ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি.

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. এর সুইচ বোর্ড এ্যাটেনডেন্ট পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সুইচ বোর্ড এ্যাটেনডেন্ট (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (38)

a দ্বন্দ্ব
b কর্মধারয়
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণে সম্পর্ক বা তুলনামূলক সম্পর্ক বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - প্রদত্ত বাক্যে পুরুষ ও সিংহ দুটি পদের মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে এবং উপমিত কর্মধারয় সমাসের নিয়মে এই ব্যাসবাক্য গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম বা গুণ উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সঙ্গে উপমানের তুলনা করা হয় এবং ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় শব্দ বসে। - এখানে পুরুষ হলো উপমেয় যাকে তুলনা করা হচ্ছে এবং সিংহ হলো উপমান যার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে, তাই এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র মুখের ন্যায় = মুখচন্দ্র ব্যাখ্যা: মুখের সঙ্গে চন্দ্রের তুলনা করা হয়েছে এবং এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: করপল্লবের ন্যায় = পল্লবকর ব্যাখ্যা: কর বা হাতের সঙ্গে কচি পাতার বা পল্লবের তুলনা বোঝাতে এই সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর ব্যবহৃত হয়, যা এখানে নেই। B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের তুলনা বোঝানো হয়েছে। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের গঠনের সঙ্গে মেলে না। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে সমাসবদ্ধ পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি ন্যায় শব্দটি মাঝখানে বা শেষে থাকে এবং তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস বিশেষ করে উপমিত বা উপমান কর্মধারয় দাগাবে। - উপমেয় এবং উপমানের অবস্থান খেয়াল রাখবে যাতে বুঝতে সহজ হয় কার সঙ্গে কার তুলনা করা হচ্ছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমিত ও উপমান কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ন্যায় শব্দের ব্যবহার এবং সাধারণ ধর্মের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি দেখে এই সমাসগুলো সহজে নির্ণয় করা যায়।
a নয়-ছয়
b খাসজমি
c কনকচাঁপা
d ত্রিফলা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নয়-ছয় ১. কেন সঠিক: যে সমাসে উভয় পদেরই অর্থ প্রধান থাকে এবং সমাসবদ্ধ করার সময় মাঝখানে সংযোজক অব্যয় লুপ্ত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। নয়-ছয় শব্দটিতে দুটি সংখ্যাবাচক পদ বা বিপরীতার্থক ভাব প্রকাশকারী শব্দ মিলে একটি পদ গঠিত হয়েছে এবং এর ব্যাসবাক্য হলো নয় ও ছয়, যা দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়মকে পুরোপুরি সমর্থন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদের সমান গুরুত্ব থাকে এবং সাধারণত এবং, ও, আর—এই তিনটি সংযোজক অব্যয় দ্বারা ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। পদের মিলনের ওপর ভিত্তি করে দ্বন্দ্ব সমাস বিভিন্ন প্রকার হতে পারে, যেমন বিপরীতার্থক শব্দযোগে, সমার্থক শব্দযোগে এবং সংখ্যাবাচক শব্দযোগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমা-খরচ ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য জমা ও খরচ। উদাহরণ ২: হাত-পা ব্যাখ্যা: এটি অঙ্গবাচক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য হাত ও পা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়-ছয় — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের সঠিক উদাহরণ হওয়ায় প্রথম অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) খাসজমি — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে খাস উপসর্গ যোগে বিশেষ অর্থে শব্দটি গঠিত হয়েছে যার ব্যাসবাক্য নির্ভেজাল জমি। C) কনকচাঁপা — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য কনক বা সোনা রঙের চাঁপা ফুল। D) ত্রিফলা — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কারণ এর সামনে সংখ্যাবাচক শব্দ রয়েছে এবং সমাহার বোঝায় যার ব্যাসবাক্য তিন ফলার সমাহার। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দে ও, এবং, আর—এই সংযোগগুলো লুকিয়ে থাকে এবং উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রাধান্য পায়, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। সংখ্যাবাচক শব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ দিয়ে তৈরি জোড়া শব্দ দেখলে সেটিকে সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাসের তালিকায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংখ্যাবাচক বা বিপরীতার্থক শব্দ দিয়ে দ্বন্দ্ব সমাস চিহ্নিত করতে বলা হয়। খাসজমি বা ত্রিফলার মতো শব্দগুলো দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে সমাসের মূল প্রকারভেদ ও ব্যাসবাক্য ভালোভাবে চর্চা করবে।
a বি + আর্থ
b ব্য + অর্থ
c বি + অর্থ
d ব্য + আর্থ
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বি + অর্থ ১. কেন সঠিক: - ব্যর্থ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে বি যোগ অর্থ পাওয়া যায়। এটি যব-ফলাযুক্ত সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - এখানে প্রথম পদের শেষে ই-কার এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে অ থাকায় উভয় মিলে ব-ফলা এবং য-ফলা তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ই-কার বা ঈ-কার কিংবা উ-কার বা ঊ-কার কিংবা ঋ-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ-এর জায়গায় য এবং উ বা ঊ-এর জায়গায় ব হয়। একে ই-কার বা উ-কারের পর স্বরসন্ধি বলা হয়। - বি যোগ অর্থ সমান ব্যর্থ শব্দটিতে ই-কার স্বরবর্ণ অ-এর সাথে যুক্ত হয়ে ব-ফলার রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি যোগ অপি সমান যদ্যপি। ব্যাখ্যা: প্রথম পদের ই-কার এবং দ্বিতীয় পদের অ মিলে য-ফলা তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: সু যোগ আগত সমান স্বাগত। ব্যাখ্যা: প্রথম পদের উ-কার এবং দ্বিতীয় পদের আ মিলে ব-ফলা তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বি + আর্থ — আর্থ শব্দটি সন্ধির নিয়মে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। B) ব্য + অর্থ — ব্য কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ভুল। C) বি + অর্থ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর মাধ্যমে সঠিক অর্থপূর্ণ শব্দ গঠিত হয়। D) ব্য + আর্থ — ব্য ভুল অংশ এবং আর্থ সঠিক শব্দ না হওয়ায় এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ-ফলা বা ব-ফলা যুক্ত শব্দের সন্ধি করার সময় প্রথম অংশে ই-কার বা উ-কার যুক্ত উপসর্গ ব্যবহার করতে হয়। - ব্যর্থ শব্দের ক্ষেত্রে বি উপসর্গ এবং অর্থ শব্দ মিলে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ জাতীয় ই-কারান্ত উপসর্গের সন্ধি প্রায়ই আসে। - প্রতি যোগ এক সমান প্রত্যেক এই নিয়মের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
a খ্ + য
b ক্ + য
c খ্ + ই + য
d ক্ + ষ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ + ষ ১. কেন সঠিক: - 'ক্ষ' একটি যুক্তবর্ণ যা মূলত দুটি বর্ণের মিলনে গঠিত হয়। - ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ক এবং ষ যুক্ত হয়ে এই যৌগিক বর্ণটি তৈরি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ হলো একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের একত্র মিলন। - 'ক্ষ' বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় হসন্তযুক্ত ক এবং ষ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা ক এবং ষ এর মিলনে গঠিত। উদাহরণ ২: ক্ষতি ব্যাখ্যা: এই শব্দের শুরুতে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি রয়েছে যা ক এবং ষ এর মিলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খ্ + য — এটি ভুল কারণ এখানে খ এবং য এর মিশ্রণ দেখানো হয়েছে যা ক্ষ এর সঠিক গঠন নয়। B) ক্ + য — এটি ভুল কারণ ক এবং য যুক্ত হলে 'ক্য' হয়, 'ক্ষ' হয় না। C) খ্ + ই + য — এটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণের সঠিক বিশ্লেষণ নয়। D) ক্ + ষ — এটি সঠিক কারণ ক এবং ষ যুক্ত হয়েই 'ক্ষ' বর্ণটি তৈরি হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্ষ লেখার সময় ক এর সাথে ষ যুক্ত হয় এটি মনে রাখবে। - ক এবং ষ মিলে ক্ষ তৈরি হয় তা সহজে মনে রাখতে ক ষ কৌশল ব্যবহার করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ ভাঙতে দেওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে হসন্তযুক্ত প্রথম বর্ণ এবং পরের বর্ণ সঠিকভাবে চিনে উত্তর করতে হয়।
a but
b without
c only
d that
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) but কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর অর্থ হলো ব্যতীত বা ছাড়া। বাক্যটিতে করিম ছাড়া আর কেউ রাস্তাটি জানত না এমন অর্থ প্রকাশ করতে but উপযুক্ত। Negative বা না বোধক শব্দের পরে except বা exclusion বোঝাতে but বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) but — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) without — এটি সাধারণত কাজের ধরন বা অবস্থা বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে এক্সেপশন বোঝাতে but বেশি স্বাভাবিক। C) only — এটি অ্যাডভার্ব এবং শূন্যস্থানে বর্বলে বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন সঠিক হয় না। D) that — এটি কনজাংকেশন বা প্রোনাউন এবং এই শূন্যস্থানে এর কোনো অর্থপূর্ণ ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: Nobody বা None এর পরে ব্যাতিক্রম বোঝাতে except এর পরিবর্তে but ব্যবহার করা যায়।
a are
b were
c is
d be
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is কেন সঠিক: Neither শব্দটির অর্থ দুইয়ের মধ্যে একজনও নয় যা সর্বদা একক বা singular হিসেবে গণ্য হয়। তাই এরপরে verb ও singular হবে এবং অপশনগুলোর মধ্যে শুধু is ই singular form। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না। B) were — এটি past tense এর plural verb যা এখানে নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) is — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) be — এটি base form বা infinitive হওয়ায় শূন্যস্থানে সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: Neither এবং Either থাকলে সবসময় singular verb ব্যবহার করতে হয়।
a Modern
b Outdated
c Useful
d Gentle
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Outdated কেন সঠিক: Obsolete শব্দের বাংলা অর্থ হলো অপ্রচলিত বা যা এখন আর ব্যবহৃত হয় না। Outdated শব্দের অর্থও পুরোনো বা সময়ের সাথে যা অচল হয়ে গেছে। তাই অর্থের দিক থেকে দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Modern — এর অর্থ আধুনিক বা বর্তমান সময়ের সাথে মানানসই। B) Outdated — এটি সঠিক উত্তর। C) Useful — এর অর্থ দরকারী বা যা কোনো কাজে লাগে। D) Gentle — এর অর্থ ভদ্র বা নম্র স্বভাবের। মনে রাখার টিপস: Obsolete মানে যা ওল্ড বা পুরোনো হয়ে গেছে, তাই এর সমার্থক শব্দ হলো Outdated।
a She asked me if I liked music.
b She asked did I liked music.
c She asked whether do I like music.
d She asked I liked music.
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She asked me if I liked music. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স হওয়ায় রিপোর্টিং ভারบ ‘said’ এর পরিবর্তে ‘asked’ বসেছে এবং ইনভার্টেড কমা উঠে গিয়ে कंजंक्शन হিসেবে ‘if’ ব্যবহৃত হয়েছে। রিপোর্টেড স্পিচটির প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়েছে এবং বাক্যের স্ট্রक्चरটি অ্যাসারভেটিভ বাক্যের রূপ নিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। B) B) অপশন — এখানে ‘if’ বা ‘whether’ ব্যবহার করা হয়নি এবং ভার্বের সঠিক পাস্ট ফর্ম নেই। C) C) অপশন — এখানে রিপোর্টেড স্পিচে অতিরিক্ত ‘do’ ব্যবহার করা হয়েছে যা ইনডাইরেক্ট স্পিচে হয় না। D) D) অপশন — এখানে ক্লজ দুটি যুক্ত করার জন্য কোনো ‘if’ বা ‘whether’ ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনের ক্ষেত্রে প্রশ্নবোধক বাক্যকে ইনডাইরেক্ট করার সময় ‘asked’ বসাতে হয় এবং প্রশ্নবাচক বাক্যটিকে সাধারণ বাক্যে রূপান্তর করতে হয়।
a 0
b 1
c sin 2(theta)
d cos 2(theta)
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতির একটি মৌলিক সূত্র আমাদের জানতে হবে। এখানে কোণ হলো থিটা। ধরি, সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = a ভূমি = b অতিভুজ = c অতএব, সাইন থিটা = লম্ব ÷ অতিভুজ = a ÷ c কস থিটা = ভূমি ÷ অতিভুজ = b ÷ c সুতরাং, সাইন স্কয়ার থিটা + কস স্কয়ার থিটা = (a ÷ c) এর বর্গ + (b ÷ c) এর বর্গ = (a স্কয়ার + b স্কয়ার) ÷ (c স্কয়ার) = c স্কয়ার ÷ c স্কয়ার = ১ উত্তর: ১
a sqrt{76
b sqrt{88
c 36
d 72
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু ও সমকোণী অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, ত্রিভুজের সমান বাহু দুটির প্রতিটি ক সেন্টিমিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লেখা যায় ক বর্গ + ক বর্গ = অতিভুজ বর্গ ক বর্গ + ক বর্গ = ১২ এর বর্গ দুই গুণ ক বর্গ = ১৪৪ সুতরাং, ক বর্গ = ১৪৪ ÷ ২ ক বর্গ = ৭২ উত্তর: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১ ÷ ২ গুণ ভূমি গুণ উচ্চতা = ১ ÷ ২ গুণ ক গুণ ক = ১ ÷ ২ গুণ ক বর্গ = ১ ÷ ২ গুণ ৭২ = ৩৬ বর্গ সেন্টিমিটার
a 37.7
b 75.4
c 113.1
d 59.21
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৭.৭ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ (r) = ১২ ÷ ২ = ৬ সেন্টিমিটার পাই (π) এর মান = ৩.১৪১৬ অতএব, বৃত্তের পরিধি বা পরিসীমা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই গুণ পাই গুণ ব্যাসার্ধ সুতরাং, পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ৬ = ৩৭.৬৯৯২ সেন্টিমিটার উত্তর: ৩৭.৭ সেন্টিমিটার
a 5
b 7
c 9
d 11
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ৩x২ − ৪x + ১ এখানে চলক x এর মান ২ ধরি, রাশিটির প্রথম অংশ = ৩ গুণ (২ এর বর্গ) রাশিটির দ্বিতীয় অংশ = ৪ গুণ ২ রাশিটির তৃতীয় অংশ = ১ অতএব, প্রথম অংশের হিসাব = ৩ গুণ ৪ = ১২ দ্বিতীয় অংশের হিসাব = ৪ গুণ ২ = ৮ তৃতীয় অংশের হিসাব = ১ সুতরাং, চূড়ান্ত হিসাব = ১২ − ৮ + ১ = ৫ উত্তর: ৫
a 1
b -1
c 0
d i^3
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −১ প্রদত্ত তথ্য: জটিল সংখ্যার মৌলিক একক হলো i যা কাল্পনিক সংখ্যা হিসেবে পরিচিত ধরি, i হলো এমন একটি সংখ্যা যার বর্গ করলে ঋণাত্মক মান পাওয়া যায় অতএব, i এর সংজ্ঞা অনুযায়ী i এর মান হলো বর্গমূলের ভেতর মাইনাস এক সুতরাং, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই i এর স্কয়ার সমান মাইনাস এক উত্তর: −১
a 0
b 1
c sqrt(3)
d 1/sqrt(3)
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক কোণ = ৪৫° আমাদের নির্ণয় করতে হবে tan ৪৫° এর মান ধরি, একটি সমকোণী ত্রিভুজ যার একটি কোণ ৪৫° অপর সূক্ষ্মকোণটিও হবে ৪৫° ফলে ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ অতএব, লম্ব এবং ভূমি পরস্পর সমান অর্থাৎ লম্ব = ভূমি সুতরাং, tan ৪৫° = লম্ব ÷ ভূমি tan ৪৫° = ১ ÷ ১ উত্তর: ১
