সঠিক উত্তর: D) অদ্রি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি গাছের সমার্থক শব্দ নয় কারণ 'অদ্রি' শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত।
- গাছ বা বৃক্ষ প্রকৃতির উদ্ভিদ জগৎভুক্ত হলেও পাহাড় সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভৌগোলিক বস্তু বা ভূমিরূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা কাছাকাছি।
- বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা বিষয়ের প্রকাশের জন্য একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গিরি
ব্যাখ্যা: এটি অদ্রি বা পাহাড় শব্দের আরেকটি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: শাখী
ব্যাখ্যা: এটি গাছের একটি বিখ্যাত সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিটপি — এটি গাছের একটি অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক শব্দ।
B) বৃক্ষ — এটি সরাসরি গাছ শব্দের মূল সমার্থক শব্দ।
C) তরু — এটি গাছের আরেকটি বহুল প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
D) অদ্রি — এটি গাছের সমার্থক শব্দ নয়, এর অর্থ পর্বত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অদ্রি মানে পাহাড় আর তরু, বৃক্ষ, বিটপি মানে গাছ।
- পাহাড় কখনো গাছ হতে পারে না, তাই অদ্রি আলাদা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিটপি ও তরু শব্দ দুটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গাছের সমার্থক হিসেবে আসে।
- পাহাড় বা পর্বত বোঝাতে অদ্রি, গিরি ও শৈল শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাংবাদিকতা ও সাহিত্য সাধনার ক্ষেত্রে ধূমকেতু ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
- তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকার নামও ছিল ধূমকেতু।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯২২ সালে ধূমকেতু পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং এর মাধ্যমে ব্রিটিশ বিরোধী লেখালেখির জন্য রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাবরণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যঙ্গাত্মক ও সাহিত্যিক রচনা
ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে সমাজের অসংগতি তুলে ধরতে ভিন্ন নাম বা ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
উদাহরণ ২: ধূমকেতু পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার প্রথম পাতার বাণী ছিল স্বরাজ পাইতে হইলে মানুষের মতো মানুষ হইতে হইবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ধূমকেতু ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন এবং পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন।
B) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি রূপকথার লেখার জন্য বিখ্যাত এবং তাঁর ছদ্মনাম এটি নয়।
C) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি এবং তাঁর পরিচিত ছদ্মনাম ভিন্ন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে পদাবলী লিখেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধূমকেতু মানেই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা।
- রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনাম ভানুসিংহ আর নজরুলের ছদ্মনাম বা পরিচয়ের সঙ্গে ধূমকেতু ও পরবর্তীতে বিদ্রোহী উপাধি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ধূমকেতু পত্রিকার যুগপথ সম্পাদক ও চালিকাশক্তি ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও লেখকদের ছদ্মনাম বা সম্পাদিত পত্রিকা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) অক্ষর
১. কেন সঠিক:
মুখের এক ঝটকানায় বা এক নিঃশ্বাসে শব্দের যে অংশ উচ্চারণ করা হয়, তাকে অক্ষর বলা হয়।
এটি মানুষের বাকযন্ত্রের স্বাভাবিক গতির ওপর নির্ভর করে উচ্চারিত হয় বলে একে উচ্চারণের একক বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক হলেও তা এককভাবে সম্পূর্ণ উচ্চারণ করা যায় না।
বাকযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে শব্দের যে অংশ বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর বা সিলেবল বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাত শব্দটি একবারে উচ্চারিত হয় এবং এর অক্ষর সংখ্যা এক।
ব্যাখ্যা: এটি একটি একক অক্ষরযুক্ত শব্দ যা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: কলম শব্দটি দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে ক-লম হিসেবে উচ্চারিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি অক্ষর রয়েছে কারণ মুখ থেকে দুটি ঝটকায় শব্দটি বের হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্ষর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়।
B) শব্দ — শব্দ হলো অর্থপূর্ণ ধ্বনির সমষ্টি, উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক নয়।
C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক একক বা উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম অংশ, তবে উচ্চারণের সম্পূর্ণ একক বা ঝটকার মাপকাঠি অক্ষর।
D) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা উচ্চারণের একক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
এক নিঃশ্বাসে যা উচ্চারণ করা যায় তা অক্ষর এবং যা লিখিত রূপ তা বর্ণ হিসেবে মনে রাখবে।
উচ্চারণের সঙ্গে নিঃশ্বাসের সংযোগ থাকলেই তা অক্ষর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক একক এবং অক্ষর হলো উচ্চারণের একক।
এই দুটি বিষয় প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্যে সাধু রীতির প্রবক্তা বা জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে গণ্য করা হয়।
তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্যে প্রথম শৃঙ্খলা, যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনবিংশ শতকের বাংলা গদ্য সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নির্মাতা ও সংস্কারক।
সংস্কৃত পন্ডিত বিদ্যাসাগর তাঁর 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' ও 'শকুন্তলা' গ্রন্থের মাধ্যমে সাধু রীতির গদ্যকে সুবিন্যস্ত ও গতিশীল রূপ দেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রাতৃষষ্ঠী উপলক্ষে জ্ঞাতিবর্গ একত্রিত হইয়া নানাবিধ উপঢৌকন প্রদান করিলেন।
ব্যাখ্যা: এটি সাধু রীতির বাক্য, যেখানে তৎসম শব্দ ও ক্রিয়ার পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নদীগর্ভে জলরাশি প্রবল বেগে ধাবিত হইতে লাগিল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'হইতে লাগিল' ক্রিয়ার সাধু রূপ এবং তৎসম শব্দের প্রয়োগ রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি সাধু গদ্যরীতির জনক।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং সাধু রীতিকে উপন্যাসে সফলভাবে ব্যবহার করলেও এর জনক নন।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং চলিত রীতির প্রবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাধু ভাষার জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং চলিত ভাষার প্রবক্তা প্রমথ চৌধুরী।
এই তথ্যটি মনে রাখতে সাধু শব্দের 'স' দিয়ে বিদ্যাসাগরের 'স' এবং চলিত শব্দের সাথে প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির জনক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সাধু রীতির ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং চলিত রীতির ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পাকা
১. কেন সঠিক:
- কাঁচা শব্দের একটি প্রধান অর্থ হলো অপরিণত বা অপরিপক্ব, যার বিপরীত অর্থ হলো পরিণত বা পাকা।
- প্রসঙ্গভেদে কাঁচা শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে পাকা শব্দটি সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও প্রচলিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের প্রমিত অর্থ এবং প্রাসঙ্গিক ব্যবহারের ওপর নির্ভর করতে হয়।
- বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীতার্থক শব্দ চয়ন করার সময় পদের মিল রক্ষা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁচা আম ও পাকা আম
ব্যাখ্যা: ফলের ক্ষেত্রে অপরিপক্ব অবস্থাকে কাঁচা এবং পরিপক্ব অবস্থাকে পাকা বলা হয়।
উদাহরণ ২: কাঁচা সোনা ও পাকা সোনা
ব্যাখ্যা: ধাতুর ক্ষেত্রে খাদযুক্ত বা বিশুদ্ধ নয় এমন অবস্থাকে কাঁচা এবং খাঁটি অবস্থাকে পাকা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুণ — এটি কোনো অর্থবহ বাংলা শব্দ নয় বা কাঁচা শব্দের বিপরীতার্থক রূপ নয়।
B) অপরিপক্ব — এটি কাঁচা শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
C) পুণ্য — এটি পাপ শব্দের বিপরীত শব্দ, কাঁচা শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
D) পাকা — এটি কাঁচা শব্দের সঠিক ও প্রমিত বিপরীতার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো কিছু অপরিপক্ব বুঝাতে কাঁচা এবং পরিপক্ব বুঝাতে পাকা শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও প্রসঙ্গের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত বিপরীতার্থক শব্দগুলো প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়।
- শব্দের প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করার চর্চা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সংখ্যার ধারণা
১. কেন সঠিক:
বচন ব্যাকরণের এমন একটি পরিভাষা যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা প্রকাশ করে।
এর মাধ্যমে কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তি একটি না একাধিক তা স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বচন শব্দের অর্থ সংখ্যার ধারণা বা গণনা।
বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এক বা বহুত্ব প্রকাশের মাধ্যমকে বচন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমটি টেবিলে আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কলম বিশেষ্য পদের একবচন রূপ বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ছেলেরা মাঠে খেলছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ছেলে বিশেষ্য পদের সঙ্গে রা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচন রূপ বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দের ধারণা — শব্দ হলো ভাষার মূল উপাদান বা অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি, বচন শব্দের ধারণা প্রকাশ করে না।
B) রীতিরি ধারণা — রীতি বা প্রথা হলো ভাষার প্রয়োগশৈলী, বচনের সঙ্গে রীতির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) উক্তির ধারণা — উক্তি হলো বক্তার বক্তব্য প্রকাশের মাধ্যম, বচন উক্তির ধারণা নির্দেশ করে না।
D) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক কারণ বচন পদের সংখ্যা অর্থাৎ এক বা বহুত্ব নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বচন মানেই সংখ্যা। প্রশ্ন বচন দেখলে মাথায় আনবে একবচন বা বহুবচন অর্থাৎ সংখ্যা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে বচন কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচনের প্রকারভেদ এবং একবচন থেকে বহুবচন করার নিয়ম প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) শ্রোতাপক্ষ
কেন সঠিক:
- এই সর্বনামগুলো দিয়ে সরাসরি যার সাথে কথা বলা হচ্ছে তাকে বোঝানো হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কথা শোনার সাথে জড়িত পক্ষ হলো শ্রোতাপক্ষ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পুরুষ বা পক্ষ ব্যাকরণে তিন ভাগে বিভক্ত যথা উত্তম পুরুষ মধ্যম পুরুষ ও প্রথম বা নাম পুরুষ।
- তুমি এবং তোমরা শব্দগুলো মধ্যম পুরুষের অন্তর্ভুক্ত যা দিয়ে শ্রোতাকে বোঝায়।
- যেমন তুমি কি বই পড়ছো বা তোমরা সবাই মাঠে এসো বাক্যে তুমি ও তোমরা হলো শ্রোতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) শ্রোতা ও বক্তা উভয়পক্ষ — এটি ভুল কারণ এই সর্বনাম দিয়ে কেবল শ্রোতাকে বোঝায় বক্তাকে নয়।
- B) অন্যপক্ষ — এটি ভুল কারণ অন্যপক্ষ বলতে যা নিয়ে কথা বলা হয় তাকে বোঝায় কিন্তু তুমি বা তোমরা সরাসরি উপস্থিত শ্রোতা।
- C) বক্তাপক্ষ — এটি ভুল কারণ বক্তাপক্ষ বোঝাতে আমি আমরা আমার ইত্যাদি সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
- D) শ্রোতাপক্ষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তুমি ও তোমরা সর্বনাম দিয়ে কেবল শ্রোতাকেই বোঝানো হয়।
মনে রাখার টিপس:
- আমি আমার হলো বক্তা।
- তুমি তোমরা হলো শ্রোতা।
- সে তারা হলো অন্যপক্ষ বা যার সম্পর্কে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) কুসুমকুমারী দাস
১. কেন সঠিক:
'আদর্শ ছেলে' কবিতাটির রচয়িতা কুসুমকুমারী দাস। আমাদের সমাজের নৈতিকতা ও দেশপ্রেম জাগাতে এই কবিতাটির ভূমিকা অনন্য এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কুসুমকুমারী দাস বিখ্যাত কবি বুদ্ধদেব বসুর মাতা। তিনি মূলত ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন প্রথিতযশা লেখিকা যিনি তাঁর সহজ ও সুন্দর ভাবনার জন্য পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুসুমকুমারী দাসের লেখা বিখ্যাত পঙ্ক্তি হলো, আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।
