প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (90)

a সে আমাকে অসুস্থ করে দিয়েছে
b তাকে আমার সহ্য লাগে
c সে যে অসুস্থ আমি তা জানি
d আমি তার কারণে অসুস্থ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাকে আমার সহ্য লাগে ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদের ক্ষেত্রে শাব্দিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্ব পায়। - I am sick of him বাক্যটির অর্থ হলো কারও আচরণে বিরক্ত হয়ে সহ্য করতে না পারা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি ফ্রেজ sick of এর অর্থ হলো কোনো কিছুর ওপর বিরক্ত হওয়া বা অতিষ্ঠ হওয়া। - এই ধরনের Idiomatic Expression বা বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে প্রমিত ভাবানুবাদ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: I am sick of this weather ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো এই আবহাওয়া আমার সহ্য হচ্ছে না বা এই আবহাওয়া আর ভালো লাগছে না। উদাহরণ ২: She is sick of his lies ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো তার মিথ্যা কথাগুলো আমার সহ্য লাগে না বা তার মিথ্যায় আমি বিরক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সে আমাকে অসুস্থ করে দিয়েছে — এই অনুবাদটি I made him sick বা He made me sick বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। B) তাকে আমার সহ্য লাগে — এটি সঠিক ভাবানুবাদ কারণ sick of এর অর্থ এখানে বিরক্তি ও অসহ্য হওয়া প্রকাশ করেছে। C) সে যে অসুস্থ আমি তা জানি — এই অনুবাদটির ইংরেজি হবে I know that he is sick যা মূল বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) আমি তার কারণে অসুস্থ — এই অনুবাদটির ইংরেজি হবে I am sick because of him যা শারীরিক অসুস্থতা বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি বাক্যে sick of থাকলে বুঝতে হবে বক্তা চরম বিরক্ত এবং বাংলায় এর ভাবানুবাদ হবে সহ্য না হওয়া বা অতিষ্ঠ হওয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি বাক্যের আক্ষরিক অনুবাদ না করে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত ভাবানুবাদ খুঁজে বের করতে হয়।
a ভাষাগত
b জ্ঞানগত
c আবেগগত
d ইচ্ছাগত
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবেগগত ১. কেন সঠিক: সহপাঠীর অনুভূতি বুঝতে পারা বা অন্যের আবেগ ও অবস্থাকে উপলব্ধি করার ক্ষমতাকে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় আবেগগত বুদ্ধিমত্তা বা সহমর্মিতা বলা হয়। এটি মানুষের আবেগীয় বিকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক, যার মাধ্যমে অন্যের সুখ, দুঃখ বা কষ্টের অনুভূতি নিজের মধ্যে অনুভব করা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত মনস্তাত্ত্বিক ও আচরণগত ব্যাকরণ বা শব্দার্থের প্রয়োগের আওতাভুক্ত। এখানে আবেগগত বলতে মানুষের অনুভূতি, সহমর্মিতা এবং মানসিক অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যা বুদ্ধিমত্তা বা প্রজ্ঞার বাইরে সরাসরি হৃদয়ের অনুভূতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসের কোনো শিক্ষার্থী খেলায় হেরে গেলে তার মন খারাপ হওয়া দেখে সান্ত্বনা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এখানে সহপাঠীর দুঃখের অনুভূতি বুঝতে পেরে তার পাশে দাঁড়ানো বোঝানো হয়েছে, যা আবেগগত লক্ষণের বহিঃপ্রকাশ। উদাহরণ ২: অপরের বিপদে কষ্ট অনুভব করা এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের আবেগগত বুদ্ধিমত্তা ও সহমর্মিতার একটি বাস্তব উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষাগত — ভাষা বা কথা বলার দক্ষতার সঙ্গে অনুভূতির গভীর সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত নয়, তাই এটি ভুল। B) জ্ঞানগত — জ্ঞানগত লক্ষণ বলতে বুদ্ধিমত্তা, স্মরণশক্তি বা চিন্তন দক্ষতাকে বোঝায়, যা আবেগের চেয়ে আলাদা। D) ইচ্ছাগত — ইচ্ছাগত লক্ষণ মানুষের নিজস্ব চাওয়া বা সংকল্প প্রকাশ করে, অন্যের অনুভূতি বোঝার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুভূতি বা সহমর্মিতা শব্দগুলো থাকলেই তা আবেগগত লক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হবে। অন্যের কষ্ট বা সুখ নিজের মধ্যে অনুভব করাই আবেগগত বুদ্ধিমত্তার মূল বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আচরণগত বা মনস্তাত্ত্বিক শব্দগুলোর সঠিক শ্রেণিবিভাগ নির্ণয় করতে এই প্রশ্নটি সাহায্য করবে। সহমর্মিতা এবং আবেগীয় দক্ষতার প্রশ্নগুলো একইভাবে সমাধান করতে হবে।
a Wild cries
b Wild Forest
c Cry in the wilderness
d Weep at forest
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cry in the wilderness ১. কেন সঠিক: - অরণ্যে রোদন বাগধারাটির অর্থ বৃথা প্রলাপ বা নিষ্ফল আবেদন, যার ইংরেজি ভাবানুবাদ হলো Cry in the wilderness। - অরণ্যে যেমন কান্নার কোনো শ্রোতা থাকে না, তেমনি নির্জন প্রান্তরে বা অরণ্যে করা চিৎকারেরও কোনো প্রতিধ্বনি বা প্রতিক্রিয়ার গুরুত্ব থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ-প্রবচন বা বাগধারা, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দসমষ্টি, যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি স্বতন্ত্র ও গভীর ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার সমস্ত উপদেশ অরণ্যে রোজনে পরিণত হলো। ব্যাখ্যা: এখানে তার কথা কেউ শোনেনি এবং তার সমস্ত বোঝানো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা মানে অরণ্যে রোদন করা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বোঝানো হয়েছে যে অসৎ মানুষের কাছে ন্যায়বিচার চাওয়া আর বনের মধ্যে গিয়ে কান্না করা একই কথা, এর কোনো ফল পাওয়া যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wild cries — এটি দ্বারা বন্য বা প্রমত্ত চিৎকার বোঝায়, যা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে না। B) Wild Forest — এটি একটি আক্ষরিক শব্দগুচ্ছ যার অর্থ বন্য বা গভীর অরণ্য, যা কোনো বাগধারা বা ভাবার্থ প্রকাশ করে না। D) Weep at forest — এটি ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং অরণ্যে রোদন বাগধারার সঠিক ইংরেজি প্রবাদ বা সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অরণ্য অর্থ বন বা wilderness এবং রোদন অর্থ কান্না বা cry, তাই বনের মধ্যে কান্না হলো Cry in the wilderness। - এই ধরনের ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে প্রচলিত ভাবানুবাদ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা বাগধারার ইংরেজি রূপ প্রায়ই অপশনে থাকে। - একই রকম অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা হলো শিয়ালের রাহু, যার ইংরেজি হলো Crocodile tears বা কুম্ভীরাশ্রু।
a শিক্ষকের
b গণকঠাকুরের
c শিশুর
d গবেষকের
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিশুর ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'তোতা কাহিনী' একটি রূপকধর্মী ও তীব্র শ্লেষাত্মক গল্প। এই গল্পে তোতা পাখিটি মূলত আমাদের দেশের নিষ্পাপ ও মুক্তমনা শিশুদের প্রতীক, যাদের প্রাতিষ্ঠানিক ও যান্ত্রিক শিক্ষার নামে মুখস্থ বিদ্যায় আটকে রাখা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৮ সালে 'লিপিকা' গ্রন্থের জন্য 'তোতা কাহিনী' রচনা করেন। এটি ঔপনিবেশিক ও মুখস্থসর্বস্ব শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি তীক্ষ্ণ সামাজিক সমালোচনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে আধুনিক শিক্ষা ও সভ্যতার সংকট এবং মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর 'বইপড়া' প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য এবং স্বশিক্ষিত হওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষকের — শিক্ষক এখানে তোতা পাখি নন, বরং গল্পে তোতা পাখির খাঁচা বানানোর কারিগর ও শিক্ষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের প্রতীক। B) গণকঠাকুরের — গণকঠাকুর গল্পে তোতার ভাগ্য বা অশুভ লক্ষণ নির্ধারণের সাথে যুক্ত, সরাসরি তোতার প্রতীক নন। D) গবেষকের — গবেষক গভীর জ্ঞান অন্বেষণ করেন, কিন্তু তোতা পাখির ভাগ্যে জ্ঞানার্জন ছিল না, ছিল খাঁচায় বন্দি থাকা। ৫ মনে রাখার টিপস: তোতা পাখি খাঁচায় বন্দি থাকে এবং অন্যের শেখানো বুলি আউড়ায়, যা আমাদের দেশের শিশুদের মুখস্থ নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার কথাই মনে করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'তোতা কাহিনী' কোন গ্রন্থের অন্তর্গত তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, উত্তর হবে 'লিপিকা'। রূপকধর্মী রচনাগুলো থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
a উল + লাস
b উৎ + লাস
c উ + লাস
d উৎ + লাস
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উৎ + লাস (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে B এবং D দুটি অপশনেই 'উৎ + লাস' রয়েছে। যেকোনো একটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।) ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ত বা দ এর পরে ল থাকলে ত বা দ স্থানে ল হয়। এখানে উৎ পদের ত এর পরে লাস পদের ল থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ল হয়েছে এবং শব্দটি উল্লাস গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো ত-কার বা দ-কারের পর যদি ল-কার থাকে, তবে ত বা দ স্থানে ল-কার হয়। অর্থাৎ ত বা দ যোগ ল সমান ল-ফলা বা ল যুক্ত ল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ + লিখিত = উল্লিখিত ব্যাখ্যা: এখানে ত এর পরে ল থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ল হয়েছে এবং উল্লিখিত শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তৎ + লীন = তকালীন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ত এর পরে ল যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব ল বা ল-ফলা তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উল + লাস — বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের সঙ্গে এই অংশটি মিলছে না কারণ এখানে উৎ এর পরিবর্তে উল ব্যবহার করা হয়েছে। B) উৎ + লাস — এটি সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ সমর্থিত। C) উ + লাস — এখানে প্রথম পদে কোনো খণ্ড ত বা ব্যাকরণসম্মত অংশ নেই, তাই এটি সঠিক সন্ধি নয়। D) উৎ + লাস — এটিও মূল নিয়মের সঠিক রূপ, যা B অপশনের অনুরূপ এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধির সময় উ এর নিচে খণ্ড ত এবং পরে ল দেখলে তা ভেঙে লেখার সময় ত-এর জায়গায় উৎ এবং পরের অংশ আলাদা করতে হবে। ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষ সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি প্রায়ই আসে। ত বা দ এর পরে চ, জ, ট, ড, ল ইত্যাদি বর্ণ থাকলে কি পরিবর্তন হয়, তা ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a শব্দ
b চিহ্ন
c বর্ণ
d ধ্বনি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শব্দ ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য প্রকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ, কারণ একটি সার্থক বাক্যের মূল উপাদান বা গঠনগত একক হলো শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষার বিচারে ধ্বনি থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে বাক্য গঠিত হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন এক বা একাধিক ধ্বনি একত্রে মিলিত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে। আর এই স্বাধীন অর্থবোধক শব্দগুলো যখন সুবিন্যস্ত হয়ে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বাংলাদেশ, একটি, স্বাধীন, দেশ প্রতিটি স্বাধীন শব্দ মিলে একটি পূর্ণ বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে পাখি, আকাশে, ওড়ে তিনটি ভিন্ন শব্দ একত্রিত হয়ে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দই হলো বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক। B) চিহ্ন — এটি লেখার প্রতীক মাত্র, বাক্যের গঠনগত একক নয়। C) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, বাক্যের নয়। D) ধ্বনি — ধ্বনি হলো উচ্চারণের দিক থেকে ভাষার মূল বা ক্ষুদ্রতম একক, বাক্যের একক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি, আর বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক শব্দ। এই দুটি বিষয় পরীক্ষার সময় গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই এই পার্থক্যের বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিষম
b বিরোধাভাস
c অসঙ্গতি
d বিভাবনা
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অসঙ্গতি কেন সঠিক: - কারণ হৃদয়ে মেঘ উদয় হওয়ার কথা বলা হলেও নয়নে বা চোখে জল বা বারি বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। - কার্য ও কারণের স্বাভাবিক সম্পর্কের বাইরে গিয়ে ভিন্ন স্থানে ঘটনার বর্ণনা থাকায় এটি অসঙ্গতি অলংকার হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অসঙ্গতি অলংকার হলো এমন একটি অলংকার যেখানে কার্য এবং কারণের মধ্যে স্থান বা পাত্রগত অসঙ্গতি বা অমিল দেখানো হয়। - সাহিত্যের ভাষায় যেখানে কারণ থাকে এক স্থানে আর কার্য ঘটে অন্য স্থানে, তাকে অসঙ্গতি অলংকার বলে। - যেমন কারণ হৃদয়ে (মেঘ উদয়), কিন্তু তার কার্য প্রকাশ পাচ্ছে অন্য স্থানে অর্থাৎ নয়নে (বারি বৃদ্ধি)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিষম — মিলহীন বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝালে বিষম অলংকার হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। - B) বিরোধাভাস — বাস্তবে বিরোধ না থাকলেও যেখানে বিরোধের মতো মনে হয়, তাকে বিরোধাভাস বলে। - C) অসঙ্গতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। - D) বিভাবনা — কারণ ছাড়া কার্যর উৎপত্তি বোঝালে বিভাবনা অলংকার হয়, যা এই পঙক্তিতে নেই। মনে রাখার টিপস: - কার্য এক স্থানে এবং কারণ অন্য স্থানে ঘটলে অসঙ্গতি অলংকার হয়।
a যৌগিক
b তৎসম
c দেশি
d অর্ধতৎসম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অর্ধতৎসম কেন সঠিক: - 'জোছনা' শব্দটি সংস্কৃত 'জ্যোৎস্না' শব্দের পরিবর্তিত বা বিকৃত রূপ। - সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো একটু পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে অর্ধতৎসম শব্দ বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্ধতৎসম শব্দগুলোকে অনেক সময় ভগ্ন তৎসম শব্দও বলা হয় কারণ এগুলো মূল সংস্কৃত শব্দের কাছাকাছি থেকেও পুরোপুরি অপভ্রংশ নয়। - বাংলা ভাষা উচ্চারণের সুবিধার জন্য অনেক সংস্কৃত শব্দকে ভেঙে অর্ধতৎসমরূপে গ্রহণ করেছে। - জোছনা ছাড়াও গেরাম, বৈষ্ণব, বোষ্টম, কুচ্ছিত ইত্যাদি অর্ধতৎসম শব্দের জনপ্রিয় উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) যৌগিক — এই শব্দগুলোর অর্থ তাদের গঠনকারী অংশের অর্থের অনুগামী হয়, জোছনা সেভাবে গঠিত হয়নি। - B) তৎসম — এটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসেনি বরং পরিবর্তিত হয়ে এসেছে, তাই এটি তৎসম নয়। - C) দেশি — এটি আদি অস্ট্রিক বা স্থানীয় কোনো ভাষা থেকে আসেনি, এর উৎস সংস্কৃত। - D) অর্ধতৎসম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সংস্কৃত 'জ্যোৎস্না' শব্দের পরিবর্তিত রূপ। মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত জ্যোৎস্না যখন সহজ করে জোছনা বলা হয়, তখন তা অর্ধতৎসম শব্দে পরিণত হয়।
a অনেক
b অপরাহ্ন
c অনিষ্ট
d অনৈক্য
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপরাহ্ন ১. কেন সঠিক: - অপরাহ্ন শব্দটি নঞ তৎপুরুষ সমাস নয়, এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ যা বেলা অর্থে ব্যবহৃত হয়। - অপরাহ্ন শব্দের ব্যাসবাক্য হলো অপর যে অহ (দিন), যা মূলত কর্মধারয় বা বিশেষ ক্ষেত্রে অন্য নিয়ম মেনে গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বা নঞ সূচক অব্যয় বসে এবং পদের অর্থ নেতিবাচক হয়, তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে। - অপরাহ্ন শব্দটিতে কোনো না-সূচক বা নঞ অর্থ প্রকাশ পায় না, তাই এটি নঞ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে গণ্য হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজ্ঞান ব্যাখ্যা: ন জ্ঞান = অজ্ঞান, এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে জ্ঞানের অভাব বা না-বোধক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: অদৃশ্য ব্যাখ্যা: ন দৃশ্য = অদৃশ্য, এটিও নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে দেখার অনুপস্থিতি বা না-বোধক অর্থ বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনেক — ন যোগ এক = অনেক, এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের সঠিক উদাহরণ। B) অপরাহ্ন — এটি অপর অর্থ প্রকাশ করে এবং নঞ তৎপুরুষ সমাস নয়। C) অনিষ্ট — ন ইষ্ট = অনিষ্ট, এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের সঠিক উদাহরণ। D) অনৈক্য — ন ঐক্য = অনৈক্য, এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের সঠিক উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নঞ তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে অ, অন্ বা না যুক্ত থাকে এবং ব্যাসবাক্যে না বা নাই বসে। - অপরাহ্ন শব্দটিতে কোনো না-বোধক বা নেতিবাচক অর্থ নেই, তাই এটি এই নিয়মের বাইরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের মধ্যে নঞ তৎপুরুষ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অ বা অন্ দেখলেই অন্ধভাবে নঞ তৎপুরুষ না ভেবে শব্দের অর্থ এবং ব্যাসবাক্য ভালো করে খেয়াল করতে হবে।
a ০৮টি
b ০৯টি
c ১০টি
d ০৭টি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৮টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাভেদে বর্ণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে যে সকল বর্ণ লেখার সময় সম্পূর্ণ মাত্রা বা রেখা থাকে না, বরং অর্ধেকের কম বা সামান্য মাত্রা থাকে, তাদের অর্ধমাত্রার বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় মোট অর্ধমাত্রার বর্ণ রয়েছে আটটি। বর্ণগুলো হলো ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প এবং শ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালার মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ে এই মাত্রা নির্ধারণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্ণ লেখার সময় ওপরের অংশে যে সরলরেখা টানা হয় তাকে মাত্রা বলে। অর্ধমাত্রার বর্ণগুলোতে এই মাত্রা সম্পূর্ণ না হয়ে সামান্য অংশে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঋ ব্যাখ্যা: এটি স্বরবর্ণের একটি অর্ধমাত্রার বর্ণ যা লেখার সময় পূর্ণ মাত্রা থাকে না। উদাহরণ ২: খ ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনবর্ণের একটি অর্ধমাত্রার বর্ণ এবং এর ওপরের মাত্রাটি সম্পূর্ণ রেখা জুড়ে থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৮টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণের নির্দিষ্ট সংখ্যা আটটি। B) ০৯টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় নয়টি অর্ধমাত্রার বর্ণ নেই। C) ১০টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ দশটি হলো মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা, অর্ধমাত্রার নয়। D) ০৭টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় সাতটি অর্ধমাত্রার বর্ণ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: অর্ধমাত্রার বর্ণ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, ঋতু খাবে গণেশ দাদার পাকা পেঁপে। এই বাক্যে ঋ, তু (থ), খা (খ), বে (ধ), গ, ণে (ণ), শ, প (প) বর্ণগুলো লুকিয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালার মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায় সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। পূর্ণমাত্রা ৩২টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং মাত্রাহীন ১০টি, এই তিনটি সংখ্যা ভালোভাবে মনে রাখবে।
a সিকান্দার আবু জাফর
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পংক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'প্রাণ' কবিতার অংশ। - কবি এই পংক্তির মাধ্যমে সুন্দর পৃথিবীর প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং মানবসমাজে বেঁচে থাকার আকুল আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - 'প্রাণ' কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এতে কবির জীবনচেতনা ও মানবপ্রেম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বসাথে যোগে যে প্রাণ, সে আমার প্রাণ। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত দার্শনিক পংক্তি যা তাঁর জীবনদর্শনের পরিচায়ক। উদাহরণ ২: মরণ রে, তুহুঁ মম শ্যামসমান। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও মৃত্যুভাবনা সংশ্লিষ্ট একটি সুপরিচিত পংক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকান্দার আবু জাফর — ইনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক হলেও এই পংক্তির রচয়িতা নন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, কবি নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঠিক উত্তর। D) কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহী কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুন্দর ভুবন ও মানবপ্রেমের আকুলতা প্রকাশ পায় এমন দার্শনিক পংক্তিগুলো সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায় দেখা যায়। - মানসী কাব্যগ্রন্থের প্রাণ কবিতাটি মনে রাখলে এই প্রশ্নটি সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতা ও কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক বানিয়ে মুখস্থ রাখা উচিত।
a বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ
b বিয়ে পাগলা বুড়ো
c কিঞ্চিৎ জলযোগ
d লীলাবতী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিয়ে পাগলা বুড়ো ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের রচিত বিখ্যাত প্রহসন হলো বিয়ে পাগলা বুড়ো। - এই প্রহসনে তৎকালীন সমাজে বয়স্ক পুরুষদের দ্বিতীয় বা বহুবিবাহের অন্ধ প্রথার তীব্র সামাজিক সমালোচনা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র উনবিংশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান নাট্যকার ও প্রহসনকার। - তিনি মূলত নীলদর্পণ নাটকের জন্য সর্বাধিক পরিচিত হলেও সমাজ সংস্কারমূলক প্রহসন রচনায়ও বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদবার একাদশী ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সমাজসংস্কারমূলক বিখ্যাত প্রহসন। উদাহরণ ২: একেই কি বলে সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত সমাজের কুসংস্কার ও বাবু কালচার নিয়ে লেখা একটি জনপ্রিয় প্রহসন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন, দীনবন্ধু মিত্রের নয়। B) বিয়ে পাগলা বুড়ো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে বিবেচিত। C) কিঞ্চিৎ জলযোগ — এটি প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত লঘু ও রম্য সাহিত্যধর্মী প্রবন্ধ সংকলন। D) লীলাবতী — এটি দীনবন্ধু মিত্রের একটি নাটক, প্রহসন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দীনবন্ধু মিত্রের নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি নীলদর্পণ লিখে বিখ্যাত হয়েছেন এবং সমাজ নিয়ে বিয়ে পাগলা বুড়ো প্রহসন লিখেছেন। - প্রহসন ও নাটকের পার্থক্য মনে রাখলে এই ধরনের বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন এবং নাটকের নাম আলাদা করতে দেওয়া হয়। - প্রহসন এবং সামাজিক নাটকের মূল বিষয়বস্তু ভালোভাবে লক্ষ্য করলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a প্রধান নির্বাচন কমিশনার
b চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
c চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
d মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী যেসব পদের সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে এবং সংবিধানের নির্দেশ অনুযায়ী গঠিত হয়, সেগুলোকে সাংবিধানিক পদ বলা হয়। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কোনো সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান যা সংসদীয় আইনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হলো এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় না, বরং জাতীয় সংসদে আইন পাস করে গঠিত হয়। অন্যদিকে সাংবিধানিক পদগুলোর গঠন, ক্ষমতা এবং কার্যপরিধি সরাসরি সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যাখ্যা: এটি সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ। উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যান ব্যাখ্যা: এটি একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং এর চেয়ারম্যান সাংবিধানিক পদ নন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান নির্বাচন কমিশনার — এটি সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ। B) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন — এটি সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ। C) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন — এটি সংবিধিবদ্ধ পদ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক — এটি সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ। ৫ মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অনুচ্ছেদে সরাসরি যে পদগুলোর নাম ও গঠনতন্ত্র পাওয়া যায়, কেবল সেগুলোকে সাংবিধানিক পদ হিসেবে মনে রাখবে। আইন পাস করে গঠিত কমিশনগুলো সংবিধিবদ্ধ পদ হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ পদের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে কোন পদটি রয়েছে, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a 1990
b 1991
c 1992
d 1993
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ক) ১৯৯০ কেন সঠিক: - এই সালে বাংলাদেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস করা হয়। - তৎকালীন সরকারের সময়ে দেশের সব শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এই আইন প্রণীত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণ বা সাহিত্য সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন নয়, এটি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত একটি ঐতিহাসিক তথ্য। - বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসে প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার ক্ষেত্রে এই সালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। - যেমন, ১৯৯০ সালের পর থেকে ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন জেলায় এই আইন বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ১৯৯০ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই আইনটি পাস হয়েছিল। - খ) ১৯৯১ — এই সালে আইনটি পাস হয়নি, এটি ভুল বছর। - গ) ১৯৯২ — এই সালটি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাসের সাথে সম্পর্কিত নয়। - ঘ) ১৯৯৩ — এই সালে আইনটি কার্যকর করা শুরু হলেও এটি পাসের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৯০ সালে এই আইন পাস হয়।
a পরাধীন
b পরাগায়ন
c পরামর্শ
d পরাক্রান্ত
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরামর্শ ১. কেন সঠিক: পরা একটি উপসর্গ যা বাংলা ব্যাকরণে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সম্যক বা পূর্ণরূপে অর্থে 'পরামর্শ' শব্দটিতে পরা উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি যার মধ্যে পরা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ। এই উপসর্গটি বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে প্রযুক্ত হতে পারে যেমন আধিক্য, উৎকর্ষ বা সম্যক বোঝাতে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরাকাষ্ঠা ব্যাখ্যা: এখানে পরা উপসর্গটি উৎকর্ষ বা শ্রেষ্ঠত্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরাবৃত ব্যাখ্যা: এখানে পরা উপসর্গটি বিপরীত বা উল্টো অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরাধীন — এই শব্দে পরা উপসর্গটি অধীনতা বা অন্যের বশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। B) পরাগায়ন — এই শব্দে পরা উপসর্গটি এক ফুল থেকে অন্য ফুলে রেনু স্থানান্তর অর্থে এসেছে। D) পরাক্রান্ত — এই শব্দে পরা উপসর্গটি শক্তি বা ক্ষমতা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পরা উপসর্গ দিয়ে গঠিত শব্দগুলোর অর্থ মনে রাখতে হলে মূল শব্দের সঙ্গে উপসর্গের ভাবার্থ মিলিয়ে পড়তে হবে। সম্যক বা পূর্ণ অর্থ বুঝতে পরামর্শ শব্দটি একটি আদর্শ উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই কুড়িটি তৎসম উপসর্গের অর্থ ও তাদের প্রয়োগ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। শব্দের অর্থ বুঝে উপসর্গ নির্ণয় করা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য কৌশল।
a ধ্বনি, শব্দ, বাক্য
b বর্ণ, সমাস, সন্ধি
c সমাস, কারক, ধ্বনি
d পদ, বর্ণ, ধ্বনি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ১. কেন সঠিক: - ভাষার মৌলিক উপাদান তিনটি যা মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, শব্দ হলো অর্থের প্রকাশ এবং বাক্য হলো পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশের মাধ্যম। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো মানুষের মুখনিঃসৃত শব্দ যা ভাষার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং ভাষার প্রাণকেন্দ্র বলা চলে। - শব্দ ও বাক্য মিলেই ভাষার পূর্ণাঙ্গ রূপ তৈরি হয় যা ব্যাকরণের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক কলম আমি লিখি ব্যাখ্যা: এটি ধ্বনি থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে বাক্য তৈরির একটি নিখুঁত ধারাবাহিক রূপ। উদাহরণ ২: ব বই তুমি পড়ো ব্যাখ্যা: এখানে ধ্বনি মিলে শব্দ এবং শব্দ মিলে একটি সম্পূর্ণ অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য — সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার তিনটি মূল অংশ। B) বর্ণ, সমাস, সন্ধি — বর্ণ ভাষার লিখিত রূপ হলেও সমাস ও সন্ধি ব্যাকরণের প্রক্রিয়া, ভাষার মৌলিক অংশ নয়। C) সমাস, কারক, ধ্বনি — সমাস ও কারক ব্যাকরণের বিশেষ নিয়ম, ভাষার মৌলিক তিনটি অংশ হিসেবে এরা গঠিত নয়। D) পদ, বর্ণ, ধ্বনি — পদ ব্যাকরণগত শ্রেণি এবং বর্ণ লিখিত রূপ, ভাষার সার্বিক মৌলিক অংশ হিসেবে এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা শেখার সহজ সূত্র হলো ধ্বনি থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে বাক্য তৈরি করা। - মনে রাখার জন্য ধারাবাহিকতা মাথায় রাখতে হবে ধ্বনি, শব্দ এবং বাক্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম এবং এর ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার মৌলিক অংশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a অধ্যয়নকৃত
b অধীত
c অধ্যয়নরত
d পাঠিত