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১০ এপ্রিল ১৯৭১
d ২৫ মার্চ ১৯৭১
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে। - এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঘোষণাকে আইনগত ভিত্তি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ, স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানের তারিখ নয়। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ঘোষণার দিন, কিন্তু গণপ্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও প্রজ্ঞাপন জারির দিন নয়। C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি কেন ভুল নয় তা উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এটি অপারেশন সার্চলাইট ও বাঙালির ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর আক্রমণের শুরুর দিন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ, আর গণপ্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও সরকার গঠন ১০ এপ্রিল।
a মোহাম্মদ উল্লাহ
b হামিদুর রহমান
c ফজলুর রহমান খান
d এনামুল কবির
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান। - ১৯৫৭ সালে তার করা নকশার ওপর ভিত্তি করে শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ উল্লাহ — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, তবে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্য ব্যক্তিত্ব। B) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ফজলুর রহমান খান — তিনি একজন প্রখ্যাত স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন, শহীদ মিনারের স্থপতি নন। ডি) এনামুল কবির — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি বা নকশাকার নন। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের 'হ' দিয়ে হামিদুর রহমান মনে রাখতে পারেন।
a রাঙামাটি
b চট্টগ্রাম
c কক্সবাজার
d সিলেট
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙামাটি কেন সঠিক: - রাঙামাটি জেলার আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার, যা বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম। - পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে এর আয়তন অন্য জেলাগুলোর তুলনায় সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ আয়তনের দিক থেকে এটি দেশের সবচেয়ে বড় জেলা। B) চট্টগ্রাম — এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা হলেও আয়তনে রাঙামাটির চেয়ে ছোট। C) কক্সবাজার — এটি পর্যটন নগরী ও একটি বড় জেলা হলেও রাঙামাটির চেয়ে এর আয়তন কম। D) সিলেট — এটি প্রধান বিভাগীয় শহরগুলোর একটি হলেও আয়তনে রাঙামাটির চেয়ে ছোট। মনে রাখার টিপস: আয়তনের দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় জেলা মনে রাখতে রাঙামাটি নামটির সাথে পাহাড় বা বৃহত্তম শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারো।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কেন সঠিক: - ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান ভাষাবিজ্ঞানী যিনি প্রমিত বাংলা অভিধান সম্পাদনা ও রচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। - তার সম্পাদনায় আঞ্চলিক ভাষার শব্দসহ বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার নিয়ে প্রামাণ্য অভিধান প্রণীত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও কোনো অভিধান রচনা করেননি। B) ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা অভিধানের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি যিনি কবিতা ও গান রচনার জন্য বিখ্যাত। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং সাহিত্য নোবেলজয়ী লেখক যিনি কবিতা, গান ও ছোটগল্পের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ভাষা ও অভিধান নিয়ে যার নাম সবার আগে মনে আসে, তিনিই ভাষাবিজ্ঞানী ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
a ঈঁশা খাঁ
b আজম শাহ
c ইসলাম খাঁ
d ওসমান খাঁ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইসলাম খাঁ কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে সুবাদার ইসলাম খাঁ ১৬১০ সালে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী ঘোষণা করেন এবং এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। - তার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সুদৃঢ় অবস্থানের কারণে মূলত আধুনিক ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈঁশা খাঁ — তিনি বারো ভূঁইয়ার প্রধান ছিলেন এবং সোনারগাঁওকে কেন্দ্র করে বাকলা ও ভাটি অঞ্চলে শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। B) আজম শাহ — তিনি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পৌত্র ছিলেন এবং তার নামানুসারে লালবাগ দুর্গের ভেতরে অবস্থিত ঐতিহাসিক কেল্লার মসজিদের সাথে আজম শাহের নাম যুক্ত আছে, তবে তিনি ঢাকা শহর প্রতিষ্ঠা করেননি। C) ইসলাম খাঁ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। D) ওসমান খাঁ — তিনি মুঘল আমলের একজন বিদ্রোহী আফগান প্রধান ছিলেন যিনি বাংলার সুবাদার ইসলাম খাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পরাজিত হন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা শহর মুঘল আমলে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সুবাদার ছিলেন ইসলাম খাঁ।
a 1971
b 1972
c 1973
d 1974
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এর ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ — ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করে এবং স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, কিন্তু জাতিসংঘে যোগ দেয়নি। B) ১৯৭২ — ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন করে এবং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পায়, কিন্তু পূর্ণ সদস্য হয় ১৯৭৪ সালে। C) ১৯৭৩ — ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ লাভ করতে পারেনি পাকিস্তানের বিরোধিতার কারণে। D) ১৯৭৪ — ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়, এই সালটি মনে রাখতে তিন যোগ করার নিয়ম মনে রাখুন।
a শাহজালাল
b পোস্তগোলা
c তেজগাঁও
d শাহ আমানত
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তেজগাঁও কেন সঠিক: - তেজগাঁও বিমানবন্দরটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয় এবং এটিই বাংলাদেশের প্রথম বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত। - এটি মূলত দেশের প্রথম অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর যা ঢাকা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহজালাল — এটি বাংলাদেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি প্রথম নয়। B) পোস্তগোলা — এটি কোনো বিমানবন্দর নয়, ঢাকা শহরের একটি পরিচিত এলাকা। D) শাহ আমানত — এটি চট্টগ্রামের একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা প্রথম বিমানবন্দর নয়। মনে রাখার টিপস: তেজ দিয়ে শুরু হয় তেজগাঁও, আর এটিই আমাদের দেশের প্রথম বিমানবন্দর।
a ভিয়েনা
b জেনেভা
c প্যারিস
d নিউইয়র্ক
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এর প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে স্থাপন করা হয়। - ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত এই স্থায়ী সদর দপ্তরটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের পারমাণবিক শক্তি কমিশনসহ বেশ কিছু বিশেষায়িত সংস্থার দপ্তর রয়েছে, মূল সদর দপ্তর নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার কার্যালয় এখানে অবস্থিত। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘের মূল ও প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্ষমতার কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্র, তাই জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
a 2000
b 2002
c 2005
d 2008
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০২ কেন সঠিক: - ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড সংক্ষেপে ডব্লিউজেডপিডিসিএল প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালের ২৯ নভেম্বর। - খুলনা ও বররশাল বিভাগে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্ব পালনের জন্য কোম্পানিটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০০ — এই সালে ডব্লিউজেডপিডিসিএল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ২০০২ — এটি সঠিক সাল, কারণ এই সালেই প্রতিষ্ঠানটি আত্মপ্রকাশ করে। C) ২০০৫ — এটি ভুল সাল, এই সালের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নেই। D) ২০০৮ — এই সালটিও ভুল, কারণ প্রতিষ্ঠানটি এর আগেই গঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: দুই হাজার দুই সাল হলো ডব্লিউজেডপিডিসিএল প্রতিষ্ঠার সাল।
a বিতরণ কোম্পানী
b জেনারেশন কোম্পানী
c ট্রান্সমিশন কোম্পানী
d সবগুলো
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিতরণ কোম্পানী কেন সঠিক: - ডব্লিউজেডপিডিসিএল (WZPDCL) মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বা বিতরণ করার কাজে নিয়োজিত একটি সরকারি কোম্পানি। - এটি বিদ্যুৎ উৎপাদন বা সঞ্চালন না করে সরাসরি গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিতরণ কোম্পানী — এটি সঠিক কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের মাঝে বিদ্যুৎ বিতরণ করে থাকে। B) জেনারেশন কোম্পানী — এটি ভুল কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না, বিদ্যুৎ উৎপাদনের দায়িত্বে রয়েছে অন্য কোম্পানি যেমন পিজিসিএল বা আরপিসিএল। C) ট্রান্সমিশন কোম্পানী — এটি ভুল কারণ জাতীয় গ্রিডে উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্ব এই কোম্পানির নয়, এই কাজটি করে পিজিসিবি (PGCB)। D) সবগুলো — এটি ভুল কারণ কোম্পানিটি শুধুমাত্র বিতরণ কাজের সঙ্গে যুক্ত, অন্য কাজগুলোর সঙ্গে নয়। মনে রাখার টিপস: কোম্পানির নামের শেষের অংশ 'ডিসট্রিবিউশন' (Distribution) শব্দ থেকে মনে রাখতে হবে এটি একটি বিতরণ কোম্পানি।
a O_2
b SO_2
c CO_2
d Cl_2
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) SO_2 ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস জমা হলে তা জলীয় বাষ্পের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সালফিউরিক এসিড উৎপন্ন করে। - এই এসিড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মাটিতে নেমে আসে এবং পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা ও তেল পোড়ানোর ফলে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: সালফার ডাইঅক্সাইড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে সালফিউরাস এসিড এবং পরবর্তীতে সালফিউরিক এসিড তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক মার্বেল পাথরের তৈরি সৌধ যেমন তাজমহল এসিড বৃষ্টির কারণে তার উজ্জ্বলতা হারাচ্ছে। ব্যাখ্যা: মার্বেলের মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। উদাহরণ ২: এসিড বৃষ্টির ফলে জলাশয়ের পানির পিএইচ মাত্রা কমে যায়, যার ফলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী মারা যায়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত অম্লীয় পরিবেশ জলজ জীবকুলের বেঁচে থাকার জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) O_2 — অক্সিজেন গ্যাস সরাসরি এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী নয়, এটি জীবনের জন্য অপরিহার্য একটি গ্যাস। B) SO_2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাতাসে এসিড সৃষ্টির প্রধান উপাদান। C) CO_2 — কার্বন ডাইঅক্সাইড হালকা এসিড বা কার্বনিক এসিড তৈরি করলেও প্রধান এসিড বৃষ্টির জন্য সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইড দায়ী। D) Cl_2 — ক্লোরিন গ্যাস ব্লিচিং ও জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি সাধারণ এসিড বৃষ্টির মূল কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালফার থেকে এস এবং সালফিউরিক এসিডের সম্পর্ক মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। - এসিড বৃষ্টির প্রধান দুই গ্যাস হলো সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই পরিবেশ দূষণ ও এসিড বৃষ্টি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রাসায়নিক-তড়িৎ শক্তি
b তড়িৎ-রাসায়নিক শক্তি
c তাপ-রাসায়নিক শক্তি
d তড়িৎ-তাপশক্তি প্রতিস্থাপন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাসায়নিক-তড়িৎ শক্তি ১. কেন সঠিক: গ্যালভানিক কোষে স্বতঃস্ফূর্ত রেডক্স বা জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তি সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এখানে কোষে জমাকৃত রাসায়নিক পদার্থ বিক্রিয়া করে ইলেকট্রন উৎপন্ন করে এবং বহিঃস্থ সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: গ্যালভানিক কোষ বা ভোল্টীয় কোষ এক ধরনের তড়িৎ রাসায়নিক কোষ যা রাসায়নিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। কার্যপ্রণালি: এই কোষে দুটি ভিন্ন ধাতব ইলেকট্রোড একটি উপযুক্ত ইলেক্ট্রোলাইট দ্রবণে রাখা হয় যেখানে জারণ ঘটে অ্যানোডে এবং বিজারণ ঘটে ক্যাথোডে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ ঘড়ি বা রিমোট কন্ট্রোলে ব্যবহৃত ড্রাই সেল বা শুষ্ক কোষ। ব্যাখ্যা: এটি এক ধরনের গ্যালভানিক কোষ যা রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে ডিভাইস সচল রাখে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে ব্যবহৃত লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহারের সময়। ব্যাখ্যা: ব্যাটারি যখন ডিসচার্জ হয় তখন এর ভেতরের রাসায়নিক বিক্রিয়া থেকে তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন হয়ে ফোন চালায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাসায়নিক-তড়িৎ শক্তি — এটি গ্যালভানিক কোষের সঠিক কার্যপদ্ধতি যা রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। B) তড়িৎ-রাসায়নিক শক্তি — এটি ইলেকট্রোলাইটিক কোষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে তড়িৎ শক্তি প্রয়োগ করে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটানো হয়। C) তাপ-রাসায়নিক শক্তি — এই ধরনের রূপান্তর সাধারণত তাপীয় রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ঘটে যা সাধারণ গ্যালভানিক কোষের মূল নীতি নয়। D) তড়িৎ-তাপশক্তি প্রতিস্থাপন — এটি মূলত জুলের তাপীয় সূত্র বা বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে তাপ উৎপন্ন হওয়ার ঘটনাকে নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: গ্যালভানিক কোষের ক্ষেত্রে গ দিয়ে গ্যালভানিক এবং র দিয়ে রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি উৎপাদন মনে রাখা যায়। ইলেকট্রোলাইটিক কোষ এর ঠিক উল্টো কাজ করে অর্থাৎ তড়িৎ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্যালভানিক কোষ ও ইলেকট্রোলাইটিক কোষের পার্থক্য প্রায়ই আসে। গ্যালভানিক কোষের অ্যানোড ঋণাত্মক এবং ক্যাথোড ধনাত্মক হয় যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a গ্যালভানাইজিং
b ভলকানাইজিং
c ধাতু বিশোধন
d ইলেক্ট্রোপ্লেটিং