ব্যাখ্যা: এই পঙ্ক্তিটি ছোট থেকেই শিশুদের নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কুসুমকুমারী দাসের আরেকটি পরিচিত কবিতা হলো 'সৈনিক'।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় দেশপ্রেম ও বীরত্বের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে যা তাঁর সাহিত্য সাধনার পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নারী কবি ও সাহিত্যিক, তবে তিনি 'আদর্শ ছেলে' কবিতার রচয়িতা নন।
B) সুকুমার রায় — তিনি বাংলা শিশুসাহিত্যের ননসেন্স ভার্সের প্রবর্তক ও বিখ্যাত ছড়াকার, তবে এই কবিতার রচয়িতা নন।
C) জসীম উদ্দীন — তিনি আমাদের পল্লি কবি নামে পরিচিত এবং গ্রামবাংলার রূপ তাঁর কবিতায় ফুটে ওঠে, যা এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) কুসুমকুমারী দাস — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'আদর্শ ছেলে'।
৫. মনে রাখার টিপস:
আদর্শ ছেলে গড়ার কারিগর মা, আর 'আদর্শ ছেলে' কবিতার লেখিকা হলেন একজন মা, অর্থাৎ কবি কুসুমকুমারী দাস। এভাবে মায়ের সঙ্গে আদর্শ ছেলের সম্পর্ক মিলিয়ে এটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার পঙ্ক্তি তুলে ধরে রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। তাই বিখ্যাত কবিতাগুলোর প্রথম লাইন ও কবির নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) মেঘমালা
কেন সঠিক:
- মেঘ শব্দের সাথে বহুবচন বোঝাতে 'মালা' অনুসর্গ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী জড়বাচক বিশেষ্য শব্দের বহুবচনে 'মালা' ব্যবহৃত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণিবাচক বা জড়বাচক শব্দের বহুবচন গঠনে মালী, কুল, সমূহের পাশাপাশি মালা ব্যবহার করা হয়।
- মেঘ একটি প্রাকৃতিক জড় বস্তু হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন হিসেবে 'মালা' শব্দটির ব্যবহার সবচেয়ে উপযোগী।
- যেমন পর্বত থেকে পর্বতমালা এবং তারু থেকে তারুমালা হয়, তেমনি মেঘ থেকে মেঘমালা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মেঘমালা — এটি সঠিক উত্তর এবং জড়বাচক শব্দের বহুবচনে এটি ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে উপযুক্ত।
- B) মেঘসমূহ — সমূহের ব্যবহার প্রাতিষ্ঠানিক বা আনুষ্ঠানিক লেখায় হলেও মেঘের ক্ষেত্রে মালা বেশি সিদ্ধ।
- C) মেঘরা — 'রা' বিভক্তিটি শুধুমাত্র প্রাণবাচক বা উত্তম পুরুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মেঘের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- D) মেঘগুলো — 'গুলো' বিভক্তিটি সাধারণত ছোট বা সাধারণ বস্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়, কাব্যিক বা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- প্রাকৃতিক বা জড়বাচক শব্দের বহুবচনে সাধারণত মালা ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) যথা + অর্থ
১. কেন সঠিক:
- যথা শব্দের শেষ ধ্বনি আ এবং অর্থ শব্দের শুরু ধ্বনি অ মিলে দুটি ধ্বনি একত্রিত হয়ে আকার আ উৎপন্ন হয়েছে।
- সন্ধির নিয়মানুসারে অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ আ হয় এবং তা পূর্ববর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রচলিত নিয়ম।
- প্রথম শব্দের অন্তে অ বা আ এবং দ্বিতীয় শব্দের আদিতে অ বা আ থাকলে উভয়ে মিলে আ কার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: হিম শব্দের অন্তস্থিত অ এবং আলয় শব্দের আদিতে থাকা আ মিলে আকার গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয়
ব্যাখ্যা: মহা শব্দের অন্তস্থিত আ এবং আশয় শব্দের আদিতে থাকা আ মিলে দীর্ঘ আ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যথা + আর্থ — আর্থ বলে কোনো অর্থবোধক শব্দ বাংলায় নেই, তাই এটি ভুল।
B) যথাঃ + অর্থ — যথার পরে কোনো বিসর্গ থাকে না, তাই এই বিসর্গযুক্ত রূপটি ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) যথ + অর্থ — যথ বলে কোনো শব্দ বাংলায় ব্যবহৃত হয় না, মূল শব্দটি যথা।
D) যথা + অর্থ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর উভয় অংশ অর্থপূর্ণ এবং নিয়ম মেনে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আ এবং অ মিলে আ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়।
- শব্দের শেষে আ কার এবং পরের শব্দের শুরুতে অ থাকলে আ কার বহাল থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় উভয় অংশের সঠিক অর্থ এবং বানান জানা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) Exclamatory
কেন সঠিক:
এই বাক্যটিতে মনের গভীর আবেগ বা আনন্দ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো সাধারণ বা বিবৃতিমূলক বাক্য নয়।
B) Optative — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদমূলক বাক্য নয়।
C) Interrogative — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয়।
D) Exclamatory — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দ্বারা বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে মনের আকস্মিক আবেগ প্রকাশ পায় এবং শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন থাকে, তাকে এক্সক্লেমেটরি সেন্টেন্স বলে।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
ইংরেজী ব্যাকরণে সমৃদ্ধ বা কোনো কিছু থাকা অর্থে Rich শব্দের পর সাধারণত in প্রিপজিশন বসে।
তাই প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ বোঝাতে Bangladesh is rich in natural gas বাক্যটি সঠিক হয়।
আর কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রাচুর্য বোঝাতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য।
এটি একটি নির্দিষ্ট ফিক্সড প্রিপজিশন এর নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — Rich শব্দের পর অব বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং অর্থ প্রকাশ করে না।
B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) for — এই প্রিপজিশনটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং তা ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
D) on — এই প্রিপজিশনটি কোনো উপরিভাগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুতে ধনী বা সমৃদ্ধ বোঝাতে সবসময় Rich এর পরে in প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) is
কেন সঠিক:
বাকটি একটি চিরন্তন সত্য প্রবচন বুঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। All that glitters মানে চকচকে বস্তুগুলোকে একটি একক ধারণা হিসেবে ধরা হয়।
তাই এখানে verb টি singular হবে।
is হলো singular verb যা এই বাক্যের জন্য উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A is — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে প্রযোজ্য।
B make — এটি plural verb এবং এর অর্থ ও ব্যাকরণ এখানে মেলে না।
C look — এটি plural verb এবং প্রবচনের নিয়মের সাথে এটি সঠিক নয়।
D are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রবচনে সাধারণত singular verb বসে।
সঠিক উত্তর: A) an adverb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে fast শব্দটি runs ভার্বটিকে বিশেষিত করেছে বা কীভাবে দৌড়ায় তা বোঝাচ্ছে।
- কোনো শব্দ verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করলে তা adverb হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an adverb — এটি সঠিক কারণ এটি verb-কে modify করেছে।
B) a conjunction — এটি কোনো সংযোগকারী শব্দ নয়, তাই এটি ভুল।
C) an adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না, তাই এটি ভুল।
D) a verb — এটি কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না, বরং দৌড়ানোর ধরন বোঝাচ্ছে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
noun বা pronoun-এর দোষ-গুণ বোঝালে adjective হয়, আর verb-এর কাজ করার ধরন বোঝালে adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) many
কেন সঠিক:
people শব্দ হলো কাউন্টেবল নাউন বা গণনা করা যায় এমন বিশেষ্য। তাই এর পূর্বে সংখ্যা বোঝাতে many ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) enough — এটি বসলে বাক্যটির অর্থ ঠিক থাকে না এবং গঠনগতভাবে এখানে এটি অনুপযুক্ত।
B) much — এটি আনকাউন্টেবল বা গণণা করা যায় না এমন নাউনের সাথে বসে, কিন্তু people হলো কাউন্টেবল।
C) many — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে সংখ্যাবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
D) most — এখানে তুলনামূলক বা সর্বোচ্চ পর্যায় বোঝানোর প্রয়োজন নেই, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় এমন জিনিসের সাথে many এবং যা গণনা করা যায় না তার সাথে much বসে।
সঠিক উত্তর: D) wins
কেন সঠিক:
Slow and steady প্রবাদ বাক্য হওয়ায় এটি চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে। তাই এই বাক্যে সর্বদা Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has won — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় চিরন্তন সত্য প্রবাদ বাক্যের জন্য বেমানান।
B) win — Subject টি Singular হওয়ায় Verb এর সাথে s বা es যুক্ত হওয়া আবশ্যক ছিল।
C) won — এটি Past Tense হওয়ায় বর্তমানের চিরন্তন সত্য প্রকাশ করতে পারে না।
D) wins — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Slow and steady একসাথে একটিমাত্র Subject হিসেবে গণ্য হয় এবং Singular verb গ্রহণ করে।
সঠিক উত্তর: D) for
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থরকাল বোঝানো হয়েছে। আর পিরিয়ড অব টাইম বা সময়ের ব্যাপ্তি থাকলে তার পূর্বে preposition হিসেবে for বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার পরে বোঝাতে এটি বসে, যা সময়ের দীর্ঘ ব্যাপ্তি বোঝাতে সঠিক নয়।
B) during — কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা চলাকালীন বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) since — নির্দিষ্ট কোনো শুরুর পয়েন্ট বা বিন্দু থেকে সময় বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে সময়ের মোট পরিমাণ আছে।
D) for — নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে এটি বসে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চললে সময়ের দীর্ঘ ব্যাপ্তির আগে সবসময় for বসে।
সঠিক উত্তর: B) the cheaper
কেন সঠিক:
বাক্যে দু'টি বস্তু বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা বোঝাতে Comparative Degree ব্যবহার করা হয়।
Degrees of Comparison এর নিয়ম অনুযায়ী Comparative Adjective এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cheep — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং এখানে তুলনামূলক রূপ ব্যবহার করা হয়নি।
B) the cheaper — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুইটির মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে দ্য এর পর Comparative রূপ বসে।
C) the cheapest — দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে Superlative Degree বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) the cheap — এটি Adjective এর Positive Degree, যা দুইটির মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
দুইটির মধ্যে তুলনা থাকলে Comparative Degree বসে এবং তার আগে দ্য বসে।
সঠিক উত্তর: D) the
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে বোঝাতে নাউনের আগে the বসে। এখানে মানুষের ভাগ্য গড়ার বিষয়টি নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়েছে।
তাই এখানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে the বসবে।
এই নিয়ম অনুযায়ী ফাঁকা স্থানে the হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) no article needed — কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
B) a — শব্দের শুরুতে কনসোনেন্ট থাকলেও নির্দিষ্ট করার জন্য a বসে না।
C) an — শব্দের শুরুতে ভাওয়েল না থাকায় an বসা অসম্ভব।
D) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বিশেষ করে বোঝালে তার আগে সবসময় the বসে।
সঠিক উত্তর: C) a little
কেন সঠিক:
drinking water একটি আনকাউন্টেবল নাউন বা গণণা করা যায় না এমন বিশেষ্য।
তাই এর পূর্বে পরিমাপ বোঝাতে a little ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) several - এটি প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে।
B) many - এটি সংখ্যাবাচক ও কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে।
C) a little - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) a few - এটি প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে।
মনে রাখার টিপস:
গণণা করা যায় না এমন জিনিসের ক্ষেত্রে always a little ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) ৬১২ কে.জি
প্রদত্ত তথ্য:
দৈনিক ডাল বিক্রয়ের পরিমাণ = ২০ কেজি ৪০০ গ্রাম
মাসের হিসাব ধরতে হবে = ৩০ দিন
ধরি,
এক মাস সমান ৩০ দিন
১ কেজি সমান ১০০০ গ্রাম
অতএব,
২০ কেজি ৪০০ গ্রাম সমান ২০৪০০ গ্রাম
৩০ দিনে মোট বিক্রয় গ্রাম এককে = ২০৪০০ গ্রাম × ৩০
সুতরাং,
মোট বিক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬১২০০০ গ্রাম
গ্রামকে কেজিতে রূপান্তর করলে হয় ৬১২ কে.জি
উত্তর: ৬১২ কে.জি
সঠিক উত্তর: C) ৩৯.৩৭
প্রদত্ত তথ্য:
১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার
১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার
ধরি,
মোট সেন্টিমিটারের মান হলো ১০০
