সঠিক উত্তর: A) লাঙ্গল
১. কেন সঠিক:
প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ, যার সঙ্গে কোনো কারক বা বিভক্তি যুক্ত থাকে না।
লাঙ্গল শব্দটি একটি মৌলিক ও বিভক্তিহীন নামশব্দ, তাই এটি প্রাতিপদিকের সঠিক উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। প্রাতিপদিক হলো শব্দের সেই রূপ যা থেকে বিভক্তি যোগ করে পদ তৈরি করা হয়।
বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মূল রূপ হলো প্রাতিপদিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাত
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিভক্তিহীন নামশব্দ বা প্রাতিপদিক।
উদাহরণ ২: বই
ব্যাখ্যা: এটিও কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকা অবস্থায় একটি প্রাতিপদিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাঙ্গল — এটি বিভক্তিহীন মৌলিক নামশব্দ হওয়ায় প্রাতিপদিক হিসেবে সঠিক উত্তর।
B) দম্পতি — এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যা পতি ও পত্নী সমাস করে গঠিত হয়েছে।
C) লেখা — এটি ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে গঠিত কৃদন্ত পদ।
D) সাধিত — এটি সাধিত শব্দ বা প্রত্যয়যুক্ত বিশেষণ পদ, যা প্রাতিপদিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসব নামশব্দে কোনো বিভক্তি বা প্রত্যয় যোগ করা নেই এবং যা সরাসরি কোনো কিছুর নাম বোঝায়, সেটাই প্রাতিপদিক।
সব প্রাতিপদিকই শব্দমূল, তবে সব শব্দমূল প্রাতিপদিক নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দ ও পদের পার্থক্য বুঝতে প্রাতিপদিক ধারণাটি অত্যন্ত জরুরি।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক ও সাধিত শব্দের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: A) কৃৎ প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে
১. কেন সঠিক:
সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কৃৎ প্রকৃতির বা ধাতুর আদি স্বরের পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়।
শব্দের মূল বা প্রকৃতিতে স্বরধ্বনির এই বিশেষ পরিবর্তন শব্দের রূপ গঠনে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দে ধাতুর আদিস্বরের যে রূপান্তর ঘটে তাকে গুণ ও বৃদ্ধি বলে।
এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের শব্দ গঠনের একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষ + অ = কর্ষ
ব্যাখ্যা: এখানে মূল ধাতু কৃষ এর আদি স্বর ঋ ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে অর্ অর্থাৎ কর্ষ রূপ লাভ করেছে।
উদাহরণ ২: ভুজ + অ = ভোজ
ব্যাখ্যা: এখানে মূল ধাতু ভুজ এর আদি স্বর উ ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে ও কার অর্থাৎ ভোজ রূপ ধারণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃৎ প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে — এটি সঠিক কারণ কৃৎ প্রকৃতির আদি স্বরের পরিবর্তনকেই গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়।
B) কৃৎ প্রকৃতির অন্তস্বরের পরিবর্তনকে — কৃৎ প্রকৃতির অন্তস্বর বা শেষ বর্ণের পরিবর্তনকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয় না।
C) নাম প্রকৃতির পরিবর্তনকে — নাম প্রকৃতি বা প্রাতিপদিক শব্দের ক্ষেত্রে গুণ ও বৃদ্ধির এই নির্দিষ্ট নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) প্রাতিপাদিকের পরিবর্তনকে — প্রাতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ যার সঙ্গে গুণ ও বৃদ্ধির সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
গুণ ও বৃদ্ধি মানেই হলো কৃৎ প্রকৃতির আদি স্বরের পরিবর্তন।
মনে রাখবে আদি স্বর বদলে নতুন রূপ পাওয়া মানেই গুণ বা বৃদ্ধি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের এই ধরনের রূপতাত্ত্বিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
ধাতুর আদি স্বরের পরিবর্তন সংক্রান্ত এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে কৃৎ প্রত্যয় অংশের উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: C) চুরি করা
১. কেন সঠিক:
- চক্ষুদান করা বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো কিছু আত্মসাৎ করা বা চুরি করা।
- আপাতদৃষ্টিতে এর অর্থ চোখে দান করা মনে হলেও, এটি একটি বিশেষার্থক বা রূপক বাগধারা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন এক ধরনের শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় বহুকাল ধরে প্রচলিত এসব প্রবাদতুল্য অভিব্যক্তি ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাতে তার ঘরের সব জিনিস চক্ষুদান করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে চক্ষুদান করা বলতে চুরির মাধ্যমে সবকিছু নিয়ে যাওয়া বুঝিয়েছে।
উদাহরণ ২: সুযোগ বুঝে সে পকেট থেকে মানিব্যাগটি চক্ষুদান করল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গোপনে কিছু সরিয়ে ফেলা বা চুরি করার অর্থে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পক্ষপাতিত্ব করা — পক্ষপাতিত্ব করা অর্থে ভিন্ন বাগধারা যেমন ননীদা বা একচোখা ব্যবহার করা হয়।
B) সৌভাগ্য লাভ — সৌভাগ্য লাভ বোঝাতে সুদিন আসা বা কপাল খোলা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
C) চুরি করা — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং এর সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) নষ্ট করা — নষ্ট করা অর্থে অক্কা পাওয়া বা ভস্মে ঢালা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চোখ দিয়ে দেখা বা চিনে রাখা যায়, কিন্তু চোরেরা সুযোগ বুঝে চোখ এড়িয়ে জিনিসপত্র সরিয়ে নেয়, এভাবেই মনে রাখবে চক্ষুদান করা মানে চুরি করা।
- বিপরীতার্থক বা বিভ্রান্তিকর অর্থ এড়াতে বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর প্রচলিত বিশেষ অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের রূপক বাগধারা প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, তাই আক্ষরিক অর্থ এড়িয়ে চলতে হবে।
- একই রকম অন্য একটি বাগধারা হলো চোখ ঢাকা, যার অর্থ প্রতারণা করা বা ধোঁকা দেওয়া।
সঠিক উত্তর: A) আমটা খাও
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে শ্রোতাকে সরাসরি কোনো কাজ করার জন্য স্পষ্ট নির্দেশ বা আদেশ দেওয়া হয়েছে।
- এখানে বক্তার পক্ষ থেকে কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে এক ধরণের দৃঢ়তা ও কর্তৃত্ব প্রকাশ পায়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি বোঝাতে ক্রিয়ার যে ভাব হয় তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।
- সাধারণত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালে মধ্যম পুরুষ বা তুই, তুমি, আপনারা সর্বনামের ক্ষেত্রে অনুজ্ঞা ব্যবহৃত হয়।
- যেমন তুই কাজটি কর বা আপনি এখানে বসুন এগুলো অনুজ্ঞার বাক্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আমটা খাও — এই অপশনটি আসলে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
- B) সবাই এখানে আসুন — এটি সরাসরি আদেশ নয়, বরং এটি বিনীত অনুরোধ বা আহ্বান বোঝায়।
- C) সুখী হও — এটি দ্বারা কোনো আদেশ করা হয়নি, বরং এটি বক্তার আশীর্বাদ বা শুভকামনা প্রকাশ করে।
- D) নিজের দিকে খেয়াল রাখ — এটি আদেশ বা নির্দেশ না হয়ে এক ধরণের উপদেশ বা হিতোপদেশ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
- আদেশ বা হুকুম বোঝালে সেটি আদেশ অর্থে অনুজ্ঞা হয়।
- অনুরোধ বোঝালে অনুরোধ এবং দোয়া বোঝালে আশীর্বাদী অনুজ্ঞা হয়।
সঠিক উত্তর: D) অপিনিহিতি
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ Apenthesis এর বাংলা সঠিক পরিভাষা জানতে চাওয়া হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যুক্তব্যঞ্জন ভাঙার আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অপিনিহিতি শব্দের অর্থ হল শব্দের পূর্বে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হওয়া বা বসা।
- যুক্তধ্বনির আগের স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনি আগে চলে আসাকে ধ্বনি বিপর্যয়ের একটি অংশ হিসেবেও দেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আজি থেকে আইজ
ব্যাখ্যা: জ যুক্তবর্ণের আগে ই-কার চলে এসে আইজ শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাক্য থেকে বাইক্য
ব্যাখ্যা: ক্য যুক্তবর্ণ ভেঙে ই-কার আগে এসে বাইক্য রূপ নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বরসঙ্গতি — শব্দের মধ্যে একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি বদলে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে স্বরসঙ্গতি বলে।
B) স্বরাগম — উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে, মাঝে বা অন্তে নতুন স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে স্বরাগম বলে।
C) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ধাপ যেখানে ই-কার বা উ-কার আগের স্বরের সাথে মিলে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি Apenthesis শব্দের বাংলা অর্থ মনে রাখতে অপিনিহিতি শব্দটি বারবার অনুশীলন করতে হবে।
- মনে রাখবে যুক্তবর্ণের আগে ই বা উ কার আসাই হলো অপিনিহিতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তনের এই অধ্যায়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- অপিনিহিতি এবং অভিশ্রুতি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই এদের পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হ + ম
১. কেন সঠিক:
- যুক্তবর্ণটি হ এবং ম বর্ণের মিলনে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা বর্ণমালায় কিছু বিশেষ যুক্তবর্ণ আছে, যার মধ্যে হ এর নিচে ম যুক্ত হলে তা দেখতে হ্ম এর মতো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা বর্ণমালায় দুটি বা ততোধিক বর্ণ মিলে যে নতুন রূপ তৈরি করে তাকে যুক্তবর্ণ বলে।
- এখানে হ বর্ণটি প্রধান এবং এর নিচে ম বর্ণ যুক্ত হয়ে এই বিশেষ আকृति ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণটি ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর সঠিক উচ্চারণ ব্রম্হোপুত্র এর মতো হয়।
উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির মধ্যে হ্ম বর্ণটি রয়েছে যা হ এবং ম এর সংযোগে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক + ষ — এই দুটি বর্ণ মিলে ক্ষ যুক্তবর্ণ তৈরি করে, যা হ্ম নয়।
B) হ + ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি বর্ণ মিলে হ্ম গঠিত হয়।
C) হ + ন — এই দুটি বর্ণ মিলে হ্ন যুক্তবর্ণ তৈরি করে, যা হ্ম থেকে আলাদা।
D) ষ + ণ — এই দুটি বর্ণ মিলে ষ্ণ যুক্তবর্ণ তৈরি করে, যা প্রশ্নে উল্লেখিত বর্ণের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হ্ম দেখলে মনে রাখবে এটি হ এর নিচে ম যুক্ত হয়েছে, কখনোই ন বা ষ নয়।
- ব্রহ্ম বা ব্রাহ্মণ শব্দ দুটি মনে রাখলে এই যুক্তবর্ণের গঠন সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই জটিল যুক্তবর্ণের সঠিক বিশ্লেষণ জানতে চাওয়া হয়।
- হ্ম এবং হ্ন দেখতে একই রকম মনে হলেও এদের গঠনে ভিন্নতা আছে, যা মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) উপমান কর্মধারায়
কেন সঠিক:
১. এখানে অরুণ বা সূর্য হলো সাধারণ বস্তু এবং রাঙ্গা বা লাল হলো তার একটি স্থায়ী গুণ।
২. উপমান কর্মধারায় সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণ গুণের সাথে তুলনা করা হয় যা এখানে স্পষ্টভাবে উপস্থিত আছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. উপমান কর্মধারায় সমাসে একটি সাধারণ ধর্ম বা গুণের উল্লেখ থাকে এবং উপমিত পদের সাথে তুলনা বোঝানো হয়।
২. এখানে অরুণ মানে সূর্যের আলো বা লাল আভা এবং তার সাথে রাঙ্গা পদের তুলনা বুঝিয়েছে।
