বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে টেকনিশিয়ান হেলপার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: টেকনিশিয়ান হেলপার (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (40)

a পাতা ভাসানো
b পাতা কুড়ানো
c ভাসাবাসা জ্ঞান
d বৃক্ষ
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাসাবাসা জ্ঞান ১. কেন সঠিক: 'পল্লবগ্রাহী' একটি চমৎকার শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ পাতা গ্রহণকারী হলেও রূপক অর্থে এর দ্বারা গভীর জ্ঞানের অভাব বা অগভীর জ্ঞানকে বোঝানো হয়। যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ের গভীরে না গিয়ে কেবল উপরিভাগের বা ভাসাভাসা তথ্য বা জ্ঞান অর্জন করেন, তাকেই এককথায় পল্লবগ্রাহী বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ এককথায় প্রকাশ এবং শব্দের অর্থ বা শব্দার্থের অন্তর্গত একটি বিষয়। শব্দটির উৎপত্তি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পল্লব অর্থ গাছের পাতা এবং গ্রাহী অর্থ গ্রহণকারী, যা একত্রে গাছের পাতা কুড়ানো বা সংগ্রহ করা বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গভীর পড়াশোনা না করে শুধু পরীক্ষার আগে নোট মুখস্থ করলে জ্ঞানের গভীরতা থাকে না, তাকে পল্লবগ্রাহী জ্ঞান বলা চলে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অগভীর বা ভাসাভাসা পড়াশোনা বোঝাতে পল্লবগ্রাহী শব্দটির প্রয়োগ অত্যন্ত যথাযথ হয়েছে। উদাহরণ ২: গবেষক হওয়ার জন্য তাত্ত্বিক বিষয়ে গভীর জ্ঞান থাকা আবশ্যক, পল্লবগ্রাহী মনোভাব নিয়ে বড় গবেষণা করা সম্ভব নয়। ব্যাখ্যা: এখানে গবেষণার ক্ষেত্রে ভাসাভাসা জ্ঞান বা অগভীর ধারণার অসারতা বোঝাতে উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাতা ভাসানো — এই অর্থটি সরাসরি শব্দের মূল উপাদানের ওপর ভিত্তি করে অনুমান করা হয়েছে কিন্তু এটি সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। B) পাতা কুড়ানো — এটি আক্ষরিক বা শব্দার্থের কাছাকাছি হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহিত হয় না কারণ এর রূপক অর্থ অগভীর জ্ঞান। D) বৃক্ষ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক কারণ পল্লব শব্দের অর্থ পাতা বা গাছের কচি ডাল হলেও পুরো শব্দটি বৃক্ষ বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: গাছের পাতায় কচি পাতা বা পল্লব থাকে যা ওপরে ওপরে থাকে, তাই পল্লবগ্রাহী মানে ওপরে ওপরে বা ভাসাভাসা জ্ঞান মনে রাখবে। এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে প্রায়শই রূপক বা প্রচলিত অর্থটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই এই ধরনের রূপক অর্থভিত্তিক প্রশ্ন এসে থাকে। শব্দার্থ পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থের পাশাপাশি তার অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a দৈর্ঘ্য
b ধীরতা
c ধীরস্থির
d স্থিরতা
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধীরতা ১. কেন সঠিক: 'ধীর' হলো একটি বিশেষণ পদ যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর শান্ত বা গম্ভীর স্বভাবকে বোঝায়। বিশেষণ পদকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার জন্য সাধারণত তার সঙ্গে 'তা' বা 'ত্ব' প্রত্যয় যুক্ত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, গুণ বা সমষ্টির নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। বিশেষণ পদ থেকে ভাববাচক বিশেষ্য গঠনের নিয়মে 'ধীর' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'ধীরতা' বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরল + তা = সরলতা ব্যাখ্যা: 'সরল' বিশেষণ পদের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য 'সরলতা' গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চঞ্চল + তা = চঞ্চলতা ব্যাখ্যা: 'চঞ্চল' বিশেষণ পদের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য 'চঞ্চলতা' গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৈর্ঘ্য — এটি 'দীর্ঘ' শব্দের বিশেষ্য রূপ, যার অর্থ লম্বা বা দীর্ঘ হওয়ার ভাব, তাই এটি 'ধীর' শব্দের বিশেষ্য নয়। B) ধীরতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'ধীর' শব্দের সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য হলো 'ধীরতা'। C) ধীরস্থির — এটি একটি সমাসবদ্ধ বিশেষণ পদ যা শান্ত ও স্থিতিশীল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এটি একক বিশেষ্য পদ নয়। D) স্থিরতা — এটি 'স্থির' শব্দের বিশেষ্য রূপ, যার অর্থ অবিচলতা বা অনড় অবস্থা, তাই এটি সরাসরি 'ধীর' শব্দের বিশেষ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষণ পদের শেষে 'তা' বা 'ত্ব' যোগ করে সাধারণত ভাববাচক বিশেষ্য তৈরি করা হয়। ধীর শব্দের ক্ষেত্রেও এই সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হয়ে ধীরতা গঠিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ পরিবর্তন বা বিশেষ্য-বিশেষণ রূপান্তর থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল প্রকৃতি ও প্রত্যয় ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a স্ফীত কান্ড
b মৌল কান্ড
c গুঁড়ি কন্দ
d কন্দ
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ফীত কান্ড ১. কেন সঠিক: - গোল আলু হলো উদ্ভিদের কান্ডের এক প্রকার রূপান্তর, যা মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত বা মোটা হয়ে যায়। - সাধারণ শিকড় বা মূলের সঙ্গে কান্ডের পার্থক্য হলো কান্ডে পর্ব, পর্বমধ্য ও মুকুল থাকে, যা আলুতে স্পষ্ট দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উদ্ভিদবিজ্ঞানের শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী কান্ডের রূপান্তর প্রধানত চার প্রকার যথা ভূনিম্নস্থ, অর্ধবায়বীয়, বায়বীয় ও পর্ণকান্ড। - গোল আলু ভূনিম্নস্থ কান্ডের একটি বিশেষ রূপ যা স্ফীত কান্ড বা টিউবার নামে পরিচিত এবং এর গায়ে থাকা চোখ বা কুঁড়ি থেকে নতুন গাছের জন্ম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওল ব্যাখ্যা: ওল এক ধরণের স্ফীত কান্ড বা ঘন কান্ড যা মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ ২: আদা ব্যাখ্যা: আদা হলো ভূনিম্নস্থ কান্ডের আরেকটি রূপ যা রাইজোম বা কন্দমূলের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ফীত কান্ড — গোল আলু মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত হয় বলে এটি সঠিক উত্তর। B) মৌল কান্ড — এটি উদ্ভিদের মূল বা কান্ডের সঠিক বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নয়। C) গুঁড়ি কন্দ — এটি কান্ডের অন্য একটি রূপ যেমন ওল বা কচুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, গোল আলুর ক্ষেত্রে নয়। D) কন্দ — কন্দ বা বাল্ব বলতে পেঁয়াজ বা রসুনকে বোঝায়, গোল আলুকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলুর গায়ে যে চোখ বা কুঁড়ি থাকে তা কান্ডের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে, তাই আলু সবসময় স্ফীত কান্ড হবে। - পেঁয়াজ হলো কন্দ আর আলু হলো স্ফীত কান্ড বা টিউবার, এই দুটি পরীক্ষার জন্য খুব ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ যেমন মূল ও কান্ডের রূপান্তর থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ এবং আলুর রূপান্তর ভালোভাবে পড়লে এই ধরণের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a মুনীর চৌধুরী
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d জহির রায়হান
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শহীদুল্লাহ কায়সার ১. কেন সঠিক: - 'সারেং বৌ' একটি বিখ্যাত বাংলা সামাজিক উপন্যাস যার রচয়িতা শহীদুল্লাহ কায়সার। - এই উপন্যাসে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং সাগরের সাথে মানুষের সম্পর্কের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী। - ১৯৬২ সালে প্রকাশিত 'সারেং বৌ' উপন্যাসটি তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকীর্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংশপ্তক ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: কুসুম ব্যাখ্যা: এটি 'সারেং বৌ' উপন্যাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক হলেও 'সারেং বৌ' উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাস্তবধর্মী উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। D) জহির রায়হান — তিনি বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও ঔপন্যাসিক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কায়সার সাহেবের 'সারেং' নিয়ে বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'সারেং বৌ'। - নদী ও সমুদ্রপারের মানুষের জীবন মনে রাখলে শহীদুল্লাহ কায়সার ও তার এই উপন্যাসটি সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উপন্যাস ও তাদের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের নামের সাথে তার প্রধান উপন্যাসগুলোর নাম মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
a ক্ষণজন্মা
b জাতিস্মর
c জাতিস্মর
d জাতিস্মর
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাতিস্মর ১. কেন সঠিক: - যার পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে, তাকে এককথায় জাতিস্মর বলা হয়। - এই শব্দটিতে অতীত জীবনের স্মৃতি বা জন্ম সংক্রান্ত ধারণার প্রকাশ ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি বহু বিষয় জানেন — বহুশ্রুত ব্যাখ্যা: যিনি অনেক বিষয় শুনেছেন বা জানেন তাকে এককথায় বহুশ্রুত বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি — অদৃষ্টপূর্ব ব্যাখ্যা: অতীতে ঘটেনি বা দেখা যায়নি এমন ঘটনাকে অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষণজন্মা — যে ক্ষণে জন্ম, অর্থাৎ বিশেষ ক্ষণে বা বিশেষ মহাপুরুষের জন্ম বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। B) জাতিস্মর — যার পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে, এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) জাতিস্মর — সঠিক উত্তরটি এখানে পুনরাবৃত্তি হয়েছে যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে যায়। D) জাতিস্মর — সঠিক উত্তরটি এখানেও পুনরাবৃত্তি হয়েছে যা সঠিক অর্থের নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - জাতি শব্দের অর্থ জন্ম এবং স্মর শব্দের অর্থ স্মরণ রাখা। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে জন্মের কথা স্মরণ রাখে সেই জাতিস্মর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এমন শব্দগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়।
a 1550-1558
b 1649-1660
c 1798-1832
d 1910-1936
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৮-১৮৩২ কেন সঠিক: ১৭৯৮ সালে উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং এস টি কোলরিজ এর যৌথ গ্রন্থ লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমেই মূলত সাহিত্যিক এই যুগের সূচনা হয়। ১৮৩২ সালে বিখ্যাত ঔপন্যাসিক স্যার ওয়াল্টার স্কটের মৃত্যু এবং ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রিফর্ম অ্যাক্ট পাস হওয়ার মধ্য দিয়ে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে। প্রকৃতিপ্রীতি, ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদ এবং কল্পনার প্রাধান্য এই যুগের প্রধান সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৫০-১৫৫৮ — এই সময়টি রেনেসাঁ বা এলিজাবেথীয় যুগের শুরুর আগের সময় এবং এটি টিউডার রাজবংশের শাসনকাল হিসেবে পরিচিত। B) ১৬৪৯-১৬৬০ — এই সময়টিকে ইংরেজ ইতিহাসের কমনওয়েলথ পিরিয়ড বা পিউরিটান ইন্টাররেগনাম বলা হয় যখন রাজতন্ত্র বাতিল ছিল। ডি) ১৯১০-১৯৩৬ — এই সময়কালটি আধুনিক যুগের জর্জিয়ান বা মডার্ন পিরিয়ড এর অন্তর্ভুক্ত যা অনেক পরের একটি সময়। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের সাল ১৭৯৮ থেকে শুরু করে ১৮৩২ সালের মধ্যে রোমান্টিক যুগ সীমাবদ্ধ ছিল।