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলেক্ট্রোপ্লেটিং ১. কেন সঠিক: ইলেক্ট্রোপ্লেটিং হলো এমন একটি তড়িৎ রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি কম দামি বা মরিচা পড়া ধাতুর ওপর অন্য কোনো আকর্ষণীয় বা মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় যে ধাতুর ওপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ক্যাথোড এবং যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড হিসেবে ব্যবহার করে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের দ্রবণে ডুবিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তড়িৎ প্রবাহের মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ধাতু স্থানান্তরের প্রক্রিয়া হলো ইলেক্ট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎ লেপন। কার্যপ্রণালি: তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে ধাতব লবণ থাকে, যা বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে আয়নে বিভক্ত হয়ে অ্যানোড থেকে ধাতু ক্যাটাক্রে জমা হতে থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: লোহা বা তামার তৈরি বস্তুর ওপর সোনা, রূপা, নিকেল বা ক্রোমিয়ামের প্রলেপ দিয়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও জং ধরা থেকে রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইকেলের হ্যান্ডেল বা মোটরবাইকের মাডগার্ডে ক্রোমিয়ামের প্রলেপ দেওয়া। ব্যাখ্যা: লোহার তৈরি এসব যন্ত্রাংশে ক্রোমিয়ামের প্রলেপ দিলে বাতাসে থাকা অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সংস্পর্শে এসে লোহা নষ্ট হয় না এবং চকচকে থাকে। উদাহরণ ২: তামা বা পিতলের গহনার ওপর সোনার প্রলেপ দেওয়া। ব্যাখ্যা: এর ফলে কম খরচে মূল্যবান ধাতুর মতো দেখতে অলংকার তৈরি করা সম্ভব হয়, যা দেখতে সুন্দর ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যালভানাইজিং — লোহার ওপর দস্তা বা জিঙ্কের প্রলেপ দেওয়ার পদ্ধতি হলো গ্যালভানাইজিং, যা মূলত লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে ব্যবহৃত হয়। B) ভলকানাইজিং — কাঁচা রাবারের সাথে গন্ধক বা সালফার মিশিয়ে তাকে শক্ত ও তাপসহনীয় করার পদ্ধতিকে ভলকানাইজিং বলা হয়। C) ধাতু বিশোধন — খনি থেকে উত্তোলিত বা সংকর ধাতু থেকে অপদ্রব্য দূর করে বিশুদ্ধ ধাতু নিষ্কাশন করার প্রক্রিয়াকে ধাতু বিশোধন বলে। D) ইলেক্ট্রোপ্লেটিং — এটি তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর ওপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার সঠিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। ৫. মনে রাখার টিপস: প্লেট শব্দের অর্থ থালা বা প্রলেপ, তাই ধাতুর ওপর প্রলেপ দেওয়ার পদ্ধতিকে ইলেক্ট্রোপ্লেটিং বলা হয়। গ্যালভানাইজিং শব্দটি জিঙ্ক বা দস্তার প্রলেপ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, এটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি ধাতু নিষ্কাশন ও তড়িৎ রাসায়নিক প্রভাবে বারবার আসে। ইলেক্ট্রোপ্লেটিং এ যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হয় তাকে সবসময় অ্যানোড এবং যাকে প্রলেপ দিতে হবে তাকে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই তথ্যটি থেকেও বহুবার প্রশ্ন এসেছে।
a প্রশমন
b দহন
c সংযোজন
d প্রতিস্থাপন
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রশমন ১. কেন সঠিক: এন্টাসিড মূলত মৃদু ক্ষার জাতীয় পদার্থ যেমন ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড দিয়ে তৈরি। আমাদের পাকস্থলীতে অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হলে এন্টাসিড সেবন করা হয় এবং এসিড ও ক্ষার মিলে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো এসিড ও কোনো ক্ষার পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। কার্যপ্রণালি: পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিডের সাথে এন্টাসিডের ক্ষারীয় উপাদান যুক্ত হয়ে নিরপেক্ষ লবণ ও পানি তৈরি করে ফলে এসিডের মাত্রা কমে যায়। বাস্তব প্রয়োগ: বুকজ্বালা, অম্লত্ব বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নিরাময়ে এন্টাসিড ট্যাবলেট বা সিরাপ নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাকস্থলীতে এন্টাসিডের ভূমিকা ব্যাখ্যা: পাকস্থলীর অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: মৌমাছির কামড়ে এসিড ও ক্ষারের ব্যবহার ব্যাখ্যা: মৌমাছির কামড়ে এসিড থাকে এবং তার ওপর ক্ষার জাতীয় সাবান বা বেকিং সোডা লাগালে প্রশমন বিক্রিয়ার মাধ্যমে জ্বালা কমে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশমন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় এটি ঘটে। B) দহন — এটি সঠিক নয় কারণ দহন হলো কোনো পদার্থের সাথে অক্সিজেনের দ্রুত বিক্রিয়া যা তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। C) সংযোজন — এটি সঠিক নয় কারণ সংযোজন বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পদার্থ যুক্ত হয়ে একটিমাত্র নতুন পদার্থ উৎপন্ন করে। D) প্রতিস্থাপন — এটি সঠিক নয় কারণ প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ায় একটি মৌল অন্য কোনো যৌগ থেকে আরেকটি মৌলকে সরিয়ে নিজে সেই স্থান দখল করে। ৫ মনে রাখার টিপস: এসিড ও ক্ষার মিলে পেট শান্ত করে তাই এন্টাসিড হলো প্রশমন। পাকস্থলীর এসিড দূর করতে ক্ষার কাজ করে যা প্রশমন বিক্রিয়া নামে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রশমন বিক্রিয়ায় সবসময় লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে কোন বিক্রিয়া ঘটে তা জানতে চাওয়া হয়।
a Na
b Fe
c Cu
d Ag
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Na ১. কেন সঠিক: সোডিয়াম একটি ক্ষারীয় ধাতু কারণ এটি পর্যায় সারণির প্রথম গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে শক্তিশালী ক্ষার তৈরি করে। এই ধাতুগুলো অত্যন্ত সক্রিয় এবং বাতাসের অক্সিজেনের সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে অক্সাইড গঠন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পর্যায় সারণির গ্রুপ ১-এর মৌলগুলোকে ক্ষারীয় ধাতু বলা হয় কারণ এরা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার উৎপন্ন করে। রাসায়নিক ধর্ম: সোডিয়াম পানির সাথে তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড নামক ক্ষার এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। বাস্তব প্রয়োগ: সোডিয়ামের এই উচ্চ সক্রিয়তার কারণে এটি গবেষণাগারে কেরোসিনের নিচে ডুবিয়ে রাখা হয় যাতে বাতাসে থাকা জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করতে না পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম ধাতুর টুকরা পানিতে ফেললে তীব্র শব্দের সাথে আগুন জ্বলে ওঠে এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে সোডিয়াম পানির সাথে মিশে ক্ষারীয় দ্রবণ তৈরি করে এবং তাপ উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: সোডিয়াম ক্লোরেন গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে সাধারণ লবণ তৈরি করে যা আমরা প্রতিদিন খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি। ব্যাখ্যা: এই বিক্রিয়াটি দেখায় কীভাবে একটি অত্যন্ত সক্রিয় ক্ষারীয় ধাতু বিষাক্ত গ্যাসের সাথে মিলে নিরাপদ যৌগ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Na — এটি সঠিক উত্তর কারণ সোডিয়াম হলো একটি সক্রিয় ক্ষারীয় ধাতু। B) Fe — লোহা একটি অবস্থান্তর ধাতু এবং এটি ক্ষারীয় ধাতু নয়, এটি ভবন নির্মাণ ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) Cu — তামা একটি মুদ্রা ধাতু এবং এটি পর্যায় সারণির ডি ব্লকের অন্তর্ভুক্ত, যা ক্ষারীয় ধাতু নয়। D) Ag — রূপা একটি মূল্যবান ধাতু এবং এটি পর্যায় সারণির একাদশ গ্রুপের অন্তর্গত, যা ক্ষারীয় ধাতু হিসেবে বিবেচিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রুপ এক এর মৌলগুলো মনে রাখার কৌশল হলো লিনাকে কাসেম রুবি সাজাল ফ্রান্সে, যেখানে লি মানে লিথিয়াম, না মানে সোডিয়াম, কা মানে পটাশিয়াম। সোডিয়ামের প্রতীক এনএ এসেছে এর ল্যাটিন নাম ন্যাট্রিয়াম থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্ষারীয় ধাতুগুলো পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে যা অনেক সময় বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ক্ষারীয় ধাতুগুলোর যোজনী এক এবং এরা সহজেই ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়।
a সমযোজী
b আয়নিক
c ধাতব
d হাইড্রোজেন
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়নিক ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম ক্লোরাইড বা লবণের অণুতে সোডিয়াম ও ক্লোরিনের মধ্যে ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে আয়নিক বন্ধন গঠিত হয়। - ধাতু ও অধাতুর মধ্যে বিপরীত আধানের আকর্ষণ বলের ফলে এই শক্তিশালী রাসায়নিক বন্ধন তৈরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: একটি পরমাণু ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয় এবং অপর পরমাণু সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয়। - কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয় এবং ক্লোরিন পরমাণু সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হয়। - কারণ ও ফলাফল: উৎপন্ন বিপরীত আধানযুক্ত দুটি আয়ন স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল দ্বারা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিরপেক্ষ লবণ গঠন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা প্রতিদিন রান্নার কাজে যে সাধারণ লবণ ব্যবহার করি, তার রাসায়নিক গঠন এই আয়নিক বন্ধনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড বা ম্যাগনেশিয়াম ক্লোরাইড যৌগ। ব্যাখ্যা: এখানে ম্যাগনেশিয়াম ধাতু দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং অক্সিজেন বা ক্লোরিন তা গ্রহণ করে আয়নিক বন্ধন তৈরি করে। উদাহরণ ২: ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড বা খাবার সোডা। ব্যাখ্যা: এসব যৌগেও ধাতু ও অধাতুর ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে আয়নিক বন্ধন বা তড়িৎযোজী বন্ধন গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমযোজী — সমযোজী বন্ধন ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে গঠিত হয়, কিন্তু সোডিয়াম ক্লোরাইডে ইলেকট্রন আদান-প্রদান ঘটে। B) আয়নিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোডিয়াম ও ক্লোরিনের মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে এই বন্ধন তৈরি হয়। C) ধাতব — ধাতব বন্ধন কেবল ধাতুসমূহের পরমাণুর মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রন সাগরের মাধ্যমে গঠিত হয়, যা লবণে থাকে না। D) হাইড্রোজেন — হাইড্রোজেন বন্ধন সাধারণত অত্যন্ত তড়িৎ ঋণাত্মক মৌলের সঙ্গে যুক্ত হাইড্রোজেনের মধ্যে হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধাতু ও অধাতুর মিলনে তৈরি হয় আয়নিক বন্ধন, আর অধাতু ও অধাতুর মিলনে হয় সমযোজী বন্ধন। - সোডিয়াম হলো ধাতু এবং ক্লোরিন হলো অধাতু, তাই এদের বন্ধন সবসময় আয়নিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আয়নিক যৌগের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অনেক বেশি হয় এবং এরা পানিতে দ্রবণীয়। - গলিত বা জলীয় দ্রবণে আয়নিক যৌগ বিদ্যুৎ পরিবাহিতা প্রদর্শন করে।
a ৭ এর উপরে
b ৭ এর নিচে
c 7
d 12
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ এর নিচে ১. কেন সঠিক: - এসিডের জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন বা প্রোটন মুক্ত করার ক্ষমতা থাকে এবং এর pH এর মান সর্বদা ৭ এর নিচে অবস্থান করে। - pH স্কেলে ৭ এর নিচের মান নির্দেশ করে কোনো পদার্থ অম্লীয় বা এসিডধর্মী প্রকৃতির। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: pH হলো কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লোগারিদম যা দ্রবণটি অম্লীয় নাকি ক্ষারীয় তা নির্ধারণ করে। - কার্যপ্রণালি: এসিড যখন পানিতে দ্রবীভূত হয় তখন তা বিজোজিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন তৈরি করে এবং দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের মাত্রা বাড়িয়ে pH কমিয়ে দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের পাকস্থলীতে থাকা হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাদ্য হজমে সহায়তা করে এবং এর pH এর মান ১.৫ থেকে ৩.৫ এর মধ্যে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেবুর রস বা কমলার রস ব্যাখ্যা: সাইট্রাস জাতীয় ফলে সাইট্রিক এসিড থাকে যার pH এর মান ৭ এর নিচে অর্থাৎ প্রায় ২ থেকে ৩ এর মধ্যে হয়। উদাহরণ ২: ভিনেগার বা অ্যাসিটিক এসিড ব্যাখ্যা: রান্নার কাজে ব্যবহৃত ভিনেগারের pH এর মানও ৭ এর নিচে থাকে যা এর অম্লীয় বৈশিষ্ট্য প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ এর উপরে — এটি ক্ষার বা ক্ষারকীয় পদার্থের pH এর মান নির্দেশ করে যা এসিডের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ৭ এর নিচে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এসিডের pH এর মান সর্বদা ৭ এর কম হয়। C) 7 — এটি নিরপেক্ষ পদার্থের pH এর মান নির্দেশ করে যেমন বিশুদ্ধ পানির pH হলো ঠিক ৭। D) 12 — এটি একটি শক্তিশালী ক্ষারীয় পদার্থের pH এর মান নির্দেশ করে যা এসিডের বিপরীত বৈশিষ্ট্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - pH স্কেলে ৭ হলো নিরপেক্ষ বিন্দু, যার নিচে এসিড এবং যার উপরে ক্ষার অবস্থান করে। - এসিড শব্দটির প্রথম অক্ষর এ এবং নিচে শব্দের প্রথম অক্ষর নি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো এসিড মানে নিচে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - pH এর পূর্ণরূপ হলো পটেনশিয়াল অফ হাইড্রোজেন বা হাইড্রোজেন আয়নের ক্ষমতা। - এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে নিরপেক্ষ পদার্থের pH এর মান কত যার উত্তর হবে ৭।
a কুলম্ব
b ভোল্ট
c ওয়াট
d ওহম
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভোল্ট ১. কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক বিভবের আন্তর্জাতিক একক হলো ভোল্ট। একক আধানকে অসীম দূরত্ব থেকে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয়, তাকে ওই বিন্দুর বৈদ্যুতিক বিভব বলে। - ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী আল্লেসান্দ্রো ভোল্টার নামানুਸारे এই এককটির নাম রাখা হয়েছে ভোল্ট। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক বিভব হলো এমন একটি ভৌত রাশি যা নির্ধারণ করে কোন দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে। উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে ধনাত্মক আধান প্রবাহিত হয়। - সূত্র: বিভব V = W ÷ Q, যেখানে W হলো কৃতকাজ এবং Q হলো আধান। কাজের একক জুল এবং আধানের একক কুলম্ব হলে বিভবের একক জুল প্রতি কুলম্ব বা ভোল্ট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সাধারণ ১.৫ ভোল্টের টর্চলাইটের ব্যাটারি। ব্যাখ্যা: এই ব্যাটারিটি ব্যবহার করলে প্রতি কুলম্ব আধান ১.৫ জুল শক্তি সরবরাহ করতে পারে। উদাহরণ ২: গৃহস্থালীর বিদ্যুৎ সংযোগ সাধারণত ২২০ ভোল্টের হয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: এর অর্থ হলো আমাদের ঘরের লাইনে প্রতিটি কুলম্ব আধানের জন্য ২২০ জুল শক্তি সরবরাহ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলম্ব — এটি বৈদ্যুতিক আধানের আন্তর্জাতিক একক। বিভবের একক নয়। B) ভোল্ট — এটি বৈদ্যুতিক বিভব বা বিভব পার্থক্যের সঠিক আন্তর্জাতিক একক। C) ওয়াট — এটি বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা শক্তির হারের একক। বিভবের একক নয়। D) ওহম — এটি বৈদ্যুতিক রোধের আন্তর্জাতিক একক। বিভবের একক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভোল্টেজ বা বিভব মাপার যন্ত্রের নাম ভোল্টমিটার এবং এর এককও ভোল্ট। - কাজের একক জুল এবং আধানের একক কুলম্ব হওয়ায়, জুল প্রতি কুলম্বই হলো ভোল্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক রাশি এবং তাদের একক থেকে প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্ন থেকে রোধের একক ওহম এবং ক্ষমতার একক ওয়াট সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a 3 times 10^5 m/s