৩. যেমন ভ্রমরকিশলয় বা শিশিরধৌত পদের মতো এটি একটি সুন্দর উপমান কর্মধারায় সমাসের উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপমিত কর্মধারায় — এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করা হয় এবং সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকে না।
B) রূপক কর্মধারায় — এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হয় যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) অলুক তৎপুরুষ — এই সমাসে বিভক্তির লোপ পায় না কিন্তু অরুণরাঙ্গা পদে সমাস সাধনের নিয়ম আলাদা।
D) উপমান কর্মধারায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে এটিই প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
১. সাধারণ গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝালে এবং উপমান পদ আগে থাকলে তা উপমান কর্মধারায় সমাস হয়।
২. ব্যাসবাক্য করার সময় অরুণ বা সূর্যের মতো রাঙ্গা এভাবে করলে খুব সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিমূল
১. কেন সঠিক:
- ধ্বনিবিজ্ঞানে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা স্বতন্ত্র ধ্বনিকে ফোনমে বা ধ্বনিমূল বলা হয়।
- একটি ভাষার শব্দকে অন্য শব্দ থেকে আলাদা করতে ধ্বনিমূলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনিমূল হলো কোনো ভাষার এমন কতগুলো ক্ষুদ্রতম ধ্বনি যা অর্থের পার্থক্য ঘটাতে সক্ষম।
- এটি ভাষার উচ্চারণগত মৌলিক একক হিসেবে ব্যাকরণে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলায় ধান এবং বান শব্দ দুটিতে ধ এবং ব ধ্বনিমূলের পার্থক্যের কারণে অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম ধ্বনিটি বদলে যাওয়ায় সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: চাল এবং ডাল শব্দ দুটিতে চ এবং ড ধ্বনিমূলের ভিন্নতা রয়েছে।
ব্যাখ্যা: ধ্বনিমূলের এই পরিবর্তনের জন্যই শব্দ দুটির অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দমূল — শব্দের মূল অংশকে শব্দমূল বলা হয়, যা ফোনমে শব্দের আক্ষরিক বা পারিভাষিক অর্থ নয়।
B) নাম প্রকৃতি — শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে প্রত্যয় বা বিভক্তিযুক্ত হওয়ার আগের অংশ হলো নাম প্রকৃতি, যা ধ্বনিমূল থেকে আলাদা।
C) রূপ — রূপ বা মরফিম হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থবহ একক, যা ধ্বনিমূলের সমার্থক নয়।
D) ধ্বনিমূল — এটি ফোনমে শব্দের সঠিক পারিভাষিক অর্থ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফোনমে শুনলেই মনে রাখবে ফোন মানে শব্দ আর মে মানে মূল ধ্বনি বা ধ্বনিমূল।
- ধ্বনি সংক্রান্ত পরিভাষায় ফোনমে সবসময় ধ্বনিমূল হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ধ্বনিবিজ্ঞান ও রূপতত্ত্বের এই মৌলিক পরিভাষাগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মহাজন
১. কেন সঠিক:
- খাতক শব্দের অর্থ ঋণগ্রহীতা বা যে ব্যক্তি কর্জ বা ঋণ নেয়।
- এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে মহাজন শব্দটি, যার অর্থ ঋণদাতা বা যে ব্যক্তি সুদে টাকা ধার দেয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বিপরীতার্থক শব্দের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের উৎস, অর্থ এবং ভাবের সামঞ্জস্য রক্ষা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্রেতা
ব্যাখ্যা: ক্রেতা শব্দের বিপরীত শব্দ বিক্রেতা, যেমন ক্রেতা পণ্য কেনে আর বিক্রেতা পণ্য বিক্রি করে।
উদাহরণ ২: শিক্ষক
ব্যাখ্যা: শিক্ষক শব্দের বিপরীত শব্দ ছাত্র, যা শিক্ষা প্রদানের সম্পর্কের বিপরীত দিক নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনিষ্ট — অনিষ্ট শব্দের অর্থ ক্ষতি বা অমঙ্গল, যার বিপরীত শব্দ হলো ইষ্ট বা মঙ্গল। এটি খাতক শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
B) লায়েক — লায়েক শব্দের অর্থ উপযুক্ত বা যোগ্য, যার বিপরীত শব্দ নালায়েক। এটি ঋণ লেনদেনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) লোকসান — লোকসান শব্দের অর্থ ক্ষতি বা ঘাটতি, যার বিপরীত শব্দ হলো লাভ বা মুনাফা। এটি খাতক শব্দের সঙ্গে মিলে না।
D) মহাজন — মহাজন শব্দের অর্থ ঋণদাতা, যা খাতক বা ঋণগ্রহীতার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খাতক মানে যে ঋণ নেয় আর মহাজন মানে যে ঋণ দেয়, এই দুটি লেনদেনের বিপরীতমুখী সম্পর্ক মনে রাখলে উত্তর সহজে বের করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থনৈতিক বা ব্যবসায়িক পরিভাষার বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে যেকোনো বিভ্রান্তিকর অপশন এড়িয়ে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) কমা
কেন সঠিক:
প্রত্যক্ষ উক্তির ক্ষেত্রে রিপোর্টিং ভারবের পর কমা ব্যবহার করে উদ্ধরণ চিহ্ন শুরু করতে হয়।
বাক্যের ভেতরে কোনো খণ্ড বাক্যের অংশবিশেষ উদ্ধৃত করার সময় উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে কমা বসে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী বক্তার কথা সরাসরি লেখার সময় উদ্ধরণ চিহ্নের আগে কমা বসে।
এটি বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এবং বক্তার বক্তব্যকে আলাদা করে দেখাতে সাহায্য করে।
যেমন: শিক্ষক বললেন, আজ আমরা বাংলা ব্যাকরণ পড়ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) কোলন — কোলন সাধারণত একটি পূর্ণ বাক্যের পর অন্য আরেকটি বাক্য বা উদাহরণ স্পষ্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) কোলন ড্যাস — কোলন ড্যাস উদাহরণ বা তালিকা দেওয়ার পূর্বে ব্যবহার করা হয়, খণ্ড বাক্যের শেষে নয়।
D) হাইফেন — হাইফেন দুটি সমার্থক বা বিপরীত শব্দকে যুক্ত করতে এবং পদের সংযোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কারো কথা হুবহু লেখার আগে অর্থাৎ উদ্ধরণ চিহ্ন খোলার ঠিক আগে সর্বদা কমা বসাতে হয়।
এটি মনে রাখলে পরীক্ষার্থী সহজেই সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করতে পারবে।
সঠিক উত্তর: C) জুতা
১. কেন সঠিক:
সাধু ও চলিত রীতিতে কিছু শব্দের ব্যবহার ভিন্ন হয়ে থাকে। জুতা শব্দটি সাধু ও চলিত উভয় রীতির লেখ্য রূপেই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য ও ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে কিছু তদ্ভব ও দেশি শব্দ রয়েছে যা প্রমিত বাংলা লেখার সময় সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই অপরিবর্তিত থাকে। জুতা এমন একটি শব্দ যার সাধু রূপ ও চলিত রূপ একই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জুতা পায়ে দিয়ে বাইরে যাও।
ব্যাখ্যা: এখানে জুতা শব্দটি চলিত ও সাধু উভয় রীতিতে একইরূপে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রবাদের খাতিরে চলিত রূপ জুতো ব্যবহৃত হলেও মূল শব্দটি জুতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুকনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ শুষ্ক।
B) সাথে — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ সহিত বা সঙ্গে।
C) জুতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উভয় রীতিতেই উপযোগী।
D) বুনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ বন্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস ও রূপ পরিবর্তন খেয়াল রাখতে হবে। যে শব্দগুলোর রূপ সাধু ও চলিত উভয় ক্ষেত্রে এক থাকে, তা ভালোভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির শব্দের রূপ পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসে। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় শব্দের সাধু ও চলিত রূপগুলো তালিকা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ৩২,৮,১০
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রা বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রা বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি।
এই বিন্যাসটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি মিলে মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে।
পূর্ণমাত্রা বর্ণ হলো সেইগুলো যার উপরে সম্পূর্ণ রেখা বা মাত্রা থাকে, অর্ধমাত্রা বর্ণে অর্ধেক রেখা থাকে এবং মাত্রাহীন বর্ণে কোনো মাত্রা থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, চ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা বর্ণের কিছু পরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ঋ, খ, গ, ণ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩২,৮,১০ — এটি সঠিক কারণ পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০টি বর্ণ রয়েছে।
B) ৩২,৭,১১ — এই অপশনে অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ভুল দেওয়া হয়েছে।
C) ৩০,৮,১২ — এই অপশনে পূর্ণমাত্রার সংখ্যা ৩০ এবং মাত্রাহীন ১২টি বলা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) ৩২,৭,৯ — এই অপশনে অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা সঠিকভাবে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাত্রার সংখ্যা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ৩২ যোগ ৮ যোগ ১০ সমান ৫০।
পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০ এভাবে ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যা এবং মাত্রাভেদের এই হিসাব বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের আলাদা মাত্রা সংখ্যাও ভালোভাবে আয়ত্ত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) রূঢ়ি
১. কেন সঠিক:
- রূঢ়ি বা যোগরূঢ় শব্দ হলো সেই শব্দ যা প্রত্যয় বা উপসর্গের সাহায্যে গঠিত হয়ে মূল অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
- হরিণ শব্দটির বুৎপত্তিগত বা ব্যাকরণগত অর্থ হলো যা হরণ বা আকর্ষণ করে, কিন্তু বাংলায় এটি নির্দিষ্ট একটি পশুকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঠনপদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে বাংলা শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন মৌলিক, সাধিত ও রূঢ়ি বা যোগরূঢ় শব্দ।
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গের যোগে মূল অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তৈল
ব্যাখ্যা: তিল থেকে উৎপন্ন যেকোনো তেলকে তৈল বলা উচিত ছিল, কিন্তু রূঢ়ি অর্থে কেবল তিলের স্নেহপদার্থকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: গবেষণা
ব্যাখ্যা: গো বা গরু অন্বেষণ করা এর মূল অর্থ হলেও বর্তমানে এটি ব্যাপক ও গভীর কোনো বিষয়ের অনুসন্ধান বা চর্চাকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যৌগিক — যে শব্দের ব্যবহারিক অর্থ ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ একই হয়, তাকে যৌগিক শব্দ বলে, কিন্তু হরিণ তা নয়।
B) মৌলিক — যে শব্দকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যার কোনো অংশ আলাদা করা যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে।
C) যোগরূঢ় — যে শব্দ সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে, যেমন পঙ্কজ।
D) রূঢ়ি — এই অপশনটি সঠিক কারণ হরিণ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থের বাইরে একটি নির্দিষ্ট পশু হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূঢ়ি শব্দগুলো চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলোর ব্যবহারিক অর্থ মূল বা শাব্দিক অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়।
- হরিণ, তৈল, গবেষণা, প্রবীণ এবং বাঁশি—এই কয়েকটি শব্দ বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, তাই এগুলো মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় সুবিধা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন করা হয়।
- কোনো শব্দের উৎপত্তি এক হলেও প্রচলিত অর্থে অন্য কিছু বোঝালেই সেটি রূঢ়ি শব্দ হিসেবে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর: B) কর্মে শূন্য
