বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বুকসর্টার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: বুকসর্টার (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a ২৯ টি
b ৩৯ টি
c ১৯ টি
d ৪৯ টি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৯ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখবিবরের কোথাও না কোথাও বাধা পায় এবং উচ্চারণের জন্য স্বরবর্ণের সাহায্য নেয়, সেগুলোকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে বর্ণমালাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা মোট ৩৯টি, যা 'ক' থেকে শুরু করে 'চাঁদবিন্দু' বা যুক্তবর্ণের আগের বর্ণ পর্যন্ত বিস্তৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ক, ল এবং ম—এই তিনটি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে যা ব্যঞ্জনধ্বনির সাহায্যে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ব এবং য়—এই দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে যা স্বরবর্ণের সাহায্যে পূর্ণতা পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার কোনো মৌলিক বা নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক অংশের সংখ্যা নয়। B) ৩৯ টি — এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মূল ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা। C) ১৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণে নির্দিষ্ট কোনো वर्ण বা ধ্বনির সংখ্যা নির্দেশ করে না। D) ৪৯ টি — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত ক্যাটাগরির সঠিক সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালা মোট ৫০টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি (১১ + ৩৯ = ৫০)। স্বরবর্ণের সংখ্যা মনে রাখলে ৫০ থেকে বিয়োগ করে সহজেই ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি এবং স্বরবর্ণ ১১টি—এই তথ্যগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক সংখ্যা ৩৯টি, এটি ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a দায়িত্ব
b দ্বায়িত্ব
c দায়িত্বতা
d দ্বায়িত্য
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দায়িত্ব ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'দায়িত্ব' শব্দটিতে 'দ', অন্তস্থ 'য়', হ্রস্ব 'ই', 'ত', 'ব' এবং যুক্তবর্ণ হিসেবে 'ত্ব' ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে 'য়' (অন্তস্থ অ) এর ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এখানে 'দ্বা' এর পরিবর্তে 'দা' হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে অনেক সময় 'দ' এবং 'দ্ব' (দ+ব) এর ব্যবহারে ভুল হয়। - 'দায়িত্ব' শব্দটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ কোনো কাজের ভার বা কতর্ব্য, তাই এর গঠনে 'দ্ব' ব্যবহার না করে একক 'দ' ব্যবহার করতে হবে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধিমত্তা ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ বানান যেখানে বুদ্ধিমত্তা শব্দটি বোঝাতে 'ম' এর নিচে যুক্তবর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাহিত্য বানানে 'সা', 'হি', 'ত্য' যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ লাভ করেছে যা প্রমিত বানানের নিয়ম মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দায়িত্ব — এটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত। B) দ্বায়িত্ব — এখানে 'দ' এর সাথে ব-ফলা (দ্বা) যুক্ত করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। C) দায়িত্বতা — মূল শব্দের সাথে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করে একটি অপ্রয়োজনীয় ও ভুল শব্দ গঠন করা হয়েছে। D) দ্বায়িত্য — এখানে 'দ্বা' এবং শেষে 'ত্য' ব্যবহারের কারণে বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দায়িত্ব বানানে কখনো 'দ্বা' লিখবে না, সবসময় সাধারণ 'দা' দিয়ে শুরু করবে। - শব্দের শেষে 'ত্ব' যুক্ত করার সময় খেয়াল রাখবে যেন অতিরিক্ত কোনো প্রত্যয় না বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানানগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। - একই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন দায়ী, দায়িত্বশীল বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a কর্তৃ
b কর্ম
c করণ
d অধিকরণ
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্তৃ ১. কেন সঠিক: বাক্যে যিনি নিজে কাজ সম্পন্ন করেন, তিনি হলেন কর্তৃকারক। এখানে চিঠি লেখার কাজটি সরাসরি 'করিম' করছে, তাই করিম কর্তৃকারক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ নিজে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্তৃকারক বলে। ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে উড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে ওড়ার কাজটি পাখি নিজে করছে, তাই পাখি কর্তৃকারক। উদাহরণ ২: ফুল ফুটছে। ব্যাখ্যা: এখানে ফোটার কাজটি ফুল নিজেই করছে, তাই ফুল কর্তৃকারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃ — এটি সঠিক উত্তর কারণ করিম নিজে চিঠি লেখার কাজটি করছে। B) কর্ম — কর্মকারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে লেখার বিষয়বস্তু বের করার প্রশ্ন নেই। C) করণ — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণ — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই হলো কর্তৃকারক। কর্তা মানেই যে কাজটি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। এই নিয়ম অনুসরণ করে যেকোনো বাক্যের কর্তা সহজে শনাক্ত করা যায়।
a বরিশাল
b চট্টগ্রাম
c বর্ধমান
d কুষ্টিয়া
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ধমান কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, তাঁর জন্মস্থান হিসেবে বর্ধমান জেলার নাম সর্বজনস্বীকৃত এবং পাঠ্যপুস্তকে এটি নিশ্চিত করা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের প্রধান সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও আমাদের জাতীয় কবি। - তাঁর সাহিত্যকর্মে বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামের গ্রামীণ পরিবেশ এবং নিসর্গ নানাভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। - উদাহরণস্বরূপ, তাঁর অনেক কবিতায় ও গানে রাঢ় বাংলার প্রকৃতি এবং বর্ধমানের মাটির গন্ধ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বরিশাল — এই জেলাটি কবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থানের সাথে সম্পর্কিত, নজরুলের সাথে নয়। - B) চট্টগ্রাম — এই অঞ্চলে কবির নানাবিধ স্মৃতি ও আগমন ঘটলেও এটি তাঁর জন্মস্থান নয়। - C) বর্ধমান — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো তথ্য প্রযোজ্য নয়। - D) কুষ্টিয়া — এই জেলাটি মূলত লালন শাহ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ির জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: - জাতীয় কবির জন্মস্থান মনে রাখতে চুরুলিয়া গ্রাম এবং বর্ধমান জেলা এই দুটি নাম একসাথে মুখস্থ রাখবে।
a সংখ্যা
b তারিখ
c অংক
d কোনটিই নয়
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় ১. কেন সঠিক: 'সপ্তাহ' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা তারিখ নির্দেশ করে না, বরং এটি সাতটি দিনের সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়। বাংলা ব্যাকরণে এটি একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ বা বিশেষ্য পদ, তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই এর সঠিক শ্রেণীবিভাগ নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী 'সপ্তাহ' একটি বিশেষ্য পদ যা সংখ্যাবাচক শব্দ থেকে গঠিত হলেও নিজেই সরাসরি কোনো সংখ্যা নয়। এটি সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে দ্বিগু সমাসের মাধ্যমেও ব্যাখ্যা করা যায় যেখানে সমাহার বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দশক ব্যাখ্যা: দশক শব্দটি দশটি বছরের সমষ্টি বোঝায়, যা সরাসরি কোনো একক সংখ্যা নয় বরং একটি সময়বাচক সমষ্টি। উদাহরণ ২: শতক ব্যাখ্যা: শতক শব্দটি একশোটি একক বা বছরের সমাহার নির্দেশ করে, যা সংখ্যার সমষ্টি হলেও নিজে স্বতন্ত্র কোনো সংখ্যা পদ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যা — সংখ্যা সরাসরি কোনো পরিমাণ বা অংক নির্দেশ করে যেমন এক, দুই, তিন, যা সপ্তাহ শব্দের অর্থ নয়। B) তারিখ — তারিখ বলতে মাসের কোনো নির্দিষ্ট দিনকে বোঝায়, যা সপ্তাহ বা সাত দিনের সমষ্টির সমার্থক নয়। C) অংক — অংক হলো সংখ্যা লেখার প্রতীক যেমন ১, ২, ৩, যা সপ্তাহ শব্দের ব্যাকরণগত পরিচয় বা অর্থ প্রকাশ করে না। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর কারণ ওপরের তিনটি অপশনের কোনোটিই সপ্তাহ শব্দের সঠিক শ্রেণীবিভাগ বা রূপ নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: সপ্তাহ মানে হলো সাত দিনের সমষ্টি। কোনো সমষ্টিবাচক শব্দ সরাসরি একক সংখ্যা, তারিখ বা অংক হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমষ্টিবাচক শব্দ যেমন সপ্তাহ, দশক বা শতক আসলে সেগুলোকে সংখ্যা না ভেবে বিশেষ্য বা সমষ্টিবাচক শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a 2
b 3
c 4
d 5
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ১. কেন সঠিক: - বাক্যের অর্থ বা ভাবের প্রকাশভঙ্গি অনুযায়ী ক্রিয়ার যে রূপের মাধ্যমে কর্ত্তৃপক্ষ, কর্ম বা ভাব প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে বাচ্য বলে। বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য প্রধানত ৩ প্রকার। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাচ্য মূলত তিন প্রকার: কর্ত্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্য। বাক্যের অর্থের সংগতি এবং ক্রিয়ার ভাবের ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিভাগ নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খাই। ব্যাখ্যা: এটি কর্ত্তৃবাচ্যের উদাহরণ, যেখানে কর্তার প্রধান্য রয়েছে। উদাহরণ ২: আমার দ্বারা কাজটি করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি কর্মবাচ্যের উদাহরণ, যেখানে কর্মের প্রধান্য রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — বাংলা ব্যাকরণে বাচ্যের সংখ্যা ২ নয়, কারণ কর্ত্তৃ, কর্ম ও ভাব ছাড়াও বাচ্যের এই তিনটি মূল রূপ রয়েছে। B) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাচ্যের সর্বজনস্বীকৃত এবং প্রমিত সংখ্যা হলো তিনটি। C) ৪ — চার প্রকার বাচ্য বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়, এটি ভুল ধারণা। D) ৫ — পাঁচ প্রকার বাচ্য ভুল সংখ্যা, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপس: - বাচ্য মানে হলো বাক্যের প্রকাশের ভঙ্গি। ক-তে কর্ত্তৃবাচ্য, ক-তে কর্মবাচ্য এবং ভ-তে ভাববাচ্য, এভাবে মোট ৩ প্রকার বাচ্য মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাচ্যের প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। বাক্য পরিবর্তন বা চেনার ক্ষেত্রে কর্তার প্রাধান্য, কর্মের প্রাধান্য বা ভাবের প্রাধান্য খেয়াল রাখতে হবে।
a 15
b 20
c 25
d 5
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মোট যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে ২৫টি। দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয়ে একটি স্বরধ্বনি তৈরি করলে তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটি বর্ণ রয়েছে যথা ওই এবং ঔ। কিন্তু উচ্চারণের সময় বাংলা ভাষায় মোট পঁচিশটি যৌগিক স্বরধ্বনি পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওই ব্যাখ্যা: ওই উচ্চারণের সময় ও এবং ই এই দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: ঔ ব্যাখ্যা: ঔ উচ্চারণের সময় অ এবং উ এই দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 15 — পনেরো সংখ্যাটি বাংলা ভাষার যৌগিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা নয়। তাই এই অপশনটি ভুল। B) 20 — বিশ সংখ্যাটি বাংলা ভাষার যৌগিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। তাই এটি সঠিক নয়। C) 25 — পঁচিশ সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মোট যৌগিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা। এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) 5 — পাঁচ সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট স্বরধ্বনির পরিমাপ নয়। তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি কিন্তু ধ্বনিতে এর পরিমাণ পঁচিশটি। সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য দুই এবং পাঁচ পাশাপাশি অর্থাৎ পঁচিশ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যৌগিক স্বরধ্বনি এবং যৌগিক স্বরবর্ণ নিয়ে প্রশ্ন আসে। স্বরবর্ণ দুটি হলেও ধ্বনিসংখ্যা পঁচিশটি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a লাজুক
b ভীতু
c স্পষ্টভাষী
d বাচাল
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাজুক কেন সঠিক: ১. মুখচোরা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো যার মুখ অন্যের সামনে খোলে না অর্থাৎ যে সহজে কথা বলতে পারে না। ২. সমাজে যারা খুব সংকুচিত স্বভাবের এবং লোকজনের সামনে যেতে লজ্জা পায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ২. এটি বাংলা ভাষার প্রবাদ প্রবচন ও শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং মানুষের বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক অবস্থাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। ৩. যেমন, কুঁড়ের বাদশা বলতে অলস বোঝায়, ঠিক তেমনি মুখচোরা বলতে লাজুক স্বভাবের মানুষকে বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাজুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুখচোরা বলতে মূলত লাজুক বা সংকোচী প্রকৃতির মানুষকে বোঝানো হয়। B) ভীতু — ভীতু বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে ভয় পায়, কিন্তু মুখচোরা মানে ভয় পাওয়া নয় বরং লাজুক হওয়া। C) স্পষ্টভাষী — স্পষ্টভাষী অর্থ যে পরিষ্কার কথা বলে, যা মুখচোরা শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) বাচাল — বাচাল হলো যে খুব বেশি কথা বলে, আর মুখচোরা মানুষ কম কথা বলে বা লজ্জা পায়। মনে রাখার টিপস: ১. মুখচোরা শব্দটির মধ্যে মুখ বন্ধ রাখার একটা ভাব লুকিয়ে আছে, যা থেকে লাজুক বা কম কথা বলা মানুষ হিসেবে সহজেই মনে রাখা যায়।
a হ্রেষা
b কেকা
c কূজন
d অজিন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ্রেষা ১. কেন সঠিক: অশ্ব বা ঘোড়ার ডাককে এক কথায় হ্রেষা বলা হয়। এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং এককথায় প্রকাশ অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে সংহত ও প্রাঞ্জল করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূরের ডাককে বলা হয় কেকা। ব্যাখ্যা: এটি পাখির ডাক সংক্রান্ত আরেকটি বহুল ব্যবহৃত এককথায় প্রকাশ। উদাহরণ ২: কুকুরের ডাককে বলা হয় বুক্কন। ব্যাখ্যা: পশুর ডাক বোঝাতে এটি ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্রেষা — এটি অশ্বের ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত সঠিক শব্দ। B) কেকা — এটি ময়ূরের ডাক অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা অশ্বের ডাক নয়। C) কূজন — এটি সাধারণত পাখির মধুর কলতান বা ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) অজিন — এটি পশুর মৃত চামড়া বা মৃগচর্ম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ডাক বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ঘোড়া বা অশ্ব দৌড়ানোর সময় শব্দ করে, তাই অশ্বের ডাক হ্রেষা কথাটি হ্রেষণ শব্দের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখা যায়। পশুর ডাকের ক্ষেত্রে প্রতিটি পশুর আলাদা নির্দিষ্ট শব্দ রয়েছে তা খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পশুর ডাক এবং পাখির ডাক সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। তাই হ্রেষা, কেকা এবং কূজন শব্দগুলোর সুনির্দিষ্ট অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a জীবন
b জীবনী
c জীবিকা
d জীবাণু
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবনী ১. কেন সঠিক: - 'জীবন' বিশেষ্য পদের বিশেষণ রূপ হলো 'জীবনী'। - বাক্যে বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে বিশেষণ পদ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বিশেষ্য থেকে বিশেষণ তৈরির নিয়ম রয়েছে। - এই প্রশ্নে 'জীবন' বিশেষ্যের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ 'জীবনী' গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকবর + ইক = আকবরীয় ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ থেকে বিশেষণ গঠনের এটি একটি সাধারণ ব্যাকরণগত নিয়ম। উদাহরণ ২: প্রকৃতি + ইক = প্রাকৃতিক ব্যাখ্যা: বিশেষ্য শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করে এভাবে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন — এটি নিজেই একটি বিশেষ্য পদ, তাই এটি নিজের বিশেষণ হতে পারে না। B) জীবনী — এটি সঠিক বিশেষণ পদ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) জীবিকা — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ বেঁচে থাকার উপায় বা পেশা। D) জীবাণু — এটি একটি বিশেষ্য পদ যা অতি ক্ষুদ্র জীবকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর করার সময় শব্দের শেষ ধ্বনি ও প্রত্যয়ের পরিবর্তন ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। - জীবন শব্দের বিশেষণ হিসেবে জীবনী শব্দটি সবচেয়ে প্রমিত ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ রূপান্তর প্রায়ই আসে। - মূল শব্দ এবং তার সঠিক বিশেষণ রূপ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি প্রত্যয়যুক্ত রূপের চর্চা করতে হবে।
a ঈমান
b বেহেস্ত
c হালাল
