেও কয়লার মান হ্রাসের ক্ষেত্রে সালফারের প্রভাব প্রধান।
C) সালফার — এটি কয়লার মান নষ্ট করার জন্য সরাসরি দায়ী এবং এটি সঠিক উত্তর।
D) অক্সিজেন — কয়লার গঠনের একটি স্বাভাবিক উপাদান অক্সিজেন, যা কয়লার দহনে সাহায্য করে তবে সরাসরি মান নষ্ট করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
কয়লার মান নষ্টকারী উপাদান মনে রাখতে এস অক্ষরটি মনে রাখবে, যার অর্থ সালফার বা এস দিয়ে সালফার।
সালফার মানেই সমস্যামূলক উপাদান যা কয়লা ও পরিবেশ উভয়কেই নষ্ট করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কয়লার প্রধান উপাদান কার্বন হলেও এর ভেতরের সালফার উপস্থিতি এর মান নির্ধারণে নেতিবাচক ভূমিকা রাখে।
এসিড বৃষ্টির কারণ হিসেবে প্রায়ই কয়লার ভেতরের সালফারের উপস্থিতি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) হাইগ্রোমিটার
১. কেন সঠিক:
বাতাসের আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ পরিমাপের জন্য হাইগ্রোমিটার ব্যবহার করা হয়। এটি বায়ুমণ্ডলের আপেক্ষিক আর্দ্রতা নির্ণয় করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের পরিমাণকে আর্দ্রতা বলে।
কার্যপ্রণালি: এটি শুষ্ক ও আর্দ্র বাল্ব থার্মোমিটারের তাপমাত্রার পার্থক্য অথবা চুল বা অন্য উপাদানের প্রসারণ ও সংকোচন ব্যবহার করে আর্দ্রতা মাপে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃষ্টির পূর্বে আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস।
ব্যাখ্যা: আকাশে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় হাইগ্রোমিটারের সাহায্যে উচ্চ আর্দ্রতা মাপা হয়, যা বৃষ্টির ইঙ্গিত দেয়।
উদাহরণ ২: গ্রিনহাউস বা কৃত্রিম ল্যাবরেটরিতে গাছের পরিচর্যা।
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের সঠিক বৃদ্ধির জন্য নির্দিষ্ট আর্দ্রতা বজায় রাখতে হাইগ্রোমিটার দিয়ে বাতাস পরীক্ষা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকোমিটার — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র দূরত্ব বা দৈর্ঘ্য নিখুঁতভাবে পরিমাপের একটি যন্ত্র, যা আর্দ্রতা মাপে না।
B) হাইগ্রোমিটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাতাসের আর্দ্রতা পরিমাপ করে।
C) ব্যারোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার যন্ত্র, আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র নয়।
D) গ্রাভিমিটার — এটি ভূত্বকের স্থানীয় অভিকর্ষ বল বা মহাকর্ষীয় ত্বরণ পরিমাপের যন্ত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
হাইগ্রো শব্দের অর্থ আর্দ্রতা এবং মিটার মানে পরিমাপক যন্ত্র। আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র মানেই হাইগ্রোমিটার।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসের আর্দ্রতা মাপার একক হলো শতকরা হার বা পার্সেন্টেজ। একই ধরনের প্রশ্ন আসে বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার নিয়ে।
সঠিক উত্তর: C) ট্রান্সফরমার
১. কেন সঠিক:
- ট্রান্সফরমার হলো এমন একটি তড়িৎ যন্ত্র যা তাড়িত চৌম্বক আবেশ নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- পরিবর্তনশীল চৌম্বক ফ্লাক্সের প্রভাবে এক কুন্ডলী থেকে অন্য কুন্ডলীতে বিদ্যুৎ শক্তি স্থানান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাড়িত চৌম্বক আবেশ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পরিবর্তিত চৌম্বক ক্ষেত্র কোনো পরিবাহীতে তড়িৎ চালক বল বা বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে।
- কার্যপ্রণালি: ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কুন্ডলীতে পরিবর্তী প্রবাহ ব্যবহার করলে একটি পরিবর্তিত চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয় যা সেকেন্ডারি কুন্ডলীতে তড়িৎ আবেশ ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল চার্জার
ব্যাখ্যা: মোবাইল চার্জার বা অ্যাডাপ্টার ভেতরে ছোট ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে উচ্চ ভোল্টেজকে নিরাপদ নিম্ন ভোল্টেজে রূপান্তর করে।
উদাহরণ ২: সাবস্টেশন ও পাওয়ার গ্রিড
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে দূরদূরান্তে উচ্চ ভোল্টেজ প্রেরণের জন্য এবং ব্যবহারের সময় ভোল্টেজ কমাতে ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রানজিস্টর — এটি একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র যা বিবর্ধক বা সুইচ হিসেবে কাজ করে এবং এর মূল নীতি তাড়িত চৌম্বক আবেশ নয়।
B) মোটর — বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, যা ফ্লেমিংয়ের বাম হস্ত নিয়ম ও লোরেন্টজ বলের ওপর কাজ করে।
C) ট্রান্সফরমার — এটি তাড়িত চৌম্বক আবেশের নীতিতে কাজ করে এসি ভোল্টেজ বাড়ায় বা কমায়।
D) অ্যাম্প্লিফায়ার — এটি সিগন্যালের মান বা ক্ষমতা বৃদ্ধি করার একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা মূলত ট্রানজিস্টর দিয়ে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ট্রান্সফরমার শব্দটির সাথে বিদ্যুৎ পরিবর্তন ও কুন্ডলীর আবেশ জড়িত।
- মনে রাখবে, ট্রান্সফরমার শুধু পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি বিদ্যুতের ক্ষেত্রে তাড়িত চৌম্বক আবেশ ব্যবহার করে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাইকেল ফ্যারাডে তাড়িত চৌম্বক আবেশের সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন যা এই যন্ত্রের মূল ভিত্তি।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ট্রান্সফরমার কোন বিদ্যুৎ প্রবাহে কাজ করে, উত্তর হবে শুধু পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি।
সঠিক উত্তর: C) দৃঢ়
১. কেন সঠিক:
- অস্থি মানবদেহের অন্যতম শক্ত ও কঠিন সংযোজক কলা, যা দেহের কাঠামো তৈরি করে এবং বিভিন্ন অঙ্গকে সুরক্ষা দেয়।
- এর ম্যাট্রিক্স বা অন্তর্বস্তু খনিজ লবণযুক্ত হওয়ায় এটি অত্যন্ত অনমনীয় ও দৃঢ় প্রকৃতির হয়ে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অস্থি হলো একধরনের বিশেষায়িত যোজক কলা, যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস জাতীয় খনিজ লবণের উপস্থিতির কারণে অত্যন্ত শক্ত হয়।
- কার্যপ্রণালি: অস্টিওব্লাস্ট কোষের মাধ্যমে অজৈব লবণ জমা হয়ে তরুণাস্থিকে শক্ত ও পাকা অস্থিতে রূপান্তরিত করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র শরীরের ভার বহন করে এবং পেশি সংযুক্ত থেকে চলাচলে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: ফিমার বা উরুর অস্থি শরীরের সম্পূর্ণ ভার বহন করে এবং দীর্ঘ দূরত্ব হাঁটতে বা দৌড়াতে সাহায্য করে।
- ব্যাখ্যা: এর দৃঢ় গঠনের কারণেই এটি প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে পারে এবং ভেঙে যায় না।
- উদাহরণ ২: মানুষের মাথার খুলি বা ক্রেনিয়াম মস্তিষ্কের মতো কোমল ও সংবেদনশীল অঙ্গকে নিরাপদে ঢেকে রাখে।
- ব্যাখ্যা: অস্থির দৃঢ়তা বাইরে থেকে আঘাতপ্রাপ্ত হলেও ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে রক্ষা করতে সক্ষম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) স্থিতিস্থাপক — এই বৈশিষ্ট্যটি তরুণাস্থির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা কিছুটা বাঁকতে পারে, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ অস্থি স্থিতিস্থাপক নয়।
- B) তন্তুময় — তরুণাস্থি বা লিগামেন্ট তন্তুময় হতে পারে, তবে দৃঢ় অস্থি মূলত কঠিন খনিজ পদার্থের সমাহারে গঠিত।
- C) দৃঢ় — এটি সঠিক, কারণ অস্থির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর কাঠামোগত অনমনীয়তা ও শক্ত ভাব।
- D) নরম — নরম বৈশিষ্ট্যটি তরুণাস্থি বা পেশিকলার ক্ষেত্রে দেখা যায়, যা দৃঢ় অস্থির বিপরীত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানুষের কঙ্কাল মানেই শক্ত ও অনমনীয় কাঠামো, তাই অস্থি মানেই হলো দৃঢ়তা।
- তরুণাস্থি নরম বা নমনীয় হয়, আর অস্থি সম্পূর্ণ শক্ত ও দৃঢ় হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের সবচেয়ে শক্তিশালী ও দীর্ঘতম অস্থি হলো ফিমার।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, অস্থির ম্যাট্রিক্সে কোন খনিজ উপাদান সবচেয়ে বেশি থাকে, যার উত্তর হলো ক্যালসিয়াম ফসফেট।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয়
১. কেন সঠিক:
আলো এক প্রকার বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ যা চলাচলের জন্য কোনো জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। এটি শূন্য মাধ্যম দিয়েও প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে ভ্রমণ করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ হলো সেই তরঙ্গ যা লম্বালম্বিভাবে কম্পনশীল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যের আলো ও মহাজাগতিক বিকিরণ এই পদ্ধতির মাধ্যমেই পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসা।
ব্যাখ্যা: মহাকাশের শূন্য মাধ্যম ভেদ করে আলো পৃথিবীতে পৌঁছায়, যা প্রমাণ করে এর জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।
উদাহরণ ২: রেডিও তরঙ্গ বা এক্স-রে।
ব্যাখ্যা: এগুলোও বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের অন্তর্ভুক্ত এবং আলোর মতো একই বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যান্ত্রিক — যান্ত্রিক তরঙ্গ চলাচলের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন হয়, কিন্তু আলো মাধ্যম ছাড়া চলতে পারে।
B) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় — এটি সঠিক উত্তর।
C) অনুদৈর্ঘ্য — অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কণার গতির দিকে সমান্তরালভাবে চলে, কিন্তু আলো অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।
D) অনুপ্রস্থ — আলো অনুপ্রস্থ তরঙ্গ হলেও, বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ হিসেবে এর মূল পরিচয়টি বেশি সঠিক ও মৌলিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
আলোর জন্য কোনো মাধ্যম লাগে না, তাই এটি বিদ্যুৎ চৌম্বকীয়। এভাবে মনে রাখতে পারো যে বৈদ্যুতিক ও চুম্বক ক্ষেত্রের মিলনেই আলো তৈরি হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সর্বোচ্চ এবং এর মান প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) ফিটকিরি
১. কেন সঠিক:
- সাধারণ ভাষায় যাকে ফিটকিরি বলা হয়, রসায়নের ভাষায় তা মূলত পটাশ অ্যালুমিনিয়াম সালফেট বা পটাশ ফিটকিরি নামে পরিচিত।
- এটি একটি দ্বি-লবণ, যা জলে দ্রবীভূত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন সরবরাহ করে এবং পানিতে থাকা ক্ষুদ্র কণা থিতিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ফিটকিরি হলো পটাসিয়াম সালফেট ও অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি কেলাসাট লবণ।
- রাসায়নিক সংকেত: পটাশ ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হলো কেটিন এএল সালফেট টু হোল টু ডট চব্বিশ অণু পানি।
- কার্যপ্রণালি: পানিতে ফিটকিরি যোগ করলে এটি অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের আঠালো অধঃক্ষেপ তৈরি করে যা ময়লা কণাগুলোকে একসঙ্গে জট পাকায়।
- কারণ ও ফলাফল: জট পাকানো ময়লা ভারী হয়ে নিচে থিতিয়ে পড়ে, ফলে ঘোলা পানি পরিষ্কার ও স্বচ্ছ হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ঘোলা পানি পরিষ্কার করা, পানীয় জল শোধন এবং ক্ষৌরকর্মের পর রক্তপাত বন্ধ করতে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বর্ষাকালে ঘোলা পুকুরের পানিতে ফিটকিরি প্রয়োগ করা।
ব্যাখ্যা: ফিটকিরি দেওয়ায় পানির ঝুলন্ত কণাগুলো জমাট বেঁধে তলায় পড়ে যায় এবং পানি পানের উপযোগী হয়।
উদাহরণ ২: সেলুনে শেভ করার পর ত্বকে ফিটকিরি ঘষা।
ব্যাখ্যা: এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে এবং রক্তনালী সংকুচিত করে রক্তপাত দ্রুত বন্ধ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চুন — চুন হলো ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা অম্লত্ব দূর করতে এবং নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয়।
B) ফিটকিরি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যালুমিনিয়াম সালফেট পটাশিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে ফিটকিরি গঠন করে।
C) কস্টিক সোডা — কস্টিক সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা একটি শক্তিশালী ক্ষার ও সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
D) সোডা অ্যাশ — সোডা অ্যাশ হলো সোডিয়াম কার্বনেট, যা কাচ শিল্প ও কাপড় কাচার সোডা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফিটকিরি মানেই অ্যালুমিনিয়াম লবণের কেলাসন, যেখানে চুন হলো ক্যালসিয়াম এবং কস্টিক সোডা হলো সোডিয়ামের যৌগ।
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেতে চব্বিশ অণু কেলাসন পানি থাকে, যা পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফিটকিরি একটি দ্বিগুণ লবণ বা ডাবল সল্ট হিসেবে পরিচিত।
- পানি শোধনাগারে পানি পরিষ্কার করার জন্য এই অ্যালুমিনিয়াম সালফেট লবণ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নের ধরন: মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত / খাদ্য, পুষ্টি ও ভিটামিন
সঠিক উত্তর: A) আমিষ
১. কেন সঠিক:
- হিমোগ্লোবিন একটি জটিল প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ, যা মূলত অ্যামিনো অ্যাসিডের দীর্ঘ শিকল দ্বারা গঠিত।
- এটি রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের প্রধান কাজ করে এবং এর গঠন প্রোটিনের বৈশিষ্ট্য বহন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীদের লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি লৌহঘটিত প্রোটিন।
- কার্যপ্রণালি: ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করা এবং কোষ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড ফুসফুসে ফিরিয়ে আনা এর কাজ।
- কারণ ও ফলাফল: এর মধ্যে থাকা প্রোটিন অংশটি গঠনে সাহায্য করে এবং লৌহ অংশটি অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হতে ভূমিকা রাখে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শরীরে আমিষের ঘাটতি হলে হিমোগ্লোবিন তৈরি ব্যাহত হয়, যা রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া রোগ সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানবদেহের রক্ত পরীক্ষা সিবিসি।
ব্যাখ্যা: এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ মাপা হয়, যা পুষ্টির অবস্থা ও রক্তস্বল্পতা নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মাংস, ডিম ও ডাল খাওয়া।
ব্যাখ্যা: এগুলো আমিষজাতীয় খাবার, যা শরীরকে হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিমোগ্লোবিন একটি প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ।
B) স্নেহ — এটি ভুল কারণ স্নেহ বা ফ্যাট শক্তি উৎপাদনে এবং কোষঝিল্লি গঠনে কাজ করে, হিমোগ্লোবিন স্নেহজাতীয় নয়।
C) আয়োডিন — এটি ভুল কারণ আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ, হিমোগ্লোবিন নয়।
D) লৌহ — এটি আংশिक সত্য মনে হলেও, হিমোগ্লোবিনের মূল রাসায়নিক শ্রেণি হলো প্রোটিন বা আমিষ, যেখানে লৌহ একটি সহ উপাদান হিসেবে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হিমোগ্লোবিন শব্দের শেষে প্রোটিন বা আমিষের গঠন মনে রাখবে।
- রক্ত লাল হওয়ার কারণ প্রোটিনের সাথে থাকা লৌহের উপস্থিতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ অক্সিজেন পরিবহন করা।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) -40 ডিগ্রি
১. কেন সঠিক:
তাপমাত্রা পরিমাপের সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক সম্পর্ক রয়েছে।
মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে এই দুটি স্কেলের মান হুবহু সমান হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যকার সম্পর্ক হলো সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯।
এখানে সি হলো সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং এফ হলো ফারেনহাইট তাপমাত্রা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অত্যন্ত ঠান্ডা আবহাওয়ার দেশগুলোতে এই তাপমাত্রায় পারদ থার্মোমিটার ব্যবহার করলে দুটি স্কেলেই একই পাঠ পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে দুটি ভিন্ন স্কেল হলেও নির্দিষ্ট বিন্দুতে তাদের পরিমাপ এক হতে পারে।
উদাহরণ ২: সাইবেরিয়ার কোনো কোনো অঞ্চলে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই বাস্তব পরিস্থিতিতে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট দুটি স্কেলের মাধ্যমেই একই তীব্র শীতের অনুভূতির গাণিতিক প্রকাশ ঘটে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) -30 ডিগ্রি — এই তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মান সমান হয় না।
পাচঁ ভাগের সি এবং নয় ভাগের এফ বিয়োগ ৩২ সূত্রে সি এর মান মাইনাস ত্রিশ বসালে দুটি পক্ষ সমান হয় না।
B) -40 ডিগ্রি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই মানটি সমীকরণকে নিখুঁতভাবে সিদ্ধ করে।
উভয় পক্ষে মান বসালে ফলাফল সমান পাওয়া যায়।
C) 273 ডিগ্রি — এটি সেলসিয়াস স্কেলে বরফ জমার তাপমাত্রা বা পরম শূন্য তাপমাত্রার কাছাকাছি হলেও এই বিন্দুতে স্কেল দুটি সমান হয় না।
এটি কেলভিন স্কেলের রূপান্তরের সাথে সম্পর্কিত।
D) 373 ডিগ্রি — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক নির্দেশ করে।
এই উচ্চ তাপমাত্রায় ফারেনহাইট স্কেলের মান সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেল মিল করার জন্য তাপমাত্রা মাইনাস চল্লিশ মনে রাখবে।
উভয় স্কেলেই মাইনাস চল্লিশ সংখ্যাটি জাদুর মতো কাজ করে এবং মান একই রাখে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপমাত্রা পরিমাপের রূপান্তর সংক্রান্ত অংক বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯ সূত্রটি মুখস্থ রাখলে যেকোনো তাপমাত্রা রূপান্তর করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) জন্ডিস
১. কেন সঠিক:
- জন্ডিস হলো মানবদেহের প্রধান বিপাকীয় অঙ্গ যকৃতের একটি গুরুতর রোগ।
- রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে যকৃতের এই রোগটি প্রকাশ পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যকৃত মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি যা পিত্তরস তৈরি করে এবং রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- কার্যপ্রণালি: যকৃতের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিলিরুবিন সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত হতে পারে না এবং রক্তে এর পরিমাণ বেড়ে যায়।
- কারণ ও ফলাফল: এর ফলে ত্বক, চোখ ও শরীরের অন্যান্য অংশ হলুদ বর্ণ ধারণ করে যা যকৃতের অকার্যকারিতাকে নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হেপাটাইটিস ভাইরাস সংক্রমণ
ব্যাখ্যা: হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাস যকৃতে আক্রমণ করে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং জন্ডিসের মতো রোগ ঘটায়।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ
ব্যাখ্যা: দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত অ্যালকোহল পানের ফলে যকৃতের কোষগুলো নষ্ট হয় এবং সিরোসিস ও জন্ডিস দেখা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন্ডিস — এটি যকৃতের রোগ।
B) টাইফয়েড — এটি সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ানো একটি অন্ত্রের রোগ।
C) হাম — এটি প্যারামিক্সোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি অত্যন্ত সংক্রামক বায়ুজনিত রোগ।
D) কলেরা — এটি ভিব্রিও কলেরি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া পানিবাহিত ডায়রিয়াজনিত রোগ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যকৃতের প্রধান রোগগুলোর মধ্যে জন্ডিস সবচেয়ে পরিচিত এবং এটি বিলিরুবিনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
- হেপাটাইটিস শব্দটির সাথে যকৃতের সংযোগ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের কোন অঙ্গ পিত্তরস তৈরি করে এবং বিলিরুবিন প্রক্রিয়াজাত করে, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
- একই ধারণা থেকে যকৃতের অন্যান্য রোগ যেমন সিরোসিস বা হেপাটাইটিস সম্পর্কে প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) গামা রশ্মি
১. কেন সঠিক:
গামা রশ্মি হলো এক প্রকার তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং শক্তি সবচেয়ে বেশি।
তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম হয়, তার ভেদন ক্ষমতা এবং ফোটনের শক্তি তত বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে রেডিও তরঙ্গ থেকে শুরু করে গামা রশ্মি পর্যন্ত বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ও বিকিরণ রয়েছে।
কার্যপ্রণালি: তেজস্ক্রিয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস যখন শক্তি বিচ্ছুরণ করে নিম্ন শক্তিস্তরে নামে, তখন অত্যন্ত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ও ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গামা রশ্মি নির্গত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: ক্যানসার চিকিৎসায় টিউমার কোষ ধ্বংস করতে এবং চিকিৎসাকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোবাল্ট ষাট থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপিতে ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি স্বাস্থ্যকর টিস্যুর ক্ষতি না করে সরাসরি রোগাক্রান্ত কোষের ডিএনএ নষ্ট করে দেয়।
উদাহরণ ২: মহাকাশের সুপারনোভা বা নক্ষত্রের বিস্ফোরণ থেকে গামা রশ্মি উৎপন্ন হয়।
ব্যাখ্যা: এটি মহাজাগতিক উচ্চ শক্তির ঘটনার প্রমাণ দেয় যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কণা প্রবাহ, কোনো তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ নয় এবং এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা ভেদন ক্ষমতা গামা রশ্মির চেয়ে অনেক কম।
B) বিটা রশ্মি — এটি দ্রুত গতিসম্পন্ন ইলেকট্রন বা পজিট্রন কণার স্রোত, যা কণা প্রকৃতির এবং এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য গামা রশ্মির তুলনায় অনেক বড়।
D) রঞ্জন রশ্মি — এটি তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ হলেও এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য গামা রশ্মির চেয়ে বড় এবং শক্তি গামা রশ্মির চেয়ে কম হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে রেডিও তরঙ্গ থেকে গামা রশ্মির দিকে গেলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমতে থাকে এবং শক্তি বাড়তে থাকে।
তাই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম মনে রাখার সময় গামা রশ্মিকে সবচেয়ে ডানে বা সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবচেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও সবচেয়ে বেশি ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন রশ্মি হলো গামা রশ্মি।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি বা তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীর কোন অংশে শক্তি সর্বাধিক।
সঠিক উত্তর: B) অ্যানিমিয়া
১. কেন সঠিক:
রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে রক্তে পর্যাপ্ত সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিন থাকে না।
এর ফলে শরীরের টিস্যুগুলোতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং মানুষ ক্লান্তিবোধ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় থাকা একটি আমিজ জাতীয় পদার্থ যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন বহন করে সারা শরীরে পৌঁছে দেয়।
কারণ ও ফলাফল: শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি হতে পারে না, যার ফলে কোষগুলো প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায় না এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় অনেক নারীর রক্তশূন্যতা দেখা দেয় কারণ ভ্রূণের বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন হয়।
ব্যাখ্যা: এই সময়ে শরীরের বর্ধিত চাহিদার সঙ্গে খাদ্যের মাধ্যমে আয়রনের জোগান সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে অ্যানিমিয়া ঘটে।
উদাহরণ ২: দীর্ঘস্থায়ী কোনো রক্তক্ষরণ বা মাসিকের অতিরিক্ত রক্তপাতের ফলে রক্তশূন্যতা হতে পারে।
ব্যাখ্যা: শরীর থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ লোহিত রক্তকণিকা ও আয়রন বের হয়ে যাওয়ার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিউকেমিয়া — এটি রক্তের এক ধরণের ক্যান্সার যেখানে শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে, তাই এটি রক্তশূন্যতা নয়।
B) অ্যানিমিয়া — এটি রক্তশূন্যতার সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম এবং প্রশ্নে এটিই চাওয়া হয়েছে।
C) সিলেসিস — এটি মূলত সিলিকন ধূলিকণা শ্বhoশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করার কারণে সৃষ্ট একটি ফুসফুসের রোগ।
D) জন্ডিস — এটি যকৃতের সমস্যার কারণে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার একটি রোগ, যার ফলে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রক্তশূন্যতা বোঝাতে অ্যানিমিয়া শব্দটি মনে রাখুন। 'এ' মানে অভাব এবং 'অ্যানিমিয়া' রক্তের সাথে সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তশূন্যতা সাধারণত মানবদেহে আয়রনের ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে।
বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ কী, তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) সবুজ, কমলা
১. কেন সঠিক:
- রংধনুতে হলুদ রঙের ঠিক একপাশে সবুজ এবং অন্যপাশে কমলা রঙ অবস্থান করে।
- আলোর বিচ্ছুরণ প্রক্রিয়ার ফলে বর্ণালির এই নির্দিষ্ট ক্রম তৈরি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলোর বিচ্ছুরণ হলো সাদা আলোকে তার উপাদান রঙে বিভক্ত হওয়ার ঘটনা।