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে জল শব্দটি কর্মকারক এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
- পাহাড়ের ঢল জলকে নামিয়ে দিচ্ছে বা বয়ে আনছে, তাই এখানে জল হলো কর্মকারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে।
- ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক।
- পাহাড়ের ঢল বেয়ে কী নামছে উত্তর হলো জল, তাই জল কর্মকারক।
- শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো।
ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
উদাহরণ ২: ফুল তুলছি।
ব্যাখ্যা: কী তুলছ উত্তর ফুল, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় সপ্তমী — পাহাড়ের ঢল হলো কর্তা, জল কর্তা নয় তাই এই অপশন ভুল।
B) কর্মে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর।
C) কর্তায় শূন্য — জল এখানে নিজে কাজ করছে না বরং ঢলের মাধ্যমে নামছে, তাই এটি কর্তা নয়।
D) করণের শূন্য — জল কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয় যা দিয়ে কাজ করা হচ্ছে, তাই এটি করণ কারক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে এবং সেটি যদি মূল কর্ম হয় তবে কর্মকারক হবে।
- বিভক্তি চিহ্ন না থাকলে ধরে নেবে সেখানে শূন্য বিভক্তি আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করে কারকের নাম ঠিক করতে হবে।
- প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী কর্মকারক চেনার জন্য প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকরী।
সঠিক উত্তর: B) কবি
১. কেন সঠিক:
কিছু বাংলা বিশেষ্য শব্দ উভয় লিঙ্গবাচক হয়। অর্থাৎ একই শব্দ পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝাতে পারে।
এ ক্ষেত্রে লিঙ্গ পরিবর্তনের জন্য শব্দের আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন মহিলা, নারী বা স্ত্রী যোগ করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে নিত্যপুরুষ বা উভয়লিঙ্গবাচক শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
কবির ক্ষেত্রে কোনো স্বতন্ত্র স্ত্রীলিঙ্গ রূপ নেই বিধায় আগে মহিলা বা স্ত্রী যোগ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহিলা কবি
ব্যাখ্যা: কবি শব্দের আগে মহিলা যোগ করে স্ত্রীবাচক রূপ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ডাক্তার সাহেব
ব্যাখ্যা: পেশাবাচক অনেক শব্দ উভয়লিঙ্গ হয় যা এই নিয়মের আওতাভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেতা — নেতা শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ নেত্রী রয়েছে তাই আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করতে হয় না।
B) কবি — এটি উভয়লিঙ্গ শব্দ হওয়ায় এর আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করতে হয়।
C) দাতা — দাতা শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ দত্রী বা দাত্রী রয়েছে।
D) বাদশাহ — বাদশাহ শব্দের নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ বেগম ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসব পদের নিজস্ব কোনো স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ ব্যাকরণে সিদ্ধ নয়, তাদের পূর্বে মহিলা বা নারী বসাতে হয়।
কবি, মন্ত্রী, ডাক্তার প্রভৃতি পদের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি বিশেষভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্যপুরুষ বা উভয়লিঙ্গবাচক শব্দের লিঙ্গান্তর প্রায়ই আসে।
নিজস্ব স্ত্রীবাচক শব্দ আছে এমন শব্দের সঙ্গে এই নিয়ম গুলিয়ে ফেলবে না।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যাবান
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে নিচের কোনটি 'আমন্ত্রণ' শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। 'প্রত্যাবান' নামের কোনো অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ বা আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থক শব্দ বাংলা অভিধানে নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর।
- 'আমন্ত্রণ' শব্দের সাধারণ অর্থ হলো কাউকে কোনো অনুষ্ঠানে বা ঘরে আসার জন্য আহ্বান জানানো, যা মূলত নিমন্ত্রণ বা ডেকে পাঠানো বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। কোনো শব্দের সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য শব্দটির মূল অর্থ এবং প্রমিত রূপ ভালোভাবে বুঝতে হয়।
- বাংলা ভাষায় একই অর্থের বিভিন্ন শব্দ প্রচলিত আছে, যা ভাষাকে সমৃদ্ধ করে এবং সঠিক শব্দের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমন্ত্রণ
ব্যাখ্যা: এটি আমন্ত্রণ শব্দের অত্যন্ত পরিচিত এবং সরাসরি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: আহ্বান
ব্যাখ্যা: এটিও আমন্ত্রণ বা ডেকে পাঠানোর সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আহবান — এটি আমন্ত্রণ শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না।
B) নিমন্ত্রণ — এটি আমন্ত্রণ শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ, তাই এটি এখানে ভুল অপশন।
C) প্রত্যাবান — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থকও নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
D) আবাহন — এটি কোনো কিছুকে বা কাউকে আহ্বান করা বা ডেকে আনার অর্থে আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আমন্ত্রণ শব্দের প্রধান সমার্থকগুলো হলো নিমন্ত্রণ, আহ্বান ও আবাহন।
- পরীক্ষার হলে অপরিচিত বা অবাস্তব মনে হওয়া শব্দ যেমন প্রত্যাবান দেখলে সতর্ক হতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের বানান এবং তার প্রমিত রূপ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই একটি অর্থহীন বা বানান ভুল শব্দ অপশনে দেওয়া হয় যা উত্তর চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: B) অস্থির মানবমন
কেন সঠিক:
- এই বাগধারাটিতে মানুষের মনের চঞ্চল ও পরিবর্তনশীল অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
- মানুষের মন ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তিত হয় এবং কোনো কিছুতে দীর্ঘক্ষণ স্থির থাকে না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- এই বাগধারায় 'মন' এবং 'মতি' দুটি প্রায় সমার্থক শব্দ জোড়া লেগে মনের স্বভাবগত অস্থিতিশীলতাকে প্রকাশ করেছে।
- যেমন মানুষ কথায় কথায় সিদ্ধান্ত বদলায়, তখন বলা হয় তার মন না মতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) চালবাজি — এই অর্থের জন্য কেতাবী বিদ্যা বা ভন্ডামি জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
- B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) অরাজক পরিস্থিতি — এই ভাবের জন্য ভোজবাজি বা মাছের বাজার বাগধারাটি অধিক উপযোগী।
- D) অমূল্য সম্পদ — এই অর্থের জন্য চোখের মণি বা দুষ্প্রাপ্য বস্তু জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
- মন আর মতি দুটোই চঞ্চল, তাই এই বাগধারা দেখলে সবসময় অস্থির মন বা চঞ্চলতা বোঝাবে এটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) বীরপ্রসূ
১. কেন সঠিক:
- বীরপ্রসূ হলো বাক্যের সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ, যার অর্থ বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী।
- এখানে বীর এবং প্রসূ শব্দের মিলনে এই বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে, যা পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বাক্যের দীর্ঘ প্রকাশকে একটিমাত্র শব্দে বা পদে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংহত ও সাবলীল করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অরম্পরা বা অনাথা বলা হয়, যা বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ।
উদাহরণ ২: যা সহজে লাভ করা যায়
ব্যাখ্যা: একে এককথায় সুলভ বলা হয়, যা কম কষ্টে পাওয়ার যোগ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীর পুত্র — এটি দ্বারা কোনো বীর সন্তানকে বোঝায়, কিন্তু এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
B) রত্নগর্ভা — যে নারী গুণী বা রত্নতুল্য সন্তান প্রসব করেছেন তাকে বোঝায়, কিন্তু এটি সরাসরি বীর সন্তান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
C) স্বর্ণ মাতা — এটি কোনো ব্যাকরণগত এককথায় প্রকাশের প্রমিত রূপ নয় এবং এর সুনির্দিষ্ট কোনো গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই।
D) বীরপ্রসূ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বীর সন্তান প্রসবকারিণী নারী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসূ শব্দের অর্থ হলো প্রসবকারিণী।
- তাই বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী তা মনে রাখতে বীর এবং প্রসূ শব্দ দুটি একত্রে বিবেচনা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারীদের সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশ যেমন রত্নগর্ভা এবং বীরপ্রসূ প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- তাই প্রসব অর্থে প্রসূ এবং গর্ভ অর্থে গর্ভা শব্দের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পানি
১. কেন সঠিক:
অম্বু শব্দের অর্থ হলো পানি বা জল। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষ শব্দটি সাধারণত পানি বা জল বোঝাতে বাংলা কাব্যে ও সাধু ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। অম্বু শব্দটি জল বা পানির একটি ধ্রুপদী রূপ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অম্বুধি
ব্যাখ্যা: অম্বু শব্দের সাথে ধি যুক্ত হয়ে সমুদ্র বোঝায় কারণ যেখানে অম্বু বা পানি ধারণ করা হয়।
উদাহরণ ২: অম্বুজ
ব্যাখ্যা: অম্বু শব্দের সাথে জ যুক্ত হয়ে পদ্ম ফুল বোঝায় যা পানিতে জন্মায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর। এটি জল ধারণ করে এমন জলাশয় বোঝায়।
B) গগন — গগন শব্দের অর্থ আকাশ বা আসমান। এটি পানির সমার্থক শব্দ নয়।
C) পানি — পানি হলো অম্বু শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। এটি তরল পদার্থ বা পানীয় বোঝায়।
D) অবনী — অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা। এটি পানির সমার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অম্বু মানে পানি। পানির সমার্থক শব্দগুলোর শেষে জ বা ধি যুক্ত করে নতুন শব্দ যেমন অম্বুজ বা অম্বুধি তৈরি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পানির অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন বারি, নীর, সলিল, উদক ও তোয় সম্পর্কে ধারণা রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) দীপ + শানচ
১. কেন সঠিক:
সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ বিশ্লেשণের নিয়মানুযায়ী দীপ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দীপ্যমান শব্দটি গঠিত হয়েছে।
এখানে শানচ প্রত্যয়ের শ ও চ ইৎ বা লুপ্ত হয় এবং মান অবশেষ থাকে, যা বর্তমান কৃদন্ত বিশেষণ পদ গঠন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী ধাতুর উত্তর বর্তমানকালের অর্থে শানচ (আন বা মান) প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং এটি আত্মনেপদ ধাতুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
দীপ হলো একটি ধাতু যার সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হলে জগম প্রত্যয়ান্ত রূপ হিসেবে দীপ্যমান নিষ্পন্ন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাজ + শানচ = ভাজ্যমান
ব্যাখ্যা: ভাজ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমান কৃদন্ত বিশেষণ ভাজ্যমান গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সেব + শানচ = সেবমান