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অধীত ১. কেন সঠিক: - অধ্যয়ন শব্দের মূল ধাতু বা উৎস হলো ই ধাতু যার সঙ্গে অধ উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। - এই শব্দের সঠিক বিশেষণ রূপ হলো অধীত যার অর্থ যা অধ্যয়ন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য যে পদ ব্যবহৃত হয় তাকে বিশেষণ বলে। - তৎসম কৃৎ প্রত্যয় যোগে বিশেষ্য পদ থেকে এই বিশেষণটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেদ অধীত বিষয়। ব্যাখ্যা: এখানে বেদ বিশেষ্য পদের গুণ প্রকাশ করতে অধীত বিশেষণটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শাস্ত্র অধীত হলে জ্ঞান বাড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে শাস্ত্র বিশেষ্যের সঙ্গে অধীত বিশেষণটি সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যয়নকৃত — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত বা সিদ্ধ নয় কারণ অধ্যয়ন শব্দের সঠিক তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত রূপ এটি নয়। B) অধীত — এটি সঠিক উত্তর এবং এর ব্যাকরণগত ব্যাখ্যা উপরে দেওয়া হয়েছে। C) অধ্যয়নরত — এই শব্দটির অর্থ যে বর্তমানে অধ্যয়ন করছে অর্থাৎ এটি বর্তমানকাল বোঝায় যা বিশেষণ হলেও মূল বিশেষ্যের ভাব প্রকাশ করে না। D) পাঠিত — এই শব্দটির অর্থ যা পাঠ করা হয়েছে কিন্তু এটি অধ্যয়ন শব্দের সরাসরি বিশেষণ রূপ হিসেবে ব্যাকরণে সিদ্ধ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অধ্যয়ন শব্দের বিশেষণ রূপ নির্ণয়ের সময় মনে রাখতে হবে যে এর মূল ধাতু থেকে সরাসরি অধীত শব্দটি আসে। - ব্যাকরণ বইয়ের প্রত্যয় অধ্যায়ে এই ধরনের শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে চর্চা করলে ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে তৎসম শব্দের কৃৎ প্রত্যয় সাধিত রূপগুলোর ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
a অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
b গদ্য ছন্দ
c মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
d স্বরবৃত্ত ছন্দ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাত্রাবৃত্ত ছন্দ ১. কেন সঠিক: বিদ্রোহী কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত হয়েছে কারণ এর মূল ভিত্তি হলো মাত্রার গণনা এবং পর্ববিন্যাস। এই ছন্দে সাধারণত প্রতি পর্বে আট বা ছয় মাত্রা থাকে এবং দীর্ঘ স্বরধ্বনি দুই মাত্রা হিসেবে গণিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্গত বিদ্রোহী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত ও যুগান্তকারী সৃষ্টি। ১৯২১ সালে প্রকাশিত এই কবিতাটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা কাব্যাঙ্গনে এক অভূতপূর্ব আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়োল্লাস কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাও মাত্রাবৃত্ত ছন্দের গতিময়তা ও বীররসের এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহুয়া কবিতা। ব্যাখ্যা: মাত্রাবৃত্ত ছন্দের নান্দনিক প্রয়োগ হিসেবে মহুয়া কবিতাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শিক্ষণীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরবৃত্ত ছন্দ — এটি অক্ষর বা দলভিত্তিক ছন্দ এবং এর ধীর লয় বিদ্রোহী কবিতার সঙ্গে মেলে না। B) গদ্য ছন্দ — গদ্য ছন্দে নির্দিষ্ট কোনো পর্ব বা মাত্রা বিন্যাস থাকে না যা বিদ্রোহী কবিতায় উপস্থিত। D) স্বরবৃত্ত ছন্দ — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত ছড়া বা দ্রুত গতির ধ্বনিভিত্তিক যার সঙ্গে এই কবিতার গম্ভীর সুর সাংঘর্ষিক। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার ছন্দ মাত্রাবৃত্ত মনে রাখার জন্য বিদ্রোহী ও মাত্রাবৃত্ত শব্দ দুটি একসঙ্গে বারবার চর্চা করতে পারো। মাত্রাবৃত্ত ছন্দের বীরত্বপূর্ণ গতিই বিদ্রোহী কবিতার মূল সুরের পরিচয় বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার ছন্দ প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে। অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী, তাই এই দুটি কবিতার ছন্দ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a কুদরত-ই-হুদা কমিশন
b মফিজ উদ্দিন কমিশন
c শামসুল হক কমিশন
d মাজেদ খান কমিশন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুদরত-ই-হুদা কমিশন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ২৬শে জুলাই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. কুদরত-ই-হুদাকে সভাপতি করে বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়। - এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম শিক্ষা কমিশন যা ১৯৭৪ সালে তাদের প্রতিবেদন পেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি কোনো ব্যাকরণগত প্রশ্ন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ইতিহাস ও সাধারণ জ্ঞান সংশ্লিষ্ট একটি ঐতিহাসিক তথ্য। - বাংলা ভাষা ও শিক্ষা প্রসারে প্রণীত এই কমিশনের রিপোর্টটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিবেচিত। - যেমন, এই কমিশন প্রাথমিক শিক্ষাকে আট বছর করার প্রস্তাব করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কুদরত-ই-হুদা কমিশন — এটি বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর। - B) মফিজ উদ্দিন কমিশন — এটি কোনো প্রথম শিক্ষা কমিশন নয় এবং এই নামে কোনো প্রধান শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়নি। - C) শামসুল হক কমিশন — এটি পরবর্তী সময়ে গঠিত একটি শিক্ষা কমিশন যা ১৯৭৮ সালে গঠিত হয়। - D) মাজেদ খান কমিশন — এটি শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য ১৯৮৩ সালে গঠিত একটি পরবর্তী কমিশন। মনে রাখার টিপস: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মানেই কুদরত-ই-হুদা কমিশন এবং সালটি হলো ১৯৭৪ সাল।
a পর্তুগিজ
b আরবি
c ফরাসি
d ফারসি
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: সাবান ও আনারস শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। পর্তুগিজরা দীর্ঘদিন বাংলায় ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার করায় তাদের ভাষার বহু শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে মিশে গেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কিত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ও বালতি। ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পাউরুটি ও কামিজ। ব্যাখ্যা: এগুলোও পর্তুগিজ ভাষার শব্দ যা বাংলা শব্দভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাবান ও আনারস পর্তুগিজ শব্দ। B) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, প্রশাসন ও আইনসংক্রান্ত শব্দ এসেছে, যেমন আদালত ও কলম। C) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় কিছু প্রশাসনিক শব্দ এসেছে, যেমন কার্তুজ ও কুপন। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় সংস্কৃতি, পোশাক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত শব্দ এসেছে, যেমন চশমা ও কাগজ। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাবান মেখে আনারস খেতে খেতে চাবি ও বালতি নিয়ে গোসলখানায় যাওয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই পর্তুগিজ, আরবি ও ফারসি শব্দের মূল তফাতগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তীব্রজ্বালা
b অমিতব্যয়ী
c উজ্জ্বল আলো
d প্রতিভাবান
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তীব্রজ্বালা ১. কেন সঠিক: 'কূল কাঠের আগুন' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ মনে মনে তীব্র যন্ত্রণা বা অন্তর্দাহ। চুল্লিতে বা কূল কাঠে যখন আগুন দেওয়া হয়, তখন তা ধিকিধিকি করে জ্বলে এবং সহজে নেভে না, তাই এই রূপকটি তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণার প্রকাশ ঘটাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো বিশেষ এক ধরনের শব্দগুচ্ছ, যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস, রূপক অর্থ এবং সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাবগাম্ভীর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সন্তানের শোক তার বুকে কূল কাঠের আগুনের মতো জ্বলছে। ব্যাখ্যা: এখানে সন্তানের শোকে মাতৃহৃদয়ের দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র যন্ত্রণাকে বোঝাতে কূল কাঠের আগুন বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাজীবন অপমানের কূল কাঠের আগুন বুকে নিয়ে সে বেঁচে ছিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে জীবনের গভীর ও সহ্য করা যায় না এমন গ্লানি বা জ্বালা প্রকাশ করতে এই বাগধারার সঠিক প্রয়োগ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তীব্রজ্বালা — এটি সঠিক কারণ কূল কাঠের আগুন বাগধারাটি মনে মনে তীব্র যন্ত্রণা বা অন্তর্দাহ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) অমিতব্যয়ী — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত খরচ করা বোঝাতে 'হাতের পাঁচ' বা 'ভানুমতীর খেল' জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয় না, বরং এর জন্য আলাদা শব্দ রয়েছে। C) উজ্জ্বল আলো — এটি ভুল কারণ কূল কাঠের আগুন কখনো আলো ছড়ানোর প্রসঙ্গের সঙ্গে যুক্ত নয়, এটি কেবল দীর্ঘস্থায়ী উত্তাপ বা জ্বালা বোঝায়। D) প্রতিভাবান — এটি ভুল কারণ বিশেষ মেধা বা বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করার জন্য অন্য বাগধারা যেমন 'আকাশ কুসুম' বা 'ধারাপাত' ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: কূল কাঠ সহজে পুড়ে না কিন্তু ভেতর থেকে পুড়তে থাকে, ঠিক তেমনি মনে জমা থাকা দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ বা জ্বালা বোঝাতে কূল কাঠের আগুন ব্যবহার হয়। চুল্লির কাঠ যেমন ধিকিধিকি জ্বলে, মানুষের ভেতরের কষ্টও তেমনি ধিকিধিকি জ্বলে এই কৌশল মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারার প্রকৃত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বহুব্রীহি সমাস
b দ্বন্দ্ব সমাস
c কর্মধারয় সমাস
d তৎপুরুষ সমাস
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় সমাস ১. কেন সঠিক: - বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের যে সমাস হয়, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে কর্মধারয় সমাস বলে। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান বা উপমিত পদের মিলন ঘটে অথবা দুটি বিশেষণ কিংবা দুটি বিশেষ্যপদ মিলে এই সমাস গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম ব্যাখ্যা: এখানে 'নীল' হলো বিশেষণ পদ এবং 'পদ্ম' হলো বিশেষ্য পদ, যা মিলে কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: কাঁচা যে মাটি = কাঁচামাটি ব্যাখ্যা: এখানে 'কাঁচা' বিশেষণ পদের সাথে 'মাটি' বিশেষ্য পদের সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি সমাস — যে সমসে সমাসমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি বলে, যা বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের এই নির্দিষ্ট সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। B) দ্বন্দ্ব সমাস — যে সমাসে মিলন বা সংযোগ বোঝায় এবং উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে। D) তৎপুরুষ সমাস — যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে, যেখানে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের এই নির্দিষ্ট মিলনের কথা বলা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে 'যে', 'যিনি' বা 'যা' থাকে এবং সাধারণত একটি পদ দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের সংজ্ঞা এবং ব্যাসবাক্য নির্ণয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন দেখলেই কর্মধারয় সমাস দাগাতে হবে।
a মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
b সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
c উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
d জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ১. কেন সঠিক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হলেন মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হিসেবে মহাপরিচালক এই নিয়োগ প্রদান করে থাকেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রশাসনিক ও সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন। সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন পরিচালনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গঠিত হয়েছে এবং এর প্রধান মহাপরিচালক নিয়োগ সংক্রান্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা চর্চা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ব্যাখ্যা: প্রধান শিক্ষক পদটি উচ্চতর হওয়ায় এর নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ভিন্ন। উদাহরণ ২: বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দপ্তরের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিধি অনুযায়ী তিনিই সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগপত্র প্রদান করেন। B) সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় — সচিব নীতিনির্ধারণী বিষয়ের প্রধান হলেও সরাসরি সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র দেন না। C) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার — এই কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ে শিক্ষা তদারকি করেন কিন্তু নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ নন। D) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার — ইনি জেলা পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সহকারী শিক্ষকদের চূড়ান্ত নিয়োগকর্তা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক পদটি স্মরণে রাখবে। মহাপরিচালক মানেই প্রাথমিক শিক্ষার বড় চালিকাশক্তি যিনি নিয়োগ দেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশাসন ও অধিদপ্তর সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই কোন পদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কে, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a দীঘি, নদী, প্রণালি
b শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
c গাং, তটিনী, অর্ণব
d স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ কেন সঠিক: - এই অপশনের প্রতিটি শব্দই নদীর সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত শব্দগুলোর অর্থের মধ্যে কোনো ভিন্নতা নেই এবং সবগুলোই একই বস্তুকে নির্দেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো একই অর্থ প্রকাশ করে সেগুলোকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। - বাংলা ভাষায় নদী শব্দের বহু সংস্কৃত ও তৎসম প্রতিশব্দ রয়েছে। - যেমন: নদ, নদী, তটিনী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দীঘি, নদী, প্রণালি — এখানে দীঘি ও নদী জলাশয় হলেও প্রণালি দুটি ভূভাগকে সংযোগকারী জলরাশি নির্দেশ করে। - B) শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে নদীর সমার্থক শব্দসমূহ রয়েছে। - C) গাং, তটিনী, অর্ণব — এখানে অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা নদী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। - D) স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু — এখানে সিন্ধু শব্দের অর্থ মহাসমুদ্র বা নদ বিশেষ, যা অন্যগুলোর সাথে পুরোপুরি মেলে না। মনে রাখার টিপস: - নদীর সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে শৈবলিনী, তরঙ্গিনী ও সরিৎ এক সাথে মুখস্থ রাখুন।
a জ্ + ঞ
b ঞ + গ
c ঞ + জ
d গ + ঞ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জ্ + ঞ ১. কেন সঠিক: - বিজ্ঞান শব্দটিতে জজ্ঞ যুক্তবর্ণটি রয়েছে যা জ এবং ঞ এর মিলনে গঠিত হয়। - বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ ভাঙার সময় প্রথম বর্ণে হসন্ত দিতে হয় এবং দ্বিতীয় বর্ণটি পূর্ণ থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যুক্তবর্ণ হলো দুটি বা ততোধিক বর্ণের একত্রে মিলিত রূপ যা উচ্চারণ ও লেখার সময় একসাথে ব্যবহৃত হয়। - জজ্ঞ যুক্তবর্ণটি জ এবং ঞ বর্ণ দুটি যুক্ত হয়ে তৈরি হয় এবং এর প্রমিত উচ্চারণ অনেক সময় গ্য এর মতো শোনালেও এর আসল গঠন জ এবং ঞ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজ্ঞান ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও জ এবং ঞ যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা একই নিয়মে গঠিত। উদাহরণ ২: প্রজ্ঞা ব্যাখ্যা: প্রজ্ঞা শব্দটিতেও এই যুক্তবর্ণের উপস্থিতি রয়েছে এবং এটি একইভাবে বিশ্লেষিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ + ঞ — এটি সঠিক কারণ বিজ্ঞান শব্দটির মধ্যের যুক্তবর্ণটি এই দুটি বর্ণ দিয়েই গঠিত। B) ঞ + গ — এটি ভুল কারণ বিজ্ঞান শব্দে গ বর্ণটি নেই, এখানে জ এবং ঞ রয়েছে। C) ঞ + জ — এটি ভুল কারণ জ এর সাথে ঞ যুক্ত হয়, উল্টোভাবে ঞ এর সাথে জ যুক্ত হয়ে বিজ্ঞান শব্দ তৈরি করে না। D) গ + ঞ — এটি ভুল কারণ এখানে গ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়েছে যা বিজ্ঞান শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিজ্ঞান বানানটি মনে রাখার জন্য জ এবং ঞ এর যুক্তরূপ ভালো করে চর্চা করতে হবে। - পরীক্ষার হলে গ মনে হলেও এটি আসলে জ এবং ঞ এর যোগফল তা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ ভাঙার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা বানান ও যুক্তবর্ণের সঠিক গঠন জানার জন্য বর্ণমালা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নীরীক্ষণ
b নিরীক্ষন
c নিরিক্ষন
d নিরীক্ষণ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিরীক্ষণ ১. কেন সঠিক: - নিরীক্ষণ শব্দটিতে প্রথম ঈ-কার এবং মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। - এই শব্দটির অর্থ গভীরভাবে দেখা, পর্যবেক্ষণ করা, পরীক্ষা করা বা তদারকি করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে ই-কার এবং ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার জানা আবশ্যক কারণ সামান্য ভুলে শব্দের অর্থ পরিবর্তিত হতে পারে। - বাংলা তৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার এবং দন্ত্য-ন বা মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার বানান এবং অর্থ পরীক্ষার্থীর জানা অত্যন্ত জরুরি। উদাহরণ ২: পর্যবেক্ষণ ব্যাখ্যা: নিরীক্ষণ শব্দের একটি চমৎকার সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীরীক্ষণ — এই অপশনে প্রথম বর্ণ ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) নিরীক্ষন — এই অপশনে মূর্ধন্য-ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য-ন ব্যবহার করা হয়েছে যা তৎসম শব্দ বানানের নিয়মের পরিপন্থী। C) নিরিক্ষন — এই অপশনে হ্রস্ব ই-কার এবং দন্ত্য-ন উভয় ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে। D) নিরীক্ষণ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতির সঙ্গে মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিরীক্ষণ শব্দটিতে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার এবং মূর্ধন্য-ষ লিখতে হয়। - পরীক্ষার খাতায় বানান মনে রাখার জন্য মূল শব্দটির গঠন বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে যেখানে ষ এবং ণ এর ব্যবহার থাকে। - বাংলা একাডেমি প্রণীত শুদ্ধ বানান নিয়মের তালিকা অনুসরণ করলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a বিবেকানন্দ
b চণ্ডীদাস
c বিদ্যাপতি
d রামকৃষ্ণ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীদাস কেন সঠিক: ১. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত পদকর্তা বড়ু চণ্ডীদাস এই কালজয়ী পংক্তিটির রচয়িতা। ২. তাঁর শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রবচন ও মানবতাবাদী দর্শন থেকেই এই অমূল্য বাণীটি এসেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী ও মঙ্গলকাব্যের বাইরের একটি অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ। ২. এই পংক্তির মাধ্যমে কবি তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব এবং ধর্মের উপরে মনুষ্যত্বকে স্থান দিয়েছেন। ৩. যেমন, চণ্ডীদাস তাঁর কাব্যে প্রমাণ করেছেন যে জাতপাত বা ভেদাভেদের চেয়ে মানুষই সবচেয়ে বড় পরিচয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিবেকানন্দ — স্বামী বিবেকানন্দ আধুনিক যুগের ভারতের একজন বিখ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক ও দার্শনিক ছিলেন। C) বিদ্যাপতি — মৈথিল কোকিল বিদ্যাপতি প্রাচীন ও মধ্যযুগের মৈথিল ভাষার পদকর্তা ও কবি ছিলেন। D) রামকৃষ্ণ — শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি আধ্যাত্মিক গুরু ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ১. মানুষের জয়গান গাওয়া মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসের একটি প্রধান সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য। ২. মানবধর্মের কথা মনে রাখলেই চণ্ডীদাসের এই বিখ্যাত পংক্তিটির কথা সহজে মনে রাখা যায়।
a অধিকরণে সপ্তমী
b অপাদানে পঞ্চমী
c অধিকরণে পঞ্চমী
d কর্মে পঞ্চমী
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধিকরণে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলা হয়। 'পাঠে' শব্দটি দিয়ে পড়াশোনা নামক বিষয় বা ক্ষেত্রে মন দেওয়ার ভাব প্রকাশ করায় এটি অধিকরণ কারক এবং এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ক্রিয়া কখন, কোথায় বা কোন বিষয়ে সংঘটিত হয় তা প্রকাশ করতে অধিকরণ কারক ব্যবহৃত হয়। শব্দের শেষে 'এ', 'য়', 'তে' যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা বিষয় বোঝালে অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকরণে আমার ভালো আগ্রহ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যাকরণে শব্দটি একটি বিষয় হওয়ায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: এখানে বনে শব্দটি স্থান বা আধার বোঝানোয় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণে সপ্তমী — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাঠে শব্দটি বিষয় এবং সপ্তমী বিভক্তি নির্দেশ করে। B) অপাদানে পঞ্চমী — অপাদান কারক থেকে জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই। C) অধিকরণে পঞ্চমী — অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়, পঞ্চমী বিভক্তি হয় না। D) কর্মে পঞ্চমী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, আর এখানে পাঠে শব্দটি কর্ম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথায়, কখন বা কোন বিষয়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। বিষয় বা ক্ষেত্রে অধিকরণ কারক হলে এবং বিভক্তি 'এ' বা 'তে' থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণে সপ্তমী দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষয় বা ক্ষেত্রে অধিকরণের ব্যবহার প্রায়ই আসে। বাক্যের মূল ক্রিয়াকে কোথায় বা কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে কারক নির্ণয় করার অভ্যাস করতে হবে।
a অমাবস্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম
b বক ধার্মিক, বিড়াল তপস্বী
c রুই কাতলা, কেঁচোকেটা
d বক ধার্মিক, ভিজে বিড়াল
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বক ধার্মিক, বিড়াল তপস্বী ১. কেন সঠিক: - বক ধার্মিক এবং বিড়াল তপস্বী উভয় বাগধারার অর্থ হলো ভণ্ড সাধু বা প্রতারক সাধু। - প্রশ্নটিতে সর্বাধিক সমার্থক বা সমার্থক জোড়া জানতে চাওয়া হয়েছে, আর এই দুটি বাগধারার ভাবার্থ হুবহু মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এই দুটি বাগধারায় বক ও বিড়াল প্রাণীর ভান বা কৌশলী আচরণের মাধ্যমে মানুষের কপট স্বভাবকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের বক ধার্মিকদের থেকে দূরে থাকা উচিত। ব্যাখ্যা: এখানে ভণ্ড বা প্রতারক বোঝাতে বক ধার্মিক বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই লোকটা আসলে একটা বিড়াল তপস্বী। ব্যাখ্যা: মানুষের সামনে ভালো সাজার ভান করা প্রতারককে বোঝাতে বিড়াল তপস্বী ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমাবস্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম — অমাবস্যার চাঁদ মানে দুর্লভ বস্তু এবং আকাশ কুসুম মানে অসম্ভব কল্পনা। C) রুই কাতলা, কেঁচোকেটা — রুই কাতলা মানে প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং কেঁচোকেটা মানে গুরুত্বহীন বা সামান্য ব্যক্তি। D) বক ধার্মিক, ভিজে বিড়াল — বক ধার্মিক মানে ভণ্ড সাধু আর ভিজে বিড়াল মানে শান্ত শিষ্টের ভানকারী চতুর ব্যক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বক এবং বিড়াল দুটোই প্রাণী যারা শিকার ধরার সময় চুপচাপ ভান ধরে বসে থাকে, তাই এদের সাধু রূপগুলো সমার্থক। - অর্থ একই হলে জোড়ায় থাকা দুটি বাগধারা সর্বাধিক সমার্থক হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক বাগধারা জোড়া প্রায়ই আসে। - বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থ না বুঝে সবসময় তাদের ভাবার্থ বা প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
a to hide the truth
b to speak directly
c to delay the matter
d to talk irrelevantly
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to talk irrelevantly কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো ঝোপঝাড়ের চারপাশে আঘাত করা। মূল কথায় না এসে ঘুরে ফিরে আবলতাবল কথা বলা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। মূল বিষয় থেকে দূরে সরে যাওয়া। প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to hide the truth — সত্য লুকানো বোঝায় না কারণ এটি সরাসরি মিথ্যা বলা বা গোপন করার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) to speak directly — সরাসরি কথা বলা বোঝায় না কারণ এটি মূল কথার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) to delay the matter — কোনো বিষয় দীর্ঘায়িত করা বোঝায় না যদিও কিছুটা সময় নষ্ট হয়, তবে মূল অর্থ অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা। D) to talk irrelevantly — সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে অন্য আবলতাবল কথা বলার সাথে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: ঝোপের ভেতরে শিকার না খুঁজে ঝোপের চারপাশে আঘাত করা মানে কাজের কথা বাদ দিয়ে অন্য বাজে কথা বলা।
a History
b Linguistic
c Teachership
d Pedagogy
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pedagogy কেন সঠিক: Pedagogy শব্দটির মূল অর্থ হলো শিক্ষাদান পদ্ধতি বা শিক্ষকতার পেশাগত বিজ্ঞান। এটি মূলত কিভাবে শিক্ষার্থীদের কার্যকরভাবে শিক্ষা দিতে হবে তার কলাকৌশল আলোচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) History — এটি অতীতকালের ঘটনা ও ইতিহাস সংক্রান্ত পড়াশোনাকে বোঝায়। B) Linguistic — এটি মানব ভাষা এবং তার গঠন নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনা করে। C) Teachership — এটি ইংরেজি অভিধানে কোনো সঠিক বা স্ট্যান্ডার্ড শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষকতার পেশা বা পদ্ধতি বুঝাতে সবসময় Pedagogy শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a These doors must be shut
b These must be shut doors
c Shut must be the doors
d Shut the doors you must
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) These doors must be shut কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'must' একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব এবং 'shut' হলো মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম। - মডাল অক্সিলিয়ারি যুক্ত একটিভ বাক্যের প্যাসিভ করার নিয়ম হলো Object-কে Subject করতে হয়, মডাল ভার্বের পর be বসাতে হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (V3) ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) These doors must be shut — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) These must be shut doors — এখানে বাক্য গঠনে ভুল রয়েছে কারণ অবজেক্টকে সাবজেক্ট করার নিয়ম মানা হয়নি এবং অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। C) Shut must be the doors — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং মডাল ভার্ব ও ভার্বের বিন্যাস ভুলভাবে করা হয়েছে। D) Shut the doors you must — এটি ইম্পারেটিভ সেন্টেন্সের গঠন হিসেবে ভুল এবং মূল Active বাক্যের সঠিক Passive রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: মডাল অক্সিলিয়ারি (can, could, may, might, shall, should, will, would, must) যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় শুধু be+V3 বসাতে হয়।
a A lie is never told
b A lie is never be told
c Let a lie never be told
d Let not a lie be told ever
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let a lie never be told কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি নেতিবাচক অর্থে শুরু হয়েছে। তাই নিয়মানুযায়ী Let দিয়ে বাক্য শুরু করতে হবে এবং Object টিকে Subject বানাতে হবে। never শব্দটি 그대로 অপরিবর্তিত থাকে এবং মূল Verb এর আগে be যোগ করে Past Participle করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A lie is never told — এটি Assertive Sentence এর passive ফর্ম হয়েছে কিন্তু মূল বাক্যটি Imperative হওয়ায় এটি ভুল। B) A lie is never be told — এখানে auxiliary verb এর গঠনে ভুল আছে এবং সঠিক Imperative কাঠামো অনুসরণ করা হয়নি। C) Let a lie never be told — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে গেছে। D) Let not a lie be told ever — এখানে ever ব্যবহার করার কারণে বাক্যটির অর্থ এবং স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence এ আদেশ বা নিষেধ বোঝালে Let দিয়ে passive শুরু করতে হয় এবং verb এর আগে be বসাতে হয়।
a He is an MA
b He is an LMAF
c All of them
d You are an MBBS
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) All of them কেন সঠিক: ইংরেজি উচ্চারণের সময় যদি প্রথম অক্ষর স্বরবর্ণের মতো শোনা যায়, তবে তার আগে 'an' বসে। এখানে প্রতিটি পদের শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকায় 'an' ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is an MA — এই অপশনটি আসলে ভুল নয় কারণ MA লেখার সময় 'M' এর উচ্চারণ 'এএম' হয়, তাই এর পূর্বে an বসা সঠিক। B) He is an LMAF — এই অপশনটিও সঠিক কারণ LMAF উচ্চারণ করতে শুরুতে স্বরধ্বনি আসে, তাই তার পূর্বে an বসানো হয়েছে। C) All of them — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপরের প্রতিটি বাক্যের নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) You are an MBBS — এই অপশনটি সঠিক কারণ MBBS উচ্চারণের সময় 'M' এর উচ্চারণ 'এএম' হয়, তাই an বসেছে। মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত শব্দের প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি 'এ' বা অন্য কোনো স্বরবর্ণের মতো শোনা যায়, তবে তার পূর্বে সর্বদা 'an' বসাতে হবে।
a Thoroughly
b Whole hearedly
c Not at all
d Brave
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Thoroughly কেন সঠিক: Out and Out একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ যার অর্থ সম্পূর্ণরূপে বা পুরোপুরি। Thoroughly শব্দটির অর্থও পুরোপুরি বা গভীরভাবে, যা এই ফ্রেজটির ভাবার্থকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। তাই এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thoroughly — এটি সঠিক উত্তর। B) Whole hearedly — এর অর্থ অন্তর থেকে বা আন্তরিকভাবে, যা সম্পূর্ণভাবে বোঝাতে পুরোপুরি সঠিক নয়। C) Not at all — এর অর্থ মোটেও না, যা প্রদত্ত বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Brave — এর অর্থ সাহসী, যার সাথে Out and Out বা সম্পূর্ণরূপে কথাটির কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Out and Out মানে বাইরে এবং বাইরে নয়, বরং এর আসল অর্থ হলো একদম পুরোপুরি বা আদ্যোপান্ত।
a Amin said that he would go to school.