- কার্যপ্রণালি: বৃষ্টির ফোঁটায় আলো প্রবেশ করে প্রতিসরিত ও প্রতিফলিত হয়ে সাতটি রঙে বিভক্ত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: প্রিজম বা বৃষ্টির ফোঁটায় সূর্যালোক পড়ে আকাশে প্রাকৃতিক রংধনু তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রিজমের ভেতর দিয়ে সাদা আলো যাওয়ার সময় সাতটি রঙে বিভক্ত হওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি রংধনুর বৈজ্ঞানিক কার্যপ্রণালির কৃত্রিম প্রদর্শন।
উদাহরণ ২: বাগানে পানি দেওয়ার সময় ফোয়ারার দিকে তাকালে ছোট রংধনু দেখা যাওয়া।
ব্যাখ্যা: পানির ক্ষুদ্র কণাগুলো সূর্যের আলোকে বিচ্ছুরিত করে রংধনু সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল, কমলা — এই দুটি রঙ হলুদ রঙের দুই পাশের সংলগ্ন রঙ নয়।
B) সবুজ, লাল — লাল রঙ হলুদ রঙের ঠিক পাশের সংলগ্ন রঙ নয়।
C) বেগুনী, নীল — এই রঙগুলো বর্ণালির অন্য প্রান্তে থাকে।
D) সবুজ, কমলা — এটি সঠিক এবং হলুদ রঙের দুই পাশের সংলগ্ন রঙ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রংধনুর রঙের ক্রম মনে রাখার বিখ্যাত ইংরেজি সংক্ষিপ্ত রূপ হলো VIBGYOR।
- বাংলায় মনে রাখতে পারো বেনীআসহাচক, যেখানে হ মানে হলুদ এবং এর দুই পাশে রয়েছে স (সবুজ) ও ক (কমলা)।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রংধনুতে মোট সাতটি রঙ থাকে এবং এর মধ্যবর্তী রঙ হলো সবুজ।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে রংধনুর মাঝের রঙ কোনটি।
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন
১. কেন সঠিক:
- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অন্য পদার্থ থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে বা নিজের জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি করে, তাকে জারক পদার্থ বলে।
- হাইড্রোজেন একটি বিজারক পদার্থ কারণ এটি বিক্রিয়াকালে অন্য পদার্থকে ইলেকট্রন প্রদান করে নিজে জারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জারণ হলো ইলেকট্রনের বর্জন এবং বিজারণ হলো ইলেকট্রনের গ্রহণ। জারক পদার্থ নিজে বিজারিত হয় এবং অন্যকে জারিত করে।
- কার্যপ্রণালি: হাইড্রোজেন পরমাণু তার সর্ববহিস্থ কক্ষপথের একমাত্র ইলেকট্রনটি ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হতে পছন্দ করে, যা একে বিজারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপার অক্সাইডের সাথে হাইড্রোজেনের বিক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: এই বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন কপার অক্সাইড থেকে অক্সিজেন সরিয়ে নিয়ে কপার ধাতু উৎপন্ন করে এবং নিজে পানিতে পরিণত হয়, যা হাইড্রোজেনের বিজারক বৈশিষ্ট্যের প্রমাণ।
উদাহরণ ২: উদ্ভিদের তেল থেকে বনস্পতি ঘি বা মার্জরিন প্রস্তুতকরণ।
ব্যাখ্যা: অসম্পৃক্ত ফ্যাট বা তেলের সাথে নিকেল অনুঘটকের উপস্থিতিতে হাইড্রোজেন যুক্ত করার মাধ্যমে একে সম্পৃক্ত Fats এ রূপান্তরিত করা হয়, যেখানে হাইড্রোজেন বিজারক হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি জারক নয় বরং একটি শক্তিশালী বিজারক পদার্থ যা সহজেই ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারে।
B) অক্সিজেন — এটি একটি তীব্র জারক পদার্থ যা অন্য মৌল বা যৌগের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড গঠন করে এবং ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
C) ক্লোরিন — এটি হ্যালোজেন গ্রুপের একটি শক্তিশালী জারক যা সহজেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হয়।
D) ব্রোমিন — এটিও একটি সক্রিয় হ্যালোজেন এবং শক্তিশালী জারক পদার্থ যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন আকর্ষণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্ষার ধাতু এবং হাইড্রোজেন সাধারণত বিজারক হিসেবে কাজ করে এবং হ্যালোজেন বা অক্সিজেন সবসময় জারক হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জারণ বিজারণ এবং জারক বিজারক সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই ধাতু ও অধাতুর ইলেকট্রন গ্রহণ বা ত্যাগের ক্ষমতা ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১২
১. কেন সঠিক:
সোডিয়াম পরমাণুর ভরসংখ্যা তেইশ এবং প্রোটন সংখ্যা এগারো।
ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা বারো পাওয়া যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টিকে ভরসংখ্যা বলা হয়।
সূত্র: নিউট্রন সংখ্যা সমান ভরসংখ্যা বিয়োগ প্রোটন সংখ্যা।
হিসাব: সোডিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা সমান তেইশ বিয়োগ এগারো সমান বারো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ তৈরি।
ব্যাখ্যা: সোডিয়াম তার একটি ইলেকট্রন ক্লোরিনকে দিয়ে রাসায়নিক বন্ধন গঠন করে।
উদাহরণ ২: জলের সংস্পর্শে সোডিয়ামের তীব্র বিক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: সোডিয়াম পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও তাপ উৎপন্ন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৩ — এটি সোডিয়ামের ভরসংখ্যা, নিউট্রন সংখ্যা নয়।
B) ১২ — এটি সঠিক উত্তর যা প্রোটন সংখ্যা থেকে ভরসংখ্যার পার্থক্যের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়।
C) ১১ — এটি সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা।
D) ৩৫ — এটি ক্লোরিন পরমাণুর একটি আইসোটোপের ভরসংখ্যা, যা সোডিয়ামের সাথে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সোডিয়ামের পরমাণু ক্রমাঙ্ক এগারো এবং ভরসংখ্যা তেইশ মনে রাখতে হবে।
ভরসংখ্যা থেকে পারমাণবিক সংখ্যা বিয়োগ করলেই নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সোডিয়াম একটি সক্রিয় ধাতু যা কেরোসিনের নিচে সংরক্ষণ করা হয়।
একই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়শই বিভিন্ন মৌলের ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয় করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) NO
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি প্রাইমারি দূষক কারণ এটি সরাসরি উৎস থেকে বাতাসে নির্গত হয় এবং বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
- নাইট্রিক অক্সাইড সরাসরি শিল্পকারখানা ও যানবাহন থেকে নির্গত হয়ে প্রাথমিকভাবে পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সমস্ত দূষক পদার্থ সরাসরি উৎস থেকে উৎপন্ন হয়ে বাতাসে সরাসরি মিশে বায়ুমণ্ডল দূষিত করে, তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে উচ্চ তাপমাত্রায় নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন বিক্রিয়া করে সরাসরি নাইট্রিক অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে।
- কারণ ও ফলাফল: এই গ্যাস বায়ুমণ্ডলে সরাসরি উপস্থিত থেকে ধোঁয়াশা তৈরি করে এবং পরে জারিত হয়ে সেকেন্ডারি দূষকে রূপ নেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মোটর গাড়ির ইঞ্জিন ও কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে এই গ্যাস প্রতিনিয়ত আমাদের বায়ুমণ্ডলে ছড়াচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস সরাসরি কয়লা বা কাঠ পোড়ানোর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয় এবং এটি একটি প্রাইমারি দূষক।
ব্যাখ্যা: এটি কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে পরে তৈরি হয় না, বরং সরাসরি উৎস থেকে বাতাসে ছড়ায়।
উদাহরণ ২: সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস শিল্প কারখানা থেকে সরাসরি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে প্রাইমারি দূষক হিসেবে কাজ করে।
ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি নির্গত হয়ে পরবর্তীতে অ্যাসিড বৃষ্টি সৃষ্টির মূল কারণ হিসেবে ভূমিকা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SO3 — সালফার ট্রাইঅক্সাইড একটি সেকেন্ডারি দূষক কারণ এটি সালফার ডাইঅক্সাইড জারিত হয়ে বায়ুমণ্ডলে উৎপন্ন হয়।
B) N2O5 — ডাইনাইট্রোজেন পেন্টাক্সাইড সরাসরি নির্গত হয় না, বরং নাইট্রোজেনের অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে বিক্রিয়া করে সেকেন্ডারি দূষক হিসেবে তৈরি হয়।
C) NO — এটি সরাসরি উৎস থেকে নির্গত হয় এবং এটিই প্রাইমারি দূষকের সঠিক উদাহরণ।
D) NNO3 — এটি কোনো প্রচলিত বা সঠিক রাসায়নিক যৌগ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাইমারি মানে হলো প্রধান বা সরাসরি, তাই যে দূষক সরাসরি উৎস থেকে আসে তা প্রাইমারি দূষক।
- যারা সরাসরি আসে না এবং বায়ুমণ্ডলে বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়, তারা হলো সেকেন্ডারি দূষক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রাইমারি দূষকের উদাহরণ হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রিক অক্সাইড।
- সেকেন্ডারি দূষকের উদাহরণ হিসেবে ওজন, প্যান এবং সালফার ট্রাইঅক্সাইড প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) microphone
১. কেন সঠিক:
মাইক্রোফোন একটি ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর বা শব্দকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করে কম্পিউটারে পাঠায়।
যেহেতু এটি কম্পিউটারকে ডেটা বা তথ্য প্রদান করে, তাই এটি আউটপুট ডিভাইস হতে পারে না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার উপাদান যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কম্পিউটারের প্রসেসরের কাছে পাঠায়।
কার্যপদ্ধতি: মাইক্রোফোনে থাকা ডায়াফ্রাম শব্দের কম্পনে কেঁপে ওঠে এবং তা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটার গেম খেলার সময় মাইক্রোফোনে কথা বলে দলের অন্য সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবহারকারী শব্দ তৈরি করছেন যা মাইক্রোফোনের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করছে।
উদাহরণ ২: জুম বা গুগল মিট অ্যাপে অনলাইনে মিটিং করার সময় কথা বলা।
ব্যাখ্যা: মাইক্রোফোন ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর গ্রহণ করে তা ডিজিটাল উপাত্তে পরিণত করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য প্রান্তে পাঠাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) monitor — মনিটর একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি প্রসেস করা তথ্য বা ছবি ব্যবহারকারীর দেখার জন্য স্ক্রিনে প্রদর্শন করে।
B) microphone — মাইক্রোফোন শব্দ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায়, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) printer — প্রিন্টার কম্পিউটারের ডিজিটাল ডকুমেন্ট কাগজে প্রিন্ট করে বাইরে বের করে দেয়, যা একটি আউটপুট ডিভাইস।
D) speaker — স্পিকার কম্পিউটারের ভেতরের অডিও সিগন্যালকে আমাদের শোনার উপযোগী শব্দে রূপান্তর করে, তাই এটি আউটপুট ডিভাইস।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইন মানে ভেতরে আর আউট মানে বাইরে।
মাইক্রোফোন দিয়ে আমরা কম্পিউটারে কথা দিই, তাই তা ইনপুট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটারের মৌলিক ইনপুট ডিভাইসগুলো হলো কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার ও মাইক্রোফোন।
আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে মনিটর, প্রিন্টার ও স্পিকার সবচেয়ে বেশি পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: B) ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হলো ১৭ অক্টোবর, ২০২৫। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাস ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রেক্ষাপটে এই তারিখটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ও রাষ্ট্র সংস্কার:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের গণ-অভুত্থানের পর বাংলাদেশে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন মহールের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই সনদ প্রস্তুত করা হয়।
তারিখ ও স্থান: ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সনদ স্বাক্ষরিত হয়। এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক ঘটনা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক চুক্তি বা সনদ স্বাক্ষর।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক রূপরেখা তৈরির জন্য নানা চুক্তি বা ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা ভবিষ্যতের রাষ্ট্র পরিচালনায় দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করেছে।
উদাহরণ ২: রাষ্ট্র সংস্কার কমিশনসমূহের প্রতিবেদন।
ব্যাখ্যা: জুলাই সনদের মতো বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাব দেশের শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও জনমুখী ও গণতান্ত্রিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ — এটি সঠিক তারিখের আগের দিন এবং এই দিনে এই সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি।
B) ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ — এটি সঠিক উত্তর।
C) ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ — এটি সঠিক তারিখের পরের দিন এবং সেদিন অন্য কোনো নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ছিল।
D) ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ — এটি সঠিক তারিখ নয় এবং এই দিনে সনদ স্বাক্ষরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
জুলাই সনদের স্বাক্ষর গ্রহণের মাসটি হলো অক্টোবর এবং তারিখটি হলো ১৭। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের ১৭ তারিখ মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নিশ্চিত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলিল, সনদ ও চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ প্রায়ই আসে। এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাষ্ট্র সংস্কার ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) খুলনা
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রধান ও ভারী জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড খুলনায় রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের জলযান নির্মাণ ও মেরামতের ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
২. শিল্প ও অর্থনীতি:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: খুলনা শিপইয়ার্ড ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
- প্রতিষ্ঠান: এটি বর্তমানে বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের অধীনে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চিটাগাং ড্রাইডকের অবস্থান চট্টগ্রাম।
ব্যাখ্যা: এটি মূলত বড় আকারের সমুদ্রগামী জাহাজ মেরামত ও নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা নয়।
উদাহরণ ২: নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড।
ব্যাখ্যা: এটি শীতললক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত মাঝারি ধরনের জলযান নির্মাণের একটি ঐতিহাসিক ডকইয়ার্ড।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নারায়ণগঞ্জ — এটি নদী বন্দর এবং পাটশিল্পের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা এখানে অবস্থিত নয়।
B) কক্সবাজার — এটি পর্যটন নগরী এবং মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, ভারী জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রধান কেন্দ্র নয়।
C) চট্টগ্রাম — এখানে চিটাগাং ড্রাইডক ও মেরিটাইম সেক্টর থাকলেও প্রধান রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
D) খুলনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ খুলনা শিপইয়ার্ড বাংলাদেশের প্রধান ও প্রাচীনতম ভারী জাহাজ নির্মাণ কারখানা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খুলনা শিপইয়ার্ডের অবস্থান মনে রাখতে নামের প্রথম অংশটি মনে রাখুন।
- এটি রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত যা দক্ষিণবঙ্গের প্রধান শিল্পকেন্দ্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- খুলনা শিপইয়ার্ড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কোন নদীর তীরে অবস্থিত, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- একই বিষয় থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ৪৬.৫ মিটার
১. কেন সঠিক:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের মোট উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬.৫ মিটার যা এর ভিত্তিমূল থেকে চূড়া পর্যন্ত পরিমাপ করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের সাতটি বীরত্বপূর্ণ আন্দোলনকে প্রতীকায়িত করতে স্মৃতিসৌধটি সাত জোড়া ত্রিভুজাকৃতির দেওয়াল বা মিনার নিয়ে গঠিত।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
জাতীয় প্রতীক, পতাকা, সংগীত ও স্মৃতিসৌধ
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে এই স্মৃতিসৌধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তারিখ ও স্থান: ঢাকার অদূরে সাভারের নবীনগরে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় এবং ১৯৮২ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়ন করেন এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর এর নির্মাণকাজ পরিচালনা করে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগের সর্ববৃহৎ জাতীয় স্মারক হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত অপর একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য যা বাঙালির জাতীয় চেতনার প্রতীক।
উদাহরণ ২: স্বাধীনতা স্তম্ভ
ব্যাখ্যা: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত এই স্তম্ভটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষ্য বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৬.৫ মিটার — এটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের সঠিক ও পরীক্ষিত উচ্চতা যা আন্তর্জাতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ডে স্বীকৃত।
B) ৪২.৫ মিটার — এই উচ্চতাটি সঠিক নয় এবং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার পরিমাপের সাথে বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
C) ৪৮.৫ মিটার — এটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতার চেয়ে বেশি এবং এর কোনো ঐতিহাসিক বা স্থাপত্যিক ভিত্তি নেই।
D) ৪৪.৫ মিটার — এই মানটি ভুল কারণ মূল নকশা অনুযায়ী স্মৃতিসৌধের উচ্চতা সবসময় ৪৬.৫ মিটার নির্ধারিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা মনে রাখতে ৪৬.৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন যেখানে ৪ এর পর ৬ এবং দশমিকের পর ৫ আসে।
সাত জোড়া মিনার বা দেয়ালের সাথে উচ্চতার মিটার একক মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা সহজে সঠিক উত্তর মনে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেনের নাম এবং এর অবস্থান সাভার মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
এই প্রশ্নটি থেকে স্থপতি, নকশা, মিনার সংখ্যা এবং উচ্চতা সম্পর্কিত ভিন্ন ধরনের বহু নির্বাচনী প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৫
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ভাষা ও সংস্কৃতির গবেষণার মাধ্যমে বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় রক্ষা এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চেতনা এবং বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি থেকে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
তারিখ ও স্থান: ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর তৎকালীন বর্ধমান হাউসে বাংলা একাডেমি কার্যক্রম শুরু করে।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এবং এর প্রথম সচিব ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এনামুল হক।
তাৎপর্য ও ফলাফল: বাংলা ভাষার মান উন্নয়নে এবং গবেষণা প্রসারে এই প্রতিষ্ঠান জাতীয়ভাবে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অমর একুশে বইমেলা
ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়, যা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।
উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৮ — এই সালে বাংলা একাডেমির কোনো প্রতিষ্ঠা বা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সূচনার রেকর্ড নেই।
B) ১৯৫৫ — এটি বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার সঠিক বছর এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) ১৯৬১ — এই সালে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছিল এবং বাংলা একাডেমি থেকে বিশ্বকবিকে নিয়ে নানা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
D) ১৮৫৫ — এই সালে ব্রিটিশ ভারতে শিক্ষা প্রসারে উডের ডেসপাচ বা নানা সংস্কার হলেও বাংলা একাডেমির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের পরের বছরগুলোতে বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন আর ৫৫ তে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক কে ছিলেন এবং বর্তমান মহাপরিচালক কে, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে এর প্রতীক, স্লোগান বা প্রথম প্রকাশিত বই নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
১. কেন সঠিক:
- উত্তরটি সঠিক কারণ এই দিনে ওয়াশিংটন ডি সি তে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এটি মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সাম্যবাদী ব্লকের প্রভাব প্রতিহত করতে গঠিত হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি তে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- উদ্দেশ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা রক্ষা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ওয়াশিংটন চুক্তি
ব্যাখ্যা: এই চুক্তির পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জোটের যেকোনো এক সদস্যের ওপর আক্রমণ মানে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: ওয়ারশ চুক্তি
ব্যাখ্যা: ন্যাটোর বিপরীতে সোভিযেত ইউনিয়ন ১৯৫৫ সালে ওয়ারশ চুক্তি নামে নিজস্ব সামরিক জোট গঠন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঠিক ঐতিহাসিক দিন ও সাল।
B) ৪ মার্চ ১৯৪৯ — এই তারিখে ন্যাটোর কোনো আনুষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠা হয়নি।
C) ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯ — এই তারিখে ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত কোনো ঘটনা নেই।
D) ৪ মে ১৯৪৯ — এই তারিখে ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত কোনো ঘটনা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সালটি মনে রাখতে ১৯৪৯ সংখ্যাটি মাথায় রাখো।
- মাস ও তারিখ মনে রাখতে এপ্রিলের চার তারিখ কথাটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন্যাটোর সদর দপ্তর ও প্রতিষ্ঠার সাল প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- এই জোট থেকে এর বর্তমান সদস্যসংখ্যা এবং নতুন সদস্য দেশ সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) স্কটল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
অ্যাডাম স্মিথ ১৭২৩ সালের ৫ জুন স্কটল্যান্ডের ফাইফ অঞ্চলের কার্কক্যালডি নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ দ্য ওয়েলথ অব নেশনস প্রকাশ করে পুঁজিবাদী অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ ও জন্মস্থান: স্কটল্যান্ড যুক্তরাজ্যের একটি অংশ, যার রাজধানী এডিনবরা এবং অর্থনৈতিক ইতিহাসের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রেক্ষাপট: অষ্টাদশ শতাব্দীতে স্কটিশ এনলাইটেনমেন্ট বা স্কটিশ বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের সময় অ্যাডাম স্মিথ ক্লাসিক্যাল অর্থনীতির ধারণা দেন।
গুরুত্ব: মুক্তবাজার অর্থনীতি, শ্রম বিভাজন এবং অদৃশ্য হাত বা ইনভিজিবল হ্যান্ড তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি বিশ্ব অর্থনীতিতে বিপ্লব এনেছিলেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডেভিড রিকার্ডো
ব্যাখ্যা: তিনি স্কটল্যান্ডের মতো ব্রিটিশ অঞ্চলের আরেকজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ যিনি তুলনামূলক সুবিধার তত্ত্ব প্রদান করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিপথ পরিবর্তন করেছিলেন।
উদাহরণ ২: কার্ল মার্ক্স
ব্যাখ্যা: তিনি অ্যাডাম স্মিথের পুঁজিবাদী ধারণার বিরোধিতা করে সমাজতান্ত্রিক অর্থশাস্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্কটল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যাডাম স্মিথ এই দেশের কার্কক্যালডি শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) ফ্রান্স — এটি ভুল অপশন কারণ ফ্রান্সে ফরাসি ফিজিওক্র্যাট অর্থনীতিবিদরা ছিলেন, কিন্তু স্মিথের জন্ম সেখানে হয়নি।
C) জার্মানী — এটি ভুল অপশন কারণ জার্মানিতে পরবর্তীতে কার্ল মার্ক্স ও ঐতিহাসিক অর্থনীতির বিকাশ ঘটেছিল।
D) ইতালী — এটি ভুল অপশন কারণ ইতালি রেনেসাঁ ও বাণিজ্যের সূতিকাগার হলেও স্মিথের জন্মভূমি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ স্কটিশ জাতির গর্ব, তাই স্মিথ এবং স্কটল্যান্ড দুটোই এস অক্ষর দিয়ে শুরু হয় এভাবে মনে রাখতে পারেন।
ফরাসি বিপ্লবের আগের যুগে স্কটল্যান্ডের মাটিতেই আধুনিক অর্থনীতির জন্ম হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে অ্যাডাম স্মিথের বিখ্যাত গ্রন্থ দ্য ওয়েলথ অব নেশনস কত সালে প্রকাশিত হয়, যার উত্তর ১৭৭৬ সাল।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রবক্তা কে।
সঠিক উত্তর: A) জনসংখ্যা গবেষণা
১. কেন সঠিক:
নিপোর্ট বা NIPORT হলো জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবার পরিকল্পনা এবং স্বাস্থ্য খাতের কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদানে এই প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
২. প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য:
প্রতিষ্ঠান: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।
পূর্ণ রূপ: National Institute of Population Research and Training.