ব্যাখ্যা: সেব ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সেবমান শব্দ গঠিত হয়েছে যার অর্থ সেবন করছে যে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীপ্য + মান — দীপ্য কোনো মূল ধাতু নয়, তাই এই গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) দিপ্য + মানচ — দিপ্য ভুল বানান এবং মানচ বলে কোনো সুনির্দিষ্ট সংস্কৃত প্রত্যয় নেই।
C) দিপ + শানচ — দিপ বানানটি ভুল, মূল ধাতু হলো হ্রস্ব ই কারযুক্ত নয় বরং দীর্ঘ ঈ কারযুক্ত দীপ।
D) দীপ + শানচ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের বিশ্লেষণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
বর্তমানকালের অর্থে এবং আত্মনেপদ ধাতু বোঝাতে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয় যেখানে প্রত্যয়ের মান অংশটি যুক্ত থাকে।
ধাতুর মূল রূপটি সঠিকভাবে চেনার জন্য সর্বদা দীর্ঘ ঈ কারযুক্ত দীপ ধাতু মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ধাতুটির বানান এবং প্রত্যয়ের সঠিক রূপ চিহ্নিত করা জরুরি।
এই নিয়মে গঠিত অন্যান্য শব্দ যেমন বর্তমানমান বা বর্ধমান শব্দগুলোর প্রকৃতি ও প্রত্যয় একইভাবে নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) জুতা
১. কেন সঠিক:
সাধু রীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে এবং শব্দের রূপ দীর্ঘ বা গুরুগম্ভীর হয়। জুতা শব্দটি সাধু ও চলিত উভয় রীতির ব্যাকরণগত মানদণ্ডে একটি বহুল প্রচলিত ও সর্বজনগ্রাহ্য তৎসম বা তদ্ভব রূপ যা সাধু ভাষায় ব্যবহারের উপযোগী।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে জুতা শব্দটি সাধু ভাষায় প্রমিত রূপ হিসেবে বহু পূর্বে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং এর কোনো অচল বা কথ্য রূপের সমস্যা নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষা সাধু ও চলিত এই দুই রীতিতে বিভক্ত। সাধু রীতিতে ক্রিয়ার পূর্ণরূপ এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে।
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যের ক্ষেত্রে শব্দের বানান ও রূপ পরিবর্তন ঘটে যেমন চলিত রীতির অনেক শব্দ সাধুীতিতে ভিন্ন রূপ নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জুতা পায়ে দিয়া সে বাহির হইল।
ব্যাখ্যা: এটি সাধু ভাষার বাক্য যেখানে জুতা শব্দটি সাধু রীতিতে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জুতামুক্ত হইয়া প্রবেশ করুন।
ব্যাখ্যা: প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধু ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ বাক্যে জুতা শব্দটির প্রমিত ব্যবহার দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুকনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ হইল শুষ্ক।
B) সাথে — এটি মূলত চলিত রীতিতে অনুসর্গ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত, সাধু রীতিতে এর পরিবর্তে সহিত ব্যবহৃত হয়।
C) জুতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় সাধু ভাষায় ব্যবহারের উপযোগী।
D) বুনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ বন্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু ও চলিত রীতির শব্দ চেনার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে চলিত রূপগুলো সাধারণত সংক্ষিপ্ত হয়।
যেসব শব্দের সাধু ও চলিত রূপ আলাদা, সেগুলোর সাধু রূপ তুলনামূলক ভারী এবং চলিত রূপ হালকা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
শব্দগুলোর উৎস ও রূপ পরিবর্তন ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) রূগন
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে রূগন শব্দটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক। বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতিতে কিছু তৎসম ও তদ্ভব শব্দের বানানে উ-কার বা দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম নির্ধারণ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে দীর্ঘ উ-কার (ঊ) ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দে র-ফলা যুক্ত বর্ণে হ্রস্ব উ-কার (ু) ব্যবহৃত হয়। রূগন শব্দের মূল রূপ হলো রুগ্ন, তবে প্রমিত উচ্চারণের সুবিধার্থে এবং বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুযায়ী রূগন বানানটি শুদ্ধ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুষণ
ব্যাখ্যা: এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দূষণ শব্দের একটি প্রচলিত রূপ।
উদাহরণ ২: নুুন
ব্যাখ্যা: এটি নতুন শব্দের একটি বিকল্প প্রচলিত বানান রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ্টেশন — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা বানানে ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ষ (ষ) ব্যবহৃত হলেও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে দন্ত স (স) বসে। তাই সঠিক বানান হলো স্টেশন।
C) বিপ্রকর্স — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো বিপ্রকর্ষ, যার অন্তে মূর্ধন্য ষ (ষ) এর পরিবর্তে দন্ত স (স) বা অন্য বর্ণ যুক্ত থাকে এবং বানানে সামান্য ত্রুটি রয়েছে।
D) সাধারন — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা বানান নিয়মে দন্ত ন (ন) এর স্থানে মূর্ধন্য ণ (ণ) বসে। সঠিক বানানটি হলো সাধারণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। বিদেশি শব্দে সর্বদা দন্ত স এবং মূর্ধন্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়মগুলো বারবার চর্চা করা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিদেশি শব্দের বানান এবং তৎসম শব্দের সঠিক রূপগুলো মুখস্থ না করে নিয়ম বুঝে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) আরবি
১. কেন সঠিক:
মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: তারিখ
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বহুল ব্যবহৃত আরবি শব্দ যা দিন বা সময় নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় দারোগা, চাকর, বাবুর্চি ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি।
B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ, দোকান ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা শব্দটি ফারসি নয়।
D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা ফরাসি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রশাসনিক ও বিচারালয় সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে এসেছে। আদালতে ব্যবহৃত শব্দগুলোর উৎস সাধারণত আরবি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সৌর
১. কেন সঠিক:
নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয় হলো সেইসব শব্দ যা সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা প্রত্যয়ের সূত্র মেনে গঠিত হয় না, বরং নিয়মের বাইরে প্রাকৃতিকভাবে বা নিপাতনে সাধিত হয়।
'সূর্য' শব্দের সঙ্গে 'অ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত শব্দ হওয়ার কথা থাকলেও, নিপাতনে সিদ্ধ প্রক্রিয়ায় এটি 'সৌর' রূপ লাভ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
তদ্ধিত প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে অনেক শব্দ প্রমিত ব্যাকরণের নিয়মকে অনুসরণ না করে নিপাতনে সিদ্ধ হয়।
এই ধরনের শব্দগুলো ব্যাকরণের সাধারণ সূত্র বা প্রকৃতি-প্রত্যয়ের নিয়ম না মেনে সরাসরি সিদ্ধ বলে ধরে নেওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোরু + অ = গব্দ
ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ, যা সাধারণ নিয়মের বাইরে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সূর্য + অ = সৌর
ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিপাতনে সিদ্ধ নিয়মে সৌর শব্দ গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শৈব — এটি শিব শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত স্বাভাবিক তদ্ধিতান্ত শব্দ, নিপাতনে সিদ্ধ নয়।
B) সৌর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) দৈব — এটি দেব শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যোগে গঠিত সাধারণ তদ্ধিত শব্দ, যা নিয়মাধীন।
D) চৈত্র — এটি চিত্রা নক্ষত্রের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত নিয়মিত তদ্ধিতান্ত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সূর্য সম্পর্কিত বিশেষ শব্দ সৌর মনে রাখার জন্য মূল শব্দের রূপ পরিবর্তনের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
নিয়মের বাইরে গঠিত হওয়ায় এই শব্দগুলো বারবার চর্চা করা উচিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয় ও সন্ধির শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
নিয়মিত ব্যাকরণ বই থেকে নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) I was surprised at his behaviour
কেন সঠিক:
অ্যাক티브 ভয়েসটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স-এ থাকায় প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্টের পর সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে was বসে।
মূল ভার্ব surprise-এর সাথে by না বসে সবসময় সঠিক প্রপজিশন হিসেবে at বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I surprised at his behaviour — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব was বাদ দেওয়া হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মের বাইরে।
B) I was surprised with his behaviour — এখানে at প্রপজিশনের পরিবর্তে ভুলভাবে with ব্যবহার করা হয়েছে।
C) I had been surprised at his behaviour — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের টেন্সের সাথে মিলে না।
D) I was surprised at his behaviour — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সঠিক টেন্স এবং সঠিক প্রপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
surprise, shock, annoy এই ধরনের verb গুলোর পর passive voice-এ by-এর পরিবর্তে at বসে।
সঠিক উত্তর: B) put up with
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ হলো কবিকে দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করার সময় অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল।
put up with একটি ফ্রেজ যার অর্থ সহ্য করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) see through — এর অর্থ হলো কোনো কিছু ভেদ করে দেখা বা বুঝতে পারা। যা এখানে মানানসই নয়।
B) put up with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) pass by — এর অর্থ হলো পাশ দিয়ে চলে যাওয়া। যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) fall back — এর অর্থ হলো পেছনে সরে যাওয়া। যা এখানে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু সহ্য করা বা বরদাস্ত করার ইংরেজি ফ্রেজ হলো put up with।
সঠিক উত্তর: A) disguise
কেন সঠিক:
- 'Camouflage' শব্দটির অর্থ হলো চর্মাবরণ বা রূপান্তর করে আসল পরিচয় বা রূপ ঢেকে রাখা।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'disguise' শব্দের অর্থও ছদ্মবেশ ধারণ করা বা রূপ পরিবর্তন করে আড়াল করা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) disguise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ছদ্মবেশ ধারণ করা বা কোনো কিছুর আসল রূপ ঢেকে রাখা।
B) difficult — এই শব্দটির অর্থ কঠিন বা জটিল, যা ক্যামোফ্লেজ বা রূপ লুকানোর ধারণার সাথে মিলে না।
সি) heavy — এই শব্দটির অর্থ ভারী বা ওজনদার, যা ছদ্মবেশ বা রূপ বদলানোর সাথে সম্পর্কহীন।
ডি) dangerous — এই শব্দটির অর্থ বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ, যা আলোচ্য শব্দের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সেনাবাহিনী শত্রুর চোখ ফাঁকি দিতে গাছের পাতা বা বিশেষ রং দিয়ে নিজেদের লুকিয়ে রাখে, একেই বলে ক্যামোফ্লেজ বা ডিসগাইজ।
সঠিক উত্তর: C) No other wood burns as pretty as it.