d আল্লাহ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) বেহেস্ত কেন সঠিক: - বেহেস্ত শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত হলেও এই শব্দটি আরবি মূলের নয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ মিশে আছে যেমন আরবি, ফারসি এবং তুর্কি। - ধর্মীয় পরিভাষার সব শব্দই আরবি নয়, কিছু শব্দ ফারসি থেকেও এসেছে। - ফারসি ভাষার শব্দগুলোর মধ্যে বেহেস্ত, রোজা এবং খোদা অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ঈমান — এটি একটি খাঁটি আরবি শব্দ যার অর্থ বিশ্বাস। - খ) বেহেস্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ফারসি শব্দ। - গ) হালাল — এটি একটি আরবি শব্দ যার অর্থ বৈধ। - ঘ) আল্লাহ — এটি পবিত্র আরবি শব্দ যা মহান সৃষ্টিকর্তাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: - ইসলাম ধর্মের অনেক শব্দ ফারসি ভাষা হয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছে। - নামাজ, রোজা, বেহেস্ত এবং দোখিন শব্দগুলো ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b কাজী নজরুল ইসলাম
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d আবুল ফজল
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'পোস্টমাস্টার' ছোটগল্পটি বাংলা ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত একটি সৃষ্টি। - এটি মূলত গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন এবং নিঃসঙ্গতার গভীর চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন। - 'পোস্টমাস্টার' গল্পটি তাঁর বিখ্যাত 'গল্পগুচ্ছ' সংকলনের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি প্রথম 'সাধনা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কঙ্কাল' ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। উদাহরণ ২: 'হৈমন্তী' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত সমাজ সচেতনতামূলক আরেকটি জনপ্রিয় ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি মূলত উপন্যাস ও গল্পের জন্য বিখ্যাত হলেও 'পোস্টমাস্টার' গল্পের রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও এই গল্পের লেখক নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর। D) আবুল ফজল — তিনি আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, যিনি এই গল্প লেখেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বললেই মাথায় রাখতে হবে 'পোস্টমাস্টার' ও 'গল্পগুচ্ছ'। - রবীন্দ্রনাথের গ্রামীণ পটভূমির গল্পগুলোর মধ্যে পোস্টমাস্টার অন্যতম সেরা একটি সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'গল্পগুচ্ছ' বা রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত ছোটগল্পের নাম ও চরিত্রগুলো ভালোভাবে পড়ে প্রস্তুতি নিতে হবে।
a বিদ্যা + আলয়
b বিদ্যা + লয়
c বিদ + আলয়
d বিদ্যালয় + য়
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্যা + আলয় ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী প্রথম শব্দের অন্তস্থিত অ বা আ এবং দ্বিতীয় শব্দের আদি অ বা আ মিলে উভয় মিলে আ হয় এবং এই আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। বিদ্যালয় শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাই বিদ্যা এবং আলয়, যেখানে প্রথম অংশের শেষে আ এবং দ্বিতীয় অংশের শুরুতে আ রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যা দীর্ঘসন্ধি নামে পরিচিত। অ বা আ-এর পর অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ-কার হয় এবং তা যুক্ত হয়ে শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে হিম শব্দের অ এবং আলয় শব্দের আ মিলে আ-কার হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা শব্দের আ এবং আশয় শব্দের আ মিলে আ-কার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যা + আলয় - এটি সঠিক এবং প্রমিত সন্ধিবিচ্ছেদ। B) বিদ্যা + লয় - এখানে লয় শব্দটি সঠিক নয় কারণ আলয় শব্দের অর্থ গৃহ বা আলয়। C) বিদ + আলয় - এখানে বিদ শব্দটি অর্থহীন এবং মূল শব্দ গঠনে অক্ষম। D) বিদ্যালয় + য় - এখানে সম্পূর্ণ শব্দটিকে রেখে অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: দীর্ঘ স্বরসন্ধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে আ যোগ আ মিলে সর্বদা দীর্ঘ আ হয়। বিদ্যালয় শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় শেষের অংশ সবসময় আলয় হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘসন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই নিয়মটি আয়ত্ত করলে হিমালয় বা রত্নাকর জাতীয় শব্দগুলো সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a পুংলিঙ্গ
b স্ত্রীলিঙ্গ
c ক্লীব লিঙ্গ
d উভয়লিঙ্গ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্লীব লিঙ্গ কেন সঠিক: - গাছ একটি জড় পদার্থ এবং এর কোনো প্রাণ বা জীবন্ত সত্তা নেই। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে শব্দ দিয়ে স্ত্রী বা পুরুষ কোনোটিকেই বোঝায় না, তাকে ক্লীব লিঙ্গ বলে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণে জড়পদার্থ বা প্রাণহীন বস্তুকে ক্লীব লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। - গাছ নিজে নিজে চলাচল করতে পারে না এবং এর জৈবিক কোনো লিঙ্গভেদ নেই। - চেয়ার, টেবিল, বই এবং কলম শব্দগুলোর মতো গাছ শব্দটিও ক্লীব লিঙ্গের উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পুংলিঙ্গ — পুংলিঙ্গ কেবল পুরুষবাচক প্রাণী বা জীবকে বোঝায়, যা গাছের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। - B) স্ত্রীলিঙ্গ — স্ত্রীলিঙ্গ কেবল স্ত্রীবাচক প্রাণী বা জীবকে বোঝায়, যা গাছের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। - C) ক্লীব লিঙ্গ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি সঠিক উত্তর। - D) উভয়লিঙ্গ — উভয়লিঙ্গ পুরুষ ও স্ত্রী উভয়বাচক জীবকে বোঝায়, কিন্তু গাছ কোনো জীবন্ত প্রাণী নয়। মনে রাখার টিপস: - যেসব বস্তুর প্রাণ নেই এবং যারা পুরুষ বা নারী কোনোটিই নয়, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে ক্লীব লিঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a কর্ম
b সম্প্রদান
c করণ
d কর্তৃ
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রদান ১. কেন সঠিক: - স্বত্ব ত্যাগ করে কোনো কিছু কাউকে দান বা প্রদান করা বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়। - এখানে অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা দৃষ্টিশক্তি দান করার কথা বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থ ও চিরতরে ত্যাগের অর্থময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে স্বত্ব বা অধিকার ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয়, সেই বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে সম্প্রদান কারক বলে। - আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে অনেক সময় সম্প্রদান কারককে কর্ম কারক হিসেবে গণ্য করা হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহ্যগত সম্প্রদান কারকের নিয়মই অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: এখানে ভিক্ষা চিরতরে দান করা বোঝায়, তাই এটি সম্প্রদান কারক। উদাহরণ ২: সৎ পাত্রে কন্যা দান কর। ব্যাখ্যা: কন্যার ওপর অধিকার বা স্বত্ব ত্যাগ করে পাত্রস্থ করা হচ্ছে বলে এটি সম্প্রদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে দানের ক্ষেত্রে স্বত্ব ত্যাগের বিষয়টি প্রধান। C) করণ — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, মাধ্যম বা সহায়ক বিষয়কে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্তৃ — কর্তৃ কারক হলো যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে, কিন্তু অন্ধজন এখানে কাজের কর্তা নয় বরং গ্রহণের পাত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিঃস্বার্থভাবে কিছু দান করা বা সাহায্য করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হবে। - ভিক্ষা, দান বা উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রহীতা সবসময় সম্প্রদান কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্প্রদান কারক চেনার মূল শর্ত হলো স্বত্ব বা অধিকার চিরতরে ত্যাগ করা। - বস্তু নয়, যাকে দান করা হয় সেই ব্যক্তি বা পাত্রই মূলত সম্প্রদান কারক হিসেবে চিহ্নিত হয়।
a ভবিষ্যৎ
b বর্তমান
c অতীত
d পুরাঘটিত
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্তমান কেন সঠিক: ১. এই বাক্যের কাজটি বর্তমান সময়ে ঘটছে এবং তা এখনো চলছে। ২. ক্রিয়ার রূপ দেখে বোঝা যায় যে কাজটি বর্তমানকালের নির্দেশ করছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে ক্রিয়া বর্তমানকালে ঘটে বা ঘটতে থাকে, তাকে বর্তমান কাল বলে। ২. এটি বর্তমান কালের ঘটমান বর্তমান বা বর্তমান অনুজ্ঞার একটি রূপ। ৩. যেমন, আমি ভাত খাচ্ছি বা হাসান বই পড়ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভবিষ্যৎ — ভবিষ্যৎ কাল হলো এমন সময়, যা আগামীতে বা ভবিষ্যতে ঘটবে কিন্তু এখানে কাজটি বর্তমানে চলছে। B) বর্তমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে বর্তমানকালের প্রকাশ ঘটেছে। C) অতীত — অতীত কাল হলো এমন সময়, যা ইতিপূর্বে ঘটে গেছে কিন্তু এখানে কাজটি বর্তমানে সম্পাদিত হচ্ছে। D) পুরাঘটিত — পুরাঘটিত অতীত বা বর্তমান বলতে বোঝায় যে কাজ শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনো আছে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ১. বাক্যের ক্রিয়ার শেষে তেছি, তেছ, তেছে ইত্যাদি থাকলে তা ঘটমান বর্তমান কাল হয়। ২. ক্রিয়ার কাল নির্ণয় করতে হলে সর্বদা ক্রিয়াপদের রূপের দিকে নজর দিতে হবে।
a স্বাধীন
b বদ্ধ
c মুক্তি
d বাহির
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বদ্ধ ১. কেন সঠিক: - মুক্ত শব্দের অর্থ যা আটকানো নয়, স্বাধীন বা উন্মুক্ত। এর সরাসরি বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো বদ্ধ যার অর্থ আটকানো বা অবরুদ্ধ। - বিপরীতার্থক শব্দ মূলত পরস্পরবিরোধী অর্থ প্রকাশ করে। মুক্ত ও বদ্ধ একে অপরের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করা হয়। বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ চয়নের সময় পদের রূপ ও ব্যাকরণিক কোটি ঠিক রাখতে হয়। - মুক্ত এবং বদ্ধ উভয় শব্দই সাধারণত বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা কোনো কিছুর অবস্থা প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ মুক্ত। ব্যাখ্যা: এখানে মুক্ত শব্দটি উন্মুক্ত বা সীমানাহীন অবস্থা বোঝাচ্ছে যার বিপরীত হতে পারে বদ্ধ। উদাহরণ ২: পাখিটি বদ্ধ খাঁচায় বন্দি। ব্যাখ্যা: এখানে বদ্ধ শব্দটি আটকানো বা অবরুদ্ধ অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে যা মুক্ত শব্দের বিপরীত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাধীন — এটি মুক্ত শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) বদ্ধ — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যা মুক্ত শব্দের ঠিক উলটো অবস্থা বোঝায়। C) মুক্তি — এটি মুক্ত শব্দের বিশেষ্য রূপ, সরাসরি বিপরীতার্থক বিশেষণ নয়। D) বাহির — এটি ভেতরের বিপরীত শব্দ, মুক্ত শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুক্ত মানে যা খোলা, আর বদ্ধ মানে যা আটকানো। খোলা এবং আটকানো যেভাবে বিপরীত, মুক্ত ও বদ্ধ সেভাবে বিপরীত শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় পদের ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a অব্যয়ীভাব
b তৎপুরুষ
c দ্বিগু
d দ্বন্দ্ব
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিগু ১. কেন সঠিক: - সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় এবং যার দ্বারা সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষ্য বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। - পঞ্চবটের সমাহার এখানে পঞ্চবট শব্দটির মাধ্যমে পাঁচটি বটের সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - দ্বিগু সমাস কর্মধারয় সমাসেরই একটি প্রকারভেদ যেখানে পূর্বপদটি সবসময় সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয়। - এই সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি সাধারণত সমাহার বা সমষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে সমাপ্তি লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিফলার সমাহার = ত্রিফলা ব্যাখ্যা: এখানে তিন ফলের সমাহার বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনে দ্বিগু সমাস সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শতাব্দের সমাহার = শতাব্দী ব্যাখ্যা: শত অব্দের সমাহার অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের মিলনে সমষ্টি বুঝিয়ে দ্বিগু সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে যদি অব্যয় পদের অর্থই প্রধান হয় তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে, কিন্তু এখানে সংখ্যা ও সমাহার বোঝানো হয়েছে। B) তৎপুরুষ — যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ বলে, কিন্তু এখানে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে। C) দ্বিগু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাহার বোঝানো হয়েছে। D) দ্বন্দ্ব — যে সমাসে প্রতিটি পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং এবং ও কিংবা দ্বারা পদগুলো যুক্ত হয়, কিন্তু এখানে তা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিগু সমাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে ব্যাসবাক্যের শেষে সমাহার বা সমষ্টি শব্দ থাকে এবং প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক হয়। - সংখ্যাবাচক শব্দ দেখলে এবং সমাহার থাকলে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস উত্তর করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই আসে, তাই সমাহার থাকলে দ্বিগু এবং যার বা যাতে থাকলে বহুব্রীহি হবে তা মনে রাখবে। - ত্রিপদী, চৌরাস্তা, তেমাথা ইত্যাদি শব্দগুলো একই নিয়মে দ্বিগু সমাসের আওতাভুক্ত।
a উল্লাস
b উজ্জ্বল
c মনোরম
d আনন্দ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মনোরম ১. কেন সঠিক: - 'সুন্দর' শব্দের অর্থ যা দেখতে বা শুনতে ভালো লাগে কিংবা মনকে হরণ করে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'মন মনোরম' শব্দটি ঠিক একই ভাব প্রকাশ করায় এটি সঠিক উত্তর হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। - বাংলা ভাষায় একটি মূল ভাবের প্রকাশের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে আসা তৎসম, অর্ধ-তসসম ও তদ্ভব শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চারু ব্যাখ্যা: চারু শব্দটির অর্থও সুন্দর বা চমৎকার, যা সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সুদৃশ্য ব্যাখ্যা: সুদৃশ্য বলতে সুন্দর দৃশ্য বা দেখতে ভালো এমন কিছু বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উল্লাস — উল্লাস শব্দের অর্থ আনন্দ বা হর্ষ, যা সুন্দরের সমার্থক নয়। B) উজ্জ্বল — উজ্জ্বল শব্দের অর্থ দীপ্তিময় বা প্রোজ্জ্বল, যা সুন্দরের সমার্থক নয়। C) মনোরম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সুন্দর। D) আনন্দ — আনন্দ শব্দের অর্থ সুখ বা প্রমোদ, যা সুন্দরের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মন হরণ করে যা, তাকেই মনোরম বা সুন্দর বলা হয়। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দের অর্থের সাথে মিল রেখে মেমোরিতে গেঁথে নিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত শব্দের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে শব্দার্থের পরিধি বাড়াতে হবে।
a পদ
b ধ্বনি
c কারক
d বাক্য
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা অংশকে ধ্বনি বলা হয়, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারিত হয়। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যে মৌলিক আওয়াজ বা ক্ষুদ্রতম অংশ পাওয়া যায়, তাই ধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত মানুষের গলার আওয়াজ, যা অর্থপূর্ণ ভাষার বুনিয়াদ তৈরি করে। - ধ্বনি লেখার রূপ হলো বর্ণ, তবে ধ্বনি সরাসরি উচ্চারিত ও শ্রুতিগ্রাহ্য রূপকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা বর্ণমালার একটি স্বরধ্বনি, যা নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে এবং শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি, যা ফুসফুস থেকে আগত বাতাস মুখে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ — বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হলে তাকে পদ বলে, এটি ধ্বনির চেয়ে বড় একক। B) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর। C) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, এটি ধ্বনির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) বাক্য — অর্থপূর্ণ পদের সমষ্টি যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, এটি ভাষার বৃহত্তম একক। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে ধ্বনি হলো শোনা যায় যা, আর বর্ণ হলো দেখা যায় যা। ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে সর্বদা ধ্বনি বা বর্ণ দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা অংশ কী, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি।
a Burow
b Buro
c Buraeu
d Bureau
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bureau কেন সঠিক: Bureau শব্দের বানানটিতে প্রথমে b, তারপর u, এবং শেষে reau যুক্ত হয়। এটি ফ্রেঞ্চ ভাষা থেকে আসা একটি শব্দ যার অর্থ কার্যালয়। বানানটিতে অক্ষরগুলোর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। শেষে eau থাকার কারণে এটি অন্যান্য অপশন থেকে আলাদা ও শুদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Burow — এখানে শেষের অংশ ভুল কারণ সঠিক নিয়মে reau হবে। B) Buro — এটি সংক্ষিপ্ত ও ভুল বানান যা সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। C) Buraeu — এখানে e ও u অক্ষরের অবস্থান ভুল জায়গায় দেওয়া হয়েছে। D) Bureau — এটি শতভাগ সঠিক এবং এটিই প্রশ্ন অনুযায়ী নির্ধারিত বানান। মনে রাখার টিপস: Bureau বানানটি মনে রাখতে শেষের চার অক্ষর r-e-a-u ভালোভাবে মুখস্ত করতে হবে।
a at
b on
c the
d no article