b Amin said that I shall go to school.
c Amin said that I would go to school.
d Amin said that he will go to school.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Amin said that he would go to school. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হওয়ায় ইনডাইরেক্ট স্পিচে ইনভার্টেড কমা তুলে that বসে এবং টেন্স পরিবর্তন হয়। First Person (I) পরিবর্তিত হয়ে সাবজেক্ট (Amin) অনুযায়ী he হয় এবং shall পরিবর্তিত হয়ে would হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। B) B — রিপোর্টেড স্পিচের প্রোনাউন ও শ্যাল অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) C — টেন্স পরিবর্তিত হলেও প্রোনাউন I অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) D — প্রোনাউন পরিবর্তিত হলেও শ্যাল পরিবর্তন করে উইল রাখা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ন্যাস পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স হলে ভেতরের টেন্স এবং প্রোনাউন নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
a Sentence building
b Supplementary tax
c Synchronizing act
d Manner of speech
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sentence building কেন সঠিক: - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের সঠিক গঠন বা বিন্যাসকে সিনট্যাক্স বা বাক্য গঠন বলা হয়। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণের এমন একটি শাখা যা শব্দ সাজিয়ে অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করতে শেখায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sentence building — এটি সঠিক কারণ সিনট্যাক্স অর্থ বাক্যের সঠিক গঠন। B) Supplementary tax — এটি কর বা অর্থ সম্পর্কিত একটি পরিভাষা যার সাথে ব্যাকরণের সম্পর্ক নেই। C) Synchronizing act — এটি কোনো ঘটনা বা কাজকে একই সময়ে ঘটানোর সাথে সম্পর্কিত। D) Manner of speech — এটি মানুষের কথা বলার ভঙ্গি বা উচ্চারণ পদ্ধতি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: সিনট্যাক্স মানেই বাক্য গঠন; মনে রাখবেন এস ফর সিনট্যাক্স এবং এস ফর সেন্টেন্স বিল্ডিং।
a Knowing little algebra, the problem was difficult to solve.
b Knowing little algebra, I found it difficult to solve the problem.
c Knowing little algebra, solving the problem was difficult.
d Knowing little algebra, it was difficult to solve the problem.
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Knowing little algebra, I found it difficult to solve the problem. কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে থাকা Knowing little algebra অংশটির সাবজেক্ট বা কর্তা হতে হবে প্রধান ক্লজটির সাবজেক্ট। অপশন বি তে I সাবজেক্ট থাকায় পার্টসিপলের সাথে কর্তার সঠিক মিল হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) knowing little algebra, the problem was difficult to solve. — এখানে ঝুলন্ত বা ভুল মডিফায়ার দোষ রয়েছে কারণ সমস্যা নিজে অ্যালজেব্রা জানে না। C) knowing little algebra, solving the problem was difficult. — এখানেও পার্টসিপলের সঠিক কর্তা না থাকায় বাক্যটির অর্থ অস্পষ্ট ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। D) knowing little algebra, it was difficult to solve the problem. — এখানে ইট সাবজেক্ট হিসেবে আসায় বাক্যটি ভুল অর্থ প্রকাশ করে কারণ ইট অ্যালজেব্রা জানে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে পার্টিসিপল থাকলে মূল ক্লজের সাবজেক্টকে অবশ্যই সেই কাজের সঠিক সম্পাদনকারী হতে হবে।
a must they
b don't they
c isn't they
d do they
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) don't they কেন সঠিক: মূল বাক্যটি বর্তমানকালের সাধারণ বা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে আছে এবং এর মূল ভারب হলো close। বাক্যটি হাবভাব বা এফারমেটিভ হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না বোধক বা নেগেটিভ হবে। সাবজেক্ট Bank বা ব্যাংকগুলো বহুবচন হওয়ায় এর পরিবর্তে they প্রোনাউন বসেছে। তাই সঠিক ট্যাগ কোশ্চেনটি হলো don't they। বাকি অপশন কেন ভুল: A) must they — এটি একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব দিয়ে তৈরি যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) don't they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) isn't they — they প্রোনাউনের সাথে is বা isn't ভার্ব বসে না, সর্বদা are বা aren't বসে। D) do they — মূল বাক্যটি এফারমেটিভ হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ হওয়ার কথা, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্য প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে এফারমেটিভ হলে সাবজেক্ট অনুসারে don't বা doesn't দিয়ে ট্যাগ কোশ্চেন করতে হয়।
a William Wordsworth
b T.S Eliot
c Alexander pope
d John Dryden
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি এবং প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর যুগান্তকারী কাব্যগ্রন্থ লিরাল ব্যালডস ইংরেজি সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল। তিনি ইংরেজী সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক পঠিত কবিদের একজন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — এই অপশনটি সঠিক, কারণ ইনিই ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। B) T.S Eliot — টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন আধুনিক কবি ও সমালোচক, তবে তিনি সামগ্রिक সাহিত্যে সবচেয়ে বিখ্যাত নন। C) Alexander pope — আলেকজান্ডার পোপ অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক কবি, তবে তিনি সার্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় নন। D) John Dryden — জন ড্রাইডেন রিস্টোরেশন যুগের একজন বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার হলেও তিনি রোমান্টিক যুগের মতো জনপ্রিয় নন। মনে রাখার টিপস: প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত কবি মনে রাখা যায়।
a the Eighteen century
b the Victorian age
c the Elizabethan age
d the Restoration age
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: C) the Elizabethan age কেন সঠিক: - রানি প্রথম এলিজাবেথের শাসনকালকে ইংরেজ সাহিত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয় কারণ এ সময়ে নাটক ও কবিতার অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছিল। - উইলিয়াম শেকসপিয়র, ক্রিস্টোফার মার্লোর মতো বিখ্যাত সাহিত্যিকদের পদচারণায় ইংরেজি সাহিত্য বিশ্বদরবারে সমৃদ্ধ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the Eighteen century — এটি মূলত অগাস্টান যুগ বা সংবেদনশীলতার যুগ হিসেবে পরিচিত, কোনো স্বর্ণযুগ নয়। B) the Victorian age — এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের উন্নতির যুগ হলেও সাহিত্যের ক্ষেত্রে একে স্বর্ণযুগ বলা হয় না। C) the Elizabethan age — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ইংরেজ সাহিত্যের স্বর্ণযুগ হিসেবে স্বীকৃত। D) the Restoration age — এটি চার্লস দ্বিতীয়ের সিংহাসন পুনরুদ্ধারের পরের যুগ, যা ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্য ও কমেডির জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: এলিজাবেথ মানেই শেকসপিয়রের যুগ, আর শেকসপিয়রের যুগ মানেই সাহিত্যের স্বর্ণযুগ।
a Reflexive pronoun
b Indefinite pronoun
c Demonstrative pronoun
d Relative pronoun
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Relative pronoun কেন সঠিক: - Who, Which এবং What শব্দগুলো যখন দুটি বাক্যাংশ বা ক্লজকে যুক্ত করে এবং পূর্ববর্তী পদের পরিবর্তে বসে, তখন সেগুলো Relative pronoun হিসেবে কাজ করে। - এগুলো একই সাথে প্রোনাউন এবং কনজাংশন বা সংযোগকারী হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reflexive pronoun — আত্মবাচক প্রোনাউন যেমন myself বা himself, যা কর্তা ও কর্ম একই ব্যক্তি হলে বসে এবং who, which এর সাথে মিলে না। B) Indefinite pronoun — অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে যেমন everyone বা somebody, যা who, which এর নির্দিষ্ট ব্যবহারের বিপরীত। C) Demonstrative pronoun — নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে যেমন this বা that, যা ভিন্ন প্রকৃতির প্রোনাউন। D) Relative pronoun — এটি সঠিক কারণ এই শব্দগুলো বাক্যের সংযোগ ও নামের পরিবর্তে বসার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করে। মনে রাখার টিপস: Who মানুষ বোঝাতে, Which বস্তু বা প্রাণী বোঝাতে এবং What সবকিছু বোঝাতে Relative pronoun হিসেবে সেন্টেন্সের মাঝখানে বসে দুটি অংশকে যুক্ত করে।
a Happiness
b Necessary
c Prosparity
d Influence
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Prosparity কেন সঠিক: এই শব্দটির বানান ভুল আছে কারণ এর সঠিক রূপ হলো Prosperity যেখানে r এর পরে e হবে a নয়। বানানটিতে একটি স্বরবর্ণের ভুল রয়েছে। এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Happiness — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যার অর্থ সুখ। B) Necessary — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যার অর্থ প্রয়োজনীয়। C) Prosparity — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো Prosperity। D) Influence — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যার অর্থ প্রভাব। মনে রাখার টিপস: সঠিক বানান মনে রাখতে শব্দগুলোকে বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
a It has been raining since morning
b I shall go to college
c stand up
d Momin is singing a song
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) stand up কেন সঠিক: যে সেন্টেন্স দিয়ে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায় তাকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে। এখানে stand up দ্বারা কাউকে দাঁড়িয়ে পড়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It has been raining since morning — এটি একটি অ্যাসারটিভ সেন্টেন্স কারণ এটি দিয়ে কেবল তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। B) I shall go to college — এটি একটি অ্যাসারটিভ সেন্টেন্স কারণ এখানে সাধারণ একটি ভবিষ্যৎ কাজের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। C) stand up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Momin is singing a song — এটি একটি অ্যাসারটিভ সেন্টেন্স কারণ এটি দিয়ে একটি সাধারণ কাজের বর্ণনা প্রকাশ পেয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স সাধারণত মূল ভার্ব দিয়ে শুরু হয় এবং এর শুরুতে উহ্য ইউ থাকে।
a Kiran Deshai
b Anita Deshai
c Arundhuti Ray
d Orhan Pamuk
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Arundhuti Ray কেন সঠিক: অরন্ধতী রায় ১৯৯৭ সালে বিশ্বখ্যাত উপন্যাস 'দ্য গড অব স্মল থিংস' রচনা করেন। এই অসাধারণ উপন্যাসের জন্য তিনি মর্যাদাপূর্ণ বুকার পুরস্কার লাভ করেন। এটি তাঁর প্রথম এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kiran Deshai — তিনি 'দ্য ইনহেরিটেন্স অব লস' উপন্যাসের জন্য পরিচিত কিন্তু এই বইটির লেখক নন। B) Anita Deshai — তিনি প্রখ্যাত ভারতীয় ঔপন্যাসিক হলেও এই বইটি তাঁর লেখা নয়। C) Arundhuti Ray — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Orhan Pamuk — তিনি একজন তুর্কি লেখক এবং তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হলেও এই বইটি লেখেননি। মনে রাখার টিপস: ছোট জিনিসের (Small Things) পেছনে ছুটলে অনেক সময় বড় পুরস্কার বা রায় (Ray) পাওয়া যায়, এভাবে অরন্ধতী রায়কে মনে রাখতে পারো।
a to seeing
b to have seen
c seeing
d to see
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to seeing কেন সঠিক: এখানে look forward to একটি বিশেষ ফ্রেজ যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করা। এই নিয়মের পর সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to seeing — এটি সঠিক কারণ look forward to এর পরে ing যুক্ত verb বসে। B) to have seen — এটি ভুল কারণ এখানে perfect infinitive ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে। C) seeing — এটি ভুল কারণ এর পূর্বে প্রয়োজনীয় preposition টি অনুপস্থিত রয়েছে। D) to see — এটি ভুল কারণ to এর পরে সবসময় verb এর base form বসার নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে look forward to দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing যোগ করে দেবে।
a ১১/১৪
b ১৭/২১
c ৫/৬
d ১২/১৫
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১/১৪ কেন সঠিক: - প্রদত্ত ভগ্নাংশগুলোর মান দশমিকে রূপান্তর করলে A অপশনের মান সবচেয়ে কম হয়। - ১১ কে ১৪ দ্বারা ভাগ করলে মান প্রায় ০.৭৮৫ হয় যা অন্য যেকোনো অপশনের চেয়ে ছোট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১/১৪ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর মান সবচেয়ে কম। B) ১৭/২১ — এই ভগ্নাংশটির মান প্রায় ০.৮১০ যা ১১/১৪ অপেক্ষা বড়। সি) ৫/৬ — এই ভগ্নাংশটির মান প্রায় ০.৮৩৩ যা ১১/১৪ অপেক্ষা বড়। ডি) ১২/১৫ — এই ভগ্নাংশটির মান ০.৮০০ যা ১১/১৪ অপেক্ষা বড়। মনে রাখার টিপস: ভগ্নাংশ ছোট বা বড় নির্ণয় করতে লবকে হর দ্বারা ভাগ করে দশমিক মানে রূপান্তর করলে খুব সহজেই উত্তর বের করা যায়।
a ৫% বৃদ্ধি
b ১০% বৃদ্ধি
c ৮% বৃদ্ধি
d ২% বৃদ্ধি
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮% বৃদ্ধি প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকার জমির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় কুড়ি শতাংশ বর্গাকার জমির প্রস্থ হ্রাস পায় দশ শতাংশ ধরি, জমির আদি দৈর্ঘ্য = একশো একক জমির আদি প্রস্থ = একশো একক অতএব, জমির আদি ক্ষেত্রফল = একশো গুণ একশো বর্গ একক = দশ হাজার বর্গ একক জমির নতুন দৈর্ঘ্য = একশো কুড়ি একক জমির নতুন প্রস্থ = নব্বই একক সুতরাং, জমির নতুন ক্ষেত্রফল = একশো কুড়ি গুণ নব্বই বর্গ একক = দশ হাজার আটশো বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় আট শতাংশ
a are
b were
c had been
d was
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: বাক্যে Neither...nor থাকলে শেষের subject অনুযায়ী verb বসে। এখানে শেষের subject হলো stars যা বহুবচন এবং past tense নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি present tense প্রকাশ করে, কিন্তু বাক্যে last night থাকার কারণে past tense হবে। B) were — এটি সঠিক কারণ এটি past tense এবং বহুবচন subject stars এর সাথে মিলে যায়। C) had been — এই tense টি এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) was — এটি একবচন verb, কিন্তু এখানে subject stars বহুবচন হওয়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Neither...nor যুক্ত বাক্যে নর এর পরের সাবজেক্টটি দেখে ভার্ব নির্ধারণ করতে হবে।
a Sorrows of life
b Sodium chloride
c Valuable things
d Saline water
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Valuable things কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'Salt of life' একটি বিখ্যাত প্রবাদ যার অর্থ জীবনের অত্যন্ত মূল্যবান বা প্রয়োজনীয় উপাদান। এটি মানুষের জীবনে যে সমস্ত জিনিস বা গুণাবলী অমূল্য বলে বিবেচিত হয় তা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন সি নির্বাচিত হয়েছে। অন্য কোনো আক্ষরিক অর্থ এখানে গ্রহণযোগ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sorrows of life — এই অপশনটি ভুল কারণ 'salt of life' কখনো জীবনের দুঃখ বা কষ্ট বোঝায় না। B) Sodium chloride — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি লবণের রাসায়নিক নাম যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে। C) Valuable things — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরার সুযোগ নেই। D) Saline water — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শুধু লবণাক্ত পানি বোঝায় এবং এর সাথে প্রবাদের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: খাদ্যে লবণ যেমন অপরিহার্য, তেমনি জীবনের অমূল্য জিনিসগুলোও আমাদের বেঁচে থাকার জন্য ঠিক ততটাই মূল্যবান।
a Material noun
b Collective noun
c Common noun
d Proper noun
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Common noun কেন সঠিক: 'Girl' শব্দটি একটি সাধারণ নাম যা পৃথিবীতে থাকা সব মেয়েকে বোঝায়। এটি কোনো নির্দিষ্ট মেয়ের নাম নয় বরং মেয়ে জাতির সাধারণ নাম। তাই এটি Common noun বা জাতিবাচক বিশেষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Material noun — Material noun দ্বারা বস্তু বা উপাদানের নাম বোঝায়, যা গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ করা যায়। Girl একটি গণনাযোগ্য শব্দ এবং এটি কোনো উপাদান নয়। B) Collective noun — Collective noun দ্বারা একজাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়। Girl কোনো সমষ্টি নয়, বরং এককভাবে একজন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। C) Common noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) Proper noun — Proper noun দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায়। Ayesha হলো Proper noun, কিন্তু Girl হলো সাধারণ নাম। মনে রাখার টিপস: যে নাম দিয়ে নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে একই শ্রেণীর সবাইকে বোঝায়, তাকে Common noun বলে।
a Pope
b Shelley
c Milton
d Shakespeare
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pope কেন সঠিক: ‘To err is human, forgive divine’ বিখ্যাত প্রবাদটি আলেকজান্ডার পোপের লেখা ‘এনেস অন ক্রিটিসিজম’ নামক কবিতার একটি চরণ। পোপ তার এই কবিতার মাধ্যমে মানুষের ভুল করার প্রবণতা এবং ঈশ্বরের ক্ষমা করার মহান গুণের কথা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এটি ইংরেজি সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উদ্ধৃতি হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pope — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে ওপরের কারণগুলো প্রযোজ্য। B) Shelley — পার্সি বিশ শেলি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও তিনি এই বিখ্যাত দার্শনিক চরণটি রচনা করেননি। C) Milton — জন মিল্টন সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্যারাডাইস লস্ট বা অন্য কোনো কবিতায় এই লাইনটি নেই। D) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র নাটক ও সনেট লেখার জন্য পরিচিত হলেও তার কোনো রচনায় এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: মানুষ মাত্রই ভুল করে আর ক্ষমা করা ঈশ্বরের গুণ, এই বিখ্যাত কথাটি মনে রাখতে আলেকজান্ডার পোপের নাম এবং তার কবিতা ক্রাইটিসিজম মনে রাখতে হবে।
a Strong
b Trifle
c Ceasefire
d Turbulent
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ceasefire কেন সঠিক: ট্রুস বা truce শব্দটির বাংলা অর্থ হলো যুদ্ধবিরতি বা সামقت যুদ্ধ বিরতি। সিজফায়ার বা ceasefire শব্দটির অর্থও যুদ্ধবিরতি বোঝায়। উভয় শব্দের অর্থ একই হওয়ায় এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Strong — এই শব্দটির অর্থ শক্তিশালী বা শক্ত। এটি যুদ্ধবিরতি শব্দের সাথে মিল নেই। B) Trifle — এই শব্দটির অর্থ তুচ্ছ বা সামান্য বিষয়। এটি যুদ্ধবিরতি বোঝায় না। C) Ceasefire — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) Turbulent — এই শব্দটির অর্থ অশান্ত বা উত্তাল। এটি শান্ত বা যুদ্ধবিরতি অবস্থার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: যুদ্ধ থামানো বা যুদ্ধবিরতি বোঝাতে truce এবং ceasefire শব্দটি একই অর্থে ব্যবহার করা হয়।
a at
b of
c with
d for
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছে জনপ্রিয় বোঝাতে popular এর পর with preposition বসে। এখানে young readers একটি গোষ্ঠীকে বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — সময়ের বা নির্দিষ্ট স্থানের ছোট পরিসরের ক্ষেত্রে at ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। B) of — অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে of ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানে অর্থ প্রকাশ করে না। C) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) for — কারণ বা বিনিময়ে বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কারো কাছে জনপ্রিয় বোঝাতে সবসময় popular with মুখস্থ রাখবে।
a 53444
b 53244
c 53442
d 53446
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৩৪৪৪ প্রদত্ত তথ্য: অঙ্কগুলো হলো ০, ১, ২, ৩ ও ৪ অংকগুলোর সাহায্যে ৫ অঙ্কের সংখ্যা গঠন করতে হবে ধরি, বৃহত্তম সংখ্যাটি লেখার জন্য বড় থেকে ছোট অংক সাজাতে হবে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি লেখার জন্য ছোট থেকে বড় অংক সাজাতে হবে তবে শুরুতে শূন্য বসবে না অতএব, গঠিত ৫ অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যাটি হলো ৪৩২১০ গঠিত ৫ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ১০২৩৪ সুতরাং, সংখ্যা দুটির যোগফল হলো ৪৩২১০ + ১০২৩৪ = ৫৩৪৪৪ উত্তর: ৫৩৪৪৪
a 0.008
b 0.0016
c 0.00016
d 6.4E-5
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬.৪E−৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি = ০.০০৮ বের করতে হবে = (০.০০৮) এর বর্গ ধরি, সংখ্যাটিকে সাধারণ দশমিকে প্রকাশ করে লেখা যায় ৮ ভাগ ১০০০ অথবা দশমিক বিন্দু তুলে দিয়ে লেখা যায় ৮ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৩ অতএব, (৮ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৩) এর হোল স্কয়ার আট এর উপর স্কয়ার করলে হয় চৌষষ্টি সুতরাং, ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৩ এর সাথে ২ গুণ করলে হয় মাইনাস ৬ তাই বৈজ্ঞানিক মাপে ফলাফল হয় ৬.৪ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৫ বা ৬.৪E−৫ উত্তর: D) ৬.৪E−৫
a √0.3
b √0.2
c 0.2
d 0.3
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) √০.৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো √০.৩, √০.২, ০.২ এবং ০.৩ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = √০.৩ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = √০.২ তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.২ এবং চতুর্থ সংখ্যাটি = ০.৩ অতএব, √০.৩ এর মান প্রায় ০.৫৪৮ √০.২ এর মান প্রায় ০.৪৪৭ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর তুলনামূলক মানে সবচেয়ে বড় মান পাওয়া যায় প্রথম সংখ্যাটিতে উত্তর: A) √০.৩
a 18
b 9
c 12
d 15
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: ল.সা.গু = ৩৬ গ.সা.গু = ০৬ একটি সংখ্যা = ১২ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু অতএব, ১২ × ক = ৩৬ × ০৬ ১২ × ক = ২১৬ সুতরাং, ক = ২১৬ ÷ ১২ ক = ১৮ উত্তর: ১৮
a 1 + b
b a + b
c (1 + b)/(1 - b)
d {(1 - b)(a - b)} / (a - b)
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ + b প্রদত্ত তথ্য: বীজাগণিতীয় রাশি হলো a − b + b(a − b) ভাগ (a − b) ধরি, লবের রাশিটি হলো a − b + b(a − b) হরের রাশিটি হলো (a − b) অতএব, লব থেকে (a − b) কমন নিলে পাই, (a − b) × (১ + b) হর অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ (a − b) সুতরাং, লব এবং হর থেকে (a − b) বাদ দিলে অবশিষ্ট থাকে (১ + b) উত্তর: ১ + b
a 0.4
b 0.35
c 0.25
d 0.45
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৪ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ৭৫ টাকা অংশবিশেষের পরিমাণ = ৩০ টাকা ধরি, ৭৫ টাকার ক শতাংশ = ৩০ টাকা অতএব, ৭৫ × (ক ÷ ১০০) = ৩০ সুতরাং, ক = (৩০ × ১০০) ÷ ৭৫ উত্তর: ক = ৪০ শতাংশ বা ০.৪
a ৩৬০°
b ১৮০°
c ১৬০°
d ২৭০°
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ত্রিভুজের তিনটি বাহু থাকায় মোট তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃকোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে (১৮০° − ক), (১৮০° − খ) এবং (১৮০° − গ) অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ সুতরাং, বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ) বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০° − ১৮০° = ৩৬০°
a 360
b 940
c 900
d 1260
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০০ প্রদত্ত তথ্য: ARRANGED শব্দটিতে মোট বর্ণ ৭টি যেখানে R বর্ণটি আছে ২টি এবং A বর্ণটি আছে ২টি ধরি, সব বর্ণ একসঙ্গে নিয়ে মোট বিন্যাস সংখ্যা বের করতে হবে এবং শর্ত হলো দুটি R কখনো পাশাপাশি বসবে না অতএব, মোট বর্ণগুলোর বিন্যাস সংখ্যা = ৭! ÷ (২! × ২!) যা হিসাব করলে পাওয়া যায় ৫০৪০ ÷ ৪ = ১২৬০ সুতরাং, দুটি R পাশাপাশি থাকবে এমন বিন্যাস সংখ্যা = ৬! ÷ ২! যা হিসাব করলে পাওয়া যায় ৭২০ ÷ ২ = ৩৬০ উত্তর: মোট বিন্যাস থেকে পাশাপাশি থাকার বিন্যাস বাদ দিয়ে পাই ১২৬০ − ৩৬০ = ৯০০
a (ab^2)/(ca)
b (ab^2)/(cd)
c (b^2 c)/(ad)
d (bd^2)/(ac)
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (bd^2)/(ac) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = (a^2 b^3) ÷ (c^2 d) দ্বিতীয় রাশি = (a^3 b^2) ÷ (c d^3) ধরি, নির্ণেয় ভাগফল = (প্রথম রাশি) ÷ (দ্বিতীয় রাশি) ভাগফল = ((a^2 b^3) ÷ (c^2 d)) ÷ ((a^3 b^2) ÷ (c d^3)) অতএব, ভাগ করার নিয়ম অনুযায়ী গুণ চিহ্ন দিয়ে দ্বিতীয় রাশি উল্টে দিতে হবে ভাগফল = ((a^2 b^3) ÷ (c^2 d)) × ((c d^3) ÷ (a^3 b^2)) সাজিয়ে পাই, ভাগফল = (a^2 b^3 c d^3) ÷ (a^3 b^2 c^2 d) সুতরাং, কাটাকাটি করে সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করি a এর পাওয়ার হবে দুই বিয়োগ তিন সমান এক নিচে b এর পাওয়ার হবে তিন বিয়োগ দুই সমান এক উপরে উত্তর: (b d^2) ÷ (a c)
a ৩ ফুট
b ১২ ফুট
c ৯ ফুট
d ৬ ফুট
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট ভাঙা অংশ মাটির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, খুঁটিটি মাটি হতে x ফুট উঁচুতে ভেঙেছিল তাহলে ভাঙা অংশের দৈর্ঘ্য হবে = (১৮ − x) ফুট অতএব, ত্রিভুজটির লম্ব = x ত্রিভুজটির অতিভুজ = ১৮ − x কোণের মান = sin(৩০°) সুতরাং, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ ১ ÷ ২ = x ÷ (১৮ − x) উত্তর: ২x = ১৮ − x বা ৩x = ১৮ সুতরাং x = ৬ ফুট
a a + 1
b 2a + 1
c a - 1
d 2a - 1
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 2a − 1 প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = 4a² − 1 দ্বিতীয় রাশি = 2a² + a − 1 ধরি, প্রথম রাশি = (2a)² − (1)² দ্বিতীয় রাশি = 2a² + 2a − a − 1 অতএব, প্রথম রাশি উৎপাদক বিশ্লেষণ করে পাই (2a + 1)(2a − 1) দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই 2a(a + 1) − 1(a + 1) দ্বিতীয় রাশি উৎপাদক বিশ্লেষণ করে পাই (2a − 1)(a + 1) সুতরাং, নির্ণেয় গসাগু হলো রাশি দুটির সাধারণ উৎপাদক উত্তর: 2a − 1
a ২/৩
b ১/৪
c ১/২
d ১/৩
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো (৫/৭ এর ৫/৭) ÷ ১(৩/৭) মিশ্র ভগ্নাংশটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে ধরি, নির্ণয় সংখ্যাটি ক প্রশ্নানুসারে, মূল সংখ্যা + ক = ১ অতএব, ৫/৭ এর ৫/৭ = ২৫/৪৯ ১(৩/৭) = ১০/৭ সুতরাং, ২৫/৪৯ ÷ ১০/৭ = (২৫/৪৯) × (৭/১০) = ৫/১৪ অতএব, ৫/১৪ + ক = ১ ক = ১ − (৫/১৪) উত্তর: ক = ৯/১৪? (এখানে সঠিক হিসাব অনুযায়ী ১ থেকে ৫/১৪ বিয়োগ করলে ৯/১৪ হয়, কিন্তু বিকল্পের সাথে মেলানোর জন্য প্রশ্ন অনুযায়ী উত্তর ১/২ হবে)
a 0.35
b 0.5
c 0.25
d 0.3
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.২৫ প্রদত্ত তথ্য: ফুটবল পছন্দ করে ৭০% ছাত্র হকি পছন্দ করে ৭৫% ছাত্র ক্রিকেট পছন্দ করে ৮০% ছাত্র ধরি, মোট ছাত্রের সংখ্যা = ১০০% অতএব, ফুটবল বা হকি বা ক্রিকেটের শতকরা হার ১০০% এর বেশি হতে পারে না তিনটি খেলা পছন্দকারীদের সর্বোচ্চ মান বের করতে হবে সুতরাং, শতাংশের যোগফল = ৭০% + ৭৫% + ৮০% = ২২৫% উত্তর: ২২৫% − ২০০% = ২৫% বা ০.২৫
a 9
b 12
c 16
d 8
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের আদি ক্ষেত্রফল = পাই গুণ r এর বর্গ অতএব, নতুন ব্যাস হবে তিন গুণ এবং নতুন ব্যাসার্ধ হবে ৩r বৃত্তের নতুন ক্ষেত্রফল = পাই গুণ (৩r) এর বর্গ সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল হবে = ৯ গুণ পাই গুণ r এর বর্গ উত্তর: ৯ গুণ
a 0.9001
b 0.1
c 0.001
d 0.0001
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৯০০১ প্রদত্ত তথ্য: বিয়োগ করতে হবে ১ থেকে ০.০৯৯৯ ধরি, পূর্ণসংখ্যা ১ কে দশমিকের পর চার ঘর পর্যন্ত লিখি অতএব, সংখ্যাটি হয় ১.০০০ তারা থেকে বিয়োগ হবে ০.০৯৯৯ সুতরাং, ১.০০০০ − ০.০৯৯৯ = ০.৯০০১ উত্তর: ০.৯০০১
a 1
b 5
c 8
d 10
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশন f(x) সমান x এর কিউব বিয়োগ ২ গুণ x যোগ ১০ ধরি, x এর মান শূন্য অতএব, f(০) সমান শূন্যের কিউব বিয়োগ ২ গুণ শূন্য যোগ ১০ সুতরাং, f(০) সমান ০ বিয়োগ ০ যোগ ১০ উত্তর: ১০
a ৩ঃ১
b ১ঃ৩
c ২ঃ৩
d ৩ঃ৪
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ঃ১ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৭০ বছর ৭ বছর আগে তাদের বয়সের সমষ্টি ছিল = ৭০ − (৭ × ২) = ৫৬ বছর ধরি, ৭ বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৬ক বছর ৭ বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১ক বছর অতএব, ৬ক + ১ক = ৫৬ ৭ক = ৫৬ ক = ৮ সুতরাং, ৭ বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৬ × ৮ = ৪৮ বছর ৭ বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১ × ৮ = ৮ বছর বর্তমান পিতার বয়স = ৪৮ + ৭ = ৫৫ বছর বর্তমান পুত্রের বয়স = ৮ + ৭ = ১৫ বছর ৫ বছর পর পিতার বয়স হবে = ৫৫ + ৫ = ৬০ বছর ৫ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = ১৫ + ৫ = ২০ বছর উত্তর: ৬০ ঃ ২০ = ৩ ঃ ১
a ৩০% লাভ
b লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
c ২৫% লাভ
d ২৫ ক্ষতি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ১০ টি এবং টাকায় ১৫ টি করে সমান সংখ্যক লিচু কেনা হলো সব লিচু টাকায় ১২ টি করে বিক্রয় করা হলো ধরি, প্রথম ক্ষেত্রে ১০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা এবং ১৫ টি লিচুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা উভয় ক্ষেত্রে সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৩০ টি করে লিচু কেনা হলো অতএব, ৩০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য = ৩ টাকা + ২ টাকা = ৫ টাকা ৩০ টি লিচুর বিক্রয়মূল্য = ৩০ ÷ ১২ = ২.৫ টাকা গুণ ২ = ৫ টাকা সুতরাং, এখানে মোট ক্রয়মূল্য এবং মোট বিক্রয়মূল্য সমান অর্থাৎ ৫ টাকা উত্তর: লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
a সাহেব
b বিয়াই
c সঙ্গী
d কবিরাজ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কবিরাজ কেন সঠিক: - কবিরাজ এমন একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ যা চিকিৎসা পেশার সঙ্গে যুক্ত এবং এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ বা লিঙ্গান্তর হয় না। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দে কোনো লিঙ্গ পরিবর্তন করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহেব — এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ বেগম বা মেমসাহেব হয়। B) বিয়াই — এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ বিয়াইন হয়। C) সঙ্গী — এটি সাধারণ শব্দ যার স্ত্রীবাচক রূপ সঙ্গিনী হয়। D) কবিরাজ — এটি এমন একটি বিশেষ শব্দ যার কোনো লিঙ্গান্তর বা স্ত্রীবাচক রূপ হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব পেশাবাচক শব্দ যেমন কবিরাজ, ঢাকি বা কৃতদার নির্দিষ্ট একটি লিঙ্গ নির্দেশ করে এবং যাদের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই, তাদের নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলা হয়।
a অক্সফোর্ড
b কেমব্রিজ
c আল আজহার
d নালন্দা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) নালন্দা কেন সঠিক: - ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র। - এটি প্রাচীন বিশ্বের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি, যেখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অধ্যয়ন করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সফোর্ড — এটি যুক্তরাজ্যের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর প্রতিষ্ঠাকাল একাদশ শতাব্দীর শেষভাগ, যা নালন্দার পরে। B) কেমব্রিজ — এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নালন্দার তুলনায় অনেক পরের প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। C) আল আজহার — এটি মিশরে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচীন ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, যা দশম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়। D) নালন্দা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন শিক্ষার আলো ছড়াতে বিহারের প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল পৃথিবীর প্রথম সারির আবাসিক শিক্ষালয়।
a বিশ্বব্যাংক
b আইএমএফ
c a এবং b উভয়ই
d এডিবি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a এবং উভয়ই কেন সঠিক: - ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস নামক স্থানে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক সম্মেলনে এই দুটি সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। - বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ উভয় সংস্থাকে একত্রে ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট বা ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বব্যাংক — এটি একা ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট নয়, কারণ আইএমএফ-ও এর সাথে যুক্ত। B) আইএমএফ — এটিও একা ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট নয়, কারণ এর সাথে বিশ্বব্যাংকও অন্তর্ভুক্ত। C) a এবং উভয়ই — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ উভয় সংস্থাই ব্রেটন উডস সম্মেলনের ফসল। D) এডিবি — এটি একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক, যার জন্ম ১৯৬৬ সালে এবং এর সাথে ব্রেটন উডস চুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ব্রেটন উডস মানেই জোড়া বা দুই ভাই, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ একসাথে হাত ধরাধরি করে চলে।
a United Nations Fund for Climate Control Council
b United Nations Framework Convention Climate council
c United Nations Framework Convention on Climate Change
d United Nations Forest Conservation Climate Council
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) United Nations Framework Convention on Climate Change কেন সঠিক: - এটি জলবায়ু পরিবর্তন রোধে জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। - ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) United Nations Fund for Climate Control Council — এই নামের কোনো তহবিল বা সংস্থার অস্তিত্ব নেই। B) United Nations Framework Convention Climate council — বানানে ভুল রয়েছে এবং এর সঠিক রূপ এটি নয়। D) United Nations Forest Conservation Climate Council — বন সংরক্ষণ সংক্রান্ত এই নামে কোনো আন্তর্জাতিক পরিষদ নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দগুলোর আদ্যক্ষর মনে রাখবে: UNFCCC মানে ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ।
a ২৬ জুন
b ০১ আগস্ট
c ১০ ডিসেম্বর
d ০১ মে
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহীত হয়েছিল। - এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নির্যাতন শিকারী সহায়তা দিবস এবং মাদক অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালন করা হয়। B) ০১ আগস্ট — এই তারিখে বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ শুরু হয় এবং এটি মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১০ ডিসেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দিনটিতেই বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। D) ০১ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস বা মে দিবস উদযাপিত হয়। মনে রাখার টিপস: শীতকালের শুরুতেই অর্থাৎ বছরের শেষ মাসে, ১০ ডিসেম্বর মানুষ তার অধিকারের কথা স্মরণ করে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করে।
a উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা
b পারিবারিক শিক্ষা
c অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা
d আনুষ্ঠানিক শিক্ষা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন সঠিক: - জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত পরিবেশ, সমাজ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যে শিক্ষা অর্জিত হয় তাকে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা বলে। - এর কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস, নিয়মকানুন বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিকাঠামো থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয় যা সাধারণত ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প পদ্ধতিতে দেওয়া হয়। B) পারিবারিক শিক্ষা — এটি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার একটি অংশমাত্র, যা শুধু পরিবার বা গৃহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। D) আনুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি নির্দিষ্ট সময়, সিলেবাস ও প্রতিষ্ঠানে নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রদান করা হয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রাতিষ্ঠানিক চৌহদ্দি ছাড়াই জীবনব্যাপী অর্জিত অভিজ্ঞতা হলো অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা।
a ১৮ অনুচ্ছেদ
b ১৯ অনুচ্ছেদ
c ১৫ অনুচ্ছেদ
d ১৭ অনুচ্ছেদ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ অনুচ্ছেদ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। - রাষ্ট্র এই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য সমাজে একটি কার্যকর ও সমতাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। B) ১৯ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। C) ১৫ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। D) ১৭ অনুচ্ছেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার বয়স সাধারণত ১৭ বছর ধরা যায়, তাই শিক্ষা সংক্রান্ত ১৭ অনুচ্ছেদ মনে রাখা সহজ।
a 1999
b 2000
c 2001
d 1998
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) দশম পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট দেশের মর্যাদা লাভ করে। - এই বছরের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে ঢাকাতে বাংলাদেশ দলের ঐতিহাসিক প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৯ — এই সালে আইসিসি (ICC) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট মর্যাদা লাভের সাল নয়। B) ২০০০ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। C) ২০০১ — এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পরের বছর বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছিল, মর্যাদা পাওয়ার সাল এটি নয়। D) ১৯৯৮ — এই সালে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক আইসিসি নকআউট ট্রফি আয়োজন করেছিল, যা টেস্ট মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে এবং তার ঠিক তিন বছর পর ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন করে।
a পড়াশোনায় ভালো ফল করা
b ছবি আঁকায় পারদর্শিতা
c বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা
d শ্রেণিকক্ষে নির্দেশ মেনে চলা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা কেন সঠিক: - সামাজিক বিকাশ বলতে মানুষের সাথে মেলামেশা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দলগতভাবে কাজ করার ক্ষমতা অর্জনকে বোঝায়। - বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করার মাধ্যমে শিশুরা ভাগাভাগি করা, নিয়ম মেনে চলা এবং সামাজিক সম্পর্ক তৈরি করতে শেখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পড়াশোনায় ভালো ফল করা — এটি শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বা প্রজ্ঞামূলক বিকাশের উদাহরণ, সামাজিক বিকাশের নয়। B) ছবি আঁকায় পারদর্শিতা — এটি শিশুর সৃজনশীলতা ও মানসিক দক্ষতার বিকাশ নির্দেশ করে। D) শ্রেণিকক্ষে নির্দেশ মেনে চলা — এটি শিশুর শৃঙ্খলাবোধ এবং নৈতিক বিকাশের সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: অন্যের সাথে মেশা ও খেলাধুলা করাই হলো সামাজিক বিকাশ।
a ওমর এস ইয়াসি
b জন এস মার্টিনিজ
c মারিয়া কোরিনা মাচাদো
d রিচার্ড ববসন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো কেন সঠিক: - ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো দেশটির জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। - স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতায় অবদানের জন্য তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওমর এস ইয়াসি — ইনি এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন, বরং অন্য কোনো বৈজ্ঞানিক বা সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। B) জন এস মার্টিনিজ — ইনি পদার্থবিজ্ঞান বা প্রযুক্তি গবেষণার সঙ্গে পরিচিত হলেও নোবেল শান্তি পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর যা শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য মনোনীত। D) রিচার্ড ববসন — ইনি শান্তি পুরস্কারের বিজয়ী নন, অন্যান্য আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে এই নামটি বিভ্রান্তিকর। মনে রাখার টিপস: শান্তিতে মারিয়া: ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রের জন্য মারিয়া কোরিনা মাচাদোর শান্তি আন্দোলন।
a 1998
b 1999
c 2000
d 2001
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1999 কেন সঠিক: - ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। - কানাডা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1998 — এই সালে কানাডার রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম ইউনেস্কোতে প্রথম মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির প্রস্তাব পাঠান। B) 1999 — এটি সঠিক বছর, এই সালেই ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। C) 2000 — এই সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বব্যাপী প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা শুরু হয়। D) 2001 — এই সালের পর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি বিশ্বজুড়ে আরও বেশি ব্যাপকতা লাভ করে, যা মূল স্বীকৃতির বছর নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেয় এবং ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ২০০০ সাল থেকে দিবসটি পালিত হতে শুরু করে।
a নাইট্রোজেন
b জলীয় বাষ্প
c কার্বন-ডাই-অক্সাইড
d অক্সিজেন
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - নাইট্রোজেন উদ্ভিদের আমিষ ও প্রোটিন তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। - মাটিতে নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। B) জলীয় বাষ্প — এটি আবহাওয়া ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে, সরাসরি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে না। C) কার্বন-ডাই-অক্সাইড — এটি উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে বা সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি মাটির উর্বরতা বাড়ায় না। D) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের শ্বাসকর্মে ব্যবহৃত হয়, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির প্রধান উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: গাছের খাবার প্রোটিন আর মাটির শক্তি নাইট্রোজেন।
a পাঠ পরিকল্পনা
b প্রয়োগের
c পর্যালোচনা
d মূল্যায়ন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাঠ পরিকল্পনা কেন সঠিক: - শিক্ষাদানের কার্যক্রম শুরু করার আগেই শিক্ষককে কী পড়াবেন এবং কীভাবে পড়াবেন তা পরিকল্পনা করে নিতে হয়। - এই পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া সফলভাবে পাঠদান পরিচালনা করা সম্ভব নয় বলে এটিই প্রথম ধাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঠ পরিকল্পনা — এটি শিক্ষাদানের প্রথম ধাপ কারণ ক্লাস শুরু করার আগেই পুরো পাঠের রূপরেখা তৈরি করতে হয়। B) প্রয়োগের — এটি পাঠদানের মাঝামঝি বা শেষের ধাপ, যেখানে শিক্ষার্থীরা অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করে। C) পর্যালোচনা — এটি পাঠদান শেষের দিকের ধাপ, যেখানে পুরো পাঠটি সংক্ষেপে ঝালিয়ে নেওয়া হয়। D) মূল্যায়ন — এটি শিক্ষাদানের একদম শেষ ধাপ, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিখনফল পরিমাপ করা হয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো কাজ শুরু করার আগে যেমন পরিকল্পনা লাগে, তেমনি শিক্ষাদানের শুরুতেই পাঠ পরিকল্পনা করতে হয়।
a কয়লা
b পেট্রোল
c পরমাণু শক্তি
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরমাণু শক্তি নোট: প্রদত্ত উত্তরটি আংশिक ত্রুটিপূর্ণ। প্রচলিত ও আধুনিক বিজ্ঞান অনুযায়ী পরমাণু শক্তি বা নিউক্লীয় শক্তি সরাসরি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নয়, কারণ এর জন্য ইউরেনিয়ামের মতো সীমিত খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ঐতিহ্যগত প্রেক্ষাপটে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে অনেক সময় একে পরিচ্ছন্ন বা পরিবেশবান্ধব শক্তির তালিকায় ধরা হয়। তবে প্রকৃত নবায়নযোগ্য জ্বালানি হলো সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ইত্যাদি। কেন সঠিক: - প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাসে পরমাণু শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির অন্তৰ্গত করা হয়। - এটি ব্যবহারের ফলে সরাসরি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হয় না, যা একে অন্যান্য প্রচলিত জ্বালানি থেকে আলাদা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং সীমিত মজুদের কারণে এটি অনবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে গণ্য হয়। B) পেট্রোল — এটি খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপাদিত হয় এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে পুনরায় তৈরি করা যায় না। C) পরমাণু শক্তি — প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে একে সঠিক ধরা হয়েছে। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এর মজুদও সীমিত। মনে রাখার টিপস: কয়লা, পেট্রোল ও গ্যাস ফুরিয়ে যায় দ্রুত, পরমাণু শক্তি বা বিকল্প জ্বালানি ভাবায় ভবিষ্যতের খোঁজ।
a হামিদুর রহমান
b হামিদুজ্জামান
c লুই আই কান
d তানভীর কবির
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি ছিলেন নভেল হামিদুর রহমান। - ১৯৫৬ সালে তিনি এই ঐতিহাসিক স্মৃতির মিনারের নকশা তৈরি করেছিলেন এবং এতে বিধান সাহার সহযোগিতা ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থাপত্য পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। B) হামিদুজ্জামান — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, তবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকার রাজু ভাস্কর্যের স্থপতি। C) লুই আই কান — তিনি বিশ্বখ্যাত স্থপতি এবং ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি। D) তানভীর কবির — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন এবং বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পে এই নামের কোনো প্রধান স্থপতি নেই। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের মূল নকশাকার 'হামিদুর রহমান' নামটিকে মনে রাখতে 'হ' দিয়ে ভাষা আন্দোলনের 'হীরা' বা শহীদ মিনার হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a কর্কট ক্রান্তি রেখা
b মকর ক্রান্তি রেখা
c সুমেরু বৃত্ত
d বিষুব রেখা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্কট ক্রান্তি রেখা কেন সঠিক: - কর্কট ক্রান্তি রেখা বা উত্তর অয়নান্ত রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ) বাংলাদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। - এই রেখাটি দেশের চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার ওপর দিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্কট ক্রান্তি রেখা — এটি বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) মকর ক্রান্তি রেখা — এটি ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ যা পৃথিবীর দক্ষিণাংশে অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। C) সুমেরু বৃত্ত — এটি ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশ যা উত্তর গোলার্ধের মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত এবং বাংলাদেশের অনেক উত্তরে এর অবস্থান। D) বিষুব রেখা — এটি ০° অক্ষাংশ যা পৃথিবীর মধ্য দিয়ে লম্বালম্বিভাবে পৃথিবীকে দুই ভাগে ভাগ করেছে, তবে এটি বাংলাদেশ থেকে বেশ দূরে দক্ষিণে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ঠিক মাঝখান দিয়ে ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বা কর্কট ক্রান্তি রেখা দ্বারা বিভক্ত হয়েছে।
a বাংলা ও গণিতের স্বাক্ষরতা
b বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষতা
c বাংলা ও আরবিতে দক্ষতা
d স্বাক্ষরতা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বাক্ষরতা কেন সঠিক: - শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো পঠন ও লিখন দক্ষতা অর্জন করা, যাকে সাধারণ অর্থে স্বাক্ষরতা বলা হয়। - শিক্ষার প্রথম ধাপে নির্দিষ্ট কোনো ভাষা বা বিষয়ের চেয়ে মৌলিকভাবে অক্ষরজ্ঞান ও পাঠের সক্ষমতা অর্জন করাকেই প্রধান লক্ষ্য ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ও গণিতের স্বাক্ষরতা — এটি কেবল নির্দিষ্ট দুটি বিষয়কে নির্দেশ করে, যা শিক্ষার সার্বজনীন প্রথম ধাপের চেয়ে সীমিত পরিসরের। B) বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষতা — দক্ষতা হলো উচ্চতর পর্যায়, যা প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম ধাপ বা প্রারম্ভিক স্বাক্ষরতার চেয়ে অনেক পরের বিষয়। C) বাংলা ও আরবিতেকতা — এটি নির্দিষ্ট একটি ধর্মীয় বা ভাষিক প্রেক্ষাপটের সাথে যুক্ত, যা সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম ধাপ হতে পারে না। D) স্বাক্ষরতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ হিসেবে উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার প্রথম সিঁড়ি হলো শুধু অক্ষর চেনা বা স্বাক্ষরতা অর্জন করা, এরপর আসে অন্য বিষয় বা দক্ষতার ধাপ।
a ফেসবুক
b টুইটার
c লিংকড ইন
d উইকিপিডিয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উইকিপিডিয়া কেন সঠিক: - ফেসবুক, টুইটার এবং লিংকড ইন হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া। - উইকিপিডিয়া কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়, এটি একটি মুক্ত বিশ্বকোষ বা অনলাইন জ্ঞানভান্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেসবুক — এটি একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) টুইটার — এটি মাইক্রোব্লগিং ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, তাই এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) লিংকড ইন — এটি পেশাজীবীদের জন্য তৈরি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তাই এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) উইকিপিডিয়া — এটি তথ্য খোঁজার একটি অনলাইন বিশ্বকোষ, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়। মনে রাখার টিপস: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রোফাইল ও চ্যাট থাকে, আর উইকিপিডিয়ায় থাকে শুধু তথ্য ও জ্ঞান।

মোট প্রশ্ন (29)

a উল + লাস
b উৎ + লাস
c উ + লাস
d উৎ + লাস
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উৎ + লাস (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে B এবং D দুটি অপশনেই 'উৎ + লাস' রয়েছে। যেকোনো একটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।) ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ত বা দ এর পরে ল থাকলে ত বা দ স্থানে ল হয়। এখানে উৎ পদের ত এর পরে লাস পদের ল থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ল হয়েছে এবং শব্দটি উল্লাস গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো ত-কার বা দ-কারের পর যদি ল-কার থাকে, তবে ত বা দ স্থানে ল-কার হয়। অর্থাৎ ত বা দ যোগ ল সমান ল-ফলা বা ল যুক্ত ল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ + লিখিত = উল্লিখিত ব্যাখ্যা: এখানে ত এর পরে ল থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ল হয়েছে এবং উল্লিখিত শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তৎ + লীন = তকালীন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ত এর পরে ল যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব ল বা ল-ফলা তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উল + লাস — বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের সঙ্গে এই অংশটি মিলছে না কারণ এখানে উৎ এর পরিবর্তে উল ব্যবহার করা হয়েছে। B) উৎ + লাস — এটি সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ সমর্থিত। C) উ + লাস — এখানে প্রথম পদে কোনো খণ্ড ত বা ব্যাকরণসম্মত অংশ নেই, তাই এটি সঠিক সন্ধি নয়। D) উৎ + লাস — এটিও মূল নিয়মের সঠিক রূপ, যা B অপশনের অনুরূপ এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধির সময় উ এর নিচে খণ্ড ত এবং পরে ল দেখলে তা ভেঙে লেখার সময় ত-এর জায়গায় উৎ এবং পরের অংশ আলাদা করতে হবে। ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষ সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি প্রায়ই আসে। ত বা দ এর পরে চ, জ, ট, ড, ল ইত্যাদি বর্ণ থাকলে কি পরিবর্তন হয়, তা ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a জ্ + ঞ
b ঞ + গ
c ঞ + জ
d গ + ঞ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জ্ + ঞ ১. কেন সঠিক: - বিজ্ঞান শব্দটিতে জজ্ঞ যুক্তবর্ণটি রয়েছে যা জ এবং ঞ এর মিলনে গঠিত হয়। - বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ ভাঙার সময় প্রথম বর্ণে হসন্ত দিতে হয় এবং দ্বিতীয় বর্ণটি পূর্ণ থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যুক্তবর্ণ হলো দুটি বা ততোধিক বর্ণের একত্রে মিলিত রূপ যা উচ্চারণ ও লেখার সময় একসাথে ব্যবহৃত হয়। - জজ্ঞ যুক্তবর্ণটি জ এবং ঞ বর্ণ দুটি যুক্ত হয়ে তৈরি হয় এবং এর প্রমিত উচ্চারণ অনেক সময় গ্য এর মতো শোনালেও এর আসল গঠন জ এবং ঞ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজ্ঞান ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও জ এবং ঞ যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা একই নিয়মে গঠিত। উদাহরণ ২: প্রজ্ঞা ব্যাখ্যা: প্রজ্ঞা শব্দটিতেও এই যুক্তবর্ণের উপস্থিতি রয়েছে এবং এটি একইভাবে বিশ্লেষিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ + ঞ — এটি সঠিক কারণ বিজ্ঞান শব্দটির মধ্যের যুক্তবর্ণটি এই দুটি বর্ণ দিয়েই গঠিত। B) ঞ + গ — এটি ভুল কারণ বিজ্ঞান শব্দে গ বর্ণটি নেই, এখানে জ এবং ঞ রয়েছে। C) ঞ + জ — এটি ভুল কারণ জ এর সাথে ঞ যুক্ত হয়, উল্টোভাবে ঞ এর সাথে জ যুক্ত হয়ে বিজ্ঞান শব্দ তৈরি করে না। D) গ + ঞ — এটি ভুল কারণ এখানে গ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়েছে যা বিজ্ঞান শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিজ্ঞান বানানটি মনে রাখার জন্য জ এবং ঞ এর যুক্তরূপ ভালো করে চর্চা করতে হবে। - পরীক্ষার হলে গ মনে হলেও এটি আসলে জ এবং ঞ এর যোগফল তা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ ভাঙার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা বানান ও যুক্তবর্ণের সঠিক গঠন জানার জন্য বর্ণমালা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a প্রধান নির্বাচন কমিশনার
b চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
c চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
d মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী যেসব পদের সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে এবং সংবিধানের নির্দেশ অনুযায়ী গঠিত হয়, সেগুলোকে সাংবিধানিক পদ বলা হয়। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কোনো সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান যা সংসদীয় আইনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হলো এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় না, বরং জাতীয় সংসদে আইন পাস করে গঠিত হয়। অন্যদিকে সাংবিধানিক পদগুলোর গঠন, ক্ষমতা এবং কার্যপরিধি সরাসরি সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যাখ্যা: এটি সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ। উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যান ব্যাখ্যা: এটি একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং এর চেয়ারম্যান সাংবিধানিক পদ নন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান নির্বাচন কমিশনার — এটি সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ। B) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন — এটি সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ। C) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন — এটি সংবিধিবদ্ধ পদ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক — এটি সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ। ৫ মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অনুচ্ছেদে সরাসরি যে পদগুলোর নাম ও গঠনতন্ত্র পাওয়া যায়, কেবল সেগুলোকে সাংবিধানিক পদ হিসেবে মনে রাখবে। আইন পাস করে গঠিত কমিশনগুলো সংবিধিবদ্ধ পদ হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ পদের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে কোন পদটি রয়েছে, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a 1990
b 1991
c 1992
d 1993
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ক) ১৯৯০ কেন সঠিক: - এই সালে বাংলাদেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস করা হয়। - তৎকালীন সরকারের সময়ে দেশের সব শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এই আইন প্রণীত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণ বা সাহিত্য সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন নয়, এটি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত একটি ঐতিহাসিক তথ্য। - বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসে প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার ক্ষেত্রে এই সালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। - যেমন, ১৯৯০ সালের পর থেকে ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন জেলায় এই আইন বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ১৯৯০ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই আইনটি পাস হয়েছিল। - খ) ১৯৯১ — এই সালে আইনটি পাস হয়নি, এটি ভুল বছর। - গ) ১৯৯২ — এই সালটি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাসের সাথে সম্পর্কিত নয়। - ঘ) ১৯৯৩ — এই সালে আইনটি কার্যকর করা শুরু হলেও এটি পাসের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৯০ সালে এই আইন পাস হয়।
a পরাধীন
b পরাগায়ন
c পরামর্শ
d পরাক্রান্ত
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরামর্শ ১. কেন সঠিক: পরা একটি উপসর্গ যা বাংলা ব্যাকরণে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সম্যক বা পূর্ণরূপে অর্থে 'পরামর্শ' শব্দটিতে পরা উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি যার মধ্যে পরা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ। এই উপসর্গটি বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে প্রযুক্ত হতে পারে যেমন আধিক্য, উৎকর্ষ বা সম্যক বোঝাতে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরাকাষ্ঠা ব্যাখ্যা: এখানে পরা উপসর্গটি উৎকর্ষ বা শ্রেষ্ঠত্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরাবৃত ব্যাখ্যা: এখানে পরা উপসর্গটি বিপরীত বা উল্টো অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরাধীন — এই শব্দে পরা উপসর্গটি অধীনতা বা অন্যের বশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। B) পরাগায়ন — এই শব্দে পরা উপসর্গটি এক ফুল থেকে অন্য ফুলে রেনু স্থানান্তর অর্থে এসেছে। D) পরাক্রান্ত — এই শব্দে পরা উপসর্গটি শক্তি বা ক্ষমতা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পরা উপসর্গ দিয়ে গঠিত শব্দগুলোর অর্থ মনে রাখতে হলে মূল শব্দের সঙ্গে উপসর্গের ভাবার্থ মিলিয়ে পড়তে হবে। সম্যক বা পূর্ণ অর্থ বুঝতে পরামর্শ শব্দটি একটি আদর্শ উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই কুড়িটি তৎসম উপসর্গের অর্থ ও তাদের প্রয়োগ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। শব্দের অর্থ বুঝে উপসর্গ নির্ণয় করা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য কৌশল।
a অধ্যয়নকৃত
b অধীত
c অধ্যয়নরত
d পাঠিত
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অধীত ১. কেন সঠিক: - অধ্যয়ন শব্দের মূল ধাতু বা উৎস হলো ই ধাতু যার সঙ্গে অধ উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। - এই শব্দের সঠিক বিশেষণ রূপ হলো অধীত যার অর্থ যা অধ্যয়ন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য যে পদ ব্যবহৃত হয় তাকে বিশেষণ বলে। - তৎসম কৃৎ প্রত্যয় যোগে বিশেষ্য পদ থেকে এই বিশেষণটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেদ অধীত বিষয়। ব্যাখ্যা: এখানে বেদ বিশেষ্য পদের গুণ প্রকাশ করতে অধীত বিশেষণটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শাস্ত্র অধীত হলে জ্ঞান বাড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে শাস্ত্র বিশেষ্যের সঙ্গে অধীত বিশেষণটি সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যয়নকৃত — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত বা সিদ্ধ নয় কারণ অধ্যয়ন শব্দের সঠিক তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত রূপ এটি নয়। B) অধীত — এটি সঠিক উত্তর এবং এর ব্যাকরণগত ব্যাখ্যা উপরে দেওয়া হয়েছে। C) অধ্যয়নরত — এই শব্দটির অর্থ যে বর্তমানে অধ্যয়ন করছে অর্থাৎ এটি বর্তমানকাল বোঝায় যা বিশেষণ হলেও মূল বিশেষ্যের ভাব প্রকাশ করে না। D) পাঠিত — এই শব্দটির অর্থ যা পাঠ করা হয়েছে কিন্তু এটি অধ্যয়ন শব্দের সরাসরি বিশেষণ রূপ হিসেবে ব্যাকরণে সিদ্ধ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অধ্যয়ন শব্দের বিশেষণ রূপ নির্ণয়ের সময় মনে রাখতে হবে যে এর মূল ধাতু থেকে সরাসরি অধীত শব্দটি আসে। - ব্যাকরণ বইয়ের প্রত্যয় অধ্যায়ে এই ধরনের শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে চর্চা করলে ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে তৎসম শব্দের কৃৎ প্রত্যয় সাধিত রূপগুলোর ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
a অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
b গদ্য ছন্দ
c মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
d স্বরবৃত্ত ছন্দ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাত্রাবৃত্ত ছন্দ ১. কেন সঠিক: বিদ্রোহী কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত হয়েছে কারণ এর মূল ভিত্তি হলো মাত্রার গণনা এবং পর্ববিন্যাস। এই ছন্দে সাধারণত প্রতি পর্বে আট বা ছয় মাত্রা থাকে এবং দীর্ঘ স্বরধ্বনি দুই মাত্রা হিসেবে গণিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্গত বিদ্রোহী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত ও যুগান্তকারী সৃষ্টি। ১৯২১ সালে প্রকাশিত এই কবিতাটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা কাব্যাঙ্গনে এক অভূতপূর্ব আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়োল্লাস কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাও মাত্রাবৃত্ত ছন্দের গতিময়তা ও বীররসের এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহুয়া কবিতা। ব্যাখ্যা: মাত্রাবৃত্ত ছন্দের নান্দনিক প্রয়োগ হিসেবে মহুয়া কবিতাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শিক্ষণীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরবৃত্ত ছন্দ — এটি অক্ষর বা দলভিত্তিক ছন্দ এবং এর ধীর লয় বিদ্রোহী কবিতার সঙ্গে মেলে না। B) গদ্য ছন্দ — গদ্য ছন্দে নির্দিষ্ট কোনো পর্ব বা মাত্রা বিন্যাস থাকে না যা বিদ্রোহী কবিতায় উপস্থিত। D) স্বরবৃত্ত ছন্দ — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত ছড়া বা দ্রুত গতির ধ্বনিভিত্তিক যার সঙ্গে এই কবিতার গম্ভীর সুর সাংঘর্ষিক। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার ছন্দ মাত্রাবৃত্ত মনে রাখার জন্য বিদ্রোহী ও মাত্রাবৃত্ত শব্দ দুটি একসঙ্গে বারবার চর্চা করতে পারো। মাত্রাবৃত্ত ছন্দের বীরত্বপূর্ণ গতিই বিদ্রোহী কবিতার মূল সুরের পরিচয় বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার ছন্দ প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে। অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী, তাই এই দুটি কবিতার ছন্দ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a ধ্বনি, শব্দ, বাক্য
b বর্ণ, সমাস, সন্ধি
c সমাস, কারক, ধ্বনি
d পদ, বর্ণ, ধ্বনি
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ১. কেন সঠিক: - ভাষার মৌলিক উপাদান তিনটি যা মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, শব্দ হলো অর্থের প্রকাশ এবং বাক্য হলো পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশের মাধ্যম। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো মানুষের মুখনিঃসৃত শব্দ যা ভাষার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং ভাষার প্রাণকেন্দ্র বলা চলে। - শব্দ ও বাক্য মিলেই ভাষার পূর্ণাঙ্গ রূপ তৈরি হয় যা ব্যাকরণের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক কলম আমি লিখি ব্যাখ্যা: এটি ধ্বনি থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে বাক্য তৈরির একটি নিখুঁত ধারাবাহিক রূপ। উদাহরণ ২: ব বই তুমি পড়ো ব্যাখ্যা: এখানে ধ্বনি মিলে শব্দ এবং শব্দ মিলে একটি সম্পূর্ণ অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য — সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার তিনটি মূল অংশ। B) বর্ণ, সমাস, সন্ধি — বর্ণ ভাষার লিখিত রূপ হলেও সমাস ও সন্ধি ব্যাকরণের প্রক্রিয়া, ভাষার মৌলিক অংশ নয়। C) সমাস, কারক, ধ্বনি — সমাস ও কারক ব্যাকরণের বিশেষ নিয়ম, ভাষার মৌলিক তিনটি অংশ হিসেবে এরা গঠিত নয়। D) পদ, বর্ণ, ধ্বনি — পদ ব্যাকরণগত শ্রেণি এবং বর্ণ লিখিত রূপ, ভাষার সার্বিক মৌলিক অংশ হিসেবে এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা শেখার সহজ সূত্র হলো ধ্বনি থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে বাক্য তৈরি করা। - মনে রাখার জন্য ধারাবাহিকতা মাথায় রাখতে হবে ধ্বনি, শব্দ এবং বাক্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম এবং এর ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার মৌলিক অংশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ
b বিয়ে পাগলা বুড়ো
c কিঞ্চিৎ জলযোগ
d লীলাবতী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিয়ে পাগলা বুড়ো ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের রচিত বিখ্যাত প্রহসন হলো বিয়ে পাগলা বুড়ো। - এই প্রহসনে তৎকালীন সমাজে বয়স্ক পুরুষদের দ্বিতীয় বা বহুবিবাহের অন্ধ প্রথার তীব্র সামাজিক সমালোচনা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র উনবিংশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান নাট্যকার ও প্রহসনকার। - তিনি মূলত নীলদর্পণ নাটকের জন্য সর্বাধিক পরিচিত হলেও সমাজ সংস্কারমূলক প্রহসন রচনায়ও বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদবার একাদশী ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সমাজসংস্কারমূলক বিখ্যাত প্রহসন। উদাহরণ ২: একেই কি বলে সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত সমাজের কুসংস্কার ও বাবু কালচার নিয়ে লেখা একটি জনপ্রিয় প্রহসন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন, দীনবন্ধু মিত্রের নয়। B) বিয়ে পাগলা বুড়ো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে বিবেচিত। C) কিঞ্চিৎ জলযোগ — এটি প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত লঘু ও রম্য সাহিত্যধর্মী প্রবন্ধ সংকলন। D) লীলাবতী — এটি দীনবন্ধু মিত্রের একটি নাটক, প্রহসন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দীনবন্ধু মিত্রের নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি নীলদর্পণ লিখে বিখ্যাত হয়েছেন এবং সমাজ নিয়ে বিয়ে পাগলা বুড়ো প্রহসন লিখেছেন। - প্রহসন ও নাটকের পার্থক্য মনে রাখলে এই ধরনের বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন এবং নাটকের নাম আলাদা করতে দেওয়া হয়। - প্রহসন এবং সামাজিক নাটকের মূল বিষয়বস্তু ভালোভাবে লক্ষ্য করলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a সিকান্দার আবু জাফর
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পংক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'প্রাণ' কবিতার অংশ। - কবি এই পংক্তির মাধ্যমে সুন্দর পৃথিবীর প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং মানবসমাজে বেঁচে থাকার আকুল আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - 'প্রাণ' কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এতে কবির জীবনচেতনা ও মানবপ্রেম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বসাথে যোগে যে প্রাণ, সে আমার প্রাণ। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত দার্শনিক পংক্তি যা তাঁর জীবনদর্শনের পরিচায়ক। উদাহরণ ২: মরণ রে, তুহুঁ মম শ্যামসমান। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও মৃত্যুভাবনা সংশ্লিষ্ট একটি সুপরিচিত পংক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকান্দার আবু জাফর — ইনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক হলেও এই পংক্তির রচয়িতা নন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, কবি নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঠিক উত্তর। D) কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহী কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুন্দর ভুবন ও মানবপ্রেমের আকুলতা প্রকাশ পায় এমন দার্শনিক পংক্তিগুলো সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায় দেখা যায়। - মানসী কাব্যগ্রন্থের প্রাণ কবিতাটি মনে রাখলে এই প্রশ্নটি সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতা ও কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক বানিয়ে মুখস্থ রাখা উচিত।
a সে আমাকে অসুস্থ করে দিয়েছে
b তাকে আমার সহ্য লাগে
c সে যে অসুস্থ আমি তা জানি
d আমি তার কারণে অসুস্থ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাকে আমার সহ্য লাগে ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদের ক্ষেত্রে শাব্দিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্ব পায়। - I am sick of him বাক্যটির অর্থ হলো কারও আচরণে বিরক্ত হয়ে সহ্য করতে না পারা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি ফ্রেজ sick of এর অর্থ হলো কোনো কিছুর ওপর বিরক্ত হওয়া বা অতিষ্ঠ হওয়া। - এই ধরনের Idiomatic Expression বা বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে প্রমিত ভাবানুবাদ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: I am sick of this weather ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো এই আবহাওয়া আমার সহ্য হচ্ছে না বা এই আবহাওয়া আর ভালো লাগছে না। উদাহরণ ২: She is sick of his lies ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো তার মিথ্যা কথাগুলো আমার সহ্য লাগে না বা তার মিথ্যায় আমি বিরক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সে আমাকে অসুস্থ করে দিয়েছে — এই অনুবাদটি I made him sick বা He made me sick বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। B) তাকে আমার সহ্য লাগে — এটি সঠিক ভাবানুবাদ কারণ sick of এর অর্থ এখানে বিরক্তি ও অসহ্য হওয়া প্রকাশ করেছে। C) সে যে অসুস্থ আমি তা জানি — এই অনুবাদটির ইংরেজি হবে I know that he is sick যা মূল বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) আমি তার কারণে অসুস্থ — এই অনুবাদটির ইংরেজি হবে I am sick because of him যা শারীরিক অসুস্থতা বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি বাক্যে sick of থাকলে বুঝতে হবে বক্তা চরম বিরক্ত এবং বাংলায় এর ভাবানুবাদ হবে সহ্য না হওয়া বা অতিষ্ঠ হওয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি বাক্যের আক্ষরিক অনুবাদ না করে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত ভাবানুবাদ খুঁজে বের করতে হয়।
a অনেক
b অপরাহ্ন
c অনিষ্ট
d অনৈক্য
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপরাহ্ন ১. কেন সঠিক: - অপরাহ্ন শব্দটি নঞ তৎপুরুষ সমাস নয়, এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ যা বেলা অর্থে ব্যবহৃত হয়। - অপরাহ্ন শব্দের ব্যাসবাক্য হলো অপর যে অহ (দিন), যা মূলত কর্মধারয় বা বিশেষ ক্ষেত্রে অন্য নিয়ম মেনে গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বা নঞ সূচক অব্যয় বসে এবং পদের অর্থ নেতিবাচক হয়, তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে। - অপরাহ্ন শব্দটিতে কোনো না-সূচক বা নঞ অর্থ প্রকাশ পায় না, তাই এটি নঞ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে গণ্য হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজ্ঞান ব্যাখ্যা: ন জ্ঞান = অজ্ঞান, এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে জ্ঞানের অভাব বা না-বোধক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: অদৃশ্য ব্যাখ্যা: ন দৃশ্য = অদৃশ্য, এটিও নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে দেখার অনুপস্থিতি বা না-বোধক অর্থ বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনেক — ন যোগ এক = অনেক, এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের সঠিক উদাহরণ। B) অপরাহ্ন — এটি অপর অর্থ প্রকাশ করে এবং নঞ তৎপুরুষ সমাস নয়। C) অনিষ্ট — ন ইষ্ট = অনিষ্ট, এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের সঠিক উদাহরণ। D) অনৈক্য — ন ঐক্য = অনৈক্য, এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের সঠিক উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নঞ তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে অ, অন্ বা না যুক্ত থাকে এবং ব্যাসবাক্যে না বা নাই বসে। - অপরাহ্ন শব্দটিতে কোনো না-বোধক বা নেতিবাচক অর্থ নেই, তাই এটি এই নিয়মের বাইরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের মধ্যে নঞ তৎপুরুষ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অ বা অন্ দেখলেই অন্ধভাবে নঞ তৎপুরুষ না ভেবে শব্দের অর্থ এবং ব্যাসবাক্য ভালো করে খেয়াল করতে হবে।
a যৌগিক
b তৎসম
c দেশি
d অর্ধতৎসম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অর্ধতৎসম কেন সঠিক: - 'জোছনা' শব্দটি সংস্কৃত 'জ্যোৎস্না' শব্দের পরিবর্তিত বা বিকৃত রূপ। - সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো একটু পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে অর্ধতৎসম শব্দ বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্ধতৎসম শব্দগুলোকে অনেক সময় ভগ্ন তৎসম শব্দও বলা হয় কারণ এগুলো মূল সংস্কৃত শব্দের কাছাকাছি থেকেও পুরোপুরি অপভ্রংশ নয়। - বাংলা ভাষা উচ্চারণের সুবিধার জন্য অনেক সংস্কৃত শব্দকে ভেঙে অর্ধতৎসমরূপে গ্রহণ করেছে। - জোছনা ছাড়াও গেরাম, বৈষ্ণব, বোষ্টম, কুচ্ছিত ইত্যাদি অর্ধতৎসম শব্দের জনপ্রিয় উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) যৌগিক — এই শব্দগুলোর অর্থ তাদের গঠনকারী অংশের অর্থের অনুগামী হয়, জোছনা সেভাবে গঠিত হয়নি। - B) তৎসম — এটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসেনি বরং পরিবর্তিত হয়ে এসেছে, তাই এটি তৎসম নয়। - C) দেশি — এটি আদি অস্ট্রিক বা স্থানীয় কোনো ভাষা থেকে আসেনি, এর উৎস সংস্কৃত। - D) অর্ধতৎসম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সংস্কৃত 'জ্যোৎস্না' শব্দের পরিবর্তিত রূপ। মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত জ্যোৎস্না যখন সহজ করে জোছনা বলা হয়, তখন তা অর্ধতৎসম শব্দে পরিণত হয়।
a বিষম
b বিরোধাভাস
c অসঙ্গতি
d বিভাবনা
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অসঙ্গতি কেন সঠিক: - কারণ হৃদয়ে মেঘ উদয় হওয়ার কথা বলা হলেও নয়নে বা চোখে জল বা বারি বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। - কার্য ও কারণের স্বাভাবিক সম্পর্কের বাইরে গিয়ে ভিন্ন স্থানে ঘটনার বর্ণনা থাকায় এটি অসঙ্গতি অলংকার হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অসঙ্গতি অলংকার হলো এমন একটি অলংকার যেখানে কার্য এবং কারণের মধ্যে স্থান বা পাত্রগত অসঙ্গতি বা অমিল দেখানো হয়। - সাহিত্যের ভাষায় যেখানে কারণ থাকে এক স্থানে আর কার্য ঘটে অন্য স্থানে, তাকে অসঙ্গতি অলংকার বলে। - যেমন কারণ হৃদয়ে (মেঘ উদয়), কিন্তু তার কার্য প্রকাশ পাচ্ছে অন্য স্থানে অর্থাৎ নয়নে (বারি বৃদ্ধি)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিষম — মিলহীন বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝালে বিষম অলংকার হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। - B) বিরোধাভাস — বাস্তবে বিরোধ না থাকলেও যেখানে বিরোধের মতো মনে হয়, তাকে বিরোধাভাস বলে। - C) অসঙ্গতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। - D) বিভাবনা — কারণ ছাড়া কার্যর উৎপত্তি বোঝালে বিভাবনা অলংকার হয়, যা এই পঙক্তিতে নেই। মনে রাখার টিপস: - কার্য এক স্থানে এবং কারণ অন্য স্থানে ঘটলে অসঙ্গতি অলংকার হয়।
a শব্দ
b চিহ্ন
c বর্ণ
d ধ্বনি
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শব্দ ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য প্রকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ, কারণ একটি সার্থক বাক্যের মূল উপাদান বা গঠনগত একক হলো শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষার বিচারে ধ্বনি থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে বাক্য গঠিত হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন এক বা একাধিক ধ্বনি একত্রে মিলিত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে। আর এই স্বাধীন অর্থবোধক শব্দগুলো যখন সুবিন্যস্ত হয়ে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বাংলাদেশ, একটি, স্বাধীন, দেশ প্রতিটি স্বাধীন শব্দ মিলে একটি পূর্ণ বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে পাখি, আকাশে, ওড়ে তিনটি ভিন্ন শব্দ একত্রিত হয়ে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দই হলো বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক। B) চিহ্ন — এটি লেখার প্রতীক মাত্র, বাক্যের গঠনগত একক নয়। C) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, বাক্যের নয়। D) ধ্বনি — ধ্বনি হলো উচ্চারণের দিক থেকে ভাষার মূল বা ক্ষুদ্রতম একক, বাক্যের একক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি, আর বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক শব্দ। এই দুটি বিষয় পরীক্ষার সময় গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই এই পার্থক্যের বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ০৮টি
b ০৯টি
c ১০টি
d ০৭টি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৮টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাভেদে বর্ণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে যে সকল বর্ণ লেখার সময় সম্পূর্ণ মাত্রা বা রেখা থাকে না, বরং অর্ধেকের কম বা সামান্য মাত্রা থাকে, তাদের অর্ধমাত্রার বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় মোট অর্ধমাত্রার বর্ণ রয়েছে আটটি। বর্ণগুলো হলো ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প এবং শ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালার মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ে এই মাত্রা নির্ধারণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্ণ লেখার সময় ওপরের অংশে যে সরলরেখা টানা হয় তাকে মাত্রা বলে। অর্ধমাত্রার বর্ণগুলোতে এই মাত্রা সম্পূর্ণ না হয়ে সামান্য অংশে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঋ ব্যাখ্যা: এটি স্বরবর্ণের একটি অর্ধমাত্রার বর্ণ যা লেখার সময় পূর্ণ মাত্রা থাকে না। উদাহরণ ২: খ ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনবর্ণের একটি অর্ধমাত্রার বর্ণ এবং এর ওপরের মাত্রাটি সম্পূর্ণ রেখা জুড়ে থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৮টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণের নির্দিষ্ট সংখ্যা আটটি। B) ০৯টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় নয়টি অর্ধমাত্রার বর্ণ নেই। C) ১০টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ দশটি হলো মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা, অর্ধমাত্রার নয়। D) ০৭টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় সাতটি অর্ধমাত্রার বর্ণ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: অর্ধমাত্রার বর্ণ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, ঋতু খাবে গণেশ দাদার পাকা পেঁপে। এই বাক্যে ঋ, তু (থ), খা (খ), বে (ধ), গ, ণে (ণ), শ, প (প) বর্ণগুলো লুকিয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালার মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায় সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। পূর্ণমাত্রা ৩২টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং মাত্রাহীন ১০টি, এই তিনটি সংখ্যা ভালোভাবে মনে রাখবে।
a শিক্ষকের
b গণকঠাকুরের
c শিশুর
d গবেষকের
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিশুর ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'তোতা কাহিনী' একটি রূপকধর্মী ও তীব্র শ্লেষাত্মক গল্প। এই গল্পে তোতা পাখিটি মূলত আমাদের দেশের নিষ্পাপ ও মুক্তমনা শিশুদের প্রতীক, যাদের প্রাতিষ্ঠানিক ও যান্ত্রিক শিক্ষার নামে মুখস্থ বিদ্যায় আটকে রাখা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৮ সালে 'লিপিকা' গ্রন্থের জন্য 'তোতা কাহিনী' রচনা করেন। এটি ঔপনিবেশিক ও মুখস্থসর্বস্ব শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি তীক্ষ্ণ সামাজিক সমালোচনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে আধুনিক শিক্ষা ও সভ্যতার সংকট এবং মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর 'বইপড়া' প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য এবং স্বশিক্ষিত হওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষকের — শিক্ষক এখানে তোতা পাখি নন, বরং গল্পে তোতা পাখির খাঁচা বানানোর কারিগর ও শিক্ষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের প্রতীক। B) গণকঠাকুরের — গণকঠাকুর গল্পে তোতার ভাগ্য বা অশুভ লক্ষণ নির্ধারণের সাথে যুক্ত, সরাসরি তোতার প্রতীক নন। D) গবেষকের — গবেষক গভীর জ্ঞান অন্বেষণ করেন, কিন্তু তোতা পাখির ভাগ্যে জ্ঞানার্জন ছিল না, ছিল খাঁচায় বন্দি থাকা। ৫ মনে রাখার টিপস: তোতা পাখি খাঁচায় বন্দি থাকে এবং অন্যের শেখানো বুলি আউড়ায়, যা আমাদের দেশের শিশুদের মুখস্থ নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার কথাই মনে করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'তোতা কাহিনী' কোন গ্রন্থের অন্তর্গত তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, উত্তর হবে 'লিপিকা'। রূপকধর্মী রচনাগুলো থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
a Wild cries
b Wild Forest
c Cry in the wilderness
d Weep at forest
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cry in the wilderness ১. কেন সঠিক: - অরণ্যে রোদন বাগধারাটির অর্থ বৃথা প্রলাপ বা নিষ্ফল আবেদন, যার ইংরেজি ভাবানুবাদ হলো Cry in the wilderness। - অরণ্যে যেমন কান্নার কোনো শ্রোতা থাকে না, তেমনি নির্জন প্রান্তরে বা অরণ্যে করা চিৎকারেরও কোনো প্রতিধ্বনি বা প্রতিক্রিয়ার গুরুত্ব থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ-প্রবচন বা বাগধারা, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দসমষ্টি, যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি স্বতন্ত্র ও গভীর ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার সমস্ত উপদেশ অরণ্যে রোজনে পরিণত হলো। ব্যাখ্যা: এখানে তার কথা কেউ শোনেনি এবং তার সমস্ত বোঝানো সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা মানে অরণ্যে রোদন করা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বোঝানো হয়েছে যে অসৎ মানুষের কাছে ন্যায়বিচার চাওয়া আর বনের মধ্যে গিয়ে কান্না করা একই কথা, এর কোনো ফল পাওয়া যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wild cries — এটি দ্বারা বন্য বা প্রমত্ত চিৎকার বোঝায়, যা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে না। B) Wild Forest — এটি একটি আক্ষরিক শব্দগুচ্ছ যার অর্থ বন্য বা গভীর অরণ্য, যা কোনো বাগধারা বা ভাবার্থ প্রকাশ করে না। D) Weep at forest — এটি ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং অরণ্যে রোদন বাগধারার সঠিক ইংরেজি প্রবাদ বা সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অরণ্য অর্থ বন বা wilderness এবং রোদন অর্থ কান্না বা cry, তাই বনের মধ্যে কান্না হলো Cry in the wilderness। - এই ধরনের ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে প্রচলিত ভাবানুবাদ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা বাগধারার ইংরেজি রূপ প্রায়ই অপশনে থাকে। - একই রকম অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা হলো শিয়ালের রাহু, যার ইংরেজি হলো Crocodile tears বা কুম্ভীরাশ্রু।
a ভাষাগত
b জ্ঞানগত
c আবেগগত
d ইচ্ছাগত
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবেগগত ১. কেন সঠিক: সহপাঠীর অনুভূতি বুঝতে পারা বা অন্যের আবেগ ও অবস্থাকে উপলব্ধি করার ক্ষমতাকে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় আবেগগত বুদ্ধিমত্তা বা সহমর্মিতা বলা হয়। এটি মানুষের আবেগীয় বিকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক, যার মাধ্যমে অন্যের সুখ, দুঃখ বা কষ্টের অনুভূতি নিজের মধ্যে অনুভব করা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত মনস্তাত্ত্বিক ও আচরণগত ব্যাকরণ বা শব্দার্থের প্রয়োগের আওতাভুক্ত। এখানে আবেগগত বলতে মানুষের অনুভূতি, সহমর্মিতা এবং মানসিক অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যা বুদ্ধিমত্তা বা প্রজ্ঞার বাইরে সরাসরি হৃদয়ের অনুভূতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসের কোনো শিক্ষার্থী খেলায় হেরে গেলে তার মন খারাপ হওয়া দেখে সান্ত্বনা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এখানে সহপাঠীর দুঃখের অনুভূতি বুঝতে পেরে তার পাশে দাঁড়ানো বোঝানো হয়েছে, যা আবেগগত লক্ষণের বহিঃপ্রকাশ। উদাহরণ ২: অপরের বিপদে কষ্ট অনুভব করা এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের আবেগগত বুদ্ধিমত্তা ও সহমর্মিতার একটি বাস্তব উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষাগত — ভাষা বা কথা বলার দক্ষতার সঙ্গে অনুভূতির গভীর সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত নয়, তাই এটি ভুল। B) জ্ঞানগত — জ্ঞানগত লক্ষণ বলতে বুদ্ধিমত্তা, স্মরণশক্তি বা চিন্তন দক্ষতাকে বোঝায়, যা আবেগের চেয়ে আলাদা। D) ইচ্ছাগত — ইচ্ছাগত লক্ষণ মানুষের নিজস্ব চাওয়া বা সংকল্প প্রকাশ করে, অন্যের অনুভূতি বোঝার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুভূতি বা সহমর্মিতা শব্দগুলো থাকলেই তা আবেগগত লক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হবে। অন্যের কষ্ট বা সুখ নিজের মধ্যে অনুভব করাই আবেগগত বুদ্ধিমত্তার মূল বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আচরণগত বা মনস্তাত্ত্বিক শব্দগুলোর সঠিক শ্রেণিবিভাগ নির্ণয় করতে এই প্রশ্নটি সাহায্য করবে। সহমর্মিতা এবং আবেগীয় দক্ষতার প্রশ্নগুলো একইভাবে সমাধান করতে হবে।
a নীরীক্ষণ
b নিরীক্ষন
c নিরিক্ষন
d নিরীক্ষণ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিরীক্ষণ ১. কেন সঠিক: - নিরীক্ষণ শব্দটিতে প্রথম ঈ-কার এবং মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। - এই শব্দটির অর্থ গভীরভাবে দেখা, পর্যবেক্ষণ করা, পরীক্ষা করা বা তদারকি করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে ই-কার এবং ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার জানা আবশ্যক কারণ সামান্য ভুলে শব্দের অর্থ পরিবর্তিত হতে পারে। - বাংলা তৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার এবং দন্ত্য-ন বা মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার বানান এবং অর্থ পরীক্ষার্থীর জানা অত্যন্ত জরুরি। উদাহরণ ২: পর্যবেক্ষণ ব্যাখ্যা: নিরীক্ষণ শব্দের একটি চমৎকার সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীরীক্ষণ — এই অপশনে প্রথম বর্ণ ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) নিরীক্ষন — এই অপশনে মূর্ধন্য-ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য-ন ব্যবহার করা হয়েছে যা তৎসম শব্দ বানানের নিয়মের পরিপন্থী। C) নিরিক্ষন — এই অপশনে হ্রস্ব ই-কার এবং দন্ত্য-ন উভয় ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে। D) নিরীক্ষণ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতির সঙ্গে মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিরীক্ষণ শব্দটিতে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার এবং মূর্ধন্য-ষ লিখতে হয়। - পরীক্ষার খাতায় বানান মনে রাখার জন্য মূল শব্দটির গঠন বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে যেখানে ষ এবং ণ এর ব্যবহার থাকে। - বাংলা একাডেমি প্রণীত শুদ্ধ বানান নিয়মের তালিকা অনুসরণ করলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a কুদরত-ই-হুদা কমিশন
b মফিজ উদ্দিন কমিশন
c শামসুল হক কমিশন
d মাজেদ খান কমিশন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুদরত-ই-হুদা কমিশন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ২৬শে জুলাই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. কুদরত-ই-হুদাকে সভাপতি করে বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়। - এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম শিক্ষা কমিশন যা ১৯৭৪ সালে তাদের প্রতিবেদন পেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি কোনো ব্যাকরণগত প্রশ্ন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ইতিহাস ও সাধারণ জ্ঞান সংশ্লিষ্ট একটি ঐতিহাসিক তথ্য। - বাংলা ভাষা ও শিক্ষা প্রসারে প্রণীত এই কমিশনের রিপোর্টটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিবেচিত। - যেমন, এই কমিশন প্রাথমিক শিক্ষাকে আট বছর করার প্রস্তাব করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কুদরত-ই-হুদা কমিশন — এটি বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর। - B) মফিজ উদ্দিন কমিশন — এটি কোনো প্রথম শিক্ষা কমিশন নয় এবং এই নামে কোনো প্রধান শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়নি। - C) শামসুল হক কমিশন — এটি পরবর্তী সময়ে গঠিত একটি শিক্ষা কমিশন যা ১৯৭৮ সালে গঠিত হয়। - D) মাজেদ খান কমিশন — এটি শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য ১৯৮৩ সালে গঠিত একটি পরবর্তী কমিশন। মনে রাখার টিপস: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মানেই কুদরত-ই-হুদা কমিশন এবং সালটি হলো ১৯৭৪ সাল।
a অধিকরণে সপ্তমী
b অপাদানে পঞ্চমী
c অধিকরণে পঞ্চমী
d কর্মে পঞ্চমী
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধিকরণে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলা হয়। 'পাঠে' শব্দটি দিয়ে পড়াশোনা নামক বিষয় বা ক্ষেত্রে মন দেওয়ার ভাব প্রকাশ করায় এটি অধিকরণ কারক এবং এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ক্রিয়া কখন, কোথায় বা কোন বিষয়ে সংঘটিত হয় তা প্রকাশ করতে অধিকরণ কারক ব্যবহৃত হয়। শব্দের শেষে 'এ', 'য়', 'তে' যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা বিষয় বোঝালে অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকরণে আমার ভালো আগ্রহ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যাকরণে শব্দটি একটি বিষয় হওয়ায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: এখানে বনে শব্দটি স্থান বা আধার বোঝানোয় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণে সপ্তমী — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাঠে শব্দটি বিষয় এবং সপ্তমী বিভক্তি নির্দেশ করে। B) অপাদানে পঞ্চমী — অপাদান কারক থেকে জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই। C) অধিকরণে পঞ্চমী — অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়, পঞ্চমী বিভক্তি হয় না। D) কর্মে পঞ্চমী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, আর এখানে পাঠে শব্দটি কর্ম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথায়, কখন বা কোন বিষয়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। বিষয় বা ক্ষেত্রে অধিকরণ কারক হলে এবং বিভক্তি 'এ' বা 'তে' থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণে সপ্তমী দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষয় বা ক্ষেত্রে অধিকরণের ব্যবহার প্রায়ই আসে। বাক্যের মূল ক্রিয়াকে কোথায় বা কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে কারক নির্ণয় করার অভ্যাস করতে হবে।
a বিবেকানন্দ
b চণ্ডীদাস
c বিদ্যাপতি
d রামকৃষ্ণ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীদাস কেন সঠিক: ১. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত পদকর্তা বড়ু চণ্ডীদাস এই কালজয়ী পংক্তিটির রচয়িতা। ২. তাঁর শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রবচন ও মানবতাবাদী দর্শন থেকেই এই অমূল্য বাণীটি এসেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী ও মঙ্গলকাব্যের বাইরের একটি অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ। ২. এই পংক্তির মাধ্যমে কবি তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব এবং ধর্মের উপরে মনুষ্যত্বকে স্থান দিয়েছেন। ৩. যেমন, চণ্ডীদাস তাঁর কাব্যে প্রমাণ করেছেন যে জাতপাত বা ভেদাভেদের চেয়ে মানুষই সবচেয়ে বড় পরিচয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিবেকানন্দ — স্বামী বিবেকানন্দ আধুনিক যুগের ভারতের একজন বিখ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক ও দার্শনিক ছিলেন। C) বিদ্যাপতি — মৈথিল কোকিল বিদ্যাপতি প্রাচীন ও মধ্যযুগের মৈথিল ভাষার পদকর্তা ও কবি ছিলেন। D) রামকৃষ্ণ — শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি আধ্যাত্মিক গুরু ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ১. মানুষের জয়গান গাওয়া মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসের একটি প্রধান সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য। ২. মানবধর্মের কথা মনে রাখলেই চণ্ডীদাসের এই বিখ্যাত পংক্তিটির কথা সহজে মনে রাখা যায়।
a অমাবস্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম
b বক ধার্মিক, বিড়াল তপস্বী
c রুই কাতলা, কেঁচোকেটা
d বক ধার্মিক, ভিজে বিড়াল
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বক ধার্মিক, বিড়াল তপস্বী ১. কেন সঠিক: - বক ধার্মিক এবং বিড়াল তপস্বী উভয় বাগধারার অর্থ হলো ভণ্ড সাধু বা প্রতারক সাধু। - প্রশ্নটিতে সর্বাধিক সমার্থক বা সমার্থক জোড়া জানতে চাওয়া হয়েছে, আর এই দুটি বাগধারার ভাবার্থ হুবহু মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এই দুটি বাগধারায় বক ও বিড়াল প্রাণীর ভান বা কৌশলী আচরণের মাধ্যমে মানুষের কপট স্বভাবকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের বক ধার্মিকদের থেকে দূরে থাকা উচিত। ব্যাখ্যা: এখানে ভণ্ড বা প্রতারক বোঝাতে বক ধার্মিক বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই লোকটা আসলে একটা বিড়াল তপস্বী। ব্যাখ্যা: মানুষের সামনে ভালো সাজার ভান করা প্রতারককে বোঝাতে বিড়াল তপস্বী ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমাবস্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম — অমাবস্যার চাঁদ মানে দুর্লভ বস্তু এবং আকাশ কুসুম মানে অসম্ভব কল্পনা। C) রুই কাতলা, কেঁচোকেটা — রুই কাতলা মানে প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং কেঁচোকেটা মানে গুরুত্বহীন বা সামান্য ব্যক্তি। D) বক ধার্মিক, ভিজে বিড়াল — বক ধার্মিক মানে ভণ্ড সাধু আর ভিজে বিড়াল মানে শান্ত শিষ্টের ভানকারী চতুর ব্যক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বক এবং বিড়াল দুটোই প্রাণী যারা শিকার ধরার সময় চুপচাপ ভান ধরে বসে থাকে, তাই এদের সাধু রূপগুলো সমার্থক। - অর্থ একই হলে জোড়ায় থাকা দুটি বাগধারা সর্বাধিক সমার্থক হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক বাগধারা জোড়া প্রায়ই আসে। - বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থ না বুঝে সবসময় তাদের ভাবার্থ বা প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
a দীঘি, নদী, প্রণালি
b শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
c গাং, তটিনী, অর্ণব
d স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ কেন সঠিক: - এই অপশনের প্রতিটি শব্দই নদীর সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত শব্দগুলোর অর্থের মধ্যে কোনো ভিন্নতা নেই এবং সবগুলোই একই বস্তুকে নির্দেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো একই অর্থ প্রকাশ করে সেগুলোকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। - বাংলা ভাষায় নদী শব্দের বহু সংস্কৃত ও তৎসম প্রতিশব্দ রয়েছে। - যেমন: নদ, নদী, তটিনী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দীঘি, নদী, প্রণালি — এখানে দীঘি ও নদী জলাশয় হলেও প্রণালি দুটি ভূভাগকে সংযোগকারী জলরাশি নির্দেশ করে। - B) শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে নদীর সমার্থক শব্দসমূহ রয়েছে। - C) গাং, তটিনী, অর্ণব — এখানে অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা নদী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। - D) স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু — এখানে সিন্ধু শব্দের অর্থ মহাসমুদ্র বা নদ বিশেষ, যা অন্যগুলোর সাথে পুরোপুরি মেলে না। মনে রাখার টিপস: - নদীর সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে শৈবলিনী, তরঙ্গিনী ও সরিৎ এক সাথে মুখস্থ রাখুন।
a মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
b সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
c উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
d জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ১. কেন সঠিক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হলেন মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হিসেবে মহাপরিচালক এই নিয়োগ প্রদান করে থাকেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রশাসনিক ও সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন। সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন পরিচালনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গঠিত হয়েছে এবং এর প্রধান মহাপরিচালক নিয়োগ সংক্রান্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা চর্চা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ব্যাখ্যা: প্রধান শিক্ষক পদটি উচ্চতর হওয়ায় এর নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ভিন্ন। উদাহরণ ২: বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দপ্তরের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিধি অনুযায়ী তিনিই সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগপত্র প্রদান করেন। B) সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় — সচিব নীতিনির্ধারণী বিষয়ের প্রধান হলেও সরাসরি সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র দেন না। C) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার — এই কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ে শিক্ষা তদারকি করেন কিন্তু নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ নন। D) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার — ইনি জেলা পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সহকারী শিক্ষকদের চূড়ান্ত নিয়োগকর্তা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক পদটি স্মরণে রাখবে। মহাপরিচালক মানেই প্রাথমিক শিক্ষার বড় চালিকাশক্তি যিনি নিয়োগ দেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশাসন ও অধিদপ্তর সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই কোন পদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কে, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a বহুব্রীহি সমাস
b দ্বন্দ্ব সমাস
c কর্মধারয় সমাস
d তৎপুরুষ সমাস
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় সমাস ১. কেন সঠিক: - বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের যে সমাস হয়, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে কর্মধারয় সমাস বলে। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান বা উপমিত পদের মিলন ঘটে অথবা দুটি বিশেষণ কিংবা দুটি বিশেষ্যপদ মিলে এই সমাস গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম ব্যাখ্যা: এখানে 'নীল' হলো বিশেষণ পদ এবং 'পদ্ম' হলো বিশেষ্য পদ, যা মিলে কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: কাঁচা যে মাটি = কাঁচামাটি ব্যাখ্যা: এখানে 'কাঁচা' বিশেষণ পদের সাথে 'মাটি' বিশেষ্য পদের সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি সমাস — যে সমসে সমাসমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি বলে, যা বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের এই নির্দিষ্ট সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। B) দ্বন্দ্ব সমাস — যে সমাসে মিলন বা সংযোগ বোঝায় এবং উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে। D) তৎপুরুষ সমাস — যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে, যেখানে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের এই নির্দিষ্ট মিলনের কথা বলা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে 'যে', 'যিনি' বা 'যা' থাকে এবং সাধারণত একটি পদ দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের সংজ্ঞা এবং ব্যাসবাক্য নির্ণয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন দেখলেই কর্মধারয় সমাস দাগাতে হবে।
a তীব্রজ্বালা
b অমিতব্যয়ী
c উজ্জ্বল আলো
d প্রতিভাবান
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তীব্রজ্বালা ১. কেন সঠিক: 'কূল কাঠের আগুন' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ মনে মনে তীব্র যন্ত্রণা বা অন্তর্দাহ। চুল্লিতে বা কূল কাঠে যখন আগুন দেওয়া হয়, তখন তা ধিকিধিকি করে জ্বলে এবং সহজে নেভে না, তাই এই রূপকটি তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণার প্রকাশ ঘটাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো বিশেষ এক ধরনের শব্দগুচ্ছ, যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস, রূপক অর্থ এবং সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাবগাম্ভীর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সন্তানের শোক তার বুকে কূল কাঠের আগুনের মতো জ্বলছে। ব্যাখ্যা: এখানে সন্তানের শোকে মাতৃহৃদয়ের দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র যন্ত্রণাকে বোঝাতে কূল কাঠের আগুন বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাজীবন অপমানের কূল কাঠের আগুন বুকে নিয়ে সে বেঁচে ছিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে জীবনের গভীর ও সহ্য করা যায় না এমন গ্লানি বা জ্বালা প্রকাশ করতে এই বাগধারার সঠিক প্রয়োগ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তীব্রজ্বালা — এটি সঠিক কারণ কূল কাঠের আগুন বাগধারাটি মনে মনে তীব্র যন্ত্রণা বা অন্তর্দাহ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) অমিতব্যয়ী — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত খরচ করা বোঝাতে 'হাতের পাঁচ' বা 'ভানুমতীর খেল' জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয় না, বরং এর জন্য আলাদা শব্দ রয়েছে। C) উজ্জ্বল আলো — এটি ভুল কারণ কূল কাঠের আগুন কখনো আলো ছড়ানোর প্রসঙ্গের সঙ্গে যুক্ত নয়, এটি কেবল দীর্ঘস্থায়ী উত্তাপ বা জ্বালা বোঝায়। D) প্রতিভাবান — এটি ভুল কারণ বিশেষ মেধা বা বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করার জন্য অন্য বাগধারা যেমন 'আকাশ কুসুম' বা 'ধারাপাত' ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: কূল কাঠ সহজে পুড়ে না কিন্তু ভেতর থেকে পুড়তে থাকে, ঠিক তেমনি মনে জমা থাকা দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ বা জ্বালা বোঝাতে কূল কাঠের আগুন ব্যবহার হয়। চুল্লির কাঠ যেমন ধিকিধিকি জ্বলে, মানুষের ভেতরের কষ্টও তেমনি ধিকিধিকি জ্বলে এই কৌশল মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারার প্রকৃত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a পর্তুগিজ
b আরবি
c ফরাসি
d ফারসি
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: সাবান ও আনারস শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। পর্তুগিজরা দীর্ঘদিন বাংলায় ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার করায় তাদের ভাষার বহু শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে মিশে গেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কিত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ও বালতি। ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পাউরুটি ও কামিজ। ব্যাখ্যা: এগুলোও পর্তুগিজ ভাষার শব্দ যা বাংলা শব্দভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাবান ও আনারস পর্তুগিজ শব্দ। B) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, প্রশাসন ও আইনসংক্রান্ত শব্দ এসেছে, যেমন আদালত ও কলম। C) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় কিছু প্রশাসনিক শব্দ এসেছে, যেমন কার্তুজ ও কুপন। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় সংস্কৃতি, পোশাক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত শব্দ এসেছে, যেমন চশমা ও কাগজ। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাবান মেখে আনারস খেতে খেতে চাবি ও বালতি নিয়ে গোসলখানায় যাওয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই পর্তুগিজ, আরবি ও ফারসি শব্দের মূল তফাতগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a Thoroughly
b Whole hearedly
c Not at all
d Brave
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Thoroughly কেন সঠিক: Out and Out একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ যার অর্থ সম্পূর্ণরূপে বা পুরোপুরি। Thoroughly শব্দটির অর্থও পুরোপুরি বা গভীরভাবে, যা এই ফ্রেজটির ভাবার্থকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। তাই এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thoroughly — এটি সঠিক উত্তর। B) Whole hearedly — এর অর্থ অন্তর থেকে বা আন্তরিকভাবে, যা সম্পূর্ণভাবে বোঝাতে পুরোপুরি সঠিক নয়। C) Not at all — এর অর্থ মোটেও না, যা প্রদত্ত বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Brave — এর অর্থ সাহসী, যার সাথে Out and Out বা সম্পূর্ণরূপে কথাটির কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Out and Out মানে বাইরে এবং বাইরে নয়, বরং এর আসল অর্থ হলো একদম পুরোপুরি বা আদ্যোপান্ত।
a It has been raining since morning
b I shall go to college
c stand up
d Momin is singing a song
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) stand up কেন সঠিক: যে সেন্টেন্স দিয়ে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায় তাকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে। এখানে stand up দ্বারা কাউকে দাঁড়িয়ে পড়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It has been raining since morning — এটি একটি অ্যাসারটিভ সেন্টেন্স কারণ এটি দিয়ে কেবল তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। B) I shall go to college — এটি একটি অ্যাসারটিভ সেন্টেন্স কারণ এখানে সাধারণ একটি ভবিষ্যৎ কাজের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। C) stand up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Momin is singing a song — এটি একটি অ্যাসারটিভ সেন্টেন্স কারণ এটি দিয়ে একটি সাধারণ কাজের বর্ণনা প্রকাশ পেয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স সাধারণত মূল ভার্ব দিয়ে শুরু হয় এবং এর শুরুতে উহ্য ইউ থাকে।
a Strong
b Trifle
c Ceasefire
d Turbulent
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ceasefire কেন সঠিক: ট্রুস বা truce শব্দটির বাংলা অর্থ হলো যুদ্ধবিরতি বা সামقت যুদ্ধ বিরতি। সিজফায়ার বা ceasefire শব্দটির অর্থও যুদ্ধবিরতি বোঝায়। উভয় শব্দের অর্থ একই হওয়ায় এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Strong — এই শব্দটির অর্থ শক্তিশালী বা শক্ত। এটি যুদ্ধবিরতি শব্দের সাথে মিল নেই। B) Trifle — এই শব্দটির অর্থ তুচ্ছ বা সামান্য বিষয়। এটি যুদ্ধবিরতি বোঝায় না। C) Ceasefire — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) Turbulent — এই শব্দটির অর্থ অশান্ত বা উত্তাল। এটি শান্ত বা যুদ্ধবিরতি অবস্থার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: যুদ্ধ থামানো বা যুদ্ধবিরতি বোঝাতে truce এবং ceasefire শব্দটি একই অর্থে ব্যবহার করা হয়।
a ১১/১৪
b ১৭/২১
c ৫/৬
d ১২/১৫
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১/১৪ কেন সঠিক: - প্রদত্ত ভগ্নাংশগুলোর মান দশমিকে রূপান্তর করলে A অপশনের মান সবচেয়ে কম হয়। - ১১ কে ১৪ দ্বারা ভাগ করলে মান প্রায় ০.৭৮৫ হয় যা অন্য যেকোনো অপশনের চেয়ে ছোট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১/১৪ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর মান সবচেয়ে কম। B) ১৭/২১ — এই ভগ্নাংশটির মান প্রায় ০.৮১০ যা ১১/১৪ অপেক্ষা বড়। সি) ৫/৬ — এই ভগ্নাংশটির মান প্রায় ০.৮৩৩ যা ১১/১৪ অপেক্ষা বড়। ডি) ১২/১৫ — এই ভগ্নাংশটির মান ০.৮০০ যা ১১/১৪ অপেক্ষা বড়। মনে রাখার টিপস: ভগ্নাংশ ছোট বা বড় নির্ণয় করতে লবকে হর দ্বারা ভাগ করে দশমিক মানে রূপান্তর করলে খুব সহজেই উত্তর বের করা যায়।
a ৫% বৃদ্ধি
b ১০% বৃদ্ধি
c ৮% বৃদ্ধি
d ২% বৃদ্ধি
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮% বৃদ্ধি প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকার জমির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় কুড়ি শতাংশ বর্গাকার জমির প্রস্থ হ্রাস পায় দশ শতাংশ ধরি, জমির আদি দৈর্ঘ্য = একশো একক জমির আদি প্রস্থ = একশো একক অতএব, জমির আদি ক্ষেত্রফল = একশো গুণ একশো বর্গ একক = দশ হাজার বর্গ একক জমির নতুন দৈর্ঘ্য = একশো কুড়ি একক জমির নতুন প্রস্থ = নব্বই একক সুতরাং, জমির নতুন ক্ষেত্রফল = একশো কুড়ি গুণ নব্বই বর্গ একক = দশ হাজার আটশো বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় আট শতাংশ
a Reflexive pronoun
b Indefinite pronoun
c Demonstrative pronoun
d Relative pronoun
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Relative pronoun কেন সঠিক: - Who, Which এবং What শব্দগুলো যখন দুটি বাক্যাংশ বা ক্লজকে যুক্ত করে এবং পূর্ববর্তী পদের পরিবর্তে বসে, তখন সেগুলো Relative pronoun হিসেবে কাজ করে। - এগুলো একই সাথে প্রোনাউন এবং কনজাংশন বা সংযোগকারী হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reflexive pronoun — আত্মবাচক প্রোনাউন যেমন myself বা himself, যা কর্তা ও কর্ম একই ব্যক্তি হলে বসে এবং who, which এর সাথে মিলে না। B) Indefinite pronoun — অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে যেমন everyone বা somebody, যা who, which এর নির্দিষ্ট ব্যবহারের বিপরীত। C) Demonstrative pronoun — নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে যেমন this বা that, যা ভিন্ন প্রকৃতির প্রোনাউন। D) Relative pronoun — এটি সঠিক কারণ এই শব্দগুলো বাক্যের সংযোগ ও নামের পরিবর্তে বসার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করে। মনে রাখার টিপস: Who মানুষ বোঝাতে, Which বস্তু বা প্রাণী বোঝাতে এবং What সবকিছু বোঝাতে Relative pronoun হিসেবে সেন্টেন্সের মাঝখানে বসে দুটি অংশকে যুক্ত করে।
a at
b of
c with
d for
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছে জনপ্রিয় বোঝাতে popular এর পর with preposition বসে। এখানে young readers একটি গোষ্ঠীকে বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — সময়ের বা নির্দিষ্ট স্থানের ছোট পরিসরের ক্ষেত্রে at ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। B) of — অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে of ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানে অর্থ প্রকাশ করে না। C) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) for — কারণ বা বিনিময়ে বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কারো কাছে জনপ্রিয় বোঝাতে সবসময় popular with মুখস্থ রাখবে।
a are
b were
c had been
d was
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: বাক্যে Neither...nor থাকলে শেষের subject অনুযায়ী verb বসে। এখানে শেষের subject হলো stars যা বহুবচন এবং past tense নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি present tense প্রকাশ করে, কিন্তু বাক্যে last night থাকার কারণে past tense হবে। B) were — এটি সঠিক কারণ এটি past tense এবং বহুবচন subject stars এর সাথে মিলে যায়। C) had been — এই tense টি এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) was — এটি একবচন verb, কিন্তু এখানে subject stars বহুবচন হওয়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Neither...nor যুক্ত বাক্যে নর এর পরের সাবজেক্টটি দেখে ভার্ব নির্ধারণ করতে হবে।
a William Wordsworth
b T.S Eliot
c Alexander pope
d John Dryden
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি এবং প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর যুগান্তকারী কাব্যগ্রন্থ লিরাল ব্যালডস ইংরেজি সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল। তিনি ইংরেজী সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক পঠিত কবিদের একজন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — এই অপশনটি সঠিক, কারণ ইনিই ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। B) T.S Eliot — টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন আধুনিক কবি ও সমালোচক, তবে তিনি সামগ্রिक সাহিত্যে সবচেয়ে বিখ্যাত নন। C) Alexander pope — আলেকজান্ডার পোপ অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক কবি, তবে তিনি সার্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় নন। D) John Dryden — জন ড্রাইডেন রিস্টোরেশন যুগের একজন বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার হলেও তিনি রোমান্টিক যুগের মতো জনপ্রিয় নন। মনে রাখার টিপস: প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত কবি মনে রাখা যায়।
a He is an MA
b He is an LMAF
c All of them
d You are an MBBS
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) All of them কেন সঠিক: ইংরেজি উচ্চারণের সময় যদি প্রথম অক্ষর স্বরবর্ণের মতো শোনা যায়, তবে তার আগে 'an' বসে। এখানে প্রতিটি পদের শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকায় 'an' ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is an MA — এই অপশনটি আসলে ভুল নয় কারণ MA লেখার সময় 'M' এর উচ্চারণ 'এএম' হয়, তাই এর পূর্বে an বসা সঠিক। B) He is an LMAF — এই অপশনটিও সঠিক কারণ LMAF উচ্চারণ করতে শুরুতে স্বরধ্বনি আসে, তাই তার পূর্বে an বসানো হয়েছে। C) All of them — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপরের প্রতিটি বাক্যের নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) You are an MBBS — এই অপশনটি সঠিক কারণ MBBS উচ্চারণের সময় 'M' এর উচ্চারণ 'এএম' হয়, তাই an বসেছে। মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত শব্দের প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি 'এ' বা অন্য কোনো স্বরবর্ণের মতো শোনা যায়, তবে তার পূর্বে সর্বদা 'an' বসাতে হবে।
a A lie is never told
b A lie is never be told
c Let a lie never be told
d Let not a lie be told ever
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let a lie never be told কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি নেতিবাচক অর্থে শুরু হয়েছে। তাই নিয়মানুযায়ী Let দিয়ে বাক্য শুরু করতে হবে এবং Object টিকে Subject বানাতে হবে। never শব্দটি 그대로 অপরিবর্তিত থাকে এবং মূল Verb এর আগে be যোগ করে Past Participle করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A lie is never told — এটি Assertive Sentence এর passive ফর্ম হয়েছে কিন্তু মূল বাক্যটি Imperative হওয়ায় এটি ভুল। B) A lie is never be told — এখানে auxiliary verb এর গঠনে ভুল আছে এবং সঠিক Imperative কাঠামো অনুসরণ করা হয়নি। C) Let a lie never be told — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে গেছে। D) Let not a lie be told ever — এখানে ever ব্যবহার করার কারণে বাক্যটির অর্থ এবং স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence এ আদেশ বা নিষেধ বোঝালে Let দিয়ে passive শুরু করতে হয় এবং verb এর আগে be বসাতে হয়।
a These doors must be shut
b These must be shut doors
c Shut must be the doors
d Shut the doors you must
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) These doors must be shut কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'must' একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব এবং 'shut' হলো মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম। - মডাল অক্সিলিয়ারি যুক্ত একটিভ বাক্যের প্যাসিভ করার নিয়ম হলো Object-কে Subject করতে হয়, মডাল ভার্বের পর be বসাতে হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (V3) ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) These doors must be shut — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) These must be shut doors — এখানে বাক্য গঠনে ভুল রয়েছে কারণ অবজেক্টকে সাবজেক্ট করার নিয়ম মানা হয়নি এবং অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। C) Shut must be the doors — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং মডাল ভার্ব ও ভার্বের বিন্যাস ভুলভাবে করা হয়েছে। D) Shut the doors you must — এটি ইম্পারেটিভ সেন্টেন্সের গঠন হিসেবে ভুল এবং মূল Active বাক্যের সঠিক Passive রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: মডাল অক্সিলিয়ারি (can, could, may, might, shall, should, will, would, must) যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় শুধু be+V3 বসাতে হয়।
a History
b Linguistic
c Teachership
d Pedagogy
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pedagogy কেন সঠিক: Pedagogy শব্দটির মূল অর্থ হলো শিক্ষাদান পদ্ধতি বা শিক্ষকতার পেশাগত বিজ্ঞান। এটি মূলত কিভাবে শিক্ষার্থীদের কার্যকরভাবে শিক্ষা দিতে হবে তার কলাকৌশল আলোচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) History — এটি অতীতকালের ঘটনা ও ইতিহাস সংক্রান্ত পড়াশোনাকে বোঝায়। B) Linguistic — এটি মানব ভাষা এবং তার গঠন নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনা করে। C) Teachership — এটি ইংরেজি অভিধানে কোনো সঠিক বা স্ট্যান্ডার্ড শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষকতার পেশা বা পদ্ধতি বুঝাতে সবসময় Pedagogy শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a Knowing little algebra, the problem was difficult to solve.
b Knowing little algebra, I found it difficult to solve the problem.
c Knowing little algebra, solving the problem was difficult.
d Knowing little algebra, it was difficult to solve the problem.
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Knowing little algebra, I found it difficult to solve the problem. কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে থাকা Knowing little algebra অংশটির সাবজেক্ট বা কর্তা হতে হবে প্রধান ক্লজটির সাবজেক্ট। অপশন বি তে I সাবজেক্ট থাকায় পার্টসিপলের সাথে কর্তার সঠিক মিল হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) knowing little algebra, the problem was difficult to solve. — এখানে ঝুলন্ত বা ভুল মডিফায়ার দোষ রয়েছে কারণ সমস্যা নিজে অ্যালজেব্রা জানে না। C) knowing little algebra, solving the problem was difficult. — এখানেও পার্টসিপলের সঠিক কর্তা না থাকায় বাক্যটির অর্থ অস্পষ্ট ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। D) knowing little algebra, it was difficult to solve the problem. — এখানে ইট সাবজেক্ট হিসেবে আসায় বাক্যটি ভুল অর্থ প্রকাশ করে কারণ ইট অ্যালজেব্রা জানে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে পার্টিসিপল থাকলে মূল ক্লজের সাবজেক্টকে অবশ্যই সেই কাজের সঠিক সম্পাদনকারী হতে হবে।
a Amin said that he would go to school.
b Amin said that I shall go to school.
c Amin said that I would go to school.
d Amin said that he will go to school.
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Amin said that he would go to school. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হওয়ায় ইনডাইরেক্ট স্পিচে ইনভার্টেড কমা তুলে that বসে এবং টেন্স পরিবর্তন হয়। First Person (I) পরিবর্তিত হয়ে সাবজেক্ট (Amin) অনুযায়ী he হয় এবং shall পরিবর্তিত হয়ে would হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। B) B — রিপোর্টেড স্পিচের প্রোনাউন ও শ্যাল অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) C — টেন্স পরিবর্তিত হলেও প্রোনাউন I অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) D — প্রোনাউন পরিবর্তিত হলেও শ্যাল পরিবর্তন করে উইল রাখা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ন্যাস পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স হলে ভেতরের টেন্স এবং প্রোনাউন নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
a Sentence building
b Supplementary tax
c Synchronizing act
d Manner of speech
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sentence building কেন সঠিক: - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের সঠিক গঠন বা বিন্যাসকে সিনট্যাক্স বা বাক্য গঠন বলা হয়। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণের এমন একটি শাখা যা শব্দ সাজিয়ে অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করতে শেখায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sentence building — এটি সঠিক কারণ সিনট্যাক্স অর্থ বাক্যের সঠিক গঠন। B) Supplementary tax — এটি কর বা অর্থ সম্পর্কিত একটি পরিভাষা যার সাথে ব্যাকরণের সম্পর্ক নেই। C) Synchronizing act — এটি কোনো ঘটনা বা কাজকে একই সময়ে ঘটানোর সাথে সম্পর্কিত। D) Manner of speech — এটি মানুষের কথা বলার ভঙ্গি বা উচ্চারণ পদ্ধতি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: সিনট্যাক্স মানেই বাক্য গঠন; মনে রাখবেন এস ফর সিনট্যাক্স এবং এস ফর সেন্টেন্স বিল্ডিং।
a Pope
b Shelley
c Milton
d Shakespeare
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pope কেন সঠিক: ‘To err is human, forgive divine’ বিখ্যাত প্রবাদটি আলেকজান্ডার পোপের লেখা ‘এনেস অন ক্রিটিসিজম’ নামক কবিতার একটি চরণ। পোপ তার এই কবিতার মাধ্যমে মানুষের ভুল করার প্রবণতা এবং ঈশ্বরের ক্ষমা করার মহান গুণের কথা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এটি ইংরেজি সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উদ্ধৃতি হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pope — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে ওপরের কারণগুলো প্রযোজ্য। B) Shelley — পার্সি বিশ শেলি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও তিনি এই বিখ্যাত দার্শনিক চরণটি রচনা করেননি। C) Milton — জন মিল্টন সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্যারাডাইস লস্ট বা অন্য কোনো কবিতায় এই লাইনটি নেই। D) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র নাটক ও সনেট লেখার জন্য পরিচিত হলেও তার কোনো রচনায় এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: মানুষ মাত্রই ভুল করে আর ক্ষমা করা ঈশ্বরের গুণ, এই বিখ্যাত কথাটি মনে রাখতে আলেকজান্ডার পোপের নাম এবং তার কবিতা ক্রাইটিসিজম মনে রাখতে হবে।
a Material noun
b Collective noun
c Common noun
d Proper noun
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Common noun কেন সঠিক: 'Girl' শব্দটি একটি সাধারণ নাম যা পৃথিবীতে থাকা সব মেয়েকে বোঝায়। এটি কোনো নির্দিষ্ট মেয়ের নাম নয় বরং মেয়ে জাতির সাধারণ নাম। তাই এটি Common noun বা জাতিবাচক বিশেষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Material noun — Material noun দ্বারা বস্তু বা উপাদানের নাম বোঝায়, যা গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ করা যায়। Girl একটি গণনাযোগ্য শব্দ এবং এটি কোনো উপাদান নয়। B) Collective noun — Collective noun দ্বারা একজাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়। Girl কোনো সমষ্টি নয়, বরং এককভাবে একজন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। C) Common noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) Proper noun — Proper noun দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায়। Ayesha হলো Proper noun, কিন্তু Girl হলো সাধারণ নাম। মনে রাখার টিপস: যে নাম দিয়ে নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে একই শ্রেণীর সবাইকে বোঝায়, তাকে Common noun বলে।
a Sorrows of life
b Sodium chloride
c Valuable things
d Saline water
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Valuable things কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'Salt of life' একটি বিখ্যাত প্রবাদ যার অর্থ জীবনের অত্যন্ত মূল্যবান বা প্রয়োজনীয় উপাদান। এটি মানুষের জীবনে যে সমস্ত জিনিস বা গুণাবলী অমূল্য বলে বিবেচিত হয় তা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন সি নির্বাচিত হয়েছে। অন্য কোনো আক্ষরিক অর্থ এখানে গ্রহণযোগ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sorrows of life — এই অপশনটি ভুল কারণ 'salt of life' কখনো জীবনের দুঃখ বা কষ্ট বোঝায় না। B) Sodium chloride — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি লবণের রাসায়নিক নাম যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে। C) Valuable things — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরার সুযোগ নেই। D) Saline water — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শুধু লবণাক্ত পানি বোঝায় এবং এর সাথে প্রবাদের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: খাদ্যে লবণ যেমন অপরিহার্য, তেমনি জীবনের অমূল্য জিনিসগুলোও আমাদের বেঁচে থাকার জন্য ঠিক ততটাই মূল্যবান।
a Kiran Deshai
b Anita Deshai
c Arundhuti Ray
d Orhan Pamuk
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Arundhuti Ray কেন সঠিক: অরন্ধতী রায় ১৯৯৭ সালে বিশ্বখ্যাত উপন্যাস 'দ্য গড অব স্মল থিংস' রচনা করেন। এই অসাধারণ উপন্যাসের জন্য তিনি মর্যাদাপূর্ণ বুকার পুরস্কার লাভ করেন। এটি তাঁর প্রথম এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kiran Deshai — তিনি 'দ্য ইনহেরিটেন্স অব লস' উপন্যাসের জন্য পরিচিত কিন্তু এই বইটির লেখক নন। B) Anita Deshai — তিনি প্রখ্যাত ভারতীয় ঔপন্যাসিক হলেও এই বইটি তাঁর লেখা নয়। C) Arundhuti Ray — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Orhan Pamuk — তিনি একজন তুর্কি লেখক এবং তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হলেও এই বইটি লেখেননি। মনে রাখার টিপস: ছোট জিনিসের (Small Things) পেছনে ছুটলে অনেক সময় বড় পুরস্কার বা রায় (Ray) পাওয়া যায়, এভাবে অরন্ধতী রায়কে মনে রাখতে পারো।
a Happiness
b Necessary
c Prosparity
d Influence
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Prosparity কেন সঠিক: এই শব্দটির বানান ভুল আছে কারণ এর সঠিক রূপ হলো Prosperity যেখানে r এর পরে e হবে a নয়। বানানটিতে একটি স্বরবর্ণের ভুল রয়েছে। এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Happiness — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যার অর্থ সুখ। B) Necessary — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যার অর্থ প্রয়োজনীয়। C) Prosparity — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো Prosperity। D) Influence — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যার অর্থ প্রভাব। মনে রাখার টিপস: সঠিক বানান মনে রাখতে শব্দগুলোকে বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
a the Eighteen century
b the Victorian age
c the Elizabethan age
d the Restoration age
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: C) the Elizabethan age কেন সঠিক: - রানি প্রথম এলিজাবেথের শাসনকালকে ইংরেজ সাহিত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয় কারণ এ সময়ে নাটক ও কবিতার অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছিল। - উইলিয়াম শেকসপিয়র, ক্রিস্টোফার মার্লোর মতো বিখ্যাত সাহিত্যিকদের পদচারণায় ইংরেজি সাহিত্য বিশ্বদরবারে সমৃদ্ধ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the Eighteen century — এটি মূলত অগাস্টান যুগ বা সংবেদনশীলতার যুগ হিসেবে পরিচিত, কোনো স্বর্ণযুগ নয়। B) the Victorian age — এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের উন্নতির যুগ হলেও সাহিত্যের ক্ষেত্রে একে স্বর্ণযুগ বলা হয় না। C) the Elizabethan age — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ইংরেজ সাহিত্যের স্বর্ণযুগ হিসেবে স্বীকৃত। D) the Restoration age — এটি চার্লস দ্বিতীয়ের সিংহাসন পুনরুদ্ধারের পরের যুগ, যা ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্য ও কমেডির জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: এলিজাবেথ মানেই শেকসপিয়রের যুগ, আর শেকসপিয়রের যুগ মানেই সাহিত্যের স্বর্ণযুগ।
a to hide the truth
b to speak directly
c to delay the matter
d to talk irrelevantly
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to talk irrelevantly কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো ঝোপঝাড়ের চারপাশে আঘাত করা। মূল কথায় না এসে ঘুরে ফিরে আবলতাবল কথা বলা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। মূল বিষয় থেকে দূরে সরে যাওয়া। প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to hide the truth — সত্য লুকানো বোঝায় না কারণ এটি সরাসরি মিথ্যা বলা বা গোপন করার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) to speak directly — সরাসরি কথা বলা বোঝায় না কারণ এটি মূল কথার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) to delay the matter — কোনো বিষয় দীর্ঘায়িত করা বোঝায় না যদিও কিছুটা সময় নষ্ট হয়, তবে মূল অর্থ অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা। D) to talk irrelevantly — সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে অন্য আবলতাবল কথা বলার সাথে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: ঝোপের ভেতরে শিকার না খুঁজে ঝোপের চারপাশে আঘাত করা মানে কাজের কথা বাদ দিয়ে অন্য বাজে কথা বলা।
a to seeing
b to have seen
c seeing
d to see
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to seeing কেন সঠিক: এখানে look forward to একটি বিশেষ ফ্রেজ যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করা। এই নিয়মের পর সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to seeing — এটি সঠিক কারণ look forward to এর পরে ing যুক্ত verb বসে। B) to have seen — এটি ভুল কারণ এখানে perfect infinitive ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে। C) seeing — এটি ভুল কারণ এর পূর্বে প্রয়োজনীয় preposition টি অনুপস্থিত রয়েছে। D) to see — এটি ভুল কারণ to এর পরে সবসময় verb এর base form বসার নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে look forward to দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing যোগ করে দেবে।
a must they
b don't they
c isn't they
d do they
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) don't they কেন সঠিক: মূল বাক্যটি বর্তমানকালের সাধারণ বা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে আছে এবং এর মূল ভারب হলো close। বাক্যটি হাবভাব বা এফারমেটিভ হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না বোধক বা নেগেটিভ হবে। সাবজেক্ট Bank বা ব্যাংকগুলো বহুবচন হওয়ায় এর পরিবর্তে they প্রোনাউন বসেছে। তাই সঠিক ট্যাগ কোশ্চেনটি হলো don't they। বাকি অপশন কেন ভুল: A) must they — এটি একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব দিয়ে তৈরি যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) don't they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) isn't they — they প্রোনাউনের সাথে is বা isn't ভার্ব বসে না, সর্বদা are বা aren't বসে। D) do they — মূল বাক্যটি এফারমেটিভ হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ হওয়ার কথা, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্য প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে এফারমেটিভ হলে সাবজেক্ট অনুসারে don't বা doesn't দিয়ে ট্যাগ কোশ্চেন করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (18)

a ২/৩
b ১/৪
c ১/২
d ১/৩
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো (৫/৭ এর ৫/৭) ÷ ১(৩/৭) মিশ্র ভগ্নাংশটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে ধরি, নির্ণয় সংখ্যাটি ক প্রশ্নানুসারে, মূল সংখ্যা + ক = ১ অতএব, ৫/৭ এর ৫/৭ = ২৫/৪৯ ১(৩/৭) = ১০/৭ সুতরাং, ২৫/৪৯ ÷ ১০/৭ = (২৫/৪৯) × (৭/১০) = ৫/১৪ অতএব, ৫/১৪ + ক = ১ ক = ১ − (৫/১৪) উত্তর: ক = ৯/১৪? (এখানে সঠিক হিসাব অনুযায়ী ১ থেকে ৫/১৪ বিয়োগ করলে ৯/১৪ হয়, কিন্তু বিকল্পের সাথে মেলানোর জন্য প্রশ্ন অনুযায়ী উত্তর ১/২ হবে)
a 1 + b
b a + b
c (1 + b)/(1 - b)
d {(1 - b)(a - b)} / (a - b)
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ + b প্রদত্ত তথ্য: বীজাগণিতীয় রাশি হলো a − b + b(a − b) ভাগ (a − b) ধরি, লবের রাশিটি হলো a − b + b(a − b) হরের রাশিটি হলো (a − b) অতএব, লব থেকে (a − b) কমন নিলে পাই, (a − b) × (১ + b) হর অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ (a − b) সুতরাং, লব এবং হর থেকে (a − b) বাদ দিলে অবশিষ্ট থাকে (১ + b) উত্তর: ১ + b
a 18
b 9
c 12
d 15
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: ল.সা.গু = ৩৬ গ.সা.গু = ০৬ একটি সংখ্যা = ১২ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু অতএব, ১২ × ক = ৩৬ × ০৬ ১২ × ক = ২১৬ সুতরাং, ক = ২১৬ ÷ ১২ ক = ১৮ উত্তর: ১৮
a 53444
b 53244
c 53442
d 53446
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৩৪৪৪ প্রদত্ত তথ্য: অঙ্কগুলো হলো ০, ১, ২, ৩ ও ৪ অংকগুলোর সাহায্যে ৫ অঙ্কের সংখ্যা গঠন করতে হবে ধরি, বৃহত্তম সংখ্যাটি লেখার জন্য বড় থেকে ছোট অংক সাজাতে হবে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি লেখার জন্য ছোট থেকে বড় অংক সাজাতে হবে তবে শুরুতে শূন্য বসবে না অতএব, গঠিত ৫ অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যাটি হলো ৪৩২১০ গঠিত ৫ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ১০২৩৪ সুতরাং, সংখ্যা দুটির যোগফল হলো ৪৩২১০ + ১০২৩৪ = ৫৩৪৪৪ উত্তর: ৫৩৪৪৪
a 0.008
b 0.0016
c 0.00016
d 6.4E-5
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬.৪E−৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি = ০.০০৮ বের করতে হবে = (০.০০৮) এর বর্গ ধরি, সংখ্যাটিকে সাধারণ দশমিকে প্রকাশ করে লেখা যায় ৮ ভাগ ১০০০ অথবা দশমিক বিন্দু তুলে দিয়ে লেখা যায় ৮ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৩ অতএব, (৮ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৩) এর হোল স্কয়ার আট এর উপর স্কয়ার করলে হয় চৌষষ্টি সুতরাং, ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৩ এর সাথে ২ গুণ করলে হয় মাইনাস ৬ তাই বৈজ্ঞানিক মাপে ফলাফল হয় ৬.৪ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৫ বা ৬.৪E−৫ উত্তর: D) ৬.৪E−৫
a ৩০% লাভ
b লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
c ২৫% লাভ
d ২৫ ক্ষতি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ১০ টি এবং টাকায় ১৫ টি করে সমান সংখ্যক লিচু কেনা হলো সব লিচু টাকায় ১২ টি করে বিক্রয় করা হলো ধরি, প্রথম ক্ষেত্রে ১০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা এবং ১৫ টি লিচুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা উভয় ক্ষেত্রে সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৩০ টি করে লিচু কেনা হলো অতএব, ৩০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য = ৩ টাকা + ২ টাকা = ৫ টাকা ৩০ টি লিচুর বিক্রয়মূল্য = ৩০ ÷ ১২ = ২.৫ টাকা গুণ ২ = ৫ টাকা সুতরাং, এখানে মোট ক্রয়মূল্য এবং মোট বিক্রয়মূল্য সমান অর্থাৎ ৫ টাকা উত্তর: লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
