দুর্নীতি দমন কমিশন

দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a ত্রিবিন্দু
b বিন্দু
c কোলন
d একটিও নয়
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ত্রিবিন্দু ১. কেন সঠিক: লেখার সময় বক্তৃতার অসমাপ্তি, ভাবের গভীরতা বোঝাতে কিংবা কোনো কথা বা তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিতে বা অব্যক্ত রাখতে ত্রিবিন্দু ব্যবহার করা হয়। বাংলা ব্যাকরণে বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার বাক্যকে স্পষ্ট করে এবং লেখার ভাব প্রকাশে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিরামচিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার শুরু করেন। বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝাতে এবং পাঠকের সুবিধার্থে বিভিন্ন প্রকার বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি আর কি বলব, সব তো বুঝতেই পেরেছ... ব্যাখ্যা: এখানে বক্তার অসমাপ্ত কথা ও অব্যক্ত ভাব প্রকাশের জন্য ত্রিবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার খাতায় উত্তর লেখার সময় তিনি বললেন, আজ আর বাকি অংশ লিখব না... ব্যাখ্যা: কথা অসম্পূর্ণ রাখা বা লেখার অংশ বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ত্রিবিন্দুর ব্যবহার দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রিবিন্দু — এটি লেখার সময় কোনো কথা অব্যক্ত রাখতে বা অসম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) বিন্দু — বিন্দু সাধারণত বাক্য সমাপ্তি বোঝাতে বা সংক্ষিপ্ত রূপের পরে বসে, যা অব্যক্ত কথার জন্য নয়। C) কোলন — কোলন একটি উদাহরণ বা বিবৃতি আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা অব্যক্ত রাখার কাজে লাগে না। D) একটিও নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো কথা মনে মনে রেখে মুখ বন্ধ রাখার মতো তিনটি বিন্দু পাশাপাশি বসালেই ত্রিবিন্দু হয় এবং কথা অব্যক্ত থাকে। বিরামচিহ্নের নাম ও তার কাজ মনে রাখতে বাক্যের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের কাজ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন চিহ্ন কতক্ষণ থামতে হয় এবং কোনটির কাজ কী, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a আনন্দময়ীর আগমন
b অগ্নিবীণা
c প্রলয়োল্লাস
d বিদ্রোহী
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এর অন্তর্গত বিখ্যাত কবিতা হলো ধূমকেতু। - এই কবিতার মাধ্যমে কবির বিদ্রোহী চেতনার সঙ্গে ধূমকেতুর আগমনের মিল দেখানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। - এই সংকলনে মোট বারটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে যার মধ্যে ধূমকেতু অন্যতম প্রধান রচনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস যা যুগান্তর আনয়নের বার্তা দেয়। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় ও সর্বাধিক জনপ্রিয় কবিতা হলো বিদ্রোহী যা কবিকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দময়ীর আগমন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা ও পঙক্তি হলেও ধূমকেতু কবিতাটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়। B) অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর। C) প্রলয়োল্লাস — এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা হলেও ধূমকেতু এর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) বিদ্রোহী — এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা তবে ধূমকেতু আলাদা একটি কবিতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধূমকেতু নামে নজরুল একটি পত্রিকাও সম্পাদনা করতেন এবং অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতার নাম প্রলয়োল্লাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম ও শেষ কবিতার নাম প্রায়ই আসে।
a ঝরাপালক
b রূপসী বাংলা
c সাতটি তারার তিমির
d জাগ্রত ধরিনী
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাগ্রত ধরিনী ১. কেন সঠিক: - জাগ্রত ধরিনী জীবনানন্দ দাশের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। - এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো মৌলিক বা সংকলিত কাব্যগ্রন্থের নামের সঙ্গে মেলে না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ঝরাপালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন ও সাতটি তারার তিমির অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় প্রকাশিত এবং অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝরাপালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। B) রূপসী বাংলা — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য নিয়ে লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। C) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান ও পরিণত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। D) জাগ্রত ধরিনী — এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয় এবং এটিই প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখতে তার প্রধান বইগুলোর নাম বারবার পড়তে পারো। - অপ্রাসঙ্গিক নাম দেখলে সহজেই বাদ দিতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রূপসী বাংলা। - কবি পরিচিতি পড়ার সময় কাব্যগ্রন্থগুলোর প্রকাশকাল ও নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a তত্ত্ববোধিনী
b সাধনা
c a এবং b
d কোনটি নয়
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a এবং b কেন সঠিক: ১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার কিছু অংশ সম্পাদনা করেছিলেন। ২. তিনি ১৮৯৪ সাল থেকে সাধনা পত্রিকার মূল দায়িত্ব নিয়ে সফলভাবে সম্পাদনা ও প্রকাশনা পরিচালনা করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্য ও সাময়িকপত্র চর্চার ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনা কর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূর প্রসারী। ২. সাধনা পত্রিকায় তাঁর অনেক বিখ্যাত কবিতা, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণস্বরূপ, সাধনা পত্রিকায় তাঁর সোনার তরী কবিতা এবং বহু প্রখ্যাত ছোটগল্প প্রথম প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তত্ত্ববোধিনী — এটি শুধুমাত্র ভুল নয় কারণ রবীন্দ্রনাথ এটি সম্পাদনা করেছিলেন, তবে এটি একমাত্র সঠিক উত্তর নয়। B) সাধনা — এটিও আংশिक সঠিক কিন্তু অপশন সি তে উভয় পত্রিকা থাকার কারণে এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর হতে পারে না। C) a এবং b — এই অপশনটি সঠিক কারণ রবীন্দ্রনাথ তত্ত্ববোধিনী এবং সাধনা উভয় পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) কোনটি নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন এ এবং বি এর মধ্যে বিদ্যমান। মনে রাখার টিপস: ১. রবীন্দ্রনাথের পত্রিকার নাম মনে রাখতে ত ও স অক্ষর দুটি মনে রাখতে পারো যা তত্ত্ববোধিনী ও সাধনা নির্দেশ করে। ২. ঠাকুর পরিবারের সাহিত্য সাধনার সঙ্গে এই দুটি পত্রিকার নাম ও রবীন্দ্রনাথের সম্পাদনার ইতিহাস গভীরভাবে জড়িত।
a ঙ, হ
b ড, ঢ
c ক, খ
d একটিও নয়
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক, খ কেন সঠিক: ১. বাংলা বর্ণমালায় বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলোকে অঘোষ ব্যঞ্জন হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ক এবং খ বর্ণ দুটি ক বর্গীয় ধ্বনির প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় এরা অঘোষ ব্যঞ্জন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, সেগুলোকে অঘোষ ব্যঞ্জন বলা হয়। ২. প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ এবং শ, ষ, স অঘোষ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ৩. যেমন ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি ধ্বনিগুলো উচ্চারণে স্বরতন্ত্রীর কম্পন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঙ, হ — ঙ হলো কবর্গের পঞ্চম বর্ণ যা ঘোষ ধ্বনি এবং হ হলো উষ্ম ঘোষ ধ্বনি। B) ড, ঢ — ড এবং ঢ হলো টবর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ যা ঘোষ ধ্বনির উদাহরণ। D) একটিও নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ১. বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ মানেই অঘোষ ধ্বনি। ২. প্রথম দুটি হাত অর্থাৎ ১ ও ২ নম্বর আঙুল অঘোষ বোঝাতে ব্যবহার করতে পারো।
a নীরোগ
b বাকদান
c সন্তাপ
d একটিও নয়
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীরোগ ১. কেন সঠিক: - নীরোগ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে কারণ এর সন্ধিবিচ্ছেদ করলে বিসর্গ চিহ্ন পাওয়া যায়। - এখানে নি বিসর্গের সঙ্গে রোগ যুক্ত হয়ে দীর্ঘ স্বরধ্বনি তৈরির মাধ্যমে বিসর্গ লোপ পেয়েছে এবং পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধি হলো বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন। - বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো বিসর্গের পরে র থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং আগের হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়। - এখানে নি বিসর্গ যোগ রোগ সমান নীরোগ, যা এই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি যোগ রস সমান নীরস ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে র থাকার কারণে বিসর্গ লুপ্ত হয়েছে এবং নি এর ই দীর্ঘ হয়ে দীর্ঘ ইকার হয়েছে। উদাহরণ ২: নি যোগ রব সমান নীরব ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে র থাকায় বিসর্গ উঠে গেছে এবং আগের হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ স্বরে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীরোগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বাকদান — এটি ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ কারণ এখানে বাক যোগ দান মিলে বাকদান হয়েছে। C) সন্তাপ — এটি স্বর বা ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্গত নয়, বরং এটি একটি ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম যেখানে সম যোগ তাপ হয়। D) একটিও নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - নি বিসর্গের পরে র থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে প্রথম স্বরধ্বনি দীর্ঘ করতে হয়। - যেমন নি যোগ রোগ সমান নীরোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধিতে দীর্ঘ স্বর পরিবর্তনের নিয়মটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - নি যোগ রোগ বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a জাতি বিশেষ্য
b নাম বিশেষ্য
c গুণ বিশেষ্য
d একটিও নয়
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটিও নয় ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ডি অর্থাৎ একটিও নয়, কারণ জনতা, পরিবার ও ঝাঁক শব্দগুলো সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বা সমষ্টিবাচক পদের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলে, যা প্রদত্ত অপশনগুলোতে সরাসরি উল্লেখ নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা নাম বিশেষ্য, জাতি বিশেষ্য, বস্তু বা উপাদানবাচক বিশেষ্য, গুণ বিশেষ্য, সমষ্টিবাচক বিশেষ্য ও ভাববাচক বিশেষ্য। জনতা মানে মানুষের সমষ্টি, পরিবার মানে সদস্যের সমষ্টি এবং ঝাঁক মানে পাখি বা প্রাণীর সমষ্টি, তাই এগুলো স্পষ্টতই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভা ব্যাখ্যা: সভা হলো অনেক মানুষের একটি নির্দিষ্ট জমায়েত বা সমষ্টি, তাই এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: মাহফিল ব্যাখ্যা: মাহফিল শব্দটি দ্বারা অনেক শ্রোতা বা ব্যক্তির একত্রিত অবস্থাকে বোঝানো হয়, যা সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের নিয়মকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতি বিশেষ্য — জাতি বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে কোনো সাধারণ জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়, যেমন মানুষ, পাখি বা গরু। B) নাম বিশেষ্য — নাম বিশেষ্য দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান, ভৌগোলিক নাম বা গ্রন্থের নাম বোঝায়, যেমন ঢাকা, নজরুল বা কোরআন। C) গুণ বিশেষ্য — গুণ বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায় যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয় কেবল অনুভূতির বিষয়, যেমন দয়া, সততা বা শৈশব। D) একটিও নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সমষ্টিবাচক বিশেষ্য যা অপশনে নেই, তাই এই অপশনটিই সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: যেকোনো দল, সংঘ, সভা, সমিতি, জনতা, পরিবার, গুচ্ছ বা পাল দেখলে চোখ বন্ধ করে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। নাম, জাতি, বস্তু, গুণ, সমষ্টি ও ভাব এই ছয়টি বিশেষ্যের প্রকারভেদ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য থেকে প্রশ্ন আসে এবং পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে জাতি বা গুণ বিশেষ্যের অপশন দেওয়া হয়। কোনো শব্দ এককভাবে কাউকে না বুঝিয়ে যদি একটি দল বা সমষ্টিকে বোঝায়, তবে সেটি সর্বদা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য হবে।
a স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
b কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ
c পদানুগ ক্রিয়াবিশেষণ
d ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ ১. কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে। - এখানে মিছিলটি কোথায় এগিয়ে যায় তার উত্তর হলো সামনে, যা স্থান বা দিক নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল, ভাব বা উপায় নির্দেশ করে তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। - স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ কোনো কাজের ঘটার ভৌগোলিক অবস্থান বা দিক নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে ওড়ে ক্রিয়াপদকে কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে আকাশে উত্তর আসে, যা স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। উদাহরণ ২: তারা ভেতরে এসে বসলো। ব্যাখ্যা: এখানে বসা ক্রিয়ার স্থান বোঝাতে ভেতরে শব্দটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — সঠিক উত্তর কারণ এটি সামনে শব্দের মাধ্যমে স্থান বা দিক নির্দেশ করছে। B) কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ — ভুল কারণ এটি কোনো সময় বা কাল নির্দেশ করছে না। C) পদানুগ ক্রিয়াবিশেষণ — ভুল কারণ এটি কোনো পদের অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। D) ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — ভুল কারণ এটি কাজের ধরণ বা কৌশল বোঝাচ্ছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদকে কোথায় প্রশ্ন করে যে উত্তর পাবে, সেটাই স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। - দিক বা জায়গার নাম বোঝালেই তা স্থানবাচক হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্রিয়াবিশেষণের প্রকারভেদ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - কোথায়, কখন, কীভাবে - এই তিনটি প্রশ্ন দিয়ে ক্রিয়াবিশেষণ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a - তে
b - য়ে
c - এ
d - কে
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) - তে ১. কেন সঠিক: শব্দের শেষে ই-কার বা উ-কার থাকলে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সপ্তমীর এ বিভক্তি পরিবর্তিত হয়ে -তে রূপ নেয়। এটি মূলত শব্দের উচ্চারণ সহজ করা এবং শ্রুতিমধুর করার জন্য ব্যাকরণে নির্ধারিত একটি বিশেষ রূপভেদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কারক ও বিভক্তি অংশে সপ্তমীর এ বিভক্তির বিভিন্ন রূপের আলোচনা রয়েছে। শব্দের অন্তে ই-কার বা উ-কার কিংবা স্বরবর্ণ থাকলে অনেক সময় সরাসরি এ বিভক্তি যুক্ত না হয়ে -তে রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাড়িতে কেউ নেই। ব্যাখ্যা: বাড়ি শব্দের শেষে ই-কার থাকায় এর সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাড়িতে রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে। (এখানে অধিকরণে তে এর ব্যবহার) কিংবা বায়ুতে অক্সিজেন আছে। ব্যাখ্যা: বায়ু শব্দের শেষে উ-কার থাকার কারণে এর সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে বায়ুতে রূপ নিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) - তে — এটি সঠিক কারণ ই-কার বা উ-কারান্ত শব্দের সাথে সপ্তমীর বিভক্তি হিসেবে যুক্ত হয়। B) - য়ে — এটি সাধারণত স্বরান্ত শব্দের পরে এ বিভক্তির বিকল্প রূপ হিসেবে বসে, নির্দিষ্ট করে ই-কার বা উ-কারান্ত শব্দের জন্য নয়। C) - এ — এটি সরাসরি স্বরান্ত বা ব্যঞ্জনান্ত শব্দের সাথে যুক্ত হয়, কিন্তু ই-কার বা উ-কারান্ত শব্দের শেষে এটি পরিবর্তিত হয়। D) - কে — এটি মূলত দ্বিতীয় ও চতুর্থী বিভক্তির রূপ, যা কর্মকারকে ব্যবহৃত হয়, অধিকরণ কারকের বিভক্তির রূপভেদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ই-কার ও উ-কার দেখলে বিভক্তি হবে তেকার। শব্দের শেষে ই কিংবা উ থাকলে সপ্তমীতে সবসময় -তে ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের সময় শব্দের অন্তবর্ণ বা শেষের বর্ণ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। ই-কারান্ত ও উ-কারান্ত শব্দের সাথে -তে বিভক্তি যুক্ত হলে তা সর্বদা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
a যদি বৃষ্টি হতো, সবাই মিলে খিচুড়ি খেতাম।
b শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল।
c যদি আরো শীত পড়তো, সবাই মিলে বেড়াতে যেতাম।
d আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল। ১. কেন সঠিক: - বাক্যে এইমাত্র শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যা কাজের সদ্য সমাপ্তি নির্দেশ করে এবং এর ফল বর্তমান রয়েছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি ঠিক এইমাত্র শেষ হলেও তার ফলাফল বা প্রভাব বর্তমান সময়ে বিদ্যমান থাকায় এটি পুরাঘটিত বর্তমান কালের উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে ক্রিয়া কিছু সময় আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল বা প্রভাব এখনও বর্তমান রয়েছে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে। - এই কাল গঠনে মূল ক্রিয়ার সাথে এছে, এছি, এছেন, য়া, য়েছি ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয় এবং বাক্যে এইমাত্র, সবেমাত্র ইত্যাদি শব্দ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খেয়েছি। ব্যাখ্যা: খাওয়ার কাজটি সবে শেষ হয়েছে এবং তার তৃপ্তি বা ফল বর্তমানে রয়েছে। উদাহরণ ২: সে এইমাত্র চিঠিটি পড়েছে। ব্যাখ্যা: পড়ার কাজটি এইমাত্র শেষ হয়েছে এবং বিষয়টি এখন তার জানা আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যদি বৃষ্টি হতো, সবাই মিলে খিচুড়ি খেতাম। — এটি সাপেক্ষ অতীত বা নিত্যবৃত্ত অতীতের উদাহরণ যেখানে শর্ত বোঝানো হয়েছে। B) শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল। — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি সদ্য সমাপ্ত কাজের ফল নির্দেশ করে পুরাঘটিত বর্তমান হয়েছে। C) যদি আরো শীত পড়তো, সবাই মিলে বেড়াতে যেতাম। — এটিও শর্তযুক্ত অতীতকাল বা সাপেক্ষ অতীতের উদাহরণ। D) আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম — এটি সাধারণ অতীত কালের উদাহরণ কারণ কাজটি অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে এইমাত্র বা সবেমাত্র শব্দ দেখলে এবং তার কাজ শেষ হওয়ার পর ফল বর্তমান থাকলে তা পুরাঘটিত বর্তমান হবে। - অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময় বা শর্ত বোঝালে তা অন্য কালে চলে যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এইমাত্র, সবে, ইতিমধ্যে ইত্যাদি নির্দেশক শব্দগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - অতীত কাল এবং পুরাঘটিত বর্তমান কালের পার্থক্য বোঝার জন্য কাজের ফল বর্তমানে বিদ্যমান কি না তা দেখতে হবে।
a বিবৃতিবাচক বাক্য
b আবেগবাচক বাক্য
c অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
d প্রশ্নবাচক শব্দ
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যের মাধ্যমে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, উপদেশ বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়, তাকে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে। 'তার মঙ্গল হোক' বাক্যটির মাধ্যমে বক্তা কারো কল্যাণ বা আশীর্বাদ কামনা করেছেন, যা অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য প্রকরণে অর্থের দিক থেকে বাক্যকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য হলো এমন একটি বাক্য যেখানে বক্তার মনের ইচ্ছা, প্রার্থনা, আশীর্বাদ বা আদেশ প্রকাশিত হয়। এই বাক্যে ক্রিয়াপদটি প্রায়শই অনুভাবক বা বিশেষ রূপ ধারণ করে এবং অনেক সময় মধ্যম পুরুষের ক্ষেত্রে কর্তা উহ্য থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে অন্যের প্রতি শুভকামনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা অনুজ্ঞাবাচক বাক্য। উদাহরণ ২: আপনারা একটু বসুন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে শ্রোতাকে বসার অনুরোধ করা হয়েছে, যা অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের নির্দেশক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিবৃতিবাচক বাক্য — যে বাক্যে কোনো সাধারণ তথ্য, বিবরণ বা সত্য প্রকাশ পায় তাকে বিবৃতিবাচক বলে, কিন্তু এখানে আশীর্বাদ বোঝানো হয়েছে। B) আবেগবাচক বাক্য — যে বাক্যে আনন্দ, ঘৃণা, ভয় বা বিস্ময়ের আবেগ প্রকাশ পায় তা আবেগবাচক, কিন্তু এটি আবেগ প্রকাশ করছে না। C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে আশীর্বাদ বা প্রার্থনা প্রকাশ পেয়েছে। D) প্রশ্নবাচক শব্দ — যে শব্দ বা বাক্যের মাধ্যমে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয় তাকে প্রশ্নবাচক বলে, কিন্তু এখানে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: আশীর্বাদ, প্রার্থনা, আদেশ বা অনুরোধ বুঝলেই চোখ বন্ধ করে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য দাগিয়ে দেবে। মনে রাখবে ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশের বাক্যগুলো অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের অধীনেই গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আশীর্বাদ বা প্রার্থনা মূলক বাক্য এলে তা সাধারণত অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের মধ্যে পড়ে। বাক্য পরিবর্তনের সময় অর্থের রূপান্তর না করে বাক্যের গঠন ও প্রকারভেদ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a বিশেষ্য বর্গ
b বিশেষণ বর্গ
c ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ
d ক্রিয়া বর্গ
0 47 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ ১. কেন সঠিক: বাক্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পদ্ধতি, সময় বা কারণ বোঝাতে যে শব্দগুচ্ছ একত্রে ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ বলে। এখানে 'খেয়ে আর ঘুমিয়ে' অংশটি মূল ক্রিয়া 'কাটাচ্ছে' কাজটি কীভাবে সম্পাদিত হচ্ছে তা নির্দেশ করছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বর্গ হলো এমন এক বা একাধিক শব্দ যা বাক্যে একক পদ হিসেবে কাজ করে এবং নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ বাক্যে ক্রিয়াপদের সময়, স্থান, মাধ্যম বা পদ্ধতি প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'হেঁটে হেঁটে ক্লান্ত হয়ে পড়লাম' ব্যাখ্যা: এখানে 'হেঁটে হেঁটে' অংশটি ক্লান্ত হওয়ার মাধ্যম বা পদ্ধতি বোঝাচ্ছে, যা ক্রিয়াবিশেষণ বর্গের উদাহরণ। উদাহরণ ২: 'সে দ্রুত দৌড়ে চলে গেল' ব্যাখ্যা: এখানে 'দ্রুত দৌড়ে' পদগুচ্ছটি যাওয়ার প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি নির্দেশ করায় এটি ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য বর্গ — কারণ এটি কোনো নাম, বস্তু বা বিষয় বোঝায় না বরং ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করছে। B) বিশেষণ বর্গ — কারণ এটি কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে না। D) ক্রিয়া বর্গ — কারণ মূল ক্রিয়াপদ হলো 'কাটাচ্ছে', আর 'খেয়ে আর ঘুমিয়ে' অংশটি মূল ক্রিয়ার কাজ করছে না বরং তাকে বিশেষিত করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের মূল ক্রিয়াকে কীভাবে, কখন বা কেন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি একাধিক শব্দে গঠিত হয়, তবে তা ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ বর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বাক্যে কোন অংশটি মূল পদকে মডিফাই করছে বা বিশেষিত করছে, তা খেয়াল করতে হবে।
a যোজক
b বিশেষ্য
c বিশেষণ
d অনুসর্গ
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যোজক কেন সঠিক: - যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকে। - এই একাধিক সমাপিকা ক্রিয়াকে পরস্পর যুক্ত করতে যোজক অব্যয় ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বাক্য যোজক দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে। - এখানে প্রতিটি খণ্ড বাক্যের নিজস্ব সমাপিকা ক্রিয়া থাকে। - উদাহরণস্বরূপ, সে বাজারে গেল এবং মাছ কিনল বাক্যে গেল ও কিনল দুটি সমাপিকা ক্রিয়া এবং এবং যোজক দ্বারা যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) যোজক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। - B) বিশেষ্য — এটি বাক্যে নামপদ হিসেবে কাজ করে, ক্রিয়াগুলোকে যুক্ত করে না। - C) বিশেষণ — এটি দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, বাক্যের অংশকে যুক্ত করে না। - D) অনুসর্গ — এটি শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে, বাক্য বা ক্রিয়া জোড়ার কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: - যৌগিক মানে যোগ করা, আর বাক্য যোগ করে যোজক।
a করণ কারক
b অপাদান কারক
c অধিকরণ কারক
d সম্বন্ধ কারক
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণ কারক ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের কাল বা সময় এবং আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সাধারণত শব্দের সঙ্গে সপ্তম বিভক্তি যেমন এ, য়, তে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে স্থানে বা যে সময়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে বিভক্তি যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে সপ্তম বিভক্তির প্রয়োগ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে, যা অধিকরণ কারক। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: সকালে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে সময় বোঝাচ্ছে, যা কালাধিকরণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারক — করণ কারকে সাধারণত তৃতীয় বিভক্তি যেমন দ্বারা, দিয়া, কর্তিক যুক্ত হয়। B) অপাদান কারক — অপাদান কারকে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি যেমন হইতে, থেকে, চে যুক্ত হয়। C) অধিকরণ কারক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কারকেই এ এবং য় বিভক্তি যুক্ত হয়। D) সম্বন্ধ কারক — সম্বন্ধ কারক পদ নয়, এটি বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝায় এবং এতে র বা এর বিভক্তি যুক্ত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্থান ও সময় বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং সেখানে সাধারণত এ, য় বা তে বিভক্তি বসে। অধিকরণ কারক চেনার জন্য কোথায় এবং কখন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক নির্ধারণ করতে হবে এবং পরে বিভক্তি দেখতে হবে। বিভক্তি চেনার জন্য কোন কারকে কোন বিভক্তি যুক্ত হয় তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a আমরা কঠোর পরিশ্রম করি
b চিঠিটা পড়া হয়েছে
c ছেলেটি ছবি আঁকে
d কোথা থেকে আসা হলো
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিঠিটা পড়া হয়েছে ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে কর্মপদটি প্রধান হয়ে ওঠে এবং ক্রিয়াপদটি কর্মের পুরুষ অনুযায়ী সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে। এই বাক্যে কর্ম বা উদ্দেশ্যপদ প্রধান এবং ক্রিয়ার সঙ্গে কর্মের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কর্তৃবাচ্যের কর্ম যখন বাচ্যের পরিবর্তনের মাধ্যমে বাক্যের প্রধান বা মূল বিষয়ে পরিণত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে। কর্মবাচ্যের বাক্যে ক্রিয়াপদটি কর্মের লিঙ্গ, বচন ও পুরুষ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয় এবং সাধারণত মূল ক্রিয়ার সঙ্গে আ, ইয়া বা তে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাল ধোয়া হলো ব্যাখ্যা: এখানে কর্মপদ প্রধান এবং ক্রিয়াপদটি কর্মের সঙ্গে মিল রেখে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চোরটি ধরা পড়েছে ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কর্মপদটি কর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে রূপান্তর করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমরা কঠোর পরিশ্রম করি — এটি কর্তৃবাচ্য, কারণ এখানে কর্তা আমরা সরাসরি কাজ করছে এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী। B) চিঠিটা পড়া হয়েছে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে কর্ম প্রধান হয়েছে। C) ছেলেটি ছবি আঁকে — এটি কর্তৃবাচ্য, এখানে ছেলেটি কর্তা হিসেবে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। D) কোথা থেকে আসা হলো — এটি ভাববাচ্য, কারণ এখানে কর্তা বা কর্মের পরিবর্তে ক্রিয়ার ভাব বা কাজটাই প্রধান হয়ে উঠেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: কর্মবাচ্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের কর্মপদটি খুঁজে বের করা এবং দেখা যে কাজটি কার দ্বারা বা কার ওপর সম্পন্ন হচ্ছে। কর্মবাচ্যের ক্রিয়াপদে সাধারণত কর্মের প্রাধান্য থাকে এবং কর্তার সঙ্গে কর্তাকারকের বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাচ্য পরিবর্তনের সময় কর্তায় প্রথমা এবং কর্মে প্রথমা বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্মবাচ্য গঠিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্তৃবাচ্য থেকে কর্মবাচ্য বা ভাববাচ্য নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ক্রিয়ার ভাবের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a অর্থ বদল
b অর্থ প্রসার
c অর্থ সংকোচ
d অর্থের ভাবার্থ
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্থ সংকোচ কেন সঠিক: - ‘মৃগয়া’ শব্দের আদি বা সাধারণ অর্থ ছিল যেকোনো পশু শিকার। - বর্তমান ব্যবহারে এই শব্দটি শুধু হরিণ শিকার বা হরিণ অর্থেই সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের অর্থ পরিবর্তনের ধারায় যখন কোনো ব্যাপক অর্থবাচক শব্দ সঙ্কুচিত হয়ে বিশেষ কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে অর্থ সংকোচন বলে। - এটি বাংলা শব্দার্থ পরিবর্তনের একটি অন্যতম প্রধান ধারা। - যেমন ‘পঙ্কজ’ শব্দের অর্থ পঙ্কে জন্মায় যা যেকোনো কিছু হতে পারে, কিন্তু এটি কেবল পদ্মফুল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অর্থ বদল — শব্দের অর্থ পুরোপুরি বদলে যাওয়ার ঘটনা এখানে ঘটেনি, তাই এটি সঠিক নয়। - B) অর্থ প্রসার — শব্দের অর্থ সীমিত হয়েছে, বিস্তৃত বা প্রসারিত হয়নি, তাই এটি ভুল। - C) অর্থ সংকোচ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) অর্থের ভাবার্থ — এটি শব্দের রূপান্তরের কোনো নির্দিষ্ট অর্থ পরিবর্তনের ধারা নয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - বড় ক্ষেত্র থেকে ছোট বা নির্দিষ্ট কোনো অর্থে চলে আসলে তাকে অর্থ সংকোচন বলে মনে রাখবে।
a খয়ের খাঁ
b চিনে জোঁক
c লেফাফা দুরস্ত
d একটিও নয়
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটিও নয় কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোতে যে বাগধারাগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর কোনোটির অর্থই দৃঢ় সংকল্প বোঝায় না। - বাংলা ভাষায় 'দৃঢ় সংকল্প' বা প্রতিজ্ঞার জন্য সাধারণত 'ইট কাঠ পাথরে বাঁধুনি' বা 'একাট্টি হওয়া' জাতীয় ভাব ব্যবহার করা হয়, যা এখানে নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। - প্রশ্নোক্ত অর্থের সাথে মিল না থাকায় সঠিক উত্তর হিসেবে 'একটিও নয়' নির্বাচন করা হয়েছে। - সঠিক বাগধারার উদাহরণস্বরূপ 'বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো' বা 'দৃঢ় প্রতিজ্ঞা' অর্থে অন্য শব্দ ব্যবহার হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) খয়ের খাঁ — এই বাগধারার অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। - B) চিনে জোঁক — এই বাগধারার অর্থ নাছোড়বান্দা বা যা সহজে পিছু ছাড়ে না। - C) লেফাফা দুরস্ত — এই বাগধারার অর্থ বাইরে ঠাটবাট কিন্তু ভেতরে সারশূন্য। - D) একটিও নয় — এটি সঠিক কারণ আগের তিনটি অপশনের অর্থ নির্দিষ্ট অন্য ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: - প্রতিটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। - বিভ্রান্তিকর অপশন দেখলে আগে প্রতিটি বাগধারার অর্থ আলাদা করে লিখে মিলিয়ে নিতে হবে।
a সম্রাট
b ভূপতি
c বিভাবরী
d নূপ
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিভাবরী ১. কেন সঠিক: - বিভাবরী শব্দটির অর্থ রাত্রি বা রাত, যা কোনোভাবেই বাদশাহ বা রাজাকে বোঝায় না। - প্রশ্নটিতে বাদশাহ শব্দের প্রতিশব্দ নয় কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো বিভাবরী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থের দিক থেকে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা। - বাদশাহ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ সম্রাট, রাজা বা অধিপতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিশাচর ব্যাখ্যা: নিশাচর অর্থ যে রাতে চলাফেরা করে, এখানে নিশা শব্দের অর্থ রাত। উদাহরণ ২: অবনীপতি ব্যাখ্যা: অবনীপতি শব্দের অর্থ পৃথিবীর অধিপতি বা রাজা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট — সম্রাট শব্দটি বাদশাহ শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) ভূপতি — ভূপতি শব্দের অর্থ পৃথিবীর স্বামী বা রাজা, যা বাদশাহ শব্দের সমার্থক। D) নূপ — নূপ শব্দের অর্থ রাজা বা সম্রাট, যা বাদশাহ শব্দের সঙ্গে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাত বোঝাতে বিভাবরী, রজনী, যামিনী শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। - রাজা বোঝাতে সম্রাট, ভূপতি, নূপ শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানা থাকলে খুব সহজেই ভুল অপশন বা আলাদা অর্থবোধক শব্দ চিহ্নিত করা যায়।
a নীচেষ্ট
b নিশ্চেষ্ট
c নিশেষ্ট
d নীশেষ্ট
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিশ্চেষ্ট ১. কেন সঠিক: - সচেষ্ট শব্দের অর্থ কর্মতৎপর বা উদ্যোগী। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো নিশ্চেষ্ট, যার অর্থ নিষ্ক্রিয় বা উদ্যোগহীন। - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব এবং উপসর্গ বা প্রত্যয়ের প্রয়োগ লক্ষ্য করতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় অনেক সময় শব্দের পূর্বে নি উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীতার্থক শব্দ গঠন করা হয়। - সচেষ্ট শব্দটিতে চেষ্ট শব্দের সঙ্গে স উপসর্গ বা স-যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে এবং এর বিপরীত অর্থে নি উপসর্গ যোগে নিশ্চেষ্ট গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সক্রিয় ব্যাখ্যা: সক্রিয় শব্দের বিপরীত শব্দ নিষ্ক্রিয়, যা কর্মতৎপরতার অভাব বোঝায়। উদাহরণ ২: সজীব ব্যাখ্যা: সজীব শব্দের বিপরীত শব্দ নির্জীব, যা প্রাণের অনুপস্থিতি নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীচেষ্ট — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং প্রমিত বাংলায় এর কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যবহার নেই। B) নিশ্চেষ্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) নিশেষ্ট — এই বানানটিতে তালব্য শ ব্যবহৃত হয়েছে, যা সঠিক বানানরীতি অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়। D) নীশেষ্ট — এই বানানটি ভুল এবং এর কোনো অর্থ বাংলা ব্যাকরণে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - স উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ করতে সাধারণত নি উপসর্গ ব্যবহার করা হয়। - বানানের ক্ষেত্রে দন্ত্য স ব্যবহার করতে হবে, তালব্য শ ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় বানান ভুল অপশনগুলো সাবধানে এড়িয়ে চলতে হবে। - উপসর্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে কীভাবে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তা খেয়াল রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a দূত
b নারীদূত
c দ্যুতি
d দূতী
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দূতী ১. কেন সঠিক: - নারী সংবাদ বাহক বা বার্তা বহনকারীকে এককথায় দূতী বলা হয়। - ব্যাকরণগতভাবে পুরুষবাচক শব্দ দূত এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো দূতী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। - দূত শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দূতী শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে দীর্ঘপথ অতিক্রম করে রাজার কাছে গোপন বার্তা পৌঁছে দিল। ব্যাখ্যা: এখানে বার্তা বাহক বা দূত হিসেবে তার ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রাচীন কাব্যে নায়িকা ও নায়কের মিলনের জন্য দূতী নানা ধরনের কৌশল প্রয়োগ করতেন। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক ও পৌরাণিক প্রেক্ষাপটে নারী সংবাদ বাহক অর্থে দূতী শব্দের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূত — এটি পুরুষবাচক শব্দ, যা পুরুষ সংবাদ বাহককে বোঝায় কিন্তু প্রশ্নের নারী শব্দটির সঙ্গে মেলে না। B) নারীদূত — এটি ব্যাকরণসিদ্ধ ও প্রমিত শব্দ নয় কারণ দূত শব্দের নিজস্ব প্রমিত স্ত্রীবাচক রূপ দূতী প্রচলিত আছে। C) দ্যুতি — এর অর্থ প্রভা বা দীপ্তি, যা সংবাদ বাহকের সঙ্গে সম্পর্কহীন সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ। D) দূতী — এটি সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ যা নারী সংবাদ বাহককে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পুরুষ সংবাদ বাহক হলে দূত এবং নারী সংবাদ বাহক হলে শেষে ঈ কার যুক্ত করে দূতী বলতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ এবং লিঙ্গান্তর নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের সঠিক রূপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
a made its way to
b was known by all
c burst through
d surprised
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) made its way to কেন সঠিক: এখানে 'filtered through' फ्रेজটির অর্থ ধীরে ধীরে বা ধাপে ধাপে কোনো স্থানে পৌঁছানো। অপশন এ এর 'made its way to' অর্থও কোনো জায়গায় অবশেষে পৌঁছানো বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি মূল ফ্রেজটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। B) was known by all — এর অর্থ সবাই জানত, যা ফ্রেজটির সঠিক অর্থ নয়। C) burst through — এর অর্থ জোর করে ভেঙে প্রবেশ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) surprised — এর অর্থ অবাক হওয়া, যা প্রসঙ্গের সাথে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: ফিল্টার যেমন তরল পদার্থকে ফোঁ্টায় ফোঁ্টায় পার হতে দেয়, তেমনি 'filter through' অর্থ কোনো তথ্য ধীরে ধীরে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানো।
a Sleepy
b Dismal
c Bright
d Drab
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bright কেন সঠিক: somber শব্দটির অর্থ বিষণ্ণ, অন্ধকার বা গম্ভীর। bright শব্দটির অর্থ উজ্জ্বল, যা somber শব্দের বিপরীতার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sleepy — sleepy শব্দটির অর্থ ঘুমকাতুরে, যা somber শব্দের বিপরীত নয়। B) Dismal — dismal শব্দটির অর্থ gloomy বা বিষণ্ণ, যা somber শব্দের সমার্থক। C) Bright — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Drab — drab শব্দটির অর্থ মলিন বা অনুজ্জ্বল, যা somber শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: somber মানে অন্ধকার আকাশ আর bright মানে উজ্জ্বল রোদ, এভাবেই বিপরীত অর্থ মনে রাখতে হবে।
a Run : Ladder
b Margin : Page
c Hanger : Airplane
d Trunk : Tree
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Margin : Page কেন সঠিক: OUTSKIRTS হলো TOWN এর বাইরের সীমানা বা চারপাশের অংশ। ঠিক তেমনি Margin হলো Page এর লেখার চারপাশের ফাঁকা অংশ বা সীমানা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Run : Ladder — এই জোড়ায় রান এবং লেডার এর মধ্যে সীমানার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ভিন্ন একটি সম্পর্ক প্রকাশ করে। B) Margin : Page — এটি সঠিক জোড়ার সাথে হুবহু মিলে যায় কারণ মার্জিন হলো পৃষ্ঠার সীমানা। C) Hanger : Airplane — হ্যাঙ্গার হলো যেখানে এরোপ্লেন রাখা হয়, এটি কোনো সীমানা বোঝায় না। D) Trunk : Tree — ট্রাংক বা কাণ্ড হলো গাছের মূল অংশ, এটি কোনো পার্শ্ববর্তী সীমানা নয়। মনে রাখার টিপস: মূল বস্তুর বাইরের বা পার্শ্ববর্তী অংশকে কীভাবে প্রকাশ করা হয়েছে তা খেয়াল করতে হবে।
a no article, a
b a, a
c a, the
d a, no article
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) no article, a কেন সঠিক: - প্রথম শূন্যস্থানের পর 'lazy' একটি Adjective এবং এরপরে কোনো Noun নেই, তাই এখানে কোনো Article বসবে না। - দ্বিতীয় শূন্যস্থানের পর 'lazy man' একটি Singular Countable Noun, যা দ্বারা নির্দিষ্ট করে কাউকে না বুঝিয়ে যেকোনো অলস ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, তাই এখানে 'a' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) no article, a — এটি সঠিক উত্তর। B) a, a — প্রথম শূন্যস্থানের পর Noun না থাকায় 'a' বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) a, the — প্রথম শূন্যস্থানে 'a' হবে না এবং দ্বিতীয় শূন্যস্থানে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে বোঝানো হয়নি বিধায় 'the' বসবে না। D) a, no article — প্রথম শূন্যস্থানে 'a' হবে না এবং দ্বিতীয় শূন্যস্থানে Singular Noun হওয়ায় Article ছাড়া রাখা ভুল। মনে রাখার টিপস: Adjective-এর পরে Noun না থাকলে Article বসে না, কিন্তু Singular Noun থাকলে তার পূর্বে সাধারণত a বা an বসে।
a Irish novelist
b British novelist
c American novelist
d French novelist
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Irish novelist কেন সঠিক: জেমস জয়েস ১৮৮২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর জীবদ্দশায় তিনি আইরিশ সাহিত্যকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেছেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ইউলিসিস এবং এ পোর্ট্রেট অব দ্য আর্টিস্ট অ্যাজ আ ইয়াং ম্যান সম্পূর্ণভাবে আয়ারল্যান্ডের সমাজ ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে। তিনি তাঁর লেখার মাধ্যমে আইরিশ জাতীয়তাবাদ এবং ডাবলিন শহরের জীবনযাত্রা গভীরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি জন্মসূত্রে এবং সাহিত্যিক পরিচয়ে একজন আইরিশ লেখক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Irish novelist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং জেমস জয়েসের আসল জাতীয়তা নির্দেশ করে। B) British novelist — জেমস জয়েস যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেননি এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রতি তাঁর সাহিত্যিক আনুগত্য ছিল না। C) আমেরিকান ঔপন্যাসিক — জেমস জয়েস আমেরিকার নাগরিক ছিলেন না এবং তাঁর সাহিত্যকর্মে আমেরিকার সংস্কৃতির প্রভাব নেই। D) ফরাসি ঔপন্যাসিক — জেমস জয়েস ফ্রান্সের নাগরিক ছিলেন না, যদিও তিনি জীবনের একটি বড় অংশ প্যারিসে কাটিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: জেমস জয়েস মানেই আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন শহর এবং বিখ্যাত উপন্যাস ইউলিসিস।
a Fugitive
b Deserter
c Allegiance
d Apostate
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Allegiance কেন সঠিক: বিকল্পগুলোতে থাকা Fugitive, Deserter এবং Apostate শব্দগুলো কোনো না কোনো ব্যক্তি বা দলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে পালিয়ে যাওয়া বা ধর্ম ত্যাগ করার অবস্থাকে বোঝায়। পক্ষান্তরে Allegiance শব্দটি আনুগত্য বা বিশ্বস্ততা প্রকাশ করে, যা অন্য শব্দগুলোর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ বহন করে। তাই অর্থের দিক থেকে এটি আলাদা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fugitive — এই শব্দটির অর্থ পলায়নী বা যে ব্যক্তি আইন বা দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেড়ায়, যা মূল দলের সাথে সম্পর্কচ্ছেদের নির্দেশ করে। B) Deserter — এর অর্থ হলো দলত্যাগী বা পলায়নী সৈনিক, যে তার দায়িত্ব বা কর্তব্য ফেলে পালিয়ে যায়। C) Allegiance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য শব্দের সাথে এর অর্থের মিল নেই। D) Apostate — এই শব্দটির অর্থ ধর্মত্যাগী বা মতত্যাগী, যে নিজের বিশ্বাস বা আদর্শ ত্যাগ করেছে। মনে রাখার টিপস: অন্য তিনটি শব্দে বিশ্বাসঘাতকতা বা পালিয়ে যাওয়ার ভাব আছে, আর Allegiance মানে হলো আনুগত্য।
a Intransitive verb
b Auxiliary verb
c Transitive verb
d Causative verb
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Intransitive verb কেন সঠিক: এখানে laugh শব্দটি কোনো অবজেক্ট বা কর্ম ছাড়াই অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারছে। তাই এটি একটি অকর্মক বা ইন্ট্রানজিটিভ ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Intransitive verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) Auxiliary verb — এটি মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, সাহায্যকারী ভার্ব নয়। C) Transitive verb — এই ভার্বটির কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই, তাই এটি সকর্মক নয়। D) Causative verb — এটি অন্যের দ্বারা কোনো কাজ করানোর অর্থ প্রকাশ করছে না। মনে রাখার টিপস: যে ভার্বের পর প্রশ্ন করলে কি বা কাকে দিয়ে উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই Intransitive verb।
a at
b to
c down
d up
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: গ্লান্স শব্দের সাথে সাধারণত অ্যাট প্রিপজিশন বসে। এর অর্থ হল কারও দিকে দ্রুত একবার তাকানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A at - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যটির শূন্যস্থানে বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B to - গ্লান্স শব্দের পরে সাধারণত টু প্রিপজিশন বসে না তাই এটি ভুল। C down - গ্লান্স ডাউন মানে নিচে তাকানো কিন্তু এখানে সামগ্রিক দেখার অর্থে অ্যাট বসে। D up - গ্লান্স আপ মানে উপরে তাকানো কিন্তু প্রমিত নিয়মে এখানে অ্যাট সঠিক। মনে রাখার টিপস: কারونর দিকে তাকানো বা চোখ বুলানো বোঝাতে সবসময় গ্লান্স এর পরে অ্যাট প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Treacharous
b Treacherous
c Trecherous
d Tercharous
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Treacherous কেন সঠিক: - শব্দটির সঠিক বানান হলো Treacherous যার অর্থ বিশ্বাসঘাতক বা প্রতারক। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি বানান যা ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণ অংশের বানান শুদ্ধিকরণ ধারার অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Treacharous — এখানে শেষের দিকে 'a' অক্ষরটি অতিরিক্ত এবং ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) Treacherous — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত ইংরেজি বানান নিয়ম অনুসারে গঠিত। C) Trecherous — এখানে মাঝের 'a' অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে, যা বানানটিকে ভুল করে তুলেছে। D) Tercharous — এখানে শুরুতেই অক্ষরের ক্রম ভুল এবং বানান গঠন সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে শব্দটিকে ভেঙে পড়তে পারো যেমন teach যার অর্থ শিক্ষা দেওয়া এবং এর সাথে 'er' ও 'ous' যুক্ত করে Treacherous মনে রাখা সহজ হয়।
a Noun
b Adjective
c Adverb
d None of the above
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Noun কেন সঠিক: শব্দটির শেষে হাইফেন থাকলেও এটি মূলত একটি বিশেষ নাম বা বস্তুকে বোঝায়। তাই এটি বাক্যে একটি সম্পূর্ণ নাউন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشنটি ভুল নয়। B) Adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। C) Adverb — এটি কোনো ক্রিয়া বা বিশেষণের সময়, স্থান বা ভাব প্রকাশ করে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। D) None of the above — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো শব্দ হাইফেনযুক্ত হলেও তার অর্থ যদি কোনো নির্দিষ্ট বস্তু বা ধারণার নাম হয়, তবে তা নাউন হবে।
a a prose composition
b a romance
c a novel
d a long poem
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a long poem কেন সঠিক: মহাকাব্য বা এপিক হলো একটি দীর্ঘ আখ্যানমূলক কবিতা। এটি সাধারণত কোনো বীরের সাহসিকতা বা ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে রচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a prose composition — এটি গদ্য রচনা, কিন্তু এপিক সবসময় কবিতা বা পদ্যে লেখা হয়। B) a romance — এটি প্রণয়মূলক গল্প, যা এপিক বা মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য নয়। C) a novel — এটি উপন্যাস, যা গদ্যে লেখা দীর্ঘ কল্পকাহিনি এবং এপিক থেকে আলাদা। D) a long poem — এটি সঠিক অপশন কারণ এপিক সবসময় একটি দীর্ঘ কবিতা। মনে রাখার টিপস: এপিক মানেই বিশাল আকারের কবিতা, যেখানে কোনো বীরের বীরত্বগাথা ছন্দোবদ্ধ ভাষায় বর্ণনা করা হয়।
a Miserly
b Miserily
c Miserbly
d Miser
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Miserbly কেন সঠিক: Miser শব্দটির শেষে সাধারণত ly যুক্ত করে adverb বানানোর চেষ্টা করা হয়। তবে বানান এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে সঠিক রূপটি নির্ধারিত হয়েছে। অপশন সি এখানে সঠিক বানান নির্দেশ করছে। এটি বাক্যে adverb হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Miserly — এটি মূলত একটি adjective, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Miserily — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। C) Miserbly — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) Miser — এটি একটি noun, তাই এটি adverb নয়। মনে রাখার টিপস: noun শব্দের শেষে ly থাকলেই সবসময় সেটি adverb হয় না, অনেক সময় তা adjective হয়।
a What happened to you yesterday?