a Carrot
b Potato
c Radish
d Brinjal
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Brinjal কেন সঠিক: Brinjal বা বেগুন হলো গাছের ফল যা মাটির উপরে জন্মায়। অন্য অপশনগুলোর মতো এটি মূল জাতীয় সবজি বা সবজির শিকড় নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carrot — এটি একটি মূল জাতীয় সবজি যা মাটির নিচে জন্মায়। B) Potato — এটি মাটির নিচে জন্মানো এক ধরণের কন্দ জাতীয় সবজি। C) Radish — এটিও মাটির নিচে জন্মানো একটি মূল জাতীয় সবজি। D) Brinjal — এটি মাটির উপরে গাছের ডালে ধরে এবং এর মধ্যে বীজ থাকে। মনে রাখার টিপস: মাটির নিচে জন্মায় এমন খাবারগুলো মূল বা কন্দ আর মাটির উপরে জন্মায় বেগুন জাতীয় ফল।
a ৮.৬২৫ টাকা
b ৬.৮২৫ টাকা
c ৭.৫০০ টাকা
d ৮.৯২৫ টাকা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮.৬২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: কথাবলার সময় = ৫ মিনিট প্রতি মিনিটের মূল্য = ১.৫০ টাকা ভ্যাটের হার = ১৫% ধরি, মূল বিল = ৫ × ১.৫০ টাকা মূল বিল = ৭.৫০ টাকা অতএব, ভ্যাটের পরিমাণ = ৭.৫০ এর ১৫% ভ্যাটের পরিমাণ = ৭.৫০ × ১৫ ÷ ১০০ টাকা ভ্যাটের পরিমাণ = ১.১২৫ টাকা সুতরাং, মোট বিল = মূল বিল + ভ্যাটের পরিমাণ মোট বিল = ৭.৫০ + ১.১২৫ টাকা উত্তর: ৮.৬২৫ টাকা
a ৮ ঃ ৪০
b ৬ ঃ ৪০
c ৭ ঃ ৪০
d ৯ ঃ ৪০
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ ঃ ৪০ প্রদত্ত তথ্য: আয়নায় দেখা সময় = ৩ : ২০ ধরি, প্রকৃত সময় বের করার নিয়ম হলো ১২ ঘণ্টা থেকে আয়নার সময় বিয়োগ করতে হবে। ১২ ঘণ্টা সমান ১১ ঘণ্টা ৬০ মিনিট। অতএব, ১১ ঘণ্টা ৬০ মিনিট − ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট ১১ থেকে ৩ বিয়োগ করলে হয় ৮ ঘণ্টা ৬০ থেকে ২০ বিয়োগ করলে হয় ৪০ মিনিট সুতরাং, প্রকৃত সময় হলো ৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিট উত্তর: ৮ ঃ ৪০
a 5
b 7
c 6
d 8
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রدত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১৭২, ৮৪, ৪০, ১৮ এবং শূন্যস্থান ধরি, প্রতিটি পদের মধ্যকার নিয়মতান্ত্রিক বিয়োগফল বা ভাগের সম্পর্ক খুঁজতে হবে অতএব, প্রথম পদ থেকে ৮৪ পেতে ১৭২ বিয়োগ ৪ হয়, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করলে ৮৪ হয় দ্বিতীয় পদ থেকে ৪০ পেতে ৮৪ বিয়োগ ৪ হয়, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করলে ৪০ হয় তৃতীয় পদ থেকে ১৮ পেতে ৪০ বিয়োগ ৪ হয়, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করলে ১৮ হয় সুতরাং, শেষ শূন্যস্থানের সংখ্যাটি পেতে ১৮ বিয়োগ ৪ হয়, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে উত্তর: ৭
a -7
b -2
c 5
d 7
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
5xy - 2y - 7 বীজগণিতীয় রাশিতে 'ধ্রুবক পদ' হলো -7 (বা ঋণাত্মক 7)। ব্যাখ্যা: বীজগণিতীয় রাশিতে যে পদের সাথে কোনো চলক (যেমন: x, y) যুক্ত থাকে না এবং যার মান অপরিবর্তনশীল থাকে, তাকে ধ্রুবক পদ বলা হয়। এখানে -7 পদটিতে কোনো চলক নেই।
a ৬৬,১৯৩ টাকা
b ৬৫,০০০ টাকা
c ৭০,৮৫০ টাকা
d ৭২,২০০ টাকা
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০,৮৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বেতন ৯% বৃদ্ধি পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু বেতন ১১% বৃদ্ধি পেয়েছে ধরি, মূল বেতন = ১০০ টাকা ৯% বৃদ্ধিতে গত মাসের বেতন = ১০৯ টাকা অতএব, ১১% বৃদ্ধিতে বর্তমান বেতন = ১১১ টাকা বেতনের পার্থক্যের শতকরা হার = ১১% − ৯% = ২% সুতরাং, ২% বৃদ্ধিতে অতিরিক্ত টাকা = ৭২,১৫০ − ৭০,৮৫০ = ১,৪৪৩ টাকা উত্তর: ৭০,৮৫০ টাকা
a প্রথমে কমে পরে বাড়ে
b প্রথমে বাড়ে পরে কমে
c অপরিবর্তিত থাকে
d কমে
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথমে কমে পরে বাড়ে প্রদত্ত তথ্য: পানির তাপমাত্রার পরিবর্তন শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস এই তাপমাত্রার মধ্যে পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণ ঘটে ধরি, তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পরিবর্তিত হয় তাপমাত্রা চার ডিগ্রি থেকে দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পরিবর্তিত হয় অতএব, শূন্য ডিগ্রি থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব বাড়তে থাকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি এবং আয়তন সবচেয়ে কম হয় চার ডিগ্রি থেকে দশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির তাপমাত্রা বাড়ালে আয়তন বাড়তে থাকে সুতরাং, তাপমাত্রা বাড়ানোর শুরুতে পানির আয়তন কমে যায় পরবর্তীতে তাপমাত্রা বাড়ানোর সাথে সাথে পানির আয়তন বাড়তে থাকে উত্তর: প্রথমে কমে পরে বাড়ে
a 12.8
b 11.8
c 14.8
d 15.8
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪.৮ প্রদত্ত তথ্য: ১০টি সংখ্যার যোগফল = ১১৮ প্রতিটি সংখ্যার সাথে যোগ করতে হবে = ৩ ধরি, ১০টি সংখ্যার বর্তমান মোট যোগফল = ১১৮ নতুন মোট যোগফল পেতে যোগ করতে হবে = ১০ × ৩ = ৩০ অতএব, নতুন মোট যোগফল = ১১৮ + ৩০ = ১৪৮ মোট সংখ্যার পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে = ১০ সুতরাং, নতুন গড় নির্ণয় করতে হবে = ১৪৮ ÷ ১০ উত্তর: ১৪.৮
a ৭, ১১, ১৩
b ৭, ১৩, ১১
c ১১, ১৩, ৭
d ১১, ৭, ১৩
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭, ১৩, ১১ প্রদত্ত তথ্য: ধরি তিনটি পরস্পর মৌলিক সংখ্যা ক, খ এবং গ প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল ক × খ = ৯১ শেষ দুটি সংখ্যার গুণফল খ × গ = ১৪৩ এখানে মাঝের সংখ্যাটি খ হলো প্রথম এবং শেষ গুণফলের সাধারণ উৎপাদক অতএব, খ হলো ৯১ এবং ১৪৩ এর গসাগু ৯১ এবং ১৪৩ এর গসাগু হলো ১৩ সুতরাং, প্রথম সংখ্যা ক = ৯১ ÷ ১৩ = ৭ তৃতীয় সংখ্যা গ = ১৪৩ ÷ ১৩ = ১১ উত্তর: সংখ্যা তিনটি হলো ৭, ১৩ এবং ১১
a জাপান
b কোরিয়া
c ভিয়েতনাম
d চীন
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - বিশ্বজুড়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে চীন বর্তমানে এককভাবে শীর্ষে অবস্থান করছে এবং তারা বিশাল আয়তনের সোলার পার্ক স্থাপন করেছে। - নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে সৌরশক্তি উৎপাদনে সরকারের ব্যাপক বিনিয়োগ ও নীতিগত সহায়তার কারণে চীন এই অবস্থান অর্জন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও মোট উৎপাদনের দিক থেকে চীনের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। B) কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়ার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ভালো হলেও তা বৈশ্বিক শীর্ষস্থান অর্জনের জন্য যথেষ্ট নয়। সি) ভিয়েতনাম — ভিয়েতনাম সাম্প্রতিক সময়ে সৌরশক্তিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করলেও শীর্ষ দেশের তালিকায় চীনই সবার উপরে। D) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমান বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী চীন সবচেয়ে বেশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে। মনে রাখার টিপস: সূর্য ও সৌরশক্তিতে সবার সেরা চীন দেশ।
a শুচিস্মিতা
b শুচিস্মতা
c শুচিস্মিতা
d শুচিস্মিতা
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শুচিস্মিতা কেন সঠিক: - শুচি শব্দের অর্থ পবিত্র এবং স্মিতা শব্দের অর্থ মৃদুহাসিনী বা মৃদু হাসিযুক্ত নারী। - এই দুটি শব্দ মিলে যে নারীর হাসি পবিত্র বা সুন্দর তাকে শুচিস্মিতা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুচিস্মিতা — এটি সঠিক উত্তরের বানান হলেও অপশনের বিন্যাসের কারণে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে। B) শুচিস্মতা — এই বানানের শেষের আকার ভুল আছে কারণ সঠিক শব্দটি হলো শুচিস্মিতা। C) শুচিস্মিতা — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) শুচিস্মিতা — এটিও সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হওয়ায় নির্দেশিত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শুচি অর্থ পবিত্র এবং স্মিতা অর্থ হাসি, তাই পবিত্র হাসি বোঝাতে শুচিস্মিতা শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a মসকনি
b এরাটোস্থেনিস
c আকারস্যান
d সিসি পার্ক
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এরাটোস্থেনিস কেন সঠিক: - প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত এরাটোস্থেনিস খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে প্রথম জিওগ্রাফিকা শব্দটি ব্যবহার করেন। - গ্রিক শব্দ জিও অর্থ পৃথিবী এবং গ্রাফি অর্থ বর্ণনা, যার মিলিত রূপ হলো ভূগোলের প্রথম ধারণা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মসকনি — ইনি ভূগোল বা এই শব্দটির নামকরণের সঙ্গে যুক্ত কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন। B) এরাটোস্থেনিস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি প্রথম জিওগ্রাফি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। C) আকারস্যান — এটি কোনো সঠিক ঐতিহাসিক বা ভূগোলবিদ নাম নয়, যা বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। D) সিসি পার্ক — ইনি ভূগোল শাস্ত্রের নামকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি নন। মনে রাখার টিপস: জিওগ্রাফি শব্দটির জনক এরাটোস্থেনিস, নামের আদ্যক্ষর মনে রেখে সহজেই এই তথ্যটি মনে রাখা যায়।
a UNDP
b DTCD
c UNFPA
d UNEP
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNDP কেন সঠিক: - UNDP হলো জাতিসংঘের বৈশ্বিক উন্নয়ন নেটওয়ার্ক যা কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম ও অন্যান্য সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। - এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিভিন্ন প্রকল্পের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পরিচালনা ও তদারকি করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি জাতিসংঘের প্রধান উন্নয়ন তহবিল এবং কারিগরি সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়ক। B) DTCD — এটি জাতিসংঘের তৎকালীন একটি বিভাগ ছিল, যা বর্তমানের উন্নয়ন কার্যক্রমের কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) UNFPA — এটি জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল, যা মূলত জনসংখ্যা ও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। D) UNEP — এটি জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি, যা বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও নীতিমালা নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: সমন্বয় বা পরিচালনার প্রধান কাজগুলোর দায়িত্ব সাধারণত উন্নয়ন কর্মসূচি অর্থাৎ UNDP এর ওপর ন্যস্ত থাকে।
a NATO
b NAM
c EU
d ASEAN
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) NAM কেন সঠিক: - জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন বা এনএএম-এর কোনো স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর নেই। - এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঘূর্ণন পদ্ধতিতে প্রতিবার সম্মেলনের আয়োজক দেশ চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) NATO — ন্যাটোর স্থায়ী সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। B) NAM — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভুল প্রয়োগ নেই। C) EU — ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থায়ী সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। D) ASEAN — আসিয়ানের স্থায়ী সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নিরপেক্ষ মানেই বাঁধনহীন, তাই এনএএম-এর কোনো নির্দিষ্ট সদর দপ্তর বা ঠিকানা নেই।