b 3 times 10^6 m/s
c 3 times 10^8 m/s
d 3 times 10^{10} m/s
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 3 × 10^8 m/s ১. কেন সঠিক: আলো শূন্য মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার বা ৩ কোটি মিটার পথ অতিক্রম করে। এটি প্রকৃতির সর্বোচ্চ গতিসীমা যা আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্বে নির্ধারিত হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলো হলো এক প্রকার তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ যা চলার জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। শূন্য মাধ্যমে এর গতি সর্বদা ধ্রুবক থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য থেকে আলো পৃথিবীতে আসতে প্রায় আট মিনিট বিশ সেকেন্ড সময় লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশে বিজলির চমক দেখার কিছুক্ষণ পরে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়। ব্যাখ্যা: আলোর বেগ শব্দের বেগের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় আলো আগে আমাদের চোখে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে নক্ষত্র থেকে আসা আলো বহু বছর আগের তৈরি। ব্যাখ্যা: আলোর অসীম গতির কারণে দূরবর্তী নক্ষত্রের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 3 × 10^5 m/s — এটি আলোর বেগের সঠিক মান নয় কারণ এখানে মাত্রা এক হাজার গুণ কম। B) 3 × 10^6 m/s — এই মানটি আলোর প্রকৃত বেগের তুলনায় অনেক কম এবং এটি অবাস্তব। C) 3 × 10^8 m/s — এটি শূন্য মাধ্যমে আলোর সঠিক বেগ যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। D) 3 × 10^10 m/s — এই মানটি আলোর প্রকৃত বেগের চেয়ে দশ গুণ বেশি যা অসম্ভব। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগের সূচক মনে রাখতে ৩ এর পরে আটটি শূন্য বা ১০ এর পাওয়ার ৮ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আলোর বেগ সবচেয়ে বেশি শূন্য মাধ্যমে এবং সবচেয়ে কম কঠিন মাধ্যমে। কাঁচ বা পানিতে আলোর বেগ ভিন্ন হয়।
a জুল
b নিউটন
c ওয়াট
d প্যাসকেল
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউটন ১. কেন সঠিক: বলের এস আই বা আন্তর্জাতিক একক হলো নিউটন। বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের নামানুসারে বলের এই একক নির্ধারণ করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যা স্থির বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা গতিশীল বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে বাধ্য করে, তাকে বল বলে। সূত্র: নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে বলের পরিমাণ হলো ভর ও ত্বরণের গুণফল। অর্থাৎ বল সমান ভর গুণ ত্বরণ। একক বিশ্লেষণ: ভরের একক কিলোগ্রাম এবং ত্বরণের একক মিটার প্রতি বর্গ সেকেন্ড। সুতরাং এক নিউটন হলো সেই পরিমাণ বল যা এক কিলোগ্রাম ভরের কোনো বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে এক মিটার প্রতি বর্গ সেকেন্ড ত্বরণ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেবিলের ওপর রাখা একটি স্থির বইকে হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে ফেলা। ব্যাখ্যা: এখানে প্রয়োগ করা ধাক্কাটি হলো বল, যা বইটির অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে। উদাহরণ ২: চলন্ত সাইকেলের ব্রেক কষে গতি কমিয়ে আনা। ব্যাখ্যা: ব্রেকের মাধ্যমে চাকায় যে বল প্রয়োগ করা হয়, তা সাইকেলের গতি কমিয়ে থামিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুল — এটি কাজ বা শক্তির একক। কোনো বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে বলের দিকে তার সরণ ঘটালে যে কাজের পরিমাণ হয়, তার পরিমাপ হলো জুল। B) নিউটন — এটি সঠিক উত্তর। এটি বলের আন্তর্জাতিক একক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) ওয়াট — এটি ক্ষমতা বা শক্তি ব্যয়ের হারের একক। প্রতি সেকেন্ডে এক জুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক ওয়াট বলা হয়। D) প্যাসকেল — এটি চাপ বা প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রযুক্ত বলের একক। কোনো তলের প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলের পরিমাণ হলো চাপ। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজ্ঞানী নিউটনের নামানুসারে বলের একক নিউটন মনে রাখা সহজ। বল প্রয়োগে বস্তু নড়ে ওঠে, আর বিজ্ঞানী নিউটনের আপেল পড়ার ঘটনা দিয়ে বলের সূত্র এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজের একক জুল এবং ক্ষমতার একক ওয়াট প্রায়ই উলালপাল্টা করে প্রশ্ন আসে। এককগুলোর সঠিক পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
a নিউট্রন নিঃসরণের জন্য
b নিউট্রন শোধন করার জন্য
c নিউট্রনের গতি স্থির রাখার জন্য
d নিউট্রন গতি হ্রাসের জন্য
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউট্রন শোধন করার জন্য ১. কেন সঠিক: - নিউক্লিয়ার চুল্লিতে ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহারের মূল কাজ হলো ফিশন বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করা। - অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণের মাধ্যমে চেইন বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় যাতে চুল্লি বিস্ফোরণ না ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম পরমাণুর বিভাজনের সময় প্রচুর শক্তি ও দ্রুত গতির নিউট্রন নির্গত হয়। - কার্যপ্রণালি: ক্যাডমিয়াম নিউট্রনকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে শোষণ করতে পারে, তাই একে কন্ট্রোল রড বা নিয়ন্ত্রণ দণ্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। - কারণ ও ফলাফল: ক্যাডমিয়াম দণ্ড ভেতরে প্রবেশ করালে নিউট্রন সংখ্যা কমে যায় এবং বিক্রিয়ার গতি মন্থর হয়, যা চুল্লির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। - ব্যাখ্যা: এখানে ক্যাডমিয়াম দণ্ড উপরে নিচে নামিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের হার নিয়ন্ত্রণ করা হয়। - উদাহরণ ২: পারমাণবিক সাবমেরিন চালনা। - ব্যাখ্যা: এই সাবমেরিনের ইঞ্জিনে শক্তির উৎপাদন নিরাপদ রাখতে ক্যাডমিয়াম দণ্ডের নিখুঁত ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নিউট্রন নিঃসরণের জন্য — নিউট্রন নিঃসরণ করে তেজস্ক্রিয় জ্বালানি যেমন ইউরেনিয়াম, ক্যাডমিয়াম নয়। - B) নিউট্রন শোধন করার জন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্যাডমিয়াম অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে চুল্লির পরিবেশ নিরাপদ রাখে। - C) নিউট্রনের গতি স্থির রাখার জন্য — নিউট্রনের গতি স্থির বা মন্থর করার জন্য মডারেটর হিসেবে গ্রাফাইট বা ভারী পানি ব্যবহার করা হয়, ক্যাডমিয়াম নয়। - D) নিউট্রন গতি হ্রাসের জন্য — নিউট্রনের গতি বা বেগ কমানোর কাজটি করে মডারেটর, আর ক্যাডমিয়াম করে নিউট্রন শোষণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্যাডমিয়াম শব্দটির সাথে শোধন বা শোষণ কথাটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - পারমাণবিক চুল্লির মডারেটর এবং কন্ট্রোল রডের কাজ কখনো এক করবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নিউক্লিয়ার চুল্লির বিভিন্ন উপাদানের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মডারেটর হিসেবে ভারী পানি এবং কন্ট্রোল রড হিসেবে ক্যাডমিয়াম বা বোরন ব্যবহারের তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a ১ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১০ জুল
b ২ সেকেন্ডে কৃত কাজ ৫ জুল
c ৫ সেকেন্ডে কৃত কাজ ২ জুল
d ১০ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১ জুল
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১০ জুল ১. কেন সঠিক: - ক্ষমতা হলো কাজ করার হার, অর্থাৎ প্রতি একক সময়ে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে ক্ষমতা বলে। - ১০ ওয়াট ক্ষমতার অর্থ হলো যন্ত্রটি প্রতি ১ সেকেন্ডে ১০ জুল পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: একক সময়ে কাজের পরিমাণ হলো ক্ষমতা এবং ক্ষমতার একক হলো ওয়াট। - সূত্র/তত্ত্ব: ক্ষমতা P সমান কাজ W ভাগ সময় t, যেখানে P হলো ক্ষমতা, W হলো কাজ এবং t হলো সময়। - কার্যপ্রণালি: ওয়াট এককে ক্ষমতা পরিমাপের সময় ১ জুল কাজ ১ সেকেন্ড সময়ে সম্পন্ন হলে তাকে ১ ওয়াট বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক বাল্ব বা মোটরের গায়ে লেখা ক্ষমতার মান থেকে বোঝা যায় প্রতি সেকেন্ডে কতটুকু শক্তি খরচ বা কাজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি ১০ ওয়াটের এলইডি বাল্ব জ্বালালে সেটি প্রতি সেকেন্ডে ১০ জুল বৈদ্যুতিক শক্তি আলো ও তাপে রূপান্তর করে। ব্যাখ্যা: এটি ক্ষমতার সংজ্ঞা এবং শক্তির নিত্যতার সূত্রকে সরাসরি সমর্থন করে। উদাহরণ ২: কোনো যন্ত্রের ক্ষমতা ১০ ওয়াট হওয়ার অর্থ হলো এটি ১০ সেকেন্ডে মোট ১০০ জুল কাজ সম্পন্ন করবে। ব্যাখ্যা: কাজের পরিমাণ বের করার জন্য ক্ষমতাকে সময় দিয়ে গুণ করতে হয়, যা ১০ গুণ ১০ সমান ১০০ জুল হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১০ জুল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্ষমতার একক ওয়াট এবং জুল প্রতি সেকেন্ড হলো ক্ষমতার একক। B) ২ সেকেন্ডে কৃত কাজ ৫ জুল — এই অপশনে ৫ জুল কাজকে ২ সেকেন্ড দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা হয় ২.৫ ওয়াট, যা ১০ ওয়াট নয়। C) ৫ সেকেন্ডে কৃত কাজ ২ জুল — এই অপশনে ২ জুল কাজকে ৫ সেকেন্ড দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা হয় শূন্য দশমিক ৪ ওয়াট, যা ১০ ওয়াট নয়। D) ১০ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১ জুল — এই অপশনে ১ জুল কাজকে ১০ সেকেন্ড দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা হয় শূন্য দশমিক ১ ওয়াট, যা ১০ ওয়াট নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়াট মানেই জুল প্রতি সেকেন্ড, তাই যত ওয়াট ঠিক তত জুল কাজ প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন হয়। - ক্ষমতা সমান কাজ ভাগ সময় এই সূত্রটি মনে রাখলে যেকোনো মানের হিসাব সহজে করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষমতার একক এবং কাজের একক সংক্রান্ত গাণিতিক সমস্যা প্রায়ই আসে। - এক কিলোওয়াট সমান এক হাজার ওয়াট এবং এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বশক্তি সমান ৭৪৬ ওয়াট, এই মানগুলো মনে রাখা জরুরি।
a বাষ্পীয় ইঞ্জিন
b পেট্রোল ইঞ্জিন
c রেফ্রিজারেটর
d তাপ ইঞ্জিন
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তাপ ইঞ্জিন ১. কেন সঠিক: তাপ ইঞ্জিন হলো এমন একটি তাপীয় যন্ত্র যা তাপশক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এটি মূলত তাপীয় শক্তিকে গতি বা কাজের রূপ দেয়, যা বিভিন্ন যানবাহনে গতিশীল শক্তি সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী তাপ ইঞ্জিন কাজ করে, যা উচ্চ তাপমাত্রার উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে আংশিক কাজ সম্পাদন করে। কার্যপ্রণালি: জ্বালানি পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয় এবং সেই তাপকে প্রসারণের মাধ্যমে যান্ত্রিক গতিতে পরিবর্তন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টিম লোকোমোটিভ ট্রেন। ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্পের চাপে ট্রেন চালানো হয়, যা তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: আধুনিক গাড়ির ইঞ্জিন। ব্যাখ্যা: সিলিন্ডারের ভেতরে জ্বালানি পুড়িয়ে প্রাপ্ত তাপের মাধ্যমে পিস্টন সচল করা হয় এবং গাড়ি সামনের দিকে এগিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাষ্পীয় ইঞ্জিন — এটি তাপ ইঞ্জিনের একটি বিশেষ রূপ বা পূর্বসূরি মাত্র, যা শুধুমাত্র বাষ্পের তাপ ব্যবহার করে। B) পেট্রোল ইঞ্জিন — এটিও এক ধরনের তাপ ইঞ্জিন, যা মূলত পেট্রোল জ্বালানি পুড়িয়ে যান্ত্রিক শক্তি উৎপন্ন করে। C) রেফ্রিজারেটর — এটি তাপ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি যান্ত্রিক শক্তি বা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ভেতর থেকে তাপ বাইরে বের করে দেয়। D) তাপ ইঞ্জিন — এটি সামগ্রিক ও সঠিক শ্রেণী যা যেকোনো ধরনের তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: তাপ ইঞ্জিন মানেই তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরকারী সার্বিক যন্ত্র। সব পেট্রোল বা বাষ্পীয় ইঞ্জিনই তাপ ইঞ্জিনের অন্তর্ভুক্ত, তাই মূল উৎস হলো তাপ ইঞ্জিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তাপ ইঞ্জিন তাপগতিবিদ্যার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র মেনে চলে। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন যন্ত্র তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, যার উত্তর সর্বদা তাপ ইঞ্জিন হবে।
a বাড়বে
b কমবে
c পরিবর্তন হবে না
d শূন্য হবে
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমবে ১. কেন সঠিক: তাপমাত্রা বাড়ালে অর্ধপরিবাহীর রোধ কমে যায় কারণ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে এদের পরিবাহিতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এর ফলে অর্ধপরিবাহীর ভেতর মুক্ত ইলেকট্রন ও হোলের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ সহজ করে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অর্ধপরিবাহী হলো এমন পদার্থ যাদের বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা পরিবাহী ও কুপরিবাহীর মাঝামাঝি হয়ে থাকে। কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা বাড়ালে অর্ধপরিবাহীর সমযোজী বন্ধন ভেঙে যায় এবং প্রচুর সংখ্যক ইলেকট্রন-হোল যুগল সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিলিকন বা জার্মানিয়ামের তৈরি ট্রানজিস্টর বা ডায়োড। ব্যাখ্যা: এগুলো ঠাণ্ডা অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবাহিতা কম দেখালেও উত্তপ্ত হলে খুব সহজেই বিদ্যুৎ পরিচালনা করতে পারে। উদাহরণ ২: গ্রীষ্মকালে বা কম্পিউটারের প্রসেসর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে অর্ধপরিবাহী উপাদানের ভেতরের রোধ কমে যায়। ব্যাখ্যা: এর ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের ঝুঁকি তৈরি হয় এবং কুলিং ফ্যান ব্যবহার করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাড়বে — তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবাহীর (যেমন তামা বা লোহা) রোধ বাড়ে, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে এটি উল্টো হয়। B) কমবে — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়লে এর রোধ হ্রাস পায়। C) পরিবর্তন হবে না — তাপমাত্রা পরিবর্তন করলে সব পদার্থেরই বৈদ্যুতিক ধর্মের পরিবর্তন ঘটে, তাই অপরিবর্তিত থাকার সুযোগ নেই। D) শূন্য হবে — অতিপরিবাহী পদার্থ নির্দিষ্ট ক্রান্তিক তাপমাত্রায় পৌঁছালে রোধ শূন্য হয়, সাধারণ অর্ধপরিবাহীর রোধ কখনো শূন্য হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে তাপ বাড়লে রোধ কমে যায়, এই কথাটি মনে রাখতে পরিবাহী ও অর্ধপরিবাহীর বিপরীত সম্পর্কটি মাথায় রাখবে। পরিবাহীতে তাপ বাড়লে রোধ বাড়ে আর অর্ধপরিবাহীতে তাপ বাড়লে রোধ কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহীর রোধের সাথে তাপমাত্রার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা সহগ ঋণাত্মক, যার অর্থ তাপমাত্রা বাড়লে রোধ কমে।