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the কেন সঠিক: adjectives এর সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দা বসে। নদীর নামের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি একটি প্রিপজিশন এবং শূন্যস্থানে প্রিপজিশন বসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। B) on — এটি একটি প্রিপজিশন যা এখানে বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। C) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপশন হিসেবে ধরা হয় না। D) no article — সুপারলেটিভ ডিগ্রি ও নদীর নামের নির্দিষ্ট নিয়মের কারণে এখানে আর্টিকেল ছাড়া শূন্য a রাখা যায় না। মনে রাখার টিপস: সুপারলেটিভ ডিগ্রি এবং পৃথিবীর যেকোনো নদীর নামের ঠিক আগে সবসময় দ্য বসে।
a better
b good
c wisest
d wise
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) wisest কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে 'the' আর্টিকেল থাকায় এবং গ্রামের সবার মধ্যে তুলনা বোঝানোয় এখানে সুপারলেটিভ ডিগ্রি বসবে। 'Wise' শব্দের সুপারলেটিভ রূপ হলো 'wisest'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) better — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি, তাই সবার মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে এটি বসবে না। B) good — এটি পজিটিভ ডিগ্রি, যা নির্দিষ্ট কোনো তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) wisest — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) wise — এটি পজিটিভ ডিগ্রি, তাই সবার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের পূর্বে দ্য (the) থাকলে এবং সবার মধ্য থেকে তুলনা বোঝালে সুপারলেটিভ ডিগ্রি হয়।
a in
b on
c at
d by
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: মাস, বছর বা শতকের মতো দীর্ঘ সময়ের আগে সাধারণত ইন প্রিপজিশন বসে। ফেব্রুয়ারি একটি মাস হওয়ায় এর আগে সঠিক উত্তর ইন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সঠিক উত্তর। B) on — নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের আগে অন বসে, তাই মাসের আগে এটি ভুল। C) at — নির্দিষ্ট সময় বা ঘড়ির কাটার সময়ের আগে অ্যাট বসে, তাই মাসের আগে এটি ভুল। D) by — কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা দ্বারা বোঝাতে বাই বসে, তাই এখানে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ছোট সময়ে অ্যাট, দিনে অন এবং বড় সময়ে ইন বসে।
a halve
b halves
c halfs
d halffs
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) halves কেন সঠিক: ইংরেজিতে সাধারণত যেসব শব্দের শেষে f বা fe থাকে, বহুবচন করার সময় সেই f বা fe উঠে গিয়ে তার পরিবর্তে ves যুক্ত হয়। half শব্দের শেষে f থাকার কারণে নিয়ম অনুযায়ী এটি পরিবর্তন হয়ে halves রূপ ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) halve — এটি কোনো সঠিক বহুবচন রূপ নয় কারণ এটি মূলত একটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) halves — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) halfs — শব্দের শেষে সরাসরি s যুক্ত করে এই বহুবচনটি গঠন করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) halffs — অতিরিক্ত f যুক্ত করে বানানের এই রূপটি তৈরি করা হয়েছে যা ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের বাইরে। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে f বা fe থাকলে তা বাদ দিয়ে ves বসালে সহজে বহুবচন করা যায়।
a The last part
b Foggy
c Cut a bad
d Unfair
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The last part কেন সঠিক: ‘Fag end’ একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা, যার অর্থ কোনো কিছুর শেষ অংশ বা সমাপ্তি। তাই অপশন এ তে থাকা ‘The last part’ সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The last part — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) Foggy — এর অর্থ কুয়াশাচ্ছন্ন, যা প্রদত্ত বাগধারার অর্থের সাথে মেলে না। C) Cut a bad — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দগুচ্ছ নয় এবং এর সাথে কোনো মিল নেই। D) Unfair — এর অর্থ অন্যায্য, যা ‘Fag end’ বাগধারার অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: সিগারেটের শেষ অংশকে ফ্যাগ এন্ড বলা হয়, যা থেকে যেকোনো কিছুর শেষ অংশ বা সমাপ্তি বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a of
b for
c in
d on
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) for কেন সঠিক: স্বাস্থ্য বা উপকারের ক্ষেত্রে সাধারণত preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়। এটি ইংরেজি ভাষার একটি নির্দিষ্ট ব্যবহার বা appropriate preposition। বাক্যটির অর্থ দাঁড়াচ্ছে শাকসবজি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি সাধারণত অধিকার বা সম্পর্ক বোঝাতে বসে, স্বাস্থ্যের উপকারের ক্ষেত্রে বসে না। B) for — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) in — এটি সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতর বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল। D) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর অবস্থান বোঝাতে বসে, তাই এখানে অগত্যা ভুল। মনে রাখার টিপস: উপকার বা ক্ষতিকর বোঝাতে সবসময় good বা bad এর পরে for preposition বসে।
a adverb
b adjective
c noun
d preposition
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) adverb কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে hard শব্দটি working ভার্বটিকে মডিফাই করছে। এটি কীভাবে কাজ করছে তা বোঝাচ্ছে এবং ভার্বকে বিশেষিত করায় এটি adverb হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ গুণ প্রকাশ করছে না। C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না। D) preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে সম্পর্ক স্থাপন করছে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করে তাকে adverb বলে।
a June
b Team
c Month
d Envelope
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Team কেন সঠিক: Team শব্দটি দ্বারা একাধিক খেলোয়াড় বা সদস্য নিয়ে গঠিত একটিমাত্র সংস্থাকে বোঝায়। তাই এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বা Collective noun। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) June — এটি বছরের একটি নির্দিষ্ট মাসের নাম হওয়ায় এটি Proper noun। খ) Team — এটি সঠিক উত্তর। গ) Month — এটি সাধারণ নাম বোঝানোর কারণে Common noun। ঘ) Envelope — এটি একটি জড় বস্তুবাচক সাধারণ নাম হওয়ায় Common noun। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দিয়ে একজাতীয় অনেক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়, তাকেই Collective noun বলে।
a Lose
b Rise
c Honey
d Flood
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Honey কেন সঠিক: - Honey শব্দটির মূল অর্থ মধু, যা একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ। - বাক্যে এটি সাধারণত বস্তুবাচক বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো ক্রিয়া বা কাজ বোঝায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lose — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ভার্ব বা ক্রিয়া, যার অর্থ হারানো। B) Rise — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, যার অর্থ ওঠা বা বৃদ্ধি পাওয়া। C) Honey — এটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, তাই এটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) Flood — এটি নাউন হলেও বাক্যে ভার্ব হিসেবে প্লাবিত করা অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলোর মাধ্যমে কোনো কাজ করা বোঝায় না, যেমন কোনো বস্তুর নাম, তা সাধারণত ভার্ব হয় না।
a Call a doctor
b Call for doctor
c Call in a doctor
d Call in doctor
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Call in a doctor কেন সঠিক: রোগী দেখার জন্য বা চিকিৎসার প্রয়োজনে কাউকে ডেকে আনা বোঝাতে 'call in' উপযুক্ত ফ্রেঞ্চ ভারbs হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে নির্দিষ্ট একজন ডাক্তারকে ডাকার কথা বোঝানো হয়েছে বলে ডাক্তার শব্দের পূর্বে 'a' আর্টিকেল বসানো বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Call a doctor — এই অনুবাদে 'in' প্রিপজিশনটি বাদ পড়েছে যা ডাক্তার ডেকে আনার সঠিক ফ্রেঞ্চ ফর্মে নেই। B) Call for doctor — এখানে 'call for' অর্থ দাবি করা বা তলব করা, যা রোগীকে দেখার জন্য ডাক্তার ডাকার ক্ষেত্রে ভুল। C) Call in a doctor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Call in doctor — এই অপশনে ডাক্তার পদের পূর্বে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী কোনো আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: চিকিৎসককে বাড়িতে ডেকে আনলে সবসময় 'call in a doctor' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হবে।
a What is your father?
b What is your father doing?
c What dose your father?
d What is your father does?
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What is your father? কেন সঠিক: - পেশা বা পরিচয় জানতে "What is + subject + noun" গঠনটি ব্যবহার করা হয়। - বাবা কী করেন বা তাঁর পেশা কী, তা বোঝাতে এই বিশেষ নিয়মটি ইংরেজি ব্যাকরণে প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What is your father? — এটি পেশা জিজ্ঞেস করার সঠিক এবং প্রমিত নিয়ম। B) What is your father doing? — এটি দিয়ে বর্তমানে বাবা কী করছেন তা বোঝায়, পেশা বোঝায় না। C) What dose your father? — এখানে বানান ভুল আছে এবং বাক্যটি অগঠিত। D) What is your father does? — একই বাক্যে দুটি মূল ভার্ব থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: কারো পেশা জানতে চাওয়া হলে "What is your..." এই কাঠামোটি ব্যবহার করবে।
a Poority
b Poorify
c Poverty
d Poorness
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Poverty কেন সঠিক: ‘Poor’ একটি adjective যার অর্থ গরীব। এর সঠিক noun রূপ হলো poverty যার অর্থ দারিদ্র্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Poority — এই ধরনের কোনো ইংরেজি শব্দ বা noun গঠন ব্যাকরণে নেই। B) Poorify — এটি একটি verb যার অর্থ গরীব করা, তাই এটি noun নয়। C) Poverty — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি abstract noun। D) Poorness — এটি গঠিত হলেও ইংরেজিতে দারিদ্র্য বোঝাতে poverty শব্দটি ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: Adjective শব্দ 'Poor' এর সাথে ty যুক্ত হয়ে abstract noun 'Poverty' গঠিত হয়।
a some
b any
c little
d one
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) some কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের noun টি plural এবং countable, তাই এখানে affirmative বাক্যে some ব্যবহার করা হয়। some সাধারণত হ্যাঁ সূচক বাক্যে অনির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝাতে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) some — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) any — এটি সাধারণত negative বা interrogative বাক্যে ব্যবহৃত হয়। C) little — এটি uncountable noun এর সাথে বসে, অথচ books হলো countable noun. D) one — one হলে book singular হতো, কিন্তু এখানে books plural আছে। মনে রাখার টিপস: plural countable noun এর affirmative বাক্যে কিছু বোঝাতে नेहमी some ব্যবহার করবে।
a Baby
b Girl
c Boy
d Man
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Baby কেন সঠিক: যে Noun দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায় তাকে Common gender বলে। Baby শব্দটি দিয়ে ছেলে বা মেয়ে উভয় শিশুকেই বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Girl — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝায় তাই এটি Feminine gender। C) Boy — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ বোঝায় তাই এটি Masculine gender। D) Man — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ বোঝায় তাই এটি Masculine gender। মনে রাখার টিপস: যisted শব্দ দিয়ে ছেলে বা মেয়ে উভয়কে বোঝায় তা Common gender হয়।
a upon
b from
c of
d off
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) off কেন সঠিক: - কোনো স্থান বা বাহন থেকে পড়ে যাওয়া বা বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে অফ প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - বাইক থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অফ সঠিক ও স্বাভাবিক ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) upon — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর ওপর বা ওপরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, নিচে পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নয়। B) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বাইক থেকে পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফ্রেসাল অর্থ বা প্রিপজিশন হিসেবে অফ বেশি উপযুক্ত। C) of — এটি সাধারণত অধিকার, উৎস বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। D) off — বাইক থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা পেড়ে যাওয়ার সঠিক প্রিপজিশন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: কোনো যানবাহন বা উঁচু স্থান থেকে নিচে পড়ে যাওয়া বা নেমে যাওয়া বোঝালে অফ প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Bad letter
b Old letter
c Law not in force
d None
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Law not in force কেন সঠিক: - Dead letter একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ এমন কোনো আইন যা এখন আর কার্যকর বা বলবৎ নেই। - সমাজে যার কার্যকারিতা বা প্রয়োগ সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়ে গেছে, তাকেই এই নামে ডাকা হয়। - অপশন সি তে ঠিক এই অর্থটিই প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bad letter — এটি একটি আক্ষরিক অর্থ, যা ইডিয়মের প্রকৃত ভাবার্থ প্রকাশ করে না। B) Old letter — পুরোনো চিঠি বোঝাতে এটি ব্যবহার হয় না, এটি ভুল অর্থ বহন করে। C) Law not in force — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মৃত চিঠি যেমন কোনো কাজে লাগে না, তেমনি মৃত বা বাতিল আইনও সমাজে আর প্রয়োগ করা যায় না।
a Profitable
b Vindicate
c Repulsive
d Splendor
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Repulsive কেন সঠিক: - Beauty শব্দের অর্থ সৌন্দর্য, যার বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টনিম হলো Repulsive বা কুৎসিত। - Repulsive শব্দটি সৌন্দর্যহীনতা বা বিরক্তি উদ্রেককারী কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Profitable — এর অর্থ লাভজনক, যা Beauty শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Vindicate — এর অর্থ নির্দোষ প্রমাণ করা বা সমর্থন করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। C) Repulsive — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিকর্ষণকারী বা কুৎসিত। D) Splendor — এর অর্থ জাঁকজমক বা সৌন্দর্য, যা Beauty শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। মনে রাখার টিপস: Beauty মানে সৌন্দর্য এবং এর উল্টো বা Repulsive মানে বিকর্ষণকারী বা কুৎসিত।
a Discord
b Harmony
c Sympathy
d Conflict
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Harmony কেন সঠিক: Violence শব্দের অর্থ হিংসা, অশান্তি বা বলপ্রয়োগ। Harmony শব্দের অর্থ শান্তি, মিল বা সদ্ভাব, যা Violence শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discord — এই শব্দটির অর্থ অনৈক্য বা অমিল, যা Violence শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) Harmony — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Sympathy — এই শব্দটির অর্থ সহানুভুতি, যা Violence শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Conflict — এই শব্দটির অর্থ দ্বন্দ্ব বা সংঘাত, যা Violence শব্দের সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Violence মানে অশান্তি আর Harmony মানে শান্তি, এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
a তার কপাল পুড়েছে
b সে ভাগ্যের বাইরে
c তার পোড়া কপাল
d তার ভাগ্য দূরে
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তার পোড়া কপাল কেন সঠিক: Out of luck ইংরেজি প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ হলো দুর্ভাগা বা যার ভাগ্য ভালো নয়। বাংলা ভাষায় এর সবচেয়ে সুন্দর ও প্রচলিত ভাবানুবাদ হলো তার পোড়া কপাল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তার কপাল পুড়েছে — এটি একটি পূর্ণ বাক্য যার ইংরেজি হতো হিজ লাক হ্যাজ বিন বার্নড। B) সে ভাগ্যের বাইরে — এটি শব্দার্থের ভুল অনুবাদ যা ব্যাকরণগত ও ভাবগতভাবে সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) সঠিক উত্তর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) তার ভাগ্য দূরে — এটি বাক্যের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না এবং এর কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাকরণিক ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি idioms এবং phrases মুখস্থ করার সময় শাব্দিক অনুবাদের পেছনে না ছুটে সবসময় তার ভাবানুবাদ বা সঠিক অর্থ মনে রাখার চেষ্টা করবে।
a x + 1 + y
b x + y
c xy
d xy + 4
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x + y প্রদত্ত তথ্য: x এবং y উভয়ই বিজোড় সংখ্যা ধরি, x = ১ y = ৩ অতএব, A অপশন: x + ১ + y = ১ + ১ + ৩ = ৫ যা বিজোড় সুতরাং, B অপশন: x + y = ১ + ৩ = ৪ যা জোড় সংখ্যা উত্তর: x + y
a 4
b 1
c 0
d 2
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: x + y এর মান হলো ২ ধরি, প্রথম রাশির মান = x + y অতএব, প্রদত্ত রাশিটি হলো (x + y) এর বর্গ সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ২ এর ওপর বর্গ উত্তর: ৪
