সঠিক উত্তর: D) আধা
১. কেন সঠিক:
'নিমরাজি' একটি ফার্সি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে 'নিম' উপসর্গটি 'আধা' বা 'অর্ধেক' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
এর অর্থ হলো যে ব্যক্তি পুরোপুরি রাজি নন, বরং আংশিক বা অর্ধেকের বেশি রাজি আছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'নিম' একটি বিদেশি বা ফার্সি উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।
এই উপসর্গটি সাধারণত মূল শব্দের পূর্বে বসে তার অর্থ পরিবর্তন করে এবং আধা বা কম বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমরাজি
ব্যাখ্যা: রাজি শব্দের পূর্বে নিম উপসর্গ যুক্ত হয়ে আধা রাজি বা অর্ধেক সম্মত হওয়া অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: নিমরাজি হওয়া ভালো লক্ষণ নয়।
ব্যাখ্যা: এখানে নিমরাজি শব্দটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে পূর্ণ সম্মতির অভাব বা আধা সম্মতি বোঝাতে সাহায্য করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সামান্য — এটি নিম উপসর্গের নির্দিষ্ট ও সরাসরি অর্থ নয়, কারণ নিম উপসর্গ মূলত আধা বা অর্ধেক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) অপূর্ণ — অপূর্ণ বলতে যা সম্পূর্ণ নয় বোঝায়, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে 'নিম' উপসর্গ আধা বা অর্ধেকের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট।
C) না — না বোধক অর্থে ফার্সি 'না' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়, যেমন নারাজি, কিন্তু 'নিম' উপসর্গ আধা অর্থ প্রকাশ করে।
D) আধা — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিম উপসর্গ মূলত আধা বা অর্ধেক অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফার্সি উপসর্গ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নিমরাজি শব্দটিকে মনে রাখা।
এখানে নিম অর্থ আধা বা অর্ধেক, যা দিয়ে আধা রাজি হওয়া বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ফার্সি উপসর্গ যেমন নিম, কম, বদ, বে ইত্যাদির অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) অতিথি-অভ্যাগত
১. কেন সঠিক:
- অতিথি এবং অভ্যাগত শব্দ দুটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়, বরং সমার্থক শব্দ। অতিথি শব্দের অর্থ মেহমান বা আগন্তুক এবং অভ্যাগত শব্দের অর্থও একই।
- বিপরীত শব্দের ক্ষেত্রে দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে পারস্পরিক বৈপরীত্য বা বিপরীত ভাব থাকা আবশ্যক, যা এই জোড়ায় অনুপস্থিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা একটি অন্যটির সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ-পাতাল
ব্যাখ্যা: আকাশ এবং পাতাল দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত স্থান নির্দেশ করে, যা সঠিক বিপরীত শব্দযুগল।
উদাহরণ ২: ভিতর-বাহির
ব্যাখ্যা: ভিতর এবং বাহির একে অপরের বিপরীত অবস্থান বোঝায়, যা সঠিক বিপরীত শব্দযুগল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশ-পাতাল — এটি একটি শুদ্ধ বিপরীত শব্দযুগল কারণ আকাশ ও পাতাল পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) সম্মুখে-পেছনে — এটি একটি শুদ্ধ বিপরীত শব্দযুগল কারণ সম্মুখ ও পশ্চাৎ বা পেছনের অর্থ পরস্পর বিপরীত।
C) অতিথি-অভ্যাগত — এটি সঠিক বিপরীত শব্দযুগল নয় কারণ অতিথি ও অভ্যাগত সমার্থক শব্দ।
D) ভিতর-বাহির — এটি একটি শুদ্ধ বিপরীত শব্দযুগল কারণ ভিতর ও বাহির পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমার্থক শব্দগুলো একসাথে থাকলে তা বিপরীত শব্দ হবে না। বিপরীত শব্দের জন্য অর্থের ভিন্নতা ও বৈপরীত্য থাকতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দকে বিপরীত শব্দ হিসেবে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। তাই শব্দ দুটির অর্থ ভালোভাবে জেনে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রূপরাম চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
- রূপরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি এবং তিনি ধর্মমঙ্গল কাব্যের প্রণেতা হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
- ধর্মমঙ্গল কাব্য মূলত ধর্মঠাকুরের পূজা ও মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এক ধরণের আখ্যানকাব্য যা মধ্যযুগের বঙ্গ সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গলের পাশাপাশি ধর্মমঙ্গল কাব্য একটি বিশেষ ধারা সৃষ্টি করেছিল যা লা সেন ও লাউসেনের কাহিনীর ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- রূপরাম চক্রবর্তীর ধর্মমঙ্গল কাব্য এই ধারার অন্যতম প্রাচীন ও প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘনরাম চক্রবর্তীর ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা: রূপরাম চক্রবর্তীর পাশাপাশি ঘনরাম চক্রবর্তীও ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবি।
উদাহরণ ২: সীতারাম দাসের ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা: সীতারাম দাসও ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার সঙ্গে যুক্ত একজন বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় কবি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বংশীদাশ চক্রবর্তী — বংশীদাশ চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবি নন, তিনি মূলত মনসামঙ্গল কাব্যের প্রণেতা হিসেবে পরিচিত।
B) রূপরাম চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর।
C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবি নন, তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে খ্যাত।
D) বলরাম চক্রবর্তী — বলরাম চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গল কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান কবি নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ধর্মমঙ্গল কাব্যের প্রধান কবিদের মনে রাখার জন্য রূপরাম ও ঘনরাম এই দুটি নাম একত্রে মনে রাখতে পারো।
- মঙ্গলকাব্য ধারার সাথে কোন কবি যুক্ত তা মনে রাখতে লেখকের প্রধান গ্রন্থটি আগে মুখস্থ করে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন ধারা এবং তার প্রণেতাদের নাম প্রায়ই এমসিকিউ হিসেবে আসে।
- কবি রূপরাম চক্রবর্তী কোন ধারার কবি তা নিশ্চিতভাবে জেনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) আরবি
কেন সঠিক:
- 'কলম' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- আরবি ভাষার মূল শব্দ 'কলাম' থেকে বাংলা ভাষায় 'কলম' শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত আরবি পরিভাষাগত শব্দ।
- ধর্মীয় ও দাপ্তরিক যোগাযোগের মাধ্যমে আরবি শব্দগুলো বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- আরবি শব্দের অন্যান্য উদাহরণের মধ্যে রয়েছে আক্কেল, কলম, কাগজ, দোয়াত ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দকে তৎসম শব্দ বলে, যেমন সূর্য বা চন্দ্র, কিন্তু কলম সংস্কৃত নয়।
- B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো ফারসি শব্দ নামে পরিচিত, যেমন বরফ বা চশমা, কিন্তু কলম ফারসি নয়।
- D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে তুর্কি শব্দ বলা হয়, যেমন দারোগা বা চাকু, কিন্তু কলম তুর্কি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- লেখালেখির সাথে জড়িত দুটি প্রধান বস্তু কলম ও দোয়াত উভয়ই আরবি শব্দ।
সঠিক উত্তর: A) ভাগীরথী
১. কেন সঠিক:
ভাগীরথী শব্দটির বানান বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
নদীবাচক বা বিশেষ বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যার মধ্যে নদীবাচক শব্দ অন্যতম।
ভাগীরথী একটি বিখ্যাত নদী এবং এর নামের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা ব্যাকরণসিদ্ধ ও প্রমিত নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধরণী
ব্যাখ্যা: ধরণী শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় কারণ এটি পৃথিবীবাচক একটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: মায়াবী
ব্যাখ্যা: মায়াবী শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষণ পদ গঠন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাগীরথী — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
B) নিশিথীনি — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান হবে নিশিথিনী যেখানে অন্তে ন-এ হ্রস্ব ই-কার বসে।
C) শারীরিক — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান হবে শারীরিক যেখানে প্রথমটি দীর্ঘ ঈ-কার এবং দ্বিতীয়টি হ্রস্ব ই-কার।
D) সমীচীন — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান হবে সমীচীন যেখানে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
নদীবাচক এবং স্ত্রীবাচক অনেক তৎসম শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখবে।
বানান শেখার সময় হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো বারবার অনুশীলন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই আসে তাই নদী ও পৃথিবীবাচক শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়বে।
বানান শুদ্ধ করার জন্য বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি নিয়মিত চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) তটিনী
১. কেন সঠিক:
- 'নদী' শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও চমৎকার সমার্থক শব্দ হলো 'তটিনী'।
- নদীর দুই তীরে কুল বা তট থাকে বলেই নদীকে তটিনী বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের ভাণ্ডার থেকে নদীর অনেকগুলো সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা: এটি নদীর আরেকটি সমার্থক শব্দ, যার অর্থ তরঙ্গে ভরপুর যা বয়ে চলে।
উদাহরণ ২: স্রোতস্বিনী
ব্যাখ্যা: স্রোত আছে যার, অর্থাৎ নদীর চলমান প্রবাহ বোঝাতে এই সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তটিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নদীর সমার্থক শব্দ।
B) পর্ণকার — এটি নদীর সমার্থক শব্দ নয়, এর অর্থ পান বিক্রেতা বা পান চাষি।
C) বারুই — এটিও নদীর সমার্থক শব্দ নয়, এর অর্থ যারা পেশাগতভাবে পান চাষ করেন।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর পাড় বা তট আছে মনে রেখে 'তটিনী' শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
- নদীর অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী একসাথে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী, আকাশ, পৃথিবী, সমুদ্র এর সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা বানানে সমার্থক শব্দগুলো লেখার সময় বানান ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) এ
১. কেন সঠিক:
জিহ্বার উচ্চতার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে সংবৃত, অর্ধ-সংবৃত, অর্ধ-বিবৃত ও বিবৃত এই চার ভাগে ভাগ করা হয়।
এ ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা স্বাভাবিক অবস্থা থেকে কিছুটা উপরে উঠে মুখবিবর প্রায় বন্ধ বা সংবৃত করে রাখে বলে একে অর্থ-সংবৃত স্বরধ্বনি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
মুখবিবরে জিহ্বার অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে বাংলা স্বরধ্বনিগুলোর উচ্চারণ নিয়ন্ত্রিত হয়।
মুখের ভেতর জিহ্বা কতটুকু উঁচুতে বা নিচে থাকছে তার ওপর নির্ভর করে এই শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ও
ব্যাখ্যা: এটিও একটি অর্থ-সংবৃত স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান উঁচুতে থাকে।
উদাহরণ ২: এ
ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা উচ্চারণে এটি মুখবিবর কিছুটা সংকুচিত করে উচ্চারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই — এটি একটি সংবৃত স্বরধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বায় উচ্চতা সবচেয়ে বেশি থাকে।
B) উ — এটিও একটি সংবৃত স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় মুখবিবর সবচেয়ে কম ফাঁকা হয়।
D) অ — এটি একটি অর্ধ-বিবৃত বা বিবৃত স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় মুখবিবর বেশি খোলা থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংবৃত মানে বন্ধ এবং অর্থ-সংবৃত মানে আংশিক বন্ধ।
এ এবং ও উচ্চারণ করার সময় মুখ প্রায় বন্ধ থাকে বলে এরা অর্থ-সংবৃত ধ্বনি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
জিহ্বার উচ্চতা ও মুখবিবরের openness ভালোভাবে মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) প্রকৃতি
কেন সঠিক:
- শব্দ বা পদের মূল অংশকে প্রকৃতি বলা হয়।
- ধাতুর মূল অংশকেও ব্যাকরণের নিয়মে প্রকৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণে শব্দ বা ধাতুর মূলকে প্রকৃতি এবং তার সাথে যুক্ত অংশকে প্রত্যয় বলা হয়।
- প্রাতিপদিক বা নামপদের মূল অংশ হলো নামপ্রকৃতি এবং ক্রিয়াপদের মূল অংশ হলো ক্রিয়াপ্রকৃতি বা ধাতু।
- যেমন চল্ ধাতুর সাথে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চলন শব্দ তৈরি হয়, যেখানে চল হলো প্রকৃতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) প্রকৃতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- B) বিভক্তি — শব্দ বা ধাতুর মূল নয়, বরং শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠনকারী বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি হলো বিভক্তি।
- C) ধাতু — এটি শুধুমাত্র ক্রিয়াপদের মূল অংশ, কিন্তু সব শব্দের মূলকে ধাতু বলা যায় না।
- D) কারক — বাক্যের সাথে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, এটি কোনো মূল অংশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- শব্দ ও ধাতুর মূল মানেই হলো প্রকৃতি।
সঠিক উত্তর: B) কার্যকারণসূচক
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে একটি কাজ সম্পন্ন হওয়া অন্য একটি কাজের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এটি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রকাশ করে।
- প্রথম অংশ বা শর্ত পূর্ণ হলে তবেই দ্বিতীয় অংশ বা কার্য সম্পন্ন হওয়ার অর্থ প্রকাশ পায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে একটি ঘটনা বা কাজের ওপর অন্য একটি ঘটনা বা কাজের ঘটা নির্ভর করে, তাকে কার্যকারণসূচক বাক্য বা শর্তসূচক বাক্য বলা হয়।
- এই ধরনের বাক্যে সাধারণত জোড়ায়ক সর্বনাম বা যোজক যেমন যদি-তবে, যদ্যপি-তথাপি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘ করলে বৃষ্টি নামবে
ব্যাখ্যা: এখানে বৃষ্টি নামার কাজটি মেঘ করার কার্য বা শর্তের ওপর নির্ভরশীল।
উদাহরণ ২: পরিশ্রম করলে সাফল্য পাবে
ব্যাখ্যা: সাফল্য পাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে পরিশ্রম করার শর্ত বা কারণের সঙ্গে যুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুজ্ঞাসূচক — এই বাক্যে কোনো আদেশ, অনুরোধ, নিষেধ বা উপদেশ বোঝায়নি।
B) কার্যকারণসূচক — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং শর্তভিত্তিক সম্পর্ক নির্দেশ করে।
C) ইচ্ছাসূচক — এই বাক্যে বক্তার কোনো ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা আশীর্বাদ প্রকাশিত হয়নি।
D) পারস্পরিকবাচক — এই বাক্যে পারস্পরিক কোনো ভাব বা ভাবের আদান-প্রদান নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে যদি শর্ত বা নির্ভরশীলতার সম্পর্ক বোঝায়, তবে তা কার্যকারণসূচক বাক্য হবে।
- সাধারণত প্রথম কাজের ফলস্বরূপ দ্বিতীয় কাজটি ঘটে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জটিল বাক্যের রূপান্তর এবং বিভিন্ন প্রকার বাক্য চেনার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- শর্তমূলক বাক্যগুলো মূলত কার্যকারণসূচক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: C) প্রোষিতপত্নীক
কেন সঠিক:
- যে পুরুষ বা স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে বা বিদেশে অবস্থান করেন, তাকে এককথায় প্রোষিতপত্নীক বলা হয়।
- প্রশ্নে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে থাকার কথা বলা হয়েছে, যা এই পদের সঠিক সংজ্ঞা নির্দেশ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি এককথপ্রকাশ বা বাকসংক্ষেপের অংশ যা বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও প্রত্যয় প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত।
- প্রোষিত শব্দের অর্থ দূরে অবস্থিত এবং পত্নীক শব্দের অর্থ স্ত্রীযুক্ত, যা মিলে প্রোষিতপত্নীক শব্দ গঠিত হয়েছে।
- যেমন প্রোষিত পতি যার তিনি প্রোষিতভর্তৃকা, ঠিক তেমনি স্ত্রী প্রবাসে থাকলে স্বামী হয় প্রোষিতপত্নীক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) প্রোষিতভর্তৃকা — যে স্ত্রীর স্বামী প্রবাসে থাকে তাকে প্রোষিতভর্তৃকা বলে, তাই এটি ভুল।
- B) প্রবাসিনী — যিনি নিজে প্রবাসে বাস করেন এমন নারীকে প্রবাসিনী বলা হয়, তাই এটি ভুল।
- C) প্রোষিতপত্নীক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় আলোচনা প্রযোজ্য নয়।
- D) প্রোষিতা — যে নারী প্রবাসে অবস্থান করছেন তাকে প্রোষিতা বলা হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে থাকলে হয় প্রোষিতপত্নীক এবং স্ত্রীর স্বামী প্রবাসে থাকলে হয় প্রোষিতভর্তৃকা।
সঠিক উত্তর: B) ৫১ টি
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যার মূল পুথিতে মোট পদসংখ্যা ছিল ৫১ টি। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের যে পুথি আবিষ্কার করেছিলেন, তাতে সাড়ে ছেচল্লিশটি সম্পূর্ণ পদ এবং বাকি পদগুলোর কিছু অংশ পাওয়া গিয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে চর্যাপদের পদের সংখ্যা ছিল ৫১ টি এবং এর ভাষাকে তিনি বঙ্গকামরূপী বা প্রাচীন বাংলা হিসেবে চিহ্নিত করেন। আচার্য হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি সহস্রাব্দের প্রাচীন বাংলা গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতাতা হলেন লুইপা এবং তাঁর পদের সংখ্যা ১ টি।
ব্যাখ্যা: লুইপাকে চর্যাপদের আদি কবি বলা হয় এবং তাঁর রচিত পদ দিয়েই চর্যাপদ সংকলন শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের সর্বাধিক পদের রচয়িতাতা হলেন ভুসুকুপা এবং তিনি মোট ৮ টি পদ রচনা করেছেন।
ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছিলেন যা এই প্রাচীন সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪১ টি — এটি ভুল কারণ চর্যাপদের মূল পুথিতে পদের সংখ্যা একচল্লিশটি ছিল না বরং আবিষ্কারের পর পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া যায় এবং মোট সংখ্যা ৫১ টি।
B) ৫১ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের গবেষণা অনুযায়ী নির্ধারিত মোট পদের প্রমিত সংখ্যা।
C) ৫৬ টি — এটি ভুল কারণ চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে এই সংখ্যাটি কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক প্রামাণ্য দলিল দ্বারা সমর্থিত নয়।
D) ৬২ টি — এটি ভুল কারণ চর্যাপদের পদের সংখ্যা বায়ান্ন বা বাষ্পষ্টি কোনোটিই নয়, এর মোট পদের সংখ্যা একান্নটি।
৫ মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের মোট পদ একান্নটি, এটি মনে রাখতে সংক্ষেপে মনে রাখতে পারো পাঞ্চাশের সাথে এক যোগ করলে একান্ন হয় অর্থাৎ পদের সংখ্যা ৫১।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে। এই ধরনের সাহিত্যিক তথ্যের ক্ষেত্রে পদের সংখ্যা ও আবিষ্কারকের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) আলুনি
১. কেন সঠিক:
আলুনি শব্দটি গঠিত হয়েছে আ উপসর্গ এবং লবন শব্দের মিলনে। এখানে আ উপসর্গটি বিশেষ অর্থে অভাব বা লবণের অনুপস্থিতি প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় কিছু খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ সৃষ্টি করে। আ উপসর্গটি অভাব, না বোধক বা পূর্ণতা বোঝাতে বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাঠ
ব্যাখ্যা: কাঠ শব্দের পূর্বে আ উপসর্গ যুক্ত হয়ে ভালো নয় এমন বা নিকৃষ্ট কাঠ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আকাটা
ব্যাখ্যা: কাটা নয় এমন অর্থে আ উপসর্গটি এখানে অভাব বা না বোধক ভাব প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকাজ — এখানে অ উপসর্গটি মন্দ বা কু অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, অভাব অর্থে নয়।
C) আবছায়া — এখানে আ উপসর্গটি কিঞ্চিৎ বা সামান্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) নিখুঁত — এখানে নি উপসর্গটি বিশেষ অর্থে নিখুঁত বা ত্রুটিহীনতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
আলুনি শব্দটির আ হলো উপসর্গ এবং লুনি বা লবন হলো মূল শব্দ। খাদ্যের লবণের অভাব বোঝাতে এই উপসর্গ ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। কোন উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সমরেশ বসু
১. কেন সঠিক:
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসু বাংলা সাহিত্যে 'কালকূট' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
- কালকূট শব্দের আক্ষরিক অর্থ তীব্র বিষ, তবে তিনি এই নামে মূলত জীবনরসিক ও মানবতাবাদী উপন্যাস রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমরেশ বসু বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নির্মাতা ও শক্তিশালী লেখক।
- তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে প্রজাপতি, শ্রীমতী কাফারখানা, এবং আমলকী উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালকূট ছদ্মনামে লেখা 'কোথায় পাব তারে' উপন্যাসটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের ভ্রমণ ও মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: 'অমৃতের সন্ধানে' কালকূট ছদ্মনামে রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও লেখকের মানবপ্রেম ও জীবনদর্শনের গভীর প্রতিফলন ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমরেশ মজুমদার — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক হলেও 'কালকূট' নামে পরিচিত নন, তিনি সাতকাহন ও উত্তরাধিকার উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
B) আলাউদ্দিন আল আজাদ — ইনি একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, কবি ও নাট্যকার যিনি মূলত ততো নদী ও ক্ষুধা ও আশা উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
C) সমরেশ বসু — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি কালকূট ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন।
D) শওকত ওসমান — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত এবং তার কোনো ছদ্মনাম কালকূট নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমরেশ বসুর শেষাংশ 'বসু' এবং কালকূট নামের প্রথম অংশ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো বসু মানেই কালকূট।
- লেখকের কালকূট ছদ্মনামটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে তাই এটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন একটি টপিক।
- একই সঙ্গে বনফুল ছদ্মনামের প্রকৃত নাম যে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়, তা জেনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: B) নীলদর্পণ
১. কেন সঠিক:
ঢাকা থেকে মুদ্রিত বা প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ হলো দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ। ১৮৬০ সালে ঢাকার বাংলাবাজারের সুলতানি প্রেস বা পিয়ারীমোহন ব্যানার্জির প্রেস থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নাটকটির রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি বাংলার নীলকর সাহেবদের অকথ্য অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত প্রথম প্রতিবাদী নাটক। প্রকাশের পর এর ইংরেজি অনুবাদের আইনি লড়াইয়ে রেভারেন্ড জেমস লং এবং মাইকেল মধুসূদন দত্ত যুক্ত ছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র হলো নীলকণ্ঠ প্রকাশিকা।
ব্যাখ্যা: উনিশ শতকে ঢাকার প্রকাশনা শিল্পের ইতিহাস জানতে এই সংবাদপত্রের নাম গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
ব্যাখ্যা: রেভারেন্ড জেমস লংয়ের সম্পাদনায় দ্য ইন্ডিকো প্লান্টিং মিরর নামে এটি ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপাল কুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়নি।
B) নীলদর্পণ — এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
C) মরুশিখা — এটি কাজী মোতাহার হোসেনের বা অন্য কোনো প্রাবন্ধিকের ঢাকা থেকে প্রকাশিত গ্রন্থ নয়, এটি মূলত যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যগ্রন্থ।
D) মেঘনাদবধ — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য যা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঢাকা মানেই নাটক এবং নীল রঙের দর্পণ। প্রথম প্রকাশের ক্ষেত্রে দীনবন্ধু মিত্রের এই নাটকটি ঢাকার প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঢাকা কেন্দ্রিক প্রথম গ্রন্থ বা প্রথম সংবাদপত্রের ইতিহাস প্রায়ই আসে। নীলদর্পণের প্রকাশকাল ও স্থান ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- যে পদের কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন অর্থাৎ লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি ও কালভেদে কোনো রূপান্তর ঘটে না, তাকে অব্যয় পদ বলে।
- 'এবং' শব্দটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর নিজস্ব কোনো পরিবর্তন হয় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- অব্যয় পদ সাধারণত বাক্য বা শব্দকে সংযুক্ত করতে কিংবা মনের ভাব প্রকাশ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদ মূলত চার ভাগে বিভক্ত, যেমন পদান্বয়ী অব্যয়, সমুচ্চয় অব্যয়, অনন্বয়ী অব্যয় ও অনুকার অব্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম এবং করিম বাজারে গেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'এবং' শব্দটি দুটি বিশেষ্য পদকে যুক্ত করেছে যা সমুচ্চয় অব্যয়ের কাজ।
উদাহরণ ২: সে ভালো গান গায়, কিন্তু নাচতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কিন্তু' একটি অব্যয় যা দুটি খণ্ডবাক্যকে সংযোজন বা সংকোচন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সর্বনাম — সর্বনাম পদ হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'এবং' কোনো শব্দের পরিবর্তে বসে না।
B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা 'এবং' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝায়, কিন্তু 'এবং' কোনো কিছুর নাম নয়।
D) অব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর কোনো রূপান্তর হয় না এবং এটি সংযোগের কাজ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যেসব শব্দ বাক্যে একা বসে অপরিবর্তিত থাকে এবং পদগুলোকে জুড়ে দেয়, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- এবং, ও, কিন্তু, অথবা শব্দগুলো সব সময় সংযোগকারী অব্যয় হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংযোগকারী শব্দ যেমন এবং, কিন্তু, অথবা কোন পদ তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে অব্যয়ের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) রাখালী
১. কেন সঠিক:
- রাখালী হলো পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনভিত্তিক প্রাথমিক রচনার অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীম উদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।
- পল্লিপ্রকৃতির রূপ ও মানুষের সহজ-সরল জীবন তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাহিনীকাব্য, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সোজন বাডীয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীম উদ্দীনের রচিত একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কাব্য বা গাথা কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখালী - এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) সোজন বাডীয়ার ঘাট - এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্য হলেও এটি প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) নকশী কাঁথার মাঠ - এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাহিনীকাব্য, তবে প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) বালুচর - এটি জসীম উদ্দীনের প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে রাখাল বালকের রাখালী কথাটি স্মরণ রাখতে পারো।
- প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রাখালী দিয়ে তাঁর সাহিত্যজীবন শুরু হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম গ্রন্থ বা প্রথম প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- জসীম উদ্দীনের ক্ষেত্রে কাব্যগ্রন্থের প্রকাশের ক্রম মনে রাখা খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) প্রত্যয়জনিত
১. কেন সঠিক:
- 'উৎকর্ষতা' শব্দটিতে প্রত্যয়জনিত বা প্রত্যয়সংক্রান্ত ভুল রয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্য পদের সঙ্গে অতিরিক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে একই ভাব প্রকাশ করা দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎকৃষ্ শব্দটির সঙ্গে ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয় য যুক্ত হয়ে উৎকর্ষ গঠিত হয়, যার অর্থ ভালো অবস্থা বা শ্রেষ্ঠত্ব।
- গঠিত শব্দের সঙ্গে আবার ভাববাচক তা প্রত্যয় যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয়, কারণ উৎকর্ষ শব্দটিতেই ভাবের পূর্ণতা প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৈন্যতা
ব্যাখ্যা: দীন শব্দের অর্থ দরিদ্র এবং এর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৈন্য গঠিত হয়, তাই এর সঙ্গে আবার তা প্রত্যয় যুক্ত করে দৈন্যতা লেখা সম্পূর্ণ ভুল।
উদাহরণ ২: স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা: নিজ বা স্বয়ম আত্মশাসন অর্থ প্রকাশ করতে সরাসরি স্বায়ত্তশাসন ব্যবহৃত হয়, অতিরিক্ত কোনো প্রত্যয় যোগ করে শব্দটিকে বিকৃত করা অশুদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সন্ধিজনিত — এই শব্দটির গঠনে কোনো সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি বা সন্ধিজনিত কোনো ত্রুটি এখানে বিদ্যমান নেই।
C) উপসর্গজনিত — উৎকর্ষতা শব্দটিতে কোনো উপসর্গ ভুলভাবে যুক্ত হয়নি, এর মূল ত্রুটি কেবল প্রত্যয়ের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে ঘটেছে।
D) বিভক্তিজনিত — এই শব্দের গঠনে শব্দের শেষে কোনো কারকীয় বিভক্তির ভুল প্রয়োগ ঘটেনি, তাই এটি বিভক্তিজনিত অশুদ্ধি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একই শব্দে বা অর্থে দুটি ভাববাচক প্রত্যয় যেমন য এবং তা একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না।
- উৎকর্ষ বা দৈন্য শব্দ দেখলে বুঝবে এগুলোর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করলে তা নিশ্চিতভাবেই ভুল হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ যেমন দৈন্যতা, স্বায়ত্তশাসনতা বা বাহুল্যতা প্রায়ই বহুনির্বাচনি প্রশ্নে আসে।
- মূল শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় থাকলে তার সঙ্গে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় বর্জন করার নিয়মটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ আলী আহসান
১. কেন সঠিক:
গ্রিসের বিখ্যাত নাট্যকার সোফোকলিসের ধ্রুপদী ট্রাজেডি ইডিপাস বাংলায় অনুবাদ করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ আলী আহসান।
এই অনুবাদটি বাংলা নাট্যসাহিত্য ও বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ আলী আহসান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং গবেষক ছিলেন।
গ্রিক ট্রাজেডি ইডিপাস বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা ধ্রুপদী নাটক, যা মানুষের ভাগ্য ও অন্ধত্বের চিরন্তন দ্বন্দ্ব তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী অনূদিত বিখ্যাত নাটক কেউ কিছু বলতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী অনূদিত একটি উল্লেখযোগ্য নাটক যা বিশ্বনাটকের বাংলা রূপান্তর।
উদাহরণ ২: কবীর চৌধুরী অনূদিত শেকসপিয়রের নাটক হ্যামলেট।
ব্যাখ্যা: কবীর চৌধুরী বিশ্বসাহিত্যের অনেক বিখ্যাত গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে খ্যাতি অর্জন করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — তিনি নাট্যকার ও অনুবাদক হলেও ইডিপাস নাটকটি অনুবাদ করেননি।
B) কবির চৌধুরী — তিনি বহু বিদেশি গ্রন্থ অনুবাদ করলেও ইডিপাস নাটকের অনুবাদক নন।
C) সৈয়দ আলী আহসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) লিলি চৌধুরী — তিনি নাট্যাভিনেত্রী ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব হলেও এই অনুবাদক হিসেবে পরিচিত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইডিপাস নাটকের মতো ধ্রুপদী গ্রিক ট্রাজেডি বাংলায় রূপান্তরের কাজটি সৈয়দ আলী আহসান দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছিলেন।
লেখক ও অনুবাদের নাম মনে রাখতে ইডিপাস ও সৈয়দ আলী আহসান একত্রে স্মরণ করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত অনুবাদের নাম ও অনুবাদক প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
গ্রিক নাটক ও শেকসপিয়রের নাটকের বাংলা অনুবাদকদের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপকারী।
সঠিক উত্তর: C) উদ্বেল
১. কেন সঠিক:
- উদ্বেল শব্দের ব্যাসবাক্য বা অর্থ হলো বেলাকে অতিক্রান্ত।
- উৎ এবং বেল শব্দের মিলने এবং ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎ উপসর্গ এবং বেলা শব্দের যোগে গঠিত শব্দের বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায়।
- এটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দের অর্থ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেলা অতিক্রান্ত = উদ্বেল
ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট সময় বা সীমাকে অতিক্রম করা বুঝাতে এই পদ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বেলা অতিক্রম করেছে যা = উদ্বেল
ব্যাখ্যা: এটি বাক্যের সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবেলা — অবেলা অর্থ কুবেলা বা খারাপ সময়, যা বেলাকে অতিক্রান্ত পদের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) গোধূলি — গোধূলি হলো দিন ও রাতের সংযোগকাল বা বিকালের শেষ সময়।
D) সাঁঝ — সাঁঝ শব্দের অর্থ সন্ধ্যা বা প্রাক-রাত্রি কাল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উদ্বেল শব্দের ভেতরেই বেলা অতিক্রান্ত হওয়ার ভাব লুকিয়ে আছে।
- উৎ মানে অতিক্রম করা এবং বেল মানে বেলা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশ এবং শব্দার্থ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) দুরধ্যয়
১. কেন সঠিক:
- 'অনেক কষ্টে যা অধ্যয়ন করা যায়' এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো দুরধ্যয়। এখানে 'দুঃ' উপসর্গটি কষ্ট বা কঠিন অর্থ প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সহজে যা লঙ্ঘন করা যায় না = দুর্লঙ্ঘ্য
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বাক্য সংকোচন যা কঠিন বা কষ্টসাধ্য বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যা নিবারণ করা কষ্টকর = দুর্নিবার
ব্যাখ্যা: এটিও উপসর্গ যোগে গঠিত একটি বাক্য সংকোচনের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনধ্যয় — অনধ্যয় শব্দের অর্থ পড়ার দিন নয় বা ছুটির দিন, যা প্রদত্ত বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
B) দুরধ্যয় — এটি সঠিক উত্তর।
C) কষ্টাধ্যায়ন — এটি কোনো প্রমিত এককথায় প্রকাশ নয়, বরং ভুল গঠন।
D) নিরধ্যায়ন — নিরধ্যায়ন বলতে কোনো মানক শব্দ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- 'কষ্টে' বা 'অসম্ভব' অর্থে সাধারণত 'দুঃ' বা 'দুর' উপসর্গযুক্ত শব্দ বসে। যেমন অধ্যয়ন করা কঠিন হলে তা দুরধ্যয় হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই উপসর্গ ও প্রত্যয়ভিত্তিক সংকোচনগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Knowledge
কেন সঠিক:
Knowledge শব্দটি একটি abstract noun যার অর্থ জ্ঞান।
Know verb-টির সঠিক noun রূপ হলো এই Knowledge শব্দটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Knowing — এটি Know verb-এর present participle বা gerund রূপ, কোনো স্বাধীন noun নয়।
B) Knowledge — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) Knowledgeable — এটি একটি adjective যার অর্থ জ্ঞানী।
D) Known — এটি Know verb-এর past participle রূপ এবং এটি সাধারণত adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে ledge থাকলে সাধারণত তা noun হয়, যেমন Knowledge.
সঠিক উত্তর: C) Questionnaire
কেন সঠিক:
এই শব্দটির বানান ফরাসি ভাষার নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে শেষে দুটি n এবং একটি e থাকে।
বানানটি হলো q u e s t i o n n a i r e।
এর মূল শব্দ question এর সাথে naire যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ নেয়।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি বানান যা বারবার চর্চা করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Questionaire — এখানে একটি n কম আছে এবং শেষের দিকটি ভুলভাবে লেখা হয়েছে।
B) Questionoir — এখানে শেষের অংশটি ফরাসি বা ইংরেজি কোনো নিয়মে মেলেনি।
C) Questionnaire — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Questionair — এখানে একেবারে শেষের e অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোশ্চেন (Question) লেখার পর ন্যায়ার (naire) যুক্ত করলে খুব সহজেই বানানটি মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) Denmark
কেন সঠিক:
শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট এর মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট ডেনমার্কের রাজপুত্র ছিলেন। নাটকের পুরো কাহিনী ডেনমার্কের এলসিনোর রাজপ্রাসাদকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
তার বাবার মৃত্যুর পর তিনি ডেনমার্কের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হন।
নাটকের শুরুতে ডেনমার্কের রাজকীয় পরিবেশ স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Norway — নরওয়ে এই নাটকের একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র হলেও হ্যামলেট নরওয়ের রাজপুত্র ছিলেন না। নরওয়ের রাজপুত্র ছিলেন ফিন্টিন ব্রাইটহর্ট।
B) Britain — ব্রিটেন বা ইংল্যান্ড এই নাটকের গল্পের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, হ্যামলেটকে কিছু সময়ের জন্য সেখানে পাঠানো হয়েছিল মাত্র।
C) Denmark — সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এখানে কোনো ভুল নেই।
D) France — ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে হ্যামলেটের বন্ধু লিয়েটিস পড়াশোনা করতেন, কিন্তু হ্যামলেট ফ্রান্সের রাজপুত্র ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
হ্যামলেট নাটকটি ডেনমার্কের রাজপ্রাসাদের ষড়যন্ত্র নিয়ে তৈরি, তাই হ্যামলেট হলেন ডেনমার্কের রাজপুত্র।
সঠিক উত্তর: B) William Makepeace Thackeray
কেন সঠিক:
ভ্যানিটি ফেয়ার উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারে।
এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ থেকে ১৮৪৮ সালের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
এটি লেখকের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম হিসেবে পরিচিত।
উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো ব্রিটিশ সমাজের উচ্চাভিলাষ এবং নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) D.H Lawrence — ডি এইচ লরেন্স আধুনিক যুগের ঔপন্যাসিক ছিলেন এবং তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে সন্স অ্যান্ড লাভার্স অন্যতম।
B) William Makepeace Thackeray — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো তথ্য প্রযোজ্য নয়।
C) Joseph Conrad — জোসেফ কনরাড তার সমুদ্রভিত্তিক এবং মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত।
D) Virginia Woolf — ভার্জিনিয়া উলফ বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত আধুনিকতাবাদী ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যানিটি ফেয়ার উপন্যাসের নামের সাথে থ্যাকারে নামটি মনে রাখতে ফেয়ার এবং থ্যাকারে শব্দ দুটি একসাথে চর্চা করুন।
সঠিক উত্তর: C) a brother or a sister
কেন সঠিক:
Sibling শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো একই বাবা-মার সন্তান অর্থাৎ ভাই অথবা বোন।
এটি লিঙ্গ নিরপেক্ষ শব্দ হওয়ায় একই সাথে ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a brother — এটি শুধুমাত্র ভাই বোঝায়, কিন্তু বোনকেও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
B) a sister — এটি শুধুমাত্র বোন বোঝায়, কিন্তু ভাইও এই শব্দের আওতাভুক্ত।
C) a brother or a sister — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ভাই এবং বোন উভয়কেই বোঝানো হয়েছে।
D) an infant — এর অর্থ সদ্যজাত শিশু, যা ভাই বা বোনের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Sibling শুনলে মাথায় রাখবে যে এটি নিজের ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) Postscript
কেন সঠিক:
চিঠির নিচে স্বাক্ষর করার পর অনেক সময় অতিরিক্ত কোনো কথা বা বার্তা যোগ করা হয়।
ইংরেজিতে এই অতিরিক্ত অংশটিকে পোস্টস্ক্রিপ্ট বা সংক্ষেপে পিএস বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Corrigendum - এটি দ্বারা কোনো প্রকাশিত বই বা ডকুমেন্টের ভুল সংশোধন বা শুদ্ধিপত্র বোঝানো হয়।
B) Postscript - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) NB - এটি নোটা বেনে বোঝায়, যা লেখার বিশেষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ দিকে নজর কাড়তে ব্যবহার করা হয়।
D) RSVP - এটি ফরাসি বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা কোনো অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর উত্তর দেওয়ার জন্য লেখা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দ পোস্ট মানে পরে এবং স্ক্রিপ্ট মানে লেখা, যা থেকে চিঠির শেষে লেখা অংশ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) Put one to sleep
কেন সঠিক:
- Soporific শব্দটির শাব্দিক অর্থ ঘুম উদ্রেককারী বা তন্দ্রাচ্ছন্নকারী।
- একটি ঘুম পাড়ানিয়া বা বিরক্তিকর বক্তৃতা শোনার পর শ্রোতার ঘুম পেয়ে যাওয়া স্বাভাবিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Be incomprehensible — দুর্বোধ্য হওয়া বোঝায়, যা soporific শব্দের অর্থ নয়।
B) Appeal primarily to emotions — প্রধানত আবেগ প্রকাশ করা বোঝায়, যা এই শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) Put one to sleep — এটি সঠিক কারণ soporific অর্থ ঘুম উদ্রেককারী।
D) Stimulate action — কাজের উদ্দীপনা সৃষ্টি করা বোঝায়, যা soporific শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Soporific শব্দটির মধ্যে Sleep শব্দটি লুকিয়ে আছে মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ ঘুম।
সঠিক উত্তর: A) Philanthropy
কেন সঠিক:
- Philanthropy শব্দের অর্থ মানবপ্রীতি বা সারা পৃথিবীর মানুষের কল্যাণ সাধনের জন্য উদার মনোভাব।
- গ্রীক শব্দ philos (প্রেম) এবং anthropos (মানুষ) মিলে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Philanthropy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমগ্র মানবজাতির প্রতি ভালোবাসা।
B) Misogyny — এর অর্থ নারীবিদ্বেষ বা নারীদের প্রতি ঘৃণা, যা প্রশ্নের উত্তরের বিপরীত।
C) Benevolence — এর অর্থ মহানুভবতা বা কল্যাণকামিতা, তবে এটি নির্দিষ্ট করে সারা বিশ্বকে বোঝায় না।
D) Misanthropy — এর অর্থ মানবদ্বেষ বা মানবজাতিকে ঘৃণা করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Phil- মানে ভালোবাসা এবং anthrop- মানে মানুষ, তাই Philanthropy অর্থ মানবপ্রীতি।
সঠিক উত্তর: B) Very rarely
কেন সঠিক:
‘Once in a blue moon’ একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ নীল চাঁদের আলোয়, যা বাস্তবে খুব কম দেখা যায়।
তাই এই ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ হলো যা সচরাচর ঘটে না বা খুব কদাচিৎ ঘটে।
অপশন বি তে থাকা 'Very rarely' কথাটির অর্থও খুব কদাচিৎ বা কদাচিৎ।
এই কারণে অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Always — এই শব্দটির অর্থ সর্বদা বা সবসময়, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Very rarely — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) Nearly — এই শব্দটির অর্থ প্রায় বা কাছাকাছি, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না।
D) Hourly — এই শব্দটির অর্থ প্রতি ঘণ্টায়, যা খুব বিরল ঘটনার অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদ কখনোই নীল রঙে দেখা যায় না, তাই ‘blue moon’ মানে হলো অত্যন্ত বিরল ঘটনা যা কদাচিৎ ঘটে।
সঠিক উত্তর: D) Uncertain
কেন সঠিক:
'Sine die' একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ অনির্দিষ্টকালের জন্য কোনো সভা মুলতবি করা।
এর শাব্দিক অর্থ হলো যার কোনো দিন বা সময় ঠিক করা হয়নি।
তাই এটি একটি অনিশ্চিত অবস্থাকে নির্দেশ করে।
এই কারণে সঠিক উত্তরটি Uncertain হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Half-heartedly — এর অর্থ অনিচ্ছাকৃতভাবে বা মনপ্রাণহীনভাবে, যা মূল ফ্রেজটির সাথে মিলে না।
B) Doubtfully — এর অর্থ সন্দেহজনকভাবে, যা অনির্দিষ্ট সময়ের ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) Fixed — এর অর্থ নির্দিষ্ট, যা 'sine die' এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Uncertain — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ অনিশ্চিত, যা অনির্দিষ্টকালের ধারণাকে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Sine শব্দের অর্থ ছাড়া এবং die শব্দের অর্থ দিন। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট দিন ছাড়া কোনো কিছু স্থগিত করা হলো Uncertain বা অনিশ্চিত।
সঠিক উত্তর: D) Epitaph
কেন সঠিক:
কবরের গায়ে বা পাথরের ফলকে মৃত ব্যক্তির স্মরণে খোদাই করা লেখাকে এপিটাফ বলা হয়। এটি মূলত মৃত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Epitome — এর অর্থ কোনো লেখার সংক্ষিপ্ত সারাংশ, যা কবরের লেখার সাথে মেলে না।
B) Epithet — এর অর্থ কোনো ব্যক্তির নামের সাথে যুক্ত বিশেষ উপাধি বা গুণবাচক শব্দ।
C) Episode — এর অর্থ কোনো নাটক বা ধারাবাহিকের একটি বিশেষ পর্ব বা ঘটনা।
D) Epitaph — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
এপিটাফ শব্দটি মনে রাখতে টম্ব বা কবর শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) Laughter
কেন সঠিক:
‘Laugh’ একটি ভার্ব বা ক্রিয়া যার অর্থ হাসা। এর সাথে ‘-ter’ যুক্ত করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ ‘Laughter’ গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Laughing — এটি ভার্বের সাথে ‘-ing’ যুক্ত হয়ে সাধারণত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড হয়, যা মূল নাউন ফর্ম নয়।
B) Laughable — এর শেষে ‘-able’ থাকার কারণে এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ পদে রূপান্তর হয়।
C) Laughter — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই।
D) Laughingly — এর শেষে ‘-ly’ যুক্ত থাকায় এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অনেক ভার্বের শেষে ‘-ter’ বা ‘-ion’ যুক্ত করে নাউন তৈরি করা হয়, যেমন laugh থেকে laughter।
সঠিক উত্তর: C) John Milton
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত উক্তিটি জন মিলটনের বিখ্যাত মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট থেকে নেওয়া হয়েছে।
শয়তান চরিত্রটি নরকে রাজত্ব করাকে স্বর্গে সেবা করার চেয়ে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করে।
মিলটনের কাব্যিক রচনাশৈলী এবং বিদ্রোহী মানসিকতার অনন্য প্রকাশ এটি।
সতেরো শতকের ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা সৃষ্টি এই মহাকাব্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Geoffrey Chaucer — তিনি চৌদ্দ শতকের কবি এবং ক্যান্টারবারি টেলস তাঁর বিখ্যাত রচনা।
B) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথান যুগের নাট্যকার এবং ডক্টর ফস্টাস তাঁর বিখ্যাত নাটক।
C) John Milton — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) P.B. Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি এবং প্রমিথিউস আনবাউন্ড তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি।
মনে রাখার টিপস:
নরকের রাজা হওয়ার অহংকার শুধু জন মিলটনের প্যারাডাইজ লস্ট কাব্যের শয়তানের পক্ষেই মানানসই।
সঠিক উত্তর: C) Common
কেন সঠিক:
orphan শব্দটি দিয়ে এমন একটি শিশুকে বোঝায় যার বাবা বা মা কেউ বেঁচে নেই।
এটি ছেলে বা মেয়ে উভয় শিশুকে নির্দেশ করতে পারে।
তাই এটি একটি কমন জেন্ডার বা উভয় লিঙ্গ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Neuter — এটি জড়বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু orphan একজন জীবন্ত মানুষ।
B) Feminine — এটি শুধু স্ত্রীবাচক বোঝায়, অথচ orphan ছেলে বা মেয়ে উভয়ই হতে পারে।
C) Common — এটি সঠিক কারণ শব্দটি একই সাথে নর ও নারী উভয় শিশুকে বোঝাতে পারে।
D) Masculine — এটি শুধু পুরুষবাচক বোঝায়, কিন্তু orphan মেয়ে শিশুও হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, তাকে Common Gender বলে।
সঠিক উত্তর: D) Works
কেন সঠিক:
shakespeare-এর সমগ্র সাহিত্যকর্ম বোঝাতে 'Works' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে কবিতা, নাটক এবং গদ্য সব সাহিত্যকর্ম একত্রে বোঝানো হয়েছে।
তাই এখানে সঠিক বহুবচন হিসেবে 'Works' প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Poem — এটি একবচন এবং শেক্সপিয়ারের সব সৃষ্টিকে এককভাবে বোঝায় না।
B) Play — শেক্সপিয়ারের শুধু নাটক বোঝায়, কিন্তু তাঁর অন্যান্য রচনা বাদ পড়ে যায়।
C) Drama — এটি কেবল নাটক নির্দেশ করে, যা সাহিত্যকর্মের সমগ্রতাকে প্রকাশ করে না।
D) Works — এটি সঠিক কারণ এটি তাঁর সমগ্র সাহিত্যকর্মকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিখ্যাত লেখকের সমস্ত সাহিত্যকর্ম বোঝাতে 'Works' শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Sheep
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু নির্দিষ্ট নাউনের সিঙ্গুলার ও প্লুরাল রূপ একই থাকে।
- Sheep শব্দের ক্ষেত্রে একবচন ও বহুবচন উভয়ক্ষেত্রেই একই বানান ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sheeps — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ Sheep শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত এস যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না।
B) Sheep — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দের সিঙ্গুলার ও প্লুরাল রূপ একই।
C) Sheepes — এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান কারণ ইংরেজি নিয়মে ইএস যুক্ত করে এর প্লুরাল করা হয় না।
D) Sheepse — এটি একটি ভুল গঠন এবং ইংরেজি শব্দভাণ্ডারে এর কোনো অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
Sheep, Deer, Fish ইত্যাদি শব্দের ক্ষেত্রে একবচন ও বহুবচন একই থাকে, তাই এদের সঙ্গে এস বা ইএস যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: C) Energetic
কেন সঠিক:
- Slothful শব্দের অর্থ অলস বা কর্মবিমুখ, যার বিপরীত বা অ্যান্টনিম হলো উদ্যমী বা কর্মঠ।
- Energetic শব্দের অর্থ শক্তিময় বা উদ্যমী, যা Slothful শব্দের পুরোপুরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Playful — এর অর্থ চঞ্চল বা কৌতুকপূর্ণ, যা অলস শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) Sluggish — এর অর্থ মন্থর বা শ্লথ, যা Slothful শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Energetic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই।
D) Quarrelsome — এর অর্থ ঝগড়াকুটে, যা অলস বা উদ্যমী কোনোটিকেই নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Slothful অর্থ অলস এবং Energetic অর্থ উদ্যমী; আলসেমি দূর করতে শক্তি বা এনার্জি লাগে, এভাবেই বিপরীত অর্থ মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: ক) Scenic
কেন সঠিক:
Panoramic শব্দের অর্থ হলো চারপাশের বিস্তৃত দৃশ্য বা নয়নাভিরাম।
Scenic শব্দটি দিয়েও সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Scenic — এটি সঠিক উত্তর।
খ) Narrow — এর অর্থ সংকীর্ণ বা ছোট।
গ) Limited — এর অর্থ সীমাবদ্ধ।
ঘ) Restricted — এর অর্থ নিয়ন্ত্রিত বা বাধাপ্রাপ্ত।
মনে রাখার টিপস:
Panoramic শব্দে বিস্তৃত দৃশ্য বোঝায় আর Scenic সুন্দর দৃশ্য বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) Justify the ways of God to man
কেন সঠিক:
জন মিলটনের মহাকাব্য প্যারাডাইস লস্ট লেখার মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের কাছে ঈশ্বরের কাজ এবং বিচারকে ন্যায়সঙ্গতভাবে তুলে ধরা।
বাইবেলের কাহিনীর মাধ্যমে তিনি দেখাতে চেয়েছেন মানুষের জীবনে যা ঘটে তার পেছনে ঈশ্বরের উদ্দেশ্য সবসময় সৎ ও সঠিক থাকে।
মানুষের আদি পাপ এবং তার পরিণতি কেন ঘটেছিল তা ঈশ্বরের সার্বভৌমত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করাই ছিল কবির প্রধান লক্ষ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Justify the ways of man to God — মানুষ কখনোই ঈশ্বরের কাজকে বিচার বা ন্যায়সঙ্গত প্রমাণ করার অধিকার বা ক্ষমতা রাখে না।
B) Show that Satan and God have equal power — মিলটন কখনোই শয়তান ও ঈশ্বরকে সমান শক্তিশালী হিসেবে দেখাননি, কারণ ঈশ্বরই সর্বশক্তিমান।
D) Explain why both good and evil are necessary — ভালো ও মন্দের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা এই মহাকাব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল না, বরং ঈশ্বরের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই লক্ষ্য ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মিলটনের প্যারাডাইস লস্ট মানেই মানুষের কাছে ঈশ্বরের ন্যায়বিচার তুলে ধরা, তাই জাস্টিফাই শব্দটির সাথে গড টু ম্যান যুক্ত হবে।
সঠিক উত্তর: C) To tolerate
কেন সঠিক:
এখানে 'put up with' একটিPhrasal verb যার অর্থ সহ্য করা। প্রদত্ত বাক্যে বক্তা তার আচরণ আর সহ্য করতে পারছেন না বোঝাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To protect — protect শব্দের অর্থ রক্ষা করা, যা সহ্য করা অর্থের সাথে মেলে না।
B) To terminate — terminate শব্দের অর্থ শেষ করা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) To tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) To prevent — prevent শব্দের অর্থ প্রতিরোধ করা, যা put up with এর সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Put up with দেখলে সহ্য করা বা tolerate কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ৫০ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
মাতা ও কন্যার বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৬০ বছর
৫ বছর আগে মাতার বয়স ছিল কন্যার বয়সের ৪ গুণ
ধরি,
৫ বছর আগে কন্যার বয়স ছিল = ক বছর
৫ বছর আগে মাতার বয়স ছিল = ৪ × ক বছর
অতএব,
বর্তমানে কন্যার বয়স = ক + ৫ বছর
বর্তমানে মাতার বয়স = ৪ × ক + ৫ বছর
সুতরাং,
ক + ৫ + ৪ × ক + ৫ = ৬০
৫ × ক + ১০ = ৬০
অতএব,
৫ × ক = ৫০
ক = ১০
সুতরাং,
৫ বছর আগে কন্যার বয়স ছিল = ১০ বছর
৫ বছর আগে মাতার বয়স ছিল = ৪০ বছর
অতএব,
বর্তমানে কন্যার বয়স = ১০ + ৫ = ১৫ বছর
বর্তমানে মাতার বয়স = ৪০ + ৫ = ৪৫ বছর
সুতরাং,
৭ বছর পর মাতার বয়স হবে = ৪৫ + ৭ = ৫২ বছর
উত্তর: C) ৫০ বছর
সঠিক উত্তর: C) ৪a + ১
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো −৪a^২ + ২৩a + ৬
রাশিটির একটি উৎপাদক হলো (৬ − a)
ধরি,
অপর উৎপাদকটি হলো (xa + y)
উৎপাদকদ্বয়ের গুণফল মূল রাশির সমান হবে
অতএব,
(৬ − a) × (xa + y) = −৪a^২ + ২৩a + ৬
গুণ করে পাই, ৬xa + ৬y − xa^২ − ay = −৪a^২ + ২৩a + ৬
সুতরাং,
a^২ এর সহগ তুলনা করে পাই, −x = −৪ অর্থাৎ x = ৪
ধ্রুবক পদ তুলনা করে পাই, ৬y = ৬ অর্থাৎ y = ১
উত্তর: ৪a + ১
সঠিক উত্তর: C) ৩m
প্রদত্ত তথ্য:
m একটি বিজোড় সংখ্যা
ধরি,
m এর মান ১, যা একটি বিজোড় সংখ্যা
অতএব,
A অপশনের মান = ২ × ১ = ২, যা একটি জোড় সংখ্যা
B অপশনের মান = ১ এর বর্গ + ১ = ১ + ১ = ২, যা একটি জোড় সংখ্যা
C অপশনের মান = ৩ × ১ = ৩, যা একটি বিজোড় সংখ্যা
সুতরাং,
D অপশনের মান = (৩ × ১) + ১ = ৪, যা একটি জোড় সংখ্যা
উত্তর: ৩m
সঠিক উত্তর: C) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
উপস্থিত ও অনুপস্থিত ছাত্র সংখ্যার অনুপাত = ৪ : ১
ধরি,
উপস্থিত ছাত্র সংখ্যা = ৪ক
অনুপস্থিত ছাত্র সংখ্যা = ১ক
অতএব,
মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪ক + ১ক = ৫ক
সুতরাং,
অনুপস্থিত ছাত্র সংখ্যার শতকরা হার = (১ক ÷ ৫ক) × ১০০% = ২০%
উত্তর: ২০%
সঠিক উত্তর: A) ২০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির দৈর্ঘ্য = ২০ মিটার
উন্নতির কোণ = ৪৫°
ধরি,
খুঁটির ছায়ার দৈর্ঘ্য = x মিটার
অতএব,
ত্রিকোণমিতির সূত্রানুযায়ী, ট্যান ৪৫° = খুঁটির দৈর্ঘ্য ÷ ছায়ার দৈর্ঘ্য
এখানে ট্যান ৪৫° এর মান = ১
সুতরাং, ১ = ২০ ÷ x
সুতরাং,
x এর মান = ২০ মিটার
উত্তর: ২০ মিটার
সঠিক উত্তর: A) −৩
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো মডুলাস x − ২ লেস দেন অর ইকুয়াল ৫
ধরি,
মডুলাস উঠিয়ে দিলে পাই মাইনাস ৫ লেস দেন অর ইকুয়াল x − ২ লেস দেন অর ইকুয়াল ৫
অতএব,
অসমতার মাঝখান থেকে ২ বাদ দিতে সব পক্ষে ২ যোগ করি
মাইনাস ৫ + ২ লেস দেন অর ইকুয়াল x লেস দেন অর ইকুয়াল ৫ + ২
সুতরাং,
হিসাব করে পাই মাইনাস ৩ লেস দেন অর ইকুয়াল x লেস দেন অর ইকুয়াল ৭
উত্তর: −৩
সঠিক উত্তর: D) ০.৩৪৭৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৭
প্রدত্ত তথ্য:
A অনুপাত B = ২ অনুপাত ৩
B অনুপাত C = ৪ অনুপাত ৫
C অনুপাত D = ১০ অনুপাত ১৪
ধري,
প্রথম অনুপাত = ২ ভাগ ৩
দ্বিতীয় অনুপাত = ৪ ভাগ ৫
তৃতীয় অনুপাত = ১০ ভাগ ১৪
অতএব,
প্রথম হিসাব = ২ গুণ ৪ গুণ ১০
দ্বিতীয় হিসাব = ৩ গুণ ৫ গুণ ১৪
তৃতীয় হিসাব = ৮০ ভাগ ২১০
সুতরাং,
চূড়ান্ত হিসাব = ৮০ ভাগ ২১০ সমান ১৬ ভাগ ৪২
উত্তর: ০.৩৪৭৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৭
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + (১ ÷ x) = √৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x^৩ + (১ ÷ x^৩)
আমরা জানি, a^৩ + b^৩ এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a + b)^৩ − ৩ab(a + b)
এখানে a এর জায়গায় x এবং b এর জায়গায় ১ ÷ x বসাতে হবে
অতএব,
মান বসিয়ে পাই, (x + ১ ÷ x)^৩ − ৩ × x × (১ ÷ x) × (x + ১ ÷ x)
এখন (x + ১ ÷ x) এর মান √৩ এখানে বসাতে হবে
তাহলে রাশিটি দাঁড়ায়, (√৩)^৩ − ৩ × √৩
সুতরাং,
(√৩)^৩ মানে ৩√৩ এবং পরবর্তী অংশ হলো ৩√৩
এখন ৩√৩ থেকে ৩√৩ বিয়োগ করতে হবে
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: C) −১
প্রদত্ত তথ্য:
অপেক্ষকটি হলো f(x) = x^২ + ১ ÷ (x − ১)
এখানে x এর মান শূন্য বসাতে হবে
ধরি,
x = ০
অতএব,
f(০) = (০)^২ + ১ ÷ (০ − ১)
সুতরাং,
f(০) = ০ + ১ ÷ (−১)
উত্তর: −১
সঠিক উত্তর: C) A
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ = ২, ৩, ৫
সেট বি = ২, ৩, ৪, ৫, ৬
ধরি,
এ ইন্টারসেকশন বি মানে এ এবং বি উভয় সেটের কমন উপাদান
অতএব,
সেট এ এর উপাদানগুলো হলো দুই, তিন এবং পাঁচ
সেট বি এর উপাদানগুলোর মধ্যে দুই, তিন এবং পাঁচ উপস্থিত আছে
সুতরাং,
কমন উপাদান নিয়ে গঠিত সেটটি দাঁড়ায় ২, ৩, ৫ যা সেট এ এর সমান
উত্তর: A
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিমালা দেওয়া আছে
রাশিটি হলো x এর ঘাত চার ভাগ x এর ঘাত ছয় গুণ x এর ঘাত দুই
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি = (x^৪ ÷ x^৬) × x^২
অতএব,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভাগের ক্ষেত্রে শক্তি বিয়োগ হয়
ফলে প্রথম অংশটি হয় x এর ঘাত চার বিয়োগ ছয়
সুতরাং,
এটি দাঁড়ায় x এর ঘাত বিয়োগ দুই গুণ x এর ঘাত দুই
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ৩√২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ হলো log_x ৩২৪ = ৪
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী সমীকরণটি লেখা যায়
x এর পাওয়ার ৪ = ৩২৪
অতএব,
৩২৪ সংখ্যাটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
৩২৪ = ৪ × ৮১
সুতরাং,
x এর পাওয়ার ৪ = ৩ × ৩ × ৩ × ৩ × √২ × √২ × √২ × √২
উত্তর: x = ৩√২
সঠিক উত্তর: B) ২৮, ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৭ : ৫
সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু. ১৪০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৭ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
এখানে ৭ এবং ৫ এর ল.সা.গু. হলো ৩৫ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৩৫ক = ১৪০
ক = ১৪০ ÷ ৩৫
ক = ৪
সুতরাং,
প্রথম সংখ্যাটি = ৭ × ৪ = ২৮
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০
উত্তর: ২৮, ২০
সঠিক উত্তর: C) ২ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
ক সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারে ৩ দিনে
খ সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারে ৬ দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
ক ১ দিনে করতে পারে = ১ ÷ ৩ অংশ
খ ১ দিনে করতে পারে = ১ ÷ ৬ অংশ
সুতরাং,
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করতে পারে = (১ ÷ ৩) + (১ ÷ ৬) অংশ = (২ + ১) ÷ ৬ অংশ = ৩ ÷ ৬ অংশ = ১ ÷ ২ অংশ
উত্তর: ক ও খ একত্রে কাজটি শেষ করতে পারবে ২ দিনে
সঠিক উত্তর: A) √৫a একক
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক
আয়তক্ষেত্রের অপর বাহুর দৈর্ঘ্য = ২a একক
ধরি,
দৈর্ঘ্য (l) = ২a একক
প্রস্থ (w) = a একক
কর্ণের দৈর্ঘ্য = d একক
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী কর্ণের সূত্রটি হবে
d = √(দৈর্ঘ্যের ওপর বর্গ + প্রস্থের ওপর বর্গ)
সুতরাং,
d = √((২a)² + a²)
d = √(৪a² + a²)
উত্তর: √৫a একক
সঠিক উত্তর: A) ৫৫ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ এবিসি এর একটি কোণ ৩৫ ডিগ্রি
এক বাহুর উপর বর্গের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান
ধরি,
ত্রিভুজটির বাহু তিনটি হলো এ, বি এবং সি
পিথাগোরাসের বিপরীত উপপাদ্য অনুযায়ী ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
সমকোণটির মান ৯০ ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
একটি কোণ হলো ৩৫ ডিগ্রি
অপর কোণটি হলো ৯০ ডিগ্রি
সুতরাং,
তৃতীয় কোণটি = ১৮০ ডিগ্রি − (৯০ ডিগ্রি + ৩৫ ডিগ্রি)
তৃতীয় কোণটি = ১৮০ ডিগ্রি − ১২৫ ডিগ্রি
উত্তর: ৫৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) ৪n − ৩
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ১৩
ধরি,
এটি একটি সমান্তর ধারা
প্রথম পদ, a = ১
সাধারণ অন্তর, d = ৫ − ১ = ৪
অতএব,
n তম পদ নির্ণয়ের সূত্রটি হলো
পদ = a + (n − ১) × d
সুতরাং,
n তম পদ = ১ + (n − ১) × ৪
= ১ + ৪n − ৪
উত্তর: ৪n − ৩
সঠিক উত্তর: A) (১/২) × (১/২)
প্রদত্ত তথ্য:
একটি ক্রিকেট ম্যাচে দুটি দল টস করছে।
বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার টস জেতার ঘটনা স্বাধীন।
ধরি,
প্রথমবার বাংলাদেশের টস জেতার সম্ভাবনা = ১/২
দ্বিতীয়বার অস্ট্রেলিয়ার টস জেতার সম্ভাবনা = ১/২
অতএব,
উভয় ঘটনার একত্রে ঘটার সম্ভাবনা নির্ণয় করতে হবে।
এখানে গুণ সূত্র প্রয়োগ করতে হবে।
প্রথম সম্ভাবনা এবং দ্বিতীয় সম্ভাবনা গুণ করতে হবে।
সুতরাং,
নির্ণয় সম্ভাবনা = (১/২) × (১/২)
উত্তর: (১/২) × (১/২)
সঠিক উত্তর: A) ৪৫ বার
প্রদত্ত তথ্য:
মোট লোকসংখ্যা = ১০ জন
ধরি,
প্রত্যেক ব্যক্তি একে অপরের সাথে একবার করে করমর্দন করে
দুজন ব্যক্তির মধ্যে একবার করমর্দন সম্পন্ন হয়
সংম্বন্ধের সূত্রটি হলো এন ইনটু এন মাইনাস ওয়ান ভাগ দুই
অতএব,
এন এর মান = ১০
দশ গুণন নয় ভাগ দুই
নব্বই ভাগ দুই
সুতরাং,
মোট করমর্দন সংখ্যা = ৪৫ বার
উত্তর: ৪৫ বার
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা
সঠিক উত্তর: C) স্টক মার্কেট
কেন সঠিক:
- সেকেন্ডারি মার্কেট এমন একটি আর্থিক বাজার যেখানে পূর্বে ইস্যু করা শেয়ার, বন্ড ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কেনাবেচা হয়।
- স্টক মার্কেট বা পুঁজিবাজার হলো এই সেকেন্ডারি বাজারের সবচেয়ে পরিচিত এবং প্রধান উদাহরণ, যেখানে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রম বাজার — এটি এমন একটি বাজার যেখানে শ্রমিক বা কর্মীরা তাদের শ্রম বিক্রি করেন এবং নিয়োগকর্তারা তা ক্রয় করেন, যার সাথে শেয়ার বা সিকিউরিটিজের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) চাকরি বাজার — এটি কর্মসংস্থান বা চাকরির সুযোগ খোঁজার একটি ক্ষেত্র, যা আর্থিক সিকিউরিটিজ বা পুঁজি বাজারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) স্টক মার্কেট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই সেকেন্ডারি মার্কেটের প্রধান কার্যক্রম অর্থাৎ পূর্বে ইস্যু করা শেয়ারের হাতবদল ঘটে।
D) কৃষি বাজার — এটি কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের বাজার, যা আর্থিক বাজার বা সিকিউরিটিজ লেনদেনের আওতাভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেয়ার বা সিকিউরিটিজ প্রথমবার ইস্যু হয় প্রাইমারি মার্কেটে এবং পরবর্তীতে তা হাতবদল হয় সেকেন্ডারি বা স্টক মার্কেটে।
সঠিক উত্তর: A) রাতারগুল জলাবন
কেন সঠিক:
- রাতারগুল জলাবন বাংলাদেশের একমাত্র জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট, যেখানে মিষ্টি পানিতে জন্মানো বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদ ও বিশেষ প্রজাতির গাছপালা রয়েছে।
- বন্য গোলাপ মূলত এই ধরনের আর্দ্র ও জলমগ্ন বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশেই প্রাকৃতিকভাবে জন্মায় যা দেশের অন্য কোনো বনে সচরাচর দেখা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাতারগুল জলাবন — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র জলাবন যেখানে বন্য গোলাপ প্রাকৃতিকভাবে জন্মে।
B) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল — এটি পাহাড়ি চিরহরিৎ বনভূমি এবং এখানে বন্য গোলাপের উপযোগী জলাভূমির পরিবেশ নেই।
C) মধুপুর বনাঞ্চল — এটি মধুপুর গড়ের শালবন বা পাতাঝরা বন যার পরিবেশ জলাবনের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
D) সুন্দরবন — এটি উপকূলীয় লবণাক্ত ম্যানগ্রোভ বন যেখানে মিষ্টি পানির জলজ উদ্ভিদ বন্য গোলাপ জন্মাতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
জলাবনের জলে ফোটে গোলাপ ফুল, রাতারগুল তার নাম মূল।
সঠিক উত্তর: B) সত্যজিৎ রায়
কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায় ১৯৯২ সালে চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য একাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কারের অনারারি লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাঙালি হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুস্মিতা সেন — ইনি ভারতের একজন অভিনেত্রী এবং ১৯৯৪ সালে মিস ইউনিভার্স খেতাব অর্জন করেন, তবে তিনি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড পাননি।
B) সত্যজিৎ রায় — এটি সঠিক উত্তর।
C) অমর্ত্য সেন — ইনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ, তবে তিনি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড পাননি।
D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর বি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
চলচ্চিত্রে অস্কার বা একাডেমি অ্যাওয়ার্ড জয়ী প্রথম বাঙালি হলেন সত্যজিৎ রায়, যিনি ১৯৯২ সালে এই সম্মান লাভ করেন।
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
কেন সঠিক:
- চাণক্য ছিলেন প্রাচীন ভারতের মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধান মন্ত্রী ও প্রধান উপদেষ্টা।
- তিনি কৌটিল্য বা বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত এবং অর্থশাস্ত্র গ্রন্থের রচয়িতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাণক্য তাঁরই প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর সহায়তায় নন্দ বংশের পতন ঘটিয়ে মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত — ইনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজা ছিলেন, যিনি চাণক্যের সময়কাল থেকে প্রায় পাঁচশ বছর পরে ক্ষমতায় আসেন।
সি) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত — ইনিও গুপ্ত রাজবংশের বিখ্যাত সম্রাট ছিলেন, যাঁর সঙ্গে চাণক্যের কোনো ঐতিহাসিক কালগত সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) সমুদ্রগুপ্ত — ইনিও গুপ্ত সাম্রাজ্যের একজন পরাক্রমশালী সম্রাট ছিলেন এবং প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের অন্য একটি সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্তের নাম মনে রাখলেই তাঁর বিখ্যাত গুরু ও প্রধানমন্ত্রী চাণক্যকে মনে রাখা সহজ হয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক তথ্য
সঠিক উত্তর: C) ড. নিয়াজ জামান
কেন সঠিক:
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক ও সাহিত্যিক ড. নিয়াজ জামান শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ২০২৫ সালে একুশে পদক লাভ করেন।
- বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে তার দীর্ঘ সাধনা ও উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই জাতীয় সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৌতম বুদ্ধ দাস — ইনি শিক্ষা ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের একুশে পদকপ্রাপ্ত নন, অন্য কোনো ক্ষেত্রে পরিচিত ব্যক্তিত্ব।
B) প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু — ইনিও শিক্ষা বিভাগে ২০২৫ সালের একুশে পদকের জন্য নির্বাচিত হননি।
C) ড. নিয়াজ জামান — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়।
D) শাহনাজ সুলতানা — ইনি ২০২৫ সালের শিক্ষাক্ষেত্রের একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৫ সালের একুশে পদক পান বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. নিয়াজ জামান।
সঠিক উত্তর: C) বিদ্যুৎ উৎপাদনে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের সর্বocas অংশ বা সিংহভাগ ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য।
- দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের এই সর্বোচ্চ ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার কারখানায় — গ্যাস ব্যবহৃত হলেও তা বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণের তুলনায় বেশ কম।
B) সিমেন্ট কারখানায় — সিমেন্ট উৎপাদনে প্রধানত কয়লা, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহৃত হয়, গ্যাস প্রধান উৎস নয়।
C) বিদ্যুৎ উৎপাদনে — এটি সঠিক এবং মূল উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) রান্নার কাজে — রান্নার কাজে (এলপিজি এবং গৃহস্থালি লাইন) গ্যাসের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হলেও তা বিদ্যুৎ খাতের চেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাস খরচের দিক থেকে রাজা বিদ্যুৎ উৎপাদন।
সঠিক উত্তর: A) ২৫ মার্চ, ২০১০
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর অধীনে এই ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়।
- ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ মার্চ, ২০১০ — এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ।
B) ১৫ নভেম্বর, ২০১০ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক তারিখ নয়, তাই অপশনটি ভুল।
C) ১ সেপ্টেম্বর, ২০১০ — এটি ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক তারিখ নয়।
D) ৭ নভেম্বর, ২০১০ — এই তারিখে ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার মাস মার্চের পঁচিশ তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল বলে তারিখটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) ষোড়শ
কেন সঠিক:
- ২০১৪ সালে পাস হওয়া সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রভিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়।
- এই সংশোধনীর ফলে বিচারকদের অসদাচরণ বা অক্ষমতা তদন্ত করে অপসারণের ক্ষমতা সংসদের নির্দিষ্ট কমিটির হাতে দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষোড়শ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই সংশোধনীর মাধ্যমেই বিচারক অপসারণের ক্ষমতা সংসদে দেওয়া হয়েছিল।
B) পঞ্চদশ — ২০১১ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল এবং সংবিধানের প্রস্তাবনা ও মূলনীতিতে পরিবর্তন আনা হয়।
C) ত্রয়োদশ — ১৯৯৬ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল।
D) চতুর্দশ — ২০০৪ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সাংবিধানিক পদের মেয়াদ বাড়ানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিচারকদের ক্ষমতা সংসদের হাতে যাওয়ার বিষয়টি ষোড়শ সংশোধনী হিসেবে মনে রাখতে সংখ্যা ষোড়শ এবং সংসদ শব্দ দুটি একসাথে মেলানো যায়।
সঠিক উত্তর: C) ইমদাদ হোসেন
কেন সঠিক:
- ইমদাদ হোসেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও ডিজাইনার যিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগো ডিজাইন করেছেন।
- তাঁর শিল্পকর্মে দেশীয় সংস্কৃতি ও আধুনিকতার এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাইয়ুম চৌধুরী — তিনি প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও প্রচ্ছদশিল্পী হলেও বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগো ডিজাইন করেননি।
B) কামরুল হাসান — তিনি পটুয়া খ্যাত বরেণ্য চিত্রশিল্পী এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ও জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার।
C) ইমদাদ হোসেন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগোটির নকশা তৈরি করেছিলেন।
D) মোস্তফা মনোয়ার — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, puppeteer এবং বিটিভির বিভিন্ন শৈল্পিক কাজের সাথে যুক্ত থাকলেও এই লোগোর ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
টিভি স্ক্রিনে যখন লোগো দেখবে, মনে রাখবে এর নকশা করেছিলেন শিল্পী ইমদাদ হোসেন।
সঠিক উত্তর: D) মেগাস্থিনিস
কেন সঠিক:
- মেগাস্থিনিস ছিলেন প্রাচীন গ্রিক স্লাউসাস সাম্রাজ্যের একজন রাজদূত, যিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় অবস্থানকালে মৌর্য সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে ইন্ডিকা গ্রন্থটি রচনা করেন।
- এই গ্রন্থে প্রাচীন ভারতের সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং পাটলিপুত্র নগরীর বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলেকজান্ডার — তিনি গ্রিক বীর ও বিজেতা ছিলেন, যিনি ভারত আক্রমণ করলেও কোনো গ্রন্থ রচনা করেননি।
B) কৌটিল্য — তিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম অর্থশাস্ত্র।
C) ফা-হিয়েন — তিনি একজন চৈনিক পরিব্রাজক ছিলেন এবং তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্তের নাম ফোকুওকি।
D) মেগাস্থিনিস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
মনে রাখার টিপস:
মেগাস্থিনিসের নামের সাথে ইন মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে তিনি ইন্ডিকা গ্রন্থের রচয়িতা।
সঠিক উত্তর: B) ২০১২
কেন সঠিক:
- বর্তমান জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত ও অনুমোদিত হয় ২০১২ সালে।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার যথাযথ নিয়ন্ত্রণ এবং মানবসম্পদে রূপান্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ — এই সালে কোনো নতুন জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়নি।
B) ২০১২ — এটি সঠিক উত্তর।
C) ২০১৪ — এই সালে নতুন কোনো জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়নি।
D) ২০১৮ — এই সালে জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়নি, তবে অন্যান্য নীতিমালা প্রণীত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় ২০১২ সালে, যেখানে সংখ্যাটি মনে রাখতে দুইয়ের জোড়া অর্থাৎ ২০১২ সাল মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) প্রত্যক্ষ
কেন সঠিক:
- যে করের বোঝা বা আর্থিক দায় সরাসরি করদাতার ওপর বর্তায় এবং তা অন্য কারো ওপর স্থানান্তর করা যায় না, তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
- ভূমি বা জমির ওপর ধার্যকৃত ভূমিকর সরাসরি জমির মালিক প্রদান করেন এবং এর ভার অন্য কারো ওপর চাপানো যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যক্ষ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভূমিকরের বোঝা অন্য কারো ওপর স্থানান্তর করা যায় না।
B) পরোক্ষ — পরোক্ষ করের বোঝা অন্য কারো ওপর স্থানান্তর করা যায় যেমন ভ্যাট বা শুল্ক, যা ভূমিকরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) মূল্য সংযোজন — মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট হলো এক ধরনের পরোক্ষ কর, যা পণ্যের ক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
D) উন্নয়ন — উন্নয়ন কর বা surcharge হলো অতিরিক্ত করের একটি রূপ, যা সাধারণ ভূমি করের সরাসরি বিকল্প বা সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না।
মনে রাখার টিপস:
যে করের বোঝা সরাসরি নিজের কাঁধে বহন করতে হয় এবং অন্য কাউকে দেওয়া যায় না, সেটিই হলো প্রত্যক্ষ কর।
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মূল বসবাস সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এই জেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠী বাস করলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় সংখ্যায় কম।
B) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই মনিপুরী জনগোষ্ঠী সর্বাধিক বসবাস করে।
C) হবিগঞ্জ — এই জেলায় অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থাকলেও মনিপুরী জনগোষ্ঠীর ঘনত্ব কম।
D) সুনামগঞ্জ — এই জেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য কোনো বসতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
মম দিয়ে মনে রাখতে পারেন, মনিপুরী বেশি মৌলভীবাজারে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৬৪টি
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।
- সাম্প্রতিক হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত জিআই পণ্যের মোট সংখ্যা ৬৪টিতে উন্নীত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫০টি — এটি একটি পুরনো সংখ্যা এবং বর্তমান নিবন্ধিত জিআই পণ্যের প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে কম।
B) ৪৭টি — এটি আগের একটি হিসাব যা সাম্প্রতিক নতুন পণ্য নিবন্ধনের কারণে পরিবর্তিত হয়েছে।
C) ৫৬টি — এটিও বিগত সময়ের একটি উপাত্ত এবং বর্তমান মোট জিআই পণ্যের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি।
D) ৬৪টি — এটি বর্তমান হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী সঠিক এবং নিবন্ধিত জিআই পণ্যের সর্বশেষ সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা যেমন ৬৪টি, ঠিক তেমনি বর্তমানে নিবন্ধিত ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের সংখ্যাও ৬৪টি।
সঠিক উত্তর: B) সাজেক ভ্যালি
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত হলেও এর সর্বোচ্চ উচ্চতা এবং মেঘের ওপর অবস্থানের জন্য এটিকে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়।
- পাহাড়ের চূড়া থেকে চারপাশের মেঘের রাজ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার সুবিধার কারণে এই নাম দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাজাছড়া ঝর্ণা — এটি রাঙামাটির একটি জনপ্রিয় জলপ্রপাত বা ঝর্ণা, যা পাহাড়ের ছাদ হিসেবে পরিচিত নয়।
B) সাজেক ভ্যালি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি রাঙামাটির ছাদ নামে পরিচিত।
C) যমচুগ বনবিহার — এটি রাঙামাটির একটি বৌদ্ধ ধর্মীয় ও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করার স্থান, যা পাহাড়ের ছাদ নয়।
D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাজেক পাহাড়ের অনেক উঁচুতে মেঘের রাজ্যে অবস্থিত বলে একে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪
কেন সঠিক:
- ভারত সরকার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে গোমতী নদীর ওপর ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণ কাজ ১৯৭৪ সালে সম্পন্ন করে।
- এই বাঁধটি বাংলাদেশের কুমিল্লার গোমতী নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও বাঁধের বিরূপ প্রভাবের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৮ — এই সালে ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৫৫ — এই সালটি ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৬৪ — এই সালে ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি।
D) ১৯৭৪ — এটি সঠিক সাল কারণ এই বছরেই বাঁধটির নির্মাণকাজ শেষ হয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭১ সালের ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ভারত ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণ করে।
সঠিক উত্তর: B) Bing
১. কেন সঠিক:
- Bing কোনো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি মাইক্রোসফটের একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
- সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম হলো এমন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের অ্যাকাউন্ট তৈরি করে বন্ধু বা অন্য ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে, কনটেন্ট শেয়ার করে এবং মতামত প্রকাশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো কিওয়ার্ড বা শব্দ লিখে সার্চ করলে এটি ডাটাবেজ থেকে প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইট বা তথ্যের তালিকা প্রদর্শন করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তথ্য, ছবি, ভিডিও বা ডকুমেন্ট খুঁজে পাওয়ার কাজে এটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Google Search
ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট থেকে যেকোনো তথ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: Yahoo Search
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি ঐতিহ্যবাহী সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীদের ওয়েব ব্রাউজিং ও তথ্য অনুসন্ধানের সেবা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Twitter — এটি একটি মাইক্রোব্লগিং ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট বার্তা বা টুইট শেয়ার করে।
B) Bing — এটি কোনো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি মাইক্রোসফটের একটি সার্চ ইঞ্জিন।
C) Instagram — এটি একটি জনপ্রিয় ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং ভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
D) Facebook — এটি বিশ্বের বৃহত্তম সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক যা মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ মানুষের সাথে যোগাযোগ করে, আর সার্চ ইঞ্জিনে মানুষ তথ্য খুঁজে।
- Bing, Google ও Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন, আর Facebook, Twitter ও Instagram হলো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সার্চ ইঞ্জিন এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন হলো Bing এবং গুগলের সার্চ ইঞ্জিন হলো Google Search।
সঠিক উত্তর:
C) File Transfer Protocol
১. কেন সঠিক:
- FTP হলো ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল আদান-প্রদান করার একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল।
- এটি ক্লায়েন্ট ও সার্ভার আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং ডেটা স্থানান্তরের জন্য টিসিপি কানেকশন ব্যবহার করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: FTP বা ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল হলো এমন এক সেট নিয়ম যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফাইল আপলোড ও ডাউনলোড করতে সাহায্য করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ফাইল আদান-প্রদানের জন্য দুটি আলাদা পোর্ট ব্যবহার করে, যার একটি কন্ট্রোল কানেকশন এবং অন্যটি ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহার: ওয়েব ডেভেলপাররা তাদের লোকাল কম্পিউটার থেকে রিমোট হোস্টিং সার্ভারে ওয়েব পেজ আপলোড করার জন্য এটি ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাউড সার্ভারে ফাইল আপলোড
ব্যাখ্যা: কোনো বড় সাইটের ডেটা বা ছবি যখন কোনো ডেডিকেটেড সার্ভারে পাঠানো হয়, তখন এই প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ওয়েবসাইট মেইনটেনেন্স
ব্যাখ্যা: ওয়েব ডিজাইনাররা তাদের কোড ফাইলগুলো সার্ভারে স্থাপন বা আপডেট করার জন্য ফাইল ট্রান্সফার সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) File Text Protocol — এই নামে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত প্রোটোকল নেই।
B) File transfer Process — প্রসেস শব্দটি টেকনিক্যাল প্রোটোকলের নামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এটি একটি সাধারণ প্রক্রিয়া বোঝায়।
C) File Transfer Protocol — এটি সঠিক উত্তর কারণ নেটওয়ার্কে ফাইল আদান-প্রদানের জন্য নির্ধারিত প্রোটোকলের অফিসিয়াল নাম এটি।
D) Folder Transfer Protocol — ফোল্ডার সরাসরি ট্রান্সফার না করে ফাইল প্রোটোকলের মাধ্যমে ফাইল ও ডিরেক্টরি স্থানান্তর করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফাইল আদান-প্রদান বা ট্রান্সফার সম্পর্কিত যেকোনো নেটওয়ার্ক সেবায় প্রোটোকল শব্দটি যুক্ত থাকে।
- নামের প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে এফটিপি বা এফ-টি-পি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এটি আইএসপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল সুইটের অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের একটি প্রোটোকল।
- সিকিউর ফাইল স্থানান্তরের জন্য এর সুরক্ষিত সংস্করণ এসএফটিপি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর:
A) 128
১. কেন সঠিক:
- IP-V6 বা Internet Protocol Version 6 হলো ইন্টারনেটের নতুন প্রোটোকল।
- এটি ১২৮ বিটের ঠিকানাবিশিষ্ট হওয়ায় বিপুল সংখ্যক ডিভাইসকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: IP-V6 হলো একটি নেটওয়ার্ক লেয়ার প্রোটোকল যা ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের জন্য অনন্য ঠিকানা প্রদান করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কাজ করে এবং কোলন দ্বারা বিভক্ত আটটি ব্লকে বিভক্ত থাকে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেটের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এবং IP-V4 ঠিকানার সংকট সমাধানের জন্য এটি আধুনিক নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মার্টফোন ও কম্পিউটার
ব্যাখ্যা: বর্তমান যুগের প্রতিটি ইন্টারনেট সংযুক্ত ডিভাইসে একটি নিজস্ব IP-V6 ঠিকানা থাকে যার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান হয়।
উদাহরণ ২: আইওটি ডিভাইস
ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট অব থিংস বা IoT প্রযুক্তিতে সেন্সর ও স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস সংযুক্ত করার জন্য IP-V6 ঠিকানা অপরিহার্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 128 — এটি সঠিক উত্তর কারণ IP-V6 ঠিকানার সাইজ ১২৮ বিট।
B) 32 — এটি ভুল কারণ ৩২ বিট হলো পুরোনো সংস্করণ IP-V4 ঠিকানার সাইজ।
C) 12 — এটি ভুল কারণ ১২ বিটের কোনো স্ট্যান্ডার্ড IP অ্যাড্রেস প্রচলিত নেই।
D) 6 — এটি ভুল কারণ ৬ বিট দ্বারা পর্যাপ্ত সংখ্যক ইন্টারনেট ঠিকানা তৈরি করা সম্ভব নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- IP-V4 মানে ৩২ বিট এবং IP-V6 মানে ১২৮ বিট।
- ১২৮ সংখ্যাটি ৩২ এর চারগুণ, যা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- IP-V4 ঠিকানার সাইজ ৩২ বিট এবং IP-V6 ঠিকানার সাইজ ১২৮ বিট।
- IP-V6 ঠিকানায় হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর:
B) 1284
১. কেন সঠিক:
রোমান সংখ্যা পদ্ধতি প্রাচীন রোমে ব্যবহৃত একটি সংখ্যা পদ্ধতি। এখানে প্রতিটি অক্ষরের নির্দিষ্ট দশমিক মান রয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী মানগুলো যোগ বা বিয়োগ করে মোট মান বের করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: রোমান সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ইংরেজি বর্ণমালার নির্দিষ্ট কিছু অক্ষর সংখ্যা প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: বড় মানের অক্ষরের বামে ছোট মানের অক্ষর থাকলে বিয়োগ করতে হয় এবং ডানে থাকলে যোগ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: VI সংখ্যাটির মান ৬
ব্যাখ্যা: এখানে V হলো ৫ এবং I হলো ১, বড় মানের ডানে ছোট মান থাকায় যোগ হয়ে ৫ + ১ = ৬ হয়েছে।
উদাহরণ ২: IV সংখ্যাটির মান ৪
ব্যাখ্যা: এখানে V হলো ৫ এবং এর বামে I বা ১ থাকায় ৫ থেকে ১ বিয়োগ হয়ে ৫ − ১ = ৪ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 784 — এটি ভুল কারণ DCCLXXXIV এর মান ৭ শত চৌুরাশি হয়, কিন্তু এখানে এম অক্ষরটি নেই।
B) 1284 — এটি সঠিক কারণ এম মানে এক হাজার, সিসি মানে দুই শত, এলএক্সএক্স মানে আশি এবং আইভি মানে চার।
C) 1234 — এটি ভুল কারণ শেষ অংশ ত্রুটিপূর্ণভাবে হিসাব করা হয়েছে এবং মান ছোট এসেছে।
D) 2284 — এটি ভুল কারণ এম অক্ষরটি দুইবার থাকলে দুই হাজার হতো, কিন্তু এখানে একটি এম আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
রোমান সংখ্যার মূল মানগুলো মনে রাখুন: আই মানে এক, ভি মানে পাঁচ, এক্স মানে দশ, এল মানে পঞ্চাশ, সি মানে একশত, ডি মানে পাঁচশত এবং এম মানে এক হাজার।
ডান দিকে ছোট সংখ্যা থাকলে যোগ করতে হবে এবং বাম দিকে ছোট সংখ্যা থাকলে বিয়োগ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর ও রোমান সংখ্যার মান নির্ণয় আসে।
রোমান সংখ্যা পদ্ধতিতে শূন্যের জন্য কোনো প্রতীক বা অক্ষর নেই।
সঠিক উত্তর: B) কানাডা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে ফ্রান্স উল্লেখ থাকলেও তা সঠিক নয়। সঠিক তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালে ৫২তম জি সেভেন শীর্ষ সম্মেলন কানাডায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
- জি সেভেন বিশ্বের প্রধান উন্নত অর্থনীতির সাতটি দেশের একটি অনানুষ্ঠানিক জোট, যা আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নীতি ও বৈশ্বিক সংকট নিয়ে আলোচনা করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জি সেভেন বা সেভেন কান্ট্রিস। এটি বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোর একটি ফোরাম।
- সদস্যদেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপান। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নও এর বৈঠকে অংশ নেয়।
- প্রেক্ষাপট: ১৯৭৫ সালে শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর সমন্বয়ে এই জোট গঠিত হয়। প্রতি বছর সদস্য দেশগুলোর ঘূর্ণয়মান সভাপতিত্বে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বৈশ্বিক অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যৌথ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা এর প্রধান কাজ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০২৪ সালের ৫০তম জি সেভেন শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি ইতালির আপুসিয়া অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর সাথে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
উদাহরণ ২: ২০২৩ সালের ৪৯তম জি সেভেন শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি জাপানের হিরোশিমাতে অনুষ্ঠিত হয় এবং ইউক্রেন যুদ্ধ ও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এই সম্মেলনের মূল ফোকাস ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এই অপশনটি ভুল কারণ ফ্রান্স ২০২৬ সালের সম্মেলনের আয়োজক দেশ নয়, তবে এটি জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
B) কানাডা — এটি সঠিক উত্তর। ঘূর্ণয়মান সভাপতিত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ৫২তম জি সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ কানাডা।
C) যুক্তরাজ্য — এই অপশনটি ভুল কারণ যুক্তরাজ্য এই নির্দিষ্ট বছরের আয়োজক দেশ নয়, তবে তারা এর আগে একাধিকবার এই সম্মেলন আয়োজন করেছে।
D) অস্ট্রেলিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ অস্ট্রেলিয়া জি সেভেন জোটের স্থায়ী সদস্য দেশ নয়, যদিও তাদের প্রায়ই অতিথি দেশ হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জি সেভেনের সদস্য দেশগুলোকে মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ধনী দেশগুলোর জোট হিসেবে কানাডা ও ইউরোপের প্রধান দেশগুলোকে মাথায় রাখা।
- আয়োজক দেশের ধারাবাহিকতা মনে রাখতে বিগত ও আগামী বছরের স্বাগতিক দেশের তালিকা একনজর দেখে নেওয়া ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক জি সেভেন বা জি কুড়ি সম্মেলনের স্থান ও সাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- আন্তর্জাতিক ফোরামের বর্তমান ও পরবর্তী বছরের আয়োজক দেশ সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ সালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য নির্ধারিত রয়েছে।
- বিমসটেক দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে যা আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: বিমসটেক বা বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন।
- প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ৬ জুন ১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিমসটেক পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার ভার্চুয়াল আয়োজনে পঞ্চম বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে মূল ফোকাস ছিল মুক্ত বাণিজ্য এলাকার ওপর।
উদাহরণ ২: সার্ক সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা যা বিমসটেকের সমান্তরাল আরেকটি আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং বিমসটেকভুক্ত কোনো দেশ এই রাষ্ট্রে অবস্থিত নয়।
B) ব্যাংকক, থাইল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা সম্মেলন আয়োজনের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
C) জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া — এটি আসিয়ানের সদর দপ্তর অবস্থিত শহর, যা বিমসটেকের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) ঢাকা, বাংলাদেশ — এটি বিমসটেকের সদর দপ্তর হলেও ষষ্ঠ সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিমসটেক সংস্থার জন্ম হয়েছিল ব্যাংককে ১৯৯৭ সালে এবং এর ষষ্ঠ সম্মেলনও থাইল্যান্ডের এই রাজধানীতেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- সদর দপ্তর ঢাকায় হলেও সম্মেলন ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সদস্য দেশগুলোতে অনুষ্ঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিমসটেকের বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি এবং এর পূর্ণরূপ কী, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় আসে।
- আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সার্কের বিকল্প হিসেবে বিমসটেকের গুরুত্ব পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার।
সঠিক উত্তর: B) ১১
১. কেন সঠিক:
ASEAN এর বর্তমান সদস্য দেশ ১১টি। ২০২৩ সালের ১১ই মে ইন্দোনেশিয়ার লাবুয়ান বাজোতে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে পূর্ব তিমুর বা টিমোর লিসেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে একাদশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: ASEAN (Association of Southeast Asian Nations) বা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা: ৮ই আগস্ট ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
সদর দপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
উদ্দেশ্য: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অগ্রগতি এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থায়িত্ব বজায় রাখা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা EU
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, যার বর্তমান সদস্য ২৭টি এবং এটি আঞ্চলিক সংহতির অনন্য উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সার্ক বা SAARC
ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যা এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — এটি পূর্ব তিমুর যুক্ত হওয়ার আগের সদস্যসংখ্যা ছিল, যা বর্তমানে পরিবর্তিত হয়েছে।
B) ১১ — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ পূর্ব তিমুর যুক্ত হওয়ার পর মোট সদস্য এখন ১১টি।
C) ৯ — এটি কখনোই আসিয়ান সদস্যসংখ্যা ছিল না, কারণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে সদস্য সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
D) ১২ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১২টিতে উন্নীত হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
আসিয়ান প্রতিষ্ঠার সময় প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল ৫টি এবং পরবর্তীতে আরও ৬টি দেশ যুক্ত হয়ে মোট সদস্যসংখ্যা ১১টিতে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ সদস্য হিসেবে পূর্ব তিমুরের যোগদানের সালটি মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আসিয়ানের সদর দপ্তর জাকার্তায় অবস্থিত এবং এর বর্তমান মহাসচিব কাউ কিম হর্ন। এই সংস্থা থেকে প্রায়ই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সদর দপ্তর এবং নবম বা একাদশ সদস্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ভারত
১. কেন সঠিক:
- বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে ভারত বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
- অতীতে দীর্ঘকাল ধরে চীন জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষে থাকলেও সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারত চীনকে অতিক্রম করেছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ: ভারত ও চীন যথাক্রমে বিশ্বের প্রথম ও দ্বিতীয় জনবহুল দেশ।
- প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ভারত জনসংখ্যার দিক থেকে চীনকে ছাড়িয়ে যায়।
- গুরুত্ব: বিশ্বের শ্রমবাজার, অর্থনীতি এবং ভূরাজনীতিতে এই জনমিতিক পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বা UNFPA
ব্যাখ্যা: এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি নিয়মিত বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।
উদাহরণ ২: জনমিতিক লভ্যাংশ বা Demographic Dividend
ব্যাখ্যা: ভারতের তরুণ জনগোষ্ঠীর আধিক্য দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — অতীতে এটি বিশ্বের বৃহত্তম জনসংখ্যাবহুল দেশ ছিল কিন্তু বর্তমানে ভারত প্রথম স্থানে রয়েছে।
B) ভারত — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ।
C) রাশিয়া — এটি আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষস্থানে নেই।
D) মঙ্গোলিয়া — এটি বিশ্বের অন্যতম কম জনঘনত্বের একটি দেশ এবং এর জনসংখ্যা খুবই কম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জনমিতির পরিবর্তন মনে রাখতে মনে রাখবে ২০২৩ সালের পর থেকে ভারত সব সূচকে জনসংখ্যার শীর্ষে অবস্থান করছে।
- আয়তন বনাম জনসংখ্যা এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলবে না কারণ আয়তনে রাশিয়া বড় আর জনসংখ্যায় ভারত বড়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনসংখ্যার শীর্ষ দেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন এবং জনমিতিক পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: C) আনোরা
১. কেন সঠিক:
- ৯৭ তম অস্কার বা একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছে আনোরা চলচ্চিত্রটি।
- এটি একটি আমেরিকান কমেডি ড্রামা চলচ্চিত্র, যা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- প্রেক্ষাপট: অস্কার বা একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা শিল্পে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে সেরা চলচ্চিত্র, পরিচালক এবং শিল্পীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং চলচ্চিত্রশিল্পের মানোন্নয়ন করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্যারাসাইট
ব্যাখ্যা: এটি প্রথম অস্কার বিজয়ী অ-ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র, যা বিশ্ব চলচ্চিত্রে এশিয়ার আধিপত্য প্রমাণ করেছিল।
উদাহরণ ২: ওপেনহাইমার
ব্যাখ্যা: আগের বছর অস্কারে আধিপত্য বিস্তারকারী এই চলচ্চিত্রটি ঐতিহাসিক ও বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত একটি মাস্টারপিস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নো আদার ল্যান্ড — এটি একটি প্রশংসিত প্রামাণ্যচিত্র হলেও মূল ধারার সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়নি।
B) দ্যা ব্রুটালিস্ট — এটি ৯৭ তম অস্কারের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র হলেও সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করতে পারেনি।
C) আনোরা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা চলচ্চিত্রের সম্মান লাভ করেছে।
D) শিশু-২ — এটি কোনো স্বীকৃত অস্কার মনোনীত বা বিজয়ী আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র মনে রাখার জন্য মূল চরিত্রের নাম বা পরিচালককে যুক্ত করতে পারো।
- সাম্প্রতিক বিশ্ব চলচ্চিত্রের ট্রেন্ড বুঝতে অস্কারের মতো বড় উৎসবগুলোর দিকে নজর রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র এবং পরিচালকের নাম প্রায়ই আসে।
- চলচ্চিত্রটির মূল থিম বা দেশ সম্পর্কিত প্রশ্নও বিসিএস পরীক্ষায় থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) Reimei
১. কেন সঠিক:
- সম্প্রতি জাপানে চালু হওয়া বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম Reimei এবং এটি ঐতিহ্যগত সুপার কম্পিউটিং ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত।
- এই কম্পিউটারটি অত্যন্ত জটিল বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান খুব দ্রুত করতে সক্ষম, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক তথ্য।
২. সাম্প্রতিক প্রযুক্তি ও দেশ:
- দেশ: জাপান, যা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক শক্তি।
- প্রেক্ষাপট: কোয়ান্টাম কম্পিউটিং গবেষণায় এগিয়ে থাকার জন্য জাপান সরকার ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথভাবে এই সুপার কম্পিউটার চালু করেছে।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: চিকিৎসা বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইবার সুরক্ষার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তনের লক্ষ্যে এই হাইব্রিড প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফুগাকু (Fugaku)
ব্যাখ্যা: এটি জাপানের আরেকটি বিখ্যাত সুপার কম্পিউটার, যা একসময় বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল।
উদাহরণ ২: আইবিএম ঈগল (IBM Eagle)
ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোয়ান্টাম প্রসেসর, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বিকাশের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reimei — এটি জাপানে চালু হওয়া বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) EI Captain — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার, যা কোয়ান্টাম হাইব্রিড প্রযুক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) Tong Tong — এটি কোনো নির্দিষ্ট হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম নয়, বরং এটি প্রযুক্তিগত বা কাল্পনিক কোনো শব্দ হতে পারে।
D) আল-মুনথার (Al-Munther) — এটি এই প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জাপানের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারটির নাম মনে রাখার জন্য Reimei শব্দটি মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ সূর্যোদয়।
- জাপানের প্রযুক্তি মানেই নতুন সূর্যোদয় বা নবসূচনা, এই ধারণার সঙ্গে নামটিকে মিলিয়ে নিতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাম্প্রতিক প্রযুক্তির অগ্রগতি থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড সিস্টেম সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে জাপানের এই উদ্যোগটি বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: A) Global South
১. কেন সঠিক:
- বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল, স্বল্পোন্নত এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে একত্রে বোঝাতে গ্লোবাল সাউথ বা দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়।
- এশিয়া, আফ্রিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকার যেসব দেশ ঔপনিবেশিক শোষণ ও বৈষম্যের শিকার হয়েছে এবং অর্থনৈতিকভাবে উন্নত পশ্চিমা দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় তারা এই জোটে সোচ্চার।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- প্রেক্ষাপট: ঐতিহ্যগতভাবে উন্নত ও শিল্পসমৃদ্ধ উত্তর গোলার্ধের দেশগুলো ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী, অথচ এর বিরূপ প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্লোবাল সাউথের উন্নয়নশীল দেশগুলো।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ধনী দেশগুলোর কাছে ক্ষতিপূরণ আদায়, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং ন্যায্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার জন্য এই দেশগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাবি জানিয়ে আসছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিটো প্রটোকল ও প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা: এসব আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে গ্লোবাল সাউথ বা উন্নয়নশীল দেশগুলো বরাবরই দাবি জানিয়ে আসছে যেন ঐতিহাসিক দূষণকারী দেশগুলো তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে না যায় এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
উদাহরণ ২: কপ সম্মেলন বা জলবায়ু শীর্ষ বৈঠক
ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলো লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড বা ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনের দাবি আদায় করেছে, যা এই জোটের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সফলতার একটি বড় উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Global South — এটি জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক ন্যায্যতার দাবিতে সোচ্চার উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর একটি ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিচয়।
B) IOMED — এটি জলবায়ু জোট নয়, বরং এটি সমুদ্রবিজ্ঞান বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কোনো সুনির্দিষ্ট পরিচিত জলবায়ু জোট নয়।
C) AUKUS — এটি অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তি, কোনো জলবায়ু জোট নয়।
D) QUAD — এটি যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে গঠিত একটি কৌশলগত ও ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তা সংলাপ মঞ্চ, জলবায়ু সংক্রান্ত জোট নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উন্নত শিল্পপ্রধান দেশগুলোকে বলা হয় গ্লোবাল নর্থ এবং উন্নয়নশীল বা জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দরিদ্র দেশগুলোকে বলা হয় গ্লোবাল সাউথ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের আলোচনায় যখনই উন্নয়নশীল বা ক্ষতিগ্রস্ত দেশের অধিকারের কথা আসবে, তখনই উত্তর হবে গ্লোবাল সাউথ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্লোবাল সাউথ মূলত কোনো আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক সংস্থা বা সচিবালয় নয়, এটি সমমনা উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধারণা।
- একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে জলবায়ু ক্ষতিপূরণ, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড এবং ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) তাইওয়ান
১. কেন সঠিক:
- ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট অনুযায়ী তাইওয়ান এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করেছে।
- নাগরিকদের মাথাপিছু আয়, সামাজিক সহায়তা, প্রত্যাশিত সুস্থ জীবনকাল, স্বাধীনতা, উদারতা এবং দুর্নীতির ধারণার মতো সূচকগুলোর ওপর ভিত্তি করে এই র্যাংকিং তৈরি করা হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক বা এসডিএসএন এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রকাশকাল: ২০১২ সাল থেকে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক সুখ দিবসে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়ে আসছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে মানুষের সুখ ও মঙ্গলের মাত্রা পরিমাপ করে নীতি নির্ধারণে সরকারকে সহায়তা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা: এই প্রতিবেদনে ফিনল্যান্ড টানা বহু বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান দখল করে আসছে।
উদাহরণ ২: ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা: ফিনল্যান্ডের পাশাপাশি ডেনমার্কও এই তালিকার সবসময় শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে থাকে, যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর উন্নত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিঙ্গাপুর — সিঙ্গাপুর অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত উন্নত হলেও ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট- ২০২৫ এ তাইওয়ানের পেছনে রয়েছে।
B) তাইওয়ান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) জাপান — জাপান উন্নত দেশ হওয়া সত্ত্বেও সামাজিক মেলামেশার অভাব এবং কর্মঘণ্টার চাপের কারণে এই সূচকে তাইওয়ানের চেয়ে নিচে অবস্থান করে।
D) ভূটান — ভূটান জিডিপির পরিবর্তে গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস ধারণার প্রবক্তা হলেও বর্তমান র্যাংকিংয়ে তাইওয়ান এশিয়ায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এশিয়ার সুখের রাজধানী হিসেবে তাইওয়ানকে মনে রাখতে পারো।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশগুলো বিশ্বে এগিয়ে থাকলেও এশিয়ায় তাইওয়ান সেরা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট কোন সংস্থা প্রকাশ করে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্ন থেকে জিডিপি বনাম জিএনএইচ বা জীবনযাত্রার মান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) রুয়ান্ডা
১. কেন সঠিক:
প্রথম গ্লোবাল এআই সামিট অন আফ্রিকা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রথম আফ্রিকান শীর্ষ সম্মেলন পূর্ব আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায় অনুষ্ঠিত হয়।
আফ্রিকা মহাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ, নৈতিক ব্যবহার এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টির জন্য এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়েছিল।
২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন:
স্থান: কিগালি, রুয়ান্ডা
প্রেক্ষাপট: আফ্রিকা মহাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার ও ডিজিটাল বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে এই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
গুরুত্ব: প্রযুক্তির যুগে আফ্রিকান দেশগুলোকে পিছিয়ে না রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুফল সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্লোবাল এআই সেফটি সামিট
ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি ও নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাজ্যে এই আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা
ব্যাখ্যা: প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করে বৈশ্বিক উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক দেশ হলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক এই প্রথম আফ্রিকান শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ নয়।
B) কেনিয়া — পূর্ব আফ্রিকার প্রযুক্তিগত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হলেও এই নির্দিষ্ট সম্মেলনের আয়োজক দেশ কেনিয়া নয়।
D) দক্ষিণ আফ্রিকা — অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেও এই ঐতিহাসিক সম্মেলনের আয়োজন এই রাষ্ট্রে হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার প্রথম এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন কোথায় হলো তা মনে রাখতে রুয়ান্ডার কিগালি শহরের প্রযুক্তিবান্ধব ভাবমূর্তির কথা স্মরণ করতে পারো।
পূর্ব আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডা বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তিতে ব্যাপক উন্নতি করছে, তাই প্রথম এআই সম্মেলন সেখানেই হয়েছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সংক্রান্ত প্রথম বৈশ্বিক বা আঞ্চলিক সম্মেলনগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অথবা সাম্প্রতিক প্রযুক্তিগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) সাতোশি নাকামাতো
১. কেন সঠিক:
সাতোশি নাকামাতো হলো বিটকয়েনের কল্পিত বা ছদ্মনামধারী আবিষ্কারক। ২০০৮ সালের শেষভাগে তিনি ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েনের ধারণা এবং এর সোর্স কোড প্রকাশ করেন।
২. প্রেক্ষাপট ও প্রযুক্তি:
প্রেক্ষাপট: ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় ফিয়াট মুদ্রার ওপর মানুষের আস্থা কমে যায়।
উদ্দেশ্য: কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া ডিজিটাল লেনদেন নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্লকচেইন প্রযুক্তি।
ব্যাখ্যা: বিটকয়েন চালুর জন্য এই প্রযুক্তি তৈরি হয়, যা বর্তমান বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ ডিজিটাল ডাটা সংরক্ষণ ব্যবস্থা।
উদাহরণ ২: ইথেরিয়াম।
ব্যাখ্যা: এটি বিটকয়েনের পরে আসা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি, যা স্মার্ট চুক্তির জন্য পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাতোশি নাকামাতো — এটি বিটকয়েনের প্রতিষ্ঠাতা বা আবিষ্কারকের ছদ্মনাম।
B) ইয়োশি কিরিমাতো — এটি একটি কাল্পনিক নাম এবং বিটকয়েনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ইয়োশাই কিরিমাতো — এটিও একটি বিভ্রান্তিকর ও কাল্পনিক নাম মাত্র।
D) মার্ক জুকারবার্গ — তিনি বিশ্বের অন্যতম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা, বিটকয়েনের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাতোশি নাকামাতোর নামটি জাপানি হলেও, তার আসল পরিচয় আজো অজানা। ক্রিপ্টো মানে গোপন, তাই এর আবিষ্কারকের নামও গোপন বা ছদ্মনাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিটকয়েন হলো বিশ্বের প্রথম সফল ও decentralized ডিজিটাল মুদ্রা। বিটকয়েনের লেনদেনে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ফ্রিডম ফ্লোটিলা
১. কেন সঠিক:
- ফ্রিডম ফ্লোটিলা হলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী ও জাহাজের একটি বহর।
- এই বহরের মূল লক্ষ্য ছিল গাজার ওপর ইসরায়েলি নৌ-অবরোধ ভেঙে ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংঘাত বা ভূরাজনীতি: এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত এবং ফিলিস্তিন সংকটের সঙ্গে জড়িত একটি আলোচিত আন্তর্জাতিক মানবিক উদ্যোগ।
- প্রেক্ষাপট: ২০১০ সালে প্রথম ফ্রিডম ফ্লোটিলা বহরের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: গাজার অবরুদ্ধ মানুষের দুর্দশা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরা এবং সমুদ্রপথে ত্রাণ সরবরাহের পথ সুগম করা।
- ফলাফল/প্রভাব: এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফিলিস্তিন ইস্যু বিশ্ববাসীর কাছে নতুন করে আলোচনায় আসে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি জোরালো হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মারমা মাবরুসা জাহাজ
ব্যাখ্যা: ২০১০ সালের ফ্রিডম ফ্লোটিলা বহরের সবচেয়ে আলোচিত ত্রাণবাহী জাহাজ ছিল এটি, যার ওপর ইসরায়েলি কমান্ডোরা আক্রমণ চালিয়েছিল।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি
ব্যাখ্যা: যুদ্ধ ও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নিরপেক্ষভাবে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই সংস্থার ভূমিকা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুড ফর গাজা — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা প্রচলিত ত্রাণবাহী জাহাজ বহরের নাম নয়, বরং একটি সাধারণ অনুমানভিত্তিক নাম।
B) চলো গাজায় চলো — এটি বাংলায় ব্যবহৃত কোনো রাজনৈতিক বা প্রতিবাদী স্লোগান হতে পারে, যা আন্তর্জাতিক কোনো জাহাজের নাম নয়।
C) ফ্রিডম ফ্লোটিলা — এটি সঠিক উত্তর এবং গাজাগামী আন্তর্জাতিক ত্রাণ জাহাজের বহরকে এই নামেই অভিহিত করা হয়।
D) ফ্রিডম মিডলইস্ট — এটি মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক উদ্যোগ বা ত্রাণ বহরের নাম হিসেবে নিবন্ধিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গাজার অবরুদ্ধ মানুষের জন্য সমুদ্রপথে পাঠানো জাহাজ বহরটি ফ্রিডম ফ্লোটিলা নামে পরিচিত।
- ফেসহিউম্যানিটি বা মুক্তির জন্য সমুদ্রযাত্রা মনে রাখলে ফ্লোটিলা শব্দটি সহজে মনে থাকবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক সংঘাত ও মানবিক সহায়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- গাজা সংকট ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সম্পর্কিত বিষয়গুলো থেকে ভবিষ্যতে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি।
সঠিক উত্তর: A) নাতাঞ্জ
১. কেন সঠিক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সাইবার ও সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে ইরানের প্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নাতাঞ্জে আঘাত হানা হয়।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নস্যাৎ করার ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে এই ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটি বারবার আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও হামলার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ বা স্থাপনা: নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনা ইরানের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র।
অবস্থান ও প্রেক্ষাপট: এটি ইরানের ইসফাহান প্রদেশে অবস্থিত এবং ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত স্থানে পারমাণবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিচিত।
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি রোধ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখা এই হামলার প্রধান ভূরাজনৈতিক উদ্দেশ্য।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টাকনেট সাইবার হামলা
ব্যাখ্যা: অতীতে নাতাঞ্জ স্থাপনায় স্টাকনেট নামক উন্নত কম্পিউটার ভাইরাসের মাধ্যমে সাইবার আক্রমণ চালানো হয়েছিল, যা পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজ ধ্বংস করেছিল।
উদাহরণ ২: জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন
ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালের এই পারমাণবিক চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের নাতাঞ্জের মতো স্থাপনাগুলোতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমিত করা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাতাঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইরানের মূল পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি এখানেই অবস্থিত এবং সাম্প্রতিক হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি মার্কিন বা ইসরায়েলি নিশানায় ছিল।
B) কুফা — এটি ইরাকের একটি ঐতিহাসিক ও পবিত্র শহর, যা শিয়া মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পারমাণবিক স্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) গোলান — এটি সিরিয়ার একটি কৌশলগত পাহাড়ি অঞ্চল, যা ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েলের দখলে রয়েছে এবং পারমাণবিক কেন্দ্র নয়।
D) বলখ — এটি আফগানিস্তানের একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক শহর ও প্রদেশ, যার সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কোনো সংযোগ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কথা উঠলেই নাতাঞ্জ নামটি সবার আগে আসে কারণ এটি তাদের মূল সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে পারমাণবিক স্থাপনা বলতে সাধারণত ইরানের নাতাঞ্জ কিংবা বুশেহর কেন্দ্রকেই বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সংশ্লিষ্ট শহরের নাম প্রায়ই আসে।
নাতাঞ্জ কোন দেশের পারমাণবিক স্থাপনা বা ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত, এভাবে প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ২০৩৩
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য মেধাস্বত্ব আইনের শর্ত শিথিল করেছে।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ট্রিপস চুক্তির নিয়ম অনুসারে স্বল্পোন্নত দেশগুলো যেন জীবন রক্ষাকারী ওষুধের সস্তা জেনেরিক সংস্করণ তৈরি করতে পারে, সেজন্য এই ছাড় দেওয়া হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও হলো একমাত্র আন্তর্জাতিক সংস্থা যা দেশগুলোর মধ্যকার বাণিজ্যের নিয়ম নিয়ে কাজ করে।
সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত এবং এটি বিশ্ব বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রেক্ষাপট: দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য এই বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উদ্দেশ্য: স্বল্পোন্নত দেশগুলো যাতে পেটেন্ট আইনের কঠোর শর্তের কারণে ওষুধ সংকট বা উচ্চ মূল্যের মুখোমুখি না হয়, তা নিশ্চিত করা এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ এবং জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার এই ছাড়ের সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে দেশের ভেতর সাশ্রয়ী মূল্যে জীবন রক্ষাকারী জেনেরিক ওষুধ তৈরি করতে পেরেছে।
উদাহরণ ২: ট্রিপস চুক্তি বা বাণিজ্য সম্পর্কিত মেধাস্বত্ব অধিকার চুক্তি
ব্যাখ্যা: এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতায় পরিচালিত হয় এবং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মেধাস্বত্ব সুরক্ষার নিয়ম নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০৩০ — এটি ডব্লিউটিওর ওষুধ সংক্রান্ত মেধাস্বত্বের সাধারণ ছাড়ের মেয়াদ নয় এবং এই সালের সঙ্গে এই বিশেষ চুক্তির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) ২০৩৫ — এটি ভুল উত্তর কারণ ডব্লিউটিও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য ওষুধের কপিরাইট বা মেধাস্বত্বের এই বিশেষ ছাড়টি এই সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করেনি।
C) ২০৪০ — এই সালটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য নির্ধারিত মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট ছাড়ের মেয়াদ শেষের সঠিক সময় নয়।
D) ২০৩৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য ওষুধের মেধাস্বত্ব বা ট্রিপস চুক্তির ছাড়ের মেয়াদ এই সাল পর্যন্ত বর্ধিত করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওষুধের ছাড় মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল হলো স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য ডব্লিউটিওর এই বিশেষ সুবিধাটি দুই হাজার তেত্রিশ সাল পর্যন্ত বলবৎ আছে।
সালটি মনে রাখতে দুই হাজার এর সঙ্গে তেত্রিশ যোগ করে এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতির সময়সীমাটি সহজে স্মরণে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্য সুবিধা সংক্রান্ত নিয়ম সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
একই বিষয় থেকে অন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডব্লিউটিওর সদর দপ্তর, ট্রিপস চুক্তির পূর্ণরূপ বা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্যিক সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) সৌদি আরব
১. কেন সঠিক:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার অংশ হিসেবে সৌদি আরবকে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়ার এই প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর বাণিজ্য, পর্যটন এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য ও ভূরাজনীতি:
সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ হলো ইউরোপের সাতাশটি দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস শহরে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে ইউরোপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের অংশ এটি।
গুরুত্ব: এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দুই অঞ্চলের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং যাতায়াত অত্যন্ত সহজ হবে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা: ইইউ ইতিপূর্বে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের জন্য শেনজেন ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করেছিল।
উদাহরণ ২: কুয়েত ও কাতার
ব্যাখ্যা: কুয়েত এবং কাতারের নাগরিকদের জন্যও একই ধরনের ভিসামুক্ত সুবিধা চালুর বিষয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিবেচনাধীন রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই তালিকায় সম্প্রতি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
B) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এই দেশটি ইতোমধ্যে ইউরোপের শেনজেন এলাকায় ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার ভোগ করছে।
C) মিশর — মিশর মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও এটি উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার সদস্য নয় এবং এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) কুয়েত — কুয়েতের নামও এই নির্দিষ্ট ভিসামুক্ত প্রাধিকার প্রস্তাবের প্রাথমিক তালিকায় সৌদি আরবের মতো এভাবে আসেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভিসামুক্ত সুবিধার ক্ষেত্রে উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রথম এই সুবিধা পেলেও সাম্প্রতিক আলোচনায় সৌদি আরবের নাম বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত আঞ্চলিক জোটের নীতি এবং ভিসামুক্ত সুবিধা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক চুক্তি থেকে প্রশ্ন আসে।
সৌদি আরবের বর্তমান অর্থনৈতিক রূপান্তর এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে এই ধরনের ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) আজারবাইজান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা কপ টুয়েন্টি নাইন আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- বিশ্বজুড়ে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় ধনী দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থায়ন নিশ্চিত করাই ছিল এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সম্মেলন: ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা কপ টুয়েন্টি নাইন
- স্থান: বাকু, আজারবাইজান
- প্রেক্ষাপট: এটি জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু সম্মেলনের ধারাবাহিক আয়োজন, যা বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে দেশগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনে।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন বা নতুন আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা ছিল এই সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপ আটাশ
ব্যাখ্যা: আগের জলবায়ু সম্মেলনটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার ঐতিহাসিক ঐকমত্য হয়েছিল।
উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি, যার লক্ষ্য বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিনল্যান্ড — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং জলবায়ু সূচকে এগিয়ে থাকলেও এই সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) আজারবাইজান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের বাকু শহরেই ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
C) উরুগুয়ে — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ এবং এর সঙ্গে এই সম্মেলনের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই।
D) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং অতীতে ২৮তম বা ২৯তম নয়, বরং আঠারোতম জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আজারবাইজানের বাকু শহরকে তেলের শহর বলা হয়, আর তেল উৎপাদনকারী দেশেই এবার জলবায়ু সম্মেলন হওয়ায় এটি মনে রাখা সহজ।
- কপ টুয়েন্টি নাইন আয়োজক দেশ আজারবাইজান শুরু অক্ষর 'আ' দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই সম্মেলন থেকে উন্নয়নশীল দেশের জন্য নতুন জলবায়ু অর্থায়ন বা নতুন আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।
- একই বিষয় থেকে পরীক্ষক প্রশ্ন করতে পারেন যে ৩০তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে।
সঠিক উত্তর: B) কংগ্রেস
১. কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার সামগ্রিক নাম হলো কংগ্রেস।
- এই আইনসভা মূলত দেশের নীতিনির্ধারণ, আইন প্রণয়ন এবং রাষ্ট্রীয় বাজেট অনুমোদন করার প্রধান সাংবিধানিক ক্ষমতা রাখে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা)
- আইনসভা: মার্কিন কংগ্রেস গঠিত হয় উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ নিয়ে।
- সদর দপ্তর: ক্যাপিটল ভবন, ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- গুরুত্ব: বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী গণতান্ত্রিক আইনসভা হিসেবে মার্কিন কংগ্রেস বৈশ্বিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট
ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্য বা ব্রিটেনের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট, যা বিশ্বের প্রাচীনতম সংসদীয় ব্যবস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: ভারতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা: ভারতের আইনসভাকে সংসদ বলা হয়, যা লোকসভা এবং রাজ্যসভা এই দুই কক্ষ নিয়ে গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পার্লামেন্ট — এটি যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া সহ অনেক দেশের আইনসভার সাধারণ নাম হলেও যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম নয়।
B) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার সঠিক ও সাংবিধানিক নাম, যা দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
C) সিনেট — এটি মার্কিন কংগ্রেসের শুধুমাত্র উচ্চকক্ষের নাম, পুরো আইনসভার নাম নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির দল বা আইনসভা সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন আসলে মনে রাখবে তাদের আইনসভার নাম কংগ্রেস।
- সিনেট শুধু একটি অংশ, তাই পুরো আইনসভাকে বোঝাতে কংগ্রেস শব্দটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মার্কিন কংগ্রেসের দুটি কক্ষের নাম হলো সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টের নাম হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: C) ভার্সাই চুক্তি
১. কেন সঠিক:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছিল ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন। এই চুক্তির ফলে পরাজিত জার্মানির ওপর বিপুল পরিমাণ যুদ্ধাপরাধের বোঝা ও অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ চাপানো হয়, যা পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীজ বপন করেছিল।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: ভার্সাই চুক্তি এবং প্যারিস শান্তি সম্মেলন।
তারিখ ও স্থান: ২৮ জুন ১৯১৯, ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অব মিররস।
সংশ্লিষ্ট পক্ষ: মিত্রশক্তি (যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি) এবং পরাজিত জার্মানি।
প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: জার্মানির সামরিক শক্তি সীমিত করা, তার উপনিবেশগুলো কেড়ে নেওয়া এবং ইউরোপের ভূরাজনৈতিক সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা।
আন্তর্জাতিক প্রভাব বা গুরুত্ব: এই চুক্তির অপমানজনক শর্ত জার্মানির মধ্যে চরম জাতীয়তাবাদের জন্ম দেয় এবং লিগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লিগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জ।
ব্যাখ্যা: ভার্সাই চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ও ফলাফল ছিল বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য এই আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠন করা।
উদাহরণ ২: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: ভার্সাই চুক্তির কঠোর ও প্রতিশোধমূলক শর্তাবলি কীভাবে পরবর্তী বিশ্বযুদ্ধের কারণ হয়েছিল, তা পরীক্ষার্থীদের ঐতিহাসিক কার্যকারণ সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেভার্স চুক্তি — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তি এবং উসমানীয় সাম্রাজ্যের মধ্যে ১৯২০ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যা উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতন ডেকে আনে।
B) লুজেন চুক্তি — এটি ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং সেভার্স চুক্তি বাতিল করে আধুনিক তুরস্কের সীমানা ও সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
D) প্যারিস চুক্তি — এটি কোনো নির্দিষ্ট একটি চুক্তি নয়; ১৮৫৬ সালের ক্রিমীয় যুদ্ধসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক সময়ে প্যারিসে একাধিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছিল ভার্সাই প্রাসাদে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
যুদ্ধ শেষ মানে সমাপ্তি, আর বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি মানেই ভার্সাই চুক্তি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯১৯ সালে এবং এর মাধ্যমে জার্মানির ওপর অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ চাপানো হয়।
এই টপিক থেকে চুক্তি স্বাক্ষরের সাল, স্থান এবং পরাজিত শক্তির ওপর এর প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩
১. কেন সঠিক:
জাতিসংঘ বিশ্বের সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে সার্বজনীন প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে। বর্তমানে জাতিসংঘে মোট ১৯৩টি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র পূর্ণ সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations (UN)
প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সাল
সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যা: ২০১১ সালে দক্ষিণ সুদান স্বাধীনতা অর্জনের পর জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৩ — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘের সদস্যপদের সঙ্গে মেলে না এবং এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে কম।
B) ১৯৮ — অতীতে বা বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্যসংখ্যা কখনো এই সংখ্যায় পৌঁছায়নি।
D) ১৯৭ — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘভুক্ত সদস্যরাষ্ট্রের সঠিক হিসাব নয়, এটি একটি ভুল তথ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রায় সব স্বাধীন দেশই জাতিসংঘের সদস্য এবং এই মোট সংখ্যাটি স্মরণ রাখতে ১৯৩ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। এটি একটি মৌলিক আন্তর্জাতিক সাধারণ জ্ঞান যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জাতিসংঘের সর্বশেষ ১৯৩তম সদস্য দেশ কোনটি এবং বাংলাদেশ কত সালে এর সদস্যপদ লাভ করে, তা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। এই বিষয়ে সদস্যপদ লাভের সাল ও ক্রমিক নম্বর ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ক্যালিফোর্নিয়া
১. কেন সঠিক:
মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্ট ফেসবুকের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক শহরে অবস্থিত।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় এই ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে গড়ে উঠেছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ/সংস্থা: মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড, যা ফেসবুক নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং বর্তমানে ইন্টারনেট ও সামাজিক মাধ্যম খাতের অন্যতম বৃহৎ বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্ক জাকারবার্গ ও তার সহপাঠীদের হাত ধরে এই সেবাটি যাত্রা শুরু করে।
স্থান/সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক, যা সিলিকন ভ্যালি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান এবং বৈশ্বিক অনলাইন বিজ্ঞাপনের বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান কাজ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল সদর দপ্তর
ব্যাখ্যা: গুগলের প্রধান কার্যালয়ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউতে অবস্থিত, যা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ভৌগোলিক কেন্দ্রীভূতকরণের একটি বড় উদাহরণ।
উদাহরণ ২: অ্যাপল পার্ক
ব্যাখ্যা: প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার কুপরিন্টিনোতে অবস্থিত, যা পরীক্ষার্থীদের বড় প্রযুক্তি কোম্পানির ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিয়াটল — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি শহর, যেখানে ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের সদর দপ্তর অবস্থিত, ফেসবুকের নয়।
B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেসবুক বা মেটার প্রধান কার্যালয় এই অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্কে অবস্থিত।
C) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র, তবে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় হিসেবে এটি পরিচিত নয়।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক রাজধানী ও ওয়াল স্ট্রিটের অবস্থানস্থল, যেখানে ফেসবুকের সদর দপ্তর অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক বা প্রযুক্তির বড় নামগুলোর সদর দপ্তর সাধারণত সিলিকন ভ্যালিতে থাকে এবং সিলিকন ভ্যালি ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত।
মার্ক জাকারবার্গের প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের কেন্দ্র মনে রাখতে ক্যালিফোর্নিয়া নামটি সবসময় মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠাতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়।
একই বিষয় থেকে ফেসবুকের বর্তমান প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এবং এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইনস্টাগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপ সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) শ্রীলংকা
১. কেন সঠিক:
- এলিফ্যান্ট পাস শ্রীলংকার উত্তর অংশে অবস্থিত একটি অত্যন্ত কৌশলগত ভূখণ্ড এবং সংকীর্ণ ভূমিডাল।
- এটি জাফনা উপদ্বীপকে মূল শ্রীলংকার সঙ্গে সংযুক্তকারী একমাত্র সড়ক ও ভূরাজনৈতিক পথ হিসেবে পরিচিত।
২. ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব ও সংঘাত:
- দেশ: শ্রীলংকা, যার আনুষ্ঠানিক নাম গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র শ্রীলংকা।
- প্রেক্ষাপট: শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধের সময় তামিল টাইগার বা এলটিটিই এবং শ্রীলংকার সেনাবাহিনীর মধ্যে এই পাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বহু রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।
- উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: জাফনা উপদ্বীপে সামরিক সরবরাহ এবং যাতায়াতের একমাত্র পথ হওয়ায় সামরিক দিক থেকে এর নিয়ন্ত্রণ উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাইবার পাস
ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ভূরাজনৈতিক গিরিপথ, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পাশাপাশি সামরিক চলাচলের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: পানামা খাল
ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী একটি কৌশলগত জলপথ, যা শ্রীলংকার এলিফ্যান্ট পাসের মতো বৈশ্বিক বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এখানে এলিফ্যান্ট পাস নামক কোনো কৌশলগত ভূখণ্ড বা পাস নেই।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের দেশ এবং এটি এই নির্দিষ্ট ভৌগোলিক নামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) শ্রীলংকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কৌশলগত ভূখণ্ডটি শ্রীলংকার জাফনা উপদ্বীপে অবস্থিত।
D) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এটি এই ভৌগোলিক নামের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এলিফ্যান্ট পাস নামটি শুনলে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধ ও জাফনা উপদ্বীপের ভূরাজনীতির কথা মনে রাখবে।
- থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার সঙ্গে এই পাসের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই দক্ষিণ এশিয়া কেন্দ্রিক চিন্তা করলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভূকৌশলগত গিরিপথ বা সংকীর্ণ ভূখণ্ড থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা ভৌগোলিক কৌশলগত স্থান এবং শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) দুরধ্যয়
১. কেন সঠিক:
- 'অনেক কষ্টে যা অধ্যয়ন করা যায়' এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো দুরধ্যয়। এখানে 'দুঃ' উপসর্গটি কষ্ট বা কঠিন অর্থ প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সহজে যা লঙ্ঘন করা যায় না = দুর্লঙ্ঘ্য
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বাক্য সংকোচন যা কঠিন বা কষ্টসাধ্য বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যা নিবারণ করা কষ্টকর = দুর্নিবার
ব্যাখ্যা: এটিও উপসর্গ যোগে গঠিত একটি বাক্য সংকোচনের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনধ্যয় — অনধ্যয় শব্দের অর্থ পড়ার দিন নয় বা ছুটির দিন, যা প্রদত্ত বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
B) দুরধ্যয় — এটি সঠিক উত্তর।
C) কষ্টাধ্যায়ন — এটি কোনো প্রমিত এককথায় প্রকাশ নয়, বরং ভুল গঠন।
D) নিরধ্যায়ন — নিরধ্যায়ন বলতে কোনো মানক শব্দ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- 'কষ্টে' বা 'অসম্ভব' অর্থে সাধারণত 'দুঃ' বা 'দুর' উপসর্গযুক্ত শব্দ বসে। যেমন অধ্যয়ন করা কঠিন হলে তা দুরধ্যয় হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই উপসর্গ ও প্রত্যয়ভিত্তিক সংকোচনগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রূপরাম চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
- রূপরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি এবং তিনি ধর্মমঙ্গল কাব্যের প্রণেতা হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
- ধর্মমঙ্গল কাব্য মূলত ধর্মঠাকুরের পূজা ও মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এক ধরণের আখ্যানকাব্য যা মধ্যযুগের বঙ্গ সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গলের পাশাপাশি ধর্মমঙ্গল কাব্য একটি বিশেষ ধারা সৃষ্টি করেছিল যা লা সেন ও লাউসেনের কাহিনীর ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- রূপরাম চক্রবর্তীর ধর্মমঙ্গল কাব্য এই ধারার অন্যতম প্রাচীন ও প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘনরাম চক্রবর্তীর ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা: রূপরাম চক্রবর্তীর পাশাপাশি ঘনরাম চক্রবর্তীও ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবি।
উদাহরণ ২: সীতারাম দাসের ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা: সীতারাম দাসও ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার সঙ্গে যুক্ত একজন বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় কবি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বংশীদাশ চক্রবর্তী — বংশীদাশ চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবি নন, তিনি মূলত মনসামঙ্গল কাব্যের প্রণেতা হিসেবে পরিচিত।
B) রূপরাম চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর।
C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবি নন, তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে খ্যাত।
D) বলরাম চক্রবর্তী — বলরাম চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গল কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান কবি নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ধর্মমঙ্গল কাব্যের প্রধান কবিদের মনে রাখার জন্য রূপরাম ও ঘনরাম এই দুটি নাম একত্রে মনে রাখতে পারো।
- মঙ্গলকাব্য ধারার সাথে কোন কবি যুক্ত তা মনে রাখতে লেখকের প্রধান গ্রন্থটি আগে মুখস্থ করে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন ধারা এবং তার প্রণেতাদের নাম প্রায়ই এমসিকিউ হিসেবে আসে।
- কবি রূপরাম চক্রবর্তী কোন ধারার কবি তা নিশ্চিতভাবে জেনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) আরবি
কেন সঠিক:
- 'কলম' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- আরবি ভাষার মূল শব্দ 'কলাম' থেকে বাংলা ভাষায় 'কলম' শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত আরবি পরিভাষাগত শব্দ।
- ধর্মীয় ও দাপ্তরিক যোগাযোগের মাধ্যমে আরবি শব্দগুলো বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- আরবি শব্দের অন্যান্য উদাহরণের মধ্যে রয়েছে আক্কেল, কলম, কাগজ, দোয়াত ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দকে তৎসম শব্দ বলে, যেমন সূর্য বা চন্দ্র, কিন্তু কলম সংস্কৃত নয়।
- B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো ফারসি শব্দ নামে পরিচিত, যেমন বরফ বা চশমা, কিন্তু কলম ফারসি নয়।
- D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে তুর্কি শব্দ বলা হয়, যেমন দারোগা বা চাকু, কিন্তু কলম তুর্কি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- লেখালেখির সাথে জড়িত দুটি প্রধান বস্তু কলম ও দোয়াত উভয়ই আরবি শব্দ।
সঠিক উত্তর: A) ভাগীরথী
১. কেন সঠিক:
ভাগীরথী শব্দটির বানান বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
নদীবাচক বা বিশেষ বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যার মধ্যে নদীবাচক শব্দ অন্যতম।
ভাগীরথী একটি বিখ্যাত নদী এবং এর নামের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা ব্যাকরণসিদ্ধ ও প্রমিত নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধরণী
ব্যাখ্যা: ধরণী শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় কারণ এটি পৃথিবীবাচক একটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: মায়াবী
ব্যাখ্যা: মায়াবী শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষণ পদ গঠন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাগীরথী — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
B) নিশিথীনি — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান হবে নিশিথিনী যেখানে অন্তে ন-এ হ্রস্ব ই-কার বসে।
C) শারীরিক — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান হবে শারীরিক যেখানে প্রথমটি দীর্ঘ ঈ-কার এবং দ্বিতীয়টি হ্রস্ব ই-কার।
D) সমীচীন — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান হবে সমীচীন যেখানে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
নদীবাচক এবং স্ত্রীবাচক অনেক তৎসম শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখবে।
বানান শেখার সময় হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো বারবার অনুশীলন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই আসে তাই নদী ও পৃথিবীবাচক শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়বে।
বানান শুদ্ধ করার জন্য বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি নিয়মিত চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) তটিনী
১. কেন সঠিক:
- 'নদী' শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও চমৎকার সমার্থক শব্দ হলো 'তটিনী'।
- নদীর দুই তীরে কুল বা তট থাকে বলেই নদীকে তটিনী বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের ভাণ্ডার থেকে নদীর অনেকগুলো সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা: এটি নদীর আরেকটি সমার্থক শব্দ, যার অর্থ তরঙ্গে ভরপুর যা বয়ে চলে।
উদাহরণ ২: স্রোতস্বিনী
ব্যাখ্যা: স্রোত আছে যার, অর্থাৎ নদীর চলমান প্রবাহ বোঝাতে এই সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তটিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নদীর সমার্থক শব্দ।
B) পর্ণকার — এটি নদীর সমার্থক শব্দ নয়, এর অর্থ পান বিক্রেতা বা পান চাষি।
C) বারুই — এটিও নদীর সমার্থক শব্দ নয়, এর অর্থ যারা পেশাগতভাবে পান চাষ করেন।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর পাড় বা তট আছে মনে রেখে 'তটিনী' শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
- নদীর অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী একসাথে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী, আকাশ, পৃথিবী, সমুদ্র এর সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা বানানে সমার্থক শব্দগুলো লেখার সময় বানান ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) এ
১. কেন সঠিক:
জিহ্বার উচ্চতার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে সংবৃত, অর্ধ-সংবৃত, অর্ধ-বিবৃত ও বিবৃত এই চার ভাগে ভাগ করা হয়।
এ ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা স্বাভাবিক অবস্থা থেকে কিছুটা উপরে উঠে মুখবিবর প্রায় বন্ধ বা সংবৃত করে রাখে বলে একে অর্থ-সংবৃত স্বরধ্বনি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
মুখবিবরে জিহ্বার অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে বাংলা স্বরধ্বনিগুলোর উচ্চারণ নিয়ন্ত্রিত হয়।
মুখের ভেতর জিহ্বা কতটুকু উঁচুতে বা নিচে থাকছে তার ওপর নির্ভর করে এই শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ও
ব্যাখ্যা: এটিও একটি অর্থ-সংবৃত স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান উঁচুতে থাকে।
উদাহরণ ২: এ
ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা উচ্চারণে এটি মুখবিবর কিছুটা সংকুচিত করে উচ্চারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই — এটি একটি সংবৃত স্বরধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বায় উচ্চতা সবচেয়ে বেশি থাকে।
B) উ — এটিও একটি সংবৃত স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় মুখবিবর সবচেয়ে কম ফাঁকা হয়।
D) অ — এটি একটি অর্ধ-বিবৃত বা বিবৃত স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় মুখবিবর বেশি খোলা থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংবৃত মানে বন্ধ এবং অর্থ-সংবৃত মানে আংশিক বন্ধ।
এ এবং ও উচ্চারণ করার সময় মুখ প্রায় বন্ধ থাকে বলে এরা অর্থ-সংবৃত ধ্বনি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
জিহ্বার উচ্চতা ও মুখবিবরের openness ভালোভাবে মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) প্রকৃতি
কেন সঠিক:
- শব্দ বা পদের মূল অংশকে প্রকৃতি বলা হয়।
- ধাতুর মূল অংশকেও ব্যাকরণের নিয়মে প্রকৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণে শব্দ বা ধাতুর মূলকে প্রকৃতি এবং তার সাথে যুক্ত অংশকে প্রত্যয় বলা হয়।
- প্রাতিপদিক বা নামপদের মূল অংশ হলো নামপ্রকৃতি এবং ক্রিয়াপদের মূল অংশ হলো ক্রিয়াপ্রকৃতি বা ধাতু।
- যেমন চল্ ধাতুর সাথে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চলন শব্দ তৈরি হয়, যেখানে চল হলো প্রকৃতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) প্রকৃতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- B) বিভক্তি — শব্দ বা ধাতুর মূল নয়, বরং শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠনকারী বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি হলো বিভক্তি।
- C) ধাতু — এটি শুধুমাত্র ক্রিয়াপদের মূল অংশ, কিন্তু সব শব্দের মূলকে ধাতু বলা যায় না।
- D) কারক — বাক্যের সাথে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, এটি কোনো মূল অংশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- শব্দ ও ধাতুর মূল মানেই হলো প্রকৃতি।
সঠিক উত্তর: B) কার্যকারণসূচক
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে একটি কাজ সম্পন্ন হওয়া অন্য একটি কাজের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এটি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রকাশ করে।
- প্রথম অংশ বা শর্ত পূর্ণ হলে তবেই দ্বিতীয় অংশ বা কার্য সম্পন্ন হওয়ার অর্থ প্রকাশ পায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে একটি ঘটনা বা কাজের ওপর অন্য একটি ঘটনা বা কাজের ঘটা নির্ভর করে, তাকে কার্যকারণসূচক বাক্য বা শর্তসূচক বাক্য বলা হয়।
- এই ধরনের বাক্যে সাধারণত জোড়ায়ক সর্বনাম বা যোজক যেমন যদি-তবে, যদ্যপি-তথাপি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘ করলে বৃষ্টি নামবে
ব্যাখ্যা: এখানে বৃষ্টি নামার কাজটি মেঘ করার কার্য বা শর্তের ওপর নির্ভরশীল।
উদাহরণ ২: পরিশ্রম করলে সাফল্য পাবে
ব্যাখ্যা: সাফল্য পাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে পরিশ্রম করার শর্ত বা কারণের সঙ্গে যুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুজ্ঞাসূচক — এই বাক্যে কোনো আদেশ, অনুরোধ, নিষেধ বা উপদেশ বোঝায়নি।
B) কার্যকারণসূচক — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং শর্তভিত্তিক সম্পর্ক নির্দেশ করে।
C) ইচ্ছাসূচক — এই বাক্যে বক্তার কোনো ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা আশীর্বাদ প্রকাশিত হয়নি।
D) পারস্পরিকবাচক — এই বাক্যে পারস্পরিক কোনো ভাব বা ভাবের আদান-প্রদান নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে যদি শর্ত বা নির্ভরশীলতার সম্পর্ক বোঝায়, তবে তা কার্যকারণসূচক বাক্য হবে।
- সাধারণত প্রথম কাজের ফলস্বরূপ দ্বিতীয় কাজটি ঘটে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জটিল বাক্যের রূপান্তর এবং বিভিন্ন প্রকার বাক্য চেনার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- শর্তমূলক বাক্যগুলো মূলত কার্যকারণসূচক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: C) প্রোষিতপত্নীক
কেন সঠিক:
- যে পুরুষ বা স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে বা বিদেশে অবস্থান করেন, তাকে এককথায় প্রোষিতপত্নীক বলা হয়।
- প্রশ্নে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে থাকার কথা বলা হয়েছে, যা এই পদের সঠিক সংজ্ঞা নির্দেশ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি এককথপ্রকাশ বা বাকসংক্ষেপের অংশ যা বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও প্রত্যয় প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত।
- প্রোষিত শব্দের অর্থ দূরে অবস্থিত এবং পত্নীক শব্দের অর্থ স্ত্রীযুক্ত, যা মিলে প্রোষিতপত্নীক শব্দ গঠিত হয়েছে।
- যেমন প্রোষিত পতি যার তিনি প্রোষিতভর্তৃকা, ঠিক তেমনি স্ত্রী প্রবাসে থাকলে স্বামী হয় প্রোষিতপত্নীক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) প্রোষিতভর্তৃকা — যে স্ত্রীর স্বামী প্রবাসে থাকে তাকে প্রোষিতভর্তৃকা বলে, তাই এটি ভুল।
- B) প্রবাসিনী — যিনি নিজে প্রবাসে বাস করেন এমন নারীকে প্রবাসিনী বলা হয়, তাই এটি ভুল।
- C) প্রোষিতপত্নীক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় আলোচনা প্রযোজ্য নয়।
- D) প্রোষিতা — যে নারী প্রবাসে অবস্থান করছেন তাকে প্রোষিতা বলা হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে থাকলে হয় প্রোষিতপত্নীক এবং স্ত্রীর স্বামী প্রবাসে থাকলে হয় প্রোষিতভর্তৃকা।
সঠিক উত্তর: B) ৫১ টি
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যার মূল পুথিতে মোট পদসংখ্যা ছিল ৫১ টি। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের যে পুথি আবিষ্কার করেছিলেন, তাতে সাড়ে ছেচল্লিশটি সম্পূর্ণ পদ এবং বাকি পদগুলোর কিছু অংশ পাওয়া গিয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে চর্যাপদের পদের সংখ্যা ছিল ৫১ টি এবং এর ভাষাকে তিনি বঙ্গকামরূপী বা প্রাচীন বাংলা হিসেবে চিহ্নিত করেন। আচার্য হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি সহস্রাব্দের প্রাচীন বাংলা গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতাতা হলেন লুইপা এবং তাঁর পদের সংখ্যা ১ টি।
ব্যাখ্যা: লুইপাকে চর্যাপদের আদি কবি বলা হয় এবং তাঁর রচিত পদ দিয়েই চর্যাপদ সংকলন শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের সর্বাধিক পদের রচয়িতাতা হলেন ভুসুকুপা এবং তিনি মোট ৮ টি পদ রচনা করেছেন।
ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছিলেন যা এই প্রাচীন সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪১ টি — এটি ভুল কারণ চর্যাপদের মূল পুথিতে পদের সংখ্যা একচল্লিশটি ছিল না বরং আবিষ্কারের পর পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া যায় এবং মোট সংখ্যা ৫১ টি।
B) ৫১ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের গবেষণা অনুযায়ী নির্ধারিত মোট পদের প্রমিত সংখ্যা।
C) ৫৬ টি — এটি ভুল কারণ চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে এই সংখ্যাটি কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক প্রামাণ্য দলিল দ্বারা সমর্থিত নয়।
D) ৬২ টি — এটি ভুল কারণ চর্যাপদের পদের সংখ্যা বায়ান্ন বা বাষ্পষ্টি কোনোটিই নয়, এর মোট পদের সংখ্যা একান্নটি।
৫ মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের মোট পদ একান্নটি, এটি মনে রাখতে সংক্ষেপে মনে রাখতে পারো পাঞ্চাশের সাথে এক যোগ করলে একান্ন হয় অর্থাৎ পদের সংখ্যা ৫১।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে। এই ধরনের সাহিত্যিক তথ্যের ক্ষেত্রে পদের সংখ্যা ও আবিষ্কারকের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) অতিথি-অভ্যাগত
১. কেন সঠিক:
- অতিথি এবং অভ্যাগত শব্দ দুটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়, বরং সমার্থক শব্দ। অতিথি শব্দের অর্থ মেহমান বা আগন্তুক এবং অভ্যাগত শব্দের অর্থও একই।
- বিপরীত শব্দের ক্ষেত্রে দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে পারস্পরিক বৈপরীত্য বা বিপরীত ভাব থাকা আবশ্যক, যা এই জোড়ায় অনুপস্থিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা একটি অন্যটির সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ-পাতাল
ব্যাখ্যা: আকাশ এবং পাতাল দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত স্থান নির্দেশ করে, যা সঠিক বিপরীত শব্দযুগল।
উদাহরণ ২: ভিতর-বাহির
ব্যাখ্যা: ভিতর এবং বাহির একে অপরের বিপরীত অবস্থান বোঝায়, যা সঠিক বিপরীত শব্দযুগল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশ-পাতাল — এটি একটি শুদ্ধ বিপরীত শব্দযুগল কারণ আকাশ ও পাতাল পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) সম্মুখে-পেছনে — এটি একটি শুদ্ধ বিপরীত শব্দযুগল কারণ সম্মুখ ও পশ্চাৎ বা পেছনের অর্থ পরস্পর বিপরীত।
C) অতিথি-অভ্যাগত — এটি সঠিক বিপরীত শব্দযুগল নয় কারণ অতিথি ও অভ্যাগত সমার্থক শব্দ।
D) ভিতর-বাহির — এটি একটি শুদ্ধ বিপরীত শব্দযুগল কারণ ভিতর ও বাহির পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমার্থক শব্দগুলো একসাথে থাকলে তা বিপরীত শব্দ হবে না। বিপরীত শব্দের জন্য অর্থের ভিন্নতা ও বৈপরীত্য থাকতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দকে বিপরীত শব্দ হিসেবে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। তাই শব্দ দুটির অর্থ ভালোভাবে জেনে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আলুনি
১. কেন সঠিক:
আলুনি শব্দটি গঠিত হয়েছে আ উপসর্গ এবং লবন শব্দের মিলনে। এখানে আ উপসর্গটি বিশেষ অর্থে অভাব বা লবণের অনুপস্থিতি প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় কিছু খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ সৃষ্টি করে। আ উপসর্গটি অভাব, না বোধক বা পূর্ণতা বোঝাতে বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাঠ
ব্যাখ্যা: কাঠ শব্দের পূর্বে আ উপসর্গ যুক্ত হয়ে ভালো নয় এমন বা নিকৃষ্ট কাঠ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আকাটা
ব্যাখ্যা: কাটা নয় এমন অর্থে আ উপসর্গটি এখানে অভাব বা না বোধক ভাব প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকাজ — এখানে অ উপসর্গটি মন্দ বা কু অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, অভাব অর্থে নয়।
C) আবছায়া — এখানে আ উপসর্গটি কিঞ্চিৎ বা সামান্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) নিখুঁত — এখানে নি উপসর্গটি বিশেষ অর্থে নিখুঁত বা ত্রুটিহীনতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
আলুনি শব্দটির আ হলো উপসর্গ এবং লুনি বা লবন হলো মূল শব্দ। খাদ্যের লবণের অভাব বোঝাতে এই উপসর্গ ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। কোন উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সমরেশ বসু
১. কেন সঠিক:
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসু বাংলা সাহিত্যে 'কালকূট' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
- কালকূট শব্দের আক্ষরিক অর্থ তীব্র বিষ, তবে তিনি এই নামে মূলত জীবনরসিক ও মানবতাবাদী উপন্যাস রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমরেশ বসু বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নির্মাতা ও শক্তিশালী লেখক।
- তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে প্রজাপতি, শ্রীমতী কাফারখানা, এবং আমলকী উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালকূট ছদ্মনামে লেখা 'কোথায় পাব তারে' উপন্যাসটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের ভ্রমণ ও মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: 'অমৃতের সন্ধানে' কালকূট ছদ্মনামে রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও লেখকের মানবপ্রেম ও জীবনদর্শনের গভীর প্রতিফলন ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমরেশ মজুমদার — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক হলেও 'কালকূট' নামে পরিচিত নন, তিনি সাতকাহন ও উত্তরাধিকার উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
B) আলাউদ্দিন আল আজাদ — ইনি একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, কবি ও নাট্যকার যিনি মূলত ততো নদী ও ক্ষুধা ও আশা উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
C) সমরেশ বসু — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি কালকূট ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন।
D) শওকত ওসমান — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত এবং তার কোনো ছদ্মনাম কালকূট নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমরেশ বসুর শেষাংশ 'বসু' এবং কালকূট নামের প্রথম অংশ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো বসু মানেই কালকূট।
- লেখকের কালকূট ছদ্মনামটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে তাই এটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন একটি টপিক।
- একই সঙ্গে বনফুল ছদ্মনামের প্রকৃত নাম যে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়, তা জেনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: B) নীলদর্পণ
১. কেন সঠিক:
ঢাকা থেকে মুদ্রিত বা প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ হলো দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ। ১৮৬০ সালে ঢাকার বাংলাবাজারের সুলতানি প্রেস বা পিয়ারীমোহন ব্যানার্জির প্রেস থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নাটকটির রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি বাংলার নীলকর সাহেবদের অকথ্য অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত প্রথম প্রতিবাদী নাটক। প্রকাশের পর এর ইংরেজি অনুবাদের আইনি লড়াইয়ে রেভারেন্ড জেমস লং এবং মাইকেল মধুসূদন দত্ত যুক্ত ছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র হলো নীলকণ্ঠ প্রকাশিকা।
ব্যাখ্যা: উনিশ শতকে ঢাকার প্রকাশনা শিল্পের ইতিহাস জানতে এই সংবাদপত্রের নাম গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
ব্যাখ্যা: রেভারেন্ড জেমস লংয়ের সম্পাদনায় দ্য ইন্ডিকো প্লান্টিং মিরর নামে এটি ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপাল কুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়নি।
B) নীলদর্পণ — এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
C) মরুশিখা — এটি কাজী মোতাহার হোসেনের বা অন্য কোনো প্রাবন্ধিকের ঢাকা থেকে প্রকাশিত গ্রন্থ নয়, এটি মূলত যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যগ্রন্থ।
D) মেঘনাদবধ — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য যা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঢাকা মানেই নাটক এবং নীল রঙের দর্পণ। প্রথম প্রকাশের ক্ষেত্রে দীনবন্ধু মিত্রের এই নাটকটি ঢাকার প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঢাকা কেন্দ্রিক প্রথম গ্রন্থ বা প্রথম সংবাদপত্রের ইতিহাস প্রায়ই আসে। নীলদর্পণের প্রকাশকাল ও স্থান ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- যে পদের কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন অর্থাৎ লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি ও কালভেদে কোনো রূপান্তর ঘটে না, তাকে অব্যয় পদ বলে।
- 'এবং' শব্দটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর নিজস্ব কোনো পরিবর্তন হয় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- অব্যয় পদ সাধারণত বাক্য বা শব্দকে সংযুক্ত করতে কিংবা মনের ভাব প্রকাশ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদ মূলত চার ভাগে বিভক্ত, যেমন পদান্বয়ী অব্যয়, সমুচ্চয় অব্যয়, অনন্বয়ী অব্যয় ও অনুকার অব্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম এবং করিম বাজারে গেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'এবং' শব্দটি দুটি বিশেষ্য পদকে যুক্ত করেছে যা সমুচ্চয় অব্যয়ের কাজ।
উদাহরণ ২: সে ভালো গান গায়, কিন্তু নাচতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কিন্তু' একটি অব্যয় যা দুটি খণ্ডবাক্যকে সংযোজন বা সংকোচন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সর্বনাম — সর্বনাম পদ হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'এবং' কোনো শব্দের পরিবর্তে বসে না।
B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা 'এবং' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝায়, কিন্তু 'এবং' কোনো কিছুর নাম নয়।
D) অব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর কোনো রূপান্তর হয় না এবং এটি সংযোগের কাজ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যেসব শব্দ বাক্যে একা বসে অপরিবর্তিত থাকে এবং পদগুলোকে জুড়ে দেয়, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- এবং, ও, কিন্তু, অথবা শব্দগুলো সব সময় সংযোগকারী অব্যয় হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংযোগকারী শব্দ যেমন এবং, কিন্তু, অথবা কোন পদ তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে অব্যয়ের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) রাখালী
১. কেন সঠিক:
- রাখালী হলো পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনভিত্তিক প্রাথমিক রচনার অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীম উদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।
- পল্লিপ্রকৃতির রূপ ও মানুষের সহজ-সরল জীবন তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাহিনীকাব্য, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সোজন বাডীয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীম উদ্দীনের রচিত একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কাব্য বা গাথা কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখালী - এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) সোজন বাডীয়ার ঘাট - এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্য হলেও এটি প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) নকশী কাঁথার মাঠ - এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাহিনীকাব্য, তবে প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) বালুচর - এটি জসীম উদ্দীনের প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে রাখাল বালকের রাখালী কথাটি স্মরণ রাখতে পারো।
- প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রাখালী দিয়ে তাঁর সাহিত্যজীবন শুরু হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম গ্রন্থ বা প্রথম প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- জসীম উদ্দীনের ক্ষেত্রে কাব্যগ্রন্থের প্রকাশের ক্রম মনে রাখা খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) প্রত্যয়জনিত
১. কেন সঠিক:
- 'উৎকর্ষতা' শব্দটিতে প্রত্যয়জনিত বা প্রত্যয়সংক্রান্ত ভুল রয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্য পদের সঙ্গে অতিরিক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে একই ভাব প্রকাশ করা দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎকৃষ্ শব্দটির সঙ্গে ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয় য যুক্ত হয়ে উৎকর্ষ গঠিত হয়, যার অর্থ ভালো অবস্থা বা শ্রেষ্ঠত্ব।
- গঠিত শব্দের সঙ্গে আবার ভাববাচক তা প্রত্যয় যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয়, কারণ উৎকর্ষ শব্দটিতেই ভাবের পূর্ণতা প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৈন্যতা
ব্যাখ্যা: দীন শব্দের অর্থ দরিদ্র এবং এর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৈন্য গঠিত হয়, তাই এর সঙ্গে আবার তা প্রত্যয় যুক্ত করে দৈন্যতা লেখা সম্পূর্ণ ভুল।
উদাহরণ ২: স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা: নিজ বা স্বয়ম আত্মশাসন অর্থ প্রকাশ করতে সরাসরি স্বায়ত্তশাসন ব্যবহৃত হয়, অতিরিক্ত কোনো প্রত্যয় যোগ করে শব্দটিকে বিকৃত করা অশুদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সন্ধিজনিত — এই শব্দটির গঠনে কোনো সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি বা সন্ধিজনিত কোনো ত্রুটি এখানে বিদ্যমান নেই।
C) উপসর্গজনিত — উৎকর্ষতা শব্দটিতে কোনো উপসর্গ ভুলভাবে যুক্ত হয়নি, এর মূল ত্রুটি কেবল প্রত্যয়ের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে ঘটেছে।
D) বিভক্তিজনিত — এই শব্দের গঠনে শব্দের শেষে কোনো কারকীয় বিভক্তির ভুল প্রয়োগ ঘটেনি, তাই এটি বিভক্তিজনিত অশুদ্ধি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একই শব্দে বা অর্থে দুটি ভাববাচক প্রত্যয় যেমন য এবং তা একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না।
- উৎকর্ষ বা দৈন্য শব্দ দেখলে বুঝবে এগুলোর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করলে তা নিশ্চিতভাবেই ভুল হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ যেমন দৈন্যতা, স্বায়ত্তশাসনতা বা বাহুল্যতা প্রায়ই বহুনির্বাচনি প্রশ্নে আসে।
- মূল শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় থাকলে তার সঙ্গে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় বর্জন করার নিয়মটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ আলী আহসান
১. কেন সঠিক:
গ্রিসের বিখ্যাত নাট্যকার সোফোকলিসের ধ্রুপদী ট্রাজেডি ইডিপাস বাংলায় অনুবাদ করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ আলী আহসান।
এই অনুবাদটি বাংলা নাট্যসাহিত্য ও বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ আলী আহসান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং গবেষক ছিলেন।
গ্রিক ট্রাজেডি ইডিপাস বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা ধ্রুপদী নাটক, যা মানুষের ভাগ্য ও অন্ধত্বের চিরন্তন দ্বন্দ্ব তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী অনূদিত বিখ্যাত নাটক কেউ কিছু বলতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী অনূদিত একটি উল্লেখযোগ্য নাটক যা বিশ্বনাটকের বাংলা রূপান্তর।
উদাহরণ ২: কবীর চৌধুরী অনূদিত শেকসপিয়রের নাটক হ্যামলেট।
ব্যাখ্যা: কবীর চৌধুরী বিশ্বসাহিত্যের অনেক বিখ্যাত গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে খ্যাতি অর্জন করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — তিনি নাট্যকার ও অনুবাদক হলেও ইডিপাস নাটকটি অনুবাদ করেননি।
B) কবির চৌধুরী — তিনি বহু বিদেশি গ্রন্থ অনুবাদ করলেও ইডিপাস নাটকের অনুবাদক নন।
C) সৈয়দ আলী আহসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) লিলি চৌধুরী — তিনি নাট্যাভিনেত্রী ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব হলেও এই অনুবাদক হিসেবে পরিচিত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইডিপাস নাটকের মতো ধ্রুপদী গ্রিক ট্রাজেডি বাংলায় রূপান্তরের কাজটি সৈয়দ আলী আহসান দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছিলেন।
লেখক ও অনুবাদের নাম মনে রাখতে ইডিপাস ও সৈয়দ আলী আহসান একত্রে স্মরণ করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত অনুবাদের নাম ও অনুবাদক প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
গ্রিক নাটক ও শেকসপিয়রের নাটকের বাংলা অনুবাদকদের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপকারী।
সঠিক উত্তর: C) উদ্বেল
১. কেন সঠিক:
- উদ্বেল শব্দের ব্যাসবাক্য বা অর্থ হলো বেলাকে অতিক্রান্ত।
- উৎ এবং বেল শব্দের মিলने এবং ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎ উপসর্গ এবং বেলা শব্দের যোগে গঠিত শব্দের বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায়।
- এটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দের অর্থ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেলা অতিক্রান্ত = উদ্বেল
ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট সময় বা সীমাকে অতিক্রম করা বুঝাতে এই পদ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বেলা অতিক্রম করেছে যা = উদ্বেল
ব্যাখ্যা: এটি বাক্যের সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবেলা — অবেলা অর্থ কুবেলা বা খারাপ সময়, যা বেলাকে অতিক্রান্ত পদের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) গোধূলি — গোধূলি হলো দিন ও রাতের সংযোগকাল বা বিকালের শেষ সময়।
D) সাঁঝ — সাঁঝ শব্দের অর্থ সন্ধ্যা বা প্রাক-রাত্রি কাল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উদ্বেল শব্দের ভেতরেই বেলা অতিক্রান্ত হওয়ার ভাব লুকিয়ে আছে।
- উৎ মানে অতিক্রম করা এবং বেল মানে বেলা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশ এবং শব্দার্থ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) আধা
১. কেন সঠিক:
'নিমরাজি' একটি ফার্সি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে 'নিম' উপসর্গটি 'আধা' বা 'অর্ধেক' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
এর অর্থ হলো যে ব্যক্তি পুরোপুরি রাজি নন, বরং আংশিক বা অর্ধেকের বেশি রাজি আছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'নিম' একটি বিদেশি বা ফার্সি উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।
এই উপসর্গটি সাধারণত মূল শব্দের পূর্বে বসে তার অর্থ পরিবর্তন করে এবং আধা বা কম বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমরাজি
ব্যাখ্যা: রাজি শব্দের পূর্বে নিম উপসর্গ যুক্ত হয়ে আধা রাজি বা অর্ধেক সম্মত হওয়া অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: নিমরাজি হওয়া ভালো লক্ষণ নয়।
ব্যাখ্যা: এখানে নিমরাজি শব্দটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে পূর্ণ সম্মতির অভাব বা আধা সম্মতি বোঝাতে সাহায্য করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সামান্য — এটি নিম উপসর্গের নির্দিষ্ট ও সরাসরি অর্থ নয়, কারণ নিম উপসর্গ মূলত আধা বা অর্ধেক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) অপূর্ণ — অপূর্ণ বলতে যা সম্পূর্ণ নয় বোঝায়, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে 'নিম' উপসর্গ আধা বা অর্ধেকের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট।
C) না — না বোধক অর্থে ফার্সি 'না' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়, যেমন নারাজি, কিন্তু 'নিম' উপসর্গ আধা অর্থ প্রকাশ করে।
D) আধা — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিম উপসর্গ মূলত আধা বা অর্ধেক অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফার্সি উপসর্গ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নিমরাজি শব্দটিকে মনে রাখা।
এখানে নিম অর্থ আধা বা অর্ধেক, যা দিয়ে আধা রাজি হওয়া বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ফার্সি উপসর্গ যেমন নিম, কম, বদ, বে ইত্যাদির অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Works
কেন সঠিক:
shakespeare-এর সমগ্র সাহিত্যকর্ম বোঝাতে 'Works' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে কবিতা, নাটক এবং গদ্য সব সাহিত্যকর্ম একত্রে বোঝানো হয়েছে।
তাই এখানে সঠিক বহুবচন হিসেবে 'Works' প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Poem — এটি একবচন এবং শেক্সপিয়ারের সব সৃষ্টিকে এককভাবে বোঝায় না।
B) Play — শেক্সপিয়ারের শুধু নাটক বোঝায়, কিন্তু তাঁর অন্যান্য রচনা বাদ পড়ে যায়।
C) Drama — এটি কেবল নাটক নির্দেশ করে, যা সাহিত্যকর্মের সমগ্রতাকে প্রকাশ করে না।
D) Works — এটি সঠিক কারণ এটি তাঁর সমগ্র সাহিত্যকর্মকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিখ্যাত লেখকের সমস্ত সাহিত্যকর্ম বোঝাতে 'Works' শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Very rarely
কেন সঠিক:
‘Once in a blue moon’ একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ নীল চাঁদের আলোয়, যা বাস্তবে খুব কম দেখা যায়।
তাই এই ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ হলো যা সচরাচর ঘটে না বা খুব কদাচিৎ ঘটে।
অপশন বি তে থাকা 'Very rarely' কথাটির অর্থও খুব কদাচিৎ বা কদাচিৎ।
এই কারণে অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Always — এই শব্দটির অর্থ সর্বদা বা সবসময়, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Very rarely — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) Nearly — এই শব্দটির অর্থ প্রায় বা কাছাকাছি, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না।
D) Hourly — এই শব্দটির অর্থ প্রতি ঘণ্টায়, যা খুব বিরল ঘটনার অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদ কখনোই নীল রঙে দেখা যায় না, তাই ‘blue moon’ মানে হলো অত্যন্ত বিরল ঘটনা যা কদাচিৎ ঘটে।
সঠিক উত্তর: A) Philanthropy
কেন সঠিক:
- Philanthropy শব্দের অর্থ মানবপ্রীতি বা সারা পৃথিবীর মানুষের কল্যাণ সাধনের জন্য উদার মনোভাব।
- গ্রীক শব্দ philos (প্রেম) এবং anthropos (মানুষ) মিলে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Philanthropy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমগ্র মানবজাতির প্রতি ভালোবাসা।
B) Misogyny — এর অর্থ নারীবিদ্বেষ বা নারীদের প্রতি ঘৃণা, যা প্রশ্নের উত্তরের বিপরীত।
C) Benevolence — এর অর্থ মহানুভবতা বা কল্যাণকামিতা, তবে এটি নির্দিষ্ট করে সারা বিশ্বকে বোঝায় না।
D) Misanthropy — এর অর্থ মানবদ্বেষ বা মানবজাতিকে ঘৃণা করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Phil- মানে ভালোবাসা এবং anthrop- মানে মানুষ, তাই Philanthropy অর্থ মানবপ্রীতি।
সঠিক উত্তর: C) Put one to sleep
কেন সঠিক:
- Soporific শব্দটির শাব্দিক অর্থ ঘুম উদ্রেককারী বা তন্দ্রাচ্ছন্নকারী।
- একটি ঘুম পাড়ানিয়া বা বিরক্তিকর বক্তৃতা শোনার পর শ্রোতার ঘুম পেয়ে যাওয়া স্বাভাবিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Be incomprehensible — দুর্বোধ্য হওয়া বোঝায়, যা soporific শব্দের অর্থ নয়।
B) Appeal primarily to emotions — প্রধানত আবেগ প্রকাশ করা বোঝায়, যা এই শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) Put one to sleep — এটি সঠিক কারণ soporific অর্থ ঘুম উদ্রেককারী।
D) Stimulate action — কাজের উদ্দীপনা সৃষ্টি করা বোঝায়, যা soporific শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Soporific শব্দটির মধ্যে Sleep শব্দটি লুকিয়ে আছে মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ ঘুম।
সঠিক উত্তর: B) Postscript
কেন সঠিক:
চিঠির নিচে স্বাক্ষর করার পর অনেক সময় অতিরিক্ত কোনো কথা বা বার্তা যোগ করা হয়।
ইংরেজিতে এই অতিরিক্ত অংশটিকে পোস্টস্ক্রিপ্ট বা সংক্ষেপে পিএস বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Corrigendum - এটি দ্বারা কোনো প্রকাশিত বই বা ডকুমেন্টের ভুল সংশোধন বা শুদ্ধিপত্র বোঝানো হয়।
B) Postscript - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) NB - এটি নোটা বেনে বোঝায়, যা লেখার বিশেষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ দিকে নজর কাড়তে ব্যবহার করা হয়।
D) RSVP - এটি ফরাসি বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা কোনো অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর উত্তর দেওয়ার জন্য লেখা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দ পোস্ট মানে পরে এবং স্ক্রিপ্ট মানে লেখা, যা থেকে চিঠির শেষে লেখা অংশ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) a brother or a sister
কেন সঠিক:
Sibling শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো একই বাবা-মার সন্তান অর্থাৎ ভাই অথবা বোন।
এটি লিঙ্গ নিরপেক্ষ শব্দ হওয়ায় একই সাথে ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a brother — এটি শুধুমাত্র ভাই বোঝায়, কিন্তু বোনকেও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
B) a sister — এটি শুধুমাত্র বোন বোঝায়, কিন্তু ভাইও এই শব্দের আওতাভুক্ত।
C) a brother or a sister — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ভাই এবং বোন উভয়কেই বোঝানো হয়েছে।
D) an infant — এর অর্থ সদ্যজাত শিশু, যা ভাই বা বোনের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Sibling শুনলে মাথায় রাখবে যে এটি নিজের ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) William Makepeace Thackeray
কেন সঠিক:
ভ্যানিটি ফেয়ার উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারে।
এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ থেকে ১৮৪৮ সালের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
এটি লেখকের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম হিসেবে পরিচিত।
উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো ব্রিটিশ সমাজের উচ্চাভিলাষ এবং নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) D.H Lawrence — ডি এইচ লরেন্স আধুনিক যুগের ঔপন্যাসিক ছিলেন এবং তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে সন্স অ্যান্ড লাভার্স অন্যতম।
B) William Makepeace Thackeray — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো তথ্য প্রযোজ্য নয়।
C) Joseph Conrad — জোসেফ কনরাড তার সমুদ্রভিত্তিক এবং মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত।
D) Virginia Woolf — ভার্জিনিয়া উলফ বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত আধুনিকতাবাদী ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যানিটি ফেয়ার উপন্যাসের নামের সাথে থ্যাকারে নামটি মনে রাখতে ফেয়ার এবং থ্যাকারে শব্দ দুটি একসাথে চর্চা করুন।
সঠিক উত্তর: C) Denmark
কেন সঠিক:
শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট এর মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট ডেনমার্কের রাজপুত্র ছিলেন। নাটকের পুরো কাহিনী ডেনমার্কের এলসিনোর রাজপ্রাসাদকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
তার বাবার মৃত্যুর পর তিনি ডেনমার্কের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হন।
নাটকের শুরুতে ডেনমার্কের রাজকীয় পরিবেশ স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Norway — নরওয়ে এই নাটকের একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র হলেও হ্যামলেট নরওয়ের রাজপুত্র ছিলেন না। নরওয়ের রাজপুত্র ছিলেন ফিন্টিন ব্রাইটহর্ট।
B) Britain — ব্রিটেন বা ইংল্যান্ড এই নাটকের গল্পের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, হ্যামলেটকে কিছু সময়ের জন্য সেখানে পাঠানো হয়েছিল মাত্র।
C) Denmark — সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এখানে কোনো ভুল নেই।
D) France — ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে হ্যামলেটের বন্ধু লিয়েটিস পড়াশোনা করতেন, কিন্তু হ্যামলেট ফ্রান্সের রাজপুত্র ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
হ্যামলেট নাটকটি ডেনমার্কের রাজপ্রাসাদের ষড়যন্ত্র নিয়ে তৈরি, তাই হ্যামলেট হলেন ডেনমার্কের রাজপুত্র।
সঠিক উত্তর: C) Questionnaire
কেন সঠিক:
এই শব্দটির বানান ফরাসি ভাষার নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে শেষে দুটি n এবং একটি e থাকে।
বানানটি হলো q u e s t i o n n a i r e।
এর মূল শব্দ question এর সাথে naire যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ নেয়।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি বানান যা বারবার চর্চা করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Questionaire — এখানে একটি n কম আছে এবং শেষের দিকটি ভুলভাবে লেখা হয়েছে।
B) Questionoir — এখানে শেষের অংশটি ফরাসি বা ইংরেজি কোনো নিয়মে মেলেনি।
C) Questionnaire — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Questionair — এখানে একেবারে শেষের e অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোশ্চেন (Question) লেখার পর ন্যায়ার (naire) যুক্ত করলে খুব সহজেই বানানটি মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) Knowledge
কেন সঠিক:
Knowledge শব্দটি একটি abstract noun যার অর্থ জ্ঞান।
Know verb-টির সঠিক noun রূপ হলো এই Knowledge শব্দটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Knowing — এটি Know verb-এর present participle বা gerund রূপ, কোনো স্বাধীন noun নয়।
B) Knowledge — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) Knowledgeable — এটি একটি adjective যার অর্থ জ্ঞানী।
D) Known — এটি Know verb-এর past participle রূপ এবং এটি সাধারণত adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে ledge থাকলে সাধারণত তা noun হয়, যেমন Knowledge.
সঠিক উত্তর: C) To tolerate
কেন সঠিক:
এখানে 'put up with' একটিPhrasal verb যার অর্থ সহ্য করা। প্রদত্ত বাক্যে বক্তা তার আচরণ আর সহ্য করতে পারছেন না বোঝাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To protect — protect শব্দের অর্থ রক্ষা করা, যা সহ্য করা অর্থের সাথে মেলে না।
B) To terminate — terminate শব্দের অর্থ শেষ করা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) To tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) To prevent — prevent শব্দের অর্থ প্রতিরোধ করা, যা put up with এর সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Put up with দেখলে সহ্য করা বা tolerate কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Epitaph
কেন সঠিক:
কবরের গায়ে বা পাথরের ফলকে মৃত ব্যক্তির স্মরণে খোদাই করা লেখাকে এপিটাফ বলা হয়। এটি মূলত মৃত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Epitome — এর অর্থ কোনো লেখার সংক্ষিপ্ত সারাংশ, যা কবরের লেখার সাথে মেলে না।
B) Epithet — এর অর্থ কোনো ব্যক্তির নামের সাথে যুক্ত বিশেষ উপাধি বা গুণবাচক শব্দ।
C) Episode — এর অর্থ কোনো নাটক বা ধারাবাহিকের একটি বিশেষ পর্ব বা ঘটনা।
D) Epitaph — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
এপিটাফ শব্দটি মনে রাখতে টম্ব বা কবর শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) Laughter
কেন সঠিক:
‘Laugh’ একটি ভার্ব বা ক্রিয়া যার অর্থ হাসা। এর সাথে ‘-ter’ যুক্ত করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ ‘Laughter’ গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Laughing — এটি ভার্বের সাথে ‘-ing’ যুক্ত হয়ে সাধারণত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড হয়, যা মূল নাউন ফর্ম নয়।
B) Laughable — এর শেষে ‘-able’ থাকার কারণে এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ পদে রূপান্তর হয়।
C) Laughter — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই।
D) Laughingly — এর শেষে ‘-ly’ যুক্ত থাকায় এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অনেক ভার্বের শেষে ‘-ter’ বা ‘-ion’ যুক্ত করে নাউন তৈরি করা হয়, যেমন laugh থেকে laughter।
সঠিক উত্তর: C) John Milton
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত উক্তিটি জন মিলটনের বিখ্যাত মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট থেকে নেওয়া হয়েছে।
শয়তান চরিত্রটি নরকে রাজত্ব করাকে স্বর্গে সেবা করার চেয়ে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করে।
মিলটনের কাব্যিক রচনাশৈলী এবং বিদ্রোহী মানসিকতার অনন্য প্রকাশ এটি।
সতেরো শতকের ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা সৃষ্টি এই মহাকাব্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Geoffrey Chaucer — তিনি চৌদ্দ শতকের কবি এবং ক্যান্টারবারি টেলস তাঁর বিখ্যাত রচনা।
B) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথান যুগের নাট্যকার এবং ডক্টর ফস্টাস তাঁর বিখ্যাত নাটক।
C) John Milton — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) P.B. Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি এবং প্রমিথিউস আনবাউন্ড তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি।
মনে রাখার টিপস:
নরকের রাজা হওয়ার অহংকার শুধু জন মিলটনের প্যারাডাইজ লস্ট কাব্যের শয়তানের পক্ষেই মানানসই।
সঠিক উত্তর: C) Common
কেন সঠিক:
orphan শব্দটি দিয়ে এমন একটি শিশুকে বোঝায় যার বাবা বা মা কেউ বেঁচে নেই।
এটি ছেলে বা মেয়ে উভয় শিশুকে নির্দেশ করতে পারে।
তাই এটি একটি কমন জেন্ডার বা উভয় লিঙ্গ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Neuter — এটি জড়বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু orphan একজন জীবন্ত মানুষ।
B) Feminine — এটি শুধু স্ত্রীবাচক বোঝায়, অথচ orphan ছেলে বা মেয়ে উভয়ই হতে পারে।
C) Common — এটি সঠিক কারণ শব্দটি একই সাথে নর ও নারী উভয় শিশুকে বোঝাতে পারে।
D) Masculine — এটি শুধু পুরুষবাচক বোঝায়, কিন্তু orphan মেয়ে শিশুও হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, তাকে Common Gender বলে।
সঠিক উত্তর: D) Uncertain
কেন সঠিক:
'Sine die' একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ অনির্দিষ্টকালের জন্য কোনো সভা মুলতবি করা।
এর শাব্দিক অর্থ হলো যার কোনো দিন বা সময় ঠিক করা হয়নি।
তাই এটি একটি অনিশ্চিত অবস্থাকে নির্দেশ করে।
এই কারণে সঠিক উত্তরটি Uncertain হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Half-heartedly — এর অর্থ অনিচ্ছাকৃতভাবে বা মনপ্রাণহীনভাবে, যা মূল ফ্রেজটির সাথে মিলে না।
B) Doubtfully — এর অর্থ সন্দেহজনকভাবে, যা অনির্দিষ্ট সময়ের ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) Fixed — এর অর্থ নির্দিষ্ট, যা 'sine die' এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Uncertain — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ অনিশ্চিত, যা অনির্দিষ্টকালের ধারণাকে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Sine শব্দের অর্থ ছাড়া এবং die শব্দের অর্থ দিন। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট দিন ছাড়া কোনো কিছু স্থগিত করা হলো Uncertain বা অনিশ্চিত।
সঠিক উত্তর: B) Sheep
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু নির্দিষ্ট নাউনের সিঙ্গুলার ও প্লুরাল রূপ একই থাকে।
- Sheep শব্দের ক্ষেত্রে একবচন ও বহুবচন উভয়ক্ষেত্রেই একই বানান ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sheeps — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ Sheep শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত এস যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না।
B) Sheep — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দের সিঙ্গুলার ও প্লুরাল রূপ একই।
C) Sheepes — এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান কারণ ইংরেজি নিয়মে ইএস যুক্ত করে এর প্লুরাল করা হয় না।
D) Sheepse — এটি একটি ভুল গঠন এবং ইংরেজি শব্দভাণ্ডারে এর কোনো অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
Sheep, Deer, Fish ইত্যাদি শব্দের ক্ষেত্রে একবচন ও বহুবচন একই থাকে, তাই এদের সঙ্গে এস বা ইএস যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: C) Energetic
কেন সঠিক:
- Slothful শব্দের অর্থ অলস বা কর্মবিমুখ, যার বিপরীত বা অ্যান্টনিম হলো উদ্যমী বা কর্মঠ।
- Energetic শব্দের অর্থ শক্তিময় বা উদ্যমী, যা Slothful শব্দের পুরোপুরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Playful — এর অর্থ চঞ্চল বা কৌতুকপূর্ণ, যা অলস শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) Sluggish — এর অর্থ মন্থর বা শ্লথ, যা Slothful শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Energetic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই।
D) Quarrelsome — এর অর্থ ঝগড়াকুটে, যা অলস বা উদ্যমী কোনোটিকেই নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Slothful অর্থ অলস এবং Energetic অর্থ উদ্যমী; আলসেমি দূর করতে শক্তি বা এনার্জি লাগে, এভাবেই বিপরীত অর্থ মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: ক) Scenic
কেন সঠিক:
Panoramic শব্দের অর্থ হলো চারপাশের বিস্তৃত দৃশ্য বা নয়নাভিরাম।
Scenic শব্দটি দিয়েও সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Scenic — এটি সঠিক উত্তর।
খ) Narrow — এর অর্থ সংকীর্ণ বা ছোট।
গ) Limited — এর অর্থ সীমাবদ্ধ।
ঘ) Restricted — এর অর্থ নিয়ন্ত্রিত বা বাধাপ্রাপ্ত।
মনে রাখার টিপস:
Panoramic শব্দে বিস্তৃত দৃশ্য বোঝায় আর Scenic সুন্দর দৃশ্য বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) Justify the ways of God to man
কেন সঠিক:
জন মিলটনের মহাকাব্য প্যারাডাইস লস্ট লেখার মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের কাছে ঈশ্বরের কাজ এবং বিচারকে ন্যায়সঙ্গতভাবে তুলে ধরা।
বাইবেলের কাহিনীর মাধ্যমে তিনি দেখাতে চেয়েছেন মানুষের জীবনে যা ঘটে তার পেছনে ঈশ্বরের উদ্দেশ্য সবসময় সৎ ও সঠিক থাকে।
মানুষের আদি পাপ এবং তার পরিণতি কেন ঘটেছিল তা ঈশ্বরের সার্বভৌমত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করাই ছিল কবির প্রধান লক্ষ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Justify the ways of man to God — মানুষ কখনোই ঈশ্বরের কাজকে বিচার বা ন্যায়সঙ্গত প্রমাণ করার অধিকার বা ক্ষমতা রাখে না।
B) Show that Satan and God have equal power — মিলটন কখনোই শয়তান ও ঈশ্বরকে সমান শক্তিশালী হিসেবে দেখাননি, কারণ ঈশ্বরই সর্বশক্তিমান।
D) Explain why both good and evil are necessary — ভালো ও মন্দের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা এই মহাকাব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল না, বরং ঈশ্বরের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই লক্ষ্য ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মিলটনের প্যারাডাইস লস্ট মানেই মানুষের কাছে ঈশ্বরের ন্যায়বিচার তুলে ধরা, তাই জাস্টিফাই শব্দটির সাথে গড টু ম্যান যুক্ত হবে।
সঠিক উত্তর: A) ৩√২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ হলো log_x ৩২৪ = ৪
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী সমীকরণটি লেখা যায়
x এর পাওয়ার ৪ = ৩২৪
অতএব,
৩২৪ সংখ্যাটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
৩২৪ = ৪ × ৮১
সুতরাং,
x এর পাওয়ার ৪ = ৩ × ৩ × ৩ × ৩ × √২ × √২ × √২ × √২
উত্তর: x = ৩√২
সঠিক উত্তর: C) −১
প্রদত্ত তথ্য:
অপেক্ষকটি হলো f(x) = x^২ + ১ ÷ (x − ১)
এখানে x এর মান শূন্য বসাতে হবে
ধরি,
x = ০
অতএব,
f(০) = (০)^২ + ১ ÷ (০ − ১)
সুতরাং,
f(০) = ০ + ১ ÷ (−১)
উত্তর: −১
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + (১ ÷ x) = √৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x^৩ + (১ ÷ x^৩)
আমরা জানি, a^৩ + b^৩ এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a + b)^৩ − ৩ab(a + b)
এখানে a এর জায়গায় x এবং b এর জায়গায় ১ ÷ x বসাতে হবে
অতএব,
মান বসিয়ে পাই, (x + ১ ÷ x)^৩ − ৩ × x × (১ ÷ x) × (x + ১ ÷ x)
এখন (x + ১ ÷ x) এর মান √৩ এখানে বসাতে হবে
তাহলে রাশিটি দাঁড়ায়, (√৩)^৩ − ৩ × √৩
সুতরাং,
(√৩)^৩ মানে ৩√৩ এবং পরবর্তী অংশ হলো ৩√৩
এখন ৩√৩ থেকে ৩√৩ বিয়োগ করতে হবে
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: D) ০.৩৪৭৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৭
প্রدত্ত তথ্য:
A অনুপাত B = ২ অনুপাত ৩
B অনুপাত C = ৪ অনুপাত ৫
C অনুপাত D = ১০ অনুপাত ১৪
ধري,
প্রথম অনুপাত = ২ ভাগ ৩
দ্বিতীয় অনুপাত = ৪ ভাগ ৫
তৃতীয় অনুপাত = ১০ ভাগ ১৪
অতএব,
প্রথম হিসাব = ২ গুণ ৪ গুণ ১০
দ্বিতীয় হিসাব = ৩ গুণ ৫ গুণ ১৪
তৃতীয় হিসাব = ৮০ ভাগ ২১০
সুতরাং,
চূড়ান্ত হিসাব = ৮০ ভাগ ২১০ সমান ১৬ ভাগ ৪২
উত্তর: ০.৩৪৭৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৭
সঠিক উত্তর: A) −৩
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো মডুলাস x − ২ লেস দেন অর ইকুয়াল ৫
ধরি,
মডুলাস উঠিয়ে দিলে পাই মাইনাস ৫ লেস দেন অর ইকুয়াল x − ২ লেস দেন অর ইকুয়াল ৫
অতএব,
অসমতার মাঝখান থেকে ২ বাদ দিতে সব পক্ষে ২ যোগ করি
মাইনাস ৫ + ২ লেস দেন অর ইকুয়াল x লেস দেন অর ইকুয়াল ৫ + ২
সুতরাং,
হিসাব করে পাই মাইনাস ৩ লেস দেন অর ইকুয়াল x লেস দেন অর ইকুয়াল ৭
উত্তর: −৩
সঠিক উত্তর: A) ২০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির দৈর্ঘ্য = ২০ মিটার
উন্নতির কোণ = ৪৫°
ধরি,
খুঁটির ছায়ার দৈর্ঘ্য = x মিটার
অতএব,
ত্রিকোণমিতির সূত্রানুযায়ী, ট্যান ৪৫° = খুঁটির দৈর্ঘ্য ÷ ছায়ার দৈর্ঘ্য
এখানে ট্যান ৪৫° এর মান = ১
সুতরাং, ১ = ২০ ÷ x
সুতরাং,
x এর মান = ২০ মিটার
উত্তর: ২০ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
উপস্থিত ও অনুপস্থিত ছাত্র সংখ্যার অনুপাত = ৪ : ১
ধরি,
উপস্থিত ছাত্র সংখ্যা = ৪ক
অনুপস্থিত ছাত্র সংখ্যা = ১ক
অতএব,
মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪ক + ১ক = ৫ক
সুতরাং,
অনুপস্থিত ছাত্র সংখ্যার শতকরা হার = (১ক ÷ ৫ক) × ১০০% = ২০%
উত্তর: ২০%
সঠিক উত্তর: C) ৩m
প্রদত্ত তথ্য:
m একটি বিজোড় সংখ্যা
ধরি,
m এর মান ১, যা একটি বিজোড় সংখ্যা
অতএব,
A অপশনের মান = ২ × ১ = ২, যা একটি জোড় সংখ্যা
B অপশনের মান = ১ এর বর্গ + ১ = ১ + ১ = ২, যা একটি জোড় সংখ্যা
C অপশনের মান = ৩ × ১ = ৩, যা একটি বিজোড় সংখ্যা
সুতরাং,
D অপশনের মান = (৩ × ১) + ১ = ৪, যা একটি জোড় সংখ্যা
উত্তর: ৩m
সঠিক উত্তর: C) ৪a + ১
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো −৪a^২ + ২৩a + ৬
রাশিটির একটি উৎপাদক হলো (৬ − a)
ধরি,
অপর উৎপাদকটি হলো (xa + y)
উৎপাদকদ্বয়ের গুণফল মূল রাশির সমান হবে
অতএব,
(৬ − a) × (xa + y) = −৪a^২ + ২৩a + ৬
গুণ করে পাই, ৬xa + ৬y − xa^২ − ay = −৪a^২ + ২৩a + ৬
সুতরাং,
a^২ এর সহগ তুলনা করে পাই, −x = −৪ অর্থাৎ x = ৪
ধ্রুবক পদ তুলনা করে পাই, ৬y = ৬ অর্থাৎ y = ১
উত্তর: ৪a + ১
সঠিক উত্তর: C) ৫০ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
মাতা ও কন্যার বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৬০ বছর
৫ বছর আগে মাতার বয়স ছিল কন্যার বয়সের ৪ গুণ
ধরি,
৫ বছর আগে কন্যার বয়স ছিল = ক বছর
৫ বছর আগে মাতার বয়স ছিল = ৪ × ক বছর
অতএব,
বর্তমানে কন্যার বয়স = ক + ৫ বছর
বর্তমানে মাতার বয়স = ৪ × ক + ৫ বছর
সুতরাং,
ক + ৫ + ৪ × ক + ৫ = ৬০
৫ × ক + ১০ = ৬০
অতএব,
৫ × ক = ৫০
ক = ১০
সুতরাং,
৫ বছর আগে কন্যার বয়স ছিল = ১০ বছর
৫ বছর আগে মাতার বয়স ছিল = ৪০ বছর
অতএব,
বর্তমানে কন্যার বয়স = ১০ + ৫ = ১৫ বছর
বর্তমানে মাতার বয়স = ৪০ + ৫ = ৪৫ বছর
সুতরাং,
৭ বছর পর মাতার বয়স হবে = ৪৫ + ৭ = ৫২ বছর
উত্তর: C) ৫০ বছর
সঠিক উত্তর: B) ২৮, ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৭ : ৫
সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু. ১৪০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৭ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
এখানে ৭ এবং ৫ এর ল.সা.গু. হলো ৩৫ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৩৫ক = ১৪০
ক = ১৪০ ÷ ৩৫
ক = ৪
সুতরাং,
প্রথম সংখ্যাটি = ৭ × ৪ = ২৮
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০
উত্তর: ২৮, ২০
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিমালা দেওয়া আছে
রাশিটি হলো x এর ঘাত চার ভাগ x এর ঘাত ছয় গুণ x এর ঘাত দুই
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি = (x^৪ ÷ x^৬) × x^২
অতএব,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভাগের ক্ষেত্রে শক্তি বিয়োগ হয়
ফলে প্রথম অংশটি হয় x এর ঘাত চার বিয়োগ ছয়
সুতরাং,
এটি দাঁড়ায় x এর ঘাত বিয়োগ দুই গুণ x এর ঘাত দুই
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ৪৫ বার
প্রদত্ত তথ্য:
মোট লোকসংখ্যা = ১০ জন
ধরি,
প্রত্যেক ব্যক্তি একে অপরের সাথে একবার করে করমর্দন করে
দুজন ব্যক্তির মধ্যে একবার করমর্দন সম্পন্ন হয়
সংম্বন্ধের সূত্রটি হলো এন ইনটু এন মাইনাস ওয়ান ভাগ দুই
অতএব,
এন এর মান = ১০
দশ গুণন নয় ভাগ দুই
নব্বই ভাগ দুই
সুতরাং,
মোট করমর্দন সংখ্যা = ৪৫ বার
উত্তর: ৪৫ বার
সঠিক উত্তর: A) (১/২) × (১/২)
প্রদত্ত তথ্য:
একটি ক্রিকেট ম্যাচে দুটি দল টস করছে।
বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার টস জেতার ঘটনা স্বাধীন।
ধরি,
প্রথমবার বাংলাদেশের টস জেতার সম্ভাবনা = ১/২
দ্বিতীয়বার অস্ট্রেলিয়ার টস জেতার সম্ভাবনা = ১/২
অতএব,
উভয় ঘটনার একত্রে ঘটার সম্ভাবনা নির্ণয় করতে হবে।
এখানে গুণ সূত্র প্রয়োগ করতে হবে।
প্রথম সম্ভাবনা এবং দ্বিতীয় সম্ভাবনা গুণ করতে হবে।
সুতরাং,
নির্ণয় সম্ভাবনা = (১/২) × (১/২)
উত্তর: (১/২) × (১/২)
সঠিক উত্তর: C) A
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ = ২, ৩, ৫
সেট বি = ২, ৩, ৪, ৫, ৬
ধরি,
এ ইন্টারসেকশন বি মানে এ এবং বি উভয় সেটের কমন উপাদান
অতএব,
সেট এ এর উপাদানগুলো হলো দুই, তিন এবং পাঁচ
সেট বি এর উপাদানগুলোর মধ্যে দুই, তিন এবং পাঁচ উপস্থিত আছে
সুতরাং,
কমন উপাদান নিয়ে গঠিত সেটটি দাঁড়ায় ২, ৩, ৫ যা সেট এ এর সমান
উত্তর: A
সঠিক উত্তর: B) ৪n − ৩
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ১৩
ধরি,
এটি একটি সমান্তর ধারা
প্রথম পদ, a = ১
সাধারণ অন্তর, d = ৫ − ১ = ৪
অতএব,
n তম পদ নির্ণয়ের সূত্রটি হলো
পদ = a + (n − ১) × d
সুতরাং,
n তম পদ = ১ + (n − ১) × ৪
= ১ + ৪n − ৪
উত্তর: ৪n − ৩
সঠিক উত্তর: A) ৫৫ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ এবিসি এর একটি কোণ ৩৫ ডিগ্রি
এক বাহুর উপর বর্গের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান
ধরি,
ত্রিভুজটির বাহু তিনটি হলো এ, বি এবং সি
পিথাগোরাসের বিপরীত উপপাদ্য অনুযায়ী ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
সমকোণটির মান ৯০ ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
একটি কোণ হলো ৩৫ ডিগ্রি
অপর কোণটি হলো ৯০ ডিগ্রি
সুতরাং,
তৃতীয় কোণটি = ১৮০ ডিগ্রি − (৯০ ডিগ্রি + ৩৫ ডিগ্রি)
তৃতীয় কোণটি = ১৮০ ডিগ্রি − ১২৫ ডিগ্রি
উত্তর: ৫৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) √৫a একক
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক
আয়তক্ষেত্রের অপর বাহুর দৈর্ঘ্য = ২a একক
ধরি,
দৈর্ঘ্য (l) = ২a একক
প্রস্থ (w) = a একক
কর্ণের দৈর্ঘ্য = d একক
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী কর্ণের সূত্রটি হবে
d = √(দৈর্ঘ্যের ওপর বর্গ + প্রস্থের ওপর বর্গ)
সুতরাং,
d = √((২a)² + a²)
d = √(৪a² + a²)
উত্তর: √৫a একক
সঠিক উত্তর: C) ২ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
ক সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারে ৩ দিনে
খ সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারে ৬ দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
ক ১ দিনে করতে পারে = ১ ÷ ৩ অংশ
খ ১ দিনে করতে পারে = ১ ÷ ৬ অংশ
সুতরাং,
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করতে পারে = (১ ÷ ৩) + (১ ÷ ৬) অংশ = (২ + ১) ÷ ৬ অংশ = ৩ ÷ ৬ অংশ = ১ ÷ ২ অংশ
উত্তর: ক ও খ একত্রে কাজটি শেষ করতে পারবে ২ দিনে
সঠিক উত্তর: B) সাজেক ভ্যালি
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত হলেও এর সর্বোচ্চ উচ্চতা এবং মেঘের ওপর অবস্থানের জন্য এটিকে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়।
- পাহাড়ের চূড়া থেকে চারপাশের মেঘের রাজ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার সুবিধার কারণে এই নাম দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাজাছড়া ঝর্ণা — এটি রাঙামাটির একটি জনপ্রিয় জলপ্রপাত বা ঝর্ণা, যা পাহাড়ের ছাদ হিসেবে পরিচিত নয়।
B) সাজেক ভ্যালি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি রাঙামাটির ছাদ নামে পরিচিত।
C) যমচুগ বনবিহার — এটি রাঙামাটির একটি বৌদ্ধ ধর্মীয় ও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করার স্থান, যা পাহাড়ের ছাদ নয়।
D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাজেক পাহাড়ের অনেক উঁচুতে মেঘের রাজ্যে অবস্থিত বলে একে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৬৪টি
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।
- সাম্প্রতিক হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত জিআই পণ্যের মোট সংখ্যা ৬৪টিতে উন্নীত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫০টি — এটি একটি পুরনো সংখ্যা এবং বর্তমান নিবন্ধিত জিআই পণ্যের প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে কম।
B) ৪৭টি — এটি আগের একটি হিসাব যা সাম্প্রতিক নতুন পণ্য নিবন্ধনের কারণে পরিবর্তিত হয়েছে।
C) ৫৬টি — এটিও বিগত সময়ের একটি উপাত্ত এবং বর্তমান মোট জিআই পণ্যের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি।
D) ৬৪টি — এটি বর্তমান হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী সঠিক এবং নিবন্ধিত জিআই পণ্যের সর্বশেষ সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা যেমন ৬৪টি, ঠিক তেমনি বর্তমানে নিবন্ধিত ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের সংখ্যাও ৬৪টি।
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মূল বসবাস সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এই জেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠী বাস করলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় সংখ্যায় কম।
B) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই মনিপুরী জনগোষ্ঠী সর্বাধিক বসবাস করে।
C) হবিগঞ্জ — এই জেলায় অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থাকলেও মনিপুরী জনগোষ্ঠীর ঘনত্ব কম।
D) সুনামগঞ্জ — এই জেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য কোনো বসতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
মম দিয়ে মনে রাখতে পারেন, মনিপুরী বেশি মৌলভীবাজারে।
সঠিক উত্তর: A) প্রত্যক্ষ
কেন সঠিক:
- যে করের বোঝা বা আর্থিক দায় সরাসরি করদাতার ওপর বর্তায় এবং তা অন্য কারো ওপর স্থানান্তর করা যায় না, তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
- ভূমি বা জমির ওপর ধার্যকৃত ভূমিকর সরাসরি জমির মালিক প্রদান করেন এবং এর ভার অন্য কারো ওপর চাপানো যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যক্ষ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভূমিকরের বোঝা অন্য কারো ওপর স্থানান্তর করা যায় না।
B) পরোক্ষ — পরোক্ষ করের বোঝা অন্য কারো ওপর স্থানান্তর করা যায় যেমন ভ্যাট বা শুল্ক, যা ভূমিকরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) মূল্য সংযোজন — মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট হলো এক ধরনের পরোক্ষ কর, যা পণ্যের ক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
D) উন্নয়ন — উন্নয়ন কর বা surcharge হলো অতিরিক্ত করের একটি রূপ, যা সাধারণ ভূমি করের সরাসরি বিকল্প বা সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না।
মনে রাখার টিপস:
যে করের বোঝা সরাসরি নিজের কাঁধে বহন করতে হয় এবং অন্য কাউকে দেওয়া যায় না, সেটিই হলো প্রত্যক্ষ কর।
সঠিক উত্তর: B) ২০১২
কেন সঠিক:
- বর্তমান জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত ও অনুমোদিত হয় ২০১২ সালে।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার যথাযথ নিয়ন্ত্রণ এবং মানবসম্পদে রূপান্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ — এই সালে কোনো নতুন জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়নি।
B) ২০১২ — এটি সঠিক উত্তর।
C) ২০১৪ — এই সালে নতুন কোনো জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়নি।
D) ২০১৮ — এই সালে জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়নি, তবে অন্যান্য নীতিমালা প্রণীত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় ২০১২ সালে, যেখানে সংখ্যাটি মনে রাখতে দুইয়ের জোড়া অর্থাৎ ২০১২ সাল মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) মেগাস্থিনিস
কেন সঠিক:
- মেগাস্থিনিস ছিলেন প্রাচীন গ্রিক স্লাউসাস সাম্রাজ্যের একজন রাজদূত, যিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় অবস্থানকালে মৌর্য সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে ইন্ডিকা গ্রন্থটি রচনা করেন।
- এই গ্রন্থে প্রাচীন ভারতের সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং পাটলিপুত্র নগরীর বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলেকজান্ডার — তিনি গ্রিক বীর ও বিজেতা ছিলেন, যিনি ভারত আক্রমণ করলেও কোনো গ্রন্থ রচনা করেননি।
B) কৌটিল্য — তিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম অর্থশাস্ত্র।
C) ফা-হিয়েন — তিনি একজন চৈনিক পরিব্রাজক ছিলেন এবং তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্তের নাম ফোকুওকি।
D) মেগাস্থিনিস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
মনে রাখার টিপস:
মেগাস্থিনিসের নামের সাথে ইন মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে তিনি ইন্ডিকা গ্রন্থের রচয়িতা।
সঠিক উত্তর: C) ইমদাদ হোসেন
কেন সঠিক:
- ইমদাদ হোসেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও ডিজাইনার যিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগো ডিজাইন করেছেন।
- তাঁর শিল্পকর্মে দেশীয় সংস্কৃতি ও আধুনিকতার এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাইয়ুম চৌধুরী — তিনি প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও প্রচ্ছদশিল্পী হলেও বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগো ডিজাইন করেননি।
B) কামরুল হাসান — তিনি পটুয়া খ্যাত বরেণ্য চিত্রশিল্পী এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ও জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার।
C) ইমদাদ হোসেন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগোটির নকশা তৈরি করেছিলেন।
D) মোস্তফা মনোয়ার — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, puppeteer এবং বিটিভির বিভিন্ন শৈল্পিক কাজের সাথে যুক্ত থাকলেও এই লোগোর ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
টিভি স্ক্রিনে যখন লোগো দেখবে, মনে রাখবে এর নকশা করেছিলেন শিল্পী ইমদাদ হোসেন।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪
কেন সঠিক:
- ভারত সরকার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে গোমতী নদীর ওপর ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণ কাজ ১৯৭৪ সালে সম্পন্ন করে।
- এই বাঁধটি বাংলাদেশের কুমিল্লার গোমতী নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও বাঁধের বিরূপ প্রভাবের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৮ — এই সালে ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৫৫ — এই সালটি ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৬৪ — এই সালে ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি।
D) ১৯৭৪ — এটি সঠিক সাল কারণ এই বছরেই বাঁধটির নির্মাণকাজ শেষ হয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭১ সালের ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ভারত ডুম্বুর বাঁধ নির্মাণ করে।
সঠিক উত্তর: A) ষোড়শ
কেন সঠিক:
- ২০১৪ সালে পাস হওয়া সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রভিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়।
- এই সংশোধনীর ফলে বিচারকদের অসদাচরণ বা অক্ষমতা তদন্ত করে অপসারণের ক্ষমতা সংসদের নির্দিষ্ট কমিটির হাতে দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষোড়শ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই সংশোধনীর মাধ্যমেই বিচারক অপসারণের ক্ষমতা সংসদে দেওয়া হয়েছিল।
B) পঞ্চদশ — ২০১১ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল এবং সংবিধানের প্রস্তাবনা ও মূলনীতিতে পরিবর্তন আনা হয়।
C) ত্রয়োদশ — ১৯৯৬ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল।
D) চতুর্দশ — ২০০৪ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সাংবিধানিক পদের মেয়াদ বাড়ানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিচারকদের ক্ষমতা সংসদের হাতে যাওয়ার বিষয়টি ষোড়শ সংশোধনী হিসেবে মনে রাখতে সংখ্যা ষোড়শ এবং সংসদ শব্দ দুটি একসাথে মেলানো যায়।
সঠিক উত্তর: A) ২৫ মার্চ, ২০১০
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর অধীনে এই ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়।
- ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ মার্চ, ২০১০ — এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ।
B) ১৫ নভেম্বর, ২০১০ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক তারিখ নয়, তাই অপশনটি ভুল।
C) ১ সেপ্টেম্বর, ২০১০ — এটি ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক তারিখ নয়।
D) ৭ নভেম্বর, ২০১০ — এই তারিখে ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার মাস মার্চের পঁচিশ তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল বলে তারিখটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) বিদ্যুৎ উৎপাদনে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের সর্বocas অংশ বা সিংহভাগ ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য।
- দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের এই সর্বোচ্চ ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার কারখানায় — গ্যাস ব্যবহৃত হলেও তা বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণের তুলনায় বেশ কম।
B) সিমেন্ট কারখানায় — সিমেন্ট উৎপাদনে প্রধানত কয়লা, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহৃত হয়, গ্যাস প্রধান উৎস নয়।
C) বিদ্যুৎ উৎপাদনে — এটি সঠিক এবং মূল উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) রান্নার কাজে — রান্নার কাজে (এলপিজি এবং গৃহস্থালি লাইন) গ্যাসের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হলেও তা বিদ্যুৎ খাতের চেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাস খরচের দিক থেকে রাজা বিদ্যুৎ উৎপাদন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক তথ্য
সঠিক উত্তর: C) ড. নিয়াজ জামান
কেন সঠিক:
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক ও সাহিত্যিক ড. নিয়াজ জামান শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ২০২৫ সালে একুশে পদক লাভ করেন।
- বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে তার দীর্ঘ সাধনা ও উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই জাতীয় সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৌতম বুদ্ধ দাস — ইনি শিক্ষা ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের একুশে পদকপ্রাপ্ত নন, অন্য কোনো ক্ষেত্রে পরিচিত ব্যক্তিত্ব।
B) প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু — ইনিও শিক্ষা বিভাগে ২০২৫ সালের একুশে পদকের জন্য নির্বাচিত হননি।
C) ড. নিয়াজ জামান — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়।
D) শাহনাজ সুলতানা — ইনি ২০২৫ সালের শিক্ষাক্ষেত্রের একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৫ সালের একুশে পদক পান বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. নিয়াজ জামান।
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
কেন সঠিক:
- চাণক্য ছিলেন প্রাচীন ভারতের মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধান মন্ত্রী ও প্রধান উপদেষ্টা।
- তিনি কৌটিল্য বা বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত এবং অর্থশাস্ত্র গ্রন্থের রচয়িতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাণক্য তাঁরই প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর সহায়তায় নন্দ বংশের পতন ঘটিয়ে মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত — ইনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজা ছিলেন, যিনি চাণক্যের সময়কাল থেকে প্রায় পাঁচশ বছর পরে ক্ষমতায় আসেন।
সি) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত — ইনিও গুপ্ত রাজবংশের বিখ্যাত সম্রাট ছিলেন, যাঁর সঙ্গে চাণক্যের কোনো ঐতিহাসিক কালগত সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) সমুদ্রগুপ্ত — ইনিও গুপ্ত সাম্রাজ্যের একজন পরাক্রমশালী সম্রাট ছিলেন এবং প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের অন্য একটি সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্তের নাম মনে রাখলেই তাঁর বিখ্যাত গুরু ও প্রধানমন্ত্রী চাণক্যকে মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) সত্যজিৎ রায়
কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায় ১৯৯২ সালে চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য একাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কারের অনারারি লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাঙালি হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুস্মিতা সেন — ইনি ভারতের একজন অভিনেত্রী এবং ১৯৯৪ সালে মিস ইউনিভার্স খেতাব অর্জন করেন, তবে তিনি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড পাননি।
B) সত্যজিৎ রায় — এটি সঠিক উত্তর।
C) অমর্ত্য সেন — ইনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ, তবে তিনি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড পাননি।
D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর বি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
চলচ্চিত্রে অস্কার বা একাডেমি অ্যাওয়ার্ড জয়ী প্রথম বাঙালি হলেন সত্যজিৎ রায়, যিনি ১৯৯২ সালে এই সম্মান লাভ করেন।
সঠিক উত্তর: A) রাতারগুল জলাবন
কেন সঠিক:
- রাতারগুল জলাবন বাংলাদেশের একমাত্র জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট, যেখানে মিষ্টি পানিতে জন্মানো বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদ ও বিশেষ প্রজাতির গাছপালা রয়েছে।
- বন্য গোলাপ মূলত এই ধরনের আর্দ্র ও জলমগ্ন বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশেই প্রাকৃতিকভাবে জন্মায় যা দেশের অন্য কোনো বনে সচরাচর দেখা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাতারগুল জলাবন — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র জলাবন যেখানে বন্য গোলাপ প্রাকৃতিকভাবে জন্মে।
B) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল — এটি পাহাড়ি চিরহরিৎ বনভূমি এবং এখানে বন্য গোলাপের উপযোগী জলাভূমির পরিবেশ নেই।
C) মধুপুর বনাঞ্চল — এটি মধুপুর গড়ের শালবন বা পাতাঝরা বন যার পরিবেশ জলাবনের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
D) সুন্দরবন — এটি উপকূলীয় লবণাক্ত ম্যানগ্রোভ বন যেখানে মিষ্টি পানির জলজ উদ্ভিদ বন্য গোলাপ জন্মাতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
জলাবনের জলে ফোটে গোলাপ ফুল, রাতারগুল তার নাম মূল।
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা
সঠিক উত্তর: C) স্টক মার্কেট
কেন সঠিক:
- সেকেন্ডারি মার্কেট এমন একটি আর্থিক বাজার যেখানে পূর্বে ইস্যু করা শেয়ার, বন্ড ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কেনাবেচা হয়।
- স্টক মার্কেট বা পুঁজিবাজার হলো এই সেকেন্ডারি বাজারের সবচেয়ে পরিচিত এবং প্রধান উদাহরণ, যেখানে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রম বাজার — এটি এমন একটি বাজার যেখানে শ্রমিক বা কর্মীরা তাদের শ্রম বিক্রি করেন এবং নিয়োগকর্তারা তা ক্রয় করেন, যার সাথে শেয়ার বা সিকিউরিটিজের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) চাকরি বাজার — এটি কর্মসংস্থান বা চাকরির সুযোগ খোঁজার একটি ক্ষেত্র, যা আর্থিক সিকিউরিটিজ বা পুঁজি বাজারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) স্টক মার্কেট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই সেকেন্ডারি মার্কেটের প্রধান কার্যক্রম অর্থাৎ পূর্বে ইস্যু করা শেয়ারের হাতবদল ঘটে।
D) কৃষি বাজার — এটি কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের বাজার, যা আর্থিক বাজার বা সিকিউরিটিজ লেনদেনের আওতাভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেয়ার বা সিকিউরিটিজ প্রথমবার ইস্যু হয় প্রাইমারি মার্কেটে এবং পরবর্তীতে তা হাতবদল হয় সেকেন্ডারি বা স্টক মার্কেটে।
সঠিক উত্তর:
B) 1284
১. কেন সঠিক:
রোমান সংখ্যা পদ্ধতি প্রাচীন রোমে ব্যবহৃত একটি সংখ্যা পদ্ধতি। এখানে প্রতিটি অক্ষরের নির্দিষ্ট দশমিক মান রয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী মানগুলো যোগ বা বিয়োগ করে মোট মান বের করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: রোমান সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ইংরেজি বর্ণমালার নির্দিষ্ট কিছু অক্ষর সংখ্যা প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: বড় মানের অক্ষরের বামে ছোট মানের অক্ষর থাকলে বিয়োগ করতে হয় এবং ডানে থাকলে যোগ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: VI সংখ্যাটির মান ৬
ব্যাখ্যা: এখানে V হলো ৫ এবং I হলো ১, বড় মানের ডানে ছোট মান থাকায় যোগ হয়ে ৫ + ১ = ৬ হয়েছে।
উদাহরণ ২: IV সংখ্যাটির মান ৪
ব্যাখ্যা: এখানে V হলো ৫ এবং এর বামে I বা ১ থাকায় ৫ থেকে ১ বিয়োগ হয়ে ৫ − ১ = ৪ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 784 — এটি ভুল কারণ DCCLXXXIV এর মান ৭ শত চৌুরাশি হয়, কিন্তু এখানে এম অক্ষরটি নেই।
B) 1284 — এটি সঠিক কারণ এম মানে এক হাজার, সিসি মানে দুই শত, এলএক্সএক্স মানে আশি এবং আইভি মানে চার।
C) 1234 — এটি ভুল কারণ শেষ অংশ ত্রুটিপূর্ণভাবে হিসাব করা হয়েছে এবং মান ছোট এসেছে।
D) 2284 — এটি ভুল কারণ এম অক্ষরটি দুইবার থাকলে দুই হাজার হতো, কিন্তু এখানে একটি এম আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
রোমান সংখ্যার মূল মানগুলো মনে রাখুন: আই মানে এক, ভি মানে পাঁচ, এক্স মানে দশ, এল মানে পঞ্চাশ, সি মানে একশত, ডি মানে পাঁচশত এবং এম মানে এক হাজার।
ডান দিকে ছোট সংখ্যা থাকলে যোগ করতে হবে এবং বাম দিকে ছোট সংখ্যা থাকলে বিয়োগ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর ও রোমান সংখ্যার মান নির্ণয় আসে।
রোমান সংখ্যা পদ্ধতিতে শূন্যের জন্য কোনো প্রতীক বা অক্ষর নেই।
সঠিক উত্তর: B) Bing
১. কেন সঠিক:
- Bing কোনো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি মাইক্রোসফটের একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
- সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম হলো এমন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের অ্যাকাউন্ট তৈরি করে বন্ধু বা অন্য ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে, কনটেন্ট শেয়ার করে এবং মতামত প্রকাশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো কিওয়ার্ড বা শব্দ লিখে সার্চ করলে এটি ডাটাবেজ থেকে প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইট বা তথ্যের তালিকা প্রদর্শন করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তথ্য, ছবি, ভিডিও বা ডকুমেন্ট খুঁজে পাওয়ার কাজে এটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Google Search
ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট থেকে যেকোনো তথ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: Yahoo Search
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি ঐতিহ্যবাহী সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীদের ওয়েব ব্রাউজিং ও তথ্য অনুসন্ধানের সেবা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Twitter — এটি একটি মাইক্রোব্লগিং ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট বার্তা বা টুইট শেয়ার করে।
B) Bing — এটি কোনো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি মাইক্রোসফটের একটি সার্চ ইঞ্জিন।
C) Instagram — এটি একটি জনপ্রিয় ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং ভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
D) Facebook — এটি বিশ্বের বৃহত্তম সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক যা মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ মানুষের সাথে যোগাযোগ করে, আর সার্চ ইঞ্জিনে মানুষ তথ্য খুঁজে।
- Bing, Google ও Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন, আর Facebook, Twitter ও Instagram হলো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সার্চ ইঞ্জিন এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন হলো Bing এবং গুগলের সার্চ ইঞ্জিন হলো Google Search।
সঠিক উত্তর:
A) 128
১. কেন সঠিক:
- IP-V6 বা Internet Protocol Version 6 হলো ইন্টারনেটের নতুন প্রোটোকল।
- এটি ১২৮ বিটের ঠিকানাবিশিষ্ট হওয়ায় বিপুল সংখ্যক ডিভাইসকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: IP-V6 হলো একটি নেটওয়ার্ক লেয়ার প্রোটোকল যা ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের জন্য অনন্য ঠিকানা প্রদান করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কাজ করে এবং কোলন দ্বারা বিভক্ত আটটি ব্লকে বিভক্ত থাকে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেটের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এবং IP-V4 ঠিকানার সংকট সমাধানের জন্য এটি আধুনিক নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মার্টফোন ও কম্পিউটার
ব্যাখ্যা: বর্তমান যুগের প্রতিটি ইন্টারনেট সংযুক্ত ডিভাইসে একটি নিজস্ব IP-V6 ঠিকানা থাকে যার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান হয়।
উদাহরণ ২: আইওটি ডিভাইস
ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট অব থিংস বা IoT প্রযুক্তিতে সেন্সর ও স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস সংযুক্ত করার জন্য IP-V6 ঠিকানা অপরিহার্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 128 — এটি সঠিক উত্তর কারণ IP-V6 ঠিকানার সাইজ ১২৮ বিট।
B) 32 — এটি ভুল কারণ ৩২ বিট হলো পুরোনো সংস্করণ IP-V4 ঠিকানার সাইজ।
C) 12 — এটি ভুল কারণ ১২ বিটের কোনো স্ট্যান্ডার্ড IP অ্যাড্রেস প্রচলিত নেই।
D) 6 — এটি ভুল কারণ ৬ বিট দ্বারা পর্যাপ্ত সংখ্যক ইন্টারনেট ঠিকানা তৈরি করা সম্ভব নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- IP-V4 মানে ৩২ বিট এবং IP-V6 মানে ১২৮ বিট।
- ১২৮ সংখ্যাটি ৩২ এর চারগুণ, যা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- IP-V4 ঠিকানার সাইজ ৩২ বিট এবং IP-V6 ঠিকানার সাইজ ১২৮ বিট।
- IP-V6 ঠিকানায় হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর:
C) File Transfer Protocol
১. কেন সঠিক:
- FTP হলো ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল আদান-প্রদান করার একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল।
- এটি ক্লায়েন্ট ও সার্ভার আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং ডেটা স্থানান্তরের জন্য টিসিপি কানেকশন ব্যবহার করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: FTP বা ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল হলো এমন এক সেট নিয়ম যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফাইল আপলোড ও ডাউনলোড করতে সাহায্য করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ফাইল আদান-প্রদানের জন্য দুটি আলাদা পোর্ট ব্যবহার করে, যার একটি কন্ট্রোল কানেকশন এবং অন্যটি ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহার: ওয়েব ডেভেলপাররা তাদের লোকাল কম্পিউটার থেকে রিমোট হোস্টিং সার্ভারে ওয়েব পেজ আপলোড করার জন্য এটি ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাউড সার্ভারে ফাইল আপলোড
ব্যাখ্যা: কোনো বড় সাইটের ডেটা বা ছবি যখন কোনো ডেডিকেটেড সার্ভারে পাঠানো হয়, তখন এই প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ওয়েবসাইট মেইনটেনেন্স
ব্যাখ্যা: ওয়েব ডিজাইনাররা তাদের কোড ফাইলগুলো সার্ভারে স্থাপন বা আপডেট করার জন্য ফাইল ট্রান্সফার সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) File Text Protocol — এই নামে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত প্রোটোকল নেই।
B) File transfer Process — প্রসেস শব্দটি টেকনিক্যাল প্রোটোকলের নামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এটি একটি সাধারণ প্রক্রিয়া বোঝায়।
C) File Transfer Protocol — এটি সঠিক উত্তর কারণ নেটওয়ার্কে ফাইল আদান-প্রদানের জন্য নির্ধারিত প্রোটোকলের অফিসিয়াল নাম এটি।
D) Folder Transfer Protocol — ফোল্ডার সরাসরি ট্রান্সফার না করে ফাইল প্রোটোকলের মাধ্যমে ফাইল ও ডিরেক্টরি স্থানান্তর করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফাইল আদান-প্রদান বা ট্রান্সফার সম্পর্কিত যেকোনো নেটওয়ার্ক সেবায় প্রোটোকল শব্দটি যুক্ত থাকে।
- নামের প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে এফটিপি বা এফ-টি-পি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এটি আইএসপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল সুইটের অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের একটি প্রোটোকল।
- সিকিউর ফাইল স্থানান্তরের জন্য এর সুরক্ষিত সংস্করণ এসএফটিপি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ সালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য নির্ধারিত রয়েছে।
- বিমসটেক দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে যা আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: বিমসটেক বা বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন।
- প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ৬ জুন ১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিমসটেক পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার ভার্চুয়াল আয়োজনে পঞ্চম বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে মূল ফোকাস ছিল মুক্ত বাণিজ্য এলাকার ওপর।
উদাহরণ ২: সার্ক সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা যা বিমসটেকের সমান্তরাল আরেকটি আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং বিমসটেকভুক্ত কোনো দেশ এই রাষ্ট্রে অবস্থিত নয়।
B) ব্যাংকক, থাইল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা সম্মেলন আয়োজনের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
C) জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া — এটি আসিয়ানের সদর দপ্তর অবস্থিত শহর, যা বিমসটেকের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) ঢাকা, বাংলাদেশ — এটি বিমসটেকের সদর দপ্তর হলেও ষষ্ঠ সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিমসটেক সংস্থার জন্ম হয়েছিল ব্যাংককে ১৯৯৭ সালে এবং এর ষষ্ঠ সম্মেলনও থাইল্যান্ডের এই রাজধানীতেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- সদর দপ্তর ঢাকায় হলেও সম্মেলন ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সদস্য দেশগুলোতে অনুষ্ঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিমসটেকের বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি এবং এর পূর্ণরূপ কী, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় আসে।
- আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সার্কের বিকল্প হিসেবে বিমসটেকের গুরুত্ব পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার।
সঠিক উত্তর: C) শ্রীলংকা
১. কেন সঠিক:
- এলিফ্যান্ট পাস শ্রীলংকার উত্তর অংশে অবস্থিত একটি অত্যন্ত কৌশলগত ভূখণ্ড এবং সংকীর্ণ ভূমিডাল।
- এটি জাফনা উপদ্বীপকে মূল শ্রীলংকার সঙ্গে সংযুক্তকারী একমাত্র সড়ক ও ভূরাজনৈতিক পথ হিসেবে পরিচিত।
২. ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব ও সংঘাত:
- দেশ: শ্রীলংকা, যার আনুষ্ঠানিক নাম গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র শ্রীলংকা।
- প্রেক্ষাপট: শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধের সময় তামিল টাইগার বা এলটিটিই এবং শ্রীলংকার সেনাবাহিনীর মধ্যে এই পাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বহু রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।
- উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: জাফনা উপদ্বীপে সামরিক সরবরাহ এবং যাতায়াতের একমাত্র পথ হওয়ায় সামরিক দিক থেকে এর নিয়ন্ত্রণ উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাইবার পাস
ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ভূরাজনৈতিক গিরিপথ, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পাশাপাশি সামরিক চলাচলের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: পানামা খাল
ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী একটি কৌশলগত জলপথ, যা শ্রীলংকার এলিফ্যান্ট পাসের মতো বৈশ্বিক বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এখানে এলিফ্যান্ট পাস নামক কোনো কৌশলগত ভূখণ্ড বা পাস নেই।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের দেশ এবং এটি এই নির্দিষ্ট ভৌগোলিক নামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) শ্রীলংকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কৌশলগত ভূখণ্ডটি শ্রীলংকার জাফনা উপদ্বীপে অবস্থিত।
D) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এটি এই ভৌগোলিক নামের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এলিফ্যান্ট পাস নামটি শুনলে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধ ও জাফনা উপদ্বীপের ভূরাজনীতির কথা মনে রাখবে।
- থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার সঙ্গে এই পাসের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই দক্ষিণ এশিয়া কেন্দ্রিক চিন্তা করলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভূকৌশলগত গিরিপথ বা সংকীর্ণ ভূখণ্ড থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা ভৌগোলিক কৌশলগত স্থান এবং শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ক্যালিফোর্নিয়া
১. কেন সঠিক:
মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্ট ফেসবুকের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক শহরে অবস্থিত।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় এই ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে গড়ে উঠেছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ/সংস্থা: মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড, যা ফেসবুক নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং বর্তমানে ইন্টারনেট ও সামাজিক মাধ্যম খাতের অন্যতম বৃহৎ বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্ক জাকারবার্গ ও তার সহপাঠীদের হাত ধরে এই সেবাটি যাত্রা শুরু করে।
স্থান/সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক, যা সিলিকন ভ্যালি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান এবং বৈশ্বিক অনলাইন বিজ্ঞাপনের বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান কাজ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল সদর দপ্তর
ব্যাখ্যা: গুগলের প্রধান কার্যালয়ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউতে অবস্থিত, যা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ভৌগোলিক কেন্দ্রীভূতকরণের একটি বড় উদাহরণ।
উদাহরণ ২: অ্যাপল পার্ক
ব্যাখ্যা: প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার কুপরিন্টিনোতে অবস্থিত, যা পরীক্ষার্থীদের বড় প্রযুক্তি কোম্পানির ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিয়াটল — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি শহর, যেখানে ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের সদর দপ্তর অবস্থিত, ফেসবুকের নয়।
B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেসবুক বা মেটার প্রধান কার্যালয় এই অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্কে অবস্থিত।
C) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র, তবে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় হিসেবে এটি পরিচিত নয়।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক রাজধানী ও ওয়াল স্ট্রিটের অবস্থানস্থল, যেখানে ফেসবুকের সদর দপ্তর অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক বা প্রযুক্তির বড় নামগুলোর সদর দপ্তর সাধারণত সিলিকন ভ্যালিতে থাকে এবং সিলিকন ভ্যালি ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত।
মার্ক জাকারবার্গের প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের কেন্দ্র মনে রাখতে ক্যালিফোর্নিয়া নামটি সবসময় মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠাতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়।
একই বিষয় থেকে ফেসবুকের বর্তমান প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এবং এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইনস্টাগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপ সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩
১. কেন সঠিক:
জাতিসংঘ বিশ্বের সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে সার্বজনীন প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে। বর্তমানে জাতিসংঘে মোট ১৯৩টি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র পূর্ণ সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations (UN)
প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সাল
সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যা: ২০১১ সালে দক্ষিণ সুদান স্বাধীনতা অর্জনের পর জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৩ — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘের সদস্যপদের সঙ্গে মেলে না এবং এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে কম।
B) ১৯৮ — অতীতে বা বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্যসংখ্যা কখনো এই সংখ্যায় পৌঁছায়নি।
D) ১৯৭ — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘভুক্ত সদস্যরাষ্ট্রের সঠিক হিসাব নয়, এটি একটি ভুল তথ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রায় সব স্বাধীন দেশই জাতিসংঘের সদস্য এবং এই মোট সংখ্যাটি স্মরণ রাখতে ১৯৩ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। এটি একটি মৌলিক আন্তর্জাতিক সাধারণ জ্ঞান যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জাতিসংঘের সর্বশেষ ১৯৩তম সদস্য দেশ কোনটি এবং বাংলাদেশ কত সালে এর সদস্যপদ লাভ করে, তা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। এই বিষয়ে সদস্যপদ লাভের সাল ও ক্রমিক নম্বর ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ভার্সাই চুক্তি
১. কেন সঠিক:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছিল ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন। এই চুক্তির ফলে পরাজিত জার্মানির ওপর বিপুল পরিমাণ যুদ্ধাপরাধের বোঝা ও অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ চাপানো হয়, যা পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীজ বপন করেছিল।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: ভার্সাই চুক্তি এবং প্যারিস শান্তি সম্মেলন।
তারিখ ও স্থান: ২৮ জুন ১৯১৯, ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অব মিররস।
সংশ্লিষ্ট পক্ষ: মিত্রশক্তি (যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি) এবং পরাজিত জার্মানি।
প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: জার্মানির সামরিক শক্তি সীমিত করা, তার উপনিবেশগুলো কেড়ে নেওয়া এবং ইউরোপের ভূরাজনৈতিক সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা।
আন্তর্জাতিক প্রভাব বা গুরুত্ব: এই চুক্তির অপমানজনক শর্ত জার্মানির মধ্যে চরম জাতীয়তাবাদের জন্ম দেয় এবং লিগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লিগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জ।
ব্যাখ্যা: ভার্সাই চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ও ফলাফল ছিল বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য এই আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠন করা।
উদাহরণ ২: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: ভার্সাই চুক্তির কঠোর ও প্রতিশোধমূলক শর্তাবলি কীভাবে পরবর্তী বিশ্বযুদ্ধের কারণ হয়েছিল, তা পরীক্ষার্থীদের ঐতিহাসিক কার্যকারণ সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেভার্স চুক্তি — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তি এবং উসমানীয় সাম্রাজ্যের মধ্যে ১৯২০ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যা উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতন ডেকে আনে।
B) লুজেন চুক্তি — এটি ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং সেভার্স চুক্তি বাতিল করে আধুনিক তুরস্কের সীমানা ও সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
D) প্যারিস চুক্তি — এটি কোনো নির্দিষ্ট একটি চুক্তি নয়; ১৮৫৬ সালের ক্রিমীয় যুদ্ধসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক সময়ে প্যারিসে একাধিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছিল ভার্সাই প্রাসাদে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
যুদ্ধ শেষ মানে সমাপ্তি, আর বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি মানেই ভার্সাই চুক্তি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯১৯ সালে এবং এর মাধ্যমে জার্মানির ওপর অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ চাপানো হয়।
এই টপিক থেকে চুক্তি স্বাক্ষরের সাল, স্থান এবং পরাজিত শক্তির ওপর এর প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) কংগ্রেস
১. কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার সামগ্রিক নাম হলো কংগ্রেস।
- এই আইনসভা মূলত দেশের নীতিনির্ধারণ, আইন প্রণয়ন এবং রাষ্ট্রীয় বাজেট অনুমোদন করার প্রধান সাংবিধানিক ক্ষমতা রাখে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা)
- আইনসভা: মার্কিন কংগ্রেস গঠিত হয় উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ নিয়ে।
- সদর দপ্তর: ক্যাপিটল ভবন, ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- গুরুত্ব: বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী গণতান্ত্রিক আইনসভা হিসেবে মার্কিন কংগ্রেস বৈশ্বিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট
ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্য বা ব্রিটেনের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট, যা বিশ্বের প্রাচীনতম সংসদীয় ব্যবস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: ভারতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা: ভারতের আইনসভাকে সংসদ বলা হয়, যা লোকসভা এবং রাজ্যসভা এই দুই কক্ষ নিয়ে গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পার্লামেন্ট — এটি যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া সহ অনেক দেশের আইনসভার সাধারণ নাম হলেও যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম নয়।
B) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার সঠিক ও সাংবিধানিক নাম, যা দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
C) সিনেট — এটি মার্কিন কংগ্রেসের শুধুমাত্র উচ্চকক্ষের নাম, পুরো আইনসভার নাম নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির দল বা আইনসভা সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন আসলে মনে রাখবে তাদের আইনসভার নাম কংগ্রেস।
- সিনেট শুধু একটি অংশ, তাই পুরো আইনসভাকে বোঝাতে কংগ্রেস শব্দটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মার্কিন কংগ্রেসের দুটি কক্ষের নাম হলো সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টের নাম হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: B) আজারবাইজান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা কপ টুয়েন্টি নাইন আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- বিশ্বজুড়ে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় ধনী দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থায়ন নিশ্চিত করাই ছিল এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সম্মেলন: ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা কপ টুয়েন্টি নাইন
- স্থান: বাকু, আজারবাইজান
- প্রেক্ষাপট: এটি জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু সম্মেলনের ধারাবাহিক আয়োজন, যা বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে দেশগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনে।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন বা নতুন আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা ছিল এই সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপ আটাশ
ব্যাখ্যা: আগের জলবায়ু সম্মেলনটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার ঐতিহাসিক ঐকমত্য হয়েছিল।
উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি, যার লক্ষ্য বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিনল্যান্ড — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং জলবায়ু সূচকে এগিয়ে থাকলেও এই সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) আজারবাইজান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের বাকু শহরেই ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
C) উরুগুয়ে — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ এবং এর সঙ্গে এই সম্মেলনের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই।
D) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং অতীতে ২৮তম বা ২৯তম নয়, বরং আঠারোতম জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আজারবাইজানের বাকু শহরকে তেলের শহর বলা হয়, আর তেল উৎপাদনকারী দেশেই এবার জলবায়ু সম্মেলন হওয়ায় এটি মনে রাখা সহজ।
- কপ টুয়েন্টি নাইন আয়োজক দেশ আজারবাইজান শুরু অক্ষর 'আ' দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই সম্মেলন থেকে উন্নয়নশীল দেশের জন্য নতুন জলবায়ু অর্থায়ন বা নতুন আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।
- একই বিষয় থেকে পরীক্ষক প্রশ্ন করতে পারেন যে ৩০তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে।
সঠিক উত্তর: A) সৌদি আরব
১. কেন সঠিক:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার অংশ হিসেবে সৌদি আরবকে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়ার এই প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর বাণিজ্য, পর্যটন এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য ও ভূরাজনীতি:
সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ হলো ইউরোপের সাতাশটি দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস শহরে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে ইউরোপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের অংশ এটি।
গুরুত্ব: এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দুই অঞ্চলের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং যাতায়াত অত্যন্ত সহজ হবে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা: ইইউ ইতিপূর্বে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের জন্য শেনজেন ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করেছিল।
উদাহরণ ২: কুয়েত ও কাতার
ব্যাখ্যা: কুয়েত এবং কাতারের নাগরিকদের জন্যও একই ধরনের ভিসামুক্ত সুবিধা চালুর বিষয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিবেচনাধীন রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই তালিকায় সম্প্রতি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
B) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এই দেশটি ইতোমধ্যে ইউরোপের শেনজেন এলাকায় ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার ভোগ করছে।
C) মিশর — মিশর মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও এটি উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার সদস্য নয় এবং এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) কুয়েত — কুয়েতের নামও এই নির্দিষ্ট ভিসামুক্ত প্রাধিকার প্রস্তাবের প্রাথমিক তালিকায় সৌদি আরবের মতো এভাবে আসেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভিসামুক্ত সুবিধার ক্ষেত্রে উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রথম এই সুবিধা পেলেও সাম্প্রতিক আলোচনায় সৌদি আরবের নাম বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত আঞ্চলিক জোটের নীতি এবং ভিসামুক্ত সুবিধা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক চুক্তি থেকে প্রশ্ন আসে।
সৌদি আরবের বর্তমান অর্থনৈতিক রূপান্তর এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে এই ধরনের ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) ২০৩৩
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য মেধাস্বত্ব আইনের শর্ত শিথিল করেছে।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ট্রিপস চুক্তির নিয়ম অনুসারে স্বল্পোন্নত দেশগুলো যেন জীবন রক্ষাকারী ওষুধের সস্তা জেনেরিক সংস্করণ তৈরি করতে পারে, সেজন্য এই ছাড় দেওয়া হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও হলো একমাত্র আন্তর্জাতিক সংস্থা যা দেশগুলোর মধ্যকার বাণিজ্যের নিয়ম নিয়ে কাজ করে।
সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত এবং এটি বিশ্ব বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রেক্ষাপট: দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য এই বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উদ্দেশ্য: স্বল্পোন্নত দেশগুলো যাতে পেটেন্ট আইনের কঠোর শর্তের কারণে ওষুধ সংকট বা উচ্চ মূল্যের মুখোমুখি না হয়, তা নিশ্চিত করা এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ এবং জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার এই ছাড়ের সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে দেশের ভেতর সাশ্রয়ী মূল্যে জীবন রক্ষাকারী জেনেরিক ওষুধ তৈরি করতে পেরেছে।
উদাহরণ ২: ট্রিপস চুক্তি বা বাণিজ্য সম্পর্কিত মেধাস্বত্ব অধিকার চুক্তি
ব্যাখ্যা: এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতায় পরিচালিত হয় এবং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মেধাস্বত্ব সুরক্ষার নিয়ম নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০৩০ — এটি ডব্লিউটিওর ওষুধ সংক্রান্ত মেধাস্বত্বের সাধারণ ছাড়ের মেয়াদ নয় এবং এই সালের সঙ্গে এই বিশেষ চুক্তির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) ২০৩৫ — এটি ভুল উত্তর কারণ ডব্লিউটিও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য ওষুধের কপিরাইট বা মেধাস্বত্বের এই বিশেষ ছাড়টি এই সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করেনি।
C) ২০৪০ — এই সালটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য নির্ধারিত মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট ছাড়ের মেয়াদ শেষের সঠিক সময় নয়।
D) ২০৩৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য ওষুধের মেধাস্বত্ব বা ট্রিপস চুক্তির ছাড়ের মেয়াদ এই সাল পর্যন্ত বর্ধিত করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওষুধের ছাড় মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল হলো স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য ডব্লিউটিওর এই বিশেষ সুবিধাটি দুই হাজার তেত্রিশ সাল পর্যন্ত বলবৎ আছে।
সালটি মনে রাখতে দুই হাজার এর সঙ্গে তেত্রিশ যোগ করে এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতির সময়সীমাটি সহজে স্মরণে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্য সুবিধা সংক্রান্ত নিয়ম সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
একই বিষয় থেকে অন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডব্লিউটিওর সদর দপ্তর, ট্রিপস চুক্তির পূর্ণরূপ বা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্যিক সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) কানাডা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে ফ্রান্স উল্লেখ থাকলেও তা সঠিক নয়। সঠিক তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালে ৫২তম জি সেভেন শীর্ষ সম্মেলন কানাডায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
- জি সেভেন বিশ্বের প্রধান উন্নত অর্থনীতির সাতটি দেশের একটি অনানুষ্ঠানিক জোট, যা আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নীতি ও বৈশ্বিক সংকট নিয়ে আলোচনা করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জি সেভেন বা সেভেন কান্ট্রিস। এটি বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোর একটি ফোরাম।
- সদস্যদেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপান। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নও এর বৈঠকে অংশ নেয়।
- প্রেক্ষাপট: ১৯৭৫ সালে শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর সমন্বয়ে এই জোট গঠিত হয়। প্রতি বছর সদস্য দেশগুলোর ঘূর্ণয়মান সভাপতিত্বে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বৈশ্বিক অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যৌথ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা এর প্রধান কাজ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০২৪ সালের ৫০তম জি সেভেন শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি ইতালির আপুসিয়া অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর সাথে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
উদাহরণ ২: ২০২৩ সালের ৪৯তম জি সেভেন শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি জাপানের হিরোশিমাতে অনুষ্ঠিত হয় এবং ইউক্রেন যুদ্ধ ও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এই সম্মেলনের মূল ফোকাস ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এই অপশনটি ভুল কারণ ফ্রান্স ২০২৬ সালের সম্মেলনের আয়োজক দেশ নয়, তবে এটি জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
B) কানাডা — এটি সঠিক উত্তর। ঘূর্ণয়মান সভাপতিত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ৫২তম জি সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ কানাডা।
C) যুক্তরাজ্য — এই অপশনটি ভুল কারণ যুক্তরাজ্য এই নির্দিষ্ট বছরের আয়োজক দেশ নয়, তবে তারা এর আগে একাধিকবার এই সম্মেলন আয়োজন করেছে।
D) অস্ট্রেলিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ অস্ট্রেলিয়া জি সেভেন জোটের স্থায়ী সদস্য দেশ নয়, যদিও তাদের প্রায়ই অতিথি দেশ হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জি সেভেনের সদস্য দেশগুলোকে মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ধনী দেশগুলোর জোট হিসেবে কানাডা ও ইউরোপের প্রধান দেশগুলোকে মাথায় রাখা।
- আয়োজক দেশের ধারাবাহিকতা মনে রাখতে বিগত ও আগামী বছরের স্বাগতিক দেশের তালিকা একনজর দেখে নেওয়া ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক জি সেভেন বা জি কুড়ি সম্মেলনের স্থান ও সাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- আন্তর্জাতিক ফোরামের বর্তমান ও পরবর্তী বছরের আয়োজক দেশ সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) নাতাঞ্জ
১. কেন সঠিক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সাইবার ও সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে ইরানের প্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নাতাঞ্জে আঘাত হানা হয়।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নস্যাৎ করার ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে এই ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটি বারবার আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও হামলার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ বা স্থাপনা: নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনা ইরানের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র।
অবস্থান ও প্রেক্ষাপট: এটি ইরানের ইসফাহান প্রদেশে অবস্থিত এবং ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত স্থানে পারমাণবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিচিত।
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি রোধ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখা এই হামলার প্রধান ভূরাজনৈতিক উদ্দেশ্য।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টাকনেট সাইবার হামলা
ব্যাখ্যা: অতীতে নাতাঞ্জ স্থাপনায় স্টাকনেট নামক উন্নত কম্পিউটার ভাইরাসের মাধ্যমে সাইবার আক্রমণ চালানো হয়েছিল, যা পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজ ধ্বংস করেছিল।
উদাহরণ ২: জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন
ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালের এই পারমাণবিক চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের নাতাঞ্জের মতো স্থাপনাগুলোতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমিত করা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাতাঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইরানের মূল পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি এখানেই অবস্থিত এবং সাম্প্রতিক হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি মার্কিন বা ইসরায়েলি নিশানায় ছিল।
B) কুফা — এটি ইরাকের একটি ঐতিহাসিক ও পবিত্র শহর, যা শিয়া মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পারমাণবিক স্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) গোলান — এটি সিরিয়ার একটি কৌশলগত পাহাড়ি অঞ্চল, যা ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েলের দখলে রয়েছে এবং পারমাণবিক কেন্দ্র নয়।
D) বলখ — এটি আফগানিস্তানের একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক শহর ও প্রদেশ, যার সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কোনো সংযোগ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কথা উঠলেই নাতাঞ্জ নামটি সবার আগে আসে কারণ এটি তাদের মূল সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে পারমাণবিক স্থাপনা বলতে সাধারণত ইরানের নাতাঞ্জ কিংবা বুশেহর কেন্দ্রকেই বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সংশ্লিষ্ট শহরের নাম প্রায়ই আসে।
নাতাঞ্জ কোন দেশের পারমাণবিক স্থাপনা বা ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত, এভাবে প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ১১
১. কেন সঠিক:
ASEAN এর বর্তমান সদস্য দেশ ১১টি। ২০২৩ সালের ১১ই মে ইন্দোনেশিয়ার লাবুয়ান বাজোতে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে পূর্ব তিমুর বা টিমোর লিসেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে একাদশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: ASEAN (Association of Southeast Asian Nations) বা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা: ৮ই আগস্ট ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
সদর দপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
উদ্দেশ্য: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অগ্রগতি এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থায়িত্ব বজায় রাখা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা EU
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, যার বর্তমান সদস্য ২৭টি এবং এটি আঞ্চলিক সংহতির অনন্য উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সার্ক বা SAARC
ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যা এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — এটি পূর্ব তিমুর যুক্ত হওয়ার আগের সদস্যসংখ্যা ছিল, যা বর্তমানে পরিবর্তিত হয়েছে।
B) ১১ — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ পূর্ব তিমুর যুক্ত হওয়ার পর মোট সদস্য এখন ১১টি।
C) ৯ — এটি কখনোই আসিয়ান সদস্যসংখ্যা ছিল না, কারণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে সদস্য সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
D) ১২ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১২টিতে উন্নীত হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
আসিয়ান প্রতিষ্ঠার সময় প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল ৫টি এবং পরবর্তীতে আরও ৬টি দেশ যুক্ত হয়ে মোট সদস্যসংখ্যা ১১টিতে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ সদস্য হিসেবে পূর্ব তিমুরের যোগদানের সালটি মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আসিয়ানের সদর দপ্তর জাকার্তায় অবস্থিত এবং এর বর্তমান মহাসচিব কাউ কিম হর্ন। এই সংস্থা থেকে প্রায়ই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সদর দপ্তর এবং নবম বা একাদশ সদস্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ভারত
১. কেন সঠিক:
- বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে ভারত বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
- অতীতে দীর্ঘকাল ধরে চীন জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষে থাকলেও সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারত চীনকে অতিক্রম করেছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ: ভারত ও চীন যথাক্রমে বিশ্বের প্রথম ও দ্বিতীয় জনবহুল দেশ।
- প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ভারত জনসংখ্যার দিক থেকে চীনকে ছাড়িয়ে যায়।
- গুরুত্ব: বিশ্বের শ্রমবাজার, অর্থনীতি এবং ভূরাজনীতিতে এই জনমিতিক পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বা UNFPA
ব্যাখ্যা: এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি নিয়মিত বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।
উদাহরণ ২: জনমিতিক লভ্যাংশ বা Demographic Dividend
ব্যাখ্যা: ভারতের তরুণ জনগোষ্ঠীর আধিক্য দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — অতীতে এটি বিশ্বের বৃহত্তম জনসংখ্যাবহুল দেশ ছিল কিন্তু বর্তমানে ভারত প্রথম স্থানে রয়েছে।
B) ভারত — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ।
C) রাশিয়া — এটি আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষস্থানে নেই।
D) মঙ্গোলিয়া — এটি বিশ্বের অন্যতম কম জনঘনত্বের একটি দেশ এবং এর জনসংখ্যা খুবই কম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জনমিতির পরিবর্তন মনে রাখতে মনে রাখবে ২০২৩ সালের পর থেকে ভারত সব সূচকে জনসংখ্যার শীর্ষে অবস্থান করছে।
- আয়তন বনাম জনসংখ্যা এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলবে না কারণ আয়তনে রাশিয়া বড় আর জনসংখ্যায় ভারত বড়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনসংখ্যার শীর্ষ দেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন এবং জনমিতিক পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: C) আনোরা
১. কেন সঠিক:
- ৯৭ তম অস্কার বা একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছে আনোরা চলচ্চিত্রটি।
- এটি একটি আমেরিকান কমেডি ড্রামা চলচ্চিত্র, যা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- প্রেক্ষাপট: অস্কার বা একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা শিল্পে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে সেরা চলচ্চিত্র, পরিচালক এবং শিল্পীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং চলচ্চিত্রশিল্পের মানোন্নয়ন করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্যারাসাইট
ব্যাখ্যা: এটি প্রথম অস্কার বিজয়ী অ-ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র, যা বিশ্ব চলচ্চিত্রে এশিয়ার আধিপত্য প্রমাণ করেছিল।
উদাহরণ ২: ওপেনহাইমার
ব্যাখ্যা: আগের বছর অস্কারে আধিপত্য বিস্তারকারী এই চলচ্চিত্রটি ঐতিহাসিক ও বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত একটি মাস্টারপিস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নো আদার ল্যান্ড — এটি একটি প্রশংসিত প্রামাণ্যচিত্র হলেও মূল ধারার সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়নি।
B) দ্যা ব্রুটালিস্ট — এটি ৯৭ তম অস্কারের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র হলেও সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করতে পারেনি।
C) আনোরা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা চলচ্চিত্রের সম্মান লাভ করেছে।
D) শিশু-২ — এটি কোনো স্বীকৃত অস্কার মনোনীত বা বিজয়ী আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র মনে রাখার জন্য মূল চরিত্রের নাম বা পরিচালককে যুক্ত করতে পারো।
- সাম্প্রতিক বিশ্ব চলচ্চিত্রের ট্রেন্ড বুঝতে অস্কারের মতো বড় উৎসবগুলোর দিকে নজর রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র এবং পরিচালকের নাম প্রায়ই আসে।
- চলচ্চিত্রটির মূল থিম বা দেশ সম্পর্কিত প্রশ্নও বিসিএস পরীক্ষায় থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) Reimei
১. কেন সঠিক:
- সম্প্রতি জাপানে চালু হওয়া বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম Reimei এবং এটি ঐতিহ্যগত সুপার কম্পিউটিং ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত।
- এই কম্পিউটারটি অত্যন্ত জটিল বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান খুব দ্রুত করতে সক্ষম, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক তথ্য।
২. সাম্প্রতিক প্রযুক্তি ও দেশ:
- দেশ: জাপান, যা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক শক্তি।
- প্রেক্ষাপট: কোয়ান্টাম কম্পিউটিং গবেষণায় এগিয়ে থাকার জন্য জাপান সরকার ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথভাবে এই সুপার কম্পিউটার চালু করেছে।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: চিকিৎসা বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইবার সুরক্ষার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তনের লক্ষ্যে এই হাইব্রিড প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফুগাকু (Fugaku)
ব্যাখ্যা: এটি জাপানের আরেকটি বিখ্যাত সুপার কম্পিউটার, যা একসময় বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল।
উদাহরণ ২: আইবিএম ঈগল (IBM Eagle)
ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোয়ান্টাম প্রসেসর, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বিকাশের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reimei — এটি জাপানে চালু হওয়া বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) EI Captain — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার, যা কোয়ান্টাম হাইব্রিড প্রযুক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) Tong Tong — এটি কোনো নির্দিষ্ট হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম নয়, বরং এটি প্রযুক্তিগত বা কাল্পনিক কোনো শব্দ হতে পারে।
D) আল-মুনথার (Al-Munther) — এটি এই প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জাপানের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারটির নাম মনে রাখার জন্য Reimei শব্দটি মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ সূর্যোদয়।
- জাপানের প্রযুক্তি মানেই নতুন সূর্যোদয় বা নবসূচনা, এই ধারণার সঙ্গে নামটিকে মিলিয়ে নিতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাম্প্রতিক প্রযুক্তির অগ্রগতি থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড সিস্টেম সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে জাপানের এই উদ্যোগটি বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: A) Global South
১. কেন সঠিক:
- বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল, স্বল্পোন্নত এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে একত্রে বোঝাতে গ্লোবাল সাউথ বা দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়।
- এশিয়া, আফ্রিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকার যেসব দেশ ঔপনিবেশিক শোষণ ও বৈষম্যের শিকার হয়েছে এবং অর্থনৈতিকভাবে উন্নত পশ্চিমা দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় তারা এই জোটে সোচ্চার।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- প্রেক্ষাপট: ঐতিহ্যগতভাবে উন্নত ও শিল্পসমৃদ্ধ উত্তর গোলার্ধের দেশগুলো ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী, অথচ এর বিরূপ প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্লোবাল সাউথের উন্নয়নশীল দেশগুলো।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ধনী দেশগুলোর কাছে ক্ষতিপূরণ আদায়, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং ন্যায্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার জন্য এই দেশগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাবি জানিয়ে আসছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিটো প্রটোকল ও প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা: এসব আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে গ্লোবাল সাউথ বা উন্নয়নশীল দেশগুলো বরাবরই দাবি জানিয়ে আসছে যেন ঐতিহাসিক দূষণকারী দেশগুলো তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে না যায় এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
উদাহরণ ২: কপ সম্মেলন বা জলবায়ু শীর্ষ বৈঠক
ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলো লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড বা ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনের দাবি আদায় করেছে, যা এই জোটের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সফলতার একটি বড় উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Global South — এটি জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক ন্যায্যতার দাবিতে সোচ্চার উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর একটি ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিচয়।
B) IOMED — এটি জলবায়ু জোট নয়, বরং এটি সমুদ্রবিজ্ঞান বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কোনো সুনির্দিষ্ট পরিচিত জলবায়ু জোট নয়।
C) AUKUS — এটি অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তি, কোনো জলবায়ু জোট নয়।
D) QUAD — এটি যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে গঠিত একটি কৌশলগত ও ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তা সংলাপ মঞ্চ, জলবায়ু সংক্রান্ত জোট নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উন্নত শিল্পপ্রধান দেশগুলোকে বলা হয় গ্লোবাল নর্থ এবং উন্নয়নশীল বা জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দরিদ্র দেশগুলোকে বলা হয় গ্লোবাল সাউথ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের আলোচনায় যখনই উন্নয়নশীল বা ক্ষতিগ্রস্ত দেশের অধিকারের কথা আসবে, তখনই উত্তর হবে গ্লোবাল সাউথ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্লোবাল সাউথ মূলত কোনো আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক সংস্থা বা সচিবালয় নয়, এটি সমমনা উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধারণা।
- একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে জলবায়ু ক্ষতিপূরণ, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড এবং ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) তাইওয়ান
১. কেন সঠিক:
- ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট অনুযায়ী তাইওয়ান এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করেছে।
- নাগরিকদের মাথাপিছু আয়, সামাজিক সহায়তা, প্রত্যাশিত সুস্থ জীবনকাল, স্বাধীনতা, উদারতা এবং দুর্নীতির ধারণার মতো সূচকগুলোর ওপর ভিত্তি করে এই র্যাংকিং তৈরি করা হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক বা এসডিএসএন এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রকাশকাল: ২০১২ সাল থেকে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক সুখ দিবসে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়ে আসছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে মানুষের সুখ ও মঙ্গলের মাত্রা পরিমাপ করে নীতি নির্ধারণে সরকারকে সহায়তা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা: এই প্রতিবেদনে ফিনল্যান্ড টানা বহু বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান দখল করে আসছে।
উদাহরণ ২: ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা: ফিনল্যান্ডের পাশাপাশি ডেনমার্কও এই তালিকার সবসময় শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে থাকে, যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর উন্নত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিঙ্গাপুর — সিঙ্গাপুর অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত উন্নত হলেও ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট- ২০২৫ এ তাইওয়ানের পেছনে রয়েছে।
B) তাইওয়ান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) জাপান — জাপান উন্নত দেশ হওয়া সত্ত্বেও সামাজিক মেলামেশার অভাব এবং কর্মঘণ্টার চাপের কারণে এই সূচকে তাইওয়ানের চেয়ে নিচে অবস্থান করে।
D) ভূটান — ভূটান জিডিপির পরিবর্তে গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস ধারণার প্রবক্তা হলেও বর্তমান র্যাংকিংয়ে তাইওয়ান এশিয়ায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এশিয়ার সুখের রাজধানী হিসেবে তাইওয়ানকে মনে রাখতে পারো।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশগুলো বিশ্বে এগিয়ে থাকলেও এশিয়ায় তাইওয়ান সেরা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট কোন সংস্থা প্রকাশ করে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্ন থেকে জিডিপি বনাম জিএনএইচ বা জীবনযাত্রার মান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) রুয়ান্ডা
১. কেন সঠিক:
প্রথম গ্লোবাল এআই সামিট অন আফ্রিকা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রথম আফ্রিকান শীর্ষ সম্মেলন পূর্ব আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায় অনুষ্ঠিত হয়।
আফ্রিকা মহাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ, নৈতিক ব্যবহার এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টির জন্য এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়েছিল।
২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন:
স্থান: কিগালি, রুয়ান্ডা
প্রেক্ষাপট: আফ্রিকা মহাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার ও ডিজিটাল বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে এই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
গুরুত্ব: প্রযুক্তির যুগে আফ্রিকান দেশগুলোকে পিছিয়ে না রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুফল সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্লোবাল এআই সেফটি সামিট
ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি ও নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাজ্যে এই আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা
ব্যাখ্যা: প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করে বৈশ্বিক উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক দেশ হলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক এই প্রথম আফ্রিকান শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ নয়।
B) কেনিয়া — পূর্ব আফ্রিকার প্রযুক্তিগত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হলেও এই নির্দিষ্ট সম্মেলনের আয়োজক দেশ কেনিয়া নয়।
D) দক্ষিণ আফ্রিকা — অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেও এই ঐতিহাসিক সম্মেলনের আয়োজন এই রাষ্ট্রে হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার প্রথম এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন কোথায় হলো তা মনে রাখতে রুয়ান্ডার কিগালি শহরের প্রযুক্তিবান্ধব ভাবমূর্তির কথা স্মরণ করতে পারো।
পূর্ব আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডা বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তিতে ব্যাপক উন্নতি করছে, তাই প্রথম এআই সম্মেলন সেখানেই হয়েছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সংক্রান্ত প্রথম বৈশ্বিক বা আঞ্চলিক সম্মেলনগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অথবা সাম্প্রতিক প্রযুক্তিগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) সাতোশি নাকামাতো
১. কেন সঠিক:
সাতোশি নাকামাতো হলো বিটকয়েনের কল্পিত বা ছদ্মনামধারী আবিষ্কারক। ২০০৮ সালের শেষভাগে তিনি ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েনের ধারণা এবং এর সোর্স কোড প্রকাশ করেন।
২. প্রেক্ষাপট ও প্রযুক্তি:
প্রেক্ষাপট: ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় ফিয়াট মুদ্রার ওপর মানুষের আস্থা কমে যায়।
উদ্দেশ্য: কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া ডিজিটাল লেনদেন নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্লকচেইন প্রযুক্তি।
ব্যাখ্যা: বিটকয়েন চালুর জন্য এই প্রযুক্তি তৈরি হয়, যা বর্তমান বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ ডিজিটাল ডাটা সংরক্ষণ ব্যবস্থা।
উদাহরণ ২: ইথেরিয়াম।
ব্যাখ্যা: এটি বিটকয়েনের পরে আসা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি, যা স্মার্ট চুক্তির জন্য পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাতোশি নাকামাতো — এটি বিটকয়েনের প্রতিষ্ঠাতা বা আবিষ্কারকের ছদ্মনাম।
B) ইয়োশি কিরিমাতো — এটি একটি কাল্পনিক নাম এবং বিটকয়েনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ইয়োশাই কিরিমাতো — এটিও একটি বিভ্রান্তিকর ও কাল্পনিক নাম মাত্র।
D) মার্ক জুকারবার্গ — তিনি বিশ্বের অন্যতম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা, বিটকয়েনের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাতোশি নাকামাতোর নামটি জাপানি হলেও, তার আসল পরিচয় আজো অজানা। ক্রিপ্টো মানে গোপন, তাই এর আবিষ্কারকের নামও গোপন বা ছদ্মনাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিটকয়েন হলো বিশ্বের প্রথম সফল ও decentralized ডিজিটাল মুদ্রা। বিটকয়েনের লেনদেনে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ফ্রিডম ফ্লোটিলা
১. কেন সঠিক:
- ফ্রিডম ফ্লোটিলা হলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী ও জাহাজের একটি বহর।
- এই বহরের মূল লক্ষ্য ছিল গাজার ওপর ইসরায়েলি নৌ-অবরোধ ভেঙে ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংঘাত বা ভূরাজনীতি: এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত এবং ফিলিস্তিন সংকটের সঙ্গে জড়িত একটি আলোচিত আন্তর্জাতিক মানবিক উদ্যোগ।
- প্রেক্ষাপট: ২০১০ সালে প্রথম ফ্রিডম ফ্লোটিলা বহরের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: গাজার অবরুদ্ধ মানুষের দুর্দশা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরা এবং সমুদ্রপথে ত্রাণ সরবরাহের পথ সুগম করা।
- ফলাফল/প্রভাব: এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফিলিস্তিন ইস্যু বিশ্ববাসীর কাছে নতুন করে আলোচনায় আসে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি জোরালো হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মারমা মাবরুসা জাহাজ
ব্যাখ্যা: ২০১০ সালের ফ্রিডম ফ্লোটিলা বহরের সবচেয়ে আলোচিত ত্রাণবাহী জাহাজ ছিল এটি, যার ওপর ইসরায়েলি কমান্ডোরা আক্রমণ চালিয়েছিল।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি
ব্যাখ্যা: যুদ্ধ ও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নিরপেক্ষভাবে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই সংস্থার ভূমিকা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুড ফর গাজা — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা প্রচলিত ত্রাণবাহী জাহাজ বহরের নাম নয়, বরং একটি সাধারণ অনুমানভিত্তিক নাম।
B) চলো গাজায় চলো — এটি বাংলায় ব্যবহৃত কোনো রাজনৈতিক বা প্রতিবাদী স্লোগান হতে পারে, যা আন্তর্জাতিক কোনো জাহাজের নাম নয়।
C) ফ্রিডম ফ্লোটিলা — এটি সঠিক উত্তর এবং গাজাগামী আন্তর্জাতিক ত্রাণ জাহাজের বহরকে এই নামেই অভিহিত করা হয়।
D) ফ্রিডম মিডলইস্ট — এটি মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক উদ্যোগ বা ত্রাণ বহরের নাম হিসেবে নিবন্ধিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গাজার অবরুদ্ধ মানুষের জন্য সমুদ্রপথে পাঠানো জাহাজ বহরটি ফ্রিডম ফ্লোটিলা নামে পরিচিত।
- ফেসহিউম্যানিটি বা মুক্তির জন্য সমুদ্রযাত্রা মনে রাখলে ফ্লোটিলা শব্দটি সহজে মনে থাকবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক সংঘাত ও মানবিক সহায়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- গাজা সংকট ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সম্পর্কিত বিষয়গুলো থেকে ভবিষ্যতে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)