a পূর্বাহ্ণ
b পূর্বাহ্ন
c অপরাহ্ণ
d অপরাহ্ন
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পূর্বাহ্ন কেন সঠিক: - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী 'পূর্বাহ্ন' শব্দে হ এর নিচে ন যুক্ত আছে অর্থাৎ হ্ন যুক্তবর্ণ সঠিক। - দিনের পূর্বভাগ বোঝাতে ব্যাকরণগতভাবে হ এর নিচে ন যুক্ত রূপটিই প্রমিত ও সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্বাহ্ণ — এখানে হ এর সাথে ণ যুক্ত আছে যা বানানের নিয়মে ভুল। B) পূর্বাহ্ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) অপরাহ্ণ — এটি দিনের অপর ভাগ বা বিকালের সঠিক বানান নয় কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) অপরাহ্ন — এটি দিনের অপর ভাগ বা বিকালের সঠিক প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: মধ্যাহ্ন ও পূর্বাহ্ন শব্দে সর্বদা হ এর নিচে ন ব্যবহার করতে হয়।
a জালাল তালাবানী
b আবদুল্লাহ ওচালান
c মাজলুম আবদি
d মাসুদ বারজানী
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবদুল্লাহ ওচালান কেন সঠিক: - আবদুল্লাহ ওচালান ১৯৭৮ সালে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি তুরস্কের কুর্দি জনগণের অধিকার আদায়ের সশস্ত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জালাল তালাবানী — তিনি ইরাকের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং কুর্দিশ প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অফ কুর্দিস্তান দলের প্রতিষ্ঠাতা, পিকেকে এর নন। B) আবদুল্লাহ ওচালান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) মাজলুম আবদি — তিনি সিরীয় ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস বা এসডিএফ এর প্রধান সেনাপতি, তুরস্কের পিকেকে প্রতিষ্ঠাতা নন। D) মাসুদ বারজানী — তিনি ইরাকি কুর্দিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং কুর্দিস্তান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা। মনে রাখার টিপস: পিকেকে দলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন আবদুল্লাহ ওচালান, যা তুর্কি কুর্দি আন্দোলনের সাথে জড়িত।
a প্যারিস
b বেইজিং
c লন্ডন
d সিউল
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিউল কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট বা আইভিআই এর সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অবস্থিত। - উন্নয়নশীল দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মূল্যে টিকা গবেষণা ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই প্রতিষ্ঠান কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোসহ অনেক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর নয়। B) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের কেন্দ্র হলেও এই নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর এখানে নেই। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক বহু সংস্থার অবস্থানস্থল হলেও আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়। D) সিউল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউটের মূল কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: টিকা বা ভ্যাকসিনের জন্য কোরিয়ান সিউল চিনুন গোল।
a তথ্য মন্ত্রণালয়
b প্রেস কাউন্সিল
c বাংলাদেশ টেলিভিশন
d বিটিআরসি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রেস কাউন্সিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল দেশের প্রিন্ট মিডিয়া ও সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং নৈতিকতা রক্ষা করার প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা। - ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইনের মাধ্যমে এই স্বাধীন ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য মন্ত্রণালয় — এটি গণমাধ্যমের নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক তদারকি করে, তবে এটি সরাসরি সংবাদ মাধ্যম বা সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ ও প্রেস কোড বাস্তবায়নের নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়। B) প্রেস কাউন্সিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) বাংলাদেশ টেলিভিশন — এটি একটি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বা টেলিভিশন সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান, কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়। D) বিটিআরসি — এটি মূলত টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তরঙ্গ নিয়ন্ত্রক সংস্থা, প্রিন্ট মিডিয়ার নিয়ন্ত্রক নয়। মনে রাখার টিপস: সংবাদপত্র ও প্রেসের নৈতিকতা নিয়ন্ত্রণের প্রধান অভিভাবক হলো প্রেস কাউন্সিল।
a সালফার
b পটাশ
c কপার
d নাইট্রোজেন
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - বজ্রপাতের সময় উচ্চ তাপমাত্রার কারণে বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাস অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে। - এই নাইট্রিক অক্সাইড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নাইট্রিক অ্যাসিডে পরিণত হয় এবং মাটিতে পড়ে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন পুষ্টি বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফার — সালফার উদ্ভিদের একটি পুষ্টি উপাদান হলেও এটি মূলত খনিজ ও শিলা থেকে মাটিতে আসে, বজ্রবৃষ্টির সাথে এর কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। B) পটাশ — পটাশিয়াম বা পটাশ মাটির একটি প্রধান পুষ্টি উপাদান যা পটাশিয়ামযুক্ত খনিজ ও সারের মাধ্যমে মাটিতে বৃদ্ধি পায়। C) কপার — কপার উদ্ভিদের জন্য একটি অতি ক্ষুদ্র পুষ্টি উপাদান যা মাটির নিজস্ব উপাদানে বিদ্যমান থাকে, বজ্রবৃষ্টির কারণে এটি বাড়ে না। D) নাইট্রোজেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বজ্রপাতের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের মুক্ত নাইট্রোজেন মাটিতে দ্রবীভূত হয়ে উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য নাইট্রোজেন পুষ্টি বৃদ্ধি করে। মনে রাখার টিপস: বজ্রপাত মানেই আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো, আর এই বিদ্যুৎ চমকানোর মাধ্যমেই বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন মাটিতে মিশে গাছকে খাবার জোগায়।
a শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস
b জন্মহার শূন্যের কোটায় আনা
c জনসংখ্যার অধিকাংশ বেকার
d কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি কেন সঠিক: - ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ বলতে বোঝায় মোট জনসংখ্যার তুলনায় কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বেশি থাকা। - ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সি কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাত যখন নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর তুলনায় বৃদ্ধি পায়, তখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস — এটি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের নির্দেশক হলেও সরাসরি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বোঝায় না। B) জন্মহার শূন্যের কোটায় আনা — জন্মহার নিয়ন্ত্রণ জনমিতির অংশ হলেও এটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের মূল সংজ্ঞা নয়। C) জনসংখ্যার অধিকাংশ বেকার — বেকারত্ব জনমিতিক লভ্যাংশের বিপরীত অবস্থা, যা অর্থনীতির জন্য বোঝা স্বরূপ। D) কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি — এটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সঠিক সংজ্ঞা ও মূল শর্ত। মনে রাখার টিপস: ডিভিডেন্ড মানে লাভ, আর জনমিতিতে কর্মক্ষম হাতের সংখ্যা বেশি থাকাই হলো সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক লাভ।
a নীল চাষ
b সমুদ্র অর্থনীতি
c সুইমিংপুল
d নীল নদী
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্র অর্থনীতি কেন সঠিক: - ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি বলতে সমুদ্র সম্পদ টেকসইভাবে ব্যবহার করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বোঝায়। - এর মূল লক্ষ্য সমুদ্রের সম্পদ আহরণ ও সংরক্ষণ বজায় রেখে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল চাষ — এটি ব্লু ইকোনমির সাথে সম্পর্কিত নয় কারণ এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক কৃষিভিত্তিক শব্দ। B) সমুদ্র অর্থনীতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্লু ইকোনমি মূলত সমুদ্রের সম্পদ ব্যবহার সংক্রান্ত অর্থনীতি। C) সুইমিংপুল — এটি একটি কৃত্রিম সাঁতার কাটার জলাধার, যা জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সমুদ্র অর্থনীতির আওতাভুক্ত নয়। D) নীল নদী — এটি একটি ভৌগোলিক নদী, যা সামগ্রিক সমুদ্র অর্থনীতির ধারণার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ব্লু মানে নীল এবং সমুদ্রের পানি নীল দেখায়, তাই ব্লু ইকোনমি মানে সমুদ্র অর্থনীতি।
a রেলপথ মন্ত্রণালয়
b বাংলাদেশ রেলওয়ে
c সেতু কর্তৃপক্ষ
d ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড কেন সঠিক: - ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড বা ডিএমটিসিএল বাংলাদেশের মেট্রোরেল নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত একমাত্র সরকারি সংস্থা। - সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই কোম্পানিটি দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেলপথ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের সাধারণ রেলওয়ে নেটওয়ার্ক ও ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে, মেট্রোরেল এর আওতাধীন নয়। B) বাংলাদেশ রেলওয়ে — এটি দেশের প্রচলিত ট্রেন ও রেললাইন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত একটি সরকারি সংস্থা, মেট্রোরেল এর অধীনে পরিচালিত হয় না। সি) সেতু কর্তৃপক্ষ — এটি বড় বড় সেতু ও এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে, তবে মেট্রোরেলের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এর কোনো ভূমিকা নেই। D) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — এটিই মেট্রোরেল তত্ত্বাবধান ও পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে গঠিত একমাত্র অনুমোদিত কোম্পানি। মনে রাখার টিপস: মেট্রোরেল মানেই ঢাকার বিশেষ কোম্পানি, তাই সঠিক উত্তর হবে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড বা ডিএমটিসিএল।
a বান কি মুন
b আন্তোনিও গুতেরেস
c ড. ইউনূস
d কফি আনান
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আন্তোনিও গুতেরেস কেন সঠিক: - তিনি জাতিসংঘের বর্তমান এবং নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। - ২০১৭ সালের পয়লা জানুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান কি মুন — তিনি জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন এবং ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর তার মেয়াদ শেষ হয়। B) আন্তোনিও গুতেরেস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি বর্তমানে এই পদে আসীন আছেন। C) ড. ইউনূস — তিনি বাংলাদেশের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, জাতিসংঘের মহাসচিব নন। D) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন এবং ২০০৬ সালে তার মেয়াদ শেষ হয়। মনে রাখার টিপস: বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নামটি মনে রাখতে গু শব্দটির সাথে জাতিসংঘের বর্তমান পদের সংযোগ করতে পারেন।
a পঞ্চগড়
b ঠাকুরগাঁও
c দিনাজপুর
d লালমনিরহাট