অতএব,
১০০ সেন্টিমিটারকে ভাগ করতে হবে ২.৫৪ দিয়ে
১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার ভাগ ২.৫৪ ইঞ্চি
হিসাব করলে পাওয়া যায় ৩৯.৩৭০ সুতরাং
উত্তর: ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর: D) ২ঃ১
প্রদত্ত তথ্য:
x এর দশ শতাংশ
y এর বিশ শতাংশের সমান
ধরি,
x এর মান নির্ণয় করতে হবে
y এর মান নির্ণয় করতে হবে
অনুপাত বের করতে হবে
অতএব,
x এর দশ শতাংশ = x × (১০ ÷ ১০০)
y এর বিশ শতাংশ = y × (২০ ÷ ১০০)
সুতরাং,
x × (১০ ÷ ১০০) = y × (২০ ÷ ১০০)
x × ১০ = y × ২০
x ÷ y = ২০ ÷ ১০
x ÷ y = ২ ÷ ১
উত্তর: ২ঃ১
সঠিক উত্তর: B) ২০৪
প্রদত্ত তথ্য:
মোট বিলের পরিমাণ = ৪,০৮০ টাকা
ভ্যাটের হার = ৫%
ধরি,
১০০ টাকা বিল হলে ভ্যাট দিতে হয় ৫ টাকা
অতএব,
১ টাকা বিল হলে ভ্যাট দিতে হয় ৫ ÷ ১০০ টাকা
৪,০৮০ টাকা বিল হলে ভ্যাট দিতে হয় (৫ × ৪,০৮০) ÷ ১০০ টাকা
সুতরাং,
ভ্যাটের পরিমাণ = ২০,৪০০ ÷ ১০০ টাকা = ২০৪ টাকা
উত্তর: ২০৪ টাকা
সঠিক উত্তর: D) ১২ বর্গ সে. মি
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ৬ সেন্টিমিটার
সমকোণী ত্রিভুজের উচ্চতা = ৪ সেন্টিমিটার
ধরি,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬ × ৪
উত্তর: ১২ বর্গ সে. মি
সঠিক উত্তর: D) তেহরান
কেন সঠিক:
- তেহরান হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের বর্তমান রাজধানী এবং দেশটির সবচেয়ে বড় শহর।
- এটি ইরানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাগদাদ — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাকের রাজধানী, ইরানের নয়।
B) ইসলামাবাদ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের রাজধানী, ইরানের নয়।
C) ইস্তাম্বুল — এটি তুরস্কের একটি ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক শহর, তবে দেশটির রাজধানী আঙ্কারা।
D) তেহরান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নানুসারে এটি ভুল নয়, বরং মূল উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ইরান শব্দের সাথে তেহরান নামের মিল রয়েছে, এভাবে মনে রাখা সহজ।
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ৫
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদের মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে ৫ বছর।
- সরকার নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কেউ গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নির্ধারিত মেয়াদকাল ৫ বছর।
B) ২ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের মেয়াদ দুই বছর নয়।
C) ৮ — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ছিল, কারণ গভর্নরের মেয়াদ আট বছর নয়।
D) ৪ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের মেয়াদ চার বছর নির্ধারিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ সাধারণত ৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর।
সঠিক উত্তর: D) পঞ্চগড়
কেন সঠিক:
- পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত এবং এই জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা দেশের একদম শেষ সীমানা নির্দেশ করে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বাংলাদেশের মানচিত্রে এটি সবচেয়ে উত্তর দিকবর্তী প্রশাসনিক জেলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুড়িগ্রাম — এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের একটি জেলা হলেও সর্বউত্তরের জেলা নয়, এটি উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
B) ঠাকুরগাঁও — এটি পঞ্চগড়ের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা, তাই এটি সর্বউত্তরের জেলা হিসেবে গণ্য হয় না।
C) নীলফামারী — এই জেলাটিও উত্তরের রংপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত, তবে এটি পঞ্চগড়ের চেয়ে কিছুটা দক্ষিণে অবস্থিত।
D) পঞ্চগড় — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরের শেষ বিন্দু পঞ্চগড়, তেঁতুলিয়া উপজেলায় যার অবস্থান।
সঠিক উত্তর: A) সাভার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারটি রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত।
- গবাদিপশুর উন্নত জাত তৈরি এবং দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এটি সরকারিভাবে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাভার — এটি সঠিক উত্তর কারণ কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারটি এখানেই অবস্থিত।
B) সিলেট — সিলেট অঞ্চলে চা গবেষণা ও খামার বেশি দেখা গেলেও এটি কেন্দ্রীয় দুগ্ধ খামার নয়।
C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিভিন্ন গবাদিপশুর খামার থাকলেও এটি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারের অবস্থান নয়।
D) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলে রেশম ও কৃষি গবেষণা বেশি থাকলেও এটি এই খামারের নির্দিষ্ট স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
দুধ ও গরুর প্রধান কেন্দ্রীয় খামার ঢাকার কাছে সাভারে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) যুদ্ধচুক্তি
কেন সঠিক:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের কয়েকটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা সশস্ত্র সংঘাতে আহত, অসুস্থ সৈনিক এবং যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষার জন্য প্রণীত হয়েছে।
- যুদ্ধকালীন মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় ১৮৬৪ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে এই চুক্তিগুলো সংশোধিত ও গৃহিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানবাধিকার চুক্তি — এটি সাধারণ মানুষের সার্বজনীন অধিকার সংরক্ষণের জন্য তৈরি, নির্দিষ্ট কোনো যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য নয়।
B) যুদ্ধচুক্তি — এটি যুদ্ধের সময়কার আইন, যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সুরক্ষা এবং মানবিক আচরণের নিয়ম নির্ধারণ করে।
C) সামরিক চুক্তি — এটি সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের সামরিক সহযোগিতা বা কৌশলগত জোট গঠনের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত হয়।
D) অর্থনৈতিক চুক্তি — এটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
জেনেভা নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি যুদ্ধের ময়দানে আহত সৈনিক ও বন্দীদের সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধচুক্তি।
সঠিক উত্তর: B) ডেনমার্ক
কেন সঠিক:
- গ্রীনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যা ভৌগোলিক দিক থেকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত হলেও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- ডেনমার্কের রাজমুকুটের অধীনে থাকলেও এর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এই দ্বীপটি স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপটি ক্রয়ের প্রস্তাব দিলেও এর মালিকানা ডেনমার্কের হাতেই রয়েছে।
B) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ডেনমার্কের মালিকানা ও স্বায়ত্তশাসনের বিষয়টি প্রযোজ্য।
C) নরওয়ে — অতীতে নরওয়ের কিছু দাবি থাকলেও বর্তমানে এই দ্বীপের ওপর নরওয়ের কোনো মালিকানা নেই।
D) জাপান — জাপান এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সাথে গ্রীনল্যান্ডের মালিকানার কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
গ্রীন মানে সবুজ হলেও দ্বীপটি বরফে ঢাকা, আর এর মালিক ডেনমার্ক নামটি মনে রাখতে ডি দিয়ে ডেনমার্ক ও ডি দিয়ে দ্বীপের বড় অংশ ভাবা যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) হুসেন শাহ
কেন সঠিক:
- গৌড়ের ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে নির্মিত হয়েছিল।
- এটি হুসেন শাহী আমলের স্থাপত্য শিল্পের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শায়েস্তা খান — তিনি মুঘল আমলের বাংলার সুবাদার ছিলেন এবং তার আমলে মূলত ঢাকায় মুঘল স্থাপত্য গড়ে ওঠে।
B) ঈশা খাঁ — তিনি বারো ভূঁইয়ার প্রধান ছিলেন এবং সোনারগাঁ ছিল তার প্রধান রাজধানী ও রাজনৈতিক কেন্দ্র।
C) ফকরুদ্দনি মোবারক শাহ্ — তিনি স্বাধীন সুলতানতের প্রতিষ্ঠাতা হলেও সোনা মসজিদ নির্মাণের সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই।
D) হুসেন শাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং তার আমলেই গৌড়ের সোনা মসজিদ নির্মিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
সোনা মসজিদ মানেই সুলতান হুসেন শাহ, যিনি গৌড়ের বিখ্যাত সুলতান ছিলেন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: D) প্রাচীন জনপদ
কেন সঠিক:
- উয়ারী বটেশ্বর নরসিংদী জেলায় অবস্থিত একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ও জনপদ।
- এখানে মাটি খুঁড়ে প্রাচীন সভ্যতার বন্দর, মুদ্রা, রাস্তা ও গড়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাচীন বৃক্ষ — উয়ারী বটেশ্বর কোনো গাছ বা বৃক্ষ নয়, এটি মানুষের বসতি ও সভ্যতার নিদর্শন।
B) প্রাচীন গ্রন্থ — এটি কোনো লিখিত প্রাচীন বই বা সাহিত্যকর্ম নয়, এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
C) প্রাচীন মন্দির — এটি নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় মন্দির বা উপাসনালয় নয়, এটি একটি প্রাচীন জনপদ বা নগর সভ্যতা।
D) প্রাচীন জনপদ — এটি সঠিক কারণ এটি একটি প্রাচীন মানব বসতি ও সমৃদ্ধ সভ্যতার অংশ।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী বটেশ্বর মানেই নরসিংদীর প্রাচীন জনপদ ও মাটির নিচের প্রাচীন সভ্যতা।
সঠিক উত্তর: D) ৬
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের দাপ্তরিক কার্যপরিচালনার জন্য মোট ছয়টি ভাষাকে অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- ভাষাগুলো হলো ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, রুশ, চীনা ও আরবি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ — জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৭টি নয়, সঠিক সংখ্যা ৬।
B) ৯ — জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৯টি নয়, সঠিক সংখ্যা ৬।
C) ৮ — জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৮টি নয়, সঠিক সংখ্যা ৬।
D) ৬ — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ জাতিসংঘের মোট অফিসিয়াল ভাষা ৬টি।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা ছয়টি মনে রাখতে 'এফে স্পরুচারা' বা ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, রুশ, চীনা ও আরবি এই ক্রমটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) ক ও খ
কেন সঠিক:
- ভুটান একটি স্থলবেষ্টিত পাহাড়ি দেশ হওয়ায় এর কোনো সমুদ্র বা নৌবাহিনী নেই।
- ভুটানের নিজস্ব কোনো বিমানবাহিনী বা যুদ্ধবিমান নেই, দেশটির আকাশসীমা সুরক্ষায় ভারতীয় বিমানবাহিনী সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিমানবাহিনী — ভুটানের নিজস্ব বিমানবাহিনী না থাকায় শুধু এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না, কারণ নৌবাহিনীও তাদের নেই।
B) নৌবাহিনী — ভুটানের নৌবাহিনী না থাকার পাশাপাশি বিমানবাহিনীও নেই, তাই এককভাবে এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
C) সেনাবাহিনী — ভুটানের রাজকীয় সেনাবাহিনী রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) ক ও খ — ভুটানের বিমান ও নৌবাহিনী কোনটিই নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ি দেশ ভুটানের শুধু স্থলসেনা আছে, তাই সমুদ্র না থাকায় নৌবাহিনী এবং নিজস্ব বিমান না থাকায় বিমানবাহিনী নেই।
সঠিক উত্তর: A) শ্রীলংকা
কেন সঠিক:
- এডামস পিক শ্রীলংকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও পবিত্র পর্বতচূড়া।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার দুইশ বিরাশি মিটার উঁচুতে অবস্থিত এবং এটি শ্রী পদ নামেও পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এডামস পিক এই দেশেই অবস্থিত এবং এটি প্রধান চারটি ধর্মের অনুসারীদের কাছে পবিত্র স্থান।
B) ভারত — এটি ভুল অপশন কারণ এই দেশটি দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত হলেও এডামস পিক এখানে অবস্থিত নয়।
C) ইরান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং ভৌগোলিক অবস্থান ও সংস্কৃতির দিক থেকে এডামস পিক এখানে নেই।
D) মিশর — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি দেশ এবং এর সঙ্গে এডামস পিক পর্বতটির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
শ্রীলংকার পবিত্র চূড়া হলো এডামস পিক, যা শ্রী পদ নামেও পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) 11
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য পুরো বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- সেক্টরগুলো ছাড়াও সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে এবং ১০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 11 — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
B) 14 — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৪টি সেক্টর ছিল না, ১১ নম্বর সেক্টর বাদে বাকি ১০টি সেক্টরে সাধারণ সেক্টর কমান্ডার থাকলেও মোট সেক্টর সংখ্যা ১১টিই নির্ধারিত ছিল।
C) 9 — এই অপশনটি ভুল কারণ ৯টি সেক্টর নয়, বরং সুন্দরবন এলাকা নিয়ে গঠিত ৯ নম্বর সেক্টর ছিল ১১টি সেক্টরের একটি অংশমাত্র।