a এক
b দুই
c তিন
d শূন্য
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শূন্য প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতির মৌলিক উপাদান হলো বিন্দু বিন্দুর কোনো দৈর্ঘ্য প্রস্থ বা উচ্চতা নেই ধরি, বিন্দুর মাত্রা বা মাত্রা সংখ্যা = ক অতএব, বিন্দুর দৈর্ঘ্য = ০ বিন্দুর প্রস্থ = ০ সুতরাং, বিন্দুর মাত্রা = ০ উত্তর: শূন্য
a 0.4
b 0.25
c 0.28
d 0.3
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাশের হার = পাস করা ছাত্রের সংখ্যা ÷ মোট ছাত্রের সংখ্যা উত্তর: ১৮ ÷ ৬০ = ০.৩
a ১ টি
b ৩ টি
c ২ টি
d কোনটিই নয়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ধরি, ত্রিভুজের কোণ তিনটি যথাক্রমে ক, খ এবং গ অতএব, সংজ্ঞা অনুসারে সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণের পরিমাপ ৯০ ডিগ্রি হয় সুতরাং, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি হওয়ায় বাকি দুটি কোণ সূক্ষ্মকোণ হয় উত্তর: ১ টি
a 29
b 31
c 27
d 21
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩১ প্রদত্ত তথ্য: ৩, ৫ এবং ৬ দ্বারা বিভাজ্য ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ ১ হবে ধরি, ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে লসাগুর সাথে ১ যোগ করতে হবে অতএব, ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু = ৩০ নির্ণয়েয় সংখ্যা = লসাগু + ১ সুতরাং, সংখ্যাটি = ৩০ + ১ = ৩১ উত্তর: ৩১
a 36.5
b 39.57
c 36
d 39.37
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৯.৩৭ প্রদত্ত তথ্য: ১ মিটার হলো দৈর্ঘ্যের একক ১ ইঞ্চি হলো দৈর্ঘ্যের আরেকটি একক ধরি, ১ মিটার = ক ইঞ্চি অতএব, ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, ক = ১০০ ÷ ২.৫৪ উত্তর: ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
a ১/৭
b ২/৭
c ৩/৭
d ১/৮
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩/৭ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ১÷৭, ২÷৭, ৩÷৭ এবং ১÷৮ ধরি, হরগুলো সমান করে সংখ্যাগুলোর মান তুলনা করতে হবে অতএব, প্রথম তিনটি সংখ্যার হর ৭ এবং শেষ সংখ্যার হর ৮ সুতরাং, ৩÷৭ সংখ্যাটির লব সবচেয়ে বড় এবং হর সমান থাকায় এটি বৃহত্তম উত্তর: ৩÷৭
a 1600
b 1800
c 1500
d 1400
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫০০ প্রদত্ত তথ্য: বর্তমান লোকসংখ্যা = ১,৬২০ জন লোকসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ৮% ধরি, পূর্বের লোকসংখ্যা = ক জন অতএব, ৮% বৃদ্ধিতে বর্তমান লোকসংখ্যা হবে = ক + (ক এর ৮%) বা, বর্তমান লোকসংখ্যা = ক + (ক × ৮ ÷ ১০০) সুতরাং, ক + (৮ক ÷ ১০০) = ১,৬২০ বা, (১০০ক + ৮ক) ÷ ১০০ = ১,৬২০ উত্তর: ক = (১,৬২০ × ১০০) ÷ ১০৮ = ১৫০০ জন
a ৮৪ টাকা
b ৮০ টাকা
c ৮২ টাকা
d ৮৬ টাকা
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ১,০৫০ টাকা শতকরা হার = ৮% ধরি, নির্ণয় করতে হবে ১,০৫০ টাকার ৮ শতাংশ কত অতএব, ১,০৫০ এর ৮% = ১,০৫০ × (৮ ÷ ১০০) সুতরাং, ১,০৫০ × ৮ = ৮,৪০০ ৮,৪০০ ÷ ১০০ = ৮৪ উত্তর: ৮৪ টাকা
a ১৬০ ও ২০০
b ১৩০ ও ১৯০
c ১৫০ ও ১৭০
d ১৮০ ও ২১০
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬০ ও ২০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির যোগফল = ৩৮০ সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৮ : ৫ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৮ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক অতএব, প্রশ্নমতে, ৮ক + ৫ক = ৩৮০ বা, ১৩ক = ৩৮০ (এখানে অনুপাতের যোগফল ১৩ ধরা যাক, অথবা সরাসরি অনুপাত যোগ করি) অনুপাত দুটির যোগফল = ৮ + ৫ = ১৩ সুতরাং, প্রথম সংখ্যা = ৩৮০ × (৮ ÷ ১৩) = ১৬০ (সঠিক অনুপাতে হিসাব করে) দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩৮০ × (৫ ÷ ১৩) = ২০০ উত্তর: সংখ্যা দুটি ১৬০ ও ২০০
a 5
b 4
c 3
d 2
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: a এর মান = ১ b এর মান = ২ c এর মান = ৩ ধরি, রাশিটি হলো a এর বর্গ + ২ গুণ a গুণ b − c অতএব, a এর বর্গ = ১ গুণ ১ = ১ ২ গুণ a গুণ b = ২ গুণ ১ গুণ ২ = ৪ সুতরাং, ১ + ৪ − ৩ = ৫ − ৩ = ২ উত্তর: ২
a ১৬ : ১
b ৩ : ৪
c ৪ : ৩
d কোনটিই নয়
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ : ১ প্রদত্ত তথ্য: অনুপাতটি হলো ৯ : ১৬ ধরি, ব্যস্ত অনুপাতের সংজ্ঞা অনুযায়ী পূর্বরাশি উত্তররাশি হবে এবং উত্তররাশি পূর্বরাশি হবে অতএব, পূর্বরাশি = ১৬ উত্তররাশি = ৯ সুতরাং, ব্যস্ত অনুপাতটি হবে ১৬ : ৯ উত্তর: ১৬ : ৯
a a^56
b a^15
c 15
d 56
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a^১৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a^৭ দ্বিতীয় রাশি = a^৮ ধরি, রাশি দুটির গুণফল নির্ণয় করতে হবে অতএব, গুণ করার সময় সূচকের নিয়ম ব্যবহার করতে হয় যেখানে একই ভিত্তির ওপর পাওয়ারগুলো যোগ হয় সুতরাং, a^(৭ + ৮) = a^১৫ উত্তর: a^১৫
a 150
b 100
c 170
d 120
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত ৫ : ৬ সংখ্যা দুটির গসাগু ৮ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৮ = ৪০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৮ = ৪৮ অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু বের করতে হবে সুতরাং, ৪০ এবং ৪৮ এর লসাগু = ২৪০ ÷ ২ = ১২০ উত্তর: ১২০
a 16
b 20
c 17
d 21
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ২, ৮, ৩, ৯, ৪, ১০, ৫ ... ধরি, বিজোড় অবস্থানগুলোর পদগুলো হলো প্রথম ধারা জোড় অবস্থানগুলোর পদগুলো হলো দ্বিতীয় ধারা অতএব, প্রথম ধারার পদগুলো হলো ২, ৩, ৪, ৫ ... দ্বিতীয় ধারার পদগুলো হলো ৮, ৯, ১০ ... সুতরাং, প্রথম ধারাটি ১, ৩, ৫, ৭, ৯ তম পদে এবং দ্বিতীয় ধারাটি ২, ৪, ৬, ৮, ১০ তম পদে আছে উত্তর: দশম পদটি দ্বিতীয় ধারার পঞ্চম পদ হবে, যা হলো ১৬
a ১/৩
b ৩/২
c ২/৩
d ১/৪
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো চার এর পাওয়ার এক্স প্লাস ওয়ান সমান বত্রিশ। ধরি, উভয় পক্ষকে একই ভিত্তির আকারে প্রকাশ করতে হবে। অতএব, চার কে লেখা যায় দুই এর স্কয়ার এবং বত্রিশ কে লেখা যায় দুই এর পাওয়ার পাঁচ। সুতরাং, দুই এর পাওয়ার দুই গুণ এক্স প্লাস ওয়ান সমান দুই এর পাওয়ার পাঁচ। অতএব, পাওয়ার দুটি তুলনা করে পাই, দুই এক্স প্লাস দুই সমান পাঁচ। সুতরাং, দুই এক্স সমান পাঁচ বিয়োগ দুই সমান তিন। উত্তর: এক্স সমান তিন ভাগ দুই
a ১,০৫০ টাকা
b ১,১০০ টাকা
c ৯৫০ টাকা
d ৮৫০ টাকা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,১০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৯৯০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ১০% ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ ÷ ৯০ টাকা বিক্রয়মূল্য ৯৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৯৯০) ÷ ৯০ টাকা উত্তর: ১,১০০ টাকা
a ১০০°
b ৯০°
c ১০৫°
d ৮০°
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০৫° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় হলো দুপুর ২:৩০ মিনিট মিনিটের কাঁটা রয়েছে ৬ এর ঘরে ঘণ্টার কাঁটা রয়েছে ২ এবং ৩ এর মাঝে ধরি, ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্ত = ৩৬০° ঘড়িতে মোট ঘর সংখ্যা = ১২ টি প্রতি ঘরের মধ্যবর্তী কোণ = ৩৬০° ÷ ১২ = ৩০° অতএব, ২ টো থেকে ৬ টে পর্যন্ত মোট ঘর সংখ্যা = ৪ টি ৪ টি ঘরের জন্য কোণ = ৪ × ৩০° = ১২০° ৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা অতিরিক্ত সরে যায় = ৩০ মিনিটের অর্ধেক = ১৫° সুতরাং, ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ = ১২০° − ১৫° = ১০৫° উত্তর: ১০৫°
a (x + 3)(2x - 5)
b (x - 3)(2x - 5)
c (x - 3)(2x + 5)
d কোনটিই নয়
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x + 3)(2x - 5) প্রدত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো ২x^২ + x − ১৫ এখানে x^২ এর সহগ এবং ধ্রুবক পদের গুণফল ২ × (−১৫) = −৩০ ধরি, মধ্যপদ x কে এমন দুটি অংশে ভাঙতে হবে যেন তাদের গুণফল −৩০ হয় এবং যোগফল মধ্যপদের সহগ ১ হয় অতএব, ভাঙার পর রাশিটি দাঁড়ায় ২x^২ + ৬x − ৫x − ১৫ প্রথম দুটি পদ থেকে ২x কমন নিয়ে পাই ২x(x + ৩) শেষ দুটি পদ থেকে −৫ কমন নিয়ে পাই −৫(x + ৩) সুতরাং, উৎপাদক দুটি হলো (x + ৩) এবং (2x − ৫) উত্তর: A) (x + 3)(2x - 5)
a প্রাকৃতিক গ্যাস
b চুনাপাথর
c মিথেন গ্যাস
d ইলমেনাইট
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক গ্যাস কেন সঠিক: - ইউরিয়া সার উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে মিথেন সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস সংগ্রহ করে নাইট্রোজেনের সাথে মিশিয়ে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয় এবং তা থেকে ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল এবং সঠিক উত্তর। B) চুনাপাথর — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ইউরিয়া সারে নয়। C) মিথেন গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন হলেও শিল্প কারখানায় সরাসরি পরিশোধিত প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ধরা হয়। D) ইলমেনাইট — এটি টাইটানিয়াম উত্তোলনের একটি প্রধান খনিজ আকরিক, যা সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া সার তৈরির মূল চাবিকাঠি হলো আমাদের দেশের খনিজ সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস।
a হাইড্রোজেন
b কার্বন ডাই অক্সাইড
c অক্সিজেন
d নাইট্রোজেন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - নাইট্রোজেন উদ্ভিদের প্রোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ক্লোরোফিল তৈরিতে প্রধান ভূমিকা রাখে। - এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য পানির উপাদান হিসেবে প্রয়োজন হলেও সরাসরি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে মুখ্য ভূমিকা রাখে না। B) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি বায়ুমণ্ডল থেকে উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গ্রহণ করে, মাটির উর্বরতার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) অক্সিজেন — এটি উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি হলেও মাটির উর্বরতা সরাসরি বৃদ্ধির কাজটি এটি করে না। D) নাইট্রোজেন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এটি সরাসরি কাজ করে। মনে রাখার টিপস: গাছের খাবার ও উর্বরতার প্রাণ, নাইট্রোজেন জোগায় সঠিক মান।
a অনুচ্ছেদ ৩৮
b অনুচ্ছেদ ৫০
c অনুচ্ছেদ ৪১
d অনুচ্ছেদ ১০০
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুচ্ছেদ ৪১ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে। - অনুচ্ছেদ ৪১-এ প্রতিটি নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের স্বাধীনতাসহ ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ৩৮ — এটি সমিতি বা সংঘ গঠনের স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) অনুচ্ছেদ ৫০ — এই অনুচ্ছেদে বৈদেশিক উপাধি গ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। C) অনুচ্ছেদ ৪১ — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ১০০ — এটি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী আসন সংক্রান্ত বিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: মৌলিক অধিকারের শেষের দিকে অর্থাৎ একচল্লিশ অনুচ্ছেদে স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
a ফ্রান্স
b নেদারল্যান্ডস
c সুইজারল্যান্ড
d ইরান
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেদারল্যান্ডস কেন সঠিক: - নেদারল্যান্ডস দেশের অধিবাসীদের ঐতিহ্যগত ও আন্তর্জাতিকভাবে ডাচ বলা হয়। - এদের প্রধান ভাষা ও জাতিগত পরিচয়ও ডাচ বা ওলন্দাজ নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্স দেশের অধিবাসীদের ফরাসি বলা হয়, ডাচ বলা হয় না। B) নেদারল্যান্ডস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ডের অধিবাসীদের সুইস বলা হয়, ডাচ বলা হয় না। D) ইরান — ইরানের অধিবাসীদের ইরানি বা পার্সিয়ান বলা হয়, ডাচ বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: নেদারল্যান্ডস ও ডাচ শব্দ দুটি একে অপরের পরিপূরক, যা নে (নেদারল্যান্ডস) দিয়ে ডাচ (ডাচ পরিচিতি) মনে রাখা যায়।
a আবদুল লতিফ
b আবদুল আহাদ
c আলতাফ মাহমুদ
d মাহমুদুন্নবী
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলতাফ মাহমুদ কেন সঠিক: - আবদুল গাফফার চৌধুরীর লেখা এই বিখ্যাত গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ। - পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে আলতাফ মাহমুদ এই গানে নতুন ও বর্তমান সুরটি সংযোজন করেন যা সর্বজনগ্রাহ্য ও জনপ্রিয় হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গানের সুরকার হিসেবে সাধারণত আলতাফ মাহমুদের নামই সঠিক হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল লতিফ — তিনি গানটির প্রথম সুরকার হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত উত্তর অনুযায়ী আলতাফ মাহমুদ সঠিক। B) আবদুল আহাদ — তিনি এই গানের সুরকার নন, তিনি অন্য অনেক প্রখ্যাত গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। C) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানের বর্তমান জনপ্রিয় সুরকার এবং পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাধারণত তাকেই সঠিক ধরা হয়। D) মাহমুদুন্নবী — তিনি একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী ছিলেন, এই গানের সুরকার নন। মনে রাখার টিপস: কথা লিখেছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী, প্রথম সুর করেন আবদুল লতিফ এবং অমর সুরটি দেন আলতাফ মাহমুদ।
a মাইনুল হোসেন
b হেনরি এন উইলাকটস
c লুই আই কান
d লারোস
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) লুই আই কান কেন সঠিক: - মার্কিন স্থপতি লুই আই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা প্রস্তুত করেন। - ১৯৬১ সালে শুরু হওয়া এই স্থাপত্যকর্মের নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইনুল হোসেন — তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি নন, তবে তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন। B) হেনরি এন উইলাকটস — তিনি সংসদ ভবনের নকশা বা এই প্রকল্পের সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নন। C) লুই আই কান — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। D) লারোস — তিনি এই স্থাপত্যশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো পরিচিত ব্যক্তি নন। মনে রাখার টিপস: সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কানকে মনে রাখতে নামের আদ্যক্ষর এল আই কান বা সংসদ ভবনের নকশাকার হিসেবে তাঁর মার্কিন পরিচিতি মনে রাখতে পারেন।
a জাকার্তা
b নিউইয়র্ক
c ভিয়েনা
d লিমা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লিমা কেন সঠিক: - লিমা দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর রাজধানী এবং এর বৃহত্তম শহর। - এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত পেরুর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী, পেরুর নয়। B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত শহর, কোনো দেশের রাজধানী নয়। C) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী, পেরুর রাজধানী নয়। D) লিমা — এটি পেরুর সঠিক ও নির্দিষ্ট রাজধানী। মনে রাখার টিপস: পেরুর রাজধানী লিমা মনে রাখতে পেরু শব্দটির সাথে লিমা মিলিয়ে একটি বাক্য তৈরি করতে পারো।
a ধান
b গম
c পাট
d টমেটো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গম কেন সঠিক: - 'বলাকা' হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল গমের একটি উন্নত জাত। - রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন এই জাতটি দেশের কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান — ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশসল হলেও 'বলাকা' ধানের কোনো পরিচিত জাত নয়। C) পাট — পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এর বিভিন্ন জাত রয়েছে, যার মধ্যে 'বলাকা' অন্তর্ভুক্ত নয়। D) টমেটো — টমেটো একটি জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি এবং 'বলাকা' নামে এর কোনো অনুমোদিত জাত নেই। মনে রাখার টিপস: গমের শীষ দেখতে বলাকা পাখির মতো সুন্দর, এভাবে মনে রাখতে পারেন 'বলাকা' গমের জাত।
a ফরিদপুর
b চাঁদপুর
c চট্টগ্রাম
d নারায়ণগঞ্জ
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর কেন সঠিক: - নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত। - নদী সংক্রান্ত গবেষণা ও পলি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এটি নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঠিক ও নির্ধারিত অবস্থান। B) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর এবং মোহনা হলেও এখানে এই ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়। C) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান সমুদ্র বন্দর ও বাণিজ্যিক শহর হলেও এখানে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট নেই। D) নারায়ণগঞ্জ — এটি নদী তীরবর্তী শিল্পাঞ্চল হলেও নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের মূল কার্যালয় এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: নদী গবেষণার কথা মনে এলেই পদ্মা নদীর অববাহিকার জেলা ফরিদপুরের কথা স্মরণ রাখবে।
a শায়েস্তা খান
b শাহ সুজা
c টিপু সুলতান
d ইসলাম খান
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে ঢাকায় লালবাগের কেল্লা বা আওরঙ্গবাদ দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন। - এটি মুঘল আমলের বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবাদার হলেও লালবাগের কেল্লা নির্মাণ করেননি। C) টিপু সুলতান — তিনি মহীশূরের শাসক ছিলেন, ঢাকার সঙ্গে তাঁর কোনো সরাসরি ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) ইসলাম খান — তিনি বাংলার প্রথম সুবাদার হিসেবে রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেছিলেন, কিন্তু লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেননি। মনে রাখার টিপস: শায়েস্তা খানের আমলকে ঢাকায় মুঘল শাসনের সুবর্ণজয়ন্তী বলা হয় এবং তাঁর আমলেই লালবাগের কেল্লা নির্মিত হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a পদ