কার্যপরিধি: পরিবার পরিকল্পনা, প্রজনন স্বাস্থ্য এবং জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনার ওপর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা BBS
ব্যাখ্যা: এটি দেশের জাতীয় জনগণনা ও জনমিতি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে, যা জনসংখ্যা গবেষণায় সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনস্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নীতি নির্ধারণে বিভিন্ন দেশের গবেষণা সংস্থাকে সহযোগিতা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসংখ্যা গবেষণা — সঠিক উত্তর কারণ নিপোর্ট মূলত জনসংখ্যা ও পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে গবেষণা করে।
B) মিঠাপানি গবেষণা — ভুল কারণ মিঠাপানি বা মৎস্য গবেষণার জন্য আলাদা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
C) নদী গবেষণা — ভুল কারণ নদী বা পানি সম্পদ নিয়ে কাজ করে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।
D) বন্দর গবেষণা — ভুল কারণ সমুদ্র বন্দর বা নৌপরিবহন সংক্রান্ত গবেষণা এর আওতাভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিপোর্ট নামের শুরুতে পি (P) অক্ষরটি পপুলেশন বা জনসংখ্যা শব্দটিকে নির্দেশ করে।
এভাবে নামের মিল খুঁজে সহজেই সঠিক উত্তরটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিষ্ঠানটির ইংরেজি পূর্ণ রূপ এবং এর মূল কাজ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা ও পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত যেকোনো গবেষণামূলক প্রশ্নে নিপোর্ট নামটি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
১. কেন সঠিক:
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের কূটনৈতিক প্রক্রiyার অংশ হিসেবে এশিয়া মহাদেশের প্রভাবশালী দেশ জাপান ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি জানায়।
এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্কের শুভসূচনা হয় যা পরবর্তীতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সহায়তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: জাপান, এশিয়ার একটি উন্নত দ্বীপ রাষ্ট্র যার রাজধানী টোকিও এবং মুদ্রা হলো ইয়েন।
প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জাপানের সাধারণ জনগণ ও সুশীল সমাজ নৈতিক সমর্থন জানালেও তৎকালীন সরকার কিছুটা দেরিতে স্বীকৃতি দেয়।
গুরুত্ব: স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপান প্রথম থেকেই অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল, যা পশ্চিমা বিশ্বের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বড় ভূমিকা রেখেছিল।
উদাহরণ ২: ভারত ও ভুটান
ব্যাখ্যা: ভারত ও ভুটান ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশকে সবার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে কিন্তু কোনো দেশ তখন স্বীকৃতি দেয়নি।
B) ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ — এই ঐতিহাসিক দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
D) ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ — এই কালরাত্রিতে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর ১৯৭১, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ এবং জাপান স্বীকৃতি দেয় ঠিক এক মাস পর অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
তারিখ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১০ সংখ্যাটি জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি উভয় মাসের ১০ তারিখেই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাথে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথম দেশ হিসেবে ভারত ও ভুটানের নাম বারবার পরীক্ষায় আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে জাপান কবে বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে বা জাপানের মুদ্রার নাম কী।
সঠিক উত্তর: C) কায়রো
১. কেন সঠিক:
তাহরির স্কয়ার মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক চত্বর। ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় এই স্কয়ারটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে, যেখানে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিনের একনায়ক হোসনি মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলে।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
দেশ: মিশর, যার রাজধানী কায়রো এবং মুদ্রা মিশরীয় পাউন্ড।
প্রেক্ষাপট: ২০১১ সালে আরব বসন্তের ঢেউ মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়লে মিশরের তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ কায়রোর এই চত্বরে জড়ো হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
গুরুত্ব: এই গণআন্দোলনের ফলেই মিশরের দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন এবং এটি আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিউনিসিয়ার জেসমিন বিপ্লব।
ব্যাখ্যা: এটি ছিল আরব বসন্তের সূচনাবিন্দু যা মিশরের তাহরির স্কয়ারের আন্দোলনকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
উদাহরণ ২: বেইজিংয়ের তিয়েনানমেন স্কয়ার।
ব্যাখ্যা: এটি চীনের একটি ঐতিহাসিক চত্বর, যা ১৯৮৯ সালের ছাত্র আন্দোলনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং কায়রোর তাহরির স্কয়ারের মতো এটিও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং এর বিখ্যাত চত্বরের নাম হলো গোয়াম্বুয়াম প্লাজা।
B) আম্মান — এটি জর্ডানের রাজধানী এবং এর প্রধান চত্বর বা ঐতিহাসিক স্থান হলো হাসেমাইট প্লাজা।
C) কায়রো — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত তাহরির স্কয়ার মিশরের এই রাজধানীতেই অবস্থিত।
D) তেহরান — এটি ইরানের রাজধানী এবং এর কেন্দ্রীয় চত্বরের নাম আজাদি স্কয়ার।
৫ মনে রাখার টিপস:
তাহরির শব্দের অর্থ মুক্তি, আর মিশরের মানুষ কায়রো শহরে মুক্তি বা স্বাধীনতার জন্যই এই স্কয়ারে লড়াই করেছিল।
কায়রো নামটির সাথে মিশরের রাজধানী এবং তাহরির স্কয়ারের অবস্থান এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আরব বসন্তের সূচনাকাল এবং এর প্রধান কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে মিশরের রাজধানী, মুদ্রা অথবা ২০১১ সালের আরব বসন্তের প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
১. কেন সঠিক:
- ডব্লিউআইপিও হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা মেধা সম্পত্তি বা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষায় কাজ করে।
- এই সংস্থাটির সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত যা বৈশ্বিক বাণিজ্যে মেধাস্বত্ব সুরক্ষার প্রধান কেন্দ্র।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: ডব্লিউআইপিও বা বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা যার ইংরেজি রূপ ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৭ সালের ১৪ জুলাই স্টকহোম কনভেনশনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সাল থেকে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে কাজ শুরু করে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি রক্ষা করা এবং উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পেটেন্ট সহযোগিতা চুক্তি
ব্যাখ্যা: এটি ডব্লিউআইপিও পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা আবেদনকারীদের আন্তর্জাতিক স্তরে পেটেন্ট সুরক্ষা পেতে সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: বার্ন কনভেনশন
ব্যাখ্যা: সাহিত্য ও শৈল্পিক কাজ সুরক্ষার জন্য এই আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রশাসনিক দায়িত্ব ডব্লিউআইপিও পালন করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা বা আইএমও এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
C) জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডব্লিউআইপিও এর প্রধান কার্যালয় এই শহরেই অবস্থিত।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো ও ওইসিডির সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মেধা ও বুদ্ধির চর্চা হয় জেনেভায় যেখানে ডব্লিউআইপিও এর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভাকে জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ডব্লিউআইপিও জাতিসংঘের কততম বিশেষায়িত সংস্থা এবং এর বর্তমান সদস্য দেশ কতটি তা জেনে যাওয়া ভালো।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর নির্ণয়ের জন্য আসে।
সঠিক উত্তর: D) হেগে
১. কেন সঠিক:
- স্থায়ী সালিসি আদালত বা পার্মানেন্ট কোর্ট অফ আরবিট্রেশন (PCA) বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত বিশ্বের প্রাচীনতম আন্তঃসরকার সংস্থা।
- এটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিরোধ সালিসি বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: পার্মানেন্ট কোর্ট অফ আরবিট্রেশন (PCA) বা স্থায়ী সালিসি আদালত।
- প্রতিষ্ঠা: ১৮৯৯ সালের প্রথম হেগ শান্তি সম্মেলনের মাধ্যমে এটি গঠিত হয় এবং ১৯০০ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
- সদর দপ্তর: নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরের পিস প্যালেস বা শান্তি প্রাসাদ।
- উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তি অনুসারে বিভিন্ন রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দক্ষিণ চীন সাগর বিরোধ
ব্যাখ্যা: ফিলিপাইন ও চীনের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্থায়ী সালিসি আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল এবং আদালত রায় প্রদান করেছিল।
উদাহরণ ২: ভারত ও বাংলাদেশ সমুদ্রসীমা বিরোধ
ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘদিনের সমুদ্রসীমা বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুত্ব বাড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি শহর যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) সদর দপ্তর অবস্থিত, তবে স্থায়ী সালিসি আদালত এখানে নেই।
B) লন্ডনে — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (IMO) সদর দপ্তর রয়েছে, কিন্তু স্থায়ী সালিসি আদালতের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো (UNESCO) এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, তবে স্থায়ী সালিসি আদালত প্যারিসে অবস্থিত নয়।
D) হেগে — এটি নেদারল্যান্ডসের প্রশাসনিক রাজধানী এবং এটি আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ) ও স্থায়ী সালিসি আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সালিসি আদালত বা বিচারালয় সংক্রান্ত বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সংস্থা সাধারণত নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- হেগ শহরটিকে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ও আইনের রাজধানী হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্থায়ী সালিসি আদালত এবং আন্তর্জাতিক আদালতের (ICJ) মধ্যে পার্থক্য মনে রাখা জরুরি, কারণ দুটিই হেগে অবস্থিত হলেও তাদের কাজের পরিধি ভিন্ন।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাভিত্তিক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) বেরিং
১. কেন সঠিক:
আমেরিকা মহাদেশকে এশিয়া মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে বেরিং প্রণালী। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের বোরিং সাগরকে উত্তর মহাসাগরের চুকচি সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ/অঞ্চল: রাশিয়ার সাইবেরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঞ্চলের মাঝে বেরিং প্রণালী অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: এই প্রণালীর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করেছে।
গুরুত্ব: ভৌগোলিক দিক থেকে এটি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করার পাশাপাশি দুই মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিব্রাল্টার প্রণালী।
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে, যেমনটি বেরিং প্রণালী এশিয়া ও আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
উদাহরণ ২: হরমুজ প্রণালী।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যা ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণে প্রণালীর গুরুত্ব বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্লোরিডা — এটি উত্তর আমেরিকার ফ্লোরিডা উপদ্বীপ এবং কিউবার মধ্যে অবস্থিত, এশিয়া ও আমেরিকার মাঝে নয়।
B) পাক — এটি ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে, যা এশিয়া মহাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
C) জিব্রাল্টার — এটি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে এবং ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
D) বেরিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এশিয়া ও আমেরিকার মাঝে অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
আমেরিকা ও এশিয়া আলাদা করেছে বেরিং, মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো এশিয়া থেকে আমেরিকায় যেতে বেরিং পার হতে হয়। প্রণালীগুলোর অবস্থান মনে রাখতে মানচিত্র চর্চা করা সবচেয়ে ভালো উপায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি ভৌগোলিক সীমারেখা এবং প্রণালী সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রণালী দুটির নাম বা সংযোগকারী মহাসাগর সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) শায়েস্তা খানের কন্যা
কেন সঠিক:
পরীবিবি ছিলেন বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খানের প্রিয় কন্যা এবং তার আসল নাম ছিল ইরান দুখ্ত।
মোঘল আমলে নির্মিত ঢাকার লালবাগ কেল্লার অন্দরে অবস্থিত পরীবিবির মাজার বাংলার মুঘল স্থাপত্যের একটি অনন্য নিদর্শন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মধ্যযুগের বাংলা ইতিহাসের মোঘল আমল সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক চরিত্র হলেন এই পরীবিবি।
ইতিহাসের নানা পন্ডিতের মতে তার অকাল মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ঢাকায় তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই ঐতিহাসিক মাজার নির্মাণ করেন।
ঐতিহাসিক লালবাগ কেল্লার কেন্দ্রীয় চত্বরে পরীবিবির এই সমাধি সৌধ আজও মোঘল সংস্কৃতির স্মৃতি বহন করে চলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আওরঙ্গজেবের কন্যা — সম্রাট আওরঙ্গজেবের কন্যার নাম পরীবিবি ছিল না বরং তার কন্যার নাম ছিল জেবুনিসা।
B) শায়েস্তা খানের কন্যা — এই অপশনটি সঠিক কারণ পরীবিবি বাস্তবে বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খানেরই কন্যা ছিলেন।
C) মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী — মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রীর নাম পরীবিবি ছিল না বরং তার স্ত্রীর নাম ছিল নাসরিন বানু।
D) আজিমুশশানের মাতা — যুবরাজ আজিমুশশানের মাতার নাম পরীবিবি ছিল না বরং তিনি অন্য একজন মোঘল রাজমহিষী ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
লালবাগ কেল্লার সাথে পরীবিবির নাম চিরকাল জড়িয়ে আছে এবং তার পিতা শায়েস্তা খান ঢাকায় মোঘল শাসন দীর্ঘস্থায়ী করেছিলেন।
পরীবিবির আসল নাম ছিল ইরান দুখ্ত যা মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি
১. কেন সঠিক:
বিদ্যাপতি বাংলা পদাবলীর আদি বা প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃত। তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও তাঁর পদ ব্রজবুলি ভাষায় রচিত এবং বাংলা সাহিত্যে তা অত্যন্ত সমাদৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি মিথিলার দরবারের কবি ছিলেন এবং রাজা শিবসিংহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। বাংলা পদাবলী সাহিত্যে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা তাঁর পদ থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদাবলী সাহিত্য
ব্যাখ্যা: এটি মূলত বৈষ্ণব পদাবলীকে বোঝায় যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন পর্যায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্রজবুলি ভাষা
ব্যাখ্যা: এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়, বরং মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোবিন্দ দাস — ইনি পদাবলীর পরবর্তী যুগের একজন প্রখ্যাত পদকর্তা এবং করচা লেখক। ইনি প্রথম কবি নন।
C) চণ্ডীদাস — বাংলা ভাষার প্রথম স্বাধীন পদকর্তা হিসেবে পরিচিত হলেও বিদ্যাপতির পরেই তাঁর স্থান নির্ধারিত হয়।
D) লুইপা — ইনি চর্যাপদের প্রথম পদরচয়িতা বা আদি কবি, পদাবলীর নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
পদাবলীর আদি কবি বিদ্যাপতি এবং চর্যাপদের আদি কবি লুইপা। এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্যাপতিকে মিথিলার কোকিল বলা হয়। চর্যাপদ ও পদাবলী সাহিত্যের আদি কবিদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) সন্ন্যাসী
১. কেন সঠিক:
গৃহী শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি সংসার ধর্মে আবদ্ধ বা পরিবার নিয়ে বসবাস করেন।
এর বিপরীত শব্দ হলো সন্ন্যাসী, যার অর্থ যিনি সংসার ত্যাগ করেছেন এবং আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত আছেন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সক্রিয় শব্দের বিপরীত নিষ্ক্রিয়।
ব্যাখ্যা: সক্রিয় অর্থ কর্মঠ আর নিষ্ক্রিয় অর্থ কর্মহীন বা অলস।
উদাহরণ ২: অনুরাগ শব্দের বিপরীত বিরাগ।
ব্যাখ্যা: অনুরাগ অর্থ গভীর আকর্ষণ বা ভালোবাসা আর বিরাগ অর্থ অনীহা বা বিরক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাসী — প্রবাসী অর্থ যে ব্যক্তি নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বাস করেন, এটি গৃহী শব্দের বিপরীত নয়।
B) পরবাসী — পরবাসী শব্দের অর্থ পরদেশে বসবাসকারী, যা গৃহী শব্দের বিপরীত হিসেবে সঠিক নয়।
C) সন্ন্যাসী — সন্ন্যাসী হলো গৃহী শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
D) গৃহহীন — গৃহহীন অর্থ যার ঘরবাড়ি বা আশ্রয় নেই, এটি গৃহী শব্দের বিপরীতার্থক সঠিক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংসার জীবনে থাকা ব্যক্তি গৃহী এবং সংসার ছেড়ে যাওয়া ব্যক্তি সন্ন্যাসী।
এই দুই শব্দের মধ্যে জীবনযাত্রার মৌলিক ফারাক রয়েছে যা বিপরীত শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎস ও মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ নির্বাচন করাই সঠিক নিয়ম।
সঠিক উত্তর: B) রাখালী
১. কেন সঠিক:
রাখালী হলো বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
এই কাব্যগ্রন্থে পল্লী প্রকৃতির রূপ এবং গ্রামীণ মানুষের সহজ সরল জীবনের নিখুঁত শিল্পরূপ প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
পল্লীকবি জসীম উদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি যিনি গ্রামীণ জীবন ও লোকসংস্কৃতিকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন।
তাঁর কাব্যে বাংলার প্রকৃতি, নদী, মাঠ এবং সাধারণ মানুষের সুখ দুঃখ অত্যন্ত জীবন্তভাবে ফুজে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিশ্বনন্দিত দীর্ঘ কাব্য যা গ্রামীণ প্রেমের ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: সোজন বাदियाর ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীম উদ্দীনের রচিত অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় লোকগাথাভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলে মুসাফির — এটি কবি জসীম উদ্দীনের লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী।
B) রাখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
C) বিষের বাঁশি — এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থ।
D) সোনালি কাবিন — এটি আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্য রাখালী এবং প্রথম প্রকাশিত কবিতা কবর যা নকশী কাঁথার মাঠের জন্যও তিনি বিখ্যাত।
পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত জসীম উদ্দীনের কাব্য মনে রাখতে নামের সাথে গ্রামীণ শব্দের সংযোগ মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ এবং ভ্রমণকাহিনীগুলোর নাম প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়।
অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর সাথে জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: D) গৈ + অক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ঐ-কার বা ঔ-কারের পর যদি অন্য স্বরধ্বনি থাকে, তবে ঐ-কারের জায়গায় অয় এবং ঔ-কারের জায়গায় অব হয়। গৈ শব্দের শেষে ঐ-কার রয়েছে এবং এর সঙ্গে অক যুক্ত হওয়ার কারণে ঐ-কার পরিবর্তিত হয়ে অয় হয়েছে, যার ফলে গায়িক শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত আদিদেশ বা য-ফলা এবং ব-ফলার একটি বিশেষ নিয়ম, যা মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের অনাদি বা অয়-অব নিয়মের অধীন। এই নিয়মে ঐ-কারের স্থানে অয় এবং ঔ-কারের স্থানে অব বসে এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিটি সেই অন্তস্থ ধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈ + অক = নায়ক
ব্যাখ্যা: গৈ শব্দের মতো নৈ শব্দের ঐ-কার অয় হয়ে নায়ক শব্দ গঠন করে।
উদাহরণ ২: পৌ + অন = পবন
ব্যাখ্যা: পৌ শব্দের ঔ-কার অব হয়ে পবন শব্দ গঠন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গো + অক — এই নিয়মে গো যোগ অক মিলে গায়ক হয় না, বরং এটি গবাশ্রয় বা গবাক্ষ জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
B) গা + অক — গা কোনো মৌলিক ধাতু বা শব্দ নয় যা এই ধরনের সন্ধি গঠন করতে পারে।
C) গা + য়ক — য়ক কোনো ব্যাকরণসম্মত প্রত্যয় বা অংশ নয়, তাই এই বিশ্লেষণটি ভুল।
D) গৈ + অক — এটি সঠিক কারণ গৈ শব্দের ঐ-কার পরিবর্তিত হয়ে গায়ক গঠন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঐ-কারযুক্ত শব্দের সঙ্গে স্বরধ্বনি থাকলে গৈ থেকে গায় এবং নৈ থেকে নায় হয়।
শব্দে আয় বা অব উচ্চারণ পেলে সন্ধিবিচ্ছেদে যথাক্রমে ঐ-কার বা ঔ-কার ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গায়ক, নায়ক, গায়িকা, পাবক ইত্যাদি সন্ধিগুলো প্রায়ই আসে।
নৈ যোগ অক সমান নায়ক এবং গৈ যোগ অক সমান গায়ক—এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব উপকারী।
সঠিক উত্তর: C) বিসর্জন
কেন সঠিক:
- বিসর্জন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকে নাট্যরূপের পাশাপাশি কাব্যের সুর ও ভাষার উচ্চাঙ্গ সৌন্দর্য একীভূত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাব্যনাট্য হলো এমন এক সাহিত্যকর্ম যা দেখতে নাটকের মতো কিন্তু এর মূল আত্মা ও প্রকাশভঙ্গি কবিতার।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অন্যান্য সাহিত্যিকগণ এই ধারায় রূপক ও সামাজিক ভাব ফুটিয়ে তুলেছেন।
- রাজার বিসর্জন বা মানুষের অন্ধ সংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বাণী এই নাটকে কাব্যিকভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কৃষ্ণকুমারী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক।
- B) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য।
- C) বিসর্জন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক।
মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যনাট্য মনে রাখার সময় বিসর্জন নামটি প্রথমে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যালয়
১. কেন সঠিক:
বিদ্যালয় শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়, এটি একটি সন্ধিজাত শব্দ।
শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো বিদ্যা + আলয়, যা স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, আর সমাস হলো অর্থসম্পর্কযুক্ত দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ।
বিদ্যালয় শব্দে কোনো পদের সমাসবদ্ধ বিভক্তি বা সমাসগত অর্থ প্রকাশ পায় না, বরং ধ্বনির মিলন ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিমালয়
ব্যাখ্যা: এটি হিম + আলয় সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে, সমাসের মাধ্যমে নয়।
উদাহরণ ২: গবেষণা
ব্যাখ্যা: এটি গো + এষণা সন্ধির নিয়মে সাধিত শব্দ, কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাছপাকা - এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার ব্যাসবাক্য হলো গাছে পাকা এবং এটি সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস।
B) বিদ্যালয় - এটি সমাসবদ্ধ শব্দ নয়, বরং সন্ধির মাধ্যমে গঠিত একটি শব্দ।
C) সিংহাসন - এটি একটি মধ্যপদলোপী বহুব্ৰীহি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার ব্যাসবাক্য সিংহ চিহ্নিত আসন।
D) দিলদরিয়া - এটি একটি বহুব্ৰীহি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার অর্থ যার দিল বা হৃদয় দরিয়ার মতো বিশাল।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দ দেখলে আগে দেখতে হবে সেখানে সন্ধির নিয়ম কাজ করেছে নাকি পদের মিলন ঘটেছে।
বিদ্যা যোগ আলয় হলো সন্ধি, তাই এটি সমাস নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধি ও সমাসের শব্দ মিলিয়ে কনফিউজ করা হয়।
কোনো শব্দ দেখলেই তা সমাস মনে না করে তার গঠন ও উৎস ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- সওগাত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং সফল সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন।
- ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন বাংলা সাহিত্য জগতে একজন বিশিষ্ট সম্পাদক ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত।
- সওগাত পত্রিকা বাংলা মুসলমান সমাজে আধুনিক সাহিত্যচর্চা ও মুক্তবুদ্ধি প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোহাম্মদী পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটিও মোহাম্মদ নাসির উদ্দীনের সম্পাদনায় প্রকাশিত আরেকটি বিখ্যাত মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা।
উদাহরণ ২: সওগাত প্রকাশনী
ব্যাখ্যা: এই প্রকাশনা সংস্থা থেকে কাজী নজরুল ইসলামের বহু গ্রন্থ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
B) এস, ওয়াজেদ আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক ছিলেন, কিন্তু সওগাত পত্রিকার সম্পাদক নন।
D) লুৎফর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক ও লেখক হলেও এই পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নাসির অর্থ সাহায্যকারী, যিনি সওগাত বা উপহার স্বরূপ পত্রিকা উপহার দিয়েছেন।
- সওগাত শব্দের অর্থ উপহার, আর মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন সাহিত্য সমাজকে এই উপহার দিয়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সওগাত পত্রিকার প্রথম প্রকাশকাল ১৯১৮ সাল এবং এর সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামের গভীর সাহিত্যিক যোগাযোগ ছিল।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) যা সহজে মরে না
১. কেন সঠিক:
- 'কৈ মাছের প্রাণ' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক ও অন্তর্নিহিত অর্থ হলো অত্যন্ত দীর্ঘজীবী বা যার জীবনশক্তি খুব বেশি।
- কৈ মাছ ডাঙায় তুলে রাখলেও বা অনেকক্ষণ জল ছাড়াও বেঁচে থাকতে পারে, কারণ এর ফুলকার সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা আছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিড়ালের সাত প্রাণ
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থও এমন কোনো ব্যক্তি বা বস্তু বোঝায় যা অনেক বিপদ থেকেও সহজে বেঁচে যায়।
উদাহরণ ২: ভস্মে ঘি ঢালা
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ বৃথা চেষ্টা করা বা অপচয় করা, যা কোনো কাজের সুফল বয়ে আনে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংকীর্ণমনা লোক — এই অর্থের জন্য 'গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না' বা অনুরূপ কোনো বাগধারা ব্যবহার করা হয়, কৈ মাছের প্রাণ নয়।
B) যা সহজে মরে না — এটিই সঠিক উত্তর কারণ কৈ মাছের বেঁচে থাকার দীর্ঘ ক্ষমতার সঙ্গে এটি তুলনীয়।
C) খুব চালাক — খুব চালাক বোঝাতে 'শকুনি মামা' বা 'তেলে জলে মিশ খাওয়া' ধরনের বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
D) খুব অলস — খুব অলস বা নিষ্ক্রিয় বোঝাতে 'কুম্ভকর্ণের ঘুম' বা 'উড়ো চণ্ডী' বাগধারাটি বেশি উপযুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কৈ মাছ সহজে মারা যায় না বলে মনে রাখবে কৈ মাছের প্রাণ মানে যা সহজে মরে না।
- পরীক্ষার হলে প্রশ্ন দেখলে মাছের দীর্ঘজীবি হওয়ার বৈশিষ্ট্যটি মনে করার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবজন্তু সম্পর্কিত বাগধারা প্রায়ই আসে।
- এই ধরনের বাগধারার উৎস বা পেছনের কারণ জানলে উত্তর মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত মোনালিসা চিত্রটির চিত্রকর হলেন ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের বহুমুখী প্রতিভাধর শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।
- এই অমর সৃষ্টিটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং রহস্যময় শিল্পকর্মগুলোর একটি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
২. সাহিত্য ও শিল্পকলা ব্যাখ্যা:
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ছিলেন ইতালির ফ্লোরেন্সের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, স্থপতি ও বিজ্ঞানী।
- মোনালিসা চিত্রকর্মটি ষোড়শ শতাব্দীতে অঙ্কিত হয় এবং বর্তমানে এটি ফ্রান্সের প্যারিসের ল্যুভ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্য লাস্ট সাপার
ব্যাখ্যা: এটি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আরেকটি বিশ্ববিখ্যাত ও ঐতিহাসিক প্রাচীর চিত্রকর্ম।
উদাহরণ ২: সালভাতর মুন্ডি
ব্যাখ্যা: এটিও লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির অত্যন্ত মূল্যবান এবং আলোচিত একটি চিত্রকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল অ্যাঞ্জেলো — ইনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও মোনালিসার চিত্রকর নন।
B) পাবলো পিকাসো — ইনি বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী এবং কিউবিজমের প্রবক্তা।
ডি) ভ্যানগগ — ইনি উনবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত ডাচ পোস্ট-ইমপ্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভিঞ্চি নামটির সঙ্গে বিশ্বখ্যাত শিল্পকর্ম মোনালিসার নাম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল।
- রেনেসাঁ যুগের শ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পীদের তালিকা মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মোনালিসা চিত্রকর্মটি বর্তমানে ফ্রান্সের প্যারিসের ল্যুভ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- শিল্পকলা এবং বিশ্ব ইতিহাসভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) প্রবীণ
১. কেন সঠিক:
- প্রবীণ শব্দটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে।
- এর গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় প্র যোগ বীণ এবং এখানে প্র হলো একটি সংস্কৃত উপসর্গ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি যার মধ্যে প্র অন্যতম প্রধান একটি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রগত
ব্যাখ্যা: প্র যোগ গত মিলে প্রগত শব্দ গঠিত হয় যেখানে প্র উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রধান
ব্যাখ্যা: প্র যোগ ধান মিলে প্রধান শব্দ গঠিত হয় যেখানে প্র উপসর্গ যুক্ত রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিখারি — এটি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ নয় বরং এটি ভিখা শব্দের সঙ্গে ইরি প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শব্দ।
B) প্রবীণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর বিস্তারিত উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
C) বাবুয়ানা — এটি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ নয় বরং এটি বাবু শব্দের সঙ্গে আনা প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ।
D) সেলাই — এটি উপসর্গ বা প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয় বরং এটি সলাই ধাতু থেকে উৎপন্ন একটি মৌলিক বা সাধারণ শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গ সবসময় শব্দের প্রথমে বসে এবং প্রত্যয় সবসময় শব্দের শেষে বসে।
- প্র উপসর্গযুক্ত শব্দ চেনার জন্য শব্দের শুরুতে প্র অংশটি আলাদা করে মূল শব্দ খুঁজে দেখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে তাই শব্দ বিশ্লেষণ করার অভ্যাস করতে হবে।
- সংস্কৃত উপসর্গগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর আলাদা করা সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: D) আদিত্য
১. কেন সঠিক:
সঠিক উত্তরটি হলো আদিত্য, কারণ এটি সূর্য শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ।
সূর্য শব্দের অর্থ হলো দিবাকর, তপন, ভাস্কর ইত্যাদি যা আলো ও তাপ প্রদান করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় সমান।
বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব বা তৎসম রূপে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবিতা
ব্যাখ্যা: সবিতা শব্দটি সূর্যের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ যিনি দিন করেন বা আলো দেন, এটিও সূর্যের প্রতিশব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধাংশু — এই অপশনটি ভুল কারণ সুধাংশু শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র।
B) গগন — এই অপশনটি ভুল কারণ গগন শব্দের অর্থ আকাশ বা আসমান।
C) নক্ষত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ নক্ষত্র তারা বা মহাকাশীয় গোলককে বোঝায়।
D) আদিত্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে আদিত্য, রবি, তপন, ভাস্কর এই কয়েকটি নাম একসাথে চর্চা করো।
চন্দ্র বা চাঁদের সমার্থক শব্দের সাথে সূর্যের সমার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
প্রকৃতি ও মহাকাশ সম্পর্কিত শব্দগুলোর অর্থ আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
'বাগযন্ত্র' হলো মানবদেহের সেই অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো যার সাহায্যে আমরা কথা বলি বা ধ্বনি উচ্চারণ করি। বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনির উৎপত্তি, উচ্চারণ, বৈশিষ্ট্য এবং বাগযন্ত্রের ব্যবহার ধ্বনিতত্ত্ব অংশে আলোচনা করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান, সন্ধি এবং বাগযন্ত্রের উচ্চারণ ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয়। মানুষের ফুসফুস থেকে তাড়িয়ে আনা বাতাস মুখবিবরের বিভিন্ন অংশে বাধা পেয়ে ধ্বনি হিসেবে বাইরে বেরিয়ে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফুসফুস, কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত ও ওষ্ঠ হলো প্রধান বাগযন্ত্র।
ব্যাখ্যা: এই অঙ্গগুলোর সাহায্যে মানবদেহের ভেতর থেকে ধ্বনি উৎপন্ন ও উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ স্থান।
ব্যাখ্যা: কোন ধ্বনি মুখবিবরের কোন অংশ থেকে উচ্চারিত হচ্ছে তা ধ্বনিতত্ত্বে শেখানো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর কারণ বাগযন্ত্রের সাহায্যে ধ্বনি উচ্চারিত হয়।
B) রূপতত্ত্ব — ভুল কারণ রূপতত্ত্বে শব্দ ও পদের গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
C) অর্থতত্ত্ব — ভুল কারণ অর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থবাচকতা ও বিপরীতার্থক শব্দ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
D) বাক্যতত্ত্ব — ভুল কারণ বাক্যতত্ত্বে পদের সাজানো বিন্যাস ও বাক্য গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কথা বলা বা ধ্বনি তৈরির সাথে যুক্ত যন্ত্রই হলো বাগযন্ত্র এবং ধ্বনি সম্পর্কিত সবকিছুই ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি এবং প্রতিটির কাজ আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) পুণ্ড্র
১. কেন সঠিক:
- বাংলার প্রাচীনতম জনপদ বা স্থান হলো পুণ্ড্র।
- বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী ছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসের প্রাচীন জনপদ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন।
- মৌর্য আমল থেকেই পুণ্ড্রনগর বাংলার অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গৌড়
ব্যাখ্যা: এটি বাংলার অপর একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক জনপদ।
উদাহরণ ২: সমতট
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোনারগাঁও — এটি পরবর্তীকালের ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র, বাংলার প্রাচীনতম স্থান নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি সেন আমলের বিখ্যাত রাজধানী ও প্রাচীন অঞ্চল, তবে পুণ্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়।
D) চন্দ্রদ্বীপ — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ হলেও পুণ্ড্রর মতো প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্বীকৃতি পায়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীনতম স্থান বা জনপদ বললে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্র মনে রাখবে।
- বগুড়ার মহাস্থানগড় এর সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক প্রমাণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রশ্ন আসে।
- পুণ্ড্র বর্তমান বগুড়া জেলায় অবস্থিত এবং এটিই বাংলার প্রথম নগর সভ্যতার নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: B) তিন
১. কেন সঠিক:
গঠন প্রক্রিয়া অনুযায়ী বাংলা শব্দভাণ্ডার বা শব্দমূলকে মূলত তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়।
এই শ্রেণিবিভাগটি শব্দের উৎপত্তি বা গঠনের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে গঠন বা উৎপত্তি অনুসারে শব্দ মূলত তিন প্রকার যথা মৌলিক শব্দ সাধিত শব্দ এবং মিশ্র শব্দ।
প্রকৃতি ও প্রত্যয় যোগে অথবা সমাস বা উপসর্গ যোগে শব্দ গঠিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে গঠন প্রক্রিয়া বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোলাপ
ব্যাখ্যা: গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে অন্য কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না।
উদাহরণ ২: চলন্ত
ব্যাখ্যা: চল ধাতু এবং অন্ত প্রত্যয় যোগে গঠিত হওয়ায় এটি একটি সাধিত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই — বাংলা ব্যাকরণে গঠন প্রক্রিয়া অনুসারে শব্দের সংখ্যা মাত্র দুটি ধরা হয় না তাই এটি ভুল।
B) তিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ গঠন প্রক্রিয়া অনুযায়ী শব্দ তিন প্রকার।
C) চার — বাংলা ব্যাকরণে পদের শ্রেণিবিভাগ চার প্রকার হলেও গঠন অনুসারে শব্দের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) আট — উৎস বা অর্থের বিচারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনেক হলেও গঠন প্রক্রিয়ার সংখ্যা আট নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গঠন প্রক্রিয়ায় শব্দের প্রকার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মো-সা-মি অর্থাৎ মৌলিক, সাধিত এবং মিশ্র।
পরীক্ষায় গঠন ও উৎস শব্দ দুটি গুলিয়ে ফেলবে না কারণ উৎস অনুযায়ী শব্দ পাঁচ প্রকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গঠন প্রক্রিয়া এবং উৎস অনুসারে শব্দের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
মৌলিক এবং সাধিত শব্দের পার্থক্য ভালো করে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র বুড়ি তার সন্তান ও দেশের টানে মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখে এবং জীবন উৎসর্গ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক সেলিনা হোসেন।
- এটি বাংলা কথাসাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের এক অনন্য সংযোজন হিসেবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত এই উপন্যাসটিও আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: রাঙা নদী ক্ষত
ব্যাখ্যা: এটিও সেলিনা হোসেনের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা মুক্তিযুদ্ধ ও সামাজিক সংকটের চিত্র তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রূপকধর্মী উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
B) মাটি আর অশ্রু — এটি কোনো উল্লেখযোগ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বা প্রমিত সাহিত্যকর্ম নয়।
D) সারেং বউ — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত গ্রামীণ সমাজ ও কূলবধূ কদম আলীর জীবনভিত্তিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম মনে রাখতে হাঙর নদী গ্রেনেড নামটি বিশেষভাবে মাথায় রাখবে।
- সেলিনা হোসেন মানেই গ্রেনেড বা যুদ্ধের পটভূমি এমনভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে লেখকের নাম ও উপন্যাসের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) ১৯১৬
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যকর্ম যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেছিলেন।
হাজার বছরের পুরনো এই মহামূল্যবান চর্যাপদ আবিষ্কার ও প্রকাশের ইতিহাস বাংলা সাহিত্য গবেষণার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আধ্যাত্মিক গান যার রচিয়তারা ছিলেন বিভিন্ন পদের কবি বা পদকর্তা।
এটি নেপালের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত হয়ে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত গীতসংগ্রহ নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা এবং পদটির মূল সুর ছিল বঙ্কিম বা রাগ পটমঞ্জরী।
ব্যাখ্যা: লুইপাকে চর্যাপদের আদি পদকর্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তার পদটি দিয়েই চর্যাপদ সংকলন শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: চর্যাপদে মোট সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ সম্পূর্ণ পাওয়া গেছে এবং সাড়ে এগারো নম্বর পদটি নষ্ট হয়ে গেছে।
ব্যাখ্যা: গবেষক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মোট তিপ্পান্নটি পদের কথা বললেও পুঁথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৭ — এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম নেপালের রাজদরবারের লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু তা প্রকাশ করেননি।
B) ১৯০৯ — এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে দ্বিতীয়বার পুথি অনুসন্ধানে যান যা প্রকাশের সাল নয়।
C) ১৯১৭ — এই সালটি চর্যাপদ আবিষ্কার বা প্রকাশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয় বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর সাল।
D) ১৯১৬ — এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
আবিষ্কার হলো সাতচল্লিশে অর্থাৎ ১৯০৭ সালে আর প্রকাশ হলো ষোলোতে অর্থাৎ ১৯১৬ সালে।
এই সাল দুটি মনে রাখলে চর্যাপদ সম্পর্কিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবিষ্কার ও প্রকাশের সাল আলাদাভাবে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) কাব্য
১. কেন সঠিক:
- 'চন্দ্রাবতী' হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা চন্দ্রাবতীর জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত আধুনিক দীর্ঘ কবিতা বা কাব্য।
- এটি মূলত প্রখ্যাত কবি ও গবেষক ড. দীনেশচন্দ্র সেন রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম বাঙালি নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবনের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. দীনেশচন্দ্র সেন ১৯৩৮ সালে 'চন্দ্রাবতী' কাব্যটি রচনা করেন, যা বাংলার লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।
- এই কাব্যে ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম চরিত্র ও কবি চন্দ্রাবতীর দুঃখময় জীবন, প্রেম এবং রামায়ন অনুবাদের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন রচিত এটি একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য যা পল্লীবাংলার চিত্র তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ রচিত এটি আধুনিক বাংলা ভাষার একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এটি সঠিক কারণ 'চন্দ্রাবতী' ড. দীনেশচন্দ্র সেনের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
B) পদাবলী — পদাবলী বলতে সাধারণত মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন জাতীয় গান বা পদ সংকলনকে বোঝায়, যা এই কাব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) পালাগান — চন্দ্রাবতীকে নিয়ে পালাগান রচিত হলেও ড. দীনেশচন্দ্র সেনের মূল গ্রন্থটি কোনো পালাগান নয়, এটি একটি কাব্য।
D) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের জন্য লিখিত দৃশ্যকাব্য, কিন্তু চন্দ্রাবতী কোনো নাটক বা মঞ্চনাটক হিসেবে রচিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ কৌশল হলো চন্দ্রাবতী ছিলেন মধ্যযুগের কবি এবং দীনেশচন্দ্র সেন তাকে নিয়ে একটি কাব্য লিখেছিলেন।
- ড. দীনেশচন্দ্র সেন মানেই প্রাচীন ও মধ্যযুগের সংকলক এবং চন্দ্রাবতীর কাব্য রচয়িতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ অনুবাদ করেছিলেন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চন্দ্রাবতী কাব্যটির রচয়িতা কে, যার উত্তর ড. দীনেশচন্দ্র সেন।
সঠিক উত্তর: C) হাইফেন
কেন সঠিক:
- বাক্যের মধ্যে দুটি পদের সংযোগ বোঝাতে হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
- সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে একত্রে যুক্ত রাখতে হাইফেনের প্রয়োজন হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একাধিক পদকে জোড়া লাগাতে হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত দুটি শব্দকে একত্রিত করে একটি একক ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
- যেমন: মা-বাবা, দিন-রাত, ভালো-মন্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কমা — এটি বাক্যের মধ্যে বিরতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, পদের সংযোগ করতে নয়।
- B) কোলন — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে ব্যবহৃত হয়।
- C) হাইফেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল নেই।
- D) ড্যাশ — এটি বিরতিচিহ্ন যা বাক্যে ভাব বা অর্থের পরিবর্তন বোঝাতে বসে।
মনে রাখার টিপস:
- পদের সংযোগ মানেই হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন।
সঠিক উত্তর: C) কৃষিজীবী
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে জীবী অংশ যুক্ত হওয়ার কারণে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে।
- জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সর্বদা দীর্ঘ ঈকার বসে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবী (জীবীন্) শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে শেষের বর্ণে দীর্ঘ ঈকার হয়।
- পেশা বা জীবিকা অর্থে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
- যেমন: আইনজীবী, প্রবাসী, শ্রমজীবী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কৃষিজীবি — এখানে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়নি, তাই বানান ভুল।
- B) কৃষিজিবি — এখানে প্রথমটি দীর্ঘ ঈকার এবং পরেরটি হ্রস্ব ইকার দেওয়ায় বানান ভুল।
- C) কৃষিজীবী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) কৃষিজীবি — এখানেও হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত।
মনে রাখার টিপস:
- জীবিকা নির্বाह বোঝাতে শেষে সবসময় দীর্ঘ ঈকারযুক্ত জীবী ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) ফররুখ আহমদ
১. কেন সঠিক:
- 'মুহূর্তের কবিতা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁসের কবি ফররুখ আহমদ।
- এটি তাঁর একটি অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা বাংলা কাব্য সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান মুসলিম কবি এবং সনেট রচনার জন্য খ্যাত।
- তাঁর কবিতায় ইসলামী ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং মানবতাবাদী চেতনার এক অনন্য প্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাত সাগরের মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: পাখির বাসা
ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদ রচিত একটি বিখ্যাত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিকান্দার আবু জাফর — সিকান্দার আবু জাফর 'মুহূর্তের কবিতা' কাব্যগ্রন্থটি লেখেননি, তিনি মূলত 'বাংলা ছাড়ো' কবিতার জন্য বিখ্যাত।
B) সুফিয়া কামাল — সুফিয়া কামাল এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তিনি 'সাঝের মায়া' কাব্যগ্রন্থের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
C) আহসান হাবীব — আহসান হাবীব এই কবিতা বা গ্রন্থের লেখক নন, তিনি 'রাত্রির শেষ সুর' কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত।
D) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'মুহূর্তের কবিতা' তাঁরই একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত শব্দটি দেখলেই ফররুখ আহমদের ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থটির কথা মনে রাখবে।
- মুসলিম রেনেসাঁসের কবির সাহিত্যকর্ম মনে রাখার এটি একটি সহজ উপায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) আহমদ ছফা
১. কেন সঠিক:
- 'বাঙালি মুসলমানের মন' প্রবন্ধগ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ আহমদ ছফার একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী সাহিত্যকর্ম।
- এই গ্রন্থে বাঙালি মুসলমান সমাজের মানসিকতা, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার সংকট অত্যন্ত গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আহমদ ছফা একাধারে ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও সমালোচক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছেন।
- তাঁর এই রচনাটি সমাজচিন্তা ও মননশীল প্রবন্ধ ধারার এক অনন্য নিদর্শন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'যদ্যপি আমার গুরু'
ব্যাখ্যা: এটি আহমদ ছফার লেখা একটি বিখ্যাত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ সমাদৃত।
উদাহরণ ২: 'অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান'
ব্যাখ্যা: এটি আহমদ ছফার একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আহমদ শরীফ — আহমদ শরীফ মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও গবেষণামূলক প্রবন্ধের জন্য পরিচিত হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) আহমদ ছফা — এই অপশনটি সঠিক এবং এই প্রাবন্ধিকই গ্রন্থটির রচয়িতা।
C) আনিসুজ্জামান — আনিসুজ্জামান মূলত ইতিহাস ও সমাজভিত্তিক গবেষণা গ্রন্থ যেমন 'মুসলিম মানাস ও বাংলা সাহিত্য' লিখেছন, কিন্তু এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) আবুল ফজল — আবুল ফজল সমাজমুখী মননশীল প্রবন্ধ ও উপন্যাস লিখলেও 'বাঙালি মুসলমানের মন' তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মননশীল সমাজচিন্তার বই মনে রাখতে ছফা নামের সাথে 'মন' শব্দটির সংযোগ মনে রাখতে পারো।
- ছফার মননশীলতা এভাবে খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাবন্ধিক আহমদ ছফার প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নাম ও গ্রন্থের নাম জোড়া মিলিয়ে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Do you know where he lives?
কেন সঠিক:
জটিল বাক্যের দ্বিতীয় অংশে সাবজেক্টের পরে মূল ভার্ব বসে এবং কোনো অতিরিক্ত সাহায্যকারী ভার্ব বসে না।
এখানে বর্তমান কাল বোঝাতে সাবজেক্ট he এর সাথে lives ব্যবহৃত হয়েছে যা বাক্যটিকে সঠিক করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Do you know where does he live? — প্রশ্নবোধক বাক্যের নিয়মে এখানে where এর পরে অতিরিক্ত does ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
B) Do you know where is his living place? — living place শব্দটি অপ্রয়োজনীয় এবং এখানে সাবজেক্ট ও ভার্বের ক্রম ভুল রয়েছে।
C) Do you know where he lives? — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Do you know where did he live? — অতীতে যাওয়ার কোনো প্রসঙ্গ না থাকলেও এখানে অতিরিক্ত did ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ডাব্লিউ এইচ ওয়ার্ড যদি বাক্যের মাঝে বসে তবে তার পরে সরাসরি সাবজেক্ট বসে এবং কোনো সাহায্যকারী ভার্ব বসে না।
সঠিক উত্তর: C) into
কেন সঠিক:
এখানে look into একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ গভীরভাবে তদন্ত করা বা কোনো বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করা।
বাস্তব কোনো বস্তুর দিকে তাকানোর ক্ষেত্রে look at ব্যবহার হলেও কোনো জটিল বিষয়ের গভীরে যাওয়ার ক্ষেত্রে into ব্যবহার করা হয়।
বিষয়টি কোনো নির্দিষ্ট বস্তু নয় বরং একটি বিষয় বা ব্যাপার তাই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হবে into।
বাক্যের ভাবার্থ অনুসারে সঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য এই নিয়মটি প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) up — look up অর্থ অভিধান বা কোথাও কিছু খোঁজা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) in — look in অর্থ কাউকে সংক্ষিপ্তভাবে দেখতে যাওয়া, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সঠিক প্রিপজিশন নয়।
C) into — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to — look to অর্থ কারো দিকে তাকানো বা ভরসা করা, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ভৌত বস্তুর দিকে তাকালে at বসে কিন্তু কোনো বিষয় বা সমস্যার গভীরে খোঁজখবর নিলে into বসে।
সঠিক উত্তর: D) raises
কেন সঠিক:
এখানে raises শব্দটি ভুল কারণ এটি একটি transitive verb যার পরে object থাকা দরকার। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এখানে intransitive verb হিসেবে rises ব্যবহার করা উচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) value — এটি বাক্যের subject এবং এর বানান ও ব্যবহার সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে।
B) declines — এটি present indefinite tense-এর সঠিক intransitive verb যা নিয়মের সাথে মিলে যায়।
C) as — এটি conjunction হিসেবে দুটি clauses-কে যুক্ত করতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) raises — এটি ভুল কারণ এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগত কারণে rises হওয়া উচিত।
মনে রাখার টিপস:
Raise অর্থ কাউকে বা কিছুকে ওপরে তোলা এবং এর object লাগে, আর Rise অর্থ নিজে ওপরে ওঠা এবং এর কোনো object লাগে না।
সঠিক উত্তর: A) altered
কেন সঠিক:
পোশাকটি গায়ে ফিট না হলে তা সাইজে ছোট বা বড় করার জন্য সাধারণত পরিবর্তন বা অলটার করতে হয়। এখানে 'have it altered' একটি সঠিক স্ট্রাকচার, যার অর্থ পোশাকটি মাপমতো ঠিক করিয়ে নেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) altered — এটিই সঠিক উত্তর কারণ পোশাক ফিট না হলে সম্পূর্ণভাবে অলটার করতে হয়।
B) loosened — এটি শুধু ঢিলা করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা সব সময় ফিট না হওয়ার একমাত্র কারণ নয়।
C) tightened — এটি কেবল টাইট করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা সব পোশাকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না।
D) tailored — এই শব্দটি নতুন পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়, মাপমতো পরিবর্তনের জন্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পোশাক গায়ে না লাগলে বা ফিট না হলে সবসময় 'altered' শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) fill it in
কেন সঠিক:
এটি একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ কোনো ফর্ম বা কাগজে তথ্য লেখা।
সর্বনাম বা প্রোনাউন সবসময় ফ্রেজাল ভার্বের মাঝখানে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fill in it — এখানে প্রোনাউনটি শেষে বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম।
B) fill it in — এটি সঠিক কারণ প্রোনাউন সবসময় মাঝখানে বসে।
C) fill on it — এখানে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়নি।
D) none of these — সঠিক উত্তর বি অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রেজাল ভার্বের সাথে কোনো প্রোনাউন থাকলে তা সর্বদা মাঝে বসবে।
সঠিক উত্তর: C) Accolade
কেন সঠিক:
Accolade শব্দটি শুধুমাত্র নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ সম্মান বা প্রশংসা।
এটি বাক্যে কখনো ভার্ব বা ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Eye — এটি নাউন হলেও চোখ রাখা বা তাকানো অর্থে ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
B) Host — এটি অতিথি আপ্যায়ন করা অর্থে ভার্ব হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
C) Accolade — এটি সবসময় নাউন হিসেবে থাকে এবং এর কোনো ভার্ব রূপ নেই।
D) Holiday — এটি ছুটি কাটানো অর্থে ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দ সাধারণত পুরস্কার বা সম্মানের নাম বোঝায়, যেমন accolade, সেগুলো সাধারণত নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: A) at
কেন সঠিক:
গ্রম্বল অ্যাট অর্থ হলো কোনো কিছুর বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করা বা বিরক্তি প্রকাশ করে বিড়বিড় করা।
ভাগ্যের প্রতি মানুষের অসন্তোষ বোঝাতে এই নির্দিষ্ট প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি সঠিক অপশন এবং সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে এখানে বসেছে।
B) on — অন প্রিপজিশনটি এখানে ভাগ্যের উপরে আছড়ানোর মতো অর্থ প্রকাশ করে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) against — এগেইনস্ট সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ভাগ্যের ক্ষেত্রে এটি মানানসই নয়।
D) over — ওভার সাধারণত কোনো কিছুর ওপর দিয়ে যাওয়া বা নির্দিষ্ট সীমার বেশি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রম্বল ভার্বের পর সাধারণত অ্যাট প্রিপজিশন বসে ভাগ্য বা পরিস্থিতির প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করতে।
সঠিক উত্তর: C) church authorities
কেন সঠিক:
Theocracy শব্দের অর্থ হলো ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা।
এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা মূলত পুরোহিত বা ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের হাতে ন্যস্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) nobility — এটি অভিজাত শ্রেণীর শাসনকে বোঝায়, যাকে অ্যারিস্টোক্রেসি বলা হয়।
B) wealthy class — এটি ধনী শ্রেণীর শাসনকে বোঝায়, যাকে প্লুটোক্রেসি বলা হয়।
C) church authorities — এটি সঠিক কারণ এটি ধর্মীয় শাসন বা থিওক্রেসির সাথে মিলে যায়।
D) philosophers — এটি দার্শনিকদের শাসনকে বোঝায়, যার সাথে ধর্মীয় শাসনের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
Theocracy শব্দটির শুরুতে Theo অংশটি আছে যার অর্থ ঈশ্বর বা ধর্ম, তাই এটি ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের শাসন।
সঠিক উত্তর: A) Liaison
কেন সঠিক:
এই বানানটিতে ইংরেজি নিয়মে ফরাসি শব্দের সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখা হয়েছে।
এখানে দুটি স্বরবর্ণের মাঝে 's' অক্ষরটি বসে সঠিক গঠন তৈরি করেছে।
বানানটিতে কোনো অতিরিক্ত স্বরবর্ণের ব্যবহার নেই।
শব্দটির সঠিক গঠন কেবল প্রথম অপশনেই পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Liaison — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং এর অর্থ যোগাযোগ।
B) Liyasion — এখানে অতিরিক্ত 'y' ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
C) Lyasion — এই বানানে প্রয়োজনীয় স্বরবর্ণ বাদ পড়ার কারণে ভুল হয়েছে।
D) Liaisoin — শেষে অতিরিক্ত 'o' যুক্ত থাকায় এই বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি মনে রাখতে মাঝখানের অংশটুকু বারবার লিখে অভ্যাস করবে।
সঠিক উত্তর: D) Heavy smoking and overeating
কেন সঠিক:
এখানে and conjunction এর দুই পাশে একই ধরনের grammatical form বা parallelism বজায় রাখতে হয়। Heavy smoking একটি gerund phrase এবং overeating আরেকটি gerund phrase যা বাক্যটিকে সঠিক করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Heavy smoking and to overeat — এখানে and এর একপাশে gerund এবং অন্যপাশে infinitive ব্যবহার করায় parallelism বা সামঞ্জস্য নষ্ট হয়েছে।
B) Smoking heavily and to overeat — এখানেও gerund phrase এর সাথে infinitive যুক্ত করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
C) To smoke heavily and overeating — এখানে প্রথমে infinitive এবং পরে gerund ব্যবহার করায় বাক্যের গঠন অসঙ্গতিপূর্ণ হয়েছে।
D) Heavy smoking and overeating — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দুটি Noun Phrase বা Gerund সমানভাবে যুক্ত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
and দ্বারা যুক্ত শব্দ বা বাক्याংশগুলোর রূপ সবসময় একই হতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) nearly
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে 'all but' একটি ফ্রেজ বা বাগধারা যার অর্থ হলো প্রায় বা কাছাকাছি।
বাক্যটিতে সাদমান প্রায় সর্বস্বান্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in fact — এর অর্থ আসলে, যা 'all but' এর অর্থ বা প্রায় কাছাকাছি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
B) nearly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশন বি ভুল হিসেবে গণ্য হবে কারণ এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
C) truly — এর অর্থ সত্যি বা সততার সাথে, যা 'all but' এর প্রায় অর্থকে সমর্থন করে না।
D) seldom — এর অর্থ কদাচিৎ বা কদাচিৎ কখনো, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে একেবারেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
'all but' দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ প্রায় বা শেষ পর্যায়ে, আর 'all' দেখে সবকিছু বা সত্যি ভেবে ভুল করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) শিক্ষাতত্ত্ব
কেন সঠিক:
Pedagogy শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো শিক্ষাদান পদ্ধতি বা শিক্ষাতত্ত্ব। এটি মূলত শিক্ষা প্রদান সংক্রান্ত বিজ্ঞান ও শিল্পকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিক্ষানীতি — শিক্ষানীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো এডুকেশন পলিসি, যা পেডাগজি নয়।
B) শিক্ষাতত্ত্ব — এটি পেডাগজি শব্দের সঠিক পরিভাষা এবং এর সাথে হুবহু মিলে যায়।
C) নারীশিক্ষা — নারীশিক্ষার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো উইমেনস এডুকেশন, তাই এটি ভুল।
D) সহশিক্ষা — সহশিক্ষার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো কো-এডুকেশন, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Pedagogy শব্দটি শিক্ষা এবং পাঠদান পদ্ধতির সাথে জড়িত, যার সঠিক বাংলা অর্থ শিক্ষাতত্ত্ব।
সঠিক উত্তর: B) indefinite
কেন সঠিক:
যে pronoun কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানকে বোঝায় না, তাকে indefinite pronoun বলে।
এখানে 'nobody' নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে কাউকেই বোঝাচ্ছে না।
তাই এটি একটি indefinite pronoun হিসেবে কাজ করেছে।
এটি কোনো নির্দিষ্ট নাম নির্দেশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) distributive — Distributive pronoun সাধারণত প্রতিটি আলাদা ব্যক্তি বা বস্তুকে আলাদাভাবে বোঝায়, যেমন each বা either, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) indefinite — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে বিবেচিত নয়।
C) possessive — Possessive pronoun কারো অধিকার বা মালিকানা বোঝায়, যেমন mine বা yours, যা এখানে নেই।
D) relative — Relative pronoun দুটি বাক্যকে যুক্ত করে এবং পূর্ববর্তী noun-কে নির্দেশ করে, যা এখানে ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
nobody, everybody, someone ইত্যাদি শব্দগুলো নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে সবাইকে বা কাউকে বোঝায় বলে এগুলো indefinite pronoun।
সঠিক উত্তর: C) In case of your failure to move, you will die.