D) 8 — এই অপশনটি ভুল কারণ ৮ নম্বর সেক্টর কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি নির্দিষ্ট সেক্টর ছিল, সমগ্র দেশের সেক্টর সংখ্যা ৮টি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ১১ জন খেলোয়াড়ের কথা মনে রাখতে পারেন, যা ১১টি সেক্টরের সঙ্গে মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: C) ১০ঃ৬
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হলো ১০ঃ৬ বা ৫ঃ৩।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই মাপ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ঃ৭ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক অনুপাত নয়, এটি ভুল মাপ।
B) ১১ঃ৮ — এটিও জাতীয় পতাকার নির্ধারিত কোনো মাপ বা অনুপাত নয়।
C) ১০ঃ৬ — এটিই বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক ও অনুমোদিত দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত।
D) ৮ঃ৫ — এটি জাতীয় পতাকার সঠিক অনুপাত নয়, যদিও সরলীকরণ করলে কাছাকাছি হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপ মনে রাখতে ১০ ও ৬ সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যার অনুপাত হয় ১০ঃ৬।
সঠিক উত্তর: A) ইসরায়েল
কেন সঠিক:
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে এই ঘোষণা দেন।
- এই ঘোষণাই পরবর্তীতে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসরায়েল — এটি সঠিক উত্তর কারণ বেলফোর ঘোষণা ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য জাতীয় গৃহ বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
B) কসোভো — এটি বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র যা ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং এর সাথে বেলফোর ঘোষণার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কিউবা — এটি ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র যা ১৯০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং এর ইতিহাস সম্পূর্ণ আলাদা।
D) পাকিস্তান — এটি ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির মাধ্যমে গঠিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যার প্রতিষ্ঠার সাথে বেলফোর ঘোষণার কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
বেলফোর মানেই ইহুদিদের জন্য আলাদা বাসভূমি, আর এই ভূমির নাম হলো ইসরায়েল।
সঠিক উত্তর: D) এ. কে. ফজলুল হক
কেন সঠিক:
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ অবিভক্ত ভারতের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- বাংলার তৎকালীন প্রখ্যাত নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল কাসেম — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং এই প্রস্তাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
B) চৌধুরী খালেকুজ্জামান — তিনি মুসলিম লীগের একজন নেতা হলেও লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেননি।
C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি বাঙালি নেতা হলেও লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
D) এ. কে. ফজলুল হক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি লাহোর অধিবেশনে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক, আর এটি পাস হয়েছিল ১৯৪০ সালে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯২০ সালে
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে ঊনবিংশ সংশোধনী পাস হওয়ার মাধ্যমে ১৯২০ সালে নারীরা ভোটাধিকার লাভ করেন।
- দীর্ঘ নারীবাদী আন্দোলনের পর আমেরিকার নারীরা জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আইনি অধিকার অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩১ সালে — এই সালে মার্কিন নারীরা ভোটাধিকার পাননি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯০২ সালে — এই সালে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নারীদের ভোটাধিকার স্বীকৃত ছিল না।
D) ১৯৯৩ সালে — এটি যুক্তরাষ্ট্রের নারী ভোটাধিকার অর্জনের সাল নয়, অনেক পরের একটি বছর।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা ভোটাধিকার পান ১৯২০ সালে, যা মনে রাখতে উনবিংশ সংশোধনীর সালটির সঙ্গে মেলাতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) বস্ত্রশিল্প
কেন সঠিক:
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের ফলে কলের উৎপাদিত সস্তা সুতি কাপড় ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করে।
- এর ফলে দেশীয় তাঁতিদের তৈরি হস্তশিল্পের বস্ত্রশিল্প মারাত্মক প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে এবং ধ্বংস হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বস্ত্রশিল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিল্প বিপ্লবের প্রধান আঘাত এই খাতেই লেগেছিল।
B) পাটশিল্প — পাটশিল্প মূলত আধুনিক কারখানাভিত্তিক এবং পরবর্তীকালের শিল্পায়নের সাথে জড়িত, ব্রিটিশ আমলের শুরুতে এটি ধ্বংসের প্রধান খাত ছিল না।
C) চিত্রশিল্প — চিত্রশিল্প সংস্কৃতির একটি মাধ্যম, যা অর্থনৈতিক শিল্প বিপ্লবের সরাসরি লক্ষ্য ছিল না।
D) রেশমশিল্প — রেশমশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইংল্যান্ডের যন্ত্রনির্মিত বস্ত্রের আগ্রাসনে সামগ্রিকভাবে বস্ত্রশিল্প ধ্বংসের মুখে পড়ে যাওয়ায় এটি প্রধান উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিল্প বিপ্লব মানেই কারখানা আর সুতি কাপড়ের আগ্রাসন, যা ধ্বংস করেছিল ভারতীয় উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রশিল্পকে।
সঠিক উত্তর: B) স্বাধীনতা পদক
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
কেন সঠিক:
- স্বাধীনতা পদক হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক বা পুরস্কার।
- ১৯৭৭ সাল থেকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একুশে পদক — এটি ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয়, সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক নয়।
B) স্বাধীনতা পদক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক।
C) বাংলা একাডেমী পদক — এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদত্ত একটি পুরস্কার।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার স্বাদই সবার উপরে, তাই সর্বোচ্চ পদক হলো স্বাধীনতা পদক।
সঠিক উত্তর: C) বাবেল মান্দেব প্রণালি
কেন সঠিক:
- এটি এশিয়া মহাদেশের ইয়েমেন ও আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি এবং ইরিত্রিয়াকে পৃথক করেছে।
- এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেরিং প্রণালি — এটি এশিয়া মহাদেশের সাইবেরিয়া এবং উত্তর আমেরিকা মহাদেশের আলাস্কাকে পৃথক করেছে।
B) জিব্রাল্টার প্রণালি — এটি ইউরোপ মহাদেশের স্পেনকে আফ্রিকা মহাদেশের মরক্কো থেকে পৃথক করেছে।
D) বসফরাস প্রণালি — এটি ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশের সীমানায় অবস্থিত এবং ইস্তাম্বুল শহরকে দুই ভাগে ভাগ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকা ও এশিয়া আলাদা করেছে বাবেল মান্দেব, আর জিব্রাল্টার আলাদা করেছে আফ্রিকা ও ইউরোপ।
সঠিক উত্তর: B) খাসিয়া
কেন সঠিক:
- খাসিয়া উপজাতির সমাজব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক, যেখানে পরিবারের মূল চালিকাশক্তি হলেন মা বা নারী প্রধান।
- এই সমাজে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন পরিবারের ছোট মেয়ে বা নারীরা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুমি — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি পাহাড়ি উপজাতি এবং এদের সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
B) খাসিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি মাতৃতান্ত্রিক উপজাতির সঙ্গে মিলে যায়।
C) চাকমা — এটি বাংলাদেশের প্রধান পাহাড়ি উপজাতি এবং এদের সমাজব্যবস্থা পুরোপুরি পিতৃতান্ত্রিক।
D) মুরং — এদেরকে ম্রো বলা হয় এবং এদের সমাজব্যবস্থাও পিতৃতান্ত্রিক প্রকৃতির।
মনে রাখার টিপস:
খ দিয়ে খাসিয়া এবং খ দিয়ে খালা বা মা মনে রেখে খুব সহজে মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) জাকার্তা
কেন সঠিক:
- আসিয়ান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট, যার সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অবস্থিত।
- জাকার্তার সচিবালয় থেকে এই আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাকার্তা — এটি আসিয়ানের সঠিক ও মূল সদর দপ্তর।
B) ম্যানিলা — এটি এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবির সদর দপ্তর, আসিয়ানের নয়।
C) সিঙ্গাপুর — এটি আসিয়ানের সদস্য রাষ্ট্র হলেও এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
D) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের কোনো সংস্থার সদর দপ্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ানের প্রধান বা সদর জাকার্তা, মনে রাখুন আসিয়ান মানে জাকার্তার জ্ঞান।
সঠিক উত্তর: B) বখতিয়ার খলজি
কেন সঠিক:
- ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বাংলার নদিয়া বা লখনৌতি আক্রমণ করে প্রথম মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি সেন রাজবংশের রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিরান খলজি — বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর তিনি বাংলার তুর্কি শাসকদের একজন সেনাপতি ও শাসক ছিলেন, প্রথম বিজয়ী নন।
B) বখতিয়ার খলজি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি প্রথম মুসলিম সেনাপতি যিনি বাংলা জয় করেছিলেন।
C) ইলিয়াস শাহ — তিনি ১৩৫২ সালে সমগ্র বাংলা একত্রিত করে স্বাধীন ইলিয়াস শাহী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন, প্রথম বিজয়ী নন।
D) হুসেন শাহ — তিনি স্বাধীন হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা এবং পনেরো শতকের শেষের দিকে বাংলার শাসক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেছেন বখতিয়ার খলজি, সালটি মনে রাখুন ১২০৪ সাল।
সঠিক উত্তর: A) জার্মানি
কেন সঠিক:
- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় জার্মানির বার্লিন শহরে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয়ের সঠিক অবস্থান এবং বার্লিন শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) ফ্রান্স — এটি আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থাসমূহের সদর দপ্তর যেমন ইউনেস্কোর অবস্থান, কিন্তু ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নয়।
C) হাঙ্গেরি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী বুদাপেস্ট এবং এর সঙ্গে এই সংস্থার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) নেদারল্যান্ড — এটি আন্তর্জাতিক আদালত বা বিচারালয়ের জন্য পরিচিত হলেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালে স্বচ্ছতা বোঝাতে বার্লিন বা জার্মানির কড়া নিয়মকানুন মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) হাজী শরীয়তুল্লাহ
কেন সঠিক:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৮১৮ সালে বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি ইসলামের মূল অনুশাসন বা ফরজ পালনের ওপর জোর দিয়ে এই সংস্কার আন্দোলন গড়ে তোলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পীর মুহসীনউদ্দীন — ইনি হাজী শরীয়তুল্লাহর পুত্র দুদু মিয়া নামে পরিচিত এবং ফরায়েজী আন্দোলনকে শক্তিশালী করেন, তবে প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) শাহ ওলিউল্লাহ — ইনি ভারত বর্ষে ইসলামি সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ হলেও বাংলার ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা নন।
C) মাওলানা কেরামত আলী — ইনি জৌনপুরী নামে পরিচিত এবং বাংলার নানা অঞ্চলে ইসলাম প্রচার ও সংস্কার কাজ করলেও ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা নন।
D) হাজী শরীয়তুল্লাহ — ইনি ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
শরীয়ত থেকে শরীয়তুল্লাহ মনে রাখবেন, যিনি ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা ছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) ফিনিশীয়রা
কেন সঠিক:
- ফিনিশীয়রা খ্রিষ্টপূর্ব একাদশ শতাব্দীতে বিশ্বের প্রথম স্বরবর্ণহীন বর্ণমালা বা ধ্বনিভিত্তিক লিপি আবিষ্কার করে।
- তাদের এই বর্ণমালার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে গ্রিক, ল্যাটিন এবং আধুনিক অন্যান্য ভাষার বর্ণমালা বিকশিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিকরা — তারা ফিনিশীয় বর্ণমালা থেকে স্বরবর্ণ যুক্ত করে প্রথম পূর্ণাঙ্গ বর্ণমালা তৈরি করেছিল, তবে উদ্ভাবক নয়।
B) রোমানরা — তারা গ্রিক ও ফিনিশীয় লিপি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ল্যাটিন বর্ণমালা তৈরি করে, যা উদ্ভাবন নয়।
C) মিশরীয়রা — তারা চিত্রলিপি বা হায়ারোগ্লিফিক ব্যবহার করত, যা আধুনিক বর্ণমালার রূপ নয়।
D) ফিনিশীয়রা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তারা প্রথম ধ্বনিভিত্তিক বর্ণমালা তৈরি করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
ফিনিশীয় জাতির নামের প্রথম অক্ষর ফ দিয়ে মনে রাখতে পারেন এরা প্রথম বর্ণমালা ফন্দি করে বা আবিষ্কার করে।
সঠিক উত্তর: A) মেঘমালা
কেন সঠিক:
- মেঘ শব্দের সাথে বহুবচন বোঝাতে 'মালা' অনুসর্গ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী জড়বাচক বিশেষ্য শব্দের বহুবচনে 'মালা' ব্যবহৃত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণিবাচক বা জড়বাচক শব্দের বহুবচন গঠনে মালী, কুল, সমূহের পাশাপাশি মালা ব্যবহার করা হয়।
- মেঘ একটি প্রাকৃতিক জড় বস্তু হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন হিসেবে 'মালা' শব্দটির ব্যবহার সবচেয়ে উপযোগী।
- যেমন পর্বত থেকে পর্বতমালা এবং তারু থেকে তারুমালা হয়, তেমনি মেঘ থেকে মেঘমালা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মেঘমালা — এটি সঠিক উত্তর এবং জড়বাচক শব্দের বহুবচনে এটি ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে উপযুক্ত।
- B) মেঘসমূহ — সমূহের ব্যবহার প্রাতিষ্ঠানিক বা আনুষ্ঠানিক লেখায় হলেও মেঘের ক্ষেত্রে মালা বেশি সিদ্ধ।
- C) মেঘরা — 'রা' বিভক্তিটি শুধুমাত্র প্রাণবাচক বা উত্তম পুরুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মেঘের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- D) মেঘগুলো — 'গুলো' বিভক্তিটি সাধারণত ছোট বা সাধারণ বস্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়, কাব্যিক বা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- প্রাকৃতিক বা জড়বাচক শব্দের বহুবচনে সাধারণত মালা ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) যথা + অর্থ
১. কেন সঠিক:
- যথা শব্দের শেষ ধ্বনি আ এবং অর্থ শব্দের শুরু ধ্বনি অ মিলে দুটি ধ্বনি একত্রিত হয়ে আকার আ উৎপন্ন হয়েছে।
- সন্ধির নিয়মানুসারে অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ আ হয় এবং তা পূর্ববর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রচলিত নিয়ম।
- প্রথম শব্দের অন্তে অ বা আ এবং দ্বিতীয় শব্দের আদিতে অ বা আ থাকলে উভয়ে মিলে আ কার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: হিম শব্দের অন্তস্থিত অ এবং আলয় শব্দের আদিতে থাকা আ মিলে আকার গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয়
ব্যাখ্যা: মহা শব্দের অন্তস্থিত আ এবং আশয় শব্দের আদিতে থাকা আ মিলে দীর্ঘ আ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যথা + আর্থ — আর্থ বলে কোনো অর্থবোধক শব্দ বাংলায় নেই, তাই এটি ভুল।
B) যথাঃ + অর্থ — যথার পরে কোনো বিসর্গ থাকে না, তাই এই বিসর্গযুক্ত রূপটি ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) যথ + অর্থ — যথ বলে কোনো শব্দ বাংলায় ব্যবহৃত হয় না, মূল শব্দটি যথা।
D) যথা + অর্থ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর উভয় অংশ অর্থপূর্ণ এবং নিয়ম মেনে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আ এবং অ মিলে আ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়।
- শব্দের শেষে আ কার এবং পরের শব্দের শুরুতে অ থাকলে আ কার বহাল থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় উভয় অংশের সঠিক অর্থ এবং বানান জানা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) কুসুমকুমারী দাস
১. কেন সঠিক:
'আদর্শ ছেলে' কবিতাটির রচয়িতা কুসুমকুমারী দাস। আমাদের সমাজের নৈতিকতা ও দেশপ্রেম জাগাতে এই কবিতাটির ভূমিকা অনন্য এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কুসুমকুমারী দাস বিখ্যাত কবি বুদ্ধদেব বসুর মাতা। তিনি মূলত ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন প্রথিতযশা লেখিকা যিনি তাঁর সহজ ও সুন্দর ভাবনার জন্য পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুসুমকুমারী দাসের লেখা বিখ্যাত পঙ্ক্তি হলো, আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।
ব্যাখ্যা: এই পঙ্ক্তিটি ছোট থেকেই শিশুদের নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কুসুমকুমারী দাসের আরেকটি পরিচিত কবিতা হলো 'সৈনিক'।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় দেশপ্রেম ও বীরত্বের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে যা তাঁর সাহিত্য সাধনার পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নারী কবি ও সাহিত্যিক, তবে তিনি 'আদর্শ ছেলে' কবিতার রচয়িতা নন।
B) সুকুমার রায় — তিনি বাংলা শিশুসাহিত্যের ননসেন্স ভার্সের প্রবর্তক ও বিখ্যাত ছড়াকার, তবে এই কবিতার রচয়িতা নন।
C) জসীম উদ্দীন — তিনি আমাদের পল্লি কবি নামে পরিচিত এবং গ্রামবাংলার রূপ তাঁর কবিতায় ফুটে ওঠে, যা এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) কুসুমকুমারী দাস — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'আদর্শ ছেলে'।
৫. মনে রাখার টিপস:
আদর্শ ছেলে গড়ার কারিগর মা, আর 'আদর্শ ছেলে' কবিতার লেখিকা হলেন একজন মা, অর্থাৎ কবি কুসুমকুমারী দাস। এভাবে মায়ের সঙ্গে আদর্শ ছেলের সম্পর্ক মিলিয়ে এটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার পঙ্ক্তি তুলে ধরে রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। তাই বিখ্যাত কবিতাগুলোর প্রথম লাইন ও কবির নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) শ্রোতাপক্ষ
কেন সঠিক:
- এই সর্বনামগুলো দিয়ে সরাসরি যার সাথে কথা বলা হচ্ছে তাকে বোঝানো হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কথা শোনার সাথে জড়িত পক্ষ হলো শ্রোতাপক্ষ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পুরুষ বা পক্ষ ব্যাকরণে তিন ভাগে বিভক্ত যথা উত্তম পুরুষ মধ্যম পুরুষ ও প্রথম বা নাম পুরুষ।
- তুমি এবং তোমরা শব্দগুলো মধ্যম পুরুষের অন্তর্ভুক্ত যা দিয়ে শ্রোতাকে বোঝায়।
- যেমন তুমি কি বই পড়ছো বা তোমরা সবাই মাঠে এসো বাক্যে তুমি ও তোমরা হলো শ্রোতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) শ্রোতা ও বক্তা উভয়পক্ষ — এটি ভুল কারণ এই সর্বনাম দিয়ে কেবল শ্রোতাকে বোঝায় বক্তাকে নয়।
- B) অন্যপক্ষ — এটি ভুল কারণ অন্যপক্ষ বলতে যা নিয়ে কথা বলা হয় তাকে বোঝায় কিন্তু তুমি বা তোমরা সরাসরি উপস্থিত শ্রোতা।
- C) বক্তাপক্ষ — এটি ভুল কারণ বক্তাপক্ষ বোঝাতে আমি আমরা আমার ইত্যাদি সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
- D) শ্রোতাপক্ষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তুমি ও তোমরা সর্বনাম দিয়ে কেবল শ্রোতাকেই বোঝানো হয়।
মনে রাখার টিপس:
- আমি আমার হলো বক্তা।
- তুমি তোমরা হলো শ্রোতা।
- সে তারা হলো অন্যপক্ষ বা যার সম্পর্কে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) সংখ্যার ধারণা
১. কেন সঠিক:
বচন ব্যাকরণের এমন একটি পরিভাষা যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা প্রকাশ করে।
এর মাধ্যমে কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তি একটি না একাধিক তা স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বচন শব্দের অর্থ সংখ্যার ধারণা বা গণনা।
বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এক বা বহুত্ব প্রকাশের মাধ্যমকে বচন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমটি টেবিলে আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কলম বিশেষ্য পদের একবচন রূপ বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ছেলেরা মাঠে খেলছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ছেলে বিশেষ্য পদের সঙ্গে রা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচন রূপ বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দের ধারণা — শব্দ হলো ভাষার মূল উপাদান বা অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি, বচন শব্দের ধারণা প্রকাশ করে না।
B) রীতিরি ধারণা — রীতি বা প্রথা হলো ভাষার প্রয়োগশৈলী, বচনের সঙ্গে রীতির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) উক্তির ধারণা — উক্তি হলো বক্তার বক্তব্য প্রকাশের মাধ্যম, বচন উক্তির ধারণা নির্দেশ করে না।
D) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক কারণ বচন পদের সংখ্যা অর্থাৎ এক বা বহুত্ব নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বচন মানেই সংখ্যা। প্রশ্ন বচন দেখলে মাথায় আনবে একবচন বা বহুবচন অর্থাৎ সংখ্যা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে বচন কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচনের প্রকারভেদ এবং একবচন থেকে বহুবচন করার নিয়ম প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) পাকা
১. কেন সঠিক:
- কাঁচা শব্দের একটি প্রধান অর্থ হলো অপরিণত বা অপরিপক্ব, যার বিপরীত অর্থ হলো পরিণত বা পাকা।
- প্রসঙ্গভেদে কাঁচা শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে পাকা শব্দটি সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও প্রচলিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের প্রমিত অর্থ এবং প্রাসঙ্গিক ব্যবহারের ওপর নির্ভর করতে হয়।
- বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীতার্থক শব্দ চয়ন করার সময় পদের মিল রক্ষা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁচা আম ও পাকা আম
ব্যাখ্যা: ফলের ক্ষেত্রে অপরিপক্ব অবস্থাকে কাঁচা এবং পরিপক্ব অবস্থাকে পাকা বলা হয়।
উদাহরণ ২: কাঁচা সোনা ও পাকা সোনা
ব্যাখ্যা: ধাতুর ক্ষেত্রে খাদযুক্ত বা বিশুদ্ধ নয় এমন অবস্থাকে কাঁচা এবং খাঁটি অবস্থাকে পাকা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুণ — এটি কোনো অর্থবহ বাংলা শব্দ নয় বা কাঁচা শব্দের বিপরীতার্থক রূপ নয়।
B) অপরিপক্ব — এটি কাঁচা শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
C) পুণ্য — এটি পাপ শব্দের বিপরীত শব্দ, কাঁচা শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
D) পাকা — এটি কাঁচা শব্দের সঠিক ও প্রমিত বিপরীতার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো কিছু অপরিপক্ব বুঝাতে কাঁচা এবং পরিপক্ব বুঝাতে পাকা শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও প্রসঙ্গের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত বিপরীতার্থক শব্দগুলো প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়।
- শব্দের প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করার চর্চা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্যে সাধু রীতির প্রবক্তা বা জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে গণ্য করা হয়।
তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্যে প্রথম শৃঙ্খলা, যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনবিংশ শতকের বাংলা গদ্য সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নির্মাতা ও সংস্কারক।
সংস্কৃত পন্ডিত বিদ্যাসাগর তাঁর 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' ও 'শকুন্তলা' গ্রন্থের মাধ্যমে সাধু রীতির গদ্যকে সুবিন্যস্ত ও গতিশীল রূপ দেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রাতৃষষ্ঠী উপলক্ষে জ্ঞাতিবর্গ একত্রিত হইয়া নানাবিধ উপঢৌকন প্রদান করিলেন।
ব্যাখ্যা: এটি সাধু রীতির বাক্য, যেখানে তৎসম শব্দ ও ক্রিয়ার পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নদীগর্ভে জলরাশি প্রবল বেগে ধাবিত হইতে লাগিল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'হইতে লাগিল' ক্রিয়ার সাধু রূপ এবং তৎসম শব্দের প্রয়োগ রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি সাধু গদ্যরীতির জনক।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং সাধু রীতিকে উপন্যাসে সফলভাবে ব্যবহার করলেও এর জনক নন।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং চলিত রীতির প্রবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাধু ভাষার জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং চলিত ভাষার প্রবক্তা প্রমথ চৌধুরী।
এই তথ্যটি মনে রাখতে সাধু শব্দের 'স' দিয়ে বিদ্যাসাগরের 'স' এবং চলিত শব্দের সাথে প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির জনক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সাধু রীতির ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং চলিত রীতির ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অক্ষর
১. কেন সঠিক:
মুখের এক ঝটকানায় বা এক নিঃশ্বাসে শব্দের যে অংশ উচ্চারণ করা হয়, তাকে অক্ষর বলা হয়।
এটি মানুষের বাকযন্ত্রের স্বাভাবিক গতির ওপর নির্ভর করে উচ্চারিত হয় বলে একে উচ্চারণের একক বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক হলেও তা এককভাবে সম্পূর্ণ উচ্চারণ করা যায় না।
বাকযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে শব্দের যে অংশ বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর বা সিলেবল বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাত শব্দটি একবারে উচ্চারিত হয় এবং এর অক্ষর সংখ্যা এক।
ব্যাখ্যা: এটি একটি একক অক্ষরযুক্ত শব্দ যা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: কলম শব্দটি দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে ক-লম হিসেবে উচ্চারিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি অক্ষর রয়েছে কারণ মুখ থেকে দুটি ঝটকায় শব্দটি বের হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্ষর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়।
B) শব্দ — শব্দ হলো অর্থপূর্ণ ধ্বনির সমষ্টি, উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক নয়।