মোট প্রশ্ন (4)

a খ্ + য
b ক্ + য
c খ্ + ই + য
d ক্ + ষ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ + ষ ১. কেন সঠিক: - 'ক্ষ' একটি যুক্তবর্ণ যা মূলত দুটি বর্ণের মিলনে গঠিত হয়। - ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ক এবং ষ যুক্ত হয়ে এই যৌগিক বর্ণটি তৈরি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ হলো একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের একত্র মিলন। - 'ক্ষ' বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় হসন্তযুক্ত ক এবং ষ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা ক এবং ষ এর মিলনে গঠিত। উদাহরণ ২: ক্ষতি ব্যাখ্যা: এই শব্দের শুরুতে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি রয়েছে যা ক এবং ষ এর মিলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খ্ + য — এটি ভুল কারণ এখানে খ এবং য এর মিশ্রণ দেখানো হয়েছে যা ক্ষ এর সঠিক গঠন নয়। B) ক্ + য — এটি ভুল কারণ ক এবং য যুক্ত হলে 'ক্য' হয়, 'ক্ষ' হয় না। C) খ্ + ই + য — এটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণের সঠিক বিশ্লেষণ নয়। D) ক্ + ষ — এটি সঠিক কারণ ক এবং ষ যুক্ত হয়েই 'ক্ষ' বর্ণটি তৈরি হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্ষ লেখার সময় ক এর সাথে ষ যুক্ত হয় এটি মনে রাখবে। - ক এবং ষ মিলে ক্ষ তৈরি হয় তা সহজে মনে রাখতে ক ষ কৌশল ব্যবহার করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ ভাঙতে দেওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে হসন্তযুক্ত প্রথম বর্ণ এবং পরের বর্ণ সঠিকভাবে চিনে উত্তর করতে হয়।
a দ্বন্দ্ব
b কর্মধারয়
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণে সম্পর্ক বা তুলনামূলক সম্পর্ক বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - প্রদত্ত বাক্যে পুরুষ ও সিংহ দুটি পদের মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে এবং উপমিত কর্মধারয় সমাসের নিয়মে এই ব্যাসবাক্য গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম বা গুণ উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সঙ্গে উপমানের তুলনা করা হয় এবং ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় শব্দ বসে। - এখানে পুরুষ হলো উপমেয় যাকে তুলনা করা হচ্ছে এবং সিংহ হলো উপমান যার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে, তাই এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র মুখের ন্যায় = মুখচন্দ্র ব্যাখ্যা: মুখের সঙ্গে চন্দ্রের তুলনা করা হয়েছে এবং এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: করপল্লবের ন্যায় = পল্লবকর ব্যাখ্যা: কর বা হাতের সঙ্গে কচি পাতার বা পল্লবের তুলনা বোঝাতে এই সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর ব্যবহৃত হয়, যা এখানে নেই। B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের তুলনা বোঝানো হয়েছে। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের গঠনের সঙ্গে মেলে না। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে সমাসবদ্ধ পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি ন্যায় শব্দটি মাঝখানে বা শেষে থাকে এবং তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস বিশেষ করে উপমিত বা উপমান কর্মধারয় দাগাবে। - উপমেয় এবং উপমানের অবস্থান খেয়াল রাখবে যাতে বুঝতে সহজ হয় কার সঙ্গে কার তুলনা করা হচ্ছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমিত ও উপমান কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ন্যায় শব্দের ব্যবহার এবং সাধারণ ধর্মের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি দেখে এই সমাসগুলো সহজে নির্ণয় করা যায়।
a নয়-ছয়
b খাসজমি
c কনকচাঁপা
d ত্রিফলা
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নয়-ছয় ১. কেন সঠিক: যে সমাসে উভয় পদেরই অর্থ প্রধান থাকে এবং সমাসবদ্ধ করার সময় মাঝখানে সংযোজক অব্যয় লুপ্ত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। নয়-ছয় শব্দটিতে দুটি সংখ্যাবাচক পদ বা বিপরীতার্থক ভাব প্রকাশকারী শব্দ মিলে একটি পদ গঠিত হয়েছে এবং এর ব্যাসবাক্য হলো নয় ও ছয়, যা দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়মকে পুরোপুরি সমর্থন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদের সমান গুরুত্ব থাকে এবং সাধারণত এবং, ও, আর—এই তিনটি সংযোজক অব্যয় দ্বারা ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। পদের মিলনের ওপর ভিত্তি করে দ্বন্দ্ব সমাস বিভিন্ন প্রকার হতে পারে, যেমন বিপরীতার্থক শব্দযোগে, সমার্থক শব্দযোগে এবং সংখ্যাবাচক শব্দযোগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমা-খরচ ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য জমা ও খরচ। উদাহরণ ২: হাত-পা ব্যাখ্যা: এটি অঙ্গবাচক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য হাত ও পা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়-ছয় — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের সঠিক উদাহরণ হওয়ায় প্রথম অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) খাসজমি — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে খাস উপসর্গ যোগে বিশেষ অর্থে শব্দটি গঠিত হয়েছে যার ব্যাসবাক্য নির্ভেজাল জমি। C) কনকচাঁপা — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য কনক বা সোনা রঙের চাঁপা ফুল। D) ত্রিফলা — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কারণ এর সামনে সংখ্যাবাচক শব্দ রয়েছে এবং সমাহার বোঝায় যার ব্যাসবাক্য তিন ফলার সমাহার। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দে ও, এবং, আর—এই সংযোগগুলো লুকিয়ে থাকে এবং উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রাধান্য পায়, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। সংখ্যাবাচক শব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ দিয়ে তৈরি জোড়া শব্দ দেখলে সেটিকে সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাসের তালিকায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংখ্যাবাচক বা বিপরীতার্থক শব্দ দিয়ে দ্বন্দ্ব সমাস চিহ্নিত করতে বলা হয়। খাসজমি বা ত্রিফলার মতো শব্দগুলো দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে সমাসের মূল প্রকারভেদ ও ব্যাসবাক্য ভালোভাবে চর্চা করবে।
a বি + আর্থ
b ব্য + অর্থ
c বি + অর্থ
d ব্য + আর্থ
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বি + অর্থ ১. কেন সঠিক: - ব্যর্থ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে বি যোগ অর্থ পাওয়া যায়। এটি যব-ফলাযুক্ত সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - এখানে প্রথম পদের শেষে ই-কার এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে অ থাকায় উভয় মিলে ব-ফলা এবং য-ফলা তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ই-কার বা ঈ-কার কিংবা উ-কার বা ঊ-কার কিংবা ঋ-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ-এর জায়গায় য এবং উ বা ঊ-এর জায়গায় ব হয়। একে ই-কার বা উ-কারের পর স্বরসন্ধি বলা হয়। - বি যোগ অর্থ সমান ব্যর্থ শব্দটিতে ই-কার স্বরবর্ণ অ-এর সাথে যুক্ত হয়ে ব-ফলার রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি যোগ অপি সমান যদ্যপি। ব্যাখ্যা: প্রথম পদের ই-কার এবং দ্বিতীয় পদের অ মিলে য-ফলা তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: সু যোগ আগত সমান স্বাগত। ব্যাখ্যা: প্রথম পদের উ-কার এবং দ্বিতীয় পদের আ মিলে ব-ফলা তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বি + আর্থ — আর্থ শব্দটি সন্ধির নিয়মে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। B) ব্য + অর্থ — ব্য কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ভুল। C) বি + অর্থ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর মাধ্যমে সঠিক অর্থপূর্ণ শব্দ গঠিত হয়। D) ব্য + আর্থ — ব্য ভুল অংশ এবং আর্থ সঠিক শব্দ না হওয়ায় এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ-ফলা বা ব-ফলা যুক্ত শব্দের সন্ধি করার সময় প্রথম অংশে ই-কার বা উ-কার যুক্ত উপসর্গ ব্যবহার করতে হয়। - ব্যর্থ শব্দের ক্ষেত্রে বি উপসর্গ এবং অর্থ শব্দ মিলে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ জাতীয় ই-কারান্ত উপসর্গের সন্ধি প্রায়ই আসে। - প্রতি যোগ এক সমান প্রত্যেক এই নিয়মের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

মোট প্রশ্ন (4)

a but
b without
c only
d that
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) but কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর অর্থ হলো ব্যতীত বা ছাড়া। বাক্যটিতে করিম ছাড়া আর কেউ রাস্তাটি জানত না এমন অর্থ প্রকাশ করতে but উপযুক্ত। Negative বা না বোধক শব্দের পরে except বা exclusion বোঝাতে but বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) but — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) without — এটি সাধারণত কাজের ধরন বা অবস্থা বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে এক্সেপশন বোঝাতে but বেশি স্বাভাবিক। C) only — এটি অ্যাডভার্ব এবং শূন্যস্থানে বর্বলে বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন সঠিক হয় না। D) that — এটি কনজাংকেশন বা প্রোনাউন এবং এই শূন্যস্থানে এর কোনো অর্থপূর্ণ ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: Nobody বা None এর পরে ব্যাতিক্রম বোঝাতে except এর পরিবর্তে but ব্যবহার করা যায়।
a are
b were
c is
d be
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is কেন সঠিক: Neither শব্দটির অর্থ দুইয়ের মধ্যে একজনও নয় যা সর্বদা একক বা singular হিসেবে গণ্য হয়। তাই এরপরে verb ও singular হবে এবং অপশনগুলোর মধ্যে শুধু is ই singular form। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না। B) were — এটি past tense এর plural verb যা এখানে নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) is — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) be — এটি base form বা infinitive হওয়ায় শূন্যস্থানে সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: Neither এবং Either থাকলে সবসময় singular verb ব্যবহার করতে হয়।
a Modern
b Outdated
c Useful
d Gentle
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Outdated কেন সঠিক: Obsolete শব্দের বাংলা অর্থ হলো অপ্রচলিত বা যা এখন আর ব্যবহৃত হয় না। Outdated শব্দের অর্থও পুরোনো বা সময়ের সাথে যা অচল হয়ে গেছে। তাই অর্থের দিক থেকে দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Modern — এর অর্থ আধুনিক বা বর্তমান সময়ের সাথে মানানসই। B) Outdated — এটি সঠিক উত্তর। C) Useful — এর অর্থ দরকারী বা যা কোনো কাজে লাগে। D) Gentle — এর অর্থ ভদ্র বা নম্র স্বভাবের। মনে রাখার টিপস: Obsolete মানে যা ওল্ড বা পুরোনো হয়ে গেছে, তাই এর সমার্থক শব্দ হলো Outdated।
a She asked me if I liked music.
b She asked did I liked music.
c She asked whether do I like music.
d She asked I liked music.
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She asked me if I liked music. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স হওয়ায় রিপোর্টিং ভারบ ‘said’ এর পরিবর্তে ‘asked’ বসেছে এবং ইনভার্টেড কমা উঠে গিয়ে कंजंक्शन হিসেবে ‘if’ ব্যবহৃত হয়েছে। রিপোর্টেড স্পিচটির প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়েছে এবং বাক্যের স্ট্রक्चरটি অ্যাসারভেটিভ বাক্যের রূপ নিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। B) B) অপশন — এখানে ‘if’ বা ‘whether’ ব্যবহার করা হয়নি এবং ভার্বের সঠিক পাস্ট ফর্ম নেই। C) C) অপশন — এখানে রিপোর্টেড স্পিচে অতিরিক্ত ‘do’ ব্যবহার করা হয়েছে যা ইনডাইরেক্ট স্পিচে হয় না। D) D) অপশন — এখানে ক্লজ দুটি যুক্ত করার জন্য কোনো ‘if’ বা ‘whether’ ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনের ক্ষেত্রে প্রশ্নবোধক বাক্যকে ইনডাইরেক্ট করার সময় ‘asked’ বসাতে হয় এবং প্রশ্নবাচক বাক্যটিকে সাধারণ বাক্যে রূপান্তর করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (6)

a 0
b 1
c sqrt(3)
d 1/sqrt(3)
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক কোণ = ৪৫° আমাদের নির্ণয় করতে হবে tan ৪৫° এর মান ধরি, একটি সমকোণী ত্রিভুজ যার একটি কোণ ৪৫° অপর সূক্ষ্মকোণটিও হবে ৪৫° ফলে ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ অতএব, লম্ব এবং ভূমি পরস্পর সমান অর্থাৎ লম্ব = ভূমি সুতরাং, tan ৪৫° = লম্ব ÷ ভূমি tan ৪৫° = ১ ÷ ১ উত্তর: ১
a 0
b 1
c sin 2(theta)
d cos 2(theta)
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতির একটি মৌলিক সূত্র আমাদের জানতে হবে। এখানে কোণ হলো থিটা। ধরি, সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = a ভূমি = b অতিভুজ = c অতএব, সাইন থিটা = লম্ব ÷ অতিভুজ = a ÷ c কস থিটা = ভূমি ÷ অতিভুজ = b ÷ c সুতরাং, সাইন স্কয়ার থিটা + কস স্কয়ার থিটা = (a ÷ c) এর বর্গ + (b ÷ c) এর বর্গ = (a স্কয়ার + b স্কয়ার) ÷ (c স্কয়ার) = c স্কয়ার ÷ c স্কয়ার = ১ উত্তর: ১
a 1
b -1
c 0
d i^3
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −১ প্রদত্ত তথ্য: জটিল সংখ্যার মৌলিক একক হলো i যা কাল্পনিক সংখ্যা হিসেবে পরিচিত ধরি, i হলো এমন একটি সংখ্যা যার বর্গ করলে ঋণাত্মক মান পাওয়া যায় অতএব, i এর সংজ্ঞা অনুযায়ী i এর মান হলো বর্গমূলের ভেতর মাইনাস এক সুতরাং, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই i এর স্কয়ার সমান মাইনাস এক উত্তর: −১
a 5
b 7
c 9
d 11
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ৩x২ − ৪x + ১ এখানে চলক x এর মান ২ ধরি, রাশিটির প্রথম অংশ = ৩ গুণ (২ এর বর্গ) রাশিটির দ্বিতীয় অংশ = ৪ গুণ ২ রাশিটির তৃতীয় অংশ = ১ অতএব, প্রথম অংশের হিসাব = ৩ গুণ ৪ = ১২ দ্বিতীয় অংশের হিসাব = ৪ গুণ ২ = ৮ তৃতীয় অংশের হিসাব = ১ সুতরাং, চূড়ান্ত হিসাব = ১২ − ৮ + ১ = ৫ উত্তর: ৫
a 37.7
b 75.4
c 113.1
d 59.21
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৭.৭ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ (r) = ১২ ÷ ২ = ৬ সেন্টিমিটার পাই (π) এর মান = ৩.১৪১৬ অতএব, বৃত্তের পরিধি বা পরিসীমা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই গুণ পাই গুণ ব্যাসার্ধ সুতরাং, পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ৬ = ৩৭.৬৯৯২ সেন্টিমিটার উত্তর: ৩৭.৭ সেন্টিমিটার
a sqrt{76
b sqrt{88
c 36
d 72
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু ও সমকোণী অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, ত্রিভুজের সমান বাহু দুটির প্রতিটি ক সেন্টিমিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লেখা যায় ক বর্গ + ক বর্গ = অতিভুজ বর্গ ক বর্গ + ক বর্গ = ১২ এর বর্গ দুই গুণ ক বর্গ = ১৪৪ সুতরাং, ক বর্গ = ১৪৪ ÷ ২ ক বর্গ = ৭২ উত্তর: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১ ÷ ২ গুণ ভূমি গুণ উচ্চতা = ১ ÷ ২ গুণ ক গুণ ক = ১ ÷ ২ গুণ ক বর্গ = ১ ÷ ২ গুণ ৭২ = ৩৬ বর্গ সেন্টিমিটার

মোট প্রশ্ন (10)

a রাঙামাটি
b চট্টগ্রাম
c কক্সবাজার
d সিলেট