b ধ্বনি
c কারক
d বাক্য
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা অংশকে ধ্বনি বলা হয়, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারিত হয়। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যে মৌলিক আওয়াজ বা ক্ষুদ্রতম অংশ পাওয়া যায়, তাই ধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত মানুষের গলার আওয়াজ, যা অর্থপূর্ণ ভাষার বুনিয়াদ তৈরি করে। - ধ্বনি লেখার রূপ হলো বর্ণ, তবে ধ্বনি সরাসরি উচ্চারিত ও শ্রুতিগ্রাহ্য রূপকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা বর্ণমালার একটি স্বরধ্বনি, যা নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে এবং শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি, যা ফুসফুস থেকে আগত বাতাস মুখে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ — বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হলে তাকে পদ বলে, এটি ধ্বনির চেয়ে বড় একক। B) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর। C) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, এটি ধ্বনির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) বাক্য — অর্থপূর্ণ পদের সমষ্টি যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, এটি ভাষার বৃহত্তম একক। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে ধ্বনি হলো শোনা যায় যা, আর বর্ণ হলো দেখা যায় যা। ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে সর্বদা ধ্বনি বা বর্ণ দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা অংশ কী, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি।
a কর্তৃ
b কর্ম
c করণ
d অধিকরণ
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্তৃ ১. কেন সঠিক: বাক্যে যিনি নিজে কাজ সম্পন্ন করেন, তিনি হলেন কর্তৃকারক। এখানে চিঠি লেখার কাজটি সরাসরি 'করিম' করছে, তাই করিম কর্তৃকারক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ নিজে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্তৃকারক বলে। ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে উড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে ওড়ার কাজটি পাখি নিজে করছে, তাই পাখি কর্তৃকারক। উদাহরণ ২: ফুল ফুটছে। ব্যাখ্যা: এখানে ফোটার কাজটি ফুল নিজেই করছে, তাই ফুল কর্তৃকারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃ — এটি সঠিক উত্তর কারণ করিম নিজে চিঠি লেখার কাজটি করছে। B) কর্ম — কর্মকারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে লেখার বিষয়বস্তু বের করার প্রশ্ন নেই। C) করণ — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণ — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই হলো কর্তৃকারক। কর্তা মানেই যে কাজটি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। এই নিয়ম অনুসরণ করে যেকোনো বাক্যের কর্তা সহজে শনাক্ত করা যায়।
a বরিশাল
b চট্টগ্রাম
c বর্ধমান
d কুষ্টিয়া
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ধমান কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, তাঁর জন্মস্থান হিসেবে বর্ধমান জেলার নাম সর্বজনস্বীকৃত এবং পাঠ্যপুস্তকে এটি নিশ্চিত করা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের প্রধান সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও আমাদের জাতীয় কবি। - তাঁর সাহিত্যকর্মে বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামের গ্রামীণ পরিবেশ এবং নিসর্গ নানাভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। - উদাহরণস্বরূপ, তাঁর অনেক কবিতায় ও গানে রাঢ় বাংলার প্রকৃতি এবং বর্ধমানের মাটির গন্ধ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বরিশাল — এই জেলাটি কবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থানের সাথে সম্পর্কিত, নজরুলের সাথে নয়। - B) চট্টগ্রাম — এই অঞ্চলে কবির নানাবিধ স্মৃতি ও আগমন ঘটলেও এটি তাঁর জন্মস্থান নয়। - C) বর্ধমান — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো তথ্য প্রযোজ্য নয়। - D) কুষ্টিয়া — এই জেলাটি মূলত লালন শাহ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ির জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: - জাতীয় কবির জন্মস্থান মনে রাখতে চুরুলিয়া গ্রাম এবং বর্ধমান জেলা এই দুটি নাম একসাথে মুখস্থ রাখবে।
a সংখ্যা
b তারিখ
c অংক
d কোনটিই নয়
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় ১. কেন সঠিক: 'সপ্তাহ' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা তারিখ নির্দেশ করে না, বরং এটি সাতটি দিনের সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়। বাংলা ব্যাকরণে এটি একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ বা বিশেষ্য পদ, তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই এর সঠিক শ্রেণীবিভাগ নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী 'সপ্তাহ' একটি বিশেষ্য পদ যা সংখ্যাবাচক শব্দ থেকে গঠিত হলেও নিজেই সরাসরি কোনো সংখ্যা নয়। এটি সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে দ্বিগু সমাসের মাধ্যমেও ব্যাখ্যা করা যায় যেখানে সমাহার বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দশক ব্যাখ্যা: দশক শব্দটি দশটি বছরের সমষ্টি বোঝায়, যা সরাসরি কোনো একক সংখ্যা নয় বরং একটি সময়বাচক সমষ্টি। উদাহরণ ২: শতক ব্যাখ্যা: শতক শব্দটি একশোটি একক বা বছরের সমাহার নির্দেশ করে, যা সংখ্যার সমষ্টি হলেও নিজে স্বতন্ত্র কোনো সংখ্যা পদ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যা — সংখ্যা সরাসরি কোনো পরিমাণ বা অংক নির্দেশ করে যেমন এক, দুই, তিন, যা সপ্তাহ শব্দের অর্থ নয়। B) তারিখ — তারিখ বলতে মাসের কোনো নির্দিষ্ট দিনকে বোঝায়, যা সপ্তাহ বা সাত দিনের সমষ্টির সমার্থক নয়। C) অংক — অংক হলো সংখ্যা লেখার প্রতীক যেমন ১, ২, ৩, যা সপ্তাহ শব্দের ব্যাকরণগত পরিচয় বা অর্থ প্রকাশ করে না। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর কারণ ওপরের তিনটি অপশনের কোনোটিই সপ্তাহ শব্দের সঠিক শ্রেণীবিভাগ বা রূপ নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: সপ্তাহ মানে হলো সাত দিনের সমষ্টি। কোনো সমষ্টিবাচক শব্দ সরাসরি একক সংখ্যা, তারিখ বা অংক হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমষ্টিবাচক শব্দ যেমন সপ্তাহ, দশক বা শতক আসলে সেগুলোকে সংখ্যা না ভেবে বিশেষ্য বা সমষ্টিবাচক শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a 2
b 3
c 4
d 5
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ১. কেন সঠিক: - বাক্যের অর্থ বা ভাবের প্রকাশভঙ্গি অনুযায়ী ক্রিয়ার যে রূপের মাধ্যমে কর্ত্তৃপক্ষ, কর্ম বা ভাব প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে বাচ্য বলে। বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য প্রধানত ৩ প্রকার। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাচ্য মূলত তিন প্রকার: কর্ত্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্য। বাক্যের অর্থের সংগতি এবং ক্রিয়ার ভাবের ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিভাগ নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খাই। ব্যাখ্যা: এটি কর্ত্তৃবাচ্যের উদাহরণ, যেখানে কর্তার প্রধান্য রয়েছে। উদাহরণ ২: আমার দ্বারা কাজটি করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি কর্মবাচ্যের উদাহরণ, যেখানে কর্মের প্রধান্য রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — বাংলা ব্যাকরণে বাচ্যের সংখ্যা ২ নয়, কারণ কর্ত্তৃ, কর্ম ও ভাব ছাড়াও বাচ্যের এই তিনটি মূল রূপ রয়েছে। B) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাচ্যের সর্বজনস্বীকৃত এবং প্রমিত সংখ্যা হলো তিনটি। C) ৪ — চার প্রকার বাচ্য বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়, এটি ভুল ধারণা। D) ৫ — পাঁচ প্রকার বাচ্য ভুল সংখ্যা, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপس: - বাচ্য মানে হলো বাক্যের প্রকাশের ভঙ্গি। ক-তে কর্ত্তৃবাচ্য, ক-তে কর্মবাচ্য এবং ভ-তে ভাববাচ্য, এভাবে মোট ৩ প্রকার বাচ্য মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাচ্যের প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। বাক্য পরিবর্তন বা চেনার ক্ষেত্রে কর্তার প্রাধান্য, কর্মের প্রাধান্য বা ভাবের প্রাধান্য খেয়াল রাখতে হবে।
a 15
b 20
c 25
d 5
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মোট যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে ২৫টি। দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয়ে একটি স্বরধ্বনি তৈরি করলে তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটি বর্ণ রয়েছে যথা ওই এবং ঔ। কিন্তু উচ্চারণের সময় বাংলা ভাষায় মোট পঁচিশটি যৌগিক স্বরধ্বনি পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওই ব্যাখ্যা: ওই উচ্চারণের সময় ও এবং ই এই দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: ঔ ব্যাখ্যা: ঔ উচ্চারণের সময় অ এবং উ এই দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 15 — পনেরো সংখ্যাটি বাংলা ভাষার যৌগিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা নয়। তাই এই অপশনটি ভুল। B) 20 — বিশ সংখ্যাটি বাংলা ভাষার যৌগিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। তাই এটি সঠিক নয়। C) 25 — পঁচিশ সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মোট যৌগিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা। এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) 5 — পাঁচ সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট স্বরধ্বনির পরিমাপ নয়। তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি কিন্তু ধ্বনিতে এর পরিমাণ পঁচিশটি। সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য দুই এবং পাঁচ পাশাপাশি অর্থাৎ পঁচিশ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যৌগিক স্বরধ্বনি এবং যৌগিক স্বরবর্ণ নিয়ে প্রশ্ন আসে। স্বরবর্ণ দুটি হলেও ধ্বনিসংখ্যা পঁচিশটি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a লাজুক
b ভীতু
c স্পষ্টভাষী
d বাচাল
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাজুক কেন সঠিক: ১. মুখচোরা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো যার মুখ অন্যের সামনে খোলে না অর্থাৎ যে সহজে কথা বলতে পারে না। ২. সমাজে যারা খুব সংকুচিত স্বভাবের এবং লোকজনের সামনে যেতে লজ্জা পায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ২. এটি বাংলা ভাষার প্রবাদ প্রবচন ও শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং মানুষের বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক অবস্থাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। ৩. যেমন, কুঁড়ের বাদশা বলতে অলস বোঝায়, ঠিক তেমনি মুখচোরা বলতে লাজুক স্বভাবের মানুষকে বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাজুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুখচোরা বলতে মূলত লাজুক বা সংকোচী প্রকৃতির মানুষকে বোঝানো হয়। B) ভীতু — ভীতু বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে ভয় পায়, কিন্তু মুখচোরা মানে ভয় পাওয়া নয় বরং লাজুক হওয়া। C) স্পষ্টভাষী — স্পষ্টভাষী অর্থ যে পরিষ্কার কথা বলে, যা মুখচোরা শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) বাচাল — বাচাল হলো যে খুব বেশি কথা বলে, আর মুখচোরা মানুষ কম কথা বলে বা লজ্জা পায়। মনে রাখার টিপস: ১. মুখচোরা শব্দটির মধ্যে মুখ বন্ধ রাখার একটা ভাব লুকিয়ে আছে, যা থেকে লাজুক বা কম কথা বলা মানুষ হিসেবে সহজেই মনে রাখা যায়।
a হ্রেষা
b কেকা
c কূজন
d অজিন
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ্রেষা ১. কেন সঠিক: অশ্ব বা ঘোড়ার ডাককে এক কথায় হ্রেষা বলা হয়। এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং এককথায় প্রকাশ অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে সংহত ও প্রাঞ্জল করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূরের ডাককে বলা হয় কেকা। ব্যাখ্যা: এটি পাখির ডাক সংক্রান্ত আরেকটি বহুল ব্যবহৃত এককথায় প্রকাশ। উদাহরণ ২: কুকুরের ডাককে বলা হয় বুক্কন। ব্যাখ্যা: পশুর ডাক বোঝাতে এটি ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্রেষা — এটি অশ্বের ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত সঠিক শব্দ। B) কেকা — এটি ময়ূরের ডাক অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা অশ্বের ডাক নয়। C) কূজন — এটি সাধারণত পাখির মধুর কলতান বা ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) অজিন — এটি পশুর মৃত চামড়া বা মৃগচর্ম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ডাক বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ঘোড়া বা অশ্ব দৌড়ানোর সময় শব্দ করে, তাই অশ্বের ডাক হ্রেষা কথাটি হ্রেষণ শব্দের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখা যায়। পশুর ডাকের ক্ষেত্রে প্রতিটি পশুর আলাদা নির্দিষ্ট শব্দ রয়েছে তা খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পশুর ডাক এবং পাখির ডাক সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। তাই হ্রেষা, কেকা এবং কূজন শব্দগুলোর সুনির্দিষ্ট অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a জীবন
b জীবনী
c জীবিকা
d জীবাণু
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবনী ১. কেন সঠিক: - 'জীবন' বিশেষ্য পদের বিশেষণ রূপ হলো 'জীবনী'। - বাক্যে বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে বিশেষণ পদ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বিশেষ্য থেকে বিশেষণ তৈরির নিয়ম রয়েছে। - এই প্রশ্নে 'জীবন' বিশেষ্যের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ 'জীবনী' গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকবর + ইক = আকবরীয় ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ থেকে বিশেষণ গঠনের এটি একটি সাধারণ ব্যাকরণগত নিয়ম। উদাহরণ ২: প্রকৃতি + ইক = প্রাকৃতিক ব্যাখ্যা: বিশেষ্য শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করে এভাবে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন — এটি নিজেই একটি বিশেষ্য পদ, তাই এটি নিজের বিশেষণ হতে পারে না। B) জীবনী — এটি সঠিক বিশেষণ পদ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) জীবিকা — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ বেঁচে থাকার উপায় বা পেশা। D) জীবাণু — এটি একটি বিশেষ্য পদ যা অতি ক্ষুদ্র জীবকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর করার সময় শব্দের শেষ ধ্বনি ও প্রত্যয়ের পরিবর্তন ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। - জীবন শব্দের বিশেষণ হিসেবে জীবনী শব্দটি সবচেয়ে প্রমিত ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ রূপান্তর প্রায়ই আসে। - মূল শব্দ এবং তার সঠিক বিশেষণ রূপ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি প্রত্যয়যুক্ত রূপের চর্চা করতে হবে।
a ঈমান
b বেহেস্ত
c হালাল
d আল্লাহ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) বেহেস্ত কেন সঠিক: - বেহেস্ত শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত হলেও এই শব্দটি আরবি মূলের নয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ মিশে আছে যেমন আরবি, ফারসি এবং তুর্কি। - ধর্মীয় পরিভাষার সব শব্দই আরবি নয়, কিছু শব্দ ফারসি থেকেও এসেছে। - ফারসি ভাষার শব্দগুলোর মধ্যে বেহেস্ত, রোজা এবং খোদা অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ঈমান — এটি একটি খাঁটি আরবি শব্দ যার অর্থ বিশ্বাস। - খ) বেহেস্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ফারসি শব্দ। - গ) হালাল — এটি একটি আরবি শব্দ যার অর্থ বৈধ। - ঘ) আল্লাহ — এটি পবিত্র আরবি শব্দ যা মহান সৃষ্টিকর্তাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: - ইসলাম ধর্মের অনেক শব্দ ফারসি ভাষা হয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছে। - নামাজ, রোজা, বেহেস্ত এবং দোখিন শব্দগুলো ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
a দায়িত্ব
b দ্বায়িত্ব
c দায়িত্বতা
d দ্বায়িত্য
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দায়িত্ব ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'দায়িত্ব' শব্দটিতে 'দ', অন্তস্থ 'য়', হ্রস্ব 'ই', 'ত', 'ব' এবং যুক্তবর্ণ হিসেবে 'ত্ব' ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে 'য়' (অন্তস্থ অ) এর ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এখানে 'দ্বা' এর পরিবর্তে 'দা' হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে অনেক সময় 'দ' এবং 'দ্ব' (দ+ব) এর ব্যবহারে ভুল হয়। - 'দায়িত্ব' শব্দটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ কোনো কাজের ভার বা কতর্ব্য, তাই এর গঠনে 'দ্ব' ব্যবহার না করে একক 'দ' ব্যবহার করতে হবে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধিমত্তা ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ বানান যেখানে বুদ্ধিমত্তা শব্দটি বোঝাতে 'ম' এর নিচে যুক্তবর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাহিত্য বানানে 'সা', 'হি', 'ত্য' যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ লাভ করেছে যা প্রমিত বানানের নিয়ম মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দায়িত্ব — এটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত। B) দ্বায়িত্ব — এখানে 'দ' এর সাথে ব-ফলা (দ্বা) যুক্ত করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। C) দায়িত্বতা — মূল শব্দের সাথে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করে একটি অপ্রয়োজনীয় ও ভুল শব্দ গঠন করা হয়েছে। D) দ্বায়িত্য — এখানে 'দ্বা' এবং শেষে 'ত্য' ব্যবহারের কারণে বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দায়িত্ব বানানে কখনো 'দ্বা' লিখবে না, সবসময় সাধারণ 'দা' দিয়ে শুরু করবে। - শব্দের শেষে 'ত্ব' যুক্ত করার সময় খেয়াল রাখবে যেন অতিরিক্ত কোনো প্রত্যয় না বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানানগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। - একই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন দায়ী, দায়িত্বশীল বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b কাজী নজরুল ইসলাম