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লালমনিরহাট কেন সঠিক: - বুড়িমারী স্থলবন্দর বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত। - এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চগড় — এটি পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত নয়, পঞ্চগড়ে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবস্থিত। B) ঠাকুরগাঁও — এটি ঠাকুরগাঁও জেলার কোনো স্থলবন্দর নয় এবং এখানে বুড়িমারী অবস্থিত নয়। C) দিনাজপুর — এটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত নয়, দিনাজপুরে হিলি স্থলবন্দর অবস্থিত। D) লালমনিরহাট — এটি সঠিক জেলা কারণ বুড়িমারী স্থলবন্দর এই অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: লাল রঙে লালমনিরহাট আর বড় মারামারি হয় বুড়িমারীতে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a আয়ারল্যান্ড
b ফ্রান্স
c জাপান
d ইংল্যান্ড
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - ১৯৭৮ সালের ২৫শে জুলাই ইংল্যান্ডের ওল্ডহ্যামে বিশ্বের প্রথম টেস্টটিউব বেবি লুই ব্রাউন জন্ম নেয়। - বিজ্ঞানী প্যাট্রিক স্টেপটো এবং রবার্ট এডওয়ার্ডস এই যুগান্তকারী চিকিৎসা বিজ্ঞানের সফলতা অর্জন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়ারল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এখানে প্রথম টেস্টটিউব বেবি জন্মায়নি। B) ফ্রান্স — এই দেশটি প্রথম টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তির জন্মস্থান নয়। জ) জাপান — এই দেশে প্রথম টেস্টটিউব বেবি সফলভাবে জন্মায়নি। D) ইংল্যান্ড — এই দেশেই বিশ্বের প্রথম টেস্টটিউব বেবি সফলভাবে জন্ম গ্রহণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: টেস্টটিউব বেবির ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের নাম মনে রাখতে, লুই ব্রাউনের জন্মস্থান হিসেবে ইংল্যান্ডকে প্রধান দেশ হিসেবে মাথায় রাখবে।
a স্তম্ভ মূল
b আরোহী মূল
c ঠেস মূল
d ভাসমান মূল
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্তম্ভ মূল কেন সঠিক: - বটগাছের শাখা থেকে অস্থানিক মূল বা ঝুড়ি সৃষ্টি হয়ে লম্বালম্বিভাবে নিচে নেমে মাটিতে প্রবেশ করে এবং গাছকে স্তম্ভের মতো সোজা রাখতে সাহায্য করে। - এই মূলগুলো প্রাথমিকভাবে ঝুলে থাকে এবং পরবর্তীতে মাটিতে পৌঁছে মোটা হয়ে গাছের বিশাল ও ভারী ডালপালার ভার বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্তম্ভ মূল — এটি বটগাছের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি গাছের ডালপালা থেকে নিচের দিকে নেমে মাটিতে স্তম্ভের রূপ নেয়। B) আরোহী মূল — পান বা গোলমরিচের মতো দুর্বল উদ্ভিদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যা অন্য কোনো অবলম্বনকে আঁকড়ে ধরে ওপরের দিকে ওঠে, বটগাছে এটি প্রযোজ্য নয়। C) ঠেস মূল — কেতকী বা ভুট্টার মতো গাছের মূল কাণ্ডের নিচ দিক থেকে তির্যকভাবে মাটিতে নেমে গাছকে ঠেকা দেয়, যা বটগাছের ঝুলন্ত মূল থেকে আলাদা। D) ভাসমান মূল — কচুরিপানার মতো জলজ উদ্ভিদের মূল যা পানিতে ভেসে থাকে এবং মাটিতে প্রবেশ করে না, যা স্থলজ বটগাছের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বটগাছের ঝুলে থাকা মূলগুলো মাটিতে নেমে স্তম্ভের মতো কাজ করে বলে এদের স্তম্ভ মূল বলা হয়।
a হেনরি বেকেরেল
b মাদাম কুরি
c রন্টজেন
d হেনরিক হার্জ
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেনরি বেকেরেল কেন সঠিক: - ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়াম লবণ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত একপ্রকার অদৃশ্য রশ্মি নির্গমন আবিষ্কার করেন। - এই আবিষ্কারটিই পরবর্তীতে তেজস্ক্রিয়তা বা রেডিওঅ্যাক্টিভিটি হিসেবে পরিচিত লাভ করে এবং এর জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেনরি বেকেরেল — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেছিলেন। B) মাদাম কুরি — তিনি ইউরেনিয়াম আকরিক থেকে রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার করেছিলেন এবং তেজস্ক্রিয়তা শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। C) রন্টজেন — তিনি এক্স-রে বা রন্টজেন রশ্মি আবিষ্কার করেছিলেন, ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা নয়। D) হেনরিক হার্জ — তিনি তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ বা রেডিও তরঙ্গের অস্তিত্ব প্রমাণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইউরেনিয়াম দেখলেই বেকেরেল মনে রাখবে, কারণ তিনি প্রথম এর তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেছিলেন।
a প্লেটো
b অ্যারিস্টটল
c থেলিস
d সক্রেটিস
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সক্রেটিস কেন সঠিক: - ‘Know Thyself’ বা নিজেকে জানো কথাটি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের বিখ্যাত দর্শন। - মানুষের আত্মোপলব্ধি এবং নৈতিক জ্ঞান অর্জনই এই বাণীর মূল শিক্ষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লেটো — ইনি সক্রেটিসের সুযোগ্য শিষ্য হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তার নয়। B) অ্যারিস্টটল — ইনি গ্রিক দার্শনিক ও বিজ্ঞানী হলেও এই উক্তির প্রবক্তা নন। C) থেলিস — ইনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক হলেও এই উক্তিটি তার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) সক্রেটিস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নিজেকে জানার মাধ্যমে দর্শন শুরু করেছিলেন সক্রেটিস।
a পত্রমূল
b পত্রমুকুল
c বৃত্ত
d ফলক
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পত্রমুকুল কেন সঠিক: - একটি সম্পূর্ণ ও আদর্শ পাতার প্রধানত তিনটি অংশ থাকে যথা পত্রমূল, বৃত্ত বা বোঁটা এবং পত্রফলক। - পত্রমুকুল পাতার অংশ নয়, এটি কাক্ষিক মুকুল হিসেবে শাখা বা ফুলের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পত্রমূল — এটি পাতার অংশ যা কান্ডের সাথে পাতাটিকে যুক্ত করে। B) পত্রমুকুল — এটি পাতার অংশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) বৃত্ত — এটি পাতার বোঁটা বা অংশ যা ফলককে ধরে রাখে। D) ফলক — এটি পাতার প্রশস্ত ও চ্যাপ্টা অংশ যা খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: আদর্শ পাতার অংশ তিনটি মনে রাখার সহজ শব্দ হলো মুবফল অর্থাৎ মূল, বৃত্ত ও ফলক।
a হীরক জয়ন্তী
b সুবর্ণ জয়ন্তী
c রজতজয়ন্তী
d প্লাটিনাম জয়ন্তী
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্লাটিনাম জয়ন্তী কেন সঠিক: - ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনকে আন্তর্জাতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক রীতি অনুযায়ী প্লাটিনাম জয়ন্তী বলা হয়। - সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠান, দেশ বা ব্যক্তির বিশেষ দিন বা বর্ষপূর্তিতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হীরক জয়ন্তী — এটি ৬০ বছর পূর্তি উদযাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই ৭৫ বছরের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। B) সুবর্ণ জয়ন্তী — এটি ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) রজতজয়ন্তী — এটি ২৫ বছর পূর্তি উদযাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ৭৫ বছরের সঠিক উত্তর নয়। D) প্লাটিনাম জয়ন্তী — এটি ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: রজত মানে ২৫, সুবর্ণ মানে ৫০, হীরক মানে ৬০ এবং প্লাটিনাম মানে ৭৫ বছর পূর্তি।
a পিনু
b কলি
c টমি
d রনি
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রনি কেন সঠিক: - প্রশ্নে বলা হয়েছে এটি রনির বাবার পরিবার, যেখানে জনি ও প্রমি ছাড়াও রনি নিজে একজন ভাই। - রনির বাবার তিন ছেলের মধ্যে বড় জনি ও মেঝ প্রমি হওয়ায় ছোট ছেলেটি অবশ্যই রনি নিজেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিনু — এটি এই পরিবারের কোনো সন্তানের নাম নয় এবং প্রশ্নের শর্তের বাইরে। B) কলি — এটি এই পরিবারের তিন ভাইয়ের তালিকার মধ্যে পড়ে না। C) টমি — এটি মানুষের নামের পরিবর্তে অন্য কিছু হতে পারে এবং প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়। D) রনি — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ রনির বাবা মানেই রনি সেই পরিবারের একজন সন্তান। মনে রাখার টিপস: প্রশ্নের শুরুতেই যার নাম থাকে, পরিবারের তিন ভাইয়ের মধ্যে শেষ নামটি সাধারণত তার নিজেরই হয়।
a শর্করা
b চর্বি
c আমিষ
d ভিটামিন
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শর্করা কেন সঠিক: - শর্করা দেহের প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে এবং প্রোটিনকে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার হতে বাধা দেয়। - শর্করা উপস্থিত থাকলে শরীর শক্তির জন্য আমিষ বা প্রোটিন ক্ষয় না করে শর্করার ওপর নির্ভর করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শর্করা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রোটিনকে শক্তি উৎপাদনের কাজ থেকে রক্ষা করে। B) চর্বি — এটি দেহের শক্তির সঞ্চয় ও তাপ রক্ষা করে, তবে প্রোটিন ক্ষয় রোধ করার মূল কাজটি মূলত শর্করার। C) আমিষ — এটি নিজেই দেহের ক্ষয়পূরণ ও গঠনের কাজ করে, তাই এটি প্রোটিন ক্ষয় রক্ষা করে না। D) ভিটামিন — এটি রোগ প্রতিরোধ ও বিপাকীয় ক্রিয়ায় সাহায্য করে, শক্তি উৎপাদনে বা প্রোটিন সংরক্ষণে সরাসরি কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: শর্করা জ্বালানি হিসেবে পুড়ে দেহকে শক্তি দেয়, ফলে প্রোটিন তার নিজস্ব গঠনের কাজ অক্ষুণ্ণ রাখতে পারে।
a ট্রিপসিন
b অ্যাকটিন
c ক্যাসেইন
d মায়োসিন
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যাসেইন কেন সঠিক: - ক্যাসেইন হলো দুধের প্রধান প্রোটিন উপাদান, যা দুধে ফসফোপ্রোপ্রোটিন হিসেবে উপস্থিত থাকে এবং এর জন্যই দুধের রঙ সাদা দেখায়। - মানুষের শরীর এই প্রোটিন খুব সহজেই পরিপাক করতে পারে এবং এটি দুধে থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের উৎস হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রিপসিন — এটি দুধে থাকে না, এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হওয়া একটি প্রোটিন পরিপাককারী বা প্রোটিলাইটিক এনজাইম। B) অ্যাকটিন — এটি দুধের প্রোটিন নয়, এটি পেশি সংকোচন ও প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত একটি প্রধান ফাইব্রাস প্রোটিন। C) ক্যাসেইন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা দুধে পাওয়া যায় এবং প্রোটিনের মূল উৎস হিসেবে কাজ করে। D) মায়োসিন — এটি দুধের প্রোটিন নয়, এটিও পেশিতে থাকা একটি সংকোচনশীল প্রোটিন যা পেশি গঠনে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: দুধের প্রোটিন মনে রাখতে ক্যাসেইন শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ ক অক্ষরটি দিয়ে দুধের প্রধান প্রোটিন এবং সাদা রঙ উভয়কেই সহজে মেলানো যায়।
a সাহিত্যিক
b কবি
c বৈজ্ঞানিক
d শিল্পী
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৈজ্ঞানিক কেন সঠিক: - জুলিও কুরী ছিলেন একজন বিশ্বখ্যাত ফরাসি পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ যিনি তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা করেন। - তিনি ও তাঁর স্ত্রী আইরিন জুলিও কুরী যৌথভাবে ১৯৩৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহিত্যিক — জুলিও কুরী সাহিত্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাই এটি সঠিক নয়। B) কবি — তিনি কোনো কাব্যচর্চা বা সাহিত্যকর্মের সঙ্গে পরিচিত নন। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের প্রযোজ্যতা নেই। D) শিল্পী — তিনি চিত্রশিল্প বা অন্য কোনো শিল্পকলা চর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জুলিও কুরী নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ছিলেন, তাই তাঁর নামের সঙ্গে বিজ্ঞান বা বৈজ্ঞানিক শব্দটি যুক্ত।