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙামাটি কেন সঠিক: - রাঙামাটি জেলার আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার, যা বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম। - পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে এর আয়তন অন্য জেলাগুলোর তুলনায় সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ আয়তনের দিক থেকে এটি দেশের সবচেয়ে বড় জেলা। B) চট্টগ্রাম — এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা হলেও আয়তনে রাঙামাটির চেয়ে ছোট। C) কক্সবাজার — এটি পর্যটন নগরী ও একটি বড় জেলা হলেও রাঙামাটির চেয়ে এর আয়তন কম। D) সিলেট — এটি প্রধান বিভাগীয় শহরগুলোর একটি হলেও আয়তনে রাঙামাটির চেয়ে ছোট। মনে রাখার টিপস: আয়তনের দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় জেলা মনে রাখতে রাঙামাটি নামটির সাথে পাহাড় বা বৃহত্তম শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারো।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কেন সঠিক: - ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান ভাষাবিজ্ঞানী যিনি প্রমিত বাংলা অভিধান সম্পাদনা ও রচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। - তার সম্পাদনায় আঞ্চলিক ভাষার শব্দসহ বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার নিয়ে প্রামাণ্য অভিধান প্রণীত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও কোনো অভিধান রচনা করেননি। B) ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা অভিধানের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি যিনি কবিতা ও গান রচনার জন্য বিখ্যাত। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং সাহিত্য নোবেলজয়ী লেখক যিনি কবিতা, গান ও ছোটগল্পের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ভাষা ও অভিধান নিয়ে যার নাম সবার আগে মনে আসে, তিনিই ভাষাবিজ্ঞানী ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
a ঈঁশা খাঁ
b আজম শাহ
c ইসলাম খাঁ
d ওসমান খাঁ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইসলাম খাঁ কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে সুবাদার ইসলাম খাঁ ১৬১০ সালে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী ঘোষণা করেন এবং এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। - তার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সুদৃঢ় অবস্থানের কারণে মূলত আধুনিক ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈঁশা খাঁ — তিনি বারো ভূঁইয়ার প্রধান ছিলেন এবং সোনারগাঁওকে কেন্দ্র করে বাকলা ও ভাটি অঞ্চলে শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। B) আজম শাহ — তিনি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পৌত্র ছিলেন এবং তার নামানুসারে লালবাগ দুর্গের ভেতরে অবস্থিত ঐতিহাসিক কেল্লার মসজিদের সাথে আজম শাহের নাম যুক্ত আছে, তবে তিনি ঢাকা শহর প্রতিষ্ঠা করেননি। C) ইসলাম খাঁ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। D) ওসমান খাঁ — তিনি মুঘল আমলের একজন বিদ্রোহী আফগান প্রধান ছিলেন যিনি বাংলার সুবাদার ইসলাম খাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পরাজিত হন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা শহর মুঘল আমলে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সুবাদার ছিলেন ইসলাম খাঁ।
a 1971
b 1972
c 1973
d 1974
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এর ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ — ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করে এবং স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, কিন্তু জাতিসংঘে যোগ দেয়নি। B) ১৯৭২ — ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন করে এবং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পায়, কিন্তু পূর্ণ সদস্য হয় ১৯৭৪ সালে। C) ১৯৭৩ — ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ লাভ করতে পারেনি পাকিস্তানের বিরোধিতার কারণে। D) ১৯৭৪ — ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়, এই সালটি মনে রাখতে তিন যোগ করার নিয়ম মনে রাখুন।
a শাহজালাল
b পোস্তগোলা
c তেজগাঁও
d শাহ আমানত
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তেজগাঁও কেন সঠিক: - তেজগাঁও বিমানবন্দরটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয় এবং এটিই বাংলাদেশের প্রথম বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত। - এটি মূলত দেশের প্রথম অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর যা ঢাকা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহজালাল — এটি বাংলাদেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি প্রথম নয়। B) পোস্তগোলা — এটি কোনো বিমানবন্দর নয়, ঢাকা শহরের একটি পরিচিত এলাকা। D) শাহ আমানত — এটি চট্টগ্রামের একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা প্রথম বিমানবন্দর নয়। মনে রাখার টিপস: তেজ দিয়ে শুরু হয় তেজগাঁও, আর এটিই আমাদের দেশের প্রথম বিমানবন্দর।
a ভিয়েনা
b জেনেভা
c প্যারিস
d নিউইয়র্ক
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এর প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে স্থাপন করা হয়। - ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত এই স্থায়ী সদর দপ্তরটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের পারমাণবিক শক্তি কমিশনসহ বেশ কিছু বিশেষায়িত সংস্থার দপ্তর রয়েছে, মূল সদর দপ্তর নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার কার্যালয় এখানে অবস্থিত। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘের মূল ও প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্ষমতার কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্র, তাই জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
a মোহাম্মদ উল্লাহ
b হামিদুর রহমান
c ফজলুর রহমান খান
d এনামুল কবির
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান। - ১৯৫৭ সালে তার করা নকশার ওপর ভিত্তি করে শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ উল্লাহ — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, তবে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্য ব্যক্তিত্ব। B) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ফজলুর রহমান খান — তিনি একজন প্রখ্যাত স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন, শহীদ মিনারের স্থপতি নন। ডি) এনামুল কবির — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি বা নকশাকার নন। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের 'হ' দিয়ে হামিদুর রহমান মনে রাখতে পারেন।
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১০ এপ্রিল ১৯৭১
d ২৫ মার্চ ১৯৭১
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে। - এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঘোষণাকে আইনগত ভিত্তি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ, স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানের তারিখ নয়। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ঘোষণার দিন, কিন্তু গণপ্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও প্রজ্ঞাপন জারির দিন নয়। C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি কেন ভুল নয় তা উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এটি অপারেশন সার্চলাইট ও বাঙালির ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর আক্রমণের শুরুর দিন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ, আর গণপ্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও সরকার গঠন ১০ এপ্রিল।
a বিতরণ কোম্পানী
b জেনারেশন কোম্পানী
c ট্রান্সমিশন কোম্পানী
d সবগুলো
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিতরণ কোম্পানী কেন সঠিক: - ডব্লিউজেডপিডিসিএল (WZPDCL) মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বা বিতরণ করার কাজে নিয়োজিত একটি সরকারি কোম্পানি। - এটি বিদ্যুৎ উৎপাদন বা সঞ্চালন না করে সরাসরি গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিতরণ কোম্পানী — এটি সঠিক কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের মাঝে বিদ্যুৎ বিতরণ করে থাকে। B) জেনারেশন কোম্পানী — এটি ভুল কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না, বিদ্যুৎ উৎপাদনের দায়িত্বে রয়েছে অন্য কোম্পানি যেমন পিজিসিএল বা আরপিসিএল। C) ট্রান্সমিশন কোম্পানী — এটি ভুল কারণ জাতীয় গ্রিডে উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্ব এই কোম্পানির নয়, এই কাজটি করে পিজিসিবি (PGCB)। D) সবগুলো — এটি ভুল কারণ কোম্পানিটি শুধুমাত্র বিতরণ কাজের সঙ্গে যুক্ত, অন্য কাজগুলোর সঙ্গে নয়। মনে রাখার টিপস: কোম্পানির নামের শেষের অংশ 'ডিসট্রিবিউশন' (Distribution) শব্দ থেকে মনে রাখতে হবে এটি একটি বিতরণ কোম্পানি।
a 2000
b 2002
c 2005
d 2008
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০২ কেন সঠিক: - ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড সংক্ষেপে ডব্লিউজেডপিডিসিএল প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালের ২৯ নভেম্বর। - খুলনা ও বররশাল বিভাগে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্ব পালনের জন্য কোম্পানিটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০০ — এই সালে ডব্লিউজেডপিডিসিএল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ২০০২ — এটি সঠিক সাল, কারণ এই সালেই প্রতিষ্ঠানটি আত্মপ্রকাশ করে। C) ২০০৫ — এটি ভুল সাল, এই সালের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নেই। D) ২০০৮ — এই সালটিও ভুল, কারণ প্রতিষ্ঠানটি এর আগেই গঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: দুই হাজার দুই সাল হলো ডব্লিউজেডপিডিসিএল প্রতিষ্ঠার সাল।

মোট প্রশ্ন (14)

a বাড়বে
b কমবে
c পরিবর্তন হবে না
d শূন্য হবে
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমবে ১. কেন সঠিক: তাপমাত্রা বাড়ালে অর্ধপরিবাহীর রোধ কমে যায় কারণ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে এদের পরিবাহিতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এর ফলে অর্ধপরিবাহীর ভেতর মুক্ত ইলেকট্রন ও হোলের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ সহজ করে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অর্ধপরিবাহী হলো এমন পদার্থ যাদের বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা পরিবাহী ও কুপরিবাহীর মাঝামাঝি হয়ে থাকে। কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা বাড়ালে অর্ধপরিবাহীর সমযোজী বন্ধন ভেঙে যায় এবং প্রচুর সংখ্যক ইলেকট্রন-হোল যুগল সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিলিকন বা জার্মানিয়ামের তৈরি ট্রানজিস্টর বা ডায়োড। ব্যাখ্যা: এগুলো ঠাণ্ডা অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবাহিতা কম দেখালেও উত্তপ্ত হলে খুব সহজেই বিদ্যুৎ পরিচালনা করতে পারে। উদাহরণ ২: গ্রীষ্মকালে বা কম্পিউটারের প্রসেসর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে অর্ধপরিবাহী উপাদানের ভেতরের রোধ কমে যায়। ব্যাখ্যা: এর ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের ঝুঁকি তৈরি হয় এবং কুলিং ফ্যান ব্যবহার করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাড়বে — তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবাহীর (যেমন তামা বা লোহা) রোধ বাড়ে, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে এটি উল্টো হয়। B) কমবে — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়লে এর রোধ হ্রাস পায়। C) পরিবর্তন হবে না — তাপমাত্রা পরিবর্তন করলে সব পদার্থেরই বৈদ্যুতিক ধর্মের পরিবর্তন ঘটে, তাই অপরিবর্তিত থাকার সুযোগ নেই। D) শূন্য হবে — অতিপরিবাহী পদার্থ নির্দিষ্ট ক্রান্তিক তাপমাত্রায় পৌঁছালে রোধ শূন্য হয়, সাধারণ অর্ধপরিবাহীর রোধ কখনো শূন্য হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে তাপ বাড়লে রোধ কমে যায়, এই কথাটি মনে রাখতে পরিবাহী ও অর্ধপরিবাহীর বিপরীত সম্পর্কটি মাথায় রাখবে। পরিবাহীতে তাপ বাড়লে রোধ বাড়ে আর অর্ধপরিবাহীতে তাপ বাড়লে রোধ কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহীর রোধের সাথে তাপমাত্রার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা সহগ ঋণাত্মক, যার অর্থ তাপমাত্রা বাড়লে রোধ কমে।
a বাষ্পীয় ইঞ্জিন
b পেট্রোল ইঞ্জিন
c রেফ্রিজারেটর
d তাপ ইঞ্জিন
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তাপ ইঞ্জিন ১. কেন সঠিক: তাপ ইঞ্জিন হলো এমন একটি তাপীয় যন্ত্র যা তাপশক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এটি মূলত তাপীয় শক্তিকে গতি বা কাজের রূপ দেয়, যা বিভিন্ন যানবাহনে গতিশীল শক্তি সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী তাপ ইঞ্জিন কাজ করে, যা উচ্চ তাপমাত্রার উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে আংশিক কাজ সম্পাদন করে। কার্যপ্রণালি: জ্বালানি পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয় এবং সেই তাপকে প্রসারণের মাধ্যমে যান্ত্রিক গতিতে পরিবর্তন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টিম লোকোমোটিভ ট্রেন। ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্পের চাপে ট্রেন চালানো হয়, যা তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: আধুনিক গাড়ির ইঞ্জিন। ব্যাখ্যা: সিলিন্ডারের ভেতরে জ্বালানি পুড়িয়ে প্রাপ্ত তাপের মাধ্যমে পিস্টন সচল করা হয় এবং গাড়ি সামনের দিকে এগিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাষ্পীয় ইঞ্জিন — এটি তাপ ইঞ্জিনের একটি বিশেষ রূপ বা পূর্বসূরি মাত্র, যা শুধুমাত্র বাষ্পের তাপ ব্যবহার করে। B) পেট্রোল ইঞ্জিন — এটিও এক ধরনের তাপ ইঞ্জিন, যা মূলত পেট্রোল জ্বালানি পুড়িয়ে যান্ত্রিক শক্তি উৎপন্ন করে। C) রেফ্রিজারেটর — এটি তাপ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি যান্ত্রিক শক্তি বা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ভেতর থেকে তাপ বাইরে বের করে দেয়। D) তাপ ইঞ্জিন — এটি সামগ্রিক ও সঠিক শ্রেণী যা যেকোনো ধরনের তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: তাপ ইঞ্জিন মানেই তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরকারী সার্বিক যন্ত্র। সব পেট্রোল বা বাষ্পীয় ইঞ্জিনই তাপ ইঞ্জিনের অন্তর্ভুক্ত, তাই মূল উৎস হলো তাপ ইঞ্জিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তাপ ইঞ্জিন তাপগতিবিদ্যার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র মেনে চলে। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন যন্ত্র তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, যার উত্তর সর্বদা তাপ ইঞ্জিন হবে।
a ১ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১০ জুল
b ২ সেকেন্ডে কৃত কাজ ৫ জুল
c ৫ সেকেন্ডে কৃত কাজ ২ জুল
d ১০ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১ জুল
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১০ জুল ১. কেন সঠিক: - ক্ষমতা হলো কাজ করার হার, অর্থাৎ প্রতি একক সময়ে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে ক্ষমতা বলে। - ১০ ওয়াট ক্ষমতার অর্থ হলো যন্ত্রটি প্রতি ১ সেকেন্ডে ১০ জুল পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: একক সময়ে কাজের পরিমাণ হলো ক্ষমতা এবং ক্ষমতার একক হলো ওয়াট। - সূত্র/তত্ত্ব: ক্ষমতা P সমান কাজ W ভাগ সময় t, যেখানে P হলো ক্ষমতা, W হলো কাজ এবং t হলো সময়। - কার্যপ্রণালি: ওয়াট এককে ক্ষমতা পরিমাপের সময় ১ জুল কাজ ১ সেকেন্ড সময়ে সম্পন্ন হলে তাকে ১ ওয়াট বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক বাল্ব বা মোটরের গায়ে লেখা ক্ষমতার মান থেকে বোঝা যায় প্রতি সেকেন্ডে কতটুকু শক্তি খরচ বা কাজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি ১০ ওয়াটের এলইডি বাল্ব জ্বালালে সেটি প্রতি সেকেন্ডে ১০ জুল বৈদ্যুতিক শক্তি আলো ও তাপে রূপান্তর করে। ব্যাখ্যা: এটি ক্ষমতার সংজ্ঞা এবং শক্তির নিত্যতার সূত্রকে সরাসরি সমর্থন করে। উদাহরণ ২: কোনো যন্ত্রের ক্ষমতা ১০ ওয়াট হওয়ার অর্থ হলো এটি ১০ সেকেন্ডে মোট ১০০ জুল কাজ সম্পন্ন করবে। ব্যাখ্যা: কাজের পরিমাণ বের করার জন্য ক্ষমতাকে সময় দিয়ে গুণ করতে হয়, যা ১০ গুণ ১০ সমান ১০০ জুল হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১০ জুল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্ষমতার একক ওয়াট এবং জুল প্রতি সেকেন্ড হলো ক্ষমতার একক। B) ২ সেকেন্ডে কৃত কাজ ৫ জুল — এই অপশনে ৫ জুল কাজকে ২ সেকেন্ড দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা হয় ২.৫ ওয়াট, যা ১০ ওয়াট নয়। C) ৫ সেকেন্ডে কৃত কাজ ২ জুল — এই অপশনে ২ জুল কাজকে ৫ সেকেন্ড দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা হয় শূন্য দশমিক ৪ ওয়াট, যা ১০ ওয়াট নয়। D) ১০ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১ জুল — এই অপশনে ১ জুল কাজকে ১০ সেকেন্ড দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা হয় শূন্য দশমিক ১ ওয়াট, যা ১০ ওয়াট নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়াট মানেই জুল প্রতি সেকেন্ড, তাই যত ওয়াট ঠিক তত জুল কাজ প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন হয়। - ক্ষমতা সমান কাজ ভাগ সময় এই সূত্রটি মনে রাখলে যেকোনো মানের হিসাব সহজে করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষমতার একক এবং কাজের একক সংক্রান্ত গাণিতিক সমস্যা প্রায়ই আসে। - এক কিলোওয়াট সমান এক হাজার ওয়াট এবং এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বশক্তি সমান ৭৪৬ ওয়াট, এই মানগুলো মনে রাখা জরুরি।
a নিউট্রন নিঃসরণের জন্য
b নিউট্রন শোধন করার জন্য
c নিউট্রনের গতি স্থির রাখার জন্য
d নিউট্রন গতি হ্রাসের জন্য
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউট্রন শোধন করার জন্য ১. কেন সঠিক: - নিউক্লিয়ার চুল্লিতে ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহারের মূল কাজ হলো ফিশন বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করা। - অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণের মাধ্যমে চেইন বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় যাতে চুল্লি বিস্ফোরণ না ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম পরমাণুর বিভাজনের সময় প্রচুর শক্তি ও দ্রুত গতির নিউট্রন নির্গত হয়। - কার্যপ্রণালি: ক্যাডমিয়াম নিউট্রনকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে শোষণ করতে পারে, তাই একে কন্ট্রোল রড বা নিয়ন্ত্রণ দণ্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। - কারণ ও ফলাফল: ক্যাডমিয়াম দণ্ড ভেতরে প্রবেশ করালে নিউট্রন সংখ্যা কমে যায় এবং বিক্রিয়ার গতি মন্থর হয়, যা চুল্লির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। - ব্যাখ্যা: এখানে ক্যাডমিয়াম দণ্ড উপরে নিচে নামিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের হার নিয়ন্ত্রণ করা হয়। - উদাহরণ ২: পারমাণবিক সাবমেরিন চালনা। - ব্যাখ্যা: এই সাবমেরিনের ইঞ্জিনে শক্তির উৎপাদন নিরাপদ রাখতে ক্যাডমিয়াম দণ্ডের নিখুঁত ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নিউট্রন নিঃসরণের জন্য — নিউট্রন নিঃসরণ করে তেজস্ক্রিয় জ্বালানি যেমন ইউরেনিয়াম, ক্যাডমিয়াম নয়। - B) নিউট্রন শোধন করার জন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্যাডমিয়াম অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে চুল্লির পরিবেশ নিরাপদ রাখে। - C) নিউট্রনের গতি স্থির রাখার জন্য — নিউট্রনের গতি স্থির বা মন্থর করার জন্য মডারেটর হিসেবে গ্রাফাইট বা ভারী পানি ব্যবহার করা হয়, ক্যাডমিয়াম নয়। - D) নিউট্রন গতি হ্রাসের জন্য — নিউট্রনের গতি বা বেগ কমানোর কাজটি করে মডারেটর, আর ক্যাডমিয়াম করে নিউট্রন শোষণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্যাডমিয়াম শব্দটির সাথে শোধন বা শোষণ কথাটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - পারমাণবিক চুল্লির মডারেটর এবং কন্ট্রোল রডের কাজ কখনো এক করবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নিউক্লিয়ার চুল্লির বিভিন্ন উপাদানের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মডারেটর হিসেবে ভারী পানি এবং কন্ট্রোল রড হিসেবে ক্যাডমিয়াম বা বোরন ব্যবহারের তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a জুল
b নিউটন
c ওয়াট
d প্যাসকেল
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউটন ১. কেন সঠিক: বলের এস আই বা আন্তর্জাতিক একক হলো নিউটন। বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের নামানুসারে বলের এই একক নির্ধারণ করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যা স্থির বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা গতিশীল বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে বাধ্য করে, তাকে বল বলে। সূত্র: নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে বলের পরিমাণ হলো ভর ও ত্বরণের গুণফল। অর্থাৎ বল সমান ভর গুণ ত্বরণ। একক বিশ্লেষণ: ভরের একক কিলোগ্রাম এবং ত্বরণের একক মিটার প্রতি বর্গ সেকেন্ড। সুতরাং এক নিউটন হলো সেই পরিমাণ বল যা এক কিলোগ্রাম ভরের কোনো বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে এক মিটার প্রতি বর্গ সেকেন্ড ত্বরণ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেবিলের ওপর রাখা একটি স্থির বইকে হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে ফেলা। ব্যাখ্যা: এখানে প্রয়োগ করা ধাক্কাটি হলো বল, যা বইটির অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে। উদাহরণ ২: চলন্ত সাইকেলের ব্রেক কষে গতি কমিয়ে আনা। ব্যাখ্যা: ব্রেকের মাধ্যমে চাকায় যে বল প্রয়োগ করা হয়, তা সাইকেলের গতি কমিয়ে থামিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুল — এটি কাজ বা শক্তির একক। কোনো বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে বলের দিকে তার সরণ ঘটালে যে কাজের পরিমাণ হয়, তার পরিমাপ হলো জুল। B) নিউটন — এটি সঠিক উত্তর। এটি বলের আন্তর্জাতিক একক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) ওয়াট — এটি ক্ষমতা বা শক্তি ব্যয়ের হারের একক। প্রতি সেকেন্ডে এক জুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক ওয়াট বলা হয়। D) প্যাসকেল — এটি চাপ বা প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রযুক্ত বলের একক। কোনো তলের প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলের পরিমাণ হলো চাপ। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজ্ঞানী নিউটনের নামানুসারে বলের একক নিউটন মনে রাখা সহজ। বল প্রয়োগে বস্তু নড়ে ওঠে, আর বিজ্ঞানী নিউটনের আপেল পড়ার ঘটনা দিয়ে বলের সূত্র এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজের একক জুল এবং ক্ষমতার একক ওয়াট প্রায়ই উলালপাল্টা করে প্রশ্ন আসে। এককগুলোর সঠিক পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
a 3 times 10^5 m/s
b 3 times 10^6 m/s
c 3 times 10^8 m/s
d 3 times 10^{10} m/s
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 3 × 10^8 m/s ১. কেন সঠিক: আলো শূন্য মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার বা ৩ কোটি মিটার পথ অতিক্রম করে। এটি প্রকৃতির সর্বোচ্চ গতিসীমা যা আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্বে নির্ধারিত হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলো হলো এক প্রকার তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ যা চলার জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। শূন্য মাধ্যমে এর গতি সর্বদা ধ্রুবক থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য থেকে আলো পৃথিবীতে আসতে প্রায় আট মিনিট বিশ সেকেন্ড সময় লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশে বিজলির চমক দেখার কিছুক্ষণ পরে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়। ব্যাখ্যা: আলোর বেগ শব্দের বেগের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় আলো আগে আমাদের চোখে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে নক্ষত্র থেকে আসা আলো বহু বছর আগের তৈরি। ব্যাখ্যা: আলোর অসীম গতির কারণে দূরবর্তী নক্ষত্রের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 3 × 10^5 m/s — এটি আলোর বেগের সঠিক মান নয় কারণ এখানে মাত্রা এক হাজার গুণ কম। B) 3 × 10^6 m/s — এই মানটি আলোর প্রকৃত বেগের তুলনায় অনেক কম এবং এটি অবাস্তব। C) 3 × 10^8 m/s — এটি শূন্য মাধ্যমে আলোর সঠিক বেগ যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। D) 3 × 10^10 m/s — এই মানটি আলোর প্রকৃত বেগের চেয়ে দশ গুণ বেশি যা অসম্ভব। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগের সূচক মনে রাখতে ৩ এর পরে আটটি শূন্য বা ১০ এর পাওয়ার ৮ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আলোর বেগ সবচেয়ে বেশি শূন্য মাধ্যমে এবং সবচেয়ে কম কঠিন মাধ্যমে। কাঁচ বা পানিতে আলোর বেগ ভিন্ন হয়।
a কুলম্ব
b ভোল্ট
c ওয়াট
d ওহম
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভোল্ট ১. কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক বিভবের আন্তর্জাতিক একক হলো ভোল্ট। একক আধানকে অসীম দূরত্ব থেকে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয়, তাকে ওই বিন্দুর বৈদ্যুতিক বিভব বলে। - ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী আল্লেসান্দ্রো ভোল্টার নামানুਸारे এই এককটির নাম রাখা হয়েছে ভোল্ট। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক বিভব হলো এমন একটি ভৌত রাশি যা নির্ধারণ করে কোন দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে। উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে ধনাত্মক আধান প্রবাহিত হয়। - সূত্র: বিভব V = W ÷ Q, যেখানে W হলো কৃতকাজ এবং Q হলো আধান। কাজের একক জুল এবং আধানের একক কুলম্ব হলে বিভবের একক জুল প্রতি কুলম্ব বা ভোল্ট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সাধারণ ১.৫ ভোল্টের টর্চলাইটের ব্যাটারি। ব্যাখ্যা: এই ব্যাটারিটি ব্যবহার করলে প্রতি কুলম্ব আধান ১.৫ জুল শক্তি সরবরাহ করতে পারে। উদাহরণ ২: গৃহস্থালীর বিদ্যুৎ সংযোগ সাধারণত ২২০ ভোল্টের হয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: এর অর্থ হলো আমাদের ঘরের লাইনে প্রতিটি কুলম্ব আধানের জন্য ২২০ জুল শক্তি সরবরাহ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলম্ব — এটি বৈদ্যুতিক আধানের আন্তর্জাতিক একক। বিভবের একক নয়। B) ভোল্ট — এটি বৈদ্যুতিক বিভব বা বিভব পার্থক্যের সঠিক আন্তর্জাতিক একক। C) ওয়াট — এটি বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা শক্তির হারের একক। বিভবের একক নয়। D) ওহম — এটি বৈদ্যুতিক রোধের আন্তর্জাতিক একক। বিভবের একক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভোল্টেজ বা বিভব মাপার যন্ত্রের নাম ভোল্টমিটার এবং এর এককও ভোল্ট। - কাজের একক জুল এবং আধানের একক কুলম্ব হওয়ায়, জুল প্রতি কুলম্বই হলো ভোল্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক রাশি এবং তাদের একক থেকে প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্ন থেকে রোধের একক ওহম এবং ক্ষমতার একক ওয়াট সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a ৭ এর উপরে
b ৭ এর নিচে
c 7
d 12
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ এর নিচে ১. কেন সঠিক: - এসিডের জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন বা প্রোটন মুক্ত করার ক্ষমতা থাকে এবং এর pH এর মান সর্বদা ৭ এর নিচে অবস্থান করে। - pH স্কেলে ৭ এর নিচের মান নির্দেশ করে কোনো পদার্থ অম্লীয় বা এসিডধর্মী প্রকৃতির। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: pH হলো কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লোগারিদম যা দ্রবণটি অম্লীয় নাকি ক্ষারীয় তা নির্ধারণ করে। - কার্যপ্রণালি: এসিড যখন পানিতে দ্রবীভূত হয় তখন তা বিজোজিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন তৈরি করে এবং দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের মাত্রা বাড়িয়ে pH কমিয়ে দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের পাকস্থলীতে থাকা হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাদ্য হজমে সহায়তা করে এবং এর pH এর মান ১.৫ থেকে ৩.৫ এর মধ্যে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেবুর রস বা কমলার রস ব্যাখ্যা: সাইট্রাস জাতীয় ফলে সাইট্রিক এসিড থাকে যার pH এর মান ৭ এর নিচে অর্থাৎ প্রায় ২ থেকে ৩ এর মধ্যে হয়। উদাহরণ ২: ভিনেগার বা অ্যাসিটিক এসিড ব্যাখ্যা: রান্নার কাজে ব্যবহৃত ভিনেগারের pH এর মানও ৭ এর নিচে থাকে যা এর অম্লীয় বৈশিষ্ট্য প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ এর উপরে — এটি ক্ষার বা ক্ষারকীয় পদার্থের pH এর মান নির্দেশ করে যা এসিডের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ৭ এর নিচে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এসিডের pH এর মান সর্বদা ৭ এর কম হয়। C) 7 — এটি নিরপেক্ষ পদার্থের pH এর মান নির্দেশ করে যেমন বিশুদ্ধ পানির pH হলো ঠিক ৭। D) 12 — এটি একটি শক্তিশালী ক্ষারীয় পদার্থের pH এর মান নির্দেশ করে যা এসিডের বিপরীত বৈশিষ্ট্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - pH স্কেলে ৭ হলো নিরপেক্ষ বিন্দু, যার নিচে এসিড এবং যার উপরে ক্ষার অবস্থান করে। - এসিড শব্দটির প্রথম অক্ষর এ এবং নিচে শব্দের প্রথম অক্ষর নি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো এসিড মানে নিচে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - pH এর পূর্ণরূপ হলো পটেনশিয়াল অফ হাইড্রোজেন বা হাইড্রোজেন আয়নের ক্ষমতা। - এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে নিরপেক্ষ পদার্থের pH এর মান কত যার উত্তর হবে ৭।
a সমযোজী
b আয়নিক
c ধাতব
d হাইড্রোজেন