b Are you agree with me?
c Where you told him the matter?
d If you come, I would have gone.
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What happened to you yesterday? কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে হ্যাপেন ভার্বটির পর টু প্রিপজিশন এবং সঠিক প্রশ্নবোধক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে। ২. অতীত নির্দেশক শব্দ ইয়েস্টারডে থাকায় বাক্যটি সঠিক পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে গঠিত হয়েছে। ৩. এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল একটি সাধারণ ইংরেজি প্রশ্নবাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What happened to you yesterday? — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এই নিয়মের বাইরে। B) Are you agree with me? — এগ্রি একটি ভার্ব হওয়ায় এর পূর্বে আর ব্যবহার করা ভুল, এখানে ডু ইউ এগ্রি হবে। C) Where you told him the matter? — প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির নিয়ম অনুযায়ী সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব ডিড বসেনি। D) If you come, I would have gone. — প্রথম অংশ প্রেজেন্ট টেন্স হলে পরের অংশে উড হ্যাভ না হয়ে উইল হবে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রশ্ন তৈরির সময় সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয় এবং টেন্সের নিয়মগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a Adverb
b Adjective
c Preposition
d Both adverb and adjective
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: এখানে 'then' শব্দটি 'Prime Minister' নাউনের ঠিক পূর্বে বসে উক্ত প্রধানমন্ত্রীকে নির্দেশ করছে। সাধারণত 'then' হলো অ্যাডভার্ব, তবে কোনো নাউনের আগে বসে তার দোষ বা অবস্থা বোঝালে তা অ্যাডজেক্টিভ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — এটি শুধু ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য অ্যাডভার্বকে পরিবর্তন করে, কিন্তু এখানে এটি একটি নাউনকে বিশেষিত করেছে। B) Adjective — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'then' শব্দটি নাউনের পূর্বে বসে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করেছে। C) Preposition — এটি কোনো অবস্থাতেই সম্পর্ক স্থাপনকারী শব্দের কাজ করছে না, তাই এটি প্রিপজিশন নয়। D) Both adverb and adjective — এই বাক্যে শব্দটি কেবল অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করেছে, তাই দুটি একসঙ্গে হওয়া সম্ভব নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ বাক্যে কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা দেখেই তার পার্টস অফ স্পিচ নির্ধারণ করতে হয়।
a He said that the horse died in the night.
b He said that the horse had died in the night.
c He said that the horse was died in the night.
d He said that the horse has died in the night.
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He said that the horse had died in the night. কেন সঠিক: - Direct speech-এর রিপোর্টেড স্পিচটি Simple Past Tense (died) এ থাকলে Indirect speech-এ তা Past Perfect Tense (had died) এ পরিবর্তিত হয়। - He said এর পর conjunction হিসেবে that ব্যবহৃত হয়েছে এবং night অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said that the horse died in the night. — রিপোর্টেড স্পিচ Past Tense-এ থাকায় তা অপরিবর্তিত রাখা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) He said that the horse had died in the night. — এটি সঠিক অপশন কারণ নিয়ম অনুযায়ী Past Tense পরিবর্তিত হয়ে Past Perfect Tense হয়েছে। C) He said that the horse was died in the night. — died একটি intransitive verb হওয়ায় এর প্যাসিভ রূপ was died গঠন করা সম্পূর্ণ ভুল। D) He said that the horse has died in the night. — রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense-এ থাকলে রিপোর্টেড স্পিচ Present Perfect টেন্সে থাকতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ Past Indefinite Tense থাকলে Indirect speech করার সময় তা Past Perfect Tense-এ রূপান্তরিত হয়।
a Rima is taller than her four sisters.
b Rima is taller than all of her four sisters.
c Rima is taller than anyone of her four sisters.
d Rima is taller than either of her four sisters.
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rima is taller than all of her four sisters. কেন সঠিক: চতুর্থ লাইনের বেশি সংখ্যক অর্থাৎ চারের অধিক ব্যক্তির সাথে তুলনার ক্ষেত্রে all ব্যবহার করা সঠিক নিয়ম। অন্যদের সাথে তুলনা বোঝাতে এখানে all শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rima is taller than her four sisters. — চার বোনের সাথে সরাসরি তুলনা করলে অর্থ অস্পষ্ট থেকে যায় কারণ সব বোনের কথা বোঝাতে all প্রয়োজন। B) Rima is taller than all of her four sisters. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) Rima is taller than anyone of her four sisters. — anyone শব্দটি সাধারণত নেতিবাচক বা প্রশ্নবোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাই তুলনার ক্ষেত্রে এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Rima is taller than either of her four sisters. — either শব্দটি কেবল দুটি জিনিসের মধ্যে যেকোনো একটিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা চার বোনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: দুইয়ের অধিক বা সবার সাথে তুলনা করার ক্ষেত্রে all বা any other ব্যবহার করতে হয় এবং either কেবল দুটির জন্য প্রযোজ্য।
a would have help
b will have helped
c would have helped
d will help
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would have helped কেন সঠিক: বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতাশ্রয়ী শর্তের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। অতীতে কোনো শর্ত পূরণ না হওয়ার ফল প্রকাশ করতে এই গঠন ব্যবহৃত হয়। প্রথম অংশে Had + সাবজেক্ট + ভিথ্রি থাকলে পরের অংশে would have + ভিথ্রি বসে। এখানে সাহায্য করার বিষয়টি অতীতের অবাস্তব কল্পনা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would have help — এই অপশনে help শব্দটির পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করা হয়নি। B) will have helped — এটি প্রথম বা সম্ভাব্য ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। C) would have helped — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। D) will help — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে, যা অতীতকালের কালগত মিলের নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Had থাকলে এবং এর পর মূল verb এর ভিথ্রি থাকলে, পরের অংশে চোখ বন্ধ করে would could might এর পর have এবং মূল verb এর ভিথ্রি বসাবে।
a Study of philosophical thoughts.
b Study of languages.
c Study of architecture.
d Study of bones and muscles
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Study of languages. কেন সঠিক: ফিলোলজি শব্দটি মূলত ভাষা বিজ্ঞান ও সাহিত্যের ইতিহাস চর্চাকে বোঝায়। এটি বিভিন্ন ভাষার গঠন, বিকাশ এবং ঐতিহাসিক বিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে। এই বিশেষ শাখায় ভাষার উৎস ও রূপান্তর গভীরভাবে গবেষণা করা হয়। ভাষা নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে ফিলোলজি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন মাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Study of philosophical thoughts — এটি ফিলোসফি বা দর্শনশাস্ত্রের সাথে সম্পর্কিত, যা মানুষের চিন্তা ও অস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করে। B) Study of languages — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Study of architecture — এটি স্থাপত্যবিদ্যা বা ইমারতের নকশা ও নির্মাণ কৌশল নিয়ে আলোচনা করে। D) Study of bones and muscles — এটি অ্যানাটমি বা শরীরবিদ্যা নামে পরিচিত, যা মানবদেহের গঠন নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: ফিলো শব্দের অর্থ ভালোবাসা এবং লজোগ শব্দের অর্থ শব্দ বা ভাষা, তাই ফিলোলজি মানে ভাষার প্রতি ভালোবাসা বা ভাষার অধ্যয়ন।
a All of it depend on you.
b All of it are depending on you.
c All of it depends on it.
d All of it are depended on you.
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) All of it depends on it. কেন সঠিক: বাক্যের Subject হলো All of it, যা মূলত পরিমাপ বা পরিমাণের ক্ষেত্রে একবচন হিসেবে ধরা হয়। তাই এর সাথে মূল Verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয়ে singular verb বসেছে এবং নিয়মের দিক থেকে এটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All of it depend on you. — Subject একবচন হওয়া সত্ত্বেও Verb টি বহুবচন (depend) ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) All of it are depending on you. — এখানে are depending ব্যবহার করা হয়েছে, যা Singular Subject-এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং অর্থগত দিক থেকেও অসম্পূর্ণ। C) All of it depends on it. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে চলে। D) All of it are depended on you. — এখানে are depended ব্যবহার করা হয়েছে যা Passive voice-এর ভুল গঠন এবং Subject-এর সাথেও মিলেনি। মনে রাখার টিপস: All of এর পর Uncountable noun বা Singular pronoun থাকলে Verb সবসময় singular হয়।
a vivacious/diminish
b languid/ amplify
c rampant/flounder
d insipid/dwindle
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) insipid/dwindle কেন সঠিক: এখানে প্রথম শূন্যস্থানে এমন একটি শব্দ বসবে যা একজন বোরিং উপস্থাপককে বোঝায় এবং insipid অর্থ নিরাসক্ত বা পানসে। দ্বিতীয় শূন্যস্থানে এমন শব্দ দরকার যা শ্রোতাদের আগ্রহ কমা বোঝায় এবং dwindle অর্থ ধীরে ধীরে কমে যাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vivacious/diminish — vivacious অর্থ প্রাণবন্ত, যা নেতিবাচক বাক্যের সাথে মেলে না। B) languid/amplify — languid অলস হলেও amplify অর্থ বাড়ানো, যা আগ্রহ কমার সাথে সাংঘর্ষিক। C) rampant/flounder — rampant অর্থ অপ্রতিরোধ্য এবং flounder অর্থ হাবুডুবু খাওয়া, যা অর্থহীন। D) insipid/dwindle — এটি সঠিক কারণ insipid অর্থ পানসে এবং dwindle অর্থ হ্রাস পাওয়া। মনে রাখার টিপস: বক্তৃতায় প্রাণ না থাকলে শ্রোতার আগ্রহ কমে যায়, তাই insipid এর সাথে dwindle মানানসই।
a 34550
b 34650
c 34850
d 34750
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪৬৫০ প্রদত্ত তথ্য: MISSISSIPPI শব্দটিতে মোট ১১টি বর্ণ আছে ধরি, মোট বর্ণ সংখ্যা = ১১ এখানে এস (S) আছে ৪ বার আই (I) আছে ৪ বার পি (P) আছে ২ বার অতএব, মোট বিন্যাস সংখ্যা বের করতে হবে মোট বর্ণ ফ্যাক্টরিয়াল দিয়ে বারবার আসা বর্ণগুলোর ফ্যাক্টরিয়াল দিয়ে ভাগ করতে হবে সুতরাং, মোট সাজানোর সংখ্যা = ১১! ÷ (৪! × ৪! × ২!) উত্তর: ৩৪৬৫০
a n(100 - p)/(100 + q)
b n(p - 100)/(100 + q)
c n(100 - p)/100q
d n(100 - q)/(100 + p)
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) n(100 − p) ÷ (100 + q) প্রদত্ত তথ্য: টাকায় n সংখ্যক কমলা বিক্রি করায় p% ক্ষতি হয় টাকায় q% লাভ করতে হলে কতটি কমলা বিক্রি করতে হবে তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১ টাকায় ক্রয়মূল্য = ১ টাকা p% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ − p) টাকা অতএব, (১০০ − p) টাকায় পাওয়া যায় n সংখ্যক কমলা ১ টাকায় পাওয়া যায় n × ১০০ ÷ (১০০ − p) সংখ্যক কমলা সুতরাং, q% লাভে (১০০ + q) টাকায় বিক্রয় করতে হবে n × ১০০ ÷ (১০০ − p) সংখ্যক কমলা ১ টাকায় বিক্রয় করতে হবে n(১০০ − p) ÷ (১০০ + q) সংখ্যক কমলা উত্তর: n(100 − p) ÷ (100 + q)
a ১০ম
b ৭ম
c ৬ষ্ঠ
d ৮ম
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ম প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১÷৩, ১÷√৩, ১, ... ধরি, প্রথম পদ a = ১÷৩ সাধারণ অনুপাত r = (১÷√৩) ÷ (১÷৩) = √৩ অতএব, n-তম পদ = a × (r এর পাওয়ার (n − ১)) প্রশ্নমতে, (১÷৩) × (√৩ এর পাওয়ার (n − ১)) = ৯ সুতরাং, (√৩ এর পাওয়ার (n − ১)) = ৯ × ৩ = ২৭ (√৩ এর পাওয়ার (n − ১)) = (√৩ এর পাওয়ার ৬) উত্তর: n − ১ = ৬, সুতরাং n = ৭ম
a ৬ মিনিট
b ৫ মিনিট
c ৮ মিনিট
d ৭ মিনিট
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: সি এর পথ যেতে সময় লাগে বি এর চেয়ে তিন গুণ বি এর গতিবেগ এ এর গতিবেগের অর্ধেক ধরি, সি এর সময় লাগে বি এর ৩ গুণ বি এর সময় লাগে এ এর ২ গুণ অতএব, সি এর সময় লাগে = ৪২ মিনিট বি এর সময় লাগলো = ৪২ ÷ ৩ = ১৪ মিনিট সুতরাং, এ এর সময় লাগবে = ১৪ ÷ ২ = ৭ মিনিট উত্তর: ৭ মিনিট
a 30
b 25
c 35
d 40
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: কোম্পানির মোট চাকুরিজীবী = ৩,৬০০ জন প্রাথমিক কম্পিউটার অপারেটর = ৩,৬০০ জনের ১/৩ অংশ ধরি, মোট চাকুরিজীবী = ১০০ জন প্রাথমিক কম্পিউটার অপারেটর = ১০০ জনের ১/৩ অংশ = ৩৩.৩৩ জন অতএব, হ্রাসকৃত কম্পিউটার অপারেটরের পরিমাণ = ৩৩.৩৩ জনের ১/৩ অংশ = ১১.১১ জন অবশিষ্ট কম্পিউটার অপারেটর = ৩৩.৩৩ জন − ১১.১১ জন = ২২.২২ জন চাকুরিজীবী হ্রাসের পর নতুন মোট লোকসংখ্যা = ১০০ জন − ১১.১১ জন = ৮৮.৮৯ জন সুতরাং, অবশিষ্ট চাকুরিজীবীদের মধ্যে কম্পিউটার অপারেটরের শতকরা হার = (২২.২২ ÷ ৮৮.৮৯) × ১০০% উত্তর: ২৫%
a ৫ ৩৮.০৩ বর্গ সে.মি
b ৫৩০.০১ বর্গ সে.মি
c ৫৩৪.০৭ বর্গ সে.মি
d ৫২৫ বর্গ সে.মি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৩৪.০৭ বর্গ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ১২ সে.মি আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ৫ সে.মি ধরি, বৃহত্তর বাহুকে অক্ষ ধরে ঘোরালে যে লম্ববৃত্তাকার সিলিন্ডার বা বেলন উৎপন্ন হয় তার ব্যাসার্ধ (r) = আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ৫ সে.মি অতএব, সিলিন্ডারের উচ্চতা (h) = আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ১২ সে.মি সিলিন্ডারের বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ২ π r h = ২ × ৩.১৪১৬ × ৫ × ১২ বর্গ সে.মি = ৩৭৬.৯৯ বর্গ সে.মি সুতরাং, সিলিন্ডারের দুটি বৃত্তাকার তলের ক্ষেত্রফল = ২ × π × র^২ = ২ × ৩.১৪১৬ × ৫ × ৫ বর্গ সে.মি = ১৫৭.০৮ বর্গ সে.মি উত্তর: মোট পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = ৩৭৬.৯৯ + ১৫৭.০৮ = ৫৩৪.০৭ বর্গ সে.মি
a ২৪ বর্গ মি.
b 24*sqrt(3) বর্গ মি.
c 27*sqrt(3) বর্গ মি.
d 21*sqrt(2) বর্গ মি.
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪×√৩ বর্গ মি. প্রদত্ত তথ্য: সুষম ষড়ভুজের কেন্দ্র থেকে কৌণিক দূরত্ব বা ব্যাসার্ধ = ৪ মিটার ধরি, সুষম ষড়ভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার কেন্দ্র থেকে কৌণিক দূরত্ব বা পরিধি পর্যন্ত দূরত্ব = ষড়ভুজের পরিধি পর্যন্ত ব্যাসার্ধ = ৪ মিটার অতএব, সুষম ষড়ভুজে কেন্দ্র থেকে কৌণিক দূরত্ব ষড়ভুজের পরিধি পর্যন্ত ব্যাসার্ধের সমান হওয়ায়, বাহুর দৈর্ঘ্য হবে ৪ মিটার ষড়ভুজটি সমান ছয়টি সমবাহু ত্রিভুজে বিভক্ত হয় সুতরাং, একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১৬ = ৪√৩ বর্গ মিটার উত্তর: ২৪×√৩ বর্গ মি.
a ১৬০ সে.মি
b ১৪০ সে.মি
c ১২০ সে.মি
d ১৪৪ সে.মি
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬০ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ৬০ সে.মি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১২০০ বর্গসে.মি ধরি, সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সে.মি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সূত্র = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা অতএব, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬০ × উচ্চতা = ১২০০ উচ্চতা × ৩০ = ১২০০ উচ্চতা = ১২০০ ÷ ৩০ = ৪০ সে.মি সুতরাং, সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ বা সমান বাহু (ক) = √(ভূমির অর্ধেক স্কয়ার + উচ্চতা স্কয়ার) ক = √(৩০ স্কয়ার + ৪০ স্কয়ার) = √(৯০০ + ১৬০০) = √২৫০০ = ৫০ সে.মি উত্তর: পরিসীমা = ৬০ + ৫০ + ৫০ = ১৬০ সে.মি
a 1/(2^(n - 6))
b 1/(2^(n - 7))
c 1/(2^(n - 8))
d 1/(2^(n - 9))
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1/(2^(n - 9)) প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ২৫৬ + ১২৮ + ৬৪ + ... একটি গুণোত্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ a = ২৫৬ সাধারণ অনুপাত r = ১২৮ ÷ ২৫৬ = ১ ÷ ২ অতএব, সাধারণ পদের সূত্র হলো a × r^(n − 1) মান বসিয়ে পাই, ২৫৬ × (১ ÷ ২)^(n − 1) সুতরাং, ২৫৬ মানে ২ এর পাওয়ার ৮ এবং ১ ÷ ২ মানে ২ এর পাওয়ার −১ উত্তর: ১ ÷ (২ এর পাওয়ার n − ৯)
a 12 মিটার
b 13 মিটার
c 15 মিটার
d 14 মিটার
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ মিটার প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির গোড়া থেকে উচ্চতা = ৭ মিটার বাঁশ ও মাটির মধ্যবর্তী কোণ বা অবনতি কোণ = ৩০° ধরি, বাঁশের দৈর্ঘ্য = ল (অতিভুজ) খুঁটির উচ্চতা = লম্ব = ৭ মিটার অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী, সাইন ৩০° = লম্ব ভাগ অতিভুজ মান বসিয়ে পাই, ১ ভাগ ২ = ৭ ভাগ ল কোণাকোণি গুণ করে পাই, ল = ৭ × ২ সুতরাং, বাঁশের দৈর্ঘ্য হিসাব করে পাই, ল = ১৪ মিটার উত্তর: ১৪ মিটার
a বর্গক্ষেত্র
b আয়তক্ষেত্র
c রম্বস
d ট্রাপিজিয়াম
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরে একটি সামান্তরিক আঁকা হয়েছে ধরি, বৃত্তের অন্তর্লিখিত সামান্তরিকটি হলো এ বি সি ডি অতএব, সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলোর সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি হয় সুতরাং, বৃত্তের ভেতরের সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ হয় উত্তর: আয়তক্ষেত্র
a 19/2
b 17/sqrt(3)
c 19/sqrt(2)
d 17/sqrt(2)
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯/২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = লগ (ভিত্তিক রুট ৩) ৮১ দ্বিতীয় রাশি = লগ (ভিত্তিক ৫) (৫ × রুট ৫) ধরি, প্রথম অংশ = লগ (ভিত্তিক রুট ৩) ৮১ = x দ্বিতীয় অংশ = লগ (ভিত্তিক ৫) (৫ × রুট ৫) = y অতএব, (রুট ৩) এর পাওয়ার x = ৮১ ৫ এর পাওয়ার y = ৫ × (৫ এর পাওয়ার ১/২) প্রথম হিসাব: (৩ এর পাওয়ার ১/২) এর পাওয়ার x = ৩ এর পাওয়ার ৪ (৩ এর পাওয়ার x/২) = ৩ এর পাওয়ার ৪ দ্বিতীয় হিসাব: x/২ = ৪ x = ৮ তৃতীয় হিসাব: ৫ এর পাওয়ার y = ৫ এর পাওয়ার (১ + ১/২) y = ৩/২ সুতরাং, প্রথম অংশ + দ্বিতীয় অংশ = ৮ + (৩/২) উত্তর: ১৯/২
a sqrt(2)
b sqrt(3)
c 2
d 1
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = √৩ যেখানে x এর মান শূন্য নয় ধরি, সমীকরণটির উভয়পক্ষকে x দ্বারা গুণ করে পাই x এর স্কয়ার − ১ = x√৩ বা, x এর স্কয়ার − x√৩ = ১ অতএব, আমাদের নির্ণয় করতে হবে x এর স্কয়ার − x√৩ এর মান আমরা আগেই পেয়েছি x এর স্কয়ার − x√৩ সমান ১ সুতরাং, নির্ণেয় মানটি সরাসরি সমীকরণ থেকে পাওয়া যায় এর মান হলো ১ উত্তর: ১
a 4p
b 5p
c 6p
d 3p
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬p প্রদত্ত তথ্য: p + ২^(১÷৩) + ২^(২÷৩) = ০ ধরি, p + ২^(১÷৩) + ২^(২÷৩) = ০ p = − ২^(১÷৩) − ২^(২÷৩) অতএব, উভয় পক্ষে ঘন করে পাই, p^৩ = (− ২^(১÷৩) − ২^(২÷৩))^৩ সুতরাং, সূত্র প্রয়োগ করে পাই, p^৩ = − ২ − ৪ − ৩ × ২^(১÷৩) × ২^(২÷৩) × (− p) উত্তর: p^৩ = − ৬ + ৬p অতএব p^৩ + ৬ = ৬p
a 37/88
b 27/88
c 46154
d 46215
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৭/৮৮ প্রদত্ত তথ্য: লাল বল = ৩টি, সবুজ বল = ৪টি এবং নীল বল = ৫টি মোট বলের সংখ্যা = ৩ + ৪ + ৫ = ১২টি ধরি, মোট ৩টি বল তোলার মোট উপায়ের সংখ্যা = ১২৩ থেকে ৩টি তোলার উপায় কোনো নীল বল না পাওয়ার উপায়ের সংখ্যা = ৯টি থেকে ৩টি তোলার উপায় অতএব, মোট উপায় = ২২০ কোনো নীল বল না পাওয়ার উপায় = ৮৪ সুতরাং, অন্তত ১টি নীল বল পাওয়ার সম্ভাবনা = ১ − (৮৪ ÷ ২২০) উত্তর: ৩৭/৮৮
a 6টি
b 4টি
c 4টি
d 12টি
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২টি প্রদত্ত তথ্য: অংকগুলি হলো ৫, ৮, ১, ৪ মোট অংকের সংখ্যা চারটি ধরি, সংখ্যাগুলো চার অঙ্কের হতে হবে ৫,০০০ এর চেয়ে বড় হতে হবে অতএব, হাজার ঘরের স্থানে ৫ অথবা ৮ বসতে পারে হাজার ঘরে ৫ বসালে বাকি ৩টি ঘরে ৩, ২, ১ এভাবে বিন্যাস হয় ৩ গুণ ২ গুণ ১ সমান ৬টি সুতরাং, হাজার ঘরে ৮ বসালে বাকি ৩টি ঘরে ৩, ২, ১ এভাবে বিন্যাস হয় ৩ গুণ ২ গুণ ১ সমান ৬টি উত্তর: ৬ + ৬ সমান ১২টি
a 18 বর্গ সে. মি.
b 24 বর্গ সে. মি.
c 36 বর্গ সে. মি.
d 42 বর্গ সে. মি.
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ বর্গ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজটির অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১২ সে. মি. ধরি, ত্রিভুজটির সমান দুটি বাহুর প্রতিটির দৈর্ঘ্য = ক সে. মি. অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী ক এর বর্গ + ক এর বর্গ = ১২ এর বর্গ বা, ২ × (ক এর বর্গ) = ১৪৪ বা, ক এর বর্গ = ১৪৪ ÷ ২ = ৭২ সুতরাং, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = ১ ÷ ২ × ভূমি × উচ্চতা ক্ষেত্রফল = ১ ÷ ২ × ক × ক = ১ ÷ ২ × (ক এর বর্গ) ক্ষেত্রফল = ১ ÷ ২ × ৭২ = ৩৬ উত্তর: ৩৬ বর্গ সে. মি.
a ১২ সে. মি.
b ২৪ সে. মি.
c ১৬ সে. মি.
d ২০ সে. মি.