মোট প্রশ্ন (5)

a পাতা ভাসানো
b পাতা কুড়ানো
c ভাসাবাসা জ্ঞান
d বৃক্ষ
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাসাবাসা জ্ঞান ১. কেন সঠিক: 'পল্লবগ্রাহী' একটি চমৎকার শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ পাতা গ্রহণকারী হলেও রূপক অর্থে এর দ্বারা গভীর জ্ঞানের অভাব বা অগভীর জ্ঞানকে বোঝানো হয়। যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ের গভীরে না গিয়ে কেবল উপরিভাগের বা ভাসাভাসা তথ্য বা জ্ঞান অর্জন করেন, তাকেই এককথায় পল্লবগ্রাহী বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ এককথায় প্রকাশ এবং শব্দের অর্থ বা শব্দার্থের অন্তর্গত একটি বিষয়। শব্দটির উৎপত্তি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পল্লব অর্থ গাছের পাতা এবং গ্রাহী অর্থ গ্রহণকারী, যা একত্রে গাছের পাতা কুড়ানো বা সংগ্রহ করা বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গভীর পড়াশোনা না করে শুধু পরীক্ষার আগে নোট মুখস্থ করলে জ্ঞানের গভীরতা থাকে না, তাকে পল্লবগ্রাহী জ্ঞান বলা চলে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অগভীর বা ভাসাভাসা পড়াশোনা বোঝাতে পল্লবগ্রাহী শব্দটির প্রয়োগ অত্যন্ত যথাযথ হয়েছে। উদাহরণ ২: গবেষক হওয়ার জন্য তাত্ত্বিক বিষয়ে গভীর জ্ঞান থাকা আবশ্যক, পল্লবগ্রাহী মনোভাব নিয়ে বড় গবেষণা করা সম্ভব নয়। ব্যাখ্যা: এখানে গবেষণার ক্ষেত্রে ভাসাভাসা জ্ঞান বা অগভীর ধারণার অসারতা বোঝাতে উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাতা ভাসানো — এই অর্থটি সরাসরি শব্দের মূল উপাদানের ওপর ভিত্তি করে অনুমান করা হয়েছে কিন্তু এটি সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। B) পাতা কুড়ানো — এটি আক্ষরিক বা শব্দার্থের কাছাকাছি হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহিত হয় না কারণ এর রূপক অর্থ অগভীর জ্ঞান। D) বৃক্ষ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক কারণ পল্লব শব্দের অর্থ পাতা বা গাছের কচি ডাল হলেও পুরো শব্দটি বৃক্ষ বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: গাছের পাতায় কচি পাতা বা পল্লব থাকে যা ওপরে ওপরে থাকে, তাই পল্লবগ্রাহী মানে ওপরে ওপরে বা ভাসাভাসা জ্ঞান মনে রাখবে। এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে প্রায়শই রূপক বা প্রচলিত অর্থটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই এই ধরনের রূপক অর্থভিত্তিক প্রশ্ন এসে থাকে। শব্দার্থ পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থের পাশাপাশি তার অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a দৈর্ঘ্য
b ধীরতা
c ধীরস্থির
d স্থিরতা
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধীরতা ১. কেন সঠিক: 'ধীর' হলো একটি বিশেষণ পদ যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর শান্ত বা গম্ভীর স্বভাবকে বোঝায়। বিশেষণ পদকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার জন্য সাধারণত তার সঙ্গে 'তা' বা 'ত্ব' প্রত্যয় যুক্ত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, গুণ বা সমষ্টির নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। বিশেষণ পদ থেকে ভাববাচক বিশেষ্য গঠনের নিয়মে 'ধীর' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'ধীরতা' বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরল + তা = সরলতা ব্যাখ্যা: 'সরল' বিশেষণ পদের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য 'সরলতা' গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চঞ্চল + তা = চঞ্চলতা ব্যাখ্যা: 'চঞ্চল' বিশেষণ পদের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য 'চঞ্চলতা' গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৈর্ঘ্য — এটি 'দীর্ঘ' শব্দের বিশেষ্য রূপ, যার অর্থ লম্বা বা দীর্ঘ হওয়ার ভাব, তাই এটি 'ধীর' শব্দের বিশেষ্য নয়। B) ধীরতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'ধীর' শব্দের সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য হলো 'ধীরতা'। C) ধীরস্থির — এটি একটি সমাসবদ্ধ বিশেষণ পদ যা শান্ত ও স্থিতিশীল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এটি একক বিশেষ্য পদ নয়। D) স্থিরতা — এটি 'স্থির' শব্দের বিশেষ্য রূপ, যার অর্থ অবিচলতা বা অনড় অবস্থা, তাই এটি সরাসরি 'ধীর' শব্দের বিশেষ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষণ পদের শেষে 'তা' বা 'ত্ব' যোগ করে সাধারণত ভাববাচক বিশেষ্য তৈরি করা হয়। ধীর শব্দের ক্ষেত্রেও এই সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হয়ে ধীরতা গঠিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ পরিবর্তন বা বিশেষ্য-বিশেষণ রূপান্তর থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল প্রকৃতি ও প্রত্যয় ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a মুনীর চৌধুরী
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d জহির রায়হান
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শহীদুল্লাহ কায়সার ১. কেন সঠিক: - 'সারেং বৌ' একটি বিখ্যাত বাংলা সামাজিক উপন্যাস যার রচয়িতা শহীদুল্লাহ কায়সার। - এই উপন্যাসে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং সাগরের সাথে মানুষের সম্পর্কের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী। - ১৯৬২ সালে প্রকাশিত 'সারেং বৌ' উপন্যাসটি তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকীর্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংশপ্তক ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: কুসুম ব্যাখ্যা: এটি 'সারেং বৌ' উপন্যাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক হলেও 'সারেং বৌ' উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাস্তবধর্মী উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। D) জহির রায়হান — তিনি বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও ঔপন্যাসিক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কায়সার সাহেবের 'সারেং' নিয়ে বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'সারেং বৌ'। - নদী ও সমুদ্রপারের মানুষের জীবন মনে রাখলে শহীদুল্লাহ কায়সার ও তার এই উপন্যাসটি সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উপন্যাস ও তাদের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের নামের সাথে তার প্রধান উপন্যাসগুলোর নাম মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
a স্ফীত কান্ড
b মৌল কান্ড
c গুঁড়ি কন্দ
d কন্দ
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ফীত কান্ড ১. কেন সঠিক: - গোল আলু হলো উদ্ভিদের কান্ডের এক প্রকার রূপান্তর, যা মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত বা মোটা হয়ে যায়। - সাধারণ শিকড় বা মূলের সঙ্গে কান্ডের পার্থক্য হলো কান্ডে পর্ব, পর্বমধ্য ও মুকুল থাকে, যা আলুতে স্পষ্ট দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উদ্ভিদবিজ্ঞানের শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী কান্ডের রূপান্তর প্রধানত চার প্রকার যথা ভূনিম্নস্থ, অর্ধবায়বীয়, বায়বীয় ও পর্ণকান্ড। - গোল আলু ভূনিম্নস্থ কান্ডের একটি বিশেষ রূপ যা স্ফীত কান্ড বা টিউবার নামে পরিচিত এবং এর গায়ে থাকা চোখ বা কুঁড়ি থেকে নতুন গাছের জন্ম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওল ব্যাখ্যা: ওল এক ধরণের স্ফীত কান্ড বা ঘন কান্ড যা মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ ২: আদা ব্যাখ্যা: আদা হলো ভূনিম্নস্থ কান্ডের আরেকটি রূপ যা রাইজোম বা কন্দমূলের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ফীত কান্ড — গোল আলু মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত হয় বলে এটি সঠিক উত্তর। B) মৌল কান্ড — এটি উদ্ভিদের মূল বা কান্ডের সঠিক বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নয়। C) গুঁড়ি কন্দ — এটি কান্ডের অন্য একটি রূপ যেমন ওল বা কচুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, গোল আলুর ক্ষেত্রে নয়। D) কন্দ — কন্দ বা বাল্ব বলতে পেঁয়াজ বা রসুনকে বোঝায়, গোল আলুকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলুর গায়ে যে চোখ বা কুঁড়ি থাকে তা কান্ডের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে, তাই আলু সবসময় স্ফীত কান্ড হবে। - পেঁয়াজ হলো কন্দ আর আলু হলো স্ফীত কান্ড বা টিউবার, এই দুটি পরীক্ষার জন্য খুব ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ যেমন মূল ও কান্ডের রূপান্তর থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ এবং আলুর রূপান্তর ভালোভাবে পড়লে এই ধরণের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a ক্ষণজন্মা
b জাতিস্মর
c জাতিস্মর
d জাতিস্মর
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাতিস্মর ১. কেন সঠিক: - যার পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে, তাকে এককথায় জাতিস্মর বলা হয়। - এই শব্দটিতে অতীত জীবনের স্মৃতি বা জন্ম সংক্রান্ত ধারণার প্রকাশ ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি বহু বিষয় জানেন — বহুশ্রুত ব্যাখ্যা: যিনি অনেক বিষয় শুনেছেন বা জানেন তাকে এককথায় বহুশ্রুত বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি — অদৃষ্টপূর্ব ব্যাখ্যা: অতীতে ঘটেনি বা দেখা যায়নি এমন ঘটনাকে অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষণজন্মা — যে ক্ষণে জন্ম, অর্থাৎ বিশেষ ক্ষণে বা বিশেষ মহাপুরুষের জন্ম বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। B) জাতিস্মর — যার পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে, এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) জাতিস্মর — সঠিক উত্তরটি এখানে পুনরাবৃত্তি হয়েছে যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে যায়। D) জাতিস্মর — সঠিক উত্তরটি এখানেও পুনরাবৃত্তি হয়েছে যা সঠিক অর্থের নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - জাতি শব্দের অর্থ জন্ম এবং স্মর শব্দের অর্থ স্মরণ রাখা। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে জন্মের কথা স্মরণ রাখে সেই জাতিস্মর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এমন শব্দগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়।

মোট প্রশ্ন (2)

a 1550-1558
b 1649-1660
c 1798-1832
d 1910-1936
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৮-১৮৩২ কেন সঠিক: ১৭৯৮ সালে উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং এস টি কোলরিজ এর যৌথ গ্রন্থ লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমেই মূলত সাহিত্যিক এই যুগের সূচনা হয়। ১৮৩২ সালে বিখ্যাত ঔপন্যাসিক স্যার ওয়াল্টার স্কটের মৃত্যু এবং ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রিফর্ম অ্যাক্ট পাস হওয়ার মধ্য দিয়ে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে। প্রকৃতিপ্রীতি, ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদ এবং কল্পনার প্রাধান্য এই যুগের প্রধান সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৫০-১৫৫৮ — এই সময়টি রেনেসাঁ বা এলিজাবেথীয় যুগের শুরুর আগের সময় এবং এটি টিউডার রাজবংশের শাসনকাল হিসেবে পরিচিত। B) ১৬৪৯-১৬৬০ — এই সময়টিকে ইংরেজ ইতিহাসের কমনওয়েলথ পিরিয়ড বা পিউরিটান ইন্টাররেগনাম বলা হয় যখন রাজতন্ত্র বাতিল ছিল। ডি) ১৯১০-১৯৩৬ — এই সময়কালটি আধুনিক যুগের জর্জিয়ান বা মডার্ন পিরিয়ড এর অন্তর্ভুক্ত যা অনেক পরের একটি সময়। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের সাল ১৭৯৮ থেকে শুরু করে ১৮৩২ সালের মধ্যে রোমান্টিক যুগ সীমাবদ্ধ ছিল।