কেন সঠিক:
ডিগ্রี পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী superlative বা comparative বাক্যকে positive করার সময় No other দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়। এখানে প্রদত্ত বাক্যে verb হলো burns, তাই positive করার সময় burns verb-টি সঠিক নিয়মে ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No other wood is as pretty as it burns — এখানে verb-এর ব্যবহার ভুল আছে কারণ কাঠ পোড়ার তুলনা বোঝাতে burns verb-টি প্রয়োজন।
B) No other wood burns is as pretty as it — এখানে burns এবং is দুটি verb একসাথে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
C) No other wood burns as pretty as it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) No other wood bunr as pretty as it — এখানে bunr বানানটি ভুল আছে এবং সঠিক শব্দ burns হওয়া উচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
Superlative ডিগ্রির the + prettiest যুক্ত বাক্যকে positive করার সময় No other দিয়ে শুরু করতে হয় এবং মূল verb ঠিক রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) indefinite pronoun
কেন সঠিক:
'Anybody' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় না, বরং যেকোনো সাধারণ মানুষকে অনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ করে। তাই এটি একটি indefinite pronoun হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) possessive pronoun — এটি কোনো অধিকার বা মালিকানা বোঝায় না, তাই possessive pronoun নয়।
B) indefinite pronoun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) distributive pronoun — এটি আলাদাভাবে কোনো দল বা ব্যক্তির প্রত্যেককে পৃথক করে বোঝায় না।
D) relative pronoun — এটি দুটি বাক্যকে যুক্ত করে পূর্ববর্তী কোনো noun কে নির্দেশ করার কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো শব্দ যেমন anybody, somebody, nobody ইত্যাদি নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে তা সবসময় indefinite pronoun হয়।
সঠিক উত্তর: B) very rarely
কেন সঠিক:
'Once in a blue moon' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম।
এর বাংলা অর্থ হলো কদাচিৎ বা যা খুব কম ঘটে।
চাঁদের নীল রঙ হওয়া যেমন অত্যন্ত বিরল ঘটনা, তেমনি এই বাগধারাটি বিরল ঘটনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন বি বেছে নেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) full moon night — এটি পূর্ণিমার রাত বোঝায়, যা এই প্রবাদের রূপক অর্থের সাথে মেলে না।
B) very rarely — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ খুব বিরলভাবে যা মূল প্রবাদের সাথে মিলে যায়।
C) very often — এর অর্থ প্রায়শই, যা বিরল ঘটনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) moonlit night — এটি জোছনা রাত বোঝায়, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে সম্পর্কহীন।
মনে রাখার টিপস:
নীল চাঁদ আকাশে খুব কমই দেখা যায়, তাই মনে রাখবে 'Once in a blue moon' মানে খুব কম বা কদাচিৎ।
সঠিক উত্তর: D) ৪২৬ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৪২৬ জনকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জন — এটি ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা, বীর প্রতীক নয়।
B) ৬৮ জন — এটি ৬৮ জন বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা, বীর প্রতীক নয়।
C) ১৭৫ জন — এটি ১৭৫ জন বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা, বীর প্রতীক নয়।
D) ৪২৬ জন — এটি সঠিক সংখ্যা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের খেতাবগুলো মনে রাখার সহজ ক্রম হলো বীরশ্রেষ্ঠ সাত, বীর উত্তম আটষট্টি, বীর বিক্রম একশত পঁচাত্তর এবং বীর প্রতীক চারশত ছাব্বিশ।
সঠিক উত্তর: D) রূঢ়ি
১. কেন সঠিক:
- রূঢ়ি বা যোগরূঢ় শব্দ হলো সেই শব্দ যা প্রত্যয় বা উপসর্গের সাহায্যে গঠিত হয়ে মূল অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
- হরিণ শব্দটির বুৎপত্তিগত বা ব্যাকরণগত অর্থ হলো যা হরণ বা আকর্ষণ করে, কিন্তু বাংলায় এটি নির্দিষ্ট একটি পশুকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঠনপদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে বাংলা শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন মৌলিক, সাধিত ও রূঢ়ি বা যোগরূঢ় শব্দ।
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গের যোগে মূল অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তৈল
ব্যাখ্যা: তিল থেকে উৎপন্ন যেকোনো তেলকে তৈল বলা উচিত ছিল, কিন্তু রূঢ়ি অর্থে কেবল তিলের স্নেহপদার্থকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: গবেষণা
ব্যাখ্যা: গো বা গরু অন্বেষণ করা এর মূল অর্থ হলেও বর্তমানে এটি ব্যাপক ও গভীর কোনো বিষয়ের অনুসন্ধান বা চর্চাকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যৌগিক — যে শব্দের ব্যবহারিক অর্থ ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ একই হয়, তাকে যৌগিক শব্দ বলে, কিন্তু হরিণ তা নয়।
B) মৌলিক — যে শব্দকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যার কোনো অংশ আলাদা করা যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে।
C) যোগরূঢ় — যে শব্দ সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে, যেমন পঙ্কজ।
D) রূঢ়ি — এই অপশনটি সঠিক কারণ হরিণ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থের বাইরে একটি নির্দিষ্ট পশু হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূঢ়ি শব্দগুলো চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলোর ব্যবহারিক অর্থ মূল বা শাব্দিক অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়।
- হরিণ, তৈল, গবেষণা, প্রবীণ এবং বাঁশি—এই কয়েকটি শব্দ বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, তাই এগুলো মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় সুবিধা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন করা হয়।
- কোনো শব্দের উৎপত্তি এক হলেও প্রচলিত অর্থে অন্য কিছু বোঝালেই সেটি রূঢ়ি শব্দ হিসেবে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর: A) কৃৎ প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে
১. কেন সঠিক:
সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কৃৎ প্রকৃতির বা ধাতুর আদি স্বরের পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়।
শব্দের মূল বা প্রকৃতিতে স্বরধ্বনির এই বিশেষ পরিবর্তন শব্দের রূপ গঠনে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দে ধাতুর আদিস্বরের যে রূপান্তর ঘটে তাকে গুণ ও বৃদ্ধি বলে।
এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের শব্দ গঠনের একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষ + অ = কর্ষ
ব্যাখ্যা: এখানে মূল ধাতু কৃষ এর আদি স্বর ঋ ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে অর্ অর্থাৎ কর্ষ রূপ লাভ করেছে।
উদাহরণ ২: ভুজ + অ = ভোজ
ব্যাখ্যা: এখানে মূল ধাতু ভুজ এর আদি স্বর উ ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে ও কার অর্থাৎ ভোজ রূপ ধারণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃৎ প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে — এটি সঠিক কারণ কৃৎ প্রকৃতির আদি স্বরের পরিবর্তনকেই গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়।
B) কৃৎ প্রকৃতির অন্তস্বরের পরিবর্তনকে — কৃৎ প্রকৃতির অন্তস্বর বা শেষ বর্ণের পরিবর্তনকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয় না।
C) নাম প্রকৃতির পরিবর্তনকে — নাম প্রকৃতি বা প্রাতিপদিক শব্দের ক্ষেত্রে গুণ ও বৃদ্ধির এই নির্দিষ্ট নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) প্রাতিপাদিকের পরিবর্তনকে — প্রাতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ যার সঙ্গে গুণ ও বৃদ্ধির সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
গুণ ও বৃদ্ধি মানেই হলো কৃৎ প্রকৃতির আদি স্বরের পরিবর্তন।
মনে রাখবে আদি স্বর বদলে নতুন রূপ পাওয়া মানেই গুণ বা বৃদ্ধি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের এই ধরনের রূপতাত্ত্বিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
ধাতুর আদি স্বরের পরিবর্তন সংক্রান্ত এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে কৃৎ প্রত্যয় অংশের উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: C) চুরি করা
১. কেন সঠিক:
- চক্ষুদান করা বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো কিছু আত্মসাৎ করা বা চুরি করা।
- আপাতদৃষ্টিতে এর অর্থ চোখে দান করা মনে হলেও, এটি একটি বিশেষার্থক বা রূপক বাগধারা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন এক ধরনের শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় বহুকাল ধরে প্রচলিত এসব প্রবাদতুল্য অভিব্যক্তি ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাতে তার ঘরের সব জিনিস চক্ষুদান করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে চক্ষুদান করা বলতে চুরির মাধ্যমে সবকিছু নিয়ে যাওয়া বুঝিয়েছে।
উদাহরণ ২: সুযোগ বুঝে সে পকেট থেকে মানিব্যাগটি চক্ষুদান করল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গোপনে কিছু সরিয়ে ফেলা বা চুরি করার অর্থে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পক্ষপাতিত্ব করা — পক্ষপাতিত্ব করা অর্থে ভিন্ন বাগধারা যেমন ননীদা বা একচোখা ব্যবহার করা হয়।
B) সৌভাগ্য লাভ — সৌভাগ্য লাভ বোঝাতে সুদিন আসা বা কপাল খোলা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
C) চুরি করা — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং এর সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) নষ্ট করা — নষ্ট করা অর্থে অক্কা পাওয়া বা ভস্মে ঢালা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চোখ দিয়ে দেখা বা চিনে রাখা যায়, কিন্তু চোরেরা সুযোগ বুঝে চোখ এড়িয়ে জিনিসপত্র সরিয়ে নেয়, এভাবেই মনে রাখবে চক্ষুদান করা মানে চুরি করা।
- বিপরীতার্থক বা বিভ্রান্তিকর অর্থ এড়াতে বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর প্রচলিত বিশেষ অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের রূপক বাগধারা প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, তাই আক্ষরিক অর্থ এড়িয়ে চলতে হবে।
- একই রকম অন্য একটি বাগধারা হলো চোখ ঢাকা, যার অর্থ প্রতারণা করা বা ধোঁকা দেওয়া।
সঠিক উত্তর: A) আমটা খাও
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে শ্রোতাকে সরাসরি কোনো কাজ করার জন্য স্পষ্ট নির্দেশ বা আদেশ দেওয়া হয়েছে।
- এখানে বক্তার পক্ষ থেকে কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে এক ধরণের দৃঢ়তা ও কর্তৃত্ব প্রকাশ পায়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি বোঝাতে ক্রিয়ার যে ভাব হয় তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।
- সাধারণত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালে মধ্যম পুরুষ বা তুই, তুমি, আপনারা সর্বনামের ক্ষেত্রে অনুজ্ঞা ব্যবহৃত হয়।
- যেমন তুই কাজটি কর বা আপনি এখানে বসুন এগুলো অনুজ্ঞার বাক্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আমটা খাও — এই অপশনটি আসলে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
- B) সবাই এখানে আসুন — এটি সরাসরি আদেশ নয়, বরং এটি বিনীত অনুরোধ বা আহ্বান বোঝায়।
- C) সুখী হও — এটি দ্বারা কোনো আদেশ করা হয়নি, বরং এটি বক্তার আশীর্বাদ বা শুভকামনা প্রকাশ করে।
- D) নিজের দিকে খেয়াল রাখ — এটি আদেশ বা নির্দেশ না হয়ে এক ধরণের উপদেশ বা হিতোপদেশ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
- আদেশ বা হুকুম বোঝালে সেটি আদেশ অর্থে অনুজ্ঞা হয়।
- অনুরোধ বোঝালে অনুরোধ এবং দোয়া বোঝালে আশীর্বাদী অনুজ্ঞা হয়।
সঠিক উত্তর: D) অপিনিহিতি
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ Apenthesis এর বাংলা সঠিক পরিভাষা জানতে চাওয়া হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যুক্তব্যঞ্জন ভাঙার আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অপিনিহিতি শব্দের অর্থ হল শব্দের পূর্বে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হওয়া বা বসা।
- যুক্তধ্বনির আগের স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনি আগে চলে আসাকে ধ্বনি বিপর্যয়ের একটি অংশ হিসেবেও দেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আজি থেকে আইজ
ব্যাখ্যা: জ যুক্তবর্ণের আগে ই-কার চলে এসে আইজ শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাক্য থেকে বাইক্য
ব্যাখ্যা: ক্য যুক্তবর্ণ ভেঙে ই-কার আগে এসে বাইক্য রূপ নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বরসঙ্গতি — শব্দের মধ্যে একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি বদলে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে স্বরসঙ্গতি বলে।
B) স্বরাগম — উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে, মাঝে বা অন্তে নতুন স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে স্বরাগম বলে।
C) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ধাপ যেখানে ই-কার বা উ-কার আগের স্বরের সাথে মিলে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি Apenthesis শব্দের বাংলা অর্থ মনে রাখতে অপিনিহিতি শব্দটি বারবার অনুশীলন করতে হবে।