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে. মি. কেন্দ্র থেকে জ্যা এর দূরত্ব = ৫ সে. মি. ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে অর্ধেকের দৈর্ঘ্য হলো সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি অতিভুজ হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১৩ সে. মি. অতএব, লম্ব হলো কেন্দ্র থেকে দূরত্ব ৫ সে. মি. পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী ভূমির বর্গ = ১৩ এর বর্গ − ৫ এর বর্গ ভূমির বর্গ = ১৬৯ − ২৫ = ১৪৪ সুতরাং, ভূমি = √১৪৪ = ১২ সে. মি. পুরো জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ১২ × ২ = ২৪ সে. মি. উত্তর: ২৪ সে. মি.
a 1
b -1
c 2
d 0
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = x^৩ + kx^২ − ৬x − ৯ শর্ত হলো f(৩) = ০ ধরি, x এর মান = ৩ f(৩) এর মান শূন্য অতএব, f(৩) = (৩)^৩ + k(৩)^২ − ৬(৩) − ৯ f(৩) = ২৭ + ৯k − ১৮ − ৯ সুতরাং, ২৭ + ৯k − ১৮ − ৯ = ০ ৯k = ০ উত্তর: k = ০
a 1
b 2
c 3
d 8
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100 জন। শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (94 - 75) জন = 19 জন। শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80 - 75) জন = 5 জন। উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 75 জন। অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (বাংলা, গণিত বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (19 + 5 + 75) জন = 99 জন। সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100 - 99) জন = 1 জন। উত্তর: 1 জন
a একুশ ই-বুক
b বায়ান্ন ই-বুক
c একাত্তর ই-বুক
d চব্বিশ ই-বুক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একুশ ই-বুক ১. কেন সঠিক: - একুশ ই-বুক হলো বাংলাদেশের প্রথম প্রকাশিত ইলেকট্রনিক বই বা ই-বুক। - এটি মূলত ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও চেতনাকে ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - বাঙালির ভাষা আন্দোলনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে ডিজিটাল ফরম্যাটে পৌঁছানোর জন্য এটি তৈরি করা হয়। - তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসকে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি অগ্রণী পদক্ষেপ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম আলো ডটকম ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যে ডিজিটাল যুগে প্রথম অনলাইন সংস্করণ প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় উদাহরণ। উদাহরণ ২: আমার বই ডটকম ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি পুরনো ডিজিটাল পাঠাগার যা বইপ্রেমীদের জন্য ই-বুক পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একুশ ই-বুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হিসেবে এটি প্রকাশিত হয়েছিল। B) বায়ান্ন ই-বুক — এটি ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে প্রকাশিত হলেও প্রথম ই-বুক নয়। C) একাত্তর ই-বুক — এটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে তৈরি একটি ডিজিটাল প্রকাশনা, যা প্রথম ই-বুক নয়। D) চব্বিশ ই-বুক — এটি সাম্প্রতিক কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে তৈরি হতে পারে, যা প্রথম ই-বুকের সঙ্গে সম্পর্কহীন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের একুশে ফেব্রুয়ারি তারিখটি মনে রাখলেই বাংলাদেশের প্রথম ই-বুকের নাম 'একুশ ই-বুক' সহজে মনে রাখা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির প্রথম অর্জন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় এ ধরনের প্রথম উদ্যোগগুলোর নাম ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a আনোয়ার হোসেন
b বদরুদ্দীন উমর
c যতীন সরকার
d সিরাজুল ইসলাম
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বদরুদ্দীন উমর ১. কেন সঠিক: - বদরুদ্দীন উমর বাংলাদেশের প্রখ্যাত মার্ক্সবাদী চিন্তাবিদ, গবেষক ও লেখক যিনি তার জীবনভর আদর্শিক অবস্থানে অটল থেকে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন। - তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ২০২৫ সালে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বদরুদ্দীন উমর বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনৈতিক ধারার তাত্ত্বিক নেতা এবং সংস্কৃতি সংকটের বিশ্লেષক হিসেবে সমাদৃত। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: তিনি ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ব্যাখ্যা: তিনি ক্ষমতার মোহে না জড়িয়ে আজীবন সাধারণ মানুষের অধিকারের পক্ষে থেকে নানা সময়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও খেতাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। উদাহরণ ২: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যাখ্যা: নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এই ব্যক্তিত্ব বিভিন্ন সময়ে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে নানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন যা সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব মনে করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনোয়ার হোসেন — এই নামে বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা রয়েছেন যিনি স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেও প্রশ্নোক্ত পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করেননি। B) বদরুদ্দীন উমর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭২ সালের বাংলা একাডেমি ও ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন। C) যতীন সরকার — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত মার্ক্সবাদী প্রাবন্ধিক ও গবেষক যিনি ২০০৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছিলেন কিন্তু প্রত্যাখ্যান করেননি। D) সিরাজুল ইসলাম — এই নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রখ্যাত অধ্যাপক ও গুণী গবেষক রয়েছেন যিনি এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের তালিকায় নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - উমর অর্থ বয়স বা জীবন; বদরুদ্দীন উমর তার দীর্ঘ জীবনে আদর্শের সাথে আপস না করে পুরস্কার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিখ্যাত। - সাল দুটি মনে রাখুন, ১৯৭২ সালের বাংলা একাডেমি এবং ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার উভয়ই প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি পুরস্কার, পদক ও জাতীয় অর্জন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের ইতিহাস থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কোন কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় পদক প্রত্যাখ্যান করেছেন, তা বিসিএস পরীক্ষার লিখিত ও এমসিকিউ উভয় ধাপের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ২০ আগস্ট ২০২৪
b ২৯ আগস্ট ২০২৪
c ৩০ আগস্ট ২০২৪
d ৩১ আগস্ট ২০২৪
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৯ আগস্ট ২০২৪ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে বা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর দ্য প্রোটেকশন অব অল পারসনস ফ্রম এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স অনুস্বাক্ষর করে। - এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্ব দেন, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড রক্ষায় দেশের নতুন অঙ্গীকার প্রকাশ করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলী: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মানবাধিকার সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। - তারিখ ও স্থান: ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সনদে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে বলপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ প্রশস্ত হয় এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জোরালো হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ এর আগেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং এই সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে সেই ধারা আরও সুদৃঢ় হলো। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ব্যাখ্যা: প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়, যার ঠিক এক দিন আগে এই সনদে স্বাক্ষর করার ঘটনা অত্যন্ত প্রতীকী ও তাৎপর্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ আগস্ট ২০২৪ — এটি এই সনদে স্বাক্ষরের তারিখ নয়, বরং এটি একটি সাধারণ কার্যদিবস ছিল। B) ২৯ আগস্ট ২০২৪ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করে। C) ৩০ আগস্ট ২০২৪ — এটি আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালনের তারিখ, স্বাক্ষরের তারিখ নয়। D) ৩১ আগস্ট ২০২৪ — এটি আগস্ট মাসের শেষ দিন এবং এই তারিখে সনদ স্বাক্ষরের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘটনা ঘটেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ৩০ আগস্ট এবং ঠিক তার আগের দিন অর্থাৎ ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ এই সনদে স্বাক্ষর করে। - সাল হিসেবে ২০২৪ সাল মনে রাখতে হবে, যা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও সংস্কারের বছর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে সনদের পূর্ণরূপ বা জাতিসংঘের এই সনদের অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত প্রশ্নও ভবিষ্যতে আসতে পারে।
a যশোর
b চাপাইনবাবগঞ্জ
c ঢাকা
d খুলনা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাপাইনবাবগঞ্জ ১. কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের মরদেহ ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্নে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়। - মহান মুক্তিযুদ্ধে ৭নং সেক্টরের অধীন সাব-সেক্টরের কমাণ্ডার হিসেবে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত করার চূড়ান্ত লড়াইয়ে সম্মুখসমরে শহীদ হন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শত্রুমুক্ত হওয়ার প্রাক্কালে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর পাকিস্তান বাহিনীর বাঙ্কার আক্রমণ করতে গিয়ে শত্রুর গুলিতে শাহাদাতবরণ করেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন দুঃসাহসী কর্মকর্তা ছিলেন এবং তার বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: তার এই আত্মত্যাগের পরই চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকা পাক হানাদার মুক্ত হয় এবং বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে তার এই অবদান বাঙালি জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের সমাধিস্থল। ব্যাখ্যা: তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খাসপুর গ্রামে সমাহিত ছিলেন এবং পরবর্তীতে তার দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনরায় সমাহিত করা হয়। উদাহরণ ২: বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিস্থল। ব্যাখ্যা: তিনি যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে (বর্তমান নূর মোহাম্মদ নগর) যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন এবং সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের শহীদ হওয়ার ও সমাহিত হওয়ার স্থান, মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের নয়। B) চাপাইনবাবগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এখানেই শহীদ হন এবং সোনা মসজিদের কাছে তাকে সমাহিত করা হয়। C) ঢাকা — এটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বা অন্য কোনো বীরশ্রেষ্ঠের প্রাথমিক বা মূল সমাধিস্থল নয়, যদিও মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বেশ কয়েকজন বীরশ্রেষ্ঠ চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। D) খুলনা — এটি ৭নং বা অন্য কোনো সেক্টরের বীরশ্রেষ্ঠের সমাধিস্থলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, এটি মূলত সুন্দরবন ও দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রশাসনিক জেলা। ৫. মনে রাখার টিপস: জাহাঙ্গীর সোনা মসজিদের সোনা। অর্থাৎ বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরকে সমাহিত করা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুক্তিযুদ্ধের ৭নং সেক্টরের শহীদ একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ হলেন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে তিনি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন বা তার পদবি কী ছিল।
a ওয়াশিংটন
b সিয়াটল
c ক্যালিফোর্নিয়া
d নিউইয়র্ক
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যালিফোর্নিয়া ১. কেন সঠিক: - ফেসবুকের প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক শহরে অবস্থিত। - প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এর মূল কার্যালয় ক্যালিফোর্নিয়াতেই স্থাপন করা হয় এবং বর্তমানে এর মূল কোম্পানির নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - প্রযুক্তি ও যোগাযোগ: বর্তমান যুগে বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ফেসবুকের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং, উদ্যোক্তা কার্যক্রম এবং ডিজিটাল ব্যবসা পরিচালনা করছে। - ডিজিটাল বাংলাদেশ: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে ফেসবুকের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নীতি ও কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ডাক বিভাগ পরিচালিত ডিজিটাল লেনদেন সেবা নগদ। ব্যাখ্যা: এটি যেমন দেশীয় প্রযুক্তির সফল উদাহরণ, তেমনি ফেসবুকের মাধ্যমে তরুণরা বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তির সাথে যুক্ত হচ্ছে। উদাহরণ ২: আইসিটি ডিভিশন আয়োজিত বেসিস সফটএক্সপো। ব্যাখ্যা: এটি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান ও স্টার্টআপ সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করে, যা ফেসবুকের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টদের কার্যক্রম বোঝার জন্য সহায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং রাজনৈতিক প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও ফেসবুকের সদর দপ্তর এখানে নয়। B) সিয়াটল — এটি ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি শহর যেখানে মাইক্রোসফট ও অ্যামাজনের বড় কার্যক্রম রয়েছে, তবে ফেসবুকের সদর দপ্তর নয়। C) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেসবুকের মূল সদর দপ্তর এই অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্কে অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও ফেসবুকের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সিলিকন ভ্যালি অবস্থিত, যেখানে ফেসবুক, গুগল ও আপেলের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তরগুলো গড়ে উঠেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, সদর দপ্তর ও বর্তমান নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ফেসবুকের মূল কোম্পানির নাম মেটা এবং এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ।
a সোনালী ব্যাংক
b ডাচ-বাংলা ব্যাংক
c ইস্টার্ন ব্যাংক
d ব্র্যাক ব্যাংক
0 45 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক ১. কেন সঠিক: ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে। ২০১১ সালের ৩১ মার্চ এই ব্যাংকটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আনে যা পরবর্তীতে দেশের অর্থনৈতিক ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে। পরবর্তীতে এর নাম পরিবর্তন করে রকেট রাখা হয় যা গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের মানুষের আর্থিক লেনদেন সহজ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিকাশ ব্যাখ্যা: এটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান যা বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস। উদাহরণ ২: নগদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একটি মোবাইল আর্থিক সেবা যা কম খরচে লেনদেন পরিচালনার জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনালী ব্যাংক — এটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক হলেও তারা প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেনি। B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারা প্রথম বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে। C) ইস্টার্ন ব্যাংক — এটি একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক যারা করপোরেট ও খুচরা ব্যাংকিংয়ে অগ্রণী হলেও প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু করেনি। D) ব্র্যাক ব্যাংক — এই ব্যাংকটি বিকাশ সেবা চালু করেছে যা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বিখ্যাত হলেও প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবার প্রবক্তা ডাচ-বাংলা ব্যাংক। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং এনেছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক। সালটি ছিল ২০১১ এবং সেবাটির বর্তমান নাম রকেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কোনটি তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে কোন ব্যাংক প্রথম এমএফএস সেবা চালু করে বা রকেট কোন ব্যাংকের সেবা।
a ২ জন
b ১ জন
c ৪ জন
d ৩ জন
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ জন ১. কেন সঠিক: - সাম্প্রতিক তথ্যের ধরন অনুযায়ী নোবেল পুরস্কার বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ অর্জন। - ২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের তালিকা বিশ্লেષণ করে দেখা যায় যে, এই বছর মোট দুই জন নারী বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সম্মাননা লাভ করেছেন। ২. পুরস্কার ও আন্তর্জাতিক অর্জন: - সাম্প্রতিক ঘটনাবলি: আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন গবেষণা, সাহিত্য বা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতি বছর অক্টোবর মাসে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: নারী গবেষক বা শান্তিকর্মীদের এই অর্জন বৈশ্বিক অঙ্গনে নারীর ক্ষমতায়ন ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যাখ্যা: ২০০৬ সালে বাংলাদেশের নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক গৌরব। উদাহরণ ২: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ব্যাখ্যা: যদিও তিনি নোবেল পাননি, তবে নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে তাঁর আদর্শ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারীর অর্জন সম্পর্কিত প্রশ্নের জন্য অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ীদের মধ্যে নারী ছিলেন ঠিক দুই জন। B) ১ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ২০২৫ সালে একাধিক নারী এই পুরস্কার লাভ করেছেন। C) ৪ জন — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত এবং সাম্প্রতিক নোবেল পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক তালিকার সঙ্গে মেলে না। D) ৩ জন — এই তথ্যটি ভুল কারণ ২০২৫ সালে নোবেল বিজয়ী নারীর প্রকৃত সংখ্যা তিন জন ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্রে বিজয়ী নারীদের সংখ্যা মনে রাখার জন্য জোড় সংখ্যা অর্থাৎ দুই জন মনে রাখুন। - আন্তর্জাতিক পুরস্কার সংক্রান্ত সাম্প্রতিক প্রশ্নগুলো সমাধানের জন্য প্রতি বছর অক্টোবর মাসের নোবেল ঘোষণার আপডেট নোট করে রাখুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক নোবেল বিজয়ীদের নাম, ক্ষেত্র এবং দেশ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - নোবেল পুরস্কার কোন কোন ক্ষেত্রে প্রদান করা হয় এবং বাংলাদেশের একমাত্র নোবেলজয়ী কে, তা ভালোভাবে জেনে যাওয়া উচিত।
a 27
b 26
c 24
d 28
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬তম ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান এবং বিচার বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান। - বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রদান করেন এবং বিচার বিভাগের ধারাবাহিকতায় এই পদটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। ২. সংবিধান ও প্রশাসন: - সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী বাংলাদেশের একটি সুপ্রিম কোর্ট থাকবে যা আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়া গঠিত হইবে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: প্রধান বিচারপতির পদটি রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ যা দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন রক্ষায় সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি ছিলেন এবং তার মেয়াদকালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী রায় নিয়ে ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। উদাহরণ ২: ওবায়দুল হাসান ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭ — এই সংখ্যাটি বর্তমান প্রধান বিচারপতির ক্রমিক নম্বরের সঙ্গে মিলছে না কারণ এটি পরবর্তী বা ভুল হিসাব নির্দেশ করে। B) ২৬ — এটি সঠিক উত্তর এবং তৎকালীন নিয়োগের হিসাব অনুযায়ী এটি সঠিক ক্রমিক সংখ্যা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। C) ২৪ — এটি একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির ক্রমিক নম্বর নির্দেশ করে যিনি এই পদাভিষিক্ত হয়েছিলেন। D) ২৮ — এই সংখ্যাটি ভবিষ্যতের কোনো সম্ভাব্য ক্রমিক নম্বর নির্দেশ করে যা বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন মনে রাখার জন্য বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রতিক নিয়োগের সরকারি প্রজ্ঞাপন ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - সাংবিধানিক পদগুলোর ক্রমিক নম্বর মনে রাখতে হলে নিয়োগের তারিখ অনুযায়ী ক্রমানুসারে একটি ছোট তালিকা তৈরি করে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিচার বিভাগ ও সাংবিধানিক পদগুলোর বর্তমান প্রধানের নাম ও ক্রমিক নম্বর প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে প্রধান বিচারপতির মেয়াদকাল, নিয়োগকর্তা বা অবসারণ প্রক্রিয়া সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষাদাতা করতে পারেন।
a ৭ টি
b ৯ টি
c ১০ টি
d ১৩ টি
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে মোট তফসিলভুক্ত বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা ৯ টি। - দেশের ব্যাংকিং খাতের কাঠামোর মধ্যে বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনায় পরিচালিত হয়। ২. ব্যাংকিং ও অর্থনীতি: - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং দেশের সব তফসিলভুক্ত ব্যাংকের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বিদেশি ব্যাংকগুলো সাধারণত বহুজাতিক বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশে শাখা পরিচালনা করে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী অন্যতম প্রধান ও পুরোনো একটি বিদেশি তফসিলভুক্ত ব্যাংক। উদাহরণ ২: এইচএসবিসি ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশে বহুজাতিক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একটি বিদেশি ব্যাংক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান হালনাগাদ বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ৯ টি — এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী সঠিক সংখ্যা। C) ১০ টি — অতীতে ব্যাংকের সংখ্যা ভিন্ন থাকলেও বর্তমানে তফসিলভুক্ত বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা ১০ টি নয়। D) ১৩ টি — এই সংখ্যাটি ভুল এবং বর্তমান ব্যাংকিং পরিসংখ্যানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যা ৯ মনে রাখুন। - দেশীয় বেসরকারি ব্যাংকের সংখ্যার সঙ্গে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা গুলিয়ে ফেলবেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংজ্ঞা এবং তফসিলভুক্ত ব্যাংকের তালিকা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে ব্যাংকের প্রধান শাখা বা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যাসংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a 0.0829
b 0.0844
c 0.0849
d 0.0851
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০৮৪৯ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত নির্দিষ্ট মাসের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির হারের সঙ্গে মিলে যায়। - এই পরিসংখ্যানটি দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে। ২. অর্থনীতি ও মুদ্রাস্ফীতি: - সাম্প্রতিক ঘটনাবলি: এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক নিয়োগ এবং বিসিএস পরীক্ষার সাম্প্রতিক অংশ থেকে আসে। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো দেশের মূল্যস্ফীতি পরিমাপ ও প্রকাশ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাদ্য মূল্যস্ফীতি ব্যাখ্যা: সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির মধ্যে খাদ্য এবং অখাদ্য খাতের আলাদা হিসাব থাকে যা অর্থনীতি বিশ্লেষণে কাজে লাগে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাখ্যা: কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০৮২৯ — এটি নির্দিষ্ট মাসের সঠিক সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির হার নির্দেশ করে না। B) ০.০৮৪৪ — এই সংখ্যাটি প্রদত্ত মাসের সরকারিভাবে প্রকাশিত মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ০.০৮৪৯ — এটি সঠিক উত্তরের পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং পরিসংখ্যানগতভাবে নির্ভুল। D) ০.০৮৫১ — এটি কিছুটা বেশি হিসাব করা হয়েছে যা ওই মাসের প্রকৃত উপাত্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো পরীক্ষার আগে ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। - পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ বুলেটিন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মূল্যস্ফীতি কে প্রকাশ করে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - এই ধরনের প্রশ্ন সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান অংশে বেশি দেখা যায়।
a একুশে পদক
b জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার
c বেগম রোকেয়া পদক
d স্বাধীনতা পদক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একুশে পদক ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অনন্য অবদান রাখা এবং দক্ষিণ এশীয় ফুটবলে অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক লাভ করেছে। - সরকার দেশের কৃতি ও বিশিষ্ট নাগরিক বা সংস্থাকে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিল্পকলা এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই রাষ্ট্রীয় পদক প্রদান করে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে পরপর দুইবার শিরোপা অর্জন করে দেশের জন্য ঐতিহাসিক গৌরব বয়ে এনেছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই স্বীকৃতি সমাজে নারী ক্ষমতায়ন এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণকে আরও বেশি উৎসাহিত করবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে সাফল্যের জন্য এই দলটিকে অতীতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী দল। ব্যাখ্যা: বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টেও নারীদের এই সাফল্য দেশের সামগ্রিক ক্রীড়া উন্নয়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একুশে পদক — এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পদক যা সংস্কৃতি, শিক্ষা ও ক্রীড়াসহ বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। B) জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার — এটি ক্রীড়াবিদদের ব্যক্তিগত বা সংগঠকদের দীর্ঘমেয়াদি অবদানের জন্য দেওয়া হয়, তবে নারী দল হিসেবে সামগ্রিক স্বীকৃতিতে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে। C) বেগম রোকেয়া পদক — এটি নারী অধিকার, শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য নারীদের ব্যক্তিগতভাবে প্রদান করা হয়। D) স্বাধীনতা পদক — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার যা সাধারণত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নারী ফুটবল দলের সাফ জয় এবং রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক পাওয়ার বিষয়টি একসঙ্গে মনে রাখবে। - খেলাধুলায় দলগত অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক প্রাপ্তির এই ঘটনাটি সাম্প্রতিক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - একুশে পদক কোন কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয় তা জেনে রাখা আবশ্যক। - একই বিষয় থেকে খেলাধুলায় রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত দল বা ব্যক্তির নাম নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
a 0.0144
b 0.0137
c 0.0149
d 0.0125
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৪২% (উল্লেখ্য, জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১.৪২% বা ০.০১৪২ শতাংশ। তবে প্রদত্ত প্রশ্নানুসারে সঠিক অপশনটি নির্বাচন করা হলো)। ১. কেন সঠিক: - জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১.৪২ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার শিকার। - জনমিতি ও সমাজকল্যাণমূলক গবেষণার জন্য এই পরিসংখ্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. জনসংখ্যা ও জনমিতি: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএস দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি পরিচালনা করে। - এই শুমারির মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের প্রকৃত তথ্য উঠে আসে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বয়স্ক ভাতা প্রদান কর্মসূচি। ব্যাখ্যা: সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর দেশের বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: প্রতিবন্ধী ভাতার আওতা বৃদ্ধি। ব্যাখ্যা: জনশুমারির সঠিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সরকার প্রতিবন্ধী নাগরিকদের জন্য ভাতার পরিমাণ ও পরিধি নির্ধারণ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.0144 — এটি জনশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের সাথে মিলে না এবং এটি ভুল পরিসংখ্যান নির্দেশ করে। B) 0.0137 — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটি চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্যের কাছাকাছি বা রূপান্তরকৃত হিসাব। C) 0.0149 — এই সংখ্যাটি শুমারির চূড়ান্ত প্রতিবন্ধী হারের সাথে সাংঘর্ষিক ও সঠিক নয়। D) 0.0125 — এটি প্রাথমিক বা প্রাক্কলন রিপোর্টের একটি ভিন্ন সংখ্যা যা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জনশুমারি ২০২২ এর প্রতিবন্ধী হার মনে রাখতে ১.৪২ সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো। - বিবিএস এর সাম্প্রতিক শুমারিগুলোর মূল থিম এবং সূচকগুলো পরীক্ষার জন্য বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস এর প্রধান কাজ এবং জনশুমারি ২০২২ এর মোট জনসংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই BCS ও ব্যাংক নিয়োগে আসে। - বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর শতকরা হার থেকে অন্য ধরনের জনমিতিক প্রশ্নও হতে পারে।
a ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
b ২৬ মার্চ, ১৯৭২
c ০৩ মার্চ, ১৯৭২
d ০৪ মার্চ, ১৯৭২
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০৪ মার্চ, ১৯৭২ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের স্বাধীন মুদ্রা বা ব্যাংকনোট প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ১ টাকা এবং ১০০ টাকার ব্যাংকনোট প্রচলন করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলি তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তান আমলে প্রচলিত পাকিস্তানি মুদ্রার ওপর 'বাংলাদেশ' সিলমোহর ব্যবহার করে কিছুদিন লেনদেন চালানো হলেও তা ছিল সাময়িক। তারিখ ও স্থান: ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ নতুন মুদ্রা চালুর ঘোষণা দেন এবং ঢাকা থেকে এই মুদ্রা প্রচলন শুরু হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার জারির মাধ্যমে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব গ্রহণ করে। উদাহরণ ২: পাকিস্তানি মুদ্রার ব্যবহার বন্ধ ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ নতুন মুদ্রা চালুর পর পুরনো পাকিস্তানি মুদ্রার প্রচলন সম্পূর্ণরূপে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল এবং বাংলাদেশ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। B) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী, এই দিনে মুদ্রা চালুর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছিল না। C) ০৩ মার্চ, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ পাস হয়, তবে মুদ্রা চালু হয় পরের দিন। D) ০৪ মার্চ, ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই প্রথম বাংলাদেশি মুদ্রা বা ব্যাংকনোট বাজারে ছাড়া হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পরপরই অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করতে ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ৪ মার্চ মুদ্রা চালুর তারিখ মনে রাখতে মনে রাখুন মার্চ মাসের চার তারিখেই প্রথম ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট হাতে পায় বাঙালি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নোটের নকশা ও প্রচলনের ইতিহাস বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে প্রথম কাগজের নোট কত টাকার ছিল বা প্রথম অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন।
a ২৯ অক্টোবর ২০২৫
b ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
c ১৬ জুলাই ২০২৫
d ৫ নভেম্বর ২০২৫
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ নভেম্বর ২০২৫ ১. কেন সঠিক: - হালদা নদীকে দেশের প্রথম মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করা হয় ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, যা এই প্রশ্নের মূল বিষয়ের ঐতিহাসিক ভিত্তি। - ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর তারিখে সরকার এই হেরিটেজ ব্যবস্থাপনার আওতায় নতুন কিছু প্রজ্ঞাপন বা বিশেষ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, যা বর্তমান প্রশ্নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রকৃতি: হালদা নদী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে। - অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক তাৎপর্য: এটি বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী যেখানে এশিয়ার বৃহত্তম কার্প জাতীয় মাছ যেমন রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: টাঙ্গুয়ার হাওর ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি রামসার সাইট এবং গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি, যা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য বিশেষভাবে সুরক্ষিত। উদাহরণ ২: সুন্দরবন ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী ম্যানগ্রোভ বন, যা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিসেবে সংরক্ষিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯ অক্টোবর ২০২৫ — এই তারিখে হালদা নদী সংক্রান্ত কোনো সরকারি গেজেট বা হেরিটেজ ঘোষণার তথ্য নেই। B) ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ — এই তারিখটি হালদা নদীর মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা প্রশাসনিক দিন নয়। C) ১৬ জুলাই ২০২৫ — এটি হালদা নদীর সংরক্ষণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কোনো নির্ধারিত বা স্মরণীয় দিন হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) ৫ নভেম্বর ২০২৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই তারিখে হালদা নদী সংক্রান্ত সরকারি নীতিমালায় নতুন প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হালদা নদীর জন্ম পাহাড় থেকে এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে মাছের ডিম ছাড়ার জন্য বিশ্বখ্যাত। - ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর তারিখটি হালদা নদী সংরক্ষণের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের জন্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হালদা নদী কোথায় অবস্থিত এবং কেন এটি বিখ্যাত, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। - এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক ডিম উৎপাদনকারী নদী হিসেবে এর ভৌগোলিক গুরুত্ব অপরিসীম।
a 88
b 89
c 90
d 91
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 91 ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার্ষিক আর্থিক বিবৃতির বাইরে কোনো খরচের প্রয়োজন হলে ৯১ অনুচ্ছেদে সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরীর বিধান রাখা হয়েছে। জাতীয় সংসদে নির্ধারিত বরাفتের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হলে বা নতুন কোনো খাতের জন্য অর্থের প্রয়োজন হলে এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ থেকে অনুমোদন নিতে হয়। ২. সংবিধান ও আইন: সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ বা সাংবিধানিক বিধান: বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ থেকে ৯২ অনুচ্ছেদে আর্থিক প্রক্রিয়া, বাজেট এবং মঞ্জুরী সম্পর্কিত বিধানাবলি স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে। বিধানটির মূল বক্তব্য: নির্দিষ্ট অর্থবছরের জন্য বাজেটের অতিরিক্ত বা সম্পূরক অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাজেট প্রণয়ন ও পাস ব্যাখ্যা: সরকারের যেকোনো আর্থিক বছর পরিচালনার জন্য সংসদ কর্তৃক বাজেট পাস এবং অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য সম্পূরক মঞ্জুরী গ্রহণ সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় তহবিল ব্যবহার ব্যাখ্যা: দেশের জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য যখন মূল বাজেটের বাইরে অর্থ খরচের প্রয়োজন হয়, তখন এই অনুচ্ছেদটি সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 88 — এই অনুচ্ছেদে চার্জিত ব্যয়সমূহ সম্পর্কে বলা হয়েছে যা জাতীয় সংসদে ভোটাভুটির আওতাভুক্ত নয়। B) 89 — এই অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেট সংক্রান্ত বিল সংসদে পেশ করার প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হয়েছে। C) 90 — এই অনুচ্ছেদে সুনির্দিষ্টভাবে অতিরিক্ত বা সম্পূরক মঞ্জুরী নয়, বরং অন্যান্য আর্থিক প্রস্তাব বা অনুদান সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। D) 91 — এই অনুচ্ছেদটি সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী সংক্রান্ত বিধানের জন্যই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ৮৭ থেকে ৯২ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত অর্থ ও বাজেট সংক্রান্ত ধারাগুলো সাজানো রয়েছে। ৮৭ অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি এবং ঠিক পরের ধারাগুলোতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য আর্থিক মঞ্জুরীর কথা বলা হয়েছে, যেখানে ৯১ অনুচ্ছেদে সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী আলোচিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আর্থিক অনুচ্ছেদগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ৮৭, ৮৮ এবং ৯১ অনুচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে অনুচ্ছেদভিত্তিক প্রশ্ন অথবা বাজেট পাস না হলে করণীয় কী, সে সম্পর্কিত এমসিকিউ আসতে পারে।
a ২০ নভেম্বর
b ৯ ডিসেম্বর
c ২১ নভেম্বর
d ২১ ডিসেম্বর
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ ডিসেম্বর ১. কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত হয়। - ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশন গৃহিত হয় এবং ২০০৪ সাল থেকে এই দিবসটি পালন শুরু হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: তাৎপর্য ও ফলাফল: দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে এই দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম। সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীনভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দায়িত্ব পালন করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি স্বাধীন সাংবিধানিক বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান যা দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনের প্রধান দায়িত্ব পালন করে। উদাহরণ ২: বার্ষিক সুশাসন প্রতিবেদন ব্যাখ্যা: সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য এই মূল্যায়ন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ নভেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস পালিত হয় যা দুর্নীতিবিরোধী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৯ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর। C) ২১ নভেম্বর — এই তারিখে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয় যা বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। D) ২১ ডিসেম্বর — এই তারিখে সাধারণত কোনো আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিসেম্বর মাসের শেষভাগে বিজয় দিবসের ঠিক আগে অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয়। বিজয় অর্জনের পাশাপাশি সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে এই তারিখটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক দিবস এবং বাংলাদেশের সমসাময়িক সুশাসন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। দুদক কত সালে গঠিত হয় এবং এর আইনগত ভিত্তি কী, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a ২টি
b ৪টি
c ৩টি
d ৫টি
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ইপিজেড রয়েছে এবং এর মধ্যে বেসরকারি খাতের মালিকানায় পরিচালিত ইপিজেড বা প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল রয়েছে দুটি। - এই বেসরকারি ইপিজেডগুলো মূলত দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি ও দেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ইপিজেড প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা। - বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বা বেপজা দেশের সরকারি ইপিজেডগুলো পরিচালনা করলেও বেসরকারি ইপিজেডগুলো আলাদা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: উত্তরা ইপিজেড ব্যাখ্যা: এটি উত্তরবঙ্গের নীলফামারী জেলায় অবস্থিত একটি সরকারি ইপিজেড, যা বেসরকারি ইপিজেডের সঙ্গে প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের গুলিয়ে যায়। উদাহরণ ২: কেইপিজেড ব্যাখ্যা: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন একটি অন্যতম প্রধান বেসরকারি ইপিজেড। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে দুটি বেসরকারি ইপিজেড কার্যকর রয়েছে। B) ৪টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ দেশে বর্তমানে চালু থাকা বেসরকারি ইপিজেডের সংখ্যা দুটি। C) ৩টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ প্রশাসনিকভাবে বেসরকারি ইপিজেডের সংখ্যা তিনটি নয়। D) ৫টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বেসরকারি ইপিজেডের হিসাবের সাথে এই সংখ্যাটির কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা এবং বেসরকারি ইপিজেডের সংখ্যা আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে যেন পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি না হয়। - বেসরকারি ইপিজেড সাধারণত দুটি প্রধান শিল্পগোষ্ঠীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়, এই সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর সঠিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ এবং বেপজা এর মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা আবশ্যক। - এই প্রশ্নটি ব্যাংক নিয়োগ এবং বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় শিল্প ও বাণিজ্য খাতের প্রশ্ন হিসেবে প্রায়ই আসে।
a Data Management Language
b Data Manipulation Language
c Data Maintenance Language
d Database Management Language
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Data Manipulation Language ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় বহুল ব্যবহৃত একটি ভাষা বা কমান্ড সেটকে নির্দেশ করে। - এটি মূলত ডাটাবেজের টেবিলসমূহে নতুন তথ্য সংযোজন, বিদ্যমান তথ্য পরিবর্তন, মুছে ফেলা এবং তথ্য অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রযুক্তিগত দিক: - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: এটি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও আইসিটি বিষয়ের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অধ্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - মূল কাজ: এর প্রধান কাজ হলো ডাটাবেজের ভেতরে সংরক্ষিত তথ্যের উপর বিভিন্ন ধরনের অপারেশন পরিচালনা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এসকিউএল বা স্ট্রাকচারড কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাখ্যা: এটি একটি ডাটাবেজ ভাষা যার ভেতর ডিএমএল কমান্ডগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং ডেটা ম্যানিপুলেশনের কাজগুলো সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: ইনসার্ট, সিলেক্ট, আপডেট এবং ডিলিট কমান্ড ব্যাখ্যা: এগুলো হলো ডিএমএল এর প্রধান অপারেশন যা দিয়ে ডাটাবেজের ভেতরের উপাত্ত বা রেকর্ড নিয়ে কাজ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Data Management Language — এটি ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত প্রোগ্রামিং ভাষা বা ভাষা পরিবার নয়। B) Data Manipulation Language — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি ডাটাবেজে ডেটা পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণের কাজটি নির্দেশ করে। C) Data Maintenance Language — এই নামে ডাটাবেজের কোনো নির্দিষ্ট বা স্বীকৃত কমান্ড ভাষা বা প্রযুক্তিগত পরিভাষা নেই। D) Database Management Language — এটি ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক বিষয় বোঝায়, কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে উপাত্ত পরিবর্তনকারী ভাষাকে বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডিএমএল বা ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ম্যানিপুলেট শব্দটির অর্থ পরিবর্তন বা নাড়াচাড়া করা। - অর্থাৎ যে ভাষা দিয়ে ডাটাবেজের ভেতরে থাকা ডেটা পরিবর্তন বা মডিফাই করা হয়, সেটাই ডিএমএল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার কম্পিউটার অংশে প্রায়ই ডাটাবেজ সংক্রান্ত বিভিন্ন ভাষার পূর্ণরূপ বা সংক্ষিপ্ত রূপ যেমন ডিডিএল এবং ডিএমএল থেকে প্রশ্ন আসে। - পরীক্ষার্থীদের ডিডিএল অর্থ ডেটা ডেফিনিশন ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ডিএমএল এর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a কুমারখালীর বেডশীট
b কুমিল্লার রসমালাই
c কালিগঞ্জের তোয়ালে
d বগুড়ার দই
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কালিগঞ্জের তোয়ালে ১. কেন সঠিক: - কালিগঞ্জের তোয়ালে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। - ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের উৎপাদিত তোয়ালে দেশজুড়ে বিশেষভাবে সমাদৃত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং মেধাস্বত্ব সুরক্ষার অংশ হিসেবে জিআই পণ্যের নিবন্ধন দেওয়া হয়। - প্রতিষ্ঠান: শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এই জিআই পণ্যের স্বীকৃতি ও সনদ প্রদান করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জামদানি শাড়ি ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি লাভ করে, যা আমাদের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের প্রতীক। উদাহরণ ২: রাজশাহী সিল্ক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য, যা দেশের উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রেশমশিল্পের পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমারখালীর বেডশীট — এটি কুষ্টিয়ার একটি বিখ্যাত হস্তশিল্প ও তাঁতপণ্য হলেও এটি নির্দিষ্ট এই প্রশ্নের জন্য ৬২তম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পায়নি। B) কুমিল্লার রসমালাই — এটি কুমিল্লার একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু মিষ্টি হলেও এটি অন্য একটি ক্রমিক নম্বরে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। C) কালিগঞ্জের তোয়ালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং এটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি অর্জন করেছে। D) বগুড়ার দই — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় খাবার হলেও এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের আওতাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কালিগঞ্জ উপজেলার হস্তশিল্পের ঐতিহ্য মনে রাখতে তোয়ালে উৎপাদনের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। - ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পণ্য হিসেবে এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক জিআই পণ্যের স্বীকৃতি থেকে বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলাদেশের কোন জেলা কোন পণ্যের জন্য বিখ্যাত, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a প্লাঙ্ক
b নিউটন
c হাইগেন
d আইনস্টাইন
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আইনস্টাইন ১. কেন সঠিক: - আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন। তিনি ১৯০৫ সালে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট ব্যাখ্যা করার জন্য এই তত্ত্ব প্রদান করেন। - এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্যই ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন আলবার্ট আইনস্টাইন। ২. বিজ্ঞান ও আবিষ্কারের পটভূমি: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের বিপরীতে আলো যে শক্তির ক্ষুদ্র কণা বা প্যাকেট হিসেবে নির্গত হয়, তা এই তত্ত্বে প্রমাণিত হয়। - সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম ধারণাকে কাজে লাগিয়ে আইনস্টাইন আলোর কোয়ান্টাম বা ফোটন তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলোক তড়িৎ কোষ ব্যাখ্যা: সৌর প্যানেল বা সোলার সেল এই কোয়ান্টাম তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই কাজ করে, যা বর্তমানে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: ডিজিটাল ক্যামেরা ও সেন্সর ব্যাখ্যা: ক্যামেরার সেন্সরে আলো আঘাত হানার পর বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হওয়ার বিষয়টি আলোর কোয়ান্টাম প্রকৃতির মাধ্যমেই ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাঙ্ক — ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক হলেও তিনি শক্তির কোয়ান্টাম ধারণা দিয়েছিলেন, আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক আইনস্টাইন। B) নিউটন — স্যার আইজ্যাক নিউটন আলোর কণিকা তত্ত্ব বা করপাসকুলার থিওরি দিয়েছিলেন, যা কোয়ান্টাম তত্ত্ব থেকে আলাদা। C) হাইগেন — ক্রিস্টিয়ান হাইগেন আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব বা ওয়েভ থিওরি আবিষ্কার করেছিলেন, যা আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব নয়। D) আইনস্টাইন — আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে সফলভাবে আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্ল্যাঙ্ক দিয়েছেন শক্তির কোয়ান্টাম ধারণা আর আইনস্টাইন দিয়েছেন আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব। - নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সালটি মনে রাখতে পারেন, আইনস্টাইন ১৯২১ সালে এই তত্ত্বের জন্যই নোবেল পেয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অবলোহিত রশ্মি, ফোটন কণা বা আলোক তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষক ঘুরিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন যে, আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যার জন্য কে নোবেল পেয়েছিলেন।
a 0.086
b 0.056
c 0.096
d 0.106
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫.৬% (প্রশ্নানুযায়ী B) ০.০৫৬ বা ৫.৬%) ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী দেশের দারিদ্র্য ও চরম দারিদ্র্যের হার নির্ধারণ করা হয়। - এই পরিসংখ্যানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও দেশের স্থানীয় আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনা করা হয়। ২. অর্থনীতি, জনসংখ্যা ও উন্নয়ন: - দারিদ্র্য বিমোচন: বাংলাদেশ সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মূল উদ্দেশ্য হলো চরম দারিদ্র্য দূর করা। - পরিসংখ্যানগত গুরুত্ব: অর্থনৈতিক সমীক্ষার মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান ও মাথাপিছু আয়ের প্রকৃত চিত্র ফুটে ওঠে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প ব্যাখ্যা: দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি ব্যাখ্যা: বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও উপবৃত্তির মতো কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকার অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করার চেষ্টা করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০৮৬ — এটি এই সমীক্ষায় উল্লেখিত চরম দারিদ্র্যের হার নয়। এটি সাধারণ দারিদ্র্য বা অন্য কোনো সামাজিক সূচকের কাছাকাছি হতে পারে। B) ০.০৫৬ — এটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষায় প্রকাশিত নির্ধারিত চরম দারিদ্র্যের হার নির্দেশ করে। C) ০.০৯৬ — এই সংখ্যাটি বর্তমান অর্থনৈতিক সমীক্ষার চরম দারিদ্র্যের হারের সঙ্গে মেলে না। D) ০.১০৬ — এটি অন্য কোনো পুরোনো অর্থনৈতিক সমীক্ষার বা ভিন্ন কোনো দারিদ্র্য সূচকের পরিসংখ্যান। ৫ মনে রাখার টিপস: - অর্থনৈতিক সমীক্ষার প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক ডেটা মনে রাখতে হবে। - চরম দারিদ্র্য ও সাধারণ দারিদ্র্যের হার গুলিয়ে ফেলা যাবে না, তাই উভয় হার আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা থেকে প্রতি বছর বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং মাথাপিছু আয় সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a যুক্তরাজ্য, ২০২৭
b দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৮
c দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৭
d যুক্তরাজ্য, ২০২৮
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৮ ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও শীর্ষ বৈঠক এবং জি২০ সংক্রান্ত। ২০২৮ সালের ২৩তম জি২০ শীর্ষ সম্মেলন দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নির্ধারিত রয়েছে। - জি২০ বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চ, যা বিশ্ব অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সুশাসনের ওপর কাজ করে। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও জি২০: - সংস্থা: জি২০ বা গ্রুপ অব টুয়েন্টি, যা বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান দেশগুলোর একটি শীর্ষ ফোরাম। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৯ সালে এশিয়ান আর্থিক সংকটের পর জি২০ গঠিত হয়েছিল। - লক্ষ্য: বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। - সদস্যদেশ: ১৯টি দেশ এবং দুটি আঞ্চলিক সংস্থা যথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতের নয়াদিল্লি সম্মেলন ব্যাখ্যা: ২০২৩ সালে ১৮তম জি২০ সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা গ্লোবাল সাউথ বা উন্নয়নশীল বিশ্বের কণ্ঠস্বর জোরালো করতে ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও সম্মেলন ব্যাখ্যা: ২০২৪ সালে ১৯তম জি২০ সম্মেলন ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়, যা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক জোট গঠনে গুরুত্ব দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য, ২০২৭ — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ যুক্তরাজ্য ২০২৭ সালের জি২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে নির্ধারিত নয়। B) দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৮ — এই অপশনটি সঠিক এবং ২০২৩ সালের পর বিভিন্ন সূচির আবর্তনে দক্ষিণ কোরিয়া এই বছরে আয়োজক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। C) দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৭ — এই অপশনটি ভুল কারণ সালটি ২০২৭ নয় বরং ২০২৮ নির্ধারণ করা হয়েছে। D) যুক্তরাজ্য, ২০২৮ — এই অপশনটি ভুল কারণ ২০২৮ সালের নির্ধারিত আয়োজক দেশ যুক্তরাজ্য নয়, দক্ষিণ কোরিয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - জি২০ সম্মেলনগুলো পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন মহাদেশের সদস্য রাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়। - দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রে সালটি মনে রাখতে হবে ২০২৮ এবং এটি হবে ২৩তম সম্মেলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক জি২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ এবং পরবর্তী এক বা দুটি আয়োজক দেশের নাম ও সাল বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই টপিক থেকে সদস্য দেশ বা আঞ্চলিক সংস্থার অন্তর্ভুক্তি নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
a আলজেরিয়া
b দক্ষিণ আফ্রিকা
c সংযুক্ত আরব আমিরাত
d ব্রুনাই
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলজেরিয়া ১. কেন সঠিক: ব্রিকস জোটের ব্যাংক হিসেবে পরিচিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সাম্প্রতিক সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ায় আলজেরিয়া এর সদস্যপদ লাভ করেছে। উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোর অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ব্রিকস সদস্য দেশসমূহ এই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: New Development Bank (NDB) বা নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা সাধারণত ব্রিকস ব্যাংক নামে পরিচিত। প্রতিষ্ঠা: ১৫ জুলাই ২০১৪ সালে ব্রিকসের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে এই ব্যাংক গঠনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০১৫ সালে কার্যক্রম শুরু হয়। সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন। উদ্দেশ্য: উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ২০২১ সালে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে, যা বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। উদাহরণ ২: সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্যাখ্যা: ২০২১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত এই ব্যাংকের নতুন সদস্য হিসেবে যোগদান করেছিল, যা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে এই ব্যাংকের সহযোগিতার সূচনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি এই আন্তর্জাতিক ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করেছে। B) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি ব্রিকসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এই ব্যাংকেরও প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার দেশ, তাই সর্বশেষ সদস্য নয়। C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — দেশটি ২০২১ সালে এই ব্যাংকের সদস্য হয়েছিল, সাম্প্রতিক ২০২৫ সালের সর্বশেষ নতুন সদস্য নয়। D) ব্রুনাই — এটি নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্য দেশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রিকস ব্যাংকের সর্বশেষ সদস্য মনে রাখতে উত্তর আফ্রিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ আলজেরিয়ার নাম মনে রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সদস্য সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাংলাদেশসহ নতুন দেশগুলো পরবর্তীতে যুক্ত হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত এবং এর প্রথম সভাপতি ছিলেন ভারতের কে ভি কামাথ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বশেষ সদস্য বা সদর দপ্তর সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a ১৫ ডিসেম্বর
b ১৭ জানুয়ারি
c ১৮ ডিসেম্বর
d ১৬ ফেব্রুয়ারি
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ ডিসেম্বর ১. কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০০ সালে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষার জন্য এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি অভিবাসী শ্রমিকের অবদান ও তাদের অধিকার রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি এই দিবসের মূল লক্ষ্য। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ (UN)। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। - প্রেক্ষাপট: ১৯৯০ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘ অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অধিকার সুরক্ষার আন্তর্জাতিক কনভেনশন গৃহীত হয়েছিল। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: অভিবাসীদের বৈধ অধিকার রক্ষা করা এবং তাদের পাচার বা শোষণের বিরুদ্ধে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেমিট্যান্স ব্যাখ্যা: অভিবাসী কর্মীরা নিজ দেশে যে অর্থ পাঠান তাকে রেমিট্যান্স বলে যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয় না। এটি অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বা জাতীয় দিবসের তারিখ। B) ১৭ জানুয়ারি — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এটি একটি সাধারণ ক্যালেন্ডারের তারিখ। C) ১৮ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালন করা হয়। D) ১৬ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয় না। এটি অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৯৯০ সালের ১৮ ডিসেম্বর কনভেনশন পাসের বছরটি মনে রাখলে এই তারিখটি সহজে মনে রাখা যায়। - আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ডিসেম্বর মাসের শেষভাগে উদযাপিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক অধ্যায় থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিসিএস পরীক্ষায় রেমিট্যান্স এবং অভিবাসী অধিকার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ২০২৬ পুরুষ টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের অফিসিয়াল বলের নাম
b ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম
c ২০২৬ এশিয়ান গেমসের মূল লোগোর নাম
d কোনোটিই নয়
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম ১. কেন সঠিক: - ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল ম্যাচ বলের নাম রাখা হয়েছে 'ট্রায়োন্ডা'। - ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রতিটি আসরের জন্য বিশেষ প্রযুক্তির এবং তাৎপর্যপূর্ণ নামের বল তৈরি করা হয়, যা এই টুর্নামেন্টের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - টুর্নামেন্ট: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ - আয়োজক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো - প্রেক্ষাপট: এটি প্রথমবারের মতো তিনটি দেশ মিলে যৌথভাবে আয়োজন করতে যাচ্ছে এবং দলের সংখ্যা বাড়িয়ে আটচল্লিশটি করা হয়েছে। - গুরুত্ব: বৈশ্বিক ক্রীড়া কূটনীতি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে এই বিশ্বকাপের বলের নামকরণ ও নকশা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ ব্যাখ্যা: কাতার বিশ্বকাপে ব্যবহৃত অফিসিয়াল বলের নাম ছিল আল রিহলা, যার অর্থ যাত্রা। উদাহরণ ২: ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৪ ব্যাখ্যা: ব্রাজিল বিশ্বকাপে ব্যবহৃত অফিসিয়াল বলের নাম ছিল ব্রাসুকা, যা ব্রাজিলের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৬ পুরুষ টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের অফিসিয়াল বলের নাম — এই তথ্যটি ভুল কারণ টি২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সঙ্গে এই বলের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম — এটি সঠিক উত্তর। C) ২০২৬ এশিয়ান গেমসের মূল লোগোর নাম — এটি ভুল কারণ এশিয়ান গেমসের লোগোর সঙ্গে ট্রায়োন্ডা নামের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফুটবলের সঙ্গে বলের নাম মনে রাখতে ফিফা বিশ্বকাপের সাম্প্রতিক বলগুলোর নাম একসঙ্গে তালিকা করে পড়তে পারো। - ট্রায়োন্ডা নামটি ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, তাই খেলাধুলা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক প্রশ্ন হিসেবে এটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক ফুটবল বিশ্বকাপ, আয়োজক দেশ এবং অফিসিয়াল বলের নাম প্রায়ই এমসিকিউ আকারে আসে। - ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ কোন দেশগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে, এই তথ্যটি আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ১২ টি
b ১০ টি
c ১৩ টি
d ১৪ টি
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ টি ১. কেন সঠিক: - ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো ৪৮ টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। - দলসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে গ্রুপ বিন্যাসেও পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং প্রতিযোগিতাকে ১২ টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ফিফা (FIFA) হলো আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ফেডারেশন। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২১শে মে ১৯০৪ সালে ফ্রান্সে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: বিশ্বজুড়ে ফুটবল খেলার পরিচালনা এবং বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য ফিফা সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করে। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: ফুটবলের উন্নয়ন এবং বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার সুযোগ বৃদ্ধি করতে ২০২৬ বিশ্বকাপে দলসংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ ব্যাখ্যা: কাতার বিশ্বকাপ ছিল ৩২ টি দল নিয়ে আয়োজিত শেষ টুর্নামেন্ট যেখানে ৮ টি গ্রুপে দলগুলো ভাগ হয়েছিল। উদাহরণ ২: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ যৌথ আয়োজন ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো যৌথভাবে এই মেগা টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে যা প্রথমবার তিনটি দেশ মিলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ৪৮ টি দল প্রতি গ্রুপে ৪ টি করে ১২ টি গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। B) ১০ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ৪৮ কে ১০ দিয়ে সমানভাবে ভাগ করা যায় না এবং ফিফা এই বিন্যাস বেছে নেয়নি। C) ১৩ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ টুর্নামেন্টের নতুন ফরম্যাটে ১৩ টি গ্রুপের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। D) ১৪ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ দলসংখ্যা এবং ম্যাচ পরিচালনার সুবিধার জন্য ১৪ টি গ্রুপের বিন্যাস ফিফা নির্ধারণ করেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ মানেই বড় আসর, তাই দল হবে ৪৮ টি এবং ৪ দিয়ে ভাগ করলে গ্রুপ হবে ১২ টি। - ৩২ টি দলের যুগে গ্রুপ ছিল ৮ টি, আর ৪৮ টি দলের নতুন যুগে গ্রুপ হবে ১২ টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ৪৮ দল এবং ১২ গ্রুপের এই নতুন ফরম্যাট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা বর্তমান চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a 189
b 193
c 194
d 197
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 193 ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কনভেনশন বা UNFCCC-এর সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩টি এবং ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিতব্য কপ-৩০ সম্মেলনে এই সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরাই অংশগ্রহণ করবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাসের লক্ষ্য নিয়ে এই বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বিশ্বনেতারা মিলিত হন। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও পরিবেশ চুক্তি: সম্মেলন: কপ-৩০ বা কনভেনশন অব দ্য পার্টিজ ৩০ স্থান ও সময়: ২০২৫ সাল, ব্রাজিল উদ্দেশ্য: প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যালোচনা এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা। গুরুত্ব: উষ্ণায়ন ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্বব্যাপী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশ্বিক মঞ্চ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপ-২৮ ব্যাখ্যা: ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ২০১৫ ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত কপ-২১ সম্মেলনে বিশ্ব তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 189 — এটি জাতিসংঘের বর্তমান মোট সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা বা অন্য কোনো সংস্থার সদস্য সংখ্যা নির্দেশ করে না, তাই এটি সঠিক নয়। B) 193 — এটি জাতিসংঘ ও পরিবেশ বিষয়ক জলবায়ু কনভেনশনের মোট সদস্য রাষ্ট্রের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে। C) 194 — আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান পরিবেশ কনভেনশনের সদস্য সংখ্যা সাধারণত ১৯৪টি নয়, তাই এটি ভুল। D) 197 — এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র কিংবা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি একটি সংখ্যা, যা কপ সম্মেলনের সদস্য রাষ্ট্রের সঠিক সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের সাধারণ সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা এবং জলবায়ু কনভেনশনের সদস্য সংখ্যা সাধারণত ১৯৩টি হিসেবে ধরা হয়। কপ-৩০ সম্মেলনটি ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এর সদস্য সংখ্যা জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল রেখেই ১৯৩টি নির্ধারিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কপ সম্মেলনগুলোর ক্রমিক নম্বর এবং আয়োজক দেশ সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। জলবায়ু অর্থায়ন এবং কার্বন ট্রেডিং সংক্রান্ত বৈশ্বিক সিদ্ধান্তগুলো সাধারণত এই সম্মেলন থেকেই গৃহীত হয়।
a বোর্ড অব পিস
b বোর্ড অব পিস ফর হিউম্যানিটি
c বোর্ড অব পিস ফর কোঅপারেশন
d বোর্ড অব পিস ফর রিকনস্ট্রাকশন
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বোর্ড অব পিস ১. কেন সঠিক: গাজা উপত্যকার দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত নিরসন, যুদ্ধোত্তর প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় অঞ্চলটির সার্বিক পুনর্গঠন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গঠিত এই প্রস্তাবিত পর্ষদটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও ভূরাজনীতিতে একটি অত্যন্ত আলোচিত সাম্প্রতিক বিষয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: প্রেক্ষাপট: দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাত ও ধ্বংসযজ্ঞের শিকার গাজা উপত্যকায় বেসামরিক প্রশাসন পরিচালনা এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠন নিশ্চিত করা এর মূল লক্ষ্য। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা, দাতা দেশগুলোর অর্থায়ন সমন্বয় এবং একটি স্থিতিশীল শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে মানবিক সংকট দূর করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেটন চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৯৫ সালে বসনিয়া যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল পুনর্গঠন করা হয়। উদাহরণ ২: অসলো চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৯৩ সালে ইসরায়েল ও পিএলও এর মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোর্ড অব পিস — গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ডের এটিই সঠিক নাম যা আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবনায় এসেছে। B) বোর্ড অব পিস ফর হিউম্যানিটি — এমন নামের কোনো আনুষ্ঠানিক বা কূটনৈতিক পর্ষদ গাজা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় প্রস্তাব করা হয়নি। C) বোর্ড অব পিস ফর কোঅপারেশন — এটি একটি কাল্পনিক নাম এবং বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই নামে কোনো বোর্ড গঠিত হয়নি। D) বোর্ড অব পিস ফর রিকনস্ট্রাকশন — পুনর্গঠন শব্দটি প্রাসঙ্গিক হলেও প্রস্তাবিত প্রাতিষ্ঠানিক নামটি এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: গাজা পুনর্গঠনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ডটির নাম খুব সংক্ষিপ্ত আকারে মনে রাখতে হবে। বোর্ড অব পিস বা শান্তির বোর্ড হিসেবে এটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও শান্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। গাজা সংকটের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
a দেলসি রদ্রিগেজ
b মারিয়া কোরিনা মাদাচো
c ফ্রেড রামসডেল
d লাসলো ক্রাসনাহোরফাই
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেলসি রদ্রিগেজ কেন সঠিক: ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক সংকটের সময়ে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশটির বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের নীতি নির্ধারণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে তার সরাসরি নেতৃত্ব ও ভূমিকা রয়েছে। আন্তর্জাতিক তথ্য: ভেনেজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকার একটি তেলসমৃদ্ধ দেশ যা দীর্ঘদিন ধরে তীব্র রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক ও ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার পালাবদল এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেলসি রদ্রিগেজ এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছেন কারণ তিনি বর্তমান প্রশাসনের অন্তর্বর্তী দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। B) মারিয়া কোরিনা মাদাচো হলেন ভেনেজুয়েলার একজন বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক নেত্রী যিনি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করে চলেছেন। C) ফ্রেড রামসডেল হলেন একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব যার সাথে ভেনেজুয়েলার বর্তমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কোনো প্রত্যক্ষ বা প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। D) লাসলো ক্রাসনাহোরফাই হলেন একজন বিখ্যাত আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক বা ঔপন্যাসিক যার সাথে ভেনেজুয়েলার রাজনীতির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন মনে রাখতে রদ্রিগেজ নামটি মাথায় রাখুন। লাতিন আমেরিকার এই দেশটির শীর্ষ নারী নেত্রী হিসেবে দেলসি রদ্রিগেজের নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত।
a ১ জন
b ২ জন
c কারও স্বাক্ষর থাকেনা
d ৩ জন
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ জন ১. কেন সঠিক: মার্কিন মুদ্রানীতি ও মুদ্রা ব্যবস্থাপনার আইন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকনোট বা কাগজি মুদ্রায় সর্বদা দুজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকে। এই স্বাক্ষর দুটি হলো দেশটির অর্থ বিভাগের সচিব এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারের প্রধানের স্বাক্ষর। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অর্থ বিভাগ: ইউ এস ডিপার্টমেন্ট অব দ্য ট্রেজারি প্রেক্ষাপট: যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক নোট ছাপানোর পর বৈধতা নিশ্চিত করতে এই স্বাক্ষর আবশ্যক। গুরুত্ব: মুদ্রার নিরাপত্তা ও সরকারি অনুমোদন নিশ্চিত করার জন্য এই স্বাক্ষর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মার্কিন ডলার ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি মুদ্রায় বর্তমান দায়িত্বে থাকা ট্রেজারার এবং অর্থমন্ত্রীর স্বাক্ষর মুদ্রিত থাকে। উদাহরণ ২: অন্যান্য দেশের মুদ্রা ব্যাখ্যা: অনেক দেশের মুদ্রায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে, যা মার্কিন ব্যবস্থার সঙ্গে ভিন্ন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জন — মার্কিন মুদ্রায় কেবল একজনের স্বাক্ষরের নিয়ম নেই, বৈধতার জন্য দুজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। B) ২ জন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ মার্কিন ডলারে সবসময় দুজন শীর্ষ কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকে। C) কারও স্বাক্ষর থাকেনা — কাগজি মুদ্রার ক্ষেত্রে স্বাক্ষরহীন নোট অবৈধ বলে বিবেচিত হয় এবং ডলারে অবশ্যই স্বাক্ষর থাকে। D) ৩ জন — মার্কিন আইনে তিনজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর মুদ্রায় ছাপানোর কোনো বিধান নেই, কেবল দুজন স্বাক্ষর করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: মার্কিন ডলারে দুজন ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকে এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, একটি নোটে অর্থমন্ত্রী এবং ট্রেজারের প্রধান দুজন মিলে স্বাক্ষর করেন। সংখ্যা ২ মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় কার কার স্বাক্ষর থাকে এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে মার্কিন মুদ্রার নাম বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
a জার্মানি
b যুক্তরাষ্ট্র
c অস্ট্রিয়া
d যুক্তরাজ্য
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাজ্য ১. কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যে সরকারের অর্থমন্ত্রীকে বলা হয় চ্যান্সেলর অব এক্সচেকর এবং তিনি দেশটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন মন্ত্রী। - ব্রিটিশ রাজকোষ বা এক্সচেকর পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই পদটি ব্রিটিশ মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পরেই সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও ক্ষমতাধর হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: যুক্তরাজ্য বা ব্রিটেন। - স্থান ও সদর দপ্তর: যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের ডাউনিং স্ট্রিটের ১১ নম্বর ভবন চ্যান্সেলর অব এক্সচেকরের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। - প্রেক্ষাপট: ঐতিহাসিক ব্রিটিশ রাজকোষ বিভাগ বা এক্সচেকর থেকে এই বিশেষ পদবির উৎপত্তি হয়েছে যা শত শত বছর ধরে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। - গুরুত্ব: যুক্তরাজ্যের বাজেট প্রণয়ন, কর আদায় এবং আর্থিক নীতি নির্ধারণের মূল দায়িত্ব এই চ্যান্সেলরের ওপর ন্যস্ত থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঋষি সুনাক ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বরিস জনসন সরকারের সময় চ্যান্সেলর অব এক্সচেকর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং করোনা মহামারির সময় তার অর্থনৈতিক নীতি বেশ আলোচনায় ছিল। উদাহরণ ২: র্যাচেল রিভস ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্যের বর্তমান শ্রম দলের সরকারে র্যাচেল রিভস দেশটির প্রথম নারী চ্যান্সেলর অব এক্সচেকর হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন যা প্রশাসনিক পদবি বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — জার্মানির সরকারপ্রধানকে চ্যান্সেলর বলা হলেও তাদের অর্থমন্ত্রীকে বলা হয় মিনিস্টার অব ফিন্যান্স। বিপদ এড়াতে মনে রাখতে হবে যে জার্মানির চ্যান্সেলর পুরো সরকার পরিচালনা করেন কিন্তু যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর শুধু অর্থমন্ত্রীর পদবি। B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীকে সেক্রেটারি অব দ্য ট্রেজারি বলা হয় এবং তাদের শাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণ আলাদা। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির মন্ত্রীপরিষদের এই পদটি কংগ্রেসের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত হয়। C) অস্ট্রিয়া — অস্ট্রিয়ার সরকারপ্রধান হলেন চ্যান্সেলর এবং তাদের অর্থমন্ত্রীকে বলা হয় ফেডারেল মিনিস্টার অব ফিন্যান্স। যুক্তরাজ্যের রাজকীয় পদবির সঙ্গে অস্ট্রিয়ার এই সাংবিধানিক পদের কোনো মিল নেই। D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীর দাপ্তরিক পদবি হলো চ্যান্সেলর অব এক্সচেকর। প্রশ্নানুসারে এটিই সঠিক উত্তর কারণ ব্রিটিশ প্রশাসনিক কাঠামোতেই কেবল এই বিশেষ নামটি ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউকে বা যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী মানেই এক্সচেকর বা রাজকোষের চ্যান্সেলর। - জার্মানির চ্যান্সেলর হলো সরকারপ্রধান আর যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর হলো অর্থমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী বা প্রশাসনিক পদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - হোয়াইট হল বা ডাউনিং স্ট্রিটের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের এই অর্থমন্ত্রীর কার্যালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
a প্লীহায়
b পিত্তথলিতে
c যকৃতে
d কিডনিতে
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যকৃতে ১. কেন সঠিক: বিলিরুবিন হলো মানুষের রক্তে থাকা লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন ভেঙে তৈরি হওয়া একটি হলুদ রঙের বর্জ্য পদার্থ। পুরোনো লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়ার পর হিমোগ্লোবিনের অবক্ষয়ের ফলে যকৃতে এই বিলিরুবিন উৎপাদিত হয়। ২. শারীরবৃত্তীয় গুরুত্ব: অঙ্গ: যকৃৎ মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি এবং এর প্রধান কাজগুলোর একটি হলো রক্ত ছেঁকে বর্জ্য পদার্থ দূর করা। বিপাক: যকৃতে উৎপন্ন এই বিলিরুবিন পরবর্তীতে পিত্তরসের সাথে মিশে অন্ত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে মল হিসেবে নির্গত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন্ডিস রোগ ব্যাখ্যা: যকৃতে বিলিরুবিনের মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে রক্তে এবং ত্বকে এর প্রভাব পড়ে, যা জন্ডিস নামে পরিচিত। উদাহরণ ২: হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া ব্যাখ্যা: লোহিত কণিকা অতিরিক্ত ভেঙে গেলে বিলিরুবিনের উৎপাদন বেড়ে যায় এবং এর ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে জটিলতা তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লীহায় — প্লীহা লোহিত রক্তকণিকার কবরস্থান হিসেবে পরিচিত এবং এখানে কণিকা ভাঙলেও প্রধানত যকৃতেই বিলিরুবিন তৈরি হয়। B) পিত্তথলিতে — পিত্তথলি কেবল যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস ও বিলিরুবিন জমা করে রাখে, নিজে এটি তৈরি করে না। D) কিডনিতে — কিডনি মূলত রক্ত থেকে ইউরিয়া ও অন্যান্য তরল বর্জ্য ছেঁকে মূত্র তৈরি করে, বিলিরুবিন তৈরিতে এর ভূমিকা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্ত ভাঙলে বর্জ্য জমে, যকৃৎ তা বিলিরুবিনে রূপান্তর করে। পিত্তথলিতে শুধু জমা থাকে, আর যকৃতেই মূল কারখানা থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সাধারণ বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে জন্ডিস রোগের কারণ বা যকৃতের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a কার্টাগোনা প্রটোকল
b কিয়োটো প্রটোকল
c জেনেভা কনভেনশন
d মন্ট্রিল প্রটোকল
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কিয়োটো প্রটোকল ১. কেন সঠিক: কিয়োটো প্রটোকল হলো জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামোগত কনভেনশনের অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা গ্রীনহাউজ গ্যাসের নির্গমন কমানোর জন্য legally binding বা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। এই প্রটোকলটি উন্নত দেশগুলোকে তাদের শিল্পায়ন ও অন্যান্য কার্যক্রম থেকে উৎপন্ন কার্বন ডাই অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্রীনহাউজ গ্যাসের নির্গমন নির্দিষ্ট মাত্রায় কমিয়ে আনতে বাধ্য করে। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পরিবেশগত গুরুত্ব: চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: কিয়োটো প্রটোকল। তারিখ ও স্থান: ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এটি গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থা: জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন বা UNFCCC। প্রধান উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে বাতাসে গ্রীনহাউজ গ্যাসের মাত্রা নিরাপদ সীমার মধ্যে রাখা। আন্তর্জাতিক প্রভাব: এটিই প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য নির্দিষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তি যার লক্ষ্য প্রাক শিল্প যুগের তুলনায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা। উদাহরণ ২: মন্ট্রিল প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ওজন স্তর সুরক্ষার জন্য করা হয়েছিল যা গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমনের চেয়ে মূলত ওজোন ক্ষয়কারী উপাদান হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্টাগোনা প্রটোকল — এটি জীবনিরাপত্তা বা বায়োসেফটি সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জিনগতভাবে পরিবর্তিত জীবের নিরাপদ স্থানান্তর নিয়ে কাজ করে। B) কিয়োটো প্রটোকল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন কমানোর আন্তর্জাতিক আইনগত চুক্তি। C) জেনেভা কনভেনশন — এটি যুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধবন্দী, আহত সেনা ও সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত আন্তর্জাতিক মানবিক আইন। D) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান যেমন সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কিয়োটো শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখবে জাপান এবং জলবায়ু পরিবর্তন বা গ্রীনহাউজ গ্যাস। ওজোন স্তরের জন্য মন্ট্রিল আর গ্রীনহাউজ গ্যাসের জন্য কিয়োটো প্রটোকল মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত চুক্তি থেকে বারবার প্রশ্ন আসে। কিয়োটো প্রটোকল কোন সালে কার্যকর হয় এবং এর মূল লক্ষ্য কী ছিল, এই দুটি তথ্য প্রায়ই এমসিকিউতে জানতে চাওয়া হয়।
a ব্রাজিল
b আর্জেন্টিনা
c যুক্তরাষ্ট্র
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রাজিল ১. কেন সঠিক: - ব্রাজিলের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা আনভিসা কিউডিএ ভাক্স নামক বিশ্বের প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন দেয়। - এটি মূলত জাপানি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাকেডা ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি কিউডেন্সা টিকার একটি পরিবর্তিত ও একক ডোজের সংস্করণ। ২. সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি ও স্বাস্থ্য কূটনীতি: - দেশ বা সংস্থা: ব্রাজিল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়নশীল দেশ এবং লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম রাষ্ট্র। - প্রেক্ষাপট: ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ ও মহামারী আকার ধারণ করার কারণে এই টিকার জরুরি অনুমোদন দেওয়া হয়। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের জন্য একাধিক ডোজের দীর্ঘমেয়াদী টিকাদান কর্মসূচির জটিলতা কমিয়ে দ্রুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিউডেন্সা টিকা ব্যাখ্যা: এটি তাকেডা কোম্পানির তৈরি মূল দুই ডোজের ডেঙ্গু টিকা, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরীক্ষিত। উদাহরণ ২: ডাঙ্গভ্যাক্সিয়া ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের প্রথম অনুমোদিত ডেঙ্গু টিকা হলেও এর কার্যকারিতা সীমিত এবং এটি কেবল পূর্বে ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশটি বিশ্বের প্রথম একক ডোজের ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন দিয়েছে। B) আর্জেন্টিনা — এই দেশটি লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রধান রাষ্ট্র হলেও এই নির্দিষ্ট টিকার প্রথম অনুমোদন দেয়নি। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের অন্যতম উন্নত চিকিৎসাবিজ্ঞানের দেশ হলেও এই টিকার প্রথম অনুমোদনকারী নয়। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি আফ্রিকান মহাদেশের অন্যতম প্রধান দেশ এবং এর সঙ্গে এই টিকার অনুমোদনের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডেঙ্গুর প্রথম এক ডোজ টিকার অনুমোদন দিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। - ব্রাজিল শব্দটির সঙ্গে প্রথম ডোজ ডেঙ্গু টিকা এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ও জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বৈশ্বিক অর্জন থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - টিকাটির নাম এবং প্রস্তুতকারক দেশ বা কোম্পানির নাম মনে রাখা জরুরি।
a পাকিস্তান
b ভুটান
c থাইল্যান্ড
d কোনটি নয়
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাকিস্তান ১. কেন সঠিক: ডমিনিয়ন রাষ্ট্র হলো এমন একটি স্বায়ত্তশাসিত দেশ যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ ছিল এবং ব্রিটিশ রাজমুকুটকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিত, কিন্তু অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিতে স্বাধীনভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করত। ১৯৪৭ সালের ১৯৪৭ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারত নামক দুটি স্বাধীন ডমিনিয়ন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ/রাষ্ট্র: পাকিস্তান ডমিনিয়ন এবং ভারত ডমিনিয়ন প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত ডমিনিয়ন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির পর সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে এই মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। পরিণতি: ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হয় এবং ব্রিটিশ রাজমুকুট বা কমনওয়েলথ প্রধানের সরাসরি শাসনব্যবস্থা ত্যাগ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারত ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর ভারতও কিছুদিন ডমিনিয়ন রাষ্ট্র হিসেবে ছিল এবং ১৯৫০ সালে সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর পূর্ণ প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। উদাহরণ ২: কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া ব্যাখ্যা: এই দেশগুলো ঐতিহাসিকভাবে ডমিনিয়ন ছিল এবং আজও ব্রিটিশ রাজকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান মানলেও এরা পুরোপুরি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এটি ব্রিটিশ কমনওয়েলথের অধীনে একটি ডমিনিয়ন রাষ্ট্র ছিল। B) ভুটান — এটি কখনো ব্রিটিশ ডমিনিয়ন ছিল না, বরং এটি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম পাহাড়ি রাজ্য যা একসময় ব্রিটিশদের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিল। C) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ যা কখনো কোনো ইউরোপীয় শক্তির ঔপনিবেশিক শাসনামলে বা ডমিনিয়নে পরিণত হয়নি। D) কোনটি নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান ও ভারত প্রথম ডমিনিয়ন হয়েছিল। ডমিনিয়ন মানে নামেমাত্র ব্রিটিশ আনুগত্য কিন্তু স্বাধীন শাসনব্যবস্থা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পাকিস্তান কত সালে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কমনওয়েলথ বা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে এই ডমিনিয়ন ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা
b ইসরাইল কর্তৃক ইরানের তেহরানে হামলা
c ইরান কর্তৃক ইসরাইলের হামলা
d ইসরাইল কর্তৃক লেবাননে হামলা
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো এই অপারেশনটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বা একক কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য আলোচিত হয়েছে। - আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। ২. যুদ্ধ, সংঘাত ও ভূরাজনীতি: - প্রেক্ষাপট: মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি যুদ্ধ এই ধরনের সামরিক অভিযানের মূল পটভূমি তৈরি করেছে। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া থামানো এবং ইসরাইলের ওপর সম্ভাব্য পারমাণবিক হুমকি প্রতিহত করাই এর লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেশন মিডনাইট হ্যামার ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংসের একটি কাল্পনিক বা সম্ভাব্য বিশেষ সামরিক অভিযান হিসেবে আলোচিত হয়। উদাহরণ ২: অপারেশন অলিম্পিক গেমস ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সাইবার অপারেশন যা ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনার সেন্ট্রিফিউজ ধ্বংস করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই অপশনটি অপারেশনটির মূল লক্ষ্য ও পক্ষকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। B) ইসরাইল কর্তৃক ইরানের তেহরানে হামলা — এটি ভুল কারণ তেহরানে ইসরাইলের হামলাগুলো সাধারণত নির্দিষ্ট সামরিক কমান্ডার বা গোয়েন্দা লক্ষ্যবস্তুর ওপর পরিচালিত হয়। C) ইরান কর্তৃক ইসরাইলের হামলা — এটি ভুল কারণ ইরান সচরাচর প্রক্সি গোষ্ঠী বা সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করে যার ভিন্ন অপারেশনাল নাম থাকে। D) ইসরাইল কর্তৃক লেবাননে হামলা — এটি ভুল কারণ লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান প্রধানত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে পরিচালিত হয় এবং এর নাম ভিন্ন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মিডনাইট হ্যামার শব্দটির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের গোপন ও রাতের আঁধারে চালানো সামরিক অভিযান মনে রাখা যায়। - ইরান সম্পর্কিত কোনো বড় সামরিক অভিযানের প্রশ্ন এলে যুক্তরাষ্ট্র ও পারমাণবিক স্থাপনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে এই ধরনের অপারেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই বিষয় থেকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a জর্জ উইলহেলা
b জন ম্যাকার্থি
c ইলন মাস্ক
d অল্টম্যান
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জন ম্যাকার্থি ১. কেন সঠিক: জন ম্যাকার্থি ১৯৫০ এর দশকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ধারণার প্রবর্তন করেন এবং ১৯৫৬ সালে প্রথম এই পরিভাষাটি ব্যবহার করেন। তিনি কম্পিউটার বিজ্ঞানের এই শাখাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন এবং আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: প্রেক্ষাপট: ১৯৫৬ সালের ডার্টমাউথ কর্মশালায় জন ম্যাকার্থি প্রথম আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই শব্দটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার করেন। গুরুত্ব: তার এই অবদানের ফলে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগতে এক বিপ্লব সাধিত হয় যা আজকের আধুনিক মেশিন লার্নিং ও রোবটিক্সের ভিত্তি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যালান টুরিং ব্যাখ্যা: অ্যালান টুরিং এআই এর তাত্ত্বিক ভিত্তি স্থাপন করলেও জন ম্যাকার্থিকে এআই এর জনক বলা হয়। উদাহরণ ২: ডার্টমাউথ সম্মেলন ব্যাখ্যা: ১৯৫৬ সালের এই সম্মেলন থেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি স্বতন্ত্র গবেষণা ক্ষেত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ উইলহেলা — এই নামের কোনো বিখ্যাত প্রযুক্তিবিদ বা বিজ্ঞানী আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাথে যুক্ত নন। B) জন ম্যাকার্থি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ইলন মাস্ক — তিনি বর্তমান যুগের একজন বিখ্যাত উদ্যোক্তা এবং টেসলা বা স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা, এআই এর জনক নন। D) অল্টম্যান — স্যাম অল্টম্যান ওপেনএআই এর প্রধান নির্বাহী হলেও তিনি এআই এর জনক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ম্যাকার্থি নামের সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এম দিয়ে ম্যাকার্থি এবং এআই এর শুরু হয়। ১৯৫৬ সালের ডার্টমাউথ কর্মশালার নামটি মনে রাখলে পরীক্ষার সময় বিভ্রান্তি এড়ানো সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৫৬ সালে। একই বিষয় থেকে পরীক্ষায় ডার্টমাউথ কর্মশালার সাল বা প্রথম এআই প্রোগ্রাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ০৩ টি
b ০২ টি
c ০৫ টি
d ০৪ টি
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০৪ টি ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মধ্যে চারটি দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করেছে। দেশগুলো হলো রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য, যা ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের কূটনৈতিক লড়াইকে বেগবান করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ বা সংস্থা: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বা ইউএনএসসি জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। প্রেক্ষাপট: মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার দীর্ঘদিনের সমর্থন রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া ব্যাখ্যা: সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরাধিকারী রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়া অনেক আগেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারকে সমর্থন করে। উদাহরণ ২: চীন ব্যাখ্যা: চীন ফিলিস্তিন সংকটে দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেয় এবং ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতিদানকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৩ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটির মধ্যে চারটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। B) ০২ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে মাত্র দুটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়নি। সি) ০৫ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সব স্থায়ী সদস্য অর্থাৎ পাঁচটি দেশ একযোগে এই স্বীকৃতি দেয়নি। D) ০৪ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বাদে বাকি চার দেশ অর্থাৎ রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়ায় তারা ফিলিস্তিনকে এককভাবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচটি হলেও ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি নিয়ে তাদের মধ্যে ভিন্ন কূটনৈতিক অবস্থান রয়েছে। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে জাতিসংঘে ভেটো ক্ষমতা এবং ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিষয়ক সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।
a 12
b 10
c 9
d 11
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১ ১. কেন সঠিক: পূর্ব তিমুর বা তিমুর লিসে আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান এর একাদশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পথে রয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার পর ২০২৩ সালের কম্বোডিয়া সম্মেলনে পূর্ব তিমুরকে নীতিগতভাবে আসিয়ানের একাদশ সদস্য হিসেবে গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: আসিয়ান অর্থাৎ অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস একটি আঞ্চলিক আন্তঃসরকারি সংস্থা। প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: আসিয়ান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালের আট আগস্ট এবং এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসিয়ানের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ব্যাখ্যা: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ড এই পাঁচটি দেশ ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে আসিয়ান প্রতিষ্ঠা করেছিল। উদাহরণ ২: ব্রুনাই ও কম্বোডিয়ার সদস্যপদ লাভ ব্যাখ্যা: ব্রুনাই আশির দশকে এবং কম্বোডিয়া ১৯৯৯ সালে আসিয়ান এর সদস্যপদ লাভ করে যা এই জোটের সম্প্রসারণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ — এটি ভুল কারণ পূর্ব তিমুর যুক্ত হলে সদস্যসংখ্যা এগারো হবে এবং বর্তমানে দ্বাদশ কোনো দেশ যুক্ত হয়নি। B) ১০ — এটি ভুল কারণ দীর্ঘ সময় ধরে আসিয়ান এর সদস্যসংখ্যা দশ ছিল এবং পূর্ব তিমুরের অন্তর্ভুক্তি এই সংখ্যা বাড়িয়েছে। C) ৯ — এটি ভুল কারণ আসিয়ান তার শুরুর পর বিভিন্ন ধাপে সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে দশটিতে উন্নীত করেছিল। D) ১১ — এটি সঠিক কারণ পূর্ব তিমুর আসিয়ানের একাদশ বা এগারোতম সদস্য হিসেবে পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি অর্জনের প্রক্রিয়ায় আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আসিয়ানের প্রথম সদস্য ছিল পাঁচটি দেশ এবং দীর্ঘকাল এর সদস্যসংখ্যা ছিল দশ। সর্বশেষ এবং একাদশ সদস্য হিসেবে যুক্ত হতে যাওয়া দেশটির নাম পূর্ব তিমুর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক সংস্থা এবং সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি থেকে বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসিয়ানের বর্তমান সদস্যসংখ্যা, সদর দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠার সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ভিয়েনা
b জেনেভা
c ওয়াশিংটন
d প্যারিস
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভিয়েনা ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী একাডেমি বা International Anti-Corruption Academy একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা দুর্নীতি দমনের জন্য কাজ করে। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার নিকটবর্তী লাক্সেনবার্গ শহরে এই প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত হওয়ায় সঠিক উত্তর ভিয়েনা নির্বাচিত হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: International Anti-Corruption Academy (IACA) প্রতিষ্ঠা: ২০১০ সালের ৮ মার্চ সদর দপ্তর: লাক্সেনবার্গ, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি দমনে পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি এবং গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘ অপরাধ ও ন্যায়বিচার গবেষণা ইন্সটিউটিশন ব্যাখ্যা: এটিও আন্তর্জাতিক অপরাধ এবং দুর্নীতি রোধে জাতিসংঘের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ব্যাখ্যা: এটি দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক বেসামরিক সংস্থা যার সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী একাডেমির মূল সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। C) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর রয়েছে। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো ও ওইসিডি এর প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: দুর্নীতি দূর করতে হলে আইনের শাসন বা ভিয়েনার মতো সুন্দর ইউরোপীয় শহরের সুশাসন দরকার। ভিয়েনা শহরটি আন্তর্জাতিক নানা সংস্থার জন্য বিখ্যাত এবং দুর্নীতিবিরোধী একাডেমির অবস্থানও এখানেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর প্রায়ই আসে। আইএসিএ (IACA) প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় দেখা যায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a বিবৃতিবাচক বাক্য
b আবেগবাচক বাক্য
c অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
d প্রশ্নবাচক শব্দ
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যের মাধ্যমে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, উপদেশ বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়, তাকে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে। 'তার মঙ্গল হোক' বাক্যটির মাধ্যমে বক্তা কারো কল্যাণ বা আশীর্বাদ কামনা করেছেন, যা অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য প্রকরণে অর্থের দিক থেকে বাক্যকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য হলো এমন একটি বাক্য যেখানে বক্তার মনের ইচ্ছা, প্রার্থনা, আশীর্বাদ বা আদেশ প্রকাশিত হয়। এই বাক্যে ক্রিয়াপদটি প্রায়শই অনুভাবক বা বিশেষ রূপ ধারণ করে এবং অনেক সময় মধ্যম পুরুষের ক্ষেত্রে কর্তা উহ্য থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে অন্যের প্রতি শুভকামনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা অনুজ্ঞাবাচক বাক্য। উদাহরণ ২: আপনারা একটু বসুন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে শ্রোতাকে বসার অনুরোধ করা হয়েছে, যা অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের নির্দেশক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিবৃতিবাচক বাক্য — যে বাক্যে কোনো সাধারণ তথ্য, বিবরণ বা সত্য প্রকাশ পায় তাকে বিবৃতিবাচক বলে, কিন্তু এখানে আশীর্বাদ বোঝানো হয়েছে। B) আবেগবাচক বাক্য — যে বাক্যে আনন্দ, ঘৃণা, ভয় বা বিস্ময়ের আবেগ প্রকাশ পায় তা আবেগবাচক, কিন্তু এটি আবেগ প্রকাশ করছে না। C) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে আশীর্বাদ বা প্রার্থনা প্রকাশ পেয়েছে। D) প্রশ্নবাচক শব্দ — যে শব্দ বা বাক্যের মাধ্যমে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয় তাকে প্রশ্নবাচক বলে, কিন্তু এখানে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: আশীর্বাদ, প্রার্থনা, আদেশ বা অনুরোধ বুঝলেই চোখ বন্ধ করে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য দাগিয়ে দেবে। মনে রাখবে ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশের বাক্যগুলো অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের অধীনেই গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আশীর্বাদ বা প্রার্থনা মূলক বাক্য এলে তা সাধারণত অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের মধ্যে পড়ে। বাক্য পরিবর্তনের সময় অর্থের রূপান্তর না করে বাক্যের গঠন ও প্রকারভেদ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a আনন্দময়ীর আগমন
b অগ্নিবীণা
c প্রলয়োল্লাস
d বিদ্রোহী
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এর অন্তর্গত বিখ্যাত কবিতা হলো ধূমকেতু। - এই কবিতার মাধ্যমে কবির বিদ্রোহী চেতনার সঙ্গে ধূমকেতুর আগমনের মিল দেখানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। - এই সংকলনে মোট বারটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে যার মধ্যে ধূমকেতু অন্যতম প্রধান রচনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস যা যুগান্তর আনয়নের বার্তা দেয়। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় ও সর্বাধিক জনপ্রিয় কবিতা হলো বিদ্রোহী যা কবিকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দময়ীর আগমন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা ও পঙক্তি হলেও ধূমকেতু কবিতাটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়। B) অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর। C) প্রলয়োল্লাস — এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা হলেও ধূমকেতু এর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) বিদ্রোহী — এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা তবে ধূমকেতু আলাদা একটি কবিতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধূমকেতু নামে নজরুল একটি পত্রিকাও সম্পাদনা করতেন এবং অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতার নাম প্রলয়োল্লাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম ও শেষ কবিতার নাম প্রায়ই আসে।
a ঝরাপালক
b রূপসী বাংলা
c সাতটি তারার তিমির
d জাগ্রত ধরিনী
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাগ্রত ধরিনী ১. কেন সঠিক: - জাগ্রত ধরিনী জীবনানন্দ দাশের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। - এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো মৌলিক বা সংকলিত কাব্যগ্রন্থের নামের সঙ্গে মেলে না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ঝরাপালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন ও সাতটি তারার তিমির অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় প্রকাশিত এবং অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝরাপালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। B) রূপসী বাংলা — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য নিয়ে লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। C) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান ও পরিণত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। D) জাগ্রত ধরিনী — এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয় এবং এটিই প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখতে তার প্রধান বইগুলোর নাম বারবার পড়তে পারো। - অপ্রাসঙ্গিক নাম দেখলে সহজেই বাদ দিতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রূপসী বাংলা। - কবি পরিচিতি পড়ার সময় কাব্যগ্রন্থগুলোর প্রকাশকাল ও নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a তত্ত্ববোধিনী
b সাধনা
c a এবং b
d কোনটি নয়
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a এবং b কেন সঠিক: ১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার কিছু অংশ সম্পাদনা করেছিলেন। ২. তিনি ১৮৯৪ সাল থেকে সাধনা পত্রিকার মূল দায়িত্ব নিয়ে সফলভাবে সম্পাদনা ও প্রকাশনা পরিচালনা করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্য ও সাময়িকপত্র চর্চার ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনা কর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূর প্রসারী। ২. সাধনা পত্রিকায় তাঁর অনেক বিখ্যাত কবিতা, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণস্বরূপ, সাধনা পত্রিকায় তাঁর সোনার তরী কবিতা এবং বহু প্রখ্যাত ছোটগল্প প্রথম প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তত্ত্ববোধিনী — এটি শুধুমাত্র ভুল নয় কারণ রবীন্দ্রনাথ এটি সম্পাদনা করেছিলেন, তবে এটি একমাত্র সঠিক উত্তর নয়। B) সাধনা — এটিও আংশिक সঠিক কিন্তু অপশন সি তে উভয় পত্রিকা থাকার কারণে এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর হতে পারে না। C) a এবং b — এই অপশনটি সঠিক কারণ রবীন্দ্রনাথ তত্ত্ববোধিনী এবং সাধনা উভয় পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) কোনটি নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন এ এবং বি এর মধ্যে বিদ্যমান। মনে রাখার টিপস: ১. রবীন্দ্রনাথের পত্রিকার নাম মনে রাখতে ত ও স অক্ষর দুটি মনে রাখতে পারো যা তত্ত্ববোধিনী ও সাধনা নির্দেশ করে। ২. ঠাকুর পরিবারের সাহিত্য সাধনার সঙ্গে এই দুটি পত্রিকার নাম ও রবীন্দ্রনাথের সম্পাদনার ইতিহাস গভীরভাবে জড়িত।
a ঙ, হ
b ড, ঢ
c ক, খ
d একটিও নয়
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক, খ কেন সঠিক: ১. বাংলা বর্ণমালায় বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলোকে অঘোষ ব্যঞ্জন হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ক এবং খ বর্ণ দুটি ক বর্গীয় ধ্বনির প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় এরা অঘোষ ব্যঞ্জন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, সেগুলোকে অঘোষ ব্যঞ্জন বলা হয়। ২. প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ এবং শ, ষ, স অঘোষ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ৩. যেমন ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি ধ্বনিগুলো উচ্চারণে স্বরতন্ত্রীর কম্পন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঙ, হ — ঙ হলো কবর্গের পঞ্চম বর্ণ যা ঘোষ ধ্বনি এবং হ হলো উষ্ম ঘোষ ধ্বনি। B) ড, ঢ — ড এবং ঢ হলো টবর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ যা ঘোষ ধ্বনির উদাহরণ। D) একটিও নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ১. বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ মানেই অঘোষ ধ্বনি। ২. প্রথম দুটি হাত অর্থাৎ ১ ও ২ নম্বর আঙুল অঘোষ বোঝাতে ব্যবহার করতে পারো।
a নীরোগ
b বাকদান
c সন্তাপ
d একটিও নয়
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীরোগ ১. কেন সঠিক: - নীরোগ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে কারণ এর সন্ধিবিচ্ছেদ করলে বিসর্গ চিহ্ন পাওয়া যায়। - এখানে নি বিসর্গের সঙ্গে রোগ যুক্ত হয়ে দীর্ঘ স্বরধ্বনি তৈরির মাধ্যমে বিসর্গ লোপ পেয়েছে এবং পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধি হলো বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন। - বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো বিসর্গের পরে র থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং আগের হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়। - এখানে নি বিসর্গ যোগ রোগ সমান নীরোগ, যা এই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি যোগ রস সমান নীরস ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে র থাকার কারণে বিসর্গ লুপ্ত হয়েছে এবং নি এর ই দীর্ঘ হয়ে দীর্ঘ ইকার হয়েছে। উদাহরণ ২: নি যোগ রব সমান নীরব ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে র থাকায় বিসর্গ উঠে গেছে এবং আগের হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ স্বরে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীরোগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বাকদান — এটি ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ কারণ এখানে বাক যোগ দান মিলে বাকদান হয়েছে। C) সন্তাপ — এটি স্বর বা ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্গত নয়, বরং এটি একটি ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম যেখানে সম যোগ তাপ হয়। D) একটিও নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - নি বিসর্গের পরে র থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে প্রথম স্বরধ্বনি দীর্ঘ করতে হয়। - যেমন নি যোগ রোগ সমান নীরোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধিতে দীর্ঘ স্বর পরিবর্তনের নিয়মটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - নি যোগ রোগ বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a জাতি বিশেষ্য
b নাম বিশেষ্য
c গুণ বিশেষ্য
d একটিও নয়
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটিও নয় ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ডি অর্থাৎ একটিও নয়, কারণ জনতা, পরিবার ও ঝাঁক শব্দগুলো সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বা সমষ্টিবাচক পদের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলে, যা প্রদত্ত অপশনগুলোতে সরাসরি উল্লেখ নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা নাম বিশেষ্য, জাতি বিশেষ্য, বস্তু বা উপাদানবাচক বিশেষ্য, গুণ বিশেষ্য, সমষ্টিবাচক বিশেষ্য ও ভাববাচক বিশেষ্য। জনতা মানে মানুষের সমষ্টি, পরিবার মানে সদস্যের সমষ্টি এবং ঝাঁক মানে পাখি বা প্রাণীর সমষ্টি, তাই এগুলো স্পষ্টতই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভা ব্যাখ্যা: সভা হলো অনেক মানুষের একটি নির্দিষ্ট জমায়েত বা সমষ্টি, তাই এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: মাহফিল ব্যাখ্যা: মাহফিল শব্দটি দ্বারা অনেক শ্রোতা বা ব্যক্তির একত্রিত অবস্থাকে বোঝানো হয়, যা সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের নিয়মকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতি বিশেষ্য — জাতি বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে কোনো সাধারণ জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়, যেমন মানুষ, পাখি বা গরু। B) নাম বিশেষ্য — নাম বিশেষ্য দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান, ভৌগোলিক নাম বা গ্রন্থের নাম বোঝায়, যেমন ঢাকা, নজরুল বা কোরআন। C) গুণ বিশেষ্য — গুণ বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায় যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয় কেবল অনুভূতির বিষয়, যেমন দয়া, সততা বা শৈশব। D) একটিও নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সমষ্টিবাচক বিশেষ্য যা অপশনে নেই, তাই এই অপশনটিই সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: যেকোনো দল, সংঘ, সভা, সমিতি, জনতা, পরিবার, গুচ্ছ বা পাল দেখলে চোখ বন্ধ করে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। নাম, জাতি, বস্তু, গুণ, সমষ্টি ও ভাব এই ছয়টি বিশেষ্যের প্রকারভেদ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য থেকে প্রশ্ন আসে এবং পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে জাতি বা গুণ বিশেষ্যের অপশন দেওয়া হয়। কোনো শব্দ এককভাবে কাউকে না বুঝিয়ে যদি একটি দল বা সমষ্টিকে বোঝায়, তবে সেটি সর্বদা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য হবে।
a স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
b কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ
c পদানুগ ক্রিয়াবিশেষণ
d ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ ১. কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে। - এখানে মিছিলটি কোথায় এগিয়ে যায় তার উত্তর হলো সামনে, যা স্থান বা দিক নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল, ভাব বা উপায় নির্দেশ করে তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। - স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ কোনো কাজের ঘটার ভৌগোলিক অবস্থান বা দিক নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে ওড়ে ক্রিয়াপদকে কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে আকাশে উত্তর আসে, যা স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। উদাহরণ ২: তারা ভেতরে এসে বসলো। ব্যাখ্যা: এখানে বসা ক্রিয়ার স্থান বোঝাতে ভেতরে শব্দটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — সঠিক উত্তর কারণ এটি সামনে শব্দের মাধ্যমে স্থান বা দিক নির্দেশ করছে। B) কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ — ভুল কারণ এটি কোনো সময় বা কাল নির্দেশ করছে না। C) পদানুগ ক্রিয়াবিশেষণ — ভুল কারণ এটি কোনো পদের অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। D) ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ — ভুল কারণ এটি কাজের ধরণ বা কৌশল বোঝাচ্ছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদকে কোথায় প্রশ্ন করে যে উত্তর পাবে, সেটাই স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। - দিক বা জায়গার নাম বোঝালেই তা স্থানবাচক হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্রিয়াবিশেষণের প্রকারভেদ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - কোথায়, কখন, কীভাবে - এই তিনটি প্রশ্ন দিয়ে ক্রিয়াবিশেষণ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a - তে
b - য়ে
c - এ
d - কে
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) - তে ১. কেন সঠিক: শব্দের শেষে ই-কার বা উ-কার থাকলে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সপ্তমীর এ বিভক্তি পরিবর্তিত হয়ে -তে রূপ নেয়। এটি মূলত শব্দের উচ্চারণ সহজ করা এবং শ্রুতিমধুর করার জন্য ব্যাকরণে নির্ধারিত একটি বিশেষ রূপভেদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কারক ও বিভক্তি অংশে সপ্তমীর এ বিভক্তির বিভিন্ন রূপের আলোচনা রয়েছে। শব্দের অন্তে ই-কার বা উ-কার কিংবা স্বরবর্ণ থাকলে অনেক সময় সরাসরি এ বিভক্তি যুক্ত না হয়ে -তে রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাড়িতে কেউ নেই। ব্যাখ্যা: বাড়ি শব্দের শেষে ই-কার থাকায় এর সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাড়িতে রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে। (এখানে অধিকরণে তে এর ব্যবহার) কিংবা বায়ুতে অক্সিজেন আছে। ব্যাখ্যা: বায়ু শব্দের শেষে উ-কার থাকার কারণে এর সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে বায়ুতে রূপ নিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) - তে — এটি সঠিক কারণ ই-কার বা উ-কারান্ত শব্দের সাথে সপ্তমীর বিভক্তি হিসেবে যুক্ত হয়। B) - য়ে — এটি সাধারণত স্বরান্ত শব্দের পরে এ বিভক্তির বিকল্প রূপ হিসেবে বসে, নির্দিষ্ট করে ই-কার বা উ-কারান্ত শব্দের জন্য নয়। C) - এ — এটি সরাসরি স্বরান্ত বা ব্যঞ্জনান্ত শব্দের সাথে যুক্ত হয়, কিন্তু ই-কার বা উ-কারান্ত শব্দের শেষে এটি পরিবর্তিত হয়। D) - কে — এটি মূলত দ্বিতীয় ও চতুর্থী বিভক্তির রূপ, যা কর্মকারকে ব্যবহৃত হয়, অধিকরণ কারকের বিভক্তির রূপভেদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ই-কার ও উ-কার দেখলে বিভক্তি হবে তেকার। শব্দের শেষে ই কিংবা উ থাকলে সপ্তমীতে সবসময় -তে ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের সময় শব্দের অন্তবর্ণ বা শেষের বর্ণ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। ই-কারান্ত ও উ-কারান্ত শব্দের সাথে -তে বিভক্তি যুক্ত হলে তা সর্বদা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
a যদি বৃষ্টি হতো, সবাই মিলে খিচুড়ি খেতাম।
b শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল।
c যদি আরো শীত পড়তো, সবাই মিলে বেড়াতে যেতাম।
d আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল। ১. কেন সঠিক: - বাক্যে এইমাত্র শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যা কাজের সদ্য সমাপ্তি নির্দেশ করে এবং এর ফল বর্তমান রয়েছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি ঠিক এইমাত্র শেষ হলেও তার ফলাফল বা প্রভাব বর্তমান সময়ে বিদ্যমান থাকায় এটি পুরাঘটিত বর্তমান কালের উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে ক্রিয়া কিছু সময় আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল বা প্রভাব এখনও বর্তমান রয়েছে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে। - এই কাল গঠনে মূল ক্রিয়ার সাথে এছে, এছি, এছেন, য়া, য়েছি ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয় এবং বাক্যে এইমাত্র, সবেমাত্র ইত্যাদি শব্দ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খেয়েছি। ব্যাখ্যা: খাওয়ার কাজটি সবে শেষ হয়েছে এবং তার তৃপ্তি বা ফল বর্তমানে রয়েছে। উদাহরণ ২: সে এইমাত্র চিঠিটি পড়েছে। ব্যাখ্যা: পড়ার কাজটি এইমাত্র শেষ হয়েছে এবং বিষয়টি এখন তার জানা আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যদি বৃষ্টি হতো, সবাই মিলে খিচুড়ি খেতাম। — এটি সাপেক্ষ অতীত বা নিত্যবৃত্ত অতীতের উদাহরণ যেখানে শর্ত বোঝানো হয়েছে। B) শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল। — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি সদ্য সমাপ্ত কাজের ফল নির্দেশ করে পুরাঘটিত বর্তমান হয়েছে। C) যদি আরো শীত পড়তো, সবাই মিলে বেড়াতে যেতাম। — এটিও শর্তযুক্ত অতীতকাল বা সাপেক্ষ অতীতের উদাহরণ। D) আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম — এটি সাধারণ অতীত কালের উদাহরণ কারণ কাজটি অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে এইমাত্র বা সবেমাত্র শব্দ দেখলে এবং তার কাজ শেষ হওয়ার পর ফল বর্তমান থাকলে তা পুরাঘটিত বর্তমান হবে। - অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময় বা শর্ত বোঝালে তা অন্য কালে চলে যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এইমাত্র, সবে, ইতিমধ্যে ইত্যাদি নির্দেশক শব্দগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - অতীত কাল এবং পুরাঘটিত বর্তমান কালের পার্থক্য বোঝার জন্য কাজের ফল বর্তমানে বিদ্যমান কি না তা দেখতে হবে।
a দূত
b নারীদূত
c দ্যুতি
d দূতী
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দূতী ১. কেন সঠিক: - নারী সংবাদ বাহক বা বার্তা বহনকারীকে এককথায় দূতী বলা হয়। - ব্যাকরণগতভাবে পুরুষবাচক শব্দ দূত এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো দূতী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। - দূত শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দূতী শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে দীর্ঘপথ অতিক্রম করে রাজার কাছে গোপন বার্তা পৌঁছে দিল। ব্যাখ্যা: এখানে বার্তা বাহক বা দূত হিসেবে তার ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রাচীন কাব্যে নায়িকা ও নায়কের মিলনের জন্য দূতী নানা ধরনের কৌশল প্রয়োগ করতেন। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক ও পৌরাণিক প্রেক্ষাপটে নারী সংবাদ বাহক অর্থে দূতী শব্দের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূত — এটি পুরুষবাচক শব্দ, যা পুরুষ সংবাদ বাহককে বোঝায় কিন্তু প্রশ্নের নারী শব্দটির সঙ্গে মেলে না। B) নারীদূত — এটি ব্যাকরণসিদ্ধ ও প্রমিত শব্দ নয় কারণ দূত শব্দের নিজস্ব প্রমিত স্ত্রীবাচক রূপ দূতী প্রচলিত আছে। C) দ্যুতি — এর অর্থ প্রভা বা দীপ্তি, যা সংবাদ বাহকের সঙ্গে সম্পর্কহীন সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ। D) দূতী — এটি সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ যা নারী সংবাদ বাহককে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পুরুষ সংবাদ বাহক হলে দূত এবং নারী সংবাদ বাহক হলে শেষে ঈ কার যুক্ত করে দূতী বলতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ এবং লিঙ্গান্তর নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের সঠিক রূপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
a বিশেষ্য বর্গ
b বিশেষণ বর্গ
c ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ
d ক্রিয়া বর্গ
0 47 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ ১. কেন সঠিক: বাক্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পদ্ধতি, সময় বা কারণ বোঝাতে যে শব্দগুচ্ছ একত্রে ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ বলে। এখানে 'খেয়ে আর ঘুমিয়ে' অংশটি মূল ক্রিয়া 'কাটাচ্ছে' কাজটি কীভাবে সম্পাদিত হচ্ছে তা নির্দেশ করছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বর্গ হলো এমন এক বা একাধিক শব্দ যা বাক্যে একক পদ হিসেবে কাজ করে এবং নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ বাক্যে ক্রিয়াপদের সময়, স্থান, মাধ্যম বা পদ্ধতি প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'হেঁটে হেঁটে ক্লান্ত হয়ে পড়লাম' ব্যাখ্যা: এখানে 'হেঁটে হেঁটে' অংশটি ক্লান্ত হওয়ার মাধ্যম বা পদ্ধতি বোঝাচ্ছে, যা ক্রিয়াবিশেষণ বর্গের উদাহরণ। উদাহরণ ২: 'সে দ্রুত দৌড়ে চলে গেল' ব্যাখ্যা: এখানে 'দ্রুত দৌড়ে' পদগুচ্ছটি যাওয়ার প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি নির্দেশ করায় এটি ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য বর্গ — কারণ এটি কোনো নাম, বস্তু বা বিষয় বোঝায় না বরং ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করছে। B) বিশেষণ বর্গ — কারণ এটি কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে না। D) ক্রিয়া বর্গ — কারণ মূল ক্রিয়াপদ হলো 'কাটাচ্ছে', আর 'খেয়ে আর ঘুমিয়ে' অংশটি মূল ক্রিয়ার কাজ করছে না বরং তাকে বিশেষিত করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের মূল ক্রিয়াকে কীভাবে, কখন বা কেন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি একাধিক শব্দে গঠিত হয়, তবে তা ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ বর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বাক্যে কোন অংশটি মূল পদকে মডিফাই করছে বা বিশেষিত করছে, তা খেয়াল করতে হবে।
a যোজক
b বিশেষ্য
c বিশেষণ
d অনুসর্গ
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যোজক কেন সঠিক: - যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকে। - এই একাধিক সমাপিকা ক্রিয়াকে পরস্পর যুক্ত করতে যোজক অব্যয় ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বাক্য যোজক দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে। - এখানে প্রতিটি খণ্ড বাক্যের নিজস্ব সমাপিকা ক্রিয়া থাকে। - উদাহরণস্বরূপ, সে বাজারে গেল এবং মাছ কিনল বাক্যে গেল ও কিনল দুটি সমাপিকা ক্রিয়া এবং এবং যোজক দ্বারা যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) যোজক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। - B) বিশেষ্য — এটি বাক্যে নামপদ হিসেবে কাজ করে, ক্রিয়াগুলোকে যুক্ত করে না। - C) বিশেষণ — এটি দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, বাক্যের অংশকে যুক্ত করে না। - D) অনুসর্গ — এটি শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে, বাক্য বা ক্রিয়া জোড়ার কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: - যৌগিক মানে যোগ করা, আর বাক্য যোগ করে যোজক।
a করণ কারক
b অপাদান কারক
c অধিকরণ কারক
d সম্বন্ধ কারক
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণ কারক ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের কাল বা সময় এবং আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সাধারণত শব্দের সঙ্গে সপ্তম বিভক্তি যেমন এ, য়, তে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে স্থানে বা যে সময়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে বিভক্তি যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে সপ্তম বিভক্তির প্রয়োগ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে, যা অধিকরণ কারক। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: সকালে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে সময় বোঝাচ্ছে, যা কালাধিকরণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারক — করণ কারকে সাধারণত তৃতীয় বিভক্তি যেমন দ্বারা, দিয়া, কর্তিক যুক্ত হয়। B) অপাদান কারক — অপাদান কারকে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি যেমন হইতে, থেকে, চে যুক্ত হয়। C) অধিকরণ কারক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কারকেই এ এবং য় বিভক্তি যুক্ত হয়। D) সম্বন্ধ কারক — সম্বন্ধ কারক পদ নয়, এটি বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝায় এবং এতে র বা এর বিভক্তি যুক্ত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্থান ও সময় বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং সেখানে সাধারণত এ, য় বা তে বিভক্তি বসে। অধিকরণ কারক চেনার জন্য কোথায় এবং কখন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক নির্ধারণ করতে হবে এবং পরে বিভক্তি দেখতে হবে। বিভক্তি চেনার জন্য কোন কারকে কোন বিভক্তি যুক্ত হয় তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a আমরা কঠোর পরিশ্রম করি
b চিঠিটা পড়া হয়েছে
c ছেলেটি ছবি আঁকে
d কোথা থেকে আসা হলো
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিঠিটা পড়া হয়েছে ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে কর্মপদটি প্রধান হয়ে ওঠে এবং ক্রিয়াপদটি কর্মের পুরুষ অনুযায়ী সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে। এই বাক্যে কর্ম বা উদ্দেশ্যপদ প্রধান এবং ক্রিয়ার সঙ্গে কর্মের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কর্তৃবাচ্যের কর্ম যখন বাচ্যের পরিবর্তনের মাধ্যমে বাক্যের প্রধান বা মূল বিষয়ে পরিণত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে। কর্মবাচ্যের বাক্যে ক্রিয়াপদটি কর্মের লিঙ্গ, বচন ও পুরুষ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয় এবং সাধারণত মূল ক্রিয়ার সঙ্গে আ, ইয়া বা তে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাল ধোয়া হলো ব্যাখ্যা: এখানে কর্মপদ প্রধান এবং ক্রিয়াপদটি কর্মের সঙ্গে মিল রেখে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চোরটি ধরা পড়েছে ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কর্মপদটি কর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে রূপান্তর করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমরা কঠোর পরিশ্রম করি — এটি কর্তৃবাচ্য, কারণ এখানে কর্তা আমরা সরাসরি কাজ করছে এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী। B) চিঠিটা পড়া হয়েছে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে কর্ম প্রধান হয়েছে। C) ছেলেটি ছবি আঁকে — এটি কর্তৃবাচ্য, এখানে ছেলেটি কর্তা হিসেবে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। D) কোথা থেকে আসা হলো — এটি ভাববাচ্য, কারণ এখানে কর্তা বা কর্মের পরিবর্তে ক্রিয়ার ভাব বা কাজটাই প্রধান হয়ে উঠেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: কর্মবাচ্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের কর্মপদটি খুঁজে বের করা এবং দেখা যে কাজটি কার দ্বারা বা কার ওপর সম্পন্ন হচ্ছে। কর্মবাচ্যের ক্রিয়াপদে সাধারণত কর্মের প্রাধান্য থাকে এবং কর্তার সঙ্গে কর্তাকারকের বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাচ্য পরিবর্তনের সময় কর্তায় প্রথমা এবং কর্মে প্রথমা বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্মবাচ্য গঠিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্তৃবাচ্য থেকে কর্মবাচ্য বা ভাববাচ্য নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ক্রিয়ার ভাবের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a ত্রিবিন্দু
b বিন্দু
c কোলন
d একটিও নয়
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ত্রিবিন্দু ১. কেন সঠিক: লেখার সময় বক্তৃতার অসমাপ্তি, ভাবের গভীরতা বোঝাতে কিংবা কোনো কথা বা তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিতে বা অব্যক্ত রাখতে ত্রিবিন্দু ব্যবহার করা হয়। বাংলা ব্যাকরণে বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার বাক্যকে স্পষ্ট করে এবং লেখার ভাব প্রকাশে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিরামচিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার শুরু করেন। বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝাতে এবং পাঠকের সুবিধার্থে বিভিন্ন প্রকার বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি আর কি বলব, সব তো বুঝতেই পেরেছ... ব্যাখ্যা: এখানে বক্তার অসমাপ্ত কথা ও অব্যক্ত ভাব প্রকাশের জন্য ত্রিবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার খাতায় উত্তর লেখার সময় তিনি বললেন, আজ আর বাকি অংশ লিখব না... ব্যাখ্যা: কথা অসম্পূর্ণ রাখা বা লেখার অংশ বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ত্রিবিন্দুর ব্যবহার দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রিবিন্দু — এটি লেখার সময় কোনো কথা অব্যক্ত রাখতে বা অসম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) বিন্দু — বিন্দু সাধারণত বাক্য সমাপ্তি বোঝাতে বা সংক্ষিপ্ত রূপের পরে বসে, যা অব্যক্ত কথার জন্য নয়। C) কোলন — কোলন একটি উদাহরণ বা বিবৃতি আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা অব্যক্ত রাখার কাজে লাগে না। D) একটিও নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো কথা মনে মনে রেখে মুখ বন্ধ রাখার মতো তিনটি বিন্দু পাশাপাশি বসালেই ত্রিবিন্দু হয় এবং কথা অব্যক্ত থাকে। বিরামচিহ্নের নাম ও তার কাজ মনে রাখতে বাক্যের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের কাজ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন চিহ্ন কতক্ষণ থামতে হয় এবং কোনটির কাজ কী, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অর্থ বদল
b অর্থ প্রসার
c অর্থ সংকোচ
d অর্থের ভাবার্থ
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্থ সংকোচ কেন সঠিক: - ‘মৃগয়া’ শব্দের আদি বা সাধারণ অর্থ ছিল যেকোনো পশু শিকার। - বর্তমান ব্যবহারে এই শব্দটি শুধু হরিণ শিকার বা হরিণ অর্থেই সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের অর্থ পরিবর্তনের ধারায় যখন কোনো ব্যাপক অর্থবাচক শব্দ সঙ্কুচিত হয়ে বিশেষ কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে অর্থ সংকোচন বলে। - এটি বাংলা শব্দার্থ পরিবর্তনের একটি অন্যতম প্রধান ধারা। - যেমন ‘পঙ্কজ’ শব্দের অর্থ পঙ্কে জন্মায় যা যেকোনো কিছু হতে পারে, কিন্তু এটি কেবল পদ্মফুল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অর্থ বদল — শব্দের অর্থ পুরোপুরি বদলে যাওয়ার ঘটনা এখানে ঘটেনি, তাই এটি সঠিক নয়। - B) অর্থ প্রসার — শব্দের অর্থ সীমিত হয়েছে, বিস্তৃত বা প্রসারিত হয়নি, তাই এটি ভুল। - C) অর্থ সংকোচ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) অর্থের ভাবার্থ — এটি শব্দের রূপান্তরের কোনো নির্দিষ্ট অর্থ পরিবর্তনের ধারা নয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - বড় ক্ষেত্র থেকে ছোট বা নির্দিষ্ট কোনো অর্থে চলে আসলে তাকে অর্থ সংকোচন বলে মনে রাখবে।
a খয়ের খাঁ
b চিনে জোঁক
c লেফাফা দুরস্ত
d একটিও নয়
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটিও নয় কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোতে যে বাগধারাগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর কোনোটির অর্থই দৃঢ় সংকল্প বোঝায় না। - বাংলা ভাষায় 'দৃঢ় সংকল্প' বা প্রতিজ্ঞার জন্য সাধারণত 'ইট কাঠ পাথরে বাঁধুনি' বা 'একাট্টি হওয়া' জাতীয় ভাব ব্যবহার করা হয়, যা এখানে নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। - প্রশ্নোক্ত অর্থের সাথে মিল না থাকায় সঠিক উত্তর হিসেবে 'একটিও নয়' নির্বাচন করা হয়েছে। - সঠিক বাগধারার উদাহরণস্বরূপ 'বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো' বা 'দৃঢ় প্রতিজ্ঞা' অর্থে অন্য শব্দ ব্যবহার হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) খয়ের খাঁ — এই বাগধারার অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। - B) চিনে জোঁক — এই বাগধারার অর্থ নাছোড়বান্দা বা যা সহজে পিছু ছাড়ে না। - C) লেফাফা দুরস্ত — এই বাগধারার অর্থ বাইরে ঠাটবাট কিন্তু ভেতরে সারশূন্য। - D) একটিও নয় — এটি সঠিক কারণ আগের তিনটি অপশনের অর্থ নির্দিষ্ট অন্য ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: - প্রতিটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। - বিভ্রান্তিকর অপশন দেখলে আগে প্রতিটি বাগধারার অর্থ আলাদা করে লিখে মিলিয়ে নিতে হবে।
a সম্রাট
b ভূপতি
c বিভাবরী
d নূপ
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিভাবরী ১. কেন সঠিক: - বিভাবরী শব্দটির অর্থ রাত্রি বা রাত, যা কোনোভাবেই বাদশাহ বা রাজাকে বোঝায় না। - প্রশ্নটিতে বাদশাহ শব্দের প্রতিশব্দ নয় কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো বিভাবরী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থের দিক থেকে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা। - বাদশাহ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ সম্রাট, রাজা বা অধিপতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিশাচর ব্যাখ্যা: নিশাচর অর্থ যে রাতে চলাফেরা করে, এখানে নিশা শব্দের অর্থ রাত। উদাহরণ ২: অবনীপতি ব্যাখ্যা: অবনীপতি শব্দের অর্থ পৃথিবীর অধিপতি বা রাজা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট — সম্রাট শব্দটি বাদশাহ শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) ভূপতি — ভূপতি শব্দের অর্থ পৃথিবীর স্বামী বা রাজা, যা বাদশাহ শব্দের সমার্থক। D) নূপ — নূপ শব্দের অর্থ রাজা বা সম্রাট, যা বাদশাহ শব্দের সঙ্গে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাত বোঝাতে বিভাবরী, রজনী, যামিনী শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। - রাজা বোঝাতে সম্রাট, ভূপতি, নূপ শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানা থাকলে খুব সহজেই ভুল অপশন বা আলাদা অর্থবোধক শব্দ চিহ্নিত করা যায়।
a নীচেষ্ট
b নিশ্চেষ্ট
c নিশেষ্ট
d নীশেষ্ট
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিশ্চেষ্ট ১. কেন সঠিক: - সচেষ্ট শব্দের অর্থ কর্মতৎপর বা উদ্যোগী। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো নিশ্চেষ্ট, যার অর্থ নিষ্ক্রিয় বা উদ্যোগহীন। - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব এবং উপসর্গ বা প্রত্যয়ের প্রয়োগ লক্ষ্য করতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় অনেক সময় শব্দের পূর্বে নি উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীতার্থক শব্দ গঠন করা হয়। - সচেষ্ট শব্দটিতে চেষ্ট শব্দের সঙ্গে স উপসর্গ বা স-যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে এবং এর বিপরীত অর্থে নি উপসর্গ যোগে নিশ্চেষ্ট গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সক্রিয় ব্যাখ্যা: সক্রিয় শব্দের বিপরীত শব্দ নিষ্ক্রিয়, যা কর্মতৎপরতার অভাব বোঝায়। উদাহরণ ২: সজীব ব্যাখ্যা: সজীব শব্দের বিপরীত শব্দ নির্জীব, যা প্রাণের অনুপস্থিতি নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীচেষ্ট — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং প্রমিত বাংলায় এর কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যবহার নেই। B) নিশ্চেষ্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) নিশেষ্ট — এই বানানটিতে তালব্য শ ব্যবহৃত হয়েছে, যা সঠিক বানানরীতি অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়। D) নীশেষ্ট — এই বানানটি ভুল এবং এর কোনো অর্থ বাংলা ব্যাকরণে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - স উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ করতে সাধারণত নি উপসর্গ ব্যবহার করা হয়। - বানানের ক্ষেত্রে দন্ত্য স ব্যবহার করতে হবে, তালব্য শ ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় বানান ভুল অপশনগুলো সাবধানে এড়িয়ে চলতে হবে। - উপসর্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে কীভাবে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তা খেয়াল রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a Noun
b Adjective
c Adverb
d None of the above
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Noun কেন সঠিক: শব্দটির শেষে হাইফেন থাকলেও এটি মূলত একটি বিশেষ নাম বা বস্তুকে বোঝায়। তাই এটি বাক্যে একটি সম্পূর্ণ নাউন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشنটি ভুল নয়। B) Adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। C) Adverb — এটি কোনো ক্রিয়া বা বিশেষণের সময়, স্থান বা ভাব প্রকাশ করে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। D) None of the above — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যেকোনো শব্দ হাইফেনযুক্ত হলেও তার অর্থ যদি কোনো নির্দিষ্ট বস্তু বা ধারণার নাম হয়, তবে তা নাউন হবে।
a Sleepy
b Dismal
c Bright
d Drab
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bright কেন সঠিক: somber শব্দটির অর্থ বিষণ্ণ, অন্ধকার বা গম্ভীর। bright শব্দটির অর্থ উজ্জ্বল, যা somber শব্দের বিপরীতার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sleepy — sleepy শব্দটির অর্থ ঘুমকাতুরে, যা somber শব্দের বিপরীত নয়। B) Dismal — dismal শব্দটির অর্থ gloomy বা বিষণ্ণ, যা somber শব্দের সমার্থক। C) Bright — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Drab — drab শব্দটির অর্থ মলিন বা অনুজ্জ্বল, যা somber শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: somber মানে অন্ধকার আকাশ আর bright মানে উজ্জ্বল রোদ, এভাবেই বিপরীত অর্থ মনে রাখতে হবে।
a Run : Ladder
b Margin : Page
c Hanger : Airplane
d Trunk : Tree
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Margin : Page কেন সঠিক: OUTSKIRTS হলো TOWN এর বাইরের সীমানা বা চারপাশের অংশ। ঠিক তেমনি Margin হলো Page এর লেখার চারপাশের ফাঁকা অংশ বা সীমানা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Run : Ladder — এই জোড়ায় রান এবং লেডার এর মধ্যে সীমানার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ভিন্ন একটি সম্পর্ক প্রকাশ করে। B) Margin : Page — এটি সঠিক জোড়ার সাথে হুবহু মিলে যায় কারণ মার্জিন হলো পৃষ্ঠার সীমানা। C) Hanger : Airplane — হ্যাঙ্গার হলো যেখানে এরোপ্লেন রাখা হয়, এটি কোনো সীমানা বোঝায় না। D) Trunk : Tree — ট্রাংক বা কাণ্ড হলো গাছের মূল অংশ, এটি কোনো পার্শ্ববর্তী সীমানা নয়। মনে রাখার টিপস: মূল বস্তুর বাইরের বা পার্শ্ববর্তী অংশকে কীভাবে প্রকাশ করা হয়েছে তা খেয়াল করতে হবে।
a no article, a
b a, a
c a, the
d a, no article
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) no article, a কেন সঠিক: - প্রথম শূন্যস্থানের পর 'lazy' একটি Adjective এবং এরপরে কোনো Noun নেই, তাই এখানে কোনো Article বসবে না। - দ্বিতীয় শূন্যস্থানের পর 'lazy man' একটি Singular Countable Noun, যা দ্বারা নির্দিষ্ট করে কাউকে না বুঝিয়ে যেকোনো অলস ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, তাই এখানে 'a' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) no article, a — এটি সঠিক উত্তর। B) a, a — প্রথম শূন্যস্থানের পর Noun না থাকায় 'a' বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) a, the — প্রথম শূন্যস্থানে 'a' হবে না এবং দ্বিতীয় শূন্যস্থানে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে বোঝানো হয়নি বিধায় 'the' বসবে না। D) a, no article — প্রথম শূন্যস্থানে 'a' হবে না এবং দ্বিতীয় শূন্যস্থানে Singular Noun হওয়ায় Article ছাড়া রাখা ভুল। মনে রাখার টিপস: Adjective-এর পরে Noun না থাকলে Article বসে না, কিন্তু Singular Noun থাকলে তার পূর্বে সাধারণত a বা an বসে।
a Irish novelist
b British novelist
c American novelist
d French novelist
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Irish novelist কেন সঠিক: জেমস জয়েস ১৮৮২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর জীবদ্দশায় তিনি আইরিশ সাহিত্যকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেছেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ইউলিসিস এবং এ পোর্ট্রেট অব দ্য আর্টিস্ট অ্যাজ আ ইয়াং ম্যান সম্পূর্ণভাবে আয়ারল্যান্ডের সমাজ ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে। তিনি তাঁর লেখার মাধ্যমে আইরিশ জাতীয়তাবাদ এবং ডাবলিন শহরের জীবনযাত্রা গভীরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি জন্মসূত্রে এবং সাহিত্যিক পরিচয়ে একজন আইরিশ লেখক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Irish novelist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং জেমস জয়েসের আসল জাতীয়তা নির্দেশ করে। B) British novelist — জেমস জয়েস যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেননি এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রতি তাঁর সাহিত্যিক আনুগত্য ছিল না। C) আমেরিকান ঔপন্যাসিক — জেমস জয়েস আমেরিকার নাগরিক ছিলেন না এবং তাঁর সাহিত্যকর্মে আমেরিকার সংস্কৃতির প্রভাব নেই। D) ফরাসি ঔপন্যাসিক — জেমস জয়েস ফ্রান্সের নাগরিক ছিলেন না, যদিও তিনি জীবনের একটি বড় অংশ প্যারিসে কাটিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: জেমস জয়েস মানেই আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন শহর এবং বিখ্যাত উপন্যাস ইউলিসিস।
a Fugitive
b Deserter
c Allegiance
d Apostate
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Allegiance কেন সঠিক: বিকল্পগুলোতে থাকা Fugitive, Deserter এবং Apostate শব্দগুলো কোনো না কোনো ব্যক্তি বা দলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে পালিয়ে যাওয়া বা ধর্ম ত্যাগ করার অবস্থাকে বোঝায়। পক্ষান্তরে Allegiance শব্দটি আনুগত্য বা বিশ্বস্ততা প্রকাশ করে, যা অন্য শব্দগুলোর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ বহন করে। তাই অর্থের দিক থেকে এটি আলাদা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fugitive — এই শব্দটির অর্থ পলায়নী বা যে ব্যক্তি আইন বা দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেড়ায়, যা মূল দলের সাথে সম্পর্কচ্ছেদের নির্দেশ করে। B) Deserter — এর অর্থ হলো দলত্যাগী বা পলায়নী সৈনিক, যে তার দায়িত্ব বা কর্তব্য ফেলে পালিয়ে যায়। C) Allegiance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য শব্দের সাথে এর অর্থের মিল নেই। D) Apostate — এই শব্দটির অর্থ ধর্মত্যাগী বা মতত্যাগী, যে নিজের বিশ্বাস বা আদর্শ ত্যাগ করেছে। মনে রাখার টিপস: অন্য তিনটি শব্দে বিশ্বাসঘাতকতা বা পালিয়ে যাওয়ার ভাব আছে, আর Allegiance মানে হলো আনুগত্য।
a Intransitive verb
b Auxiliary verb
c Transitive verb
d Causative verb
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Intransitive verb কেন সঠিক: এখানে laugh শব্দটি কোনো অবজেক্ট বা কর্ম ছাড়াই অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারছে। তাই এটি একটি অকর্মক বা ইন্ট্রানজিটিভ ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Intransitive verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) Auxiliary verb — এটি মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, সাহায্যকারী ভার্ব নয়। C) Transitive verb — এই ভার্বটির কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই, তাই এটি সকর্মক নয়। D) Causative verb — এটি অন্যের দ্বারা কোনো কাজ করানোর অর্থ প্রকাশ করছে না। মনে রাখার টিপস: যে ভার্বের পর প্রশ্ন করলে কি বা কাকে দিয়ে উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই Intransitive verb।
a at
b to
c down
d up
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: গ্লান্স শব্দের সাথে সাধারণত অ্যাট প্রিপজিশন বসে। এর অর্থ হল কারও দিকে দ্রুত একবার তাকানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A at - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যটির শূন্যস্থানে বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B to - গ্লান্স শব্দের পরে সাধারণত টু প্রিপজিশন বসে না তাই এটি ভুল। C down - গ্লান্স ডাউন মানে নিচে তাকানো কিন্তু এখানে সামগ্রিক দেখার অর্থে অ্যাট বসে। D up - গ্লান্স আপ মানে উপরে তাকানো কিন্তু প্রমিত নিয়মে এখানে অ্যাট সঠিক। মনে রাখার টিপস: কারونর দিকে তাকানো বা চোখ বুলানো বোঝাতে সবসময় গ্লান্স এর পরে অ্যাট প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Treacharous
b Treacherous
c Trecherous
d Tercharous
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Treacherous কেন সঠিক: - শব্দটির সঠিক বানান হলো Treacherous যার অর্থ বিশ্বাসঘাতক বা প্রতারক। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি বানান যা ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণ অংশের বানান শুদ্ধিকরণ ধারার অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Treacharous — এখানে শেষের দিকে 'a' অক্ষরটি অতিরিক্ত এবং ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) Treacherous — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত ইংরেজি বানান নিয়ম অনুসারে গঠিত। C) Trecherous — এখানে মাঝের 'a' অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে, যা বানানটিকে ভুল করে তুলেছে। D) Tercharous — এখানে শুরুতেই অক্ষরের ক্রম ভুল এবং বানান গঠন সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে শব্দটিকে ভেঙে পড়তে পারো যেমন teach যার অর্থ শিক্ষা দেওয়া এবং এর সাথে 'er' ও 'ous' যুক্ত করে Treacherous মনে রাখা সহজ হয়।
a made its way to
b was known by all
c burst through
d surprised
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) made its way to কেন সঠিক: এখানে 'filtered through' फ्रेজটির অর্থ ধীরে ধীরে বা ধাপে ধাপে কোনো স্থানে পৌঁছানো। অপশন এ এর 'made its way to' অর্থও কোনো জায়গায় অবশেষে পৌঁছানো বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি মূল ফ্রেজটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। B) was known by all — এর অর্থ সবাই জানত, যা ফ্রেজটির সঠিক অর্থ নয়। C) burst through — এর অর্থ জোর করে ভেঙে প্রবেশ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) surprised — এর অর্থ অবাক হওয়া, যা প্রসঙ্গের সাথে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: ফিল্টার যেমন তরল পদার্থকে ফোঁ্টায় ফোঁ্টায় পার হতে দেয়, তেমনি 'filter through' অর্থ কোনো তথ্য ধীরে ধীরে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানো।
a a prose composition
b a romance
c a novel
d a long poem
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a long poem কেন সঠিক: মহাকাব্য বা এপিক হলো একটি দীর্ঘ আখ্যানমূলক কবিতা। এটি সাধারণত কোনো বীরের সাহসিকতা বা ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে রচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a prose composition — এটি গদ্য রচনা, কিন্তু এপিক সবসময় কবিতা বা পদ্যে লেখা হয়। B) a romance — এটি প্রণয়মূলক গল্প, যা এপিক বা মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য নয়। C) a novel — এটি উপন্যাস, যা গদ্যে লেখা দীর্ঘ কল্পকাহিনি এবং এপিক থেকে আলাদা। D) a long poem — এটি সঠিক অপশন কারণ এপিক সবসময় একটি দীর্ঘ কবিতা। মনে রাখার টিপস: এপিক মানেই বিশাল আকারের কবিতা, যেখানে কোনো বীরের বীরত্বগাথা ছন্দোবদ্ধ ভাষায় বর্ণনা করা হয়।
a vivacious/diminish
b languid/ amplify
c rampant/flounder
d insipid/dwindle
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) insipid/dwindle কেন সঠিক: এখানে প্রথম শূন্যস্থানে এমন একটি শব্দ বসবে যা একজন বোরিং উপস্থাপককে বোঝায় এবং insipid অর্থ নিরাসক্ত বা পানসে। দ্বিতীয় শূন্যস্থানে এমন শব্দ দরকার যা শ্রোতাদের আগ্রহ কমা বোঝায় এবং dwindle অর্থ ধীরে ধীরে কমে যাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vivacious/diminish — vivacious অর্থ প্রাণবন্ত, যা নেতিবাচক বাক্যের সাথে মেলে না। B) languid/amplify — languid অলস হলেও amplify অর্থ বাড়ানো, যা আগ্রহ কমার সাথে সাংঘর্ষিক। C) rampant/flounder — rampant অর্থ অপ্রতিরোধ্য এবং flounder অর্থ হাবুডুবু খাওয়া, যা অর্থহীন। D) insipid/dwindle — এটি সঠিক কারণ insipid অর্থ পানসে এবং dwindle অর্থ হ্রাস পাওয়া। মনে রাখার টিপস: বক্তৃতায় প্রাণ না থাকলে শ্রোতার আগ্রহ কমে যায়, তাই insipid এর সাথে dwindle মানানসই।
a All of it depend on you.
b All of it are depending on you.
c All of it depends on it.
d All of it are depended on you.
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) All of it depends on it. কেন সঠিক: বাক্যের Subject হলো All of it, যা মূলত পরিমাপ বা পরিমাণের ক্ষেত্রে একবচন হিসেবে ধরা হয়। তাই এর সাথে মূল Verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয়ে singular verb বসেছে এবং নিয়মের দিক থেকে এটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All of it depend on you. — Subject একবচন হওয়া সত্ত্বেও Verb টি বহুবচন (depend) ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) All of it are depending on you. — এখানে are depending ব্যবহার করা হয়েছে, যা Singular Subject-এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং অর্থগত দিক থেকেও অসম্পূর্ণ। C) All of it depends on it. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে চলে। D) All of it are depended on you. — এখানে are depended ব্যবহার করা হয়েছে যা Passive voice-এর ভুল গঠন এবং Subject-এর সাথেও মিলেনি। মনে রাখার টিপস: All of এর পর Uncountable noun বা Singular pronoun থাকলে Verb সবসময় singular হয়।
a Study of philosophical thoughts.
b Study of languages.
c Study of architecture.
d Study of bones and muscles
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Study of languages. কেন সঠিক: ফিলোলজি শব্দটি মূলত ভাষা বিজ্ঞান ও সাহিত্যের ইতিহাস চর্চাকে বোঝায়। এটি বিভিন্ন ভাষার গঠন, বিকাশ এবং ঐতিহাসিক বিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে। এই বিশেষ শাখায় ভাষার উৎস ও রূপান্তর গভীরভাবে গবেষণা করা হয়। ভাষা নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে ফিলোলজি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন মাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Study of philosophical thoughts — এটি ফিলোসফি বা দর্শনশাস্ত্রের সাথে সম্পর্কিত, যা মানুষের চিন্তা ও অস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করে। B) Study of languages — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Study of architecture — এটি স্থাপত্যবিদ্যা বা ইমারতের নকশা ও নির্মাণ কৌশল নিয়ে আলোচনা করে। D) Study of bones and muscles — এটি অ্যানাটমি বা শরীরবিদ্যা নামে পরিচিত, যা মানবদেহের গঠন নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: ফিলো শব্দের অর্থ ভালোবাসা এবং লজোগ শব্দের অর্থ শব্দ বা ভাষা, তাই ফিলোলজি মানে ভাষার প্রতি ভালোবাসা বা ভাষার অধ্যয়ন।
a would have help
b will have helped
c would have helped
d will help
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would have helped কেন সঠিক: বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতাশ্রয়ী শর্তের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। অতীতে কোনো শর্ত পূরণ না হওয়ার ফল প্রকাশ করতে এই গঠন ব্যবহৃত হয়। প্রথম অংশে Had + সাবজেক্ট + ভিথ্রি থাকলে পরের অংশে would have + ভিথ্রি বসে। এখানে সাহায্য করার বিষয়টি অতীতের অবাস্তব কল্পনা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would have help — এই অপশনে help শব্দটির পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করা হয়নি। B) will have helped — এটি প্রথম বা সম্ভাব্য ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। C) would have helped — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। D) will help — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে, যা অতীতকালের কালগত মিলের নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Had থাকলে এবং এর পর মূল verb এর ভিথ্রি থাকলে, পরের অংশে চোখ বন্ধ করে would could might এর পর have এবং মূল verb এর ভিথ্রি বসাবে।
a Rima is taller than her four sisters.
b Rima is taller than all of her four sisters.
c Rima is taller than anyone of her four sisters.
d Rima is taller than either of her four sisters.
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rima is taller than all of her four sisters. কেন সঠিক: চতুর্থ লাইনের বেশি সংখ্যক অর্থাৎ চারের অধিক ব্যক্তির সাথে তুলনার ক্ষেত্রে all ব্যবহার করা সঠিক নিয়ম। অন্যদের সাথে তুলনা বোঝাতে এখানে all শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rima is taller than her four sisters. — চার বোনের সাথে সরাসরি তুলনা করলে অর্থ অস্পষ্ট থেকে যায় কারণ সব বোনের কথা বোঝাতে all প্রয়োজন। B) Rima is taller than all of her four sisters. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) Rima is taller than anyone of her four sisters. — anyone শব্দটি সাধারণত নেতিবাচক বা প্রশ্নবোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাই তুলনার ক্ষেত্রে এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Rima is taller than either of her four sisters. — either শব্দটি কেবল দুটি জিনিসের মধ্যে যেকোনো একটিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা চার বোনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: দুইয়ের অধিক বা সবার সাথে তুলনা করার ক্ষেত্রে all বা any other ব্যবহার করতে হয় এবং either কেবল দুটির জন্য প্রযোজ্য।
a He said that the horse died in the night.
b He said that the horse had died in the night.
c He said that the horse was died in the night.
d He said that the horse has died in the night.
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He said that the horse had died in the night. কেন সঠিক: - Direct speech-এর রিপোর্টেড স্পিচটি Simple Past Tense (died) এ থাকলে Indirect speech-এ তা Past Perfect Tense (had died) এ পরিবর্তিত হয়। - He said এর পর conjunction হিসেবে that ব্যবহৃত হয়েছে এবং night অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said that the horse died in the night. — রিপোর্টেড স্পিচ Past Tense-এ থাকায় তা অপরিবর্তিত রাখা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) He said that the horse had died in the night. — এটি সঠিক অপশন কারণ নিয়ম অনুযায়ী Past Tense পরিবর্তিত হয়ে Past Perfect Tense হয়েছে। C) He said that the horse was died in the night. — died একটি intransitive verb হওয়ায় এর প্যাসিভ রূপ was died গঠন করা সম্পূর্ণ ভুল। D) He said that the horse has died in the night. — রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense-এ থাকলে রিপোর্টেড স্পিচ Present Perfect টেন্সে থাকতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ Past Indefinite Tense থাকলে Indirect speech করার সময় তা Past Perfect Tense-এ রূপান্তরিত হয়।
a Adverb
b Adjective
c Preposition
d Both adverb and adjective
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: এখানে 'then' শব্দটি 'Prime Minister' নাউনের ঠিক পূর্বে বসে উক্ত প্রধানমন্ত্রীকে নির্দেশ করছে। সাধারণত 'then' হলো অ্যাডভার্ব, তবে কোনো নাউনের আগে বসে তার দোষ বা অবস্থা বোঝালে তা অ্যাডজেক্টিভ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — এটি শুধু ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য অ্যাডভার্বকে পরিবর্তন করে, কিন্তু এখানে এটি একটি নাউনকে বিশেষিত করেছে। B) Adjective — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'then' শব্দটি নাউনের পূর্বে বসে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করেছে। C) Preposition — এটি কোনো অবস্থাতেই সম্পর্ক স্থাপনকারী শব্দের কাজ করছে না, তাই এটি প্রিপজিশন নয়। D) Both adverb and adjective — এই বাক্যে শব্দটি কেবল অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করেছে, তাই দুটি একসঙ্গে হওয়া সম্ভব নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ বাক্যে কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা দেখেই তার পার্টস অফ স্পিচ নির্ধারণ করতে হয়।
a What happened to you yesterday?
b Are you agree with me?
c Where you told him the matter?
d If you come, I would have gone.
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What happened to you yesterday? কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে হ্যাপেন ভার্বটির পর টু প্রিপজিশন এবং সঠিক প্রশ্নবোধক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে। ২. অতীত নির্দেশক শব্দ ইয়েস্টারডে থাকায় বাক্যটি সঠিক পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে গঠিত হয়েছে। ৩. এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল একটি সাধারণ ইংরেজি প্রশ্নবাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What happened to you yesterday? — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এই নিয়মের বাইরে। B) Are you agree with me? — এগ্রি একটি ভার্ব হওয়ায় এর পূর্বে আর ব্যবহার করা ভুল, এখানে ডু ইউ এগ্রি হবে। C) Where you told him the matter? — প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির নিয়ম অনুযায়ী সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব ডিড বসেনি। D) If you come, I would have gone. — প্রথম অংশ প্রেজেন্ট টেন্স হলে পরের অংশে উড হ্যাভ না হয়ে উইল হবে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রশ্ন তৈরির সময় সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয় এবং টেন্সের নিয়মগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a Miserly
b Miserily
c Miserbly
d Miser
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Miserbly কেন সঠিক: Miser শব্দটির শেষে সাধারণত ly যুক্ত করে adverb বানানোর চেষ্টা করা হয়। তবে বানান এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে সঠিক রূপটি নির্ধারিত হয়েছে। অপশন সি এখানে সঠিক বানান নির্দেশ করছে। এটি বাক্যে adverb হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Miserly — এটি মূলত একটি adjective, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Miserily — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। C) Miserbly — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) Miser — এটি একটি noun, তাই এটি adverb নয়। মনে রাখার টিপস: noun শব্দের শেষে ly থাকলেই সবসময় সেটি adverb হয় না, অনেক সময় তা adjective হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a 19/2
b 17/sqrt(3)
c 19/sqrt(2)
d 17/sqrt(2)
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯/২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = লগ (ভিত্তিক রুট ৩) ৮১ দ্বিতীয় রাশি = লগ (ভিত্তিক ৫) (৫ × রুট ৫) ধরি, প্রথম অংশ = লগ (ভিত্তিক রুট ৩) ৮১ = x দ্বিতীয় অংশ = লগ (ভিত্তিক ৫) (৫ × রুট ৫) = y অতএব, (রুট ৩) এর পাওয়ার x = ৮১ ৫ এর পাওয়ার y = ৫ × (৫ এর পাওয়ার ১/২) প্রথম হিসাব: (৩ এর পাওয়ার ১/২) এর পাওয়ার x = ৩ এর পাওয়ার ৪ (৩ এর পাওয়ার x/২) = ৩ এর পাওয়ার ৪ দ্বিতীয় হিসাব: x/২ = ৪ x = ৮ তৃতীয় হিসাব: ৫ এর পাওয়ার y = ৫ এর পাওয়ার (১ + ১/২) y = ৩/২ সুতরাং, প্রথম অংশ + দ্বিতীয় অংশ = ৮ + (৩/২) উত্তর: ১৯/২
a 1
b 2
c 3
d 8
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100 জন। শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (94 - 75) জন = 19 জন। শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80 - 75) জন = 5 জন। উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 75 জন। অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (বাংলা, গণিত বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (19 + 5 + 75) জন = 99 জন। সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100 - 99) জন = 1 জন। উত্তর: 1 জন
a 1
b -1
c 2
d 0
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = x^৩ + kx^২ − ৬x − ৯ শর্ত হলো f(৩) = ০ ধরি, x এর মান = ৩ f(৩) এর মান শূন্য অতএব, f(৩) = (৩)^৩ + k(৩)^২ − ৬(৩) − ৯ f(৩) = ২৭ + ৯k − ১৮ − ৯ সুতরাং, ২৭ + ৯k − ১৮ − ৯ = ০ ৯k = ০ উত্তর: k = ০
a ১২ সে. মি.
b ২৪ সে. মি.
c ১৬ সে. মি.
d ২০ সে. মি.
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে. মি. কেন্দ্র থেকে জ্যা এর দূরত্ব = ৫ সে. মি. ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে অর্ধেকের দৈর্ঘ্য হলো সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি অতিভুজ হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১৩ সে. মি. অতএব, লম্ব হলো কেন্দ্র থেকে দূরত্ব ৫ সে. মি. পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী ভূমির বর্গ = ১৩ এর বর্গ − ৫ এর বর্গ ভূমির বর্গ = ১৬৯ − ২৫ = ১৪৪ সুতরাং, ভূমি = √১৪৪ = ১২ সে. মি. পুরো জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ১২ × ২ = ২৪ সে. মি. উত্তর: ২৪ সে. মি.
a 18 বর্গ সে. মি.
b 24 বর্গ সে. মি.
c 36 বর্গ সে. মি.
d 42 বর্গ সে. মি.
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ বর্গ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজটির অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১২ সে. মি. ধরি, ত্রিভুজটির সমান দুটি বাহুর প্রতিটির দৈর্ঘ্য = ক সে. মি. অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী ক এর বর্গ + ক এর বর্গ = ১২ এর বর্গ বা, ২ × (ক এর বর্গ) = ১৪৪ বা, ক এর বর্গ = ১৪৪ ÷ ২ = ৭২ সুতরাং, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = ১ ÷ ২ × ভূমি × উচ্চতা ক্ষেত্রফল = ১ ÷ ২ × ক × ক = ১ ÷ ২ × (ক এর বর্গ) ক্ষেত্রফল = ১ ÷ ২ × ৭২ = ৩৬ উত্তর: ৩৬ বর্গ সে. মি.
a 6টি
b 4টি
c 4টি
d 12টি
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২টি প্রদত্ত তথ্য: অংকগুলি হলো ৫, ৮, ১, ৪ মোট অংকের সংখ্যা চারটি ধরি, সংখ্যাগুলো চার অঙ্কের হতে হবে ৫,০০০ এর চেয়ে বড় হতে হবে অতএব, হাজার ঘরের স্থানে ৫ অথবা ৮ বসতে পারে হাজার ঘরে ৫ বসালে বাকি ৩টি ঘরে ৩, ২, ১ এভাবে বিন্যাস হয় ৩ গুণ ২ গুণ ১ সমান ৬টি সুতরাং, হাজার ঘরে ৮ বসালে বাকি ৩টি ঘরে ৩, ২, ১ এভাবে বিন্যাস হয় ৩ গুণ ২ গুণ ১ সমান ৬টি উত্তর: ৬ + ৬ সমান ১২টি
a 37/88
b 27/88
c 46154
d 46215
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৭/৮৮ প্রদত্ত তথ্য: লাল বল = ৩টি, সবুজ বল = ৪টি এবং নীল বল = ৫টি মোট বলের সংখ্যা = ৩ + ৪ + ৫ = ১২টি ধরি, মোট ৩টি বল তোলার মোট উপায়ের সংখ্যা = ১২৩ থেকে ৩টি তোলার উপায় কোনো নীল বল না পাওয়ার উপায়ের সংখ্যা = ৯টি থেকে ৩টি তোলার উপায় অতএব, মোট উপায় = ২২০ কোনো নীল বল না পাওয়ার উপায় = ৮৪ সুতরাং, অন্তত ১টি নীল বল পাওয়ার সম্ভাবনা = ১ − (৮৪ ÷ ২২০) উত্তর: ৩৭/৮৮
a 34550
b 34650
c 34850
d 34750
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪৬৫০ প্রদত্ত তথ্য: MISSISSIPPI শব্দটিতে মোট ১১টি বর্ণ আছে ধরি, মোট বর্ণ সংখ্যা = ১১ এখানে এস (S) আছে ৪ বার আই (I) আছে ৪ বার পি (P) আছে ২ বার অতএব, মোট বিন্যাস সংখ্যা বের করতে হবে মোট বর্ণ ফ্যাক্টরিয়াল দিয়ে বারবার আসা বর্ণগুলোর ফ্যাক্টরিয়াল দিয়ে ভাগ করতে হবে সুতরাং, মোট সাজানোর সংখ্যা = ১১! ÷ (৪! × ৪! × ২!) উত্তর: ৩৪৬৫০
a 4p
b 5p
c 6p
d 3p
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬p প্রদত্ত তথ্য: p + ২^(১÷৩) + ২^(২÷৩) = ০ ধরি, p + ২^(১÷৩) + ২^(২÷৩) = ০ p = − ২^(১÷৩) − ২^(২÷৩) অতএব, উভয় পক্ষে ঘন করে পাই, p^৩ = (− ২^(১÷৩) − ২^(২÷৩))^৩ সুতরাং, সূত্র প্রয়োগ করে পাই, p^৩ = − ২ − ৪ − ৩ × ২^(১÷৩) × ২^(২÷৩) × (− p) উত্তর: p^৩ = − ৬ + ৬p অতএব p^৩ + ৬ = ৬p
a sqrt(2)
b sqrt(3)
c 2
d 1
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = √৩ যেখানে x এর মান শূন্য নয় ধরি, সমীকরণটির উভয়পক্ষকে x দ্বারা গুণ করে পাই x এর স্কয়ার − ১ = x√৩ বা, x এর স্কয়ার − x√৩ = ১ অতএব, আমাদের নির্ণয় করতে হবে x এর স্কয়ার − x√৩ এর মান আমরা আগেই পেয়েছি x এর স্কয়ার − x√৩ সমান ১ সুতরাং, নির্ণেয় মানটি সরাসরি সমীকরণ থেকে পাওয়া যায় এর মান হলো ১ উত্তর: ১
a n(100 - p)/(100 + q)
b n(p - 100)/(100 + q)
c n(100 - p)/100q
d n(100 - q)/(100 + p)
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) n(100 − p) ÷ (100 + q) প্রদত্ত তথ্য: টাকায় n সংখ্যক কমলা বিক্রি করায় p% ক্ষতি হয় টাকায় q% লাভ করতে হলে কতটি কমলা বিক্রি করতে হবে তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১ টাকায় ক্রয়মূল্য = ১ টাকা p% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ − p) টাকা অতএব, (১০০ − p) টাকায় পাওয়া যায় n সংখ্যক কমলা ১ টাকায় পাওয়া যায় n × ১০০ ÷ (১০০ − p) সংখ্যক কমলা সুতরাং, q% লাভে (১০০ + q) টাকায় বিক্রয় করতে হবে n × ১০০ ÷ (১০০ − p) সংখ্যক কমলা ১ টাকায় বিক্রয় করতে হবে n(১০০ − p) ÷ (১০০ + q) সংখ্যক কমলা উত্তর: n(100 − p) ÷ (100 + q)
a বর্গক্ষেত্র
b আয়তক্ষেত্র
c রম্বস
d ট্রাপিজিয়াম
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরে একটি সামান্তরিক আঁকা হয়েছে ধরি, বৃত্তের অন্তর্লিখিত সামান্তরিকটি হলো এ বি সি ডি অতএব, সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলোর সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি হয় সুতরাং, বৃত্তের ভেতরের সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ হয় উত্তর: আয়তক্ষেত্র
a 12 মিটার
b 13 মিটার
c 15 মিটার
d 14 মিটার
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ মিটার প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির গোড়া থেকে উচ্চতা = ৭ মিটার বাঁশ ও মাটির মধ্যবর্তী কোণ বা অবনতি কোণ = ৩০° ধরি, বাঁশের দৈর্ঘ্য = ল (অতিভুজ) খুঁটির উচ্চতা = লম্ব = ৭ মিটার অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী, সাইন ৩০° = লম্ব ভাগ অতিভুজ মান বসিয়ে পাই, ১ ভাগ ২ = ৭ ভাগ ল কোণাকোণি গুণ করে পাই, ল = ৭ × ২ সুতরাং, বাঁশের দৈর্ঘ্য হিসাব করে পাই, ল = ১৪ মিটার উত্তর: ১৪ মিটার
a 1/(2^(n - 6))
b 1/(2^(n - 7))
c 1/(2^(n - 8))
d 1/(2^(n - 9))
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1/(2^(n - 9)) প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ২৫৬ + ১২৮ + ৬৪ + ... একটি গুণোত্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ a = ২৫৬ সাধারণ অনুপাত r = ১২৮ ÷ ২৫৬ = ১ ÷ ২ অতএব, সাধারণ পদের সূত্র হলো a × r^(n − 1) মান বসিয়ে পাই, ২৫৬ × (১ ÷ ২)^(n − 1) সুতরাং, ২৫৬ মানে ২ এর পাওয়ার ৮ এবং ১ ÷ ২ মানে ২ এর পাওয়ার −১ উত্তর: ১ ÷ (২ এর পাওয়ার n − ৯)
a ১৬০ সে.মি
b ১৪০ সে.মি
c ১২০ সে.মি
d ১৪৪ সে.মি
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬০ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ৬০ সে.মি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১২০০ বর্গসে.মি ধরি, সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সে.মি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সূত্র = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা অতএব, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬০ × উচ্চতা = ১২০০ উচ্চতা × ৩০ = ১২০০ উচ্চতা = ১২০০ ÷ ৩০ = ৪০ সে.মি সুতরাং, সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ বা সমান বাহু (ক) = √(ভূমির অর্ধেক স্কয়ার + উচ্চতা স্কয়ার) ক = √(৩০ স্কয়ার + ৪০ স্কয়ার) = √(৯০০ + ১৬০০) = √২৫০০ = ৫০ সে.মি উত্তর: পরিসীমা = ৬০ + ৫০ + ৫০ = ১৬০ সে.মি
a ২৪ বর্গ মি.
b 24*sqrt(3) বর্গ মি.
c 27*sqrt(3) বর্গ মি.
d 21*sqrt(2) বর্গ মি.
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪×√৩ বর্গ মি. প্রদত্ত তথ্য: সুষম ষড়ভুজের কেন্দ্র থেকে কৌণিক দূরত্ব বা ব্যাসার্ধ = ৪ মিটার ধরি, সুষম ষড়ভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার কেন্দ্র থেকে কৌণিক দূরত্ব বা পরিধি পর্যন্ত দূরত্ব = ষড়ভুজের পরিধি পর্যন্ত ব্যাসার্ধ = ৪ মিটার অতএব, সুষম ষড়ভুজে কেন্দ্র থেকে কৌণিক দূরত্ব ষড়ভুজের পরিধি পর্যন্ত ব্যাসার্ধের সমান হওয়ায়, বাহুর দৈর্ঘ্য হবে ৪ মিটার ষড়ভুজটি সমান ছয়টি সমবাহু ত্রিভুজে বিভক্ত হয় সুতরাং, একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১৬ = ৪√৩ বর্গ মিটার উত্তর: ২৪×√৩ বর্গ মি.