a Carrot
b Potato
c Radish
d Brinjal
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Brinjal কেন সঠিক: Brinjal বা বেগুন হলো গাছের ফল যা মাটির উপরে জন্মায়। অন্য অপশনগুলোর মতো এটি মূল জাতীয় সবজি বা সবজির শিকড় নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carrot — এটি একটি মূল জাতীয় সবজি যা মাটির নিচে জন্মায়। B) Potato — এটি মাটির নিচে জন্মানো এক ধরণের কন্দ জাতীয় সবজি। C) Radish — এটিও মাটির নিচে জন্মানো একটি মূল জাতীয় সবজি। D) Brinjal — এটি মাটির উপরে গাছের ডালে ধরে এবং এর মধ্যে বীজ থাকে। মনে রাখার টিপস: মাটির নিচে জন্মায় এমন খাবারগুলো মূল বা কন্দ আর মাটির উপরে জন্মায় বেগুন জাতীয় ফল।

মোট প্রশ্ন (8)

a ৬৬,১৯৩ টাকা
b ৬৫,০০০ টাকা
c ৭০,৮৫০ টাকা
d ৭২,২০০ টাকা
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০,৮৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বেতন ৯% বৃদ্ধি পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু বেতন ১১% বৃদ্ধি পেয়েছে ধরি, মূল বেতন = ১০০ টাকা ৯% বৃদ্ধিতে গত মাসের বেতন = ১০৯ টাকা অতএব, ১১% বৃদ্ধিতে বর্তমান বেতন = ১১১ টাকা বেতনের পার্থক্যের শতকরা হার = ১১% − ৯% = ২% সুতরাং, ২% বৃদ্ধিতে অতিরিক্ত টাকা = ৭২,১৫০ − ৭০,৮৫০ = ১,৪৪৩ টাকা উত্তর: ৭০,৮৫০ টাকা
a ৮.৬২৫ টাকা
b ৬.৮২৫ টাকা
c ৭.৫০০ টাকা
d ৮.৯২৫ টাকা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮.৬২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: কথাবলার সময় = ৫ মিনিট প্রতি মিনিটের মূল্য = ১.৫০ টাকা ভ্যাটের হার = ১৫% ধরি, মূল বিল = ৫ × ১.৫০ টাকা মূল বিল = ৭.৫০ টাকা অতএব, ভ্যাটের পরিমাণ = ৭.৫০ এর ১৫% ভ্যাটের পরিমাণ = ৭.৫০ × ১৫ ÷ ১০০ টাকা ভ্যাটের পরিমাণ = ১.১২৫ টাকা সুতরাং, মোট বিল = মূল বিল + ভ্যাটের পরিমাণ মোট বিল = ৭.৫০ + ১.১২৫ টাকা উত্তর: ৮.৬২৫ টাকা
a ৭, ১১, ১৩
b ৭, ১৩, ১১
c ১১, ১৩, ৭
d ১১, ৭, ১৩
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭, ১৩, ১১ প্রদত্ত তথ্য: ধরি তিনটি পরস্পর মৌলিক সংখ্যা ক, খ এবং গ প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল ক × খ = ৯১ শেষ দুটি সংখ্যার গুণফল খ × গ = ১৪৩ এখানে মাঝের সংখ্যাটি খ হলো প্রথম এবং শেষ গুণফলের সাধারণ উৎপাদক অতএব, খ হলো ৯১ এবং ১৪৩ এর গসাগু ৯১ এবং ১৪৩ এর গসাগু হলো ১৩ সুতরাং, প্রথম সংখ্যা ক = ৯১ ÷ ১৩ = ৭ তৃতীয় সংখ্যা গ = ১৪৩ ÷ ১৩ = ১১ উত্তর: সংখ্যা তিনটি হলো ৭, ১৩ এবং ১১
a 12.8
b 11.8
c 14.8
d 15.8
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪.৮ প্রদত্ত তথ্য: ১০টি সংখ্যার যোগফল = ১১৮ প্রতিটি সংখ্যার সাথে যোগ করতে হবে = ৩ ধরি, ১০টি সংখ্যার বর্তমান মোট যোগফল = ১১৮ নতুন মোট যোগফল পেতে যোগ করতে হবে = ১০ × ৩ = ৩০ অতএব, নতুন মোট যোগফল = ১১৮ + ৩০ = ১৪৮ মোট সংখ্যার পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে = ১০ সুতরাং, নতুন গড় নির্ণয় করতে হবে = ১৪৮ ÷ ১০ উত্তর: ১৪.৮
a প্রথমে কমে পরে বাড়ে
b প্রথমে বাড়ে পরে কমে
c অপরিবর্তিত থাকে
d কমে
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথমে কমে পরে বাড়ে প্রদত্ত তথ্য: পানির তাপমাত্রার পরিবর্তন শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস এই তাপমাত্রার মধ্যে পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণ ঘটে ধরি, তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পরিবর্তিত হয় তাপমাত্রা চার ডিগ্রি থেকে দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পরিবর্তিত হয় অতএব, শূন্য ডিগ্রি থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব বাড়তে থাকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি এবং আয়তন সবচেয়ে কম হয় চার ডিগ্রি থেকে দশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির তাপমাত্রা বাড়ালে আয়তন বাড়তে থাকে সুতরাং, তাপমাত্রা বাড়ানোর শুরুতে পানির আয়তন কমে যায় পরবর্তীতে তাপমাত্রা বাড়ানোর সাথে সাথে পানির আয়তন বাড়তে থাকে উত্তর: প্রথমে কমে পরে বাড়ে
a -7
b -2
c 5
d 7
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
5xy - 2y - 7 বীজগণিতীয় রাশিতে 'ধ্রুবক পদ' হলো -7 (বা ঋণাত্মক 7)। ব্যাখ্যা: বীজগণিতীয় রাশিতে যে পদের সাথে কোনো চলক (যেমন: x, y) যুক্ত থাকে না এবং যার মান অপরিবর্তনশীল থাকে, তাকে ধ্রুবক পদ বলা হয়। এখানে -7 পদটিতে কোনো চলক নেই।
a ৮ ঃ ৪০
b ৬ ঃ ৪০
c ৭ ঃ ৪০
d ৯ ঃ ৪০
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ ঃ ৪০ প্রদত্ত তথ্য: আয়নায় দেখা সময় = ৩ : ২০ ধরি, প্রকৃত সময় বের করার নিয়ম হলো ১২ ঘণ্টা থেকে আয়নার সময় বিয়োগ করতে হবে। ১২ ঘণ্টা সমান ১১ ঘণ্টা ৬০ মিনিট। অতএব, ১১ ঘণ্টা ৬০ মিনিট − ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট ১১ থেকে ৩ বিয়োগ করলে হয় ৮ ঘণ্টা ৬০ থেকে ২০ বিয়োগ করলে হয় ৪০ মিনিট সুতরাং, প্রকৃত সময় হলো ৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিট উত্তর: ৮ ঃ ৪০
a 5
b 7
c 6
d 8
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রدত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১৭২, ৮৪, ৪০, ১৮ এবং শূন্যস্থান ধরি, প্রতিটি পদের মধ্যকার নিয়মতান্ত্রিক বিয়োগফল বা ভাগের সম্পর্ক খুঁজতে হবে অতএব, প্রথম পদ থেকে ৮৪ পেতে ১৭২ বিয়োগ ৪ হয়, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করলে ৮৪ হয় দ্বিতীয় পদ থেকে ৪০ পেতে ৮৪ বিয়োগ ৪ হয়, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করলে ৪০ হয় তৃতীয় পদ থেকে ১৮ পেতে ৪০ বিয়োগ ৪ হয়, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করলে ১৮ হয় সুতরাং, শেষ শূন্যস্থানের সংখ্যাটি পেতে ১৮ বিয়োগ ৪ হয়, তাকে ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে উত্তর: ৭

মোট প্রশ্ন (25)

a রেলপথ মন্ত্রণালয়
b বাংলাদেশ রেলওয়ে
c সেতু কর্তৃপক্ষ
d ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড কেন সঠিক: - ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড বা ডিএমটিসিএল বাংলাদেশের মেট্রোরেল নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত একমাত্র সরকারি সংস্থা। - সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই কোম্পানিটি দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেলপথ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের সাধারণ রেলওয়ে নেটওয়ার্ক ও ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে, মেট্রোরেল এর আওতাধীন নয়। B) বাংলাদেশ রেলওয়ে — এটি দেশের প্রচলিত ট্রেন ও রেললাইন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত একটি সরকারি সংস্থা, মেট্রোরেল এর অধীনে পরিচালিত হয় না। সি) সেতু কর্তৃপক্ষ — এটি বড় বড় সেতু ও এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে, তবে মেট্রোরেলের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এর কোনো ভূমিকা নেই। D) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — এটিই মেট্রোরেল তত্ত্বাবধান ও পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে গঠিত একমাত্র অনুমোদিত কোম্পানি। মনে রাখার টিপস: মেট্রোরেল মানেই ঢাকার বিশেষ কোম্পানি, তাই সঠিক উত্তর হবে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড বা ডিএমটিসিএল।
a শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস
b জন্মহার শূন্যের কোটায় আনা
c জনসংখ্যার অধিকাংশ বেকার
d কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি কেন সঠিক: - ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ বলতে বোঝায় মোট জনসংখ্যার তুলনায় কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বেশি থাকা। - ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সি কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাত যখন নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর তুলনায় বৃদ্ধি পায়, তখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস — এটি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের নির্দেশক হলেও সরাসরি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বোঝায় না। B) জন্মহার শূন্যের কোটায় আনা — জন্মহার নিয়ন্ত্রণ জনমিতির অংশ হলেও এটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের মূল সংজ্ঞা নয়। C) জনসংখ্যার অধিকাংশ বেকার — বেকারত্ব জনমিতিক লভ্যাংশের বিপরীত অবস্থা, যা অর্থনীতির জন্য বোঝা স্বরূপ। D) কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি — এটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সঠিক সংজ্ঞা ও মূল শর্ত। মনে রাখার টিপস: ডিভিডেন্ড মানে লাভ, আর জনমিতিতে কর্মক্ষম হাতের সংখ্যা বেশি থাকাই হলো সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক লাভ।
a জাপান
b কোরিয়া
c ভিয়েতনাম
d চীন
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - বিশ্বজুড়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে চীন বর্তমানে এককভাবে শীর্ষে অবস্থান করছে এবং তারা বিশাল আয়তনের সোলার পার্ক স্থাপন করেছে। - নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে সৌরশক্তি উৎপাদনে সরকারের ব্যাপক বিনিয়োগ ও নীতিগত সহায়তার কারণে চীন এই অবস্থান অর্জন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও মোট উৎপাদনের দিক থেকে চীনের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। B) কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়ার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ভালো হলেও তা বৈশ্বিক শীর্ষস্থান অর্জনের জন্য যথেষ্ট নয়। সি) ভিয়েতনাম — ভিয়েতনাম সাম্প্রতিক সময়ে সৌরশক্তিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করলেও শীর্ষ দেশের তালিকায় চীনই সবার উপরে। D) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমান বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী চীন সবচেয়ে বেশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে। মনে রাখার টিপস: সূর্য ও সৌরশক্তিতে সবার সেরা চীন দেশ।
a শুচিস্মিতা
b শুচিস্মতা
c শুচিস্মিতা
d শুচিস্মিতা
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শুচিস্মিতা কেন সঠিক: - শুচি শব্দের অর্থ পবিত্র এবং স্মিতা শব্দের অর্থ মৃদুহাসিনী বা মৃদু হাসিযুক্ত নারী। - এই দুটি শব্দ মিলে যে নারীর হাসি পবিত্র বা সুন্দর তাকে শুচিস্মিতা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুচিস্মিতা — এটি সঠিক উত্তরের বানান হলেও অপশনের বিন্যাসের কারণে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে। B) শুচিস্মতা — এই বানানের শেষের আকার ভুল আছে কারণ সঠিক শব্দটি হলো শুচিস্মিতা। C) শুচিস্মিতা — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) শুচিস্মিতা — এটিও সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হওয়ায় নির্দেশিত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শুচি অর্থ পবিত্র এবং স্মিতা অর্থ হাসি, তাই পবিত্র হাসি বোঝাতে শুচিস্মিতা শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a মসকনি
b এরাটোস্থেনিস
c আকারস্যান
d সিসি পার্ক
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এরাটোস্থেনিস কেন সঠিক: - প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত এরাটোস্থেনিস খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে প্রথম জিওগ্রাফিকা শব্দটি ব্যবহার করেন। - গ্রিক শব্দ জিও অর্থ পৃথিবী এবং গ্রাফি অর্থ বর্ণনা, যার মিলিত রূপ হলো ভূগোলের প্রথম ধারণা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মসকনি — ইনি ভূগোল বা এই শব্দটির নামকরণের সঙ্গে যুক্ত কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন। B) এরাটোস্থেনিস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি প্রথম জিওগ্রাফি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। C) আকারস্যান — এটি কোনো সঠিক ঐতিহাসিক বা ভূগোলবিদ নাম নয়, যা বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। D) সিসি পার্ক — ইনি ভূগোল শাস্ত্রের নামকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি নন। মনে রাখার টিপস: জিওগ্রাফি শব্দটির জনক এরাটোস্থেনিস, নামের আদ্যক্ষর মনে রেখে সহজেই এই তথ্যটি মনে রাখা যায়।
a UNDP
b DTCD
c UNFPA
d UNEP
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNDP কেন সঠিক: - UNDP হলো জাতিসংঘের বৈশ্বিক উন্নয়ন নেটওয়ার্ক যা কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম ও অন্যান্য সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। - এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিভিন্ন প্রকল্পের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পরিচালনা ও তদারকি করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি জাতিসংঘের প্রধান উন্নয়ন তহবিল এবং কারিগরি সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়ক। B) DTCD — এটি জাতিসংঘের তৎকালীন একটি বিভাগ ছিল, যা বর্তমানের উন্নয়ন কার্যক্রমের কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) UNFPA — এটি জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল, যা মূলত জনসংখ্যা ও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। D) UNEP — এটি জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি, যা বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও নীতিমালা নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: সমন্বয় বা পরিচালনার প্রধান কাজগুলোর দায়িত্ব সাধারণত উন্নয়ন কর্মসূচি অর্থাৎ UNDP এর ওপর ন্যস্ত থাকে।
a NATO
b NAM
c EU
d ASEAN
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) NAM কেন সঠিক: - জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন বা এনএএম-এর কোনো স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর নেই। - এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঘূর্ণন পদ্ধতিতে প্রতিবার সম্মেলনের আয়োজক দেশ চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) NATO — ন্যাটোর স্থায়ী সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। B) NAM — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভুল প্রয়োগ নেই। C) EU — ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থায়ী সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। D) ASEAN — আসিয়ানের স্থায়ী সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নিরপেক্ষ মানেই বাঁধনহীন, তাই এনএএম-এর কোনো নির্দিষ্ট সদর দপ্তর বা ঠিকানা নেই।
a পূর্বাহ্ণ
b পূর্বাহ্ন
c অপরাহ্ণ
d অপরাহ্ন
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পূর্বাহ্ন কেন সঠিক: - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী 'পূর্বাহ্ন' শব্দে হ এর নিচে ন যুক্ত আছে অর্থাৎ হ্ন যুক্তবর্ণ সঠিক। - দিনের পূর্বভাগ বোঝাতে ব্যাকরণগতভাবে হ এর নিচে ন যুক্ত রূপটিই প্রমিত ও সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্বাহ্ণ — এখানে হ এর সাথে ণ যুক্ত আছে যা বানানের নিয়মে ভুল। B) পূর্বাহ্ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) অপরাহ্ণ — এটি দিনের অপর ভাগ বা বিকালের সঠিক বানান নয় কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) অপরাহ্ন — এটি দিনের অপর ভাগ বা বিকালের সঠিক প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: মধ্যাহ্ন ও পূর্বাহ্ন শব্দে সর্বদা হ এর নিচে ন ব্যবহার করতে হয়।
a জালাল তালাবানী
b আবদুল্লাহ ওচালান
c মাজলুম আবদি
d মাসুদ বারজানী
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবদুল্লাহ ওচালান কেন সঠিক: - আবদুল্লাহ ওচালান ১৯৭৮ সালে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি তুরস্কের কুর্দি জনগণের অধিকার আদায়ের সশস্ত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জালাল তালাবানী — তিনি ইরাকের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং কুর্দিশ প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অফ কুর্দিস্তান দলের প্রতিষ্ঠাতা, পিকেকে এর নন। B) আবদুল্লাহ ওচালান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) মাজলুম আবদি — তিনি সিরীয় ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস বা এসডিএফ এর প্রধান সেনাপতি, তুরস্কের পিকেকে প্রতিষ্ঠাতা নন। D) মাসুদ বারজানী — তিনি ইরাকি কুর্দিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং কুর্দিস্তান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা। মনে রাখার টিপস: পিকেকে দলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন আবদুল্লাহ ওচালান, যা তুর্কি কুর্দি আন্দোলনের সাথে জড়িত।
a প্যারিস
b বেইজিং
c লন্ডন
d সিউল
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিউল কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট বা আইভিআই এর সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অবস্থিত। - উন্নয়নশীল দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মূল্যে টিকা গবেষণা ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই প্রতিষ্ঠান কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোসহ অনেক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর নয়। B) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের কেন্দ্র হলেও এই নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর এখানে নেই। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক বহু সংস্থার অবস্থানস্থল হলেও আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়। D) সিউল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউটের মূল কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: টিকা বা ভ্যাকসিনের জন্য কোরিয়ান সিউল চিনুন গোল।
a তথ্য মন্ত্রণালয়
b প্রেস কাউন্সিল
c বাংলাদেশ টেলিভিশন
d বিটিআরসি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রেস কাউন্সিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল দেশের প্রিন্ট মিডিয়া ও সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং নৈতিকতা রক্ষা করার প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা। - ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইনের মাধ্যমে এই স্বাধীন ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য মন্ত্রণালয় — এটি গণমাধ্যমের নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক তদারকি করে, তবে এটি সরাসরি সংবাদ মাধ্যম বা সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ ও প্রেস কোড বাস্তবায়নের নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়। B) প্রেস কাউন্সিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) বাংলাদেশ টেলিভিশন — এটি একটি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বা টেলিভিশন সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান, কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়। D) বিটিআরসি — এটি মূলত টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তরঙ্গ নিয়ন্ত্রক সংস্থা, প্রিন্ট মিডিয়ার নিয়ন্ত্রক নয়। মনে রাখার টিপস: সংবাদপত্র ও প্রেসের নৈতিকতা নিয়ন্ত্রণের প্রধান অভিভাবক হলো প্রেস কাউন্সিল।
a সালফার
b পটাশ
c কপার
d নাইট্রোজেন
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - বজ্রপাতের সময় উচ্চ তাপমাত্রার কারণে বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাস অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে। - এই নাইট্রিক অক্সাইড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নাইট্রিক অ্যাসিডে পরিণত হয় এবং মাটিতে পড়ে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন পুষ্টি বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফার — সালফার উদ্ভিদের একটি পুষ্টি উপাদান হলেও এটি মূলত খনিজ ও শিলা থেকে মাটিতে আসে, বজ্রবৃষ্টির সাথে এর কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। B) পটাশ — পটাশিয়াম বা পটাশ মাটির একটি প্রধান পুষ্টি উপাদান যা পটাশিয়ামযুক্ত খনিজ ও সারের মাধ্যমে মাটিতে বৃদ্ধি পায়। C) কপার — কপার উদ্ভিদের জন্য একটি অতি ক্ষুদ্র পুষ্টি উপাদান যা মাটির নিজস্ব উপাদানে বিদ্যমান থাকে, বজ্রবৃষ্টির কারণে এটি বাড়ে না। D) নাইট্রোজেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বজ্রপাতের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের মুক্ত নাইট্রোজেন মাটিতে দ্রবীভূত হয়ে উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য নাইট্রোজেন পুষ্টি বৃদ্ধি করে। মনে রাখার টিপস: বজ্রপাত মানেই আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো, আর এই বিদ্যুৎ চমকানোর মাধ্যমেই বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন মাটিতে মিশে গাছকে খাবার জোগায়।
a নীল চাষ
b সমুদ্র অর্থনীতি
c সুইমিংপুল
d নীল নদী
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্র অর্থনীতি কেন সঠিক: - ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি বলতে সমুদ্র সম্পদ টেকসইভাবে ব্যবহার করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বোঝায়। - এর মূল লক্ষ্য সমুদ্রের সম্পদ আহরণ ও সংরক্ষণ বজায় রেখে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল চাষ — এটি ব্লু ইকোনমির সাথে সম্পর্কিত নয় কারণ এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক কৃষিভিত্তিক শব্দ। B) সমুদ্র অর্থনীতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্লু ইকোনমি মূলত সমুদ্রের সম্পদ ব্যবহার সংক্রান্ত অর্থনীতি। C) সুইমিংপুল — এটি একটি কৃত্রিম সাঁতার কাটার জলাধার, যা জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সমুদ্র অর্থনীতির আওতাভুক্ত নয়। D) নীল নদী — এটি একটি ভৌগোলিক নদী, যা সামগ্রিক সমুদ্র অর্থনীতির ধারণার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ব্লু মানে নীল এবং সমুদ্রের পানি নীল দেখায়, তাই ব্লু ইকোনমি মানে সমুদ্র অর্থনীতি।
a সাহিত্যিক
b কবি
c বৈজ্ঞানিক
d শিল্পী
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৈজ্ঞানিক কেন সঠিক: - জুলিও কুরী ছিলেন একজন বিশ্বখ্যাত ফরাসি পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ যিনি তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা করেন। - তিনি ও তাঁর স্ত্রী আইরিন জুলিও কুরী যৌথভাবে ১৯৩৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহিত্যিক — জুলিও কুরী সাহিত্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাই এটি সঠিক নয়। B) কবি — তিনি কোনো কাব্যচর্চা বা সাহিত্যকর্মের সঙ্গে পরিচিত নন। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের প্রযোজ্যতা নেই। D) শিল্পী — তিনি চিত্রশিল্প বা অন্য কোনো শিল্পকলা চর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জুলিও কুরী নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ছিলেন, তাই তাঁর নামের সঙ্গে বিজ্ঞান বা বৈজ্ঞানিক শব্দটি যুক্ত।
a বান কি মুন
b আন্তোনিও গুতেরেস
c ড. ইউনূস
d কফি আনান
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আন্তোনিও গুতেরেস কেন সঠিক: - তিনি জাতিসংঘের বর্তমান এবং নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। - ২০১৭ সালের পয়লা জানুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান কি মুন — তিনি জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন এবং ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর তার মেয়াদ শেষ হয়। B) আন্তোনিও গুতেরেস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি বর্তমানে এই পদে আসীন আছেন। C) ড. ইউনূস — তিনি বাংলাদেশের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, জাতিসংঘের মহাসচিব নন। D) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন এবং ২০০৬ সালে তার মেয়াদ শেষ হয়। মনে রাখার টিপস: বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নামটি মনে রাখতে গু শব্দটির সাথে জাতিসংঘের বর্তমান পদের সংযোগ করতে পারেন।
a পঞ্চগড়
b ঠাকুরগাঁও
c দিনাজপুর
d লালমনিরহাট
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লালমনিরহাট কেন সঠিক: - বুড়িমারী স্থলবন্দর বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত। - এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চগড় — এটি পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত নয়, পঞ্চগড়ে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবস্থিত। B) ঠাকুরগাঁও — এটি ঠাকুরগাঁও জেলার কোনো স্থলবন্দর নয় এবং এখানে বুড়িমারী অবস্থিত নয়। C) দিনাজপুর — এটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত নয়, দিনাজপুরে হিলি স্থলবন্দর অবস্থিত। D) লালমনিরহাট — এটি সঠিক জেলা কারণ বুড়িমারী স্থলবন্দর এই অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: লাল রঙে লালমনিরহাট আর বড় মারামারি হয় বুড়িমারীতে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a আয়ারল্যান্ড
b ফ্রান্স
c জাপান
d ইংল্যান্ড
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - ১৯৭৮ সালের ২৫শে জুলাই ইংল্যান্ডের ওল্ডহ্যামে বিশ্বের প্রথম টেস্টটিউব বেবি লুই ব্রাউন জন্ম নেয়। - বিজ্ঞানী প্যাট্রিক স্টেপটো এবং রবার্ট এডওয়ার্ডস এই যুগান্তকারী চিকিৎসা বিজ্ঞানের সফলতা অর্জন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়ারল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এখানে প্রথম টেস্টটিউব বেবি জন্মায়নি। B) ফ্রান্স — এই দেশটি প্রথম টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তির জন্মস্থান নয়। জ) জাপান — এই দেশে প্রথম টেস্টটিউব বেবি সফলভাবে জন্মায়নি। D) ইংল্যান্ড — এই দেশেই বিশ্বের প্রথম টেস্টটিউব বেবি সফলভাবে জন্ম গ্রহণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: টেস্টটিউব বেবির ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের নাম মনে রাখতে, লুই ব্রাউনের জন্মস্থান হিসেবে ইংল্যান্ডকে প্রধান দেশ হিসেবে মাথায় রাখবে।
a স্তম্ভ মূল
b আরোহী মূল
c ঠেস মূল
d ভাসমান মূল
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্তম্ভ মূল কেন সঠিক: - বটগাছের শাখা থেকে অস্থানিক মূল বা ঝুড়ি সৃষ্টি হয়ে লম্বালম্বিভাবে নিচে নেমে মাটিতে প্রবেশ করে এবং গাছকে স্তম্ভের মতো সোজা রাখতে সাহায্য করে। - এই মূলগুলো প্রাথমিকভাবে ঝুলে থাকে এবং পরবর্তীতে মাটিতে পৌঁছে মোটা হয়ে গাছের বিশাল ও ভারী ডালপালার ভার বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্তম্ভ মূল — এটি বটগাছের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি গাছের ডালপালা থেকে নিচের দিকে নেমে মাটিতে স্তম্ভের রূপ নেয়। B) আরোহী মূল — পান বা গোলমরিচের মতো দুর্বল উদ্ভিদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যা অন্য কোনো অবলম্বনকে আঁকড়ে ধরে ওপরের দিকে ওঠে, বটগাছে এটি প্রযোজ্য নয়। C) ঠেস মূল — কেতকী বা ভুট্টার মতো গাছের মূল কাণ্ডের নিচ দিক থেকে তির্যকভাবে মাটিতে নেমে গাছকে ঠেকা দেয়, যা বটগাছের ঝুলন্ত মূল থেকে আলাদা। D) ভাসমান মূল — কচুরিপানার মতো জলজ উদ্ভিদের মূল যা পানিতে ভেসে থাকে এবং মাটিতে প্রবেশ করে না, যা স্থলজ বটগাছের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বটগাছের ঝুলে থাকা মূলগুলো মাটিতে নেমে স্তম্ভের মতো কাজ করে বলে এদের স্তম্ভ মূল বলা হয়।
a হেনরি বেকেরেল
b মাদাম কুরি
c রন্টজেন
d হেনরিক হার্জ
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেনরি বেকেরেল কেন সঠিক: - ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়াম লবণ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত একপ্রকার অদৃশ্য রশ্মি নির্গমন আবিষ্কার করেন। - এই আবিষ্কারটিই পরবর্তীতে তেজস্ক্রিয়তা বা রেডিওঅ্যাক্টিভিটি হিসেবে পরিচিত লাভ করে এবং এর জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেনরি বেকেরেল — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেছিলেন। B) মাদাম কুরি — তিনি ইউরেনিয়াম আকরিক থেকে রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার করেছিলেন এবং তেজস্ক্রিয়তা শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। C) রন্টজেন — তিনি এক্স-রে বা রন্টজেন রশ্মি আবিষ্কার করেছিলেন, ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা নয়। D) হেনরিক হার্জ — তিনি তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ বা রেডিও তরঙ্গের অস্তিত্ব প্রমাণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইউরেনিয়াম দেখলেই বেকেরেল মনে রাখবে, কারণ তিনি প্রথম এর তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেছিলেন।
a প্লেটো
b অ্যারিস্টটল
c থেলিস
d সক্রেটিস
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সক্রেটিস কেন সঠিক: - ‘Know Thyself’ বা নিজেকে জানো কথাটি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের বিখ্যাত দর্শন। - মানুষের আত্মোপলব্ধি এবং নৈতিক জ্ঞান অর্জনই এই বাণীর মূল শিক্ষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লেটো — ইনি সক্রেটিসের সুযোগ্য শিষ্য হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তার নয়। B) অ্যারিস্টটল — ইনি গ্রিক দার্শনিক ও বিজ্ঞানী হলেও এই উক্তির প্রবক্তা নন। C) থেলিস — ইনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক হলেও এই উক্তিটি তার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) সক্রেটিস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নিজেকে জানার মাধ্যমে দর্শন শুরু করেছিলেন সক্রেটিস।
a পত্রমূল
b পত্রমুকুল
c বৃত্ত
d ফলক
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পত্রমুকুল কেন সঠিক: - একটি সম্পূর্ণ ও আদর্শ পাতার প্রধানত তিনটি অংশ থাকে যথা পত্রমূল, বৃত্ত বা বোঁটা এবং পত্রফলক। - পত্রমুকুল পাতার অংশ নয়, এটি কাক্ষিক মুকুল হিসেবে শাখা বা ফুলের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পত্রমূল — এটি পাতার অংশ যা কান্ডের সাথে পাতাটিকে যুক্ত করে। B) পত্রমুকুল — এটি পাতার অংশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) বৃত্ত — এটি পাতার বোঁটা বা অংশ যা ফলককে ধরে রাখে। D) ফলক — এটি পাতার প্রশস্ত ও চ্যাপ্টা অংশ যা খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: আদর্শ পাতার অংশ তিনটি মনে রাখার সহজ শব্দ হলো মুবফল অর্থাৎ মূল, বৃত্ত ও ফলক।
a হীরক জয়ন্তী
b সুবর্ণ জয়ন্তী
c রজতজয়ন্তী
d প্লাটিনাম জয়ন্তী
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্লাটিনাম জয়ন্তী কেন সঠিক: - ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনকে আন্তর্জাতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক রীতি অনুযায়ী প্লাটিনাম জয়ন্তী বলা হয়। - সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠান, দেশ বা ব্যক্তির বিশেষ দিন বা বর্ষপূর্তিতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হীরক জয়ন্তী — এটি ৬০ বছর পূর্তি উদযাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই ৭৫ বছরের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। B) সুবর্ণ জয়ন্তী — এটি ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) রজতজয়ন্তী — এটি ২৫ বছর পূর্তি উদযাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ৭৫ বছরের সঠিক উত্তর নয়। D) প্লাটিনাম জয়ন্তী — এটি ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: রজত মানে ২৫, সুবর্ণ মানে ৫০, হীরক মানে ৬০ এবং প্লাটিনাম মানে ৭৫ বছর পূর্তি।
a পিনু
b কলি
c টমি
d রনি
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রনি কেন সঠিক: - প্রশ্নে বলা হয়েছে এটি রনির বাবার পরিবার, যেখানে জনি ও প্রমি ছাড়াও রনি নিজে একজন ভাই। - রনির বাবার তিন ছেলের মধ্যে বড় জনি ও মেঝ প্রমি হওয়ায় ছোট ছেলেটি অবশ্যই রনি নিজেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিনু — এটি এই পরিবারের কোনো সন্তানের নাম নয় এবং প্রশ্নের শর্তের বাইরে। B) কলি — এটি এই পরিবারের তিন ভাইয়ের তালিকার মধ্যে পড়ে না। C) টমি — এটি মানুষের নামের পরিবর্তে অন্য কিছু হতে পারে এবং প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়। D) রনি — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ রনির বাবা মানেই রনি সেই পরিবারের একজন সন্তান। মনে রাখার টিপস: প্রশ্নের শুরুতেই যার নাম থাকে, পরিবারের তিন ভাইয়ের মধ্যে শেষ নামটি সাধারণত তার নিজেরই হয়।
a শর্করা
b চর্বি
c আমিষ
d ভিটামিন
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শর্করা কেন সঠিক: - শর্করা দেহের প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে এবং প্রোটিনকে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার হতে বাধা দেয়। - শর্করা উপস্থিত থাকলে শরীর শক্তির জন্য আমিষ বা প্রোটিন ক্ষয় না করে শর্করার ওপর নির্ভর করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শর্করা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রোটিনকে শক্তি উৎপাদনের কাজ থেকে রক্ষা করে। B) চর্বি — এটি দেহের শক্তির সঞ্চয় ও তাপ রক্ষা করে, তবে প্রোটিন ক্ষয় রোধ করার মূল কাজটি মূলত শর্করার। C) আমিষ — এটি নিজেই দেহের ক্ষয়পূরণ ও গঠনের কাজ করে, তাই এটি প্রোটিন ক্ষয় রক্ষা করে না। D) ভিটামিন — এটি রোগ প্রতিরোধ ও বিপাকীয় ক্রিয়ায় সাহায্য করে, শক্তি উৎপাদনে বা প্রোটিন সংরক্ষণে সরাসরি কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: শর্করা জ্বালানি হিসেবে পুড়ে দেহকে শক্তি দেয়, ফলে প্রোটিন তার নিজস্ব গঠনের কাজ অক্ষুণ্ণ রাখতে পারে।
a ট্রিপসিন
b অ্যাকটিন
c ক্যাসেইন
d মায়োসিন
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যাসেইন কেন সঠিক: - ক্যাসেইন হলো দুধের প্রধান প্রোটিন উপাদান, যা দুধে ফসফোপ্রোপ্রোটিন হিসেবে উপস্থিত থাকে এবং এর জন্যই দুধের রঙ সাদা দেখায়। - মানুষের শরীর এই প্রোটিন খুব সহজেই পরিপাক করতে পারে এবং এটি দুধে থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের উৎস হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রিপসিন — এটি দুধে থাকে না, এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হওয়া একটি প্রোটিন পরিপাককারী বা প্রোটিলাইটিক এনজাইম। B) অ্যাকটিন — এটি দুধের প্রোটিন নয়, এটি পেশি সংকোচন ও প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত একটি প্রধান ফাইব্রাস প্রোটিন। C) ক্যাসেইন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা দুধে পাওয়া যায় এবং প্রোটিনের মূল উৎস হিসেবে কাজ করে। D) মায়োসিন — এটি দুধের প্রোটিন নয়, এটিও পেশিতে থাকা একটি সংকোচনশীল প্রোটিন যা পেশি গঠনে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: দুধের প্রোটিন মনে রাখতে ক্যাসেইন শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ ক অক্ষরটি দিয়ে দুধের প্রধান প্রোটিন এবং সাদা রঙ উভয়কেই সহজে মেলানো যায়।