- মনে রাখবে যুক্তবর্ণের আগে ই বা উ কার আসাই হলো অপিনিহিতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তনের এই অধ্যায়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- অপিনিহিতি এবং অভিশ্রুতি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই এদের পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হ + ম
১. কেন সঠিক:
- যুক্তবর্ণটি হ এবং ম বর্ণের মিলনে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা বর্ণমালায় কিছু বিশেষ যুক্তবর্ণ আছে, যার মধ্যে হ এর নিচে ম যুক্ত হলে তা দেখতে হ্ম এর মতো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা বর্ণমালায় দুটি বা ততোধিক বর্ণ মিলে যে নতুন রূপ তৈরি করে তাকে যুক্তবর্ণ বলে।
- এখানে হ বর্ণটি প্রধান এবং এর নিচে ম বর্ণ যুক্ত হয়ে এই বিশেষ আকृति ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণটি ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর সঠিক উচ্চারণ ব্রম্হোপুত্র এর মতো হয়।
উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির মধ্যে হ্ম বর্ণটি রয়েছে যা হ এবং ম এর সংযোগে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক + ষ — এই দুটি বর্ণ মিলে ক্ষ যুক্তবর্ণ তৈরি করে, যা হ্ম নয়।
B) হ + ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি বর্ণ মিলে হ্ম গঠিত হয়।
C) হ + ন — এই দুটি বর্ণ মিলে হ্ন যুক্তবর্ণ তৈরি করে, যা হ্ম থেকে আলাদা।
D) ষ + ণ — এই দুটি বর্ণ মিলে ষ্ণ যুক্তবর্ণ তৈরি করে, যা প্রশ্নে উল্লেখিত বর্ণের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হ্ম দেখলে মনে রাখবে এটি হ এর নিচে ম যুক্ত হয়েছে, কখনোই ন বা ষ নয়।
- ব্রহ্ম বা ব্রাহ্মণ শব্দ দুটি মনে রাখলে এই যুক্তবর্ণের গঠন সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই জটিল যুক্তবর্ণের সঠিক বিশ্লেষণ জানতে চাওয়া হয়।
- হ্ম এবং হ্ন দেখতে একই রকম মনে হলেও এদের গঠনে ভিন্নতা আছে, যা মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) উপমান কর্মধারায়
কেন সঠিক:
১. এখানে অরুণ বা সূর্য হলো সাধারণ বস্তু এবং রাঙ্গা বা লাল হলো তার একটি স্থায়ী গুণ।
২. উপমান কর্মধারায় সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণ গুণের সাথে তুলনা করা হয় যা এখানে স্পষ্টভাবে উপস্থিত আছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. উপমান কর্মধারায় সমাসে একটি সাধারণ ধর্ম বা গুণের উল্লেখ থাকে এবং উপমিত পদের সাথে তুলনা বোঝানো হয়।
২. এখানে অরুণ মানে সূর্যের আলো বা লাল আভা এবং তার সাথে রাঙ্গা পদের তুলনা বুঝিয়েছে।
৩. যেমন ভ্রমরকিশলয় বা শিশিরধৌত পদের মতো এটি একটি সুন্দর উপমান কর্মধারায় সমাসের উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপমিত কর্মধারায় — এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করা হয় এবং সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকে না।
B) রূপক কর্মধারায় — এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হয় যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) অলুক তৎপুরুষ — এই সমাসে বিভক্তির লোপ পায় না কিন্তু অরুণরাঙ্গা পদে সমাস সাধনের নিয়ম আলাদা।
D) উপমান কর্মধারায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে এটিই প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
১. সাধারণ গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝালে এবং উপমান পদ আগে থাকলে তা উপমান কর্মধারায় সমাস হয়।
২. ব্যাসবাক্য করার সময় অরুণ বা সূর্যের মতো রাঙ্গা এভাবে করলে খুব সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিমূল
১. কেন সঠিক:
- ধ্বনিবিজ্ঞানে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা স্বতন্ত্র ধ্বনিকে ফোনমে বা ধ্বনিমূল বলা হয়।
- একটি ভাষার শব্দকে অন্য শব্দ থেকে আলাদা করতে ধ্বনিমূলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনিমূল হলো কোনো ভাষার এমন কতগুলো ক্ষুদ্রতম ধ্বনি যা অর্থের পার্থক্য ঘটাতে সক্ষম।
- এটি ভাষার উচ্চারণগত মৌলিক একক হিসেবে ব্যাকরণে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলায় ধান এবং বান শব্দ দুটিতে ধ এবং ব ধ্বনিমূলের পার্থক্যের কারণে অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম ধ্বনিটি বদলে যাওয়ায় সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: চাল এবং ডাল শব্দ দুটিতে চ এবং ড ধ্বনিমূলের ভিন্নতা রয়েছে।
ব্যাখ্যা: ধ্বনিমূলের এই পরিবর্তনের জন্যই শব্দ দুটির অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দমূল — শব্দের মূল অংশকে শব্দমূল বলা হয়, যা ফোনমে শব্দের আক্ষরিক বা পারিভাষিক অর্থ নয়।
B) নাম প্রকৃতি — শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে প্রত্যয় বা বিভক্তিযুক্ত হওয়ার আগের অংশ হলো নাম প্রকৃতি, যা ধ্বনিমূল থেকে আলাদা।
C) রূপ — রূপ বা মরফিম হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থবহ একক, যা ধ্বনিমূলের সমার্থক নয়।
D) ধ্বনিমূল — এটি ফোনমে শব্দের সঠিক পারিভাষিক অর্থ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফোনমে শুনলেই মনে রাখবে ফোন মানে শব্দ আর মে মানে মূল ধ্বনি বা ধ্বনিমূল।
- ধ্বনি সংক্রান্ত পরিভাষায় ফোনমে সবসময় ধ্বনিমূল হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ধ্বনিবিজ্ঞান ও রূপতত্ত্বের এই মৌলিক পরিভাষাগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মহাজন
১. কেন সঠিক:
- খাতক শব্দের অর্থ ঋণগ্রহীতা বা যে ব্যক্তি কর্জ বা ঋণ নেয়।
- এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে মহাজন শব্দটি, যার অর্থ ঋণদাতা বা যে ব্যক্তি সুদে টাকা ধার দেয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বিপরীতার্থক শব্দের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের উৎস, অর্থ এবং ভাবের সামঞ্জস্য রক্ষা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্রেতা
ব্যাখ্যা: ক্রেতা শব্দের বিপরীত শব্দ বিক্রেতা, যেমন ক্রেতা পণ্য কেনে আর বিক্রেতা পণ্য বিক্রি করে।
উদাহরণ ২: শিক্ষক
ব্যাখ্যা: শিক্ষক শব্দের বিপরীত শব্দ ছাত্র, যা শিক্ষা প্রদানের সম্পর্কের বিপরীত দিক নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনিষ্ট — অনিষ্ট শব্দের অর্থ ক্ষতি বা অমঙ্গল, যার বিপরীত শব্দ হলো ইষ্ট বা মঙ্গল। এটি খাতক শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
B) লায়েক — লায়েক শব্দের অর্থ উপযুক্ত বা যোগ্য, যার বিপরীত শব্দ নালায়েক। এটি ঋণ লেনদেনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) লোকসান — লোকসান শব্দের অর্থ ক্ষতি বা ঘাটতি, যার বিপরীত শব্দ হলো লাভ বা মুনাফা। এটি খাতক শব্দের সঙ্গে মিলে না।
D) মহাজন — মহাজন শব্দের অর্থ ঋণদাতা, যা খাতক বা ঋণগ্রহীতার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খাতক মানে যে ঋণ নেয় আর মহাজন মানে যে ঋণ দেয়, এই দুটি লেনদেনের বিপরীতমুখী সম্পর্ক মনে রাখলে উত্তর সহজে বের করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থনৈতিক বা ব্যবসায়িক পরিভাষার বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে যেকোনো বিভ্রান্তিকর অপশন এড়িয়ে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) কমা
কেন সঠিক:
প্রত্যক্ষ উক্তির ক্ষেত্রে রিপোর্টিং ভারবের পর কমা ব্যবহার করে উদ্ধরণ চিহ্ন শুরু করতে হয়।
বাক্যের ভেতরে কোনো খণ্ড বাক্যের অংশবিশেষ উদ্ধৃত করার সময় উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে কমা বসে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী বক্তার কথা সরাসরি লেখার সময় উদ্ধরণ চিহ্নের আগে কমা বসে।
এটি বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এবং বক্তার বক্তব্যকে আলাদা করে দেখাতে সাহায্য করে।
যেমন: শিক্ষক বললেন, আজ আমরা বাংলা ব্যাকরণ পড়ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) কোলন — কোলন সাধারণত একটি পূর্ণ বাক্যের পর অন্য আরেকটি বাক্য বা উদাহরণ স্পষ্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) কোলন ড্যাস — কোলন ড্যাস উদাহরণ বা তালিকা দেওয়ার পূর্বে ব্যবহার করা হয়, খণ্ড বাক্যের শেষে নয়।
D) হাইফেন — হাইফেন দুটি সমার্থক বা বিপরীত শব্দকে যুক্ত করতে এবং পদের সংযোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কারো কথা হুবহু লেখার আগে অর্থাৎ উদ্ধরণ চিহ্ন খোলার ঠিক আগে সর্বদা কমা বসাতে হয়।
এটি মনে রাখলে পরীক্ষার্থী সহজেই সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করতে পারবে।
সঠিক উত্তর: C) জুতা
১. কেন সঠিক:
সাধু ও চলিত রীতিতে কিছু শব্দের ব্যবহার ভিন্ন হয়ে থাকে। জুতা শব্দটি সাধু ও চলিত উভয় রীতির লেখ্য রূপেই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য ও ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে কিছু তদ্ভব ও দেশি শব্দ রয়েছে যা প্রমিত বাংলা লেখার সময় সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই অপরিবর্তিত থাকে। জুতা এমন একটি শব্দ যার সাধু রূপ ও চলিত রূপ একই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জুতা পায়ে দিয়ে বাইরে যাও।
ব্যাখ্যা: এখানে জুতা শব্দটি চলিত ও সাধু উভয় রীতিতে একইরূপে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রবাদের খাতিরে চলিত রূপ জুতো ব্যবহৃত হলেও মূল শব্দটি জুতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুকনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ শুষ্ক।
B) সাথে — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ সহিত বা সঙ্গে।
C) জুতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উভয় রীতিতেই উপযোগী।
D) বুনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ বন্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস ও রূপ পরিবর্তন খেয়াল রাখতে হবে। যে শব্দগুলোর রূপ সাধু ও চলিত উভয় ক্ষেত্রে এক থাকে, তা ভালোভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির শব্দের রূপ পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসে। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় শব্দের সাধু ও চলিত রূপগুলো তালিকা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ৩২,৮,১০
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রা বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রা বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি।
এই বিন্যাসটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি মিলে মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে।
পূর্ণমাত্রা বর্ণ হলো সেইগুলো যার উপরে সম্পূর্ণ রেখা বা মাত্রা থাকে, অর্ধমাত্রা বর্ণে অর্ধেক রেখা থাকে এবং মাত্রাহীন বর্ণে কোনো মাত্রা থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, চ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা বর্ণের কিছু পরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ঋ, খ, গ, ণ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩২,৮,১০ — এটি সঠিক কারণ পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০টি বর্ণ রয়েছে।
B) ৩২,৭,১১ — এই অপশনে অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ভুল দেওয়া হয়েছে।
C) ৩০,৮,১২ — এই অপশনে পূর্ণমাত্রার সংখ্যা ৩০ এবং মাত্রাহীন ১২টি বলা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) ৩২,৭,৯ — এই অপশনে অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা সঠিকভাবে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাত্রার সংখ্যা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ৩২ যোগ ৮ যোগ ১০ সমান ৫০।
পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০ এভাবে ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যা এবং মাত্রাভেদের এই হিসাব বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের আলাদা মাত্রা সংখ্যাও ভালোভাবে আয়ত্ত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) লাঙ্গল
১. কেন সঠিক:
প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ, যার সঙ্গে কোনো কারক বা বিভক্তি যুক্ত থাকে না।
লাঙ্গল শব্দটি একটি মৌলিক ও বিভক্তিহীন নামশব্দ, তাই এটি প্রাতিপদিকের সঠিক উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। প্রাতিপদিক হলো শব্দের সেই রূপ যা থেকে বিভক্তি যোগ করে পদ তৈরি করা হয়।
বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মূল রূপ হলো প্রাতিপদিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাত
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিভক্তিহীন নামশব্দ বা প্রাতিপদিক।
উদাহরণ ২: বই
ব্যাখ্যা: এটিও কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকা অবস্থায় একটি প্রাতিপদিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাঙ্গল — এটি বিভক্তিহীন মৌলিক নামশব্দ হওয়ায় প্রাতিপদিক হিসেবে সঠিক উত্তর।
B) দম্পতি — এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যা পতি ও পত্নী সমাস করে গঠিত হয়েছে।
C) লেখা — এটি ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে গঠিত কৃদন্ত পদ।
D) সাধিত — এটি সাধিত শব্দ বা প্রত্যয়যুক্ত বিশেষণ পদ, যা প্রাতিপদিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসব নামশব্দে কোনো বিভক্তি বা প্রত্যয় যোগ করা নেই এবং যা সরাসরি কোনো কিছুর নাম বোঝায়, সেটাই প্রাতিপদিক।
সব প্রাতিপদিকই শব্দমূল, তবে সব শব্দমূল প্রাতিপদিক নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দ ও পদের পার্থক্য বুঝতে প্রাতিপদিক ধারণাটি অত্যন্ত জরুরি।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক ও সাধিত শব্দের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: B) সৌর
১. কেন সঠিক:
নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয় হলো সেইসব শব্দ যা সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা প্রত্যয়ের সূত্র মেনে গঠিত হয় না, বরং নিয়মের বাইরে প্রাকৃতিকভাবে বা নিপাতনে সাধিত হয়।
'সূর্য' শব্দের সঙ্গে 'অ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত শব্দ হওয়ার কথা থাকলেও, নিপাতনে সিদ্ধ প্রক্রিয়ায় এটি 'সৌর' রূপ লাভ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
তদ্ধিত প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে অনেক শব্দ প্রমিত ব্যাকরণের নিয়মকে অনুসরণ না করে নিপাতনে সিদ্ধ হয়।
এই ধরনের শব্দগুলো ব্যাকরণের সাধারণ সূত্র বা প্রকৃতি-প্রত্যয়ের নিয়ম না মেনে সরাসরি সিদ্ধ বলে ধরে নেওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোরু + অ = গব্দ
ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ, যা সাধারণ নিয়মের বাইরে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সূর্য + অ = সৌর
ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিপাতনে সিদ্ধ নিয়মে সৌর শব্দ গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শৈব — এটি শিব শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত স্বাভাবিক তদ্ধিতান্ত শব্দ, নিপাতনে সিদ্ধ নয়।
B) সৌর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) দৈব — এটি দেব শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যোগে গঠিত সাধারণ তদ্ধিত শব্দ, যা নিয়মাধীন।
D) চৈত্র — এটি চিত্রা নক্ষত্রের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত নিয়মিত তদ্ধিতান্ত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সূর্য সম্পর্কিত বিশেষ শব্দ সৌর মনে রাখার জন্য মূল শব্দের রূপ পরিবর্তনের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
নিয়মের বাইরে গঠিত হওয়ায় এই শব্দগুলো বারবার চর্চা করা উচিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয় ও সন্ধির শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
নিয়মিত ব্যাকরণ বই থেকে নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) কর্মে শূন্য
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে জল শব্দটি কর্মকারক এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
- পাহাড়ের ঢল জলকে নামিয়ে দিচ্ছে বা বয়ে আনছে, তাই এখানে জল হলো কর্মকারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে।
- ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক।
- পাহাড়ের ঢল বেয়ে কী নামছে উত্তর হলো জল, তাই জল কর্মকারক।
- শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো।
ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
উদাহরণ ২: ফুল তুলছি।
ব্যাখ্যা: কী তুলছ উত্তর ফুল, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় সপ্তমী — পাহাড়ের ঢল হলো কর্তা, জল কর্তা নয় তাই এই অপশন ভুল।
B) কর্মে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর।
C) কর্তায় শূন্য — জল এখানে নিজে কাজ করছে না বরং ঢলের মাধ্যমে নামছে, তাই এটি কর্তা নয়।
D) করণের শূন্য — জল কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয় যা দিয়ে কাজ করা হচ্ছে, তাই এটি করণ কারক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে এবং সেটি যদি মূল কর্ম হয় তবে কর্মকারক হবে।
- বিভক্তি চিহ্ন না থাকলে ধরে নেবে সেখানে শূন্য বিভক্তি আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করে কারকের নাম ঠিক করতে হবে।
- প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী কর্মকারক চেনার জন্য প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকরী।
সঠিক উত্তর: B) আরবি
১. কেন সঠিক:
মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: তারিখ
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বহুল ব্যবহৃত আরবি শব্দ যা দিন বা সময় নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় দারোগা, চাকর, বাবুর্চি ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি।
B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ, দোকান ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা শব্দটি ফারসি নয়।
D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা ফরাসি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রশাসনিক ও বিচারালয় সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে এসেছে। আদালতে ব্যবহৃত শব্দগুলোর উৎস সাধারণত আরবি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) রূগন
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে রূগন শব্দটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক। বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতিতে কিছু তৎসম ও তদ্ভব শব্দের বানানে উ-কার বা দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম নির্ধারণ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে দীর্ঘ উ-কার (ঊ) ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দে র-ফলা যুক্ত বর্ণে হ্রস্ব উ-কার (ু) ব্যবহৃত হয়। রূগন শব্দের মূল রূপ হলো রুগ্ন, তবে প্রমিত উচ্চারণের সুবিধার্থে এবং বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুযায়ী রূগন বানানটি শুদ্ধ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুষণ
ব্যাখ্যা: এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দূষণ শব্দের একটি প্রচলিত রূপ।
উদাহরণ ২: নুুন
ব্যাখ্যা: এটি নতুন শব্দের একটি বিকল্প প্রচলিত বানান রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ্টেশন — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা বানানে ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ষ (ষ) ব্যবহৃত হলেও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে দন্ত স (স) বসে। তাই সঠিক বানান হলো স্টেশন।
C) বিপ্রকর্স — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো বিপ্রকর্ষ, যার অন্তে মূর্ধন্য ষ (ষ) এর পরিবর্তে দন্ত স (স) বা অন্য বর্ণ যুক্ত থাকে এবং বানানে সামান্য ত্রুটি রয়েছে।
D) সাধারন — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা বানান নিয়মে দন্ত ন (ন) এর স্থানে মূর্ধন্য ণ (ণ) বসে। সঠিক বানানটি হলো সাধারণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। বিদেশি শব্দে সর্বদা দন্ত স এবং মূর্ধন্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়মগুলো বারবার চর্চা করা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিদেশি শব্দের বানান এবং তৎসম শব্দের সঠিক রূপগুলো মুখস্থ না করে নিয়ম বুঝে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) জুতা
১. কেন সঠিক:
সাধু রীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে এবং শব্দের রূপ দীর্ঘ বা গুরুগম্ভীর হয়। জুতা শব্দটি সাধু ও চলিত উভয় রীতির ব্যাকরণগত মানদণ্ডে একটি বহুল প্রচলিত ও সর্বজনগ্রাহ্য তৎসম বা তদ্ভব রূপ যা সাধু ভাষায় ব্যবহারের উপযোগী।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে জুতা শব্দটি সাধু ভাষায় প্রমিত রূপ হিসেবে বহু পূর্বে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং এর কোনো অচল বা কথ্য রূপের সমস্যা নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষা সাধু ও চলিত এই দুই রীতিতে বিভক্ত। সাধু রীতিতে ক্রিয়ার পূর্ণরূপ এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে।
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যের ক্ষেত্রে শব্দের বানান ও রূপ পরিবর্তন ঘটে যেমন চলিত রীতির অনেক শব্দ সাধুীতিতে ভিন্ন রূপ নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জুতা পায়ে দিয়া সে বাহির হইল।
ব্যাখ্যা: এটি সাধু ভাষার বাক্য যেখানে জুতা শব্দটি সাধু রীতিতে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জুতামুক্ত হইয়া প্রবেশ করুন।
ব্যাখ্যা: প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধু ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ বাক্যে জুতা শব্দটির প্রমিত ব্যবহার দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুকনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ হইল শুষ্ক।
B) সাথে — এটি মূলত চলিত রীতিতে অনুসর্গ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত, সাধু রীতিতে এর পরিবর্তে সহিত ব্যবহৃত হয়।
C) জুতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় সাধু ভাষায় ব্যবহারের উপযোগী।
D) বুনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ বন্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু ও চলিত রীতির শব্দ চেনার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে চলিত রূপগুলো সাধারণত সংক্ষিপ্ত হয়।
যেসব শব্দের সাধু ও চলিত রূপ আলাদা, সেগুলোর সাধু রূপ তুলনামূলক ভারী এবং চলিত রূপ হালকা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
শব্দগুলোর উৎস ও রূপ পরিবর্তন ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) দীপ + শানচ
১. কেন সঠিক:
সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ বিশ্লেשণের নিয়মানুযায়ী দীপ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দীপ্যমান শব্দটি গঠিত হয়েছে।
এখানে শানচ প্রত্যয়ের শ ও চ ইৎ বা লুপ্ত হয় এবং মান অবশেষ থাকে, যা বর্তমান কৃদন্ত বিশেষণ পদ গঠন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী ধাতুর উত্তর বর্তমানকালের অর্থে শানচ (আন বা মান) প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং এটি আত্মনেপদ ধাতুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
দীপ হলো একটি ধাতু যার সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হলে জগম প্রত্যয়ান্ত রূপ হিসেবে দীপ্যমান নিষ্পন্ন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাজ + শানচ = ভাজ্যমান
ব্যাখ্যা: ভাজ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমান কৃদন্ত বিশেষণ ভাজ্যমান গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সেব + শানচ = সেবমান
ব্যাখ্যা: সেব ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সেবমান শব্দ গঠিত হয়েছে যার অর্থ সেবন করছে যে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীপ্য + মান — দীপ্য কোনো মূল ধাতু নয়, তাই এই গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) দিপ্য + মানচ — দিপ্য ভুল বানান এবং মানচ বলে কোনো সুনির্দিষ্ট সংস্কৃত প্রত্যয় নেই।
C) দিপ + শানচ — দিপ বানানটি ভুল, মূল ধাতু হলো হ্রস্ব ই কারযুক্ত নয় বরং দীর্ঘ ঈ কারযুক্ত দীপ।
D) দীপ + শানচ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের বিশ্লেষণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
বর্তমানকালের অর্থে এবং আত্মনেপদ ধাতু বোঝাতে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয় যেখানে প্রত্যয়ের মান অংশটি যুক্ত থাকে।
ধাতুর মূল রূপটি সঠিকভাবে চেনার জন্য সর্বদা দীর্ঘ ঈ কারযুক্ত দীপ ধাতু মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ধাতুটির বানান এবং প্রত্যয়ের সঠিক রূপ চিহ্নিত করা জরুরি।
এই নিয়মে গঠিত অন্যান্য শব্দ যেমন বর্তমানমান বা বর্ধমান শব্দগুলোর প্রকৃতি ও প্রত্যয় একইভাবে নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) পানি
১. কেন সঠিক:
অম্বু শব্দের অর্থ হলো পানি বা জল। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষ শব্দটি সাধারণত পানি বা জল বোঝাতে বাংলা কাব্যে ও সাধু ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। অম্বু শব্দটি জল বা পানির একটি ধ্রুপদী রূপ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অম্বুধি
ব্যাখ্যা: অম্বু শব্দের সাথে ধি যুক্ত হয়ে সমুদ্র বোঝায় কারণ যেখানে অম্বু বা পানি ধারণ করা হয়।
উদাহরণ ২: অম্বুজ
ব্যাখ্যা: অম্বু শব্দের সাথে জ যুক্ত হয়ে পদ্ম ফুল বোঝায় যা পানিতে জন্মায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর। এটি জল ধারণ করে এমন জলাশয় বোঝায়।
B) গগন — গগন শব্দের অর্থ আকাশ বা আসমান। এটি পানির সমার্থক শব্দ নয়।
C) পানি — পানি হলো অম্বু শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। এটি তরল পদার্থ বা পানীয় বোঝায়।
D) অবনী — অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা। এটি পানির সমার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অম্বু মানে পানি। পানির সমার্থক শব্দগুলোর শেষে জ বা ধি যুক্ত করে নতুন শব্দ যেমন অম্বুজ বা অম্বুধি তৈরি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পানির অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন বারি, নীর, সলিল, উদক ও তোয় সম্পর্কে ধারণা রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) বীরপ্রসূ
১. কেন সঠিক:
- বীরপ্রসূ হলো বাক্যের সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ, যার অর্থ বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী।
- এখানে বীর এবং প্রসূ শব্দের মিলনে এই বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে, যা পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বাক্যের দীর্ঘ প্রকাশকে একটিমাত্র শব্দে বা পদে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংহত ও সাবলীল করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অরম্পরা বা অনাথা বলা হয়, যা বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ।
উদাহরণ ২: যা সহজে লাভ করা যায়
ব্যাখ্যা: একে এককথায় সুলভ বলা হয়, যা কম কষ্টে পাওয়ার যোগ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীর পুত্র — এটি দ্বারা কোনো বীর সন্তানকে বোঝায়, কিন্তু এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
B) রত্নগর্ভা — যে নারী গুণী বা রত্নতুল্য সন্তান প্রসব করেছেন তাকে বোঝায়, কিন্তু এটি সরাসরি বীর সন্তান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
C) স্বর্ণ মাতা — এটি কোনো ব্যাকরণগত এককথায় প্রকাশের প্রমিত রূপ নয় এবং এর সুনির্দিষ্ট কোনো গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই।
D) বীরপ্রসূ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বীর সন্তান প্রসবকারিণী নারী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসূ শব্দের অর্থ হলো প্রসবকারিণী।
- তাই বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী তা মনে রাখতে বীর এবং প্রসূ শব্দ দুটি একত্রে বিবেচনা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারীদের সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশ যেমন রত্নগর্ভা এবং বীরপ্রসূ প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- তাই প্রসব অর্থে প্রসূ এবং গর্ভ অর্থে গর্ভা শব্দের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অস্থির মানবমন
কেন সঠিক:
- এই বাগধারাটিতে মানুষের মনের চঞ্চল ও পরিবর্তনশীল অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
- মানুষের মন ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তিত হয় এবং কোনো কিছুতে দীর্ঘক্ষণ স্থির থাকে না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- এই বাগধারায় 'মন' এবং 'মতি' দুটি প্রায় সমার্থক শব্দ জোড়া লেগে মনের স্বভাবগত অস্থিতিশীলতাকে প্রকাশ করেছে।
- যেমন মানুষ কথায় কথায় সিদ্ধান্ত বদলায়, তখন বলা হয় তার মন না মতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) চালবাজি — এই অর্থের জন্য কেতাবী বিদ্যা বা ভন্ডামি জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
- B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) অরাজক পরিস্থিতি — এই ভাবের জন্য ভোজবাজি বা মাছের বাজার বাগধারাটি অধিক উপযোগী।
- D) অমূল্য সম্পদ — এই অর্থের জন্য চোখের মণি বা দুষ্প্রাপ্য বস্তু জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
- মন আর মতি দুটোই চঞ্চল, তাই এই বাগধারা দেখলে সবসময় অস্থির মন বা চঞ্চলতা বোঝাবে এটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যাবান
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে নিচের কোনটি 'আমন্ত্রণ' শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। 'প্রত্যাবান' নামের কোনো অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ বা আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থক শব্দ বাংলা অভিধানে নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর।
- 'আমন্ত্রণ' শব্দের সাধারণ অর্থ হলো কাউকে কোনো অনুষ্ঠানে বা ঘরে আসার জন্য আহ্বান জানানো, যা মূলত নিমন্ত্রণ বা ডেকে পাঠানো বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। কোনো শব্দের সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য শব্দটির মূল অর্থ এবং প্রমিত রূপ ভালোভাবে বুঝতে হয়।
- বাংলা ভাষায় একই অর্থের বিভিন্ন শব্দ প্রচলিত আছে, যা ভাষাকে সমৃদ্ধ করে এবং সঠিক শব্দের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমন্ত্রণ
ব্যাখ্যা: এটি আমন্ত্রণ শব্দের অত্যন্ত পরিচিত এবং সরাসরি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: আহ্বান
ব্যাখ্যা: এটিও আমন্ত্রণ বা ডেকে পাঠানোর সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আহবান — এটি আমন্ত্রণ শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না।
B) নিমন্ত্রণ — এটি আমন্ত্রণ শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ, তাই এটি এখানে ভুল অপশন।
C) প্রত্যাবান — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থকও নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
D) আবাহন — এটি কোনো কিছুকে বা কাউকে আহ্বান করা বা ডেকে আনার অর্থে আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আমন্ত্রণ শব্দের প্রধান সমার্থকগুলো হলো নিমন্ত্রণ, আহ্বান ও আবাহন।
- পরীক্ষার হলে অপরিচিত বা অবাস্তব মনে হওয়া শব্দ যেমন প্রত্যাবান দেখলে সতর্ক হতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের বানান এবং তার প্রমিত রূপ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই একটি অর্থহীন বা বানান ভুল শব্দ অপশনে দেওয়া হয় যা উত্তর চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: B) কবি
১. কেন সঠিক:
কিছু বাংলা বিশেষ্য শব্দ উভয় লিঙ্গবাচক হয়। অর্থাৎ একই শব্দ পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝাতে পারে।
এ ক্ষেত্রে লিঙ্গ পরিবর্তনের জন্য শব্দের আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন মহিলা, নারী বা স্ত্রী যোগ করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে নিত্যপুরুষ বা উভয়লিঙ্গবাচক শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
কবির ক্ষেত্রে কোনো স্বতন্ত্র স্ত্রীলিঙ্গ রূপ নেই বিধায় আগে মহিলা বা স্ত্রী যোগ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহিলা কবি
ব্যাখ্যা: কবি শব্দের আগে মহিলা যোগ করে স্ত্রীবাচক রূপ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ডাক্তার সাহেব
ব্যাখ্যা: পেশাবাচক অনেক শব্দ উভয়লিঙ্গ হয় যা এই নিয়মের আওতাভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেতা — নেতা শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ নেত্রী রয়েছে তাই আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করতে হয় না।
B) কবি — এটি উভয়লিঙ্গ শব্দ হওয়ায় এর আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করতে হয়।
C) দাতা — দাতা শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ দত্রী বা দাত্রী রয়েছে।
D) বাদশাহ — বাদশাহ শব্দের নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ বেগম ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসব পদের নিজস্ব কোনো স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ ব্যাকরণে সিদ্ধ নয়, তাদের পূর্বে মহিলা বা নারী বসাতে হয়।
কবি, মন্ত্রী, ডাক্তার প্রভৃতি পদের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি বিশেষভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্যপুরুষ বা উভয়লিঙ্গবাচক শব্দের লিঙ্গান্তর প্রায়ই আসে।
নিজস্ব স্ত্রীবাচক শব্দ আছে এমন শব্দের সঙ্গে এই নিয়ম গুলিয়ে ফেলবে না।
সঠিক উত্তর: D) I was surprised at his behaviour
কেন সঠিক:
অ্যাক티브 ভয়েসটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স-এ থাকায় প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্টের পর সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে was বসে।
মূল ভার্ব surprise-এর সাথে by না বসে সবসময় সঠিক প্রপজিশন হিসেবে at বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I surprised at his behaviour — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব was বাদ দেওয়া হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মের বাইরে।
B) I was surprised with his behaviour — এখানে at প্রপজিশনের পরিবর্তে ভুলভাবে with ব্যবহার করা হয়েছে।
C) I had been surprised at his behaviour — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের টেন্সের সাথে মিলে না।
D) I was surprised at his behaviour — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সঠিক টেন্স এবং সঠিক প্রপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
surprise, shock, annoy এই ধরনের verb গুলোর পর passive voice-এ by-এর পরিবর্তে at বসে।
সঠিক উত্তর: B) put up with
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ হলো কবিকে দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করার সময় অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল।
put up with একটি ফ্রেজ যার অর্থ সহ্য করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) see through — এর অর্থ হলো কোনো কিছু ভেদ করে দেখা বা বুঝতে পারা। যা এখানে মানানসই নয়।
B) put up with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) pass by — এর অর্থ হলো পাশ দিয়ে চলে যাওয়া। যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) fall back — এর অর্থ হলো পেছনে সরে যাওয়া। যা এখানে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু সহ্য করা বা বরদাস্ত করার ইংরেজি ফ্রেজ হলো put up with।
সঠিক উত্তর: A) disguise
কেন সঠিক:
- 'Camouflage' শব্দটির অর্থ হলো চর্মাবরণ বা রূপান্তর করে আসল পরিচয় বা রূপ ঢেকে রাখা।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'disguise' শব্দের অর্থও ছদ্মবেশ ধারণ করা বা রূপ পরিবর্তন করে আড়াল করা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) disguise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ছদ্মবেশ ধারণ করা বা কোনো কিছুর আসল রূপ ঢেকে রাখা।
B) difficult — এই শব্দটির অর্থ কঠিন বা জটিল, যা ক্যামোফ্লেজ বা রূপ লুকানোর ধারণার সাথে মিলে না।
সি) heavy — এই শব্দটির অর্থ ভারী বা ওজনদার, যা ছদ্মবেশ বা রূপ বদলানোর সাথে সম্পর্কহীন।
ডি) dangerous — এই শব্দটির অর্থ বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ, যা আলোচ্য শব্দের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সেনাবাহিনী শত্রুর চোখ ফাঁকি দিতে গাছের পাতা বা বিশেষ রং দিয়ে নিজেদের লুকিয়ে রাখে, একেই বলে ক্যামোফ্লেজ বা ডিসগাইজ।
সঠিক উত্তর: C) No other wood burns as pretty as it.
কেন সঠিক:
ডিগ্রี পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী superlative বা comparative বাক্যকে positive করার সময় No other দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়। এখানে প্রদত্ত বাক্যে verb হলো burns, তাই positive করার সময় burns verb-টি সঠিক নিয়মে ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No other wood is as pretty as it burns — এখানে verb-এর ব্যবহার ভুল আছে কারণ কাঠ পোড়ার তুলনা বোঝাতে burns verb-টি প্রয়োজন।
B) No other wood burns is as pretty as it — এখানে burns এবং is দুটি verb একসাথে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
C) No other wood burns as pretty as it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) No other wood bunr as pretty as it — এখানে bunr বানানটি ভুল আছে এবং সঠিক শব্দ burns হওয়া উচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
Superlative ডিগ্রির the + prettiest যুক্ত বাক্যকে positive করার সময় No other দিয়ে শুরু করতে হয় এবং মূল verb ঠিক রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) indefinite pronoun
কেন সঠিক:
'Anybody' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় না, বরং যেকোনো সাধারণ মানুষকে অনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ করে। তাই এটি একটি indefinite pronoun হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) possessive pronoun — এটি কোনো অধিকার বা মালিকানা বোঝায় না, তাই possessive pronoun নয়।
B) indefinite pronoun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) distributive pronoun — এটি আলাদাভাবে কোনো দল বা ব্যক্তির প্রত্যেককে পৃথক করে বোঝায় না।
D) relative pronoun — এটি দুটি বাক্যকে যুক্ত করে পূর্ববর্তী কোনো noun কে নির্দেশ করার কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো শব্দ যেমন anybody, somebody, nobody ইত্যাদি নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে তা সবসময় indefinite pronoun হয়।
সঠিক উত্তর: B) very rarely
কেন সঠিক:
'Once in a blue moon' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম।
এর বাংলা অর্থ হলো কদাচিৎ বা যা খুব কম ঘটে।
চাঁদের নীল রঙ হওয়া যেমন অত্যন্ত বিরল ঘটনা, তেমনি এই বাগধারাটি বিরল ঘটনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন বি বেছে নেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) full moon night — এটি পূর্ণিমার রাত বোঝায়, যা এই প্রবাদের রূপক অর্থের সাথে মেলে না।
B) very rarely — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ খুব বিরলভাবে যা মূল প্রবাদের সাথে মিলে যায়।
C) very often — এর অর্থ প্রায়শই, যা বিরল ঘটনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) moonlit night — এটি জোছনা রাত বোঝায়, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে সম্পর্কহীন।
মনে রাখার টিপস:
নীল চাঁদ আকাশে খুব কমই দেখা যায়, তাই মনে রাখবে 'Once in a blue moon' মানে খুব কম বা কদাচিৎ।
সঠিক উত্তর: D) ৪২৬ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৪২৬ জনকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জন — এটি ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা, বীর প্রতীক নয়।
B) ৬৮ জন — এটি ৬৮ জন বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা, বীর প্রতীক নয়।
C) ১৭৫ জন — এটি ১৭৫ জন বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা, বীর প্রতীক নয়।
D) ৪২৬ জন — এটি সঠিক সংখ্যা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের খেতাবগুলো মনে রাখার সহজ ক্রম হলো বীরশ্রেষ্ঠ সাত, বীর উত্তম আটষট্টি, বীর বিক্রম একশত পঁচাত্তর এবং বীর প্রতীক চারশত ছাব্বিশ।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)