C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক একক বা উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম অংশ, তবে উচ্চারণের সম্পূর্ণ একক বা ঝটকার মাপকাঠি অক্ষর।
D) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা উচ্চারণের একক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
এক নিঃশ্বাসে যা উচ্চারণ করা যায় তা অক্ষর এবং যা লিখিত রূপ তা বর্ণ হিসেবে মনে রাখবে।
উচ্চারণের সঙ্গে নিঃশ্বাসের সংযোগ থাকলেই তা অক্ষর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক একক এবং অক্ষর হলো উচ্চারণের একক।
এই দুটি বিষয় প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাংবাদিকতা ও সাহিত্য সাধনার ক্ষেত্রে ধূমকেতু ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
- তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকার নামও ছিল ধূমকেতু।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯২২ সালে ধূমকেতু পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং এর মাধ্যমে ব্রিটিশ বিরোধী লেখালেখির জন্য রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাবরণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যঙ্গাত্মক ও সাহিত্যিক রচনা
ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে সমাজের অসংগতি তুলে ধরতে ভিন্ন নাম বা ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
উদাহরণ ২: ধূমকেতু পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার প্রথম পাতার বাণী ছিল স্বরাজ পাইতে হইলে মানুষের মতো মানুষ হইতে হইবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ধূমকেতু ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন এবং পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন।
B) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি রূপকথার লেখার জন্য বিখ্যাত এবং তাঁর ছদ্মনাম এটি নয়।
C) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি এবং তাঁর পরিচিত ছদ্মনাম ভিন্ন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে পদাবলী লিখেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধূমকেতু মানেই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা।
- রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনাম ভানুসিংহ আর নজরুলের ছদ্মনাম বা পরিচয়ের সঙ্গে ধূমকেতু ও পরবর্তীতে বিদ্রোহী উপাধি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ধূমকেতু পত্রিকার যুগপথ সম্পাদক ও চালিকাশক্তি ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও লেখকদের ছদ্মনাম বা সম্পাদিত পত্রিকা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) অদ্রি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি গাছের সমার্থক শব্দ নয় কারণ 'অদ্রি' শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত।
- গাছ বা বৃক্ষ প্রকৃতির উদ্ভিদ জগৎভুক্ত হলেও পাহাড় সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভৌগোলিক বস্তু বা ভূমিরূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা কাছাকাছি।
- বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা বিষয়ের প্রকাশের জন্য একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গিরি
ব্যাখ্যা: এটি অদ্রি বা পাহাড় শব্দের আরেকটি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: শাখী
ব্যাখ্যা: এটি গাছের একটি বিখ্যাত সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিটপি — এটি গাছের একটি অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক শব্দ।
B) বৃক্ষ — এটি সরাসরি গাছ শব্দের মূল সমার্থক শব্দ।
C) তরু — এটি গাছের আরেকটি বহুল প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
D) অদ্রি — এটি গাছের সমার্থক শব্দ নয়, এর অর্থ পর্বত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অদ্রি মানে পাহাড় আর তরু, বৃক্ষ, বিটপি মানে গাছ।
- পাহাড় কখনো গাছ হতে পারে না, তাই অদ্রি আলাদা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিটপি ও তরু শব্দ দুটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গাছের সমার্থক হিসেবে আসে।
- পাহাড় বা পর্বত বোঝাতে অদ্রি, গিরি ও শৈল শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
ইংরেজী ব্যাকরণে সমৃদ্ধ বা কোনো কিছু থাকা অর্থে Rich শব্দের পর সাধারণত in প্রিপজিশন বসে।
তাই প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ বোঝাতে Bangladesh is rich in natural gas বাক্যটি সঠিক হয়।
আর কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রাচুর্য বোঝাতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য।
এটি একটি নির্দিষ্ট ফিক্সড প্রিপজিশন এর নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — Rich শব্দের পর অব বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং অর্থ প্রকাশ করে না।
B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) for — এই প্রিপজিশনটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং তা ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
D) on — এই প্রিপজিশনটি কোনো উপরিভাগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুতে ধনী বা সমৃদ্ধ বোঝাতে সবসময় Rich এর পরে in প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) Exclamatory
কেন সঠিক:
এই বাক্যটিতে মনের গভীর আবেগ বা আনন্দ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো সাধারণ বা বিবৃতিমূলক বাক্য নয়।
B) Optative — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদমূলক বাক্য নয়।
C) Interrogative — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয়।
D) Exclamatory — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দ্বারা বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে মনের আকস্মিক আবেগ প্রকাশ পায় এবং শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন থাকে, তাকে এক্সক্লেমেটরি সেন্টেন্স বলে।
সঠিক উত্তর: D) the
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে বোঝাতে নাউনের আগে the বসে। এখানে মানুষের ভাগ্য গড়ার বিষয়টি নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়েছে।
তাই এখানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে the বসবে।
এই নিয়ম অনুযায়ী ফাঁকা স্থানে the হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) no article needed — কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
B) a — শব্দের শুরুতে কনসোনেন্ট থাকলেও নির্দিষ্ট করার জন্য a বসে না।
C) an — শব্দের শুরুতে ভাওয়েল না থাকায় an বসা অসম্ভব।
D) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বিশেষ করে বোঝালে তার আগে সবসময় the বসে।
সঠিক উত্তর: B) the cheaper
কেন সঠিক:
বাক্যে দু'টি বস্তু বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা বোঝাতে Comparative Degree ব্যবহার করা হয়।
Degrees of Comparison এর নিয়ম অনুযায়ী Comparative Adjective এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cheep — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং এখানে তুলনামূলক রূপ ব্যবহার করা হয়নি।
B) the cheaper — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুইটির মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে দ্য এর পর Comparative রূপ বসে।
C) the cheapest — দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে Superlative Degree বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) the cheap — এটি Adjective এর Positive Degree, যা দুইটির মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
দুইটির মধ্যে তুলনা থাকলে Comparative Degree বসে এবং তার আগে দ্য বসে।
সঠিক উত্তর: D) for
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থরকাল বোঝানো হয়েছে। আর পিরিয়ড অব টাইম বা সময়ের ব্যাপ্তি থাকলে তার পূর্বে preposition হিসেবে for বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার পরে বোঝাতে এটি বসে, যা সময়ের দীর্ঘ ব্যাপ্তি বোঝাতে সঠিক নয়।
B) during — কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা চলাকালীন বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) since — নির্দিষ্ট কোনো শুরুর পয়েন্ট বা বিন্দু থেকে সময় বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে সময়ের মোট পরিমাণ আছে।
D) for — নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে এটি বসে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চললে সময়ের দীর্ঘ ব্যাপ্তির আগে সবসময় for বসে।
সঠিক উত্তর: D) wins
কেন সঠিক:
Slow and steady প্রবাদ বাক্য হওয়ায় এটি চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে। তাই এই বাক্যে সর্বদা Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has won — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় চিরন্তন সত্য প্রবাদ বাক্যের জন্য বেমানান।
B) win — Subject টি Singular হওয়ায় Verb এর সাথে s বা es যুক্ত হওয়া আবশ্যক ছিল।
C) won — এটি Past Tense হওয়ায় বর্তমানের চিরন্তন সত্য প্রকাশ করতে পারে না।
D) wins — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Slow and steady একসাথে একটিমাত্র Subject হিসেবে গণ্য হয় এবং Singular verb গ্রহণ করে।
সঠিক উত্তর: C) many
কেন সঠিক:
people শব্দ হলো কাউন্টেবল নাউন বা গণনা করা যায় এমন বিশেষ্য। তাই এর পূর্বে সংখ্যা বোঝাতে many ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) enough — এটি বসলে বাক্যটির অর্থ ঠিক থাকে না এবং গঠনগতভাবে এখানে এটি অনুপযুক্ত।
B) much — এটি আনকাউন্টেবল বা গণণা করা যায় না এমন নাউনের সাথে বসে, কিন্তু people হলো কাউন্টেবল।
C) many — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে সংখ্যাবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
D) most — এখানে তুলনামূলক বা সর্বোচ্চ পর্যায় বোঝানোর প্রয়োজন নেই, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় এমন জিনিসের সাথে many এবং যা গণনা করা যায় না তার সাথে much বসে।
সঠিক উত্তর: A) an adverb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে fast শব্দটি runs ভার্বটিকে বিশেষিত করেছে বা কীভাবে দৌড়ায় তা বোঝাচ্ছে।
- কোনো শব্দ verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করলে তা adverb হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an adverb — এটি সঠিক কারণ এটি verb-কে modify করেছে।
B) a conjunction — এটি কোনো সংযোগকারী শব্দ নয়, তাই এটি ভুল।
C) an adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না, তাই এটি ভুল।
D) a verb — এটি কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না, বরং দৌড়ানোর ধরন বোঝাচ্ছে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
noun বা pronoun-এর দোষ-গুণ বোঝালে adjective হয়, আর verb-এর কাজ করার ধরন বোঝালে adverb হয়।
সঠিক উত্তর: A) is
কেন সঠিক:
বাকটি একটি চিরন্তন সত্য প্রবচন বুঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। All that glitters মানে চকচকে বস্তুগুলোকে একটি একক ধারণা হিসেবে ধরা হয়।
তাই এখানে verb টি singular হবে।
is হলো singular verb যা এই বাক্যের জন্য উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A is — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে প্রযোজ্য।
B make — এটি plural verb এবং এর অর্থ ও ব্যাকরণ এখানে মেলে না।
C look — এটি plural verb এবং প্রবচনের নিয়মের সাথে এটি সঠিক নয়।
D are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রবচনে সাধারণত singular verb বসে।
সঠিক উত্তর: C) a little
কেন সঠিক:
drinking water একটি আনকাউন্টেবল নাউন বা গণণা করা যায় না এমন বিশেষ্য।
তাই এর পূর্বে পরিমাপ বোঝাতে a little ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) several - এটি প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে।
B) many - এটি সংখ্যাবাচক ও কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে।
C) a little - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) a few - এটি প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে।
মনে রাখার টিপস:
গণণা করা যায় না এমন জিনিসের ক্ষেত্রে always a little ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) ১২ বর্গ সে. মি
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ৬ সেন্টিমিটার
সমকোণী ত্রিভুজের উচ্চতা = ৪ সেন্টিমিটার
ধরি,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬ × ৪
উত্তর: ১২ বর্গ সে. মি
সঠিক উত্তর: B) ২০৪
প্রদত্ত তথ্য:
মোট বিলের পরিমাণ = ৪,০৮০ টাকা
ভ্যাটের হার = ৫%
ধরি,
১০০ টাকা বিল হলে ভ্যাট দিতে হয় ৫ টাকা
অতএব,
১ টাকা বিল হলে ভ্যাট দিতে হয় ৫ ÷ ১০০ টাকা
৪,০৮০ টাকা বিল হলে ভ্যাট দিতে হয় (৫ × ৪,০৮০) ÷ ১০০ টাকা
সুতরাং,
ভ্যাটের পরিমাণ = ২০,৪০০ ÷ ১০০ টাকা = ২০৪ টাকা
উত্তর: ২০৪ টাকা
সঠিক উত্তর: D) ২ঃ১
প্রদত্ত তথ্য:
x এর দশ শতাংশ
y এর বিশ শতাংশের সমান
ধরি,
x এর মান নির্ণয় করতে হবে