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়নিক ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম ক্লোরাইড বা লবণের অণুতে সোডিয়াম ও ক্লোরিনের মধ্যে ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে আয়নিক বন্ধন গঠিত হয়। - ধাতু ও অধাতুর মধ্যে বিপরীত আধানের আকর্ষণ বলের ফলে এই শক্তিশালী রাসায়নিক বন্ধন তৈরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: একটি পরমাণু ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয় এবং অপর পরমাণু সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয়। - কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয় এবং ক্লোরিন পরমাণু সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হয়। - কারণ ও ফলাফল: উৎপন্ন বিপরীত আধানযুক্ত দুটি আয়ন স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল দ্বারা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিরপেক্ষ লবণ গঠন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা প্রতিদিন রান্নার কাজে যে সাধারণ লবণ ব্যবহার করি, তার রাসায়নিক গঠন এই আয়নিক বন্ধনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড বা ম্যাগনেশিয়াম ক্লোরাইড যৌগ। ব্যাখ্যা: এখানে ম্যাগনেশিয়াম ধাতু দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং অক্সিজেন বা ক্লোরিন তা গ্রহণ করে আয়নিক বন্ধন তৈরি করে। উদাহরণ ২: ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড বা খাবার সোডা। ব্যাখ্যা: এসব যৌগেও ধাতু ও অধাতুর ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে আয়নিক বন্ধন বা তড়িৎযোজী বন্ধন গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমযোজী — সমযোজী বন্ধন ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে গঠিত হয়, কিন্তু সোডিয়াম ক্লোরাইডে ইলেকট্রন আদান-প্রদান ঘটে। B) আয়নিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোডিয়াম ও ক্লোরিনের মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে এই বন্ধন তৈরি হয়। C) ধাতব — ধাতব বন্ধন কেবল ধাতুসমূহের পরমাণুর মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রন সাগরের মাধ্যমে গঠিত হয়, যা লবণে থাকে না। D) হাইড্রোজেন — হাইড্রোজেন বন্ধন সাধারণত অত্যন্ত তড়িৎ ঋণাত্মক মৌলের সঙ্গে যুক্ত হাইড্রোজেনের মধ্যে হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধাতু ও অধাতুর মিলনে তৈরি হয় আয়নিক বন্ধন, আর অধাতু ও অধাতুর মিলনে হয় সমযোজী বন্ধন। - সোডিয়াম হলো ধাতু এবং ক্লোরিন হলো অধাতু, তাই এদের বন্ধন সবসময় আয়নিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আয়নিক যৌগের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অনেক বেশি হয় এবং এরা পানিতে দ্রবণীয়। - গলিত বা জলীয় দ্রবণে আয়নিক যৌগ বিদ্যুৎ পরিবাহিতা প্রদর্শন করে।
a Na
b Fe
c Cu
d Ag
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Na ১. কেন সঠিক: সোডিয়াম একটি ক্ষারীয় ধাতু কারণ এটি পর্যায় সারণির প্রথম গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে শক্তিশালী ক্ষার তৈরি করে। এই ধাতুগুলো অত্যন্ত সক্রিয় এবং বাতাসের অক্সিজেনের সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে অক্সাইড গঠন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পর্যায় সারণির গ্রুপ ১-এর মৌলগুলোকে ক্ষারীয় ধাতু বলা হয় কারণ এরা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার উৎপন্ন করে। রাসায়নিক ধর্ম: সোডিয়াম পানির সাথে তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড নামক ক্ষার এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। বাস্তব প্রয়োগ: সোডিয়ামের এই উচ্চ সক্রিয়তার কারণে এটি গবেষণাগারে কেরোসিনের নিচে ডুবিয়ে রাখা হয় যাতে বাতাসে থাকা জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করতে না পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম ধাতুর টুকরা পানিতে ফেললে তীব্র শব্দের সাথে আগুন জ্বলে ওঠে এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে সোডিয়াম পানির সাথে মিশে ক্ষারীয় দ্রবণ তৈরি করে এবং তাপ উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: সোডিয়াম ক্লোরেন গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে সাধারণ লবণ তৈরি করে যা আমরা প্রতিদিন খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি। ব্যাখ্যা: এই বিক্রিয়াটি দেখায় কীভাবে একটি অত্যন্ত সক্রিয় ক্ষারীয় ধাতু বিষাক্ত গ্যাসের সাথে মিলে নিরাপদ যৌগ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Na — এটি সঠিক উত্তর কারণ সোডিয়াম হলো একটি সক্রিয় ক্ষারীয় ধাতু। B) Fe — লোহা একটি অবস্থান্তর ধাতু এবং এটি ক্ষারীয় ধাতু নয়, এটি ভবন নির্মাণ ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) Cu — তামা একটি মুদ্রা ধাতু এবং এটি পর্যায় সারণির ডি ব্লকের অন্তর্ভুক্ত, যা ক্ষারীয় ধাতু নয়। D) Ag — রূপা একটি মূল্যবান ধাতু এবং এটি পর্যায় সারণির একাদশ গ্রুপের অন্তর্গত, যা ক্ষারীয় ধাতু হিসেবে বিবেচিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রুপ এক এর মৌলগুলো মনে রাখার কৌশল হলো লিনাকে কাসেম রুবি সাজাল ফ্রান্সে, যেখানে লি মানে লিথিয়াম, না মানে সোডিয়াম, কা মানে পটাশিয়াম। সোডিয়ামের প্রতীক এনএ এসেছে এর ল্যাটিন নাম ন্যাট্রিয়াম থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্ষারীয় ধাতুগুলো পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে যা অনেক সময় বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ক্ষারীয় ধাতুগুলোর যোজনী এক এবং এরা সহজেই ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়।
a প্রশমন
b দহন
c সংযোজন
d প্রতিস্থাপন
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রশমন ১. কেন সঠিক: এন্টাসিড মূলত মৃদু ক্ষার জাতীয় পদার্থ যেমন ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড দিয়ে তৈরি। আমাদের পাকস্থলীতে অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হলে এন্টাসিড সেবন করা হয় এবং এসিড ও ক্ষার মিলে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো এসিড ও কোনো ক্ষার পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। কার্যপ্রণালি: পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিডের সাথে এন্টাসিডের ক্ষারীয় উপাদান যুক্ত হয়ে নিরপেক্ষ লবণ ও পানি তৈরি করে ফলে এসিডের মাত্রা কমে যায়। বাস্তব প্রয়োগ: বুকজ্বালা, অম্লত্ব বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নিরাময়ে এন্টাসিড ট্যাবলেট বা সিরাপ নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাকস্থলীতে এন্টাসিডের ভূমিকা ব্যাখ্যা: পাকস্থলীর অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: মৌমাছির কামড়ে এসিড ও ক্ষারের ব্যবহার ব্যাখ্যা: মৌমাছির কামড়ে এসিড থাকে এবং তার ওপর ক্ষার জাতীয় সাবান বা বেকিং সোডা লাগালে প্রশমন বিক্রিয়ার মাধ্যমে জ্বালা কমে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশমন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় এটি ঘটে। B) দহন — এটি সঠিক নয় কারণ দহন হলো কোনো পদার্থের সাথে অক্সিজেনের দ্রুত বিক্রিয়া যা তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। C) সংযোজন — এটি সঠিক নয় কারণ সংযোজন বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পদার্থ যুক্ত হয়ে একটিমাত্র নতুন পদার্থ উৎপন্ন করে। D) প্রতিস্থাপন — এটি সঠিক নয় কারণ প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ায় একটি মৌল অন্য কোনো যৌগ থেকে আরেকটি মৌলকে সরিয়ে নিজে সেই স্থান দখল করে। ৫ মনে রাখার টিপস: এসিড ও ক্ষার মিলে পেট শান্ত করে তাই এন্টাসিড হলো প্রশমন। পাকস্থলীর এসিড দূর করতে ক্ষার কাজ করে যা প্রশমন বিক্রিয়া নামে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রশমন বিক্রিয়ায় সবসময় লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে কোন বিক্রিয়া ঘটে তা জানতে চাওয়া হয়।
a গ্যালভানাইজিং
b ভলকানাইজিং
c ধাতু বিশোধন
d ইলেক্ট্রোপ্লেটিং
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলেক্ট্রোপ্লেটিং ১. কেন সঠিক: ইলেক্ট্রোপ্লেটিং হলো এমন একটি তড়িৎ রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি কম দামি বা মরিচা পড়া ধাতুর ওপর অন্য কোনো আকর্ষণীয় বা মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় যে ধাতুর ওপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ক্যাথোড এবং যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড হিসেবে ব্যবহার করে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের দ্রবণে ডুবিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তড়িৎ প্রবাহের মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ধাতু স্থানান্তরের প্রক্রিয়া হলো ইলেক্ট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎ লেপন। কার্যপ্রণালি: তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে ধাতব লবণ থাকে, যা বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে আয়নে বিভক্ত হয়ে অ্যানোড থেকে ধাতু ক্যাটাক্রে জমা হতে থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: লোহা বা তামার তৈরি বস্তুর ওপর সোনা, রূপা, নিকেল বা ক্রোমিয়ামের প্রলেপ দিয়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও জং ধরা থেকে রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইকেলের হ্যান্ডেল বা মোটরবাইকের মাডগার্ডে ক্রোমিয়ামের প্রলেপ দেওয়া। ব্যাখ্যা: লোহার তৈরি এসব যন্ত্রাংশে ক্রোমিয়ামের প্রলেপ দিলে বাতাসে থাকা অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সংস্পর্শে এসে লোহা নষ্ট হয় না এবং চকচকে থাকে। উদাহরণ ২: তামা বা পিতলের গহনার ওপর সোনার প্রলেপ দেওয়া। ব্যাখ্যা: এর ফলে কম খরচে মূল্যবান ধাতুর মতো দেখতে অলংকার তৈরি করা সম্ভব হয়, যা দেখতে সুন্দর ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যালভানাইজিং — লোহার ওপর দস্তা বা জিঙ্কের প্রলেপ দেওয়ার পদ্ধতি হলো গ্যালভানাইজিং, যা মূলত লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে ব্যবহৃত হয়। B) ভলকানাইজিং — কাঁচা রাবারের সাথে গন্ধক বা সালফার মিশিয়ে তাকে শক্ত ও তাপসহনীয় করার পদ্ধতিকে ভলকানাইজিং বলা হয়। C) ধাতু বিশোধন — খনি থেকে উত্তোলিত বা সংকর ধাতু থেকে অপদ্রব্য দূর করে বিশুদ্ধ ধাতু নিষ্কাশন করার প্রক্রিয়াকে ধাতু বিশোধন বলে। D) ইলেক্ট্রোপ্লেটিং — এটি তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর ওপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার সঠিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। ৫. মনে রাখার টিপস: প্লেট শব্দের অর্থ থালা বা প্রলেপ, তাই ধাতুর ওপর প্রলেপ দেওয়ার পদ্ধতিকে ইলেক্ট্রোপ্লেটিং বলা হয়। গ্যালভানাইজিং শব্দটি জিঙ্ক বা দস্তার প্রলেপ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, এটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি ধাতু নিষ্কাশন ও তড়িৎ রাসায়নিক প্রভাবে বারবার আসে। ইলেক্ট্রোপ্লেটিং এ যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হয় তাকে সবসময় অ্যানোড এবং যাকে প্রলেপ দিতে হবে তাকে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই তথ্যটি থেকেও বহুবার প্রশ্ন এসেছে।
a রাসায়নিক-তড়িৎ শক্তি
b তড়িৎ-রাসায়নিক শক্তি
c তাপ-রাসায়নিক শক্তি
d তড়িৎ-তাপশক্তি প্রতিস্থাপন
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাসায়নিক-তড়িৎ শক্তি ১. কেন সঠিক: গ্যালভানিক কোষে স্বতঃস্ফূর্ত রেডক্স বা জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তি সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এখানে কোষে জমাকৃত রাসায়নিক পদার্থ বিক্রিয়া করে ইলেকট্রন উৎপন্ন করে এবং বহিঃস্থ সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: গ্যালভানিক কোষ বা ভোল্টীয় কোষ এক ধরনের তড়িৎ রাসায়নিক কোষ যা রাসায়নিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। কার্যপ্রণালি: এই কোষে দুটি ভিন্ন ধাতব ইলেকট্রোড একটি উপযুক্ত ইলেক্ট্রোলাইট দ্রবণে রাখা হয় যেখানে জারণ ঘটে অ্যানোডে এবং বিজারণ ঘটে ক্যাথোডে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ ঘড়ি বা রিমোট কন্ট্রোলে ব্যবহৃত ড্রাই সেল বা শুষ্ক কোষ। ব্যাখ্যা: এটি এক ধরনের গ্যালভানিক কোষ যা রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে ডিভাইস সচল রাখে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে ব্যবহৃত লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহারের সময়। ব্যাখ্যা: ব্যাটারি যখন ডিসচার্জ হয় তখন এর ভেতরের রাসায়নিক বিক্রিয়া থেকে তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন হয়ে ফোন চালায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাসায়নিক-তড়িৎ শক্তি — এটি গ্যালভানিক কোষের সঠিক কার্যপদ্ধতি যা রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। B) তড়িৎ-রাসায়নিক শক্তি — এটি ইলেকট্রোলাইটিক কোষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে তড়িৎ শক্তি প্রয়োগ করে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটানো হয়। C) তাপ-রাসায়নিক শক্তি — এই ধরনের রূপান্তর সাধারণত তাপীয় রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ঘটে যা সাধারণ গ্যালভানিক কোষের মূল নীতি নয়। D) তড়িৎ-তাপশক্তি প্রতিস্থাপন — এটি মূলত জুলের তাপীয় সূত্র বা বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে তাপ উৎপন্ন হওয়ার ঘটনাকে নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: গ্যালভানিক কোষের ক্ষেত্রে গ দিয়ে গ্যালভানিক এবং র দিয়ে রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি উৎপাদন মনে রাখা যায়। ইলেকট্রোলাইটিক কোষ এর ঠিক উল্টো কাজ করে অর্থাৎ তড়িৎ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্যালভানিক কোষ ও ইলেকট্রোলাইটিক কোষের পার্থক্য প্রায়ই আসে। গ্যালভানিক কোষের অ্যানোড ঋণাত্মক এবং ক্যাথোড ধনাত্মক হয় যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a O_2
b SO_2
c CO_2
d Cl_2
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) SO_2 ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস জমা হলে তা জলীয় বাষ্পের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সালফিউরিক এসিড উৎপন্ন করে। - এই এসিড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মাটিতে নেমে আসে এবং পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা ও তেল পোড়ানোর ফলে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: সালফার ডাইঅক্সাইড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে সালফিউরাস এসিড এবং পরবর্তীতে সালফিউরিক এসিড তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক মার্বেল পাথরের তৈরি সৌধ যেমন তাজমহল এসিড বৃষ্টির কারণে তার উজ্জ্বলতা হারাচ্ছে। ব্যাখ্যা: মার্বেলের মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। উদাহরণ ২: এসিড বৃষ্টির ফলে জলাশয়ের পানির পিএইচ মাত্রা কমে যায়, যার ফলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী মারা যায়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত অম্লীয় পরিবেশ জলজ জীবকুলের বেঁচে থাকার জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) O_2 — অক্সিজেন গ্যাস সরাসরি এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী নয়, এটি জীবনের জন্য অপরিহার্য একটি গ্যাস। B) SO_2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাতাসে এসিড সৃষ্টির প্রধান উপাদান। C) CO_2 — কার্বন ডাইঅক্সাইড হালকা এসিড বা কার্বনিক এসিড তৈরি করলেও প্রধান এসিড বৃষ্টির জন্য সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইড দায়ী। D) Cl_2 — ক্লোরিন গ্যাস ব্লিচিং ও জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি সাধারণ এসিড বৃষ্টির মূল কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালফার থেকে এস এবং সালফিউরিক এসিডের সম্পর্ক মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। - এসিড বৃষ্টির প্রধান দুই গ্যাস হলো সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই পরিবেশ দূষণ ও এসিড বৃষ্টি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।