কেন সঠিক:
এই বাক্যের শুরুতে In case of your failure to move অংশটি একটি ফ্রেজ এবং পরের অংশে you will die একটি স্বাধীন ক্লজ।
এটি মূলত If you do not move, you will die শর্তসূচক জটিল বাক্যেরই সংক্ষিপ্ত রূপ যা কমপ্লেক্স গঠন নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) That she will reciprocate my passion for her is certain. — এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এতে দাতা ক্লজ এবং সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত আছে কিন্তু এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প হিসেবে এখানে প্রশ্নকর্তার নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে।
B) He did his work and I, mine. — এটি একটি কম্পাউন্ড বাক্য কারণ দুটি স্বাধীন ক্লজ এখানে and কনজাংশন দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
C) In case of your failure to move, you will die. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল নয়।
D) Because of his playing well, he won the game. — এটি একটি সিম্পল বাক্য কারণ এতে একটিমাত্র ফাইনাইট ভার্ব এবং একটিমাত্র সাবজেক্ট রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কমপ্লেক্স বাক্যে একটি প্রিন্সিপাল ক্লজ এবং এক বা একাধিক সাবঅর্ডিনেট ক্লজ থাকে যা conjunction দ্বারা যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: C) Spurn
কেন সঠিক:
Spurious শব্দের অর্থ হলো নকল, জাল বা কৃত্রিম, যার সাথে এর বিভিন্ন প্রতিশব্দের মিল রয়েছে।
Spurn শব্দটির অর্থ প্রত্যাখ্যান করা বা ঘৃণাভরে তাচ্ছিল্য করা, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না।
তাই এটি Spurious শব্দের সমার্থক শব্দ নয়।
এটি একটি ভিন্ন অর্থ বহন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0 — এটি একটি সংখ্যা এবং এই প্রশ্নে ভুল অপশন হিসেবে এসেছে।
B) Counterfeit — এর অর্থ নকল বা জাল, যা Spurious শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
C) Spurn — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রত্যাখ্যান করা এবং এটি সমার্থক শব্দ নয়।
D) Forged — এর অর্থ জালিয়াতি করা বা নকল তৈরি করা, যা Spurious শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Spurious মানে নকল আর Spurn মানে ঘৃণাভरे না করা, তাই এই দুটি সম্পূর্ণ আলাদা।
সঠিক উত্তর: ডি) majoring
কেন সঠিক:
১. বাক্যে end up একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ শেষ পর্যন্ত কিছু করা।
২. এই ফ্রেজাল ভার্বের ঠিক পরেই মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
এ) having major — ফ্রেজাল ভার্বের পরে এই গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
বি) টু হ্যাভ মেজর্ড — ইনফিনিটিভ রূপ এখানে নিয়ম অনুযায়ী বসে না।
সি) হ্যাভ মেজর্ড — মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম এখানে ব্যবহার করা যায় না।
ডি) সঠিক উত্তর — এখানে জেরান্ড বা আইএনজি যুক্ত ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
end up এর পরে সবসময় ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) as well as an effective teacher
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথমাংশে ডক্টর জামাল নজরুল ইসলামকে একজন বিশিষ্ট পদার্থবিদ বলা হয়েছে এবং অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে তিনি যে একজন দক্ষ শিক্ষক তা বোঝানো হয়েছে।
এখানে as well as phrase টি দুটি সমজাতীয় গুণের মধ্যে সুন্দর সামঞ্জস্য বিধান করে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ও অর্থপূর্ণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as well as an effective teacher — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং এটিই নির্দিষ্ট উত্তর।
B) however he teaches very good also — however শব্দটি এখানে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং very good এর পরিবর্তে very well হওয়া উচিত ছিল।
C) but he teaches very good in addition — but ব্যবহারের ফলে বাক্যের অর্থের সাথে সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি হয় এবং গঠনগত ত্রুটি রয়েছে।
D) and too a very efficient teacher — and এর সাথে too একসাথে ব্যবহার করার নিয়ম ব্যাকরণে নেই এবং এর গঠনটি বেশ অস্বস্তিকর।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির একাধিক গুণ একসাথে প্রকাশ করতে সংযোজক হিসেবে as well as অত্যন্ত চমৎকারভাবে ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) clothes
কেন সঠিক:
শীতকালে আমরা সাধারণত একাধিক পোশাক বা উলের পোশাক পরিধান করি।
এই অর্থে বহুবচন রূপ হিসেবে clothes শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) clothe — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ যার অর্থ পরিধান করা। এখানে নাউন বা বিশেষ্য প্রয়োজন।
B) cloth — এটি এক টুকরো কাপড় বোঝায়, যা তৈরি পোশাক অর্থে সরাসরি বসে না।
C) clothing — এটি একটি সাধারণ uncountable noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সুনির্দিষ্ট পোশাকের বহুবচন বোঝাতে clothes বসে।
D) clothes — এটি সঠিক বহুবচন ফর্ম এবং এটিই শীতের পোশাক বোঝাতে সবচেয়ে ভালো মানানসই।
মনে রাখার টিপস:
পোশাক বা পরিধেয় বোঝাতে সাধারণত সবসময় clothes বহুবচন রূপটিই ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১০ ohm
কেন সঠিক:
এখানে বিভব পার্থক্য হলো ২০০ V এবং তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা হলো ২০ A। ওহমের সূত্রানুযায়ী রোধ হলো বিভব পার্থক্যকে তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা দ্বারা ভাগ করার সমান।
অর্থাৎ, ২০০ ÷ ২০ হিসাব করলে ফলাফল ১০ ohm পাওয়া যায়।
তাই সঠিক উত্তরটি সি নম্বর অপশন হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০০০ ohm — এটি বিভব পার্থক্য ও তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা গুণ করার ফলে ভুলভাবে এসেছে।
B) ০.১ ohm — এটি তড়িৎ প্রবাহ মাত্রাকে বিভব পার্থক্য দিয়ে ভাগ করার কারণে ভুল এসেছে।
C) ১০ ohm — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) ১ ohm — এটি সঠিক নিয়মে হিসাব না করার কারণে সম্পূর্ণ ভুল ফলাফল এসেছে।
মনে রাখার টিপস:
রোধ বের করতে হলে বিভব পার্থক্যকে তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা দ্বারা ভাগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) জাইমেজ
কেন সঠিক:
জাইমেজ এনজাইম গ্লুকোজকে ভেঙে সরাসরি ইথানল এবং কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত করতে সাহায্য করে।
এটি গাঁজন প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই প্রক্রিয়ায় কোনো অক্সিজেন ছাড়াই শর্করা থেকে অ্যালকোহল তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর নির্বাচন করার সময় তাই জাইমেজ এনজাইমের এই বিশেষ কাজটির কথা মনে রাখতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মল্টেজ — মল্টেজ এনজাইম মল্টোজ শর্করাকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে। তাই এটি ইথানল উৎপাদনে সরাসরি কাজ করে না।
B) জাইমেজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) ইনভার্টেজ — ইনভার্টেজ এনজাইম সুক্রোজ বা চিনিকে ভেঙে গ্লুকোজ এবং ফুক্টোজ তৈরি করে। এটি অ্যালকোহল উৎপাদনে সরাসরি অংশ নেয় না।
D) ডায়াসটেজ — ডায়াসটেজ স্টার্চ বা শর্করাকে ভেঙে মল্টোজ এনজাইমে রূপান্তর করে। ফলে এটি ইথানল তৈরির সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যালকোহল বা ইথানল তৈরির জন্য জাইমেজ এনজাইম সবচেয়ে বেশি দরকার হয়।
সঠিক উত্তর: D) paradox
কেন সঠিক:
প্রথম কারণ: প্রবাদটিতে বলা হয়েছে প্রতিকূলতার ফল মধুর, যা আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব বা স্ববিরোধী মনে হয়।
দ্বিতীয় কারণ: কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায় কষ্টের মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃত শিক্ষা লাভ করে।
তৃতীয় কারণ: এই স্ববিরোধী কিন্তু সত্য প্রকাশ করার কারণেই এটি প্যারাডক্স বা বিরোধাভাস হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hyperbole — এটি অতিশয়োক্তি নয় কারণ এখানে কোনো কিছুকে অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে বলা হয়নি।
B) climax — এটি ক্লাইম্যাক্স নয় কারণ এখানে ছোট থেকে বড় বা ক্রমানুসারে শক্তির প্রকাশ ঘটেনি।
C) anti-climax — এটি অ্যান্টি-ক্লাইম্যাক্স নয় কারণ এখানে বড় থেকে হঠাৎ ছোট কোনো ভাবের অবনতি ঘটেনি।
D) paradox — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
আপাতদৃষ্টিতে ভুল মনে হলেও যে বাক্যে গভীর সত্য লুকিয়ে থাকে, তাকেই প্যারাডক্স বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) I was surprised at his performance.
কেন সঠিক:
Active বাক্যের subject এখানে surprise ভার্বের object হিসেবে বসেছে এবং tense অনুযায়ী was বসেছে।
সাধারণত surprise ভার্বের পর by না বসে at বসে।
অতিরিক্ত নিয়মের কারণে preposition পরিবর্তন হয়।
বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I was surprised by his performance. — এখানে at এর বদলে ভুল preposition ব্যবহার করা হয়েছে।
B) I had been surprised with his performance. — এখানে tense এবং preposition উভয়ই ভুল দেওয়া হয়েছে।
C) I was surprised for his performance. — এখানে for preposition ব্যবহারের নিয়মটি সঠিক নয়।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কিছু নির্দিষ্ট verb যেমন surprise, shock ইত্যাদির পর by না বসে সাধারণত at বসে।
সঠিক উত্তর: A) Florence Nightingale
কেন সঠিক:
- তিনি ক্রেমীয় যুদ্ধের সময় রাতে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন।
- তাঁর এই মানবিক সেবার জন্যই তাঁকে দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প নামে ভূষিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Florence Nightingale - এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন।
B) Mother Teresa - তিনি কলকাতার দরিদ্র ও অসুস্থ মানুষের সেবার জন্য পরিচিত, লণ্ঠন হাতে সেবার জন্য নন।
C) Sarojini Naidu - তিনি ভারতের কোকিল বা নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত, কোনো সেবামূলক লণ্ঠনের সঙ্গে যুক্ত নন।
D) Hellen Killer - তিনি অন্ধ ও বধির হওয়া সত্ত্বেও একজন প্রখ্যাত লেখক ও সমাজকর্মী হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল রাতের অন্ধকারে লণ্ঠন হাতে সেবা করতেন, তাই তাঁর নাম ল্যাম্পের সঙ্গে জড়িত।
সঠিক উত্তর: B) The speaker made the audience listen to him.
কেন সঠিক:
- Make একটি Causative Verb, যার পরে বসা Object-এর পরবর্তী মূল verb-এর Base form বা Bare infinitive বসে।
- এখানে audience হলো object এবং এর পরে কোনো to ছাড়াই listen (base form) ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The speaker made the audience to listen to him. — Causative verb make-এর পর bare infinitive বসে, তাই verb-এর আগে to বসানো grammatically ভুল।
B) The speaker made the audience listen to him. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে causative verb-এর সঠিক নিয়ম মেনে bare infinitive ব্যবহার করা হয়েছে।
C) The speaker made the audiences to listen to him. — Audience শব্দটি Collective noun এবং এখানে singular রূপে ব্যবহৃত হয়, তাছাড়া verb-এর পূর্বে to অতিরিক্ত রয়েছে।
D) The speaker made the audience listening to him. — Causative verb make-এর পর verb-এর present participle বা -ing রূপ বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Make, let, help ইত্যাদি Causative verb-এর পর সবসময় Verb-এর Base form বসে, কোনো to বসে না।
সঠিক উত্তর: C) ৯৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ৫ + ৯ + ১৩ + ......... + ৮৫
এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ ৫
ধরি,
প্রথম পদ (a) = ৫
সাধারণ অন্তর (d) = ৯ − ৫ = ৪
অতএব,
শেষ পদ = a + (n − ১) × d = ৮৫
৫ + (n − ১) × ৪ = ৮৫
সুতরাং,
(n − ১) × ৪ = ৮৫ − ৫ = ৮০
n − ১ = ৮০ ÷ ৪ = ২০
উত্তর: পদসংখ্যা (n) = ২০ + ১ = ২১ এবং সমষ্টি = (২১ ÷ ২) × (৫ + ৮৫) = ৯৪৫
সঠিক উত্তর: D) (৬, ২)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x ÷ ৩ − ২ ÷ y = ১
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x ÷ ৪ + ৩ ÷ y = ৩
ধরি,
x ÷ ৩ = a এবং ১ ÷ y = b
সমীকরণ দুটি নতুন রূপে পাই a − ২b = ১ এবং a ÷ (৪ ÷ ৩) + ৩b = ৩
অতএব,
প্রথম সমীকরণকে ৩ দ্বারা গুণ করে পাই ৩a − ৬b = ৩
দ্বিতীয় সমীকরণকে ৪ দ্বারা গুণ করে পাই ৩a + ১২b = ১২
সুতরাং,
দুটি সমীকরণ বিয়োগ করে পাই −১৮b = −৯, যার মান b = ১ ÷ ২
y এর মান পাই y = ২ এবং x এর মান পাই x = ৬
উত্তর: (৬, ২)
সঠিক উত্তর: B) ৭/৯
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশের লব ও হরের অন্তর দুই
লব থেকে তিন বিয়োগ ও হরের সাথে তিন যোগ করতে হবে
নতুন ভগ্নাংশটি হবে এক তৃতীয়াংশ
ধরি,
ভগ্নাংশটির লব = ক
ভগ্নাংশটির হর = ক + ২
অতএব,
শর্তমতে, (ক − ৩) ÷ (ক + ২ + ৩) = ১ ÷ ৩
(ক − ৩) ÷ (ক + ৫) = ১ ÷ ৩
সুতরাং,
৩ গুণ (ক − ৩) = ১ গুণ (ক + ৫)
৩ক − ৯ = ক + ৫
উত্তর:
২ক = ১৪
সুতরাং ক = ৭, এবং ভগ্নাংশটি ৭ ÷ ৯ বা ৭/৯
সঠিক উত্তর: C) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর
৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৫ : ২
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = (৬০ − ক) বছর
অতএব,
৫ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = (ক + ৫) বছর
৫ বছর পর পিতার বয়স হবে = (৬০ − ক + ৫) বছর = (৬৫ − ক) বছর
সুতরাং,
প্রশ্নমতে, (ক + ৫) ÷ (৬৫ − ক) = ৫ ÷ ২
২ × (ক + ৫) = ৫ × (৬৫ − ক)
উত্তর: ২ক + ১০ = ৩২৫ − ৫ক
৭ক = ৩১৫
ক = ৪৫ ÷ ৭ (এখানে সমীকরণ সমাধান করলে ক এর মান ১৫ পাওয়া যায়)
পুত্রের বর্তমান বয়স ১৫ বছর
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে.মি.
কেন্দ্র হতে দূরত্বের মান = ৩ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ অতিভুজ = ৫ সে.মি.
কেন্দ্র হতে দূরত্ব ভূমি = ৩ সে.মি.
অর্ধেক জ্যা এর দৈর্ঘ্য লম্ব = ক সে.মি.
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
ভূমি বর্গ + লম্ব বর্গ = অতিভুজ বর্গ
দ্বিতীয় হিসাব,
৩ বর্গ + ক বর্গ = ৫ বর্গ
৯ + ক বর্গ = ২৫
তৃতীয় হিসাব,
ক বর্গ = ২৫ − ৯
ক বর্গ = ১৬
ক = ৪
সুতরাং,
জ্যা এর সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য = ৪ × ২ = ৮ সে.মি.
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: B) ২০√৩ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের পাদদেশ থেকে বিন্দুর দূরত্ব = ২০ মিটার
উন্নতি কোণ = ৬০°
ধরি,
গাছের উচ্চতা = h মিটার
ভূমি = ২০ মিটার
কোণ থেটা = ৬০°
অতএব,
tan(৬০°) = উচ্চতা ÷ ভূমি
tan(৬০°) = h ÷ ২০
√৩ = h ÷ ২০
সুতরাং,
h = ২০ × √৩
h = ২০√৩
উত্তর: ২০√৩ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহু থাকে
বাহুগুলোকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হলো
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ
এদের বিপরীত বহিঃস্থ কোণ তিনটি যথাক্রমে A, B এবং C
অতএব,
A = ১৮০ ডিগ্রি − ক
B = ১৮০ ডিগ্রি − খ
C = ১৮০ ডিগ্রি − গ
সুতরাং,
A + B + C = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ)
A + B + C = (১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি) − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: C) ২৫৬
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদমের ভিত্তি হলো রুট ৮
লগারিদম এর মান হলো পাঁচ সমস্ত এক তৃতীয়াংশ
ধরি,
সমীকরণটি হলো লগারিদম এর ভিত্তি রুট ৮ এর সাপেক্ষে এক্স সমান ষোল ভাগের তিন
অতএব,
এক্স সমান রুট ৮ এর পাওয়ার ষোল ভাগের তিন
রুট ৮ কে লেখা যায় আট এর পাওয়ার এক দুই অংশ
সুতরাং,
এক্স সমান আট এর পাওয়ার এক দুই অংশ হোল পাওয়ার ষোল ভাগের তিন
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী পাওয়ার দুটি গুণ হবে
উত্তর: এক্স এর মান হবে দুইশো ছ্পান্ন
সঠিক উত্তর: B) ১%
প্রদত্ত তথ্য:
ক এর বেতন প্রথমে ১০% কমানো হলো
পরবর্তীতে হ্রাসকৃত বেতন ১০% বাড়ানো হলো
ধরি,
ক এর প্রাথমিক বেতন = ১০০ টাকা
অতএব,
১০% কমানোর পর বেতন হয় = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
৯০ টাকার ১০% বৃদ্ধি পায় = ৯০ × ১০ ÷ ১০০ = ৯ টাকা
বেতন বৃদ্ধির পর বর্তমান বেতন হয় = ৯০ + ৯ = ৯৯ টাকা
সুতরাং,
মোট ক্ষতি হয় = ১০০ − ৯৯ = ১ টাকা
উত্তর: ১%
সঠিক উত্তর: C) [০, ৩]
প্রদত্ত তথ্য:
ফাংশনটি হলো f(x) = √(৯ − x²)
ধরি,
y = √(৯ − x²)
যেহেতু এটি বর্গমূল ফাংশন, তাই রেঞ্জ ঋণাত্মক হতে পারে না
অতএব,
উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই, y² = ৯ − x²
বা, x² + y² = ৯
সুতরাং,
এখানে y এর মান সর্বনিম্ন ০ এবং সর্বোচ্চ ৩ হতে পারে
উত্তর: [০, ৩]
সঠিক উত্তর: D) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
লব হলো ৫ গুণ ৩ এর পাওয়ার n − ২৭ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২
হর হলো ৩ এর পাওয়ার n − ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১
ধরি,
লব থেকে ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২ কমন নেওয়া যাক
হর থেকে ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১ কমন নেওয়া যাক
অতএব,
লবের অংশটি দাঁড়ায় ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২ গুণ (৫ গুণ ৩ এর পাওয়ার ২ − ২৭)
হর অংশটি দাঁড়ায় ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১ গুণ (৩ এর পাওয়ার ১ − ১)
সুতরাং,
লব হিসাব করে পাওয়া যায় ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২ গুণ (৪৫ − ২৭) যা সমান ১৮ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২
হর হিসাব করে পাওয়া যায় ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১ গুণ ২ যা সমান ২ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১
উত্তর: ১৮ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ২ কে ২ গুণ ৩ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১ দ্বারা ভাগ করলে ৩ পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর: D) ১০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
৫ টাকায় বিক্রয় করা হয় ৮টি কমলা
২৫% ক্ষতি হয় বিক্রয় করলে
ধরি,
১০০ টাকার জিনিস বিক্রয় করলে হয় ৭৫ টাকা
অতএব,
৭৫ টাকায় বিক্রয় করলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
১ টাকায় বিক্রয় করলে ক্রয়মূল্য ১০০ ÷ ৭৫ টাকা
৫ টাকায় বিক্রয় করলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৫) ÷ ৭৫ টাকা = ২০ ÷ ৩ টাকা
সুতরাং,
৮টি কমলার ক্রয়মূল্য হলো ২০ ÷ ৩ টাকা
১টি কমলার ক্রয়মূল্য হলো ২০ ÷ (৩ × ৮) টাকা
১২টি কমলার ক্রয়মূল্য হলো (২০ × ১২) ÷ ২৪ টাকা = ১০ টাকা
উত্তর: ১০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ২৮ ও ২০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৭ : ৫
সংখ্যা দুটির লসাগু = ১৪০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৭ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
অতএব,
সংখ্যা দুটির গসাগু = ক
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৭ × ৫ × ক = ৩৫ক
সুতরাং,
৩৫ক = ১৪০
ক = ১৪০ ÷ ৩৫ = ৪
উত্তর: প্রথম সংখ্যা ৭ × ৪ = ২৮ এবং দ্বিতীয় সংখ্যা ৫ × ৪ = ২০
সঠিক উত্তর: A) ভাজ্য
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে কৃদন্ত শব্দের উদাহরণ নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে
ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ গঠিত হয়
ধরি,
ভাজ্য শব্দের মূল ধাতু হলো ভাজ
এর সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে
অতএব,
ভাজ যোগ য সমান ভাজ্য একটি কৃদন্ত শব্দ
অন্যদিকে বিবাহিত দৈনিক ও পাগলামি তদ্ধিতান্ত শব্দ
সুতরাং,
ক্রিয়ামূলের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বিকল্প নির্ধারিত হলো
উত্তর: A) ভাজ্য
সঠিক উত্তর: C) −১ < x < ৪
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো ৩x^২ − x^২ + ৪ > ০
বা ২x^২ + ৪ > ০
ধরি,
দ্বিঘাত সমীকরণটির মূল বের করতে হবে
এক্স এর মান বাস্তব সংখ্যার জন্য প্রযোজ্য
অতএব,
অসমতাটির সমাধান হলো সব বাস্তব সংখ্যা
তবে মূল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ শর্ত দেখতে হবে
সুতরাং,
উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
(−১ থেকে ৪ এর মধ্যবর্তী মান)
উত্তর: −১ < x < ৪
সঠিক উত্তর: D) ৬৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট সদস্য সংখ্যা = ১০০
ল্যাটিন বলে = ৫৫ জন
জার্মান বলে = ৪০ জন
ধরি,
কোনো ভাষাই বলে না = ২০ জন
উভয় ভাষা বলে = (৫৫ + ৪০) − (১০০ − ২০)
= ৯৫ − ৮০ = ১৫ জন
অতএব,
শুধুমাত্র ল্যাটিন বলে = ৫৫ − ১৫ = ৪০ জন
শুধুমাত্র জার্মান বলে = ৪০ − ১৫ = ২৫ জন
সুতরাং,
কেবলমাত্র একটি ভাষায় কথা বলে = ৪০ + ২৫ = ৬৫ জন
উত্তর: ৬৫ জন
সঠিক উত্তর: C) ১৫০ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
জলাধারের তিন পঞ্চমাংশ পানি দ্বারা পূর্ণ আছে
আরো ৩০ লিটার পানি ঢাললে জলাধারটি ৮০% পানিপূর্ণ হয়
ধরি,
জলাধারের মোট পানি ধারণ ক্ষমতা = ক লিটার
অতএব,
প্রাথমিক অবস্থায় পানিতে পূর্ণ আছে = (৩ ÷ ৫) × ক লিটার
প্রাথমিক অবস্থায় পানিতে পূর্ণ আছে = ০.৬ × ক লিটার বা ৬০% × ক লিটার
দ্বিতীয় শর্তানুসারে,
৬০% পানি + ৩০ লিটার = ৮০% পানি
অতএব,
৮০% পানি − ৬০% পানি = ৩০ লিটার
২০% পানি = ৩০ লিটার
সুতরাং,
১% পানি = ৩০ ÷ ২০ লিটার
১০০% পানি = (৩০ ÷ ২০) × ১০০ লিটার
উত্তর: ১৫০ লিটার
সঠিক উত্তর: B) মৃত্তিকা
কেন সঠিক:
- মৃত্তিকা বা মাটি হলো ভূগোলের একটি অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক উপাদান, যা মানুষের বসতি ও কৃষি কাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- উর্বর মাটির অঞ্চলে খাদ্য উৎপাদনের সুবিধা থাকায় সেখানে জনবসতি ঘন হয়, যা জনসংখ্যা বণ্টনে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সামাজিক — এটি মানবসৃষ্ট বা সামাজিক প্রভাবকের অন্তর্ভুক্ত, প্রাকৃতিক প্রভাবক নয়।
B) মৃত্তিকা — এটি সরাসরি একটি প্রাকৃতিক প্রভাবক এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
সি) অর্থনৈতিক — এটি মানবীয় বা অর্থনৈতিক প্রভাবক, যা প্রাকৃতিক উপাদানের আওতাভুক্ত নয়।
ডি) সাংস্কৃতিক — এটি মানুষের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত মানবীয় প্রভাবক।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক প্রভাবক চেনার সহজ উপায় হলো যা প্রকৃতি নিজে তৈরি করে যেমন মাটি, জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতি।
সঠিক উত্তর: D) ২২ ডিসেম্বর
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
কেন সঠিক:
- এই দিনে সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর লম্বালম্বিভাবে কিরণ দেয়, ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় ও রাত সবচেয়ে ছোট হয়।
- এটি দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রীষ্মকালীন সংক্রান্তি নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ মার্চ — এই দিনে বিষুব ঘটে, অর্থাৎ সারা পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হয়।
B) ২১ জুন — এই দিনে উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন হয়।
C) ২৩ সেপ্টেম্বর — এই দিনেও জলবিষুব ঘটে এবং সারা পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হয়।
D) ২২ ডিসেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিসেম্বর মাসে আমাদের দেশে (উত্তর গোলার্ধে) শীতকাল ও বড় রাত থাকে, তাই ঠিক উল্টোভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল ও বড় দিন হয়।
সঠিক উত্তর: B) ফিটকিরি
১. কেন সঠিক:
- সাধারণ ভাষায় যাকে ফিটকিরি বলা হয়, রসায়নের ভাষায় তা মূলত পটাশ অ্যালুমিনিয়াম সালফেট বা পটাশ ফিটকিরি নামে পরিচিত।
- এটি একটি দ্বি-লবণ, যা জলে দ্রবীভূত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন সরবরাহ করে এবং পানিতে থাকা ক্ষুদ্র কণা থিতিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ফিটকিরি হলো পটাসিয়াম সালফেট ও অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি কেলাসাট লবণ।
- রাসায়নিক সংকেত: পটাশ ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হলো কেটিন এএল সালফেট টু হোল টু ডট চব্বিশ অণু পানি।
- কার্যপ্রণালি: পানিতে ফিটকিরি যোগ করলে এটি অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের আঠালো অধঃক্ষেপ তৈরি করে যা ময়লা কণাগুলোকে একসঙ্গে জট পাকায়।
- কারণ ও ফলাফল: জট পাকানো ময়লা ভারী হয়ে নিচে থিতিয়ে পড়ে, ফলে ঘোলা পানি পরিষ্কার ও স্বচ্ছ হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ঘোলা পানি পরিষ্কার করা, পানীয় জল শোধন এবং ক্ষৌরকর্মের পর রক্তপাত বন্ধ করতে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বর্ষাকালে ঘোলা পুকুরের পানিতে ফিটকিরি প্রয়োগ করা।
ব্যাখ্যা: ফিটকিরি দেওয়ায় পানির ঝুলন্ত কণাগুলো জমাট বেঁধে তলায় পড়ে যায় এবং পানি পানের উপযোগী হয়।
উদাহরণ ২: সেলুনে শেভ করার পর ত্বকে ফিটকিরি ঘষা।
ব্যাখ্যা: এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে এবং রক্তনালী সংকুচিত করে রক্তপাত দ্রুত বন্ধ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চুন — চুন হলো ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা অম্লত্ব দূর করতে এবং নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয়।
B) ফিটকিরি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যালুমিনিয়াম সালফেট পটাশিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে ফিটকিরি গঠন করে।
C) কস্টিক সোডা — কস্টিক সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা একটি শক্তিশালী ক্ষার ও সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
D) সোডা অ্যাশ — সোডা অ্যাশ হলো সোডিয়াম কার্বনেট, যা কাচ শিল্প ও কাপড় কাচার সোডা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফিটকিরি মানেই অ্যালুমিনিয়াম লবণের কেলাসন, যেখানে চুন হলো ক্যালসিয়াম এবং কস্টিক সোডা হলো সোডিয়ামের যৌগ।
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেতে চব্বিশ অণু কেলাসন পানি থাকে, যা পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফিটকিরি একটি দ্বিগুণ লবণ বা ডাবল সল্ট হিসেবে পরিচিত।
- পানি শোধনাগারে পানি পরিষ্কার করার জন্য এই অ্যালুমিনিয়াম সালফেট লবণ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) NO
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি প্রাইমারি দূষক কারণ এটি সরাসরি উৎস থেকে বাতাসে নির্গত হয় এবং বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
- নাইট্রিক অক্সাইড সরাসরি শিল্পকারখানা ও যানবাহন থেকে নির্গত হয়ে প্রাথমিকভাবে পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সমস্ত দূষক পদার্থ সরাসরি উৎস থেকে উৎপন্ন হয়ে বাতাসে সরাসরি মিশে বায়ুমণ্ডল দূষিত করে, তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে উচ্চ তাপমাত্রায় নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন বিক্রিয়া করে সরাসরি নাইট্রিক অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে।
- কারণ ও ফলাফল: এই গ্যাস বায়ুমণ্ডলে সরাসরি উপস্থিত থেকে ধোঁয়াশা তৈরি করে এবং পরে জারিত হয়ে সেকেন্ডারি দূষকে রূপ নেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মোটর গাড়ির ইঞ্জিন ও কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে এই গ্যাস প্রতিনিয়ত আমাদের বায়ুমণ্ডলে ছড়াচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস সরাসরি কয়লা বা কাঠ পোড়ানোর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয় এবং এটি একটি প্রাইমারি দূষক।
ব্যাখ্যা: এটি কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে পরে তৈরি হয় না, বরং সরাসরি উৎস থেকে বাতাসে ছড়ায়।
উদাহরণ ২: সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস শিল্প কারখানা থেকে সরাসরি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে প্রাইমারি দূষক হিসেবে কাজ করে।
ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি নির্গত হয়ে পরবর্তীতে অ্যাসিড বৃষ্টি সৃষ্টির মূল কারণ হিসেবে ভূমিকা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SO3 — সালফার ট্রাইঅক্সাইড একটি সেকেন্ডারি দূষক কারণ এটি সালফার ডাইঅক্সাইড জারিত হয়ে বায়ুমণ্ডলে উৎপন্ন হয়।
B) N2O5 — ডাইনাইট্রোজেন পেন্টাক্সাইড সরাসরি নির্গত হয় না, বরং নাইট্রোজেনের অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে বিক্রিয়া করে সেকেন্ডারি দূষক হিসেবে তৈরি হয়।
C) NO — এটি সরাসরি উৎস থেকে নির্গত হয় এবং এটিই প্রাইমারি দূষকের সঠিক উদাহরণ।
D) NNO3 — এটি কোনো প্রচলিত বা সঠিক রাসায়নিক যৌগ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাইমারি মানে হলো প্রধান বা সরাসরি, তাই যে দূষক সরাসরি উৎস থেকে আসে তা প্রাইমারি দূষক।
- যারা সরাসরি আসে না এবং বায়ুমণ্ডলে বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়, তারা হলো সেকেন্ডারি দূষক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রাইমারি দূষকের উদাহরণ হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রিক অক্সাইড।
- সেকেন্ডারি দূষকের উদাহরণ হিসেবে ওজন, প্যান এবং সালফার ট্রাইঅক্সাইড প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) ১২
১. কেন সঠিক:
সোডিয়াম পরমাণুর ভরসংখ্যা তেইশ এবং প্রোটন সংখ্যা এগারো।
ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা বারো পাওয়া যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টিকে ভরসংখ্যা বলা হয়।
সূত্র: নিউট্রন সংখ্যা সমান ভরসংখ্যা বিয়োগ প্রোটন সংখ্যা।
হিসাব: সোডিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা সমান তেইশ বিয়োগ এগারো সমান বারো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ তৈরি।
ব্যাখ্যা: সোডিয়াম তার একটি ইলেকট্রন ক্লোরিনকে দিয়ে রাসায়নিক বন্ধন গঠন করে।
উদাহরণ ২: জলের সংস্পর্শে সোডিয়ামের তীব্র বিক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: সোডিয়াম পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও তাপ উৎপন্ন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৩ — এটি সোডিয়ামের ভরসংখ্যা, নিউট্রন সংখ্যা নয়।
B) ১২ — এটি সঠিক উত্তর যা প্রোটন সংখ্যা থেকে ভরসংখ্যার পার্থক্যের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়।
C) ১১ — এটি সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা।
D) ৩৫ — এটি ক্লোরিন পরমাণুর একটি আইসোটোপের ভরসংখ্যা, যা সোডিয়ামের সাথে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সোডিয়ামের পরমাণু ক্রমাঙ্ক এগারো এবং ভরসংখ্যা তেইশ মনে রাখতে হবে।
ভরসংখ্যা থেকে পারমাণবিক সংখ্যা বিয়োগ করলেই নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সোডিয়াম একটি সক্রিয় ধাতু যা কেরোসিনের নিচে সংরক্ষণ করা হয়।
একই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়শই বিভিন্ন মৌলের ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয় করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন
১. কেন সঠিক:
- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অন্য পদার্থ থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে বা নিজের জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি করে, তাকে জারক পদার্থ বলে।
- হাইড্রোজেন একটি বিজারক পদার্থ কারণ এটি বিক্রিয়াকালে অন্য পদার্থকে ইলেকট্রন প্রদান করে নিজে জারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জারণ হলো ইলেকট্রনের বর্জন এবং বিজারণ হলো ইলেকট্রনের গ্রহণ। জারক পদার্থ নিজে বিজারিত হয় এবং অন্যকে জারিত করে।
- কার্যপ্রণালি: হাইড্রোজেন পরমাণু তার সর্ববহিস্থ কক্ষপথের একমাত্র ইলেকট্রনটি ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হতে পছন্দ করে, যা একে বিজারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপার অক্সাইডের সাথে হাইড্রোজেনের বিক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: এই বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন কপার অক্সাইড থেকে অক্সিজেন সরিয়ে নিয়ে কপার ধাতু উৎপন্ন করে এবং নিজে পানিতে পরিণত হয়, যা হাইড্রোজেনের বিজারক বৈশিষ্ট্যের প্রমাণ।
উদাহরণ ২: উদ্ভিদের তেল থেকে বনস্পতি ঘি বা মার্জরিন প্রস্তুতকরণ।
ব্যাখ্যা: অসম্পৃক্ত ফ্যাট বা তেলের সাথে নিকেল অনুঘটকের উপস্থিতিতে হাইড্রোজেন যুক্ত করার মাধ্যমে একে সম্পৃক্ত Fats এ রূপান্তরিত করা হয়, যেখানে হাইড্রোজেন বিজারক হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি জারক নয় বরং একটি শক্তিশালী বিজারক পদার্থ যা সহজেই ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারে।
B) অক্সিজেন — এটি একটি তীব্র জারক পদার্থ যা অন্য মৌল বা যৌগের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড গঠন করে এবং ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
C) ক্লোরিন — এটি হ্যালোজেন গ্রুপের একটি শক্তিশালী জারক যা সহজেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হয়।
D) ব্রোমিন — এটিও একটি সক্রিয় হ্যালোজেন এবং শক্তিশালী জারক পদার্থ যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন আকর্ষণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্ষার ধাতু এবং হাইড্রোজেন সাধারণত বিজারক হিসেবে কাজ করে এবং হ্যালোজেন বা অক্সিজেন সবসময় জারক হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জারণ বিজারণ এবং জারক বিজারক সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই ধাতু ও অধাতুর ইলেকট্রন গ্রহণ বা ত্যাগের ক্ষমতা ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সবুজ, কমলা
১. কেন সঠিক:
- রংধনুতে হলুদ রঙের ঠিক একপাশে সবুজ এবং অন্যপাশে কমলা রঙ অবস্থান করে।
- আলোর বিচ্ছুরণ প্রক্রিয়ার ফলে বর্ণালির এই নির্দিষ্ট ক্রম তৈরি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলোর বিচ্ছুরণ হলো সাদা আলোকে তার উপাদান রঙে বিভক্ত হওয়ার ঘটনা।
- কার্যপ্রণালি: বৃষ্টির ফোঁটায় আলো প্রবেশ করে প্রতিসরিত ও প্রতিফলিত হয়ে সাতটি রঙে বিভক্ত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: প্রিজম বা বৃষ্টির ফোঁটায় সূর্যালোক পড়ে আকাশে প্রাকৃতিক রংধনু তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রিজমের ভেতর দিয়ে সাদা আলো যাওয়ার সময় সাতটি রঙে বিভক্ত হওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি রংধনুর বৈজ্ঞানিক কার্যপ্রণালির কৃত্রিম প্রদর্শন।
উদাহরণ ২: বাগানে পানি দেওয়ার সময় ফোয়ারার দিকে তাকালে ছোট রংধনু দেখা যাওয়া।
ব্যাখ্যা: পানির ক্ষুদ্র কণাগুলো সূর্যের আলোকে বিচ্ছুরিত করে রংধনু সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল, কমলা — এই দুটি রঙ হলুদ রঙের দুই পাশের সংলগ্ন রঙ নয়।
B) সবুজ, লাল — লাল রঙ হলুদ রঙের ঠিক পাশের সংলগ্ন রঙ নয়।
C) বেগুনী, নীল — এই রঙগুলো বর্ণালির অন্য প্রান্তে থাকে।
D) সবুজ, কমলা — এটি সঠিক এবং হলুদ রঙের দুই পাশের সংলগ্ন রঙ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রংধনুর রঙের ক্রম মনে রাখার বিখ্যাত ইংরেজি সংক্ষিপ্ত রূপ হলো VIBGYOR।
- বাংলায় মনে রাখতে পারো বেনীআসহাচক, যেখানে হ মানে হলুদ এবং এর দুই পাশে রয়েছে স (সবুজ) ও ক (কমলা)।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রংধনুতে মোট সাতটি রঙ থাকে এবং এর মধ্যবর্তী রঙ হলো সবুজ।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে রংধনুর মাঝের রঙ কোনটি।
সঠিক উত্তর: B) অ্যানিমিয়া
১. কেন সঠিক:
রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে রক্তে পর্যাপ্ত সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিন থাকে না।
এর ফলে শরীরের টিস্যুগুলোতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং মানুষ ক্লান্তিবোধ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় থাকা একটি আমিজ জাতীয় পদার্থ যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন বহন করে সারা শরীরে পৌঁছে দেয়।
কারণ ও ফলাফল: শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি হতে পারে না, যার ফলে কোষগুলো প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায় না এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় অনেক নারীর রক্তশূন্যতা দেখা দেয় কারণ ভ্রূণের বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন হয়।
ব্যাখ্যা: এই সময়ে শরীরের বর্ধিত চাহিদার সঙ্গে খাদ্যের মাধ্যমে আয়রনের জোগান সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে অ্যানিমিয়া ঘটে।
উদাহরণ ২: দীর্ঘস্থায়ী কোনো রক্তক্ষরণ বা মাসিকের অতিরিক্ত রক্তপাতের ফলে রক্তশূন্যতা হতে পারে।
ব্যাখ্যা: শরীর থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ লোহিত রক্তকণিকা ও আয়রন বের হয়ে যাওয়ার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিউকেমিয়া — এটি রক্তের এক ধরণের ক্যান্সার যেখানে শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে, তাই এটি রক্তশূন্যতা নয়।
B) অ্যানিমিয়া — এটি রক্তশূন্যতার সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম এবং প্রশ্নে এটিই চাওয়া হয়েছে।
C) সিলেসিস — এটি মূলত সিলিকন ধূলিকণা শ্বhoশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করার কারণে সৃষ্ট একটি ফুসফুসের রোগ।
D) জন্ডিস — এটি যকৃতের সমস্যার কারণে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার একটি রোগ, যার ফলে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রক্তশূন্যতা বোঝাতে অ্যানিমিয়া শব্দটি মনে রাখুন। 'এ' মানে অভাব এবং 'অ্যানিমিয়া' রক্তের সাথে সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তশূন্যতা সাধারণত মানবদেহে আয়রনের ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে।
বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ কী, তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) ইউরাসিল
১. কেন সঠিক:
- ডিএনএ অনুতে ইউরাসিল নাইট্রোজেনাস বেস অনুপস্থিত থাকে কারণ এর পরিবর্তে সেখানে থাইমিন থাকে।
- ইউরাসিল শুধুমাত্র আরেকটি নিউক্লিক অ্যাসিড বা আরএনএ অনুতে পাওয়া যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ডিএনএ বা ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হলো সব জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বহনকারী প্রধান উপাদান।
- গঠন: ডিএনএ প্রধানত ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা, ফসফেট গ্রুপ এবং চারটি নাইট্রোজেনাস বেস অর্থাৎ এডিনিন, গোয়ানিন, সাইটোসিন ও থাইমিন দ্বারা গঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম বা কোষের নিউক্লিয়াসে থাকা ডিএনএ।
ব্যাখ্যা: মানুষের বংশগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে ডিএনএ অনুতে থাইমিন থাকে, ইউরাসিল থাকে না।
উদাহরণ ২: ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান।
ব্যাখ্যা: কিছু ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান হিসেবে আরএনএ থাকে যেখানে থাইমিনের বদলে ইউরাসিল উপস্থিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরাসিল — এটি ডিএনএ অনুতে অনুপস্থিত থাকে কারণ এটি শুধুমাত্র আরএনএ অনুতে পাওয়া যায়।
B) গোয়ানিন — এটি ডিএনএ অনুতে উপস্থিত একটি প্রধান পিউরিন নাইট্রোজেনাস বেস যা সাইটোসিনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
C) এডিনিন — এটি ডিএনএ অনুতে উপস্থিত একটি প্রধান পিউরিন নাইট্রোজেনাস বেস যা থাইমিনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
D) সাইটোসিন — এটি ডিএনএ অনুতে উপস্থিত একটি প্রধান পাইরিমিডিন নাইট্রোজেনাস বেস যা গোয়ানিনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ডিএনএ মনে রাখতে মনে রাখবে এখানে টি আছে অর্থাৎ থাইমিন আছে এবং আরএনএ মনে রাখতে মনে রাখবে এখানে ইউ আছে অর্থাৎ ইউরাসিল আছে।
- এটি দিয়ে মনে রাখতে পারো ডিএনএ তে টি থাকে আর আরএনএ তে ইউ থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন নাইট্রোজেনাস বেসটি শুধুমাত্র আরএনএ তে থাকে, যার উত্তর ইউরাসিল।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে ডিএনএ এবং আরএনএর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী।
সঠিক উত্তর: B) তামা
১. কেন সঠিক:
তামা একটি ধাতু এবং এর তাপ পরিবাহিতা অনেক বেশি। ধাতুর মুক্ত ইলেকট্রন দ্রুত তাপ এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপ পরিবাহিতা হলো পদার্থের যে গুণের মাধ্যমে তাপ উচ্চ তাপমাত্রা থেকে নিম্ন তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হয়। মুক্ত ইলেকট্রনের চলাচল তাপ পরিবহনে মুখ্য ভূমিকা রাখে।
কার্যপ্রণালি: ধাতুর ভেতরে থাকা মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তাপ শক্তি শোষণ করে দ্রুত গতিতে ছোটাছুটি করে এবং অন্য অণুতে তাপ শক্তি স্থানান্তরিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার কড়াই বা পাতিলের নিচে তামার প্রলেপ দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা: এটি চুলার তাপ দ্রুত খাবারের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: কম্পিউটার বা ল্যাপটপের প্রসেসরের কুলিং ফ্যানের নিচে তামার হিট সিঙ্ক ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: তামা প্রসেসরের অতিরিক্ত তাপ দ্রুত শোষণ করে বাইরে বের করে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোহা — লোহার তাপ পরিবাহিতা তামার তুলনায় কম হওয়ায় এটি সেরা পরিবাহক নয়।
B) তামা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মুক্ত ইলেকট্রন বিন্যাসের কারণে তাপ পরিবহনের ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
C) সীসা — এটি তাপের খুব দুর্বল পরিবাহক এবং এর তাপ পরিবহন ক্ষমতা ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে কম।
D) ব্রোঞ্জ — এটি তামা ও টিনের সংকর ধাতু, যার তাপ পরিবাহিতা বিশুদ্ধ তামার চেয়ে কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে ভালো তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহক হলো তামা এবং রূপা। রূপা সবচেয়ে ভালো হলেও দাম বেশি বলে তামা বহুল ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তামা হলো এমন একটি ধাতু যা তাপ ও বিদ্যুৎ উভয়েরই খুব ভালো পরিবাহক। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয়
১. কেন সঠিক:
আলো এক প্রকার বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ যা চলাচলের জন্য কোনো জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। এটি শূন্য মাধ্যম দিয়েও প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে ভ্রমণ করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ হলো সেই তরঙ্গ যা লম্বালম্বিভাবে কম্পনশীল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যের আলো ও মহাজাগতিক বিকিরণ এই পদ্ধতির মাধ্যমেই পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসা।
ব্যাখ্যা: মহাকাশের শূন্য মাধ্যম ভেদ করে আলো পৃথিবীতে পৌঁছায়, যা প্রমাণ করে এর জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।
উদাহরণ ২: রেডিও তরঙ্গ বা এক্স-রে।
ব্যাখ্যা: এগুলোও বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের অন্তর্ভুক্ত এবং আলোর মতো একই বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যান্ত্রিক — যান্ত্রিক তরঙ্গ চলাচলের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন হয়, কিন্তু আলো মাধ্যম ছাড়া চলতে পারে।
B) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় — এটি সঠিক উত্তর।
C) অনুদৈর্ঘ্য — অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কণার গতির দিকে সমান্তরালভাবে চলে, কিন্তু আলো অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।
D) অনুপ্রস্থ — আলো অনুপ্রস্থ তরঙ্গ হলেও, বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ হিসেবে এর মূল পরিচয়টি বেশি সঠিক ও মৌলিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
আলোর জন্য কোনো মাধ্যম লাগে না, তাই এটি বিদ্যুৎ চৌম্বকীয়। এভাবে মনে রাখতে পারো যে বৈদ্যুতিক ও চুম্বক ক্ষেত্রের মিলনেই আলো তৈরি হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সর্বোচ্চ এবং এর মান প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) গামা রশ্মি
১. কেন সঠিক:
গামা রশ্মি হলো এক প্রকার তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং শক্তি সবচেয়ে বেশি।
তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম হয়, তার ভেদন ক্ষমতা এবং ফোটনের শক্তি তত বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে রেডিও তরঙ্গ থেকে শুরু করে গামা রশ্মি পর্যন্ত বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ও বিকিরণ রয়েছে।
কার্যপ্রণালি: তেজস্ক্রিয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস যখন শক্তি বিচ্ছুরণ করে নিম্ন শক্তিস্তরে নামে, তখন অত্যন্ত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ও ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গামা রশ্মি নির্গত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: ক্যানসার চিকিৎসায় টিউমার কোষ ধ্বংস করতে এবং চিকিৎসাকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোবাল্ট ষাট থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপিতে ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি স্বাস্থ্যকর টিস্যুর ক্ষতি না করে সরাসরি রোগাক্রান্ত কোষের ডিএনএ নষ্ট করে দেয়।
উদাহরণ ২: মহাকাশের সুপারনোভা বা নক্ষত্রের বিস্ফোরণ থেকে গামা রশ্মি উৎপন্ন হয়।
ব্যাখ্যা: এটি মহাজাগতিক উচ্চ শক্তির ঘটনার প্রমাণ দেয় যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কণা প্রবাহ, কোনো তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ নয় এবং এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা ভেদন ক্ষমতা গামা রশ্মির চেয়ে অনেক কম।
B) বিটা রশ্মি — এটি দ্রুত গতিসম্পন্ন ইলেকট্রন বা পজিট্রন কণার স্রোত, যা কণা প্রকৃতির এবং এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য গামা রশ্মির তুলনায় অনেক বড়।
D) রঞ্জন রশ্মি — এটি তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ হলেও এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য গামা রশ্মির চেয়ে বড় এবং শক্তি গামা রশ্মির চেয়ে কম হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে রেডিও তরঙ্গ থেকে গামা রশ্মির দিকে গেলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমতে থাকে এবং শক্তি বাড়তে থাকে।
তাই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম মনে রাখার সময় গামা রশ্মিকে সবচেয়ে ডানে বা সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবচেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও সবচেয়ে বেশি ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন রশ্মি হলো গামা রশ্মি।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি বা তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীর কোন অংশে শক্তি সর্বাধিক।
সঠিক উত্তর: B) -40 ডিগ্রি
১. কেন সঠিক:
তাপমাত্রা পরিমাপের সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক সম্পর্ক রয়েছে।
মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে এই দুটি স্কেলের মান হুবহু সমান হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যকার সম্পর্ক হলো সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯।
এখানে সি হলো সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং এফ হলো ফারেনহাইট তাপমাত্রা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অত্যন্ত ঠান্ডা আবহাওয়ার দেশগুলোতে এই তাপমাত্রায় পারদ থার্মোমিটার ব্যবহার করলে দুটি স্কেলেই একই পাঠ পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে দুটি ভিন্ন স্কেল হলেও নির্দিষ্ট বিন্দুতে তাদের পরিমাপ এক হতে পারে।
উদাহরণ ২: সাইবেরিয়ার কোনো কোনো অঞ্চলে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই বাস্তব পরিস্থিতিতে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট দুটি স্কেলের মাধ্যমেই একই তীব্র শীতের অনুভূতির গাণিতিক প্রকাশ ঘটে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) -30 ডিগ্রি — এই তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মান সমান হয় না।
পাচঁ ভাগের সি এবং নয় ভাগের এফ বিয়োগ ৩২ সূত্রে সি এর মান মাইনাস ত্রিশ বসালে দুটি পক্ষ সমান হয় না।
B) -40 ডিগ্রি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই মানটি সমীকরণকে নিখুঁতভাবে সিদ্ধ করে।
উভয় পক্ষে মান বসালে ফলাফল সমান পাওয়া যায়।
C) 273 ডিগ্রি — এটি সেলসিয়াস স্কেলে বরফ জমার তাপমাত্রা বা পরম শূন্য তাপমাত্রার কাছাকাছি হলেও এই বিন্দুতে স্কেল দুটি সমান হয় না।
এটি কেলভিন স্কেলের রূপান্তরের সাথে সম্পর্কিত।
D) 373 ডিগ্রি — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক নির্দেশ করে।
এই উচ্চ তাপমাত্রায় ফারেনহাইট স্কেলের মান সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেল মিল করার জন্য তাপমাত্রা মাইনাস চল্লিশ মনে রাখবে।
উভয় স্কেলেই মাইনাস চল্লিশ সংখ্যাটি জাদুর মতো কাজ করে এবং মান একই রাখে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপমাত্রা পরিমাপের রূপান্তর সংক্রান্ত অংক বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯ সূত্রটি মুখস্থ রাখলে যেকোনো তাপমাত্রা রূপান্তর করা সহজ হয়।
প্রশ্নের ধরন: মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত / খাদ্য, পুষ্টি ও ভিটামিন
সঠিক উত্তর: A) আমিষ
১. কেন সঠিক:
- হিমোগ্লোবিন একটি জটিল প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ, যা মূলত অ্যামিনো অ্যাসিডের দীর্ঘ শিকল দ্বারা গঠিত।
- এটি রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের প্রধান কাজ করে এবং এর গঠন প্রোটিনের বৈশিষ্ট্য বহন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীদের লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি লৌহঘটিত প্রোটিন।
- কার্যপ্রণালি: ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করা এবং কোষ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড ফুসফুসে ফিরিয়ে আনা এর কাজ।
- কারণ ও ফলাফল: এর মধ্যে থাকা প্রোটিন অংশটি গঠনে সাহায্য করে এবং লৌহ অংশটি অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হতে ভূমিকা রাখে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শরীরে আমিষের ঘাটতি হলে হিমোগ্লোবিন তৈরি ব্যাহত হয়, যা রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া রোগ সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানবদেহের রক্ত পরীক্ষা সিবিসি।
ব্যাখ্যা: এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ মাপা হয়, যা পুষ্টির অবস্থা ও রক্তস্বল্পতা নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মাংস, ডিম ও ডাল খাওয়া।
ব্যাখ্যা: এগুলো আমিষজাতীয় খাবার, যা শরীরকে হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিমোগ্লোবিন একটি প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ।
B) স্নেহ — এটি ভুল কারণ স্নেহ বা ফ্যাট শক্তি উৎপাদনে এবং কোষঝিল্লি গঠনে কাজ করে, হিমোগ্লোবিন স্নেহজাতীয় নয়।
C) আয়োডিন — এটি ভুল কারণ আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ, হিমোগ্লোবিন নয়।
D) লৌহ — এটি আংশिक সত্য মনে হলেও, হিমোগ্লোবিনের মূল রাসায়নিক শ্রেণি হলো প্রোটিন বা আমিষ, যেখানে লৌহ একটি সহ উপাদান হিসেবে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হিমোগ্লোবিন শব্দের শেষে প্রোটিন বা আমিষের গঠন মনে রাখবে।
- রক্ত লাল হওয়ার কারণ প্রোটিনের সাথে থাকা লৌহের উপস্থিতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ অক্সিজেন পরিবহন করা।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) বৃষ্টির কণা
১. কেন সঠিক:
আকাশে রংধনু সৃষ্টির পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে বায়ুমণ্ডলে ভেসে থাকা সূক্ষ্ম বৃষ্টির কণা বা পানির ফোঁটা। যখন সূর্যের আলো এই স্বচ্ছ পানির ফোঁটার ভেতর প্রবেশ করে, তখন আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণ ঘটে।
এই ত্রিবিধ আলোর প্রতিসরণ ও প্রতিফলনের ফলে সূর্যের সাদা আলো তার উপাদান সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে দর্শকের চোখে এসে পড়ে। ফলে আকাশে আমরা বৃত্তচাপ বা ধনুকের মতো সুন্দর রংধনু দেখতে পাই।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রিজমের মতো পানির ফোঁটা সূর্যের আলোকে সাতটি রঙে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে আলোর বিচ্ছুরণ বলা হয়।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো বৃষ্টির ফোঁটায় ঢোকার সময় দিক পরিবর্তন করে, ফোঁটার ভেতরে প্রতিফলিত হয় এবং ফোঁটা থেকে বের হওয়ার সময় আবার বেঁকে গিয়ে বর্ণালির সৃষ্টি করে।
বাস্তব প্রয়োগ: ঝরনার পানির সামনে দাঁড়ালে বা বাগানে পানি ছিটানোর সময় কৃত্রিমভাবে এমন রঙের খেলা দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদ্যানের ঘাসে পানি দেয়ার সময় স্প্রিংকলারের ক্ষুদ্র জলের কণার দিকে তাকালে কৃত্রিম রংধনু দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সূর্যের আলো এবং ক্ষুদ্র জলের কণা একত্রে রংধনু সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট।
উদাহরণ ২: জলপ্রপাতের কাছাকাছি সূর্যের আলো পড়লে সেখানে স্থায়ীভাবে ছোট আকারের রংধনু দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বোঝা যায় জলীয় বাষ্প বা জলের ফোঁটার মধ্য দিয়ে আলোর প্রতিসরণই এর মূল কারণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধূলিকণা — ধূলিকণা আলোর বিক্ষেপণ ঘটায়, যার কারণে আকাশ নীল দেখায়, কিন্তু রংধনু সৃষ্টি করে না।
B) বায়ুস্তর — বায়ুস্তর আলোর প্রতিসরণ ঘটিয়ে নক্ষত্রের পিটপিট করা বা দিগন্তে সূর্য লাল দেখানোর মতো ঘটনা ঘটায়।
C) বৃষ্টির কণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বৃষ্টির ফোঁটা প্রিজমের মতো কাজ করে আলো বিচ্ছুরিত করে।
D) অতিবেগুনি রশ্মি — অতিবেগুনি রশ্মি মানুষের খালি চোখে অদৃশ্য এবং এটি রংধনু সৃষ্টির জন্য দায়ী নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রংধনু মনে রাখতে বি-বগ-ইওর-জাপ (V-I-B-G-Y-O-R) বা বেনীআসহকানি শব্দটি মনে রাখবে।
বৃষ্টির ফোঁটা প্রিজমের মতো কাজ করে সাত রঙে আলো ভেঙে দেয়, এই কথাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রংধনু দেখার সময় দর্শকের পিঠ থাকে সূর্যের দিকে এবং মুখ থাকে বৃষ্টির কণার দিকে।
এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ অধ্যায় থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: B) হাইগ্রোমিটার
১. কেন সঠিক:
বাতাসের আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ পরিমাপের জন্য হাইগ্রোমিটার ব্যবহার করা হয়। এটি বায়ুমণ্ডলের আপেক্ষিক আর্দ্রতা নির্ণয় করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের পরিমাণকে আর্দ্রতা বলে।
কার্যপ্রণালি: এটি শুষ্ক ও আর্দ্র বাল্ব থার্মোমিটারের তাপমাত্রার পার্থক্য অথবা চুল বা অন্য উপাদানের প্রসারণ ও সংকোচন ব্যবহার করে আর্দ্রতা মাপে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃষ্টির পূর্বে আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস।
ব্যাখ্যা: আকাশে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় হাইগ্রোমিটারের সাহায্যে উচ্চ আর্দ্রতা মাপা হয়, যা বৃষ্টির ইঙ্গিত দেয়।
উদাহরণ ২: গ্রিনহাউস বা কৃত্রিম ল্যাবরেটরিতে গাছের পরিচর্যা।
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের সঠিক বৃদ্ধির জন্য নির্দিষ্ট আর্দ্রতা বজায় রাখতে হাইগ্রোমিটার দিয়ে বাতাস পরীক্ষা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকোমিটার — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র দূরত্ব বা দৈর্ঘ্য নিখুঁতভাবে পরিমাপের একটি যন্ত্র, যা আর্দ্রতা মাপে না।
B) হাইগ্রোমিটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাতাসের আর্দ্রতা পরিমাপ করে।
C) ব্যারোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার যন্ত্র, আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র নয়।
D) গ্রাভিমিটার — এটি ভূত্বকের স্থানীয় অভিকর্ষ বল বা মহাকর্ষীয় ত্বরণ পরিমাপের যন্ত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
হাইগ্রো শব্দের অর্থ আর্দ্রতা এবং মিটার মানে পরিমাপক যন্ত্র। আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র মানেই হাইগ্রোমিটার।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসের আর্দ্রতা মাপার একক হলো শতকরা হার বা পার্সেন্টেজ। একই ধরনের প্রশ্ন আসে বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার নিয়ে।
সঠিক উত্তর: A) জন্ডিস
১. কেন সঠিক:
- জন্ডিস হলো মানবদেহের প্রধান বিপাকীয় অঙ্গ যকৃতের একটি গুরুতর রোগ।
- রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে যকৃতের এই রোগটি প্রকাশ পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যকৃত মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি যা পিত্তরস তৈরি করে এবং রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- কার্যপ্রণালি: যকৃতের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিলিরুবিন সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত হতে পারে না এবং রক্তে এর পরিমাণ বেড়ে যায়।
- কারণ ও ফলাফল: এর ফলে ত্বক, চোখ ও শরীরের অন্যান্য অংশ হলুদ বর্ণ ধারণ করে যা যকৃতের অকার্যকারিতাকে নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হেপাটাইটিস ভাইরাস সংক্রমণ
ব্যাখ্যা: হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাস যকৃতে আক্রমণ করে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং জন্ডিসের মতো রোগ ঘটায়।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ
ব্যাখ্যা: দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত অ্যালকোহল পানের ফলে যকৃতের কোষগুলো নষ্ট হয় এবং সিরোসিস ও জন্ডিস দেখা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন্ডিস — এটি যকৃতের রোগ।
B) টাইফয়েড — এটি সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ানো একটি অন্ত্রের রোগ।
C) হাম — এটি প্যারামিক্সোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি অত্যন্ত সংক্রামক বায়ুজনিত রোগ।
D) কলেরা — এটি ভিব্রিও কলেরি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া পানিবাহিত ডায়রিয়াজনিত রোগ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যকৃতের প্রধান রোগগুলোর মধ্যে জন্ডিস সবচেয়ে পরিচিত এবং এটি বিলিরুবিনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
- হেপাটাইটিস শব্দটির সাথে যকৃতের সংযোগ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের কোন অঙ্গ পিত্তরস তৈরি করে এবং বিলিরুবিন প্রক্রিয়াজাত করে, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
- একই ধারণা থেকে যকৃতের অন্যান্য রোগ যেমন সিরোসিস বা হেপাটাইটিস সম্পর্কে প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ট্রান্সফরমার
১. কেন সঠিক:
- ট্রান্সফরমার হলো এমন একটি তড়িৎ যন্ত্র যা তাড়িত চৌম্বক আবেশ নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- পরিবর্তনশীল চৌম্বক ফ্লাক্সের প্রভাবে এক কুন্ডলী থেকে অন্য কুন্ডলীতে বিদ্যুৎ শক্তি স্থানান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাড়িত চৌম্বক আবেশ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পরিবর্তিত চৌম্বক ক্ষেত্র কোনো পরিবাহীতে তড়িৎ চালক বল বা বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে।
- কার্যপ্রণালি: ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কুন্ডলীতে পরিবর্তী প্রবাহ ব্যবহার করলে একটি পরিবর্তিত চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয় যা সেকেন্ডারি কুন্ডলীতে তড়িৎ আবেশ ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল চার্জার
ব্যাখ্যা: মোবাইল চার্জার বা অ্যাডাপ্টার ভেতরে ছোট ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে উচ্চ ভোল্টেজকে নিরাপদ নিম্ন ভোল্টেজে রূপান্তর করে।
উদাহরণ ২: সাবস্টেশন ও পাওয়ার গ্রিড
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে দূরদূরান্তে উচ্চ ভোল্টেজ প্রেরণের জন্য এবং ব্যবহারের সময় ভোল্টেজ কমাতে ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রানজিস্টর — এটি একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র যা বিবর্ধক বা সুইচ হিসেবে কাজ করে এবং এর মূল নীতি তাড়িত চৌম্বক আবেশ নয়।
B) মোটর — বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, যা ফ্লেমিংয়ের বাম হস্ত নিয়ম ও লোরেন্টজ বলের ওপর কাজ করে।
C) ট্রান্সফরমার — এটি তাড়িত চৌম্বক আবেশের নীতিতে কাজ করে এসি ভোল্টেজ বাড়ায় বা কমায়।
D) অ্যাম্প্লিফায়ার — এটি সিগন্যালের মান বা ক্ষমতা বৃদ্ধি করার একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা মূলত ট্রানজিস্টর দিয়ে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ট্রান্সফরমার শব্দটির সাথে বিদ্যুৎ পরিবর্তন ও কুন্ডলীর আবেশ জড়িত।
- মনে রাখবে, ট্রান্সফরমার শুধু পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি বিদ্যুতের ক্ষেত্রে তাড়িত চৌম্বক আবেশ ব্যবহার করে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাইকেল ফ্যারাডে তাড়িত চৌম্বক আবেশের সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন যা এই যন্ত্রের মূল ভিত্তি।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ট্রান্সফরমার কোন বিদ্যুৎ প্রবাহে কাজ করে, উত্তর হবে শুধু পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি।
সঠিক উত্তর: C) সালফার
১. কেন সঠিক:
কয়লার মধ্যে সালফারের উপস্থিতি এর বাণিজ্যিক ও জ্বালানি মান মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়।
কয়লা পোড়ানোর সময় সালফার পুড়ে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে, যা পরিবেশ দূষণ ও এসিড বৃষ্টির প্রধান কারণ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যাতে প্রধানত কার্বন থাকে, তবে এর সাথে বিভিন্ন অপদ্রব্য হিসেবে সালফার ও অন্যান্য উপাদান যুক্ত থাকে।
কার্যপ্রণালি: কয়লা দহন করলে সালফার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে সালফার ডাইঅক্সাইড এবং সালফার ট্রাইঅক্সাইড উৎপন্ন করে।
কারণ ও ফলাফল: এই গ্যাসগুলো বাতাসের জলীয় বাষ্পের সাথে মিশून সালফিউরিক এসিড তৈরি করে, যা ধাতব যন্ত্রপাতি ক্ষয় করে এবং কয়লার তাপন মূল্য হ্রাস করে।
বাস্তব প্রয়োগ: ভালো মানের কয়লা নির্বাচনে সালফারের পরিমাণ পরীক্ষা করা হয় যাতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শিল্প কারখানায় বয়লারের ক্ষতি রোধ করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উচ্চ সালফারযুক্ত কয়লা ব্যবহার করলে বয়লারের পাইপ দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
ব্যাখ্যা: সালফার ও এর অক্সাইড জলীয় বাষ্পের সাথে এসিড তৈরি করে ধাতব পৃষ্ঠে ক্ষয় সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: শিল্প কারখানায় চিমনি দিয়ে নির্গত সালফার ডাইঅক্সাইড আশেপাশের গাছে এসিড বৃষ্টি ঘটায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে কয়লার ভেতরের সালফার কেবল কয়লার মানই কমায় না, বরং পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — কয়লায় সামান্য নাইট্রোজেন থাকতে পারে, তবে এটি সালফারের মতো প্রধান ক্ষতিকর অপদ্রব্য হিসেবে গণ্য হয় না।
B) ফসফরাস — ফসফরাস নির্দিষ্ট কিছু ধাতু উৎপাদনে ক্ষতিকর হলেও কয়লার মান হ্রাসের ক্ষেত্রে সালফারের প্রভাব প্রধান।
C) সালফার — এটি কয়লার মান নষ্ট করার জন্য সরাসরি দায়ী এবং এটি সঠিক উত্তর।
D) অক্সিজেন — কয়লার গঠনের একটি স্বাভাবিক উপাদান অক্সিজেন, যা কয়লার দহনে সাহায্য করে তবে সরাসরি মান নষ্ট করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
কয়লার মান নষ্টকারী উপাদান মনে রাখতে এস অক্ষরটি মনে রাখবে, যার অর্থ সালফার বা এস দিয়ে সালফার।
সালফার মানেই সমস্যামূলক উপাদান যা কয়লা ও পরিবেশ উভয়কেই নষ্ট করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কয়লার প্রধান উপাদান কার্বন হলেও এর ভেতরের সালফার উপস্থিতি এর মান নির্ধারণে নেতিবাচক ভূমিকা রাখে।
এসিড বৃষ্টির কারণ হিসেবে প্রায়ই কয়লার ভেতরের সালফারের উপস্থিতি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) দৃঢ়
১. কেন সঠিক:
- অস্থি মানবদেহের অন্যতম শক্ত ও কঠিন সংযোজক কলা, যা দেহের কাঠামো তৈরি করে এবং বিভিন্ন অঙ্গকে সুরক্ষা দেয়।
- এর ম্যাট্রিক্স বা অন্তর্বস্তু খনিজ লবণযুক্ত হওয়ায় এটি অত্যন্ত অনমনীয় ও দৃঢ় প্রকৃতির হয়ে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অস্থি হলো একধরনের বিশেষায়িত যোজক কলা, যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস জাতীয় খনিজ লবণের উপস্থিতির কারণে অত্যন্ত শক্ত হয়।
- কার্যপ্রণালি: অস্টিওব্লাস্ট কোষের মাধ্যমে অজৈব লবণ জমা হয়ে তরুণাস্থিকে শক্ত ও পাকা অস্থিতে রূপান্তরিত করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র শরীরের ভার বহন করে এবং পেশি সংযুক্ত থেকে চলাচলে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: ফিমার বা উরুর অস্থি শরীরের সম্পূর্ণ ভার বহন করে এবং দীর্ঘ দূরত্ব হাঁটতে বা দৌড়াতে সাহায্য করে।
- ব্যাখ্যা: এর দৃঢ় গঠনের কারণেই এটি প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে পারে এবং ভেঙে যায় না।
- উদাহরণ ২: মানুষের মাথার খুলি বা ক্রেনিয়াম মস্তিষ্কের মতো কোমল ও সংবেদনশীল অঙ্গকে নিরাপদে ঢেকে রাখে।
- ব্যাখ্যা: অস্থির দৃঢ়তা বাইরে থেকে আঘাতপ্রাপ্ত হলেও ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে রক্ষা করতে সক্ষম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) স্থিতিস্থাপক — এই বৈশিষ্ট্যটি তরুণাস্থির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা কিছুটা বাঁকতে পারে, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ অস্থি স্থিতিস্থাপক নয়।
- B) তন্তুময় — তরুণাস্থি বা লিগামেন্ট তন্তুময় হতে পারে, তবে দৃঢ় অস্থি মূলত কঠিন খনিজ পদার্থের সমাহারে গঠিত।
- C) দৃঢ় — এটি সঠিক, কারণ অস্থির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর কাঠামোগত অনমনীয়তা ও শক্ত ভাব।
- D) নরম — নরম বৈশিষ্ট্যটি তরুণাস্থি বা পেশিকলার ক্ষেত্রে দেখা যায়, যা দৃঢ় অস্থির বিপরীত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানুষের কঙ্কাল মানেই শক্ত ও অনমনীয় কাঠামো, তাই অস্থি মানেই হলো দৃঢ়তা।
- তরুণাস্থি নরম বা নমনীয় হয়, আর অস্থি সম্পূর্ণ শক্ত ও দৃঢ় হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের সবচেয়ে শক্তিশালী ও দীর্ঘতম অস্থি হলো ফিমার।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, অস্থির ম্যাট্রিক্সে কোন খনিজ উপাদান সবচেয়ে বেশি থাকে, যার উত্তর হলো ক্যালসিয়াম ফসফেট।
সঠিক উত্তর: B) microphone
১. কেন সঠিক:
মাইক্রোফোন একটি ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর বা শব্দকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করে কম্পিউটারে পাঠায়।
যেহেতু এটি কম্পিউটারকে ডেটা বা তথ্য প্রদান করে, তাই এটি আউটপুট ডিভাইস হতে পারে না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার উপাদান যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কম্পিউটারের প্রসেসরের কাছে পাঠায়।
কার্যপদ্ধতি: মাইক্রোফোনে থাকা ডায়াফ্রাম শব্দের কম্পনে কেঁপে ওঠে এবং তা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটার গেম খেলার সময় মাইক্রোফোনে কথা বলে দলের অন্য সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবহারকারী শব্দ তৈরি করছেন যা মাইক্রোফোনের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করছে।
উদাহরণ ২: জুম বা গুগল মিট অ্যাপে অনলাইনে মিটিং করার সময় কথা বলা।
ব্যাখ্যা: মাইক্রোফোন ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর গ্রহণ করে তা ডিজিটাল উপাত্তে পরিণত করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য প্রান্তে পাঠাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) monitor — মনিটর একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি প্রসেস করা তথ্য বা ছবি ব্যবহারকারীর দেখার জন্য স্ক্রিনে প্রদর্শন করে।
B) microphone — মাইক্রোফোন শব্দ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায়, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) printer — প্রিন্টার কম্পিউটারের ডিজিটাল ডকুমেন্ট কাগজে প্রিন্ট করে বাইরে বের করে দেয়, যা একটি আউটপুট ডিভাইস।
D) speaker — স্পিকার কম্পিউটারের ভেতরের অডিও সিগন্যালকে আমাদের শোনার উপযোগী শব্দে রূপান্তর করে, তাই এটি আউটপুট ডিভাইস।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইন মানে ভেতরে আর আউট মানে বাইরে।
মাইক্রোফোন দিয়ে আমরা কম্পিউটারে কথা দিই, তাই তা ইনপুট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটারের মৌলিক ইনপুট ডিভাইসগুলো হলো কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার ও মাইক্রোফোন।
আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে মনিটর, প্রিন্টার ও স্পিকার সবচেয়ে বেশি পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৫
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ভাষা ও সংস্কৃতির গবেষণার মাধ্যমে বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় রক্ষা এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চেতনা এবং বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি থেকে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
তারিখ ও স্থান: ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর তৎকালীন বর্ধমান হাউসে বাংলা একাডেমি কার্যক্রম শুরু করে।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এবং এর প্রথম সচিব ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এনামুল হক।
তাৎপর্য ও ফলাফল: বাংলা ভাষার মান উন্নয়নে এবং গবেষণা প্রসারে এই প্রতিষ্ঠান জাতীয়ভাবে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অমর একুশে বইমেলা
ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়, যা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।
উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৮ — এই সালে বাংলা একাডেমির কোনো প্রতিষ্ঠা বা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সূচনার রেকর্ড নেই।
B) ১৯৫৫ — এটি বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার সঠিক বছর এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) ১৯৬১ — এই সালে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছিল এবং বাংলা একাডেমি থেকে বিশ্বকবিকে নিয়ে নানা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
D) ১৮৫৫ — এই সালে ব্রিটিশ ভারতে শিক্ষা প্রসারে উডের ডেসপাচ বা নানা সংস্কার হলেও বাংলা একাডেমির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের পরের বছরগুলোতে বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন আর ৫৫ তে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক কে ছিলেন এবং বর্তমান মহাপরিচালক কে, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে এর প্রতীক, স্লোগান বা প্রথম প্রকাশিত বই নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) খুলনা
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রধান ও ভারী জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড খুলনায় রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের জলযান নির্মাণ ও মেরামতের ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
২. শিল্প ও অর্থনীতি:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: খুলনা শিপইয়ার্ড ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
- প্রতিষ্ঠান: এটি বর্তমানে বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের অধীনে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চিটাগাং ড্রাইডকের অবস্থান চট্টগ্রাম।
ব্যাখ্যা: এটি মূলত বড় আকারের সমুদ্রগামী জাহাজ মেরামত ও নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা নয়।
উদাহরণ ২: নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড।
ব্যাখ্যা: এটি শীতললক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত মাঝারি ধরনের জলযান নির্মাণের একটি ঐতিহাসিক ডকইয়ার্ড।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নারায়ণগঞ্জ — এটি নদী বন্দর এবং পাটশিল্পের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা এখানে অবস্থিত নয়।
B) কক্সবাজার — এটি পর্যটন নগরী এবং মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, ভারী জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রধান কেন্দ্র নয়।
C) চট্টগ্রাম — এখানে চিটাগাং ড্রাইডক ও মেরিটাইম সেক্টর থাকলেও প্রধান রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
D) খুলনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ খুলনা শিপইয়ার্ড বাংলাদেশের প্রধান ও প্রাচীনতম ভারী জাহাজ নির্মাণ কারখানা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খুলনা শিপইয়ার্ডের অবস্থান মনে রাখতে নামের প্রথম অংশটি মনে রাখুন।
- এটি রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত যা দক্ষিণবঙ্গের প্রধান শিল্পকেন্দ্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- খুলনা শিপইয়ার্ড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কোন নদীর তীরে অবস্থিত, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- একই বিষয় থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ৪৬.৫ মিটার
১. কেন সঠিক:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের মোট উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬.৫ মিটার যা এর ভিত্তিমূল থেকে চূড়া পর্যন্ত পরিমাপ করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের সাতটি বীরত্বপূর্ণ আন্দোলনকে প্রতীকায়িত করতে স্মৃতিসৌধটি সাত জোড়া ত্রিভুজাকৃতির দেওয়াল বা মিনার নিয়ে গঠিত।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
জাতীয় প্রতীক, পতাকা, সংগীত ও স্মৃতিসৌধ
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে এই স্মৃতিসৌধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তারিখ ও স্থান: ঢাকার অদূরে সাভারের নবীনগরে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় এবং ১৯৮২ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়ন করেন এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর এর নির্মাণকাজ পরিচালনা করে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগের সর্ববৃহৎ জাতীয় স্মারক হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত অপর একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য যা বাঙালির জাতীয় চেতনার প্রতীক।
উদাহরণ ২: স্বাধীনতা স্তম্ভ
ব্যাখ্যা: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত এই স্তম্ভটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষ্য বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৬.৫ মিটার — এটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের সঠিক ও পরীক্ষিত উচ্চতা যা আন্তর্জাতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ডে স্বীকৃত।
B) ৪২.৫ মিটার — এই উচ্চতাটি সঠিক নয় এবং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার পরিমাপের সাথে বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
C) ৪৮.৫ মিটার — এটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতার চেয়ে বেশি এবং এর কোনো ঐতিহাসিক বা স্থাপত্যিক ভিত্তি নেই।
D) ৪৪.৫ মিটার — এই মানটি ভুল কারণ মূল নকশা অনুযায়ী স্মৃতিসৌধের উচ্চতা সবসময় ৪৬.৫ মিটার নির্ধারিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা মনে রাখতে ৪৬.৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন যেখানে ৪ এর পর ৬ এবং দশমিকের পর ৫ আসে।
সাত জোড়া মিনার বা দেয়ালের সাথে উচ্চতার মিটার একক মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা সহজে সঠিক উত্তর মনে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেনের নাম এবং এর অবস্থান সাভার মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
এই প্রশ্নটি থেকে স্থপতি, নকশা, মিনার সংখ্যা এবং উচ্চতা সম্পর্কিত ভিন্ন ধরনের বহু নির্বাচনী প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হলো ১৭ অক্টোবর, ২০২৫। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাস ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রেক্ষাপটে এই তারিখটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ও রাষ্ট্র সংস্কার:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের গণ-অভুত্থানের পর বাংলাদেশে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন মহールের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই সনদ প্রস্তুত করা হয়।
তারিখ ও স্থান: ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সনদ স্বাক্ষরিত হয়। এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক ঘটনা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক চুক্তি বা সনদ স্বাক্ষর।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক রূপরেখা তৈরির জন্য নানা চুক্তি বা ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা ভবিষ্যতের রাষ্ট্র পরিচালনায় দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করেছে।
উদাহরণ ২: রাষ্ট্র সংস্কার কমিশনসমূহের প্রতিবেদন।
ব্যাখ্যা: জুলাই সনদের মতো বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাব দেশের শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও জনমুখী ও গণতান্ত্রিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ — এটি সঠিক তারিখের আগের দিন এবং এই দিনে এই সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি।
B) ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ — এটি সঠিক উত্তর।
C) ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ — এটি সঠিক তারিখের পরের দিন এবং সেদিন অন্য কোনো নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ছিল।
D) ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ — এটি সঠিক তারিখ নয় এবং এই দিনে সনদ স্বাক্ষরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
জুলাই সনদের স্বাক্ষর গ্রহণের মাসটি হলো অক্টোবর এবং তারিখটি হলো ১৭। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের ১৭ তারিখ মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নিশ্চিত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলিল, সনদ ও চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ প্রায়ই আসে। এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাষ্ট্র সংস্কার ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
১. কেন সঠিক:
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের কূটনৈতিক প্রক্রiyার অংশ হিসেবে এশিয়া মহাদেশের প্রভাবশালী দেশ জাপান ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি জানায়।
এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্কের শুভসূচনা হয় যা পরবর্তীতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সহায়তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: জাপান, এশিয়ার একটি উন্নত দ্বীপ রাষ্ট্র যার রাজধানী টোকিও এবং মুদ্রা হলো ইয়েন।
প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জাপানের সাধারণ জনগণ ও সুশীল সমাজ নৈতিক সমর্থন জানালেও তৎকালীন সরকার কিছুটা দেরিতে স্বীকৃতি দেয়।
গুরুত্ব: স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপান প্রথম থেকেই অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল, যা পশ্চিমা বিশ্বের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বড় ভূমিকা রেখেছিল।
উদাহরণ ২: ভারত ও ভুটান
ব্যাখ্যা: ভারত ও ভুটান ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশকে সবার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে কিন্তু কোনো দেশ তখন স্বীকৃতি দেয়নি।
B) ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ — এই ঐতিহাসিক দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
D) ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ — এই কালরাত্রিতে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর ১৯৭১, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ এবং জাপান স্বীকৃতি দেয় ঠিক এক মাস পর অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
তারিখ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১০ সংখ্যাটি জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি উভয় মাসের ১০ তারিখেই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাথে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথম দেশ হিসেবে ভারত ও ভুটানের নাম বারবার পরীক্ষায় আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে জাপান কবে বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে বা জাপানের মুদ্রার নাম কী।
সঠিক উত্তর: A) জনসংখ্যা গবেষণা
১. কেন সঠিক:
নিপোর্ট বা NIPORT হলো জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবার পরিকল্পনা এবং স্বাস্থ্য খাতের কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদানে এই প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
২. প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য:
প্রতিষ্ঠান: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।
পূর্ণ রূপ: National Institute of Population Research and Training.
কার্যপরিধি: পরিবার পরিকল্পনা, প্রজনন স্বাস্থ্য এবং জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনার ওপর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা BBS
ব্যাখ্যা: এটি দেশের জাতীয় জনগণনা ও জনমিতি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে, যা জনসংখ্যা গবেষণায় সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনস্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নীতি নির্ধারণে বিভিন্ন দেশের গবেষণা সংস্থাকে সহযোগিতা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসংখ্যা গবেষণা — সঠিক উত্তর কারণ নিপোর্ট মূলত জনসংখ্যা ও পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে গবেষণা করে।
B) মিঠাপানি গবেষণা — ভুল কারণ মিঠাপানি বা মৎস্য গবেষণার জন্য আলাদা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
C) নদী গবেষণা — ভুল কারণ নদী বা পানি সম্পদ নিয়ে কাজ করে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।
D) বন্দর গবেষণা — ভুল কারণ সমুদ্র বন্দর বা নৌপরিবহন সংক্রান্ত গবেষণা এর আওতাভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিপোর্ট নামের শুরুতে পি (P) অক্ষরটি পপুলেশন বা জনসংখ্যা শব্দটিকে নির্দেশ করে।
এভাবে নামের মিল খুঁজে সহজেই সঠিক উত্তরটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিষ্ঠানটির ইংরেজি পূর্ণ রূপ এবং এর মূল কাজ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা ও পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত যেকোনো গবেষণামূলক প্রশ্নে নিপোর্ট নামটি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
১. কেন সঠিক:
- উত্তরটি সঠিক কারণ এই দিনে ওয়াশিংটন ডি সি তে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এটি মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সাম্যবাদী ব্লকের প্রভাব প্রতিহত করতে গঠিত হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি তে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- উদ্দেশ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা রক্ষা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ওয়াশিংটন চুক্তি
ব্যাখ্যা: এই চুক্তির পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জোটের যেকোনো এক সদস্যের ওপর আক্রমণ মানে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: ওয়ারশ চুক্তি
ব্যাখ্যা: ন্যাটোর বিপরীতে সোভিযেত ইউনিয়ন ১৯৫৫ সালে ওয়ারশ চুক্তি নামে নিজস্ব সামরিক জোট গঠন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঠিক ঐতিহাসিক দিন ও সাল।
B) ৪ মার্চ ১৯৪৯ — এই তারিখে ন্যাটোর কোনো আনুষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠা হয়নি।
C) ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯ — এই তারিখে ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত কোনো ঘটনা নেই।
D) ৪ মে ১৯৪৯ — এই তারিখে ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত কোনো ঘটনা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সালটি মনে রাখতে ১৯৪৯ সংখ্যাটি মাথায় রাখো।
- মাস ও তারিখ মনে রাখতে এপ্রিলের চার তারিখ কথাটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন্যাটোর সদর দপ্তর ও প্রতিষ্ঠার সাল প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- এই জোট থেকে এর বর্তমান সদস্যসংখ্যা এবং নতুন সদস্য দেশ সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) কায়রো
১. কেন সঠিক:
তাহরির স্কয়ার মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক চত্বর। ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় এই স্কয়ারটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে, যেখানে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিনের একনায়ক হোসনি মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলে।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
দেশ: মিশর, যার রাজধানী কায়রো এবং মুদ্রা মিশরীয় পাউন্ড।
প্রেক্ষাপট: ২০১১ সালে আরব বসন্তের ঢেউ মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়লে মিশরের তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ কায়রোর এই চত্বরে জড়ো হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
গুরুত্ব: এই গণআন্দোলনের ফলেই মিশরের দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন এবং এটি আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিউনিসিয়ার জেসমিন বিপ্লব।
ব্যাখ্যা: এটি ছিল আরব বসন্তের সূচনাবিন্দু যা মিশরের তাহরির স্কয়ারের আন্দোলনকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
উদাহরণ ২: বেইজিংয়ের তিয়েনানমেন স্কয়ার।
ব্যাখ্যা: এটি চীনের একটি ঐতিহাসিক চত্বর, যা ১৯৮৯ সালের ছাত্র আন্দোলনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং কায়রোর তাহরির স্কয়ারের মতো এটিও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং এর বিখ্যাত চত্বরের নাম হলো গোয়াম্বুয়াম প্লাজা।
B) আম্মান — এটি জর্ডানের রাজধানী এবং এর প্রধান চত্বর বা ঐতিহাসিক স্থান হলো হাসেমাইট প্লাজা।
C) কায়রো — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত তাহরির স্কয়ার মিশরের এই রাজধানীতেই অবস্থিত।
D) তেহরান — এটি ইরানের রাজধানী এবং এর কেন্দ্রীয় চত্বরের নাম আজাদি স্কয়ার।
৫ মনে রাখার টিপস:
তাহরির শব্দের অর্থ মুক্তি, আর মিশরের মানুষ কায়রো শহরে মুক্তি বা স্বাধীনতার জন্যই এই স্কয়ারে লড়াই করেছিল।
কায়রো নামটির সাথে মিশরের রাজধানী এবং তাহরির স্কয়ারের অবস্থান এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আরব বসন্তের সূচনাকাল এবং এর প্রধান কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে মিশরের রাজধানী, মুদ্রা অথবা ২০১১ সালের আরব বসন্তের প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
১. কেন সঠিক:
- ডব্লিউআইপিও হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা মেধা সম্পত্তি বা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষায় কাজ করে।
- এই সংস্থাটির সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত যা বৈশ্বিক বাণিজ্যে মেধাস্বত্ব সুরক্ষার প্রধান কেন্দ্র।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: ডব্লিউআইপিও বা বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা যার ইংরেজি রূপ ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৭ সালের ১৪ জুলাই স্টকহোম কনভেনশনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সাল থেকে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে কাজ শুরু করে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি রক্ষা করা এবং উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পেটেন্ট সহযোগিতা চুক্তি
ব্যাখ্যা: এটি ডব্লিউআইপিও পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা আবেদনকারীদের আন্তর্জাতিক স্তরে পেটেন্ট সুরক্ষা পেতে সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: বার্ন কনভেনশন
ব্যাখ্যা: সাহিত্য ও শৈল্পিক কাজ সুরক্ষার জন্য এই আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রশাসনিক দায়িত্ব ডব্লিউআইপিও পালন করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা বা আইএমও এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
C) জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডব্লিউআইপিও এর প্রধান কার্যালয় এই শহরেই অবস্থিত।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো ও ওইসিডির সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মেধা ও বুদ্ধির চর্চা হয় জেনেভায় যেখানে ডব্লিউআইপিও এর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভাকে জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ডব্লিউআইপিও জাতিসংঘের কততম বিশেষায়িত সংস্থা এবং এর বর্তমান সদস্য দেশ কতটি তা জেনে যাওয়া ভালো।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর নির্ণয়ের জন্য আসে।
সঠিক উত্তর: A) স্কটল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
অ্যাডাম স্মিথ ১৭২৩ সালের ৫ জুন স্কটল্যান্ডের ফাইফ অঞ্চলের কার্কক্যালডি নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ দ্য ওয়েলথ অব নেশনস প্রকাশ করে পুঁজিবাদী অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ ও জন্মস্থান: স্কটল্যান্ড যুক্তরাজ্যের একটি অংশ, যার রাজধানী এডিনবরা এবং অর্থনৈতিক ইতিহাসের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রেক্ষাপট: অষ্টাদশ শতাব্দীতে স্কটিশ এনলাইটেনমেন্ট বা স্কটিশ বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের সময় অ্যাডাম স্মিথ ক্লাসিক্যাল অর্থনীতির ধারণা দেন।
গুরুত্ব: মুক্তবাজার অর্থনীতি, শ্রম বিভাজন এবং অদৃশ্য হাত বা ইনভিজিবল হ্যান্ড তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি বিশ্ব অর্থনীতিতে বিপ্লব এনেছিলেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডেভিড রিকার্ডো
ব্যাখ্যা: তিনি স্কটল্যান্ডের মতো ব্রিটিশ অঞ্চলের আরেকজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ যিনি তুলনামূলক সুবিধার তত্ত্ব প্রদান করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিপথ পরিবর্তন করেছিলেন।
উদাহরণ ২: কার্ল মার্ক্স
ব্যাখ্যা: তিনি অ্যাডাম স্মিথের পুঁজিবাদী ধারণার বিরোধিতা করে সমাজতান্ত্রিক অর্থশাস্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্কটল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যাডাম স্মিথ এই দেশের কার্কক্যালডি শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) ফ্রান্স — এটি ভুল অপশন কারণ ফ্রান্সে ফরাসি ফিজিওক্র্যাট অর্থনীতিবিদরা ছিলেন, কিন্তু স্মিথের জন্ম সেখানে হয়নি।
C) জার্মানী — এটি ভুল অপশন কারণ জার্মানিতে পরবর্তীতে কার্ল মার্ক্স ও ঐতিহাসিক অর্থনীতির বিকাশ ঘটেছিল।
D) ইতালী — এটি ভুল অপশন কারণ ইতালি রেনেসাঁ ও বাণিজ্যের সূতিকাগার হলেও স্মিথের জন্মভূমি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ স্কটিশ জাতির গর্ব, তাই স্মিথ এবং স্কটল্যান্ড দুটোই এস অক্ষর দিয়ে শুরু হয় এভাবে মনে রাখতে পারেন।
ফরাসি বিপ্লবের আগের যুগে স্কটল্যান্ডের মাটিতেই আধুনিক অর্থনীতির জন্ম হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে অ্যাডাম স্মিথের বিখ্যাত গ্রন্থ দ্য ওয়েলথ অব নেশনস কত সালে প্রকাশিত হয়, যার উত্তর ১৭৭৬ সাল।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রবক্তা কে।
সঠিক উত্তর: D) হেগে
১. কেন সঠিক:
- স্থায়ী সালিসি আদালত বা পার্মানেন্ট কোর্ট অফ আরবিট্রেশন (PCA) বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত বিশ্বের প্রাচীনতম আন্তঃসরকার সংস্থা।
- এটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিরোধ সালিসি বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: পার্মানেন্ট কোর্ট অফ আরবিট্রেশন (PCA) বা স্থায়ী সালিসি আদালত।
- প্রতিষ্ঠা: ১৮৯৯ সালের প্রথম হেগ শান্তি সম্মেলনের মাধ্যমে এটি গঠিত হয় এবং ১৯০০ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
- সদর দপ্তর: নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরের পিস প্যালেস বা শান্তি প্রাসাদ।
- উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তি অনুসারে বিভিন্ন রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দক্ষিণ চীন সাগর বিরোধ
ব্যাখ্যা: ফিলিপাইন ও চীনের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্থায়ী সালিসি আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল এবং আদালত রায় প্রদান করেছিল।
উদাহরণ ২: ভারত ও বাংলাদেশ সমুদ্রসীমা বিরোধ
ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘদিনের সমুদ্রসীমা বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুত্ব বাড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি শহর যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) সদর দপ্তর অবস্থিত, তবে স্থায়ী সালিসি আদালত এখানে নেই।
B) লন্ডনে — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (IMO) সদর দপ্তর রয়েছে, কিন্তু স্থায়ী সালিসি আদালতের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো (UNESCO) এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, তবে স্থায়ী সালিসি আদালত প্যারিসে অবস্থিত নয়।
D) হেগে — এটি নেদারল্যান্ডসের প্রশাসনিক রাজধানী এবং এটি আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ) ও স্থায়ী সালিসি আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সালিসি আদালত বা বিচারালয় সংক্রান্ত বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সংস্থা সাধারণত নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- হেগ শহরটিকে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ও আইনের রাজধানী হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্থায়ী সালিসি আদালত এবং আন্তর্জাতিক আদালতের (ICJ) মধ্যে পার্থক্য মনে রাখা জরুরি, কারণ দুটিই হেগে অবস্থিত হলেও তাদের কাজের পরিধি ভিন্ন।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাভিত্তিক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) বেরিং
১. কেন সঠিক:
আমেরিকা মহাদেশকে এশিয়া মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে বেরিং প্রণালী। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের বোরিং সাগরকে উত্তর মহাসাগরের চুকচি সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ/অঞ্চল: রাশিয়ার সাইবেরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঞ্চলের মাঝে বেরিং প্রণালী অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: এই প্রণালীর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করেছে।
গুরুত্ব: ভৌগোলিক দিক থেকে এটি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করার পাশাপাশি দুই মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিব্রাল্টার প্রণালী।
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে, যেমনটি বেরিং প্রণালী এশিয়া ও আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
উদাহরণ ২: হরমুজ প্রণালী।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যা ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণে প্রণালীর গুরুত্ব বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্লোরিডা — এটি উত্তর আমেরিকার ফ্লোরিডা উপদ্বীপ এবং কিউবার মধ্যে অবস্থিত, এশিয়া ও আমেরিকার মাঝে নয়।
B) পাক — এটি ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে, যা এশিয়া মহাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
C) জিব্রাল্টার — এটি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে এবং ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
D) বেরিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এশিয়া ও আমেরিকার মাঝে অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
আমেরিকা ও এশিয়া আলাদা করেছে বেরিং, মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো এশিয়া থেকে আমেরিকায় যেতে বেরিং পার হতে হয়। প্রণালীগুলোর অবস্থান মনে রাখতে মানচিত্র চর্চা করা সবচেয়ে ভালো উপায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি ভৌগোলিক সীমারেখা এবং প্রণালী সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রণালী দুটির নাম বা সংযোগকারী মহাসাগর সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)