y এর মান নির্ণয় করতে হবে
অনুপাত বের করতে হবে
অতএব,
x এর দশ শতাংশ = x × (১০ ÷ ১০০)
y এর বিশ শতাংশ = y × (২০ ÷ ১০০)
সুতরাং,
x × (১০ ÷ ১০০) = y × (২০ ÷ ১০০)
x × ১০ = y × ২০
x ÷ y = ২০ ÷ ১০
x ÷ y = ২ ÷ ১
উত্তর: ২ঃ১
সঠিক উত্তর: C) ৩৯.৩৭
প্রদত্ত তথ্য:
১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার
১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার
ধরি,
মোট সেন্টিমিটারের মান হলো ১০০
অতএব,
১০০ সেন্টিমিটারকে ভাগ করতে হবে ২.৫৪ দিয়ে
১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার ভাগ ২.৫৪ ইঞ্চি
হিসাব করলে পাওয়া যায় ৩৯.৩৭০ সুতরাং
উত্তর: ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর: C) ৬১২ কে.জি
প্রদত্ত তথ্য:
দৈনিক ডাল বিক্রয়ের পরিমাণ = ২০ কেজি ৪০০ গ্রাম
মাসের হিসাব ধরতে হবে = ৩০ দিন
ধরি,
এক মাস সমান ৩০ দিন
১ কেজি সমান ১০০০ গ্রাম
অতএব,
২০ কেজি ৪০০ গ্রাম সমান ২০৪০০ গ্রাম
৩০ দিনে মোট বিক্রয় গ্রাম এককে = ২০৪০০ গ্রাম × ৩০
সুতরাং,
মোট বিক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬১২০০০ গ্রাম
গ্রামকে কেজিতে রূপান্তর করলে হয় ৬১২ কে.জি
উত্তর: ৬১২ কে.জি
সঠিক উত্তর: C) ১০ঃ৬
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হলো ১০ঃ৬ বা ৫ঃ৩।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই মাপ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ঃ৭ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক অনুপাত নয়, এটি ভুল মাপ।
B) ১১ঃ৮ — এটিও জাতীয় পতাকার নির্ধারিত কোনো মাপ বা অনুপাত নয়।
C) ১০ঃ৬ — এটিই বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক ও অনুমোদিত দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত।
D) ৮ঃ৫ — এটি জাতীয় পতাকার সঠিক অনুপাত নয়, যদিও সরলীকরণ করলে কাছাকাছি হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপ মনে রাখতে ১০ ও ৬ সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যার অনুপাত হয় ১০ঃ৬।
সঠিক উত্তর: D) তেহরান
কেন সঠিক:
- তেহরান হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের বর্তমান রাজধানী এবং দেশটির সবচেয়ে বড় শহর।
- এটি ইরানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাগদাদ — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাকের রাজধানী, ইরানের নয়।
B) ইসলামাবাদ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের রাজধানী, ইরানের নয়।
C) ইস্তাম্বুল — এটি তুরস্কের একটি ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক শহর, তবে দেশটির রাজধানী আঙ্কারা।
D) তেহরান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নানুসারে এটি ভুল নয়, বরং মূল উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ইরান শব্দের সাথে তেহরান নামের মিল রয়েছে, এভাবে মনে রাখা সহজ।
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ৫
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদের মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে ৫ বছর।
- সরকার নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কেউ গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নির্ধারিত মেয়াদকাল ৫ বছর।
B) ২ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের মেয়াদ দুই বছর নয়।
C) ৮ — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ছিল, কারণ গভর্নরের মেয়াদ আট বছর নয়।
D) ৪ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের মেয়াদ চার বছর নির্ধারিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ সাধারণত ৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর।
সঠিক উত্তর: D) পঞ্চগড়
কেন সঠিক:
- পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত এবং এই জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা দেশের একদম শেষ সীমানা নির্দেশ করে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বাংলাদেশের মানচিত্রে এটি সবচেয়ে উত্তর দিকবর্তী প্রশাসনিক জেলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুড়িগ্রাম — এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের একটি জেলা হলেও সর্বউত্তরের জেলা নয়, এটি উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
B) ঠাকুরগাঁও — এটি পঞ্চগড়ের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা, তাই এটি সর্বউত্তরের জেলা হিসেবে গণ্য হয় না।
C) নীলফামারী — এই জেলাটিও উত্তরের রংপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত, তবে এটি পঞ্চগড়ের চেয়ে কিছুটা দক্ষিণে অবস্থিত।
D) পঞ্চগড় — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরের শেষ বিন্দু পঞ্চগড়, তেঁতুলিয়া উপজেলায় যার অবস্থান।
সঠিক উত্তর: A) সাভার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারটি রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত।
- গবাদিপশুর উন্নত জাত তৈরি এবং দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এটি সরকারিভাবে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাভার — এটি সঠিক উত্তর কারণ কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারটি এখানেই অবস্থিত।
B) সিলেট — সিলেট অঞ্চলে চা গবেষণা ও খামার বেশি দেখা গেলেও এটি কেন্দ্রীয় দুগ্ধ খামার নয়।
C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিভিন্ন গবাদিপশুর খামার থাকলেও এটি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারের অবস্থান নয়।
D) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলে রেশম ও কৃষি গবেষণা বেশি থাকলেও এটি এই খামারের নির্দিষ্ট স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
দুধ ও গরুর প্রধান কেন্দ্রীয় খামার ঢাকার কাছে সাভারে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) যুদ্ধচুক্তি
কেন সঠিক:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের কয়েকটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা সশস্ত্র সংঘাতে আহত, অসুস্থ সৈনিক এবং যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষার জন্য প্রণীত হয়েছে।
- যুদ্ধকালীন মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় ১৮৬৪ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে এই চুক্তিগুলো সংশোধিত ও গৃহিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানবাধিকার চুক্তি — এটি সাধারণ মানুষের সার্বজনীন অধিকার সংরক্ষণের জন্য তৈরি, নির্দিষ্ট কোনো যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য নয়।
B) যুদ্ধচুক্তি — এটি যুদ্ধের সময়কার আইন, যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সুরক্ষা এবং মানবিক আচরণের নিয়ম নির্ধারণ করে।
C) সামরিক চুক্তি — এটি সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের সামরিক সহযোগিতা বা কৌশলগত জোট গঠনের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত হয়।
D) অর্থনৈতিক চুক্তি — এটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
জেনেভা নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি যুদ্ধের ময়দানে আহত সৈনিক ও বন্দীদের সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধচুক্তি।
সঠিক উত্তর: B) ডেনমার্ক
কেন সঠিক:
- গ্রীনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যা ভৌগোলিক দিক থেকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত হলেও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- ডেনমার্কের রাজমুকুটের অধীনে থাকলেও এর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এই দ্বীপটি স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপটি ক্রয়ের প্রস্তাব দিলেও এর মালিকানা ডেনমার্কের হাতেই রয়েছে।
B) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ডেনমার্কের মালিকানা ও স্বায়ত্তশাসনের বিষয়টি প্রযোজ্য।
C) নরওয়ে — অতীতে নরওয়ের কিছু দাবি থাকলেও বর্তমানে এই দ্বীপের ওপর নরওয়ের কোনো মালিকানা নেই।
D) জাপান — জাপান এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সাথে গ্রীনল্যান্ডের মালিকানার কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
গ্রীন মানে সবুজ হলেও দ্বীপটি বরফে ঢাকা, আর এর মালিক ডেনমার্ক নামটি মনে রাখতে ডি দিয়ে ডেনমার্ক ও ডি দিয়ে দ্বীপের বড় অংশ ভাবা যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) হুসেন শাহ
কেন সঠিক:
- গৌড়ের ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে নির্মিত হয়েছিল।
- এটি হুসেন শাহী আমলের স্থাপত্য শিল্পের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শায়েস্তা খান — তিনি মুঘল আমলের বাংলার সুবাদার ছিলেন এবং তার আমলে মূলত ঢাকায় মুঘল স্থাপত্য গড়ে ওঠে।
B) ঈশা খাঁ — তিনি বারো ভূঁইয়ার প্রধান ছিলেন এবং সোনারগাঁ ছিল তার প্রধান রাজধানী ও রাজনৈতিক কেন্দ্র।
C) ফকরুদ্দনি মোবারক শাহ্ — তিনি স্বাধীন সুলতানতের প্রতিষ্ঠাতা হলেও সোনা মসজিদ নির্মাণের সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই।
D) হুসেন শাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং তার আমলেই গৌড়ের সোনা মসজিদ নির্মিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
সোনা মসজিদ মানেই সুলতান হুসেন শাহ, যিনি গৌড়ের বিখ্যাত সুলতান ছিলেন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: D) প্রাচীন জনপদ
কেন সঠিক:
- উয়ারী বটেশ্বর নরসিংদী জেলায় অবস্থিত একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ও জনপদ।
- এখানে মাটি খুঁড়ে প্রাচীন সভ্যতার বন্দর, মুদ্রা, রাস্তা ও গড়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাচীন বৃক্ষ — উয়ারী বটেশ্বর কোনো গাছ বা বৃক্ষ নয়, এটি মানুষের বসতি ও সভ্যতার নিদর্শন।
B) প্রাচীন গ্রন্থ — এটি কোনো লিখিত প্রাচীন বই বা সাহিত্যকর্ম নয়, এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
C) প্রাচীন মন্দির — এটি নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় মন্দির বা উপাসনালয় নয়, এটি একটি প্রাচীন জনপদ বা নগর সভ্যতা।
D) প্রাচীন জনপদ — এটি সঠিক কারণ এটি একটি প্রাচীন মানব বসতি ও সমৃদ্ধ সভ্যতার অংশ।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী বটেশ্বর মানেই নরসিংদীর প্রাচীন জনপদ ও মাটির নিচের প্রাচীন সভ্যতা।
সঠিক উত্তর: D) ৬
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের দাপ্তরিক কার্যপরিচালনার জন্য মোট ছয়টি ভাষাকে অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- ভাষাগুলো হলো ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, রুশ, চীনা ও আরবি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ — জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৭টি নয়, সঠিক সংখ্যা ৬।
B) ৯ — জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৯টি নয়, সঠিক সংখ্যা ৬।
C) ৮ — জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৮টি নয়, সঠিক সংখ্যা ৬।
D) ৬ — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ জাতিসংঘের মোট অফিসিয়াল ভাষা ৬টি।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা ছয়টি মনে রাখতে 'এফে স্পরুচারা' বা ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, রুশ, চীনা ও আরবি এই ক্রমটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) ক ও খ
কেন সঠিক:
- ভুটান একটি স্থলবেষ্টিত পাহাড়ি দেশ হওয়ায় এর কোনো সমুদ্র বা নৌবাহিনী নেই।
- ভুটানের নিজস্ব কোনো বিমানবাহিনী বা যুদ্ধবিমান নেই, দেশটির আকাশসীমা সুরক্ষায় ভারতীয় বিমানবাহিনী সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিমানবাহিনী — ভুটানের নিজস্ব বিমানবাহিনী না থাকায় শুধু এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না, কারণ নৌবাহিনীও তাদের নেই।
B) নৌবাহিনী — ভুটানের নৌবাহিনী না থাকার পাশাপাশি বিমানবাহিনীও নেই, তাই এককভাবে এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
C) সেনাবাহিনী — ভুটানের রাজকীয় সেনাবাহিনী রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) ক ও খ — ভুটানের বিমান ও নৌবাহিনী কোনটিই নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ি দেশ ভুটানের শুধু স্থলসেনা আছে, তাই সমুদ্র না থাকায় নৌবাহিনী এবং নিজস্ব বিমান না থাকায় বিমানবাহিনী নেই।
সঠিক উত্তর: A) শ্রীলংকা
কেন সঠিক:
- এডামস পিক শ্রীলংকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও পবিত্র পর্বতচূড়া।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার দুইশ বিরাশি মিটার উঁচুতে অবস্থিত এবং এটি শ্রী পদ নামেও পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এডামস পিক এই দেশেই অবস্থিত এবং এটি প্রধান চারটি ধর্মের অনুসারীদের কাছে পবিত্র স্থান।
B) ভারত — এটি ভুল অপশন কারণ এই দেশটি দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত হলেও এডামস পিক এখানে অবস্থিত নয়।
C) ইরান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং ভৌগোলিক অবস্থান ও সংস্কৃতির দিক থেকে এডামস পিক এখানে নেই।
D) মিশর — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি দেশ এবং এর সঙ্গে এডামস পিক পর্বতটির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
শ্রীলংকার পবিত্র চূড়া হলো এডামস পিক, যা শ্রী পদ নামেও পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) 11
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য পুরো বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- সেক্টরগুলো ছাড়াও সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে এবং ১০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 11 — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
B) 14 — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৪টি সেক্টর ছিল না, ১১ নম্বর সেক্টর বাদে বাকি ১০টি সেক্টরে সাধারণ সেক্টর কমান্ডার থাকলেও মোট সেক্টর সংখ্যা ১১টিই নির্ধারিত ছিল।
C) 9 — এই অপশনটি ভুল কারণ ৯টি সেক্টর নয়, বরং সুন্দরবন এলাকা নিয়ে গঠিত ৯ নম্বর সেক্টর ছিল ১১টি সেক্টরের একটি অংশমাত্র।
D) 8 — এই অপশনটি ভুল কারণ ৮ নম্বর সেক্টর কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি নির্দিষ্ট সেক্টর ছিল, সমগ্র দেশের সেক্টর সংখ্যা ৮টি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ১১ জন খেলোয়াড়ের কথা মনে রাখতে পারেন, যা ১১টি সেক্টরের সঙ্গে মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: D) ফিনিশীয়রা
কেন সঠিক:
- ফিনিশীয়রা খ্রিষ্টপূর্ব একাদশ শতাব্দীতে বিশ্বের প্রথম স্বরবর্ণহীন বর্ণমালা বা ধ্বনিভিত্তিক লিপি আবিষ্কার করে।
- তাদের এই বর্ণমালার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে গ্রিক, ল্যাটিন এবং আধুনিক অন্যান্য ভাষার বর্ণমালা বিকশিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিকরা — তারা ফিনিশীয় বর্ণমালা থেকে স্বরবর্ণ যুক্ত করে প্রথম পূর্ণাঙ্গ বর্ণমালা তৈরি করেছিল, তবে উদ্ভাবক নয়।
B) রোমানরা — তারা গ্রিক ও ফিনিশীয় লিপি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ল্যাটিন বর্ণমালা তৈরি করে, যা উদ্ভাবন নয়।
C) মিশরীয়রা — তারা চিত্রলিপি বা হায়ারোগ্লিফিক ব্যবহার করত, যা আধুনিক বর্ণমালার রূপ নয়।
D) ফিনিশীয়রা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তারা প্রথম ধ্বনিভিত্তিক বর্ণমালা তৈরি করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
ফিনিশীয় জাতির নামের প্রথম অক্ষর ফ দিয়ে মনে রাখতে পারেন এরা প্রথম বর্ণমালা ফন্দি করে বা আবিষ্কার করে।
সঠিক উত্তর: A) ইসরায়েল
কেন সঠিক:
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে এই ঘোষণা দেন।
- এই ঘোষণাই পরবর্তীতে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসরায়েল — এটি সঠিক উত্তর কারণ বেলফোর ঘোষণা ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য জাতীয় গৃহ বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
B) কসোভো — এটি বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র যা ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং এর সাথে বেলফোর ঘোষণার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কিউবা — এটি ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র যা ১৯০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং এর ইতিহাস সম্পূর্ণ আলাদা।
D) পাকিস্তান — এটি ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির মাধ্যমে গঠিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যার প্রতিষ্ঠার সাথে বেলফোর ঘোষণার কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
বেলফোর মানেই ইহুদিদের জন্য আলাদা বাসভূমি, আর এই ভূমির নাম হলো ইসরায়েল।
সঠিক উত্তর: D) এ. কে. ফজলুল হক
কেন সঠিক:
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ অবিভক্ত ভারতের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- বাংলার তৎকালীন প্রখ্যাত নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল কাসেম — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং এই প্রস্তাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
B) চৌধুরী খালেকুজ্জামান — তিনি মুসলিম লীগের একজন নেতা হলেও লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেননি।
C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি বাঙালি নেতা হলেও লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
D) এ. কে. ফজলুল হক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি লাহোর অধিবেশনে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক, আর এটি পাস হয়েছিল ১৯৪০ সালে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯২০ সালে
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে ঊনবিংশ সংশোধনী পাস হওয়ার মাধ্যমে ১৯২০ সালে নারীরা ভোটাধিকার লাভ করেন।
- দীর্ঘ নারীবাদী আন্দোলনের পর আমেরিকার নারীরা জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আইনি অধিকার অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩১ সালে — এই সালে মার্কিন নারীরা ভোটাধিকার পাননি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯০২ সালে — এই সালে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নারীদের ভোটাধিকার স্বীকৃত ছিল না।
D) ১৯৯৩ সালে — এটি যুক্তরাষ্ট্রের নারী ভোটাধিকার অর্জনের সাল নয়, অনেক পরের একটি বছর।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা ভোটাধিকার পান ১৯২০ সালে, যা মনে রাখতে উনবিংশ সংশোধনীর সালটির সঙ্গে মেলাতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) বস্ত্রশিল্প
কেন সঠিক:
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের ফলে কলের উৎপাদিত সস্তা সুতি কাপড় ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করে।
- এর ফলে দেশীয় তাঁতিদের তৈরি হস্তশিল্পের বস্ত্রশিল্প মারাত্মক প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে এবং ধ্বংস হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বস্ত্রশিল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিল্প বিপ্লবের প্রধান আঘাত এই খাতেই লেগেছিল।
B) পাটশিল্প — পাটশিল্প মূলত আধুনিক কারখানাভিত্তিক এবং পরবর্তীকালের শিল্পায়নের সাথে জড়িত, ব্রিটিশ আমলের শুরুতে এটি ধ্বংসের প্রধান খাত ছিল না।
C) চিত্রশিল্প — চিত্রশিল্প সংস্কৃতির একটি মাধ্যম, যা অর্থনৈতিক শিল্প বিপ্লবের সরাসরি লক্ষ্য ছিল না।
D) রেশমশিল্প — রেশমশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইংল্যান্ডের যন্ত্রনির্মিত বস্ত্রের আগ্রাসনে সামগ্রিকভাবে বস্ত্রশিল্প ধ্বংসের মুখে পড়ে যাওয়ায় এটি প্রধান উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিল্প বিপ্লব মানেই কারখানা আর সুতি কাপড়ের আগ্রাসন, যা ধ্বংস করেছিল ভারতীয় উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রশিল্পকে।
সঠিক উত্তর: B) স্বাধীনতা পদক
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
কেন সঠিক:
- স্বাধীনতা পদক হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক বা পুরস্কার।
- ১৯৭৭ সাল থেকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একুশে পদক — এটি ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয়, সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক নয়।
B) স্বাধীনতা পদক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক।
C) বাংলা একাডেমী পদক — এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদত্ত একটি পুরস্কার।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার স্বাদই সবার উপরে, তাই সর্বোচ্চ পদক হলো স্বাধীনতা পদক।
সঠিক উত্তর: C) বাবেল মান্দেব প্রণালি
কেন সঠিক:
- এটি এশিয়া মহাদেশের ইয়েমেন ও আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি এবং ইরিত্রিয়াকে পৃথক করেছে।
- এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেরিং প্রণালি — এটি এশিয়া মহাদেশের সাইবেরিয়া এবং উত্তর আমেরিকা মহাদেশের আলাস্কাকে পৃথক করেছে।
B) জিব্রাল্টার প্রণালি — এটি ইউরোপ মহাদেশের স্পেনকে আফ্রিকা মহাদেশের মরক্কো থেকে পৃথক করেছে।
D) বসফরাস প্রণালি — এটি ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশের সীমানায় অবস্থিত এবং ইস্তাম্বুল শহরকে দুই ভাগে ভাগ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকা ও এশিয়া আলাদা করেছে বাবেল মান্দেব, আর জিব্রাল্টার আলাদা করেছে আফ্রিকা ও ইউরোপ।
সঠিক উত্তর: B) খাসিয়া
কেন সঠিক:
- খাসিয়া উপজাতির সমাজব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক, যেখানে পরিবারের মূল চালিকাশক্তি হলেন মা বা নারী প্রধান।
- এই সমাজে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন পরিবারের ছোট মেয়ে বা নারীরা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুমি — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি পাহাড়ি উপজাতি এবং এদের সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
B) খাসিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি মাতৃতান্ত্রিক উপজাতির সঙ্গে মিলে যায়।
C) চাকমা — এটি বাংলাদেশের প্রধান পাহাড়ি উপজাতি এবং এদের সমাজব্যবস্থা পুরোপুরি পিতৃতান্ত্রিক।
D) মুরং — এদেরকে ম্রো বলা হয় এবং এদের সমাজব্যবস্থাও পিতৃতান্ত্রিক প্রকৃতির।
মনে রাখার টিপস:
খ দিয়ে খাসিয়া এবং খ দিয়ে খালা বা মা মনে রেখে খুব সহজে মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) জাকার্তা
কেন সঠিক:
- আসিয়ান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট, যার সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অবস্থিত।
- জাকার্তার সচিবালয় থেকে এই আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাকার্তা — এটি আসিয়ানের সঠিক ও মূল সদর দপ্তর।
B) ম্যানিলা — এটি এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবির সদর দপ্তর, আসিয়ানের নয়।
C) সিঙ্গাপুর — এটি আসিয়ানের সদস্য রাষ্ট্র হলেও এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
D) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের কোনো সংস্থার সদর দপ্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ানের প্রধান বা সদর জাকার্তা, মনে রাখুন আসিয়ান মানে জাকার্তার জ্ঞান।
সঠিক উত্তর: B) বখতিয়ার খলজি
কেন সঠিক:
- ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বাংলার নদিয়া বা লখনৌতি আক্রমণ করে প্রথম মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি সেন রাজবংশের রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিরান খলজি — বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর তিনি বাংলার তুর্কি শাসকদের একজন সেনাপতি ও শাসক ছিলেন, প্রথম বিজয়ী নন।
B) বখতিয়ার খলজি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি প্রথম মুসলিম সেনাপতি যিনি বাংলা জয় করেছিলেন।
C) ইলিয়াস শাহ — তিনি ১৩৫২ সালে সমগ্র বাংলা একত্রিত করে স্বাধীন ইলিয়াস শাহী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন, প্রথম বিজয়ী নন।
D) হুসেন শাহ — তিনি স্বাধীন হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা এবং পনেরো শতকের শেষের দিকে বাংলার শাসক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেছেন বখতিয়ার খলজি, সালটি মনে রাখুন ১২০৪ সাল।
সঠিক উত্তর: A) জার্মানি
কেন সঠিক:
- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় জার্মানির বার্লিন শহরে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয়ের সঠিক অবস্থান এবং বার্লিন শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) ফ্রান্স — এটি আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থাসমূহের সদর দপ্তর যেমন ইউনেস্কোর অবস্থান, কিন্তু ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নয়।
C) হাঙ্গেরি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী বুদাপেস্ট এবং এর সঙ্গে এই সংস্থার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) নেদারল্যান্ড — এটি আন্তর্জাতিক আদালত বা বিচারালয়ের জন্য পরিচিত হলেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালে স্বচ্ছতা বোঝাতে বার্লিন বা জার্মানির কড়া নিয়মকানুন মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) হাজী শরীয়তুল্লাহ
কেন সঠিক:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৮১৮ সালে বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি ইসলামের মূল অনুশাসন বা ফরজ পালনের ওপর জোর দিয়ে এই সংস্কার আন্দোলন গড়ে তোলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পীর মুহসীনউদ্দীন — ইনি হাজী শরীয়তুল্লাহর পুত্র দুদু মিয়া নামে পরিচিত এবং ফরায়েজী আন্দোলনকে শক্তিশালী করেন, তবে প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) শাহ ওলিউল্লাহ — ইনি ভারত বর্ষে ইসলামি সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ হলেও বাংলার ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা নন।
C) মাওলানা কেরামত আলী — ইনি জৌনপুরী নামে পরিচিত এবং বাংলার নানা অঞ্চলে ইসলাম প্রচার ও সংস্কার কাজ করলেও ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা নন।
D) হাজী শরীয়তুল্লাহ — ইনি ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
শরীয়ত থেকে শরীয়তুল্লাহ মনে রাখবেন, যিনি ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা ছিলেন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)