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d আবুল ফজল
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'পোস্টমাস্টার' ছোটগল্পটি বাংলা ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত একটি সৃষ্টি। - এটি মূলত গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন এবং নিঃসঙ্গতার গভীর চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন। - 'পোস্টমাস্টার' গল্পটি তাঁর বিখ্যাত 'গল্পগুচ্ছ' সংকলনের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি প্রথম 'সাধনা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কঙ্কাল' ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। উদাহরণ ২: 'হৈমন্তী' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত সমাজ সচেতনতামূলক আরেকটি জনপ্রিয় ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি মূলত উপন্যাস ও গল্পের জন্য বিখ্যাত হলেও 'পোস্টমাস্টার' গল্পের রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও এই গল্পের লেখক নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর। D) আবুল ফজল — তিনি আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, যিনি এই গল্প লেখেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বললেই মাথায় রাখতে হবে 'পোস্টমাস্টার' ও 'গল্পগুচ্ছ'। - রবীন্দ্রনাথের গ্রামীণ পটভূমির গল্পগুলোর মধ্যে পোস্টমাস্টার অন্যতম সেরা একটি সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'গল্পগুচ্ছ' বা রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত ছোটগল্পের নাম ও চরিত্রগুলো ভালোভাবে পড়ে প্রস্তুতি নিতে হবে।
a বিদ্যা + আলয়
b বিদ্যা + লয়
c বিদ + আলয়
d বিদ্যালয় + য়
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্যা + আলয় ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী প্রথম শব্দের অন্তস্থিত অ বা আ এবং দ্বিতীয় শব্দের আদি অ বা আ মিলে উভয় মিলে আ হয় এবং এই আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। বিদ্যালয় শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাই বিদ্যা এবং আলয়, যেখানে প্রথম অংশের শেষে আ এবং দ্বিতীয় অংশের শুরুতে আ রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যা দীর্ঘসন্ধি নামে পরিচিত। অ বা আ-এর পর অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ-কার হয় এবং তা যুক্ত হয়ে শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে হিম শব্দের অ এবং আলয় শব্দের আ মিলে আ-কার হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা শব্দের আ এবং আশয় শব্দের আ মিলে আ-কার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যা + আলয় - এটি সঠিক এবং প্রমিত সন্ধিবিচ্ছেদ। B) বিদ্যা + লয় - এখানে লয় শব্দটি সঠিক নয় কারণ আলয় শব্দের অর্থ গৃহ বা আলয়। C) বিদ + আলয় - এখানে বিদ শব্দটি অর্থহীন এবং মূল শব্দ গঠনে অক্ষম। D) বিদ্যালয় + য় - এখানে সম্পূর্ণ শব্দটিকে রেখে অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: দীর্ঘ স্বরসন্ধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে আ যোগ আ মিলে সর্বদা দীর্ঘ আ হয়। বিদ্যালয় শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় শেষের অংশ সবসময় আলয় হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘসন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই নিয়মটি আয়ত্ত করলে হিমালয় বা রত্নাকর জাতীয় শব্দগুলো সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a পুংলিঙ্গ
b স্ত্রীলিঙ্গ
c ক্লীব লিঙ্গ
d উভয়লিঙ্গ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্লীব লিঙ্গ কেন সঠিক: - গাছ একটি জড় পদার্থ এবং এর কোনো প্রাণ বা জীবন্ত সত্তা নেই। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে শব্দ দিয়ে স্ত্রী বা পুরুষ কোনোটিকেই বোঝায় না, তাকে ক্লীব লিঙ্গ বলে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণে জড়পদার্থ বা প্রাণহীন বস্তুকে ক্লীব লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। - গাছ নিজে নিজে চলাচল করতে পারে না এবং এর জৈবিক কোনো লিঙ্গভেদ নেই। - চেয়ার, টেবিল, বই এবং কলম শব্দগুলোর মতো গাছ শব্দটিও ক্লীব লিঙ্গের উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পুংলিঙ্গ — পুংলিঙ্গ কেবল পুরুষবাচক প্রাণী বা জীবকে বোঝায়, যা গাছের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। - B) স্ত্রীলিঙ্গ — স্ত্রীলিঙ্গ কেবল স্ত্রীবাচক প্রাণী বা জীবকে বোঝায়, যা গাছের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। - C) ক্লীব লিঙ্গ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি সঠিক উত্তর। - D) উভয়লিঙ্গ — উভয়লিঙ্গ পুরুষ ও স্ত্রী উভয়বাচক জীবকে বোঝায়, কিন্তু গাছ কোনো জীবন্ত প্রাণী নয়। মনে রাখার টিপস: - যেসব বস্তুর প্রাণ নেই এবং যারা পুরুষ বা নারী কোনোটিই নয়, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে ক্লীব লিঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a কর্ম
b সম্প্রদান
c করণ
d কর্তৃ
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রদান ১. কেন সঠিক: - স্বত্ব ত্যাগ করে কোনো কিছু কাউকে দান বা প্রদান করা বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়। - এখানে অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা দৃষ্টিশক্তি দান করার কথা বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থ ও চিরতরে ত্যাগের অর্থময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে স্বত্ব বা অধিকার ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয়, সেই বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে সম্প্রদান কারক বলে। - আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে অনেক সময় সম্প্রদান কারককে কর্ম কারক হিসেবে গণ্য করা হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহ্যগত সম্প্রদান কারকের নিয়মই অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: এখানে ভিক্ষা চিরতরে দান করা বোঝায়, তাই এটি সম্প্রদান কারক। উদাহরণ ২: সৎ পাত্রে কন্যা দান কর। ব্যাখ্যা: কন্যার ওপর অধিকার বা স্বত্ব ত্যাগ করে পাত্রস্থ করা হচ্ছে বলে এটি সম্প্রদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে দানের ক্ষেত্রে স্বত্ব ত্যাগের বিষয়টি প্রধান। C) করণ — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, মাধ্যম বা সহায়ক বিষয়কে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্তৃ — কর্তৃ কারক হলো যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে, কিন্তু অন্ধজন এখানে কাজের কর্তা নয় বরং গ্রহণের পাত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিঃস্বার্থভাবে কিছু দান করা বা সাহায্য করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হবে। - ভিক্ষা, দান বা উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রহীতা সবসময় সম্প্রদান কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্প্রদান কারক চেনার মূল শর্ত হলো স্বত্ব বা অধিকার চিরতরে ত্যাগ করা। - বস্তু নয়, যাকে দান করা হয় সেই ব্যক্তি বা পাত্রই মূলত সম্প্রদান কারক হিসেবে চিহ্নিত হয়।
a ভবিষ্যৎ
b বর্তমান
c অতীত
d পুরাঘটিত
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্তমান কেন সঠিক: ১. এই বাক্যের কাজটি বর্তমান সময়ে ঘটছে এবং তা এখনো চলছে। ২. ক্রিয়ার রূপ দেখে বোঝা যায় যে কাজটি বর্তমানকালের নির্দেশ করছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে ক্রিয়া বর্তমানকালে ঘটে বা ঘটতে থাকে, তাকে বর্তমান কাল বলে। ২. এটি বর্তমান কালের ঘটমান বর্তমান বা বর্তমান অনুজ্ঞার একটি রূপ। ৩. যেমন, আমি ভাত খাচ্ছি বা হাসান বই পড়ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভবিষ্যৎ — ভবিষ্যৎ কাল হলো এমন সময়, যা আগামীতে বা ভবিষ্যতে ঘটবে কিন্তু এখানে কাজটি বর্তমানে চলছে। B) বর্তমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে বর্তমানকালের প্রকাশ ঘটেছে। C) অতীত — অতীত কাল হলো এমন সময়, যা ইতিপূর্বে ঘটে গেছে কিন্তু এখানে কাজটি বর্তমানে সম্পাদিত হচ্ছে। D) পুরাঘটিত — পুরাঘটিত অতীত বা বর্তমান বলতে বোঝায় যে কাজ শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনো আছে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ১. বাক্যের ক্রিয়ার শেষে তেছি, তেছ, তেছে ইত্যাদি থাকলে তা ঘটমান বর্তমান কাল হয়। ২. ক্রিয়ার কাল নির্ণয় করতে হলে সর্বদা ক্রিয়াপদের রূপের দিকে নজর দিতে হবে।
a স্বাধীন
b বদ্ধ
c মুক্তি
d বাহির
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বদ্ধ ১. কেন সঠিক: - মুক্ত শব্দের অর্থ যা আটকানো নয়, স্বাধীন বা উন্মুক্ত। এর সরাসরি বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো বদ্ধ যার অর্থ আটকানো বা অবরুদ্ধ। - বিপরীতার্থক শব্দ মূলত পরস্পরবিরোধী অর্থ প্রকাশ করে। মুক্ত ও বদ্ধ একে অপরের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করা হয়। বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ চয়নের সময় পদের রূপ ও ব্যাকরণিক কোটি ঠিক রাখতে হয়। - মুক্ত এবং বদ্ধ উভয় শব্দই সাধারণত বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা কোনো কিছুর অবস্থা প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ মুক্ত। ব্যাখ্যা: এখানে মুক্ত শব্দটি উন্মুক্ত বা সীমানাহীন অবস্থা বোঝাচ্ছে যার বিপরীত হতে পারে বদ্ধ। উদাহরণ ২: পাখিটি বদ্ধ খাঁচায় বন্দি। ব্যাখ্যা: এখানে বদ্ধ শব্দটি আটকানো বা অবরুদ্ধ অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে যা মুক্ত শব্দের বিপরীত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাধীন — এটি মুক্ত শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) বদ্ধ — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যা মুক্ত শব্দের ঠিক উলটো অবস্থা বোঝায়। C) মুক্তি — এটি মুক্ত শব্দের বিশেষ্য রূপ, সরাসরি বিপরীতার্থক বিশেষণ নয়। D) বাহির — এটি ভেতরের বিপরীত শব্দ, মুক্ত শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুক্ত মানে যা খোলা, আর বদ্ধ মানে যা আটকানো। খোলা এবং আটকানো যেভাবে বিপরীত, মুক্ত ও বদ্ধ সেভাবে বিপরীত শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় পদের ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a অব্যয়ীভাব
b তৎপুরুষ
c দ্বিগু
d দ্বন্দ্ব
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিগু ১. কেন সঠিক: - সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় এবং যার দ্বারা সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষ্য বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। - পঞ্চবটের সমাহার এখানে পঞ্চবট শব্দটির মাধ্যমে পাঁচটি বটের সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - দ্বিগু সমাস কর্মধারয় সমাসেরই একটি প্রকারভেদ যেখানে পূর্বপদটি সবসময় সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয়। - এই সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি সাধারণত সমাহার বা সমষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে সমাপ্তি লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিফলার সমাহার = ত্রিফলা ব্যাখ্যা: এখানে তিন ফলের সমাহার বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনে দ্বিগু সমাস সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শতাব্দের সমাহার = শতাব্দী ব্যাখ্যা: শত অব্দের সমাহার অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের মিলনে সমষ্টি বুঝিয়ে দ্বিগু সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে যদি অব্যয় পদের অর্থই প্রধান হয় তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে, কিন্তু এখানে সংখ্যা ও সমাহার বোঝানো হয়েছে। B) তৎপুরুষ — যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ বলে, কিন্তু এখানে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে। C) দ্বিগু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাহার বোঝানো হয়েছে। D) দ্বন্দ্ব — যে সমাসে প্রতিটি পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং এবং ও কিংবা দ্বারা পদগুলো যুক্ত হয়, কিন্তু এখানে তা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিগু সমাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে ব্যাসবাক্যের শেষে সমাহার বা সমষ্টি শব্দ থাকে এবং প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক হয়। - সংখ্যাবাচক শব্দ দেখলে এবং সমাহার থাকলে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস উত্তর করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই আসে, তাই সমাহার থাকলে দ্বিগু এবং যার বা যাতে থাকলে বহুব্রীহি হবে তা মনে রাখবে। - ত্রিপদী, চৌরাস্তা, তেমাথা ইত্যাদি শব্দগুলো একই নিয়মে দ্বিগু সমাসের আওতাভুক্ত।
a উল্লাস
b উজ্জ্বল
c মনোরম
d আনন্দ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মনোরম ১. কেন সঠিক: - 'সুন্দর' শব্দের অর্থ যা দেখতে বা শুনতে ভালো লাগে কিংবা মনকে হরণ করে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'মন মনোরম' শব্দটি ঠিক একই ভাব প্রকাশ করায় এটি সঠিক উত্তর হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। - বাংলা ভাষায় একটি মূল ভাবের প্রকাশের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে আসা তৎসম, অর্ধ-তসসম ও তদ্ভব শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চারু ব্যাখ্যা: চারু শব্দটির অর্থও সুন্দর বা চমৎকার, যা সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সুদৃশ্য ব্যাখ্যা: সুদৃশ্য বলতে সুন্দর দৃশ্য বা দেখতে ভালো এমন কিছু বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উল্লাস — উল্লাস শব্দের অর্থ আনন্দ বা হর্ষ, যা সুন্দরের সমার্থক নয়। B) উজ্জ্বল — উজ্জ্বল শব্দের অর্থ দীপ্তিময় বা প্রোজ্জ্বল, যা সুন্দরের সমার্থক নয়। C) মনোরম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সুন্দর। D) আনন্দ — আনন্দ শব্দের অর্থ সুখ বা প্রমোদ, যা সুন্দরের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মন হরণ করে যা, তাকেই মনোরম বা সুন্দর বলা হয়। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দের অর্থের সাথে মিল রেখে মেমোরিতে গেঁথে নিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত শব্দের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে শব্দার্থের পরিধি বাড়াতে হবে।
a ২৯ টি
b ৩৯ টি
c ১৯ টি
d ৪৯ টি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৯ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখবিবরের কোথাও না কোথাও বাধা পায় এবং উচ্চারণের জন্য স্বরবর্ণের সাহায্য নেয়, সেগুলোকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে বর্ণমালাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা মোট ৩৯টি, যা 'ক' থেকে শুরু করে 'চাঁদবিন্দু' বা যুক্তবর্ণের আগের বর্ণ পর্যন্ত বিস্তৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ক, ল এবং ম—এই তিনটি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে যা ব্যঞ্জনধ্বনির সাহায্যে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ব এবং য়—এই দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে যা স্বরবর্ণের সাহায্যে পূর্ণতা পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার কোনো মৌলিক বা নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক অংশের সংখ্যা নয়। B) ৩৯ টি — এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মূল ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা। C) ১৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণে নির্দিষ্ট কোনো वर्ण বা ধ্বনির সংখ্যা নির্দেশ করে না। D) ৪৯ টি — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত ক্যাটাগরির সঠিক সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালা মোট ৫০টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি (১১ + ৩৯ = ৫০)। স্বরবর্ণের সংখ্যা মনে রাখলে ৫০ থেকে বিয়োগ করে সহজেই ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি এবং স্বরবর্ণ ১১টি—এই তথ্যগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক সংখ্যা ৩৯টি, এটি ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a Burow
b Buro
c Buraeu
d Bureau
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bureau কেন সঠিক: Bureau শব্দের বানানটিতে প্রথমে b, তারপর u, এবং শেষে reau যুক্ত হয়। এটি ফ্রেঞ্চ ভাষা থেকে আসা একটি শব্দ যার অর্থ কার্যালয়। বানানটিতে অক্ষরগুলোর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। শেষে eau থাকার কারণে এটি অন্যান্য অপশন থেকে আলাদা ও শুদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Burow — এখানে শেষের অংশ ভুল কারণ সঠিক নিয়মে reau হবে। B) Buro — এটি সংক্ষিপ্ত ও ভুল বানান যা সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। C) Buraeu — এখানে e ও u অক্ষরের অবস্থান ভুল জায়গায় দেওয়া হয়েছে। D) Bureau — এটি শতভাগ সঠিক এবং এটিই প্রশ্ন অনুযায়ী নির্ধারিত বানান। মনে রাখার টিপস: Bureau বানানটি মনে রাখতে শেষের চার অক্ষর r-e-a-u ভালোভাবে মুখস্ত করতে হবে।
a Lose
b Rise
c Honey
d Flood
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Honey কেন সঠিক: - Honey শব্দটির মূল অর্থ মধু, যা একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ। - বাক্যে এটি সাধারণত বস্তুবাচক বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো ক্রিয়া বা কাজ বোঝায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lose — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ভার্ব বা ক্রিয়া, যার অর্থ হারানো। B) Rise — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, যার অর্থ ওঠা বা বৃদ্ধি পাওয়া। C) Honey — এটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, তাই এটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) Flood — এটি নাউন হলেও বাক্যে ভার্ব হিসেবে প্লাবিত করা অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলোর মাধ্যমে কোনো কাজ করা বোঝায় না, যেমন কোনো বস্তুর নাম, তা সাধারণত ভার্ব হয় না।
a June
b Team
c Month
d Envelope
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Team কেন সঠিক: Team শব্দটি দ্বারা একাধিক খেলোয়াড় বা সদস্য নিয়ে গঠিত একটিমাত্র সংস্থাকে বোঝায়। তাই এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বা Collective noun। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) June — এটি বছরের একটি নির্দিষ্ট মাসের নাম হওয়ায় এটি Proper noun। খ) Team — এটি সঠিক উত্তর। গ) Month — এটি সাধারণ নাম বোঝানোর কারণে Common noun। ঘ) Envelope — এটি একটি জড় বস্তুবাচক সাধারণ নাম হওয়ায় Common noun। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দিয়ে একজাতীয় অনেক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়, তাকেই Collective noun বলে।
a adverb
b adjective
c noun
d preposition
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) adverb কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে hard শব্দটি working ভার্বটিকে মডিফাই করছে। এটি কীভাবে কাজ করছে তা বোঝাচ্ছে এবং ভার্বকে বিশেষিত করায় এটি adverb হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ গুণ প্রকাশ করছে না। C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না। D) preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে সম্পর্ক স্থাপন করছে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করে তাকে adverb বলে।
a of
b for
c in
d on
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) for কেন সঠিক: স্বাস্থ্য বা উপকারের ক্ষেত্রে সাধারণত preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়। এটি ইংরেজি ভাষার একটি নির্দিষ্ট ব্যবহার বা appropriate preposition। বাক্যটির অর্থ দাঁড়াচ্ছে শাকসবজি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি সাধারণত অধিকার বা সম্পর্ক বোঝাতে বসে, স্বাস্থ্যের উপকারের ক্ষেত্রে বসে না। B) for — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) in — এটি সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতর বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল। D) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর অবস্থান বোঝাতে বসে, তাই এখানে অগত্যা ভুল। মনে রাখার টিপস: উপকার বা ক্ষতিকর বোঝাতে সবসময় good বা bad এর পরে for preposition বসে।
a The last part
b Foggy
c Cut a bad
d Unfair
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The last part কেন সঠিক: ‘Fag end’ একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা, যার অর্থ কোনো কিছুর শেষ অংশ বা সমাপ্তি। তাই অপশন এ তে থাকা ‘The last part’ সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The last part — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) Foggy — এর অর্থ কুয়াশাচ্ছন্ন, যা প্রদত্ত বাগধারার অর্থের সাথে মেলে না। C) Cut a bad — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দগুচ্ছ নয় এবং এর সাথে কোনো মিল নেই। D) Unfair — এর অর্থ অন্যায্য, যা ‘Fag end’ বাগধারার অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: সিগারেটের শেষ অংশকে ফ্যাগ এন্ড বলা হয়, যা থেকে যেকোনো কিছুর শেষ অংশ বা সমাপ্তি বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a halve
b halves
c halfs
d halffs
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) halves কেন সঠিক: ইংরেজিতে সাধারণত যেসব শব্দের শেষে f বা fe থাকে, বহুবচন করার সময় সেই f বা fe উঠে গিয়ে তার পরিবর্তে ves যুক্ত হয়। half শব্দের শেষে f থাকার কারণে নিয়ম অনুযায়ী এটি পরিবর্তন হয়ে halves রূপ ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) halve — এটি কোনো সঠিক বহুবচন রূপ নয় কারণ এটি মূলত একটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) halves — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) halfs — শব্দের শেষে সরাসরি s যুক্ত করে এই বহুবচনটি গঠন করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) halffs — অতিরিক্ত f যুক্ত করে বানানের এই রূপটি তৈরি করা হয়েছে যা ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের বাইরে। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে f বা fe থাকলে তা বাদ দিয়ে ves বসালে সহজে বহুবচন করা যায়।
a in
b on
c at
d by
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: মাস, বছর বা শতকের মতো দীর্ঘ সময়ের আগে সাধারণত ইন প্রিপজিশন বসে। ফেব্রুয়ারি একটি মাস হওয়ায় এর আগে সঠিক উত্তর ইন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সঠিক উত্তর। B) on — নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের আগে অন বসে, তাই মাসের আগে এটি ভুল। C) at — নির্দিষ্ট সময় বা ঘড়ির কাটার সময়ের আগে অ্যাট বসে, তাই মাসের আগে এটি ভুল। D) by — কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা দ্বারা বোঝাতে বাই বসে, তাই এখানে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ছোট সময়ে অ্যাট, দিনে অন এবং বড় সময়ে ইন বসে।
a better
b good
c wisest
d wise
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) wisest কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে 'the' আর্টিকেল থাকায় এবং গ্রামের সবার মধ্যে তুলনা বোঝানোয় এখানে সুপারলেটিভ ডিগ্রি বসবে। 'Wise' শব্দের সুপারলেটিভ রূপ হলো 'wisest'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) better — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি, তাই সবার মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে এটি বসবে না। B) good — এটি পজিটিভ ডিগ্রি, যা নির্দিষ্ট কোনো তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) wisest — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) wise — এটি পজিটিভ ডিগ্রি, তাই সবার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের পূর্বে দ্য (the) থাকলে এবং সবার মধ্য থেকে তুলনা বোঝালে সুপারলেটিভ ডিগ্রি হয়।
a at
b on
c the
d no article
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the কেন সঠিক: adjectives এর সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দা বসে। নদীর নামের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি একটি প্রিপজিশন এবং শূন্যস্থানে প্রিপজিশন বসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। B) on — এটি একটি প্রিপজিশন যা এখানে বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। C) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপশন হিসেবে ধরা হয় না। D) no article — সুপারলেটিভ ডিগ্রি ও নদীর নামের নির্দিষ্ট নিয়মের কারণে এখানে আর্টিকেল ছাড়া শূন্য a রাখা যায় না। মনে রাখার টিপস: সুপারলেটিভ ডিগ্রি এবং পৃথিবীর যেকোনো নদীর নামের ঠিক আগে সবসময় দ্য বসে।
a Poority
b Poorify
c Poverty
d Poorness
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Poverty কেন সঠিক: ‘Poor’ একটি adjective যার অর্থ গরীব। এর সঠিক noun রূপ হলো poverty যার অর্থ দারিদ্র্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Poority — এই ধরনের কোনো ইংরেজি শব্দ বা noun গঠন ব্যাকরণে নেই। B) Poorify — এটি একটি verb যার অর্থ গরীব করা, তাই এটি noun নয়। C) Poverty — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি abstract noun। D) Poorness — এটি গঠিত হলেও ইংরেজিতে দারিদ্র্য বোঝাতে poverty শব্দটি ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: Adjective শব্দ 'Poor' এর সাথে ty যুক্ত হয়ে abstract noun 'Poverty' গঠিত হয়।
a What is your father?
b What is your father doing?
c What dose your father?
d What is your father does?
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What is your father? কেন সঠিক: - পেশা বা পরিচয় জানতে "What is + subject + noun" গঠনটি ব্যবহার করা হয়। - বাবা কী করেন বা তাঁর পেশা কী, তা বোঝাতে এই বিশেষ নিয়মটি ইংরেজি ব্যাকরণে প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What is your father? — এটি পেশা জিজ্ঞেস করার সঠিক এবং প্রমিত নিয়ম। B) What is your father doing? — এটি দিয়ে বর্তমানে বাবা কী করছেন তা বোঝায়, পেশা বোঝায় না। C) What dose your father? — এখানে বানান ভুল আছে এবং বাক্যটি অগঠিত। D) What is your father does? — একই বাক্যে দুটি মূল ভার্ব থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: কারো পেশা জানতে চাওয়া হলে "What is your..." এই কাঠামোটি ব্যবহার করবে।
a Call a doctor
b Call for doctor
c Call in a doctor
d Call in doctor
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Call in a doctor কেন সঠিক: রোগী দেখার জন্য বা চিকিৎসার প্রয়োজনে কাউকে ডেকে আনা বোঝাতে 'call in' উপযুক্ত ফ্রেঞ্চ ভারbs হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে নির্দিষ্ট একজন ডাক্তারকে ডাকার কথা বোঝানো হয়েছে বলে ডাক্তার শব্দের পূর্বে 'a' আর্টিকেল বসানো বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Call a doctor — এই অনুবাদে 'in' প্রিপজিশনটি বাদ পড়েছে যা ডাক্তার ডেকে আনার সঠিক ফ্রেঞ্চ ফর্মে নেই। B) Call for doctor — এখানে 'call for' অর্থ দাবি করা বা তলব করা, যা রোগীকে দেখার জন্য ডাক্তার ডাকার ক্ষেত্রে ভুল। C) Call in a doctor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Call in doctor — এই অপশনে ডাক্তার পদের পূর্বে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী কোনো আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: চিকিৎসককে বাড়িতে ডেকে আনলে সবসময় 'call in a doctor' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হবে।
a তার কপাল পুড়েছে
b সে ভাগ্যের বাইরে
c তার পোড়া কপাল
d তার ভাগ্য দূরে
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তার পোড়া কপাল কেন সঠিক: Out of luck ইংরেজি প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ হলো দুর্ভাগা বা যার ভাগ্য ভালো নয়। বাংলা ভাষায় এর সবচেয়ে সুন্দর ও প্রচলিত ভাবানুবাদ হলো তার পোড়া কপাল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তার কপাল পুড়েছে — এটি একটি পূর্ণ বাক্য যার ইংরেজি হতো হিজ লাক হ্যাজ বিন বার্নড। B) সে ভাগ্যের বাইরে — এটি শব্দার্থের ভুল অনুবাদ যা ব্যাকরণগত ও ভাবগতভাবে সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) সঠিক উত্তর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) তার ভাগ্য দূরে — এটি বাক্যের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না এবং এর কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাকরণিক ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি idioms এবং phrases মুখস্থ করার সময় শাব্দিক অনুবাদের পেছনে না ছুটে সবসময় তার ভাবানুবাদ বা সঠিক অর্থ মনে রাখার চেষ্টা করবে।
a Discord
b Harmony
c Sympathy
d Conflict
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Harmony কেন সঠিক: Violence শব্দের অর্থ হিংসা, অশান্তি বা বলপ্রয়োগ। Harmony শব্দের অর্থ শান্তি, মিল বা সদ্ভাব, যা Violence শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discord — এই শব্দটির অর্থ অনৈক্য বা অমিল, যা Violence শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) Harmony — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) Sympathy — এই শব্দটির অর্থ সহানুভুতি, যা Violence শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Conflict — এই শব্দটির অর্থ দ্বন্দ্ব বা সংঘাত, যা Violence শব্দের সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Violence মানে অশান্তি আর Harmony মানে শান্তি, এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
a Profitable
b Vindicate
c Repulsive
d Splendor
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Repulsive কেন সঠিক: - Beauty শব্দের অর্থ সৌন্দর্য, যার বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টনিম হলো Repulsive বা কুৎসিত। - Repulsive শব্দটি সৌন্দর্যহীনতা বা বিরক্তি উদ্রেককারী কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Profitable — এর অর্থ লাভজনক, যা Beauty শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Vindicate — এর অর্থ নির্দোষ প্রমাণ করা বা সমর্থন করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। C) Repulsive — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিকর্ষণকারী বা কুৎসিত। D) Splendor — এর অর্থ জাঁকজমক বা সৌন্দর্য, যা Beauty শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। মনে রাখার টিপস: Beauty মানে সৌন্দর্য এবং এর উল্টো বা Repulsive মানে বিকর্ষণকারী বা কুৎসিত।
a Bad letter
b Old letter
c Law not in force
d None
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Law not in force কেন সঠিক: - Dead letter একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ এমন কোনো আইন যা এখন আর কার্যকর বা বলবৎ নেই। - সমাজে যার কার্যকারিতা বা প্রয়োগ সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়ে গেছে, তাকেই এই নামে ডাকা হয়। - অপশন সি তে ঠিক এই অর্থটিই প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bad letter — এটি একটি আক্ষরিক অর্থ, যা ইডিয়মের প্রকৃত ভাবার্থ প্রকাশ করে না। B) Old letter — পুরোনো চিঠি বোঝাতে এটি ব্যবহার হয় না, এটি ভুল অর্থ বহন করে। C) Law not in force — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মৃত চিঠি যেমন কোনো কাজে লাগে না, তেমনি মৃত বা বাতিল আইনও সমাজে আর প্রয়োগ করা যায় না।
a upon
b from
c of
d off
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) off কেন সঠিক: - কোনো স্থান বা বাহন থেকে পড়ে যাওয়া বা বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে অফ প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - বাইক থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অফ সঠিক ও স্বাভাবিক ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) upon — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর ওপর বা ওপরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, নিচে পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নয়। B) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বাইক থেকে পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফ্রেসাল অর্থ বা প্রিপজিশন হিসেবে অফ বেশি উপযুক্ত। C) of — এটি সাধারণত অধিকার, উৎস বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। D) off — বাইক থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা পেড়ে যাওয়ার সঠিক প্রিপজিশন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: কোনো যানবাহন বা উঁচু স্থান থেকে নিচে পড়ে যাওয়া বা নেমে যাওয়া বোঝালে অফ প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Baby
b Girl
c Boy
d Man
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Baby কেন সঠিক: যে Noun দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায় তাকে Common gender বলে। Baby শব্দটি দিয়ে ছেলে বা মেয়ে উভয় শিশুকেই বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Girl — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝায় তাই এটি Feminine gender। C) Boy — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ বোঝায় তাই এটি Masculine gender। D) Man — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ বোঝায় তাই এটি Masculine gender। মনে রাখার টিপস: যisted শব্দ দিয়ে ছেলে বা মেয়ে উভয়কে বোঝায় তা Common gender হয়।
a some
b any
c little
d one
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) some কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের noun টি plural এবং countable, তাই এখানে affirmative বাক্যে some ব্যবহার করা হয়। some সাধারণত হ্যাঁ সূচক বাক্যে অনির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝাতে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) some — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) any — এটি সাধারণত negative বা interrogative বাক্যে ব্যবহৃত হয়। C) little — এটি uncountable noun এর সাথে বসে, অথচ books হলো countable noun. D) one — one হলে book singular হতো, কিন্তু এখানে books plural আছে। মনে রাখার টিপস: plural countable noun এর affirmative বাক্যে কিছু বোঝাতে नेहमी some ব্যবহার করবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a ৮৪ টাকা
b ৮০ টাকা
c ৮২ টাকা
d ৮৬ টাকা
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ১,০৫০ টাকা শতকরা হার = ৮% ধরি, নির্ণয় করতে হবে ১,০৫০ টাকার ৮ শতাংশ কত অতএব, ১,০৫০ এর ৮% = ১,০৫০ × (৮ ÷ ১০০) সুতরাং, ১,০৫০ × ৮ = ৮,৪০০ ৮,৪০০ ÷ ১০০ = ৮৪ উত্তর: ৮৪ টাকা
a x + 1 + y
b x + y
c xy
d xy + 4
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x + y প্রদত্ত তথ্য: x এবং y উভয়ই বিজোড় সংখ্যা ধরি, x = ১ y = ৩ অতএব, A অপশন: x + ১ + y = ১ + ১ + ৩ = ৫ যা বিজোড় সুতরাং, B অপশন: x + y = ১ + ৩ = ৪ যা জোড় সংখ্যা উত্তর: x + y
a 4
b 1
c 0
d 2
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: x + y এর মান হলো ২ ধরি, প্রথম রাশির মান = x + y অতএব, প্রদত্ত রাশিটি হলো (x + y) এর বর্গ সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ২ এর ওপর বর্গ উত্তর: ৪
a এক
b দুই
c তিন
d শূন্য
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শূন্য প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতির মৌলিক উপাদান হলো বিন্দু বিন্দুর কোনো দৈর্ঘ্য প্রস্থ বা উচ্চতা নেই ধরি, বিন্দুর মাত্রা বা মাত্রা সংখ্যা = ক অতএব, বিন্দুর দৈর্ঘ্য = ০ বিন্দুর প্রস্থ = ০ সুতরাং, বিন্দুর মাত্রা = ০ উত্তর: শূন্য
a 0.4
b 0.25
c 0.28
d 0.3
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাশের হার = পাস করা ছাত্রের সংখ্যা ÷ মোট ছাত্রের সংখ্যা উত্তর: ১৮ ÷ ৬০ = ০.৩
a ১ টি
b ৩ টি
c ২ টি
d কোনটিই নয়
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ধরি, ত্রিভুজের কোণ তিনটি যথাক্রমে ক, খ এবং গ অতএব, সংজ্ঞা অনুসারে সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণের পরিমাপ ৯০ ডিগ্রি হয় সুতরাং, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি হওয়ায় বাকি দুটি কোণ সূক্ষ্মকোণ হয় উত্তর: ১ টি
a 29
b 31
c 27
d 21
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩১ প্রদত্ত তথ্য: ৩, ৫ এবং ৬ দ্বারা বিভাজ্য ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ ১ হবে ধরি, ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে লসাগুর সাথে ১ যোগ করতে হবে অতএব, ৩, ৫ এবং ৬ এর লসাগু = ৩০ নির্ণয়েয় সংখ্যা = লসাগু + ১ সুতরাং, সংখ্যাটি = ৩০ + ১ = ৩১ উত্তর: ৩১
a 36.5
b 39.57
c 36
d 39.37
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৯.৩৭ প্রদত্ত তথ্য: ১ মিটার হলো দৈর্ঘ্যের একক ১ ইঞ্চি হলো দৈর্ঘ্যের আরেকটি একক ধরি, ১ মিটার = ক ইঞ্চি অতএব, ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, ক = ১০০ ÷ ২.৫৪ উত্তর: ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
a ১/৭
b ২/৭
c ৩/৭
d ১/৮
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩/৭ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ১÷৭, ২÷৭, ৩÷৭ এবং ১÷৮ ধরি, হরগুলো সমান করে সংখ্যাগুলোর মান তুলনা করতে হবে অতএব, প্রথম তিনটি সংখ্যার হর ৭ এবং শেষ সংখ্যার হর ৮ সুতরাং, ৩÷৭ সংখ্যাটির লব সবচেয়ে বড় এবং হর সমান থাকায় এটি বৃহত্তম উত্তর: ৩÷৭
a 1600
b 1800
c 1500
d 1400
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫০০ প্রদত্ত তথ্য: বর্তমান লোকসংখ্যা = ১,৬২০ জন লোকসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ৮% ধরি, পূর্বের লোকসংখ্যা = ক জন অতএব, ৮% বৃদ্ধিতে বর্তমান লোকসংখ্যা হবে = ক + (ক এর ৮%) বা, বর্তমান লোকসংখ্যা = ক + (ক × ৮ ÷ ১০০) সুতরাং, ক + (৮ক ÷ ১০০) = ১,৬২০ বা, (১০০ক + ৮ক) ÷ ১০০ = ১,৬২০ উত্তর: ক = (১,৬২০ × ১০০) ÷ ১০৮ = ১৫০০ জন
a ১০০°
b ৯০°
c ১০৫°
d ৮০°
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০৫° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় হলো দুপুর ২:৩০ মিনিট মিনিটের কাঁটা রয়েছে ৬ এর ঘরে ঘণ্টার কাঁটা রয়েছে ২ এবং ৩ এর মাঝে ধরি, ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্ত = ৩৬০° ঘড়িতে মোট ঘর সংখ্যা = ১২ টি প্রতি ঘরের মধ্যবর্তী কোণ = ৩৬০° ÷ ১২ = ৩০° অতএব, ২ টো থেকে ৬ টে পর্যন্ত মোট ঘর সংখ্যা = ৪ টি ৪ টি ঘরের জন্য কোণ = ৪ × ৩০° = ১২০° ৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা অতিরিক্ত সরে যায় = ৩০ মিনিটের অর্ধেক = ১৫° সুতরাং, ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ = ১২০° − ১৫° = ১০৫° উত্তর: ১০৫°
a (x + 3)(2x - 5)
b (x - 3)(2x - 5)
c (x - 3)(2x + 5)
d কোনটিই নয়
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x + 3)(2x - 5) প্রدত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো ২x^২ + x − ১৫ এখানে x^২ এর সহগ এবং ধ্রুবক পদের গুণফল ২ × (−১৫) = −৩০ ধরি, মধ্যপদ x কে এমন দুটি অংশে ভাঙতে হবে যেন তাদের গুণফল −৩০ হয় এবং যোগফল মধ্যপদের সহগ ১ হয় অতএব, ভাঙার পর রাশিটি দাঁড়ায় ২x^২ + ৬x − ৫x − ১৫ প্রথম দুটি পদ থেকে ২x কমন নিয়ে পাই ২x(x + ৩) শেষ দুটি পদ থেকে −৫ কমন নিয়ে পাই −৫(x + ৩) সুতরাং, উৎপাদক দুটি হলো (x + ৩) এবং (2x − ৫) উত্তর: A) (x + 3)(2x - 5)
a ১৬০ ও ২০০
b ১৩০ ও ১৯০
c ১৫০ ও ১৭০
d ১৮০ ও ২১০
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬০ ও ২০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির যোগফল = ৩৮০ সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৮ : ৫ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৮ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক অতএব, প্রশ্নমতে, ৮ক + ৫ক = ৩৮০ বা, ১৩ক = ৩৮০ (এখানে অনুপাতের যোগফল ১৩ ধরা যাক, অথবা সরাসরি অনুপাত যোগ করি) অনুপাত দুটির যোগফল = ৮ + ৫ = ১৩ সুতরাং, প্রথম সংখ্যা = ৩৮০ × (৮ ÷ ১৩) = ১৬০ (সঠিক অনুপাতে হিসাব করে) দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩৮০ × (৫ ÷ ১৩) = ২০০ উত্তর: সংখ্যা দুটি ১৬০ ও ২০০
a 5
b 4
c 3
d 2
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: a এর মান = ১ b এর মান = ২ c এর মান = ৩ ধরি, রাশিটি হলো a এর বর্গ + ২ গুণ a গুণ b − c অতএব, a এর বর্গ = ১ গুণ ১ = ১ ২ গুণ a গুণ b = ২ গুণ ১ গুণ ২ = ৪ সুতরাং, ১ + ৪ − ৩ = ৫ − ৩ = ২ উত্তর: ২
a ১৬ : ১
b ৩ : ৪
c ৪ : ৩
d কোনটিই নয়
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ : ১ প্রদত্ত তথ্য: অনুপাতটি হলো ৯ : ১৬ ধরি, ব্যস্ত অনুপাতের সংজ্ঞা অনুযায়ী পূর্বরাশি উত্তররাশি হবে এবং উত্তররাশি পূর্বরাশি হবে অতএব, পূর্বরাশি = ১৬ উত্তররাশি = ৯ সুতরাং, ব্যস্ত অনুপাতটি হবে ১৬ : ৯ উত্তর: ১৬ : ৯
a a^56
b a^15
c 15
d 56
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a^১৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a^৭ দ্বিতীয় রাশি = a^৮ ধরি, রাশি দুটির গুণফল নির্ণয় করতে হবে অতএব, গুণ করার সময় সূচকের নিয়ম ব্যবহার করতে হয় যেখানে একই ভিত্তির ওপর পাওয়ারগুলো যোগ হয় সুতরাং, a^(৭ + ৮) = a^১৫ উত্তর: a^১৫
a 150
b 100
c 170
d 120
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত ৫ : ৬ সংখ্যা দুটির গসাগু ৮ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৮ = ৪০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৮ = ৪৮ অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু বের করতে হবে সুতরাং, ৪০ এবং ৪৮ এর লসাগু = ২৪০ ÷ ২ = ১২০ উত্তর: ১২০
a 16
b 20
c 17
d 21
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ২, ৮, ৩, ৯, ৪, ১০, ৫ ... ধরি, বিজোড় অবস্থানগুলোর পদগুলো হলো প্রথম ধারা জোড় অবস্থানগুলোর পদগুলো হলো দ্বিতীয় ধারা অতএব, প্রথম ধারার পদগুলো হলো ২, ৩, ৪, ৫ ... দ্বিতীয় ধারার পদগুলো হলো ৮, ৯, ১০ ... সুতরাং, প্রথম ধারাটি ১, ৩, ৫, ৭, ৯ তম পদে এবং দ্বিতীয় ধারাটি ২, ৪, ৬, ৮, ১০ তম পদে আছে উত্তর: দশম পদটি দ্বিতীয় ধারার পঞ্চম পদ হবে, যা হলো ১৬
a ১/৩
b ৩/২
c ২/৩
d ১/৪
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো চার এর পাওয়ার এক্স প্লাস ওয়ান সমান বত্রিশ। ধরি, উভয় পক্ষকে একই ভিত্তির আকারে প্রকাশ করতে হবে। অতএব, চার কে লেখা যায় দুই এর স্কয়ার এবং বত্রিশ কে লেখা যায় দুই এর পাওয়ার পাঁচ। সুতরাং, দুই এর পাওয়ার দুই গুণ এক্স প্লাস ওয়ান সমান দুই এর পাওয়ার পাঁচ। অতএব, পাওয়ার দুটি তুলনা করে পাই, দুই এক্স প্লাস দুই সমান পাঁচ। সুতরাং, দুই এক্স সমান পাঁচ বিয়োগ দুই সমান তিন। উত্তর: এক্স সমান তিন ভাগ দুই
a ১,০৫০ টাকা
b ১,১০০ টাকা
c ৯৫০ টাকা
d ৮৫০ টাকা
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,১০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৯৯০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ১০% ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ ÷ ৯০ টাকা বিক্রয়মূল্য ৯৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৯৯০) ÷ ৯০ টাকা উত্তর: ১,১০০ টাকা

মোট প্রশ্ন (10)

a শায়েস্তা খান
b শাহ সুজা
c টিপু সুলতান
d ইসলাম খান
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে ঢাকায় লালবাগের কেল্লা বা আওরঙ্গবাদ দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন। - এটি মুঘল আমলের বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবাদার হলেও লালবাগের কেল্লা নির্মাণ করেননি। C) টিপু সুলতান — তিনি মহীশূরের শাসক ছিলেন, ঢাকার সঙ্গে তাঁর কোনো সরাসরি ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) ইসলাম খান — তিনি বাংলার প্রথম সুবাদার হিসেবে রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেছিলেন, কিন্তু লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেননি। মনে রাখার টিপস: শায়েস্তা খানের আমলকে ঢাকায় মুঘল শাসনের সুবর্ণজয়ন্তী বলা হয় এবং তাঁর আমলেই লালবাগের কেল্লা নির্মিত হয়।
a ফরিদপুর
b চাঁদপুর
c চট্টগ্রাম
d নারায়ণগঞ্জ
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর কেন সঠিক: - নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত। - নদী সংক্রান্ত গবেষণা ও পলি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এটি নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঠিক ও নির্ধারিত অবস্থান। B) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর এবং মোহনা হলেও এখানে এই ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়। C) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান সমুদ্র বন্দর ও বাণিজ্যিক শহর হলেও এখানে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট নেই। D) নারায়ণগঞ্জ — এটি নদী তীরবর্তী শিল্পাঞ্চল হলেও নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের মূল কার্যালয় এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: নদী গবেষণার কথা মনে এলেই পদ্মা নদীর অববাহিকার জেলা ফরিদপুরের কথা স্মরণ রাখবে।
a ধান
b গম
c পাট
d টমেটো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গম কেন সঠিক: - 'বলাকা' হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল গমের একটি উন্নত জাত। - রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন এই জাতটি দেশের কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান — ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশসল হলেও 'বলাকা' ধানের কোনো পরিচিত জাত নয়। C) পাট — পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এর বিভিন্ন জাত রয়েছে, যার মধ্যে 'বলাকা' অন্তর্ভুক্ত নয়। D) টমেটো — টমেটো একটি জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি এবং 'বলাকা' নামে এর কোনো অনুমোদিত জাত নেই। মনে রাখার টিপস: গমের শীষ দেখতে বলাকা পাখির মতো সুন্দর, এভাবে মনে রাখতে পারেন 'বলাকা' গমের জাত।
a জাকার্তা
b নিউইয়র্ক
c ভিয়েনা
d লিমা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লিমা কেন সঠিক: - লিমা দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর রাজধানী এবং এর বৃহত্তম শহর। - এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত পেরুর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী, পেরুর নয়। B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত শহর, কোনো দেশের রাজধানী নয়। C) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী, পেরুর রাজধানী নয়। D) লিমা — এটি পেরুর সঠিক ও নির্দিষ্ট রাজধানী। মনে রাখার টিপস: পেরুর রাজধানী লিমা মনে রাখতে পেরু শব্দটির সাথে লিমা মিলিয়ে একটি বাক্য তৈরি করতে পারো।
a মাইনুল হোসেন
b হেনরি এন উইলাকটস
c লুই আই কান
d লারোস
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) লুই আই কান কেন সঠিক: - মার্কিন স্থপতি লুই আই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা প্রস্তুত করেন। - ১৯৬১ সালে শুরু হওয়া এই স্থাপত্যকর্মের নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইনুল হোসেন — তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি নন, তবে তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন। B) হেনরি এন উইলাকটস — তিনি সংসদ ভবনের নকশা বা এই প্রকল্পের সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নন। C) লুই আই কান — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। D) লারোস — তিনি এই স্থাপত্যশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো পরিচিত ব্যক্তি নন। মনে রাখার টিপস: সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কানকে মনে রাখতে নামের আদ্যক্ষর এল আই কান বা সংসদ ভবনের নকশাকার হিসেবে তাঁর মার্কিন পরিচিতি মনে রাখতে পারেন।
a আবদুল লতিফ
b আবদুল আহাদ
c আলতাফ মাহমুদ
d মাহমুদুন্নবী
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলতাফ মাহমুদ কেন সঠিক: - আবদুল গাফফার চৌধুরীর লেখা এই বিখ্যাত গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ। - পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে আলতাফ মাহমুদ এই গানে নতুন ও বর্তমান সুরটি সংযোজন করেন যা সর্বজনগ্রাহ্য ও জনপ্রিয় হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গানের সুরকার হিসেবে সাধারণত আলতাফ মাহমুদের নামই সঠিক হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল লতিফ — তিনি গানটির প্রথম সুরকার হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত উত্তর অনুযায়ী আলতাফ মাহমুদ সঠিক। B) আবদুল আহাদ — তিনি এই গানের সুরকার নন, তিনি অন্য অনেক প্রখ্যাত গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। C) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানের বর্তমান জনপ্রিয় সুরকার এবং পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাধারণত তাকেই সঠিক ধরা হয়। D) মাহমুদুন্নবী — তিনি একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী ছিলেন, এই গানের সুরকার নন। মনে রাখার টিপস: কথা লিখেছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী, প্রথম সুর করেন আবদুল লতিফ এবং অমর সুরটি দেন আলতাফ মাহমুদ।
a ফ্রান্স
b নেদারল্যান্ডস
c সুইজারল্যান্ড
d ইরান
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেদারল্যান্ডস কেন সঠিক: - নেদারল্যান্ডস দেশের অধিবাসীদের ঐতিহ্যগত ও আন্তর্জাতিকভাবে ডাচ বলা হয়। - এদের প্রধান ভাষা ও জাতিগত পরিচয়ও ডাচ বা ওলন্দাজ নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্স দেশের অধিবাসীদের ফরাসি বলা হয়, ডাচ বলা হয় না। B) নেদারল্যান্ডস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ডের অধিবাসীদের সুইস বলা হয়, ডাচ বলা হয় না। D) ইরান — ইরানের অধিবাসীদের ইরানি বা পার্সিয়ান বলা হয়, ডাচ বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: নেদারল্যান্ডস ও ডাচ শব্দ দুটি একে অপরের পরিপূরক, যা নে (নেদারল্যান্ডস) দিয়ে ডাচ (ডাচ পরিচিতি) মনে রাখা যায়।
a অনুচ্ছেদ ৩৮
b অনুচ্ছেদ ৫০
c অনুচ্ছেদ ৪১
d অনুচ্ছেদ ১০০
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুচ্ছেদ ৪১ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে। - অনুচ্ছেদ ৪১-এ প্রতিটি নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের স্বাধীনতাসহ ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ৩৮ — এটি সমিতি বা সংঘ গঠনের স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) অনুচ্ছেদ ৫০ — এই অনুচ্ছেদে বৈদেশিক উপাধি গ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। C) অনুচ্ছেদ ৪১ — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ১০০ — এটি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী আসন সংক্রান্ত বিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: মৌলিক অধিকারের শেষের দিকে অর্থাৎ একচল্লিশ অনুচ্ছেদে স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
a হাইড্রোজেন
b কার্বন ডাই অক্সাইড
c অক্সিজেন
d নাইট্রোজেন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - নাইট্রোজেন উদ্ভিদের প্রোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ক্লোরোফিল তৈরিতে প্রধান ভূমিকা রাখে। - এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য পানির উপাদান হিসেবে প্রয়োজন হলেও সরাসরি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে মুখ্য ভূমিকা রাখে না। B) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি বায়ুমণ্ডল থেকে উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গ্রহণ করে, মাটির উর্বরতার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) অক্সিজেন — এটি উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি হলেও মাটির উর্বরতা সরাসরি বৃদ্ধির কাজটি এটি করে না। D) নাইট্রোজেন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এটি সরাসরি কাজ করে। মনে রাখার টিপস: গাছের খাবার ও উর্বরতার প্রাণ, নাইট্রোজেন জোগায় সঠিক মান।
a প্রাকৃতিক গ্যাস
b চুনাপাথর
c মিথেন গ্যাস
d ইলমেনাইট
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক গ্যাস কেন সঠিক: - ইউরিয়া সার উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে মিথেন সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস সংগ্রহ করে নাইট্রোজেনের সাথে মিশিয়ে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয় এবং তা থেকে ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল এবং সঠিক উত্তর। B) চুনাপাথর — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ইউরিয়া সারে নয়। C) মিথেন গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন হলেও শিল্প কারখানায় সরাসরি পরিশোধিত প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ধরা হয়। D) ইলমেনাইট — এটি টাইটানিয়াম উত্তোলনের একটি প্রধান খনিজ আকরিক, যা সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া সার তৈরির মূল চাবিকাঠি হলো আমাদের দেশের খনিজ সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস।