বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (ড্রাফটিং) পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী সচিব (ড্রাফটিং) (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (63)

a সুকান্ত ভট্টাচার্য
b জীবনানন্দ দাশ
c অতুলপ্রসাদ সেন
d কামিনী রায়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কামিনী রায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটি কবি কামিনী রায়ের 'পরার্থপরতা' নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - মানুষের কল্যাণে এবং অন্যের উপকারে নিজেকে নিয়োজিত করার মানবিক শিক্ষা এই পংক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কামিনী রায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নারী কবি এবং প্রথম প্রকাশিত স্বনামধন্য মহিলা কবি। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'আলো ও ছায়া' ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই কবিতায় পরোপকার ও মানবপ্রেমের মূল সুর ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বরষার দিনে' - কামিনী রায়ের একটি সুপরিচিত কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় প্রকৃতির রূপ ও মানুষের মনের ভাব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: 'পৌরাণিকী' - কামিনী রায়ের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মননশীল কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন মার্কসবাদী ও কিশোর কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) জীবনানন্দ দাশ — ইনি রূপসী বাংলার কবি এবং আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ হলেও এই বিখ্যাত চরণটি তাঁর নয়। C) অতুলপ্রসাদ সেন — ইনি বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকার হলেও এই পংক্তিটির রচয়িতা নন। D) কামিনী রায় — ইনি এই বিখ্যাত পংক্তির রচয়িতা এবং তাঁর কবিতাতেই এই লাইনটি পাওয়া যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কামিনী রায়ের নাম মনে রাখতে পারো 'পরোপকার' বা মানুষের তরে কাজ করার মানবিক কবি হিসেবে। - সবার তরে বা পরের তরে কথাটি থাকলেই কামিনী রায়কে মনে করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই পংক্তিটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি। - এই ধরনের নৈতিক ও মানবতাবাদী পংক্তিগুলোর উৎস প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় জিজ্ঞাসা করা হয়।
a রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
b স্বর্ণকুমারী দেবী
c কাদম্বীর দেবী
d নুরন্নেহার ফয়জুন্নেসা
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বর্ণকুমারী দেবী ১. কেন সঠিক: - স্বর্ণকুমারী দেবী বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বীকৃত। - ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত দীপনির্বাণ তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস, যা তাঁকে বাংলা কথাসাহিত্যে অমর করে রেখেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বিখ্যাত জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের সদস্য এবং মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা। - তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও সম্পাদক ছিলেন এবং দীর্ঘকাল ভারতী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীপনির্বাণ ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস এবং এর মাধ্যমেই বাংলা উপন্যাসে নারী লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। উদাহরণ ২: ছিন্নমকুল ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবীর রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা তৎকালীন সমাজের নানা দিক তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি বাংলা মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত ও বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক নন। B) স্বর্ণকুমারী দেবী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) কাদম্বীর দেবী — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাজাই ও সাহিত্য অনুরাগী হলেও প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক নন। D) নুরন্নেহার ফয়জুন্নেসা — তিনি উনিশ শতকের বিশিষ্ট মুসলিম লেখিকা হলেও বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিগণিত হন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বর্ণ দিয়ে প্রথম সোনা জয় করা যায়, তাই প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হলেন স্বর্ণকুমারী দেবী। - ঠাকুর পরিবারের প্রথম সাহিত্যিক নারী হিসেবে তাঁর নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক ও তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - লেখক ও তাঁদের প্রথম রচনা আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হয়।
a 1929
b 1930
c 1931
d 1932
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1929 ১. কেন সঠিক: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত প্রথম উপন্যাস 'পথের পাঁচালী' বাংলা ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে (ইংরেজি ১৯২৯) গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - তৎকালীন 'বিচিত্রা' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - পল্লীপ্রকৃতির সঙ্গে মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্বের অপূর্ব সমন্বয় এই উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য যেখানে অপু ও দুর্গার শৈশব চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপরাজিত ব্যাখ্যা: এটি 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের সিক্যুয়েল বা পরবর্তী অংশ যা অপু চরিত্রের জীবনের পরবর্তী ধাপ তুলে ধরে। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রকৃতিভিত্তিক উপন্যাস যা ভাগলপুরের জঙ্গলকেন্দ্রিক রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1929 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) 1930 — এই সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়নি, তাই এই অপশনটি ভুল। C) 1931 — এটি ভুল সাল কারণ এর আগেই গ্রন্থটি প্রকাশিত সম্পন্ন হয়েছে। D) 1932 — এই সালটি 'পথের পাঁচালী' প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস 'পথের পাঁচালী' প্রকাশের সালটি মনে রাখতে ১৯২৯ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - অপু ও দুর্গার শৈশব জীবনের এই অমর সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যের এক চিরন্তন দলিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উপন্যাসের প্রকাশকাল এবং লেখকের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন আরণ্যক, ইছামতী ও দৃষ্টিপ্রদীপ সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a ফল
b সুফল
c সফল
d সাফল্য
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সফল কেন সঠিক: ১. সফল শব্দটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা কাজের গুণ প্রকাশ করে। ২. এটি বাক্যে বিশেষ্যের আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে পারে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝায় তাকে বিশেষণ পদ বলে। ২. বিশেষ্য পদের সাথে উপযুক্ত উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত করে অনেক সময় বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। ৩. যেমন, সে একটি সফল কাজ সম্পন্ন করেছে, এখানে সফল শব্দটি কাজ বিশেষ্যের বিশেষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফল — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি একটি নাম বোঝাচ্ছে। B) সুফল — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ ভালো ফলাফল। D) সাফল্য — এটি ভাববাচক বিশেষ্য যা কোনো কাজের সফল অবস্থাকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দের আগে কেমন প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা সাধারণত বিশেষণ হয়। ২. যেমন, কেমন ফলাফল উত্তর আসে সফল, তাই এটি বিশেষণ।
a বক্তব্য
b উক্ত
c ভবিতব্য
d অনুমিত
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বক্তব্য ১. কেন সঠিক: - ‘যা বলা হবে’ বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো বক্তব্য। - এখানে ভবিষ্যৎ বা আসন্ন কথ্য বিষয়কে এককথায় প্রকাশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বলতে একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে বোঝায়। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে ব্যাখ্যা: অতীত বা সম্পন্ন কথার ক্ষেত্রে এর বাক্য সংকোচন হবে উক্ত। উদাহরণ ২: যা বলার আছে ব্যাখ্যা: বলার যোগ্য বা অপেক্ষমাণ কথার ক্ষেত্রে একে বক্তব্য বা বক্তব্য বিষয় বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বক্তব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ‘যা বলা হবে’ এর উপযুক্ত এককথায় প্রকাশ। B) উক্ত — এটি ভুল কারণ ‘উক্ত’ অর্থ যা ইতিমধ্যে বলা হয়েছে। C) ভবিতব্য — এটি ভুল কারণ ‘ভবিতব্য’ অর্থ যা ভবিষ্যতে ঘটবে বা অবধারিত। D) অনুমিত — এটি ভুল কারণ ‘অনুমিত’ অর্থ যা অনুমান করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ‘বক্তব্য’ শব্দটি ভবিষ্যৎ বা সামনের দিনের কথা নির্দেশ করে। - ‘উক্ত’ শব্দটি অতীত বা বলা হয়ে গেছে এমন কথা নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - কালগত পার্থক্য যেমন বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যতের এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a উপরি + উক্ত
b উপর + উক্ত
c উপ + যুক্ত
d উপর + যুক্ত
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপরি + উক্ত ১. কেন সঠিক: - ই কার বা ঈ কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ স্থানে য ফলা হয়, এই বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনাশ্রিত স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী উপরি যোগ উক্ত মিলে উপর্যুক্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। - এখানে উপরি শব্দের শেষের ই কার এবং উক্ত শব্দের শুরুর উ মিলে য ফলা ও উ কার যুক্ত হয়ে র্যুক্ত রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি ই-সন্ধি বা ই কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি আসার কারণে য ফলা সৃষ্টির নিয়ম। - সন্ধির নিয়মানুসারে পূর্বপদের অন্তস্থিত ই বা ঈ এর স্থানে অন্তস্থ য বা য ফলা এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিটি সেই য এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি যোগ উত্তর সমান প্রত্যুত্তর ব্যাখ্যা: এখানে প্রতি শব্দের ই কার এবং উত্তর শব্দের উ মিলে য ফলা ও উ কার যুক্ত হয়েছে, যা উপর্যুক্ত শব্দের সন্ধি নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিল রাখে। উদাহরণ ২: নদী যোগ উদক সমান নদূদক বা নদী উদক জাতীয় অন্যান্য প্রমিত সন্ধি ব্যাখ্যা: এটি স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনের মাধ্যমে ই কারের পরবর্তী ভিন্ন স্বরধ্বনির পরিবর্তন নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপরি + উক্ত — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়ম অনুযায়ী উপর্যুক্ত শব্দটি গঠন করে। B) উপর + উক্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে উপর শব্দ থেকে সরাসরি সন্ধি সাধিত হলে প্রমিত নিয়ম মানা হয় না এবং সঠিক রূপ আসে না। C) উপ + যুক্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ উপ এবং যুক্ত শব্দ দুটি একত্রিত করলে উপর্যুক্ত শব্দটির ধ্বনিগত পরিবর্তন বা সঠিক রূপ পাওয়া যায় না। D) উপর + যুক্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে সন্ধির মূল নিয়ম অর্থাৎ ই কারের পরিবর্তন সাধিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপর্যুক্ত শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় মাথায় রাখবে যে এর প্রারম্ভিক অংশটি উপরি হবে এবং পরের অংশটি উক্ত হবে। - ই বা ঈ এর পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে য ফলা হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই ধরনের ব্যতিকরধর্মী ও জটিল সন্ধি বিচ্ছেদগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - একই নিয়মে ইতি যোগ উক্ত সমান ইত্যুক্ত বা প্রতি যোগ অহ সমান প্রত্যহ শব্দগুলো চর্চা করলে পরীক্ষার হলে দ্রুত উত্তর করা সম্ভব হয়।
a তাকে নির্বাচন করা হয়নি।
b তাকে নির্বাচিত করা হয়নি।
c তাকে নির্বাচনের সুযোগ হয় নি।
d তাকে নির্বাচনে আনীত হয়নি।
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাকে নির্বাচিত করা হয়নি। ১. কেন সঠিক: - সঠিক বাক্যে 'নির্বাচিত' বিশেষণটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যক্তির অবস্থাকে নির্দেশ করে। - বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দের সঠিক রূপ ও প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। - বাংলা ভাষায় অনেক সময় ক্রিয়ার রূপ বা প্রত্যয়গত ভুলে বাক্য ভুল হয়, যা প্রমিত নিয়মে সংশোধন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাকে পুরস্কৃত করা হয়নি। ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বাক্য কারণ এখানে 'পুরস্কৃত' শব্দটি যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সভাটি স্থগিত করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'স্থগিত' বিশেষণটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাকে নির্বাচন করা হয়নি। — 'নির্বাচন' বিশেষ্য পদ, এখানে 'নির্বাচিত' বিশেষণ পদ ব্যবহার করা উচিত ছিল। B) তাকে নির্বাচিত করা হয়নি। — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য। C) তাকে নির্বাচনের সুযোগ হয় নি। — এটি বাক্য হিসেবে অপ্রাসঙ্গিক ও অর্থগতভাবে দুর্বল। D) তাকে নির্বাচনে আনীত হয়নি। — 'আনীত' শব্দটি এখানে অর্থসঙ্গতি রক্ষা করতে পারেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যশুদ্ধির সময় পদের সঠিক রূপ অর্থাৎ বিশেষ্য ও বিশেষণের ব্যবহার সাবধানে খেয়াল রাখবে। - ভুল শব্দরূপ পরিহার করে প্রমিত রূপ নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - শব্দের সঠিক রূপ চেনার জন্য নিয়মিত বাক্যশুদ্ধির চর্চা করতে হবে।
a সবুজপত্র
b সাধনা
c শিখা
d শনিবারের চিঠি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: চলিত ভাষারীতিকে লেখার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে যে পত্রিকাটি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিল, তা হলো সবুজপত্র। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের মে মাসে (বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দ)। এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী এবং এটি বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লেখালেখির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনাম। ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকায় এই ছদ্মনামে প্রবন্ধ ও লেখালেখি করতেন। উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন। ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক কবিতার ধারার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবুজপত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপত্র। B) সাধনা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি প্রাচীন সাহিত্য পত্রিকা, চলিত ভাষার প্রথম মুখপত্র নয়। C) শিখা — এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত কাজী মোতাহার হোসেনের নেতৃত্বে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র ছিল। D) শনিবারের চিঠি — এটি সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যিক ব্যঙ্গ পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: সবুজপত্র মানেই প্রমথ চৌধুরী এবং চলিত রীতির আন্দোলন। সবুজ রঙের মতো সতেজ ও নতুন চলিত ভাষাকে সাহিত্যে এনেছিল এই পত্রিকা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার রূপকার হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a নেকড়ে অরণ্য
b হাঙর নদী গ্রেনেড
c কর্ণফুলী
d নিজ বাসভূমে
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিজ বাসভূমে ১. কেন সঠিক: - নিজ বাসভূমে হলো কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। - এই কাব্যগ্রন্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিকামী মানুষের যন্ত্রণার প্রতিফলন ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে কলম ধরেছিলেন। - নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হলেও এর মূল সুর ও চেতনা মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: দুঃসময়ে মুখোমুখি ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি অন্যতম আলোচিত কাব্যগ্রন্থ যেখানে সমকালীন সমাজ ও রাজনৈতিক সংকট স্থান পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। B) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সেলিনা হোসেনের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ নয়। C) কর্ণফুলী — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। D) নিজ বাসভূমে — এটি শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি নিজের বাসভূমে থেকেও বন্দী শিবির থেকে স্বাধীনতার গান গেয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে কারণ পরীক্ষায় এই দুটি বিষয় প্রায়ই গুলিয়ে যায়।
a আহ্বায়োক্
b আহব্ বায়ক
c আহোব্ বায়োক
d আওভায়ক্
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আওভায়ক্ ১. কেন সঠিক: - 'আহ্বায়ক' শব্দটির বানানে 'হ' এর নিচে 'ব' যুক্ত আছে, যার প্রমিত উচ্চারণ নিয়মানুসারে 'ভ' এর মতো শোনায় এবং হ-এর আগের বর্ণে ও-কার যুক্ত হয়। - বাংলা উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী শব্দের মধ্যে থাকা 'হ্ব' যুক্তবর্ণটি উচ্চারণের সময় 'ভ্ও' বা 'ওভ' রূপ লাভ করে এবং শেষের 'ক' হসন্তযুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের এই নিয়মে বলা হয়েছে শব্দের মধ্যে হ এর সাথে ব যুক্ত হলে (হ্ব) তার উচ্চারণ সাধারণত ভ বা ওভ এর মতো হয়। - যুক্তবর্ণটি ভেঙে উচ্চারণ করার সময় প্রথম বর্ণে ও-কার এবং পরের বর্ণে ব বা ভ এর উচ্চারণ যুক্ত হয়ে প্রমিত রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: jihba (জিহ্বা) শব্দের উচ্চারণ জিভভা। ব্যাখ্যা: এখানে 'হ্ব' যুক্তবর্ণটি উচ্চারণের সময় 'ভ্ভ' ধ্বনি তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: ahban (আহ্বান) শব্দের উচ্চারণ আওভান। ব্যাখ্যা: এখানে 'হ্ব' এর প্রমিত উচ্চারণ 'ওভ' বা 'ভ' এর মতো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহ্বায়োক্ - এই অপশনে শব্দের শেষাংশে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক উচ্চারণ কৌশলের সাথে মেলে না। B) আহব্ বায়ক - এই অপশনে যুক্তবর্ণের প্রমিত উচ্চারণ সঠিকভাবে না দেখিয়ে হ এবং ব কে আলাদা করে উচ্চারণ দেখানো হয়েছে। C) আহোব্ বায়োক - এই অপশনে অতিরিক্ত ও-কার যুক্ত করা হয়েছে যা প্রমিত বাংলা উচ্চারণ নিয়মের পরিপন্থী। D) আওভায়ক্ - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলা একাডেমি নির্ধারিত প্রমিত উচ্চারণ নিয়ম অনুসরণ করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - হ্ব যুক্ত শব্দ উচ্চারণের সময় মনে রাখবে হ এর জায়গায় ও-কার এবং ব এর জায়গায় ভ ধ্বনি উচ্চারণ করতে হবে। - যেমন আহ্বায়ক শব্দের উচ্চারণ করার সময় আ-হো-ভায়-ক এভাবে ভেঙে চর্চা করলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত উচ্চারণ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - হ-ফলা বা হ-যুক্ত বর্ণগুলোর উচ্চারণ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a ও, ঔ
b এ, ঐ
c ই, অ্যা
d আ, ঋ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ই, অ্যা ১. কেন সঠিক: মৌলিক স্বরধ্বনি হলো সেইগুলো, যেগুলোকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করে অন্য কোনো স্বরধ্বনি পাওয়া যায় না। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি, যার মধ্যে 'ই' এবং 'অ্যা' দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক স্বরধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না এবং যাকে আর ক্ষুদ্রতর অংশে বিভক্ত করা যায় না, তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি, যথা: অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ই ব্যাখ্যা: এটি একটি হ্রস্ব মৌলিক স্বরধ্বনি, যা উচ্চারণে কম সময় নেয় এবং এটি কোনো যৌথ স্বরধ্বনি নয়। উদাহরণ ২: অ্যা ব্যাখ্যা: এটি মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত না করে উচ্চারিত একটি মৌলিক স্বরধ্বনি, যা বিদেশি শব্দে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ও, ঔ — 'ও' মৌলিক স্বরধ্বনি হলেও 'ঔ' হলো একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি, যা গঠিত হয় অ এবং উ মিলে। B) এ, ঐ — 'এ' মৌলিক স্বরধ্বনি হলেও 'ঐ' হলো একটি যৌগিক স্বরধ্বনি, যা গঠিত হয় অ এবং ই মিলে। C) ই, অ্যা — এটি সঠিক অপশন কারণ 'ই' এবং 'অ্যা' উভয়েই স্বতন্ত্র এবং মৌলিক স্বরধ্বনি। D) আ, ঋ — 'আ' মৌলিক স্বরধ্বনি হলেও 'ঋ' কোনো স্বরধ্বনি নয়, এটি একটি স্বরবর্ণ যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে কার হিসেবে বসে এবং এর উচ্চারণ ঋ-এর মতো নয়, র এবং ই এর মিশ্রণ। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাতটি ধ্বনি মুখস্থ রাখা, আর যৌগিক স্বরধ্বনি মাত্র দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ। কোনো বর্ণের সাথে জলার বা কার যুক্ত না থাকলে এবং তা নিজে নিজে উচ্চারিত হলে তা মৌলিক স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি এবং যৌগিক স্বরধ্বনি কয়টি, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। সংযুক্ত স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনির সংখ্যা বাংলা ভাষায় পঁচিশটি, তবে বর্ণ হিসেবে মাত্র দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ ব্যবহৃত হয়।
a মনোরঞ্জন করা
b হাস্যরস
c সমাজের সমালোচনা করা
d সৃজনশীলতা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৃজনশীলতা ১. কেন সঠিক: - সাহিত্যের প্রাণ হলো সৃজনশীলতা, যার মাধ্যমে লেখকের মৌলিক কল্পনা ও অনুভূতির প্রকাশ ঘটে। - সৃজনশীলতার আলোকেই একটি সাধারণ বিষয় নতুন রূপ লাভ করে এবং শিল্পের মর্যাদা পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাহিত্য মূলত মানব মনের ভাব, ভাষা ও কল্পনার এক শৈল্পিক প্রকাশ যা লেখকের সৃজনশীল মনন থেকে উৎসারিত হয়। - এটি কেবল তথ্য বা বিনোদন নয়, বরং নতুন জীবনবোধ ও সৌন্দর্য সৃষ্টির এক অনন্য মাধ্যম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির অনন্য সৃজনশীল মনন ও আধ্যাত্মিক অনুভূতির এক অমর প্রকাশ। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক নতুন সৃজনশীলতার দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনোরঞ্জন করা — মনোরঞ্জন সাহিত্যের একটি কাজ হতে পারে, তবে এটি একমাত্র বা প্রধান লক্ষণ নয়। B) হাস্যরস — হাস্যরস সাহিত্যের একটি উপাদান মাত্র, যা সব সাহিত্যকর্মে থাকে না। C) সমাজের সমালোচনা করা — সমাজের সমালোচনা করা সাহিত্যের একটি উদ্দেশ্য হতে পারে, তবে প্রধান লক্ষণ সৃজনশীলতাই। D) সৃজনশীলতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ সৃজনশীলতা ছাড়া কোনো মৌলিক সাহিত্য সৃষ্টি হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাহিত্য মানেই নতুন কিছু সৃষ্টি, তাই এর মূল চাবিকাঠি হলো সৃজনশীলতা। - বিনোদন বা সমালোচনা সাহিত্যের অংশ হতে পারে, কিন্তু সৃজনশীলতা ছাড়া সাহিত্য জন্ম নেয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যের সংজ্ঞা বা মূল বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে সৃজনশীলতা উত্তর হিসেবে বেছে নিতে হবে। - এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের মধ্যে সাহিত্যকর্মের কাজ এবং সাহিত্যের মূল রূপের পার্থক্য বুঝতে হবে।
a পাল
b সেন
c মুঘল
d তুর্কী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাল ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ রচিত হয়েছিল পাল রাজবংশের শাসন আমলে। - ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায় এর রচনাকাল ছিল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্য নিদর্শন। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এটি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনি দত্ত। ব্যাখ্যা: মুনি দত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত ভাষায় মূলে টীকা বা অর্থ লিখেছিলেন যা পদগুলো বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কবি কান্নপা। ব্যাখ্যা: কান্নপা বা কৃষ্ণপাদ চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাল — এই রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচিত হয়েছিল বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) সেন — সেন রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচনা শুরু হয়নি বরং এ সময় পাল রাজবংশের পতন ঘটেছিল। C) মুঘল — মুঘল আমল শুরু হয় আরও অনেক পরে ষোড়শ শতাব্দীতে, তাই এটি চর্যাপদের কালের সঙ্গে মেলে না। D) তুর্কী — তুর্কী আক্রমণ বা শাসন শুরু হয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে, যা চর্যাপদ রচনার সূচনার সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পাল রাজাদের আমলেই বাংলা ভাষার সৃষ্টি ও চর্যাপদের সূচনা হয়েছিল। মনে রাখতে পারো পাল মানে প্রথম, তাই চর্যাপদও প্রথম রচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর ভাষা সন্ধ্যা ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা। এই তথ্যটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a প্রচারণা
b প্রচার
c প্রকাশনা
d প্রচারাভিযান
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রচারাভিযান ১. কেন সঠিক: - Campaign শব্দটির বাংলা পারিভাষিক অর্থ হলো প্রচারাভিযান বা নির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য চালিত ধারাবাহিক প্রচার কার্যক্রম। - প্রশাসন, নির্বাচন বা সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে এটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর ভাবানুবাদ না করে নির্দিষ্ট অর্থ গ্রহণ করা হয়। - ইংরেজি administrative বা social terms-এর সঠিক বাংলা রূপ দিতে পারিভাষিক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Election campaign ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো নির্বাচন প্রচারাভিযান। উদাহরণ ২: Marketing campaign ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো বিপণন প্রচারাভিযান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রচারণা — এটি Campaign শব্দের সাধারণ অনুবাদ হলেও প্রাতিষ্ঠানিক বা পূর্ণাঙ্গ পারিভাষিক শব্দ হিসেবে প্রচারাভিযান বেশি উপযুক্ত। B) প্রচার — প্রচার বলতে কেবল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া বোঝায়, যা Campaign-এর পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না। C) প্রকাশনা — এটি Publication শব্দের পারিভাষিক রূপ, যা Campaign-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) প্রচারাভিযান — এটি সঠিক পারিভাষিক শব্দ কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Campaign শব্দের শেষে অভিযান বা বিশেষ কর্মপরিকল্পনার অর্থ লুকিয়ে থাকে, তাই এর পারিভাষিক শব্দে প্রচারাভিযান নির্বাচন করা হয়। - সাধারণ প্রচার আর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক প্রচারাভিযানের পার্থক্য মাথায় রাখলেই উত্তর সঠিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে প্রশাসন ও নির্বাচন সংক্রান্ত ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা রূপ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বাংলাদেশী সাহিত্য
b মধ্য যুগের
c আধুনিক যুগের
d প্রাচীন যুগের
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্য যুগের ১. কেন সঠিক: - চৌতিশা বাংলা মধ্যযুগের সাহিত্যের একটি বিশেষ রূপ বা ধারা। - এই ধারায় বাংলা বর্ণমালার চৌত্রিশটি ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রমানুসারে স্তবক সাজিয়ে ধর্মীয় বা মননশীল কবিতা রচনা করা হতো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চৌতিশা ধারার প্রচলন ছিল মূলত দেবদেবীর বন্দনা বা ভক্তিমূলক গান রচনার জন্য। - বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন অংশে এবং পদাবলীতে এই চৌতিশা রীতির প্রভাব দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রথমাংশে চৌতিশা রীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং এতে বর্ণানুক্রমিক স্তবক রচনার লক্ষণ রয়েছে। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের বিভিন্ন মঙ্গলকাব্যেও চরিত্রের বন্দনায় চৌতিশা ব্যবহারের প্রথা ছিল। ব্যাখ্যা: এই রীতি মধ্যযুগের সাহিত্যের অন্যতম শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে সমাদৃত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশী সাহিত্য — এই অপশনটি কালভিত্তিক সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি আধুনিক যুগের সৃষ্টি। B) মধ্য যুগের — এই অপশনটি সঠিক কারণ চৌতিশা মধ্যযুগের সাহিত্যের অন্যতম রূপ। C) আধুনিক যুগের — এই অপশনটি ভুল কারণ আধুনিক যুগে চৌতিশা লেখার রীতি বর্জিত হয়েছে। D) প্রাচীন যুগের — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাচীন যুগে চর্যাপদ রচিত হলেও চৌতিশা ধারার প্রচলন ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চৌত্রিশটি ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে চৌতিশা নামটি এসেছে যা মধ্যযুগের সাহিত্যের একটি প্রাচীন শৈলী। - মধ্যযুগের ধর্মীয় ও ভক্তিমূলক কাব্যে বর্ণমালাভিত্তিক বন্দনা মানেই চৌতিশা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন যুগের বিশেষ বৈশিষ্ট্য থেকে প্রশ্ন আসে। - মধ্যযুগের অন্যান্য কাব্যধারা যেমন মঙ্গলকাব্যের রূপ এবং বৈশিষ্ট্যগুলো ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a খ্ + ম্ + হ
b ক্ + ষ + ম
c ক্ + ষ + ণ
d ক্ + ষ + ন
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্ + ষ + ম ১. কেন সঠিক: - ক্ষ্ম যুক্তবর্ণটি ক এবং ষ এবং ম এই তিনটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। - বাংলা বর্ণমালায় কিছু জটিল যুক্তবর্ণ থাকে যা একাধিক ব্যঞ্জনের যোগে তৈরি হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যুক্তবর্ণ হলো দুটি বা ততোধিক বর্ণ মিলে একটি বর্ণ তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া। - এই বিশেষ যুক্তবর্ণটি লেখার সময় ক এর নিচে ষ এবং তার নিচে ম যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লক্ষ্মী ব্যাখ্যা: লক্ষ্মী শব্দটিতে এই বিশেষ যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে হয়। উদাহরণ ২: সূক্ষ্ম ব্যাখ্যা: সূক্ষ্ম শব্দের বানানটিতে ক ষ এবং ম এর এই যুক্তরূপটি স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খ্ + ম্ + হ — এই বর্ণগুলোর যোগে প্রদত্ত যুক্তবর্ণটি গঠিত হয় না কারণ এখানে খ এবং হ রয়েছে। B) ক্ + ষ + ম — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এই তিনটি বর্ণ মিলেই প্রশ্নোক্ত যুক্তবর্ণটি তৈরি হয়। C) ক্ + ষ + ণ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে শেষের বর্ণটি ম এর পরিবর্তে ণ দেওয়া আছে। D) ক্ + ষ + ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে শেষের বর্ণটি ম এর পরিবর্তে ন ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষ্ম যুক্তবর্ণ দেখলে মনে রাখবে এটি মূলত ক ষ এবং ম এর মিলন। - বানানের সময় শেষের বর্ণটি ম মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণের সঠিক ভাঙা রূপ জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই ধরনের যুক্তবর্ণের সঠিক উপাদানগুলো মনে রাখা আবশ্যক।
a সর্বনাম
b অনুসর্গ
c উপসর্গ
d অব্যয়
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুসর্গ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'বিনা' শব্দটি বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করেছে। - এখানে 'দুঃখ' বিশেষ্য পদের পরে 'বিনা' বসে ব্যতিরেক বা ব্যাতিরেকে অর্থ প্রকাশ করেছে, যা অনুসর্গের কাজ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে শব্দগুলোর সঙ্গে বাক্যের অন্য পদের সম্পর্ক স্থাপন করে, তাকে অনুসর্গ বলে। - অনুসর্গগুলো সাধারণত কর্ম ও অপাদান কারকে বেশি ব্যবহৃত হয় এবং এরা পদের পরে বসে বলে এদের পোস্টপজিশন বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধনীর তো বটেই, দরিদ্রের ঘরেও উৎসব হয় বিনা আমন্ত্রণে। ব্যাখ্যা: এখানে 'আমন্ত্রণ' বিশেষ্যের পরে 'বিনা' বসে অনুসর্গ হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: জল বিনা মাছ বাঁচে না। ব্যাখ্যা: এখানে 'জল' বিশেষ্যের পরে 'বিনা' বসে অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বনাম — সর্বনাম হলো বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু 'বিনা' নামের পরিবর্তে বসে না। B) অনুসর্গ — এটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ্য পদের পরে বসে সম্পর্ক বোঝায়। C) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের আগে বসে, কিন্তু 'বিনা' শব্দের পরে বসেছে। D) অব্যয় — যদিও অনেক অনুসর্গ অব্যয় পদ থেকে এসেছে, তবে এখানে নির্দিষ্টভাবে অনুসর্গের কাজ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের পরে বসে কারক বোঝালে তা অনুসর্গ হয় এবং শব্দের আগে বসলে তা উপসর্গ হয়। - বিনা, ছাড়া, সহিত, দ্বারা, দিয়া ইত্যাদি শব্দ পদের পরে বসলে অনুসর্গ হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গ চেনার জন্য শব্দের অবস্থান লক্ষ্য করতে হবে। - অনুসর্গ সব সময় স্বাধীন পদ হিসেবে শব্দের পরে বসে।
a বর্ণমালা
b ধ্বনি
c সমাস
d ব্যাকরণ
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যাকরণ ১. কেন সঠিক: - ব্যাকরণ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নিয়মের সমষ্টি, যা ভাষাকে সঠিক ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করে। - রাষ্ট্র যেমন সংবিধানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, তেমনি ভাষা পরিচালিত হয় ব্যাকরণের নিয়ম দ্বারা, তাই একে ভাষার সংবিধান বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। - এটি ভাষার মৌলিক উপাদান ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ইত্যাদির পারস্পরিক সম্পর্ক ও ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চললে মুখের ভাষা প্রমিত রূপ লাভ করে। ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা লিখতে এবং বলতে ব্যাকরণের নিয়ম জানা অপরিহার্য। উদাহরণ ২: বাক্যের কারক ও বিভক্তি নির্ণয় ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ না থাকলে বাক্যের পদের সঠিক অন্বয় বোঝা সম্ভব হতো না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণমালা — বর্ণমালা হলো ভাষার লিখিত রূপ প্রকাশের প্রতীক মাত্র, যা সংবিধানের সমতুল্য নয়। B) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার উচ্চারিত রূপের একক, যা ব্যাকরণের একটি অংশ মাত্র পুরো ভাষার শাসনতন্ত্র নয়। C) সমাস — সমাস হলো ব্যাকরণের একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা অধ্যায়, যা অর্থ সংক্ষেপ করে, পুরো ভাষা নয়। D) ব্যাকরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যাকরণ পুরো ভাষাকে নিয়মমাফিক পরিচালনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাষ্ট্রে যেমন সংবিধান সব নিয়ম ঠিক করে, ভাষার ক্ষেত্রে তেমনি ব্যাকরণ সব নিয়ম ঠিক করে। - এই মিল থেকেই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার মৌলিক ধারণা থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - ভাষা সম্পর্কিত অন্যান্য রূপক বা মেটাফোরগুলো ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a অগ্নিবীণা
b ফণিমনসা
c সর্বহারা
d ছায়ানট
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সর্বহারা ১. কেন সঠিক: - কান্ডারী হুশিয়ার কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সর্বহারা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ও উদ্দীপনামূলক কবিতা। - কান্ডারী শব্দের অর্থ কর্ণধার বা চালক এবং হুশিয়ার শব্দের অর্থ সতর্ক বা সাবধান করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি যিনি বিশ শতকের প্রথমার্ধে আবির্ভূত হয়ে বাংলা কাব্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেন। - সর্বহারা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে যেখানে শ্রমজীবী ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কবির জোরালো কণ্ঠস্বর প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়োল্লাস কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এটি কবির বিদ্রোহী চেতনার অন্যতম প্রধান প্রকাশ যা প্রথম কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ব্যাখ্যা: এই কবিতার মাধ্যমে কবি বাংলা কবিতায় এক নতুন সুর ও ছন্দের জন্ম দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে প্রলয়োল্লাস ও বিদ্রোহী কবিতা রয়েছে কিন্তু কান্ডারী হুশিয়ার নেই। B) ফণিমনসা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ভিন্ন বিষয়ের ওপর রচিত এবং এতে আলোচ্য কবিতাটি নেই। D) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গান ও কবিতার সংকলন হলেও কান্ডারী হুশিয়ার কবিতাটি এই গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সর্বহারা মানুষের মুক্তির পথ দেখাতে এবং তাদের সতর্ক করতে কান্ডারী হুশিয়ার উচ্চারণ করেছিলেন কবি নজরুল। - কাব্যগ্রন্থটির নাম মনে রাখতে মনে রাখবে বঞ্চিত সর্বহারা মানুষের জন্যই কান্ডারীর এই হুশিয়ারি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ ও কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবির রাজনৈতিক ও সাম্যবাদী চেতনার কবিতাগুলো সাধারণত সর্বহারা ও সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
a সুফিয়া কামাল
b মদনমোহন তর্কালঙ্কার
c কুসুমকুমারী দাশ
d ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুসুমকুমারী দাশ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণ দুটি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত পরিচিত একটি কবিতার অংশ যার রচয়িতা কবি কুসুমকুমারী দাশ। - মানুষের মুখে বড় বড় কথা না বলে কাজের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে এই চরণে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও লেখিকা। - তার বিখ্যাত কবিতা আদর্শ ছেলে থেকে এই চরণ দুটি নেওয়া হয়েছে এবং এটি নৈতিক শিক্ষামূলক রচনার জন্য বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে। ব্যাখ্যা: এটি কুসুমকুমারী দাশের আদর্শ ছেলে কবিতার মূল ভাব ধারণকারী সবচেয়ে জনপ্রিয় পঙ্‌ক্তি। উদাহরণ ২: হৃদয়ে বেদনা যার মনে নাই সহানুভূতি, সেই মানুষ কি মানুষ পূর্ণ তাহার যতি। ব্যাখ্যা: এটিও একই কবিতার একটি অন্ত্যমিলযুক্ত চরণ যা মানুষের নৈতিকতা গঠনের কথা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান প্রখ্যাত কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা নন। B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — তিনি শিশুতোষ গ্রন্থ রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই চরণটি তার কোনো রচনায় পাওয়া যায় না। C) কুসুমকুমারী দাশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি আদর্শ ছেলে কবিতার মাধ্যমে এই অমর বাণী রচনা করেছেন। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি ও সাংবাদিক হলেও এই কবিতার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - আদর্শ ছেলে কবিতা এবং কুসুমকুমারী দাশ নাম দুটি একসাথে মনে রাখবে। - কাজে বড় হওয়ার আদর্শ শিক্ষা দেন একজন নারী কবি যার নাম কুসুমকুমারী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার চরণ ও কবির নাম প্রায়ই আসে। - কুসুমকুমারী দাশ প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জীবনানন্দ দাশের মা, এই তথ্যটিও বিভিন্ন পরীক্ষায় অনেক সময় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a All cats like cold water.
b No cats like cold water.
c Most cats like cold water.
d Most cats dislike cold water.
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Most cats dislike cold water. কেন সঠিক: এখানে ‘few’ শব্দটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যার মানে প্রায় নেই বললেই চলে। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় অধিকাংশ বিড়ালই ঠান্ডা পানি পছন্দ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All cats like cold water — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রশ্নে সব বিড়াল পছন্দ করে এমন বোঝায়নি। B) No cats like cold water — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘few’ মানে একদমই নেই বোঝায় না, বরং অল্প কিছু বোঝায়। C) Most cats like cold water — এই অপশনটি ভুল কারণ মূল বাক্যে অপছন্দ করার কথা বলা হয়েছে। D) Most cats dislike cold water — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মূল বাক্যের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে ‘Few’ থাকলে তা না বোধক বা না-এর কাছাকাছি অর্থ দেয়।
a is
b was
c are
d has been
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) are কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'The author' এবং 'the publisher' দুটি ভিন্ন ব্যক্তির আগে the ব্যবহৃত হয়েছে। তাই তারা ভিন্ন দুটি ব্যক্তি হওয়ায় subject টি plural বা বহুবচন হয়েছে এবং verb ও plural হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি singular verb হওয়ায় plural subject এর সাথে বসে না। B) was — এটি singular verb এবং past tense নির্দেশ করে যা এখানে উপযুক্ত নয়। C) are — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি plural subject এর সাথে বসে। D) has been — এটি singular verb হওয়ায় বহুবচন subject এর সাথে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Article দুটি আলাদা noun এর আগে থাকলে subject বহুবচন হয় এবং verb ও plural হয়।
a finishes
b had finished
c finished
d finishing
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had finished কেন সঠিক: বাক্যটিতে দুটি অতীত ঘটনার উল্লেখ আছে। তুলনামূলকভাবে আগের ঘটনাটি বোঝাতে Past Perfect Tense ব্যবহৃত হয়। তাই প্রথম অংশে had finished বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) finishes — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে বসে না। B) had finished — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) finished — এটি Past Indefinite Tense, কিন্তু দুটি অতীতের মধ্যে তুলনামূলক আগের ঘটনায় এটি বসে না। D) finishing — এটি Gerund বা Participle, যা সাহায্যকারী verb ছাড়া মূল verb হিসেবে বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে Past Perfect Tense অর্থাৎ had এবং verb-এর past participle বসে।
a Boris Pasternak
b Thomas Hardy
c Leo Tolstoy
d Walter Scott
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Thomas Hardy কেন সঠিক: টমাস হার্ডি হলেন একজন বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক ও কবি। এ পেয়ার অব ব্লু আইজ তাঁর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boris Pasternak — ইনি রাশিয়ান লেখক ও কবি, যিনি ডক্টর জিওয়াগো উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) Thomas Hardy — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) Leo Tolstoy — ইনি বিখ্যাত রাশিয়ান ঔপন্যাসিক যিনি ওয়ার অ্যান্ড পিস এবং আনা কারেনিনা লিখেছেন। D) Walter Scott — ইনি স্কটিশ ঐতিহাসিক ঔপন্যাসিক ও কবি যিনি আইভানহো উপন্যাসের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: টমাস হার্ডির নামের সাথে ব্লু আইজ বা নীল চোখ মনে রাখলে উপন্যাসটি সহজে মনে থাকবে।
a Bureaucracy
b Exaggrate
c Mausoleum
d Dilemma
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Exaggrate কেন সঠিক: অপশন বি তে থাকা শব্দটির বানান ভুল আছে কারণ সঠিক বানান হলো Exaggerate যার মাঝে ডাবল জি ব্যবহার করা হয়। প্রদত্ত শব্দটিতে একটি জি কম আছে তাই এটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bureaucracy — এই শব্দটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এর অর্থ আমলাতন্ত্র। B) Exaggrate — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানানে জি এর পরে এ আসে। C) Mausoleum — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যার অর্থ সমাধি সৌধ। D) Dilemma — এই শব্দটির বানান সঠিক রয়েছে এবং এর অর্থ উভয়সংকট। মনে রাখার টিপস: Exaggerate বানান করার সময় মনে রাখবে যে এর মাঝে ডাবল জি এবং ই এর পরে এ আসে।
a Jhon Keats
b William Shakespeare
c William Blake
d P.B Shelley
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) P.B Shelley কেন সঠিক: এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি পার্সি বিশ শেলি রচিত ওডে টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড কবিতার শেষ লাইন। এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো দুঃখের পরেই সুখ বা দুর্দিনের পরেই সুদিন আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Keats — জন কিটস এই আশাবাদী ও বিখ্যাত লাইনটির রচয়িতা নন, তিনি তার ওডে টু সাইকি কবিতার জন্য পরিচিত। B) William Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়ার এই পঙ্ক্তিটির রচয়িতা নন, তিনি তার বিখ্যাত সনেট ও নাটকের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। C) William Blake — উইলিয়াম ব্লেক এই লাইনের কবি নন, তিনি মূলত সং অব ইনোসেন্স কাব্যগ্রন্থের জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত। D) P.B Shelley — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কালজয়ী কবিতাটি লিখেছেন। মনে রাখার টিপস: শেলির ওয়েস্ট উইন্ড কবিতার শেষ লাইন মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
a Accurate
b Exact
c Fastidious
d all of the above
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) all of the above কেন সঠিক: ‘Meticulous’ শব্দটির অর্থ হলো অত্যন্ত যত্নবান, খুঁতখুঁতে বা নিখুঁত। অপশনের সবকটি শব্দই এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accurate — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একা উত্তর হতে পারে না। B) Exact — এটি নির্ভুল অর্থ প্রকাশ করলেও বাকি অপশনগুলোর কারণে এটি শুধু সঠিক নয়। C) Fastidious — এটিও নিখুঁত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি একাত্ত্ব হতে পারে না। D) all of the above — যেহেতু প্রথম তিনটি অপশনের সবকটিই সঠিক তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: যিনি মেপে মেপে কাজ করেন এবং প্রতিটি কাজে নিখুঁত থাকেন তাকেই মেটিকুলাস বলা হয়।
a adverb
b adjective
c participle
d preposition
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: এখানে better শব্দটি বাক্যের subject A bird in a hand এর গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। এটি linking verb is এর পরে বসে subject সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে তাই এটি adjective। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে modify করে না, তাই এটি adverb হতে পারে না। B) adjective — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি noun বা subject এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে। C) participle — এটি verb থেকে তৈরি হয়ে কোনো noun এর কাজ করছে না, তাই এটি participle নয়। D) preposition — এটি noun বা pronoun এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে না, তাই এটি preposition নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বাক্যে be verb এর পরে বসে যদি তা subject এর গুণ প্রকাশ করে, তবে তা সাধারণত adjective হয়।
a go
b goes
c going
d gone
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) goes কেন সঠিক: বাক্যে usually শব্দটি থাকার কারণে এটি বর্তমান অনির্দিষ্ট কাল বা Present Indefinite Tense নির্দেশ করে। সাবজেক্ট He একটি তৃতীয় পুরুষ একবচন হওয়ায় মূল verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — এটি verb এর মূল রূপ, যা third person singular number এর সাথে বসে না। B) goes — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) going — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ, যার পূর্বে কোনো সাহায্যকারী verb নেই। D) gone — এটি verb এর past participle রূপ, যা এই Tense এ বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে usually থাকলে বুঝবে কাজটি নিয়মিত ঘটে এবং সাবজেক্ট একা হলে verb এর শেষে s বা es বসাতে হয়।
a advocated
b predicted
c experienced
d required
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) advocated কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ অনুযায়ী বর্জ্য সংগ্রহ করে পরিবেশ বাঁচানোর প্রস্তাবটি অধিকাংশ মানুষ সমর্থন করেছিল। advocated শব্দটির অর্থ সমর্থন করা বা পক্ষে মত দেওয়া, যা শূন্যস্থানে সঠিকভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) advocated — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সমর্থন করা। B) predicted — এর অর্থ ভবিষ্যদ্বাণী করা, যা এই বাক্যের সাথে কোনোভাবেই মানানসই নয়। C) experienced — এর অর্থ অভিজ্ঞতা অর্জন করা, যা প্রস্তাবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না। D) required — এর অর্থ প্রয়োজন হওয়া, কিন্তু মানুষ প্রস্তাব প্রয়োজন করেনি বরং সমর্থন করেছিল। মনে রাখার টিপস: কোনো ভালো উদ্যোগ বা প্রস্তাবের পক্ষে মানুষ মত দিলে বা সমর্থন করলে advocated শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a shorts
b species
c criterion
d scissors
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) criterion কেন সঠিক: criterion একটি গ্রিক শব্দ এবং এটি হলো singular form। এর plural form হলো criteria। তাই এটি উভয় রূপে ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shorts — এটি এমন একটি নাউন যা দেখতে plural হলেও সর্বদা একই রূপে singular এবং plural হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) species — এই শব্দটির singular এবং plural রূপ একই থাকে, তাই এটি উভয়ভাবেই ব্যবহার করা যায়। C) criterion — এটি নিজেই একমাত্র অপশন যা singular এবং এর plural রূপ হলো criteria, তাই এটি নিয়মের ব্যতিক্রম। D) scissors — এটি একটি জোড়াভিত্তিক বস্তু যা সর্বদা plural হিসেবে ব্যবহৃত হলেও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে একই রূপ বজায় রাখে। মনে রাখার টিপস: বিদেশী শব্দ যেমন criterion এর plural সাধারণত a দিয়ে শেষ হয় (criteria) এবং এগুলো উভয় রূপে ব্যবহার করা যায় না।
a would
b will
c should
d might
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) will কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি First Conditional-এর নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। এর গঠন হলো Present Indefinite Tense + Future Indefinite Tense। বাক্যের প্রথম অংশ Present Tense-এ থাকায় দ্বিতীয় অংশে Future Tense বোঝাতে will বসে। কঠোর পরিশ্রম করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা নিশ্চিত করতে will ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would — এটি Second Conditional-এ ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) will — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) should — এটি বাধ্যবাধকতা বা উচিত অর্থে বসে, ভবিষ্যতের নিশ্চিত ফল প্রকাশ করে না। D) might — এটি খুব কম সম্ভাবనా বোঝায়, যা নিশ্চিত সাফল্য প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: If-যুক্ত অংশ Present Tense হলে পরের অংশ Future Tense হবে এবং will বসবে।
a get along with
b keep up
c cope with
d look after
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) cope with কেন সঠিক: এখানে অনেক বেশি কাজের সাথে মানিয়ে নেওয়া বা সামলানোর কথা বলা হয়েছে। তাই সঠিক ফ্রেজাল ভারb হিসেবে cope with ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) get along with — এর অর্থ কারো সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, যা এখানে কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) keep up — এর অর্থ গতি বজায় রাখা বা টিকে থাকা, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট কাজের চাপ সামলানোর অর্থ প্রকাশ পায় না। C) cope with — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) look after — এর অর্থ দেখাশোনা করা, যা কোনো কাজের চাপ সামলানোর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: কাজের চাপ বা চাপের পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়া বোঝাতে সবসময় cope with ফ্রেজাল ভারb ব্যবহার করা হয়।
a Amateur
b Amature
c Ameteur
d Amatere
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Amateur কেন সঠিক: - Amateur শব্দটির সঠিক বানান হলো A-M-A-T-E-U-R যার অর্থ অপেশাদার বা শৌখিন। - এটি মূলত ফরাসি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যার শেষের অংশটি -teur বা -eur যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amateur — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ শৌখিন। B) Amature — এখানে শেষের দিকে সঠিক স্বরবর্ণ বা বানানের নিয়ম মানা হয়নি। C) Ameteur — এখানে মাঝখানের e অক্ষরটি অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে। D) Amatere — এখানে শেষের অংশটি ভুলভাবে লেখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে ama এবং teur এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করতে পারো।
a or
b nor
c and
d but
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) nor কেন সঠিক: ইংরেজিতে Neither এর সাথে সর্বদা nor ব্যবহৃত হয়। এটি একটি জোড়া কনজাংশন বা কোরিলেটিভ কনজাংশন হিসেবে কাজ করে। বাক্যটিতে দুজনের অনুপস্থিতি বোঝাতে Neither... nor গঠনটি সম্পূর্ণ সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) or — এটি সাধারণত Either এর সাথে বসে, তাই এখানে ব্যবহার করা ভুল। B) nor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) and — এটি Neither এর সাথে জোড়া গঠন করতে পারে না, তাই এটি ভুল। D) but — এটি বিপরীতার্থক ভাব প্রকাশ করে, যা Neither এর নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Neither দেখলে চোখ বন্ধ করে nor খুঁজবে, কারণ এরা একে অপরের পরিপূরক সঙ্গী।
a Transparent
b Cloudy
c Dull
d Hazy
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Transparent কেন সঠিক: ‘Opaque’ শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অস্বচ্ছ, যার মধ্য দিয়ে আলো চলাচল করতে পারে না। ‘Transparent’ শব্দটির অর্থ স্বচ্ছ, যা ঠিক এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এটি সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transparent — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ স্বচ্ছ। B) Cloudy — এই শব্দটির অর্থ মেঘলা বা ঘোলাটে, যা Opaque এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Dull — এই শব্দটির অর্থ মলিন বা অনুজ্জ্বল, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Hazy — এই শব্দটির অর্থ কুয়াশাচ্ছন্ন বা অস্পষ্ট, যা Opaque এর সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Opaque মানে আলো আটকে যায়, আর Transparent মানে আলো সহজে পার হয়ে যায়।
a whom
b which
c whose
d what
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) whom কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পূর্বে the man শব্দটি একজন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। ব্যক্তিবাচক noun এর পর object হিসেবে who এর objective রূপ whom বসে। এখানে whom বসালে বাক্যটির অর্থ হয়, তুমি গতকাল যে লোকটিকে দেখেছিলে তিনি আমার চাচা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) whom — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) which — এটি কেবল ইতর প্রাণী বা বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ভুল। C) whose — এটি অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে এটি বসবে না। D) what — এর পূর্বে কোনো antecedent বা পূর্বপদ থাকে না, তাই এটি এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের আগের শব্দটি যদি কোনো মানুষ হয় এবং পরের অংশে যদি একটি নতুন subject থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে whom বসাবে।
a I wish I had the wings of a bird!
b None can avoid death.
c As soon as he arrived, he welcomed him.
d Very few poets of England were as great as Shakespeare.
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) None can avoid death. কেন সঠিক: এই বাক্যে None শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যা না সূচক অর্থ প্রকাশ করে। এছাড়া বাক্যের মূল বক্তব্যে কোনো হ্যাঁ সূচক ভাব নেই। এটি একটি সরাসরি নেতিবাচক বা না সূচক বাক্য। তাই এটি সঠিক নেতিবাচক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I wish I had the wings of a bird! — এটি একটি এক্সক্লামেটরি বা বিস্ময়সূচক বাক্য। B) None can avoid death. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে বিশ্লেষিত হলো। C) As soon as he arrived, he welcomed him. — এটি একটি এফারমেটিভ বা হ্যাঁ সূচক জটিল বাক্য। D) Very few poets of England were as great as Shakespeare. — এটি একটি পজিটিভ ডিগ্রি যুক্ত হ্যাঁ সূচক বাক্য। মনে রাখার টিপস: বাক্যে No, Not, None, Never ইত্যাদি শব্দ থাকলে তা নেতিবাচক বাক্য হয়।
a To add insult to injury
b Oil your own machine
c To carry coal to new castle
d Black will take no other hue
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) To carry coal to new castle কেন সঠিক: বাংলা প্রবাদ 'তেলে মাথায় তেল দেয়া' অর্থ বিত্তশালীকে আরও বিত্তশালী করা বা যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে অতিরিক্ত কিছু পাঠানো। ইংরেজিতে 'To carry coal to new castle' প্রবাদটির অর্থও অপ্রয়োজনীয় স্থানে কোনো কিছু পাঠানো বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To add insult to injury — এই প্রবাদের অর্থ কাটা গায়ে নুনের ছিটে দেওয়া বা বিপদের উপর বিপদ ডেকে আনা। B) Oil your own machine — এই বাক্যাংশের অর্থ নিজের কাজ নিজে গুছিয়ে নেওয়া বা নিজের স্বার্থ দেখা। D) Black will take no other hue — এই প্রবাদের অর্থ কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না বা স্বভাব সহজে বদলায় না। মনে রাখার টিপস: যেখানে ইতিমধ্যে প্রচুর কয়লা আছে সেখানে নতুন করে কয়লা নেওয়া মানেই অপ্রয়োজনীয় কাজ বা তেলে মাথায় তেল দেওয়া।
a are
b were
c is
d be
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে One of থাকলে তার পরের noun টি plural হলেও the verb টি singular হয়। friends plural হলেও মূল subject হলো One, তাই verb singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb, যা singular subject One এর সাথে বসে না। B) were — এটি past tense এর plural verb, যা বর্তমান অবস্থার সাথে মেলে না। C) is — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) be — এটি verb এর base form, যা এখানে grammartically সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: One of এর পরে noun plural হলেও verb সব সময় singular হয়।
a আয়কর
b মূল্য সংযোজন কর
c আমদানি রপ্তানি শুল্ক
d ভূমিকর
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মূল্য সংযোজন কর ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর এর কর আদagus ব্যবস্থার মধ্যে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট খাত থেকে বর্তমানে সরকার সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় করে থাকে। দেশের অভ্যন্তরে পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ এবং সেবামূলক খাতের ওপর এই পরোক্ষ কর আরোপ করা হয় যা সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস। ২. অর্থনীতি, শিল্প ও উন্নয়ন: রাজস্ব কাঠামো: বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের একটি বিশাল অংশ অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহের ওপর নির্ভরশীল যেখানে মূসক বা ভ্যাটের অবদান সর্বোচ্চ। কর আদagus পদ্ধতি: এটি একটি পরোক্ষ কর যা চূড়ান্ত ভোক্তার কাছ থেকে সংগ্রহ করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপারশপ বা রেস্তোরাঁয় কেনাকাটা। ব্যাখ্যা: আমরা যখন কোনো রেস্তোরাঁয় খাবার খাই বা সুপারশপ থেকে পণ্য কিনি, তখন বিলের সঙ্গে যে অতিরিক্ত অর্থ কেটে রাখা হয় তা মূলত মূল্য সংযোজন কর হিসেবে সরকারের ভাণ্ডারে জমা হয়। উদাহরণ ২: দেশীয় শিল্পপণ্য ও সেবা। ব্যাখ্যা: মোবাইল ফোন অপারেটরদের সেবা কিংবা উৎপাদিত বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের বিক্রির ওপর এই কর প্রযোজ্য হওয়ায় সামগ্রিকভাবে এই খাত থেকে সরকারের আয় সবচেয়ে বেশি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়কর — এটি সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হলেও এটি প্রত্যক্ষ কর হওয়ায় এর পরিমাণ মূসকের তুলনায় কিছুটা কম হয়। B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সঠিক কারণ দেশের বর্তমান রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই খাত থেকেই সরকার সবচেয়ে বেশি আয় করে থাকে। C) আমদানি রপ্তানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর অর্পিত শুল্ক যা মোট রাজস্ব আয়ের একটি অংশ হলেও ভ্যাটের মতো সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করে না। D) ভূমিকর — এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক সংগৃহীত হয় যা জাতীয় বাজেটের রাজস্ব আয়ে তুলনামূলকভাবে খুবই কম ভূমিকা রাখে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে তা মনে রাখার সহজ উপায় হলো বাজারের কেনাকাটার কথা চিন্তা করা। বাজারে গেলেই আমাদের পণ্যের দামের ওপর ভ্যাট দিতে হয় এবং এই ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর থেকেই সরকার সবচেয়ে বেশি আয় করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর বাংলাদেশের প্রধান রাজস্ব সংগ্রহকারী কর্তৃপক্ষ। এই প্রশ্নটি ব্যাংকিং ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের পার্থক্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি।
a দ্বাদশ
b ত্রয়োদশ
c চতুর্দশ
d পঞ্চদশ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ত্রয়োদশ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। - এর মূল উদ্দেশ্য ছিল অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করা যা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের ভিত্তিতে অর্জিত হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সফল হলেও সাংবিধানিক স্বীকৃতি না থাকায় বিরোধী দলগুলো পরবর্তী সময়ে এর স্থায়ী আইনি রূপ দাবি করে। - সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অনুচ্ছেদ ৫৮ক, ৫৮খ, ৫৮গ, ৫৮ঘ এবং ৫৮ঙ যুক্ত করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সংশোধনীর ফলে প্রধান বিচারপতির প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার বিধান চালু হয় যা পরবর্তীতে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৯৬ সালের জুনের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যাখ্যা: ত্রয়োদশ সংশোধনী পাস হওয়ার পর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উদাহরণ ২: ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: আদালতের রায়ের আলোকে এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় যা বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি বড় পরিবর্তন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বাদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে আবার সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। B) ত্রয়োদশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর মাধ্যমেই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয়েছিল। C) চতুর্দশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৪ সালে নারী সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নির্বাচন কমিশনারদের বয়সসীমা বাড়ানো হয়। D) পঞ্চদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রেখে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনর্বহাল করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ত্রয়োদশ সংখ্যাটি মনে রাখলেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাল বা সংশোধনী সহজে মনে রাখা যায় কারণ এটি ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমেই পাস হয়েছিল। - দ্বাদশ মানে সংসদীয় সরকার আর ত্রয়োদশ মানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিল এবং কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা দ্বাদশ ও পঞ্চদশ সংশোধনীর সাল এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কেও ধারণা লাভ করতে পারে।
a দক্ষিণ তালপট্টি
b সেন্টমার্টিন
c নিঝুম দ্বীপ
d ভোলা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন ১. কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত এবং মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে এবং বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণ প্রান্তে এই দ্বীপটি অবস্থিত। - স্থানীয় নাম: স্থানীয়ভাবে এই দ্বীপটি নারিকেল জিনিয়া নামে পরিচিত কারণ এখানে প্রচুর নারিকেল গাছ জন্মায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাবাজার ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি পরিচিত ফেরিঘাট ও জনপদ, যা দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: শাহপরীর দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি অন্তরীপ বা দ্বীপ, যা সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর দিকে মূল ভূখণ্ডের কাছাকাছি অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ তালপট্টি — এটি বঙ্গোপসাগরে হাড়িয়াভাঙা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি নিমজ্জিত দ্বীপ ছিল, যা বর্তমানে সমুদ্রের পানিতে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে এবং এটি দেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ নয়। B) সেন্টমার্টিন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। C) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি চর বা দ্বীপ, যা মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং এটি দেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ নয়। D) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা, যা মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং এটি কোনোমতেই দেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের দ্বীপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের শেষ ভূখণ্ড বা প্রবাল দ্বীপ মনে রাখতে সেন্টমার্টিন নামটিকে মনে রাখবে। - দক্ষিণ তালপট্টি নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি ঘটে কারণ এটি একসময় সর্বদক্ষিণ বলে আলোচিত হতো, কিন্তু বর্তমানে এটি সমুদ্রে নিমজ্জিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বীপ ও নদ-নদীর ভৌগোলিক অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন এবং এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিনিয়া সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
a পুণ্ড্র
b তাম্রলিপ্ত
c গৌড়
d হরিকেল
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র ১. কেন সঠিক: - পুণ্ড্র প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রাচীন ও অন্যতম প্রধান জনপদ হিসেবে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে বিশেষভাবে স্বীকৃত। - প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ছিল এবং এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর বা বর্তমান মহাস্থানগড়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মৌর্য ও গুপ্ত আমল থেকেই পুণ্ড্র জনপদ একটি সমৃদ্ধ প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: মহাস্থানগড় থেকে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপিতে পুণ্ড্রনগরের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা এই জনপদের প্রাচীনত্বের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক প্রমাণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী ছিল এবং বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে পরীক্ষার্থীর জানা জরুরি। উদাহরণ ২: পুণ্ড্রবর্ধন ভূক্তি ব্যাখ্যা: প্রাচীনকালে প্রশাসনিক একক হিসেবে পুণ্ড্র অঞ্চলটি ভূক্তি বা প্রদেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রাচীন ও ঐতিহাসিক জনপদ। B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপদ হলেও সর্বপ্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের সমকক্ষ প্রাচীন নয়। C) গৌড় — এটি প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত জনপদ ও স্বাধীন রাজ্যের কেন্দ্র হলেও পুণ্ড্র জনপদের পরে এর বিকাশ ঘটেছিল। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ কোনটি তা মনে রাখতে প্রথম অক্ষর প দিয়ে পুণ্ড্র এভাবে মনে রাখতে পারো। - পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - পুণ্ড্র জনপদের পাশাপাশি হরিকেল, গৌড় ও বঙ্গ জনপদের বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a 1991
b 1992
c 1996
d 1997
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯২ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় ১৯৯০ সালে এবং তা ১ জানুয়ারি ১৯৯২ সাল থেকে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। - শিক্ষার অধিকার ও স্বাক্ষরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল যাতে শিশুদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া নিশ্চিত করা যায়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা: বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। - আইন পাস: ১৯৯০ সালের প্রাথমিক শিক্ষা আইন অনুযায়ী দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর পথ সুগম হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৯০ সালের প্রাথমিক শিক্ষা আইন ব্যাখ্যা: এই আইনের বলেই পরবর্তীকালে ১৯৯২ সালে নির্দিষ্ট কিছু থানায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়েছিল। উদাহরণ ২: সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ ব্যাখ্যা: রাষ্ট্র সবার জন্য একই পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে এবং নির্দিষ্ট স্তर পর্যন্ত অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা প্রদান করবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০১ — এই সালে ব্রিটিশ ভারতে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ছিল না এবং এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অস্তিত্বের পূর্বের সময়কাল। B) ১৯৯২ — সঠিক উত্তর, এই সালেই প্রথম পরীক্ষামূলক ও আনুষ্ঠানিকভাবে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়। C) ১৯৯৬ — এই সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নতুন সরকার ক্ষমতায় আসে, যা প্রাথমিক শিক্ষা চালুর প্রাথমিক বছরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৯৭ — এই সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা প্রাথমিক শিক্ষা চালুর সাল থেকে ভিন্ন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাধীন বাংলাদেশে সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদের আলোকে শিক্ষা প্রসারের জন্য নব্বইয়ের দশকের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৯২ সালে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়। - সালটি মনে রাখতে মনে রাখুন, আইন পাসের দুই বছর পর ১৯৯২ সালে এটি বাস্তবায়ন শুরু হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয় ১৯৯০ সালে এবং তা কার্যকর বা চালু হয় ১৯৯২ সালে। - সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে, তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ২ টাকা
b ১০ টাকা
c ৫০ টাকা
d ১০০ টাকা
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থায় ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েনকে সরকারি নোট বলা হয়, যা অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। অন্যদিকে ১০ টাকা থেকে শুরু করে এর চেয়ে বড় মানের সকল নোট হলো ব্যাংক নোট, যা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এতে গভর্নরর স্বাক্ষর থাকে। ২. মুদ্রা ও অর্থ আইনগত প্রেক্ষাপট: সংবিধান ও আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে ব্যাংক নোট প্রচলন ও মুদ্রানীতি নিয়ন্ত্রণের একক দায়িত্ব পালন করে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ এবং দ্য ব্যাংক নোটস অ্যাকড অনুযায়ী ১০ টাকা বা তার বেশি মানের নোট ব্যাংক নোট হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৫ টাকা ব্যাখ্যা: ৫ টাকার নোট বা কয়েন সরকার বা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হয়, তাই এটি ব্যাংক নোট নয় বরং সরকারি নোট। উদাহরণ ২: ১০০০ টাকা ব্যাখ্যা: ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জারি করা হয় এবং এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে, তাই এটি একটি ব্যাংক নোট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ টাকা — এটি অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যু করা সরকারি নোট, তাই এটি ব্যাংক নোট নয়। B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে, তাই এটি ব্যাংক নোট। C) ৫০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এর নির্দিষ্ট মান ব্যাংক নোটের অন্তর্ভুক্ত। D) ১০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এটি একটি প্রচলিত ব্যাংক নোট। ৫ মনে রাখার টিপস: ছোট মানের নোট যেমন ১, ২ ও ৫ টাকা হলো সরকারি নোট এবং বড় মানের নোট যেমন ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা হলো ব্যাংক নোট। গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে ব্যাংক নোটে আর অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে সরকারি নোটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রথম গভর্নর কে ছিলেন তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে ব্যাংক নোটের সংজ্ঞা, প্রচলনকারী কর্তৃপক্ষ এবং নোটের স্বাক্ষরকারী সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ১৬ সেপ্টেম্বর
b ১৭ সেপ্টেম্বর
c ১৬ অক্টোবর
d ১৭ অক্টোবর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ অক্টোবর ১. কেন সঠিক: - জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয় ১৭ অক্টোবর তারিখে এবং এটি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। - রাষ্ট্র সংস্কার ও জাতীয় ঐকমত্যের দলিল হিসেবে এই সনদটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই সনদ তৈরি করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: গণতান্ত্রিক সংস্কার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধ করার লক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার হিসেবে এটি কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান ব্যাখ্যা: এই অভ্যুত্থানের ফলেই পরবর্তীতে রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: জাতীয় ঐকমত্যের সনদ ব্যাখ্যা: বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় থেকে এই ধরনের দলিল তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি বরং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার তারিখ। B) ১৭ সেপ্টেম্বর — এই তারিখটি জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের দিন হিসেবে সঠিক নয়। C) ১৬ অক্টোবর — এই তারিখেও আলোচ্য সনদটি স্বাক্ষরিত হওয়ার কোনো রেকর্ড নেই। D) ১৭ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখেই জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - জুলাই সনদের মূল বিষয়বস্তু এবং স্বাক্ষরের সঠিক তারিখ মনে রাখতে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়টিকে মাথায় রাখতে হবে। - মাস হিসেবে অক্টোবর এবং তারিখ হিসেবে ১৭ সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চিহ্নিত করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক ইতিহাস ও রাজনৈতিক দলিল সংক্রান্ত প্রশ্ন হিসেবে এটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসার মতো একটি প্রশ্ন। - একই বিষয় থেকে সনদের স্বাক্ষরকারী দল, এর প্রধান লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a হামিদুর রহমান কেস
b আনোয়ার হোসেন কেস
c মাজদার হোসেন কেস
d বাংলাদেশ কেস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাজদার হোসেন কেস ১. কেন সঠিক: - নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার নাম সচিব বনাম মাজদার হোসেন মামলা, যা বহুল পরিচিত মাজদার হোসেন কেস নামে। - বাংলাদেশ সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গসমূহের মধ্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার কথা বলা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৫ সালে বিচার সার্ভিসের কিছু কর্মকর্তা চাকরিতে পদোন্নতি ও পোস্টিং নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে রিট করেন, যার মাধ্যমে বিচার বিভাগ পৃথককরণের দাবি জোরালো হয়। - তারিখ ও সাল: ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে এবং সরকারের কাছে ১২ দফা নির্দেশনা পাঠায়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই মামলার মূল বাদী ছিলেন বিচার বিভাগের কর্মকর্তা সচিব মাসদার হোসেন এবং এতে প্রধান ভূমিকা পালন করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই মামলার রায়ের ভিত্তিতে ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ ব্যাখ্যা: এই অনুচ্ছেদ অনুসারে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত, যা সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শ করে নিশ্চিত করা হয় এবং এটি মাজদার হোসেন মামলার রায়ের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উদাহরণ ২: জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন ব্যাখ্যা: মাজদার হোসেন মামলার রায়ের বাস্তবায়নের ফলশ্রুতিতে বিচারকদের নিয়োগ ও সুপারিশের জন্য এই স্বাধীন কমিশন গঠিত হয়, যা পরীক্ষার্থীদের প্রশাসনিক কাঠamoh বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান কেস — এই নামে কোনো বিখ্যাত সাংবিধানিক বা বিচার বিভাগীয় পৃথকীকরণ মামলা নেই, তবে বিচারপতি হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের সাথে পরিচিত। B) আনোয়ার হোসেন কেস — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি বিখ্যাত মামলা, যা সংবিধানের মূল কাঠামো ধ্বংস করা যায় কি না তা নির্ধারণ করে। D) বাংলাদেশ কেস — এই নামে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা সাংবিধানিক মামলার প্রচলন নেই, এটি একটি সাধারণ বা কাল্পনিক নাম হিসেবে অপশনে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলার ক্ষেত্রে 'মাজদার হোসেন' নামটি মনে রাখতে হবে, কারণ এর সাথে 'সচিব' পদটি যুক্ত ছিল। - সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ (নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ) এবং এই মামলার সাল ১৯৯৯ সালের রায় গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিচার বিভাগ কবে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক হয় এবং এর সাথে কোন মামলা জড়িত। - একই বিষয় থেকে অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে, যেমন সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বিচার বিভাগ পৃথককরণের নির্দেশ রয়েছে।
a প্রধান উপদেষ্টা
b প্রধান বিচারপতি
c স্পীকার
d রাষ্ট্রপতি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধান বিচারপতি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং এর চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ গ্রহণের সাংবিধানিক বিধান রয়েছে। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পিএসসি-র সদস্যদের পদের শপথ সম্পর্কিত বিধান নির্ধারিত হয়েছে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের ১৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যকে প্রধান বিচারপতির সমক্ষেই শপথ গ্রহণ করতে হয়। - রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হওয়ার পর এই সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনের আগে প্রধান বিচারপতির নিকট শপথ পাঠ বাধ্যতামূলক। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নির্বাচন কমিশন গঠন ব্যাখ্যা: প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন, যা পিএসসি থেকে আলাদা। উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমন কমিশন ব্যাখ্যা: দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ নেন, যা সাংবিধানিক হলেও পিএসসি-র শপথ প্রক্রিয়ার সঙ্গে মেলে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান উপদেষ্টা — তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পিএসসি সদস্যদের শপথ পাঠ করান না। B) প্রধান বিচারপতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান অনুযায়ী তিনিই পিএসসি সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। C) স্পীকার — জাতীয় সংসদের স্পীকার সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান, পিএসসি সদস্যদের নয়। D) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি পিএসসি সদস্যদের নিয়োগ দেন বটে, কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী তাদের শপথ পাঠ করান প্রধান বিচারপতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি কিন্তু শপথ পড়ান প্রধান বিচারপতি। - পিএসসি-র সদস্য পদের শপথ মনে রাখতে প্রধান বিচারপতির নামটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য পিএসসি সম্পর্কিত সংবিধানের ১৩৮ ও ১৩৯ অনুচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ব্যাংক ও শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a স্পীকার
b প্রধান বিচারপতি
c তিনি নিজেই পাঠ করেন
d প্রধানমন্ত্রী
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্পীকার ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পীকার। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪ অনুচ্ছেদ এবং তৃতীয় তফসিলে রাষ্ট্রপতি পদের শপথের বিধান ও বিবরণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। দায়িত্ব ও ক্ষমতা: স্পীকার আইনসভার প্রধান এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী পরিচালনা করার পাশাপাশি সাংবিধানিক গুরুদায়িত্ব হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্তমান বা সাবেক রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের সময় জাতীয় সংসদের স্পীকারের নিকট শপথ গ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: এটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। উদাহরণ ২: স্পীকারের অনুপস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করানোর বিশেষ বিধান রয়েছে। ব্যাখ্যা: সংবিধানের বিধান অনুযায়ী জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির শপথের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য এই বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পীকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী স্পীকারই রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান। B) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি নন, বরং তিনি প্রধান বিচারপতিকে এবং প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করান। C) তিনি নিজেই পাঠ করেন — রাষ্ট্রপতি নিজের শপথ নিজে পাঠ করতে পারেন না, সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী অন্য কারো মাধ্যমে শপথ নিতে হয়। D) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান এবং তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন, তাই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাতে পারেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ান স্পীকার আর প্রধান বিচারপতি শপথ পড়ান প্রধানমন্ত্রীকে। এই দুটি বিষয় পরীক্ষার জন্য গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কোন পদের শপথ কোন ব্যক্তি পড়াবেন তা নির্দিষ্ট করা আছে। এই টপিক থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a ১৪০টি
b ১৪১টি
c ১৪২টি
d ১৪৩টি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪২টি ১. কেন সঠিক: - স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে জাতিসংঘের সদস্য করার পক্ষে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিপুলসংখ্যক দেশ ভোট দিয়েছিল। - এই প্রস্তাবের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তির পথ আরও প্রশস্ত হয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনের কূটনৈতিক স্বীকৃতি বৃদ্ধি পায়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations, যা বিশ্বের সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক ফোরাম। - প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের অংশ হিসেবে এই ভোটাভুতির আয়োজন করা হয়। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: ফিলিস্তিনকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর ফিলিস্তিন জাতিসংঘের অবসার্ভার বা পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ব্যাখ্যা: এই মর্যাদা অর্জনের মাধ্যমে ফিলিস্তিন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় যোগদানের সুযোগ পায়। উদাহরণ ২: ২০২৪ সালের মে মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনকে সদস্য করার পক্ষে একটি প্রস্তাব পাস হয়। ব্যাখ্যা: এই প্রস্তাব প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ দেশ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪০টি — এটি সঠিক উত্তরের সংখ্যা নয় কারণ চূড়ান্ত ভোটাভুতির হিসাবের সঙ্গে এই সংখ্যা মিলে না। B) ১৪১টি — এটিও সঠিক সংখ্যা নয় কারণ পরবর্তীতে পক্ষে ভোটের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। D) ১৪৩টি — এই সংখ্যাটি সাধারণ পরিষদের অন্য কোনো প্রস্তাবের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু বর্তমান প্রস্তাবের সঠিক সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফিলিস্তিনের পক্ষে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রস্তাব পাসের সংখ্যাটি याद রাখার জন্য সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে এটি একশর অনেক ওপরে এবং দেড়শর কাছাকাছি অর্থাৎ ১৪২। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনের সদস্যপদ বা পর্যবেক্ষক মর্যাদা সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্ন থেকে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান এবং কূটনীতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
a ECOSOC
b FAO
c WHO
d HRC
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) WHO ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ও কার্যকর সংস্থা হিসেবে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে। - ২০২০ সালের ১১ মার্চ কোভিড-১৯ ভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারি বা প্যান্ডেমিক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল কারণ এটি বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: ডব্লিউএইচও বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা। - প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: এটি ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৯ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সোয়াইন ফ্লু ব্যাখ্যা: ডব্লিউএইচও এর আগে এই ভাইরাসটিকেও প্যান্ডেমিক ঘোষণা করেছিল যা বিশ্ববাসীকে স্বাস্থ্য সতর্কতার বার্তা দেয়। উদাহরণ ২: পোলিও নির্মূল কার্যক্রম ব্যাখ্যা: ডব্লিউএইচও বিশ্বব্যাপী পোলিও ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ নির্মূলে দেশগুলোকে প্রযুক্তিগত ও চিকিৎসাগত সহায়তা প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ECOSOC — এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ যা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে এবং মহামারি ঘোষণা এর কাজ নয়। B) FAO — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা যা ক্ষুধা ও পুষ্টিহীনতা দূর নিয়ে কাজ করে, ভাইরাস বা রোগ নিয়ে নয়। C) WHO — এটি সঠিক উত্তর। D) HRC — এটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ যা মানবাধিকার সুরক্ষা ও লঙ্ঘন রোধে কাজ করে, জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যেকোনো বৈশ্বিক ঘোষণা বা মহামারির বিষয় এলে চোখ বন্ধ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও কে বেছে নিতে হবে। - মনে রাখতে হবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত বৈশ্বিক অভিভাবক হলো এই সংস্থাটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডব্লিউএইচও কবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর কোথায়, এই দুটি তথ্য বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মহামারি বা প্যান্ডেমিক ঘোষণার আন্তর্জাতিক এখতিয়ার কার রয়েছে, তা এই প্রশ্ন থেকে পরিষ্কার হয়।
a আলজেরিয়া
b তুরস্ক
c আফগানিস্তান
d আলবেনিয়া
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলবেনিয়া ১. কেন সঠিক: - আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এডি রামা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন একজন ভার্চুয়াল মন্ত্রী নিয়োগ করেন, যার প্রধান কাজ হলো সরকারি ক্রয় ও ঠিকাদারি প্রক্রিয়া শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখা। - আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় যুক্ত করার ক্ষেত্রে এটি একটি অভিনব ও ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ঘটনা হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: আলবেনিয়া (ইউরোপের বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র)। - রাজধানী: তিরানা। - মুদ্রা: লেক। - প্রেক্ষাপট: সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা আনতে এবং স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি রোধ করতে এই প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার কীভাবে করা সম্ভব, তার একটি অগ্রগামী উদাহরণ এটি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রসারের জন্য দেশটি বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ এআই মন্ত্রণালয় এবং একজন নির্দিষ্ট মন্ত্রী নিয়োগ করেছিল। উদাহরণ ২: এستونিয়া ব্যাখ্যা: সরকারি সেবা পুরোপুরি ডিজিটাল বা ই-গর্ভন্যান্স রূপান্তরের ক্ষেত্রে দেশটি বিশ্বজুড়ে একটি অনন্য মডেল হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন মন্ত্রী নিয়োগের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) তুরস্ক — এটি এশিয়া ও ইউরোপের সংযোগস্থল অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ, যা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। C) আফগানিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থা ভিন্ন নীতিতে পরিচালিত হয়। D) আলবেনিয়া — এই দেশটিই বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন মন্ত্রী নিয়োগ করে রেকর্ড গড়েছে, যা সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মন্ত্রী নিয়োগের প্রথম কৃতিত্ব ইউরোপের ছোট দেশ আলবেনিয়ার। - আলবেনিয়া শব্দটি মনে রাখলেই প্রথম এআই মন্ত্রীর নিয়োগকারী দেশ হিসেবে উত্তরটি সহজে মেলানো যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক বিশ্ব রাজনীতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান বা আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানা এবং দেশটির এআই মন্ত্রী নিয়োগের উদ্যোগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a ম্যানিলা
b ঢাকা
c কুয়ালালামপুর
d কলম্বো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা ১. কেন সঠিক: - CIRDAP এর পূর্ণরূপ হলো Center on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific. - এশিয়ান ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য গঠিত এই আঞ্চলিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: CIRDAP একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৯ সালের ৬ জুলাই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ঢাকার চামেলীবাগে এর প্রধান কার্যালয় স্থাপিত হয়। - উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোতে সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: SAARC ব্যাখ্যা: সার্কের সদর দপ্তরও নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত, যা আঞ্চলিক সহযোগিতার আরেকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। উদাহরণ ২: BIMSTEC ব্যাখ্যা: বিমসটেক সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় ঢাকার গুলশানে অবস্থিত, যা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী এবং এখানে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) এর সদর দপ্তর অবস্থিত। B) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর এবং CIRDAP এর সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। C) কুয়ালালামপুর — এটি মালয়েশিয়ার রাজধানী এবং এখানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দপ্তর থাকলেও CIRDAP এর নয়। D) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এটি সার্কের কৃষি কেন্দ্র (SAC) এর অবস্থানস্থল। ৫ মনে রাখার টিপস: - CIRDAP সংস্থার নামের ভেতর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কথা থাকলেও এর মাথা বা সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশে রয়েছে, তার মধ্যে CIRDAP অন্যতম এবং এটি ঢাকায় অবস্থিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্ন থেকে CIRDAP এর পূর্ণরূপ, প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর সদর দপ্তর কোথায় সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
a সানায়ে তাকাইচি
b তোমো গোজেন
c ইয়োশিকো শিনোহারা
d গো-সাকুরামোচি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সানায়ে তাকাইচি ১. কেন সঠিক: সানায়ে তাকাইচি জাপানের রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং রক্ষণশীল নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি জাপানের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন শীর্ষস্থানীয় সদস্য এবং দেশটির ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এবং এই উচ্চ পদে আসীন হওয়ার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করেছেন। ২. রাজনৈতিক পটভূমি: দেশ: জাপান, পূর্ব এশিয়ার একটি উন্নত গণতান্ত্রিক দ্বীপ রাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: ঐতিহ্যগতভাবে জাপানের রাজনীতিতে পুরুষদের আধিপত্য বেশি থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গুরুত্ব: এই ঘটনাটি জাপানের পুরুষতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি বড় পরিবর্তন এবং লিঙ্গ সমতার দিকে একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিগেরু ইশিবা ব্যাখ্যা: তিনি জাপানের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে একজন প্রধান নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, যা জাপানের রাজনৈতিক পালাবদলের একটি অংশ। উদাহরণ ২: ইউরিকো কোইকে ব্যাখ্যা: তিনি জাপানের রাজধানী টোকিওর প্রথম নারী গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জাপানি রাজনীতিতে নারীদের সফল অগ্রযাত্রার পথ প্রশস্ত করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সানায়ে তাকাইচি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। B) তোমো গোজেন — তিনি জাপানের ইতিহাসের একজন বিখ্যাত নারী যোদ্ধা বা সামুরাই ছিলেন, কোনো আধুনিক রাজনৈতিক নেতা নন। C) ইয়োশিকো শিনোহারা — তিনি জাপানের একজন সফল নারী উদ্যোক্তা এবং টেম্প স্টাফ কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা, প্রধানমন্ত্রী নন। D) গো-সাকুরামোচি — তিনি জাপানের ইতিহাসের একজন ঐতিহ্যবাহী নারী সম্রাট ছিলেন, আধুনিক সরকারপ্রধান নন। ৫. মনে রাখার টিপস: জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মনে রাখার জন্য সানায়ে তাকাইচি নামটি মাথায় রাখুন। তাকাইচি শব্দের শুরুতে ত এবং তরুনী বা নারীর নেতৃত্ব মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাপানের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে এশিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন।
a ৮টি
b ৯টি
c ১০টি
d ১১টি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯টি ১. কেন সঠিক: ডি-৮ বা ডেভেলপিং এইট হলো উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা। প্রতিষ্ঠার সময় এই জোটের সদস্যসংখ্যা আটটি থাকলেও পরবর্তীতে নাইজেরিয়া যুক্ত হওয়ার ফলে বর্তমান সদস্যসংখ্যা নয়টিতে উন্নীত হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ডি-৮ বা ডেভেলপিং এইট (Developing-8) প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন সদর দপ্তর: ইস্তামুল, তুরস্ক প্রেক্ষাপট: উন্নয়নশীল মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই জোট গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে তাদের অবস্থান সুসংহত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ডি-৮ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ডি-৮ জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এটি বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে বহুপক্ষীয় সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। উদাহরণ ২: নাইজেরিয়ার অন্তর্ভুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৯৯ সালে নাইজেরিয়া এই জোটে যোগ দেওয়ার পর এর সদস্যসংখ্যা আট থেকে বেড়ে নয়টি হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি — এটি প্রতিষ্ঠার সময়কার সদস্যসংখ্যা, যা বর্তমান বাস্তবতায় সঠিক নয় কারণ পরবর্তী সময়ে সদস্য বৃদ্ধি পেয়েছে। B) ৯টি — এটি বর্তমান সঠিক সদস্যসংখ্যা, কারণ প্রতিষ্ঠাতা আটটি দেশের সাথে নাইজেরিয়া যুক্ত হয়ে মোট সংখ্যা নয়টি হয়েছে। C) ১০টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ডি-৮ জোটে বর্তমানে মোট সদস্য দেশ নয়টি, দশটি নয়। D) ১১টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ডি-৮ কখনো এগারো সদস্য বিশিষ্ট জোটে পরিণত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: নাম ডি-৮ হলেও এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে হবে নয়টি। প্রতিষ্ঠার সময় আটটি দেশ থাকলেও নাইজেরিয়া যোগ দেওয়ায় সংখ্যাটি বেড়ে নয় হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডি-৮ জোটের পূর্ণরূপ এবং এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে সংস্থার বর্তমান মহাসচিব বা সর্বশেষ সদস্য দেশ সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
a ৮ ডিসেম্বর
b ৯ ডিসেম্বর
c ১০ ডিসেম্বর
d ১৬ ডিসেম্বর
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ ডিসেম্বর ১. কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুমোদন করে। - মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা করার অঙ্গীকার স্মরণে দিনটি পালিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারের সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা - ফলাফল/প্রভাব: এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পুরস্কার ব্যাখ্যা: প্রতি পাঁচ বছর পর পর মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য জাতিসংঘ এই পুরস্কার প্রদান করে। উদাহরণ ২: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করা একটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ডিসেম্বর — এই তারিখে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ তারিখ। B) ৯ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত হয়, মানবাধিকার দিবস নয়। D) ১৬ ডিসেম্বর — এই তারিখটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়, বিশ্ব মানবাধিকার দিবস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে ৯ তারিখে দুর্নীতিবিরোধী দিবস এবং ঠিক পরের দিন ১০ তারিখে মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। এভাবে পাশাপাশি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কোন সংস্থার ঘোষণা অনুযায়ী পালিত হয়, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার সাল বা এর ধারা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a মার্কিন ও জাপানি
b মার্কিন ও ফরাসি
c মার্কিন ও রাশিয়ান
d মার্কিন ও চাইনিজ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মার্কিন ও জাপানি ১. কেন সঠিক: ২০২৫ সালের চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানীদের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের নাগরিকরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাদের অভূতপূর্ব আবিষ্কার মানবস্বাস্থ্য ও রোগ নিরাময়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ২. নোবেল পুরস্কারের প্রেক্ষাপট: মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের উসিয়ত অনুযায়ী প্রদান করা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ মোট ছয়টি বিভাগে এই পুরস্কার বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে দেওয়া হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কভিড-১৯ এর টিকা আবিষ্কার। ব্যাখ্যা: চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীদের যৌথ গবেষণা আধুনিক বিশ্বে মহামারি মোকাবিলায় বিপ্লব ঘটিয়েছে। উদাহরণ ২: চিকিৎসায় জিন সম্পাদনা প্রযুক্তি বা ক্রিসপার (CRISPR)। ব্যাখ্যা: এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে যুগান্তকারী আবিষ্কার যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন ও জাপানি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এবছর এই দুই দেশের বিজ্ঞানীরা নোবেল অর্জন করেছেন। B) মার্কিন ও ফরাসি — এই অপশনটি ভুল কারণ ফ্রান্সের কোনো বিজ্ঞানী চিকিৎসা বিভাগে এই নির্দিষ্ট বছরে পুরস্কার পাননি। C) মার্কিন ও রাশিয়ান — এই অপশনটি ভুল কারণ রাশিয়ার কোনো গবেষক এই তালিকায় নেই। D) মার্কিন ও চাইনিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ চীনের কোনো নাগরিক এই বিভাগে নির্বাচিত হননি। ৫ মনে রাখার টিপস: চিকিৎসায় নোবেল মনে রাখতে মার্কিন ও জাপানি বিজ্ঞানীদের যৌথ অবদানের কথা মাথায় রাখবে। নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল সুইডেনের নাগরিক ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নোবেল বিজয়ীদের দেশ এবং তাদের অবদানের ক্ষেত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন বিজ্ঞানী কোন বিষয়ে আবিষ্কার করেছেন তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তুগরিক
b করডোবা
c মেডি
d নাকফা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুগরিক ১. কেন সঠিক: মঙ্গোলিয়ার সরকারি মুদ্রার নাম হলো তুগরিক। এশিয়ার অভ্যন্তরীণ ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র মঙ্গোলিয়ার অর্থনৈতিক লেনদেনে এই মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। ২. দেশ পরিচিতি: দেশ: মঙ্গোলিয়া একটি এশীয় রাষ্ট্র। রাজধানী: উলানবাটর। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া। ব্যাখ্যা: রাশিয়ার মুদ্রার নাম রুবল, যা মঙ্গোলিয়ার কাছাকাছি একটি দেশের মুদ্রা। উদাহরণ ২: চীন। ব্যাখ্যা: চীনের মুদ্রার নাম ইউয়ান, যা মঙ্গোলিয়ার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুগরিক — এটি মঙ্গোলিয়ার বৈধ মুদ্রা এবং সঠিক উত্তর। B) করডোবা — এটি নিকারাগুয়ার মুদ্রার নাম, তাই এটি সঠিক নয়। C) মেডি — এটি কোনো স্বীকৃত প্রধান দেশের মুদ্রা নয়। D) নাকফা — এটি ইরিত্রিয়ার মুদ্রার নাম, তাই এটি মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গোলিয়ার মুদ্রার নাম মনে রাখতে মঙ্গোলিয়া শব্দের শেষের অক্ষরের সঙ্গে তুগরিক শব্দটি মিলিয়ে পড়া যেতে পারে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম মনে রাখার সময় আঞ্চলিক বিভাজন মাথায় রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মুদ্রার নাম প্রায়ই আসে। এশিয়ার মধ্য ও পূর্ব অঞ্চলের দেশগুলোর মুদ্রা ও রাজধানীর তালিকা ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
a ফ্রান্স
b জার্মানি
c নেদারল্যান্ড
d হাঙ্গেরি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি ১. কেন সঠিক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই হলো দুর্নীতিবিরোধী একটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা। এই সংস্থাটির আন্তর্জাতিক সচিবালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে অবস্থিত এবং সেখান থেকেই বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International) প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সাল সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী দুর্নীতির মাত্রা পরিমাপ করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা প্রধান প্রতিবেদন: করাপশন পারceptions ইনডেক্স বা সিপিআই (CPI) ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বার্লিন প্রাচীরের পতন ব্যাখ্যা: জার্মানির রাজধানী বার্লিন বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম রাজনৈতিক পরিবর্তনের সাক্ষী, যেখানে স্নায়ুযুদ্ধের প্রতীক ভেঙে পড়েছিল। উদাহরণ ২: করাপশন পারceptions ইনডেক্স ব্যাখ্যা: এই সূচকের মাধ্যমে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের দুর্নীতির তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করা হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ যার রাজধানী প্যারিস, তবে এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়। B) জার্মানি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। C) নেদারল্যান্ড — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে এর জন্য পরিচিত, টিআই এর সদর দপ্তর এখানে নয়। D) হাঙ্গেরি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যার সঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল শব্দটির প্রথম অক্ষর টি আই এবং জার্মানির রাজধানী বার্লিনের সাথে মিলিয়ে টিআই বার্লিন এভাবে মনে রাখা যায়। সংস্থাটি জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত বলে দুর্নীতি দমনের আলোচনায় জার্মানি নামটি বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কত তা জানতে চাওয়া হয়। একই বিষয় থেকে সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা, প্রতিষ্ঠার সাল বা প্রধান কার্যালয় সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a চীনে
b আর্জেন্টিনায়
c ব্রাজিল
d ফ্রান্সে
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীনে ১. কেন সঠিক: আধুনিক ফুটবলের জন্ম ইংল্যান্ডে হলেও, ফুটবলের প্রাচীনতম সংস্করণের উৎপত্তি চীনে। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শতাব্দীতে হান রাজবংশের সময় চীনে কজু নামের এক ধরণের বল খেলার প্রচলন ছিল, যা ফিফা কর্তৃক ফুটবলের প্রাচীনতম রূপ হিসেবে স্বীকৃত। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ: চীন সময়কাল: খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দী হান রাজবংশ উদ্দেশ্য: সামরিক প্রশিক্ষণ ও শারীরিক কসরত স্বীকৃতি: ফিফা ২০০৪ সালে চীনকে ফুটবলের জন্মস্থান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ফুটবল ব্যাখ্যা: ঊনবিংশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে বর্তমান নিয়মকানুনের আধুনিক ফুটবল খেলার সূচনা হয়। উদাহরণ ২: ফিফা ব্যাখ্যা: ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা প্রাচীন খেলার স্বীকৃতি হিসেবে চীনকে সম্মানিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রাচীন কজু খেলার ইতিহাস রয়েছে। B) আর্জেন্টিনায় — এটি সঠিক উত্তর নয়, তবে আর্জেন্টিনা দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম ফুটবল পরাশক্তি। C) ব্রাজিল — এটি সঠিক উত্তর নয়, ব্রাজিল সর্বাধিক পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ী দেশ। D) ফ্রান্সে — এটি সঠিক উত্তর নয়, ফ্রান্স বর্তমান ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম সফল দল ও আধুনিক ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ দেশ। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বল খেলার জন্ম চীনে, আর আধুনিক ফুটবলের জন্ম ইংল্যান্ডে। এই দুটি তথ্য গুলিয়ে ফেলবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ফুটবলের উৎপত্তি বা ফিফা কর্তৃক স্বীকৃত জন্মস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। আধুনিক ফুটবলের জন্মস্থান হিসেবে ইংল্যান্ড আর প্রাচীন ফুটবলের জন্মস্থান হিসেবে চীনের নাম মনে রাখতে হবে।
a ম্যাগ্যারেট ক্রাল
b লিনা হেডরিক
c অ্যাঞ্জেলা মারকেল
d পেট্রা কেলি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাঞ্জেলা মারকেল ১. কেন সঠিক: - অ্যাঞ্জেলা মারকেল ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৬ বছর জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনিই দেশটির ইতিহাসের প্রথম নারী চ্যান্সেলর। - বিশ্ব রাজনীতিতে তার অসামান্য অবদান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে নেতৃত্বমূলক ভূমিকার জন্য তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে পরিচিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: জার্মানি, যার রাজধানী বার্লিন এবং মুদ্রার নাম ইউরো। - প্রেক্ষাপট: ২০০৫ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করার পর তিনি জার্মানির প্রথম নারী সরকারপ্রধান হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: তিনি জার্মানিকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেতৃত্ব দেন। - ফলাফল ও প্রভাব: তার দীর্ঘ মেয়াদে জার্মানি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বৈশ্বিক সংকটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেখ হাসিনা ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের প্রথম নারী সরকারপ্রধান হিসেবে বিশ্ব রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের অন্যতম প্রতীক। উদাহরণ ২: মার্গারেট থ্যাচার ব্যাখ্যা: তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং লৌহমানবী নামে পরিচিত, যা নারী নেতৃত্বের শক্তি ও প্রভাবকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাগ্যারেট ক্রাল — এই নামে জার্মানির ইতিহাসে কোনো নারী চ্যান্সেলর বা বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নেই। B) লিনা হেডরিক — ইনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন না, বরং এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক নাম। C) অ্যাঞ্জেলা মারকেল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। D) পেট্রা কেলি — ইনি জার্মানির একজন বিশিষ্ট পরিবেশবাদী ও গ্রিন পার্টির রাজনীতিবিদ ছিলেন, কিন্তু চ্যান্সেলর হননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অক্ষর এ (A) দিয়ে অ্যাঞ্জেলা মারকেল মনে রাখতে পারেন। - মারকেল দীর্ঘ ১৬ বছর ক্ষমতায় ছিলেন, যা তার স্থায়িত্ব ও জনপ্রিয়তা নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের প্রথম নারী রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান প্রায়ই আসে। - জার্মানির রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং চ্যান্সেলর পদের ক্ষমতা সম্পর্কিত প্রশ্নও এই টপিক থেকে হতে পারে।
a ১৫ সেপ্টেম্বর
b ১৫ অক্টোবর
c ১৫ নভেম্বর
d ১৫ ডিসেম্বর
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫ সেপ্টেম্বর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়। - প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক তথ্য বা ঘটনার পরিচয় হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে গণতন্ত্রের নীতি প্রচার ও প্রসারের জন্য এই দিনটি নির্ধারণ করে। - উত্তর নির্ণয়ের যুক্তি ধাপে ধাপে দেখানোর ক্ষেত্রে প্রথমে জাতিসংঘের ভূমিকা এবং পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জোরদার করার সিদ্ধান্তটি বিবেচনা করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক দিবস ও ঐতিহাসিক তারিখ: - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০৭ সালের ৮ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬২ তম অধিবেশনে রেজুলেশন গ্রহণের মাধ্যমে এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয় এবং ২০০৮ সাল থেকে প্রথম পালিত হয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: গণতন্ত্রের অবস্থা পর্যালোচনা করা, বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং নাগরিক অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রগুলোকে উৎসাহিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ব্যাখ্যা: এটি প্রতি বছর ২১ সেপ্টেম্বর পালিত হয় এবং যুদ্ধবিরতি ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেয়, যা গণতন্ত্র দিবসের কাছাকাছি সময়ে বৈশ্বিক মূল্যবোধ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস ব্যাখ্যা: এটি ১০ ডিসেম্বর পালিত হয় এবং গণতন্ত্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি মনে করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ সেপ্টেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতেই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়। B) ১৫ অক্টোবর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত হয়, যা গণতন্ত্র দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৫ নভেম্বর — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালিত হয় না, এটি মূলত অন্যান্য স্থানীয় বা আঞ্চলিক উদযাপনের সঙ্গে যুক্ত। D) ১৫ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালিত হয়, যা গণতন্ত্র দিবসের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - গণতন্ত্রের জন্য ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হয় এমন একটি সাধারণ ছন্দ মনে রেখে ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখটি সহজে স্মরণ করা যেতে পারে। - আন্তর্জাতিক দিবসের ক্ষেত্রে মাস এবং তারিখের হিসাব গুলিয়ে ফেলা থেকে বাঁচতে জাতিসংঘের ক্যালেন্ডার নিয়মিত চর্চা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি থেকে শেখার মতো তথ্য হলো জাতিসংঘের কোন সংস্থা বা সাধারণ পরিষদ কত সালে এই দিবস ঘোষণা করেছে তা জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। - একই বিষয় থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে যেখানে জিজ্ঞাসা করা হতে পারে প্রথম কোন সালে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালন করা হয়েছিল।

মোট প্রশ্ন (20)

a সুফিয়া কামাল
b মদনমোহন তর্কালঙ্কার
c কুসুমকুমারী দাশ
d ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুসুমকুমারী দাশ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণ দুটি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত পরিচিত একটি কবিতার অংশ যার রচয়িতা কবি কুসুমকুমারী দাশ। - মানুষের মুখে বড় বড় কথা না বলে কাজের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে এই চরণে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও লেখিকা। - তার বিখ্যাত কবিতা আদর্শ ছেলে থেকে এই চরণ দুটি নেওয়া হয়েছে এবং এটি নৈতিক শিক্ষামূলক রচনার জন্য বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে। ব্যাখ্যা: এটি কুসুমকুমারী দাশের আদর্শ ছেলে কবিতার মূল ভাব ধারণকারী সবচেয়ে জনপ্রিয় পঙ্‌ক্তি। উদাহরণ ২: হৃদয়ে বেদনা যার মনে নাই সহানুভূতি, সেই মানুষ কি মানুষ পূর্ণ তাহার যতি। ব্যাখ্যা: এটিও একই কবিতার একটি অন্ত্যমিলযুক্ত চরণ যা মানুষের নৈতিকতা গঠনের কথা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান প্রখ্যাত কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা নন। B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — তিনি শিশুতোষ গ্রন্থ রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই চরণটি তার কোনো রচনায় পাওয়া যায় না। C) কুসুমকুমারী দাশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি আদর্শ ছেলে কবিতার মাধ্যমে এই অমর বাণী রচনা করেছেন। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি ও সাংবাদিক হলেও এই কবিতার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - আদর্শ ছেলে কবিতা এবং কুসুমকুমারী দাশ নাম দুটি একসাথে মনে রাখবে। - কাজে বড় হওয়ার আদর্শ শিক্ষা দেন একজন নারী কবি যার নাম কুসুমকুমারী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার চরণ ও কবির নাম প্রায়ই আসে। - কুসুমকুমারী দাশ প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জীবনানন্দ দাশের মা, এই তথ্যটিও বিভিন্ন পরীক্ষায় অনেক সময় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a 1929
b 1930
c 1931
d 1932
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1929 ১. কেন সঠিক: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত প্রথম উপন্যাস 'পথের পাঁচালী' বাংলা ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে (ইংরেজি ১৯২৯) গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - তৎকালীন 'বিচিত্রা' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - পল্লীপ্রকৃতির সঙ্গে মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্বের অপূর্ব সমন্বয় এই উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য যেখানে অপু ও দুর্গার শৈশব চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপরাজিত ব্যাখ্যা: এটি 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের সিক্যুয়েল বা পরবর্তী অংশ যা অপু চরিত্রের জীবনের পরবর্তী ধাপ তুলে ধরে। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রকৃতিভিত্তিক উপন্যাস যা ভাগলপুরের জঙ্গলকেন্দ্রিক রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1929 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) 1930 — এই সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়নি, তাই এই অপশনটি ভুল। C) 1931 — এটি ভুল সাল কারণ এর আগেই গ্রন্থটি প্রকাশিত সম্পন্ন হয়েছে। D) 1932 — এই সালটি 'পথের পাঁচালী' প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস 'পথের পাঁচালী' প্রকাশের সালটি মনে রাখতে ১৯২৯ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - অপু ও দুর্গার শৈশব জীবনের এই অমর সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যের এক চিরন্তন দলিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উপন্যাসের প্রকাশকাল এবং লেখকের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন আরণ্যক, ইছামতী ও দৃষ্টিপ্রদীপ সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a ফল
b সুফল
c সফল
d সাফল্য
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সফল কেন সঠিক: ১. সফল শব্দটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা কাজের গুণ প্রকাশ করে। ২. এটি বাক্যে বিশেষ্যের আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে পারে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝায় তাকে বিশেষণ পদ বলে। ২. বিশেষ্য পদের সাথে উপযুক্ত উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত করে অনেক সময় বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। ৩. যেমন, সে একটি সফল কাজ সম্পন্ন করেছে, এখানে সফল শব্দটি কাজ বিশেষ্যের বিশেষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফল — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি একটি নাম বোঝাচ্ছে। B) সুফল — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ ভালো ফলাফল। D) সাফল্য — এটি ভাববাচক বিশেষ্য যা কোনো কাজের সফল অবস্থাকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দের আগে কেমন প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা সাধারণত বিশেষণ হয়। ২. যেমন, কেমন ফলাফল উত্তর আসে সফল, তাই এটি বিশেষণ।
a বক্তব্য
b উক্ত
c ভবিতব্য
d অনুমিত
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বক্তব্য ১. কেন সঠিক: - ‘যা বলা হবে’ বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো বক্তব্য। - এখানে ভবিষ্যৎ বা আসন্ন কথ্য বিষয়কে এককথায় প্রকাশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বলতে একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে বোঝায়। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে ব্যাখ্যা: অতীত বা সম্পন্ন কথার ক্ষেত্রে এর বাক্য সংকোচন হবে উক্ত। উদাহরণ ২: যা বলার আছে ব্যাখ্যা: বলার যোগ্য বা অপেক্ষমাণ কথার ক্ষেত্রে একে বক্তব্য বা বক্তব্য বিষয় বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বক্তব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ‘যা বলা হবে’ এর উপযুক্ত এককথায় প্রকাশ। B) উক্ত — এটি ভুল কারণ ‘উক্ত’ অর্থ যা ইতিমধ্যে বলা হয়েছে। C) ভবিতব্য — এটি ভুল কারণ ‘ভবিতব্য’ অর্থ যা ভবিষ্যতে ঘটবে বা অবধারিত। D) অনুমিত — এটি ভুল কারণ ‘অনুমিত’ অর্থ যা অনুমান করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ‘বক্তব্য’ শব্দটি ভবিষ্যৎ বা সামনের দিনের কথা নির্দেশ করে। - ‘উক্ত’ শব্দটি অতীত বা বলা হয়ে গেছে এমন কথা নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - কালগত পার্থক্য যেমন বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যতের এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a উপরি + উক্ত
b উপর + উক্ত
c উপ + যুক্ত
d উপর + যুক্ত
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপরি + উক্ত ১. কেন সঠিক: - ই কার বা ঈ কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ স্থানে য ফলা হয়, এই বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনাশ্রিত স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী উপরি যোগ উক্ত মিলে উপর্যুক্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। - এখানে উপরি শব্দের শেষের ই কার এবং উক্ত শব্দের শুরুর উ মিলে য ফলা ও উ কার যুক্ত হয়ে র্যুক্ত রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি ই-সন্ধি বা ই কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি আসার কারণে য ফলা সৃষ্টির নিয়ম। - সন্ধির নিয়মানুসারে পূর্বপদের অন্তস্থিত ই বা ঈ এর স্থানে অন্তস্থ য বা য ফলা এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিটি সেই য এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি যোগ উত্তর সমান প্রত্যুত্তর ব্যাখ্যা: এখানে প্রতি শব্দের ই কার এবং উত্তর শব্দের উ মিলে য ফলা ও উ কার যুক্ত হয়েছে, যা উপর্যুক্ত শব্দের সন্ধি নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিল রাখে। উদাহরণ ২: নদী যোগ উদক সমান নদূদক বা নদী উদক জাতীয় অন্যান্য প্রমিত সন্ধি ব্যাখ্যা: এটি স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনের মাধ্যমে ই কারের পরবর্তী ভিন্ন স্বরধ্বনির পরিবর্তন নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপরি + উক্ত — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়ম অনুযায়ী উপর্যুক্ত শব্দটি গঠন করে। B) উপর + উক্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে উপর শব্দ থেকে সরাসরি সন্ধি সাধিত হলে প্রমিত নিয়ম মানা হয় না এবং সঠিক রূপ আসে না। C) উপ + যুক্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ উপ এবং যুক্ত শব্দ দুটি একত্রিত করলে উপর্যুক্ত শব্দটির ধ্বনিগত পরিবর্তন বা সঠিক রূপ পাওয়া যায় না। D) উপর + যুক্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে সন্ধির মূল নিয়ম অর্থাৎ ই কারের পরিবর্তন সাধিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপর্যুক্ত শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় মাথায় রাখবে যে এর প্রারম্ভিক অংশটি উপরি হবে এবং পরের অংশটি উক্ত হবে। - ই বা ঈ এর পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে য ফলা হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই ধরনের ব্যতিকরধর্মী ও জটিল সন্ধি বিচ্ছেদগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - একই নিয়মে ইতি যোগ উক্ত সমান ইত্যুক্ত বা প্রতি যোগ অহ সমান প্রত্যহ শব্দগুলো চর্চা করলে পরীক্ষার হলে দ্রুত উত্তর করা সম্ভব হয়।
a তাকে নির্বাচন করা হয়নি।
b তাকে নির্বাচিত করা হয়নি।
c তাকে নির্বাচনের সুযোগ হয় নি।
d তাকে নির্বাচনে আনীত হয়নি।
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাকে নির্বাচিত করা হয়নি। ১. কেন সঠিক: - সঠিক বাক্যে 'নির্বাচিত' বিশেষণটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যক্তির অবস্থাকে নির্দেশ করে। - বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দের সঠিক রূপ ও প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। - বাংলা ভাষায় অনেক সময় ক্রিয়ার রূপ বা প্রত্যয়গত ভুলে বাক্য ভুল হয়, যা প্রমিত নিয়মে সংশোধন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাকে পুরস্কৃত করা হয়নি। ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বাক্য কারণ এখানে 'পুরস্কৃত' শব্দটি যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সভাটি স্থগিত করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'স্থগিত' বিশেষণটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাকে নির্বাচন করা হয়নি। — 'নির্বাচন' বিশেষ্য পদ, এখানে 'নির্বাচিত' বিশেষণ পদ ব্যবহার করা উচিত ছিল। B) তাকে নির্বাচিত করা হয়নি। — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য। C) তাকে নির্বাচনের সুযোগ হয় নি। — এটি বাক্য হিসেবে অপ্রাসঙ্গিক ও অর্থগতভাবে দুর্বল। D) তাকে নির্বাচনে আনীত হয়নি। — 'আনীত' শব্দটি এখানে অর্থসঙ্গতি রক্ষা করতে পারেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যশুদ্ধির সময় পদের সঠিক রূপ অর্থাৎ বিশেষ্য ও বিশেষণের ব্যবহার সাবধানে খেয়াল রাখবে। - ভুল শব্দরূপ পরিহার করে প্রমিত রূপ নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - শব্দের সঠিক রূপ চেনার জন্য নিয়মিত বাক্যশুদ্ধির চর্চা করতে হবে।
a সবুজপত্র
b সাধনা
c শিখা
d শনিবারের চিঠি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: চলিত ভাষারীতিকে লেখার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে যে পত্রিকাটি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিল, তা হলো সবুজপত্র। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের মে মাসে (বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দ)। এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী এবং এটি বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লেখালেখির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনাম। ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকায় এই ছদ্মনামে প্রবন্ধ ও লেখালেখি করতেন। উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন। ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক কবিতার ধারার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবুজপত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপত্র। B) সাধনা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি প্রাচীন সাহিত্য পত্রিকা, চলিত ভাষার প্রথম মুখপত্র নয়। C) শিখা — এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত কাজী মোতাহার হোসেনের নেতৃত্বে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র ছিল। D) শনিবারের চিঠি — এটি সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যিক ব্যঙ্গ পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: সবুজপত্র মানেই প্রমথ চৌধুরী এবং চলিত রীতির আন্দোলন। সবুজ রঙের মতো সতেজ ও নতুন চলিত ভাষাকে সাহিত্যে এনেছিল এই পত্রিকা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার রূপকার হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a নেকড়ে অরণ্য
b হাঙর নদী গ্রেনেড
c কর্ণফুলী
d নিজ বাসভূমে
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিজ বাসভূমে ১. কেন সঠিক: - নিজ বাসভূমে হলো কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। - এই কাব্যগ্রন্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিকামী মানুষের যন্ত্রণার প্রতিফলন ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে কলম ধরেছিলেন। - নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হলেও এর মূল সুর ও চেতনা মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: দুঃসময়ে মুখোমুখি ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি অন্যতম আলোচিত কাব্যগ্রন্থ যেখানে সমকালীন সমাজ ও রাজনৈতিক সংকট স্থান পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। B) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সেলিনা হোসেনের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ নয়। C) কর্ণফুলী — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। D) নিজ বাসভূমে — এটি শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি নিজের বাসভূমে থেকেও বন্দী শিবির থেকে স্বাধীনতার গান গেয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে কারণ পরীক্ষায় এই দুটি বিষয় প্রায়ই গুলিয়ে যায়।
a আহ্বায়োক্
b আহব্ বায়ক
c আহোব্ বায়োক
d আওভায়ক্
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আওভায়ক্ ১. কেন সঠিক: - 'আহ্বায়ক' শব্দটির বানানে 'হ' এর নিচে 'ব' যুক্ত আছে, যার প্রমিত উচ্চারণ নিয়মানুসারে 'ভ' এর মতো শোনায় এবং হ-এর আগের বর্ণে ও-কার যুক্ত হয়। - বাংলা উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী শব্দের মধ্যে থাকা 'হ্ব' যুক্তবর্ণটি উচ্চারণের সময় 'ভ্ও' বা 'ওভ' রূপ লাভ করে এবং শেষের 'ক' হসন্তযুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের এই নিয়মে বলা হয়েছে শব্দের মধ্যে হ এর সাথে ব যুক্ত হলে (হ্ব) তার উচ্চারণ সাধারণত ভ বা ওভ এর মতো হয়। - যুক্তবর্ণটি ভেঙে উচ্চারণ করার সময় প্রথম বর্ণে ও-কার এবং পরের বর্ণে ব বা ভ এর উচ্চারণ যুক্ত হয়ে প্রমিত রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: jihba (জিহ্বা) শব্দের উচ্চারণ জিভভা। ব্যাখ্যা: এখানে 'হ্ব' যুক্তবর্ণটি উচ্চারণের সময় 'ভ্ভ' ধ্বনি তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: ahban (আহ্বান) শব্দের উচ্চারণ আওভান। ব্যাখ্যা: এখানে 'হ্ব' এর প্রমিত উচ্চারণ 'ওভ' বা 'ভ' এর মতো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহ্বায়োক্ - এই অপশনে শব্দের শেষাংশে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক উচ্চারণ কৌশলের সাথে মেলে না। B) আহব্ বায়ক - এই অপশনে যুক্তবর্ণের প্রমিত উচ্চারণ সঠিকভাবে না দেখিয়ে হ এবং ব কে আলাদা করে উচ্চারণ দেখানো হয়েছে। C) আহোব্ বায়োক - এই অপশনে অতিরিক্ত ও-কার যুক্ত করা হয়েছে যা প্রমিত বাংলা উচ্চারণ নিয়মের পরিপন্থী। D) আওভায়ক্ - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলা একাডেমি নির্ধারিত প্রমিত উচ্চারণ নিয়ম অনুসরণ করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - হ্ব যুক্ত শব্দ উচ্চারণের সময় মনে রাখবে হ এর জায়গায় ও-কার এবং ব এর জায়গায় ভ ধ্বনি উচ্চারণ করতে হবে। - যেমন আহ্বায়ক শব্দের উচ্চারণ করার সময় আ-হো-ভায়-ক এভাবে ভেঙে চর্চা করলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত উচ্চারণ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - হ-ফলা বা হ-যুক্ত বর্ণগুলোর উচ্চারণ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a ও, ঔ
b এ, ঐ
c ই, অ্যা
d আ, ঋ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ই, অ্যা ১. কেন সঠিক: মৌলিক স্বরধ্বনি হলো সেইগুলো, যেগুলোকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করে অন্য কোনো স্বরধ্বনি পাওয়া যায় না। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি, যার মধ্যে 'ই' এবং 'অ্যা' দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক স্বরধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না এবং যাকে আর ক্ষুদ্রতর অংশে বিভক্ত করা যায় না, তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি, যথা: অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ই ব্যাখ্যা: এটি একটি হ্রস্ব মৌলিক স্বরধ্বনি, যা উচ্চারণে কম সময় নেয় এবং এটি কোনো যৌথ স্বরধ্বনি নয়। উদাহরণ ২: অ্যা ব্যাখ্যা: এটি মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত না করে উচ্চারিত একটি মৌলিক স্বরধ্বনি, যা বিদেশি শব্দে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ও, ঔ — 'ও' মৌলিক স্বরধ্বনি হলেও 'ঔ' হলো একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি, যা গঠিত হয় অ এবং উ মিলে। B) এ, ঐ — 'এ' মৌলিক স্বরধ্বনি হলেও 'ঐ' হলো একটি যৌগিক স্বরধ্বনি, যা গঠিত হয় অ এবং ই মিলে। C) ই, অ্যা — এটি সঠিক অপশন কারণ 'ই' এবং 'অ্যা' উভয়েই স্বতন্ত্র এবং মৌলিক স্বরধ্বনি। D) আ, ঋ — 'আ' মৌলিক স্বরধ্বনি হলেও 'ঋ' কোনো স্বরধ্বনি নয়, এটি একটি স্বরবর্ণ যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে কার হিসেবে বসে এবং এর উচ্চারণ ঋ-এর মতো নয়, র এবং ই এর মিশ্রণ। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাতটি ধ্বনি মুখস্থ রাখা, আর যৌগিক স্বরধ্বনি মাত্র দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ। কোনো বর্ণের সাথে জলার বা কার যুক্ত না থাকলে এবং তা নিজে নিজে উচ্চারিত হলে তা মৌলিক স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি এবং যৌগিক স্বরধ্বনি কয়টি, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। সংযুক্ত স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনির সংখ্যা বাংলা ভাষায় পঁচিশটি, তবে বর্ণ হিসেবে মাত্র দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ ব্যবহৃত হয়।
a রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
b স্বর্ণকুমারী দেবী
c কাদম্বীর দেবী
d নুরন্নেহার ফয়জুন্নেসা
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বর্ণকুমারী দেবী ১. কেন সঠিক: - স্বর্ণকুমারী দেবী বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বীকৃত। - ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত দীপনির্বাণ তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস, যা তাঁকে বাংলা কথাসাহিত্যে অমর করে রেখেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বিখ্যাত জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের সদস্য এবং মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা। - তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও সম্পাদক ছিলেন এবং দীর্ঘকাল ভারতী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীপনির্বাণ ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস এবং এর মাধ্যমেই বাংলা উপন্যাসে নারী লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। উদাহরণ ২: ছিন্নমকুল ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবীর রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা তৎকালীন সমাজের নানা দিক তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি বাংলা মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত ও বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক নন। B) স্বর্ণকুমারী দেবী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) কাদম্বীর দেবী — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাজাই ও সাহিত্য অনুরাগী হলেও প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক নন। D) নুরন্নেহার ফয়জুন্নেসা — তিনি উনিশ শতকের বিশিষ্ট মুসলিম লেখিকা হলেও বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিগণিত হন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বর্ণ দিয়ে প্রথম সোনা জয় করা যায়, তাই প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হলেন স্বর্ণকুমারী দেবী। - ঠাকুর পরিবারের প্রথম সাহিত্যিক নারী হিসেবে তাঁর নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক ও তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - লেখক ও তাঁদের প্রথম রচনা আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হয়।
a মনোরঞ্জন করা
b হাস্যরস
c সমাজের সমালোচনা করা
d সৃজনশীলতা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৃজনশীলতা ১. কেন সঠিক: - সাহিত্যের প্রাণ হলো সৃজনশীলতা, যার মাধ্যমে লেখকের মৌলিক কল্পনা ও অনুভূতির প্রকাশ ঘটে। - সৃজনশীলতার আলোকেই একটি সাধারণ বিষয় নতুন রূপ লাভ করে এবং শিল্পের মর্যাদা পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাহিত্য মূলত মানব মনের ভাব, ভাষা ও কল্পনার এক শৈল্পিক প্রকাশ যা লেখকের সৃজনশীল মনন থেকে উৎসারিত হয়। - এটি কেবল তথ্য বা বিনোদন নয়, বরং নতুন জীবনবোধ ও সৌন্দর্য সৃষ্টির এক অনন্য মাধ্যম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির অনন্য সৃজনশীল মনন ও আধ্যাত্মিক অনুভূতির এক অমর প্রকাশ। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক নতুন সৃজনশীলতার দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনোরঞ্জন করা — মনোরঞ্জন সাহিত্যের একটি কাজ হতে পারে, তবে এটি একমাত্র বা প্রধান লক্ষণ নয়। B) হাস্যরস — হাস্যরস সাহিত্যের একটি উপাদান মাত্র, যা সব সাহিত্যকর্মে থাকে না। C) সমাজের সমালোচনা করা — সমাজের সমালোচনা করা সাহিত্যের একটি উদ্দেশ্য হতে পারে, তবে প্রধান লক্ষণ সৃজনশীলতাই। D) সৃজনশীলতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ সৃজনশীলতা ছাড়া কোনো মৌলিক সাহিত্য সৃষ্টি হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাহিত্য মানেই নতুন কিছু সৃষ্টি, তাই এর মূল চাবিকাঠি হলো সৃজনশীলতা। - বিনোদন বা সমালোচনা সাহিত্যের অংশ হতে পারে, কিন্তু সৃজনশীলতা ছাড়া সাহিত্য জন্ম নেয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যের সংজ্ঞা বা মূল বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে সৃজনশীলতা উত্তর হিসেবে বেছে নিতে হবে। - এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের মধ্যে সাহিত্যকর্মের কাজ এবং সাহিত্যের মূল রূপের পার্থক্য বুঝতে হবে।
a পাল
b সেন
c মুঘল
d তুর্কী
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাল ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ রচিত হয়েছিল পাল রাজবংশের শাসন আমলে। - ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায় এর রচনাকাল ছিল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্য নিদর্শন। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এটি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনি দত্ত। ব্যাখ্যা: মুনি দত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত ভাষায় মূলে টীকা বা অর্থ লিখেছিলেন যা পদগুলো বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কবি কান্নপা। ব্যাখ্যা: কান্নপা বা কৃষ্ণপাদ চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাল — এই রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচিত হয়েছিল বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) সেন — সেন রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচনা শুরু হয়নি বরং এ সময় পাল রাজবংশের পতন ঘটেছিল। C) মুঘল — মুঘল আমল শুরু হয় আরও অনেক পরে ষোড়শ শতাব্দীতে, তাই এটি চর্যাপদের কালের সঙ্গে মেলে না। D) তুর্কী — তুর্কী আক্রমণ বা শাসন শুরু হয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে, যা চর্যাপদ রচনার সূচনার সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পাল রাজাদের আমলেই বাংলা ভাষার সৃষ্টি ও চর্যাপদের সূচনা হয়েছিল। মনে রাখতে পারো পাল মানে প্রথম, তাই চর্যাপদও প্রথম রচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর ভাষা সন্ধ্যা ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা। এই তথ্যটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a প্রচারণা
b প্রচার
c প্রকাশনা
d প্রচারাভিযান
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রচারাভিযান ১. কেন সঠিক: - Campaign শব্দটির বাংলা পারিভাষিক অর্থ হলো প্রচারাভিযান বা নির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য চালিত ধারাবাহিক প্রচার কার্যক্রম। - প্রশাসন, নির্বাচন বা সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে এটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর ভাবানুবাদ না করে নির্দিষ্ট অর্থ গ্রহণ করা হয়। - ইংরেজি administrative বা social terms-এর সঠিক বাংলা রূপ দিতে পারিভাষিক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Election campaign ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো নির্বাচন প্রচারাভিযান। উদাহরণ ২: Marketing campaign ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো বিপণন প্রচারাভিযান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রচারণা — এটি Campaign শব্দের সাধারণ অনুবাদ হলেও প্রাতিষ্ঠানিক বা পূর্ণাঙ্গ পারিভাষিক শব্দ হিসেবে প্রচারাভিযান বেশি উপযুক্ত। B) প্রচার — প্রচার বলতে কেবল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া বোঝায়, যা Campaign-এর পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না। C) প্রকাশনা — এটি Publication শব্দের পারিভাষিক রূপ, যা Campaign-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) প্রচারাভিযান — এটি সঠিক পারিভাষিক শব্দ কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Campaign শব্দের শেষে অভিযান বা বিশেষ কর্মপরিকল্পনার অর্থ লুকিয়ে থাকে, তাই এর পারিভাষিক শব্দে প্রচারাভিযান নির্বাচন করা হয়। - সাধারণ প্রচার আর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক প্রচারাভিযানের পার্থক্য মাথায় রাখলেই উত্তর সঠিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে প্রশাসন ও নির্বাচন সংক্রান্ত ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা রূপ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বাংলাদেশী সাহিত্য
b মধ্য যুগের
c আধুনিক যুগের
d প্রাচীন যুগের
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্য যুগের ১. কেন সঠিক: - চৌতিশা বাংলা মধ্যযুগের সাহিত্যের একটি বিশেষ রূপ বা ধারা। - এই ধারায় বাংলা বর্ণমালার চৌত্রিশটি ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রমানুসারে স্তবক সাজিয়ে ধর্মীয় বা মননশীল কবিতা রচনা করা হতো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চৌতিশা ধারার প্রচলন ছিল মূলত দেবদেবীর বন্দনা বা ভক্তিমূলক গান রচনার জন্য। - বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন অংশে এবং পদাবলীতে এই চৌতিশা রীতির প্রভাব দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রথমাংশে চৌতিশা রীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং এতে বর্ণানুক্রমিক স্তবক রচনার লক্ষণ রয়েছে। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের বিভিন্ন মঙ্গলকাব্যেও চরিত্রের বন্দনায় চৌতিশা ব্যবহারের প্রথা ছিল। ব্যাখ্যা: এই রীতি মধ্যযুগের সাহিত্যের অন্যতম শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে সমাদৃত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশী সাহিত্য — এই অপশনটি কালভিত্তিক সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি আধুনিক যুগের সৃষ্টি। B) মধ্য যুগের — এই অপশনটি সঠিক কারণ চৌতিশা মধ্যযুগের সাহিত্যের অন্যতম রূপ। C) আধুনিক যুগের — এই অপশনটি ভুল কারণ আধুনিক যুগে চৌতিশা লেখার রীতি বর্জিত হয়েছে। D) প্রাচীন যুগের — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাচীন যুগে চর্যাপদ রচিত হলেও চৌতিশা ধারার প্রচলন ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চৌত্রিশটি ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে চৌতিশা নামটি এসেছে যা মধ্যযুগের সাহিত্যের একটি প্রাচীন শৈলী। - মধ্যযুগের ধর্মীয় ও ভক্তিমূলক কাব্যে বর্ণমালাভিত্তিক বন্দনা মানেই চৌতিশা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন যুগের বিশেষ বৈশিষ্ট্য থেকে প্রশ্ন আসে। - মধ্যযুগের অন্যান্য কাব্যধারা যেমন মঙ্গলকাব্যের রূপ এবং বৈশিষ্ট্যগুলো ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a খ্ + ম্ + হ
b ক্ + ষ + ম
c ক্ + ষ + ণ
d ক্ + ষ + ন
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্ + ষ + ম ১. কেন সঠিক: - ক্ষ্ম যুক্তবর্ণটি ক এবং ষ এবং ম এই তিনটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। - বাংলা বর্ণমালায় কিছু জটিল যুক্তবর্ণ থাকে যা একাধিক ব্যঞ্জনের যোগে তৈরি হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যুক্তবর্ণ হলো দুটি বা ততোধিক বর্ণ মিলে একটি বর্ণ তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া। - এই বিশেষ যুক্তবর্ণটি লেখার সময় ক এর নিচে ষ এবং তার নিচে ম যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লক্ষ্মী ব্যাখ্যা: লক্ষ্মী শব্দটিতে এই বিশেষ যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে হয়। উদাহরণ ২: সূক্ষ্ম ব্যাখ্যা: সূক্ষ্ম শব্দের বানানটিতে ক ষ এবং ম এর এই যুক্তরূপটি স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খ্ + ম্ + হ — এই বর্ণগুলোর যোগে প্রদত্ত যুক্তবর্ণটি গঠিত হয় না কারণ এখানে খ এবং হ রয়েছে। B) ক্ + ষ + ম — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এই তিনটি বর্ণ মিলেই প্রশ্নোক্ত যুক্তবর্ণটি তৈরি হয়। C) ক্ + ষ + ণ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে শেষের বর্ণটি ম এর পরিবর্তে ণ দেওয়া আছে। D) ক্ + ষ + ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে শেষের বর্ণটি ম এর পরিবর্তে ন ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষ্ম যুক্তবর্ণ দেখলে মনে রাখবে এটি মূলত ক ষ এবং ম এর মিলন। - বানানের সময় শেষের বর্ণটি ম মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণের সঠিক ভাঙা রূপ জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই ধরনের যুক্তবর্ণের সঠিক উপাদানগুলো মনে রাখা আবশ্যক।
a সর্বনাম
b অনুসর্গ
c উপসর্গ
d অব্যয়
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুসর্গ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'বিনা' শব্দটি বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করেছে। - এখানে 'দুঃখ' বিশেষ্য পদের পরে 'বিনা' বসে ব্যতিরেক বা ব্যাতিরেকে অর্থ প্রকাশ করেছে, যা অনুসর্গের কাজ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে শব্দগুলোর সঙ্গে বাক্যের অন্য পদের সম্পর্ক স্থাপন করে, তাকে অনুসর্গ বলে। - অনুসর্গগুলো সাধারণত কর্ম ও অপাদান কারকে বেশি ব্যবহৃত হয় এবং এরা পদের পরে বসে বলে এদের পোস্টপজিশন বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধনীর তো বটেই, দরিদ্রের ঘরেও উৎসব হয় বিনা আমন্ত্রণে। ব্যাখ্যা: এখানে 'আমন্ত্রণ' বিশেষ্যের পরে 'বিনা' বসে অনুসর্গ হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: জল বিনা মাছ বাঁচে না। ব্যাখ্যা: এখানে 'জল' বিশেষ্যের পরে 'বিনা' বসে অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বনাম — সর্বনাম হলো বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু 'বিনা' নামের পরিবর্তে বসে না। B) অনুসর্গ — এটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ্য পদের পরে বসে সম্পর্ক বোঝায়। C) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের আগে বসে, কিন্তু 'বিনা' শব্দের পরে বসেছে। D) অব্যয় — যদিও অনেক অনুসর্গ অব্যয় পদ থেকে এসেছে, তবে এখানে নির্দিষ্টভাবে অনুসর্গের কাজ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের পরে বসে কারক বোঝালে তা অনুসর্গ হয় এবং শব্দের আগে বসলে তা উপসর্গ হয়। - বিনা, ছাড়া, সহিত, দ্বারা, দিয়া ইত্যাদি শব্দ পদের পরে বসলে অনুসর্গ হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গ চেনার জন্য শব্দের অবস্থান লক্ষ্য করতে হবে। - অনুসর্গ সব সময় স্বাধীন পদ হিসেবে শব্দের পরে বসে।
a বর্ণমালা
b ধ্বনি
c সমাস
d ব্যাকরণ
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যাকরণ ১. কেন সঠিক: - ব্যাকরণ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নিয়মের সমষ্টি, যা ভাষাকে সঠিক ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করে। - রাষ্ট্র যেমন সংবিধানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, তেমনি ভাষা পরিচালিত হয় ব্যাকরণের নিয়ম দ্বারা, তাই একে ভাষার সংবিধান বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। - এটি ভাষার মৌলিক উপাদান ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ইত্যাদির পারস্পরিক সম্পর্ক ও ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চললে মুখের ভাষা প্রমিত রূপ লাভ করে। ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা লিখতে এবং বলতে ব্যাকরণের নিয়ম জানা অপরিহার্য। উদাহরণ ২: বাক্যের কারক ও বিভক্তি নির্ণয় ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ না থাকলে বাক্যের পদের সঠিক অন্বয় বোঝা সম্ভব হতো না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণমালা — বর্ণমালা হলো ভাষার লিখিত রূপ প্রকাশের প্রতীক মাত্র, যা সংবিধানের সমতুল্য নয়। B) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার উচ্চারিত রূপের একক, যা ব্যাকরণের একটি অংশ মাত্র পুরো ভাষার শাসনতন্ত্র নয়। C) সমাস — সমাস হলো ব্যাকরণের একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা অধ্যায়, যা অর্থ সংক্ষেপ করে, পুরো ভাষা নয়। D) ব্যাকরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যাকরণ পুরো ভাষাকে নিয়মমাফিক পরিচালনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাষ্ট্রে যেমন সংবিধান সব নিয়ম ঠিক করে, ভাষার ক্ষেত্রে তেমনি ব্যাকরণ সব নিয়ম ঠিক করে। - এই মিল থেকেই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার মৌলিক ধারণা থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - ভাষা সম্পর্কিত অন্যান্য রূপক বা মেটাফোরগুলো ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a অগ্নিবীণা
b ফণিমনসা
c সর্বহারা
d ছায়ানট
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সর্বহারা ১. কেন সঠিক: - কান্ডারী হুশিয়ার কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সর্বহারা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ও উদ্দীপনামূলক কবিতা। - কান্ডারী শব্দের অর্থ কর্ণধার বা চালক এবং হুশিয়ার শব্দের অর্থ সতর্ক বা সাবধান করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি যিনি বিশ শতকের প্রথমার্ধে আবির্ভূত হয়ে বাংলা কাব্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেন। - সর্বহারা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে যেখানে শ্রমজীবী ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কবির জোরালো কণ্ঠস্বর প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়োল্লাস কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এটি কবির বিদ্রোহী চেতনার অন্যতম প্রধান প্রকাশ যা প্রথম কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ব্যাখ্যা: এই কবিতার মাধ্যমে কবি বাংলা কবিতায় এক নতুন সুর ও ছন্দের জন্ম দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে প্রলয়োল্লাস ও বিদ্রোহী কবিতা রয়েছে কিন্তু কান্ডারী হুশিয়ার নেই। B) ফণিমনসা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ভিন্ন বিষয়ের ওপর রচিত এবং এতে আলোচ্য কবিতাটি নেই। D) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গান ও কবিতার সংকলন হলেও কান্ডারী হুশিয়ার কবিতাটি এই গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সর্বহারা মানুষের মুক্তির পথ দেখাতে এবং তাদের সতর্ক করতে কান্ডারী হুশিয়ার উচ্চারণ করেছিলেন কবি নজরুল। - কাব্যগ্রন্থটির নাম মনে রাখতে মনে রাখবে বঞ্চিত সর্বহারা মানুষের জন্যই কান্ডারীর এই হুশিয়ারি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ ও কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবির রাজনৈতিক ও সাম্যবাদী চেতনার কবিতাগুলো সাধারণত সর্বহারা ও সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
a সুকান্ত ভট্টাচার্য
b জীবনানন্দ দাশ
c অতুলপ্রসাদ সেন
d কামিনী রায়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কামিনী রায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটি কবি কামিনী রায়ের 'পরার্থপরতা' নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - মানুষের কল্যাণে এবং অন্যের উপকারে নিজেকে নিয়োজিত করার মানবিক শিক্ষা এই পংক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কামিনী রায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নারী কবি এবং প্রথম প্রকাশিত স্বনামধন্য মহিলা কবি। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'আলো ও ছায়া' ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই কবিতায় পরোপকার ও মানবপ্রেমের মূল সুর ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বরষার দিনে' - কামিনী রায়ের একটি সুপরিচিত কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় প্রকৃতির রূপ ও মানুষের মনের ভাব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: 'পৌরাণিকী' - কামিনী রায়ের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মননশীল কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন মার্কসবাদী ও কিশোর কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) জীবনানন্দ দাশ — ইনি রূপসী বাংলার কবি এবং আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ হলেও এই বিখ্যাত চরণটি তাঁর নয়। C) অতুলপ্রসাদ সেন — ইনি বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকার হলেও এই পংক্তিটির রচয়িতা নন। D) কামিনী রায় — ইনি এই বিখ্যাত পংক্তির রচয়িতা এবং তাঁর কবিতাতেই এই লাইনটি পাওয়া যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কামিনী রায়ের নাম মনে রাখতে পারো 'পরোপকার' বা মানুষের তরে কাজ করার মানবিক কবি হিসেবে। - সবার তরে বা পরের তরে কথাটি থাকলেই কামিনী রায়কে মনে করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই পংক্তিটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি। - এই ধরনের নৈতিক ও মানবতাবাদী পংক্তিগুলোর উৎস প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় জিজ্ঞাসা করা হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a All cats like cold water.
b No cats like cold water.
c Most cats like cold water.
d Most cats dislike cold water.
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Most cats dislike cold water. কেন সঠিক: এখানে ‘few’ শব্দটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যার মানে প্রায় নেই বললেই চলে। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় অধিকাংশ বিড়ালই ঠান্ডা পানি পছন্দ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All cats like cold water — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রশ্নে সব বিড়াল পছন্দ করে এমন বোঝায়নি। B) No cats like cold water — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘few’ মানে একদমই নেই বোঝায় না, বরং অল্প কিছু বোঝায়। C) Most cats like cold water — এই অপশনটি ভুল কারণ মূল বাক্যে অপছন্দ করার কথা বলা হয়েছে। D) Most cats dislike cold water — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মূল বাক্যের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে ‘Few’ থাকলে তা না বোধক বা না-এর কাছাকাছি অর্থ দেয়।
a advocated
b predicted
c experienced
d required
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) advocated কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ অনুযায়ী বর্জ্য সংগ্রহ করে পরিবেশ বাঁচানোর প্রস্তাবটি অধিকাংশ মানুষ সমর্থন করেছিল। advocated শব্দটির অর্থ সমর্থন করা বা পক্ষে মত দেওয়া, যা শূন্যস্থানে সঠিকভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) advocated — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সমর্থন করা। B) predicted — এর অর্থ ভবিষ্যদ্বাণী করা, যা এই বাক্যের সাথে কোনোভাবেই মানানসই নয়। C) experienced — এর অর্থ অভিজ্ঞতা অর্জন করা, যা প্রস্তাবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না। D) required — এর অর্থ প্রয়োজন হওয়া, কিন্তু মানুষ প্রস্তাব প্রয়োজন করেনি বরং সমর্থন করেছিল। মনে রাখার টিপস: কোনো ভালো উদ্যোগ বা প্রস্তাবের পক্ষে মানুষ মত দিলে বা সমর্থন করলে advocated শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a go
b goes
c going
d gone
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) goes কেন সঠিক: বাক্যে usually শব্দটি থাকার কারণে এটি বর্তমান অনির্দিষ্ট কাল বা Present Indefinite Tense নির্দেশ করে। সাবজেক্ট He একটি তৃতীয় পুরুষ একবচন হওয়ায় মূল verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — এটি verb এর মূল রূপ, যা third person singular number এর সাথে বসে না। B) goes — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) going — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ, যার পূর্বে কোনো সাহায্যকারী verb নেই। D) gone — এটি verb এর past participle রূপ, যা এই Tense এ বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে usually থাকলে বুঝবে কাজটি নিয়মিত ঘটে এবং সাবজেক্ট একা হলে verb এর শেষে s বা es বসাতে হয়।
a adverb
b adjective
c participle
d preposition
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: এখানে better শব্দটি বাক্যের subject A bird in a hand এর গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। এটি linking verb is এর পরে বসে subject সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে তাই এটি adjective। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে modify করে না, তাই এটি adverb হতে পারে না। B) adjective — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি noun বা subject এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে। C) participle — এটি verb থেকে তৈরি হয়ে কোনো noun এর কাজ করছে না, তাই এটি participle নয়। D) preposition — এটি noun বা pronoun এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে না, তাই এটি preposition নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বাক্যে be verb এর পরে বসে যদি তা subject এর গুণ প্রকাশ করে, তবে তা সাধারণত adjective হয়।
a Accurate
b Exact
c Fastidious
d all of the above
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) all of the above কেন সঠিক: ‘Meticulous’ শব্দটির অর্থ হলো অত্যন্ত যত্নবান, খুঁতখুঁতে বা নিখুঁত। অপশনের সবকটি শব্দই এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accurate — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একা উত্তর হতে পারে না। B) Exact — এটি নির্ভুল অর্থ প্রকাশ করলেও বাকি অপশনগুলোর কারণে এটি শুধু সঠিক নয়। C) Fastidious — এটিও নিখুঁত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি একাত্ত্ব হতে পারে না। D) all of the above — যেহেতু প্রথম তিনটি অপশনের সবকটিই সঠিক তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: যিনি মেপে মেপে কাজ করেন এবং প্রতিটি কাজে নিখুঁত থাকেন তাকেই মেটিকুলাস বলা হয়।
a Jhon Keats
b William Shakespeare
c William Blake
d P.B Shelley
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) P.B Shelley কেন সঠিক: এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি পার্সি বিশ শেলি রচিত ওডে টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড কবিতার শেষ লাইন। এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো দুঃখের পরেই সুখ বা দুর্দিনের পরেই সুদিন আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Keats — জন কিটস এই আশাবাদী ও বিখ্যাত লাইনটির রচয়িতা নন, তিনি তার ওডে টু সাইকি কবিতার জন্য পরিচিত। B) William Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়ার এই পঙ্ক্তিটির রচয়িতা নন, তিনি তার বিখ্যাত সনেট ও নাটকের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। C) William Blake — উইলিয়াম ব্লেক এই লাইনের কবি নন, তিনি মূলত সং অব ইনোসেন্স কাব্যগ্রন্থের জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত। D) P.B Shelley — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কালজয়ী কবিতাটি লিখেছেন। মনে রাখার টিপস: শেলির ওয়েস্ট উইন্ড কবিতার শেষ লাইন মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
a Bureaucracy
b Exaggrate
c Mausoleum
d Dilemma
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Exaggrate কেন সঠিক: অপশন বি তে থাকা শব্দটির বানান ভুল আছে কারণ সঠিক বানান হলো Exaggerate যার মাঝে ডাবল জি ব্যবহার করা হয়। প্রদত্ত শব্দটিতে একটি জি কম আছে তাই এটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bureaucracy — এই শব্দটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এর অর্থ আমলাতন্ত্র। B) Exaggrate — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানানে জি এর পরে এ আসে। C) Mausoleum — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যার অর্থ সমাধি সৌধ। D) Dilemma — এই শব্দটির বানান সঠিক রয়েছে এবং এর অর্থ উভয়সংকট। মনে রাখার টিপস: Exaggerate বানান করার সময় মনে রাখবে যে এর মাঝে ডাবল জি এবং ই এর পরে এ আসে।
a Boris Pasternak
b Thomas Hardy
c Leo Tolstoy
d Walter Scott
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Thomas Hardy কেন সঠিক: টমাস হার্ডি হলেন একজন বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক ও কবি। এ পেয়ার অব ব্লু আইজ তাঁর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boris Pasternak — ইনি রাশিয়ান লেখক ও কবি, যিনি ডক্টর জিওয়াগো উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) Thomas Hardy — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) Leo Tolstoy — ইনি বিখ্যাত রাশিয়ান ঔপন্যাসিক যিনি ওয়ার অ্যান্ড পিস এবং আনা কারেনিনা লিখেছেন। D) Walter Scott — ইনি স্কটিশ ঐতিহাসিক ঔপন্যাসিক ও কবি যিনি আইভানহো উপন্যাসের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: টমাস হার্ডির নামের সাথে ব্লু আইজ বা নীল চোখ মনে রাখলে উপন্যাসটি সহজে মনে থাকবে।
a finishes
b had finished
c finished
d finishing
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had finished কেন সঠিক: বাক্যটিতে দুটি অতীত ঘটনার উল্লেখ আছে। তুলনামূলকভাবে আগের ঘটনাটি বোঝাতে Past Perfect Tense ব্যবহৃত হয়। তাই প্রথম অংশে had finished বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) finishes — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে বসে না। B) had finished — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) finished — এটি Past Indefinite Tense, কিন্তু দুটি অতীতের মধ্যে তুলনামূলক আগের ঘটনায় এটি বসে না। D) finishing — এটি Gerund বা Participle, যা সাহায্যকারী verb ছাড়া মূল verb হিসেবে বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে Past Perfect Tense অর্থাৎ had এবং verb-এর past participle বসে।
a is
b was
c are
d has been
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) are কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'The author' এবং 'the publisher' দুটি ভিন্ন ব্যক্তির আগে the ব্যবহৃত হয়েছে। তাই তারা ভিন্ন দুটি ব্যক্তি হওয়ায় subject টি plural বা বহুবচন হয়েছে এবং verb ও plural হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি singular verb হওয়ায় plural subject এর সাথে বসে না। B) was — এটি singular verb এবং past tense নির্দেশ করে যা এখানে উপযুক্ত নয়। C) are — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি plural subject এর সাথে বসে। D) has been — এটি singular verb হওয়ায় বহুবচন subject এর সাথে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Article দুটি আলাদা noun এর আগে থাকলে subject বহুবচন হয় এবং verb ও plural হয়।
a get along with
b keep up
c cope with
d look after
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) cope with কেন সঠিক: এখানে অনেক বেশি কাজের সাথে মানিয়ে নেওয়া বা সামলানোর কথা বলা হয়েছে। তাই সঠিক ফ্রেজাল ভারb হিসেবে cope with ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) get along with — এর অর্থ কারো সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, যা এখানে কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) keep up — এর অর্থ গতি বজায় রাখা বা টিকে থাকা, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট কাজের চাপ সামলানোর অর্থ প্রকাশ পায় না। C) cope with — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) look after — এর অর্থ দেখাশোনা করা, যা কোনো কাজের চাপ সামলানোর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: কাজের চাপ বা চাপের পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়া বোঝাতে সবসময় cope with ফ্রেজাল ভারb ব্যবহার করা হয়।
a would
b will
c should
d might
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) will কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি First Conditional-এর নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। এর গঠন হলো Present Indefinite Tense + Future Indefinite Tense। বাক্যের প্রথম অংশ Present Tense-এ থাকায় দ্বিতীয় অংশে Future Tense বোঝাতে will বসে। কঠোর পরিশ্রম করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা নিশ্চিত করতে will ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would — এটি Second Conditional-এ ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) will — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) should — এটি বাধ্যবাধকতা বা উচিত অর্থে বসে, ভবিষ্যতের নিশ্চিত ফল প্রকাশ করে না। D) might — এটি খুব কম সম্ভাবనా বোঝায়, যা নিশ্চিত সাফল্য প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: If-যুক্ত অংশ Present Tense হলে পরের অংশ Future Tense হবে এবং will বসবে।
a are
b were
c is
d be
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে One of থাকলে তার পরের noun টি plural হলেও the verb টি singular হয়। friends plural হলেও মূল subject হলো One, তাই verb singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb, যা singular subject One এর সাথে বসে না। B) were — এটি past tense এর plural verb, যা বর্তমান অবস্থার সাথে মেলে না। C) is — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) be — এটি verb এর base form, যা এখানে grammartically সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: One of এর পরে noun plural হলেও verb সব সময় singular হয়।
a To add insult to injury
b Oil your own machine
c To carry coal to new castle
d Black will take no other hue
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) To carry coal to new castle কেন সঠিক: বাংলা প্রবাদ 'তেলে মাথায় তেল দেয়া' অর্থ বিত্তশালীকে আরও বিত্তশালী করা বা যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে অতিরিক্ত কিছু পাঠানো। ইংরেজিতে 'To carry coal to new castle' প্রবাদটির অর্থও অপ্রয়োজনীয় স্থানে কোনো কিছু পাঠানো বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To add insult to injury — এই প্রবাদের অর্থ কাটা গায়ে নুনের ছিটে দেওয়া বা বিপদের উপর বিপদ ডেকে আনা। B) Oil your own machine — এই বাক্যাংশের অর্থ নিজের কাজ নিজে গুছিয়ে নেওয়া বা নিজের স্বার্থ দেখা। D) Black will take no other hue — এই প্রবাদের অর্থ কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না বা স্বভাব সহজে বদলায় না। মনে রাখার টিপস: যেখানে ইতিমধ্যে প্রচুর কয়লা আছে সেখানে নতুন করে কয়লা নেওয়া মানেই অপ্রয়োজনীয় কাজ বা তেলে মাথায় তেল দেওয়া।
a I wish I had the wings of a bird!
b None can avoid death.
c As soon as he arrived, he welcomed him.
d Very few poets of England were as great as Shakespeare.
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) None can avoid death. কেন সঠিক: এই বাক্যে None শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যা না সূচক অর্থ প্রকাশ করে। এছাড়া বাক্যের মূল বক্তব্যে কোনো হ্যাঁ সূচক ভাব নেই। এটি একটি সরাসরি নেতিবাচক বা না সূচক বাক্য। তাই এটি সঠিক নেতিবাচক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I wish I had the wings of a bird! — এটি একটি এক্সক্লামেটরি বা বিস্ময়সূচক বাক্য। B) None can avoid death. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে বিশ্লেষিত হলো। C) As soon as he arrived, he welcomed him. — এটি একটি এফারমেটিভ বা হ্যাঁ সূচক জটিল বাক্য। D) Very few poets of England were as great as Shakespeare. — এটি একটি পজিটিভ ডিগ্রি যুক্ত হ্যাঁ সূচক বাক্য। মনে রাখার টিপস: বাক্যে No, Not, None, Never ইত্যাদি শব্দ থাকলে তা নেতিবাচক বাক্য হয়।
a whom
b which
c whose
d what
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) whom কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পূর্বে the man শব্দটি একজন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। ব্যক্তিবাচক noun এর পর object হিসেবে who এর objective রূপ whom বসে। এখানে whom বসালে বাক্যটির অর্থ হয়, তুমি গতকাল যে লোকটিকে দেখেছিলে তিনি আমার চাচা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) whom — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) which — এটি কেবল ইতর প্রাণী বা বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ভুল। C) whose — এটি অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে এটি বসবে না। D) what — এর পূর্বে কোনো antecedent বা পূর্বপদ থাকে না, তাই এটি এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের আগের শব্দটি যদি কোনো মানুষ হয় এবং পরের অংশে যদি একটি নতুন subject থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে whom বসাবে।
a Transparent
b Cloudy
c Dull
d Hazy
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Transparent কেন সঠিক: ‘Opaque’ শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অস্বচ্ছ, যার মধ্য দিয়ে আলো চলাচল করতে পারে না। ‘Transparent’ শব্দটির অর্থ স্বচ্ছ, যা ঠিক এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এটি সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transparent — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ স্বচ্ছ। B) Cloudy — এই শব্দটির অর্থ মেঘলা বা ঘোলাটে, যা Opaque এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Dull — এই শব্দটির অর্থ মলিন বা অনুজ্জ্বল, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Hazy — এই শব্দটির অর্থ কুয়াশাচ্ছন্ন বা অস্পষ্ট, যা Opaque এর সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Opaque মানে আলো আটকে যায়, আর Transparent মানে আলো সহজে পার হয়ে যায়।
a or
b nor
c and
d but
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) nor কেন সঠিক: ইংরেজিতে Neither এর সাথে সর্বদা nor ব্যবহৃত হয়। এটি একটি জোড়া কনজাংশন বা কোরিলেটিভ কনজাংশন হিসেবে কাজ করে। বাক্যটিতে দুজনের অনুপস্থিতি বোঝাতে Neither... nor গঠনটি সম্পূর্ণ সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) or — এটি সাধারণত Either এর সাথে বসে, তাই এখানে ব্যবহার করা ভুল। B) nor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) and — এটি Neither এর সাথে জোড়া গঠন করতে পারে না, তাই এটি ভুল। D) but — এটি বিপরীতার্থক ভাব প্রকাশ করে, যা Neither এর নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Neither দেখলে চোখ বন্ধ করে nor খুঁজবে, কারণ এরা একে অপরের পরিপূরক সঙ্গী।
a Amateur
b Amature
c Ameteur
d Amatere
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Amateur কেন সঠিক: - Amateur শব্দটির সঠিক বানান হলো A-M-A-T-E-U-R যার অর্থ অপেশাদার বা শৌখিন। - এটি মূলত ফরাসি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যার শেষের অংশটি -teur বা -eur যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amateur — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ শৌখিন। B) Amature — এখানে শেষের দিকে সঠিক স্বরবর্ণ বা বানানের নিয়ম মানা হয়নি। C) Ameteur — এখানে মাঝখানের e অক্ষরটি অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে। D) Amatere — এখানে শেষের অংশটি ভুলভাবে লেখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে ama এবং teur এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করতে পারো।
a shorts
b species
c criterion
d scissors
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) criterion কেন সঠিক: criterion একটি গ্রিক শব্দ এবং এটি হলো singular form। এর plural form হলো criteria। তাই এটি উভয় রূপে ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shorts — এটি এমন একটি নাউন যা দেখতে plural হলেও সর্বদা একই রূপে singular এবং plural হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) species — এই শব্দটির singular এবং plural রূপ একই থাকে, তাই এটি উভয়ভাবেই ব্যবহার করা যায়। C) criterion — এটি নিজেই একমাত্র অপশন যা singular এবং এর plural রূপ হলো criteria, তাই এটি নিয়মের ব্যতিক্রম। D) scissors — এটি একটি জোড়াভিত্তিক বস্তু যা সর্বদা plural হিসেবে ব্যবহৃত হলেও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে একই রূপ বজায় রাখে। মনে রাখার টিপস: বিদেশী শব্দ যেমন criterion এর plural সাধারণত a দিয়ে শেষ হয় (criteria) এবং এগুলো উভয় রূপে ব্যবহার করা যায় না।

মোট প্রশ্ন (10)

a স্পীকার
b প্রধান বিচারপতি
c তিনি নিজেই পাঠ করেন
d প্রধানমন্ত্রী
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্পীকার ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পীকার। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪ অনুচ্ছেদ এবং তৃতীয় তফসিলে রাষ্ট্রপতি পদের শপথের বিধান ও বিবরণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। দায়িত্ব ও ক্ষমতা: স্পীকার আইনসভার প্রধান এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী পরিচালনা করার পাশাপাশি সাংবিধানিক গুরুদায়িত্ব হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্তমান বা সাবেক রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের সময় জাতীয় সংসদের স্পীকারের নিকট শপথ গ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: এটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। উদাহরণ ২: স্পীকারের অনুপস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করানোর বিশেষ বিধান রয়েছে। ব্যাখ্যা: সংবিধানের বিধান অনুযায়ী জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির শপথের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য এই বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পীকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী স্পীকারই রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান। B) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি নন, বরং তিনি প্রধান বিচারপতিকে এবং প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করান। C) তিনি নিজেই পাঠ করেন — রাষ্ট্রপতি নিজের শপথ নিজে পাঠ করতে পারেন না, সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী অন্য কারো মাধ্যমে শপথ নিতে হয়। D) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান এবং তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন, তাই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাতে পারেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ান স্পীকার আর প্রধান বিচারপতি শপথ পড়ান প্রধানমন্ত্রীকে। এই দুটি বিষয় পরীক্ষার জন্য গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কোন পদের শপথ কোন ব্যক্তি পড়াবেন তা নির্দিষ্ট করা আছে। এই টপিক থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a প্রধান উপদেষ্টা
b প্রধান বিচারপতি
c স্পীকার
d রাষ্ট্রপতি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধান বিচারপতি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং এর চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ গ্রহণের সাংবিধানিক বিধান রয়েছে। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পিএসসি-র সদস্যদের পদের শপথ সম্পর্কিত বিধান নির্ধারিত হয়েছে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের ১৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যকে প্রধান বিচারপতির সমক্ষেই শপথ গ্রহণ করতে হয়। - রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হওয়ার পর এই সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনের আগে প্রধান বিচারপতির নিকট শপথ পাঠ বাধ্যতামূলক। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নির্বাচন কমিশন গঠন ব্যাখ্যা: প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন, যা পিএসসি থেকে আলাদা। উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমন কমিশন ব্যাখ্যা: দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ নেন, যা সাংবিধানিক হলেও পিএসসি-র শপথ প্রক্রিয়ার সঙ্গে মেলে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান উপদেষ্টা — তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পিএসসি সদস্যদের শপথ পাঠ করান না। B) প্রধান বিচারপতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান অনুযায়ী তিনিই পিএসসি সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। C) স্পীকার — জাতীয় সংসদের স্পীকার সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান, পিএসসি সদস্যদের নয়। D) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি পিএসসি সদস্যদের নিয়োগ দেন বটে, কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী তাদের শপথ পাঠ করান প্রধান বিচারপতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি কিন্তু শপথ পড়ান প্রধান বিচারপতি। - পিএসসি-র সদস্য পদের শপথ মনে রাখতে প্রধান বিচারপতির নামটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য পিএসসি সম্পর্কিত সংবিধানের ১৩৮ ও ১৩৯ অনুচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ব্যাংক ও শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a হামিদুর রহমান কেস
b আনোয়ার হোসেন কেস
c মাজদার হোসেন কেস
d বাংলাদেশ কেস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাজদার হোসেন কেস ১. কেন সঠিক: - নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার নাম সচিব বনাম মাজদার হোসেন মামলা, যা বহুল পরিচিত মাজদার হোসেন কেস নামে। - বাংলাদেশ সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গসমূহের মধ্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার কথা বলা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৫ সালে বিচার সার্ভিসের কিছু কর্মকর্তা চাকরিতে পদোন্নতি ও পোস্টিং নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে রিট করেন, যার মাধ্যমে বিচার বিভাগ পৃথককরণের দাবি জোরালো হয়। - তারিখ ও সাল: ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে এবং সরকারের কাছে ১২ দফা নির্দেশনা পাঠায়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই মামলার মূল বাদী ছিলেন বিচার বিভাগের কর্মকর্তা সচিব মাসদার হোসেন এবং এতে প্রধান ভূমিকা পালন করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই মামলার রায়ের ভিত্তিতে ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ ব্যাখ্যা: এই অনুচ্ছেদ অনুসারে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত, যা সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শ করে নিশ্চিত করা হয় এবং এটি মাজদার হোসেন মামলার রায়ের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উদাহরণ ২: জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন ব্যাখ্যা: মাজদার হোসেন মামলার রায়ের বাস্তবায়নের ফলশ্রুতিতে বিচারকদের নিয়োগ ও সুপারিশের জন্য এই স্বাধীন কমিশন গঠিত হয়, যা পরীক্ষার্থীদের প্রশাসনিক কাঠamoh বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান কেস — এই নামে কোনো বিখ্যাত সাংবিধানিক বা বিচার বিভাগীয় পৃথকীকরণ মামলা নেই, তবে বিচারপতি হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের সাথে পরিচিত। B) আনোয়ার হোসেন কেস — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি বিখ্যাত মামলা, যা সংবিধানের মূল কাঠামো ধ্বংস করা যায় কি না তা নির্ধারণ করে। D) বাংলাদেশ কেস — এই নামে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা সাংবিধানিক মামলার প্রচলন নেই, এটি একটি সাধারণ বা কাল্পনিক নাম হিসেবে অপশনে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলার ক্ষেত্রে 'মাজদার হোসেন' নামটি মনে রাখতে হবে, কারণ এর সাথে 'সচিব' পদটি যুক্ত ছিল। - সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ (নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ) এবং এই মামলার সাল ১৯৯৯ সালের রায় গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিচার বিভাগ কবে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক হয় এবং এর সাথে কোন মামলা জড়িত। - একই বিষয় থেকে অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে, যেমন সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বিচার বিভাগ পৃথককরণের নির্দেশ রয়েছে।
a আয়কর
b মূল্য সংযোজন কর
c আমদানি রপ্তানি শুল্ক
d ভূমিকর
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মূল্য সংযোজন কর ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর এর কর আদagus ব্যবস্থার মধ্যে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট খাত থেকে বর্তমানে সরকার সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় করে থাকে। দেশের অভ্যন্তরে পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ এবং সেবামূলক খাতের ওপর এই পরোক্ষ কর আরোপ করা হয় যা সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস। ২. অর্থনীতি, শিল্প ও উন্নয়ন: রাজস্ব কাঠামো: বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের একটি বিশাল অংশ অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহের ওপর নির্ভরশীল যেখানে মূসক বা ভ্যাটের অবদান সর্বোচ্চ। কর আদagus পদ্ধতি: এটি একটি পরোক্ষ কর যা চূড়ান্ত ভোক্তার কাছ থেকে সংগ্রহ করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপারশপ বা রেস্তোরাঁয় কেনাকাটা। ব্যাখ্যা: আমরা যখন কোনো রেস্তোরাঁয় খাবার খাই বা সুপারশপ থেকে পণ্য কিনি, তখন বিলের সঙ্গে যে অতিরিক্ত অর্থ কেটে রাখা হয় তা মূলত মূল্য সংযোজন কর হিসেবে সরকারের ভাণ্ডারে জমা হয়। উদাহরণ ২: দেশীয় শিল্পপণ্য ও সেবা। ব্যাখ্যা: মোবাইল ফোন অপারেটরদের সেবা কিংবা উৎপাদিত বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের বিক্রির ওপর এই কর প্রযোজ্য হওয়ায় সামগ্রিকভাবে এই খাত থেকে সরকারের আয় সবচেয়ে বেশি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়কর — এটি সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হলেও এটি প্রত্যক্ষ কর হওয়ায় এর পরিমাণ মূসকের তুলনায় কিছুটা কম হয়। B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সঠিক কারণ দেশের বর্তমান রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই খাত থেকেই সরকার সবচেয়ে বেশি আয় করে থাকে। C) আমদানি রপ্তানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর অর্পিত শুল্ক যা মোট রাজস্ব আয়ের একটি অংশ হলেও ভ্যাটের মতো সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করে না। D) ভূমিকর — এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক সংগৃহীত হয় যা জাতীয় বাজেটের রাজস্ব আয়ে তুলনামূলকভাবে খুবই কম ভূমিকা রাখে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে তা মনে রাখার সহজ উপায় হলো বাজারের কেনাকাটার কথা চিন্তা করা। বাজারে গেলেই আমাদের পণ্যের দামের ওপর ভ্যাট দিতে হয় এবং এই ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর থেকেই সরকার সবচেয়ে বেশি আয় করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর বাংলাদেশের প্রধান রাজস্ব সংগ্রহকারী কর্তৃপক্ষ। এই প্রশ্নটি ব্যাংকিং ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের পার্থক্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি।
a ১৬ সেপ্টেম্বর
b ১৭ সেপ্টেম্বর
c ১৬ অক্টোবর
d ১৭ অক্টোবর
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ অক্টোবর ১. কেন সঠিক: - জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয় ১৭ অক্টোবর তারিখে এবং এটি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। - রাষ্ট্র সংস্কার ও জাতীয় ঐকমত্যের দলিল হিসেবে এই সনদটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই সনদ তৈরি করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: গণতান্ত্রিক সংস্কার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধ করার লক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার হিসেবে এটি কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান ব্যাখ্যা: এই অভ্যুত্থানের ফলেই পরবর্তীতে রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: জাতীয় ঐকমত্যের সনদ ব্যাখ্যা: বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় থেকে এই ধরনের দলিল তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়নি বরং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার তারিখ। B) ১৭ সেপ্টেম্বর — এই তারিখটি জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের দিন হিসেবে সঠিক নয়। C) ১৬ অক্টোবর — এই তারিখেও আলোচ্য সনদটি স্বাক্ষরিত হওয়ার কোনো রেকর্ড নেই। D) ১৭ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখেই জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - জুলাই সনদের মূল বিষয়বস্তু এবং স্বাক্ষরের সঠিক তারিখ মনে রাখতে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়টিকে মাথায় রাখতে হবে। - মাস হিসেবে অক্টোবর এবং তারিখ হিসেবে ১৭ সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চিহ্নিত করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক ইতিহাস ও রাজনৈতিক দলিল সংক্রান্ত প্রশ্ন হিসেবে এটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসার মতো একটি প্রশ্ন। - একই বিষয় থেকে সনদের স্বাক্ষরকারী দল, এর প্রধান লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a ২ টাকা
b ১০ টাকা
c ৫০ টাকা
d ১০০ টাকা
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থায় ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েনকে সরকারি নোট বলা হয়, যা অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। অন্যদিকে ১০ টাকা থেকে শুরু করে এর চেয়ে বড় মানের সকল নোট হলো ব্যাংক নোট, যা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এতে গভর্নরর স্বাক্ষর থাকে। ২. মুদ্রা ও অর্থ আইনগত প্রেক্ষাপট: সংবিধান ও আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে ব্যাংক নোট প্রচলন ও মুদ্রানীতি নিয়ন্ত্রণের একক দায়িত্ব পালন করে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ এবং দ্য ব্যাংক নোটস অ্যাকড অনুযায়ী ১০ টাকা বা তার বেশি মানের নোট ব্যাংক নোট হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৫ টাকা ব্যাখ্যা: ৫ টাকার নোট বা কয়েন সরকার বা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হয়, তাই এটি ব্যাংক নোট নয় বরং সরকারি নোট। উদাহরণ ২: ১০০০ টাকা ব্যাখ্যা: ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জারি করা হয় এবং এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে, তাই এটি একটি ব্যাংক নোট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ টাকা — এটি অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যু করা সরকারি নোট, তাই এটি ব্যাংক নোট নয়। B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে, তাই এটি ব্যাংক নোট। C) ৫০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এর নির্দিষ্ট মান ব্যাংক নোটের অন্তর্ভুক্ত। D) ১০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং এটি একটি প্রচলিত ব্যাংক নোট। ৫ মনে রাখার টিপস: ছোট মানের নোট যেমন ১, ২ ও ৫ টাকা হলো সরকারি নোট এবং বড় মানের নোট যেমন ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা হলো ব্যাংক নোট। গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে ব্যাংক নোটে আর অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে সরকারি নোটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রথম গভর্নর কে ছিলেন তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে ব্যাংক নোটের সংজ্ঞা, প্রচলনকারী কর্তৃপক্ষ এবং নোটের স্বাক্ষরকারী সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
a 1991
b 1992
c 1996
d 1997
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯২ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় ১৯৯০ সালে এবং তা ১ জানুয়ারি ১৯৯২ সাল থেকে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। - শিক্ষার অধিকার ও স্বাক্ষরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল যাতে শিশুদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া নিশ্চিত করা যায়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা: বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। - আইন পাস: ১৯৯০ সালের প্রাথমিক শিক্ষা আইন অনুযায়ী দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর পথ সুগম হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৯০ সালের প্রাথমিক শিক্ষা আইন ব্যাখ্যা: এই আইনের বলেই পরবর্তীকালে ১৯৯২ সালে নির্দিষ্ট কিছু থানায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়েছিল। উদাহরণ ২: সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ ব্যাখ্যা: রাষ্ট্র সবার জন্য একই পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে এবং নির্দিষ্ট স্তर পর্যন্ত অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা প্রদান করবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০১ — এই সালে ব্রিটিশ ভারতে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ছিল না এবং এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অস্তিত্বের পূর্বের সময়কাল। B) ১৯৯২ — সঠিক উত্তর, এই সালেই প্রথম পরীক্ষামূলক ও আনুষ্ঠানিকভাবে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়। C) ১৯৯৬ — এই সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নতুন সরকার ক্ষমতায় আসে, যা প্রাথমিক শিক্ষা চালুর প্রাথমিক বছরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৯৭ — এই সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা প্রাথমিক শিক্ষা চালুর সাল থেকে ভিন্ন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাধীন বাংলাদেশে সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদের আলোকে শিক্ষা প্রসারের জন্য নব্বইয়ের দশকের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৯২ সালে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়। - সালটি মনে রাখতে মনে রাখুন, আইন পাসের দুই বছর পর ১৯৯২ সালে এটি বাস্তবায়ন শুরু হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয় ১৯৯০ সালে এবং তা কার্যকর বা চালু হয় ১৯৯২ সালে। - সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে, তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a পুণ্ড্র
b তাম্রলিপ্ত
c গৌড়
d হরিকেল
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র ১. কেন সঠিক: - পুণ্ড্র প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রাচীন ও অন্যতম প্রধান জনপদ হিসেবে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে বিশেষভাবে স্বীকৃত। - প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ছিল এবং এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর বা বর্তমান মহাস্থানগড়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মৌর্য ও গুপ্ত আমল থেকেই পুণ্ড্র জনপদ একটি সমৃদ্ধ প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: মহাস্থানগড় থেকে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপিতে পুণ্ড্রনগরের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা এই জনপদের প্রাচীনত্বের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক প্রমাণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী ছিল এবং বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে পরীক্ষার্থীর জানা জরুরি। উদাহরণ ২: পুণ্ড্রবর্ধন ভূক্তি ব্যাখ্যা: প্রাচীনকালে প্রশাসনিক একক হিসেবে পুণ্ড্র অঞ্চলটি ভূক্তি বা প্রদেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রাচীন ও ঐতিহাসিক জনপদ। B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপদ হলেও সর্বপ্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের সমকক্ষ প্রাচীন নয়। C) গৌড় — এটি প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত জনপদ ও স্বাধীন রাজ্যের কেন্দ্র হলেও পুণ্ড্র জনপদের পরে এর বিকাশ ঘটেছিল। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ কোনটি তা মনে রাখতে প্রথম অক্ষর প দিয়ে পুণ্ড্র এভাবে মনে রাখতে পারো। - পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - পুণ্ড্র জনপদের পাশাপাশি হরিকেল, গৌড় ও বঙ্গ জনপদের বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a দক্ষিণ তালপট্টি
b সেন্টমার্টিন
c নিঝুম দ্বীপ
d ভোলা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন ১. কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত এবং মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে এবং বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণ প্রান্তে এই দ্বীপটি অবস্থিত। - স্থানীয় নাম: স্থানীয়ভাবে এই দ্বীপটি নারিকেল জিনিয়া নামে পরিচিত কারণ এখানে প্রচুর নারিকেল গাছ জন্মায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাবাজার ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি পরিচিত ফেরিঘাট ও জনপদ, যা দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: শাহপরীর দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি অন্তরীপ বা দ্বীপ, যা সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর দিকে মূল ভূখণ্ডের কাছাকাছি অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ তালপট্টি — এটি বঙ্গোপসাগরে হাড়িয়াভাঙা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি নিমজ্জিত দ্বীপ ছিল, যা বর্তমানে সমুদ্রের পানিতে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে এবং এটি দেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ নয়। B) সেন্টমার্টিন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। C) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি চর বা দ্বীপ, যা মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং এটি দেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ নয়। D) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা, যা মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং এটি কোনোমতেই দেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের দ্বীপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের শেষ ভূখণ্ড বা প্রবাল দ্বীপ মনে রাখতে সেন্টমার্টিন নামটিকে মনে রাখবে। - দক্ষিণ তালপট্টি নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি ঘটে কারণ এটি একসময় সর্বদক্ষিণ বলে আলোচিত হতো, কিন্তু বর্তমানে এটি সমুদ্রে নিমজ্জিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বীপ ও নদ-নদীর ভৌগোলিক অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন এবং এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিনিয়া সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
a দ্বাদশ
b ত্রয়োদশ
c চতুর্দশ
d পঞ্চদশ
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ত্রয়োদশ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। - এর মূল উদ্দেশ্য ছিল অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করা যা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের ভিত্তিতে অর্জিত হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সফল হলেও সাংবিধানিক স্বীকৃতি না থাকায় বিরোধী দলগুলো পরবর্তী সময়ে এর স্থায়ী আইনি রূপ দাবি করে। - সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অনুচ্ছেদ ৫৮ক, ৫৮খ, ৫৮গ, ৫৮ঘ এবং ৫৮ঙ যুক্ত করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সংশোধনীর ফলে প্রধান বিচারপতির প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার বিধান চালু হয় যা পরবর্তীতে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৯৬ সালের জুনের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যাখ্যা: ত্রয়োদশ সংশোধনী পাস হওয়ার পর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উদাহরণ ২: ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: আদালতের রায়ের আলোকে এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় যা বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি বড় পরিবর্তন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বাদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে আবার সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। B) ত্রয়োদশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর মাধ্যমেই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয়েছিল। C) চতুর্দশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৪ সালে নারী সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নির্বাচন কমিশনারদের বয়সসীমা বাড়ানো হয়। D) পঞ্চদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রেখে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনর্বহাল করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ত্রয়োদশ সংখ্যাটি মনে রাখলেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাল বা সংশোধনী সহজে মনে রাখা যায় কারণ এটি ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমেই পাস হয়েছিল। - দ্বাদশ মানে সংসদীয় সরকার আর ত্রয়োদশ মানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিল এবং কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা দ্বাদশ ও পঞ্চদশ সংশোধনীর সাল এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কেও ধারণা লাভ করতে পারে।

মোট প্রশ্ন (13)

a চীনে
b আর্জেন্টিনায়
c ব্রাজিল
d ফ্রান্সে
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীনে ১. কেন সঠিক: আধুনিক ফুটবলের জন্ম ইংল্যান্ডে হলেও, ফুটবলের প্রাচীনতম সংস্করণের উৎপত্তি চীনে। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শতাব্দীতে হান রাজবংশের সময় চীনে কজু নামের এক ধরণের বল খেলার প্রচলন ছিল, যা ফিফা কর্তৃক ফুটবলের প্রাচীনতম রূপ হিসেবে স্বীকৃত। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ: চীন সময়কাল: খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দী হান রাজবংশ উদ্দেশ্য: সামরিক প্রশিক্ষণ ও শারীরিক কসরত স্বীকৃতি: ফিফা ২০০৪ সালে চীনকে ফুটবলের জন্মস্থান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ফুটবল ব্যাখ্যা: ঊনবিংশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে বর্তমান নিয়মকানুনের আধুনিক ফুটবল খেলার সূচনা হয়। উদাহরণ ২: ফিফা ব্যাখ্যা: ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা প্রাচীন খেলার স্বীকৃতি হিসেবে চীনকে সম্মানিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রাচীন কজু খেলার ইতিহাস রয়েছে। B) আর্জেন্টিনায় — এটি সঠিক উত্তর নয়, তবে আর্জেন্টিনা দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম ফুটবল পরাশক্তি। C) ব্রাজিল — এটি সঠিক উত্তর নয়, ব্রাজিল সর্বাধিক পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ী দেশ। D) ফ্রান্সে — এটি সঠিক উত্তর নয়, ফ্রান্স বর্তমান ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম সফল দল ও আধুনিক ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ দেশ। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বল খেলার জন্ম চীনে, আর আধুনিক ফুটবলের জন্ম ইংল্যান্ডে। এই দুটি তথ্য গুলিয়ে ফেলবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ফুটবলের উৎপত্তি বা ফিফা কর্তৃক স্বীকৃত জন্মস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। আধুনিক ফুটবলের জন্মস্থান হিসেবে ইংল্যান্ড আর প্রাচীন ফুটবলের জন্মস্থান হিসেবে চীনের নাম মনে রাখতে হবে।
a ম্যানিলা
b ঢাকা
c কুয়ালালামপুর
d কলম্বো
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা ১. কেন সঠিক: - CIRDAP এর পূর্ণরূপ হলো Center on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific. - এশিয়ান ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য গঠিত এই আঞ্চলিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: CIRDAP একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৯ সালের ৬ জুলাই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ঢাকার চামেলীবাগে এর প্রধান কার্যালয় স্থাপিত হয়। - উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোতে সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: SAARC ব্যাখ্যা: সার্কের সদর দপ্তরও নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত, যা আঞ্চলিক সহযোগিতার আরেকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। উদাহরণ ২: BIMSTEC ব্যাখ্যা: বিমসটেক সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় ঢাকার গুলশানে অবস্থিত, যা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী এবং এখানে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) এর সদর দপ্তর অবস্থিত। B) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর এবং CIRDAP এর সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। C) কুয়ালালামপুর — এটি মালয়েশিয়ার রাজধানী এবং এখানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দপ্তর থাকলেও CIRDAP এর নয়। D) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এটি সার্কের কৃষি কেন্দ্র (SAC) এর অবস্থানস্থল। ৫ মনে রাখার টিপস: - CIRDAP সংস্থার নামের ভেতর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কথা থাকলেও এর মাথা বা সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশে রয়েছে, তার মধ্যে CIRDAP অন্যতম এবং এটি ঢাকায় অবস্থিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্ন থেকে CIRDAP এর পূর্ণরূপ, প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর সদর দপ্তর কোথায় সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
a ১৪০টি
b ১৪১টি
c ১৪২টি
d ১৪৩টি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪২টি ১. কেন সঠিক: - স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে জাতিসংঘের সদস্য করার পক্ষে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিপুলসংখ্যক দেশ ভোট দিয়েছিল। - এই প্রস্তাবের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তির পথ আরও প্রশস্ত হয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনের কূটনৈতিক স্বীকৃতি বৃদ্ধি পায়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations, যা বিশ্বের সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক ফোরাম। - প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের অংশ হিসেবে এই ভোটাভুতির আয়োজন করা হয়। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: ফিলিস্তিনকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর ফিলিস্তিন জাতিসংঘের অবসার্ভার বা পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ব্যাখ্যা: এই মর্যাদা অর্জনের মাধ্যমে ফিলিস্তিন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় যোগদানের সুযোগ পায়। উদাহরণ ২: ২০২৪ সালের মে মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনকে সদস্য করার পক্ষে একটি প্রস্তাব পাস হয়। ব্যাখ্যা: এই প্রস্তাব প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ দেশ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪০টি — এটি সঠিক উত্তরের সংখ্যা নয় কারণ চূড়ান্ত ভোটাভুতির হিসাবের সঙ্গে এই সংখ্যা মিলে না। B) ১৪১টি — এটিও সঠিক সংখ্যা নয় কারণ পরবর্তীতে পক্ষে ভোটের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। D) ১৪৩টি — এই সংখ্যাটি সাধারণ পরিষদের অন্য কোনো প্রস্তাবের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু বর্তমান প্রস্তাবের সঠিক সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফিলিস্তিনের পক্ষে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রস্তাব পাসের সংখ্যাটি याद রাখার জন্য সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে এটি একশর অনেক ওপরে এবং দেড়শর কাছাকাছি অর্থাৎ ১৪২। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনের সদস্যপদ বা পর্যবেক্ষক মর্যাদা সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্ন থেকে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান এবং কূটনীতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
a ECOSOC
b FAO
c WHO
d HRC
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) WHO ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ও কার্যকর সংস্থা হিসেবে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে। - ২০২০ সালের ১১ মার্চ কোভিড-১৯ ভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারি বা প্যান্ডেমিক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল কারণ এটি বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: ডব্লিউএইচও বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা। - প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: এটি ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৯ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সোয়াইন ফ্লু ব্যাখ্যা: ডব্লিউএইচও এর আগে এই ভাইরাসটিকেও প্যান্ডেমিক ঘোষণা করেছিল যা বিশ্ববাসীকে স্বাস্থ্য সতর্কতার বার্তা দেয়। উদাহরণ ২: পোলিও নির্মূল কার্যক্রম ব্যাখ্যা: ডব্লিউএইচও বিশ্বব্যাপী পোলিও ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ নির্মূলে দেশগুলোকে প্রযুক্তিগত ও চিকিৎসাগত সহায়তা প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ECOSOC — এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ যা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে এবং মহামারি ঘোষণা এর কাজ নয়। B) FAO — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা যা ক্ষুধা ও পুষ্টিহীনতা দূর নিয়ে কাজ করে, ভাইরাস বা রোগ নিয়ে নয়। C) WHO — এটি সঠিক উত্তর। D) HRC — এটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ যা মানবাধিকার সুরক্ষা ও লঙ্ঘন রোধে কাজ করে, জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যেকোনো বৈশ্বিক ঘোষণা বা মহামারির বিষয় এলে চোখ বন্ধ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও কে বেছে নিতে হবে। - মনে রাখতে হবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত বৈশ্বিক অভিভাবক হলো এই সংস্থাটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডব্লিউএইচও কবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর কোথায়, এই দুটি তথ্য বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মহামারি বা প্যান্ডেমিক ঘোষণার আন্তর্জাতিক এখতিয়ার কার রয়েছে, তা এই প্রশ্ন থেকে পরিষ্কার হয়।
a আলজেরিয়া
b তুরস্ক
c আফগানিস্তান
d আলবেনিয়া
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলবেনিয়া ১. কেন সঠিক: - আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এডি রামা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন একজন ভার্চুয়াল মন্ত্রী নিয়োগ করেন, যার প্রধান কাজ হলো সরকারি ক্রয় ও ঠিকাদারি প্রক্রিয়া শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখা। - আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় যুক্ত করার ক্ষেত্রে এটি একটি অভিনব ও ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ঘটনা হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: আলবেনিয়া (ইউরোপের বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র)। - রাজধানী: তিরানা। - মুদ্রা: লেক। - প্রেক্ষাপট: সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা আনতে এবং স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি রোধ করতে এই প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার কীভাবে করা সম্ভব, তার একটি অগ্রগামী উদাহরণ এটি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রসারের জন্য দেশটি বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ এআই মন্ত্রণালয় এবং একজন নির্দিষ্ট মন্ত্রী নিয়োগ করেছিল। উদাহরণ ২: এستونিয়া ব্যাখ্যা: সরকারি সেবা পুরোপুরি ডিজিটাল বা ই-গর্ভন্যান্স রূপান্তরের ক্ষেত্রে দেশটি বিশ্বজুড়ে একটি অনন্য মডেল হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন মন্ত্রী নিয়োগের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) তুরস্ক — এটি এশিয়া ও ইউরোপের সংযোগস্থল অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ, যা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। C) আফগানিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থা ভিন্ন নীতিতে পরিচালিত হয়। D) আলবেনিয়া — এই দেশটিই বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন মন্ত্রী নিয়োগ করে রেকর্ড গড়েছে, যা সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মন্ত্রী নিয়োগের প্রথম কৃতিত্ব ইউরোপের ছোট দেশ আলবেনিয়ার। - আলবেনিয়া শব্দটি মনে রাখলেই প্রথম এআই মন্ত্রীর নিয়োগকারী দেশ হিসেবে উত্তরটি সহজে মেলানো যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক বিশ্ব রাজনীতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান বা আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানা এবং দেশটির এআই মন্ত্রী নিয়োগের উদ্যোগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a সানায়ে তাকাইচি
b তোমো গোজেন
c ইয়োশিকো শিনোহারা
d গো-সাকুরামোচি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সানায়ে তাকাইচি ১. কেন সঠিক: সানায়ে তাকাইচি জাপানের রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং রক্ষণশীল নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি জাপানের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন শীর্ষস্থানীয় সদস্য এবং দেশটির ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এবং এই উচ্চ পদে আসীন হওয়ার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করেছেন। ২. রাজনৈতিক পটভূমি: দেশ: জাপান, পূর্ব এশিয়ার একটি উন্নত গণতান্ত্রিক দ্বীপ রাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: ঐতিহ্যগতভাবে জাপানের রাজনীতিতে পুরুষদের আধিপত্য বেশি থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গুরুত্ব: এই ঘটনাটি জাপানের পুরুষতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি বড় পরিবর্তন এবং লিঙ্গ সমতার দিকে একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিগেরু ইশিবা ব্যাখ্যা: তিনি জাপানের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে একজন প্রধান নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, যা জাপানের রাজনৈতিক পালাবদলের একটি অংশ। উদাহরণ ২: ইউরিকো কোইকে ব্যাখ্যা: তিনি জাপানের রাজধানী টোকিওর প্রথম নারী গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জাপানি রাজনীতিতে নারীদের সফল অগ্রযাত্রার পথ প্রশস্ত করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সানায়ে তাকাইচি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। B) তোমো গোজেন — তিনি জাপানের ইতিহাসের একজন বিখ্যাত নারী যোদ্ধা বা সামুরাই ছিলেন, কোনো আধুনিক রাজনৈতিক নেতা নন। C) ইয়োশিকো শিনোহারা — তিনি জাপানের একজন সফল নারী উদ্যোক্তা এবং টেম্প স্টাফ কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা, প্রধানমন্ত্রী নন। D) গো-সাকুরামোচি — তিনি জাপানের ইতিহাসের একজন ঐতিহ্যবাহী নারী সম্রাট ছিলেন, আধুনিক সরকারপ্রধান নন। ৫. মনে রাখার টিপস: জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মনে রাখার জন্য সানায়ে তাকাইচি নামটি মাথায় রাখুন। তাকাইচি শব্দের শুরুতে ত এবং তরুনী বা নারীর নেতৃত্ব মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাপানের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে এশিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন।
a ৮টি
b ৯টি
c ১০টি
d ১১টি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯টি ১. কেন সঠিক: ডি-৮ বা ডেভেলপিং এইট হলো উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা। প্রতিষ্ঠার সময় এই জোটের সদস্যসংখ্যা আটটি থাকলেও পরবর্তীতে নাইজেরিয়া যুক্ত হওয়ার ফলে বর্তমান সদস্যসংখ্যা নয়টিতে উন্নীত হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ডি-৮ বা ডেভেলপিং এইট (Developing-8) প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন সদর দপ্তর: ইস্তামুল, তুরস্ক প্রেক্ষাপট: উন্নয়নশীল মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই জোট গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে তাদের অবস্থান সুসংহত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ডি-৮ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ডি-৮ জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এটি বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে বহুপক্ষীয় সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। উদাহরণ ২: নাইজেরিয়ার অন্তর্ভুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৯৯ সালে নাইজেরিয়া এই জোটে যোগ দেওয়ার পর এর সদস্যসংখ্যা আট থেকে বেড়ে নয়টি হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি — এটি প্রতিষ্ঠার সময়কার সদস্যসংখ্যা, যা বর্তমান বাস্তবতায় সঠিক নয় কারণ পরবর্তী সময়ে সদস্য বৃদ্ধি পেয়েছে। B) ৯টি — এটি বর্তমান সঠিক সদস্যসংখ্যা, কারণ প্রতিষ্ঠাতা আটটি দেশের সাথে নাইজেরিয়া যুক্ত হয়ে মোট সংখ্যা নয়টি হয়েছে। C) ১০টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ডি-৮ জোটে বর্তমানে মোট সদস্য দেশ নয়টি, দশটি নয়। D) ১১টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ডি-৮ কখনো এগারো সদস্য বিশিষ্ট জোটে পরিণত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: নাম ডি-৮ হলেও এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে হবে নয়টি। প্রতিষ্ঠার সময় আটটি দেশ থাকলেও নাইজেরিয়া যোগ দেওয়ায় সংখ্যাটি বেড়ে নয় হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডি-৮ জোটের পূর্ণরূপ এবং এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে সংস্থার বর্তমান মহাসচিব বা সর্বশেষ সদস্য দেশ সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
a ৮ ডিসেম্বর
b ৯ ডিসেম্বর
c ১০ ডিসেম্বর
d ১৬ ডিসেম্বর
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ ডিসেম্বর ১. কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুমোদন করে। - মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা করার অঙ্গীকার স্মরণে দিনটি পালিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারের সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা - ফলাফল/প্রভাব: এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পুরস্কার ব্যাখ্যা: প্রতি পাঁচ বছর পর পর মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য জাতিসংঘ এই পুরস্কার প্রদান করে। উদাহরণ ২: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করা একটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ডিসেম্বর — এই তারিখে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ তারিখ। B) ৯ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত হয়, মানবাধিকার দিবস নয়। D) ১৬ ডিসেম্বর — এই তারিখটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়, বিশ্ব মানবাধিকার দিবস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে ৯ তারিখে দুর্নীতিবিরোধী দিবস এবং ঠিক পরের দিন ১০ তারিখে মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। এভাবে পাশাপাশি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কোন সংস্থার ঘোষণা অনুযায়ী পালিত হয়, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার সাল বা এর ধারা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a মার্কিন ও জাপানি
b মার্কিন ও ফরাসি
c মার্কিন ও রাশিয়ান
d মার্কিন ও চাইনিজ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মার্কিন ও জাপানি ১. কেন সঠিক: ২০২৫ সালের চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানীদের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের নাগরিকরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাদের অভূতপূর্ব আবিষ্কার মানবস্বাস্থ্য ও রোগ নিরাময়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ২. নোবেল পুরস্কারের প্রেক্ষাপট: মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের উসিয়ত অনুযায়ী প্রদান করা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ মোট ছয়টি বিভাগে এই পুরস্কার বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে দেওয়া হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কভিড-১৯ এর টিকা আবিষ্কার। ব্যাখ্যা: চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীদের যৌথ গবেষণা আধুনিক বিশ্বে মহামারি মোকাবিলায় বিপ্লব ঘটিয়েছে। উদাহরণ ২: চিকিৎসায় জিন সম্পাদনা প্রযুক্তি বা ক্রিসপার (CRISPR)। ব্যাখ্যা: এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে যুগান্তকারী আবিষ্কার যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন ও জাপানি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এবছর এই দুই দেশের বিজ্ঞানীরা নোবেল অর্জন করেছেন। B) মার্কিন ও ফরাসি — এই অপশনটি ভুল কারণ ফ্রান্সের কোনো বিজ্ঞানী চিকিৎসা বিভাগে এই নির্দিষ্ট বছরে পুরস্কার পাননি। C) মার্কিন ও রাশিয়ান — এই অপশনটি ভুল কারণ রাশিয়ার কোনো গবেষক এই তালিকায় নেই। D) মার্কিন ও চাইনিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ চীনের কোনো নাগরিক এই বিভাগে নির্বাচিত হননি। ৫ মনে রাখার টিপস: চিকিৎসায় নোবেল মনে রাখতে মার্কিন ও জাপানি বিজ্ঞানীদের যৌথ অবদানের কথা মাথায় রাখবে। নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল সুইডেনের নাগরিক ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নোবেল বিজয়ীদের দেশ এবং তাদের অবদানের ক্ষেত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন বিজ্ঞানী কোন বিষয়ে আবিষ্কার করেছেন তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তুগরিক
b করডোবা
c মেডি
d নাকফা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুগরিক ১. কেন সঠিক: মঙ্গোলিয়ার সরকারি মুদ্রার নাম হলো তুগরিক। এশিয়ার অভ্যন্তরীণ ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র মঙ্গোলিয়ার অর্থনৈতিক লেনদেনে এই মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। ২. দেশ পরিচিতি: দেশ: মঙ্গোলিয়া একটি এশীয় রাষ্ট্র। রাজধানী: উলানবাটর। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া। ব্যাখ্যা: রাশিয়ার মুদ্রার নাম রুবল, যা মঙ্গোলিয়ার কাছাকাছি একটি দেশের মুদ্রা। উদাহরণ ২: চীন। ব্যাখ্যা: চীনের মুদ্রার নাম ইউয়ান, যা মঙ্গোলিয়ার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুগরিক — এটি মঙ্গোলিয়ার বৈধ মুদ্রা এবং সঠিক উত্তর। B) করডোবা — এটি নিকারাগুয়ার মুদ্রার নাম, তাই এটি সঠিক নয়। C) মেডি — এটি কোনো স্বীকৃত প্রধান দেশের মুদ্রা নয়। D) নাকফা — এটি ইরিত্রিয়ার মুদ্রার নাম, তাই এটি মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গোলিয়ার মুদ্রার নাম মনে রাখতে মঙ্গোলিয়া শব্দের শেষের অক্ষরের সঙ্গে তুগরিক শব্দটি মিলিয়ে পড়া যেতে পারে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম মনে রাখার সময় আঞ্চলিক বিভাজন মাথায় রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মুদ্রার নাম প্রায়ই আসে। এশিয়ার মধ্য ও পূর্ব অঞ্চলের দেশগুলোর মুদ্রা ও রাজধানীর তালিকা ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
a ফ্রান্স
b জার্মানি
c নেদারল্যান্ড
d হাঙ্গেরি
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি ১. কেন সঠিক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই হলো দুর্নীতিবিরোধী একটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা। এই সংস্থাটির আন্তর্জাতিক সচিবালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে অবস্থিত এবং সেখান থেকেই বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International) প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সাল সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী দুর্নীতির মাত্রা পরিমাপ করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা প্রধান প্রতিবেদন: করাপশন পারceptions ইনডেক্স বা সিপিআই (CPI) ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বার্লিন প্রাচীরের পতন ব্যাখ্যা: জার্মানির রাজধানী বার্লিন বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম রাজনৈতিক পরিবর্তনের সাক্ষী, যেখানে স্নায়ুযুদ্ধের প্রতীক ভেঙে পড়েছিল। উদাহরণ ২: করাপশন পারceptions ইনডেক্স ব্যাখ্যা: এই সূচকের মাধ্যমে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের দুর্নীতির তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করা হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ যার রাজধানী প্যারিস, তবে এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়। B) জার্মানি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। C) নেদারল্যান্ড — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে এর জন্য পরিচিত, টিআই এর সদর দপ্তর এখানে নয়। D) হাঙ্গেরি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যার সঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল শব্দটির প্রথম অক্ষর টি আই এবং জার্মানির রাজধানী বার্লিনের সাথে মিলিয়ে টিআই বার্লিন এভাবে মনে রাখা যায়। সংস্থাটি জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত বলে দুর্নীতি দমনের আলোচনায় জার্মানি নামটি বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কত তা জানতে চাওয়া হয়। একই বিষয় থেকে সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা, প্রতিষ্ঠার সাল বা প্রধান কার্যালয় সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ম্যাগ্যারেট ক্রাল
b লিনা হেডরিক
c অ্যাঞ্জেলা মারকেল
d পেট্রা কেলি
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাঞ্জেলা মারকেল ১. কেন সঠিক: - অ্যাঞ্জেলা মারকেল ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৬ বছর জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনিই দেশটির ইতিহাসের প্রথম নারী চ্যান্সেলর। - বিশ্ব রাজনীতিতে তার অসামান্য অবদান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে নেতৃত্বমূলক ভূমিকার জন্য তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে পরিচিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: জার্মানি, যার রাজধানী বার্লিন এবং মুদ্রার নাম ইউরো। - প্রেক্ষাপট: ২০০৫ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করার পর তিনি জার্মানির প্রথম নারী সরকারপ্রধান হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: তিনি জার্মানিকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেতৃত্ব দেন। - ফলাফল ও প্রভাব: তার দীর্ঘ মেয়াদে জার্মানি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বৈশ্বিক সংকটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেখ হাসিনা ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের প্রথম নারী সরকারপ্রধান হিসেবে বিশ্ব রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের অন্যতম প্রতীক। উদাহরণ ২: মার্গারেট থ্যাচার ব্যাখ্যা: তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং লৌহমানবী নামে পরিচিত, যা নারী নেতৃত্বের শক্তি ও প্রভাবকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাগ্যারেট ক্রাল — এই নামে জার্মানির ইতিহাসে কোনো নারী চ্যান্সেলর বা বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নেই। B) লিনা হেডরিক — ইনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন না, বরং এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক নাম। C) অ্যাঞ্জেলা মারকেল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। D) পেট্রা কেলি — ইনি জার্মানির একজন বিশিষ্ট পরিবেশবাদী ও গ্রিন পার্টির রাজনীতিবিদ ছিলেন, কিন্তু চ্যান্সেলর হননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অক্ষর এ (A) দিয়ে অ্যাঞ্জেলা মারকেল মনে রাখতে পারেন। - মারকেল দীর্ঘ ১৬ বছর ক্ষমতায় ছিলেন, যা তার স্থায়িত্ব ও জনপ্রিয়তা নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের প্রথম নারী রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান প্রায়ই আসে। - জার্মানির রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং চ্যান্সেলর পদের ক্ষমতা সম্পর্কিত প্রশ্নও এই টপিক থেকে হতে পারে।
a ১৫ সেপ্টেম্বর
b ১৫ অক্টোবর
c ১৫ নভেম্বর
d ১৫ ডিসেম্বর
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫ সেপ্টেম্বর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়। - প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক তথ্য বা ঘটনার পরিচয় হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে গণতন্ত্রের নীতি প্রচার ও প্রসারের জন্য এই দিনটি নির্ধারণ করে। - উত্তর নির্ণয়ের যুক্তি ধাপে ধাপে দেখানোর ক্ষেত্রে প্রথমে জাতিসংঘের ভূমিকা এবং পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জোরদার করার সিদ্ধান্তটি বিবেচনা করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক দিবস ও ঐতিহাসিক তারিখ: - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০৭ সালের ৮ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬২ তম অধিবেশনে রেজুলেশন গ্রহণের মাধ্যমে এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয় এবং ২০০৮ সাল থেকে প্রথম পালিত হয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: গণতন্ত্রের অবস্থা পর্যালোচনা করা, বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং নাগরিক অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রগুলোকে উৎসাহিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ব্যাখ্যা: এটি প্রতি বছর ২১ সেপ্টেম্বর পালিত হয় এবং যুদ্ধবিরতি ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেয়, যা গণতন্ত্র দিবসের কাছাকাছি সময়ে বৈশ্বিক মূল্যবোধ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস ব্যাখ্যা: এটি ১০ ডিসেম্বর পালিত হয় এবং গণতন্ত্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি মনে করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ সেপ্টেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতেই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়। B) ১৫ অক্টোবর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত হয়, যা গণতন্ত্র দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৫ নভেম্বর — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালিত হয় না, এটি মূলত অন্যান্য স্থানীয় বা আঞ্চলিক উদযাপনের সঙ্গে যুক্ত। D) ১৫ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালিত হয়, যা গণতন্ত্র দিবসের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - গণতন্ত্রের জন্য ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হয় এমন একটি সাধারণ ছন্দ মনে রেখে ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখটি সহজে স্মরণ করা যেতে পারে। - আন্তর্জাতিক দিবসের ক্ষেত্রে মাস এবং তারিখের হিসাব গুলিয়ে ফেলা থেকে বাঁচতে জাতিসংঘের ক্যালেন্ডার নিয়মিত চর্চা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি থেকে শেখার মতো তথ্য হলো জাতিসংঘের কোন সংস্থা বা সাধারণ পরিষদ কত সালে এই দিবস ঘোষণা করেছে তা জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। - একই বিষয় থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে যেখানে জিজ্ঞাসা করা হতে পারে প্রথম কোন সালে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালন করা হয়েছিল।