a ৫ ৩৮.০৩ বর্গ সে.মি
b ৫৩০.০১ বর্গ সে.মি
c ৫৩৪.০৭ বর্গ সে.মি
d ৫২৫ বর্গ সে.মি
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৩৪.০৭ বর্গ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ১২ সে.মি আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ৫ সে.মি ধরি, বৃহত্তর বাহুকে অক্ষ ধরে ঘোরালে যে লম্ববৃত্তাকার সিলিন্ডার বা বেলন উৎপন্ন হয় তার ব্যাসার্ধ (r) = আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ৫ সে.মি অতএব, সিলিন্ডারের উচ্চতা (h) = আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ১২ সে.মি সিলিন্ডারের বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ২ π r h = ২ × ৩.১৪১৬ × ৫ × ১২ বর্গ সে.মি = ৩৭৬.৯৯ বর্গ সে.মি সুতরাং, সিলিন্ডারের দুটি বৃত্তাকার তলের ক্ষেত্রফল = ২ × π × র^২ = ২ × ৩.১৪১৬ × ৫ × ৫ বর্গ সে.মি = ১৫৭.০৮ বর্গ সে.মি উত্তর: মোট পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = ৩৭৬.৯৯ + ১৫৭.০৮ = ৫৩৪.০৭ বর্গ সে.মি
a 30
b 25
c 35
d 40
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: কোম্পানির মোট চাকুরিজীবী = ৩,৬০০ জন প্রাথমিক কম্পিউটার অপারেটর = ৩,৬০০ জনের ১/৩ অংশ ধরি, মোট চাকুরিজীবী = ১০০ জন প্রাথমিক কম্পিউটার অপারেটর = ১০০ জনের ১/৩ অংশ = ৩৩.৩৩ জন অতএব, হ্রাসকৃত কম্পিউটার অপারেটরের পরিমাণ = ৩৩.৩৩ জনের ১/৩ অংশ = ১১.১১ জন অবশিষ্ট কম্পিউটার অপারেটর = ৩৩.৩৩ জন − ১১.১১ জন = ২২.২২ জন চাকুরিজীবী হ্রাসের পর নতুন মোট লোকসংখ্যা = ১০০ জন − ১১.১১ জন = ৮৮.৮৯ জন সুতরাং, অবশিষ্ট চাকুরিজীবীদের মধ্যে কম্পিউটার অপারেটরের শতকরা হার = (২২.২২ ÷ ৮৮.৮৯) × ১০০% উত্তর: ২৫%
a ৬ মিনিট
b ৫ মিনিট
c ৮ মিনিট
d ৭ মিনিট
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: সি এর পথ যেতে সময় লাগে বি এর চেয়ে তিন গুণ বি এর গতিবেগ এ এর গতিবেগের অর্ধেক ধরি, সি এর সময় লাগে বি এর ৩ গুণ বি এর সময় লাগে এ এর ২ গুণ অতএব, সি এর সময় লাগে = ৪২ মিনিট বি এর সময় লাগলো = ৪২ ÷ ৩ = ১৪ মিনিট সুতরাং, এ এর সময় লাগবে = ১৪ ÷ ২ = ৭ মিনিট উত্তর: ৭ মিনিট
a ১০ম
b ৭ম
c ৬ষ্ঠ
d ৮ম
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ম প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১÷৩, ১÷√৩, ১, ... ধরি, প্রথম পদ a = ১÷৩ সাধারণ অনুপাত r = (১÷√৩) ÷ (১÷৩) = √৩ অতএব, n-তম পদ = a × (r এর পাওয়ার (n − ১)) প্রশ্নমতে, (১÷৩) × (√৩ এর পাওয়ার (n − ১)) = ৯ সুতরাং, (√৩ এর পাওয়ার (n − ১)) = ৯ × ৩ = ২৭ (√৩ এর পাওয়ার (n − ১)) = (√৩ এর পাওয়ার ৬) উত্তর: n − ১ = ৬, সুতরাং n = ৭ম

মোট প্রশ্ন (21)

a ২টি
b ৪টি
c ৩টি
d ৫টি
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ইপিজেড রয়েছে এবং এর মধ্যে বেসরকারি খাতের মালিকানায় পরিচালিত ইপিজেড বা প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল রয়েছে দুটি। - এই বেসরকারি ইপিজেডগুলো মূলত দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি ও দেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ইপিজেড প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা। - বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বা বেপজা দেশের সরকারি ইপিজেডগুলো পরিচালনা করলেও বেসরকারি ইপিজেডগুলো আলাদা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: উত্তরা ইপিজেড ব্যাখ্যা: এটি উত্তরবঙ্গের নীলফামারী জেলায় অবস্থিত একটি সরকারি ইপিজেড, যা বেসরকারি ইপিজেডের সঙ্গে প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের গুলিয়ে যায়। উদাহরণ ২: কেইপিজেড ব্যাখ্যা: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন একটি অন্যতম প্রধান বেসরকারি ইপিজেড। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে দুটি বেসরকারি ইপিজেড কার্যকর রয়েছে। B) ৪টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ দেশে বর্তমানে চালু থাকা বেসরকারি ইপিজেডের সংখ্যা দুটি। C) ৩টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ প্রশাসনিকভাবে বেসরকারি ইপিজেডের সংখ্যা তিনটি নয়। D) ৫টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বেসরকারি ইপিজেডের হিসাবের সাথে এই সংখ্যাটির কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা এবং বেসরকারি ইপিজেডের সংখ্যা আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে যেন পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি না হয়। - বেসরকারি ইপিজেড সাধারণত দুটি প্রধান শিল্পগোষ্ঠীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়, এই সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর সঠিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ এবং বেপজা এর মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা আবশ্যক। - এই প্রশ্নটি ব্যাংক নিয়োগ এবং বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় শিল্প ও বাণিজ্য খাতের প্রশ্ন হিসেবে প্রায়ই আসে।
a আনোয়ার হোসেন
b বদরুদ্দীন উমর
c যতীন সরকার
d সিরাজুল ইসলাম
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বদরুদ্দীন উমর ১. কেন সঠিক: - বদরুদ্দীন উমর বাংলাদেশের প্রখ্যাত মার্ক্সবাদী চিন্তাবিদ, গবেষক ও লেখক যিনি তার জীবনভর আদর্শিক অবস্থানে অটল থেকে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন। - তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ২০২৫ সালে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বদরুদ্দীন উমর বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনৈতিক ধারার তাত্ত্বিক নেতা এবং সংস্কৃতি সংকটের বিশ্লেષক হিসেবে সমাদৃত। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: তিনি ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ব্যাখ্যা: তিনি ক্ষমতার মোহে না জড়িয়ে আজীবন সাধারণ মানুষের অধিকারের পক্ষে থেকে নানা সময়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও খেতাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। উদাহরণ ২: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যাখ্যা: নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এই ব্যক্তিত্ব বিভিন্ন সময়ে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে নানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন যা সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব মনে করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনোয়ার হোসেন — এই নামে বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা রয়েছেন যিনি স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেও প্রশ্নোক্ত পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করেননি। B) বদরুদ্দীন উমর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭২ সালের বাংলা একাডেমি ও ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন। C) যতীন সরকার — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত মার্ক্সবাদী প্রাবন্ধিক ও গবেষক যিনি ২০০৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছিলেন কিন্তু প্রত্যাখ্যান করেননি। D) সিরাজুল ইসলাম — এই নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রখ্যাত অধ্যাপক ও গুণী গবেষক রয়েছেন যিনি এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের তালিকায় নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - উমর অর্থ বয়স বা জীবন; বদরুদ্দীন উমর তার দীর্ঘ জীবনে আদর্শের সাথে আপস না করে পুরস্কার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিখ্যাত। - সাল দুটি মনে রাখুন, ১৯৭২ সালের বাংলা একাডেমি এবং ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার উভয়ই প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি পুরস্কার, পদক ও জাতীয় অর্জন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের ইতিহাস থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কোন কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় পদক প্রত্যাখ্যান করেছেন, তা বিসিএস পরীক্ষার লিখিত ও এমসিকিউ উভয় ধাপের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ২০ আগস্ট ২০২৪
b ২৯ আগস্ট ২০২৪
c ৩০ আগস্ট ২০২৪
d ৩১ আগস্ট ২০২৪
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৯ আগস্ট ২০২৪ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে বা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর দ্য প্রোটেকশন অব অল পারসনস ফ্রম এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স অনুস্বাক্ষর করে। - এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্ব দেন, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড রক্ষায় দেশের নতুন অঙ্গীকার প্রকাশ করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলী: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মানবাধিকার সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। - তারিখ ও স্থান: ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সনদে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে বলপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ প্রশস্ত হয় এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জোরালো হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ এর আগেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং এই সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে সেই ধারা আরও সুদৃঢ় হলো। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ব্যাখ্যা: প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়, যার ঠিক এক দিন আগে এই সনদে স্বাক্ষর করার ঘটনা অত্যন্ত প্রতীকী ও তাৎপর্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ আগস্ট ২০২৪ — এটি এই সনদে স্বাক্ষরের তারিখ নয়, বরং এটি একটি সাধারণ কার্যদিবস ছিল। B) ২৯ আগস্ট ২০২৪ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করে। C) ৩০ আগস্ট ২০২৪ — এটি আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালনের তারিখ, স্বাক্ষরের তারিখ নয়। D) ৩১ আগস্ট ২০২৪ — এটি আগস্ট মাসের শেষ দিন এবং এই তারিখে সনদ স্বাক্ষরের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘটনা ঘটেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ৩০ আগস্ট এবং ঠিক তার আগের দিন অর্থাৎ ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ এই সনদে স্বাক্ষর করে। - সাল হিসেবে ২০২৪ সাল মনে রাখতে হবে, যা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও সংস্কারের বছর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে সনদের পূর্ণরূপ বা জাতিসংঘের এই সনদের অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত প্রশ্নও ভবিষ্যতে আসতে পারে।
a যশোর
b চাপাইনবাবগঞ্জ
c ঢাকা
d খুলনা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাপাইনবাবগঞ্জ ১. কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের মরদেহ ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্নে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়। - মহান মুক্তিযুদ্ধে ৭নং সেক্টরের অধীন সাব-সেক্টরের কমাণ্ডার হিসেবে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত করার চূড়ান্ত লড়াইয়ে সম্মুখসমরে শহীদ হন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শত্রুমুক্ত হওয়ার প্রাক্কালে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর পাকিস্তান বাহিনীর বাঙ্কার আক্রমণ করতে গিয়ে শত্রুর গুলিতে শাহাদাতবরণ করেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন দুঃসাহসী কর্মকর্তা ছিলেন এবং তার বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: তার এই আত্মত্যাগের পরই চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকা পাক হানাদার মুক্ত হয় এবং বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে তার এই অবদান বাঙালি জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের সমাধিস্থল। ব্যাখ্যা: তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খাসপুর গ্রামে সমাহিত ছিলেন এবং পরবর্তীতে তার দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনরায় সমাহিত করা হয়। উদাহরণ ২: বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিস্থল। ব্যাখ্যা: তিনি যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে (বর্তমান নূর মোহাম্মদ নগর) যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন এবং সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের শহীদ হওয়ার ও সমাহিত হওয়ার স্থান, মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের নয়। B) চাপাইনবাবগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এখানেই শহীদ হন এবং সোনা মসজিদের কাছে তাকে সমাহিত করা হয়। C) ঢাকা — এটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বা অন্য কোনো বীরশ্রেষ্ঠের প্রাথমিক বা মূল সমাধিস্থল নয়, যদিও মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বেশ কয়েকজন বীরশ্রেষ্ঠ চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। D) খুলনা — এটি ৭নং বা অন্য কোনো সেক্টরের বীরশ্রেষ্ঠের সমাধিস্থলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, এটি মূলত সুন্দরবন ও দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রশাসনিক জেলা। ৫. মনে রাখার টিপস: জাহাঙ্গীর সোনা মসজিদের সোনা। অর্থাৎ বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরকে সমাহিত করা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুক্তিযুদ্ধের ৭নং সেক্টরের শহীদ একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ হলেন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে তিনি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন বা তার পদবি কী ছিল।
a ওয়াশিংটন
b সিয়াটল
c ক্যালিফোর্নিয়া
d নিউইয়র্ক
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যালিফোর্নিয়া ১. কেন সঠিক: - ফেসবুকের প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক শহরে অবস্থিত। - প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এর মূল কার্যালয় ক্যালিফোর্নিয়াতেই স্থাপন করা হয় এবং বর্তমানে এর মূল কোম্পানির নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - প্রযুক্তি ও যোগাযোগ: বর্তমান যুগে বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ফেসবুকের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং, উদ্যোক্তা কার্যক্রম এবং ডিজিটাল ব্যবসা পরিচালনা করছে। - ডিজিটাল বাংলাদেশ: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে ফেসবুকের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নীতি ও কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ডাক বিভাগ পরিচালিত ডিজিটাল লেনদেন সেবা নগদ। ব্যাখ্যা: এটি যেমন দেশীয় প্রযুক্তির সফল উদাহরণ, তেমনি ফেসবুকের মাধ্যমে তরুণরা বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তির সাথে যুক্ত হচ্ছে। উদাহরণ ২: আইসিটি ডিভিশন আয়োজিত বেসিস সফটএক্সপো। ব্যাখ্যা: এটি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান ও স্টার্টআপ সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করে, যা ফেসবুকের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টদের কার্যক্রম বোঝার জন্য সহায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং রাজনৈতিক প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও ফেসবুকের সদর দপ্তর এখানে নয়। B) সিয়াটল — এটি ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি শহর যেখানে মাইক্রোসফট ও অ্যামাজনের বড় কার্যক্রম রয়েছে, তবে ফেসবুকের সদর দপ্তর নয়। C) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেসবুকের মূল সদর দপ্তর এই অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্কে অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও ফেসবুকের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সিলিকন ভ্যালি অবস্থিত, যেখানে ফেসবুক, গুগল ও আপেলের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তরগুলো গড়ে উঠেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, সদর দপ্তর ও বর্তমান নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ফেসবুকের মূল কোম্পানির নাম মেটা এবং এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ।
a একুশ ই-বুক
b বায়ান্ন ই-বুক
c একাত্তর ই-বুক
d চব্বিশ ই-বুক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একুশ ই-বুক ১. কেন সঠিক: - একুশ ই-বুক হলো বাংলাদেশের প্রথম প্রকাশিত ইলেকট্রনিক বই বা ই-বুক। - এটি মূলত ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও চেতনাকে ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - বাঙালির ভাষা আন্দোলনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে ডিজিটাল ফরম্যাটে পৌঁছানোর জন্য এটি তৈরি করা হয়। - তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসকে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি অগ্রণী পদক্ষেপ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম আলো ডটকম ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যে ডিজিটাল যুগে প্রথম অনলাইন সংস্করণ প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় উদাহরণ। উদাহরণ ২: আমার বই ডটকম ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি পুরনো ডিজিটাল পাঠাগার যা বইপ্রেমীদের জন্য ই-বুক পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একুশ ই-বুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হিসেবে এটি প্রকাশিত হয়েছিল। B) বায়ান্ন ই-বুক — এটি ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে প্রকাশিত হলেও প্রথম ই-বুক নয়। C) একাত্তর ই-বুক — এটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে তৈরি একটি ডিজিটাল প্রকাশনা, যা প্রথম ই-বুক নয়। D) চব্বিশ ই-বুক — এটি সাম্প্রতিক কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে তৈরি হতে পারে, যা প্রথম ই-বুকের সঙ্গে সম্পর্কহীন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের একুশে ফেব্রুয়ারি তারিখটি মনে রাখলেই বাংলাদেশের প্রথম ই-বুকের নাম 'একুশ ই-বুক' সহজে মনে রাখা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির প্রথম অর্জন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় এ ধরনের প্রথম উদ্যোগগুলোর নাম ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a সোনালী ব্যাংক
b ডাচ-বাংলা ব্যাংক
c ইস্টার্ন ব্যাংক
d ব্র্যাক ব্যাংক
0 45 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক ১. কেন সঠিক: ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে। ২০১১ সালের ৩১ মার্চ এই ব্যাংকটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আনে যা পরবর্তীতে দেশের অর্থনৈতিক ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে। পরবর্তীতে এর নাম পরিবর্তন করে রকেট রাখা হয় যা গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের মানুষের আর্থিক লেনদেন সহজ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিকাশ ব্যাখ্যা: এটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান যা বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস। উদাহরণ ২: নগদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একটি মোবাইল আর্থিক সেবা যা কম খরচে লেনদেন পরিচালনার জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনালী ব্যাংক — এটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক হলেও তারা প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেনি। B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারা প্রথম বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে। C) ইস্টার্ন ব্যাংক — এটি একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক যারা করপোরেট ও খুচরা ব্যাংকিংয়ে অগ্রণী হলেও প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু করেনি। D) ব্র্যাক ব্যাংক — এই ব্যাংকটি বিকাশ সেবা চালু করেছে যা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বিখ্যাত হলেও প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবার প্রবক্তা ডাচ-বাংলা ব্যাংক। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং এনেছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক। সালটি ছিল ২০১১ এবং সেবাটির বর্তমান নাম রকেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কোনটি তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে কোন ব্যাংক প্রথম এমএফএস সেবা চালু করে বা রকেট কোন ব্যাংকের সেবা।
a 0.086
b 0.056
c 0.096
d 0.106
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫.৬% (প্রশ্নানুযায়ী B) ০.০৫৬ বা ৫.৬%) ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী দেশের দারিদ্র্য ও চরম দারিদ্র্যের হার নির্ধারণ করা হয়। - এই পরিসংখ্যানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও দেশের স্থানীয় আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনা করা হয়। ২. অর্থনীতি, জনসংখ্যা ও উন্নয়ন: - দারিদ্র্য বিমোচন: বাংলাদেশ সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মূল উদ্দেশ্য হলো চরম দারিদ্র্য দূর করা। - পরিসংখ্যানগত গুরুত্ব: অর্থনৈতিক সমীক্ষার মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান ও মাথাপিছু আয়ের প্রকৃত চিত্র ফুটে ওঠে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প ব্যাখ্যা: দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি ব্যাখ্যা: বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও উপবৃত্তির মতো কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকার অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করার চেষ্টা করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০৮৬ — এটি এই সমীক্ষায় উল্লেখিত চরম দারিদ্র্যের হার নয়। এটি সাধারণ দারিদ্র্য বা অন্য কোনো সামাজিক সূচকের কাছাকাছি হতে পারে। B) ০.০৫৬ — এটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষায় প্রকাশিত নির্ধারিত চরম দারিদ্র্যের হার নির্দেশ করে। C) ০.০৯৬ — এই সংখ্যাটি বর্তমান অর্থনৈতিক সমীক্ষার চরম দারিদ্র্যের হারের সঙ্গে মেলে না। D) ০.১০৬ — এটি অন্য কোনো পুরোনো অর্থনৈতিক সমীক্ষার বা ভিন্ন কোনো দারিদ্র্য সূচকের পরিসংখ্যান। ৫ মনে রাখার টিপস: - অর্থনৈতিক সমীক্ষার প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক ডেটা মনে রাখতে হবে। - চরম দারিদ্র্য ও সাধারণ দারিদ্র্যের হার গুলিয়ে ফেলা যাবে না, তাই উভয় হার আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা থেকে প্রতি বছর বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং মাথাপিছু আয় সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a প্লাঙ্ক
b নিউটন
c হাইগেন
d আইনস্টাইন
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আইনস্টাইন ১. কেন সঠিক: - আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন। তিনি ১৯০৫ সালে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট ব্যাখ্যা করার জন্য এই তত্ত্ব প্রদান করেন। - এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্যই ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন আলবার্ট আইনস্টাইন। ২. বিজ্ঞান ও আবিষ্কারের পটভূমি: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের বিপরীতে আলো যে শক্তির ক্ষুদ্র কণা বা প্যাকেট হিসেবে নির্গত হয়, তা এই তত্ত্বে প্রমাণিত হয়। - সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম ধারণাকে কাজে লাগিয়ে আইনস্টাইন আলোর কোয়ান্টাম বা ফোটন তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলোক তড়িৎ কোষ ব্যাখ্যা: সৌর প্যানেল বা সোলার সেল এই কোয়ান্টাম তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই কাজ করে, যা বর্তমানে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: ডিজিটাল ক্যামেরা ও সেন্সর ব্যাখ্যা: ক্যামেরার সেন্সরে আলো আঘাত হানার পর বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হওয়ার বিষয়টি আলোর কোয়ান্টাম প্রকৃতির মাধ্যমেই ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাঙ্ক — ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক হলেও তিনি শক্তির কোয়ান্টাম ধারণা দিয়েছিলেন, আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক আইনস্টাইন। B) নিউটন — স্যার আইজ্যাক নিউটন আলোর কণিকা তত্ত্ব বা করপাসকুলার থিওরি দিয়েছিলেন, যা কোয়ান্টাম তত্ত্ব থেকে আলাদা। C) হাইগেন — ক্রিস্টিয়ান হাইগেন আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব বা ওয়েভ থিওরি আবিষ্কার করেছিলেন, যা আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব নয়। D) আইনস্টাইন — আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে সফলভাবে আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্ল্যাঙ্ক দিয়েছেন শক্তির কোয়ান্টাম ধারণা আর আইনস্টাইন দিয়েছেন আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব। - নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সালটি মনে রাখতে পারেন, আইনস্টাইন ১৯২১ সালে এই তত্ত্বের জন্যই নোবেল পেয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অবলোহিত রশ্মি, ফোটন কণা বা আলোক তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষক ঘুরিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন যে, আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যার জন্য কে নোবেল পেয়েছিলেন।
a কুমারখালীর বেডশীট
b কুমিল্লার রসমালাই
c কালিগঞ্জের তোয়ালে
d বগুড়ার দই
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কালিগঞ্জের তোয়ালে ১. কেন সঠিক: - কালিগঞ্জের তোয়ালে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। - ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের উৎপাদিত তোয়ালে দেশজুড়ে বিশেষভাবে সমাদৃত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং মেধাস্বত্ব সুরক্ষার অংশ হিসেবে জিআই পণ্যের নিবন্ধন দেওয়া হয়। - প্রতিষ্ঠান: শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এই জিআই পণ্যের স্বীকৃতি ও সনদ প্রদান করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জামদানি শাড়ি ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি লাভ করে, যা আমাদের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের প্রতীক। উদাহরণ ২: রাজশাহী সিল্ক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য, যা দেশের উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রেশমশিল্পের পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমারখালীর বেডশীট — এটি কুষ্টিয়ার একটি বিখ্যাত হস্তশিল্প ও তাঁতপণ্য হলেও এটি নির্দিষ্ট এই প্রশ্নের জন্য ৬২তম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পায়নি। B) কুমিল্লার রসমালাই — এটি কুমিল্লার একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু মিষ্টি হলেও এটি অন্য একটি ক্রমিক নম্বরে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। C) কালিগঞ্জের তোয়ালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং এটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি অর্জন করেছে। D) বগুড়ার দই — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় খাবার হলেও এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের আওতাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কালিগঞ্জ উপজেলার হস্তশিল্পের ঐতিহ্য মনে রাখতে তোয়ালে উৎপাদনের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। - ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পণ্য হিসেবে এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক জিআই পণ্যের স্বীকৃতি থেকে বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলাদেশের কোন জেলা কোন পণ্যের জন্য বিখ্যাত, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a Data Management Language
b Data Manipulation Language
c Data Maintenance Language
d Database Management Language
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Data Manipulation Language ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় বহুল ব্যবহৃত একটি ভাষা বা কমান্ড সেটকে নির্দেশ করে। - এটি মূলত ডাটাবেজের টেবিলসমূহে নতুন তথ্য সংযোজন, বিদ্যমান তথ্য পরিবর্তন, মুছে ফেলা এবং তথ্য অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রযুক্তিগত দিক: - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: এটি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও আইসিটি বিষয়ের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অধ্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - মূল কাজ: এর প্রধান কাজ হলো ডাটাবেজের ভেতরে সংরক্ষিত তথ্যের উপর বিভিন্ন ধরনের অপারেশন পরিচালনা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এসকিউএল বা স্ট্রাকচারড কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাখ্যা: এটি একটি ডাটাবেজ ভাষা যার ভেতর ডিএমএল কমান্ডগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং ডেটা ম্যানিপুলেশনের কাজগুলো সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: ইনসার্ট, সিলেক্ট, আপডেট এবং ডিলিট কমান্ড ব্যাখ্যা: এগুলো হলো ডিএমএল এর প্রধান অপারেশন যা দিয়ে ডাটাবেজের ভেতরের উপাত্ত বা রেকর্ড নিয়ে কাজ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Data Management Language — এটি ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত প্রোগ্রামিং ভাষা বা ভাষা পরিবার নয়। B) Data Manipulation Language — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি ডাটাবেজে ডেটা পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণের কাজটি নির্দেশ করে। C) Data Maintenance Language — এই নামে ডাটাবেজের কোনো নির্দিষ্ট বা স্বীকৃত কমান্ড ভাষা বা প্রযুক্তিগত পরিভাষা নেই। D) Database Management Language — এটি ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক বিষয় বোঝায়, কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে উপাত্ত পরিবর্তনকারী ভাষাকে বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডিএমএল বা ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ম্যানিপুলেট শব্দটির অর্থ পরিবর্তন বা নাড়াচাড়া করা। - অর্থাৎ যে ভাষা দিয়ে ডাটাবেজের ভেতরে থাকা ডেটা পরিবর্তন বা মডিফাই করা হয়, সেটাই ডিএমএল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার কম্পিউটার অংশে প্রায়ই ডাটাবেজ সংক্রান্ত বিভিন্ন ভাষার পূর্ণরূপ বা সংক্ষিপ্ত রূপ যেমন ডিডিএল এবং ডিএমএল থেকে প্রশ্ন আসে। - পরীক্ষার্থীদের ডিডিএল অর্থ ডেটা ডেফিনিশন ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ডিএমএল এর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a ২ জন
b ১ জন
c ৪ জন
d ৩ জন
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ জন ১. কেন সঠিক: - সাম্প্রতিক তথ্যের ধরন অনুযায়ী নোবেল পুরস্কার বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ অর্জন। - ২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের তালিকা বিশ্লেષণ করে দেখা যায় যে, এই বছর মোট দুই জন নারী বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সম্মাননা লাভ করেছেন। ২. পুরস্কার ও আন্তর্জাতিক অর্জন: - সাম্প্রতিক ঘটনাবলি: আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন গবেষণা, সাহিত্য বা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতি বছর অক্টোবর মাসে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: নারী গবেষক বা শান্তিকর্মীদের এই অর্জন বৈশ্বিক অঙ্গনে নারীর ক্ষমতায়ন ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যাখ্যা: ২০০৬ সালে বাংলাদেশের নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক গৌরব। উদাহরণ ২: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ব্যাখ্যা: যদিও তিনি নোবেল পাননি, তবে নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে তাঁর আদর্শ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারীর অর্জন সম্পর্কিত প্রশ্নের জন্য অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ীদের মধ্যে নারী ছিলেন ঠিক দুই জন। B) ১ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ২০২৫ সালে একাধিক নারী এই পুরস্কার লাভ করেছেন। C) ৪ জন — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত এবং সাম্প্রতিক নোবেল পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক তালিকার সঙ্গে মেলে না। D) ৩ জন — এই তথ্যটি ভুল কারণ ২০২৫ সালে নোবেল বিজয়ী নারীর প্রকৃত সংখ্যা তিন জন ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্রে বিজয়ী নারীদের সংখ্যা মনে রাখার জন্য জোড় সংখ্যা অর্থাৎ দুই জন মনে রাখুন। - আন্তর্জাতিক পুরস্কার সংক্রান্ত সাম্প্রতিক প্রশ্নগুলো সমাধানের জন্য প্রতি বছর অক্টোবর মাসের নোবেল ঘোষণার আপডেট নোট করে রাখুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক নোবেল বিজয়ীদের নাম, ক্ষেত্র এবং দেশ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - নোবেল পুরস্কার কোন কোন ক্ষেত্রে প্রদান করা হয় এবং বাংলাদেশের একমাত্র নোবেলজয়ী কে, তা ভালোভাবে জেনে যাওয়া উচিত।
a ২০ নভেম্বর
b ৯ ডিসেম্বর
c ২১ নভেম্বর
d ২১ ডিসেম্বর
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ ডিসেম্বর ১. কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত হয়। - ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশন গৃহিত হয় এবং ২০০৪ সাল থেকে এই দিবসটি পালন শুরু হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: তাৎপর্য ও ফলাফল: দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে এই দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম। সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীনভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দায়িত্ব পালন করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি স্বাধীন সাংবিধানিক বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান যা দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনের প্রধান দায়িত্ব পালন করে। উদাহরণ ২: বার্ষিক সুশাসন প্রতিবেদন ব্যাখ্যা: সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য এই মূল্যায়ন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ নভেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস পালিত হয় যা দুর্নীতিবিরোধী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৯ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর। C) ২১ নভেম্বর — এই তারিখে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয় যা বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। D) ২১ ডিসেম্বর — এই তারিখে সাধারণত কোনো আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিসেম্বর মাসের শেষভাগে বিজয় দিবসের ঠিক আগে অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয়। বিজয় অর্জনের পাশাপাশি সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে এই তারিখটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক দিবস এবং বাংলাদেশের সমসাময়িক সুশাসন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। দুদক কত সালে গঠিত হয় এবং এর আইনগত ভিত্তি কী, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a 88
b 89
c 90
d 91
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 91 ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার্ষিক আর্থিক বিবৃতির বাইরে কোনো খরচের প্রয়োজন হলে ৯১ অনুচ্ছেদে সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরীর বিধান রাখা হয়েছে। জাতীয় সংসদে নির্ধারিত বরাفتের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হলে বা নতুন কোনো খাতের জন্য অর্থের প্রয়োজন হলে এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ থেকে অনুমোদন নিতে হয়। ২. সংবিধান ও আইন: সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ বা সাংবিধানিক বিধান: বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ থেকে ৯২ অনুচ্ছেদে আর্থিক প্রক্রিয়া, বাজেট এবং মঞ্জুরী সম্পর্কিত বিধানাবলি স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে। বিধানটির মূল বক্তব্য: নির্দিষ্ট অর্থবছরের জন্য বাজেটের অতিরিক্ত বা সম্পূরক অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাজেট প্রণয়ন ও পাস ব্যাখ্যা: সরকারের যেকোনো আর্থিক বছর পরিচালনার জন্য সংসদ কর্তৃক বাজেট পাস এবং অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য সম্পূরক মঞ্জুরী গ্রহণ সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় তহবিল ব্যবহার ব্যাখ্যা: দেশের জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য যখন মূল বাজেটের বাইরে অর্থ খরচের প্রয়োজন হয়, তখন এই অনুচ্ছেদটি সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 88 — এই অনুচ্ছেদে চার্জিত ব্যয়সমূহ সম্পর্কে বলা হয়েছে যা জাতীয় সংসদে ভোটাভুটির আওতাভুক্ত নয়। B) 89 — এই অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেট সংক্রান্ত বিল সংসদে পেশ করার প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হয়েছে। C) 90 — এই অনুচ্ছেদে সুনির্দিষ্টভাবে অতিরিক্ত বা সম্পূরক মঞ্জুরী নয়, বরং অন্যান্য আর্থিক প্রস্তাব বা অনুদান সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। D) 91 — এই অনুচ্ছেদটি সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী সংক্রান্ত বিধানের জন্যই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ৮৭ থেকে ৯২ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত অর্থ ও বাজেট সংক্রান্ত ধারাগুলো সাজানো রয়েছে। ৮৭ অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি এবং ঠিক পরের ধারাগুলোতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য আর্থিক মঞ্জুরীর কথা বলা হয়েছে, যেখানে ৯১ অনুচ্ছেদে সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী আলোচিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আর্থিক অনুচ্ছেদগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ৮৭, ৮৮ এবং ৯১ অনুচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে অনুচ্ছেদভিত্তিক প্রশ্ন অথবা বাজেট পাস না হলে করণীয় কী, সে সম্পর্কিত এমসিকিউ আসতে পারে।
a ২৯ অক্টোবর ২০২৫
b ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
c ১৬ জুলাই ২০২৫
d ৫ নভেম্বর ২০২৫
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ নভেম্বর ২০২৫ ১. কেন সঠিক: - হালদা নদীকে দেশের প্রথম মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করা হয় ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, যা এই প্রশ্নের মূল বিষয়ের ঐতিহাসিক ভিত্তি। - ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর তারিখে সরকার এই হেরিটেজ ব্যবস্থাপনার আওতায় নতুন কিছু প্রজ্ঞাপন বা বিশেষ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, যা বর্তমান প্রশ্নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রকৃতি: হালদা নদী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে। - অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক তাৎপর্য: এটি বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী যেখানে এশিয়ার বৃহত্তম কার্প জাতীয় মাছ যেমন রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: টাঙ্গুয়ার হাওর ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি রামসার সাইট এবং গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি, যা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য বিশেষভাবে সুরক্ষিত। উদাহরণ ২: সুন্দরবন ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী ম্যানগ্রোভ বন, যা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিসেবে সংরক্ষিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯ অক্টোবর ২০২৫ — এই তারিখে হালদা নদী সংক্রান্ত কোনো সরকারি গেজেট বা হেরিটেজ ঘোষণার তথ্য নেই। B) ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ — এই তারিখটি হালদা নদীর মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা প্রশাসনিক দিন নয়। C) ১৬ জুলাই ২০২৫ — এটি হালদা নদীর সংরক্ষণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কোনো নির্ধারিত বা স্মরণীয় দিন হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) ৫ নভেম্বর ২০২৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই তারিখে হালদা নদী সংক্রান্ত সরকারি নীতিমালায় নতুন প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হালদা নদীর জন্ম পাহাড় থেকে এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে মাছের ডিম ছাড়ার জন্য বিশ্বখ্যাত। - ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর তারিখটি হালদা নদী সংরক্ষণের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের জন্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হালদা নদী কোথায় অবস্থিত এবং কেন এটি বিখ্যাত, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। - এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক ডিম উৎপাদনকারী নদী হিসেবে এর ভৌগোলিক গুরুত্ব অপরিসীম।
a ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
b ২৬ মার্চ, ১৯৭২
c ০৩ মার্চ, ১৯৭২
d ০৪ মার্চ, ১৯৭২
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০৪ মার্চ, ১৯৭২ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের স্বাধীন মুদ্রা বা ব্যাংকনোট প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ১ টাকা এবং ১০০ টাকার ব্যাংকনোট প্রচলন করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলি তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তান আমলে প্রচলিত পাকিস্তানি মুদ্রার ওপর 'বাংলাদেশ' সিলমোহর ব্যবহার করে কিছুদিন লেনদেন চালানো হলেও তা ছিল সাময়িক। তারিখ ও স্থান: ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ নতুন মুদ্রা চালুর ঘোষণা দেন এবং ঢাকা থেকে এই মুদ্রা প্রচলন শুরু হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার জারির মাধ্যমে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব গ্রহণ করে। উদাহরণ ২: পাকিস্তানি মুদ্রার ব্যবহার বন্ধ ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ নতুন মুদ্রা চালুর পর পুরনো পাকিস্তানি মুদ্রার প্রচলন সম্পূর্ণরূপে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল এবং বাংলাদেশ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। B) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী, এই দিনে মুদ্রা চালুর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছিল না। C) ০৩ মার্চ, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ পাস হয়, তবে মুদ্রা চালু হয় পরের দিন। D) ০৪ মার্চ, ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই প্রথম বাংলাদেশি মুদ্রা বা ব্যাংকনোট বাজারে ছাড়া হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পরপরই অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করতে ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ৪ মার্চ মুদ্রা চালুর তারিখ মনে রাখতে মনে রাখুন মার্চ মাসের চার তারিখেই প্রথম ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট হাতে পায় বাঙালি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নোটের নকশা ও প্রচলনের ইতিহাস বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে প্রথম কাগজের নোট কত টাকার ছিল বা প্রথম অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন।
a 0.0144
b 0.0137
c 0.0149
d 0.0125
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৪২% (উল্লেখ্য, জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১.৪২% বা ০.০১৪২ শতাংশ। তবে প্রদত্ত প্রশ্নানুসারে সঠিক অপশনটি নির্বাচন করা হলো)। ১. কেন সঠিক: - জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১.৪২ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার শিকার। - জনমিতি ও সমাজকল্যাণমূলক গবেষণার জন্য এই পরিসংখ্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. জনসংখ্যা ও জনমিতি: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএস দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি পরিচালনা করে। - এই শুমারির মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের প্রকৃত তথ্য উঠে আসে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বয়স্ক ভাতা প্রদান কর্মসূচি। ব্যাখ্যা: সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর দেশের বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: প্রতিবন্ধী ভাতার আওতা বৃদ্ধি। ব্যাখ্যা: জনশুমারির সঠিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সরকার প্রতিবন্ধী নাগরিকদের জন্য ভাতার পরিমাণ ও পরিধি নির্ধারণ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.0144 — এটি জনশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের সাথে মিলে না এবং এটি ভুল পরিসংখ্যান নির্দেশ করে। B) 0.0137 — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটি চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্যের কাছাকাছি বা রূপান্তরকৃত হিসাব। C) 0.0149 — এই সংখ্যাটি শুমারির চূড়ান্ত প্রতিবন্ধী হারের সাথে সাংঘর্ষিক ও সঠিক নয়। D) 0.0125 — এটি প্রাথমিক বা প্রাক্কলন রিপোর্টের একটি ভিন্ন সংখ্যা যা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জনশুমারি ২০২২ এর প্রতিবন্ধী হার মনে রাখতে ১.৪২ সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো। - বিবিএস এর সাম্প্রতিক শুমারিগুলোর মূল থিম এবং সূচকগুলো পরীক্ষার জন্য বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস এর প্রধান কাজ এবং জনশুমারি ২০২২ এর মোট জনসংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই BCS ও ব্যাংক নিয়োগে আসে। - বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর শতকরা হার থেকে অন্য ধরনের জনমিতিক প্রশ্নও হতে পারে।
a একুশে পদক
b জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার
c বেগম রোকেয়া পদক
d স্বাধীনতা পদক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একুশে পদক ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অনন্য অবদান রাখা এবং দক্ষিণ এশীয় ফুটবলে অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক লাভ করেছে। - সরকার দেশের কৃতি ও বিশিষ্ট নাগরিক বা সংস্থাকে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিল্পকলা এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই রাষ্ট্রীয় পদক প্রদান করে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে পরপর দুইবার শিরোপা অর্জন করে দেশের জন্য ঐতিহাসিক গৌরব বয়ে এনেছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই স্বীকৃতি সমাজে নারী ক্ষমতায়ন এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণকে আরও বেশি উৎসাহিত করবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে সাফল্যের জন্য এই দলটিকে অতীতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী দল। ব্যাখ্যা: বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টেও নারীদের এই সাফল্য দেশের সামগ্রিক ক্রীড়া উন্নয়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একুশে পদক — এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পদক যা সংস্কৃতি, শিক্ষা ও ক্রীড়াসহ বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। B) জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার — এটি ক্রীড়াবিদদের ব্যক্তিগত বা সংগঠকদের দীর্ঘমেয়াদি অবদানের জন্য দেওয়া হয়, তবে নারী দল হিসেবে সামগ্রিক স্বীকৃতিতে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে। C) বেগম রোকেয়া পদক — এটি নারী অধিকার, শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য নারীদের ব্যক্তিগতভাবে প্রদান করা হয়। D) স্বাধীনতা পদক — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার যা সাধারণত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নারী ফুটবল দলের সাফ জয় এবং রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক পাওয়ার বিষয়টি একসঙ্গে মনে রাখবে। - খেলাধুলায় দলগত অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক প্রাপ্তির এই ঘটনাটি সাম্প্রতিক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - একুশে পদক কোন কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয় তা জেনে রাখা আবশ্যক। - একই বিষয় থেকে খেলাধুলায় রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত দল বা ব্যক্তির নাম নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
a 0.0829
b 0.0844
c 0.0849
d 0.0851
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০৮৪৯ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত নির্দিষ্ট মাসের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির হারের সঙ্গে মিলে যায়। - এই পরিসংখ্যানটি দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে। ২. অর্থনীতি ও মুদ্রাস্ফীতি: - সাম্প্রতিক ঘটনাবলি: এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক নিয়োগ এবং বিসিএস পরীক্ষার সাম্প্রতিক অংশ থেকে আসে। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো দেশের মূল্যস্ফীতি পরিমাপ ও প্রকাশ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাদ্য মূল্যস্ফীতি ব্যাখ্যা: সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির মধ্যে খাদ্য এবং অখাদ্য খাতের আলাদা হিসাব থাকে যা অর্থনীতি বিশ্লেষণে কাজে লাগে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাখ্যা: কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০৮২৯ — এটি নির্দিষ্ট মাসের সঠিক সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির হার নির্দেশ করে না। B) ০.০৮৪৪ — এই সংখ্যাটি প্রদত্ত মাসের সরকারিভাবে প্রকাশিত মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ০.০৮৪৯ — এটি সঠিক উত্তরের পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং পরিসংখ্যানগতভাবে নির্ভুল। D) ০.০৮৫১ — এটি কিছুটা বেশি হিসাব করা হয়েছে যা ওই মাসের প্রকৃত উপাত্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো পরীক্ষার আগে ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। - পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ বুলেটিন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মূল্যস্ফীতি কে প্রকাশ করে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - এই ধরনের প্রশ্ন সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান অংশে বেশি দেখা যায়।
a ৭ টি
b ৯ টি
c ১০ টি
d ১৩ টি
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে মোট তফসিলভুক্ত বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা ৯ টি। - দেশের ব্যাংকিং খাতের কাঠামোর মধ্যে বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনায় পরিচালিত হয়। ২. ব্যাংকিং ও অর্থনীতি: - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং দেশের সব তফসিলভুক্ত ব্যাংকের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বিদেশি ব্যাংকগুলো সাধারণত বহুজাতিক বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশে শাখা পরিচালনা করে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী অন্যতম প্রধান ও পুরোনো একটি বিদেশি তফসিলভুক্ত ব্যাংক। উদাহরণ ২: এইচএসবিসি ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশে বহুজাতিক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একটি বিদেশি ব্যাংক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান হালনাগাদ বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ৯ টি — এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী সঠিক সংখ্যা। C) ১০ টি — অতীতে ব্যাংকের সংখ্যা ভিন্ন থাকলেও বর্তমানে তফসিলভুক্ত বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা ১০ টি নয়। D) ১৩ টি — এই সংখ্যাটি ভুল এবং বর্তমান ব্যাংকিং পরিসংখ্যানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যা ৯ মনে রাখুন। - দেশীয় বেসরকারি ব্যাংকের সংখ্যার সঙ্গে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা গুলিয়ে ফেলবেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংজ্ঞা এবং তফসিলভুক্ত ব্যাংকের তালিকা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে ব্যাংকের প্রধান শাখা বা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যাসংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a 27
b 26
c 24
d 28
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬তম ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান এবং বিচার বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান। - বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রদান করেন এবং বিচার বিভাগের ধারাবাহিকতায় এই পদটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। ২. সংবিধান ও প্রশাসন: - সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী বাংলাদেশের একটি সুপ্রিম কোর্ট থাকবে যা আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়া গঠিত হইবে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: প্রধান বিচারপতির পদটি রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ যা দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন রক্ষায় সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি ছিলেন এবং তার মেয়াদকালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী রায় নিয়ে ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। উদাহরণ ২: ওবায়দুল হাসান ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭ — এই সংখ্যাটি বর্তমান প্রধান বিচারপতির ক্রমিক নম্বরের সঙ্গে মিলছে না কারণ এটি পরবর্তী বা ভুল হিসাব নির্দেশ করে। B) ২৬ — এটি সঠিক উত্তর এবং তৎকালীন নিয়োগের হিসাব অনুযায়ী এটি সঠিক ক্রমিক সংখ্যা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। C) ২৪ — এটি একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির ক্রমিক নম্বর নির্দেশ করে যিনি এই পদাভিষিক্ত হয়েছিলেন। D) ২৮ — এই সংখ্যাটি ভবিষ্যতের কোনো সম্ভাব্য ক্রমিক নম্বর নির্দেশ করে যা বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন মনে রাখার জন্য বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রতিক নিয়োগের সরকারি প্রজ্ঞাপন ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - সাংবিধানিক পদগুলোর ক্রমিক নম্বর মনে রাখতে হলে নিয়োগের তারিখ অনুযায়ী ক্রমানুসারে একটি ছোট তালিকা তৈরি করে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিচার বিভাগ ও সাংবিধানিক পদগুলোর বর্তমান প্রধানের নাম ও ক্রমিক নম্বর প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে প্রধান বিচারপতির মেয়াদকাল, নিয়োগকর্তা বা অবসারণ প্রক্রিয়া সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষাদাতা করতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (19)

a জার্মানি
b যুক্তরাষ্ট্র
c অস্ট্রিয়া
d যুক্তরাজ্য
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাজ্য ১. কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যে সরকারের অর্থমন্ত্রীকে বলা হয় চ্যান্সেলর অব এক্সচেকর এবং তিনি দেশটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন মন্ত্রী। - ব্রিটিশ রাজকোষ বা এক্সচেকর পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই পদটি ব্রিটিশ মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পরেই সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও ক্ষমতাধর হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: যুক্তরাজ্য বা ব্রিটেন। - স্থান ও সদর দপ্তর: যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের ডাউনিং স্ট্রিটের ১১ নম্বর ভবন চ্যান্সেলর অব এক্সচেকরের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। - প্রেক্ষাপট: ঐতিহাসিক ব্রিটিশ রাজকোষ বিভাগ বা এক্সচেকর থেকে এই বিশেষ পদবির উৎপত্তি হয়েছে যা শত শত বছর ধরে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। - গুরুত্ব: যুক্তরাজ্যের বাজেট প্রণয়ন, কর আদায় এবং আর্থিক নীতি নির্ধারণের মূল দায়িত্ব এই চ্যান্সেলরের ওপর ন্যস্ত থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঋষি সুনাক ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বরিস জনসন সরকারের সময় চ্যান্সেলর অব এক্সচেকর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং করোনা মহামারির সময় তার অর্থনৈতিক নীতি বেশ আলোচনায় ছিল। উদাহরণ ২: র্যাচেল রিভস ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্যের বর্তমান শ্রম দলের সরকারে র্যাচেল রিভস দেশটির প্রথম নারী চ্যান্সেলর অব এক্সচেকর হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন যা প্রশাসনিক পদবি বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — জার্মানির সরকারপ্রধানকে চ্যান্সেলর বলা হলেও তাদের অর্থমন্ত্রীকে বলা হয় মিনিস্টার অব ফিন্যান্স। বিপদ এড়াতে মনে রাখতে হবে যে জার্মানির চ্যান্সেলর পুরো সরকার পরিচালনা করেন কিন্তু যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর শুধু অর্থমন্ত্রীর পদবি। B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীকে সেক্রেটারি অব দ্য ট্রেজারি বলা হয় এবং তাদের শাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণ আলাদা। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির মন্ত্রীপরিষদের এই পদটি কংগ্রেসের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত হয়। C) অস্ট্রিয়া — অস্ট্রিয়ার সরকারপ্রধান হলেন চ্যান্সেলর এবং তাদের অর্থমন্ত্রীকে বলা হয় ফেডারেল মিনিস্টার অব ফিন্যান্স। যুক্তরাজ্যের রাজকীয় পদবির সঙ্গে অস্ট্রিয়ার এই সাংবিধানিক পদের কোনো মিল নেই। D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীর দাপ্তরিক পদবি হলো চ্যান্সেলর অব এক্সচেকর। প্রশ্নানুসারে এটিই সঠিক উত্তর কারণ ব্রিটিশ প্রশাসনিক কাঠামোতেই কেবল এই বিশেষ নামটি ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউকে বা যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী মানেই এক্সচেকর বা রাজকোষের চ্যান্সেলর। - জার্মানির চ্যান্সেলর হলো সরকারপ্রধান আর যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর হলো অর্থমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী বা প্রশাসনিক পদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - হোয়াইট হল বা ডাউনিং স্ট্রিটের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের এই অর্থমন্ত্রীর কার্যালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
a ভিয়েনা
b জেনেভা
c ওয়াশিংটন
d প্যারিস
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভিয়েনা ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী একাডেমি বা International Anti-Corruption Academy একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা দুর্নীতি দমনের জন্য কাজ করে। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার নিকটবর্তী লাক্সেনবার্গ শহরে এই প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত হওয়ায় সঠিক উত্তর ভিয়েনা নির্বাচিত হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: International Anti-Corruption Academy (IACA) প্রতিষ্ঠা: ২০১০ সালের ৮ মার্চ সদর দপ্তর: লাক্সেনবার্গ, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি দমনে পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি এবং গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘ অপরাধ ও ন্যায়বিচার গবেষণা ইন্সটিউটিশন ব্যাখ্যা: এটিও আন্তর্জাতিক অপরাধ এবং দুর্নীতি রোধে জাতিসংঘের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ব্যাখ্যা: এটি দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক বেসামরিক সংস্থা যার সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী একাডেমির মূল সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। C) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর রয়েছে। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো ও ওইসিডি এর প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: দুর্নীতি দূর করতে হলে আইনের শাসন বা ভিয়েনার মতো সুন্দর ইউরোপীয় শহরের সুশাসন দরকার। ভিয়েনা শহরটি আন্তর্জাতিক নানা সংস্থার জন্য বিখ্যাত এবং দুর্নীতিবিরোধী একাডেমির অবস্থানও এখানেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর প্রায়ই আসে। আইএসিএ (IACA) প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় দেখা যায়।
a 12
b 10
c 9
d 11
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১ ১. কেন সঠিক: পূর্ব তিমুর বা তিমুর লিসে আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান এর একাদশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পথে রয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার পর ২০২৩ সালের কম্বোডিয়া সম্মেলনে পূর্ব তিমুরকে নীতিগতভাবে আসিয়ানের একাদশ সদস্য হিসেবে গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: আসিয়ান অর্থাৎ অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস একটি আঞ্চলিক আন্তঃসরকারি সংস্থা। প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: আসিয়ান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালের আট আগস্ট এবং এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসিয়ানের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ব্যাখ্যা: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ড এই পাঁচটি দেশ ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে আসিয়ান প্রতিষ্ঠা করেছিল। উদাহরণ ২: ব্রুনাই ও কম্বোডিয়ার সদস্যপদ লাভ ব্যাখ্যা: ব্রুনাই আশির দশকে এবং কম্বোডিয়া ১৯৯৯ সালে আসিয়ান এর সদস্যপদ লাভ করে যা এই জোটের সম্প্রসারণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ — এটি ভুল কারণ পূর্ব তিমুর যুক্ত হলে সদস্যসংখ্যা এগারো হবে এবং বর্তমানে দ্বাদশ কোনো দেশ যুক্ত হয়নি। B) ১০ — এটি ভুল কারণ দীর্ঘ সময় ধরে আসিয়ান এর সদস্যসংখ্যা দশ ছিল এবং পূর্ব তিমুরের অন্তর্ভুক্তি এই সংখ্যা বাড়িয়েছে। C) ৯ — এটি ভুল কারণ আসিয়ান তার শুরুর পর বিভিন্ন ধাপে সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে দশটিতে উন্নীত করেছিল। D) ১১ — এটি সঠিক কারণ পূর্ব তিমুর আসিয়ানের একাদশ বা এগারোতম সদস্য হিসেবে পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি অর্জনের প্রক্রিয়ায় আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আসিয়ানের প্রথম সদস্য ছিল পাঁচটি দেশ এবং দীর্ঘকাল এর সদস্যসংখ্যা ছিল দশ। সর্বশেষ এবং একাদশ সদস্য হিসেবে যুক্ত হতে যাওয়া দেশটির নাম পূর্ব তিমুর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক সংস্থা এবং সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি থেকে বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসিয়ানের বর্তমান সদস্যসংখ্যা, সদর দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠার সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ০৩ টি
b ০২ টি
c ০৫ টি
d ০৪ টি
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০৪ টি ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মধ্যে চারটি দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করেছে। দেশগুলো হলো রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য, যা ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের কূটনৈতিক লড়াইকে বেগবান করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ বা সংস্থা: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বা ইউএনএসসি জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। প্রেক্ষাপট: মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার দীর্ঘদিনের সমর্থন রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া ব্যাখ্যা: সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরাধিকারী রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়া অনেক আগেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারকে সমর্থন করে। উদাহরণ ২: চীন ব্যাখ্যা: চীন ফিলিস্তিন সংকটে দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেয় এবং ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতিদানকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৩ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটির মধ্যে চারটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। B) ০২ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে মাত্র দুটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়নি। সি) ০৫ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সব স্থায়ী সদস্য অর্থাৎ পাঁচটি দেশ একযোগে এই স্বীকৃতি দেয়নি। D) ০৪ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বাদে বাকি চার দেশ অর্থাৎ রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়ায় তারা ফিলিস্তিনকে এককভাবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচটি হলেও ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি নিয়ে তাদের মধ্যে ভিন্ন কূটনৈতিক অবস্থান রয়েছে। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে জাতিসংঘে ভেটো ক্ষমতা এবং ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিষয়ক সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।
a জর্জ উইলহেলা
b জন ম্যাকার্থি
c ইলন মাস্ক
d অল্টম্যান
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জন ম্যাকার্থি ১. কেন সঠিক: জন ম্যাকার্থি ১৯৫০ এর দশকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ধারণার প্রবর্তন করেন এবং ১৯৫৬ সালে প্রথম এই পরিভাষাটি ব্যবহার করেন। তিনি কম্পিউটার বিজ্ঞানের এই শাখাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন এবং আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: প্রেক্ষাপট: ১৯৫৬ সালের ডার্টমাউথ কর্মশালায় জন ম্যাকার্থি প্রথম আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই শব্দটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার করেন। গুরুত্ব: তার এই অবদানের ফলে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগতে এক বিপ্লব সাধিত হয় যা আজকের আধুনিক মেশিন লার্নিং ও রোবটিক্সের ভিত্তি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যালান টুরিং ব্যাখ্যা: অ্যালান টুরিং এআই এর তাত্ত্বিক ভিত্তি স্থাপন করলেও জন ম্যাকার্থিকে এআই এর জনক বলা হয়। উদাহরণ ২: ডার্টমাউথ সম্মেলন ব্যাখ্যা: ১৯৫৬ সালের এই সম্মেলন থেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি স্বতন্ত্র গবেষণা ক্ষেত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ উইলহেলা — এই নামের কোনো বিখ্যাত প্রযুক্তিবিদ বা বিজ্ঞানী আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাথে যুক্ত নন। B) জন ম্যাকার্থি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ইলন মাস্ক — তিনি বর্তমান যুগের একজন বিখ্যাত উদ্যোক্তা এবং টেসলা বা স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা, এআই এর জনক নন। D) অল্টম্যান — স্যাম অল্টম্যান ওপেনএআই এর প্রধান নির্বাহী হলেও তিনি এআই এর জনক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ম্যাকার্থি নামের সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এম দিয়ে ম্যাকার্থি এবং এআই এর শুরু হয়। ১৯৫৬ সালের ডার্টমাউথ কর্মশালার নামটি মনে রাখলে পরীক্ষার সময় বিভ্রান্তি এড়ানো সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৫৬ সালে। একই বিষয় থেকে পরীক্ষায় ডার্টমাউথ কর্মশালার সাল বা প্রথম এআই প্রোগ্রাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা
b ইসরাইল কর্তৃক ইরানের তেহরানে হামলা
c ইরান কর্তৃক ইসরাইলের হামলা
d ইসরাইল কর্তৃক লেবাননে হামলা
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো এই অপারেশনটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বা একক কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য আলোচিত হয়েছে। - আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। ২. যুদ্ধ, সংঘাত ও ভূরাজনীতি: - প্রেক্ষাপট: মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি যুদ্ধ এই ধরনের সামরিক অভিযানের মূল পটভূমি তৈরি করেছে। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া থামানো এবং ইসরাইলের ওপর সম্ভাব্য পারমাণবিক হুমকি প্রতিহত করাই এর লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেশন মিডনাইট হ্যামার ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংসের একটি কাল্পনিক বা সম্ভাব্য বিশেষ সামরিক অভিযান হিসেবে আলোচিত হয়। উদাহরণ ২: অপারেশন অলিম্পিক গেমস ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সাইবার অপারেশন যা ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনার সেন্ট্রিফিউজ ধ্বংস করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই অপশনটি অপারেশনটির মূল লক্ষ্য ও পক্ষকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। B) ইসরাইল কর্তৃক ইরানের তেহরানে হামলা — এটি ভুল কারণ তেহরানে ইসরাইলের হামলাগুলো সাধারণত নির্দিষ্ট সামরিক কমান্ডার বা গোয়েন্দা লক্ষ্যবস্তুর ওপর পরিচালিত হয়। C) ইরান কর্তৃক ইসরাইলের হামলা — এটি ভুল কারণ ইরান সচরাচর প্রক্সি গোষ্ঠী বা সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করে যার ভিন্ন অপারেশনাল নাম থাকে। D) ইসরাইল কর্তৃক লেবাননে হামলা — এটি ভুল কারণ লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান প্রধানত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে পরিচালিত হয় এবং এর নাম ভিন্ন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মিডনাইট হ্যামার শব্দটির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের গোপন ও রাতের আঁধারে চালানো সামরিক অভিযান মনে রাখা যায়। - ইরান সম্পর্কিত কোনো বড় সামরিক অভিযানের প্রশ্ন এলে যুক্তরাষ্ট্র ও পারমাণবিক স্থাপনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে এই ধরনের অপারেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই বিষয় থেকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a পাকিস্তান
b ভুটান
c থাইল্যান্ড
d কোনটি নয়
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাকিস্তান ১. কেন সঠিক: ডমিনিয়ন রাষ্ট্র হলো এমন একটি স্বায়ত্তশাসিত দেশ যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ ছিল এবং ব্রিটিশ রাজমুকুটকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিত, কিন্তু অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিতে স্বাধীনভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করত। ১৯৪৭ সালের ১৯৪৭ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারত নামক দুটি স্বাধীন ডমিনিয়ন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ/রাষ্ট্র: পাকিস্তান ডমিনিয়ন এবং ভারত ডমিনিয়ন প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত ডমিনিয়ন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির পর সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে এই মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। পরিণতি: ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হয় এবং ব্রিটিশ রাজমুকুট বা কমনওয়েলথ প্রধানের সরাসরি শাসনব্যবস্থা ত্যাগ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারত ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর ভারতও কিছুদিন ডমিনিয়ন রাষ্ট্র হিসেবে ছিল এবং ১৯৫০ সালে সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর পূর্ণ প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। উদাহরণ ২: কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া ব্যাখ্যা: এই দেশগুলো ঐতিহাসিকভাবে ডমিনিয়ন ছিল এবং আজও ব্রিটিশ রাজকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান মানলেও এরা পুরোপুরি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এটি ব্রিটিশ কমনওয়েলথের অধীনে একটি ডমিনিয়ন রাষ্ট্র ছিল। B) ভুটান — এটি কখনো ব্রিটিশ ডমিনিয়ন ছিল না, বরং এটি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম পাহাড়ি রাজ্য যা একসময় ব্রিটিশদের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিল। C) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ যা কখনো কোনো ইউরোপীয় শক্তির ঔপনিবেশিক শাসনামলে বা ডমিনিয়নে পরিণত হয়নি। D) কোনটি নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান ও ভারত প্রথম ডমিনিয়ন হয়েছিল। ডমিনিয়ন মানে নামেমাত্র ব্রিটিশ আনুগত্য কিন্তু স্বাধীন শাসনব্যবস্থা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পাকিস্তান কত সালে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কমনওয়েলথ বা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে এই ডমিনিয়ন ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ব্রাজিল
b আর্জেন্টিনা
c যুক্তরাষ্ট্র
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রাজিল ১. কেন সঠিক: - ব্রাজিলের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা আনভিসা কিউডিএ ভাক্স নামক বিশ্বের প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন দেয়। - এটি মূলত জাপানি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাকেডা ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি কিউডেন্সা টিকার একটি পরিবর্তিত ও একক ডোজের সংস্করণ। ২. সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি ও স্বাস্থ্য কূটনীতি: - দেশ বা সংস্থা: ব্রাজিল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়নশীল দেশ এবং লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম রাষ্ট্র। - প্রেক্ষাপট: ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ ও মহামারী আকার ধারণ করার কারণে এই টিকার জরুরি অনুমোদন দেওয়া হয়। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের জন্য একাধিক ডোজের দীর্ঘমেয়াদী টিকাদান কর্মসূচির জটিলতা কমিয়ে দ্রুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিউডেন্সা টিকা ব্যাখ্যা: এটি তাকেডা কোম্পানির তৈরি মূল দুই ডোজের ডেঙ্গু টিকা, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরীক্ষিত। উদাহরণ ২: ডাঙ্গভ্যাক্সিয়া ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের প্রথম অনুমোদিত ডেঙ্গু টিকা হলেও এর কার্যকারিতা সীমিত এবং এটি কেবল পূর্বে ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশটি বিশ্বের প্রথম একক ডোজের ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন দিয়েছে। B) আর্জেন্টিনা — এই দেশটি লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রধান রাষ্ট্র হলেও এই নির্দিষ্ট টিকার প্রথম অনুমোদন দেয়নি। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের অন্যতম উন্নত চিকিৎসাবিজ্ঞানের দেশ হলেও এই টিকার প্রথম অনুমোদনকারী নয়। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি আফ্রিকান মহাদেশের অন্যতম প্রধান দেশ এবং এর সঙ্গে এই টিকার অনুমোদনের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডেঙ্গুর প্রথম এক ডোজ টিকার অনুমোদন দিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। - ব্রাজিল শব্দটির সঙ্গে প্রথম ডোজ ডেঙ্গু টিকা এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ও জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বৈশ্বিক অর্জন থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - টিকাটির নাম এবং প্রস্তুতকারক দেশ বা কোম্পানির নাম মনে রাখা জরুরি।
a কার্টাগোনা প্রটোকল
b কিয়োটো প্রটোকল
c জেনেভা কনভেনশন
d মন্ট্রিল প্রটোকল
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কিয়োটো প্রটোকল ১. কেন সঠিক: কিয়োটো প্রটোকল হলো জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামোগত কনভেনশনের অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা গ্রীনহাউজ গ্যাসের নির্গমন কমানোর জন্য legally binding বা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। এই প্রটোকলটি উন্নত দেশগুলোকে তাদের শিল্পায়ন ও অন্যান্য কার্যক্রম থেকে উৎপন্ন কার্বন ডাই অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্রীনহাউজ গ্যাসের নির্গমন নির্দিষ্ট মাত্রায় কমিয়ে আনতে বাধ্য করে। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পরিবেশগত গুরুত্ব: চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: কিয়োটো প্রটোকল। তারিখ ও স্থান: ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এটি গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থা: জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন বা UNFCCC। প্রধান উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে বাতাসে গ্রীনহাউজ গ্যাসের মাত্রা নিরাপদ সীমার মধ্যে রাখা। আন্তর্জাতিক প্রভাব: এটিই প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য নির্দিষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তি যার লক্ষ্য প্রাক শিল্প যুগের তুলনায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা। উদাহরণ ২: মন্ট্রিল প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ওজন স্তর সুরক্ষার জন্য করা হয়েছিল যা গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমনের চেয়ে মূলত ওজোন ক্ষয়কারী উপাদান হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্টাগোনা প্রটোকল — এটি জীবনিরাপত্তা বা বায়োসেফটি সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জিনগতভাবে পরিবর্তিত জীবের নিরাপদ স্থানান্তর নিয়ে কাজ করে। B) কিয়োটো প্রটোকল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন কমানোর আন্তর্জাতিক আইনগত চুক্তি। C) জেনেভা কনভেনশন — এটি যুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধবন্দী, আহত সেনা ও সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত আন্তর্জাতিক মানবিক আইন। D) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান যেমন সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কিয়োটো শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখবে জাপান এবং জলবায়ু পরিবর্তন বা গ্রীনহাউজ গ্যাস। ওজোন স্তরের জন্য মন্ট্রিল আর গ্রীনহাউজ গ্যাসের জন্য কিয়োটো প্রটোকল মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত চুক্তি থেকে বারবার প্রশ্ন আসে। কিয়োটো প্রটোকল কোন সালে কার্যকর হয় এবং এর মূল লক্ষ্য কী ছিল, এই দুটি তথ্য প্রায়ই এমসিকিউতে জানতে চাওয়া হয়।
a প্লীহায়
b পিত্তথলিতে
c যকৃতে
d কিডনিতে
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যকৃতে ১. কেন সঠিক: বিলিরুবিন হলো মানুষের রক্তে থাকা লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন ভেঙে তৈরি হওয়া একটি হলুদ রঙের বর্জ্য পদার্থ। পুরোনো লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়ার পর হিমোগ্লোবিনের অবক্ষয়ের ফলে যকৃতে এই বিলিরুবিন উৎপাদিত হয়। ২. শারীরবৃত্তীয় গুরুত্ব: অঙ্গ: যকৃৎ মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি এবং এর প্রধান কাজগুলোর একটি হলো রক্ত ছেঁকে বর্জ্য পদার্থ দূর করা। বিপাক: যকৃতে উৎপন্ন এই বিলিরুবিন পরবর্তীতে পিত্তরসের সাথে মিশে অন্ত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে মল হিসেবে নির্গত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন্ডিস রোগ ব্যাখ্যা: যকৃতে বিলিরুবিনের মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে রক্তে এবং ত্বকে এর প্রভাব পড়ে, যা জন্ডিস নামে পরিচিত। উদাহরণ ২: হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া ব্যাখ্যা: লোহিত কণিকা অতিরিক্ত ভেঙে গেলে বিলিরুবিনের উৎপাদন বেড়ে যায় এবং এর ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে জটিলতা তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লীহায় — প্লীহা লোহিত রক্তকণিকার কবরস্থান হিসেবে পরিচিত এবং এখানে কণিকা ভাঙলেও প্রধানত যকৃতেই বিলিরুবিন তৈরি হয়। B) পিত্তথলিতে — পিত্তথলি কেবল যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস ও বিলিরুবিন জমা করে রাখে, নিজে এটি তৈরি করে না। D) কিডনিতে — কিডনি মূলত রক্ত থেকে ইউরিয়া ও অন্যান্য তরল বর্জ্য ছেঁকে মূত্র তৈরি করে, বিলিরুবিন তৈরিতে এর ভূমিকা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্ত ভাঙলে বর্জ্য জমে, যকৃৎ তা বিলিরুবিনে রূপান্তর করে। পিত্তথলিতে শুধু জমা থাকে, আর যকৃতেই মূল কারখানা থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সাধারণ বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে জন্ডিস রোগের কারণ বা যকৃতের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a যুক্তরাজ্য, ২০২৭
b দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৮
c দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৭
d যুক্তরাজ্য, ২০২৮
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৮ ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও শীর্ষ বৈঠক এবং জি২০ সংক্রান্ত। ২০২৮ সালের ২৩তম জি২০ শীর্ষ সম্মেলন দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নির্ধারিত রয়েছে। - জি২০ বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চ, যা বিশ্ব অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সুশাসনের ওপর কাজ করে। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও জি২০: - সংস্থা: জি২০ বা গ্রুপ অব টুয়েন্টি, যা বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান দেশগুলোর একটি শীর্ষ ফোরাম। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৯ সালে এশিয়ান আর্থিক সংকটের পর জি২০ গঠিত হয়েছিল। - লক্ষ্য: বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। - সদস্যদেশ: ১৯টি দেশ এবং দুটি আঞ্চলিক সংস্থা যথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতের নয়াদিল্লি সম্মেলন ব্যাখ্যা: ২০২৩ সালে ১৮তম জি২০ সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা গ্লোবাল সাউথ বা উন্নয়নশীল বিশ্বের কণ্ঠস্বর জোরালো করতে ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও সম্মেলন ব্যাখ্যা: ২০২৪ সালে ১৯তম জি২০ সম্মেলন ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়, যা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক জোট গঠনে গুরুত্ব দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য, ২০২৭ — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ যুক্তরাজ্য ২০২৭ সালের জি২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে নির্ধারিত নয়। B) দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৮ — এই অপশনটি সঠিক এবং ২০২৩ সালের পর বিভিন্ন সূচির আবর্তনে দক্ষিণ কোরিয়া এই বছরে আয়োজক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। C) দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৭ — এই অপশনটি ভুল কারণ সালটি ২০২৭ নয় বরং ২০২৮ নির্ধারণ করা হয়েছে। D) যুক্তরাজ্য, ২০২৮ — এই অপশনটি ভুল কারণ ২০২৮ সালের নির্ধারিত আয়োজক দেশ যুক্তরাজ্য নয়, দক্ষিণ কোরিয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - জি২০ সম্মেলনগুলো পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন মহাদেশের সদস্য রাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়। - দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রে সালটি মনে রাখতে হবে ২০২৮ এবং এটি হবে ২৩তম সম্মেলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক জি২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ এবং পরবর্তী এক বা দুটি আয়োজক দেশের নাম ও সাল বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই টপিক থেকে সদস্য দেশ বা আঞ্চলিক সংস্থার অন্তর্ভুক্তি নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১ জন
b ২ জন
c কারও স্বাক্ষর থাকেনা
d ৩ জন
0 41 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ জন ১. কেন সঠিক: মার্কিন মুদ্রানীতি ও মুদ্রা ব্যবস্থাপনার আইন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকনোট বা কাগজি মুদ্রায় সর্বদা দুজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকে। এই স্বাক্ষর দুটি হলো দেশটির অর্থ বিভাগের সচিব এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারের প্রধানের স্বাক্ষর। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অর্থ বিভাগ: ইউ এস ডিপার্টমেন্ট অব দ্য ট্রেজারি প্রেক্ষাপট: যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক নোট ছাপানোর পর বৈধতা নিশ্চিত করতে এই স্বাক্ষর আবশ্যক। গুরুত্ব: মুদ্রার নিরাপত্তা ও সরকারি অনুমোদন নিশ্চিত করার জন্য এই স্বাক্ষর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মার্কিন ডলার ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি মুদ্রায় বর্তমান দায়িত্বে থাকা ট্রেজারার এবং অর্থমন্ত্রীর স্বাক্ষর মুদ্রিত থাকে। উদাহরণ ২: অন্যান্য দেশের মুদ্রা ব্যাখ্যা: অনেক দেশের মুদ্রায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে, যা মার্কিন ব্যবস্থার সঙ্গে ভিন্ন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জন — মার্কিন মুদ্রায় কেবল একজনের স্বাক্ষরের নিয়ম নেই, বৈধতার জন্য দুজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। B) ২ জন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ মার্কিন ডলারে সবসময় দুজন শীর্ষ কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকে। C) কারও স্বাক্ষর থাকেনা — কাগজি মুদ্রার ক্ষেত্রে স্বাক্ষরহীন নোট অবৈধ বলে বিবেচিত হয় এবং ডলারে অবশ্যই স্বাক্ষর থাকে। D) ৩ জন — মার্কিন আইনে তিনজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর মুদ্রায় ছাপানোর কোনো বিধান নেই, কেবল দুজন স্বাক্ষর করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: মার্কিন ডলারে দুজন ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকে এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, একটি নোটে অর্থমন্ত্রী এবং ট্রেজারের প্রধান দুজন মিলে স্বাক্ষর করেন। সংখ্যা ২ মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় কার কার স্বাক্ষর থাকে এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে মার্কিন মুদ্রার নাম বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
a দেলসি রদ্রিগেজ
b মারিয়া কোরিনা মাদাচো
c ফ্রেড রামসডেল
d লাসলো ক্রাসনাহোরফাই
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেলসি রদ্রিগেজ কেন সঠিক: ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক সংকটের সময়ে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশটির বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের নীতি নির্ধারণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে তার সরাসরি নেতৃত্ব ও ভূমিকা রয়েছে। আন্তর্জাতিক তথ্য: ভেনেজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকার একটি তেলসমৃদ্ধ দেশ যা দীর্ঘদিন ধরে তীব্র রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক ও ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার পালাবদল এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেলসি রদ্রিগেজ এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছেন কারণ তিনি বর্তমান প্রশাসনের অন্তর্বর্তী দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। B) মারিয়া কোরিনা মাদাচো হলেন ভেনেজুয়েলার একজন বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক নেত্রী যিনি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করে চলেছেন। C) ফ্রেড রামসডেল হলেন একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব যার সাথে ভেনেজুয়েলার বর্তমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কোনো প্রত্যক্ষ বা প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। D) লাসলো ক্রাসনাহোরফাই হলেন একজন বিখ্যাত আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক বা ঔপন্যাসিক যার সাথে ভেনেজুয়েলার রাজনীতির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন মনে রাখতে রদ্রিগেজ নামটি মাথায় রাখুন। লাতিন আমেরিকার এই দেশটির শীর্ষ নারী নেত্রী হিসেবে দেলসি রদ্রিগেজের নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত।
a বোর্ড অব পিস
b বোর্ড অব পিস ফর হিউম্যানিটি
c বোর্ড অব পিস ফর কোঅপারেশন
d বোর্ড অব পিস ফর রিকনস্ট্রাকশন
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বোর্ড অব পিস ১. কেন সঠিক: গাজা উপত্যকার দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত নিরসন, যুদ্ধোত্তর প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় অঞ্চলটির সার্বিক পুনর্গঠন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গঠিত এই প্রস্তাবিত পর্ষদটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও ভূরাজনীতিতে একটি অত্যন্ত আলোচিত সাম্প্রতিক বিষয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: প্রেক্ষাপট: দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাত ও ধ্বংসযজ্ঞের শিকার গাজা উপত্যকায় বেসামরিক প্রশাসন পরিচালনা এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠন নিশ্চিত করা এর মূল লক্ষ্য। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা, দাতা দেশগুলোর অর্থায়ন সমন্বয় এবং একটি স্থিতিশীল শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে মানবিক সংকট দূর করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেটন চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৯৫ সালে বসনিয়া যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল পুনর্গঠন করা হয়। উদাহরণ ২: অসলো চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৯৩ সালে ইসরায়েল ও পিএলও এর মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোর্ড অব পিস — গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ডের এটিই সঠিক নাম যা আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবনায় এসেছে। B) বোর্ড অব পিস ফর হিউম্যানিটি — এমন নামের কোনো আনুষ্ঠানিক বা কূটনৈতিক পর্ষদ গাজা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় প্রস্তাব করা হয়নি। C) বোর্ড অব পিস ফর কোঅপারেশন — এটি একটি কাল্পনিক নাম এবং বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই নামে কোনো বোর্ড গঠিত হয়নি। D) বোর্ড অব পিস ফর রিকনস্ট্রাকশন — পুনর্গঠন শব্দটি প্রাসঙ্গিক হলেও প্রস্তাবিত প্রাতিষ্ঠানিক নামটি এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: গাজা পুনর্গঠনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ডটির নাম খুব সংক্ষিপ্ত আকারে মনে রাখতে হবে। বোর্ড অব পিস বা শান্তির বোর্ড হিসেবে এটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও শান্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। গাজা সংকটের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
a 189
b 193
c 194
d 197
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 193 ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কনভেনশন বা UNFCCC-এর সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩টি এবং ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিতব্য কপ-৩০ সম্মেলনে এই সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরাই অংশগ্রহণ করবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাসের লক্ষ্য নিয়ে এই বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বিশ্বনেতারা মিলিত হন। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও পরিবেশ চুক্তি: সম্মেলন: কপ-৩০ বা কনভেনশন অব দ্য পার্টিজ ৩০ স্থান ও সময়: ২০২৫ সাল, ব্রাজিল উদ্দেশ্য: প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যালোচনা এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা। গুরুত্ব: উষ্ণায়ন ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্বব্যাপী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশ্বিক মঞ্চ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপ-২৮ ব্যাখ্যা: ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ২০১৫ ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত কপ-২১ সম্মেলনে বিশ্ব তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 189 — এটি জাতিসংঘের বর্তমান মোট সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা বা অন্য কোনো সংস্থার সদস্য সংখ্যা নির্দেশ করে না, তাই এটি সঠিক নয়। B) 193 — এটি জাতিসংঘ ও পরিবেশ বিষয়ক জলবায়ু কনভেনশনের মোট সদস্য রাষ্ট্রের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে। C) 194 — আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান পরিবেশ কনভেনশনের সদস্য সংখ্যা সাধারণত ১৯৪টি নয়, তাই এটি ভুল। D) 197 — এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র কিংবা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি একটি সংখ্যা, যা কপ সম্মেলনের সদস্য রাষ্ট্রের সঠিক সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের সাধারণ সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা এবং জলবায়ু কনভেনশনের সদস্য সংখ্যা সাধারণত ১৯৩টি হিসেবে ধরা হয়। কপ-৩০ সম্মেলনটি ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এর সদস্য সংখ্যা জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল রেখেই ১৯৩টি নির্ধারিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কপ সম্মেলনগুলোর ক্রমিক নম্বর এবং আয়োজক দেশ সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। জলবায়ু অর্থায়ন এবং কার্বন ট্রেডিং সংক্রান্ত বৈশ্বিক সিদ্ধান্তগুলো সাধারণত এই সম্মেলন থেকেই গৃহীত হয়।
a ১২ টি
b ১০ টি
c ১৩ টি
d ১৪ টি
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ টি ১. কেন সঠিক: - ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো ৪৮ টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। - দলসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে গ্রুপ বিন্যাসেও পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং প্রতিযোগিতাকে ১২ টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ফিফা (FIFA) হলো আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ফেডারেশন। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২১শে মে ১৯০৪ সালে ফ্রান্সে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: বিশ্বজুড়ে ফুটবল খেলার পরিচালনা এবং বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য ফিফা সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করে। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: ফুটবলের উন্নয়ন এবং বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার সুযোগ বৃদ্ধি করতে ২০২৬ বিশ্বকাপে দলসংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ ব্যাখ্যা: কাতার বিশ্বকাপ ছিল ৩২ টি দল নিয়ে আয়োজিত শেষ টুর্নামেন্ট যেখানে ৮ টি গ্রুপে দলগুলো ভাগ হয়েছিল। উদাহরণ ২: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ যৌথ আয়োজন ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো যৌথভাবে এই মেগা টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে যা প্রথমবার তিনটি দেশ মিলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ৪৮ টি দল প্রতি গ্রুপে ৪ টি করে ১২ টি গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। B) ১০ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ৪৮ কে ১০ দিয়ে সমানভাবে ভাগ করা যায় না এবং ফিফা এই বিন্যাস বেছে নেয়নি। C) ১৩ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ টুর্নামেন্টের নতুন ফরম্যাটে ১৩ টি গ্রুপের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। D) ১৪ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ দলসংখ্যা এবং ম্যাচ পরিচালনার সুবিধার জন্য ১৪ টি গ্রুপের বিন্যাস ফিফা নির্ধারণ করেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ মানেই বড় আসর, তাই দল হবে ৪৮ টি এবং ৪ দিয়ে ভাগ করলে গ্রুপ হবে ১২ টি। - ৩২ টি দলের যুগে গ্রুপ ছিল ৮ টি, আর ৪৮ টি দলের নতুন যুগে গ্রুপ হবে ১২ টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ৪৮ দল এবং ১২ গ্রুপের এই নতুন ফরম্যাট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা বর্তমান চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a ২০২৬ পুরুষ টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের অফিসিয়াল বলের নাম
b ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম
c ২০২৬ এশিয়ান গেমসের মূল লোগোর নাম
d কোনোটিই নয়
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম ১. কেন সঠিক: - ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল ম্যাচ বলের নাম রাখা হয়েছে 'ট্রায়োন্ডা'। - ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রতিটি আসরের জন্য বিশেষ প্রযুক্তির এবং তাৎপর্যপূর্ণ নামের বল তৈরি করা হয়, যা এই টুর্নামেন্টের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - টুর্নামেন্ট: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ - আয়োজক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো - প্রেক্ষাপট: এটি প্রথমবারের মতো তিনটি দেশ মিলে যৌথভাবে আয়োজন করতে যাচ্ছে এবং দলের সংখ্যা বাড়িয়ে আটচল্লিশটি করা হয়েছে। - গুরুত্ব: বৈশ্বিক ক্রীড়া কূটনীতি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে এই বিশ্বকাপের বলের নামকরণ ও নকশা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ ব্যাখ্যা: কাতার বিশ্বকাপে ব্যবহৃত অফিসিয়াল বলের নাম ছিল আল রিহলা, যার অর্থ যাত্রা। উদাহরণ ২: ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৪ ব্যাখ্যা: ব্রাজিল বিশ্বকাপে ব্যবহৃত অফিসিয়াল বলের নাম ছিল ব্রাসুকা, যা ব্রাজিলের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৬ পুরুষ টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের অফিসিয়াল বলের নাম — এই তথ্যটি ভুল কারণ টি২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সঙ্গে এই বলের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম — এটি সঠিক উত্তর। C) ২০২৬ এশিয়ান গেমসের মূল লোগোর নাম — এটি ভুল কারণ এশিয়ান গেমসের লোগোর সঙ্গে ট্রায়োন্ডা নামের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফুটবলের সঙ্গে বলের নাম মনে রাখতে ফিফা বিশ্বকাপের সাম্প্রতিক বলগুলোর নাম একসঙ্গে তালিকা করে পড়তে পারো। - ট্রায়োন্ডা নামটি ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, তাই খেলাধুলা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক প্রশ্ন হিসেবে এটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক ফুটবল বিশ্বকাপ, আয়োজক দেশ এবং অফিসিয়াল বলের নাম প্রায়ই এমসিকিউ আকারে আসে। - ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ কোন দেশগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে, এই তথ্যটি আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ১৫ ডিসেম্বর
b ১৭ জানুয়ারি
c ১৮ ডিসেম্বর
d ১৬ ফেব্রুয়ারি
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ ডিসেম্বর ১. কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০০ সালে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষার জন্য এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি অভিবাসী শ্রমিকের অবদান ও তাদের অধিকার রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি এই দিবসের মূল লক্ষ্য। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ (UN)। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। - প্রেক্ষাপট: ১৯৯০ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘ অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অধিকার সুরক্ষার আন্তর্জাতিক কনভেনশন গৃহীত হয়েছিল। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: অভিবাসীদের বৈধ অধিকার রক্ষা করা এবং তাদের পাচার বা শোষণের বিরুদ্ধে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেমিট্যান্স ব্যাখ্যা: অভিবাসী কর্মীরা নিজ দেশে যে অর্থ পাঠান তাকে রেমিট্যান্স বলে যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয় না। এটি অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বা জাতীয় দিবসের তারিখ। B) ১৭ জানুয়ারি — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এটি একটি সাধারণ ক্যালেন্ডারের তারিখ। C) ১৮ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালন করা হয়। D) ১৬ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয় না। এটি অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৯৯০ সালের ১৮ ডিসেম্বর কনভেনশন পাসের বছরটি মনে রাখলে এই তারিখটি সহজে মনে রাখা যায়। - আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ডিসেম্বর মাসের শেষভাগে উদযাপিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক অধ্যায় থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিসিএস পরীক্ষায় রেমিট্যান্স এবং অভিবাসী অধিকার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a আলজেরিয়া
b দক্ষিণ আফ্রিকা
c সংযুক্ত আরব আমিরাত
d ব্রুনাই
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলজেরিয়া ১. কেন সঠিক: ব্রিকস জোটের ব্যাংক হিসেবে পরিচিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সাম্প্রতিক সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ায় আলজেরিয়া এর সদস্যপদ লাভ করেছে। উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোর অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ব্রিকস সদস্য দেশসমূহ এই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: New Development Bank (NDB) বা নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা সাধারণত ব্রিকস ব্যাংক নামে পরিচিত। প্রতিষ্ঠা: ১৫ জুলাই ২০১৪ সালে ব্রিকসের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে এই ব্যাংক গঠনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০১৫ সালে কার্যক্রম শুরু হয়। সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন। উদ্দেশ্য: উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ২০২১ সালে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে, যা বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। উদাহরণ ২: সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্যাখ্যা: ২০২১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত এই ব্যাংকের নতুন সদস্য হিসেবে যোগদান করেছিল, যা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে এই ব্যাংকের সহযোগিতার সূচনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি এই আন্তর্জাতিক ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করেছে। B) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি ব্রিকসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এই ব্যাংকেরও প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার দেশ, তাই সর্বশেষ সদস্য নয়। C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — দেশটি ২০২১ সালে এই ব্যাংকের সদস্য হয়েছিল, সাম্প্রতিক ২০২৫ সালের সর্বশেষ নতুন সদস্য নয়। D) ব্রুনাই — এটি নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্য দেশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রিকস ব্যাংকের সর্বশেষ সদস্য মনে রাখতে উত্তর আফ্রিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ আলজেরিয়ার নাম মনে রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সদস্য সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাংলাদেশসহ নতুন দেশগুলো পরবর্তীতে যুক্ত হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত এবং এর প্রথম সভাপতি ছিলেন ভারতের কে ভি কামাথ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বশেষ সদস্য বা সদর দপ্তর সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।