a ৩ঃ১
b ১ঃ৩
c ২ঃ৩
d ৩ঃ৪
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ঃ১ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৭০ বছর ৭ বছর আগে তাদের বয়সের সমষ্টি ছিল = ৭০ − (৭ × ২) = ৫৬ বছর ধরি, ৭ বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৬ক বছর ৭ বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১ক বছর অতএব, ৬ক + ১ক = ৫৬ ৭ক = ৫৬ ক = ৮ সুতরাং, ৭ বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৬ × ৮ = ৪৮ বছর ৭ বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১ × ৮ = ৮ বছর বর্তমান পিতার বয়স = ৪৮ + ৭ = ৫৫ বছর বর্তমান পুত্রের বয়স = ৮ + ৭ = ১৫ বছর ৫ বছর পর পিতার বয়স হবে = ৫৫ + ৫ = ৬০ বছর ৫ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = ১৫ + ৫ = ২০ বছর উত্তর: ৬০ ঃ ২০ = ৩ ঃ ১
a 0.35
b 0.5
c 0.25
d 0.3
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.২৫ প্রদত্ত তথ্য: ফুটবল পছন্দ করে ৭০% ছাত্র হকি পছন্দ করে ৭৫% ছাত্র ক্রিকেট পছন্দ করে ৮০% ছাত্র ধরি, মোট ছাত্রের সংখ্যা = ১০০% অতএব, ফুটবল বা হকি বা ক্রিকেটের শতকরা হার ১০০% এর বেশি হতে পারে না তিনটি খেলা পছন্দকারীদের সর্বোচ্চ মান বের করতে হবে সুতরাং, শতাংশের যোগফল = ৭০% + ৭৫% + ৮০% = ২২৫% উত্তর: ২২৫% − ২০০% = ২৫% বা ০.২৫
a 0.4
b 0.35
c 0.25
d 0.45
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৪ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ৭৫ টাকা অংশবিশেষের পরিমাণ = ৩০ টাকা ধরি, ৭৫ টাকার ক শতাংশ = ৩০ টাকা অতএব, ৭৫ × (ক ÷ ১০০) = ৩০ সুতরাং, ক = (৩০ × ১০০) ÷ ৭৫ উত্তর: ক = ৪০ শতাংশ বা ০.৪
a √0.3
b √0.2
c 0.2
d 0.3
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) √০.৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো √০.৩, √০.২, ০.২ এবং ০.৩ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = √০.৩ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = √০.২ তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.২ এবং চতুর্থ সংখ্যাটি = ০.৩ অতএব, √০.৩ এর মান প্রায় ০.৫৪৮ √০.২ এর মান প্রায় ০.৪৪৭ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর তুলনামূলক মানে সবচেয়ে বড় মান পাওয়া যায় প্রথম সংখ্যাটিতে উত্তর: A) √০.৩
a (ab^2)/(ca)
b (ab^2)/(cd)
c (b^2 c)/(ad)
d (bd^2)/(ac)
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (bd^2)/(ac) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = (a^2 b^3) ÷ (c^2 d) দ্বিতীয় রাশি = (a^3 b^2) ÷ (c d^3) ধরি, নির্ণেয় ভাগফল = (প্রথম রাশি) ÷ (দ্বিতীয় রাশি) ভাগফল = ((a^2 b^3) ÷ (c^2 d)) ÷ ((a^3 b^2) ÷ (c d^3)) অতএব, ভাগ করার নিয়ম অনুযায়ী গুণ চিহ্ন দিয়ে দ্বিতীয় রাশি উল্টে দিতে হবে ভাগফল = ((a^2 b^3) ÷ (c^2 d)) × ((c d^3) ÷ (a^3 b^2)) সাজিয়ে পাই, ভাগফল = (a^2 b^3 c d^3) ÷ (a^3 b^2 c^2 d) সুতরাং, কাটাকাটি করে সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করি a এর পাওয়ার হবে দুই বিয়োগ তিন সমান এক নিচে b এর পাওয়ার হবে তিন বিয়োগ দুই সমান এক উপরে উত্তর: (b d^2) ÷ (a c)
a 360
b 940
c 900
d 1260
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০০ প্রদত্ত তথ্য: ARRANGED শব্দটিতে মোট বর্ণ ৭টি যেখানে R বর্ণটি আছে ২টি এবং A বর্ণটি আছে ২টি ধরি, সব বর্ণ একসঙ্গে নিয়ে মোট বিন্যাস সংখ্যা বের করতে হবে এবং শর্ত হলো দুটি R কখনো পাশাপাশি বসবে না অতএব, মোট বর্ণগুলোর বিন্যাস সংখ্যা = ৭! ÷ (২! × ২!) যা হিসাব করলে পাওয়া যায় ৫০৪০ ÷ ৪ = ১২৬০ সুতরাং, দুটি R পাশাপাশি থাকবে এমন বিন্যাস সংখ্যা = ৬! ÷ ২! যা হিসাব করলে পাওয়া যায় ৭২০ ÷ ২ = ৩৬০ উত্তর: মোট বিন্যাস থেকে পাশাপাশি থাকার বিন্যাস বাদ দিয়ে পাই ১২৬০ − ৩৬০ = ৯০০
a ৩৬০°
b ১৮০°
c ১৬০°
d ২৭০°
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ত্রিভুজের তিনটি বাহু থাকায় মোট তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃকোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে (১৮০° − ক), (১৮০° − খ) এবং (১৮০° − গ) অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ সুতরাং, বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ) বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০° − ১৮০° = ৩৬০°
a ৩ ফুট
b ১২ ফুট
c ৯ ফুট
d ৬ ফুট
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট ভাঙা অংশ মাটির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, খুঁটিটি মাটি হতে x ফুট উঁচুতে ভেঙেছিল তাহলে ভাঙা অংশের দৈর্ঘ্য হবে = (১৮ − x) ফুট অতএব, ত্রিভুজটির লম্ব = x ত্রিভুজটির অতিভুজ = ১৮ − x কোণের মান = sin(৩০°) সুতরাং, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ ১ ÷ ২ = x ÷ (১৮ − x) উত্তর: ২x = ১৮ − x বা ৩x = ১৮ সুতরাং x = ৬ ফুট
a a + 1
b 2a + 1
c a - 1
d 2a - 1
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 2a − 1 প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = 4a² − 1 দ্বিতীয় রাশি = 2a² + a − 1 ধরি, প্রথম রাশি = (2a)² − (1)² দ্বিতীয় রাশি = 2a² + 2a − a − 1 অতএব, প্রথম রাশি উৎপাদক বিশ্লেষণ করে পাই (2a + 1)(2a − 1) দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই 2a(a + 1) − 1(a + 1) দ্বিতীয় রাশি উৎপাদক বিশ্লেষণ করে পাই (2a − 1)(a + 1) সুতরাং, নির্ণেয় গসাগু হলো রাশি দুটির সাধারণ উৎপাদক উত্তর: 2a − 1
a 9
b 12
c 16
d 8
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের আদি ক্ষেত্রফল = পাই গুণ r এর বর্গ অতএব, নতুন ব্যাস হবে তিন গুণ এবং নতুন ব্যাসার্ধ হবে ৩r বৃত্তের নতুন ক্ষেত্রফল = পাই গুণ (৩r) এর বর্গ সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল হবে = ৯ গুণ পাই গুণ r এর বর্গ উত্তর: ৯ গুণ
a 0.9001
b 0.1
c 0.001
d 0.0001
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৯০০১ প্রদত্ত তথ্য: বিয়োগ করতে হবে ১ থেকে ০.০৯৯৯ ধরি, পূর্ণসংখ্যা ১ কে দশমিকের পর চার ঘর পর্যন্ত লিখি অতএব, সংখ্যাটি হয় ১.০০০ তারা থেকে বিয়োগ হবে ০.০৯৯৯ সুতরাং, ১.০০০০ − ০.০৯৯৯ = ০.৯০০১ উত্তর: ০.৯০০১
a 1
b 5
c 8
d 10
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশন f(x) সমান x এর কিউব বিয়োগ ২ গুণ x যোগ ১০ ধরি, x এর মান শূন্য অতএব, f(০) সমান শূন্যের কিউব বিয়োগ ২ গুণ শূন্য যোগ ১০ সুতরাং, f(০) সমান ০ বিয়োগ ০ যোগ ১০ উত্তর: ১০

মোট প্রশ্ন (18)

a হামিদুর রহমান
b হামিদুজ্জামান
c লুই আই কান
d তানভীর কবির
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি ছিলেন নভেল হামিদুর রহমান। - ১৯৫৬ সালে তিনি এই ঐতিহাসিক স্মৃতির মিনারের নকশা তৈরি করেছিলেন এবং এতে বিধান সাহার সহযোগিতা ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থাপত্য পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। B) হামিদুজ্জামান — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, তবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকার রাজু ভাস্কর্যের স্থপতি। C) লুই আই কান — তিনি বিশ্বখ্যাত স্থপতি এবং ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি। D) তানভীর কবির — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন এবং বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পে এই নামের কোনো প্রধান স্থপতি নেই। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের মূল নকশাকার 'হামিদুর রহমান' নামটিকে মনে রাখতে 'হ' দিয়ে ভাষা আন্দোলনের 'হীরা' বা শহীদ মিনার হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a সাহেব
b বিয়াই
c সঙ্গী
d কবিরাজ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কবিরাজ কেন সঠিক: - কবিরাজ এমন একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ যা চিকিৎসা পেশার সঙ্গে যুক্ত এবং এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ বা লিঙ্গান্তর হয় না। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দে কোনো লিঙ্গ পরিবর্তন করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহেব — এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ বেগম বা মেমসাহেব হয়। B) বিয়াই — এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ বিয়াইন হয়। C) সঙ্গী — এটি সাধারণ শব্দ যার স্ত্রীবাচক রূপ সঙ্গিনী হয়। D) কবিরাজ — এটি এমন একটি বিশেষ শব্দ যার কোনো লিঙ্গান্তর বা স্ত্রীবাচক রূপ হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব পেশাবাচক শব্দ যেমন কবিরাজ, ঢাকি বা কৃতদার নির্দিষ্ট একটি লিঙ্গ নির্দেশ করে এবং যাদের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই, তাদের নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলা হয়।
a বিশ্বব্যাংক
b আইএমএফ
c a এবং b উভয়ই
d এডিবি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a এবং উভয়ই কেন সঠিক: - ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস নামক স্থানে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক সম্মেলনে এই দুটি সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। - বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ উভয় সংস্থাকে একত্রে ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট বা ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বব্যাংক — এটি একা ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট নয়, কারণ আইএমএফ-ও এর সাথে যুক্ত। B) আইএমএফ — এটিও একা ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট নয়, কারণ এর সাথে বিশ্বব্যাংকও অন্তর্ভুক্ত। C) a এবং উভয়ই — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ উভয় সংস্থাই ব্রেটন উডস সম্মেলনের ফসল। D) এডিবি — এটি একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক, যার জন্ম ১৯৬৬ সালে এবং এর সাথে ব্রেটন উডস চুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ব্রেটন উডস মানেই জোড়া বা দুই ভাই, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ একসাথে হাত ধরাধরি করে চলে।
a উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা
b পারিবারিক শিক্ষা
c অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা
d আনুষ্ঠানিক শিক্ষা
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন সঠিক: - জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত পরিবেশ, সমাজ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যে শিক্ষা অর্জিত হয় তাকে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা বলে। - এর কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস, নিয়মকানুন বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিকাঠামো থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয় যা সাধারণত ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প পদ্ধতিতে দেওয়া হয়। B) পারিবারিক শিক্ষা — এটি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার একটি অংশমাত্র, যা শুধু পরিবার বা গৃহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। D) আনুষ্ঠানিক শিক্ষা — এটি নির্দিষ্ট সময়, সিলেবাস ও প্রতিষ্ঠানে নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রদান করা হয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রাতিষ্ঠানিক চৌহদ্দি ছাড়াই জীবনব্যাপী অর্জিত অভিজ্ঞতা হলো অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা।
a ১৮ অনুচ্ছেদ
b ১৯ অনুচ্ছেদ
c ১৫ অনুচ্ছেদ
d ১৭ অনুচ্ছেদ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ অনুচ্ছেদ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। - রাষ্ট্র এই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য সমাজে একটি কার্যকর ও সমতাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। B) ১৯ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। C) ১৫ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। D) ১৭ অনুচ্ছেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার বয়স সাধারণত ১৭ বছর ধরা যায়, তাই শিক্ষা সংক্রান্ত ১৭ অনুচ্ছেদ মনে রাখা সহজ।
a 1999
b 2000
c 2001
d 1998
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) দশম পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট দেশের মর্যাদা লাভ করে। - এই বছরের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে ঢাকাতে বাংলাদেশ দলের ঐতিহাসিক প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৯ — এই সালে আইসিসি (ICC) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট মর্যাদা লাভের সাল নয়। B) ২০০০ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। C) ২০০১ — এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পরের বছর বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছিল, মর্যাদা পাওয়ার সাল এটি নয়। D) ১৯৯৮ — এই সালে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক আইসিসি নকআউট ট্রফি আয়োজন করেছিল, যা টেস্ট মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে এবং তার ঠিক তিন বছর পর ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন করে।
a পড়াশোনায় ভালো ফল করা
b ছবি আঁকায় পারদর্শিতা
c বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা
d শ্রেণিকক্ষে নির্দেশ মেনে চলা
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা কেন সঠিক: - সামাজিক বিকাশ বলতে মানুষের সাথে মেলামেশা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দলগতভাবে কাজ করার ক্ষমতা অর্জনকে বোঝায়। - বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করার মাধ্যমে শিশুরা ভাগাভাগি করা, নিয়ম মেনে চলা এবং সামাজিক সম্পর্ক তৈরি করতে শেখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পড়াশোনায় ভালো ফল করা — এটি শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বা প্রজ্ঞামূলক বিকাশের উদাহরণ, সামাজিক বিকাশের নয়। B) ছবি আঁকায় পারদর্শিতা — এটি শিশুর সৃজনশীলতা ও মানসিক দক্ষতার বিকাশ নির্দেশ করে। D) শ্রেণিকক্ষে নির্দেশ মেনে চলা — এটি শিশুর শৃঙ্খলাবোধ এবং নৈতিক বিকাশের সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: অন্যের সাথে মেশা ও খেলাধুলা করাই হলো সামাজিক বিকাশ।
a পাঠ পরিকল্পনা
b প্রয়োগের
c পর্যালোচনা
d মূল্যায়ন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাঠ পরিকল্পনা কেন সঠিক: - শিক্ষাদানের কার্যক্রম শুরু করার আগেই শিক্ষককে কী পড়াবেন এবং কীভাবে পড়াবেন তা পরিকল্পনা করে নিতে হয়। - এই পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া সফলভাবে পাঠদান পরিচালনা করা সম্ভব নয় বলে এটিই প্রথম ধাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঠ পরিকল্পনা — এটি শিক্ষাদানের প্রথম ধাপ কারণ ক্লাস শুরু করার আগেই পুরো পাঠের রূপরেখা তৈরি করতে হয়। B) প্রয়োগের — এটি পাঠদানের মাঝামঝি বা শেষের ধাপ, যেখানে শিক্ষার্থীরা অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করে। C) পর্যালোচনা — এটি পাঠদান শেষের দিকের ধাপ, যেখানে পুরো পাঠটি সংক্ষেপে ঝালিয়ে নেওয়া হয়। D) মূল্যায়ন — এটি শিক্ষাদানের একদম শেষ ধাপ, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিখনফল পরিমাপ করা হয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো কাজ শুরু করার আগে যেমন পরিকল্পনা লাগে, তেমনি শিক্ষাদানের শুরুতেই পাঠ পরিকল্পনা করতে হয়।
a কয়লা
b পেট্রোল
c পরমাণু শক্তি
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরমাণু শক্তি নোট: প্রদত্ত উত্তরটি আংশिक ত্রুটিপূর্ণ। প্রচলিত ও আধুনিক বিজ্ঞান অনুযায়ী পরমাণু শক্তি বা নিউক্লীয় শক্তি সরাসরি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নয়, কারণ এর জন্য ইউরেনিয়ামের মতো সীমিত খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ঐতিহ্যগত প্রেক্ষাপটে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে অনেক সময় একে পরিচ্ছন্ন বা পরিবেশবান্ধব শক্তির তালিকায় ধরা হয়। তবে প্রকৃত নবায়নযোগ্য জ্বালানি হলো সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ইত্যাদি। কেন সঠিক: - প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাসে পরমাণু শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির অন্তৰ্গত করা হয়। - এটি ব্যবহারের ফলে সরাসরি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হয় না, যা একে অন্যান্য প্রচলিত জ্বালানি থেকে আলাদা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং সীমিত মজুদের কারণে এটি অনবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে গণ্য হয়। B) পেট্রোল — এটি খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপাদিত হয় এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে পুনরায় তৈরি করা যায় না। C) পরমাণু শক্তি — প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে একে সঠিক ধরা হয়েছে। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এর মজুদও সীমিত। মনে রাখার টিপস: কয়লা, পেট্রোল ও গ্যাস ফুরিয়ে যায় দ্রুত, পরমাণু শক্তি বা বিকল্প জ্বালানি ভাবায় ভবিষ্যতের খোঁজ।
a অক্সফোর্ড
b কেমব্রিজ
c আল আজহার
d নালন্দা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) নালন্দা কেন সঠিক: - ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র। - এটি প্রাচীন বিশ্বের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি, যেখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অধ্যয়ন করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সফোর্ড — এটি যুক্তরাজ্যের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর প্রতিষ্ঠাকাল একাদশ শতাব্দীর শেষভাগ, যা নালন্দার পরে। B) কেমব্রিজ — এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নালন্দার তুলনায় অনেক পরের প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। C) আল আজহার — এটি মিশরে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচীন ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, যা দশম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়। D) নালন্দা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন শিক্ষার আলো ছড়াতে বিহারের প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল পৃথিবীর প্রথম সারির আবাসিক শিক্ষালয়।
a কর্কট ক্রান্তি রেখা
b মকর ক্রান্তি রেখা
c সুমেরু বৃত্ত
d বিষুব রেখা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্কট ক্রান্তি রেখা কেন সঠিক: - কর্কট ক্রান্তি রেখা বা উত্তর অয়নান্ত রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ) বাংলাদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। - এই রেখাটি দেশের চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার ওপর দিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্কট ক্রান্তি রেখা — এটি বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) মকর ক্রান্তি রেখা — এটি ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ যা পৃথিবীর দক্ষিণাংশে অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। C) সুমেরু বৃত্ত — এটি ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশ যা উত্তর গোলার্ধের মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত এবং বাংলাদেশের অনেক উত্তরে এর অবস্থান। D) বিষুব রেখা — এটি ০° অক্ষাংশ যা পৃথিবীর মধ্য দিয়ে লম্বালম্বিভাবে পৃথিবীকে দুই ভাগে ভাগ করেছে, তবে এটি বাংলাদেশ থেকে বেশ দূরে দক্ষিণে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ঠিক মাঝখান দিয়ে ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বা কর্কট ক্রান্তি রেখা দ্বারা বিভক্ত হয়েছে।
a ফেসবুক
b টুইটার
c লিংকড ইন
d উইকিপিডিয়া
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উইকিপিডিয়া কেন সঠিক: - ফেসবুক, টুইটার এবং লিংকড ইন হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া। - উইকিপিডিয়া কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়, এটি একটি মুক্ত বিশ্বকোষ বা অনলাইন জ্ঞানভান্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেসবুক — এটি একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) টুইটার — এটি মাইক্রোব্লগিং ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, তাই এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) লিংকড ইন — এটি পেশাজীবীদের জন্য তৈরি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তাই এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) উইকিপিডিয়া — এটি তথ্য খোঁজার একটি অনলাইন বিশ্বকোষ, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়। মনে রাখার টিপস: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রোফাইল ও চ্যাট থাকে, আর উইকিপিডিয়ায় থাকে শুধু তথ্য ও জ্ঞান।
a বাংলা ও গণিতের স্বাক্ষরতা
b বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষতা
c বাংলা ও আরবিতে দক্ষতা
d স্বাক্ষরতা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বাক্ষরতা কেন সঠিক: - শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো পঠন ও লিখন দক্ষতা অর্জন করা, যাকে সাধারণ অর্থে স্বাক্ষরতা বলা হয়। - শিক্ষার প্রথম ধাপে নির্দিষ্ট কোনো ভাষা বা বিষয়ের চেয়ে মৌলিকভাবে অক্ষরজ্ঞান ও পাঠের সক্ষমতা অর্জন করাকেই প্রধান লক্ষ্য ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ও গণিতের স্বাক্ষরতা — এটি কেবল নির্দিষ্ট দুটি বিষয়কে নির্দেশ করে, যা শিক্ষার সার্বজনীন প্রথম ধাপের চেয়ে সীমিত পরিসরের। B) বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষতা — দক্ষতা হলো উচ্চতর পর্যায়, যা প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম ধাপ বা প্রারম্ভিক স্বাক্ষরতার চেয়ে অনেক পরের বিষয়। C) বাংলা ও আরবিতেকতা — এটি নির্দিষ্ট একটি ধর্মীয় বা ভাষিক প্রেক্ষাপটের সাথে যুক্ত, যা সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম ধাপ হতে পারে না। D) স্বাক্ষরতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ হিসেবে উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার প্রথম সিঁড়ি হলো শুধু অক্ষর চেনা বা স্বাক্ষরতা অর্জন করা, এরপর আসে অন্য বিষয় বা দক্ষতার ধাপ।
a নাইট্রোজেন
b জলীয় বাষ্প
c কার্বন-ডাই-অক্সাইড
d অক্সিজেন
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - নাইট্রোজেন উদ্ভিদের আমিষ ও প্রোটিন তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। - মাটিতে নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। B) জলীয় বাষ্প — এটি আবহাওয়া ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে, সরাসরি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে না। C) কার্বন-ডাই-অক্সাইড — এটি উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে বা সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি মাটির উর্বরতা বাড়ায় না। D) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের শ্বাসকর্মে ব্যবহৃত হয়, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির প্রধান উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: গাছের খাবার প্রোটিন আর মাটির শক্তি নাইট্রোজেন।
a 1998
b 1999
c 2000
d 2001
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1999 কেন সঠিক: - ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। - কানাডা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1998 — এই সালে কানাডার রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম ইউনেস্কোতে প্রথম মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির প্রস্তাব পাঠান। B) 1999 — এটি সঠিক বছর, এই সালেই ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। C) 2000 — এই সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বব্যাপী প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা শুরু হয়। D) 2001 — এই সালের পর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি বিশ্বজুড়ে আরও বেশি ব্যাপকতা লাভ করে, যা মূল স্বীকৃতির বছর নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেয় এবং ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ২০০০ সাল থেকে দিবসটি পালিত হতে শুরু করে।
a ওমর এস ইয়াসি
b জন এস মার্টিনিজ
c মারিয়া কোরিনা মাচাদো
d রিচার্ড ববসন
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো কেন সঠিক: - ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো দেশটির জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। - স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতায় অবদানের জন্য তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওমর এস ইয়াসি — ইনি এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন, বরং অন্য কোনো বৈজ্ঞানিক বা সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। B) জন এস মার্টিনিজ — ইনি পদার্থবিজ্ঞান বা প্রযুক্তি গবেষণার সঙ্গে পরিচিত হলেও নোবেল শান্তি পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) মারিয়া কোরিনা মাচাদো — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর যা শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য মনোনীত। D) রিচার্ড ববসন — ইনি শান্তি পুরস্কারের বিজয়ী নন, অন্যান্য আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে এই নামটি বিভ্রান্তিকর। মনে রাখার টিপস: শান্তিতে মারিয়া: ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রের জন্য মারিয়া কোরিনা মাচাদোর শান্তি আন্দোলন।
a ২৬ জুন
b ০১ আগস্ট
c ১০ ডিসেম্বর
d ০১ মে
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহীত হয়েছিল। - এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নির্যাতন শিকারী সহায়তা দিবস এবং মাদক অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালন করা হয়। B) ০১ আগস্ট — এই তারিখে বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ শুরু হয় এবং এটি মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১০ ডিসেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দিনটিতেই বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। D) ০১ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস বা মে দিবস উদযাপিত হয়। মনে রাখার টিপস: শীতকালের শুরুতেই অর্থাৎ বছরের শেষ মাসে, ১০ ডিসেম্বর মানুষ তার অধিকারের কথা স্মরণ করে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করে।
a United Nations Fund for Climate Control Council
b United Nations Framework Convention Climate council
c United Nations Framework Convention on Climate Change
d United Nations Forest Conservation Climate Council
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) United Nations Framework Convention on Climate Change কেন সঠিক: - এটি জলবায়ু পরিবর্তন রোধে জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। - ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) United Nations Fund for Climate Control Council — এই নামের কোনো তহবিল বা সংস্থার অস্তিত্ব নেই। B) United Nations Framework Convention Climate council — বানানে ভুল রয়েছে এবং এর সঠিক রূপ এটি নয়। D) United Nations Forest Conservation Climate Council — বন সংরক্ষণ সংক্রান্ত এই নামে কোনো আন্তর্জাতিক পরিষদ নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দগুলোর আদ্যক্ষর মনে রাখবে: UNFCCC মানে ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ।